উইকিউক্তি
bnwikiquote
https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE
MediaWiki 1.46.0-wmf.22
first-letter
মিডিয়া
বিশেষ
আলাপ
ব্যবহারকারী
ব্যবহারকারী আলাপ
উইকিউক্তি
উইকিউক্তি আলোচনা
চিত্র
চিত্র আলোচনা
মিডিয়াউইকি
মিডিয়াউইকি আলোচনা
টেমপ্লেট
টেমপ্লেট আলোচনা
সাহায্য
সাহায্য আলোচনা
বিষয়শ্রেণী
বিষয়শ্রেণী আলোচনা
TimedText
TimedText talk
মডিউল
মডিউল আলাপ
Event
Event talk
জীবনানন্দ দাশ
0
324
73864
70786
2026-04-05T15:22:02Z
~2026-20963-17
4480
/* উক্তি */
73864
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:Jibanananda Das (1899–1954).jpg|thumb|আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে<br>জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়;<br>-জীবনানন্দ দাশ]]
'''[[:w:জীবনানন্দ দাশ|জীবনানন্দ দাশ]]''' (১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৯, বরিশাল - ২২ অক্টোবর, ১৯৫৪, বঙ্গাব্দ: ৬ ফাল্গুন, ১৩০৫ - ৫ কার্তিক, ১৩৬১) বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাংলা কবি। তাঁকে বাংলাভাষার "শুদ্ধতম কবি" বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। তিনি বাংলা কাব্যে আধুনিকতার পথিকৃতদের মধ্যে অগ্রগণ্য। মৃত্যুর পর থেকে শুরু করে বিংশ শতাব্দীর শেষ ধাপে তিনি জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেন এবং ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দে যখন তাঁর জন্মশতবার্ষিকী পালিত হচ্ছিল ততদিনে তিনি বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয়তম কবিতে পরিণত হয়েছেন। তিনি প্রধানত কবি হলেও বেশ কিছু প্রবন্ধ-নিবন্ধ রচনা ও প্রকাশ করেছেন। তবে ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে অকাল মৃত্যুর আগে তিনি নিভৃতে ১৪টি উপন্যাস এবং ১০৮টি ছোটগল্প রচনা গ্রন্থ করেছেন যার একটিও তিনি জীবদ্দশায় প্রকাশ করেননি। তাঁর [[জীবন]] কেটেছে চরম দারিদ্রের মধ্যে। বিংশ শতাব্দীর শেষার্ধকাল অনপনেয়ভাবে বাংলা কবিতায় তাঁর প্রভাব মুদ্রিত হয়েছে। রবীন্দ্র-পরবর্তীকালে বাংলা ভাষার প্রধান কবি হিসাবে তিনি সর্বসাধারণ্যে স্বীকৃত।
== জীবনানন্দ দাশ সম্পর্কে উক্তি ==
* আধুনিকতাবাদের আরোহী পর্বে জীবনানন্দ লক্ষ করেছিলেন চিহ্নায়কের শৌর্য ও আমোদ; আর, অবরোহী পর্বের সূচনায় তাঁর কবিতায় ব্যক্ত হয়েছিল কার্নিভালের হাসি ও তিক্ত শ্লেষ।
** [[তপোধীর ভট্টাচার্য]], কালবেলা: মোহিনী আড়াল: ভ্রমকথা, ''সময় অসময় নিঃসময়'', ২০১০, একুশ শতক, কলকাতা।
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিসংকলন লেখক}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Jibanananda Das}}
{{পূর্বনির্ধারিতবাছাই:দাশ, জীবনানন্দ}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৯৯-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৪-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের ঔপন্যাসিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি কবি]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের কবি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের কবি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় ঔপন্যাসিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় প্রাবন্ধিক]]
ckhs09fswps0xjl2c7w4p6z7iq19jjh
ব্যবহারকারী আলাপ:নিয়াজ ইসলাম
3
751
73880
67785
2026-04-05T15:53:56Z
~2026-21157-58
4483
73880
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
সুপ্রিয়, Vilen09, [[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
—[[ব্যবহারকারী:MdaNoman|MdaNoman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdaNoman|আলাপ]]) ১১:৫৪, ১১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি)
== [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪|উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]] ==
[[চিত্র:Bootstrap_chat-quote.svg|50px|right||link=উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]
শুভেচ্ছা নিন, বাংলা উইকিউক্তি সমৃদ্ধ করতে '''[[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪|উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]''' নামে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য পুরস্কারের ব্যবস্থা রয়েছে। এই প্রতিযোগিতাটি '''১ এপ্রিল ২০২৪''' থেকে '''৩০ এপ্রিল ২০২৪''' পর্যন্ত চলবে। অংশ নিতে আমন্ত্রণ রইল। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:১৯, ৩১ মার্চ ২০২৪ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে ==
সুপ্রিয় Vilen09, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন।
আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>।
;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে?
:প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না।
; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে?
: যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)।
আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন।
আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== সংশোধন প্রয়োজন ==
আপনি বেশকিছু নাটকের ভূক্তি তৈরি করেছেন। কিন্তু দেখতে পারছি, সেখান থেকে গুরুত্বপূর্ণ চৌম্বক অংশের বদলে আপনি পুরো নাটক কিংবা নাটকের বিশাল অংশ কোনো ওয়েবপেইজ থেকে কপি-পেস্ট করে যোগ করছেন। উইকিউক্তির ক্ষেত্রে এই কাজ প্রযোজ্য নয়। এরকম "অরিজিনাল টেক্সট" কেবল উইকিসংকলনে থাকবে (যদি তা পাবলিক ডোমেইনে থাকে)। উক্তিতে কেবল গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সংলাপ থাকবে। আপনার তৈরি [[আজ রবিবার]] পাতাটিই একটি সুন্দর উদাহরণ। এছাড়া [[সধবার একাদশী]] দেখতে পারেন। আপনি বাকি পাতাগুলো এভাবে সংশোধন করুন। নয়তো গৃহীত হবে না। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib </b>]][[User talk:MS Sakib| «আলাপ»]]</b>
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ==
সুপ্রিয় Vilen09, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ([https://fountain.toolforge.org/editathons/qc2024 এখানে দেখুন]):
* যদি আপনার জমা দেওয়া কোনও নিবন্ধ গৃহীত না হয়, তবে আপনি আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে নিবন্ধের সমস্যাগুলি ঠিক করে পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ জানাতে পারেন।
* যদি আপনি কোনও গৃহীত নিবন্ধ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চান, কোনও অসঙ্গতি আমাদের দৃষ্টিতে আনতে চান, দয়া করে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন।
প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার পর, ফলাফলে কোনোরূপ পরিবর্তন আনা হবে না। সুতরাং যা করার আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২১:৫৪, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
== [[:রেদোয়ান মাসুদ]] পাতার [[উইকিউক্তি:দ্রুত অপসারণ নীতিমালা|দ্রুত অপসারণ]] প্রস্তাবনা ==
[[চিত্র:Ambox warning pn.svg|48px|left|alt=|link=]] আপনি ৮ এপ্রিল, ২০২৪ তারিখে '''রেদোয়ান মাসুদ''' নিবন্ধটি তৈরি করেছেন। নিবন্ধটি উইকিউক্তির দ্রুত অপসারণের বিচারধারা অনুসারে দ্রুত অপসারণ যোগ্য। কারণ:
<center>'''অনুলেখ্য বিষয়বস্তু'''</center>
আপনি যদি মনে করেন যে এই কারণে পাতাটি অপসারণ করা উচিত নয়, তবে এই অপসারণে আপত্তি জানাতে [[:রেদোয়ান মাসুদ|নিবন্ধটিতে গিয়ে]] '''অপসারণে আপত্তি জানান''' লেখার উপর ক্লিক করুন ও সেখানে কারণ ব্যাখ্যা করুন কেন নিবন্ধটি অপসারণ করা উচিত নয়। মনে রাখবেন, কোন নিবন্ধে অপসারণ ট্যাগ করা হলে এবং যদি নিবন্ধটি অপসারণের বিচারাধারার সাথে মিলে যায় তবে কোনও দেরি না করে নিবন্ধটি অপসারণ করা হয়। অনুগ্রহপূর্বক আপনার নিজের তৈরি করা নিবন্ধ থেকে এই বিজ্ঞপ্তিটি সরিয়ে ফেলবেন না, তবে আমরা আপনাকে নিবন্ধটি সম্প্রসারণ করতে উৎসাহিত করছি। আরও মনে রাখবেন যে, নিবন্ধের বিষয় অবশ্যই [[উইকিউক্তি:উল্লেখযোগ্যতা|উল্লেখযোগ্য]] হতে হবে এবং [[উইকিউক্তি:নির্ভরযোগ্য উৎস|নির্ভরযোগ্য উৎস]] থেকে তথ্যসূত্রগুলো [[উইকিউক্তি:যাচাইযোগ্যতা|যাচাইযোগ্য]] হওয়া উচিত। যদি ইতিমধ্যে নিবন্ধটি অপসারিত হয়ে থাকে এবং আপনি ভবিষ্যতে এটির উন্নতি করতে এর বিষয়বস্তু ফেরত পেতে চান, তবে দয়া করে যে প্রশাসক এটি অপসারণ করেছেন তার সাথে যোগাযোগ করুন বা [[উইকিউক্তি:প্রশাসকদের আলোচনাসভা|প্রশাসকদের আলোচনাসভায়]] আবেদন করুন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ১৩:৫১, ১ জানুয়ারি ২০২৫ (ইউটিসি)
==[[রোহিনী পাণ্ডে]]==
সুধী, প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুযায়ী জমা দেওয়া পাতায় অন্তত ৩টি উক্তি থাকতে হবে। কিন্তু [[রোহিনী পাণ্ডে]] পাতায় মাত্র ১টি উক্তি আছে। তাই পাতাটি প্রতিযোগিতার জন্য গ্রহণ করতে পারছিনা, দুঃখিত। তবে আপনি চাইলে ভিন্ন এমন একটি নিবন্ধ অনুবাদ করে জমা দিতে পারেন যা প্রতিযোগিতার সমস্ত নিয়ম অনুসরণ করে।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:২৫, ১৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:[[স্বাতি পিরামল]] ও [[পুপুল জয়কর]] পাতাগুলোর ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:২৭, ১৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই এই পাতাগুলো প্রস্তাবিত পাতার তালিকা থেকে নেওয়া হয়েছে। আমি অনুরোধ করব এই ধরনের পাতা যদি গৃহীতই না হয় তবে নিবন্ধ তালিকায় এগুলো অন্তর্ভুক্ত করার আগে যাচাই করে নেওয়া উচিত। তাহলে প্রতিযোগিতার নিয়মও ঠিক মানা যাবে এবং কারো সময়ক্ষেপণ হবে না এই ধরনের নিবন্ধ করতে গিয়ে। [[ব্যবহারকারী:নিয়াজ ইসলাম|নিয়াজ ইসলাম]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:নিয়াজ ইসলাম#top|আলাপ]]) ০৫:২৪, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:নিয়াজ ইসলাম|নিয়াজ ইসলাম]] যতদূর জানলাম, তালিকায় কোন নিবন্ধে একটি উক্তি থাকতে পারে। এগুলো তালিকায় দেওয়া হয় যদি কোন ব্যক্তি পাতায় থাকা ১টি উক্তির সাথে আরও ২টি উক্তি ইন্টারনেট বা বই থেকে সংগ্রহ করে সূত্র সহ যুক্ত করে জমা দিতে পারেন সেজন্য। অর্থাৎ ইংরেজি পাতায় ১টি উক্তি থাকলেও আপনি সাথে অন্য কোথাও থেকে ২টি উক্তি যুক্ত করে পাতাটিকে প্রতিযোগিতার জন্য উপযোগী করে তুলতে পারবেন। যদিও সেটা কিছু ক্ষেত্রে সম্ভব হয় আবার কিছু ক্ষেত্রে সম্ভব হয়না। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৯:২১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::ধন্যবাদ বিষয়টি পরিষ্কার করার জন্য। [[ব্যবহারকারী:নিয়াজ ইসলাম|নিয়াজ ইসলাম]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:নিয়াজ ইসলাম#top|আলাপ]]) ১০:১১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:নিয়াজ ইসলাম|নিয়াজ ইসলাম]] খেয়াল করলে দেখবেন [[উইকিউক্তি:উক্তি_প্রতিযোগিতা_২০২৫/নিবন্ধ_তালিকা#অনুবাদ|নিবন্ধ তালিকার অনুবাদ অংশে]] স্পষ্টভাবে বলা আছে, {{সবুজ|এটি একটি '''সহায়ক তালিকা মাত্র'''। ভূক্তি তৈরির জন্য ইংরেজি উইকিউক্তি থেকে '''ন্যূনতম ৩টি ভুক্তি এবং ১৫০ শব্দ সংবলিত পাতা''' বাংলায় অনুবাদ করতে পারেন।}} এছাড়া মূল পাতার নিয়মাবলি অংশেও স্পষ্টভাবে বলা আছে: প্রতিটি নতুন সৃষ্ট পাতায় কমপক্ষে ১৫০টি শব্দ থাকতে হবে ও '''কমপক্ষে ৩ বা ততোধিক''' উক্তি থাকতে হবে। তাই এই শর্ত অবশ্যই মানতে হবে।
:::::তালিকা ম্যানুয়ালি তৈরি করা হয়নি। তাই এরকম পাতা ২-৪টা থাকতেই পারে। মেহেদি আবেদিন ভাই যেমনটা বলেছেন, ইন্টারনেট বা বই থেকে উক্তি সংগ্রহ করে ৩টা উক্তির শর্ত পূরণের সুযোগ তো আছেই। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১২:১১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[লিওনিদ হারউইচ]] ==
অনুবাদ যান্ত্রিক হওয়ায় গৃহীত হয়নি।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:৫৯, ১১ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[:এরিখ হোনেকার]] ==
অনুবাদ যথেষ্ট যান্ত্রিক। গ্রহণ করা সম্ভব হলো না। অপসারণ এড়াতে যান্ত্রিকতা ঠিক করুন। ১৫:২০, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]])
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধ পর্যালোচনা শেষে গৃহীত হয়েছে। বিস্তারিত ফলাফল [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|এখানে দেখুন]]। আপনাকে ডিজিটাল সনদ পাঠাতে কিছু তথ্য প্রয়োজন। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSfa6lC5bYLAwTSpiacX75DM3-MsRqv9RmIPPNBtar6q3JGOSA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৬:৫৬, ১৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67749-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
Ps 1947 [[বিশেষ:অবদান/~2026-21157-58|~2026-21157-58]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21157-58|আলাপ]]) ১৫:৫৩, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
g6ocj0da27lj9sx5bg3g5hotmcwebg1
ব্যবহারকারী আলাপ:ARI
3
4407
73950
73814
2026-04-05T23:20:22Z
ARI
356
/* পাতা ঠিক করেছি */ উত্তর
73950
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি)
</div>
"বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
==[[চরক]]==
নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] ==
কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
:দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[নির্বাচন]] ==
পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা ঠিক করেছি ==
আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
put2ryocqqdrcx74rlu1b5pmtfidsvx
73984
73950
2026-04-06T04:44:33Z
Borhan
964
/* পুনঃপর্যালোচনা */ নতুন অনুচ্ছেদ
73984
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি)
</div>
"বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
==[[চরক]]==
নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] ==
কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
:দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[নির্বাচন]] ==
পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা ঠিক করেছি ==
আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃপর্যালোচনা ==
[[আবি আহমেদ]] এবং [[পিটার আগ্রি]] পাতা দুটি সংশোধন করা হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
2wagzcmxxzvly4f3mvvg24q42581nqu
উইকিউক্তি আলোচনা:ব্যবহারকারী নামের নীতি
5
6888
73940
71081
2026-04-05T22:16:10Z
~2026-20982-76
4502
/* Account Settings */ নতুন অনুচ্ছেদ
73940
wikitext
text/x-wiki
{{আলাপ পাতা}}
== Account Settings ==
Hake accaunt recpvry [[বিশেষ:অবদান/~2026-20982-76|~2026-20982-76]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20982-76|আলাপ]]) ২২:১৬, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
oak75a130l9hsvgewys67xq8l9zb7nj
উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/অংশগ্রহণকারী
4
8879
73933
73769
2026-04-05T19:17:05Z
~2026-21042-17
4494
73933
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}}
<inputbox>
type = comment
default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/অংশগ্রহণকারী
page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/অংশগ্রহণকারী
preload = টেমপ্লেট:আমি
editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা
nosummary=true
hidden = yes
buttonlabel = নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন
minor = true
break = no
</inputbox>
{{div col}}
<!--
------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। ---------------------------------------------------
সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}}
--->
<!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না -->
<!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন
১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই।
২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন -->
<!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন -->
* {{ব্যবহারকারী|Yahya}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Mobashir Hossain}}
* {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}}
* {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}}
* {{ব্যবহারকারী|Ishtiak Abdullah}}
* {{ব্যবহারকারী|Arafatul Islam Akan Robi}}
* {{ব্যবহারকারী|Asked42}}
* {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|Arijit Kisku}}
* {{ব্যবহারকারী|BEnjOhiR}}
* {{ব্যবহারকারী|Kawsar123}}
* {{ব্যবহারকারী|রিজওয়ান আহমেদ}}
* {{ব্যবহারকারী|Md. T Mahtab}}
* {{ব্যবহারকারী|Tahmid}}
* {{ব্যবহারকারী|Ovisahabd}}
* {{ব্যবহারকারী|SHOVON (Sirajganj)}}
* {{ব্যবহারকারী|Yasser Raihan}}
* {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}}
* {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}}
* {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Forhad Hossain0007}}
* {{ব্যবহারকারী|RDasgupta2020}}
* {{ব্যবহারকারী|IqbalHossain}}
* {{ব্যবহারকারী|Shariyar Nayeem}}
* {{ব্যবহারকারী|Arpon das.0}}
* {{ব্যবহারকারী|Saadi095}}
* {{ব্যবহারকারী|Moheen}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}}
* {{ব্যবহারকারী|Md. Muqtadir Fuad}}
* {{ব্যবহারকারী|Batul roy}}
* {{ব্যবহারকারী|কমলেশ মন্ডল}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanvir Sikder 24}}
* {{ব্যবহারকারী|মির্জা ইউসুফ আলী}}
* {{ব্যবহারকারী|Sourav Saha Shubho}}
* {{ব্যবহারকারী|Musab Arifi}}
* {{ব্যবহারকারী|Ali yousuf bd}}
* {{ব্যবহারকারী|Hasnat Abdullah}}
* {{ব্যবহারকারী|Md. Abu Jafor Sifatulla}}
* {{ব্যবহারকারী|Sajid Reza Karim}}
* {{ব্যবহারকারী|Bikram Chandra Sarkar}}
* {{ব্যবহারকারী|Dr. Mosaddek Khondoker}}
* {{ব্যবহারকারী|Johurul Hasan Adil}}
* {{ব্যবহারকারী|Maxwell056789}}
* {{ব্যবহারকারী|Borhan}}
* {{ব্যবহারকারী|Md jalal islam}}
* {{ব্যবহারকারী|Ei to ami akash}}
* {{ব্যবহারকারী|Mhnaim4444}}
* {{ব্যবহারকারী|Nusrat Binta Rahman61}}
* {{ব্যবহারকারী|Supreme Intelligent boy}}
* {{ব্যবহারকারী|অর্পিতা মজুমদার}}
* {{ব্যবহারকারী|সাইফুল ইসলাম আনিক}}
* {{ব্যবহারকারী|Sharmin Sultana Shimu}}
* {{ব্যবহারকারী|অজয় অধিকারী }}
* {{ব্যবহারকারী|Bsrkr}}
* {{ব্যবহারকারী|Onindita}}
* {{ব্যবহারকারী|Sima Razbongshi}}
* {{ব্যবহারকারী|আইমান আক্তার মারিয়া}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Shuvo Sheikh}}
* {{ব্যবহারকারী|Mijanwiki}}
* {{ব্যবহারকারী|Stuxnet.02}}
* {{ব্যবহারকারী|Zain Huda Abdullah}}
* {{ব্যবহারকারী|তানবির হোসেন জয়}}
* {{ব্যবহারকারী|Wikitahsin}}
* {{ব্যবহারকারী|Farhan Sawad}}
* {{ব্যবহারকারী|Mahadi hasan tresad}}
* {{ব্যবহারকারী|Jahid muhammad}}
* {{ব্যবহারকারী|Mashkawat.ahsan}}
* {{ব্যবহারকারী|Md. Sayeem Sarower}}
* {{ব্যবহারকারী|শাহরিয়ার হাসান শান্ত}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Rashidul Hasan Biplob}}
* {{ব্যবহারকারী|Pkparvej1}}
* {{ব্যবহারকারী|Pradip chandra}}
* {{ব্যবহারকারী|মাহমুদ ইরফান}}
* {{ব্যবহারকারী|Moajjam}}
* {{ব্যবহারকারী|লিচুচোর০}}
* {{ব্যবহারকারী|Foysal Ahmmed Roni}}
* {{ব্যবহারকারী|SMontaha32}}
* {{ব্যবহারকারী|Zakarira}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohammad Abdul Hakim}}
* {{ব্যবহারকারী|সরোজ কুমার রায়}}
* {{ব্যবহারকারী|Jahid muhammad}}
* {{ব্যবহারকারী|Dark1618}}
* {{ব্যবহারকারী|Sohanur Rahman 2.0}}
* {{ব্যবহারকারী|Sumon7943}}
* {{ব্যবহারকারী|Elma akter asha}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Habibur R Rahman}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Rafiqul Islam88}}
* {{ব্যবহারকারী|Rony sekh}}
* {{ব্যবহারকারী|যুবায়ের হোসাইন কায়েফ}}
* {{ব্যবহারকারী|Hittykom}}
* {{ব্যবহারকারী|Kim yuo}}
* {{ব্যবহারকারী|Malihamoni}}
* {{ব্যবহারকারী|Thasin Akib}}
* {{ব্যবহারকারী|নজরুল মোস্তফা}}
* {{ব্যবহারকারী|Mistimohor}}
* {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyad}}
* {{ব্যবহারকারী|Udiptodas}}
* {{ব্যবহারকারী|Udiptodas}}
* {{ব্যবহারকারী|Fariha Islam Mazumder}}
* {{ব্যবহারকারী|Rafi Bin Tofa}}
* {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Afroja Sultana Moni}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohanti Das}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Abu Siyam}}
* {{ব্যবহারকারী|MD. MAHAMUDUL HASAN RIMON}}
* {{ব্যবহারকারী|রাশেদুল ইসলাম ওমর}}
* {{ব্যবহারকারী|Deboraj Das 321}}
* {{ব্যবহারকারী|OJAIER AHMED SHANIN}}
* {{ব্যবহারকারী|Subhaldar100}}
* {{ব্যবহারকারী|Bluish Aura}}
* {{ব্যবহারকারী|Maasud12}}
* {{ব্যবহারকারী|Subhranil Hazra}}
* {{ব্যবহারকারী|Jubayer Ahmad Sadif}}
* {{ব্যবহারকারী|Masumoon}}
* {{ব্যবহারকারী|Aishik Rehman}}
* {{ব্যবহারকারী|আফরোজ মেহরুবা}}
* {{ব্যবহারকারী|Raisulislamrahy}}
* {{ব্যবহারকারী|Nahidd-69}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ জাকারিয়া মুন্না}}
* {{ব্যবহারকারী|Munnaldc}}
* {{ব্যবহারকারী|NAYEM AHMED RAHII}}
* {{ব্যবহারকারী|Mehedi Abedin}}
* {{ব্যবহারকারী|লাবনী আক্তার}}
* {{ব্যবহারকারী|MD ASIF Ahammed}}
* {{ব্যবহারকারী|Irshad meadad}}
* {{ব্যবহারকারী|RatulHasanRuhan}}
* {{ব্যবহারকারী|Roksana akther Riya}}
* {{ব্যবহারকারী|Mustakhye}}
* {{ব্যবহারকারী|Md rafiqul islam siiyam}}
* {{ব্যবহারকারী|কবি সৌরভ}}
* {{ব্যবহারকারী|মিসকাতুল জান্নাত মহুয়া}}
* {{ব্যবহারকারী|প্রতাপ বনিক}}
* {{ব্যবহারকারী|সামিহা তাসনিম মিম}}
* {{ব্যবহারকারী|Sa'Adat-E-Zubaire}}
* {{ব্যবহারকারী|MD MUNTASIM RIAD AFIQ}}
* {{ব্যবহারকারী|Alamin mondal}}
* {{ব্যবহারকারী|Mahir Asef Sheikh}}
* {{ব্যবহারকারী|Khaled Mohammad Saifullah}}
* {{ব্যবহারকারী|Mallik Shimul}}
* {{ব্যবহারকারী|Samira himu}}
* {{ব্যবহারকারী|Emad.najid}}
* {{ব্যবহারকারী|Sangram hossain}}
* {{ব্যবহারকারী|Chandrika Barua}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahadot Khan}}
* {{ব্যবহারকারী|পারভিন সুলতানা}}
* {{ব্যবহারকারী|Gdsaifulcdshawon}}
* {{ব্যবহারকারী|Hajera Akter}}
* {{ব্যবহারকারী|Dilshan Islam Priam Dilshan Islam Priam}}
* {{ব্যবহারকারী|Nyr920}}
* {{ব্যবহারকারী|Skmsimanto}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar Ahmod Hasan}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ পারভেজ মোশারাফ}}
* {{ব্যবহারকারী|Ab Johuri}}
* {{ব্যবহারকারী|MD. MAHAMUDUL HASAN RIMOM}}
* {{ব্যবহারকারী|Sheikh Ratin}}
* {{ব্যবহারকারী|MD. MAHAMUDUL HASAN RIMOM}}
* {{ব্যবহারকারী|Freelancer Fozlu}}
* {{ব্যবহারকারী|Najmol Hasan}}
* {{ব্যবহারকারী|Najmol Hasan}}
* {{ব্যবহারকারী|MD. MAHAMUDUL HASAN RIMOM}}
* {{ব্যবহারকারী|Sultana Takiya}}
* {{ব্যবহারকারী|তাবাসসুম মেহজাবিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Sultana Takiya}}
* {{ব্যবহারকারী|তাবাসসুম মেহজাবিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Muhammad Arshadul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মাহজাবিন}}
* {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ আলী বাবুল}}
* {{ব্যবহারকারী|Obaydul Munshi}}
* {{ব্যবহারকারী|Wahida Akter Poly}}
* {{ব্যবহারকারী|MD SHOJIB MOLLA}}
* {{ব্যবহারকারী|Ptdas}}
* {{ব্যবহারকারী|Aliya Rupa}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ সাকিব খান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ সাকিব খান}}
* {{ব্যবহারকারী|Zzaman}}
* {{ব্যবহারকারী|মুহাম্মদ মাহিদ মিয়া}}
* {{ব্যবহারকারী|Deboraj das}}
* {{ব্যবহারকারী|Fahim Foysal Apurba}}
* {{ব্যবহারকারী|Taiyaba Erin jahan}}
* {{ব্যবহারকারী|Shanto hossin}}
* {{ব্যবহারকারী|Khondokar Enamul Haque}}
* {{ব্যবহারকারী|আবির কান}}
* {{ব্যবহারকারী|Toriq RImon}}
* {{ব্যবহারকারী|Safayetrahmanrifat}}
* {{ব্যবহারকারী|Ishtiak Abdullah}}
* {{ব্যবহারকারী|Goutam Dey1}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminulnb77}}
* {{ব্যবহারকারী|কবি আজহারুল ইসলাম তালহা}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|ShahinurWrites}}
* {{ব্যবহারকারী|ShahinurWrites}}
* {{ব্যবহারকারী|~2026-21042-17}}
ldwg1tqguedvg5pqn8sk71cghzdykot
ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan
3
9563
73952
67793
2026-04-05T23:46:28Z
Bablul
4506
/* Madi888 */ নতুন অনুচ্ছেদ
73952
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Borhan,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৯:৪৭, ১০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
</div>
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধ পর্যালোচনা শেষে গৃহীত হয়েছে। বিস্তারিত ফলাফল [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|এখানে দেখুন]]। আপনাকে ডিজিটাল সনদ পাঠাতে কিছু তথ্য প্রয়োজন। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSfa6lC5bYLAwTSpiacX75DM3-MsRqv9RmIPPNBtar6q3JGOSA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৬:৫৬, ১৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67749-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== Madi888 ==
official website [[ব্যবহারকারী:Bablul|Bablul]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bablul|আলাপ]]) ২৩:৪৬, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
nmtvybmetjo6g3r4bfbnaud6xliwj6p
73953
73952
2026-04-05T23:47:34Z
Bablul
4506
/* official Madi888 */ নতুন অনুচ্ছেদ
73953
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Borhan,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৯:৪৭, ১০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
</div>
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধ পর্যালোচনা শেষে গৃহীত হয়েছে। বিস্তারিত ফলাফল [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|এখানে দেখুন]]। আপনাকে ডিজিটাল সনদ পাঠাতে কিছু তথ্য প্রয়োজন। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSfa6lC5bYLAwTSpiacX75DM3-MsRqv9RmIPPNBtar6q3JGOSA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৬:৫৬, ১৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67749-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== Madi888 ==
official website [[ব্যবহারকারী:Bablul|Bablul]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bablul|আলাপ]]) ২৩:৪৬, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== official Madi888 ==
official [[ব্যবহারকারী:Bablul|Bablul]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bablul|আলাপ]]) ২৩:৪৭, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
esq0q6ooq4twoyuashuxa82e2g7qc2w
73954
73953
2026-04-05T23:49:26Z
Bablul
4506
/* Casino jelly FC */ নতুন অনুচ্ছেদ
73954
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Borhan,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৯:৪৭, ১০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
</div>
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধ পর্যালোচনা শেষে গৃহীত হয়েছে। বিস্তারিত ফলাফল [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|এখানে দেখুন]]। আপনাকে ডিজিটাল সনদ পাঠাতে কিছু তথ্য প্রয়োজন। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSfa6lC5bYLAwTSpiacX75DM3-MsRqv9RmIPPNBtar6q3JGOSA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৬:৫৬, ১৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67749-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== Madi888 ==
official website [[ব্যবহারকারী:Bablul|Bablul]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bablul|আলাপ]]) ২৩:৪৬, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== official Madi888 ==
official [[ব্যবহারকারী:Bablul|Bablul]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bablul|আলাপ]]) ২৩:৪৭, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Casino jelly FC ==
all Casino [[ব্যবহারকারী:Bablul|Bablul]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bablul|আলাপ]]) ২৩:৪৯, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
gdls2wkhld9mt3kp2mutmucd1c844fv
73955
73954
2026-04-05T23:51:04Z
Bablul
4506
/* all Casino website */ নতুন অনুচ্ছেদ
73955
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Borhan,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৯:৪৭, ১০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
</div>
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধ পর্যালোচনা শেষে গৃহীত হয়েছে। বিস্তারিত ফলাফল [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|এখানে দেখুন]]। আপনাকে ডিজিটাল সনদ পাঠাতে কিছু তথ্য প্রয়োজন। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSfa6lC5bYLAwTSpiacX75DM3-MsRqv9RmIPPNBtar6q3JGOSA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৬:৫৬, ১৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67749-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== Madi888 ==
official website [[ব্যবহারকারী:Bablul|Bablul]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bablul|আলাপ]]) ২৩:৪৬, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== official Madi888 ==
official [[ব্যবহারকারী:Bablul|Bablul]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bablul|আলাপ]]) ২৩:৪৭, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Casino jelly FC ==
all Casino [[ব্যবহারকারী:Bablul|Bablul]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bablul|আলাপ]]) ২৩:৪৯, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== all Casino website ==
all casino website Bablul888 [[ব্যবহারকারী:Bablul|Bablul]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bablul|আলাপ]]) ২৩:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
epzz4dckogcy9kkd3ienyorynvtv7mr
73956
73955
2026-04-05T23:52:54Z
Bablul
4506
/* official Madi888 */ উত্তর
73956
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Borhan,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৯:৪৭, ১০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
</div>
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধ পর্যালোচনা শেষে গৃহীত হয়েছে। বিস্তারিত ফলাফল [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|এখানে দেখুন]]। আপনাকে ডিজিটাল সনদ পাঠাতে কিছু তথ্য প্রয়োজন। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSfa6lC5bYLAwTSpiacX75DM3-MsRqv9RmIPPNBtar6q3JGOSA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৬:৫৬, ১৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67749-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== Madi888 ==
official website [[ব্যবহারকারী:Bablul|Bablul]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bablul|আলাপ]]) ২৩:৪৬, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== official Madi888 ==
official [[ব্যবহারকারী:Bablul|Bablul]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bablul|আলাপ]]) ২৩:৪৭, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:Casino official website Bangladesh Bablu888 [[ব্যবহারকারী:Bablul|Bablul]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bablul|আলাপ]]) ২৩:৫২, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Casino jelly FC ==
all Casino [[ব্যবহারকারী:Bablul|Bablul]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bablul|আলাপ]]) ২৩:৪৯, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== all Casino website ==
all casino website Bablul888 [[ব্যবহারকারী:Bablul|Bablul]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bablul|আলাপ]]) ২৩:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
i0d9ocj96wbzoroxevn22bcj8h1x476
73957
73956
2026-04-05T23:57:05Z
Bablul
4506
/* আপনারা অংশগ্রহণ করতে পারেন এটা একটি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট আপনারা কখনো হারবেন না ডিপোজিট করলেই বোনাস পাবেন হাজার হাজার কোটি কোটি টাকা প্রতিদিন লেনদেন হয় বাটপারি করা হয় না এই ওয়েবসাইটটি অনেক ভালো একটাবার ট্রাই করে দেখতে পারেন */ নতুন অনুচ্ছেদ
73957
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Borhan,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৯:৪৭, ১০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
</div>
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধ পর্যালোচনা শেষে গৃহীত হয়েছে। বিস্তারিত ফলাফল [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|এখানে দেখুন]]। আপনাকে ডিজিটাল সনদ পাঠাতে কিছু তথ্য প্রয়োজন। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSfa6lC5bYLAwTSpiacX75DM3-MsRqv9RmIPPNBtar6q3JGOSA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৬:৫৬, ১৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67749-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== Madi888 ==
official website [[ব্যবহারকারী:Bablul|Bablul]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bablul|আলাপ]]) ২৩:৪৬, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== official Madi888 ==
official [[ব্যবহারকারী:Bablul|Bablul]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bablul|আলাপ]]) ২৩:৪৭, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:Casino official website Bangladesh Bablu888 [[ব্যবহারকারী:Bablul|Bablul]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bablul|আলাপ]]) ২৩:৫২, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Casino jelly FC ==
all Casino [[ব্যবহারকারী:Bablul|Bablul]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bablul|আলাপ]]) ২৩:৪৯, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== all Casino website ==
all casino website Bablul888 [[ব্যবহারকারী:Bablul|Bablul]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bablul|আলাপ]]) ২৩:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== আপনারা অংশগ্রহণ করতে পারেন এটা একটি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট আপনারা কখনো হারবেন না ডিপোজিট করলেই বোনাস পাবেন হাজার হাজার কোটি কোটি টাকা প্রতিদিন লেনদেন হয় বাটপারি করা হয় না এই ওয়েবসাইটটি অনেক ভালো একটাবার ট্রাই করে দেখতে পারেন ==
[4/6, 4:58 AM] ★🌱★Dk★ ★Dablu★Bhai★🌱★: https://jb.com/?i=4cxse6dr&stag=21448_69d2e90f0c56caf520c92257&utm_source=4cxse6dr
[4/6, 5:05 AM] ★🌱★Dk★ ★Dablu★Bhai★🌱★ [[ব্যবহারকারী:Bablul|Bablul]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Bablul|আলাপ]]) ২৩:৫৭, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
cwrinfmwlf4nff58r9sijkrrmfuifd0
73972
73957
2026-04-06T03:18:22Z
Borhan
964
[[Special:Contributions/Bablul|Bablul]] ([[User talk:Bablul|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:MediaWiki message delivery|MediaWiki message delivery]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে
67793
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Borhan,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৯:৪৭, ১০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
</div>
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধ পর্যালোচনা শেষে গৃহীত হয়েছে। বিস্তারিত ফলাফল [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|এখানে দেখুন]]। আপনাকে ডিজিটাল সনদ পাঠাতে কিছু তথ্য প্রয়োজন। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSfa6lC5bYLAwTSpiacX75DM3-MsRqv9RmIPPNBtar6q3JGOSA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৬:৫৬, ১৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67749-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
au72thq43ads30tml5kvde9wkyg6uqn
আব্রাহাম
0
9919
73905
58501
2026-04-05T16:40:26Z
Ziv
2755
([[c:GR|GR]]) [[File:Michelangelo Caravaggio 022.jpg]] → [[File:Sacrifice of Isaac-Caravaggio (Uffizi).jpg]] → File replacement: update from a old version to a newer one with better quality ([[c:c:GR]])
73905
wikitext
text/x-wiki
'''আব্রাহাম''', '''অব্রাহাম'''<sup>[অব্রাম,আব্রাম]</sup> বা '''ইব্রাহীম'''<sup>[ইবরাহীম, ইব্রাহিম]</sup> ([[w: Hebrew|হিব্রু]] ভাষায়: אַבְרָהָם, ʾAvraham বা ʾAḇrāhām; [[w:Greek|গ্রিক]]: Ἀβραάμ, Abraám; [[w:Arabic|আরবি]]: إِبْرَاهِيْمُ, প্রতিবর্ণীকৃত: ʾIbrāhīm)<sup>[সম্মানার্থে — আলাইহিস সালাম]</sup> হলেন [[ইহুদি]]ধর্ম, [[W: Christianity|খ্রিষ্টধর্ম]], [[ইসলাম]] প্রভৃতি [[ইব্রাহিমীয় ধর্ম]]সমূহের সাধারণ পিতৃকুলপতি। অর্থাৎ তিনি [[w:Israelites|ইস্রায়েলীয়]], [[w:Ishmael|ইশ্মায়েলীয়]], [[w:ইদোম|ইদোমীয়]], [[w:মীদয়ান|মিদিয়নীয়]] এবং সম্পর্কিত অন্যান্য গোত্রসমূহের প্রতিষ্ঠাতা পিতৃপুরুষ। [[ইহুদি]]ধর্মমতে তিনি খণ্ডদ্বয়ের চুক্তির প্রতিষ্ঠাতা, যা [[ইহুদি]] জাতি ও ঈশ্বরের মধ্যকার একটি বিশেষ সম্পর্ক; [[w:খ্রিস্টধর্ম|খ্রিষ্টধর্মমতে]] তিনি [[ইহুদি]] বা পরজাতীয় সমস্ত বিশ্বাসীদের আদিরূপ; আর [[ইসলাম]] অনুসারে তিনি [[আল্লাহ]]র প্রেরিত নবী ও রাসূল এবং তিনি [[আদম]] থেকে শুরু ও [[মুহাম্মদ|মুহাম্মদের]] মাধ্যমে পরিসমাপ্ত নবুয়তের ধারার মধ্যে একজন সংযোগ স্থাপনকারী।
[[File:Prophet Ibrahim.jpg|thumb|‘নিশ্চয় আমার [[নামাজ|সালাত]], আমার [[কুরবানী]], আমার [[জীবন]] ও আমার [[মৃত্যু]] [[আল্লাহ]]র জন্য, যিনি সকল সৃষ্টির রব’। ~ কুরআন ৬:১৬২]]
[[File:Bible.jpg|thumb|‘তারা যদি [[w:মোশি|মোশি]] ও [[w:ভাববাদী|ভাববাদী]]দের কথা না শোনে, তবে মৃতদের মধ্য থেকে উঠে গিয়েও যদি কেউ তাদের সঙ্গে কথা বলে তবু তারা তা শুনবে না৷’. ~ লুক ১৬:৩১]]
[[File:Education.jpg|thumb|আমি অব্রাহামের সাথে এক বিশেষ চুক্তি করেছি। প্রভুর ইচ্ছা অনুসারে জীবনযাপনের জন্যে যাতে অব্রাহামের সন্তানসন্ততি ও উত্তরপুরুষগণ অব্রাহামের আজ্ঞা পালন করে তাই এই ব্যবস্থা করেছি। এটা করেছি যাতে তারা ন্যায়পরায়ণ ও সৎ জীবনযাপন করে। ~ আদিপুস্তক ১৮:১৯]]
[[File:Sacrifice of Isaac-Caravaggio (Uffizi).jpg|thumb|right| সমস্ত কিছুর পরে [[ঈশ্বর]] ঠিক করলেন য়ে তিনি অব্রাহামের বিশ্বাস পরীক্ষা করবেন| তাই [[ঈশ্বর]] ডাকলেন, “অব্রাহাম!”এবং অব্রাহাম সাড়া দিলেন, “বলুন!” ~ আদিপুস্তক ২২:১]]
==উক্তি==
[[File:Tissot The Caravan of Abraham.jpg|thumb|right|"তোমার আমার মধ্যে কোনও বিবাদ থাকতে পারে না। তোমার লোকেদের সঙ্গে আমার লোকেদের কোন বিবাদ হওয়া উচিত নয়। আমরা সবাই পরস্পরের আপনজন। ~ আদিপুস্তক ১৩:৮,[[w:Authorized King James Version|—(KJV)]]]]
[[File:John Martin - Sodom and Gomorrah.jpg|thumb|right|"প্রভু, আপনি কী ভাল লোকেদেরও ধ্বংস করবেন যেমন আপনি মন্দ লোকেদের ধ্বংস করেন?<br> সদোম নগরে যদি ৫০ জনও ভাল লোক থাকে তাহলে আপনি কি করবেন? তাহলেও কি আপনি নগরটা ধ্বংস করবেন? নিশ্চয়ই আপনি ঐ নগরবাসী ৫০ জন ভাল লোকের জন্যে নগরটা ধ্বংস করবেন?<br> তাহলে আপনি নিশ্চয়ই ঐ নগরটা বা ঐ খারাপ লোকেদের ধ্বংস করবেন না? যদি তা করেন তাহলে ভাল এবং মন্দ লোকেদের একই পরিণতি হবে। তার অর্থ, ভাল এবং মন্দ জাতীয উভয় লোকদেরই মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে। আপনি সমস্ত পৃথিবীর বিচারক। আমি জানি আপনি ঠিক বিচারই করবেন।” ~ আদিপুস্তক ১৮:২৩-২৫,[[w:Authorized King James Version|—(KJV)]]]]
[[File:Tissot Abram's Counsel to Sarai.jpg|thumb|right|“আমি ভয় পেয়েছিলাম। আমি ভেবেছিলাম, এখানে কেউ বোধহয় ঈশ্বরকে শ্রদ্ধা করে না। তাই ভেবেছিলাম, সারাকে পাওয়ার জন্যে আমাকে কেউ হত্যা করতেও পারে। <br>সারা আমার স্ত্রী, আবার আমার বোনও বটে। সারা আমার পিতার কন্যা বটে, কিন্তু আমার মাতার কন্যা নয়।<br> ঈশ্বর আমাকে পিতৃগৃহ থেকে দূরে কোথাও নিয়ে যাচ্ছেন। ঈশ্বর আমাকে অনেক দেশে নিয়ে গেছেন। যখন এরকম হল তখন আমি সারাকে বললাম, “আমার জন্য কিছু করো; যেখানেই আমরা যাব, সবাইকে বলবে যে তুমি আমার বোন।”" ~ আদিপুস্তক ২০:১১-১৩,[[w:Authorized King James Version|—(KJV)]]]]
:<small>[ঐতিহাসিক উৎসগুলিতে বর্ণিত আব্রাহামের উক্তিসমূহ]</small>
===বাইবেল===
*তোমার আমার মধ্যে কোনও বিবাদ থাকতে পারে না। তোমার লোকেদের সঙ্গে আমার লোকেদের কোন বিবাদ হওয়া উচিত নয়। আমরা সবাই পরস্পরের আপনজন।<br>আমাদের পৃথক হয়ে যাওয়া উচিত। তোমার যে জায়গা পছন্দ সেই জায়গাতেই যাও। তুমি বাঁ দিকে গেলে আমি ডান দিকে যাব। যদি তুমি ডান দিকে যাও, আমি বাঁ দিকে যাব।
** তার ভ্রাতুষ্পুত্র [[w:লোট|লোট]]কে উদ্দেশ্য করে এ কথা বলেন; আদিপুস্তক ১৩:৮-৯,[[w:Authorized King James Version|—(KJV)]]
*পরাত্পর [[ঈশ্বর]], যিনি স্বর্গ মর্ত্য সৃষ্টি করেছেন সেই প্রভুর কাছে আমি শপথ করছি।<br> যা কিছু আপনার তার কিছুই আমি রাখব না। আমি প্রতিশ্রুতি করছি যে আমি কিছুই রাখব না। এমনকি একটা সুতো অথবা জুতোর ফিতেও না। আমি চাই না যে আপনি বলবেন, ‘অব্রামকে আমি বড়লোক বানিয়েছি|’<br> আমি শুধু সেটুকুই নেব যা আমার যোদ্ধারা খেয়েছে। কিন্তু অন্যদের আপনি তাদের ভাগ দিন। যুদ্ধে যা জিতেছি তা আপনি নিয়ে যান, কিন্তু কিছু আনের, ইষ্কোল এবং মম্রিকে দিয়ে যান। এরা যুদ্ধে আমায় সাহায্য করেছে।
**সদোমের রাজাকে উদ্দেশ্য করে এ কথা বলেন; আদিপুস্তক ১৪:২২-২৪,[[w:Authorized King James Version|—(KJV)]]
*প্রভু, আপনি কী ভাল লোকেদেরও ধ্বংস করবেন যেমন আপনি মন্দ লোকেদের ধ্বংস করেন?<br> সদোম নগরে যদি ৫০ জনও ভাল লোক থাকে তাহলে আপনি কি করবেন? তাহলেও কি আপনি নগরটা ধ্বংস করবেন? নিশ্চয়ই আপনি ঐ নগরবাসী ৫০ জন ভাল লোকের জন্যে নগরটা ধ্বংস করবেন?<br> তাহলে আপনি নিশ্চয়ই ঐ নগরটা বা ঐ খারাপ লোকেদের ধ্বংস করবেন না? যদি তা করেন তাহলে ভাল এবং মন্দ লোকেদের একই পরিণতি হবে। তার অর্থ, ভাল এবং মন্দ জাতীয উভয় লোকদেরই মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে। আপনি সমস্ত পৃথিবীর বিচারক। আমি জানি আপনি ঠিক বিচারই করবেন।...<br>আপনার তুলনায় আমি নেহাতই ধুলো আর ছাই। কিন্তু একটা প্রশ্ন করে আবার আপনাকে বিরক্ত করছি।<br> যদি ভাল লোকদের থেকে ৫ জনকে খুঁজে না পাওয়া যায় তখন কী করবেন? নগরে যদি মাত্র ৪৫ জন ভাল লোক থাকে? মাত্র ৫ জনকে পাওয়া গেল না বলে কি আপনি গোটা নগর ধ্বংস করে ফেলবেন?...<br>সেখানে গিয়ে আপনি যদি মাত্র ৪০ জন ভাল লোককে পান তাহলে কি আপনি পুরো নগর ধ্বংস করবেন?...<br>প্রভু দয়া করে আমার ওপর রাগ করবেন না। একটা প্রশ্ন করি! যদি নগরে মাত্র ৩০ জন ভাল লোককে পান তাহলেও কি আপনি ঐ নগর ধ্বংস করবেন?...<br>আপনাকে কি আর একবার বিরক্ত করতে পারি? যদি সেখানে মাত্র ২০ জন ভাল লোক পান তাহলে কি করবেন?...<br> প্রভু দয়া করে রাগ করবেন না, কিন্তু শেষবারের মতো আর একটি প্রশ্ন দিয়ে আপনাকে বিরক্ত করি। আপনি যদি সেখানে মাত্র ১০ জন ভাল লোক পান তাহলে আপনি কি করবেন?
**[[w:Sodom and Gomorrah|সদোম ও গোমোরাহ'র]] পরিণতি সম্পর্কে প্রভুর কাছে বারবার প্রশ্ন করে জানতে চান; আদিপুস্তক ১৮:২৩-৩২,[[w:Authorized King James Version|—(KJV)]]। অবশ্য প্রভু প্রত্যুত্তরে বলেন, “ঐ নগরে ১০ জন ভাল লোক পেলেও আমি তা ধ্বংস করব না।”
*আমি ভয় পেয়েছিলাম। আমি ভেবেছিলাম, এখানে কেউ বোধহয় ঈশ্বরকে শ্রদ্ধা করে না। তাই ভেবেছিলাম, সারাকে পাওয়ার জন্যে আমাকে কেউ হত্যা করতেও পারে। <br>সারা আমার স্ত্রী, আবার আমার বোনও বটে। সারা আমার পিতার কন্যা বটে, কিন্তু আমার মাতার কন্যা নয়।<br> ঈশ্বর আমাকে পিতৃগৃহ থেকে দূরে কোথাও নিয়ে যাচ্ছেন। ঈশ্বর আমাকে অনেক দেশে নিয়ে গেছেন। যখন এরকম হল তখন আমি সারাকে বললাম, “আমার জন্য কিছু করো; যেখানেই আমরা যাব, সবাইকে বলবে যে তুমি আমার বোন।”"
**[[w:Wife–sister narratives in Genesis|স্ত্রী-বোনের আখ্যানে]] [[w:Abimelech|অবীমেলক]]কে বলেন; আদিপুস্তক ২০:১১-১৩,[[w:Authorized King James Version|—(KJV)]]
*হে আমার বৎস, মনে করে দেখ, জীবনে সুখের সব কিছুই তুমি ভোগ করেছ আর সেই সময় "লাসার" অনেক কষ্ট পেয়েছে৷ কিন্তু এখন এখানে সে সুখ পাচ্ছে আর তুমি কষ্ট পাচ্ছ৷<br> এছাড়া তোমাদের ও আমাদের মাঝে এক মহাশূন্য স্থান আছে, যাতে ইচ্ছা থাকলেও কেউ এখানে থেকে পার হয়ে তোমাদের কাছে যেতে না পারে, আর ওখান থেকে পার হয়ে কেউ আমাদের কাছে আসতে না পারে৷...<br>মোশি ও অন্যান্য ভাববাদীরা তো তাদের জন্য আছেন, তাঁদের কথা তারা শুনুক।...<br>তারা যদি [[w:মোশি|মোশি]] ও [[w:ভাববাদী|ভাববাদী]]দের কথা না শোনে, তবে মৃতদের মধ্য থেকে উঠে গিয়েও যদি কেউ তাদের সঙ্গে কথা বলে তবু তারা তা শুনবে না৷
**একজন ধনী ব্যক্তি ছিলেন যে বেগুনী রঙের কাপড় ও বহুমূল্য পোশাক পরত; আর প্রতিদিন বিলাসে দিন কাটাতো৷ অথচ তারই দরজার সামনে "লাসার" নামে একজন ভিখারী পড়ে থাকত, যার সারা শরীর ঘায়ে ভরে গিয়েছিল। সেই ধনী ব্যক্তি মারা গেলে পাতালে নরকে খুব যন্ত্রণার মধ্যে কাটাতে থাকল৷ এই অবস্থায় সে মুখ তুলে তাকাতে বহুদূরে অব্রাহাম আর অব্রাহামের কোলে সেই লাসারকে দেখতে পেল৷ তখন অব্রাহাম ঐ ধনী ব্যক্তিকে উদ্দেশ্য করে এসব বলেন; লুক ১৬:২৫-৩১।
=== কুরআন ===
[[File:Kaaba_mirror_edit_jj.jpg|thumb|200px|আমি একনিষ্ঠ হয়ে তাঁর দিকে আমার মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছি যিনি আকাশমন্ডলী আর পৃথিবীকে সৃষ্টি করেছেন। আর আমি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত নই। ~ [[কুরআন]] ৬:৭৯]]
[[File:Schnorr_von_Carolsfeld_Bibel_in_Bildern_1860_024.png|thumb|...তোমরা কিসের ইবাদাত কর?...<br> যখন তোমরা ডাক তখন তারা কি তোমাদের সে ডাক শুনতে পায়?<br>অথবা তারা কি তোমাদের উপকার কিংবা ক্ষতি করতে পারে?...<br>তোমরা কি ভেবে দেখেছ তোমরা কিসের [[পূজা]] করে যাচ্ছ? ~ [[কুরআন]] ২৬:৭০-৭৫]]
*আর আমি [[মুসলমান]]দের মধ্যে প্রথম।
**সূরা আল আন'আম ৬:১৬৩।
*হে, আমার প্রতিপালক, আমাকে দেখান, কিভাবে আপনি মৃতদেরকে জীবিত করেন।
** সূরা আল বাকারা ২:২৬০।
*আমি একনিষ্ঠ হয়ে তাঁর দিকে আমার মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছি যিনি আকাশমন্ডলী আর পৃথিবীকে সৃষ্টি করেছেন। আর আমি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত নই।
** সূরা আল আন'আম ৬:৭৯
*...তোমরা কিসের ইবাদাত কর?...<br> যখন তোমরা ডাক তখন তারা কি তোমাদের সে ডাক শুনতে পায়?<br>অথবা তারা কি তোমাদের উপকার কিংবা ক্ষতি করতে পারে?...<br>তোমরা কি ভেবে দেখেছ তোমরা কিসের [[পূজা]] করে যাচ্ছ?<br>তোমরা এবং তোমাদের পূর্ব-পুরুষরা?<br>তারা সবাই আমার শত্রু, বিশ্বজগতের পালনকর্তা ছাড়া।<br>যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনিই আমাকে হিদায়াত দিয়েছেন।<br>আর তিনিই আমাকে খাওয়ান ও পান করান।<br>এবং রোগাক্রান্ত হলে তিনিই আমাকে আরোগ্য দান করেন।<br>আর তিনিই আমার মৃত্যু ঘটাবেন, তারপর আমাকে পুনর্জীবিত করবেন।<br>এবং আশা করি, তিনি কিয়ামাত দিবসে আমার অপরাধসমূহ ক্ষমা করে দিবেন।<br>হে আমার রব, আমাকে প্রজ্ঞা দান করুন এবং আমাকে সৎকর্মশীলদের সাথে শামিল করে দিন।<br>পরবর্তীদের মাঝে আমার সুনাম বজায় রাখুন।<br>এবং আমাকে সুখময় জান্নাতের অধিকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন!<br>আর আমার পিতাকে ক্ষমা করুন; নিশ্চয় সে পথভ্রষ্টদের অন্তর্ভুক্ত ছিল।<br>আর যেদিন পুনরুত্থিত করা হবে সেদিন আমাকে লাঞ্ছিত করো না।
**সূরা আশ-শুআ'রা ২৬:৭০-৮৭।
*আপনি কি মূর্তিসমূহকে উপাস্যরূপে গ্রহণ করেন? আমি তো আপনাকে ও আপনার সম্প্রদায়কে স্পষ্ট ভ্রষ্টতার মধ্যে দেখছি
**পিতা [[w:আজর|আজরকে]] উদ্দেশ্য করে বলেন; সূরা আল আন'আম ৬:৭৪।
*যা অস্তমিত হয়ে যায় তার প্রতি আমার কোন অনুরাগ নেই।...<br>যদি আমার প্রতিপালক আমাকে পথপ্রদর্শন না করেন, নিশ্চয় আমি পথভ্রষ্ট সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাব।...<br>হে আমার জাতির লোকেরা! তোমরা যেগুলোকে (আল্লাহর) অংশীদার স্থির কর সেগুলোর সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই।...<br>আমি একনিষ্ঠ হয়ে তাঁর দিকে আমার মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছি যিনি আকাশমন্ডলী আর পৃথিবীকে সৃষ্টি করেছেন। আর আমি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত নই।...<br>তোমরা আল্লাহর ব্যাপারে আমার সাথে বাদানুবাদ করছ অথচ তিনি আমাকে সৎপথ দেখিয়েছেন। তোমরা যাদেরকে তার অংশীদার স্থির কর আমি তাদেরকে ভয় করি না। অবশ্য আল্লাহ যদি কিছু ইচ্ছে করেন (তবে সে কথা আলাদা)। প্রতিটি বস্তু সম্পর্কে আমার প্রতিপালকের জ্ঞান পরিব্যাপ্ত, তোমরা কি তা বুঝবে না?<br>তোমরা যাকে আল্লাহর অংশী কর, আমি তাকে কিরূপে ভয় করব? অথচ তোমরা ভয় কর না যে, তোমরা আল্লাহর সাথে এমন কিছুকে শরীক করে চলছ; যাদের সম্পর্কে আল্লাহ তোমাদের নিকট কোন প্রমাণ অবতীর্ণ করেননি। সুতরাং যদি তোমরা জান (তাহলে বল), দু’দলের মধ্যে কোন দলটি নিরাপত্তালাভের অধিক হকদার?
**সূরা আল আন'আম ৬:৭৬-৮১।
*...হে আমার রব! তুমি এ নগরীকে নিরাপদ কর আর আমাকে আর আমার সন্তানদেরকে প্রতিমা [[পূজা]] থেকে দূরে রাখুন।<br>হে আমার রব, নিশ্চয় এসব মূর্তি অনেক মানুষকে পথভ্রষ্ট করেছে, সুতরাং যে আমার অনুসরণ করেছে, নিশ্চয় সে আমার দলভুক্ত, আর যে আমার অবাধ্য হয়েছে, তবে নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু’।<br>হে আমাদের প্রতিপালক! আমি আমার সন্তানদের একাংশকে শস্যক্ষেতহীন উপত্যকায় তোমার সম্মানিত ঘরের নিকট পুনর্বাসিত করলাম। হে আমার প্রতিপালক! তারা যাতে [[নামাজ|সালাত]] কায়িম করে। কাজেই তুমি মানুষের অন্তরকে তাদের প্রতি অনুরাগী করে দাও আর [[ফল|ফল-ফলাদি]] দিয়ে তাদের জীবিকার ব্যবস্থা কর যাতে তারা শুকরিয়া আদায় করে।<br>হে আমাদের রাব্ব! আপনিতো জানেন যা আমরা গোপন করি এবং যা আমরা প্রকাশ করি; আকাশমন্ডলী ও [[পৃথিবী]]র কোন কিছুই আল্লাহর নিকট গোপন থাকেনা।<br>‘সকল প্রশংসা আল্লাহর, যিনি বৃদ্ধ বয়সে আমাকে [[w:ইসমাইল|ইসমাঈল]] ও [[w:Isaac|ইসহাককে]] দান করেছেন। নিশ্চয় আমার রব দো‘আ শ্রবণকারী’।<br>হে আমার রব! আমাকে [[নামাজ|সালাত]] কায়েমকারী করুন এবং আমার বংশধরদের মধ্য হতেও। হে আমাদের রব! আর আমার দো'আ কবুল করুন।<br>হে আমাদের প্রতিপালক! হিসাব গ্রহণের দিন আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে আর মু’মিনদেরকে ক্ষমা করে দিও।
**সূরা ইবরাহীম ১৪:৩৫-৪১। সম্ভবতঃ সর্বশেষ দোআটি তখন করা হয়েছে, যখন [[w:ইব্রাহীম|ইবরাহীম (আঃ)]]-কে কাফেরদের জন্য দোআ করতে নিষেধ করা হয়নি। [ইবন কাসীর]
**তবে কুরআনে উল্লেখ আছে, "[[w:ইব্রাহীম|ইবরাহীমের]] পিতার জন্য ক্ষমা প্রার্থনার ব্যাপারটি কেবলমাত্র তার প্রতিশ্রুতি রক্ষার্থে যা সে তার পিতাকে দিয়েছিল। কিন্তু যখন এটা তার কাছে স্পষ্ট হয়ে গেল যে, সে ([[w:আজর|আজর]]) আল্লাহর শত্রু, তখন সে তার থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করল।" (সূরা ৯:১১৪)।
*হে আমার প্রতিপালক! তুমি এ শহরকে নিরাপদস্থল কর এবং এর অধিবাসীদের মধ্যে যারা আল্লাহ ও পরকালের উপর ঈমান আনে, তাদেরকে ফলমূল হতে জীবিকা প্রদান কর’।...<br>হে আমাদের রব, আমাদের পক্ষ থেকে কবূল করুন। নিশ্চয় আপনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী।...<br> আমাদেরকে আপনার অনুগত করুন এবং আমাদের বংশধরের মধ্য থেকে আপনার অনুগত জাতি বানান। আর আমাদেরকে আমাদের ইবাদাতের বিধি-বিধান দেখিয়ে দিন এবং আমাদেরকে ক্ষমা করুন।...<br>আর তাদের মধ্য থেকে তাদের কাছে এক রসূল প্রেরণ কর, যে তোমার আয়াতসমূহ তাদের নিকট আবৃত্তি করবে; তাদেরকে [[বই|কিতাব]] (ধর্মগ্রন্থ) ও হিকমত (জ্ঞান ও প্রজ্ঞা) শিক্ষা দেবে এবং তাদেরকে ([[শিরক]] থেকে) পবিত্র করবে।
**সূরা আল বাকারা ২:১২৬-১২৭; প্রথম আয়াতে বিশ্বাসী ও অবিশ্বাসী নির্বিশেষে সমগ্র [[মক্কা]]বাসীর জন্য শান্তি ও সুখস্বাচ্ছন্দ্যের প্রার্থনা করা হয়েছে। দ্বিতীয় স্তবকে যখন [[w:ইব্রাহীম|ইবরাহীম]] ও [[w:ইসমাইল|ইসমাঈল]] [[কাবা]]ঘরের ভিত্তি স্থাপন করছিলেন তখনকার প্রার্থনা উল্লেখিত হয়েছে। সর্বশেষ প্রার্থনাটি [[w:ইব্রাহীম|ইবরাহীম (আঃ)]]-এর শেষ দু'আ। তাঁর এ দু'আও আল্লাহ তাআলা কবুল করেন এবং ইসমাঈল (আঃ)-এর সন্তানের মধ্য থেকে [[মুহাম্মদ|মুহাম্মাদ (সাঃ)]]-কে প্রেরণ করেন।
*আপনি আপনার উম্মতের কাছে আমার সালাম পৌঁছাবেন। আর তাদেরকে বলবেন, জান্নাতের মাটি পবিত্র ও সুঘ্রাণযুক্ত, এর [[পানি]] সুমিষ্ট এবং এর ভূমি উর্বর ও সমতল।
**[[W:লাইলাতুল মিরাজ| মিরাজে]] নবীজি (সাঃ) এর সাথে সাক্ষাৎকালে উদ্ধৃত। (জমে তিরমিযী, হাদীস ৩৪৬২)
===বুক অব আব্রাহাম===
:<small>[[https://en.wikipedia.org/wiki/The_Church_of_Jesus_Christ_of_Latter-day_Saints দ্য চার্চ অফ জেসাস ক্রাইস্ট অফ ল্যাটার-ডে সেইন্টস] ধর্মগ্রন্থের [https://en.wikipedia.org/wiki/Pearl_of_Great_Price_(Mormonism) পার্ল অব গ্রেট প্রাইস] থেকে [https://en.wikipedia.org/wiki/Book_of_Abraham বুক অব আব্রাহামে] আব্রাহামের উদ্ধৃতি]</small>
*আমি, আব্রাহাম, যের্শোন দেশে একটি বেদী নির্মাণ করলাম এবং প্রভুর উদ্দেশ্যে নৈবেদ্য উৎসর্গ করলাম। তাঁর কাছে প্রার্থনা করলাম, যেন এই [[দুর্ভিক্ষ]] আমার পিতার পরিবার থেকে দূর হয় এবং তাদের বিনাশ না ঘটে।
** [[w:Book of Abraham|বুক অব আব্রাহাম]] ২:১৭।
===জেনেসিস রাব্বাহ===
:<small>[[https://en.wikipedia.org/wiki/Genesis_Rabbah Genesis Rabbah হতে উদ্ধৃত]]</small>
[[File:Pieter_Bruegel_the_Elder_-_The_Tower_of_Babel_(Vienna)_-_Google_Art_Project_-_edited.jpg|thumb|পঞ্চাশ বছর বয়সী হয়েও তুমি একদিনের (ক্ষণস্থায়ী) মূর্তির পূজা করো! ~ জেনেসিস রাব্বাহ ৩৮:১৩]]
*পঞ্চাশ বছর বয়সী হয়েও তুমি একদিনের (ক্ষণস্থায়ী) মূর্তি পূজা করো!
** জেনেসিস রাব্বাহ ৩৮:১৩; [[w:R. Hiyya|আর. হীআ]], ''Abraham and the Idol Shop''
[[File:20160105-Abraham_house_in_Ur_Iraq.jpg|thumb|200px|আব্রাহাম যুক্তি দেখালেন, ‘জলের শক্তি [[আগুন|অগ্নি]]র ওপর।’ [[w:নমরুদ|নিমরোদ]] বললেন, ‘তাহলে [[জল]]কেই দেবতা মান্য করি!’ আব্রাহাম উত্তর দিলেন, ‘কিন্তু মেঘ তো জল শুষে নেয়, আর সেই [[মেঘ]]ও বাতাসে উড়ে যায়।’ [[w:নমরুদ|নিমরোদ]] বললেন, ‘তাহলে বাতাসকেই দেবতা স্বীকার করি!’ আব্রাহাম বললেন, ‘মনে রাখো, মানুষ বাতাসের চেয়ে শক্তিশালী; [[মানুষ]] বাতাসকে প্রতিরোধ করে তার সামনে দাঁড়াতে পারে।’ ~ জেনেসিস রাব্বাহ ৩৮]]
*[[W:আজর|তেরাহ]], আব্রাহাম ও [[w:হারুন (নবি)|হারোণের]] পিতা, মূর্তি ব্যবসায়ী ও পূজারি ছিলেন। একবার তিনি কোথাও যাওয়ার সময় আব্রাহামকে মূর্তি বিক্রির দায়িত্ব দিলেন। দিনের বেলায় এক বৃদ্ধ মূর্তি কিনতে এলে আব্রাহাম তার বয়স জিজ্ঞাসা করলেন। বৃদ্ধ বললেন, ‘পঞ্চাশ থেকে ষাটের মধ্যে।’ আব্রাহাম তাকে তিরস্কার করে বললেন, ‘একজন মানুষের হাতে কয়েক ঘণ্টায় তৈরি মূর্তিকে তুমি তোমার ঈশ্বর বলছ? এটা কি বুদ্ধিমানের কাজ?’ বৃদ্ধের হৃদয়ে এই কথা গেঁথে গেল, এবং তিনি মূর্তিপূজা ত্যাগ করলেন। <br>এরপর এক নারী সূক্ষ্ম আটার নৈবেদ্য দিতে এসে [[W:আজর|তেরাহের]] মূর্তিগুলোর কাছে উপস্থিত হলেন, যেগুলো তখন আব্রাহামের তত্ত্বাবধানে ছিল। আব্রাহাম একটি লাঠি নিয়ে সবচেয়ে বড় মূর্তি ছাড়া বাকিগুলো ভেঙে ফেললেন, এবং সেই লাঠিটি বড় মূর্তির হাতে রেখে দিলেন। [[W:আজর|তেরাহ]] ফিরে এসে তাঁর ‘দেবতা’ ও সম্পত্তির এই ধ্বংসস্তূপ দেখে আব্রাহামকে জবাবদিহি করতে বললেন। আব্রাহাম বিদ্রূপাত্মকভাবে ব্যাখ্যা করলেন, ‘আটার নৈবেদ্য নিয়ে এলে মূর্তিগুলো নিজেদের মধ্যে ঝগড়া শুরু করে কে এটি পাবে তা নিয়ে। শেষে সবচেয়ে বড় মূর্তিটি রেগে গিয়ে লাঠি তুলে নেয় এবং অন্যদের ভেঙে ফেলে!’<br>[[W:আজর|তেরাহ]] এই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হওয়ার বদলে এটাকে ঠাট্টা হিসেবেই নিলেন। এছাড়া আব্রাহামের হাতে ব্যবসায় ক্ষতির খবর শুনে তিনি ক্রোধে ফেটে পড়লেন, আব্রাহামকে বাড়ি থেকে বের করে দিলেন এবং নিমরোদের হাতে সঁপে দিলেন। [[w:নমরুদ|নিমরোদ]] আব্রাহামকে বললেন, ‘যেহেতু তুমি অক্ষম মূর্তিপূজা প্রত্যাখ্যান করেছ, তাহলে শক্তিশালী অগ্নির পূজা করো!’<br>আব্রাহাম যুক্তি দেখালেন, ‘জলের শক্তি [[আগুন|অগ্নি]]র ওপর।’ [[w:নমরুদ|নিমরোদ]] বললেন, ‘তাহলে [[জল]]কেই দেবতা মান্য করি!’ আব্রাহাম উত্তর দিলেন, ‘কিন্তু মেঘ তো জল শুষে নেয়, আর সেই [[মেঘ]]ও বাতাসে উড়ে যায়।’ [[w:নমরুদ|নিমরোদ]] বললেন, ‘তাহলে বাতাসকেই দেবতা স্বীকার করি!’ আব্রাহাম বললেন, ‘মনে রাখো, মানুষ বাতাসের চেয়ে শক্তিশালী; [[মানুষ]] বাতাসকে প্রতিরোধ করে তার সামনে দাঁড়াতে পারে।’<br> যুক্তিতে পরাস্ত হয়ে [[w:নমরুদ|নিমরোদ]] আব্রাহামকে তাঁর দেবতা—অগ্নি—এর সামনে নিক্ষেপ করার সিদ্ধান্ত নিলেন। তিনি আব্রাহামের ঈশ্বরের ক্ষমতা নিয়ে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন, কিন্তু স্রষ্টা আব্রাহামকে অগ্নিকুণ্ড থেকে অলৌকিকভাবে রক্ষা করলেন।
** জেনেসিস রাব্বাহ ৩৮, [http://www.sacred-texts.com/jud/tmm/tmm07.htm''টেলস অ্যান্ড ম্যাক্সিমস ফ্রম দ্য মিড্রাশ''] (রেভ. স্যামুয়েল রাপাপোর্ট, ১৯০৭), পৃ. ৭৮।
*আব্রাহামের মুদ্রার এক পিঠে বৃদ্ধ পুরুষ ও নারীর চিত্র অঙ্কিত ছিল, আর অপর পিঠে যুবক ও কুমারীর প্রতিকৃতি থাকত। এটি ইঙ্গিত করত যে, আব্রাহাম ও [[w:সারাহ|সারাহ]] বার্ধক্যে উপনীত হওয়ার পরও তাদের যৌবন পুনরুজ্জীবিত হয়েছিল, এবং তারা পুত্রসন্তানের জন্ম দেন।
** জেনেসিস রাব্বাহ ৩৮, [http://www.sacred-texts.com/jud/tmm/tmm07.htm''টেলস অ্যান্ড ম্যাক্সিমস ফ্রম দ্য মিড্রাশ''] (রেভ. স্যামুয়েল রাপাপোর্ট, ১৯০৭), পৃ. ৭৯।
===অ্যাপোক্যালিপ্স অব আব্রাহাম===
:<small>[[https://en.wikipedia.org/wiki/Apocalypse_of_Abraham Apocalypse of Abraham হতে উদ্ধৃত]]</small>
*অপবিত্র [[পাখি]]টি আমাকে বলল, 'আব্রাহাম, তুমি এই পবিত্র উচ্চভূমিতে কী করছ? যেখানে কেউ আহার বা পান করে না, মানুষের কোনো খাদ্যও নেই? এগুলো সবই অগ্নিতে ভস্মীভূত হবে ও উর্ধ্বে উড়ে যাবে, আর তোমাকেও ধ্বংস করবে।' <br>যখন আমি পাখিটিকে কথা বলতে দেখলাম, স্বর্গদূতকে জিজ্ঞাসা করলাম, 'হে প্রভু, এটা কী?' তিনি উত্তর দিলেন, 'এটি অসম্মান—এটি [https://en.wikipedia.org/wiki/Azazel আজাজেল!'] অতঃপর তিনি আজাজেলকে বললেন, 'লজ্জা তোমার, আজাজেল! আব্রাহামের অংশ স্বর্গে, আর তোমার অংশ পৃথিবীতে, কারণ তুমি এখানেই বাস করতে পছন্দ করেছ ও তোমার কলুষের বাসস্থানে মোহিত হয়েছ। তাই চিরন্তন শাসক, পরাক্রমশালী [[ঈশ্বর]] তোমাকে পৃথিবীতে বাসের অধিকার দিয়েছেন। তোমার মাধ্যমেই সর্ব-অশুভ আত্মা মিথ্যাবাদী হয়েছে, আর তোমার দ্বারাই দুষ্কৃতকারী মানুষের বংশধরদের উপর ক্রোধ ও পরীক্ষা আসে।'
** অ্যাপোক্যালিপ্স অব আব্রাহাম ১৩:৪–৯
*তুমি পৃথিবীর অগ্নিকুণ্ডের অগ্নিশলাকাই হও! হে [https://en.wikipedia.org/wiki/Azazel আজাজেল], পৃথিবীর অনধিগম্য অঞ্চলে প্রস্থান কর। কারণ তোমার সঙ্গীদের ওপরই তোমার আধিপত্য।
**অ্যাপোক্যালিপ্স অব আব্রাহাম ১৪:৫–৬
*ধূর্ত কীট আজাজেলের উদরে পচে যাও, আর আজাজেলের জিহ্বার অগ্নিতে দগ্ধ হও।
**অ্যাপোক্যালিপ্স অব আব্রাহাম ৩১:৫
==তাঁর সম্পর্কে উক্তি==
[[File:Rembrandt Harmensz. van Rijn 035.jpg|thumb|right|তোমার পুত্রকে হত্যা কোরো না, তাকে কোন রকম আঘাত দিও না। এখন আমি দেখতে পাচ্ছি, তুমি [[ঈশ্বর]]কে ভক্তি করো এবং তাঁর আজ্ঞা পালন করো। প্রভুর জন্যে তুমি তোমার একমাত্র পুত্রকে পর্যন্ত বলি দিতে প্রস্তুত! ~ আদিপুস্তক ২২:১২]]
[[File:Temple mount.JPG|thumb|right|সুতরাং অব্রাহাম ঐ স্থানটির একটা নাম দিলেন, “যিহোবায়িরি”।এমন কি আজও লোকেরা বলে, “এই পর্বতে প্রভুকে দেখা যায়।” ~ আদিপুস্তক ২২:১৪]]
[[File:Sasanian-era_gem,_depicting_the_sacrifice_of_Isaac,_Pahlavi_inscription.jpg|thumb|right|আর দ্বীনের ব্যাপারে তার তুলনায় কে উত্তম, যে সৎকর্মপরায়ণ অবস্থায় আল্লাহর কাছে নিজকে পূর্ণ সমর্পণ করল এবং একনিষ্ঠভাবে [[w:ইব্রাহীম|ইব্রাহীমের]] আদর্শ অনুসরণ করল? আর আল্লাহ [[w:ইব্রাহীম|ইব্রাহীমকে]] পরম বন্ধুরূপে গ্রহণ করেছিলেন। ~ [[কুরআন]] ৪:১২৫]]
[[File:Abraham_ready_to_sacrifice_his_son,_Ishmael_(top);_Abraham_cast_into_fire_by_Nimrod_(bottom).jpg|thumb|আমি বললাম, ‘হে [[আগুন]], তুমি শীতল ও নিরাপদ হয়ে যাও [[w:ইব্রাহীম|ইব্রাহীমের]] জন্য’। ~ [[কুরআন]] ২১:৬৯]]
===কুরআন ও হাদিস===
*তোমাদের জন্য [[w:ইব্রাহীম|ইব্রাহীম]] ও তাহার অনুসারীদের মধ্যে রহিয়াছে উত্তম আদর্শ।
**সূরা আল মুমতাহিনা ৬০:৪।
*সে ছিল পরম সত্যবাদী ও [[নবী]]।
**সূরা মারইয়াম ১৯:৪১।
*[[w:ইব্রাহীম|ইব্রাহীমের]] উপর শান্তি বর্ষিত হোক।
**সূরা আস সাফফাত ৩৭:১০৯।
* [[w:ইব্রাহীম|ইব্রাহীম]] ছিল অতিশয় কোমল হৃদয়, সহনশীল।
**সূরা আত তওবা ৯:১১৪।
*নিশ্চয় [[w:ইব্রাহীম|ইব্রাহীম]] বড় সহিষ্ণু, দয়ালু, সতত আল্লাহ অভিমুখী।
**সূরা হুদ ১১:৭৫।
*এটাই ([[ইসলাম]]) তোমাদের [[পিতা]] [[w:ইব্রাহীম|ইব্রাহীমের]] দ্বীন।
**সূরা হজ্জ ২২:৭৮।
*আর [[w:ইব্রাহীম|ইব্রাহীম]] তো তার ([[w:Noah|নূহ]] এর) অনুগামীদের অন্তর্ভুক্ত।
**সূরা আস সাফফাত ৩৭:৮৩।
*আমি [[w:Noah|নূহ]] এবং [[w:ইব্রাহীম|ইব্রাহীমকে]] এবং তাদের বংশধরদের জন্য স্থির করেছিলাম নবুওয়াত ও কিতাব, কিন্তু তাদের অল্পই সৎ পথ অবলম্বন করেছিল এবং অধিকাংশই ছিল সত্যত্যাগী।
**সূরা আল হাদীদ ৫৭:২৬।
*[[w:ইব্রাহীম|ইব্রাহীম]] [[w: ইহুদি|ইয়াহূদী]]ও ছিল না, [[W:নাসারা|নাসারা]]ও ছিল না; বরং সে ছিল একনিষ্ঠ [[মুসলিম]]। আর সে মুশরিকদের (অংশীবাদী) অন্তর্ভুক্ত ছিল না।<br>যারা [[w:ইব্রাহীম|ইব্রাহীমের]] অনুসরণ করেছিল, তারা এবং এই নবী ([[w:মুহাম্মদ|মুহাম্মদ সাঃ]]) ও বিশ্বাসিগণ মানুষের মধ্যে [[w:ইব্রাহীম|ইব্রাহীমের]] ঘনিষ্ঠতম। আর আল্লাহ বিশ্বাসীদের অভিভাবক।
**সূরা আল ইমরান ৩:৬৭-৬৮।
*হে কিতাবীগণ(ঐশীগ্রন্থধারিগণ), তোমরা [[w:ইব্রাহীম|ইব্রাহীমের]] ব্যাপারে কেন বিতর্ক কর? অথচ [[W:তাওরাত|তাওরাত]] ও [[W: ইঞ্জিল|ইনজীল]] তো তার পরই অবতীর্ণ হয়েছে। সুতরাং তোমরা কি বুঝবে না?
** সূরা আল ইমরান ৩:৬৫।
*এভাবে [[w:ইব্রাহীম|ইব্রাহীম]]কে আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর রাজত্ব প্রদর্শন করি, যাতে সে নিশ্চিত বিশ্বাসীদের অন্তর্ভুক্ত হয়।
**সূরা আল আন'আম ৬:৭৫।
*নিশ্চয় [[w:ইব্রাহীম|ইব্রাহীম]] ছিলেন এক উম্মাত, [[আল্লাহ]]র একান্ত অনুগত, একনিষ্ঠ এবং তিনি ছিলেন না মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত;<br>সে ছিল আল্লাহর নিযামতরাজির জন্য শোকরগুযার। আল্লাহ তাকে মনোনীত করেছিলেন এবং তাকে সরল সঠিক পথ দেখিয়েছিলেন।<br>আমি তাকে দুনিয়াতে কল্যাণ দান করেছিলাম, আর আখেরাতেও সে অবশ্যই সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত।<br>অতঃপর তোমার প্রতি ওয়াহী করছি যে, তুমি একনিষ্ঠ [[w:ইব্রাহীম|ইব্রাহীমের]] মতাদর্শ অনুসরণ কর; আর সে তো মুশরিকদের দলভুক্ত ছিল না।
**সূরা আন নাহল ১৬:১২০-১২৩।
*অতঃপর আমি তাকে এক অতি ধৈর্যশীল পুত্রের সুসংবাদ দিলাম।
**সূরা আস সাফফাত ৩৭:১০১।
*এ হলো আমার যুক্তি-প্রমাণ যা আমি [[w:ইব্রাহীম|ইব্রাহীম]]কে দিয়েছিলাম তার কওমের বিপক্ষে, আমি যাকে ইচ্ছে মর্যাদায় উন্নীত করি।
**সূরা আল আন'আম ৬:৮৩।
*বলুন, আমার রব তো আমাকে সৎপথে পরিচালিত করেছেন। এটাই সুপ্রতিষ্ঠিত দ্বীন, [[w:ইব্রাহীম|ইব্রাহীমের]] মিল্লাত (আদর্শ), '''তিনি ছিলেন একনিষ্ঠ এবং তিনি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না।'''
**সূরা আল আন'আম ৬:১৬১।
*আর স্মরণ কর, যখন আমি [[কাবা]]কে মানুষের জন্য মিলনকেন্দ্র ও নিরাপদ স্থান বানালাম এবং (আদেশ দিলাম যে,) ‘তোমরা মাকামে ইব্রাহীমকে সালাতের স্থানরূপে গ্রহণ কর’। '''আর আমি [[w:ইব্রাহীম|ইব্রাহীম]] ও [[ইসমাইল|ইসমাঈল]]কে দায়িত্ব দিয়েছিলাম যে, ‘তোমরা আমার গৃহকে তাওয়াফকারী, ‘ইতিকাফকারী ও রুকূকারী-সিজদাকারীদের জন্য পবিত্র কর’।'''
**সূরা আল বাকারা ২:১২৫।
*আর দ্বীনের ব্যাপারে তার তুলনায় কে উত্তম, যে সৎকর্মপরায়ণ অবস্থায় আল্লাহর কাছে নিজকে পূর্ণ সমর্পণ করল এবং একনিষ্ঠভাবে [[w:ইব্রাহীম|ইব্রাহীমের]] আদর্শ অনুসরণ করল? আর আল্লাহ [[w:ইব্রাহীম|ইব্রাহীমকে]] পরম বন্ধুরূপে গ্রহণ করেছিলেন।
**সূরা আন নিসা ৪:১২৫।
*আমি বললাম, ‘হে [[আগুন]], তুমি শীতল ও নিরাপদ হয়ে যাও [[w:ইব্রাহীম|ইব্রাহীমের]] জন্য’।
**সূরা আল আম্বিয়া ২১:৬৯।
*আমি হলাম আমার [[পিতা]] [[w:ইব্রাহীম| ইব্রাহীম (আঃ)]]-এর দু'আ, [[w:ঈসা|ঈসা (আঃ)]]-এর সুসংবাদ এবং আমার [[মা|জননী]]র [[স্বপ্ন]]।
** [[মুহম্মদ|হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)]], (ফাতহুররাব্বানী ২০/১৮১-১৮৯)
*[[নবী]]দের মধ্য থেকে প্রত্যেক [[নবী]]র কিছু বন্ধু হয়, তাঁদের মধ্য থেকে আমার বন্ধু হল আমার [[পিতা]] এবং আমার মহান প্রতিপালকের খলীল (অতীব ঘনিষ্ঠ বন্ধু [[w:ইব্রাহীম| ইব্রাহীম আঃ]])
** [[মুহম্মদ|হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)]], (তিরমিযী:২৯৯৫)
*‘‘আল্লাহ আমাকেও খলীল বানিয়েছেন, যেভাবে তিনি [[w:ইব্রাহীম| ইব্রাহীম (আঃ)]] খলীল বানিয়েছিলেন।’’
**[[মুহম্মদ|হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)]],(সহীহ মুসলিম, [[মসজিদ]] অধ্যায়)
*আর [[w:ইব্রাহীম| ইব্রাহীম (আঃ)]] এর বংশধরদের মধ্যে তাঁর সাথে আমার চেহারায় মিল সবচেয়ে বেশী।<br><sub>[বৈকল্পিক তর্জমা:<i> আমি [[w:ইব্রাহীম| ইব্রাহীম (আঃ)]] এর আকৃতির সাথে অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ।</i>]</sub>
** সহীহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) । অধ্যায়ঃ ৫০; আম্বিয়া কিরাম (আঃ),ইসলামিক ফাউন্ডেশন নাম্বার: ৩১৫৬, আন্তর্জাতিক নাম্বার: ৩৩৯৪
*অতঃপর কিয়ামত দিবসে সর্বপ্রথম যাহাকে কাপড় পরানো হইবে তিনি [[w:ইব্রাহীম| ইব্রাহীম (আঃ)]]
**ইবনু আব্বাস (রা) হইতে বর্ণিত। (আল-বুখারী, আস-সাহীহ, কিরমানীর ভাষ্যযুক্ত, ১৭খ., ২১৩; কিতাবুত তাফসীর, সূরাতুল আম্বিয়া)।
*[[w:ইব্রাহীম| ইব্রাহীম (আঃ)]] তিনটি ছাড়া কখনও (আপাত দৃষ্টিতে) মিথ্যা বলেন নাই। উহার দুইটি [[আল্লাহ]]র জন্য। তিনি বলিয়াছিলেন, আমি অসুস্থ; আর বলিয়াছিলেন, বরং উহাদের এই বড়টি উহা করিয়াছে। আর একটি হইল, একদিন তিনি ও সারা এক স্বৈরাচারী জালিম বাদশাহর রাজ্যে উপস্থিত হইলেন। অতঃপর বাদশাহকে বলা হইল, অমুক স্থানে এক ব্যক্তি আসিয়াছে, তাহার সহিত এক মহিলা আছে যে পরমা সুন্দরী । অতঃপর বাদশাহ [[w:ইব্রাহীম| ইব্রাহীম (আঃ)]]-এর নিকট লোক পাঠাইল। (তিনি আসার পর) বাদশাহ তাহাকে [[w:সারাহ|সারা]] সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করিল যে, এই মহিলা কে? [[w:ইব্রাহীম| ইব্রাহীম (আঃ)]] বলিলেন, সে আমার ভগ্নী।
** আবু হুরায়রা (রা) হইতে বর্ণিত। (বুখারী, আস-সাহীহ, ৪ খ, ২৭৯, হাদীছ নং ৩১৩৯; মুসলিম, আস-সাহীহ, ৭ খ., ৯৭)।
* মুমিনদের শিশুরা জান্নাতবাসী হইবে। [[w:ইব্রাহীম| ইব্রাহীম (আঃ)]] হইবেন তাহাদের তত্ত্বাবধায়ক।
**আবু হুরায়রা (রা) হইতে বর্ণিত। (আল-হাকেম আন-নায়সাবুরী, আল-মুসতাদরাক, ২৩, ৩৭০, কিতাবুত-তাফসীর)।
*তাহা (সৃষ্টির সর্বোত্তম ব্যক্তি) তো [[w:ইব্রাহীম| ইব্রাহীম (আঃ)]]।
**[[মুহম্মদ|হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)]], আনাস ইবন মালিক (রা) হইতে বর্ণিত। (মুসলিম, আস-সাহীহ, খ, ৯৭, কিতাবুল-ফাদাইল)।
===বাইবেল ও তোরাহ===
*হে ([[w:Christian|খ্রিস্টানগণ]]), তোমরাই [[নবী]]গণের সন্তান এবং সেই প্রতিজ্ঞার উত্তরাধিকারী, যা ঈশ্বর আমাদের পিতৃপুরুষদের সাথে করেছিলেন; তিনি আব্রাহামকে বলেছিলেন, 'তোমার বংশধরের মাধ্যমে পৃথিবীর সকল জাতি আশীর্বাদ প্রাপ্ত হবে।'
**[[W:প্রেরিতদের আইন|অ্যাক্ট অব আপোস্টলস]] ৩:২৫, কিং জেমস সংস্করণ)
*[[W:আজর|তেরাহ]] তাঁর পরিবার নিয়ে কলদীয় দেশের উর পরিত্যাগ করলেন। তাঁদের পরিকল্পনা ছিল [[W:কেনান|কনান]] দেশে যাওয়ার। [[W:আজর|তেরাহ]] তাঁর পুত্র অব্রাম, তাঁর পৌত্র [[w:লোট|লোট]] এবং পুত্রবধূ সারীকে সঙ্গে নিলেন। তাঁরা হারণ নামে একটা শহরে পৌঁছে সেখানেই বাস করার সিদ্ধান্ত নিলেন।
** আদিপুস্তক ১১:৩১
*প্রভু অব্রামকে বললেন, “তুমি এই দেশ, নিজের জাতিকুটুম্ব এবং পিতার পরিবার ত্যাগ করে, আমি যে দেশের পথ দেখাব সেই দেশে চল। <br>তোমা হতে আমি এক মহাজাতি উৎপন্ন করব। তোমাকে আশীষ দেবো এবং তুমি বিখ্যাত হবে। অন্যকে আশীর্বাদ জানাতে লোকে তোমার নাম নেবে। <br>'''যারা তোমাকে আশীর্বাদ করবে, সেই লোকেদের আমি আশীর্বাদ করব এবং যারা তোমাকে অভিশাপ দেবে, সেই লোকেদের আমি অভিশাপ দেব।''' তোমার মাধ্যমে আমি পৃথিবীর সব লোকেদের আশীর্বাদ করব।”
** আদিপুস্তক ১২:১-৩
*তিনি খেয়াল করলেন য়ে তাঁর স্ত্রী [[w: সারাহ|সারী]] কত সুন্দরী| তাই মিশরে প্রবেশের ঠিক আগে [[w: সারাহ|সারীকে]] বললেন, "আমি জানি তুমি সুন্দরী"<br> [[W:Egypt|মিশরীয়]] পুরুষরা তোমায় দেখবে। তারা বলবে, ‘এই মহিলা ঐ লোকটার স্ত্রী।’ তারা তখন তোমাকে পাওয়ার জন্যে আমায় মেরে ফেলবে।<br> তাই সবাইকে বলবে যে তুমি আমার বোন। তাহলে তারা আর আমায় [[হত্যা]] করবে না। তারা আমায় তোমার [[ভাই]] ভাববে, আমার সঙ্গে ভাল ব্যবহার করবে। এইভাবে তুমি আমার প্রাণ বাঁচাবে।”
**আদিপুস্তক ১২:১১-১৩
* [[w:লোট|লোট]] চলে গেলে প্রভু অব্রামকে বলল, '''“তোমার চারদিকে তাকিয়ে দেখ উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম চারদিকে তাকাও।<br> যত জমিজায়গা দেখতে পাচ্ছ, সব আমি তোমায় এবং তোমার বংশধরদের দেব। এ দেশ চিরকালের জন্যে তোমার হবে।<br> পৃথিবীর ধূলোর মত আমি তোমার উত্তরপুরুষদের সংখ্যাবৃদ্ধি করব। যদি লোকে পৃথিবীর সব ধূলো গুনতে পারে তাহলে তোমার লোকেদের গোনা যাবে।'''<br> অতএব এগিয়ে যাও, তোমার নিজের দেশে তুমি হেঁটে বেড়াও। এই দেশ আমি তোমায় দিলাম।”<br> তখন অব্রাম তাঁর তাঁবু উঠিয়ে নিলেন। তিনি মম্রির উচ্চ বৃক্ষগুলির কাছে বাস করতে গেলেন। স্থানটি ছিল [[w: Hebron|হিব্রোণ]] নগরের কাছে। সেখানে অব্রাম প্রভুর উদ্দেশ্যে উপাসনা করার জন্যে একটি বেদী নির্মাণ করলেন।
**আদিপুস্তক ১৩:১৪-১৮
*পরে ঐসব প্রাণীর মাংসখণ্ডের জন্যে বড় বড় [[পাখি]] ছোঁ মেরে এলো। কিন্তু অব্রাম সেগুলি তাড়িয়ে দিলেন।
**আদিপুস্তক ১৫:১১
*[[w:হাগার|হাগার]] অব্রামের পুত্রের জন্ম দিল। সে অব্রাম পুত্রের নাম দিল [[w:ইশ্মায়েল|ইশ্মায়েল]]।<br>যখন [[w:হাগার|হাগারের]] গর্ভে [[w:ইশ্মায়েল|ইশ্মায়েলের]] জন্ম হয় তখন অব্রামের বয়স ৮৬ বছর।
**আদিপুস্তক ১৬:১৫-১৬
*অব্রামের ৯৯ বছর বয়স হলে প্রভু তাঁর সামনে আবির্ভূত হলেন। প্রভু বললেন, “আমি সর্বশক্তিমান ঈশ্বর। আমার জন্যে এই কাজগুলি করো: আমার কথামত চলো এবং সৎ পথে জীবনযাপন করো।<br> এটা যদি করো তাহলে আমাদের মধ্যে একটা চুক্তির ব্যবস্থা করব। আমি প্রতিশ্রুতি করছি য়ে তোমার বংশধরদের আমি এক মহান জাতিতে পরিণত করব।”<br> তখন অব্রাম ঈশ্বরের সামনে প্রণামে নত হলেন। ঈশ্বর তাঁকে বললেন, <br>“আমাদের চুক্তিতে এটি আমার অংশ। আমি তোমাকে বহু জাতির পিতা করব।<br> '''আমি তোমার নাম পরিবর্তন করব। তোমার নাম অব্রামের (মাতাপিতা) পরিবর্তে অব্রাহাম (বহু লোকের পিতা) হবে। আমি তোমায় এই নাম দিচ্ছি কারণ আমি তোমায় বহু জাতির পিতা করছি।'''<br> আমি তোমার বংশ অতিশয় বৃদ্ধি করব। তোমার থেকে নতুন নতুন জাতির এবং রাজার জন্ম হবে।<br>এবং তোমার ও আমার মধ্যে এক চুক্তি সম্পন্ন হবে। তোমার সমস্ত উত্তরপুরুষগণের জন্যও এই একই চুক্তি প্রয়োজ্য হবে। এই চুক্তি চিরকাল বহাল থাকবে। আমি তোমার ও তোমার উত্তরপুরুষগণের জন্য ঈশ্বর থাকব।<br> আমি তোমাকে এবং তোমার সব উত্তরপুরুষদের এই [[w:কেনান|কনান]] দেশ দেব যার মধ্য দিয়ে তোমরা যাত্রা করছ। আমি তোমাকে এই দেশ চিরকালের জন্য দেব। আমি হব তোমার ঈশ্বর।”
**আদিপুস্তক ১৭:১-৮
*প্রভু আপন মনে বললেন, "এখন আমি কি করব তা কি অব্রাহামকে বলব?<br> '''অব্রাহাম থেকে জন্মলাভ করবে এক মহান ও শক্তিশালী জাতি এবং অব্রাহামের জন্যেই পৃথিবীর সমস্ত মানুষ আশীর্বাদ প্রাপ্ত হবে।'''<br> আমি অব্রাহামের সাথে এক বিশেষ চুক্তি করেছি। প্রভুর ইচ্ছা অনুসারে জীবনযাপনের জন্যে যাতে অব্রাহামের সন্তানসন্ততি ও উত্তরপুরুষগণ অব্রাহামের আজ্ঞা পালন করে তাই এই ব্যবস্থা করেছি। এটা করেছি যাতে তারা ন্যায়পরায়ণ ও সৎ জীবনযাপন করে। তাহলে আমি প্রভু, প্রতিশ্রুত জিনিসগুলি দিতে পারব।"
**আদিপুস্তক ১৮:১৭-১৯
*[[W:ইস্হাক|ইসহাকের]] জন্মের সময় অব্রাহামের বয়স ছিল ১০০ বছর।<br>এবং [[w:সারাহ|সারী]] বললেন, "ঈশ্বর আমাকে আনন্দিত করেছেন। যে শুনবে সেই আমার সুখে সুখী হবে।<br>কেউ ভাবে নি যে আমি অব্রাহামের পুত্রের জন্ম দেব।'''কিন্তু এই বৃদ্ধ বয়সেও আমি অব্রাহামকে পুত্র দিতে পেরেছি।'''"
**আদিপুস্তক ২১:৫-৭
*এই সমস্ত কিছুর পরে '''ঈশ্বর ঠিক করলেন যে তিনি অব্রাহামের বিশ্বাস পরীক্ষা করবেন।''' তাই ঈশ্বর ডাকলেন, “অব্রাহাম!”এবং অব্রাহাম সাড়া দিলেন, “বলুন!”<br> তখন ঈশ্বর বললেন, “তোমার একমাত্র পুত্র যাকে তুমি ভালবাস সেই [[w: Isaac|ইসহাক]]কে মোরিয়া দেশে নিয়ে যাও। সেখানে পর্বতগুলির মধ্যে একটির ওপরে তাকে আমার উদ্দেশ্যে বলি দাও। আমি তোমাকে বলব কোন পর্বতের ওপর তুমি তাকে বলি দেবে।”<br>পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে অব্রাহাম যাত্রার জন্যে গাধার পিঠে জিন সাজালেন। সঙ্গে [[W:ইস্হাক|ইসহাককে]] নিলেন, আর নিলেন দুজন ভৃত্যকে। অব্রাহাম হোমের জন্য কাঠ কাটলেন। তারপর ঈশ্বর যেখানে যেতে বলেছিলেন সেই স্থানের উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন।
**আদিপুস্তক ২২:১-৩
*তোমার পুত্রকে হত্যা কোরো না, তাকে কোন রকম আঘাত দিও না। এখন আমি দেখতে পাচ্ছি, তুমি [[ঈশ্বর]]কে ভক্তি করো এবং তাঁর আজ্ঞা পালন করো। প্রভুর জন্যে তুমি তোমার একমাত্র পুত্রকে পর্যন্ত বলি দিতে প্রস্তুত!
**আদিপুস্তক ২২:১২
*সুতরাং অব্রাহাম ঐ স্থানটির একটা নাম দিলেন, “যিহোবায়িরি”।এমন কি আজও লোকেরা বলে, “এই পর্বতে প্রভুকে দেখা যায়।”
**আদিপুস্তক ২২:১৪
*আমি তোমাকে অবশ্য আশীর্বাদ করব। আকাশে যত তারা, আমি তোমার উত্তরপুরুষদেরও সংখ্যাও তত করব। সমুদ্রতীরে যত বালি, তোমার উত্তরপুরুষরাও তত হবে। এবং তোমার বংশ তাদের সমস্ত শত্রুদের পরাস্ত করবে।<br> পৃথিবীর প্রত্যেক জাতি তোমার উত্তরপুরুষদের মাধ্যমে আশীর্বাদ পাবে। তুমি আমার আজ্ঞা পালন করেছ বলে তোমার উত্তরপুরুষদের জন্যে আমি একাজ করব
**আদিপুস্তক ২২:১৭-১৮
===স্কলার ও অন্যান্য ব্যক্তি===
[[File:Icelandic_Isaac_sacrifice.jpg|thumb| ... আব্রাহাম ... বুঝতে পেরেছিলেন যে সকলেই ভুল করছে, আর তাদের এই ভ্রান্তির কারণ হলো মূর্তি [[পূজা]], যা তাদের মন থেকে সত্যকে দূর করে দিয়েছিল। ~ [[W:Maimonides|মাইমোনাইডিস]]]]
[[File:Abraham_about_to_sacrifice_Isaac.jpg|thumb|[[ঈশ্বর]] হস্তক্ষেপ করেছিলেন না এজন্য যে আব্রাহাম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন, বরং তিনি ব্যর্থ হয়েছিলেন। কিন্তু এ ধারণা কালভ্রমী; কারণ ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে ‘মানবজীবনের মর্যাদা’ নয়, ‘ঐশ্বরিক আদেশের আনুগত্য’-ই ছিল সর্বোচ্চ গুণ। ~ [[W:Steven Pinker|স্টিভেন পিঙ্কার]]]]
*দীর্ঘ সময় পর মহান ও ভয়ঙ্কর নামটি বিস্মৃত হয়েছিল, এবং মানুষ— [[নারী]], [[পুরুষ]], [[শিশু]]—কেবল কাঠ বা পাথরের মূর্তিকেই চিনত, আর সেই কাঠ বা পাথরের [[মন্দির]]কেই জানত, শিশুকাল থেকে যার সেবা করতে শিখেছে নতজানু হয়ে পূজা করত। ... আব্রাহাম ... বুঝতে পেরেছিলেন যে সকলেই ভুল করছে, আর তাদের এই ভ্রান্তির কারণ হলো মূর্তি [[পূজা]], যা তাদের মন থেকে সত্যকে দূর করে দিয়েছিল।
**[[W:Maimonides|মাইমোনাইডিস]], ''মিশনেহ তোরাহ'' (আনু. ১১৮০), চতুর্থ গ্রন্থ: ''Idolatry'', এইচ. রাসেল, অনূদিত (১৯৮৩), পৃ. ৭২-৭৩
*হে তোমরা, যারা এখনো এই বলির বেদি গড়ো <br>এই [[শিশু]]দের উৎসর্গ করতে,<br>তোমাদের এ কাজ আর চলবে না।<br>কূটকৌশল কোনো দর্শন নয়, <br>আর কোনো দানব বা দেবতা কখনো <br>তোমাদের প্রেরণা দেয়নি।
**[[W:Leonard Cohen|লিওনার্ড কোহেন]], [[w:Songs from a room|"সঙ্গস ফ্রম আ রুম"]] অ্যালবামে "স্টোরি অব আইজ্যাক" (১৯৬৯)
*[[W:Old Testament|পুরাতন নিয়মে]] [[উট]]কে পরিবহনের মাধ্যম হিসেবে অসংখ্যবার উল্লেখ করা হয়েছে। আব্রাহাম যখন তাঁর পুত্র [[w: Isaac|ইসহাকের ]] জন্য পাত্রী খুঁজতে এক ভৃত্যকে প্রেরণ করেন, সেই ভৃত্য [[W:Rebekah|রেবেকা]]কে নির্বাচন করেন। কিন্তু কেন? কারণ, [[উট]]গুলিকে জল পান করানোর প্রস্তাব দিয়ে তিনি যে দয়ালুতা দেখিয়েছিলেন, তা-ই এর কারণ। বাইবেলে উটের এমন অসংখ্য সংক্ষিপ্ত উপস্থিতি রয়েছে—বিশেষত আদিপুস্তকে। তবে পণ্ডিতরা দীর্ঘদিন ধরে যুক্তি দিয়ে আসছেন যে এই উটবাহী কাফেলাগুলো সাহিত্যিক 'কালভ্রম', অর্থাৎ ঐতিহাসিক সময়কালের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ।"
** [[w:Renee Montagne|রেনি মন্টাইন]], ক্যারল মেয়ার্স-এ ।''[http://www.npr.org/2014/02/14/276782474/the-genesis-of-camels Archaeology Find: Camels In 'Bible' Are Literary Anachronisms]'', npr.org, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৪।
*লিখিত আছে যে আব্রাহামের দুই পুত্র ছিল—একজন দাসীর গর্ভে ও অন্যজন মুক্ত [[নারী]]র গর্ভে জন্মেছিলেন। কিন্তু দাসীর পুত্র জন্ম নিয়েছিল শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমে, আর মুক্ত [[নারী]]র পুত্র জন্মেছিল প্রতিজ্ঞার বাক্যে। এই ঘটনাকে রূপকভাবে ব্যাখ্যা করা যায়: এ দুই নারী দুই চুক্তির প্রতীক।
** [[W:Paul of Tarsus|পল অব টারসাস]], [[w:Acts of the Apostles|প্রেরিতদের আইন]] ৪:২২-২৪, [[w:English Standard Version|ESV]]
*বাইবেলের পরবর্তী প্রধান চরিত্র আব্রাহাম—যিনি [[w:ইহুদি|ইহুদি]], [[w:খ্রিস্টান|খ্রিস্টান]] ও [[w:মুসলিম|মুসলিম]]দের আধ্যাত্মিক পূর্বপুরুষ। আব্রাহামের ভ্রাতুষ্পুত্র [[w:লোট|লোট]] সদোম নগরীতে বসবাস করতেন। নগরবাসীরা [[সমকামিতা|পায়ুকাম]] ও অনুরূপ পাপে লিপ্ত হওয়ায় ঈশ্বর এক ঐশ্বরিক ধ্বংসযজ্ঞে প্রত্যেক [[পুরুষ]], [[নারী]] ও [[শিশু]]কে ভস্মীভূত করেন। [[w:লোট|লোটের]] স্ত্রী মাত্র পিছন ফিরে অগ্নিকাণ্ডের দৃশ্য দেখার ‘অপরাধে’ প্রাণদণ্ডে নিহত হন। আব্রাহামকেও এক নৈতিক পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয় যখন [[ঈশ্বর]] তাকে নির্দেশ দেন তাঁর পুত্র [[w: Isaac|ইসহাককে]] পাহাড়ের চূড়ায় নিয়ে গিয়ে বেঁধে ফেলতে, গলা কাটতে এবং প্রভুর উদ্দেশে দেহ দাহ করতে। শেষ মুহূর্তে এক দেবদূত আব্রাহামের হাত রুখে দিলে [[w: Isaac|ইসহাকের]] প্রাণ বাঁচে। সহস্রাব্দ ধরে পাঠকেরা এই ভয়াবহ পরীক্ষার কারণ নিয়ে জিজ্ঞাসিত: [[ঈশ্বর]] কেন এমন নিষ্ঠুর দাবি করলেন? একটি ব্যাখ্যা অনুযায়ী, [[ঈশ্বর]] হস্তক্ষেপ করেছিলেন না এজন্য যে আব্রাহাম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন, বরং তিনি ব্যর্থ হয়েছিলেন। কিন্তু এ ধারণা কালভ্রমী; কারণ ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে ‘মানবজীবনের মর্যাদা’ নয়, ‘ঐশ্বরিক আদেশের আনুগত্য’-ই ছিল সর্বোচ্চ গুণ।"
** [[W:Steven Pinker|স্টিভেন পিঙ্কার]], ''দ্য বেটার অ্যাঞ্জেলস অফ আওয়ার নেচার'' (২০১২)
*সংক্ষেপে, প্রভুর মতোই একজন ঘৃণ্য ব্যক্তি হওয়ার পাশাপাশি আব্রাহাম ছিলেন একজন সিদ্ধহস্ত [[মিথ্যা]]বাদী—যেকোনোকে প্রতারণার জন্য তাঁর দ্বিমুখী জিহ্বা সদা প্রস্তুত, যা এই গল্পের বর্ণনাকারী নিজের অভিধানে সংজ্ঞায়িত করেছেন: 'বিশ্বাসঘাতক, কপট, [[মিথ্যা]]প্রিয়, অনুগতিহীন' এবং অন্যান্য 'উৎকৃষ্ট' গুণাবলি দ্বারা। প্রভুর নির্দেশিত স্থানে পৌঁছে আব্রাহাম একটি বলির বেদি নির্মাণ করলেন এবং তার উপর কাঠ সাজালেন। এরপর পুত্রকে বেঁধে কাঠের ওপর বেদিতে তুললেন। কোনো দ্বিধা না করে, ছুরি হাতে নিয়ে বেচারা [[w:শিশু|শিশুটিকে]] বলি দেওয়ার জন্য গলা কাটতে উদ্যত হলেন—ঠিক তখনই এক হাত তাঁর বাহু চেপে ধরল, আর কানে ভেসে এল এক ক্রুদ্ধ কণ্ঠ: 'কি করছো, হতভাগ্য! নিজের সন্তানকে [[হত্যা]] করছ? পুড়িয়ে মারছ? এ তো সেই পুরোনো গল্প— যা শুরু হয় একটি মেষশাবক দিয়ে, আর শেষ হয় তোমার সবচেয়ে প্রিয় [[মানুষ]]টির রক্তে!' <br>"কিন্তু প্রভু আমাকে এ কাজ করতে বলেছেন," আব্রাহাম সংগ্রাম করে বললেন। <br>"স্থির থাকো, নইলে আমাকেই [[হত্যা]]কারী হতে হবে!"
** [[W:José Saramago|জোসে সারামাগো]], ব্যাঙ্গাত্মক সুরে উদ্ধৃত,''কেইন'' (২০০৯), পৃ. ৬৯
*মানুষের রূপধারী [[w:ইবলিশ|ইবলিশ]] বলল, 'হে শাইখ, কোথায় যাচ্ছেন?' তিনি উত্তর দিলেন, 'আমি এই পর্বতের দিকে যাচ্ছি, সেখানে আমাকে একটি কাজ সম্পন্ন করতে হবে।' [[w:ইবলিশ|ইবলিশ]] বলল, 'আল্লাহর কসম! আমি দেখেছি শয়তান তোমার স্বপ্নে এসে এই শিশুপুত্রকে জবাই করার আদেশ দিয়েছে। আর তুমি সেই হত্যাকাণ্ড সাধন করতে চলেছ!' এ কথা শুনে ইব্রাহিম তাকে চিনতে পেরে বললেন, 'দূর হও, আল্লাহর শত্রু! আল্লাহর শপথ, আমি নিশ্চয়ই আমার প্রতিপালকের আদেশ পালন করবই।'<br>আল্লাহর শত্রু [[w:ইবলিশ|ইবলিশ]] ইব্রাহিমের কাছে হতাশ হয়ে তাকে ছেড়ে দিলেন, কিন্তু তখনই তিনি [[w:ইসমাইল|ইসমাইলের]] সম্মুখীন হলেন— যিনি ইব্রাহিমের পিছনে কাঠ ও একটি বড় ছুরি বহন করছিলেন। [[w:ইবলিশ|ইবলিশ]] তাকে বললেন: 'হে যুবক, তুমি কি জানো তোমার পিতা তোমাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন?' [[w:ইসমাইল|ইসমাইল]] উত্তর দিলেন: 'পাহাড় থেকে আমাদের পরিবারের জন্য কাঠ সংগ্রহ করতে।' [[w:ইবলিশ|ইবলিশ]] বললেন: 'আল্লাহর কসম! তার আসল উদ্দেশ্য তো তোমাকে উৎসর্গ করা!' [[w:ইসমাইল|ইসমাইল]] জিজ্ঞাসা করলেন: 'কেন?!' ইবলিস উত্তর দিলেন: 'সে দাবি করে, তার প্রতিপালক তাকে এ কাজের আদেশ দিয়েছেন!' [[w:ইসমাইল|ইসমাইল]] দৃঢ়ভাবে বললেন: 'তিনি অবশ্যই তার প্রতিপালকের আদেশ পালন করবেন, সন্দেহ নেই!'<br>যুবক [[w:ইসমাইল|ইসমাইল]] তাকে প্রত্যাখ্যান করলে, [[w:ইবলিশ|ইবলিশ]] [[w:হাজেরা|হাজেরার]] কাছে গেলেন— [[w:ইসমাইল|ইসমাইলের]] মাতা, যিনি তখনও ঘরে ছিলেন। [[w:ইবলিশ|ইবলিশ]] তাকে বললেন: 'হে [[w:ইসমাইল|ইসমাইলের]] মাতা! তুমি কি জানো ইব্রাহিম [[w:ইসমাইল|ইসমাইলকে]] কোথায় নিয়ে গেছেন?' তিনি উত্তর দিলেন: 'তারা পাহাড়ে আমাদের জন্য কাঠ সংগ্রহ করতে গেছেন।' [[w:ইবলিশ|ইবলিশ]] বললেন: 'সে তো আসলে তাকে উৎসর্গ করতে নিয়ে গেছে!' [[w:হাজেরা|হাজেরার]] বললেন: 'এ কখনোই সম্ভব নয়! তিনি তাকে এতটাই স্নেহ ও মমতা করেন যে এমন কাজ তিনি করবেন না!' [[w:ইবলিশ|ইবলিশ]] বলল: 'সে দাবি করে, আল্লাহ তাকে এ আদেশ দিয়েছেন!' [[w:হাজেরা|হাজেরা]] বললেন: 'যদি তার স্রষ্টাই তাকে এমন আদেশ দিয়ে থাকেন, তবে অবশ্যই আল্লাহর হুকুম মেনে নেওয়া উচিত!' এভাবে ইব্রাহিমের পরিবারকে নিজের ইচ্ছামতো প্রভাবিত করতে ব্যর্থ হয়ে আল্লাহর শত্রু [[w:ইবলিশ|ইবলিশ]] বিরক্ত হয়ে ফিরে গেল।
** [[w:Tabari|তাবারী]], অ্যান্ড্রু রিপিন, জ্যান ন্যাপার্ট-এ উদ্ধৃতি হিসেবে ইসলাম অধ্যয়নের জন্য পাঠ্যসূচির উৎস শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস, ১৫.১০.১৯৯০ ISBN 978-0-226-72063-0 পৃষ্ঠা ৬৩
*“পাথরে ইবরাহীমের জুতাবিহীন নগ্ন পায়ের চিহ্ন!”
**আবু তালিবের একটি কবিতায় উক্ত। যে পাথরের উপর দাঁড়িয়ে ইব্রাহিম (আ) বায়তুল্লাহ নির্মাণ করেন তা প্রাচীন কাল হতেই [[কাবা]]র দেওয়ালের সাথে সংলগ্ন অবস্থায় ছিল। উক্ত পাথরে সুস্পষ্টরূপে ইব্রাহিম (আ)-এর পায়ের ছাপ পড়ে যায়। ইসলামের প্রথম যুগেও উক্ত ছাপ সুস্পষ্টরূপে বিদ্যমান ছিল এবং মানুষের মনে রেখাপাত করত। উল্লেখ্য যে, অদ্যাবধি উক্ত চিহ্ন সুস্পষ্ট রয়েছে। (ইবন কাছীর, আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ১খ., ১৬৪)।
==আরও দেখুন==
*[[ঈশ্বর]]
*[[কুরআন]]
*[[হাদিস]]
*[[মুহাম্মদ]]
*[[ইশ্মায়েল]]
*[[নামাজ]]
*[[কুরবানী]]
*[[পূজা]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{Wiktionary}}
{{Commonscat}}
*[http://www.aug.edu/augusta/iconography/abraham.html ''আব্রাহাম'', '' খ্রিস্টীয় আইকনোগ্রাফি '']
*[https://www.wordproject.org/ ওয়ার্ডপ্রোজেক্ট]
*[https://www.hadithbd.com/ বাংলা হাদিস]
[[বিষয়শ্রেণী:আধ্যাত্মিক শিক্ষক]]
[[বিষয়শ্রেণী: ইহুদিধর্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইহুদি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইসলাম]]
[[বিষয়শ্রেণী:খ্রিস্টধর্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:নবী]]
fsz9gxeb6vcp4v4ntsa2z7217ob74q0
সাদিক কায়েম
0
11650
73913
70324
2026-04-05T18:04:12Z
Oindrojalik Watch
4169
/* উক্তি */ উক্তি যোগ
73913
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:সাদিক কায়েম|মো: আবু সাদিক]]''' সর্বাধিক পরিচিত '''সাদিক কায়েম''' নামে) একজন বাংলাদেশী ছাত্রনেতা ও ডাকসুর বর্তমান সহ-সভাপতি। তিনি [[ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান|ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে]] নেতৃত্ব দিয়ে আলোচনায় আসেন। বর্তমানে তিনি [[বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির|ইসলামী ছাত্রশিবিরের]] কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক।
==উক্তি==
* '''''ফতহে মক্কা, ফতহে বাঙ্গালা, ফতহে কুসতুনতিনিয়ার সিলসিলা ধরে আমরা পেয়েছি ফতহে গণভবন- যেদিন গণভবন সত্যিই গণের ভবনে পরিণত হয়।'''''
** ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪, জুলাই বিপ্লব সফল হওয়ার পর [https://www.jugantor.com/politics/855965]
* আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, গণভোট অধ্যাদেশ, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, বিচারক নিয়োগ ও সচিবালয় অধ্যাদেশ কোনো রকম টালবাহানা ছাড়াই পাস করতে হবে।
** [https://www.amaderbarta.net/bn/news/sadiq-qayyem-tells-government-not-to-dare-reject-referendum-verdict-366756#:~:text='%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A7%87%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%20%E0%A7%AD%E0%A7%A6%20%E0%A6%B6%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B6%20%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0,%E0%A6%8F%E0%A6%9F%E0%A6%BF%20%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%A4%20%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0%20%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%87%20%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%BE%20%E0%A6%93%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A3%E0%A6%BE%E0%A5%A4]
* ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে আমি ডাকসুর ভিপি হিসেবে আমার পরিচয় দিতে চাই না। আমি বোনের ভাই হিসেবে, ছোট ভাইয়ের বড় ভাই হিসেবে এবং বড় ভাইয়ের স্নেহের ছোট ভাই হিসেবে পরিচয় দিতে চাই। বন্ধুর বন্ধু হিসেবে, শিক্ষকের ছাত্র হিসেবে পরিচয় দিতে চাই।<br/>[[ডাকসু]] নির্বাচনে জয়–পরাজয় কিছু নেই । '''ডাকসু নির্বাচনের মাধ্যমে জুলাইয়ের প্রজন্ম বিজয়ী হয়েছে।''' ডাকসু নির্বাচনের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিজয়ী হয়েছে। এ নির্বাচনের মাধ্যমে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বিজয়ী হয়েছে। আমরা স্মরণ করছি [[জুলাই বিপ্লব|জুলাই বিপ্লবের]] সকল শহীদকে। যাদের মাধ্যমে আজকে আমরা [[ফ্যাসিবাদ]]মুক্ত বাংলাদেশ পেয়েছি এবং আমরা প্রতিটা ক্যাম্পাসে [[গণতন্ত্র|গণতান্ত্রিক]] পরিবেশ পেয়েছি। একই সঙ্গে স্মরণ করছি বাংলাদেশের আজাদি আন্দোলনের সকল শহীদদের। বিশেষ করে মহান [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|মুক্তিযুদ্ধের]] সকল শহীদদের। নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সকল শহীদদের। আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে, আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের আমাদের অগ্রনেতা শহীদ [[আবরার ফাহাদ|আবরার ফাহাদকে]]। এর সঙ্গে ক্যাম্পাসে [[বাংলাদেশ ছাত্রলীগ|ছাত্রলীগের]] নির্যাতনে যতজন শহীদ হয়েছে, সেসব শহীদদের।
** ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫। ডাকসু নির্বাচনে ভিপি নির্বাচিত হওয়ার পর সংবাদ সম্মেলনে: [[https://www.prothomalo.com/bangladesh/mdy5q8muzz প্রথম আলো]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক]]
h5vr1lf4ow5rlsyzuxmffyc8kmamu0g
73914
73913
2026-04-05T18:07:32Z
Oindrojalik Watch
4169
/* উক্তি */
73914
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:সাদিক কায়েম|মো: আবু সাদিক]]''' সর্বাধিক পরিচিত '''সাদিক কায়েম''' নামে) একজন বাংলাদেশী ছাত্রনেতা ও ডাকসুর বর্তমান সহ-সভাপতি। তিনি [[ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান|ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে]] নেতৃত্ব দিয়ে আলোচনায় আসেন। বর্তমানে তিনি [[বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির|ইসলামী ছাত্রশিবিরের]] কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক।
==উক্তি==
* '''''ফতহে মক্কা, ফতহে বাঙ্গালা, ফতহে কুসতুনতিনিয়ার সিলসিলা ধরে আমরা পেয়েছি ফতহে গণভবন- যেদিন গণভবন সত্যিই গণের ভবনে পরিণত হয়।'''''
** ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪, জুলাই বিপ্লব সফল হওয়ার পর [https://www.jugantor.com/politics/855965]
* "আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, গণভোট অধ্যাদেশ, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, বিচারক নিয়োগ ও সচিবালয় অধ্যাদেশ কোনো রকম টালবাহানা ছাড়াই পাস করতে হবে।"
** [https://www.amaderbarta.net/bn/news/sadiq-qayyem-tells-government-not-to-dare-reject-referendum-verdict-366756#:~:text='%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A7%87%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%20%E0%A7%AD%E0%A7%A6%20%E0%A6%B6%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B6%20%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0,%E0%A6%8F%E0%A6%9F%E0%A6%BF%20%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%A4%20%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0%20%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%87%20%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%BE%20%E0%A6%93%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A3%E0%A6%BE%E0%A5%A4]
* ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে আমি ডাকসুর ভিপি হিসেবে আমার পরিচয় দিতে চাই না। আমি বোনের ভাই হিসেবে, ছোট ভাইয়ের বড় ভাই হিসেবে এবং বড় ভাইয়ের স্নেহের ছোট ভাই হিসেবে পরিচয় দিতে চাই। বন্ধুর বন্ধু হিসেবে, শিক্ষকের ছাত্র হিসেবে পরিচয় দিতে চাই।<br/>[[ডাকসু]] নির্বাচনে জয়–পরাজয় কিছু নেই । '''ডাকসু নির্বাচনের মাধ্যমে জুলাইয়ের প্রজন্ম বিজয়ী হয়েছে।''' ডাকসু নির্বাচনের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিজয়ী হয়েছে। এ নির্বাচনের মাধ্যমে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বিজয়ী হয়েছে। আমরা স্মরণ করছি [[জুলাই বিপ্লব|জুলাই বিপ্লবের]] সকল শহীদকে। যাদের মাধ্যমে আজকে আমরা [[ফ্যাসিবাদ]]মুক্ত বাংলাদেশ পেয়েছি এবং আমরা প্রতিটা ক্যাম্পাসে [[গণতন্ত্র|গণতান্ত্রিক]] পরিবেশ পেয়েছি। একই সঙ্গে স্মরণ করছি বাংলাদেশের আজাদি আন্দোলনের সকল শহীদদের। বিশেষ করে মহান [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|মুক্তিযুদ্ধের]] সকল শহীদদের। নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সকল শহীদদের। আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে, আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের আমাদের অগ্রনেতা শহীদ [[আবরার ফাহাদ|আবরার ফাহাদকে]]। এর সঙ্গে ক্যাম্পাসে [[বাংলাদেশ ছাত্রলীগ|ছাত্রলীগের]] নির্যাতনে যতজন শহীদ হয়েছে, সেসব শহীদদের।
** ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫। ডাকসু নির্বাচনে ভিপি নির্বাচিত হওয়ার পর সংবাদ সম্মেলনে: [[https://www.prothomalo.com/bangladesh/mdy5q8muzz প্রথম আলো]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক]]
itcyc9fy59g9zoh727ibl9k7hvkyztu
73959
73914
2026-04-06T00:09:24Z
Oindrojalik Watch
4169
চিত্র
73959
wikitext
text/x-wiki
[[File:Sadik kayem - july jagoron 01.jpg|thumb|right|[[w:সাইমুম শিল্পীগোষ্ঠী|সাইমুম শিল্পীগোষ্ঠী]]র জুলাই জাগরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্যরত সাদিক কায়েম।]]
'''[[w:সাদিক কায়েম|মো: আবু সাদিক]]''' সর্বাধিক পরিচিত '''সাদিক কায়েম''' নামে) একজন বাংলাদেশী ছাত্রনেতা ও ডাকসুর বর্তমান সহ-সভাপতি। তিনি [[ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান|ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে]] নেতৃত্ব দিয়ে আলোচনায় আসেন। বর্তমানে তিনি [[বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির|ইসলামী ছাত্রশিবিরের]] কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক।
==উক্তি==
* '''''ফতহে মক্কা, ফতহে বাঙ্গালা, ফতহে কুসতুনতিনিয়ার সিলসিলা ধরে আমরা পেয়েছি ফতহে গণভবন- যেদিন গণভবন সত্যিই গণের ভবনে পরিণত হয়।'''''
** ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪, জুলাই বিপ্লব সফল হওয়ার পর [https://www.jugantor.com/politics/855965]
* "আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, গণভোট অধ্যাদেশ, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, বিচারক নিয়োগ ও সচিবালয় অধ্যাদেশ কোনো রকম টালবাহানা ছাড়াই পাস করতে হবে।"
** [https://www.amaderbarta.net/bn/news/sadiq-qayyem-tells-government-not-to-dare-reject-referendum-verdict-366756#:~:text='%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A7%87%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%20%E0%A7%AD%E0%A7%A6%20%E0%A6%B6%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B6%20%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0,%E0%A6%8F%E0%A6%9F%E0%A6%BF%20%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%A4%20%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0%20%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%87%20%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%BE%20%E0%A6%93%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A3%E0%A6%BE%E0%A5%A4]
* ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে আমি ডাকসুর ভিপি হিসেবে আমার পরিচয় দিতে চাই না। আমি বোনের ভাই হিসেবে, ছোট ভাইয়ের বড় ভাই হিসেবে এবং বড় ভাইয়ের স্নেহের ছোট ভাই হিসেবে পরিচয় দিতে চাই। বন্ধুর বন্ধু হিসেবে, শিক্ষকের ছাত্র হিসেবে পরিচয় দিতে চাই।<br/>[[ডাকসু]] নির্বাচনে জয়–পরাজয় কিছু নেই । '''ডাকসু নির্বাচনের মাধ্যমে জুলাইয়ের প্রজন্ম বিজয়ী হয়েছে।''' ডাকসু নির্বাচনের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিজয়ী হয়েছে। এ নির্বাচনের মাধ্যমে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বিজয়ী হয়েছে। আমরা স্মরণ করছি [[জুলাই বিপ্লব|জুলাই বিপ্লবের]] সকল শহীদকে। যাদের মাধ্যমে আজকে আমরা [[ফ্যাসিবাদ]]মুক্ত বাংলাদেশ পেয়েছি এবং আমরা প্রতিটা ক্যাম্পাসে [[গণতন্ত্র|গণতান্ত্রিক]] পরিবেশ পেয়েছি। একই সঙ্গে স্মরণ করছি বাংলাদেশের আজাদি আন্দোলনের সকল শহীদদের। বিশেষ করে মহান [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|মুক্তিযুদ্ধের]] সকল শহীদদের। নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সকল শহীদদের। আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে, আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের আমাদের অগ্রনেতা শহীদ [[আবরার ফাহাদ|আবরার ফাহাদকে]]। এর সঙ্গে ক্যাম্পাসে [[বাংলাদেশ ছাত্রলীগ|ছাত্রলীগের]] নির্যাতনে যতজন শহীদ হয়েছে, সেসব শহীদদের।
** ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫। ডাকসু নির্বাচনে ভিপি নির্বাচিত হওয়ার পর সংবাদ সম্মেলনে: [[https://www.prothomalo.com/bangladesh/mdy5q8muzz প্রথম আলো]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক]]
ah45ehnyt8w87dab7a08dqa83a9m2p2
উইকিউক্তি আলোচনা:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬
5
11851
73934
73792
2026-04-05T21:18:30Z
~2026-21078-53
4501
/* আমি লোন নিতে চায় */ উত্তর
73934
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=5}}
{{আলাপ পাতা}}
== আমি লোন নিতে চায় ==
আমি লোন নিতে চায় [[বিশেষ:অবদান/~2026-20576-26|~2026-20576-26]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20576-26|আলাপ]]) ২০:৫৭, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:2026-20575-3 [[বিশেষ:অবদান/~2026-21078-53|~2026-21078-53]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21078-53|আলাপ]]) ২১:১৮, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Uasim ==
0130 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20829-89|~2026-20829-89]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20829-89|আলাপ]]) ২২:২৬, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Uasim ==
0130 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20829-89|~2026-20829-89]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20829-89|আলাপ]]) ২২:২৭, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Uasim ==
PIN code [[বিশেষ:অবদান/~2026-20829-89|~2026-20829-89]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20829-89|আলাপ]]) ২২:২৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== শামসুন্নাহার ==
৫০ [[বিশেষ:অবদান/~2026-20539-98|~2026-20539-98]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20539-98|আলাপ]]) ০২:২২, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== 😫 ==
2000 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20869-19|~2026-20869-19]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20869-19|আলাপ]]) ০৪:৩৬, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Hi ==
9999 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20869-19|~2026-20869-19]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20869-19|আলাপ]]) ০৪:৪০, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Tahmid ==
@iron [[বিশেষ:অবদান/~2026-20672-90|~2026-20672-90]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20672-90|আলাপ]]) ১১:৫২, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Farida R+F ==
[[বিশেষ:অবদান/~2026-20938-88|~2026-20938-88]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20938-88|আলাপ]]) ১১:৫৮, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== suliman ==
bhgfjj [[বিশেষ:অবদান/~2026-20927-15|~2026-20927-15]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20927-15|আলাপ]]) ১৬:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== আমাকে সাহায্য করুন ==
আমি একটা বহির্বিশ্বে কাছে জেতে চাই [[বিশেষ:অবদান/~2026-20931-93|~2026-20931-93]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20931-93|আলাপ]]) ২০:০৮, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== "Misattributed" শিরোনাম ==
"Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== আনাস আহমদ আনসারী ==
01621963040 [[বিশেষ:অবদান/~2026-21057-85|~2026-21057-85]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21057-85|আলাপ]]) ২৩:১৮, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
01916859751 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20896-14|~2026-20896-14]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20896-14|আলাপ]]) ০০:১৮, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Anower ==
bai long nabo [[বিশেষ:অবদান/~2026-20853-97|~2026-20853-97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20853-97|আলাপ]]) ০২:২৩, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Mahisha ==
Tiktok
_jimin_x_me_2 [[বিশেষ:অবদান/~2026-21076-49|~2026-21076-49]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21076-49|আলাপ]]) ০৭:৩০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Sapon ==
sapon [[বিশেষ:অবদান/~2026-20970-42|~2026-20970-42]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20970-42|আলাপ]]) ০৮:০১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
88qa5o5rwwgjnid5oohapb8xnz15hms
73935
73934
2026-04-05T21:19:31Z
~2026-21078-53
4501
/* Md Limon */ নতুন অনুচ্ছেদ
73935
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=5}}
{{আলাপ পাতা}}
== আমি লোন নিতে চায় ==
আমি লোন নিতে চায় [[বিশেষ:অবদান/~2026-20576-26|~2026-20576-26]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20576-26|আলাপ]]) ২০:৫৭, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:2026-20575-3 [[বিশেষ:অবদান/~2026-21078-53|~2026-21078-53]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21078-53|আলাপ]]) ২১:১৮, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Uasim ==
0130 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20829-89|~2026-20829-89]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20829-89|আলাপ]]) ২২:২৬, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Uasim ==
0130 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20829-89|~2026-20829-89]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20829-89|আলাপ]]) ২২:২৭, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Uasim ==
PIN code [[বিশেষ:অবদান/~2026-20829-89|~2026-20829-89]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20829-89|আলাপ]]) ২২:২৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== শামসুন্নাহার ==
৫০ [[বিশেষ:অবদান/~2026-20539-98|~2026-20539-98]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20539-98|আলাপ]]) ০২:২২, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== 😫 ==
2000 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20869-19|~2026-20869-19]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20869-19|আলাপ]]) ০৪:৩৬, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Hi ==
9999 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20869-19|~2026-20869-19]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20869-19|আলাপ]]) ০৪:৪০, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Tahmid ==
@iron [[বিশেষ:অবদান/~2026-20672-90|~2026-20672-90]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20672-90|আলাপ]]) ১১:৫২, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Farida R+F ==
[[বিশেষ:অবদান/~2026-20938-88|~2026-20938-88]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20938-88|আলাপ]]) ১১:৫৮, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== suliman ==
bhgfjj [[বিশেষ:অবদান/~2026-20927-15|~2026-20927-15]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20927-15|আলাপ]]) ১৬:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== আমাকে সাহায্য করুন ==
আমি একটা বহির্বিশ্বে কাছে জেতে চাই [[বিশেষ:অবদান/~2026-20931-93|~2026-20931-93]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20931-93|আলাপ]]) ২০:০৮, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== "Misattributed" শিরোনাম ==
"Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== আনাস আহমদ আনসারী ==
01621963040 [[বিশেষ:অবদান/~2026-21057-85|~2026-21057-85]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21057-85|আলাপ]]) ২৩:১৮, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
01916859751 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20896-14|~2026-20896-14]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20896-14|আলাপ]]) ০০:১৮, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Anower ==
bai long nabo [[বিশেষ:অবদান/~2026-20853-97|~2026-20853-97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20853-97|আলাপ]]) ০২:২৩, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Mahisha ==
Tiktok
_jimin_x_me_2 [[বিশেষ:অবদান/~2026-21076-49|~2026-21076-49]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21076-49|আলাপ]]) ০৭:৩০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Sapon ==
sapon [[বিশেষ:অবদান/~2026-20970-42|~2026-20970-42]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20970-42|আলাপ]]) ০৮:০১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Md Limon ==
yes [[বিশেষ:অবদান/~2026-21078-53|~2026-21078-53]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21078-53|আলাপ]]) ২১:১৯, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
hy9ozor60mqw464y0td5ro19urkhda1
73936
73935
2026-04-05T21:20:59Z
~2026-21078-53
4501
/* মোবাইল */ নতুন অনুচ্ছেদ
73936
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=5}}
{{আলাপ পাতা}}
== আমি লোন নিতে চায় ==
আমি লোন নিতে চায় [[বিশেষ:অবদান/~2026-20576-26|~2026-20576-26]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20576-26|আলাপ]]) ২০:৫৭, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:2026-20575-3 [[বিশেষ:অবদান/~2026-21078-53|~2026-21078-53]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21078-53|আলাপ]]) ২১:১৮, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Uasim ==
0130 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20829-89|~2026-20829-89]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20829-89|আলাপ]]) ২২:২৬, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Uasim ==
0130 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20829-89|~2026-20829-89]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20829-89|আলাপ]]) ২২:২৭, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Uasim ==
PIN code [[বিশেষ:অবদান/~2026-20829-89|~2026-20829-89]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20829-89|আলাপ]]) ২২:২৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== শামসুন্নাহার ==
৫০ [[বিশেষ:অবদান/~2026-20539-98|~2026-20539-98]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20539-98|আলাপ]]) ০২:২২, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== 😫 ==
2000 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20869-19|~2026-20869-19]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20869-19|আলাপ]]) ০৪:৩৬, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Hi ==
9999 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20869-19|~2026-20869-19]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20869-19|আলাপ]]) ০৪:৪০, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Tahmid ==
@iron [[বিশেষ:অবদান/~2026-20672-90|~2026-20672-90]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20672-90|আলাপ]]) ১১:৫২, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Farida R+F ==
[[বিশেষ:অবদান/~2026-20938-88|~2026-20938-88]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20938-88|আলাপ]]) ১১:৫৮, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== suliman ==
bhgfjj [[বিশেষ:অবদান/~2026-20927-15|~2026-20927-15]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20927-15|আলাপ]]) ১৬:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== আমাকে সাহায্য করুন ==
আমি একটা বহির্বিশ্বে কাছে জেতে চাই [[বিশেষ:অবদান/~2026-20931-93|~2026-20931-93]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20931-93|আলাপ]]) ২০:০৮, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== "Misattributed" শিরোনাম ==
"Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== আনাস আহমদ আনসারী ==
01621963040 [[বিশেষ:অবদান/~2026-21057-85|~2026-21057-85]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21057-85|আলাপ]]) ২৩:১৮, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
01916859751 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20896-14|~2026-20896-14]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20896-14|আলাপ]]) ০০:১৮, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Anower ==
bai long nabo [[বিশেষ:অবদান/~2026-20853-97|~2026-20853-97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20853-97|আলাপ]]) ০২:২৩, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Mahisha ==
Tiktok
_jimin_x_me_2 [[বিশেষ:অবদান/~2026-21076-49|~2026-21076-49]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21076-49|আলাপ]]) ০৭:৩০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Sapon ==
sapon [[বিশেষ:অবদান/~2026-20970-42|~2026-20970-42]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20970-42|আলাপ]]) ০৮:০১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Md Limon ==
yes [[বিশেষ:অবদান/~2026-21078-53|~2026-21078-53]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21078-53|আলাপ]]) ২১:১৯, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== মোবাইল ==
01936554047 [[বিশেষ:অবদান/~2026-21078-53|~2026-21078-53]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21078-53|আলাপ]]) ২১:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
6y5ivefd9wq4c2g807xnw2duf7qa3vt
73973
73936
2026-04-06T03:21:39Z
~2026-21095-68
4514
/* Chaitali paramanik */ নতুন অনুচ্ছেদ
73973
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=5}}
{{আলাপ পাতা}}
== আমি লোন নিতে চায় ==
আমি লোন নিতে চায় [[বিশেষ:অবদান/~2026-20576-26|~2026-20576-26]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20576-26|আলাপ]]) ২০:৫৭, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:2026-20575-3 [[বিশেষ:অবদান/~2026-21078-53|~2026-21078-53]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21078-53|আলাপ]]) ২১:১৮, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Uasim ==
0130 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20829-89|~2026-20829-89]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20829-89|আলাপ]]) ২২:২৬, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Uasim ==
0130 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20829-89|~2026-20829-89]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20829-89|আলাপ]]) ২২:২৭, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Uasim ==
PIN code [[বিশেষ:অবদান/~2026-20829-89|~2026-20829-89]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20829-89|আলাপ]]) ২২:২৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== শামসুন্নাহার ==
৫০ [[বিশেষ:অবদান/~2026-20539-98|~2026-20539-98]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20539-98|আলাপ]]) ০২:২২, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== 😫 ==
2000 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20869-19|~2026-20869-19]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20869-19|আলাপ]]) ০৪:৩৬, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Hi ==
9999 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20869-19|~2026-20869-19]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20869-19|আলাপ]]) ০৪:৪০, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Tahmid ==
@iron [[বিশেষ:অবদান/~2026-20672-90|~2026-20672-90]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20672-90|আলাপ]]) ১১:৫২, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Farida R+F ==
[[বিশেষ:অবদান/~2026-20938-88|~2026-20938-88]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20938-88|আলাপ]]) ১১:৫৮, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== suliman ==
bhgfjj [[বিশেষ:অবদান/~2026-20927-15|~2026-20927-15]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20927-15|আলাপ]]) ১৬:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== আমাকে সাহায্য করুন ==
আমি একটা বহির্বিশ্বে কাছে জেতে চাই [[বিশেষ:অবদান/~2026-20931-93|~2026-20931-93]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20931-93|আলাপ]]) ২০:০৮, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== "Misattributed" শিরোনাম ==
"Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== আনাস আহমদ আনসারী ==
01621963040 [[বিশেষ:অবদান/~2026-21057-85|~2026-21057-85]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21057-85|আলাপ]]) ২৩:১৮, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
01916859751 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20896-14|~2026-20896-14]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20896-14|আলাপ]]) ০০:১৮, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Anower ==
bai long nabo [[বিশেষ:অবদান/~2026-20853-97|~2026-20853-97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20853-97|আলাপ]]) ০২:২৩, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Mahisha ==
Tiktok
_jimin_x_me_2 [[বিশেষ:অবদান/~2026-21076-49|~2026-21076-49]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21076-49|আলাপ]]) ০৭:৩০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Sapon ==
sapon [[বিশেষ:অবদান/~2026-20970-42|~2026-20970-42]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20970-42|আলাপ]]) ০৮:০১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Md Limon ==
yes [[বিশেষ:অবদান/~2026-21078-53|~2026-21078-53]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21078-53|আলাপ]]) ২১:১৯, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== মোবাইল ==
01936554047 [[বিশেষ:অবদান/~2026-21078-53|~2026-21078-53]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21078-53|আলাপ]]) ২১:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Chaitali paramanik ==
'''<sup>@</sup>''' [[বিশেষ:অবদান/~2026-21095-68|~2026-21095-68]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21095-68|আলাপ]]) ০৩:২১, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
sb57r8gtd5eg9hvnfvyzvhij6eeznh5
74062
73973
2026-04-06T08:00:46Z
~2026-21101-41
4524
/* 😫 */ উত্তর
74062
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=5}}
{{আলাপ পাতা}}
== আমি লোন নিতে চায় ==
আমি লোন নিতে চায় [[বিশেষ:অবদান/~2026-20576-26|~2026-20576-26]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20576-26|আলাপ]]) ২০:৫৭, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:2026-20575-3 [[বিশেষ:অবদান/~2026-21078-53|~2026-21078-53]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21078-53|আলাপ]]) ২১:১৮, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Uasim ==
0130 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20829-89|~2026-20829-89]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20829-89|আলাপ]]) ২২:২৬, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Uasim ==
0130 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20829-89|~2026-20829-89]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20829-89|আলাপ]]) ২২:২৭, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Uasim ==
PIN code [[বিশেষ:অবদান/~2026-20829-89|~2026-20829-89]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20829-89|আলাপ]]) ২২:২৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== শামসুন্নাহার ==
৫০ [[বিশেষ:অবদান/~2026-20539-98|~2026-20539-98]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20539-98|আলাপ]]) ০২:২২, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== 😫 ==
2000 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20869-19|~2026-20869-19]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20869-19|আলাপ]]) ০৪:৩৬, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:দার্শনিক01942526508 [[বিশেষ:অবদান/~2026-21101-41|~2026-21101-41]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21101-41|আলাপ]]) ০৮:০০, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Hi ==
9999 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20869-19|~2026-20869-19]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20869-19|আলাপ]]) ০৪:৪০, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Tahmid ==
@iron [[বিশেষ:অবদান/~2026-20672-90|~2026-20672-90]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20672-90|আলাপ]]) ১১:৫২, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Farida R+F ==
[[বিশেষ:অবদান/~2026-20938-88|~2026-20938-88]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20938-88|আলাপ]]) ১১:৫৮, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== suliman ==
bhgfjj [[বিশেষ:অবদান/~2026-20927-15|~2026-20927-15]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20927-15|আলাপ]]) ১৬:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== আমাকে সাহায্য করুন ==
আমি একটা বহির্বিশ্বে কাছে জেতে চাই [[বিশেষ:অবদান/~2026-20931-93|~2026-20931-93]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20931-93|আলাপ]]) ২০:০৮, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== "Misattributed" শিরোনাম ==
"Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== আনাস আহমদ আনসারী ==
01621963040 [[বিশেষ:অবদান/~2026-21057-85|~2026-21057-85]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21057-85|আলাপ]]) ২৩:১৮, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
01916859751 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20896-14|~2026-20896-14]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20896-14|আলাপ]]) ০০:১৮, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Anower ==
bai long nabo [[বিশেষ:অবদান/~2026-20853-97|~2026-20853-97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20853-97|আলাপ]]) ০২:২৩, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Mahisha ==
Tiktok
_jimin_x_me_2 [[বিশেষ:অবদান/~2026-21076-49|~2026-21076-49]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21076-49|আলাপ]]) ০৭:৩০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Sapon ==
sapon [[বিশেষ:অবদান/~2026-20970-42|~2026-20970-42]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20970-42|আলাপ]]) ০৮:০১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Md Limon ==
yes [[বিশেষ:অবদান/~2026-21078-53|~2026-21078-53]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21078-53|আলাপ]]) ২১:১৯, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== মোবাইল ==
01936554047 [[বিশেষ:অবদান/~2026-21078-53|~2026-21078-53]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21078-53|আলাপ]]) ২১:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Chaitali paramanik ==
'''<sup>@</sup>''' [[বিশেষ:অবদান/~2026-21095-68|~2026-21095-68]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21095-68|আলাপ]]) ০৩:২১, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
mu69rcdy298xba476glsccta10ahn1w
74091
74062
2026-04-06T11:56:03Z
Borhan
964
74091
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=5}}
{{আলাপ পাতা}}
== "Misattributed" শিরোনাম ==
"Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
qfzkrq8jvtzoa8g6epaq1811mpsr3mk
উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
4
11853
73859
73801
2026-04-05T15:12:59Z
MD RADWAN ISLAM ROHAN
4478
73859
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}}
<inputbox>
type = comment
default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
preload = টেমপ্লেট:আমি
editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা
nosummary=true
hidden = yes
buttonlabel = নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন
minor = true
break = no
</inputbox>
{{div col}}
<!--
------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। ---------------------------------------------------
সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}}
--->
<!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না -->
<!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন
১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই।
২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন -->
<!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন -->
* {{ব্যবহারকারী|NusJaS}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|ARI}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}}
* {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}}
* {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}}
* {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}}
* {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}}
* {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}}
* {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}}
* {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}}
* {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}}
* {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}}
* {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}}
* {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}}
* {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}}
* {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}}
* {{ব্যবহারকারী|NotNahid}}
* {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}}
* {{মো: মুশফিকুর রহমান|{{subst:মো:মুশফিকুর রহমান}}}}
* {{মোছা:লাভলি বেগম|{{subst:মো:মুশফিকুর রহমান}}}}
* {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}}
* {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}}
* {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}}
* {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}}
* {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}}
Anondo meya
}}
* {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}}
* {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}}
A.A.S
* {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}}
* {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}}
* {{ব্যবহারকারী|Raihanur}}
* {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}}{{subst:^| এখানে কিছু ধরার দরকার নেই।
আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
*** ও হ্যাঁ, নাম যোগের পর উক্তির পৃষ্ঠা তৈরি করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার যোগ্য হবেন না। ***
* {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}}
== কথোপকথন ==
* {{ধনরঞ্জন বর্মন|পৃষ্ঠা:০২ Dhanaranjan Barman}}
আমি: কলেজ শেষে মেসে ঢুকতেই এক বড় ভাইয়ের সাথে দেখা। জিজ্ঞেস করলাম, কেমন আছেন?
বড়ভাই: হুম, ভালো আছি। শুনলাম তোদের কলেজে বাংলা পরীক্ষার খাতা দেখানো হয়েছে।
আমি: ঠিকই, শুনেছেন।
বড়ভাই: তুমি কত পেলে?আর আমার ভাই কত পেলো?
আমি: আপনার ভাইয়ের থেকে আমি কম পেয়েছি!
বড়ভাই:তাও বলো কত পাইতো?
আমি:১০০ এর মধ্যে ৫৪ আর আপনার ছোট ভাই ৬১।
বড়ভাই:এ কেমন রেজাল্ট তোদের। ভালো করে পড়াশুনা করো, এরপরের বার যেন দুজনেরই ৮০ এর উপরে মার্ক দেখি।
* {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}}
* {{ব্যবহারকারী|{{subst:Aminul Islam}}}}
* {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}}
* {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}}
* {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}}
* {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}}
* {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}}
4x8ymqoe8ebf3v0o6s33tpx96wfzw7z
73862
73859
2026-04-05T15:15:27Z
Borhan
964
73862
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}}
<inputbox>
type = comment
default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
preload = টেমপ্লেট:আমি
editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা
nosummary=true
hidden = yes
buttonlabel = নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন
minor = true
break = no
</inputbox>
{{div col}}
<!--
------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। ---------------------------------------------------
সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}}
--->
<!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না -->
<!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন
১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই।
২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন -->
<!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন -->
* {{ব্যবহারকারী|NusJaS}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|ARI}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}}
* {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}}
* {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}}
* {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}}
* {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}}
* {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}}
* {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}}
* {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}}
* {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}}
* {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}}
* {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}}
* {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}}
* {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}}
* {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}}
* {{ব্যবহারকারী|NotNahid}}
* {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}}
* {{মো: মুশফিকুর রহমান|{{subst:মো:মুশফিকুর রহমান}}}}
* {{মোছা:লাভলি বেগম|{{subst:মো:মুশফিকুর রহমান}}}}
* {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}}
* {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}}
* {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}}
* {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}}
* {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}}
Anondo meya
}}
* {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}}
* {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}}
A.A.S
* {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}}
* {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}}
* {{ব্যবহারকারী|Raihanur}}
* {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}}{{subst:^| এখানে কিছু ধরার দরকার নেই।
আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
*** ও হ্যাঁ, নাম যোগের পর উক্তির পৃষ্ঠা তৈরি করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার যোগ্য হবেন না। ***
* {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}}
== কথোপকথন ==
* {{ধনরঞ্জন বর্মন|পৃষ্ঠা:০২ Dhanaranjan Barman}}
আমি: কলেজ শেষে মেসে ঢুকতেই এক বড় ভাইয়ের সাথে দেখা। জিজ্ঞেস করলাম, কেমন আছেন?
বড়ভাই: হুম, ভালো আছি। শুনলাম তোদের কলেজে বাংলা পরীক্ষার খাতা দেখানো হয়েছে।
আমি: ঠিকই, শুনেছেন।
বড়ভাই: তুমি কত পেলে?আর আমার ভাই কত পেলো?
আমি: আপনার ভাইয়ের থেকে আমি কম পেয়েছি!
বড়ভাই:তাও বলো কত পাইতো?
আমি:১০০ এর মধ্যে ৫৪ আর আপনার ছোট ভাই ৬১।
বড়ভাই:এ কেমন রেজাল্ট তোদের। ভালো করে পড়াশুনা করো, এরপরের বার যেন দুজনেরই ৮০ এর উপরে মার্ক দেখি।
* {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}}
* {{ব্যবহারকারী|{{subst:Aminul Islam}}}}
* {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}}
* {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}}
* {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}}
* {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}}
* {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}}
* {{ব্যবহারকারী|Borhan}}
8kl8w4gmztz5xpuv0psgici0b0bzf96
73877
73862
2026-04-05T15:50:43Z
MD RADWAN ISLAM ROHAN
4478
73877
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}}
<inputbox>
type = comment
default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
preload = টেমপ্লেট:আমি
editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা
nosummary=true
hidden = yes
buttonlabel = নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন
minor = true
break = no
</inputbox>
{{div col}}
<!--
------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। ---------------------------------------------------
সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}}
--->
<!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না -->
<!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন
১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই।
২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন -->
<!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন -->
* {{ব্যবহারকারী|NusJaS}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|ARI}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}}
* {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}}
* {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}}
* {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}}
* {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}}
* {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}}
* {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}}
* {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}}
* {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}}
* {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}}
* {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}}
* {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}}
* {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}}
* {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}}
* {{ব্যবহারকারী|NotNahid}}
* {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}}
* {{মো: মুশফিকুর রহমান|{{subst:মো:মুশফিকুর রহমান}}}}
* {{মোছা:লাভলি বেগম|{{subst:মো:মুশফিকুর রহমান}}}}
* {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}}
* {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}}
* {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}}
* {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}}
* {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}}
Anondo meya
}}
* {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}}
* {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}}
A.A.S
* {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}}
* {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}}
* {{ব্যবহারকারী|Raihanur}}
* {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}}{{subst:^| এখানে কিছু ধরার দরকার নেই।
আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
*** ও হ্যাঁ, নাম যোগের পর উক্তির পৃষ্ঠা তৈরি করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার যোগ্য হবেন না। ***
* {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}}
== কথোপকথন ==
* {{ধনরঞ্জন বর্মন|পৃষ্ঠা:০২ Dhanaranjan Barman}}
আমি: কলেজ শেষে মেসে ঢুকতেই এক বড় ভাইয়ের সাথে দেখা। জিজ্ঞেস করলাম, কেমন আছেন?
বড়ভাই: হুম, ভালো আছি। শুনলাম তোদের কলেজে বাংলা পরীক্ষার খাতা দেখানো হয়েছে।
আমি: ঠিকই, শুনেছেন।
বড়ভাই: তুমি কত পেলে?আর আমার ভাই কত পেলো?
আমি: আপনার ভাইয়ের থেকে আমি কম পেয়েছি!
বড়ভাই:তাও বলো কত পাইতো?
আমি:১০০ এর মধ্যে ৫৪ আর আপনার ছোট ভাই ৬১।
বড়ভাই:এ কেমন রেজাল্ট তোদের। ভালো করে পড়াশুনা করো, এরপরের বার যেন দুজনেরই ৮০ এর উপরে মার্ক দেখি।
* {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}}
* {{ব্যবহারকারী|{{subst:Aminul Islam}}}}
* {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}}
* {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}}
* {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}}
* {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}}
* {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}}
* {{ব্যবহারকারী|Borhan}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}}
bboxxa47jj69v28v59so34u7baxoo4q
73887
73877
2026-04-05T16:07:16Z
Tamaliya Das Gupta
2484
73887
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}}
<inputbox>
type = comment
default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
preload = টেমপ্লেট:আমি
editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা
nosummary=true
hidden = yes
buttonlabel = নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন
minor = true
break = no
</inputbox>
{{div col}}
<!--
------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। ---------------------------------------------------
সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}}
--->
<!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না -->
<!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন
১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই।
২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন -->
<!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন -->
* {{ব্যবহারকারী|NusJaS}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|ARI}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}}
* {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}}
* {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}}
* {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}}
* {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}}
* {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}}
* {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}}
* {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}}
* {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}}
* {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}}
* {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}}
* {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}}
* {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}}
* {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}}
* {{ব্যবহারকারী|NotNahid}}
* {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}}
* {{মো: মুশফিকুর রহমান|{{subst:মো:মুশফিকুর রহমান}}}}
* {{মোছা:লাভলি বেগম|{{subst:মো:মুশফিকুর রহমান}}}}
* {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}}
* {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}}
* {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}}
* {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}}
* {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}}
Anondo meya
}}
* {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}}
* {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}}
A.A.S
* {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}}
* {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}}
* {{ব্যবহারকারী|Raihanur}}
* {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}}{{subst:^| এখানে কিছু ধরার দরকার নেই।
আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
*** ও হ্যাঁ, নাম যোগের পর উক্তির পৃষ্ঠা তৈরি করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার যোগ্য হবেন না। ***
* {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}}
== কথোপকথন ==
* {{ধনরঞ্জন বর্মন|পৃষ্ঠা:০২ Dhanaranjan Barman}}
আমি: কলেজ শেষে মেসে ঢুকতেই এক বড় ভাইয়ের সাথে দেখা। জিজ্ঞেস করলাম, কেমন আছেন?
বড়ভাই: হুম, ভালো আছি। শুনলাম তোদের কলেজে বাংলা পরীক্ষার খাতা দেখানো হয়েছে।
আমি: ঠিকই, শুনেছেন।
বড়ভাই: তুমি কত পেলে?আর আমার ভাই কত পেলো?
আমি: আপনার ভাইয়ের থেকে আমি কম পেয়েছি!
বড়ভাই:তাও বলো কত পাইতো?
আমি:১০০ এর মধ্যে ৫৪ আর আপনার ছোট ভাই ৬১।
বড়ভাই:এ কেমন রেজাল্ট তোদের। ভালো করে পড়াশুনা করো, এরপরের বার যেন দুজনেরই ৮০ এর উপরে মার্ক দেখি।
* {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}}
* {{ব্যবহারকারী|{{subst:Aminul Islam}}}}
* {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}}
* {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}}
* {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}}
* {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}}
* {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}}
* {{ব্যবহারকারী|Borhan}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}}
* {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}}
rsfdyz9jso82jexw3yys8tfk7bekinb
73928
73887
2026-04-05T18:33:15Z
Md.sarif reza
4492
73928
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}}
<inputbox>
type = comment
default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
preload = টেমপ্লেট:আমি
editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা
nosummary=true
hidden = yes
buttonlabel = নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন
minor = true
break = no
</inputbox>
{{div col}}
<!--
------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। ---------------------------------------------------
সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}}
--->
<!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না -->
<!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন
১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই।
২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন -->
<!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন -->
* {{ব্যবহারকারী|NusJaS}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|ARI}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}}
* {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}}
* {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}}
* {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}}
* {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}}
* {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}}
* {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}}
* {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}}
* {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}}
* {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}}
* {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}}
* {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}}
* {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}}
* {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}}
* {{ব্যবহারকারী|NotNahid}}
* {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}}
* {{মো: মুশফিকুর রহমান|{{subst:মো:মুশফিকুর রহমান}}}}
* {{মোছা:লাভলি বেগম|{{subst:মো:মুশফিকুর রহমান}}}}
* {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}}
* {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}}
* {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}}
* {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}}
* {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}}
Anondo meya
}}
* {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}}
* {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}}
A.A.S
* {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}}
* {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}}
* {{ব্যবহারকারী|Raihanur}}
* {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}}{{subst:^| এখানে কিছু ধরার দরকার নেই।
আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
*** ও হ্যাঁ, নাম যোগের পর উক্তির পৃষ্ঠা তৈরি করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার যোগ্য হবেন না। ***
* {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}}
== কথোপকথন ==
* {{ধনরঞ্জন বর্মন|পৃষ্ঠা:০২ Dhanaranjan Barman}}
আমি: কলেজ শেষে মেসে ঢুকতেই এক বড় ভাইয়ের সাথে দেখা। জিজ্ঞেস করলাম, কেমন আছেন?
বড়ভাই: হুম, ভালো আছি। শুনলাম তোদের কলেজে বাংলা পরীক্ষার খাতা দেখানো হয়েছে।
আমি: ঠিকই, শুনেছেন।
বড়ভাই: তুমি কত পেলে?আর আমার ভাই কত পেলো?
আমি: আপনার ভাইয়ের থেকে আমি কম পেয়েছি!
বড়ভাই:তাও বলো কত পাইতো?
আমি:১০০ এর মধ্যে ৫৪ আর আপনার ছোট ভাই ৬১।
বড়ভাই:এ কেমন রেজাল্ট তোদের। ভালো করে পড়াশুনা করো, এরপরের বার যেন দুজনেরই ৮০ এর উপরে মার্ক দেখি।
* {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}}
* {{ব্যবহারকারী|{{subst:Aminul Islam}}}}
* {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}}
* {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}}
* {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}}
* {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}}
* {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}}
* {{ব্যবহারকারী|Borhan}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}}
* {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}}
* {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}}
chb90bmhbti477ftuqsuyk6naffkmrv
73931
73928
2026-04-05T18:41:25Z
Md.sarif reza
4492
[[Special:Contributions/Md.sarif reza|Md.sarif reza]] ([[User talk:Md.sarif reza|আলাপ]])-এর সম্পাদিত [[Special:Diff/73928|73928]] নম্বর সংশোধনটি বাতিল করা হয়েছে
73931
wikitext
text/x-wiki
হুমায়ূন আহমেদ (১৩ নভেম্বর ১৯৪৮ – ১৯ জুলাই ২০১২) ছিলেন একজন বাংলাদেশি ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার এবং গীতিকার, চিত্রনাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। তিনি বিংশ শতাব্দীর অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক। তাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় লেখক বলে গণ্য করা হয়। বাংলা কথাসাহিত্যে তিনি সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীর জনক। অন্য দিকে তিনি আধুনিক বাংলা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর পথিকৃৎ। নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালক হিসাবেও তিনি সমাদৃত। তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা তিন শতাধিক। তার বেশ কিছু গ্রন্থ পৃথিবীর নানা ভাষায় অনূদিত হয়েছে, বেশ কিছু গ্রন্থ স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচীর অন্তর্ভুক্ত। মিসির আলি এবং হিমু তার সৃষ্ট অন্যতম দুটি জনপ্রিয় চরিত্র।
হুমায়ূন আহমেদ
৫৯তম জন্মদিনে নিজের ঘরে হুমায়ূন আহমেদ
৫৯তম জন্মদিনে নিজের ঘরে হুমায়ূন আহমেদ
স্থানীয় নাম
কাজল
জন্ম
শামসুর রহমান
১৩ নভেম্বর ১৯৪৮[১]
নেত্রকোণা, পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ)
মৃত্যু
১৯ জুলাই ২০১২ (বয়স ৬৩)
নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র[২]
সমাধিস্থল
নুহাশ পল্লী, গাজীপুর
পেশা
লেখকচলচ্চিত্র পরিচালকগীতিকারনাট্যকারঅধ্যাপক (রসায়ন)
জাতীয়তা
বাংলাদেশী
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
বগুড়া জিলা স্কুল
ঢাকা কলেজ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
নর্থ ডাকোটা স্টেট ইউনিভার্সিটি (পিএইচডি)
সময়কাল
১৯৭২ – ২০১২
ধরন
উপন্যাসছোটগল্পপ্রবন্ধনাটকবিজ্ঞান কল্পকাহিনীঅধিবাস্তব কাহিনীগান
বিষয়
রসায়ন, সমসাময়িক জীবন
উল্লেখযোগ্য রচনা
দেখুন সৃষ্টিকর্ম
উল্লেখযোগ্য পুরস্কার
বাংলা একাডেমি পুরস্কার
একুশে পদক
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
দাম্পত্যসঙ্গী
গুলতেকিন খান (বি. ১৯৭৩; বিচ্ছেদ. ২০০৪)
মেহের আফরোজ শাওন (বি. ২০০৫; মৃ. ২০১২)
সন্তান
৬জন শীলা আহমেদ, নুহাশ হুমায়ূন-সহ
আত্মীয়
মুহম্মদ জাফর ইকবাল (ভাই)
আহসান হাবীব (ভাই)
আসিফ নজরুল (জামাই)
স্বাক্ষর
ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন এবং নর্থ ডাকোটা স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পলিমার রসায়ন শাস্ত্র অধ্যয়ন করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক হিসাবে দীর্ঘকাল কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীকালে লেখালেখি এবং চলচ্চিত্র নির্মাণের স্বার্থে অধ্যাপনা ছেড়ে দেন।
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনী তাকে আটক করে এবং নির্যাতনের পর হত্যার জন্য গুলি চালায়। তিনি অলৌকিকভাবে বেঁচে যান।[৫] হুমায়ূন আহমেদ রচিত প্রথম উপন্যাস নন্দিত নরকে ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়। সত্তর দশকের সময় থেকে শুরু করে মৃত্যু অবধি তিনি ছিলেন বাংলা গল্প-উপন্যাসের অপ্রতিদ্বন্দ্বী কারিগর। এই কালপর্বে তার গল্প-উপন্যাসের জনপ্রিয়তা ছিল তুলনারহিত। তার অভূতপূর্ব সৃষ্টি হিমু এবং মিসির আলি ও শুভ্র চরিত্রগুলি বাংলাদেশের যুবকশ্রেণীকে গভীরভাবে উদ্বেলিত করেছে। বিজ্ঞান কল্পকাহিনীও তার সৃষ্টিকর্মের অন্তর্গত, তার রচিত প্রথম বিজ্ঞান কল্পকাহিনী তোমাদের জন্য ভালোবাসা। তার টেলিভিশন নাটকসমূহ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। সংখ্যায় বেশি না হলেও তার রচিত গানগুলোও জনপ্রিয়তা লাভ করে। তার রচিত অন্যতম উপন্যাসসমূহ হলো মধ্যাহ্ন, জোছনা ও জননীর গল্প, মাতাল হাওয়া, লীলাবতী, কবি, বাদশাহ নামদার ইত্যাদি। বাংলা সাহিত্যের উপন্যাস শাখায় অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ১৯৮১ সালে বাংলা একাডেমি প্রদত্ত বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে তার অবদানের জন্য ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করে।
তার নির্মিত চলচ্চিত্রগুলো সর্ব সাধারণ্যে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়। ১৯৯৪-এ তার নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধভিত্তিক আগুনের পরশমণি মুক্তি লাভ করে। চলচ্চিত্রটি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার সহ আটটি পুরস্কার লাভ করে। তার নির্মিত অন্যান্য সমাদৃত চলচ্চিত্রগুলো হলো শ্রাবণ মেঘের দিন (১৯৯৯), দুই দুয়ারী (২০০০), শ্যামল ছায়া (২০০৪), ও ঘেটু পুত্র কমলা (২০১২)। শ্যামল ছায়া ও ঘেটু পুত্র কমলা চলচ্চিত্র দুটি বাংলাদেশ থেকে বিদেশি ভাষার চলচ্চিত্র বিভাগে অস্কারের জন্য দাখিল করা হয়েছিল। এছাড়া ঘেটু পুত্র কমলা চলচ্চিত্র পরিচালনার জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পরিচালনা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।
ka3nwc5x4yb23o4ga6zci3o2uzx49m5
73962
73931
2026-04-06T00:54:08Z
Akash Ahmed Jhon
4509
73962
wikitext
text/x-wiki
হুমায়ূন আহমেদ (১৩ নভেম্বর ১৯৪৮ – ১৯ জুলাই ২০১২) ছিলেন একজন বাংলাদেশি ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার এবং গীতিকার, চিত্রনাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। তিনি বিংশ শতাব্দীর অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক। তাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় লেখক বলে গণ্য করা হয়। বাংলা কথাসাহিত্যে তিনি সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীর জনক। অন্য দিকে তিনি আধুনিক বাংলা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর পথিকৃৎ। নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালক হিসাবেও তিনি সমাদৃত। তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা তিন শতাধিক। তার বেশ কিছু গ্রন্থ পৃথিবীর নানা ভাষায় অনূদিত হয়েছে, বেশ কিছু গ্রন্থ স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচীর অন্তর্ভুক্ত। মিসির আলি এবং হিমু তার সৃষ্ট অন্যতম দুটি জনপ্রিয় চরিত্র।
হুমায়ূন আহমেদ
৫৯তম জন্মদিনে নিজের ঘরে হুমায়ূন আহমেদ
৫৯তম জন্মদিনে নিজের ঘরে হুমায়ূন আহমেদ
স্থানীয় নাম
কাজল
জন্ম
শামসুর রহমান
১৩ নভেম্বর ১৯৪৮[১]
নেত্রকোণা, পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ)
মৃত্যু
১৯ জুলাই ২০১২ (বয়স ৬৩)
নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র[২]
সমাধিস্থল
নুহাশ পল্লী, গাজীপুর
পেশা
লেখকচলচ্চিত্র পরিচালকগীতিকারনাট্যকারঅধ্যাপক (রসায়ন)
জাতীয়তা
বাংলাদেশী
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
বগুড়া জিলা স্কুল
ঢাকা কলেজ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
নর্থ ডাকোটা স্টেট ইউনিভার্সিটি (পিএইচডি)
সময়কাল
১৯৭২ – ২০১২
ধরন
উপন্যাসছোটগল্পপ্রবন্ধনাটকবিজ্ঞান কল্পকাহিনীঅধিবাস্তব কাহিনীগান
বিষয়
রসায়ন, সমসাময়িক জীবন
উল্লেখযোগ্য রচনা
দেখুন সৃষ্টিকর্ম
উল্লেখযোগ্য পুরস্কার
বাংলা একাডেমি পুরস্কার
একুশে পদক
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
দাম্পত্যসঙ্গী
গুলতেকিন খান (বি. ১৯৭৩; বিচ্ছেদ. ২০০৪)
মেহের আফরোজ শাওন (বি. ২০০৫; মৃ. ২০১২)
সন্তান
৬জন শীলা আহমেদ, নুহাশ হুমায়ূন-সহ
আত্মীয়
মুহম্মদ জাফর ইকবাল (ভাই)
আহসান হাবীব (ভাই)
আসিফ নজরুল (জামাই)
স্বাক্ষর
ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন এবং নর্থ ডাকোটা স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পলিমার রসায়ন শাস্ত্র অধ্যয়ন করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক হিসাবে দীর্ঘকাল কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীকালে লেখালেখি এবং চলচ্চিত্র নির্মাণের স্বার্থে অধ্যাপনা ছেড়ে দেন।
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনী তাকে আটক করে এবং নির্যাতনের পর হত্যার জন্য গুলি চালায়। তিনি অলৌকিকভাবে বেঁচে যান।[৫] হুমায়ূন আহমেদ রচিত প্রথম উপন্যাস নন্দিত নরকে ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়। সত্তর দশকের সময় থেকে শুরু করে মৃত্যু অবধি তিনি ছিলেন বাংলা গল্প-উপন্যাসের অপ্রতিদ্বন্দ্বী কারিগর। এই কালপর্বে তার গল্প-উপন্যাসের জনপ্রিয়তা ছিল তুলনারহিত। তার অভূতপূর্ব সৃষ্টি হিমু এবং মিসির আলি ও শুভ্র চরিত্রগুলি বাংলাদেশের যুবকশ্রেণীকে গভীরভাবে উদ্বেলিত করেছে। বিজ্ঞান কল্পকাহিনীও তার সৃষ্টিকর্মের অন্তর্গত, তার রচিত প্রথম বিজ্ঞান কল্পকাহিনী তোমাদের জন্য ভালোবাসা। তার টেলিভিশন নাটকসমূহ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। সংখ্যায় বেশি না হলেও তার রচিত গানগুলোও জনপ্রিয়তা লাভ করে। তার রচিত অন্যতম উপন্যাসসমূহ হলো মধ্যাহ্ন, জোছনা ও জননীর গল্প, মাতাল হাওয়া, লীলাবতী, কবি, বাদশাহ নামদার ইত্যাদি। বাংলা সাহিত্যের উপন্যাস শাখায় অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ১৯৮১ সালে বাংলা একাডেমি প্রদত্ত বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে তার অবদানের জন্য ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করে।
তার নির্মিত চলচ্চিত্রগুলো সর্ব সাধারণ্যে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়। ১৯৯৪-এ তার নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধভিত্তিক আগুনের পরশমণি মুক্তি লাভ করে। চলচ্চিত্রটি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার সহ আটটি পুরস্কার লাভ করে। তার নির্মিত অন্যান্য সমাদৃত চলচ্চিত্রগুলো হলো শ্রাবণ মেঘের দিন (১৯৯৯), দুই দুয়ারী (২০০০), শ্যামল ছায়া (২০০৪), ও ঘেটু পুত্র কমলা (২০১২)। শ্যামল ছায়া ও ঘেটু পুত্র কমলা চলচ্চিত্র দুটি বাংলাদেশ থেকে বিদেশি ভাষার চলচ্চিত্র বিভাগে অস্কারের জন্য দাখিল করা হয়েছিল। এছাড়া ঘেটু পুত্র কমলা চলচ্চিত্র পরিচালনার জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পরিচালনা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।
* {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}}
qu3kysjoinozp2fdy1l64ku9l5uzfpy
74000
73962
2026-04-06T05:52:45Z
MD.AL-AMIN MONDAL
4521
74000
wikitext
text/x-wiki
হুমায়ূন আহমেদ (১৩ নভেম্বর ১৯৪৮ – ১৯ জুলাই ২০১২) ছিলেন একজন বাংলাদেশি ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার এবং গীতিকার, চিত্রনাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। তিনি বিংশ শতাব্দীর অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক। তাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় লেখক বলে গণ্য করা হয়। বাংলা কথাসাহিত্যে তিনি সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীর জনক। অন্য দিকে তিনি আধুনিক বাংলা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর পথিকৃৎ। নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালক হিসাবেও তিনি সমাদৃত। তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা তিন শতাধিক। তার বেশ কিছু গ্রন্থ পৃথিবীর নানা ভাষায় অনূদিত হয়েছে, বেশ কিছু গ্রন্থ স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচীর অন্তর্ভুক্ত। মিসির আলি এবং হিমু তার সৃষ্ট অন্যতম দুটি জনপ্রিয় চরিত্র।
হুমায়ূন আহমেদ
৫৯তম জন্মদিনে নিজের ঘরে হুমায়ূন আহমেদ
৫৯তম জন্মদিনে নিজের ঘরে হুমায়ূন আহমেদ
স্থানীয় নাম
কাজল
জন্ম
শামসুর রহমান
১৩ নভেম্বর ১৯৪৮[১]
নেত্রকোণা, পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ)
মৃত্যু
১৯ জুলাই ২০১২ (বয়স ৬৩)
নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র[২]
সমাধিস্থল
নুহাশ পল্লী, গাজীপুর
পেশা
লেখকচলচ্চিত্র পরিচালকগীতিকারনাট্যকারঅধ্যাপক (রসায়ন)
জাতীয়তা
বাংলাদেশী
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
বগুড়া জিলা স্কুল
ঢাকা কলেজ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
নর্থ ডাকোটা স্টেট ইউনিভার্সিটি (পিএইচডি)
সময়কাল
১৯৭২ – ২০১২
ধরন
উপন্যাসছোটগল্পপ্রবন্ধনাটকবিজ্ঞান কল্পকাহিনীঅধিবাস্তব কাহিনীগান
বিষয়
রসায়ন, সমসাময়িক জীবন
উল্লেখযোগ্য রচনা
দেখুন সৃষ্টিকর্ম
উল্লেখযোগ্য পুরস্কার
বাংলা একাডেমি পুরস্কার
একুশে পদক
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
দাম্পত্যসঙ্গী
গুলতেকিন খান (বি. ১৯৭৩; বিচ্ছেদ. ২০০৪)
মেহের আফরোজ শাওন (বি. ২০০৫; মৃ. ২০১২)
সন্তান
৬জন শীলা আহমেদ, নুহাশ হুমায়ূন-সহ
আত্মীয়
মুহম্মদ জাফর ইকবাল (ভাই)
আহসান হাবীব (ভাই)
আসিফ নজরুল (জামাই)
স্বাক্ষর
ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন এবং নর্থ ডাকোটা স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পলিমার রসায়ন শাস্ত্র অধ্যয়ন করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক হিসাবে দীর্ঘকাল কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীকালে লেখালেখি এবং চলচ্চিত্র নির্মাণের স্বার্থে অধ্যাপনা ছেড়ে দেন।
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনী তাকে আটক করে এবং নির্যাতনের পর হত্যার জন্য গুলি চালায়। তিনি অলৌকিকভাবে বেঁচে যান।[৫] হুমায়ূন আহমেদ রচিত প্রথম উপন্যাস নন্দিত নরকে ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়। সত্তর দশকের সময় থেকে শুরু করে মৃত্যু অবধি তিনি ছিলেন বাংলা গল্প-উপন্যাসের অপ্রতিদ্বন্দ্বী কারিগর। এই কালপর্বে তার গল্প-উপন্যাসের জনপ্রিয়তা ছিল তুলনারহিত। তার অভূতপূর্ব সৃষ্টি হিমু এবং মিসির আলি ও শুভ্র চরিত্রগুলি বাংলাদেশের যুবকশ্রেণীকে গভীরভাবে উদ্বেলিত করেছে। বিজ্ঞান কল্পকাহিনীও তার সৃষ্টিকর্মের অন্তর্গত, তার রচিত প্রথম বিজ্ঞান কল্পকাহিনী তোমাদের জন্য ভালোবাসা। তার টেলিভিশন নাটকসমূহ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। সংখ্যায় বেশি না হলেও তার রচিত গানগুলোও জনপ্রিয়তা লাভ করে। তার রচিত অন্যতম উপন্যাসসমূহ হলো মধ্যাহ্ন, জোছনা ও জননীর গল্প, মাতাল হাওয়া, লীলাবতী, কবি, বাদশাহ নামদার ইত্যাদি। বাংলা সাহিত্যের উপন্যাস শাখায় অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ১৯৮১ সালে বাংলা একাডেমি প্রদত্ত বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে তার অবদানের জন্য ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করে।
তার নির্মিত চলচ্চিত্রগুলো সর্ব সাধারণ্যে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়। ১৯৯৪-এ তার নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধভিত্তিক আগুনের পরশমণি মুক্তি লাভ করে। চলচ্চিত্রটি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার সহ আটটি পুরস্কার লাভ করে। তার নির্মিত অন্যান্য সমাদৃত চলচ্চিত্রগুলো হলো শ্রাবণ মেঘের দিন (১৯৯৯), দুই দুয়ারী (২০০০), শ্যামল ছায়া (২০০৪), ও ঘেটু পুত্র কমলা (২০১২)। শ্যামল ছায়া ও ঘেটু পুত্র কমলা চলচ্চিত্র দুটি বাংলাদেশ থেকে বিদেশি ভাষার চলচ্চিত্র বিভাগে অস্কারের জন্য দাখিল করা হয়েছিল। এছাড়া ঘেটু পুত্র কমলা চলচ্চিত্র পরিচালনার জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পরিচালনা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।
* {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}}
* {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}}
gpvfinj55lmfv8bojzjfv89epj335rx
74003
74000
2026-04-06T05:56:53Z
MD.AL-AMIN MONDAL
4521
74003
wikitext
text/x-wiki
হুমায়ূন আহমেদ (১৩ই নভেম্বর ১৯৪৮ – ১৯শে জুলাই ২০১২) ছিলেন একজন বাংলাদেশীফিলিস্তিনিদের ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার এবং গীতিকার, চিত্রনাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। তিনি বিংশ শতাব্দীর অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক। তাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় লেখক বলে গণ্য করা হয়। বাংলা কথাসাহিত্যে তিনি সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীর জনক। অন্য দিকে তিনি আধুনিক বাংলা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর পথিকৃৎ। নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালক হিসাবেও তিনি সমাদৃত। তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা তিন শতাধিক। তার বেশ কিছু গ্রন্থ পৃথিবীর নানা ভাষায় অনূদিত হয়েছে, বেশ কিছু গ্রন্থ স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচীর অন্তর্ভুক্ত। মিসির আলি এবং হিমু তার সৃষ্ট অন্যতম দুটি জনপ্রিয় চরিত্র।
হুমায়ূন আহমেদ
৫৯তম জন্মদিনে নিজের ঘরে হুমায়ূন আহমেদ
৫৯তম জন্মদিনে নিজের ঘরে হুমায়ূন আহমেদ
স্থানীয় নাম
কাজল
জন্ম
শামসুর রহমান
১৩ নভেম্বর ১৯৪৮[১]
নেত্রকোণা, পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ)
মৃত্যু
১৯ জুলাই ২০১২ (বয়স ৬৩)
নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র[২]
সমাধিস্থল
নুহাশ পল্লী, গাজীপুর
পেশা
লেখকচলচ্চিত্র পরিচালকগীতিকারনাট্যকারঅধ্যাপক (রসায়ন)
জাতীয়তা
বাংলাদেশী
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
বগুড়া জিলা স্কুল
ঢাকা কলেজ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
নর্থ ডাকোটা স্টেট ইউনিভার্সিটি (পিএইচডি)
সময়কাল
১৯৭২ – ২০১২
ধরন
উপন্যাসছোটগল্পপ্রবন্ধনাটকবিজ্ঞান কল্পকাহিনীঅধিবাস্তব কাহিনীগান
বিষয়
রসায়ন, সমসাময়িক জীবন
উল্লেখযোগ্য রচনা
দেখুন সৃষ্টিকর্ম
উল্লেখযোগ্য পুরস্কার
বাংলা একাডেমি পুরস্কার
একুশে পদক
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
দাম্পত্যসঙ্গী
গুলতেকিন খান (বি. ১৯৭৩; বিচ্ছেদ. ২০০৪)
মেহের আফরোজ শাওন (বি. ২০০৫; মৃ. ২০১২)
সন্তান
৬জন শীলা আহমেদ, নুহাশ হুমায়ূন-সহ
আত্মীয়
মুহম্মদ জাফর ইকবাল (ভাই)
আহসান হাবীব (ভাই)
আসিফ নজরুল (জামাই)
স্বাক্ষর
ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন এবং নর্থ ডাকোটা স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পলিমার রসায়ন শাস্ত্র অধ্যয়ন করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক হিসাবে দীর্ঘকাল কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীকালে লেখালেখি এবং চলচ্চিত্র নির্মাণের স্বার্থে অধ্যাপনা ছেড়ে দেন।
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনী তাকে আটক করে এবং নির্যাতনের পর হত্যার জন্য গুলি চালায়। তিনি অলৌকিকভাবে বেঁচে যান।[৫] হুমায়ূন আহমেদ রচিত প্রথম উপন্যাস নন্দিত নরকে ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়। সত্তর দশকের সময় থেকে শুরু করে মৃত্যু অবধি তিনি ছিলেন বাংলা গল্প-উপন্যাসের অপ্রতিদ্বন্দ্বী কারিগর। এই কালপর্বে তার গল্প-উপন্যাসের জনপ্রিয়তা ছিল তুলনারহিত। তার অভূতপূর্ব সৃষ্টি হিমু এবং মিসির আলি ও শুভ্র চরিত্রগুলি বাংলাদেশের যুবকশ্রেণীকে গভীরভাবে উদ্বেলিত করেছে। বিজ্ঞান কল্পকাহিনীও তার সৃষ্টিকর্মের অন্তর্গত, তার রচিত প্রথম বিজ্ঞান কল্পকাহিনী তোমাদের জন্য ভালোবাসা। তার টেলিভিশন নাটকসমূহ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। সংখ্যায় বেশি না হলেও তার রচিত গানগুলোও জনপ্রিয়তা লাভ করে। তার রচিত অন্যতম উপন্যাসসমূহ হলো মধ্যাহ্ন, জোছনা ও জননীর গল্প, মাতাল হাওয়া, লীলাবতী, কবি, বাদশাহ নামদার ইত্যাদি। বাংলা সাহিত্যের উপন্যাস শাখায় অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ১৯৮১ সালে বাংলা একাডেমি প্রদত্ত বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে তার অবদানের জন্য ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করে।
তার নির্মিত চলচ্চিত্রগুলো সর্ব সাধারণ্যে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়। ১৯৯৪-এ তার নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধভিত্তিক আগুনের পরশমণি মুক্তি লাভ করে। চলচ্চিত্রটি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার সহ আটটি পুরস্কার লাভ করে। তার নির্মিত অন্যান্য সমাদৃত চলচ্চিত্রগুলো হলো শ্রাবণ মেঘের দিন (১৯৯৯), দুই দুয়ারী (২০০০), শ্যামল ছায়া (২০০৪), ও ঘেটু পুত্র কমলা (২০১২)। শ্যামল ছায়া ও ঘেটু পুত্র কমলা চলচ্চিত্র দুটি বাংলাদেশ থেকে বিদেশি ভাষার চলচ্চিত্র বিভাগে অস্কারের জন্য দাখিল করা হয়েছিল। এছাড়া ঘেটু পুত্র কমলা চলচ্চিত্র পরিচালনার জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পরিচালনা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।
* {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}}
* {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}}
t00r7upv5enwf4qv0ts5pihuc85pz3k
74005
74003
2026-04-06T05:58:19Z
MD.AL-AMIN MONDAL
4521
74005
wikitext
text/x-wiki
হুমায়ূন আহমেদ (১৩ই নভেম্বর ১৯৪৮ – ১৯শে জুলাই ২০১২) ছিলেন একজন বাংলাদেশী ফিলিস্তিনিদের ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার এবং গীতিকার, চিত্রনাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। তিনি বিংশ শতাব্দীর অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক। তাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় লেখক বলে গণ্য করা হয়। বাংলা কথাসাহিত্যে তিনি সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীর জনক। অন্য দিকে তিনি আধুনিক বাংলা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর পথিকৃৎ। নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালক হিসাবেও তিনি সমাদৃত। তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা তিন শতাধিক। তার বেশ কিছু গ্রন্থ পৃথিবীর নানা ভাষায় অনূদিত হয়েছে, বেশ কিছু গ্রন্থ স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচীর অন্তর্ভুক্ত। মিসির আলি এবং হিমু তার সৃষ্ট অন্যতম দুটি জনপ্রিয় চরিত্র।
হুমায়ূন আহমেদ
৫৯তম জন্মদিনে নিজের ঘরে হুমায়ূন আহমেদ
৫৯তম জন্মদিনে নিজের ঘরে হুমায়ূন আহমেদ
স্থানীয় নাম
কাজল
জন্ম
শামসুর রহমান
১৩ নভেম্বর ১৯৪৮[১]
নেত্রকোণা, পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ)
মৃত্যু
১৯ জুলাই ২০১২ (বয়স ৬৩)
নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র[২]
সমাধিস্থল
নুহাশ পল্লী, গাজীপুর
পেশা
লেখকচলচ্চিত্র পরিচালকগীতিকারনাট্যকারঅধ্যাপক (রসায়ন)
জাতীয়তা
বাংলাদেশী
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
বগুড়া জিলা স্কুল
ঢাকা কলেজ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
নর্থ ডাকোটা স্টেট ইউনিভার্সিটি (পিএইচডি)
সময়কাল
১৯৭২ – ২০১২
ধরন
উপন্যাসছোটগল্পপ্রবন্ধনাটকবিজ্ঞান কল্পকাহিনীঅধিবাস্তব কাহিনীগান
বিষয়
রসায়ন, সমসাময়িক জীবন
উল্লেখযোগ্য রচনা
দেখুন সৃষ্টিকর্ম
উল্লেখযোগ্য পুরস্কার
বাংলা একাডেমি পুরস্কার
একুশে পদক
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
দাম্পত্যসঙ্গী
গুলতেকিন খান (বি. ১৯৭৩; বিচ্ছেদ. ২০০৪)
মেহের আফরোজ শাওন (বি. ২০০৫; মৃ. ২০১২)
সন্তান
৬জন শীলা আহমেদ, নুহাশ হুমায়ূন-সহ
আত্মীয়
মুহম্মদ জাফর ইকবাল (ভাই)
আহসান হাবীব (ভাই)
আসিফ নজরুল (জামাই)
স্বাক্ষর
ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন এবং নর্থ ডাকোটা স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পলিমার রসায়ন শাস্ত্র অধ্যয়ন করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক হিসাবে দীর্ঘকাল কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীকালে লেখালেখি এবং চলচ্চিত্র নির্মাণের স্বার্থে অধ্যাপনা ছেড়ে দেন।
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনী তাকে আটক করে এবং নির্যাতনের পর হত্যার জন্য গুলি চালায়। তিনি অলৌকিকভাবে বেঁচে যান।[৫] হুমায়ূন আহমেদ রচিত প্রথম উপন্যাস নন্দিত নরকে ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়। সত্তর দশকের সময় থেকে শুরু করে মৃত্যু অবধি তিনি ছিলেন বাংলা গল্প-উপন্যাসের অপ্রতিদ্বন্দ্বী কারিগর। এই কালপর্বে তার গল্প-উপন্যাসের জনপ্রিয়তা ছিল তুলনারহিত। তার অভূতপূর্ব সৃষ্টি হিমু এবং মিসির আলি ও শুভ্র চরিত্রগুলি বাংলাদেশের যুবকশ্রেণীকে গভীরভাবে উদ্বেলিত করেছে। বিজ্ঞান কল্পকাহিনীও তার সৃষ্টিকর্মের অন্তর্গত, তার রচিত প্রথম বিজ্ঞান কল্পকাহিনী তোমাদের জন্য ভালোবাসা। তার টেলিভিশন নাটকসমূহ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। সংখ্যায় বেশি না হলেও তার রচিত গানগুলোও জনপ্রিয়তা লাভ করে। তার রচিত অন্যতম উপন্যাসসমূহ হলো মধ্যাহ্ন, জোছনা ও জননীর গল্প, মাতাল হাওয়া, লীলাবতী, কবি, বাদশাহ নামদার ইত্যাদি। বাংলা সাহিত্যের উপন্যাস শাখায় অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ১৯৮১ সালে বাংলা একাডেমি প্রদত্ত বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে তার অবদানের জন্য ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করে।
তার নির্মিত চলচ্চিত্রগুলো সর্ব সাধারণ্যে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়। ১৯৯৪-এ তার নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধভিত্তিক আগুনের পরশমণি মুক্তি লাভ করে। চলচ্চিত্রটি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার সহ আটটি পুরস্কার লাভ করে। তার নির্মিত অন্যান্য সমাদৃত চলচ্চিত্রগুলো হলো শ্রাবণ মেঘের দিন (১৯৯৯), দুই দুয়ারী (২০০০), শ্যামল ছায়া (২০০৪), ও ঘেটু পুত্র কমলা (২০১২)। শ্যামল ছায়া ও ঘেটু পুত্র কমলা চলচ্চিত্র দুটি বাংলাদেশ থেকে বিদেশি ভাষার চলচ্চিত্র বিভাগে অস্কারের জন্য দাখিল করা হয়েছিল। এছাড়া ঘেটু পুত্র কমলা চলচ্চিত্র পরিচালনার জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পরিচালনা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।
* {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}}
* {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}}
1qluj94fagmqcsin9ofknuuim99w49t
উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/নিবন্ধ তালিকা
4
11855
73863
73809
2026-04-05T15:20:08Z
~2026-20963-17
4480
/* বাঙালি ব্যক্তি */
73863
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=3}}
<big>এই প্রতিযোগিতায় বিষয়বস্তু নির্ধারিত নয়, '''আপনি আপনার পছন্দমতো যেকোন উল্লেখযোগ্য বিষয়ে ভুক্তি বা পৃষ্ঠা তৈরি করতে পারেন (গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ব্যতীত)''' <u >এমনকি তা নিচের তালিকায় না থাকলেও</u>। আপনি যদি অনিশ্চিত থাকেন যে কোনটি নিয়ে কাজ করবেন, তবে নিচের লাল সংযোগে থাকা নিবন্ধগুলি তৈরি করতে পারেন। যে পাতাটি নিয়ে কাজ করছেন, সেটির পাশে <code><nowiki>~~~~</nowiki></code> যোগ করে আপনার নাম লিখুন।</big>
মনে রাখবেন,
* ব্যক্তি যদি বাঙালি হয়, তবে তার উক্তি হুবহু তুলে দিন (উদা: [[আসাদুজ্জামান নূর]] দেখুন)। ব্যক্তি যদি বিদেশি হয়, তবে উক্তি অনুবাদ করে যোগ করুন (উদা: [[নোম চম্স্কি]] দেখুন)। কোনো বস্তুর ক্ষেত্রে বাঙালিদের উক্তি প্রাধান্য পাবে, তবে ভিন্ন ভাষা থেকেও উক্তি অনুবাদ করেও যোগ করা যাবে (উদা: [[চাঁদ]], [[সূর্য]] দেখুন)।
* '''নতুনরা''', দয়া করে [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/কীভাবে|কীভাবে উক্তি যোগ করব?]] টিউটোরিয়ালটি একবার দেখে নিন।
:এটি উইকিউক্তিতে ভুক্তি না থাকা বাঙালি ব্যক্তিদের তালিকা। তবে আপনি চাইলে [https://en.wikiquote.org ইংরেজি উইকিউক্তি] থেকে বাংলায় উক্তি অনুবাদ করতে পারেন।
*'''উল্লেখ্য:''' <span style="color:red;">নিবন্ধ তৈরির আগে নিবন্ধটি ইতোমধ্যে বাংলা উইকিউক্তিতে বিদ্যমান কিনা যাচাই করা নিবন্ধ প্রণেতার (যিনি নিবন্ধ তৈরি করবেন) দায়িত্ব। তালিকার বাইরের নাম প্রতিস্থাপন নিবন্ধ তালিকায় থাকা নামটির পরিবর্তে ভিন্ন নামে নিবন্ধ তৈরি করলে অবশ্যই নতুন নামটি তালিকায় প্রতিস্থাপন করে দিবেন, অন্যথায় ভিন্ন ব্যবহারকারী নিবন্ধটি পুনরায় তৈরি করতে পারেন।</span>
== বাংলা উক্তি ==
বাঙালি ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সংবাদপত্র, সাময়িকী কিংবা ছাপা বইয়ে প্রকাশিত উক্তি বা সাক্ষাৎকার থেকে উক্তি সংগ্রহ করে তা হুবুহু তথ্যসূত্র সহ যোগ করবেন।
=== বাঙালি ব্যক্তি ===
{{Div col|colwidth=20em|rules=yes}}
* {{বাউ|অংশুমান কর}}
* {{বাউ|অকিঞ্চন}}
* {{বাউ|অক্ষয়কুমার কয়াল}}
* {{বাউ|অক্ষয়কুমার বসু মজুমদার}}
* {{বাউ|অক্ষয়কুমার লধ}}
* {{বাউ|অক্ষয়চন্দ্র চৌধুরী}}
* {{বাউ|অক্ষয়ানন্দ বসু}}
* {{বাউ|অখিল নিয়োগী}}
* {{বাউ|অখিল পাল}}
* {{বাউ|অখিলচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|অখিলবন্ধু ঘোষ}}
* {{বাউ|অগ্রদূত}}
* {{বাউ|অঘোরনাথ গুপ্ত}}
* {{বাউ|অঘোরনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অঙ্গনা পি. চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অচলা মল্লিক}}
* {{বাউ|অজয় ঘটক}}
* {{বাউ|অজয় দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|অজয় বসু}}
* {{বাউ|অজয় হোম}}
* {{বাউ|অজিত দত্ত}}
* {{বাউ|অজিত রায় (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|অজিতকৃষ্ণ বসু}}
* {{বাউ|অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অঞ্জলি ইলা মেনন}}
* {{বাউ|অঞ্জলি মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অটলবিহারী ঘোষ}}
* {{বাউ|অতীন্দ্রনাথ বসু ঠাকুর}}
* {{বাউ|অতুল বসু}}
* {{বাউ|অতুলচন্দ্র ঘোষ}}
* {{বাউ|অতুলচন্দ্র ঘোষ (লেখক)}}
* {{বাউ|অদিতি লাহিড়ি}}
* {{বাউ|অদিতি সেন দে}}
* {{বাউ|অধরলাল সেন}}
* {{বাউ|অনম বিশ্বাস}}
* {{বাউ|অনল চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অনাথনাথ বসু}}
* {{বাউ|অনাদিনাথ দাঁ}}
* {{বাউ|অনাদিশ পাল}}
* {{বাউ|অনিতা মেহতা}}
* {{বাউ|অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অনিন্দ্য সিনহা}}
* {{বাউ|অনিমেষ আইচ}}
* {{বাউ|অনিমেষ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অনিমেষ রায় (জীববিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|অনির্বাণ ঘোষ}}
* {{বাউ|অনির্বাণ বসু}}
* {{বাউ|অনিল করঞ্জাই}}
* {{বাউ|অনিল কুমার গায়েন}}
* {{বাউ|অনিল কুমার ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|অনিল কুমার মণ্ডল}}
* {{বাউ|অনিল কুমার সেন}}
* {{বাউ|অনিল বিশ্বাস (সুরকার)}}
* {{বাউ|অনিল ভৌমিক}}
* {{বাউ|অনিল মুখার্জি}}
* {{বাউ|অনিলকুমার দাস}}
* {{বাউ|অনিলেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অনুত্তমা ব্যানার্জি}}
* {{বাউ|অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|অনুপম ঘটক}}
* {{বাউ|অনুপম দত্ত}}
* {{বাউ|অনুপম রায়}}
* {{বাউ|অনুপম সেন}}
* {{বাউ|অনুপম হায়াৎ}}
* {{বাউ|অনুপমা চোপড়া}}
* {{বাউ|অনুরাধা ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|অনুশ্রী রায়}}
* {{বাউ|অনুষ্কা শংকর}}
* {{বাউ|অন্নদা মুন্সী}}
* {{বাউ|অন্নদাচরণ খাস্তগীর}}
* {{বাউ|অন্নদাপ্রসাদ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অন্নপূর্ণা গোস্বামী}}
* {{বাউ|অপরেশ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অপরেশ লাহিড়ী}}
* {{বাউ|অপরেশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অপর্ণা সেন}}
* {{বাউ|অপূর্ব জাহাঙ্গীর}}
* {{বাউ|অবনী সেন}}
* {{বাউ|অবনীনাথ রায়}}
* {{বাউ|অবনীভূষণ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অবন্তী সিঁথি}}
* {{বাউ|অবন্তীকুমার সান্যাল}}
* {{বাউ|অবলা বসু}}
* {{বাউ|অবশেষ দাস}}
* {{বাউ|অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ}}
* {{বাউ|অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় (সুরকার)}}
* {{বাউ|অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় (ভূবিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|অভিজিৎ সেন}}
* {{বাউ|অভিনয় চন্দ্র সাহা}}
* {{বাউ|অভীক ঘোষ}}
* {{বাউ|অমর পাল}}
* {{বাউ|অমরপ্রসাদ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অমরেশ রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|অমরেশ্বর ঠাকুর}}
* {{বাউ|অমল কুমার রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|অমল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অমল বোস}}
* {{বাউ|অমল হোম}}
* {{বাউ|অমলা শংকর}}
* {{বাউ|অমলেন্দু চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অমলেন্দু চন্দ্র}}
* {{বাউ|অমলেন্দু দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|অমলেন্দু দাশগুপ্ত (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|অমলেন্দু দে}}
* {{বাউ|অমলেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অমলেন্দু বসু}}
* {{বাউ|অমলেন্দু বিশ্বাস}}
* {{বাউ|অমলেন্দু মিত্র}}
* {{বাউ|অমলেশ ত্রিপাঠী}}
* {{বাউ|অমিত চৌধুরী}}
* {{বাউ|অমিত মিত্র}}
* {{বাউ|অমিতা ঠাকুর}}
* {{বাউ|অমিতা দত্ত}}
* {{বাউ|অমিতা বসু}}
* {{বাউ|অমিতা মালিক}}
* {{বাউ|অমিতা সেন (আশ্রমকন্যা)}}
* {{বাউ|অমিতাভ দত্ত}}
* {{বাউ|অমিতাভ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|অমিতাভ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অমিতাভ রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|অমিতাভ রেজা চৌধুরী}}
* {{বাউ|অমিয় বাগচী}}
* {{বাউ|অমিয়কুমার দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|অমিয়কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অমিয়া দত্ত}}
* {{বাউ|অমূল্যকুমার দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|অমূল্যচরণ বিদ্যাভূষণ}}
* {{বাউ|অমূল্যধন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অমূল্যচরণ উকিল}}
* {{বাউ|অম্বরীশ ঘোষ}}
* {{বাউ|অম্বিকাচরণ মজুমদার}}
* {{বাউ|অম্লান দত্ত}}
* {{বাউ|অরিন্দম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অরুণ কুমার বসাক}}
* {{বাউ|অরুণ কুমার শর্মা}}
* {{বাউ|অরুণ মিত্র}}
* {{বাউ|অরুণ মুখার্জি}}
* {{বাউ|অরুণ সোম}}
* {{বাউ|অরুণকুমার বসু}}
* {{বাউ|অরুণচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|অরুণাচল বসু}}
* {{বাউ|অরুণাভ সরকার}}
* {{বাউ|অরুণেন্দু দাস}}
* {{বাউ|অরুণোদয় মণ্ডল}}
* {{বাউ|অরুন্ধতী দেবী}}
* {{বাউ|অরূপ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অরূপ চন্দ্র}}
* {{বাউ|অর্ক মুখার্জি}}
* {{বাউ|অর্চনা ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|অর্চনা শর্মা (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|অর্জুন (গোয়েন্দা চরিত্র)}}
* {{বাউ|অর্ণব রাই চৌধুরী}}
* {{বাউ|অলক রায়}}
* {{বাউ|অলকা উকিল}}
* {{বাউ|অলকা দাশ}}
* {{বাউ|অলকা সরাবগী}}
* {{বাউ|অলিউর রহমান}}
* {{বাউ|অলোক কৃষ্ণ গুপ্ত}}
* {{বাউ|অলোক রায়}}
* {{বাউ|অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|অশেষ প্রসাদ মিত্র}}
* {{বাউ|অশোক কুমার বড়ুয়া}}
* {{বাউ|অশোক কুমার ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|অশোক কুমার সরকার}}
* {{বাউ|অশোক কুমার সেন}}
* {{বাউ|অশোক গুপ্ত (লেখক)}}
* {{বাউ|অশোক চট্টোপাধ্যায় (লেখক)}}
* {{বাউ|অশোক চৌধুরী}}
* {{বাউ|অশোক নাথ মিত্র}}
* {{বাউ|অশোক বড়ুয়া}}
* {{বাউ|অশোক বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অশোক মিত্র}}
* {{বাউ|অশোক রুদ্র}}
* {{বাউ|অশোক সেন}}
* {{বাউ|অশোককুমার হালদার}}
* {{বাউ|অশোকা গুপ্ত (বিপ্লবী)}}
* {{বাউ|অশ্বিনীকুমার দত্ত}}
* {{বাউ|অসীম দাসগুপ্ত}}
* {{বাউ|অসীমকান্তি দত্তরায়}}
* {{বাউ|অসীমা চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অহিভূষণ মালিক}}
* {{বাউ|আ ক ম সারোয়ার জাহান বাদশা}}
* {{বাউ|আ জা ম তকীয়ুল্লাহ}}
* {{বাউ|আ ফ ম আহসানউদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|আ ফ ম ইউসুফ হায়দার}}
* {{বাউ|আ ফ ম খালিদ হোসেন}}
* {{বাউ|আ. ন. ম. বজলুর রশীদ}}
* {{বাউ|আ. ন. ম. বশির উল্লাহ}}
* {{বাউ|আ. ফ. ম. রুহুল হক}}
* {{বাউ|আইভি রহমান}}
* {{বাউ|আইয়ুব আলী}}
* {{বাউ|আইরিন খান}}
* {{বাউ|আওকাত হোসেন}}
* {{বাউ|আওলাদ হোসেন}}
* {{বাউ|আওলাদ হোসেন চাকলাদার}}
* {{বাউ|আককাছ আলী সরকার}}
* {{বাউ|আকতার মিয়া}}
* {{বাউ|আকবর আলি খান}}
* {{বাউ|আকবর উদ্দীন}}
* {{বাউ|আকবর হোসেন (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|আকবর হোসেন (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|আকরাম হোসেন চৌধুরী (বিচারক)}}
* {{বাউ|আকরামুজ্জামান খান}}
* {{বাউ|আকরামুল কাদের}}
* {{বাউ|আখতার ইমাম}}
* {{বাউ|আখতার উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|আখতার সাদমানী}}
* {{বাউ|আখতার হুসেন}}
* {{বাউ|আখতারুজ্জামান}}
* {{বাউ|আখলাকুল হোসাইন আহমেদ}}
* {{বাউ|আগা আহমদ আলী}}
* {{বাউ|আছিম শাহ}}
* {{বাউ|আজম আলী}}
* {{বাউ|আজহারুল হক}}
* {{বাউ|আজাদ রহমান}}
* {{বাউ|আজাহার উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|আজিজউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|আজিজুর রহমান (গীতিকার)}}
* {{বাউ|আজিজুর রহমান (চলচ্চিত্র পরিচালক)}}
* {{বাউ|আজিজুর রহমান আক্কাস}}
* {{বাউ|আজিজুর রহমান আজিজ}}
* {{বাউ|আজিজুর রহমান মল্লিক}}
* {{বাউ|আজিজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|আজিজুল হক (শায়খুল হাদিস)}}
* {{বাউ|আজিজুল হক (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আজিজুল হাকিম (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|আজিজুল হাকিম (কবি)}}
* {{বাউ|আজিম}}
* {{বাউ|আজিম উদ্দিন মুনশী}}
* {{বাউ|আজীজুল হক}}
* {{বাউ|আজীমুদ্দীন হানাফী}}
* {{বাউ|আঞ্জুমান আরা বেগম}}
* {{বাউ|আতহার আলী}}
* {{বাউ|আতাউর রহমান}}
* {{বাউ|আতাউর রহমান (কবি)}}
* {{বাউ|আতাউর রহমান খান}}
* {{বাউ|আতাউর রহমান খান কায়সার}}
* {{বাউ|আতাউর রহমান খান খাদিম}}
* {{বাউ|আতাউল করিম}}
* {{বাউ|আতাউল হাকিম}}
* {{বাউ|আতাউস সামাদ}}
* {{বাউ|আতিউর রহমান}}
* {{বাউ|আতিকুজ্জামান খান}}
* {{বাউ|আতিকুর রহমান (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|আতিকুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|আতিয়া ইসলাম এ্যানি}}
* {{বাউ|আতোয়ার রহমান}}
* {{বাউ|আতোয়ার রহমান তালুকদার}}
* {{বাউ|আদনান আল রাজীব}}
* {{বাউ|আদিনাথ লাহিড়ী}}
* {{বাউ|আদিলুর রহমান খান}}
* {{বাউ|আনজীর লিটন}}
* {{বাউ|আনন জামান}}
* {{বাউ|আনন্দচন্দ্র নন্দী}}
* {{বাউ|আনন্দদেব মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|আনন্দমোহন চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|আনন্দমোহন বসু}}
* {{বাউ|আনন্দশঙ্কর}}
* {{বাউ|আনসার আলী}}
* {{বাউ|আনিক খান}}
* {{বাউ|আনিলা নাজ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনিস চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনিস সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|আনিসুজ্জামান (দর্শনশাস্ত্রজ্ঞ)}}
* {{বাউ|আনিসুজ্জামান চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনিসুর রহমান (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|আনিসুল ইসলাম মাহমুদ}}
* {{বাউ|আনিসুল হক}}
* {{বাউ|আনিসুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনু মুহাম্মদ}}
* {{বাউ|আনুশেহ্ আনাদিল}}
* {{বাউ|আনোয়ার উদ্দিন খান}}
* {{বাউ|আনোয়ার উল আলম}}
* {{বাউ|আনোয়ার উল হক}}
* {{বাউ|আনোয়ার পারভেজ}}
* {{বাউ|আনোয়ার পাশা (লেখক)}}
* {{বাউ|আনোয়ার হোসেন (অণুজীববিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|আনোয়ার হোসেন (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আনোয়ার হোসেন (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|আনোয়ার হোসেন (আলোকচিত্রী)}}
* {{বাউ|আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনোয়ারা বাহার চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনোয়ারা বেগম (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল কবির}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল করিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল কাদের}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল হক}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল হক (বিচারক)}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল হক শরীফ}}
* {{বাউ|আন্ডারগ্রাউন্ড পিস লাভারস}}
* {{বাউ|আন্দালিব রহমান পার্থ}}
* {{বাউ|আপেল মাহমুদ}}
* {{বাউ|আফজাল এইচ খান}}
* {{বাউ|আফজাল চৌধুরী}}
* {{বাউ|আফটারম্যাথ}}
* {{বাউ|আফতাব আহমাদ রহমানী}}
* {{বাউ|আফতাব আহমেদ (আলোকচিত্রী)}}
* {{বাউ|আফতাব উদ্দিন ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|আফতাবউদ্দিন খাঁ}}
* {{বাউ|আফতাবুজ্জামান}}
* {{বাউ|আফরোজা পারভীন}}
* {{বাউ|আফসান চৌধুরী}}
* {{বাউ|আফসার আমেদ}}
* {{বাউ|আফসার আহমদ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|আফসার উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|আফসার উদ্দীন আহমেদ (অ্যাডভোকেট)}}
* {{বাউ|আবদার রশীদ}}
* {{বাউ|আবদুর রউফ (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|আবদুর রউফ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবদুর রব (বিচারক)}}
* {{বাউ|আবদুর রব (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আবদুর রব সেরনিয়াবাত}}
* {{বাউ|আবদুর রশীদ খান}}
* {{বাউ|আবদুর রসুল}}
* {{বাউ|আবদুর রহমান খাঁ}}
* {{বাউ|আবদুর রহমান চৌধুরী (বিচারক)}}
* {{বাউ|আবদুর রহমান বয়াতী}}
* {{বাউ|আবদুর রহমান বিশ্বাস}}
* {{বাউ|আবদুর রহিম (বিচারক)}}
* {{বাউ|আবদুর রাজ্জাক (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আবদুল আওয়াল মিয়া}}
* {{বাউ|আবদুল আজিজ (লেখক)}}
* {{বাউ|আবদুল আজিজ খন্দকার}}
* {{বাউ|আবদুল আহাদ (বুদ্ধিজীবী)}}
* {{বাউ|আবদুল আহাদ (সংগীত পরিচালক)}}
* {{বাউ|আবদুল ওয়াহহাব পীরজী}}
* {{বাউ|আবদুল ওয়াহাব}}
* {{বাউ|আবদুল করিম শাহ}}
* {{বাউ|আবদুল কাদির}}
* {{বাউ|আবদুল খালেক (পীর)}}
* {{বাউ|আবদুল গনি হাজারী}}
* {{বাউ|আবদুল গফুর (ভাষা সৈনিক)}}
* {{বাউ|আবদুল জব্বার (জ্যোতির্বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|আবদুল জব্বার (ভাষা শহীদ)}}
* {{বাউ|আবদুল জব্বার (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|আবদুল জব্বার খান}}
* {{বাউ|আবদুল জলিল (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবদুল মজিদ মল্লিক}}
* {{বাউ|আবদুল মতিন}}
* {{বাউ|আবদুল মতিন (জেনারেল)}}
* {{বাউ|আবদুল মতিন (লেখক)}}
* {{বাউ|আবদুল মমিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবদুল মমিন তালুকদার}}
* {{বাউ|আবদুল মাজেদ খান}}
* {{বাউ|আবদুল মান্নান হাওলাদার}}
* {{বাউ|আবদুল মালেক (সচিব)}}
* {{বাউ|আবদুল হক ফরিদী}}
* {{বাউ|আবদুল হাই চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবদুল হাই মাশরেকী}}
* {{বাউ|আবদুল হাই শিকদার}}
* {{বাউ|আবদুল হাকিম খান বাহাদুর}}
* {{বাউ|আবদুল হাফিজ (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|আবদুল হামিদ (ধারাভাষ্যকার)}}
* {{বাউ|আবদুল হামিদ (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আবদুল হামিদ খান ইউসফজয়ী}}
* {{বাউ|আবদুল হামিদ তালুকদার}}
* {{বাউ|আবদুল হালিম বয়াতি}}
* {{বাউ|আবদুল্লাহ আল মামুন}}
* {{বাউ|আবদুল্লাহ আল-মামুন সোহ্রাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|আবদুল্লাহ-আল-মাহমুদ}}
* {{বাউ|আবদুস সাত্তার (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবদুস সাত্তার ভূঞা}}
* {{বাউ|আবদুস সালাম (পদার্থবিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|আবদুস সালাম (ভাষা শহীদ)}}
* {{বাউ|আবদুস সালাম (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|আবদুস সালাম মামুন}}
* {{বাউ|আবদুস সোবহান সিকদার}}
* {{বাউ|আবিদ আজাদ}}
* {{বাউ|আবিদ আনোয়ার}}
* {{বাউ|আবিদা ইসলাম}}
* {{বাউ|আবিদুর রেজা খান}}
* {{বাউ|আবু আসাদ মোহাম্মদ ওবায়দুল গনি}}
* {{বাউ|আবু আহমদ আব্দুল হাফিজ}}
* {{বাউ|আবু আহমদ ফজলুল করিম}}
* {{বাউ|আবু আহমেদ}}
* {{বাউ|আবু আহমেদ জহিরুল আমিন খান}}
* {{বাউ|আবু ইউসুফ (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবু কায়সার}}
* {{বাউ|আবু জাফর}}
* {{বাউ|আবু জাফর (গীতিকার)}}
* {{বাউ|আবু জাফর শামসুদ্দীন}}
* {{বাউ|আবু জাহির}}
* {{বাউ|আবু তাহের (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আবু তাহের নদভী}}
* {{বাউ|আবু তাহের মজুমদার}}
* {{বাউ|আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান}}
* {{বাউ|আবু নঈম শেখ}}
* {{বাউ|আবু নসর ওহীদ}}
* {{বাউ|আবু বকর সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|আবু বকর সিদ্দিকী (বিচারক)}}
* {{বাউ|আবু বারেক মোহাম্মদ নুরুল আলম}}
* {{বাউ|আবু মহামেদ হবিবুল্লাহ}}
* {{বাউ|আবু মো. দেলোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন}}
* {{বাউ|আবু যোহা নূর আহমদ}}
* {{বাউ|আবু রুশদ}}
* {{বাউ|আবু রেজা ফজলুল হক বাবলু}}
* {{বাউ|আবু শারাফ হিজবুল কাদের সাদেক}}
* {{বাউ|আবু শাহেদ ইমন}}
* {{বাউ|আবু শাহ্রিয়ার}}
* {{বাউ|আবু সয়ীদ আইয়ুব}}
* {{বাউ|আবু সাইয়ীদ}}
* {{বাউ|আবু সাঈদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম}}
* {{বাউ|আবু সালেহ}}
* {{বাউ|আবু সালেহ মোহাম্মদ নাজমুল হক}}
* {{বাউ|আবু সালেহ মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|আবু সালেহ মোহাম্মদ সাঈদ}}
* {{বাউ|আবু হায়াত মাহমুদ}}
* {{বাউ|আবু হাসান ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|আবু হাসান শাহরিয়ার}}
* {{বাউ|আবু হেনা মোস্তফা কামাল}}
* {{বাউ|আবু হোসেন সিদ্দিক}}
* {{বাউ|আবুল আহসান}}
* {{বাউ|আবুল আহসান চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবুল ওমরাহ মুহম্মদ ফখরুদ্দিন}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (বুদ্ধিজীবী)}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবুল কালাম ফায়জুল হক}}
* {{বাউ|আবুল কালাম মনজুর মোরশেদ}}
* {{বাউ|আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া}}
* {{বাউ|আবুল কালাম শামসুদ্দিন (সরকারি কর্মকর্তা)}}
* {{বাউ|আবুল কাশেম সন্দ্বীপ}}
* {{বাউ|আবুল কাসেম (ভাষা সৈনিক)}}
* {{বাউ|আবুল কাসেম (সাহিত্যরত্ন)}}
* {{বাউ|আবুল কাসেম খান}}
* {{বাউ|আবুল কাসেম ফজলুল হক}}
* {{বাউ|আবুল খায়ের}}
* {{বাউ|আবুল খায়ের (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|আবুল খায়ের মুসলেহউদ্দিন}}
* {{বাউ|আবুল ফতেহ}}
* {{বাউ|আবুল ফাতাহ মুহাম্মদ ইয়াহইয়া}}
* {{বাউ|আবুল বরকত}}
* {{বাউ|আবুল বারকাত}}
* {{বাউ|আবুল বাশার (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবুল বাশার (লেখক)}}
* {{বাউ|আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম}}
* {{বাউ|আবুল বাসার (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আবুল বাসার আকন্দ}}
* {{বাউ|আবুল মকসুদ হারুন অর রশীদ}}
* {{বাউ|আবুল মাল আবদুল মুহিত}}
* {{বাউ|আবুল মোমেন}}
* {{বাউ|আবুল হাশেম (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবুল হাশেম খান (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|আবুল হাশেম সরকার}}
* {{বাউ|আবুল হাসনাত (মেয়র)}}
* {{বাউ|আবুল হাসান (কবি)}}
* {{বাউ|আবুল হাসান মাহমুদ আলী}}
* {{বাউ|আবুল হুসসাম}}
* {{বাউ|আবুল হুসেন}}
* {{বাউ|আবুল হোসেন (কবি)}}
* {{বাউ|আবুল হোসেন (পদার্থবিদ)}}
* {{বাউ|আবেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবেদ হোসেন খান}}
* {{বাউ|আব্দুর রইছ}}
* {{বাউ|আব্দুর রউফ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আব্দুর রব চৌধুরী}}
* {{বাউ|আব্দুর রহমান (বুদ্ধিজীবী)}}
* {{বাউ|আব্দুর রহমান (মুফতি)}}
* {{বাউ|আব্দুর রহমান আনওয়ারী}}
* {{বাউ|আব্দুর রহমান সরকার}}
* {{বাউ|আব্দুর রহমানেল মাছউদ}}
* {{বাউ|আব্দুর রহিম (সংসদ সদস্য)}}
* {{বাউ|আব্দুল আউয়াল খান}}
* {{বাউ|আব্দুল আজিজ (চলচ্চিত্র নির্মাতা)}}
* {{বাউ|আব্দুল আলীম (সঙ্গীতশিল্পী)}}
* {{বাউ|আব্দুল ওয়াহহাব মিঞা}}
* {{বাউ|আব্দুল ওয়াহাব তালুকদার}}
* {{বাউ|আব্দুল ওহাব খান (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|আব্দুল করিম আব্বাসী}}
* {{বাউ|আব্দুল জব্বার}}
* {{বাউ|আব্দুল জলিল}}
* {{বাউ|আব্দুল বায়েস}}
* {{বাউ|আব্দুল মতিন চৌধুরী (পদার্থবিদ)}}
* {{বাউ|আব্দুল মতিন পাটোয়ারি}}
* {{বাউ|আব্দুল মান্নান আকন্দ}}
* {{বাউ|আব্দুল মান্নান চৌধুরী (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আব্দুল মান্নান শিকদার}}
* {{বাউ|আব্দুল মালেক উকিল}}
* {{বাউ|আব্দুল মুত্তাকিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|আব্দুল মুমিত চৌধুরী}}
* {{বাউ|আব্দুল মোতালেব মালিক}}
* {{বাউ|আব্দুল লতিফ}}
* {{বাউ|আব্দুল লতিফ বাচ্চু}}
* {{বাউ|আব্দুল লতিফ মিয়া}}
* {{বাউ|আব্দুল হাকিম সরকার}}
* {{বাউ|আব্দুল হামিদ (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|আব্দুল হামিদ রায়হান}}
* {{বাউ|আব্দুল হালিম বুখারী}}
* {{বাউ|আব্দুল হাসিব}}
* {{বাউ|আব্দুল্লাহ আল মামুন (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ}}
* {{বাউ|আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ}}
* {{বাউ|আব্দুস শাকুর (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আব্দুস সাত্তার (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আব্দুস সাত্তার খান}}
* {{বাউ|আব্দুস সাত্তার মোহন্ত}}
* {{বাউ|আব্দুস সামাদ আজাদ}}
* {{বাউ|আব্দুস সালাম চাটগামী}}
* {{বাউ|আব্দুস সেলিম}}
* {{বাউ|আব্বাসউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|আভরাল সাহির}}
* {{বাউ|আভা আলম}}
* {{বাউ|আভাস}}
* {{বাউ|আভাসকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|আমজাদ হোসেন}}
* {{বাউ|আমজাদ হোসেন (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|আমান রেজা}}
* {{বাউ|আমানুল হক}}
* {{বাউ|আমানুল হক (নৃত্যশিল্পী)}}
* {{বাউ|আমানুল্লাহ কবির}}
* {{বাউ|আমিন আহমদ}}
* {{বাউ|আমিন উদ্দিন মৃধা}}
* {{বাউ|আমিন সোহরাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|আমিনা আহমেদ কর}}
* {{বাউ|আমিনুর রশীদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আমিনুর রহমান}}
* {{বাউ|আমিনুর রহমান শামসুদ দোহা}}
* {{বাউ|আমিনুর রহমান সুলতান}}
* {{বাউ|আমিনুল ইসলাম (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আমিনুল ইসলাম (মৃত্তিকা বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|আমিনুল ইসলাম বাদশা}}
* {{বাউ|আমিনুল ইসলাম ভুঁইয়া}}
* {{বাউ|আমিনুল করিম}}
* {{বাউ|আমিনুল হক (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|আমিনুল হক (অ্যাটর্নি জেনারেল)}}
* {{বাউ|আমির হামজা (আলোকচিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আমির হামজা (কবি)}}
* {{বাউ|আমির হোসেন (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|আমির হোসেন আমু}}
* {{বাউ|আমির হোসেন খান}}
* {{বাউ|আমিরুল আলম মিলন}}
* {{বাউ|আমিরুল ইসলাম (গীতিকার)}}
* {{বাউ|আমিরুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|আমীন আহম্মেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আমীর-উল ইসলাম}}
* {{বাউ|আমীরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|আয়নুন নাহার সিদ্দিকা}}
* {{বাউ|আয়মান সাদিক}}
* {{বাউ|আয়েত আলী খাঁ}}
* {{বাউ|আয়েশা বেদোরা চৌধুরী}}
* {{বাউ|আযীযুর রহমান কায়েদ}}
* {{বাউ|আর আই এম আমিনুর রশিদ}}
* {{বাউ|আর. এ. গনি}}
* {{বাউ|আর. কে. বি. এম. রিজমী}}
* {{বাউ|আরতি দত্ত}}
* {{বাউ|আরমা দত্ত}}
* {{বাউ|আরমিন মুসা}}
* {{বাউ|আরশাদ-উজ জামান}}
* {{বাউ|আরেফিন রুমি}}
* {{বাউ|আর্ক}}
* {{বাউ|আর্থার উইলসন}}
* {{বাউ|আর্থার লেভেলিন বাশাম}}
* {{বাউ|আল-কামাল আবদুল ওহাব}}
* {{বাউ|আল-নকীব চৌধুরী}}
* {{বাউ|আলতাফ মাহমুদ}}
* {{বাউ|আলতাফ হোসেইন}}
* {{বাউ|আলতাফ হোসেন (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আলতাফ হোসেন (কবি)}}
* {{বাউ|আলতামাস আহমেদ}}
* {{বাউ|আলপনা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|আলফ্রেড উডলি ক্রফট}}
* {{বাউ|আলভী আহমেদ}}
* {{বাউ|আলম আরা জুঁই}}
* {{বাউ|আলম খান}}
* {{বাউ|আলম খোরশেদ}}
* {{বাউ|আলমগীর (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|আলমগীর কুমকুম}}
* {{বাউ|আলমগীর মোহাম্মদ সিরাজুদ্দীন}}
* {{বাউ|আলাউদ্দিন আলী}}
* {{বাউ|আলাউদ্দিন আহম্মদ}}
* {{বাউ|আলাউদ্দিন খাঁ}}
* {{বাউ|আলী আকবর খাঁ}}
* {{বাউ|আলী আকবর রুপু}}
* {{বাউ|আলী আকরাম শুভ}}
* {{বাউ|আলী আজগর}}
* {{বাউ|আলী আশরাফ (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আলী আহমদ}}
* {{বাউ|আলী ইমাম}}
* {{বাউ|আলী কায়সার হাসান মোর্শেদ}}
* {{বাউ|আলী মনসুর}}
* {{বাউ|আলী রীয়াজ}}
* {{বাউ|আলী হোসেন (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|আলেকজান্ডার পেডলার}}
* {{বাউ|আশফাকুল ইসলাম}}
* {{বাউ|আশরফি খানম}}
* {{বাউ|আশরাফ আলী খান চৌধুরী}}
* {{বাউ|আশরাফ শিশির}}
* {{বাউ|আশরাফ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|আশরাফ-উজ-জামান খান}}
* {{বাউ|আশরাফুদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|আশরাফুল আলম (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আশা মেহরিন আমিন}}
* {{বাউ|আশালতা সিংহ}}
* {{বাউ|আশালতা সেন}}
* {{বাউ|আশিক চৌধুরী}}
* {{বাউ|আশিকুজ্জামান (জেনারেল)}}
* {{বাউ|আশিকুর রহমান}}
* {{বাউ|আশীষ রঞ্জন দাস}}
* {{বাউ|আশুতোষ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আশুতোষ চৌধুরী (আইনজীবি)}}
* {{বাউ|আশুতোষ সুজন}}
* {{বাউ|আশুতোষ সেন}}
* {{বাউ|আশ্চর্যময়ী}}
* {{বাউ|আসকার ইবনে শাইখ}}
* {{বাউ|আসফার হোসেন মোল্লা}}
* {{বাউ|আসমত আলী শিকদার}}
* {{বাউ|আসলাম সানী}}
* {{বাউ|আসহাব উদ্দীন}}
* {{বাউ|আসহাব উদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|আসহাব-উল-হক}}
* {{বাউ|আসাদ আলম সিয়াম}}
* {{বাউ|আসাদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আসাদ বিন হাফিজ}}
* {{বাউ|আসাদ মান্নান}}
* {{বাউ|আসাদুজ্জামান খান}}
* {{বাউ|আসিফ ইকবাল (গীতিকার)}}
* {{বাউ|আহমদ আবদুল কাদের}}
* {{বাউ|আহমদ আলী এনায়েতপুরী}}
* {{বাউ|আহমদ জামান চৌধুরী}}
* {{বাউ|আহমদ রফিক}}
* {{বাউ|আহমদ শামসুল ইসলাম}}
* {{বাউ|আহমাদ মোস্তফা কামাল}}
* {{বাউ|আহমেদ আলী}}
* {{বাউ|আহমেদ ইকবাল হায়দার}}
* {{বাউ|আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল}}
* {{বাউ|আহমেদ শফি}}
* {{বাউ|আহমেদ সোহেল}}
* {{বাউ|আহমেদুর রশিদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আহম্মদ আলী}}
* {{বাউ|আহসান এইচ মনসুর}}
* {{বাউ|আহসান হাবীব (কার্টুনিস্ট)}}
* {{বাউ|ইউজিন লাঁফৌ}}
* {{বাউ|ইউনুস আলী সরকার}}
* {{বাউ|ইউয়ান ৎসে লি}}
* {{বাউ|ইউসুফ আবদুল্লাহ সুমন}}
* {{বাউ|ইউসুফ আলী খান}}
* {{বাউ|ইউসুফ আলী মোল্লা}}
* {{বাউ|ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন}}
* {{বাউ|ইকতিয়ার চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইকবাল আসিফ জুয়েল}}
* {{বাউ|ইকবাল আহমেদ (সঙ্গীতশিল্পী)}}
* {{বাউ|ইকবাল কাদির}}
* {{বাউ|ইকবাল খন্দকার}}
* {{বাউ|ইকবাল মাহমুদ}}
* {{বাউ|ইকবাল সোবহান চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইকবাল হোসেন খান}}
* {{বাউ|ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ}}
* {{বাউ|ইতরাত হোসেন জুবেরী}}
* {{বাউ|ইনামুল হক}}
* {{বাউ|ইন্ডালো}}
* {{বাউ|ইন্দিরা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ইন্দিরা দেবী}}
* {{বাউ|ইন্দিরা নাথ}}
* {{বাউ|ইন্দিরা ব্যানার্জি}}
* {{বাউ|ইন্দিরাদেবী রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইন্দু মিঠা}}
* {{বাউ|ইন্দুভূষণ রক্ষিত}}
* {{বাউ|ইন্দ্রকুমার রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইন্দ্রজিৎ প্রসাদ}}
* {{বাউ|ইন্দ্রজিৎ হাজরা}}
* {{বাউ|ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|ইন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ইন্দ্রনাথ রুদ্র}}
* {{বাউ|ইন্দ্রমোহন রাজবংশী}}
* {{বাউ|ইন্দ্রাণী বসু}}
* {{বাউ|ইপ্সিতা রায় চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইফতেখার চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইফতেখারুজ্জামান}}
* {{বাউ|ইফফাত আরা}}
* {{বাউ|ইফফাত আরা দেওয়ান}}
* {{বাউ|ইবনে ইমাম}}
* {{বাউ|ইবনে মিজান}}
* {{বাউ|ইবরাহীম আলী তশনা}}
* {{বাউ|ইবরাহীম খাঁ}}
* {{বাউ|ইব্রাহিম আহমেদ কমল}}
* {{বাউ|ইব্রাহীম খলিল (নাট্যকার)}}
* {{বাউ|ইমতিয়াজ মাহমুদ}}
* {{বাউ|ইমতিয়াজ হোসেন (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|ইমতিয়ার শামীম}}
* {{বাউ|ইমদাদ হোসেন}}
* {{বাউ|ইমন চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইমন সাহা}}
* {{বাউ|ইমরান এইচ সরকার}}
* {{বাউ|ইমরান মাহমুদুল}}
* {{বাউ|ইমরান সিদ্দিক}}
* {{বাউ|ইমাউল হক}}
* {{বাউ|ইমাম হোসেন চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইয়াকুব আলী শরীফ}}
* {{বাউ|ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ}}
* {{বাউ|ইয়াসমিন মোর্শেদ}}
* {{বাউ|ইয়েন ইয়েন}}
* {{বাউ|ইলা মজুমদার}}
* {{বাউ|ইসমাইল খান}}
* {{বাউ|ইসমাইল ফারুক চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইসমাইল মোহাম্মাদ}}
* {{বাউ|ইসমাইল হোসেন তালুকদার}}
* {{বাউ|ইসমাত জাহান}}
* {{বাউ|ইসরাইল খান}}
* {{বাউ|ইসহাক কাজল}}
* {{বাউ|ইসহাক খান}}
* {{বাউ|ইসহাক ফরিদী}}
* {{বাউ|ইস্পাহানী-আরিফ জাহান}}
* {{বাউ|ঈশা মহম্মদ}}
* {{বাউ|ঈশানচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ঈশানচন্দ্র বসু}}
* {{বাউ|উকিল মুন্সী}}
* {{বাউ|উজ্জ্বল (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|উজ্জ্বল মৌলিক}}
* {{বাউ|উত্তম আকাশ}}
* {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারী}}
* {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|উবায়দুর রহমান খান নদভী}}
* {{বাউ|উবায়দুল কবীর চৌধুরী}}
* {{বাউ|উমা মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|উমাপতিধর}}
* {{বাউ|উমেশচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|উমেশচন্দ্র বটব্যাল}}
* {{বাউ|উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|উৎপলকুমার বসু}}
* {{বাউ|উৎপলেন্দু চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ঊষা গাঙ্গুলি}}
* {{বাউ|ঊষা রঞ্জন ঘটক}}
* {{বাউ|ঊষা সেন}}
* {{বাউ|ঋজুদা}}
* {{বাউ|ঋতুরাজ ভৌমিক}}
* {{বাউ|ঋতেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|ঋষি চন্দ}}
* {{বাউ|ঋষিবর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|এ আই এম মোস্তফা রেজা নূর}}
* {{বাউ|এ এইচ এম এনায়েত হোসেন}}
* {{বাউ|এ এইচ এম জেহাদুল করিম}}
* {{বাউ|এ এইচ এম তৌহিদুল আনোয়ার চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ এইচ দিলদার আহমদ}}
* {{বাউ|এ এইচ মোফাজ্জল করিম}}
* {{বাউ|এ এন এম গোলাম মোস্তফা}}
* {{বাউ|এ এফ এম আবদুল আলীম চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ এফ এম নাজমুল হুদা}}
* {{বাউ|এ এফ এম মফিজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এ এম এ এম জোনায়েদ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ কে আজাদ খান}}
* {{বাউ|এ কে এম ইউসুফ}}
* {{বাউ|এ কে এম ইয়াকুব আলী}}
* {{বাউ|এ কে এম কামারুজ্জামান}}
* {{বাউ|এ কে এম জহিরুল হক}}
* {{বাউ|এ কে এম জহিরুল হক (বিচারক)}}
* {{বাউ|এ কে এম জাকির হোসেন}}
* {{বাউ|এ কে এম নুরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এ কে এম নূরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এ কে এম নূরুল হক}}
* {{বাউ|এ কে এম শহীদুল করিম}}
* {{বাউ|এ কে এম শামসুল হক}}
* {{বাউ|এ কে এম সাঈদুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ কে এম সাদেক}}
* {{বাউ|এ কে এম সিদ্দিক}}
* {{বাউ|এ কে এম হাফিজউদ্দিন}}
* {{বাউ|এ কে নাজমুল করিম}}
* {{বাউ|এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|এ কে বদরুল হক}}
* {{বাউ|এ জে এম নূরুদ্দীন চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ জে মিন্টু}}
* {{বাউ|এ জেড এম জাহিদ হোসেন}}
* {{বাউ|এ জেড এম মোস্তাক হোসেন}}
* {{বাউ|এ টি এম আলমগীর}}
* {{বাউ|এ টি এম জহুরুল হক}}
* {{বাউ|এ বি এম আবদুর রহিম}}
* {{বাউ|এ বি এম আব্দুল্লাহ}}
* {{বাউ|এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এ বি এম মূসা}}
* {{বাউ|এ বি এম রাশেদুল হাসান}}
* {{বাউ|এ বি এম শওকত আলী}}
* {{বাউ|এ, জে, মোহাম্মদ আলী}}
* {{বাউ|এ. এইচ. এম. মনিরুজ্জামান}}
* {{বাউ|এ. এইচ. এস. আতাউল করিম}}
* {{বাউ|এ. এইচ. জি. মহিউদ্দিন}}
* {{বাউ|এ. এন. এম মমতাজ উদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ. এন. এম. নূরুজ্জামান}}
* {{বাউ|এ. এন. এম. হামিদুল্লাহ্}}
* {{বাউ|এ. এফ. ইমাম আলি}}
* {{বাউ|এ. এফ. এম. আওরঙ্গজেব}}
* {{বাউ|এ. এফ. এম. আবদুল মঈন}}
* {{বাউ|এ. এফ. এম. আব্দুর রহমান}}
* {{বাউ|এ. এফ. এম. এন্তাজ আলী}}
* {{বাউ|এ. এফ. সালাহ্উদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|এ. এফ. হাসান আরিফ}}
* {{বাউ|এ. এম. আমিনুল হক}}
* {{বাউ|এ. এস. এম. আব্দুল মোবিন}}
* {{বাউ|এ. কিউ. এম. বজলুল করিম}}
* {{বাউ|এ. কিউ. এম. মাহবুব}}
* {{বাউ|এ. কে. এম. আসাদুজ্জামান}}
* {{বাউ|এ. কে. এম. আহসান আলী}}
* {{বাউ|এ. কে. এম. সিরাজুল ইসলাম খান}}
* {{বাউ|এ. কে. নাজিরউদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|এ. টি. এম. আফজাল}}
* {{বাউ|এ. টি. এম. শামসুদ্দিন}}
* {{বাউ|এ. বি. এম. খায়রুল হক}}
* {{বাউ|এ. বি.এম. আলতাফ হোসেন}}
* {{বাউ|এ.এইচ.এম. শামসুর রহমান}}
* {{বাউ|এ.ওয়াই.বি আই সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|এ.কে.এম. রবিউল হাসান}}
* {{বাউ|এ.টি.এম. ফজলে কবির}}
* {{বাউ|এআরএম ইনামুল হক}}
* {{বাউ|এআরএম লুৎফুল কবীর}}
* {{বাউ|এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে}}
* {{বাউ|এইচ এম জহিরুল হক}}
* {{বাউ|এএসএম মতিউর রহমান}}
* {{বাউ|একরামউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী}}
* {{বাউ|একেএম আবদুর রউফ}}
* {{বাউ|একেএম আমিনুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|একেএম আসাদুল হক}}
* {{বাউ|একেএম বজলুল করিম}}
* {{বাউ|একেএম শহীদুল হক}}
* {{বাউ|একেনবাবু}}
* {{বাউ|এখলাসউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|এজাজ ইউসুফী}}
* {{বাউ|এজাজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এঞ্জেলা গোমেজ}}
* {{বাউ|এণাক্ষী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|এনামুর রহমান}}
* {{বাউ|এনামুল করিম নির্ঝর}}
* {{বাউ|এনামুল বাশার}}
* {{বাউ|এনামুল হক (পুলিশ কর্মকর্তা)}}
* {{বাউ|এনামুল হক (প্রত্নতাত্ত্বিক)}}
* {{বাউ|এনামুল হক (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|এনামুল হক মোস্তফা শহীদ}}
* {{বাউ|এনায়েত করিম}}
* {{বাউ|এনায়েত হোসেন খান}}
* {{বাউ|এনায়েতউল্লাহ খান}}
* {{বাউ|এনায়েতুল্লাহ্ খান}}
* {{বাউ|এনিগমা (মার্ভেল কমিক্স)}}
* {{বাউ|এন্ড্রু বিরাজ}}
* {{বাউ|এফ আই মানিক}}
* {{বাউ|এফ এ সুমন}}
* {{বাউ|এফআরএম নাজমুল আহসান}}
* {{বাউ|এবাদুর রহমান}}
* {{বাউ|এবিএম নুরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এব্রাহাম মজুমদার}}
* {{বাউ|এম অহিদুজ্জামান}}
* {{বাউ|এম আনোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|এম আবদুর রহমান}}
* {{বাউ|এম আবদুল কাদির ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|এম আবদুস সোবহান (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|এম আর আখতার মুকুল}}
* {{বাউ|এম আর কবির}}
* {{বাউ|এম আলাউদ্দিন}}
* {{বাউ|এম আল্লামা সিদ্দিকি}}
* {{বাউ|এম ইউসুফ আলী}}
* {{বাউ|এম ইকবাল আর্সলান}}
* {{বাউ|এম ইদ্রিস}}
* {{বাউ|এম ইন্নাস আলী}}
* {{বাউ|এম এ ওয়াজেদ মিয়া}}
* {{বাউ|এম এ ওয়াদুদ}}
* {{বাউ|এম এ খালেক}}
* {{বাউ|এম এ জাহের (ভূতাত্ত্বিক)}}
* {{বাউ|এম এ মাজিদ}}
* {{বাউ|এম এ মান্নান (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|এম এ মান্নান (স্নায়ুবিদ)}}
* {{বাউ|এম এ মালেক (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|এম এ মোবিন}}
* {{বাউ|এম এ সাত্তার মণ্ডল}}
* {{বাউ|এম এ হক (কবি)}}
* {{বাউ|এম এ হাদী}}
* {{বাউ|এম এ হামিদ}}
* {{বাউ|এম এ হাসান}}
* {{বাউ|এম এনায়েতুর রহিম}}
* {{বাউ|এম এম রহমত উল্লাহ}}
* {{বাউ|এম এম রেজাউল করিম}}
* {{বাউ|এম এস স্বামীনাথন}}
* {{বাউ|এম ওসমান গনি তালুকদার}}
* {{বাউ|এম কিউ কে তালুকদার}}
* {{বাউ|এম কোরবান আলী}}
* {{বাউ|এম খায়রুল হোসেন}}
* {{বাউ|এম ফাতেমা খানম}}
* {{বাউ|এম ফিরোজ আহমেদ}}
* {{বাউ|এম বি মানিক}}
* {{বাউ|এম মহবুবউজ্জামান}}
* {{বাউ|এম মোখলেসুর রহমান চৌধুরী}}
* {{বাউ|এম মোজাম্মেল হক}}
* {{বাউ|এম রফিকুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এম শমশের আলী}}
* {{বাউ|এম শহিদুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এম শামসুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এম সাইদুজ্জামান}}
* {{বাউ|এম সাইদুর রহমান খান}}
* {{বাউ|এম সি চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|এম হামিদ}}
* {{বাউ|এম. আজিজুর রহমান}}
* {{বাউ|এম. আমিনুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এম. এ. আজিজ (নির্বাচন কমিশনার)}}
* {{বাউ|এম. এইচ. খন্দকার}}
* {{বাউ|এম. এম. রুহুল আমিন}}
* {{বাউ|এম. খায়রুল আলম খান}}
* {{বাউ|এম. গোলাম শাহি আলম}}
* {{বাউ|এম. জাহিদ হাসান}}
* {{বাউ|এম. নুরুল্লাহ}}
* {{বাউ|এম. মোয়াজ্জম হোসেন}}
* {{বাউ|এম. শামসুর রহমান}}
* {{বাউ|এম. সাখাওয়াত হোসেন}}
* {{বাউ|এম. হুমায়ুন কবির}}
* {{বাউ|এম. হোসেন আলী}}
* {{বাউ|এমদাদুল হক আজাদ}}
* {{বাউ|এমদাদুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|এমরান আহমদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|এমাজউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|এল. কে. সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|এলিটা করিম}}
* {{বাউ|এস আই এম নূরুন্নবী খান}}
* {{বাউ|এস আই টুটুল}}
* {{বাউ|এস এ হক অলিক}}
* {{বাউ|এস এম আব্রাহাম লিংকন}}
* {{বাউ|এস এম আমজাদ হোসেন}}
* {{বাউ|এস এম আহমেদ হুমায়ুন}}
* {{বাউ|এস এম এমদাদুল হক}}
* {{বাউ|এস এম কুদ্দুস জামান}}
* {{বাউ|এস এম মহসীন}}
* {{বাউ|এস এম মাসুদ হোসেন দোলন}}
* {{বাউ|এস এম মাহফুজুর রহমান}}
* {{বাউ|এস এম সোলায়মান}}
* {{বাউ|এস ডি রুবেল}}
* {{বাউ|এস. এ. বারী}}
* {{বাউ|এস. এ. মালেক}}
* {{বাউ|এস. এম. আল হোসাইনী}}
* {{বাউ|এস. এম. এ. রাশীদুল হাসান}}
* {{বাউ|এস. এম. মজিবুর রহমান}}
* {{বাউ|এস. এম. মনিরুজ্জামান}}
* {{বাউ|এস. এম. সিরিল}}
* {{বাউ|এস. এম. হারুন-অর-রশীদ}}
* {{বাউ|এস.এম আবুল কালাম}}
* {{বাউ|এস.এম. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু}}
* {{বাউ|এসকে. তাহসিন আলী}}
* {{বাউ|এহতেশাম}}
* {{বাউ|ওবায়দুল হাসান}}
* {{বাউ|ওবায়দুল্লাহ আল ওবায়দী সোহরাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|ওবায়দুল্লাহ হামযাহ}}
* {{বাউ|ওমর আলী}}
* {{বাউ|ওমর ইশরাক}}
* {{বাউ|ওমর ফারুক ইউসুফ}}
* {{বাউ|ওয়াকিল আহমদ}}
* {{বাউ|ওয়াকিল আহাদ}}
* {{বাউ|ওয়াজেদ আলী সুমন}}
* {{বাউ|ওয়াসফিয়া নাজরীন}}
* {{বাউ|ওয়াসি আহমেদ}}
* {{বাউ|ওয়াহিদ ইবনে রেজা}}
* {{বাউ|ওয়াহিদউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ}}
* {{বাউ|ওয়াহিদা আক্তার}}
* {{বাউ|ওয়াহিদুল হক}}
* {{বাউ|ওসমান গণি}}
* {{বাউ|ওসমান সরওয়ার আলম চৌধুরী}}
* {{বাউ|ওস্তাদ বাবর আলী খান}}
* {{বাউ|ওহিদুর রহমান}}
* {{বাউ|ওহিদুল আলম}}
* {{বাউ|ওহীদুল আলম}}
* {{বাউ|কঙ্কনা সেন শর্মা}}
* {{বাউ|কঙ্কর শুভ্র দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|কছিম উদ্দিন}}
* {{বাউ|কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কনক কান্তি বড়ুয়া}}
* {{বাউ|কনকচাঁপা}}
* {{বাউ|কফিল আহমেদ}}
* {{বাউ|কফিলউদ্দিন মাহমুদ}}
* {{বাউ|কবরী}}
* {{বাউ|কবিচন্দ্র রামকৃষ্ণ রায়}}
* {{বাউ|কবিতা খানম}}
* {{বাউ|কবিতা সিংহ}}
* {{বাউ|কবির বকুল}}
* {{বাউ|কবির হোসেন}}
* {{বাউ|কবীন্দ্র পরমেশ্বর}}
* {{বাউ|কবীর সুমন}}
* {{বাউ|কমল দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|কমলকুমার মজুমদার}}
* {{বাউ|কমলা সাংকৃত্যায়ন}}
* {{বাউ|কমলাদেবী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|করিমুন্নেসা খানম চৌধুরানী}}
* {{বাউ|করুণা সাহা}}
* {{বাউ|করুণাময় গোস্বামী}}
* {{বাউ|কর্নেল নীলাদ্রি সরকার}}
* {{বাউ|কলাবতী (কাল্পনিক চরিত্র)}}
* {{বাউ|কলিম শরাফী}}
* {{বাউ|কল্কেকাশি}}
* {{বাউ|কল্পতরু সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|কল্পনা আখতার}}
* {{বাউ|কল্পনা চাকমা}}
* {{বাউ|কল্যাণ মিত্র}}
* {{বাউ|কল্যাণ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কল্যাণী ঘোষ}}
* {{বাউ|কসিমউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|কসিরউদ্দিন তালুকদার}}
* {{বাউ|কাইজার চৌধুরী}}
* {{বাউ|কাইয়ুম চৌধুরী}}
* {{বাউ|কাওসার আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|কাওসার চৌধুরী}}
* {{বাউ|কাকাবাবু}}
* {{বাউ|কাজল আরেফিন অমি}}
* {{বাউ|কাজল বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কাজি হাসমত আলী}}
* {{বাউ|কাজী আকরম হোসেন}}
* {{বাউ|কাজী আজহার আলী}}
* {{বাউ|কাজী আজিজুল মাওলা}}
* {{বাউ|কাজী আনোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|কাজী আনোয়ার হোসেন (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|কাজী আনোয়ারা মনসুর}}
* {{বাউ|কাজী আফসারউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|কাজী আবদুল আলীম}}
* {{বাউ|কাজী আবদুল ফাত্তাহ}}
* {{বাউ|কাজী আবুল কাসেম (কার্টুনিস্ট)}}
* {{বাউ|কাজী আবুল মনসুর}}
* {{বাউ|কাজী ইবাদত হোসেন}}
* {{বাউ|কাজী ইমদাদুল হক}}
* {{বাউ|কাজী এবাদুল হক}}
* {{বাউ|কাজী এম বদরুদ্দোজা}}
* {{বাউ|কাজী ওয়ালিউল ইসলাম}}
* {{বাউ|কাজী কাদের নেওয়াজ}}
* {{বাউ|কাজী কামরুজ্জামান}}
* {{বাউ|কাজী কৃষ্ণকলি ইসলাম}}
* {{বাউ|কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ}}
* {{বাউ|কাজী গোলাম দস্তগীর}}
* {{বাউ|কাজী গোলাম মাহবুব}}
* {{বাউ|কাজী গোলাম মুস্তাফা}}
* {{বাউ|কাজী গোলাম রসূল}}
* {{বাউ|কাজী জহির}}
* {{বাউ|কাজী জহিরুল হক}}
* {{বাউ|কাজী জিনাত হক}}
* {{বাউ|কাজী তরিকুল ইসলাম}}
* {{বাউ|কাজী দীন মুহাম্মদ (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|কাজী মাসুম আখতার}}
* {{বাউ|কাজী মুতাসিম বিল্লাহ}}
* {{বাউ|কাজী মুহম্মদ মনজুরে মওলা}}
* {{বাউ|কাজী মোঃ ইজারুল হক আকন্দ}}
* {{বাউ|কাজী মোরশেদ}}
* {{বাউ|কাজী রওশন আক্তার}}
* {{বাউ|কাজী রেজা-উল হক}}
* {{বাউ|কাজী রোজী}}
* {{বাউ|কাজী শহীদুন নবী}}
* {{বাউ|কাজী শুভ}}
* {{বাউ|কাজী সব্যসাচী}}
* {{বাউ|কাজী সাইফুদ্দীন}}
* {{বাউ|কাজী সাজ্জাদ হোসেন}}
* {{বাউ|কাজী হায়াৎ}}
* {{বাউ|কাজী হাসান হাবিব}}
* {{বাউ|কাজেম আলী}}
* {{বাউ|কাত্যায়নী দাস ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|কাদম্বরী দেবী}}
* {{বাউ|কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কাদেরী কিবরিয়া}}
* {{বাউ|কানকাটা রমজান}}
* {{বাউ|কানাই লাল দে}}
* {{বাউ|কানাইলাল শীল}}* {{বাউ|কানাহরি দত্ত}}
* {{বাউ|কানু রায়}}
* {{বাউ|কাবেরী গায়েন}}
* {{বাউ|কামরুদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|কামরুন নাহার}}
* {{বাউ|কামরুন নাহার (সরকারি কর্মকর্তা)}}
* {{বাউ|কামরুন নাহার বেগম}}
* {{বাউ|কামরুন নেছা নীলু}}
* {{বাউ|কামরুল আলম খান}}
* {{বাউ|কামরুল আহসান}}
* {{বাউ|কামরুল আহসান (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|কামরুল ইসলাম (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|কামরুল ইসলাম সিদ্দিক}}
* {{বাউ|কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|কামরুল হাসান}}
* {{বাউ|কামরুল হাসান খান}}
* {{বাউ|কামরুল হাসান ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|কামাক্ষীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কামার আহমাদ সাইমন}}
* {{বাউ|কামাল আহমেদ}}
* {{বাউ|কামাল উদ্দিন}}
* {{বাউ|কামাল উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|কামাল লোহানী}}
* {{বাউ|কামাল হোসেন}}
* {{বাউ|কামালউদ্দিন হোসেন}}
* {{বাউ|কামালুদ্দীন জাফরী}}
* {{বাউ|কামিনী কুমার দত্ত}}
* {{বাউ|কামিনীকুমার ঘোষ}}
* {{বাউ|কায়সার হামিদুল হক}}
* {{বাউ|কায়সুল হক}}
* {{বাউ|কায়েস উদ্দিন}}
* {{বাউ|কার্তিকচন্দ্র দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|কালিকারঞ্জন কানুনগো}}
* {{বাউ|কালিচন্দ্র রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|কালিদাস কর্মকার}}
* {{বাউ|কালিদাস নাগ}}
* {{বাউ|কালিদাস ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|কালীকান্ত চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কালীকৃষ্ণ মিত্র}}
* {{বাউ|কালীনাথ দত্ত}}
* {{বাউ|কালীনাথ রায়}}
* {{বাউ|কালীপদ পাঠক}}
* {{বাউ|কালীপদ বসু}}
* {{বাউ|কালীপদ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|কালীপদ সেন}}
* {{বাউ|কালীপ্রসন্ন কাব্যবিশারদ}}
* {{বাউ|কালীপ্রসন্ন সিংহ}}
* {{বাউ|কালীমোহন ঘোষ}}
* {{বাউ|কাশীরাম দাস}}
* {{বাউ|কাশেফা হোসেন}}
* {{বাউ|কাসেম বিন আবুবাকার}}
* {{বাউ|কিউ এ বি এম রহমান}}
* {{বাউ|কিউ.এ.এম.এ রহিম}}
* {{বাউ|কিকিরা}}
* {{বাউ|কিরণ সেন}}
* {{বাউ|কিরণচন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কিরণশঙ্কর সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|কিরীটী রায়}}
* {{বাউ|কিশোর কুমার}}
* {{বাউ|কিশোরীচাঁদ মিত্র}}
* {{বাউ|কিশোরীমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কুঞ্জলাল নাগ}}
* {{বাউ|কুটি মনসুর}}
* {{বাউ|কুণাল বসু}}
* {{বাউ|কুদরত-ই-জাহান}}
* {{বাউ|কুদ্দুস বয়াতি}}
* {{বাউ|কুমকুম মুন্সী}}
* {{বাউ|কুমার বিশ্বজিৎ}}
* {{বাউ|কুমার রায়}}
* {{বাউ|কুমারপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কুমারেশ ঘোষ}}
* {{বাউ|কুমুদনাথ চৌধুরী}}
* {{বাউ|কুমুদশঙ্কর রায়}}
* {{বাউ|কুমুদিনী হাজং}}
* {{বাউ|কৃষ্ণ কুণ্ডু}}
* {{বাউ|কৃষ্ণ ধর}}
* {{বাউ|কৃষ্ণকমল ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|কৃষ্ণকালী মণ্ডল}}
* {{বাউ|কৃষ্ণকুমার মিত্র}}
* {{বাউ|কৃষ্ণচন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|কৃষ্ণদয়াল বসু}}
* {{বাউ|কৃষ্ণদাস কবিরাজ}}
* {{বাউ|কৃষ্ণদাস পাল}}
* {{বাউ|কৃষ্ণধন ঘোষ}}
* {{বাউ|কৃষ্ণনাথ রায়}}
* {{বাউ|কৃষ্ণভাবিনী দাস}}
* {{বাউ|কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কৃষ্ণরাম দাস}}
* {{বাউ|কৃষ্ণরাম ভট্টাচাৰ্য}}
* {{বাউ|কৃষ্ণা}}
* {{বাউ|কৃষ্ণা দেবনাথ}}
* {{বাউ|কৃষ্ণা বসু}}
* {{বাউ|কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশ}}
* {{বাউ|কে এম আলী আজম}}
* {{বাউ|কে এম আসাদ}}
* {{বাউ|কে এম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|কে এম মোহসীন}}
* {{বাউ|কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা}}
* {{বাউ|কে এম সোবহান}}
* {{বাউ|কে জি মুস্তফা}}
* {{বাউ|কে. এম. ইমরুল কায়েশ}}
* {{বাউ|কে. এম. কামরুল কাদের}}
* {{বাউ|কে. এম. জাহিদ সারওয়ার}}
* {{বাউ|কে. এম. শিহাব উদ্দিন}}
* {{বাউ|কে. এম. হাফিজুল আলম}}
* {{বাউ|কে. এম. হাসান}}
* {{বাউ|কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ}}
* {{বাউ|কেতকী কুশারী ডাইসন}}
* {{বাউ|কেতায়ুন আরদেশির দিনশ}}
* {{বাউ|কেদার ও বদ্রী}}
* {{বাউ|কেদারনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কেদারনাথ দাস}}
* {{বাউ|কেদারনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কেদারনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|কেদারেশ্বর বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কেরামত মওলা}}
* {{বাউ|কেশব চন্দ্র নাগ}}
* {{বাউ|কৈলাসচন্দ্র বসু}}
* {{বাউ|কৈলাসচন্দ্র বিদ্যাভূষণ}}
* {{বাউ|কোনাল}}
* {{বাউ|কোরেশী মাগন ঠাকুর}}
* {{বাউ|কৌশিক বসু}}
* {{বাউ|ক্যাথরিন মাসুদ}}
* {{বাউ|ক্রসউইন্ডস}}
* {{বাউ|ক্রিপটিক ফেইট}}
* {{বাউ|ক্লডিয়াস জেমস এরস্কাইন}}
* {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্র চন্দ্র বৈশ্য}}
* {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্রনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্রনারায়ণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্রমোহন নাহা}}
* {{বাউ|ক্ষিরোদচন্দ্র চৌধুরী}}
* {{বাউ|ক্ষীরোদপ্রসাদ বিদ্যাবিনোদ}}
* {{বাউ|ক্ষুদিরাম দাস}}
* {{বাউ|ক্ষেত্র গুপ্ত}}
* {{বাউ|ক্ষেত্রেশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|খগেন্দ্র চন্দ্র দাশ}}
* {{বাউ|খগেন্দ্রনাথ মিত্র}}
* {{বাউ|খন্দকার আবদুল হাফিজ}}
* {{বাউ|খন্দকার আবদুল হামিদ}}
* {{বাউ|খন্দকার আবু বকর (অ্যাটর্নি জেনারেল)}}
* {{বাউ|খন্দকার নুরুল আলম}}
* {{বাউ|খন্দকার মাহবুব উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|খন্দকার মাহবুব হোসেন}}
* {{বাউ|খন্দকার মুসা খালেদ}}
* {{বাউ|খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমান}}
* {{বাউ|খন্দকার মোহাম্মদ আশরাফুল মুনিম}}
* {{বাউ|খন্দকার শামস্ উদ্দিন আহাম্মাদ}}
* {{বাউ|খন্দকার সিদ্দিক-ই-রাব্বানী}}
* {{বাউ|খন্দকার সুমন}}
* {{বাউ|খলিল উল্লাহ খান}}
* {{বাউ|খলিলুর রহমান (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|খলিলুর রহমান (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|খলিলুর রহমান বাবর}}
* {{বাউ|খাঁন মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ্ আল মেহেদী}}
* {{বাউ|খাজা ওয়াসিউদ্দিন}}
* {{বাউ|খাজা মোহাম্মদ কায়সার}}
* {{বাউ|খাতুন সাপনারা}}
* {{বাউ|খাদেম হোসেন খান}}
* {{বাউ|খাদেমুল ইসলাম চৌধুরী}}
* {{বাউ|খান আসিফুর রহমান আগুন}}
* {{বাউ|খান বাহাদুর আবদুল করিম}}
* {{বাউ|খান বাহাদুর জিয়াউল হক}}
* {{বাউ|খান বাহাদুর হেমায়েত উদ্দিন আহম্মদ}}
* {{বাউ|খান মুহাম্মদ মঈনুদ্দীন}}
* {{বাউ|খান মোহাম্মদ ফারাবী}}
* {{বাউ|খান মোহাম্মদ সালেক}}
* {{বাউ|খান শামসুর রহমান}}
* {{বাউ|খান সারওয়ার মুরশিদ}}
* {{বাউ|খান-এ-সবুর}}
* {{বাউ|খায়রুজ্জামান}}
* {{বাউ|খায়রুল আনাম শাকিল}}
* {{বাউ|খায়রুল আলম সবুজ}}
* {{বাউ|খালিকুজ্জামান ইলিয়াস}}
* {{বাউ|খালিদ মাহমুদ মিঠু}}
* {{বাউ|খালিদ হাসান মিলু}}
* {{বাউ|খালিদ হোসেন}}
* {{বাউ|খালেক নওয়াজ খান}}
* {{বাউ|খালেক বিন জয়েন উদ্দীন}}
* {{বাউ|খালেকদাদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|খালেদ খান}}
* {{বাউ|খালেদা আদিব চৌধুরী}}
* {{বাউ|খালেদা একরাম}}
* {{বাউ|খালেদা মনযূর-এ-খুদা}}
* {{বাউ|খিজির আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|খিজির হায়াত}}
* {{বাউ|খিজির হায়াত খান}}
* {{বাউ|খুজিস্তা আখতার বানু}}
* {{বাউ|খুররম খান পন্নী}}
* {{বাউ|খুরশিদ আলম}}
* {{বাউ|খুরশিদ খান}}
* {{বাউ|খুশি কবীর}}
* {{বাউ|খোদা বক্স}}
* {{বাউ|খোদেজা আজম}}
* {{বাউ|খোদেজা খাতুন}}
* {{বাউ|খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ}}
* {{বাউ|খোন্দকার দিলীরুজ্জামান}}
* {{বাউ|খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|খোন্দকার নাসিরউদ্দিন}}
* {{বাউ|খোন্দকার মনোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|খোশনূর আলমগীর}}
* {{বাউ|খ্যান্ত বালা রায়}}
* {{বাউ|গওহর জামিল}}
* {{বাউ|গগনচন্দ্র বিশ্বাস}}
* {{বাউ|গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|গঙ্গাধর সেন রায়}}
* {{বাউ|গঙ্গাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|গজেন্দ্রকুমার মিত্র}}
* {{বাউ|গণেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|গণেশ পাইন}}
* {{বাউ|গণেশ হালুই}}
* {{বাউ|গন্ডালু}}
* {{বাউ|গমির উদ্দিন প্রধান}}
* {{বাউ|গাজী আতাউর রহমান}}
* {{বাউ|গাজী আবদুল হাকিম}}
* {{বাউ|গাজী আব্দুল হক}}
* {{বাউ|গাজী এমএইচ তামিম}}
* {{বাউ|গাজী নাফিস আহমেদ}}
* {{বাউ|গাজী মাজহারুল আনোয়ার}}
* {{বাউ|গাজী রাকায়েত}}
* {{বাউ|গাজী শামছুর রহমান}}
* {{বাউ|গাজীউল হক}}
* {{বাউ|গাজীউল হাসান খান}}
* {{বাউ|গান্ধী আশ্রম}}
* {{বাউ|গান্ধী আশ্রম ট্রাস্ট}}
* {{বাউ|গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক}}
* {{বাউ|গার্গী গুপ্ত}}
* {{বাউ|গিয়াস উদ্দিন সেলিম}}
* {{বাউ|গিয়াস কামাল চৌধুরী}}
* {{বাউ|গিয়াসউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|গিয়াসউদ্দীন মিয়া}}
* {{বাউ|গিয়াসুদ্দিন দালাল}}
* {{বাউ|গিরিজাপতি ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|গিরিবালা দেবী}}
* {{বাউ|গিরিশ চন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|গিরিশচন্দ্র ঘোষ (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|গিরিশচন্দ্র বিদ্যারত্ন}}
* {{বাউ|গিরীন্দ্রশেখর বসু}}
* {{বাউ|গিরীশ চন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|গীতা মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|গুণময় মান্না}}
* {{বাউ|গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|গুরুনাথ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|গুরুপ্রসাদ সেন}}
* {{বাউ|গুরুসদয় দত্ত}}
* {{বাউ|গুল মোহাম্মদ খাঁ}}
* {{বাউ|গোকুলচন্দ্র নাগ}}
* {{বাউ|গোগোল}}
* {{বাউ|গোপাল ঘোষ}}
* {{বাউ|গোপাল চন্দ্র লাহিড়ী}}
* {{বাউ|গোপাল হালদার}}
* {{বাউ|গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|গোপালচন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|গোপালদাস চৌধুরী}}
* {{বাউ|গোপালদাস মজুমদার}}
* {{বাউ|গোপালের মা}}
* {{বাউ|গোপেন্দ্রকৃষ্ণ বসু}}
* {{বাউ|গোবর্ধন আচার্য}}
* {{বাউ|গোবর্ধন আশ}}
* {{বাউ|গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর}}
* {{বাউ|গোবিন্দচন্দ্র দাস}}
* {{বাউ|গোবিন্দচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|গোবিন্দদাস}}
* {{বাউ|গোয়েন্দা কৌশিক}}
* {{বাউ|গোয়েন্দা গার্গী}}
* {{বাউ|গোয়েন্দা বরদাচরণ}}
* {{বাউ|গোলাপ মা}}
* {{বাউ|গোলাম আবু জাকারিয়া}}
* {{বাউ|গোলাম আরিফ টিপু}}
* {{বাউ|গোলাম আলী চৌধুরী}}
* {{বাউ|গোলাম কবীর}}
* {{বাউ|গোলাম কাসেম}}
* {{বাউ|গোলাম কিবরিয়া ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|গোলাম কুদ্দুস}}
* {{বাউ|গোলাম জিলানী চৌধুরী}}
* {{বাউ|গোলাম মওলা}}
* {{বাউ|গোলাম মর্তুজা মজুমদার}}
* {{বাউ|গোলাম মাওলা (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|গোলাম মুরশিদ}}
* {{বাউ|গোলাম মুসাব্বির রাকিব}}
* {{বাউ|গোলাম মুস্তাফা (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|গোলাম মুস্তাফা (আলোকচিত্র শিল্পী)}}
* {{বাউ|গোলাম মোস্তফা}}
* {{বাউ|গোলাম মোস্তফা (শহীদ বুদ্ধিজীবী)}}
* {{বাউ|গোলাম মোস্তফা খান (নৃত্যশিল্পী)}}
* {{বাউ|গোলাম রহমান (শিশুসাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|গোলাম রাব্বানী বিপ্লব}}
* {{বাউ|গোলাম সাকলায়েন}}
* {{বাউ|গোলাম সামদানী কোরায়শী}}
* {{বাউ|গোলাম সামদানী ফকির}}
* {{বাউ|গোলাম সারওয়ার}}
* {{বাউ|গোলাম সারওয়ার (কূটনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|গোলাম হাসনায়েন}}
* {{বাউ|গৌতম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|গৌতম চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|গৌতম বসু}}
* {{বাউ|গৌতম বুদ্ধ দাশ}}
* {{বাউ|গৌতম ভদ্র}}
* {{বাউ|গৌর গোপাল সাহা}}
* {{বাউ|গৌরগোবিন্দ রায়}}
* {{বাউ|গৌরচন্দ্র বালা}}
* {{বাউ|গৌরদাস বসাক}}
* {{বাউ|গৌরমোহন আঢ্য}}
* {{বাউ|গৌরী আইয়ুব}}
* {{বাউ|গৌরী ধর্মপাল}}
* {{বাউ|গৌরী ভঞ্জ}}
* {{বাউ|গৌরী মা}}
* {{বাউ|গৌরী সেন}}
* {{বাউ|গৌরীশঙ্কর ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার}}
* {{বাউ|ঘনরাম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ঘনাদা}}
* {{বাউ|চক্রপাণি দত্ত}}
* {{বাউ|চঞ্চল কর্মকার}}
* {{বাউ|চঞ্চল কুমার মজুমদার}}
* {{বাউ|চণ্ডী লাহিড়ী}}
* {{বাউ|চণ্ডীচরণ মুনশী}}
* {{বাউ|চণ্ডীচরণ সেন}}
* {{বাউ|চণ্ডীদাস মাল}}
* {{বাউ|চন্দক সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|চন্দন কুমার ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|চন্দন বিশ্বাস}}
* {{বাউ|চন্দ্র কালিন্দী রায় হেনরিকসন}}
* {{বাউ|চন্দ্র শেখর দে}}
* {{বাউ|চন্দ্রকুমার দে}}
* {{বাউ|চন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|চন্দ্রমুখী বসু}}
* {{বাউ|চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন}}
* {{বাউ|চন্দ্রশেখর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|চন্দ্রিল ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|চপলাকান্ত ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|চয়নিকা চৌধুরী}}
* {{বাউ|চামেলী বসু}}
* {{বাউ|চারুচন্দ্র চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|চারুচন্দ্র বিশ্বাস}}
* {{বাউ|চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|চারুচন্দ্র সান্যাল}}
* {{বাউ|চারুলতা মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|চারুশিতা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|চাষী আলম}}
* {{বাউ|চাষী নজরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|চিণ্ময় শংকর দে}}
* {{বাউ|চিত্তরঞ্জন দেব}}
* {{বাউ|চিত্তরঞ্জন মাইতি}}
* {{বাউ|চিত্তরঞ্জন সাহা}}
* {{বাউ|চিত্রনিভা চৌধুরী}}
* {{বাউ|চিত্রা দত্ত}}
* {{বাউ|চিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায় দিবাকরূণী}}
* {{বাউ|চিত্রা মণ্ডল}}
* {{বাউ|চিদানন্দ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|চিন্তামণি কর}}
* {{বাউ|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
* {{বাউ|চিন্ময় গুহ}}
* {{বাউ|চিরকুট}}
* {{বাউ|চুণীলাল বসু}}
* {{বাউ|চুনি কোটাল}}
* {{বাউ|চৌধুরী আবদুল হাই}}
* {{বাউ|চৌধুরী এ.টি.এম মাসুদ}}
* {{বাউ|চৌধুরী গোলাম আকবর}}
* {{বাউ|চৌধুরী মাহমুদ হাসান}}
* {{বাউ|চৌধুরী মোফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|ছটকু আহমেদ}}
* {{বাউ|ছদরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ছন্দা গায়েন}}
* {{বাউ|ছবি বিশ্বাস}}
* {{বাউ|ছরওয়ার জান মিয়া}}
* {{বাউ|ছিদ্দিক আহমদ}}
* {{বাউ|জকি আহাদ}}
* {{বাউ|জগদীশ গুপ্ত}}
* {{বাউ|জগদীশ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|জগন্নাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জগন্নাথ তর্কপঞ্চানন}}
* {{বাউ|জগন্নাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|জগন্মোহিনী দেবী}}
* {{বাউ|জগুমামা}}
* {{বাউ|জন এলিয়ট ড্রিঙ্কওয়াটার বিটন}}
* {{বাউ|জন গোমেজ}}
* {{বাউ|জন প্যাক্সটন নরম্যান}}
* {{বাউ|জনাব আলী উকিল}}
* {{বাউ|জমির উদ্দিন সরকার}}
* {{বাউ|জয় ভট্টাচার্য (চিকিৎসক-বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|জয় সরকার}}
* {{বাউ|জয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জয়গোপাল তর্কালঙ্কার}}
* {{বাউ|জয়তী বসু}}
* {{বাউ|জয়দীপ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|জয়দেব}}
* {{বাউ|জয়দেব মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জয়নুল আবেদীন জায়েদী}}
* {{বাউ|জয়ন্ত (গোয়েন্দা)}}
* {{বাউ|জয়ন্ত দে}}
* {{বাউ|জয়ন্ত বন্দ্যোপাধ্যায় (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|জয়ন্তানুজ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জয়শ্রী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জয়শ্রী বর্মণ}}
* {{বাউ|জয়া পতি}}
* {{বাউ|জর্জ র্যাঙ্কিন (বিচারক)}}
* {{বাউ|জর্জ হ্যারি ল্যাংলি}}
* {{বাউ|জলধর সেন}}
* {{বাউ|জলের গান}}
* {{বাউ|জসিম উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|জসিম সালাম}}
* {{বাউ|জসিমুদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|জসীম উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|জহিরুদ্দিন (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|জহিরুল আলম সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|জহুর হোসেন চৌধুরী}}
* {{বাউ|জহুরুল করিম}}
* {{বাউ|জহুরুল হক (অনুবাদক)}}
* {{বাউ|জাইমা রহমান}}
* {{বাউ|জাওয়াদুল হক}}
* {{বাউ|জাওয়েদ করিম}}
* {{বাউ|জাকিয়া সুলতানা}}
* {{বাউ|জাকির খান}}
* {{বাউ|জাকির তালুকদার}}
* {{বাউ|জাকির হোসেন রাজু}}
* {{বাউ|জানকীনাথ বসু}}
* {{বাউ|জান্নাতুল ফেরদৌস (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|জান্নাতুল ফেরদৌস (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|জান্নাতুল ফেরদৌস আইভি}}
* {{বাউ|জাফর আলম (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|জাফর আহমেদ}}
* {{বাউ|জাফর ইকবাল (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|জাফর ওয়াজেদ}}
* {{বাউ|জাফর মুহাম্মদ লুৎফর}}
* {{বাউ|জামালউদ্দিন হোসেন}}
* {{বাউ|জামালউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|জামিল চৌধুরী}}
* {{বাউ|জামিলুর রেজা চৌধুরী}}
* {{বাউ|জায়েদ বখত}}
* {{বাউ|জারিন তাসনিম নাওমি}}
* {{বাউ|জালাল উদ্দিন খাঁ}}
* {{বাউ|জালালুদ্দিন আবদুর রহিম}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর আলম (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর আলম (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর আলম খান}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর কবির (কর্মকর্তা)}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর কবির নানক}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর হোসেন (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|জাহানারা আরজু}}
* {{বাউ|জাহানারা আহমেদ}}
* {{বাউ|জাহানারা ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|জাহিদ আকবর}}
* {{বাউ|জাহিদ সোহ্রাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|জাহিদ হোসেন}}
* {{বাউ|জাহিদুর রহিম অঞ্জন}}
* {{বাউ|জাহিদুল হক}}
* {{বাউ|জাহেদুর রহিম}}
* {{বাউ|জাহ্নবা দেবী}}
* {{বাউ|জাহ্নবী চৌধুরানী}}
* {{বাউ|জি এ মান্নান}}
* {{বাউ|জি এম বি আকাশ}}
* {{বাউ|জি কে এম মোস্তাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|জিংগা শিল্পগোষ্ঠী}}
* {{বাউ|জিকরুল হক}}
* {{বাউ|জিতেন ঘোষ}}
* {{বাউ|জিতেন্দ্রনাথ কুশারী}}
* {{বাউ|জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জিতেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|জিতেন্দ্রমোহন সেন}}
* {{বাউ|জিনবোধি ভিক্ষু}}
* {{বাউ|জিনাত আরা}}
* {{বাউ|জিনাত বরকতুল্লাহ}}
* {{বাউ|জিনাতুন নেসা তাহমিদা বেগম}}
* {{বাউ|জিয়াউর রহমান খান}}
* {{বাউ|জিয়াউর রহমান জিয়া}}
* {{বাউ|জিয়াউল হক (সমাজসেবক)}}
* {{বাউ|জিয়াউল হক পলাশ}}
* {{বাউ|জিয়াউল হক মৃধা}}
* {{বাউ|জিল্লুর রহমান}}
* {{বাউ|জিল্লুর রহমান (চলচ্চিত্র পরিচালক)}}
* {{বাউ|জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|জিৎ গাঙ্গুলী}}
* {{বাউ|জীব গোস্বামী}}
* {{বাউ|জীবন রতন ধর}}
* {{বাউ|জীবন রহমান}}
* {{বাউ|জীবনানন্দ দাশ}}
* {{বাউ|জুনাব আলী}}
* {{বাউ|জুনায়েদ আহমেদ}}
* {{বাউ|জুবায়ের রহমান চৌধুরী}}
* {{বাউ|জুবায়ের সালেহীন}}
* {{বাউ|জুবেদ আলী}}
* {{বাউ|জুয়েনা আজিজ}}
* {{বাউ|জুলফিকার মতিন}}
* {{বাউ|জুলফিকার রাসেল}}
* {{বাউ|জুলফিকুর রহমান}}
* {{বাউ|জুলহাস উদ্দিন}}
* {{বাউ|জুলহাস উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|জুলেখা হক}}
* {{বাউ|জে. বি. এম. হাসান}}
* {{বাউ|জেএন দেব চৌধুরী}}
* {{বাউ|জেড আই খান পান্না}}
* {{বাউ|জেড এইচ মিন্টু}}
* {{বাউ|জেড এম পারভেজ সাজ্জাদ}}
* {{বাউ|জেব-উন-নেসা জামাল}}
* {{বাউ|জেবা ইসলাম সিরাজ}}
* {{বাউ|জেবুন্নেসা রহমান}}
* {{বাউ|জেমস (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|জেমস উইলিয়াম কলভিল}}
* {{বাউ|জেলিনা-বার্লো রহমান}}
* {{বাউ|জেহাদ খান}}
* {{বাউ|জোছন দস্তিদার}}
* {{বাউ|জোবাইদা রহমান}}
* {{বাউ|জোবেদা খানম}}
* {{বাউ|জোহরা বেগম কাজী}}
* {{বাউ|জ্ঞানচন্দ্র ঘোষ}}
* {{বাউ|জ্ঞানদাস}}
* {{বাউ|জ্ঞানশ্রী মহাথের}}
* {{বাউ|জ্ঞানেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জ্ঞানেন্দ্রনাথ রায়}}
* {{বাউ|জ্ঞানেন্দ্রমোহন দাস}}
* {{বাউ|জ্যোতিঃপাল মহাথের}}
* {{বাউ|জ্যোতিভূষণ চাকী}}
* {{বাউ|জ্যোতিভূষণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী}}
* {{বাউ|জ্যোতিরিন্দ্রনাথ মৈত্র}}
* {{বাউ|জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা}}
* {{বাউ|জ্যোতির্ময় দত্ত}}
* {{বাউ|জ্যোতির্ময়ী গাঙ্গুলী}}
* {{বাউ|জ্যোতির্ময়ী দেবী}}
* {{বাউ|জ্যোতিষচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|জ্যোৎস্না বিশ্বাস}}
* {{বাউ|জ্যোৎস্নাকান্ত বসু}}
* {{বাউ|ঝড়েশ্বর চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ঝর্ণা দাশ পুরকায়স্থ}}
* {{বাউ|ঝর্ণা ধারা চৌধুরী}}
* {{বাউ|ঝর্না রহমান}}
* {{বাউ|ঝুম্পা লাহিড়ী}}
* {{বাউ|টমাস হোবার্ট এলিস}}
* {{বাউ|টি আলী}}
* {{বাউ|টি এইচ খান}}
* {{বাউ|টি. এস. শিবজ্ঞানম}}
* {{বাউ|টিনা সানি}}
* {{বাউ|টিপু আজিজ}}
* {{বাউ|টেনিদা}}
* {{বাউ|ডালিয়া নওশিন}}
* {{বাউ|ডালেম চন্দ্র বর্মণ}}
* {{বাউ|ডিজে রাহাত}}
* {{বাউ|ডিফারেন্ট টাচ}}
* {{বাউ|ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|তনিষ্ক বাগচী}}
* {{বাউ|তন্ময় বোস}}
* {{বাউ|তপংকর চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|তপতী গুহ-ঠাকুরতা}}
* {{বাউ|তপন চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|তপন বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|তপন বাগচী}}
* {{বাউ|তপন রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|তপনকুমার লাহিড়ী}}
* {{বাউ|তপু}}
* {{বাউ|তপোবিজয় ঘোষ}}
* {{বাউ|তবারক হুসাইন}}
* {{বাউ|তমাল লতা আদিত্য}}
* {{বাউ|তমিজ উদ্দিন রিজভী}}
* {{বাউ|তরু দত্ত}}
* {{বাউ|তরুণ রায় (ধনঞ্জয় বৈরাগী)}}
* {{বাউ|তসলিমুদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|তাকসিম আহমেদ খান}}
* {{বাউ|তাজিন আহমেদ}}
* {{বাউ|তাজুল মোহম্মদ}}
* {{বাউ|তাতার (চরিত্র)}}
* {{বাউ|তানজিমা হাশেম}}
* {{বাউ|তানজির তুহিন}}
* {{বাউ|তানভীর ইভান}}
* {{বাউ|তানভীর তারেক}}
* {{বাউ|তানভীর হাসান}}
* {{বাউ|তানিম নূর}}
* {{বাউ|তানিম রহমান অংশু}}
* {{বাউ|তানিয়া আমির}}
* {{বাউ|তানিয়া আহমেদ}}
* {{বাউ|তাপস কুমার মাঝি}}
* {{বাউ|তাপস দাস}}
* {{বাউ|তাপস মজুমদার}}
* {{বাউ|তাপস সেন}}
* {{বাউ|তাফাজ্জাল ইসলাম}}
* {{বাউ|তারকনাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|তারকমোহন দাস}}
* {{বাউ|তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|তারানাথ তর্কবাচস্পতি}}
* {{বাউ|তারানাথ তান্ত্রিক}}
* {{বাউ|তারাপদ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|তারাপদ ভৌমিক}}
* {{বাউ|তারাপদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|তারাপদ লাহিড়ী}}
* {{বাউ|তারাপদ সাঁতরা}}
* {{বাউ|তারামন বিবি}}
* {{বাউ|তারিক আহমদ করিম}}
* {{বাউ|তারিক আহসান}}
* {{বাউ|তারিক উল হাকিম}}
* {{বাউ|তারিক ফাতেমি}}
* {{বাউ|তারিক সুজাত}}
* {{বাউ|তারিণীখুড়ো}}
* {{বাউ|তারেক মো. আরিফুল ইসলাম}}
* {{বাউ|তালিম হোসেন}}
* {{বাউ|তালুকদার মনিরুজ্জামান}}
* {{বাউ|তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস}}
* {{বাউ|তাসলিমা আখতার}}
* {{বাউ|তাহমিমা আনাম}}
* {{বাউ|তাহরুন নেসা আবদুল্লাহ}}
* {{বাউ|তাহসান রহমান খান}}
* {{বাউ|তাহেরন নেসা}}
* {{বাউ|তাহেরা কবির}}
* {{বাউ|তিব্বতিবাবা}}
* {{বাউ|তিলোত্তমা মজুমদার}}
* {{বাউ|তিশমা}}
* {{বাউ|তিস্তা বাগচী}}
* {{বাউ|তুলিকা বসু}}
* {{বাউ|তুষার কান্তি চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|তুষারকান্তি ঘোষ}}
* {{বাউ|তুহিন দাস (লেখক)}}
* {{বাউ|তুহিনকান্তি ঘোষ}}
* {{বাউ|তেজস হালদার যশ}}
* {{বাউ|তৈয়বা বেগম লিপি}}
* {{বাউ|তৈয়বা মজুমদার}}
* {{বাউ|তোজাম্মেল টনি হক}}
* {{বাউ|তোজাম্মেল হক বকুল}}
* {{বাউ|তোফাজ্জল হোসেন}}
* {{বাউ|তোফায়েল আহমদ}}
* {{বাউ|তোফায়েল করিম হায়দার}}
* {{বাউ|তোয়াব খান}}
* {{বাউ|তৌকীর আহমেদ}}
* {{বাউ|তৌফিক ইসলাম শাতিল}}
* {{বাউ|তৌফিক নওয়াজ}}
* {{বাউ|তৌসিফ}}
* {{বাউ|ত্রিদিব মিত্র}}
* {{বাউ|ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার}}
* {{বাউ|দবির উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|দময়ন্তী (গোয়েন্দা)}}
* {{বাউ|দলছুট}}
* {{বাউ|দস্যু বনহুর}}
* {{বাউ|দস্যু মোহন}}
* {{বাউ|দাউদ হায়দার}}
* {{বাউ|দামোদর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দারাশিকো}}
* {{বাউ|দিদার ইসলাম}}
* {{বাউ|দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|দিব্যেন্দু নন্দী}}
* {{বাউ|দিব্যেন্দু পালিত}}
* {{বাউ|দিলওয়ার}}
* {{বাউ|দিলরুবা আহমেদ}}
* {{বাউ|দিলরুবা জেড আরা}}
* {{বাউ|দিলশাদ নাহার কনা}}
* {{বাউ|দিলারা বেগম জলি}}
* {{বাউ|দিলারা হাশেম}}
* {{বাউ|দিলীপ বাগচী}}
* {{বাউ|দিলীপ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|দিলীপ মজুমদার}}
* {{বাউ|দিলীপ মহলানবিশ}}
* {{বাউ|দিলীপকুমার বিশ্বাস}}
* {{বাউ|দিলীপকুমার রায়}}
* {{বাউ|দীন মোহাম্মদ নূরুল হক}}
* {{বাউ|দীন শরৎ}}
* {{বাউ|দীননাথ সেন}}
* {{বাউ|দীনেন্দ্রকুমার রায়}}
* {{বাউ|দীনেশ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দীনেশ দাস}}
* {{বাউ|দীনেশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দীনেশচন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|দীনেশরঞ্জন দাশ}}
* {{বাউ|দীপ নারায়ণ সিনহা}}
* {{বাউ|দীপংকর দীপন}}
* {{বাউ|দীপক চৌধুরী}}
* {{বাউ|দীপক চ্যাটার্জী (গোয়েন্দা)}}
* {{বাউ|দীপক মজুমদার}}
* {{বাউ|দীপক রায়}}
* {{বাউ|দীপঙ্কর চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দীপঙ্কর দাস শর্মা}}
* {{বাউ|দীপঙ্কর হোম}}
* {{বাউ|দীপন ঘোষ}}
* {{বাউ|দীপান্বিতা রায়}}
* {{বাউ|দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দীপেশ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|দীপ্তেন্দ্রকুমার সান্যাল}}
* {{বাউ|দুঃখহরণ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|দুর্গাচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দুর্গাচরণ রক্ষিত}}
* {{বাউ|দুর্গাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দুর্গাদাস সাহা}}
* {{বাউ|দুর্গামোহন দাশ}}
* {{বাউ|দুর্বিন শাহ}}
* {{বাউ|দুলাল তর্কবাগীশ}}
* {{বাউ|দুলেন্দ্র ভৌমিক}}
* {{বাউ|দেওয়ান আব্দুর রব চৌধুরী}}
* {{বাউ|দেওয়ান আব্দুল কাদির}}
* {{বাউ|দেওয়ান আব্দুল বাছিত চৌধুরী}}
* {{বাউ|দেওয়ান নজরুল}}
* {{বাউ|দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন}}
* {{বাউ|দেওয়ান লালন আহমেদ}}
* {{বাউ|দেবজ্যোতি মিশ্র}}
* {{বাউ|দেবদাস}}
* {{বাউ|দেবদাস চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|দেবপ্রসাদ ঘোষ}}
* {{বাউ|দেবপ্রসাদ সর্বাধিকারী}}
* {{বাউ|দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|দেবপ্রিয়া রায়}}
* {{বাউ|দেবব্রত গোস্বামী}}
* {{বাউ|দেবল দেববর্মা}}
* {{বাউ|দেবলা মিত্র}}
* {{বাউ|দেবশঙ্কর রায়}}
* {{বাউ|দেবাশীষ ঘোষ}}
* {{বাউ|দেবাশীষ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|দেবাশীষ রায়}}
* {{বাউ|দেবাশীষ রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|দেবী রায়}}
* {{বাউ|দেবীপদ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় (মার্কসবাদী)}}
* {{বাউ|দেবীপ্রসাদ দুয়ারী}}
* {{বাউ|দেবু ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|দেবেন্দ্র মোহন বসু}}
* {{বাউ|দেবেন্দ্রনাথ সেন}}
* {{বাউ|দেবেশ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|দেবেশ রায়}}
* {{বাউ|দেলওয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|দোনাগাজী চৌধুরী}}
* {{বাউ|দোম আন্তোনিও}}
* {{বাউ|দৌলত উজির বাহরাম খান}}
* {{বাউ|দৌলতুননেসা খাতুন}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ অধিকারী}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ বিদ্যাভূষণ}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ মিত্র}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ রায়}}
* {{বাউ|দ্বিজ কানাই}}
* {{বাউ|দ্বিজ বংশীদাস}}
* {{বাউ|দ্বিজ মাধব}}
* {{বাউ|দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|দ্বিজেন্দ্রনাথ মৈত্র}}
* {{বাউ|দ্রাবিড় সৈকত}}
* {{বাউ|ধন গোপাল মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ধনঞ্জয় সাহা}}
* {{বাউ|ধীর আলী মিয়া}}
* {{বাউ|ধীরাজ কুমার নাথ}}
* {{বাউ|ধীরাজ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|ধীরেন বল}}
* {{বাউ|ধীরেন বসু}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ দেববর্মন}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্রনাথ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্রনাথ বেরা}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্রলাল ধর}}
* {{বাউ|ধূর্জটিপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ধৃতিকান্ত লাহিড়ী চৌধুরী}}
* {{বাউ|ধোয়ী}}
* {{বাউ|নঈম চৌধুরী}}
* {{বাউ|নঈম নিজাম}}
* {{বাউ|নওয়াজেশ আহমদ}}
* {{বাউ|নওয়াজেস আহমদ}}
* {{বাউ|নওয়াব আলী}}
* {{বাউ|নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী}}
* {{বাউ|নওশের আলী খান ইউস্ফজী}}
* {{বাউ|নকীব খান}}
* {{বাউ|নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ}}
* {{বাউ|নকুল কুমার বিশ্বাস}}
* {{বাউ|নকুলেশ্বর দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রচন্দ্র শ্যাম}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ ঘোষ}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ সোম}}
* {{বাউ|নচিকেতা ঘোষ}}
* {{বাউ|নচিকেতা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|নজরুল ইসলাম (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|নজরুল ইসলাম খান}}
* {{বাউ|নজরুল ইসলাম চৌধুরী (বিচারক)}}
* {{বাউ|নজরুল ইসলাম বাবু}}
* {{বাউ|ননী ভৌমিক}}
* {{বাউ|ননীগোপাল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ননীগোপাল মজুমদার}}
* {{বাউ|নন্টে ফন্টে}}
* {{বাউ|নন্দলাল বসু}}
* {{বাউ|নন্দিনী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নব কুমার ভদ্র}}
* {{বাউ|নবকুমার বসু}}
* {{বাউ|নবগোপাল মিত্র}}
* {{বাউ|নবাব আবদুল লতীফ}}
* {{বাউ|নবীন চন্দ্র পাল}}
* {{বাউ|নবীনচন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|নবেন্দু ঘোষ}}
* {{বাউ|নয়ীম গহর}}
* {{বাউ|নরসিংহ দত্ত}}
* {{বাউ|নরেন্দ্র দেব}}
* {{বাউ|নরেন্দ্রনাথ দত্ত (শিল্পপতি)}}
* {{বাউ|নরেন্দ্রনাথ মিত্র}}
* {{বাউ|নরেশচন্দ্র সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|নরোত্তম দাস}}
* {{বাউ|নলিনচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|নলিনাক্ষ সান্যাল}}
* {{বাউ|নলিনী দাশ (লেখিকা)}}
* {{বাউ|নলিনী বেরা}}
* {{বাউ|নলিনীকান্ত ভট্টশালী}}
* {{বাউ|নলিনীকান্ত সরকার}}
* {{বাউ|নলিনীকিশোর গুহ}}
* {{বাউ|নলিনীরঞ্জন সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|নাইমা হায়দার}}
* {{বাউ|নাঈম মোহাইমিন}}
* {{বাউ|নাঈমুল ইসলাম খান}}
* {{বাউ|নাজনীন হাসান চুমকি}}
* {{বাউ|নাজমুন আরা সুলতানা}}
* {{বাউ|নাজমুন নেসা পিয়ারি}}
* {{বাউ|নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি}}
* {{বাউ|নাজমুল আলম}}
* {{বাউ|নাজমুল করিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|নাজমুল কাওনাইন}}
* {{বাউ|নাজমুল হক বাপ্পী}}
* {{বাউ|নাজমুল হুদা বাচ্চু}}
* {{বাউ|নাজমুল হুদা মিন্টু}}
* {{বাউ|নাজিব তারেক}}
* {{বাউ|নাজিবুর রহমান মোমেন}}
* {{বাউ|নাজিম উদ দৌলা}}
* {{বাউ|নাজিম উদ্দিন মোস্তান}}
* {{বাউ|নাজিয়া আন্দালিব প্রিমা}}
* {{বাউ|নাদিয়া শারমীন}}
* {{বাউ|নাদিরা মজুমদার}}
* {{বাউ|নাদের চৌধুরী}}
* {{বাউ|নাদেরা বেগম}}
* {{বাউ|নাফিস বিন যাফর}}
* {{বাউ|নাবিলা ইদ্রিস}}
* {{বাউ|নাভিদ মাহবুব}}
* {{বাউ|নাভেদ পারভেজ}}
* {{বাউ|নায়না দেবী (সঙ্গীতশিল্পী)}}
* {{বাউ|নায়লা কবীর}}
* {{বাউ|নায়েব উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|নারগিস আক্তার}}
* {{বাউ|নারায়ণ ঘোষ মিতা}}
* {{বাউ|নারায়ণ দেবনাথ}}
* {{বাউ|নারায়ণ রায়}}
* {{বাউ|নারায়ণ সান্যাল}}
* {{বাউ|নাশিদ কামাল}}
* {{বাউ|নাসরিন আক্তার}}
* {{বাউ|নাসরীন জাহান}}
* {{বাউ|নাসরীন পারভীন হক}}
* {{বাউ|নাসিম বিশ্বাস}}
* {{বাউ|নাসিমা আক্তার}}
* {{বাউ|নাসিমা আনিস}}
* {{বাউ|নাসিমা খান মন্টি}}
* {{বাউ|নাসিমা ফেরদৌসী (কূটনৈতিক)}}
* {{বাউ|নাসিমা হায়দার}}
* {{বাউ|নাসির আলী মামুন}}
* {{বাউ|নাসির উদ্দিন বিশ্বাস}}
* {{বাউ|নাহিদ রশীদ (সচিব)}}
* {{বাউ|নাহিদা সোবহান}}
* {{বাউ|নিকুঞ্জ সেন}}
* {{বাউ|নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নিখিল রঞ্জন সেন}}
* {{বাউ|নিখিল সরকার}}
* {{বাউ|নিখিল সেন}}
* {{বাউ|নিখিলজ্যোতি ঘোষ}}
* {{বাউ|নিজাম উদ্দিন}}
* {{বাউ|নিজাম উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|নিজাম উদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|নিজামউদ্দিন আহমেদ (স্থপতি)}}
* {{বাউ|নিজামুদ্দীন আউলিয়া লিপু}}
* {{বাউ|নিতাই চন্দ্র সূত্রধর}}
* {{বাউ|নিতাই রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|নিতুন কুন্ডু}}
* {{বাউ|নিত্যপ্রিয় ঘোষ}}
* {{বাউ|নিত্যানন্দ সাহা (ভারতীয় অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|নিপুন রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|নিবিড় মণ্ডল}}
* {{বাউ|নিবেদিতা সেন}}
* {{বাউ|নিমচন্দ্র ভৌমিক}}
* {{বাউ|নিমাই ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|নিমাইসাধন বসু}}
* {{বাউ|নিয়াজ জামান}}
* {{বাউ|নিয়ামুল মুক্তা}}
* {{বাউ|নিরঞ্জন ধর}}
* {{বাউ|নিরঞ্জন প্রধান}}
* {{বাউ|নিরঞ্জন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নিরঞ্জনপ্রসাদ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|নিরুপমা দেবী}}
* {{বাউ|নিরুপমা দেবী (সেন)}}
* {{বাউ|নির্মল কুমার গাঙ্গুলী}}
* {{বাউ|নির্মলকুমার বসু}}
* {{বাউ|নির্মলকুমার রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|নির্মলকুমার সিদ্ধান্ত}}
* {{বাউ|নির্মলচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নির্মলচন্দ্র চন্দ্র}}
* {{বাউ|নির্মলচন্দ্র লাহিড়ী}}
* {{বাউ|নির্মলা জোশী}}
* {{বাউ|নির্মলেন্দু চৌধুরী}}
* {{বাউ|নির্মাল্য আচার্য}}
* {{বাউ|নিলয়ন চ্যাটার্জী}}
* {{বাউ|নিশিতা নির্মল মাহাত্রে}}
* {{বাউ|নিশীথরঞ্জন রায়}}
* {{বাউ|নীতা সেন}}
* {{বাউ|নীতিশ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|নীতীন বসু}}
* {{বাউ|নীতীশচন্দ্র লাহিড়ী}}
* {{বাউ|নীনা হামিদ}}
* {{বাউ|নীরদ বরণ বড়ুয়া}}
* {{বাউ|নীরদ মজুমদার}}
* {{বাউ|নীল দত্ত}}
* {{বাউ|নীল মানুষ}}
* {{বাউ|নীলমণি ন্যায়ালঙ্কার}}
* {{বাউ|নীলরতন ধর}}
* {{বাউ|নীলরতন সরকার}}
* {{বাউ|নীলাঞ্জনা রায়}}
* {{বাউ|নীলাম্বর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নীলিমা সেন}}
* {{বাউ|নীলুফার ইয়াসমিন}}
* {{বাউ|নীহাররঞ্জন গুপ্ত}}
* {{বাউ|নীহাররঞ্জন রায়}}
* {{বাউ|নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন}}
* {{বাউ|নুরুন নবী}}
* {{বাউ|নুরুননাহার ফয়জননেসা}}
* {{বাউ|নুরুন্নাহার ফাতেমা বেগম}}
* {{বাউ|নুরুন্নেছা খাতুন বিদ্যাবিনোদিনী}}
* {{বাউ|নুরুল আজিম}}
* {{বাউ|নুরুল আমিন}}
* {{বাউ|নুরুল আলম আতিক}}
* {{বাউ|নুরুল আলম চৌধুরী}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম খান}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম জিহাদী}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম নুরুল}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম পাটোয়ারী}}
* {{বাউ|নুরুল মোমেন}}
* {{বাউ|নুরুল মোস্তফা}}
* {{বাউ|নুহাশ হুমায়ূন}}
* {{বাউ|নূতন চন্দ্র সিংহ}}
* {{বাউ|নূর আহমদ}}
* {{বাউ|নূর ইমরান মিঠু}}
* {{বাউ|নূর মোহাম্মদ (আইজিপি)}}
* {{বাউ|নূর মোহাম্মদ (শিক্ষানুরাগী)}}
* {{বাউ|নূর হুসাইন}}
* {{বাউ|নূর হুসাইন কাসেমী}}
* {{বাউ|নূরজাহান বেগম মুক্তা}}
* {{বাউ|নূরজাহান বোস}}
* {{বাউ|নূরজাহান মুর্শিদ}}
* {{বাউ|নূরুল আনোয়ার (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|নূরুল আলম}}
* {{বাউ|নূরুল ইসলাম ওলীপুরী}}
* {{বাউ|নূরুল ইসলাম কাব্যবিনোদ}}
* {{বাউ|নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন}}
* {{বাউ|নূহ-উল-আলম লেনিন}}
* {{বাউ|নৃপেন ভৌমিক}}
* {{বাউ|নৃপেন্দ্র নাথ সরকার}}
* {{বাউ|নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী}}
* {{বাউ|নেছারউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|নেপাল মজুমদার}}
* {{বাউ|নেয়ামত ইমাম}}
* {{বাউ|নেয়ামাল বাসির}}
* {{বাউ|নেলী সেনগুপ্তা}}
* {{বাউ|নৈরঞ্জনা ঘোষ}}
* {{বাউ|নোরা জোন্স}}
* {{বাউ|পঞ্চানন ঘোষাল}}
* {{বাউ|পঞ্চানন নিয়োগী}}
* {{বাউ|পঞ্চানন মণ্ডল}}
* {{বাউ|পঞ্চানন মিত্র}}
* {{বাউ|পটলা}}
* {{বাউ|পণ্ডিত জ্ঞানেন্দ্রপ্রসাদ গোস্বামী}}
* {{বাউ|পদার্থবিদ্যার পালিত অধ্যাপক}}
* {{বাউ|পদ্মনাথ ভট্টাচার্য বিদ্যাবিনোদ}}
* {{বাউ|পবন দাস বাউল}}
* {{বাউ|পবিত্র গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পবিত্র মোহন দে}}
* {{বাউ|পবিত্র সরকার}}
* {{বাউ|পবিত্রকুমার সেন}}
* {{বাউ|পরমনাথ ভাদুড়ী}}
* {{বাউ|পরমেশ্বরন থাঙ্কাপ্পান নায়ার}}
* {{বাউ|পরাশর বর্মা}}
* {{বাউ|পরিমল গোস্বামী}}
* {{বাউ|পরেশ ধর}}
* {{বাউ|পরেশ মাইতি}}
* {{বাউ|পরেশনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পলান সরকার}}
* {{বাউ|পলাশ মাহবুব}}
* {{বাউ|পলাশ সরকার}}
* {{বাউ|পলি রায়}}
* {{বাউ|পশুপতি ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|পাঁচকড়ি দে}}
* {{বাউ|পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পাগলা কানাই}}
* {{বাউ|পাগলা দাশু}}
* {{বাউ|পাঞ্জু শাহ}}
* {{বাউ|পাণ্ডব গোয়েন্দা}}
* {{বাউ|পানু পাল}}
* {{বাউ|পান্থ কানাই}}
* {{বাউ|পান্না কায়সার}}
* {{বাউ|পান্নালাল ঘোষ}}
* {{বাউ|পান্নালাল বসু}}
* {{বাউ|পাপড়ি বসু}}
* {{বাউ|পাপিয়া সারোয়ার}}
* {{বাউ|পাভেল রহমান}}
* {{বাউ|পারভীন হাসান}}
* {{বাউ|পারভেজ রব}}
* {{বাউ|পারভেজ হোসেন}}
* {{বাউ|পারুল ঘোষ}}
* {{বাউ|পার্থ ঘোষ}}
* {{বাউ|পার্থ চট্টোপাধ্যায় (নৃতত্ত্ববিদ)}}
* {{বাউ|পার্থ বড়ুয়া}}
* {{বাউ|পার্থ সারথি মুখার্জি}}
* {{বাউ|পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পার্বতীকুমার সরকার}}
* {{বাউ|পি কে বাসু}}
* {{বাউ|পিনডিদা}}
* {{বাউ|পিনাকী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পিনাকী ঠাকুর}}
* {{বাউ|পিনাকী মজুমদার}}
* {{বাউ|পিপলু খান}}
* {{বাউ|পিয়ারীমোহন দাস}}
* {{বাউ|পিয়ারীলাল রায়}}
* {{বাউ|পিয়ারু সর্দার}}
* {{বাউ|পিয়ের ফালোঁ}}
* {{বাউ|পিলু মমতাজ}}
* {{বাউ|পুণ্যলতা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|পুরুষোত্তম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|পুলক বিশ্বাস}}
* {{বাউ|পুলক সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|পুলিনবিহারী সরকার}}
* {{বাউ|পুলিনবিহারী সরকার (জৈব রসায়ন বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|পুলিনবিহারী সেন}}
* {{বাউ|পূরবী দত্ত}}
* {{বাউ|পূরবী বসু}}
* {{বাউ|পূর্ণিমা সিনহা}}
* {{বাউ|পূর্ণেন্দুবিকাশ সরকার}}
* {{বাউ|পৃথ্বীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পেন বাংলাদেশ}}
* {{বাউ|পেপার রাইম}}
* {{বাউ|পেয়ার আহমেদ}}
* {{বাউ|প্যারীচরণ সরকার}}
* {{বাউ|প্যারীমোহন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্যারীমোহন সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রকাশ শ্রীবাস্তব}}
* {{বাউ|প্রচেত গুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রজ্ঞাসুন্দরী দেবী}}
* {{বাউ|প্রণব কুমার বড়ুয়া}}
* {{বাউ|প্রণব ভট্ট}}
* {{বাউ|প্রণব মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রণব রায় (গীতিকার)}}
* {{বাউ|প্রণবেন্দু দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রণবেশ সেন}}
* {{বাউ|প্রতাপচন্দ্র চন্দ্র}}
* {{বাউ|প্রতাপচন্দ্র মজুমদার}}
* {{বাউ|প্রতাপচন্দ্র মজুমদার (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|প্রতাপচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|প্রতিভা বসু}}
* {{বাউ|প্রতিভা মুৎসুদ্দি}}
* {{বাউ|প্রতিমা ঠাকুর}}
* {{বাউ|প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রদানেন্দু বিকাশ চাকমা}}
* {{বাউ|প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রদীপ ভট্টাচার্য (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|প্রদোষ আইচ}}
* {{বাউ|প্রদ্যুত ঘোষ}}
* {{বাউ|প্রফুল্ল কুমার মন্ডল}}
* {{বাউ|প্রফুল্ল রায়}}
* {{বাউ|প্রফুল্লকুমার সরকার}}
* {{বাউ|প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ}}
* {{বাউ|প্রফুল্লচন্দ্র লাহিড়ী}}
* {{বাউ|প্রবাল দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রবাল রশিদ}}
* {{বাউ|প্রবাসজীবন চৌধুরী}}
* {{বাউ|প্রবীর মজুমদার}}
* {{বাউ|প্রবীর রায়}}
* {{বাউ|প্রবোধ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রবোধকুমার সান্যাল}}
* {{বাউ|প্রবোধচন্দ্র গুহ}}
* {{বাউ|প্রবোধচন্দ্র বাগচী}}
* {{বাউ|প্রবোধচন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|প্রবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রব্রাজিকা ভক্তিপ্রাণা}}
* {{বাউ|প্রব্রাজিকা ভারতীপ্রাণা}}
* {{বাউ|প্রব্রাজিকা শ্রদ্ধাপ্রাণা}}
* {{বাউ|প্রভা চ্যাটার্জি}}
* {{বাউ|প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রভাত চন্দ্র বড়ুয়া}}
* {{বাউ|প্রভাতরঞ্জন সরকার}}
* {{বাউ|প্রভাবতী দেবী সরস্বতী}}
* {{বাউ|প্রমথ ভৌমিক}}
* {{বাউ|প্রমথনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রমথনাথ বসু}}
* {{বাউ|প্রমথনাথ বিশী}}
* {{বাউ|প্রমথনাথ মিত্র}}
* {{বাউ|প্রমথলাল সেন}}
* {{বাউ|প্রমদাচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রমদাচরণ সেন}}
* {{বাউ|প্রমোদ চন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|প্রমোদকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রমোদরঞ্জন সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রশান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|প্রশান্তকুমার পাল}}
* {{বাউ|প্রশান্তকুমার মারিক}}
* {{বাউ|প্রশান্তচন্দ্র মহলানবীশ}}
* {{বাউ|প্রশান্তবিহারী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রসন্নকুমার রায়}}
* {{বাউ|প্রসন্নকুমার সর্বাধিকারী}}
* {{বাউ|প্রসন্নচন্দ্র তর্করত্ন}}
* {{বাউ|প্রসন্নচন্দ্র ন্যায়রত্ন}}
* {{বাউ|প্রাণ রঞ্জন সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রাণকুমার সেন}}
* {{বাউ|প্রাণকৃষ্ণ পাল}}
* {{বাউ|প্রিয় ব্রত পাল}}
* {{বাউ|প্রিয়দারঞ্জন রায়}}
* {{বাউ|প্রিয়রঞ্জন সেন}}
* {{বাউ|প্রীতিকণা গোস্বামী}}
* {{বাউ|প্রেমাঙ্কুর আতর্থী}}
* {{বাউ|প্রোফেসর শঙ্কু}}
* {{বাউ|প্লাবন কোরেশী}}
* {{বাউ|ফকরুল আলম}}
* {{বাউ|ফকির গরীবুল্লাহ}}
* {{বাউ|ফকির শাহাবুদ্দীন}}
* {{বাউ|ফখরুজ্জামান চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফখরুদ্দিন আহমেদ (সচিব)}}
* {{বাউ|ফখরুদ্দীন মোহাম্মদ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|ফখরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|ফখরুল হাসান বৈরাগী}}
* {{বাউ|ফজল শাহাবুদ্দীন}}
* {{বাউ|ফজল-এ-খোদা}}
* {{বাউ|ফজলুর রহমান খান}}
* {{বাউ|ফজলুর রহমান খান (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|ফজলুর রহমান খান ফারুক}}
* {{বাউ|ফজলুল বারী (সরকারি চাকরিজীবী)}}
* {{বাউ|ফজলুল হক (চলচ্চিত্র পরিচালক)}}
* {{বাউ|ফজলুল হক (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|ফজলুল হক সেলবর্ষী}}
* {{বাউ|ফজলুল হালিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফজলে কবির}}
* {{বাউ|ফজলে কাদেরী মোহাম্মদ আবদুল মুনিম}}
* {{বাউ|ফজলে বারী মালিক}}
* {{বাউ|ফজলে রাব্বী}} [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৬:০৪, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
* {{বাউ|ফজলে রাব্বী মিয়া}}
* {{বাউ|ফজলে হাসান আবেদ}}
* {{বাউ|ফজলে হাসান শিশির}}
* {{বাউ|ফজলে হুসাইন}}
* {{বাউ|ফজলে হোসেন বাদশা}}
* {{বাউ|ফজিলতুন্নেসা}}
* {{বাউ|ফজিলাতুন্নেসা বাপ্পী}}
* {{বাউ|ফণিভূষণ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ফণী বড়ুয়া}}
* {{বাউ|ফণী মজুমদার}}
* {{বাউ|ফণীন্দ্রচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|ফতেহ লোহানী}}
* {{বাউ|ফয়জুল মহিউদ্দিন}}
* {{বাউ|ফয়জুল লতিফ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফয়সাল মাহমুদ ফয়েজী}}
* {{বাউ|ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব}}
* {{বাউ|ফয়েজ আহমেদ}}
* {{বাউ|ফয়েজ আহমেদ (বিচারক)}}
* {{বাউ|ফয়েজ আহম্মদ}}
* {{বাউ|ফরহাদ হোসেন (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|ফরিদ আহমদ দুলাল}}
* {{বাউ|ফরিদ আহমেদ (বিচারক)}}
* {{বাউ|ফরিদ আহমেদ (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফরিদা ইয়াসমিন (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|ফরিদা জামান}}
* {{বাউ|ফরিদা রহমান}}
* {{বাউ|ফরিদা হোসেন}}
* {{বাউ|ফরিদুল হুদা}}
* {{বাউ|ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ}}
* {{বাউ|ফসিউর রহমান}}
* {{বাউ|ফসিউল আলম}}
* {{বাউ|ফাইয়াজ হোসেন খান}}
* {{বাউ|ফাখরুল আরেফিন খান}}
* {{বাউ|ফাতিমা ইয়াসমিন}}
* {{বাউ|ফাতেমা তুজ জোহরা}}
* {{বাউ|ফাতেমা নজীব}}
* {{বাউ|ফাদার রবের আঁতোয়ান}}
* {{বাউ|ফায়েজ উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|ফারজানা ইসলাম}}
* {{বাউ|ফারজানা ফারুক}}
* {{বাউ|ফারজানা রুপা}}
* {{বাউ|ফারজানা শারমিন পুতুল}}
* {{বাউ|ফারহিনা আহমেদ}}
* {{বাউ|ফারাহ গজনবী}}
* {{বাউ|ফারাহ মাহবুব}}
* {{বাউ|ফারুক আহমেদ (বিচারক)}}
* {{বাউ|ফারুক আহমেদ উল্লা খান}}
* {{বাউ|ফারুক আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফারুক উজ জামান চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফারুক ওয়াসিফ}}
* {{বাউ|ফারুক মঈনউদ্দীন}}
* {{বাউ|ফারুক মাহমুদ}}
* {{বাউ|ফারুক সোবহান}}
* {{বাউ|ফালগুনী রায়}}
* {{বাউ|ফাহমিদা কাদের}}
* {{বাউ|ফাহমিদা খাতুন (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|ফিদা এম. কামাল}}
* {{বাউ|ফিরদৌস আজীম}}
* {{বাউ|ফিরদৌসী কাদরী}}
* {{বাউ|ফিরোজ মাহমুদ}}
* {{বাউ|ফিরোজা বেগম}}
* {{বাউ|ফুয়াদ আল মুকতাদির}}
* {{বাউ|ফুয়াদ নাসের বাবু}}
* {{বাউ|ফুল মোহাম্মদ}}
* {{বাউ|ফুলঝুরি খান}}
* {{বাউ|ফুলরেণু গুহ}}
* {{বাউ|ফেরদৌস আরা}}
* {{বাউ|ফেরদৌস আরা বেগম}}
* {{বাউ|ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী}}
* {{বাউ|ফেরদৌসী মজুমদার}}
* {{বাউ|ফেলুদা}}
* {{বাউ|ফৌজিয়া ইয়াসমিন}}
* {{বাউ|ফ্যাতাড়ু}}
* {{বাউ|ফ্রান্সিস (ভাইকিং)}}
* {{বাউ|ফ্লসি কোহেন}}
* {{বাউ|ফ্লোরা জাইবুন মাজিদ}}
* {{বাউ|বঙ্কিমচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|বঙ্কিমচন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|বজলার রহমান}}
* {{বাউ|বটুক নন্দী}}
* {{বাউ|বদরুদ্দীন আহমদ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|বদরুন নেছা}}
* {{বাউ|বদরুল আনাম সৌদ}}
* {{বাউ|বদরুল আলম (ভাষা সৈনিক)}}
* {{বাউ|বদরুল হায়দার চৌধুরী}}
* {{বাউ|বদিউর রহমান (সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব)}}
* {{বাউ|বদিউল আলম খোকন}}
* {{বাউ|বদিউল আলম মজুমদার}}
* {{বাউ|বনবিহারী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বনানী ঘোষ}}
* {{বাউ|বরদা}}
* {{বাউ|বরদাচরণ গুপ্ত}}
* {{বাউ|বরদানন্দ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বরুণ মজুমদার}}
* {{বাউ|বরুণ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|বরেণ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|বরেন গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বর্ণিতা বাগচী}}
* {{বাউ|বলরাম হাড়ি}}
* {{বাউ|বলেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|বশির আহমেদ}}
* {{বাউ|বশীর আল-হেলাল}}
* {{বাউ|বশীর হোসেন}}
* {{বাউ|বশীশ্বর সেন}}
* {{বাউ|বসন্ত কুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ}}
* {{বাউ|বাঁটুল দি গ্রেট}}
* {{বাউ|বাকের ভাই}}
* {{বাউ|বাঘা যতীন}}
* {{বাউ|বাচি কারকারিয়া}}
* {{বাউ|বাণী বসু}}
* {{বাউ|বাণীকুমার}}
* {{বাউ|বাণেশ্বর বিদ্যালঙ্কার}}
* {{বাউ|বাদল খন্দকার}}
* {{বাউ|বাদল রশীদ}}
* {{বাউ|বাদল রহমান}}
* {{বাউ|বাপ্পা মজুমদার}}
* {{বাউ|বাপ্পী লাহিড়ী}}
* {{বাউ|বাবর আলী (পর্বতারোহী)}}
* {{বাউ|বাবু তারক চন্দ্র চৌধুরী}}
* {{বাউ|বামাচরণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বামাপদ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বারবারা ক্রেগ}}
* {{বাউ|বারী সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|বারীণ মজুমদার}}
* {{বাউ|বার্নেস পিকক}}
* {{বাউ|বালাম}}
* {{বাউ|বাশার মাহমুদ (কবি)}}
* {{বাউ|বাসন্তী দুলাল নাগচৌধুরী}}
* {{বাউ|বাসব}}
* {{বাউ|বাসুদেব চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বাসুদেব দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|বাসুদেব দাস বাউল}}
* {{বাউ|বাসুদেব দাসশর্মা}}
* {{বাউ|বাসুদেব বর্মন}}
* {{বাউ|বাহাদুর হোসেন খান}}
* {{বাউ|বি কে দাস}}
* {{বাউ|বিকাশ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|বিকাশ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিকাশচন্দ্র সিংহ}}
* {{বাউ|বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়া}}
* {{বাউ|বিক্রম ঘোষ}}
* {{বাউ|বিজন কুমার মুখার্জী}}
* {{বাউ|বিজন কুমার শীল}}
* {{বাউ|বিজন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিজন সরকার}}
* {{বাউ|বিজনবিহারী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিজয় কুমার বসু}}
* {{বাউ|বিজয় প্রসাদ}}
* {{বাউ|বিজয় সরকার}}
* {{বাউ|বিজয়কুমার ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিজয়চন্দ্র মজুমদার}}
* {{বাউ|বিজয়লাল চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিজয়া মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিজরী বরকতুল্লাহ}}
* {{বাউ|বিদিত লাল দাস}}
* {{বাউ|বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন}}
* {{বাউ|বিদ্যুৎ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|বিদ্যুৎ বরণ চৌধুরী}}
* {{বাউ|বিদ্যেন্দু মোহন দেব}}
* {{বাউ|বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার}}
* {{বাউ|বিধায়ক ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিধুভূষণ বসু}}
* {{বাউ|বিধুশেখর শাস্ত্রী}}
* {{বাউ|বিনয় বাঁশী জলদাস}}
* {{বাউ|বিনয় মজুমদার}}
* {{বাউ|বিনয় মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিনয়কুমার সরকার}}
* {{বাউ|বিনয়েন্দ্রনাথ সেন}}
* {{বাউ|বিনীতা রায়}}
* {{বাউ|বিনোদ ঘোষাল}}
* {{বাউ|বিপিন বিহারী ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|বিপুল ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিপ্রদাস পিপলাই}}
* {{বাউ|বিপ্লব (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|বিপ্লব দাসগুপ্ত}}
* {{বাউ|বিবুধেন্দ্র সরকার}}
* {{বাউ|বিবেকানন্দ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিভা চৌধুরী}}
* {{বাউ|বিভাস রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|বিভূতিভূষণ দত্ত}}
* {{বাউ|বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিভূতিভূষণ সেন}}
* {{বাউ|বিমল কর}}
* {{বাউ|বিমল গুহ}}
* {{বাউ|বিমল মিত্র (লেখক)}}
* {{বাউ|বিমল মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিমল-কুমার}}
* {{বাউ|বিমলকৃষ্ণ মতিলাল}}
* {{বাউ|বিমলচন্দ্র ঘোষ}}
* {{বাউ|বিমলচন্দ্র সিংহ}}
* {{বাউ|বিমলাচরণ লাহা}}
* {{বাউ|বিমলানন্দ নাগ}}
* {{বাউ|বিমলেন্দু বিকাশ রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|বিমলেন্দু মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিমান বাগচী}}
* {{বাউ|বিমানবিহারী মজুমদার}}
* {{বাউ|বিরজাশঙ্কর গুহ}}
* {{বাউ|বিরাজ মোহন দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|বিরূপাক্ষ পাল}}
* {{বাউ|বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন}}
* {{বাউ|বিলকিস নাসির উদ্দিন}}
* {{বাউ|বিলায়েত খাঁ}}
* {{বাউ|বিশুদ্ধানন্দ মহাথের}}
* {{বাউ|বিশ্ব রঞ্জন নাগ}}
* {{বাউ|বিশ্বজিৎ ঘোষ}}
* {{বাউ|বিশ্বজিৎ চৌধুরী}}
* {{বাউ|বিশ্বজিৎ দেবনাথ}}
* {{বাউ|বিশ্বনাথ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|বিশ্বময় বিশ্বাস}}
* {{বাউ|বিশ্বরঞ্জন সেন}}
* {{বাউ|বিশ্বরূপ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিশ্বেশ্বর পাল}}
* {{বাউ|বিষ্ণু বসু}}
* {{বাউ|বিষ্ণুকান্ত শাস্ত্রী}}
* {{বাউ|বিষ্ণুপদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিষ্ণুপ্রসাদ রাভা}}
* {{বাউ|বিহারিলাল সরকার}}
* {{বাউ|বিহারীলাল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|বিহারীলাল চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বীণা মজুমদার}}
* {{বাউ|বীরেন শিকদার}}
* {{বাউ|বীরেন সোম}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্র বিজয় বিশ্বাস}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্রনাথ দত্তগুপ্ত}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্রনাথ শাসমল}}
* {{বাউ|বীরেশচন্দ্র গুহ}}
* {{বাউ|বীরেশ্বর সরকার}}
* {{বাউ|বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|বুধাদিত্য মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বুনো রামনাথ}}
* {{বাউ|বুলবন ওসমান}}
* {{বাউ|বুলবুল আহমেদ}}
* {{বাউ|বুলবুল চৌধুরী}}
* {{বাউ|বৃন্দা কারাত}}
* {{বাউ|বৃন্দাবন দাস}}
* {{বাউ|বৃন্দাবন দাস ঠাকুর}}
* {{বাউ|বেগজাদী মাহমুদা নাসির}}
* {{বাউ|বেগম আকতার কামাল}}
* {{বাউ|বেগম বদরুন্নেসা আহমদ}}
* {{বাউ|বেণীমাধব বড়ুয়া}}
* {{বাউ|বেদারউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|বেবী ইসলাম}}
* {{বাউ|বেবী হালদার}}
* {{বাউ|বেরী সর্বাধিকারী}}
* {{বাউ|বেলা মিত্র}}
* {{বাউ|বেলায়েত হুসাইন}}
* {{বাউ|বেলায়েত হোসেন বীরভূমী}}
* {{বাউ|বেলাল আহমেদ}}
* {{বাউ|বেলাল খান}}
* {{বাউ|বেলাল চৌধুরী}}
* {{বাউ|বেলাল মোহাম্মদ}}
* {{বাউ|বেলাল হোসেন (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|বৈকুণ্ঠনাথ সেন}}
* {{বাউ|বোরহান উদ্দিন (বিচারক)}}
* {{বাউ|বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর}}
* {{বাউ|বোরিয়া মজুমদার}}
* {{বাউ|ব্যোমকেশ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ব্যোমকেশ বক্সী}}
* {{বাউ|ব্রজ বিহারী বড়ুয়া}}
* {{বাউ|ব্রজগোপাল মান্না}}
* {{বাউ|ব্রজদা}}
* {{বাউ|ব্রজমোহন দত্ত}}
* {{বাউ|ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ব্রজেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|ব্রজেন্দ্রকুমার দে}}
* {{বাউ|ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ব্রজেন্দ্রনাথ শীল}}
* {{বাউ|ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ব্রাত্য বসু}}
* {{বাউ|ব্ল্যাক}}
* {{বাউ|ভক্তি প্রজ্ঞান কেশব গোস্বামী}}
* {{বাউ|ভক্তি রক্ষক শ্রীধর দেব গোস্বামী}}
* {{বাউ|ভক্তিবিনোদ ঠাকুর}}
* {{বাউ|ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী}}
* {{বাউ|ভগীরথ মিশ্র}}
* {{বাউ|ভবতোষ দত্ত}}
* {{বাউ|ভবানী প্রসাদ সিনহা}}
* {{বাউ|ভবানী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ভবানীচরণ লাহা}}
* {{বাউ|ভাদুড়ী মশাই}}
* {{বাউ|ভারতচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|ভারতী মুখার্জী}}
* {{বাউ|ভাস্করানন্দ রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ভি. এন. খারে}}
* {{বাউ|ভিকি জাহেদ}}
* {{বাউ|ভীষ্মদেব চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ভীষ্মদেব চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ভুবনচন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ভূঁইয়া ইকবাল}}
* {{বাউ|ভূপতিমোহন সেন}}
* {{বাউ|ভূপেন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|ভূমেন্দ্র গুহ}}
* {{বাউ|ভোলানাথ চন্দ্র}}
* {{বাউ|ভোলানাথ রায় কাব্যশাস্ত্রী}}
* {{বাউ|ম. তামিম}}
* {{বাউ|মইন উদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|মইনুল হোসেন}}
* {{বাউ|মইনুল হোসেন চৌধুরী}}
* {{বাউ|মঈদুল হাসান}}
* {{বাউ|মঈন উদ্দিন খান}}
* {{বাউ|মঈনউদ্দিন মিয়াজী}}
* {{বাউ|মঈনুল আহসান সাবের}}
* {{বাউ|মঈনুল ইসলাম খান}}
* {{বাউ|মঈনুল ইসলাম চৌধুরী}}
* {{বাউ|মঈনুস সুলতান}}
* {{বাউ|মওদুদ আহমদ}}
* {{বাউ|মকবুল হোসেন চৌধুরী}}
* {{বাউ|মকবুলা মনজুর}}
* {{বাউ|মকসুদ জামিল মিন্টু}}
* {{বাউ|মঙ্গল চাঁদ}}
* {{বাউ|মঙ্গলাচরণ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মজিদ-উল-হক}}
* {{বাউ|মজিবর রহমান (ভাষা সৈনিক)}}
* {{বাউ|মজিবর রহমান দেবদাস}}
* {{বাউ|মঞ্জু গোয়েল}}
* {{বাউ|মঞ্জু রায়}}
* {{বাউ|মঞ্জু সরকার}}
* {{বাউ|মঞ্জুর হোসেন}}
* {{বাউ|মঞ্জুরুল ইমাম}}
* {{বাউ|মঞ্জুলা আনোয়ার}}
* {{বাউ|মঞ্জুলা চেল্লুর}}
* {{বাউ|মণিকুন্তলা সেন}}
* {{বাউ|মণিভূষণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|মণিরত্ন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মণিলাল ভৌমিক}}
* {{বাউ|মণিশংকর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মণীন্দ্র গুপ্ত}}
* {{বাউ|মণীন্দ্র চন্দ্র নন্দী}}
* {{বাউ|মণীন্দ্র নারায়ণ মজুমদার}}
* {{বাউ|মণীন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|মণীন্দ্রলাল বসু}}
* {{বাউ|মণীশ ঘটক}}
* {{বাউ|মতি নন্দী}}
* {{বাউ|মতিউর রহমান পানু}}
* {{বাউ|মতিউর রহমান মল্লিক}}
* {{বাউ|মতিউল ইসলাম}}
* {{বাউ|মতিউল হক খান}}
* {{বাউ|মতিন রহমান}}
* {{বাউ|মতিলাল ঘোষ}}
* {{বাউ|মতিলাল রায়}}
* {{বাউ|মতিলাল রায় (যাত্রাপালাকার)}}
* {{বাউ|মতিলাল শীল}}
* {{বাউ|মথুরামোহন চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|মধু বসু}}
* {{বাউ|মধুমতি মিত্র}}
* {{বাউ|মধুশ্রী মুখার্জী}}
* {{বাউ|মধুসূদন গুপ্ত}}
* {{বাউ|মধুসূদন দে}}
* {{বাউ|মধুসূদন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মধুসূদন সরস্বতী}}
* {{বাউ|মনজুর আলম বেগ}}
* {{বাউ|মনজুর আহমেদ চৌধুরী (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মনজুর রশীদ খান}}
* {{বাউ|মনতাজুর রহমান আকবর}}
* {{বাউ|মনতোষ রায়}}
* {{বাউ|মনমোহন ঘোষ}}
* {{বাউ|মনমোহন দত্ত}}
* {{বাউ|মনসুর উল করিম}}
* {{বাউ|মনসুর বয়াতি}}
* {{বাউ|মনসুরুল আলম খান}}
* {{বাউ|মনিকা আলী}}
* {{বাউ|মনিকা জাহান বোস}}
* {{বাউ|মনিকা দাস (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|মনিরউদ্দীন ইউসুফ}}
* {{বাউ|মনিরুজ্জামান (গবেষক)}}
* {{বাউ|মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী}}
* {{বাউ|মনিরুজ্জামান মনির}}
* {{বাউ|মনিরুল ইসলাম (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|মনিরুল ইসলাম টিপু}}
* {{বাউ|মনীন্দ্রভূষণ গুপ্ত}}
* {{বাউ|মনু মুন্সী}}
* {{বাউ|মনোজ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|মনোজ প্রামাণিক}}
* {{বাউ|মনোজ বসু}}
* {{বাউ|মনোজ মাঝি}}
* {{বাউ|মনোজ মিত্র}}
* {{বাউ|মনোমোহন ঘোষ}}
* {{বাউ|মনোয়ারা ইসলাম}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন ঘোষাল}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন ধর}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন ব্যাপারী}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন ভক্ত}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য (নাট্যকার)}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন সিকদার}}
* {{বাউ|মনোসরণি}}
* {{বাউ|মন্দাক্রান্তা সেন}}
* {{বাউ|মন্মথ রায়}}
* {{বাউ|মন্মথনাথ ঘোষ}}
* {{বাউ|মন্মথনাথ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মফিজ উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|মফিজউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|মফিদুল হক}}
* {{বাউ|মবিনউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|মবিনুল হক}}
* {{বাউ|মমতা বালা ঠাকুর}}
* {{বাউ|মমতাজ উদ্দিন}}
* {{বাউ|মমতাজ বেগম}}
* {{বাউ|মমতাজ সঙ্ঘমিতা}}
* {{বাউ|মমতাজুর রহমান তরফদার}}
* {{বাউ|মযহারুল ইসলাম}}
* {{বাউ|ময়ুখ চৌধুরী (কবি)}}
* {{বাউ|ময়ূখ চৌধুরী (শিল্পী)}}
* {{বাউ|মর্ত্তুজা আলী}}
* {{বাউ|মলয় ঘোষ দস্তিদার}}
* {{বাউ|মলয় ভৌমিক}}
* {{বাউ|মলয় রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|মল্লিকা সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|মসিহউদ্দিন শাকের}}
* {{বাউ|মহম্মদ আব্দুল জব্বার}}
* {{বাউ|মহম্মদ হান্নান}}
* {{বাউ|মহম্মদ হামিদ আনসারি}}
* {{বাউ|মহসিন শস্ত্রপাণি}}
* {{বাউ|মহাদেব দত্ত}}
* {{বাউ|মহান মহারাজ}}
* {{বাউ|মহানামব্রত ব্রহ্মচারী}}
* {{বাউ|মহারানি চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|মহি উদ্দিন শামীম}}
* {{বাউ|মহিউদ্দিন আহমেদ (প্রকাশক)}}
* {{বাউ|মহিউদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|মহিউদ্দীন ফারুক}}
* {{বাউ|মহিমারঞ্জন রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|মহীউদ্দিন}}
* {{বাউ|মহুয়া মুখোপাধ্যায় (লেখক)}}
* {{বাউ|মহেন্দ্র গুপ্ত}}
* {{বাউ|মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত}}
* {{বাউ|মহেন্দ্রনাথ দত্ত}}
* {{বাউ|মহেন্দ্রনাথ রায় (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|মহেশচন্দ্র ন্যায়রত্ন}}
* {{বাউ|মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|মাইনুর রেজা চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাইমুল আহসান খান}}
* {{বাউ|মাকসুদুল আলম}}
* {{বাউ|মাকিদ হায়দার}}
* {{বাউ|মাখছুদুল আহসান}}
* {{বাউ|মাখনলাল রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাখনলাল সেন}}
* {{বাউ|মাধবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মানবেন্দ্র পাল}}
* {{বাউ|মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মানস চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|মানিক চন্দ্র সাহা}}
* {{বাউ|মানিক দত্ত}}
* {{বাউ|মানিক সরকার (শিল্পী)}}
* {{বাউ|মানিকলাল শীল}}
* {{বাউ|মান্নান হীরা}}
* {{বাউ|মাফরুহা চৌধুরী}}
* {{বাউ|মামনুন রহমান}}
* {{বাউ|মামাবাবু}}
* {{বাউ|মামুন নদীয়া}}
* {{বাউ|মামুন হুসাইন}}
* {{বাউ|মারজি-উল হক}}
* {{বাউ|মারুফুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মালা সেন}}
* {{বাউ|মালাধর বসু}}
* {{বাউ|মালিকা আল্ রাজী}}
* {{বাউ|মালিহা খাতুন}}
* {{বাউ|মালেক আফসারী}}
* {{বাউ|মালেকা বেগম}}
* {{বাউ|মাশির হোসেন}}
* {{বাউ|মাশুক হোসেন আহমেদ}}
* {{বাউ|মাসাতোশি কোশিবা}}
* {{বাউ|মাসুদ আখন্দ}}
* {{বাউ|মাসুদ আলি খান}}
* {{বাউ|মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাসুদ করিম}}
* {{বাউ|মাসুদ পথিক}}
* {{বাউ|মাসুদ বিন মোমেন}}
* {{বাউ|মাসুদ মান্নান}}
* {{বাউ|মাসুদ রানা}}
* {{বাউ|মাসুদ সেজান}}
* {{বাউ|মাসুদা খাতুন}}
* {{বাউ|মাসুম আজিজ}}
* {{বাউ|মাসুম রেজা}}
* {{বাউ|মাসুম শাহরিয়ার}}
* {{বাউ|মাহফুজ উল্লাহ}}
* {{বাউ|মাহফুজা আখতার (সচিব)}}
* {{বাউ|মাহফুজা খানম}}
* {{বাউ|মাহফুজুর রহমান (নির্বাচন কমিশনার)}}
* {{বাউ|মাহফুজুর রহমান (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|মাহফুজুল হক}}
* {{বাউ|মাহফুজুল হাসান ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|মাহবুব আলম}}
* {{বাউ|মাহবুব উজ জামান (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মাহবুব উদ্দিন খোকন}}
* {{বাউ|মাহবুব জামাল জাহেদী}}
* {{বাউ|মাহবুব তালুকদার}}
* {{বাউ|মাহবুব সাদিক}}
* {{বাউ|মাহবুব-উল আলম}}
* {{বাউ|মাহবুবা রহমান}}
* {{বাউ|মাহবুবুর রহমান লিটন}}
* {{বাউ|মাহবুবুল আলম (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|মাহবুবুল আলম মজুমদার}}
* {{বাউ|মাহবুবুল এ খালিদ}}
* {{বাউ|মাহবুবুল হক}}
* {{বাউ|মাহবুবে আলম}}
* {{বাউ|মাহমুদ শাহ কোরেশী}}
* {{বাউ|মাহমুদ হাসান}}
* {{বাউ|মাহমুদ হোসেন (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|মাহমুদা খাতুন সিদ্দিকা}}
* {{বাউ|মাহমুদা হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাহমুদুর রহমান}}
* {{বাউ|মাহমুদুর রহমান চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাহমুদুর রহমান বেণু}}
* {{বাউ|মাহমুদুল আমিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাহমুদুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মাহমুদুল হক}}
* {{বাউ|মাহমুদুল হক (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|মাহমুদুল হক (বিচারক)}}
* {{বাউ|মাহমুদুল হাসান}}
* {{বাউ|মিজান রহমান}}
* {{বাউ|মিজানুর রহমান (বাংলাদেশী কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মিজানুর রহমান ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|মিজানুর রহমান সাঈদ}}
* {{বাউ|মিঠু আলুর}}
* {{বাউ|মিতা হক}}
* {{বাউ|মিতিন মাসি}}
* {{বাউ|মিনার মনসুর}}
* {{বাউ|মিনার রহমান}}
* {{বাউ|মিনাল রোহিত}}
* {{বাউ|মিন্নাত আলী}}
* {{বাউ|মিফতা উদ্দিন চৌধুরী রুমী}}
* {{বাউ|মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|মিফতাহুর রহমান}}
* {{বাউ|মিফতাহ্ জামান}}
* {{বাউ|মিরজা আবদুল হাই}}
* {{বাউ|মির্জা আব্দুল জলিল}}
* {{বাউ|মির্জা আলী ইস্পাহানি}}
* {{বাউ|মির্জা গোলাম হাফিজ}}
* {{বাউ|মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল}}
* {{বাউ|মির্জা মাজহারুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম}}
* {{বাউ|মির্জা হুসেন হায়দার}}
* {{বাউ|মির্জা হোসাইন হায়দার}}
* {{বাউ|মিলন কান্তি দে}}
* {{বাউ|মিল্টন খন্দকার}}
* {{বাউ|মিশুক মুনীর}}
* {{বাউ|মিসির আলি}}
* {{বাউ|মিহির কুমার বসু}}
* {{বাউ|মিহির চৌধুরী}}
* {{বাউ|মিহির রঞ্জন হালদার}}
* {{বাউ|মিহির সেন}}
* {{বাউ|মিহির সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|মীজানূর রহমান শেলী}}
* {{বাউ|মীনাক্ষী ব্যানার্জি}}
* {{বাউ|মীনু হক}}
* {{বাউ|মীর আব্দুল কাইয়ুম}}
* {{বাউ|মীর আহমদ বিন কাসেম}}
* {{বাউ|মীর কাশেম খান}}
* {{বাউ|মীর মকসুদুস সালেহীন}}
* {{বাউ|মীর মাসুম আলী}}
* {{বাউ|মীর শওকত আলী}}
* {{বাউ|মীর হাসমত আলী}}
* {{বাউ|মীর হাসেম আলী}}
* {{বাউ|মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা}}
* {{বাউ|মীরা দত্ত গুপ্ত}}
* {{বাউ|মীরা মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মীর্জা মুহাম্মদ ইউসুফ আলি}}
* {{বাউ|মুঃ মিজানুর রহমান}}
* {{বাউ|মুঈনুদ্দীন আহমদ খান}}
* {{বাউ|মুকসুমুল হাকিম}}
* {{বাউ|মুকুল চৌধুরী}}
* {{বাউ|মুকুল দে}}
* {{বাউ|মুখতার আলম শিকদার}}
* {{বাউ|মুছলিম মিয়া}}
* {{বাউ|মুজিব পরদেশী}}
* {{বাউ|মুজিবর রহমান (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|মুজিবুর রহমান (চিকিৎসা বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|মুজিবুল হক (অফিসার)}}
* {{বাউ|মুজীবুর রহমান খাঁ}}
* {{বাউ|মুনশী ওয়াদুদ}}
* {{বাউ|মুনসুর আলী}}
* {{বাউ|মুনাজ আহমেদ নূর}}
* {{বাউ|মুনির উজ জামান}}
* {{বাউ|মুনেম ওয়াসিফ}}
* {{বাউ|মুন্সী রইসউদ্দিন}}
* {{বাউ|মুন্সী সিদ্দীক আহমদ}}
* {{বাউ|মুফলেহ আর. ওসমানী}}
* {{বাউ|মুবিনা আসাফ}}
* {{বাউ|মুমতাজুদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|মুরলীধর বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মুরলীধর বসু}}
* {{বাউ|মুরাদ পারভেজ}}
* {{বাউ|মুরারি গুপ্ত}}
* {{বাউ|মুশতাক আহমেদ (লেখক)}}
* {{বাউ|মুশতারী শফী}}
* {{বাউ|মুশফিকুল ফজল আনসারী}}
* {{বাউ|মুশাররাফ করিম}}
* {{বাউ|মুসলেহউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|মুসা আল হাফিজ}}
* {{বাউ|মুস্তফা মনোয়ার}}
* {{বাউ|মুস্তফা লুৎফুল্লাহ}}
* {{বাউ|মুস্তাফা খালিদ পলাশ}}
* {{বাউ|মুস্তাফা জামান আব্বাসী}}
* {{বাউ|মুস্তাফা নূরউল ইসলাম}}
* {{বাউ|মুস্তাফিজ শফি}}
* {{বাউ|মুস্তাফিজুর রহমান (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মুস্তাফিজুর রহমান (গীতিকার)}}
* {{বাউ|মুহম্মদ আবদুল হাই}}
* {{বাউ|মুহম্মদ ইউসুফ সিদ্দিক}}
* {{বাউ|মুহম্মদ ওয়ায়েছ}}
* {{বাউ|মুহম্মদ কবির}}
* {{বাউ|মুহম্মদ কুদরাত-এ-খুদা}}
* {{বাউ|মুহম্মদ নূরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মুহম্মদ মতিউর রহমান}}
* {{বাউ|মুহম্মদ মনসুর উদ্দিন}}
* {{বাউ|মুহম্মদ শামসউল হক}}
* {{বাউ|মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া (গবেষক)}}
* {{বাউ|মুহম্মদ সিরাজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আখতার}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুর রশিদ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুল বারী}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুল মুহিত}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুল্লাহ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুল্লাহিল বাকী}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আব্দুর রহিম (ইতিহাসবিদ)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আব্দুল হাফিজ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আরশাদ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আসফ-উদ-দৌলা}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইউনুস (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইউনুস (পণ্ডিত)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইব্রাহিম (পদার্থবিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইমরান (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইসমাইল}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইসহাক (ইতিহাসবিদ)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ একরামুল হক}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ জমির}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ জুলকার নাইন}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ নওশাদ জমির}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ নুরুল হক}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ নুরুল হুদা}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ফাজলী ইলাহী}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ফারুক (কূটনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ মাছুদ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ মাহবুব উল ইসলাম}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ সামাদ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান (মুক্তিযোদ্ধা)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ আবদুল মালেক}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ আব্দুল হামিদ}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ ইকবাল হোছাইন}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ ইনাম-উল হক}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ মুস্তাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ লুৎফর রহমান}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ শহীদ সারওয়ার}}
* {{বাউ|মৃণাল দত্ত চৌধুরী}}
* {{বাউ|মৃণাল মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মৃণালিনী সেন}}
* {{বাউ|মৃত্যুঞ্জয় প্রসাদ গুহ}}
* {{বাউ|মৃত্যুঞ্জয় বরাট সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার}}
* {{বাউ|মৃদুল দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|মৃদুলা গার্গ}}
* {{বাউ|মেজকর্তা}}
* {{বাউ|মেজবাউর রহমান সুমন}}
* {{বাউ|মেনহাজ হুদা}}
* {{বাউ|মেরিনা তাবাসসুম}}
* {{বাউ|মেসবাহউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|মেসবাহউদ্দিন আহমেদ (পদার্থবিদ)}}
* {{বাউ|মেসবাহুল হক}}
* {{বাউ|মেহরীন মাহমুদ}}
* {{বাউ|মেহেদী হক রনি}}
* {{বাউ|মেহের আফরোজ শাওন}}
* {{বাউ|মেহেরবানু খানম}}
* {{বাউ|মেহেরুন নেসা}}
* {{বাউ|মৈত্রী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|মৈত্রেয়ী দেবী}}
* {{বাউ|মো. আবদুল মজিদ}}
* {{বাউ|মো. আবু আহমেদ জমাদার}}
* {{বাউ|মো. আবু জাফর সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|মো. আবু তারিক}}
* {{বাউ|মো. আব্দুল মজিদ}}
* {{বাউ|মো. আমিনুল ইসলাম (বিচারক)}}
* {{বাউ|মো. ইকবাল কবির}}
* {{বাউ|মো. ইমদাদুল হক}}
* {{বাউ|মো. এমদাদুল হক}}
* {{বাউ|মো. কামরুল হোসেন মোল্লা}}
* {{বাউ|মো. খসরুজ্জামান}}
* {{বাউ|মো. খায়রুল আলম}}
* {{বাউ|মো. খুরশেদ আলম}}
* {{বাউ|মো. জয়নুল আবেদীন}}
* {{বাউ|মো. জহুরুল হক}}
* {{বাউ|মো. জাকির হোসেন}}
* {{বাউ|মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার}}
* {{বাউ|মো. নুরুল ইসলাম (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|মো. বজলুর রহমান}}
* {{বাউ|মো. বদরুজ্জামান}}
* {{বাউ|মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী}}
* {{বাউ|মো. মজিবুর রহমান মিয়া}}
* {{বাউ|মো. মনসুর আলম}}
* {{বাউ|মো. মাহমুদ হাসান তালুকদার}}
* {{বাউ|মো. মোস্তাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|মো. যাবিদ হোসেন}}
* {{বাউ|মো. রইস উদ্দিন}}
* {{বাউ|মো. রইস হাসান সরোয়ার}}
* {{বাউ|মো. রিয়াজ উদ্দিন খান}}
* {{বাউ|মো. রুহুল আমিন (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|মো. রুহুল কুদ্দুস}}
* {{বাউ|মো. রেজাউল হক}}
* {{বাউ|মো. রেজাউল হাসান}}
* {{বাউ|মো. শামসুল হুদা}}
* {{বাউ|মো. শাহিনুর ইসলাম}}
* {{বাউ|মো. সাইদুল হক}}
* {{বাউ|মো. সেলিম (বিচারক)}}
* {{বাউ|মো. হযরত আলী (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|মো. হামিদুল হক (বিচারক)}}
* {{বাউ|মো. হাসান আমিন}}
* {{বাউ|মো: গোলাম রহমান}}
* {{বাউ|মো: জাহাঙ্গীর আল মুস্তাহিদুর রহমান}}
* {{বাউ|মোঃ আখতারুজ্জামান}}
* {{বাউ|মোঃ আতাউর রহমান খান}}
* {{বাউ|মোঃ আতাবুল্লাহ}}
* {{বাউ|মোঃ আতোয়ার রহমান}}
* {{বাউ|মোঃ আব্দুল মান্নান (বিচারক)}}
* {{বাউ|মোঃ আব্দুল মুক্তাদির}}
* {{বাউ|মোঃ আলী রেজা}}
* {{বাউ|মোঃ আশরাফুল কামাল}}
* {{বাউ|মোঃ আসাদুজ্জামান}}
* {{বাউ|মোঃ ইসমাইল হোসেন}}
* {{বাউ|মোঃ কামরুজ্জামান}}
* {{বাউ|মোঃ খোরশেদ আলম}}
* {{বাউ|মোঃ জসিম উদ্দিন (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মোঃ জাকির হোসেন (বিচারক)}}
* {{বাউ|মোঃ টোকন}}
* {{বাউ|মোঃ তোফাজ্জল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোঃ নূরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোঃ বশির-উল্লাহ}}
* {{বাউ|মোঃ মইদুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোঃ মাহবুবুর রহমান (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|মোঃ মুস্তফা চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোঃ শামীম আহসান}}
* {{বাউ|মোঃ সাইদুর রহমান (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|মোঃ সাদত আলী}}
* {{বাউ|মোঃ সোহরাওয়ারদী}}
* {{বাউ|মোঃ হাবিবুল গনি}}
* {{বাউ|মোকাররম হোসেন খোন্দকার}}
* {{বাউ|মোক্ষদায়িনী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মোজাফফর আহমদ}}
* {{বাউ|মোজাফফর হোসেন (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|মোজাম্মেল হোসেন (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|মোজাম্মেল হোসেন মিন্টু}}
* {{বাউ|মোতাহার হোসেন তালুকদার}}
* {{বাউ|মোনাজাতউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোনায়েম সরকার}}
* {{বাউ|মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোবারক আহমদ খান}}
* {{বাউ|মোবারক হোসেন খান}}
* {{বাউ|মোবাশ্বের আলী}}
* {{বাউ|মোবিনুল আজিম}}
* {{বাউ|মোমতাজ আলী খান}}
* {{বাউ|মোরশেদ খান}}
* {{বাউ|মোরশেদ শফিউল হাসান}}
* {{বাউ|মোরশেদুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী}}
* {{বাউ|মোল্লা জালাল উদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|মোশতাক আহমেদ}}
* {{বাউ|মোশতাক খান}}
* {{বাউ|মোশারেফ উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|মোসলেম উদ্দিন}}
* {{বাউ|মোসলেম উদ্দিন খান}}
* {{বাউ|মোসাদ্দেক আলী ফালু}}
* {{বাউ|মোস্তফা আনোয়ার (পরিচালক)}}
* {{বাউ|মোস্তফা আলম}}
* {{বাউ|মোস্তফা আলী}}
* {{বাউ|মোস্তফা এম এ মতিন}}
* {{বাউ|মোস্তফা কামাল (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|মোস্তফা জামান ইসলাম}}
* {{বাউ|মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোস্তফা মন্ওয়ার}}
* {{বাউ|মোস্তফা মেহমুদ}}
* {{বাউ|মোস্তাফিজুর রহমান মানিক}}
* {{বাউ|মোস্তাফিজুর রহমান সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|মোহন রায়হান}}
* {{বাউ|মোহনলাল গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মোহম্মদ সামির হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আকরম খাঁ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আছাদুজ্জামান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আজম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আজিজ (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবদুর রশিদ (বিচারক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবদুর রহিম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবদুল খালেক}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবু নাসের}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবু হেনা}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবুল কাসেম চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবুল হাশেম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আব্দুল হাই}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ মিয়া}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আব্দুল্লাহেল কাফী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আলম (আলোকচিত্র সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আলী (বিচারক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (নরসিংদীর শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ইউনুস (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ইব্রাহিম (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ইব্রাহিম (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ইমান আলী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ উল্লাহ (বিচারক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ এনামউল্যা}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ওমর এজাজ রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ কায়কোবাদ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ কিবরিয়া}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ খালেদ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ গোলাম রাব্বানী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ছায়েদুল হক}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ জাকারিয়া}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নইমুদ্দীন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নজিবর রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন (লেখক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নাসির আলী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নিজামুল হক}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নুরুল করিম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নূরুজ্জামান (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নোমান (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ পনির হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ফজলী হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ফজলুল করীম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ফেরদাউস খান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ফৈয়াজ খান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ বজলুর রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মতিউর রহমান (লেখক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মিঞা}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মফজলুর রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মমতাজ উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ময়েজউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মহিউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মিজারুল কায়েস}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মুর্তজা}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোদাব্বের}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোবারক আলী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান (কর্মকর্তা)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোহর আলী (ইতিহাসবিদ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোহসীন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রফি খান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রফিক (কবি)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রফিকুল আলম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রেজওয়ান খান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শওকত আলী চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শরীফ হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শামশাদ আলী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শামসুজ্জোহা}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শাহ আলম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শাহ আলম (আইনজ্ঞ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শাহজাহান (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শাহিনুল আলম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শিশির মনির}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সাদত আলী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সাদিক}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সালার খান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সিরাজুদ্দীন কাসিমপুরী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সিরাজুল আকবর}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সুফিউর রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সোলায়মান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ হারুন-উর-রশিদ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ হোসেন জেমী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ হোসেন মণ্ডল}}
* {{বাউ|মোহাম্মদউল্লাহ}}
* {{বাউ|মোহাম্মাদ রকিবুল হাসান}}
* {{বাউ|মোহিত উল আলম}}
* {{বাউ|মোহিত কামাল}}
* {{বাউ|মোহিত চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মোহিত সেন}}
* {{বাউ|মোহিনী চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোহিনী মোহন চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|মৌমিতা তাশরিন নদী}}
* {{বাউ|মৌমিতা দত্ত}}
* {{বাউ|মৌলভী আবদুল করিম}}
* {{বাউ|মৌসুমী ভৌমিক}}
* {{বাউ|যতীন সরকার}}
* {{বাউ|যতীন্দ্রকুমার সেন}}
* {{বাউ|যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|যতীন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|যতীন্দ্রমোহন সিংহ}}
* {{বাউ|যদুনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|যদুনাথ সরকার}}
* {{বাউ|যদুনাথ সিংহ}}
* {{বাউ|যমুনা সেন}}
* {{বাউ|যশোধরা বাগচি}}
* {{বাউ|যশোধরা রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|যাত্রামোহন সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|যাদব চন্দ্র চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|যাদুমনি হাজং}}
* {{বাউ|যামিনী ভূষণ রায়}}
* {{বাউ|যামিনী রায়}}
* {{বাউ|যামিনীপ্রকাশ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|যুধাজিৎ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|যোগীন মা}}
* {{বাউ|যোগীন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|যোগেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ}}
* {{বাউ|যোগেশচন্দ্র ঘোষ}}
* {{বাউ|যোগেশচন্দ্র চৌধুরী (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|যোগেশচন্দ্র বাগল}}
* {{বাউ|যোগেশচন্দ্র রায় বিদ্যানিধি}}
* {{বাউ|যোবায়দা হান্নান}}
* {{বাউ|রওনক জাহান}}
* {{বাউ|রওশন আরা}}
* {{বাউ|রওশন আরা বাচ্চু}}
* {{বাউ|রওশন আরা মুস্তাফিজ}}
* {{বাউ|রওশন আলী}}
* {{বাউ|রওশন ইজদানী}}
* {{বাউ|রওশন জামিল}}
* {{বাউ|রকিব হাসান}}
* {{বাউ|রকিবুল আলম রকিব}}
* {{বাউ|রকীব আহমদ}}
* {{বাউ|রঘুনন্দন ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|রঘুনাথ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রঙ্গলাল মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রঙ্গলাল সেন}}
* {{বাউ|রঙ্গু সৌরিয়া}}
* {{বাউ|রজতকান্ত রায়}}
* {{বাউ|রজতশুভ্র মজুমদার}}
* {{বাউ|রজনীকান্ত গুহ}}
* {{বাউ|রজনীকান্ত প্রামাণিক}}
* {{বাউ|রজনীনাথ রায়}}
* {{বাউ|রঞ্জন ঘোষাল}}
* {{বাউ|রঞ্জন মল্লিক}}
* {{বাউ|রণজিত গুহ}}
* {{বাউ|রণজিৎ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রণজিৎ দাশ}}
* {{বাউ|রণদা প্রসাদ সাহা}}
* {{বাউ|রণেন কুশারী}}
* {{বাউ|রণেশ মৈত্র}}
* {{বাউ|রতন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রতন সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|রতনচন্দ্র কর}}
* {{বাউ|রতনতনু ঘোষ}}
* {{বাউ|রতনলাল ব্রহ্মচারী}}
* {{বাউ|রত্নেশ্বর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রথীন কিস্কু}}
* {{বাউ|রথীন মিত্র}}
* {{বাউ|রথীন মৈত্র}}
* {{বাউ|রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|রথীন্দ্রনাথ বোস}}
* {{বাউ|রফিক আহামদ}}
* {{বাউ|রফিক উদ্দিন আহমেদ (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|রফিক উদ্দিন আহমেদ (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|রফিক উদ্দিন সরকার}}
* {{বাউ|রফিক-উল হক}}
* {{বাউ|রফিকউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|রফিকউল্লাহ্ খান}}
* {{বাউ|রফিকুর রশীদ}}
* {{বাউ|রফিকুল ইসলাম (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|রফিকুল ইসলাম মিয়া}}
* {{বাউ|রফিকুল ইসলাম সেখ}}
* {{বাউ|রফিকুল বারী চৌধুরী}}
* {{বাউ|রফিকুল হক}}
* {{বাউ|রফিকুল হক (কৃষি প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|রবার্ট সুইনহো}}
* {{বাউ|রবি বসু}}
* {{বাউ|রবিউল আলম (নাট্যকার)}}
* {{বাউ|রবিউল আলম রবি}}
* {{বাউ|রবিউল ইসলাম জীবন}}
* {{বাউ|রবিউল হুসাইন}}
* {{বাউ|রবিন ঘোষ}}
* {{বাউ|রবিনা খান}}
* {{বাউ|রবিশংকর বল}}
* {{বাউ|রবিশঙ্কর}}
* {{বাউ|রবীন চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রবীন্দ্র গুহ}}
* {{বাউ|রবীন্দ্রকুমার দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|রবীন্দ্রনাথ চৌধুরী}}
* {{বাউ|রবীন্দ্রনাথ দত্ত}}
* {{বাউ|রবীন্দ্রনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|রবীন্দ্রনাথ মৈত্র}}
* {{বাউ|রমা চৌধুরী}}
* {{বাউ|রমাতোষ সরকার}}
* {{বাউ|রমাপদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|রমারঞ্জন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রমিজউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|রমেন্দ্র কুমার পোদ্দার}}
* {{বাউ|রমেন্দ্রকুমার আচার্য চৌধুরী}}
* {{বাউ|রমেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রমেশ চন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|রমেশচন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|রশিদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|রশীদ করীম}}
* {{বাউ|রশীদ তালুকদার}}
* {{বাউ|রশীদ হায়দার}}
* {{বাউ|রসময় দত্ত}}
* {{বাউ|রসময় মিত্র}}
* {{বাউ|রসময় সুর}}
* {{বাউ|রসিককৃষ্ণ মল্লিক}}
* {{বাউ|রসিকলাল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রহমত আলী}}
* {{বাউ|রহমতউল্লাহ আল মাহমুদ সেলিম}}
* {{বাউ|রহিমুন্নিসা}}
* {{বাউ|রহীম শাহ}}
* {{বাউ|রাইচরণ দাস}}
* {{বাউ|রাইচাঁদ বড়াল}}
* {{বাউ|রাইসুল ইসলাম আসাদ}}
* {{বাউ|রাখাল চন্দ্র দাস}}
* {{বাউ|রাখাল চিত্রকর}}
* {{বাউ|রাখালদাস মজুমদার}}
* {{বাউ|রাগিনী সোনকার}}
* {{বাউ|রাগীব রউফ চৌধুরী}}
* {{বাউ|রাঘব চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাঘব বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাজকুমার চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রাজকুমার সর্বাধিকারী}}
* {{বাউ|রাজকুমারী বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাজকুমারী রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|রাজকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাজকৃষ্ণ রায়}}
* {{বাউ|রাজচন্দ্র বসু}}
* {{বাউ|রাজদীপ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|রাজনারায়ণ বসু}}
* {{বাউ|রাজলক্ষ্মী দেবী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রাজিক আল জলিল}}
* {{বাউ|রাজিয়া খান}}
* {{বাউ|রাজিয়া মজিদ}}
* {{বাউ|রাজিয়া মাহবুব}}
* {{বাউ|রাজিয়া সুলতানা (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|রাজেন তরফদার}}
* {{বাউ|রাজেন্দ্রচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|রাজেন্দ্রচন্দ্র হাজরা}}
* {{বাউ|রাজেন্দ্রনাথ সেন}}
* {{বাউ|রাজেন্দ্রলাল মিত্র}}
* {{বাউ|রাজেশ রোশন}}
* {{বাউ|রাজেশ্বরী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাণী দিনমনি চৌধুরাণী}}
* {{বাউ|রাণী রাসমণি}}
* {{বাউ|রাধা বিনোদ পাল}}
* {{বাউ|রাধাকান্ত দেব}}
* {{বাউ|রাধাকান্ত নন্দী}}
* {{বাউ|রাধাকুমুদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাধাগোবিন্দ কর}}
* {{বাউ|রাধাগোবিন্দ চন্দ্র}}
* {{বাউ|রাধাগোবিন্দ নাথ}}
* {{বাউ|রাধাগোবিন্দ বসাক}}
* {{বাউ|রাধানাথ শিকদার}}
* {{বাউ|রাধাপদ রায়}}
* {{বাউ|রাধাপ্রসাদ গুপ্ত}}
* {{বাউ|রাধাবতী দেবী}}
* {{বাউ|রাধারমণ দত্ত}}
* {{বাউ|রাধারমণ মিত্র}}
* {{বাউ|রাধারাণী দেবী}}
* {{বাউ|রাধিকা মোহন মৈত্র}}
* {{বাউ|রাধিকা রায়}}
* {{বাউ|রানী চন্দ}}
* {{বাউ|রাপ্পা রায়}}
* {{বাউ|রাফায়েল অ্যারন বেলিলিওস}}
* {{বাউ|রাফিদা আহমেদ বন্যা}}
* {{বাউ|রাবাব ফাতেমা}}
* {{বাউ|রাবেয়া খাতুন}}
* {{বাউ|রাবেয়া ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|রাম নারায়ণ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রাম বসু}}
* {{বাউ|রামকমল ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রামকমল সেন}}
* {{বাউ|রামকানাই দাশ}}
* {{বাউ|রামকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রামগতি ন্যায়রত্ন}}
* {{বাউ|রামগোপাল ঘোষ}}
* {{বাউ|রামচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রামচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ}}
* {{বাউ|রামতনু লাহিড়ী}}
* {{বাউ|রামতারণ সান্যাল}}
* {{বাউ|রামদাস সেন}}
* {{বাউ|রামনারায়ণ তর্করত্ন}}
* {{বাউ|রামনিধি গুপ্ত}}
* {{বাউ|রামপ্রাণ গুপ্ত}}
* {{বাউ|রামব্রহ্ম সান্যাল}}
* {{বাউ|রামরঞ্জন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রামরাম বসু}}
* {{বাউ|রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রামেন্দু মজুমদার}}
* {{বাউ|রায়হান মুজিব}}
* {{বাউ|রায়হানুল আবেদীন}}
* {{বাউ|রায়েফ আল হাসান রাফা}}
* {{বাউ|রাশিদ আসকারী}}
* {{বাউ|রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর}}
* {{বাউ|রাশেদ খান মেনন}}
* {{বাউ|রাশেদ রউফ}}
* {{বাউ|রাসবিহারী ঘোষ}}
* {{বাউ|রাসসুন্দরী দেবী}}
* {{বাউ|রাহাত খান}}
* {{বাউ|রাহিজা খানম ঝুনু}}
* {{বাউ|রাহুল দেব বর্মণ}}
* {{বাউ|রাহুল পুরকায়স্থ}}
* {{বাউ|রিংকি ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|রিজিয়া রহমান}}
* {{বাউ|রিতা আর. কলওয়েল}}
* {{বাউ|রিনা আক্তার (সক্রিয়কর্মী)}}
* {{বাউ|রিনাত ফৌজিয়া}}
* {{বাউ|রিপন নাথ}}
* {{বাউ|রিফাত হাসান (লেখক)}}
* {{বাউ|রিমা সুলতানা রিমু}}
* {{বাউ|রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|রিয়াজ রহমান}}
* {{বাউ|রিয়াজ হামিদুল্লাহ}}
* {{বাউ|রিয়াজুল রিজু}}
* {{বাউ|রীণা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রুচিরা গুপ্ত}}
* {{বাউ|রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|রুদ্রাণী (গোয়েন্দা)}}
* {{বাউ|রুনা খান (উদ্যোক্তা)}}
* {{বাউ|রুনু বিশ্বাস}}
* {{বাউ|রুবাইয়াত হোসেন}}
* {{বাউ|রুবানা হক}}
* {{বাউ|রুবী রহমান}}
* {{বাউ|রুবেল}}
* {{বাউ|রুমা পাল}}
* {{বাউ|রুমানা আলী}}
* {{বাউ|রুমানা রশীদ ঈশিতা}}
* {{বাউ|রুমিন ফারহানা}}
* {{বাউ|রুম্মান রশীদ খান}}
* {{বাউ|রুশেমা বেগম}}
* {{বাউ|রুহি জুবেরী}}
* {{বাউ|রুহুল আমিন (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|রুহুল আলম সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|রুহুল ইসলাম}}
* {{বাউ|রুহুল কুদ্দুস কাজল}}
* {{বাউ|রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু}}
* {{বাউ|রূপ গোস্বামী}}
* {{বাউ|রূপচাঁদ অধিকারী}}
* {{বাউ|রূপমঞ্জরী ঘোষ}}
* {{বাউ|রূপরাম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রূপা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রেজা আলী}}
* {{বাউ|রেজা লতিফ}}
* {{বাউ|রেজাউদ্দিন স্টালিন}}
* {{বাউ|রেজাউল করিম (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|রেজাউল হক সরকার}}
* {{বাউ|রেজিনা গুহ}}
* {{বাউ|রেণু চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রেণুকা রায়}}
* {{বাউ|রেদওয়ান রনি}}
* {{বাউ|রেবতীভূষণ ঘোষ}}
* {{বাউ|রেবা সোম}}
* {{বাউ|রেয়াজুদ্দীন মাশহাদী আহমদ}}
* {{বাউ|রেহমান সোবহান}}
* {{বাউ|রোকেয়া সুলতানা (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|রোজিনা ইসলাম}}
* {{বাউ|রোজী আফসারী}}
* {{বাউ|রোমেনা আফাজ}}
* {{বাউ|লক্ষীছাড়া}}
* {{বাউ|লক্ষ্মীকান্ত মৈত্র}}
* {{বাউ|লজ্জাবতী বসু}}
* {{বাউ|লতিকা সরকার}}
* {{বাউ|লতিকা সেন}}
* {{বাউ|লতিফুর খান}}
* {{বাউ|লতিফুর রহমান (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|লতিফুল ইসলাম শিবলী}}
* {{বাউ|ললিত মোহন নাথ}}
* {{বাউ|ললিতা রায়}}
* {{বাউ|লাকী আখান্দ}}
* {{বাউ|লায়লা নূর}}
* {{বাউ|লায়লা সামাদ}}
* {{বাউ|লালমোহন গাঙ্গুলি}}
* {{বাউ|লিয়াকত আলী চৌধুরী}}
* {{বাউ|লিয়াকত আলী লাকী}}
* {{বাউ|লিলি চক্রবর্তী (কবি)}}
* {{বাউ|লিসা গাজী}}
* {{বাউ|লীমা ধর}}
* {{বাউ|লীলা রায়}}
* {{বাউ|লীলাবতী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|লীলাবতী মিত্র}}
* {{বাউ|লুইস জনসন}}
* {{বাউ|লুসি রহমান}}
* {{বাউ|লুৎফর রহমান (মুসলিম পণ্ডিত)}}
* {{বাউ|লুৎফর রহমান রিটন}}
* {{বাউ|লুৎফর রহমান সরকার}}
* {{বাউ|লুৎফর হাসান}}
* {{বাউ|লুৎফুন্নাহার হেলেন}}
* {{বাউ|লুৎফুল হায়দার চৌধুরী}}
* {{বাউ|লুৎফে সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|লেনিন গনি}}
* {{বাউ|লেবুমামা}}
* {{বাউ|লেমিস}}
* {{বাউ|লোকনাথ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|লোকমান হোসেন ফকির}}
* {{বাউ|লোকেন্দ্রনাথ পালিত}}
* {{বাউ|লোপামুদ্রা মিত্র}}
* {{বাউ|শংকর রায় চৌধুরী (চরিত্র)}}
* {{বাউ|শওকত আরা বেগম}}
* {{বাউ|শওকত আলী (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|শওকত আলী ইমন}}
* {{বাউ|শওকত আলী খান}}
* {{বাউ|শওকত জামিল}}
* {{বাউ|শওকত মাহমুদ}}
* {{বাউ|শক্তি বর্মণ}}
* {{বাউ|শক্তি মণ্ডল}}
* {{বাউ|শক্তিপদ রাজগুরু}}
* {{বাউ|শক্তিসাধন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শঙ্কর ঘোষ}}
* {{বাউ|শঙ্কর ঘোষ (পণ্ডিত)}}
* {{বাউ|শঙ্কর চ্যাটার্জী}}
* {{বাউ|শঙ্কর প্রসাদ মিত্র}}
* {{বাউ|শঙ্কর রায়}}
* {{বাউ|শঙ্কর সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|শঙ্করীপ্রসাদ বসু}}
* {{বাউ|শঙ্কু মহারাজ}}
* {{বাউ|শঙ্খ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|শচীন দাশ}}
* {{বাউ|শচীন ভৌমিক}}
* {{বাউ|শচীন্দ্রনাথ অধিকারী}}
* {{বাউ|শচীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শচীন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|শফি ইউ আহমেদ}}
* {{বাউ|শফিউর রহমান}}
* {{বাউ|শফিক আহমেদ}}
* {{বাউ|শফিক তুহিন}}
* {{বাউ|শবনম পারভীন}}
* {{বাউ|শবনম মুশতারী}}
* {{বাউ|শবনম রামস্বামী}}
* {{বাউ|শবর দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|শমসের মবিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|শমিতা দাশ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|শম্পা দাস}}
* {{বাউ|শম্ভু ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শম্ভুনাথ দে}}
* {{বাউ|শম্ভুনাথ পণ্ডিত}}
* {{বাউ|শম্ভুনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শরচ্চন্দ্র পণ্ডিত}}
* {{বাউ|শরণ}}
* {{বাউ|শরাফত আলী}}
* {{বাউ|শরিফ এনামুল কবির}}
* {{বাউ|শরিফা খাতুন}}
* {{বাউ|শরিফা খান}}
* {{বাউ|শরীফ উদ্দিন চাকলাদার}}
* {{বাউ|শরীফ খান}}
* {{বাউ|শরীফ মুহাম্মদ আজিজুল হক}}
* {{বাউ|শর্বরী জোহরা আহমেদ}}
* {{বাউ|শর্বরী রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|শর্মিলা বসু}}
* {{বাউ|শর্মিলা বিশ্বাস}}
* {{বাউ|শর্মিলা ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শর্মিলা সরকার}}
* {{বাউ|শরৎকুমার মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শরৎকুমারী চৌধুরাণী}}
* {{বাউ|শরৎচন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|শরৎচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|শরৎসুন্দরী দেবী}}
* {{বাউ|শশধর দত্ত}}
* {{বাউ|শশাঙ্ক চন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শশাঙ্ক শেখর সরকার}}
* {{বাউ|শশিভূষণ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|শশিশেখর বসু}}
* {{বাউ|শহিদুল আমিন}}
* {{বাউ|শহিদুল আলম}}
* {{বাউ|শহিদুল ইসলাম (বিচারক)}}
* {{বাউ|শহিদুল হক খান}}
* {{বাউ|শহীদ আখন্দ}}
* {{বাউ|শহীদ উল্লাহ তালুকদার}}
* {{বাউ|শহীদ সাবের}}
* {{বাউ|শহীদুল ইসলাম (গণিতবিদ)}}
* {{বাউ|শহীদুল ইসলাম (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|শহীদুল ইসলাম খোকন}}
* {{বাউ|শহীদুল হক}}
* {{বাউ|শহীদুল্লাহ খান}}
* {{বাউ|শাওন আকন্দ}}
* {{বাউ|শাকিলা জাফর}}
* {{বাউ|শাকুর মজিদ}}
* {{বাউ|শাজিয়া ওমর}}
* {{বাউ|শানারেই দেবী শানু}}
* {{বাউ|শানু লাহিড়ী}}
* {{বাউ|শান্তনু কায়সার}}
* {{বাউ|শান্তনু ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শান্তনু মৈত্র}}
* {{বাউ|শান্তা দেবী (নাগ)}}
* {{বাউ|শান্তিদেব ঘোষ}}
* {{বাউ|শান্তিময় চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শান্তিরঞ্জন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শান্তিসুধা ঘোষ}}
* {{বাউ|শাপলা সালিক}}
* {{বাউ|শাফিয়া খাতুন}}
* {{বাউ|শামছুল আলম}}
* {{বাউ|শামশুদ্দিন আহমদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন আহমদ (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন আহমেদ (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন টগর}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন হীরা}}
* {{বাউ|শামসুদ্দীন আবুল কালাম}}
* {{বাউ|শামসুন নাহার মাহমুদ}}
* {{বাউ|শামসুল আলম (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|শামসুল ইসলাম আলমাজী}}
* {{বাউ|শামসুল হক (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|শামসুল হুদা}}
* {{বাউ|শামসুল হুদা চৌধুরী}}
* {{বাউ|শামীম আকতার}}
* {{বাউ|শামীম আজাদ}}
* {{বাউ|শামীম আরা নিপা}}
* {{বাউ|শামীম আহমেদ রনি}}
* {{বাউ|শামীম আহসান}}
* {{বাউ|শামীম শিকদার}}
* {{বাউ|শামীম হায়দার}}
* {{বাউ|শামীম হাসনাইন}}
* {{বাউ|শামীমা করিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|শায়ান চৌধুরী অর্ণব}}
* {{বাউ|শায়েস্তা সোহরাওয়ার্দী ইকরামউল্লাহ}}
* {{বাউ|শারফুদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|শারমিন আলি}}
* {{বাউ|শার্মিন আক্তার}}
* {{বাউ|শাহ আজিজুর রহমান}}
* {{বাউ|শাহ আবদুল ওয়াহহাব}}
* {{বাউ|শাহ আবদুল হান্নান}}
* {{বাউ|শাহ আবু নাঈম মমিনুর রহমান}}
* {{বাউ|শাহ আবুল হাসনাৎ মোহাম্মদ ইসমাইল}}
* {{বাউ|শাহ আব্দুল হামিদ}}
* {{বাউ|শাহ আলম কিরণ}}
* {{বাউ|শাহ আলমগীর}}
* {{বাউ|শাহ আহমদ শফী}}
* {{বাউ|শাহ এ এম এস কিবরিয়া}}
* {{বাউ|শাহ খাজা শরফুদ্দীন}}
* {{বাউ|শাহ জাহাঙ্গীর কবীর}}
* {{বাউ|শাহ বারিদ খান}}
* {{বাউ|শাহ মাহাতাব আহমদ}}
* {{বাউ|শাহ মুহম্মদ সগীর}}
* {{বাউ|শাহ মো. ওয়ারেস আলী মামুন}}
* {{বাউ|শাহ মোঃ উললাহ}}
* {{বাউ|শাহ মোঃ হাসানুজ্জামান}}
* {{বাউ|শাহ মোহাম্মদ ফারুক}}
* {{বাউ|শাহ মোহাম্মদ ফারুক (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|শাহ মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস}}
* {{বাউ|শাহ মোহাম্মদ হাছানুজ্জামান}}
* {{বাউ|শাহজাদা আবদুল মালেক খান}}
* {{বাউ|শাহজাহান আহমেদ বিকাশ}}
* {{বাউ|শাহজাহান কিবরিয়া}}
* {{বাউ|শাহজাহান খান (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|শাহজাহান চৌধুরী (চলচ্চিত্র পরিচালক)}}
* {{বাউ|শাহদীন মালিক}}
* {{বাউ|শাহনাজ আরেফিন}}
* {{বাউ|শাহনাজ রহমতুল্লাহ}}
* {{বাউ|শাহনাজ হুদা}}
* {{বাউ|শাহনেওয়াজ কাকলী}}
* {{বাউ|শাহরিয়ার আলম}}
* {{বাউ|শাহরিয়ার নাজিম জয়}}
* {{বাউ|শাহলা খাতুন}}
* {{বাউ|শাহাদাত চৌধুরী}}
* {{বাউ|শাহাদাত হোসেন খান}}
* {{বাউ|শাহাদাৎ হোসেন (লেখক)}}
* {{বাউ|শাহাদাৎ হোসেন লিটন}}
* {{বাউ|শাহাবুদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|শাহাবুদ্দিন আহমেদ (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|শাহাবুদ্দিন আহমেদ (রাষ্ট্রদূত)}}
* {{বাউ|শাহাবুদ্দীন নাগরী}}
* {{বাউ|শাহীন আখতার}}
* {{বাউ|শাহীন দিল-রিয়াজ}}
* {{বাউ|শাহীন সামাদ}}
* {{বাউ|শাহীন-সুমন}}
* {{বাউ|শাহীনুর পাশা চৌধুরী}}
* {{বাউ|শাহেদ আলী}}
* {{বাউ|শাহেদ আলী পাটোয়ারী}}
* {{বাউ|শাহেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|শাহেদ নূরউদ্দিন}}
* {{বাউ|শাহ্ আলিমুজ্জামান}}
* {{বাউ|শিতালং শাহ}}
* {{বাউ|শিপ্রা গুহ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শিব নারায়ণ দাস}}
* {{বাউ|শিবকালী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শিবচন্দ্র বিদ্যার্ণব}}
* {{বাউ|শিবদাস বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শিবনারায়ণ রায়}}
* {{বাউ|শিবপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শিবব্রত বর্মন}}
* {{বাউ|শিবলি সাদিক}}
* {{বাউ|শিবাজী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শিমুল মুস্তাফা}}
* {{বাউ|শিমূল ইউসুফ}}
* {{বাউ|শিরীণ আখতার}}
* {{বাউ|শিশির কুমার ঘোষ}}
* {{বাউ|শিশির কুমার দাশ}}
* {{বাউ|শিশির কুমার মিত্র}}
* {{বাউ|শিশির ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|শিশির ভট্টাচার্য্য (ভাষাবিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|শিশিরকুমার বসু}}
* {{বাউ|শিশিরকুমার ভাদুড়ী}}
* {{বাউ|শিহাব শাহীন}}
* {{বাউ|শিহাব সরকার}}
* {{বাউ|শীলভদ্র}}
* {{বাউ|শুক্লা বোস}}
* {{বাউ|শুদ্ধানন্দ ব্রহ্মচারী}}
* {{বাউ|শুদ্ধানন্দ মহাথের}}
* {{বাউ|শুভ (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|শুভ গুহঠাকুরতা}}
* {{বাউ|শুভ রায়}}
* {{বাউ|শুভঙ্কর (গণিতবিদ)}}
* {{বাউ|শুভাগত চৌধুরী}}
* {{বাউ|শুভাশিস সিনহা}}
* {{বাউ|শুভ্র (চরিত্র)}}
* {{বাউ|শুভ্র দেব}}
* {{বাউ|শুভ্রা ঘোষ}}
* {{বাউ|শেখ আবদুল আউয়াল}}
* {{বাউ|শেখ আবদুল আজিজ}}
* {{বাউ|শেখ আবদুল মান্নান}}
* {{বাউ|শেখ আবদুস সালাম}}
* {{বাউ|শেখ আবুল কাশেম মিঠুন}}
* {{বাউ|শেখ আব্দুর রহিম}}
* {{বাউ|শেখ আব্দুস সালাম}}
* {{বাউ|শেখ খলিলুর রহমান হামিদি}}
* {{বাউ|শেখ গোলাম মাকসুদ হিলালী}}
* {{বাউ|শেখ তৈয়বুর রহমান}}
* {{বাউ|শেখ দীন মুহাম্মদ}}
* {{বাউ|শেখ নিয়ামত আলী}}
* {{বাউ|শেখ ফয়জুল্লাহ}}
* {{বাউ|শেখ বখতিয়ার উদ্দিন}}
* {{বাউ|শেখ ভানু}}
* {{বাউ|শেখ মকবুল ইসলাম}}
* {{বাউ|শেখ মনিরুল আলম টিপু}}
* {{বাউ|শেখ মাকসুদ আলী}}
* {{বাউ|শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ}}
* {{বাউ|শেখ মো. জাকির হোসেন}}
* {{বাউ|শেখ মোঃ নূরুল হক}}
* {{বাউ|শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ}}
* {{বাউ|শেখ রাজ্জাক আলী}}
* {{বাউ|শেখ রেজোয়ান আলী}}
* {{বাউ|শেখ লুতফর রহমান}}
* {{বাউ|শেখ শহীদুল ইসলাম}}
* {{বাউ|শেখ হাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|শেখ হাসান আরিফ}}
* {{বাউ|শেখর চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শেখর বসু}}
* {{বাউ|শেফালী ঘোষ}}
* {{বাউ|শেলী সেনগুপ্তা}}
* {{বাউ|শৈল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শৈলজারঞ্জন মজুমদার}}
* {{বাউ|শৈলবালা ঘোষজায়া}}
* {{বাউ|শৈলেন ঘোষ}}
* {{বাউ|শৈলেন রায়}}
* {{বাউ|শৈলেন্দ্র সরকার}}
* {{বাউ|শৈলেশ দে}}
* {{বাউ|শোভনা শর্মা}}
* {{বাউ|শোভনাসুন্দরী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শোভা রানী ত্রিপুরা}}
* {{বাউ|শোহিদ আলী}}
* {{বাউ|শৌভিক দে সরকার}}
* {{বাউ|শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর}}
* {{বাউ|শ্যামমোহিনী দেবী}}
* {{বাউ|শ্যামল কুমার সেন}}
* {{বাউ|শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শ্যামল গুপ্ত}}
* {{বাউ|শ্যামল দত্ত রায়}}
* {{বাউ|শ্যামল বসাক}}
* {{বাউ|শ্যামল মিত্র}}
* {{বাউ|শ্যামলকৃষ্ণ ঘোষ}}
* {{বাউ|শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|শ্যামসুন্দর চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|শ্যামসুন্দর বৈষ্ণব}}
* {{বাউ|শ্যামাচরণ শ্রীমানী}}
* {{বাউ|শ্যামাদাস চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শ্যামাদাস মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (পরিসংখ্যানবিদ)}}
* {{বাউ|শ্রাবন্তী নারমীন আলী}}
* {{বাউ|শ্রী জহির}}
* {{বাউ|শ্রী পারাবত}}
* {{বাউ|শ্রী প্রীতম}}
* {{বাউ|শ্রীকর নন্দী}}
* {{বাউ|শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শ্রীজাত}}
* {{বাউ|শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ}}
* {{বাউ|শ্রীধর আচার্য}}
* {{বাউ|শ্রীধর ভেঙ্কটেশ কেতকর}}
* {{বাউ|শ্রীমতি রাসাসুন্দরী}}
* {{বাউ|শ্রীশচন্দ্র নন্দী}}
* {{বাউ|শ্রীশচন্দ্র বিদ্যারত্ন}}
* {{বাউ|শ্রীশচন্দ্র মজুমদার}}
* {{বাউ|শ্রেয়সী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শ্রেষ্ঠ নাট্যকারের জন্য মেরিল-প্রথম আলো সমালোচক পুরস্কার}}
* {{বাউ|শ্ৰীকৃষ্ণ সার্বভৌম}}
* {{বাউ|ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সংগ্রাম কুমার দোলই}}
* {{বাউ|সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সঙ্ঘমিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সজনীকান্ত দাস}}
* {{বাউ|সজীব দাস}}
* {{বাউ|সঞ্চিতা ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|সঞ্জয় (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|সঞ্জয় কুমার অধিকারী}}
* {{বাউ|সঞ্জয় গুহঠাকুরতা}}
* {{বাউ|সতীকান্ত গুহ}}
* {{বাউ|সতীনাথ ভাদুড়ী}}
* {{বাউ|সতীশচন্দ্র আচার্য বিদ্যাভূষণ}}
* {{বাউ|সতীশচন্দ্র দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|সতীশচন্দ্র পাকড়াশী}}
* {{বাউ|সতীশচন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|সতীশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সত্য চৌধুরী}}
* {{বাউ|সত্য সাহা}}
* {{বাউ|সত্যপ্রিয় ঘোষ}}
* {{বাউ|সত্যপ্রিয় মহাথের}}
* {{বাউ|সত্যবতী (ব্যোমকেশ বক্সীর স্ত্রী)}}
* {{বাউ|সত্যব্রত সামশ্রমী}}
* {{বাউ|সত্যরঞ্জন বকসি}}
* {{বাউ|সত্যানন্দ গিরি}}
* {{বাউ|সত্যানন্দ দাশ}}
* {{বাউ|সত্যেন সেন}}
* {{বাউ|সত্যেন্দ্র চন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|সত্যেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সত্যেন্দ্রনাথ মৈত্র}}
* {{বাউ|সত্যেন্দ্রনাথ সেন}}
* {{বাউ|সনাতন গোস্বামী}}
* {{বাউ|সন্তোষ গুপ্ত}}
* {{বাউ|সন্তোষ চন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|সন্তোষ ঢালী}}
* {{বাউ|সন্তোষ রানা}}
* {{বাউ|সন্তোষকুমার ঘোষ}}
* {{বাউ|সন্তোষকুমারী দেবী}}
* {{বাউ|সন্দীপ ঘোষ}}
* {{বাউ|সন্দীপ দত্ত}}
* {{বাউ|সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সন্ধ্যাকর নন্দী}}
* {{বাউ|সন্মথ দত্ত}}
* {{বাউ|সন্মাত্রানন্দ}}
* {{বাউ|সন্জীদা খাতুন}}
* {{বাউ|সনৎ কর}}
* {{বাউ|সনৎ কুমার সাহা}}
* {{বাউ|সপ্তর্ষি ব্যানার্জি}}
* {{বাউ|সফিউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|সফিউদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|সবিতা রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|সবিতাব্রত দত্ত}}
* {{বাউ|সব্যসাচী মুখোপাধ্যায় (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|সমর দাস}}
* {{বাউ|সমর বাগচী}}
* {{বাউ|সমর মজুমদার}}
* {{বাউ|সমর সেন}}
* {{বাউ|সমরজিৎ রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্র কুমার মিত্র}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্র চন্দ্র দেব}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্র নাথ পাণ্ডে}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্র মল্লিক}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্রনাথ রায়}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্রনাথ সেন}}
* {{বাউ|সমরেশ বসু}}
* {{বাউ|সমাপ্তি চ্যাটার্জি}}
* {{বাউ|সমীর কুমার সাহা}}
* {{বাউ|সমীর রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|সমুদ্র গুপ্ত (কবি)}}
* {{বাউ|সরকার প্রতিক}}
* {{বাউ|সরদার জয়েনউদ্দীন}}
* {{বাউ|সরদার ফজলুল করিম}}
* {{বাউ|সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীর}}
* {{বাউ|সরদার মোশারফ হোসেন}}
* {{বাউ|সরদার মোহাম্মদ আবদুল হামিদ}}
* {{বাউ|সরযূবালা দেবী}}
* {{বাউ|সরযূবালা সেন}}
* {{বাউ|সরলা বসু}}
* {{বাউ|সরলা বিড়লা}}
* {{বাউ|সরলা রায়}}
* {{বাউ|সরসীবালা বসু}}
* {{বাউ|সরোজ কান্তি সিংহ হাজারী}}
* {{বাউ|সরোজ গুপ্ত}}
* {{বাউ|সরোজ ঘোষ}}
* {{বাউ|সরোজ দত্ত}}
* {{বাউ|সরোজ নলিনী দত্ত}}
* {{বাউ|সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সরোজকুমার রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ}}
* {{বাউ|সলিল চৌধুরী}}
* {{বাউ|সলিল সেন}}
* {{বাউ|সহিদুল করিম}}
* {{বাউ|সহিফা বানু}}
* {{বাউ|সাইদা খানম}}
* {{বাউ|সাইদুল আনাম টুটুল}}
* {{বাউ|সাইদুল হাসান (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|সাইদুস সালেহীন খালেদ সুমন}}
* {{বাউ|সাইফ হাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|সাইফউদ-দীন চৌধুরী}}
* {{বাউ|সাইফুজ্জামান শিখর}}
* {{বাউ|সাইফুদ্দিন শাহ্}}
* {{বাউ|সাইফুর রহমান}}
* {{বাউ|সাইফুল আজম কাশেম}}
* {{বাউ|সাইফুল ইসলাম (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|সাইফুল ইসলাম মান্নু}}
* {{বাউ|সাইফুল হক}}
* {{বাউ|সাইম রানা}}
* {{বাউ|সাইমন জাকারিয়া}}
* {{বাউ|সাইয়িদ আতীকুল্লাহ}}
* {{বাউ|সাঈদ আহমদ}}
* {{বাউ|সাঈদ উদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|সাঈদ হায়দার}}
* {{বাউ|সাঈদ-উর-রহমান}}
* {{বাউ|সাঈদা মুনা তাসনিম}}
* {{বাউ|সাকিব ফাহাদ}}
* {{বাউ|সাগর জাহান}}
* {{বাউ|সাগরময় ঘোষ}}
* {{বাউ|সাগরলাল দত্ত}}
* {{বাউ|সাজিদুর রহমান}}
* {{বাউ|সাজেদুল করিম}}
* {{বাউ|সাজ্জাদুল হাসান (আমলা)}}
* {{বাউ|সাদাত আবুল মাসুদ}}
* {{বাউ|সাদাত হোসাইন}}
* {{বাউ|সাদি মহম্মদ}}
* {{বাউ|সাদিক হোসেন}}
* {{বাউ|সাদিয়া ফাইজুন্নেসা}}
* {{বাউ|সাদির উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|সাদেক খান (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|সাধনা আহমেদ}}
* {{বাউ|সানাউল হক}}
* {{বাউ|সানাউল হক খান}}
* {{বাউ|সানাউল্লাহ নূরী}}
* {{বাউ|সানি সানোয়ার}}
* {{বাউ|সানিয়া সুলতানা লিজা}}
* {{বাউ|সানী জুবায়ের}}
* {{বাউ|সাফি উদ্দিন সাফি}}
* {{বাউ|সাবরিনা পড়শী}}
* {{বাউ|সাবিত্রী রায়}}
* {{বাউ|সাব্বির নাসির}}
* {{বাউ|সামন্ত লাল সেন}}
* {{বাউ|সামসুল হক (কবি)}}
* {{বাউ|সামিনা চৌধুরী}}
* {{বাউ|সামিয়া জামান}}
* {{বাউ|সাযযাদ কাদির}}
* {{বাউ|সায়মা ওয়াজেদ পুতুল}}
* {{বাউ|সায়েদুর রহমান}}
* {{বাউ|সায়েবা আখতার}}
* {{বাউ|সারদাচরণ মিত্র}}
* {{বাউ|সারদারঞ্জন রায়}}
* {{বাউ|সারা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সারা যাকের}}
* {{বাউ|সারা হোসেন}}
* {{বাউ|সালমা ইসলাম}}
* {{বাউ|সালমা মাসুদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|সালমা সুলতানা}}
* {{বাউ|সালমা সোবহান}}
* {{বাউ|সালাউদ্দিন সরদার}}
* {{বাউ|সালাহ উদ্দিন ইউসুফ}}
* {{বাউ|সালাহ উদ্দিন নানুপুরী}}
* {{বাউ|সালাহউদ্দিন (চলচ্চিত্র পরিচালক)}}
* {{বাউ|সালাহউদ্দিন আহমেদ (অ্যাটর্নি জেনারেল)}}
* {{বাউ|সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী}}
* {{বাউ|সালাহউদ্দিন লাভলু}}
* {{বাউ|সালিমুল হক}}
* {{বাউ|সালেহ উদ্দিন}}
* {{বাউ|সালেহ উদ্দীন আহমদ জহুরী}}
* {{বাউ|সালেহ হাসান নকীব}}
* {{বাউ|সালেহউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|সাহানাজ সুলতানা}}
* {{বাউ|সাহিদা বেগম}}
* {{বাউ|সি এম শফি সামি}}
* {{বাউ|সি. বি. জামান}}
* {{বাউ|সিকদার আমিনুল হক}}
* {{বাউ|সিকদার মাহমুদুর রাজী}}
* {{বাউ|সিগমা হুদা}}
* {{বাউ|সিতারা বেগম}}
* {{বাউ|সিদ্দিক আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|সিদ্দিকা কবীর}}
* {{বাউ|সিদ্দিকুর রহমান মিয়া}}
* {{বাউ|সিদ্ধার্থ ঘোষ}}
* {{বাউ|সিদ্ধার্থ মুখার্জী}}
* {{বাউ|সিদ্ধেশ্বর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সিয়াম আহমেদ}}
* {{বাউ|সিরাজ উদদীন আহমেদ}}
* {{বাউ|সিরাজ উদ্দিন মিয়া}}
* {{বাউ|সিরাজ সাঁই}}
* {{বাউ|সিরাজ হায়দার}}
* {{বাউ|সিরাজুদ্দীন হোসেন}}
* {{বাউ|সিরাজুর রহমান}}
* {{বাউ|সিরাজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|সিরাজুল ইসলাম (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|সিরাজুল ইসলাম (কবি)}}
* {{বাউ|সিরাজুল করিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|সিরাজুল হক (বাচ্চু মিয়া)}}
* {{বাউ|সিরাজুল হক (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|সিরাজুল হক খান}}
* {{বাউ|সিরিল সিকদার}}
* {{বাউ|সীতা দেবী}}
* {{বাউ|সীতানাথ তত্ত্বভূষণ}}
* {{বাউ|সীতানাথ সিদ্ধান্তবাগীশ}}
* {{বাউ|সুকন্যা দত্ত}}
* {{বাউ|সুকান্ত চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুকুমারী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|সুখময় চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুখরঞ্জন সমাদ্দার}}
* {{বাউ|সুগত বসু}}
* {{বাউ|সুগত মারজিত}}
* {{বাউ|সুচরিত চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুচারু দেবী}}
* {{বাউ|সুচিত্রা মিত্র}}
* {{বাউ|সুজন দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুজন বড়ুয়া}}
* {{বাউ|সুজয় পল}}
* {{বাউ|সুজাত খান (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|সুজেয় শ্যাম}}
* {{বাউ|সুতপা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুতপা বসু}}
* {{বাউ|সুদর্শন ঘোষ দস্তিদার}}
* {{বাউ|সুদীপ্ত-হেরম্যান}}
* {{বাউ|সুদীপ্তা সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুদেষ্ণা রায়}}
* {{বাউ|সুদেষ্ণা সিনহা}}
* {{বাউ|সুধাংশু দত্ত মজুমদার}}
* {{বাউ|সুধাংশু শেখর হালদার}}
* {{বাউ|সুধাংশুকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুধাংশুবালা হাজরা}}
* {{বাউ|সুধীন দত্ত}}
* {{বাউ|সুধীন দাশ}}
* {{বাউ|সুধীন দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুধীন্দ্রনাথ রাহা}}
* {{বাউ|সুধীর চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুধীরকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুধীরচন্দ্র কর}}
* {{বাউ|সুধীরঞ্জন প্রধান}}
* {{বাউ|সুধীরনাথ সান্যাল}}
* {{বাউ|সুধীরলাল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুনন্দ সান্যাল}}
* {{বাউ|সুনন্দা শিকদার}}
* {{বাউ|সুনয়নী দেবী}}
* {{বাউ|সুনীতি দেবী}}
* {{বাউ|সুনীতিকুমার পাঠক}}
* {{বাউ|সুনীল দাশ (লেখক)}}
* {{বাউ|সুনেত্রা গুপ্ত}}
* {{বাউ|সুন্দরীমোহন দাস}}
* {{বাউ|সুপ্রিয়া চৌধুরী (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|সুফি (কার্টুনিস্ট)}}
* {{বাউ|সুফি মিজানুর রহমান}}
* {{বাউ|সুফি মোতাহার হোসেন}}
* {{বাউ|সুফিয়া খাতুন}}
* {{বাউ|সুফী জুলফিকার হায়দার}}
* {{বাউ|সুবল দাস}}
* {{বাউ|সুবিমল বসাক}}
* {{বাউ|সুবিমল মিশ্র}}
* {{বাউ|সুবোধ ঘোষ}}
* {{বাউ|সুবোধ মিত্র}}
* {{বাউ|সুবোধ সরকার}}
* {{বাউ|সুবোধকুমার চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুব্রত রায় (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|সুব্রত রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুভাষ চন্দ্র শীল}}
* {{বাউ|সুভাষ চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুভাষ দত্ত}}
* {{বাউ|সুভাষ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|সুভাষ মুখোপাধ্যায় (কবি)}}
* {{বাউ|সুভাষ সিংহ রায়}}
* {{বাউ|সুভো ঠাকুর}}
* {{বাউ|সুমথনাথ ঘোষ}}
* {{বাউ|সুমন কল্যাণপুর}}
* {{বাউ|সুমন চট্টোপাধ্যায় (সাংবাদিক ও লেখক)}}
* {{বাউ|সুমন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুমনা রায়}}
* {{বাউ|সুমনা সিনহা}}
* {{বাউ|সুমিত রায়}}
* {{বাউ|সুমিত সরকার}}
* {{বাউ|সুমিত সাহা}}
* {{বাউ|সুরজিৎচন্দ্র লাহিড়ী}}
* {{বাউ|সুরজিৎচন্দ্র সিনহা}}
* {{বাউ|সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুরবালা ঘোষ}}
* {{বাউ|সুরমা জাহিদ}}
* {{বাউ|সুরমা মিত্র দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্র কুমার সিনহা}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্র নারায়ণ দাশ}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রকুমার দে}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ ঘোষ}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ মিত্র}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|সুরেশ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|সুরেশ রঞ্জন বসাক}}
* {{বাউ|সুরেশচন্দ্র চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুরেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুলতান আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুলতান উদ্দিন ভূঞা}}
* {{বাউ|সুলতান হোসেন খান}}
* {{বাউ|সুলতানা আফরোজ}}
* {{বাউ|সুলতানা ইয়াসমিন লায়লা}}
* {{বাউ|সুলতানা কামাল}}
* {{বাউ|সুলতানা নুরুন নাহার}}
* {{বাউ|সুলতানা ফিরদৌসী}}
* {{বাউ|সুলতানা সারওয়াত আরা জামান}}
* {{বাউ|সুলতানুল কবির চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুশান্ত মজুমদার}}
* {{বাউ|সুশীল কুমার দে}}
* {{বাউ|সুশীল জানা}}
* {{বাউ|সুশীল রঞ্জন চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুশীলকুমার ঘোষ}}
* {{বাউ|সুশীলকুমার মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুশীলা অনিতা ব্যানার্জী}}
* {{বাউ|সুশোভন বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুশোভন সরকার}}
* {{বাউ|সুষমা দাস}}
* {{বাউ|সুস্মিতা আনিস}}
* {{বাউ|সুস্মিতা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুস্মিতা বসু}}
* {{বাউ|সুস্মিতা বসু মজুমদার}}
* {{বাউ|সুহরাব হোসেন}}
* {{বাউ|সুহাস চন্দ্র দত্ত রায়}}
* {{বাউ|সুহাসিনী দাস}}
* {{বাউ|সূর্যকুমার সর্বাধিকারী}}
* {{বাউ|সেকুল ইসলাম}}
* {{বাউ|সেজান মাহমুদ}}
* {{বাউ|সেজুল হোসেন}}
* {{বাউ|সেলিনা আখতার}}
* {{বাউ|সেলিনা পারভীন}}
* {{বাউ|সেলিনা বানু}}
* {{বাউ|সেলিনা বাহার জামান}}
* {{বাউ|সেলিনা হায়াৎ আইভী}}
* {{বাউ|সেলিম আলতাফ জর্জ}}
* {{বাউ|সেলিম মাহমুদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ অহিদুজ্জামান ডায়মন্ড}}
* {{বাউ|সৈয়দ আকরম হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ আক্তার হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ আজিজুল হক}}
* {{বাউ|সৈয়দ আতিকুল হক}}
* {{বাউ|সৈয়দ আনোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ আনোয়ারুল করিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবদুস সামাদ (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবদুস সুলতান}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবদুস সোবহান}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবু কাওসার মো. দবিরুশ্বান}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবুল মকসুদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবুল মনসুর হাবিবুল্লাহ}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবুল মাসুদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ আব্দুন নূর হোছেনী চিশতি}}
* {{বাউ|সৈয়দ আব্দুল মজিদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ আব্দুল হাদী}}
* {{বাউ|সৈয়দ আমিরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|সৈয়দ আমীর আলী}}
* {{বাউ|সৈয়দ আলতাফ হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ এ কে এম এমদাদুল বারী}}
* {{বাউ|সৈয়দ এ. বি. মাহমুদ হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ এ.বি মাহমুদুল হক}}
* {{বাউ|সৈয়দ এমদাদ আলী}}
* {{বাউ|সৈয়দ গিয়াসউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া}}
* {{বাউ|সৈয়দ জাহাঙ্গীর}}
* {{বাউ|সৈয়দ জাহেদ মনসুর}}
* {{বাউ|সৈয়দ জে. আর. মোদাচ্ছির হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ তারেক হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী}}
* {{বাউ|সৈয়দ নওশের আলী}}
* {{বাউ|সৈয়দ নজমুল হক (বুদ্ধিজীবী)}}
* {{বাউ|সৈয়দ নাজমুদ্দীন হাশেম}}
* {{বাউ|সৈয়দ নাজমুল হক}}
* {{বাউ|সৈয়দ নূরুদ্দিন}}
* {{বাউ|সৈয়দ নূরুদ্দীন}}
* {{বাউ|সৈয়দ পীর বাদশাহ}}
* {{বাউ|সৈয়দ ফজলুল করিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ ফয়জুল করিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ ফাহিম মুনাইম}}
* {{বাউ|সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|সৈয়দ মাইনুল হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ মাহমুদ হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ মুর্তাজা আলী}}
* {{বাউ|সৈয়দ মুহাম্মদ আবদুল ফায়েজ}}
* {{বাউ|সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ মুহাম্মদ ইসহাক}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান নিজামী শাহ}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ তাজরুল হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ তৈফুর}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ রায়হান উদ্দিন}}
* {{বাউ|সৈয়দ রেজাউল করিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ রেফাত আহমেদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ শাহ ইসরাইল}}
* {{বাউ|সৈয়দ শাহনুর}}
* {{বাউ|সৈয়দ শাহিদুর রহমান}}
* {{বাউ|সৈয়দ সফিউল্লাহ}}
* {{বাউ|সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ সুলতান}}
* {{বাউ|সৈয়দ হাবিবুল হক}}
* {{বাউ|সৈয়দ হাসান আহমদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ হুমায়ুন আখতার}}
* {{বাউ|সৈয়দ হেদায়েতউল্লাহ}}
* {{বাউ|সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু}}
* {{বাউ|সৈয়দা ইসাবেলা}}
* {{বাউ|সৈয়দা মরিয়ম গুলশান হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দা মোতাহেরা বানু}}
* {{বাউ|সৈয়দা রুবিনা আক্তার}}
* {{বাউ|সোনালি চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সোনালী বসু}}
* {{বাউ|সোনিয়া নিশাত আমিন}}
* {{বাউ|সোমদত্তা সিনহা}}
* {{বাউ|সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সোমনাথ লাহিড়ী}}
* {{বাউ|সোমলতা আচার্য্য চৌধুরী}}
* {{বাউ|সোমশুক্লা}}
* {{বাউ|সোমা চৌধুরী}}
* {{বাউ|সোমেন চন্দ}}
* {{বাউ|সোমেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সোমেন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|সোমেশচন্দ্র বসু}}
* {{বাউ|সোমেশ্বর অলি}}
* {{বাউ|সোমেশ্বরপ্রসাদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|সোল্স}}
* {{বাউ|সোহরাব আলী সানা}}
* {{বাউ|সোহানুর রহমান সোহান}}
* {{বাউ|সোহিনী আলম}}
* {{বাউ|সোহিনী রায়}}
* {{বাউ|সোহেল রানা (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|সৌগত রায়}}
* {{বাউ|সৌদামিনী দেবী}}
* {{বাউ|সৌমিত্র শেখর দে}}
* {{বাউ|সৌমেন্দ্র সরকার}}
* {{বাউ|সৌম্যদীপ মুর্শিদাবাদী}}
* {{বাউ|সৌরভ পাল}}
* {{বাউ|সৌরীন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|সৌরীন্দ্রমোহন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|স্টেলা ক্রামরিশ}}
* {{বাউ|স্থবির দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|স্নেহময় দত্ত}}
* {{বাউ|স্নেহাংশুকান্ত আচার্য}}
* {{বাউ|স্নেহাসিক্তা স্বর্ণকার}}
* {{বাউ|স্বদেশ রায়}}
* {{বাউ|স্বপন কুমার পতি}}
* {{বাউ|স্বপন গুপ্ত}}
* {{বাউ|স্বপন দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|স্বপনকুমার চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|স্বপ্নময় চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|স্বপ্নীল সজীব}}
* {{বাউ|স্বরব্যাঞ্জো}}
* {{বাউ|স্বরোচিষ সরকার}}
* {{বাউ|স্বাধীন কুমার মন্ডল}}
* {{বাউ|স্বামী অসক্তানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী গম্ভীরানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী নিগমানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী নিরঞ্জনানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী প্রণবানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী প্রভবানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী বিরজানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী বোধানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী মাধবানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী লোকেশ্বরানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী শিবানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী সত্যানন্দ পুরী}}
* {{বাউ|স্বামী সমর্পণানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী সারদানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী স্বরূপানন্দ}}
* {{বাউ|স্মরণজিৎ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|স্যাভি গুপ্ত}}
* {{বাউ|স্যামসন এইচ চৌধুরী}}
* {{বাউ|হংসনারায়ণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|হবিবুর রহমান}}
* {{বাউ|হবীবুল্লাহ বাহার চৌধুরী}}
* {{বাউ|হযরত আলী (কৃষিতত্ত্ববিদ)}}
* {{বাউ|হরচন্দ্র ঘোষ (নাট্যকার)}}
* {{বাউ|হরপ্রসাদ শাস্ত্রী}}
* {{বাউ|হরলাল রায়}}
* {{বাউ|হরি কেশব সেন}}
* {{বাউ|হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হরিদাস পাল}}
* {{বাউ|হরিদাস ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|হরিদাস সিদ্ধান্তবাগীশ}}
* {{বাউ|হরিদেব}}
* {{বাউ|হরিনাথ দে}}
* {{বাউ|হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হরিপদ কাপালী}}
* {{বাউ|হরিপদ দত্ত}}
* {{বাউ|হরিশ চন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|হরিশংকর জলদাস}}
* {{বাউ|হরিশংকর দাশ}}
* {{বাউ|হরিশঙ্কর বাসুদেবন}}
* {{বাউ|হরিশ্চন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হরিসাধন চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হরিহর শেঠ}}
* {{বাউ|হরীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হরেকৃষ্ণ কোঙার}}
* {{বাউ|হরেন ঘটক}}
* {{বাউ|হরেন ঘোষ}}
* {{বাউ|হরেন্দ্র কুমার মুখার্জি}}
* {{বাউ|হরেন্দ্রনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|হর্ষ দত্ত}}
* {{বাউ|হর্ষবর্ধন-গোবর্ধন (চরিত্র)}}
* {{বাউ|হলধর পটল}}
* {{বাউ|হাকিম হাবিবুর রহমান}}
* {{বাউ|হাছন রাজা (হাসন রাজা)}}
* {{বাউ|হাজী মুহাম্মদ নছীম}}
* {{বাউ|হাজেরা মাহতাব}}
* {{বাউ|হাতেম আলী মিয়া}}
* {{বাউ|হানিফ পাঠান}}
* {{বাউ|হানিফউদ্দিন মিয়া}}
* {{বাউ|হাফিজা খাতুন}}
* {{বাউ|হাবিব ওয়াহিদ}}
* {{বাউ|হাবিবুর রহমান (তোতা মিয়া)}}
* {{বাউ|হাবিবুর রহমান আকন}}
* {{বাউ|হাবিবুর রহমান খান}}
* {{বাউ|হাবিবুর রহমান মিলন}}
* {{বাউ|হাবিবুল ইসলাম ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|হাবীবুর রহমান (কবি)}}
* {{বাউ|হাবীবুল্লাহ সিরাজী}}
* {{বাউ|হামিদা বেগম}}
* {{বাউ|হামিদা হোসেন}}
* {{বাউ|হামিদুজ্জামান খান}}
* {{বাউ|হামিদুজ্জামান সরকার}}
* {{বাউ|হামিদুর রহমান (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|হামিদুল হক খন্দকার}}
* {{বাউ|হামিদুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|হামিন আহমেদ}}
* {{বাউ|হামিরুদ্দিন মিদ্যা}}
* {{বাউ|হামুদুর রহমান}}
* {{বাউ|হামেদুর রহমান}}
* {{বাউ|হায়দার আকবর খান রনো}}
* {{বাউ|হায়দার হোসেন}}
* {{বাউ|হায়াৎ সাইফ}}
* {{বাউ|হারুন আল রশিদ}}
* {{বাউ|হারুন হাবীব}}
* {{বাউ|হারুনর রশিদ}}
* {{বাউ|হালিমা খাতুন}}
* {{বাউ|হাশেম খান}}
* {{বাউ|হাসনা জসিম উদ্দিন মওদুদ}}
* {{বাউ|হাসনা বেগম}}
* {{বাউ|হাসমত}}
* {{বাউ|হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|হাসান মতিউর রহমান}}
* {{বাউ|হাসান মশহুদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|হাসান মাসুদ}}
* {{বাউ|হাসান মাহমুদ খন্দকার}}
* {{বাউ|হাসান শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|হাসান সাইফুদ্দিন চন্দন}}
* {{বাউ|হাসান সিরাজ সুজা}}
* {{বাউ|হাসান সোহরাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|হাসান হাফিজ}}
* {{বাউ|হাসানউজ্জামান খান}}
* {{বাউ|হাসিনা খান}}
* {{বাউ|হাসিনা মমতাজ (কণ্ঠশিল্পী)}}
* {{বাউ|হাসিনা মুর্শেদ}}
* {{বাউ|হাসিবুন নাহার}}
* {{বাউ|হাসিবুর রেজা কল্লোল}}
* {{বাউ|হাসিবুল ইসলাম মিজান}}
* {{বাউ|হাসিরাশি দেবী}}
* {{বাউ|হিতেশরঞ্জন সান্যাল}}
* {{বাউ|হিমাংশু দত্ত}}
* {{বাউ|হিমানি বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হিমানীশ গোস্বামী}}
* {{বাউ|হিমু আকরাম}}
* {{বাউ|হিমেল আশরাফ}}
* {{বাউ|হিরণ্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হিরন্ময় সেন গুপ্ত}}
* {{বাউ|হীরালাল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|হীরালাল চৌধুরী}}
* {{বাউ|হীরেন্দ্রনাথ দত্ত}}
* {{বাউ|হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হুকাকাশি}}
* {{বাউ|হুমায়ুন কবির}}
* {{বাউ|হুমায়ুন কবির (কবি)}}
* {{বাউ|হুমায়ুন কবীর বালু}}
* {{বাউ|হুমায়ূন কবীর ঢালী}}
* {{বাউ|হুমায়ূন কবীর সাধু}}
* {{বাউ|হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|হুসনা আহমেদ}}
* {{বাউ|হুসনা বানু খানম}}
* {{বাউ|হৃদয় খান}}
* {{বাউ|হেনা দাস}}
* {{বাউ|হেমচন্দ্র বসু}}
* {{বাউ|হেমচন্দ্র বাগচী}}
* {{বাউ|হেমচন্দ্র রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|হেমন্ত মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হেমন্তকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হেমন্তকুমার সরকার}}
* {{বাউ|হেমাঙ্গ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|হেমেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হেমেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|হেমেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হেমেন্দ্রনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|হেরম্বচন্দ্র মৈত্র}}
* {{বাউ|হেলেনা খান}}
* {{বাউ|হৈমন্তী রক্ষিত}}
* {{বাউ|হৈমন্তী শুক্লা}}
* {{বাউ|হোসনে আরা (কবি)}}
* {{বাউ|হোসনে আরা বেগম (সমাজকর্মী)}}
* {{বাউ|হোসনে আরা শাহেদ}}
* {{বাউ|হোসেন উদ্দিন শেখর}}
* {{বাউ|হোসেন জিল্লুর রহমান}}
* {{বাউ|হোসেনউদ্দীন হোসেন}}
* {{বাউ|হ্যানা সেন}}
{{Div col end}}
== অনুবাদ ==
এটি একটি সহায়ক তালিকা মাত্র। ভূক্তি তৈরির জন্য [https://en.wikiquote.org ইংরেজি উইকিউক্তি] থেকে ন্যূনতম ৩টি ভুক্তি এবং ১৫০ শব্দ সংবলিত পাতা বাংলায় অনুবাদ করতে পারেন।
=== অবাঙালি ব্যক্তি ===
{{Div col|colwidth=20em|rules=yes}}
* {{eq|A. C. Benson|এ. সি. বেনসন}}
* {{eq|A. C. Bradley|এ. সি. ব্র্যাডলি}}
* {{eq|A. J. P. Taylor|এ. জে. পি. টেলর}}
* {{eq|Abdulrazak Gurnah|আবদুলরাজাক গুরনাহ}}
* {{eq|Abdus Salam|আবদুস সালাম}}
* {{eq|Abhijit Naskar|অভিজিৎ নস্কর}}
* {{eq|Abiy Ahmed|আবি আহমেদ}}
* {{eq|Abraham Pais|আব্রাহাম পাইস}}
* {{eq|Adam Riess|অ্যাডাম রিস}}
* {{eq|Ahmed Zewail|আহমেদ জেওয়াইল}}
* {{eq|Al Gore|আল গোর}}
* {{eq|Al-Biruni|আল-বিরুনি}}
* {{eq|Al-Farabi|আল-ফারাবি}}
* {{eq|Al-Jahiz|আল-জাহিয}}
* {{eq|Alain Aspect|আলাঁ আস্পে}}
* {{eq|Alain de Botton|আলাঁ দ্য বতোঁ}}
* {{eq|Alan Guth|অ্যালান গুথ}}
* {{eq|Alan Kay|অ্যালান কে}}
* {{eq|Alan Perlis|অ্যালান পারলিস}}
* {{eq|Albert Hofmann|আলবার্ট হফমান}}
* {{eq|Albert I of Belgium|প্রথম আলবার্ট (বেলজিয়াম)}}
* {{eq|Albert Schweitzer|আলবার্ট সোয়াইৎজার}}
* {{eq|Albertus Magnus|আলবার্টাস ম্যাগনাস}}
* {{eq|Aldo Leopold|অ্যাল্ডো লিওপোল্ড}}
* {{eq|Aleksandr Solzhenitsyn|আলেকসান্দ্র্ সলজেনিৎসিন}}
* {{eq|Alex Haley|অ্যালেক্স হেইলি}}
* {{eq|Alexander Fleming|আলেকজান্ডার ফ্লেমিং}}
* {{eq|Alexander Grothendieck|আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক}}
* {{eq|Alexander von Humboldt|আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট}}
* {{eq|Alfred Aho|আলফ্রেড আহো}}
* {{eq|Alfred Kinsey|আলফ্রেড কিনসে}}
* {{eq|Alfred Marshall|আলফ্রেড মার্শাল}}
* {{eq|Alfred Nobel|আলফ্রেড নোবেল}}
* {{eq|Alfred North Whitehead|আলফ্রেড নর্থ হোয়াইটহেড}}
* {{eq|Alfred Russel Wallace|আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস}}
* {{eq|Alice Munro|অ্যালিস মানরো}}
* {{eq|Amina J. Mohammed|আমিনা জে. মোহাম্মদ}}
* {{eq|Amit Goswami|অমিত গোস্বামী}}
* {{eq|Amos Tversky|আমোস তভারস্কি}}
* {{eq|Anaxagoras|আনাক্সাগোরাস}}
* {{eq|Anaximander|অ্যানাক্সিম্যান্ডার}}
* {{eq|Andreas Vesalius|আন্দ্রিয়াস ভেসালিয়াস}}
* {{eq|Andrei Sakharov|আন্দ্রেই সাখারভ}}
* {{eq|Andrew Wiles|অ্যান্ড্রু ওয়াইলস}}
* {{eq|André Gide|অঁদ্রে জিদ}}
* {{eq|André-Marie Ampère|অঁদ্রে-মারি অম্পেয়্যার}}
* {{eq|Angela Merkel|আঙ্গেলা ম্যার্কেল}}
* {{eq|Anita Brookner|অনিতা ব্রুকনার}}
* {{eq|Anita Desai|অনিতা দেসাই}}
* {{eq|Anne Applebaum|অ্যান অ্যাপলবাউম}}
* {{eq|Annie Ernaux|আনি এরনো}}
* {{eq|Antoine Lavoisier|অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে}}
* {{eq|Aravind Adiga|অরবিন্দ আদিগা}}
* {{eq|Arthur Balfour|আর্থার বেলফোর}}
* {{eq|Arthur Eddington|আর্থার এডিংটন}}
* {{eq|Arthur Kornberg|আর্থার কর্নবার্গ}}
* {{eq|Arthur Leonard Schawlow|আর্থার লিওনার্ড শলো}}
* {{eq|Ash Carter|অ্যাশ কার্টার}}
* {{eq|Atle Selberg|আটলে সেলবার্গ}}
* {{eq|Audrey Hepburn|অড্রে হেপবার্ন}}
* {{eq|August Kekulé|ফ্রিডরিখ আউগুস্ট কেকুলে}}
* {{eq|Augustin Louis Cauchy|ওগ্যুস্তাঁ লুই কোশি}}
* {{eq|Augustin-Jean Fresnel|ওগ্যুস্তাঁ-জঁ ফ্রেনেল}}
* {{eq|Aurel Stein|অরেল স্টেইন}}
* {{eq|Ban Ki-moon|বান কি-মুন}}
* {{eq|Baruch Samuel Blumberg|বারুক স্যামুয়েল ব্লুমবার্গ}}
* {{eq|Beatrix Potter|বিয়াট্রিক্স পটার}}
* {{eq|Ben Okri|বেন ওক্রি}}
* {{eq|Bernardine Evaristo|বার্নার্ডিন এভারিস্তো}}
* {{eq|Blaise Pascal|ব্লেজ পাসকাল}}
* {{eq|Bob Dylan|বব ডিলান}}
* {{eq|Boris Pasternak|বরিস পাস্তেরনাক}}
* {{eq|Boutros Boutros-Ghali|বুত্রোস বুত্রোস-ঘালি}}
* {{eq|Brian Cox (physicist)|ব্রায়ান কক্স (পদার্থবিজ্ঞানী)}}
* {{eq|Brian Greene|ব্রায়ান গ্রিন}}
* {{eq|Brian Schmidt|ব্রায়ান পি. শ্মিট}}
* {{eq|Brook Taylor|ব্রুক টেলর}}
* {{eq|Brussels|ব্রাসেলস}}
* {{eq|C. A. R. Hoare|সি. এ. আর. হোর}}
* {{eq|C. N. Ramachandra Rao|সি. এন. রামচন্দ্র রাও}}
* {{eq|C. V. Raman|চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন}}
* {{eq|Carl Bernstein|কার্ল বার্নস্টিন}}
* {{eq|Carl Linnaeus|কার্ল লিনিয়াস}}
* {{eq|Carlo Rubbia|কার্লো রুবিয়া}}
* {{eq|Carolyn Bertozzi|ক্যারোলিন বার্তোজি}}
* {{eq|Caryl Phillips|ক্যারিল ফিলিপস}}
* {{eq|Chaim Weizmann|হাইম ভাইৎসমান}}
* {{eq|Charles Fefferman|চার্লস ফেফারম্যান}}
* {{eq|Charles Hard Townes|চার্লস হার্ড টাউনস}}
* {{eq|Charles Lyell|চার্লস লিয়েল}}
* {{eq|Charles Sanders Peirce|চার্লস স্যান্ডার্স পার্স}}
* {{eq|Charles Scott Sherrington|চার্লস স্কট শেরিংটন}}
* {{eq|Cheikh Anta Diop|শেখ আন্তা দিওপ}}
* {{eq|Chinua Achebe|চিনুয়া আচেবে}}
* {{eq|Christiaan Barnard|ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড}}
* {{eq|Christiaan Huygens|ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস}}
* {{eq|Christopher Wren|ক্রিস্টোফার রেন}}
* {{eq|Claude Lévi-Strauss|ক্লোদ লেভি-স্ত্রোস}}
* {{eq|Claudia Sheinbaum|ক্লাউডিয়া শাইনবাউম}}
* {{eq|Colson Whitehead|কলসন হোয়াইটহেড}}
* {{eq|Craig Venter|ক্রেইগ ভেন্টর}}
* {{eq|Czesław Miłosz|চেসোয়াফ মিওশ}}
* {{eq|Cédric Villani|সেড্রিক ভিলানি}}
* {{eq|Dag Hammarskjöld|দ্যাগ হ্যামারশোল্ড}}
* {{eq|Damon Galgut|ড্যামন গ্যালগুট}}
* {{eq|Daniel Kahneman|ড্যানিয়েল কানেমান}}
* {{eq|Dave Barry|ডেভ ব্যারি}}
* {{eq|David Bohm|ডেভিড বম}}
* {{eq|David Brewster|ডেভিড ব্রুস্টার}}
* {{eq|David Chalmers|ডেভিড চালমারস}}
* {{eq|David Gross|ডেভিড জোনাথন গ্রোস}}
* {{eq|David Grossman|ডেভিড গ্রসম্যান}}
* {{eq|David Hilbert|ডাভিড হিলবের্ট}}
* {{eq|David Mamet|ডেভিড ম্যামেট}}
* {{eq|David McCullough|ডেভিড ম্যাককালাফ}}
* {{eq|David Suzuki|ডেভিড সুজুকি}}
* {{eq|Dennis Ritchie|ডেনিস রিচি}}
* {{eq|Desmond Morris|ডেসমন্ড মরিস}}
* {{eq|Desmond Tutu|ডেসমন্ড টুটু}}
* {{eq|Dian Fossey|ডায়ান ফসি}}
* {{eq|Dmitri Mendeleev|দিমিত্রি মেন্ডেলিভ}}
* {{eq|Dmitry Muratov|দিমিত্রি মুরাতভ}}
* {{eq|Donald Knuth|ডোনাল্ড কানুথ}}
* {{eq|Donald Tusk|ডোনাল্ড টাস্ক}}
* {{eq|Donna Strickland|ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড}}
* {{eq|Doris Lessing|ডরিস লেসিং}}
* {{eq|Dorothy Hodgkin|ডরোথি হজকিন}}
* {{eq|Douglas Engelbart|ডগলাস এঙ্গেলবার্ট}}
* {{eq|E. O. Wilson|ই. ও. উইলসন}}
* {{eq|Edith Wharton|ইডিথ হোয়ার্টন}}
* {{eq|Edmond Halley|এডমন্ড হ্যালি}}
* {{eq|Edsger W. Dijkstra|এডসগার ডাইকস্ট্রা}}
* {{eq|Edward Teller|এডওয়ার্ড টেলার}}
* {{eq|Edward Witten|এডওয়ার্ড উইটেন}}
* {{eq|Elias James Corey|ইলিয়াস জেমস কোরি}}
* {{eq|Elie Wiesel|এলি উইজেল}}
* {{eq|Elinor Ostrom|এলিনর অস্ট্রম}}
* {{eq|Elizabeth Bishop|এলিজাবেথ বিশপ}}
* {{eq|Ellen Johnson Sirleaf|এলেন জনসন সারলিফ}}
* {{eq|Emanuel Swedenborg|এমানুয়েল সোয়েডেনবার্গ}}
* {{eq|Emmy Noether|এমি নোয়েদার}}
* {{eq|Empedocles|এম্পেদোক্লেস}}
* {{eq|Enrico Fermi|এনরিকো ফের্মি}}
* {{eq|Epicurus|এপিকুরোস}}
* {{eq|Eric Hobsbawm|এরিক হবসবাউম}}
* {{eq|Eric Kandel|এরিক ক্যান্ডেল}}
* {{eq|Ernest Hemingway|আর্নেস্ট হেমিংওয়ে}}
* {{eq|Ernest Rutherford|আর্নেস্ট রাদারফোর্ড}}
* {{eq|Ernst Haeckel|এর্নস্ট হেকেল}}
* {{eq|Ernst Mach|এর্নস্ট মাখ}}
* {{eq|Ernst Mayr|এর্নস্ট মায়ার}}
* {{eq|Eugene O'Neill|ইউজিন ও'নিল}}
* {{eq|Eugene Wigner|ইউজিন পল উইগনার}}
* {{eq|European Parliament|ইউরোপীয় পার্লামেন্ট}}
* {{eq|European Union|ইউরোপীয় ইউনিয়ন}}
* {{eq|Evangelista Torricelli|ইভাঞ্জেলিস্টা টরিসেলি}}
* {{eq|F. W. de Klerk|এফ. ডব্লিউ. ডি ক্লার্ক}}
* {{eq|Fabiola Gianotti|ফাবিওলা জানোত্তি}}
* {{eq|Fakhr al-Din al-Razi|ফখরুদ্দীন আল-রাযী}}
* {{eq|Federico Faggin|ফেদেরিকো ফাগিন}}
* {{eq|Felix Bloch|ফেলিক্স ব্লখ}}
* {{eq|Flinders Petrie|ফ্লিন্ডার্স পেট্রি}}
* {{eq|Francis Collins|ফ্রান্সিস কলিন্স}}
* {{eq|Francis Crick|ফ্রান্সিস ক্রিক}}
* {{eq|Francis Galton|ফ্রান্সিস গ্যাল্টন}}
* {{eq|Francisco Varela|ফ্রান্সিস্কো ভারেলা}}
* {{eq|Frank Macfarlane Burnet|ফ্র্যাঙ্ক ম্যাকফারলেন বার্নেট}}
* {{eq|Frank Wilczek|ফ্র্যাঙ্ক উইলচেক}}
* {{eq|François Arago|ফ্রঁসোয়া আরাগন}}
* {{eq|François Englert|ফ্রঁসোয়া অংল্যার}}
* {{eq|François Mauriac|ফ্রঁসোয়া মরিয়াক}}
* {{eq|François Mitterrand|ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ}}
* {{eq|Fred Brooks|ফ্রেড ব্রুকস}}
* {{eq|Frederick Jackson Turner|ফ্রেডরিক জ্যাকসন টার্নার}}
* {{eq|Frederick Soddy|ফ্রেডরিক সডি}}
* {{eq|Fridtjof Nansen|ফ্রিডতিয়ফ নানসেন}}
* {{eq|Friedrich Hayek|ফ্রিডরিখ ফন হায়েক}}
* {{eq|Fritjof Capra|ফ্রিটজফ কাপরা}}
* {{eq|G. H. Hardy|জি. এইচ. হার্ডি}}
* {{eq|Gabriela Mistral|গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল}}
* {{eq|Gao Xingjian|কাও শিংচিয়েন}}
* {{eq|Gary Becker|গ্যারি বেকার}}
* {{eq|Geert Wilders|খের্ট ভিল্ডার্স}}
* {{eq|Geoffrey Hinton|জিওফ্রে হিন্টন}}
* {{eq|George Boole|জর্জ বুল}}
* {{eq|George Curzon, 1st Marquess Curzon of Kedleston|জর্জ ন্যাথানিয়েল কার্জন}}
* {{eq|George Gamow|জর্জ গ্যামো}}
* {{eq|George Smoot|জর্জ স্মুট}}
* {{eq|George Steiner|জর্জ স্টাইনার}}
* {{eq|George Stigler|জর্জ স্টিগলার}}
* {{eq|George Washington Carver|জর্জ ওয়াশিংটন কার্ভার}}
* {{eq|Georges Cuvier|জর্জ ক্যুভিয়ে}}
* {{eq|Georges-Louis Leclerc, Comte de Buffon|জর্জ-লুই ল্যক্লের, কোঁত দ্য বুফোঁ}}
* {{eq|Gerald Durrell|জেরাল্ড ডারেল}}
* {{eq|Gerhard Schröder|গেরহার্ড শ্রোডার}}
* {{eq|Gertrude B. Elion|গারট্রুড বি. এলিয়ন}}
* {{eq|Giorgio Parisi|জর্জিও পারিসি}}
* {{eq|Giorgos Seferis|ইয়োর্গোস সেফেরিস}}
* {{eq|Giosuè Carducci|জোযুয়ে কার্দুচ্চি}}
* {{eq|Glenn T. Seaborg|গ্লেন থিওডোর সিবর্গ}}
* {{eq|Goodluck Jonathan|গুডলাক জোনাথন}}
* {{eq|Gordon Moore|গর্ডন মুর}}
* {{eq|Gottfried Leibniz|গটফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎস}}
* {{eq|Gregor Mendel|গ্রেগর মেন্ডেল}}
* {{eq|Grigori Perelman|গ্রিগরি পেরেলমান}}
* {{eq|Gro Harlem Brundtland|গ্রো হারলেম ব্রুন্ডটল্যান্ড}}
* {{eq|Gustav Kirchhoff|গুস্টাফ কির্খফ}}
* {{eq|Gustav Stresemann|গুস্টাভ ষ্ট্রেজেমান}}
* {{eq|Gérard Debreu|জেরার দ্যব্রু}}
* {{eq|Göran Persson|গোরান পারসন}}
* {{eq|H. H. Asquith|এইচ. এইচ. অ্যাসকুইথ}}
* {{eq|Halldór Laxness|হালডোর ল্যাক্সনেস}}
* {{eq|Han Kang|হান কাং}}
* {{eq|Hans Bethe|হ্যান্স বেটে}}
* {{eq|Hans Blix|হ্যান্স ব্লিক্স}}
* {{eq|Harish-Chandra|হরিশ-চন্দ্র}}
* {{eq|Harold Macmillan|হ্যারল্ড ম্যাকমিলান}}
* {{eq|Harold Pinter|হ্যারল্ড পিন্টার}}
* {{eq|Harper Lee|হার্পার লি}}
* {{eq|Harry Markowitz|হ্যারি মার্কোউইটজ}}
* {{eq|Heinrich Böll|হাইনরিখ বোল}}
* {{eq|Heinrich Hertz|হাইনরিখ হের্ত্স}}
* {{eq|Heinrich Rohrer|হাইনরিখ রোরার}}
* {{eq|Helen Clark|হেলেন ক্লার্ক}}
* {{eq|Helmut Kohl|হেলমুট কোল}}
* {{eq|Hendrik Lorentz|হেন্ড্রিক আন্টোন লোরেন্ৎস}}
* {{eq|Henri Bergson|অঁরি বের্গসন}}
* {{eq|Henri Poincaré|অঁরি পোয়াঁকারে}}
* {{eq|Henry Cavendish|হেনরি ক্যাভেন্ডিশ}}
* {{eq|Henry Dunant|অঁরি দ্যুনঁ}}
* {{eq|Henryk Sienkiewicz|হেনরিক শিয়েনকিয়েভিচ}}
* {{eq|Heraclitus|হেরাক্লিটাস}}
* {{eq|Herbert A. Simon|হার্বার্ট এ. সাইমন}}
* {{eq|Herbert Kroemer|হার্বার্ট ক্রোয়েমার}}
* {{eq|Herbert Spencer|হার্বার্ট স্পেন্সার}}
* {{eq|Hermann Hesse|হেরমান হেস}}
* {{eq|Hermann Weyl|হেরমান ভাইল}}
* {{eq|Hermann von Helmholtz|হারমান ফন হেল্মহোল্ৎস}}
* {{eq|Herta Müller|হের্টা ম্যুলার}}
* {{eq|Hideki Yukawa|হিদেকি ইউকাওয়া}}
* {{eq|Hirohito|হিরোহিতো}}
* {{eq|Howard H. Aiken|হাওয়ার্ড আইকেন}}
* {{eq|Hugh Everett|হিউ এভারেট}}
* {{eq|Hugo De Vries|হুগো দ্য ভ্রিস}}
* {{eq|Humphry Davy|হামফ্রি ডেভি}}
* {{eq|Ian Kershaw|ইয়ান কার্শ}}
* {{eq|Ian McEwan|ইয়ান ম্যাকইউয়ান}}
* {{eq|Ian Wilmut|ইয়ান উইলমুট}}
* {{eq|Igor Kurchatov|ইগর কুরচাতভ}}
* {{eq|Imre Kertész|ইমরে কার্তেজ}}
* {{eq|Ingrid Daubechies|ইনগ্রিড ডোবিচি}}
* {{eq|Irina Bokova|ইরিনা বোকোভা}}
* {{eq|Iris Murdoch|আইরিস মারডক}}
* {{eq|Irving Langmuir|আরভিং ল্যাংমুয়ির}}
* {{eq|Isaac Bashevis Singer|আইজ্যাক বাশেভিস সিঙ্গার}}
* {{eq|Isidor Isaac Rabi|ইসিদোর আইজ্যাক রাবি}}
* {{eq|Ivan Pavlov|ইভান পাভলভ}}
* {{eq|Ivo Andrić|ইভো আন্দ্রিক}}
* {{eq|J. B. S. Haldane|জে. বি. এস. হ্যালডেন}}
* {{eq|J. J. Thomson|জে. জে. থমসন}}
* {{eq|J. M. Coetzee|জে. এম. কোয়েটজি}}
* {{eq|Jack Steinberger|জ্যাক স্টেইনবার্গার}}
* {{eq|Jacobus Henricus van 't Hoff|ইয়াকোবুস হেনরিকুস ফান্ট হফ}}
* {{eq|Jacques Chirac|জাক শিরাক}}
* {{eq|Jacques-Yves Cousteau|জাক-ইভ কুস্তো}}
* {{eq|James Callaghan|জেমস ক্যালাহান}}
* {{eq|James Chadwick|জেমস চ্যাডউইক}}
* {{eq|James Cook|জেমস কুক}}
* {{eq|James Mirrlees|জেমস মিরলিস}}
* {{eq|James Prescott Joule|জেমস প্রেসকট জুল}}
* {{eq|James Prinsep|জেমস প্রিন্সেপ}}
* {{eq|James Tobin|জেমস টোবিন}}
* {{eq|James Van Allen|জেমস ভ্যান অ্যালেন}}
* {{eq|James Watt|জেমস ওয়াট}}
* {{eq|Jane Addams|জেন অ্যাডামস}}
* {{eq|Jane Goodall|জেন গুডাল}}
* {{eq|Jared Diamond|জ্যারেড ডায়মন্ড}}
* {{eq|Jayant Narlikar|জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর}}
* {{eq|Jean le Rond d'Alembert|জঁ ল্য রোঁ দালঁবের}}
* {{eq|Jean-Baptiste Lamarck|জঁ-বাতিস্ত লামার্ক}}
* {{eq|Jean-Marie Le Pen|জঁ-মারি ল্য পেন}}
* {{eq|Jean-Pierre Serre|জঁ-পিয়ের সের}}
* {{eq|Jerome Isaac Friedman|জেরোম আইজ্যাক ফ্রিডম্যান}}
* {{eq|Jhumpa Lahiri|ঝুম্পা লাহিড়ী}}
* {{eq|Jocelyn Bell Burnell|জসিলিন বেল বার্নেল}}
* {{eq|John Archibald Wheeler|জন আর্চিবল্ড হুইলার}}
* {{eq|John Backus|জন ব্যাকাস}}
* {{eq|John Banville|জন ব্যানভিল}}
* {{eq|John Bardeen|জন বারডিন}}
* {{eq|John C. Mather|জন সি. মাদার}}
* {{eq|John Desmond Bernal|জে. ডি. বার্নাল}}
* {{eq|John Forbes Nash, Jr.|জন ফোর্বস ন্যাশ}}
* {{eq|John Galsworthy|জন গলসওয়ার্দি}}
* {{eq|John Gurdon|জন গার্ডন}}
* {{eq|John Hicks|জন হিক্স}}
* {{eq|John Hopfield|জন হোপফিল্ড}}
* {{eq|John James Audubon|জন জেমস অডুবন}}
* {{eq|John Major|জন মেজর}}
* {{eq|John Maynard Keynes|জন মেইনার্ড কেইনস}}
* {{eq|John Maynard Smith|জন মেইনার্ড স্মিথ}}
* {{eq|John McCarthy (computer scientist)|জন ম্যাককার্থি (কম্পিউটার বিজ্ঞানী)}}
* {{eq|John Muir|জন মুয়ির}}
* {{eq|John Napier|জন নেপিয়ার}}
* {{eq|John Polanyi|জন চার্লস পোলানি}}
* {{eq|John Ray|জন রে}}
* {{eq|John Stewart Bell|জন স্টুয়ার্ট বেল}}
* {{eq|John Tyndall|জন টিন্ডাল}}
* {{eq|John von Neumann|জন ফন নিউম্যান}}
* {{eq|Jon Fosse|ইয়োন ফসে}}
* {{eq|Jonas Salk|জোনাস সল্ক}}
* {{eq|Josef Mengele|ইয়োসেফ মেংগেলে}}
* {{eq|Joseph Fourier|জোসেফ ফুরিয়ে}}
* {{eq|Joseph Priestley|জোসেফ প্রিস্টলি}}
* {{eq|Joseph Stiglitz|জোসেফ স্টিগলিটজ}}
* {{eq|Joseph von Fraunhofer|ইয়োসেফ ফন ফ্রাউনহোফার}}
* {{eq|Joshua Lederberg|জশুয়া লেডারবার্গ}}
* {{eq|Josiah Willard Gibbs|জোসিয়াহ উইলার্ড গিবস}}
* {{eq|José María Aznar|হোসে মারিয়া আজনার}}
* {{eq|José Saramago|হোসে সারামাগো}}
* {{eq|Juan Maldacena|হুয়ান মালদাসেনা}}
* {{eq|Juan Ramón Jiménez|হুয়ান রামোন হিমেনেজ}}
* {{eq|Judea Pearl|জুডেয়া পার্ল}}
* {{eq|Julian Schwinger|জুলিয়ান শুইঙার}}
* {{eq|Julio Cortázar|হুলিও কোর্তাজার}}
* {{eq|Julius Robert von Mayer|জুলিয়াস রবার্ট ফন মেয়ার}}
* {{eq|Junot Díaz|জুনো দিয়াজ}}
* {{eq|Justus von Liebig|ইয়োস্টুস ফন লিবিগ}}
* {{eq|Jöns Jacob Berzelius|ইয়োন্স ইয়াকব বের্সেলিয়ুস}}
* {{eq|Kaja Kallas|কায়া কাল্লাস}}
* {{eq|Kamila Shamsie|কামিলা শামসি}}
* {{eq|Karen Uhlenbeck|কারেন উলেনবেক}}
* {{eq|Karl Barry Sharpless|কার্ল ব্যারি শার্পলেস}}
* {{eq|Kary Mullis|ক্যারি মুলিস}}
* {{eq|Katalin Karikó|কাতালিন কারিকো}}
* {{eq|Kazuo Ishiguro|কাজুও ইশিগুরো}}
* {{eq|Kaṇāda|কণাদ্}}
* {{eq|Ken Thompson|কেন টম্পসন}}
* {{eq|Kendrick Lamar|কেন্ড্রিক লামার}}
* {{eq|Kenneth Arrow|কেনেথ অ্যারো}}
* {{eq|Kenzaburō Ōe|কেন্জাবুরো ওহয়ে}}
* {{eq|Kiran Desai|কিরণ দেশাই}}
* {{eq|Kiran Mazumdar-Shaw|কিরণ মজুমদার-শ}}
* {{eq|Knut Hamsun|ক্যনুট হামসুন}}
* {{eq|Koichi Tanaka|কোইচি তানাকা}}
* {{eq|Korean War|কোরীয় যুদ্ধ}}
* {{eq|Lars Peter Hansen|লারস পিটার হ্যান্সেন}}
* {{eq|Laurent Schwartz|লোরঁ শোয়ার্তজ}}
* {{eq|Leon Cooper|লিয়ন কুপার}}
* {{eq|Leon M. Lederman|লিয়ন ম্যাক্স লেডারম্যান}}
* {{eq|Leonard Susskind|লিওনার্ড সাসকিন্ড}}
* {{eq|Leonhard Euler|লিওনার্ড ইউলার}}
* {{eq|Leonid Kantorovich|লিওনিদ ক্যান্টোরোভিচ}}
* {{eq|Leopold II of Belgium|দ্বিতীয় লেওপোল্ড (বেলজিয়াম)}}
* {{eq|Leopold III of Belgium|তৃতীয় লেওপোল্ড (বেলজিয়াম)}}
* {{eq|Leslie Lamport|লেসলি ল্যামপোর্ট}}
* {{eq|Lev Landau|ল্যেভ লান্দাউ}}
* {{eq|Leymah Gbowee|লেমাহ গবোউই}}
* {{eq|Leó Szilárd|লিও জিলার্দ}}
* {{eq|Linus Pauling|লিনাস পাউলিং}}
* {{eq|Lionel Robbins|লিওনেল রবিন্স}}
* {{eq|Lisa Randall|লিসা রান্ডাল}}
* {{eq|Louis Agassiz|লুই আগাসিজ}}
* {{eq|Louis de Broglie|লুই দ্য ব্রোয়ি}}
* {{eq|Louise Glück|লুইজ গ্লিক}}
* {{eq|Ludwig Boltzmann|লুডভিগ বোলৎসমান}}
* {{eq|Ludwik Fleck|লুডউইক ফ্লেক}}
* {{eq|Luigi Pirandello|লুইজি পিরানদেল্লো}}
* {{eq|Lynn Margulis|লিন মার্গুলিস}}
* {{eq|Léon Foucault|লেয়োঁ ফুকো}}
* {{eq|M. S. Swaminathan|এম. এস. স্বামীনাথন}}
* {{eq|Malala Yousafzai|মালালা ইউসুফজাই}}
* {{eq|Margaret Atwood|মার্গারেট অ্যাটউড}}
* {{eq|Margaret Chan|মার্গারেট চ্যান}}
* {{eq|Marguerite Yourcenar|মার্গ্যুরিত ইয়ুর্সনার}}
* {{eq|Marie Stopes|মেরি স্টোপস}}
* {{eq|Marine Le Pen|মারিন ল্য পেন}}
* {{eq|Mario Vargas Llosa|মারিও বার্গাস ইয়োসা}}
* {{eq|Mark Oliphant|মার্ক ওলিফ্যান্ট}}
* {{eq|Martin Amis|মার্টিন এমিস}}
* {{eq|Martin Lewis Perl|মার্টিন লুইস পার্ল}}
* {{eq|Martin Rees|মার্টিন রিস}}
* {{eq|Martin Ryle|মার্টিন রাইল}}
* {{eq|Martinus J. G. Veltman|মার্টিনুস ভেল্টম্যান}}
* {{eq|Martti Ahtisaari|মার্টি আহতিসারি}}
* {{eq|Marvin Minsky|মার্ভিন মিনস্কি}}
* {{eq|Mary Beard (classicist)|মেরি বিয়ার্ড (ক্ল্যাসিসিস্ট)}}
* {{eq|Mary Robinson|মেরি রবিনসন}}
* {{eq|Max Born|মাক্স বর্ন}}
* {{eq|Max Delbrück|মাক্স ডেলব্রুক}}
* {{eq|Max Perutz|ম্যাক্স ফার্দিনান্দ পেরুতজ}}
* {{eq|Max von Laue|মাক্স ফন লাউয়ে}}
* {{eq|Menachem Begin|মেনাখেম বেগিন}}
* {{eq|Merton Miller|মার্টন মিলার}}
* {{eq|Michael Atiyah|মাইকেল আতিয়াহ}}
* {{eq|Michael Faraday|মাইকেল ফ্যারাডে}}
* {{eq|Michael Gove|মাইকেল গোভ}}
* {{eq|Michio Kaku|মিচিও কাকু}}
* {{eq|Mikhail Sholokhov|মিখাইল শলোখভ}}
* {{eq|Mo Yan|মো ইয়ান}}
* {{eq|Mohammad Javad Zarif|মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ}}
* {{eq|Murray Gell-Mann|মারে গেল-মান}}
* {{eq|Nadine Gordimer|নাডিন গর্ডিমার}}
* {{eq|Naguib Mahfouz|নাগিব মাহফুজ}}
* {{eq|Narges Mohammadi|নার্গেস মোহাম্মদী}}
* {{eq|Nevill Francis Mott|নেভিল ফ্রান্সিস মট}}
* {{eq|Nicolas Léonard Sadi Carnot|সাদি কার্নো}}
* {{eq|Nicolas Steno|নিকোলাস স্টেনো}}
* {{eq|Nigel Farage|নাইজেল ফারাজ}}
* {{eq|Niklaus Wirth|নিকলাউস ভির্ট}}
* {{eq|Norman Borlaug|নরম্যান বোরল্যাগ}}
* {{eq|Norman Mailer|নরম্যান মেইলার}}
* {{eq|Octavio Paz|অক্তাবিও পাজ}}
* {{eq|Olga Tokarczuk|ওলগা তোকারচুক}}
* {{eq|Oliver Heaviside|অলিভার হেভিসাইড}}
* {{eq|Oliver Sacks|অলিভার স্যাক্স}}
* {{eq|Orhan Pamuk|ওরহান পামুক}}
* {{eq|Oswald Avery|অসওয়াল্ড এভারি}}
* {{eq|Otto Stern|অটো ষ্টের্ন}}
* {{eq|Paris Agreement|প্যারিস চুক্তি}}
* {{eq|Patrick White|প্যাট্রিক হোয়াইট}}
* {{eq|Paul Dirac|পল ডিরাক}}
* {{eq|Paul Ehrenfest|পাউল এরেনফেস্ট}}
* {{eq|Paul R. Ehrlich|পল আর. এহর্লিচ}}
* {{eq|Paul Samuelson|পল স্যামুয়েলসন}}
* {{eq|Pearl S. Buck|পার্ল এস. বাক}}
* {{eq|Peter Agre|পিটার আগ্রি}}
* {{eq|Peter Higgs|পিটার হিগস}}
* {{eq|Peter Kropotkin|পেত্র ক্রাপোতকিন}}
* {{eq|Peter Medawar|পিটার মিডাওয়ার}}
* {{eq|Philip Roth|ফিলিপ রথ}}
* {{eq|Philip Warren Anderson|ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন}}
* {{eq|Philippe of Belgium|ফিলিপ (বেলজিয়াম)}}
* {{eq|Pierre Curie|পিয়ের ক্যুরি}}
* {{eq|Pierre Deligne|পিয়ের দ্যলিইন}}
* {{eq|Pierre-Gilles de Gennes|পিয়ের-জিল দ্য জেন}}
* {{eq|Pierre-Simon Laplace|পিয়ের সিমোঁ লাপ্লাস}}
* {{eq|Pliny the Elder|প্লিনি দ্য এল্ডার}}
* {{eq|Prasanta Chandra Mahalanobis|প্রশান্ত চন্দ্র মহলানবিশ}}
* {{eq|Primo Levi|প্রিমো লেভি}}
* {{eq|Qian Xuesen|ছিয়েন শ্যুয়েসন}}
* {{eq|Quakers|কোয়েকার}}
* {{eq|Rachel Carson|র্যাচেল কারসন}}
* {{eq|Ragnar Frisch|রাগ্নার ফ্রিশ}}
* {{eq|Rajendra K. Pachauri|রাজেন্দ্র কুমার পাচৌরী}}
* {{eq|Ralph Bunche|রালফ বান্চ}}
* {{eq|Ramsay MacDonald|রামসে ম্যাকডোনাল্ড}}
* {{eq|Reinhard Selten|রেইনহার্ড সেল্টেন}}
* {{eq|Richard Hamming|রিচার্ড হ্যামিং}}
* {{eq|Richard Leakey|রিচার্ড লিকি}}
* {{eq|Richard Smalley|রিচার্ড স্মলি}}
* {{eq|Rigoberta Menchú|রিগোবার্তা মেঞ্চু}}
* {{eq|Ringo Starr|রিঙ্গো স্টার}}
* {{eq|Robert Andrews Millikan|রবার্ট অ্যান্ড্রুজ মিলিকান}}
* {{eq|Robert Boyle|রবার্ট বয়েল}}
* {{eq|Robert Clive|রবার্ট ক্লাইভ}}
* {{eq|Robert Fogel|রবার্ট ফোগেল}}
* {{eq|Robert Hooke|রবার্ট হুক}}
* {{eq|Robert J. Shiller|রবার্ট জে. শিলার}}
* {{eq|Robert Lucas Jr.|রবার্ট লুকাস, জুনিয়র}}
* {{eq|Robert Mundell|রবার্ট মান্ডেল}}
* {{eq|Robert Penn Warren|রবার্ট পেন ওয়ারেন}}
* {{eq|Roger Ebert|রজার ইবার্ট}}
* {{eq|Roger Wolcott Sperry|রজার স্পেরি}}
* {{eq|Romain Rolland|রোম্যাঁ রোলাঁ}}
* {{eq|Ronald Fisher|রোনাল্ড ফিশার}}
* {{eq|Rosalyn Sussman Yalow|রোজালিন সাসম্যান ইয়ালো}}
* {{eq|Rudolf Clausius|রুডলফ ক্লাউজিউস}}
* {{eq|Rudolf Virchow|রুডলফ ফিরখো}}
* {{eq|Sally Ride|স্যালি রাইড}}
* {{eq|Sam Harris|স্যাম হ্যারিস}}
* {{eq|Samuel Beckett|স্যামুয়েল বেকেট}}
* {{eq|Samuel Pepys|স্যামুয়েল পেপিস}}
* {{eq|Santiago Ramón y Cajal|সান্তিয়াগো রামোন ই কাহাল}}
* {{eq|Saul Bellow|সল বেলো}}
* {{eq|Saul Perlmutter|সল পার্লমাটার}}
* {{eq|Selman Waksman|সেলম্যান ওয়াক্সম্যান}}
* {{eq|Sergei Korolev|সের্গেই কোরোলিয়ভ}}
* {{eq|Seymour Hersh|সেমুর হার্শ}}
* {{eq|Shashi Tharoor|শশী থারুর}}
* {{eq|Sheldon Lee Glashow|শেলডন লি গ্ল্যাশো}}
* {{eq|Shiing-Shen Chern|শিং-শেন চের্ন}}
* {{eq|Shirin Ebadi|শিরিন এবাদি}}
* {{eq|Shmuel Yosef Agnon|শ্মুয়েল ইউসেফ অ্যাগনন}}
* {{eq|Simon Kuznets|সাইমন কুজ্নেত্স}}
* {{eq|Simon Stevin|সিমন স্টেভিন}}
* {{eq|Siméon Denis Poisson|সিমেওঁ দ্যনি পোয়াসোঁ}}
* {{eq|Sinclair Lewis|সিনক্লেয়ার লুইস}}
* {{eq|Stafford Cripps|স্টাফোর্ড ক্রিপস}}
* {{eq|Stamford Raffles|স্ট্যামফোর্ড র্যাফেল্স}}
* {{eq|Stanislaw Ulam|স্তানিসলফ উলাম}}
* {{eq|Stanley Baldwin|স্ট্যানলি বল্ডউইন}}
* {{eq|Stephen Jay Gould|স্টিভেন জে গুল্ড}}
* {{eq|Stephen Wolfram|স্টিফেন ওলফ্রাম}}
* {{eq|Steve Irwin|স্টিভ আরউইন}}
* {{eq|Steven Chu|স্টিভেন চু}}
* {{eq|Steven Weinberg|স্টিভেন ওয়াইনবার্গ}}
* {{eq|Subrahmanyan Chandrasekhar|সুব্রহ্মণ্যন চন্দ্রশেখর}}
* {{eq|Susan Faludi|সুসান ফালুদি}}
* {{eq|Svetlana Alexievich|সভেতলানা আলেক্সিয়েভিচ}}
* {{eq|Tawakkol Karman|তাওয়াক্কোল কারমান}}
* {{eq|Tedros Adhanom|তেদ্রোস আধানম}}
* {{eq|Temple Grandin|টেম্পল গ্র্যান্ডিন}}
* {{eq|Tennessee Williams|টেনেসি উইলিয়ামস}}
* {{eq|Tenzin Gyatso, 14th Dalai Lama|চতুর্দশ দালাই লামা}}
* {{eq|Terence Tao|টেরেন্স টাও}}
* {{eq|Theodore Roethke|থিওডোর রেথকে}}
* {{eq|Theodosius Dobzhansky|থিওডোসিয়াস ডবঝানস্কি}}
* {{eq|Theophrastus|থিওফ্রাস্টাস}}
* {{eq|Theory of relativity|আপেক্ষিকতার তত্ত্ব}}
* {{eq|Thomas Harriot|থমাস হ্যারিয়ট}}
* {{eq|Thomas Henry Huxley|টমাস হেনরি হাক্সলি}}
* {{eq|Thomas Kuhn|থমাস কুন}}
* {{eq|Thomas Mann|টমাস মান}}
* {{eq|Thomas Robert Malthus|থমাস রবার্ট ম্যালথাস}}
* {{eq|Thomas Schelling|টমাস শেলিংস}}
* {{eq|Thomas Young (scientist)|থমাস ইয়ং}}
* {{eq|Tim Berners-Lee|টিম বার্নার্স-লি}}
* {{eq|Tjalling Koopmans|টিয়ালিং কোপম্যান্স}}
* {{eq|Tomas Tranströmer|টোমাস ট্রান্সট্রোমার}}
* {{eq|Toni Morrison|টনি মরিসন}}
* {{eq|Tony Benn|টনি বেন}}
* {{eq|Traian Băsescu|ত্রাইয়ান বাসাস্কু}}
* {{eq|Trygve Haavelmo|ট্রিগভে হাভেলমো}}
* {{eq|U Thant|উ থান্ট}}
* {{eq|V. S. Naipaul|ভি. এস. নাইপল}}
* {{eq|Val Logsdon Fitch|ভ্যাল লজডন ফিচ}}
* {{eq|Valéry Giscard d'Estaing|ভালেরি জিস্কার দেস্তাঁ}}
* {{eq|Victor Frederick Weisskopf|ভিক্টর উইসকফ}}
* {{eq|Viet Thanh Nguyen|ভিয়েত থান নগুয়েন}}
* {{eq|Vikram Sarabhai|বিক্রম সারাভাই}}
* {{eq|Vilayanur S. Ramachandran|ভি. এস. রামচন্দ্রন}}
* {{eq|Vitaly Ginzburg|ভিতালি গিঞ্জবার্গ}}
* {{eq|Vladimir Arnold|ভ্লাদিমির আর্নল্ড}}
* {{eq|Vladimir Markovnikov|ভ্লাদিমির মার্কভনিকভ}}
* {{eq|Václav Havel|ভাকলাভ হাভেল}}
* {{eq|W. H. Auden|ডব্লিউ. এইচ. অডেন}}
* {{eq|Wassily Leontief|ওয়াসিলি লিওনটিয়েফ}}
* {{eq|Wernher von Braun|ভের্নহার ফন ব্রাউন}}
* {{eq|Wilhelm Wundt|ভিলহেল্ম ভুন্ট}}
* {{eq|Will Durant|উইল ডুরান্ট}}
* {{eq|Willa Cather|উইলা ক্যাথার}}
* {{eq|Willard van Orman Quine|উইলার্ড ফন অরম্যান কোয়াইন}}
* {{eq|Willem de Sitter|ভিলেম ডে সিটার}}
* {{eq|William Bateson|উইলিয়াম বেটসন}}
* {{eq|William Butler Yeats|উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস}}
* {{eq|William Carey (missionary)|উইলিয়াম কেরি}}
* {{eq|William Carlos Williams|উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস}}
* {{eq|William Crookes|উইলিয়াম ক্রুকস}}
* {{eq|William Dalrymple (historian)|উইলিয়াম ডালরিম্পল}}
* {{eq|William Daniel Phillips|উইলিয়াম ড্যানিয়েল ফিলিপস}}
* {{eq|William Empson|উইলিয়াম এম্পসন}}
* {{eq|William F. Sharpe|উইলিয়াম শার্প}}
* {{eq|William Golding|উইলিয়াম গোল্ডিং}}
* {{eq|William Herschel|উইলিয়াম হার্শেল}}
* {{eq|William Jones (philologist)|উইলিয়াম জোন্স (ভাষাতাত্ত্বিক)}}
* {{eq|William Rowan Hamilton|উইলিয়াম রোয়ান হ্যামিল্টন}}
* {{eq|William Shockley|উইলিয়াম শকলি}}
* {{eq|William Stanley Jevons|উইলিয়াম স্ট্যানলি জেভন্স}}
* {{eq|William Thomson|উইলিয়াম থমসন}}
* {{eq|William Vickrey|উইলিয়াম ভিক্রি}}
* {{eq|Winnie Byanyima|উইনি বিয়ানিমা}}
* {{eq|Wole Soyinka|ওলে সোয়িংকা}}
* {{eq|Wolfgang Pauli|ভোলফগাং পাউলি}}
* {{eq|Yang Chen-Ning|চেন নিং ইয়াং}}
* {{eq|Yann LeCun|ইয়ান ল্যকান}}
* {{eq|Yann Martel|ইয়ান মার্টেল}}
* {{eq|Yasunari Kawabata|ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা}}
* {{eq|Yoichiro Nambu|ইয়োইচিরো নাম্বু}}
* {{eq|Zadie Smith|জেডি স্মিথ}}
* {{eq|Zhong Nanshan|চোং নানশান}}
* {{eq|Zhuangzi|চুয়াং জি}}
{{Div col end}}
[[বিষয়শ্রেণী:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬]]
t76vjqpr6jlfzivwdarq0epauq72rvt
73891
73863
2026-04-05T16:09:39Z
Tamaliya Das Gupta
2484
73891
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=3}}
<big>এই প্রতিযোগিতায় বিষয়বস্তু নির্ধারিত নয়, '''আপনি আপনার পছন্দমতো যেকোন উল্লেখযোগ্য বিষয়ে ভুক্তি বা পৃষ্ঠা তৈরি করতে পারেন (গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ব্যতীত)''' <u >এমনকি তা নিচের তালিকায় না থাকলেও</u>। আপনি যদি অনিশ্চিত থাকেন যে কোনটি নিয়ে কাজ করবেন, তবে নিচের লাল সংযোগে থাকা নিবন্ধগুলি তৈরি করতে পারেন। যে পাতাটি নিয়ে কাজ করছেন, সেটির পাশে <code><nowiki>~~~~</nowiki></code> যোগ করে আপনার নাম লিখুন।</big>
মনে রাখবেন,
* ব্যক্তি যদি বাঙালি হয়, তবে তার উক্তি হুবহু তুলে দিন (উদা: [[আসাদুজ্জামান নূর]] দেখুন)। ব্যক্তি যদি বিদেশি হয়, তবে উক্তি অনুবাদ করে যোগ করুন (উদা: [[নোম চম্স্কি]] দেখুন)। কোনো বস্তুর ক্ষেত্রে বাঙালিদের উক্তি প্রাধান্য পাবে, তবে ভিন্ন ভাষা থেকেও উক্তি অনুবাদ করেও যোগ করা যাবে (উদা: [[চাঁদ]], [[সূর্য]] দেখুন)।
* '''নতুনরা''', দয়া করে [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/কীভাবে|কীভাবে উক্তি যোগ করব?]] টিউটোরিয়ালটি একবার দেখে নিন।
:এটি উইকিউক্তিতে ভুক্তি না থাকা বাঙালি ব্যক্তিদের তালিকা। তবে আপনি চাইলে [https://en.wikiquote.org ইংরেজি উইকিউক্তি] থেকে বাংলায় উক্তি অনুবাদ করতে পারেন।
*'''উল্লেখ্য:''' <span style="color:red;">নিবন্ধ তৈরির আগে নিবন্ধটি ইতোমধ্যে বাংলা উইকিউক্তিতে বিদ্যমান কিনা যাচাই করা নিবন্ধ প্রণেতার (যিনি নিবন্ধ তৈরি করবেন) দায়িত্ব। তালিকার বাইরের নাম প্রতিস্থাপন নিবন্ধ তালিকায় থাকা নামটির পরিবর্তে ভিন্ন নামে নিবন্ধ তৈরি করলে অবশ্যই নতুন নামটি তালিকায় প্রতিস্থাপন করে দিবেন, অন্যথায় ভিন্ন ব্যবহারকারী নিবন্ধটি পুনরায় তৈরি করতে পারেন।</span>
== বাংলা উক্তি ==
বাঙালি ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সংবাদপত্র, সাময়িকী কিংবা ছাপা বইয়ে প্রকাশিত উক্তি বা সাক্ষাৎকার থেকে উক্তি সংগ্রহ করে তা হুবুহু তথ্যসূত্র সহ যোগ করবেন।
=== বাঙালি ব্যক্তি ===
{{Div col|colwidth=20em|rules=yes}}
* {{বাউ|অংশুমান কর}}
* {{বাউ|অকিঞ্চন}}
* {{বাউ|অক্ষয়কুমার কয়াল}}
* {{বাউ|অক্ষয়কুমার বসু মজুমদার}}
* {{বাউ|অক্ষয়কুমার লধ}}
* {{বাউ|অক্ষয়চন্দ্র চৌধুরী}}
* {{বাউ|অক্ষয়ানন্দ বসু}}
* {{বাউ|অখিল নিয়োগী}}
* {{বাউ|অখিল পাল}}
* {{বাউ|অখিলচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|অখিলবন্ধু ঘোষ}}[[ব্যবহারকারী:Tamaliya Das Gupta|Tamaliya Das Gupta]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tamaliya Das Gupta|আলাপ]]) ১৬:০৯, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
* {{বাউ|অগ্রদূত}}
* {{বাউ|অঘোরনাথ গুপ্ত}}
* {{বাউ|অঘোরনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অঙ্গনা পি. চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অচলা মল্লিক}}
* {{বাউ|অজয় ঘটক}}
* {{বাউ|অজয় দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|অজয় বসু}}
* {{বাউ|অজয় হোম}}
* {{বাউ|অজিত দত্ত}}
* {{বাউ|অজিত রায় (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|অজিতকৃষ্ণ বসু}}
* {{বাউ|অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অঞ্জলি ইলা মেনন}}
* {{বাউ|অঞ্জলি মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অটলবিহারী ঘোষ}}
* {{বাউ|অতীন্দ্রনাথ বসু ঠাকুর}}
* {{বাউ|অতুল বসু}}
* {{বাউ|অতুলচন্দ্র ঘোষ}}
* {{বাউ|অতুলচন্দ্র ঘোষ (লেখক)}}
* {{বাউ|অদিতি লাহিড়ি}}
* {{বাউ|অদিতি সেন দে}}
* {{বাউ|অধরলাল সেন}}
* {{বাউ|অনম বিশ্বাস}}
* {{বাউ|অনল চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অনাথনাথ বসু}}
* {{বাউ|অনাদিনাথ দাঁ}}
* {{বাউ|অনাদিশ পাল}}
* {{বাউ|অনিতা মেহতা}}
* {{বাউ|অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অনিন্দ্য সিনহা}}
* {{বাউ|অনিমেষ আইচ}}
* {{বাউ|অনিমেষ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অনিমেষ রায় (জীববিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|অনির্বাণ ঘোষ}}
* {{বাউ|অনির্বাণ বসু}}
* {{বাউ|অনিল করঞ্জাই}}
* {{বাউ|অনিল কুমার গায়েন}}
* {{বাউ|অনিল কুমার ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|অনিল কুমার মণ্ডল}}
* {{বাউ|অনিল কুমার সেন}}
* {{বাউ|অনিল বিশ্বাস (সুরকার)}}
* {{বাউ|অনিল ভৌমিক}}
* {{বাউ|অনিল মুখার্জি}}
* {{বাউ|অনিলকুমার দাস}}
* {{বাউ|অনিলেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অনুত্তমা ব্যানার্জি}}
* {{বাউ|অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|অনুপম ঘটক}}
* {{বাউ|অনুপম দত্ত}}
* {{বাউ|অনুপম রায়}}
* {{বাউ|অনুপম সেন}}
* {{বাউ|অনুপম হায়াৎ}}
* {{বাউ|অনুপমা চোপড়া}}
* {{বাউ|অনুরাধা ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|অনুশ্রী রায়}}
* {{বাউ|অনুষ্কা শংকর}}
* {{বাউ|অন্নদা মুন্সী}}
* {{বাউ|অন্নদাচরণ খাস্তগীর}}
* {{বাউ|অন্নদাপ্রসাদ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অন্নপূর্ণা গোস্বামী}}
* {{বাউ|অপরেশ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অপরেশ লাহিড়ী}}
* {{বাউ|অপরেশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অপর্ণা সেন}}
* {{বাউ|অপূর্ব জাহাঙ্গীর}}
* {{বাউ|অবনী সেন}}
* {{বাউ|অবনীনাথ রায়}}
* {{বাউ|অবনীভূষণ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অবন্তী সিঁথি}}
* {{বাউ|অবন্তীকুমার সান্যাল}}
* {{বাউ|অবলা বসু}}
* {{বাউ|অবশেষ দাস}}
* {{বাউ|অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ}}
* {{বাউ|অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় (সুরকার)}}
* {{বাউ|অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় (ভূবিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|অভিজিৎ সেন}}
* {{বাউ|অভিনয় চন্দ্র সাহা}}
* {{বাউ|অভীক ঘোষ}}
* {{বাউ|অমর পাল}}
* {{বাউ|অমরপ্রসাদ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অমরেশ রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|অমরেশ্বর ঠাকুর}}
* {{বাউ|অমল কুমার রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|অমল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অমল বোস}}
* {{বাউ|অমল হোম}}
* {{বাউ|অমলা শংকর}}
* {{বাউ|অমলেন্দু চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অমলেন্দু চন্দ্র}}
* {{বাউ|অমলেন্দু দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|অমলেন্দু দাশগুপ্ত (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|অমলেন্দু দে}}
* {{বাউ|অমলেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অমলেন্দু বসু}}
* {{বাউ|অমলেন্দু বিশ্বাস}}
* {{বাউ|অমলেন্দু মিত্র}}
* {{বাউ|অমলেশ ত্রিপাঠী}}
* {{বাউ|অমিত চৌধুরী}}
* {{বাউ|অমিত মিত্র}}
* {{বাউ|অমিতা ঠাকুর}}
* {{বাউ|অমিতা দত্ত}}
* {{বাউ|অমিতা বসু}}
* {{বাউ|অমিতা মালিক}}
* {{বাউ|অমিতা সেন (আশ্রমকন্যা)}}
* {{বাউ|অমিতাভ দত্ত}}
* {{বাউ|অমিতাভ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|অমিতাভ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অমিতাভ রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|অমিতাভ রেজা চৌধুরী}}
* {{বাউ|অমিয় বাগচী}}
* {{বাউ|অমিয়কুমার দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|অমিয়কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অমিয়া দত্ত}}
* {{বাউ|অমূল্যকুমার দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|অমূল্যচরণ বিদ্যাভূষণ}}
* {{বাউ|অমূল্যধন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অমূল্যচরণ উকিল}}
* {{বাউ|অম্বরীশ ঘোষ}}
* {{বাউ|অম্বিকাচরণ মজুমদার}}
* {{বাউ|অম্লান দত্ত}}
* {{বাউ|অরিন্দম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অরুণ কুমার বসাক}}
* {{বাউ|অরুণ কুমার শর্মা}}
* {{বাউ|অরুণ মিত্র}}
* {{বাউ|অরুণ মুখার্জি}}
* {{বাউ|অরুণ সোম}}
* {{বাউ|অরুণকুমার বসু}}
* {{বাউ|অরুণচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|অরুণাচল বসু}}
* {{বাউ|অরুণাভ সরকার}}
* {{বাউ|অরুণেন্দু দাস}}
* {{বাউ|অরুণোদয় মণ্ডল}}
* {{বাউ|অরুন্ধতী দেবী}}
* {{বাউ|অরূপ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অরূপ চন্দ্র}}
* {{বাউ|অর্ক মুখার্জি}}
* {{বাউ|অর্চনা ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|অর্চনা শর্মা (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|অর্জুন (গোয়েন্দা চরিত্র)}}
* {{বাউ|অর্ণব রাই চৌধুরী}}
* {{বাউ|অলক রায়}}
* {{বাউ|অলকা উকিল}}
* {{বাউ|অলকা দাশ}}
* {{বাউ|অলকা সরাবগী}}
* {{বাউ|অলিউর রহমান}}
* {{বাউ|অলোক কৃষ্ণ গুপ্ত}}
* {{বাউ|অলোক রায়}}
* {{বাউ|অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|অশেষ প্রসাদ মিত্র}}
* {{বাউ|অশোক কুমার বড়ুয়া}}
* {{বাউ|অশোক কুমার ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|অশোক কুমার সরকার}}
* {{বাউ|অশোক কুমার সেন}}
* {{বাউ|অশোক গুপ্ত (লেখক)}}
* {{বাউ|অশোক চট্টোপাধ্যায় (লেখক)}}
* {{বাউ|অশোক চৌধুরী}}
* {{বাউ|অশোক নাথ মিত্র}}
* {{বাউ|অশোক বড়ুয়া}}
* {{বাউ|অশোক বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অশোক মিত্র}}
* {{বাউ|অশোক রুদ্র}}
* {{বাউ|অশোক সেন}}
* {{বাউ|অশোককুমার হালদার}}
* {{বাউ|অশোকা গুপ্ত (বিপ্লবী)}}
* {{বাউ|অশ্বিনীকুমার দত্ত}}
* {{বাউ|অসীম দাসগুপ্ত}}
* {{বাউ|অসীমকান্তি দত্তরায়}}
* {{বাউ|অসীমা চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অহিভূষণ মালিক}}
* {{বাউ|আ ক ম সারোয়ার জাহান বাদশা}}
* {{বাউ|আ জা ম তকীয়ুল্লাহ}}
* {{বাউ|আ ফ ম আহসানউদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|আ ফ ম ইউসুফ হায়দার}}
* {{বাউ|আ ফ ম খালিদ হোসেন}}
* {{বাউ|আ. ন. ম. বজলুর রশীদ}}
* {{বাউ|আ. ন. ম. বশির উল্লাহ}}
* {{বাউ|আ. ফ. ম. রুহুল হক}}
* {{বাউ|আইভি রহমান}}
* {{বাউ|আইয়ুব আলী}}
* {{বাউ|আইরিন খান}}
* {{বাউ|আওকাত হোসেন}}
* {{বাউ|আওলাদ হোসেন}}
* {{বাউ|আওলাদ হোসেন চাকলাদার}}
* {{বাউ|আককাছ আলী সরকার}}
* {{বাউ|আকতার মিয়া}}
* {{বাউ|আকবর আলি খান}}
* {{বাউ|আকবর উদ্দীন}}
* {{বাউ|আকবর হোসেন (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|আকবর হোসেন (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|আকরাম হোসেন চৌধুরী (বিচারক)}}
* {{বাউ|আকরামুজ্জামান খান}}
* {{বাউ|আকরামুল কাদের}}
* {{বাউ|আখতার ইমাম}}
* {{বাউ|আখতার উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|আখতার সাদমানী}}
* {{বাউ|আখতার হুসেন}}
* {{বাউ|আখতারুজ্জামান}}
* {{বাউ|আখলাকুল হোসাইন আহমেদ}}
* {{বাউ|আগা আহমদ আলী}}
* {{বাউ|আছিম শাহ}}
* {{বাউ|আজম আলী}}
* {{বাউ|আজহারুল হক}}
* {{বাউ|আজাদ রহমান}}
* {{বাউ|আজাহার উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|আজিজউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|আজিজুর রহমান (গীতিকার)}}
* {{বাউ|আজিজুর রহমান (চলচ্চিত্র পরিচালক)}}
* {{বাউ|আজিজুর রহমান আক্কাস}}
* {{বাউ|আজিজুর রহমান আজিজ}}
* {{বাউ|আজিজুর রহমান মল্লিক}}
* {{বাউ|আজিজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|আজিজুল হক (শায়খুল হাদিস)}}
* {{বাউ|আজিজুল হক (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আজিজুল হাকিম (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|আজিজুল হাকিম (কবি)}}
* {{বাউ|আজিম}}
* {{বাউ|আজিম উদ্দিন মুনশী}}
* {{বাউ|আজীজুল হক}}
* {{বাউ|আজীমুদ্দীন হানাফী}}
* {{বাউ|আঞ্জুমান আরা বেগম}}
* {{বাউ|আতহার আলী}}
* {{বাউ|আতাউর রহমান}}
* {{বাউ|আতাউর রহমান (কবি)}}
* {{বাউ|আতাউর রহমান খান}}
* {{বাউ|আতাউর রহমান খান কায়সার}}
* {{বাউ|আতাউর রহমান খান খাদিম}}
* {{বাউ|আতাউল করিম}}
* {{বাউ|আতাউল হাকিম}}
* {{বাউ|আতাউস সামাদ}}
* {{বাউ|আতিউর রহমান}}
* {{বাউ|আতিকুজ্জামান খান}}
* {{বাউ|আতিকুর রহমান (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|আতিকুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|আতিয়া ইসলাম এ্যানি}}
* {{বাউ|আতোয়ার রহমান}}
* {{বাউ|আতোয়ার রহমান তালুকদার}}
* {{বাউ|আদনান আল রাজীব}}
* {{বাউ|আদিনাথ লাহিড়ী}}
* {{বাউ|আদিলুর রহমান খান}}
* {{বাউ|আনজীর লিটন}}
* {{বাউ|আনন জামান}}
* {{বাউ|আনন্দচন্দ্র নন্দী}}
* {{বাউ|আনন্দদেব মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|আনন্দমোহন চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|আনন্দমোহন বসু}}
* {{বাউ|আনন্দশঙ্কর}}
* {{বাউ|আনসার আলী}}
* {{বাউ|আনিক খান}}
* {{বাউ|আনিলা নাজ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনিস চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনিস সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|আনিসুজ্জামান (দর্শনশাস্ত্রজ্ঞ)}}
* {{বাউ|আনিসুজ্জামান চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনিসুর রহমান (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|আনিসুল ইসলাম মাহমুদ}}
* {{বাউ|আনিসুল হক}}
* {{বাউ|আনিসুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনু মুহাম্মদ}}
* {{বাউ|আনুশেহ্ আনাদিল}}
* {{বাউ|আনোয়ার উদ্দিন খান}}
* {{বাউ|আনোয়ার উল আলম}}
* {{বাউ|আনোয়ার উল হক}}
* {{বাউ|আনোয়ার পারভেজ}}
* {{বাউ|আনোয়ার পাশা (লেখক)}}
* {{বাউ|আনোয়ার হোসেন (অণুজীববিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|আনোয়ার হোসেন (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আনোয়ার হোসেন (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|আনোয়ার হোসেন (আলোকচিত্রী)}}
* {{বাউ|আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনোয়ারা বাহার চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনোয়ারা বেগম (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল কবির}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল করিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল কাদের}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল হক}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল হক (বিচারক)}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল হক শরীফ}}
* {{বাউ|আন্ডারগ্রাউন্ড পিস লাভারস}}
* {{বাউ|আন্দালিব রহমান পার্থ}}
* {{বাউ|আপেল মাহমুদ}}
* {{বাউ|আফজাল এইচ খান}}
* {{বাউ|আফজাল চৌধুরী}}
* {{বাউ|আফটারম্যাথ}}
* {{বাউ|আফতাব আহমাদ রহমানী}}
* {{বাউ|আফতাব আহমেদ (আলোকচিত্রী)}}
* {{বাউ|আফতাব উদ্দিন ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|আফতাবউদ্দিন খাঁ}}
* {{বাউ|আফতাবুজ্জামান}}
* {{বাউ|আফরোজা পারভীন}}
* {{বাউ|আফসান চৌধুরী}}
* {{বাউ|আফসার আমেদ}}
* {{বাউ|আফসার আহমদ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|আফসার উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|আফসার উদ্দীন আহমেদ (অ্যাডভোকেট)}}
* {{বাউ|আবদার রশীদ}}
* {{বাউ|আবদুর রউফ (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|আবদুর রউফ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবদুর রব (বিচারক)}}
* {{বাউ|আবদুর রব (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আবদুর রব সেরনিয়াবাত}}
* {{বাউ|আবদুর রশীদ খান}}
* {{বাউ|আবদুর রসুল}}
* {{বাউ|আবদুর রহমান খাঁ}}
* {{বাউ|আবদুর রহমান চৌধুরী (বিচারক)}}
* {{বাউ|আবদুর রহমান বয়াতী}}
* {{বাউ|আবদুর রহমান বিশ্বাস}}
* {{বাউ|আবদুর রহিম (বিচারক)}}
* {{বাউ|আবদুর রাজ্জাক (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আবদুল আওয়াল মিয়া}}
* {{বাউ|আবদুল আজিজ (লেখক)}}
* {{বাউ|আবদুল আজিজ খন্দকার}}
* {{বাউ|আবদুল আহাদ (বুদ্ধিজীবী)}}
* {{বাউ|আবদুল আহাদ (সংগীত পরিচালক)}}
* {{বাউ|আবদুল ওয়াহহাব পীরজী}}
* {{বাউ|আবদুল ওয়াহাব}}
* {{বাউ|আবদুল করিম শাহ}}
* {{বাউ|আবদুল কাদির}}
* {{বাউ|আবদুল খালেক (পীর)}}
* {{বাউ|আবদুল গনি হাজারী}}
* {{বাউ|আবদুল গফুর (ভাষা সৈনিক)}}
* {{বাউ|আবদুল জব্বার (জ্যোতির্বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|আবদুল জব্বার (ভাষা শহীদ)}}
* {{বাউ|আবদুল জব্বার (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|আবদুল জব্বার খান}}
* {{বাউ|আবদুল জলিল (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবদুল মজিদ মল্লিক}}
* {{বাউ|আবদুল মতিন}}
* {{বাউ|আবদুল মতিন (জেনারেল)}}
* {{বাউ|আবদুল মতিন (লেখক)}}
* {{বাউ|আবদুল মমিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবদুল মমিন তালুকদার}}
* {{বাউ|আবদুল মাজেদ খান}}
* {{বাউ|আবদুল মান্নান হাওলাদার}}
* {{বাউ|আবদুল মালেক (সচিব)}}
* {{বাউ|আবদুল হক ফরিদী}}
* {{বাউ|আবদুল হাই চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবদুল হাই মাশরেকী}}
* {{বাউ|আবদুল হাই শিকদার}}
* {{বাউ|আবদুল হাকিম খান বাহাদুর}}
* {{বাউ|আবদুল হাফিজ (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|আবদুল হামিদ (ধারাভাষ্যকার)}}
* {{বাউ|আবদুল হামিদ (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আবদুল হামিদ খান ইউসফজয়ী}}
* {{বাউ|আবদুল হামিদ তালুকদার}}
* {{বাউ|আবদুল হালিম বয়াতি}}
* {{বাউ|আবদুল্লাহ আল মামুন}}
* {{বাউ|আবদুল্লাহ আল-মামুন সোহ্রাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|আবদুল্লাহ-আল-মাহমুদ}}
* {{বাউ|আবদুস সাত্তার (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবদুস সাত্তার ভূঞা}}
* {{বাউ|আবদুস সালাম (পদার্থবিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|আবদুস সালাম (ভাষা শহীদ)}}
* {{বাউ|আবদুস সালাম (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|আবদুস সালাম মামুন}}
* {{বাউ|আবদুস সোবহান সিকদার}}
* {{বাউ|আবিদ আজাদ}}
* {{বাউ|আবিদ আনোয়ার}}
* {{বাউ|আবিদা ইসলাম}}
* {{বাউ|আবিদুর রেজা খান}}
* {{বাউ|আবু আসাদ মোহাম্মদ ওবায়দুল গনি}}
* {{বাউ|আবু আহমদ আব্দুল হাফিজ}}
* {{বাউ|আবু আহমদ ফজলুল করিম}}
* {{বাউ|আবু আহমেদ}}
* {{বাউ|আবু আহমেদ জহিরুল আমিন খান}}
* {{বাউ|আবু ইউসুফ (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবু কায়সার}}
* {{বাউ|আবু জাফর}}
* {{বাউ|আবু জাফর (গীতিকার)}}
* {{বাউ|আবু জাফর শামসুদ্দীন}}
* {{বাউ|আবু জাহির}}
* {{বাউ|আবু তাহের (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আবু তাহের নদভী}}
* {{বাউ|আবু তাহের মজুমদার}}
* {{বাউ|আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান}}
* {{বাউ|আবু নঈম শেখ}}
* {{বাউ|আবু নসর ওহীদ}}
* {{বাউ|আবু বকর সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|আবু বকর সিদ্দিকী (বিচারক)}}
* {{বাউ|আবু বারেক মোহাম্মদ নুরুল আলম}}
* {{বাউ|আবু মহামেদ হবিবুল্লাহ}}
* {{বাউ|আবু মো. দেলোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন}}
* {{বাউ|আবু যোহা নূর আহমদ}}
* {{বাউ|আবু রুশদ}}
* {{বাউ|আবু রেজা ফজলুল হক বাবলু}}
* {{বাউ|আবু শারাফ হিজবুল কাদের সাদেক}}
* {{বাউ|আবু শাহেদ ইমন}}
* {{বাউ|আবু শাহ্রিয়ার}}
* {{বাউ|আবু সয়ীদ আইয়ুব}}
* {{বাউ|আবু সাইয়ীদ}}
* {{বাউ|আবু সাঈদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম}}
* {{বাউ|আবু সালেহ}}
* {{বাউ|আবু সালেহ মোহাম্মদ নাজমুল হক}}
* {{বাউ|আবু সালেহ মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|আবু সালেহ মোহাম্মদ সাঈদ}}
* {{বাউ|আবু হায়াত মাহমুদ}}
* {{বাউ|আবু হাসান ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|আবু হাসান শাহরিয়ার}}
* {{বাউ|আবু হেনা মোস্তফা কামাল}}
* {{বাউ|আবু হোসেন সিদ্দিক}}
* {{বাউ|আবুল আহসান}}
* {{বাউ|আবুল আহসান চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবুল ওমরাহ মুহম্মদ ফখরুদ্দিন}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (বুদ্ধিজীবী)}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবুল কালাম ফায়জুল হক}}
* {{বাউ|আবুল কালাম মনজুর মোরশেদ}}
* {{বাউ|আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া}}
* {{বাউ|আবুল কালাম শামসুদ্দিন (সরকারি কর্মকর্তা)}}
* {{বাউ|আবুল কাশেম সন্দ্বীপ}}
* {{বাউ|আবুল কাসেম (ভাষা সৈনিক)}}
* {{বাউ|আবুল কাসেম (সাহিত্যরত্ন)}}
* {{বাউ|আবুল কাসেম খান}}
* {{বাউ|আবুল কাসেম ফজলুল হক}}
* {{বাউ|আবুল খায়ের}}
* {{বাউ|আবুল খায়ের (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|আবুল খায়ের মুসলেহউদ্দিন}}
* {{বাউ|আবুল ফতেহ}}
* {{বাউ|আবুল ফাতাহ মুহাম্মদ ইয়াহইয়া}}
* {{বাউ|আবুল বরকত}}
* {{বাউ|আবুল বারকাত}}
* {{বাউ|আবুল বাশার (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবুল বাশার (লেখক)}}
* {{বাউ|আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম}}
* {{বাউ|আবুল বাসার (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আবুল বাসার আকন্দ}}
* {{বাউ|আবুল মকসুদ হারুন অর রশীদ}}
* {{বাউ|আবুল মাল আবদুল মুহিত}}
* {{বাউ|আবুল মোমেন}}
* {{বাউ|আবুল হাশেম (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবুল হাশেম খান (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|আবুল হাশেম সরকার}}
* {{বাউ|আবুল হাসনাত (মেয়র)}}
* {{বাউ|আবুল হাসান (কবি)}}
* {{বাউ|আবুল হাসান মাহমুদ আলী}}
* {{বাউ|আবুল হুসসাম}}
* {{বাউ|আবুল হুসেন}}
* {{বাউ|আবুল হোসেন (কবি)}}
* {{বাউ|আবুল হোসেন (পদার্থবিদ)}}
* {{বাউ|আবেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবেদ হোসেন খান}}
* {{বাউ|আব্দুর রইছ}}
* {{বাউ|আব্দুর রউফ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আব্দুর রব চৌধুরী}}
* {{বাউ|আব্দুর রহমান (বুদ্ধিজীবী)}}
* {{বাউ|আব্দুর রহমান (মুফতি)}}
* {{বাউ|আব্দুর রহমান আনওয়ারী}}
* {{বাউ|আব্দুর রহমান সরকার}}
* {{বাউ|আব্দুর রহমানেল মাছউদ}}
* {{বাউ|আব্দুর রহিম (সংসদ সদস্য)}}
* {{বাউ|আব্দুল আউয়াল খান}}
* {{বাউ|আব্দুল আজিজ (চলচ্চিত্র নির্মাতা)}}
* {{বাউ|আব্দুল আলীম (সঙ্গীতশিল্পী)}}
* {{বাউ|আব্দুল ওয়াহহাব মিঞা}}
* {{বাউ|আব্দুল ওয়াহাব তালুকদার}}
* {{বাউ|আব্দুল ওহাব খান (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|আব্দুল করিম আব্বাসী}}
* {{বাউ|আব্দুল জব্বার}}
* {{বাউ|আব্দুল জলিল}}
* {{বাউ|আব্দুল বায়েস}}
* {{বাউ|আব্দুল মতিন চৌধুরী (পদার্থবিদ)}}
* {{বাউ|আব্দুল মতিন পাটোয়ারি}}
* {{বাউ|আব্দুল মান্নান আকন্দ}}
* {{বাউ|আব্দুল মান্নান চৌধুরী (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আব্দুল মান্নান শিকদার}}
* {{বাউ|আব্দুল মালেক উকিল}}
* {{বাউ|আব্দুল মুত্তাকিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|আব্দুল মুমিত চৌধুরী}}
* {{বাউ|আব্দুল মোতালেব মালিক}}
* {{বাউ|আব্দুল লতিফ}}
* {{বাউ|আব্দুল লতিফ বাচ্চু}}
* {{বাউ|আব্দুল লতিফ মিয়া}}
* {{বাউ|আব্দুল হাকিম সরকার}}
* {{বাউ|আব্দুল হামিদ (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|আব্দুল হামিদ রায়হান}}
* {{বাউ|আব্দুল হালিম বুখারী}}
* {{বাউ|আব্দুল হাসিব}}
* {{বাউ|আব্দুল্লাহ আল মামুন (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ}}
* {{বাউ|আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ}}
* {{বাউ|আব্দুস শাকুর (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আব্দুস সাত্তার (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আব্দুস সাত্তার খান}}
* {{বাউ|আব্দুস সাত্তার মোহন্ত}}
* {{বাউ|আব্দুস সামাদ আজাদ}}
* {{বাউ|আব্দুস সালাম চাটগামী}}
* {{বাউ|আব্দুস সেলিম}}
* {{বাউ|আব্বাসউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|আভরাল সাহির}}
* {{বাউ|আভা আলম}}
* {{বাউ|আভাস}}
* {{বাউ|আভাসকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|আমজাদ হোসেন}}
* {{বাউ|আমজাদ হোসেন (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|আমান রেজা}}
* {{বাউ|আমানুল হক}}
* {{বাউ|আমানুল হক (নৃত্যশিল্পী)}}
* {{বাউ|আমানুল্লাহ কবির}}
* {{বাউ|আমিন আহমদ}}
* {{বাউ|আমিন উদ্দিন মৃধা}}
* {{বাউ|আমিন সোহরাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|আমিনা আহমেদ কর}}
* {{বাউ|আমিনুর রশীদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আমিনুর রহমান}}
* {{বাউ|আমিনুর রহমান শামসুদ দোহা}}
* {{বাউ|আমিনুর রহমান সুলতান}}
* {{বাউ|আমিনুল ইসলাম (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আমিনুল ইসলাম (মৃত্তিকা বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|আমিনুল ইসলাম বাদশা}}
* {{বাউ|আমিনুল ইসলাম ভুঁইয়া}}
* {{বাউ|আমিনুল করিম}}
* {{বাউ|আমিনুল হক (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|আমিনুল হক (অ্যাটর্নি জেনারেল)}}
* {{বাউ|আমির হামজা (আলোকচিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আমির হামজা (কবি)}}
* {{বাউ|আমির হোসেন (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|আমির হোসেন আমু}}
* {{বাউ|আমির হোসেন খান}}
* {{বাউ|আমিরুল আলম মিলন}}
* {{বাউ|আমিরুল ইসলাম (গীতিকার)}}
* {{বাউ|আমিরুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|আমীন আহম্মেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আমীর-উল ইসলাম}}
* {{বাউ|আমীরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|আয়নুন নাহার সিদ্দিকা}}
* {{বাউ|আয়মান সাদিক}}
* {{বাউ|আয়েত আলী খাঁ}}
* {{বাউ|আয়েশা বেদোরা চৌধুরী}}
* {{বাউ|আযীযুর রহমান কায়েদ}}
* {{বাউ|আর আই এম আমিনুর রশিদ}}
* {{বাউ|আর. এ. গনি}}
* {{বাউ|আর. কে. বি. এম. রিজমী}}
* {{বাউ|আরতি দত্ত}}
* {{বাউ|আরমা দত্ত}}
* {{বাউ|আরমিন মুসা}}
* {{বাউ|আরশাদ-উজ জামান}}
* {{বাউ|আরেফিন রুমি}}
* {{বাউ|আর্ক}}
* {{বাউ|আর্থার উইলসন}}
* {{বাউ|আর্থার লেভেলিন বাশাম}}
* {{বাউ|আল-কামাল আবদুল ওহাব}}
* {{বাউ|আল-নকীব চৌধুরী}}
* {{বাউ|আলতাফ মাহমুদ}}
* {{বাউ|আলতাফ হোসেইন}}
* {{বাউ|আলতাফ হোসেন (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আলতাফ হোসেন (কবি)}}
* {{বাউ|আলতামাস আহমেদ}}
* {{বাউ|আলপনা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|আলফ্রেড উডলি ক্রফট}}
* {{বাউ|আলভী আহমেদ}}
* {{বাউ|আলম আরা জুঁই}}
* {{বাউ|আলম খান}}
* {{বাউ|আলম খোরশেদ}}
* {{বাউ|আলমগীর (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|আলমগীর কুমকুম}}
* {{বাউ|আলমগীর মোহাম্মদ সিরাজুদ্দীন}}
* {{বাউ|আলাউদ্দিন আলী}}
* {{বাউ|আলাউদ্দিন আহম্মদ}}
* {{বাউ|আলাউদ্দিন খাঁ}}
* {{বাউ|আলী আকবর খাঁ}}
* {{বাউ|আলী আকবর রুপু}}
* {{বাউ|আলী আকরাম শুভ}}
* {{বাউ|আলী আজগর}}
* {{বাউ|আলী আশরাফ (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আলী আহমদ}}
* {{বাউ|আলী ইমাম}}
* {{বাউ|আলী কায়সার হাসান মোর্শেদ}}
* {{বাউ|আলী মনসুর}}
* {{বাউ|আলী রীয়াজ}}
* {{বাউ|আলী হোসেন (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|আলেকজান্ডার পেডলার}}
* {{বাউ|আশফাকুল ইসলাম}}
* {{বাউ|আশরফি খানম}}
* {{বাউ|আশরাফ আলী খান চৌধুরী}}
* {{বাউ|আশরাফ শিশির}}
* {{বাউ|আশরাফ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|আশরাফ-উজ-জামান খান}}
* {{বাউ|আশরাফুদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|আশরাফুল আলম (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আশা মেহরিন আমিন}}
* {{বাউ|আশালতা সিংহ}}
* {{বাউ|আশালতা সেন}}
* {{বাউ|আশিক চৌধুরী}}
* {{বাউ|আশিকুজ্জামান (জেনারেল)}}
* {{বাউ|আশিকুর রহমান}}
* {{বাউ|আশীষ রঞ্জন দাস}}
* {{বাউ|আশুতোষ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আশুতোষ চৌধুরী (আইনজীবি)}}
* {{বাউ|আশুতোষ সুজন}}
* {{বাউ|আশুতোষ সেন}}
* {{বাউ|আশ্চর্যময়ী}}
* {{বাউ|আসকার ইবনে শাইখ}}
* {{বাউ|আসফার হোসেন মোল্লা}}
* {{বাউ|আসমত আলী শিকদার}}
* {{বাউ|আসলাম সানী}}
* {{বাউ|আসহাব উদ্দীন}}
* {{বাউ|আসহাব উদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|আসহাব-উল-হক}}
* {{বাউ|আসাদ আলম সিয়াম}}
* {{বাউ|আসাদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আসাদ বিন হাফিজ}}
* {{বাউ|আসাদ মান্নান}}
* {{বাউ|আসাদুজ্জামান খান}}
* {{বাউ|আসিফ ইকবাল (গীতিকার)}}
* {{বাউ|আহমদ আবদুল কাদের}}
* {{বাউ|আহমদ আলী এনায়েতপুরী}}
* {{বাউ|আহমদ জামান চৌধুরী}}
* {{বাউ|আহমদ রফিক}}
* {{বাউ|আহমদ শামসুল ইসলাম}}
* {{বাউ|আহমাদ মোস্তফা কামাল}}
* {{বাউ|আহমেদ আলী}}
* {{বাউ|আহমেদ ইকবাল হায়দার}}
* {{বাউ|আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল}}
* {{বাউ|আহমেদ শফি}}
* {{বাউ|আহমেদ সোহেল}}
* {{বাউ|আহমেদুর রশিদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আহম্মদ আলী}}
* {{বাউ|আহসান এইচ মনসুর}}
* {{বাউ|আহসান হাবীব (কার্টুনিস্ট)}}
* {{বাউ|ইউজিন লাঁফৌ}}
* {{বাউ|ইউনুস আলী সরকার}}
* {{বাউ|ইউয়ান ৎসে লি}}
* {{বাউ|ইউসুফ আবদুল্লাহ সুমন}}
* {{বাউ|ইউসুফ আলী খান}}
* {{বাউ|ইউসুফ আলী মোল্লা}}
* {{বাউ|ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন}}
* {{বাউ|ইকতিয়ার চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইকবাল আসিফ জুয়েল}}
* {{বাউ|ইকবাল আহমেদ (সঙ্গীতশিল্পী)}}
* {{বাউ|ইকবাল কাদির}}
* {{বাউ|ইকবাল খন্দকার}}
* {{বাউ|ইকবাল মাহমুদ}}
* {{বাউ|ইকবাল সোবহান চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইকবাল হোসেন খান}}
* {{বাউ|ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ}}
* {{বাউ|ইতরাত হোসেন জুবেরী}}
* {{বাউ|ইনামুল হক}}
* {{বাউ|ইন্ডালো}}
* {{বাউ|ইন্দিরা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ইন্দিরা দেবী}}
* {{বাউ|ইন্দিরা নাথ}}
* {{বাউ|ইন্দিরা ব্যানার্জি}}
* {{বাউ|ইন্দিরাদেবী রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইন্দু মিঠা}}
* {{বাউ|ইন্দুভূষণ রক্ষিত}}
* {{বাউ|ইন্দ্রকুমার রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইন্দ্রজিৎ প্রসাদ}}
* {{বাউ|ইন্দ্রজিৎ হাজরা}}
* {{বাউ|ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|ইন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ইন্দ্রনাথ রুদ্র}}
* {{বাউ|ইন্দ্রমোহন রাজবংশী}}
* {{বাউ|ইন্দ্রাণী বসু}}
* {{বাউ|ইপ্সিতা রায় চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইফতেখার চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইফতেখারুজ্জামান}}
* {{বাউ|ইফফাত আরা}}
* {{বাউ|ইফফাত আরা দেওয়ান}}
* {{বাউ|ইবনে ইমাম}}
* {{বাউ|ইবনে মিজান}}
* {{বাউ|ইবরাহীম আলী তশনা}}
* {{বাউ|ইবরাহীম খাঁ}}
* {{বাউ|ইব্রাহিম আহমেদ কমল}}
* {{বাউ|ইব্রাহীম খলিল (নাট্যকার)}}
* {{বাউ|ইমতিয়াজ মাহমুদ}}
* {{বাউ|ইমতিয়াজ হোসেন (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|ইমতিয়ার শামীম}}
* {{বাউ|ইমদাদ হোসেন}}
* {{বাউ|ইমন চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইমন সাহা}}
* {{বাউ|ইমরান এইচ সরকার}}
* {{বাউ|ইমরান মাহমুদুল}}
* {{বাউ|ইমরান সিদ্দিক}}
* {{বাউ|ইমাউল হক}}
* {{বাউ|ইমাম হোসেন চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইয়াকুব আলী শরীফ}}
* {{বাউ|ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ}}
* {{বাউ|ইয়াসমিন মোর্শেদ}}
* {{বাউ|ইয়েন ইয়েন}}
* {{বাউ|ইলা মজুমদার}}
* {{বাউ|ইসমাইল খান}}
* {{বাউ|ইসমাইল ফারুক চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইসমাইল মোহাম্মাদ}}
* {{বাউ|ইসমাইল হোসেন তালুকদার}}
* {{বাউ|ইসমাত জাহান}}
* {{বাউ|ইসরাইল খান}}
* {{বাউ|ইসহাক কাজল}}
* {{বাউ|ইসহাক খান}}
* {{বাউ|ইসহাক ফরিদী}}
* {{বাউ|ইস্পাহানী-আরিফ জাহান}}
* {{বাউ|ঈশা মহম্মদ}}
* {{বাউ|ঈশানচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ঈশানচন্দ্র বসু}}
* {{বাউ|উকিল মুন্সী}}
* {{বাউ|উজ্জ্বল (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|উজ্জ্বল মৌলিক}}
* {{বাউ|উত্তম আকাশ}}
* {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারী}}
* {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|উবায়দুর রহমান খান নদভী}}
* {{বাউ|উবায়দুল কবীর চৌধুরী}}
* {{বাউ|উমা মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|উমাপতিধর}}
* {{বাউ|উমেশচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|উমেশচন্দ্র বটব্যাল}}
* {{বাউ|উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|উৎপলকুমার বসু}}
* {{বাউ|উৎপলেন্দু চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ঊষা গাঙ্গুলি}}
* {{বাউ|ঊষা রঞ্জন ঘটক}}
* {{বাউ|ঊষা সেন}}
* {{বাউ|ঋজুদা}}
* {{বাউ|ঋতুরাজ ভৌমিক}}
* {{বাউ|ঋতেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|ঋষি চন্দ}}
* {{বাউ|ঋষিবর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|এ আই এম মোস্তফা রেজা নূর}}
* {{বাউ|এ এইচ এম এনায়েত হোসেন}}
* {{বাউ|এ এইচ এম জেহাদুল করিম}}
* {{বাউ|এ এইচ এম তৌহিদুল আনোয়ার চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ এইচ দিলদার আহমদ}}
* {{বাউ|এ এইচ মোফাজ্জল করিম}}
* {{বাউ|এ এন এম গোলাম মোস্তফা}}
* {{বাউ|এ এফ এম আবদুল আলীম চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ এফ এম নাজমুল হুদা}}
* {{বাউ|এ এফ এম মফিজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এ এম এ এম জোনায়েদ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ কে আজাদ খান}}
* {{বাউ|এ কে এম ইউসুফ}}
* {{বাউ|এ কে এম ইয়াকুব আলী}}
* {{বাউ|এ কে এম কামারুজ্জামান}}
* {{বাউ|এ কে এম জহিরুল হক}}
* {{বাউ|এ কে এম জহিরুল হক (বিচারক)}}
* {{বাউ|এ কে এম জাকির হোসেন}}
* {{বাউ|এ কে এম নুরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এ কে এম নূরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এ কে এম নূরুল হক}}
* {{বাউ|এ কে এম শহীদুল করিম}}
* {{বাউ|এ কে এম শামসুল হক}}
* {{বাউ|এ কে এম সাঈদুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ কে এম সাদেক}}
* {{বাউ|এ কে এম সিদ্দিক}}
* {{বাউ|এ কে এম হাফিজউদ্দিন}}
* {{বাউ|এ কে নাজমুল করিম}}
* {{বাউ|এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|এ কে বদরুল হক}}
* {{বাউ|এ জে এম নূরুদ্দীন চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ জে মিন্টু}}
* {{বাউ|এ জেড এম জাহিদ হোসেন}}
* {{বাউ|এ জেড এম মোস্তাক হোসেন}}
* {{বাউ|এ টি এম আলমগীর}}
* {{বাউ|এ টি এম জহুরুল হক}}
* {{বাউ|এ বি এম আবদুর রহিম}}
* {{বাউ|এ বি এম আব্দুল্লাহ}}
* {{বাউ|এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এ বি এম মূসা}}
* {{বাউ|এ বি এম রাশেদুল হাসান}}
* {{বাউ|এ বি এম শওকত আলী}}
* {{বাউ|এ, জে, মোহাম্মদ আলী}}
* {{বাউ|এ. এইচ. এম. মনিরুজ্জামান}}
* {{বাউ|এ. এইচ. এস. আতাউল করিম}}
* {{বাউ|এ. এইচ. জি. মহিউদ্দিন}}
* {{বাউ|এ. এন. এম মমতাজ উদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ. এন. এম. নূরুজ্জামান}}
* {{বাউ|এ. এন. এম. হামিদুল্লাহ্}}
* {{বাউ|এ. এফ. ইমাম আলি}}
* {{বাউ|এ. এফ. এম. আওরঙ্গজেব}}
* {{বাউ|এ. এফ. এম. আবদুল মঈন}}
* {{বাউ|এ. এফ. এম. আব্দুর রহমান}}
* {{বাউ|এ. এফ. এম. এন্তাজ আলী}}
* {{বাউ|এ. এফ. সালাহ্উদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|এ. এফ. হাসান আরিফ}}
* {{বাউ|এ. এম. আমিনুল হক}}
* {{বাউ|এ. এস. এম. আব্দুল মোবিন}}
* {{বাউ|এ. কিউ. এম. বজলুল করিম}}
* {{বাউ|এ. কিউ. এম. মাহবুব}}
* {{বাউ|এ. কে. এম. আসাদুজ্জামান}}
* {{বাউ|এ. কে. এম. আহসান আলী}}
* {{বাউ|এ. কে. এম. সিরাজুল ইসলাম খান}}
* {{বাউ|এ. কে. নাজিরউদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|এ. টি. এম. আফজাল}}
* {{বাউ|এ. টি. এম. শামসুদ্দিন}}
* {{বাউ|এ. বি. এম. খায়রুল হক}}
* {{বাউ|এ. বি.এম. আলতাফ হোসেন}}
* {{বাউ|এ.এইচ.এম. শামসুর রহমান}}
* {{বাউ|এ.ওয়াই.বি আই সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|এ.কে.এম. রবিউল হাসান}}
* {{বাউ|এ.টি.এম. ফজলে কবির}}
* {{বাউ|এআরএম ইনামুল হক}}
* {{বাউ|এআরএম লুৎফুল কবীর}}
* {{বাউ|এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে}}
* {{বাউ|এইচ এম জহিরুল হক}}
* {{বাউ|এএসএম মতিউর রহমান}}
* {{বাউ|একরামউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী}}
* {{বাউ|একেএম আবদুর রউফ}}
* {{বাউ|একেএম আমিনুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|একেএম আসাদুল হক}}
* {{বাউ|একেএম বজলুল করিম}}
* {{বাউ|একেএম শহীদুল হক}}
* {{বাউ|একেনবাবু}}
* {{বাউ|এখলাসউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|এজাজ ইউসুফী}}
* {{বাউ|এজাজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এঞ্জেলা গোমেজ}}
* {{বাউ|এণাক্ষী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|এনামুর রহমান}}
* {{বাউ|এনামুল করিম নির্ঝর}}
* {{বাউ|এনামুল বাশার}}
* {{বাউ|এনামুল হক (পুলিশ কর্মকর্তা)}}
* {{বাউ|এনামুল হক (প্রত্নতাত্ত্বিক)}}
* {{বাউ|এনামুল হক (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|এনামুল হক মোস্তফা শহীদ}}
* {{বাউ|এনায়েত করিম}}
* {{বাউ|এনায়েত হোসেন খান}}
* {{বাউ|এনায়েতউল্লাহ খান}}
* {{বাউ|এনায়েতুল্লাহ্ খান}}
* {{বাউ|এনিগমা (মার্ভেল কমিক্স)}}
* {{বাউ|এন্ড্রু বিরাজ}}
* {{বাউ|এফ আই মানিক}}
* {{বাউ|এফ এ সুমন}}
* {{বাউ|এফআরএম নাজমুল আহসান}}
* {{বাউ|এবাদুর রহমান}}
* {{বাউ|এবিএম নুরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এব্রাহাম মজুমদার}}
* {{বাউ|এম অহিদুজ্জামান}}
* {{বাউ|এম আনোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|এম আবদুর রহমান}}
* {{বাউ|এম আবদুল কাদির ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|এম আবদুস সোবহান (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|এম আর আখতার মুকুল}}
* {{বাউ|এম আর কবির}}
* {{বাউ|এম আলাউদ্দিন}}
* {{বাউ|এম আল্লামা সিদ্দিকি}}
* {{বাউ|এম ইউসুফ আলী}}
* {{বাউ|এম ইকবাল আর্সলান}}
* {{বাউ|এম ইদ্রিস}}
* {{বাউ|এম ইন্নাস আলী}}
* {{বাউ|এম এ ওয়াজেদ মিয়া}}
* {{বাউ|এম এ ওয়াদুদ}}
* {{বাউ|এম এ খালেক}}
* {{বাউ|এম এ জাহের (ভূতাত্ত্বিক)}}
* {{বাউ|এম এ মাজিদ}}
* {{বাউ|এম এ মান্নান (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|এম এ মান্নান (স্নায়ুবিদ)}}
* {{বাউ|এম এ মালেক (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|এম এ মোবিন}}
* {{বাউ|এম এ সাত্তার মণ্ডল}}
* {{বাউ|এম এ হক (কবি)}}
* {{বাউ|এম এ হাদী}}
* {{বাউ|এম এ হামিদ}}
* {{বাউ|এম এ হাসান}}
* {{বাউ|এম এনায়েতুর রহিম}}
* {{বাউ|এম এম রহমত উল্লাহ}}
* {{বাউ|এম এম রেজাউল করিম}}
* {{বাউ|এম এস স্বামীনাথন}}
* {{বাউ|এম ওসমান গনি তালুকদার}}
* {{বাউ|এম কিউ কে তালুকদার}}
* {{বাউ|এম কোরবান আলী}}
* {{বাউ|এম খায়রুল হোসেন}}
* {{বাউ|এম ফাতেমা খানম}}
* {{বাউ|এম ফিরোজ আহমেদ}}
* {{বাউ|এম বি মানিক}}
* {{বাউ|এম মহবুবউজ্জামান}}
* {{বাউ|এম মোখলেসুর রহমান চৌধুরী}}
* {{বাউ|এম মোজাম্মেল হক}}
* {{বাউ|এম রফিকুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এম শমশের আলী}}
* {{বাউ|এম শহিদুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এম শামসুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এম সাইদুজ্জামান}}
* {{বাউ|এম সাইদুর রহমান খান}}
* {{বাউ|এম সি চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|এম হামিদ}}
* {{বাউ|এম. আজিজুর রহমান}}
* {{বাউ|এম. আমিনুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এম. এ. আজিজ (নির্বাচন কমিশনার)}}
* {{বাউ|এম. এইচ. খন্দকার}}
* {{বাউ|এম. এম. রুহুল আমিন}}
* {{বাউ|এম. খায়রুল আলম খান}}
* {{বাউ|এম. গোলাম শাহি আলম}}
* {{বাউ|এম. জাহিদ হাসান}}
* {{বাউ|এম. নুরুল্লাহ}}
* {{বাউ|এম. মোয়াজ্জম হোসেন}}
* {{বাউ|এম. শামসুর রহমান}}
* {{বাউ|এম. সাখাওয়াত হোসেন}}
* {{বাউ|এম. হুমায়ুন কবির}}
* {{বাউ|এম. হোসেন আলী}}
* {{বাউ|এমদাদুল হক আজাদ}}
* {{বাউ|এমদাদুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|এমরান আহমদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|এমাজউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|এল. কে. সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|এলিটা করিম}}
* {{বাউ|এস আই এম নূরুন্নবী খান}}
* {{বাউ|এস আই টুটুল}}
* {{বাউ|এস এ হক অলিক}}
* {{বাউ|এস এম আব্রাহাম লিংকন}}
* {{বাউ|এস এম আমজাদ হোসেন}}
* {{বাউ|এস এম আহমেদ হুমায়ুন}}
* {{বাউ|এস এম এমদাদুল হক}}
* {{বাউ|এস এম কুদ্দুস জামান}}
* {{বাউ|এস এম মহসীন}}
* {{বাউ|এস এম মাসুদ হোসেন দোলন}}
* {{বাউ|এস এম মাহফুজুর রহমান}}
* {{বাউ|এস এম সোলায়মান}}
* {{বাউ|এস ডি রুবেল}}
* {{বাউ|এস. এ. বারী}}
* {{বাউ|এস. এ. মালেক}}
* {{বাউ|এস. এম. আল হোসাইনী}}
* {{বাউ|এস. এম. এ. রাশীদুল হাসান}}
* {{বাউ|এস. এম. মজিবুর রহমান}}
* {{বাউ|এস. এম. মনিরুজ্জামান}}
* {{বাউ|এস. এম. সিরিল}}
* {{বাউ|এস. এম. হারুন-অর-রশীদ}}
* {{বাউ|এস.এম আবুল কালাম}}
* {{বাউ|এস.এম. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু}}
* {{বাউ|এসকে. তাহসিন আলী}}
* {{বাউ|এহতেশাম}}
* {{বাউ|ওবায়দুল হাসান}}
* {{বাউ|ওবায়দুল্লাহ আল ওবায়দী সোহরাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|ওবায়দুল্লাহ হামযাহ}}
* {{বাউ|ওমর আলী}}
* {{বাউ|ওমর ইশরাক}}
* {{বাউ|ওমর ফারুক ইউসুফ}}
* {{বাউ|ওয়াকিল আহমদ}}
* {{বাউ|ওয়াকিল আহাদ}}
* {{বাউ|ওয়াজেদ আলী সুমন}}
* {{বাউ|ওয়াসফিয়া নাজরীন}}
* {{বাউ|ওয়াসি আহমেদ}}
* {{বাউ|ওয়াহিদ ইবনে রেজা}}
* {{বাউ|ওয়াহিদউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ}}
* {{বাউ|ওয়াহিদা আক্তার}}
* {{বাউ|ওয়াহিদুল হক}}
* {{বাউ|ওসমান গণি}}
* {{বাউ|ওসমান সরওয়ার আলম চৌধুরী}}
* {{বাউ|ওস্তাদ বাবর আলী খান}}
* {{বাউ|ওহিদুর রহমান}}
* {{বাউ|ওহিদুল আলম}}
* {{বাউ|ওহীদুল আলম}}
* {{বাউ|কঙ্কনা সেন শর্মা}}
* {{বাউ|কঙ্কর শুভ্র দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|কছিম উদ্দিন}}
* {{বাউ|কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কনক কান্তি বড়ুয়া}}
* {{বাউ|কনকচাঁপা}}
* {{বাউ|কফিল আহমেদ}}
* {{বাউ|কফিলউদ্দিন মাহমুদ}}
* {{বাউ|কবরী}}
* {{বাউ|কবিচন্দ্র রামকৃষ্ণ রায়}}
* {{বাউ|কবিতা খানম}}
* {{বাউ|কবিতা সিংহ}}
* {{বাউ|কবির বকুল}}
* {{বাউ|কবির হোসেন}}
* {{বাউ|কবীন্দ্র পরমেশ্বর}}
* {{বাউ|কবীর সুমন}}
* {{বাউ|কমল দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|কমলকুমার মজুমদার}}
* {{বাউ|কমলা সাংকৃত্যায়ন}}
* {{বাউ|কমলাদেবী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|করিমুন্নেসা খানম চৌধুরানী}}
* {{বাউ|করুণা সাহা}}
* {{বাউ|করুণাময় গোস্বামী}}
* {{বাউ|কর্নেল নীলাদ্রি সরকার}}
* {{বাউ|কলাবতী (কাল্পনিক চরিত্র)}}
* {{বাউ|কলিম শরাফী}}
* {{বাউ|কল্কেকাশি}}
* {{বাউ|কল্পতরু সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|কল্পনা আখতার}}
* {{বাউ|কল্পনা চাকমা}}
* {{বাউ|কল্যাণ মিত্র}}
* {{বাউ|কল্যাণ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কল্যাণী ঘোষ}}
* {{বাউ|কসিমউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|কসিরউদ্দিন তালুকদার}}
* {{বাউ|কাইজার চৌধুরী}}
* {{বাউ|কাইয়ুম চৌধুরী}}
* {{বাউ|কাওসার আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|কাওসার চৌধুরী}}
* {{বাউ|কাকাবাবু}}
* {{বাউ|কাজল আরেফিন অমি}}
* {{বাউ|কাজল বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কাজি হাসমত আলী}}
* {{বাউ|কাজী আকরম হোসেন}}
* {{বাউ|কাজী আজহার আলী}}
* {{বাউ|কাজী আজিজুল মাওলা}}
* {{বাউ|কাজী আনোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|কাজী আনোয়ার হোসেন (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|কাজী আনোয়ারা মনসুর}}
* {{বাউ|কাজী আফসারউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|কাজী আবদুল আলীম}}
* {{বাউ|কাজী আবদুল ফাত্তাহ}}
* {{বাউ|কাজী আবুল কাসেম (কার্টুনিস্ট)}}
* {{বাউ|কাজী আবুল মনসুর}}
* {{বাউ|কাজী ইবাদত হোসেন}}
* {{বাউ|কাজী ইমদাদুল হক}}
* {{বাউ|কাজী এবাদুল হক}}
* {{বাউ|কাজী এম বদরুদ্দোজা}}
* {{বাউ|কাজী ওয়ালিউল ইসলাম}}
* {{বাউ|কাজী কাদের নেওয়াজ}}
* {{বাউ|কাজী কামরুজ্জামান}}
* {{বাউ|কাজী কৃষ্ণকলি ইসলাম}}
* {{বাউ|কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ}}
* {{বাউ|কাজী গোলাম দস্তগীর}}
* {{বাউ|কাজী গোলাম মাহবুব}}
* {{বাউ|কাজী গোলাম মুস্তাফা}}
* {{বাউ|কাজী গোলাম রসূল}}
* {{বাউ|কাজী জহির}}
* {{বাউ|কাজী জহিরুল হক}}
* {{বাউ|কাজী জিনাত হক}}
* {{বাউ|কাজী তরিকুল ইসলাম}}
* {{বাউ|কাজী দীন মুহাম্মদ (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|কাজী মাসুম আখতার}}
* {{বাউ|কাজী মুতাসিম বিল্লাহ}}
* {{বাউ|কাজী মুহম্মদ মনজুরে মওলা}}
* {{বাউ|কাজী মোঃ ইজারুল হক আকন্দ}}
* {{বাউ|কাজী মোরশেদ}}
* {{বাউ|কাজী রওশন আক্তার}}
* {{বাউ|কাজী রেজা-উল হক}}
* {{বাউ|কাজী রোজী}}
* {{বাউ|কাজী শহীদুন নবী}}
* {{বাউ|কাজী শুভ}}
* {{বাউ|কাজী সব্যসাচী}}
* {{বাউ|কাজী সাইফুদ্দীন}}
* {{বাউ|কাজী সাজ্জাদ হোসেন}}
* {{বাউ|কাজী হায়াৎ}}
* {{বাউ|কাজী হাসান হাবিব}}
* {{বাউ|কাজেম আলী}}
* {{বাউ|কাত্যায়নী দাস ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|কাদম্বরী দেবী}}
* {{বাউ|কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কাদেরী কিবরিয়া}}
* {{বাউ|কানকাটা রমজান}}
* {{বাউ|কানাই লাল দে}}
* {{বাউ|কানাইলাল শীল}}* {{বাউ|কানাহরি দত্ত}}
* {{বাউ|কানু রায়}}
* {{বাউ|কাবেরী গায়েন}}
* {{বাউ|কামরুদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|কামরুন নাহার}}
* {{বাউ|কামরুন নাহার (সরকারি কর্মকর্তা)}}
* {{বাউ|কামরুন নাহার বেগম}}
* {{বাউ|কামরুন নেছা নীলু}}
* {{বাউ|কামরুল আলম খান}}
* {{বাউ|কামরুল আহসান}}
* {{বাউ|কামরুল আহসান (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|কামরুল ইসলাম (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|কামরুল ইসলাম সিদ্দিক}}
* {{বাউ|কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|কামরুল হাসান}}
* {{বাউ|কামরুল হাসান খান}}
* {{বাউ|কামরুল হাসান ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|কামাক্ষীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কামার আহমাদ সাইমন}}
* {{বাউ|কামাল আহমেদ}}
* {{বাউ|কামাল উদ্দিন}}
* {{বাউ|কামাল উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|কামাল লোহানী}}
* {{বাউ|কামাল হোসেন}}
* {{বাউ|কামালউদ্দিন হোসেন}}
* {{বাউ|কামালুদ্দীন জাফরী}}
* {{বাউ|কামিনী কুমার দত্ত}}
* {{বাউ|কামিনীকুমার ঘোষ}}
* {{বাউ|কায়সার হামিদুল হক}}
* {{বাউ|কায়সুল হক}}
* {{বাউ|কায়েস উদ্দিন}}
* {{বাউ|কার্তিকচন্দ্র দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|কালিকারঞ্জন কানুনগো}}
* {{বাউ|কালিচন্দ্র রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|কালিদাস কর্মকার}}
* {{বাউ|কালিদাস নাগ}}
* {{বাউ|কালিদাস ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|কালীকান্ত চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কালীকৃষ্ণ মিত্র}}
* {{বাউ|কালীনাথ দত্ত}}
* {{বাউ|কালীনাথ রায়}}
* {{বাউ|কালীপদ পাঠক}}
* {{বাউ|কালীপদ বসু}}
* {{বাউ|কালীপদ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|কালীপদ সেন}}
* {{বাউ|কালীপ্রসন্ন কাব্যবিশারদ}}
* {{বাউ|কালীপ্রসন্ন সিংহ}}
* {{বাউ|কালীমোহন ঘোষ}}
* {{বাউ|কাশীরাম দাস}}
* {{বাউ|কাশেফা হোসেন}}
* {{বাউ|কাসেম বিন আবুবাকার}}
* {{বাউ|কিউ এ বি এম রহমান}}
* {{বাউ|কিউ.এ.এম.এ রহিম}}
* {{বাউ|কিকিরা}}
* {{বাউ|কিরণ সেন}}
* {{বাউ|কিরণচন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কিরণশঙ্কর সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|কিরীটী রায়}}
* {{বাউ|কিশোর কুমার}}
* {{বাউ|কিশোরীচাঁদ মিত্র}}
* {{বাউ|কিশোরীমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কুঞ্জলাল নাগ}}
* {{বাউ|কুটি মনসুর}}
* {{বাউ|কুণাল বসু}}
* {{বাউ|কুদরত-ই-জাহান}}
* {{বাউ|কুদ্দুস বয়াতি}}
* {{বাউ|কুমকুম মুন্সী}}
* {{বাউ|কুমার বিশ্বজিৎ}}
* {{বাউ|কুমার রায়}}
* {{বাউ|কুমারপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কুমারেশ ঘোষ}}
* {{বাউ|কুমুদনাথ চৌধুরী}}
* {{বাউ|কুমুদশঙ্কর রায়}}
* {{বাউ|কুমুদিনী হাজং}}
* {{বাউ|কৃষ্ণ কুণ্ডু}}
* {{বাউ|কৃষ্ণ ধর}}
* {{বাউ|কৃষ্ণকমল ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|কৃষ্ণকালী মণ্ডল}}
* {{বাউ|কৃষ্ণকুমার মিত্র}}
* {{বাউ|কৃষ্ণচন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|কৃষ্ণদয়াল বসু}}
* {{বাউ|কৃষ্ণদাস কবিরাজ}}
* {{বাউ|কৃষ্ণদাস পাল}}
* {{বাউ|কৃষ্ণধন ঘোষ}}
* {{বাউ|কৃষ্ণনাথ রায়}}
* {{বাউ|কৃষ্ণভাবিনী দাস}}
* {{বাউ|কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কৃষ্ণরাম দাস}}
* {{বাউ|কৃষ্ণরাম ভট্টাচাৰ্য}}
* {{বাউ|কৃষ্ণা}}
* {{বাউ|কৃষ্ণা দেবনাথ}}
* {{বাউ|কৃষ্ণা বসু}}
* {{বাউ|কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশ}}
* {{বাউ|কে এম আলী আজম}}
* {{বাউ|কে এম আসাদ}}
* {{বাউ|কে এম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|কে এম মোহসীন}}
* {{বাউ|কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা}}
* {{বাউ|কে এম সোবহান}}
* {{বাউ|কে জি মুস্তফা}}
* {{বাউ|কে. এম. ইমরুল কায়েশ}}
* {{বাউ|কে. এম. কামরুল কাদের}}
* {{বাউ|কে. এম. জাহিদ সারওয়ার}}
* {{বাউ|কে. এম. শিহাব উদ্দিন}}
* {{বাউ|কে. এম. হাফিজুল আলম}}
* {{বাউ|কে. এম. হাসান}}
* {{বাউ|কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ}}
* {{বাউ|কেতকী কুশারী ডাইসন}}
* {{বাউ|কেতায়ুন আরদেশির দিনশ}}
* {{বাউ|কেদার ও বদ্রী}}
* {{বাউ|কেদারনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কেদারনাথ দাস}}
* {{বাউ|কেদারনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কেদারনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|কেদারেশ্বর বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কেরামত মওলা}}
* {{বাউ|কেশব চন্দ্র নাগ}}
* {{বাউ|কৈলাসচন্দ্র বসু}}
* {{বাউ|কৈলাসচন্দ্র বিদ্যাভূষণ}}
* {{বাউ|কোনাল}}
* {{বাউ|কোরেশী মাগন ঠাকুর}}
* {{বাউ|কৌশিক বসু}}
* {{বাউ|ক্যাথরিন মাসুদ}}
* {{বাউ|ক্রসউইন্ডস}}
* {{বাউ|ক্রিপটিক ফেইট}}
* {{বাউ|ক্লডিয়াস জেমস এরস্কাইন}}
* {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্র চন্দ্র বৈশ্য}}
* {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্রনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্রনারায়ণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্রমোহন নাহা}}
* {{বাউ|ক্ষিরোদচন্দ্র চৌধুরী}}
* {{বাউ|ক্ষীরোদপ্রসাদ বিদ্যাবিনোদ}}
* {{বাউ|ক্ষুদিরাম দাস}}
* {{বাউ|ক্ষেত্র গুপ্ত}}
* {{বাউ|ক্ষেত্রেশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|খগেন্দ্র চন্দ্র দাশ}}
* {{বাউ|খগেন্দ্রনাথ মিত্র}}
* {{বাউ|খন্দকার আবদুল হাফিজ}}
* {{বাউ|খন্দকার আবদুল হামিদ}}
* {{বাউ|খন্দকার আবু বকর (অ্যাটর্নি জেনারেল)}}
* {{বাউ|খন্দকার নুরুল আলম}}
* {{বাউ|খন্দকার মাহবুব উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|খন্দকার মাহবুব হোসেন}}
* {{বাউ|খন্দকার মুসা খালেদ}}
* {{বাউ|খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমান}}
* {{বাউ|খন্দকার মোহাম্মদ আশরাফুল মুনিম}}
* {{বাউ|খন্দকার শামস্ উদ্দিন আহাম্মাদ}}
* {{বাউ|খন্দকার সিদ্দিক-ই-রাব্বানী}}
* {{বাউ|খন্দকার সুমন}}
* {{বাউ|খলিল উল্লাহ খান}}
* {{বাউ|খলিলুর রহমান (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|খলিলুর রহমান (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|খলিলুর রহমান বাবর}}
* {{বাউ|খাঁন মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ্ আল মেহেদী}}
* {{বাউ|খাজা ওয়াসিউদ্দিন}}
* {{বাউ|খাজা মোহাম্মদ কায়সার}}
* {{বাউ|খাতুন সাপনারা}}
* {{বাউ|খাদেম হোসেন খান}}
* {{বাউ|খাদেমুল ইসলাম চৌধুরী}}
* {{বাউ|খান আসিফুর রহমান আগুন}}
* {{বাউ|খান বাহাদুর আবদুল করিম}}
* {{বাউ|খান বাহাদুর জিয়াউল হক}}
* {{বাউ|খান বাহাদুর হেমায়েত উদ্দিন আহম্মদ}}
* {{বাউ|খান মুহাম্মদ মঈনুদ্দীন}}
* {{বাউ|খান মোহাম্মদ ফারাবী}}
* {{বাউ|খান মোহাম্মদ সালেক}}
* {{বাউ|খান শামসুর রহমান}}
* {{বাউ|খান সারওয়ার মুরশিদ}}
* {{বাউ|খান-এ-সবুর}}
* {{বাউ|খায়রুজ্জামান}}
* {{বাউ|খায়রুল আনাম শাকিল}}
* {{বাউ|খায়রুল আলম সবুজ}}
* {{বাউ|খালিকুজ্জামান ইলিয়াস}}
* {{বাউ|খালিদ মাহমুদ মিঠু}}
* {{বাউ|খালিদ হাসান মিলু}}
* {{বাউ|খালিদ হোসেন}}
* {{বাউ|খালেক নওয়াজ খান}}
* {{বাউ|খালেক বিন জয়েন উদ্দীন}}
* {{বাউ|খালেকদাদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|খালেদ খান}}
* {{বাউ|খালেদা আদিব চৌধুরী}}
* {{বাউ|খালেদা একরাম}}
* {{বাউ|খালেদা মনযূর-এ-খুদা}}
* {{বাউ|খিজির আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|খিজির হায়াত}}
* {{বাউ|খিজির হায়াত খান}}
* {{বাউ|খুজিস্তা আখতার বানু}}
* {{বাউ|খুররম খান পন্নী}}
* {{বাউ|খুরশিদ আলম}}
* {{বাউ|খুরশিদ খান}}
* {{বাউ|খুশি কবীর}}
* {{বাউ|খোদা বক্স}}
* {{বাউ|খোদেজা আজম}}
* {{বাউ|খোদেজা খাতুন}}
* {{বাউ|খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ}}
* {{বাউ|খোন্দকার দিলীরুজ্জামান}}
* {{বাউ|খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|খোন্দকার নাসিরউদ্দিন}}
* {{বাউ|খোন্দকার মনোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|খোশনূর আলমগীর}}
* {{বাউ|খ্যান্ত বালা রায়}}
* {{বাউ|গওহর জামিল}}
* {{বাউ|গগনচন্দ্র বিশ্বাস}}
* {{বাউ|গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|গঙ্গাধর সেন রায়}}
* {{বাউ|গঙ্গাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|গজেন্দ্রকুমার মিত্র}}
* {{বাউ|গণেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|গণেশ পাইন}}
* {{বাউ|গণেশ হালুই}}
* {{বাউ|গন্ডালু}}
* {{বাউ|গমির উদ্দিন প্রধান}}
* {{বাউ|গাজী আতাউর রহমান}}
* {{বাউ|গাজী আবদুল হাকিম}}
* {{বাউ|গাজী আব্দুল হক}}
* {{বাউ|গাজী এমএইচ তামিম}}
* {{বাউ|গাজী নাফিস আহমেদ}}
* {{বাউ|গাজী মাজহারুল আনোয়ার}}
* {{বাউ|গাজী রাকায়েত}}
* {{বাউ|গাজী শামছুর রহমান}}
* {{বাউ|গাজীউল হক}}
* {{বাউ|গাজীউল হাসান খান}}
* {{বাউ|গান্ধী আশ্রম}}
* {{বাউ|গান্ধী আশ্রম ট্রাস্ট}}
* {{বাউ|গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক}}
* {{বাউ|গার্গী গুপ্ত}}
* {{বাউ|গিয়াস উদ্দিন সেলিম}}
* {{বাউ|গিয়াস কামাল চৌধুরী}}
* {{বাউ|গিয়াসউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|গিয়াসউদ্দীন মিয়া}}
* {{বাউ|গিয়াসুদ্দিন দালাল}}
* {{বাউ|গিরিজাপতি ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|গিরিবালা দেবী}}
* {{বাউ|গিরিশ চন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|গিরিশচন্দ্র ঘোষ (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|গিরিশচন্দ্র বিদ্যারত্ন}}
* {{বাউ|গিরীন্দ্রশেখর বসু}}
* {{বাউ|গিরীশ চন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|গীতা মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|গুণময় মান্না}}
* {{বাউ|গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|গুরুনাথ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|গুরুপ্রসাদ সেন}}
* {{বাউ|গুরুসদয় দত্ত}}
* {{বাউ|গুল মোহাম্মদ খাঁ}}
* {{বাউ|গোকুলচন্দ্র নাগ}}
* {{বাউ|গোগোল}}
* {{বাউ|গোপাল ঘোষ}}
* {{বাউ|গোপাল চন্দ্র লাহিড়ী}}
* {{বাউ|গোপাল হালদার}}
* {{বাউ|গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|গোপালচন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|গোপালদাস চৌধুরী}}
* {{বাউ|গোপালদাস মজুমদার}}
* {{বাউ|গোপালের মা}}
* {{বাউ|গোপেন্দ্রকৃষ্ণ বসু}}
* {{বাউ|গোবর্ধন আচার্য}}
* {{বাউ|গোবর্ধন আশ}}
* {{বাউ|গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর}}
* {{বাউ|গোবিন্দচন্দ্র দাস}}
* {{বাউ|গোবিন্দচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|গোবিন্দদাস}}
* {{বাউ|গোয়েন্দা কৌশিক}}
* {{বাউ|গোয়েন্দা গার্গী}}
* {{বাউ|গোয়েন্দা বরদাচরণ}}
* {{বাউ|গোলাপ মা}}
* {{বাউ|গোলাম আবু জাকারিয়া}}
* {{বাউ|গোলাম আরিফ টিপু}}
* {{বাউ|গোলাম আলী চৌধুরী}}
* {{বাউ|গোলাম কবীর}}
* {{বাউ|গোলাম কাসেম}}
* {{বাউ|গোলাম কিবরিয়া ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|গোলাম কুদ্দুস}}
* {{বাউ|গোলাম জিলানী চৌধুরী}}
* {{বাউ|গোলাম মওলা}}
* {{বাউ|গোলাম মর্তুজা মজুমদার}}
* {{বাউ|গোলাম মাওলা (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|গোলাম মুরশিদ}}
* {{বাউ|গোলাম মুসাব্বির রাকিব}}
* {{বাউ|গোলাম মুস্তাফা (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|গোলাম মুস্তাফা (আলোকচিত্র শিল্পী)}}
* {{বাউ|গোলাম মোস্তফা}}
* {{বাউ|গোলাম মোস্তফা (শহীদ বুদ্ধিজীবী)}}
* {{বাউ|গোলাম মোস্তফা খান (নৃত্যশিল্পী)}}
* {{বাউ|গোলাম রহমান (শিশুসাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|গোলাম রাব্বানী বিপ্লব}}
* {{বাউ|গোলাম সাকলায়েন}}
* {{বাউ|গোলাম সামদানী কোরায়শী}}
* {{বাউ|গোলাম সামদানী ফকির}}
* {{বাউ|গোলাম সারওয়ার}}
* {{বাউ|গোলাম সারওয়ার (কূটনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|গোলাম হাসনায়েন}}
* {{বাউ|গৌতম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|গৌতম চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|গৌতম বসু}}
* {{বাউ|গৌতম বুদ্ধ দাশ}}
* {{বাউ|গৌতম ভদ্র}}
* {{বাউ|গৌর গোপাল সাহা}}
* {{বাউ|গৌরগোবিন্দ রায়}}
* {{বাউ|গৌরচন্দ্র বালা}}
* {{বাউ|গৌরদাস বসাক}}
* {{বাউ|গৌরমোহন আঢ্য}}
* {{বাউ|গৌরী আইয়ুব}}
* {{বাউ|গৌরী ধর্মপাল}}
* {{বাউ|গৌরী ভঞ্জ}}
* {{বাউ|গৌরী মা}}
* {{বাউ|গৌরী সেন}}
* {{বাউ|গৌরীশঙ্কর ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার}}
* {{বাউ|ঘনরাম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ঘনাদা}}
* {{বাউ|চক্রপাণি দত্ত}}
* {{বাউ|চঞ্চল কর্মকার}}
* {{বাউ|চঞ্চল কুমার মজুমদার}}
* {{বাউ|চণ্ডী লাহিড়ী}}
* {{বাউ|চণ্ডীচরণ মুনশী}}
* {{বাউ|চণ্ডীচরণ সেন}}
* {{বাউ|চণ্ডীদাস মাল}}
* {{বাউ|চন্দক সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|চন্দন কুমার ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|চন্দন বিশ্বাস}}
* {{বাউ|চন্দ্র কালিন্দী রায় হেনরিকসন}}
* {{বাউ|চন্দ্র শেখর দে}}
* {{বাউ|চন্দ্রকুমার দে}}
* {{বাউ|চন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|চন্দ্রমুখী বসু}}
* {{বাউ|চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন}}
* {{বাউ|চন্দ্রশেখর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|চন্দ্রিল ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|চপলাকান্ত ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|চয়নিকা চৌধুরী}}
* {{বাউ|চামেলী বসু}}
* {{বাউ|চারুচন্দ্র চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|চারুচন্দ্র বিশ্বাস}}
* {{বাউ|চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|চারুচন্দ্র সান্যাল}}
* {{বাউ|চারুলতা মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|চারুশিতা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|চাষী আলম}}
* {{বাউ|চাষী নজরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|চিণ্ময় শংকর দে}}
* {{বাউ|চিত্তরঞ্জন দেব}}
* {{বাউ|চিত্তরঞ্জন মাইতি}}
* {{বাউ|চিত্তরঞ্জন সাহা}}
* {{বাউ|চিত্রনিভা চৌধুরী}}
* {{বাউ|চিত্রা দত্ত}}
* {{বাউ|চিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায় দিবাকরূণী}}
* {{বাউ|চিত্রা মণ্ডল}}
* {{বাউ|চিদানন্দ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|চিন্তামণি কর}}
* {{বাউ|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
* {{বাউ|চিন্ময় গুহ}}
* {{বাউ|চিরকুট}}
* {{বাউ|চুণীলাল বসু}}
* {{বাউ|চুনি কোটাল}}
* {{বাউ|চৌধুরী আবদুল হাই}}
* {{বাউ|চৌধুরী এ.টি.এম মাসুদ}}
* {{বাউ|চৌধুরী গোলাম আকবর}}
* {{বাউ|চৌধুরী মাহমুদ হাসান}}
* {{বাউ|চৌধুরী মোফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|ছটকু আহমেদ}}
* {{বাউ|ছদরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ছন্দা গায়েন}}
* {{বাউ|ছবি বিশ্বাস}}
* {{বাউ|ছরওয়ার জান মিয়া}}
* {{বাউ|ছিদ্দিক আহমদ}}
* {{বাউ|জকি আহাদ}}
* {{বাউ|জগদীশ গুপ্ত}}
* {{বাউ|জগদীশ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|জগন্নাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জগন্নাথ তর্কপঞ্চানন}}
* {{বাউ|জগন্নাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|জগন্মোহিনী দেবী}}
* {{বাউ|জগুমামা}}
* {{বাউ|জন এলিয়ট ড্রিঙ্কওয়াটার বিটন}}
* {{বাউ|জন গোমেজ}}
* {{বাউ|জন প্যাক্সটন নরম্যান}}
* {{বাউ|জনাব আলী উকিল}}
* {{বাউ|জমির উদ্দিন সরকার}}
* {{বাউ|জয় ভট্টাচার্য (চিকিৎসক-বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|জয় সরকার}}
* {{বাউ|জয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জয়গোপাল তর্কালঙ্কার}}
* {{বাউ|জয়তী বসু}}
* {{বাউ|জয়দীপ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|জয়দেব}}
* {{বাউ|জয়দেব মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জয়নুল আবেদীন জায়েদী}}
* {{বাউ|জয়ন্ত (গোয়েন্দা)}}
* {{বাউ|জয়ন্ত দে}}
* {{বাউ|জয়ন্ত বন্দ্যোপাধ্যায় (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|জয়ন্তানুজ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জয়শ্রী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জয়শ্রী বর্মণ}}
* {{বাউ|জয়া পতি}}
* {{বাউ|জর্জ র্যাঙ্কিন (বিচারক)}}
* {{বাউ|জর্জ হ্যারি ল্যাংলি}}
* {{বাউ|জলধর সেন}}
* {{বাউ|জলের গান}}
* {{বাউ|জসিম উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|জসিম সালাম}}
* {{বাউ|জসিমুদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|জসীম উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|জহিরুদ্দিন (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|জহিরুল আলম সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|জহুর হোসেন চৌধুরী}}
* {{বাউ|জহুরুল করিম}}
* {{বাউ|জহুরুল হক (অনুবাদক)}}
* {{বাউ|জাইমা রহমান}}
* {{বাউ|জাওয়াদুল হক}}
* {{বাউ|জাওয়েদ করিম}}
* {{বাউ|জাকিয়া সুলতানা}}
* {{বাউ|জাকির খান}}
* {{বাউ|জাকির তালুকদার}}
* {{বাউ|জাকির হোসেন রাজু}}
* {{বাউ|জানকীনাথ বসু}}
* {{বাউ|জান্নাতুল ফেরদৌস (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|জান্নাতুল ফেরদৌস (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|জান্নাতুল ফেরদৌস আইভি}}
* {{বাউ|জাফর আলম (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|জাফর আহমেদ}}
* {{বাউ|জাফর ইকবাল (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|জাফর ওয়াজেদ}}
* {{বাউ|জাফর মুহাম্মদ লুৎফর}}
* {{বাউ|জামালউদ্দিন হোসেন}}
* {{বাউ|জামালউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|জামিল চৌধুরী}}
* {{বাউ|জামিলুর রেজা চৌধুরী}}
* {{বাউ|জায়েদ বখত}}
* {{বাউ|জারিন তাসনিম নাওমি}}
* {{বাউ|জালাল উদ্দিন খাঁ}}
* {{বাউ|জালালুদ্দিন আবদুর রহিম}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর আলম (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর আলম (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর আলম খান}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর কবির (কর্মকর্তা)}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর কবির নানক}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর হোসেন (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|জাহানারা আরজু}}
* {{বাউ|জাহানারা আহমেদ}}
* {{বাউ|জাহানারা ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|জাহিদ আকবর}}
* {{বাউ|জাহিদ সোহ্রাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|জাহিদ হোসেন}}
* {{বাউ|জাহিদুর রহিম অঞ্জন}}
* {{বাউ|জাহিদুল হক}}
* {{বাউ|জাহেদুর রহিম}}
* {{বাউ|জাহ্নবা দেবী}}
* {{বাউ|জাহ্নবী চৌধুরানী}}
* {{বাউ|জি এ মান্নান}}
* {{বাউ|জি এম বি আকাশ}}
* {{বাউ|জি কে এম মোস্তাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|জিংগা শিল্পগোষ্ঠী}}
* {{বাউ|জিকরুল হক}}
* {{বাউ|জিতেন ঘোষ}}
* {{বাউ|জিতেন্দ্রনাথ কুশারী}}
* {{বাউ|জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জিতেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|জিতেন্দ্রমোহন সেন}}
* {{বাউ|জিনবোধি ভিক্ষু}}
* {{বাউ|জিনাত আরা}}
* {{বাউ|জিনাত বরকতুল্লাহ}}
* {{বাউ|জিনাতুন নেসা তাহমিদা বেগম}}
* {{বাউ|জিয়াউর রহমান খান}}
* {{বাউ|জিয়াউর রহমান জিয়া}}
* {{বাউ|জিয়াউল হক (সমাজসেবক)}}
* {{বাউ|জিয়াউল হক পলাশ}}
* {{বাউ|জিয়াউল হক মৃধা}}
* {{বাউ|জিল্লুর রহমান}}
* {{বাউ|জিল্লুর রহমান (চলচ্চিত্র পরিচালক)}}
* {{বাউ|জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|জিৎ গাঙ্গুলী}}
* {{বাউ|জীব গোস্বামী}}
* {{বাউ|জীবন রতন ধর}}
* {{বাউ|জীবন রহমান}}
* {{বাউ|জীবনানন্দ দাশ}}
* {{বাউ|জুনাব আলী}}
* {{বাউ|জুনায়েদ আহমেদ}}
* {{বাউ|জুবায়ের রহমান চৌধুরী}}
* {{বাউ|জুবায়ের সালেহীন}}
* {{বাউ|জুবেদ আলী}}
* {{বাউ|জুয়েনা আজিজ}}
* {{বাউ|জুলফিকার মতিন}}
* {{বাউ|জুলফিকার রাসেল}}
* {{বাউ|জুলফিকুর রহমান}}
* {{বাউ|জুলহাস উদ্দিন}}
* {{বাউ|জুলহাস উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|জুলেখা হক}}
* {{বাউ|জে. বি. এম. হাসান}}
* {{বাউ|জেএন দেব চৌধুরী}}
* {{বাউ|জেড আই খান পান্না}}
* {{বাউ|জেড এইচ মিন্টু}}
* {{বাউ|জেড এম পারভেজ সাজ্জাদ}}
* {{বাউ|জেব-উন-নেসা জামাল}}
* {{বাউ|জেবা ইসলাম সিরাজ}}
* {{বাউ|জেবুন্নেসা রহমান}}
* {{বাউ|জেমস (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|জেমস উইলিয়াম কলভিল}}
* {{বাউ|জেলিনা-বার্লো রহমান}}
* {{বাউ|জেহাদ খান}}
* {{বাউ|জোছন দস্তিদার}}
* {{বাউ|জোবাইদা রহমান}}
* {{বাউ|জোবেদা খানম}}
* {{বাউ|জোহরা বেগম কাজী}}
* {{বাউ|জ্ঞানচন্দ্র ঘোষ}}
* {{বাউ|জ্ঞানদাস}}
* {{বাউ|জ্ঞানশ্রী মহাথের}}
* {{বাউ|জ্ঞানেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জ্ঞানেন্দ্রনাথ রায়}}
* {{বাউ|জ্ঞানেন্দ্রমোহন দাস}}
* {{বাউ|জ্যোতিঃপাল মহাথের}}
* {{বাউ|জ্যোতিভূষণ চাকী}}
* {{বাউ|জ্যোতিভূষণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী}}
* {{বাউ|জ্যোতিরিন্দ্রনাথ মৈত্র}}
* {{বাউ|জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা}}
* {{বাউ|জ্যোতির্ময় দত্ত}}
* {{বাউ|জ্যোতির্ময়ী গাঙ্গুলী}}
* {{বাউ|জ্যোতির্ময়ী দেবী}}
* {{বাউ|জ্যোতিষচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|জ্যোৎস্না বিশ্বাস}}
* {{বাউ|জ্যোৎস্নাকান্ত বসু}}
* {{বাউ|ঝড়েশ্বর চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ঝর্ণা দাশ পুরকায়স্থ}}
* {{বাউ|ঝর্ণা ধারা চৌধুরী}}
* {{বাউ|ঝর্না রহমান}}
* {{বাউ|ঝুম্পা লাহিড়ী}}
* {{বাউ|টমাস হোবার্ট এলিস}}
* {{বাউ|টি আলী}}
* {{বাউ|টি এইচ খান}}
* {{বাউ|টি. এস. শিবজ্ঞানম}}
* {{বাউ|টিনা সানি}}
* {{বাউ|টিপু আজিজ}}
* {{বাউ|টেনিদা}}
* {{বাউ|ডালিয়া নওশিন}}
* {{বাউ|ডালেম চন্দ্র বর্মণ}}
* {{বাউ|ডিজে রাহাত}}
* {{বাউ|ডিফারেন্ট টাচ}}
* {{বাউ|ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|তনিষ্ক বাগচী}}
* {{বাউ|তন্ময় বোস}}
* {{বাউ|তপংকর চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|তপতী গুহ-ঠাকুরতা}}
* {{বাউ|তপন চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|তপন বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|তপন বাগচী}}
* {{বাউ|তপন রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|তপনকুমার লাহিড়ী}}
* {{বাউ|তপু}}
* {{বাউ|তপোবিজয় ঘোষ}}
* {{বাউ|তবারক হুসাইন}}
* {{বাউ|তমাল লতা আদিত্য}}
* {{বাউ|তমিজ উদ্দিন রিজভী}}
* {{বাউ|তরু দত্ত}}
* {{বাউ|তরুণ রায় (ধনঞ্জয় বৈরাগী)}}
* {{বাউ|তসলিমুদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|তাকসিম আহমেদ খান}}
* {{বাউ|তাজিন আহমেদ}}
* {{বাউ|তাজুল মোহম্মদ}}
* {{বাউ|তাতার (চরিত্র)}}
* {{বাউ|তানজিমা হাশেম}}
* {{বাউ|তানজির তুহিন}}
* {{বাউ|তানভীর ইভান}}
* {{বাউ|তানভীর তারেক}}
* {{বাউ|তানভীর হাসান}}
* {{বাউ|তানিম নূর}}
* {{বাউ|তানিম রহমান অংশু}}
* {{বাউ|তানিয়া আমির}}
* {{বাউ|তানিয়া আহমেদ}}
* {{বাউ|তাপস কুমার মাঝি}}
* {{বাউ|তাপস দাস}}
* {{বাউ|তাপস মজুমদার}}
* {{বাউ|তাপস সেন}}
* {{বাউ|তাফাজ্জাল ইসলাম}}
* {{বাউ|তারকনাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|তারকমোহন দাস}}
* {{বাউ|তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|তারানাথ তর্কবাচস্পতি}}
* {{বাউ|তারানাথ তান্ত্রিক}}
* {{বাউ|তারাপদ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|তারাপদ ভৌমিক}}
* {{বাউ|তারাপদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|তারাপদ লাহিড়ী}}
* {{বাউ|তারাপদ সাঁতরা}}
* {{বাউ|তারামন বিবি}}
* {{বাউ|তারিক আহমদ করিম}}
* {{বাউ|তারিক আহসান}}
* {{বাউ|তারিক উল হাকিম}}
* {{বাউ|তারিক ফাতেমি}}
* {{বাউ|তারিক সুজাত}}
* {{বাউ|তারিণীখুড়ো}}
* {{বাউ|তারেক মো. আরিফুল ইসলাম}}
* {{বাউ|তালিম হোসেন}}
* {{বাউ|তালুকদার মনিরুজ্জামান}}
* {{বাউ|তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস}}
* {{বাউ|তাসলিমা আখতার}}
* {{বাউ|তাহমিমা আনাম}}
* {{বাউ|তাহরুন নেসা আবদুল্লাহ}}
* {{বাউ|তাহসান রহমান খান}}
* {{বাউ|তাহেরন নেসা}}
* {{বাউ|তাহেরা কবির}}
* {{বাউ|তিব্বতিবাবা}}
* {{বাউ|তিলোত্তমা মজুমদার}}
* {{বাউ|তিশমা}}
* {{বাউ|তিস্তা বাগচী}}
* {{বাউ|তুলিকা বসু}}
* {{বাউ|তুষার কান্তি চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|তুষারকান্তি ঘোষ}}
* {{বাউ|তুহিন দাস (লেখক)}}
* {{বাউ|তুহিনকান্তি ঘোষ}}
* {{বাউ|তেজস হালদার যশ}}
* {{বাউ|তৈয়বা বেগম লিপি}}
* {{বাউ|তৈয়বা মজুমদার}}
* {{বাউ|তোজাম্মেল টনি হক}}
* {{বাউ|তোজাম্মেল হক বকুল}}
* {{বাউ|তোফাজ্জল হোসেন}}
* {{বাউ|তোফায়েল আহমদ}}
* {{বাউ|তোফায়েল করিম হায়দার}}
* {{বাউ|তোয়াব খান}}
* {{বাউ|তৌকীর আহমেদ}}
* {{বাউ|তৌফিক ইসলাম শাতিল}}
* {{বাউ|তৌফিক নওয়াজ}}
* {{বাউ|তৌসিফ}}
* {{বাউ|ত্রিদিব মিত্র}}
* {{বাউ|ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার}}
* {{বাউ|দবির উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|দময়ন্তী (গোয়েন্দা)}}
* {{বাউ|দলছুট}}
* {{বাউ|দস্যু বনহুর}}
* {{বাউ|দস্যু মোহন}}
* {{বাউ|দাউদ হায়দার}}
* {{বাউ|দামোদর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দারাশিকো}}
* {{বাউ|দিদার ইসলাম}}
* {{বাউ|দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|দিব্যেন্দু নন্দী}}
* {{বাউ|দিব্যেন্দু পালিত}}
* {{বাউ|দিলওয়ার}}
* {{বাউ|দিলরুবা আহমেদ}}
* {{বাউ|দিলরুবা জেড আরা}}
* {{বাউ|দিলশাদ নাহার কনা}}
* {{বাউ|দিলারা বেগম জলি}}
* {{বাউ|দিলারা হাশেম}}
* {{বাউ|দিলীপ বাগচী}}
* {{বাউ|দিলীপ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|দিলীপ মজুমদার}}
* {{বাউ|দিলীপ মহলানবিশ}}
* {{বাউ|দিলীপকুমার বিশ্বাস}}
* {{বাউ|দিলীপকুমার রায়}}
* {{বাউ|দীন মোহাম্মদ নূরুল হক}}
* {{বাউ|দীন শরৎ}}
* {{বাউ|দীননাথ সেন}}
* {{বাউ|দীনেন্দ্রকুমার রায়}}
* {{বাউ|দীনেশ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দীনেশ দাস}}
* {{বাউ|দীনেশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দীনেশচন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|দীনেশরঞ্জন দাশ}}
* {{বাউ|দীপ নারায়ণ সিনহা}}
* {{বাউ|দীপংকর দীপন}}
* {{বাউ|দীপক চৌধুরী}}
* {{বাউ|দীপক চ্যাটার্জী (গোয়েন্দা)}}
* {{বাউ|দীপক মজুমদার}}
* {{বাউ|দীপক রায়}}
* {{বাউ|দীপঙ্কর চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দীপঙ্কর দাস শর্মা}}
* {{বাউ|দীপঙ্কর হোম}}
* {{বাউ|দীপন ঘোষ}}
* {{বাউ|দীপান্বিতা রায়}}
* {{বাউ|দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দীপেশ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|দীপ্তেন্দ্রকুমার সান্যাল}}
* {{বাউ|দুঃখহরণ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|দুর্গাচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দুর্গাচরণ রক্ষিত}}
* {{বাউ|দুর্গাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দুর্গাদাস সাহা}}
* {{বাউ|দুর্গামোহন দাশ}}
* {{বাউ|দুর্বিন শাহ}}
* {{বাউ|দুলাল তর্কবাগীশ}}
* {{বাউ|দুলেন্দ্র ভৌমিক}}
* {{বাউ|দেওয়ান আব্দুর রব চৌধুরী}}
* {{বাউ|দেওয়ান আব্দুল কাদির}}
* {{বাউ|দেওয়ান আব্দুল বাছিত চৌধুরী}}
* {{বাউ|দেওয়ান নজরুল}}
* {{বাউ|দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন}}
* {{বাউ|দেওয়ান লালন আহমেদ}}
* {{বাউ|দেবজ্যোতি মিশ্র}}
* {{বাউ|দেবদাস}}
* {{বাউ|দেবদাস চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|দেবপ্রসাদ ঘোষ}}
* {{বাউ|দেবপ্রসাদ সর্বাধিকারী}}
* {{বাউ|দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|দেবপ্রিয়া রায়}}
* {{বাউ|দেবব্রত গোস্বামী}}
* {{বাউ|দেবল দেববর্মা}}
* {{বাউ|দেবলা মিত্র}}
* {{বাউ|দেবশঙ্কর রায়}}
* {{বাউ|দেবাশীষ ঘোষ}}
* {{বাউ|দেবাশীষ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|দেবাশীষ রায়}}
* {{বাউ|দেবাশীষ রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|দেবী রায়}}
* {{বাউ|দেবীপদ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় (মার্কসবাদী)}}
* {{বাউ|দেবীপ্রসাদ দুয়ারী}}
* {{বাউ|দেবু ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|দেবেন্দ্র মোহন বসু}}
* {{বাউ|দেবেন্দ্রনাথ সেন}}
* {{বাউ|দেবেশ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|দেবেশ রায়}}
* {{বাউ|দেলওয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|দোনাগাজী চৌধুরী}}
* {{বাউ|দোম আন্তোনিও}}
* {{বাউ|দৌলত উজির বাহরাম খান}}
* {{বাউ|দৌলতুননেসা খাতুন}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ অধিকারী}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ বিদ্যাভূষণ}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ মিত্র}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ রায়}}
* {{বাউ|দ্বিজ কানাই}}
* {{বাউ|দ্বিজ বংশীদাস}}
* {{বাউ|দ্বিজ মাধব}}
* {{বাউ|দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|দ্বিজেন্দ্রনাথ মৈত্র}}
* {{বাউ|দ্রাবিড় সৈকত}}
* {{বাউ|ধন গোপাল মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ধনঞ্জয় সাহা}}
* {{বাউ|ধীর আলী মিয়া}}
* {{বাউ|ধীরাজ কুমার নাথ}}
* {{বাউ|ধীরাজ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|ধীরেন বল}}
* {{বাউ|ধীরেন বসু}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ দেববর্মন}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্রনাথ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্রনাথ বেরা}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্রলাল ধর}}
* {{বাউ|ধূর্জটিপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ধৃতিকান্ত লাহিড়ী চৌধুরী}}
* {{বাউ|ধোয়ী}}
* {{বাউ|নঈম চৌধুরী}}
* {{বাউ|নঈম নিজাম}}
* {{বাউ|নওয়াজেশ আহমদ}}
* {{বাউ|নওয়াজেস আহমদ}}
* {{বাউ|নওয়াব আলী}}
* {{বাউ|নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী}}
* {{বাউ|নওশের আলী খান ইউস্ফজী}}
* {{বাউ|নকীব খান}}
* {{বাউ|নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ}}
* {{বাউ|নকুল কুমার বিশ্বাস}}
* {{বাউ|নকুলেশ্বর দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রচন্দ্র শ্যাম}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ ঘোষ}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ সোম}}
* {{বাউ|নচিকেতা ঘোষ}}
* {{বাউ|নচিকেতা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|নজরুল ইসলাম (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|নজরুল ইসলাম খান}}
* {{বাউ|নজরুল ইসলাম চৌধুরী (বিচারক)}}
* {{বাউ|নজরুল ইসলাম বাবু}}
* {{বাউ|ননী ভৌমিক}}
* {{বাউ|ননীগোপাল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ননীগোপাল মজুমদার}}
* {{বাউ|নন্টে ফন্টে}}
* {{বাউ|নন্দলাল বসু}}
* {{বাউ|নন্দিনী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নব কুমার ভদ্র}}
* {{বাউ|নবকুমার বসু}}
* {{বাউ|নবগোপাল মিত্র}}
* {{বাউ|নবাব আবদুল লতীফ}}
* {{বাউ|নবীন চন্দ্র পাল}}
* {{বাউ|নবীনচন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|নবেন্দু ঘোষ}}
* {{বাউ|নয়ীম গহর}}
* {{বাউ|নরসিংহ দত্ত}}
* {{বাউ|নরেন্দ্র দেব}}
* {{বাউ|নরেন্দ্রনাথ দত্ত (শিল্পপতি)}}
* {{বাউ|নরেন্দ্রনাথ মিত্র}}
* {{বাউ|নরেশচন্দ্র সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|নরোত্তম দাস}}
* {{বাউ|নলিনচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|নলিনাক্ষ সান্যাল}}
* {{বাউ|নলিনী দাশ (লেখিকা)}}
* {{বাউ|নলিনী বেরা}}
* {{বাউ|নলিনীকান্ত ভট্টশালী}}
* {{বাউ|নলিনীকান্ত সরকার}}
* {{বাউ|নলিনীকিশোর গুহ}}
* {{বাউ|নলিনীরঞ্জন সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|নাইমা হায়দার}}
* {{বাউ|নাঈম মোহাইমিন}}
* {{বাউ|নাঈমুল ইসলাম খান}}
* {{বাউ|নাজনীন হাসান চুমকি}}
* {{বাউ|নাজমুন আরা সুলতানা}}
* {{বাউ|নাজমুন নেসা পিয়ারি}}
* {{বাউ|নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি}}
* {{বাউ|নাজমুল আলম}}
* {{বাউ|নাজমুল করিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|নাজমুল কাওনাইন}}
* {{বাউ|নাজমুল হক বাপ্পী}}
* {{বাউ|নাজমুল হুদা বাচ্চু}}
* {{বাউ|নাজমুল হুদা মিন্টু}}
* {{বাউ|নাজিব তারেক}}
* {{বাউ|নাজিবুর রহমান মোমেন}}
* {{বাউ|নাজিম উদ দৌলা}}
* {{বাউ|নাজিম উদ্দিন মোস্তান}}
* {{বাউ|নাজিয়া আন্দালিব প্রিমা}}
* {{বাউ|নাদিয়া শারমীন}}
* {{বাউ|নাদিরা মজুমদার}}
* {{বাউ|নাদের চৌধুরী}}
* {{বাউ|নাদেরা বেগম}}
* {{বাউ|নাফিস বিন যাফর}}
* {{বাউ|নাবিলা ইদ্রিস}}
* {{বাউ|নাভিদ মাহবুব}}
* {{বাউ|নাভেদ পারভেজ}}
* {{বাউ|নায়না দেবী (সঙ্গীতশিল্পী)}}
* {{বাউ|নায়লা কবীর}}
* {{বাউ|নায়েব উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|নারগিস আক্তার}}
* {{বাউ|নারায়ণ ঘোষ মিতা}}
* {{বাউ|নারায়ণ দেবনাথ}}
* {{বাউ|নারায়ণ রায়}}
* {{বাউ|নারায়ণ সান্যাল}}
* {{বাউ|নাশিদ কামাল}}
* {{বাউ|নাসরিন আক্তার}}
* {{বাউ|নাসরীন জাহান}}
* {{বাউ|নাসরীন পারভীন হক}}
* {{বাউ|নাসিম বিশ্বাস}}
* {{বাউ|নাসিমা আক্তার}}
* {{বাউ|নাসিমা আনিস}}
* {{বাউ|নাসিমা খান মন্টি}}
* {{বাউ|নাসিমা ফেরদৌসী (কূটনৈতিক)}}
* {{বাউ|নাসিমা হায়দার}}
* {{বাউ|নাসির আলী মামুন}}
* {{বাউ|নাসির উদ্দিন বিশ্বাস}}
* {{বাউ|নাহিদ রশীদ (সচিব)}}
* {{বাউ|নাহিদা সোবহান}}
* {{বাউ|নিকুঞ্জ সেন}}
* {{বাউ|নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নিখিল রঞ্জন সেন}}
* {{বাউ|নিখিল সরকার}}
* {{বাউ|নিখিল সেন}}
* {{বাউ|নিখিলজ্যোতি ঘোষ}}
* {{বাউ|নিজাম উদ্দিন}}
* {{বাউ|নিজাম উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|নিজাম উদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|নিজামউদ্দিন আহমেদ (স্থপতি)}}
* {{বাউ|নিজামুদ্দীন আউলিয়া লিপু}}
* {{বাউ|নিতাই চন্দ্র সূত্রধর}}
* {{বাউ|নিতাই রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|নিতুন কুন্ডু}}
* {{বাউ|নিত্যপ্রিয় ঘোষ}}
* {{বাউ|নিত্যানন্দ সাহা (ভারতীয় অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|নিপুন রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|নিবিড় মণ্ডল}}
* {{বাউ|নিবেদিতা সেন}}
* {{বাউ|নিমচন্দ্র ভৌমিক}}
* {{বাউ|নিমাই ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|নিমাইসাধন বসু}}
* {{বাউ|নিয়াজ জামান}}
* {{বাউ|নিয়ামুল মুক্তা}}
* {{বাউ|নিরঞ্জন ধর}}
* {{বাউ|নিরঞ্জন প্রধান}}
* {{বাউ|নিরঞ্জন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নিরঞ্জনপ্রসাদ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|নিরুপমা দেবী}}
* {{বাউ|নিরুপমা দেবী (সেন)}}
* {{বাউ|নির্মল কুমার গাঙ্গুলী}}
* {{বাউ|নির্মলকুমার বসু}}
* {{বাউ|নির্মলকুমার রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|নির্মলকুমার সিদ্ধান্ত}}
* {{বাউ|নির্মলচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নির্মলচন্দ্র চন্দ্র}}
* {{বাউ|নির্মলচন্দ্র লাহিড়ী}}
* {{বাউ|নির্মলা জোশী}}
* {{বাউ|নির্মলেন্দু চৌধুরী}}
* {{বাউ|নির্মাল্য আচার্য}}
* {{বাউ|নিলয়ন চ্যাটার্জী}}
* {{বাউ|নিশিতা নির্মল মাহাত্রে}}
* {{বাউ|নিশীথরঞ্জন রায়}}
* {{বাউ|নীতা সেন}}
* {{বাউ|নীতিশ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|নীতীন বসু}}
* {{বাউ|নীতীশচন্দ্র লাহিড়ী}}
* {{বাউ|নীনা হামিদ}}
* {{বাউ|নীরদ বরণ বড়ুয়া}}
* {{বাউ|নীরদ মজুমদার}}
* {{বাউ|নীল দত্ত}}
* {{বাউ|নীল মানুষ}}
* {{বাউ|নীলমণি ন্যায়ালঙ্কার}}
* {{বাউ|নীলরতন ধর}}
* {{বাউ|নীলরতন সরকার}}
* {{বাউ|নীলাঞ্জনা রায়}}
* {{বাউ|নীলাম্বর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নীলিমা সেন}}
* {{বাউ|নীলুফার ইয়াসমিন}}
* {{বাউ|নীহাররঞ্জন গুপ্ত}}
* {{বাউ|নীহাররঞ্জন রায়}}
* {{বাউ|নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন}}
* {{বাউ|নুরুন নবী}}
* {{বাউ|নুরুননাহার ফয়জননেসা}}
* {{বাউ|নুরুন্নাহার ফাতেমা বেগম}}
* {{বাউ|নুরুন্নেছা খাতুন বিদ্যাবিনোদিনী}}
* {{বাউ|নুরুল আজিম}}
* {{বাউ|নুরুল আমিন}}
* {{বাউ|নুরুল আলম আতিক}}
* {{বাউ|নুরুল আলম চৌধুরী}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম খান}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম জিহাদী}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম নুরুল}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম পাটোয়ারী}}
* {{বাউ|নুরুল মোমেন}}
* {{বাউ|নুরুল মোস্তফা}}
* {{বাউ|নুহাশ হুমায়ূন}}
* {{বাউ|নূতন চন্দ্র সিংহ}}
* {{বাউ|নূর আহমদ}}
* {{বাউ|নূর ইমরান মিঠু}}
* {{বাউ|নূর মোহাম্মদ (আইজিপি)}}
* {{বাউ|নূর মোহাম্মদ (শিক্ষানুরাগী)}}
* {{বাউ|নূর হুসাইন}}
* {{বাউ|নূর হুসাইন কাসেমী}}
* {{বাউ|নূরজাহান বেগম মুক্তা}}
* {{বাউ|নূরজাহান বোস}}
* {{বাউ|নূরজাহান মুর্শিদ}}
* {{বাউ|নূরুল আনোয়ার (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|নূরুল আলম}}
* {{বাউ|নূরুল ইসলাম ওলীপুরী}}
* {{বাউ|নূরুল ইসলাম কাব্যবিনোদ}}
* {{বাউ|নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন}}
* {{বাউ|নূহ-উল-আলম লেনিন}}
* {{বাউ|নৃপেন ভৌমিক}}
* {{বাউ|নৃপেন্দ্র নাথ সরকার}}
* {{বাউ|নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী}}
* {{বাউ|নেছারউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|নেপাল মজুমদার}}
* {{বাউ|নেয়ামত ইমাম}}
* {{বাউ|নেয়ামাল বাসির}}
* {{বাউ|নেলী সেনগুপ্তা}}
* {{বাউ|নৈরঞ্জনা ঘোষ}}
* {{বাউ|নোরা জোন্স}}
* {{বাউ|পঞ্চানন ঘোষাল}}
* {{বাউ|পঞ্চানন নিয়োগী}}
* {{বাউ|পঞ্চানন মণ্ডল}}
* {{বাউ|পঞ্চানন মিত্র}}
* {{বাউ|পটলা}}
* {{বাউ|পণ্ডিত জ্ঞানেন্দ্রপ্রসাদ গোস্বামী}}
* {{বাউ|পদার্থবিদ্যার পালিত অধ্যাপক}}
* {{বাউ|পদ্মনাথ ভট্টাচার্য বিদ্যাবিনোদ}}
* {{বাউ|পবন দাস বাউল}}
* {{বাউ|পবিত্র গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পবিত্র মোহন দে}}
* {{বাউ|পবিত্র সরকার}}
* {{বাউ|পবিত্রকুমার সেন}}
* {{বাউ|পরমনাথ ভাদুড়ী}}
* {{বাউ|পরমেশ্বরন থাঙ্কাপ্পান নায়ার}}
* {{বাউ|পরাশর বর্মা}}
* {{বাউ|পরিমল গোস্বামী}}
* {{বাউ|পরেশ ধর}}
* {{বাউ|পরেশ মাইতি}}
* {{বাউ|পরেশনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পলান সরকার}}
* {{বাউ|পলাশ মাহবুব}}
* {{বাউ|পলাশ সরকার}}
* {{বাউ|পলি রায়}}
* {{বাউ|পশুপতি ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|পাঁচকড়ি দে}}
* {{বাউ|পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পাগলা কানাই}}
* {{বাউ|পাগলা দাশু}}
* {{বাউ|পাঞ্জু শাহ}}
* {{বাউ|পাণ্ডব গোয়েন্দা}}
* {{বাউ|পানু পাল}}
* {{বাউ|পান্থ কানাই}}
* {{বাউ|পান্না কায়সার}}
* {{বাউ|পান্নালাল ঘোষ}}
* {{বাউ|পান্নালাল বসু}}
* {{বাউ|পাপড়ি বসু}}
* {{বাউ|পাপিয়া সারোয়ার}}
* {{বাউ|পাভেল রহমান}}
* {{বাউ|পারভীন হাসান}}
* {{বাউ|পারভেজ রব}}
* {{বাউ|পারভেজ হোসেন}}
* {{বাউ|পারুল ঘোষ}}
* {{বাউ|পার্থ ঘোষ}}
* {{বাউ|পার্থ চট্টোপাধ্যায় (নৃতত্ত্ববিদ)}}
* {{বাউ|পার্থ বড়ুয়া}}
* {{বাউ|পার্থ সারথি মুখার্জি}}
* {{বাউ|পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পার্বতীকুমার সরকার}}
* {{বাউ|পি কে বাসু}}
* {{বাউ|পিনডিদা}}
* {{বাউ|পিনাকী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পিনাকী ঠাকুর}}
* {{বাউ|পিনাকী মজুমদার}}
* {{বাউ|পিপলু খান}}
* {{বাউ|পিয়ারীমোহন দাস}}
* {{বাউ|পিয়ারীলাল রায়}}
* {{বাউ|পিয়ারু সর্দার}}
* {{বাউ|পিয়ের ফালোঁ}}
* {{বাউ|পিলু মমতাজ}}
* {{বাউ|পুণ্যলতা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|পুরুষোত্তম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|পুলক বিশ্বাস}}
* {{বাউ|পুলক সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|পুলিনবিহারী সরকার}}
* {{বাউ|পুলিনবিহারী সরকার (জৈব রসায়ন বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|পুলিনবিহারী সেন}}
* {{বাউ|পূরবী দত্ত}}
* {{বাউ|পূরবী বসু}}
* {{বাউ|পূর্ণিমা সিনহা}}
* {{বাউ|পূর্ণেন্দুবিকাশ সরকার}}
* {{বাউ|পৃথ্বীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পেন বাংলাদেশ}}
* {{বাউ|পেপার রাইম}}
* {{বাউ|পেয়ার আহমেদ}}
* {{বাউ|প্যারীচরণ সরকার}}
* {{বাউ|প্যারীমোহন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্যারীমোহন সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রকাশ শ্রীবাস্তব}}
* {{বাউ|প্রচেত গুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রজ্ঞাসুন্দরী দেবী}}
* {{বাউ|প্রণব কুমার বড়ুয়া}}
* {{বাউ|প্রণব ভট্ট}}
* {{বাউ|প্রণব মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রণব রায় (গীতিকার)}}
* {{বাউ|প্রণবেন্দু দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রণবেশ সেন}}
* {{বাউ|প্রতাপচন্দ্র চন্দ্র}}
* {{বাউ|প্রতাপচন্দ্র মজুমদার}}
* {{বাউ|প্রতাপচন্দ্র মজুমদার (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|প্রতাপচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|প্রতিভা বসু}}
* {{বাউ|প্রতিভা মুৎসুদ্দি}}
* {{বাউ|প্রতিমা ঠাকুর}}
* {{বাউ|প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রদানেন্দু বিকাশ চাকমা}}
* {{বাউ|প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রদীপ ভট্টাচার্য (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|প্রদোষ আইচ}}
* {{বাউ|প্রদ্যুত ঘোষ}}
* {{বাউ|প্রফুল্ল কুমার মন্ডল}}
* {{বাউ|প্রফুল্ল রায়}}
* {{বাউ|প্রফুল্লকুমার সরকার}}
* {{বাউ|প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ}}
* {{বাউ|প্রফুল্লচন্দ্র লাহিড়ী}}
* {{বাউ|প্রবাল দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রবাল রশিদ}}
* {{বাউ|প্রবাসজীবন চৌধুরী}}
* {{বাউ|প্রবীর মজুমদার}}
* {{বাউ|প্রবীর রায়}}
* {{বাউ|প্রবোধ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রবোধকুমার সান্যাল}}
* {{বাউ|প্রবোধচন্দ্র গুহ}}
* {{বাউ|প্রবোধচন্দ্র বাগচী}}
* {{বাউ|প্রবোধচন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|প্রবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রব্রাজিকা ভক্তিপ্রাণা}}
* {{বাউ|প্রব্রাজিকা ভারতীপ্রাণা}}
* {{বাউ|প্রব্রাজিকা শ্রদ্ধাপ্রাণা}}
* {{বাউ|প্রভা চ্যাটার্জি}}
* {{বাউ|প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রভাত চন্দ্র বড়ুয়া}}
* {{বাউ|প্রভাতরঞ্জন সরকার}}
* {{বাউ|প্রভাবতী দেবী সরস্বতী}}
* {{বাউ|প্রমথ ভৌমিক}}
* {{বাউ|প্রমথনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রমথনাথ বসু}}
* {{বাউ|প্রমথনাথ বিশী}}
* {{বাউ|প্রমথনাথ মিত্র}}
* {{বাউ|প্রমথলাল সেন}}
* {{বাউ|প্রমদাচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রমদাচরণ সেন}}
* {{বাউ|প্রমোদ চন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|প্রমোদকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রমোদরঞ্জন সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রশান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|প্রশান্তকুমার পাল}}
* {{বাউ|প্রশান্তকুমার মারিক}}
* {{বাউ|প্রশান্তচন্দ্র মহলানবীশ}}
* {{বাউ|প্রশান্তবিহারী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রসন্নকুমার রায়}}
* {{বাউ|প্রসন্নকুমার সর্বাধিকারী}}
* {{বাউ|প্রসন্নচন্দ্র তর্করত্ন}}
* {{বাউ|প্রসন্নচন্দ্র ন্যায়রত্ন}}
* {{বাউ|প্রাণ রঞ্জন সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রাণকুমার সেন}}
* {{বাউ|প্রাণকৃষ্ণ পাল}}
* {{বাউ|প্রিয় ব্রত পাল}}
* {{বাউ|প্রিয়দারঞ্জন রায়}}
* {{বাউ|প্রিয়রঞ্জন সেন}}
* {{বাউ|প্রীতিকণা গোস্বামী}}
* {{বাউ|প্রেমাঙ্কুর আতর্থী}}
* {{বাউ|প্রোফেসর শঙ্কু}}
* {{বাউ|প্লাবন কোরেশী}}
* {{বাউ|ফকরুল আলম}}
* {{বাউ|ফকির গরীবুল্লাহ}}
* {{বাউ|ফকির শাহাবুদ্দীন}}
* {{বাউ|ফখরুজ্জামান চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফখরুদ্দিন আহমেদ (সচিব)}}
* {{বাউ|ফখরুদ্দীন মোহাম্মদ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|ফখরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|ফখরুল হাসান বৈরাগী}}
* {{বাউ|ফজল শাহাবুদ্দীন}}
* {{বাউ|ফজল-এ-খোদা}}
* {{বাউ|ফজলুর রহমান খান}}
* {{বাউ|ফজলুর রহমান খান (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|ফজলুর রহমান খান ফারুক}}
* {{বাউ|ফজলুল বারী (সরকারি চাকরিজীবী)}}
* {{বাউ|ফজলুল হক (চলচ্চিত্র পরিচালক)}}
* {{বাউ|ফজলুল হক (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|ফজলুল হক সেলবর্ষী}}
* {{বাউ|ফজলুল হালিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফজলে কবির}}
* {{বাউ|ফজলে কাদেরী মোহাম্মদ আবদুল মুনিম}}
* {{বাউ|ফজলে বারী মালিক}}
* {{বাউ|ফজলে রাব্বী}} [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৬:০৪, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
* {{বাউ|ফজলে রাব্বী মিয়া}}
* {{বাউ|ফজলে হাসান আবেদ}}
* {{বাউ|ফজলে হাসান শিশির}}
* {{বাউ|ফজলে হুসাইন}}
* {{বাউ|ফজলে হোসেন বাদশা}}
* {{বাউ|ফজিলতুন্নেসা}}
* {{বাউ|ফজিলাতুন্নেসা বাপ্পী}}
* {{বাউ|ফণিভূষণ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ফণী বড়ুয়া}}
* {{বাউ|ফণী মজুমদার}}
* {{বাউ|ফণীন্দ্রচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|ফতেহ লোহানী}}
* {{বাউ|ফয়জুল মহিউদ্দিন}}
* {{বাউ|ফয়জুল লতিফ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফয়সাল মাহমুদ ফয়েজী}}
* {{বাউ|ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব}}
* {{বাউ|ফয়েজ আহমেদ}}
* {{বাউ|ফয়েজ আহমেদ (বিচারক)}}
* {{বাউ|ফয়েজ আহম্মদ}}
* {{বাউ|ফরহাদ হোসেন (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|ফরিদ আহমদ দুলাল}}
* {{বাউ|ফরিদ আহমেদ (বিচারক)}}
* {{বাউ|ফরিদ আহমেদ (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফরিদা ইয়াসমিন (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|ফরিদা জামান}}
* {{বাউ|ফরিদা রহমান}}
* {{বাউ|ফরিদা হোসেন}}
* {{বাউ|ফরিদুল হুদা}}
* {{বাউ|ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ}}
* {{বাউ|ফসিউর রহমান}}
* {{বাউ|ফসিউল আলম}}
* {{বাউ|ফাইয়াজ হোসেন খান}}
* {{বাউ|ফাখরুল আরেফিন খান}}
* {{বাউ|ফাতিমা ইয়াসমিন}}
* {{বাউ|ফাতেমা তুজ জোহরা}}
* {{বাউ|ফাতেমা নজীব}}
* {{বাউ|ফাদার রবের আঁতোয়ান}}
* {{বাউ|ফায়েজ উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|ফারজানা ইসলাম}}
* {{বাউ|ফারজানা ফারুক}}
* {{বাউ|ফারজানা রুপা}}
* {{বাউ|ফারজানা শারমিন পুতুল}}
* {{বাউ|ফারহিনা আহমেদ}}
* {{বাউ|ফারাহ গজনবী}}
* {{বাউ|ফারাহ মাহবুব}}
* {{বাউ|ফারুক আহমেদ (বিচারক)}}
* {{বাউ|ফারুক আহমেদ উল্লা খান}}
* {{বাউ|ফারুক আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফারুক উজ জামান চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফারুক ওয়াসিফ}}
* {{বাউ|ফারুক মঈনউদ্দীন}}
* {{বাউ|ফারুক মাহমুদ}}
* {{বাউ|ফারুক সোবহান}}
* {{বাউ|ফালগুনী রায়}}
* {{বাউ|ফাহমিদা কাদের}}
* {{বাউ|ফাহমিদা খাতুন (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|ফিদা এম. কামাল}}
* {{বাউ|ফিরদৌস আজীম}}
* {{বাউ|ফিরদৌসী কাদরী}}
* {{বাউ|ফিরোজ মাহমুদ}}
* {{বাউ|ফিরোজা বেগম}}
* {{বাউ|ফুয়াদ আল মুকতাদির}}
* {{বাউ|ফুয়াদ নাসের বাবু}}
* {{বাউ|ফুল মোহাম্মদ}}
* {{বাউ|ফুলঝুরি খান}}
* {{বাউ|ফুলরেণু গুহ}}
* {{বাউ|ফেরদৌস আরা}}
* {{বাউ|ফেরদৌস আরা বেগম}}
* {{বাউ|ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী}}
* {{বাউ|ফেরদৌসী মজুমদার}}
* {{বাউ|ফেলুদা}}
* {{বাউ|ফৌজিয়া ইয়াসমিন}}
* {{বাউ|ফ্যাতাড়ু}}
* {{বাউ|ফ্রান্সিস (ভাইকিং)}}
* {{বাউ|ফ্লসি কোহেন}}
* {{বাউ|ফ্লোরা জাইবুন মাজিদ}}
* {{বাউ|বঙ্কিমচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|বঙ্কিমচন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|বজলার রহমান}}
* {{বাউ|বটুক নন্দী}}
* {{বাউ|বদরুদ্দীন আহমদ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|বদরুন নেছা}}
* {{বাউ|বদরুল আনাম সৌদ}}
* {{বাউ|বদরুল আলম (ভাষা সৈনিক)}}
* {{বাউ|বদরুল হায়দার চৌধুরী}}
* {{বাউ|বদিউর রহমান (সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব)}}
* {{বাউ|বদিউল আলম খোকন}}
* {{বাউ|বদিউল আলম মজুমদার}}
* {{বাউ|বনবিহারী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বনানী ঘোষ}}
* {{বাউ|বরদা}}
* {{বাউ|বরদাচরণ গুপ্ত}}
* {{বাউ|বরদানন্দ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বরুণ মজুমদার}}
* {{বাউ|বরুণ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|বরেণ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|বরেন গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বর্ণিতা বাগচী}}
* {{বাউ|বলরাম হাড়ি}}
* {{বাউ|বলেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|বশির আহমেদ}}
* {{বাউ|বশীর আল-হেলাল}}
* {{বাউ|বশীর হোসেন}}
* {{বাউ|বশীশ্বর সেন}}
* {{বাউ|বসন্ত কুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ}}
* {{বাউ|বাঁটুল দি গ্রেট}}
* {{বাউ|বাকের ভাই}}
* {{বাউ|বাঘা যতীন}}
* {{বাউ|বাচি কারকারিয়া}}
* {{বাউ|বাণী বসু}}
* {{বাউ|বাণীকুমার}}
* {{বাউ|বাণেশ্বর বিদ্যালঙ্কার}}
* {{বাউ|বাদল খন্দকার}}
* {{বাউ|বাদল রশীদ}}
* {{বাউ|বাদল রহমান}}
* {{বাউ|বাপ্পা মজুমদার}}
* {{বাউ|বাপ্পী লাহিড়ী}}
* {{বাউ|বাবর আলী (পর্বতারোহী)}}
* {{বাউ|বাবু তারক চন্দ্র চৌধুরী}}
* {{বাউ|বামাচরণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বামাপদ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বারবারা ক্রেগ}}
* {{বাউ|বারী সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|বারীণ মজুমদার}}
* {{বাউ|বার্নেস পিকক}}
* {{বাউ|বালাম}}
* {{বাউ|বাশার মাহমুদ (কবি)}}
* {{বাউ|বাসন্তী দুলাল নাগচৌধুরী}}
* {{বাউ|বাসব}}
* {{বাউ|বাসুদেব চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বাসুদেব দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|বাসুদেব দাস বাউল}}
* {{বাউ|বাসুদেব দাসশর্মা}}
* {{বাউ|বাসুদেব বর্মন}}
* {{বাউ|বাহাদুর হোসেন খান}}
* {{বাউ|বি কে দাস}}
* {{বাউ|বিকাশ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|বিকাশ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিকাশচন্দ্র সিংহ}}
* {{বাউ|বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়া}}
* {{বাউ|বিক্রম ঘোষ}}
* {{বাউ|বিজন কুমার মুখার্জী}}
* {{বাউ|বিজন কুমার শীল}}
* {{বাউ|বিজন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিজন সরকার}}
* {{বাউ|বিজনবিহারী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিজয় কুমার বসু}}
* {{বাউ|বিজয় প্রসাদ}}
* {{বাউ|বিজয় সরকার}}
* {{বাউ|বিজয়কুমার ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিজয়চন্দ্র মজুমদার}}
* {{বাউ|বিজয়লাল চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিজয়া মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিজরী বরকতুল্লাহ}}
* {{বাউ|বিদিত লাল দাস}}
* {{বাউ|বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন}}
* {{বাউ|বিদ্যুৎ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|বিদ্যুৎ বরণ চৌধুরী}}
* {{বাউ|বিদ্যেন্দু মোহন দেব}}
* {{বাউ|বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার}}
* {{বাউ|বিধায়ক ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিধুভূষণ বসু}}
* {{বাউ|বিধুশেখর শাস্ত্রী}}
* {{বাউ|বিনয় বাঁশী জলদাস}}
* {{বাউ|বিনয় মজুমদার}}
* {{বাউ|বিনয় মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিনয়কুমার সরকার}}
* {{বাউ|বিনয়েন্দ্রনাথ সেন}}
* {{বাউ|বিনীতা রায়}}
* {{বাউ|বিনোদ ঘোষাল}}
* {{বাউ|বিপিন বিহারী ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|বিপুল ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিপ্রদাস পিপলাই}}
* {{বাউ|বিপ্লব (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|বিপ্লব দাসগুপ্ত}}
* {{বাউ|বিবুধেন্দ্র সরকার}}
* {{বাউ|বিবেকানন্দ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিভা চৌধুরী}}
* {{বাউ|বিভাস রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|বিভূতিভূষণ দত্ত}}
* {{বাউ|বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিভূতিভূষণ সেন}}
* {{বাউ|বিমল কর}}
* {{বাউ|বিমল গুহ}}
* {{বাউ|বিমল মিত্র (লেখক)}}
* {{বাউ|বিমল মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিমল-কুমার}}
* {{বাউ|বিমলকৃষ্ণ মতিলাল}}
* {{বাউ|বিমলচন্দ্র ঘোষ}}
* {{বাউ|বিমলচন্দ্র সিংহ}}
* {{বাউ|বিমলাচরণ লাহা}}
* {{বাউ|বিমলানন্দ নাগ}}
* {{বাউ|বিমলেন্দু বিকাশ রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|বিমলেন্দু মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিমান বাগচী}}
* {{বাউ|বিমানবিহারী মজুমদার}}
* {{বাউ|বিরজাশঙ্কর গুহ}}
* {{বাউ|বিরাজ মোহন দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|বিরূপাক্ষ পাল}}
* {{বাউ|বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন}}
* {{বাউ|বিলকিস নাসির উদ্দিন}}
* {{বাউ|বিলায়েত খাঁ}}
* {{বাউ|বিশুদ্ধানন্দ মহাথের}}
* {{বাউ|বিশ্ব রঞ্জন নাগ}}
* {{বাউ|বিশ্বজিৎ ঘোষ}}
* {{বাউ|বিশ্বজিৎ চৌধুরী}}
* {{বাউ|বিশ্বজিৎ দেবনাথ}}
* {{বাউ|বিশ্বনাথ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|বিশ্বময় বিশ্বাস}}
* {{বাউ|বিশ্বরঞ্জন সেন}}
* {{বাউ|বিশ্বরূপ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিশ্বেশ্বর পাল}}
* {{বাউ|বিষ্ণু বসু}}
* {{বাউ|বিষ্ণুকান্ত শাস্ত্রী}}
* {{বাউ|বিষ্ণুপদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিষ্ণুপ্রসাদ রাভা}}
* {{বাউ|বিহারিলাল সরকার}}
* {{বাউ|বিহারীলাল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|বিহারীলাল চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বীণা মজুমদার}}
* {{বাউ|বীরেন শিকদার}}
* {{বাউ|বীরেন সোম}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্র বিজয় বিশ্বাস}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্রনাথ দত্তগুপ্ত}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্রনাথ শাসমল}}
* {{বাউ|বীরেশচন্দ্র গুহ}}
* {{বাউ|বীরেশ্বর সরকার}}
* {{বাউ|বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|বুধাদিত্য মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বুনো রামনাথ}}
* {{বাউ|বুলবন ওসমান}}
* {{বাউ|বুলবুল আহমেদ}}
* {{বাউ|বুলবুল চৌধুরী}}
* {{বাউ|বৃন্দা কারাত}}
* {{বাউ|বৃন্দাবন দাস}}
* {{বাউ|বৃন্দাবন দাস ঠাকুর}}
* {{বাউ|বেগজাদী মাহমুদা নাসির}}
* {{বাউ|বেগম আকতার কামাল}}
* {{বাউ|বেগম বদরুন্নেসা আহমদ}}
* {{বাউ|বেণীমাধব বড়ুয়া}}
* {{বাউ|বেদারউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|বেবী ইসলাম}}
* {{বাউ|বেবী হালদার}}
* {{বাউ|বেরী সর্বাধিকারী}}
* {{বাউ|বেলা মিত্র}}
* {{বাউ|বেলায়েত হুসাইন}}
* {{বাউ|বেলায়েত হোসেন বীরভূমী}}
* {{বাউ|বেলাল আহমেদ}}
* {{বাউ|বেলাল খান}}
* {{বাউ|বেলাল চৌধুরী}}
* {{বাউ|বেলাল মোহাম্মদ}}
* {{বাউ|বেলাল হোসেন (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|বৈকুণ্ঠনাথ সেন}}
* {{বাউ|বোরহান উদ্দিন (বিচারক)}}
* {{বাউ|বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর}}
* {{বাউ|বোরিয়া মজুমদার}}
* {{বাউ|ব্যোমকেশ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ব্যোমকেশ বক্সী}}
* {{বাউ|ব্রজ বিহারী বড়ুয়া}}
* {{বাউ|ব্রজগোপাল মান্না}}
* {{বাউ|ব্রজদা}}
* {{বাউ|ব্রজমোহন দত্ত}}
* {{বাউ|ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ব্রজেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|ব্রজেন্দ্রকুমার দে}}
* {{বাউ|ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ব্রজেন্দ্রনাথ শীল}}
* {{বাউ|ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ব্রাত্য বসু}}
* {{বাউ|ব্ল্যাক}}
* {{বাউ|ভক্তি প্রজ্ঞান কেশব গোস্বামী}}
* {{বাউ|ভক্তি রক্ষক শ্রীধর দেব গোস্বামী}}
* {{বাউ|ভক্তিবিনোদ ঠাকুর}}
* {{বাউ|ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী}}
* {{বাউ|ভগীরথ মিশ্র}}
* {{বাউ|ভবতোষ দত্ত}}
* {{বাউ|ভবানী প্রসাদ সিনহা}}
* {{বাউ|ভবানী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ভবানীচরণ লাহা}}
* {{বাউ|ভাদুড়ী মশাই}}
* {{বাউ|ভারতচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|ভারতী মুখার্জী}}
* {{বাউ|ভাস্করানন্দ রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ভি. এন. খারে}}
* {{বাউ|ভিকি জাহেদ}}
* {{বাউ|ভীষ্মদেব চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ভীষ্মদেব চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ভুবনচন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ভূঁইয়া ইকবাল}}
* {{বাউ|ভূপতিমোহন সেন}}
* {{বাউ|ভূপেন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|ভূমেন্দ্র গুহ}}
* {{বাউ|ভোলানাথ চন্দ্র}}
* {{বাউ|ভোলানাথ রায় কাব্যশাস্ত্রী}}
* {{বাউ|ম. তামিম}}
* {{বাউ|মইন উদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|মইনুল হোসেন}}
* {{বাউ|মইনুল হোসেন চৌধুরী}}
* {{বাউ|মঈদুল হাসান}}
* {{বাউ|মঈন উদ্দিন খান}}
* {{বাউ|মঈনউদ্দিন মিয়াজী}}
* {{বাউ|মঈনুল আহসান সাবের}}
* {{বাউ|মঈনুল ইসলাম খান}}
* {{বাউ|মঈনুল ইসলাম চৌধুরী}}
* {{বাউ|মঈনুস সুলতান}}
* {{বাউ|মওদুদ আহমদ}}
* {{বাউ|মকবুল হোসেন চৌধুরী}}
* {{বাউ|মকবুলা মনজুর}}
* {{বাউ|মকসুদ জামিল মিন্টু}}
* {{বাউ|মঙ্গল চাঁদ}}
* {{বাউ|মঙ্গলাচরণ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মজিদ-উল-হক}}
* {{বাউ|মজিবর রহমান (ভাষা সৈনিক)}}
* {{বাউ|মজিবর রহমান দেবদাস}}
* {{বাউ|মঞ্জু গোয়েল}}
* {{বাউ|মঞ্জু রায়}}
* {{বাউ|মঞ্জু সরকার}}
* {{বাউ|মঞ্জুর হোসেন}}
* {{বাউ|মঞ্জুরুল ইমাম}}
* {{বাউ|মঞ্জুলা আনোয়ার}}
* {{বাউ|মঞ্জুলা চেল্লুর}}
* {{বাউ|মণিকুন্তলা সেন}}
* {{বাউ|মণিভূষণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|মণিরত্ন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মণিলাল ভৌমিক}}
* {{বাউ|মণিশংকর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মণীন্দ্র গুপ্ত}}
* {{বাউ|মণীন্দ্র চন্দ্র নন্দী}}
* {{বাউ|মণীন্দ্র নারায়ণ মজুমদার}}
* {{বাউ|মণীন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|মণীন্দ্রলাল বসু}}
* {{বাউ|মণীশ ঘটক}}
* {{বাউ|মতি নন্দী}}
* {{বাউ|মতিউর রহমান পানু}}
* {{বাউ|মতিউর রহমান মল্লিক}}
* {{বাউ|মতিউল ইসলাম}}
* {{বাউ|মতিউল হক খান}}
* {{বাউ|মতিন রহমান}}
* {{বাউ|মতিলাল ঘোষ}}
* {{বাউ|মতিলাল রায়}}
* {{বাউ|মতিলাল রায় (যাত্রাপালাকার)}}
* {{বাউ|মতিলাল শীল}}
* {{বাউ|মথুরামোহন চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|মধু বসু}}
* {{বাউ|মধুমতি মিত্র}}
* {{বাউ|মধুশ্রী মুখার্জী}}
* {{বাউ|মধুসূদন গুপ্ত}}
* {{বাউ|মধুসূদন দে}}
* {{বাউ|মধুসূদন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মধুসূদন সরস্বতী}}
* {{বাউ|মনজুর আলম বেগ}}
* {{বাউ|মনজুর আহমেদ চৌধুরী (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মনজুর রশীদ খান}}
* {{বাউ|মনতাজুর রহমান আকবর}}
* {{বাউ|মনতোষ রায়}}
* {{বাউ|মনমোহন ঘোষ}}
* {{বাউ|মনমোহন দত্ত}}
* {{বাউ|মনসুর উল করিম}}
* {{বাউ|মনসুর বয়াতি}}
* {{বাউ|মনসুরুল আলম খান}}
* {{বাউ|মনিকা আলী}}
* {{বাউ|মনিকা জাহান বোস}}
* {{বাউ|মনিকা দাস (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|মনিরউদ্দীন ইউসুফ}}
* {{বাউ|মনিরুজ্জামান (গবেষক)}}
* {{বাউ|মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী}}
* {{বাউ|মনিরুজ্জামান মনির}}
* {{বাউ|মনিরুল ইসলাম (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|মনিরুল ইসলাম টিপু}}
* {{বাউ|মনীন্দ্রভূষণ গুপ্ত}}
* {{বাউ|মনু মুন্সী}}
* {{বাউ|মনোজ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|মনোজ প্রামাণিক}}
* {{বাউ|মনোজ বসু}}
* {{বাউ|মনোজ মাঝি}}
* {{বাউ|মনোজ মিত্র}}
* {{বাউ|মনোমোহন ঘোষ}}
* {{বাউ|মনোয়ারা ইসলাম}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন ঘোষাল}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন ধর}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন ব্যাপারী}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন ভক্ত}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য (নাট্যকার)}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন সিকদার}}
* {{বাউ|মনোসরণি}}
* {{বাউ|মন্দাক্রান্তা সেন}}
* {{বাউ|মন্মথ রায়}}
* {{বাউ|মন্মথনাথ ঘোষ}}
* {{বাউ|মন্মথনাথ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মফিজ উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|মফিজউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|মফিদুল হক}}
* {{বাউ|মবিনউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|মবিনুল হক}}
* {{বাউ|মমতা বালা ঠাকুর}}
* {{বাউ|মমতাজ উদ্দিন}}
* {{বাউ|মমতাজ বেগম}}
* {{বাউ|মমতাজ সঙ্ঘমিতা}}
* {{বাউ|মমতাজুর রহমান তরফদার}}
* {{বাউ|মযহারুল ইসলাম}}
* {{বাউ|ময়ুখ চৌধুরী (কবি)}}
* {{বাউ|ময়ূখ চৌধুরী (শিল্পী)}}
* {{বাউ|মর্ত্তুজা আলী}}
* {{বাউ|মলয় ঘোষ দস্তিদার}}
* {{বাউ|মলয় ভৌমিক}}
* {{বাউ|মলয় রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|মল্লিকা সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|মসিহউদ্দিন শাকের}}
* {{বাউ|মহম্মদ আব্দুল জব্বার}}
* {{বাউ|মহম্মদ হান্নান}}
* {{বাউ|মহম্মদ হামিদ আনসারি}}
* {{বাউ|মহসিন শস্ত্রপাণি}}
* {{বাউ|মহাদেব দত্ত}}
* {{বাউ|মহান মহারাজ}}
* {{বাউ|মহানামব্রত ব্রহ্মচারী}}
* {{বাউ|মহারানি চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|মহি উদ্দিন শামীম}}
* {{বাউ|মহিউদ্দিন আহমেদ (প্রকাশক)}}
* {{বাউ|মহিউদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|মহিউদ্দীন ফারুক}}
* {{বাউ|মহিমারঞ্জন রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|মহীউদ্দিন}}
* {{বাউ|মহুয়া মুখোপাধ্যায় (লেখক)}}
* {{বাউ|মহেন্দ্র গুপ্ত}}
* {{বাউ|মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত}}
* {{বাউ|মহেন্দ্রনাথ দত্ত}}
* {{বাউ|মহেন্দ্রনাথ রায় (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|মহেশচন্দ্র ন্যায়রত্ন}}
* {{বাউ|মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|মাইনুর রেজা চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাইমুল আহসান খান}}
* {{বাউ|মাকসুদুল আলম}}
* {{বাউ|মাকিদ হায়দার}}
* {{বাউ|মাখছুদুল আহসান}}
* {{বাউ|মাখনলাল রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাখনলাল সেন}}
* {{বাউ|মাধবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মানবেন্দ্র পাল}}
* {{বাউ|মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মানস চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|মানিক চন্দ্র সাহা}}
* {{বাউ|মানিক দত্ত}}
* {{বাউ|মানিক সরকার (শিল্পী)}}
* {{বাউ|মানিকলাল শীল}}
* {{বাউ|মান্নান হীরা}}
* {{বাউ|মাফরুহা চৌধুরী}}
* {{বাউ|মামনুন রহমান}}
* {{বাউ|মামাবাবু}}
* {{বাউ|মামুন নদীয়া}}
* {{বাউ|মামুন হুসাইন}}
* {{বাউ|মারজি-উল হক}}
* {{বাউ|মারুফুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মালা সেন}}
* {{বাউ|মালাধর বসু}}
* {{বাউ|মালিকা আল্ রাজী}}
* {{বাউ|মালিহা খাতুন}}
* {{বাউ|মালেক আফসারী}}
* {{বাউ|মালেকা বেগম}}
* {{বাউ|মাশির হোসেন}}
* {{বাউ|মাশুক হোসেন আহমেদ}}
* {{বাউ|মাসাতোশি কোশিবা}}
* {{বাউ|মাসুদ আখন্দ}}
* {{বাউ|মাসুদ আলি খান}}
* {{বাউ|মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাসুদ করিম}}
* {{বাউ|মাসুদ পথিক}}
* {{বাউ|মাসুদ বিন মোমেন}}
* {{বাউ|মাসুদ মান্নান}}
* {{বাউ|মাসুদ রানা}}
* {{বাউ|মাসুদ সেজান}}
* {{বাউ|মাসুদা খাতুন}}
* {{বাউ|মাসুম আজিজ}}
* {{বাউ|মাসুম রেজা}}
* {{বাউ|মাসুম শাহরিয়ার}}
* {{বাউ|মাহফুজ উল্লাহ}}
* {{বাউ|মাহফুজা আখতার (সচিব)}}
* {{বাউ|মাহফুজা খানম}}
* {{বাউ|মাহফুজুর রহমান (নির্বাচন কমিশনার)}}
* {{বাউ|মাহফুজুর রহমান (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|মাহফুজুল হক}}
* {{বাউ|মাহফুজুল হাসান ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|মাহবুব আলম}}
* {{বাউ|মাহবুব উজ জামান (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মাহবুব উদ্দিন খোকন}}
* {{বাউ|মাহবুব জামাল জাহেদী}}
* {{বাউ|মাহবুব তালুকদার}}
* {{বাউ|মাহবুব সাদিক}}
* {{বাউ|মাহবুব-উল আলম}}
* {{বাউ|মাহবুবা রহমান}}
* {{বাউ|মাহবুবুর রহমান লিটন}}
* {{বাউ|মাহবুবুল আলম (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|মাহবুবুল আলম মজুমদার}}
* {{বাউ|মাহবুবুল এ খালিদ}}
* {{বাউ|মাহবুবুল হক}}
* {{বাউ|মাহবুবে আলম}}
* {{বাউ|মাহমুদ শাহ কোরেশী}}
* {{বাউ|মাহমুদ হাসান}}
* {{বাউ|মাহমুদ হোসেন (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|মাহমুদা খাতুন সিদ্দিকা}}
* {{বাউ|মাহমুদা হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাহমুদুর রহমান}}
* {{বাউ|মাহমুদুর রহমান চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাহমুদুর রহমান বেণু}}
* {{বাউ|মাহমুদুল আমিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাহমুদুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মাহমুদুল হক}}
* {{বাউ|মাহমুদুল হক (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|মাহমুদুল হক (বিচারক)}}
* {{বাউ|মাহমুদুল হাসান}}
* {{বাউ|মিজান রহমান}}
* {{বাউ|মিজানুর রহমান (বাংলাদেশী কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মিজানুর রহমান ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|মিজানুর রহমান সাঈদ}}
* {{বাউ|মিঠু আলুর}}
* {{বাউ|মিতা হক}}
* {{বাউ|মিতিন মাসি}}
* {{বাউ|মিনার মনসুর}}
* {{বাউ|মিনার রহমান}}
* {{বাউ|মিনাল রোহিত}}
* {{বাউ|মিন্নাত আলী}}
* {{বাউ|মিফতা উদ্দিন চৌধুরী রুমী}}
* {{বাউ|মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|মিফতাহুর রহমান}}
* {{বাউ|মিফতাহ্ জামান}}
* {{বাউ|মিরজা আবদুল হাই}}
* {{বাউ|মির্জা আব্দুল জলিল}}
* {{বাউ|মির্জা আলী ইস্পাহানি}}
* {{বাউ|মির্জা গোলাম হাফিজ}}
* {{বাউ|মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল}}
* {{বাউ|মির্জা মাজহারুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম}}
* {{বাউ|মির্জা হুসেন হায়দার}}
* {{বাউ|মির্জা হোসাইন হায়দার}}
* {{বাউ|মিলন কান্তি দে}}
* {{বাউ|মিল্টন খন্দকার}}
* {{বাউ|মিশুক মুনীর}}
* {{বাউ|মিসির আলি}}
* {{বাউ|মিহির কুমার বসু}}
* {{বাউ|মিহির চৌধুরী}}
* {{বাউ|মিহির রঞ্জন হালদার}}
* {{বাউ|মিহির সেন}}
* {{বাউ|মিহির সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|মীজানূর রহমান শেলী}}
* {{বাউ|মীনাক্ষী ব্যানার্জি}}
* {{বাউ|মীনু হক}}
* {{বাউ|মীর আব্দুল কাইয়ুম}}
* {{বাউ|মীর আহমদ বিন কাসেম}}
* {{বাউ|মীর কাশেম খান}}
* {{বাউ|মীর মকসুদুস সালেহীন}}
* {{বাউ|মীর মাসুম আলী}}
* {{বাউ|মীর শওকত আলী}}
* {{বাউ|মীর হাসমত আলী}}
* {{বাউ|মীর হাসেম আলী}}
* {{বাউ|মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা}}
* {{বাউ|মীরা দত্ত গুপ্ত}}
* {{বাউ|মীরা মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মীর্জা মুহাম্মদ ইউসুফ আলি}}
* {{বাউ|মুঃ মিজানুর রহমান}}
* {{বাউ|মুঈনুদ্দীন আহমদ খান}}
* {{বাউ|মুকসুমুল হাকিম}}
* {{বাউ|মুকুল চৌধুরী}}
* {{বাউ|মুকুল দে}}
* {{বাউ|মুখতার আলম শিকদার}}
* {{বাউ|মুছলিম মিয়া}}
* {{বাউ|মুজিব পরদেশী}}
* {{বাউ|মুজিবর রহমান (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|মুজিবুর রহমান (চিকিৎসা বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|মুজিবুল হক (অফিসার)}}
* {{বাউ|মুজীবুর রহমান খাঁ}}
* {{বাউ|মুনশী ওয়াদুদ}}
* {{বাউ|মুনসুর আলী}}
* {{বাউ|মুনাজ আহমেদ নূর}}
* {{বাউ|মুনির উজ জামান}}
* {{বাউ|মুনেম ওয়াসিফ}}
* {{বাউ|মুন্সী রইসউদ্দিন}}
* {{বাউ|মুন্সী সিদ্দীক আহমদ}}
* {{বাউ|মুফলেহ আর. ওসমানী}}
* {{বাউ|মুবিনা আসাফ}}
* {{বাউ|মুমতাজুদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|মুরলীধর বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মুরলীধর বসু}}
* {{বাউ|মুরাদ পারভেজ}}
* {{বাউ|মুরারি গুপ্ত}}
* {{বাউ|মুশতাক আহমেদ (লেখক)}}
* {{বাউ|মুশতারী শফী}}
* {{বাউ|মুশফিকুল ফজল আনসারী}}
* {{বাউ|মুশাররাফ করিম}}
* {{বাউ|মুসলেহউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|মুসা আল হাফিজ}}
* {{বাউ|মুস্তফা মনোয়ার}}
* {{বাউ|মুস্তফা লুৎফুল্লাহ}}
* {{বাউ|মুস্তাফা খালিদ পলাশ}}
* {{বাউ|মুস্তাফা জামান আব্বাসী}}
* {{বাউ|মুস্তাফা নূরউল ইসলাম}}
* {{বাউ|মুস্তাফিজ শফি}}
* {{বাউ|মুস্তাফিজুর রহমান (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মুস্তাফিজুর রহমান (গীতিকার)}}
* {{বাউ|মুহম্মদ আবদুল হাই}}
* {{বাউ|মুহম্মদ ইউসুফ সিদ্দিক}}
* {{বাউ|মুহম্মদ ওয়ায়েছ}}
* {{বাউ|মুহম্মদ কবির}}
* {{বাউ|মুহম্মদ কুদরাত-এ-খুদা}}
* {{বাউ|মুহম্মদ নূরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মুহম্মদ মতিউর রহমান}}
* {{বাউ|মুহম্মদ মনসুর উদ্দিন}}
* {{বাউ|মুহম্মদ শামসউল হক}}
* {{বাউ|মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া (গবেষক)}}
* {{বাউ|মুহম্মদ সিরাজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আখতার}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুর রশিদ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুল বারী}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুল মুহিত}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুল্লাহ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুল্লাহিল বাকী}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আব্দুর রহিম (ইতিহাসবিদ)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আব্দুল হাফিজ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আরশাদ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আসফ-উদ-দৌলা}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইউনুস (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইউনুস (পণ্ডিত)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইব্রাহিম (পদার্থবিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইমরান (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইসমাইল}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইসহাক (ইতিহাসবিদ)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ একরামুল হক}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ জমির}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ জুলকার নাইন}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ নওশাদ জমির}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ নুরুল হক}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ নুরুল হুদা}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ফাজলী ইলাহী}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ফারুক (কূটনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ মাছুদ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ মাহবুব উল ইসলাম}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ সামাদ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান (মুক্তিযোদ্ধা)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ আবদুল মালেক}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ আব্দুল হামিদ}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ ইকবাল হোছাইন}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ ইনাম-উল হক}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ মুস্তাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ লুৎফর রহমান}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ শহীদ সারওয়ার}}
* {{বাউ|মৃণাল দত্ত চৌধুরী}}
* {{বাউ|মৃণাল মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মৃণালিনী সেন}}
* {{বাউ|মৃত্যুঞ্জয় প্রসাদ গুহ}}
* {{বাউ|মৃত্যুঞ্জয় বরাট সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার}}
* {{বাউ|মৃদুল দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|মৃদুলা গার্গ}}
* {{বাউ|মেজকর্তা}}
* {{বাউ|মেজবাউর রহমান সুমন}}
* {{বাউ|মেনহাজ হুদা}}
* {{বাউ|মেরিনা তাবাসসুম}}
* {{বাউ|মেসবাহউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|মেসবাহউদ্দিন আহমেদ (পদার্থবিদ)}}
* {{বাউ|মেসবাহুল হক}}
* {{বাউ|মেহরীন মাহমুদ}}
* {{বাউ|মেহেদী হক রনি}}
* {{বাউ|মেহের আফরোজ শাওন}}
* {{বাউ|মেহেরবানু খানম}}
* {{বাউ|মেহেরুন নেসা}}
* {{বাউ|মৈত্রী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|মৈত্রেয়ী দেবী}}
* {{বাউ|মো. আবদুল মজিদ}}
* {{বাউ|মো. আবু আহমেদ জমাদার}}
* {{বাউ|মো. আবু জাফর সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|মো. আবু তারিক}}
* {{বাউ|মো. আব্দুল মজিদ}}
* {{বাউ|মো. আমিনুল ইসলাম (বিচারক)}}
* {{বাউ|মো. ইকবাল কবির}}
* {{বাউ|মো. ইমদাদুল হক}}
* {{বাউ|মো. এমদাদুল হক}}
* {{বাউ|মো. কামরুল হোসেন মোল্লা}}
* {{বাউ|মো. খসরুজ্জামান}}
* {{বাউ|মো. খায়রুল আলম}}
* {{বাউ|মো. খুরশেদ আলম}}
* {{বাউ|মো. জয়নুল আবেদীন}}
* {{বাউ|মো. জহুরুল হক}}
* {{বাউ|মো. জাকির হোসেন}}
* {{বাউ|মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার}}
* {{বাউ|মো. নুরুল ইসলাম (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|মো. বজলুর রহমান}}
* {{বাউ|মো. বদরুজ্জামান}}
* {{বাউ|মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী}}
* {{বাউ|মো. মজিবুর রহমান মিয়া}}
* {{বাউ|মো. মনসুর আলম}}
* {{বাউ|মো. মাহমুদ হাসান তালুকদার}}
* {{বাউ|মো. মোস্তাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|মো. যাবিদ হোসেন}}
* {{বাউ|মো. রইস উদ্দিন}}
* {{বাউ|মো. রইস হাসান সরোয়ার}}
* {{বাউ|মো. রিয়াজ উদ্দিন খান}}
* {{বাউ|মো. রুহুল আমিন (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|মো. রুহুল কুদ্দুস}}
* {{বাউ|মো. রেজাউল হক}}
* {{বাউ|মো. রেজাউল হাসান}}
* {{বাউ|মো. শামসুল হুদা}}
* {{বাউ|মো. শাহিনুর ইসলাম}}
* {{বাউ|মো. সাইদুল হক}}
* {{বাউ|মো. সেলিম (বিচারক)}}
* {{বাউ|মো. হযরত আলী (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|মো. হামিদুল হক (বিচারক)}}
* {{বাউ|মো. হাসান আমিন}}
* {{বাউ|মো: গোলাম রহমান}}
* {{বাউ|মো: জাহাঙ্গীর আল মুস্তাহিদুর রহমান}}
* {{বাউ|মোঃ আখতারুজ্জামান}}
* {{বাউ|মোঃ আতাউর রহমান খান}}
* {{বাউ|মোঃ আতাবুল্লাহ}}
* {{বাউ|মোঃ আতোয়ার রহমান}}
* {{বাউ|মোঃ আব্দুল মান্নান (বিচারক)}}
* {{বাউ|মোঃ আব্দুল মুক্তাদির}}
* {{বাউ|মোঃ আলী রেজা}}
* {{বাউ|মোঃ আশরাফুল কামাল}}
* {{বাউ|মোঃ আসাদুজ্জামান}}
* {{বাউ|মোঃ ইসমাইল হোসেন}}
* {{বাউ|মোঃ কামরুজ্জামান}}
* {{বাউ|মোঃ খোরশেদ আলম}}
* {{বাউ|মোঃ জসিম উদ্দিন (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মোঃ জাকির হোসেন (বিচারক)}}
* {{বাউ|মোঃ টোকন}}
* {{বাউ|মোঃ তোফাজ্জল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোঃ নূরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোঃ বশির-উল্লাহ}}
* {{বাউ|মোঃ মইদুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোঃ মাহবুবুর রহমান (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|মোঃ মুস্তফা চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোঃ শামীম আহসান}}
* {{বাউ|মোঃ সাইদুর রহমান (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|মোঃ সাদত আলী}}
* {{বাউ|মোঃ সোহরাওয়ারদী}}
* {{বাউ|মোঃ হাবিবুল গনি}}
* {{বাউ|মোকাররম হোসেন খোন্দকার}}
* {{বাউ|মোক্ষদায়িনী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মোজাফফর আহমদ}}
* {{বাউ|মোজাফফর হোসেন (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|মোজাম্মেল হোসেন (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|মোজাম্মেল হোসেন মিন্টু}}
* {{বাউ|মোতাহার হোসেন তালুকদার}}
* {{বাউ|মোনাজাতউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোনায়েম সরকার}}
* {{বাউ|মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোবারক আহমদ খান}}
* {{বাউ|মোবারক হোসেন খান}}
* {{বাউ|মোবাশ্বের আলী}}
* {{বাউ|মোবিনুল আজিম}}
* {{বাউ|মোমতাজ আলী খান}}
* {{বাউ|মোরশেদ খান}}
* {{বাউ|মোরশেদ শফিউল হাসান}}
* {{বাউ|মোরশেদুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী}}
* {{বাউ|মোল্লা জালাল উদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|মোশতাক আহমেদ}}
* {{বাউ|মোশতাক খান}}
* {{বাউ|মোশারেফ উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|মোসলেম উদ্দিন}}
* {{বাউ|মোসলেম উদ্দিন খান}}
* {{বাউ|মোসাদ্দেক আলী ফালু}}
* {{বাউ|মোস্তফা আনোয়ার (পরিচালক)}}
* {{বাউ|মোস্তফা আলম}}
* {{বাউ|মোস্তফা আলী}}
* {{বাউ|মোস্তফা এম এ মতিন}}
* {{বাউ|মোস্তফা কামাল (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|মোস্তফা জামান ইসলাম}}
* {{বাউ|মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোস্তফা মন্ওয়ার}}
* {{বাউ|মোস্তফা মেহমুদ}}
* {{বাউ|মোস্তাফিজুর রহমান মানিক}}
* {{বাউ|মোস্তাফিজুর রহমান সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|মোহন রায়হান}}
* {{বাউ|মোহনলাল গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মোহম্মদ সামির হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আকরম খাঁ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আছাদুজ্জামান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আজম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আজিজ (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবদুর রশিদ (বিচারক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবদুর রহিম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবদুল খালেক}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবু নাসের}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবু হেনা}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবুল কাসেম চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবুল হাশেম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আব্দুল হাই}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ মিয়া}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আব্দুল্লাহেল কাফী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আলম (আলোকচিত্র সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আলী (বিচারক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (নরসিংদীর শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ইউনুস (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ইব্রাহিম (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ইব্রাহিম (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ইমান আলী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ উল্লাহ (বিচারক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ এনামউল্যা}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ওমর এজাজ রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ কায়কোবাদ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ কিবরিয়া}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ খালেদ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ গোলাম রাব্বানী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ছায়েদুল হক}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ জাকারিয়া}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নইমুদ্দীন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নজিবর রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন (লেখক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নাসির আলী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নিজামুল হক}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নুরুল করিম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নূরুজ্জামান (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নোমান (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ পনির হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ফজলী হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ফজলুল করীম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ফেরদাউস খান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ফৈয়াজ খান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ বজলুর রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মতিউর রহমান (লেখক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মিঞা}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মফজলুর রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মমতাজ উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ময়েজউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মহিউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মিজারুল কায়েস}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মুর্তজা}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোদাব্বের}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোবারক আলী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান (কর্মকর্তা)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোহর আলী (ইতিহাসবিদ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোহসীন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রফি খান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রফিক (কবি)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রফিকুল আলম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রেজওয়ান খান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শওকত আলী চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শরীফ হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শামশাদ আলী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শামসুজ্জোহা}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শাহ আলম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শাহ আলম (আইনজ্ঞ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শাহজাহান (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শাহিনুল আলম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শিশির মনির}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সাদত আলী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সাদিক}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সালার খান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সিরাজুদ্দীন কাসিমপুরী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সিরাজুল আকবর}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সুফিউর রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সোলায়মান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ হারুন-উর-রশিদ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ হোসেন জেমী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ হোসেন মণ্ডল}}
* {{বাউ|মোহাম্মদউল্লাহ}}
* {{বাউ|মোহাম্মাদ রকিবুল হাসান}}
* {{বাউ|মোহিত উল আলম}}
* {{বাউ|মোহিত কামাল}}
* {{বাউ|মোহিত চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মোহিত সেন}}
* {{বাউ|মোহিনী চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোহিনী মোহন চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|মৌমিতা তাশরিন নদী}}
* {{বাউ|মৌমিতা দত্ত}}
* {{বাউ|মৌলভী আবদুল করিম}}
* {{বাউ|মৌসুমী ভৌমিক}}
* {{বাউ|যতীন সরকার}}
* {{বাউ|যতীন্দ্রকুমার সেন}}
* {{বাউ|যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|যতীন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|যতীন্দ্রমোহন সিংহ}}
* {{বাউ|যদুনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|যদুনাথ সরকার}}
* {{বাউ|যদুনাথ সিংহ}}
* {{বাউ|যমুনা সেন}}
* {{বাউ|যশোধরা বাগচি}}
* {{বাউ|যশোধরা রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|যাত্রামোহন সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|যাদব চন্দ্র চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|যাদুমনি হাজং}}
* {{বাউ|যামিনী ভূষণ রায়}}
* {{বাউ|যামিনী রায়}}
* {{বাউ|যামিনীপ্রকাশ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|যুধাজিৎ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|যোগীন মা}}
* {{বাউ|যোগীন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|যোগেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ}}
* {{বাউ|যোগেশচন্দ্র ঘোষ}}
* {{বাউ|যোগেশচন্দ্র চৌধুরী (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|যোগেশচন্দ্র বাগল}}
* {{বাউ|যোগেশচন্দ্র রায় বিদ্যানিধি}}
* {{বাউ|যোবায়দা হান্নান}}
* {{বাউ|রওনক জাহান}}
* {{বাউ|রওশন আরা}}
* {{বাউ|রওশন আরা বাচ্চু}}
* {{বাউ|রওশন আরা মুস্তাফিজ}}
* {{বাউ|রওশন আলী}}
* {{বাউ|রওশন ইজদানী}}
* {{বাউ|রওশন জামিল}}
* {{বাউ|রকিব হাসান}}
* {{বাউ|রকিবুল আলম রকিব}}
* {{বাউ|রকীব আহমদ}}
* {{বাউ|রঘুনন্দন ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|রঘুনাথ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রঙ্গলাল মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রঙ্গলাল সেন}}
* {{বাউ|রঙ্গু সৌরিয়া}}
* {{বাউ|রজতকান্ত রায়}}
* {{বাউ|রজতশুভ্র মজুমদার}}
* {{বাউ|রজনীকান্ত গুহ}}
* {{বাউ|রজনীকান্ত প্রামাণিক}}
* {{বাউ|রজনীনাথ রায়}}
* {{বাউ|রঞ্জন ঘোষাল}}
* {{বাউ|রঞ্জন মল্লিক}}
* {{বাউ|রণজিত গুহ}}
* {{বাউ|রণজিৎ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রণজিৎ দাশ}}
* {{বাউ|রণদা প্রসাদ সাহা}}
* {{বাউ|রণেন কুশারী}}
* {{বাউ|রণেশ মৈত্র}}
* {{বাউ|রতন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রতন সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|রতনচন্দ্র কর}}
* {{বাউ|রতনতনু ঘোষ}}
* {{বাউ|রতনলাল ব্রহ্মচারী}}
* {{বাউ|রত্নেশ্বর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রথীন কিস্কু}}
* {{বাউ|রথীন মিত্র}}
* {{বাউ|রথীন মৈত্র}}
* {{বাউ|রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|রথীন্দ্রনাথ বোস}}
* {{বাউ|রফিক আহামদ}}
* {{বাউ|রফিক উদ্দিন আহমেদ (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|রফিক উদ্দিন আহমেদ (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|রফিক উদ্দিন সরকার}}
* {{বাউ|রফিক-উল হক}}
* {{বাউ|রফিকউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|রফিকউল্লাহ্ খান}}
* {{বাউ|রফিকুর রশীদ}}
* {{বাউ|রফিকুল ইসলাম (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|রফিকুল ইসলাম মিয়া}}
* {{বাউ|রফিকুল ইসলাম সেখ}}
* {{বাউ|রফিকুল বারী চৌধুরী}}
* {{বাউ|রফিকুল হক}}
* {{বাউ|রফিকুল হক (কৃষি প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|রবার্ট সুইনহো}}
* {{বাউ|রবি বসু}}
* {{বাউ|রবিউল আলম (নাট্যকার)}}
* {{বাউ|রবিউল আলম রবি}}
* {{বাউ|রবিউল ইসলাম জীবন}}
* {{বাউ|রবিউল হুসাইন}}
* {{বাউ|রবিন ঘোষ}}
* {{বাউ|রবিনা খান}}
* {{বাউ|রবিশংকর বল}}
* {{বাউ|রবিশঙ্কর}}
* {{বাউ|রবীন চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রবীন্দ্র গুহ}}
* {{বাউ|রবীন্দ্রকুমার দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|রবীন্দ্রনাথ চৌধুরী}}
* {{বাউ|রবীন্দ্রনাথ দত্ত}}
* {{বাউ|রবীন্দ্রনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|রবীন্দ্রনাথ মৈত্র}}
* {{বাউ|রমা চৌধুরী}}
* {{বাউ|রমাতোষ সরকার}}
* {{বাউ|রমাপদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|রমারঞ্জন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রমিজউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|রমেন্দ্র কুমার পোদ্দার}}
* {{বাউ|রমেন্দ্রকুমার আচার্য চৌধুরী}}
* {{বাউ|রমেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রমেশ চন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|রমেশচন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|রশিদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|রশীদ করীম}}
* {{বাউ|রশীদ তালুকদার}}
* {{বাউ|রশীদ হায়দার}}
* {{বাউ|রসময় দত্ত}}
* {{বাউ|রসময় মিত্র}}
* {{বাউ|রসময় সুর}}
* {{বাউ|রসিককৃষ্ণ মল্লিক}}
* {{বাউ|রসিকলাল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রহমত আলী}}
* {{বাউ|রহমতউল্লাহ আল মাহমুদ সেলিম}}
* {{বাউ|রহিমুন্নিসা}}
* {{বাউ|রহীম শাহ}}
* {{বাউ|রাইচরণ দাস}}
* {{বাউ|রাইচাঁদ বড়াল}}
* {{বাউ|রাইসুল ইসলাম আসাদ}}
* {{বাউ|রাখাল চন্দ্র দাস}}
* {{বাউ|রাখাল চিত্রকর}}
* {{বাউ|রাখালদাস মজুমদার}}
* {{বাউ|রাগিনী সোনকার}}
* {{বাউ|রাগীব রউফ চৌধুরী}}
* {{বাউ|রাঘব চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাঘব বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাজকুমার চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রাজকুমার সর্বাধিকারী}}
* {{বাউ|রাজকুমারী বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাজকুমারী রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|রাজকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাজকৃষ্ণ রায়}}
* {{বাউ|রাজচন্দ্র বসু}}
* {{বাউ|রাজদীপ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|রাজনারায়ণ বসু}}
* {{বাউ|রাজলক্ষ্মী দেবী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রাজিক আল জলিল}}
* {{বাউ|রাজিয়া খান}}
* {{বাউ|রাজিয়া মজিদ}}
* {{বাউ|রাজিয়া মাহবুব}}
* {{বাউ|রাজিয়া সুলতানা (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|রাজেন তরফদার}}
* {{বাউ|রাজেন্দ্রচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|রাজেন্দ্রচন্দ্র হাজরা}}
* {{বাউ|রাজেন্দ্রনাথ সেন}}
* {{বাউ|রাজেন্দ্রলাল মিত্র}}
* {{বাউ|রাজেশ রোশন}}
* {{বাউ|রাজেশ্বরী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাণী দিনমনি চৌধুরাণী}}
* {{বাউ|রাণী রাসমণি}}
* {{বাউ|রাধা বিনোদ পাল}}
* {{বাউ|রাধাকান্ত দেব}}
* {{বাউ|রাধাকান্ত নন্দী}}
* {{বাউ|রাধাকুমুদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাধাগোবিন্দ কর}}
* {{বাউ|রাধাগোবিন্দ চন্দ্র}}
* {{বাউ|রাধাগোবিন্দ নাথ}}
* {{বাউ|রাধাগোবিন্দ বসাক}}
* {{বাউ|রাধানাথ শিকদার}}
* {{বাউ|রাধাপদ রায়}}
* {{বাউ|রাধাপ্রসাদ গুপ্ত}}
* {{বাউ|রাধাবতী দেবী}}
* {{বাউ|রাধারমণ দত্ত}}
* {{বাউ|রাধারমণ মিত্র}}
* {{বাউ|রাধারাণী দেবী}}
* {{বাউ|রাধিকা মোহন মৈত্র}}
* {{বাউ|রাধিকা রায়}}
* {{বাউ|রানী চন্দ}}
* {{বাউ|রাপ্পা রায়}}
* {{বাউ|রাফায়েল অ্যারন বেলিলিওস}}
* {{বাউ|রাফিদা আহমেদ বন্যা}}
* {{বাউ|রাবাব ফাতেমা}}
* {{বাউ|রাবেয়া খাতুন}}
* {{বাউ|রাবেয়া ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|রাম নারায়ণ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রাম বসু}}
* {{বাউ|রামকমল ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রামকমল সেন}}
* {{বাউ|রামকানাই দাশ}}
* {{বাউ|রামকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রামগতি ন্যায়রত্ন}}
* {{বাউ|রামগোপাল ঘোষ}}
* {{বাউ|রামচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রামচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ}}
* {{বাউ|রামতনু লাহিড়ী}}
* {{বাউ|রামতারণ সান্যাল}}
* {{বাউ|রামদাস সেন}}
* {{বাউ|রামনারায়ণ তর্করত্ন}}
* {{বাউ|রামনিধি গুপ্ত}}
* {{বাউ|রামপ্রাণ গুপ্ত}}
* {{বাউ|রামব্রহ্ম সান্যাল}}
* {{বাউ|রামরঞ্জন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রামরাম বসু}}
* {{বাউ|রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রামেন্দু মজুমদার}}
* {{বাউ|রায়হান মুজিব}}
* {{বাউ|রায়হানুল আবেদীন}}
* {{বাউ|রায়েফ আল হাসান রাফা}}
* {{বাউ|রাশিদ আসকারী}}
* {{বাউ|রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর}}
* {{বাউ|রাশেদ খান মেনন}}
* {{বাউ|রাশেদ রউফ}}
* {{বাউ|রাসবিহারী ঘোষ}}
* {{বাউ|রাসসুন্দরী দেবী}}
* {{বাউ|রাহাত খান}}
* {{বাউ|রাহিজা খানম ঝুনু}}
* {{বাউ|রাহুল দেব বর্মণ}}
* {{বাউ|রাহুল পুরকায়স্থ}}
* {{বাউ|রিংকি ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|রিজিয়া রহমান}}
* {{বাউ|রিতা আর. কলওয়েল}}
* {{বাউ|রিনা আক্তার (সক্রিয়কর্মী)}}
* {{বাউ|রিনাত ফৌজিয়া}}
* {{বাউ|রিপন নাথ}}
* {{বাউ|রিফাত হাসান (লেখক)}}
* {{বাউ|রিমা সুলতানা রিমু}}
* {{বাউ|রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|রিয়াজ রহমান}}
* {{বাউ|রিয়াজ হামিদুল্লাহ}}
* {{বাউ|রিয়াজুল রিজু}}
* {{বাউ|রীণা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রুচিরা গুপ্ত}}
* {{বাউ|রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|রুদ্রাণী (গোয়েন্দা)}}
* {{বাউ|রুনা খান (উদ্যোক্তা)}}
* {{বাউ|রুনু বিশ্বাস}}
* {{বাউ|রুবাইয়াত হোসেন}}
* {{বাউ|রুবানা হক}}
* {{বাউ|রুবী রহমান}}
* {{বাউ|রুবেল}}
* {{বাউ|রুমা পাল}}
* {{বাউ|রুমানা আলী}}
* {{বাউ|রুমানা রশীদ ঈশিতা}}
* {{বাউ|রুমিন ফারহানা}}
* {{বাউ|রুম্মান রশীদ খান}}
* {{বাউ|রুশেমা বেগম}}
* {{বাউ|রুহি জুবেরী}}
* {{বাউ|রুহুল আমিন (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|রুহুল আলম সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|রুহুল ইসলাম}}
* {{বাউ|রুহুল কুদ্দুস কাজল}}
* {{বাউ|রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু}}
* {{বাউ|রূপ গোস্বামী}}
* {{বাউ|রূপচাঁদ অধিকারী}}
* {{বাউ|রূপমঞ্জরী ঘোষ}}
* {{বাউ|রূপরাম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রূপা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রেজা আলী}}
* {{বাউ|রেজা লতিফ}}
* {{বাউ|রেজাউদ্দিন স্টালিন}}
* {{বাউ|রেজাউল করিম (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|রেজাউল হক সরকার}}
* {{বাউ|রেজিনা গুহ}}
* {{বাউ|রেণু চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রেণুকা রায়}}
* {{বাউ|রেদওয়ান রনি}}
* {{বাউ|রেবতীভূষণ ঘোষ}}
* {{বাউ|রেবা সোম}}
* {{বাউ|রেয়াজুদ্দীন মাশহাদী আহমদ}}
* {{বাউ|রেহমান সোবহান}}
* {{বাউ|রোকেয়া সুলতানা (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|রোজিনা ইসলাম}}
* {{বাউ|রোজী আফসারী}}
* {{বাউ|রোমেনা আফাজ}}
* {{বাউ|লক্ষীছাড়া}}
* {{বাউ|লক্ষ্মীকান্ত মৈত্র}}
* {{বাউ|লজ্জাবতী বসু}}
* {{বাউ|লতিকা সরকার}}
* {{বাউ|লতিকা সেন}}
* {{বাউ|লতিফুর খান}}
* {{বাউ|লতিফুর রহমান (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|লতিফুল ইসলাম শিবলী}}
* {{বাউ|ললিত মোহন নাথ}}
* {{বাউ|ললিতা রায়}}
* {{বাউ|লাকী আখান্দ}}
* {{বাউ|লায়লা নূর}}
* {{বাউ|লায়লা সামাদ}}
* {{বাউ|লালমোহন গাঙ্গুলি}}
* {{বাউ|লিয়াকত আলী চৌধুরী}}
* {{বাউ|লিয়াকত আলী লাকী}}
* {{বাউ|লিলি চক্রবর্তী (কবি)}}
* {{বাউ|লিসা গাজী}}
* {{বাউ|লীমা ধর}}
* {{বাউ|লীলা রায়}}
* {{বাউ|লীলাবতী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|লীলাবতী মিত্র}}
* {{বাউ|লুইস জনসন}}
* {{বাউ|লুসি রহমান}}
* {{বাউ|লুৎফর রহমান (মুসলিম পণ্ডিত)}}
* {{বাউ|লুৎফর রহমান রিটন}}
* {{বাউ|লুৎফর রহমান সরকার}}
* {{বাউ|লুৎফর হাসান}}
* {{বাউ|লুৎফুন্নাহার হেলেন}}
* {{বাউ|লুৎফুল হায়দার চৌধুরী}}
* {{বাউ|লুৎফে সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|লেনিন গনি}}
* {{বাউ|লেবুমামা}}
* {{বাউ|লেমিস}}
* {{বাউ|লোকনাথ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|লোকমান হোসেন ফকির}}
* {{বাউ|লোকেন্দ্রনাথ পালিত}}
* {{বাউ|লোপামুদ্রা মিত্র}}
* {{বাউ|শংকর রায় চৌধুরী (চরিত্র)}}
* {{বাউ|শওকত আরা বেগম}}
* {{বাউ|শওকত আলী (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|শওকত আলী ইমন}}
* {{বাউ|শওকত আলী খান}}
* {{বাউ|শওকত জামিল}}
* {{বাউ|শওকত মাহমুদ}}
* {{বাউ|শক্তি বর্মণ}}
* {{বাউ|শক্তি মণ্ডল}}
* {{বাউ|শক্তিপদ রাজগুরু}}
* {{বাউ|শক্তিসাধন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শঙ্কর ঘোষ}}
* {{বাউ|শঙ্কর ঘোষ (পণ্ডিত)}}
* {{বাউ|শঙ্কর চ্যাটার্জী}}
* {{বাউ|শঙ্কর প্রসাদ মিত্র}}
* {{বাউ|শঙ্কর রায়}}
* {{বাউ|শঙ্কর সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|শঙ্করীপ্রসাদ বসু}}
* {{বাউ|শঙ্কু মহারাজ}}
* {{বাউ|শঙ্খ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|শচীন দাশ}}
* {{বাউ|শচীন ভৌমিক}}
* {{বাউ|শচীন্দ্রনাথ অধিকারী}}
* {{বাউ|শচীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শচীন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|শফি ইউ আহমেদ}}
* {{বাউ|শফিউর রহমান}}
* {{বাউ|শফিক আহমেদ}}
* {{বাউ|শফিক তুহিন}}
* {{বাউ|শবনম পারভীন}}
* {{বাউ|শবনম মুশতারী}}
* {{বাউ|শবনম রামস্বামী}}
* {{বাউ|শবর দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|শমসের মবিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|শমিতা দাশ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|শম্পা দাস}}
* {{বাউ|শম্ভু ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শম্ভুনাথ দে}}
* {{বাউ|শম্ভুনাথ পণ্ডিত}}
* {{বাউ|শম্ভুনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শরচ্চন্দ্র পণ্ডিত}}
* {{বাউ|শরণ}}
* {{বাউ|শরাফত আলী}}
* {{বাউ|শরিফ এনামুল কবির}}
* {{বাউ|শরিফা খাতুন}}
* {{বাউ|শরিফা খান}}
* {{বাউ|শরীফ উদ্দিন চাকলাদার}}
* {{বাউ|শরীফ খান}}
* {{বাউ|শরীফ মুহাম্মদ আজিজুল হক}}
* {{বাউ|শর্বরী জোহরা আহমেদ}}
* {{বাউ|শর্বরী রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|শর্মিলা বসু}}
* {{বাউ|শর্মিলা বিশ্বাস}}
* {{বাউ|শর্মিলা ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শর্মিলা সরকার}}
* {{বাউ|শরৎকুমার মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শরৎকুমারী চৌধুরাণী}}
* {{বাউ|শরৎচন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|শরৎচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|শরৎসুন্দরী দেবী}}
* {{বাউ|শশধর দত্ত}}
* {{বাউ|শশাঙ্ক চন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শশাঙ্ক শেখর সরকার}}
* {{বাউ|শশিভূষণ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|শশিশেখর বসু}}
* {{বাউ|শহিদুল আমিন}}
* {{বাউ|শহিদুল আলম}}
* {{বাউ|শহিদুল ইসলাম (বিচারক)}}
* {{বাউ|শহিদুল হক খান}}
* {{বাউ|শহীদ আখন্দ}}
* {{বাউ|শহীদ উল্লাহ তালুকদার}}
* {{বাউ|শহীদ সাবের}}
* {{বাউ|শহীদুল ইসলাম (গণিতবিদ)}}
* {{বাউ|শহীদুল ইসলাম (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|শহীদুল ইসলাম খোকন}}
* {{বাউ|শহীদুল হক}}
* {{বাউ|শহীদুল্লাহ খান}}
* {{বাউ|শাওন আকন্দ}}
* {{বাউ|শাকিলা জাফর}}
* {{বাউ|শাকুর মজিদ}}
* {{বাউ|শাজিয়া ওমর}}
* {{বাউ|শানারেই দেবী শানু}}
* {{বাউ|শানু লাহিড়ী}}
* {{বাউ|শান্তনু কায়সার}}
* {{বাউ|শান্তনু ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শান্তনু মৈত্র}}
* {{বাউ|শান্তা দেবী (নাগ)}}
* {{বাউ|শান্তিদেব ঘোষ}}
* {{বাউ|শান্তিময় চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শান্তিরঞ্জন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শান্তিসুধা ঘোষ}}
* {{বাউ|শাপলা সালিক}}
* {{বাউ|শাফিয়া খাতুন}}
* {{বাউ|শামছুল আলম}}
* {{বাউ|শামশুদ্দিন আহমদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন আহমদ (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন আহমেদ (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন টগর}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন হীরা}}
* {{বাউ|শামসুদ্দীন আবুল কালাম}}
* {{বাউ|শামসুন নাহার মাহমুদ}}
* {{বাউ|শামসুল আলম (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|শামসুল ইসলাম আলমাজী}}
* {{বাউ|শামসুল হক (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|শামসুল হুদা}}
* {{বাউ|শামসুল হুদা চৌধুরী}}
* {{বাউ|শামীম আকতার}}
* {{বাউ|শামীম আজাদ}}
* {{বাউ|শামীম আরা নিপা}}
* {{বাউ|শামীম আহমেদ রনি}}
* {{বাউ|শামীম আহসান}}
* {{বাউ|শামীম শিকদার}}
* {{বাউ|শামীম হায়দার}}
* {{বাউ|শামীম হাসনাইন}}
* {{বাউ|শামীমা করিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|শায়ান চৌধুরী অর্ণব}}
* {{বাউ|শায়েস্তা সোহরাওয়ার্দী ইকরামউল্লাহ}}
* {{বাউ|শারফুদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|শারমিন আলি}}
* {{বাউ|শার্মিন আক্তার}}
* {{বাউ|শাহ আজিজুর রহমান}}
* {{বাউ|শাহ আবদুল ওয়াহহাব}}
* {{বাউ|শাহ আবদুল হান্নান}}
* {{বাউ|শাহ আবু নাঈম মমিনুর রহমান}}
* {{বাউ|শাহ আবুল হাসনাৎ মোহাম্মদ ইসমাইল}}
* {{বাউ|শাহ আব্দুল হামিদ}}
* {{বাউ|শাহ আলম কিরণ}}
* {{বাউ|শাহ আলমগীর}}
* {{বাউ|শাহ আহমদ শফী}}
* {{বাউ|শাহ এ এম এস কিবরিয়া}}
* {{বাউ|শাহ খাজা শরফুদ্দীন}}
* {{বাউ|শাহ জাহাঙ্গীর কবীর}}
* {{বাউ|শাহ বারিদ খান}}
* {{বাউ|শাহ মাহাতাব আহমদ}}
* {{বাউ|শাহ মুহম্মদ সগীর}}
* {{বাউ|শাহ মো. ওয়ারেস আলী মামুন}}
* {{বাউ|শাহ মোঃ উললাহ}}
* {{বাউ|শাহ মোঃ হাসানুজ্জামান}}
* {{বাউ|শাহ মোহাম্মদ ফারুক}}
* {{বাউ|শাহ মোহাম্মদ ফারুক (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|শাহ মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস}}
* {{বাউ|শাহ মোহাম্মদ হাছানুজ্জামান}}
* {{বাউ|শাহজাদা আবদুল মালেক খান}}
* {{বাউ|শাহজাহান আহমেদ বিকাশ}}
* {{বাউ|শাহজাহান কিবরিয়া}}
* {{বাউ|শাহজাহান খান (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|শাহজাহান চৌধুরী (চলচ্চিত্র পরিচালক)}}
* {{বাউ|শাহদীন মালিক}}
* {{বাউ|শাহনাজ আরেফিন}}
* {{বাউ|শাহনাজ রহমতুল্লাহ}}
* {{বাউ|শাহনাজ হুদা}}
* {{বাউ|শাহনেওয়াজ কাকলী}}
* {{বাউ|শাহরিয়ার আলম}}
* {{বাউ|শাহরিয়ার নাজিম জয়}}
* {{বাউ|শাহলা খাতুন}}
* {{বাউ|শাহাদাত চৌধুরী}}
* {{বাউ|শাহাদাত হোসেন খান}}
* {{বাউ|শাহাদাৎ হোসেন (লেখক)}}
* {{বাউ|শাহাদাৎ হোসেন লিটন}}
* {{বাউ|শাহাবুদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|শাহাবুদ্দিন আহমেদ (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|শাহাবুদ্দিন আহমেদ (রাষ্ট্রদূত)}}
* {{বাউ|শাহাবুদ্দীন নাগরী}}
* {{বাউ|শাহীন আখতার}}
* {{বাউ|শাহীন দিল-রিয়াজ}}
* {{বাউ|শাহীন সামাদ}}
* {{বাউ|শাহীন-সুমন}}
* {{বাউ|শাহীনুর পাশা চৌধুরী}}
* {{বাউ|শাহেদ আলী}}
* {{বাউ|শাহেদ আলী পাটোয়ারী}}
* {{বাউ|শাহেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|শাহেদ নূরউদ্দিন}}
* {{বাউ|শাহ্ আলিমুজ্জামান}}
* {{বাউ|শিতালং শাহ}}
* {{বাউ|শিপ্রা গুহ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শিব নারায়ণ দাস}}
* {{বাউ|শিবকালী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শিবচন্দ্র বিদ্যার্ণব}}
* {{বাউ|শিবদাস বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শিবনারায়ণ রায়}}
* {{বাউ|শিবপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শিবব্রত বর্মন}}
* {{বাউ|শিবলি সাদিক}}
* {{বাউ|শিবাজী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শিমুল মুস্তাফা}}
* {{বাউ|শিমূল ইউসুফ}}
* {{বাউ|শিরীণ আখতার}}
* {{বাউ|শিশির কুমার ঘোষ}}
* {{বাউ|শিশির কুমার দাশ}}
* {{বাউ|শিশির কুমার মিত্র}}
* {{বাউ|শিশির ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|শিশির ভট্টাচার্য্য (ভাষাবিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|শিশিরকুমার বসু}}
* {{বাউ|শিশিরকুমার ভাদুড়ী}}
* {{বাউ|শিহাব শাহীন}}
* {{বাউ|শিহাব সরকার}}
* {{বাউ|শীলভদ্র}}
* {{বাউ|শুক্লা বোস}}
* {{বাউ|শুদ্ধানন্দ ব্রহ্মচারী}}
* {{বাউ|শুদ্ধানন্দ মহাথের}}
* {{বাউ|শুভ (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|শুভ গুহঠাকুরতা}}
* {{বাউ|শুভ রায়}}
* {{বাউ|শুভঙ্কর (গণিতবিদ)}}
* {{বাউ|শুভাগত চৌধুরী}}
* {{বাউ|শুভাশিস সিনহা}}
* {{বাউ|শুভ্র (চরিত্র)}}
* {{বাউ|শুভ্র দেব}}
* {{বাউ|শুভ্রা ঘোষ}}
* {{বাউ|শেখ আবদুল আউয়াল}}
* {{বাউ|শেখ আবদুল আজিজ}}
* {{বাউ|শেখ আবদুল মান্নান}}
* {{বাউ|শেখ আবদুস সালাম}}
* {{বাউ|শেখ আবুল কাশেম মিঠুন}}
* {{বাউ|শেখ আব্দুর রহিম}}
* {{বাউ|শেখ আব্দুস সালাম}}
* {{বাউ|শেখ খলিলুর রহমান হামিদি}}
* {{বাউ|শেখ গোলাম মাকসুদ হিলালী}}
* {{বাউ|শেখ তৈয়বুর রহমান}}
* {{বাউ|শেখ দীন মুহাম্মদ}}
* {{বাউ|শেখ নিয়ামত আলী}}
* {{বাউ|শেখ ফয়জুল্লাহ}}
* {{বাউ|শেখ বখতিয়ার উদ্দিন}}
* {{বাউ|শেখ ভানু}}
* {{বাউ|শেখ মকবুল ইসলাম}}
* {{বাউ|শেখ মনিরুল আলম টিপু}}
* {{বাউ|শেখ মাকসুদ আলী}}
* {{বাউ|শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ}}
* {{বাউ|শেখ মো. জাকির হোসেন}}
* {{বাউ|শেখ মোঃ নূরুল হক}}
* {{বাউ|শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ}}
* {{বাউ|শেখ রাজ্জাক আলী}}
* {{বাউ|শেখ রেজোয়ান আলী}}
* {{বাউ|শেখ লুতফর রহমান}}
* {{বাউ|শেখ শহীদুল ইসলাম}}
* {{বাউ|শেখ হাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|শেখ হাসান আরিফ}}
* {{বাউ|শেখর চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শেখর বসু}}
* {{বাউ|শেফালী ঘোষ}}
* {{বাউ|শেলী সেনগুপ্তা}}
* {{বাউ|শৈল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শৈলজারঞ্জন মজুমদার}}
* {{বাউ|শৈলবালা ঘোষজায়া}}
* {{বাউ|শৈলেন ঘোষ}}
* {{বাউ|শৈলেন রায়}}
* {{বাউ|শৈলেন্দ্র সরকার}}
* {{বাউ|শৈলেশ দে}}
* {{বাউ|শোভনা শর্মা}}
* {{বাউ|শোভনাসুন্দরী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শোভা রানী ত্রিপুরা}}
* {{বাউ|শোহিদ আলী}}
* {{বাউ|শৌভিক দে সরকার}}
* {{বাউ|শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর}}
* {{বাউ|শ্যামমোহিনী দেবী}}
* {{বাউ|শ্যামল কুমার সেন}}
* {{বাউ|শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শ্যামল গুপ্ত}}
* {{বাউ|শ্যামল দত্ত রায়}}
* {{বাউ|শ্যামল বসাক}}
* {{বাউ|শ্যামল মিত্র}}
* {{বাউ|শ্যামলকৃষ্ণ ঘোষ}}
* {{বাউ|শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|শ্যামসুন্দর চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|শ্যামসুন্দর বৈষ্ণব}}
* {{বাউ|শ্যামাচরণ শ্রীমানী}}
* {{বাউ|শ্যামাদাস চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শ্যামাদাস মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (পরিসংখ্যানবিদ)}}
* {{বাউ|শ্রাবন্তী নারমীন আলী}}
* {{বাউ|শ্রী জহির}}
* {{বাউ|শ্রী পারাবত}}
* {{বাউ|শ্রী প্রীতম}}
* {{বাউ|শ্রীকর নন্দী}}
* {{বাউ|শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শ্রীজাত}}
* {{বাউ|শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ}}
* {{বাউ|শ্রীধর আচার্য}}
* {{বাউ|শ্রীধর ভেঙ্কটেশ কেতকর}}
* {{বাউ|শ্রীমতি রাসাসুন্দরী}}
* {{বাউ|শ্রীশচন্দ্র নন্দী}}
* {{বাউ|শ্রীশচন্দ্র বিদ্যারত্ন}}
* {{বাউ|শ্রীশচন্দ্র মজুমদার}}
* {{বাউ|শ্রেয়সী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শ্রেষ্ঠ নাট্যকারের জন্য মেরিল-প্রথম আলো সমালোচক পুরস্কার}}
* {{বাউ|শ্ৰীকৃষ্ণ সার্বভৌম}}
* {{বাউ|ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সংগ্রাম কুমার দোলই}}
* {{বাউ|সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সঙ্ঘমিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সজনীকান্ত দাস}}
* {{বাউ|সজীব দাস}}
* {{বাউ|সঞ্চিতা ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|সঞ্জয় (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|সঞ্জয় কুমার অধিকারী}}
* {{বাউ|সঞ্জয় গুহঠাকুরতা}}
* {{বাউ|সতীকান্ত গুহ}}
* {{বাউ|সতীনাথ ভাদুড়ী}}
* {{বাউ|সতীশচন্দ্র আচার্য বিদ্যাভূষণ}}
* {{বাউ|সতীশচন্দ্র দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|সতীশচন্দ্র পাকড়াশী}}
* {{বাউ|সতীশচন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|সতীশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সত্য চৌধুরী}}
* {{বাউ|সত্য সাহা}}
* {{বাউ|সত্যপ্রিয় ঘোষ}}
* {{বাউ|সত্যপ্রিয় মহাথের}}
* {{বাউ|সত্যবতী (ব্যোমকেশ বক্সীর স্ত্রী)}}
* {{বাউ|সত্যব্রত সামশ্রমী}}
* {{বাউ|সত্যরঞ্জন বকসি}}
* {{বাউ|সত্যানন্দ গিরি}}
* {{বাউ|সত্যানন্দ দাশ}}
* {{বাউ|সত্যেন সেন}}
* {{বাউ|সত্যেন্দ্র চন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|সত্যেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সত্যেন্দ্রনাথ মৈত্র}}
* {{বাউ|সত্যেন্দ্রনাথ সেন}}
* {{বাউ|সনাতন গোস্বামী}}
* {{বাউ|সন্তোষ গুপ্ত}}
* {{বাউ|সন্তোষ চন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|সন্তোষ ঢালী}}
* {{বাউ|সন্তোষ রানা}}
* {{বাউ|সন্তোষকুমার ঘোষ}}
* {{বাউ|সন্তোষকুমারী দেবী}}
* {{বাউ|সন্দীপ ঘোষ}}
* {{বাউ|সন্দীপ দত্ত}}
* {{বাউ|সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সন্ধ্যাকর নন্দী}}
* {{বাউ|সন্মথ দত্ত}}
* {{বাউ|সন্মাত্রানন্দ}}
* {{বাউ|সন্জীদা খাতুন}}
* {{বাউ|সনৎ কর}}
* {{বাউ|সনৎ কুমার সাহা}}
* {{বাউ|সপ্তর্ষি ব্যানার্জি}}
* {{বাউ|সফিউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|সফিউদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|সবিতা রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|সবিতাব্রত দত্ত}}
* {{বাউ|সব্যসাচী মুখোপাধ্যায় (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|সমর দাস}}
* {{বাউ|সমর বাগচী}}
* {{বাউ|সমর মজুমদার}}
* {{বাউ|সমর সেন}}
* {{বাউ|সমরজিৎ রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্র কুমার মিত্র}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্র চন্দ্র দেব}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্র নাথ পাণ্ডে}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্র মল্লিক}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্রনাথ রায়}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্রনাথ সেন}}
* {{বাউ|সমরেশ বসু}}
* {{বাউ|সমাপ্তি চ্যাটার্জি}}
* {{বাউ|সমীর কুমার সাহা}}
* {{বাউ|সমীর রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|সমুদ্র গুপ্ত (কবি)}}
* {{বাউ|সরকার প্রতিক}}
* {{বাউ|সরদার জয়েনউদ্দীন}}
* {{বাউ|সরদার ফজলুল করিম}}
* {{বাউ|সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীর}}
* {{বাউ|সরদার মোশারফ হোসেন}}
* {{বাউ|সরদার মোহাম্মদ আবদুল হামিদ}}
* {{বাউ|সরযূবালা দেবী}}
* {{বাউ|সরযূবালা সেন}}
* {{বাউ|সরলা বসু}}
* {{বাউ|সরলা বিড়লা}}
* {{বাউ|সরলা রায়}}
* {{বাউ|সরসীবালা বসু}}
* {{বাউ|সরোজ কান্তি সিংহ হাজারী}}
* {{বাউ|সরোজ গুপ্ত}}
* {{বাউ|সরোজ ঘোষ}}
* {{বাউ|সরোজ দত্ত}}
* {{বাউ|সরোজ নলিনী দত্ত}}
* {{বাউ|সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সরোজকুমার রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ}}
* {{বাউ|সলিল চৌধুরী}}
* {{বাউ|সলিল সেন}}
* {{বাউ|সহিদুল করিম}}
* {{বাউ|সহিফা বানু}}
* {{বাউ|সাইদা খানম}}
* {{বাউ|সাইদুল আনাম টুটুল}}
* {{বাউ|সাইদুল হাসান (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|সাইদুস সালেহীন খালেদ সুমন}}
* {{বাউ|সাইফ হাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|সাইফউদ-দীন চৌধুরী}}
* {{বাউ|সাইফুজ্জামান শিখর}}
* {{বাউ|সাইফুদ্দিন শাহ্}}
* {{বাউ|সাইফুর রহমান}}
* {{বাউ|সাইফুল আজম কাশেম}}
* {{বাউ|সাইফুল ইসলাম (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|সাইফুল ইসলাম মান্নু}}
* {{বাউ|সাইফুল হক}}
* {{বাউ|সাইম রানা}}
* {{বাউ|সাইমন জাকারিয়া}}
* {{বাউ|সাইয়িদ আতীকুল্লাহ}}
* {{বাউ|সাঈদ আহমদ}}
* {{বাউ|সাঈদ উদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|সাঈদ হায়দার}}
* {{বাউ|সাঈদ-উর-রহমান}}
* {{বাউ|সাঈদা মুনা তাসনিম}}
* {{বাউ|সাকিব ফাহাদ}}
* {{বাউ|সাগর জাহান}}
* {{বাউ|সাগরময় ঘোষ}}
* {{বাউ|সাগরলাল দত্ত}}
* {{বাউ|সাজিদুর রহমান}}
* {{বাউ|সাজেদুল করিম}}
* {{বাউ|সাজ্জাদুল হাসান (আমলা)}}
* {{বাউ|সাদাত আবুল মাসুদ}}
* {{বাউ|সাদাত হোসাইন}}
* {{বাউ|সাদি মহম্মদ}}
* {{বাউ|সাদিক হোসেন}}
* {{বাউ|সাদিয়া ফাইজুন্নেসা}}
* {{বাউ|সাদির উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|সাদেক খান (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|সাধনা আহমেদ}}
* {{বাউ|সানাউল হক}}
* {{বাউ|সানাউল হক খান}}
* {{বাউ|সানাউল্লাহ নূরী}}
* {{বাউ|সানি সানোয়ার}}
* {{বাউ|সানিয়া সুলতানা লিজা}}
* {{বাউ|সানী জুবায়ের}}
* {{বাউ|সাফি উদ্দিন সাফি}}
* {{বাউ|সাবরিনা পড়শী}}
* {{বাউ|সাবিত্রী রায়}}
* {{বাউ|সাব্বির নাসির}}
* {{বাউ|সামন্ত লাল সেন}}
* {{বাউ|সামসুল হক (কবি)}}
* {{বাউ|সামিনা চৌধুরী}}
* {{বাউ|সামিয়া জামান}}
* {{বাউ|সাযযাদ কাদির}}
* {{বাউ|সায়মা ওয়াজেদ পুতুল}}
* {{বাউ|সায়েদুর রহমান}}
* {{বাউ|সায়েবা আখতার}}
* {{বাউ|সারদাচরণ মিত্র}}
* {{বাউ|সারদারঞ্জন রায়}}
* {{বাউ|সারা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সারা যাকের}}
* {{বাউ|সারা হোসেন}}
* {{বাউ|সালমা ইসলাম}}
* {{বাউ|সালমা মাসুদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|সালমা সুলতানা}}
* {{বাউ|সালমা সোবহান}}
* {{বাউ|সালাউদ্দিন সরদার}}
* {{বাউ|সালাহ উদ্দিন ইউসুফ}}
* {{বাউ|সালাহ উদ্দিন নানুপুরী}}
* {{বাউ|সালাহউদ্দিন (চলচ্চিত্র পরিচালক)}}
* {{বাউ|সালাহউদ্দিন আহমেদ (অ্যাটর্নি জেনারেল)}}
* {{বাউ|সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী}}
* {{বাউ|সালাহউদ্দিন লাভলু}}
* {{বাউ|সালিমুল হক}}
* {{বাউ|সালেহ উদ্দিন}}
* {{বাউ|সালেহ উদ্দীন আহমদ জহুরী}}
* {{বাউ|সালেহ হাসান নকীব}}
* {{বাউ|সালেহউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|সাহানাজ সুলতানা}}
* {{বাউ|সাহিদা বেগম}}
* {{বাউ|সি এম শফি সামি}}
* {{বাউ|সি. বি. জামান}}
* {{বাউ|সিকদার আমিনুল হক}}
* {{বাউ|সিকদার মাহমুদুর রাজী}}
* {{বাউ|সিগমা হুদা}}
* {{বাউ|সিতারা বেগম}}
* {{বাউ|সিদ্দিক আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|সিদ্দিকা কবীর}}
* {{বাউ|সিদ্দিকুর রহমান মিয়া}}
* {{বাউ|সিদ্ধার্থ ঘোষ}}
* {{বাউ|সিদ্ধার্থ মুখার্জী}}
* {{বাউ|সিদ্ধেশ্বর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সিয়াম আহমেদ}}
* {{বাউ|সিরাজ উদদীন আহমেদ}}
* {{বাউ|সিরাজ উদ্দিন মিয়া}}
* {{বাউ|সিরাজ সাঁই}}
* {{বাউ|সিরাজ হায়দার}}
* {{বাউ|সিরাজুদ্দীন হোসেন}}
* {{বাউ|সিরাজুর রহমান}}
* {{বাউ|সিরাজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|সিরাজুল ইসলাম (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|সিরাজুল ইসলাম (কবি)}}
* {{বাউ|সিরাজুল করিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|সিরাজুল হক (বাচ্চু মিয়া)}}
* {{বাউ|সিরাজুল হক (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|সিরাজুল হক খান}}
* {{বাউ|সিরিল সিকদার}}
* {{বাউ|সীতা দেবী}}
* {{বাউ|সীতানাথ তত্ত্বভূষণ}}
* {{বাউ|সীতানাথ সিদ্ধান্তবাগীশ}}
* {{বাউ|সুকন্যা দত্ত}}
* {{বাউ|সুকান্ত চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুকুমারী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|সুখময় চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুখরঞ্জন সমাদ্দার}}
* {{বাউ|সুগত বসু}}
* {{বাউ|সুগত মারজিত}}
* {{বাউ|সুচরিত চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুচারু দেবী}}
* {{বাউ|সুচিত্রা মিত্র}}
* {{বাউ|সুজন দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুজন বড়ুয়া}}
* {{বাউ|সুজয় পল}}
* {{বাউ|সুজাত খান (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|সুজেয় শ্যাম}}
* {{বাউ|সুতপা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুতপা বসু}}
* {{বাউ|সুদর্শন ঘোষ দস্তিদার}}
* {{বাউ|সুদীপ্ত-হেরম্যান}}
* {{বাউ|সুদীপ্তা সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুদেষ্ণা রায়}}
* {{বাউ|সুদেষ্ণা সিনহা}}
* {{বাউ|সুধাংশু দত্ত মজুমদার}}
* {{বাউ|সুধাংশু শেখর হালদার}}
* {{বাউ|সুধাংশুকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুধাংশুবালা হাজরা}}
* {{বাউ|সুধীন দত্ত}}
* {{বাউ|সুধীন দাশ}}
* {{বাউ|সুধীন দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুধীন্দ্রনাথ রাহা}}
* {{বাউ|সুধীর চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুধীরকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুধীরচন্দ্র কর}}
* {{বাউ|সুধীরঞ্জন প্রধান}}
* {{বাউ|সুধীরনাথ সান্যাল}}
* {{বাউ|সুধীরলাল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুনন্দ সান্যাল}}
* {{বাউ|সুনন্দা শিকদার}}
* {{বাউ|সুনয়নী দেবী}}
* {{বাউ|সুনীতি দেবী}}
* {{বাউ|সুনীতিকুমার পাঠক}}
* {{বাউ|সুনীল দাশ (লেখক)}}
* {{বাউ|সুনেত্রা গুপ্ত}}
* {{বাউ|সুন্দরীমোহন দাস}}
* {{বাউ|সুপ্রিয়া চৌধুরী (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|সুফি (কার্টুনিস্ট)}}
* {{বাউ|সুফি মিজানুর রহমান}}
* {{বাউ|সুফি মোতাহার হোসেন}}
* {{বাউ|সুফিয়া খাতুন}}
* {{বাউ|সুফী জুলফিকার হায়দার}}
* {{বাউ|সুবল দাস}}
* {{বাউ|সুবিমল বসাক}}
* {{বাউ|সুবিমল মিশ্র}}
* {{বাউ|সুবোধ ঘোষ}}
* {{বাউ|সুবোধ মিত্র}}
* {{বাউ|সুবোধ সরকার}}
* {{বাউ|সুবোধকুমার চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুব্রত রায় (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|সুব্রত রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুভাষ চন্দ্র শীল}}
* {{বাউ|সুভাষ চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুভাষ দত্ত}}
* {{বাউ|সুভাষ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|সুভাষ মুখোপাধ্যায় (কবি)}}
* {{বাউ|সুভাষ সিংহ রায়}}
* {{বাউ|সুভো ঠাকুর}}
* {{বাউ|সুমথনাথ ঘোষ}}
* {{বাউ|সুমন কল্যাণপুর}}
* {{বাউ|সুমন চট্টোপাধ্যায় (সাংবাদিক ও লেখক)}}
* {{বাউ|সুমন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুমনা রায়}}
* {{বাউ|সুমনা সিনহা}}
* {{বাউ|সুমিত রায়}}
* {{বাউ|সুমিত সরকার}}
* {{বাউ|সুমিত সাহা}}
* {{বাউ|সুরজিৎচন্দ্র লাহিড়ী}}
* {{বাউ|সুরজিৎচন্দ্র সিনহা}}
* {{বাউ|সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুরবালা ঘোষ}}
* {{বাউ|সুরমা জাহিদ}}
* {{বাউ|সুরমা মিত্র দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্র কুমার সিনহা}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্র নারায়ণ দাশ}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রকুমার দে}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ ঘোষ}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ মিত্র}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|সুরেশ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|সুরেশ রঞ্জন বসাক}}
* {{বাউ|সুরেশচন্দ্র চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুরেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুলতান আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুলতান উদ্দিন ভূঞা}}
* {{বাউ|সুলতান হোসেন খান}}
* {{বাউ|সুলতানা আফরোজ}}
* {{বাউ|সুলতানা ইয়াসমিন লায়লা}}
* {{বাউ|সুলতানা কামাল}}
* {{বাউ|সুলতানা নুরুন নাহার}}
* {{বাউ|সুলতানা ফিরদৌসী}}
* {{বাউ|সুলতানা সারওয়াত আরা জামান}}
* {{বাউ|সুলতানুল কবির চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুশান্ত মজুমদার}}
* {{বাউ|সুশীল কুমার দে}}
* {{বাউ|সুশীল জানা}}
* {{বাউ|সুশীল রঞ্জন চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুশীলকুমার ঘোষ}}
* {{বাউ|সুশীলকুমার মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুশীলা অনিতা ব্যানার্জী}}
* {{বাউ|সুশোভন বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুশোভন সরকার}}
* {{বাউ|সুষমা দাস}}
* {{বাউ|সুস্মিতা আনিস}}
* {{বাউ|সুস্মিতা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুস্মিতা বসু}}
* {{বাউ|সুস্মিতা বসু মজুমদার}}
* {{বাউ|সুহরাব হোসেন}}
* {{বাউ|সুহাস চন্দ্র দত্ত রায়}}
* {{বাউ|সুহাসিনী দাস}}
* {{বাউ|সূর্যকুমার সর্বাধিকারী}}
* {{বাউ|সেকুল ইসলাম}}
* {{বাউ|সেজান মাহমুদ}}
* {{বাউ|সেজুল হোসেন}}
* {{বাউ|সেলিনা আখতার}}
* {{বাউ|সেলিনা পারভীন}}
* {{বাউ|সেলিনা বানু}}
* {{বাউ|সেলিনা বাহার জামান}}
* {{বাউ|সেলিনা হায়াৎ আইভী}}
* {{বাউ|সেলিম আলতাফ জর্জ}}
* {{বাউ|সেলিম মাহমুদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ অহিদুজ্জামান ডায়মন্ড}}
* {{বাউ|সৈয়দ আকরম হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ আক্তার হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ আজিজুল হক}}
* {{বাউ|সৈয়দ আতিকুল হক}}
* {{বাউ|সৈয়দ আনোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ আনোয়ারুল করিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবদুস সামাদ (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবদুস সুলতান}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবদুস সোবহান}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবু কাওসার মো. দবিরুশ্বান}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবুল মকসুদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবুল মনসুর হাবিবুল্লাহ}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবুল মাসুদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ আব্দুন নূর হোছেনী চিশতি}}
* {{বাউ|সৈয়দ আব্দুল মজিদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ আব্দুল হাদী}}
* {{বাউ|সৈয়দ আমিরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|সৈয়দ আমীর আলী}}
* {{বাউ|সৈয়দ আলতাফ হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ এ কে এম এমদাদুল বারী}}
* {{বাউ|সৈয়দ এ. বি. মাহমুদ হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ এ.বি মাহমুদুল হক}}
* {{বাউ|সৈয়দ এমদাদ আলী}}
* {{বাউ|সৈয়দ গিয়াসউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া}}
* {{বাউ|সৈয়দ জাহাঙ্গীর}}
* {{বাউ|সৈয়দ জাহেদ মনসুর}}
* {{বাউ|সৈয়দ জে. আর. মোদাচ্ছির হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ তারেক হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী}}
* {{বাউ|সৈয়দ নওশের আলী}}
* {{বাউ|সৈয়দ নজমুল হক (বুদ্ধিজীবী)}}
* {{বাউ|সৈয়দ নাজমুদ্দীন হাশেম}}
* {{বাউ|সৈয়দ নাজমুল হক}}
* {{বাউ|সৈয়দ নূরুদ্দিন}}
* {{বাউ|সৈয়দ নূরুদ্দীন}}
* {{বাউ|সৈয়দ পীর বাদশাহ}}
* {{বাউ|সৈয়দ ফজলুল করিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ ফয়জুল করিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ ফাহিম মুনাইম}}
* {{বাউ|সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|সৈয়দ মাইনুল হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ মাহমুদ হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ মুর্তাজা আলী}}
* {{বাউ|সৈয়দ মুহাম্মদ আবদুল ফায়েজ}}
* {{বাউ|সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ মুহাম্মদ ইসহাক}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান নিজামী শাহ}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ তাজরুল হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ তৈফুর}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ রায়হান উদ্দিন}}
* {{বাউ|সৈয়দ রেজাউল করিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ রেফাত আহমেদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ শাহ ইসরাইল}}
* {{বাউ|সৈয়দ শাহনুর}}
* {{বাউ|সৈয়দ শাহিদুর রহমান}}
* {{বাউ|সৈয়দ সফিউল্লাহ}}
* {{বাউ|সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ সুলতান}}
* {{বাউ|সৈয়দ হাবিবুল হক}}
* {{বাউ|সৈয়দ হাসান আহমদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ হুমায়ুন আখতার}}
* {{বাউ|সৈয়দ হেদায়েতউল্লাহ}}
* {{বাউ|সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু}}
* {{বাউ|সৈয়দা ইসাবেলা}}
* {{বাউ|সৈয়দা মরিয়ম গুলশান হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দা মোতাহেরা বানু}}
* {{বাউ|সৈয়দা রুবিনা আক্তার}}
* {{বাউ|সোনালি চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সোনালী বসু}}
* {{বাউ|সোনিয়া নিশাত আমিন}}
* {{বাউ|সোমদত্তা সিনহা}}
* {{বাউ|সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সোমনাথ লাহিড়ী}}
* {{বাউ|সোমলতা আচার্য্য চৌধুরী}}
* {{বাউ|সোমশুক্লা}}
* {{বাউ|সোমা চৌধুরী}}
* {{বাউ|সোমেন চন্দ}}
* {{বাউ|সোমেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সোমেন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|সোমেশচন্দ্র বসু}}
* {{বাউ|সোমেশ্বর অলি}}
* {{বাউ|সোমেশ্বরপ্রসাদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|সোল্স}}
* {{বাউ|সোহরাব আলী সানা}}
* {{বাউ|সোহানুর রহমান সোহান}}
* {{বাউ|সোহিনী আলম}}
* {{বাউ|সোহিনী রায়}}
* {{বাউ|সোহেল রানা (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|সৌগত রায়}}
* {{বাউ|সৌদামিনী দেবী}}
* {{বাউ|সৌমিত্র শেখর দে}}
* {{বাউ|সৌমেন্দ্র সরকার}}
* {{বাউ|সৌম্যদীপ মুর্শিদাবাদী}}
* {{বাউ|সৌরভ পাল}}
* {{বাউ|সৌরীন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|সৌরীন্দ্রমোহন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|স্টেলা ক্রামরিশ}}
* {{বাউ|স্থবির দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|স্নেহময় দত্ত}}
* {{বাউ|স্নেহাংশুকান্ত আচার্য}}
* {{বাউ|স্নেহাসিক্তা স্বর্ণকার}}
* {{বাউ|স্বদেশ রায়}}
* {{বাউ|স্বপন কুমার পতি}}
* {{বাউ|স্বপন গুপ্ত}}
* {{বাউ|স্বপন দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|স্বপনকুমার চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|স্বপ্নময় চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|স্বপ্নীল সজীব}}
* {{বাউ|স্বরব্যাঞ্জো}}
* {{বাউ|স্বরোচিষ সরকার}}
* {{বাউ|স্বাধীন কুমার মন্ডল}}
* {{বাউ|স্বামী অসক্তানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী গম্ভীরানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী নিগমানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী নিরঞ্জনানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী প্রণবানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী প্রভবানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী বিরজানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী বোধানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী মাধবানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী লোকেশ্বরানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী শিবানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী সত্যানন্দ পুরী}}
* {{বাউ|স্বামী সমর্পণানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী সারদানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী স্বরূপানন্দ}}
* {{বাউ|স্মরণজিৎ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|স্যাভি গুপ্ত}}
* {{বাউ|স্যামসন এইচ চৌধুরী}}
* {{বাউ|হংসনারায়ণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|হবিবুর রহমান}}
* {{বাউ|হবীবুল্লাহ বাহার চৌধুরী}}
* {{বাউ|হযরত আলী (কৃষিতত্ত্ববিদ)}}
* {{বাউ|হরচন্দ্র ঘোষ (নাট্যকার)}}
* {{বাউ|হরপ্রসাদ শাস্ত্রী}}
* {{বাউ|হরলাল রায়}}
* {{বাউ|হরি কেশব সেন}}
* {{বাউ|হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হরিদাস পাল}}
* {{বাউ|হরিদাস ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|হরিদাস সিদ্ধান্তবাগীশ}}
* {{বাউ|হরিদেব}}
* {{বাউ|হরিনাথ দে}}
* {{বাউ|হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হরিপদ কাপালী}}
* {{বাউ|হরিপদ দত্ত}}
* {{বাউ|হরিশ চন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|হরিশংকর জলদাস}}
* {{বাউ|হরিশংকর দাশ}}
* {{বাউ|হরিশঙ্কর বাসুদেবন}}
* {{বাউ|হরিশ্চন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হরিসাধন চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হরিহর শেঠ}}
* {{বাউ|হরীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হরেকৃষ্ণ কোঙার}}
* {{বাউ|হরেন ঘটক}}
* {{বাউ|হরেন ঘোষ}}
* {{বাউ|হরেন্দ্র কুমার মুখার্জি}}
* {{বাউ|হরেন্দ্রনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|হর্ষ দত্ত}}
* {{বাউ|হর্ষবর্ধন-গোবর্ধন (চরিত্র)}}
* {{বাউ|হলধর পটল}}
* {{বাউ|হাকিম হাবিবুর রহমান}}
* {{বাউ|হাছন রাজা (হাসন রাজা)}}
* {{বাউ|হাজী মুহাম্মদ নছীম}}
* {{বাউ|হাজেরা মাহতাব}}
* {{বাউ|হাতেম আলী মিয়া}}
* {{বাউ|হানিফ পাঠান}}
* {{বাউ|হানিফউদ্দিন মিয়া}}
* {{বাউ|হাফিজা খাতুন}}
* {{বাউ|হাবিব ওয়াহিদ}}
* {{বাউ|হাবিবুর রহমান (তোতা মিয়া)}}
* {{বাউ|হাবিবুর রহমান আকন}}
* {{বাউ|হাবিবুর রহমান খান}}
* {{বাউ|হাবিবুর রহমান মিলন}}
* {{বাউ|হাবিবুল ইসলাম ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|হাবীবুর রহমান (কবি)}}
* {{বাউ|হাবীবুল্লাহ সিরাজী}}
* {{বাউ|হামিদা বেগম}}
* {{বাউ|হামিদা হোসেন}}
* {{বাউ|হামিদুজ্জামান খান}}
* {{বাউ|হামিদুজ্জামান সরকার}}
* {{বাউ|হামিদুর রহমান (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|হামিদুল হক খন্দকার}}
* {{বাউ|হামিদুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|হামিন আহমেদ}}
* {{বাউ|হামিরুদ্দিন মিদ্যা}}
* {{বাউ|হামুদুর রহমান}}
* {{বাউ|হামেদুর রহমান}}
* {{বাউ|হায়দার আকবর খান রনো}}
* {{বাউ|হায়দার হোসেন}}
* {{বাউ|হায়াৎ সাইফ}}
* {{বাউ|হারুন আল রশিদ}}
* {{বাউ|হারুন হাবীব}}
* {{বাউ|হারুনর রশিদ}}
* {{বাউ|হালিমা খাতুন}}
* {{বাউ|হাশেম খান}}
* {{বাউ|হাসনা জসিম উদ্দিন মওদুদ}}
* {{বাউ|হাসনা বেগম}}
* {{বাউ|হাসমত}}
* {{বাউ|হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|হাসান মতিউর রহমান}}
* {{বাউ|হাসান মশহুদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|হাসান মাসুদ}}
* {{বাউ|হাসান মাহমুদ খন্দকার}}
* {{বাউ|হাসান শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|হাসান সাইফুদ্দিন চন্দন}}
* {{বাউ|হাসান সিরাজ সুজা}}
* {{বাউ|হাসান সোহরাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|হাসান হাফিজ}}
* {{বাউ|হাসানউজ্জামান খান}}
* {{বাউ|হাসিনা খান}}
* {{বাউ|হাসিনা মমতাজ (কণ্ঠশিল্পী)}}
* {{বাউ|হাসিনা মুর্শেদ}}
* {{বাউ|হাসিবুন নাহার}}
* {{বাউ|হাসিবুর রেজা কল্লোল}}
* {{বাউ|হাসিবুল ইসলাম মিজান}}
* {{বাউ|হাসিরাশি দেবী}}
* {{বাউ|হিতেশরঞ্জন সান্যাল}}
* {{বাউ|হিমাংশু দত্ত}}
* {{বাউ|হিমানি বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হিমানীশ গোস্বামী}}
* {{বাউ|হিমু আকরাম}}
* {{বাউ|হিমেল আশরাফ}}
* {{বাউ|হিরণ্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হিরন্ময় সেন গুপ্ত}}
* {{বাউ|হীরালাল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|হীরালাল চৌধুরী}}
* {{বাউ|হীরেন্দ্রনাথ দত্ত}}
* {{বাউ|হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হুকাকাশি}}
* {{বাউ|হুমায়ুন কবির}}
* {{বাউ|হুমায়ুন কবির (কবি)}}
* {{বাউ|হুমায়ুন কবীর বালু}}
* {{বাউ|হুমায়ূন কবীর ঢালী}}
* {{বাউ|হুমায়ূন কবীর সাধু}}
* {{বাউ|হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|হুসনা আহমেদ}}
* {{বাউ|হুসনা বানু খানম}}
* {{বাউ|হৃদয় খান}}
* {{বাউ|হেনা দাস}}
* {{বাউ|হেমচন্দ্র বসু}}
* {{বাউ|হেমচন্দ্র বাগচী}}
* {{বাউ|হেমচন্দ্র রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|হেমন্ত মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হেমন্তকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হেমন্তকুমার সরকার}}
* {{বাউ|হেমাঙ্গ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|হেমেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হেমেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|হেমেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হেমেন্দ্রনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|হেরম্বচন্দ্র মৈত্র}}
* {{বাউ|হেলেনা খান}}
* {{বাউ|হৈমন্তী রক্ষিত}}
* {{বাউ|হৈমন্তী শুক্লা}}
* {{বাউ|হোসনে আরা (কবি)}}
* {{বাউ|হোসনে আরা বেগম (সমাজকর্মী)}}
* {{বাউ|হোসনে আরা শাহেদ}}
* {{বাউ|হোসেন উদ্দিন শেখর}}
* {{বাউ|হোসেন জিল্লুর রহমান}}
* {{বাউ|হোসেনউদ্দীন হোসেন}}
* {{বাউ|হ্যানা সেন}}
{{Div col end}}
== অনুবাদ ==
এটি একটি সহায়ক তালিকা মাত্র। ভূক্তি তৈরির জন্য [https://en.wikiquote.org ইংরেজি উইকিউক্তি] থেকে ন্যূনতম ৩টি ভুক্তি এবং ১৫০ শব্দ সংবলিত পাতা বাংলায় অনুবাদ করতে পারেন।
=== অবাঙালি ব্যক্তি ===
{{Div col|colwidth=20em|rules=yes}}
* {{eq|A. C. Benson|এ. সি. বেনসন}}
* {{eq|A. C. Bradley|এ. সি. ব্র্যাডলি}}
* {{eq|A. J. P. Taylor|এ. জে. পি. টেলর}}
* {{eq|Abdulrazak Gurnah|আবদুলরাজাক গুরনাহ}}
* {{eq|Abdus Salam|আবদুস সালাম}}
* {{eq|Abhijit Naskar|অভিজিৎ নস্কর}}
* {{eq|Abiy Ahmed|আবি আহমেদ}}
* {{eq|Abraham Pais|আব্রাহাম পাইস}}
* {{eq|Adam Riess|অ্যাডাম রিস}}
* {{eq|Ahmed Zewail|আহমেদ জেওয়াইল}}
* {{eq|Al Gore|আল গোর}}
* {{eq|Al-Biruni|আল-বিরুনি}}
* {{eq|Al-Farabi|আল-ফারাবি}}
* {{eq|Al-Jahiz|আল-জাহিয}}
* {{eq|Alain Aspect|আলাঁ আস্পে}}
* {{eq|Alain de Botton|আলাঁ দ্য বতোঁ}}
* {{eq|Alan Guth|অ্যালান গুথ}}
* {{eq|Alan Kay|অ্যালান কে}}
* {{eq|Alan Perlis|অ্যালান পারলিস}}
* {{eq|Albert Hofmann|আলবার্ট হফমান}}
* {{eq|Albert I of Belgium|প্রথম আলবার্ট (বেলজিয়াম)}}
* {{eq|Albert Schweitzer|আলবার্ট সোয়াইৎজার}}
* {{eq|Albertus Magnus|আলবার্টাস ম্যাগনাস}}
* {{eq|Aldo Leopold|অ্যাল্ডো লিওপোল্ড}}
* {{eq|Aleksandr Solzhenitsyn|আলেকসান্দ্র্ সলজেনিৎসিন}}
* {{eq|Alex Haley|অ্যালেক্স হেইলি}}
* {{eq|Alexander Fleming|আলেকজান্ডার ফ্লেমিং}}
* {{eq|Alexander Grothendieck|আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক}}
* {{eq|Alexander von Humboldt|আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট}}
* {{eq|Alfred Aho|আলফ্রেড আহো}}
* {{eq|Alfred Kinsey|আলফ্রেড কিনসে}}
* {{eq|Alfred Marshall|আলফ্রেড মার্শাল}}
* {{eq|Alfred Nobel|আলফ্রেড নোবেল}}
* {{eq|Alfred North Whitehead|আলফ্রেড নর্থ হোয়াইটহেড}}
* {{eq|Alfred Russel Wallace|আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস}}
* {{eq|Alice Munro|অ্যালিস মানরো}}
* {{eq|Amina J. Mohammed|আমিনা জে. মোহাম্মদ}}
* {{eq|Amit Goswami|অমিত গোস্বামী}}
* {{eq|Amos Tversky|আমোস তভারস্কি}}
* {{eq|Anaxagoras|আনাক্সাগোরাস}}
* {{eq|Anaximander|অ্যানাক্সিম্যান্ডার}}
* {{eq|Andreas Vesalius|আন্দ্রিয়াস ভেসালিয়াস}}
* {{eq|Andrei Sakharov|আন্দ্রেই সাখারভ}}
* {{eq|Andrew Wiles|অ্যান্ড্রু ওয়াইলস}}
* {{eq|André Gide|অঁদ্রে জিদ}}
* {{eq|André-Marie Ampère|অঁদ্রে-মারি অম্পেয়্যার}}
* {{eq|Angela Merkel|আঙ্গেলা ম্যার্কেল}}
* {{eq|Anita Brookner|অনিতা ব্রুকনার}}
* {{eq|Anita Desai|অনিতা দেসাই}}
* {{eq|Anne Applebaum|অ্যান অ্যাপলবাউম}}
* {{eq|Annie Ernaux|আনি এরনো}}
* {{eq|Antoine Lavoisier|অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে}}
* {{eq|Aravind Adiga|অরবিন্দ আদিগা}}
* {{eq|Arthur Balfour|আর্থার বেলফোর}}
* {{eq|Arthur Eddington|আর্থার এডিংটন}}
* {{eq|Arthur Kornberg|আর্থার কর্নবার্গ}}
* {{eq|Arthur Leonard Schawlow|আর্থার লিওনার্ড শলো}}
* {{eq|Ash Carter|অ্যাশ কার্টার}}
* {{eq|Atle Selberg|আটলে সেলবার্গ}}
* {{eq|Audrey Hepburn|অড্রে হেপবার্ন}}
* {{eq|August Kekulé|ফ্রিডরিখ আউগুস্ট কেকুলে}}
* {{eq|Augustin Louis Cauchy|ওগ্যুস্তাঁ লুই কোশি}}
* {{eq|Augustin-Jean Fresnel|ওগ্যুস্তাঁ-জঁ ফ্রেনেল}}
* {{eq|Aurel Stein|অরেল স্টেইন}}
* {{eq|Ban Ki-moon|বান কি-মুন}}
* {{eq|Baruch Samuel Blumberg|বারুক স্যামুয়েল ব্লুমবার্গ}}
* {{eq|Beatrix Potter|বিয়াট্রিক্স পটার}}
* {{eq|Ben Okri|বেন ওক্রি}}
* {{eq|Bernardine Evaristo|বার্নার্ডিন এভারিস্তো}}
* {{eq|Blaise Pascal|ব্লেজ পাসকাল}}
* {{eq|Bob Dylan|বব ডিলান}}
* {{eq|Boris Pasternak|বরিস পাস্তেরনাক}}
* {{eq|Boutros Boutros-Ghali|বুত্রোস বুত্রোস-ঘালি}}
* {{eq|Brian Cox (physicist)|ব্রায়ান কক্স (পদার্থবিজ্ঞানী)}}
* {{eq|Brian Greene|ব্রায়ান গ্রিন}}
* {{eq|Brian Schmidt|ব্রায়ান পি. শ্মিট}}
* {{eq|Brook Taylor|ব্রুক টেলর}}
* {{eq|Brussels|ব্রাসেলস}}
* {{eq|C. A. R. Hoare|সি. এ. আর. হোর}}
* {{eq|C. N. Ramachandra Rao|সি. এন. রামচন্দ্র রাও}}
* {{eq|C. V. Raman|চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন}}
* {{eq|Carl Bernstein|কার্ল বার্নস্টিন}}
* {{eq|Carl Linnaeus|কার্ল লিনিয়াস}}
* {{eq|Carlo Rubbia|কার্লো রুবিয়া}}
* {{eq|Carolyn Bertozzi|ক্যারোলিন বার্তোজি}}
* {{eq|Caryl Phillips|ক্যারিল ফিলিপস}}
* {{eq|Chaim Weizmann|হাইম ভাইৎসমান}}
* {{eq|Charles Fefferman|চার্লস ফেফারম্যান}}
* {{eq|Charles Hard Townes|চার্লস হার্ড টাউনস}}
* {{eq|Charles Lyell|চার্লস লিয়েল}}
* {{eq|Charles Sanders Peirce|চার্লস স্যান্ডার্স পার্স}}
* {{eq|Charles Scott Sherrington|চার্লস স্কট শেরিংটন}}
* {{eq|Cheikh Anta Diop|শেখ আন্তা দিওপ}}
* {{eq|Chinua Achebe|চিনুয়া আচেবে}}
* {{eq|Christiaan Barnard|ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড}}
* {{eq|Christiaan Huygens|ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস}}
* {{eq|Christopher Wren|ক্রিস্টোফার রেন}}
* {{eq|Claude Lévi-Strauss|ক্লোদ লেভি-স্ত্রোস}}
* {{eq|Claudia Sheinbaum|ক্লাউডিয়া শাইনবাউম}}
* {{eq|Colson Whitehead|কলসন হোয়াইটহেড}}
* {{eq|Craig Venter|ক্রেইগ ভেন্টর}}
* {{eq|Czesław Miłosz|চেসোয়াফ মিওশ}}
* {{eq|Cédric Villani|সেড্রিক ভিলানি}}
* {{eq|Dag Hammarskjöld|দ্যাগ হ্যামারশোল্ড}}
* {{eq|Damon Galgut|ড্যামন গ্যালগুট}}
* {{eq|Daniel Kahneman|ড্যানিয়েল কানেমান}}
* {{eq|Dave Barry|ডেভ ব্যারি}}
* {{eq|David Bohm|ডেভিড বম}}
* {{eq|David Brewster|ডেভিড ব্রুস্টার}}
* {{eq|David Chalmers|ডেভিড চালমারস}}
* {{eq|David Gross|ডেভিড জোনাথন গ্রোস}}
* {{eq|David Grossman|ডেভিড গ্রসম্যান}}
* {{eq|David Hilbert|ডাভিড হিলবের্ট}}
* {{eq|David Mamet|ডেভিড ম্যামেট}}
* {{eq|David McCullough|ডেভিড ম্যাককালাফ}}
* {{eq|David Suzuki|ডেভিড সুজুকি}}
* {{eq|Dennis Ritchie|ডেনিস রিচি}}
* {{eq|Desmond Morris|ডেসমন্ড মরিস}}
* {{eq|Desmond Tutu|ডেসমন্ড টুটু}}
* {{eq|Dian Fossey|ডায়ান ফসি}}
* {{eq|Dmitri Mendeleev|দিমিত্রি মেন্ডেলিভ}}
* {{eq|Dmitry Muratov|দিমিত্রি মুরাতভ}}
* {{eq|Donald Knuth|ডোনাল্ড কানুথ}}
* {{eq|Donald Tusk|ডোনাল্ড টাস্ক}}
* {{eq|Donna Strickland|ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড}}
* {{eq|Doris Lessing|ডরিস লেসিং}}
* {{eq|Dorothy Hodgkin|ডরোথি হজকিন}}
* {{eq|Douglas Engelbart|ডগলাস এঙ্গেলবার্ট}}
* {{eq|E. O. Wilson|ই. ও. উইলসন}}
* {{eq|Edith Wharton|ইডিথ হোয়ার্টন}}
* {{eq|Edmond Halley|এডমন্ড হ্যালি}}
* {{eq|Edsger W. Dijkstra|এডসগার ডাইকস্ট্রা}}
* {{eq|Edward Teller|এডওয়ার্ড টেলার}}
* {{eq|Edward Witten|এডওয়ার্ড উইটেন}}
* {{eq|Elias James Corey|ইলিয়াস জেমস কোরি}}
* {{eq|Elie Wiesel|এলি উইজেল}}
* {{eq|Elinor Ostrom|এলিনর অস্ট্রম}}
* {{eq|Elizabeth Bishop|এলিজাবেথ বিশপ}}
* {{eq|Ellen Johnson Sirleaf|এলেন জনসন সারলিফ}}
* {{eq|Emanuel Swedenborg|এমানুয়েল সোয়েডেনবার্গ}}
* {{eq|Emmy Noether|এমি নোয়েদার}}
* {{eq|Empedocles|এম্পেদোক্লেস}}
* {{eq|Enrico Fermi|এনরিকো ফের্মি}}
* {{eq|Epicurus|এপিকুরোস}}
* {{eq|Eric Hobsbawm|এরিক হবসবাউম}}
* {{eq|Eric Kandel|এরিক ক্যান্ডেল}}
* {{eq|Ernest Hemingway|আর্নেস্ট হেমিংওয়ে}}
* {{eq|Ernest Rutherford|আর্নেস্ট রাদারফোর্ড}}
* {{eq|Ernst Haeckel|এর্নস্ট হেকেল}}
* {{eq|Ernst Mach|এর্নস্ট মাখ}}
* {{eq|Ernst Mayr|এর্নস্ট মায়ার}}
* {{eq|Eugene O'Neill|ইউজিন ও'নিল}}
* {{eq|Eugene Wigner|ইউজিন পল উইগনার}}
* {{eq|European Parliament|ইউরোপীয় পার্লামেন্ট}}
* {{eq|European Union|ইউরোপীয় ইউনিয়ন}}
* {{eq|Evangelista Torricelli|ইভাঞ্জেলিস্টা টরিসেলি}}
* {{eq|F. W. de Klerk|এফ. ডব্লিউ. ডি ক্লার্ক}}
* {{eq|Fabiola Gianotti|ফাবিওলা জানোত্তি}}
* {{eq|Fakhr al-Din al-Razi|ফখরুদ্দীন আল-রাযী}}
* {{eq|Federico Faggin|ফেদেরিকো ফাগিন}}
* {{eq|Felix Bloch|ফেলিক্স ব্লখ}}
* {{eq|Flinders Petrie|ফ্লিন্ডার্স পেট্রি}}
* {{eq|Francis Collins|ফ্রান্সিস কলিন্স}}
* {{eq|Francis Crick|ফ্রান্সিস ক্রিক}}
* {{eq|Francis Galton|ফ্রান্সিস গ্যাল্টন}}
* {{eq|Francisco Varela|ফ্রান্সিস্কো ভারেলা}}
* {{eq|Frank Macfarlane Burnet|ফ্র্যাঙ্ক ম্যাকফারলেন বার্নেট}}
* {{eq|Frank Wilczek|ফ্র্যাঙ্ক উইলচেক}}
* {{eq|François Arago|ফ্রঁসোয়া আরাগন}}
* {{eq|François Englert|ফ্রঁসোয়া অংল্যার}}
* {{eq|François Mauriac|ফ্রঁসোয়া মরিয়াক}}
* {{eq|François Mitterrand|ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ}}
* {{eq|Fred Brooks|ফ্রেড ব্রুকস}}
* {{eq|Frederick Jackson Turner|ফ্রেডরিক জ্যাকসন টার্নার}}
* {{eq|Frederick Soddy|ফ্রেডরিক সডি}}
* {{eq|Fridtjof Nansen|ফ্রিডতিয়ফ নানসেন}}
* {{eq|Friedrich Hayek|ফ্রিডরিখ ফন হায়েক}}
* {{eq|Fritjof Capra|ফ্রিটজফ কাপরা}}
* {{eq|G. H. Hardy|জি. এইচ. হার্ডি}}
* {{eq|Gabriela Mistral|গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল}}
* {{eq|Gao Xingjian|কাও শিংচিয়েন}}
* {{eq|Gary Becker|গ্যারি বেকার}}
* {{eq|Geert Wilders|খের্ট ভিল্ডার্স}}
* {{eq|Geoffrey Hinton|জিওফ্রে হিন্টন}}
* {{eq|George Boole|জর্জ বুল}}
* {{eq|George Curzon, 1st Marquess Curzon of Kedleston|জর্জ ন্যাথানিয়েল কার্জন}}
* {{eq|George Gamow|জর্জ গ্যামো}}
* {{eq|George Smoot|জর্জ স্মুট}}
* {{eq|George Steiner|জর্জ স্টাইনার}}
* {{eq|George Stigler|জর্জ স্টিগলার}}
* {{eq|George Washington Carver|জর্জ ওয়াশিংটন কার্ভার}}
* {{eq|Georges Cuvier|জর্জ ক্যুভিয়ে}}
* {{eq|Georges-Louis Leclerc, Comte de Buffon|জর্জ-লুই ল্যক্লের, কোঁত দ্য বুফোঁ}}
* {{eq|Gerald Durrell|জেরাল্ড ডারেল}}
* {{eq|Gerhard Schröder|গেরহার্ড শ্রোডার}}
* {{eq|Gertrude B. Elion|গারট্রুড বি. এলিয়ন}}
* {{eq|Giorgio Parisi|জর্জিও পারিসি}}
* {{eq|Giorgos Seferis|ইয়োর্গোস সেফেরিস}}
* {{eq|Giosuè Carducci|জোযুয়ে কার্দুচ্চি}}
* {{eq|Glenn T. Seaborg|গ্লেন থিওডোর সিবর্গ}}
* {{eq|Goodluck Jonathan|গুডলাক জোনাথন}}
* {{eq|Gordon Moore|গর্ডন মুর}}
* {{eq|Gottfried Leibniz|গটফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎস}}
* {{eq|Gregor Mendel|গ্রেগর মেন্ডেল}}
* {{eq|Grigori Perelman|গ্রিগরি পেরেলমান}}
* {{eq|Gro Harlem Brundtland|গ্রো হারলেম ব্রুন্ডটল্যান্ড}}
* {{eq|Gustav Kirchhoff|গুস্টাফ কির্খফ}}
* {{eq|Gustav Stresemann|গুস্টাভ ষ্ট্রেজেমান}}
* {{eq|Gérard Debreu|জেরার দ্যব্রু}}
* {{eq|Göran Persson|গোরান পারসন}}
* {{eq|H. H. Asquith|এইচ. এইচ. অ্যাসকুইথ}}
* {{eq|Halldór Laxness|হালডোর ল্যাক্সনেস}}
* {{eq|Han Kang|হান কাং}}
* {{eq|Hans Bethe|হ্যান্স বেটে}}
* {{eq|Hans Blix|হ্যান্স ব্লিক্স}}
* {{eq|Harish-Chandra|হরিশ-চন্দ্র}}
* {{eq|Harold Macmillan|হ্যারল্ড ম্যাকমিলান}}
* {{eq|Harold Pinter|হ্যারল্ড পিন্টার}}
* {{eq|Harper Lee|হার্পার লি}}
* {{eq|Harry Markowitz|হ্যারি মার্কোউইটজ}}
* {{eq|Heinrich Böll|হাইনরিখ বোল}}
* {{eq|Heinrich Hertz|হাইনরিখ হের্ত্স}}
* {{eq|Heinrich Rohrer|হাইনরিখ রোরার}}
* {{eq|Helen Clark|হেলেন ক্লার্ক}}
* {{eq|Helmut Kohl|হেলমুট কোল}}
* {{eq|Hendrik Lorentz|হেন্ড্রিক আন্টোন লোরেন্ৎস}}
* {{eq|Henri Bergson|অঁরি বের্গসন}}
* {{eq|Henri Poincaré|অঁরি পোয়াঁকারে}}
* {{eq|Henry Cavendish|হেনরি ক্যাভেন্ডিশ}}
* {{eq|Henry Dunant|অঁরি দ্যুনঁ}}
* {{eq|Henryk Sienkiewicz|হেনরিক শিয়েনকিয়েভিচ}}
* {{eq|Heraclitus|হেরাক্লিটাস}}
* {{eq|Herbert A. Simon|হার্বার্ট এ. সাইমন}}
* {{eq|Herbert Kroemer|হার্বার্ট ক্রোয়েমার}}
* {{eq|Herbert Spencer|হার্বার্ট স্পেন্সার}}
* {{eq|Hermann Hesse|হেরমান হেস}}
* {{eq|Hermann Weyl|হেরমান ভাইল}}
* {{eq|Hermann von Helmholtz|হারমান ফন হেল্মহোল্ৎস}}
* {{eq|Herta Müller|হের্টা ম্যুলার}}
* {{eq|Hideki Yukawa|হিদেকি ইউকাওয়া}}
* {{eq|Hirohito|হিরোহিতো}}
* {{eq|Howard H. Aiken|হাওয়ার্ড আইকেন}}
* {{eq|Hugh Everett|হিউ এভারেট}}
* {{eq|Hugo De Vries|হুগো দ্য ভ্রিস}}
* {{eq|Humphry Davy|হামফ্রি ডেভি}}
* {{eq|Ian Kershaw|ইয়ান কার্শ}}
* {{eq|Ian McEwan|ইয়ান ম্যাকইউয়ান}}
* {{eq|Ian Wilmut|ইয়ান উইলমুট}}
* {{eq|Igor Kurchatov|ইগর কুরচাতভ}}
* {{eq|Imre Kertész|ইমরে কার্তেজ}}
* {{eq|Ingrid Daubechies|ইনগ্রিড ডোবিচি}}
* {{eq|Irina Bokova|ইরিনা বোকোভা}}
* {{eq|Iris Murdoch|আইরিস মারডক}}
* {{eq|Irving Langmuir|আরভিং ল্যাংমুয়ির}}
* {{eq|Isaac Bashevis Singer|আইজ্যাক বাশেভিস সিঙ্গার}}
* {{eq|Isidor Isaac Rabi|ইসিদোর আইজ্যাক রাবি}}
* {{eq|Ivan Pavlov|ইভান পাভলভ}}
* {{eq|Ivo Andrić|ইভো আন্দ্রিক}}
* {{eq|J. B. S. Haldane|জে. বি. এস. হ্যালডেন}}
* {{eq|J. J. Thomson|জে. জে. থমসন}}
* {{eq|J. M. Coetzee|জে. এম. কোয়েটজি}}
* {{eq|Jack Steinberger|জ্যাক স্টেইনবার্গার}}
* {{eq|Jacobus Henricus van 't Hoff|ইয়াকোবুস হেনরিকুস ফান্ট হফ}}
* {{eq|Jacques Chirac|জাক শিরাক}}
* {{eq|Jacques-Yves Cousteau|জাক-ইভ কুস্তো}}
* {{eq|James Callaghan|জেমস ক্যালাহান}}
* {{eq|James Chadwick|জেমস চ্যাডউইক}}
* {{eq|James Cook|জেমস কুক}}
* {{eq|James Mirrlees|জেমস মিরলিস}}
* {{eq|James Prescott Joule|জেমস প্রেসকট জুল}}
* {{eq|James Prinsep|জেমস প্রিন্সেপ}}
* {{eq|James Tobin|জেমস টোবিন}}
* {{eq|James Van Allen|জেমস ভ্যান অ্যালেন}}
* {{eq|James Watt|জেমস ওয়াট}}
* {{eq|Jane Addams|জেন অ্যাডামস}}
* {{eq|Jane Goodall|জেন গুডাল}}
* {{eq|Jared Diamond|জ্যারেড ডায়মন্ড}}
* {{eq|Jayant Narlikar|জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর}}
* {{eq|Jean le Rond d'Alembert|জঁ ল্য রোঁ দালঁবের}}
* {{eq|Jean-Baptiste Lamarck|জঁ-বাতিস্ত লামার্ক}}
* {{eq|Jean-Marie Le Pen|জঁ-মারি ল্য পেন}}
* {{eq|Jean-Pierre Serre|জঁ-পিয়ের সের}}
* {{eq|Jerome Isaac Friedman|জেরোম আইজ্যাক ফ্রিডম্যান}}
* {{eq|Jhumpa Lahiri|ঝুম্পা লাহিড়ী}}
* {{eq|Jocelyn Bell Burnell|জসিলিন বেল বার্নেল}}
* {{eq|John Archibald Wheeler|জন আর্চিবল্ড হুইলার}}
* {{eq|John Backus|জন ব্যাকাস}}
* {{eq|John Banville|জন ব্যানভিল}}
* {{eq|John Bardeen|জন বারডিন}}
* {{eq|John C. Mather|জন সি. মাদার}}
* {{eq|John Desmond Bernal|জে. ডি. বার্নাল}}
* {{eq|John Forbes Nash, Jr.|জন ফোর্বস ন্যাশ}}
* {{eq|John Galsworthy|জন গলসওয়ার্দি}}
* {{eq|John Gurdon|জন গার্ডন}}
* {{eq|John Hicks|জন হিক্স}}
* {{eq|John Hopfield|জন হোপফিল্ড}}
* {{eq|John James Audubon|জন জেমস অডুবন}}
* {{eq|John Major|জন মেজর}}
* {{eq|John Maynard Keynes|জন মেইনার্ড কেইনস}}
* {{eq|John Maynard Smith|জন মেইনার্ড স্মিথ}}
* {{eq|John McCarthy (computer scientist)|জন ম্যাককার্থি (কম্পিউটার বিজ্ঞানী)}}
* {{eq|John Muir|জন মুয়ির}}
* {{eq|John Napier|জন নেপিয়ার}}
* {{eq|John Polanyi|জন চার্লস পোলানি}}
* {{eq|John Ray|জন রে}}
* {{eq|John Stewart Bell|জন স্টুয়ার্ট বেল}}
* {{eq|John Tyndall|জন টিন্ডাল}}
* {{eq|John von Neumann|জন ফন নিউম্যান}}
* {{eq|Jon Fosse|ইয়োন ফসে}}
* {{eq|Jonas Salk|জোনাস সল্ক}}
* {{eq|Josef Mengele|ইয়োসেফ মেংগেলে}}
* {{eq|Joseph Fourier|জোসেফ ফুরিয়ে}}
* {{eq|Joseph Priestley|জোসেফ প্রিস্টলি}}
* {{eq|Joseph Stiglitz|জোসেফ স্টিগলিটজ}}
* {{eq|Joseph von Fraunhofer|ইয়োসেফ ফন ফ্রাউনহোফার}}
* {{eq|Joshua Lederberg|জশুয়া লেডারবার্গ}}
* {{eq|Josiah Willard Gibbs|জোসিয়াহ উইলার্ড গিবস}}
* {{eq|José María Aznar|হোসে মারিয়া আজনার}}
* {{eq|José Saramago|হোসে সারামাগো}}
* {{eq|Juan Maldacena|হুয়ান মালদাসেনা}}
* {{eq|Juan Ramón Jiménez|হুয়ান রামোন হিমেনেজ}}
* {{eq|Judea Pearl|জুডেয়া পার্ল}}
* {{eq|Julian Schwinger|জুলিয়ান শুইঙার}}
* {{eq|Julio Cortázar|হুলিও কোর্তাজার}}
* {{eq|Julius Robert von Mayer|জুলিয়াস রবার্ট ফন মেয়ার}}
* {{eq|Junot Díaz|জুনো দিয়াজ}}
* {{eq|Justus von Liebig|ইয়োস্টুস ফন লিবিগ}}
* {{eq|Jöns Jacob Berzelius|ইয়োন্স ইয়াকব বের্সেলিয়ুস}}
* {{eq|Kaja Kallas|কায়া কাল্লাস}}
* {{eq|Kamila Shamsie|কামিলা শামসি}}
* {{eq|Karen Uhlenbeck|কারেন উলেনবেক}}
* {{eq|Karl Barry Sharpless|কার্ল ব্যারি শার্পলেস}}
* {{eq|Kary Mullis|ক্যারি মুলিস}}
* {{eq|Katalin Karikó|কাতালিন কারিকো}}
* {{eq|Kazuo Ishiguro|কাজুও ইশিগুরো}}
* {{eq|Kaṇāda|কণাদ্}}
* {{eq|Ken Thompson|কেন টম্পসন}}
* {{eq|Kendrick Lamar|কেন্ড্রিক লামার}}
* {{eq|Kenneth Arrow|কেনেথ অ্যারো}}
* {{eq|Kenzaburō Ōe|কেন্জাবুরো ওহয়ে}}
* {{eq|Kiran Desai|কিরণ দেশাই}}
* {{eq|Kiran Mazumdar-Shaw|কিরণ মজুমদার-শ}}
* {{eq|Knut Hamsun|ক্যনুট হামসুন}}
* {{eq|Koichi Tanaka|কোইচি তানাকা}}
* {{eq|Korean War|কোরীয় যুদ্ধ}}
* {{eq|Lars Peter Hansen|লারস পিটার হ্যান্সেন}}
* {{eq|Laurent Schwartz|লোরঁ শোয়ার্তজ}}
* {{eq|Leon Cooper|লিয়ন কুপার}}
* {{eq|Leon M. Lederman|লিয়ন ম্যাক্স লেডারম্যান}}
* {{eq|Leonard Susskind|লিওনার্ড সাসকিন্ড}}
* {{eq|Leonhard Euler|লিওনার্ড ইউলার}}
* {{eq|Leonid Kantorovich|লিওনিদ ক্যান্টোরোভিচ}}
* {{eq|Leopold II of Belgium|দ্বিতীয় লেওপোল্ড (বেলজিয়াম)}}
* {{eq|Leopold III of Belgium|তৃতীয় লেওপোল্ড (বেলজিয়াম)}}
* {{eq|Leslie Lamport|লেসলি ল্যামপোর্ট}}
* {{eq|Lev Landau|ল্যেভ লান্দাউ}}
* {{eq|Leymah Gbowee|লেমাহ গবোউই}}
* {{eq|Leó Szilárd|লিও জিলার্দ}}
* {{eq|Linus Pauling|লিনাস পাউলিং}}
* {{eq|Lionel Robbins|লিওনেল রবিন্স}}
* {{eq|Lisa Randall|লিসা রান্ডাল}}
* {{eq|Louis Agassiz|লুই আগাসিজ}}
* {{eq|Louis de Broglie|লুই দ্য ব্রোয়ি}}
* {{eq|Louise Glück|লুইজ গ্লিক}}
* {{eq|Ludwig Boltzmann|লুডভিগ বোলৎসমান}}
* {{eq|Ludwik Fleck|লুডউইক ফ্লেক}}
* {{eq|Luigi Pirandello|লুইজি পিরানদেল্লো}}
* {{eq|Lynn Margulis|লিন মার্গুলিস}}
* {{eq|Léon Foucault|লেয়োঁ ফুকো}}
* {{eq|M. S. Swaminathan|এম. এস. স্বামীনাথন}}
* {{eq|Malala Yousafzai|মালালা ইউসুফজাই}}
* {{eq|Margaret Atwood|মার্গারেট অ্যাটউড}}
* {{eq|Margaret Chan|মার্গারেট চ্যান}}
* {{eq|Marguerite Yourcenar|মার্গ্যুরিত ইয়ুর্সনার}}
* {{eq|Marie Stopes|মেরি স্টোপস}}
* {{eq|Marine Le Pen|মারিন ল্য পেন}}
* {{eq|Mario Vargas Llosa|মারিও বার্গাস ইয়োসা}}
* {{eq|Mark Oliphant|মার্ক ওলিফ্যান্ট}}
* {{eq|Martin Amis|মার্টিন এমিস}}
* {{eq|Martin Lewis Perl|মার্টিন লুইস পার্ল}}
* {{eq|Martin Rees|মার্টিন রিস}}
* {{eq|Martin Ryle|মার্টিন রাইল}}
* {{eq|Martinus J. G. Veltman|মার্টিনুস ভেল্টম্যান}}
* {{eq|Martti Ahtisaari|মার্টি আহতিসারি}}
* {{eq|Marvin Minsky|মার্ভিন মিনস্কি}}
* {{eq|Mary Beard (classicist)|মেরি বিয়ার্ড (ক্ল্যাসিসিস্ট)}}
* {{eq|Mary Robinson|মেরি রবিনসন}}
* {{eq|Max Born|মাক্স বর্ন}}
* {{eq|Max Delbrück|মাক্স ডেলব্রুক}}
* {{eq|Max Perutz|ম্যাক্স ফার্দিনান্দ পেরুতজ}}
* {{eq|Max von Laue|মাক্স ফন লাউয়ে}}
* {{eq|Menachem Begin|মেনাখেম বেগিন}}
* {{eq|Merton Miller|মার্টন মিলার}}
* {{eq|Michael Atiyah|মাইকেল আতিয়াহ}}
* {{eq|Michael Faraday|মাইকেল ফ্যারাডে}}
* {{eq|Michael Gove|মাইকেল গোভ}}
* {{eq|Michio Kaku|মিচিও কাকু}}
* {{eq|Mikhail Sholokhov|মিখাইল শলোখভ}}
* {{eq|Mo Yan|মো ইয়ান}}
* {{eq|Mohammad Javad Zarif|মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ}}
* {{eq|Murray Gell-Mann|মারে গেল-মান}}
* {{eq|Nadine Gordimer|নাডিন গর্ডিমার}}
* {{eq|Naguib Mahfouz|নাগিব মাহফুজ}}
* {{eq|Narges Mohammadi|নার্গেস মোহাম্মদী}}
* {{eq|Nevill Francis Mott|নেভিল ফ্রান্সিস মট}}
* {{eq|Nicolas Léonard Sadi Carnot|সাদি কার্নো}}
* {{eq|Nicolas Steno|নিকোলাস স্টেনো}}
* {{eq|Nigel Farage|নাইজেল ফারাজ}}
* {{eq|Niklaus Wirth|নিকলাউস ভির্ট}}
* {{eq|Norman Borlaug|নরম্যান বোরল্যাগ}}
* {{eq|Norman Mailer|নরম্যান মেইলার}}
* {{eq|Octavio Paz|অক্তাবিও পাজ}}
* {{eq|Olga Tokarczuk|ওলগা তোকারচুক}}
* {{eq|Oliver Heaviside|অলিভার হেভিসাইড}}
* {{eq|Oliver Sacks|অলিভার স্যাক্স}}
* {{eq|Orhan Pamuk|ওরহান পামুক}}
* {{eq|Oswald Avery|অসওয়াল্ড এভারি}}
* {{eq|Otto Stern|অটো ষ্টের্ন}}
* {{eq|Paris Agreement|প্যারিস চুক্তি}}
* {{eq|Patrick White|প্যাট্রিক হোয়াইট}}
* {{eq|Paul Dirac|পল ডিরাক}}
* {{eq|Paul Ehrenfest|পাউল এরেনফেস্ট}}
* {{eq|Paul R. Ehrlich|পল আর. এহর্লিচ}}
* {{eq|Paul Samuelson|পল স্যামুয়েলসন}}
* {{eq|Pearl S. Buck|পার্ল এস. বাক}}
* {{eq|Peter Agre|পিটার আগ্রি}}
* {{eq|Peter Higgs|পিটার হিগস}}
* {{eq|Peter Kropotkin|পেত্র ক্রাপোতকিন}}
* {{eq|Peter Medawar|পিটার মিডাওয়ার}}
* {{eq|Philip Roth|ফিলিপ রথ}}
* {{eq|Philip Warren Anderson|ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন}}
* {{eq|Philippe of Belgium|ফিলিপ (বেলজিয়াম)}}
* {{eq|Pierre Curie|পিয়ের ক্যুরি}}
* {{eq|Pierre Deligne|পিয়ের দ্যলিইন}}
* {{eq|Pierre-Gilles de Gennes|পিয়ের-জিল দ্য জেন}}
* {{eq|Pierre-Simon Laplace|পিয়ের সিমোঁ লাপ্লাস}}
* {{eq|Pliny the Elder|প্লিনি দ্য এল্ডার}}
* {{eq|Prasanta Chandra Mahalanobis|প্রশান্ত চন্দ্র মহলানবিশ}}
* {{eq|Primo Levi|প্রিমো লেভি}}
* {{eq|Qian Xuesen|ছিয়েন শ্যুয়েসন}}
* {{eq|Quakers|কোয়েকার}}
* {{eq|Rachel Carson|র্যাচেল কারসন}}
* {{eq|Ragnar Frisch|রাগ্নার ফ্রিশ}}
* {{eq|Rajendra K. Pachauri|রাজেন্দ্র কুমার পাচৌরী}}
* {{eq|Ralph Bunche|রালফ বান্চ}}
* {{eq|Ramsay MacDonald|রামসে ম্যাকডোনাল্ড}}
* {{eq|Reinhard Selten|রেইনহার্ড সেল্টেন}}
* {{eq|Richard Hamming|রিচার্ড হ্যামিং}}
* {{eq|Richard Leakey|রিচার্ড লিকি}}
* {{eq|Richard Smalley|রিচার্ড স্মলি}}
* {{eq|Rigoberta Menchú|রিগোবার্তা মেঞ্চু}}
* {{eq|Ringo Starr|রিঙ্গো স্টার}}
* {{eq|Robert Andrews Millikan|রবার্ট অ্যান্ড্রুজ মিলিকান}}
* {{eq|Robert Boyle|রবার্ট বয়েল}}
* {{eq|Robert Clive|রবার্ট ক্লাইভ}}
* {{eq|Robert Fogel|রবার্ট ফোগেল}}
* {{eq|Robert Hooke|রবার্ট হুক}}
* {{eq|Robert J. Shiller|রবার্ট জে. শিলার}}
* {{eq|Robert Lucas Jr.|রবার্ট লুকাস, জুনিয়র}}
* {{eq|Robert Mundell|রবার্ট মান্ডেল}}
* {{eq|Robert Penn Warren|রবার্ট পেন ওয়ারেন}}
* {{eq|Roger Ebert|রজার ইবার্ট}}
* {{eq|Roger Wolcott Sperry|রজার স্পেরি}}
* {{eq|Romain Rolland|রোম্যাঁ রোলাঁ}}
* {{eq|Ronald Fisher|রোনাল্ড ফিশার}}
* {{eq|Rosalyn Sussman Yalow|রোজালিন সাসম্যান ইয়ালো}}
* {{eq|Rudolf Clausius|রুডলফ ক্লাউজিউস}}
* {{eq|Rudolf Virchow|রুডলফ ফিরখো}}
* {{eq|Sally Ride|স্যালি রাইড}}
* {{eq|Sam Harris|স্যাম হ্যারিস}}
* {{eq|Samuel Beckett|স্যামুয়েল বেকেট}}
* {{eq|Samuel Pepys|স্যামুয়েল পেপিস}}
* {{eq|Santiago Ramón y Cajal|সান্তিয়াগো রামোন ই কাহাল}}
* {{eq|Saul Bellow|সল বেলো}}
* {{eq|Saul Perlmutter|সল পার্লমাটার}}
* {{eq|Selman Waksman|সেলম্যান ওয়াক্সম্যান}}
* {{eq|Sergei Korolev|সের্গেই কোরোলিয়ভ}}
* {{eq|Seymour Hersh|সেমুর হার্শ}}
* {{eq|Shashi Tharoor|শশী থারুর}}
* {{eq|Sheldon Lee Glashow|শেলডন লি গ্ল্যাশো}}
* {{eq|Shiing-Shen Chern|শিং-শেন চের্ন}}
* {{eq|Shirin Ebadi|শিরিন এবাদি}}
* {{eq|Shmuel Yosef Agnon|শ্মুয়েল ইউসেফ অ্যাগনন}}
* {{eq|Simon Kuznets|সাইমন কুজ্নেত্স}}
* {{eq|Simon Stevin|সিমন স্টেভিন}}
* {{eq|Siméon Denis Poisson|সিমেওঁ দ্যনি পোয়াসোঁ}}
* {{eq|Sinclair Lewis|সিনক্লেয়ার লুইস}}
* {{eq|Stafford Cripps|স্টাফোর্ড ক্রিপস}}
* {{eq|Stamford Raffles|স্ট্যামফোর্ড র্যাফেল্স}}
* {{eq|Stanislaw Ulam|স্তানিসলফ উলাম}}
* {{eq|Stanley Baldwin|স্ট্যানলি বল্ডউইন}}
* {{eq|Stephen Jay Gould|স্টিভেন জে গুল্ড}}
* {{eq|Stephen Wolfram|স্টিফেন ওলফ্রাম}}
* {{eq|Steve Irwin|স্টিভ আরউইন}}
* {{eq|Steven Chu|স্টিভেন চু}}
* {{eq|Steven Weinberg|স্টিভেন ওয়াইনবার্গ}}
* {{eq|Subrahmanyan Chandrasekhar|সুব্রহ্মণ্যন চন্দ্রশেখর}}
* {{eq|Susan Faludi|সুসান ফালুদি}}
* {{eq|Svetlana Alexievich|সভেতলানা আলেক্সিয়েভিচ}}
* {{eq|Tawakkol Karman|তাওয়াক্কোল কারমান}}
* {{eq|Tedros Adhanom|তেদ্রোস আধানম}}
* {{eq|Temple Grandin|টেম্পল গ্র্যান্ডিন}}
* {{eq|Tennessee Williams|টেনেসি উইলিয়ামস}}
* {{eq|Tenzin Gyatso, 14th Dalai Lama|চতুর্দশ দালাই লামা}}
* {{eq|Terence Tao|টেরেন্স টাও}}
* {{eq|Theodore Roethke|থিওডোর রেথকে}}
* {{eq|Theodosius Dobzhansky|থিওডোসিয়াস ডবঝানস্কি}}
* {{eq|Theophrastus|থিওফ্রাস্টাস}}
* {{eq|Theory of relativity|আপেক্ষিকতার তত্ত্ব}}
* {{eq|Thomas Harriot|থমাস হ্যারিয়ট}}
* {{eq|Thomas Henry Huxley|টমাস হেনরি হাক্সলি}}
* {{eq|Thomas Kuhn|থমাস কুন}}
* {{eq|Thomas Mann|টমাস মান}}
* {{eq|Thomas Robert Malthus|থমাস রবার্ট ম্যালথাস}}
* {{eq|Thomas Schelling|টমাস শেলিংস}}
* {{eq|Thomas Young (scientist)|থমাস ইয়ং}}
* {{eq|Tim Berners-Lee|টিম বার্নার্স-লি}}
* {{eq|Tjalling Koopmans|টিয়ালিং কোপম্যান্স}}
* {{eq|Tomas Tranströmer|টোমাস ট্রান্সট্রোমার}}
* {{eq|Toni Morrison|টনি মরিসন}}
* {{eq|Tony Benn|টনি বেন}}
* {{eq|Traian Băsescu|ত্রাইয়ান বাসাস্কু}}
* {{eq|Trygve Haavelmo|ট্রিগভে হাভেলমো}}
* {{eq|U Thant|উ থান্ট}}
* {{eq|V. S. Naipaul|ভি. এস. নাইপল}}
* {{eq|Val Logsdon Fitch|ভ্যাল লজডন ফিচ}}
* {{eq|Valéry Giscard d'Estaing|ভালেরি জিস্কার দেস্তাঁ}}
* {{eq|Victor Frederick Weisskopf|ভিক্টর উইসকফ}}
* {{eq|Viet Thanh Nguyen|ভিয়েত থান নগুয়েন}}
* {{eq|Vikram Sarabhai|বিক্রম সারাভাই}}
* {{eq|Vilayanur S. Ramachandran|ভি. এস. রামচন্দ্রন}}
* {{eq|Vitaly Ginzburg|ভিতালি গিঞ্জবার্গ}}
* {{eq|Vladimir Arnold|ভ্লাদিমির আর্নল্ড}}
* {{eq|Vladimir Markovnikov|ভ্লাদিমির মার্কভনিকভ}}
* {{eq|Václav Havel|ভাকলাভ হাভেল}}
* {{eq|W. H. Auden|ডব্লিউ. এইচ. অডেন}}
* {{eq|Wassily Leontief|ওয়াসিলি লিওনটিয়েফ}}
* {{eq|Wernher von Braun|ভের্নহার ফন ব্রাউন}}
* {{eq|Wilhelm Wundt|ভিলহেল্ম ভুন্ট}}
* {{eq|Will Durant|উইল ডুরান্ট}}
* {{eq|Willa Cather|উইলা ক্যাথার}}
* {{eq|Willard van Orman Quine|উইলার্ড ফন অরম্যান কোয়াইন}}
* {{eq|Willem de Sitter|ভিলেম ডে সিটার}}
* {{eq|William Bateson|উইলিয়াম বেটসন}}
* {{eq|William Butler Yeats|উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস}}
* {{eq|William Carey (missionary)|উইলিয়াম কেরি}}
* {{eq|William Carlos Williams|উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস}}
* {{eq|William Crookes|উইলিয়াম ক্রুকস}}
* {{eq|William Dalrymple (historian)|উইলিয়াম ডালরিম্পল}}
* {{eq|William Daniel Phillips|উইলিয়াম ড্যানিয়েল ফিলিপস}}
* {{eq|William Empson|উইলিয়াম এম্পসন}}
* {{eq|William F. Sharpe|উইলিয়াম শার্প}}
* {{eq|William Golding|উইলিয়াম গোল্ডিং}}
* {{eq|William Herschel|উইলিয়াম হার্শেল}}
* {{eq|William Jones (philologist)|উইলিয়াম জোন্স (ভাষাতাত্ত্বিক)}}
* {{eq|William Rowan Hamilton|উইলিয়াম রোয়ান হ্যামিল্টন}}
* {{eq|William Shockley|উইলিয়াম শকলি}}
* {{eq|William Stanley Jevons|উইলিয়াম স্ট্যানলি জেভন্স}}
* {{eq|William Thomson|উইলিয়াম থমসন}}
* {{eq|William Vickrey|উইলিয়াম ভিক্রি}}
* {{eq|Winnie Byanyima|উইনি বিয়ানিমা}}
* {{eq|Wole Soyinka|ওলে সোয়িংকা}}
* {{eq|Wolfgang Pauli|ভোলফগাং পাউলি}}
* {{eq|Yang Chen-Ning|চেন নিং ইয়াং}}
* {{eq|Yann LeCun|ইয়ান ল্যকান}}
* {{eq|Yann Martel|ইয়ান মার্টেল}}
* {{eq|Yasunari Kawabata|ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা}}
* {{eq|Yoichiro Nambu|ইয়োইচিরো নাম্বু}}
* {{eq|Zadie Smith|জেডি স্মিথ}}
* {{eq|Zhong Nanshan|চোং নানশান}}
* {{eq|Zhuangzi|চুয়াং জি}}
{{Div col end}}
[[বিষয়শ্রেণী:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬]]
t6x98t72lmq5tf8lf34ay6i7mq5a4ua
73939
73891
2026-04-05T22:14:31Z
~2026-20982-76
4502
73939
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=3}}
<big>এই প্রতিযোগিতায় বিষয়বস্তু নির্ধারিত নয়, '''আপনি আপনার পছন্দমতো যেকোন উল্লেখযোগ্য বিষয়ে ভুক্তি বা পৃষ্ঠা তৈরি করতে পারেন (গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ব্যতীত)''' <u >এমনকি তা নিচের তালিকায় না থাকলেও</u>। আপনি যদি অনিশ্চিত থাকেন যে কোনটি নিয়ে কাজ করবেন, তবে নিচের লাল সংযোগে থাকা নিবন্ধগুলি তৈরি করতে পারেন। যে পাতাটি নিয়ে কাজ করছেন, সেটির পাশে <code><nowiki>~~~~</nowiki></code> যোগ করে আপনার নাম লিখুন।</big>
মনে রাখবেন,
* ব্যক্তি যদি বাঙালি হয়, তবে তার উক্তি হুবহু তুলে দিন (উদা: [[আসাদুজ্জামান নূর]] দেখুন)। ব্যক্তি যদি বিদেশি হয়, তবে উক্তি অনুবাদ করে যোগ করুন (উদা: [[নোম চম্স্কি]] দেখুন)। কোনো বস্তুর ক্ষেত্রে বাঙালিদের উক্তি প্রাধান্য পাবে, তবে ভিন্ন ভাষা থেকেও উক্তি অনুবাদ করেও যোগ করা যাবে (উদা: [[চাঁদ]], [[সূর্য]] দেখুন)।
* '''নতুনরা''', দয়া করে [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/কীভাবে|কীভাবে উক্তি যোগ করব?]] টিউটোরিয়ালটি একবার দেখে নিন।
:এটি উইকিউক্তিতে ভুক্তি না থাকা বাঙালি ব্যক্তিদের তালিকা। তবে আপনি চাইলে [https://en.wikiquote.org ইংরেজি উইকিউক্তি] থেকে বাংলায় উক্তি অনুবাদ করতে পারেন।
*'''উল্লেখ্য:''' <span style="color:red;">নিবন্ধ তৈরির আগে নিবন্ধটি ইতোমধ্যে বাংলা উইকিউক্তিতে বিদ্যমান কিনা যাচাই করা নিবন্ধ প্রণেতার (যিনি নিবন্ধ তৈরি করবেন) দায়িত্ব। তালিকার বাইরের নাম প্রতিস্থাপন নিবন্ধ তালিকায় থাকা নামটির পরিবর্তে ভিন্ন নামে নিবন্ধ তৈরি করলে অবশ্যই নতুন নামটি তালিকায় প্রতিস্থাপন করে দিবেন, অন্যথায় ভিন্ন ব্যবহারকারী নিবন্ধটি পুনরায় তৈরি করতে পারেন।</span >
== বাংলা উক্তি ==
বাঙালি ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সংবাদপত্র, সাময়িকী কিংবা ছাপা বইয়ে প্রকাশিত উক্তি বা সাক্ষাৎকার থেকে উক্তি সংগ্রহ করে তা হুবুহু তথ্যসূত্র সহ যোগ করবেন।
=== বাঙালি ব্যক্তি ===
{{Div col|colwidth=20em|rules=yes}}
* {{বাউ|অংশুমান কর}}
* {{বাউ|অকিঞ্চন}}
* {{বাউ|অক্ষয়কুমার কয়াল}}
* {{বাউ|অক্ষয়কুমার বসু মজুমদার}}
* {{বাউ|অক্ষয়কুমার লধ}}
* {{বাউ|অক্ষয়চন্দ্র চৌধুরী}}
* {{বাউ|অক্ষয়ানন্দ বসু}}
* {{বাউ|অখিল নিয়োগী}}
* {{বাউ|অখিল পাল}}
* {{বাউ|অখিলচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|অখিলবন্ধু ঘোষ}}[[ব্যবহারকারী:Tamaliya Das Gupta|Tamaliya Das Gupta]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tamaliya Das Gupta|আলাপ]]) ১৬:০৯, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
* {{বাউ|অগ্রদূত}}
* {{বাউ|অঘোরনাথ গুপ্ত}}
* {{বাউ|অঘোরনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অঙ্গনা পি. চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অচলা মল্লিক}}
* {{বাউ|অজয় ঘটক}}
* {{বাউ|অজয় দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|অজয় বসু}}
* {{বাউ|অজয় হোম}}
* {{বাউ|অজিত দত্ত}}
* {{বাউ|অজিত রায় (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|অজিতকৃষ্ণ বসু}}
* {{বাউ|অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অঞ্জলি ইলা মেনন}}
* {{বাউ|অঞ্জলি মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অটলবিহারী ঘোষ}}
* {{বাউ|অতীন্দ্রনাথ বসু ঠাকুর}}
* {{বাউ|অতুল বসু}}
* {{বাউ|অতুলচন্দ্র ঘোষ}}
* {{বাউ|অতুলচন্দ্র ঘোষ (লেখক)}}
* {{বাউ|অদিতি লাহিড়ি}}
* {{বাউ|অদিতি সেন দে}}
* {{বাউ|অধরলাল সেন}}
* {{বাউ|অনম বিশ্বাস}}
* {{বাউ|অনল চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অনাথনাথ বসু}}
* {{বাউ|অনাদিনাথ দাঁ}}
* {{বাউ|অনাদিশ পাল}}
* {{বাউ|অনিতা মেহতা}}
* {{বাউ|অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অনিন্দ্য সিনহা}}
* {{বাউ|অনিমেষ আইচ}}
* {{বাউ|অনিমেষ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অনিমেষ রায় (জীববিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|অনির্বাণ ঘোষ}}
* {{বাউ|অনির্বাণ বসু}}
* {{বাউ|অনিল করঞ্জাই}}
* {{বাউ|অনিল কুমার গায়েন}}
* {{বাউ|অনিল কুমার ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|অনিল কুমার মণ্ডল}}
* {{বাউ|অনিল কুমার সেন}}
* {{বাউ|অনিল বিশ্বাস (সুরকার)}}
* {{বাউ|অনিল ভৌমিক}}
* {{বাউ|অনিল মুখার্জি}}
* {{বাউ|অনিলকুমার দাস}}
* {{বাউ|অনিলেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অনুত্তমা ব্যানার্জি}}
* {{বাউ|অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|অনুপম ঘটক}}
* {{বাউ|অনুপম দত্ত}}
* {{বাউ|অনুপম রায়}}
* {{বাউ|অনুপম সেন}}
* {{বাউ|অনুপম হায়াৎ}}
* {{বাউ|অনুপমা চোপড়া}}
* {{বাউ|অনুরাধা ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|অনুশ্রী রায়}}
* {{বাউ|অনুষ্কা শংকর}}
* {{বাউ|অন্নদা মুন্সী}}
* {{বাউ|অন্নদাচরণ খাস্তগীর}}
* {{বাউ|অন্নদাপ্রসাদ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অন্নপূর্ণা গোস্বামী}}
* {{বাউ|অপরেশ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অপরেশ লাহিড়ী}}
* {{বাউ|অপরেশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অপর্ণা সেন}}
* {{বাউ|অপূর্ব জাহাঙ্গীর}}
* {{বাউ|অবনী সেন}}
* {{বাউ|অবনীনাথ রায়}}
* {{বাউ|অবনীভূষণ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অবন্তী সিঁথি}}
* {{বাউ|অবন্তীকুমার সান্যাল}}
* {{বাউ|অবলা বসু}}
* {{বাউ|অবশেষ দাস}}
* {{বাউ|অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ}}
* {{বাউ|অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় (সুরকার)}}
* {{বাউ|অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় (ভূবিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|অভিজিৎ সেন}}
* {{বাউ|অভিনয় চন্দ্র সাহা}}
* {{বাউ|অভীক ঘোষ}}
* {{বাউ|অমর পাল}}
* {{বাউ|অমরপ্রসাদ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অমরেশ রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|অমরেশ্বর ঠাকুর}}
* {{বাউ|অমল কুমার রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|অমল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অমল বোস}}
* {{বাউ|অমল হোম}}
* {{বাউ|অমলা শংকর}}
* {{বাউ|অমলেন্দু চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অমলেন্দু চন্দ্র}}
* {{বাউ|অমলেন্দু দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|অমলেন্দু দাশগুপ্ত (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|অমলেন্দু দে}}
* {{বাউ|অমলেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অমলেন্দু বসু}}
* {{বাউ|অমলেন্দু বিশ্বাস}}
* {{বাউ|অমলেন্দু মিত্র}}
* {{বাউ|অমলেশ ত্রিপাঠী}}
* {{বাউ|অমিত চৌধুরী}}
* {{বাউ|অমিত মিত্র}}
* {{বাউ|অমিতা ঠাকুর}}
* {{বাউ|অমিতা দত্ত}}
* {{বাউ|অমিতা বসু}}
* {{বাউ|অমিতা মালিক}}
* {{বাউ|অমিতা সেন (আশ্রমকন্যা)}}
* {{বাউ|অমিতাভ দত্ত}}
* {{বাউ|অমিতাভ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|অমিতাভ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অমিতাভ রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|অমিতাভ রেজা চৌধুরী}}
* {{বাউ|অমিয় বাগচী}}
* {{বাউ|অমিয়কুমার দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|অমিয়কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অমিয়া দত্ত}}
* {{বাউ|অমূল্যকুমার দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|অমূল্যচরণ বিদ্যাভূষণ}}
* {{বাউ|অমূল্যধন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অমূল্যচরণ উকিল}}
* {{বাউ|অম্বরীশ ঘোষ}}
* {{বাউ|অম্বিকাচরণ মজুমদার}}
* {{বাউ|অম্লান দত্ত}}
* {{বাউ|অরিন্দম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অরুণ কুমার বসাক}}
* {{বাউ|অরুণ কুমার শর্মা}}
* {{বাউ|অরুণ মিত্র}}
* {{বাউ|অরুণ মুখার্জি}}
* {{বাউ|অরুণ সোম}}
* {{বাউ|অরুণকুমার বসু}}
* {{বাউ|অরুণচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|অরুণাচল বসু}}
* {{বাউ|অরুণাভ সরকার}}
* {{বাউ|অরুণেন্দু দাস}}
* {{বাউ|অরুণোদয় মণ্ডল}}
* {{বাউ|অরুন্ধতী দেবী}}
* {{বাউ|অরূপ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অরূপ চন্দ্র}}
* {{বাউ|অর্ক মুখার্জি}}
* {{বাউ|অর্চনা ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|অর্চনা শর্মা (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|অর্জুন (গোয়েন্দা চরিত্র)}}
* {{বাউ|অর্ণব রাই চৌধুরী}}
* {{বাউ|অলক রায়}}
* {{বাউ|অলকা উকিল}}
* {{বাউ|অলকা দাশ}}
* {{বাউ|অলকা সরাবগী}}
* {{বাউ|অলিউর রহমান}}
* {{বাউ|অলোক কৃষ্ণ গুপ্ত}}
* {{বাউ|অলোক রায়}}
* {{বাউ|অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|অশেষ প্রসাদ মিত্র}}
* {{বাউ|অশোক কুমার বড়ুয়া}}
* {{বাউ|অশোক কুমার ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|অশোক কুমার সরকার}}
* {{বাউ|অশোক কুমার সেন}}
* {{বাউ|অশোক গুপ্ত (লেখক)}}
* {{বাউ|অশোক চট্টোপাধ্যায় (লেখক)}}
* {{বাউ|অশোক চৌধুরী}}
* {{বাউ|অশোক নাথ মিত্র}}
* {{বাউ|অশোক বড়ুয়া}}
* {{বাউ|অশোক বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অশোক মিত্র}}
* {{বাউ|অশোক রুদ্র}}
* {{বাউ|অশোক সেন}}
* {{বাউ|অশোককুমার হালদার}}
* {{বাউ|অশোকা গুপ্ত (বিপ্লবী)}}
* {{বাউ|অশ্বিনীকুমার দত্ত}}
* {{বাউ|অসীম দাসগুপ্ত}}
* {{বাউ|অসীমকান্তি দত্তরায়}}
* {{বাউ|অসীমা চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অহিভূষণ মালিক}}
* {{বাউ|আ ক ম সারোয়ার জাহান বাদশা}}
* {{বাউ|আ জা ম তকীয়ুল্লাহ}}
* {{বাউ|আ ফ ম আহসানউদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|আ ফ ম ইউসুফ হায়দার}}
* {{বাউ|আ ফ ম খালিদ হোসেন}}
* {{বাউ|আ. ন. ম. বজলুর রশীদ}}
* {{বাউ|আ. ন. ম. বশির উল্লাহ}}
* {{বাউ|আ. ফ. ম. রুহুল হক}}
* {{বাউ|আইভি রহমান}}
* {{বাউ|আইয়ুব আলী}}
* {{বাউ|আইরিন খান}}
* {{বাউ|আওকাত হোসেন}}
* {{বাউ|আওলাদ হোসেন}}
* {{বাউ|আওলাদ হোসেন চাকলাদার}}
* {{বাউ|আককাছ আলী সরকার}}
* {{বাউ|আকতার মিয়া}}
* {{বাউ|আকবর আলি খান}}
* {{বাউ|আকবর উদ্দীন}}
* {{বাউ|আকবর হোসেন (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|আকবর হোসেন (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|আকরাম হোসেন চৌধুরী (বিচারক)}}
* {{বাউ|আকরামুজ্জামান খান}}
* {{বাউ|আকরামুল কাদের}}
* {{বাউ|আখতার ইমাম}}
* {{বাউ|আখতার উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|আখতার সাদমানী}}
* {{বাউ|আখতার হুসেন}}
* {{বাউ|আখতারুজ্জামান}}
* {{বাউ|আখলাকুল হোসাইন আহমেদ}}
* {{বাউ|আগা আহমদ আলী}}
* {{বাউ|আছিম শাহ}}
* {{বাউ|আজম আলী}}
* {{বাউ|আজহারুল হক}}
* {{বাউ|আজাদ রহমান}}
* {{বাউ|আজাহার উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|আজিজউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|আজিজুর রহমান (গীতিকার)}}
* {{বাউ|আজিজুর রহমান (চলচ্চিত্র পরিচালক)}}
* {{বাউ|আজিজুর রহমান আক্কাস}}
* {{বাউ|আজিজুর রহমান আজিজ}}
* {{বাউ|আজিজুর রহমান মল্লিক}}
* {{বাউ|আজিজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|আজিজুল হক (শায়খুল হাদিস)}}
* {{বাউ|আজিজুল হক (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আজিজুল হাকিম (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|আজিজুল হাকিম (কবি)}}
* {{বাউ|আজিম}}
* {{বাউ|আজিম উদ্দিন মুনশী}}
* {{বাউ|আজীজুল হক}}
* {{বাউ|আজীমুদ্দীন হানাফী}}
* {{বাউ|আঞ্জুমান আরা বেগম}}
* {{বাউ|আতহার আলী}}
* {{বাউ|আতাউর রহমান}}
* {{বাউ|আতাউর রহমান (কবি)}}
* {{বাউ|আতাউর রহমান খান}}
* {{বাউ|আতাউর রহমান খান কায়সার}}
* {{বাউ|আতাউর রহমান খান খাদিম}}
* {{বাউ|আতাউল করিম}}
* {{বাউ|আতাউল হাকিম}}
* {{বাউ|আতাউস সামাদ}}
* {{বাউ|আতিউর রহমান}}
* {{বাউ|আতিকুজ্জামান খান}}
* {{বাউ|আতিকুর রহমান (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|আতিকুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|আতিয়া ইসলাম এ্যানি}}
* {{বাউ|আতোয়ার রহমান}}
* {{বাউ|আতোয়ার রহমান তালুকদার}}
* {{বাউ|আদনান আল রাজীব}}
* {{বাউ|আদিনাথ লাহিড়ী}}
* {{বাউ|আদিলুর রহমান খান}}
* {{বাউ|আনজীর লিটন}}
* {{বাউ|আনন জামান}}
* {{বাউ|আনন্দচন্দ্র নন্দী}}
* {{বাউ|আনন্দদেব মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|আনন্দমোহন চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|আনন্দমোহন বসু}}
* {{বাউ|আনন্দশঙ্কর}}
* {{বাউ|আনসার আলী}}
* {{বাউ|আনিক খান}}
* {{বাউ|আনিলা নাজ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনিস চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনিস সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|আনিসুজ্জামান (দর্শনশাস্ত্রজ্ঞ)}}
* {{বাউ|আনিসুজ্জামান চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনিসুর রহমান (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|আনিসুল ইসলাম মাহমুদ}}
* {{বাউ|আনিসুল হক}}
* {{বাউ|আনিসুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনু মুহাম্মদ}}
* {{বাউ|আনুশেহ্ আনাদিল}}
* {{বাউ|আনোয়ার উদ্দিন খান}}
* {{বাউ|আনোয়ার উল আলম}}
* {{বাউ|আনোয়ার উল হক}}
* {{বাউ|আনোয়ার পারভেজ}}
* {{বাউ|আনোয়ার পাশা (লেখক)}}
* {{বাউ|আনোয়ার হোসেন (অণুজীববিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|আনোয়ার হোসেন (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আনোয়ার হোসেন (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|আনোয়ার হোসেন (আলোকচিত্রী)}}
* {{বাউ|আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনোয়ারা বাহার চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনোয়ারা বেগম (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল কবির}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল করিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল কাদের}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল হক}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল হক (বিচারক)}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল হক শরীফ}}
* {{বাউ|আন্ডারগ্রাউন্ড পিস লাভারস}}
* {{বাউ|আন্দালিব রহমান পার্থ}}
* {{বাউ|আপেল মাহমুদ}}
* {{বাউ|আফজাল এইচ খান}}
* {{বাউ|আফজাল চৌধুরী}}
* {{বাউ|আফটারম্যাথ}}
* {{বাউ|আফতাব আহমাদ রহমানী}}
* {{বাউ|আফতাব আহমেদ (আলোকচিত্রী)}}
* {{বাউ|আফতাব উদ্দিন ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|আফতাবউদ্দিন খাঁ}}
* {{বাউ|আফতাবুজ্জামান}}
* {{বাউ|আফরোজা পারভীন}}
* {{বাউ|আফসান চৌধুরী}}
* {{বাউ|আফসার আমেদ}}
* {{বাউ|আফসার আহমদ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|আফসার উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|আফসার উদ্দীন আহমেদ (অ্যাডভোকেট)}}
* {{বাউ|আবদার রশীদ}}
* {{বাউ|আবদুর রউফ (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|আবদুর রউফ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবদুর রব (বিচারক)}}
* {{বাউ|আবদুর রব (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আবদুর রব সেরনিয়াবাত}}
* {{বাউ|আবদুর রশীদ খান}}
* {{বাউ|আবদুর রসুল}}
* {{বাউ|আবদুর রহমান খাঁ}}
* {{বাউ|আবদুর রহমান চৌধুরী (বিচারক)}}
* {{বাউ|আবদুর রহমান বয়াতী}}
* {{বাউ|আবদুর রহমান বিশ্বাস}}
* {{বাউ|আবদুর রহিম (বিচারক)}}
* {{বাউ|আবদুর রাজ্জাক (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আবদুল আওয়াল মিয়া}}
* {{বাউ|আবদুল আজিজ (লেখক)}}
* {{বাউ|আবদুল আজিজ খন্দকার}}
* {{বাউ|আবদুল আহাদ (বুদ্ধিজীবী)}}
* {{বাউ|আবদুল আহাদ (সংগীত পরিচালক)}}
* {{বাউ|আবদুল ওয়াহহাব পীরজী}}
* {{বাউ|আবদুল ওয়াহাব}}
* {{বাউ|আবদুল করিম শাহ}}
* {{বাউ|আবদুল কাদির}}
* {{বাউ|আবদুল খালেক (পীর)}}
* {{বাউ|আবদুল গনি হাজারী}}
* {{বাউ|আবদুল গফুর (ভাষা সৈনিক)}}
* {{বাউ|আবদুল জব্বার (জ্যোতির্বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|আবদুল জব্বার (ভাষা শহীদ)}}
* {{বাউ|আবদুল জব্বার (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|আবদুল জব্বার খান}}
* {{বাউ|আবদুল জলিল (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবদুল মজিদ মল্লিক}}
* {{বাউ|আবদুল মতিন}}
* {{বাউ|আবদুল মতিন (জেনারেল)}}
* {{বাউ|আবদুল মতিন (লেখক)}}
* {{বাউ|আবদুল মমিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবদুল মমিন তালুকদার}}
* {{বাউ|আবদুল মাজেদ খান}}
* {{বাউ|আবদুল মান্নান হাওলাদার}}
* {{বাউ|আবদুল মালেক (সচিব)}}
* {{বাউ|আবদুল হক ফরিদী}}
* {{বাউ|আবদুল হাই চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবদুল হাই মাশরেকী}}
* {{বাউ|আবদুল হাই শিকদার}}
* {{বাউ|আবদুল হাকিম খান বাহাদুর}}
* {{বাউ|আবদুল হাফিজ (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|আবদুল হামিদ (ধারাভাষ্যকার)}}
* {{বাউ|আবদুল হামিদ (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আবদুল হামিদ খান ইউসফজয়ী}}
* {{বাউ|আবদুল হামিদ তালুকদার}}
* {{বাউ|আবদুল হালিম বয়াতি}}
* {{বাউ|আবদুল্লাহ আল মামুন}}
* {{বাউ|আবদুল্লাহ আল-মামুন সোহ্রাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|আবদুল্লাহ-আল-মাহমুদ}}
* {{বাউ|আবদুস সাত্তার (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবদুস সাত্তার ভূঞা}}
* {{বাউ|আবদুস সালাম (পদার্থবিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|আবদুস সালাম (ভাষা শহীদ)}}
* {{বাউ|আবদুস সালাম (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|আবদুস সালাম মামুন}}
* {{বাউ|আবদুস সোবহান সিকদার}}
* {{বাউ|আবিদ আজাদ}}
* {{বাউ|আবিদ আনোয়ার}}
* {{বাউ|আবিদা ইসলাম}}
* {{বাউ|আবিদুর রেজা খান}}
* {{বাউ|আবু আসাদ মোহাম্মদ ওবায়দুল গনি}}
* {{বাউ|আবু আহমদ আব্দুল হাফিজ}}
* {{বাউ|আবু আহমদ ফজলুল করিম}}
* {{বাউ|আবু আহমেদ}}
* {{বাউ|আবু আহমেদ জহিরুল আমিন খান}}
* {{বাউ|আবু ইউসুফ (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবু কায়সার}}
* {{বাউ|আবু জাফর}}
* {{বাউ|আবু জাফর (গীতিকার)}}
* {{বাউ|আবু জাফর শামসুদ্দীন}}
* {{বাউ|আবু জাহির}}
* {{বাউ|আবু তাহের (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আবু তাহের নদভী}}
* {{বাউ|আবু তাহের মজুমদার}}
* {{বাউ|আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান}}
* {{বাউ|আবু নঈম শেখ}}
* {{বাউ|আবু নসর ওহীদ}}
* {{বাউ|আবু বকর সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|আবু বকর সিদ্দিকী (বিচারক)}}
* {{বাউ|আবু বারেক মোহাম্মদ নুরুল আলম}}
* {{বাউ|আবু মহামেদ হবিবুল্লাহ}}
* {{বাউ|আবু মো. দেলোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন}}
* {{বাউ|আবু যোহা নূর আহমদ}}
* {{বাউ|আবু রুশদ}}
* {{বাউ|আবু রেজা ফজলুল হক বাবলু}}
* {{বাউ|আবু শারাফ হিজবুল কাদের সাদেক}}
* {{বাউ|আবু শাহেদ ইমন}}
* {{বাউ|আবু শাহ্রিয়ার}}
* {{বাউ|আবু সয়ীদ আইয়ুব}}
* {{বাউ|আবু সাইয়ীদ}}
* {{বাউ|আবু সাঈদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম}}
* {{বাউ|আবু সালেহ}}
* {{বাউ|আবু সালেহ মোহাম্মদ নাজমুল হক}}
* {{বাউ|আবু সালেহ মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|আবু সালেহ মোহাম্মদ সাঈদ}}
* {{বাউ|আবু হায়াত মাহমুদ}}
* {{বাউ|আবু হাসান ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|আবু হাসান শাহরিয়ার}}
* {{বাউ|আবু হেনা মোস্তফা কামাল}}
* {{বাউ|আবু হোসেন সিদ্দিক}}
* {{বাউ|আবুল আহসান}}
* {{বাউ|আবুল আহসান চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবুল ওমরাহ মুহম্মদ ফখরুদ্দিন}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (বুদ্ধিজীবী)}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবুল কালাম ফায়জুল হক}}
* {{বাউ|আবুল কালাম মনজুর মোরশেদ}}
* {{বাউ|আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া}}
* {{বাউ|আবুল কালাম শামসুদ্দিন (সরকারি কর্মকর্তা)}}
* {{বাউ|আবুল কাশেম সন্দ্বীপ}}
* {{বাউ|আবুল কাসেম (ভাষা সৈনিক)}}
* {{বাউ|আবুল কাসেম (সাহিত্যরত্ন)}}
* {{বাউ|আবুল কাসেম খান}}
* {{বাউ|আবুল কাসেম ফজলুল হক}}
* {{বাউ|আবুল খায়ের}}
* {{বাউ|আবুল খায়ের (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|আবুল খায়ের মুসলেহউদ্দিন}}
* {{বাউ|আবুল ফতেহ}}
* {{বাউ|আবুল ফাতাহ মুহাম্মদ ইয়াহইয়া}}
* {{বাউ|আবুল বরকত}}
* {{বাউ|আবুল বারকাত}}
* {{বাউ|আবুল বাশার (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবুল বাশার (লেখক)}}
* {{বাউ|আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম}}
* {{বাউ|আবুল বাসার (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আবুল বাসার আকন্দ}}
* {{বাউ|আবুল মকসুদ হারুন অর রশীদ}}
* {{বাউ|আবুল মাল আবদুল মুহিত}}
* {{বাউ|আবুল মোমেন}}
* {{বাউ|আবুল হাশেম (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবুল হাশেম খান (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|আবুল হাশেম সরকার}}
* {{বাউ|আবুল হাসনাত (মেয়র)}}
* {{বাউ|আবুল হাসান (কবি)}}
* {{বাউ|আবুল হাসান মাহমুদ আলী}}
* {{বাউ|আবুল হুসসাম}}
* {{বাউ|আবুল হুসেন}}
* {{বাউ|আবুল হোসেন (কবি)}}
* {{বাউ|আবুল হোসেন (পদার্থবিদ)}}
* {{বাউ|আবেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবেদ হোসেন খান}}
* {{বাউ|আব্দুর রইছ}}
* {{বাউ|আব্দুর রউফ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আব্দুর রব চৌধুরী}}
* {{বাউ|আব্দুর রহমান (বুদ্ধিজীবী)}}
* {{বাউ|আব্দুর রহমান (মুফতি)}}
* {{বাউ|আব্দুর রহমান আনওয়ারী}}
* {{বাউ|আব্দুর রহমান সরকার}}
* {{বাউ|আব্দুর রহমানেল মাছউদ}}
* {{বাউ|আব্দুর রহিম (সংসদ সদস্য)}}
* {{বাউ|আব্দুল আউয়াল খান}}
* {{বাউ|আব্দুল আজিজ (চলচ্চিত্র নির্মাতা)}}
* {{বাউ|আব্দুল আলীম (সঙ্গীতশিল্পী)}}
* {{বাউ|আব্দুল ওয়াহহাব মিঞা}}
* {{বাউ|আব্দুল ওয়াহাব তালুকদার}}
* {{বাউ|আব্দুল ওহাব খান (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|আব্দুল করিম আব্বাসী}}
* {{বাউ|আব্দুল জব্বার}}
* {{বাউ|আব্দুল জলিল}}
* {{বাউ|আব্দুল বায়েস}}
* {{বাউ|আব্দুল মতিন চৌধুরী (পদার্থবিদ)}}
* {{বাউ|আব্দুল মতিন পাটোয়ারি}}
* {{বাউ|আব্দুল মান্নান আকন্দ}}
* {{বাউ|আব্দুল মান্নান চৌধুরী (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আব্দুল মান্নান শিকদার}}
* {{বাউ|আব্দুল মালেক উকিল}}
* {{বাউ|আব্দুল মুত্তাকিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|আব্দুল মুমিত চৌধুরী}}
* {{বাউ|আব্দুল মোতালেব মালিক}}
* {{বাউ|আব্দুল লতিফ}}
* {{বাউ|আব্দুল লতিফ বাচ্চু}}
* {{বাউ|আব্দুল লতিফ মিয়া}}
* {{বাউ|আব্দুল হাকিম সরকার}}
* {{বাউ|আব্দুল হামিদ (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|আব্দুল হামিদ রায়হান}}
* {{বাউ|আব্দুল হালিম বুখারী}}
* {{বাউ|আব্দুল হাসিব}}
* {{বাউ|আব্দুল্লাহ আল মামুন (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ}}
* {{বাউ|আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ}}
* {{বাউ|আব্দুস শাকুর (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আব্দুস সাত্তার (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আব্দুস সাত্তার খান}}
* {{বাউ|আব্দুস সাত্তার মোহন্ত}}
* {{বাউ|আব্দুস সামাদ আজাদ}}
* {{বাউ|আব্দুস সালাম চাটগামী}}
* {{বাউ|আব্দুস সেলিম}}
* {{বাউ|আব্বাসউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|আভরাল সাহির}}
* {{বাউ|আভা আলম}}
* {{বাউ|আভাস}}
* {{বাউ|আভাসকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|আমজাদ হোসেন}}
* {{বাউ|আমজাদ হোসেন (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|আমান রেজা}}
* {{বাউ|আমানুল হক}}
* {{বাউ|আমানুল হক (নৃত্যশিল্পী)}}
* {{বাউ|আমানুল্লাহ কবির}}
* {{বাউ|আমিন আহমদ}}
* {{বাউ|আমিন উদ্দিন মৃধা}}
* {{বাউ|আমিন সোহরাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|আমিনা আহমেদ কর}}
* {{বাউ|আমিনুর রশীদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আমিনুর রহমান}}
* {{বাউ|আমিনুর রহমান শামসুদ দোহা}}
* {{বাউ|আমিনুর রহমান সুলতান}}
* {{বাউ|আমিনুল ইসলাম (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আমিনুল ইসলাম (মৃত্তিকা বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|আমিনুল ইসলাম বাদশা}}
* {{বাউ|আমিনুল ইসলাম ভুঁইয়া}}
* {{বাউ|আমিনুল করিম}}
* {{বাউ|আমিনুল হক (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|আমিনুল হক (অ্যাটর্নি জেনারেল)}}
* {{বাউ|আমির হামজা (আলোকচিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আমির হামজা (কবি)}}
* {{বাউ|আমির হোসেন (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|আমির হোসেন আমু}}
* {{বাউ|আমির হোসেন খান}}
* {{বাউ|আমিরুল আলম মিলন}}
* {{বাউ|আমিরুল ইসলাম (গীতিকার)}}
* {{বাউ|আমিরুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|আমীন আহম্মেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আমীর-উল ইসলাম}}
* {{বাউ|আমীরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|আয়নুন নাহার সিদ্দিকা}}
* {{বাউ|আয়মান সাদিক}}
* {{বাউ|আয়েত আলী খাঁ}}
* {{বাউ|আয়েশা বেদোরা চৌধুরী}}
* {{বাউ|আযীযুর রহমান কায়েদ}}
* {{বাউ|আর আই এম আমিনুর রশিদ}}
* {{বাউ|আর. এ. গনি}}
* {{বাউ|আর. কে. বি. এম. রিজমী}}
* {{বাউ|আরতি দত্ত}}
* {{বাউ|আরমা দত্ত}}
* {{বাউ|আরমিন মুসা}}
* {{বাউ|আরশাদ-উজ জামান}}
* {{বাউ|আরেফিন রুমি}}
* {{বাউ|আর্ক}}
* {{বাউ|আর্থার উইলসন}}
* {{বাউ|আর্থার লেভেলিন বাশাম}}
* {{বাউ|আল-কামাল আবদুল ওহাব}}
* {{বাউ|আল-নকীব চৌধুরী}}
* {{বাউ|আলতাফ মাহমুদ}}
* {{বাউ|আলতাফ হোসেইন}}
* {{বাউ|আলতাফ হোসেন (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আলতাফ হোসেন (কবি)}}
* {{বাউ|আলতামাস আহমেদ}}
* {{বাউ|আলপনা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|আলফ্রেড উডলি ক্রফট}}
* {{বাউ|আলভী আহমেদ}}
* {{বাউ|আলম আরা জুঁই}}
* {{বাউ|আলম খান}}
* {{বাউ|আলম খোরশেদ}}
* {{বাউ|আলমগীর (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|আলমগীর কুমকুম}}
* {{বাউ|আলমগীর মোহাম্মদ সিরাজুদ্দীন}}
* {{বাউ|আলাউদ্দিন আলী}}
* {{বাউ|আলাউদ্দিন আহম্মদ}}
* {{বাউ|আলাউদ্দিন খাঁ}}
* {{বাউ|আলী আকবর খাঁ}}
* {{বাউ|আলী আকবর রুপু}}
* {{বাউ|আলী আকরাম শুভ}}
* {{বাউ|আলী আজগর}}
* {{বাউ|আলী আশরাফ (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আলী আহমদ}}
* {{বাউ|আলী ইমাম}}
* {{বাউ|আলী কায়সার হাসান মোর্শেদ}}
* {{বাউ|আলী মনসুর}}
* {{বাউ|আলী রীয়াজ}}
* {{বাউ|আলী হোসেন (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|আলেকজান্ডার পেডলার}}
* {{বাউ|আশফাকুল ইসলাম}}
* {{বাউ|আশরফি খানম}}
* {{বাউ|আশরাফ আলী খান চৌধুরী}}
* {{বাউ|আশরাফ শিশির}}
* {{বাউ|আশরাফ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|আশরাফ-উজ-জামান খান}}
* {{বাউ|আশরাফুদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|আশরাফুল আলম (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আশা মেহরিন আমিন}}
* {{বাউ|আশালতা সিংহ}}
* {{বাউ|আশালতা সেন}}
* {{বাউ|আশিক চৌধুরী}}
* {{বাউ|আশিকুজ্জামান (জেনারেল)}}
* {{বাউ|আশিকুর রহমান}}
* {{বাউ|আশীষ রঞ্জন দাস}}
* {{বাউ|আশুতোষ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আশুতোষ চৌধুরী (আইনজীবি)}}
* {{বাউ|আশুতোষ সুজন}}
* {{বাউ|আশুতোষ সেন}}
* {{বাউ|আশ্চর্যময়ী}}
* {{বাউ|আসকার ইবনে শাইখ}}
* {{বাউ|আসফার হোসেন মোল্লা}}
* {{বাউ|আসমত আলী শিকদার}}
* {{বাউ|আসলাম সানী}}
* {{বাউ|আসহাব উদ্দীন}}
* {{বাউ|আসহাব উদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|আসহাব-উল-হক}}
* {{বাউ|আসাদ আলম সিয়াম}}
* {{বাউ|আসাদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আসাদ বিন হাফিজ}}
* {{বাউ|আসাদ মান্নান}}
* {{বাউ|আসাদুজ্জামান খান}}
* {{বাউ|আসিফ ইকবাল (গীতিকার)}}
* {{বাউ|আহমদ আবদুল কাদের}}
* {{বাউ|আহমদ আলী এনায়েতপুরী}}
* {{বাউ|আহমদ জামান চৌধুরী}}
* {{বাউ|আহমদ রফিক}}
* {{বাউ|আহমদ শামসুল ইসলাম}}
* {{বাউ|আহমাদ মোস্তফা কামাল}}
* {{বাউ|আহমেদ আলী}}
* {{বাউ|আহমেদ ইকবাল হায়দার}}
* {{বাউ|আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল}}
* {{বাউ|আহমেদ শফি}}
* {{বাউ|আহমেদ সোহেল}}
* {{বাউ|আহমেদুর রশিদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আহম্মদ আলী}}
* {{বাউ|আহসান এইচ মনসুর}}
* {{বাউ|আহসান হাবীব (কার্টুনিস্ট)}}
* {{বাউ|ইউজিন লাঁফৌ}}
* {{বাউ|ইউনুস আলী সরকার}}
* {{বাউ|ইউয়ান ৎসে লি}}
* {{বাউ|ইউসুফ আবদুল্লাহ সুমন}}
* {{বাউ|ইউসুফ আলী খান}}
* {{বাউ|ইউসুফ আলী মোল্লা}}
* {{বাউ|ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন}}
* {{বাউ|ইকতিয়ার চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইকবাল আসিফ জুয়েল}}
* {{বাউ|ইকবাল আহমেদ (সঙ্গীতশিল্পী)}}
* {{বাউ|ইকবাল কাদির}}
* {{বাউ|ইকবাল খন্দকার}}
* {{বাউ|ইকবাল মাহমুদ}}
* {{বাউ|ইকবাল সোবহান চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইকবাল হোসেন খান}}
* {{বাউ|ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ}}
* {{বাউ|ইতরাত হোসেন জুবেরী}}
* {{বাউ|ইনামুল হক}}
* {{বাউ|ইন্ডালো}}
* {{বাউ|ইন্দিরা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ইন্দিরা দেবী}}
* {{বাউ|ইন্দিরা নাথ}}
* {{বাউ|ইন্দিরা ব্যানার্জি}}
* {{বাউ|ইন্দিরাদেবী রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইন্দু মিঠা}}
* {{বাউ|ইন্দুভূষণ রক্ষিত}}
* {{বাউ|ইন্দ্রকুমার রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইন্দ্রজিৎ প্রসাদ}}
* {{বাউ|ইন্দ্রজিৎ হাজরা}}
* {{বাউ|ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|ইন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ইন্দ্রনাথ রুদ্র}}
* {{বাউ|ইন্দ্রমোহন রাজবংশী}}
* {{বাউ|ইন্দ্রাণী বসু}}
* {{বাউ|ইপ্সিতা রায় চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইফতেখার চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইফতেখারুজ্জামান}}
* {{বাউ|ইফফাত আরা}}
* {{বাউ|ইফফাত আরা দেওয়ান}}
* {{বাউ|ইবনে ইমাম}}
* {{বাউ|ইবনে মিজান}}
* {{বাউ|ইবরাহীম আলী তশনা}}
* {{বাউ|ইবরাহীম খাঁ}}
* {{বাউ|ইব্রাহিম আহমেদ কমল}}
* {{বাউ|ইব্রাহীম খলিল (নাট্যকার)}}
* {{বাউ|ইমতিয়াজ মাহমুদ}}
* {{বাউ|ইমতিয়াজ হোসেন (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|ইমতিয়ার শামীম}}
* {{বাউ|ইমদাদ হোসেন}}
* {{বাউ|ইমন চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইমন সাহা}}
* {{বাউ|ইমরান এইচ সরকার}}
* {{বাউ|ইমরান মাহমুদুল}}
* {{বাউ|ইমরান সিদ্দিক}}
* {{বাউ|ইমাউল হক}}
* {{বাউ|ইমাম হোসেন চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইয়াকুব আলী শরীফ}}
* {{বাউ|ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ}}
* {{বাউ|ইয়াসমিন মোর্শেদ}}
* {{বাউ|ইয়েন ইয়েন}}
* {{বাউ|ইলা মজুমদার}}
* {{বাউ|ইসমাইল খান}}
* {{বাউ|ইসমাইল ফারুক চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইসমাইল মোহাম্মাদ}}
* {{বাউ|ইসমাইল হোসেন তালুকদার}}
* {{বাউ|ইসমাত জাহান}}
* {{বাউ|ইসরাইল খান}}
* {{বাউ|ইসহাক কাজল}}
* {{বাউ|ইসহাক খান}}
* {{বাউ|ইসহাক ফরিদী}}
* {{বাউ|ইস্পাহানী-আরিফ জাহান}}
* {{বাউ|ঈশা মহম্মদ}}
* {{বাউ|ঈশানচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ঈশানচন্দ্র বসু}}
* {{বাউ|উকিল মুন্সী}}
* {{বাউ|উজ্জ্বল (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|উজ্জ্বল মৌলিক}}
* {{বাউ|উত্তম আকাশ}}
* {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারী}}
* {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|উবায়দুর রহমান খান নদভী}}
* {{বাউ|উবায়দুল কবীর চৌধুরী}}
* {{বাউ|উমা মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|উমাপতিধর}}
* {{বাউ|উমেশচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|উমেশচন্দ্র বটব্যাল}}
* {{বাউ|উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|উৎপলকুমার বসু}}
* {{বাউ|উৎপলেন্দু চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ঊষা গাঙ্গুলি}}
* {{বাউ|ঊষা রঞ্জন ঘটক}}
* {{বাউ|ঊষা সেন}}
* {{বাউ|ঋজুদা}}
* {{বাউ|ঋতুরাজ ভৌমিক}}
* {{বাউ|ঋতেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|ঋষি চন্দ}}
* {{বাউ|ঋষিবর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|এ আই এম মোস্তফা রেজা নূর}}
* {{বাউ|এ এইচ এম এনায়েত হোসেন}}
* {{বাউ|এ এইচ এম জেহাদুল করিম}}
* {{বাউ|এ এইচ এম তৌহিদুল আনোয়ার চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ এইচ দিলদার আহমদ}}
* {{বাউ|এ এইচ মোফাজ্জল করিম}}
* {{বাউ|এ এন এম গোলাম মোস্তফা}}
* {{বাউ|এ এফ এম আবদুল আলীম চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ এফ এম নাজমুল হুদা}}
* {{বাউ|এ এফ এম মফিজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এ এম এ এম জোনায়েদ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ কে আজাদ খান}}
* {{বাউ|এ কে এম ইউসুফ}}
* {{বাউ|এ কে এম ইয়াকুব আলী}}
* {{বাউ|এ কে এম কামারুজ্জামান}}
* {{বাউ|এ কে এম জহিরুল হক}}
* {{বাউ|এ কে এম জহিরুল হক (বিচারক)}}
* {{বাউ|এ কে এম জাকির হোসেন}}
* {{বাউ|এ কে এম নুরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এ কে এম নূরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এ কে এম নূরুল হক}}
* {{বাউ|এ কে এম শহীদুল করিম}}
* {{বাউ|এ কে এম শামসুল হক}}
* {{বাউ|এ কে এম সাঈদুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ কে এম সাদেক}}
* {{বাউ|এ কে এম সিদ্দিক}}
* {{বাউ|এ কে এম হাফিজউদ্দিন}}
* {{বাউ|এ কে নাজমুল করিম}}
* {{বাউ|এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|এ কে বদরুল হক}}
* {{বাউ|এ জে এম নূরুদ্দীন চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ জে মিন্টু}}
* {{বাউ|এ জেড এম জাহিদ হোসেন}}
* {{বাউ|এ জেড এম মোস্তাক হোসেন}}
* {{বাউ|এ টি এম আলমগীর}}
* {{বাউ|এ টি এম জহুরুল হক}}
* {{বাউ|এ বি এম আবদুর রহিম}}
* {{বাউ|এ বি এম আব্দুল্লাহ}}
* {{বাউ|এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এ বি এম মূসা}}
* {{বাউ|এ বি এম রাশেদুল হাসান}}
* {{বাউ|এ বি এম শওকত আলী}}
* {{বাউ|এ, জে, মোহাম্মদ আলী}}
* {{বাউ|এ. এইচ. এম. মনিরুজ্জামান}}
* {{বাউ|এ. এইচ. এস. আতাউল করিম}}
* {{বাউ|এ. এইচ. জি. মহিউদ্দিন}}
* {{বাউ|এ. এন. এম মমতাজ উদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ. এন. এম. নূরুজ্জামান}}
* {{বাউ|এ. এন. এম. হামিদুল্লাহ্}}
* {{বাউ|এ. এফ. ইমাম আলি}}
* {{বাউ|এ. এফ. এম. আওরঙ্গজেব}}
* {{বাউ|এ. এফ. এম. আবদুল মঈন}}
* {{বাউ|এ. এফ. এম. আব্দুর রহমান}}
* {{বাউ|এ. এফ. এম. এন্তাজ আলী}}
* {{বাউ|এ. এফ. সালাহ্উদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|এ. এফ. হাসান আরিফ}}
* {{বাউ|এ. এম. আমিনুল হক}}
* {{বাউ|এ. এস. এম. আব্দুল মোবিন}}
* {{বাউ|এ. কিউ. এম. বজলুল করিম}}
* {{বাউ|এ. কিউ. এম. মাহবুব}}
* {{বাউ|এ. কে. এম. আসাদুজ্জামান}}
* {{বাউ|এ. কে. এম. আহসান আলী}}
* {{বাউ|এ. কে. এম. সিরাজুল ইসলাম খান}}
* {{বাউ|এ. কে. নাজিরউদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|এ. টি. এম. আফজাল}}
* {{বাউ|এ. টি. এম. শামসুদ্দিন}}
* {{বাউ|এ. বি. এম. খায়রুল হক}}
* {{বাউ|এ. বি.এম. আলতাফ হোসেন}}
* {{বাউ|এ.এইচ.এম. শামসুর রহমান}}
* {{বাউ|এ.ওয়াই.বি আই সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|এ.কে.এম. রবিউল হাসান}}
* {{বাউ|এ.টি.এম. ফজলে কবির}}
* {{বাউ|এআরএম ইনামুল হক}}
* {{বাউ|এআরএম লুৎফুল কবীর}}
* {{বাউ|এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে}}
* {{বাউ|এইচ এম জহিরুল হক}}
* {{বাউ|এএসএম মতিউর রহমান}}
* {{বাউ|একরামউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী}}
* {{বাউ|একেএম আবদুর রউফ}}
* {{বাউ|একেএম আমিনুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|একেএম আসাদুল হক}}
* {{বাউ|একেএম বজলুল করিম}}
* {{বাউ|একেএম শহীদুল হক}}
* {{বাউ|একেনবাবু}}
* {{বাউ|এখলাসউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|এজাজ ইউসুফী}}
* {{বাউ|এজাজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এঞ্জেলা গোমেজ}}
* {{বাউ|এণাক্ষী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|এনামুর রহমান}}
* {{বাউ|এনামুল করিম নির্ঝর}}
* {{বাউ|এনামুল বাশার}}
* {{বাউ|এনামুল হক (পুলিশ কর্মকর্তা)}}
* {{বাউ|এনামুল হক (প্রত্নতাত্ত্বিক)}}
* {{বাউ|এনামুল হক (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|এনামুল হক মোস্তফা শহীদ}}
* {{বাউ|এনায়েত করিম}}
* {{বাউ|এনায়েত হোসেন খান}}
* {{বাউ|এনায়েতউল্লাহ খান}}
* {{বাউ|এনায়েতুল্লাহ্ খান}}
* {{বাউ|এনিগমা (মার্ভেল কমিক্স)}}
* {{বাউ|এন্ড্রু বিরাজ}}
* {{বাউ|এফ আই মানিক}}
* {{বাউ|এফ এ সুমন}}
* {{বাউ|এফআরএম নাজমুল আহসান}}
* {{বাউ|এবাদুর রহমান}}
* {{বাউ|এবিএম নুরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এব্রাহাম মজুমদার}}
* {{বাউ|এম অহিদুজ্জামান}}
* {{বাউ|এম আনোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|এম আবদুর রহমান}}
* {{বাউ|এম আবদুল কাদির ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|এম আবদুস সোবহান (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|এম আর আখতার মুকুল}}
* {{বাউ|এম আর কবির}}
* {{বাউ|এম আলাউদ্দিন}}
* {{বাউ|এম আল্লামা সিদ্দিকি}}
* {{বাউ|এম ইউসুফ আলী}}
* {{বাউ|এম ইকবাল আর্সলান}}
* {{বাউ|এম ইদ্রিস}}
* {{বাউ|এম ইন্নাস আলী}}
* {{বাউ|এম এ ওয়াজেদ মিয়া}}
* {{বাউ|এম এ ওয়াদুদ}}
* {{বাউ|এম এ খালেক}}
* {{বাউ|এম এ জাহের (ভূতাত্ত্বিক)}}
* {{বাউ|এম এ মাজিদ}}
* {{বাউ|এম এ মান্নান (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|এম এ মান্নান (স্নায়ুবিদ)}}
* {{বাউ|এম এ মালেক (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|এম এ মোবিন}}
* {{বাউ|এম এ সাত্তার মণ্ডল}}
* {{বাউ|এম এ হক (কবি)}}
* {{বাউ|এম এ হাদী}}
* {{বাউ|এম এ হামিদ}}
* {{বাউ|এম এ হাসান}}
* {{বাউ|এম এনায়েতুর রহিম}}
* {{বাউ|এম এম রহমত উল্লাহ}}
* {{বাউ|এম এম রেজাউল করিম}}
* {{বাউ|এম এস স্বামীনাথন}}
* {{বাউ|এম ওসমান গনি তালুকদার}}
* {{বাউ|এম কিউ কে তালুকদার}}
* {{বাউ|এম কোরবান আলী}}
* {{বাউ|এম খায়রুল হোসেন}}
* {{বাউ|এম ফাতেমা খানম}}
* {{বাউ|এম ফিরোজ আহমেদ}}
* {{বাউ|এম বি মানিক}}
* {{বাউ|এম মহবুবউজ্জামান}}
* {{বাউ|এম মোখলেসুর রহমান চৌধুরী}}
* {{বাউ|এম মোজাম্মেল হক}}
* {{বাউ|এম রফিকুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এম শমশের আলী}}
* {{বাউ|এম শহিদুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এম শামসুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এম সাইদুজ্জামান}}
* {{বাউ|এম সাইদুর রহমান খান}}
* {{বাউ|এম সি চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|এম হামিদ}}
* {{বাউ|এম. আজিজুর রহমান}}
* {{বাউ|এম. আমিনুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এম. এ. আজিজ (নির্বাচন কমিশনার)}}
* {{বাউ|এম. এইচ. খন্দকার}}
* {{বাউ|এম. এম. রুহুল আমিন}}
* {{বাউ|এম. খায়রুল আলম খান}}
* {{বাউ|এম. গোলাম শাহি আলম}}
* {{বাউ|এম. জাহিদ হাসান}}
* {{বাউ|এম. নুরুল্লাহ}}
* {{বাউ|এম. মোয়াজ্জম হোসেন}}
* {{বাউ|এম. শামসুর রহমান}}
* {{বাউ|এম. সাখাওয়াত হোসেন}}
* {{বাউ|এম. হুমায়ুন কবির}}
* {{বাউ|এম. হোসেন আলী}}
* {{বাউ|এমদাদুল হক আজাদ}}
* {{বাউ|এমদাদুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|এমরান আহমদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|এমাজউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|এল. কে. সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|এলিটা করিম}}
* {{বাউ|এস আই এম নূরুন্নবী খান}}
* {{বাউ|এস আই টুটুল}}
* {{বাউ|এস এ হক অলিক}}
* {{বাউ|এস এম আব্রাহাম লিংকন}}
* {{বাউ|এস এম আমজাদ হোসেন}}
* {{বাউ|এস এম আহমেদ হুমায়ুন}}
* {{বাউ|এস এম এমদাদুল হক}}
* {{বাউ|এস এম কুদ্দুস জামান}}
* {{বাউ|এস এম মহসীন}}
* {{বাউ|এস এম মাসুদ হোসেন দোলন}}
* {{বাউ|এস এম মাহফুজুর রহমান}}
* {{বাউ|এস এম সোলায়মান}}
* {{বাউ|এস ডি রুবেল}}
* {{বাউ|এস. এ. বারী}}
* {{বাউ|এস. এ. মালেক}}
* {{বাউ|এস. এম. আল হোসাইনী}}
* {{বাউ|এস. এম. এ. রাশীদুল হাসান}}
* {{বাউ|এস. এম. মজিবুর রহমান}}
* {{বাউ|এস. এম. মনিরুজ্জামান}}
* {{বাউ|এস. এম. সিরিল}}
* {{বাউ|এস. এম. হারুন-অর-রশীদ}}
* {{বাউ|এস.এম আবুল কালাম}}
* {{বাউ|এস.এম. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু}}
* {{বাউ|এসকে. তাহসিন আলী}}
* {{বাউ|এহতেশাম}}
* {{বাউ|ওবায়দুল হাসান}}
* {{বাউ|ওবায়দুল্লাহ আল ওবায়দী সোহরাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|ওবায়দুল্লাহ হামযাহ}}
* {{বাউ|ওমর আলী}}
* {{বাউ|ওমর ইশরাক}}
* {{বাউ|ওমর ফারুক ইউসুফ}}
* {{বাউ|ওয়াকিল আহমদ}}
* {{বাউ|ওয়াকিল আহাদ}}
* {{বাউ|ওয়াজেদ আলী সুমন}}
* {{বাউ|ওয়াসফিয়া নাজরীন}}
* {{বাউ|ওয়াসি আহমেদ}}
* {{বাউ|ওয়াহিদ ইবনে রেজা}}
* {{বাউ|ওয়াহিদউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ}}
* {{বাউ|ওয়াহিদা আক্তার}}
* {{বাউ|ওয়াহিদুল হক}}
* {{বাউ|ওসমান গণি}}
* {{বাউ|ওসমান সরওয়ার আলম চৌধুরী}}
* {{বাউ|ওস্তাদ বাবর আলী খান}}
* {{বাউ|ওহিদুর রহমান}}
* {{বাউ|ওহিদুল আলম}}
* {{বাউ|ওহীদুল আলম}}
* {{বাউ|কঙ্কনা সেন শর্মা}}
* {{বাউ|কঙ্কর শুভ্র দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|কছিম উদ্দিন}}
* {{বাউ|কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কনক কান্তি বড়ুয়া}}
* {{বাউ|কনকচাঁপা}}
* {{বাউ|কফিল আহমেদ}}
* {{বাউ|কফিলউদ্দিন মাহমুদ}}
* {{বাউ|কবরী}}
* {{বাউ|কবিচন্দ্র রামকৃষ্ণ রায়}}
* {{বাউ|কবিতা খানম}}
* {{বাউ|কবিতা সিংহ}}
* {{বাউ|কবির বকুল}}
* {{বাউ|কবির হোসেন}}
* {{বাউ|কবীন্দ্র পরমেশ্বর}}
* {{বাউ|কবীর সুমন}}
* {{বাউ|কমল দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|কমলকুমার মজুমদার}}
* {{বাউ|কমলা সাংকৃত্যায়ন}}
* {{বাউ|কমলাদেবী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|করিমুন্নেসা খানম চৌধুরানী}}
* {{বাউ|করুণা সাহা}}
* {{বাউ|করুণাময় গোস্বামী}}
* {{বাউ|কর্নেল নীলাদ্রি সরকার}}
* {{বাউ|কলাবতী (কাল্পনিক চরিত্র)}}
* {{বাউ|কলিম শরাফী}}
* {{বাউ|কল্কেকাশি}}
* {{বাউ|কল্পতরু সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|কল্পনা আখতার}}
* {{বাউ|কল্পনা চাকমা}}
* {{বাউ|কল্যাণ মিত্র}}
* {{বাউ|কল্যাণ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কল্যাণী ঘোষ}}
* {{বাউ|কসিমউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|কসিরউদ্দিন তালুকদার}}
* {{বাউ|কাইজার চৌধুরী}}
* {{বাউ|কাইয়ুম চৌধুরী}}
* {{বাউ|কাওসার আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|কাওসার চৌধুরী}}
* {{বাউ|কাকাবাবু}}
* {{বাউ|কাজল আরেফিন অমি}}
* {{বাউ|কাজল বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কাজি হাসমত আলী}}
* {{বাউ|কাজী আকরম হোসেন}}
* {{বাউ|কাজী আজহার আলী}}
* {{বাউ|কাজী আজিজুল মাওলা}}
* {{বাউ|কাজী আনোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|কাজী আনোয়ার হোসেন (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|কাজী আনোয়ারা মনসুর}}
* {{বাউ|কাজী আফসারউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|কাজী আবদুল আলীম}}
* {{বাউ|কাজী আবদুল ফাত্তাহ}}
* {{বাউ|কাজী আবুল কাসেম (কার্টুনিস্ট)}}
* {{বাউ|কাজী আবুল মনসুর}}
* {{বাউ|কাজী ইবাদত হোসেন}}
* {{বাউ|কাজী ইমদাদুল হক}}
* {{বাউ|কাজী এবাদুল হক}}
* {{বাউ|কাজী এম বদরুদ্দোজা}}
* {{বাউ|কাজী ওয়ালিউল ইসলাম}}
* {{বাউ|কাজী কাদের নেওয়াজ}}
* {{বাউ|কাজী কামরুজ্জামান}}
* {{বাউ|কাজী কৃষ্ণকলি ইসলাম}}
* {{বাউ|কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ}}
* {{বাউ|কাজী গোলাম দস্তগীর}}
* {{বাউ|কাজী গোলাম মাহবুব}}
* {{বাউ|কাজী গোলাম মুস্তাফা}}
* {{বাউ|কাজী গোলাম রসূল}}
* {{বাউ|কাজী জহির}}
* {{বাউ|কাজী জহিরুল হক}}
* {{বাউ|কাজী জিনাত হক}}
* {{বাউ|কাজী তরিকুল ইসলাম}}
* {{বাউ|কাজী দীন মুহাম্মদ (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|কাজী মাসুম আখতার}}
* {{বাউ|কাজী মুতাসিম বিল্লাহ}}
* {{বাউ|কাজী মুহম্মদ মনজুরে মওলা}}
* {{বাউ|কাজী মোঃ ইজারুল হক আকন্দ}}
* {{বাউ|কাজী মোরশেদ}}
* {{বাউ|কাজী রওশন আক্তার}}
* {{বাউ|কাজী রেজা-উল হক}}
* {{বাউ|কাজী রোজী}}
* {{বাউ|কাজী শহীদুন নবী}}
* {{বাউ|কাজী শুভ}}
* {{বাউ|কাজী সব্যসাচী}}
* {{বাউ|কাজী সাইফুদ্দীন}}
* {{বাউ|কাজী সাজ্জাদ হোসেন}}
* {{বাউ|কাজী হায়াৎ}}
* {{বাউ|কাজী হাসান হাবিব}}
* {{বাউ|কাজেম আলী}}
* {{বাউ|কাত্যায়নী দাস ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|কাদম্বরী দেবী}}
* {{বাউ|কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কাদেরী কিবরিয়া}}
* {{বাউ|কানকাটা রমজান}}
* {{বাউ|কানাই লাল দে}}
* {{বাউ|কানাইলাল শীল}}* {{বাউ|কানাহরি দত্ত}}
* {{বাউ|কানু রায়}}
* {{বাউ|কাবেরী গায়েন}}
* {{বাউ|কামরুদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|কামরুন নাহার}}
* {{বাউ|কামরুন নাহার (সরকারি কর্মকর্তা)}}
* {{বাউ|কামরুন নাহার বেগম}}
* {{বাউ|কামরুন নেছা নীলু}}
* {{বাউ|কামরুল আলম খান}}
* {{বাউ|কামরুল আহসান}}
* {{বাউ|কামরুল আহসান (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|কামরুল ইসলাম (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|কামরুল ইসলাম সিদ্দিক}}
* {{বাউ|কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|কামরুল হাসান}}
* {{বাউ|কামরুল হাসান খান}}
* {{বাউ|কামরুল হাসান ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|কামাক্ষীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কামার আহমাদ সাইমন}}
* {{বাউ|কামাল আহমেদ}}
* {{বাউ|কামাল উদ্দিন}}
* {{বাউ|কামাল উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|কামাল লোহানী}}
* {{বাউ|কামাল হোসেন}}
* {{বাউ|কামালউদ্দিন হোসেন}}
* {{বাউ|কামালুদ্দীন জাফরী}}
* {{বাউ|কামিনী কুমার দত্ত}}
* {{বাউ|কামিনীকুমার ঘোষ}}
* {{বাউ|কায়সার হামিদুল হক}}
* {{বাউ|কায়সুল হক}}
* {{বাউ|কায়েস উদ্দিন}}
* {{বাউ|কার্তিকচন্দ্র দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|কালিকারঞ্জন কানুনগো}}
* {{বাউ|কালিচন্দ্র রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|কালিদাস কর্মকার}}
* {{বাউ|কালিদাস নাগ}}
* {{বাউ|কালিদাস ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|কালীকান্ত চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কালীকৃষ্ণ মিত্র}}
* {{বাউ|কালীনাথ দত্ত}}
* {{বাউ|কালীনাথ রায়}}
* {{বাউ|কালীপদ পাঠক}}
* {{বাউ|কালীপদ বসু}}
* {{বাউ|কালীপদ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|কালীপদ সেন}}
* {{বাউ|কালীপ্রসন্ন কাব্যবিশারদ}}
* {{বাউ|কালীপ্রসন্ন সিংহ}}
* {{বাউ|কালীমোহন ঘোষ}}
* {{বাউ|কাশীরাম দাস}}
* {{বাউ|কাশেফা হোসেন}}
* {{বাউ|কাসেম বিন আবুবাকার}}
* {{বাউ|কিউ এ বি এম রহমান}}
* {{বাউ|কিউ.এ.এম.এ রহিম}}
* {{বাউ|কিকিরা}}
* {{বাউ|কিরণ সেন}}
* {{বাউ|কিরণচন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কিরণশঙ্কর সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|কিরীটী রায়}}
* {{বাউ|কিশোর কুমার}}
* {{বাউ|কিশোরীচাঁদ মিত্র}}
* {{বাউ|কিশোরীমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কুঞ্জলাল নাগ}}
* {{বাউ|কুটি মনসুর}}
* {{বাউ|কুণাল বসু}}
* {{বাউ|কুদরত-ই-জাহান}}
* {{বাউ|কুদ্দুস বয়াতি}}
* {{বাউ|কুমকুম মুন্সী}}
* {{বাউ|কুমার বিশ্বজিৎ}}
* {{বাউ|কুমার রায়}}
* {{বাউ|কুমারপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কুমারেশ ঘোষ}}
* {{বাউ|কুমুদনাথ চৌধুরী}}
* {{বাউ|কুমুদশঙ্কর রায়}}
* {{বাউ|কুমুদিনী হাজং}}
* {{বাউ|কৃষ্ণ কুণ্ডু}}
* {{বাউ|কৃষ্ণ ধর}}
* {{বাউ|কৃষ্ণকমল ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|কৃষ্ণকালী মণ্ডল}}
* {{বাউ|কৃষ্ণকুমার মিত্র}}
* {{বাউ|কৃষ্ণচন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|কৃষ্ণদয়াল বসু}}
* {{বাউ|কৃষ্ণদাস কবিরাজ}}
* {{বাউ|কৃষ্ণদাস পাল}}
* {{বাউ|কৃষ্ণধন ঘোষ}}
* {{বাউ|কৃষ্ণনাথ রায়}}
* {{বাউ|কৃষ্ণভাবিনী দাস}}
* {{বাউ|কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কৃষ্ণরাম দাস}}
* {{বাউ|কৃষ্ণরাম ভট্টাচাৰ্য}}
* {{বাউ|কৃষ্ণা}}
* {{বাউ|কৃষ্ণা দেবনাথ}}
* {{বাউ|কৃষ্ণা বসু}}
* {{বাউ|কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশ}}
* {{বাউ|কে এম আলী আজম}}
* {{বাউ|কে এম আসাদ}}
* {{বাউ|কে এম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|কে এম মোহসীন}}
* {{বাউ|কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা}}
* {{বাউ|কে এম সোবহান}}
* {{বাউ|কে জি মুস্তফা}}
* {{বাউ|কে. এম. ইমরুল কায়েশ}}
* {{বাউ|কে. এম. কামরুল কাদের}}
* {{বাউ|কে. এম. জাহিদ সারওয়ার}}
* {{বাউ|কে. এম. শিহাব উদ্দিন}}
* {{বাউ|কে. এম. হাফিজুল আলম}}
* {{বাউ|কে. এম. হাসান}}
* {{বাউ|কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ}}
* {{বাউ|কেতকী কুশারী ডাইসন}}
* {{বাউ|কেতায়ুন আরদেশির দিনশ}}
* {{বাউ|কেদার ও বদ্রী}}
* {{বাউ|কেদারনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কেদারনাথ দাস}}
* {{বাউ|কেদারনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কেদারনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|কেদারেশ্বর বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কেরামত মওলা}}
* {{বাউ|কেশব চন্দ্র নাগ}}
* {{বাউ|কৈলাসচন্দ্র বসু}}
* {{বাউ|কৈলাসচন্দ্র বিদ্যাভূষণ}}
* {{বাউ|কোনাল}}
* {{বাউ|কোরেশী মাগন ঠাকুর}}
* {{বাউ|কৌশিক বসু}}
* {{বাউ|ক্যাথরিন মাসুদ}}
* {{বাউ|ক্রসউইন্ডস}}
* {{বাউ|ক্রিপটিক ফেইট}}
* {{বাউ|ক্লডিয়াস জেমস এরস্কাইন}}
* {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্র চন্দ্র বৈশ্য}}
* {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্রনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্রনারায়ণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্রমোহন নাহা}}
* {{বাউ|ক্ষিরোদচন্দ্র চৌধুরী}}
* {{বাউ|ক্ষীরোদপ্রসাদ বিদ্যাবিনোদ}}
* {{বাউ|ক্ষুদিরাম দাস}}
* {{বাউ|ক্ষেত্র গুপ্ত}}
* {{বাউ|ক্ষেত্রেশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|খগেন্দ্র চন্দ্র দাশ}}
* {{বাউ|খগেন্দ্রনাথ মিত্র}}
* {{বাউ|খন্দকার আবদুল হাফিজ}}
* {{বাউ|খন্দকার আবদুল হামিদ}}
* {{বাউ|খন্দকার আবু বকর (অ্যাটর্নি জেনারেল)}}
* {{বাউ|খন্দকার নুরুল আলম}}
* {{বাউ|খন্দকার মাহবুব উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|খন্দকার মাহবুব হোসেন}}
* {{বাউ|খন্দকার মুসা খালেদ}}
* {{বাউ|খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমান}}
* {{বাউ|খন্দকার মোহাম্মদ আশরাফুল মুনিম}}
* {{বাউ|খন্দকার শামস্ উদ্দিন আহাম্মাদ}}
* {{বাউ|খন্দকার সিদ্দিক-ই-রাব্বানী}}
* {{বাউ|খন্দকার সুমন}}
* {{বাউ|খলিল উল্লাহ খান}}
* {{বাউ|খলিলুর রহমান (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|খলিলুর রহমান (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|খলিলুর রহমান বাবর}}
* {{বাউ|খাঁন মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ্ আল মেহেদী}}
* {{বাউ|খাজা ওয়াসিউদ্দিন}}
* {{বাউ|খাজা মোহাম্মদ কায়সার}}
* {{বাউ|খাতুন সাপনারা}}
* {{বাউ|খাদেম হোসেন খান}}
* {{বাউ|খাদেমুল ইসলাম চৌধুরী}}
* {{বাউ|খান আসিফুর রহমান আগুন}}
* {{বাউ|খান বাহাদুর আবদুল করিম}}
* {{বাউ|খান বাহাদুর জিয়াউল হক}}
* {{বাউ|খান বাহাদুর হেমায়েত উদ্দিন আহম্মদ}}
* {{বাউ|খান মুহাম্মদ মঈনুদ্দীন}}
* {{বাউ|খান মোহাম্মদ ফারাবী}}
* {{বাউ|খান মোহাম্মদ সালেক}}
* {{বাউ|খান শামসুর রহমান}}
* {{বাউ|খান সারওয়ার মুরশিদ}}
* {{বাউ|খান-এ-সবুর}}
* {{বাউ|খায়রুজ্জামান}}
* {{বাউ|খায়রুল আনাম শাকিল}}
* {{বাউ|খায়রুল আলম সবুজ}}
* {{বাউ|খালিকুজ্জামান ইলিয়াস}}
* {{বাউ|খালিদ মাহমুদ মিঠু}}
* {{বাউ|খালিদ হাসান মিলু}}
* {{বাউ|খালিদ হোসেন}}
* {{বাউ|খালেক নওয়াজ খান}}
* {{বাউ|খালেক বিন জয়েন উদ্দীন}}
* {{বাউ|খালেকদাদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|খালেদ খান}}
* {{বাউ|খালেদা আদিব চৌধুরী}}
* {{বাউ|খালেদা একরাম}}
* {{বাউ|খালেদা মনযূর-এ-খুদা}}
* {{বাউ|খিজির আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|খিজির হায়াত}}
* {{বাউ|খিজির হায়াত খান}}
* {{বাউ|খুজিস্তা আখতার বানু}}
* {{বাউ|খুররম খান পন্নী}}
* {{বাউ|খুরশিদ আলম}}
* {{বাউ|খুরশিদ খান}}
* {{বাউ|খুশি কবীর}}
* {{বাউ|খোদা বক্স}}
* {{বাউ|খোদেজা আজম}}
* {{বাউ|খোদেজা খাতুন}}
* {{বাউ|খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ}}
* {{বাউ|খোন্দকার দিলীরুজ্জামান}}
* {{বাউ|খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|খোন্দকার নাসিরউদ্দিন}}
* {{বাউ|খোন্দকার মনোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|খোশনূর আলমগীর}}
* {{বাউ|খ্যান্ত বালা রায়}}
* {{বাউ|গওহর জামিল}}
* {{বাউ|গগনচন্দ্র বিশ্বাস}}
* {{বাউ|গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|গঙ্গাধর সেন রায়}}
* {{বাউ|গঙ্গাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|গজেন্দ্রকুমার মিত্র}}
* {{বাউ|গণেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|গণেশ পাইন}}
* {{বাউ|গণেশ হালুই}}
* {{বাউ|গন্ডালু}}
* {{বাউ|গমির উদ্দিন প্রধান}}
* {{বাউ|গাজী আতাউর রহমান}}
* {{বাউ|গাজী আবদুল হাকিম}}
* {{বাউ|গাজী আব্দুল হক}}
* {{বাউ|গাজী এমএইচ তামিম}}
* {{বাউ|গাজী নাফিস আহমেদ}}
* {{বাউ|গাজী মাজহারুল আনোয়ার}}
* {{বাউ|গাজী রাকায়েত}}
* {{বাউ|গাজী শামছুর রহমান}}
* {{বাউ|গাজীউল হক}}
* {{বাউ|গাজীউল হাসান খান}}
* {{বাউ|গান্ধী আশ্রম}}
* {{বাউ|গান্ধী আশ্রম ট্রাস্ট}}
* {{বাউ|গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক}}
* {{বাউ|গার্গী গুপ্ত}}
* {{বাউ|গিয়াস উদ্দিন সেলিম}}
* {{বাউ|গিয়াস কামাল চৌধুরী}}
* {{বাউ|গিয়াসউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|গিয়াসউদ্দীন মিয়া}}
* {{বাউ|গিয়াসুদ্দিন দালাল}}
* {{বাউ|গিরিজাপতি ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|গিরিবালা দেবী}}
* {{বাউ|গিরিশ চন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|গিরিশচন্দ্র ঘোষ (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|গিরিশচন্দ্র বিদ্যারত্ন}}
* {{বাউ|গিরীন্দ্রশেখর বসু}}
* {{বাউ|গিরীশ চন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|গীতা মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|গুণময় মান্না}}
* {{বাউ|গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|গুরুনাথ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|গুরুপ্রসাদ সেন}}
* {{বাউ|গুরুসদয় দত্ত}}
* {{বাউ|গুল মোহাম্মদ খাঁ}}
* {{বাউ|গোকুলচন্দ্র নাগ}}
* {{বাউ|গোগোল}}
* {{বাউ|গোপাল ঘোষ}}
* {{বাউ|গোপাল চন্দ্র লাহিড়ী}}
* {{বাউ|গোপাল হালদার}}
* {{বাউ|গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|গোপালচন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|গোপালদাস চৌধুরী}}
* {{বাউ|গোপালদাস মজুমদার}}
* {{বাউ|গোপালের মা}}
* {{বাউ|গোপেন্দ্রকৃষ্ণ বসু}}
* {{বাউ|গোবর্ধন আচার্য}}
* {{বাউ|গোবর্ধন আশ}}
* {{বাউ|গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর}}
* {{বাউ|গোবিন্দচন্দ্র দাস}}
* {{বাউ|গোবিন্দচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|গোবিন্দদাস}}
* {{বাউ|গোয়েন্দা কৌশিক}}
* {{বাউ|গোয়েন্দা গার্গী}}
* {{বাউ|গোয়েন্দা বরদাচরণ}}
* {{বাউ|গোলাপ মা}}
* {{বাউ|গোলাম আবু জাকারিয়া}}
* {{বাউ|গোলাম আরিফ টিপু}}
* {{বাউ|গোলাম আলী চৌধুরী}}
* {{বাউ|গোলাম কবীর}}
* {{বাউ|গোলাম কাসেম}}
* {{বাউ|গোলাম কিবরিয়া ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|গোলাম কুদ্দুস}}
* {{বাউ|গোলাম জিলানী চৌধুরী}}
* {{বাউ|গোলাম মওলা}}
* {{বাউ|গোলাম মর্তুজা মজুমদার}}
* {{বাউ|গোলাম মাওলা (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|গোলাম মুরশিদ}}
* {{বাউ|গোলাম মুসাব্বির রাকিব}}
* {{বাউ|গোলাম মুস্তাফা (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|গোলাম মুস্তাফা (আলোকচিত্র শিল্পী)}}
* {{বাউ|গোলাম মোস্তফা}}
* {{বাউ|গোলাম মোস্তফা (শহীদ বুদ্ধিজীবী)}}
* {{বাউ|গোলাম মোস্তফা খান (নৃত্যশিল্পী)}}
* {{বাউ|গোলাম রহমান (শিশুসাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|গোলাম রাব্বানী বিপ্লব}}
* {{বাউ|গোলাম সাকলায়েন}}
* {{বাউ|গোলাম সামদানী কোরায়শী}}
* {{বাউ|গোলাম সামদানী ফকির}}
* {{বাউ|গোলাম সারওয়ার}}
* {{বাউ|গোলাম সারওয়ার (কূটনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|গোলাম হাসনায়েন}}
* {{বাউ|গৌতম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|গৌতম চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|গৌতম বসু}}
* {{বাউ|গৌতম বুদ্ধ দাশ}}
* {{বাউ|গৌতম ভদ্র}}
* {{বাউ|গৌর গোপাল সাহা}}
* {{বাউ|গৌরগোবিন্দ রায়}}
* {{বাউ|গৌরচন্দ্র বালা}}
* {{বাউ|গৌরদাস বসাক}}
* {{বাউ|গৌরমোহন আঢ্য}}
* {{বাউ|গৌরী আইয়ুব}}
* {{বাউ|গৌরী ধর্মপাল}}
* {{বাউ|গৌরী ভঞ্জ}}
* {{বাউ|গৌরী মা}}
* {{বাউ|গৌরী সেন}}
* {{বাউ|গৌরীশঙ্কর ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার}}
* {{বাউ|ঘনরাম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ঘনাদা}}
* {{বাউ|চক্রপাণি দত্ত}}
* {{বাউ|চঞ্চল কর্মকার}}
* {{বাউ|চঞ্চল কুমার মজুমদার}}
* {{বাউ|চণ্ডী লাহিড়ী}}
* {{বাউ|চণ্ডীচরণ মুনশী}}
* {{বাউ|চণ্ডীচরণ সেন}}
* {{বাউ|চণ্ডীদাস মাল}}
* {{বাউ|চন্দক সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|চন্দন কুমার ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|চন্দন বিশ্বাস}}
* {{বাউ|চন্দ্র কালিন্দী রায় হেনরিকসন}}
* {{বাউ|চন্দ্র শেখর দে}}
* {{বাউ|চন্দ্রকুমার দে}}
* {{বাউ|চন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|চন্দ্রমুখী বসু}}
* {{বাউ|চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন}}
* {{বাউ|চন্দ্রশেখর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|চন্দ্রিল ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|চপলাকান্ত ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|চয়নিকা চৌধুরী}}
* {{বাউ|চামেলী বসু}}
* {{বাউ|চারুচন্দ্র চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|চারুচন্দ্র বিশ্বাস}}
* {{বাউ|চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|চারুচন্দ্র সান্যাল}}
* {{বাউ|চারুলতা মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|চারুশিতা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|চাষী আলম}}
* {{বাউ|চাষী নজরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|চিণ্ময় শংকর দে}}
* {{বাউ|চিত্তরঞ্জন দেব}}
* {{বাউ|চিত্তরঞ্জন মাইতি}}
* {{বাউ|চিত্তরঞ্জন সাহা}}
* {{বাউ|চিত্রনিভা চৌধুরী}}
* {{বাউ|চিত্রা দত্ত}}
* {{বাউ|চিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায় দিবাকরূণী}}
* {{বাউ|চিত্রা মণ্ডল}}
* {{বাউ|চিদানন্দ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|চিন্তামণি কর}}
* {{বাউ|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
* {{বাউ|চিন্ময় গুহ}}
* {{বাউ|চিরকুট}}
* {{বাউ|চুণীলাল বসু}}
* {{বাউ|চুনি কোটাল}}
* {{বাউ|চৌধুরী আবদুল হাই}}
* {{বাউ|চৌধুরী এ.টি.এম মাসুদ}}
* {{বাউ|চৌধুরী গোলাম আকবর}}
* {{বাউ|চৌধুরী মাহমুদ হাসান}}
* {{বাউ|চৌধুরী মোফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|ছটকু আহমেদ}}
* {{বাউ|ছদরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ছন্দা গায়েন}}
* {{বাউ|ছবি বিশ্বাস}}
* {{বাউ|ছরওয়ার জান মিয়া}}
* {{বাউ|ছিদ্দিক আহমদ}}
* {{বাউ|জকি আহাদ}}
* {{বাউ|জগদীশ গুপ্ত}}
* {{বাউ|জগদীশ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|জগন্নাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জগন্নাথ তর্কপঞ্চানন}}
* {{বাউ|জগন্নাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|জগন্মোহিনী দেবী}}
* {{বাউ|জগুমামা}}
* {{বাউ|জন এলিয়ট ড্রিঙ্কওয়াটার বিটন}}
* {{বাউ|জন গোমেজ}}
* {{বাউ|জন প্যাক্সটন নরম্যান}}
* {{বাউ|জনাব আলী উকিল}}
* {{বাউ|জমির উদ্দিন সরকার}}
* {{বাউ|জয় ভট্টাচার্য (চিকিৎসক-বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|জয় সরকার}}
* {{বাউ|জয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জয়গোপাল তর্কালঙ্কার}}
* {{বাউ|জয়তী বসু}}
* {{বাউ|জয়দীপ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|জয়দেব}}
* {{বাউ|জয়দেব মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জয়নুল আবেদীন জায়েদী}}
* {{বাউ|জয়ন্ত (গোয়েন্দা)}}
* {{বাউ|জয়ন্ত দে}}
* {{বাউ|জয়ন্ত বন্দ্যোপাধ্যায় (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|জয়ন্তানুজ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জয়শ্রী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জয়শ্রী বর্মণ}}
* {{বাউ|জয়া পতি}}
* {{বাউ|জর্জ র্যাঙ্কিন (বিচারক)}}
* {{বাউ|জর্জ হ্যারি ল্যাংলি}}
* {{বাউ|জলধর সেন}}
* {{বাউ|জলের গান}}
* {{বাউ|জসিম উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|জসিম সালাম}}
* {{বাউ|জসিমুদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|জসীম উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|জহিরুদ্দিন (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|জহিরুল আলম সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|জহুর হোসেন চৌধুরী}}
* {{বাউ|জহুরুল করিম}}
* {{বাউ|জহুরুল হক (অনুবাদক)}}
* {{বাউ|জাইমা রহমান}}
* {{বাউ|জাওয়াদুল হক}}
* {{বাউ|জাওয়েদ করিম}}
* {{বাউ|জাকিয়া সুলতানা}}
* {{বাউ|জাকির খান}}
* {{বাউ|জাকির তালুকদার}}
* {{বাউ|জাকির হোসেন রাজু}}
* {{বাউ|জানকীনাথ বসু}}
* {{বাউ|জান্নাতুল ফেরদৌস (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|জান্নাতুল ফেরদৌস (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|জান্নাতুল ফেরদৌস আইভি}}
* {{বাউ|জাফর আলম (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|জাফর আহমেদ}}
* {{বাউ|জাফর ইকবাল (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|জাফর ওয়াজেদ}}
* {{বাউ|জাফর মুহাম্মদ লুৎফর}}
* {{বাউ|জামালউদ্দিন হোসেন}}
* {{বাউ|জামালউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|জামিল চৌধুরী}}
* {{বাউ|জামিলুর রেজা চৌধুরী}}
* {{বাউ|জায়েদ বখত}}
* {{বাউ|জারিন তাসনিম নাওমি}}
* {{বাউ|জালাল উদ্দিন খাঁ}}
* {{বাউ|জালালুদ্দিন আবদুর রহিম}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর আলম (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর আলম (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর আলম খান}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর কবির (কর্মকর্তা)}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর কবির নানক}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর হোসেন (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|জাহানারা আরজু}}
* {{বাউ|জাহানারা আহমেদ}}
* {{বাউ|জাহানারা ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|জাহিদ আকবর}}
* {{বাউ|জাহিদ সোহ্রাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|জাহিদ হোসেন}}
* {{বাউ|জাহিদুর রহিম অঞ্জন}}
* {{বাউ|জাহিদুল হক}}
* {{বাউ|জাহেদুর রহিম}}
* {{বাউ|জাহ্নবা দেবী}}
* {{বাউ|জাহ্নবী চৌধুরানী}}
* {{বাউ|জি এ মান্নান}}
* {{বাউ|জি এম বি আকাশ}}
* {{বাউ|জি কে এম মোস্তাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|জিংগা শিল্পগোষ্ঠী}}
* {{বাউ|জিকরুল হক}}
* {{বাউ|জিতেন ঘোষ}}
* {{বাউ|জিতেন্দ্রনাথ কুশারী}}
* {{বাউ|জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জিতেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|জিতেন্দ্রমোহন সেন}}
* {{বাউ|জিনবোধি ভিক্ষু}}
* {{বাউ|জিনাত আরা}}
* {{বাউ|জিনাত বরকতুল্লাহ}}
* {{বাউ|জিনাতুন নেসা তাহমিদা বেগম}}
* {{বাউ|জিয়াউর রহমান খান}}
* {{বাউ|জিয়াউর রহমান জিয়া}}
* {{বাউ|জিয়াউল হক (সমাজসেবক)}}
* {{বাউ|জিয়াউল হক পলাশ}}
* {{বাউ|জিয়াউল হক মৃধা}}
* {{বাউ|জিল্লুর রহমান}}
* {{বাউ|জিল্লুর রহমান (চলচ্চিত্র পরিচালক)}}
* {{বাউ|জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|জিৎ গাঙ্গুলী}}
* {{বাউ|জীব গোস্বামী}}
* {{বাউ|জীবন রতন ধর}}
* {{বাউ|জীবন রহমান}}
* {{বাউ|জীবনানন্দ দাশ}}
* {{বাউ|জুনাব আলী}}
* {{বাউ|জুনায়েদ আহমেদ}}
* {{বাউ|জুবায়ের রহমান চৌধুরী}}
* {{বাউ|জুবায়ের সালেহীন}}
* {{বাউ|জুবেদ আলী}}
* {{বাউ|জুয়েনা আজিজ}}
* {{বাউ|জুলফিকার মতিন}}
* {{বাউ|জুলফিকার রাসেল}}
* {{বাউ|জুলফিকুর রহমান}}
* {{বাউ|জুলহাস উদ্দিন}}
* {{বাউ|জুলহাস উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|জুলেখা হক}}
* {{বাউ|জে. বি. এম. হাসান}}
* {{বাউ|জেএন দেব চৌধুরী}}
* {{বাউ|জেড আই খান পান্না}}
* {{বাউ|জেড এইচ মিন্টু}}
* {{বাউ|জেড এম পারভেজ সাজ্জাদ}}
* {{বাউ|জেব-উন-নেসা জামাল}}
* {{বাউ|জেবা ইসলাম সিরাজ}}
* {{বাউ|জেবুন্নেসা রহমান}}
* {{বাউ|জেমস (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|জেমস উইলিয়াম কলভিল}}
* {{বাউ|জেলিনা-বার্লো রহমান}}
* {{বাউ|জেহাদ খান}}
* {{বাউ|জোছন দস্তিদার}}
* {{বাউ|জোবাইদা রহমান}}
* {{বাউ|জোবেদা খানম}}
* {{বাউ|জোহরা বেগম কাজী}}
* {{বাউ|জ্ঞানচন্দ্র ঘোষ}}
* {{বাউ|জ্ঞানদাস}}
* {{বাউ|জ্ঞানশ্রী মহাথের}}
* {{বাউ|জ্ঞানেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জ্ঞানেন্দ্রনাথ রায়}}
* {{বাউ|জ্ঞানেন্দ্রমোহন দাস}}
* {{বাউ|জ্যোতিঃপাল মহাথের}}
* {{বাউ|জ্যোতিভূষণ চাকী}}
* {{বাউ|জ্যোতিভূষণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী}}
* {{বাউ|জ্যোতিরিন্দ্রনাথ মৈত্র}}
* {{বাউ|জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা}}
* {{বাউ|জ্যোতির্ময় দত্ত}}
* {{বাউ|জ্যোতির্ময়ী গাঙ্গুলী}}
* {{বাউ|জ্যোতির্ময়ী দেবী}}
* {{বাউ|জ্যোতিষচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|জ্যোৎস্না বিশ্বাস}}
* {{বাউ|জ্যোৎস্নাকান্ত বসু}}
* {{বাউ|ঝড়েশ্বর চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ঝর্ণা দাশ পুরকায়স্থ}}
* {{বাউ|ঝর্ণা ধারা চৌধুরী}}
* {{বাউ|ঝর্না রহমান}}
* {{বাউ|ঝুম্পা লাহিড়ী}}
* {{বাউ|টমাস হোবার্ট এলিস}}
* {{বাউ|টি আলী}}
* {{বাউ|টি এইচ খান}}
* {{বাউ|টি. এস. শিবজ্ঞানম}}
* {{বাউ|টিনা সানি}}
* {{বাউ|টিপু আজিজ}}
* {{বাউ|টেনিদা}}
* {{বাউ|ডালিয়া নওশিন}}
* {{বাউ|ডালেম চন্দ্র বর্মণ}}
* {{বাউ|ডিজে রাহাত}}
* {{বাউ|ডিফারেন্ট টাচ}}
* {{বাউ|ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|তনিষ্ক বাগচী}}
* {{বাউ|তন্ময় বোস}}
* {{বাউ|তপংকর চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|তপতী গুহ-ঠাকুরতা}}
* {{বাউ|তপন চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|তপন বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|তপন বাগচী}}
* {{বাউ|তপন রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|তপনকুমার লাহিড়ী}}
* {{বাউ|তপু}}
* {{বাউ|তপোবিজয় ঘোষ}}
* {{বাউ|তবারক হুসাইন}}
* {{বাউ|তমাল লতা আদিত্য}}
* {{বাউ|তমিজ উদ্দিন রিজভী}}
* {{বাউ|তরু দত্ত}}
* {{বাউ|তরুণ রায় (ধনঞ্জয় বৈরাগী)}}
* {{বাউ|তসলিমুদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|তাকসিম আহমেদ খান}}
* {{বাউ|তাজিন আহমেদ}}
* {{বাউ|তাজুল মোহম্মদ}}
* {{বাউ|তাতার (চরিত্র)}}
* {{বাউ|তানজিমা হাশেম}}
* {{বাউ|তানজির তুহিন}}
* {{বাউ|তানভীর ইভান}}
* {{বাউ|তানভীর তারেক}}
* {{বাউ|তানভীর হাসান}}
* {{বাউ|তানিম নূর}}
* {{বাউ|তানিম রহমান অংশু}}
* {{বাউ|তানিয়া আমির}}
* {{বাউ|তানিয়া আহমেদ}}
* {{বাউ|তাপস কুমার মাঝি}}
* {{বাউ|তাপস দাস}}
* {{বাউ|তাপস মজুমদার}}
* {{বাউ|তাপস সেন}}
* {{বাউ|তাফাজ্জাল ইসলাম}}
* {{বাউ|তারকনাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|তারকমোহন দাস}}
* {{বাউ|তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|তারানাথ তর্কবাচস্পতি}}
* {{বাউ|তারানাথ তান্ত্রিক}}
* {{বাউ|তারাপদ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|তারাপদ ভৌমিক}}
* {{বাউ|তারাপদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|তারাপদ লাহিড়ী}}
* {{বাউ|তারাপদ সাঁতরা}}
* {{বাউ|তারামন বিবি}}
* {{বাউ|তারিক আহমদ করিম}}
* {{বাউ|তারিক আহসান}}
* {{বাউ|তারিক উল হাকিম}}
* {{বাউ|তারিক ফাতেমি}}
* {{বাউ|তারিক সুজাত}}
* {{বাউ|তারিণীখুড়ো}}
* {{বাউ|তারেক মো. আরিফুল ইসলাম}}
* {{বাউ|তালিম হোসেন}}
* {{বাউ|তালুকদার মনিরুজ্জামান}}
* {{বাউ|তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস}}
* {{বাউ|তাসলিমা আখতার}}
* {{বাউ|তাহমিমা আনাম}}
* {{বাউ|তাহরুন নেসা আবদুল্লাহ}}
* {{বাউ|তাহসান রহমান খান}}
* {{বাউ|তাহেরন নেসা}}
* {{বাউ|তাহেরা কবির}}
* {{বাউ|তিব্বতিবাবা}}
* {{বাউ|তিলোত্তমা মজুমদার}}
* {{বাউ|তিশমা}}
* {{বাউ|তিস্তা বাগচী}}
* {{বাউ|তুলিকা বসু}}
* {{বাউ|তুষার কান্তি চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|তুষারকান্তি ঘোষ}}
* {{বাউ|তুহিন দাস (লেখক)}}
* {{বাউ|তুহিনকান্তি ঘোষ}}
* {{বাউ|তেজস হালদার যশ}}
* {{বাউ|তৈয়বা বেগম লিপি}}
* {{বাউ|তৈয়বা মজুমদার}}
* {{বাউ|তোজাম্মেল টনি হক}}
* {{বাউ|তোজাম্মেল হক বকুল}}
* {{বাউ|তোফাজ্জল হোসেন}}
* {{বাউ|তোফায়েল আহমদ}}
* {{বাউ|তোফায়েল করিম হায়দার}}
* {{বাউ|তোয়াব খান}}
* {{বাউ|তৌকীর আহমেদ}}
* {{বাউ|তৌফিক ইসলাম শাতিল}}
* {{বাউ|তৌফিক নওয়াজ}}
* {{বাউ|তৌসিফ}}
* {{বাউ|ত্রিদিব মিত্র}}
* {{বাউ|ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার}}
* {{বাউ|দবির উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|দময়ন্তী (গোয়েন্দা)}}
* {{বাউ|দলছুট}}
* {{বাউ|দস্যু বনহুর}}
* {{বাউ|দস্যু মোহন}}
* {{বাউ|দাউদ হায়দার}}
* {{বাউ|দামোদর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দারাশিকো}}
* {{বাউ|দিদার ইসলাম}}
* {{বাউ|দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|দিব্যেন্দু নন্দী}}
* {{বাউ|দিব্যেন্দু পালিত}}
* {{বাউ|দিলওয়ার}}
* {{বাউ|দিলরুবা আহমেদ}}
* {{বাউ|দিলরুবা জেড আরা}}
* {{বাউ|দিলশাদ নাহার কনা}}
* {{বাউ|দিলারা বেগম জলি}}
* {{বাউ|দিলারা হাশেম}}
* {{বাউ|দিলীপ বাগচী}}
* {{বাউ|দিলীপ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|দিলীপ মজুমদার}}
* {{বাউ|দিলীপ মহলানবিশ}}
* {{বাউ|দিলীপকুমার বিশ্বাস}}
* {{বাউ|দিলীপকুমার রায়}}
* {{বাউ|দীন মোহাম্মদ নূরুল হক}}
* {{বাউ|দীন শরৎ}}
* {{বাউ|দীননাথ সেন}}
* {{বাউ|দীনেন্দ্রকুমার রায়}}
* {{বাউ|দীনেশ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দীনেশ দাস}}
* {{বাউ|দীনেশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দীনেশচন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|দীনেশরঞ্জন দাশ}}
* {{বাউ|দীপ নারায়ণ সিনহা}}
* {{বাউ|দীপংকর দীপন}}
* {{বাউ|দীপক চৌধুরী}}
* {{বাউ|দীপক চ্যাটার্জী (গোয়েন্দা)}}
* {{বাউ|দীপক মজুমদার}}
* {{বাউ|দীপক রায়}}
* {{বাউ|দীপঙ্কর চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দীপঙ্কর দাস শর্মা}}
* {{বাউ|দীপঙ্কর হোম}}
* {{বাউ|দীপন ঘোষ}}
* {{বাউ|দীপান্বিতা রায়}}
* {{বাউ|দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দীপেশ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|দীপ্তেন্দ্রকুমার সান্যাল}}
* {{বাউ|দুঃখহরণ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|দুর্গাচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দুর্গাচরণ রক্ষিত}}
* {{বাউ|দুর্গাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দুর্গাদাস সাহা}}
* {{বাউ|দুর্গামোহন দাশ}}
* {{বাউ|দুর্বিন শাহ}}
* {{বাউ|দুলাল তর্কবাগীশ}}
* {{বাউ|দুলেন্দ্র ভৌমিক}}
* {{বাউ|দেওয়ান আব্দুর রব চৌধুরী}}
* {{বাউ|দেওয়ান আব্দুল কাদির}}
* {{বাউ|দেওয়ান আব্দুল বাছিত চৌধুরী}}
* {{বাউ|দেওয়ান নজরুল}}
* {{বাউ|দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন}}
* {{বাউ|দেওয়ান লালন আহমেদ}}
* {{বাউ|দেবজ্যোতি মিশ্র}}
* {{বাউ|দেবদাস}}
* {{বাউ|দেবদাস চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|দেবপ্রসাদ ঘোষ}}
* {{বাউ|দেবপ্রসাদ সর্বাধিকারী}}
* {{বাউ|দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|দেবপ্রিয়া রায়}}
* {{বাউ|দেবব্রত গোস্বামী}}
* {{বাউ|দেবল দেববর্মা}}
* {{বাউ|দেবলা মিত্র}}
* {{বাউ|দেবশঙ্কর রায়}}
* {{বাউ|দেবাশীষ ঘোষ}}
* {{বাউ|দেবাশীষ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|দেবাশীষ রায়}}
* {{বাউ|দেবাশীষ রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|দেবী রায়}}
* {{বাউ|দেবীপদ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় (মার্কসবাদী)}}
* {{বাউ|দেবীপ্রসাদ দুয়ারী}}
* {{বাউ|দেবু ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|দেবেন্দ্র মোহন বসু}}
* {{বাউ|দেবেন্দ্রনাথ সেন}}
* {{বাউ|দেবেশ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|দেবেশ রায়}}
* {{বাউ|দেলওয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|দোনাগাজী চৌধুরী}}
* {{বাউ|দোম আন্তোনিও}}
* {{বাউ|দৌলত উজির বাহরাম খান}}
* {{বাউ|দৌলতুননেসা খাতুন}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ অধিকারী}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ বিদ্যাভূষণ}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ মিত্র}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ রায়}}
* {{বাউ|দ্বিজ কানাই}}
* {{বাউ|দ্বিজ বংশীদাস}}
* {{বাউ|দ্বিজ মাধব}}
* {{বাউ|দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|দ্বিজেন্দ্রনাথ মৈত্র}}
* {{বাউ|দ্রাবিড় সৈকত}}
* {{বাউ|ধন গোপাল মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ধনঞ্জয় সাহা}}
* {{বাউ|ধীর আলী মিয়া}}
* {{বাউ|ধীরাজ কুমার নাথ}}
* {{বাউ|ধীরাজ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|ধীরেন বল}}
* {{বাউ|ধীরেন বসু}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ দেববর্মন}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্রনাথ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্রনাথ বেরা}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্রলাল ধর}}
* {{বাউ|ধূর্জটিপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ধৃতিকান্ত লাহিড়ী চৌধুরী}}
* {{বাউ|ধোয়ী}}
* {{বাউ|নঈম চৌধুরী}}
* {{বাউ|নঈম নিজাম}}
* {{বাউ|নওয়াজেশ আহমদ}}
* {{বাউ|নওয়াজেস আহমদ}}
* {{বাউ|নওয়াব আলী}}
* {{বাউ|নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী}}
* {{বাউ|নওশের আলী খান ইউস্ফজী}}
* {{বাউ|নকীব খান}}
* {{বাউ|নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ}}
* {{বাউ|নকুল কুমার বিশ্বাস}}
* {{বাউ|নকুলেশ্বর দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রচন্দ্র শ্যাম}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ ঘোষ}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ সোম}}
* {{বাউ|নচিকেতা ঘোষ}}
* {{বাউ|নচিকেতা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|নজরুল ইসলাম (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|নজরুল ইসলাম খান}}
* {{বাউ|নজরুল ইসলাম চৌধুরী (বিচারক)}}
* {{বাউ|নজরুল ইসলাম বাবু}}
* {{বাউ|ননী ভৌমিক}}
* {{বাউ|ননীগোপাল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ননীগোপাল মজুমদার}}
* {{বাউ|নন্টে ফন্টে}}
* {{বাউ|নন্দলাল বসু}}
* {{বাউ|নন্দিনী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নব কুমার ভদ্র}}
* {{বাউ|নবকুমার বসু}}
* {{বাউ|নবগোপাল মিত্র}}
* {{বাউ|নবাব আবদুল লতীফ}}
* {{বাউ|নবীন চন্দ্র পাল}}
* {{বাউ|নবীনচন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|নবেন্দু ঘোষ}}
* {{বাউ|নয়ীম গহর}}
* {{বাউ|নরসিংহ দত্ত}}
* {{বাউ|নরেন্দ্র দেব}}
* {{বাউ|নরেন্দ্রনাথ দত্ত (শিল্পপতি)}}
* {{বাউ|নরেন্দ্রনাথ মিত্র}}
* {{বাউ|নরেশচন্দ্র সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|নরোত্তম দাস}}
* {{বাউ|নলিনচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|নলিনাক্ষ সান্যাল}}
* {{বাউ|নলিনী দাশ (লেখিকা)}}
* {{বাউ|নলিনী বেরা}}
* {{বাউ|নলিনীকান্ত ভট্টশালী}}
* {{বাউ|নলিনীকান্ত সরকার}}
* {{বাউ|নলিনীকিশোর গুহ}}
* {{বাউ|নলিনীরঞ্জন সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|নাইমা হায়দার}}
* {{বাউ|নাঈম মোহাইমিন}}
* {{বাউ|নাঈমুল ইসলাম খান}}
* {{বাউ|নাজনীন হাসান চুমকি}}
* {{বাউ|নাজমুন আরা সুলতানা}}
* {{বাউ|নাজমুন নেসা পিয়ারি}}
* {{বাউ|নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি}}
* {{বাউ|নাজমুল আলম}}
* {{বাউ|নাজমুল করিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|নাজমুল কাওনাইন}}
* {{বাউ|নাজমুল হক বাপ্পী}}
* {{বাউ|নাজমুল হুদা বাচ্চু}}
* {{বাউ|নাজমুল হুদা মিন্টু}}
* {{বাউ|নাজিব তারেক}}
* {{বাউ|নাজিবুর রহমান মোমেন}}
* {{বাউ|নাজিম উদ দৌলা}}
* {{বাউ|নাজিম উদ্দিন মোস্তান}}
* {{বাউ|নাজিয়া আন্দালিব প্রিমা}}
* {{বাউ|নাদিয়া শারমীন}}
* {{বাউ|নাদিরা মজুমদার}}
* {{বাউ|নাদের চৌধুরী}}
* {{বাউ|নাদেরা বেগম}}
* {{বাউ|নাফিস বিন যাফর}}
* {{বাউ|নাবিলা ইদ্রিস}}
* {{বাউ|নাভিদ মাহবুব}}
* {{বাউ|নাভেদ পারভেজ}}
* {{বাউ|নায়না দেবী (সঙ্গীতশিল্পী)}}
* {{বাউ|নায়লা কবীর}}
* {{বাউ|নায়েব উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|নারগিস আক্তার}}
* {{বাউ|নারায়ণ ঘোষ মিতা}}
* {{বাউ|নারায়ণ দেবনাথ}}
* {{বাউ|নারায়ণ রায়}}
* {{বাউ|নারায়ণ সান্যাল}}
* {{বাউ|নাশিদ কামাল}}
* {{বাউ|নাসরিন আক্তার}}
* {{বাউ|নাসরীন জাহান}}
* {{বাউ|নাসরীন পারভীন হক}}
* {{বাউ|নাসিম বিশ্বাস}}
* {{বাউ|নাসিমা আক্তার}}
* {{বাউ|নাসিমা আনিস}}
* {{বাউ|নাসিমা খান মন্টি}}
* {{বাউ|নাসিমা ফেরদৌসী (কূটনৈতিক)}}
* {{বাউ|নাসিমা হায়দার}}
* {{বাউ|নাসির আলী মামুন}}
* {{বাউ|নাসির উদ্দিন বিশ্বাস}}
* {{বাউ|নাহিদ রশীদ (সচিব)}}
* {{বাউ|নাহিদা সোবহান}}
* {{বাউ|নিকুঞ্জ সেন}}
* {{বাউ|নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নিখিল রঞ্জন সেন}}
* {{বাউ|নিখিল সরকার}}
* {{বাউ|নিখিল সেন}}
* {{বাউ|নিখিলজ্যোতি ঘোষ}}
* {{বাউ|নিজাম উদ্দিন}}
* {{বাউ|নিজাম উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|নিজাম উদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|নিজামউদ্দিন আহমেদ (স্থপতি)}}
* {{বাউ|নিজামুদ্দীন আউলিয়া লিপু}}
* {{বাউ|নিতাই চন্দ্র সূত্রধর}}
* {{বাউ|নিতাই রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|নিতুন কুন্ডু}}
* {{বাউ|নিত্যপ্রিয় ঘোষ}}
* {{বাউ|নিত্যানন্দ সাহা (ভারতীয় অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|নিপুন রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|নিবিড় মণ্ডল}}
* {{বাউ|নিবেদিতা সেন}}
* {{বাউ|নিমচন্দ্র ভৌমিক}}
* {{বাউ|নিমাই ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|নিমাইসাধন বসু}}
* {{বাউ|নিয়াজ জামান}}
* {{বাউ|নিয়ামুল মুক্তা}}
* {{বাউ|নিরঞ্জন ধর}}
* {{বাউ|নিরঞ্জন প্রধান}}
* {{বাউ|নিরঞ্জন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নিরঞ্জনপ্রসাদ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|নিরুপমা দেবী}}
* {{বাউ|নিরুপমা দেবী (সেন)}}
* {{বাউ|নির্মল কুমার গাঙ্গুলী}}
* {{বাউ|নির্মলকুমার বসু}}
* {{বাউ|নির্মলকুমার রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|নির্মলকুমার সিদ্ধান্ত}}
* {{বাউ|নির্মলচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নির্মলচন্দ্র চন্দ্র}}
* {{বাউ|নির্মলচন্দ্র লাহিড়ী}}
* {{বাউ|নির্মলা জোশী}}
* {{বাউ|নির্মলেন্দু চৌধুরী}}
* {{বাউ|নির্মাল্য আচার্য}}
* {{বাউ|নিলয়ন চ্যাটার্জী}}
* {{বাউ|নিশিতা নির্মল মাহাত্রে}}
* {{বাউ|নিশীথরঞ্জন রায়}}
* {{বাউ|নীতা সেন}}
* {{বাউ|নীতিশ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|নীতীন বসু}}
* {{বাউ|নীতীশচন্দ্র লাহিড়ী}}
* {{বাউ|নীনা হামিদ}}
* {{বাউ|নীরদ বরণ বড়ুয়া}}
* {{বাউ|নীরদ মজুমদার}}
* {{বাউ|নীল দত্ত}}
* {{বাউ|নীল মানুষ}}
* {{বাউ|নীলমণি ন্যায়ালঙ্কার}}
* {{বাউ|নীলরতন ধর}}
* {{বাউ|নীলরতন সরকার}}
* {{বাউ|নীলাঞ্জনা রায়}}
* {{বাউ|নীলাম্বর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নীলিমা সেন}}
* {{বাউ|নীলুফার ইয়াসমিন}}
* {{বাউ|নীহাররঞ্জন গুপ্ত}}
* {{বাউ|নীহাররঞ্জন রায়}}
* {{বাউ|নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন}}
* {{বাউ|নুরুন নবী}}
* {{বাউ|নুরুননাহার ফয়জননেসা}}
* {{বাউ|নুরুন্নাহার ফাতেমা বেগম}}
* {{বাউ|নুরুন্নেছা খাতুন বিদ্যাবিনোদিনী}}
* {{বাউ|নুরুল আজিম}}
* {{বাউ|নুরুল আমিন}}
* {{বাউ|নুরুল আলম আতিক}}
* {{বাউ|নুরুল আলম চৌধুরী}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম খান}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম জিহাদী}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম নুরুল}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম পাটোয়ারী}}
* {{বাউ|নুরুল মোমেন}}
* {{বাউ|নুরুল মোস্তফা}}
* {{বাউ|নুহাশ হুমায়ূন}}
* {{বাউ|নূতন চন্দ্র সিংহ}}
* {{বাউ|নূর আহমদ}}
* {{বাউ|নূর ইমরান মিঠু}}
* {{বাউ|নূর মোহাম্মদ (আইজিপি)}}
* {{বাউ|নূর মোহাম্মদ (শিক্ষানুরাগী)}}
* {{বাউ|নূর হুসাইন}}
* {{বাউ|নূর হুসাইন কাসেমী}}
* {{বাউ|নূরজাহান বেগম মুক্তা}}
* {{বাউ|নূরজাহান বোস}}
* {{বাউ|নূরজাহান মুর্শিদ}}
* {{বাউ|নূরুল আনোয়ার (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|নূরুল আলম}}
* {{বাউ|নূরুল ইসলাম ওলীপুরী}}
* {{বাউ|নূরুল ইসলাম কাব্যবিনোদ}}
* {{বাউ|নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন}}
* {{বাউ|নূহ-উল-আলম লেনিন}}
* {{বাউ|নৃপেন ভৌমিক}}
* {{বাউ|নৃপেন্দ্র নাথ সরকার}}
* {{বাউ|নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী}}
* {{বাউ|নেছারউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|নেপাল মজুমদার}}
* {{বাউ|নেয়ামত ইমাম}}
* {{বাউ|নেয়ামাল বাসির}}
* {{বাউ|নেলী সেনগুপ্তা}}
* {{বাউ|নৈরঞ্জনা ঘোষ}}
* {{বাউ|নোরা জোন্স}}
* {{বাউ|পঞ্চানন ঘোষাল}}
* {{বাউ|পঞ্চানন নিয়োগী}}
* {{বাউ|পঞ্চানন মণ্ডল}}
* {{বাউ|পঞ্চানন মিত্র}}
* {{বাউ|পটলা}}
* {{বাউ|পণ্ডিত জ্ঞানেন্দ্রপ্রসাদ গোস্বামী}}
* {{বাউ|পদার্থবিদ্যার পালিত অধ্যাপক}}
* {{বাউ|পদ্মনাথ ভট্টাচার্য বিদ্যাবিনোদ}}
* {{বাউ|পবন দাস বাউল}}
* {{বাউ|পবিত্র গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পবিত্র মোহন দে}}
* {{বাউ|পবিত্র সরকার}}
* {{বাউ|পবিত্রকুমার সেন}}
* {{বাউ|পরমনাথ ভাদুড়ী}}
* {{বাউ|পরমেশ্বরন থাঙ্কাপ্পান নায়ার}}
* {{বাউ|পরাশর বর্মা}}
* {{বাউ|পরিমল গোস্বামী}}
* {{বাউ|পরেশ ধর}}
* {{বাউ|পরেশ মাইতি}}
* {{বাউ|পরেশনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পলান সরকার}}
* {{বাউ|পলাশ মাহবুব}}
* {{বাউ|পলাশ সরকার}}
* {{বাউ|পলি রায়}}
* {{বাউ|পশুপতি ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|পাঁচকড়ি দে}}
* {{বাউ|পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পাগলা কানাই}}
* {{বাউ|পাগলা দাশু}}
* {{বাউ|পাঞ্জু শাহ}}
* {{বাউ|পাণ্ডব গোয়েন্দা}}
* {{বাউ|পানু পাল}}
* {{বাউ|পান্থ কানাই}}
* {{বাউ|পান্না কায়সার}}
* {{বাউ|পান্নালাল ঘোষ}}
* {{বাউ|পান্নালাল বসু}}
* {{বাউ|পাপড়ি বসু}}
* {{বাউ|পাপিয়া সারোয়ার}}
* {{বাউ|পাভেল রহমান}}
* {{বাউ|পারভীন হাসান}}
* {{বাউ|পারভেজ রব}}
* {{বাউ|পারভেজ হোসেন}}
* {{বাউ|পারুল ঘোষ}}
* {{বাউ|পার্থ ঘোষ}}
* {{বাউ|পার্থ চট্টোপাধ্যায় (নৃতত্ত্ববিদ)}}
* {{বাউ|পার্থ বড়ুয়া}}
* {{বাউ|পার্থ সারথি মুখার্জি}}
* {{বাউ|পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পার্বতীকুমার সরকার}}
* {{বাউ|পি কে বাসু}}
* {{বাউ|পিনডিদা}}
* {{বাউ|পিনাকী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পিনাকী ঠাকুর}}
* {{বাউ|পিনাকী মজুমদার}}
* {{বাউ|পিপলু খান}}
* {{বাউ|পিয়ারীমোহন দাস}}
* {{বাউ|পিয়ারীলাল রায়}}
* {{বাউ|পিয়ারু সর্দার}}
* {{বাউ|পিয়ের ফালোঁ}}
* {{বাউ|পিলু মমতাজ}}
* {{বাউ|পুণ্যলতা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|পুরুষোত্তম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|পুলক বিশ্বাস}}
* {{বাউ|পুলক সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|পুলিনবিহারী সরকার}}
* {{বাউ|পুলিনবিহারী সরকার (জৈব রসায়ন বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|পুলিনবিহারী সেন}}
* {{বাউ|পূরবী দত্ত}}
* {{বাউ|পূরবী বসু}}
* {{বাউ|পূর্ণিমা সিনহা}}
* {{বাউ|পূর্ণেন্দুবিকাশ সরকার}}
* {{বাউ|পৃথ্বীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পেন বাংলাদেশ}}
* {{বাউ|পেপার রাইম}}
* {{বাউ|পেয়ার আহমেদ}}
* {{বাউ|প্যারীচরণ সরকার}}
* {{বাউ|প্যারীমোহন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্যারীমোহন সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রকাশ শ্রীবাস্তব}}
* {{বাউ|প্রচেত গুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রজ্ঞাসুন্দরী দেবী}}
* {{বাউ|প্রণব কুমার বড়ুয়া}}
* {{বাউ|প্রণব ভট্ট}}
* {{বাউ|প্রণব মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রণব রায় (গীতিকার)}}
* {{বাউ|প্রণবেন্দু দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রণবেশ সেন}}
* {{বাউ|প্রতাপচন্দ্র চন্দ্র}}
* {{বাউ|প্রতাপচন্দ্র মজুমদার}}
* {{বাউ|প্রতাপচন্দ্র মজুমদার (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|প্রতাপচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|প্রতিভা বসু}}
* {{বাউ|প্রতিভা মুৎসুদ্দি}}
* {{বাউ|প্রতিমা ঠাকুর}}
* {{বাউ|প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রদানেন্দু বিকাশ চাকমা}}
* {{বাউ|প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রদীপ ভট্টাচার্য (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|প্রদোষ আইচ}}
* {{বাউ|প্রদ্যুত ঘোষ}}
* {{বাউ|প্রফুল্ল কুমার মন্ডল}}
* {{বাউ|প্রফুল্ল রায়}}
* {{বাউ|প্রফুল্লকুমার সরকার}}
* {{বাউ|প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ}}
* {{বাউ|প্রফুল্লচন্দ্র লাহিড়ী}}
* {{বাউ|প্রবাল দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রবাল রশিদ}}
* {{বাউ|প্রবাসজীবন চৌধুরী}}
* {{বাউ|প্রবীর মজুমদার}}
* {{বাউ|প্রবীর রায়}}
* {{বাউ|প্রবোধ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রবোধকুমার সান্যাল}}
* {{বাউ|প্রবোধচন্দ্র গুহ}}
* {{বাউ|প্রবোধচন্দ্র বাগচী}}
* {{বাউ|প্রবোধচন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|প্রবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রব্রাজিকা ভক্তিপ্রাণা}}
* {{বাউ|প্রব্রাজিকা ভারতীপ্রাণা}}
* {{বাউ|প্রব্রাজিকা শ্রদ্ধাপ্রাণা}}
* {{বাউ|প্রভা চ্যাটার্জি}}
* {{বাউ|প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রভাত চন্দ্র বড়ুয়া}}
* {{বাউ|প্রভাতরঞ্জন সরকার}}
* {{বাউ|প্রভাবতী দেবী সরস্বতী}}
* {{বাউ|প্রমথ ভৌমিক}}
* {{বাউ|প্রমথনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রমথনাথ বসু}}
* {{বাউ|প্রমথনাথ বিশী}}
* {{বাউ|প্রমথনাথ মিত্র}}
* {{বাউ|প্রমথলাল সেন}}
* {{বাউ|প্রমদাচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রমদাচরণ সেন}}
* {{বাউ|প্রমোদ চন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|প্রমোদকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রমোদরঞ্জন সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রশান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|প্রশান্তকুমার পাল}}
* {{বাউ|প্রশান্তকুমার মারিক}}
* {{বাউ|প্রশান্তচন্দ্র মহলানবীশ}}
* {{বাউ|প্রশান্তবিহারী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রসন্নকুমার রায়}}
* {{বাউ|প্রসন্নকুমার সর্বাধিকারী}}
* {{বাউ|প্রসন্নচন্দ্র তর্করত্ন}}
* {{বাউ|প্রসন্নচন্দ্র ন্যায়রত্ন}}
* {{বাউ|প্রাণ রঞ্জন সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রাণকুমার সেন}}
* {{বাউ|প্রাণকৃষ্ণ পাল}}
* {{বাউ|প্রিয় ব্রত পাল}}
* {{বাউ|প্রিয়দারঞ্জন রায়}}
* {{বাউ|প্রিয়রঞ্জন সেন}}
* {{বাউ|প্রীতিকণা গোস্বামী}}
* {{বাউ|প্রেমাঙ্কুর আতর্থী}}
* {{বাউ|প্রোফেসর শঙ্কু}}
* {{বাউ|প্লাবন কোরেশী}}
* {{বাউ|ফকরুল আলম}}
* {{বাউ|ফকির গরীবুল্লাহ}}
* {{বাউ|ফকির শাহাবুদ্দীন}}
* {{বাউ|ফখরুজ্জামান চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফখরুদ্দিন আহমেদ (সচিব)}}
* {{বাউ|ফখরুদ্দীন মোহাম্মদ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|ফখরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|ফখরুল হাসান বৈরাগী}}
* {{বাউ|ফজল শাহাবুদ্দীন}}
* {{বাউ|ফজল-এ-খোদা}}
* {{বাউ|ফজলুর রহমান খান}}
* {{বাউ|ফজলুর রহমান খান (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|ফজলুর রহমান খান ফারুক}}
* {{বাউ|ফজলুল বারী (সরকারি চাকরিজীবী)}}
* {{বাউ|ফজলুল হক (চলচ্চিত্র পরিচালক)}}
* {{বাউ|ফজলুল হক (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|ফজলুল হক সেলবর্ষী}}
* {{বাউ|ফজলুল হালিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফজলে কবির}}
* {{বাউ|ফজলে কাদেরী মোহাম্মদ আবদুল মুনিম}}
* {{বাউ|ফজলে বারী মালিক}}
* {{বাউ|ফজলে রাব্বী}} [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৬:০৪, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
* {{বাউ|ফজলে রাব্বী মিয়া}}
* {{বাউ|ফজলে হাসান আবেদ}}
* {{বাউ|ফজলে হাসান শিশির}}
* {{বাউ|ফজলে হুসাইন}}
* {{বাউ|ফজলে হোসেন বাদশা}}
* {{বাউ|ফজিলতুন্নেসা}}
* {{বাউ|ফজিলাতুন্নেসা বাপ্পী}}
* {{বাউ|ফণিভূষণ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ফণী বড়ুয়া}}
* {{বাউ|ফণী মজুমদার}}
* {{বাউ|ফণীন্দ্রচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|ফতেহ লোহানী}}
* {{বাউ|ফয়জুল মহিউদ্দিন}}
* {{বাউ|ফয়জুল লতিফ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফয়সাল মাহমুদ ফয়েজী}}
* {{বাউ|ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব}}
* {{বাউ|ফয়েজ আহমেদ}}
* {{বাউ|ফয়েজ আহমেদ (বিচারক)}}
* {{বাউ|ফয়েজ আহম্মদ}}
* {{বাউ|ফরহাদ হোসেন (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|ফরিদ আহমদ দুলাল}}
* {{বাউ|ফরিদ আহমেদ (বিচারক)}}
* {{বাউ|ফরিদ আহমেদ (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফরিদা ইয়াসমিন (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|ফরিদা জামান}}
* {{বাউ|ফরিদা রহমান}}
* {{বাউ|ফরিদা হোসেন}}
* {{বাউ|ফরিদুল হুদা}}
* {{বাউ|ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ}}
* {{বাউ|ফসিউর রহমান}}
* {{বাউ|ফসিউল আলম}}
* {{বাউ|ফাইয়াজ হোসেন খান}}
* {{বাউ|ফাখরুল আরেফিন খান}}
* {{বাউ|ফাতিমা ইয়াসমিন}}
* {{বাউ|ফাতেমা তুজ জোহরা}}
* {{বাউ|ফাতেমা নজীব}}
* {{বাউ|ফাদার রবের আঁতোয়ান}}
* {{বাউ|ফায়েজ উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|ফারজানা ইসলাম}}
* {{বাউ|ফারজানা ফারুক}}
* {{বাউ|ফারজানা রুপা}}
* {{বাউ|ফারজানা শারমিন পুতুল}}
* {{বাউ|ফারহিনা আহমেদ}}
* {{বাউ|ফারাহ গজনবী}}
* {{বাউ|ফারাহ মাহবুব}}
* {{বাউ|ফারুক আহমেদ (বিচারক)}}
* {{বাউ|ফারুক আহমেদ উল্লা খান}}
* {{বাউ|ফারুক আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফারুক উজ জামান চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফারুক ওয়াসিফ}}
* {{বাউ|ফারুক মঈনউদ্দীন}}
* {{বাউ|ফারুক মাহমুদ}}
* {{বাউ|ফারুক সোবহান}}
* {{বাউ|ফালগুনী রায়}}
* {{বাউ|ফাহমিদা কাদের}}
* {{বাউ|ফাহমিদা খাতুন (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|ফিদা এম. কামাল}}
* {{বাউ|ফিরদৌস আজীম}}
* {{বাউ|ফিরদৌসী কাদরী}}
* {{বাউ|ফিরোজ মাহমুদ}}
* {{বাউ|ফিরোজা বেগম}}
* {{বাউ|ফুয়াদ আল মুকতাদির}}
* {{বাউ|ফুয়াদ নাসের বাবু}}
* {{বাউ|ফুল মোহাম্মদ}}
* {{বাউ|ফুলঝুরি খান}}
* {{বাউ|ফুলরেণু গুহ}}
* {{বাউ|ফেরদৌস আরা}}
* {{বাউ|ফেরদৌস আরা বেগম}}
* {{বাউ|ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী}}
* {{বাউ|ফেরদৌসী মজুমদার}}
* {{বাউ|ফেলুদা}}
* {{বাউ|ফৌজিয়া ইয়াসমিন}}
* {{বাউ|ফ্যাতাড়ু}}
* {{বাউ|ফ্রান্সিস (ভাইকিং)}}
* {{বাউ|ফ্লসি কোহেন}}
* {{বাউ|ফ্লোরা জাইবুন মাজিদ}}
* {{বাউ|বঙ্কিমচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|বঙ্কিমচন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|বজলার রহমান}}
* {{বাউ|বটুক নন্দী}}
* {{বাউ|বদরুদ্দীন আহমদ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|বদরুন নেছা}}
* {{বাউ|বদরুল আনাম সৌদ}}
* {{বাউ|বদরুল আলম (ভাষা সৈনিক)}}
* {{বাউ|বদরুল হায়দার চৌধুরী}}
* {{বাউ|বদিউর রহমান (সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব)}}
* {{বাউ|বদিউল আলম খোকন}}
* {{বাউ|বদিউল আলম মজুমদার}}
* {{বাউ|বনবিহারী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বনানী ঘোষ}}
* {{বাউ|বরদা}}
* {{বাউ|বরদাচরণ গুপ্ত}}
* {{বাউ|বরদানন্দ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বরুণ মজুমদার}}
* {{বাউ|বরুণ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|বরেণ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|বরেন গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বর্ণিতা বাগচী}}
* {{বাউ|বলরাম হাড়ি}}
* {{বাউ|বলেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|বশির আহমেদ}}
* {{বাউ|বশীর আল-হেলাল}}
* {{বাউ|বশীর হোসেন}}
* {{বাউ|বশীশ্বর সেন}}
* {{বাউ|বসন্ত কুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ}}
* {{বাউ|বাঁটুল দি গ্রেট}}
* {{বাউ|বাকের ভাই}}
* {{বাউ|বাঘা যতীন}}
* {{বাউ|বাচি কারকারিয়া}}
* {{বাউ|বাণী বসু}}
* {{বাউ|বাণীকুমার}}
* {{বাউ|বাণেশ্বর বিদ্যালঙ্কার}}
* {{বাউ|বাদল খন্দকার}}
* {{বাউ|বাদল রশীদ}}
* {{বাউ|বাদল রহমান}}
* {{বাউ|বাপ্পা মজুমদার}}
* {{বাউ|বাপ্পী লাহিড়ী}}
* {{বাউ|বাবর আলী (পর্বতারোহী)}}
* {{বাউ|বাবু তারক চন্দ্র চৌধুরী}}
* {{বাউ|বামাচরণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বামাপদ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বারবারা ক্রেগ}}
* {{বাউ|বারী সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|বারীণ মজুমদার}}
* {{বাউ|বার্নেস পিকক}}
* {{বাউ|বালাম}}
* {{বাউ|বাশার মাহমুদ (কবি)}}
* {{বাউ|বাসন্তী দুলাল নাগচৌধুরী}}
* {{বাউ|বাসব}}
* {{বাউ|বাসুদেব চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বাসুদেব দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|বাসুদেব দাস বাউল}}
* {{বাউ|বাসুদেব দাসশর্মা}}
* {{বাউ|বাসুদেব বর্মন}}
* {{বাউ|বাহাদুর হোসেন খান}}
* {{বাউ|বি কে দাস}}
* {{বাউ|বিকাশ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|বিকাশ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিকাশচন্দ্র সিংহ}}
* {{বাউ|বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়া}}
* {{বাউ|বিক্রম ঘোষ}}
* {{বাউ|বিজন কুমার মুখার্জী}}
* {{বাউ|বিজন কুমার শীল}}
* {{বাউ|বিজন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিজন সরকার}}
* {{বাউ|বিজনবিহারী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিজয় কুমার বসু}}
* {{বাউ|বিজয় প্রসাদ}}
* {{বাউ|বিজয় সরকার}}
* {{বাউ|বিজয়কুমার ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিজয়চন্দ্র মজুমদার}}
* {{বাউ|বিজয়লাল চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিজয়া মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিজরী বরকতুল্লাহ}}
* {{বাউ|বিদিত লাল দাস}}
* {{বাউ|বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন}}
* {{বাউ|বিদ্যুৎ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|বিদ্যুৎ বরণ চৌধুরী}}
* {{বাউ|বিদ্যেন্দু মোহন দেব}}
* {{বাউ|বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার}}
* {{বাউ|বিধায়ক ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিধুভূষণ বসু}}
* {{বাউ|বিধুশেখর শাস্ত্রী}}
* {{বাউ|বিনয় বাঁশী জলদাস}}
* {{বাউ|বিনয় মজুমদার}}
* {{বাউ|বিনয় মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিনয়কুমার সরকার}}
* {{বাউ|বিনয়েন্দ্রনাথ সেন}}
* {{বাউ|বিনীতা রায়}}
* {{বাউ|বিনোদ ঘোষাল}}
* {{বাউ|বিপিন বিহারী ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|বিপুল ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিপ্রদাস পিপলাই}}
* {{বাউ|বিপ্লব (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|বিপ্লব দাসগুপ্ত}}
* {{বাউ|বিবুধেন্দ্র সরকার}}
* {{বাউ|বিবেকানন্দ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিভা চৌধুরী}}
* {{বাউ|বিভাস রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|বিভূতিভূষণ দত্ত}}
* {{বাউ|বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিভূতিভূষণ সেন}}
* {{বাউ|বিমল কর}}
* {{বাউ|বিমল গুহ}}
* {{বাউ|বিমল মিত্র (লেখক)}}
* {{বাউ|বিমল মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিমল-কুমার}}
* {{বাউ|বিমলকৃষ্ণ মতিলাল}}
* {{বাউ|বিমলচন্দ্র ঘোষ}}
* {{বাউ|বিমলচন্দ্র সিংহ}}
* {{বাউ|বিমলাচরণ লাহা}}
* {{বাউ|বিমলানন্দ নাগ}}
* {{বাউ|বিমলেন্দু বিকাশ রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|বিমলেন্দু মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিমান বাগচী}}
* {{বাউ|বিমানবিহারী মজুমদার}}
* {{বাউ|বিরজাশঙ্কর গুহ}}
* {{বাউ|বিরাজ মোহন দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|বিরূপাক্ষ পাল}}
* {{বাউ|বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন}}
* {{বাউ|বিলকিস নাসির উদ্দিন}}
* {{বাউ|বিলায়েত খাঁ}}
* {{বাউ|বিশুদ্ধানন্দ মহাথের}}
* {{বাউ|বিশ্ব রঞ্জন নাগ}}
* {{বাউ|বিশ্বজিৎ ঘোষ}}
* {{বাউ|বিশ্বজিৎ চৌধুরী}}
* {{বাউ|বিশ্বজিৎ দেবনাথ}}
* {{বাউ|বিশ্বনাথ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|বিশ্বময় বিশ্বাস}}
* {{বাউ|বিশ্বরঞ্জন সেন}}
* {{বাউ|বিশ্বরূপ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিশ্বেশ্বর পাল}}
* {{বাউ|বিষ্ণু বসু}}
* {{বাউ|বিষ্ণুকান্ত শাস্ত্রী}}
* {{বাউ|বিষ্ণুপদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিষ্ণুপ্রসাদ রাভা}}
* {{বাউ|বিহারিলাল সরকার}}
* {{বাউ|বিহারীলাল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|বিহারীলাল চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বীণা মজুমদার}}
* {{বাউ|বীরেন শিকদার}}
* {{বাউ|বীরেন সোম}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্র বিজয় বিশ্বাস}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্রনাথ দত্তগুপ্ত}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্রনাথ শাসমল}}
* {{বাউ|বীরেশচন্দ্র গুহ}}
* {{বাউ|বীরেশ্বর সরকার}}
* {{বাউ|বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|বুধাদিত্য মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বুনো রামনাথ}}
* {{বাউ|বুলবন ওসমান}}
* {{বাউ|বুলবুল আহমেদ}}
* {{বাউ|বুলবুল চৌধুরী}}
* {{বাউ|বৃন্দা কারাত}}
* {{বাউ|বৃন্দাবন দাস}}
* {{বাউ|বৃন্দাবন দাস ঠাকুর}}
* {{বাউ|বেগজাদী মাহমুদা নাসির}}
* {{বাউ|বেগম আকতার কামাল}}
* {{বাউ|বেগম বদরুন্নেসা আহমদ}}
* {{বাউ|বেণীমাধব বড়ুয়া}}
* {{বাউ|বেদারউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|বেবী ইসলাম}}
* {{বাউ|বেবী হালদার}}
* {{বাউ|বেরী সর্বাধিকারী}}
* {{বাউ|বেলা মিত্র}}
* {{বাউ|বেলায়েত হুসাইন}}
* {{বাউ|বেলায়েত হোসেন বীরভূমী}}
* {{বাউ|বেলাল আহমেদ}}
* {{বাউ|বেলাল খান}}
* {{বাউ|বেলাল চৌধুরী}}
* {{বাউ|বেলাল মোহাম্মদ}}
* {{বাউ|বেলাল হোসেন (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|বৈকুণ্ঠনাথ সেন}}
* {{বাউ|বোরহান উদ্দিন (বিচারক)}}
* {{বাউ|বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর}}
* {{বাউ|বোরিয়া মজুমদার}}
* {{বাউ|ব্যোমকেশ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ব্যোমকেশ বক্সী}}
* {{বাউ|ব্রজ বিহারী বড়ুয়া}}
* {{বাউ|ব্রজগোপাল মান্না}}
* {{বাউ|ব্রজদা}}
* {{বাউ|ব্রজমোহন দত্ত}}
* {{বাউ|ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ব্রজেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|ব্রজেন্দ্রকুমার দে}}
* {{বাউ|ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ব্রজেন্দ্রনাথ শীল}}
* {{বাউ|ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ব্রাত্য বসু}}
* {{বাউ|ব্ল্যাক}}
* {{বাউ|ভক্তি প্রজ্ঞান কেশব গোস্বামী}}
* {{বাউ|ভক্তি রক্ষক শ্রীধর দেব গোস্বামী}}
* {{বাউ|ভক্তিবিনোদ ঠাকুর}}
* {{বাউ|ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী}}
* {{বাউ|ভগীরথ মিশ্র}}
* {{বাউ|ভবতোষ দত্ত}}
* {{বাউ|ভবানী প্রসাদ সিনহা}}
* {{বাউ|ভবানী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ভবানীচরণ লাহা}}
* {{বাউ|ভাদুড়ী মশাই}}
* {{বাউ|ভারতচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|ভারতী মুখার্জী}}
* {{বাউ|ভাস্করানন্দ রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ভি. এন. খারে}}
* {{বাউ|ভিকি জাহেদ}}
* {{বাউ|ভীষ্মদেব চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ভীষ্মদেব চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ভুবনচন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ভূঁইয়া ইকবাল}}
* {{বাউ|ভূপতিমোহন সেন}}
* {{বাউ|ভূপেন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|ভূমেন্দ্র গুহ}}
* {{বাউ|ভোলানাথ চন্দ্র}}
* {{বাউ|ভোলানাথ রায় কাব্যশাস্ত্রী}}
* {{বাউ|ম. তামিম}}
* {{বাউ|মইন উদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|মইনুল হোসেন}}
* {{বাউ|মইনুল হোসেন চৌধুরী}}
* {{বাউ|মঈদুল হাসান}}
* {{বাউ|মঈন উদ্দিন খান}}
* {{বাউ|মঈনউদ্দিন মিয়াজী}}
* {{বাউ|মঈনুল আহসান সাবের}}
* {{বাউ|মঈনুল ইসলাম খান}}
* {{বাউ|মঈনুল ইসলাম চৌধুরী}}
* {{বাউ|মঈনুস সুলতান}}
* {{বাউ|মওদুদ আহমদ}}
* {{বাউ|মকবুল হোসেন চৌধুরী}}
* {{বাউ|মকবুলা মনজুর}}
* {{বাউ|মকসুদ জামিল মিন্টু}}
* {{বাউ|মঙ্গল চাঁদ}}
* {{বাউ|মঙ্গলাচরণ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মজিদ-উল-হক}}
* {{বাউ|মজিবর রহমান (ভাষা সৈনিক)}}
* {{বাউ|মজিবর রহমান দেবদাস}}
* {{বাউ|মঞ্জু গোয়েল}}
* {{বাউ|মঞ্জু রায়}}
* {{বাউ|মঞ্জু সরকার}}
* {{বাউ|মঞ্জুর হোসেন}}
* {{বাউ|মঞ্জুরুল ইমাম}}
* {{বাউ|মঞ্জুলা আনোয়ার}}
* {{বাউ|মঞ্জুলা চেল্লুর}}
* {{বাউ|মণিকুন্তলা সেন}}
* {{বাউ|মণিভূষণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|মণিরত্ন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মণিলাল ভৌমিক}}
* {{বাউ|মণিশংকর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মণীন্দ্র গুপ্ত}}
* {{বাউ|মণীন্দ্র চন্দ্র নন্দী}}
* {{বাউ|মণীন্দ্র নারায়ণ মজুমদার}}
* {{বাউ|মণীন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|মণীন্দ্রলাল বসু}}
* {{বাউ|মণীশ ঘটক}}
* {{বাউ|মতি নন্দী}}
* {{বাউ|মতিউর রহমান পানু}}
* {{বাউ|মতিউর রহমান মল্লিক}}
* {{বাউ|মতিউল ইসলাম}}
* {{বাউ|মতিউল হক খান}}
* {{বাউ|মতিন রহমান}}
* {{বাউ|মতিলাল ঘোষ}}
* {{বাউ|মতিলাল রায়}}
* {{বাউ|মতিলাল রায় (যাত্রাপালাকার)}}
* {{বাউ|মতিলাল শীল}}
* {{বাউ|মথুরামোহন চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|মধু বসু}}
* {{বাউ|মধুমতি মিত্র}}
* {{বাউ|মধুশ্রী মুখার্জী}}
* {{বাউ|মধুসূদন গুপ্ত}}
* {{বাউ|মধুসূদন দে}}
* {{বাউ|মধুসূদন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মধুসূদন সরস্বতী}}
* {{বাউ|মনজুর আলম বেগ}}
* {{বাউ|মনজুর আহমেদ চৌধুরী (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মনজুর রশীদ খান}}
* {{বাউ|মনতাজুর রহমান আকবর}}
* {{বাউ|মনতোষ রায়}}
* {{বাউ|মনমোহন ঘোষ}}
* {{বাউ|মনমোহন দত্ত}}
* {{বাউ|মনসুর উল করিম}}
* {{বাউ|মনসুর বয়াতি}}
* {{বাউ|মনসুরুল আলম খান}}
* {{বাউ|মনিকা আলী}}
* {{বাউ|মনিকা জাহান বোস}}
* {{বাউ|মনিকা দাস (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|মনিরউদ্দীন ইউসুফ}}
* {{বাউ|মনিরুজ্জামান (গবেষক)}}
* {{বাউ|মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী}}
* {{বাউ|মনিরুজ্জামান মনির}}
* {{বাউ|মনিরুল ইসলাম (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|মনিরুল ইসলাম টিপু}}
* {{বাউ|মনীন্দ্রভূষণ গুপ্ত}}
* {{বাউ|মনু মুন্সী}}
* {{বাউ|মনোজ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|মনোজ প্রামাণিক}}
* {{বাউ|মনোজ বসু}}
* {{বাউ|মনোজ মাঝি}}
* {{বাউ|মনোজ মিত্র}}
* {{বাউ|মনোমোহন ঘোষ}}
* {{বাউ|মনোয়ারা ইসলাম}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন ঘোষাল}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন ধর}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন ব্যাপারী}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন ভক্ত}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য (নাট্যকার)}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন সিকদার}}
* {{বাউ|মনোসরণি}}
* {{বাউ|মন্দাক্রান্তা সেন}}
* {{বাউ|মন্মথ রায়}}
* {{বাউ|মন্মথনাথ ঘোষ}}
* {{বাউ|মন্মথনাথ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মফিজ উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|মফিজউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|মফিদুল হক}}
* {{বাউ|মবিনউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|মবিনুল হক}}
* {{বাউ|মমতা বালা ঠাকুর}}
* {{বাউ|মমতাজ উদ্দিন}}
* {{বাউ|মমতাজ বেগম}}
* {{বাউ|মমতাজ সঙ্ঘমিতা}}
* {{বাউ|মমতাজুর রহমান তরফদার}}
* {{বাউ|মযহারুল ইসলাম}}
* {{বাউ|ময়ুখ চৌধুরী (কবি)}}
* {{বাউ|ময়ূখ চৌধুরী (শিল্পী)}}
* {{বাউ|মর্ত্তুজা আলী}}
* {{বাউ|মলয় ঘোষ দস্তিদার}}
* {{বাউ|মলয় ভৌমিক}}
* {{বাউ|মলয় রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|মল্লিকা সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|মসিহউদ্দিন শাকের}}
* {{বাউ|মহম্মদ আব্দুল জব্বার}}
* {{বাউ|মহম্মদ হান্নান}}
* {{বাউ|মহম্মদ হামিদ আনসারি}}
* {{বাউ|মহসিন শস্ত্রপাণি}}
* {{বাউ|মহাদেব দত্ত}}
* {{বাউ|মহান মহারাজ}}
* {{বাউ|মহানামব্রত ব্রহ্মচারী}}
* {{বাউ|মহারানি চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|মহি উদ্দিন শামীম}}
* {{বাউ|মহিউদ্দিন আহমেদ (প্রকাশক)}}
* {{বাউ|মহিউদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|মহিউদ্দীন ফারুক}}
* {{বাউ|মহিমারঞ্জন রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|মহীউদ্দিন}}
* {{বাউ|মহুয়া মুখোপাধ্যায় (লেখক)}}
* {{বাউ|মহেন্দ্র গুপ্ত}}
* {{বাউ|মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত}}
* {{বাউ|মহেন্দ্রনাথ দত্ত}}
* {{বাউ|মহেন্দ্রনাথ রায় (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|মহেশচন্দ্র ন্যায়রত্ন}}
* {{বাউ|মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|মাইনুর রেজা চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাইমুল আহসান খান}}
* {{বাউ|মাকসুদুল আলম}}
* {{বাউ|মাকিদ হায়দার}}
* {{বাউ|মাখছুদুল আহসান}}
* {{বাউ|মাখনলাল রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাখনলাল সেন}}
* {{বাউ|মাধবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মানবেন্দ্র পাল}}
* {{বাউ|মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মানস চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|মানিক চন্দ্র সাহা}}
* {{বাউ|মানিক দত্ত}}
* {{বাউ|মানিক সরকার (শিল্পী)}}
* {{বাউ|মানিকলাল শীল}}
* {{বাউ|মান্নান হীরা}}
* {{বাউ|মাফরুহা চৌধুরী}}
* {{বাউ|মামনুন রহমান}}
* {{বাউ|মামাবাবু}}
* {{বাউ|মামুন নদীয়া}}
* {{বাউ|মামুন হুসাইন}}
* {{বাউ|মারজি-উল হক}}
* {{বাউ|মারুফুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মালা সেন}}
* {{বাউ|মালাধর বসু}}
* {{বাউ|মালিকা আল্ রাজী}}
* {{বাউ|মালিহা খাতুন}}
* {{বাউ|মালেক আফসারী}}
* {{বাউ|মালেকা বেগম}}
* {{বাউ|মাশির হোসেন}}
* {{বাউ|মাশুক হোসেন আহমেদ}}
* {{বাউ|মাসাতোশি কোশিবা}}
* {{বাউ|মাসুদ আখন্দ}}
* {{বাউ|মাসুদ আলি খান}}
* {{বাউ|মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাসুদ করিম}}
* {{বাউ|মাসুদ পথিক}}
* {{বাউ|মাসুদ বিন মোমেন}}
* {{বাউ|মাসুদ মান্নান}}
* {{বাউ|মাসুদ রানা}}
* {{বাউ|মাসুদ সেজান}}
* {{বাউ|মাসুদা খাতুন}}
* {{বাউ|মাসুম আজিজ}}
* {{বাউ|মাসুম রেজা}}
* {{বাউ|মাসুম শাহরিয়ার}}
* {{বাউ|মাহফুজ উল্লাহ}}
* {{বাউ|মাহফুজা আখতার (সচিব)}}
* {{বাউ|মাহফুজা খানম}}
* {{বাউ|মাহফুজুর রহমান (নির্বাচন কমিশনার)}}
* {{বাউ|মাহফুজুর রহমান (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|মাহফুজুল হক}}
* {{বাউ|মাহফুজুল হাসান ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|মাহবুব আলম}}
* {{বাউ|মাহবুব উজ জামান (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মাহবুব উদ্দিন খোকন}}
* {{বাউ|মাহবুব জামাল জাহেদী}}
* {{বাউ|মাহবুব তালুকদার}}
* {{বাউ|মাহবুব সাদিক}}
* {{বাউ|মাহবুব-উল আলম}}
* {{বাউ|মাহবুবা রহমান}}
* {{বাউ|মাহবুবুর রহমান লিটন}}
* {{বাউ|মাহবুবুল আলম (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|মাহবুবুল আলম মজুমদার}}
* {{বাউ|মাহবুবুল এ খালিদ}}
* {{বাউ|মাহবুবুল হক}}
* {{বাউ|মাহবুবে আলম}}
* {{বাউ|মাহমুদ শাহ কোরেশী}}
* {{বাউ|মাহমুদ হাসান}}
* {{বাউ|মাহমুদ হোসেন (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|মাহমুদা খাতুন সিদ্দিকা}}
* {{বাউ|মাহমুদা হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাহমুদুর রহমান}}
* {{বাউ|মাহমুদুর রহমান চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাহমুদুর রহমান বেণু}}
* {{বাউ|মাহমুদুল আমিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাহমুদুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মাহমুদুল হক}}
* {{বাউ|মাহমুদুল হক (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|মাহমুদুল হক (বিচারক)}}
* {{বাউ|মাহমুদুল হাসান}}
* {{বাউ|মিজান রহমান}}
* {{বাউ|মিজানুর রহমান (বাংলাদেশী কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মিজানুর রহমান ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|মিজানুর রহমান সাঈদ}}
* {{বাউ|মিঠু আলুর}}
* {{বাউ|মিতা হক}}
* {{বাউ|মিতিন মাসি}}
* {{বাউ|মিনার মনসুর}}
* {{বাউ|মিনার রহমান}}
* {{বাউ|মিনাল রোহিত}}
* {{বাউ|মিন্নাত আলী}}
* {{বাউ|মিফতা উদ্দিন চৌধুরী রুমী}}
* {{বাউ|মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|মিফতাহুর রহমান}}
* {{বাউ|মিফতাহ্ জামান}}
* {{বাউ|মিরজা আবদুল হাই}}
* {{বাউ|মির্জা আব্দুল জলিল}}
* {{বাউ|মির্জা আলী ইস্পাহানি}}
* {{বাউ|মির্জা গোলাম হাফিজ}}
* {{বাউ|মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল}}
* {{বাউ|মির্জা মাজহারুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম}}
* {{বাউ|মির্জা হুসেন হায়দার}}
* {{বাউ|মির্জা হোসাইন হায়দার}}
* {{বাউ|মিলন কান্তি দে}}
* {{বাউ|মিল্টন খন্দকার}}
* {{বাউ|মিশুক মুনীর}}
* {{বাউ|মিসির আলি}}
* {{বাউ|মিহির কুমার বসু}}
* {{বাউ|মিহির চৌধুরী}}
* {{বাউ|মিহির রঞ্জন হালদার}}
* {{বাউ|মিহির সেন}}
* {{বাউ|মিহির সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|মীজানূর রহমান শেলী}}
* {{বাউ|মীনাক্ষী ব্যানার্জি}}
* {{বাউ|মীনু হক}}
* {{বাউ|মীর আব্দুল কাইয়ুম}}
* {{বাউ|মীর আহমদ বিন কাসেম}}
* {{বাউ|মীর কাশেম খান}}
* {{বাউ|মীর মকসুদুস সালেহীন}}
* {{বাউ|মীর মাসুম আলী}}
* {{বাউ|মীর শওকত আলী}}
* {{বাউ|মীর হাসমত আলী}}
* {{বাউ|মীর হাসেম আলী}}
* {{বাউ|মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা}}
* {{বাউ|মীরা দত্ত গুপ্ত}}
* {{বাউ|মীরা মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মীর্জা মুহাম্মদ ইউসুফ আলি}}
* {{বাউ|মুঃ মিজানুর রহমান}}
* {{বাউ|মুঈনুদ্দীন আহমদ খান}}
* {{বাউ|মুকসুমুল হাকিম}}
* {{বাউ|মুকুল চৌধুরী}}
* {{বাউ|মুকুল দে}}
* {{বাউ|মুখতার আলম শিকদার}}
* {{বাউ|মুছলিম মিয়া}}
* {{বাউ|মুজিব পরদেশী}}
* {{বাউ|মুজিবর রহমান (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|মুজিবুর রহমান (চিকিৎসা বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|মুজিবুল হক (অফিসার)}}
* {{বাউ|মুজীবুর রহমান খাঁ}}
* {{বাউ|মুনশী ওয়াদুদ}}
* {{বাউ|মুনসুর আলী}}
* {{বাউ|মুনাজ আহমেদ নূর}}
* {{বাউ|মুনির উজ জামান}}
* {{বাউ|মুনেম ওয়াসিফ}}
* {{বাউ|মুন্সী রইসউদ্দিন}}
* {{বাউ|মুন্সী সিদ্দীক আহমদ}}
* {{বাউ|মুফলেহ আর. ওসমানী}}
* {{বাউ|মুবিনা আসাফ}}
* {{বাউ|মুমতাজুদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|মুরলীধর বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মুরলীধর বসু}}
* {{বাউ|মুরাদ পারভেজ}}
* {{বাউ|মুরারি গুপ্ত}}
* {{বাউ|মুশতাক আহমেদ (লেখক)}}
* {{বাউ|মুশতারী শফী}}
* {{বাউ|মুশফিকুল ফজল আনসারী}}
* {{বাউ|মুশাররাফ করিম}}
* {{বাউ|মুসলেহউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|মুসা আল হাফিজ}}
* {{বাউ|মুস্তফা মনোয়ার}}
* {{বাউ|মুস্তফা লুৎফুল্লাহ}}
* {{বাউ|মুস্তাফা খালিদ পলাশ}}
* {{বাউ|মুস্তাফা জামান আব্বাসী}}
* {{বাউ|মুস্তাফা নূরউল ইসলাম}}
* {{বাউ|মুস্তাফিজ শফি}}
* {{বাউ|মুস্তাফিজুর রহমান (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মুস্তাফিজুর রহমান (গীতিকার)}}
* {{বাউ|মুহম্মদ আবদুল হাই}}
* {{বাউ|মুহম্মদ ইউসুফ সিদ্দিক}}
* {{বাউ|মুহম্মদ ওয়ায়েছ}}
* {{বাউ|মুহম্মদ কবির}}
* {{বাউ|মুহম্মদ কুদরাত-এ-খুদা}}
* {{বাউ|মুহম্মদ নূরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মুহম্মদ মতিউর রহমান}}
* {{বাউ|মুহম্মদ মনসুর উদ্দিন}}
* {{বাউ|মুহম্মদ শামসউল হক}}
* {{বাউ|মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া (গবেষক)}}
* {{বাউ|মুহম্মদ সিরাজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আখতার}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুর রশিদ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুল বারী}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুল মুহিত}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুল্লাহ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুল্লাহিল বাকী}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আব্দুর রহিম (ইতিহাসবিদ)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আব্দুল হাফিজ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আরশাদ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আসফ-উদ-দৌলা}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইউনুস (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইউনুস (পণ্ডিত)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইব্রাহিম (পদার্থবিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইমরান (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইসমাইল}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইসহাক (ইতিহাসবিদ)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ একরামুল হক}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ জমির}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ জুলকার নাইন}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ নওশাদ জমির}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ নুরুল হক}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ নুরুল হুদা}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ফাজলী ইলাহী}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ফারুক (কূটনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ মাছুদ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ মাহবুব উল ইসলাম}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ সামাদ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান (মুক্তিযোদ্ধা)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ আবদুল মালেক}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ আব্দুল হামিদ}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ ইকবাল হোছাইন}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ ইনাম-উল হক}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ মুস্তাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ লুৎফর রহমান}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ শহীদ সারওয়ার}}
* {{বাউ|মৃণাল দত্ত চৌধুরী}}
* {{বাউ|মৃণাল মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মৃণালিনী সেন}}
* {{বাউ|মৃত্যুঞ্জয় প্রসাদ গুহ}}
* {{বাউ|মৃত্যুঞ্জয় বরাট সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার}}
* {{বাউ|মৃদুল দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|মৃদুলা গার্গ}}
* {{বাউ|মেজকর্তা}}
* {{বাউ|মেজবাউর রহমান সুমন}}
* {{বাউ|মেনহাজ হুদা}}
* {{বাউ|মেরিনা তাবাসসুম}}
* {{বাউ|মেসবাহউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|মেসবাহউদ্দিন আহমেদ (পদার্থবিদ)}}
* {{বাউ|মেসবাহুল হক}}
* {{বাউ|মেহরীন মাহমুদ}}
* {{বাউ|মেহেদী হক রনি}}
* {{বাউ|মেহের আফরোজ শাওন}}
* {{বাউ|মেহেরবানু খানম}}
* {{বাউ|মেহেরুন নেসা}}
* {{বাউ|মৈত্রী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|মৈত্রেয়ী দেবী}}
* {{বাউ|মো. আবদুল মজিদ}}
* {{বাউ|মো. আবু আহমেদ জমাদার}}
* {{বাউ|মো. আবু জাফর সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|মো. আবু তারিক}}
* {{বাউ|মো. আব্দুল মজিদ}}
* {{বাউ|মো. আমিনুল ইসলাম (বিচারক)}}
* {{বাউ|মো. ইকবাল কবির}}
* {{বাউ|মো. ইমদাদুল হক}}
* {{বাউ|মো. এমদাদুল হক}}
* {{বাউ|মো. কামরুল হোসেন মোল্লা}}
* {{বাউ|মো. খসরুজ্জামান}}
* {{বাউ|মো. খায়রুল আলম}}
* {{বাউ|মো. খুরশেদ আলম}}
* {{বাউ|মো. জয়নুল আবেদীন}}
* {{বাউ|মো. জহুরুল হক}}
* {{বাউ|মো. জাকির হোসেন}}
* {{বাউ|মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার}}
* {{বাউ|মো. নুরুল ইসলাম (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|মো. বজলুর রহমান}}
* {{বাউ|মো. বদরুজ্জামান}}
* {{বাউ|মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী}}
* {{বাউ|মো. মজিবুর রহমান মিয়া}}
* {{বাউ|মো. মনসুর আলম}}
* {{বাউ|মো. মাহমুদ হাসান তালুকদার}}
* {{বাউ|মো. মোস্তাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|মো. যাবিদ হোসেন}}
* {{বাউ|মো. রইস উদ্দিন}}
* {{বাউ|মো. রইস হাসান সরোয়ার}}
* {{বাউ|মো. রিয়াজ উদ্দিন খান}}
* {{বাউ|মো. রুহুল আমিন (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|মো. রুহুল কুদ্দুস}}
* {{বাউ|মো. রেজাউল হক}}
* {{বাউ|মো. রেজাউল হাসান}}
* {{বাউ|মো. শামসুল হুদা}}
* {{বাউ|মো. শাহিনুর ইসলাম}}
* {{বাউ|মো. সাইদুল হক}}
* {{বাউ|মো. সেলিম (বিচারক)}}
* {{বাউ|মো. হযরত আলী (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|মো. হামিদুল হক (বিচারক)}}
* {{বাউ|মো. হাসান আমিন}}
* {{বাউ|মো: গোলাম রহমান}}
* {{বাউ|মো: জাহাঙ্গীর আল মুস্তাহিদুর রহমান}}
* {{বাউ|মোঃ আখতারুজ্জামান}}
* {{বাউ|মোঃ আতাউর রহমান খান}}
* {{বাউ|মোঃ আতাবুল্লাহ}}
* {{বাউ|মোঃ আতোয়ার রহমান}}
* {{বাউ|মোঃ আব্দুল মান্নান (বিচারক)}}
* {{বাউ|মোঃ আব্দুল মুক্তাদির}}
* {{বাউ|মোঃ আলী রেজা}}
* {{বাউ|মোঃ আশরাফুল কামাল}}
* {{বাউ|মোঃ আসাদুজ্জামান}}
* {{বাউ|মোঃ ইসমাইল হোসেন}}
* {{বাউ|মোঃ কামরুজ্জামান}}
* {{বাউ|মোঃ খোরশেদ আলম}}
* {{বাউ|মোঃ জসিম উদ্দিন (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মোঃ জাকির হোসেন (বিচারক)}}
* {{বাউ|মোঃ টোকন}}
* {{বাউ|মোঃ তোফাজ্জল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোঃ নূরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোঃ বশির-উল্লাহ}}
* {{বাউ|মোঃ মইদুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোঃ মাহবুবুর রহমান (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|মোঃ মুস্তফা চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোঃ শামীম আহসান}}
* {{বাউ|মোঃ সাইদুর রহমান (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|মোঃ সাদত আলী}}
* {{বাউ|মোঃ সোহরাওয়ারদী}}
* {{বাউ|মোঃ হাবিবুল গনি}}
* {{বাউ|মোকাররম হোসেন খোন্দকার}}
* {{বাউ|মোক্ষদায়িনী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মোজাফফর আহমদ}}
* {{বাউ|মোজাফফর হোসেন (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|মোজাম্মেল হোসেন (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|মোজাম্মেল হোসেন মিন্টু}}
* {{বাউ|মোতাহার হোসেন তালুকদার}}
* {{বাউ|মোনাজাতউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোনায়েম সরকার}}
* {{বাউ|মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোবারক আহমদ খান}}
* {{বাউ|মোবারক হোসেন খান}}
* {{বাউ|মোবাশ্বের আলী}}
* {{বাউ|মোবিনুল আজিম}}
* {{বাউ|মোমতাজ আলী খান}}
* {{বাউ|মোরশেদ খান}}
* {{বাউ|মোরশেদ শফিউল হাসান}}
* {{বাউ|মোরশেদুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী}}
* {{বাউ|মোল্লা জালাল উদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|মোশতাক আহমেদ}}
* {{বাউ|মোশতাক খান}}
* {{বাউ|মোশারেফ উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|মোসলেম উদ্দিন}}
* {{বাউ|মোসলেম উদ্দিন খান}}
* {{বাউ|মোসাদ্দেক আলী ফালু}}
* {{বাউ|মোস্তফা আনোয়ার (পরিচালক)}}
* {{বাউ|মোস্তফা আলম}}
* {{বাউ|মোস্তফা আলী}}
* {{বাউ|মোস্তফা এম এ মতিন}}
* {{বাউ|মোস্তফা কামাল (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|মোস্তফা জামান ইসলাম}}
* {{বাউ|মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোস্তফা মন্ওয়ার}}
* {{বাউ|মোস্তফা মেহমুদ}}
* {{বাউ|মোস্তাফিজুর রহমান মানিক}}
* {{বাউ|মোস্তাফিজুর রহমান সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|মোহন রায়হান}}
* {{বাউ|মোহনলাল গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মোহম্মদ সামির হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আকরম খাঁ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আছাদুজ্জামান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আজম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আজিজ (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবদুর রশিদ (বিচারক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবদুর রহিম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবদুল খালেক}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবু নাসের}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবু হেনা}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবুল কাসেম চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবুল হাশেম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আব্দুল হাই}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ মিয়া}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আব্দুল্লাহেল কাফী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আলম (আলোকচিত্র সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আলী (বিচারক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (নরসিংদীর শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ইউনুস (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ইব্রাহিম (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ইব্রাহিম (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ইমান আলী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ উল্লাহ (বিচারক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ এনামউল্যা}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ওমর এজাজ রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ কায়কোবাদ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ কিবরিয়া}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ খালেদ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ গোলাম রাব্বানী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ছায়েদুল হক}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ জাকারিয়া}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নইমুদ্দীন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নজিবর রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন (লেখক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নাসির আলী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নিজামুল হক}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নুরুল করিম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নূরুজ্জামান (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নোমান (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ পনির হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ফজলী হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ফজলুল করীম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ফেরদাউস খান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ফৈয়াজ খান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ বজলুর রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মতিউর রহমান (লেখক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মিঞা}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মফজলুর রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মমতাজ উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ময়েজউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মহিউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মিজারুল কায়েস}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মুর্তজা}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোদাব্বের}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোবারক আলী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান (কর্মকর্তা)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোহর আলী (ইতিহাসবিদ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোহসীন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রফি খান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রফিক (কবি)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রফিকুল আলম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রেজওয়ান খান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শওকত আলী চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শরীফ হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শামশাদ আলী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শামসুজ্জোহা}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শাহ আলম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শাহ আলম (আইনজ্ঞ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শাহজাহান (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শাহিনুল আলম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শিশির মনির}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সাদত আলী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সাদিক}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সালার খান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সিরাজুদ্দীন কাসিমপুরী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সিরাজুল আকবর}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সুফিউর রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সোলায়মান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ হারুন-উর-রশিদ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ হোসেন জেমী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ হোসেন মণ্ডল}}
* {{বাউ|মোহাম্মদউল্লাহ}}
* {{বাউ|মোহাম্মাদ রকিবুল হাসান}}
* {{বাউ|মোহিত উল আলম}}
* {{বাউ|মোহিত কামাল}}
* {{বাউ|মোহিত চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মোহিত সেন}}
* {{বাউ|মোহিনী চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোহিনী মোহন চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|মৌমিতা তাশরিন নদী}}
* {{বাউ|মৌমিতা দত্ত}}
* {{বাউ|মৌলভী আবদুল করিম}}
* {{বাউ|মৌসুমী ভৌমিক}}
* {{বাউ|যতীন সরকার}}
* {{বাউ|যতীন্দ্রকুমার সেন}}
* {{বাউ|যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|যতীন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|যতীন্দ্রমোহন সিংহ}}
* {{বাউ|যদুনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|যদুনাথ সরকার}}
* {{বাউ|যদুনাথ সিংহ}}
* {{বাউ|যমুনা সেন}}
* {{বাউ|যশোধরা বাগচি}}
* {{বাউ|যশোধরা রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|যাত্রামোহন সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|যাদব চন্দ্র চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|যাদুমনি হাজং}}
* {{বাউ|যামিনী ভূষণ রায়}}
* {{বাউ|যামিনী রায়}}
* {{বাউ|যামিনীপ্রকাশ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|যুধাজিৎ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|যোগীন মা}}
* {{বাউ|যোগীন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|যোগেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ}}
* {{বাউ|যোগেশচন্দ্র ঘোষ}}
* {{বাউ|যোগেশচন্দ্র চৌধুরী (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|যোগেশচন্দ্র বাগল}}
* {{বাউ|যোগেশচন্দ্র রায় বিদ্যানিধি}}
* {{বাউ|যোবায়দা হান্নান}}
* {{বাউ|রওনক জাহান}}
* {{বাউ|রওশন আরা}}
* {{বাউ|রওশন আরা বাচ্চু}}
* {{বাউ|রওশন আরা মুস্তাফিজ}}
* {{বাউ|রওশন আলী}}
* {{বাউ|রওশন ইজদানী}}
* {{বাউ|রওশন জামিল}}
* {{বাউ|রকিব হাসান}}
* {{বাউ|রকিবুল আলম রকিব}}
* {{বাউ|রকীব আহমদ}}
* {{বাউ|রঘুনন্দন ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|রঘুনাথ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রঙ্গলাল মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রঙ্গলাল সেন}}
* {{বাউ|রঙ্গু সৌরিয়া}}
* {{বাউ|রজতকান্ত রায়}}
* {{বাউ|রজতশুভ্র মজুমদার}}
* {{বাউ|রজনীকান্ত গুহ}}
* {{বাউ|রজনীকান্ত প্রামাণিক}}
* {{বাউ|রজনীনাথ রায়}}
* {{বাউ|রঞ্জন ঘোষাল}}
* {{বাউ|রঞ্জন মল্লিক}}
* {{বাউ|রণজিত গুহ}}
* {{বাউ|রণজিৎ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রণজিৎ দাশ}}
* {{বাউ|রণদা প্রসাদ সাহা}}
* {{বাউ|রণেন কুশারী}}
* {{বাউ|রণেশ মৈত্র}}
* {{বাউ|রতন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রতন সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|রতনচন্দ্র কর}}
* {{বাউ|রতনতনু ঘোষ}}
* {{বাউ|রতনলাল ব্রহ্মচারী}}
* {{বাউ|রত্নেশ্বর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রথীন কিস্কু}}
* {{বাউ|রথীন মিত্র}}
* {{বাউ|রথীন মৈত্র}}
* {{বাউ|রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|রথীন্দ্রনাথ বোস}}
* {{বাউ|রফিক আহামদ}}
* {{বাউ|রফিক উদ্দিন আহমেদ (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|রফিক উদ্দিন আহমেদ (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|রফিক উদ্দিন সরকার}}
* {{বাউ|রফিক-উল হক}}
* {{বাউ|রফিকউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|রফিকউল্লাহ্ খান}}
* {{বাউ|রফিকুর রশীদ}}
* {{বাউ|রফিকুল ইসলাম (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|রফিকুল ইসলাম মিয়া}}
* {{বাউ|রফিকুল ইসলাম সেখ}}
* {{বাউ|রফিকুল বারী চৌধুরী}}
* {{বাউ|রফিকুল হক}}
* {{বাউ|রফিকুল হক (কৃষি প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|রবার্ট সুইনহো}}
* {{বাউ|রবি বসু}}
* {{বাউ|রবিউল আলম (নাট্যকার)}}
* {{বাউ|রবিউল আলম রবি}}
* {{বাউ|রবিউল ইসলাম জীবন}}
* {{বাউ|রবিউল হুসাইন}}
* {{বাউ|রবিন ঘোষ}}
* {{বাউ|রবিনা খান}}
* {{বাউ|রবিশংকর বল}}
* {{বাউ|রবিশঙ্কর}}
* {{বাউ|রবীন চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রবীন্দ্র গুহ}}
* {{বাউ|রবীন্দ্রকুমার দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|রবীন্দ্রনাথ চৌধুরী}}
* {{বাউ|রবীন্দ্রনাথ দত্ত}}
* {{বাউ|রবীন্দ্রনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|রবীন্দ্রনাথ মৈত্র}}
* {{বাউ|রমা চৌধুরী}}
* {{বাউ|রমাতোষ সরকার}}
* {{বাউ|রমাপদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|রমারঞ্জন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রমিজউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|রমেন্দ্র কুমার পোদ্দার}}
* {{বাউ|রমেন্দ্রকুমার আচার্য চৌধুরী}}
* {{বাউ|রমেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রমেশ চন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|রমেশচন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|রশিদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|রশীদ করীম}}
* {{বাউ|রশীদ তালুকদার}}
* {{বাউ|রশীদ হায়দার}}
* {{বাউ|রসময় দত্ত}}
* {{বাউ|রসময় মিত্র}}
* {{বাউ|রসময় সুর}}
* {{বাউ|রসিককৃষ্ণ মল্লিক}}
* {{বাউ|রসিকলাল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রহমত আলী}}
* {{বাউ|রহমতউল্লাহ আল মাহমুদ সেলিম}}
* {{বাউ|রহিমুন্নিসা}}
* {{বাউ|রহীম শাহ}}
* {{বাউ|রাইচরণ দাস}}
* {{বাউ|রাইচাঁদ বড়াল}}
* {{বাউ|রাইসুল ইসলাম আসাদ}}
* {{বাউ|রাখাল চন্দ্র দাস}}
* {{বাউ|রাখাল চিত্রকর}}
* {{বাউ|রাখালদাস মজুমদার}}
* {{বাউ|রাগিনী সোনকার}}
* {{বাউ|রাগীব রউফ চৌধুরী}}
* {{বাউ|রাঘব চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাঘব বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাজকুমার চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রাজকুমার সর্বাধিকারী}}
* {{বাউ|রাজকুমারী বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাজকুমারী রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|রাজকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাজকৃষ্ণ রায়}}
* {{বাউ|রাজচন্দ্র বসু}}
* {{বাউ|রাজদীপ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|রাজনারায়ণ বসু}}
* {{বাউ|রাজলক্ষ্মী দেবী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রাজিক আল জলিল}}
* {{বাউ|রাজিয়া খান}}
* {{বাউ|রাজিয়া মজিদ}}
* {{বাউ|রাজিয়া মাহবুব}}
* {{বাউ|রাজিয়া সুলতানা (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|রাজেন তরফদার}}
* {{বাউ|রাজেন্দ্রচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|রাজেন্দ্রচন্দ্র হাজরা}}
* {{বাউ|রাজেন্দ্রনাথ সেন}}
* {{বাউ|রাজেন্দ্রলাল মিত্র}}
* {{বাউ|রাজেশ রোশন}}
* {{বাউ|রাজেশ্বরী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাণী দিনমনি চৌধুরাণী}}
* {{বাউ|রাণী রাসমণি}}
* {{বাউ|রাধা বিনোদ পাল}}
* {{বাউ|রাধাকান্ত দেব}}
* {{বাউ|রাধাকান্ত নন্দী}}
* {{বাউ|রাধাকুমুদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাধাগোবিন্দ কর}}
* {{বাউ|রাধাগোবিন্দ চন্দ্র}}
* {{বাউ|রাধাগোবিন্দ নাথ}}
* {{বাউ|রাধাগোবিন্দ বসাক}}
* {{বাউ|রাধানাথ শিকদার}}
* {{বাউ|রাধাপদ রায়}}
* {{বাউ|রাধাপ্রসাদ গুপ্ত}}
* {{বাউ|রাধাবতী দেবী}}
* {{বাউ|রাধারমণ দত্ত}}
* {{বাউ|রাধারমণ মিত্র}}
* {{বাউ|রাধারাণী দেবী}}
* {{বাউ|রাধিকা মোহন মৈত্র}}
* {{বাউ|রাধিকা রায়}}
* {{বাউ|রানী চন্দ}}
* {{বাউ|রাপ্পা রায়}}
* {{বাউ|রাফায়েল অ্যারন বেলিলিওস}}
* {{বাউ|রাফিদা আহমেদ বন্যা}}
* {{বাউ|রাবাব ফাতেমা}}
* {{বাউ|রাবেয়া খাতুন}}
* {{বাউ|রাবেয়া ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|রাম নারায়ণ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রাম বসু}}
* {{বাউ|রামকমল ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রামকমল সেন}}
* {{বাউ|রামকানাই দাশ}}
* {{বাউ|রামকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রামগতি ন্যায়রত্ন}}
* {{বাউ|রামগোপাল ঘোষ}}
* {{বাউ|রামচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রামচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ}}
* {{বাউ|রামতনু লাহিড়ী}}
* {{বাউ|রামতারণ সান্যাল}}
* {{বাউ|রামদাস সেন}}
* {{বাউ|রামনারায়ণ তর্করত্ন}}
* {{বাউ|রামনিধি গুপ্ত}}
* {{বাউ|রামপ্রাণ গুপ্ত}}
* {{বাউ|রামব্রহ্ম সান্যাল}}
* {{বাউ|রামরঞ্জন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রামরাম বসু}}
* {{বাউ|রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রামেন্দু মজুমদার}}
* {{বাউ|রায়হান মুজিব}}
* {{বাউ|রায়হানুল আবেদীন}}
* {{বাউ|রায়েফ আল হাসান রাফা}}
* {{বাউ|রাশিদ আসকারী}}
* {{বাউ|রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর}}
* {{বাউ|রাশেদ খান মেনন}}
* {{বাউ|রাশেদ রউফ}}
* {{বাউ|রাসবিহারী ঘোষ}}
* {{বাউ|রাসসুন্দরী দেবী}}
* {{বাউ|রাহাত খান}}
* {{বাউ|রাহিজা খানম ঝুনু}}
* {{বাউ|রাহুল দেব বর্মণ}}
* {{বাউ|রাহুল পুরকায়স্থ}}
* {{বাউ|রিংকি ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|রিজিয়া রহমান}}
* {{বাউ|রিতা আর. কলওয়েল}}
* {{বাউ|রিনা আক্তার (সক্রিয়কর্মী)}}
* {{বাউ|রিনাত ফৌজিয়া}}
* {{বাউ|রিপন নাথ}}
* {{বাউ|রিফাত হাসান (লেখক)}}
* {{বাউ|রিমা সুলতানা রিমু}}
* {{বাউ|রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|রিয়াজ রহমান}}
* {{বাউ|রিয়াজ হামিদুল্লাহ}}
* {{বাউ|রিয়াজুল রিজু}}
* {{বাউ|রীণা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রুচিরা গুপ্ত}}
* {{বাউ|রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|রুদ্রাণী (গোয়েন্দা)}}
* {{বাউ|রুনা খান (উদ্যোক্তা)}}
* {{বাউ|রুনু বিশ্বাস}}
* {{বাউ|রুবাইয়াত হোসেন}}
* {{বাউ|রুবানা হক}}
* {{বাউ|রুবী রহমান}}
* {{বাউ|রুবেল}}
* {{বাউ|রুমা পাল}}
* {{বাউ|রুমানা আলী}}
* {{বাউ|রুমানা রশীদ ঈশিতা}}
* {{বাউ|রুমিন ফারহানা}}
* {{বাউ|রুম্মান রশীদ খান}}
* {{বাউ|রুশেমা বেগম}}
* {{বাউ|রুহি জুবেরী}}
* {{বাউ|রুহুল আমিন (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|রুহুল আলম সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|রুহুল ইসলাম}}
* {{বাউ|রুহুল কুদ্দুস কাজল}}
* {{বাউ|রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু}}
* {{বাউ|রূপ গোস্বামী}}
* {{বাউ|রূপচাঁদ অধিকারী}}
* {{বাউ|রূপমঞ্জরী ঘোষ}}
* {{বাউ|রূপরাম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রূপা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রেজা আলী}}
* {{বাউ|রেজা লতিফ}}
* {{বাউ|রেজাউদ্দিন স্টালিন}}
* {{বাউ|রেজাউল করিম (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|রেজাউল হক সরকার}}
* {{বাউ|রেজিনা গুহ}}
* {{বাউ|রেণু চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রেণুকা রায়}}
* {{বাউ|রেদওয়ান রনি}}
* {{বাউ|রেবতীভূষণ ঘোষ}}
* {{বাউ|রেবা সোম}}
* {{বাউ|রেয়াজুদ্দীন মাশহাদী আহমদ}}
* {{বাউ|রেহমান সোবহান}}
* {{বাউ|রোকেয়া সুলতানা (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|রোজিনা ইসলাম}}
* {{বাউ|রোজী আফসারী}}
* {{বাউ|রোমেনা আফাজ}}
* {{বাউ|লক্ষীছাড়া}}
* {{বাউ|লক্ষ্মীকান্ত মৈত্র}}
* {{বাউ|লজ্জাবতী বসু}}
* {{বাউ|লতিকা সরকার}}
* {{বাউ|লতিকা সেন}}
* {{বাউ|লতিফুর খান}}
* {{বাউ|লতিফুর রহমান (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|লতিফুল ইসলাম শিবলী}}
* {{বাউ|ললিত মোহন নাথ}}
* {{বাউ|ললিতা রায়}}
* {{বাউ|লাকী আখান্দ}}
* {{বাউ|লায়লা নূর}}
* {{বাউ|লায়লা সামাদ}}
* {{বাউ|লালমোহন গাঙ্গুলি}}
* {{বাউ|লিয়াকত আলী চৌধুরী}}
* {{বাউ|লিয়াকত আলী লাকী}}
* {{বাউ|লিলি চক্রবর্তী (কবি)}}
* {{বাউ|লিসা গাজী}}
* {{বাউ|লীমা ধর}}
* {{বাউ|লীলা রায়}}
* {{বাউ|লীলাবতী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|লীলাবতী মিত্র}}
* {{বাউ|লুইস জনসন}}
* {{বাউ|লুসি রহমান}}
* {{বাউ|লুৎফর রহমান (মুসলিম পণ্ডিত)}}
* {{বাউ|লুৎফর রহমান রিটন}}
* {{বাউ|লুৎফর রহমান সরকার}}
* {{বাউ|লুৎফর হাসান}}
* {{বাউ|লুৎফুন্নাহার হেলেন}}
* {{বাউ|লুৎফুল হায়দার চৌধুরী}}
* {{বাউ|লুৎফে সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|লেনিন গনি}}
* {{বাউ|লেবুমামা}}
* {{বাউ|লেমিস}}
* {{বাউ|লোকনাথ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|লোকমান হোসেন ফকির}}
* {{বাউ|লোকেন্দ্রনাথ পালিত}}
* {{বাউ|লোপামুদ্রা মিত্র}}
* {{বাউ|শংকর রায় চৌধুরী (চরিত্র)}}
* {{বাউ|শওকত আরা বেগম}}
* {{বাউ|শওকত আলী (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|শওকত আলী ইমন}}
* {{বাউ|শওকত আলী খান}}
* {{বাউ|শওকত জামিল}}
* {{বাউ|শওকত মাহমুদ}}
* {{বাউ|শক্তি বর্মণ}}
* {{বাউ|শক্তি মণ্ডল}}
* {{বাউ|শক্তিপদ রাজগুরু}}
* {{বাউ|শক্তিসাধন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শঙ্কর ঘোষ}}
* {{বাউ|শঙ্কর ঘোষ (পণ্ডিত)}}
* {{বাউ|শঙ্কর চ্যাটার্জী}}
* {{বাউ|শঙ্কর প্রসাদ মিত্র}}
* {{বাউ|শঙ্কর রায়}}
* {{বাউ|শঙ্কর সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|শঙ্করীপ্রসাদ বসু}}
* {{বাউ|শঙ্কু মহারাজ}}
* {{বাউ|শঙ্খ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|শচীন দাশ}}
* {{বাউ|শচীন ভৌমিক}}
* {{বাউ|শচীন্দ্রনাথ অধিকারী}}
* {{বাউ|শচীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শচীন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|শফি ইউ আহমেদ}}
* {{বাউ|শফিউর রহমান}}
* {{বাউ|শফিক আহমেদ}}
* {{বাউ|শফিক তুহিন}}
* {{বাউ|শবনম পারভীন}}
* {{বাউ|শবনম মুশতারী}}
* {{বাউ|শবনম রামস্বামী}}
* {{বাউ|শবর দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|শমসের মবিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|শমিতা দাশ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|শম্পা দাস}}
* {{বাউ|শম্ভু ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শম্ভুনাথ দে}}
* {{বাউ|শম্ভুনাথ পণ্ডিত}}
* {{বাউ|শম্ভুনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শরচ্চন্দ্র পণ্ডিত}}
* {{বাউ|শরণ}}
* {{বাউ|শরাফত আলী}}
* {{বাউ|শরিফ এনামুল কবির}}
* {{বাউ|শরিফা খাতুন}}
* {{বাউ|শরিফা খান}}
* {{বাউ|শরীফ উদ্দিন চাকলাদার}}
* {{বাউ|শরীফ খান}}
* {{বাউ|শরীফ মুহাম্মদ আজিজুল হক}}
* {{বাউ|শর্বরী জোহরা আহমেদ}}
* {{বাউ|শর্বরী রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|শর্মিলা বসু}}
* {{বাউ|শর্মিলা বিশ্বাস}}
* {{বাউ|শর্মিলা ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শর্মিলা সরকার}}
* {{বাউ|শরৎকুমার মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শরৎকুমারী চৌধুরাণী}}
* {{বাউ|শরৎচন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|শরৎচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|শরৎসুন্দরী দেবী}}
* {{বাউ|শশধর দত্ত}}
* {{বাউ|শশাঙ্ক চন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শশাঙ্ক শেখর সরকার}}
* {{বাউ|শশিভূষণ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|শশিশেখর বসু}}
* {{বাউ|শহিদুল আমিন}}
* {{বাউ|শহিদুল আলম}}
* {{বাউ|শহিদুল ইসলাম (বিচারক)}}
* {{বাউ|শহিদুল হক খান}}
* {{বাউ|শহীদ আখন্দ}}
* {{বাউ|শহীদ উল্লাহ তালুকদার}}
* {{বাউ|শহীদ সাবের}}
* {{বাউ|শহীদুল ইসলাম (গণিতবিদ)}}
* {{বাউ|শহীদুল ইসলাম (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|শহীদুল ইসলাম খোকন}}
* {{বাউ|শহীদুল হক}}
* {{বাউ|শহীদুল্লাহ খান}}
* {{বাউ|শাওন আকন্দ}}
* {{বাউ|শাকিলা জাফর}}
* {{বাউ|শাকুর মজিদ}}
* {{বাউ|শাজিয়া ওমর}}
* {{বাউ|শানারেই দেবী শানু}}
* {{বাউ|শানু লাহিড়ী}}
* {{বাউ|শান্তনু কায়সার}}
* {{বাউ|শান্তনু ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শান্তনু মৈত্র}}
* {{বাউ|শান্তা দেবী (নাগ)}}
* {{বাউ|শান্তিদেব ঘোষ}}
* {{বাউ|শান্তিময় চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শান্তিরঞ্জন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শান্তিসুধা ঘোষ}}
* {{বাউ|শাপলা সালিক}}
* {{বাউ|শাফিয়া খাতুন}}
* {{বাউ|শামছুল আলম}}
* {{বাউ|শামশুদ্দিন আহমদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন আহমদ (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন আহমেদ (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন টগর}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন হীরা}}
* {{বাউ|শামসুদ্দীন আবুল কালাম}}
* {{বাউ|শামসুন নাহার মাহমুদ}}
* {{বাউ|শামসুল আলম (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|শামসুল ইসলাম আলমাজী}}
* {{বাউ|শামসুল হক (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|শামসুল হুদা}}
* {{বাউ|শামসুল হুদা চৌধুরী}}
* {{বাউ|শামীম আকতার}}
* {{বাউ|শামীম আজাদ}}
* {{বাউ|শামীম আরা নিপা}}
* {{বাউ|শামীম আহমেদ রনি}}
* {{বাউ|শামীম আহসান}}
* {{বাউ|শামীম শিকদার}}
* {{বাউ|শামীম হায়দার}}
* {{বাউ|শামীম হাসনাইন}}
* {{বাউ|শামীমা করিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|শায়ান চৌধুরী অর্ণব}}
* {{বাউ|শায়েস্তা সোহরাওয়ার্দী ইকরামউল্লাহ}}
* {{বাউ|শারফুদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|শারমিন আলি}}
* {{বাউ|শার্মিন আক্তার}}
* {{বাউ|শাহ আজিজুর রহমান}}
* {{বাউ|শাহ আবদুল ওয়াহহাব}}
* {{বাউ|শাহ আবদুল হান্নান}}
* {{বাউ|শাহ আবু নাঈম মমিনুর রহমান}}
* {{বাউ|শাহ আবুল হাসনাৎ মোহাম্মদ ইসমাইল}}
* {{বাউ|শাহ আব্দুল হামিদ}}
* {{বাউ|শাহ আলম কিরণ}}
* {{বাউ|শাহ আলমগীর}}
* {{বাউ|শাহ আহমদ শফী}}
* {{বাউ|শাহ এ এম এস কিবরিয়া}}
* {{বাউ|শাহ খাজা শরফুদ্দীন}}
* {{বাউ|শাহ জাহাঙ্গীর কবীর}}
* {{বাউ|শাহ বারিদ খান}}
* {{বাউ|শাহ মাহাতাব আহমদ}}
* {{বাউ|শাহ মুহম্মদ সগীর}}
* {{বাউ|শাহ মো. ওয়ারেস আলী মামুন}}
* {{বাউ|শাহ মোঃ উললাহ}}
* {{বাউ|শাহ মোঃ হাসানুজ্জামান}}
* {{বাউ|শাহ মোহাম্মদ ফারুক}}
* {{বাউ|শাহ মোহাম্মদ ফারুক (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|শাহ মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস}}
* {{বাউ|শাহ মোহাম্মদ হাছানুজ্জামান}}
* {{বাউ|শাহজাদা আবদুল মালেক খান}}
* {{বাউ|শাহজাহান আহমেদ বিকাশ}}
* {{বাউ|শাহজাহান কিবরিয়া}}
* {{বাউ|শাহজাহান খান (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|শাহজাহান চৌধুরী (চলচ্চিত্র পরিচালক)}}
* {{বাউ|শাহদীন মালিক}}
* {{বাউ|শাহনাজ আরেফিন}}
* {{বাউ|শাহনাজ রহমতুল্লাহ}}
* {{বাউ|শাহনাজ হুদা}}
* {{বাউ|শাহনেওয়াজ কাকলী}}
* {{বাউ|শাহরিয়ার আলম}}
* {{বাউ|শাহরিয়ার নাজিম জয়}}
* {{বাউ|শাহলা খাতুন}}
* {{বাউ|শাহাদাত চৌধুরী}}
* {{বাউ|শাহাদাত হোসেন খান}}
* {{বাউ|শাহাদাৎ হোসেন (লেখক)}}
* {{বাউ|শাহাদাৎ হোসেন লিটন}}
* {{বাউ|শাহাবুদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|শাহাবুদ্দিন আহমেদ (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|শাহাবুদ্দিন আহমেদ (রাষ্ট্রদূত)}}
* {{বাউ|শাহাবুদ্দীন নাগরী}}
* {{বাউ|শাহীন আখতার}}
* {{বাউ|শাহীন দিল-রিয়াজ}}
* {{বাউ|শাহীন সামাদ}}
* {{বাউ|শাহীন-সুমন}}
* {{বাউ|শাহীনুর পাশা চৌধুরী}}
* {{বাউ|শাহেদ আলী}}
* {{বাউ|শাহেদ আলী পাটোয়ারী}}
* {{বাউ|শাহেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|শাহেদ নূরউদ্দিন}}
* {{বাউ|শাহ্ আলিমুজ্জামান}}
* {{বাউ|শিতালং শাহ}}
* {{বাউ|শিপ্রা গুহ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শিব নারায়ণ দাস}}
* {{বাউ|শিবকালী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শিবচন্দ্র বিদ্যার্ণব}}
* {{বাউ|শিবদাস বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শিবনারায়ণ রায়}}
* {{বাউ|শিবপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শিবব্রত বর্মন}}
* {{বাউ|শিবলি সাদিক}}
* {{বাউ|শিবাজী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শিমুল মুস্তাফা}}
* {{বাউ|শিমূল ইউসুফ}}
* {{বাউ|শিরীণ আখতার}}
* {{বাউ|শিশির কুমার ঘোষ}}
* {{বাউ|শিশির কুমার দাশ}}
* {{বাউ|শিশির কুমার মিত্র}}
* {{বাউ|শিশির ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|শিশির ভট্টাচার্য্য (ভাষাবিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|শিশিরকুমার বসু}}
* {{বাউ|শিশিরকুমার ভাদুড়ী}}
* {{বাউ|শিহাব শাহীন}}
* {{বাউ|শিহাব সরকার}}
* {{বাউ|শীলভদ্র}}
* {{বাউ|শুক্লা বোস}}
* {{বাউ|শুদ্ধানন্দ ব্রহ্মচারী}}
* {{বাউ|শুদ্ধানন্দ মহাথের}}
* {{বাউ|শুভ (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|শুভ গুহঠাকুরতা}}
* {{বাউ|শুভ রায়}}
* {{বাউ|শুভঙ্কর (গণিতবিদ)}}
* {{বাউ|শুভাগত চৌধুরী}}
* {{বাউ|শুভাশিস সিনহা}}
* {{বাউ|শুভ্র (চরিত্র)}}
* {{বাউ|শুভ্র দেব}}
* {{বাউ|শুভ্রা ঘোষ}}
* {{বাউ|শেখ আবদুল আউয়াল}}
* {{বাউ|শেখ আবদুল আজিজ}}
* {{বাউ|শেখ আবদুল মান্নান}}
* {{বাউ|শেখ আবদুস সালাম}}
* {{বাউ|শেখ আবুল কাশেম মিঠুন}}
* {{বাউ|শেখ আব্দুর রহিম}}
* {{বাউ|শেখ আব্দুস সালাম}}
* {{বাউ|শেখ খলিলুর রহমান হামিদি}}
* {{বাউ|শেখ গোলাম মাকসুদ হিলালী}}
* {{বাউ|শেখ তৈয়বুর রহমান}}
* {{বাউ|শেখ দীন মুহাম্মদ}}
* {{বাউ|শেখ নিয়ামত আলী}}
* {{বাউ|শেখ ফয়জুল্লাহ}}
* {{বাউ|শেখ বখতিয়ার উদ্দিন}}
* {{বাউ|শেখ ভানু}}
* {{বাউ|শেখ মকবুল ইসলাম}}
* {{বাউ|শেখ মনিরুল আলম টিপু}}
* {{বাউ|শেখ মাকসুদ আলী}}
* {{বাউ|শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ}}
* {{বাউ|শেখ মো. জাকির হোসেন}}
* {{বাউ|শেখ মোঃ নূরুল হক}}
* {{বাউ|শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ}}
* {{বাউ|শেখ রাজ্জাক আলী}}
* {{বাউ|শেখ রেজোয়ান আলী}}
* {{বাউ|শেখ লুতফর রহমান}}
* {{বাউ|শেখ শহীদুল ইসলাম}}
* {{বাউ|শেখ হাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|শেখ হাসান আরিফ}}
* {{বাউ|শেখর চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শেখর বসু}}
* {{বাউ|শেফালী ঘোষ}}
* {{বাউ|শেলী সেনগুপ্তা}}
* {{বাউ|শৈল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শৈলজারঞ্জন মজুমদার}}
* {{বাউ|শৈলবালা ঘোষজায়া}}
* {{বাউ|শৈলেন ঘোষ}}
* {{বাউ|শৈলেন রায়}}
* {{বাউ|শৈলেন্দ্র সরকার}}
* {{বাউ|শৈলেশ দে}}
* {{বাউ|শোভনা শর্মা}}
* {{বাউ|শোভনাসুন্দরী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শোভা রানী ত্রিপুরা}}
* {{বাউ|শোহিদ আলী}}
* {{বাউ|শৌভিক দে সরকার}}
* {{বাউ|শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর}}
* {{বাউ|শ্যামমোহিনী দেবী}}
* {{বাউ|শ্যামল কুমার সেন}}
* {{বাউ|শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শ্যামল গুপ্ত}}
* {{বাউ|শ্যামল দত্ত রায়}}
* {{বাউ|শ্যামল বসাক}}
* {{বাউ|শ্যামল মিত্র}}
* {{বাউ|শ্যামলকৃষ্ণ ঘোষ}}
* {{বাউ|শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|শ্যামসুন্দর চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|শ্যামসুন্দর বৈষ্ণব}}
* {{বাউ|শ্যামাচরণ শ্রীমানী}}
* {{বাউ|শ্যামাদাস চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শ্যামাদাস মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (পরিসংখ্যানবিদ)}}
* {{বাউ|শ্রাবন্তী নারমীন আলী}}
* {{বাউ|শ্রী জহির}}
* {{বাউ|শ্রী পারাবত}}
* {{বাউ|শ্রী প্রীতম}}
* {{বাউ|শ্রীকর নন্দী}}
* {{বাউ|শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শ্রীজাত}}
* {{বাউ|শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ}}
* {{বাউ|শ্রীধর আচার্য}}
* {{বাউ|শ্রীধর ভেঙ্কটেশ কেতকর}}
* {{বাউ|শ্রীমতি রাসাসুন্দরী}}
* {{বাউ|শ্রীশচন্দ্র নন্দী}}
* {{বাউ|শ্রীশচন্দ্র বিদ্যারত্ন}}
* {{বাউ|শ্রীশচন্দ্র মজুমদার}}
* {{বাউ|শ্রেয়সী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শ্রেষ্ঠ নাট্যকারের জন্য মেরিল-প্রথম আলো সমালোচক পুরস্কার}}
* {{বাউ|শ্ৰীকৃষ্ণ সার্বভৌম}}
* {{বাউ|ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সংগ্রাম কুমার দোলই}}
* {{বাউ|সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সঙ্ঘমিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সজনীকান্ত দাস}}
* {{বাউ|সজীব দাস}}
* {{বাউ|সঞ্চিতা ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|সঞ্জয় (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|সঞ্জয় কুমার অধিকারী}}
* {{বাউ|সঞ্জয় গুহঠাকুরতা}}
* {{বাউ|সতীকান্ত গুহ}}
* {{বাউ|সতীনাথ ভাদুড়ী}}
* {{বাউ|সতীশচন্দ্র আচার্য বিদ্যাভূষণ}}
* {{বাউ|সতীশচন্দ্র দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|সতীশচন্দ্র পাকড়াশী}}
* {{বাউ|সতীশচন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|সতীশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সত্য চৌধুরী}}
* {{বাউ|সত্য সাহা}}
* {{বাউ|সত্যপ্রিয় ঘোষ}}
* {{বাউ|সত্যপ্রিয় মহাথের}}
* {{বাউ|সত্যবতী (ব্যোমকেশ বক্সীর স্ত্রী)}}
* {{বাউ|সত্যব্রত সামশ্রমী}}
* {{বাউ|সত্যরঞ্জন বকসি}}
* {{বাউ|সত্যানন্দ গিরি}}
* {{বাউ|সত্যানন্দ দাশ}}
* {{বাউ|সত্যেন সেন}}
* {{বাউ|সত্যেন্দ্র চন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|সত্যেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সত্যেন্দ্রনাথ মৈত্র}}
* {{বাউ|সত্যেন্দ্রনাথ সেন}}
* {{বাউ|সনাতন গোস্বামী}}
* {{বাউ|সন্তোষ গুপ্ত}}
* {{বাউ|সন্তোষ চন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|সন্তোষ ঢালী}}
* {{বাউ|সন্তোষ রানা}}
* {{বাউ|সন্তোষকুমার ঘোষ}}
* {{বাউ|সন্তোষকুমারী দেবী}}
* {{বাউ|সন্দীপ ঘোষ}}
* {{বাউ|সন্দীপ দত্ত}}
* {{বাউ|সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সন্ধ্যাকর নন্দী}}
* {{বাউ|সন্মথ দত্ত}}
* {{বাউ|সন্মাত্রানন্দ}}
* {{বাউ|সন্জীদা খাতুন}}
* {{বাউ|সনৎ কর}}
* {{বাউ|সনৎ কুমার সাহা}}
* {{বাউ|সপ্তর্ষি ব্যানার্জি}}
* {{বাউ|সফিউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|সফিউদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|সবিতা রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|সবিতাব্রত দত্ত}}
* {{বাউ|সব্যসাচী মুখোপাধ্যায় (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|সমর দাস}}
* {{বাউ|সমর বাগচী}}
* {{বাউ|সমর মজুমদার}}
* {{বাউ|সমর সেন}}
* {{বাউ|সমরজিৎ রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্র কুমার মিত্র}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্র চন্দ্র দেব}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্র নাথ পাণ্ডে}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্র মল্লিক}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্রনাথ রায়}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্রনাথ সেন}}
* {{বাউ|সমরেশ বসু}}
* {{বাউ|সমাপ্তি চ্যাটার্জি}}
* {{বাউ|সমীর কুমার সাহা}}
* {{বাউ|সমীর রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|সমুদ্র গুপ্ত (কবি)}}
* {{বাউ|সরকার প্রতিক}}
* {{বাউ|সরদার জয়েনউদ্দীন}}
* {{বাউ|সরদার ফজলুল করিম}}
* {{বাউ|সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীর}}
* {{বাউ|সরদার মোশারফ হোসেন}}
* {{বাউ|সরদার মোহাম্মদ আবদুল হামিদ}}
* {{বাউ|সরযূবালা দেবী}}
* {{বাউ|সরযূবালা সেন}}
* {{বাউ|সরলা বসু}}
* {{বাউ|সরলা বিড়লা}}
* {{বাউ|সরলা রায়}}
* {{বাউ|সরসীবালা বসু}}
* {{বাউ|সরোজ কান্তি সিংহ হাজারী}}
* {{বাউ|সরোজ গুপ্ত}}
* {{বাউ|সরোজ ঘোষ}}
* {{বাউ|সরোজ দত্ত}}
* {{বাউ|সরোজ নলিনী দত্ত}}
* {{বাউ|সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সরোজকুমার রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ}}
* {{বাউ|সলিল চৌধুরী}}
* {{বাউ|সলিল সেন}}
* {{বাউ|সহিদুল করিম}}
* {{বাউ|সহিফা বানু}}
* {{বাউ|সাইদা খানম}}
* {{বাউ|সাইদুল আনাম টুটুল}}
* {{বাউ|সাইদুল হাসান (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|সাইদুস সালেহীন খালেদ সুমন}}
* {{বাউ|সাইফ হাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|সাইফউদ-দীন চৌধুরী}}
* {{বাউ|সাইফুজ্জামান শিখর}}
* {{বাউ|সাইফুদ্দিন শাহ্}}
* {{বাউ|সাইফুর রহমান}}
* {{বাউ|সাইফুল আজম কাশেম}}
* {{বাউ|সাইফুল ইসলাম (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|সাইফুল ইসলাম মান্নু}}
* {{বাউ|সাইফুল হক}}
* {{বাউ|সাইম রানা}}
* {{বাউ|সাইমন জাকারিয়া}}
* {{বাউ|সাইয়িদ আতীকুল্লাহ}}
* {{বাউ|সাঈদ আহমদ}}
* {{বাউ|সাঈদ উদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|সাঈদ হায়দার}}
* {{বাউ|সাঈদ-উর-রহমান}}
* {{বাউ|সাঈদা মুনা তাসনিম}}
* {{বাউ|সাকিব ফাহাদ}}
* {{বাউ|সাগর জাহান}}
* {{বাউ|সাগরময় ঘোষ}}
* {{বাউ|সাগরলাল দত্ত}}
* {{বাউ|সাজিদুর রহমান}}
* {{বাউ|সাজেদুল করিম}}
* {{বাউ|সাজ্জাদুল হাসান (আমলা)}}
* {{বাউ|সাদাত আবুল মাসুদ}}
* {{বাউ|সাদাত হোসাইন}}
* {{বাউ|সাদি মহম্মদ}}
* {{বাউ|সাদিক হোসেন}}
* {{বাউ|সাদিয়া ফাইজুন্নেসা}}
* {{বাউ|সাদির উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|সাদেক খান (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|সাধনা আহমেদ}}
* {{বাউ|সানাউল হক}}
* {{বাউ|সানাউল হক খান}}
* {{বাউ|সানাউল্লাহ নূরী}}
* {{বাউ|সানি সানোয়ার}}
* {{বাউ|সানিয়া সুলতানা লিজা}}
* {{বাউ|সানী জুবায়ের}}
* {{বাউ|সাফি উদ্দিন সাফি}}
* {{বাউ|সাবরিনা পড়শী}}
* {{বাউ|সাবিত্রী রায়}}
* {{বাউ|সাব্বির নাসির}}
* {{বাউ|সামন্ত লাল সেন}}
* {{বাউ|সামসুল হক (কবি)}}
* {{বাউ|সামিনা চৌধুরী}}
* {{বাউ|সামিয়া জামান}}
* {{বাউ|সাযযাদ কাদির}}
* {{বাউ|সায়মা ওয়াজেদ পুতুল}}
* {{বাউ|সায়েদুর রহমান}}
* {{বাউ|সায়েবা আখতার}}
* {{বাউ|সারদাচরণ মিত্র}}
* {{বাউ|সারদারঞ্জন রায়}}
* {{বাউ|সারা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সারা যাকের}}
* {{বাউ|সারা হোসেন}}
* {{বাউ|সালমা ইসলাম}}
* {{বাউ|সালমা মাসুদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|সালমা সুলতানা}}
* {{বাউ|সালমা সোবহান}}
* {{বাউ|সালাউদ্দিন সরদার}}
* {{বাউ|সালাহ উদ্দিন ইউসুফ}}
* {{বাউ|সালাহ উদ্দিন নানুপুরী}}
* {{বাউ|সালাহউদ্দিন (চলচ্চিত্র পরিচালক)}}
* {{বাউ|সালাহউদ্দিন আহমেদ (অ্যাটর্নি জেনারেল)}}
* {{বাউ|সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী}}
* {{বাউ|সালাহউদ্দিন লাভলু}}
* {{বাউ|সালিমুল হক}}
* {{বাউ|সালেহ উদ্দিন}}
* {{বাউ|সালেহ উদ্দীন আহমদ জহুরী}}
* {{বাউ|সালেহ হাসান নকীব}}
* {{বাউ|সালেহউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|সাহানাজ সুলতানা}}
* {{বাউ|সাহিদা বেগম}}
* {{বাউ|সি এম শফি সামি}}
* {{বাউ|সি. বি. জামান}}
* {{বাউ|সিকদার আমিনুল হক}}
* {{বাউ|সিকদার মাহমুদুর রাজী}}
* {{বাউ|সিগমা হুদা}}
* {{বাউ|সিতারা বেগম}}
* {{বাউ|সিদ্দিক আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|সিদ্দিকা কবীর}}
* {{বাউ|সিদ্দিকুর রহমান মিয়া}}
* {{বাউ|সিদ্ধার্থ ঘোষ}}
* {{বাউ|সিদ্ধার্থ মুখার্জী}}
* {{বাউ|সিদ্ধেশ্বর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সিয়াম আহমেদ}}
* {{বাউ|সিরাজ উদদীন আহমেদ}}
* {{বাউ|সিরাজ উদ্দিন মিয়া}}
* {{বাউ|সিরাজ সাঁই}}
* {{বাউ|সিরাজ হায়দার}}
* {{বাউ|সিরাজুদ্দীন হোসেন}}
* {{বাউ|সিরাজুর রহমান}}
* {{বাউ|সিরাজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|সিরাজুল ইসলাম (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|সিরাজুল ইসলাম (কবি)}}
* {{বাউ|সিরাজুল করিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|সিরাজুল হক (বাচ্চু মিয়া)}}
* {{বাউ|সিরাজুল হক (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|সিরাজুল হক খান}}
* {{বাউ|সিরিল সিকদার}}
* {{বাউ|সীতা দেবী}}
* {{বাউ|সীতানাথ তত্ত্বভূষণ}}
* {{বাউ|সীতানাথ সিদ্ধান্তবাগীশ}}
* {{বাউ|সুকন্যা দত্ত}}
* {{বাউ|সুকান্ত চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুকুমারী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|সুখময় চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুখরঞ্জন সমাদ্দার}}
* {{বাউ|সুগত বসু}}
* {{বাউ|সুগত মারজিত}}
* {{বাউ|সুচরিত চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুচারু দেবী}}
* {{বাউ|সুচিত্রা মিত্র}}
* {{বাউ|সুজন দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুজন বড়ুয়া}}
* {{বাউ|সুজয় পল}}
* {{বাউ|সুজাত খান (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|সুজেয় শ্যাম}}
* {{বাউ|সুতপা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুতপা বসু}}
* {{বাউ|সুদর্শন ঘোষ দস্তিদার}}
* {{বাউ|সুদীপ্ত-হেরম্যান}}
* {{বাউ|সুদীপ্তা সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুদেষ্ণা রায়}}
* {{বাউ|সুদেষ্ণা সিনহা}}
* {{বাউ|সুধাংশু দত্ত মজুমদার}}
* {{বাউ|সুধাংশু শেখর হালদার}}
* {{বাউ|সুধাংশুকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুধাংশুবালা হাজরা}}
* {{বাউ|সুধীন দত্ত}}
* {{বাউ|সুধীন দাশ}}
* {{বাউ|সুধীন দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুধীন্দ্রনাথ রাহা}}
* {{বাউ|সুধীর চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুধীরকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুধীরচন্দ্র কর}}
* {{বাউ|সুধীরঞ্জন প্রধান}}
* {{বাউ|সুধীরনাথ সান্যাল}}
* {{বাউ|সুধীরলাল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুনন্দ সান্যাল}}
* {{বাউ|সুনন্দা শিকদার}}
* {{বাউ|সুনয়নী দেবী}}
* {{বাউ|সুনীতি দেবী}}
* {{বাউ|সুনীতিকুমার পাঠক}}
* {{বাউ|সুনীল দাশ (লেখক)}}
* {{বাউ|সুনেত্রা গুপ্ত}}
* {{বাউ|সুন্দরীমোহন দাস}}
* {{বাউ|সুপ্রিয়া চৌধুরী (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|সুফি (কার্টুনিস্ট)}}
* {{বাউ|সুফি মিজানুর রহমান}}
* {{বাউ|সুফি মোতাহার হোসেন}}
* {{বাউ|সুফিয়া খাতুন}}
* {{বাউ|সুফী জুলফিকার হায়দার}}
* {{বাউ|সুবল দাস}}
* {{বাউ|সুবিমল বসাক}}
* {{বাউ|সুবিমল মিশ্র}}
* {{বাউ|সুবোধ ঘোষ}}
* {{বাউ|সুবোধ মিত্র}}
* {{বাউ|সুবোধ সরকার}}
* {{বাউ|সুবোধকুমার চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুব্রত রায় (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|সুব্রত রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুভাষ চন্দ্র শীল}}
* {{বাউ|সুভাষ চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুভাষ দত্ত}}
* {{বাউ|সুভাষ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|সুভাষ মুখোপাধ্যায় (কবি)}}
* {{বাউ|সুভাষ সিংহ রায়}}
* {{বাউ|সুভো ঠাকুর}}
* {{বাউ|সুমথনাথ ঘোষ}}
* {{বাউ|সুমন কল্যাণপুর}}
* {{বাউ|সুমন চট্টোপাধ্যায় (সাংবাদিক ও লেখক)}}
* {{বাউ|সুমন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুমনা রায়}}
* {{বাউ|সুমনা সিনহা}}
* {{বাউ|সুমিত রায়}}
* {{বাউ|সুমিত সরকার}}
* {{বাউ|সুমিত সাহা}}
* {{বাউ|সুরজিৎচন্দ্র লাহিড়ী}}
* {{বাউ|সুরজিৎচন্দ্র সিনহা}}
* {{বাউ|সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুরবালা ঘোষ}}
* {{বাউ|সুরমা জাহিদ}}
* {{বাউ|সুরমা মিত্র দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্র কুমার সিনহা}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্র নারায়ণ দাশ}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রকুমার দে}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ ঘোষ}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ মিত্র}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|সুরেশ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|সুরেশ রঞ্জন বসাক}}
* {{বাউ|সুরেশচন্দ্র চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুরেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুলতান আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুলতান উদ্দিন ভূঞা}}
* {{বাউ|সুলতান হোসেন খান}}
* {{বাউ|সুলতানা আফরোজ}}
* {{বাউ|সুলতানা ইয়াসমিন লায়লা}}
* {{বাউ|সুলতানা কামাল}}
* {{বাউ|সুলতানা নুরুন নাহার}}
* {{বাউ|সুলতানা ফিরদৌসী}}
* {{বাউ|সুলতানা সারওয়াত আরা জামান}}
* {{বাউ|সুলতানুল কবির চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুশান্ত মজুমদার}}
* {{বাউ|সুশীল কুমার দে}}
* {{বাউ|সুশীল জানা}}
* {{বাউ|সুশীল রঞ্জন চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুশীলকুমার ঘোষ}}
* {{বাউ|সুশীলকুমার মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুশীলা অনিতা ব্যানার্জী}}
* {{বাউ|সুশোভন বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুশোভন সরকার}}
* {{বাউ|সুষমা দাস}}
* {{বাউ|সুস্মিতা আনিস}}
* {{বাউ|সুস্মিতা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুস্মিতা বসু}}
* {{বাউ|সুস্মিতা বসু মজুমদার}}
* {{বাউ|সুহরাব হোসেন}}
* {{বাউ|সুহাস চন্দ্র দত্ত রায়}}
* {{বাউ|সুহাসিনী দাস}}
* {{বাউ|সূর্যকুমার সর্বাধিকারী}}
* {{বাউ|সেকুল ইসলাম}}
* {{বাউ|সেজান মাহমুদ}}
* {{বাউ|সেজুল হোসেন}}
* {{বাউ|সেলিনা আখতার}}
* {{বাউ|সেলিনা পারভীন}}
* {{বাউ|সেলিনা বানু}}
* {{বাউ|সেলিনা বাহার জামান}}
* {{বাউ|সেলিনা হায়াৎ আইভী}}
* {{বাউ|সেলিম আলতাফ জর্জ}}
* {{বাউ|সেলিম মাহমুদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ অহিদুজ্জামান ডায়মন্ড}}
* {{বাউ|সৈয়দ আকরম হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ আক্তার হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ আজিজুল হক}}
* {{বাউ|সৈয়দ আতিকুল হক}}
* {{বাউ|সৈয়দ আনোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ আনোয়ারুল করিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবদুস সামাদ (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবদুস সুলতান}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবদুস সোবহান}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবু কাওসার মো. দবিরুশ্বান}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবুল মকসুদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবুল মনসুর হাবিবুল্লাহ}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবুল মাসুদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ আব্দুন নূর হোছেনী চিশতি}}
* {{বাউ|সৈয়দ আব্দুল মজিদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ আব্দুল হাদী}}
* {{বাউ|সৈয়দ আমিরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|সৈয়দ আমীর আলী}}
* {{বাউ|সৈয়দ আলতাফ হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ এ কে এম এমদাদুল বারী}}
* {{বাউ|সৈয়দ এ. বি. মাহমুদ হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ এ.বি মাহমুদুল হক}}
* {{বাউ|সৈয়দ এমদাদ আলী}}
* {{বাউ|সৈয়দ গিয়াসউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া}}
* {{বাউ|সৈয়দ জাহাঙ্গীর}}
* {{বাউ|সৈয়দ জাহেদ মনসুর}}
* {{বাউ|সৈয়দ জে. আর. মোদাচ্ছির হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ তারেক হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী}}
* {{বাউ|সৈয়দ নওশের আলী}}
* {{বাউ|সৈয়দ নজমুল হক (বুদ্ধিজীবী)}}
* {{বাউ|সৈয়দ নাজমুদ্দীন হাশেম}}
* {{বাউ|সৈয়দ নাজমুল হক}}
* {{বাউ|সৈয়দ নূরুদ্দিন}}
* {{বাউ|সৈয়দ নূরুদ্দীন}}
* {{বাউ|সৈয়দ পীর বাদশাহ}}
* {{বাউ|সৈয়দ ফজলুল করিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ ফয়জুল করিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ ফাহিম মুনাইম}}
* {{বাউ|সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|সৈয়দ মাইনুল হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ মাহমুদ হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ মুর্তাজা আলী}}
* {{বাউ|সৈয়দ মুহাম্মদ আবদুল ফায়েজ}}
* {{বাউ|সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ মুহাম্মদ ইসহাক}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান নিজামী শাহ}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ তাজরুল হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ তৈফুর}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ রায়হান উদ্দিন}}
* {{বাউ|সৈয়দ রেজাউল করিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ রেফাত আহমেদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ শাহ ইসরাইল}}
* {{বাউ|সৈয়দ শাহনুর}}
* {{বাউ|সৈয়দ শাহিদুর রহমান}}
* {{বাউ|সৈয়দ সফিউল্লাহ}}
* {{বাউ|সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ সুলতান}}
* {{বাউ|সৈয়দ হাবিবুল হক}}
* {{বাউ|সৈয়দ হাসান আহমদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ হুমায়ুন আখতার}}
* {{বাউ|সৈয়দ হেদায়েতউল্লাহ}}
* {{বাউ|সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু}}
* {{বাউ|সৈয়দা ইসাবেলা}}
* {{বাউ|সৈয়দা মরিয়ম গুলশান হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দা মোতাহেরা বানু}}
* {{বাউ|সৈয়দা রুবিনা আক্তার}}
* {{বাউ|সোনালি চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সোনালী বসু}}
* {{বাউ|সোনিয়া নিশাত আমিন}}
* {{বাউ|সোমদত্তা সিনহা}}
* {{বাউ|সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সোমনাথ লাহিড়ী}}
* {{বাউ|সোমলতা আচার্য্য চৌধুরী}}
* {{বাউ|সোমশুক্লা}}
* {{বাউ|সোমা চৌধুরী}}
* {{বাউ|সোমেন চন্দ}}
* {{বাউ|সোমেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সোমেন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|সোমেশচন্দ্র বসু}}
* {{বাউ|সোমেশ্বর অলি}}
* {{বাউ|সোমেশ্বরপ্রসাদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|সোল্স}}
* {{বাউ|সোহরাব আলী সানা}}
* {{বাউ|সোহানুর রহমান সোহান}}
* {{বাউ|সোহিনী আলম}}
* {{বাউ|সোহিনী রায়}}
* {{বাউ|সোহেল রানা (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|সৌগত রায়}}
* {{বাউ|সৌদামিনী দেবী}}
* {{বাউ|সৌমিত্র শেখর দে}}
* {{বাউ|সৌমেন্দ্র সরকার}}
* {{বাউ|সৌম্যদীপ মুর্শিদাবাদী}}
* {{বাউ|সৌরভ পাল}}
* {{বাউ|সৌরীন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|সৌরীন্দ্রমোহন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|স্টেলা ক্রামরিশ}}
* {{বাউ|স্থবির দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|স্নেহময় দত্ত}}
* {{বাউ|স্নেহাংশুকান্ত আচার্য}}
* {{বাউ|স্নেহাসিক্তা স্বর্ণকার}}
* {{বাউ|স্বদেশ রায়}}
* {{বাউ|স্বপন কুমার পতি}}
* {{বাউ|স্বপন গুপ্ত}}
* {{বাউ|স্বপন দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|স্বপনকুমার চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|স্বপ্নময় চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|স্বপ্নীল সজীব}}
* {{বাউ|স্বরব্যাঞ্জো}}
* {{বাউ|স্বরোচিষ সরকার}}
* {{বাউ|স্বাধীন কুমার মন্ডল}}
* {{বাউ|স্বামী অসক্তানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী গম্ভীরানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী নিগমানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী নিরঞ্জনানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী প্রণবানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী প্রভবানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী বিরজানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী বোধানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী মাধবানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী লোকেশ্বরানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী শিবানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী সত্যানন্দ পুরী}}
* {{বাউ|স্বামী সমর্পণানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী সারদানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী স্বরূপানন্দ}}
* {{বাউ|স্মরণজিৎ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|স্যাভি গুপ্ত}}
* {{বাউ|স্যামসন এইচ চৌধুরী}}
* {{বাউ|হংসনারায়ণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|হবিবুর রহমান}}
* {{বাউ|হবীবুল্লাহ বাহার চৌধুরী}}
* {{বাউ|হযরত আলী (কৃষিতত্ত্ববিদ)}}
* {{বাউ|হরচন্দ্র ঘোষ (নাট্যকার)}}
* {{বাউ|হরপ্রসাদ শাস্ত্রী}}
* {{বাউ|হরলাল রায়}}
* {{বাউ|হরি কেশব সেন}}
* {{বাউ|হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হরিদাস পাল}}
* {{বাউ|হরিদাস ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|হরিদাস সিদ্ধান্তবাগীশ}}
* {{বাউ|হরিদেব}}
* {{বাউ|হরিনাথ দে}}
* {{বাউ|হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হরিপদ কাপালী}}
* {{বাউ|হরিপদ দত্ত}}
* {{বাউ|হরিশ চন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|হরিশংকর জলদাস}}
* {{বাউ|হরিশংকর দাশ}}
* {{বাউ|হরিশঙ্কর বাসুদেবন}}
* {{বাউ|হরিশ্চন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হরিসাধন চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হরিহর শেঠ}}
* {{বাউ|হরীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হরেকৃষ্ণ কোঙার}}
* {{বাউ|হরেন ঘটক}}
* {{বাউ|হরেন ঘোষ}}
* {{বাউ|হরেন্দ্র কুমার মুখার্জি}}
* {{বাউ|হরেন্দ্রনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|হর্ষ দত্ত}}
* {{বাউ|হর্ষবর্ধন-গোবর্ধন (চরিত্র)}}
* {{বাউ|হলধর পটল}}
* {{বাউ|হাকিম হাবিবুর রহমান}}
* {{বাউ|হাছন রাজা (হাসন রাজা)}}
* {{বাউ|হাজী মুহাম্মদ নছীম}}
* {{বাউ|হাজেরা মাহতাব}}
* {{বাউ|হাতেম আলী মিয়া}}
* {{বাউ|হানিফ পাঠান}}
* {{বাউ|হানিফউদ্দিন মিয়া}}
* {{বাউ|হাফিজা খাতুন}}
* {{বাউ|হাবিব ওয়াহিদ}}
* {{বাউ|হাবিবুর রহমান (তোতা মিয়া)}}
* {{বাউ|হাবিবুর রহমান আকন}}
* {{বাউ|হাবিবুর রহমান খান}}
* {{বাউ|হাবিবুর রহমান মিলন}}
* {{বাউ|হাবিবুল ইসলাম ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|হাবীবুর রহমান (কবি)}}
* {{বাউ|হাবীবুল্লাহ সিরাজী}}
* {{বাউ|হামিদা বেগম}}
* {{বাউ|হামিদা হোসেন}}
* {{বাউ|হামিদুজ্জামান খান}}
* {{বাউ|হামিদুজ্জামান সরকার}}
* {{বাউ|হামিদুর রহমান (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|হামিদুল হক খন্দকার}}
* {{বাউ|হামিদুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|হামিন আহমেদ}}
* {{বাউ|হামিরুদ্দিন মিদ্যা}}
* {{বাউ|হামুদুর রহমান}}
* {{বাউ|হামেদুর রহমান}}
* {{বাউ|হায়দার আকবর খান রনো}}
* {{বাউ|হায়দার হোসেন}}
* {{বাউ|হায়াৎ সাইফ}}
* {{বাউ|হারুন আল রশিদ}}
* {{বাউ|হারুন হাবীব}}
* {{বাউ|হারুনর রশিদ}}
* {{বাউ|হালিমা খাতুন}}
* {{বাউ|হাশেম খান}}
* {{বাউ|হাসনা জসিম উদ্দিন মওদুদ}}
* {{বাউ|হাসনা বেগম}}
* {{বাউ|হাসমত}}
* {{বাউ|হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|হাসান মতিউর রহমান}}
* {{বাউ|হাসান মশহুদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|হাসান মাসুদ}}
* {{বাউ|হাসান মাহমুদ খন্দকার}}
* {{বাউ|হাসান শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|হাসান সাইফুদ্দিন চন্দন}}
* {{বাউ|হাসান সিরাজ সুজা}}
* {{বাউ|হাসান সোহরাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|হাসান হাফিজ}}
* {{বাউ|হাসানউজ্জামান খান}}
* {{বাউ|হাসিনা খান}}
* {{বাউ|হাসিনা মমতাজ (কণ্ঠশিল্পী)}}
* {{বাউ|হাসিনা মুর্শেদ}}
* {{বাউ|হাসিবুন নাহার}}
* {{বাউ|হাসিবুর রেজা কল্লোল}}
* {{বাউ|হাসিবুল ইসলাম মিজান}}
* {{বাউ|হাসিরাশি দেবী}}
* {{বাউ|হিতেশরঞ্জন সান্যাল}}
* {{বাউ|হিমাংশু দত্ত}}
* {{বাউ|হিমানি বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হিমানীশ গোস্বামী}}
* {{বাউ|হিমু আকরাম}}
* {{বাউ|হিমেল আশরাফ}}
* {{বাউ|হিরণ্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হিরন্ময় সেন গুপ্ত}}
* {{বাউ|হীরালাল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|হীরালাল চৌধুরী}}
* {{বাউ|হীরেন্দ্রনাথ দত্ত}}
* {{বাউ|হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হুকাকাশি}}
* {{বাউ|হুমায়ুন কবির}}
* {{বাউ|হুমায়ুন কবির (কবি)}}
* {{বাউ|হুমায়ুন কবীর বালু}}
* {{বাউ|হুমায়ূন কবীর ঢালী}}
* {{বাউ|হুমায়ূন কবীর সাধু}}
* {{বাউ|হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|হুসনা আহমেদ}}
* {{বাউ|হুসনা বানু খানম}}
* {{বাউ|হৃদয় খান}}
* {{বাউ|হেনা দাস}}
* {{বাউ|হেমচন্দ্র বসু}}
* {{বাউ|হেমচন্দ্র বাগচী}}
* {{বাউ|হেমচন্দ্র রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|হেমন্ত মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হেমন্তকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হেমন্তকুমার সরকার}}
* {{বাউ|হেমাঙ্গ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|হেমেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হেমেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|হেমেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হেমেন্দ্রনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|হেরম্বচন্দ্র মৈত্র}}
* {{বাউ|হেলেনা খান}}
* {{বাউ|হৈমন্তী রক্ষিত}}
* {{বাউ|হৈমন্তী শুক্লা}}
* {{বাউ|হোসনে আরা (কবি)}}
* {{বাউ|হোসনে আরা বেগম (সমাজকর্মী)}}
* {{বাউ|হোসনে আরা শাহেদ}}
* {{বাউ|হোসেন উদ্দিন শেখর}}
* {{বাউ|হোসেন জিল্লুর রহমান}}
* {{বাউ|হোসেনউদ্দীন হোসেন}}
* {{বাউ|হ্যানা সেন}}
{{Div col end}}
== অনুবাদ ==
এটি একটি সহায়ক তালিকা মাত্র। ভূক্তি তৈরির জন্য [https://en.wikiquote.org ইংরেজি উইকিউক্তি] থেকে ন্যূনতম ৩টি ভুক্তি এবং ১৫০ শব্দ সংবলিত পাতা বাংলায় অনুবাদ করতে পারেন।
=== অবাঙালি ব্যক্তি ===
{{Div col|colwidth=20em|rules=yes}}
* {{eq|A. C. Benson|এ. সি. বেনসন}}
* {{eq|A. C. Bradley|এ. সি. ব্র্যাডলি}}
* {{eq|A. J. P. Taylor|এ. জে. পি. টেলর}}
* {{eq|Abdulrazak Gurnah|আবদুলরাজাক গুরনাহ}}
* {{eq|Abdus Salam|আবদুস সালাম}}
* {{eq|Abhijit Naskar|অভিজিৎ নস্কর}}
* {{eq|Abiy Ahmed|আবি আহমেদ}}
* {{eq|Abraham Pais|আব্রাহাম পাইস}}
* {{eq|Adam Riess|অ্যাডাম রিস}}
* {{eq|Ahmed Zewail|আহমেদ জেওয়াইল}}
* {{eq|Al Gore|আল গোর}}
* {{eq|Al-Biruni|আল-বিরুনি}}
* {{eq|Al-Farabi|আল-ফারাবি}}
* {{eq|Al-Jahiz|আল-জাহিয}}
* {{eq|Alain Aspect|আলাঁ আস্পে}}
* {{eq|Alain de Botton|আলাঁ দ্য বতোঁ}}
* {{eq|Alan Guth|অ্যালান গুথ}}
* {{eq|Alan Kay|অ্যালান কে}}
* {{eq|Alan Perlis|অ্যালান পারলিস}}
* {{eq|Albert Hofmann|আলবার্ট হফমান}}
* {{eq|Albert I of Belgium|প্রথম আলবার্ট (বেলজিয়াম)}}
* {{eq|Albert Schweitzer|আলবার্ট সোয়াইৎজার}}
* {{eq|Albertus Magnus|আলবার্টাস ম্যাগনাস}}
* {{eq|Aldo Leopold|অ্যাল্ডো লিওপোল্ড}}
* {{eq|Aleksandr Solzhenitsyn|আলেকসান্দ্র্ সলজেনিৎসিন}}
* {{eq|Alex Haley|অ্যালেক্স হেইলি}}
* {{eq|Alexander Fleming|আলেকজান্ডার ফ্লেমিং}}
* {{eq|Alexander Grothendieck|আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক}}
* {{eq|Alexander von Humboldt|আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট}}
* {{eq|Alfred Aho|আলফ্রেড আহো}}
* {{eq|Alfred Kinsey|আলফ্রেড কিনসে}}
* {{eq|Alfred Marshall|আলফ্রেড মার্শাল}}
* {{eq|Alfred Nobel|আলফ্রেড নোবেল}}
* {{eq|Alfred North Whitehead|আলফ্রেড নর্থ হোয়াইটহেড}}
* {{eq|Alfred Russel Wallace|আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস}}
* {{eq|Alice Munro|অ্যালিস মানরো}}
* {{eq|Amina J. Mohammed|আমিনা জে. মোহাম্মদ}}
* {{eq|Amit Goswami|অমিত গোস্বামী}}
* {{eq|Amos Tversky|আমোস তভারস্কি}}
* {{eq|Anaxagoras|আনাক্সাগোরাস}}
* {{eq|Anaximander|অ্যানাক্সিম্যান্ডার}}
* {{eq|Andreas Vesalius|আন্দ্রিয়াস ভেসালিয়াস}}
* {{eq|Andrei Sakharov|আন্দ্রেই সাখারভ}}
* {{eq|Andrew Wiles|অ্যান্ড্রু ওয়াইলস}}
* {{eq|André Gide|অঁদ্রে জিদ}}
* {{eq|André-Marie Ampère|অঁদ্রে-মারি অম্পেয়্যার}}
* {{eq|Angela Merkel|আঙ্গেলা ম্যার্কেল}}
* {{eq|Anita Brookner|অনিতা ব্রুকনার}}
* {{eq|Anita Desai|অনিতা দেসাই}}
* {{eq|Anne Applebaum|অ্যান অ্যাপলবাউম}}
* {{eq|Annie Ernaux|আনি এরনো}}
* {{eq|Antoine Lavoisier|অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে}}
* {{eq|Aravind Adiga|অরবিন্দ আদিগা}}
* {{eq|Arthur Balfour|আর্থার বেলফোর}}
* {{eq|Arthur Eddington|আর্থার এডিংটন}}
* {{eq|Arthur Kornberg|আর্থার কর্নবার্গ}}
* {{eq|Arthur Leonard Schawlow|আর্থার লিওনার্ড শলো}}
* {{eq|Ash Carter|অ্যাশ কার্টার}}
* {{eq|Atle Selberg|আটলে সেলবার্গ}}
* {{eq|Audrey Hepburn|অড্রে হেপবার্ন}}
* {{eq|August Kekulé|ফ্রিডরিখ আউগুস্ট কেকুলে}}
* {{eq|Augustin Louis Cauchy|ওগ্যুস্তাঁ লুই কোশি}}
* {{eq|Augustin-Jean Fresnel|ওগ্যুস্তাঁ-জঁ ফ্রেনেল}}
* {{eq|Aurel Stein|অরেল স্টেইন}}
* {{eq|Ban Ki-moon|বান কি-মুন}}
* {{eq|Baruch Samuel Blumberg|বারুক স্যামুয়েল ব্লুমবার্গ}}
* {{eq|Beatrix Potter|বিয়াট্রিক্স পটার}}
* {{eq|Ben Okri|বেন ওক্রি}}
* {{eq|Bernardine Evaristo|বার্নার্ডিন এভারিস্তো}}
* {{eq|Blaise Pascal|ব্লেজ পাসকাল}}
* {{eq|Bob Dylan|বব ডিলান}}
* {{eq|Boris Pasternak|বরিস পাস্তেরনাক}}
* {{eq|Boutros Boutros-Ghali|বুত্রোস বুত্রোস-ঘালি}}
* {{eq|Brian Cox (physicist)|ব্রায়ান কক্স (পদার্থবিজ্ঞানী)}}
* {{eq|Brian Greene|ব্রায়ান গ্রিন}}
* {{eq|Brian Schmidt|ব্রায়ান পি. শ্মিট}}
* {{eq|Brook Taylor|ব্রুক টেলর}}
* {{eq|Brussels|ব্রাসেলস}}
* {{eq|C. A. R. Hoare|সি. এ. আর. হোর}}
* {{eq|C. N. Ramachandra Rao|সি. এন. রামচন্দ্র রাও}}
* {{eq|C. V. Raman|চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন}}
* {{eq|Carl Bernstein|কার্ল বার্নস্টিন}}
* {{eq|Carl Linnaeus|কার্ল লিনিয়াস}}
* {{eq|Carlo Rubbia|কার্লো রুবিয়া}}
* {{eq|Carolyn Bertozzi|ক্যারোলিন বার্তোজি}}
* {{eq|Caryl Phillips|ক্যারিল ফিলিপস}}
* {{eq|Chaim Weizmann|হাইম ভাইৎসমান}}
* {{eq|Charles Fefferman|চার্লস ফেফারম্যান}}
* {{eq|Charles Hard Townes|চার্লস হার্ড টাউনস}}
* {{eq|Charles Lyell|চার্লস লিয়েল}}
* {{eq|Charles Sanders Peirce|চার্লস স্যান্ডার্স পার্স}}
* {{eq|Charles Scott Sherrington|চার্লস স্কট শেরিংটন}}
* {{eq|Cheikh Anta Diop|শেখ আন্তা দিওপ}}
* {{eq|Chinua Achebe|চিনুয়া আচেবে}}
* {{eq|Christiaan Barnard|ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড}}
* {{eq|Christiaan Huygens|ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস}}
* {{eq|Christopher Wren|ক্রিস্টোফার রেন}}
* {{eq|Claude Lévi-Strauss|ক্লোদ লেভি-স্ত্রোস}}
* {{eq|Claudia Sheinbaum|ক্লাউডিয়া শাইনবাউম}}
* {{eq|Colson Whitehead|কলসন হোয়াইটহেড}}
* {{eq|Craig Venter|ক্রেইগ ভেন্টর}}
* {{eq|Czesław Miłosz|চেসোয়াফ মিওশ}}
* {{eq|Cédric Villani|সেড্রিক ভিলানি}}
* {{eq|Dag Hammarskjöld|দ্যাগ হ্যামারশোল্ড}}
* {{eq|Damon Galgut|ড্যামন গ্যালগুট}}
* {{eq|Daniel Kahneman|ড্যানিয়েল কানেমান}}
* {{eq|Dave Barry|ডেভ ব্যারি}}
* {{eq|David Bohm|ডেভিড বম}}
* {{eq|David Brewster|ডেভিড ব্রুস্টার}}
* {{eq|David Chalmers|ডেভিড চালমারস}}
* {{eq|David Gross|ডেভিড জোনাথন গ্রোস}}
* {{eq|David Grossman|ডেভিড গ্রসম্যান}}
* {{eq|David Hilbert|ডাভিড হিলবের্ট}}
* {{eq|David Mamet|ডেভিড ম্যামেট}}
* {{eq|David McCullough|ডেভিড ম্যাককালাফ}}
* {{eq|David Suzuki|ডেভিড সুজুকি}}
* {{eq|Dennis Ritchie|ডেনিস রিচি}}
* {{eq|Desmond Morris|ডেসমন্ড মরিস}}
* {{eq|Desmond Tutu|ডেসমন্ড টুটু}}
* {{eq|Dian Fossey|ডায়ান ফসি}}
* {{eq|Dmitri Mendeleev|দিমিত্রি মেন্ডেলিভ}}
* {{eq|Dmitry Muratov|দিমিত্রি মুরাতভ}}
* {{eq|Donald Knuth|ডোনাল্ড কানুথ}}
* {{eq|Donald Tusk|ডোনাল্ড টাস্ক}}
* {{eq|Donna Strickland|ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড}}
* {{eq|Doris Lessing|ডরিস লেসিং}}
* {{eq|Dorothy Hodgkin|ডরোথি হজকিন}}
* {{eq|Douglas Engelbart|ডগলাস এঙ্গেলবার্ট}}
* {{eq|E. O. Wilson|ই. ও. উইলসন}}
* {{eq|Edith Wharton|ইডিথ হোয়ার্টন}}
* {{eq|Edmond Halley|এডমন্ড হ্যালি}}
* {{eq|Edsger W. Dijkstra|এডসগার ডাইকস্ট্রা}}
* {{eq|Edward Teller|এডওয়ার্ড টেলার}}
* {{eq|Edward Witten|এডওয়ার্ড উইটেন}}
* {{eq|Elias James Corey|ইলিয়াস জেমস কোরি}}
* {{eq|Elie Wiesel|এলি উইজেল}}
* {{eq|Elinor Ostrom|এলিনর অস্ট্রম}}
* {{eq|Elizabeth Bishop|এলিজাবেথ বিশপ}}
* {{eq|Ellen Johnson Sirleaf|এলেন জনসন সারলিফ}}
* {{eq|Emanuel Swedenborg|এমানুয়েল সোয়েডেনবার্গ}}
* {{eq|Emmy Noether|এমি নোয়েদার}}
* {{eq|Empedocles|এম্পেদোক্লেস}}
* {{eq|Enrico Fermi|এনরিকো ফের্মি}}
* {{eq|Epicurus|এপিকুরোস}}
* {{eq|Eric Hobsbawm|এরিক হবসবাউম}}
* {{eq|Eric Kandel|এরিক ক্যান্ডেল}}
* {{eq|Ernest Hemingway|আর্নেস্ট হেমিংওয়ে}}
* {{eq|Ernest Rutherford|আর্নেস্ট রাদারফোর্ড}}
* {{eq|Ernst Haeckel|এর্নস্ট হেকেল}}
* {{eq|Ernst Mach|এর্নস্ট মাখ}}
* {{eq|Ernst Mayr|এর্নস্ট মায়ার}}
* {{eq|Eugene O'Neill|ইউজিন ও'নিল}}
* {{eq|Eugene Wigner|ইউজিন পল উইগনার}}
* {{eq|European Parliament|ইউরোপীয় পার্লামেন্ট}}
* {{eq|European Union|ইউরোপীয় ইউনিয়ন}}
* {{eq|Evangelista Torricelli|ইভাঞ্জেলিস্টা টরিসেলি}}
* {{eq|F. W. de Klerk|এফ. ডব্লিউ. ডি ক্লার্ক}}
* {{eq|Fabiola Gianotti|ফাবিওলা জানোত্তি}}
* {{eq|Fakhr al-Din al-Razi|ফখরুদ্দীন আল-রাযী}}
* {{eq|Federico Faggin|ফেদেরিকো ফাগিন}}
* {{eq|Felix Bloch|ফেলিক্স ব্লখ}}
* {{eq|Flinders Petrie|ফ্লিন্ডার্স পেট্রি}}
* {{eq|Francis Collins|ফ্রান্সিস কলিন্স}}
* {{eq|Francis Crick|ফ্রান্সিস ক্রিক}}
* {{eq|Francis Galton|ফ্রান্সিস গ্যাল্টন}}
* {{eq|Francisco Varela|ফ্রান্সিস্কো ভারেলা}}
* {{eq|Frank Macfarlane Burnet|ফ্র্যাঙ্ক ম্যাকফারলেন বার্নেট}}
* {{eq|Frank Wilczek|ফ্র্যাঙ্ক উইলচেক}}
* {{eq|François Arago|ফ্রঁসোয়া আরাগন}}
* {{eq|François Englert|ফ্রঁসোয়া অংল্যার}}
* {{eq|François Mauriac|ফ্রঁসোয়া মরিয়াক}}
* {{eq|François Mitterrand|ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ}}
* {{eq|Fred Brooks|ফ্রেড ব্রুকস}}
* {{eq|Frederick Jackson Turner|ফ্রেডরিক জ্যাকসন টার্নার}}
* {{eq|Frederick Soddy|ফ্রেডরিক সডি}}
* {{eq|Fridtjof Nansen|ফ্রিডতিয়ফ নানসেন}}
* {{eq|Friedrich Hayek|ফ্রিডরিখ ফন হায়েক}}
* {{eq|Fritjof Capra|ফ্রিটজফ কাপরা}}
* {{eq|G. H. Hardy|জি. এইচ. হার্ডি}}
* {{eq|Gabriela Mistral|গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল}}
* {{eq|Gao Xingjian|কাও শিংচিয়েন}}
* {{eq|Gary Becker|গ্যারি বেকার}}
* {{eq|Geert Wilders|খের্ট ভিল্ডার্স}}
* {{eq|Geoffrey Hinton|জিওফ্রে হিন্টন}}
* {{eq|George Boole|জর্জ বুল}}
* {{eq|George Curzon, 1st Marquess Curzon of Kedleston|জর্জ ন্যাথানিয়েল কার্জন}}
* {{eq|George Gamow|জর্জ গ্যামো}}
* {{eq|George Smoot|জর্জ স্মুট}}
* {{eq|George Steiner|জর্জ স্টাইনার}}
* {{eq|George Stigler|জর্জ স্টিগলার}}
* {{eq|George Washington Carver|জর্জ ওয়াশিংটন কার্ভার}}
* {{eq|Georges Cuvier|জর্জ ক্যুভিয়ে}}
* {{eq|Georges-Louis Leclerc, Comte de Buffon|জর্জ-লুই ল্যক্লের, কোঁত দ্য বুফোঁ}}
* {{eq|Gerald Durrell|জেরাল্ড ডারেল}}
* {{eq|Gerhard Schröder|গেরহার্ড শ্রোডার}}
* {{eq|Gertrude B. Elion|গারট্রুড বি. এলিয়ন}}
* {{eq|Giorgio Parisi|জর্জিও পারিসি}}
* {{eq|Giorgos Seferis|ইয়োর্গোস সেফেরিস}}
* {{eq|Giosuè Carducci|জোযুয়ে কার্দুচ্চি}}
* {{eq|Glenn T. Seaborg|গ্লেন থিওডোর সিবর্গ}}
* {{eq|Goodluck Jonathan|গুডলাক জোনাথন}}
* {{eq|Gordon Moore|গর্ডন মুর}}
* {{eq|Gottfried Leibniz|গটফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎস}}
* {{eq|Gregor Mendel|গ্রেগর মেন্ডেল}}
* {{eq|Grigori Perelman|গ্রিগরি পেরেলমান}}
* {{eq|Gro Harlem Brundtland|গ্রো হারলেম ব্রুন্ডটল্যান্ড}}
* {{eq|Gustav Kirchhoff|গুস্টাফ কির্খফ}}
* {{eq|Gustav Stresemann|গুস্টাভ ষ্ট্রেজেমান}}
* {{eq|Gérard Debreu|জেরার দ্যব্রু}}
* {{eq|Göran Persson|গোরান পারসন}}
* {{eq|H. H. Asquith|এইচ. এইচ. অ্যাসকুইথ}}
* {{eq|Halldór Laxness|হালডোর ল্যাক্সনেস}}
* {{eq|Han Kang|হান কাং}}
* {{eq|Hans Bethe|হ্যান্স বেটে}}
* {{eq|Hans Blix|হ্যান্স ব্লিক্স}}
* {{eq|Harish-Chandra|হরিশ-চন্দ্র}}
* {{eq|Harold Macmillan|হ্যারল্ড ম্যাকমিলান}}
* {{eq|Harold Pinter|হ্যারল্ড পিন্টার}}
* {{eq|Harper Lee|হার্পার লি}}
* {{eq|Harry Markowitz|হ্যারি মার্কোউইটজ}}
* {{eq|Heinrich Böll|হাইনরিখ বোল}}
* {{eq|Heinrich Hertz|হাইনরিখ হের্ত্স}}
* {{eq|Heinrich Rohrer|হাইনরিখ রোরার}}
* {{eq|Helen Clark|হেলেন ক্লার্ক}}
* {{eq|Helmut Kohl|হেলমুট কোল}}
* {{eq|Hendrik Lorentz|হেন্ড্রিক আন্টোন লোরেন্ৎস}}
* {{eq|Henri Bergson|অঁরি বের্গসন}}
* {{eq|Henri Poincaré|অঁরি পোয়াঁকারে}}
* {{eq|Henry Cavendish|হেনরি ক্যাভেন্ডিশ}}
* {{eq|Henry Dunant|অঁরি দ্যুনঁ}}
* {{eq|Henryk Sienkiewicz|হেনরিক শিয়েনকিয়েভিচ}}
* {{eq|Heraclitus|হেরাক্লিটাস}}
* {{eq|Herbert A. Simon|হার্বার্ট এ. সাইমন}}
* {{eq|Herbert Kroemer|হার্বার্ট ক্রোয়েমার}}
* {{eq|Herbert Spencer|হার্বার্ট স্পেন্সার}}
* {{eq|Hermann Hesse|হেরমান হেস}}
* {{eq|Hermann Weyl|হেরমান ভাইল}}
* {{eq|Hermann von Helmholtz|হারমান ফন হেল্মহোল্ৎস}}
* {{eq|Herta Müller|হের্টা ম্যুলার}}
* {{eq|Hideki Yukawa|হিদেকি ইউকাওয়া}}
* {{eq|Hirohito|হিরোহিতো}}
* {{eq|Howard H. Aiken|হাওয়ার্ড আইকেন}}
* {{eq|Hugh Everett|হিউ এভারেট}}
* {{eq|Hugo De Vries|হুগো দ্য ভ্রিস}}
* {{eq|Humphry Davy|হামফ্রি ডেভি}}
* {{eq|Ian Kershaw|ইয়ান কার্শ}}
* {{eq|Ian McEwan|ইয়ান ম্যাকইউয়ান}}
* {{eq|Ian Wilmut|ইয়ান উইলমুট}}
* {{eq|Igor Kurchatov|ইগর কুরচাতভ}}
* {{eq|Imre Kertész|ইমরে কার্তেজ}}
* {{eq|Ingrid Daubechies|ইনগ্রিড ডোবিচি}}
* {{eq|Irina Bokova|ইরিনা বোকোভা}}
* {{eq|Iris Murdoch|আইরিস মারডক}}
* {{eq|Irving Langmuir|আরভিং ল্যাংমুয়ির}}
* {{eq|Isaac Bashevis Singer|আইজ্যাক বাশেভিস সিঙ্গার}}
* {{eq|Isidor Isaac Rabi|ইসিদোর আইজ্যাক রাবি}}
* {{eq|Ivan Pavlov|ইভান পাভলভ}}
* {{eq|Ivo Andrić|ইভো আন্দ্রিক}}
* {{eq|J. B. S. Haldane|জে. বি. এস. হ্যালডেন}}
* {{eq|J. J. Thomson|জে. জে. থমসন}}
* {{eq|J. M. Coetzee|জে. এম. কোয়েটজি}}
* {{eq|Jack Steinberger|জ্যাক স্টেইনবার্গার}}
* {{eq|Jacobus Henricus van 't Hoff|ইয়াকোবুস হেনরিকুস ফান্ট হফ}}
* {{eq|Jacques Chirac|জাক শিরাক}}
* {{eq|Jacques-Yves Cousteau|জাক-ইভ কুস্তো}}
* {{eq|James Callaghan|জেমস ক্যালাহান}}
* {{eq|James Chadwick|জেমস চ্যাডউইক}}
* {{eq|James Cook|জেমস কুক}}
* {{eq|James Mirrlees|জেমস মিরলিস}}
* {{eq|James Prescott Joule|জেমস প্রেসকট জুল}}
* {{eq|James Prinsep|জেমস প্রিন্সেপ}}
* {{eq|James Tobin|জেমস টোবিন}}
* {{eq|James Van Allen|জেমস ভ্যান অ্যালেন}}
* {{eq|James Watt|জেমস ওয়াট}}
* {{eq|Jane Addams|জেন অ্যাডামস}}
* {{eq|Jane Goodall|জেন গুডাল}}
* {{eq|Jared Diamond|জ্যারেড ডায়মন্ড}}
* {{eq|Jayant Narlikar|জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর}}
* {{eq|Jean le Rond d'Alembert|জঁ ল্য রোঁ দালঁবের}}
* {{eq|Jean-Baptiste Lamarck|জঁ-বাতিস্ত লামার্ক}}
* {{eq|Jean-Marie Le Pen|জঁ-মারি ল্য পেন}}
* {{eq|Jean-Pierre Serre|জঁ-পিয়ের সের}}
* {{eq|Jerome Isaac Friedman|জেরোম আইজ্যাক ফ্রিডম্যান}}
* {{eq|Jhumpa Lahiri|ঝুম্পা লাহিড়ী}}
* {{eq|Jocelyn Bell Burnell|জসিলিন বেল বার্নেল}}
* {{eq|John Archibald Wheeler|জন আর্চিবল্ড হুইলার}}
* {{eq|John Backus|জন ব্যাকাস}}
* {{eq|John Banville|জন ব্যানভিল}}
* {{eq|John Bardeen|জন বারডিন}}
* {{eq|John C. Mather|জন সি. মাদার}}
* {{eq|John Desmond Bernal|জে. ডি. বার্নাল}}
* {{eq|John Forbes Nash, Jr.|জন ফোর্বস ন্যাশ}}
* {{eq|John Galsworthy|জন গলসওয়ার্দি}}
* {{eq|John Gurdon|জন গার্ডন}}
* {{eq|John Hicks|জন হিক্স}}
* {{eq|John Hopfield|জন হোপফিল্ড}}
* {{eq|John James Audubon|জন জেমস অডুবন}}
* {{eq|John Major|জন মেজর}}
* {{eq|John Maynard Keynes|জন মেইনার্ড কেইনস}}
* {{eq|John Maynard Smith|জন মেইনার্ড স্মিথ}}
* {{eq|John McCarthy (computer scientist)|জন ম্যাককার্থি (কম্পিউটার বিজ্ঞানী)}}
* {{eq|John Muir|জন মুয়ির}}
* {{eq|John Napier|জন নেপিয়ার}}
* {{eq|John Polanyi|জন চার্লস পোলানি}}
* {{eq|John Ray|জন রে}}
* {{eq|John Stewart Bell|জন স্টুয়ার্ট বেল}}
* {{eq|John Tyndall|জন টিন্ডাল}}
* {{eq|John von Neumann|জন ফন নিউম্যান}}
* {{eq|Jon Fosse|ইয়োন ফসে}}
* {{eq|Jonas Salk|জোনাস সল্ক}}
* {{eq|Josef Mengele|ইয়োসেফ মেংগেলে}}
* {{eq|Joseph Fourier|জোসেফ ফুরিয়ে}}
* {{eq|Joseph Priestley|জোসেফ প্রিস্টলি}}
* {{eq|Joseph Stiglitz|জোসেফ স্টিগলিটজ}}
* {{eq|Joseph von Fraunhofer|ইয়োসেফ ফন ফ্রাউনহোফার}}
* {{eq|Joshua Lederberg|জশুয়া লেডারবার্গ}}
* {{eq|Josiah Willard Gibbs|জোসিয়াহ উইলার্ড গিবস}}
* {{eq|José María Aznar|হোসে মারিয়া আজনার}}
* {{eq|José Saramago|হোসে সারামাগো}}
* {{eq|Juan Maldacena|হুয়ান মালদাসেনা}}
* {{eq|Juan Ramón Jiménez|হুয়ান রামোন হিমেনেজ}}
* {{eq|Judea Pearl|জুডেয়া পার্ল}}
* {{eq|Julian Schwinger|জুলিয়ান শুইঙার}}
* {{eq|Julio Cortázar|হুলিও কোর্তাজার}}
* {{eq|Julius Robert von Mayer|জুলিয়াস রবার্ট ফন মেয়ার}}
* {{eq|Junot Díaz|জুনো দিয়াজ}}
* {{eq|Justus von Liebig|ইয়োস্টুস ফন লিবিগ}}
* {{eq|Jöns Jacob Berzelius|ইয়োন্স ইয়াকব বের্সেলিয়ুস}}
* {{eq|Kaja Kallas|কায়া কাল্লাস}}
* {{eq|Kamila Shamsie|কামিলা শামসি}}
* {{eq|Karen Uhlenbeck|কারেন উলেনবেক}}
* {{eq|Karl Barry Sharpless|কার্ল ব্যারি শার্পলেস}}
* {{eq|Kary Mullis|ক্যারি মুলিস}}
* {{eq|Katalin Karikó|কাতালিন কারিকো}}
* {{eq|Kazuo Ishiguro|কাজুও ইশিগুরো}}
* {{eq|Kaṇāda|কণাদ্}}
* {{eq|Ken Thompson|কেন টম্পসন}}
* {{eq|Kendrick Lamar|কেন্ড্রিক লামার}}
* {{eq|Kenneth Arrow|কেনেথ অ্যারো}}
* {{eq|Kenzaburō Ōe|কেন্জাবুরো ওহয়ে}}
* {{eq|Kiran Desai|কিরণ দেশাই}}
* {{eq|Kiran Mazumdar-Shaw|কিরণ মজুমদার-শ}}
* {{eq|Knut Hamsun|ক্যনুট হামসুন}}
* {{eq|Koichi Tanaka|কোইচি তানাকা}}
* {{eq|Korean War|কোরীয় যুদ্ধ}}
* {{eq|Lars Peter Hansen|লারস পিটার হ্যান্সেন}}
* {{eq|Laurent Schwartz|লোরঁ শোয়ার্তজ}}
* {{eq|Leon Cooper|লিয়ন কুপার}}
* {{eq|Leon M. Lederman|লিয়ন ম্যাক্স লেডারম্যান}}
* {{eq|Leonard Susskind|লিওনার্ড সাসকিন্ড}}
* {{eq|Leonhard Euler|লিওনার্ড ইউলার}}
* {{eq|Leonid Kantorovich|লিওনিদ ক্যান্টোরোভিচ}}
* {{eq|Leopold II of Belgium|দ্বিতীয় লেওপোল্ড (বেলজিয়াম)}}
* {{eq|Leopold III of Belgium|তৃতীয় লেওপোল্ড (বেলজিয়াম)}}
* {{eq|Leslie Lamport|লেসলি ল্যামপোর্ট}}
* {{eq|Lev Landau|ল্যেভ লান্দাউ}}
* {{eq|Leymah Gbowee|লেমাহ গবোউই}}
* {{eq|Leó Szilárd|লিও জিলার্দ}}
* {{eq|Linus Pauling|লিনাস পাউলিং}}
* {{eq|Lionel Robbins|লিওনেল রবিন্স}}
* {{eq|Lisa Randall|লিসা রান্ডাল}}
* {{eq|Louis Agassiz|লুই আগাসিজ}}
* {{eq|Louis de Broglie|লুই দ্য ব্রোয়ি}}
* {{eq|Louise Glück|লুইজ গ্লিক}}
* {{eq|Ludwig Boltzmann|লুডভিগ বোলৎসমান}}
* {{eq|Ludwik Fleck|লুডউইক ফ্লেক}}
* {{eq|Luigi Pirandello|লুইজি পিরানদেল্লো}}
* {{eq|Lynn Margulis|লিন মার্গুলিস}}
* {{eq|Léon Foucault|লেয়োঁ ফুকো}}
* {{eq|M. S. Swaminathan|এম. এস. স্বামীনাথন}}
* {{eq|Malala Yousafzai|মালালা ইউসুফজাই}}
* {{eq|Margaret Atwood|মার্গারেট অ্যাটউড}}
* {{eq|Margaret Chan|মার্গারেট চ্যান}}
* {{eq|Marguerite Yourcenar|মার্গ্যুরিত ইয়ুর্সনার}}
* {{eq|Marie Stopes|মেরি স্টোপস}}
* {{eq|Marine Le Pen|মারিন ল্য পেন}}
* {{eq|Mario Vargas Llosa|মারিও বার্গাস ইয়োসা}}
* {{eq|Mark Oliphant|মার্ক ওলিফ্যান্ট}}
* {{eq|Martin Amis|মার্টিন এমিস}}
* {{eq|Martin Lewis Perl|মার্টিন লুইস পার্ল}}
* {{eq|Martin Rees|মার্টিন রিস}}
* {{eq|Martin Ryle|মার্টিন রাইল}}
* {{eq|Martinus J. G. Veltman|মার্টিনুস ভেল্টম্যান}}
* {{eq|Martti Ahtisaari|মার্টি আহতিসারি}}
* {{eq|Marvin Minsky|মার্ভিন মিনস্কি}}
* {{eq|Mary Beard (classicist)|মেরি বিয়ার্ড (ক্ল্যাসিসিস্ট)}}
* {{eq|Mary Robinson|মেরি রবিনসন}}
* {{eq|Max Born|মাক্স বর্ন}}
* {{eq|Max Delbrück|মাক্স ডেলব্রুক}}
* {{eq|Max Perutz|ম্যাক্স ফার্দিনান্দ পেরুতজ}}
* {{eq|Max von Laue|মাক্স ফন লাউয়ে}}
* {{eq|Menachem Begin|মেনাখেম বেগিন}}
* {{eq|Merton Miller|মার্টন মিলার}}
* {{eq|Michael Atiyah|মাইকেল আতিয়াহ}}
* {{eq|Michael Faraday|মাইকেল ফ্যারাডে}}
* {{eq|Michael Gove|মাইকেল গোভ}}
* {{eq|Michio Kaku|মিচিও কাকু}}
* {{eq|Mikhail Sholokhov|মিখাইল শলোখভ}}
* {{eq|Mo Yan|মো ইয়ান}}
* {{eq|Mohammad Javad Zarif|মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ}}
* {{eq|Murray Gell-Mann|মারে গেল-মান}}
* {{eq|Nadine Gordimer|নাডিন গর্ডিমার}}
* {{eq|Naguib Mahfouz|নাগিব মাহফুজ}}
* {{eq|Narges Mohammadi|নার্গেস মোহাম্মদী}}
* {{eq|Nevill Francis Mott|নেভিল ফ্রান্সিস মট}}
* {{eq|Nicolas Léonard Sadi Carnot|সাদি কার্নো}}
* {{eq|Nicolas Steno|নিকোলাস স্টেনো}}
* {{eq|Nigel Farage|নাইজেল ফারাজ}}
* {{eq|Niklaus Wirth|নিকলাউস ভির্ট}}
* {{eq|Norman Borlaug|নরম্যান বোরল্যাগ}}
* {{eq|Norman Mailer|নরম্যান মেইলার}}
* {{eq|Octavio Paz|অক্তাবিও পাজ}}
* {{eq|Olga Tokarczuk|ওলগা তোকারচুক}}
* {{eq|Oliver Heaviside|অলিভার হেভিসাইড}}
* {{eq|Oliver Sacks|অলিভার স্যাক্স}}
* {{eq|Orhan Pamuk|ওরহান পামুক}}
* {{eq|Oswald Avery|অসওয়াল্ড এভারি}}
* {{eq|Otto Stern|অটো ষ্টের্ন}}
* {{eq|Paris Agreement|প্যারিস চুক্তি}}
* {{eq|Patrick White|প্যাট্রিক হোয়াইট}}
* {{eq|Paul Dirac|পল ডিরাক}}
* {{eq|Paul Ehrenfest|পাউল এরেনফেস্ট}}
* {{eq|Paul R. Ehrlich|পল আর. এহর্লিচ}}
* {{eq|Paul Samuelson|পল স্যামুয়েলসন}}
* {{eq|Pearl S. Buck|পার্ল এস. বাক}}
* {{eq|Peter Agre|পিটার আগ্রি}}
* {{eq|Peter Higgs|পিটার হিগস}}
* {{eq|Peter Kropotkin|পেত্র ক্রাপোতকিন}}
* {{eq|Peter Medawar|পিটার মিডাওয়ার}}
* {{eq|Philip Roth|ফিলিপ রথ}}
* {{eq|Philip Warren Anderson|ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন}}
* {{eq|Philippe of Belgium|ফিলিপ (বেলজিয়াম)}}
* {{eq|Pierre Curie|পিয়ের ক্যুরি}}
* {{eq|Pierre Deligne|পিয়ের দ্যলিইন}}
* {{eq|Pierre-Gilles de Gennes|পিয়ের-জিল দ্য জেন}}
* {{eq|Pierre-Simon Laplace|পিয়ের সিমোঁ লাপ্লাস}}
* {{eq|Pliny the Elder|প্লিনি দ্য এল্ডার}}
* {{eq|Prasanta Chandra Mahalanobis|প্রশান্ত চন্দ্র মহলানবিশ}}
* {{eq|Primo Levi|প্রিমো লেভি}}
* {{eq|Qian Xuesen|ছিয়েন শ্যুয়েসন}}
* {{eq|Quakers|কোয়েকার}}
* {{eq|Rachel Carson|র্যাচেল কারসন}}
* {{eq|Ragnar Frisch|রাগ্নার ফ্রিশ}}
* {{eq|Rajendra K. Pachauri|রাজেন্দ্র কুমার পাচৌরী}}
* {{eq|Ralph Bunche|রালফ বান্চ}}
* {{eq|Ramsay MacDonald|রামসে ম্যাকডোনাল্ড}}
* {{eq|Reinhard Selten|রেইনহার্ড সেল্টেন}}
* {{eq|Richard Hamming|রিচার্ড হ্যামিং}}
* {{eq|Richard Leakey|রিচার্ড লিকি}}
* {{eq|Richard Smalley|রিচার্ড স্মলি}}
* {{eq|Rigoberta Menchú|রিগোবার্তা মেঞ্চু}}
* {{eq|Ringo Starr|রিঙ্গো স্টার}}
* {{eq|Robert Andrews Millikan|রবার্ট অ্যান্ড্রুজ মিলিকান}}
* {{eq|Robert Boyle|রবার্ট বয়েল}}
* {{eq|Robert Clive|রবার্ট ক্লাইভ}}
* {{eq|Robert Fogel|রবার্ট ফোগেল}}
* {{eq|Robert Hooke|রবার্ট হুক}}
* {{eq|Robert J. Shiller|রবার্ট জে. শিলার}}
* {{eq|Robert Lucas Jr.|রবার্ট লুকাস, জুনিয়র}}
* {{eq|Robert Mundell|রবার্ট মান্ডেল}}
* {{eq|Robert Penn Warren|রবার্ট পেন ওয়ারেন}}
* {{eq|Roger Ebert|রজার ইবার্ট}}
* {{eq|Roger Wolcott Sperry|রজার স্পেরি}}
* {{eq|Romain Rolland|রোম্যাঁ রোলাঁ}}
* {{eq|Ronald Fisher|রোনাল্ড ফিশার}}
* {{eq|Rosalyn Sussman Yalow|রোজালিন সাসম্যান ইয়ালো}}
* {{eq|Rudolf Clausius|রুডলফ ক্লাউজিউস}}
* {{eq|Rudolf Virchow|রুডলফ ফিরখো}}
* {{eq|Sally Ride|স্যালি রাইড}}
* {{eq|Sam Harris|স্যাম হ্যারিস}}
* {{eq|Samuel Beckett|স্যামুয়েল বেকেট}}
* {{eq|Samuel Pepys|স্যামুয়েল পেপিস}}
* {{eq|Santiago Ramón y Cajal|সান্তিয়াগো রামোন ই কাহাল}}
* {{eq|Saul Bellow|সল বেলো}}
* {{eq|Saul Perlmutter|সল পার্লমাটার}}
* {{eq|Selman Waksman|সেলম্যান ওয়াক্সম্যান}}
* {{eq|Sergei Korolev|সের্গেই কোরোলিয়ভ}}
* {{eq|Seymour Hersh|সেমুর হার্শ}}
* {{eq|Shashi Tharoor|শশী থারুর}}
* {{eq|Sheldon Lee Glashow|শেলডন লি গ্ল্যাশো}}
* {{eq|Shiing-Shen Chern|শিং-শেন চের্ন}}
* {{eq|Shirin Ebadi|শিরিন এবাদি}}
* {{eq|Shmuel Yosef Agnon|শ্মুয়েল ইউসেফ অ্যাগনন}}
* {{eq|Simon Kuznets|সাইমন কুজ্নেত্স}}
* {{eq|Simon Stevin|সিমন স্টেভিন}}
* {{eq|Siméon Denis Poisson|সিমেওঁ দ্যনি পোয়াসোঁ}}
* {{eq|Sinclair Lewis|সিনক্লেয়ার লুইস}}
* {{eq|Stafford Cripps|স্টাফোর্ড ক্রিপস}}
* {{eq|Stamford Raffles|স্ট্যামফোর্ড র্যাফেল্স}}
* {{eq|Stanislaw Ulam|স্তানিসলফ উলাম}}
* {{eq|Stanley Baldwin|স্ট্যানলি বল্ডউইন}}
* {{eq|Stephen Jay Gould|স্টিভেন জে গুল্ড}}
* {{eq|Stephen Wolfram|স্টিফেন ওলফ্রাম}}
* {{eq|Steve Irwin|স্টিভ আরউইন}}
* {{eq|Steven Chu|স্টিভেন চু}}
* {{eq|Steven Weinberg|স্টিভেন ওয়াইনবার্গ}}
* {{eq|Subrahmanyan Chandrasekhar|সুব্রহ্মণ্যন চন্দ্রশেখর}}
* {{eq|Susan Faludi|সুসান ফালুদি}}
* {{eq|Svetlana Alexievich|সভেতলানা আলেক্সিয়েভিচ}}
* {{eq|Tawakkol Karman|তাওয়াক্কোল কারমান}}
* {{eq|Tedros Adhanom|তেদ্রোস আধানম}}
* {{eq|Temple Grandin|টেম্পল গ্র্যান্ডিন}}
* {{eq|Tennessee Williams|টেনেসি উইলিয়ামস}}
* {{eq|Tenzin Gyatso, 14th Dalai Lama|চতুর্দশ দালাই লামা}}
* {{eq|Terence Tao|টেরেন্স টাও}}
* {{eq|Theodore Roethke|থিওডোর রেথকে}}
* {{eq|Theodosius Dobzhansky|থিওডোসিয়াস ডবঝানস্কি}}
* {{eq|Theophrastus|থিওফ্রাস্টাস}}
* {{eq|Theory of relativity|আপেক্ষিকতার তত্ত্ব}}
* {{eq|Thomas Harriot|থমাস হ্যারিয়ট}}
* {{eq|Thomas Henry Huxley|টমাস হেনরি হাক্সলি}}
* {{eq|Thomas Kuhn|থমাস কুন}}
* {{eq|Thomas Mann|টমাস মান}}
* {{eq|Thomas Robert Malthus|থমাস রবার্ট ম্যালথাস}}
* {{eq|Thomas Schelling|টমাস শেলিংস}}
* {{eq|Thomas Young (scientist)|থমাস ইয়ং}}
* {{eq|Tim Berners-Lee|টিম বার্নার্স-লি}}
* {{eq|Tjalling Koopmans|টিয়ালিং কোপম্যান্স}}
* {{eq|Tomas Tranströmer|টোমাস ট্রান্সট্রোমার}}
* {{eq|Toni Morrison|টনি মরিসন}}
* {{eq|Tony Benn|টনি বেন}}
* {{eq|Traian Băsescu|ত্রাইয়ান বাসাস্কু}}
* {{eq|Trygve Haavelmo|ট্রিগভে হাভেলমো}}
* {{eq|U Thant|উ থান্ট}}
* {{eq|V. S. Naipaul|ভি. এস. নাইপল}}
* {{eq|Val Logsdon Fitch|ভ্যাল লজডন ফিচ}}
* {{eq|Valéry Giscard d'Estaing|ভালেরি জিস্কার দেস্তাঁ}}
* {{eq|Victor Frederick Weisskopf|ভিক্টর উইসকফ}}
* {{eq|Viet Thanh Nguyen|ভিয়েত থান নগুয়েন}}
* {{eq|Vikram Sarabhai|বিক্রম সারাভাই}}
* {{eq|Vilayanur S. Ramachandran|ভি. এস. রামচন্দ্রন}}
* {{eq|Vitaly Ginzburg|ভিতালি গিঞ্জবার্গ}}
* {{eq|Vladimir Arnold|ভ্লাদিমির আর্নল্ড}}
* {{eq|Vladimir Markovnikov|ভ্লাদিমির মার্কভনিকভ}}
* {{eq|Václav Havel|ভাকলাভ হাভেল}}
* {{eq|W. H. Auden|ডব্লিউ. এইচ. অডেন}}
* {{eq|Wassily Leontief|ওয়াসিলি লিওনটিয়েফ}}
* {{eq|Wernher von Braun|ভের্নহার ফন ব্রাউন}}
* {{eq|Wilhelm Wundt|ভিলহেল্ম ভুন্ট}}
* {{eq|Will Durant|উইল ডুরান্ট}}
* {{eq|Willa Cather|উইলা ক্যাথার}}
* {{eq|Willard van Orman Quine|উইলার্ড ফন অরম্যান কোয়াইন}}
* {{eq|Willem de Sitter|ভিলেম ডে সিটার}}
* {{eq|William Bateson|উইলিয়াম বেটসন}}
* {{eq|William Butler Yeats|উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস}}
* {{eq|William Carey (missionary)|উইলিয়াম কেরি}}
* {{eq|William Carlos Williams|উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস}}
* {{eq|William Crookes|উইলিয়াম ক্রুকস}}
* {{eq|William Dalrymple (historian)|উইলিয়াম ডালরিম্পল}}
* {{eq|William Daniel Phillips|উইলিয়াম ড্যানিয়েল ফিলিপস}}
* {{eq|William Empson|উইলিয়াম এম্পসন}}
* {{eq|William F. Sharpe|উইলিয়াম শার্প}}
* {{eq|William Golding|উইলিয়াম গোল্ডিং}}
* {{eq|William Herschel|উইলিয়াম হার্শেল}}
* {{eq|William Jones (philologist)|উইলিয়াম জোন্স (ভাষাতাত্ত্বিক)}}
* {{eq|William Rowan Hamilton|উইলিয়াম রোয়ান হ্যামিল্টন}}
* {{eq|William Shockley|উইলিয়াম শকলি}}
* {{eq|William Stanley Jevons|উইলিয়াম স্ট্যানলি জেভন্স}}
* {{eq|William Thomson|উইলিয়াম থমসন}}
* {{eq|William Vickrey|উইলিয়াম ভিক্রি}}
* {{eq|Winnie Byanyima|উইনি বিয়ানিমা}}
* {{eq|Wole Soyinka|ওলে সোয়িংকা}}
* {{eq|Wolfgang Pauli|ভোলফগাং পাউলি}}
* {{eq|Yang Chen-Ning|চেন নিং ইয়াং}}
* {{eq|Yann LeCun|ইয়ান ল্যকান}}
* {{eq|Yann Martel|ইয়ান মার্টেল}}
* {{eq|Yasunari Kawabata|ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা}}
* {{eq|Yoichiro Nambu|ইয়োইচিরো নাম্বু}}
* {{eq|Zadie Smith|জেডি স্মিথ}}
* {{eq|Zhong Nanshan|চোং নানশান}}
* {{eq|Zhuangzi|চুয়াং জি}}
{{Div col end}}
[[বিষয়শ্রেণী:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬]]
ccw90kw7h0na4zulvsyl4soj3m7pqjz
74028
73939
2026-04-06T06:27:47Z
Borhan
964
বানান
74028
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=3}}
<big>এই প্রতিযোগিতায় বিষয়বস্তু নির্ধারিত নয়, '''আপনি আপনার পছন্দমতো যেকোন উল্লেখযোগ্য বিষয়ে ভুক্তি বা পৃষ্ঠা তৈরি করতে পারেন (গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ব্যতীত)''' <u >এমনকি তা নিচের তালিকায় না থাকলেও</u>। আপনি যদি অনিশ্চিত থাকেন যে কোনটি নিয়ে কাজ করবেন, তবে নিচের লাল সংযোগে থাকা নিবন্ধগুলি তৈরি করতে পারেন। যে পাতাটি নিয়ে কাজ করছেন, সেটির পাশে <code><nowiki>~~~~</nowiki></code> যোগ করে আপনার নাম লিখুন।</big>
মনে রাখবেন,
* ব্যক্তি যদি বাঙালি হয়, তবে তার উক্তি হুবহু তুলে দিন (উদা: [[আসাদুজ্জামান নূর]] দেখুন)। ব্যক্তি যদি বিদেশি হয়, তবে উক্তি অনুবাদ করে যোগ করুন (উদা: [[নোম চম্স্কি]] দেখুন)। কোনো বস্তুর ক্ষেত্রে বাঙালিদের উক্তি প্রাধান্য পাবে, তবে ভিন্ন ভাষা থেকেও উক্তি অনুবাদ করেও যোগ করা যাবে (উদা: [[চাঁদ]], [[সূর্য]] দেখুন)।
* '''নতুনরা''', দয়া করে [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/কীভাবে|কীভাবে উক্তি যোগ করব?]] টিউটোরিয়ালটি একবার দেখে নিন।
:এটি উইকিউক্তিতে ভুক্তি না থাকা বাঙালি ব্যক্তিদের তালিকা। তবে আপনি চাইলে [https://en.wikiquote.org ইংরেজি উইকিউক্তি] থেকে বাংলায় উক্তি অনুবাদ করতে পারেন।
*'''উল্লেখ্য:''' <span style="color:red;">নিবন্ধ তৈরির আগে নিবন্ধটি ইতোমধ্যে বাংলা উইকিউক্তিতে বিদ্যমান কিনা যাচাই করা নিবন্ধ প্রণেতার (যিনি নিবন্ধ তৈরি করবেন) দায়িত্ব। তালিকার বাইরের নাম প্রতিস্থাপন নিবন্ধ তালিকায় থাকা নামটির পরিবর্তে ভিন্ন নামে নিবন্ধ তৈরি করলে অবশ্যই নতুন নামটি তালিকায় প্রতিস্থাপন করে দিবেন, অন্যথায় ভিন্ন ব্যবহারকারী নিবন্ধটি পুনরায় তৈরি করতে পারেন।</span >
== বাংলা উক্তি ==
বাঙালি ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সংবাদপত্র, সাময়িকী কিংবা ছাপা বইয়ে প্রকাশিত উক্তি বা সাক্ষাৎকার থেকে উক্তি সংগ্রহ করে তা হুবুহু তথ্যসূত্র সহ যোগ করবেন।
=== বাঙালি ব্যক্তি ===
{{Div col|colwidth=20em|rules=yes}}
* {{বাউ|অংশুমান কর}}
* {{বাউ|অকিঞ্চন}}
* {{বাউ|অক্ষয়কুমার কয়াল}}
* {{বাউ|অক্ষয়কুমার বসু মজুমদার}}
* {{বাউ|অক্ষয়কুমার লধ}}
* {{বাউ|অক্ষয়চন্দ্র চৌধুরী}}
* {{বাউ|অক্ষয়ানন্দ বসু}}
* {{বাউ|অখিল নিয়োগী}}
* {{বাউ|অখিল পাল}}
* {{বাউ|অখিলচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|অখিলবন্ধু ঘোষ}}[[ব্যবহারকারী:Tamaliya Das Gupta|Tamaliya Das Gupta]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tamaliya Das Gupta|আলাপ]]) ১৬:০৯, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
* {{বাউ|অগ্রদূত}}
* {{বাউ|অঘোরনাথ গুপ্ত}}
* {{বাউ|অঘোরনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অঙ্গনা পি. চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অচলা মল্লিক}}
* {{বাউ|অজয় ঘটক}}
* {{বাউ|অজয় দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|অজয় বসু}}
* {{বাউ|অজয় হোম}}
* {{বাউ|অজিত দত্ত}}
* {{বাউ|অজিত রায় (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|অজিতকৃষ্ণ বসু}}
* {{বাউ|অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অঞ্জলি ইলা মেনন}}
* {{বাউ|অঞ্জলি মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অটলবিহারী ঘোষ}}
* {{বাউ|অতীন্দ্রনাথ বসু ঠাকুর}}
* {{বাউ|অতুল বসু}}
* {{বাউ|অতুলচন্দ্র ঘোষ}}
* {{বাউ|অতুলচন্দ্র ঘোষ (লেখক)}}
* {{বাউ|অদিতি লাহিড়ি}}
* {{বাউ|অদিতি সেন দে}}
* {{বাউ|অধরলাল সেন}}
* {{বাউ|অনম বিশ্বাস}}
* {{বাউ|অনল চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অনাথনাথ বসু}}
* {{বাউ|অনাদিনাথ দাঁ}}
* {{বাউ|অনাদিশ পাল}}
* {{বাউ|অনিতা মেহতা}}
* {{বাউ|অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অনিন্দ্য সিনহা}}
* {{বাউ|অনিমেষ আইচ}}
* {{বাউ|অনিমেষ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অনিমেষ রায় (জীববিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|অনির্বাণ ঘোষ}}
* {{বাউ|অনির্বাণ বসু}}
* {{বাউ|অনিল করঞ্জাই}}
* {{বাউ|অনিল কুমার গায়েন}}
* {{বাউ|অনিল কুমার ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|অনিল কুমার মণ্ডল}}
* {{বাউ|অনিল কুমার সেন}}
* {{বাউ|অনিল বিশ্বাস (সুরকার)}}
* {{বাউ|অনিল ভৌমিক}}
* {{বাউ|অনিল মুখার্জি}}
* {{বাউ|অনিলকুমার দাস}}
* {{বাউ|অনিলেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অনুত্তমা ব্যানার্জি}}
* {{বাউ|অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|অনুপম ঘটক}}
* {{বাউ|অনুপম দত্ত}}
* {{বাউ|অনুপম রায়}}
* {{বাউ|অনুপম সেন}}
* {{বাউ|অনুপম হায়াৎ}}
* {{বাউ|অনুপমা চোপড়া}}
* {{বাউ|অনুরাধা ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|অনুশ্রী রায়}}
* {{বাউ|অনুষ্কা শংকর}}
* {{বাউ|অন্নদা মুন্সী}}
* {{বাউ|অন্নদাচরণ খাস্তগীর}}
* {{বাউ|অন্নদাপ্রসাদ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অন্নপূর্ণা গোস্বামী}}
* {{বাউ|অপরেশ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অপরেশ লাহিড়ী}}
* {{বাউ|অপরেশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অপর্ণা সেন}}
* {{বাউ|অপূর্ব জাহাঙ্গীর}}
* {{বাউ|অবনী সেন}}
* {{বাউ|অবনীনাথ রায়}}
* {{বাউ|অবনীভূষণ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অবন্তী সিঁথি}}
* {{বাউ|অবন্তীকুমার সান্যাল}}
* {{বাউ|অবলা বসু}}
* {{বাউ|অবশেষ দাস}}
* {{বাউ|অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ}}
* {{বাউ|অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় (সুরকার)}}
* {{বাউ|অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় (ভূবিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|অভিজিৎ সেন}}
* {{বাউ|অভিনয় চন্দ্র সাহা}}
* {{বাউ|অভীক ঘোষ}}
* {{বাউ|অমর পাল}}
* {{বাউ|অমরপ্রসাদ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অমরেশ রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|অমরেশ্বর ঠাকুর}}
* {{বাউ|অমল কুমার রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|অমল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অমল বোস}}
* {{বাউ|অমল হোম}}
* {{বাউ|অমলা শংকর}}
* {{বাউ|অমলেন্দু চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অমলেন্দু চন্দ্র}}
* {{বাউ|অমলেন্দু দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|অমলেন্দু দাশগুপ্ত (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|অমলেন্দু দে}}
* {{বাউ|অমলেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অমলেন্দু বসু}}
* {{বাউ|অমলেন্দু বিশ্বাস}}
* {{বাউ|অমলেন্দু মিত্র}}
* {{বাউ|অমলেশ ত্রিপাঠী}}
* {{বাউ|অমিত চৌধুরী}}
* {{বাউ|অমিত মিত্র}}
* {{বাউ|অমিতা ঠাকুর}}
* {{বাউ|অমিতা দত্ত}}
* {{বাউ|অমিতা বসু}}
* {{বাউ|অমিতা মালিক}}
* {{বাউ|অমিতা সেন (আশ্রমকন্যা)}}
* {{বাউ|অমিতাভ দত্ত}}
* {{বাউ|অমিতাভ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|অমিতাভ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অমিতাভ রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|অমিতাভ রেজা চৌধুরী}}
* {{বাউ|অমিয় বাগচী}}
* {{বাউ|অমিয়কুমার দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|অমিয়কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অমিয়া দত্ত}}
* {{বাউ|অমূল্যকুমার দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|অমূল্যচরণ বিদ্যাভূষণ}}
* {{বাউ|অমূল্যধন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অমূল্যচরণ উকিল}}
* {{বাউ|অম্বরীশ ঘোষ}}
* {{বাউ|অম্বিকাচরণ মজুমদার}}
* {{বাউ|অম্লান দত্ত}}
* {{বাউ|অরিন্দম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অরুণ কুমার বসাক}}
* {{বাউ|অরুণ কুমার শর্মা}}
* {{বাউ|অরুণ মিত্র}}
* {{বাউ|অরুণ মুখার্জি}}
* {{বাউ|অরুণ সোম}}
* {{বাউ|অরুণকুমার বসু}}
* {{বাউ|অরুণচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|অরুণাচল বসু}}
* {{বাউ|অরুণাভ সরকার}}
* {{বাউ|অরুণেন্দু দাস}}
* {{বাউ|অরুণোদয় মণ্ডল}}
* {{বাউ|অরুন্ধতী দেবী}}
* {{বাউ|অরূপ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অরূপ চন্দ্র}}
* {{বাউ|অর্ক মুখার্জি}}
* {{বাউ|অর্চনা ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|অর্চনা শর্মা (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|অর্জুন (গোয়েন্দা চরিত্র)}}
* {{বাউ|অর্ণব রাই চৌধুরী}}
* {{বাউ|অলক রায়}}
* {{বাউ|অলকা উকিল}}
* {{বাউ|অলকা দাশ}}
* {{বাউ|অলকা সরাবগী}}
* {{বাউ|অলিউর রহমান}}
* {{বাউ|অলোক কৃষ্ণ গুপ্ত}}
* {{বাউ|অলোক রায়}}
* {{বাউ|অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|অশেষ প্রসাদ মিত্র}}
* {{বাউ|অশোক কুমার বড়ুয়া}}
* {{বাউ|অশোক কুমার ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|অশোক কুমার সরকার}}
* {{বাউ|অশোক কুমার সেন}}
* {{বাউ|অশোক গুপ্ত (লেখক)}}
* {{বাউ|অশোক চট্টোপাধ্যায় (লেখক)}}
* {{বাউ|অশোক চৌধুরী}}
* {{বাউ|অশোক নাথ মিত্র}}
* {{বাউ|অশোক বড়ুয়া}}
* {{বাউ|অশোক বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অশোক মিত্র}}
* {{বাউ|অশোক রুদ্র}}
* {{বাউ|অশোক সেন}}
* {{বাউ|অশোককুমার হালদার}}
* {{বাউ|অশোকা গুপ্ত (বিপ্লবী)}}
* {{বাউ|অশ্বিনীকুমার দত্ত}}
* {{বাউ|অসীম দাসগুপ্ত}}
* {{বাউ|অসীমকান্তি দত্তরায়}}
* {{বাউ|অসীমা চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অহিভূষণ মালিক}}
* {{বাউ|আ ক ম সারোয়ার জাহান বাদশা}}
* {{বাউ|আ জা ম তকীয়ুল্লাহ}}
* {{বাউ|আ ফ ম আহসানউদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|আ ফ ম ইউসুফ হায়দার}}
* {{বাউ|আ ফ ম খালিদ হোসেন}}
* {{বাউ|আ. ন. ম. বজলুর রশীদ}}
* {{বাউ|আ. ন. ম. বশির উল্লাহ}}
* {{বাউ|আ. ফ. ম. রুহুল হক}}
* {{বাউ|আইভি রহমান}}
* {{বাউ|আইয়ুব আলী}}
* {{বাউ|আইরিন খান}}
* {{বাউ|আওকাত হোসেন}}
* {{বাউ|আওলাদ হোসেন}}
* {{বাউ|আওলাদ হোসেন চাকলাদার}}
* {{বাউ|আককাছ আলী সরকার}}
* {{বাউ|আকতার মিয়া}}
* {{বাউ|আকবর আলি খান}}
* {{বাউ|আকবর উদ্দীন}}
* {{বাউ|আকবর হোসেন (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|আকবর হোসেন (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|আকরাম হোসেন চৌধুরী (বিচারক)}}
* {{বাউ|আকরামুজ্জামান খান}}
* {{বাউ|আকরামুল কাদের}}
* {{বাউ|আখতার ইমাম}}
* {{বাউ|আখতার উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|আখতার সাদমানী}}
* {{বাউ|আখতার হুসেন}}
* {{বাউ|আখতারুজ্জামান}}
* {{বাউ|আখলাকুল হোসাইন আহমেদ}}
* {{বাউ|আগা আহমদ আলী}}
* {{বাউ|আছিম শাহ}}
* {{বাউ|আজম আলী}}
* {{বাউ|আজহারুল হক}}
* {{বাউ|আজাদ রহমান}}
* {{বাউ|আজাহার উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|আজিজউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|আজিজুর রহমান (গীতিকার)}}
* {{বাউ|আজিজুর রহমান (চলচ্চিত্র পরিচালক)}}
* {{বাউ|আজিজুর রহমান আক্কাস}}
* {{বাউ|আজিজুর রহমান আজিজ}}
* {{বাউ|আজিজুর রহমান মল্লিক}}
* {{বাউ|আজিজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|আজিজুল হক (শায়খুল হাদিস)}}
* {{বাউ|আজিজুল হক (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আজিজুল হাকিম (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|আজিজুল হাকিম (কবি)}}
* {{বাউ|আজিম}}
* {{বাউ|আজিম উদ্দিন মুনশী}}
* {{বাউ|আজীজুল হক}}
* {{বাউ|আজীমুদ্দীন হানাফী}}
* {{বাউ|আঞ্জুমান আরা বেগম}}
* {{বাউ|আতহার আলী}}
* {{বাউ|আতাউর রহমান}}
* {{বাউ|আতাউর রহমান (কবি)}}
* {{বাউ|আতাউর রহমান খান}}
* {{বাউ|আতাউর রহমান খান কায়সার}}
* {{বাউ|আতাউর রহমান খান খাদিম}}
* {{বাউ|আতাউল করিম}}
* {{বাউ|আতাউল হাকিম}}
* {{বাউ|আতাউস সামাদ}}
* {{বাউ|আতিউর রহমান}}
* {{বাউ|আতিকুজ্জামান খান}}
* {{বাউ|আতিকুর রহমান (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|আতিকুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|আতিয়া ইসলাম এ্যানি}}
* {{বাউ|আতোয়ার রহমান}}
* {{বাউ|আতোয়ার রহমান তালুকদার}}
* {{বাউ|আদনান আল রাজীব}}
* {{বাউ|আদিনাথ লাহিড়ী}}
* {{বাউ|আদিলুর রহমান খান}}
* {{বাউ|আনজীর লিটন}}
* {{বাউ|আনন জামান}}
* {{বাউ|আনন্দচন্দ্র নন্দী}}
* {{বাউ|আনন্দদেব মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|আনন্দমোহন চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|আনন্দমোহন বসু}}
* {{বাউ|আনন্দশঙ্কর}}
* {{বাউ|আনসার আলী}}
* {{বাউ|আনিক খান}}
* {{বাউ|আনিলা নাজ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনিস চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনিস সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|আনিসুজ্জামান (দর্শনশাস্ত্রজ্ঞ)}}
* {{বাউ|আনিসুজ্জামান চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনিসুর রহমান (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|আনিসুল ইসলাম মাহমুদ}}
* {{বাউ|আনিসুল হক}}
* {{বাউ|আনিসুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনু মুহাম্মদ}}
* {{বাউ|আনুশেহ্ আনাদিল}}
* {{বাউ|আনোয়ার উদ্দিন খান}}
* {{বাউ|আনোয়ার উল আলম}}
* {{বাউ|আনোয়ার উল হক}}
* {{বাউ|আনোয়ার পারভেজ}}
* {{বাউ|আনোয়ার পাশা (লেখক)}}
* {{বাউ|আনোয়ার হোসেন (অণুজীববিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|আনোয়ার হোসেন (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আনোয়ার হোসেন (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|আনোয়ার হোসেন (আলোকচিত্রী)}}
* {{বাউ|আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনোয়ারা বাহার চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনোয়ারা বেগম (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল কবির}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল করিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল কাদের}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল হক}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল হক (বিচারক)}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল হক শরীফ}}
* {{বাউ|আন্ডারগ্রাউন্ড পিস লাভারস}}
* {{বাউ|আন্দালিব রহমান পার্থ}}
* {{বাউ|আপেল মাহমুদ}}
* {{বাউ|আফজাল এইচ খান}}
* {{বাউ|আফজাল চৌধুরী}}
* {{বাউ|আফটারম্যাথ}}
* {{বাউ|আফতাব আহমাদ রহমানী}}
* {{বাউ|আফতাব আহমেদ (আলোকচিত্রী)}}
* {{বাউ|আফতাব উদ্দিন ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|আফতাবউদ্দিন খাঁ}}
* {{বাউ|আফতাবুজ্জামান}}
* {{বাউ|আফরোজা পারভীন}}
* {{বাউ|আফসান চৌধুরী}}
* {{বাউ|আফসার আমেদ}}
* {{বাউ|আফসার আহমদ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|আফসার উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|আফসার উদ্দীন আহমেদ (অ্যাডভোকেট)}}
* {{বাউ|আবদার রশীদ}}
* {{বাউ|আবদুর রউফ (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|আবদুর রউফ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবদুর রব (বিচারক)}}
* {{বাউ|আবদুর রব (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আবদুর রব সেরনিয়াবাত}}
* {{বাউ|আবদুর রশীদ খান}}
* {{বাউ|আবদুর রসুল}}
* {{বাউ|আবদুর রহমান খাঁ}}
* {{বাউ|আবদুর রহমান চৌধুরী (বিচারক)}}
* {{বাউ|আবদুর রহমান বয়াতী}}
* {{বাউ|আবদুর রহমান বিশ্বাস}}
* {{বাউ|আবদুর রহিম (বিচারক)}}
* {{বাউ|আবদুর রাজ্জাক (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আবদুল আওয়াল মিয়া}}
* {{বাউ|আবদুল আজিজ (লেখক)}}
* {{বাউ|আবদুল আজিজ খন্দকার}}
* {{বাউ|আবদুল আহাদ (বুদ্ধিজীবী)}}
* {{বাউ|আবদুল আহাদ (সংগীত পরিচালক)}}
* {{বাউ|আবদুল ওয়াহহাব পীরজী}}
* {{বাউ|আবদুল ওয়াহাব}}
* {{বাউ|আবদুল করিম শাহ}}
* {{বাউ|আবদুল কাদির}}
* {{বাউ|আবদুল খালেক (পীর)}}
* {{বাউ|আবদুল গনি হাজারী}}
* {{বাউ|আবদুল গফুর (ভাষা সৈনিক)}}
* {{বাউ|আবদুল জব্বার (জ্যোতির্বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|আবদুল জব্বার (ভাষা শহীদ)}}
* {{বাউ|আবদুল জব্বার (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|আবদুল জব্বার খান}}
* {{বাউ|আবদুল জলিল (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবদুল মজিদ মল্লিক}}
* {{বাউ|আবদুল মতিন}}
* {{বাউ|আবদুল মতিন (জেনারেল)}}
* {{বাউ|আবদুল মতিন (লেখক)}}
* {{বাউ|আবদুল মমিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবদুল মমিন তালুকদার}}
* {{বাউ|আবদুল মাজেদ খান}}
* {{বাউ|আবদুল মান্নান হাওলাদার}}
* {{বাউ|আবদুল মালেক (সচিব)}}
* {{বাউ|আবদুল হক ফরিদী}}
* {{বাউ|আবদুল হাই চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবদুল হাই মাশরেকী}}
* {{বাউ|আবদুল হাই শিকদার}}
* {{বাউ|আবদুল হাকিম খান বাহাদুর}}
* {{বাউ|আবদুল হাফিজ (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|আবদুল হামিদ (ধারাভাষ্যকার)}}
* {{বাউ|আবদুল হামিদ (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আবদুল হামিদ খান ইউসফজয়ী}}
* {{বাউ|আবদুল হামিদ তালুকদার}}
* {{বাউ|আবদুল হালিম বয়াতি}}
* {{বাউ|আবদুল্লাহ আল মামুন}}
* {{বাউ|আবদুল্লাহ আল-মামুন সোহ্রাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|আবদুল্লাহ-আল-মাহমুদ}}
* {{বাউ|আবদুস সাত্তার (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবদুস সাত্তার ভূঞা}}
* {{বাউ|আবদুস সালাম (পদার্থবিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|আবদুস সালাম (ভাষা শহীদ)}}
* {{বাউ|আবদুস সালাম (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|আবদুস সালাম মামুন}}
* {{বাউ|আবদুস সোবহান সিকদার}}
* {{বাউ|আবিদ আজাদ}}
* {{বাউ|আবিদ আনোয়ার}}
* {{বাউ|আবিদা ইসলাম}}
* {{বাউ|আবিদুর রেজা খান}}
* {{বাউ|আবু আসাদ মোহাম্মদ ওবায়দুল গনি}}
* {{বাউ|আবু আহমদ আব্দুল হাফিজ}}
* {{বাউ|আবু আহমদ ফজলুল করিম}}
* {{বাউ|আবু আহমেদ}}
* {{বাউ|আবু আহমেদ জহিরুল আমিন খান}}
* {{বাউ|আবু ইউসুফ (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবু কায়সার}}
* {{বাউ|আবু জাফর}}
* {{বাউ|আবু জাফর (গীতিকার)}}
* {{বাউ|আবু জাফর শামসুদ্দীন}}
* {{বাউ|আবু জাহির}}
* {{বাউ|আবু তাহের (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আবু তাহের নদভী}}
* {{বাউ|আবু তাহের মজুমদার}}
* {{বাউ|আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান}}
* {{বাউ|আবু নঈম শেখ}}
* {{বাউ|আবু নসর ওহীদ}}
* {{বাউ|আবু বকর সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|আবু বকর সিদ্দিকী (বিচারক)}}
* {{বাউ|আবু বারেক মোহাম্মদ নুরুল আলম}}
* {{বাউ|আবু মহামেদ হবিবুল্লাহ}}
* {{বাউ|আবু মো. দেলোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন}}
* {{বাউ|আবু যোহা নূর আহমদ}}
* {{বাউ|আবু রুশদ}}
* {{বাউ|আবু রেজা ফজলুল হক বাবলু}}
* {{বাউ|আবু শারাফ হিজবুল কাদের সাদেক}}
* {{বাউ|আবু শাহেদ ইমন}}
* {{বাউ|আবু শাহ্রিয়ার}}
* {{বাউ|আবু সয়ীদ আইয়ুব}}
* {{বাউ|আবু সাইয়ীদ}}
* {{বাউ|আবু সাঈদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম}}
* {{বাউ|আবু সালেহ}}
* {{বাউ|আবু সালেহ মোহাম্মদ নাজমুল হক}}
* {{বাউ|আবু সালেহ মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|আবু সালেহ মোহাম্মদ সাঈদ}}
* {{বাউ|আবু হায়াত মাহমুদ}}
* {{বাউ|আবু হাসান ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|আবু হাসান শাহরিয়ার}}
* {{বাউ|আবু হেনা মোস্তফা কামাল}}
* {{বাউ|আবু হোসেন সিদ্দিক}}
* {{বাউ|আবুল আহসান}}
* {{বাউ|আবুল আহসান চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবুল ওমরাহ মুহম্মদ ফখরুদ্দিন}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (বুদ্ধিজীবী)}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবুল কালাম ফায়জুল হক}}
* {{বাউ|আবুল কালাম মনজুর মোরশেদ}}
* {{বাউ|আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া}}
* {{বাউ|আবুল কালাম শামসুদ্দিন (সরকারি কর্মকর্তা)}}
* {{বাউ|আবুল কাশেম সন্দ্বীপ}}
* {{বাউ|আবুল কাসেম (ভাষা সৈনিক)}}
* {{বাউ|আবুল কাসেম (সাহিত্যরত্ন)}}
* {{বাউ|আবুল কাসেম খান}}
* {{বাউ|আবুল কাসেম ফজলুল হক}}
* {{বাউ|আবুল খায়ের}}
* {{বাউ|আবুল খায়ের (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|আবুল খায়ের মুসলেহউদ্দিন}}
* {{বাউ|আবুল ফতেহ}}
* {{বাউ|আবুল ফাতাহ মুহাম্মদ ইয়াহইয়া}}
* {{বাউ|আবুল বরকত}}
* {{বাউ|আবুল বারকাত}}
* {{বাউ|আবুল বাশার (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবুল বাশার (লেখক)}}
* {{বাউ|আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম}}
* {{বাউ|আবুল বাসার (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আবুল বাসার আকন্দ}}
* {{বাউ|আবুল মকসুদ হারুন অর রশীদ}}
* {{বাউ|আবুল মাল আবদুল মুহিত}}
* {{বাউ|আবুল মোমেন}}
* {{বাউ|আবুল হাশেম (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবুল হাশেম খান (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|আবুল হাশেম সরকার}}
* {{বাউ|আবুল হাসনাত (মেয়র)}}
* {{বাউ|আবুল হাসান (কবি)}}
* {{বাউ|আবুল হাসান মাহমুদ আলী}}
* {{বাউ|আবুল হুসসাম}}
* {{বাউ|আবুল হুসেন}}
* {{বাউ|আবুল হোসেন (কবি)}}
* {{বাউ|আবুল হোসেন (পদার্থবিদ)}}
* {{বাউ|আবেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবেদ হোসেন খান}}
* {{বাউ|আব্দুর রইছ}}
* {{বাউ|আব্দুর রউফ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আব্দুর রব চৌধুরী}}
* {{বাউ|আব্দুর রহমান (বুদ্ধিজীবী)}}
* {{বাউ|আব্দুর রহমান (মুফতি)}}
* {{বাউ|আব্দুর রহমান আনওয়ারী}}
* {{বাউ|আব্দুর রহমান সরকার}}
* {{বাউ|আব্দুর রহমানেল মাছউদ}}
* {{বাউ|আব্দুর রহিম (সংসদ সদস্য)}}
* {{বাউ|আব্দুল আউয়াল খান}}
* {{বাউ|আব্দুল আজিজ (চলচ্চিত্র নির্মাতা)}}
* {{বাউ|আব্দুল আলীম (সঙ্গীতশিল্পী)}}
* {{বাউ|আব্দুল ওয়াহহাব মিঞা}}
* {{বাউ|আব্দুল ওয়াহাব তালুকদার}}
* {{বাউ|আব্দুল ওহাব খান (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|আব্দুল করিম আব্বাসী}}
* {{বাউ|আব্দুল জব্বার}}
* {{বাউ|আব্দুল জলিল}}
* {{বাউ|আব্দুল বায়েস}}
* {{বাউ|আব্দুল মতিন চৌধুরী (পদার্থবিদ)}}
* {{বাউ|আব্দুল মতিন পাটোয়ারি}}
* {{বাউ|আব্দুল মান্নান আকন্দ}}
* {{বাউ|আব্দুল মান্নান চৌধুরী (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আব্দুল মান্নান শিকদার}}
* {{বাউ|আব্দুল মালেক উকিল}}
* {{বাউ|আব্দুল মুত্তাকিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|আব্দুল মুমিত চৌধুরী}}
* {{বাউ|আব্দুল মোতালেব মালিক}}
* {{বাউ|আব্দুল লতিফ}}
* {{বাউ|আব্দুল লতিফ বাচ্চু}}
* {{বাউ|আব্দুল লতিফ মিয়া}}
* {{বাউ|আব্দুল হাকিম সরকার}}
* {{বাউ|আব্দুল হামিদ (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|আব্দুল হামিদ রায়হান}}
* {{বাউ|আব্দুল হালিম বুখারী}}
* {{বাউ|আব্দুল হাসিব}}
* {{বাউ|আব্দুল্লাহ আল মামুন (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ}}
* {{বাউ|আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ}}
* {{বাউ|আব্দুস শাকুর (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আব্দুস সাত্তার (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আব্দুস সাত্তার খান}}
* {{বাউ|আব্দুস সাত্তার মোহন্ত}}
* {{বাউ|আব্দুস সামাদ আজাদ}}
* {{বাউ|আব্দুস সালাম চাটগামী}}
* {{বাউ|আব্দুস সেলিম}}
* {{বাউ|আব্বাসউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|আভরাল সাহির}}
* {{বাউ|আভা আলম}}
* {{বাউ|আভাস}}
* {{বাউ|আভাসকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|আমজাদ হোসেন}}
* {{বাউ|আমজাদ হোসেন (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|আমান রেজা}}
* {{বাউ|আমানুল হক}}
* {{বাউ|আমানুল হক (নৃত্যশিল্পী)}}
* {{বাউ|আমানুল্লাহ কবির}}
* {{বাউ|আমিন আহমদ}}
* {{বাউ|আমিন উদ্দিন মৃধা}}
* {{বাউ|আমিন সোহরাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|আমিনা আহমেদ কর}}
* {{বাউ|আমিনুর রশীদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আমিনুর রহমান}}
* {{বাউ|আমিনুর রহমান শামসুদ দোহা}}
* {{বাউ|আমিনুর রহমান সুলতান}}
* {{বাউ|আমিনুল ইসলাম (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আমিনুল ইসলাম (মৃত্তিকা বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|আমিনুল ইসলাম বাদশা}}
* {{বাউ|আমিনুল ইসলাম ভুঁইয়া}}
* {{বাউ|আমিনুল করিম}}
* {{বাউ|আমিনুল হক (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|আমিনুল হক (অ্যাটর্নি জেনারেল)}}
* {{বাউ|আমির হামজা (আলোকচিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আমির হামজা (কবি)}}
* {{বাউ|আমির হোসেন (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|আমির হোসেন আমু}}
* {{বাউ|আমির হোসেন খান}}
* {{বাউ|আমিরুল আলম মিলন}}
* {{বাউ|আমিরুল ইসলাম (গীতিকার)}}
* {{বাউ|আমিরুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|আমীন আহম্মেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আমীর-উল ইসলাম}}
* {{বাউ|আমীরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|আয়নুন নাহার সিদ্দিকা}}
* {{বাউ|আয়মান সাদিক}}
* {{বাউ|আয়েত আলী খাঁ}}
* {{বাউ|আয়েশা বেদোরা চৌধুরী}}
* {{বাউ|আযীযুর রহমান কায়েদ}}
* {{বাউ|আর আই এম আমিনুর রশিদ}}
* {{বাউ|আর. এ. গনি}}
* {{বাউ|আর. কে. বি. এম. রিজমী}}
* {{বাউ|আরতি দত্ত}}
* {{বাউ|আরমা দত্ত}}
* {{বাউ|আরমিন মুসা}}
* {{বাউ|আরশাদ-উজ জামান}}
* {{বাউ|আরেফিন রুমি}}
* {{বাউ|আর্ক}}
* {{বাউ|আর্থার উইলসন}}
* {{বাউ|আর্থার লেভেলিন বাশাম}}
* {{বাউ|আল-কামাল আবদুল ওহাব}}
* {{বাউ|আল-নকীব চৌধুরী}}
* {{বাউ|আলতাফ মাহমুদ}}
* {{বাউ|আলতাফ হোসেইন}}
* {{বাউ|আলতাফ হোসেন (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আলতাফ হোসেন (কবি)}}
* {{বাউ|আলতামাস আহমেদ}}
* {{বাউ|আলপনা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|আলফ্রেড উডলি ক্রফট}}
* {{বাউ|আলভী আহমেদ}}
* {{বাউ|আলম আরা জুঁই}}
* {{বাউ|আলম খান}}
* {{বাউ|আলম খোরশেদ}}
* {{বাউ|আলমগীর (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|আলমগীর কুমকুম}}
* {{বাউ|আলমগীর মোহাম্মদ সিরাজুদ্দীন}}
* {{বাউ|আলাউদ্দিন আলী}}
* {{বাউ|আলাউদ্দিন আহম্মদ}}
* {{বাউ|আলাউদ্দিন খাঁ}}
* {{বাউ|আলী আকবর খাঁ}}
* {{বাউ|আলী আকবর রুপু}}
* {{বাউ|আলী আকরাম শুভ}}
* {{বাউ|আলী আজগর}}
* {{বাউ|আলী আশরাফ (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আলী আহমদ}}
* {{বাউ|আলী ইমাম}}
* {{বাউ|আলী কায়সার হাসান মোর্শেদ}}
* {{বাউ|আলী মনসুর}}
* {{বাউ|আলী রীয়াজ}}
* {{বাউ|আলী হোসেন (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|আলেকজান্ডার পেডলার}}
* {{বাউ|আশফাকুল ইসলাম}}
* {{বাউ|আশরফি খানম}}
* {{বাউ|আশরাফ আলী খান চৌধুরী}}
* {{বাউ|আশরাফ শিশির}}
* {{বাউ|আশরাফ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|আশরাফ-উজ-জামান খান}}
* {{বাউ|আশরাফুদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|আশরাফুল আলম (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আশা মেহরিন আমিন}}
* {{বাউ|আশালতা সিংহ}}
* {{বাউ|আশালতা সেন}}
* {{বাউ|আশিক চৌধুরী}}
* {{বাউ|আশিকুজ্জামান (জেনারেল)}}
* {{বাউ|আশিকুর রহমান}}
* {{বাউ|আশীষ রঞ্জন দাস}}
* {{বাউ|আশুতোষ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আশুতোষ চৌধুরী (আইনজীবি)}}
* {{বাউ|আশুতোষ সুজন}}
* {{বাউ|আশুতোষ সেন}}
* {{বাউ|আশ্চর্যময়ী}}
* {{বাউ|আসকার ইবনে শাইখ}}
* {{বাউ|আসফার হোসেন মোল্লা}}
* {{বাউ|আসমত আলী শিকদার}}
* {{বাউ|আসলাম সানী}}
* {{বাউ|আসহাব উদ্দীন}}
* {{বাউ|আসহাব উদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|আসহাব-উল-হক}}
* {{বাউ|আসাদ আলম সিয়াম}}
* {{বাউ|আসাদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আসাদ বিন হাফিজ}}
* {{বাউ|আসাদ মান্নান}}
* {{বাউ|আসাদুজ্জামান খান}}
* {{বাউ|আসিফ ইকবাল (গীতিকার)}}
* {{বাউ|আহমদ আবদুল কাদের}}
* {{বাউ|আহমদ আলী এনায়েতপুরী}}
* {{বাউ|আহমদ জামান চৌধুরী}}
* {{বাউ|আহমদ রফিক}}
* {{বাউ|আহমদ শামসুল ইসলাম}}
* {{বাউ|আহমাদ মোস্তফা কামাল}}
* {{বাউ|আহমেদ আলী}}
* {{বাউ|আহমেদ ইকবাল হায়দার}}
* {{বাউ|আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল}}
* {{বাউ|আহমেদ শফি}}
* {{বাউ|আহমেদ সোহেল}}
* {{বাউ|আহমেদুর রশিদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আহম্মদ আলী}}
* {{বাউ|আহসান এইচ মনসুর}}
* {{বাউ|আহসান হাবীব (কার্টুনিস্ট)}}
* {{বাউ|ইউজিন লাঁফৌ}}
* {{বাউ|ইউনুস আলী সরকার}}
* {{বাউ|ইউয়ান ৎসে লি}}
* {{বাউ|ইউসুফ আবদুল্লাহ সুমন}}
* {{বাউ|ইউসুফ আলী খান}}
* {{বাউ|ইউসুফ আলী মোল্লা}}
* {{বাউ|ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন}}
* {{বাউ|ইকতিয়ার চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইকবাল আসিফ জুয়েল}}
* {{বাউ|ইকবাল আহমেদ (সঙ্গীতশিল্পী)}}
* {{বাউ|ইকবাল কাদির}}
* {{বাউ|ইকবাল খন্দকার}}
* {{বাউ|ইকবাল মাহমুদ}}
* {{বাউ|ইকবাল সোবহান চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইকবাল হোসেন খান}}
* {{বাউ|ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ}}
* {{বাউ|ইতরাত হোসেন জুবেরী}}
* {{বাউ|ইনামুল হক}}
* {{বাউ|ইন্ডালো}}
* {{বাউ|ইন্দিরা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ইন্দিরা দেবী}}
* {{বাউ|ইন্দিরা নাথ}}
* {{বাউ|ইন্দিরা ব্যানার্জি}}
* {{বাউ|ইন্দিরাদেবী রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইন্দু মিঠা}}
* {{বাউ|ইন্দুভূষণ রক্ষিত}}
* {{বাউ|ইন্দ্রকুমার রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইন্দ্রজিৎ প্রসাদ}}
* {{বাউ|ইন্দ্রজিৎ হাজরা}}
* {{বাউ|ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|ইন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ইন্দ্রনাথ রুদ্র}}
* {{বাউ|ইন্দ্রমোহন রাজবংশী}}
* {{বাউ|ইন্দ্রাণী বসু}}
* {{বাউ|ইপ্সিতা রায় চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইফতেখার চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইফতেখারুজ্জামান}}
* {{বাউ|ইফফাত আরা}}
* {{বাউ|ইফফাত আরা দেওয়ান}}
* {{বাউ|ইবনে ইমাম}}
* {{বাউ|ইবনে মিজান}}
* {{বাউ|ইবরাহীম আলী তশনা}}
* {{বাউ|ইবরাহীম খাঁ}}
* {{বাউ|ইব্রাহিম আহমেদ কমল}}
* {{বাউ|ইব্রাহীম খলিল (নাট্যকার)}}
* {{বাউ|ইমতিয়াজ মাহমুদ}}
* {{বাউ|ইমতিয়াজ হোসেন (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|ইমতিয়ার শামীম}}
* {{বাউ|ইমদাদ হোসেন}}
* {{বাউ|ইমন চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইমন সাহা}}
* {{বাউ|ইমরান এইচ সরকার}}
* {{বাউ|ইমরান মাহমুদুল}}
* {{বাউ|ইমরান সিদ্দিক}}
* {{বাউ|ইমাউল হক}}
* {{বাউ|ইমাম হোসেন চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইয়াকুব আলী শরীফ}}
* {{বাউ|ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ}}
* {{বাউ|ইয়াসমিন মোর্শেদ}}
* {{বাউ|ইয়েন ইয়েন}}
* {{বাউ|ইলা মজুমদার}}
* {{বাউ|ইসমাইল খান}}
* {{বাউ|ইসমাইল ফারুক চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইসমাইল মোহাম্মাদ}}
* {{বাউ|ইসমাইল হোসেন তালুকদার}}
* {{বাউ|ইসমাত জাহান}}
* {{বাউ|ইসরাইল খান}}
* {{বাউ|ইসহাক কাজল}}
* {{বাউ|ইসহাক খান}}
* {{বাউ|ইসহাক ফরিদী}}
* {{বাউ|ইস্পাহানী-আরিফ জাহান}}
* {{বাউ|ঈশা মহম্মদ}}
* {{বাউ|ঈশানচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ঈশানচন্দ্র বসু}}
* {{বাউ|উকিল মুন্সী}}
* {{বাউ|উজ্জ্বল (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|উজ্জ্বল মৌলিক}}
* {{বাউ|উত্তম আকাশ}}
* {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারী}}
* {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|উবায়দুর রহমান খান নদভী}}
* {{বাউ|উবায়দুল কবীর চৌধুরী}}
* {{বাউ|উমা মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|উমাপতিধর}}
* {{বাউ|উমেশচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|উমেশচন্দ্র বটব্যাল}}
* {{বাউ|উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|উৎপলকুমার বসু}}
* {{বাউ|উৎপলেন্দু চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ঊষা গাঙ্গুলি}}
* {{বাউ|ঊষা রঞ্জন ঘটক}}
* {{বাউ|ঊষা সেন}}
* {{বাউ|ঋজুদা}}
* {{বাউ|ঋতুরাজ ভৌমিক}}
* {{বাউ|ঋতেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|ঋষি চন্দ}}
* {{বাউ|ঋষিবর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|এ আই এম মোস্তফা রেজা নূর}}
* {{বাউ|এ এইচ এম এনায়েত হোসেন}}
* {{বাউ|এ এইচ এম জেহাদুল করিম}}
* {{বাউ|এ এইচ এম তৌহিদুল আনোয়ার চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ এইচ দিলদার আহমদ}}
* {{বাউ|এ এইচ মোফাজ্জল করিম}}
* {{বাউ|এ এন এম গোলাম মোস্তফা}}
* {{বাউ|এ এফ এম আবদুল আলীম চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ এফ এম নাজমুল হুদা}}
* {{বাউ|এ এফ এম মফিজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এ এম এ এম জোনায়েদ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ কে আজাদ খান}}
* {{বাউ|এ কে এম ইউসুফ}}
* {{বাউ|এ কে এম ইয়াকুব আলী}}
* {{বাউ|এ কে এম কামারুজ্জামান}}
* {{বাউ|এ কে এম জহিরুল হক}}
* {{বাউ|এ কে এম জহিরুল হক (বিচারক)}}
* {{বাউ|এ কে এম জাকির হোসেন}}
* {{বাউ|এ কে এম নুরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এ কে এম নূরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এ কে এম নূরুল হক}}
* {{বাউ|এ কে এম শহীদুল করিম}}
* {{বাউ|এ কে এম শামসুল হক}}
* {{বাউ|এ কে এম সাঈদুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ কে এম সাদেক}}
* {{বাউ|এ কে এম সিদ্দিক}}
* {{বাউ|এ কে এম হাফিজউদ্দিন}}
* {{বাউ|এ কে নাজমুল করিম}}
* {{বাউ|এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|এ কে বদরুল হক}}
* {{বাউ|এ জে এম নূরুদ্দীন চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ জে মিন্টু}}
* {{বাউ|এ জেড এম জাহিদ হোসেন}}
* {{বাউ|এ জেড এম মোস্তাক হোসেন}}
* {{বাউ|এ টি এম আলমগীর}}
* {{বাউ|এ টি এম জহুরুল হক}}
* {{বাউ|এ বি এম আবদুর রহিম}}
* {{বাউ|এ বি এম আব্দুল্লাহ}}
* {{বাউ|এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এ বি এম মূসা}}
* {{বাউ|এ বি এম রাশেদুল হাসান}}
* {{বাউ|এ বি এম শওকত আলী}}
* {{বাউ|এ, জে, মোহাম্মদ আলী}}
* {{বাউ|এ. এইচ. এম. মনিরুজ্জামান}}
* {{বাউ|এ. এইচ. এস. আতাউল করিম}}
* {{বাউ|এ. এইচ. জি. মহিউদ্দিন}}
* {{বাউ|এ. এন. এম মমতাজ উদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ. এন. এম. নূরুজ্জামান}}
* {{বাউ|এ. এন. এম. হামিদুল্লাহ্}}
* {{বাউ|এ. এফ. ইমাম আলি}}
* {{বাউ|এ. এফ. এম. আওরঙ্গজেব}}
* {{বাউ|এ. এফ. এম. আবদুল মঈন}}
* {{বাউ|এ. এফ. এম. আব্দুর রহমান}}
* {{বাউ|এ. এফ. এম. এন্তাজ আলী}}
* {{বাউ|এ. এফ. সালাহ্উদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|এ. এফ. হাসান আরিফ}}
* {{বাউ|এ. এম. আমিনুল হক}}
* {{বাউ|এ. এস. এম. আব্দুল মোবিন}}
* {{বাউ|এ. কিউ. এম. বজলুল করিম}}
* {{বাউ|এ. কিউ. এম. মাহবুব}}
* {{বাউ|এ. কে. এম. আসাদুজ্জামান}}
* {{বাউ|এ. কে. এম. আহসান আলী}}
* {{বাউ|এ. কে. এম. সিরাজুল ইসলাম খান}}
* {{বাউ|এ. কে. নাজিরউদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|এ. টি. এম. আফজাল}}
* {{বাউ|এ. টি. এম. শামসুদ্দিন}}
* {{বাউ|এ. বি. এম. খায়রুল হক}}
* {{বাউ|এ. বি.এম. আলতাফ হোসেন}}
* {{বাউ|এ.এইচ.এম. শামসুর রহমান}}
* {{বাউ|এ.ওয়াই.বি আই সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|এ.কে.এম. রবিউল হাসান}}
* {{বাউ|এ.টি.এম. ফজলে কবির}}
* {{বাউ|এআরএম ইনামুল হক}}
* {{বাউ|এআরএম লুৎফুল কবীর}}
* {{বাউ|এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে}}
* {{বাউ|এইচ এম জহিরুল হক}}
* {{বাউ|এএসএম মতিউর রহমান}}
* {{বাউ|একরামউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী}}
* {{বাউ|একেএম আবদুর রউফ}}
* {{বাউ|একেএম আমিনুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|একেএম আসাদুল হক}}
* {{বাউ|একেএম বজলুল করিম}}
* {{বাউ|একেএম শহীদুল হক}}
* {{বাউ|একেনবাবু}}
* {{বাউ|এখলাসউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|এজাজ ইউসুফী}}
* {{বাউ|এজাজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এঞ্জেলা গোমেজ}}
* {{বাউ|এণাক্ষী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|এনামুর রহমান}}
* {{বাউ|এনামুল করিম নির্ঝর}}
* {{বাউ|এনামুল বাশার}}
* {{বাউ|এনামুল হক (পুলিশ কর্মকর্তা)}}
* {{বাউ|এনামুল হক (প্রত্নতাত্ত্বিক)}}
* {{বাউ|এনামুল হক (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|এনামুল হক মোস্তফা শহীদ}}
* {{বাউ|এনায়েত করিম}}
* {{বাউ|এনায়েত হোসেন খান}}
* {{বাউ|এনায়েতউল্লাহ খান}}
* {{বাউ|এনায়েতুল্লাহ্ খান}}
* {{বাউ|এনিগমা (মার্ভেল কমিক্স)}}
* {{বাউ|এন্ড্রু বিরাজ}}
* {{বাউ|এফ আই মানিক}}
* {{বাউ|এফ এ সুমন}}
* {{বাউ|এফআরএম নাজমুল আহসান}}
* {{বাউ|এবাদুর রহমান}}
* {{বাউ|এবিএম নুরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এব্রাহাম মজুমদার}}
* {{বাউ|এম অহিদুজ্জামান}}
* {{বাউ|এম আনোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|এম আবদুর রহমান}}
* {{বাউ|এম আবদুল কাদির ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|এম আবদুস সোবহান (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|এম আর আখতার মুকুল}}
* {{বাউ|এম আর কবির}}
* {{বাউ|এম আলাউদ্দিন}}
* {{বাউ|এম আল্লামা সিদ্দিকি}}
* {{বাউ|এম ইউসুফ আলী}}
* {{বাউ|এম ইকবাল আর্সলান}}
* {{বাউ|এম ইদ্রিস}}
* {{বাউ|এম ইন্নাস আলী}}
* {{বাউ|এম এ ওয়াজেদ মিয়া}}
* {{বাউ|এম এ ওয়াদুদ}}
* {{বাউ|এম এ খালেক}}
* {{বাউ|এম এ জাহের (ভূতাত্ত্বিক)}}
* {{বাউ|এম এ মাজিদ}}
* {{বাউ|এম এ মান্নান (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|এম এ মান্নান (স্নায়ুবিদ)}}
* {{বাউ|এম এ মালেক (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|এম এ মোবিন}}
* {{বাউ|এম এ সাত্তার মণ্ডল}}
* {{বাউ|এম এ হক (কবি)}}
* {{বাউ|এম এ হাদী}}
* {{বাউ|এম এ হামিদ}}
* {{বাউ|এম এ হাসান}}
* {{বাউ|এম এনায়েতুর রহিম}}
* {{বাউ|এম এম রহমত উল্লাহ}}
* {{বাউ|এম এম রেজাউল করিম}}
* {{বাউ|এম এস স্বামীনাথন}}
* {{বাউ|এম ওসমান গনি তালুকদার}}
* {{বাউ|এম কিউ কে তালুকদার}}
* {{বাউ|এম কোরবান আলী}}
* {{বাউ|এম খায়রুল হোসেন}}
* {{বাউ|এম ফাতেমা খানম}}
* {{বাউ|এম ফিরোজ আহমেদ}}
* {{বাউ|এম বি মানিক}}
* {{বাউ|এম মহবুবউজ্জামান}}
* {{বাউ|এম মোখলেসুর রহমান চৌধুরী}}
* {{বাউ|এম মোজাম্মেল হক}}
* {{বাউ|এম রফিকুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এম শমশের আলী}}
* {{বাউ|এম শহিদুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এম শামসুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এম সাইদুজ্জামান}}
* {{বাউ|এম সাইদুর রহমান খান}}
* {{বাউ|এম সি চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|এম হামিদ}}
* {{বাউ|এম. আজিজুর রহমান}}
* {{বাউ|এম. আমিনুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এম. এ. আজিজ (নির্বাচন কমিশনার)}}
* {{বাউ|এম. এইচ. খন্দকার}}
* {{বাউ|এম. এম. রুহুল আমিন}}
* {{বাউ|এম. খায়রুল আলম খান}}
* {{বাউ|এম. গোলাম শাহি আলম}}
* {{বাউ|এম. জাহিদ হাসান}}
* {{বাউ|এম. নুরুল্লাহ}}
* {{বাউ|এম. মোয়াজ্জম হোসেন}}
* {{বাউ|এম. শামসুর রহমান}}
* {{বাউ|এম. সাখাওয়াত হোসেন}}
* {{বাউ|এম. হুমায়ুন কবির}}
* {{বাউ|এম. হোসেন আলী}}
* {{বাউ|এমদাদুল হক আজাদ}}
* {{বাউ|এমদাদুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|এমরান আহমদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|এমাজউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|এল. কে. সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|এলিটা করিম}}
* {{বাউ|এস আই এম নূরুন্নবী খান}}
* {{বাউ|এস আই টুটুল}}
* {{বাউ|এস এ হক অলিক}}
* {{বাউ|এস এম আব্রাহাম লিংকন}}
* {{বাউ|এস এম আমজাদ হোসেন}}
* {{বাউ|এস এম আহমেদ হুমায়ুন}}
* {{বাউ|এস এম এমদাদুল হক}}
* {{বাউ|এস এম কুদ্দুস জামান}}
* {{বাউ|এস এম মহসীন}}
* {{বাউ|এস এম মাসুদ হোসেন দোলন}}
* {{বাউ|এস এম মাহফুজুর রহমান}}
* {{বাউ|এস এম সোলায়মান}}
* {{বাউ|এস ডি রুবেল}}
* {{বাউ|এস. এ. বারী}}
* {{বাউ|এস. এ. মালেক}}
* {{বাউ|এস. এম. আল হোসাইনী}}
* {{বাউ|এস. এম. এ. রাশীদুল হাসান}}
* {{বাউ|এস. এম. মজিবুর রহমান}}
* {{বাউ|এস. এম. মনিরুজ্জামান}}
* {{বাউ|এস. এম. সিরিল}}
* {{বাউ|এস. এম. হারুন-অর-রশীদ}}
* {{বাউ|এস.এম আবুল কালাম}}
* {{বাউ|এস.এম. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু}}
* {{বাউ|এসকে. তাহসিন আলী}}
* {{বাউ|এহতেশাম}}
* {{বাউ|ওবায়দুল হাসান}}
* {{বাউ|ওবায়দুল্লাহ আল ওবায়দী সোহরাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|ওবায়দুল্লাহ হামযাহ}}
* {{বাউ|ওমর আলী}}
* {{বাউ|ওমর ইশরাক}}
* {{বাউ|ওমর ফারুক ইউসুফ}}
* {{বাউ|ওয়াকিল আহমদ}}
* {{বাউ|ওয়াকিল আহাদ}}
* {{বাউ|ওয়াজেদ আলী সুমন}}
* {{বাউ|ওয়াসফিয়া নাজরীন}}
* {{বাউ|ওয়াসি আহমেদ}}
* {{বাউ|ওয়াহিদ ইবনে রেজা}}
* {{বাউ|ওয়াহিদউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ}}
* {{বাউ|ওয়াহিদা আক্তার}}
* {{বাউ|ওয়াহিদুল হক}}
* {{বাউ|ওসমান গণি}}
* {{বাউ|ওসমান সরওয়ার আলম চৌধুরী}}
* {{বাউ|ওস্তাদ বাবর আলী খান}}
* {{বাউ|ওহিদুর রহমান}}
* {{বাউ|ওহিদুল আলম}}
* {{বাউ|ওহীদুল আলম}}
* {{বাউ|কঙ্কনা সেন শর্মা}}
* {{বাউ|কঙ্কর শুভ্র দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|কছিম উদ্দিন}}
* {{বাউ|কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কনক কান্তি বড়ুয়া}}
* {{বাউ|কনকচাঁপা}}
* {{বাউ|কফিল আহমেদ}}
* {{বাউ|কফিলউদ্দিন মাহমুদ}}
* {{বাউ|কবরী}}
* {{বাউ|কবিচন্দ্র রামকৃষ্ণ রায়}}
* {{বাউ|কবিতা খানম}}
* {{বাউ|কবিতা সিংহ}}
* {{বাউ|কবির বকুল}}
* {{বাউ|কবির হোসেন}}
* {{বাউ|কবীন্দ্র পরমেশ্বর}}
* {{বাউ|কবীর সুমন}}
* {{বাউ|কমল দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|কমলকুমার মজুমদার}}
* {{বাউ|কমলা সাংকৃত্যায়ন}}
* {{বাউ|কমলাদেবী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|করিমুন্নেসা খানম চৌধুরানী}}
* {{বাউ|করুণা সাহা}}
* {{বাউ|করুণাময় গোস্বামী}}
* {{বাউ|কর্নেল নীলাদ্রি সরকার}}
* {{বাউ|কলাবতী (কাল্পনিক চরিত্র)}}
* {{বাউ|কলিম শরাফী}}
* {{বাউ|কল্কেকাশি}}
* {{বাউ|কল্পতরু সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|কল্পনা আখতার}}
* {{বাউ|কল্পনা চাকমা}}
* {{বাউ|কল্যাণ মিত্র}}
* {{বাউ|কল্যাণ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কল্যাণী ঘোষ}}
* {{বাউ|কসিমউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|কসিরউদ্দিন তালুকদার}}
* {{বাউ|কাইজার চৌধুরী}}
* {{বাউ|কাইয়ুম চৌধুরী}}
* {{বাউ|কাওসার আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|কাওসার চৌধুরী}}
* {{বাউ|কাকাবাবু}}
* {{বাউ|কাজল আরেফিন অমি}}
* {{বাউ|কাজল বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কাজি হাসমত আলী}}
* {{বাউ|কাজী আকরম হোসেন}}
* {{বাউ|কাজী আজহার আলী}}
* {{বাউ|কাজী আজিজুল মাওলা}}
* {{বাউ|কাজী আনোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|কাজী আনোয়ার হোসেন (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|কাজী আনোয়ারা মনসুর}}
* {{বাউ|কাজী আফসারউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|কাজী আবদুল আলীম}}
* {{বাউ|কাজী আবদুল ফাত্তাহ}}
* {{বাউ|কাজী আবুল কাসেম (কার্টুনিস্ট)}}
* {{বাউ|কাজী আবুল মনসুর}}
* {{বাউ|কাজী ইবাদত হোসেন}}
* {{বাউ|কাজী ইমদাদুল হক}}
* {{বাউ|কাজী এবাদুল হক}}
* {{বাউ|কাজী এম বদরুদ্দোজা}}
* {{বাউ|কাজী ওয়ালিউল ইসলাম}}
* {{বাউ|কাজী কাদের নেওয়াজ}}
* {{বাউ|কাজী কামরুজ্জামান}}
* {{বাউ|কাজী কৃষ্ণকলি ইসলাম}}
* {{বাউ|কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ}}
* {{বাউ|কাজী গোলাম দস্তগীর}}
* {{বাউ|কাজী গোলাম মাহবুব}}
* {{বাউ|কাজী গোলাম মুস্তাফা}}
* {{বাউ|কাজী গোলাম রসূল}}
* {{বাউ|কাজী জহির}}
* {{বাউ|কাজী জহিরুল হক}}
* {{বাউ|কাজী জিনাত হক}}
* {{বাউ|কাজী তরিকুল ইসলাম}}
* {{বাউ|কাজী দীন মুহাম্মদ (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|কাজী মাসুম আখতার}}
* {{বাউ|কাজী মুতাসিম বিল্লাহ}}
* {{বাউ|কাজী মুহম্মদ মনজুরে মওলা}}
* {{বাউ|কাজী মোঃ ইজারুল হক আকন্দ}}
* {{বাউ|কাজী মোরশেদ}}
* {{বাউ|কাজী রওশন আক্তার}}
* {{বাউ|কাজী রেজা-উল হক}}
* {{বাউ|কাজী রোজী}}
* {{বাউ|কাজী শহীদুন নবী}}
* {{বাউ|কাজী শুভ}}
* {{বাউ|কাজী সব্যসাচী}}
* {{বাউ|কাজী সাইফুদ্দীন}}
* {{বাউ|কাজী সাজ্জাদ হোসেন}}
* {{বাউ|কাজী হায়াৎ}}
* {{বাউ|কাজী হাসান হাবিব}}
* {{বাউ|কাজেম আলী}}
* {{বাউ|কাত্যায়নী দাস ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|কাদম্বরী দেবী}}
* {{বাউ|কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কাদেরী কিবরিয়া}}
* {{বাউ|কানকাটা রমজান}}
* {{বাউ|কানাই লাল দে}}
* {{বাউ|কানাইলাল শীল}}* {{বাউ|কানাহরি দত্ত}}
* {{বাউ|কানু রায়}}
* {{বাউ|কাবেরী গায়েন}}
* {{বাউ|কামরুদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|কামরুন নাহার}}
* {{বাউ|কামরুন নাহার (সরকারি কর্মকর্তা)}}
* {{বাউ|কামরুন নাহার বেগম}}
* {{বাউ|কামরুন নেছা নীলু}}
* {{বাউ|কামরুল আলম খান}}
* {{বাউ|কামরুল আহসান}}
* {{বাউ|কামরুল আহসান (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|কামরুল ইসলাম (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|কামরুল ইসলাম সিদ্দিক}}
* {{বাউ|কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|কামরুল হাসান}}
* {{বাউ|কামরুল হাসান খান}}
* {{বাউ|কামরুল হাসান ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|কামাক্ষীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কামার আহমাদ সাইমন}}
* {{বাউ|কামাল আহমেদ}}
* {{বাউ|কামাল উদ্দিন}}
* {{বাউ|কামাল উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|কামাল লোহানী}}
* {{বাউ|কামাল হোসেন}}
* {{বাউ|কামালউদ্দিন হোসেন}}
* {{বাউ|কামালুদ্দীন জাফরী}}
* {{বাউ|কামিনী কুমার দত্ত}}
* {{বাউ|কামিনীকুমার ঘোষ}}
* {{বাউ|কায়সার হামিদুল হক}}
* {{বাউ|কায়সুল হক}}
* {{বাউ|কায়েস উদ্দিন}}
* {{বাউ|কার্তিকচন্দ্র দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|কালিকারঞ্জন কানুনগো}}
* {{বাউ|কালিচন্দ্র রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|কালিদাস কর্মকার}}
* {{বাউ|কালিদাস নাগ}}
* {{বাউ|কালিদাস ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|কালীকান্ত চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কালীকৃষ্ণ মিত্র}}
* {{বাউ|কালীনাথ দত্ত}}
* {{বাউ|কালীনাথ রায়}}
* {{বাউ|কালীপদ পাঠক}}
* {{বাউ|কালীপদ বসু}}
* {{বাউ|কালীপদ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|কালীপদ সেন}}
* {{বাউ|কালীপ্রসন্ন কাব্যবিশারদ}}
* {{বাউ|কালীপ্রসন্ন সিংহ}}
* {{বাউ|কালীমোহন ঘোষ}}
* {{বাউ|কাশীরাম দাস}}
* {{বাউ|কাশেফা হোসেন}}
* {{বাউ|কাসেম বিন আবুবাকার}}
* {{বাউ|কিউ এ বি এম রহমান}}
* {{বাউ|কিউ.এ.এম.এ রহিম}}
* {{বাউ|কিকিরা}}
* {{বাউ|কিরণ সেন}}
* {{বাউ|কিরণচন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কিরণশঙ্কর সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|কিরীটী রায়}}
* {{বাউ|কিশোর কুমার}}
* {{বাউ|কিশোরীচাঁদ মিত্র}}
* {{বাউ|কিশোরীমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কুঞ্জলাল নাগ}}
* {{বাউ|কুটি মনসুর}}
* {{বাউ|কুণাল বসু}}
* {{বাউ|কুদরত-ই-জাহান}}
* {{বাউ|কুদ্দুস বয়াতি}}
* {{বাউ|কুমকুম মুন্সী}}
* {{বাউ|কুমার বিশ্বজিৎ}}
* {{বাউ|কুমার রায়}}
* {{বাউ|কুমারপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কুমারেশ ঘোষ}}
* {{বাউ|কুমুদনাথ চৌধুরী}}
* {{বাউ|কুমুদশঙ্কর রায়}}
* {{বাউ|কুমুদিনী হাজং}}
* {{বাউ|কৃষ্ণ কুণ্ডু}}
* {{বাউ|কৃষ্ণ ধর}}
* {{বাউ|কৃষ্ণকমল ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|কৃষ্ণকালী মণ্ডল}}
* {{বাউ|কৃষ্ণকুমার মিত্র}}
* {{বাউ|কৃষ্ণচন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|কৃষ্ণদয়াল বসু}}
* {{বাউ|কৃষ্ণদাস কবিরাজ}}
* {{বাউ|কৃষ্ণদাস পাল}}
* {{বাউ|কৃষ্ণধন ঘোষ}}
* {{বাউ|কৃষ্ণনাথ রায়}}
* {{বাউ|কৃষ্ণভাবিনী দাস}}
* {{বাউ|কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কৃষ্ণরাম দাস}}
* {{বাউ|কৃষ্ণরাম ভট্টাচাৰ্য}}
* {{বাউ|কৃষ্ণা}}
* {{বাউ|কৃষ্ণা দেবনাথ}}
* {{বাউ|কৃষ্ণা বসু}}
* {{বাউ|কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশ}}
* {{বাউ|কে এম আলী আজম}}
* {{বাউ|কে এম আসাদ}}
* {{বাউ|কে এম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|কে এম মোহসীন}}
* {{বাউ|কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা}}
* {{বাউ|কে এম সোবহান}}
* {{বাউ|কে জি মুস্তফা}}
* {{বাউ|কে. এম. ইমরুল কায়েশ}}
* {{বাউ|কে. এম. কামরুল কাদের}}
* {{বাউ|কে. এম. জাহিদ সারওয়ার}}
* {{বাউ|কে. এম. শিহাব উদ্দিন}}
* {{বাউ|কে. এম. হাফিজুল আলম}}
* {{বাউ|কে. এম. হাসান}}
* {{বাউ|কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ}}
* {{বাউ|কেতকী কুশারী ডাইসন}}
* {{বাউ|কেতায়ুন আরদেশির দিনশ}}
* {{বাউ|কেদার ও বদ্রী}}
* {{বাউ|কেদারনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কেদারনাথ দাস}}
* {{বাউ|কেদারনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কেদারনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|কেদারেশ্বর বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কেরামত মওলা}}
* {{বাউ|কেশব চন্দ্র নাগ}}
* {{বাউ|কৈলাসচন্দ্র বসু}}
* {{বাউ|কৈলাসচন্দ্র বিদ্যাভূষণ}}
* {{বাউ|কোনাল}}
* {{বাউ|কোরেশী মাগন ঠাকুর}}
* {{বাউ|কৌশিক বসু}}
* {{বাউ|ক্যাথরিন মাসুদ}}
* {{বাউ|ক্রসউইন্ডস}}
* {{বাউ|ক্রিপটিক ফেইট}}
* {{বাউ|ক্লডিয়াস জেমস এরস্কাইন}}
* {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্র চন্দ্র বৈশ্য}}
* {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্রনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্রনারায়ণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্রমোহন নাহা}}
* {{বাউ|ক্ষিরোদচন্দ্র চৌধুরী}}
* {{বাউ|ক্ষীরোদপ্রসাদ বিদ্যাবিনোদ}}
* {{বাউ|ক্ষুদিরাম দাস}}
* {{বাউ|ক্ষেত্র গুপ্ত}}
* {{বাউ|ক্ষেত্রেশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|খগেন্দ্র চন্দ্র দাশ}}
* {{বাউ|খগেন্দ্রনাথ মিত্র}}
* {{বাউ|খন্দকার আবদুল হাফিজ}}
* {{বাউ|খন্দকার আবদুল হামিদ}}
* {{বাউ|খন্দকার আবু বকর (অ্যাটর্নি জেনারেল)}}
* {{বাউ|খন্দকার নুরুল আলম}}
* {{বাউ|খন্দকার মাহবুব উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|খন্দকার মাহবুব হোসেন}}
* {{বাউ|খন্দকার মুসা খালেদ}}
* {{বাউ|খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমান}}
* {{বাউ|খন্দকার মোহাম্মদ আশরাফুল মুনিম}}
* {{বাউ|খন্দকার শামস্ উদ্দিন আহাম্মাদ}}
* {{বাউ|খন্দকার সিদ্দিক-ই-রাব্বানী}}
* {{বাউ|খন্দকার সুমন}}
* {{বাউ|খলিল উল্লাহ খান}}
* {{বাউ|খলিলুর রহমান (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|খলিলুর রহমান (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|খলিলুর রহমান বাবর}}
* {{বাউ|খাঁন মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ্ আল মেহেদী}}
* {{বাউ|খাজা ওয়াসিউদ্দিন}}
* {{বাউ|খাজা মোহাম্মদ কায়সার}}
* {{বাউ|খাতুন সাপনারা}}
* {{বাউ|খাদেম হোসেন খান}}
* {{বাউ|খাদেমুল ইসলাম চৌধুরী}}
* {{বাউ|খান আসিফুর রহমান আগুন}}
* {{বাউ|খান বাহাদুর আবদুল করিম}}
* {{বাউ|খান বাহাদুর জিয়াউল হক}}
* {{বাউ|খান বাহাদুর হেমায়েত উদ্দিন আহম্মদ}}
* {{বাউ|খান মুহাম্মদ মঈনুদ্দীন}}
* {{বাউ|খান মোহাম্মদ ফারাবী}}
* {{বাউ|খান মোহাম্মদ সালেক}}
* {{বাউ|খান শামসুর রহমান}}
* {{বাউ|খান সারওয়ার মুরশিদ}}
* {{বাউ|খান-এ-সবুর}}
* {{বাউ|খায়রুজ্জামান}}
* {{বাউ|খায়রুল আনাম শাকিল}}
* {{বাউ|খায়রুল আলম সবুজ}}
* {{বাউ|খালিকুজ্জামান ইলিয়াস}}
* {{বাউ|খালিদ মাহমুদ মিঠু}}
* {{বাউ|খালিদ হাসান মিলু}}
* {{বাউ|খালিদ হোসেন}}
* {{বাউ|খালেক নওয়াজ খান}}
* {{বাউ|খালেক বিন জয়েন উদ্দীন}}
* {{বাউ|খালেকদাদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|খালেদ খান}}
* {{বাউ|খালেদা আদিব চৌধুরী}}
* {{বাউ|খালেদা একরাম}}
* {{বাউ|খালেদা মনযূর-এ-খুদা}}
* {{বাউ|খিজির আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|খিজির হায়াত}}
* {{বাউ|খিজির হায়াত খান}}
* {{বাউ|খুজিস্তা আখতার বানু}}
* {{বাউ|খুররম খান পন্নী}}
* {{বাউ|খুরশিদ আলম}}
* {{বাউ|খুরশিদ খান}}
* {{বাউ|খুশি কবীর}}
* {{বাউ|খোদা বক্স}}
* {{বাউ|খোদেজা আজম}}
* {{বাউ|খোদেজা খাতুন}}
* {{বাউ|খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ}}
* {{বাউ|খোন্দকার দিলীরুজ্জামান}}
* {{বাউ|খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|খোন্দকার নাসিরউদ্দিন}}
* {{বাউ|খোন্দকার মনোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|খোশনূর আলমগীর}}
* {{বাউ|খ্যান্ত বালা রায়}}
* {{বাউ|গওহর জামিল}}
* {{বাউ|গগনচন্দ্র বিশ্বাস}}
* {{বাউ|গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|গঙ্গাধর সেন রায়}}
* {{বাউ|গঙ্গাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|গজেন্দ্রকুমার মিত্র}}
* {{বাউ|গণেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|গণেশ পাইন}}
* {{বাউ|গণেশ হালুই}}
* {{বাউ|গন্ডালু}}
* {{বাউ|গমির উদ্দিন প্রধান}}
* {{বাউ|গাজী আতাউর রহমান}}
* {{বাউ|গাজী আবদুল হাকিম}}
* {{বাউ|গাজী আব্দুল হক}}
* {{বাউ|গাজী এমএইচ তামিম}}
* {{বাউ|গাজী নাফিস আহমেদ}}
* {{বাউ|গাজী মাজহারুল আনোয়ার}}
* {{বাউ|গাজী রাকায়েত}}
* {{বাউ|গাজী শামছুর রহমান}}
* {{বাউ|গাজীউল হক}}
* {{বাউ|গাজীউল হাসান খান}}
* {{বাউ|গান্ধী আশ্রম}}
* {{বাউ|গান্ধী আশ্রম ট্রাস্ট}}
* {{বাউ|গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক}}
* {{বাউ|গার্গী গুপ্ত}}
* {{বাউ|গিয়াস উদ্দিন সেলিম}}
* {{বাউ|গিয়াস কামাল চৌধুরী}}
* {{বাউ|গিয়াসউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|গিয়াসউদ্দীন মিয়া}}
* {{বাউ|গিয়াসুদ্দিন দালাল}}
* {{বাউ|গিরিজাপতি ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|গিরিবালা দেবী}}
* {{বাউ|গিরিশ চন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|গিরিশচন্দ্র ঘোষ (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|গিরিশচন্দ্র বিদ্যারত্ন}}
* {{বাউ|গিরীন্দ্রশেখর বসু}}
* {{বাউ|গিরীশ চন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|গীতা মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|গুণময় মান্না}}
* {{বাউ|গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|গুরুনাথ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|গুরুপ্রসাদ সেন}}
* {{বাউ|গুরুসদয় দত্ত}}
* {{বাউ|গুল মোহাম্মদ খাঁ}}
* {{বাউ|গোকুলচন্দ্র নাগ}}
* {{বাউ|গোগোল}}
* {{বাউ|গোপাল ঘোষ}}
* {{বাউ|গোপাল চন্দ্র লাহিড়ী}}
* {{বাউ|গোপাল হালদার}}
* {{বাউ|গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|গোপালচন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|গোপালদাস চৌধুরী}}
* {{বাউ|গোপালদাস মজুমদার}}
* {{বাউ|গোপালের মা}}
* {{বাউ|গোপেন্দ্রকৃষ্ণ বসু}}
* {{বাউ|গোবর্ধন আচার্য}}
* {{বাউ|গোবর্ধন আশ}}
* {{বাউ|গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর}}
* {{বাউ|গোবিন্দচন্দ্র দাস}}
* {{বাউ|গোবিন্দচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|গোবিন্দদাস}}
* {{বাউ|গোয়েন্দা কৌশিক}}
* {{বাউ|গোয়েন্দা গার্গী}}
* {{বাউ|গোয়েন্দা বরদাচরণ}}
* {{বাউ|গোলাপ মা}}
* {{বাউ|গোলাম আবু জাকারিয়া}}
* {{বাউ|গোলাম আরিফ টিপু}}
* {{বাউ|গোলাম আলী চৌধুরী}}
* {{বাউ|গোলাম কবীর}}
* {{বাউ|গোলাম কাসেম}}
* {{বাউ|গোলাম কিবরিয়া ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|গোলাম কুদ্দুস}}
* {{বাউ|গোলাম জিলানী চৌধুরী}}
* {{বাউ|গোলাম মওলা}}
* {{বাউ|গোলাম মর্তুজা মজুমদার}}
* {{বাউ|গোলাম মাওলা (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|গোলাম মুরশিদ}}
* {{বাউ|গোলাম মুসাব্বির রাকিব}}
* {{বাউ|গোলাম মুস্তাফা (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|গোলাম মুস্তাফা (আলোকচিত্র শিল্পী)}}
* {{বাউ|গোলাম মোস্তফা}}
* {{বাউ|গোলাম মোস্তফা (শহীদ বুদ্ধিজীবী)}}
* {{বাউ|গোলাম মোস্তফা খান (নৃত্যশিল্পী)}}
* {{বাউ|গোলাম রহমান (শিশুসাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|গোলাম রাব্বানী বিপ্লব}}
* {{বাউ|গোলাম সাকলায়েন}}
* {{বাউ|গোলাম সামদানী কোরায়শী}}
* {{বাউ|গোলাম সামদানী ফকির}}
* {{বাউ|গোলাম সারওয়ার}}
* {{বাউ|গোলাম সারওয়ার (কূটনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|গোলাম হাসনায়েন}}
* {{বাউ|গৌতম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|গৌতম চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|গৌতম বসু}}
* {{বাউ|গৌতম বুদ্ধ দাশ}}
* {{বাউ|গৌতম ভদ্র}}
* {{বাউ|গৌর গোপাল সাহা}}
* {{বাউ|গৌরগোবিন্দ রায়}}
* {{বাউ|গৌরচন্দ্র বালা}}
* {{বাউ|গৌরদাস বসাক}}
* {{বাউ|গৌরমোহন আঢ্য}}
* {{বাউ|গৌরী আইয়ুব}}
* {{বাউ|গৌরী ধর্মপাল}}
* {{বাউ|গৌরী ভঞ্জ}}
* {{বাউ|গৌরী মা}}
* {{বাউ|গৌরী সেন}}
* {{বাউ|গৌরীশঙ্কর ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার}}
* {{বাউ|ঘনরাম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ঘনাদা}}
* {{বাউ|চক্রপাণি দত্ত}}
* {{বাউ|চঞ্চল কর্মকার}}
* {{বাউ|চঞ্চল কুমার মজুমদার}}
* {{বাউ|চণ্ডী লাহিড়ী}}
* {{বাউ|চণ্ডীচরণ মুনশী}}
* {{বাউ|চণ্ডীচরণ সেন}}
* {{বাউ|চণ্ডীদাস মাল}}
* {{বাউ|চন্দক সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|চন্দন কুমার ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|চন্দন বিশ্বাস}}
* {{বাউ|চন্দ্র কালিন্দী রায় হেনরিকসন}}
* {{বাউ|চন্দ্র শেখর দে}}
* {{বাউ|চন্দ্রকুমার দে}}
* {{বাউ|চন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|চন্দ্রমুখী বসু}}
* {{বাউ|চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন}}
* {{বাউ|চন্দ্রশেখর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|চন্দ্রিল ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|চপলাকান্ত ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|চয়নিকা চৌধুরী}}
* {{বাউ|চামেলী বসু}}
* {{বাউ|চারুচন্দ্র চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|চারুচন্দ্র বিশ্বাস}}
* {{বাউ|চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|চারুচন্দ্র সান্যাল}}
* {{বাউ|চারুলতা মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|চারুশিতা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|চাষী আলম}}
* {{বাউ|চাষী নজরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|চিণ্ময় শংকর দে}}
* {{বাউ|চিত্তরঞ্জন দেব}}
* {{বাউ|চিত্তরঞ্জন মাইতি}}
* {{বাউ|চিত্তরঞ্জন সাহা}}
* {{বাউ|চিত্রনিভা চৌধুরী}}
* {{বাউ|চিত্রা দত্ত}}
* {{বাউ|চিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায় দিবাকরূণী}}
* {{বাউ|চিত্রা মণ্ডল}}
* {{বাউ|চিদানন্দ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|চিন্তামণি কর}}
* {{বাউ|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
* {{বাউ|চিন্ময় গুহ}}
* {{বাউ|চিরকুট}}
* {{বাউ|চুণীলাল বসু}}
* {{বাউ|চুনি কোটাল}}
* {{বাউ|চৌধুরী আবদুল হাই}}
* {{বাউ|চৌধুরী এ.টি.এম মাসুদ}}
* {{বাউ|চৌধুরী গোলাম আকবর}}
* {{বাউ|চৌধুরী মাহমুদ হাসান}}
* {{বাউ|চৌধুরী মোফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|ছটকু আহমেদ}}
* {{বাউ|ছদরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ছন্দা গায়েন}}
* {{বাউ|ছবি বিশ্বাস}}
* {{বাউ|ছরওয়ার জান মিয়া}}
* {{বাউ|ছিদ্দিক আহমদ}}
* {{বাউ|জকি আহাদ}}
* {{বাউ|জগদীশ গুপ্ত}}
* {{বাউ|জগদীশ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|জগন্নাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জগন্নাথ তর্কপঞ্চানন}}
* {{বাউ|জগন্নাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|জগন্মোহিনী দেবী}}
* {{বাউ|জগুমামা}}
* {{বাউ|জন এলিয়ট ড্রিঙ্কওয়াটার বিটন}}
* {{বাউ|জন গোমেজ}}
* {{বাউ|জন প্যাক্সটন নরম্যান}}
* {{বাউ|জনাব আলী উকিল}}
* {{বাউ|জমির উদ্দিন সরকার}}
* {{বাউ|জয় ভট্টাচার্য (চিকিৎসক-বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|জয় সরকার}}
* {{বাউ|জয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জয়গোপাল তর্কালঙ্কার}}
* {{বাউ|জয়তী বসু}}
* {{বাউ|জয়দীপ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|জয়দেব}}
* {{বাউ|জয়দেব মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জয়নুল আবেদীন জায়েদী}}
* {{বাউ|জয়ন্ত (গোয়েন্দা)}}
* {{বাউ|জয়ন্ত দে}}
* {{বাউ|জয়ন্ত বন্দ্যোপাধ্যায় (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|জয়ন্তানুজ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জয়শ্রী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জয়শ্রী বর্মণ}}
* {{বাউ|জয়া পতি}}
* {{বাউ|জর্জ র্যাঙ্কিন (বিচারক)}}
* {{বাউ|জর্জ হ্যারি ল্যাংলি}}
* {{বাউ|জলধর সেন}}
* {{বাউ|জলের গান}}
* {{বাউ|জসিম উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|জসিম সালাম}}
* {{বাউ|জসিমুদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|জসীম উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|জহিরুদ্দিন (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|জহিরুল আলম সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|জহুর হোসেন চৌধুরী}}
* {{বাউ|জহুরুল করিম}}
* {{বাউ|জহুরুল হক (অনুবাদক)}}
* {{বাউ|জাইমা রহমান}}
* {{বাউ|জাওয়াদুল হক}}
* {{বাউ|জাওয়েদ করিম}}
* {{বাউ|জাকিয়া সুলতানা}}
* {{বাউ|জাকির খান}}
* {{বাউ|জাকির তালুকদার}}
* {{বাউ|জাকির হোসেন রাজু}}
* {{বাউ|জানকীনাথ বসু}}
* {{বাউ|জান্নাতুল ফেরদৌস (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|জান্নাতুল ফেরদৌস (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|জান্নাতুল ফেরদৌস আইভি}}
* {{বাউ|জাফর আলম (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|জাফর আহমেদ}}
* {{বাউ|জাফর ইকবাল (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|জাফর ওয়াজেদ}}
* {{বাউ|জাফর মুহাম্মদ লুৎফর}}
* {{বাউ|জামালউদ্দিন হোসেন}}
* {{বাউ|জামালউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|জামিল চৌধুরী}}
* {{বাউ|জামিলুর রেজা চৌধুরী}}
* {{বাউ|জায়েদ বখত}}
* {{বাউ|জারিন তাসনিম নাওমি}}
* {{বাউ|জালাল উদ্দিন খাঁ}}
* {{বাউ|জালালুদ্দিন আবদুর রহিম}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর আলম (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর আলম (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর আলম খান}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর কবির (কর্মকর্তা)}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর কবির নানক}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর হোসেন (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|জাহানারা আরজু}}
* {{বাউ|জাহানারা আহমেদ}}
* {{বাউ|জাহানারা ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|জাহিদ আকবর}}
* {{বাউ|জাহিদ সোহ্রাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|জাহিদ হোসেন}}
* {{বাউ|জাহিদুর রহিম অঞ্জন}}
* {{বাউ|জাহিদুল হক}}
* {{বাউ|জাহেদুর রহিম}}
* {{বাউ|জাহ্নবা দেবী}}
* {{বাউ|জাহ্নবী চৌধুরানী}}
* {{বাউ|জি এ মান্নান}}
* {{বাউ|জি এম বি আকাশ}}
* {{বাউ|জি কে এম মোস্তাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|জিংগা শিল্পগোষ্ঠী}}
* {{বাউ|জিকরুল হক}}
* {{বাউ|জিতেন ঘোষ}}
* {{বাউ|জিতেন্দ্রনাথ কুশারী}}
* {{বাউ|জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জিতেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|জিতেন্দ্রমোহন সেন}}
* {{বাউ|জিনবোধি ভিক্ষু}}
* {{বাউ|জিনাত আরা}}
* {{বাউ|জিনাত বরকতুল্লাহ}}
* {{বাউ|জিনাতুন নেসা তাহমিদা বেগম}}
* {{বাউ|জিয়াউর রহমান খান}}
* {{বাউ|জিয়াউর রহমান জিয়া}}
* {{বাউ|জিয়াউল হক (সমাজসেবক)}}
* {{বাউ|জিয়াউল হক পলাশ}}
* {{বাউ|জিয়াউল হক মৃধা}}
* {{বাউ|জিল্লুর রহমান}}
* {{বাউ|জিল্লুর রহমান (চলচ্চিত্র পরিচালক)}}
* {{বাউ|জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|জিৎ গাঙ্গুলী}}
* {{বাউ|জীব গোস্বামী}}
* {{বাউ|জীবন রতন ধর}}
* {{বাউ|জীবন রহমান}}
* {{বাউ|জীবনানন্দ দাশ}}
* {{বাউ|জুনাব আলী}}
* {{বাউ|জুনায়েদ আহমেদ}}
* {{বাউ|জুবায়ের রহমান চৌধুরী}}
* {{বাউ|জুবায়ের সালেহীন}}
* {{বাউ|জুবেদ আলী}}
* {{বাউ|জুয়েনা আজিজ}}
* {{বাউ|জুলফিকার মতিন}}
* {{বাউ|জুলফিকার রাসেল}}
* {{বাউ|জুলফিকুর রহমান}}
* {{বাউ|জুলহাস উদ্দিন}}
* {{বাউ|জুলহাস উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|জুলেখা হক}}
* {{বাউ|জে. বি. এম. হাসান}}
* {{বাউ|জেএন দেব চৌধুরী}}
* {{বাউ|জেড আই খান পান্না}}
* {{বাউ|জেড এইচ মিন্টু}}
* {{বাউ|জেড এম পারভেজ সাজ্জাদ}}
* {{বাউ|জেব-উন-নেসা জামাল}}
* {{বাউ|জেবা ইসলাম সিরাজ}}
* {{বাউ|জেবুন্নেসা রহমান}}
* {{বাউ|জেমস (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|জেমস উইলিয়াম কলভিল}}
* {{বাউ|জেলিনা-বার্লো রহমান}}
* {{বাউ|জেহাদ খান}}
* {{বাউ|জোছন দস্তিদার}}
* {{বাউ|জোবাইদা রহমান}}
* {{বাউ|জোবেদা খানম}}
* {{বাউ|জোহরা বেগম কাজী}}
* {{বাউ|জ্ঞানচন্দ্র ঘোষ}}
* {{বাউ|জ্ঞানদাস}}
* {{বাউ|জ্ঞানশ্রী মহাথের}}
* {{বাউ|জ্ঞানেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জ্ঞানেন্দ্রনাথ রায়}}
* {{বাউ|জ্ঞানেন্দ্রমোহন দাস}}
* {{বাউ|জ্যোতিঃপাল মহাথের}}
* {{বাউ|জ্যোতিভূষণ চাকী}}
* {{বাউ|জ্যোতিভূষণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী}}
* {{বাউ|জ্যোতিরিন্দ্রনাথ মৈত্র}}
* {{বাউ|জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা}}
* {{বাউ|জ্যোতির্ময় দত্ত}}
* {{বাউ|জ্যোতির্ময়ী গাঙ্গুলী}}
* {{বাউ|জ্যোতির্ময়ী দেবী}}
* {{বাউ|জ্যোতিষচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|জ্যোৎস্না বিশ্বাস}}
* {{বাউ|জ্যোৎস্নাকান্ত বসু}}
* {{বাউ|ঝড়েশ্বর চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ঝর্ণা দাশ পুরকায়স্থ}}
* {{বাউ|ঝর্ণা ধারা চৌধুরী}}
* {{বাউ|ঝর্না রহমান}}
* {{বাউ|ঝুম্পা লাহিড়ী}}
* {{বাউ|টমাস হোবার্ট এলিস}}
* {{বাউ|টি আলী}}
* {{বাউ|টি এইচ খান}}
* {{বাউ|টি. এস. শিবজ্ঞানম}}
* {{বাউ|টিনা সানি}}
* {{বাউ|টিপু আজিজ}}
* {{বাউ|টেনিদা}}
* {{বাউ|ডালিয়া নওশিন}}
* {{বাউ|ডালেম চন্দ্র বর্মণ}}
* {{বাউ|ডিজে রাহাত}}
* {{বাউ|ডিফারেন্ট টাচ}}
* {{বাউ|ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|তনিষ্ক বাগচী}}
* {{বাউ|তন্ময় বোস}}
* {{বাউ|তপংকর চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|তপতী গুহ-ঠাকুরতা}}
* {{বাউ|তপন চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|তপন বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|তপন বাগচী}}
* {{বাউ|তপন রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|তপনকুমার লাহিড়ী}}
* {{বাউ|তপু}}
* {{বাউ|তপোবিজয় ঘোষ}}
* {{বাউ|তবারক হুসাইন}}
* {{বাউ|তমাল লতা আদিত্য}}
* {{বাউ|তমিজ উদ্দিন রিজভী}}
* {{বাউ|তরু দত্ত}}
* {{বাউ|তরুণ রায় (ধনঞ্জয় বৈরাগী)}}
* {{বাউ|তসলিমুদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|তাকসিম আহমেদ খান}}
* {{বাউ|তাজিন আহমেদ}}
* {{বাউ|তাজুল মোহম্মদ}}
* {{বাউ|তাতার (চরিত্র)}}
* {{বাউ|তানজিমা হাশেম}}
* {{বাউ|তানজির তুহিন}}
* {{বাউ|তানভীর ইভান}}
* {{বাউ|তানভীর তারেক}}
* {{বাউ|তানভীর হাসান}}
* {{বাউ|তানিম নূর}}
* {{বাউ|তানিম রহমান অংশু}}
* {{বাউ|তানিয়া আমির}}
* {{বাউ|তানিয়া আহমেদ}}
* {{বাউ|তাপস কুমার মাঝি}}
* {{বাউ|তাপস দাস}}
* {{বাউ|তাপস মজুমদার}}
* {{বাউ|তাপস সেন}}
* {{বাউ|তাফাজ্জাল ইসলাম}}
* {{বাউ|তারকনাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|তারকমোহন দাস}}
* {{বাউ|তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|তারানাথ তর্কবাচস্পতি}}
* {{বাউ|তারানাথ তান্ত্রিক}}
* {{বাউ|তারাপদ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|তারাপদ ভৌমিক}}
* {{বাউ|তারাপদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|তারাপদ লাহিড়ী}}
* {{বাউ|তারাপদ সাঁতরা}}
* {{বাউ|তারামন বিবি}}
* {{বাউ|তারিক আহমদ করিম}}
* {{বাউ|তারিক আহসান}}
* {{বাউ|তারিক উল হাকিম}}
* {{বাউ|তারিক ফাতেমি}}
* {{বাউ|তারিক সুজাত}}
* {{বাউ|তারিণীখুড়ো}}
* {{বাউ|তারেক মো. আরিফুল ইসলাম}}
* {{বাউ|তালিম হোসেন}}
* {{বাউ|তালুকদার মনিরুজ্জামান}}
* {{বাউ|তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস}}
* {{বাউ|তাসলিমা আখতার}}
* {{বাউ|তাহমিমা আনাম}}
* {{বাউ|তাহরুন নেসা আবদুল্লাহ}}
* {{বাউ|তাহসান রহমান খান}}
* {{বাউ|তাহেরন নেসা}}
* {{বাউ|তাহেরা কবির}}
* {{বাউ|তিব্বতিবাবা}}
* {{বাউ|তিলোত্তমা মজুমদার}}
* {{বাউ|তিশমা}}
* {{বাউ|তিস্তা বাগচী}}
* {{বাউ|তুলিকা বসু}}
* {{বাউ|তুষার কান্তি চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|তুষারকান্তি ঘোষ}}
* {{বাউ|তুহিন দাস (লেখক)}}
* {{বাউ|তুহিনকান্তি ঘোষ}}
* {{বাউ|তেজস হালদার যশ}}
* {{বাউ|তৈয়বা বেগম লিপি}}
* {{বাউ|তৈয়বা মজুমদার}}
* {{বাউ|তোজাম্মেল টনি হক}}
* {{বাউ|তোজাম্মেল হক বকুল}}
* {{বাউ|তোফাজ্জল হোসেন}}
* {{বাউ|তোফায়েল আহমদ}}
* {{বাউ|তোফায়েল করিম হায়দার}}
* {{বাউ|তোয়াব খান}}
* {{বাউ|তৌকীর আহমেদ}}
* {{বাউ|তৌফিক ইসলাম শাতিল}}
* {{বাউ|তৌফিক নওয়াজ}}
* {{বাউ|তৌসিফ}}
* {{বাউ|ত্রিদিব মিত্র}}
* {{বাউ|ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার}}
* {{বাউ|দবির উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|দময়ন্তী (গোয়েন্দা)}}
* {{বাউ|দলছুট}}
* {{বাউ|দস্যু বনহুর}}
* {{বাউ|দস্যু মোহন}}
* {{বাউ|দাউদ হায়দার}}
* {{বাউ|দামোদর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দারাশিকো}}
* {{বাউ|দিদার ইসলাম}}
* {{বাউ|দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|দিব্যেন্দু নন্দী}}
* {{বাউ|দিব্যেন্দু পালিত}}
* {{বাউ|দিলওয়ার}}
* {{বাউ|দিলরুবা আহমেদ}}
* {{বাউ|দিলরুবা জেড আরা}}
* {{বাউ|দিলশাদ নাহার কনা}}
* {{বাউ|দিলারা বেগম জলি}}
* {{বাউ|দিলারা হাশেম}}
* {{বাউ|দিলীপ বাগচী}}
* {{বাউ|দিলীপ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|দিলীপ মজুমদার}}
* {{বাউ|দিলীপ মহলানবিশ}}
* {{বাউ|দিলীপকুমার বিশ্বাস}}
* {{বাউ|দিলীপকুমার রায়}}
* {{বাউ|দীন মোহাম্মদ নূরুল হক}}
* {{বাউ|দীন শরৎ}}
* {{বাউ|দীননাথ সেন}}
* {{বাউ|দীনেন্দ্রকুমার রায়}}
* {{বাউ|দীনেশ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দীনেশ দাস}}
* {{বাউ|দীনেশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দীনেশচন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|দীনেশরঞ্জন দাশ}}
* {{বাউ|দীপ নারায়ণ সিনহা}}
* {{বাউ|দীপংকর দীপন}}
* {{বাউ|দীপক চৌধুরী}}
* {{বাউ|দীপক চ্যাটার্জী (গোয়েন্দা)}}
* {{বাউ|দীপক মজুমদার}}
* {{বাউ|দীপক রায়}}
* {{বাউ|দীপঙ্কর চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দীপঙ্কর দাস শর্মা}}
* {{বাউ|দীপঙ্কর হোম}}
* {{বাউ|দীপন ঘোষ}}
* {{বাউ|দীপান্বিতা রায়}}
* {{বাউ|দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দীপেশ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|দীপ্তেন্দ্রকুমার সান্যাল}}
* {{বাউ|দুঃখহরণ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|দুর্গাচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দুর্গাচরণ রক্ষিত}}
* {{বাউ|দুর্গাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দুর্গাদাস সাহা}}
* {{বাউ|দুর্গামোহন দাশ}}
* {{বাউ|দুর্বিন শাহ}}
* {{বাউ|দুলাল তর্কবাগীশ}}
* {{বাউ|দুলেন্দ্র ভৌমিক}}
* {{বাউ|দেওয়ান আব্দুর রব চৌধুরী}}
* {{বাউ|দেওয়ান আব্দুল কাদির}}
* {{বাউ|দেওয়ান আব্দুল বাছিত চৌধুরী}}
* {{বাউ|দেওয়ান নজরুল}}
* {{বাউ|দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন}}
* {{বাউ|দেওয়ান লালন আহমেদ}}
* {{বাউ|দেবজ্যোতি মিশ্র}}
* {{বাউ|দেবদাস}}
* {{বাউ|দেবদাস চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|দেবপ্রসাদ ঘোষ}}
* {{বাউ|দেবপ্রসাদ সর্বাধিকারী}}
* {{বাউ|দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|দেবপ্রিয়া রায়}}
* {{বাউ|দেবব্রত গোস্বামী}}
* {{বাউ|দেবল দেববর্মা}}
* {{বাউ|দেবলা মিত্র}}
* {{বাউ|দেবশঙ্কর রায়}}
* {{বাউ|দেবাশীষ ঘোষ}}
* {{বাউ|দেবাশীষ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|দেবাশীষ রায়}}
* {{বাউ|দেবাশীষ রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|দেবী রায়}}
* {{বাউ|দেবীপদ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় (মার্কসবাদী)}}
* {{বাউ|দেবীপ্রসাদ দুয়ারী}}
* {{বাউ|দেবু ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|দেবেন্দ্র মোহন বসু}}
* {{বাউ|দেবেন্দ্রনাথ সেন}}
* {{বাউ|দেবেশ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|দেবেশ রায়}}
* {{বাউ|দেলওয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|দোনাগাজী চৌধুরী}}
* {{বাউ|দোম আন্তোনিও}}
* {{বাউ|দৌলত উজির বাহরাম খান}}
* {{বাউ|দৌলতুননেসা খাতুন}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ অধিকারী}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ বিদ্যাভূষণ}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ মিত্র}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ রায়}}
* {{বাউ|দ্বিজ কানাই}}
* {{বাউ|দ্বিজ বংশীদাস}}
* {{বাউ|দ্বিজ মাধব}}
* {{বাউ|দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|দ্বিজেন্দ্রনাথ মৈত্র}}
* {{বাউ|দ্রাবিড় সৈকত}}
* {{বাউ|ধন গোপাল মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ধনঞ্জয় সাহা}}
* {{বাউ|ধীর আলী মিয়া}}
* {{বাউ|ধীরাজ কুমার নাথ}}
* {{বাউ|ধীরাজ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|ধীরেন বল}}
* {{বাউ|ধীরেন বসু}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ দেববর্মন}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্রনাথ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্রনাথ বেরা}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্রলাল ধর}}
* {{বাউ|ধূর্জটিপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ধৃতিকান্ত লাহিড়ী চৌধুরী}}
* {{বাউ|ধোয়ী}}
* {{বাউ|নঈম চৌধুরী}}
* {{বাউ|নঈম নিজাম}}
* {{বাউ|নওয়াজেশ আহমদ}}
* {{বাউ|নওয়াজেস আহমদ}}
* {{বাউ|নওয়াব আলী}}
* {{বাউ|নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী}}
* {{বাউ|নওশের আলী খান ইউস্ফজী}}
* {{বাউ|নকীব খান}}
* {{বাউ|নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ}}
* {{বাউ|নকুল কুমার বিশ্বাস}}
* {{বাউ|নকুলেশ্বর দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রচন্দ্র শ্যাম}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ ঘোষ}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ সোম}}
* {{বাউ|নচিকেতা ঘোষ}}
* {{বাউ|নচিকেতা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|নজরুল ইসলাম (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|নজরুল ইসলাম খান}}
* {{বাউ|নজরুল ইসলাম চৌধুরী (বিচারক)}}
* {{বাউ|নজরুল ইসলাম বাবু}}
* {{বাউ|ননী ভৌমিক}}
* {{বাউ|ননীগোপাল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ননীগোপাল মজুমদার}}
* {{বাউ|নন্টে ফন্টে}}
* {{বাউ|নন্দলাল বসু}}
* {{বাউ|নন্দিনী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নব কুমার ভদ্র}}
* {{বাউ|নবকুমার বসু}}
* {{বাউ|নবগোপাল মিত্র}}
* {{বাউ|নবাব আবদুল লতীফ}}
* {{বাউ|নবীন চন্দ্র পাল}}
* {{বাউ|নবীনচন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|নবেন্দু ঘোষ}}
* {{বাউ|নয়ীম গহর}}
* {{বাউ|নরসিংহ দত্ত}}
* {{বাউ|নরেন্দ্র দেব}}
* {{বাউ|নরেন্দ্রনাথ দত্ত (শিল্পপতি)}}
* {{বাউ|নরেন্দ্রনাথ মিত্র}}
* {{বাউ|নরেশচন্দ্র সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|নরোত্তম দাস}}
* {{বাউ|নলিনচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|নলিনাক্ষ সান্যাল}}
* {{বাউ|নলিনী দাশ (লেখিকা)}}
* {{বাউ|নলিনী বেরা}}
* {{বাউ|নলিনীকান্ত ভট্টশালী}}
* {{বাউ|নলিনীকান্ত সরকার}}
* {{বাউ|নলিনীকিশোর গুহ}}
* {{বাউ|নলিনীরঞ্জন সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|নাইমা হায়দার}}
* {{বাউ|নাঈম মোহাইমিন}}
* {{বাউ|নাঈমুল ইসলাম খান}}
* {{বাউ|নাজনীন হাসান চুমকি}}
* {{বাউ|নাজমুন আরা সুলতানা}}
* {{বাউ|নাজমুন নেসা পিয়ারি}}
* {{বাউ|নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি}}
* {{বাউ|নাজমুল আলম}}
* {{বাউ|নাজমুল করিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|নাজমুল কাওনাইন}}
* {{বাউ|নাজমুল হক বাপ্পী}}
* {{বাউ|নাজমুল হুদা বাচ্চু}}
* {{বাউ|নাজমুল হুদা মিন্টু}}
* {{বাউ|নাজিব তারেক}}
* {{বাউ|নাজিবুর রহমান মোমেন}}
* {{বাউ|নাজিম উদ দৌলা}}
* {{বাউ|নাজিম উদ্দিন মোস্তান}}
* {{বাউ|নাজিয়া আন্দালিব প্রিমা}}
* {{বাউ|নাদিয়া শারমীন}}
* {{বাউ|নাদিরা মজুমদার}}
* {{বাউ|নাদের চৌধুরী}}
* {{বাউ|নাদেরা বেগম}}
* {{বাউ|নাফিস বিন যাফর}}
* {{বাউ|নাবিলা ইদ্রিস}}
* {{বাউ|নাভিদ মাহবুব}}
* {{বাউ|নাভেদ পারভেজ}}
* {{বাউ|নায়না দেবী (সঙ্গীতশিল্পী)}}
* {{বাউ|নায়লা কবীর}}
* {{বাউ|নায়েব উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|নারগিস আক্তার}}
* {{বাউ|নারায়ণ ঘোষ মিতা}}
* {{বাউ|নারায়ণ দেবনাথ}}
* {{বাউ|নারায়ণ রায়}}
* {{বাউ|নারায়ণ সান্যাল}}
* {{বাউ|নাশিদ কামাল}}
* {{বাউ|নাসরিন আক্তার}}
* {{বাউ|নাসরীন জাহান}}
* {{বাউ|নাসরীন পারভীন হক}}
* {{বাউ|নাসিম বিশ্বাস}}
* {{বাউ|নাসিমা আক্তার}}
* {{বাউ|নাসিমা আনিস}}
* {{বাউ|নাসিমা খান মন্টি}}
* {{বাউ|নাসিমা ফেরদৌসী (কূটনৈতিক)}}
* {{বাউ|নাসিমা হায়দার}}
* {{বাউ|নাসির আলী মামুন}}
* {{বাউ|নাসির উদ্দিন বিশ্বাস}}
* {{বাউ|নাহিদ রশীদ (সচিব)}}
* {{বাউ|নাহিদা সোবহান}}
* {{বাউ|নিকুঞ্জ সেন}}
* {{বাউ|নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নিখিল রঞ্জন সেন}}
* {{বাউ|নিখিল সরকার}}
* {{বাউ|নিখিল সেন}}
* {{বাউ|নিখিলজ্যোতি ঘোষ}}
* {{বাউ|নিজাম উদ্দিন}}
* {{বাউ|নিজাম উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|নিজাম উদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|নিজামউদ্দিন আহমেদ (স্থপতি)}}
* {{বাউ|নিজামুদ্দীন আউলিয়া লিপু}}
* {{বাউ|নিতাই চন্দ্র সূত্রধর}}
* {{বাউ|নিতাই রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|নিতুন কুন্ডু}}
* {{বাউ|নিত্যপ্রিয় ঘোষ}}
* {{বাউ|নিত্যানন্দ সাহা (ভারতীয় অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|নিপুন রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|নিবিড় মণ্ডল}}
* {{বাউ|নিবেদিতা সেন}}
* {{বাউ|নিমচন্দ্র ভৌমিক}}
* {{বাউ|নিমাই ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|নিমাইসাধন বসু}}
* {{বাউ|নিয়াজ জামান}}
* {{বাউ|নিয়ামুল মুক্তা}}
* {{বাউ|নিরঞ্জন ধর}}
* {{বাউ|নিরঞ্জন প্রধান}}
* {{বাউ|নিরঞ্জন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নিরঞ্জনপ্রসাদ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|নিরুপমা দেবী}}
* {{বাউ|নিরুপমা দেবী (সেন)}}
* {{বাউ|নির্মল কুমার গাঙ্গুলী}}
* {{বাউ|নির্মলকুমার বসু}}
* {{বাউ|নির্মলকুমার রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|নির্মলকুমার সিদ্ধান্ত}}
* {{বাউ|নির্মলচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নির্মলচন্দ্র চন্দ্র}}
* {{বাউ|নির্মলচন্দ্র লাহিড়ী}}
* {{বাউ|নির্মলা জোশী}}
* {{বাউ|নির্মলেন্দু চৌধুরী}}
* {{বাউ|নির্মাল্য আচার্য}}
* {{বাউ|নিলয়ন চ্যাটার্জী}}
* {{বাউ|নিশিতা নির্মল মাহাত্রে}}
* {{বাউ|নিশীথরঞ্জন রায়}}
* {{বাউ|নীতা সেন}}
* {{বাউ|নীতিশ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|নীতীন বসু}}
* {{বাউ|নীতীশচন্দ্র লাহিড়ী}}
* {{বাউ|নীনা হামিদ}}
* {{বাউ|নীরদ বরণ বড়ুয়া}}
* {{বাউ|নীরদ মজুমদার}}
* {{বাউ|নীল দত্ত}}
* {{বাউ|নীল মানুষ}}
* {{বাউ|নীলমণি ন্যায়ালঙ্কার}}
* {{বাউ|নীলরতন ধর}}
* {{বাউ|নীলরতন সরকার}}
* {{বাউ|নীলাঞ্জনা রায়}}
* {{বাউ|নীলাম্বর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নীলিমা সেন}}
* {{বাউ|নীলুফার ইয়াসমিন}}
* {{বাউ|নীহাররঞ্জন গুপ্ত}}
* {{বাউ|নীহাররঞ্জন রায়}}
* {{বাউ|নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন}}
* {{বাউ|নুরুন নবী}}
* {{বাউ|নুরুননাহার ফয়জননেসা}}
* {{বাউ|নুরুন্নাহার ফাতেমা বেগম}}
* {{বাউ|নুরুন্নেছা খাতুন বিদ্যাবিনোদিনী}}
* {{বাউ|নুরুল আজিম}}
* {{বাউ|নুরুল আমিন}}
* {{বাউ|নুরুল আলম আতিক}}
* {{বাউ|নুরুল আলম চৌধুরী}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম খান}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম জিহাদী}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম নুরুল}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম পাটোয়ারী}}
* {{বাউ|নুরুল মোমেন}}
* {{বাউ|নুরুল মোস্তফা}}
* {{বাউ|নুহাশ হুমায়ূন}}
* {{বাউ|নূতন চন্দ্র সিংহ}}
* {{বাউ|নূর আহমদ}}
* {{বাউ|নূর ইমরান মিঠু}}
* {{বাউ|নূর মোহাম্মদ (আইজিপি)}}
* {{বাউ|নূর মোহাম্মদ (শিক্ষানুরাগী)}}
* {{বাউ|নূর হুসাইন}}
* {{বাউ|নূর হুসাইন কাসেমী}}
* {{বাউ|নূরজাহান বেগম মুক্তা}}
* {{বাউ|নূরজাহান বোস}}
* {{বাউ|নূরজাহান মুর্শিদ}}
* {{বাউ|নূরুল আনোয়ার (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|নূরুল আলম}}
* {{বাউ|নূরুল ইসলাম ওলীপুরী}}
* {{বাউ|নূরুল ইসলাম কাব্যবিনোদ}}
* {{বাউ|নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন}}
* {{বাউ|নূহ-উল-আলম লেনিন}}
* {{বাউ|নৃপেন ভৌমিক}}
* {{বাউ|নৃপেন্দ্র নাথ সরকার}}
* {{বাউ|নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী}}
* {{বাউ|নেছারউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|নেপাল মজুমদার}}
* {{বাউ|নেয়ামত ইমাম}}
* {{বাউ|নেয়ামাল বাসির}}
* {{বাউ|নেলী সেনগুপ্তা}}
* {{বাউ|নৈরঞ্জনা ঘোষ}}
* {{বাউ|নোরা জোন্স}}
* {{বাউ|পঞ্চানন ঘোষাল}}
* {{বাউ|পঞ্চানন নিয়োগী}}
* {{বাউ|পঞ্চানন মণ্ডল}}
* {{বাউ|পঞ্চানন মিত্র}}
* {{বাউ|পটলা}}
* {{বাউ|পণ্ডিত জ্ঞানেন্দ্রপ্রসাদ গোস্বামী}}
* {{বাউ|পদার্থবিদ্যার পালিত অধ্যাপক}}
* {{বাউ|পদ্মনাথ ভট্টাচার্য বিদ্যাবিনোদ}}
* {{বাউ|পবন দাস বাউল}}
* {{বাউ|পবিত্র গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পবিত্র মোহন দে}}
* {{বাউ|পবিত্র সরকার}}
* {{বাউ|পবিত্রকুমার সেন}}
* {{বাউ|পরমনাথ ভাদুড়ী}}
* {{বাউ|পরমেশ্বরন থাঙ্কাপ্পান নায়ার}}
* {{বাউ|পরাশর বর্মা}}
* {{বাউ|পরিমল গোস্বামী}}
* {{বাউ|পরেশ ধর}}
* {{বাউ|পরেশ মাইতি}}
* {{বাউ|পরেশনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পলান সরকার}}
* {{বাউ|পলাশ মাহবুব}}
* {{বাউ|পলাশ সরকার}}
* {{বাউ|পলি রায়}}
* {{বাউ|পশুপতি ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|পাঁচকড়ি দে}}
* {{বাউ|পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পাগলা কানাই}}
* {{বাউ|পাগলা দাশু}}
* {{বাউ|পাঞ্জু শাহ}}
* {{বাউ|পাণ্ডব গোয়েন্দা}}
* {{বাউ|পানু পাল}}
* {{বাউ|পান্থ কানাই}}
* {{বাউ|পান্না কায়সার}}
* {{বাউ|পান্নালাল ঘোষ}}
* {{বাউ|পান্নালাল বসু}}
* {{বাউ|পাপড়ি বসু}}
* {{বাউ|পাপিয়া সারোয়ার}}
* {{বাউ|পাভেল রহমান}}
* {{বাউ|পারভীন হাসান}}
* {{বাউ|পারভেজ রব}}
* {{বাউ|পারভেজ হোসেন}}
* {{বাউ|পারুল ঘোষ}}
* {{বাউ|পার্থ ঘোষ}}
* {{বাউ|পার্থ চট্টোপাধ্যায় (নৃতত্ত্ববিদ)}}
* {{বাউ|পার্থ বড়ুয়া}}
* {{বাউ|পার্থ সারথি মুখার্জি}}
* {{বাউ|পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পার্বতীকুমার সরকার}}
* {{বাউ|পি কে বাসু}}
* {{বাউ|পিনডিদা}}
* {{বাউ|পিনাকী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পিনাকী ঠাকুর}}
* {{বাউ|পিনাকী মজুমদার}}
* {{বাউ|পিপলু খান}}
* {{বাউ|পিয়ারীমোহন দাস}}
* {{বাউ|পিয়ারীলাল রায়}}
* {{বাউ|পিয়ারু সর্দার}}
* {{বাউ|পিয়ের ফালোঁ}}
* {{বাউ|পিলু মমতাজ}}
* {{বাউ|পুণ্যলতা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|পুরুষোত্তম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|পুলক বিশ্বাস}}
* {{বাউ|পুলক সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|পুলিনবিহারী সরকার}}
* {{বাউ|পুলিনবিহারী সরকার (জৈব রসায়ন বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|পুলিনবিহারী সেন}}
* {{বাউ|পূরবী দত্ত}}
* {{বাউ|পূরবী বসু}}
* {{বাউ|পূর্ণিমা সিনহা}}
* {{বাউ|পূর্ণেন্দুবিকাশ সরকার}}
* {{বাউ|পৃথ্বীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পেন বাংলাদেশ}}
* {{বাউ|পেপার রাইম}}
* {{বাউ|পেয়ার আহমেদ}}
* {{বাউ|প্যারীচরণ সরকার}}
* {{বাউ|প্যারীমোহন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্যারীমোহন সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রকাশ শ্রীবাস্তব}}
* {{বাউ|প্রচেত গুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রজ্ঞাসুন্দরী দেবী}}
* {{বাউ|প্রণব কুমার বড়ুয়া}}
* {{বাউ|প্রণব ভট্ট}}
* {{বাউ|প্রণব মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রণব রায় (গীতিকার)}}
* {{বাউ|প্রণবেন্দু দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রণবেশ সেন}}
* {{বাউ|প্রতাপচন্দ্র চন্দ্র}}
* {{বাউ|প্রতাপচন্দ্র মজুমদার}}
* {{বাউ|প্রতাপচন্দ্র মজুমদার (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|প্রতাপচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|প্রতিভা বসু}}
* {{বাউ|প্রতিভা মুৎসুদ্দি}}
* {{বাউ|প্রতিমা ঠাকুর}}
* {{বাউ|প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রদানেন্দু বিকাশ চাকমা}}
* {{বাউ|প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রদীপ ভট্টাচার্য (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|প্রদোষ আইচ}}
* {{বাউ|প্রদ্যুত ঘোষ}}
* {{বাউ|প্রফুল্ল কুমার মন্ডল}}
* {{বাউ|প্রফুল্ল রায়}}
* {{বাউ|প্রফুল্লকুমার সরকার}}
* {{বাউ|প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ}}
* {{বাউ|প্রফুল্লচন্দ্র লাহিড়ী}}
* {{বাউ|প্রবাল দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রবাল রশিদ}}
* {{বাউ|প্রবাসজীবন চৌধুরী}}
* {{বাউ|প্রবীর মজুমদার}}
* {{বাউ|প্রবীর রায়}}
* {{বাউ|প্রবোধ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রবোধকুমার সান্যাল}}
* {{বাউ|প্রবোধচন্দ্র গুহ}}
* {{বাউ|প্রবোধচন্দ্র বাগচী}}
* {{বাউ|প্রবোধচন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|প্রবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রব্রাজিকা ভক্তিপ্রাণা}}
* {{বাউ|প্রব্রাজিকা ভারতীপ্রাণা}}
* {{বাউ|প্রব্রাজিকা শ্রদ্ধাপ্রাণা}}
* {{বাউ|প্রভা চ্যাটার্জি}}
* {{বাউ|প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রভাত চন্দ্র বড়ুয়া}}
* {{বাউ|প্রভাতরঞ্জন সরকার}}
* {{বাউ|প্রভাবতী দেবী সরস্বতী}}
* {{বাউ|প্রমথ ভৌমিক}}
* {{বাউ|প্রমথনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রমথনাথ বসু}}
* {{বাউ|প্রমথনাথ বিশী}}
* {{বাউ|প্রমথনাথ মিত্র}}
* {{বাউ|প্রমথলাল সেন}}
* {{বাউ|প্রমদাচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রমদাচরণ সেন}}
* {{বাউ|প্রমোদ চন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|প্রমোদকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রমোদরঞ্জন সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রশান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|প্রশান্তকুমার পাল}}
* {{বাউ|প্রশান্তকুমার মারিক}}
* {{বাউ|প্রশান্তচন্দ্র মহলানবীশ}}
* {{বাউ|প্রশান্তবিহারী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রসন্নকুমার রায়}}
* {{বাউ|প্রসন্নকুমার সর্বাধিকারী}}
* {{বাউ|প্রসন্নচন্দ্র তর্করত্ন}}
* {{বাউ|প্রসন্নচন্দ্র ন্যায়রত্ন}}
* {{বাউ|প্রাণ রঞ্জন সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রাণকুমার সেন}}
* {{বাউ|প্রাণকৃষ্ণ পাল}}
* {{বাউ|প্রিয় ব্রত পাল}}
* {{বাউ|প্রিয়দারঞ্জন রায়}}
* {{বাউ|প্রিয়রঞ্জন সেন}}
* {{বাউ|প্রীতিকণা গোস্বামী}}
* {{বাউ|প্রেমাঙ্কুর আতর্থী}}
* {{বাউ|প্রোফেসর শঙ্কু}}
* {{বাউ|প্লাবন কোরেশী}}
* {{বাউ|ফকরুল আলম}}
* {{বাউ|ফকির গরীবুল্লাহ}}
* {{বাউ|ফকির শাহাবুদ্দীন}}
* {{বাউ|ফখরুজ্জামান চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফখরুদ্দিন আহমেদ (সচিব)}}
* {{বাউ|ফখরুদ্দীন মোহাম্মদ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|ফখরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|ফখরুল হাসান বৈরাগী}}
* {{বাউ|ফজল শাহাবুদ্দীন}}
* {{বাউ|ফজল-এ-খোদা}}
* {{বাউ|ফজলুর রহমান খান}}
* {{বাউ|ফজলুর রহমান খান (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|ফজলুর রহমান খান ফারুক}}
* {{বাউ|ফজলুল বারী (সরকারি চাকরিজীবী)}}
* {{বাউ|ফজলুল হক (চলচ্চিত্র পরিচালক)}}
* {{বাউ|ফজলুল হক (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|ফজলুল হক সেলবর্ষী}}
* {{বাউ|ফজলুল হালিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফজলে কবির}}
* {{বাউ|ফজলে কাদেরী মোহাম্মদ আবদুল মুনিম}}
* {{বাউ|ফজলে বারী মালিক}}
* {{বাউ|ফজলে রাব্বী}} [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৬:০৪, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
* {{বাউ|ফজলে রাব্বী মিয়া}}
* {{বাউ|ফজলে হাসান আবেদ}}
* {{বাউ|ফজলে হাসান শিশির}}
* {{বাউ|ফজলে হুসাইন}}
* {{বাউ|ফজলে হোসেন বাদশা}}
* {{বাউ|ফজিলতুন্নেসা}}
* {{বাউ|ফজিলাতুন্নেসা বাপ্পী}}
* {{বাউ|ফণিভূষণ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ফণী বড়ুয়া}}
* {{বাউ|ফণী মজুমদার}}
* {{বাউ|ফণীন্দ্রচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|ফতেহ লোহানী}}
* {{বাউ|ফয়জুল মহিউদ্দিন}}
* {{বাউ|ফয়জুল লতিফ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফয়সাল মাহমুদ ফয়েজী}}
* {{বাউ|ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব}}
* {{বাউ|ফয়েজ আহমেদ}}
* {{বাউ|ফয়েজ আহমেদ (বিচারক)}}
* {{বাউ|ফয়েজ আহম্মদ}}
* {{বাউ|ফরহাদ হোসেন (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|ফরিদ আহমদ দুলাল}}
* {{বাউ|ফরিদ আহমেদ (বিচারক)}}
* {{বাউ|ফরিদ আহমেদ (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফরিদা ইয়াসমিন (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|ফরিদা জামান}}
* {{বাউ|ফরিদা রহমান}}
* {{বাউ|ফরিদা হোসেন}}
* {{বাউ|ফরিদুল হুদা}}
* {{বাউ|ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ}}
* {{বাউ|ফসিউর রহমান}}
* {{বাউ|ফসিউল আলম}}
* {{বাউ|ফাইয়াজ হোসেন খান}}
* {{বাউ|ফাখরুল আরেফিন খান}}
* {{বাউ|ফাতিমা ইয়াসমিন}}
* {{বাউ|ফাতেমা তুজ জোহরা}}
* {{বাউ|ফাতেমা নজীব}}
* {{বাউ|ফাদার রবের আঁতোয়ান}}
* {{বাউ|ফায়েজ উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|ফারজানা ইসলাম}}
* {{বাউ|ফারজানা ফারুক}}
* {{বাউ|ফারজানা রুপা}}
* {{বাউ|ফারজানা শারমিন পুতুল}}
* {{বাউ|ফারহিনা আহমেদ}}
* {{বাউ|ফারাহ গজনবী}}
* {{বাউ|ফারাহ মাহবুব}}
* {{বাউ|ফারুক আহমেদ (বিচারক)}}
* {{বাউ|ফারুক আহমেদ উল্লা খান}}
* {{বাউ|ফারুক আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফারুক উজ জামান চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফারুক ওয়াসিফ}}
* {{বাউ|ফারুক মঈনউদ্দীন}}
* {{বাউ|ফারুক মাহমুদ}}
* {{বাউ|ফারুক সোবহান}}
* {{বাউ|ফালগুনী রায়}}
* {{বাউ|ফাহমিদা কাদের}}
* {{বাউ|ফাহমিদা খাতুন (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|ফিদা এম. কামাল}}
* {{বাউ|ফিরদৌস আজীম}}
* {{বাউ|ফিরদৌসী কাদরী}}
* {{বাউ|ফিরোজ মাহমুদ}}
* {{বাউ|ফিরোজা বেগম}}
* {{বাউ|ফুয়াদ আল মুকতাদির}}
* {{বাউ|ফুয়াদ নাসের বাবু}}
* {{বাউ|ফুল মোহাম্মদ}}
* {{বাউ|ফুলঝুরি খান}}
* {{বাউ|ফুলরেণু গুহ}}
* {{বাউ|ফেরদৌস আরা}}
* {{বাউ|ফেরদৌস আরা বেগম}}
* {{বাউ|ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী}}
* {{বাউ|ফেরদৌসী মজুমদার}}
* {{বাউ|ফেলুদা}}
* {{বাউ|ফৌজিয়া ইয়াসমিন}}
* {{বাউ|ফ্যাতাড়ু}}
* {{বাউ|ফ্রান্সিস (ভাইকিং)}}
* {{বাউ|ফ্লসি কোহেন}}
* {{বাউ|ফ্লোরা জাইবুন মাজিদ}}
* {{বাউ|বঙ্কিমচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|বঙ্কিমচন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|বজলার রহমান}}
* {{বাউ|বটুক নন্দী}}
* {{বাউ|বদরুদ্দীন আহমদ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|বদরুন নেছা}}
* {{বাউ|বদরুল আনাম সৌদ}}
* {{বাউ|বদরুল আলম (ভাষা সৈনিক)}}
* {{বাউ|বদরুল হায়দার চৌধুরী}}
* {{বাউ|বদিউর রহমান (সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব)}}
* {{বাউ|বদিউল আলম খোকন}}
* {{বাউ|বদিউল আলম মজুমদার}}
* {{বাউ|বনবিহারী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বনানী ঘোষ}}
* {{বাউ|বরদা}}
* {{বাউ|বরদাচরণ গুপ্ত}}
* {{বাউ|বরদানন্দ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বরুণ মজুমদার}}
* {{বাউ|বরুণ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|বরেণ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|বরেন গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বর্ণিতা বাগচী}}
* {{বাউ|বলরাম হাড়ি}}
* {{বাউ|বলেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|বশির আহমেদ}}
* {{বাউ|বশীর আল-হেলাল}}
* {{বাউ|বশীর হোসেন}}
* {{বাউ|বশীশ্বর সেন}}
* {{বাউ|বসন্ত কুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ}}
* {{বাউ|বাঁটুল দি গ্রেট}}
* {{বাউ|বাকের ভাই}}
* {{বাউ|বাঘা যতীন}}
* {{বাউ|বাচি কারকারিয়া}}
* {{বাউ|বাণী বসু}}
* {{বাউ|বাণীকুমার}}
* {{বাউ|বাণেশ্বর বিদ্যালঙ্কার}}
* {{বাউ|বাদল খন্দকার}}
* {{বাউ|বাদল রশীদ}}
* {{বাউ|বাদল রহমান}}
* {{বাউ|বাপ্পা মজুমদার}}
* {{বাউ|বাপ্পী লাহিড়ী}}
* {{বাউ|বাবর আলী (পর্বতারোহী)}}
* {{বাউ|বাবু তারক চন্দ্র চৌধুরী}}
* {{বাউ|বামাচরণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বামাপদ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বারবারা ক্রেগ}}
* {{বাউ|বারী সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|বারীণ মজুমদার}}
* {{বাউ|বার্নেস পিকক}}
* {{বাউ|বালাম}}
* {{বাউ|বাশার মাহমুদ (কবি)}}
* {{বাউ|বাসন্তী দুলাল নাগচৌধুরী}}
* {{বাউ|বাসব}}
* {{বাউ|বাসুদেব চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বাসুদেব দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|বাসুদেব দাস বাউল}}
* {{বাউ|বাসুদেব দাসশর্মা}}
* {{বাউ|বাসুদেব বর্মন}}
* {{বাউ|বাহাদুর হোসেন খান}}
* {{বাউ|বি কে দাস}}
* {{বাউ|বিকাশ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|বিকাশ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিকাশচন্দ্র সিংহ}}
* {{বাউ|বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়া}}
* {{বাউ|বিক্রম ঘোষ}}
* {{বাউ|বিজন কুমার মুখার্জী}}
* {{বাউ|বিজন কুমার শীল}}
* {{বাউ|বিজন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিজন সরকার}}
* {{বাউ|বিজনবিহারী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিজয় কুমার বসু}}
* {{বাউ|বিজয় প্রসাদ}}
* {{বাউ|বিজয় সরকার}}
* {{বাউ|বিজয়কুমার ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিজয়চন্দ্র মজুমদার}}
* {{বাউ|বিজয়লাল চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিজয়া মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিজরী বরকতুল্লাহ}}
* {{বাউ|বিদিত লাল দাস}}
* {{বাউ|বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন}}
* {{বাউ|বিদ্যুৎ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|বিদ্যুৎ বরণ চৌধুরী}}
* {{বাউ|বিদ্যেন্দু মোহন দেব}}
* {{বাউ|বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার}}
* {{বাউ|বিধায়ক ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিধুভূষণ বসু}}
* {{বাউ|বিধুশেখর শাস্ত্রী}}
* {{বাউ|বিনয় বাঁশী জলদাস}}
* {{বাউ|বিনয় মজুমদার}}
* {{বাউ|বিনয় মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিনয়কুমার সরকার}}
* {{বাউ|বিনয়েন্দ্রনাথ সেন}}
* {{বাউ|বিনীতা রায়}}
* {{বাউ|বিনোদ ঘোষাল}}
* {{বাউ|বিপিন বিহারী ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|বিপুল ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিপ্রদাস পিপলাই}}
* {{বাউ|বিপ্লব (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|বিপ্লব দাসগুপ্ত}}
* {{বাউ|বিবুধেন্দ্র সরকার}}
* {{বাউ|বিবেকানন্দ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিভা চৌধুরী}}
* {{বাউ|বিভাস রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|বিভূতিভূষণ দত্ত}}
* {{বাউ|বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিভূতিভূষণ সেন}}
* {{বাউ|বিমল কর}}
* {{বাউ|বিমল গুহ}}
* {{বাউ|বিমল মিত্র (লেখক)}}
* {{বাউ|বিমল মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিমল-কুমার}}
* {{বাউ|বিমলকৃষ্ণ মতিলাল}}
* {{বাউ|বিমলচন্দ্র ঘোষ}}
* {{বাউ|বিমলচন্দ্র সিংহ}}
* {{বাউ|বিমলাচরণ লাহা}}
* {{বাউ|বিমলানন্দ নাগ}}
* {{বাউ|বিমলেন্দু বিকাশ রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|বিমলেন্দু মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিমান বাগচী}}
* {{বাউ|বিমানবিহারী মজুমদার}}
* {{বাউ|বিরজাশঙ্কর গুহ}}
* {{বাউ|বিরাজ মোহন দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|বিরূপাক্ষ পাল}}
* {{বাউ|বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন}}
* {{বাউ|বিলকিস নাসির উদ্দিন}}
* {{বাউ|বিলায়েত খাঁ}}
* {{বাউ|বিশুদ্ধানন্দ মহাথের}}
* {{বাউ|বিশ্ব রঞ্জন নাগ}}
* {{বাউ|বিশ্বজিৎ ঘোষ}}
* {{বাউ|বিশ্বজিৎ চৌধুরী}}
* {{বাউ|বিশ্বজিৎ দেবনাথ}}
* {{বাউ|বিশ্বনাথ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|বিশ্বময় বিশ্বাস}}
* {{বাউ|বিশ্বরঞ্জন সেন}}
* {{বাউ|বিশ্বরূপ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিশ্বেশ্বর পাল}}
* {{বাউ|বিষ্ণু বসু}}
* {{বাউ|বিষ্ণুকান্ত শাস্ত্রী}}
* {{বাউ|বিষ্ণুপদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিষ্ণুপ্রসাদ রাভা}}
* {{বাউ|বিহারিলাল সরকার}}
* {{বাউ|বিহারীলাল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|বিহারীলাল চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বীণা মজুমদার}}
* {{বাউ|বীরেন শিকদার}}
* {{বাউ|বীরেন সোম}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্র বিজয় বিশ্বাস}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্রনাথ দত্তগুপ্ত}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্রনাথ শাসমল}}
* {{বাউ|বীরেশচন্দ্র গুহ}}
* {{বাউ|বীরেশ্বর সরকার}}
* {{বাউ|বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|বুধাদিত্য মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বুনো রামনাথ}}
* {{বাউ|বুলবন ওসমান}}
* {{বাউ|বুলবুল আহমেদ}}
* {{বাউ|বুলবুল চৌধুরী}}
* {{বাউ|বৃন্দা কারাত}}
* {{বাউ|বৃন্দাবন দাস}}
* {{বাউ|বৃন্দাবন দাস ঠাকুর}}
* {{বাউ|বেগজাদী মাহমুদা নাসির}}
* {{বাউ|বেগম আকতার কামাল}}
* {{বাউ|বেগম বদরুন্নেসা আহমদ}}
* {{বাউ|বেণীমাধব বড়ুয়া}}
* {{বাউ|বেদারউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|বেবী ইসলাম}}
* {{বাউ|বেবী হালদার}}
* {{বাউ|বেরী সর্বাধিকারী}}
* {{বাউ|বেলা মিত্র}}
* {{বাউ|বেলায়েত হুসাইন}}
* {{বাউ|বেলায়েত হোসেন বীরভূমী}}
* {{বাউ|বেলাল আহমেদ}}
* {{বাউ|বেলাল খান}}
* {{বাউ|বেলাল চৌধুরী}}
* {{বাউ|বেলাল মোহাম্মদ}}
* {{বাউ|বেলাল হোসেন (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|বৈকুণ্ঠনাথ সেন}}
* {{বাউ|বোরহান উদ্দিন (বিচারক)}}
* {{বাউ|বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর}}
* {{বাউ|বোরিয়া মজুমদার}}
* {{বাউ|ব্যোমকেশ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ব্যোমকেশ বক্সী}}
* {{বাউ|ব্রজ বিহারী বড়ুয়া}}
* {{বাউ|ব্রজগোপাল মান্না}}
* {{বাউ|ব্রজদা}}
* {{বাউ|ব্রজমোহন দত্ত}}
* {{বাউ|ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ব্রজেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|ব্রজেন্দ্রকুমার দে}}
* {{বাউ|ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ব্রজেন্দ্রনাথ শীল}}
* {{বাউ|ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ব্রাত্য বসু}}
* {{বাউ|ব্ল্যাক}}
* {{বাউ|ভক্তি প্রজ্ঞান কেশব গোস্বামী}}
* {{বাউ|ভক্তি রক্ষক শ্রীধর দেব গোস্বামী}}
* {{বাউ|ভক্তিবিনোদ ঠাকুর}}
* {{বাউ|ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী}}
* {{বাউ|ভগীরথ মিশ্র}}
* {{বাউ|ভবতোষ দত্ত}}
* {{বাউ|ভবানী প্রসাদ সিনহা}}
* {{বাউ|ভবানী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ভবানীচরণ লাহা}}
* {{বাউ|ভাদুড়ী মশাই}}
* {{বাউ|ভারতচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|ভারতী মুখার্জী}}
* {{বাউ|ভাস্করানন্দ রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ভি. এন. খারে}}
* {{বাউ|ভিকি জাহেদ}}
* {{বাউ|ভীষ্মদেব চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ভীষ্মদেব চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ভুবনচন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ভূঁইয়া ইকবাল}}
* {{বাউ|ভূপতিমোহন সেন}}
* {{বাউ|ভূপেন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|ভূমেন্দ্র গুহ}}
* {{বাউ|ভোলানাথ চন্দ্র}}
* {{বাউ|ভোলানাথ রায় কাব্যশাস্ত্রী}}
* {{বাউ|ম. তামিম}}
* {{বাউ|মইন উদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|মইনুল হোসেন}}
* {{বাউ|মইনুল হোসেন চৌধুরী}}
* {{বাউ|মঈদুল হাসান}}
* {{বাউ|মঈন উদ্দিন খান}}
* {{বাউ|মঈনউদ্দিন মিয়াজী}}
* {{বাউ|মঈনুল আহসান সাবের}}
* {{বাউ|মঈনুল ইসলাম খান}}
* {{বাউ|মঈনুল ইসলাম চৌধুরী}}
* {{বাউ|মঈনুস সুলতান}}
* {{বাউ|মওদুদ আহমদ}}
* {{বাউ|মকবুল হোসেন চৌধুরী}}
* {{বাউ|মকবুলা মনজুর}}
* {{বাউ|মকসুদ জামিল মিন্টু}}
* {{বাউ|মঙ্গল চাঁদ}}
* {{বাউ|মঙ্গলাচরণ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মজিদ-উল-হক}}
* {{বাউ|মজিবর রহমান (ভাষা সৈনিক)}}
* {{বাউ|মজিবর রহমান দেবদাস}}
* {{বাউ|মঞ্জু গোয়েল}}
* {{বাউ|মঞ্জু রায়}}
* {{বাউ|মঞ্জু সরকার}}
* {{বাউ|মঞ্জুর হোসেন}}
* {{বাউ|মঞ্জুরুল ইমাম}}
* {{বাউ|মঞ্জুলা আনোয়ার}}
* {{বাউ|মঞ্জুলা চেল্লুর}}
* {{বাউ|মণিকুন্তলা সেন}}
* {{বাউ|মণিভূষণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|মণিরত্ন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মণিলাল ভৌমিক}}
* {{বাউ|মণিশংকর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মণীন্দ্র গুপ্ত}}
* {{বাউ|মণীন্দ্র চন্দ্র নন্দী}}
* {{বাউ|মণীন্দ্র নারায়ণ মজুমদার}}
* {{বাউ|মণীন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|মণীন্দ্রলাল বসু}}
* {{বাউ|মণীশ ঘটক}}
* {{বাউ|মতি নন্দী}}
* {{বাউ|মতিউর রহমান পানু}}
* {{বাউ|মতিউর রহমান মল্লিক}}
* {{বাউ|মতিউল ইসলাম}}
* {{বাউ|মতিউল হক খান}}
* {{বাউ|মতিন রহমান}}
* {{বাউ|মতিলাল ঘোষ}}
* {{বাউ|মতিলাল রায়}}
* {{বাউ|মতিলাল রায় (যাত্রাপালাকার)}}
* {{বাউ|মতিলাল শীল}}
* {{বাউ|মথুরামোহন চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|মধু বসু}}
* {{বাউ|মধুমতি মিত্র}}
* {{বাউ|মধুশ্রী মুখার্জী}}
* {{বাউ|মধুসূদন গুপ্ত}}
* {{বাউ|মধুসূদন দে}}
* {{বাউ|মধুসূদন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মধুসূদন সরস্বতী}}
* {{বাউ|মনজুর আলম বেগ}}
* {{বাউ|মনজুর আহমেদ চৌধুরী (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মনজুর রশীদ খান}}
* {{বাউ|মনতাজুর রহমান আকবর}}
* {{বাউ|মনতোষ রায়}}
* {{বাউ|মনমোহন ঘোষ}}
* {{বাউ|মনমোহন দত্ত}}
* {{বাউ|মনসুর উল করিম}}
* {{বাউ|মনসুর বয়াতি}}
* {{বাউ|মনসুরুল আলম খান}}
* {{বাউ|মনিকা আলী}}
* {{বাউ|মনিকা জাহান বোস}}
* {{বাউ|মনিকা দাস (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|মনিরউদ্দীন ইউসুফ}}
* {{বাউ|মনিরুজ্জামান (গবেষক)}}
* {{বাউ|মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী}}
* {{বাউ|মনিরুজ্জামান মনির}}
* {{বাউ|মনিরুল ইসলাম (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|মনিরুল ইসলাম টিপু}}
* {{বাউ|মনীন্দ্রভূষণ গুপ্ত}}
* {{বাউ|মনু মুন্সী}}
* {{বাউ|মনোজ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|মনোজ প্রামাণিক}}
* {{বাউ|মনোজ বসু}}
* {{বাউ|মনোজ মাঝি}}
* {{বাউ|মনোজ মিত্র}}
* {{বাউ|মনোমোহন ঘোষ}}
* {{বাউ|মনোয়ারা ইসলাম}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন ঘোষাল}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন ধর}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন ব্যাপারী}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন ভক্ত}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য (নাট্যকার)}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন সিকদার}}
* {{বাউ|মনোসরণি}}
* {{বাউ|মন্দাক্রান্তা সেন}}
* {{বাউ|মন্মথ রায়}}
* {{বাউ|মন্মথনাথ ঘোষ}}
* {{বাউ|মন্মথনাথ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মফিজ উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|মফিজউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|মফিদুল হক}}
* {{বাউ|মবিনউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|মবিনুল হক}}
* {{বাউ|মমতা বালা ঠাকুর}}
* {{বাউ|মমতাজ উদ্দিন}}
* {{বাউ|মমতাজ বেগম}}
* {{বাউ|মমতাজ সঙ্ঘমিতা}}
* {{বাউ|মমতাজুর রহমান তরফদার}}
* {{বাউ|মযহারুল ইসলাম}}
* {{বাউ|ময়ুখ চৌধুরী (কবি)}}
* {{বাউ|ময়ূখ চৌধুরী (শিল্পী)}}
* {{বাউ|মর্ত্তুজা আলী}}
* {{বাউ|মলয় ঘোষ দস্তিদার}}
* {{বাউ|মলয় ভৌমিক}}
* {{বাউ|মলয় রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|মল্লিকা সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|মসিহউদ্দিন শাকের}}
* {{বাউ|মহম্মদ আব্দুল জব্বার}}
* {{বাউ|মহম্মদ হান্নান}}
* {{বাউ|মহম্মদ হামিদ আনসারি}}
* {{বাউ|মহসিন শস্ত্রপাণি}}
* {{বাউ|মহাদেব দত্ত}}
* {{বাউ|মহান মহারাজ}}
* {{বাউ|মহানামব্রত ব্রহ্মচারী}}
* {{বাউ|মহারানি চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|মহি উদ্দিন শামীম}}
* {{বাউ|মহিউদ্দিন আহমেদ (প্রকাশক)}}
* {{বাউ|মহিউদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|মহিউদ্দীন ফারুক}}
* {{বাউ|মহিমারঞ্জন রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|মহীউদ্দিন}}
* {{বাউ|মহুয়া মুখোপাধ্যায় (লেখক)}}
* {{বাউ|মহেন্দ্র গুপ্ত}}
* {{বাউ|মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত}}
* {{বাউ|মহেন্দ্রনাথ দত্ত}}
* {{বাউ|মহেন্দ্রনাথ রায় (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|মহেশচন্দ্র ন্যায়রত্ন}}
* {{বাউ|মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|মাইনুর রেজা চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাইমুল আহসান খান}}
* {{বাউ|মাকসুদুল আলম}}
* {{বাউ|মাকিদ হায়দার}}
* {{বাউ|মাখছুদুল আহসান}}
* {{বাউ|মাখনলাল রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাখনলাল সেন}}
* {{বাউ|মাধবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মানবেন্দ্র পাল}}
* {{বাউ|মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মানস চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|মানিক চন্দ্র সাহা}}
* {{বাউ|মানিক দত্ত}}
* {{বাউ|মানিক সরকার (শিল্পী)}}
* {{বাউ|মানিকলাল শীল}}
* {{বাউ|মান্নান হীরা}}
* {{বাউ|মাফরুহা চৌধুরী}}
* {{বাউ|মামনুন রহমান}}
* {{বাউ|মামাবাবু}}
* {{বাউ|মামুন নদীয়া}}
* {{বাউ|মামুন হুসাইন}}
* {{বাউ|মারজি-উল হক}}
* {{বাউ|মারুফুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মালা সেন}}
* {{বাউ|মালাধর বসু}}
* {{বাউ|মালিকা আল্ রাজী}}
* {{বাউ|মালিহা খাতুন}}
* {{বাউ|মালেক আফসারী}}
* {{বাউ|মালেকা বেগম}}
* {{বাউ|মাশির হোসেন}}
* {{বাউ|মাশুক হোসেন আহমেদ}}
* {{বাউ|মাসাতোশি কোশিবা}}
* {{বাউ|মাসুদ আখন্দ}}
* {{বাউ|মাসুদ আলি খান}}
* {{বাউ|মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাসুদ করিম}}
* {{বাউ|মাসুদ পথিক}}
* {{বাউ|মাসুদ বিন মোমেন}}
* {{বাউ|মাসুদ মান্নান}}
* {{বাউ|মাসুদ রানা}}
* {{বাউ|মাসুদ সেজান}}
* {{বাউ|মাসুদা খাতুন}}
* {{বাউ|মাসুম আজিজ}}
* {{বাউ|মাসুম রেজা}}
* {{বাউ|মাসুম শাহরিয়ার}}
* {{বাউ|মাহফুজ উল্লাহ}}
* {{বাউ|মাহফুজা আখতার (সচিব)}}
* {{বাউ|মাহফুজা খানম}}
* {{বাউ|মাহফুজুর রহমান (নির্বাচন কমিশনার)}}
* {{বাউ|মাহফুজুর রহমান (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|মাহফুজুল হক}}
* {{বাউ|মাহফুজুল হাসান ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|মাহবুব আলম}}
* {{বাউ|মাহবুব উজ জামান (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মাহবুব উদ্দিন খোকন}}
* {{বাউ|মাহবুব জামাল জাহেদী}}
* {{বাউ|মাহবুব তালুকদার}}
* {{বাউ|মাহবুব সাদিক}}
* {{বাউ|মাহবুব-উল আলম}}
* {{বাউ|মাহবুবা রহমান}}
* {{বাউ|মাহবুবুর রহমান লিটন}}
* {{বাউ|মাহবুবুল আলম (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|মাহবুবুল আলম মজুমদার}}
* {{বাউ|মাহবুবুল এ খালিদ}}
* {{বাউ|মাহবুবুল হক}}
* {{বাউ|মাহবুবে আলম}}
* {{বাউ|মাহমুদ শাহ কোরেশী}}
* {{বাউ|মাহমুদ হাসান}}
* {{বাউ|মাহমুদ হোসেন (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|মাহমুদা খাতুন সিদ্দিকা}}
* {{বাউ|মাহমুদা হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাহমুদুর রহমান}}
* {{বাউ|মাহমুদুর রহমান চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাহমুদুর রহমান বেণু}}
* {{বাউ|মাহমুদুল আমিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাহমুদুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মাহমুদুল হক}}
* {{বাউ|মাহমুদুল হক (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|মাহমুদুল হক (বিচারক)}}
* {{বাউ|মাহমুদুল হাসান}}
* {{বাউ|মিজান রহমান}}
* {{বাউ|মিজানুর রহমান (বাংলাদেশী কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মিজানুর রহমান ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|মিজানুর রহমান সাঈদ}}
* {{বাউ|মিঠু আলুর}}
* {{বাউ|মিতা হক}}
* {{বাউ|মিতিন মাসি}}
* {{বাউ|মিনার মনসুর}}
* {{বাউ|মিনার রহমান}}
* {{বাউ|মিনাল রোহিত}}
* {{বাউ|মিন্নাত আলী}}
* {{বাউ|মিফতা উদ্দিন চৌধুরী রুমী}}
* {{বাউ|মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|মিফতাহুর রহমান}}
* {{বাউ|মিফতাহ্ জামান}}
* {{বাউ|মিরজা আবদুল হাই}}
* {{বাউ|মির্জা আব্দুল জলিল}}
* {{বাউ|মির্জা আলী ইস্পাহানি}}
* {{বাউ|মির্জা গোলাম হাফিজ}}
* {{বাউ|মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল}}
* {{বাউ|মির্জা মাজহারুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম}}
* {{বাউ|মির্জা হুসেন হায়দার}}
* {{বাউ|মির্জা হোসাইন হায়দার}}
* {{বাউ|মিলন কান্তি দে}}
* {{বাউ|মিল্টন খন্দকার}}
* {{বাউ|মিশুক মুনীর}}
* {{বাউ|মিসির আলি}}
* {{বাউ|মিহির কুমার বসু}}
* {{বাউ|মিহির চৌধুরী}}
* {{বাউ|মিহির রঞ্জন হালদার}}
* {{বাউ|মিহির সেন}}
* {{বাউ|মিহির সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|মীজানূর রহমান শেলী}}
* {{বাউ|মীনাক্ষী ব্যানার্জি}}
* {{বাউ|মীনু হক}}
* {{বাউ|মীর আব্দুল কাইয়ুম}}
* {{বাউ|মীর আহমদ বিন কাসেম}}
* {{বাউ|মীর কাশেম খান}}
* {{বাউ|মীর মকসুদুস সালেহীন}}
* {{বাউ|মীর মাসুম আলী}}
* {{বাউ|মীর শওকত আলী}}
* {{বাউ|মীর হাসমত আলী}}
* {{বাউ|মীর হাসেম আলী}}
* {{বাউ|মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা}}
* {{বাউ|মীরা দত্ত গুপ্ত}}
* {{বাউ|মীরা মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মীর্জা মুহাম্মদ ইউসুফ আলি}}
* {{বাউ|মুঃ মিজানুর রহমান}}
* {{বাউ|মুঈনুদ্দীন আহমদ খান}}
* {{বাউ|মুকসুমুল হাকিম}}
* {{বাউ|মুকুল চৌধুরী}}
* {{বাউ|মুকুল দে}}
* {{বাউ|মুখতার আলম শিকদার}}
* {{বাউ|মুছলিম মিয়া}}
* {{বাউ|মুজিব পরদেশী}}
* {{বাউ|মুজিবর রহমান (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|মুজিবুর রহমান (চিকিৎসা বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|মুজিবুল হক (অফিসার)}}
* {{বাউ|মুজীবুর রহমান খাঁ}}
* {{বাউ|মুনশী ওয়াদুদ}}
* {{বাউ|মুনসুর আলী}}
* {{বাউ|মুনাজ আহমেদ নূর}}
* {{বাউ|মুনির উজ জামান}}
* {{বাউ|মুনেম ওয়াসিফ}}
* {{বাউ|মুন্সী রইসউদ্দিন}}
* {{বাউ|মুন্সী সিদ্দীক আহমদ}}
* {{বাউ|মুফলেহ আর. ওসমানী}}
* {{বাউ|মুবিনা আসাফ}}
* {{বাউ|মুমতাজুদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|মুরলীধর বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মুরলীধর বসু}}
* {{বাউ|মুরাদ পারভেজ}}
* {{বাউ|মুরারি গুপ্ত}}
* {{বাউ|মুশতাক আহমেদ (লেখক)}}
* {{বাউ|মুশতারী শফী}}
* {{বাউ|মুশফিকুল ফজল আনসারী}}
* {{বাউ|মুশাররাফ করিম}}
* {{বাউ|মুসলেহউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|মুসা আল হাফিজ}}
* {{বাউ|মুস্তফা মনোয়ার}}
* {{বাউ|মুস্তফা লুৎফুল্লাহ}}
* {{বাউ|মুস্তাফা খালিদ পলাশ}}
* {{বাউ|মুস্তাফা জামান আব্বাসী}}
* {{বাউ|মুস্তাফা নূরউল ইসলাম}}
* {{বাউ|মুস্তাফিজ শফি}}
* {{বাউ|মুস্তাফিজুর রহমান (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মুস্তাফিজুর রহমান (গীতিকার)}}
* {{বাউ|মুহম্মদ আবদুল হাই}}
* {{বাউ|মুহম্মদ ইউসুফ সিদ্দিক}}
* {{বাউ|মুহম্মদ ওয়ায়েছ}}
* {{বাউ|মুহম্মদ কবির}}
* {{বাউ|মুহম্মদ কুদরাত-এ-খুদা}}
* {{বাউ|মুহম্মদ নূরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মুহম্মদ মতিউর রহমান}}
* {{বাউ|মুহম্মদ মনসুর উদ্দিন}}
* {{বাউ|মুহম্মদ শামসউল হক}}
* {{বাউ|মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া (গবেষক)}}
* {{বাউ|মুহম্মদ সিরাজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আখতার}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুর রশিদ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুল বারী}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুল মুহিত}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুল্লাহ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুল্লাহিল বাকী}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আব্দুর রহিম (ইতিহাসবিদ)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আব্দুল হাফিজ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আরশাদ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আসফ-উদ-দৌলা}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইউনুস (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইউনুস (পণ্ডিত)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইব্রাহিম (পদার্থবিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইমরান (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইসমাইল}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইসহাক (ইতিহাসবিদ)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ একরামুল হক}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ জমির}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ জুলকার নাইন}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ নওশাদ জমির}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ নুরুল হক}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ নুরুল হুদা}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ফাজলী ইলাহী}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ফারুক (কূটনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ মাছুদ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ মাহবুব উল ইসলাম}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ সামাদ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান (মুক্তিযোদ্ধা)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ আবদুল মালেক}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ আব্দুল হামিদ}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ ইকবাল হোছাইন}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ ইনাম-উল হক}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ মুস্তাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ লুৎফর রহমান}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ শহীদ সারওয়ার}}
* {{বাউ|মৃণাল দত্ত চৌধুরী}}
* {{বাউ|মৃণাল মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মৃণালিনী সেন}}
* {{বাউ|মৃত্যুঞ্জয় প্রসাদ গুহ}}
* {{বাউ|মৃত্যুঞ্জয় বরাট সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার}}
* {{বাউ|মৃদুল দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|মৃদুলা গার্গ}}
* {{বাউ|মেজকর্তা}}
* {{বাউ|মেজবাউর রহমান সুমন}}
* {{বাউ|মেনহাজ হুদা}}
* {{বাউ|মেরিনা তাবাসসুম}}
* {{বাউ|মেসবাহউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|মেসবাহউদ্দিন আহমেদ (পদার্থবিদ)}}
* {{বাউ|মেসবাহুল হক}}
* {{বাউ|মেহরীন মাহমুদ}}
* {{বাউ|মেহেদী হক রনি}}
* {{বাউ|মেহের আফরোজ শাওন}}
* {{বাউ|মেহেরবানু খানম}}
* {{বাউ|মেহেরুন নেসা}}
* {{বাউ|মৈত্রী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|মৈত্রেয়ী দেবী}}
* {{বাউ|মো. আবদুল মজিদ}}
* {{বাউ|মো. আবু আহমেদ জমাদার}}
* {{বাউ|মো. আবু জাফর সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|মো. আবু তারিক}}
* {{বাউ|মো. আব্দুল মজিদ}}
* {{বাউ|মো. আমিনুল ইসলাম (বিচারক)}}
* {{বাউ|মো. ইকবাল কবির}}
* {{বাউ|মো. ইমদাদুল হক}}
* {{বাউ|মো. এমদাদুল হক}}
* {{বাউ|মো. কামরুল হোসেন মোল্লা}}
* {{বাউ|মো. খসরুজ্জামান}}
* {{বাউ|মো. খায়রুল আলম}}
* {{বাউ|মো. খুরশেদ আলম}}
* {{বাউ|মো. জয়নুল আবেদীন}}
* {{বাউ|মো. জহুরুল হক}}
* {{বাউ|মো. জাকির হোসেন}}
* {{বাউ|মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার}}
* {{বাউ|মো. নুরুল ইসলাম (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|মো. বজলুর রহমান}}
* {{বাউ|মো. বদরুজ্জামান}}
* {{বাউ|মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী}}
* {{বাউ|মো. মজিবুর রহমান মিয়া}}
* {{বাউ|মো. মনসুর আলম}}
* {{বাউ|মো. মাহমুদ হাসান তালুকদার}}
* {{বাউ|মো. মোস্তাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|মো. যাবিদ হোসেন}}
* {{বাউ|মো. রইস উদ্দিন}}
* {{বাউ|মো. রইস হাসান সরোয়ার}}
* {{বাউ|মো. রিয়াজ উদ্দিন খান}}
* {{বাউ|মো. রুহুল আমিন (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|মো. রুহুল কুদ্দুস}}
* {{বাউ|মো. রেজাউল হক}}
* {{বাউ|মো. রেজাউল হাসান}}
* {{বাউ|মো. শামসুল হুদা}}
* {{বাউ|মো. শাহিনুর ইসলাম}}
* {{বাউ|মো. সাইদুল হক}}
* {{বাউ|মো. সেলিম (বিচারক)}}
* {{বাউ|মো. হযরত আলী (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|মো. হামিদুল হক (বিচারক)}}
* {{বাউ|মো. হাসান আমিন}}
* {{বাউ|মো: গোলাম রহমান}}
* {{বাউ|মো: জাহাঙ্গীর আল মুস্তাহিদুর রহমান}}
* {{বাউ|মোঃ আখতারুজ্জামান}}
* {{বাউ|মোঃ আতাউর রহমান খান}}
* {{বাউ|মোঃ আতাবুল্লাহ}}
* {{বাউ|মোঃ আতোয়ার রহমান}}
* {{বাউ|মোঃ আব্দুল মান্নান (বিচারক)}}
* {{বাউ|মোঃ আব্দুল মুক্তাদির}}
* {{বাউ|মোঃ আলী রেজা}}
* {{বাউ|মোঃ আশরাফুল কামাল}}
* {{বাউ|মোঃ আসাদুজ্জামান}}
* {{বাউ|মোঃ ইসমাইল হোসেন}}
* {{বাউ|মোঃ কামরুজ্জামান}}
* {{বাউ|মোঃ খোরশেদ আলম}}
* {{বাউ|মোঃ জসিম উদ্দিন (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মোঃ জাকির হোসেন (বিচারক)}}
* {{বাউ|মোঃ টোকন}}
* {{বাউ|মোঃ তোফাজ্জল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোঃ নূরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোঃ বশির-উল্লাহ}}
* {{বাউ|মোঃ মইদুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোঃ মাহবুবুর রহমান (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|মোঃ মুস্তফা চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোঃ শামীম আহসান}}
* {{বাউ|মোঃ সাইদুর রহমান (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|মোঃ সাদত আলী}}
* {{বাউ|মোঃ সোহরাওয়ারদী}}
* {{বাউ|মোঃ হাবিবুল গনি}}
* {{বাউ|মোকাররম হোসেন খোন্দকার}}
* {{বাউ|মোক্ষদায়িনী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মোজাফফর আহমদ}}
* {{বাউ|মোজাফফর হোসেন (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|মোজাম্মেল হোসেন (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|মোজাম্মেল হোসেন মিন্টু}}
* {{বাউ|মোতাহার হোসেন তালুকদার}}
* {{বাউ|মোনাজাতউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোনায়েম সরকার}}
* {{বাউ|মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোবারক আহমদ খান}}
* {{বাউ|মোবারক হোসেন খান}}
* {{বাউ|মোবাশ্বের আলী}}
* {{বাউ|মোবিনুল আজিম}}
* {{বাউ|মোমতাজ আলী খান}}
* {{বাউ|মোরশেদ খান}}
* {{বাউ|মোরশেদ শফিউল হাসান}}
* {{বাউ|মোরশেদুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী}}
* {{বাউ|মোল্লা জালাল উদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|মোশতাক আহমেদ}}
* {{বাউ|মোশতাক খান}}
* {{বাউ|মোশারেফ উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|মোসলেম উদ্দিন}}
* {{বাউ|মোসলেম উদ্দিন খান}}
* {{বাউ|মোসাদ্দেক আলী ফালু}}
* {{বাউ|মোস্তফা আনোয়ার (পরিচালক)}}
* {{বাউ|মোস্তফা আলম}}
* {{বাউ|মোস্তফা আলী}}
* {{বাউ|মোস্তফা এম এ মতিন}}
* {{বাউ|মোস্তফা কামাল (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|মোস্তফা জামান ইসলাম}}
* {{বাউ|মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোস্তফা মন্ওয়ার}}
* {{বাউ|মোস্তফা মেহমুদ}}
* {{বাউ|মোস্তাফিজুর রহমান মানিক}}
* {{বাউ|মোস্তাফিজুর রহমান সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|মোহন রায়হান}}
* {{বাউ|মোহনলাল গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মোহম্মদ সামির হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আকরম খাঁ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আছাদুজ্জামান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আজম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আজিজ (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবদুর রশিদ (বিচারক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবদুর রহিম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবদুল খালেক}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবু নাসের}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবু হেনা}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবুল কাসেম চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবুল হাশেম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আব্দুল হাই}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ মিয়া}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আব্দুল্লাহেল কাফী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আলম (আলোকচিত্র সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আলী (বিচারক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (নরসিংদীর শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ইউনুস (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ইব্রাহিম (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ইব্রাহিম (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ইমান আলী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ উল্লাহ (বিচারক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ এনামউল্যা}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ওমর এজাজ রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ কায়কোবাদ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ কিবরিয়া}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ খালেদ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ গোলাম রাব্বানী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ছায়েদুল হক}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ জাকারিয়া}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নইমুদ্দীন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নজিবর রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন (লেখক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নাসির আলী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নিজামুল হক}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নুরুল করিম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নূরুজ্জামান (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নোমান (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ পনির হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ফজলী হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ফজলুল করীম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ফেরদাউস খান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ফৈয়াজ খান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ বজলুর রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মতিউর রহমান (লেখক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মিঞা}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মফজলুর রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মমতাজ উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ময়েজউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মহিউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মিজারুল কায়েস}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মুর্তজা}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোদাব্বের}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোবারক আলী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান (কর্মকর্তা)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোহর আলী (ইতিহাসবিদ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোহসীন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রফি খান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রফিক (কবি)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রফিকুল আলম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রেজওয়ান খান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শওকত আলী চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শরীফ হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শামশাদ আলী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শামসুজ্জোহা}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শাহ আলম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শাহ আলম (আইনজ্ঞ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শাহজাহান (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শাহিনুল আলম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শিশির মনির}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সাদত আলী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সাদিক}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সালার খান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সিরাজুদ্দীন কাসিমপুরী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সিরাজুল আকবর}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সুফিউর রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সোলায়মান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ হারুন-উর-রশিদ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ হোসেন জেমী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ হোসেন মণ্ডল}}
* {{বাউ|মোহাম্মদউল্লাহ}}
* {{বাউ|মোহাম্মাদ রকিবুল হাসান}}
* {{বাউ|মোহিত উল আলম}}
* {{বাউ|মোহিত কামাল}}
* {{বাউ|মোহিত চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মোহিত সেন}}
* {{বাউ|মোহিনী চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোহিনী মোহন চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|মৌমিতা তাশরিন নদী}}
* {{বাউ|মৌমিতা দত্ত}}
* {{বাউ|মৌলভী আবদুল করিম}}
* {{বাউ|মৌসুমী ভৌমিক}}
* {{বাউ|যতীন সরকার}}
* {{বাউ|যতীন্দ্রকুমার সেন}}
* {{বাউ|যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|যতীন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|যতীন্দ্রমোহন সিংহ}}
* {{বাউ|যদুনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|যদুনাথ সরকার}}
* {{বাউ|যদুনাথ সিংহ}}
* {{বাউ|যমুনা সেন}}
* {{বাউ|যশোধরা বাগচি}}
* {{বাউ|যশোধরা রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|যাত্রামোহন সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|যাদব চন্দ্র চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|যাদুমনি হাজং}}
* {{বাউ|যামিনী ভূষণ রায়}}
* {{বাউ|যামিনী রায়}}
* {{বাউ|যামিনীপ্রকাশ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|যুধাজিৎ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|যোগীন মা}}
* {{বাউ|যোগীন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|যোগেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ}}
* {{বাউ|যোগেশচন্দ্র ঘোষ}}
* {{বাউ|যোগেশচন্দ্র চৌধুরী (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|যোগেশচন্দ্র বাগল}}
* {{বাউ|যোগেশচন্দ্র রায় বিদ্যানিধি}}
* {{বাউ|যোবায়দা হান্নান}}
* {{বাউ|রওনক জাহান}}
* {{বাউ|রওশন আরা}}
* {{বাউ|রওশন আরা বাচ্চু}}
* {{বাউ|রওশন আরা মুস্তাফিজ}}
* {{বাউ|রওশন আলী}}
* {{বাউ|রওশন ইজদানী}}
* {{বাউ|রওশন জামিল}}
* {{বাউ|রকিব হাসান}}
* {{বাউ|রকিবুল আলম রকিব}}
* {{বাউ|রকীব আহমদ}}
* {{বাউ|রঘুনন্দন ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|রঘুনাথ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রঙ্গলাল মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রঙ্গলাল সেন}}
* {{বাউ|রঙ্গু সৌরিয়া}}
* {{বাউ|রজতকান্ত রায়}}
* {{বাউ|রজতশুভ্র মজুমদার}}
* {{বাউ|রজনীকান্ত গুহ}}
* {{বাউ|রজনীকান্ত প্রামাণিক}}
* {{বাউ|রজনীনাথ রায়}}
* {{বাউ|রঞ্জন ঘোষাল}}
* {{বাউ|রঞ্জন মল্লিক}}
* {{বাউ|রণজিত গুহ}}
* {{বাউ|রণজিৎ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রণজিৎ দাশ}}
* {{বাউ|রণদা প্রসাদ সাহা}}
* {{বাউ|রণেন কুশারী}}
* {{বাউ|রণেশ মৈত্র}}
* {{বাউ|রতন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রতন সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|রতনচন্দ্র কর}}
* {{বাউ|রতনতনু ঘোষ}}
* {{বাউ|রতনলাল ব্রহ্মচারী}}
* {{বাউ|রত্নেশ্বর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রথীন কিস্কু}}
* {{বাউ|রথীন মিত্র}}
* {{বাউ|রথীন মৈত্র}}
* {{বাউ|রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|রথীন্দ্রনাথ বোস}}
* {{বাউ|রফিক আহামদ}}
* {{বাউ|রফিক উদ্দিন আহমেদ (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|রফিক উদ্দিন আহমেদ (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|রফিক উদ্দিন সরকার}}
* {{বাউ|রফিক-উল হক}}
* {{বাউ|রফিকউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|রফিকউল্লাহ্ খান}}
* {{বাউ|রফিকুর রশীদ}}
* {{বাউ|রফিকুল ইসলাম (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|রফিকুল ইসলাম মিয়া}}
* {{বাউ|রফিকুল ইসলাম সেখ}}
* {{বাউ|রফিকুল বারী চৌধুরী}}
* {{বাউ|রফিকুল হক}}
* {{বাউ|রফিকুল হক (কৃষি প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|রবার্ট সুইনহো}}
* {{বাউ|রবি বসু}}
* {{বাউ|রবিউল আলম (নাট্যকার)}}
* {{বাউ|রবিউল আলম রবি}}
* {{বাউ|রবিউল ইসলাম জীবন}}
* {{বাউ|রবিউল হুসাইন}}
* {{বাউ|রবিন ঘোষ}}
* {{বাউ|রবিনা খান}}
* {{বাউ|রবিশংকর বল}}
* {{বাউ|রবিশঙ্কর}}
* {{বাউ|রবীন চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রবীন্দ্র গুহ}}
* {{বাউ|রবীন্দ্রকুমার দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|রবীন্দ্রনাথ চৌধুরী}}
* {{বাউ|রবীন্দ্রনাথ দত্ত}}
* {{বাউ|রবীন্দ্রনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|রবীন্দ্রনাথ মৈত্র}}
* {{বাউ|রমা চৌধুরী}}
* {{বাউ|রমাতোষ সরকার}}
* {{বাউ|রমাপদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|রমারঞ্জন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রমিজউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|রমেন্দ্র কুমার পোদ্দার}}
* {{বাউ|রমেন্দ্রকুমার আচার্য চৌধুরী}}
* {{বাউ|রমেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রমেশ চন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|রমেশচন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|রশিদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|রশীদ করীম}}
* {{বাউ|রশীদ তালুকদার}}
* {{বাউ|রশীদ হায়দার}}
* {{বাউ|রসময় দত্ত}}
* {{বাউ|রসময় মিত্র}}
* {{বাউ|রসময় সুর}}
* {{বাউ|রসিককৃষ্ণ মল্লিক}}
* {{বাউ|রসিকলাল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রহমত আলী}}
* {{বাউ|রহমতউল্লাহ আল মাহমুদ সেলিম}}
* {{বাউ|রহিমুন্নিসা}}
* {{বাউ|রহীম শাহ}}
* {{বাউ|রাইচরণ দাস}}
* {{বাউ|রাইচাঁদ বড়াল}}
* {{বাউ|রাইসুল ইসলাম আসাদ}}
* {{বাউ|রাখাল চন্দ্র দাস}}
* {{বাউ|রাখাল চিত্রকর}}
* {{বাউ|রাখালদাস মজুমদার}}
* {{বাউ|রাগিনী সোনকার}}
* {{বাউ|রাগীব রউফ চৌধুরী}}
* {{বাউ|রাঘব চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাঘব বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাজকুমার চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রাজকুমার সর্বাধিকারী}}
* {{বাউ|রাজকুমারী বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাজকুমারী রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|রাজকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাজকৃষ্ণ রায়}}
* {{বাউ|রাজচন্দ্র বসু}}
* {{বাউ|রাজদীপ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|রাজনারায়ণ বসু}}
* {{বাউ|রাজলক্ষ্মী দেবী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রাজিক আল জলিল}}
* {{বাউ|রাজিয়া খান}}
* {{বাউ|রাজিয়া মজিদ}}
* {{বাউ|রাজিয়া মাহবুব}}
* {{বাউ|রাজিয়া সুলতানা (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|রাজেন তরফদার}}
* {{বাউ|রাজেন্দ্রচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|রাজেন্দ্রচন্দ্র হাজরা}}
* {{বাউ|রাজেন্দ্রনাথ সেন}}
* {{বাউ|রাজেন্দ্রলাল মিত্র}}
* {{বাউ|রাজেশ রোশন}}
* {{বাউ|রাজেশ্বরী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাণী দিনমনি চৌধুরাণী}}
* {{বাউ|রাণী রাসমণি}}
* {{বাউ|রাধা বিনোদ পাল}}
* {{বাউ|রাধাকান্ত দেব}}
* {{বাউ|রাধাকান্ত নন্দী}}
* {{বাউ|রাধাকুমুদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাধাগোবিন্দ কর}}
* {{বাউ|রাধাগোবিন্দ চন্দ্র}}
* {{বাউ|রাধাগোবিন্দ নাথ}}
* {{বাউ|রাধাগোবিন্দ বসাক}}
* {{বাউ|রাধানাথ শিকদার}}
* {{বাউ|রাধাপদ রায়}}
* {{বাউ|রাধাপ্রসাদ গুপ্ত}}
* {{বাউ|রাধাবতী দেবী}}
* {{বাউ|রাধারমণ দত্ত}}
* {{বাউ|রাধারমণ মিত্র}}
* {{বাউ|রাধারাণী দেবী}}
* {{বাউ|রাধিকা মোহন মৈত্র}}
* {{বাউ|রাধিকা রায়}}
* {{বাউ|রানী চন্দ}}
* {{বাউ|রাপ্পা রায়}}
* {{বাউ|রাফায়েল অ্যারন বেলিলিওস}}
* {{বাউ|রাফিদা আহমেদ বন্যা}}
* {{বাউ|রাবাব ফাতেমা}}
* {{বাউ|রাবেয়া খাতুন}}
* {{বাউ|রাবেয়া ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|রাম নারায়ণ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রাম বসু}}
* {{বাউ|রামকমল ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রামকমল সেন}}
* {{বাউ|রামকানাই দাশ}}
* {{বাউ|রামকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রামগতি ন্যায়রত্ন}}
* {{বাউ|রামগোপাল ঘোষ}}
* {{বাউ|রামচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রামচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ}}
* {{বাউ|রামতনু লাহিড়ী}}
* {{বাউ|রামতারণ সান্যাল}}
* {{বাউ|রামদাস সেন}}
* {{বাউ|রামনারায়ণ তর্করত্ন}}
* {{বাউ|রামনিধি গুপ্ত}}
* {{বাউ|রামপ্রাণ গুপ্ত}}
* {{বাউ|রামব্রহ্ম সান্যাল}}
* {{বাউ|রামরঞ্জন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রামরাম বসু}}
* {{বাউ|রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রামেন্দু মজুমদার}}
* {{বাউ|রায়হান মুজিব}}
* {{বাউ|রায়হানুল আবেদীন}}
* {{বাউ|রায়েফ আল হাসান রাফা}}
* {{বাউ|রাশিদ আসকারী}}
* {{বাউ|রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর}}
* {{বাউ|রাশেদ খান মেনন}}
* {{বাউ|রাশেদ রউফ}}
* {{বাউ|রাসবিহারী ঘোষ}}
* {{বাউ|রাসসুন্দরী দেবী}}
* {{বাউ|রাহাত খান}}
* {{বাউ|রাহিজা খানম ঝুনু}}
* {{বাউ|রাহুল দেব বর্মণ}}
* {{বাউ|রাহুল পুরকায়স্থ}}
* {{বাউ|রিংকি ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|রিজিয়া রহমান}}
* {{বাউ|রিতা আর. কলওয়েল}}
* {{বাউ|রিনা আক্তার (সক্রিয়কর্মী)}}
* {{বাউ|রিনাত ফৌজিয়া}}
* {{বাউ|রিপন নাথ}}
* {{বাউ|রিফাত হাসান (লেখক)}}
* {{বাউ|রিমা সুলতানা রিমু}}
* {{বাউ|রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|রিয়াজ রহমান}}
* {{বাউ|রিয়াজ হামিদুল্লাহ}}
* {{বাউ|রিয়াজুল রিজু}}
* {{বাউ|রীণা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রুচিরা গুপ্ত}}
* {{বাউ|রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|রুদ্রাণী (গোয়েন্দা)}}
* {{বাউ|রুনা খান (উদ্যোক্তা)}}
* {{বাউ|রুনু বিশ্বাস}}
* {{বাউ|রুবাইয়াত হোসেন}}
* {{বাউ|রুবানা হক}}
* {{বাউ|রুবী রহমান}}
* {{বাউ|রুবেল}}
* {{বাউ|রুমা পাল}}
* {{বাউ|রুমানা আলী}}
* {{বাউ|রুমানা রশীদ ঈশিতা}}
* {{বাউ|রুমিন ফারহানা}}
* {{বাউ|রুম্মান রশীদ খান}}
* {{বাউ|রুশেমা বেগম}}
* {{বাউ|রুহি জুবেরী}}
* {{বাউ|রুহুল আমিন (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|রুহুল আলম সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|রুহুল ইসলাম}}
* {{বাউ|রুহুল কুদ্দুস কাজল}}
* {{বাউ|রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু}}
* {{বাউ|রূপ গোস্বামী}}
* {{বাউ|রূপচাঁদ অধিকারী}}
* {{বাউ|রূপমঞ্জরী ঘোষ}}
* {{বাউ|রূপরাম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রূপা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রেজা আলী}}
* {{বাউ|রেজা লতিফ}}
* {{বাউ|রেজাউদ্দিন স্টালিন}}
* {{বাউ|রেজাউল করিম (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|রেজাউল হক সরকার}}
* {{বাউ|রেজিনা গুহ}}
* {{বাউ|রেণু চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রেণুকা রায়}}
* {{বাউ|রেদওয়ান রনি}}
* {{বাউ|রেবতীভূষণ ঘোষ}}
* {{বাউ|রেবা সোম}}
* {{বাউ|রেয়াজুদ্দীন মাশহাদী আহমদ}}
* {{বাউ|রেহমান সোবহান}}
* {{বাউ|রোকেয়া সুলতানা (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|রোজিনা ইসলাম}}
* {{বাউ|রোজী আফসারী}}
* {{বাউ|রোমেনা আফাজ}}
* {{বাউ|লক্ষীছাড়া}}
* {{বাউ|লক্ষ্মীকান্ত মৈত্র}}
* {{বাউ|লজ্জাবতী বসু}}
* {{বাউ|লতিকা সরকার}}
* {{বাউ|লতিকা সেন}}
* {{বাউ|লতিফুর খান}}
* {{বাউ|লতিফুর রহমান (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|লতিফুল ইসলাম শিবলী}}
* {{বাউ|ললিত মোহন নাথ}}
* {{বাউ|ললিতা রায়}}
* {{বাউ|লাকী আখান্দ}}
* {{বাউ|লায়লা নূর}}
* {{বাউ|লায়লা সামাদ}}
* {{বাউ|লালমোহন গাঙ্গুলি}}
* {{বাউ|লিয়াকত আলী চৌধুরী}}
* {{বাউ|লিয়াকত আলী লাকী}}
* {{বাউ|লিলি চক্রবর্তী (কবি)}}
* {{বাউ|লিসা গাজী}}
* {{বাউ|লীমা ধর}}
* {{বাউ|লীলা রায়}}
* {{বাউ|লীলাবতী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|লীলাবতী মিত্র}}
* {{বাউ|লুইস জনসন}}
* {{বাউ|লুসি রহমান}}
* {{বাউ|লুৎফর রহমান (মুসলিম পণ্ডিত)}}
* {{বাউ|লুৎফর রহমান রিটন}}
* {{বাউ|লুৎফর রহমান সরকার}}
* {{বাউ|লুৎফর হাসান}}
* {{বাউ|লুৎফুন্নাহার হেলেন}}
* {{বাউ|লুৎফুল হায়দার চৌধুরী}}
* {{বাউ|লুৎফে সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|লেনিন গনি}}
* {{বাউ|লেবুমামা}}
* {{বাউ|লেমিস}}
* {{বাউ|লোকনাথ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|লোকমান হোসেন ফকির}}
* {{বাউ|লোকেন্দ্রনাথ পালিত}}
* {{বাউ|লোপামুদ্রা মিত্র}}
* {{বাউ|শংকর রায় চৌধুরী (চরিত্র)}}
* {{বাউ|শওকত আরা বেগম}}
* {{বাউ|শওকত আলী (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|শওকত আলী ইমন}}
* {{বাউ|শওকত আলী খান}}
* {{বাউ|শওকত জামিল}}
* {{বাউ|শওকত মাহমুদ}}
* {{বাউ|শক্তি বর্মণ}}
* {{বাউ|শক্তি মণ্ডল}}
* {{বাউ|শক্তিপদ রাজগুরু}}
* {{বাউ|শক্তিসাধন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শঙ্কর ঘোষ}}
* {{বাউ|শঙ্কর ঘোষ (পণ্ডিত)}}
* {{বাউ|শঙ্কর চ্যাটার্জী}}
* {{বাউ|শঙ্কর প্রসাদ মিত্র}}
* {{বাউ|শঙ্কর রায়}}
* {{বাউ|শঙ্কর সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|শঙ্করীপ্রসাদ বসু}}
* {{বাউ|শঙ্কু মহারাজ}}
* {{বাউ|শঙ্খ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|শচীন দাশ}}
* {{বাউ|শচীন ভৌমিক}}
* {{বাউ|শচীন্দ্রনাথ অধিকারী}}
* {{বাউ|শচীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শচীন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|শফি ইউ আহমেদ}}
* {{বাউ|শফিউর রহমান}}
* {{বাউ|শফিক আহমেদ}}
* {{বাউ|শফিক তুহিন}}
* {{বাউ|শবনম পারভীন}}
* {{বাউ|শবনম মুশতারী}}
* {{বাউ|শবনম রামস্বামী}}
* {{বাউ|শবর দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|শমসের মবিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|শমিতা দাশ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|শম্পা দাস}}
* {{বাউ|শম্ভু ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শম্ভুনাথ দে}}
* {{বাউ|শম্ভুনাথ পণ্ডিত}}
* {{বাউ|শম্ভুনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শরচ্চন্দ্র পণ্ডিত}}
* {{বাউ|শরণ}}
* {{বাউ|শরাফত আলী}}
* {{বাউ|শরিফ এনামুল কবির}}
* {{বাউ|শরিফা খাতুন}}
* {{বাউ|শরিফা খান}}
* {{বাউ|শরীফ উদ্দিন চাকলাদার}}
* {{বাউ|শরীফ খান}}
* {{বাউ|শরীফ মুহাম্মদ আজিজুল হক}}
* {{বাউ|শর্বরী জোহরা আহমেদ}}
* {{বাউ|শর্বরী রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|শর্মিলা বসু}}
* {{বাউ|শর্মিলা বিশ্বাস}}
* {{বাউ|শর্মিলা ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শর্মিলা সরকার}}
* {{বাউ|শরৎকুমার মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শরৎকুমারী চৌধুরাণী}}
* {{বাউ|শরৎচন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|শরৎচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|শরৎসুন্দরী দেবী}}
* {{বাউ|শশধর দত্ত}}
* {{বাউ|শশাঙ্ক চন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শশাঙ্ক শেখর সরকার}}
* {{বাউ|শশিভূষণ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|শশিশেখর বসু}}
* {{বাউ|শহিদুল আমিন}}
* {{বাউ|শহিদুল আলম}}
* {{বাউ|শহিদুল ইসলাম (বিচারক)}}
* {{বাউ|শহিদুল হক খান}}
* {{বাউ|শহীদ আখন্দ}}
* {{বাউ|শহীদ উল্লাহ তালুকদার}}
* {{বাউ|শহীদ সাবের}}
* {{বাউ|শহীদুল ইসলাম (গণিতবিদ)}}
* {{বাউ|শহীদুল ইসলাম (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|শহীদুল ইসলাম খোকন}}
* {{বাউ|শহীদুল হক}}
* {{বাউ|শহীদুল্লাহ খান}}
* {{বাউ|শাওন আকন্দ}}
* {{বাউ|শাকিলা জাফর}}
* {{বাউ|শাকুর মজিদ}}
* {{বাউ|শাজিয়া ওমর}}
* {{বাউ|শানারেই দেবী শানু}}
* {{বাউ|শানু লাহিড়ী}}
* {{বাউ|শান্তনু কায়সার}}
* {{বাউ|শান্তনু ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শান্তনু মৈত্র}}
* {{বাউ|শান্তা দেবী (নাগ)}}
* {{বাউ|শান্তিদেব ঘোষ}}
* {{বাউ|শান্তিময় চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শান্তিরঞ্জন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শান্তিসুধা ঘোষ}}
* {{বাউ|শাপলা সালিক}}
* {{বাউ|শাফিয়া খাতুন}}
* {{বাউ|শামছুল আলম}}
* {{বাউ|শামশুদ্দিন আহমদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন আহমদ (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন আহমেদ (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন টগর}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন হীরা}}
* {{বাউ|শামসুদ্দীন আবুল কালাম}}
* {{বাউ|শামসুন নাহার মাহমুদ}}
* {{বাউ|শামসুল আলম (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|শামসুল ইসলাম আলমাজী}}
* {{বাউ|শামসুল হক (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|শামসুল হুদা}}
* {{বাউ|শামসুল হুদা চৌধুরী}}
* {{বাউ|শামীম আকতার}}
* {{বাউ|শামীম আজাদ}}
* {{বাউ|শামীম আরা নিপা}}
* {{বাউ|শামীম আহমেদ রনি}}
* {{বাউ|শামীম আহসান}}
* {{বাউ|শামীম শিকদার}}
* {{বাউ|শামীম হায়দার}}
* {{বাউ|শামীম হাসনাইন}}
* {{বাউ|শামীমা করিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|শায়ান চৌধুরী অর্ণব}}
* {{বাউ|শায়েস্তা সোহরাওয়ার্দী ইকরামউল্লাহ}}
* {{বাউ|শারফুদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|শারমিন আলি}}
* {{বাউ|শার্মিন আক্তার}}
* {{বাউ|শাহ আজিজুর রহমান}}
* {{বাউ|শাহ আবদুল ওয়াহহাব}}
* {{বাউ|শাহ আবদুল হান্নান}}
* {{বাউ|শাহ আবু নাঈম মমিনুর রহমান}}
* {{বাউ|শাহ আবুল হাসনাৎ মোহাম্মদ ইসমাইল}}
* {{বাউ|শাহ আব্দুল হামিদ}}
* {{বাউ|শাহ আলম কিরণ}}
* {{বাউ|শাহ আলমগীর}}
* {{বাউ|শাহ আহমদ শফী}}
* {{বাউ|শাহ এ এম এস কিবরিয়া}}
* {{বাউ|শাহ খাজা শরফুদ্দীন}}
* {{বাউ|শাহ জাহাঙ্গীর কবীর}}
* {{বাউ|শাহ বারিদ খান}}
* {{বাউ|শাহ মাহাতাব আহমদ}}
* {{বাউ|শাহ মুহম্মদ সগীর}}
* {{বাউ|শাহ মো. ওয়ারেস আলী মামুন}}
* {{বাউ|শাহ মোঃ উললাহ}}
* {{বাউ|শাহ মোঃ হাসানুজ্জামান}}
* {{বাউ|শাহ মোহাম্মদ ফারুক}}
* {{বাউ|শাহ মোহাম্মদ ফারুক (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|শাহ মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস}}
* {{বাউ|শাহ মোহাম্মদ হাছানুজ্জামান}}
* {{বাউ|শাহজাদা আবদুল মালেক খান}}
* {{বাউ|শাহজাহান আহমেদ বিকাশ}}
* {{বাউ|শাহজাহান কিবরিয়া}}
* {{বাউ|শাহজাহান খান (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|শাহজাহান চৌধুরী (চলচ্চিত্র পরিচালক)}}
* {{বাউ|শাহদীন মালিক}}
* {{বাউ|শাহনাজ আরেফিন}}
* {{বাউ|শাহনাজ রহমতুল্লাহ}}
* {{বাউ|শাহনাজ হুদা}}
* {{বাউ|শাহনেওয়াজ কাকলী}}
* {{বাউ|শাহরিয়ার আলম}}
* {{বাউ|শাহরিয়ার নাজিম জয়}}
* {{বাউ|শাহলা খাতুন}}
* {{বাউ|শাহাদাত চৌধুরী}}
* {{বাউ|শাহাদাত হোসেন খান}}
* {{বাউ|শাহাদাৎ হোসেন (লেখক)}}
* {{বাউ|শাহাদাৎ হোসেন লিটন}}
* {{বাউ|শাহাবুদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|শাহাবুদ্দিন আহমেদ (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|শাহাবুদ্দিন আহমেদ (রাষ্ট্রদূত)}}
* {{বাউ|শাহাবুদ্দীন নাগরী}}
* {{বাউ|শাহীন আখতার}}
* {{বাউ|শাহীন দিল-রিয়াজ}}
* {{বাউ|শাহীন সামাদ}}
* {{বাউ|শাহীন-সুমন}}
* {{বাউ|শাহীনুর পাশা চৌধুরী}}
* {{বাউ|শাহেদ আলী}}
* {{বাউ|শাহেদ আলী পাটোয়ারী}}
* {{বাউ|শাহেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|শাহেদ নূরউদ্দিন}}
* {{বাউ|শাহ্ আলিমুজ্জামান}}
* {{বাউ|শিতালং শাহ}}
* {{বাউ|শিপ্রা গুহ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শিব নারায়ণ দাস}}
* {{বাউ|শিবকালী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শিবচন্দ্র বিদ্যার্ণব}}
* {{বাউ|শিবদাস বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শিবনারায়ণ রায়}}
* {{বাউ|শিবপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শিবব্রত বর্মন}}
* {{বাউ|শিবলি সাদিক}}
* {{বাউ|শিবাজী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শিমুল মুস্তাফা}}
* {{বাউ|শিমূল ইউসুফ}}
* {{বাউ|শিরীণ আখতার}}
* {{বাউ|শিশির কুমার ঘোষ}}
* {{বাউ|শিশির কুমার দাশ}}
* {{বাউ|শিশির কুমার মিত্র}}
* {{বাউ|শিশির ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|শিশির ভট্টাচার্য্য (ভাষাবিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|শিশিরকুমার বসু}}
* {{বাউ|শিশিরকুমার ভাদুড়ী}}
* {{বাউ|শিহাব শাহীন}}
* {{বাউ|শিহাব সরকার}}
* {{বাউ|শীলভদ্র}}
* {{বাউ|শুক্লা বোস}}
* {{বাউ|শুদ্ধানন্দ ব্রহ্মচারী}}
* {{বাউ|শুদ্ধানন্দ মহাথের}}
* {{বাউ|শুভ (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|শুভ গুহঠাকুরতা}}
* {{বাউ|শুভ রায়}}
* {{বাউ|শুভঙ্কর (গণিতবিদ)}}
* {{বাউ|শুভাগত চৌধুরী}}
* {{বাউ|শুভাশিস সিনহা}}
* {{বাউ|শুভ্র (চরিত্র)}}
* {{বাউ|শুভ্র দেব}}
* {{বাউ|শুভ্রা ঘোষ}}
* {{বাউ|শেখ আবদুল আউয়াল}}
* {{বাউ|শেখ আবদুল আজিজ}}
* {{বাউ|শেখ আবদুল মান্নান}}
* {{বাউ|শেখ আবদুস সালাম}}
* {{বাউ|শেখ আবুল কাশেম মিঠুন}}
* {{বাউ|শেখ আব্দুর রহিম}}
* {{বাউ|শেখ আব্দুস সালাম}}
* {{বাউ|শেখ খলিলুর রহমান হামিদি}}
* {{বাউ|শেখ গোলাম মাকসুদ হিলালী}}
* {{বাউ|শেখ তৈয়বুর রহমান}}
* {{বাউ|শেখ দীন মুহাম্মদ}}
* {{বাউ|শেখ নিয়ামত আলী}}
* {{বাউ|শেখ ফয়জুল্লাহ}}
* {{বাউ|শেখ বখতিয়ার উদ্দিন}}
* {{বাউ|শেখ ভানু}}
* {{বাউ|শেখ মকবুল ইসলাম}}
* {{বাউ|শেখ মনিরুল আলম টিপু}}
* {{বাউ|শেখ মাকসুদ আলী}}
* {{বাউ|শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ}}
* {{বাউ|শেখ মো. জাকির হোসেন}}
* {{বাউ|শেখ মোঃ নূরুল হক}}
* {{বাউ|শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ}}
* {{বাউ|শেখ রাজ্জাক আলী}}
* {{বাউ|শেখ রেজোয়ান আলী}}
* {{বাউ|শেখ লুতফর রহমান}}
* {{বাউ|শেখ শহীদুল ইসলাম}}
* {{বাউ|শেখ হাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|শেখ হাসান আরিফ}}
* {{বাউ|শেখর চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শেখর বসু}}
* {{বাউ|শেফালী ঘোষ}}
* {{বাউ|শেলী সেনগুপ্তা}}
* {{বাউ|শৈল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শৈলজারঞ্জন মজুমদার}}
* {{বাউ|শৈলবালা ঘোষজায়া}}
* {{বাউ|শৈলেন ঘোষ}}
* {{বাউ|শৈলেন রায়}}
* {{বাউ|শৈলেন্দ্র সরকার}}
* {{বাউ|শৈলেশ দে}}
* {{বাউ|শোভনা শর্মা}}
* {{বাউ|শোভনাসুন্দরী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শোভা রানী ত্রিপুরা}}
* {{বাউ|শোহিদ আলী}}
* {{বাউ|শৌভিক দে সরকার}}
* {{বাউ|শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর}}
* {{বাউ|শ্যামমোহিনী দেবী}}
* {{বাউ|শ্যামল কুমার সেন}}
* {{বাউ|শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শ্যামল গুপ্ত}}
* {{বাউ|শ্যামল দত্ত রায়}}
* {{বাউ|শ্যামল বসাক}}
* {{বাউ|শ্যামল মিত্র}}
* {{বাউ|শ্যামলকৃষ্ণ ঘোষ}}
* {{বাউ|শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|শ্যামসুন্দর চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|শ্যামসুন্দর বৈষ্ণব}}
* {{বাউ|শ্যামাচরণ শ্রীমানী}}
* {{বাউ|শ্যামাদাস চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শ্যামাদাস মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (পরিসংখ্যানবিদ)}}
* {{বাউ|শ্রাবন্তী নারমীন আলী}}
* {{বাউ|শ্রী জহির}}
* {{বাউ|শ্রী পারাবত}}
* {{বাউ|শ্রী প্রীতম}}
* {{বাউ|শ্রীকর নন্দী}}
* {{বাউ|শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শ্রীজাত}}
* {{বাউ|শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ}}
* {{বাউ|শ্রীধর আচার্য}}
* {{বাউ|শ্রীধর ভেঙ্কটেশ কেতকর}}
* {{বাউ|শ্রীমতি রাসাসুন্দরী}}
* {{বাউ|শ্রীশচন্দ্র নন্দী}}
* {{বাউ|শ্রীশচন্দ্র বিদ্যারত্ন}}
* {{বাউ|শ্রীশচন্দ্র মজুমদার}}
* {{বাউ|শ্রেয়সী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শ্রেষ্ঠ নাট্যকারের জন্য মেরিল-প্রথম আলো সমালোচক পুরস্কার}}
* {{বাউ|শ্ৰীকৃষ্ণ সার্বভৌম}}
* {{বাউ|ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সংগ্রাম কুমার দোলই}}
* {{বাউ|সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সঙ্ঘমিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সজনীকান্ত দাস}}
* {{বাউ|সজীব দাস}}
* {{বাউ|সঞ্চিতা ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|সঞ্জয় (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|সঞ্জয় কুমার অধিকারী}}
* {{বাউ|সঞ্জয় গুহঠাকুরতা}}
* {{বাউ|সতীকান্ত গুহ}}
* {{বাউ|সতীনাথ ভাদুড়ী}}
* {{বাউ|সতীশচন্দ্র আচার্য বিদ্যাভূষণ}}
* {{বাউ|সতীশচন্দ্র দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|সতীশচন্দ্র পাকড়াশী}}
* {{বাউ|সতীশচন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|সতীশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সত্য চৌধুরী}}
* {{বাউ|সত্য সাহা}}
* {{বাউ|সত্যপ্রিয় ঘোষ}}
* {{বাউ|সত্যপ্রিয় মহাথের}}
* {{বাউ|সত্যবতী (ব্যোমকেশ বক্সীর স্ত্রী)}}
* {{বাউ|সত্যব্রত সামশ্রমী}}
* {{বাউ|সত্যরঞ্জন বকসি}}
* {{বাউ|সত্যানন্দ গিরি}}
* {{বাউ|সত্যানন্দ দাশ}}
* {{বাউ|সত্যেন সেন}}
* {{বাউ|সত্যেন্দ্র চন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|সত্যেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সত্যেন্দ্রনাথ মৈত্র}}
* {{বাউ|সত্যেন্দ্রনাথ সেন}}
* {{বাউ|সনাতন গোস্বামী}}
* {{বাউ|সন্তোষ গুপ্ত}}
* {{বাউ|সন্তোষ চন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|সন্তোষ ঢালী}}
* {{বাউ|সন্তোষ রানা}}
* {{বাউ|সন্তোষকুমার ঘোষ}}
* {{বাউ|সন্তোষকুমারী দেবী}}
* {{বাউ|সন্দীপ ঘোষ}}
* {{বাউ|সন্দীপ দত্ত}}
* {{বাউ|সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সন্ধ্যাকর নন্দী}}
* {{বাউ|সন্মথ দত্ত}}
* {{বাউ|সন্মাত্রানন্দ}}
* {{বাউ|সন্জীদা খাতুন}}
* {{বাউ|সনৎ কর}}
* {{বাউ|সনৎ কুমার সাহা}}
* {{বাউ|সপ্তর্ষি ব্যানার্জি}}
* {{বাউ|সফিউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|সফিউদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|সবিতা রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|সবিতাব্রত দত্ত}}
* {{বাউ|সব্যসাচী মুখোপাধ্যায় (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|সমর দাস}}
* {{বাউ|সমর বাগচী}}
* {{বাউ|সমর মজুমদার}}
* {{বাউ|সমর সেন}}
* {{বাউ|সমরজিৎ রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্র কুমার মিত্র}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্র চন্দ্র দেব}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্র নাথ পাণ্ডে}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্র মল্লিক}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্রনাথ রায়}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্রনাথ সেন}}
* {{বাউ|সমরেশ বসু}}
* {{বাউ|সমাপ্তি চ্যাটার্জি}}
* {{বাউ|সমীর কুমার সাহা}}
* {{বাউ|সমীর রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|সমুদ্র গুপ্ত (কবি)}}
* {{বাউ|সরকার প্রতিক}}
* {{বাউ|সরদার জয়েনউদ্দীন}}
* {{বাউ|সরদার ফজলুল করিম}}
* {{বাউ|সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীর}}
* {{বাউ|সরদার মোশারফ হোসেন}}
* {{বাউ|সরদার মোহাম্মদ আবদুল হামিদ}}
* {{বাউ|সরযূবালা দেবী}}
* {{বাউ|সরযূবালা সেন}}
* {{বাউ|সরলা বসু}}
* {{বাউ|সরলা বিড়লা}}
* {{বাউ|সরলা রায়}}
* {{বাউ|সরসীবালা বসু}}
* {{বাউ|সরোজ কান্তি সিংহ হাজারী}}
* {{বাউ|সরোজ গুপ্ত}}
* {{বাউ|সরোজ ঘোষ}}
* {{বাউ|সরোজ দত্ত}}
* {{বাউ|সরোজ নলিনী দত্ত}}
* {{বাউ|সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সরোজকুমার রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ}}
* {{বাউ|সলিল চৌধুরী}}
* {{বাউ|সলিল সেন}}
* {{বাউ|সহিদুল করিম}}
* {{বাউ|সহিফা বানু}}
* {{বাউ|সাইদা খানম}}
* {{বাউ|সাইদুল আনাম টুটুল}}
* {{বাউ|সাইদুল হাসান (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|সাইদুস সালেহীন খালেদ সুমন}}
* {{বাউ|সাইফ হাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|সাইফউদ-দীন চৌধুরী}}
* {{বাউ|সাইফুজ্জামান শিখর}}
* {{বাউ|সাইফুদ্দিন শাহ্}}
* {{বাউ|সাইফুর রহমান}}
* {{বাউ|সাইফুল আজম কাশেম}}
* {{বাউ|সাইফুল ইসলাম (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|সাইফুল ইসলাম মান্নু}}
* {{বাউ|সাইফুল হক}}
* {{বাউ|সাইম রানা}}
* {{বাউ|সাইমন জাকারিয়া}}
* {{বাউ|সাইয়িদ আতীকুল্লাহ}}
* {{বাউ|সাঈদ আহমদ}}
* {{বাউ|সাঈদ উদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|সাঈদ হায়দার}}
* {{বাউ|সাঈদ-উর-রহমান}}
* {{বাউ|সাঈদা মুনা তাসনিম}}
* {{বাউ|সাকিব ফাহাদ}}
* {{বাউ|সাগর জাহান}}
* {{বাউ|সাগরময় ঘোষ}}
* {{বাউ|সাগরলাল দত্ত}}
* {{বাউ|সাজিদুর রহমান}}
* {{বাউ|সাজেদুল করিম}}
* {{বাউ|সাজ্জাদুল হাসান (আমলা)}}
* {{বাউ|সাদাত আবুল মাসুদ}}
* {{বাউ|সাদাত হোসাইন}}
* {{বাউ|সাদি মহম্মদ}}
* {{বাউ|সাদিক হোসেন}}
* {{বাউ|সাদিয়া ফাইজুন্নেসা}}
* {{বাউ|সাদির উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|সাদেক খান (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|সাধনা আহমেদ}}
* {{বাউ|সানাউল হক}}
* {{বাউ|সানাউল হক খান}}
* {{বাউ|সানাউল্লাহ নূরী}}
* {{বাউ|সানি সানোয়ার}}
* {{বাউ|সানিয়া সুলতানা লিজা}}
* {{বাউ|সানী জুবায়ের}}
* {{বাউ|সাফি উদ্দিন সাফি}}
* {{বাউ|সাবরিনা পড়শী}}
* {{বাউ|সাবিত্রী রায়}}
* {{বাউ|সাব্বির নাসির}}
* {{বাউ|সামন্ত লাল সেন}}
* {{বাউ|সামসুল হক (কবি)}}
* {{বাউ|সামিনা চৌধুরী}}
* {{বাউ|সামিয়া জামান}}
* {{বাউ|সাযযাদ কাদির}}
* {{বাউ|সায়মা ওয়াজেদ পুতুল}}
* {{বাউ|সায়েদুর রহমান}}
* {{বাউ|সায়েবা আখতার}}
* {{বাউ|সারদাচরণ মিত্র}}
* {{বাউ|সারদারঞ্জন রায়}}
* {{বাউ|সারা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সারা যাকের}}
* {{বাউ|সারা হোসেন}}
* {{বাউ|সালমা ইসলাম}}
* {{বাউ|সালমা মাসুদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|সালমা সুলতানা}}
* {{বাউ|সালমা সোবহান}}
* {{বাউ|সালাউদ্দিন সরদার}}
* {{বাউ|সালাহ উদ্দিন ইউসুফ}}
* {{বাউ|সালাহ উদ্দিন নানুপুরী}}
* {{বাউ|সালাহউদ্দিন (চলচ্চিত্র পরিচালক)}}
* {{বাউ|সালাহউদ্দিন আহমেদ (অ্যাটর্নি জেনারেল)}}
* {{বাউ|সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী}}
* {{বাউ|সালাহউদ্দিন লাভলু}}
* {{বাউ|সালিমুল হক}}
* {{বাউ|সালেহ উদ্দিন}}
* {{বাউ|সালেহ উদ্দীন আহমদ জহুরী}}
* {{বাউ|সালেহ হাসান নকীব}}
* {{বাউ|সালেহউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|সাহানাজ সুলতানা}}
* {{বাউ|সাহিদা বেগম}}
* {{বাউ|সি এম শফি সামি}}
* {{বাউ|সি. বি. জামান}}
* {{বাউ|সিকদার আমিনুল হক}}
* {{বাউ|সিকদার মাহমুদুর রাজী}}
* {{বাউ|সিগমা হুদা}}
* {{বাউ|সিতারা বেগম}}
* {{বাউ|সিদ্দিক আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|সিদ্দিকা কবীর}}
* {{বাউ|সিদ্দিকুর রহমান মিয়া}}
* {{বাউ|সিদ্ধার্থ ঘোষ}}
* {{বাউ|সিদ্ধার্থ মুখার্জী}}
* {{বাউ|সিদ্ধেশ্বর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সিয়াম আহমেদ}}
* {{বাউ|সিরাজ উদদীন আহমেদ}}
* {{বাউ|সিরাজ উদ্দিন মিয়া}}
* {{বাউ|সিরাজ সাঁই}}
* {{বাউ|সিরাজ হায়দার}}
* {{বাউ|সিরাজুদ্দীন হোসেন}}
* {{বাউ|সিরাজুর রহমান}}
* {{বাউ|সিরাজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|সিরাজুল ইসলাম (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|সিরাজুল ইসলাম (কবি)}}
* {{বাউ|সিরাজুল করিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|সিরাজুল হক (বাচ্চু মিয়া)}}
* {{বাউ|সিরাজুল হক (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|সিরাজুল হক খান}}
* {{বাউ|সিরিল সিকদার}}
* {{বাউ|সীতা দেবী}}
* {{বাউ|সীতানাথ তত্ত্বভূষণ}}
* {{বাউ|সীতানাথ সিদ্ধান্তবাগীশ}}
* {{বাউ|সুকন্যা দত্ত}}
* {{বাউ|সুকান্ত চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুকুমারী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|সুখময় চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুখরঞ্জন সমাদ্দার}}
* {{বাউ|সুগত বসু}}
* {{বাউ|সুগত মারজিত}}
* {{বাউ|সুচরিত চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুচারু দেবী}}
* {{বাউ|সুচিত্রা মিত্র}}
* {{বাউ|সুজন দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুজন বড়ুয়া}}
* {{বাউ|সুজয় পল}}
* {{বাউ|সুজাত খান (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|সুজেয় শ্যাম}}
* {{বাউ|সুতপা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুতপা বসু}}
* {{বাউ|সুদর্শন ঘোষ দস্তিদার}}
* {{বাউ|সুদীপ্ত-হেরম্যান}}
* {{বাউ|সুদীপ্তা সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুদেষ্ণা রায়}}
* {{বাউ|সুদেষ্ণা সিনহা}}
* {{বাউ|সুধাংশু দত্ত মজুমদার}}
* {{বাউ|সুধাংশু শেখর হালদার}}
* {{বাউ|সুধাংশুকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুধাংশুবালা হাজরা}}
* {{বাউ|সুধীন দত্ত}}
* {{বাউ|সুধীন দাশ}}
* {{বাউ|সুধীন দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুধীন্দ্রনাথ রাহা}}
* {{বাউ|সুধীর চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুধীরকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুধীরচন্দ্র কর}}
* {{বাউ|সুধীরঞ্জন প্রধান}}
* {{বাউ|সুধীরনাথ সান্যাল}}
* {{বাউ|সুধীরলাল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুনন্দ সান্যাল}}
* {{বাউ|সুনন্দা শিকদার}}
* {{বাউ|সুনয়নী দেবী}}
* {{বাউ|সুনীতি দেবী}}
* {{বাউ|সুনীতিকুমার পাঠক}}
* {{বাউ|সুনীল দাশ (লেখক)}}
* {{বাউ|সুনেত্রা গুপ্ত}}
* {{বাউ|সুন্দরীমোহন দাস}}
* {{বাউ|সুপ্রিয়া চৌধুরী (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|সুফি (কার্টুনিস্ট)}}
* {{বাউ|সুফি মিজানুর রহমান}}
* {{বাউ|সুফি মোতাহার হোসেন}}
* {{বাউ|সুফিয়া খাতুন}}
* {{বাউ|সুফী জুলফিকার হায়দার}}
* {{বাউ|সুবল দাস}}
* {{বাউ|সুবিমল বসাক}}
* {{বাউ|সুবিমল মিশ্র}}
* {{বাউ|সুবোধ ঘোষ}}
* {{বাউ|সুবোধ মিত্র}}
* {{বাউ|সুবোধ সরকার}}
* {{বাউ|সুবোধকুমার চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুব্রত রায় (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|সুব্রত রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুভাষ চন্দ্র শীল}}
* {{বাউ|সুভাষ চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুভাষ দত্ত}}
* {{বাউ|সুভাষ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|সুভাষ মুখোপাধ্যায় (কবি)}}
* {{বাউ|সুভাষ সিংহ রায়}}
* {{বাউ|সুভো ঠাকুর}}
* {{বাউ|সুমথনাথ ঘোষ}}
* {{বাউ|সুমন কল্যাণপুর}}
* {{বাউ|সুমন চট্টোপাধ্যায় (সাংবাদিক ও লেখক)}}
* {{বাউ|সুমন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুমনা রায়}}
* {{বাউ|সুমনা সিনহা}}
* {{বাউ|সুমিত রায়}}
* {{বাউ|সুমিত সরকার}}
* {{বাউ|সুমিত সাহা}}
* {{বাউ|সুরজিৎচন্দ্র লাহিড়ী}}
* {{বাউ|সুরজিৎচন্দ্র সিনহা}}
* {{বাউ|সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুরবালা ঘোষ}}
* {{বাউ|সুরমা জাহিদ}}
* {{বাউ|সুরমা মিত্র দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্র কুমার সিনহা}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্র নারায়ণ দাশ}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রকুমার দে}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ ঘোষ}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ মিত্র}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|সুরেশ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|সুরেশ রঞ্জন বসাক}}
* {{বাউ|সুরেশচন্দ্র চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুরেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুলতান আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুলতান উদ্দিন ভূঞা}}
* {{বাউ|সুলতান হোসেন খান}}
* {{বাউ|সুলতানা আফরোজ}}
* {{বাউ|সুলতানা ইয়াসমিন লায়লা}}
* {{বাউ|সুলতানা কামাল}}
* {{বাউ|সুলতানা নুরুন নাহার}}
* {{বাউ|সুলতানা ফিরদৌসী}}
* {{বাউ|সুলতানা সারওয়াত আরা জামান}}
* {{বাউ|সুলতানুল কবির চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুশান্ত মজুমদার}}
* {{বাউ|সুশীল কুমার দে}}
* {{বাউ|সুশীল জানা}}
* {{বাউ|সুশীল রঞ্জন চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুশীলকুমার ঘোষ}}
* {{বাউ|সুশীলকুমার মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুশীলা অনিতা ব্যানার্জী}}
* {{বাউ|সুশোভন বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুশোভন সরকার}}
* {{বাউ|সুষমা দাস}}
* {{বাউ|সুস্মিতা আনিস}}
* {{বাউ|সুস্মিতা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুস্মিতা বসু}}
* {{বাউ|সুস্মিতা বসু মজুমদার}}
* {{বাউ|সুহরাব হোসেন}}
* {{বাউ|সুহাস চন্দ্র দত্ত রায়}}
* {{বাউ|সুহাসিনী দাস}}
* {{বাউ|সূর্যকুমার সর্বাধিকারী}}
* {{বাউ|সেকুল ইসলাম}}
* {{বাউ|সেজান মাহমুদ}}
* {{বাউ|সেজুল হোসেন}}
* {{বাউ|সেলিনা আখতার}}
* {{বাউ|সেলিনা পারভীন}}
* {{বাউ|সেলিনা বানু}}
* {{বাউ|সেলিনা বাহার জামান}}
* {{বাউ|সেলিনা হায়াৎ আইভী}}
* {{বাউ|সেলিম আলতাফ জর্জ}}
* {{বাউ|সেলিম মাহমুদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ অহিদুজ্জামান ডায়মন্ড}}
* {{বাউ|সৈয়দ আকরম হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ আক্তার হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ আজিজুল হক}}
* {{বাউ|সৈয়দ আতিকুল হক}}
* {{বাউ|সৈয়দ আনোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ আনোয়ারুল করিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবদুস সামাদ (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবদুস সুলতান}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবদুস সোবহান}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবু কাওসার মো. দবিরুশ্বান}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবুল মকসুদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবুল মনসুর হাবিবুল্লাহ}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবুল মাসুদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ আব্দুন নূর হোছেনী চিশতি}}
* {{বাউ|সৈয়দ আব্দুল মজিদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ আব্দুল হাদী}}
* {{বাউ|সৈয়দ আমিরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|সৈয়দ আমীর আলী}}
* {{বাউ|সৈয়দ আলতাফ হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ এ কে এম এমদাদুল বারী}}
* {{বাউ|সৈয়দ এ. বি. মাহমুদ হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ এ.বি মাহমুদুল হক}}
* {{বাউ|সৈয়দ এমদাদ আলী}}
* {{বাউ|সৈয়দ গিয়াসউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া}}
* {{বাউ|সৈয়দ জাহাঙ্গীর}}
* {{বাউ|সৈয়দ জাহেদ মনসুর}}
* {{বাউ|সৈয়দ জে. আর. মোদাচ্ছির হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ তারেক হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী}}
* {{বাউ|সৈয়দ নওশের আলী}}
* {{বাউ|সৈয়দ নজমুল হক (বুদ্ধিজীবী)}}
* {{বাউ|সৈয়দ নাজমুদ্দীন হাশেম}}
* {{বাউ|সৈয়দ নাজমুল হক}}
* {{বাউ|সৈয়দ নূরুদ্দিন}}
* {{বাউ|সৈয়দ নূরুদ্দীন}}
* {{বাউ|সৈয়দ পীর বাদশাহ}}
* {{বাউ|সৈয়দ ফজলুল করিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ ফয়জুল করিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ ফাহিম মুনাইম}}
* {{বাউ|সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|সৈয়দ মাইনুল হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ মাহমুদ হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ মুর্তাজা আলী}}
* {{বাউ|সৈয়দ মুহাম্মদ আবদুল ফায়েজ}}
* {{বাউ|সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ মুহাম্মদ ইসহাক}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান নিজামী শাহ}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ তাজরুল হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ তৈফুর}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ রায়হান উদ্দিন}}
* {{বাউ|সৈয়দ রেজাউল করিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ রেফাত আহমেদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ শাহ ইসরাইল}}
* {{বাউ|সৈয়দ শাহনুর}}
* {{বাউ|সৈয়দ শাহিদুর রহমান}}
* {{বাউ|সৈয়দ সফিউল্লাহ}}
* {{বাউ|সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ সুলতান}}
* {{বাউ|সৈয়দ হাবিবুল হক}}
* {{বাউ|সৈয়দ হাসান আহমদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ হুমায়ুন আখতার}}
* {{বাউ|সৈয়দ হেদায়েতউল্লাহ}}
* {{বাউ|সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু}}
* {{বাউ|সৈয়দা ইসাবেলা}}
* {{বাউ|সৈয়দা মরিয়ম গুলশান হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দা মোতাহেরা বানু}}
* {{বাউ|সৈয়দা রুবিনা আক্তার}}
* {{বাউ|সোনালি চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সোনালী বসু}}
* {{বাউ|সোনিয়া নিশাত আমিন}}
* {{বাউ|সোমদত্তা সিনহা}}
* {{বাউ|সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সোমনাথ লাহিড়ী}}
* {{বাউ|সোমলতা আচার্য্য চৌধুরী}}
* {{বাউ|সোমশুক্লা}}
* {{বাউ|সোমা চৌধুরী}}
* {{বাউ|সোমেন চন্দ}}
* {{বাউ|সোমেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সোমেন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|সোমেশচন্দ্র বসু}}
* {{বাউ|সোমেশ্বর অলি}}
* {{বাউ|সোমেশ্বরপ্রসাদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|সোল্স}}
* {{বাউ|সোহরাব আলী সানা}}
* {{বাউ|সোহানুর রহমান সোহান}}
* {{বাউ|সোহিনী আলম}}
* {{বাউ|সোহিনী রায়}}
* {{বাউ|সোহেল রানা (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|সৌগত রায়}}
* {{বাউ|সৌদামিনী দেবী}}
* {{বাউ|সৌমিত্র শেখর দে}}
* {{বাউ|সৌমেন্দ্র সরকার}}
* {{বাউ|সৌম্যদীপ মুর্শিদাবাদী}}
* {{বাউ|সৌরভ পাল}}
* {{বাউ|সৌরীন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|সৌরীন্দ্রমোহন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|স্টেলা ক্রামরিশ}}
* {{বাউ|স্থবির দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|স্নেহময় দত্ত}}
* {{বাউ|স্নেহাংশুকান্ত আচার্য}}
* {{বাউ|স্নেহাসিক্তা স্বর্ণকার}}
* {{বাউ|স্বদেশ রায়}}
* {{বাউ|স্বপন কুমার পতি}}
* {{বাউ|স্বপন গুপ্ত}}
* {{বাউ|স্বপন দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|স্বপনকুমার চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|স্বপ্নময় চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|স্বপ্নীল সজীব}}
* {{বাউ|স্বরব্যাঞ্জো}}
* {{বাউ|স্বরোচিষ সরকার}}
* {{বাউ|স্বাধীন কুমার মন্ডল}}
* {{বাউ|স্বামী অসক্তানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী গম্ভীরানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী নিগমানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী নিরঞ্জনানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী প্রণবানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী প্রভবানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী বিরজানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী বোধানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী মাধবানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী লোকেশ্বরানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী শিবানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী সত্যানন্দ পুরী}}
* {{বাউ|স্বামী সমর্পণানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী সারদানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী স্বরূপানন্দ}}
* {{বাউ|স্মরণজিৎ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|স্যাভি গুপ্ত}}
* {{বাউ|স্যামসন এইচ চৌধুরী}}
* {{বাউ|হংসনারায়ণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|হবিবুর রহমান}}
* {{বাউ|হবীবুল্লাহ বাহার চৌধুরী}}
* {{বাউ|হযরত আলী (কৃষিতত্ত্ববিদ)}}
* {{বাউ|হরচন্দ্র ঘোষ (নাট্যকার)}}
* {{বাউ|হরপ্রসাদ শাস্ত্রী}}
* {{বাউ|হরলাল রায়}}
* {{বাউ|হরি কেশব সেন}}
* {{বাউ|হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হরিদাস পাল}}
* {{বাউ|হরিদাস ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|হরিদাস সিদ্ধান্তবাগীশ}}
* {{বাউ|হরিদেব}}
* {{বাউ|হরিনাথ দে}}
* {{বাউ|হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হরিপদ কাপালী}}
* {{বাউ|হরিপদ দত্ত}}
* {{বাউ|হরিশ চন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|হরিশংকর জলদাস}}
* {{বাউ|হরিশংকর দাশ}}
* {{বাউ|হরিশঙ্কর বাসুদেবন}}
* {{বাউ|হরিশ্চন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হরিসাধন চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হরিহর শেঠ}}
* {{বাউ|হরীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হরেকৃষ্ণ কোঙার}}
* {{বাউ|হরেন ঘটক}}
* {{বাউ|হরেন ঘোষ}}
* {{বাউ|হরেন্দ্র কুমার মুখার্জি}}
* {{বাউ|হরেন্দ্রনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|হর্ষ দত্ত}}
* {{বাউ|হর্ষবর্ধন-গোবর্ধন (চরিত্র)}}
* {{বাউ|হলধর পটল}}
* {{বাউ|হাকিম হাবিবুর রহমান}}
* {{বাউ|হাছন রাজা (হাসন রাজা)}}
* {{বাউ|হাজী মুহাম্মদ নছীম}}
* {{বাউ|হাজেরা মাহতাব}}
* {{বাউ|হাতেম আলী মিয়া}}
* {{বাউ|হানিফ পাঠান}}
* {{বাউ|হানিফউদ্দিন মিয়া}}
* {{বাউ|হাফিজা খাতুন}}
* {{বাউ|হাবিব ওয়াহিদ}}
* {{বাউ|হাবিবুর রহমান (তোতা মিয়া)}}
* {{বাউ|হাবিবুর রহমান আকন}}
* {{বাউ|হাবিবুর রহমান খান}}
* {{বাউ|হাবিবুর রহমান মিলন}}
* {{বাউ|হাবিবুল ইসলাম ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|হাবীবুর রহমান (কবি)}}
* {{বাউ|হাবীবুল্লাহ সিরাজী}}
* {{বাউ|হামিদা বেগম}}
* {{বাউ|হামিদা হোসেন}}
* {{বাউ|হামিদুজ্জামান খান}}
* {{বাউ|হামিদুজ্জামান সরকার}}
* {{বাউ|হামিদুর রহমান (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|হামিদুল হক খন্দকার}}
* {{বাউ|হামিদুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|হামিন আহমেদ}}
* {{বাউ|হামিরুদ্দিন মিদ্যা}}
* {{বাউ|হামুদুর রহমান}}
* {{বাউ|হামেদুর রহমান}}
* {{বাউ|হায়দার আকবর খান রনো}}
* {{বাউ|হায়দার হোসেন}}
* {{বাউ|হায়াৎ সাইফ}}
* {{বাউ|হারুন আল রশিদ}}
* {{বাউ|হারুন হাবীব}}
* {{বাউ|হারুনর রশিদ}}
* {{বাউ|হালিমা খাতুন}}
* {{বাউ|হাশেম খান}}
* {{বাউ|হাসনা জসিম উদ্দিন মওদুদ}}
* {{বাউ|হাসনা বেগম}}
* {{বাউ|হাসমত}}
* {{বাউ|হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|হাসান মতিউর রহমান}}
* {{বাউ|হাসান মশহুদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|হাসান মাসুদ}}
* {{বাউ|হাসান মাহমুদ খন্দকার}}
* {{বাউ|হাসান শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|হাসান সাইফুদ্দিন চন্দন}}
* {{বাউ|হাসান সিরাজ সুজা}}
* {{বাউ|হাসান সোহরাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|হাসান হাফিজ}}
* {{বাউ|হাসানউজ্জামান খান}}
* {{বাউ|হাসিনা খান}}
* {{বাউ|হাসিনা মমতাজ (কণ্ঠশিল্পী)}}
* {{বাউ|হাসিনা মুর্শেদ}}
* {{বাউ|হাসিবুন নাহার}}
* {{বাউ|হাসিবুর রেজা কল্লোল}}
* {{বাউ|হাসিবুল ইসলাম মিজান}}
* {{বাউ|হাসিরাশি দেবী}}
* {{বাউ|হিতেশরঞ্জন সান্যাল}}
* {{বাউ|হিমাংশু দত্ত}}
* {{বাউ|হিমানি বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হিমানীশ গোস্বামী}}
* {{বাউ|হিমু আকরাম}}
* {{বাউ|হিমেল আশরাফ}}
* {{বাউ|হিরণ্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হিরন্ময় সেন গুপ্ত}}
* {{বাউ|হীরালাল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|হীরালাল চৌধুরী}}
* {{বাউ|হীরেন্দ্রনাথ দত্ত}}
* {{বাউ|হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হুকাকাশি}}
* {{বাউ|হুমায়ুন কবির}}
* {{বাউ|হুমায়ুন কবির (কবি)}}
* {{বাউ|হুমায়ুন কবীর বালু}}
* {{বাউ|হুমায়ূন কবীর ঢালী}}
* {{বাউ|হুমায়ূন কবীর সাধু}}
* {{বাউ|হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|হুসনা আহমেদ}}
* {{বাউ|হুসনা বানু খানম}}
* {{বাউ|হৃদয় খান}}
* {{বাউ|হেনা দাস}}
* {{বাউ|হেমচন্দ্র বসু}}
* {{বাউ|হেমচন্দ্র বাগচী}}
* {{বাউ|হেমচন্দ্র রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|হেমন্ত মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হেমন্তকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হেমন্তকুমার সরকার}}
* {{বাউ|হেমাঙ্গ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|হেমেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হেমেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|হেমেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হেমেন্দ্রনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|হেরম্বচন্দ্র মৈত্র}}
* {{বাউ|হেলেনা খান}}
* {{বাউ|হৈমন্তী রক্ষিত}}
* {{বাউ|হৈমন্তী শুক্লা}}
* {{বাউ|হোসনে আরা (কবি)}}
* {{বাউ|হোসনে আরা বেগম (সমাজকর্মী)}}
* {{বাউ|হোসনে আরা শাহেদ}}
* {{বাউ|হোসেন উদ্দিন শেখর}}
* {{বাউ|হোসেন জিল্লুর রহমান}}
* {{বাউ|হোসেনউদ্দীন হোসেন}}
* {{বাউ|হ্যানা সেন}}
{{Div col end}}
== অনুবাদ ==
এটি একটি সহায়ক তালিকা মাত্র। ভূক্তি তৈরির জন্য [https://en.wikiquote.org ইংরেজি উইকিউক্তি] থেকে ন্যূনতম ৩টি ভুক্তি এবং ১৫০ শব্দ সংবলিত পাতা বাংলায় অনুবাদ করতে পারেন।
=== অবাঙালি ব্যক্তি ===
{{Div col|colwidth=20em|rules=yes}}
* {{eq|A. C. Benson|এ. সি. বেনসন}}
* {{eq|A. C. Bradley|এ. সি. ব্র্যাডলি}}
* {{eq|A. J. P. Taylor|এ. জে. পি. টেলর}}
* {{eq|Abdulrazak Gurnah|আবদুলরাজাক গুরনাহ}}
* {{eq|Abdus Salam|আবদুস সালাম}}
* {{eq|Abhijit Naskar|অভিজিৎ নস্কর}}
* {{eq|Abiy Ahmed|আবি আহমেদ}}
* {{eq|Abraham Pais|আব্রাহাম পাইস}}
* {{eq|Adam Riess|অ্যাডাম রিস}}
* {{eq|Ahmed Zewail|আহমেদ জেওয়াইল}}
* {{eq|Al Gore|আল গোর}}
* {{eq|Al-Biruni|আল-বিরুনি}}
* {{eq|Al-Farabi|আল-ফারাবি}}
* {{eq|Al-Jahiz|আল-জাহিয}}
* {{eq|Alain Aspect|আলাঁ আস্পে}}
* {{eq|Alain de Botton|আলাঁ দ্য বতোঁ}}
* {{eq|Alan Guth|অ্যালান গুথ}}
* {{eq|Alan Kay|অ্যালান কে}}
* {{eq|Alan Perlis|অ্যালান পারলিস}}
* {{eq|Albert Hofmann|আলবার্ট হফমান}}
* {{eq|Albert I of Belgium|প্রথম আলবার্ট (বেলজিয়াম)}}
* {{eq|Albert Schweitzer|আলবার্ট সোয়াইৎজার}}
* {{eq|Albertus Magnus|আলবার্টাস ম্যাগনাস}}
* {{eq|Aldo Leopold|অ্যাল্ডো লিওপোল্ড}}
* {{eq|Aleksandr Solzhenitsyn|আলেকসান্দ্র্ সলজেনিৎসিন}}
* {{eq|Alex Haley|অ্যালেক্স হেইলি}}
* {{eq|Alexander Fleming|আলেকজান্ডার ফ্লেমিং}}
* {{eq|Alexander Grothendieck|আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক}}
* {{eq|Alexander von Humboldt|আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট}}
* {{eq|Alfred Aho|আলফ্রেড আহো}}
* {{eq|Alfred Kinsey|আলফ্রেড কিনসে}}
* {{eq|Alfred Marshall|আলফ্রেড মার্শাল}}
* {{eq|Alfred Nobel|আলফ্রেড নোবেল}}
* {{eq|Alfred North Whitehead|আলফ্রেড নর্থ হোয়াইটহেড}}
* {{eq|Alfred Russel Wallace|আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস}}
* {{eq|Alice Munro|অ্যালিস মানরো}}
* {{eq|Amina J. Mohammed|আমিনা জে. মোহাম্মদ}}
* {{eq|Amit Goswami|অমিত গোস্বামী}}
* {{eq|Amos Tversky|আমোস তভারস্কি}}
* {{eq|Anaxagoras|আনাক্সাগোরাস}}
* {{eq|Anaximander|অ্যানাক্সিম্যান্ডার}}
* {{eq|Andreas Vesalius|আন্দ্রিয়াস ভেসালিয়াস}}
* {{eq|Andrei Sakharov|আন্দ্রেই সাখারভ}}
* {{eq|Andrew Wiles|অ্যান্ড্রু ওয়াইলস}}
* {{eq|André Gide|অঁদ্রে জিদ}}
* {{eq|André-Marie Ampère|অঁদ্রে-মারি অম্পেয়্যার}}
* {{eq|Angela Merkel|আঙ্গেলা ম্যার্কেল}}
* {{eq|Anita Brookner|অনিতা ব্রুকনার}}
* {{eq|Anita Desai|অনিতা দেসাই}}
* {{eq|Anne Applebaum|অ্যান অ্যাপলবাউম}}
* {{eq|Annie Ernaux|আনি এরনো}}
* {{eq|Antoine Lavoisier|অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে}}
* {{eq|Aravind Adiga|অরবিন্দ আদিগা}}
* {{eq|Arthur Balfour|আর্থার বেলফোর}}
* {{eq|Arthur Eddington|আর্থার এডিংটন}}
* {{eq|Arthur Kornberg|আর্থার কর্নবার্গ}}
* {{eq|Arthur Leonard Schawlow|আর্থার লিওনার্ড শলো}}
* {{eq|Ash Carter|অ্যাশ কার্টার}}
* {{eq|Atle Selberg|আটলে সেলবার্গ}}
* {{eq|Audrey Hepburn|অড্রে হেপবার্ন}}
* {{eq|August Kekulé|ফ্রিডরিখ আউগুস্ট কেকুলে}}
* {{eq|Augustin Louis Cauchy|ওগ্যুস্তাঁ লুই কোশি}}
* {{eq|Augustin-Jean Fresnel|ওগ্যুস্তাঁ-জঁ ফ্রেনেল}}
* {{eq|Aurel Stein|অরেল স্টেইন}}
* {{eq|Ban Ki-moon|বান কি-মুন}}
* {{eq|Baruch Samuel Blumberg|বারুক স্যামুয়েল ব্লুমবার্গ}}
* {{eq|Beatrix Potter|বিয়াট্রিক্স পটার}}
* {{eq|Ben Okri|বেন ওক্রি}}
* {{eq|Bernardine Evaristo|বার্নার্ডিন এভারিস্তো}}
* {{eq|Blaise Pascal|ব্লেজ পাসকাল}}
* {{eq|Bob Dylan|বব ডিলান}}
* {{eq|Boris Pasternak|বরিস পাস্তেরনাক}}
* {{eq|Boutros Boutros-Ghali|বুত্রোস বুত্রোস-ঘালি}}
* {{eq|Brian Cox (physicist)|ব্রায়ান কক্স (পদার্থবিজ্ঞানী)}}
* {{eq|Brian Greene|ব্রায়ান গ্রিন}}
* {{eq|Brian Schmidt|ব্রায়ান পি. শ্মিট}}
* {{eq|Brook Taylor|ব্রুক টেলর}}
* {{eq|Brussels|ব্রাসেলস}}
* {{eq|C. A. R. Hoare|সি. এ. আর. হোর}}
* {{eq|C. N. Ramachandra Rao|সি. এন. রামচন্দ্র রাও}}
* {{eq|C. V. Raman|চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন}}
* {{eq|Carl Bernstein|কার্ল বার্নস্টিন}}
* {{eq|Carl Linnaeus|কার্ল লিনিয়াস}}
* {{eq|Carlo Rubbia|কার্লো রুবিয়া}}
* {{eq|Carolyn Bertozzi|ক্যারোলিন বার্তোজি}}
* {{eq|Caryl Phillips|ক্যারিল ফিলিপস}}
* {{eq|Chaim Weizmann|হাইম ভাইৎসমান}}
* {{eq|Charles Fefferman|চার্লস ফেফারম্যান}}
* {{eq|Charles Hard Townes|চার্লস হার্ড টাউনস}}
* {{eq|Charles Lyell|চার্লস লিয়েল}}
* {{eq|Charles Sanders Peirce|চার্লস স্যান্ডার্স পার্স}}
* {{eq|Charles Scott Sherrington|চার্লস স্কট শেরিংটন}}
* {{eq|Cheikh Anta Diop|শেখ আন্তা দিওপ}}
* {{eq|Chinua Achebe|চিনুয়া আচেবে}}
* {{eq|Christiaan Barnard|ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড}}
* {{eq|Christiaan Huygens|ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস}}
* {{eq|Christopher Wren|ক্রিস্টোফার রেন}}
* {{eq|Claude Lévi-Strauss|ক্লোদ লেভি-স্ত্রোস}}
* {{eq|Claudia Sheinbaum|ক্লাউদিয়া শেইনবাউম}}
* {{eq|Colson Whitehead|কলসন হোয়াইটহেড}}
* {{eq|Craig Venter|ক্রেইগ ভেন্টর}}
* {{eq|Czesław Miłosz|চেসোয়াফ মিওশ}}
* {{eq|Cédric Villani|সেড্রিক ভিলানি}}
* {{eq|Dag Hammarskjöld|দ্যাগ হ্যামারশোল্ড}}
* {{eq|Damon Galgut|ড্যামন গ্যালগুট}}
* {{eq|Daniel Kahneman|ড্যানিয়েল কানেমান}}
* {{eq|Dave Barry|ডেভ ব্যারি}}
* {{eq|David Bohm|ডেভিড বম}}
* {{eq|David Brewster|ডেভিড ব্রুস্টার}}
* {{eq|David Chalmers|ডেভিড চালমারস}}
* {{eq|David Gross|ডেভিড জোনাথন গ্রোস}}
* {{eq|David Grossman|ডেভিড গ্রসম্যান}}
* {{eq|David Hilbert|ডাভিড হিলবের্ট}}
* {{eq|David Mamet|ডেভিড ম্যামেট}}
* {{eq|David McCullough|ডেভিড ম্যাককালাফ}}
* {{eq|David Suzuki|ডেভিড সুজুকি}}
* {{eq|Dennis Ritchie|ডেনিস রিচি}}
* {{eq|Desmond Morris|ডেসমন্ড মরিস}}
* {{eq|Desmond Tutu|ডেসমন্ড টুটু}}
* {{eq|Dian Fossey|ডায়ান ফসি}}
* {{eq|Dmitri Mendeleev|দিমিত্রি মেন্ডেলিভ}}
* {{eq|Dmitry Muratov|দিমিত্রি মুরাতভ}}
* {{eq|Donald Knuth|ডোনাল্ড কানুথ}}
* {{eq|Donald Tusk|ডোনাল্ড টাস্ক}}
* {{eq|Donna Strickland|ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড}}
* {{eq|Doris Lessing|ডরিস লেসিং}}
* {{eq|Dorothy Hodgkin|ডরোথি হজকিন}}
* {{eq|Douglas Engelbart|ডগলাস এঙ্গেলবার্ট}}
* {{eq|E. O. Wilson|ই. ও. উইলসন}}
* {{eq|Edith Wharton|ইডিথ হোয়ার্টন}}
* {{eq|Edmond Halley|এডমন্ড হ্যালি}}
* {{eq|Edsger W. Dijkstra|এডসগার ডাইকস্ট্রা}}
* {{eq|Edward Teller|এডওয়ার্ড টেলার}}
* {{eq|Edward Witten|এডওয়ার্ড উইটেন}}
* {{eq|Elias James Corey|ইলিয়াস জেমস কোরি}}
* {{eq|Elie Wiesel|এলি উইজেল}}
* {{eq|Elinor Ostrom|এলিনর অস্ট্রম}}
* {{eq|Elizabeth Bishop|এলিজাবেথ বিশপ}}
* {{eq|Ellen Johnson Sirleaf|এলেন জনসন সারলিফ}}
* {{eq|Emanuel Swedenborg|এমানুয়েল সোয়েডেনবার্গ}}
* {{eq|Emmy Noether|এমি নোয়েদার}}
* {{eq|Empedocles|এম্পেদোক্লেস}}
* {{eq|Enrico Fermi|এনরিকো ফের্মি}}
* {{eq|Epicurus|এপিকুরোস}}
* {{eq|Eric Hobsbawm|এরিক হবসবাউম}}
* {{eq|Eric Kandel|এরিক ক্যান্ডেল}}
* {{eq|Ernest Hemingway|আর্নেস্ট হেমিংওয়ে}}
* {{eq|Ernest Rutherford|আর্নেস্ট রাদারফোর্ড}}
* {{eq|Ernst Haeckel|এর্নস্ট হেকেল}}
* {{eq|Ernst Mach|এর্নস্ট মাখ}}
* {{eq|Ernst Mayr|এর্নস্ট মায়ার}}
* {{eq|Eugene O'Neill|ইউজিন ও'নিল}}
* {{eq|Eugene Wigner|ইউজিন পল উইগনার}}
* {{eq|European Parliament|ইউরোপীয় পার্লামেন্ট}}
* {{eq|European Union|ইউরোপীয় ইউনিয়ন}}
* {{eq|Evangelista Torricelli|ইভাঞ্জেলিস্টা টরিসেলি}}
* {{eq|F. W. de Klerk|এফ. ডব্লিউ. ডি ক্লার্ক}}
* {{eq|Fabiola Gianotti|ফাবিওলা জানোত্তি}}
* {{eq|Fakhr al-Din al-Razi|ফখরুদ্দীন আল-রাযী}}
* {{eq|Federico Faggin|ফেদেরিকো ফাগিন}}
* {{eq|Felix Bloch|ফেলিক্স ব্লখ}}
* {{eq|Flinders Petrie|ফ্লিন্ডার্স পেট্রি}}
* {{eq|Francis Collins|ফ্রান্সিস কলিন্স}}
* {{eq|Francis Crick|ফ্রান্সিস ক্রিক}}
* {{eq|Francis Galton|ফ্রান্সিস গ্যাল্টন}}
* {{eq|Francisco Varela|ফ্রান্সিস্কো ভারেলা}}
* {{eq|Frank Macfarlane Burnet|ফ্র্যাঙ্ক ম্যাকফারলেন বার্নেট}}
* {{eq|Frank Wilczek|ফ্র্যাঙ্ক উইলচেক}}
* {{eq|François Arago|ফ্রঁসোয়া আরাগন}}
* {{eq|François Englert|ফ্রঁসোয়া অংল্যার}}
* {{eq|François Mauriac|ফ্রঁসোয়া মরিয়াক}}
* {{eq|François Mitterrand|ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ}}
* {{eq|Fred Brooks|ফ্রেড ব্রুকস}}
* {{eq|Frederick Jackson Turner|ফ্রেডরিক জ্যাকসন টার্নার}}
* {{eq|Frederick Soddy|ফ্রেডরিক সডি}}
* {{eq|Fridtjof Nansen|ফ্রিডতিয়ফ নানসেন}}
* {{eq|Friedrich Hayek|ফ্রিডরিখ ফন হায়েক}}
* {{eq|Fritjof Capra|ফ্রিটজফ কাপরা}}
* {{eq|G. H. Hardy|জি. এইচ. হার্ডি}}
* {{eq|Gabriela Mistral|গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল}}
* {{eq|Gao Xingjian|কাও শিংচিয়েন}}
* {{eq|Gary Becker|গ্যারি বেকার}}
* {{eq|Geert Wilders|খের্ট ভিল্ডার্স}}
* {{eq|Geoffrey Hinton|জিওফ্রে হিন্টন}}
* {{eq|George Boole|জর্জ বুল}}
* {{eq|George Curzon, 1st Marquess Curzon of Kedleston|জর্জ ন্যাথানিয়েল কার্জন}}
* {{eq|George Gamow|জর্জ গ্যামো}}
* {{eq|George Smoot|জর্জ স্মুট}}
* {{eq|George Steiner|জর্জ স্টাইনার}}
* {{eq|George Stigler|জর্জ স্টিগলার}}
* {{eq|George Washington Carver|জর্জ ওয়াশিংটন কার্ভার}}
* {{eq|Georges Cuvier|জর্জ ক্যুভিয়ে}}
* {{eq|Georges-Louis Leclerc, Comte de Buffon|জর্জ-লুই ল্যক্লের, কোঁত দ্য বুফোঁ}}
* {{eq|Gerald Durrell|জেরাল্ড ডারেল}}
* {{eq|Gerhard Schröder|গেরহার্ড শ্রোডার}}
* {{eq|Gertrude B. Elion|গারট্রুড বি. এলিয়ন}}
* {{eq|Giorgio Parisi|জর্জিও পারিসি}}
* {{eq|Giorgos Seferis|ইয়োর্গোস সেফেরিস}}
* {{eq|Giosuè Carducci|জোযুয়ে কার্দুচ্চি}}
* {{eq|Glenn T. Seaborg|গ্লেন থিওডোর সিবর্গ}}
* {{eq|Goodluck Jonathan|গুডলাক জোনাথন}}
* {{eq|Gordon Moore|গর্ডন মুর}}
* {{eq|Gottfried Leibniz|গটফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎস}}
* {{eq|Gregor Mendel|গ্রেগর মেন্ডেল}}
* {{eq|Grigori Perelman|গ্রিগরি পেরেলমান}}
* {{eq|Gro Harlem Brundtland|গ্রো হারলেম ব্রুন্ডটল্যান্ড}}
* {{eq|Gustav Kirchhoff|গুস্টাফ কির্খফ}}
* {{eq|Gustav Stresemann|গুস্টাভ ষ্ট্রেজেমান}}
* {{eq|Gérard Debreu|জেরার দ্যব্রু}}
* {{eq|Göran Persson|গোরান পারসন}}
* {{eq|H. H. Asquith|এইচ. এইচ. অ্যাসকুইথ}}
* {{eq|Halldór Laxness|হালডোর ল্যাক্সনেস}}
* {{eq|Han Kang|হান কাং}}
* {{eq|Hans Bethe|হ্যান্স বেটে}}
* {{eq|Hans Blix|হ্যান্স ব্লিক্স}}
* {{eq|Harish-Chandra|হরিশ-চন্দ্র}}
* {{eq|Harold Macmillan|হ্যারল্ড ম্যাকমিলান}}
* {{eq|Harold Pinter|হ্যারল্ড পিন্টার}}
* {{eq|Harper Lee|হার্পার লি}}
* {{eq|Harry Markowitz|হ্যারি মার্কোউইটজ}}
* {{eq|Heinrich Böll|হাইনরিখ বোল}}
* {{eq|Heinrich Hertz|হাইনরিখ হের্ত্স}}
* {{eq|Heinrich Rohrer|হাইনরিখ রোরার}}
* {{eq|Helen Clark|হেলেন ক্লার্ক}}
* {{eq|Helmut Kohl|হেলমুট কোল}}
* {{eq|Hendrik Lorentz|হেন্ড্রিক আন্টোন লোরেন্ৎস}}
* {{eq|Henri Bergson|অঁরি বের্গসন}}
* {{eq|Henri Poincaré|অঁরি পোয়াঁকারে}}
* {{eq|Henry Cavendish|হেনরি ক্যাভেন্ডিশ}}
* {{eq|Henry Dunant|অঁরি দ্যুনঁ}}
* {{eq|Henryk Sienkiewicz|হেনরিক শিয়েনকিয়েভিচ}}
* {{eq|Heraclitus|হেরাক্লিটাস}}
* {{eq|Herbert A. Simon|হার্বার্ট এ. সাইমন}}
* {{eq|Herbert Kroemer|হার্বার্ট ক্রোয়েমার}}
* {{eq|Herbert Spencer|হার্বার্ট স্পেন্সার}}
* {{eq|Hermann Hesse|হেরমান হেস}}
* {{eq|Hermann Weyl|হেরমান ভাইল}}
* {{eq|Hermann von Helmholtz|হারমান ফন হেল্মহোল্ৎস}}
* {{eq|Herta Müller|হের্টা ম্যুলার}}
* {{eq|Hideki Yukawa|হিদেকি ইউকাওয়া}}
* {{eq|Hirohito|হিরোহিতো}}
* {{eq|Howard H. Aiken|হাওয়ার্ড আইকেন}}
* {{eq|Hugh Everett|হিউ এভারেট}}
* {{eq|Hugo De Vries|হুগো দ্য ভ্রিস}}
* {{eq|Humphry Davy|হামফ্রি ডেভি}}
* {{eq|Ian Kershaw|ইয়ান কার্শ}}
* {{eq|Ian McEwan|ইয়ান ম্যাকইউয়ান}}
* {{eq|Ian Wilmut|ইয়ান উইলমুট}}
* {{eq|Igor Kurchatov|ইগর কুরচাতভ}}
* {{eq|Imre Kertész|ইমরে কার্তেজ}}
* {{eq|Ingrid Daubechies|ইনগ্রিড ডোবিচি}}
* {{eq|Irina Bokova|ইরিনা বোকোভা}}
* {{eq|Iris Murdoch|আইরিস মারডক}}
* {{eq|Irving Langmuir|আরভিং ল্যাংমুয়ির}}
* {{eq|Isaac Bashevis Singer|আইজ্যাক বাশেভিস সিঙ্গার}}
* {{eq|Isidor Isaac Rabi|ইসিদোর আইজ্যাক রাবি}}
* {{eq|Ivan Pavlov|ইভান পাভলভ}}
* {{eq|Ivo Andrić|ইভো আন্দ্রিক}}
* {{eq|J. B. S. Haldane|জে. বি. এস. হ্যালডেন}}
* {{eq|J. J. Thomson|জে. জে. থমসন}}
* {{eq|J. M. Coetzee|জে. এম. কোয়েটজি}}
* {{eq|Jack Steinberger|জ্যাক স্টেইনবার্গার}}
* {{eq|Jacobus Henricus van 't Hoff|ইয়াকোবুস হেনরিকুস ফান্ট হফ}}
* {{eq|Jacques Chirac|জাক শিরাক}}
* {{eq|Jacques-Yves Cousteau|জাক-ইভ কুস্তো}}
* {{eq|James Callaghan|জেমস ক্যালাহান}}
* {{eq|James Chadwick|জেমস চ্যাডউইক}}
* {{eq|James Cook|জেমস কুক}}
* {{eq|James Mirrlees|জেমস মিরলিস}}
* {{eq|James Prescott Joule|জেমস প্রেসকট জুল}}
* {{eq|James Prinsep|জেমস প্রিন্সেপ}}
* {{eq|James Tobin|জেমস টোবিন}}
* {{eq|James Van Allen|জেমস ভ্যান অ্যালেন}}
* {{eq|James Watt|জেমস ওয়াট}}
* {{eq|Jane Addams|জেন অ্যাডামস}}
* {{eq|Jane Goodall|জেন গুডাল}}
* {{eq|Jared Diamond|জ্যারেড ডায়মন্ড}}
* {{eq|Jayant Narlikar|জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর}}
* {{eq|Jean le Rond d'Alembert|জঁ ল্য রোঁ দালঁবের}}
* {{eq|Jean-Baptiste Lamarck|জঁ-বাতিস্ত লামার্ক}}
* {{eq|Jean-Marie Le Pen|জঁ-মারি ল্য পেন}}
* {{eq|Jean-Pierre Serre|জঁ-পিয়ের সের}}
* {{eq|Jerome Isaac Friedman|জেরোম আইজ্যাক ফ্রিডম্যান}}
* {{eq|Jhumpa Lahiri|ঝুম্পা লাহিড়ী}}
* {{eq|Jocelyn Bell Burnell|জসিলিন বেল বার্নেল}}
* {{eq|John Archibald Wheeler|জন আর্চিবল্ড হুইলার}}
* {{eq|John Backus|জন ব্যাকাস}}
* {{eq|John Banville|জন ব্যানভিল}}
* {{eq|John Bardeen|জন বারডিন}}
* {{eq|John C. Mather|জন সি. মাদার}}
* {{eq|John Desmond Bernal|জে. ডি. বার্নাল}}
* {{eq|John Forbes Nash, Jr.|জন ফোর্বস ন্যাশ}}
* {{eq|John Galsworthy|জন গলসওয়ার্দি}}
* {{eq|John Gurdon|জন গার্ডন}}
* {{eq|John Hicks|জন হিক্স}}
* {{eq|John Hopfield|জন হোপফিল্ড}}
* {{eq|John James Audubon|জন জেমস অডুবন}}
* {{eq|John Major|জন মেজর}}
* {{eq|John Maynard Keynes|জন মেইনার্ড কেইনস}}
* {{eq|John Maynard Smith|জন মেইনার্ড স্মিথ}}
* {{eq|John McCarthy (computer scientist)|জন ম্যাককার্থি (কম্পিউটার বিজ্ঞানী)}}
* {{eq|John Muir|জন মুয়ির}}
* {{eq|John Napier|জন নেপিয়ার}}
* {{eq|John Polanyi|জন চার্লস পোলানি}}
* {{eq|John Ray|জন রে}}
* {{eq|John Stewart Bell|জন স্টুয়ার্ট বেল}}
* {{eq|John Tyndall|জন টিন্ডাল}}
* {{eq|John von Neumann|জন ফন নিউম্যান}}
* {{eq|Jon Fosse|ইয়োন ফসে}}
* {{eq|Jonas Salk|জোনাস সল্ক}}
* {{eq|Josef Mengele|ইয়োসেফ মেংগেলে}}
* {{eq|Joseph Fourier|জোসেফ ফুরিয়ে}}
* {{eq|Joseph Priestley|জোসেফ প্রিস্টলি}}
* {{eq|Joseph Stiglitz|জোসেফ স্টিগলিটজ}}
* {{eq|Joseph von Fraunhofer|ইয়োসেফ ফন ফ্রাউনহোফার}}
* {{eq|Joshua Lederberg|জশুয়া লেডারবার্গ}}
* {{eq|Josiah Willard Gibbs|জোসিয়াহ উইলার্ড গিবস}}
* {{eq|José María Aznar|হোসে মারিয়া আজনার}}
* {{eq|José Saramago|হোসে সারামাগো}}
* {{eq|Juan Maldacena|হুয়ান মালদাসেনা}}
* {{eq|Juan Ramón Jiménez|হুয়ান রামোন হিমেনেজ}}
* {{eq|Judea Pearl|জুডেয়া পার্ল}}
* {{eq|Julian Schwinger|জুলিয়ান শুইঙার}}
* {{eq|Julio Cortázar|হুলিও কোর্তাজার}}
* {{eq|Julius Robert von Mayer|জুলিয়াস রবার্ট ফন মেয়ার}}
* {{eq|Junot Díaz|জুনো দিয়াজ}}
* {{eq|Justus von Liebig|ইয়োস্টুস ফন লিবিগ}}
* {{eq|Jöns Jacob Berzelius|ইয়োন্স ইয়াকব বের্সেলিয়ুস}}
* {{eq|Kaja Kallas|কায়া কাল্লাস}}
* {{eq|Kamila Shamsie|কামিলা শামসি}}
* {{eq|Karen Uhlenbeck|কারেন উলেনবেক}}
* {{eq|Karl Barry Sharpless|কার্ল ব্যারি শার্পলেস}}
* {{eq|Kary Mullis|ক্যারি মুলিস}}
* {{eq|Katalin Karikó|কাতালিন কারিকো}}
* {{eq|Kazuo Ishiguro|কাজুও ইশিগুরো}}
* {{eq|Kaṇāda|কণাদ্}}
* {{eq|Ken Thompson|কেন টম্পসন}}
* {{eq|Kendrick Lamar|কেন্ড্রিক লামার}}
* {{eq|Kenneth Arrow|কেনেথ অ্যারো}}
* {{eq|Kenzaburō Ōe|কেন্জাবুরো ওহয়ে}}
* {{eq|Kiran Desai|কিরণ দেশাই}}
* {{eq|Kiran Mazumdar-Shaw|কিরণ মজুমদার-শ}}
* {{eq|Knut Hamsun|ক্যনুট হামসুন}}
* {{eq|Koichi Tanaka|কোইচি তানাকা}}
* {{eq|Korean War|কোরীয় যুদ্ধ}}
* {{eq|Lars Peter Hansen|লারস পিটার হ্যান্সেন}}
* {{eq|Laurent Schwartz|লোরঁ শোয়ার্তজ}}
* {{eq|Leon Cooper|লিয়ন কুপার}}
* {{eq|Leon M. Lederman|লিয়ন ম্যাক্স লেডারম্যান}}
* {{eq|Leonard Susskind|লিওনার্ড সাসকিন্ড}}
* {{eq|Leonhard Euler|লিওনার্ড ইউলার}}
* {{eq|Leonid Kantorovich|লিওনিদ ক্যান্টোরোভিচ}}
* {{eq|Leopold II of Belgium|দ্বিতীয় লেওপোল্ড (বেলজিয়াম)}}
* {{eq|Leopold III of Belgium|তৃতীয় লেওপোল্ড (বেলজিয়াম)}}
* {{eq|Leslie Lamport|লেসলি ল্যামপোর্ট}}
* {{eq|Lev Landau|ল্যেভ লান্দাউ}}
* {{eq|Leymah Gbowee|লেমাহ গবোউই}}
* {{eq|Leó Szilárd|লিও জিলার্দ}}
* {{eq|Linus Pauling|লিনাস পাউলিং}}
* {{eq|Lionel Robbins|লিওনেল রবিন্স}}
* {{eq|Lisa Randall|লিসা রান্ডাল}}
* {{eq|Louis Agassiz|লুই আগাসিজ}}
* {{eq|Louis de Broglie|লুই দ্য ব্রোয়ি}}
* {{eq|Louise Glück|লুইজ গ্লিক}}
* {{eq|Ludwig Boltzmann|লুডভিগ বোলৎসমান}}
* {{eq|Ludwik Fleck|লুডউইক ফ্লেক}}
* {{eq|Luigi Pirandello|লুইজি পিরানদেল্লো}}
* {{eq|Lynn Margulis|লিন মার্গুলিস}}
* {{eq|Léon Foucault|লেয়োঁ ফুকো}}
* {{eq|M. S. Swaminathan|এম. এস. স্বামীনাথন}}
* {{eq|Malala Yousafzai|মালালা ইউসুফজাই}}
* {{eq|Margaret Atwood|মার্গারেট অ্যাটউড}}
* {{eq|Margaret Chan|মার্গারেট চ্যান}}
* {{eq|Marguerite Yourcenar|মার্গ্যুরিত ইয়ুর্সনার}}
* {{eq|Marie Stopes|মেরি স্টোপস}}
* {{eq|Marine Le Pen|মারিন ল্য পেন}}
* {{eq|Mario Vargas Llosa|মারিও বার্গাস ইয়োসা}}
* {{eq|Mark Oliphant|মার্ক ওলিফ্যান্ট}}
* {{eq|Martin Amis|মার্টিন এমিস}}
* {{eq|Martin Lewis Perl|মার্টিন লুইস পার্ল}}
* {{eq|Martin Rees|মার্টিন রিস}}
* {{eq|Martin Ryle|মার্টিন রাইল}}
* {{eq|Martinus J. G. Veltman|মার্টিনুস ভেল্টম্যান}}
* {{eq|Martti Ahtisaari|মার্টি আহতিসারি}}
* {{eq|Marvin Minsky|মার্ভিন মিনস্কি}}
* {{eq|Mary Beard (classicist)|মেরি বিয়ার্ড (ক্ল্যাসিসিস্ট)}}
* {{eq|Mary Robinson|মেরি রবিনসন}}
* {{eq|Max Born|মাক্স বর্ন}}
* {{eq|Max Delbrück|মাক্স ডেলব্রুক}}
* {{eq|Max Perutz|ম্যাক্স ফার্দিনান্দ পেরুতজ}}
* {{eq|Max von Laue|মাক্স ফন লাউয়ে}}
* {{eq|Menachem Begin|মেনাখেম বেগিন}}
* {{eq|Merton Miller|মার্টন মিলার}}
* {{eq|Michael Atiyah|মাইকেল আতিয়াহ}}
* {{eq|Michael Faraday|মাইকেল ফ্যারাডে}}
* {{eq|Michael Gove|মাইকেল গোভ}}
* {{eq|Michio Kaku|মিচিও কাকু}}
* {{eq|Mikhail Sholokhov|মিখাইল শলোখভ}}
* {{eq|Mo Yan|মো ইয়ান}}
* {{eq|Mohammad Javad Zarif|মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ}}
* {{eq|Murray Gell-Mann|মারে গেল-মান}}
* {{eq|Nadine Gordimer|নাডিন গর্ডিমার}}
* {{eq|Naguib Mahfouz|নাগিব মাহফুজ}}
* {{eq|Narges Mohammadi|নার্গেস মোহাম্মদী}}
* {{eq|Nevill Francis Mott|নেভিল ফ্রান্সিস মট}}
* {{eq|Nicolas Léonard Sadi Carnot|সাদি কার্নো}}
* {{eq|Nicolas Steno|নিকোলাস স্টেনো}}
* {{eq|Nigel Farage|নাইজেল ফারাজ}}
* {{eq|Niklaus Wirth|নিকলাউস ভির্ট}}
* {{eq|Norman Borlaug|নরম্যান বোরল্যাগ}}
* {{eq|Norman Mailer|নরম্যান মেইলার}}
* {{eq|Octavio Paz|অক্তাবিও পাজ}}
* {{eq|Olga Tokarczuk|ওলগা তোকারচুক}}
* {{eq|Oliver Heaviside|অলিভার হেভিসাইড}}
* {{eq|Oliver Sacks|অলিভার স্যাক্স}}
* {{eq|Orhan Pamuk|ওরহান পামুক}}
* {{eq|Oswald Avery|অসওয়াল্ড এভারি}}
* {{eq|Otto Stern|অটো ষ্টের্ন}}
* {{eq|Paris Agreement|প্যারিস চুক্তি}}
* {{eq|Patrick White|প্যাট্রিক হোয়াইট}}
* {{eq|Paul Dirac|পল ডিরাক}}
* {{eq|Paul Ehrenfest|পাউল এরেনফেস্ট}}
* {{eq|Paul R. Ehrlich|পল আর. এহর্লিচ}}
* {{eq|Paul Samuelson|পল স্যামুয়েলসন}}
* {{eq|Pearl S. Buck|পার্ল এস. বাক}}
* {{eq|Peter Agre|পিটার আগ্রি}}
* {{eq|Peter Higgs|পিটার হিগস}}
* {{eq|Peter Kropotkin|পেত্র ক্রাপোতকিন}}
* {{eq|Peter Medawar|পিটার মিডাওয়ার}}
* {{eq|Philip Roth|ফিলিপ রথ}}
* {{eq|Philip Warren Anderson|ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন}}
* {{eq|Philippe of Belgium|ফিলিপ (বেলজিয়াম)}}
* {{eq|Pierre Curie|পিয়ের ক্যুরি}}
* {{eq|Pierre Deligne|পিয়ের দ্যলিইন}}
* {{eq|Pierre-Gilles de Gennes|পিয়ের-জিল দ্য জেন}}
* {{eq|Pierre-Simon Laplace|পিয়ের সিমোঁ লাপ্লাস}}
* {{eq|Pliny the Elder|প্লিনি দ্য এল্ডার}}
* {{eq|Prasanta Chandra Mahalanobis|প্রশান্ত চন্দ্র মহলানবিশ}}
* {{eq|Primo Levi|প্রিমো লেভি}}
* {{eq|Qian Xuesen|ছিয়েন শ্যুয়েসন}}
* {{eq|Quakers|কোয়েকার}}
* {{eq|Rachel Carson|র্যাচেল কারসন}}
* {{eq|Ragnar Frisch|রাগ্নার ফ্রিশ}}
* {{eq|Rajendra K. Pachauri|রাজেন্দ্র কুমার পাচৌরী}}
* {{eq|Ralph Bunche|রালফ বান্চ}}
* {{eq|Ramsay MacDonald|রামসে ম্যাকডোনাল্ড}}
* {{eq|Reinhard Selten|রেইনহার্ড সেল্টেন}}
* {{eq|Richard Hamming|রিচার্ড হ্যামিং}}
* {{eq|Richard Leakey|রিচার্ড লিকি}}
* {{eq|Richard Smalley|রিচার্ড স্মলি}}
* {{eq|Rigoberta Menchú|রিগোবার্তা মেঞ্চু}}
* {{eq|Ringo Starr|রিঙ্গো স্টার}}
* {{eq|Robert Andrews Millikan|রবার্ট অ্যান্ড্রুজ মিলিকান}}
* {{eq|Robert Boyle|রবার্ট বয়েল}}
* {{eq|Robert Clive|রবার্ট ক্লাইভ}}
* {{eq|Robert Fogel|রবার্ট ফোগেল}}
* {{eq|Robert Hooke|রবার্ট হুক}}
* {{eq|Robert J. Shiller|রবার্ট জে. শিলার}}
* {{eq|Robert Lucas Jr.|রবার্ট লুকাস, জুনিয়র}}
* {{eq|Robert Mundell|রবার্ট মান্ডেল}}
* {{eq|Robert Penn Warren|রবার্ট পেন ওয়ারেন}}
* {{eq|Roger Ebert|রজার ইবার্ট}}
* {{eq|Roger Wolcott Sperry|রজার স্পেরি}}
* {{eq|Romain Rolland|রোম্যাঁ রোলাঁ}}
* {{eq|Ronald Fisher|রোনাল্ড ফিশার}}
* {{eq|Rosalyn Sussman Yalow|রোজালিন সাসম্যান ইয়ালো}}
* {{eq|Rudolf Clausius|রুডলফ ক্লাউজিউস}}
* {{eq|Rudolf Virchow|রুডলফ ফিরখো}}
* {{eq|Sally Ride|স্যালি রাইড}}
* {{eq|Sam Harris|স্যাম হ্যারিস}}
* {{eq|Samuel Beckett|স্যামুয়েল বেকেট}}
* {{eq|Samuel Pepys|স্যামুয়েল পেপিস}}
* {{eq|Santiago Ramón y Cajal|সান্তিয়াগো রামোন ই কাহাল}}
* {{eq|Saul Bellow|সল বেলো}}
* {{eq|Saul Perlmutter|সল পার্লমাটার}}
* {{eq|Selman Waksman|সেলম্যান ওয়াক্সম্যান}}
* {{eq|Sergei Korolev|সের্গেই কোরোলিয়ভ}}
* {{eq|Seymour Hersh|সেমুর হার্শ}}
* {{eq|Shashi Tharoor|শশী থারুর}}
* {{eq|Sheldon Lee Glashow|শেলডন লি গ্ল্যাশো}}
* {{eq|Shiing-Shen Chern|শিং-শেন চের্ন}}
* {{eq|Shirin Ebadi|শিরিন এবাদি}}
* {{eq|Shmuel Yosef Agnon|শ্মুয়েল ইউসেফ অ্যাগনন}}
* {{eq|Simon Kuznets|সাইমন কুজ্নেত্স}}
* {{eq|Simon Stevin|সিমন স্টেভিন}}
* {{eq|Siméon Denis Poisson|সিমেওঁ দ্যনি পোয়াসোঁ}}
* {{eq|Sinclair Lewis|সিনক্লেয়ার লুইস}}
* {{eq|Stafford Cripps|স্টাফোর্ড ক্রিপস}}
* {{eq|Stamford Raffles|স্ট্যামফোর্ড র্যাফেল্স}}
* {{eq|Stanislaw Ulam|স্তানিসলফ উলাম}}
* {{eq|Stanley Baldwin|স্ট্যানলি বল্ডউইন}}
* {{eq|Stephen Jay Gould|স্টিভেন জে গুল্ড}}
* {{eq|Stephen Wolfram|স্টিফেন ওলফ্রাম}}
* {{eq|Steve Irwin|স্টিভ আরউইন}}
* {{eq|Steven Chu|স্টিভেন চু}}
* {{eq|Steven Weinberg|স্টিভেন ওয়াইনবার্গ}}
* {{eq|Subrahmanyan Chandrasekhar|সুব্রহ্মণ্যন চন্দ্রশেখর}}
* {{eq|Susan Faludi|সুসান ফালুদি}}
* {{eq|Svetlana Alexievich|সভেতলানা আলেক্সিয়েভিচ}}
* {{eq|Tawakkol Karman|তাওয়াক্কোল কারমান}}
* {{eq|Tedros Adhanom|তেদ্রোস আধানম}}
* {{eq|Temple Grandin|টেম্পল গ্র্যান্ডিন}}
* {{eq|Tennessee Williams|টেনেসি উইলিয়ামস}}
* {{eq|Tenzin Gyatso, 14th Dalai Lama|চতুর্দশ দালাই লামা}}
* {{eq|Terence Tao|টেরেন্স টাও}}
* {{eq|Theodore Roethke|থিওডোর রেথকে}}
* {{eq|Theodosius Dobzhansky|থিওডোসিয়াস ডবঝানস্কি}}
* {{eq|Theophrastus|থিওফ্রাস্টাস}}
* {{eq|Theory of relativity|আপেক্ষিকতার তত্ত্ব}}
* {{eq|Thomas Harriot|থমাস হ্যারিয়ট}}
* {{eq|Thomas Henry Huxley|টমাস হেনরি হাক্সলি}}
* {{eq|Thomas Kuhn|থমাস কুন}}
* {{eq|Thomas Mann|টমাস মান}}
* {{eq|Thomas Robert Malthus|থমাস রবার্ট ম্যালথাস}}
* {{eq|Thomas Schelling|টমাস শেলিংস}}
* {{eq|Thomas Young (scientist)|থমাস ইয়ং}}
* {{eq|Tim Berners-Lee|টিম বার্নার্স-লি}}
* {{eq|Tjalling Koopmans|টিয়ালিং কোপম্যান্স}}
* {{eq|Tomas Tranströmer|টোমাস ট্রান্সট্রোমার}}
* {{eq|Toni Morrison|টনি মরিসন}}
* {{eq|Tony Benn|টনি বেন}}
* {{eq|Traian Băsescu|ত্রাইয়ান বাসাস্কু}}
* {{eq|Trygve Haavelmo|ট্রিগভে হাভেলমো}}
* {{eq|U Thant|উ থান্ট}}
* {{eq|V. S. Naipaul|ভি. এস. নাইপল}}
* {{eq|Val Logsdon Fitch|ভ্যাল লজডন ফিচ}}
* {{eq|Valéry Giscard d'Estaing|ভালেরি জিস্কার দেস্তাঁ}}
* {{eq|Victor Frederick Weisskopf|ভিক্টর উইসকফ}}
* {{eq|Viet Thanh Nguyen|ভিয়েত থান নগুয়েন}}
* {{eq|Vikram Sarabhai|বিক্রম সারাভাই}}
* {{eq|Vilayanur S. Ramachandran|ভি. এস. রামচন্দ্রন}}
* {{eq|Vitaly Ginzburg|ভিতালি গিঞ্জবার্গ}}
* {{eq|Vladimir Arnold|ভ্লাদিমির আর্নল্ড}}
* {{eq|Vladimir Markovnikov|ভ্লাদিমির মার্কভনিকভ}}
* {{eq|Václav Havel|ভাকলাভ হাভেল}}
* {{eq|W. H. Auden|ডব্লিউ. এইচ. অডেন}}
* {{eq|Wassily Leontief|ওয়াসিলি লিওনটিয়েফ}}
* {{eq|Wernher von Braun|ভের্নহার ফন ব্রাউন}}
* {{eq|Wilhelm Wundt|ভিলহেল্ম ভুন্ট}}
* {{eq|Will Durant|উইল ডুরান্ট}}
* {{eq|Willa Cather|উইলা ক্যাথার}}
* {{eq|Willard van Orman Quine|উইলার্ড ফন অরম্যান কোয়াইন}}
* {{eq|Willem de Sitter|ভিলেম ডে সিটার}}
* {{eq|William Bateson|উইলিয়াম বেটসন}}
* {{eq|William Butler Yeats|উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস}}
* {{eq|William Carey (missionary)|উইলিয়াম কেরি}}
* {{eq|William Carlos Williams|উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস}}
* {{eq|William Crookes|উইলিয়াম ক্রুকস}}
* {{eq|William Dalrymple (historian)|উইলিয়াম ডালরিম্পল}}
* {{eq|William Daniel Phillips|উইলিয়াম ড্যানিয়েল ফিলিপস}}
* {{eq|William Empson|উইলিয়াম এম্পসন}}
* {{eq|William F. Sharpe|উইলিয়াম শার্প}}
* {{eq|William Golding|উইলিয়াম গোল্ডিং}}
* {{eq|William Herschel|উইলিয়াম হার্শেল}}
* {{eq|William Jones (philologist)|উইলিয়াম জোন্স (ভাষাতাত্ত্বিক)}}
* {{eq|William Rowan Hamilton|উইলিয়াম রোয়ান হ্যামিল্টন}}
* {{eq|William Shockley|উইলিয়াম শকলি}}
* {{eq|William Stanley Jevons|উইলিয়াম স্ট্যানলি জেভন্স}}
* {{eq|William Thomson|উইলিয়াম থমসন}}
* {{eq|William Vickrey|উইলিয়াম ভিক্রি}}
* {{eq|Winnie Byanyima|উইনি বিয়ানিমা}}
* {{eq|Wole Soyinka|ওলে সোয়িংকা}}
* {{eq|Wolfgang Pauli|ভোলফগাং পাউলি}}
* {{eq|Yang Chen-Ning|চেন নিং ইয়াং}}
* {{eq|Yann LeCun|ইয়ান ল্যকান}}
* {{eq|Yann Martel|ইয়ান মার্টেল}}
* {{eq|Yasunari Kawabata|ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা}}
* {{eq|Yoichiro Nambu|ইয়োইচিরো নাম্বু}}
* {{eq|Zadie Smith|জেডি স্মিথ}}
* {{eq|Zhong Nanshan|চোং নানশান}}
* {{eq|Zhuangzi|চুয়াং জি}}
{{Div col end}}
[[বিষয়শ্রেণী:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬]]
jgsa8cyubfzeodg45q2r5fppyrpmnn3
ব্যবহারকারী:ARI/test.js
2
11859
73825
72988
2026-04-05T13:08:09Z
ARI
356
73825
javascript
text/javascript
(function($, mw) {
'use strict';
const SPECIAL_PAGE_NAME = 'বিশেষ:খালি_পাতা/ImportTool';
const GADGET_NAME = 'পাতা আমদানিকারক';
function init() {
mw.loader.using(['mediawiki.util']).then(function() {
const currentPage = mw.config.get('wgPageName');
let urlParams = {};
if (currentPage !== SPECIAL_PAGE_NAME) {
urlParams = { target: currentPage };
}
const portlet = mw.config.get('skin') === 'minerva' ? 'p-personal' : 'p-tb';
mw.util.addPortletLink(
portlet,
mw.util.getUrl(SPECIAL_PAGE_NAME, urlParams),
'পাতা আমদানিকারক',
't-import-tool',
'একাধিক পাতা আমদানির ড্যাশবোর্ড'
);
});
const pageName = mw.config.get('wgPageName');
if (pageName === SPECIAL_PAGE_NAME) {
mw.loader.using(['mediawiki.api', 'mediawiki.ForeignApi', 'mediawiki.util', 'oojs-ui-core', 'oojs-ui-widgets', 'oojs-ui-windows']).then(loadDashboard);
}
}
async function analyzeContent(content, api, options) {
const opts = Object.assign({
fixLinksEng: true, fixLinksRed: true,
fixCatsEng: true, fixCatsRed: true,
fixTempsEng: true, fixTempsRed: true,
onlyRedTemplates: true
}, options);
const linkRegex = /\[\[\s*([^|\]]+?)\s*(?:\|([^\]]+))?\]\]/g;
const redTemplateRegex = /\{\{(?:অনিবন্ধিত|বাংলায় নেই|মৌলিক নিবন্ধ)\|([^\|\}]+)\|([^\}]+)\}\}/g;
const generalTemplateRegex = /\{\{\s*([a-zA-Z][^|{}#]*?)\s*(?:\||\}\})/g;
let match;
const candidates = new Set();
if (opts.fixLinksEng || opts.fixLinksRed || opts.fixCatsEng || opts.fixCatsRed) {
while ((match = linkRegex.exec(content)) !== null) {
const target = match[1];
const isFile = /^(File|Image|চিত্র):/i.test(target);
if (isFile) continue;
if (/[a-zA-Z]/.test(target)) {
let cleanTarget = target.split('#')[0].trim();
cleanTarget = cleanTarget.replace(/^:?en:/i, '');
if (cleanTarget) {
if (cleanTarget.startsWith(':')) cleanTarget = cleanTarget.substring(1);
candidates.add(cleanTarget);
}
}
}
}
if (opts.fixTempsEng || opts.fixTempsRed) {
while ((match = redTemplateRegex.exec(content)) !== null) {
const target = match[1];
if (/[a-zA-Z]/.test(target)) {
const cleanTarget = target.split('#')[0].trim();
if (cleanTarget) candidates.add(cleanTarget);
}
}
while ((match = generalTemplateRegex.exec(content)) !== null) {
const target = match[1].trim();
if (target.includes(':') && !target.toLowerCase().startsWith('template:')) continue;
let lookupTitle = target;
if (!target.toLowerCase().startsWith('template:')) {
lookupTitle = 'Template:' + target;
}
candidates.add(lookupTitle);
}
}
if (candidates.size === 0) return { changes: [], allCandidates: [], newContent: content, missingTemplates: [] };
if ((opts.fixTempsEng || opts.fixTempsRed) && opts.onlyRedTemplates) {
const templateCandidates = Array.from(candidates).filter(c => c.toLowerCase().startsWith('template:'));
if (templateCandidates.length > 0) {
for (let i = 0; i < templateCandidates.length; i += 50) {
const chunk = templateCandidates.slice(i, i + 50);
try {
const localData = await api.get({
action: 'query', titles: chunk.join('|'), formatversion: 2
});
const normMap = {};
if (localData.query.normalized) {
localData.query.normalized.forEach(n => normMap[n.to] = n.from);
}
localData.query.pages.forEach(p => {
if (!p.missing) {
if (candidates.has(p.title)) candidates.delete(p.title);
else if (normMap[p.title] && candidates.has(normMap[p.title])) candidates.delete(normMap[p.title]);
}
});
} catch (e) { }
}
}
if (candidates.size === 0) return { changes: [], allCandidates: [], newContent: content, missingTemplates: [] };
}
const enApi = new mw.ForeignApi('https://en.wikiquote.org/w/api.php');
const wdApi = new mw.ForeignApi('https://www.wikidata.org/w/api.php');
const candidateArray = Array.from(candidates);
const mappings = {};
const missingTemplates = [];
for (let i = 0; i < candidateArray.length; i += 50) {
const chunk = candidateArray.slice(i, i + 50);
const enData = await enApi.get({
action: 'query', titles: chunk.join('|'), redirects: 1,
prop: 'pageprops', ppprop: 'wikibase_item', formatversion: 2
});
const normMap = {};
if (enData.query.normalized) enData.query.normalized.forEach(n => normMap[n.from] = n.to);
const redirectMap = {};
if (enData.query.redirects) enData.query.redirects.forEach(r => redirectMap[r.from] = r.to);
const titleToQid = {};
const qids = [];
enData.query.pages.forEach(p => {
if (p.pageprops && p.pageprops.wikibase_item) {
qids.push(p.pageprops.wikibase_item);
titleToQid[p.title] = p.pageprops.wikibase_item;
}
});
if (qids.length === 0) continue;
const wdData = await wdApi.get({
action: 'wbgetentities', ids: qids.join('|'), props: 'sitelinks',
sitefilter: 'bnwikiquote', formatversion: 2
});
chunk.forEach(origTitle => {
let normalizedTitle = normMap[origTitle] || origTitle;
let resolvedTitle = redirectMap[normalizedTitle] || normalizedTitle;
if (redirectMap[resolvedTitle]) resolvedTitle = redirectMap[resolvedTitle];
const qid = titleToQid[resolvedTitle];
const isRedirect = (resolvedTitle !== normalizedTitle && resolvedTitle !== origTitle);
if (qid) {
if (wdData.entities[qid]?.sitelinks?.bnwikiquote) {
mappings[origTitle] = {
title: wdData.entities[qid].sitelinks.bnwikiquote.title,
isRedirect: isRedirect
};
} else if (resolvedTitle.toLowerCase().startsWith('template:') || resolvedTitle.toLowerCase().startsWith('category:')) {
missingTemplates.push({
title: origTitle, qid: qid, resolvedTitle: resolvedTitle, isRedirect: isRedirect
});
}
}
});
}
const changes = [];
let newContent = content;
if (opts.fixLinksEng || opts.fixLinksRed || opts.fixCatsEng || opts.fixCatsRed) {
newContent = newContent.replace(linkRegex, (match, target, label) => {
let cleanTarget = target.split('#')[0].trim();
cleanTarget = cleanTarget.replace(/^:?en:/i, '');
const anchor = target.includes('#') ? '#' + target.split('#')[1] : '';
const isFile = /^(File|Image|চিত্র):/i.test(cleanTarget);
const isCategory = /^(Category|বিষয়শ্রেণী):/i.test(cleanTarget);
if (isFile) return match;
const lookupTarget = cleanTarget.startsWith(':') ? cleanTarget.substring(1) : cleanTarget;
const mapEntry = mappings[lookupTarget];
if (mapEntry) {
if (isCategory) {
if (mapEntry.isRedirect && !opts.fixCatsRed) return match;
if (!mapEntry.isRedirect && !opts.fixCatsEng) return match;
} else {
if (mapEntry.isRedirect && !opts.fixLinksRed) return match;
if (!mapEntry.isRedirect && !opts.fixLinksEng) return match;
}
let newTarget = mapEntry.title + anchor;
const originalHadColon = target.trim().startsWith(':') || /^\s*:?en:/i.test(target);
if (originalHadColon && !newTarget.startsWith(':') && (newTarget.startsWith('Category:') || newTarget.startsWith('বিষয়শ্রেণী:') || newTarget.startsWith('File:') || newTarget.startsWith('চিত্র:'))) {
newTarget = ':' + newTarget;
}
let newLink = label ? `[[${newTarget}|${label}]]` : `[[${newTarget}]]`;
if (match !== newLink) {
changes.push({ original: cleanTarget + (mapEntry.isRedirect ? ' (R)' : ''), new: newTarget, link: mapEntry.isRedirect ? 'Redirect' : 'Link' });
return newLink;
}
}
return match;
});
}
if (opts.fixTempsEng || opts.fixTempsRed) {
newContent = newContent.replace(redTemplateRegex, (match, target, label) => {
const cleanTarget = target.split('#')[0].trim();
const mapEntry = mappings[cleanTarget];
if (mapEntry) {
if (mapEntry.isRedirect && !opts.fixTempsRed) return match;
if (!mapEntry.isRedirect && !opts.fixTempsEng) return match;
const newLink = `[[${mapEntry.title}|${label}]]`;
if (match !== newLink) {
changes.push({ original: `${cleanTarget} (Wrapper)`, new: mapEntry.title, link: 'Template' });
return newLink;
}
}
return match;
});
newContent = newContent.replace(/(\{\{\s*)([a-zA-Z][^|{}#]*?)(\s*(?:\||\}\}))/g, (match, prefix, target, suffix) => {
const cleanTarget = target.trim();
let lookupTitle = cleanTarget;
if (!cleanTarget.toLowerCase().startsWith('template:') && !cleanTarget.includes(':')) {
lookupTitle = 'Template:' + cleanTarget;
}
const mapEntry = mappings[lookupTitle];
if (mapEntry) {
if (mapEntry.isRedirect && !opts.fixTempsRed) return match;
if (!mapEntry.isRedirect && !opts.fixTempsEng) return match;
let bnTitle = mapEntry.title;
if (!cleanTarget.toLowerCase().startsWith('template:')) {
bnTitle = bnTitle.replace(/^টেমপ্লেট:/, '');
}
const newString = prefix + bnTitle + suffix;
if (target !== bnTitle) {
changes.push({ original: `{{${cleanTarget}}}`, new: `{{${bnTitle}}}`, link: 'Template' });
return newString;
}
}
return match;
});
}
return { changes: changes, allCandidates: candidateArray, newContent: newContent, missingTemplates: missingTemplates };
}
function loadDashboard() {
document.title = GADGET_NAME + " - ড্যাশবোর্ড";
$('#firstHeading').text(GADGET_NAME);
$('#mw-content-text').empty();
const api = new mw.Api();
function addToLog(container, title, type, message, parentTitle = null) {
const colors = { 'success': '#14866d', 'error': '#d33', 'saved': '#36c', 'imported': '#6633cc', 'warning': '#fc3' };
const bgColors = { 'success': '#e6f5f2', 'error': '#fee7e6', 'saved': '#eaf3ff', 'imported': '#f3e6ff', 'warning': '#fff8e6' };
const icon = type === 'saved' ? '✅' : (type === 'error' ? '❌' : (type === 'imported' ? '📥' : 'ℹ️'));
if (type === 'error' && typeof message === 'string' && message.includes('Already exists in BnWikiquote as:')) {
const parts = message.split('Already exists in BnWikiquote as:');
if (parts.length > 1) {
const existingTitle = parts[1].trim();
const existingUrl = mw.util.getUrl(existingTitle);
let extraHtml = `<a href="${existingUrl}" target="_blank">${existingTitle}</a>`;
if (existingTitle.startsWith('বিষয়শ্রেণী:') || existingTitle.startsWith('Category:')) {
const catSyncerUrl = mw.util.getUrl('User:Aishik Rehman/CatSyncer', { target: existingTitle.replace(/ /g, '_') });
extraHtml += ` <span style="font-size:0.9em; margin-left:5px;">[<a href="${catSyncerUrl}" target="_blank"><b>Run CatSyncer</b></a>]</span>`;
}
message = 'Already exists in BnWikiquote as: ' + extraHtml;
}
}
let htmlMsg = `<b>${icon} <a href="${mw.util.getUrl(title)}" target="_blank">${title}</a></b>: ${message}`;
if (type === 'imported' && (title.startsWith('বিষয়শ্রেণী:') || title.startsWith('Category:'))) {
const catSyncerUrl = mw.util.getUrl('User:Aishik Rehman/CatSyncer', { target: title.replace(/ /g, '_') });
htmlMsg += ` <span style="font-size:0.9em; margin-left:5px;">[<a href="${catSyncerUrl}" target="_blank"><b>Run CatSyncer</b></a>]</span>`;
}
const line = $('<div>').css({
'padding': '6px 10px',
'margin-bottom': '2px',
'border-left': `4px solid ${colors[type] || '#000'}`,
'background-color': bgColors[type] || '#fff',
'color': '#202122',
'font-size': '0.95em'
}).html(htmlMsg);
if (parentTitle) {
line.css('margin-left', '30px');
const lastParent = container.$element.find(`[data-log-title="${parentTitle}"]`);
if (lastParent.length) {
lastParent.after(line);
} else {
container.$element.prepend(line);
}
} else {
line.attr('data-log-title', title);
container.$element.prepend(line);
}
}
const importPanel = new OO.ui.PanelLayout({ padded: true, expanded: false });
$('#mw-content-text').append(importPanel.$element);
setupImportTool(importPanel, api, addToLog);
}
function setupImportTool(panel, api, addToLog) {
const isMobile = mw.config.get('skin') === 'minerva';
const gridTemplate = isMobile ? '1fr' : '300px 1fr';
const grid = $('<div>').css({ 'display': 'grid', 'grid-template-columns': gridTemplate, 'gap': '15px' });
const leftCol = $('<div>');
const listInput = new OO.ui.MultilineTextInputWidget({
placeholder: 'ইংরেজিতে শিরোনাম দিন (প্রতি লাইনে একটি)...\nExample:\nTemplate:Infobox\nCategory:History\nBangladesh',
autosize: true, rows: 10
});
const processBtn = new OO.ui.ButtonWidget({ label: 'শুরু করুন (Start)', flags: ['primary', 'progressive'], width: '100%' });
const queueStatus = $('<div>').css({ 'margin-top': '10px', 'font-style': 'italic', 'color': '#666' });
const logArea = new OO.ui.PanelLayout({ padded: true, expanded: false });
$(logArea.$element).css({ 'margin-top': '15px', 'max-height': '400px', 'overflow-y': 'auto' });
leftCol.append(
new OO.ui.FieldLayout(listInput, { label: 'আমদানির তালিকা', align: 'top' }).$element,
processBtn.$element,
queueStatus,
$('<h4>').text('Import Log'),
logArea.$element
);
const rightCol = $('<div>').css({ 'border-left': isMobile ? 'none' : '1px solid #ccc', 'padding-left': isMobile ? '0' : '15px' });
const duplicateWarning = new OO.ui.MessageWidget({
type: 'warning',
icon: 'alert',
inline: true,
classes: ['oo-ui-element-hidden']
});
duplicateWarning.$element.css('margin-bottom', '15px');
const nsInput = new OO.ui.TextInputWidget({ placeholder: 'Namespace (e.g. টেমপ্লেট)', disabled: true });
const titleInput = new OO.ui.TextInputWidget({ placeholder: 'Page Title', disabled: true });
const contentEditor = new OO.ui.MultilineTextInputWidget({ autosize: true, rows: 15, disabled: true });
const saveBtn = new OO.ui.ButtonWidget({ label: 'সংরক্ষণ ও পরবর্তী (Save & Next)', flags: ['primary', 'progressive'], icon: 'check', disabled: true });
const skipBtn = new OO.ui.ButtonWidget({ label: 'বাদ দিন (Skip)', flags: ['destructive'], icon: 'close', disabled: true });
const btnGroup = new OO.ui.ButtonGroupWidget({ items: [saveBtn, skipBtn] });
rightCol.append(
duplicateWarning.$element,
new OO.ui.FieldLayout(nsInput, { label: 'নেমস্পেস', align: 'top' }).$element,
new OO.ui.FieldLayout(titleInput, { label: 'শিরোনাম', align: 'top' }).$element,
new OO.ui.FieldLayout(contentEditor, { label: 'বিষয়বস্তু', align: 'top' }).$element,
btnGroup.$element
);
grid.append(leftCol, rightCol);
panel.$element.append(grid);
let queue = [];
let currentItem = null;
processBtn.on('click', () => {
const raw = listInput.getValue().trim();
if (!raw) return OO.ui.alert('তালিকা খালি!');
queue = raw.split('\n').map(l => l.trim()).filter(l => l);
listInput.setDisabled(true);
processBtn.setDisabled(true);
processNext();
});
async function processNext() {
if (queue.length === 0) {
queueStatus.text('কাজ শেষ!');
listInput.setDisabled(false); processBtn.setDisabled(false);
clearEditor();
return;
}
const enTitle = queue.shift();
queueStatus.text(`বাকি আছে: ${queue.length + 1} | প্রসেস হচ্ছে: ${enTitle}`);
saveBtn.setDisabled(true); skipBtn.setDisabled(true);
duplicateWarning.$element.addClass('oo-ui-element-hidden');
try {
const data = await fetchAndTranslate(enTitle, api);
currentItem = data;
if (data.existingBnTitle) {
duplicateWarning.setLabel(new OO.ui.HtmlSnippet(`<b>সতর্কতা:</b> এই পাতাটি ইতিমধ্যে বাংলা উইকিউক্তিতে <b><a href="${mw.util.getUrl(data.existingBnTitle)}" target="_blank">${data.existingBnTitle}</a></b> নামে বিদ্যমান! সংরক্ষণ করলে পাতাটির বর্তমান লেখা প্রতিস্থাপিত হবে।`));
duplicateWarning.$element.removeClass('oo-ui-element-hidden');
const colonIdx = data.existingBnTitle.indexOf(':');
if (colonIdx > 0 && data.existingBnTitle.substring(0, colonIdx) !== data.existingBnTitle) {
nsInput.setValue(data.existingBnTitle.substring(0, colonIdx));
titleInput.setValue(data.existingBnTitle.substring(colonIdx + 1));
} else {
nsInput.setValue('');
titleInput.setValue(data.existingBnTitle);
}
} else {
nsInput.setValue(data.bnNamespace);
titleInput.setValue(data.bnTitleOnly);
}
contentEditor.setValue(data.content);
nsInput.setDisabled(false); titleInput.setDisabled(false); contentEditor.setDisabled(false);
saveBtn.setDisabled(false); skipBtn.setDisabled(false);
} catch (err) {
addToLog(logArea, enTitle, 'error', err);
processNext();
}
}
saveBtn.on('click', async () => {
saveBtn.setDisabled(true);
const finalNs = nsInput.getValue().trim();
const finalTitleOnly = titleInput.getValue().trim();
const fullTitle = finalNs ? `${finalNs}:${finalTitleOnly}` : finalTitleOnly;
const finalContent = contentEditor.getValue();
try {
await api.postWithToken('csrf', {
action: 'edit', title: fullTitle, text: finalContent,
summary: `[[:en:${currentItem.enTitle}|]] থেকে অনুবাদ/আমদানি${currentItem.existingBnTitle ? ' (হালনাগাদ)' : ''}`
});
if (currentItem.qid) {
const wdApi = new mw.ForeignApi('https://www.wikidata.org/w/api.php');
await wdApi.postWithEditToken({
action: 'wbsetsitelink', id: currentItem.qid,
linksite: 'bnwikiquote', linktitle: fullTitle
});
}
addToLog(logArea, fullTitle, 'imported', `আমদানি/হালনাগাদ সম্পন্ন (QID: ${currentItem.qid || 'N/A'})`);
processNext();
} catch (e) {
if (e === 'articleexists') {
OO.ui.alert('এই পাতাটি ইতিমধ্যে বিদ্যমান!');
saveBtn.setDisabled(false);
} else {
OO.ui.alert('Error: ' + e);
saveBtn.setDisabled(false);
}
}
});
skipBtn.on('click', () => {
addToLog(logArea, currentItem.enTitle, 'error', 'Skipped by user');
processNext();
});
function clearEditor() {
nsInput.setValue(''); titleInput.setValue(''); contentEditor.setValue('');
nsInput.setDisabled(true); titleInput.setDisabled(true); contentEditor.setDisabled(true);
saveBtn.setDisabled(true); skipBtn.setDisabled(true);
duplicateWarning.$element.addClass('oo-ui-element-hidden');
}
}
async function fetchAndTranslate(enTitle, api) {
const enApi = new mw.ForeignApi('https://en.wikiquote.org/w/api.php');
const enData = await enApi.get({
action: 'query', titles: enTitle, prop: 'revisions|pageprops',
rvprop: 'content', rvslots: 'main', ppprop: 'wikibase_item', redirects: 1, formatversion: 2
});
const page = enData.query.pages[0];
if (page.missing) throw "English page not found";
const qid = page.pageprops?.wikibase_item;
const rawContent = page.revisions[0].slots.main.content;
const resolvedEnTitle = page.title;
const enNsId = page.ns;
const analysis = await analyzeContent(rawContent, api, {
fixLinksEng: true, fixLinksRed: true, fixCatsEng: true, fixCatsRed: true,
fixTempsEng: true, fixTempsRed: true, onlyRedTemplates: false
});
let bnNamespace = '';
let bnTitleOnly = resolvedEnTitle;
if (enNsId === 10) { bnNamespace = 'টেমপ্লেট'; bnTitleOnly = resolvedEnTitle.replace(/^Template:/, ''); }
else if (enNsId === 14) { bnNamespace = 'বিষয়শ্রেণী'; bnTitleOnly = resolvedEnTitle.replace(/^Category:/, ''); }
else if (enNsId === 828) { bnNamespace = 'মডিউল'; bnTitleOnly = resolvedEnTitle.replace(/^Module:/, ''); }
else if (enNsId === 0) { bnNamespace = ''; }
else {
const parts = resolvedEnTitle.split(':');
if (parts.length > 1) {
bnNamespace = parts[0];
bnTitleOnly = parts.slice(1).join(':');
}
}
let existingBnTitle = null;
if (qid) {
const wdApi = new mw.ForeignApi('https://www.wikidata.org/w/api.php');
const wd = await wdApi.get({ action: 'wbgetentities', ids: qid, props: 'sitelinks', sitefilter: 'bnwikiquote', formatversion: 2 });
if (wd.entities[qid].sitelinks?.bnwikiquote) {
existingBnTitle = wd.entities[qid].sitelinks.bnwikiquote.title;
}
}
if (!existingBnTitle) {
const potentialFullTitle = bnNamespace ? `${bnNamespace}:${bnTitleOnly}` : bnTitleOnly;
const localCheck = await api.get({ action: 'query', titles: potentialFullTitle, formatversion: 2 });
if (!localCheck.query.pages[0].missing) {
existingBnTitle = localCheck.query.pages[0].title;
}
}
return {
enTitle: resolvedEnTitle,
bnNamespace: bnNamespace,
bnTitleOnly: bnTitleOnly,
existingBnTitle: existingBnTitle,
content: analysis.newContent,
qid: qid
};
}
$(document).ready(init);
})(jQuery, mediaWiki);
psg41omcukiycgutgp9eukz489flw44
73826
73825
2026-04-05T13:12:52Z
ARI
356
73826
javascript
text/javascript
(function($, mw) {
'use strict';
const SPECIAL_PAGE_NAME = 'বিশেষ:খালি_পাতা/ImportTool';
const GADGET_NAME = 'পাতা আমদানিকারক';
function init() {
mw.loader.using(['mediawiki.util']).then(function() {
const currentPage = mw.config.get('wgPageName');
let urlParams = {};
if (currentPage !== SPECIAL_PAGE_NAME) {
urlParams = { target: currentPage };
}
const portlet = mw.config.get('skin') === 'minerva' ? 'p-personal' : 'p-tb';
mw.util.addPortletLink(
portlet,
mw.util.getUrl(SPECIAL_PAGE_NAME, urlParams),
'পাতা আমদানিকারক',
't-import-tool',
'একাধিক পাতা আমদানির ড্যাশবোর্ড'
);
});
const pageName = mw.config.get('wgPageName');
if (pageName === SPECIAL_PAGE_NAME) {
mw.loader.using(['mediawiki.api', 'mediawiki.ForeignApi', 'mediawiki.util', 'oojs-ui-core', 'oojs-ui-widgets', 'oojs-ui-windows']).then(loadDashboard);
}
}
async function analyzeContent(content, api, options) {
const opts = Object.assign({
fixLinksEng: true, fixLinksRed: true,
fixCatsEng: true, fixCatsRed: true,
fixTempsEng: true, fixTempsRed: true,
onlyRedTemplates: true
}, options);
const linkRegex = /\[\[\s*([^|\]]+?)\s*(?:\|([^\]]+))?\]\]/g;
const redTemplateRegex = /\{\{(?:অনিবন্ধিত|বাংলায় নেই|মৌলিক নিবন্ধ)\|([^\|\}]+)\|([^\}]+)\}\}/g;
const generalTemplateRegex = /\{\{\s*([a-zA-Z][^|{}#]*?)\s*(?:\||\}\})/g;
let match;
const candidates = new Set();
if (opts.fixLinksEng || opts.fixLinksRed || opts.fixCatsEng || opts.fixCatsRed) {
while ((match = linkRegex.exec(content)) !== null) {
const target = match[1];
const isFile = /^(File|Image|চিত্র):/i.test(target);
if (isFile) continue;
if (/[a-zA-Z]/.test(target)) {
let cleanTarget = target.split('#')[0].trim();
cleanTarget = cleanTarget.replace(/^:?en:/i, '');
if (cleanTarget) {
if (cleanTarget.startsWith(':')) cleanTarget = cleanTarget.substring(1);
candidates.add(cleanTarget);
}
}
}
}
if (opts.fixTempsEng || opts.fixTempsRed) {
while ((match = redTemplateRegex.exec(content)) !== null) {
const target = match[1];
if (/[a-zA-Z]/.test(target)) {
const cleanTarget = target.split('#')[0].trim();
if (cleanTarget) candidates.add(cleanTarget);
}
}
while ((match = generalTemplateRegex.exec(content)) !== null) {
const target = match[1].trim();
if (target.includes(':') && !target.toLowerCase().startsWith('template:')) continue;
let lookupTitle = target;
if (!target.toLowerCase().startsWith('template:')) {
lookupTitle = 'Template:' + target;
}
candidates.add(lookupTitle);
}
}
if (candidates.size === 0) return { changes: [], allCandidates: [], newContent: content, missingTemplates: [] };
if ((opts.fixTempsEng || opts.fixTempsRed) && opts.onlyRedTemplates) {
const templateCandidates = Array.from(candidates).filter(c => c.toLowerCase().startsWith('template:'));
if (templateCandidates.length > 0) {
for (let i = 0; i < templateCandidates.length; i += 50) {
const chunk = templateCandidates.slice(i, i + 50);
try {
const localData = await api.post({
action: 'query', titles: chunk.join('|'), formatversion: 2
});
const normMap = {};
if (localData?.query?.normalized) {
localData.query.normalized.forEach(n => normMap[n.to] = n.from);
}
if (localData?.query?.pages) {
localData.query.pages.forEach(p => {
if (!p.missing) {
if (candidates.has(p.title)) candidates.delete(p.title);
else if (normMap[p.title] && candidates.has(normMap[p.title])) candidates.delete(normMap[p.title]);
}
});
}
} catch (e) { }
}
}
if (candidates.size === 0) return { changes: [], allCandidates: [], newContent: content, missingTemplates: [] };
}
const enApi = new mw.ForeignApi('https://en.wikiquote.org/w/api.php');
const wdApi = new mw.ForeignApi('https://www.wikidata.org/w/api.php');
const candidateArray = Array.from(candidates);
const mappings = {};
const missingTemplates = [];
for (let i = 0; i < candidateArray.length; i += 50) {
const chunk = candidateArray.slice(i, i + 50);
try {
const enData = await enApi.post({
action: 'query', titles: chunk.join('|'), redirects: 1,
prop: 'pageprops', ppprop: 'wikibase_item', formatversion: 2
});
const normMap = {};
if (enData?.query?.normalized) enData.query.normalized.forEach(n => normMap[n.from] = n.to);
const redirectMap = {};
if (enData?.query?.redirects) enData.query.redirects.forEach(r => redirectMap[r.from] = r.to);
const titleToQid = {};
const qids = [];
if (enData?.query?.pages) {
enData.query.pages.forEach(p => {
if (p.pageprops && p.pageprops.wikibase_item) {
qids.push(p.pageprops.wikibase_item);
titleToQid[p.title] = p.pageprops.wikibase_item;
}
});
}
if (qids.length === 0) continue;
const wdData = await wdApi.post({
action: 'wbgetentities', ids: qids.join('|'), props: 'sitelinks',
sitefilter: 'bnwikiquote', formatversion: 2
});
chunk.forEach(origTitle => {
let normalizedTitle = normMap[origTitle] || origTitle;
let resolvedTitle = redirectMap[normalizedTitle] || normalizedTitle;
if (redirectMap[resolvedTitle]) resolvedTitle = redirectMap[resolvedTitle];
const qid = titleToQid[resolvedTitle];
const isRedirect = (resolvedTitle !== normalizedTitle && resolvedTitle !== origTitle);
if (qid) {
if (wdData?.entities?.[qid]?.sitelinks?.bnwikiquote) {
mappings[origTitle] = {
title: wdData.entities[qid].sitelinks.bnwikiquote.title,
isRedirect: isRedirect
};
} else if (resolvedTitle.toLowerCase().startsWith('template:') || resolvedTitle.toLowerCase().startsWith('category:')) {
missingTemplates.push({
title: origTitle, qid: qid, resolvedTitle: resolvedTitle, isRedirect: isRedirect
});
}
}
});
} catch (e) { }
}
const changes = [];
let newContent = content;
if (opts.fixLinksEng || opts.fixLinksRed || opts.fixCatsEng || opts.fixCatsRed) {
newContent = newContent.replace(linkRegex, (match, target, label) => {
let cleanTarget = target.split('#')[0].trim();
cleanTarget = cleanTarget.replace(/^:?en:/i, '');
const anchor = target.includes('#') ? '#' + target.split('#')[1] : '';
const isFile = /^(File|Image|চিত্র):/i.test(cleanTarget);
const isCategory = /^(Category|বিষয়শ্রেণী):/i.test(cleanTarget);
if (isFile) return match;
const lookupTarget = cleanTarget.startsWith(':') ? cleanTarget.substring(1) : cleanTarget;
const mapEntry = mappings[lookupTarget];
if (mapEntry) {
if (isCategory) {
if (mapEntry.isRedirect && !opts.fixCatsRed) return match;
if (!mapEntry.isRedirect && !opts.fixCatsEng) return match;
} else {
if (mapEntry.isRedirect && !opts.fixLinksRed) return match;
if (!mapEntry.isRedirect && !opts.fixLinksEng) return match;
}
let newTarget = mapEntry.title + anchor;
const originalHadColon = target.trim().startsWith(':') || /^\s*:?en:/i.test(target);
if (originalHadColon && !newTarget.startsWith(':') && (newTarget.startsWith('Category:') || newTarget.startsWith('বিষয়শ্রেণী:') || newTarget.startsWith('File:') || newTarget.startsWith('চিত্র:'))) {
newTarget = ':' + newTarget;
}
let newLink = label ? `[[${newTarget}|${label}]]` : `[[${newTarget}]]`;
if (match !== newLink) {
changes.push({ original: cleanTarget + (mapEntry.isRedirect ? ' (R)' : ''), new: newTarget, link: mapEntry.isRedirect ? 'Redirect' : 'Link' });
return newLink;
}
}
return match;
});
}
if (opts.fixTempsEng || opts.fixTempsRed) {
newContent = newContent.replace(redTemplateRegex, (match, target, label) => {
const cleanTarget = target.split('#')[0].trim();
const mapEntry = mappings[cleanTarget];
if (mapEntry) {
if (mapEntry.isRedirect && !opts.fixTempsRed) return match;
if (!mapEntry.isRedirect && !opts.fixTempsEng) return match;
const newLink = `[[${mapEntry.title}|${label}]]`;
if (match !== newLink) {
changes.push({ original: `${cleanTarget} (Wrapper)`, new: mapEntry.title, link: 'Template' });
return newLink;
}
}
return match;
});
newContent = newContent.replace(/(\{\{\s*)([a-zA-Z][^|{}#]*?)(\s*(?:\||\}\}))/g, (match, prefix, target, suffix) => {
const cleanTarget = target.trim();
let lookupTitle = cleanTarget;
if (!cleanTarget.toLowerCase().startsWith('template:') && !cleanTarget.includes(':')) {
lookupTitle = 'Template:' + cleanTarget;
}
const mapEntry = mappings[lookupTitle];
if (mapEntry) {
if (mapEntry.isRedirect && !opts.fixTempsRed) return match;
if (!mapEntry.isRedirect && !opts.fixTempsEng) return match;
let bnTitle = mapEntry.title;
if (!cleanTarget.toLowerCase().startsWith('template:')) {
bnTitle = bnTitle.replace(/^টেমপ্লেট:/, '');
}
const newString = prefix + bnTitle + suffix;
if (target !== bnTitle) {
changes.push({ original: `{{${cleanTarget}}}`, new: `{{${bnTitle}}}`, link: 'Template' });
return newString;
}
}
return match;
});
}
return { changes: changes, allCandidates: candidateArray, newContent: newContent, missingTemplates: missingTemplates };
}
function loadDashboard() {
document.title = GADGET_NAME + " - ড্যাশবোর্ড";
$('#firstHeading').text(GADGET_NAME);
$('#mw-content-text').empty();
const api = new mw.Api();
function addToLog(container, title, type, message, parentTitle = null) {
const colors = { 'success': '#14866d', 'error': '#d33', 'saved': '#36c', 'imported': '#6633cc', 'warning': '#fc3' };
const bgColors = { 'success': '#e6f5f2', 'error': '#fee7e6', 'saved': '#eaf3ff', 'imported': '#f3e6ff', 'warning': '#fff8e6' };
const icon = type === 'saved' ? '✅' : (type === 'error' ? '❌' : (type === 'imported' ? '📥' : 'ℹ️'));
if (type === 'error' && typeof message === 'string' && message.includes('Already exists in BnWikiquote as:')) {
const parts = message.split('Already exists in BnWikiquote as:');
if (parts.length > 1) {
const existingTitle = parts[1].trim();
const existingUrl = mw.util.getUrl(existingTitle);
let extraHtml = `<a href="${existingUrl}" target="_blank">${existingTitle}</a>`;
if (existingTitle.startsWith('বিষয়শ্রেণী:') || existingTitle.startsWith('Category:')) {
const catSyncerUrl = mw.util.getUrl('User:Aishik Rehman/CatSyncer', { target: existingTitle.replace(/ /g, '_') });
extraHtml += ` <span style="font-size:0.9em; margin-left:5px;">[<a href="${catSyncerUrl}" target="_blank"><b>Run CatSyncer</b></a>]</span>`;
}
message = 'Already exists in BnWikiquote as: ' + extraHtml;
}
}
let htmlMsg = `<b>${icon} <a href="${mw.util.getUrl(title)}" target="_blank">${title}</a></b>: ${message}`;
if (type === 'imported' && (title.startsWith('বিষয়শ্রেণী:') || title.startsWith('Category:'))) {
const catSyncerUrl = mw.util.getUrl('User:Aishik Rehman/CatSyncer', { target: title.replace(/ /g, '_') });
htmlMsg += ` <span style="font-size:0.9em; margin-left:5px;">[<a href="${catSyncerUrl}" target="_blank"><b>Run CatSyncer</b></a>]</span>`;
}
const line = $('<div>').css({
'padding': '6px 10px',
'margin-bottom': '2px',
'border-left': `4px solid ${colors[type] || '#000'}`,
'background-color': bgColors[type] || '#fff',
'color': '#202122',
'font-size': '0.95em'
}).html(htmlMsg);
if (parentTitle) {
line.css('margin-left', '30px');
const lastParent = container.$element.find(`[data-log-title="${parentTitle}"]`);
if (lastParent.length) {
lastParent.after(line);
} else {
container.$element.prepend(line);
}
} else {
line.attr('data-log-title', title);
container.$element.prepend(line);
}
}
const importPanel = new OO.ui.PanelLayout({ padded: true, expanded: false });
$('#mw-content-text').append(importPanel.$element);
setupImportTool(importPanel, api, addToLog);
}
function setupImportTool(panel, api, addToLog) {
const isMobile = mw.config.get('skin') === 'minerva';
const gridTemplate = isMobile ? '1fr' : '300px 1fr';
const grid = $('<div>').css({ 'display': 'grid', 'grid-template-columns': gridTemplate, 'gap': '15px' });
const leftCol = $('<div>');
const listInput = new OO.ui.MultilineTextInputWidget({
placeholder: 'ইংরেজিতে শিরোনাম দিন (প্রতি লাইনে একটি)...\nExample:\nTemplate:Infobox\nCategory:History\nBangladesh',
autosize: true, rows: 10
});
const processBtn = new OO.ui.ButtonWidget({ label: 'শুরু করুন (Start)', flags: ['primary', 'progressive'], width: '100%' });
const queueStatus = $('<div>').css({ 'margin-top': '10px', 'font-style': 'italic', 'color': '#666' });
const logArea = new OO.ui.PanelLayout({ padded: true, expanded: false });
$(logArea.$element).css({ 'margin-top': '15px', 'max-height': '400px', 'overflow-y': 'auto' });
leftCol.append(
new OO.ui.FieldLayout(listInput, { label: 'আমদানির তালিকা', align: 'top' }).$element,
processBtn.$element,
queueStatus,
$('<h4>').text('Import Log'),
logArea.$element
);
const rightCol = $('<div>').css({ 'border-left': isMobile ? 'none' : '1px solid #ccc', 'padding-left': isMobile ? '0' : '15px' });
const duplicateWarning = new OO.ui.MessageWidget({
type: 'warning',
icon: 'alert',
inline: true,
classes: ['oo-ui-element-hidden']
});
duplicateWarning.$element.css('margin-bottom', '15px');
const nsInput = new OO.ui.TextInputWidget({ placeholder: 'Namespace (e.g. টেমপ্লেট)', disabled: true });
const titleInput = new OO.ui.TextInputWidget({ placeholder: 'Page Title', disabled: true });
const contentEditor = new OO.ui.MultilineTextInputWidget({ autosize: true, rows: 15, disabled: true });
const saveBtn = new OO.ui.ButtonWidget({ label: 'সংরক্ষণ ও পরবর্তী (Save & Next)', flags: ['primary', 'progressive'], icon: 'check', disabled: true });
const skipBtn = new OO.ui.ButtonWidget({ label: 'বাদ দিন (Skip)', flags: ['destructive'], icon: 'close', disabled: true });
const btnGroup = new OO.ui.ButtonGroupWidget({ items: [saveBtn, skipBtn] });
rightCol.append(
duplicateWarning.$element,
new OO.ui.FieldLayout(nsInput, { label: 'নেমস্পেস', align: 'top' }).$element,
new OO.ui.FieldLayout(titleInput, { label: 'শিরোনাম', align: 'top' }).$element,
new OO.ui.FieldLayout(contentEditor, { label: 'বিষয়বস্তু', align: 'top' }).$element,
btnGroup.$element
);
grid.append(leftCol, rightCol);
panel.$element.append(grid);
let queue = [];
let currentItem = null;
processBtn.on('click', () => {
const raw = listInput.getValue().trim();
if (!raw) return OO.ui.alert('তালিকা খালি!');
queue = raw.split('\n').map(l => l.trim()).filter(l => l);
listInput.setDisabled(true);
processBtn.setDisabled(true);
processNext();
});
async function processNext() {
if (queue.length === 0) {
queueStatus.text('কাজ শেষ!');
listInput.setDisabled(false); processBtn.setDisabled(false);
clearEditor();
return;
}
const enTitle = queue.shift();
queueStatus.text(`বাকি আছে: ${queue.length + 1} | প্রসেস হচ্ছে: ${enTitle}`);
saveBtn.setDisabled(true); skipBtn.setDisabled(true);
duplicateWarning.$element.addClass('oo-ui-element-hidden');
try {
const data = await fetchAndTranslate(enTitle, api);
currentItem = data;
if (data.existingBnTitle) {
duplicateWarning.setLabel(new OO.ui.HtmlSnippet(`<b>সতর্কতা:</b> এই পাতাটি ইতিমধ্যে বাংলা উইকিউক্তিতে <b><a href="${mw.util.getUrl(data.existingBnTitle)}" target="_blank">${data.existingBnTitle}</a></b> নামে বিদ্যমান! সংরক্ষণ করলে পাতাটির বর্তমান লেখা প্রতিস্থাপিত হবে।`));
duplicateWarning.$element.removeClass('oo-ui-element-hidden');
const colonIdx = data.existingBnTitle.indexOf(':');
if (colonIdx > 0 && data.existingBnTitle.substring(0, colonIdx) !== data.existingBnTitle) {
nsInput.setValue(data.existingBnTitle.substring(0, colonIdx));
titleInput.setValue(data.existingBnTitle.substring(colonIdx + 1));
} else {
nsInput.setValue('');
titleInput.setValue(data.existingBnTitle);
}
} else {
nsInput.setValue(data.bnNamespace);
titleInput.setValue(data.bnTitleOnly);
}
contentEditor.setValue(data.content);
nsInput.setDisabled(false); titleInput.setDisabled(false); contentEditor.setDisabled(false);
saveBtn.setDisabled(false); skipBtn.setDisabled(false);
} catch (err) {
addToLog(logArea, enTitle, 'error', err);
processNext();
}
}
saveBtn.on('click', async () => {
saveBtn.setDisabled(true);
const finalNs = nsInput.getValue().trim();
const finalTitleOnly = titleInput.getValue().trim();
const fullTitle = finalNs ? `${finalNs}:${finalTitleOnly}` : finalTitleOnly;
const finalContent = contentEditor.getValue();
try {
await api.postWithToken('csrf', {
action: 'edit', title: fullTitle, text: finalContent,
summary: `[[:en:${currentItem.enTitle}|]] থেকে অনুবাদ/আমদানি${currentItem.existingBnTitle ? ' (হালনাগাদ)' : ''}`
});
if (currentItem.qid) {
const wdApi = new mw.ForeignApi('https://www.wikidata.org/w/api.php');
await wdApi.postWithEditToken({
action: 'wbsetsitelink', id: currentItem.qid,
linksite: 'bnwikiquote', linktitle: fullTitle
});
}
addToLog(logArea, fullTitle, 'imported', `আমদানি/হালনাগাদ সম্পন্ন (QID: ${currentItem.qid || 'N/A'})`);
processNext();
} catch (e) {
if (e === 'articleexists') {
OO.ui.alert('এই পাতাটি ইতিমধ্যে বিদ্যমান!');
saveBtn.setDisabled(false);
} else {
OO.ui.alert('Error: ' + e);
saveBtn.setDisabled(false);
}
}
});
skipBtn.on('click', () => {
addToLog(logArea, currentItem.enTitle, 'error', 'Skipped by user');
processNext();
});
function clearEditor() {
nsInput.setValue(''); titleInput.setValue(''); contentEditor.setValue('');
nsInput.setDisabled(true); titleInput.setDisabled(true); contentEditor.setDisabled(true);
saveBtn.setDisabled(true); skipBtn.setDisabled(true);
duplicateWarning.$element.addClass('oo-ui-element-hidden');
}
}
async function fetchAndTranslate(enTitle, api) {
const enApi = new mw.ForeignApi('https://en.wikiquote.org/w/api.php');
const enData = await enApi.get({
action: 'query', titles: enTitle, prop: 'revisions|pageprops',
rvprop: 'content', rvslots: 'main', ppprop: 'wikibase_item', redirects: 1, formatversion: 2
});
const page = enData.query.pages[0];
if (page.missing) throw "English page not found";
const qid = page.pageprops?.wikibase_item;
const rawContent = page.revisions[0].slots.main.content;
const resolvedEnTitle = page.title;
const enNsId = page.ns;
const analysis = await analyzeContent(rawContent, api, {
fixLinksEng: true, fixLinksRed: true, fixCatsEng: true, fixCatsRed: true,
fixTempsEng: true, fixTempsRed: true, onlyRedTemplates: false
});
let bnNamespace = '';
let bnTitleOnly = resolvedEnTitle;
if (enNsId === 10) { bnNamespace = 'টেমপ্লেট'; bnTitleOnly = resolvedEnTitle.replace(/^Template:/, ''); }
else if (enNsId === 14) { bnNamespace = 'বিষয়শ্রেণী'; bnTitleOnly = resolvedEnTitle.replace(/^Category:/, ''); }
else if (enNsId === 828) { bnNamespace = 'মডিউল'; bnTitleOnly = resolvedEnTitle.replace(/^Module:/, ''); }
else if (enNsId === 0) { bnNamespace = ''; }
else {
const parts = resolvedEnTitle.split(':');
if (parts.length > 1) {
bnNamespace = parts[0];
bnTitleOnly = parts.slice(1).join(':');
}
}
let existingBnTitle = null;
if (qid) {
const wdApi = new mw.ForeignApi('https://www.wikidata.org/w/api.php');
const wd = await wdApi.get({ action: 'wbgetentities', ids: qid, props: 'sitelinks', sitefilter: 'bnwikiquote', formatversion: 2 });
if (wd.entities[qid].sitelinks?.bnwikiquote) {
existingBnTitle = wd.entities[qid].sitelinks.bnwikiquote.title;
}
}
if (!existingBnTitle) {
const potentialFullTitle = bnNamespace ? `${bnNamespace}:${bnTitleOnly}` : bnTitleOnly;
const localCheck = await api.get({ action: 'query', titles: potentialFullTitle, formatversion: 2 });
if (!localCheck.query.pages[0].missing) {
existingBnTitle = localCheck.query.pages[0].title;
}
}
return {
enTitle: resolvedEnTitle,
bnNamespace: bnNamespace,
bnTitleOnly: bnTitleOnly,
existingBnTitle: existingBnTitle,
content: analysis.newContent,
qid: qid
};
}
$(document).ready(init);
})(jQuery, mediaWiki);
apzrzt5vonw9d31iczyysprlf1b2yio
মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০
0
11869
73910
73424
2026-04-05T17:43:08Z
R1F4T
1240
73910
wikitext
text/x-wiki
{{italic title}}
__NOTOC__
'''''[[w:bn:মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০|মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০]]''''' (১৯৮৮–১৯৯৯; ২০১৭–২০১৮; ২০২২–) একটি আমেরিকান টিভি অনুষ্ঠান। এখানে অত্যন্ত বুদ্ধিদীপ্ত কৌতুকের পাশাপাশি হালকা চালের রসিকতা মিশিয়ে আজেবাজে সিনেমাগুলোকে নিয়ে ঠাট্টা-তামাশা করা হয়। সিনেমার অদ্ভুত চরিত্র বা হাস্যকর পরিবেশ এবং মাথামুণ্ডুহীন কাহিনি নিয়ে বিদ্রূপ করাই এই শো-এর মূল আকর্ষণ। এই সংকলনে মোট ২৩০টি সিনেমা ও ৭৩টি ছোট ছবি এবং ৪টি বিশেষ পর্ব রয়েছে। এই পাতা ব্যবহারের সাহায্যের জন্য নিচের নোট দেখুন। ৪টি বিশেষ পর্ব রয়েছে। (এই পাতা ব্যবহারের সাহায্যের জন্য নিচের [[#নোট|নোট]] দেখুন।)
<!-- সূচিপত্র শুরু -->
{| border=1 align=center style="text-align:center;"
! bgcolor=#3F3 | [[#মৌসুম ০ (কেটিএমএ)|<span title="মৌসুম ০">কেটিএমএ</span>]]
| bgcolor=#5F5 | [[#দ্য গ্রিন স্লাইম|<span title="দ্য গ্রিন স্লাইম">০০</span>]]
| bgcolor=#5F5 | [[#ইনভেডার্স ফ্রম দ্য ডিপ|<span title="ইনভেডার্স ফ্রম দ্য ডিপ">০১</span>]]
| bgcolor=#5F5 | [[#রিভেঞ্জ অব দ্য মিস্টেরনস ফ্রম মার্স|<span title="রিভেঞ্জ অব দ্য মিস্টেরনস ফ্রম মার্স">০২</span>]]
| bgcolor=#5F5 | [[#স্টার ফোর্স: ফিউজিটিভ এলিয়েন II|<span title="স্টার ফোর্স: ফিউজিটিভ এলিয়েন II">০৩</span>]]
| bgcolor=#5F5 | [[#গামেরা বনাম বারুগন|<span title="গামেরা বনাম বারুগন">০৪</span>]]
| bgcolor=#5F5 | [[#গামেরা|<span title="গামেরা">০৫</span>]]
| bgcolor=#5F5 | [[#গামেরা বনাম গাওস|<span title="গামেরা বনাম গাওস">০৬</span>]]
| bgcolor=#5F5 | [[#গামেরা বনাম জিগ্রা|<span title="গামেরা বনাম জিগ্রা">০৭</span>]]
| bgcolor=#5F5 | [[#গামেরা বনাম গুইরন|<span title="গামেরা বনাম গুইরন">০৮</span>]]
| bgcolor=#5F5 | [[#ফেজ IV|<span title="ফেজ IV">০৯</span>]]
| bgcolor=#5F5 | [[#কসমিক প্রিন্সেস|<span title="কসমিক প্রিন্সেস">১০</span>]]
| bgcolor=#5F5 | [[#হিউম্যানয়েড ওম্যান|<span title="হিউম্যানয়েড ওম্যান">১১</span>]]
| bgcolor=#5F5 | [[#ফিউজিটিভ এলিয়েন|<span title="ফিউজিটিভ এলিয়েন">১২</span>]]
| bgcolor=#5F5 | [[#SST: ডেথ ফ্লাইট|<span title="SST: ডেথ ফ্লাইট">১৩</span>]]
| bgcolor=#5F5 | [[#মাইটি জ্যাক|<span title="মাইটি জ্যাক">১৪</span>]]
| bgcolor=#5F5 | [[#সুপারডোম|<span title="সুপারডোম">১৫</span>]]
| bgcolor=#5F5 | [[#সিটি অন ফায়ার|<span title="সিটি অন ফায়ার">১৬</span>]]
| bgcolor=#5F5 | [[#টাইম অব দ্য এপস|<span title="টাইম অব দ্য এপস">১৭</span>]]
| bgcolor=#5F5 | [[#দ্য মিলিয়ন আইজ অব সুমুরু|<span title="দ্য মিলিয়ন আইজ অব সুমুরু">১৮</span>]]
| bgcolor=#5F5 | [[#হ্যাঙ্গার ১৮|<span title="হ্যাঙ্গার ১৮">১৯</span>]]
| bgcolor=#5F5 | [[#দ্য লাস্ট চেজ|<span title="দ্য লাস্ট চেজ">২০</span>]]
| bgcolor=#5F5 | [[#দ্য "লেজেন্ড অব ডায়নোসরস"|<span title="দ্য "লেজেন্ড অব ডায়নোসরস"">২১</span>]]
| bgcolor=#333 colspan=2 |
|-
! bgcolor=#6C9 | [[#মৌসুম ১|<span title="মৌসুম ১">মৌ১</span>]]
| bgcolor=#8EB | [[#দ্য ক্রলিং আই|<span title="দ্য ক্রলিং আই">০১</span>]]
| bgcolor=#8EB | [[#দ্য রোবট বনাম অ্যাজটেক মমি|<span title="দ্য রোবট বনাম অ্যাজটেক মমি">০২</span>]]
| bgcolor=#8EB | [[#দ্য ম্যাড মনস্টার|<span title="দ্য ম্যাড মনস্টার">০৩</span>]]
| bgcolor=#8EB | [[#উইমেন অব দ্য প্রিহিস্টোরিক প্ল্যানেট|<span title="উইমেন অব দ্য প্রিহিস্টোরিক প্ল্যানেট">০৪</span>]]
| bgcolor=#8EB | [[#দ্য কর্পস ভ্যানিশেস|<span title="দ্য কর্পস ভ্যানিশেস">০৫</span>]]
| bgcolor=#8EB | [[#দ্য ক্রলিং হ্যান্ড|<span title="দ্য ক্রলিং হ্যান্ড">০৬</span>]]
| bgcolor=#8EB | [[#রোবট মনস্টার|<span title="রোবট মনস্টার">০৭</span>]]
| bgcolor=#8EB | [[#দ্য স্লাইম পিপল|<span title="দ্য স্লাইম পিপল">০৮</span>]]
| bgcolor=#8EB | [[#প্রজেক্ট মুন বেস|<span title="প্রজেক্ট মুন বেস">০৯</span>]]
| bgcolor=#8EB | [[#রোবট হলোকাস্ট|<span title="রোবট হলোকাস্ট">১০</span>]]
| bgcolor=#8EB | [[#মুন জিরো টু|<span title="মুন জিরো টু">১১</span>]]
| bgcolor=#8EB | [[#আনটেমড ইউথ|<span title="আনটেমড ইউথ">১২</span>]]
| bgcolor=#8EB | [[#দ্য ব্ল্যাক স্করপিয়ন|<span title="দ্য ব্ল্যাক স্করপিয়ন">১৩</span>]]
| bgcolor=#333 colspan=11 |
|-
! bgcolor=#CCF | [[#মৌসুম ২|<span title="মৌসুম ২">মৌ২</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#রকেটশিপ X-M|<span title="রকেটশিপ X-M">০১</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#দ্য সাইডহ্যাকার্স|<span title="দ্য সাইডহ্যাকার্স">০২</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#জাঙ্গল গডেস|<span title="জাঙ্গল গডেস">০৩</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#ক্যাটালিনা কেপার|<span title="ক্যাটালিনা কেপার">০৪</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#রকেট অ্যাটাক U.S.A.|<span title="রকেট অ্যাটাক U.S.A.">০৫</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#রিং অব টেরর|<span title="রিং অব টেরর">০৬</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#ওয়াইল্ড রেবেলস|<span title="ওয়াইল্ড রেবেলস">০৭</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#লস্ট কন্টিনেন্ট|<span title="লস্ট কন্টিনেন্ট">০৮</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#দ্য হেলক্যাটস|<span title="দ্য হেলক্যাটস">০৯</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#কিং ডায়নোসর|<span title="কিং ডায়নোসর">১০</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#ফার্স্ট স্পেসশিপ অন ভেনাস|<span title="ফার্স্ট স্পেসশিপ অন ভেনাস">১১</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#গডজিলা বনাম মেগালন|<span title="গডজিলা বনাম মেগালন">১২</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#গডজিলা বনাম দ্য সি মনস্টার|<span title="গডজিলা বনাম দ্য সি মনস্টার">১৩</span>]]
| bgcolor=#333 colspan=11 |
|-
! bgcolor=#CCF | [[#মৌসুম ৩|<span title="মৌসুম ৩">মৌ৩</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#কেভ ডুয়েলার্স|<span title="কেভ ডুয়েলার্স">০১</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#গামেরা_২|<span title="গামেরা">০২</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#পড পিপল|<span title="পড পিপল">০৩</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#গামেরা বনাম বারুগন_২|<span title="গামেরা বনাম বারুগন">০৪</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#স্ট্র্যান্ডেড ইন স্পেস|<span title="স্ট্র্যান্ডেড ইন স্পেস">০৫</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#টাইম অব দ্য এপস_২|<span title="টাইম অব দ্য এপস">০৬</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#ড্যাডি-ও|<span title="ড্যাডি-ও">০৭</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#গামেরা বনাম গাওস_২|<span title="গামেরা বনাম গাওস">০৮</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#দ্য অ্যামেজিং কলোসাল ম্যান|<span title="দ্য অ্যামেজিং কলোসাল ম্যান">০৯</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#ফিউজিটিভ এলিয়েন_২|<span title="ফিউজিটিভ এলিয়েন">১০</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#ইট কনকার্ড দ্য ওয়ার্ল্ড|<span title="ইট কনকার্ড দ্য ওয়ার্ল্ড">১১</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#গামেরা বনাম গুইরন_২|<span title="গামেরা বনাম গুইরন">১২</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#আর্থ বনাম দ্য স্পাইডার|<span title="আর্থ বনাম দ্য স্পাইডার">১৩</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#মাইটি জ্যাক_২|<span title="মাইটি জ্যাক">১৪</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#টিনেজ কেভম্যান|<span title="টিনেজ কেভম্যান">১৫</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#গামেরা বনাম জিগ্রা_২|<span title="গামেরা বনাম জিগ্রা">১৬</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#দ্য সাগা অব দ্য ভাইকিং উইমেন অ্যান্ড দেয়ার ভয়েজ টু দ্য ওয়াটার্স অব দ্য গ্রেট সি সার্পেন্ট|<span title="দ্য সাগা অব দ্য ভাইকিং উইমেন অ্যান্ড দেয়ার ভয়েজ টু দ্য ওয়াটার্স অব দ্য গ্রেট সি সার্পেন্ট">১৭</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#স্টার ফোর্স: ফিউজিটিভ এলিয়েন II_২|<span title="স্টার ফোর্স: ফিউজিটিভ এলিয়েন II">১৮</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#ওয়ার অব দ্য কলোসাল বিস্ট|<span title="ওয়ার অব দ্য কলোসাল বিস্ট">১৯</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#দ্য আনআর্থলি|<span title="দ্য আনআর্থলি">২০</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#সান্তা ক্লজ কনকার্স দ্য মার্শিয়ানস|<span title="সান্তা ক্লজ কনকার্স দ্য মার্শিয়ানস">২১</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#মাস্টার নিনজা I|<span title="মাস্টার নিনজা I">২২</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#দ্য ক্যাসেল অব ফু মাঞ্চু|<span title="দ্য ক্যাসেল অব ফু মাঞ্চু">২৩</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#মাস্টার নিনজা II|<span title="মাস্টার নিনজা II">২৪</span>]]
|-
! bgcolor=#CCF | [[#মৌসুম ৪|<span title="মৌসুম ৪">মৌ৪</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#স্পেস ট্রাভেলার্স|<span title="স্পেস ট্রাভেলার্স">০১</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#দ্য জায়ান্ট গিলা মনস্টার|<span title="দ্য জায়ান্ট গিলা মনস্টার">০২</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#সিটি লিমিটস|<span title="সিটি লিমিটস">০৩</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#টিনেজার্স ফ্রম আউটার স্পেস|<span title="টিনেজার্স ফ্রম আউটার স্পেস">০৪</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#বিয়িং ফ্রম অ্যানাদার প্ল্যানেট|<span title="বিয়িং ফ্রম অ্যানাদার প্ল্যানেট">০৫</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#অ্যাটাক অব দ্য জায়ান্ট লিচেস|<span title="অ্যাটাক অব দ্য জায়ান্ট লিচেস">০৬</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#দ্য কিলার শ্রুজ|<span title="দ্য কিলার শ্রুজ">০৭</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#হারকিউলিস আনচেইনড|<span title="হারকিউলিস আনচেইনড">০৮</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#ইনডেস্ট্রাক্টিবল ম্যান|<span title="ইনডেস্ট্রাক্টিবল ম্যান">০৯</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#হারকিউলিস অ্যাগেইনস্ট দ্য মুন মেন|<span title="হারকিউলিস অ্যাগেইনস্ট দ্য মুন মেন">১০</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#দ্য ম্যাজিক সোর্ড|<span title="দ্য ম্যাজিক সোর্ড">১১</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#হারকিউলিস অ্যান্ড দ্য ক্যাপটিভ উইমেন|<span title="হারকিউলিস অ্যান্ড দ্য ক্যাপটিভ উইমেন">১২</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#ম্যানহান্ট ইন স্পেস|<span title="ম্যানহান্ট ইন স্পেস">১৩</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#টরমেন্টেড|<span title="টরমেন্টেড">১৪</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#দ্য বিটনিকস|<span title="দ্য বিটনিকস">১৫</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#ফায়ার মেইডেনস অব আউটার স্পেস|<span title="ফায়ার মেইডেনস অব আউটার স্পেস">১৬</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#ক্র্যাশ অব মুনস|<span title="ক্র্যাশ অব মুনস">১৭</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#অ্যাটাক অব দ্য আই ক্রিয়েচার্স|<span title="অ্যাটাক অব দ্য আই ক্রিয়েচার্স">১৮</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#দ্য রেবেল সেট|<span title="দ্য রেবেল সেট">১৯</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#দ্য হিউম্যান ডুপ্লিকেটর্স|<span title="দ্য হিউম্যান ডুপ্লিকেটর্স">২০</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#মনস্টার অ্যা-গো-গো|<span title="মনস্টার অ্যা-গো-গো">২১</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#দ্য ডে দ্য আর্থ ফ্রোজ|<span title="দ্য ডে দ্য আর্থ ফ্রোজ">২২</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#ব্রাইড অব দ্য মনস্টার|<span title="ব্রাইড অব দ্য মনস্টার">২৩</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#মানোস: দ্য হ্যান্ডস অব ফেট|<span title="মানোস: দ্য হ্যান্ডস অব ফেট">২৪</span>]]
|-
! bgcolor=#CCF | [[#মৌসুম ৫|<span title="মৌসুম ৫">মৌ৫</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#ওয়ারিয়র অব দ্য লস্ট ওয়ার্ল্ড|<span title="ওয়ারিয়র অব দ্য লস্ট ওয়ার্ল্ড">০১</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#হারকিউলিস|<span title="হারকিউলিস">০২</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#সোয়াম্প ডায়মন্ডস|<span title="সোয়াম্প ডায়মন্ডস">০৩</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#সিক্রেট এজেন্ট সুপার ড্রাগন|<span title="সিক্রেট এজেন্ট সুপার ড্রাগন">০৪</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#দ্য ম্যাজিক ভয়েজ অব সিনবাদ|<span title="দ্য ম্যাজিক ভয়েজ অব সিনবাদ">০৫</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#ইগা!|<span title="ইগা!">০৬</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#আই অ্যাকিউজ মাই প্যারেন্টস|<span title="আই অ্যাকিউজ মাই প্যারেন্টস">০৭</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#অপারেশন ডাবল ০০৭|<span title="অপারেশন ডাবল ০০৭">০৮</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#দ্য গার্ল ইন লাভার্স লেন|<span title="দ্য গার্ল ইন লাভার্স লেন">০৯</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#দ্য পেইন্টেড হিলস|<span title="দ্য পেইন্টেড হিলস">১০</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#গানস্লিঙ্গার|<span title="গানস্লিঙ্গার">১১</span>]]
| bgcolor=#DDF | [[#মিচেল|<span title="মিচেল">১২</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#দ্য ব্রেইন দ্যাট উডন্ট ডাই|<span title="দ্য ব্রেইন দ্যাট উডন্ট ডাই">১৩</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#টিন-এজ স্ট্র্যাংলার|<span title="টিন-এজ স্ট্র্যাংলার">১৪</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#দ্য ওয়াইল্ড ওয়াইল্ড ওয়ার্ল্ড অব ব্যাটওম্যান|<span title="দ্য ওয়াইল্ড ওয়াইল্ড ওয়ার্ল্ড অব ব্যাটওম্যান">১৫</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#এলিয়েন ফ্রম L.A.|<span title="এলিয়েন ফ্রম L.A.">১৬</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#বিগিনিং অব দ্য এন্ড|<span title="বিগিনিং অব দ্য এন্ড">১৭</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#দ্য অ্যাটমিক ব্রেইন|<span title="দ্য অ্যাটমিক ব্রেইন">১৮</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#আউটল|<span title="আউটল">১৯</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#র্যাডার সিক্রেট সার্ভিস|<span title="র্যাডার সিক্রেট সার্ভিস">২০</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#সান্তা ক্লজ|<span title="সান্তা ক্লজ">২১</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#টিন-এজ ক্রাইম ওয়েভ|<span title="টিন-এজ ক্রাইম ওয়েভ">২২</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#ভিলেজ অব দ্য জায়ান্টস|<span title="ভিলেজ অব দ্য জায়ান্টস">২৩</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#১২ টু দ্য মুন|<span title="১২ টু দ্য মুন">২৪</span>]]
|-
! bgcolor=#FF9900 | [[#মৌসুম ৬|<span title="মৌসুম ৬">মৌ৬</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#গার্লস টাউন|<span title="গার্লস টাউন">০১</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#ইনভেশন U.S.A.|<span title="ইনভেশন U.S.A.">০২</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#দ্য ডেড টক ব্যাক|<span title="দ্য ডেড টক ব্যাক">০৩</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#জম্বি নাইটমেয়ার|<span title="জম্বি নাইটমেয়ার">০৪</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#কলোসাস অ্যান্ড দ্য হেডহান্টার্স|<span title="কলোসাস অ্যান্ড দ্য হেডহান্টার্স">০৫</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#দ্য ক্রিপিং টেরর|<span title="দ্য ক্রিপিং টেরর">০৬</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#ব্লাডলাস্ট!|<span title="ব্লাডলাস্ট!">০৭</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#কোড নেম: ডায়মন্ড হেড|<span title="কোড নেম: ডায়মন্ড হেড">০৮</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#দ্য স্কাইডাইভার্স|<span title="দ্য স্কাইডাইভার্স">০৯</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#দ্য ভায়োলেন্ট ইয়ার্স|<span title="দ্য ভায়োলেন্ট ইয়ার্স">১০</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#লাস্ট অব দ্য ওয়াইল্ড হর্সেস|<span title="লাস্ট অব দ্য ওয়াইল্ড হর্সেস">১১</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#দ্য স্টারফাইটার্স|<span title="দ্য স্টারফাইটার্স">১২</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#দ্য সিনিস্টার আর্জ|<span title="দ্য সিনিস্টার আর্জ">১৩</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#স্যান ফ্রান্সিসকো ইন্টারন্যাশনাল|<span title="স্যান ফ্রান্সিসকো ইন্টারন্যাশনাল">১৪</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#কিটেন উইথ অ্যা হুইপ|<span title="কিটেন উইথ অ্যা হুইপ">১৫</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#র্যাকেট গার্লস|<span title="র্যাকেট গার্লস">১৬</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#দ্য সোর্ড অ্যান্ড দ্য ড্রাগন|<span title="দ্য সোর্ড অ্যান্ড দ্য ড্রাগন">১৭</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#হাই স্কুল বিগ শট|<span title="হাই স্কুল বিগ শট">১৮</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#রেড জোন কিউবা|<span title="রেড জোন কিউবা">১৯</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#ডেঞ্জার!! ডেথ রে|<span title="ডেঞ্জার!! ডেথ রে">২০</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#দ্য বিস্ট অব ইউক্কা ফ্ল্যাটস|<span title="দ্য বিস্ট অব ইউক্কা ফ্ল্যাটস">২১</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#এঞ্জেলস রিভেঞ্জ|<span title="এঞ্জেলস রিভেঞ্জ">২২</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#দ্য অ্যামেজিং ট্রান্সপারেন্ট ম্যান|<span title="দ্য অ্যামেজিং ট্রান্সপারেন্ট ম্যান">২৩</span>]]
| bgcolor=#FB2 | [[#স্যামসন বনাম দ্য ভ্যাম্পায়ার উইমেন|<span title="স্যামসন বনাম দ্য ভ্যাম্পায়ার উইমেন">২৪</span>]]
|-
! bgcolor=#F69 | [[#মৌসুম ৭|<span title="মৌসুম ৭">মৌ৭</span>]]
| bgcolor=#F8B | [[#নাইট অব দ্য ব্লাড বিস্ট|<span title="নাইট অব দ্য ব্লাড বিস্ট">০১</span>]]
| bgcolor=#F8B | [[#দ্য ব্রুট ম্যান|<span title="দ্য ব্রুট ম্যান">০২</span>]]
| bgcolor=#F8B | [[#ডেথস্টকার অ্যান্ড দ্য ওয়ারিয়র্স ফ্রম হেল|<span title="ডেথস্টকার অ্যান্ড দ্য ওয়ারিয়র্স ফ্রম হেল">০৩</span>]]
| bgcolor=#F8B | [[#দ্য ইনক্রেডিবল মেল্টিং ম্যান|<span title="দ্য ইনক্রেডিবল মেল্টিং ম্যান">০৪</span>]]
| bgcolor=#F8B | [[#এস্কেপ ২০০০|<span title="এস্কেপ ২০০০">০৫</span>]]
| bgcolor=#F8B | [[#লেজারব্লাস্ট|<span title="লেজারব্লাস্ট">০৬</span>]]
| bgcolor=#333 colspan=2 |
| bgcolor=#F69 colspan=11 | [[#মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০: দ্য মুভি (দিস আইল্যান্ড আর্থ)|<span title="মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০: দ্য মুভি">MST3K: দ্য মুভি (দিস আইল্যান্ড আর্থ)</span>]]
| bgcolor=#333 colspan=5 |
|-
! bgcolor=#C9F | [[#মৌসুম ৮|<span title="মৌসুম ৮">মৌ৮</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#রিভেঞ্জ অব দ্য ক্রিয়েচার|<span title="রিভেঞ্জ অব দ্য ক্রিয়েচার">০১</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#দ্য লিচ ওম্যান|<span title="দ্য লিচ ওম্যান">০২</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#দ্য মোল পিপল|<span title="দ্য মোল পিপল">০৩</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#দ্য ডেডলি ম্যান্টিস|<span title="দ্য ডেডলি ম্যান্টিস">০৪</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#দ্য থিং দ্যাট কুডন্ট ডাই|<span title="দ্য থিং দ্যাট কুডন্ট ডাই">০৫</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#দ্য আনডেড|<span title="দ্য আনডেড">০৬</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#টেরর ফ্রম দ্য ইয়ার ৫০০০|<span title="টেরর ফ্রম দ্য ইয়ার ৫০০০">০৭</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#দ্য শি-ক্রিয়েচার|<span title="দ্য শি-ক্রিয়েচার">০৮</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#আই ওয়াজ অ্যা টিনেজ ওয়্যারউলফ|<span title="আই ওয়াজ অ্যা টিনেজ ওয়্যারউলফ">০৯</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#দ্য জায়ান্ট স্পাইডার ইনভেশন|<span title="দ্য জায়ান্ট স্পাইডার ইনভেশন">১০</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#পার্টস: দ্য ক্লোনাস হরর|<span title="পার্টস: দ্য ক্লোনাস হরর">১১</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#দ্য ইনক্রেডিবলি স্ট্রেঞ্জ ক্রিয়েচার্স হু স্টপড লিভিং অ্যান্ড বিকেম মিক্সড-আপ জম্বিস|<span title="দ্য ইনক্রেডিবলি স্ট্রেঞ্জ ক্রিয়েচার্স হু স্টপড লিভিং অ্যান্ড বিকেম মিক্সড-আপ জম্বিস">১২</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#জ্যাক ফ্রস্ট|<span title="জ্যাক ফ্রস্ট">১৩</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#রাইডিং উইথ ডেথ|<span title="রাইডিং উইথ ডেথ">১৪</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#এজেন্ট ফর H.A.R.M.|<span title="এজেন্ট ফর H.A.R.M.">১৫</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#প্রিন্স অব স্পেস|<span title="প্রিন্স অব স্পেস">১৬</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#দ্য হরর অব পার্টি বিচ|<span title="দ্য হরর অব পার্টি বিচ">১৭</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#ডেভিল ডল|<span title="ডেভিল ডল">১৮</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#ইনভেশন অব দ্য নেপচুন মেন|<span title="ইনভেশন অব দ্য নেপচুন মেন">১৯</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#স্পেস মিউটিনি|<span title="স্পেস মিউটিনি">২০</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#টাইম চেজার্স|<span title="টাইম চেজার্স">২১</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#ওভারড্রন অ্যাট দ্য মেমোরি ব্যাংক|<span title="ওভারড্রন অ্যাট দ্য মেমোরি ব্যাংক">২২</span>]]
| bgcolor=#333 colspan=2 |
|-
! bgcolor=#C9F | [[#মৌসুম ৯|<span title="মৌসুম ৯">মৌ৯</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#দ্য প্রজেক্টেড ম্যান|<span title="দ্য প্রজেক্টেড ম্যান">০১</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#দ্য ফ্যান্টম প্ল্যানেট|<span title="দ্য ফ্যান্টম প্ল্যানেট">০২</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#দ্য পিউমাম্যান|<span title="দ্য পিউমাম্যান">০৩</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#ওয়্যারউলফ|<span title="ওয়্যারউলফ">০৪</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#দ্য ডেডলি বিজ|<span title="দ্য ডেডলি বিজ">০৫</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#দ্য স্পেস চিলড্রেন|<span title="দ্য স্পেস চিলড্রেন">০৬</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#হবগব্লিনস|<span title="হবগব্লিনস">০৭</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#দ্য টাচ অব স্যাটান|<span title="দ্য টাচ অব স্যাটান">০৮</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#গর্গো|<span title="গর্গো">০৯</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#দ্য ফাইনাল স্যাক্রিফাইস|<span title="দ্য ফাইনাল স্যাক্রিফাইস">১০</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#ডেভিল ফিশ|<span title="ডেভিল ফিশ">১১</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#দ্য স্ক্রিমিং স্কাল|<span title="দ্য স্ক্রিমিং স্কাল">১২</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#কোয়েস্ট অব দ্য ডেলটা নাইটস|<span title="কোয়েস্ট অব দ্য ডেলটা নাইটস">১৩</span>]]
| bgcolor=#333 colspan=11 |
|-
! bgcolor=#C9F | [[#মৌসুম ১০|<span title="মৌসুম ১০">মৌ১০</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#সোলটেকার|<span title="সোলটেকার">০১</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#গার্ল ইন গোল্ড বুটস|<span title="গার্ল ইন গোল্ড বুটস">০২</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#মার্লিনস শপ অব মিস্টিক্যাল ওয়ান্ডার্স|<span title="মার্লিনস শপ অব মিস্টিক্যাল ওয়ান্ডার্স">০৩</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#ফিউচার ওয়ার|<span title="ফিউচার ওয়ার">০৪</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#ব্লাড ওয়াটার্স অব ডক্টর Z|<span title="ব্লাড ওয়াটার্স অব ডক্টর Z">০৫</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#বগি ক্রিক II: অ্যান্ড দ্য লেজেন্ড কন্টিনিউস...|<span title="বগি ক্রিক II: অ্যান্ড দ্য লেজেন্ড কন্টিনিউস...">০৬</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#ট্র্যাক অব দ্য মুন বিস্ট|<span title="ট্র্যাক অব দ্য মুন বিস্ট">০৭</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#ফাইনাল জাস্টিস|<span title="ফাইনাল জাস্টিস">০৮</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#হ্যামলেট|<span title="হ্যামলেট">০৯</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#ইট লিভস বাই নাইট|<span title="ইট লিভস বাই নাইট">১০</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#হররস অব স্পাইডার আইল্যান্ড|<span title="হররস অব স্পাইডার আইল্যান্ড">১১</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#স্কোয়ার্ম|<span title="স্কোয়ার্ম">১২</span>]]
| bgcolor=#EBF | [[#ডায়াবলিক|<span title="ডায়াবলিক">১৩</span>]]
| bgcolor=#333 colspan=11 |
|-
! bgcolor=#4FF | [[#মৌসুম ১১: দ্য রিটার্ন|<span title="মৌসুম ১১">মৌ১১</span>]]
| bgcolor=#80FFFF | [[#রেপটিলিকাস|<span title="রেপটিলিকাস">০১</span>]]
| bgcolor=#80FFFF | [[#ক্রাই ওয়াইল্ডারনেস|<span title="ক্রাই ওয়াইল্ডারনেস">০২</span>]]
| bgcolor=#80FFFF | [[#দ্য টাইম ট্রাভেলার্স|<span title="দ্য টাইম ট্রাভেলার্স">০৩</span>]]
| bgcolor=#80FFFF | [[#অ্যাভালাঞ্চ|<span title="অ্যাভালাঞ্চ">০৪</span>]]
| bgcolor=#80FFFF | [[#দ্য বিস্ট অব হলো মাউন্টেন|<span title="দ্য বিস্ট অব হলো মাউন্টেন">০৫</span>]]
| bgcolor=#80FFFF | [[#স্টারক্র্যাশ|<span title="স্টারক্র্যাশ">০৬</span>]]
| bgcolor=#80FFFF | [[#দ্য ল্যান্ড দ্যাট টাইম ফরগট|<span title="দ্য ল্যান্ড দ্যাট টাইম ফরগট">০৭</span>]]
| bgcolor=#80FFFF | [[#দ্য লাভস অব হারকিউলিস|<span title="দ্য লাভস অব হারকিউলিস">০৮</span>]]
| bgcolor=#80FFFF | [[#ইয়ংগ্যারি: মনস্টার ফ্রম দ্য ডিপ|<span title="ইয়ংগ্যারি: মনস্টার ফ্রম দ্য ডিপ">০৯</span>]]
| bgcolor=#80FFFF | [[#উইজার্ডস অব দ্য লস্ট কিংডম|<span title="উইজার্ডস অব দ্য লস্ট কিংডম">১০</span>]]
| bgcolor=#80FFFF | [[#উইজার্ডস অব দ্য লস্ট কিংডম II|<span title="উইজার্ডস অব দ্য লস্ট কিংডম II">১১</span>]]
| bgcolor=#80FFFF | [[#কার্নিভাল ম্যাজিক|<span title="কার্নিভাল ম্যাজিক">১২</span>]]
| bgcolor=#80FFFF | [[#দ্য ক্রিসমাস দ্যাট অলমোস্ট ওয়াজন্ট|<span title="দ্য ক্রিসমাস দ্যাট অলমোস্ট ওয়াজন্ট">১৩</span>]]
| bgcolor=#80FFFF | [[#অ্যাট দ্য আর্থস কোর|<span title="অ্যাট দ্য আর্থস কোর">১৪</span>]]
| bgcolor=#333 colspan=10 |
|-
! bgcolor=#4FF | [[#মৌসুম ১২: দ্য গন্টলেট|<span title="মৌসুম ১২: দ্য রিটার্ন">মৌ১২</span>]]
| bgcolor=#80FFFF | [[#ম্যাক অ্যান্ড মি|<span title="ম্যাক অ্যান্ড মি">০১</span>]]
| bgcolor=#80FFFF | [[#অ্যাটলান্টিক রিম|<span title="অ্যাটলান্টিক রিম">০২</span>]]
| bgcolor=#80FFFF | [[#লর্ডস অব দ্য ডিপ|<span title="লর্ডস অব দ্য ডিপ">০৩</span>]]
| bgcolor=#80FFFF | [[#দ্য ডে টাইম এন্ডেড|<span title="দ্য ডে টাইম এন্ডেড">০৪</span>]]
| bgcolor=#80FFFF | [[#কিলার ফিশ|<span title="কিলার ফিশ">০৫</span>]]
| bgcolor=#80FFFF | [[#অ্যাটর, দ্য ফাইটিং ঈগল|<span title="অ্যাটর, দ্য ফাইটিং ঈগল">০৬</span>]]
| bgcolor=#333 colspan=18 |
|-
! bgcolor=#4FF | [[#মৌসুম ১৩: দ্য গিজমোপ্লেক্স|<span title="মৌসুম ১৩: দ্য গিজমোপ্লেক্স">মৌ১৩</span>]]
| bgcolor=#80FFFF | [[#সান্তো ইন দ্য ট্রেজার অব ড্রাকুলা|<span title="সান্তো ইন দ্য ট্রেজার অব ড্রাকুলা">০১</span>]]
| bgcolor=#80FFFF | [[#রোবট ওয়ার্স|<span title="রোবট ওয়ার্স">০২</span>]]
| bgcolor=#80FFFF | [[#বিয়ন্ড অ্যাটলান্টিস|<span title="বিয়ন্ড অ্যাটলান্টিস">০৩</span>]]
| bgcolor=#80FFFF | [[#মাঞ্চি|<span title="মাঞ্চি">০৪</span>]]
| bgcolor=#80FFFF | [[#ডক্টর মর্ড্রিড|<span title="ডক্টর মর্ড্রিড">০৫</span>]]
| bgcolor=#80FFFF | [[#ডিমন স্কোয়াড|<span title="ডিমন স্কোয়াড">০৬</span>]]
| bgcolor=#80FFFF | [[#গামেরা বনাম জাইগার|<span title="গামেরা বনাম জাইগার">০৭</span>]]
| bgcolor=#80FFFF | [[#দ্য ব্যাটওম্যান|<span title="দ্য ব্যাটওম্যান">০৮</span>]]
| bgcolor=#80FFFF | [[#দ্য মিলিয়ন আইজ অব সুমুরু|<span title="দ্য মিলিয়ন আইজ অব সুমুরু">০৯</span>]]
| bgcolor=#80FFFF | [[#HG ওয়েলসের দ্য শেপ অব থিংস টু কাম|<span title="HG ওয়েলসের দ্য শেপ অব থিংস টু কাম">১০</span>]]
| bgcolor=#80FFFF | [[#দ্য মাস্ক থ্রিডি|<span title="দ্য মাস্ক থ্রিডি">১১</span>]]
| bgcolor=#80FFFF | [[#দ্য বাবল|<span title="দ্য বাবল">১২</span>]]
| bgcolor=#80FFFF | [[#দ্য ক্রিসমাস ড্রাগন|<span title="দ্য ক্রিসমাস ড্রাগন">১৩</span>]]
| bgcolor=#333 colspan=11 |
|-
! rowspan=3 bgcolor=#CCFF33 | শর্ট
| bgcolor=#EF5 | [[#অ্যালফাবেট অ্যান্টিকস (শর্ট)|<span title="অ্যালফাবেট অ্যান্টিকস (শর্ট)">০১</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#আমাদের বাবা-মাকে সম্মান করা (শর্ট)|<span title="আমাদের বাবা-মাকে সম্মান করা (শর্ট)">০২</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#অ্যাকুয়াটিক উইজার্ডস (শর্ট)|<span title="অ্যাকুয়াটিক উইজার্ডস (শর্ট)">০৩</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#আপনি কি বিয়ের জন্য প্রস্তুত? (শর্ট)|<span title="আপনি কি বিয়ের জন্য প্রস্তুত? (শর্ট)">০৪</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#অ্যাসাইনমেন্ট: ভেনেজুয়েলা (শর্ট)|<span title="অ্যাসাইনমেন্ট: ভেনেজুয়েলা (শর্ট)">০৫</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#শরীরের যত্ন ও পরিপাট্য (শর্ট)|<span title="শরীরের যত্ন ও পরিপাট্য (শর্ট)">০৬</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#বসন্ত জ্বরের একটি ঘটনা (শর্ট)|<span title="বসন্ত জ্বরের একটি ঘটনা (শর্ট)">০৭</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#কেচিং ট্রাবল (শর্ট)|<span title="কেচিং ট্রাবল (শর্ট)">০৮</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#সেঞ্চুরি ২১ কলিং (শর্ট)|<span title="সেঞ্চুরি ২১ কলিং (শর্ট)">০৯</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#প্রতারণা (শর্ট)|<span title="প্রতারণা (শর্ট)">১০</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#আগামীকালের মুরগি (শর্ট)|<span title="আগামীকালের মুরগি (শর্ট)">১১</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#বরফে সার্কাস (শর্ট)|<span title="বরফে সার্কাস (শর্ট)">১২</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#পরিবারের সাথে একটি তারিখ (শর্ট)|<span title="পরিবারের সাথে একটি তারিখ (শর্ট)">১৩</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#মেলায় একটি দিন (শর্ট)|<span title="মেলায় একটি দিন (শর্ট)">১৪</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#আমাদের জীবনের দিনগুলো (শর্ট)|<span title="আমাদের জীবনের দিনগুলো (শর্ট)">১৫</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#স্বপ্নের নকশা (শর্ট)|<span title="স্বপ্নের নকশা (শর্ট)">১৬</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#জেনারেল হাসপাতাল, কিস্তি ১ (শর্ট)|<span title="জেনারেল হাসপাতাল, কিস্তি ১ (শর্ট)">১৭</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#জেনারেল হাসপাতাল, কিস্তি ২ (শর্ট)|<span title="জেনারেল হাসপাতাল, কিস্তি ২ (শর্ট)">১৮</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#জেনারেল হাসপাতাল, কিস্তি ৩ (শর্ট)|<span title="জেনারেল হাসপাতাল, কিস্তি ৩ (শর্ট)">১৯</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#এই যে আসছে সার্কাস (শর্ট)|<span title="এই যে আসছে সার্কাস (শর্ট)">২০</span>]]
| bgcolor=#333 colspan=4 |
|-
| bgcolor=#EF5 | [[#হায়ার্ড! পার্ট ১ (শর্ট)|<span title="হায়ার্ড! পার্ট ১ (শর্ট)">২১</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#হায়ার্ড! পার্ট ২ (শর্ট)|<span title="হায়ার্ড! পার্ট ২ (শর্ট)">২২</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#গৃহ অর্থনীতির গল্প (শর্ট)|<span title="গৃহ অর্থনীতির গল্প (শর্ট)">২৩</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#এটা কি ভালোবাসা? (শর্ট)|<span title="এটা কি ভালোবাসা? (শর্ট)">২৪</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#মেলায় জনি (শর্ট)|<span title="মেলায় জনি (শর্ট)">২৫</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#জুনিয়র রোডিও ডেয়ারডেভিলস (শর্ট)|<span title="জুনিয়র রোডিও ডেয়ারডেভিলস (শর্ট)">২৬</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#পরিষ্কার ও পরিপাটি থাকা (শর্ট)|<span title="পরিষ্কার ও পরিপাটি থাকা (শর্ট)">২৭</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#লাস্ট ক্লিয়ার চান্স (শর্ট)|<span title="লাস্ট ক্লিয়ার চান্স (শর্ট)">২৮</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#টাকা কথা বলে (শর্ট)|<span title="টাকা কথা বলে (শর্ট)">২৯</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#মিস্টার বি ন্যাচারাল (শর্ট)|<span title="মিস্টার বি ন্যাচারাল (শর্ট)">৩০</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#একবার এক হানিমুনে (শর্ট)|<span title="একবার এক হানিমুনে (শর্ট)">৩১</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#এই পৃথিবীর বাইরে (শর্ট)|<span title="এই পৃথিবীর বাইরে (শর্ট)">৩২</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#দ্য ফ্যান্টম ক্রিপস, অধ্যায় ১ (শর্ট)|<span title="দ্য ফ্যান্টম ক্রিপস, অধ্যায় ১ (শর্ট)">৩৩</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#দ্য ফ্যান্টম ক্রিপস, অধ্যায় ২ (শর্ট)|<span title="দ্য ফ্যান্টম ক্রিপস, অধ্যায় ২ (শর্ট)">৩৪</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#দ্য ফ্যান্টম ক্রিপস, অধ্যায় ৩ (শর্ট)|<span title="দ্য ফ্যান্টম ক্রিপস, অধ্যায় ৩ (শর্ট)">৩৫</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#পোশ্চার পালস (শর্ট)|<span title="পোশ্চার পালস (শর্ট)">৩৬</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#প্রগ্রেস আইল্যান্ড USA (শর্ট)|<span title="প্রগ্রেস আইল্যান্ড USA (শর্ট)">৩৭</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#র্যাডার মেন ফ্রম দ্য মুন, অধ্যায় ১ (শর্ট)|<span title="র্যাডার মেন ফ্রম দ্য মুন, অধ্যায় ১ (শর্ট)">৩৮</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#র্যাডার মেন ফ্রম দ্য মুন, অধ্যায় ২ (শর্ট)|<span title="র্যাডার মেন ফ্রম দ্য মুন, অধ্যায় ২ (শর্ট)">৩৯</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#র্যাডার মেন ফ্রম দ্য মুন, অধ্যায় ৩ (শর্ট)|<span title="র্যাডার মেন ফ্রম দ্য মুন, অধ্যায় ৩ (শর্ট)">৪০</span>]]
| bgcolor=#333 colspan=4 |
|-
| bgcolor=#EF5 | [[#র্যাডার মেন ফ্রম দ্য মুন, অধ্যায় ৪ (শর্ট)|<span title="র্যাডার মেন ফ্রম দ্য মুন, অধ্যায় ৪ (শর্ট)">৪১</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#র্যাডার মেন ফ্রম দ্য মুন, অধ্যায় ৫ (শর্ট)|<span title="র্যাডার মেন ফ্রম দ্য মুন, অধ্যায় ৫ (শর্ট)">৪২</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#র্যাডার মেন ফ্রম দ্য মুন, অধ্যায় ৬ (শর্ট)|<span title="র্যাডার মেন ফ্রম দ্য মুন, অধ্যায় ৬ (শর্ট)">৪৩</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#র্যাডার মেন ফ্রম দ্য মুন, অধ্যায় ৭ (শর্ট)|<span title="র্যাডার মেন ফ্রম দ্য মুন, অধ্যায় ৭ (শর্ট)">৪৪</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#র্যাডার মেন ফ্রম দ্য মুন, অধ্যায় ৮ (শর্ট)|<span title="র্যাডার মেন ফ্রম দ্য মুন, অধ্যায় ৮ (শর্ট)">৪৫</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#র্যাডার মেন ফ্রম দ্য মুন, অধ্যায় ৯ (শর্ট)|<span title="র্যাডার মেন ফ্রম দ্য মুন, অধ্যায় ৯ (শর্ট)">৪৬</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#রোবট রাম্পাস (একটি গাম্বি অ্যাডভেঞ্চার) (শর্ট)|<span title="রোবট রাম্পাস (একটি গাম্বি অ্যাডভেঞ্চার) (শর্ট)">৪৭</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#দ্য সেলিং উইজার্ড (শর্ট)|<span title="দ্য সেলিং উইজার্ড (শর্ট)">৪৮</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#স্নো থ্রিলস (শর্ট)|<span title="স্নো থ্রিলস (শর্ট)">৪৯</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#বক্তৃতা: মঞ্চ, ভঙ্গিমা ও চেহারা (শর্ট)|<span title="বক্তৃতা: মঞ্চ, ভঙ্গিমা ও চেহারা (শর্ট)">৫০</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#বক্তৃতা: আপনার কণ্ঠস্বর ব্যবহার (শর্ট)|<span title="বক্তৃতা: আপনার কণ্ঠস্বর ব্যবহার (শর্ট)">৫১</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#ট্রাক চাষি (শর্ট)|<span title="ট্রাক চাষি (শর্ট)">৫২</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#আংকেল জিমের ডেইরি ফার্ম (শর্ট)|<span title="আংকেল জিমের ডেইরি ফার্ম (শর্ট)">৫৩</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#আন্ডারসি কিংডম, অধ্যায় ১ (শর্ট)|<span title="আন্ডারসি কিংডম, অধ্যায় ১ (শর্ট)">৫৪</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#আন্ডারসি কিংডম, অধ্যায় ২ (শর্ট)|<span title="আন্ডারসি কিংডম, অধ্যায় ২ (শর্ট)">৫৫</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#কিশোর অপরাধ সম্পর্কে কী? (শর্ট)|<span title="কিশোর অপরাধ সম্পর্কে কী? (শর্ট)">৫৬</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#ডেটে কী করবেন (শর্ট)|<span title="ডেটে কী করবেন (শর্ট)">৫৭</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#ইন্ডাস্ট্রিয়াল আর্টস কেন পড়বেন? (শর্ট)|<span title="ইন্ডাস্ট্রিয়াল আর্টস কেন পড়বেন? (শর্ট)">৫৮</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#X চিহ্নিত স্থান (শর্ট)|<span title="X চিহ্নিত স্থান (শর্ট)">৫৯</span>]]
| bgcolor=#EF5 | [[#একজন তরুণের কল্পনা (শর্ট)|<span title="একজন তরুণের কল্পনা (শর্ট)">৬০</span>]]
| bgcolor=#333 colspan=4 |
|-
! bgcolor=#9C6 | [[#বিশেষ পর্ব|<span title="বিশেষ পর্ব">বিশেষ</span>]]
| bgcolor=#BE8 | [[#MST3K লিটল গোল্ড স্ট্যাচু প্রিভিউ স্পেশাল|<span title="MST3K লিটল গোল্ড স্ট্যাচু প্রিভিউ স্পেশাল">০১</span>]]
| bgcolor=#BE8 | [[#MST3K ১ম বার্ষিক সামার ব্লকবাস্টার রিভিউ|<span title="MST3K ১ম বার্ষিক সামার ব্লকবাস্টার রিভিউ">০২</span>]]
| bgcolor=#BE8 | [[#MST3K ২য় বার্ষিক সামার ব্লকবাস্টার রিভিউ|<span title="MST3K ২য় বার্ষিক সামার ব্লকবাস্টার রিভিউ">০৩</span>]]
| bgcolor=#BE8 | [[#MST3K অ্যাকাডেমি অব রোবটস চয়েস অ্যাওয়ার্ডস প্রিভিউ স্পেশাল|<span title="MST3K অ্যাকাডেমি অব রোবটস চয়েস অ্যাওয়ার্ডস প্রিভিউ স্পেশাল">০৪</span>]]
| bgcolor=#333 |
| bgcolor=#DDD colspan=5 | [[#অজানা পর্ব|অজানা পর্ব]]
| bgcolor=#333 |
| bgcolor=#DDD colspan=2 | [[#নোট|<span title="নোট">নোট</span>]]
| bgcolor=#DDD colspan=4 | [[#প্রধান অভিনেতা|<span title="প্রধান অভিনেতা">প্রধান অভিনেতা</span>]]
| bgcolor=#DDD colspan=3 | [[#আরও দেখুন|<span title="আরও দেখুন">আরও দেখুন</span>]]
| bgcolor=#DDD colspan=4 | [[#বাহ্যিক লিঙ্ক|<span title="বাহ্যিক লিঙ্ক">বাহ্যিক লিঙ্ক</span>]]
|} <!-- সূচিপত্র শেষ -->
== টীকা ==
* '''পাতাটি যেভাবে ব্যবহার করবেন'''। আপনি মাউস দিয়ে স্ক্রল করে এই কথাগুলো পড়তে পারেন অথবা ব্রাউজারের সার্চ অপশন ব্যবহার করে নির্দিষ্ট কোনো সিনেমার নাম খুঁজে নিতে পারেন। সূচিপত্রের নম্বরগুলোতে ক্লিক করে সরাসরি নির্দিষ্ট অংশে যাওয়া সম্ভব। তালিকার প্রতিটি বক্সের ওপর মাউস রাখলে সেই পর্ব বা বিশেষ অনুষ্ঠানের নাম একটি [[w:bn:টুলটিপ|টুলটিপ]] হিসেবে ভেসে উঠবে। পুরানো ব্রাউজারে এই সুবিধা না থাকলে নিচের স্ট্যাটাস বারে নাম দেখা যাবে।
* '''কী ধরনের উদ্ধৃতি যোগ করবেন'''। এই শো-এর বেশিরভাগ রসিকতা সিনেমার দৃশ্য বা শব্দের ওপর নির্ভর করে যা শুধু পড়ে বোঝা কঠিন। তাই এখানে এমন কথাগুলোই রাখা হয়েছে যেগুলো প্রেক্ষাপট ছাড়াই রসাত্মক। কিছু রসিকতা আমেরিকান সংস্কৃতি থেকে নেওয়া যা সরাসরি অনুবাদ করা সম্ভব নয়। সেগুলো পাঠকদের বোঝার ওপরই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
* '''রঙের অর্থ কী?''' তালিকার রঙগুলো দিয়ে মূলত বিভিন্ন চ্যানেল এবং কুশলীদের পরিবর্তন বোঝানো হয়েছে:
{| border=1 align=center
! align=left bgcolor=#3F3 | কেটিএমএ: মৌসুম ০
| bgcolor=#5F5 | জোয়েল (হজসন) এবং রোবটরা ও ডক্টর ফরেস্টার এবং ডক্টর এরহার্ড
|-
! align=left bgcolor=#6C9 | কমেডি সেন্ট্রাল: মৌসুম ১
| bgcolor=#8EB | জোয়েল (রবিনসন) এবং রোবটরা ও ডক্টর ফরেস্টার এবং ডক্টর এরহার্ড
|-
! align=left bgcolor=#CCF | কমেডি সেন্ট্রাল: মৌসুম ২-৫
| bgcolor=#DDF | জোয়েল (রবিনসন) এবং রোবটরা ও ডক্টর ফরেস্টার এবং টিভির ফ্র্যাঙ্ক
|-
! align=left bgcolor=#FF9900 | কমেডি সেন্ট্রাল: মৌসুম ৫-৬
| bgcolor=#FB2 | মাইক এবং রোবটরা ও ডক্টর ফরেস্টার এবং টিভির ফ্র্যাঙ্ক
|-
! align=left bgcolor=#F69 | কমেডি সেন্ট্রাল: মৌসুম ७
| bgcolor=#F8B | মাইক এবং রোবটরা ও ডক্টর ফরেস্টার এবং পার্ল ফরেস্টার
|-
! align=left bgcolor=#F69 | গ্রামার্সি: মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০: মুভি
| bgcolor=#F69 | মাইক এবং রোবটরা ও ডক্টর ফরেস্টার
|-
! align=left bgcolor=#C9F | সাই ফাই চ্যানেল: মৌসুম ৮-১০
| bgcolor=#EBF | মাইক এবং রোবটরা ও পার্ল ফরেস্টার এবং প্রফেসর বোবো ও অবজারভার
|-
! align=left bgcolor=#CCFF33 | ছোট ছবি
| bgcolor=#EF5 | (বিভিন্ন কুশলী ও চ্যানেল)
|-
! align=left bgcolor=#9C6 | বিশেষ পর্ব
| bgcolor=#BBEE88 | মাইক এবং রোবটরা
|}
== মৌসুম ০ (কেটিএমএ) ==
=== [[w:bn:দ্য গ্রিন স্লাইম|দ্য গ্রিন স্লাইম]] ===
:'''ব্যক্তি''': ওটা একটা গ্রহাণু!
:'''[[w:bn:জোয়েল রবিনসন|জোয়েল]]''': [[w:bn:ওবি-ওয়ান কেনবি|ওটা কোনো গ্রহাণু নয় ওটা একটা যুদ্ধের ঘাঁটি!]]
<hr width="50%"/>
:'''পাইলট''': আমাদের দুই নম্বর অবস্থানে নিয়ে চলো তো।
:'''জোয়েল''': (উঠে যেতে যেতে) দুই নম্বর কাজের কথা যখন উঠলই আমি বরং একটু ঘুরে আসি।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল''': শোনো ক্রো।
:'''[[w:bn:ক্রো টি. রোবট|ক্রো]]''': জি জোয়েল হজসন?
:'''জোয়েল''': সেদিন আমি জীবনের পরম রহস্য খুঁজে পেয়েছিলাম কিন্তু সেটা দেখে মন খারাপ হয়ে গেল।
:'''ক্রো''': জীবনের রহস্য খুঁজে পেয়েছিলে? কেন সেটা দেখে মন খারাপ হবে?
:'''জোয়েল''': কারণ ওটা একটা মান্ধাতা আমলের ৮-ট্র্যাক ক্যাসেটে রেকর্ড করা ছিল।
=== [[w:bn:ইনভেডার্স ফ্রম দ্য ডিপ|ইনভেডার্স ফ্রম দ্য ডিপ]] ===
:'''ক্যাপ্টেন ট্রয় টেম্পেস্ট''': বিপদের কোনো দৃশ্যমান চিহ্ন নেই।
:'''জোয়েল''': এখনও নেই।
:'''ক্যাপ্টেন ট্রয় টেম্পেস্ট''': এসভিসি নিচে নামাও। ওপরে ওঠার জন্য প্রস্তুত হও।
:'''লেফটেন্যান্ট জর্জ "ফোনস" শেরিডান''': তৈরি আছি।
:'''ক্যাপ্টেন ট্রয় টেম্পেস্ট''': ঠিক আছে। এক নম্বর লিভারটা টানো।
:'''লেফটেন্যান্ট জর্জ "ফোনস" শেরিডান''': এক নম্বর লিভার টানছি।
:'''জোয়েল (টেম্পেস্ট হিসেবে)''': আমার আঙুলটা একটু টানো তো।
<hr width=50%/>
:'''জোয়েল''': কাঠের তৈরি হওয়া সত্ত্বেও এরা বেশ ভালোই পানির নিচে থাকতে পারে।
<hr width=50%/>
:'''জোয়েল''': ওদের কি ঘাম হচ্ছে নাকি ওটা গাছের আঠা?
:---
:'''ক্রো''': নিজেদের সিনেমা নিজেদেরই দেখতে হচ্ছে এর চেয়ে বড় শাস্তি আর হয় না।
<hr width=50%/>
:'''কমান্ডার স্যাম শোর''': পায়চারি করছেন।
:'''জোয়েল''': ও তো পায়চারি করছে তাই না?
:'''ক্রো''': উনার জুতোজোড়া তো হাঁটার জন্য বানানো হয়নি।
<hr width=50%/>
:'''ক্রো''': ওরা ভাগ্যবান যে একটা মৃত আগ্নেয়গিরি খুঁজে পেয়েছে। আমি তো জানতামই না যে এগুলো বিলুপ্তির পথে।
<hr width=50%/>
:'''ক্রো''': সমুদ্রের তলায় পরিত্যক্ত আগ্নেয়গিরির গর্তের ভেতরেও বেশ ভালোই আলো দেখা যাচ্ছে।
:'''জোয়েল''': আমি ঠিক এটাই বলতে যাচ্ছিলাম।
=== [[w:bn:রিভেঞ্জ অব দ্য মিস্টেরনস ফ্রম মার্স|রিভেঞ্জ অব দ্য মিস্টেরনস ফ্রম মার্স]] ===
:'''জোয়েল''': জানেন ওই পুতুলটা নিজের বিপজ্জনক দৃশ্যগুলো নিজেই করে।
:'''ক্রো''': সত্যি নাকি?
:'''টম সার্ভো''': আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি পুতুলদের অন্তত টিভিতে থাকা উচিত না।
<hr width=50%/>
:'''লুনার কন্ট্রোলার''': ওরা ফিরে এসেছে। অরসন ওদের এখনই এখানে নিয়ে এসো।
:'''অরসন''': জি স্যার।
:'''লুনার কন্ট্রোলার''': ওরা যা দেখেছে তা যেন কখনো পৃথিবীতে না পৌঁছায়। ওদের এখানে নিয়ে এসো।
:'''ক্যাপ্টেন স্কারলেট''': তার আর প্রয়োজন নেই লুনার কন্ট্রোলার। ওয়ার্ল্ড প্রেসিডেন্ট আমাকে ক্ষমতা দিয়েছেন আপনাকে গ্রেফতার করার জন্য এবং পৃথিবীতে ফেরত নিয়ে যাওয়ার জন্য।
:'''লুনার কন্ট্রোলার''': আমাকে গ্রেফতার করবে? তোমরা পৃথিবীর মানুষরা আস্ত গাধা। খুব শিগগিরই মিস্টেরনরা আসবে এবং তারা প্রথমে চাঁদ আর তারপর পৃথিবী দখল করবে।
:'''ক্যাপ্টেন স্কারলেট''': আমরা ওটা দেখেছি এবং ওটা ধ্বংস করা হবে।
:'''লুনার কন্ট্রোলার''': না। তোমরা কেউ বেঁচে ফিরতে পারবে না। কেউই না।
:'''ক্যাপ্টেন স্কারলেট''': এসআইডি পৃথিবীতে যাওয়ার জন্য রকেট প্রস্তুত করো। আমরা এখনই রওনা দেব।
:'''লুনার কন্ট্রোলার''': ওসব বলে লাভ নেই।
:'''এসআইডি''': তিন নম্বর বে-তে রকেট তৈরি আছে।
:'''লুনার কন্ট্রোলার''': না! এসআইডি আমি লুনার কন্ট্রোলার বলছি। সব রাস্তা সিল করো!
:'''ক্যাপ্টেন স্কারলেট''': চলো যাওয়া যাক।
:'''টম সার্ভো''': (সিল মাছের আওয়াজ করে) বুঝলেন? সিল? ... থাক বাদ দিন।
:'''লুনার কন্ট্রোলার''': এসআইডি আমি আদেশ দিচ্ছি! অরসন ওদের ধরো!
:'''ক্যাপ্টেন ব্লু''': চলো বের হওয়া যাক!
:'''লুনার কন্ট্রোলার''': আমি আদেশ দিচ্ছি! সিল! করো! সব! রাস্তা!
:'''টম সার্ভো''': (আবারও সিল মাছের আওয়াজ করে)
:'''জোয়েল''': আচ্ছা আমি বুঝেছি...
:'''ক্যাপ্টেন স্কারলেট''': লাভ নেই লুনার কন্ট্রোলার এসআইডি আপনাকে চিনতে পারছে না।
:'''টম সার্ভো''': আমার ধারণা ছিল আপনি চিনতে পারবেন।
:'''ক্যাপ্টেন স্কারলেট''': আমি গতরাতেই আপনার পরিচিতি ডিস্ক বদলে ফেলেছি।
:'''লুনার কন্ট্রোলার''': এসআইডি! আমি লুনার কন্ট্রোলার বলছি! ওদের আটকাও!!! সিল! করো! সব! রাস্তা!
:'''এসআইডি''': আমি দুঃখিত। আপনার ডিস্ক দিয়ে এই কাজের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।
:'''লুনার কন্ট্রোলার''': আমার কথা শোনো! এখনই রাস্তা বন্ধ করো!
:'''এসআইডি''': আমি দুঃখিত। আপনার ডিস্ক দিয়ে এই কাজের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।
:...
:'''লুনার কন্ট্রোলার''': এটাই তোমার শেষ সুযোগ এসআইডি! সব রাস্তা বন্ধ করো!
:'''এসআইডি''': আমি দুঃখিত। আপনার ডিস্ক- (লুনার কন্ট্রোলার এসআইডি-কে বারবার গুলি করতে থাকে) আমি... অত্যন্ত... দুঃখিত...
:...
:'''লুনার কন্ট্রোলার''': শোনো! এখনই আমার আদেশ মানো!
:'''জোয়েল''': হয়েছে হয়েছে অনেক হয়েছে!
:'''ক্রো''': জানেন তো একটা বন্ধ করার সুইচও ছিল ওটা না টিপে কী পাগলামি করছে।
:'''এসআইডি''': আমি... অত্যন্ত... দুঃখিত... আমি... অত্যন্ত... দুউউক্ষিইইততত...
:'''জোয়েল''': আমি দুঃখিত যে তোমাদের এই দৃশ্য দেখতে হলো।
:'''ক্রো''': দৃশ্যটা মোটেও সুখকর ছিল না।
:'''টম সার্ভো''': আমি খুব আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ছি।
=== [[w:bn:স্টার ফোর্স: ফিউজিটিভ এলিয়েন II|স্টার ফোর্স: ফিউজিটিভ এলিয়েন II]] ===
:'''কেন''': ক্যাপ্টেন জো আমাদের ব্ল্যাক হোলে হারিয়ে যাওয়ার ভয় নেই। ঠিকমতো পথ চললে আমরা একটা নিরাপদ সুড়ঙ্গ খুঁজে পাব।
:'''ড্যান''': তুমি এসব কোথায় শুনলে?
:'''কেন''': কোথায় শুনলাম? ঠিক মনে নেই। মনে হয় কোনো বৈজ্ঞানিক সেমিনারে শুনেছিলাম।
:'''টম সার্ভো''': আমার মনে হয় না ওদের এটা চেষ্টা করা উচিত কারণ ওদের ঠোঁট আর কথা তো মিলছেই না।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': ওরা মনে হয় এর পেছনে একদমই খরচ করেনি।
<hr width=50%/>
:'''কর্নেল ইউরুলিন''': সামনেই ব্ল্যাক হোল! আর একটু গেলেই আমাদের গিলে ফেলবে! আমি আদেশ দিচ্ছি ডান দিকে পথ বদলে ফেলো! কেন! ডান দিকে চলো!
:'''টম সার্ভো''': আমি ব্ল্যাক হোল নিয়ে কিছু রসিকতা করতে পারতাম কিন্তু সেগুলো খুব একটা সুবিধার হবে না।
<hr width=50%/>
:'''জোয়েল''': ওটা একটা ঘূর্ণিঝড়!
:'''ক্রো''': ডরোথি! ডরোথি! আন্টি এম! টোটো!
:'''টম সার্ভো''': টোটো-ও আছে নাকি?
:...
:'''ক্রো''': ওটা বাতাস নয় ওটা আসলে মানুষের গানের দল।
<hr width=50%/>
:'''ক্যাপ্টেন জো''': আমি তোমাদের বলতে এসেছি যে তোমাদের জন্য আমি গর্বিত। তোমরা সেরা দল।
:'''টম সার্ভো (ক্যাপ্টেন জো হিসেবে)''': আর আমাকে সুঁচ ফোটানোর জন্য ধন্যবাদ।
<hr width=50%/>
:'''কেন''': ওই তো ওনাকে আবার দেখা যাচ্ছে! মা! ও কেন সবসময় পালিয়ে যায়?
:'''ক্রো''': হয়তো তোমার গায়ের গন্ধ সহ্য করতে পারছে না।
:'''জোয়েল''': হতে পারে তুমি ভুল দেখছো।
:'''টম সার্ভো''': হয়তো এটা কোনো ফাঁদ।
<hr width=50%/>
:'''কেন''': ড্যান...
:'''ড্যান''': আমরা একসাথে অনেক বাধা পার করেছি।
:'''কেন''': হ্যাঁ।
:'''টম সার্ভো''': শুধু একটা ভালো সিনেমা পার করতে পারলাম না।
=== [[w:bn:গামেরা বনাম বারুগন|গামেরা বনাম বারুগন]] ===
:'''জোয়েল''': গত সপ্তাহে যারা আমাদের ফোন করেছিলেন তাদের অনেক ধন্যবাদ। স্যাটেলাইট অব লাভ-এ আপনাদের বার্তা পেয়ে আমাদের খুব উপকার হয়।
:'''টম সার্ভো''': জোয়েল চলো একটা মেসেজ শোনা যাক!
:'''জোয়েল''': দারুণ আইডিয়া। ক্যামবট স্ক্রিনে মেসেজটা দেখাও তো।
:'''কলার ১''': সিনেমাটা ভালো ছিল কিন্তু সারাক্ষণের ফালতু বকবক একদম সহ্য করতে পারিনি। মনে হচ্ছিল একদল অসভ্য ছোটবাচ্চাদের সাথে সিনেমা দেখছি। আশা করি অনুষ্ঠানটা বন্ধ হয়ে যাবে।
:'''টম সার্ভো''': লোকটা তো আস্ত পাগল!
:'''জোয়েল''': দেখো সার্ভো সবারই নিজস্ব মত প্রকাশের অধিকার আছে। এটাই আমেরিকার সৌন্দর্য।
:'''ক্রো''': তাই নাকি জোয়েল? আমার মনে হয় ওর মাথায় একটু সমস্যা আছে।
:'''টম সার্ভো''': আমি কি আমাদের ওই কলার বন্ধুকে একটা কথা বলতে পারি?
:'''জোয়েল''': অবশ্যই।
:'''টম সার্ভো''': এই যে ভাই ওটা কি আপনার মাথা নাকি আপনার ঘাড়ে কোনো ফোসকা পড়েছে?
:'''জোয়েল''': হয়েছে হয়েছে এবার চলো অন্য একটা মেসেজ শোনা যাক।
:'''কলার ২''': দারুণ লেগেছে! আরও চাই! আরও আরও আরও!!! আমাকে আরও দিন!!!
:'''ক্রো''': ও মনে হয় ডেব মুর-এর কথা বলছে।
:'''টম সার্ভো''': না ও তো টিভিতে আছে।
:'''ক্রো''': না ওটা অন্য প্রোগ্রাম।
:'''টম সার্ভো''': ওটা কি কোনো গানের দল?
:'''ক্রো''': না ওটা অন্য কিছু।
:'''টম সার্ভো''': ওটা কি কোনো ট্রাকের নাম?
:'''ক্রো''': না ওটা ৪x৪ বা ফোর বাই ফোর।
:'''টম সার্ভো'': তুমি মনে হয় ২x৪ বা টু বাই ফোর এর কথা ভাবছো।
:'''ক্রো'': না ওটা একটা সংকেত যার মানে হলো ‘আমি বুঝতে পেয়েছি বন্ধু’।
:'''টম সার্ভো'': না ওটা একটা ইনকাম ট্যাক্সের ফর্ম।
:'''ক্রো'': না ওটা ১০৪০- আমার প্রিয় লুব্রিকেন্ট!
<hr width=50%/>
:'''জাপানিজ জেনারেল''': অপারেশন রিয়ার ভিউ মিরর ব্যর্থ হয়েছে।
:'''টম সার্ভো''': এবার অপারেশন ফাজি ডাইস চেষ্টা করে দেখুন।
=== [[w:bn:গামেরা, দ্য জায়ান্ট মনস্টার|গামেরা]] ===
:'''ক্রো''': জোয়েল আমি ডিকশনারিতে ‘সাসপেন্ডেড অ্যানিমেশন’ খুঁজলাম আর আমার মনে হয় না এটা কাজে আ- (ক্রো জমে বরফ হয়ে গেল) আআআআআআআআআআআআআআআআআ!
:'''জোয়েল''': দেখলে তো আমি বলেছিলাম এটা কাজ করবে।
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর হিডাকা''': এই এস্কিমো গ্রামটাতেও যুদ্ধ চলে এল। মনে হয় না পৃথিবীতে আর কোথাও শান্তি থাকবে।
:'''জোয়েল''': এস্কিমো গ্রামের যুদ্ধের চেয়ে বড় ট্র্যাজেডি আর কিছুই হতে পারে না।
<hr width="50%"/>
:'''কেনিন''': টিবি? টিবি? টিবি?
:'''জোয়েল''': কচ্ছপটা যেন ওর ডাক শুনে সাড়া দেবে।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল (ক্যাথরিন হিসেবে)''': তুমি সকালে ঘুম থেকে উঠলে আমরা তোমাকে এক বাক্স পাথর এনে দেব।
=== [[w:bn:গামেরা বনাম গাওস|গামেরা বনাম গাওস]] ===
:'''জোয়েল''': যারা আজেবাজে কথা বলে ভয় দেখানোর জন্য ফোন করছো তারা আর ফোন কোরো না কারণ জিপসি ভয় পাচ্ছে।
:'''জিপসি''': হ্যাঁ নিজের বুদ্ধি একটু বাড়াও!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল''': মহাসাগর হলো সব প্রাণের উৎস... আর স্যান্ডি ফ্র্যাঙ্কের সব সিনেমারও।
=== [[w:bn:গামেরা বনাম জিগ্রা|গামেরা বনাম জিগ্রা]] ===
:'''টম সার্ভো''': ওহ খোদা ওটা তো গর্ডন লাইটফুট!
<hr width="50%"/>
:'''হেলেন''': ও কত চমৎকার আমি গামেরাকে খুব ভালোবাসি!
:'''জোয়েল''': শান্ত হও মা।
=== [[w:bn:গামেরা বনাম গুইরন|গামেরা বনাম গুইরন]] ===
:'''টম সার্ভো''': ওর আর কোনো ভিত্তি নেই।
:'''ক্রো''': এটা খুব বাজে কৌতুক হলো।
:'''টম সার্ভো''': এখন ওকে একপায়ে দাঁড়ানো মানুষ বলা যেতে পারে।
:'''জোয়েল''': ও খুব রেগে আছে।
:'''ক্রো''': এই রসিকতা করার জন্য বেশ ঝুঁকি নিতে হয়েছে।
:'''টম''': মনে হচ্ছে পালানোর চেষ্টা করছে।
:'''আকিও''': আমার তা মনে হয় না ও মনে হয় পেছন থেকে আক্রমণ করার চেষ্টা করছে।
:'''টম সার্ভো'': বাচ্চাদের উচিত ওকে একটু সাহায্য করা।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো'': ছয় বছরের বাচ্চা আর হাতে পারমাণবিক অস্ত্র- এর চেয়ে ভয়ংকর সমন্বয় আর হতেই পারে না।
=== [[w:bn:ফেজ IV|ফেজ IV]] ===
:'''ক্রো''': পিঁপড়েটাকে খুব রোগা দেখাচ্ছে। মনে হয় এর ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া হয় না।
:'''জোয়েল''': ওহ না... তুমি নিশ্চয়ই ওটা বলতে চাওনি!
:'''টম সার্ভো'': এর মনে হয় খিদে নেই।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো'': পিঁপড়েরা আস্ত তরমুজ বয়ে নিয়ে যেতে পারে। ফ্লিটস্টোনস কার্টুনে এমনটাই দেখেছিলাম।
:'''ক্রো'': আমি একবার মুরগির রান খেয়েছিলাম আর তারপর আমাকে বিশেষ জুতো পরতে হয়েছিল।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো'': আশা করি এই দৃশ্য দেখার সময় কেউ ভাত খাচ্ছেন না।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো'': আচ্ছা ক্রো যদি এই জাহাজ থেকে মুক্তি পাই তবে পৃথিবীতে গিয়ে সবার আগে কী করবে?
:'''ক্রো'': সবার আগে এই সিনেমার পরিচালক স্যান্ডি ফ্র্যাঙ্ককে খুন করব!
:'''টম সার্ভো'': ওটা তো ধরাই আছে অন্য কিছু বলো।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো'': আমার মনে হয় এটা বেশ গভীর ছিল...
:'''জোয়েল'': তোমার কী মনে হয় সার্ভো?
:'''টম সার্ভো'': আমার মনে হয় এটা করুণ ছিল।
:'''ক্রো'': এত গভীর যে আমাদের বুট জুতো পরা উচিত ছিল।
:'''টম সার্ভো'': এটা দেখে তো উড়ন্ত কচ্ছপকেও ভালো মনে হচ্ছিল।
=== [[w:bn:কসমিক প্রিন্সেস|কসমিক প্রিন্সেস]] ===
:'''জোয়েল''': কুমড়োর মতো দেখতে এক দানব।
:'''টম সার্ভো''': ওরে বাবা খুব ভয়ংকর! আমি তো কাঁপছি।
:'''ক্রো''': মনে হয় সাজসজ্জা বিভাগের সব টাকা শেষ হয়ে গিয়েছিল।
<hr width="50%"/>
:'''টনি''': ১... ২...
:'''টম সার্ভো (টনি হিসেবে)''': ৩...
:'''টনি''': ৫...
:'''জোয়েল, ক্রো ও সার্ভো''': কী?!
:'''টনি''': ৬...
:'''জোয়েল''': সেজন্যই ওরা এত বিপদে আছে।
:'''টনি''': ৭... ৪।
:'''ক্রো''': ওরা আসলে ব্রিটিশ তো তাই এমন।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': নিক ব্রিম্বল! আমারও একবার এমন হয়েছিল।
=== [[w:bn:হিউম্যানয়েড ওম্যান|হিউম্যানয়েড ওম্যান]] ===
:'''জোয়েল''': গল্পটা আরও জটিল হয়ে যাচ্ছে।
:'''টম সার্ভো''': ঠিক পচা স্যুপের মতো।
=== [[w:bn:ফিউজিটিভ এলিয়েন|ফিউজিটিভ এলিয়েন]] ===
:'''জোয়েল''': আপনার চুল নেই বলে গ্রহের ওপর রাগ ঝাড়ার কোনো মানে হয় না।
=== [[w:bn:এসএসটি: ডেথ ফ্লাইট|এসএসটি: ডেথ ফ্লাইট]] ===
:'''অ্যাঞ্জেলা''': হ্যালো!
:'''ক্রো (বিমানবালার গলায়)''': আপনার বুদ্ধিটা দয়া করে সামনের সিটের নিচে রাখুন।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো (বিমানবালার গলায়)''': শুনুন আপনারা বিমানের সেই অংশে আছেন যা ভেঙে পড়ে যেতে পারে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্যাপ্টেন ওয়ালশ''': ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ আপনাদের জানালার বাইরে তাকান। এমন দৃশ্য মহাকাশচারীরা ছাড়া আর কেউ কখনো দেখেনি।
:'''টম সার্ভো (ক্যাপ্টেন হিসেবে)''': সামনে থেকে একটা বিমান এগিয়ে আসছে।
:'''ক্যাপ্টেন ওয়ালশ''': যদিও আকাশের ওপরটা কালো দেখাচ্ছে...
:'''ক্রো (ক্যাপ্টেন হিসেবে)''': ...আমাদের পাখায় আগুন লেগে গেছে।
<hr width="50%"/>
:'''কার্লা স্ট্যানলি''': দয়া করে কিছু একটা করুন! আমরা সবাই মারা যাব!
:'''ক্রো''': মনে হয় আতঙ্ক ছড়ানোর দায়িত্বটা ওকেই দেওয়া হয়েছে।
:'''টম সার্ভো (কিংম্যান হিসেবে)''': ঠিক আছে সব অভিনেতারা লাইন ধরুন! লাভে বোট বাঁ দিকে আর ফ্যান্টাসি আইল্যান্ড ডান দিকে!
=== [[w:bn:মাইটি জ্যাক|মাইটি জ্যাক]] ===
:'''জোয়েল''': তার মানে এই পুরো দোষটা এখন ওই বিড়ালের ওপর চাপানো হবে?
=== [[w:bn:সুপারডোম|সুপারডোম]] ===
:'''ক্রো''': ম্যগনাম একদম কড়া ভাজা হয়ে গেছে।
<hr width="50%"/>
:'''ঘোষক''': এর মতো আর কিছু হয় না। সুপার বোল। তিন ঘণ্টা পর খেলা শেষ হয়ে যাবে।
:'''টম সার্ভো''': কে জিতেছে?
:'''ক্রো''': আমি জানি আমি আর আগের মতো নেই।
:'''জোয়েল''': এই সিনেমাটা এখন ইতিহাস হয়ে গেছে।
:'''ক্রো''': আমাদের কাজ শেষ।
:'''জোয়েল''': চলো যাওয়া যাক।
:'''টম সার্ভো''': কে জিতেছে? ... কে জিতেছে? ... কে জিতেছে ভাই?!
=== [[w:bn:সিটি অন ফায়ার|সিটি অন ফায়ার]] ===
:'''ডক্টর এরহার্ড''': পাগল বিজ্ঞানীদের দল থেকে চিঠি এসেছে। ওরা আমাদের লাইসেন্স বাতিল করতে চায় কারণ আমাদের নাকি যথেষ্ট মাথা খারাপ না!
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': আমি জানি দেখুন এখানে লেখা আছে আমরা নাকি বড়জোর সামান্য বিরক্ত গবেষক।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': বাহ বেশ ভালো। এটা যেকোনো শহরে যেকোনো মানুষের সাথে হতে পারে।
:'''ক্রো''': যেমন ব্যারি নিউম্যান।
:'''টম সার্ভো''': টিভি দেখা বন্ধ করুন আর আগুনের জন্য তৈরি হন! প্রলয় আসছে এই রবিবার রাতে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': বাজি ধরে বলতে পারি এটা কানাডায় বানানো হয়েছে।
:'''টম সার্ভো''': একদম ঠিক।
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর হুইটম্যান''': তোমরা কি ‘নেতাকে অনুসরণ করো’ খেলাটা জানো?
:'''ক্রো''': এটাকে বলে ‘জ্বলন্ত ডাক্তারকে অনুসরণ করো’।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (ডায়ানা হিসেবে)''': ডাক্তার মনে হয় আমরা আমাদের রক্তদাতা পেয়ে গেছি!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': একটা ক্যাচার গ্লাভস নিয়ে এসো!
:'''জোয়েল''': গরম পানি করো।
:'''ক্রো''': খবরের কাগজগুলো পোড়াও!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': শেলি মারা গেল দেখে একটু খারাপই লাগছে।
:'''জোয়েল''': হ্যাঁ সত্যিই দুঃখের বিষয়।
:'''টম সার্ভো''': ও মারা গেল আর আমাদের পকেট ফাঁকা হলো।
=== [[w:bn:টাইম অব দ্য এপস|টাইম অব দ্য এপস]] ===
:'''ক্রো''': কেউ কি স্বীকার করতে চায় যে ও এটা লিখেছে?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': ওই দেখুন শেলি উইন্টার্স আর আর্নেস্ট বোরগাইন।
=== [[w:bn:দ্য মিলিয়ন আইজ অব সুমুরু|দ্য মিলিয়ন আইজ অব সুমুরু]] ===
:'''জোয়েল''': পর্দার পেছনের ওই মেয়েটার দিকে একদম মনোযোগ দেবেন না।
:'''ক্রো''': ওই অদ্ভুত নকশাটার দিকেও একদম মনোযোগ দেবেন না।
:. . .
:'''টমি''': আমার কি এখানে গান গাওয়ার কথা? ধুর না!
:'''জোয়েল''': খুব ভালো বলেছো ফ্র্যাঙ্কি। দয়া করে আমাদের সিনেমার মজা করতে দাও!
=== [[w:bn:হ্যাঙ্গার ১৮|হ্যাঙ্গার ১৮]] ===
=== [[w:bn:দ্য লাস্ট চেজ|দ্য লাস্ট চেজ]] ===
:'''ক্রো''': ওহ কানাডার সিনেমা! তার মানে এই কারণেই ওটা এত **বাজে** হয়েছে!
=== [[w:bn:দ্য লেজেন্ড অব ডায়নোসরস|দ্য লেজেন্ড অব ডায়নোসরস]] ===
:'''টম সার্ভো''': ওটা হলো ব্রুক শিল্ডস!
<hr width="50%"/>
:'''রিপোর্টার''': সবাই এখন একটাই প্রশ্ন করছে...
:'''টম সার্ভো''': কেন আমি এই ফালতু সিনেমাটা দেখছি?
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল''': ডাইনোসর আসার আগে সিনেমাটা অন্তত কিছুটা বোঝা যাচ্ছিল। এখন তো কিছুই মাথায় ঢুকছে না।
== মৌসুম ১ ==
=== [[w:bn:দ্য ক্রলিং আই|দ্য ক্রলিং আই]] ===
:'''টম সার্ভো''': নির্ঘাত এটা কোনো [[w:bn:প্যারামাউন্ট পিকচার্স|প্যারামাউন্ট পিকচার্স]]-এর সিনেমা হবে।
<hr width="50%"/>
:'''পর্বতারোহী''': ওর মাথাটা! ওটা যেন কেউ জোর করে ধড় থেকে আলাদা করে ফেলেছে!
:'''টম সার্ভো''': আপনি এমনভাবে বলছেন যেন এটা খুব খারাপ কিছু হয়েছে।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (কন্ডাক্টর হিসেবে)''': ট্রলেনবার্গে স্বাগতম যেখানে সেই অদ্ভুত চোখটা বাস করে। এখানে আসা মানেই নির্ঘাত অপমৃত্যু।
<hr width="50%">
:'''জোয়েল (পাহাড় হিসেবে)''': আমি মাউন্ট সভেনগালি। তোমাদের আমার আদেশ মানতেই হবে।
<hr width="50%"/>
:'''অ্যান''': আমি বেশ ভালোই আছি। আমি শুধু চাই মানুষ আমাকে রোগীর মতো দেখা বন্ধ করুক।
:'''জোয়েল''': একটা হুইলচেয়ার দিলে কেমন হয়?
<hr width="50%"/>
:'''অ্যালান ব্রুকস''': ঠিক আছে কোনো সমস্যা নেই। ওটা তো শুধু খেলার খবর ছিল।
:'''জোয়েল''': ওটা তো অভিনয়ের জন্য রাখা একটা সাধারণ জিনিস মাত্র।
<hr width="50%"/>
:'''অ্যালান ব্রুকস''': যেখানে মানুষ পাহাড়ে চড়ে সেখানে অনেক দুর্ঘটনা ঘটে।
:'''প্রফেসর ক্রিভেট''': ঠিক কথা। আর মাঝে মাঝে লাশগুলো গায়েব হয়ে যায়। কিন্তু এখানে সবাই খুঁজেও কিছুই পায় না। আপনার কী মনে হয় কেন এমন হয়?
:'''টম সার্ভো (ব্রুকস হিসেবে)''': ওরা আসলে ভালোমতো খোঁজাখুঁজি করতে জানে না।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল''': ওই চোখটা মনে করছে বলটা ওর চোখের মণি।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল''': ওই অতিকায় চোখটা আর কী করবে? বড়জোর আপনাকে তুলে নিয়ে চোখের পলক ফেলে মেরে ফেলবে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': এই সিনেমার কি কোনো দ্বিতীয় পর্ব আছে?
:'''ক্রো''': হ্যাঁ আছে। সেটার নাম হলো আই-গার স্যাংশন!
:'''টম সার্ভো''': আর সেখানে অভিনয় করবেন [[w:bn:বার্ল আইভস|বার্ল আইভস]]।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল''': আমি আমার এই ছোট্ট চোখ দিয়ে দেখছি...
:'''টম সার্ভো''': এমন একজনকে যে মুখে এক কথা বলে আর কাজে অন্য কিছু করে!
<hr width="50%"/>
:'''অ্যালান ব্রুকস''': চলো তোমাকে বাইরে নিয়ে যাই তাহলে একটু তাজা বাতাস পাবে।
:'''টম সার্ভো''': আমার মনে হয় না এই মুহূর্তে বাইরের বাতাস খুব একটা তাজা হবে।
<hr width="50%"/>
:'''জিপসি''': আমার ত্বকে কেমন যেন অস্বস্তি হচ্ছে!
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর এরহার্ড''': ক্লে ক্লে! মনে হয় কেউ আমাকে নিচে আসার সময় দেখে ফেলেছে!
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': তুমি কি ছদ্মবেশ পরেছিলে?
:'''ডক্টর এরহার্ড''': পরেছিলাম কিন্তু হাই হিল জুতো পরলে আমাকে খুব একটা মানায় না।
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': কেউ যেন জানতে না পারে যে আমরা নিচে বসে এসব করছি!
:'''ডক্টর এরহার্ড''': আমি দুঃখিত।
=== [[w:bn:দ্য রোবট বনাম অ্যাজটেক মমি|দ্য রোবট বনাম অ্যাজটেক মমি]] ===
:'''ডক্টর এরহার্ড''': কথা দাও যদি তুমি প্রতিযোগিতায় হেরে যাও তবে আবারও পুরো বিল্ডিংটা বোমা মেরে উড়িয়ে দেবে না।
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': আমি ওটা মাত্র একবার করেছি! ঠিক আছে দুইবার করেছি।
:'''ডক্টর এরহার্ড''': ওটা তিনবার ছিল!
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': তৃতীয়বার আমি তো শুধু আগুন ধরিয়ে দিয়েছিলাম। ওতে বিল্ডিং ওড়েনি শুধু খুব দ্রুত পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল।
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর এরহার্ড''': মনে করুন আপনি একটা পার্টি দিচ্ছেন রাত ৩টা বাজে কিন্তু কোনো অতিথিই যেতে চাইছে না। তখনই আপনার চকম্যানকে নিয়ে আসতে হবে!
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': হ্যাঁ প্রত্যেক আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন বিজ্ঞানী জানেন যে ব্ল্যাকবোর্ডে নখের আঁচড়ের শব্দ কতটা বিরক্তিকর। এটা মানুষের মনে ত্রাসের সৃষ্টি করে অনেকটা ওই মরুভূমিতে দৌড়ে বেড়ানো শিম্পাঞ্জির মতো। এই যে দেখুন এটা একটা আসল ব্ল্যাকবোর্ড। আর এই হাতে আসল মানুষের নখ লাগানো আছে। এবার দেখুন... (খসখস শব্দ) এবার কান খুলুন।
:'''ডক্টর এরহার্ড''': ওরা থেকে যাবে।
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': এবার বন্ধ করুন।
:'''ডক্টর এরহার্ড''': এবার ওরা পালাবে।
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': আর এমন আরও অনেক কিছু।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': কুকুরের অনুষ্ঠান শেষ হয়ে গেছে এখন সবাই ভাগো! আমি টম সার্ভো বলছি তোমাদের জীবনের সবচেয়ে ভয়ংকর অভিজ্ঞতা!
<hr width="50%"/>
:'''ইনোচ, ডেমন ডগদের রাজা''': প্রথমে আমরা একে অপরকে বিনয়ের সাথে অভিবাদন জানাব তারপর আমরা সবাই মিলে সুপেয় পানীয় পান করব।
:'''ক্রো''': তুমি কি মাটি থেকে থালা তুলে খাবে খোকা?
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল''': যাক আপদ বিদায় হয়েছে!
:'''টম সার্ভো''': জোয়েল আমি আনন্দ মাটি করতে চাই না কিন্তু ‘নিয়ে আসা’ মানে কি ওটা গিয়ে আবার মুখে করে নিয়ে আসা নয়?
:'''জোয়েল''': ধুর ছাই!
==== [[w:bn:র্যাডার মেন ফ্রম দ্য মুন|র্যাডার মেন ফ্রম দ্য মুন]], প্রথম অধ্যায় (ছোট ছবি) ====
:'''টম সার্ভো''': উফ! ওরকম সুন্দর একটা পিঠের পেছনে গুলি করতে আমার খুব খারাপ লাগবে!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল''': ওরে বাবা! চাঁদ তো দেখতে অবিকল [[w:bn:অ্যারিজোনা|অ্যারিজোনা]]-র মতো!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো (রেটিক হিসেবে)''': আমি অর্কন। এটা আমার ভাই জেনন আর ওটা আমার আরেক ভাই জেনন।
<hr width="50%"/>
:'''কমান্ডো কোডি''': আমাকে কি বলবেন কেন আপনাদের লোকগুলো পৃথিবীতে ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে?
:'''টম সার্ভো (রেটিক হিসেবে)''': কারণ সামনেই নির্বাচন!
:'''রেটিক''': মোটেই না। ওরা শুধু পৃথিবীর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল করছে যাতে আমরা আক্রমণ করতে পারি।
:'''কমান্ডো কোডি''': আপনারা পৃথিবী দখল করতে চান কেন?
:'''রেটিক''': কারণ চাঁদের আবহাওয়া খুব শুষ্ক হয়ে গেছে। গ্রিনহাউস ছাড়া এখানে চাষবাস করা অসম্ভব।
:'''জোয়েল (কোডি হিসেবে)''': তাহলে বাতাস আর্দ্র করার জন্য একটা মেশিন কিনে নিন না!
==== দ্য রোবট বনাম অ্যাজটেক মমি (মূল সিনেমা) ====
:'''ডক্টর আলমাদা''': তাই ওরা পালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল যদিও কুমারী থাকা আর দেবতার উদ্দেশ্যে উৎসর্গ হওয়াই ছিল ওর পবিত্র দায়িত্ব।
:'''জোয়েল (ডক্টর আলমাদা হিসেবে)''': ক্যাফেইন ছাড়া কফি খাওয়ার দেবতা।
:'''ডক্টর আলমাদা''': উপজাতির পুরোহিতরা ওদের ধরে ফেলল।
:'''টম সার্ভো (ডক্টর আলমাদা হিসেবে)''': ওরা সুস্বাদু তরল খাবার তৈরি করে অতিথিদের জোর করে খাওয়ায় কারণ ওরা জানে ক্ষুধার্ত মানুষকে কীভাবে খাওয়াতে হয়।
<hr width=50%>
:'''জোয়েল''': এটা দেখতে অনেকটা ডার্টি ড্যান্সিং-এর মতো লাগছে তাই না?
:'''টম সার্ভো (জোচি হিসেবে)''': আমার জীবনের শেষ সময় চলে এসেছে আর আমি মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করছি।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আমি কোনো জানোয়ার নই আমি একজন অ্যাজটেক মমি!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': আরে দেখুন পিটার গ্রেভস!
:'''টম সার্ভো''': পিটারের কবরে কাকে কবর দেওয়া হয়েছে?
:'''জোয়েল''': [[w:bn:জেমস আর্নেস|জেমস আর্নেস]]-কে!
<hr width="50%"/>
:'''ব্রুনো''': ওরে হারামি! তোর পচা শরীরটাকে কেটে টুকরো টুকরো করতে পারলে শান্তি পেতাম!
:'''জোয়েল''': ব্রুনো রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে শেখো।
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর ক্রুপ''': আজ রাতে আমি এটাকে সবচেয়ে বড় পরীক্ষার সামনে দাঁড় করাব!
:'''জোয়েল''': কোনো নামী ম্যাগাজিনের প্রশ্নপত্র সমাধান করাবেন নাকি?
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর ক্রুপ''': আমার এই আবিষ্কারের সামনে পৃথিবীর কোনো মানুষ দাঁড়াতে পারবে না!
:'''টম সার্ভো''': দাঁড়ান মানুষের রোবট? সেখানেই তো ভুলটা করে বসেছেন।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': ডিকশনারিতে যখন ‘হতাশাজনক সমাপ্তি’ খুঁজলাম সেখানে লেখা ছিল ‘অ্যাজটেক মমি’ সিনেমাটি দেখুন।
=== [[w:bn:দ্য ম্যাড মনস্টার|দ্য ম্যাড মনস্টার]] ===
==== [[w:bn:র্যাডার মেন ফ্রম দ্য মুন|র্যাডার মেন ফ্রম দ্য মুন]], দ্বিতীয় অধ্যায় (ছোট ছবি) ====
:'''জোয়েল''': এরা হলো সিনেমার পেছনের মানুষ। এদের সম্ভবত সিনেমার শুরুতেই মেরে ফেলা হবে।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': উফ! ও যদি আগেই ওভাবে সরে যেত তবে আমাকে পুরো সপ্তাহ ওর জন্য দুশ্চিন্তা করতে হতো না।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল (কোডি হিসেবে)''': মাথা দিয়ে গুঁতো দাও! শুধু মাথা দিয়ে মারো! ওর মাথায় তো শুধু একটা ইলাস্টিকের কাপড় পরা!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (কোডি হিসেবে)''': এটা বড় বড় সাংবাদিকদের জন্য আর এটা হলো ওই অদ্ভুত সাজে সাজাঁর জন্য! ছিঃ ওটা দেখতে খুব বাজে ছিল!
:'''ক্রো''': এগুলো সব ওই বিশেষ ডিজাইনের পোশাক তাই না?
<hr width="50%"/>
:'''কমান্ডো কোডি''': হয়তো আমরা ওই পাথরের আড়াল দিয়ে ওদের থেকে পালাতে পারব।
:'''টম সার্ভো''': হয়তো তুমি বড় বন্দুকটা ব্যবহার করতে পারো যা দিয়ে সবকিছু উড়িয়ে দেওয়া যায়। যেমন ওই গাড়িগুলো।
==== দ্য ম্যাড মনস্টার (মূল সিনেমা) ====
:'''টম সার্ভো''': নিজের কথা সত্যি প্রমাণ করার জন্য কি মানুষ মারতেই হবে? ও কি একটা গ্রাফ চার্ট বানিয়ে দেখাতে পারত না?
<hr width="50%"/>
:'''ক্যামেরন''': কিছুক্ষণ আগেও পেট্রো একজন মানুষ ছিল। খুব শান্ত আর দয়ালু একজন মানুষ। আর এখন ওকে দেখো!
:'''টম সার্ভো (ক্যামেরন হিসেবে)''': এখন ওকে একটা জানোয়ারের মতো লাগছে!
:'''ক্রো''': এখন ও পুরোপুরি নিজের ওপর নির্ভরশীল!
<hr width="50%"/>
:'''প্রফেসর''': পাগলাগারদ বলে একটা জায়গা আছে-
:'''টম সার্ভো (প্রফেসর হিসেবে)''': যেমন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়!
:'''প্রফেসর''': -আর আমরা ব্যবস্থা করছি যাতে তোমাকে সেখানেই বন্দি করে রাখা হয়!
:'''টম সার্ভো''': লোকটা তো অন্তত ভাবতেও পারত যে সবাই ওকে ভয় পাচ্ছে।
:'''ক্যামেরন''': আমরা দেখে নেব ভদ্রলোকেরা আমরা দেখে নেব...
:'''জোয়েল''': এরপর বড় বড় আত্মারা এসে ওকে ভয় দেখাবে।
<hr width="50%"/>
:'''প্রফেসর ব্লেইন''': মানুষ আর পশুর রক্ত মেশানো মানে পবিত্র কোনো বিধান অমান্য করা!
:'''জোয়েল''': এই কথা একবার ফুটবল লীগের খেলোয়াড়দের গিয়ে বলে দেখুন!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ওকে একটা গুলি করে মেরে ফেললেই তো ল্যাঠা চুকে যায়! তুমি নিজেই তো বলেছিলে মারবে। এখন আলগা বকবক করে সময় নষ্ট কোরো না!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': একটা লোকের কথা শোনো যার নাম ছিল জেদ। পাহাড়ের এক গরিব মানুষ যে নিজের পরিবারের জন্য দুবেলা খাবার জোগাতে হিমশিম খেত। একদিন সে শিকার করার জন্য বন্দুক তাক করল...
:'''জোয়েল''': ...আর জলাভূমি থেকে উঠে এল এক কুৎসিত দানব।
:'''টম সার্ভো''': ওটা ছিল একটা নেকড়ে মানব যার কালো দাঁত আর বাঁকা মুখ।
:'''টম সার্ভো''': এরপরের দৃশ্যেই জেদ খুব ভয় পেয়ে গেল। বাড়ির সবাই চিৎকার করে বলল জেদ ওখান থেকে পালাও! জেদ বলল আমি আমার ছোট ঘরেই ভালো আছি। এই বলে সে ভয়ে প্যান্ট নষ্ট করে ফেলল আর বাড়ির সবাইকে ডাকল...
:'''জোয়েল''': ভালো বলেছো ক্রো।
:'''টম সার্ভো''': আমি সার্ভো বলছি।
:'''ক্রো''': আমি এখানে।
:'''জোয়েল''': ঠিক আছে দুঃখিত। ভালো বলেছো সার্ভো। তুমিও ক্রো।
:'''টম সার্ভো''': ওহ অনেক ধন্যবাদ!
:'''ক্রো''': আমি তো কিছুই করিনি।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': এর চেয়ে ভালো অভিনয় তো পাড়ার কুকুরগুলোও করতে পারে।
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর ক্যামেরন''': আমি তোমাকে এমন একটা ইনজেকশন দিতে পারি যা তোমাকে দশজন মানুষের শক্তি দেবে।
:'''ক্রো (ক্যামেরন হিসেবে)''': আর দেবে শরীরের গাদা গাদা লোম।
:'''ডক্টর ক্যামেরন''': অথবা বিবর্তনের ধারায় তোমাকে একজোড়া গাধার কান দিলে কেমন হয়? তোমার বুদ্ধির সাথে ওটাই বেশি মানাবে!
:'''জোয়েল''': বাহ! বেশ চমৎকার একটা কথা বলেছেন তো! একদম মোক্ষম আঘাত করেছেন।
<hr width="50%"/>
:'''প্রফেসর ফিটজেরাল্ড''': আমি কোনো প্রতারকের কাছে অপমানিত হতে চাই না!
:'''টম সার্ভো (ফিটজেরাল্ড হিসেবে)''': আপনার কাছেও না!
<hr width="50%"/>
:'''লেনোর''': আব্বু আমার মনে হচ্ছে এই বাড়িতে অশুভ কিছু একটা আছে। আমি সেটা অনুভব করতে পারছি আর আমার খুব ভয় করছে!
:'''টম সার্ভো (লেনোর হিসেবে)''': ওর কথা শুনে তো আমার গান গাইতে ইচ্ছে করছে!
<hr width="50%"/>
:'''অফিসার''': এই খবরটা ছাপলে আপনাদের খবরের কাগজের কাটতি খুব বেড়ে যাবে।
:'''টম''': এটা আমার কাছে শুধু একটা খবর নয়। ক্যামেরন আমার বন্ধু ছিল।
:'''জোয়েল (টম হিসেবে)''': বাহ! বেশ ভালো একটা গল্প হবে। এমনকি এটা নিয়ে একটা সিনেমাও বানানো যেতে পারে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (ডক্টর ক্যামেরন হিসেবে)''': খুব শান্তি লাগছে... এবার আমি আমার মেয়েকে একটা বনবিড়াল বানিয়ে ছাড়ব।
<hr width="50%"/>
:'''লেনোর''': ফিটজেরাল্ড পেট্রোকে সাথে নিয়ে শহরে যাচ্ছিল। তুমি নিশ্চয়ই ভাবছো না যে-
:'''টম''': আমি কী ভাবব বুঝতে পারছি না!
:'''টম সার্ভো (টম হিসেবে)''': আর আমাকে ওসব নামে ডাকবেন না!
<hr width="50%"/>
:'''পেট্রো''': আমার কী হয়েছে আমি জানি না। মনে হয় আমার সামান্য জ্বর হয়েছে।
:'''ডক্টর ক্যামেরন''': হতে পারে। এবার ঘুমাতে যাও আমি ওষুধের ব্যবস্থা করছি।
:'''টম সার্ভো''': একবার জলাভূমির ধারে গিয়ে আমারও চুলকানি হয়েছিল।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো ও সার্ভো''': হেই তুমি কি সেটাই ভাবছো যা আমি ভাবছি?
:'''টম সার্ভো''': বৃষ্টির মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে হাঁটতে তোমার ভালো লাগে?
:'''ক্রো''': চাইনিজ খাবার?
:'''টম সার্ভো''': আইসক্রিম মাখিয়ে খাওয়া?
:'''ক্রো ও সার্ভো''': ওহ হ্যাঁ! আমরা আমাদের খুব ভালোবাসি! আমাদের দুজনের বুদ্ধি জোয়েলের চেয়েও বেশি! আমাদের এগিয়ে চলা কেউ আটকাতে পারবে না। আমরা ভবিষ্যৎ দেখেছি আর ওটা আমরাই! আমরা সবাই এক এবং অজেয়... হ্যাঁ! আমরাই সেরা আর আমরাই পুরো জগত শাসন করব-
:'''জোয়েল''': আমার রোবটগুলোকে মনে হয় বন্ধ করেই রাখতে হবে।
<hr width="50%"/>
:'''প্রফেসর ফিটজেরাল্ড''': আপনার ল্যাবরেটরির সরঞ্জামগুলো তো বেশ উন্নত মনে হচ্ছে।
:'''টম সার্ভো (ডক্টর ক্যামেরন হিসেবে)''': ধন্যবাদ! আমি ভাবিনি যে আমার প্যান্টের ওপর দিয়ে আপনি ওটা খেয়াল করবেন।
<hr width="50%"/>
:'''ক্যামেরন''': পেট্রো! পিছিয়ে যাও!
:'''টম সার্ভো (পেট্রো হিসেবে)''': এবার আমি তোমাকে বোঝাব গলার কলারটা বেশি টাইট হলে কেমন লাগে!
:'''জোয়েল''': আর ওটা মোটেও সুখকর কোনো অনুভূতি নয়।
=== [[w:bn:উইমেন অব দ্য প্রিহিস্টোরিক প্ল্যানেট|উইমেন অব দ্য প্রিহিস্টোরিক প্ল্যানেট]] ===
:'''ডক্টর এরহার্ড''': মনে হয় ওটা বেশ কাজের হতে পারে কোনো মলোটভ ককটেল হিসেবে।
:'''জোয়েল''': তোমরা দুই মস্ত বড় শয়তান! তোমরা যেকোনো ভালো জিনিসকেও খারাপ বানিয়ে ছাড়ো!
:'''ডক্টর ফরেস্টার ও ডক্টর এরহার্ড''': ধন্যবাদ!
<hr width="50%"/>
:'''লেফটেন্যান্ট ব্র্যাডলি''': মার্শাল আর্টের সময় এক বিশেষ হুংকার! হুপ!
:'''টম সার্ভো''': আমি এই দৃশ্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে দেখতে পারব।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল, সার্ভো ও ক্রো''': মুখ বন্ধ করো!!!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল''': লোকটা কি এখন জৈব সারে পরিণত হয়েছে?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': ও এখন পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় গানগুলো শোনাবে।
...
:'''টম সার্ভো (ট্যাং হিসেবে)''': আমাকে দেখুন আমি বাঁশি বাজাতে খুব পটু!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': তুমি কিন্তু মহাবিশ্ব নিয়ে বাজি ধরছ জোয়েল। আশা করি তুমি সেটা বুঝতে পারছ।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল''': এই আজগুবি স্যাটেলাইটটা আমাদের সবাইকে আইজাক আসিমভের কপি বানিয়ে ছেড়েছে!
. . .
:'''ক্রো''': তোমার কি মনে হয় এটা কোনো অশুভ পরিকল্পনা?
:'''টম সার্ভো''': একদম না। ষড়যন্ত্র নিয়ে আমি আমার বইয়ের অনেকগুলো খণ্ডে লিখেছি।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল (স্কট হিসেবে)''': আমি জানি এই সিনেমায় আমাদের প্রেমের কোনো দৃশ্য ছিল না কিন্তু চলো আমরা না মেলা কাহিনির অংশ হয়ে যাই।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ওহ খোদা! কত ভয়ানক ব্যাপার! একটা খেলনা মাকড়সার কামড়ে মরতে হলো!
<hr width="50%"/>
:'''লিন্ডা''': আমি তোমাদের ঘৃণা করি! তোমাদের সবাইকে ঘৃণা করি!
:'''জোয়েল''': ওরে বাবা! তাহলে আর আমাকে অভিবাদন জানানোর দরকার নেই!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': সিনেমার পুরানো দৃশ্য দেখাচ্ছে! সবাই শুয়ে পড়ো!
:'''ক্রো''': সাবধান! প্লাস্টিক পুড়ছে!
<hr width="50%"/>
:'''অ্যাডমিরাল ডেভিড কিং''': মিস্টার স্কট লগ বুকে এন্ট্রি করুন। সোলারিস সিস্টেমের তৃতীয় গ্রহ। যেহেতু এই গ্রহটি আগে পরিচিত ছিল না তাই আজ থেকে সোলারিস সিস্টেমের এই তৃতীয় গ্রহটি নীল গ্রহ হিসেবে পরিচিত হবে। আমরা এর নাম দিলাম... পৃথিবী।
:'''জোয়েল''': পৃথিবী?!
:'''ক্রো''': ধুর! আপনাকে দেবতা বানাল কে?
:'''টম সার্ভো''': বাহ! তার মানে মানুষ এসেছে ওই পানীয় থেকে! আমাদের বরং এখান থেকে পালানো উচিত।
:'''জোয়েল''': তার মানে আমার প্রপিতামহী দেখতে খুব সুন্দরী ছিলেন!
:'''ক্রো''': তাই নাকি? ছবি আছে?
=== [[w:bn:দ্য কর্পস ভ্যানিশেস|দ্য কর্পস ভ্যানিশেস]] ===
:'''ডক্টর এরহার্ড''': জোয়েল শোনো! তুমি একটা ফালতু ছেলে!
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': মন্দ বলোনি।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': এই সপ্তাহের আদর্শ রোমান্টিক পার্টনার কে?
:'''টম সার্ভো''': দেখি... এখানে তো টুইকি-র নাম লেখা।
:'''ক্রো''': টুইকি?! ওর তো বহুকাল ধরে কোনো কাজ নেই!
:'''টম সার্ভো''': আমি জানি লোকটা একটা আস্ত গাধা! আমার সাথে নাচবে নাকি খোকা?
:'''ক্রো''': ওর মতো ছোটখাটো রোবট আর ওই দুর্বল হাত দিয়ে ও কিছুই করতে পারবে না।
:'''টম সার্ভো''': বেশ মজার কথা বললে তো ক্রো!
:'''ক্রো''': ওরে বাবা! ভুল হয়ে গেছে!
==== [[w:bn:র্যাডার মেন ফ্রম দ্য মুন|র্যাডার মেন ফ্রম দ্য মুন]], তৃতীয় অধ্যায় (ছোট ছবি) ====
:'''ক্রো''': পৃথিবীর ওপর ছায়া পড়েছে কেন?
:'''টম সার্ভো''': মহাকাশে মেঘ এল কোথা থেকে?
:'''ক্রো''': আমরা কেন এই ফালতু জিনিসটা দেখছি?
:'''টম সার্ভো''': আব্বু ভিয়েতনাম মানে কী?
<hr width="50%"/>
:'''রেটিক''': ও আসার আগেই কি তোমাদের গান তৈরি হয়ে যাবে?!
:'''ক্রোগ''': ভয় পাচ্ছি ওটা অসম্ভব। সব দোকানপাট এখন বন্ধ!
==== দ্য কর্পস ভ্যানিশেস (মূল সিনেমা) ====
:'''জোয়েল''': উফ কী কষ্টের দৃশ্য! দেখুন ওরা বিয়ের মিষ্টান্ন ফেরত দিচ্ছে!
:'''ক্রো (ডক্টর লরেঞ্জ হিসেবে)''': ধন্যবাদ! আমার কেক খেতে খুব ভালো লাগে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (ল্যান্ডশার্ক হিসেবে)''': ডাঙ্গায় হাঙ্গর এসেছে।
: . . .
:'''জোয়েল (ল্যান্ডশার্ক হিসেবে)''': আমি চকোলেট নিয়ে এসেছি।
: . . .
:'''টম সার্ভো (ল্যান্ডশার্ক হিসেবে)''': পিৎজা এনেছি।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (লরেঞ্জ হিসেবে)''': আমাকে এখন ভেতরে গিয়ে ওই গল্পের বইয়ের চরিত্রগুলোর সাথে কথা বলতে হবে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': জোয়েল তুমি ওরকম সুন্দর জামাকাপড় পরো না কেন?
:'''জোয়েল''': আরে আমাকে তো হুট করে মহাকাশে পাঠিয়ে দেওয়া হলো। ব্যাগ গোছানোর সময় পাইনি।
:'''ক্রো''': ও আচ্ছা।
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর ফস্টার''': আমার নাম ডক্টর ফস্টার।
:'''প্যাট্রিসিয়া''': আমি প্যাট্রিসিয়া হান্টার।
:'''জোয়েল''': আমি জোয়েল।
:'''টম সার্ভো''': আমি সার্ভো।
:'''ক্রো''': আমি ক্রো!
...
:'''প্যাট্রিসিয়া''': আমি একজন সাংবাদিক।
:'''টম সার্ভো''': আমি একজন রোবট।
:'''জোয়েল''': আমি একজন মানুষ।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো (ডক্টর লরেঞ্জ হিসেবে)''': এখন হয়তো আপনি সামান্য ব্যথা পেতে পারেন... ওরে বাবা! এটা তো দেখছি সাংঘাতিক ব্যথা!
<hr width="50%"/>
:'''প্যাট্রিসিয়া''': আপনি এটাকে অদ্ভুত বলছেন। আমার কাছে এর অন্য একটা নাম আছে।
:'''ক্রো (প্যাট্রিসিয়া হিসেবে)''': আমি তো এটাকে অভদ্রতা আর গুণ্ডামি বলব।
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর ফস্টার''': আমাদের শরীরের গ্রন্থিগুলো আমাদের দাঁত আর চুলের গঠন ঠিক করতে সাহায্য করে...
:'''ক্রো (ডক্টর ফস্টার হিসেবে)''': আমাদের বাহ্যিক চেহারাও।
:'''জোয়েল''': পড়াশোনা করা বেশ মজার কাজ!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': এই চরিত্রে ওর চেয়ে ভালো কেউ হতে পারত না। বড়জোর ওর গায়ে একটু কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া যেত।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': সিনেমার একটা ভালো দিক হলো আমরা অনেকগুলো অদ্ভুত মানুষের দেখা পেয়েছি!
:'''জোয়েল''': আচ্ছা আর খারাপ দিকটা কী?
:'''ক্রো''': ওরা সবাই খুব গাধা! একটা মেয়ের জীবনের সবচেয়ে খুশির দিনে ওরা ওভাবে মানুষ মারতে গেল!
:'''জোয়েল''': বেশ বলেছো বন্ধু!
=== [[w:bn:দ্য ক্রলিং হ্যান্ড|দ্য ক্রলিং হ্যান্ড]] ===
:'''জোয়েল''': কন্ট্রোল রুম থেকে মেজর টম বলছি...
...
:'''ক্রো''': ওই বোতামটা টিপলেই ও আর মহাকাশচারী থাকবে না।
<hr width="50%"/>
:'''মালিক''': এখানে নাচা নিষেধ।
:'''জোয়েল''': এটা তো পুরো সিনেমার গল্পের মতো অবস্থা।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো (মালিক হিসেবে)''': অভিনয় করা নিষেধ।
: . . .
:'''মালিক''': ইঁদুর আনা যাবে না।
:'''জোয়েল (মালিক হিসেবে)''': যদি না সেগুলো খাওয়ার জন্য আনা হয়।
:...
:'''জোয়েল (মালিক হিসেবে)''': গলা টিপে ধরা নিষেধ।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': এটা কি অনন্তকাল ধরে চলবে?
:'''টম সার্ভো''': না কিন্তু মনে হচ্ছে সময় আর শেষ হবে না।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল''': ক্যামবট আমাকে মনে করিয়ে দিও এরপর যখন রোবট বানাব ও যেন নিজের ইচ্ছা মতো কাজ করতে না পারে। আজ এই পর্যন্তই এবার বিজ্ঞাপনের বিরতি।
<hr width="50%"/>
:'''মার্টা''': পল হৃষ্টপুষ্ট শরীর মানে কী? আর তুমি ট্রেন্ডি নও কেন?
:'''পল''': হৃষ্টপুষ্ট শরীর?
:'''ক্রো (পল হিসেবে)''': হৃষ্টপুষ্ট শরীর মানে হলো তুমি খুব বুদ্ধিমান।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': হেই ও এমন অদ্ভুত জামা পরে আছে কেন?
:'''টম সার্ভো''': ওরে বাবা ওটা তো জঘন্য লাগছে।
:'''ক্রো''': থামো তো আমার মাথায় যন্ত্রণা শুরু হয়ে গেছে।
:'''টম সার্ভো'': আপনি একটা মস্ত বড় আপদ।
:'''ক্রো'': আপনার তো কোনো দয়া-মায়া নেই।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল (শেরিফ টাউনসেন্ড হিসেবে পলকে)''': সেই ছোট লাশটা কোথায় বন্ধু?
<hr width="50%"/>
:'''শেরিফ টাউনসেন্ড''': তুমি কি কিছু শুনেছো... কোনো পায়ের শব্দ... বা দরজা খোলার শব্দ?
:'''ক্রো (শেরিফ হিসেবে)''': একটা হাত দিয়ে তালি দেওয়ার শব্দ কি শুনতে পাচ্ছেন?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': দেখি তো আমি যদি একটা হাত হতাম তবে কোথায় লুকাতাম? নিশ্চয়ই আমার পকেটে!
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর ওয়েটজবার্গ''': কোনো চিহ্নই নেই। একটা সামান্য চিহ্নও নেই।
:'''জোয়েল''': ওটা নিশ্চয়ই সামর্থ্য মাপার কোনো যন্ত্র হবে।
=== [[w:bn:রোবট মনস্টার|রোবট মনস্টার]] ===
:'''ডক্টর এরহার্ড''': এই সিনেমাটাকে বাজে বললেও কম বলা হবে। এখানে কোনো নামী অভিনেতাও নেই!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো (সার্ভোকে)''': তুমি কেন এখনও ওই মানুষটাকে (জোয়েল) মারোনি?
:'''টম সার্ভো''': কারণ ও আমাকে শক্ত খাবার দেয় আর আমার ময়লা পরিষ্কার করে।
:'''ক্রো''': কিন্তু ও তো মানুষ! ওর বেঁচে থাকার কোনো অধিকার নেই!
:'''টম সার্ভো''': কিন্তু ওর চেহারা সুন্দর আর ও গাড়ি চালাতে পারে।
:'''ক্রো''': গাড়ি চালাতে পারে তাতে কী হয়েছে? ও মানুষ আর তুমি রোবট!
...
:'''জোয়েল''': হেই কী খবর সবার?
:'''টম সার্ভো''': আপনি এখনই মারা পড়বেন বলে আমার ভয় হচ্ছে! মিস্টার বন্ড আপনাকে এখন মরতেই হবে! (জোয়েল সার্ভোকে চেয়ার দিয়ে আঘাত করল) ওরে বাবা!
:'''ক্রো''': জোয়েল কী হয়েছে?
:'''জোয়েল''': সার্ভোর লজিক সিস্টেম গোলমাল হয়ে গেছে ও আমাকে মারতে এসেছিল!
:'''ক্রো''': না না আমরা তো শুধু অভিনয় করছিলাম!
==== [[w:bn:র্যাডার মেন ফ্রম দ্য মুন|র্যাডার মেন ফ্রম দ্য মুন]], চতুর্থ অধ্যায় (ছোট ছবি) ====
:'''টম সার্ভো (জোরে হাঁচি দিল)''':
:'''জোয়েল''': সুস্থ থাকুন!
:'''ক্রো''': শরীর ঠিক রাখুন।
:'''জোয়েল''': তোমার তো এমন করার কথা না...
:'''টম সার্ভো''': ওতে আমার মেমোরি সিস্টেমে খুব চাপ পড়ছে।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল''': বাহ! ও একই সাথে গাড়ি চালাতে আর গুলি করতে পারে? ও তো দেখছি দুই হাতেই সমান পটু!
:'''ক্রো''': আমি আমার অনেক কিছু দিয়ে দিতাম যদি দুই হাতেই এমন সমান কাজ করতে পারতাম।
==== র্যাডার মেন ফ্রম দ্য মুন, পঞ্চম অধ্যায় (ছোট ছবি) ====
:'''টম সার্ভো''': আপনি তো আমাদের কষ্ট দেওয়ার জন্যই তৈরি করেছেন!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল''': আমার চারপাশটা সব গাধা দিয়ে ভর্তি!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': আপনারা এখন দেখছেন গাড়ি দিয়ে তাড়া করার বিশেষ চ্যানেল!
. . .
:'''ক্রো''': আমরা আবারও সেই চ্যানেলে ফিরে এসেছি।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল''': ঠিক আছে ঠিক আছে। গুলি করো। ওটাই তো তোমার সব সমস্যার সমাধান। কেউ সামনে এলেই বন্দুক বের করো আর গুলি মারো। শোনো ভাই একদিন কেউ আকাশ থেকে তোমাকেও গুলি করবে।
==== রোবট মনস্টার (মূল সিনেমা) ====
:'''রো-ম্যান''': মানুষরা শোনো!
:'''টম সার্ভো''': ঠিক আছে!
:'''রো-ম্যান''': অঙ্কের একটু ভুলের কারণে তোমাদের কয়েকজন এখনও বেঁচে আছো।
:'''জোয়েল (রো-ম্যান হিসেবে)''': এর জন্য আমরা সত্যিই খুব দুঃখিত।
:'''রো-ম্যান''': আমি জানি তোমরা দেখছো! পাঁচজনকে আমি দেখতে পাচ্ছি। ধরা দাও আমি কথা দিচ্ছি ব্যথাহীন মৃত্যু দেব!
:'''ক্রো (প্রফেসর হিসেবে)''': আমরা বরং অন্য কিছু চিন্তা করি।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ওটা একটা রকেট!
:'''ক্রো''': তার চেয়ে বরং ফলের রস খেয়ে নিন! (জোয়েল ক্রোকে চড় মারল) আরে আমি তো মজার ছলে বলেছিলাম জোয়েল!
:'''টম সার্ভো''': আমার তো খুব মজা লেগেছে! (জোয়েল সার্ভোকেও চড় মারল)
<hr width="50%"/>
: '''রো-ম্যান''': এখন দুই বিলিয়নের মধ্যে মাত্র ছয়জন আছো। তোমাদের বাঁচার সম্ভাবনা কতটুকু তা হিসেব করো। একদম শূন্য!
: '''ক্রো''': লোকটা সারাক্ষণই নেতিবাচক কথা বলে!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল''': দুনিয়া ধ্বংস হয়ে গেলেও ভালোবাসা অমর।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল''': এটা কি একটু অদ্ভুত না? একটা লোক গরিলা সেজে আছে তার ওপর আবার রোবটের মাথা! কিছু শিল্পকর্মের চেয়েও এই সিনেমাটা বেশি মাথামুণ্ডুহীন।
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ তবে বিমূর্ত শিল্প আর সস্তা পোশাকের মধ্যে একটু তফাত আছে।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল''': এই হলো মহাবিশ্বের ধ্বংসকারী। আমি আর কিছু বলতে চাই না।
<hr width="50%"/>
:'''গ্রেট গাইডেন্স''': নিজের মতো ভাবা মানেই মানুষের মতো আচরণ করা!
:'''টম সার্ভো (রো-ম্যান হিসেবে)''': আমার মতো?
:'''রো-ম্যান''': হ্যাঁ। হাসা... কাঁদা... চাওয়া... কেন এগুলো আমাদের পরিকল্পনায় নেই?
:'''গ্রেট গাইডেন্স''': তুমি রো-ম্যান ছিলে আর রো-ম্যানই থাকবে। যাও মেয়েটাকে মেরে ফেলো আর পুরো পরিবারকে শেষ করো। না পারলে আমি তোমাকে মেরে ফেলব।
:'''জোয়েল (রো-ম্যান হিসেবে)''': আচ্ছা তিন নম্বর অপশনটা কী? আমি কি কোনো সুযোগ পাব?
:'''টম সার্ভো (গ্রেট গাইডেন্স হিসেবে)''': আইন অমান্য কোরো না!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': ওটা তো বার্লিন দেয়াল!
:'''জোয়েল''': ধুর! দুনিয়া ধ্বংস হয়ে গেছে ওটা ক্লীবল্যান্ডের বড় দেয়াল হবে।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল''': উঁকি দিয়ে দেখো দিদিমার কাঠের পা...
:'''ক্রো (গ্রেট গাইডেন্স হিসেবে)''': আমি এক গাধাকে কাজে নিয়েছি!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': জোয়েল সিনেমা কি শেষ?
:'''জোয়েল''': মনে হয় না।
:'''টম সার্ভো''': তোমার কি মনে হচ্ছে না জোয়েল যে এটা আগেও ঘটেছে?
:'''জোয়েল''': আমাদের এখান থেকে পালাতে হবে।
:'''টম সার্ভো''': খুব বাজে কোয়ালিটি! জোয়েল তোমার কি মনে হচ্ছে না এটা আগেও ঘটেছে?
:'''ক্রো''': থামো তো!
=== [[w:bn:দ্য স্লাইম পিপল|দ্য স্লাইম পিপল]] ===
:'''ক্রো''': সকালবেলার একটা ছোট কবিতা শোনো- এক ছোট পাখি তার হলুদ ঠোঁট নিয়ে আমার জানালার ধারে এসে বসল তার উজ্জ্বল চোখ মেলে বলল সকালে কী নাস্তা দেওয়া হবে দিদা?
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর এরহার্ড''': আমি এমন এক হাওয়াই মিঠাই বানিয়েছি যা কামড় দিলে চিৎকার করে ওঠে! একটা খেয়ে দেখব?
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': মজা নাও!
:'''হাওয়াই মিঠাই''': ওহ! ওটা তো আমার মাথা! ওহ!
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': দেখলে তো?
:'''জোয়েল''': আপনি প্রকৃতির নিয়মের বিরুদ্ধে কাজ করছেন!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল''': অবাক হওয়ার বিষয় হলো এই সিনেমাটা মুক্তি পেয়েছে! যে এটা বানিয়েছে সে গাধা নয় বরং সে মানুষকে বোঝাতে পেরেছে যে এটা দেখার মতো। মানুষ আসলে যেকোনো আজগুবি জিনিস বিশ্বাস করতে ভালোবাসে বলেই এমন সিনেমা টিকে আছে।
:'''টম সার্ভো''': ও আচ্ছা তার মানে মানুষের বিশ্বাস করার প্রবণতাই এসব সিনেমার অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে!
:'''জোয়েল''': আমারও তাই মনে হয়।
==== [[w:bn:র্যাডার মেন ফ্রম দ্য মুন|র্যাডার মেন ফ্রম দ্য মুন]], ষষ্ঠ অধ্যায় (ছোট ছবি) ====
:'''টম সার্ভো''': এটা দেখে মনে হচ্ছে আমরা কোনো ঘোরের মধ্যে আছি তাই না?
:'''ক্রো''': এটা কি খুব স্টাইলিশ? একদম না! এটা খুবই জঘন্য!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো (ক্যাফে মালিক হিসেবে)''': জাগো কোডি! তোমাকে ৪০০ ডলার জরিমানা দিতে হবে!
<hr width="50%"/>
:'''কমান্ডো কোডি''': হ্যালো পুলিশ? পাহাড়ের ওপাশে রাস্তা দিয়ে গাড়ি চলাচল বন্ধ করুন!
:'''ক্রো (জোন হিসেবে)''': হ্যালো পুলিশ? পাহাড়ের ওপাশে রাস্তা দিয়ে গাড়ি চলাচল বন্ধ করুন!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': আজ আমি প্রমাণ করব যে কমান্ডো কোডি অনেকগুলো অপরাধে দোষী- যেমন ভুল পথে চলা মানুষকে বিপদে ফেলা আর আইনের অবমাননা করা।
:'''টম সার্ভো''': মহামান্য আদালত! আমার মক্কেল কোডি এমন এক বাজে সিনেমায় অভিনয় করেই তার পাপের প্রায়শ্চিত্ত করেছে!
==== দ্য স্লাইম পিপল (মূল সিনেমা) ====
:'''টম সার্ভো (গ্রেগরি হিসেবে)''': মনে হয় আমি ভুল নম্বরে ফোন করেছি। আবার চেষ্টা করি।
:'''ক্রো (অ্যানসারিং মেশিন হিসেবে)''': হ্যালো! আমরা মানুষ বলছি। আমরা এখন ব্যস্ত আছি। বিস্ফোরণ শেষ হলে কথা বলুন।
<hr width="50%"/>
:'''ক্যাল জনসন''': তুমি যতক্ষণ এখানে আছো আমার ওই আঠালো দানবদের কথা মনেই পড়ছে না।
:'''ক্রো (ক্যাল হিসেবে)''': যদিও তোমার এই চেহারা দেখে ওসব না ভাবা খুব কঠিন।
<hr width="50%"/>
:'''টলিভার''': আমি... আমি এমন কিছু আগে দেখিনি!
:'''টম সার্ভো''': এমনকি মেলাতেও দেখিনি!
: . . .
:'''জোয়েল''': দেখুন ওরা সবাই মনে হয় সিনেমার শুটিং করতে যাচ্ছে!
<hr width="50%"/>
:'''গ্রেগরি''': এই দেখুন সোনালি চুল।
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ ধানের খেতে সাধারণত সোনালি চুলই পাওয়া যায়।
:'''ক্রো''': তাও আবার রাতে।
:'''জোয়েল''': আর কুয়াশার মধ্যে।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল, ক্রো ও সার্ভো''': আমি আমার পুরো রাজ্য দিয়ে দেব যদি আমাকে একটু- ওহ!
=== [[w:bn:প্রজেক্ট মুনবেস|প্রজেক্ট মুনবেস]] ===
==== [[w:bn:র্যাডার মেন ফ্রম দ্য মুন|র্যাডার মেন ফ্রম দ্য মুন]], সপ্তম অধ্যায় (ছোট ছবি) ====
:'''জোয়েল''': বাহ! কমান্ডো কোডি তো এখন জেমস বন্ড হয়ে গেছে! আপনার কি মানুষ মারার অনুমতি আছে মিস্টার কোডি?
==== র্যাডার মেন ফ্রম দ্য মুন, অষ্টম অধ্যায় (ছোট ছবি) ====
:'''টম সার্ভো''': আপনারা দেখছেন কমান্ডো কোডি! সে প্রতি সপ্তাহে বিপদে পড়ে কিন্তু সিনেমার কাটছাঁটের কারণে বেঁচে যায়...
. . .
:'''জোয়েল''': ওর ল্যাবরেটরি হলো বক্সিং রিং যেখানে গুন্ডারা মারামারি করতে আসে। কাউকে অপহরণ করা হলে কোডিকে যেতেই হয়...
. . .
:'''ক্রো''': অপরাধীরা সাবধান! কোডি আসছে! ওর চুলগুলো খুব সুন্দর ওর হেলমেটের নিচে ঢাকা থাকে কারণ আমরা ভালো কোনো ছন্দ খুঁজে পাইনি! এটাই কমান্ডো কোডির থিম সং! এবার আরাম করে বসে অষ্টম অধ্যায় দেখুন।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': এই সময়ের মধ্যে আমার ফুসফুস নিঃশ্বাস নিতে হিমশিম খাচ্ছিল!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো (ক্রোগ হিসেবে)''': পৃথিবী থেকে আসা মানুষরা শোনো! তোমরা একটা আনারসের সমান পারমাণবিক বোমা নিয়ে বিমানে করে পাহাড়ের ওপর আছড়ে পড়ো!
...
:'''টম সার্ভো (কোডি হিসেবে)''': ও কি জানে ও কার সাথে কথা বলছে? আমি পারি-
:'''ক্রো''': থাক থাক অনেক হয়েছে।
:'''টম সার্ভো''': আমার পেছনে যে দাঁড়িয়ে আছে ওকে পাত্তা দেবেন না।
==== প্রজেক্ট মুনবেস (মূল সিনেমা) ====
:'''ক্রো''': ওহ এটা হলো সেই ভবিষ্যৎ যেখানে বেসবল দল আবার শহরে ফিরে এসেছে।
<hr width=50%/>
:'''জোয়েল''': স্প্যাকম- মানে হলো কাঠ আর মাংসের বিকল্প কিছু।
:'''ক্রো''': আমরা এই শহর বানিয়েছি স্প্যাকম দিয়ে!
:'''টম সার্ভো''': গান-বাজনা দিয়ে নয়?
:'''ক্রো''': একদম ঠিক।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ওই মহিলাকে কেউ এক বাটি দুধ খেতে দাও তো।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল''': হাত নামান! এটা কোনো খেলার জায়গা নয়!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল''': সিনেমার এই দৃশ্যগুলো তো শিল্পকর্মের মতো মনে হচ্ছে!
=== [[w:bn:রোবট হলোকাস্ট|রোবট হলোকাস্ট]] ===
==== [[w:bn:র্যাডার মেন ফ্রম দ্য মুন|র্যাডার মেন ফ্রম দ্য মুন]], নবম অধ্যায় (ছোট ছবি) ====
:'''ক্রো''': রন হাওয়ার্ড গাড়ি স্টার্ট দিয়ে চাঁদকে বললেন আমার পেছনে থাকো আমি এখন খুব দ্রুত চলে যাচ্ছি!
==== রোবট হলোকাস্ট (মূল সিনেমা) ====
:'''টম সার্ভো''': অ্যান্ড্রু হাওয়ার্থ?
:'''ক্রো''': আমি ভালো আছি আপনি কেমন আছেন?
:'''টম সার্ভো''': ক্লাসিক কৌতুক!
<hr width="50%"/>
:'''ভ্যালেরিয়া''': তুমি আমাকে একাজ করতে বাধ্য করলে। যাও গিয়ে ওই দলটাকে আটকে দাও আর প্রথমেই ওই মেয়েটাকে মেরে ফেলো। বুঝেছো?
:'''টর্ক''': বুঝেছি!
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ! ওই মেয়েটার ব্যাপারটাই আমি বুঝতে পারছি না।
:'''ভ্যালেরিয়া''': তোমার মেয়েকে মেরে ফেলা হবে। তুমি ওকে আর কোনোদিন দেখতে পাবে না! এবার কিছু বলার আছে?
:'''জোয়েল (জর্ন হিসেবে)''': হ্যাঁ। আপনি কি কার্টুন চরিত্রদের চেনেন?
:'''ভ্যালেরিয়া''': খুব ভালো করে চিনি। এবার যাও।
:'''জোয়েল (জর্ন হিসেবে)''': আচ্ছা বড় বড় সাংবাদিকদের খবর কী? বা ওই কার্টুন হাঁসটার?
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': মাটিতে একটা ছুরি রাখা হলো—
:'''টম সার্ভো''': স্ক্রিপ্টে একটা ভয়েস ওভার যোগ করা হলো।
<hr width="50%"/>
:'''ভ্যালেরিয়া''': আমাকে ক্ষমা করুন...
:'''ডার্ক ওয়ান''': ওকে আমার চোখের সামনে থেকে নিয়ে যাও!
:'''ভ্যালেরিয়া''': না আমি নিজেকে প্রমাণ করব!
:'''জোয়েল''': যে সব জায়গায় উপস্থিত তার চোখের আড়াল হওয়া কি সম্ভব?
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ওহ ওটা তো একটা বাড়তি অংশ!
:'''ক্রো''': পুরো মাথাটাই গোল্লায় গেছে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': এই মারটা হলো আরটু-ডিটুর জন্য আর এটা হলো সি-থ্রিপিও-র জন্য! এটা জুলির জন্য আর এই শেষ মারটা হলো কারণ আমার ইচ্ছা করছে তাই!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো (ডিজা হিসেবে)''': আব্বু তোমাকে তো দেখতে পুরো ফুলের মতো লাগছে!
. . .
:'''ক্রো (জর্ন হিসেবে)''': মা আমার শরীরের কথা মনে আছে? ওটা এখন চিপসের সাথে খাওয়ার চাটনি হয়ে গেছে!
=== [[w:bn:মুন জিরো টু|মুন জিরো টু]] ===
:'''জোয়েল ও রোবটরা থিয়েটারে ঢুকল''':
:'''টম সার্ভো''': বাহ! এটা তো রঙিন সিনেমা!
:'''জোয়েল''': হ্যাঁ।
:'''টম সার্ভো''': শুরুতেই বাজনাটা খুব জঘন্য তার মানে বেশ মজাই হবে।
:---
:'''টম সার্ভো''': এটা কি কোনো গোয়েন্দা সিনেমা?
:'''জোয়েল''': না মনে হয় মহাকাশের কোনো নকল দৃশ্য।
:'''টম সার্ভো''': ওরা কার্টুন ব্যবহার করছে কেন?
:'''জোয়েল''': যাতে মহাকাশচারীরা সহজে বুঝতে পারে।
:---
:'''টম সার্ভো''': ওরে বাবা! ও তো ওকে মেরেই তক্তা বানিয়ে ফেলছে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্লেমেন্টাইন''': ওর তো স্টেশনে আসার কথা ছিল।
:'''ক্যাপ্টেন কেম্প''': হয়তো ও মুন সিটিতে অপেক্ষা করছে।
:'''ক্লেমেন্টাইন''': উমম লোকে যা বলে তাই শোনো।
:'''টম সার্ভো (কেম্প হিসেবে)''': অন্যের কথা শুনে লাভ নেই।
<hr width="50%"/>
:'''করমিনস্কি''': হ্যাঁ এবার আমরা সব টাকা শোধ করে দিতে পারব!
:'''জোয়েল, ক্রো ও সার্ভো''': ঠিক আছে বস!
: . . .
:'''হাববার্ড''': উনি মিস্টার করমিনস্কি তাই না? আপনার ইঞ্জিনিয়ার? উনি কোন দেশের মানুষ?
:'''ক্রো (কেম্প হিসেবে)''': উনি বার্সেলোনা থেকে এসেছেন।
<hr width="50%"/>
:'''ক্যাপ্টেন কেম্প''': যদি খেলতে চাও তবে আমার নিয়মেই খেলতে হবে!
:'''ক্রো''': কিন্তু আপনার নিয়ম যে কী তা তো কেউই জানে না!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ওহ না! গানের দলটা তো ভেতরেই ছিল!!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': মহাকাশে থাকলে সিনেমার নাম বদলে হবে- ‘কমান্ড ডেক-এ বিড়ি খাবেন না কারণ এখানে অক্সিজেন বেশি আর তাতে বিস্ফোরণ হতে পারে!’
=== [[w:bn:আনটেমড ইউথ|আনটেমড ইউথ]] ===
:'''ক্রো''': ধরো ওকে! ও পর্দার নামের আড়ালে নিজেকে লুকাচ্ছে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো (পেনি হিসেবে)''': খাঁচার ভেতর ওই লোকটা কে?
:'''টম সার্ভো (ফার্মহ্যান্ড হিসেবে)''': ও আমার আত্মীয়। ও কোল্ড ড্রিঙ্কস খেতে খুব ভালোবাসে।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল''': জিপসির মাথায় কী চলছে?
:'''টম সার্ভো''': এক গুচ্ছ ছবি আর কয়েকটা মেমোরি চিপ!
:'''জোয়েল''': যাক এক অজানা রহস্যের সমাধান হলো।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল''': আজকালকার তরুণদের সমস্যা এটাই। ওরা জেলখানাকে এমন আমোদ-প্রমোদের জায়গা মনে করে।
<hr width="50%"/>
:'''জেন''': পেনি বসের বাড়িতে গেছে কিন্তু এখনও ফেরেনি! একটা গান গাইতে তো আর দেড় ঘণ্টা লাগে না।
:'''ক্রো''': হয়তো ওটা অনেক লম্বা কোনো গান ছিল।
<hr width="50%"/>
:'''বব স্টিল''': এটাই সবচেয়ে কষ্টের বিষয় যে ও এক অজানা জায়গায় মারা গেল যেখানে ওর কোনো বন্ধু নেই এমনকি কেউ ওর নামটাও জানে না।
:'''ক্রো''': ওর বরং কোনো জনপ্রিয় আড্ডার জায়গায় মরা উচিত ছিল তাহলে অন্তত সবাই ওর নাম জানত।
<hr width="50%"/>
:'''বব স্টিল''': আর ওই স্বাস্থ্যকর খাবার যার জন্য আমি টাকা দিচ্ছি জানেন ওগুলো কী? ও আসলে টিনের কৌটার কুকুরের খাবারকে স্টু বলে খাওয়াচ্ছে!
:'''সেসিলিয়া স্টিল ট্রপ''': ওহ না।
:'''ক্রো (সেসিলিয়া হিসেবে)''': টিন থেকে নয় ওটা শুকনো খাবার হওয়া উচিত ছিল! এটাই তো চুক্তি ছিল।
:'''বব স্টিল''': মা আমি নিজের চোখে খালি কৌটাগুলো দেখেছি।
:'''সেসিলিয়া স্টিল ট্রপ''': হয়তো ওটা রাসেল জানে না!
:'''বব স্টিল''': ও সব জানে।
:'''সেসিলিয়া স্টিল ট্রপ''': রাসেলের আসলে খুব উন্নতি করার ইচ্ছা আছে।
:'''টম সার্ভো (বব হিসেবে)''': তুমি ওকে কবে থেকে রাসেল বলে ডাকছো?
:'''বব স্টিল''': ও সবার সাথে খুব খারাপ ব্যবহার করছে এবং খুব বাজে খাবার দিচ্ছে!
:'''জোয়েল (সেসিলিয়া হিসেবে)''': ওগুলো ফালতু খাবার নয় ওগুলো খুব দামি খাবার খোকা!
<hr width="50%"/>
:'''পেনি''': এসো ছেলেরা আমার ফলগুলো নিয়ে চলো!
:'''জোয়েল''': এর মানে কী? ‘ফল নিয়ে চলো’ মানে কী?
:'''টম সার্ভো''': আমি ওটা জানতে চাই না।
=== [[w:bn:দ্য ব্ল্যাক স্করপিয়ন|দ্য ব্ল্যাক স্করপিয়ন]] ===
:'''জোয়েল''': তোমার কী হয়েছে?
:'''ডক্টর এরহার্ড''': ল্যাবে একটা দুর্ঘটনা ঘটেছিল। আমরা মিউজিক প্লেয়ার বানাতে গিয়েছিলাম আর দেখুন কী হয়ে গেল।
...
:'''ডক্টর এরহার্ড''': তুমি কি ঠিক আছো ক্লে?
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': হ্যাঁ মনে রেখো বিজ্ঞানের জন্য সবকিছুই করা যায়।
...
:'''ডক্টর এরহার্ড''': মনে হয় ফোলাটা একটু কমছে।
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': হ্যাঁ আর তোমার উচিত এই কাগজগুলো সেভ করে রাখা। আবার দেখা হবে মিস্টার সসেজ।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': পাহাড়ের গা বেয়ে লক্ষ লক্ষ টন গলিত পাথর নিচে নেমে আসছে।
:'''জোয়েল''': আরে পালাও! ওজন্যই তো তোমরা মরছো!
: . . .
:'''বর্ণনাকারী''': মাত্র কয়েক দিনেই ওটা ৯ হাজার ফুট উঁচুতে পৌঁছে গেছে…
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আর তারপর এক দুঃখের বিষয় ঘটল- আমাদের কাছে দেখানোর মতো আর কোনো দৃশ্য নেই!
<hr width="50%"/>
:'''হ্যাঙ্ক''': সামনে মনে হয় একটা খামার বাড়ি আছে। সেখানে গিয়ে একটু পানি খাওয়া যেতে পারে।
:'''আর্টুর''': আমি ওই দুই বোতল বিয়ার সাথে রাখতে চাই।
:'''জোয়েল, ক্রো ও সার্ভো''': গাড়ির ভেতর দুই বোতল বিয়ার / দুই বোতল বিয়ার / একটা নামাও সবাইকে দাও / এক বোতল বিয়ার...
:'''টম সার্ভো (আর্টুর হিসেবে)''': আমি এই হাই ভোল্টেজ তারটা এই লোহার রড দিয়ে সরিয়ে দিচ্ছি। তার আগে এটা একটু পানিতে ভিজিয়ে নিই।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো (বব বার্কার হিসেবে)''': ওই গাছের পেছনে ওটা কী? ওটা তো এক মৃত পুলিশ অফিসার!
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ ঠিক ধরেছেন! এটা ১৯৫৩ সালের এক পুলিশ অফিসার যার চোখগুলো বড় বড় হয়ে আছে আর শরীরটা শক্ত হয়ে গেছে। আপনিও এমন পুলিশের দেখা পাবেন!
:'''জোয়েল''': শিকাগোর ক্যাটালগ থেকে সংগৃহীত।
<hr width="50%"/>
:'''হ্যাঙ্ক''': আমি বেশ মজার কিছু খুঁজে পেয়েছি!
:'''জোয়েল''': আরে ওটা তো ডেল ইভান্স আমি ভেবেছিলাম ওকে বুঝি মমি করে রাখা হয়েছে!
:'''ক্রো''': ও শুধু পশুদের ওপর চড়ে বেড়ায়।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': সবকিছুর দাম কমানো হয়েছে! হ্যাঁ সব বড় বিচ্ছুরা ফ্রিতে ঢুকতে পারবে আর বাচ্চাদের জন্য থাকছে ফ্রি হট ডগ আর বেলুন। এই রবিবার চলে আসুন!
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর ভেলাজকো''': আমাদের কয়েকটা সুবিধা আছে। প্রথমত—
:'''টম সার্ভো (ভেলাজকো হিসেবে)''': আমরা ছোট তাই দ্রুত দৌড়াতে পারি।
:'''ডক্টর ভেলাজকো''': দ্বিতীয়ত ওরা দিনের বেলায় কিছুটা অলস থাকে।
:'''ক্রো (ভেলাজকো হিসেবে)''': আর আমাদের ৪০ ফুটের বড় দাঁড়া আছে! ওহ না ওটা তো বিচ্ছুর গুণ!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো (ট্যুর গাইড হিসেবে)''': ট্রেনের বাঁ দিক দিয়ে তাকালে আপনারা ট্রেনের ডান দিকটা দেখতে পাবেন…
:'''টম সার্ভো (বিচ্ছু হিসেবে)''': উমম! ট্রেনের ভেতর জ্যান্ত মানুষ! বিচ্ছুরা ট্রেন খুব পছন্দ করে।
:'''জোয়েল''': ট্রেনের পক্ষ থেকে এই অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত... এমন ঘটনা সচরাচর ঘটে না।
== মৌসুম ২ ==
=== [[w:bn:রকেটশিপ এক্স-এম|রকেটশিপ এক্স-এম]] ===
:'''লিসা''': আমাদের জ্বালানি কতটা আছে?
:'''ক্রো''': আমি একমত।
<hr width="50%"/>
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': ডিপ ১৩-এ স্বাগতম। আপনি কি আমাদের বিশেষ পানীয় ট্রাই করবেন?
:'''জোয়েল''': ডক্টর এরহার্ড আর ডক্টর ফরেস্টার কোথায়?
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': আমি ফ্র্যাঙ্ক আমি এখানে নতুন। ডক্টর ফরেস্টার একটু বাইরে গেছেন আর ডক্টর এরহার্ড নিখোঁজ উনাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (মহাকাশচারী হিসেবে)''': উমম... পরিস্থিতি খুব একটা সুবিধের না।
:'''জোয়েল (টোটার টার্টল হিসেবে)''': আমাকে বাঁচাও মিস্টার জাদুকর!
:'''ক্রো (অন্য মহাকাশচারী হিসেবে)''': ধুর ফালতু কথা!
:'''টম সার্ভো (কিং আর্থার হিসেবে)''': পালাও পালাও!
:'''জোয়েল (টোটার টার্টল হিসেবে)''': আমি আর মহাকাশচারী হতে চাই না!
:---
:'''টম সার্ভো (শ্যাগি হিসেবে)''': ওরে বাবা! আমাদের এখান থেকে পালাতে হবে!
:'''ক্রো (জাদুকর হিসেবে)''': জাদুর মন্ত্র পড়ো!
:'''টম সার্ভো (জাদুকর হিসেবে)''': এবার ফেরার সময় হয়েছে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': দেখুন পাথরের জন্য ধন্যবাদ আমি ওগুলোর বদলে গুলি ফেরত দিচ্ছি।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': একটা ছোট জায়গায় বন্দি হয়ে অন্য মানুষের ছোট জায়গায় মরে যাওয়া দেখার চেয়ে বড় কষ্টের আর কিছু নেই।
:'''জোয়েল''': কেন তোমরা আমাদের ভালো কোনো সিনেমা দেখাতে পারলে না?
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': আমরা ওটা জোগাড় করতে পারিনি!
=== [[w:bn:দ্য সাইডহ্যাকার্স|দ্য সাইডহ্যাকার্স]] ===
:'''জোয়েল''': এই ঘাসগুলো... নির্ঘাত কোনো নেশাজাতীয় জিনিসের কবলে পড়েছে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': সেই সময় ডিউক ছেলেরা ঠিক করল যে ওরা বস হগকে দেখাবে যে আসল কসরত কাকে বলে।
<hr width="50%"/>
:'''পেইসলি''': আমি তোমার কাছে পৌঁছাতে পারছি না কেন?
:'''ক্রো''': কারণ একটা মই সামনে বাধা হয়ে আছে।
<hr width="50%"/>
:'''জে.সি.''': আমি তোমাকে ভাইয়ের মতো আগলে রেখেছিলাম!
:'''ক্রো''': তবে ভালো ভাইয়ের মতো নয়...
<hr width="50%"/>
:'''বিগ জেক''': ও বিগ জেককে মেরেছে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': আমরা পাথর আর আমরা এই সিনেমার বাকি কুশলীদের চেয়ে অনেক বেশি বুদ্ধিমান।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': যারা বাড়িতে খবর রাখছেন তাদের জানাই রিতা মারা গেছে।
=== [[w:bn:জাঙ্গল গডেস|জাঙ্গল গডেস]] ===
==== [[w:bn:দ্য ফ্যান্টম ক্রিপস|দ্য ফ্যান্টম ক্রিপস]], প্রথম অধ্যায় (ছোট ছবি) ====
:'''ক্রো (বেলা লুগোসি হিসেবে)''': আমি ভুলে গেছি কে কী করেছিল। আমি শুধু বলব সবাইকে খতম করো! বাকিটা ওপরওয়ালা বুঝবেন।
==== জাঙ্গল গডেস (মূল সিনেমা) ====
:'''মাইক''': যদি আমি ভুল না করি তবে এটা ক্রোনোটাইট। যদিও এটা আপনার কাছে কোনো অর্থ বহন করে না। এটা পারমাণবিক শক্তি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।
:'''জোয়েল (মাইক হিসেবে)''': অন্য গ্রহের মানুষের শক্তি কেড়ে নেওয়ার জন্য এটা ব্যবহার করা হয়।
<hr width=50%/>
:'''গ্রেটা''': কাল রাতে বানান মুখস্থ করেছ?
:'''জোয়েল (উনামা হিসেবে)''': উমম... গরু আমার হোমওয়ার্ক খেয়ে ফেলেছে।
:'''উনামা''': হ্যাঁ ঠিক বলেছো!
:'''গ্রেটা''': আচ্ছা এবার ‘বিউটিফুল’ বানানটা বলো।
:'''জোয়েল''': এবার ‘তাচ্ছিল্য’ বানানটা বলুন।
:'''উনামা''': সুন্দর... হ্যাঁ...
:'''ক্রো (উনামা হিসেবে)''': এই প্রশ্নটা কি পরীক্ষায় আসবে?
:'''জোয়েল (উনামা হিসেবে)''': এস-এল-...
:'''উনামা''': বি-ই...
:'''জোয়েল (উনামা হিসেবে)''': এ-ভি...
:'''উনামা''': এ... ইউ...
:'''জোয়েল (উনামা হিসেবে)''': ই-আর-ওয়াই।
:'''উনামা''': টি... আই-এফ-ইউ-এল।
:---
:'''গ্রেটা''': দারুণ হয়েছে!
:'''টম সার্ভো (গ্রেটা হিসেবে)''': ঠিক আছে এবার পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শব্দটার বানান করো তো দেখি!
<hr width="50%"/>
:'''বব''': কোনো সন্দেহ নেই এটা ক্রোনোটাইট।
:'''মাইক''': তুমি কি নিশ্চিত?
:'''বব''': আমি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বলতে পারি।
:'''ক্রো''': ঝুঁকি তো আগেই নেওয়া হয়ে গেছে বব।
<hr width="50%"/>
:'''বব''': আমাদের শ্বেত দেবী কি সমস্যায় পড়েছেন?
:'''ক্রো''': শ্বেত বর্ণবাদী লোকটা কি একটু বেশি ভাব মারছে?
=== [[w:bn:ক্যাটালিনা কেপার|ক্যাটালিনা কেপার]] ===
:'''বব ড্রেপার''': হ্যালো আমি বব ড্রেপার। স্কুল নিশ্চয়ই তোমার দেখাশোনার জন্য কাউকে পাঠিয়েছে।
:'''ডন প্রিংগল''': আমি ডন প্রিংগল।
:'''ক্রো (ডন হিসেবে)''': আলুর চিপস বেচে যে অঢেল টাকা হয়েছে আমি তার উত্তরাধিকারী।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': লিটল রিচার্ড? আমি অন্যদের নকল করা মানুষদের একদম সহ্য করতে পারি না!
:. . .
:'''টম সার্ভো''': প্রিন্স আশা করি তুমি এটা দেখছো!
:'''জোয়েল''': আমার মনে হয় কোনো এক তরুণ শিল্পী ড্রাগের নেশায় আছে!
:'''ক্রো''': লিটল রিচার্ড-ই হলো এই সিনেমার একমাত্র গুণী মানুষ!
<hr width="50%"/>
:'''ক্যাটরিনা''': ওর নাম অ্যাঞ্জেলো।
:'''টম সার্ভো''': ও নির্ঘাত একটা নিনজা টার্টল।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': মনে হয় কোনো গান শুরু হতে যাচ্ছে...
:'''ক্যারল কনরস''': আমাদের দ্রুত কিছু একটা করা উচিত!
:'''বিভিন্ন ক্যাসকেডস''': হ্যাঁ চলো কিছু করি।
:'''ক্রো''': বাহ! ক্যাটালিনার মিউজিক মেশিন চলে এসেছে!
=== [[w:bn:রকেট অ্যাটাক ইউ.এস.এ.|রকেট অ্যাটাক ইউ.এস.এ.]] ===
==== [[w:bn:দ্য ফ্যান্টম ক্রিপস|দ্য ফ্যান্টম ক্রিপস]], দ্বিতীয় অধ্যায় (ছোট ছবি) ====
==== রকেট অ্যাটাক ইউ.এস.এ. (মূল সিনেমা) ====
:'''জোয়েল''': ঠিক আছে প্রথম প্রশ্ন। ঠান্ডা যুদ্ধের সময় ছাত্রছাত্রীদের পারমাণবিক হামলা থেকে বাঁচার জন্য কোন তিন শব্দের স্লোগান দেওয়া হয়েছিল?
:'''টম সার্ভো''': উমম... নিচে শুয়ে পড়ো আর নিজেকে বাঁচাও?
:'''জোয়েল''': আপনি কি ওটা ঈশ্বরের কাছে বাঁচার আকুতি হিসেবে বলতে পারবেন?
:'''টম সার্ভো''': নিচে শুয়ে পড়ো আর নিজেকে বাঁচাও!
:'''জোয়েল''': একদম সঠিক! আপনি পাঁচ পয়েন্ট পেলেন।
<hr width="50%"/>
:'''ম্যানস্টন''': বিশ্বাস করা কঠিন যে একদল সভ্য মানুষ বসে বসে ৫-৬ মিলিয়ন মানুষকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করতে পারে।
:'''জোয়েল (ম্যানস্টন হিসেবে)''': সেজন্যই আমাদের ওদের পুরোপুরি হারিয়ে দিতে হবে!
<hr width="50%"/>
:'''জেনারেল''': যদি আমরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উন্নত কিছু করতে না পারি তবে এই দেশ এমন এক ধ্বংসযজ্ঞ দেখবে যা আগে কখনো দেখেনি।
:'''জোয়েল''': মানে সিনেমার কোনো অভিনেতাকে দেশের নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা?
<hr width="50%"/>
:'''জেনারেল ওয়াটকিন্স''': ফোন ধরল।
:'''জেনারেল''': হ্যালো?
:'''জোয়েল (ওপাশ থেকে)''': হ্যালো আপনি কি রবারের অন্তর্বাস পরে আছেন?
:'''জেনারেল''': হ্যাঁ!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': গাড়ি পার্ক করার এই উত্তেজনাকর দৃশ্যের সময় কাউকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হবে না!
<hr width="50%"/>
:'''ম্যানস্টন''': লার্স কি তোমাকে টিএনটি দিয়েছে?
:'''ক্রো (তানিয়া হিসেবে)''': ও আমাকে টি আর এন দিয়েছে কিন্তু অন্য টি টা দেয়নি। তবে এ টা আমার কাছে ছিল।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': ওটা নিউ ইয়র্ক শহরকে ধ্বংস করে দিল।
<hr width="50%"/>
:'''অন্ধ লোক''': আমাকে সাহায্য করুন।
=== [[w:bn:রিং অব টেরর|রিং অব টেরর]] ===
==== রিং অব টেরর (মূল সিনেমা) ====
:'''জোয়েল (মফিট হিসেবে)''': ওহ ও তো বেশ স্টাইলিশ! চল্লিশ বছর বয়সেই জীবন বেশ রঙিন হয়ে ওঠে।
:'''টম সার্ভো (মফিট হিসেবে)''': দেখি... উফ হাড়ের ব্যথায় আজ একদম চলা যাচ্ছে না।
:'''ক্রো (মফিট হিসেবে)''': আমাকে একটা সোয়েটার নিতে হবে। আমার পা দুটো বুড়িয়ে গেছে আর দাঁতগুলোও সব পড়ে গেছে...
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': আমি একটা ল্যাম্প।
<hr width="50%"/>
:'''প্রফেসর রেবার্ন''': আমরা যতই শক্তিশালী হই না কেন...
:'''জোয়েল (রেবার্ন হিসেবে)''': আমাদের হাড়গুলো খুব সহজেই ভেঙে যেতে পারে।
:'''প্রফেসর রেবার্ন''': ...আমাদের মধ্যে কেউ কেউ ব্যক্তিগত আবেগ কাটিয়ে উঠতে পারি না।
:'''জোয়েল (রেবার্ন হিসেবে)''': যেমন ভালোবাসা।
:'''প্রফেসর রেবার্ন''': যখন আমরা এমন লাশকাটা দেখব তখন চাইলে যে কেউ ক্লাসের বাইরে চলে যেতে পারেন।
:'''টম সার্ভো (রেবার্ন হিসেবে)''': বমি করার জন্য।
:'''জোয়েল (রেবার্ন হিসেবে)''': বমি করার জন্য।
:'''ক্রো (রেবার্ন হিসেবে)''': টয়লেটে গিয়ে বমি করার জন্য।
:'''টম সার্ভো (রেবার্ন হিসেবে)''': বমি করার জন্য।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল (রেবার্ন হিসেবে)''': আজ সকালেই আমি একটা মৃতদেহ ৪২৫ ডিগ্রি তাপে গরম করেছি।
:'''প্রফেসর রেবার্ন''': এরপর আমরা পেটে একটা অস্ত্রোপচার করব...
:'''টম সার্ভো (রেবার্ন হিসেবে)''': সাথে একটু লেবুর সস আর পেঁয়াজ কুচি দিয়ে।
:'''প্রফেসর রেবার্ন''': আমরা এখন শরীরের ভেতরের অংশগুলো দেখতে পাচ্ছি...
:'''ক্রো (রেবার্ন হিসেবে)''': ওটার ভেতর মশলাদার পাউরুটি দিয়ে ঠাসা উচিত।
:'''প্রফেসর রেবার্ন''': আমরা চামড়া কেটেছি আর এই হলুদ অংশটা হলো চর্বি...
:'''টম সার্ভো (রেবার্ন হিসেবে)''': যতক্ষণ না শক্ত হচ্ছে ততক্ষণ ওটাকে ভালোমতো ফেটাতে হবে।
:...
:'''প্রফেসর রেবার্ন''': এটা দেখতে খুব একটা সুবিধার নয় আমি স্বীকার করছি...
:'''ক্রো (রেবার্ন হিসেবে)''': তবে ভাতের সাথে সঠিক মশলা দিয়ে খেলে বেশ চমৎকার একটা খাবার হবে।
:...
:'''প্রফেসর রেবার্ন''': মিস্টার জন ডো মরার পরও বিজ্ঞানের অনেক উপকার করল!
:'''টম সার্ভো''': উনি উনার সবটুকু দিয়ে দিলেন!
:'''প্রফেসর রেবার্ন''': এখন ওকে সমাধিস্থলে নিয়ে যাওয়া হবে...
:'''ক্রো (রেবার্ন হিসেবে)''': যেখানে আমরা স্ন্যাকস আর ড্রিঙ্কস নিয়ে আড্ডা দেব।
:'''প্রফেসর রেবার্ন''': যেখানে ওকে প্রায় এক সপ্তাহ রাখা হবে।
:'''টম সার্ভো''': এগুলো হলো চল্লিশ বছরের মানুষের বিধ্বস্ত চেহারা।
:'''প্রফেসর রেবার্ন''': ওকে সম্ভবত ওই মাঠে কবর দেওয়া হবে।
:'''জোয়েল (রেবার্ন হিসেবে)''': আপনারা খুব চমৎকার দর্শক ছিলেন! এবার খাবারগুলো খেয়ে নিন!
==== [[w:bn:দ্য ফ্যান্টম ক্রিপস|দ্য ফ্যান্টম ক্রিপস]], তৃতীয় অধ্যায় (ছোট ছবি) ====
:'''ক্রো (বেলা লুগোসি হিসেবে)''': এটাকে রুবিক্স কিউব বলে। ভুল করবেন না যেন!
=== [[w:bn:ওয়াইল্ড রেবেলস|ওয়াইল্ড রেবেলস]] ===
:'''জোয়েল''': এই লোকগুলোর গায়ে তো স্পষ্ট লেখা আছে যে ওরা বিপজ্জনক। এদের সাথে পাল্লা দিতে যাবেন না।
:'''টম সার্ভো''': যদি এই বাইক চালকদের গিলে ফেলেন তবে বমি করার চেষ্টা করবেন না।
:'''ক্রো''': না সিনেমাটাই আপনার বমি করিয়ে দেবে।
:'''জোয়েল''': ওই মিউজিক অ্যালবামের মতো?
<hr width="50%"/>
:'''জিটার''': তোমরা কি বিশ্বাস করো? ব্যানজো প্রেমে পড়েছে।
:'''ক্রো (জিটার হিসেবে)''': আচ্ছা আপনারা কি বিশ্বাস করবেন যে ও সামান্য আকর্ষণ অনুভব করছে?
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': বনের মাঝে দুটো রাস্তা দুদিকে চলে গেছে / আক্ষেপ এই যে আমি দুটো রাস্তা দিয়েই বাইক চালাতে পারব না।
:'''জোয়েল (অ্যাডম্যান হিসেবে)''': আপনি অনেকগুলো ফালতু কাজ করেছেন কিন্তু দিন শেষ হওয়ার আগেই আপনি প্রচুর নেশা করবেন। এবার বিয়ার খাওয়ার সময় হয়েছে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (ব্যানজো হিসেবে)''': এই পথে নয় ভাই মা আমাকে চিনে ফেলবে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': আরে দেখুন! এরিক এস্ট্রাডা!
=== [[w:bn:লস্ট কন্টিনেন্ট|লস্ট কন্টিনেন্ট]] ===
:'''ক্রো''': ওই দেখুন! একটা রকেট!
:'''টম সার্ভো''': উফ! এর চেয়ে বরং ফলের রস খেয়ে নিতাম!
<hr width="50%"/>
:'''নোলান''': তুমি কি আমাদের সাথে আসছো না?
:'''নেটিভ মেয়ে''': নাআআ!
:'''ক্রো (নেটিভ মেয়ের গলায়)''': আমার কাছে তো সিসার তৈরি কোনো পোশাক নেই।
:'''নেটিভ মেয়ে''': পবিত্র পাহাড়ে যাওয়া নিষেধ! দেবতার বাস যেখানে সেখান থেকে কেউ কোনোদিন ফিরে আসে না!
:'''জোয়েল (নেটিভ মেয়ের গলায়)''': তাছাড়া তোমরা ছেলেরা তো অনেকদিন কোনো মেয়ে মানুষের দেখা পাওনি।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': অপ্রয়োজনীয় দৃশ্য দিয়ে সিনেমাটাকে আরও লম্বা করার চেষ্টা করতে হবে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': হে খোদা কেন কেন কেন?!
:'''টম সার্ভো''': এটা একটা পাগলামি আর নরক যন্ত্রণার জায়গা!
:'''জোয়েল''': উফ পাহাড়ে সময় যে কত ধীরে কাটে তা আগে জানতাম না।
:'''টম সার্ভো''': মুখ বন্ধ করো!
:'''লেফটেন্যান্ট ড্যানি উইলসন''': আমার পাশে থাকো জানু।
:'''ক্রো''': শুধু ‘আমার পাশে থাকো জানু’ ছাড়া কি আর কিছু বলার নেই?!
:'''টম সার্ভো''': সবাইকে মেরে ফেলুন দয়া করে সবাইকে মেরে ফেলুন!
:'''জোয়েল''': শান্ত হও তোমরা। এটা শুধু একটা সিনেমা আমরা সামলে নিতে পারব। ঠিক আছে? **আমরা কারা? আমরা কোথায়? কেউ কি আমাদের একটু বুঝিয়ে বলবে প্লিজ?!**
=== [[w:bn:দ্য হেলক্যাটস|দ্য হেলক্যাটস]] ===
: '''বাইকার''': তুমি কোথা থেকে এসেছো?
: '''টম সার্ভো''': সাইডহ্যাকার্স।
<hr width="50%"/>
: '''শিল্পী''': গোলাপ সবুজ... ভায়োলেট লাল...
: '''জোয়েল (শিল্পী হিসেবে)''': আমার সরাসরি শরীরে ড্রাগ নিতে খুব ভালো লাগে।
=== [[w:bn:কিং ডায়নোসর|কিং ডায়নোসর]] ===
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': আমিই হলাম এই সপ্তাহের নতুন আবিষ্কার। এবার খুশি তো? সবাই এসে এই ছোট জাদুকরকে প্রাণভরে দেখে নাও!
:'''ক্রো''': বাহ বেশ চমৎকার একটা আয়োজন তো! জোয়েল এবার তোমার পালা।
:'''জোয়েল''': এই আবিষ্কারটা আসলে একটু প্রাকৃতিক। ভুল করে এটা বানিয়ে ফেলেছি। মহাকাশে অনেকদিন একা থাকলে নিজের জিনিসের হাল এমন জঘন্যই হয়। এই দেখুন দুর্গন্ধযুক্ত ব্যবহৃত মোজা! এটা সবসময়ই কাজে দেয়!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': এই হলো আমাদের বন্ধু লেমুর যে মানবজাতির বন্ধু। লোমশ এই বানর বন্ধুটা সত্যিই খুব কাজের।
:'''জোয়েল''': ওকে আদর করা আর ওর সাথে কথা বলা খুব মজার!
:'''ক্রো''': ও সব জায়গায় দৌড়ে বেড়াবে। আচ্ছা এটা আসলে কোন ধরনের জানোয়ার? যে যেখানে সেখানে নোংরা করে বেড়ায়?
:'''জোয়েল''': ও একটা পরিষ্কার আর ভালো পোষা প্রাণী। ও বলছে তুমি একদম ঠিক বলেছো বন্ধু!
:'''টম সার্ভো''': জোয়েল আবার ওর পুতুল খেলা শুরু করেছে।
:'''জোয়েল (জোয়ি হিসেবে)''': এই শোনো বেটে লোক! বেশি কথা বলো না! আমি তোমার কথা অনেকক্ষণ ধরে শুনছি। এবার আমি একটা গল্প বলব।
:'''টম সার্ভো'': লেমুররা যা ভাবে তাই বলে!
:'''জোয়েল (জোয়ি হিসেবে)'': একদম ঠিক! আমি পশু জগত থেকে আসা এক হাস্যকর প্রাণী যাকে প্রায়ই শিম্পাঞ্জি বলে ভুল করা হয়। তবে আমি শিম্পাঞ্জিদের মোটেও ছোট করছি না।
...
:'''টম সার্ভো''': এল মানে হলো ‘লেমুর’...
:'''জোয়েল (জোয়ি হিসেবে)''': এল মানে লেমুর- ওটুকুই যথেষ্ট!
:'''ক্রো''': ই মানে হলো ‘ইট’ বা খাওয়া।
:'''জোয়েল (জোয়ি হিসেবে)''': ই মানে খাওয়া। আমি আমার ওজনের চারগুণ ফল আর বাদাম খাই যার ফল খুব একটা সুবিধার হয় না!
:'''ক্রো''': এম মানে হলো ‘মাঙ্কি’ বা বানর!
:'''জোয়েল (জোয়ি হিসেবে)''': এম মানে বানর... আমাকে প্রায়ই বানর বলে ভুল করা হয়।
:'''টম সার্ভো''': ইউ মানে হলো ‘ইউজুয়াল’ বা সাধারণ...
:'''ক্রো''': ...আর অস্বাভাবিক কাজ করা!
:'''জোয়েল (জোয়ি হিসেবে)''': একদম ঠিক! আমি একবার জনপ্রিয় এক টিভি তারকার কোটে হিসু করে দিয়েছিলাম! আমি খুব একটা ভালো ভ্রমণ সঙ্গী নই!
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ এই হলো চমৎকার লেমুর!
:'''ক্রো''': সবার বন্ধু!
==== এক্স চিহ্নিত স্থান (ছোট ছবি) ====
:'''ক্রো''': ‘এক্স চিহ্নিত স্থান’? ওটা কি খুনের কোনো গল্প?
:'''জোয়েল''': না আমার মনে হয় এটা কোনো কুকুরের নাম নিয়ে গল্প।
<hr width="50%"/>
:'''কমিশনার ম্যাজি''': কোনো যুদ্ধ শ্রমিকের প্রাণহানি বা পঙ্গু হয়ে যাওয়া মানে আমাদের যুদ্ধের পরিকল্পনায় বড় বাধা।
:'''ক্রো (ম্যাজি হিসেবে)''': যদি তুমি এখানে নিজেকে মেরে ফেলো তবে তুমি ওখানে গিয়ে ওদের মারতে পারবে না।
:'''কমিশনার ম্যাজি''': আমরা মারি...
:'''টম সার্ভো''': লোকটার গলার আওয়াজ তো কার্টুন চরিত্রের মতো।
:'''কমিশনার ম্যাজি''': …আর আমাদের দেশবাসীকে পঙ্গু করে দিই কোনো অনিষ্ট করার ইচ্ছা ছাড়াই।
:'''জোয়েল''': সচেতন হন! সচেতন হন!
: . . .
:'''টম সার্ভো (ম্যাজি হিসেবে)''': আপনি এখান থেকে দেখতে পাচ্ছেন না কিন্তু আমার শরীরের নিচের অংশটা পাথরের সাথে লাগানো।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': জো যেখানে থাকত তার কাছেই একটা মোড় ছিল।
:'''ক্রো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': যার নাম হলো ‘রক্তাক্ত গলি’।
:'''বর্ণনাকারী''': সেখানে কোনো স্টপ সাইন ছিল না কেউ সেখানে থামার বা গতি কমানোর চেষ্টাও করত না...
:'''জোয়েল (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': এতে বেশ আনন্দ পাওয়া যেত।
:---
:'''বর্ণনাকারী''': একদিক থেকে একজন আসছে আর...
:---
:'''বর্ণনাকারী''': ...ওই যে অন্য দিক থেকে জো আসছে।
:'''জোয়েল (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': চলুন তামাশা দেখি! হিহি! জো এবার কায়দায় পড়বে!
:---
:'''টম সার্ভো''': মনে হয় ও আর সাক্ষী দিতে পারবে না...
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো (জো-র অ্যাঞ্জেল হিসেবে)''': আপনি কি জর্জ বেইলি? মনে হয় আমি ভুল সিনেমায় ঢুকে পড়েছি।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (জাজ হিসেবে)''': প্রিয় ডায়েরি... দেবতা হওয়া বড় কঠিন কাজ।
<hr width="50%"/>
:'''অ্যাঞ্জেল''': আমি বলব না যে জো ঝগড়া খুঁজত...
:'''ক্রো (অ্যাঞ্জেল হিসেবে)''': কিন্তু আমি ওকে সমুদ্রের ধারে গ্রিক পোশাক পরে একটা বিড়ালের জন্য চিৎকার করতে দেখেছি।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল (জাজ হিসেবে)''': একটু দাঁড়ান আপনি নিশ্চয়ই এটা দেখতে চাইবেন।
:'''টম সার্ভো''': ঘটনার মাঝামাঝি সময়ে দেখা যাচ্ছে জখম হওয়ার সংখ্যা প্রাণহানির চেয়ে বেশি...
:'''ক্রো (জো হিসেবে)''': আমার খুব লজ্জা হচ্ছে।
:'''জোয়েল''': এটা তো দেখছি অপছন্দের মানুষের তালিকা।
:'''ক্রো (জাজ হিসেবে)''': এতে কষ্ট হয় তাই না?
<hr width="50%"/>
:'''জাজ''': ও কি ট্রাফিক আইন ভেঙেছিল?
:'''জো''': আমি কখনো দুর্ঘটনা ঘটিয়ে পালিয়ে যাইনি।
:'''জোয়েল (জাজ হিসেবে)''': বাহ! ওতেই তো পুরো পরিস্থিতি বদলে গেল!
:'''জাজ''': যদি তুমি তা করতে তবে তোমাকে অভিযুক্ত করা হতো-
:'''টম সার্ভো''': কফ দিয়ে?
:'''জাজ''': -ছোট আদালতে।
:'''টম সার্ভো'': ও আচ্ছা।
:'''জাজ'': তুমি কখনো দুর্ঘটনা ঘটিয়ে পালিয়ে যাওনি? ওটা এতই জঘন্য কাজ যে আমি তোমাকে ওটার জন্য অভিযুক্তও করব না।
:'''ক্রো (জাজ হিসেবে)'': দুর্ঘটনা ঘটিয়ে পালিয়ে না যাওয়া মানে তো-
<hr width="50%"/>
:'''জাজ''': চালক হিসেবে ওর অনেক কথা শুনলাম...
:'''জোয়েল (জাজ হিসেবে)''': এবার শোনো ও মদ্যপ অবস্থায় কেমন!
:'''জাজ''': ...পথচারী হিসেবে ও কেমন?
:'''অ্যাঞ্জেল''': ওটা একটু আলাদা। চালক হিসেবে ও মনে করত রাস্তাটা ওর একার। পথচারী হিসেবে ও জানত যে রাস্তাটা ওর একার। ও ট্রাফিকের মাঝে ইঁদুরের মতো দৌড়াত।
:'''টম সার্ভো (অ্যাঞ্জেল হিসেবে)''': কিঁউ কিঁউ করে নিজেকে অ্যালজারনন বলে ডাকত!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': আমি কি যোগ্য? আমি কি কিছু পরিবর্তন করতে পারি? আমি কি কিছু করতে পারি?
. . .
:'''ক্রো''': হেই ক্যামবট স্ক্রিনটা একটু কাছে আনো আর ওই বিষণ্ণ সুরটা বাজাও। এমন পরিস্থিতিতে জোয়েল কী করত? না আমাকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে শিখতে হবে। নিজের সিদ্ধান্ত নিজেকেই নিতে হবে। হ্যাঁ আমি পারব! আমি একটা প্রচার অভিযান শুরু করতে পারি। আপনারা সবাই আমাদের সাহায্য করতে পারেন! আপনাদের জানালার কাছে গিয়ে চিৎকার করে বলুন আমি আর ভালো সময়ের জন্য অপেক্ষা করব না! মলে গিয়ে নাটক করুন বা একটু অন্যরকম পোশাক পরুন যাতে আপনার জীবন আরও রোমাঞ্চকর হয়। নিজের অন্তর্বাস পরে রাস্তায় ঘুরে বেড়ান! অন্যদের ওপর নিজের আদর্শ চাপিয়ে দিন। আপনি ঠিক করুন আপনি কী করবেন... আমি এসবের মধ্যে নেই! আমি কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না! আমি এসব কাজে একদম ভালো নই! সব আপনাদের ওপর ছেড়ে দিলাম। এখন বিজ্ঞাপনের বিরতি। উফ কী কষ্ট কী কষ্ট...
==== কিং ডায়নোসর (মূল সিনেমা) ====
:'''টম সার্ভো''': লিপার্ট? ওরে বাবা!
:'''জোয়েল''': মঙ্গল গ্রহের প্রাণীরা আমাদের অভিবাদন জানাচ্ছে!
:'''টম সার্ভো''': ফ্রেঞ্চ ফ্রাই আলু!
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': ১০ আগস্ট ডক্টর রিচার্ড গর্ডনকে সেই পদের জন্য নির্বাচিত করা হলো। উনি প্রাগৈতিহাসিক আলকাতরার গর্ত আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত হয়েছিলেন।
:'''ক্রো (ডক্টর গর্ডন হিসেবে)''': আমি বলব এই লোকটা মারা গেছে। আমি কোনো বিশেষজ্ঞ নই তবে মৃত মানে মৃতই।
:'''বর্ণনাকারী''': পাথরের গঠন নিয়ে পড়াশোনা করা অনেকটা গ্রহের ইতিহাসের রেকর্ড পড়ার মতো।
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ এটা বেশ অভদ্রতা।
:'''বর্ণনাকারী''': ডক্টর নোরা পিয়ার্স মহাকাশ অভিযানে যোগ দিলেন।
:'''জোয়েল''': আর উনি দেখতেও খুব সুন্দরী।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ওরে বাবা! ওই ভাঁড়টা কি আবার এসেছে?
. . .
:'''জোয়েল''': চার্চের নতুন নেতা নির্বাচন করা হয়েছে! উনি হলেন সেই ভাঁড়।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল (জন এফ কেনেডি হিসেবে)''': আমার বিশ্বাস এই দশকের শেষ নাগাদ আমরা অন্য গ্রহে সিনেমার শুটিং করতে পারব। বিশেষ সুবিধা কীভাবে পাওয়া যায় তা জিজ্ঞেস করবেন না।
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর প্যাট্রিসিয়া বেনেট''': প্রায় ৪০ শতাংশ ব্যাকটেরিয়া...
:'''ক্রো''': ওগুলো এডিট করে বসানো হয়েছে।
:'''ডক্টর প্যাট্রিসিয়া বেনেট''': ...সম্পূর্ণ অপরিচিত ছিল।
:'''ডক্টর রাল্ফ মার্টিন''': রেডিয়েশন টেস্টে দেখা গেছে ওটা স্বাভাবিকের চেয়ে ১০ শতাংশ বেশি...
:'''ক্রো''': জোয়েল আমি হ্যালুসিনেশন দেখছি!
:'''জোয়েল''': না ওটা সিনেমার কারসাজি।
:'''ডক্টর রাল্ফ মার্টিন''': ...সহনযোগ্য মাত্রার চেয়ে কম।
:'''ডক্টর প্যাট্রিসিয়া বেনেট''': তাপমাত্রা...
:'''টম সার্ভো (প্যাট্রিসিয়া হিসেবে)''': ১৮ মিনিটের টেপ ডিলিট করে দেওয়া হয়েছে। আমি কোনো অপরাধ করিনি।
:'''ডক্টর প্যাট্রিসিয়া বেনেট''': যদিও আমাদের পরীক্ষা এখনও শেষ হয়নি...
:'''টম সার্ভো (প্যাট্রিসিয়া হিসেবে)''': বা ওগুলো মোটেও কাজের নয়...
:'''ডক্টর প্যাট্রিসিয়া বেনেট''': ...তবে এটা নিশ্চিত যে নোভা গ্রহে মানুষ আর পশু বেঁচে থাকতে পারবে।
:'''জোয়েল''': সমাপ্তি।
:'''ক্রো''': ধুর ওরা বিটলসের গানের ওপর ডাবিং করেছে।
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর নোরা পিয়ার্স''': এখন কটা বাজে বলতে পারেন?
:'''জোয়েল (রিচার্ড হিসেবে)''': উমম এখন মারার সঠিক সময়।
:'''ডক্টর রিচার্ড গর্ডন''': আমার মনে হয় এখন পৃথিবীর হিসেবে ৩টে বাজে।
:'''টম সার্ভো (রিচার্ড হিসেবে)'': ওই পাখিগুলো দেখে বোঝা যাচ্ছে।
:'''ডক্টর নোরা পিয়ার্স'': আমরা জানি না এখানে দিন কত লম্বা। এই গ্রহ আমাদের পৃথিবীর চেয়েও দ্রুত ঘুরতে পারে।
:'''ডক্টর রিচার্ড গর্ডন'': ৩টেই ধরে নাও। অন্ধকার হওয়ার আগে আমাদের হাতে আর ঘণ্টা তিনেক সময় আছে।
:'''জোয়েল (রিচার্ড হিসেবে)'': তাছাড়া আমি ঠিক করেছি আমি এই জগতের নতুন দেবতা হব।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো (মার্টিন ব্রডি হিসেবে)''': আমি একটা বড় জুতো নিয়ে আসছি। আমাদের একটা বড় জুতোর দরকার হবে তাই না?
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর নোরা পিয়ার্স''': জায়গাটা কত খালি আর পরিত্যক্ত।
:'''ক্রো''': সংলাপগুলো কত আজগুবি আর অহংকারী।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': এই এদিকে এসো! তুমি কি জোয়ি-র সাথে দেখা করতে চাও?
:'''জোয়েল (জোয়ি হিসেবে)''': না!! আমি তো আগেই বলেছিলাম এমনটাই হবে! প্লিজ আমি তোমাকে একদম পছন্দ করি না! এখান থেকে যাও!
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর বেনেট''': ওহ রাল্ফ ওটা কী?!
:'''ক্রো''': ওটা একটা ইগুয়ানা! এবার চুপ করো!
<hr width="50%">
:'''টম সার্ভো''': কারো কাছে কি সময় হবে? পারমাণবিক বোমার একটু ব্যাপার আছে।
:'''জোয়েল''': তোমাদের ক্যারিয়ার এবার শেষ হতে চলেছে! তোমরা আর কোনোদিন কোনো সিনেমায় সুযোগ পাবে না! হয়তো কোনো সস্তা সিনেমার তালিকায় তোমাদের নাম থাকবে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': আমরা ঠিকই করেছি তাই না? ওরা হার মানছিল না তাই উড়িয়ে দেওয়াই ঠিক হয়েছে।
:'''ক্রো (লেমুর হিসেবে)''': আমার চেনা সবকিছু ধ্বংস করার জন্য ধন্যবাদ!
:'''টম সার্ভো''': ওরা তো বিস্ফোরণের খুব কাছেই আছে ওরা কি বাষ্প হয়ে যাবে না?
:'''ক্রো''': আশা করি তাই হবে। ওটা আসলে খুব একটা শক্তিশালী পারমাণবিক বোমা নয়। আমাদের অন্য বোমার তিন ভাগের এক ভাগ মাত্র।
:'''টম সার্ভো''': ওহ... যাক পৃথিবীর জয় হয়েছে।
:'''ডক্টর রাল্ফ মার্টিন''': যাক আমরা পেরেছি।
:'''জোয়েল (রাল্ফ হিসেবে)''': এ কথা কাউকে বোলো না ঠিক আছে?
:'''ডক্টর রিচার্ড গর্ডন''': আমরা আসলেই পেরেছি। আমরা নোভা গ্রহে উন্নত সমাজব্যবস্থা নিয়ে এসেছি।
:'''ক্রো''': বাহ! সিনেমার এই শেষ পর্যায়ে এসে বেশ ভালো কথা বললেন তো!
:'''ডক্টর রিচার্ড গর্ডন''': চলো ফিরে যাই।
:'''জোয়েল''': হ্যাঁ চলো ফিরে যাই আর তিন মাথাওয়ালা বাচ্চা জন্ম দিই।
:'''ক্রো''': যাক অন্তত জুন মাসের একটা চমৎকার দৃশ্য দেখা গেল... থাক বাদ দাও।
:'''টম সার্ভো''': আর এভাবেই হৃদয়ে শান্তি আর আকাশে আগুন নিয়ে ওরা ফিরে গেল।
=== [[w:bn:দ্য সাইলেন্ট স্টার|ফার্স্ট স্পেসশিপ অন ভেনাস]] ===
:'''ব্রিন্কম্যান''': সুমিকো!
:'''ক্রো (সুমিউকো হিসেবে)''': আমার উকিল আসুক তারপর দেখছি।
:'''সুমিউকো''': ব্রিন্কম্যান! আমার চেহারার কি খুব পরিবর্তন হয়েছে?
:'''জোয়েল (ব্রিন্কম্যান হিসেবে)''': হ্যাঁ আগে তো তুমি একজন সুইডিশ পুরুষ ছিলে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো (ব্রিন্কম্যান হিসেবে)''': উমম... আমার মনে রাখা উচিত ছিল যে গলিত পাথরের ওপর পাথর ছুড়ে মারতে নেই।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল''': আরে এই বিপদের সময় আসল হিরোরা কোথায়?
<hr width="50%"/>
:'''প্রফেসর সিকার্না''': (অনেক বড় বিরক্তিকর বর্ণনা)
:'''ক্রো''': বেশ আকর্ষণীয় কথা কিন্তু সিনেমার গল্পের সাথে এর সম্পর্ক কী?
=== [[w:bn:গডজিলা বনাম মেগালন|গডজিলা বনাম মেগালন]] ===
:'''জোয়েল, ক্রো এবং সার্ভো''': রেক্স ডার্ট, এস্কিমো গোয়েন্দা!
<hr width="50%"/>
:'''গোরো''': ওই দেখো! রকেট!
:'''টম সার্ভো''': রকেট!
:'''ক্রো''': বনভোজনে এসে রকেট?
: . . .
:'''রোকুরো''': আমাকে বাঁচাও! জলদি এসো!
:'''জোয়েল''': এই খোকা তুমি এখন এমন অবস্থায় নেই যে অন্যকে আদেশ দেবে!
: . . .
:'''টম সার্ভো'': মনে হয় জাপানে বনভোজনে রকেট আনাটা খুব সাধারণ বিষয় তাই না?
:'''জোয়েল'': হ্যাঁ।
:'''টম সার্ভো'': একদম ঠিক!
:'''ক্রো (বনভোজনকারী হিসেবে)'': চলুন বনভোজনে যাই। দেখি আমাদের কাছে খাবার আছে পানীয় আছে আর ৫০ ফুট লম্বা দড়ি আছে...
<hr width="50%"/>
:'''জিনকাওয়া''': গোরো যদি ভূমিকম্প তোমার রোবটটাকে ধ্বংস করে দিত তবে খুব মজা হতো তাই না?
:'''জোয়েল (গোরো হিসেবে)''': হ্যাঁ আর যদি ভূমিকম্পে তোমার আত্মীয়স্বজন সব মারা যেত তবে আরও বেশি মজা হতো!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': ব্যবসা মানে হলো দুনিয়াকে উন্নত করা। আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো মানুষ! ও পাগল হয়ে গেছে! ও মিউজিকের তালে তালে নাচছে! সে এক শহরের যুবক...
:. . .
:'''জোয়েল''': ওরা জেনিফার বিলসকে তৈরি করেছে।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল (ক্যাপ্টেন উইলার্ড হিসেবে)''': সাইগন। আমি বিশ্বাসই করতে পারছি না যে আমি সাইগনের একটা মডেলে দাঁড়িয়ে আছি।
<hr width="50%"/>
:'''গোরো''': ওটা কি জেট জাগুয়ার?
:'''টম সার্ভো''': না ওটা তোমার বানানো অন্য কোনো হিরো!
:'''গোরো''': ওরা ওকে নিয়ন্ত্রণ করছে।
:'''রোকুরো''': ইস! আমরা যদি জেট জাগুয়ারকে পাঠিয়ে গডজিলাকে নিয়ে আসতে পারতাম!
:'''ক্রো''': হ্যাঁ আর আমরা যদি তোমাকে খতম করে পার পেয়ে যেতে পারতাম তবে আরও ভালো হতো!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': আচ্ছা পিচ্চি একটা বাচ্চাকে এমন বিপদে ফেলা কি ঠিক হচ্ছে?
:'''জোয়েল''': উমম না।
:'''টম সার্ভো''': অন্তত এই বাচ্চাকে নয়।
:. . .
:'''টম সার্ভো (জিনকাওয়া হিসেবে)''': আশা করি কাজটা হবে নয়তো ছোট বিলি স্যান্ডউইচের মাংস হয়ে যাবে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আমি জানি আমার ভয় পাওয়া উচিত কিন্তু আমি শুধু ঘর্মাক্ত জাপানিজ মানুষদের কথাই ভাবছি...
:. . .
:'''ক্রো''': ওর কাছে এমন একটা জিনিস আছে যা ওখানে থাকার কথা নয়!
:'''টম সার্ভো''': ওই নিজেই তো এমন একজন যার ওখানে থাকার কথা নয়!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো (গডজিলা হিসেবে)''': আমি এখানে সুশি খেতে আর শত্রুদের হারাতে এসেছি। আর আমি শুধু সুশিই খাব।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো (মেগালোন হিসেবে)''': তোমাকে আমার কাছে নতি স্বীকার করতেই হবে জেট জাগুয়ার!
:'''জোয়েল (জেট জাগুয়ার হিসেবে)''': আপনি কি ভেবেছেন আমি সব বলে দেব?
:'''ক্রো (মেগালোন হিসেবে)''': না জেট জাগুয়ার আমি ভাবছি তুমি মারা পড়বে!
:'''টম সার্ভো''': বাহ বেশ ভালো বলেছো তো! অনেকটা জেমস বন্ডের মতো শোনাল।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (মেগালোন হিসেবে)''': তোমার বাবা ছিল একটা সরীসৃপ আর মা ছিল একটা পারমাণবিক বোমা! আর তোমার কাকা ছিল একটা মেশিন!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (স্পোর্টসকাস্টার হিসেবে)''': গডজিলা হয় বিজ্ঞানের বাইরের কিছু একটা করছে অথবা সে একটা খালি পোশাক নিয়ে লোফালুফি করছে!
<hr width="50%"/>
:'''রোকুরো''': গডজিলা! টা টা!
:'''টম সার্ভো (গোরো হিসেবে)''': আমাদের দেশটা ধ্বংস করার জন্য ধন্যবাদ!
<hr width="50%"/>
:'''গোরো''': জেট জাগুয়ার! চলো বাড়ি ফিরে যাই!
:'''ক্রো (জেট জাগুয়ার হিসেবে)''': হ্যাঁ অবশ্যই আপনি আমাকে কন্ট্রোল করছেন... ঠিক আছে... আমি বাড়ি গিয়ে আপনার ঘরবাড়ি ধ্বংস করব!
<hr width="50%"/>
:'''গায়ক''': ওর শরীরটা ইস্পাতের তৈরি / ও বালতি ভরে সুশি খায় / জেট জাগুয়ার? জেট জাগুয়ার! / ওর মা ওকে একদম ভালোবাসত না / ও অপরাধ দমন করে নিজের আত্মবিশ্বাসের অভাব ঢাকতে / ওর গলার হাড় টয়োটার সমান বড় / ও ভালো মানুষ কিন্তু বাচ্চাটাকে পাথরে আছড়ে মারতে চায় / কে ওখানে? / ওর মাথা দেখতে অনেকটা অভিনেতা জ্যাক নিকোলসনের মতো / ওরকম মুখভঙ্গি কোরো না নয়তো মুখ ওমনই থেকে যাবে!
=== [[w:bn:গডজিলা বনাম দ্য সি মনস্টার|গডজিলা বনাম দ্য সি মনস্টার]] ===
:'''ক্রো (গডজিলা হিসেবে)''': এই! তুমি আমাকে কী ভেবেছো? টিপ্পি হেড্রেন? এখান থেকে বিদায় হও!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': জেমস বন্ড ফিরে এসেছে এমন এক গোয়েন্দা হয়ে যার কাঁকড়ার মতো বিশাল দাঁড়া আছে যা আপনি আগে কখনো দেখেননি! ডাবল-ও কাঁকড়া।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো''': কাবাব আর কা-স্টিভ!
== মৌসুম ৩ ==
=== [[w:bn:কেভ ডুয়েলার্স|কেভ ডুয়েলার্স]] ===
:'''ক্রো টি. রোবট''': অভিনেতা কিফের কয়টা দৃশ্য আছে এখানে?
:'''টম সার্ভো''': ওহ মাইলস ও' কিফ!
<hr width="50%"/>
:'''আটর''': মানুষের ভাগ্য আগে থেকেই নির্ধারিত থাকে।
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওহ উনি তো দেখছি ভাগ্যবাদে বিশ্বাসী!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (এক ভিলেন হিসেবে)''': গাধা কোথাকার! আমাদের তো এমনকি হরিণ শিকারের অনুমতিও নেই!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন (মিলা হিসেবে)''': দেখি তো এখানে একটা সুপারবল আছে আর আধাখানা চিনাবাদাম আছে এক টুকরো ঘুড়ির সুতো আর ছুতারের করাত আছে।
:'''টম সার্ভো (মিলা হিসেবে)''': ম্যাকগাইভার হলে এই সমস্যার সমাধান কীভাবে করত?
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': পৃথিবী সৃষ্টির সময় একসময় জগতটা খুব আক্রমণাত্মক হৃদয়হীন আর অশিক্ষিত মানুষে ভরে গিয়েছিল।
:'''টম সার্ভো''': ওহ আপনি মনে হয় আশির দশকের কথা বলছেন।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ও এর আগে এত বড় কোনো খেলনা মাকড়সাকে মারেনি।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ! এরাই নিশ্চয়ই সেই গুহাবাসী মানুষ!
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ সবাই শুনুন সিনেমার পঁয়ত্রিশ মিনিট পার হওয়ার পর অবশেষে আমরা গল্পের একটা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার দেখা পেলাম!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': আমার বিশ্বাসই হচ্ছে না- ওরা এই সিনেমায় ভিলেনের অভিনয়ের জন্য কোনো মানুষ ভাড়া করার টাকাও জোগাড় করতে পারেনি।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ...কী?
:---
:'''টম সার্ভো''': হেই সবাই দেখুন এখানে সাপগুলো কুকুরের মতো আওয়াজ করছে...
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': হেই ওটার গায়ে তো একদমই আঠালো কিছু নেই!
:'''টম সার্ভো''': কারণ ওটা স্রেফ মখমলের কাপড় দিয়ে বানানো হয়েছে।
: . . .
:'''টম সার্ভো''': ইলেকট্রিক তারগুলো ছিঁড়ে ফেলো আটর!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': দয়া করে পাগলামি বন্ধ করো।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওটা কী...?!
:'''টম সার্ভো''': (হাসছে)
:'''জোয়েল রবিনসন''': চমৎকার। আমি পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী বালক! আমি পৃথিবীর সব বাধা পেরিয়ে দেবতার কাছে পৌঁছে গেছি!
:'''টম সার্ভো''': এটা কিছুটা আজগুবি। মানে... ও একটা হরিণ মারল তারপর ওর চামড়া ছাড়াল সেটা টানটান করল অ্যালুমিনিয়ামের ফ্রেম বানাল আর ঝালাই করাও শিখে ফেলল... সব মাত্র পাঁচ মিনিটে? এমনকি এরোডাইনামিক্সও শিখে গেল!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': স্যার আপনার জন্য একটা বার্তা আছে! ওহ ও যখন ওপরে ছিল তখনই বোমাগুলো বানিয়ে ফেলেছে।
:'''জোয়েল রবিনসন''': মনে হচ্ছে ও অনেক বড় এলাকা জুড়ে বোমা ফেলবে।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': ও এখন অস্ট্রেলিয়ার গভীর জঙ্গলে ল্যান্ড করছে।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': অ্যাঁ... কী?
:'''জোয়েল রবিনসন''': ও এটা কীভাবে করল?
:'''টম সার্ভো (আটর হিসেবে)''': আমি এটা কীভাবে করলাম?
:---
:'''জোয়েল রবিনসন''': আচ্ছা আমি ধরে নিচ্ছি ওর কাছে উঠানে একটা ট্যাংক রাখা আছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ আর ওটা নারকেলের খোলা দিয়ে বানানো।
=== [[w:bn:গামেরা|গামেরা]] ===
:'''ক্রো টি. রোবট (গামেরা হিসেবে)''': স্কুলের ওই বাচ্চারা তোমাকে নিয়ে মজা করে কেনিন। কারণ ওরা কখনো চরম কষ্টের স্বাদ পায়নি। আজ আমরা পরিস্থিতি বদলে দেব!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ ওটা তো টিবির কবরের ওপর জমানো মাটি।
:'''টম সার্ভো''': চুপ করো! এটা মোটেও মজার কিছু না।
:'''কেনিন''': তুমি কি ওখানে আছো?
:'''টম সার্ভো''': ওহ টিবি...
:'''কেনিন''': টিবি?
:'''ক্রো টি. রোবট''': টিবি নাকি টিবি নয় এটাই প্রশ্ন।
:'''টম সার্ভো''': ওটা না- থামো! আর কথা বলো না!
:'''কেনিন''': টিবি!
:'''ক্রো টি. রোবট (কেনিন হিসেবে)''': টিবি! টিবি! চ্যাপ্টা হয়ে গেল! আহ টিবি!
:'''টম সার্ভো''': এটা একটুও মজার না! জোয়েল ওকে থামতে বলো!
:'''কেনিন''': টিবি??? টিবি!
:'''জোয়েল রবিনসন''': তুমি অত দুশ্চিন্তা করছো কেন? টিবি তো অনেক আগেই মারা গেছে টম।
:'''টম সার্ভো''': আমি চলে যাচ্ছি! আমি এটা আর সহ্য করতে পারছি না এটা খুব বাজে ব্যাপার!
:'''জোয়েল রবিনসন''': ফিরে এসো ফিরে এসো।
:'''টম সার্ভো''': তুমি কি এখন জোকস বন্ধ করবে?
:'''জোয়েল রবিনসন''': হ্যাঁ।
<hr width="50%"/>
:'''কেনিন''': গামেরাকে লক্ষ্য করে গুলি কোরো না! গামেরাকে লক্ষ্য করে গুলি কোরো না! ও খুব ভালো ও খুব ভালো!
:'''জোয়েল রবিনসন (ডক্টর মুরাসে হিসেবে)''': কেনিন কী বলতে চায় চলো আমরা তা শুনি!
:'''ডক্টর মুরাসে''': হ্যাঁ। এটা হয়তো ভুল হতে পারে। আমাদের হয়তো ওই মিসাইলগুলো ব্যবহার করা ঠিক হবে না।
:'''জেনারেল''': কেন নয়? ওই দানবটাকে মারার এটাই একমাত্র পথ।
:'''টম সার্ভো (মুরাসে হিসেবে)''': কেনিনের ওই বার্তার জন্য।
<hr width="50%"/>
:'''খবর পাঠক''': আজ সন্ধ্যায় ইউনিভার্সিটিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মিটিং হবে যেখানে ডক্টর হিডাকা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলবেন...
:'''ক্রো টি. রোবট (খবর পাঠক হিসেবে)''': ...আর কেনিনের সাথেও...
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর মুরাসে''': আমাদের জানা সব ধরনের অস্ত্র গামেরা প্রতিরোধ করতে পারছে। তাই আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি যে ভবিষ্যতে আরও বড় বিপর্যয় আসতে পারে।
:'''টম সার্ভো''': মানে গামেরার আরও সিনেমা আসবে?
<hr width="50%"/>
:'''ঘোষক''': সাধারণ মানুষের জন্য এই শহরে ঢোকা নিষেধ। এমনকি সাংবাদিকদেরও ভেতরে যাওয়ার অনুমতি নেই।
:'''জোয়েল রবিনসন (ঘোষক হিসেবে)''': তবে কেনিনের জন্য সব জায়গায় যাওয়ার অনুমতি আছে।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': উমম...
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই জোয়েল এটা দেখে কি অন্য কিছুর কথা মনে পড়ছে?
:'''জোয়েল রবিনসন''': (ক্রোর একটা হাত খুলে নিয়ে ওকে মারল) হ্যাঁ আমার এটা দেখে এটার কথা মনে পড়ছে!
:'''ক্রো টি. রোবট''': আআহ! হেই! ওটা বন্ধ করো।
:'''ক্রো টি. রোবট ও টম সার্ভো''': (গান গাইছে) খুব কাছের কোনো এক ভবিষ্যতে- (জোয়েল সার্ভোকেও হাতটা দিয়ে মারল আর ওটা দূরে ফেলে দিল)
:'''ক্রো টি. রোবট''': হা হা!
:'''টম সার্ভো''': এই ধরনের কাজের জন্য তোমার বিরুদ্ধে মামলা করা যেতে পারে।
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওই গানটা গাওয়ার জন্য আমিই তোমার বিরুদ্ধে মামলা করব।
=== [[w:bn:পড পিপল|পড পিপল]] ===
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': আচ্ছা আপনি যখন আপনার প্রিয় কারাওকে বারে যান আর ‘আই ওয়ান্ট টু নো হোয়াট লাভ ইজ’ গানটা শুনতে চান তখন কী হয়?
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': মানুষ কি বমি করে দেয়?
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': তোমাদের আজকের সিনেমা হলো ‘পড পিপল’। এটার সাথে ওই অদ্ভুত কোষের কোনো সম্পর্ক নেই মানুষেরও কোনো সম্পর্ক নেই এটা শুধুই কষ্ট দেওয়ার জন্য বানানো হয়েছে!!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওটা ছিল এক অন্ধকার আর ঝোড়ো রাত। আমি একটা ক্রিয়েটিভ রাইটিং কোর্স করেছিলাম।
<hr width="50%"/>
:'''শিকারী ১''': ওটা আবার কী আপদ?
:'''শিকারী ২''': জানি না... দেখতে তো অনেকটা শুকর আর ভালুকের সংমিশ্রণের মতো লাগছে!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওটা কি কোনো ফল?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ও কী নিজেকে লস অ্যাঞ্জেলেসের পুলিশ অফিসার ভাবছে নাকি?
<hr width="50%"/>
:'''রিক''': এটা খুব জঘন্য হয়েছে!!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওহ চমৎকার- আমরা নরকের দরজায় এসে উদ্ধার পেলাম।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই নরকের দরজায় এমন কী আছে যে মানুষ কোনো কারণ ছাড়াই ভেতরে ঢুকে পড়ে?
:'''জোয়েল রবিনসন''': কারণ ওদের ফল সংরক্ষণ করার শখ জেগেছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আর ও ভেতরে গিয়ে কী করবে শয়তানের কাছে একটু চিনি চাইবে?
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': যান্ত্রিক পাখি।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই এটা তো দেখছি ক্যাসিও কোম্পানির জঙ্গল।
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওরা তথ্যের ভাণ্ডারের পাশে গাড়ি পার্ক করেছে।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন (টমি হিসেবে)''': হেই এটার ব্যাখ্যা কী?? নিখোঁজ সংবাদে আমার ছবি দেওয়া কেন!
<hr width="50%"/>
:'''টমি''': ট্রাম্পি তুমি কি জানো ‘খেলা’ মানে কী?
:'''ক্রো টি. রোবট (ট্রাম্পি হিসেবে)''': হ্যাঁ এর মানে হলো আমি তোমাকে মারাত্মকভাবে জখম করব।
<hr width="50%"/>
:'''টমি''': দেখলে তো? সব কটা অংশ একে অপরের সাথে মিলে যাচ্ছে।
:'''জোয়েল রবিনসন''': ইস এই সিনেমাটা যদি এমন জোড়াতালি দিয়ে ভালো করা যেত।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওরা টেলিস্কোপ দিয়ে বন্য জগত দেখছে।
: . . .
:'''টমি''': তুমি তো জাদু করতে পারো!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (ট্রাম্পি হিসেবে)''': খোকা এটাকে শয়তানি বলে।
:'''টম সার্ভো''': হেই ওর উজ্জ্বল আলো জ্বলে উঠেছে। উমম?
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওর চোখগুলো খুব অদ্ভুত।
:'''ক্রো টি. রোবট''': অনাথ শিশুর মতো চোখ।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (মলি হিসেবে)''': তোমাদের নাস্তা ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে আর ও এখনও মরাই আছে।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': একই সময়ে অন্য একটি গল্পে? ধৈর্য ধরুন প্রিয় দর্শক খুব জলদিই সব বুঝতে পারবেন.... আদেও পারবেন না!
<hr width="50%"/>
:'''টমির মা''': টমি তুমি কি আমার গলার আওয়াজ শুনতে পাচ্ছো?
:'''জোয়েল রবিনসন (টমির মা হিসেবে)''': তুমি কি বুঝতে পারছো আমি তোমার কত কাছে আছি?
<hr width=''50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': আমি ওদের নিচে নামাতে পারছি না! আমি এই মেশিনের কাজই বুঝতে পারছি না!
:'''টম সার্ভো''': আমি নড়তে পারছি না! আমি একদম নড়তে পারছি না! (চিৎকার করছে)
: . . .
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওহ আমাদের হাতে বিজ্ঞাপনের জন্য সময় আছে!!
=== [[w:bn:গামেরা বনাম বারুগন|গামেরা বনাম বারুগন]] ===
:'''টম সার্ভো''': মরার স্বাদ কি খুব মিষ্টি? আমরা সেই সময়ের অপেক্ষা করছি।
=== [[w:bn:টাইম অব দ্য এপস|টাইম অব দ্য এপস]] ===
:'''জিপসি''': আমি কি তোমাদের বলিনি ঘরের ভেতর বল নিয়ে খেলা নিষেধ!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (ক্যারোলিন হিসেবে)''': আমার কাঠের টুকরোটা! আমাদের বাঁচার জন্য ওটা ধ্বংস করা হয়েছে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (অফিসার হিসেবে)''': উল্টো দিকে ঘোরো!! হাতে নোংরা করো! এবার সেটা ছুড়ে মারো!!
<hr width="50%"/>
:'''ক্যারোলিন''': ক্যাথরিন আমার খুব ভয় করছে!!
:'''ক্যাথরিন''': চিন্তা কোরো না আমরা তোমার সাথে আছি।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমরা নির্ঘাত মরব তবে তোমার সাথেই থাকব।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ধুর! গল্পের গতির চেয়ে একটু বেশি চটপটে হওয়ার চেষ্টা করো!
<hr width="50%"/>
:'''ক্যাথরিন''': জলদি এই দিকে এসো!!
:'''ক্রো টি. রোবট''': আরে তুমি যেন কত জানো কোথায় যাচ্ছো!!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আআহ! গাছটা খুব বাজেভাবে কাঁপছে!
=== [[w:bn:ড্যাডি-ও|ড্যাডি-ও]] ===
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': ফ্র্যাঙ্ক তুমি কী করছো?
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': আমি শুধু একটু পানি আনছিলাম।
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': পানি আনছিলে?
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': মানে এক বাটি- কেক... মানে-
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': এদিকে এসো। (ফ্র্যাঙ্ককে কান ধরে টেনে নিয়ে বোতাম টিপতে বাধ্য করল) যাক ফ্র্যাঙ্ক আমাদের দেরি হয়ে গেল।
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': ডক্টর ফরেস্টার আপনি অনেক কিছু হতে পারেন কিন্তু হাল ছেড়ে দেওয়ার মতো মানুষ নন। আপনি কি চেষ্টা করা বন্ধ করবেন? বেঁচে থাকুন আমি আদেশ দিচ্ছি; বেঁচে থাকুন!
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': ওহ আমার এখন মনে পড়েছে; অল্টারনেট ফাংশন সেভেন।
==== বর্ণমালার কসরত (ছোট ছবি) ====
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ চমৎকার। আমি জানি আমাকে এদেরই কারো পাশের সিটে বসতে হবে।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ডি মানে হলো অভিশপ্ত।
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট (নাচতে থাকা ছেলের গলায়)''': ইভা তোমাকে আমার সাথে নাচতেই হবে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (জিরাফ হিসেবে)''': আমার একটা চকোলেট বার চাই।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': আই মানে হলো আইক। ও ভেতরে লুকিয়ে আছে।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': এলভিস একটা আইসক্রিম অর্ডার করেছে।
:. . .
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওই যে এলভিসকে দেখা যাচ্ছে।
:. . .
:'''টম সার্ভো''': এন মানে হলো স্রোতে ভাসা... অ্যাঁ?
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ওই যে লুই অ্যান্ডারসনকে দেখা যাচ্ছে।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': ও মানে হলো একদা...
:'''টম সার্ভো''': ‘একদা’? ও মানে ‘একদা’ কেন? যখন লেখকরা ধর্মঘট করে তখন এমন হয় নাকি?
:. . .
:'''টম সার্ভো''': ও মানে হলো পশুদের সাথে করা আপত্তিকর ব্যবহার।
:. . .
:'''জোয়েল রবিনসন''': পি মানে হলো পেটা (PETA) যারা এসব ব্যবহার করতে একদম নিষেধ করে। এটাও আর এটাও।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': পি মানে হলো অন্যের কাজ চুরি করা!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই এরা তো সব ছেলে!
:. . .
:'''জোয়েল রবিনসন''': হেই ওই তো জ্যাক ক্লুগম্যান আর টনি র্যান্ডাল!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ইউ মানে হলো নিচ থেকে আসা বমি।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': এক্স মানে হলো জীবনের মানে নিয়ে তৈরি হওয়া এক সমস্যা।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ আর আমার কাছে ওয়াই মানে হলো ইয়ান্নি।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওয়াই হলো বিষাক্ত উপাদানের রাসায়নিক সংকেত যা মাছের ভেতরে গিজগিজ করছে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আশা করি আমাদের এই বাজে চরিত্র দিয়ে আমরা আপনাদের সামান্য হলেও প্রভাবিত করতে পেরেছি।
==== ড্যাডি-ও (মূল সিনেমা) ====
:'''ক্রো টি. রোবট''': ড্যাডি-ও!
:'''টম সার্ভো''': নির্ঘাত হ্যারি ও-র বাবা হবে। বা ওয়েন্ডি ও-র বাবা।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (চিলাস হিসেবে)''': আমার অনুমতি ছাড়া কেউ এখান থেকে যাবে না। আমিই হলাম চার্লস ফস্টার কেন!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (চিলাস হিসেবে)''': দেখলে তো আমার গতি যত কমই হোক আমি ওকে ধরেই ফেলব কারণ আমার ছেলেই এই সিনেমার এডিটর।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন (চিলাস হিসেবে)''': চলো একটু মাখন খাই। প্রচুর মাখন। হাত ভর্তি করে মাখন নিয়ে এসো!!
:---
:'''টম সার্ভো (চিলাস হিসেবে)''': এটা মাখন দিয়ে বানানো।
<hr width="50%"/>
:'''টুপি পরা লোক''': তোমার কাছে কি নতুন কোনো খবর আছে??
:'''টম সার্ভো (ফিল হিসেবে)''': রোজবাড আসলে একটা স্লেজগাড়ি ছিল।
=== [[w:bn:গামেরা বনাম গাওস|গামেরা বনাম গাওস]] ===
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ সুস্থ থেকো।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': ও কি গরুর মতো ডাক দিল?
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': পাগল ছেলে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': সাংবাদিকদের পেটে চালান করার এই সপ্তাহের অনুষ্ঠানে আপনাদের স্বাগতম।
=== [[w:bn:দ্য অ্যামেজিং কলোসাল ম্যান|দ্য অ্যামেজিং কলোসাল ম্যান]] ===
:'''টম সার্ভো''': গ্লেন আমি ফাদার ও'ম্যালি বলছি। ফিরে এসো খোকা! নিজের জীবন বিসর্জন দেওয়ার মতো এটা অত দামি কিছু না!!
:'''ক্রো টি. রোবট''': গ্লেন আমি তোমার স্কুলের প্রথম শিক্ষিকা বলছি। একাজ কোরো না।
:'''জোয়েল রবিনসন''': গ্লেন আমি তোমার মা বলছি। যদি তুমি ফিরে আসো তবে আমি তোমার প্রিয় খাবার রেঁধে দেব।
<hr width="50%"/>
:'''গ্লেন''': আমি শুধু জানি যে আমি আর লম্বা হতে চাই না।
:'''জোয়েল রবিনসন (গ্লেন হিসেবে)''': আমি ওই খেলনার দোকানের বাচ্চা যে সবসময় কেনাকাটা করতে চায়।
:'''গ্লেন''': আমি আর বড় হতে চাই না!
:'''জোয়েল রবিনসন (গ্লেন হিসেবে)''': আমি ওই খেলনার দোকানের বাচ্চা যে সবসময় কেনাকাটা করতে চায়!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': হেই দেখো! ও বাঁধের কাছে সবচেয়ে বড় মানুষ হবে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': সুজি মনে করে ওর সিট বেল্ট পরার দরকার নেই। চলো দেখি সুজি কত স্পিডে গাড়ির সামনের কাচ দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারে।
=== [[w:bn:ফিউজিটিভ এলিয়েন|ফিউজিটিভ এলিয়েন]] ===
:'''জ্যাক পারকিন্স''': এরপর জয়েস ক্যারল ওটস আসবেন উনার নতুন বই পড়ে শোনাতে যা উনি মাত্র ত্রিশ দিনে লিখে ফেলেছেন। তারপর পিটার পল আর মেরি আসবেন উনারদের নতুন অ্যালবাম থেকে একটা দুর্দান্ত গান শোনাতে। তারপর হিউম ক্রনিন আর জেসিকা ট্যান্ডি আসবেন আমাদের কিছু আবেগপূর্ণ গল্প শোনাতে যে বয়স্ক হওয়ার সুবিধা আর অসুবিধা কী কী।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': স্যান্ডি ফ্র্যাঙ্ক আমাদের ব্যক্তিগত কষ্টের কথা শোনাচ্ছেন!
:'''টম সার্ভো''': একদম ঠিক।
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওই লোকটা আসলে কে??
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ ভাই দারুণ তো এটা ঠিক স্টার ট্রেকের প্রথম সিজনের ৩৮ নম্বর এপিসোডের মতো কিন্তু ওটার মতো অতটা-
:'''টম সার্ভো''': না না না এটা ডক্টর হু-র পঞ্চম জেনারেশনের ওই মহাকাশ যানের মতো যখন তিনজন ডক্টর একসাথে ছিলেন আর একটা দেখতে অনেকটা মো- এর মতো-
:'''ক্রো টি. রোবট''': না এটা নিশ্চিতভাবেই একটা ক্লিঙ্গন!
:'''জোয়েল রবিনসন''': ঠিক আছে ঠিক আছে অনেক হয়েছে...
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ এটা দারুণ কুল ঠিক ব্যাটলস্টার গ্যালাকটিকার প্রথম এপিসোডের মতো যখন ওদের গ্রহ ছেড়ে চলে যেতে হয়েছিল আর জেন সেমুর পিঠে ব্যথা পেয়েছিলেন!
:'''টম সার্ভো''': না না না এটা ইনভেশন আর্থের মতো যখন জোলা বেবিরা ওই স্পিড বোট নিয়ে আসত আর ওরা-
:'''ক্রো টি. রোবট''': একদম না!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': এত লেখক কেন লাগে ওদের?
:'''টম সার্ভো''': কারণ ওদের একজনের দরকার ছিল ভার্ব বা ক্রিয়ার জন্য একজনের নাউন বা বিশেষ্যের জন্য আর কয়েকজনের অ্যাডজেক্টিভ আর অ্যাডভার্বের জন্য...
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওহ এটা তো গণহত্যা আর শৈল্পিক নাচের এক অদ্ভুত মিশেল।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই জোয়েল তুমি তো পুরো জ্যাক পারকিন্সের মতো কথা বলছো।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ঠিক ওই এপিসোডের মতো যেখানে স্টার ট্রেকে নাজিদের শাসন চলছিল।
:'''টম সার্ভো''': না না না এটা ডক্টর হু-র মতো যখন টম বেকার ডক্টর ছিলেন আর উনি নীলাকে বাঁচাতে চেষ্টা করছিলেন।
:'''জোয়েল রবিনসন''': হয়েছে এবার থামো।
:'''ক্রো টি. রোবট''': না কারণ আমি এটা অংক প্রতিযোগিতায় দেখেছিলাম।
:'''টম সার্ভো''': না আমি ওটা হু ফেস্টিভ্যালে দেখেছিলাম সেখানে বারো ঘণ্টা ধরে...
<hr width="50%"/>
:'''কেন''': আমি এমন পরিত্যক্ত জায়গায় মরতে চাই না!!
:'''জোয়েল রবিনসন (কেন হিসেবে)''': আমি বরং ভিক্টোরিয়া'স সিক্রেটের ওই আন্ডারগার্মেন্টস সেকশনে মরতে চাই!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ওহ আমার মনে পড়ছে। এটা ঠিক ম্যরুনড সিনেমার মতো যখন ডেভিড জ্যানসেন ওই জেন হ্যাকম্যান আর জেমস ফ্রান্সিসকাসকে বাঁচাতে গিয়েছিলেন তার আগে ওই সোভিয়েত- ওই- ওই- সোভিয়েত...
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ ওটা বেশ কুল ছিল।
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ আর সোভিয়েত স্যাটেলাইটটা যখন এল আর...
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল, ক্রো এবং সার্ভো''': (গান গাইছে) এটা সেই ট্রেনের তাড়া করার গান। এই হলো তাড়া রকি আর কেন! ও একটা ভারী গাড়ি দিয়ে আমাকে মারার চেষ্টা করল... শুভেচ্ছা!
<hr width="50%"/>
:'''কেন''': ওই তো জাহাজ... কিন্তু ভেতরে ঢোকার কায়দা কী??
:'''টম সার্ভো''': ছুতারের দোকানে যাও! ওখান থেকেই কাঠের টুকরো পেয়ে যাবে!!
<hr width=50%/>
:'''ক্যাপ্টেন জো''': রকি আমি তোমাকে কতবার বলব যে ওই সায়েন্স ফিকশন বই পড়া বন্ধ করো?
:'''ক্রো টি. রোবট (রকি হিসেবে)''': ওগুলো কমিক বই!!
<hr width=50%/>
:'''রকি''': ক্যাপ্টেন যে কেউ ভুল করতে পারে যদি না সেটা বারবার করে। আমার মনে হয় কেনকে আমাদের ছেড়ে দেওয়া উচিত।
:'''ক্রো টি. রোবট (জো হিসেবে)''': কোনটা করব?
:'''ট্যামি''': আমি একমত নই। আপনি কি ভুলে গেছেন? কেন আমাদের প্রাণ বাঁচিয়েছে! আমার মনে হয় ওর আরেকটা সুযোগ পাওয়া উচিত। আপনি কি একমত নন?
:'''রকি''': ঠিক আছে।
:'''জোয়েল রবিনসন''': বিশ্বাসের ওপর অটল এক মানুষ...
:'''রকি''': মনে হয় তুমিই ঠিক। আমি ওকে একটা শর্তে ফিরিয়ে নেব...
:'''জোয়েল রবিনসন (রকি হিসেবে)''': তুমি মদ খাওয়া ছাড়বে আর রিহ্যাব সেন্টারে ভর্তি হবে।
=== [[w:bn:ইট কনকার্ড দ্য ওয়ার্ল্ড|ইট কনকার্ড দ্য ওয়ার্ল্ড]] ===
==== স্নো থ্রিলস (ছোট ছবি) ====
:'''টম সার্ভো''': ভাইরে জিম ম্যাককের সাথে কথা বলার জন্য এত কসরত করতে হচ্ছে।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': ...আর শিইং-ই হলো সঠিক উচ্চারণ ওরা আমাদের বলছে!
:'''জোয়েল রবিনসন''': হ্যাঁ আসলে আপনি আস্ত আবর্জনা।
:. . .
:'''টম সার্ভো''': কানাডার বরফে ঢাকা খেলার মাঠে শীতের সৌন্দর্যের মাঝে ক্রস কান্ট্রি স্কিং।
==== ইট কনকার্ড দ্য ওয়ার্ল্ড (মূল সিনেমা) ====
:'''পল নেলসন''': দুঃখিত টম- তুমি যা বলছো তা আমি বিশ্বাস করতে পারছি না।
:'''টম সার্ভো (টম অ্যান্ডারসন হিসেবে)''': তাহলে আমার ড্রিঙ্কসটা ফেরত দাও।
:'''টম অ্যান্ডারসন''': এমন ঘটনা আগেও ঘটেছে। অনেক বছর হলো কেউ আমাকে বিশ্বাস করে না।
:'''ক্রো টি. রোবট (টম অ্যান্ডারসন হিসেবে)''': অভিমান? হ্যাঁ সামান্য হচ্ছে।
: . . .
:'''জোয়ান নেলসন''': তোমার ব্যক্তিগত ‘বন্ধু’?
:'''টম সার্ভো (জোয়ান হিসেবে)''': নামী মানুষের নাম ভাঙিয়ে ভাব দেখানো এক মানুষ!!
:'''ক্লেয়ার অ্যান্ডারসন''': সত্যিকারের বন্ধু।
:'''টম অ্যান্ডারসন''': আমাকে নিয়ে মানুষের হাসাহাসির দিন শেষ হয়ে গেছে মা।
:'''ক্রো টি. রোবট (ডক্টর অ্যান্ডারসন হিসেবে)''': তোমাকে আমার কাছে নতি স্বীকার করতেই হবে!
<hr width="50%"/>
:'''পল নেলসন''': ও খুব দেরিতে হলেও শিখল যে মানুষ হলো আবেগপ্রবণ প্রাণী... আর সে কারণেই মহাবিশ্বের শ্রেষ্ঠ জীব। ও নিজের জন্য খুব দেরিতে শিখল যে মানুষকে জীবনের পথ নিজেই খুঁজে নিতে হয় আর ভুলও নিজেকেই করতে হয়। বাইরে থেকে কেউ আমাদের নিখুঁত সমাধান এনে দিতে পারে না। আর মানুষ যখন তেমন কিছুর খোঁজ করে... তখন সে শুধু মৃত্যু... আগুন... ক্ষতি... আর হতাশার দেখাই পায়... সবকিছুর পরিসমাপ্তি ঘটে। মানুষ সবসময় কষ্ট আর পরিশ্রম থেকে মুক্তি চেয়েছে কিন্তু ওটা কেউ কাউকে দিতে পারে না ওটা নিজেকেই অর্জন করতে হয়। আশা আছে তবে তা মানুষের নিজের ভেতর থেকেই আসতে হবে।
=== [[w:bn:গামেরা বনাম গুইরন|গামেরা বনাম গুইরন]] ===
:'''টম সার্ভো''': (নেস্টলে কোম্পানির জিঙ্গেলের সুরে গাইছে) এম-সি-এম-এল-এক্স-আই-এক্স / ডাইয়েই তৈরি করে সেরা সব জিনিস
:'''জোয়েল রবিনসন''': (গাইছে) সিনেমা — একদম না!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': (সিনেমার মিউজিকের তালে গাইছে) চলো দেখি বাচ্চারা কীভাবে যমের দুয়ারে যাচ্ছে / ওরা বনের ভেতর হারিয়ে যাবে / অনেক দিন লাগবে ওদের খুঁজে পেতে / ওই বেচারা কর্নজবকে এ জন্য দায়ী করা হবে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': (গাইছে) আমাদের এই ফালতু গান কেন গাইতে হচ্ছে? / এটা খুব বিরক্তিকর হয়ে যাচ্ছে / গানটা অনেক লম্বা হয়ে গেছে বলে ক্ষমা চাইছি...
:'''সার্ভো, ক্রো এবং জোয়েল''': আমাদের খুব অপরাধবোধ হচ্ছে।
:'''টম সার্ভো''': টা-ডা!
:'''জোয়েল রবিনসন''': (গাইছে) এবার আমাদের অনুষ্ঠানে ফেরা যাক।
:'''টম সার্ভো''': আমার ভুলের জন্য আমি ক্ষমা চাইছি।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল, ক্রো টি. রোবট, সার্ভো''': গামেরা! / গামেরা! / গামেরা খুব ভালো! / গামেরা মাংসে ঠাসা! / আমরা গামেরা খাচ্ছি!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': সেই চ্যাপ্টা চুলওয়ালা লোকটা আসছে...
:'''টম সার্ভো''': (ফিসফিস করে) থামো! জর্জ হ্যারিসন মামলা করে দেবে তোমার নামে!
:'''জোয়েল রবিনসন''': আমার ভুলের জন্য ক্ষমা চাইছি সরি!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ও এখন ওর ওপর বাড়তি সুবিধা পেয়ে গেল।
:---
:'''টম সার্ভো''': ক্রো!
:'''ক্রো টি. রোবট''': জানি।
:...
:'''ক্রো টি. রোবট''': হাই-কিবা! আমি ওই লোকটাকে হারানোর জন্য অনেক বড় ত্যাগ স্বীকার করতে পারি।
:'''টম সার্ভো''': ধুর!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ও তো খুব খতরনাক গেম খেলছে বলা যায়।
:'''টম সার্ভো''': গ্ররর!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ও অনেক বড় ঝুঁকি নিচ্ছে!! ও কোনো প্রস্তুতি ছাড়াই ময়দানে নেমেছে!!
:'''টম সার্ভো''': কিছু একটা করো জোয়েল! কিছু করো!
:'''জোয়েল রবিনসন''': আমি ওটা ওখানেই ফেলে রাখছি...
:'''টম সার্ভো''': হেই দেখো ঝাল ঝাল চিকেন উইংস বন্ধুরা- আমাকে মারবেন না প্লিজ।
:...
:'''ক্রো টি. রোবট''': সুসময় থাকতেই কাজ বন্ধ করো!!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন (মহাকাশচারী মেয়ে হিসেবে)''': বাচ্চাদের মগজ খেতে বেশি সুস্বাদু লাগে যদি ওরা আগে থেকেই মিষ্টি ভাজা খাওয়ার কথা চিন্তা করে।
<hr width="50%"/>
:'''আকিও''': হেই আমার চুলগুলো কী হলো?
:'''টম''': এলিয়েনরা এটা করেছে ওরা তো মানুষখেকো!
:'''জোয়েল রবিনসন (আকিও হিসেবে)''': ওরা আমার মাথার চুলও **খেয়ে ফেলেছে**??
<hr width="50%"/>
:'''আকিওর মা''': আকিও আবার কোনো গুপ্ত পরিকল্পনা করছে।
:'''জোয়েল রবিনসন (আকিওর মা হিসেবে)''': তোমার আজ মিষ্টি খাওয়া একদম বারণ।
:---
:'''আকিওর মা''': লেখাপড়া করো নয়তো ভালো কোনো কলেজে ভর্তি হতে পারবে না।
:'''টম সার্ভো (আকিওর মা হিসেবে)''': মা খুব রেগে আছে... কারণ ও জানেই না কোন বর্ণ দিয়ে কোন শব্দ হয়।
:'''ক্রো টি. রোবট (তোমোকো হিসেবে)''': আমি ওকে দেখিয়ে দেব! আমি বড় হয়ে ওই বিখ্যাত গানের দল বিটলস ভেঙে দেব!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন (তোমোকো হিসেবে)''': যখন সাজা দেওয়া শুরু হবে তখন বুঝবে কে আসল বস ওরে আজব মানুষ!!
<hr width="50%"/>
:'''তোমোর মা''': শুভ দুপুর আমি তোমোকে নিতে এসেছি।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আরে ও তো ভ্যানেসা রেডগ্রেভ!
:---
:'''তোমোর মা''': হ্যালো এলসা...
:'''টম সার্ভো''': হ্যালো ইনগা।
:'''তোমোর মা''': হ্যালো ধন্যবাদ।
:'''জোয়েল রবিনসন''': হ্যালো!
:---
:'''জোয়েল রবিনসন''': ধন্যবাদ।
:'''তোমোর মা''': আচ্ছা ওরা কোথায় গেছে? তোমোকো কি এ বিষয়ে কিছু জানে??
:---
:'''টম সার্ভো (তোমোকো হিসেবে)''': আমি এখান থেকে লাফ দেব আমাকে আটকাতে এসো না!!
:---
:'''সার্ভো, ক্রো এবং জোয়েল''': ধন্যবাদ!
:---
:'''সার্ভো, ক্রো এবং জোয়েল''': হ্যালো!
:'''ক্রো টি. রোবট''': এটা বেশ মজার আর সে জন্য আপনাকে ধন্যবাদ!
:---
:'''টম সার্ভো (তোমোর মা হিসেবে)''': ওর বয়স যখন ২১ হবে তখন আমি ওকে নিতে আসব ধন্যবাদ!
:---
:'''জোয়েল রবিনসন''': অভিবাদন আর আমার কৃতজ্ঞতা গ্রহণ করুন!!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': আপনি চলে যাচ্ছেন দেখে আমি খুব কৃতজ্ঞ।
:'''জোয়েল রবিনসন''': হ্যালো।
:'''টম সার্ভো (তোমোর মা হিসেবে)''': ওহ ওকে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি করে নিন প্লিজ। অভিবাদন আর আমার কৃতজ্ঞতা গ্রহণ করুন!!
:---
:'''জোয়েল রবিনসন (তোমোকো হিসেবে)''': চুপ করো আর গাড়ি চালাও!! আর ধন্যবাদ!
<hr width="50%"/>
:'''তোমোকো''': কোন-চ্যান?
:'''অফিসার কোন্ডো''': অ্যাঁ? কী?
:'''জোয়েল রবিনসন (তোমোকো হিসেবে)''': (ফিসফিস করে) গামেরা ওদের সবাইকে মেরে ফেলবে!!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন (তোমোকো হিসেবে)''': আমিই প্রথম!! আমিই প্রথম পিষ্ট হতে চাই!!
=== [[w:bn:আর্থ বনাম দ্য স্পাইডার|আর্থ বনাম দ্য স্পাইডার]] ===
==== বক্তৃতা: আপনার কণ্ঠস্বর ব্যবহার (ছোট ছবি) ====
:'''প্রফেসর বুলার''': আপনি কি জানেন প্রতিদিন কেউ না কেউ পণ্য বিক্রি করতে ব্যর্থ হয়...
:'''ক্রো টি. রোবট (বুলার হিসেবে)''': ...অথবা কোনো অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিক্রি করতে...
<hr width="50%"/>
:'''প্রফেসর বুলার''': এখন এই তিনটি কথা মনে রাখুন: মানুষকে আপনার কথা শুনতে হবে বুঝতে হবে আর আপনার কণ্ঠস্বর আকর্ষণীয় হতে হবে।
:'''টম সার্ভো (বুলার হিসেবে)''': ওহ আর আপনার শরীরে একটা তারের ফ্রেম থাকতে হবে।
<hr width="50%"/>
:'''প্রফেসর বুলার''': আপনি কি জানেন...
:'''ক্রো টি. রোবট (বুলার হিসেবে)''': ...যে আমার হাঁটুর ওপর ছোট ছোট খরগোশ আঁকা আছে? সত্যিই আছে।
<hr width="50%"/>
:'''ব্যক্তি ১''': উমম আসলে আমরা কয়েকদিন ছিলাম মানে কয়েক রাত ওই উমম...
:'''ক্রো টি. রোবট (ব্যক্তি ১ হিসেবে)''': উমম... উমম... মেয়েদের অন্তর্বাস!!
<hr width="50%"/>
:'''প্রফেসর বুলার''': এবার চলুন অন্য একটা সাধারণ উদাহরণ দেখা যাক।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (বুলার হিসেবে)''': এই লোকটা ব্রা পরে আছে। এখন ওর আপনার গলার স্বর ভালো লাগবেই।
<hr width="50%"/>
:'''ব্যক্তি ২''': স্টেশনে এক মজার ঘটনা ঘটল দেখুন আমি ওখানে ছেলেদের জন্য অপেক্ষা করছিলাম যখন...
:'''ক্রো টি. রোবট (ব্যক্তি ২ হিসেবে)''': ধুর আমি তো ওই গ্যালারির নিচে ছিলাম আর তখনই পুলিশ আমাকে তাড়া করল আর প্রশ্ন করা শুরু করল...
:'''টম সার্ভো''': আহ গ্যারিসন কেইলার।
<hr width="50%"/>
:'''প্রফেসর বুলার''': উনার অনেক শ্রোতাই উনার কথা বুঝতে পারবেন না আর যারা পারবেন...
:'''জোয়েল রবিনসন (বুলার হিসেবে)''': ...তারা চাইবেন লোকটা যেন মরে যায়।
==== আর্থ বনাম দ্য স্পাইডার (মূল সিনেমা) ====
:'''টম সার্ভো (ক্যারল হিসেবে)''': ওহ ওটা স্রেফ এক মৃত মানুষ- এক **মৃত বাবা???** ওহ নাআআ! (কান্না করছে)
:'''ক্রো টি. রোবট (ক্যারল হিসেবে)''': ওহ খোদা!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': না ডক্টর এরহার্ড না! তাহলে ওর ভাগ্যে এটাই ছিল!
:'''টম সার্ভো''': ওরে বাবা।
:'''ক্রো টি. রোবট (ডক্টর এরহার্ড হিসেবে)''': মজা নিন!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': জোয়েল তোমায় খুব দুঃখের সাথে জানাচ্ছি: কিস (KISS) ব্যান্ডের কোনোদিনই স্টাইল বা জনপ্রিয়তা ছিল না!!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওটা তো রোজ কেনেডি!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই! “মানুষের জীবনে কী ধরনের অনৈতিক কাজ করা উচিত?”
:'''টম সার্ভো''': দারুণ!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (মাইকের বাবা হিসেবে)''': আর দোকান থেকে আমার পরিষ্কার করা জামাকাপড় নিয়ে এসো।
:---
:'''জোয়েল রবিনসন (মাইক হিসেবে)''': ওরে বাবা আবার ওই পোস্টারটার পাশ দিয়ে যেতে হবে। দারুণ!
:---
:'''টম সার্ভো''': ...সব জায়গায়... ওহ বার্ট...
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার হিসেবে)''': আমি মিথ্যা বলেছি।
:---
:'''মাইক''': ক্যারল আজ নয় আমার বাবা মাত্র একটা নতুন ছবি নিয়ে এসেছেন আর আমি ওটা এখনও দেখিনি। পুতুল হওয়া মানুষদের নিয়ে কিছু একটা। মনে হচ্ছে খুব উত্তেজনাকর হবে।
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওহ বার্ট আই গর্ডন আপনি যা করেছেন তার জন্য আপনার লজ্জা হওয়া উচিত...
:---
:'''মাইক''': ঠিক আছে মনে হয় আমি জো-র গাড়িটা আবার ব্যবহারের অনুমতি পাব।
:'''ক্যারল''': শুধু বাড়ির সামনে এসো না। আমি চাই না মা জানুক যে আমি ওখানে যাচ্ছি।
:---
:'''মাইক''': বাবা পরে দেখা হবে আমার ডেট আছে এখন!
:'''টম সার্ভো (মাইকের বাবা হিসেবে)''': দাঁড়াও! তুমি কি ওই চমৎকার সিনেমাটা দেখবে না?
=== [[w:bn:মাইটি জ্যাক|মাইটি জ্যাক]] ===
:'''জোয়েল রবিনসন''': যে যৌন দৃশ্যের শুটিং করে? এটা কি কোনো-
:'''টম সার্ভো''': না না না- স্পেশাল ইফেক্টস জোয়েল।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল, ক্রো এবং সার্ভো''': (গান গাইছে) গল্পের গতি ধীর করো ল্যাডি গল্পের গতি ধীর করো / হেই গল্পের গতি ধীর করো! / আমরা গল্পটা নষ্ট করব আর ওর গতি থামিয়ে দেব। / আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করব গল্পের গতি ধীর করার জন্য! / ওহহহ আমরা তোমার জন্য অনেক লম্বা এক সিনেমা বানাব। / হেই গল্পের গতি ধীর করো! / শুধু আমাদের এমন এক গল্প দাও যার কোনো মাথামুণ্ডু নেই!! / আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করব গল্পের গতি ধীর করার জন্য!
=== [[w:bn:টিনেজ কেভম্যান|টিনেজ কেভম্যান]] ===
==== জলজ জাদুকর (ছোট ছবি) ====
:'''ঘোষক''': তৃতীয় লোকটা কোথায়? ও তো ভীরু- লাফটা দিলই না।
:'''ক্রো টি. রোবট (ঘোষক হিসেবে)''': ওটা কী? ও গায়ের জোরে স্পিকারের রুমে ঢুকে পড়েছে। ওর হাতে ওটা কী? ওহ না! আআহ!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': সেফটি ভেস্টের কথা চিন্তাও কোরো না এটা ১৯৫০ এর দশক!!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': এইবার সাদা চামড়ার বর্ণবাদী বর্ণনাকারী এক বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্য করবে!!
:'''টম সার্ভো (ঘোষক হিসেবে)''': হা আমি কী-ই বা জানি? আমি গ্রাম থেকে আসা এক মোটা লোক যে রেডিওতে কথা বলে প্রচুর স্ন্যাকস আর বিস্কুট খাই আর এক তছনছ হয়ে যাওয়া জীবনের সাথে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি যা ভালো হওয়ার কথা থাকলেও খুব খারাপ হয়েছে হে খোদা কেন কেন কেন??....
==== বিপদ ধরা (ছোট ছবি) ====
:'''জোয়েল রবিনসন (টেড হুসিং হিসেবে)''': কর্নেল কার্টজকে খতম করো!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (গ্রাউচো মার্কস হিসেবে)''': আর দুটো শক্ত করে সেদ্ধ করা ডিম।
:'''টম সার্ভো (হার্পো মার্কস হিসেবে)''': হর্নের শব্দ!
:'''ক্রো টি. রোবট (গ্রাউচো মার্কস হিসেবে)''': ওটা তিনটে ডিম করে দাও।
<hr width="50%"/>
:'''টেড হুসিং''': হেই মিস্টার ক্যাট আপনি ওটা করতে পারেন না! আপনি কি জানেন না শিকাগো শহরের পুলিশ আপনাকে খুঁজছে?
:'''টম সার্ভো (হুসিং হিসেবে)''': ভোটে কারচুপি করার জন্য??
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (বনবিড়াল হিসেবে)''': ধুর ছাই!! আমি জিতেই ছাড়ব!! আমার জাতের মান-সম্মান আছে!
<hr width="50%"/>
:'''টেড হুসিং''': যাক শেষ পর্যন্ত ধরা গেল!! এবং এভাবেই রস অ্যালেন তার আজকের দিনের তেত্রিশ শতাংশ কাজ শেষ করল। এরপর ও কী করবে??
:'''জোয়েল রবিনসন''': বন্ধুবান্ধব আর আত্মীয়স্বজনকে কষ্ট দেবে??
:'''ক্রো টি. রোবট''': একটা ছোট বাইক নিয়ে ছোট প্রাণীদের তাড়া করবে যতক্ষণ না ওরা ভয়েই মরে যায়?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ...নয়তো পেটাক (PETA) ফোন করো!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': আমি অনেক টাকা খরচ করতে রাজি যদি ওই ভালুক ছানার মা ঠিক এই মুহূর্তে উদয় হয় কী বলো ছেলেরা?
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওই বিশাল সাপটা নয়! প্লিজ আমি ওটা পারব না! ও আমাকে একদম সহ্য করতে পারে না আমরা একই পার্কে যেতাম!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': যদি আপনি কোনোভাবে এই বিপদ ধরা অনুষ্ঠানটা পছন্দ করেন তবে আপনার মানসিক বা নৈতিক কোনো সমস্যা আছে!!
:'''জোয়েল রবিনসন''': কারো কোনো প্রশ্ন আছে?
==== টিনেজ কেভম্যান (মূল সিনেমা) ====
:'''বর্ণনাকারী''': শুরুতে সবকিছু খুব অগোছালো ছিল...
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আর সেটা চালাত বার্নি কোপেল।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ আর তারপর খোদা উদয় হলেন।
:'''বর্ণনাকারী''': আর এক কণ্ঠস্বর বলল “আলো আসুক”।
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওহ এটা তো বোর্ড ড্রয়িং দিয়ে কোনো ধর্মীয় প্রচার। আমি এগুলো দেখেছি।
:---
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আর ইস্ত্রি ছাড়া জামাকাপড় সুতি কাপড় থেকে আলাদা করা হলো।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আর চার্লটন হেস্টনকেও বানানো হলো।
:---
:'''টম সার্ভো''': ব্যাঙ।
:---
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওহ এটা তো ফ্যান্টাসিয়া সিনেমা কালার করার আগে।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওদের সবাইকে অনাথ শিশুর মতো লাগছে।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': পুরো পরিস্থিতিটা নষ্ট করার জন্য!!
:'''সার্ভো এবং জোয়েল''': হেই!
:'''ক্রো টি. রোবট''': আচ্ছা রসের খবর কী?
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমার উপত্যকা কি খুব সবুজ আর সতেজ ছিল??
:'''জোয়েল রবিনসন''': সামান্য ছিল।
<hr width="50%">
:'''জোয়েল রবিনসন''': এই গল্পটা ফোনের ডিরেক্টরি বইয়ের মতো লম্বা আর বিরক্তিকর!!
:'''ক্রো টি. রোবট''': তবে ওটার চেয়ে কম আকর্ষণীয়।
=== [[w:bn:দ্য সাগা অব দ্য ভাইকিং উইমেন অ্যান্ড দেয়ার ভয়েজ টু দ্য ওয়াটার্স অব দ্য গ্রেট সি সার্পেন্ট|দ্য সাগা অব দ্য ভাইকিং উইমেন অ্যান্ড দেয়ার ভয়েজ টু দ্য ওয়াটার্স অব দ্য গ্রেট সি সার্পেন্ট]] ===
:'''জোয়েল রবিনসন''': (গাইছে) ডব্লিউ অক্ষর দিয়ে তোমাকে সেবা করার নানা পদ্ধতি বোঝায়
:'''ক্রো টি. রোবট''': (গাইছে) এ হলো সেই প্রশংসার জন্য যা তুমি তোমার গুণের কারণে পেয়েছো
:'''জিপসি''': (গাইছে) এফ কারণ তুমি খুব নরম তুমি স্তরযুক্ত তুমি উপভোগ্য!!
:'''টম সার্ভো''': (গাইছে) আর এফ হলো সেই স্বাদের জন্য যা সবার চেয়ে সেরা!!
:'''জোয়েল রবিনসন''': (গাইছে) এল হলো তুমি কতটা হালকা আর নরম আর খাওয়া কত সহজ!!
:'''জোয়েল, সার্ভো, ক্রো এবং জিপসি''': (গাইছে) ই মানে হলো ডিম--ও শিশু!!
:'''টম''': স্বাভাবিকের চেয়ে তিনগুণ বেশি স্পিডে!!
:'''জোয়েল, সার্ভো, ক্রো এবং জিপসি''': (গাইছে) বন্ধুত্বপূর্ণ অভিবাদনের সাথে সব কটাকে মেলাও আমরা এই ভালো ওয়াফেলগুলো খেতে খুব ভালোবাসি--
:'''জিপসি''': আমাকে দয়া করে আরেকটা দিন!
:'''সার্ভো''': আমারটার ওপর একটু পাতলা পনির দিয়ে দিন!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ঝাল ওয়াফেল আমার খুব পছন্দ!!
:'''জোয়েল রবিনসন''': আন্ট জেমিমা সিরাপ দিয়ে খাবারটা গিলতে একটু সাহায্য করবেন?
:'''জোয়েল, সার্ভো, ক্রো এবং জিপসি''': (গাইছে) ওয়াফেলস আমরা তোমাদের ভালোবাসিইইইই!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': ...ওয়াফেলস। ওহ মুভি সাইন দেখা যাচ্ছে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ভাইরে পেট ভরে গেছে আমি অতিরিক্ত খাবার খেয়ে ফেলেছি!! আমি ভাবতে শুরু করেছি যে ওয়াফেল না থাকলে জগতটা আরও ভালো জায়গা হতো।
:'''ক্রো টি. রোবট (ওয়াফেল সেজে)''': কোনো ওয়াফেল নেই??
:'''টম সার্ভো''': আপনি কে?
:'''ক্রো টি. রোবট''': কেন আমি উইলি দ্য ওয়াফেল; এক মহান রসিক ওয়াফেল! আপনাকে একটা কথা জিজ্ঞেস করতে পারি?
:'''টম সার্ভো''': অবশ্যই।
:'''ক্রো টি. রোবট''': (হঠাৎ চিৎকার করে) জীবন মরণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার আপনাকে কে দিয়েছে??! আপনি কি জানেন যে এই ব্রেকফাস্ট ইন্ডাস্ট্রি পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষকে কাজ দেয়? যাদের অধিকাংশের নাম চ্যাড?
:'''জোয়েল রবিনসন (চ্যাড হিসেবে)''': হাই জোজো ওয়াফেল বেরিতে স্বাগতম। আমাদের আজকের স্পেশাল হলো গেম সসে ওয়াফেল। আমাদের আরও আছে-
:'''ক্রো টি. রোবট (উইলি হিসেবে)''': মাফ করবেন চ্যাড আপনাকে আমাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করতে হবে। কোনো ওয়াফেল আর নেই! ওয়াফেল ছাড়া বাচ্চাদের লিগ বেসবল খেলাও অসম্ভব হবে!
:'''জোয়েল রবিনসন (ছোট ছেলে হিসেবে)''': মা ট্রেনিং শুরু হতে আর এক ঘণ্টা বাকি!! আমি কি কিছু ওয়াফেল পেতে পারি?
:'''ক্রো টি. রোবট (উইলি/মা হিসেবে)''': মাফ করিস বাবা কোনো ওয়াফেল আর নেই!
==== গৃহ অর্থনীতির গল্প (ছোট ছবি) ====
:'''জোয়েল রবিনসন''': আইওয়া স্টেট কলেজ: বড়দের স্কুল!!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (গাইছে)''': যদি আমি এই দলে যোগ দিতে পারতাম তবে জীবন পূর্ণ হতো আমি চাষের জন্য জমি তৈরি করতাম ঘাসগুলো বড় বড় আঁটি বাঁধতাম...
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন (হেডমাস্টার হিসেবে)''': ঋতুস্রাব নিয়ে একটি লেকচার: একটি লেকচার।
:---
:'''টম সার্ভো (মহিলা হিসেবে)''': ...আর কেন আমাকে চাকরি থেকে বের করে দেওয়া হচ্ছে।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (মহিলা হিসেবে)''': আমার মুখে সিসার পাইপ দিয়ে কয়েকবার মারা হয়েছিল!!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ও রবার্ট ম্যাকনামারার কাছে পরামর্শ চেয়েছিল।
:'''জোয়েল রবিনসন''': আর আয়ন র্যান্ডের কাছেও!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': শান্ত হও! শান্ত হও! চলো এখান থেকে বের হই।
:---
:'''টম সার্ভো (কে হিসেবে)''': ওরে বাবা এটা তো চলে এসেছে! ধুর! আমি নিজেই নিজেকে এটা পোস্ট করেছিলাম!
:'''জোয়েল রবিনসন''': এটা এড ম্যাকমোহনের কাছ থেকে এসেছে! এখানে বলছে আমি নাকি সম্ভবত একটা পুরস্কার জিতে গেছি!!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (জিন হিসেবে)''': হাই! কী খবর? আমরা খুব আনন্দ করব!! আমরা খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু হব!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওটা কি আসল পনচো নাকি ওই দোকান থেকে কেনা জামা?
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': হেই দেখো! এটা ১৯৫০ এর দশকের সেই মস্ত বড় গানের আসর!! এরপর ভিক ড্যামোন আসবে।
:'''জোয়েল রবিনসন (দর্শকের গলায়)''': ‘হুইপিং পোস্ট’ গানটা গাও!!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি একটা কান পরিষ্কার করার কাঠি আপনি কী!
:---
:'''জোয়েল, ক্রো, সার্ভো (চিয়ারলিডার হিসেবে)''': আমার গোপনাঙ্গ দেখুন। আমার গোপনাঙ্গ দেখুন। আমার গোপনাঙ্গ দেখুন। ইয়ে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আমি রায়কে সম্মান জানাই ওই আজব ল্যাম্পশেডটা।
:---
:'''জোয়েল রবিনসন (কে হিসেবে)''': পপ-টার্টস কীভাবে কাজ করে?
:---
:'''জোয়েল রবিনসন (জিন হিসেবে)''': আমি ববের সব টাকা আর সম্পত্তি চুরি করতে যাচ্ছি!!
:---
:'''জোয়েল রবিনসন (কে হিসেবে)''': কারণ আমি নিজে কাজটা করতে পারি না।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন (ছোট মেয়ে হিসেবে)''': ...কী? আমাদের পুরুষদের নিচে থাকতে হবে?!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন (ঘোষক হিসেবে)''': হোম ইকোনমিকস অভিনয়ে এফ্রেম জিমবালিস্ট জুনিয়র।
:'''ভয়েস ওভার''': হোম ইকোনমিকস কী?
:'''ক্রো টি. রোবট''': ভাইরে এতক্ষণ পর তোমাদের এই কথা মনে পড়ল...
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': হেই এটা তো অ্যাবে রোড।
:'''জোয়েল, ক্রো, সার্ভো (গাইছে)''': ওই যে আমরা আসছি রাস্তা দিয়ে হেঁটে...
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আর আন্না কারেনিনা সিনেমার শেষ দৃশ্যের অভিনয় করতে।
=== [[w:bn:স্টার ফোর্স: ফিউজিটিভ এলিয়েন II|স্টার ফোর্স: ফিউজিটিভ এলিয়েন II]] ===
:'''টম সার্ভো''': ওরে বাবা ফিউজিটিভ এলিয়েন টু: ইলেকট্রিক বুগালু দ্য হেরেটিক প্যারাডাইসে নার্ডদের প্রতিশোধ মুভ অন সিটিজেনস অন পেট্রোল!
:'''জোয়েল রবিনসন''': স্টার ফোর্স গুণিতক দুই! দুই গুণ অ্যাকশন দুই গুণ কনফিউশন!
:'''টম সার্ভো''': বাবুম!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': হেই মিউজিকটা বেশ চটপটে। আমার খুব ভালো লাগছে!
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ! হেই দারুণ মজা হবে বন্ধুরা! আমার খুব- ওহ আমরা কাকে ধোঁকা দিচ্ছি এটা ফিউজিটিভ এলিয়েনের সিক্যুয়েল আমাদের ১২০ মিনিটের এক জঘন্য সময় পার করতে হবে!! (সার্ভো কাঁদছে)
:'''জোয়েল রবিনসন''': শান্ত হও তোমরা আমাদের শক্ত থাকতে হবে। ভেঙে পড়লে চলবে না। চলো আমরা অনেক স্যান্ডি ফ্র্যাঙ্ক সিনেমা পার করেছি উনি আমাদের হারাতে পারবেন না।
:---
:'''টম সার্ভো''': (কাঁদছে) ওসব খবর আমাদের জানা আছে...
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': দেখেছি!
:'''টম সার্ভো''': টেপ করা আছে! (আরও বেশি কাঁদছে)
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন (কেন হিসেবে)''': হা হা! মেয়ে বন্ধুটা তো মরে ভূত!! হেই!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': যেটা কেন একটা দোকানে এক প্যাকেট সিগারেটের বিনিময়ে বেচে দিয়েছে।
:---
:'''জোয়েল রবিনসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': অথবা ওর ক্রেডিট কার্ডে ও যে পরিমাণ দেনা করে গেছে সেটা ও ভুলবে না তাই না?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আবারও?
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': আবারও?!
:'''টম সার্ভো''': বেশ বলেছো ক্রো।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন (ইউরুলিন হিসেবে)''': আমিই হলাম অজেয় মলি ব্রাউন!!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': পুরো চেয়ারটা নোংরা হয়ে গেছে!!!!
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওকে এখান থেকে বের করতে হবে! চলো ক্রো!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': টম সার্ভো! ওহ খোদা! টম সার্ভো মরে গেছে! ও মারা যাচ্ছে! নির্ঘাত ওই সিনেমার জন্য এমন হয়েছে! ওহ ভাই! ও আমাদের ছেড়ে চলে যাচ্ছে!
:'''ক্রো টি. রোবট (উইলিয়াম শ্যাটনারকে নকল করে)''': এক রোবট বাজে সিনেমা দেখল আর ও বেহুঁশ হয়ে গেল এরপর এমারজেন্সি ৯১১-- (ঠোঁটে চড় খেল)
:'''জোয়েল রবিনসন''': ক্রো! ওই উইলিয়াম শ্যাটনারের মতো কথা বলা বন্ধ করো আর আমাকে সাহায্য করো! আমাদের বন্ধু টম সার্ভোর জীবনের প্রশ্ন এটা!
:'''ক্রো টি. রোবট (উইলিয়াম শ্যাটনার মোডে)''': কিন্তু আমাকে শুক্র গ্রহের যুদ্ধ শেষ করতে হবে... স্টার ট্রেক ৯ পরিচালনা করতে হবে! (চরিত্র থেকে বেরিয়ে) হুকার অফিসার খুব কাজের মানুষ!! ওহ ও একজন ভালো-- (আবারও ঠোঁটে চড় খেল)
:'''জোয়েল রবিনসন''': ক্রো আমার কথা শোনো আর ভালোমতো শোনো তোমাকে ওই শ্যাটনারের মতো ঢং বন্ধ করতে হবে। আমার তোমাকে এখন দরকার আমাদের বন্ধুর জীবন সংকটে!!
:'''ক্রো টি. রোবট''': (ফুঁপিয়ে কাঁদছে) সরি জোয়েল আমি জানতাম না...
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': স্টার ফোর্সের নতুন খেলনা Captain Joe বাজারে এসেছে মদ্যপ ঝগড়াটে আর পেটমোটা ব্যাকাস থ্রি কমান্ডার ফিউজিটিভ এলিয়েন সিরিজের প্রিয় চরিত্র!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ডিজির মতো ফোলা গাল আলাদা কিনতে হবে।
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ ও দুলতে দুলতে হাঁটে আর হোঁচট খায় এমনকি কথাও বলে!
:'''জোয়েল রবিনসন (মাতাল জো হিসেবে)''': উমম ব্যাকাস থ্রি-র দলের সাথে থাকা খুব একটা খারাপ না। গ্লাস ভর্তি করো মেজবান।
:'''ক্রো টি. রোবট''': মদের বোতল সাথে দেওয়া নেই।
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ আপনার ক্যাপ্টেন জো খেলনা থাকলে আপনি সবসময় খুব উৎসাহী থাকবেন আর ও সবসময় সত্য অস্বীকার করবে।
:'''জোয়েল রবিনসন (মাতাল জো হিসেবে)''': উমম... আমি শুধু শনি আর রবিবার মদ খাই... আমি খেতে পারি!
:---
:'''টম সার্ভো''': অবশ্যই ওর সমস্যা আছে কিন্তু আপনাকে সেটা সইতে হবে না! শেষ পর্যন্ত আপনি ওর জন্য দশ ডলার খরচ করেছেন।
:---
:'''টম সার্ভো''': আপনি চাইলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ক্যাপ্টেন জো-র সমস্যা সমাধানের মিটিং করতে পারেন।
:'''জোয়েল রবিনসন (কেন পুতুল হিসেবে)''': ক্যাপ্টেন জো আমি এখানে বসে বসে তোমার এই দশা দেখতে পারব না!
:'''জোয়েল রবিনসন (বার্বি পুতুল হিসেবে)''': ক্যাপ্টেন জো কেন আর আমি যখন তোমাকে খেতে ডাকলাম তুমি মদ্যপ হয়ে আমার সাথে ফ্লার্ট করার চেষ্টা করলে আর পুরো খেলনা ঘরে বমি করে দিলে!!
:'''জোয়েল রবিনসন (ডোনাটেলো হিসেবে)''': ক্যাপ্টেন জো বন্ধু আমি তোমাকে ভালোবাসতাম কিন্তু আমি এখানে বসে তোমার জীবন নষ্ট হতে দেখতে পারব না।
:'''টম সার্ভো''': আর ভুলো না বাচ্চারা ক্যাপ্টেন জো যদি নিজের সমস্যা না মেটায় তবে তোমরা সবসময়ই...
:'''জোয়েল, ক্রো এবং সার্ভো''': (গান গাইছে) একটা ভারী গাড়ি দিয়ে ওকে মারার চেষ্টা করো!!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': (সিনেমার মিউজিকের তালে গাইছে) আমরা এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার দিকে যাচ্ছি!! আমরা ট্যামিকে আগের জায়গায় রেখে যাব। আমরা সিনেমাটাকে আরও আজগুবি দৃশ্য দিয়ে লম্বা করব আর আপনি ঘুমিয়ে পড়বেন- তিন চার- আমরা বালির ঢিবির ওপর দিয়ে যাচ্ছি যেন ওটা খুব দরকারি...
:'''জোয়েল রবিনসন''': হয়েছে হয়েছে... অনেক হয়েছে।
:'''টম সার্ভো''': সরি।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আবারও?
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': আবারও?
:'''জোয়েল রবিনসন''': ...থামো।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': আবারও?!
:'''জোয়েল রবিনসন''': থামো বলছি!!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (দলের একজনের গলায়)''': হেই শস্যদানা... শস্যদানাগুলো দেখুন?!?!!?
<hr width="50%"/>
:'''জিপসি''': (গাইছে) কী দেখছো তুমি মায়াবী সমুদ্রে উড়ছো আমাদের জন্য লড়ছো ক্যাপ্টেন জো আর ওর দল যখন ওরা পাশ দিয়ে যায় কুমড়োর মিষ্টির চেয়েও স্বাস্থ্যকর...
<hr width="50%"/>
:'''রকি''': এই জায়গায় ঢোকা খুব কঠিন হবে।
:'''কেন''': কীভাবে করব?
:'''রকি''': খুব সহজ।
:'''টম সার্ভো''': কী- দাঁড়ান একটু।
=== [[w:bn:ওয়ার অব দ্য কলোসাল বিস্ট|ওয়ার অব দ্য কলোসাল বিস্ট]] ===
==== [[w:bn:মিস্টার বি ন্যাচারাল|মিস্টার বি ন্যাচারাল]] (ছোট ছবি) ====
:'''জোয়েল রবিনসন''': এ.এস.সি. মানে কী?
:'''টম সার্ভো''': ‘এ সিক কুকি’ বা এক অসুস্থ বিস্কুট।
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওহ।
== মৌসুম ৪ ==
=== [[w:bn:স্পেস ট্রাভেলার্স|স্পেস ট্রাভেলার্স]] ===
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমার স্লিপ অ্যাপনিয়া আছে তাই আমার খুব একটা অক্সিজেন লাগবে না।
=== [[w:bn:দ্য জায়ান্ট গিলা মনস্টার|দ্য জায়ান্ট গিলা মনস্টার]] ===
:'''জোয়েল রবিনসন''': হেই জিপসি এদিকে এসো!
:'''জোয়েল রবিনসন''': জিপসি না! এটা খুব ছোট!
:'''জিপসি''': এই দুজন শুধু ঝামেলা পাকায়... আসছি বিরতির পর।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল, ক্রো এবং সার্ভো''': (গান গাইছে) হাভা লা গিলা হাভাআআআ লা গিলা!
<hr width="50%"/>
:'''চেজ''': (গাইছে) ঈশ্বর বললেন “হাসো বাচ্চারা হাসো!”
:'''জোয়েল রবিনসন''': আমি শুধু জানতে চাই ঈশ্বর কি এই কথাটা টানা এতবার বলেছিলেন।
:'''চেজ''': (গাইছে) ঈশ্বর বললেন “হাসো হাসো হাসো!”
:'''ক্রো টি. রোবট''': সেজন্যই বাইবেলের ওই অধ্যায়টা এত বড়।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন (গিলা মনস্টার হিসেবে)''': আর ঈশ্বর বললেন “মরো বাচ্চারা মরো!”
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (কর্নেল কার্টজ হিসেবে)''': কী ভয়ংকর! কী ভয়ংকর!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': ধুর ওরা একমাত্র ভালো চরিত্রটাকেও মেরে ফেলল!
<hr width="50%"/>
:'''চেজ''': দুটো কুড়ি ডলারের নোট!
:'''টম সার্ভো''': তার মানে মোট ৩০ ডলার!
=== [[w:bn:সিটি লিমিটস|সিটি লিমিটস]] ===
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': উনি আর কেউ নন ব্রিটিশ পপ স্টার মরিসি!... উনি একটু ডিপ্রেশনে আছেন।
:---
:'''মরিসি''': উনি ওই মন্তব্য করে আমাকে খুব আঘাত দিয়েছেন। আমি কি বলেছি যে আমি কেঁদেছিলাম?
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': আরে মরিসি শোনো। আমরা শয়তান ঠিক আছে কিন্তু আমাদের কথাবার্তা তো স্রেফ মজার ছলে বলা।
:'''মরিসি''': কিন্তু ওতে আমি কষ্ট পেয়েছি। আমি কি বলেছি যে আমি কেঁদেছিলাম?
<hr width="50%"/>
:'''মরিসি''': এই গানটা আমি জীবনের সেই সময়ে লিখেছিলাম যখন আমি খুব খুব খুব দুঃখী ছিলাম। নাস্তার সময় আসলে। এটার নাম হলো ‘কোমায় থাকা হেয়ারড্রেসার’: গত রাতে আমি কেঁদেছি আমি লক্ষবার মরেছি। তোমার মিষ্টি চেহারার কথা আর তোমার গানের কথা ভেবে। আমি ভেতরে ভেতরে কেঁদেছি আমরা মিথ্যা বলেছি আর মরেছি। আর তারপর আমি আবারও কেঁদেছি। আমি নিশ্চয়ই ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফুঁপিয়েছি...
<hr width="50%"/>
:'''উডি''': আমার একটা দাঁত পড়ে গেছে।
:'''টম সার্ভো (যোগী হিসেবে)''': ওরে বাবা আমি তো তোমায় দাঁত মাজতে বলেছিলাম!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (উডি হিসেবে)''': বাহ আমার একটা হাত ছিঁড়ে গেলে তো তুমি হেসেই খুন হতে।
:'''জোয়েল রবিনসন''': এই লোকটা আসলেই মজার ব্যাখ্যা করা কঠিন... স্রেফ মজার মানুষ।
:'''টম সার্ভো''': ও এখনই একটা কাণ্ড করবে যা দেখে আপনারা হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাবেন।
<hr width="50%"/>
:'''স্যামি''': এটা পুসি নিবলস! এটা খুব ভালো!
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওহ এটা অনেক দিক থেকেই খুব আপত্তিকর।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': এরপর আর কোনো অভিনয় চলবে না। একদম নিষেধ।
:'''ক্রো টি. রোবট''': সং কৌতুকদের পাচার করা হচ্ছে। এ নিয়ে কেউ কোনোদিন কথা বলে না।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ঠিক আছে দাঁড়ান আমরা কি আমাদের স্ক্রিপ্টগুলো একবার চেক করতে পারি? ...ওহ এখানে আসলেই লেখা আছে যে বয় জর্জ মলোটভ ককটেল ছুড়তে ছুড়তে বাইক চালিয়ে আসবে।
<hr width="50%"/>
:'''মিক''': তুমি কিছুই না।
:'''জোয়েল রবিনসন (উডি হিসেবে)''': তাই নাকি? তাহলে তুমি একটা... গাধা... টাইপ মানুষ।
:'''মিক''': মানে তুমি যেখান থেকে এসেছো সেখানে হয়তো তুমি কিছু একটা হতে পারো কিন্তু—
:'''ক্রো টি. রোবট (উডি হিসেবে)''': না। ওখানেও আমার কোনো দাম নেই।
<hr width="50%"/>
:'''মিক''': আমরা গাধা নই।
:'''বোলো''': কেউ কাউকে গাধা বলছে না মিক।
:'''ক্রো টি. রোবট''': অন্তত ক্যামেরার সামনে তো নয়ই।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ অস্টিন সিটি লিমিটস!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (অ্যালবার্ট হিসেবে)''': এটা খুব মজার।
=== [[w:bn:টিনেজার্স ফ্রম আউটার স্পেস|টিনেজার্স ফ্রম আউটার স্পেস]] ===
:'''ক্রো টি. রোবট''': বাহ মহাকাশ থেকে আসা বেশ বুড়ো টিনেজার তো।
<hr width="50%"/>
:'''মহাকাশযানের ক্যাপ্টেন''': আমরা যখন আমাদের গ্রহে ফিরব তখন হাই কোর্ট তোমাকে অমানবিক শাস্তির নির্দেশ দেবে!
:'''জোয়েল, ক্রো টি. রোবট, সার্ভো''': নির্যাতন!!
<hr width="50%"/>
:'''মহাকাশযানের ক্যাপ্টেন''': আমরাই সেরা জাতি! আমাদের কাছেই সেরা সব অস্ত্র আছে!
:'''টম সার্ভো (ক্যাপ্টেন হিসেবে)''': আমাদের কাছে সেরা পিৎজাও আছে!
<hr width="50%"/>
:'''থর''': আদালত তোমার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আগে তোমাকে দেখানো উচিত আমরা যখন ওই দানবদের নিয়ে এখানে ফিরব তখন কী হবে! প্রকৃতির প্রভাবে ওরা সূর্যের উদয় আর অস্ত যাওয়ার আগেই কয়েক মিলিয়ন গুণ বড় হয়ে যাবে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': তার মানে একদিনের মধ্যে?
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন (ডেরেক হিসেবে)''': (গাইছে) আমি প্রায়ই এই রাস্তা দিয়ে হেঁটেছি কিন্তু কোনোদিন অস্ত্র হাতে এভাবে হাঁটিনি...
<hr width="50%"/>
:'''মহাকাশযানের ক্যাপ্টেন''': আমরাই সেরা জাতি! আমাদের কাছেই সেরা সব অস্ত্র আছে!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ধুর ওই আজেবাজে লোকটাকে থামাও তো!
<hr width="50%"/>
:'''বেটি''': ডেরেক তুমি কোথা থেকে এসেছো?
:'''জোয়েল রবিনসন (ডেরেক হিসেবে)''': স্টাডসভিলে নামের এক জায়গা থেকে। যার জনসংখ্যা হলো স্রেফ ‘আমি’।
=== [[w:bn:বিয়িং ফ্রম অ্যানাদার প্ল্যানেট|বিয়িং ফ্রম অ্যানাদার প্ল্যানেট]] ===
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': দাদি তো উনার উপহার দেখে কাঁদবেনই তবে অন্য কারণে। এই প্রথমটার নাম হলো ‘স্পার্কির শেষ খেলা’ আর এই হাতে তৈরি মূর্তিগুলো দেখায় খোকা বিলির জীবনের প্রথম কঠিন শিক্ষা আর কুকুর যখন গরুকে অনেক বেশি বিরক্ত করে তখন কী হয়।
...
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': এই সংগ্রহের অন্যান্যগুলোর মধ্যে আছে ‘রাগের মাথায় হাত তোলা’ ‘সবচেয়ে মৃত দাদি’ আর ‘বাবার তরল নাস্তা’।
...
:'''ক্রো টি. রোবট''': আপনাদের এই শয়তানির জন্য জেল হওয়া উচিত!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': এটা আপনার প্রতিটা কথাকে শোনার যোগ্য করে তুলবে তাই না?
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি আজ একটা নতুন কোদাল কিনেছি। দাম ১৫ ডলার। বিশ্বাস করুন... আর না করুন।
:'''জোয়েল রবিনসন''': অথবা আপনি এটা বন্ধুদের ভয় দেখাতেও ব্যবহার করতে পারেন। হেই আপনার নাম কি জ্যাক প্যাল্যান্স নাকি জ্যাক পা-ল্যান্স?
:'''টম সার্ভো''': ওটা আপনার সিদ্ধান্ত। সাবধানে বেছে নিন...
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': জানেন অন্য গ্রহের প্রাণী হিসেবে আমার এতে খুব একটা করার ছিল না।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': জেমস কারেন? উনার তো নামের মধ্যেই গোলমাল আছে।
:'''জোয়েল রবিনসন''': স্যাম চিউ?
:'''ক্রো টি. রোবট''': সুস্থ থাকুন।
:'''জোয়েল রবিনসন''': ধন্যবাদ।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (কঙ্কাল হিসেবে)''': হাই আমি মার্থা রে বড় মুখওয়ালা মেয়ে!
<hr width="50%"/>
:'''জহুরি''': ফালতু জিনিস।
:'''পিটার''': ফালতু?!
:'''টম সার্ভো (জহুরি হিসেবে)''': হ্যাঁ ঠিক তোমার ক্যারিয়ারের মতো।
:'''পিটার''': ফালতু মানে কী বলতে চাও?!
:'''জহুরি''': মানে এগুলো দামি কিছু না।
:'''টম সার্ভো (জহুরি হিসেবে)''': তুমি নিজেই খুব দামি।
:'''পিটার''': এগুলো তিন হাজার বছরের পুরানো! এগুলো প্রাচীন ভাই!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি ওসব ম্যাগাজিন পড়ি না।
:---
:'''জোয়েল রবিনসন (জহুরি হিসেবে)''': কথাটা ফিরিয়ে নাও নয়তো আমি তোমার মুখে পানি ছুড়ে মারব!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ...আর এখন আসছে ট্র্যাপার জন এম.ডি.!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ভাইরে ট্র্যাপার জন তো একদম মেডিকেল সেন্টারের পাশের বাড়িতে থাকে!
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ!
<hr width="50%"/>
:'''লিন্ডা''': আর এখন ওই দুষ্টু ছেলেমেয়েদের জন্য একটা বিশেষ বার্তা যারা ইন্সটিটিউটের মমিটা চুরি করেছে। আমার সাথে স্টুডিওতে আছেন আমাদের প্রফেসর ডগলাস ম্যাকক্যাডেন।
:'''ক্রো টি. রোবট''': বাহ বেশ জমজমাট অনুষ্ঠান।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (ডগলাস হিসেবে)''': **ওটা ফেরত দাও ওটা ফেরত দাও তোরা সব পাপিষ্ঠের দল-!!!**
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন (লিন্ডা হিসেবে)''': এখন আমি বানানা বোট সং গানটা বাজাতে চাই আমার বাবার স্মৃতির উদ্দেশ্যে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ না আবারও ওই আপদটা এল! এই জিনিসটাই পুরো গল্পের বারোটা বাজাচ্ছে!
<hr width="50%"/>
:'''বিল''': ধুর! হয়েছে অনেক। মেয়েদের সাথে আমার সব সম্পর্ক শেষ! আমি এখন থেকে সন্ন্যাসী হয়ে যাব!
:'''ক্রো টি. রোবট (এক মেয়ের গলায়)''': ওহ সন্ন্যাসী? আমরা সন্ন্যাসীদের খুব ভালোবাসি!
:'''জোয়েল রবিনসন (এক মেয়ের গলায়)''': আমাকে ক্ষমা করবেন ফাদার আমি পাপ করেছি!
:'''ক্রো টি. রোবট (এক মেয়ের গলায়)''': ওরে বাবা আমিও করতে যাচ্ছি।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': মস্ত বড় ভুল।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওগুলো আপনার হাত গলিয়ে দেওয়ার জন্য বানানো হয়নি।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': জানেন আমার মনে হয় এটা আমাদের দেখা সবচেয়ে বাজে সিনেমা।
:'''জোয়েল রবিনসন''': তাই নাকি? রোবট বনাম অ্যাজটেক মমির চেয়েও বাজে?
:'''টম সার্ভো''': ওটার চেয়েও বাজে আরও বাজে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': সাইডহ্যাকার্স-এর চেয়েও?
:'''টম সার্ভো''': বাজে।
:'''জোয়েল রবিনসন''': কেভ ডুয়েলার্স?
:'''টম সার্ভো''': বাজে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ক্যাটালিনা কেপার?
:'''টম সার্ভো''': বাজে।
:'''জোয়েল রবিনসন''': পড পিপল?
:'''টম সার্ভো''': বাজে!
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেলক্যাটস?
:'''টম সার্ভো''': ওহ আরও বাজে।
:'''জোয়েল রবিনসন''': ড্যাডি-ও?
:'''টম সার্ভো''': বাজে!
:'''ক্রো টি. রোবট''': রকেট অ্যাটাক ইউএসএ?
:'''টম সার্ভো''': বাজে।
:'''জোয়েল রবিনসন''': আর্থ বনাম দ্য স্পাইডার?
:'''টম সার্ভো''': একদম জঘন্য।
:'''ক্রো টি. রোবট''': রিং অব টেরর?
:'''টম সার্ভো''': বাজে!
:'''জোয়েল রবিনসন''': ইট কনকার্ড দ্য ওয়ার্ল্ড?
:'''টম সার্ভো''': উমম... হ্যাঁ বাজে!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই টিনেজার্স ফ্রম আউটার স্পেস তো এর চেয়ে অনেক অনেক ভালো ছিল!
:'''টম সার্ভো''': এই সিনেমাটা কয়েক গুণ বেশি বাজে।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': ক্যাসেল অব ফু মাঞ্চু কেমন?
:'''টম সার্ভো''': ঠিক আছে আমি মেনে নিচ্ছি ওটা এটার মতোই বাজে ছিল কিন্তু এর চেয়ে জঘন্য সিনেমা আমরা আর কোনোদিন দেখিনি!
<hr width="50%"/>
:'''ফ্র্যাঙ্ক''': আমার মাথায় কোনো সমস্যা নিয়ে জন্ম হয়নি কিন্তু এখন মনে হচ্ছে সমস্যা তৈরি হয়েছে।
=== [[w:bn:অ্যাটাক অব দ্য জায়ান্ট লিচেস|অ্যাটাক অব দ্য জায়ান্ট লিচেস]] ===
:'''ভাঁড় ১''': আমি কি তোমাকে আমার জাদুর ফুলটা দেখিয়েছি যা দিয়ে পানি বের হয়?
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ কয়েক হাজার বার দেখিয়েছো!
:'''ভাঁড় ১''': ওহহহ... তাহলে কি আমি আমার র্যাশ বা চর্মরোগটা দেখিয়েছি?
:---
:'''জোয়েল রবিনসন''': হাই সবাইকে স্বাগতম। আমি এই হোলো-ক্লাউন সিকুয়েন্সার বানিয়েছিলাম রোবটদের মন ভালো করার জন্য কিন্তু এখন আমি এটা বন্ধ করতে পারছি না আর রাতে ঘুমানোও দায় হয়ে পড়েছে!
:'''ভাঁড় ২''': হেই খুকি! তুমি কি এক প্যাকেট বাদাম ভাজা খাবে?
:---
:'''ভাঁড় ২ (ভাঁড় ১ কে)''': থামো! চিৎকার বন্ধ করো! তুমি কি ভেবেছো তোমার সাথে এখানে আটকে থাকতে আমার খুব ভালো লাগছে? না! হাঁটু গেড়ে বসো আর আমার পা চেটে ক্ষমা চাও নয়তো তোমাকে আমি মেরেই ফেলব!!
:'''ক্রো টি. রোবট''': জোয়েল পরিস্থিতি খুব অদ্ভুত হয়ে যাচ্ছে কিছু একটা করো!
:'''জোয়েল রবিনসন''': আমি চেষ্টা করছি!
:---
:'''ভাঁড় ১''': জোয়েল রবিনসন! একাজ কোরো না! খবরদার একাজ কোরো না!
:'''জোয়েল রবিনসন''': আমাকে করতেই হবে! আমাকে করতেই হবে! (জোয়েল অবশেষে ওই বিকৃত মস্তিস্কের চিৎকার করা ভাঁড়গুলোকে বন্ধ করতে পারল)
==== [[w:bn:আন্ডারসি কিংডম|আন্ডারসি কিংডম]], প্রথম অধ্যায় (ছোট ছবি) ====
:'''ডাক্তার ১''': চমৎকার ছেলে। আমাদের যদি আরও এরকম ছেলে থাকত!
:'''ক্রো টি. রোবট (ডাক্তার ২ হিসেবে)''': নিজের কাজে মন দাও রন। তুমি এমনিতেই অনেক সমস্যায় আছো!
:'''ডক্টর ২''': ও একজন খুব ভালো নেভাল অফিসার হবে।
:'''টম সার্ভো''': ও অনেক কিছুই হবে!
==== অ্যাটাক অব দ্য জায়ান্ট লিচেস (মূল সিনেমা) ====
:'''টম সার্ভো''': ওহ মা গো!
:'''জোয়েল রবিনসন (ঘোষক হিসেবে)''': হানি ওয়েস্ট!
:'''ক্রো টি. রোবট''': জোয়েল আমি ভেবেছিলাম অন্তর্বাসগুলো অন্তত ম্যাচিং হবে।
=== [[w:bn:দ্য কিলার শ্রুজ|দ্য কিলার শ্রুজ]] ===
:'''জিপসি''': আমি কী পেলাম?
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ জিপসি তুমি কিছুই পাওনি; জোয়েল ভুলেই গেছে যে জিপসি নামের ওর কোনো রোবট আছে!
:'''টম সার্ভো''': চুপ করো ক্রো! তুমি কি দুষ্টুমি করে আজকের দিনটা মাটি করতে চাও?!
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি কী পেলাম? এবার আমার পালা!
:'''জোয়েল রবিনসন''': আমি সেরাটা সবার শেষের জন্য রেখেছিলাম- আমি তোমার জন্য এনেছি... জেসি পেনির ড্রেস প্যান্ট।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ...ওহ।
:'''জোয়েল রবিনসন''': আরে মন খারাপ কোরো না এটা খুব ভালো উপহার; তুমি এটা যেকোনো অনুষ্ঠানে পরতে পারবে... অবশ্য তোমার জন্য আমাকে একটা ভালো পোলো টি-শার্টও কিনতে হবে...
:'''ক্রো টি. রোবট''': প্যান্টের জন্য ধন্যবাদ...
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': তোমাদের আজকের পরীক্ষার সিনেমাটা দেখে আমার নিজেরই শরীর খারাপ লাগছে—অথবা ‘মরগান স্টুয়ার্ট'স কামিং হোম’ সিনেমাটা আমার ভালো লেগেছিল। এটার নাম হলো ‘দ্য কিলার শ্রুজ’ আর এতে অভিনয় করেছেন জেমস বেস্ট তাই ফ্র্যাঙ্ক খুব উৎসাহী।
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': হেই ওটা আমার প্রিয় শো ছিল; আমি আর কী বলতে পারি?
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': এই নাও ফ্র্যাঙ্ক এটা খেয়ে নাও।
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': ধন্যবাদ; তা এটা আসলে কী?
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': এক ধরনের বমির ওষুধ।
==== জুনিয়র রোডিও ডেয়ারডেভিলস (ছোট ছবি) ====
:'''বর্ণনাকারী''': জুনিয়র রোডিও ডেয়ারডেভিলস।
:'''জোয়েল রবিনসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': টেক্সাস স্টাইলে ঝোল দিয়ে মাখানো!
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী:''' শেরিফ বিলি ওদের জন্য এক ফাঁসির গাছ তৈরি করে রেখেছে।
:'''ক্রো টি. রোবট:''' হেই বাচ্চারা তোমরা কি কোনোদিন ওই রহস্য উপন্যাসটা পড়েছো?
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': মনে হচ্ছে শহরের প্রায় সবাই আজ জড়ো হয়েছে।
:'''জোয়েল রবিনসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': ওই তো সব মিলিয়ে নয়জন।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন (রোডিও ঘোষক হিসেবে)''': আর দর্শক সব পাগল হয়ে গেছে!
:'''ক্রো টি. রোবট, টম সার্ভো''': বাহ।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': আট সেকেন্ড।
:'''জোয়েল রবিনসন (ছেলের গলায়)''': হ্যাঁ আমি খুব চটপটে। আমি এমনই।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': ও এমনভাবে ঘোড়া চালাচ্ছে যেন জিনের সাথে আঠা দিয়ে লেগে আছে।
:'''জোয়েল রবিনসন (সওয়ারির গলায়)''': আমি আসলেও আঠা দিয়েই লেগে আছিইইইই!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন (ছেলের গলায়)''': যাও চার বছর বয়সেই আমার সব সম্মান ধুলোয় মিশিয়ে দাও! তোমরা সবাই তাকিয়ে দেখছো কী?!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (বিলি স্ল্যাটার হিসেবে)''': তোমার ওই সিনেমাটা আমার খুব ভালো লেগেছিল।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': হ্যাঁ জুনিয়র রোডিও এখানেই টিকে থাকবে। আর বুড়ো বিলি স্ল্যাটারের চেয়ে খুশি আর কেউ নেই।
:'''জোয়েল রবিনসন''': এটা সত্যিই খুব দুঃখের।
:'''টম সার্ভো''': (গান গাইছে) ...আর ছেলেরা সারাদিন মোটেও ভাঁড়ামি করছে নাআআআআ!!!
==== দ্য কিলার শ্রুজ (মূল সিনেমা) ====
:'''বর্ণনাকারী''': ওকে প্রতি কয়েক ঘণ্টা অন্তর নিজের ওজনের সমান খাবার খেতে হয়…
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': …সাথে একটা সুস্বাদু পানীয়।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (ঘোষক হিসেবে)''': অভিনয়ে জোন কলিন্স আর জ্যাকি কলিন্স!
<hr width="50%"/>
:'''শেরম্যান''': হেই রুক! এদিকে এসো!
:'''ক্রো টি. রোবট (শেরম্যান হিসেবে)''': এই জিনিসটা দিয়ে সবকিছুই বড় দেখায়!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন (শেরম্যান হিসেবে)''': আমি একদল রেডিও অপারেটরের পাল্লায় পড়েছি!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো, সার্ভো''': (গান গাইছে)
:: খুনি ইঁদুর! খুনি ইঁদুর!
:: তোমার আর আমার তফাত বোঝে না ও!
:: রাতে ও আসে ভয় দেখাতে।
:: একদম তাকাবে না ও তোমাকে কামড়ে দেবে!
:: খুনি ইঁদুর! খুনি ইঁদুর! কে-আই-ডাবল-এল-ই-আর ইঁদুর!
:: ও খুব ভয়ংকর আর শক্ত।
:: ও বাথরুমের ম্যাট আর অনেক কিছু দিয়ে তৈরি!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': কুকুর ছানা!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': তুমি ইঁদুরের কামড়ে মরতে যাচ্ছো; তুমি ইঁদুরের কামড়ে মরতে যাচ্ছো! ইঁদুরের কামড় ইঁদুরের কামড়~!
=== [[w:bn:হারকিউলিস আনচেইনড|হারকিউলিস আনচেইনড]] ===
:'''জোয়েল রবিনসন (ঘোষক হিসেবে)''': এই সিনেমা বানানোর সময় কোনো পশুপাখিকে জখম করা হয়নি বললেই চলে।
<hr width="50%"/>
:'''জিপসি:''' (গান গাইছে) গত রাআআআআতে! (বীণার ওপর নিজের মুখ আছড়ে মারল)
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (ইউলিসিস হিসেবে)''': আমি পাগল হয়ে গেছি! আমি পাগল হয়ে গেছি!
:'''টম সার্ভো''': যখন কেনেডিরা গ্রিস শাসন করত।
<hr width="50%"/>
:'''হারকিউলিস''': আমার এত ঘুম পাচ্ছে যে আমি জেগে থাকতেই পারছি না!
:'''টম সার্ভো''': উমম ওটাকেই তো ‘ঘুম পাওয়া’ বলে!
=== [[w:bn:ইনডেস্ট্রাক্টিবল ম্যান|ইনডেস্ট্রাক্টিবল ম্যান]] ===
:'''জিপসি (ম্যাজিক ভয়েস হিসেবে)''': বিজ্ঞাপনের সময়! বিজ্ঞাপনের সময় আসছে জলদি!
:'''ম্যাজিক ভয়েস (জিপসি হিসেবে)''': রিচার্ড বেসহ্যার্টের মন্তব্য লোড হচ্ছে। ৫, ৪, ৩... এখনই।
:'''জোয়েল রবিনসন''': ঠিক আছে; মনে হয় আমি এবার বুঝতে পারছি।
:'''টম সার্ভো (ক্রো হিসেবে)''': না তুমি পারোনি; তুমি পাগল হয়ে গেছো!
:'''ক্রো টি. রোবট (সার্ভো হিসেবে)''': আমার মনে হয় আপনি উন্মাদ জোয়েল!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': জোয়েল তুমি কী করছো?
:'''জোয়েল রবিনসন''': আমি একটা এক্সপেরিমেন্ট করছি।
:'''ক্রো টি. রোাবট''': ওহ; আমি তো ভেবেছিলাম কেউ মনিটরটা সরিয়ে সেখানে একটা কুমড়ো বসিয়ে রেখেছে!
:'''জোয়েল রবিনসন''': ধুর! থামো তো- (ক্রো আর সার্ভো জোয়েলকে কামড়ে দিল) -উহ!
:'''ক্রো টি. রোবট''': কী? আপনিই তো বললেন কামড়াতে।
==== [[w:bn:আন্ডারসি কিংডম|আন্ডারসি কিংডম]], দ্বিতীয় অধ্যায় (ছোট ছবি) ====
:'''জোয়েল, ক্রো এবং সার্ভো''': (গান গাইছে) হেই এটা সেই সমুদ্রের নিচের জগত; তোমার আর আমার জন্য যেখানে পুরুষরা ফ্রক পরে থাকে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': চুপ করো ডায়ানা!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল''': হেই এটা তো জিম হেনসনের কোনো কার্টুন মনে হচ্ছে!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল''': ওরে বাবা বিশাল পাহাড় সবাই সাবধান!
:---
:'''টম সার্ভো''': বাহ কী চমৎকার!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (অ্যালান থিক হিসেবে)''': আর এখানে সবার প্রিয় একজন: টিভি শো-র জনপ্রিয় টম সার্ভো; ও ডক্টর নর্টনের সাবমেরিনের অভিনয় করছে-
:'''জোয়েল রবিনসন''': -সমুদ্রের তলার জগত থেকে! আপনি কি জানেন এই ছোট রোবটটাকে বানাতে ১৮ জন দর্জির তিন মাস সময় লেগেছে?
:'''জিপসি''': ওটা একটা বেলুন!
:'''জোয়েল রবিনসন''': আর টমের ভেতরে ১৫ হাজার কিউবিক ইয়ার্ড হাইড্রোজেন ভরা আছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমার মনে হয় তুমি হিলিয়াম বলতে চেয়েছো।
==== ইনডেস্ট্রাক্টিবল ম্যান (মূল সিনেমা) ====
:'''জোয়েল''': শুধু লক্ষ লক্ষ খ্রিস্টানরা।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল''': ও কোনো বড় দোকানে ঢুকে পড়েছে।
:'''ক্রো টি. রোবট (চেনি হিসেবে)''': দেখি তো... চকলেট আছে জেলি আছে আর অনেক কিছু আছে...
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (লন চেনি হিসেবে)''': ভাইরে আমার খুব জোর হিসু পেয়েছে।
. . .
:'''জোয়েল রবিনসন''': অফিসাররা ডোনাট চোরের ওপর নজর রাখুন!
:'''টম সার্ভো''': জোয়েল ডোনাট নিয়ে ওই জোকসগুলো এখন পচে গেছে।
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওহ মাফ করবেন মিস্টার হিসু টম সার্ভো...
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': এখন আমার মনে হয় ও স্রেফ এক শক্তপোক্ত মানুষ।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (লন চেনি হিসেবে)''': আমি অজেয় হতে পারি কিন্তু আমার মনে এখনও ব্যথা আছে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আরে থামুন তো। ওর নিজের চাকরি ছাড়া উচিত। পুলিশের চেয়ে নাচিয়েদের ইনকাম অনেক বেশি!
=== [[w:bn:হারকিউলিস অ্যাগেইনস্ট দ্য মুন মেন|হারকিউলিস অ্যাগেইনস্ট দ্য মুন মেন]] ===
:'''ডক্টর ফরেস্টার এবং টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': খুব কষ্ট হচ্ছে! খুব কষ্ট হচ্ছে!!!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': স্যার আপনাদের কী মনে হয়?
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': আমি একজন বিজ্ঞানী; আমি ‘ভাবি’ না আমি শুধু ‘পর্যবেক্ষণ’ করি।
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক (নেশায় বুঁদ হয়ে)''': আমাকে দেখো আমাকে অনুভব করো আমাকে স্পর্শ করো!
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': ওহ চমৎকার তুমি ফ্র্যাঙ্ককে পুরোপুরি পাগল করে দিয়েছো।
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': বোতামটা টেকো ফ্র্যাঙ্ক।
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক (নেশায় বুঁদ হয়ে)''': আমি নিজেই একটা বোতাম। (চলে গেল)
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': কী আমাদের পা গরম রাখে?
:'''সবাই''': প্যান্ট!
:'''ক্রো টি. রোবট''': কী আমাদের বিপদমুক্ত রাখে?
:'''সবাই''': প্যান্ট!
:'''টম সার্ভো''': ওদের কাছে এমন কী আছে যা আমার কাছে নেই?
:'''জোয়েল এবং ক্রো''': ...প্যান্ট।
:'''টম সার্ভো''': আপনি ওটা আবারও বলতে পারেন... অ্যাঁ?
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (হারকিউলিস হিসেবে)''': হ্যাঁ এটাই আমার সময়! বিশাল অ্যালান স্টিল! সকালে আমার সুবাস নিন আর সারা দিন সতেজ থাকুন!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন (সৈনিক হিসেবে)''': পিৎজা পিৎজা।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': এই সিনেমাটা আমাকে বুড়ো বানিয়ে দিয়েছে...
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি বুঝতে পারছি উনার কেমন লাগছে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (রাজকুমারী হিসেবে)''': হারকিউলিস তুমি কি আমাদের বাড়ি বদলাতে সাহায্য করবে?
:'''টম সার্ভো (হারকিউলিস হিসেবে)''': এমনকি আমার জীবনের বিনিময়ে হলেও করব।
:'''হারকিউলিস''': এখন ওদের দুজনকে নিরাপদে শহরে পৌঁছে দাও।
:'''টম সার্ভো (হারকিউলিস হিসেবে)''': এমনকি তোমার জীবনের বিনিময়ে হলেও করব।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': এটা তো পাথরের দানবদের ট্যুর!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (পাথরের দানব হিসেবে)''': ওকে তোমার মাথার ওপর তুলতে দিও না!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': মনে হচ্ছে আমরা এক অজানা জায়গায় আছি।
:'''ক্রো টি. রোবট''': কোনো আজব জায়গায়?
:'''জোয়েল রবিনসন''': না ওটা অনেকটা জাহান্নামের মতো হবে।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (পাথরের দানব হিসেবে)''': নেশা করবে নাকি? (অশুভ হাসি হাসছে)
:'''ক্রো টি. রোবট (বব ডিলান হিসেবে)''': সবারই নেশা করা উচিত!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': জিপসি তুমি কি জানো যে ওয়াল্টার পিজিয়ন আসল অ্যাডমিরাল নেলসন ছিলেন?
:'''জিপসি''': হতেই পারে না...
:'''ক্রো টি. রোবট''': রিচার্ড বেসহ্যর্ট ছিলেন না!
:'''জিপসি (মন খারাপ করে)''': '''''নাআআআআআআআআ!!! জোওওওওওওওওওওওওওওওয়েলললললললললল!!!'''''
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': ক্যামবট এটা স্ক্রিনে দেখাও কোনো লেখা নেই তবে এটা আমার ক্রো আর সার্ভোর খুব সুন্দর একটা ছবি... কন্ট্রোল রুমে আঁকা?
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওটা একদমই ভালো হয়নি!
:'''জোয়েল রবিনসন''': এদিকে এসো তো ভাই! (ক্রোকে টেনে স্ক্রিনের বাইরে নিয়ে গেল)
:'''ক্রো টি. রোবট''': আআআআআআ!
=== [[w:bn:দ্য ম্যাজিক সোর্ড|দ্য ম্যাজিক সোর্ড]] ===
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': হেই জিমি স্মিটস তোমার আজকের সিনেমাটা বার্ট আই গর্ডনের রান্নাঘর থেকে কড়া ভাজা হয়ে এসেছে। এটা তলোয়ার আর জাদুর এক পচা গল্প যাতে গ্যারি লকউড আর এক লজ্জিত বাসিল রাথবোন অভিনয় করেছেন।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': টেডি রাকসপিন না!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': শান্ত হও ওগুলো তো স্রেফ পুতুল!
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই...
:'''জোয়েল রবিনসন''': সরি।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি তোমাকে স্যার গাধা উপাধি দিলাম। এদিকে এসো বোকা কোথাকার।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': (গান গাইছে) ও খুব মিষ্টি! ও খুব চটপটে! বাজি ধরে বলতে পারি ওর গায়ে ফলের সুবাস!
:'''টম সার্ভো''': ইইইইই!
:'''ক্রো টি. রোবট''': (সার্ভোকে পাত্তা না দিয়ে গান গেয়েই চলেছে) ও এমনকি জাদুকরীও হতে পারে... ও জাদুকরী ছিল... আর আমি খুব বিভ্রান্ত আর বিরক্ত!
=== [[w:bn:হারকিউলিস অ্যান্ড দ্য ক্যাপটিভ উইমেন|হারকিউলিস অ্যান্ড দ্য ক্যাপটিভ উইমেন]] ===
:'''ক্রো টি. রোবট''': বনানজা!
:'''টম সার্ভো''': আর যদি ওই ম্যাপে আগুন লাগে তবে ওটা গ্রিসের আগুন হবে!
<hr width="50%"/>
:'''জিপসি''': হেই থামো! মারামারি বন্ধ করো! সবাই মারামারি বন্ধ করো!
:'''জোয়েল রবিনসন''': উমম... ঠিক আছে জিপসি। এটা স্রেফ একটা সিনেমা।
:'''জিপসি''': ওহ?...ওহ! সরি সরি...
<hr width="50%"/>
:'''জিপসি''': হেই দেখো ওরা ঘোড়াগুলোকে বাষ্প দিয়ে পরিষ্কার করছে!
:'''জোয়েল রবিনসন''': সাবাশ জিপসি! বেশ বলেছো!
<hr width="50%"/>
:'''জিপসি''': হেই তোমরা শোনো; আমার হুট করে মনে পড়ল আমার অনেক কাজ বাকি আছে।
:'''জোয়েল রবিনসন''': জিপসি তুমি যেতে পারো না! তুমিই তো চেয়েছিলে পুরো সিনেমাটা দেখতে!
:'''জিপসি''': ওটা আগে ছিল... এখন অনেক কাজ এসে পড়েছে তাই আমাকে যেতেই হবে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আচ্ছা জিপসি যদি তুমি সহ্য করতে না পারো-
:'''জোয়েল রবিনসন''': ঠিক আছে জিপসি যাও কোনো সমস্যা নেই। ও আপ্রাণ চেষ্টা করেছে। আমি চাই না তোমরা ওকে নিয়ে মজা করো-
:'''ক্রো টি. রোবট''': চুপ করো জোয়েল! সিনেমা দেখো!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (তিমোথিও হিসেবে)''': আমার অধিকার আছে আমার অধিকার আছে! এটা হ্যারি ক্যালাগ্যান ছিল!!
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': ফ্র্যাঙ্ক! তুমি তো ছোট মেলভিনকে মেরেই ফেলতে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (হারকিউলিস হিসেবে)''': আচ্ছা আপনি কি সেই বন্দি মহিলা?
:'''ইসমেনি''': আমাকে মেরে ফেলো...
:'''জোয়েল রবিনসন (ইসমেনি হিসেবে)''': ...একটু দয়া করে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': পুঁচকে বিড়াল!
:'''টম সার্ভো''': হুট করে এটা এমজিএম (MGM) সিনেমা হয়ে গেল।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (প্রোটিউস হিসেবে)''': আমি ফিরে এসেছি; আমি নরকের ট্যুর গাইড হব! হা হা!
:---
:'''জোয়েল রবিনসন''': ডাইনো! স্টিম ড্রাগন; হারকিউলিসের ওপর খুব রেগে আছে!
:---
:'''জোয়েল রবিনসন (ইসমেনি হিসেবে)''': আমার খুব ভালো লাগে যখন পুরুষ আর গিরগিটিরা আমাকে নিয়ে মারামারি করে!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওহ এটা তো টপোল!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ধুমপায়ীদের দাঁত মাজার পাউডার?
:'''জোয়েল রবিনসন''': না; ওই বদমেজাজি অভিনেতা।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ও আচ্ছা।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল, ক্রো, সার্ভো''': (গান গাইছে) দ্য সিম্পসনস...
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (অ্যানসারিং মেশিন হিসেবে)''': হাই; জিউস এখন নেই তবে আপনি চাইলে মেসেজ দিতে পারেন...
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি নির্দোষ কারণ আমি পাগল!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (জিউস হিসেবে)''': আমি তোমার আসল বাবা নই; পসাইডন তোমার বাবা!
<hr width="50%"/>
:'''ইসমেনি''': আজকের দিনটা ইউরেনাসকে উৎসর্গ করা হলো।
:'''ক্রো টি. রোবট (হারকিউলিস হিসেবে)''': ধন্যবাদ আমি ধন্য হলাম- অ্যাঁ?
. . .
:'''টম সার্ভো (হারকিউলিস হিসেবে)''': তোমার আমার সাথে ভালো ব্যবহার করা উচিত! আজকের দিনটা তো আমার-
:'''জোয়েল রবিনসন''': আমরা জানি!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': শিকাগোতে থাকলে একবার কয়লা খনি ঘুরে আসবেন যা সমুদ্রের ধারে বিজ্ঞান ও শিল্প জাদুঘরে আছে।
<hr width="50%"/>
:'''অ্যান্টিয়া''': তুমি ঠিক বলেছো; এমনটা আর **হবে** না।
:'''টম সার্ভো (অ্যান্টিয়া হিসেবে)''': কারণ তোমাকে চাকরি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে!
:'''ক্রো টি. রোবট (মেঝেতে অ্যাসিডের গর্ত হওয়ার সময়)''': কমোড দিয়ে নয়!
:'''জোয়েল রবিনসন''': আমি জানতাম; চকোলেটে ডুবে মৃত্যু।
:'''সৈনিক''': না আমাকে মারবেন না!
:'''টম সার্ভো (সৈনিক হিসেবে)''': আমাকে গোসল করতে বাধ্য করবেন না!
:'''জোয়েল রবিনসন (সৈনিক হিসেবে)''': আপনি একাজ করতে পারেন না; আমার কানে সমস্যা আছে! আপনি খুব বিপদে পড়বেন! ওরে বাবা!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ও মারা যাবে ঠিকই তবে ওর বাতের ব্যথার খুব উপকার হবে।
:'''টম সার্ভো (সৈনিক হিসেবে)''': শেষবার কিছু খাওয়ার কি সুযোগ পাব?
:'''ক্রো টি. রোবট''': ডায়েট কন্ট্রোল করার আরও একটা সফল গল্প।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (হারকিউলিস হিসেবে)''': হারকিউলিসের কাছে এই মৃত্যুগুলো স্রেফ মামুলি ব্যাপার।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ঠিক আছে আমরা মেনে নিচ্ছি আমাদের এই খেলনাটা একদমই বাজে হয়েছে!
:'''ক্রো টি. রোবট''': (কাঁদছে) আমরা ব্যর্থ টমি; ব্যর্থ!
:'''জোয়েল রবিনসন''': না ওভাবে বোলো না! তোমরা আপ্রাণ চেষ্টা করেছো।
:'''টম সার্ভো''': আমার তো এমনকি কোনো **পা-ও** নেই! (আবারও কাঁদছে)
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওসব কথা ছাড়ো। তোমরা তোমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করেছো আর সে কারণেই তোমরা কখনো ব্যর্থ হতে পারো না!
:---
:'''হারকিউলিস''': আমার খুব ঘুম পাচ্ছে আমি চোখ খুলে রাখতে পারছি না।
:'''জোয়েল রবিনসন''': তুমি একদম ঠিক বলেছো জোয়েল রবিনসন। আমরা স্পন্সরের বার্তার পর আবারও ফিরছি। শুভ রাত্রি। (জোয়েল ভিমড়ি খেয়ে পড়ে গেল)
<hr width=50%/>
:'''অ্যান্টিয়া''': যেদিন আমার কোনো মেয়ে আমার চেয়ে বেশি দিন বাঁচবে সেদিন লেখা আছে যে আটলান্টিসের পবিত্র জগত ধ্বংস হয়ে যাবে।
:'''ইসমেনি''': মা তুমি নিশ্চয়ই-
:'''অ্যান্টিয়া''': তোমাকে মরতেই হবে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ভাইরে মহিলা তো খুব কড়া।
:'''ইসমেনি''': না... আমি মরতে চাই না।
:'''টম সার্ভো (কান্না করার ভান করে)''': আমি বাঁচতে চাই! আমি বাঁচতে চাই হাসতে চাই আর ভালোবাসতে চাই!
:'''জোয়েল রবিনসন (অ্যান্টিয়া হিসেবে)''': থামো নয়তো আমি সত্যি সত্যিই কান্নার ব্যবস্থা করছি।
:---
:'''টম সার্ভো (অ্যান্টিয়া হিসেবে)''': আর যদি তুমি স্বেচ্ছায় না মরো তবে তোমাকে আমি ঘরের ভেতর আটকে রাখব খোকা!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আলামোর কথা মনে রেখো!
:'''ক্রো টি. রোবট''': বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করো!
:'''জোয়েল রবিনসন''': আমাদের বারাব্বাসকে দাও!
:'''সবাই''': আমরা হার মানব না! আটিকা! আটিকা! অ্যাটিকাস...?
<hr width="50%"/>
:'''সবাই (লাশগুলোর স্তূপ হিসেবে)''': আমরা তোমাকে ভালোবাসি কনরাড ওহ হ্যাঁ আমরা বাসি...
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন (জিপসিকে)''': রিচার্ড বেসহ্যর্ট!
:'''জিপসি''': আমাকে দয়া দেখাবেন না জোয়েল!
<hr width="50%"/>
:'''রানি অ্যান্টিয়া''': আমাদের রক্ষা করো হে মহান ইউরেনাস!
:'''জোয়েল রবিনসন (ইউরেনাস হিসেবে)''': ধুর আমি তো স্রেফ একটা মূর্তি।
<hr width="50%"/>
:'''তিমোথিও''': ও কাউকে একটা ঘুসি মারলে আমি বেশি খুশি হতাম।
:'''ক্রো টি. রোবট (অ্যান্ড্রোক্লিস হিসেবে)''': আচ্ছা ওটা তোমার ব্যাপার বাপু।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': হারকিউলিস তুমি যেখানেই থাকো না কেন... জাহান্নামে যাও!
=== [[w:bn:ম্যানহান্ট ইন স্পেস|ম্যানহান্ট ইন Space]] ===
:'''টম সার্ভো''': পেগি আমার কাছে তোমার জন্য একটা খারাপ খবর আছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ খোদা কী হয়েছে? আমার কি হার্নিয়া হয়েছে?
:'''টম সার্ভো''': না ওটা না।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমার কি হার্টের কোনো সমস্যা হয়েছে?
:'''টম সার্ভো''': না ওটা না।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমার কি অন্য কোনো রোগ হয়েছে?
:'''টম সার্ভো''': না আমার ভয় হচ্ছে এটা ওগুলোর চেয়েও **অনেক বেশি** খারাপ।
:'''ক্রো টি. রোবট''': প্লিজ ডাক্তার বলুন কী হয়েছে!
:'''টম সার্ভো''': উমম তুমি যখন হল দিয়ে আসছিলে তখন তোমার হাসপাতালের জামাটা পেছন থেকে খোলা ছিল আর সবাই তোমার পেছনে সবকিছু দেখে ফেলেছে!
:'''ক্রো টি. রোবট''': (কাঁদছে) আমি এই লজ্জা কোনোদিন ভুলব নাআআআআআ!
:'''টম সার্ভো''': তুমি জানো ডার্লিং... এমন কঠিন সময়ে রোগীরা আমার কাছেই শান্তি পায়- আমি ডাক্তার চ্যাড ফিলগুড।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ চ্যাড...
:'''জিপসি (নার্স হিসেবে ঢুকল)''': তুমি একটা শয়তান! আমি জানতাম তুমি আমার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করছো!!
:'''টম সার্ভো''': ডার্লিং আমি সব বুঝিয়ে বলছি!
:'''জিপসি''': আমি তোমাকে ঘৃণা করি আমি তোমাকে ঘৃণা করি আমি তোমাকে- (ক্রোকে) হেই তোমার পেছনটা তো বেশ সুন্দর!
:---
:'''টম সার্ভো''': আমি তোমাকে সান্ত্বনা দিতে পারি আমি-
:'''জোয়েল রবিনসন''': কী হচ্ছে এসব?
:'''টম সার্ভো''': ওহ না! উনিই হলেন জোয়েল রবিনসন! সেই মদ্যপ রাগী কিন্তু দয়ালু হাসপাতাল অ্যাডমিনিস্ট্রেটর!
:'''জোয়েল রবিনসন''': না আমি ওসব কেউ না!
:'''টম সার্ভো''': ওহ না উনার স্মৃতিশক্তি হারিয়ে গেছে!
:'''জোয়েল রবিনসন''': তোমরা শোনো: আমি তোমাদের সাথে এই সোপ অপেরা খেলব না। আমার বয়স যখন নয় ছিল তখন আমার বোন আমাকে জোর করে এসব খেলাত। আমি এসব আর করব না। ঠিক আছে ক্যামবট হয়েছে অনেক হয়েছে। হয়েছে বলছি! (বিরক্ত হয়ে ক্যামবটের প্লাগ খুলে দিল) **পরের জন কে?!**
<hr width="50%"/>
:'''উইঙ্কির মা''': উইঙ্কি! ফোন এসেছে!
:'''উইঙ্কি''': ওহ উমম... হ্যাঁ ক্লারিসা! তুমি শুরু করো তেল গরম হচ্ছে আমি এখনই আসছি!
:'''উইঙ্কির মা''': কী?!
:'''টম সার্ভো''': ওরে বাবা উইঙ্কি ওটা তোমার মা ছিল?!
. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': তোমার মনে হয় আমরা ওর সাথে একটু বেশি রুক্ষ ব্যবহার করেছি?
:'''জোয়েল রবিনসন''': উমম আসলে আমার মনে হয় ও আমাদের কথা কানেই নেয়নি; আর ওর ভালোর জন্যই আমি চাই ও যেন কোনোদিন না নেয়।
==== [[w:bn:জেনারেল হাসপাতাল|জেনারেল হাসপাতাল]], কিস্তি ১ (শর্ট) ====
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওই যে আসছে নার্স-ফেরাতু।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই ও তখনও বুড়ো ছিল!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (ডক্টর স্টিভ হার্ডি হিসেবে)''': শরীর এই হার্নিয়াকে স্রেফ শূন্য আর একের সমষ্টি হিসেবে দেখে।
==== ম্যানহান্ট ইন স্পেস (মূল সিনেমা) ====
:'''জোয়েল রবিনসন''': (গাইছে) জাদুকর ওজ বিল টিনসম্যানকে এমন কিছুই দেয়নি যা ওর আগে থেকেই ছিল না।
:'''ক্রো টি. রোবট''': স্ক্রিনপ্লে পড়ার পর আমার বমি পাচ্ছিল।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': দেখো! ওটা তো আমাদের শো-র লোগো!
:'''জোয়েল রবিনসন''': (চুপিচুপি) হেই তোমার তো ওটা জানার কথা না...
:'''টম সার্ভো''': ওহ উমম... (বাশি বাজাচ্ছে)
<hr width="50%"/>
:'''উইঙ্কি''': ভেনা তো ওর ছুটিতে আছে; আর আমি এখন ড্রিঙ্কস আর আমোদ-প্রমোদ নিয়ে সময় কাটাব।
:'''জোয়েল রবিনসন''': উমম এখানে একটা জোকস ফিট করে দিন।
<hr width="50%"/>
:'''রকি''': তার মানে তুমি প্রফেসরের কাছ থেকে সব জেনেছো।
:'''ববি''': হ্যাঁ আমরা ওটা নিয়ে কথা বলেছি; আর আমি উনাকে আমার মতামতও জানিয়েছি।
:'''রকি''': আমি নিশ্চিত উনি ওটার কদর করেছেন।
:'''ববি''': কোল্ড লাইট প্রযুক্তি কোনো বিচার বিবেচনা ছাড়া ব্যবহার করা উচিত নয়; এটার গামা রশ্মি যে কারো জন্য প্রাণঘাতী হতে পারে।
:'''টম সার্ভো''': (চুপিচুপি) এটা মনে রাখবেন সবাই।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন (ববি হিসেবে)''': একদিন তোমরা এই মহাকাশের ফালতু লোকগুলো সবাই আমার আন্ডারে কাজ করবে বলে দিলাম!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (রানি ক্লিওলান্টা হিসেবে)''': ওহ রেগে গেলে উনাকে বেশ সুন্দরী লাগে!
<hr width="50%"/>
:'''অ্যাটলাসান''': আপনি যদি তাই চান মহারানি...
:'''রানি ক্লিওলান্টা''': না; ওটাই আমার **আদেশ**।
:'''টম সার্ভো''': আর আমরা জানি সেই আদেশের ওজন কতটুকু।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': উইঙ্কি মনে করে মেয়েদের ওপর হুকুম চালানো খুব ভালো কাজ। ও চায় দুনিয়াটা যেন সবসময় ১৯৫০ এর দশকের মতোই থাকে!
:'''টম সার্ভো (উইঙ্কি হিসেবে)''': আমার মনে হয় ও আমাকে পছন্দ করে!
=== [[w:bn:টরমেন্টেড|টরমেন্টেড]] ===
:'''ভাই''': ডার্লিং তোমাকে দেখে মনে হচ্ছে তুমি আমাকে মেরেই ফেলবে!
:'''ক্রো টি. রোবট''': একদম ঠিক ধরেছেন!
: . . .
:'''ভাই''': আমাকে বাঁচাও! প্লিজ টম আমাকে বাঁচাও!
:'''টম সার্ভো (টম স্টুয়ার্ট হিসেবে)''': কী? অ্যাঁ? টিং টিং! হ্যালো দাড়াও ফোন বাজছে! আমাকে যেতে হবে! বাই।
:'''ভাই''': আমাকে বাঁচাও টম প্লিজ!
:'''জোয়েল রবিনসন''': ও রেলিং ধরে ঝুলে আছে আর টম ওকে রেলগাড়ির মতো ফেলে দিয়ে গেল।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওহ ও তো সালাদ হয়ে গেছে।
:'''টম সার্ভো''': কেউ আমাকে একটু লতাপাতা দিয়ে সাহায্য করো! হা হা!
<hr width="50%"/>
:'''টম''': মেগ আমার ওপর রেগে আছে।
:'''স্যান্ডি''': ঠিক হয়ে যাবে। তাছাড়া ও যদি রাগ না কমায় তবে তুমি আমাকে বিয়ে করতে পারো!
:'''টম''': ঠিক আছে! আজ থেকে তুমিই আমার জীবনের অন্য নারী।
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওকে নিচে নামাও ভাই!
<hr width="50%"/>
:'''ভাই (ভুতুড়ে মাথা হিসেবে)''': আমি তোমাকে আগেই বলেছি- আমি ছাড়া কেউ তোমাকে পাবে না!
:'''টম''': থামো ভাই!
:'''ভাই''': চেষ্টা করে দেখো... টম স্টুয়ার্ট আমাকে মেরে ফেলেছে! টম স্টুয়ার্ট আমাকে মেরে ফেলেছে!
:'''জোয়েল রবিনসন (ভাই হিসেবে)''': টম স্টুয়ার্ট আমাকে মেরে ফেলেছে; সবাই একসাথে বলো!
:'''টম সার্ভো (ভাই হিসেবে)''': টম স্টুয়ার্ট আমাকে মেরে ফেলেছে! এবার শুধু মহিলারা; একসাথে!
:---
:'''জোয়েল রবিনসন (টম হিসেবে)''': চলো বোলিং খেলি। (মাথাটা ব্যাগে ভরে সিঁড়ি দিয়ে ফেলে দিল)
:'''ক্রো টি. রোবট (ভাই হিসেবে)''': ট-ম স্টু-য়া-র্ট আ-মা-কে মে-রে ফে-লে-ছে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি তোমার চেয়ে বেশি লম্বা আর জনপ্রিয় হতে চাই।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': বার্ট আই গর্ডনের একটা ফালতু সিনেমা স্রেফ বাজার ধরার জন্য বানানো হয়েছে!
:'''টম সার্ভো''': মানুষের নিচু প্রবৃত্তিগুলোকে উসকে দেওয়ার আর অকারণে সিরিয়াস হওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে!
:'''ক্রো টি. রোবট''': (কাঁদছে) ভাইরে আমার এত খারাপ লাগছে যে আমি কয়েক ঘণ্টা মদের দোকানের সামনে বসে নিল ইয়ংয়ের সাথে আড্ডা দিয়েছি!
=== [[w:bn:দ্য বিটনিকস|দ্য বিটনিকস]] ===
:'''ম্যাজিক ভয়েস''': জোয়েল আমি আশা করি তুমি ওই দুজনের সাথে বেশি কড়াকড়ি করছো না।
:'''জোয়েল রবিনসন''': একদম না ম্যাম!
<hr width="50%"/>
:'''জিপসি''': (চিৎকার করে জোয়েলকে ধাক্কা মারল) জিপসি জোয়েলকে পিষে দেবে! আমার বাচ্চারা!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': (ব্যান্ডেজ বেঁধে) আমার মাথায় খুব ব্যথা...
:'''জিপসি''': হ্যাঁ ঠিক হয়েছে ওরকম ব্যবহারের ফল এমনই হয়!
:'''জোয়েল রবিনসন''': তাই নাকি? তাহলে ওদের জিজ্ঞেস করো আজ সকালে আমার বালিশের ভেতর থেকে কী বেরিয়ে আসছিল!
:'''টম সার্ভো''': ওরে বাবা ওটা তো আরও খারাপ হতে পারত!
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ অন্তত আমরা ওকে ঢোকানোর আগেই মেরে ফেলেছিলাম।
:'''জিপসি''': হয়েছে অনেক হয়েছে তোমরা তিনজন!
<hr width="50%"/>
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': আমরা কি এটা তাড়াতাড়ি শেষ করতে পারি প্লিজ?
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': চুপ করো ফ্র্যাঙ্ক নয়তো আমি কুকুরটাকে তোমার সাথে খেলতে দেব!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': (চিঠি পড়ছে) এই কাজ শুরু করার আগে আমি ন্যায়ের খাতিরে একটা প্রশ্ন করতে চাই... ‘ডিকউইড’ কি কোনো গালি?
:'''জোয়েল এবং সার্ভো''': না/হ্যাঁ! ...হ্যাঁ/না? না... না।
:'''টম সার্ভো''': উঁহু; ডিকউইড কোনো গালি না। এটা পরিষ্কার শব্দ। তুমি চিন্তা কোরো না। তুমি লেখা বন্ধ করতে পারো।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (মুনি হিসেবে)''': ও কোথায় গেল ভাই ও কোথায় গেল?!
:'''জোয়েল রবিনসন''': ক্রো ওই ছুরিটা সরাও তুমি জিপসিকে ভয় দেখাচ্ছো!
:'''ক্রো টি. রোবট (মুনি হিসেবে)''': আমি ওটা তোমার জন্যই করেছি এডি!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (মুনি হিসেবে)''': একদম ঠিক: আমি তোমাকে উলঙ্গ করে ছাড়ব ভাই!
:'''টম সার্ভো''': ওটা করা খুব কঠিন হবে কারণ তোমার পেছনে দেখানোর মতো কিছুই নেই।
:'''ক্রো টি. রোবট (মুনি হিসেবে)''': এই নাও! (সার্ভোকে ছুরিকাঘাত করল আর সার্ভো টেবিলে পড়ে গেল)
==== [[w:bn:জেনারেল হাসপাতাল|জেনারেল হাসপাতাল]], কিস্তি ২ (শর্ট) ====
:'''কেন''': হ্যাঁ এটা ডক্টর ডয়েলের এক পুরানো রোগী মিস্টার হার্ভে।
:'''টম সার্ভো (কেন হিসেবে)''': হ্যাঁ ওটা তো এক বিশাল খরগোশ আপনি তো দেখতেই পাচ্ছেন...
<hr width=50%>
:'''জোয়েল রবিনসন''': অভিনন্দন আপনি সিনেমার এক সেকেন্ড পার করে ফেলেছেন!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ না! প্লাস্টার খসে পড়ছে!
<hr width=50%>
:'''ক্রো টি. রোবট''': মদ ছাড়া আরও একটা পার্টির করুণ সমাপ্তি হলো। এই অনুষ্ঠানটি মদ পরিষদের সৌজন্যে প্রচারিত যারা আপনাকে মনে করিয়ে দিচ্ছে সব সামাজিক অনুষ্ঠানে মদের মজুত রাখতে কারণ মদই আসল শান্তি দেয়।
:'''জোয়েল রবিনসন''': মদ একঘেয়ে পার্টিকে জমজমাট করে তোলে!
:'''টম সার্ভো''': মদ আপনাকে জনপ্রিয় করে আর সব ক্ষত সারিয়ে দেয়।
:'''সবাই''': বি-ডাবল ও-জেড-ই মদ! (ক্রো হেঁচকি তুলল)
==== দ্য বিটনিকস (মূল সিনেমা) ====
:'''দোকানদার''': তোমরা কি অন্য কাউকে কোনোদিন লুট করো না?!
:'''এডি''': অবশ্যই করি; কিন্তু আমরা তোমাকে পছন্দ করি!
:'''জোয়েল রবিনসন (আইরিস হিসেবে)''': আমি ভেবেছিলাম ওরা আমাকে পছন্দ করে।
<hr width=50%/>
:'''মুনি''': হেই আমি কোনো নেতা না। নেতাদের মাথায় সবসময় অনেক চিন্তা থাকে ভাই! আমার মাথায় স্রেফ একটা জিনিসই ঘোরে; স্রেফ একটা। (অট্টহাসি হাসছে)
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি তোমাকে ঠিক বুঝতে পারি না। নিশ্চয়ই কোনো আজব ব্যাপার হবে।
<hr width=50%/>
:'''এডি''': (গাইছে) চামড়ার কোট...
:'''টম সার্ভো''': ...এক বাটি আইসক্রিম!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (ক্যাফের খদ্দের হিসেবে)''': হেই একটু আস্তে বলবেন? আমি এখানে ব্যাগেল খাচ্ছি!
:---
:'''জোয়েল রবিনসন''': ...অস্কার ওয়াইল্ড!
<hr width=50%>
:'''এডি''': (গাইছে) যেকোনো কিছু...
:'''জোয়েল রবিনসন''': ...এই আবর্জনার চেয়ে ভালো!
<hr width=50%>
:'''মুনি''': **আমিই** ওই মোটা দোকানদারটাকে মেরেছি!
<hr width="50%"/>
:'''এডি''': চুপ করো আইরিস।
<hr width="50%"/>
:'''মুনি''': আমি তোমাকে উলঙ্গ করে ছাড়ব!!
:'''ক্রো টি. রোবট (মুনি হিসেবে)''': মানে আমি আমার পেছনটা বের করে রাখব!
<hr width=50%>
:'''ক্রো টি. রোবট''': তারপর আমরা যোশিতে চড়ে মাশরুম কিংডমে যেতে পারি।
=== [[w:bn:ফায়ার মেইডেনস অব আউটার স্পেস|ফায়ার মেইডেনস অব আউটার স্পেস]] ===
:'''জোয়েল রবিনসন''': যাই হোক দ্ব্যর্থবোধক কথা দিয়ে তুমি যা খুশি বলতে পারো টম। যেমন: “আচ্ছা এই টিভিতে কি কোনো রিমোট আছে? উমমম!”
:'''টম সার্ভো''': ওহ হো হো বুঝেছি! যেমন: “আচ্ছা এই জামার হাতাগুলো একবার দেখেছো?” ঠিক না?
:'''জোয়েল রবিনসন''': একদম ঠিক! উমম!
:'''টম সার্ভো''': সাবাস! যেমন: “উনি দোকান থেকে এক ব্যাগ আপেল আর এক পিস পাউরুটি নিয়ে ফিরলেন!”
:'''জোয়েল রবিনসন''': উমম উমম উমম!
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমার কাছে একটা আছে। “যদি ভ্যানটা কাঁপতে থাকে তবে ভেতরে ঢোকার-”
:'''জোয়েল রবিনসন''': আরে ক্রো! ক্রো। এটা আমরা যা নিয়ে কথা বলছিলাম তার চেয়ে একটু বেশিই সরাসরি হয়ে গেল।
<hr width="50%"/>
:'''ম্যাজিক ভয়েস''': আপনি কে?! আপনি এখানে কী করছেন; দূরে থাকুন! **ক্যামবট সাবধান!**
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল, সার্ভো, ক্রো (মেয়েদের গলায়)''': আমরা ফায়ার মেইডেনরা খুব গর্বিত! যদি শুনতে না পাও তবে আমরা আরেকটু জোরে চিৎকার করব!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ ও তো ফ্রাঙ্কেনস্টাইন!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি এই দৃশ্যের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছি।
:'''টম সার্ভো''': আমি **প্রতিটা** দৃশ্যের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছি।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': **ওকে ছেড়ে দাও শয়তান মহিলা**!
=== [[w:bn:ক্র্যাশ অব মুনস|ক্র্যাশ অব মুনস]] ===
:'''টম সার্ভো''': ওহ আমি তোমাকে বলছি জিপসি আমি তোমাকে ভালোবাসি!
:'''জিপসি''': তাই নাকি?
:'''টম সার্ভো''': আর আমি জানি আমি তোমাকে ভালোবাসতাম যদি আমরা--
:'''ক্রো টি. রোবট''': আরে তোমার মতো ছেলের সাথে ওর কোনো চান্স নেই। ও আমাকেই পছন্দ করে! তাই না জিপসি?
:'''জিপসি''': আমি ঠিক করতে পারছি না।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ঠিক করতে পারছো না? তাহলে হয়তো এটা তোমাকে সাহায্য করবে।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': থামো! থামো! আশা করি আপনারা আমাদের এই পুরানো স্মৃতিচারণ উপভোগ করেছেন। আর কোনোদিন একাজ করবে না তোমরা। হয়েছে অনেক।
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': একাজ কোরো না! খবরদার একাজ কোরো না! আমি জানতাম তুমি এটা পাঠাবে! ফ্র্যাঙ্ক দরজা খুলো না!
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': হেই কেউ আমাদের গিফট পাঠিয়েছে!
:---
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': হাই বাভারো।
==== [[w:bn:জেনারেল হাসপাতাল|জেনারেল হাসপাতাল]], কিস্তি ৩ (শর্ট) ====
:'''ফিল''': আর তুমি কেনকে বিয়ে করে জীবন কাটানোর সিদ্ধান্ত নিলে?
:'''সিনথিয়া''': হ্যাঁ! ও আমাকে ভালোবাসে আমি জানি... আর আমরা একসাথে ভালো থাকব! তাছাড়া অধিকাংশ বিবাহিত মানুষের মতোই আমাদের সুযোগ আছে।
:'''জোয়েল রবিনসন (সিনথিয়া হিসেবে)''': হ্যাঁ কেনের শরীরের গঠন নিখুঁত নয় কিন্তু...
==== ক্র্যাশ অব মুনস (মূল সিনেমা) ====
:'''রকি''': হুপ ২ ৩ ৪!
:'''টম সার্ভো (রকি হিসেবে)''': আমরা একটা ফালতু সিনেমায় আছি…
:'''জোয়েল, ক্রো (সৈনিক হিসেবে)''': আমরা একটা ফালতু সিনেমায় আছি…
<hr width="50%"/>
:'''রকি''': ওরা তোমাকে নতুন একটা গ্রহে সরিয়ে নিতে সাহায্য করবে যা সবার সম্মতিতে ঠিক করা হবে।
:'''ক্লিওলান্টা''': ওরা আমাকে বলবে আমি আমার লোকদের কোথায় নিয়ে যাব?!
:'''রকি''': না ক্লিওলান্টা। ওরা শুধু পরামর্শ দেবে।
:'''জোয়েল, সার্ভো''': (গান গাইছে) শুধু তোমার জন্যওওও!
=== [[w:bn:অ্যাটাক অব দ্য আই ক্রিয়েচার্স|অ্যাটাক অব দ্য আই ক্রিয়েচার্স]] ===
:'''জোয়েল রবিনসন''': ‘অ্যাটাক অব দ্য **দ্য** আই ক্রিয়েচার্স’? কী ব্যাপার এই নাম কি কোনো তোতলা লোক লিখেছে?
<hr width="50%"/>
:'''এয়ার ফোর্স অফিসার''': এবার ভাগো!
:'''জোয়েল রবিনসন''': ...একদম উত্তরে চলে যাও!
<hr width="50%"/>
:'''হ্যারল্ডের বান্ধবী''': ওহ হ্যারল্ড!
:'''টম সার্ভো (হ্যারল্ড হিসেবে)''': ওহ মড!
<hr width="50%"/>
:'''সুসান''': আমরা যদি পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করি তবে কী হবে?
:'''টম সার্ভো (স্ট্যান হিসেবে)''': তাহলে আমরা পুলিশ হয়ে যাব আর মামলা তুলে নিতে পারব!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': (গাইছে) আমার চোখগুলো স্যামি ডেভিসের মতো! আমার কাছে লক্ষ লক্ষ চোখ আছে! একদম সত্যি!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': ইস এই টেকনিকটা যদি আত্মীয়স্বজনদের ক্ষেত্রেও খাটত!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওই চোখের দানবগুলো। ওরা খুব অলস আর আঠালো টাইপ প্রাণী যাদের কোনো ভাষা নেই আর জয় করার মতো কোনো বিশেষ ক্ষমতাও নেই। ওদের পিঠের ওপর বড় বড় জিপার লাগানো আছে।
: . . .
:'''জোয়েল রবিনসন''': কিছু চোখের দানব শক্ত চামড়া নিয়ে জন্মায়। কারো গায়ে শত শত চোখ থাকে। আবার কারো গায়ে দামী সোয়েটার থাকে।
: . . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': যদি কখনো এদের সাথে লড়তে হয় তবে মনে রাখবেন এদের মাথা স্রেফ কাঁধের ওপর বসানো থাকে যা স্রেফ একটা টোকায় ফেলে দেওয়া যায়! আর জখম হওয়া দানবকে তাড়া করার জন্য তৈরি হন; দেখতেই পাচ্ছেন ও দামী স্পোর্টস জুতো পরে আছে! ভাইরে ওরা আসলে কোনো কিছুরই তোয়াক্কা করেনি!
=== [[w:bn:দ্য রেবেল সেট|দ্য রেবেল সেট]] ===
:'''টম সার্ভো''': (আতঙ্কে চিৎকার করছে) এই কৌতুক! এই কৌতুক!
<hr width="50%"/>
:'''জিপসি''': “একটা ট্রেন দুপুর ২টোয় স্টেশন থেকে ঘণ্টায় ৯০ মাইল বেগে রওনা হলো। অন্য একটা ট্রেন উল্টো দিক থেকে বিকেল ৫টায় ঘণ্টায় ৬০ মাইল বেগে রওনা হলো। ওরা কখন একে অপরের সাথে দেখা করবে?”
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওহ জিপসি মেরিটন স্টোনের মতে এটাই সেরা সাহিত্য হওয়া উচিত ছিল।
:'''টম সার্ভো''': উনি মেরিটন স্টোন নন!
==== মেলায় জনি (শর্ট) ====
:'''বর্ণনাকারী''': জনি এমনকি মেলার মাঝপথে রাইড নেওয়ার সুযোগ পেল কিন্তু সেই আনন্দ বেশিক্ষণ টিকল না।
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': জনির গাড়ি উল্টে গেল আর তাতে আগুন ধরে গেল।
:---
:'''জোয়েল রবিনসন''': ডিজনিল্যান্ডের মতো নকল কালচার।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (মা হিসেবে)''': আর তোমার ওটা ভালো লাগতেই হবে!
:'''ক্রো টি. রোবট (জনি হিসেবে)''': না! আমি যাব না!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': তাছাড়া এখন সিয়াটল মেরিনার্সরা খেলছে তাই কারই বা মাথাব্যথা?
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': জো ট্যাক্সের সমস্যার কারণে জনির কাছে ১৫ সেন্ট চাইল।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আর জনি রূপ বদলে ফেলল! ও এখন একজন শেপশিফটার!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওহ আমরা সবাই ওখানে গিয়েছি।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': জনি অনুভব করছে অন্ধকার কোনো হাত ওকে সামনে ঠেলছে; ওর মাথার ভেতরের কণ্ঠস্বরগুলো আরও নিষ্ঠুর হয়ে উঠছে।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': ভাইরে কানাডায় মদ্যপ চালকদের ওপর কড়া শাসন চলে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': কেমিক্যাল ওয়ান্ডারল্যান্ডের ড্রাগের নেশা এবার চড়তে শুরু করেছে।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': কী?
:---
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': ভিয়েতনামের দৃশ্যগুলো জনির চোখের সামনে ভাসছে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': জনির মনে হয় ও একাই কোনো বিমানে চড়ে কোথাও যাচ্ছে।
:---
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': জনি মনে করে অ্যামেলিয়া ইয়ারহার্ট খুব ভালো একজন মহিলা ছিলেন।
==== দ্য রেবেল সেট (মূল সিনেমা) ====
:'''জন মেপস''': শোনো কেট আমি একজন ভদ্রলোক।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ চমৎকার; আবারও এক বিরক্তিকর চরিত্র!
:---
:'''টম সার্ভো''': উনি তো মিস হ্যাথওয়ে!
:---
:'''জোয়েল রবিনসন''': একটু দাঁড়ান অভিনয়ের ক্লাস করার সময় অনেক আগেই পার হয়ে গেছে। ওরা শুটিং শুরু করে দিয়েছে।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আপনারা কি জানেন ও কে? আমি একটা ক্লু দিচ্ছি- ও সবসময় গান গেয়েই চলে...
:'''ক্রো এবং জোয়েল''': ওহ না!
<hr width="50%"/>
:'''ক্যাফে মালিকের স্বামী''': সাবাশ মহারাজ!
:---
:'''জোয়েল রবিনসন''': হেই এটা কোনো সেকেলে মানুষের জন্য খুব ভালো একটা অপমান হবে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (খদ্দের হিসেবে)''': আমার স্বামী বাড়িতে খুব স্মার্ট!
:---
:'''জোয়েল রবিনসন''': দাড়িওয়ালাদের দেবতা!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': তার মানে মেলায় জনি হারিয়ে যাওয়ার কারণেই এসব কাণ্ড ঘটল?
=== [[w:bn:দ্য হিউম্যান ডুপ্লিকেটর্স|দ্য হিউম্যান ডুপ্লিকেটর্স]] ===
:'''ক্রো টি. রোবট''': ইটি নামাহ স্রোতাসিলপুড!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': ...ওহ।
<hr width="50%"/>
:'''গেল''': কিছু তো বলো!
:'''ক্রো টি. রোবট (মার্টিন হিসেবে)''': “কিছু!”
:'''মার্টিন''': “কিছু।”
:'''ক্রো টি. রোবট''': ধুর! জোকসটা একদম বুমেরাং হয়ে আমার কাছেই ফিরে এল।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': আহ! এটা তো বার্বি পুতুলের টর্চার চেম্বার!
:'''টম সার্ভো''': দারুণ তো!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (ডক্টর ইউং হিসেবে)''': হাই আমি নতুন এশিয়ান বার্বি।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': হুম। অনেকটা ওটার মতোই মনে হচ্ছে।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (ডক্টর ইউং হিসেবে)''': আমাকে কি আসলেও ওমন দেখায়?
:'''ক্রো টি. রোবট''': ধুর ডক্টর! আপনার বাচ্চা কি ওই জিনিসটা বানিয়েছে?
:'''জোয়েল রবিনসন''': করুণ শরীরের গান গাইছি আমি!
:---
:'''টম সার্ভো''': উমম... আমার মনে হয় আপনার আরও কালার দরকার!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': হুনান ডুপ্লিকেটরস!
:'''জোয়েল রবিনসন''': ঠিক! কারণ ওরা দুজনেই একই রকম দেখতে?
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ! হ্যাঁ। কারণ দুই ভুল কোনোদিন এক হয় না-
:'''জোয়েল রবিনসন''': হয়েছে অনেক হয়েছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ আমাকে মারবেন না।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (ওয়েলস হিসেবে)''': ছেলেরা কী করল? ওরা ডুপ্লিকেট বানিয়েছে?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (ওয়েলস হিসেবে)''': ওই লোকটার মধ্যে প্লাস্টিক টাইপ কিছু একটা আছে...
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (কোলোস হিসেবে)''': আমি বিশাল বড়।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (প্রফেসর হিসেবে)''': ওহ খোদা আপনি তো সত্যিই বিশাল।
=== [[w:bn:মনস্টার অ্যা-গো-গো|মনস্টার অ্যা-গো-গো]] ===
==== বরফে সার্কাস (শর্ট) ====
:'''জোয়েল রবিনসন''': আপনি আমার বরফের ওপর সার্কাস বসিয়ে দিয়েছেন!
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই আপনি আমার সার্কাসের ওপর বরফ দিয়ে দিয়েছেন!
:'''টম সার্ভো''': দুটো বাজে জিনিস একসাথে মিলে আরও জঘন্য হয়ে গেছে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ওরে বাবা ওকে তো আমার দুঃস্বপ্নেও দেখেছি...
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': (গান গাইছে)
:: এই দুই মেয়ে বেশ জমিয়ে দিয়েছে।
:: ওরা দুজন তোমার সবচেয়ে বাজে দুঃস্বপ্ন থেকে এসেছে।
:: ওরা চিরকাল তোমার আত্মাকে তাড়া করে বেড়াবে।
:: আর এখন যখনই তুমি গোলাপি দেখবে তখনই ভাববে আমাদের কপালে দুঃখ আছে।
:: ওরা শয়তানের চ্যালা...
:'''জোয়েল রবিনসন''': (হাসছে) ঠিক আছে টম এবার থামো...
<hr width='50%'/>
:'''টম সার্ভো''': আমরা এখন একটা আজব এলাকার ভেতর ঢুকছি।
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': হ্যাঁ এটা হলো বরফের ওপর ছেলেদের কিছু কল্পনা!
:. . .
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': হ্যাঁ এটা হলো অমানবিক আর বস্তুগত বরফে সার্কাস!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': এক হত্যার বিকালের পূর্বাভাস।
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট (বাচ্চার গলায়)''': ওহ মা আমি আর এটা পছন্দ করছি না! আমি বাড়ি যেতে চাই!
:'''টম সার্ভো (মা হিসেবে)''': চুপ করো আর দেখো কীভাবে হরিণটাকে মারা হয়! খুব মজা!
:. . .
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওহ ও তো নিজের শরীরের ভেতরের অংশের ওপর দিয়ে স্কেটিং করছে।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': আর এখন লাইমলাইট পড়ছে এক মায়াবী সৌন্দর্যের ওপর...
:'''ক্রো টি. রোাবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': ...আর ওদের মেরেই ফেলল।
==== মনস্টার অ্যা-গো-গো (মূল সিনেমা) ====
:'''টম সার্ভো''': মনস্টার অ্যা-গো-গো? আমি তো ভেবেছিলাম এটা অন্য কোনো সিনেমা হবে!
:. . .
:'''জোয়েল রবিনসন''': জানো ছেলেরা আমার মনে হচ্ছে এটা বেশ কঠিন হতে চলেছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ অতটাও খারাপ না হতে পারে...
:'''টম সার্ভো''': না জোয়েল ঠিকই বলেছে এটার গায়ে ‘জঘন্য’ কথাটাই স্পষ্ট লেখা আছে।
:'''জোয়েল রবিনসন''': হ্যাঁ...
:'''ক্রো টি. রোবট''': আরে শুরুতেই এত নেতিবাচক হচ্ছো কেন!
:'''জোয়েল রবিনসন''': না এটা আমার ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় বলছে। আমার মনে হচ্ছে এটা খুব কষ্ট দেবে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': জোয়েল শুরুতেই এমন নেতিবাচক মনোভাব রাখা স্বাস্থ্যকর নয়।
:'''টম সার্ভো''': এটা কমন সেন্স ক্রো। শুরুতেই বোঝা যাচ্ছে এটা কত অযোগ্যদের কাজ।
:'''জোয়েল রবিনসন''': হ্যাঁ আমাদের ওটা মেনে নেওয়াই ভালো...
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি এত তাড়াতাড়ি হার মানব না! আমি স্রেফ জোকস করে যাব! ...উমম আমি এখন কিছু ভাবতে পারছি না তবে...
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': দ্য আদার থ?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই কী অদ্ভুত মিল দেখছো বিল রিবান নামের দুজন লোক আছে! হি হি... ওই যে দেখছো কারণ ওই লোকটা... আর ওই যে... (মন খারাপ করে) এটা আস্ত আবর্জনা হবে।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': হেই এটা তো বিজ্ঞান জাদুঘরের সেই মিউজিক্যাল সিঁড়ি।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন (ডক্টর লোগান হিসেবে)''': এই তো হয়েছে। আমি শেষ। আমি একটা জ্যান্ত লাশ। আমি হাঁটছি কথা বলছি কাপড় পরছি ঠিকই কিন্তু আমি আসলে ভেতর থেকে মরে গেছি। আমি শেষ।
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর ব্রেন্ট''': তুমি তাহলে আমাদের আগে বলোনি কেন?
:'''ডক্টর লোগান''': জানি না। আমি সাহায্য করার চেষ্টা করছিলাম।
:'''টম সার্ভো''': (ঘ্যানঘ্যান করছে) আমি শুধু সাহায্য করতে চেয়েছিলাম।
:'''ডক্টর ব্রেন্ট''': সাহায্য? তুমি আমাদের পুরো প্রজেক্টটাই ঝুঁকির মুখে ফেলেছো!
:'''ডক্টর লোগান''': আপনি আমার কাছে কী চান ডক্টর ব্রেন্ট?! আমার মগজ তো আপনার মতো অত তীক্ষ্ণ নয়!
:'''ক্রো টি. রোবট (ডক্টর লোগান হিসেবে)''': আমি তো স্রেফ একজন বিজ্ঞানী!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (দানব হিসেবে)''': হাই আমি ওই লেকের ওপারের ক্যাম্প থেকে আসছি আমাদের জেনারেটর ফেটে গেছে।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': অবিশ্বাস্য...
:---
:'''ডক্টর লোগান''': হ্যালো? হ্যাঁ?
:'''ক্রো টি. রোবট (ডক্টর লোগান হিসেবে)''': আমিই ওই ফোনের আওয়াজটা করেছি।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (কর্নেল কনরস হিসেবে)''': ওরে বাবা! হেলমেটটা খোলো! জলদি ওটা খোলো আমার মাথা থেকে!
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': নিউক্লিয়ার ফিজিক্সের জগতে একটা খুব ভয়ংকর শব্দ আছে...
:'''টম সার্ভো''': “ওরে বাবা”।
:'''বর্ণনাকারী''': ...“রেডিয়েশন”।
:'''টম সার্ভো''': ও আচ্ছা।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': যেন কেউ একটা সুইচ টিপে দিল অথবা কেউ চোখের পলক ফেলল; মহাবিশ্বের কোনো অশুভ শক্তি আমাদের কল্পনার অতীত কোনো কাজ করে ফেলল...
:'''টম সার্ভো''': যেন আমাদের খুব মাথাব্যথা আছে ওসব নিয়ে।
=== [[w:bn:দ্য ডে দ্য আর্থ ফ্রোজ|দ্য ডে দ্য আর্থ ফ্রোজ]] ===
:'''জোয়েল রবিনসন''': আমরা আমাদের পরিবারের একটা ভালো ছবি তুলেই ছাড়ব যদি এতে আমাদের মরেও যেতে হয়। ক্রো আমি তোমাকে যে প্যান্টটা কিনে দিয়েছিলাম ওটা কোথায়?
:'''ক্রো টি. রোবট''': জানি না।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': তুমি ভালো প্যান্ট ছাড়া তো আর কোট পরে ঘুরতে পারো না!
<hr width="50%"/>
:'''জিপসি''': হেই লাইট মিটারটা জোয়েল!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন:''' সত্যি বলতে আমরা কেউ জানি না সাম্পো (Sampo) আসলে কী।
:'''ক্রো টি. রোবট:''' একটা ক্লু-ও নেই।
:'''টম সার্ভো''': আপনি যদি জানেন সাম্পো কী তবে ওটা কাগজে লিখে ফেলে দিন আর ওটা নিয়ে আর ভাববেন না। আপনি শান্তি পাবেন।
:'''সবাই:''' সাম্পো!
<hr width="50%"/>
:'''ম্যাজিক ভয়েস''': ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ আপনাদের সামনে হাজির হচ্ছেন জিপসি!
:---
:'''জিপসি''': (গান গাইছে) জীবন নামের এক বিশাল সীমানা সামনে পড়ে আছে আমি কারো মেয়ে নই আমি কারো বউ নই আমি নিজের জন্য জমি দখল করব আর আপনি জানতে চাইবেন আমি কে... আমি জিপসি! জিপসি রোজ মি! জিপসি রোজ আপনি নন! আপনিও না! বা আপনিও না! জিপসি রোজ... মিইইইইই!
:---
:'''জিপসি''': ধন্যবাদ! অনেক ধন্যবাদ। আপনারা জানেন আমরা সবাই ভ্রমণ করছি; আপনি আমি আর ওই কোণার সোনালি রঙের ছোট লোকটা। আমরা জীবনের এই বিশাল ভ্রমণে বেরিয়েছি আর মাঝে মাঝে দেখা যায় আমরা আমাদের সাথে সঠিক জামাকাপড় আনিনি। (জিপসি ওর কোটটা খুলে ফেলল) “আমি দিন আনি দিন খাই এক মানুষ। আজ সোশ্যাল ওয়ার্কার আসবে দেখা করতে তবে আমরা কোনোভাবে ম্যানেজ করে নেব...” ধন্যবাদ।
:---
:'''জিপসি''': “আমি তোমার সাথে আর ঝগড়া করতে পারছি না বয়ফ্রেন্ড! আমি আর এই দরজা দিয়ে হাঁটব না; না স্যার আমি এই দরজা দিয়ে এক দৌড়ে বেরিয়ে যাব!” ধন্যবাদ ধন্যবাদ।
:---
:'''জিপসি''': হেই বন্ধু আমার অভিনয় কি তোমাদের আড্ডায় কোনো ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে? তিনটে ছেলে যখন এক হয় তখন এমনই হয় তাই না?
:---
:'''জিপসি''': ধন্যবাদ ধন্যবাদ। কী রাত আজ বন্ধুরা! তবে যাওয়ার আগে আমি আপনাদের একটা ছোট গল্প শোনাল চাই; এক মেয়ের গল্প যে একটা ছোট স্যাটেলাইটের কাজকর্ম সামলাত যাকে সবাই ভাবত একটু স্লো একটু বোকা বা একটু সাদাসিধে। কিন্তু আমি আপনাকে সেই মেয়ের সম্পর্কে কিছু বলতে চাই। উনার তেজ ছিল উনার সাহস ছিল! আর সবকিছুর উপরে উনার একটা বিশাল বড় হৃদয় ছিল। সেই মেয়েটি ভ্রমণে বেরিয়েছিল আর যখন উনার লাগেজ অন্য গ্রহে চলে গেল তখন উনি নিজেকে সামলে নিলেন আর টানা দুই দিন একই পোশাক পরলেন। সেই সাহসী মেয়েটি হলো... আমি!
==== এই যে আসছে সার্কাস (শর্ট) ====
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওই তো আসছে শয়তান!
:'''টম সার্ভো''': ওটা তো শয়তান ভাঁড়!
:'''জোয়েল রবিনসন''': ছেলেরা এই শর্ট ফিল্ম নিয়ে অন্তত একটু কম সিরিয়াস হওয়া যায় না?
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': সব জায়গায় উত্তেজনা কারণ সার্কাস এসে গেছে। সবাই মস্ত বড় তাঁবুর দিকে যাচ্ছে আনন্দ করতে আর সাহসী মানুষ অদ্ভুত লোক আর বন্য প্রাণীদের খেলা দেখতে।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওই তো আজব লোকগুলো আসছে! দেখ ওদের কেমন...
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': উনি হলেন থমাস এডিসন উনার ইলেকট্রিক বাচ্চা নিয়ে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': স্পেন-আমেরিকা যুদ্ধের সমর্থকদের জড়ো করা হয়েছে।
:'''জোয়েল রবিনসন''': হেই ঘোড়াগুলো তো ব্যান্ডের পেছনের থাকার কথা তাই না?
:'''টম সার্ভো''': ওরে বাবা।
:'''ক্রো টি. রোবট''': এবার শয়তান ভাঁড়দের জন্য রাস্তা ছেড়ে দিন! ইয়ে!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': সিগ হেইল! সিগ হেইল!
:'''জোয়েল রবিনসন''': ঠিক আছে ছেলেরা তোমরা একটু বেশিই সিরিয়াস হয়ে যাচ্ছো। একটু হালকা হওয়া যায় না?
:---
:'''জোয়েল রবিনসন''': হেই ওটা এমেট কেলি।
:'''টম সার্ভো''': ওটা ভালো ছিল।
:'''জোয়েল রবিনসন''': না আসলেও ওটা ভালো।
:---
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওটা লিজা!
:---
:'''টম সার্ভো''': হেলরাইজার!! না!!!
:---
:'''জোয়েল রবিনসন''': দেখলে? এমেট এর পরপরই উনার ম্যানেজমেন্ট বদলে ফেলেছিলেন।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (দর্শকের গলায়)''': ও যখন খায় তখন আমাদের খুব ভালো লাগে!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': এটাই জীবন!
:'''ক্রো টি. রোবট''': মা দয়া করে বাড়ি ফিরে এসো!
:---
:'''জোয়েল রবিনসন''': থামো তো ওসব!
:---
:'''জোয়েল রবিনসন''': শোনো তুমি যদি মেঝেতে কয়েকবার আছড়ে পড়ো তবে তুমি নিশ্চিত করবে যেন কাজটা ঠিকমতো হয়।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': এটা বিকিনি এলাকার অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওরা অনেক কষ্ট সহ্য করতে পারে আর লড়াই চালিয়ে যায়!
:'''ক্রো টি. রোবট''': সেই সব মহিলা যারা একটু বেশিই ভালোবাসে আর তাদের পা যারা ব্যবহার করে।
:'''টম সার্ভো''': এটা সামলানোর চেষ্টা করছে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': এই কাজটা অনেক মহাদেশে নিষিদ্ধ করা হয়েছে!
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': হ্যাঁ এই হলো সেই লোক যে নিজের স্ত্রীকে টুপি মনে করে ভুল করেছিল!
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওকে দূরে সরিয়ে দিল।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': সুন্দরী ঘোড়সওয়ার ব্যালে ড্যান্সার মিস লুসি!
:'''টম সার্ভো''': ...আজ আমাদের সাথে থাকতে পারেননি তাই উনার বদলে এই কাজটা আছে।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': এই ছবিটা ভবিষ্যতের কোনো দুঃস্বপ্নের জন্য জমিয়ে রাখুন।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন (বুড়ো লোক হিসেবে)''': এই মুভটা আমার আবিষ্কার করা।
:'''ক্রো টি. রোবট (বাচ্চার গলায়)''': হ্যাঁ ঠিক বলেছো।
:---
:'''টম সার্ভো''': উমম না না- ওরা তো ভাঁড় স্টাইলে করছে! না!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ! আর ম্যাডোনা মনে করে উনিই নাকি নতুন কিছু করছেন!
:'''জোয়েল রবিনসন''': দয়া করে বলো যে এমন কিছু ঘটছে না... ওহ না...
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (ভাঁড় হিসেবে)''': আরও চাই আরও আমি এক খারাপ ভাঁড়! হা হা হা হা!
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': হ্যাঁ বাচ্চাদের বোঝার ক্ষমতা এক সেকেন্ডের জন্য খুলে দেওয়া হলো শুধু এই সার্কাসের ভয়ংকর দৃশ্যগুলো দেখার জন্য।
:'''ক্রো টি. রোবট''': দর্শকদের অনেক উপরে ড্যাগ হ্যামারস্কজোল্ড ট্রাপিজে কসরত করছেন!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': হ্যাঙ্ক কিমবলকে নিয়ে আসা হলো।
:'''ক্রো টি. রোবট (হ্যাঙ্ক কিমবল হিসেবে)''': হেই মিস্টার ডগলাস আমি দেখছি আপনার একটা ঘোড়া আছে। আসলে ওটা ঠিক ঘোড়া নয় ওটা আসলে অনেকটা...
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': হেই কোপ কাকা!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': বিং ক্রসবি আর উনার ছেলের সম্পর্কের পুনরাবৃত্তি করা হচ্ছে।
:'''টম সার্ভো (ভাঁড় হিসেবে)''': হা হা! দুঃস্বপ্ন শুরু করা যাক! হু হু!
:'''জোয়েল রবিনসন''': আমি আজ পর্যন্ত এত অদ্ভুত ডিবেট ফরম্যাট দেখিনি।
:---
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওহ এটা তো পুরো ডকু-ড্রামা হয়ে গেল!
:'''ক্রো টি. রোবট (রিচার্ড বার্টন হিসেবে)''': আমাদের ভাঁড় নিয়ে কথা বোলো না মার্থা।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': **বিড়ালগুলো!**
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': আমি জানি ফাইভ গ্রেডের ব্যায়াম শেষ করতে হলে এটা করতেই হবে তাই না?
:. . .
:'''জোয়েল রবিনসন (ট্রাপিজ আর্টিস্ট হিসেবে)''': খবর পাঠিয়ে দাও এড আজ বোতল টেনেছে!
:'''টম সার্ভো''': ওহ যেন ওটা আমাদের কাজের চেয়ে অনেক বেশি উন্নত ছিল...
:'''ক্রো টি. রোবট (ট্রাপিজ আর্টিস্ট হিসেবে)''': সুসানের ড্রেসিংরুমে পার্টি হবে আজ!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন (ট্রাপিজ আর্টিস্ট হিসেবে)''': একটা পাগলা হাতি ওর বাঁধন ছিঁড়ে এক কুলি-কে মেরে ফেলেছে।
:'''টম সার্ভো''': এখন কে সিরিয়াস হচ্ছে? হি হি আমার বেশ ভালোই লাগছে।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': আহ সার্কাসের আমার প্রিয় অংশ।
==== দ্য ডে দ্য আর্থ ফ্রোজ (মূল সিনেমা) ====
:'''বর্ণনাকারী''': অনেক কাল আগে,
:'''জোয়েল রবিনসন''': ...ওরা গোলেম (Golem)।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (লেমিনকাইনেন হিসেবে)''': (নরওয়েজিয়ান টানে গাইছে) যদি সবার একটা করে পাইন গাছ থাকত ফিনল্যান্ড জুড়ে...
:'''ক্রো টি. রোবট (লেমিনকাইনেন হিসেবে)''': (নরওয়েজিয়ান টানে গাইছে) আমি চাই সব মেয়েরাই যেন নরওয়েজিয়ান হয়...
<hr width="50%"/>
:'''লুহি, জাদুকরী''': একটা সাম্পো বানাও! নয়তো তোমার সুন্দরী বোনের মুখ আর কোনোদিন দেখতে পাবে না।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমরা কি বাকি অংশগুলো দেখতে পারি?
:'''টম সার্ভো''': ওরে বাবা জলদি ডিকশনারিতে সাম্পো মানে কী দেখো আমার মনে হয় জাদুকরী খুব সিরিয়াস!
<hr width="50%"/>
:'''ইলমারিনেন''': এই পশম দিয়ে আমি তোমাকে পোশাক দেব!
:'''টম সার্ভো (ইলমারিনেন হিসেবে)''': এই দাঁত দিয়ে তুমি আমাকে কামড় দেবে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ সুইডিশ শয়তানি জাদুকরীকে দেখুন!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (বুলউইঙ্কল হিসেবে)''': কেউ কি আমাকে দয়া করে একটু নিভিয়ে দেবেন? মনে হচ্ছে আমার গায়ে আগুন লেগেছে।
<hr width="50%"/>
:'''লুহি''': সাম্পোর ওই রঙ-বেরঙের গম্বুজটা কোথায়?
:'''জোয়েল রবিনসন''': উমম ম্যাম ওই গম্বুজটা একটা অপশন ছিল যা আপনি অর্ডার দেননি...
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (গ্রামবাসী হিসেবে)''': হুরে সবাই শোনো! তোমরা কি শুনেছো কোনো সাম্পো নেই?
:'''ক্রো টি. রোবট (গ্রামবাসী হিসেবে)''': হ্যাঁ এটা সত্যিই খুব খারাপ ব্যাপার।
:'''জোয়েল রবিনসন (গ্রামবাসী হিসেবে)''': কোনো সাম্পো নেই? মনটাই খারাপ হয়ে গেল।
:'''টম সার্ভো (গ্রামবাসী হিসেবে)''': চলো আমরা খুশি হই কারণ ও একটা আস্ত গাধা।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (গ্রামবাসী হিসেবে)''': আমি খুব খুশি যে এটা একটা শুকনো সেলিব্রেশন! ওটার চেয়ে অনেক বেশি মজা হবে!
:---
:'''টম সার্ভো (গ্রামবাসী হিসেবে)''': ও সাম্পো নিয়ে আসতে ব্যর্থ হয়েছে!
:'''জোয়েল, ক্রো (গ্রামবাসী হিসেবে)''': সাম্পো!
:'''টম সার্ভো (গ্রামবাসী হিসেবে)''': আমরা না খেয়ে মারা যাব!
:'''জোয়েল, ক্রো (গ্রামবাসী হিসেবে)''': সাম্পো!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': এটা আবার কী ধরনের নাটক শুরু হলো?
=== [[w:bn:ব্রাইড অব দ্য মনস্টার|ব্রাইড অব দ্য মনস্টার]] ===
==== হায়ার্ড! পার্ট ১ (শর্ট) ====
:'''জোয়েল রবিনসন''': হেই ওটা কি জন বেলুশির জীবনী?
:'''ক্রো টি. রোবট''': বুশ সরকারের আমলে এমন কথা তো সচরাচর শোনা যেত না।
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ এটার সিক্যুয়েল হলো ‘হায়ার্ড ২: ছাঁটাই করা হয়েছে’।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (ওয়ারেন হিসেবে)''': হুম। আমি জানতাম না যে ওর নামে পুলিশের কেস আছে। এখানে বলছে আইডাহোতে ওকে পুলিশ খুঁজছে।
:'''জোয়েল রবিনসন (ওয়ারেন হিসেবে)''': হুম? কী আপদ? মারাত্মক অস্ত্র দিয়ে হামলার অভিযোগ?!
:'''ক্রো টি. রোবট (ওয়ারেন হিসেবে)''': ওরফে ‘প্যান্ট ছাড়া সেলসম্যান’ বা ‘পেঁচানো হকার’?!
:'''জোয়েল রবিনসন (ওয়ারেন হিসেবে)''': কী? ও অংকে ডি পেয়েছিল?
:'''টম সার্ভো (ওয়ারেন হিসেবে)''': কিন্তু ও তো মীন রাশির জাতক।
:'''ক্রো টি. রোবট (ওয়ারেন হিসেবে)''': ও যদি আমার ছেলে না হতো তবে আমি ওকে চাকরি থেকে বের করে দিতাম।
:---
:'''জোয়েল রবিনসন (ওয়ারেন হিসেবে)''': ঈশ্বর আপনি কি ওখানে আছেন?
:'''টম সার্ভো (ওয়ারেন হিসেবে)''': হ্যালো দেয়াল সাহেব।
:'''ক্রো টি. রোবট (ওয়ারেন হিসেবে)''': যাক এক টুকরো মাংস আর এক মগ মদের সাথে আমার নাম লেখা আছে।
:---
:'''টম সার্ভো (ওয়ারেন হিসেবে)''': এটা তো অসম্ভব। আমার অধীনে থাকা কেউ কোনোদিন একটা গাড়িও বেচতে পারেনি!
:'''জোয়েল রবিনসন''': মনে হয় কেউ কোনো অ্যালবাম জিততে পারবে না।
:'''ক্রো টি. রোবট (ওয়ারেন হিসেবে)''': আমি যদি পড়তে পারতাম তবে বুঝতাম সমস্যাটা কোথায়।
:'''টম সার্ভো (ওয়ারেন হিসেবে)''': ওহ সমস্যাটা এখানে। আমি দুই যোগ করতে ভুলে গিয়েছিলাম!
<hr width="50%"/>
:'''টম, ক্রো, জিপসি''': ওকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ওকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ওকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ওকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
:'''জোয়েল রবিনসন''': (গাইছে) আমাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে
:'''টম, ক্রো, জিপসি''': (গাইছে) ওকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
:'''জোয়েল রবিনসন''': (গাইছে) আশা করি আমাকে যেন আবার ছাঁটাই না করা হয়।
:'''টম, ক্রো, জিপসি''': (গাইছে) ওকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
:'''জোয়েল রবিনসন''': (গাইছে) চল্লিশ বছর পর আমি রিটায়ার করব। কিন্তু এখন আমি স্রেফ নিয়োগ পেয়েছি।
:'''টম, ক্রো, জিপসি''': (গাইছে) ওকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ওকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ওকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ওকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
:'''জোয়েল রবিনসন''': (গাইছে) আজ আমি একটা কাজ পেয়েছি।
:'''টম, ক্রো, জিপসি''': (গাইছে) ওকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
:'''জোয়েল রবিনসন''': (গাইছে) আমি শেভ্রোলেট গাড়ি বেচছি।
:'''টম, ক্রো, জিপসি''': (গাইছে) ওকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
:'''জোয়েল রবিনসন''': (গাইছে) আমি ঘরে ভালো টাকা আনছি।
:'''টম, ক্রো, জিপসি''': (গাইছে) ওকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
:'''জোয়েল রবিনসন''': (গাইছে) আমি স্রেফ চাকরিটা পেলাম
:'''টম, ক্রো, জিপসি''': (গাইছে) ওকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ওকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ওকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ওকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ও আজ চাকরি পেয়েছে।
:'''জোয়েল রবিনসন''': (গাইছে) হ্যাঁ আমি!
:'''টম, ক্রো, জিপসি''': (গাইছে) ও শেভ্রোলেট গাড়ি বেচছে।
:'''জোয়েল রবিনসন''': (গাইছে) আমরা এবার পর্দা লাগাব।
:'''টম, ক্রো, জিপসি''': (গাইছে) ও ঘরে ভালো টাকা আনছে।
:'''জোয়েল রবিনসন''': (গাইছে) আমাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে
:'''টম, ক্রো, জিপসি''': (গাইছে) হয়তো মিষ্টিও খাওয়া হবে
:'''জোয়েল রবিনসন''': (গাইছে) আমাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে!
:'''টম, ক্রো, জিপসি''': (গাইছে) ও স্রেফ চাকরিটা পেল! চাকরি পেল!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': (গাইছে) আমি ভাবছিলাম তুমি কি আমার ওটা দেখতে চাও-
:'''জিপসি''': না!
:'''জোয়েল রবিনসন''': (গাইছে) কিন্তু আমার মনে হয় তোমার ওটা দেখা উচিত-
:'''টম সার্ভো''': না!
:'''জোয়েল রবিনসন''': (গাইছে) এটার একটা সুন্দর-
:'''জিপসি''': না!
:'''জোয়েল রবিনসন''': (গাইছে) আর যদি তুমি-
:'''ক্রো টি. রোবট''': না!
:'''টম, ক্রো, জিপসি''': (গাইছে) তুমি কি দেখছো না আমরা তোমাকে না বলছি!!
<hr width="50%"/>
:'''জিপসি''': (গাইছে) এসো আর একটু লেবুর শরবত খেয়ে নাও!
==== ব্রাইড অব দ্য মনস্টার (মূল সিনেমা) ====
:'''ক্রো টি. রোবট''': টর! মুখ বন্ধ করো নয়তো ডুবে যাবে!
<hr width="50%"/>
:'''শিকারী''': তোমরা আমার সাথে কী করছো?..
:'''জোয়েল রবিনসন (ডক্টর ভরনফ হিসেবে)''': তুমি ম্যরা ব্রেকিনরিজ হতে যাচ্ছো।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': কিন্তু ওর ইন্সুরেন্সে এটা কভার করবে না।
:---
:'''জোয়েল রবিনসন (ডক্টর ভরনফ হিসেবে)''': কমবেশি হবে আর কি।
:---
:'''টম সার্ভো (ডক্টর ভরনফ হিসেবে)''': --নয়তো না।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (ডক্টর ভরনফ হিসেবে)''': ওরে বাবা!
:---
:'''জোয়েল রবিনসন (ডক্টর ভরনফ হিসেবে)''': যাক বিশাল মানুষের থিওরি আপাতত এই পর্যন্তই।
<hr width="50%"/>
:'''জ্যানেট''': ডিক!
:'''ক্রো টি. রোবট (জ্যানেট হিসেবে)''': উমম না হাঁস! ধুর আমি ভুল বলে ফেলেছি।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ না এখন ওর বিশজন নেশাখোরের সমান শক্তি চলে এসেছে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': তুমি আমার বউ!
:'''টম সার্ভো''': (চিকন গলায়) বিদায় শহরের জীবন!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': তা কেউ কি স্কুইড ফ্রাই খাবেন?
:'''টম সার্ভো''': ওটা খুব একটা সুস্থ অক্টোপাস ছিল না।
:---
:'''টম সার্ভো (ক্যাপ্টেন রবিন্স হিসেবে)''': দাঁড়ান ও এটা কীভাবে করল?
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ চমৎকার এখন ওই ফ্ল্যাটের পাগলা পাখিওয়ালা আমাদের ধর্মীয় উপদেশ দেবে।
=== [[w:bn:মানোস: দ্য হ্যান্ডস অব ফেট|মানোস: দ্য হ্যান্ডস অব ফেট]] ===
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': এটা শোনো বন্ধু: সাধারণ কোনো মানুষ আজকের এক্সপেরিমেন্টের মতো সিনেমা কোনোদিন দেখেনি। রাস্তার কোনো সাধারণ মানুষ এই জঘন্য সিনেমাটার কথা কল্পনাও করতে পারবে না যা আমি তোমাকে দিতে যাচ্ছি। আমি তোমাকে দিচ্ছি: ‘মানোস: দ্য হ্যান্ডস অব ফেট’ সাথে থাকছে ‘হায়ার্ড!’ এর শেষ কিস্তি।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল, সার্ভো, ক্রো''': জিগি গারফিল্ডকে নির্বাসিত করেছে?! এটা তো সত্যিই মজার!
==== হায়ার্ড! পার্ট ২ (শর্ট) ====
:'''ক্রো টি. রোাবট''': ‘হায়ার্ড!’ এর আগের পর্বে যা যা ঘটেছিল।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন (ওয়ারেন হিসেবে)''': আমার বাবা আমাকে যেভাবে শিখিয়েছে আমি সেভাবেই নেতৃত্ব দেব! তুমি তোমার মাথায় একটা রুমাল বাঁধো! তুমি কাল্পনিক ভূতগুলোকে মারো! আর তুমি সারা রাত বারান্দায় বসে আরাম করো!
:---
:'''টম সার্ভো (ওয়ারেন হিসেবে)''': যেহেতু আমরা সেলসম্যান সেহেতু এটাই সত্যি।
:---
:'''জোয়েল রবিনসন (ওয়ারেন হিসেবে)''': কিন্তু তার আগে — মদ চাই!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (ওয়ারেন হিসেবে)''': কারণ তোমার সমস্যাই সবচেয়ে বেশি।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (জিমি হিসেবে)''': হ্যাঁ যাওয়ার সময় কি আমি তোমার পায়ে তেল মালিশ করে দিতে পারি? কেমন হবে সেটা?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (ওয়ারেন হিসেবে)''': -হ্যারি ছিল!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': জিন্টার সবচেয়ে বেশি সেল করে কারণ ও রূপ বদলাতে পারে!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন (সিনেটর ম্যাকার্থি হিসেবে)''': আপনি কি এখন বা কোনোদিন ফোর্ড গাড়ির মালিক ছিলেন?
==== মানোস: দ্য হ্যান্ডস অব ফেট (মূল সিনেমা) ====
:'''টম সার্ভো''': আমরা নিশ্চয়ই এই সিনেমার আধা ঘণ্টা পার করে ফেলেছি তাই না?
:'''জোয়েল রবিনসন''': না আসলে মাত্র এক মিনিট হয়েছে।
:'''টম সার্ভো''': (অবাক হয়ে) ...না।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': মনে হয় লিফট দেওয়ার বদলে ওরা শার্লি বাসিকে তুলে নিয়েছে।
<hr width="50%"/>
:'''মাইকেল''': এই জায়গাটা এল কোত্থেকে? কিছুক্ষণ আগেও তো এখানে ছিল না।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হয়তো এটা কোনো জাদুর শহর।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': জানো এই সিনেমার প্রতিটা ফ্রেম দেখতে কারো শেষ তোলা ছবির মতো মনে হচ্ছে।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': আহ... টরগো তুমি প্যান্ট পরার নিয়ম একদমই জানো না।
:'''ক্রো টি. রোবট''': থাইমাস্টার ট্রাই করছো নাকি টরগো?
: . . .
:'''টম সার্ভো''': যেন জো ককার তোমার হোটেল বয় হিসেবে কাজ করছে।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন (মাইকেল হিসেবে)''': হেই দেখো- আমি জানি তুমি এক অশুভ শয়তান কিন্তু একটু চুপ করবে?! রাত নটা বেজে গেছে আর আমাদের ঘরে বাচ্চা আছে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (ডেবি হিসেবে)''': এটা একটা শয়তান আর এটা খুব মজার!
:'''টম সার্ভো (ডেবি হিসেবে)''': ওর নাম মেফিস্টো! আমরা কি ওকে রাখতে পারি?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (মালিক হিসেবে)''': আমি কী ভাবছিলাম?
:'''জোয়েল রবিনসন (ঘোষক হিসেবে)''': মহিলারা লাঞ্চ করছে।
:'''টম সার্ভো (ঘোষক হিসেবে)''': আর মানোসরা যারা ওদের ভালোবাসে — পরের বার ডোনাহু-তে দেখবেন।
: . . .
:'''জোয়েল রবিনসন''': জানো এই দৃশ্যটা মানোসের জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী তবে এটা মেয়েদের জন্য বানানো।
:---
:'''টম সার্ভো''': ...আর এখন ফিরছি ‘উই ম্যারিড মানোস’ শো-তে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': উমম এই পর্যায়ে এসে কথাবার্তা সব বন্ধ হয়ে গেছে।
:'''টম সার্ভো''': দেখতে তো রাশিয়ার পার্লামেন্টের মতো লাগছে।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': ‘ডিজাইনিং উইমেন’ এর হারিয়ে যাওয়া এপিসোড।
:'''টম সার্ভো (প্রফেসর ক্যানিং হিসেবে)''': আর এখন মানোস মহিলা সমিতি পার্ল হারবার যুদ্ধের পুনরাবৃত্তি করবে।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি লন্ডন দেখি আমি ফ্রান্স দেখি আমি সবার আন্ডারপ্যান্ট দেখি!
: . . .
:'''টম সার্ভো''': আপনি জানেন এই সিনেমাটা কিন্তু একদমই ওই টাইপের না। আমার বেশ ভালোই লাগছে কিন্তু এটা মোটেও ওরকম না!
: . . .
:'''জোয়েল রবিনসন''': তুমি জানো এর পরে ওরা হাসবে কাঁদবে আর একে অপরের কান ফুটো করে দেবে।
: . . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': এটা উইলসন ফিলিপসের ব্রেকআপ।
: . . .
:'''টম সার্ভো''': আমার মনে হয় এই কারণেই এই পুরো সিনেমাটা বানানো হয়েছে।
<hr width="50%"/>
:'''মালিক''': চুপ করো!
:'''জোয়েল রবিনসন''': চুপ থাকাটাই সেরা!
:'''মালিক''': চুপ করো!
:'''জোয়েল রবিনসন''': চুপ থাকাটাই সেরা!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': (বিরক্ত হয়ে) **কিছু একটা করো!!!** খোদা!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': (নাটকীয়ভাবে) আমার আঙুলটা একটু টানো!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ! আজ রাতে কোপাকাবানাতে জুলস বিডেল উপস্থাপন করছেন: প্যাট বেনেটার আর ট্রিশিয়া নিক্সন!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': (গান গাইছে) ধোঁয়ার ভেতর এক অদ্ভুত লোক…
:'''ক্রো টি. রোবট (বেলা লুগোসি হিসেবে)''': এদিকে এসো।
:'''জোয়েল রবিনসন''': নতুন পোপ এখনো নির্বাচন করা হয়নি।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমার মনে হয় ওই হাতগুলোই ওকে ওখান থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেবে!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': এদিকে টোলেডোতে...
:'''টম সার্ভো''': না দাঁড়ান। এই সিনেমা কি নিজেকেই টপকে গেল?
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': এটা নিশ্চয়ই সাপ্তাহিক কোনো সিরিজ হবে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': কুশলী? ওদের একজন কুশলীও ছিল!? আমার তো বিশ্বাসই হচ্ছে না যে ওদের কোনো কুশলী ছিল!
:'''জোয়েল রবিনসন''': ঠিক আছে সবাই এমন একজনকে বেছে নিন যাকে আপনি একটা ঘুসি মারতে চান।
:'''টম সার্ভো''': কোথা থেকে শুরু করব?
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আপনি যদি হ্যারল্ড পি. ওয়ারেনের সাথে যোগাযোগ করতে চান তবে টেক্সাসের সার কোম্পানির ঠিকানায় যোগাযোগ করুন।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': শেষ? হ্যাঁ। মানে না। আমি আমার উত্তর বদলাতে চাই!
:'''জোয়েল রবিনসন''': না। সবসময় মনে সংশয় রাখুন।
:---
:'''টম সার্ভো''': জলদি করো!
:---
:'''টম সার্ভো''': ধন্যবাদ এল পাসো! শুভ রাত্রি! আমরা এখান থেকে বিদায় নিচ্ছি!
:'''জোয়েল রবিনসন''': আমরা একটা ব্রেক নেব আমরা ছিলাম মানোস: দ্য হ্যান্ডস অব ফেট।
:---
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': হেই দুই ঘণ্টা হয়ে গেছে কিন্তু এই পিৎজাটা এখনও গরম আছে!
:---
:'''টরগো''': ওরা সবসময়ই এমনটা করে!
== মৌসুম ৫ ==
=== [[w:bn:ওয়ারিয়র অব দ্য লস্ট ওয়ার্ল্ড|ওয়ারিয়র অব দ্য লস্ট ওয়ার্ল্ড]] ===
:'''নাস্তাসিয়া''': তুমি কি বেঁচে থাকতে চাও?
:'''জোয়েল রবিনসন (স্যালি স্ট্রাদার্স হিসেবে)''': অবশ্যই আমরা সবাই চাই!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (গুন্ডা হিসেবে)''': ওরে বাবা! এটা তো বোকামি হয়ে গেল আমি বিশ্বাসই করতে পারছি না যে আমরা ওটা করেছি!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন, ক্রো টি. রোবট, টম সার্ভো''': মেগা-ওয়েপন! মেগা-ওয়েপন! মেগা-ওয়েপন!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ও তো নিজের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে রেখেছে!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': জন? হেই এই সিনেমাটা আসলেই খুব বাজে।
=== [[w:bn:হারকিউলিস|হারকিউলিস]] ===
:'''জোয়েল রবিনসন''': পিটার প্যান অভিনেতাদের আক্রমণ!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন (সিংহ হিসেবে)''': ওহ হারকিউলিস আমি তো স্রেফ মজা করছিলাম।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন (সৈনিক হিসেবে)''': হাই আমরা আমাদের পোষা সিংহ স্ক্রাফিকে নিতে এসেছি! ওহ খোদা একি হলো!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আজ মেঘের ফাঁক দিয়ে সূর্যের আলো দেখা যাবে।
=== [[w:bn:সোয়াম্প ডায়মন্ডস|সোয়াম্প ডায়মন্ডস]] ===
==== ডেটে কী করবেন (ছোট ছবি) ====
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমাকে জানতে হবে ডেটে গেলে কোনটা করা যাবে না! হা হা!
:---
:'''টম সার্ভো''': কী? উনি কি ডেটিং এর ওপর পিএইচডি করেছেন নাকি?
:'''জোয়েল হজসন''': ওহ না এটা তো ঠিক যেন মা-র কাছ থেকে যৌন শিক্ষা নেওয়ার মতো অবস্থা!
<hr width="50%"/>
:'''নিক''': উমম কে... তুমি কি কমিউনিটি সেন্টারের কাজে একটু সাহায্য করবে?.. মানে করবে কি?
:'''জোয়েল রবিনসন (কে হিসেবে)''': আমি আর কতভাবে তোমাকে ‘না’ বলব?!
:'''কে''': ওহ আমি ওটা নিয়ে শুনছিলাম। হ্যাঁ আমি সত্যিই সাহায্য করতে চাই।
:'''ক্রো টি. রোবট (কে হিসেবে)''': আমি যদি আমার বয়ফ্রেন্ড ডেভকে সাথে আনি তবে কোনো সমস্যা হবে কি?
: . . .
:'''নিক''': আমি সত্যিই ভাবিনি যে ও ডেটের জন্য এমন একটা জায়গায় যেতে রাজি হবে।
:'''জোয়েল রবিনসন (নিক হিসেবে)''': ...আমার মতো একজন ব্যর্থ মানুষের সাথে।
:'''নিক''': আমার তালি মারার ব্যাটটা কোথায়?
:'''টম সার্ভো (নিক হিসেবে)''': আমার নিজেরই নিজেকে মারা উচিত।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': কে কসাইখানায় কাজ করেছে- ও জানে ঠিক কোথায় আঘাত করলে এক কোপে মারা যাবে।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': জেফ কীভাবে এমন সব আইডিয়া পায়?
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': নিজের ভেতরের চিন্তা থেকে।
:---
:'''বর্ণনাকারী''': একটু দাঁড়ান হয়তো এখান থেকেই জেফ ওর আইডিয়াগুলো পায়!
:'''জোয়েল রবিনসন''': দুপুরের খাবারের মেনু থেকে?
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': হেই নিক অন্যদেরও তো কিছু খেতে দাও।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': আইসক্রিম? আমি এই পার্টিটা খুব পছন্দ করছি!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': এটা যদি আসলেও কোনো ডেট হতো তবে আপনাকে নির্দেশ দেওয়া হতো যে আপনার কোথায় যাওয়া উচিত।
==== সোয়াম্প ডায়মন্ডস (মূল সিনেমা) ====
:'''ক্রো টি. রোবট''': বেভারলি গারল্যান্ডের অন্তর্বাস! আমি চমৎকার কিছু একটা দেখেছি!
=== [[w:bn:সিক্রেট এজেন্ট সুপার ড্রাগন|সিক্রেট এজেন্ট সুপার ড্রাগন]] ===
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ দারুণ! বাজি ধরে বলতে পারি এই লোকটা খুব কুল! ও ধূমপান করে ওর কাছে বন্দুক থাকে আর... শুধু সারাদিন ফোনে কথা বলে...
=== [[w:bn:দ্য ম্যাজিক ভয়েজ অব সিনবাদ|দ্য ম্যাজিক ভয়েজ অব সিনবাদ]] ===
:'''ক্রো টি. রোবট (ভিড়ের একজনের গলায়)''': হাওয়ার্ড জনসন একদম ঠিক কথা বলেছেন!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল হজসন''': দুপুর হয়ে গেছে অথচ ও এখনও কাজ দেরি করানোর জন্য সমানে বকবক করে যাচ্ছে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওরা নতুন কোনো কোল্ড ড্রিঙ্কস ট্রাই করছে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওদের দেখে তো মনে হচ্ছে ওটা সেই জাদুকরী নাইটদের দল!
<hr width="50%"/>
:'''জিপসি''': মনে হচ্ছে আজ গুরুত্বপূর্ণ সবাই এখানে হাজির হয়েছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': কারণ ওরা জানত যে তুমি আজ এই ড্রেসটা পরে আসবে। বাহ।
<hr width="50%"/>
:'''জিপসি''': আমরা ভাবছিলাম... সিনবাদ যদি আপনার শহরে আসত তবে আপনি কী করতেন? আপনি কি চাইতেন না যে সিটি কাউন্সিল এ বিষয়ে কিছু একটা করুক? চলুন দেখি।
<hr width="50%"/>
:'''জিপসি''': ও সিনবাদ ছিল না।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আপনি কে!?!?
=== [[w:bn:ইগা!|ইগা!]] ===
:'''ক্রো টি. রোবট (রক্সি হিসেবে)''': ট্যাক্সি! ...ওহ আমি তো নিজেই ড্রাইভ করছি।
:. . .
:'''টম সার্ভো''': জানেন এই গাড়িটার সবচেয়ে ভালো দিক হলো ও চাইলে এটাকে ভাজ করে নিজের ব্যাগে ভরে রাখতে পারবে।
<hr width="50%">
:'''ক্রো টি. রোবট''': যদি আপনি ইগা-কে ভালোবাসেন তবে হর্ন দিন!
:'''টমি''': হাই রক্সি!
:'''জোয়েল রবিনসন (টমি হিসেবে)''': আমার এই চেহারার জন্য আমি দুঃখিত!!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওহ দেখুন ও কালো মোজার সাথে বিশেষ জুতো পরে আছে।
:'''টম সার্ভো''': ও যা কিছু পরেছে তার সবটাই ওর শরীরের সমস্যা ঠিক করার জন্য বানানো হয়েছে!
<hr width="50%"/>
:'''টমি''': রক্সি! আমি টম!
:'''জোয়েল রবিনসন (রক্সি হিসেবে)''': সেজন্যই তো আমি চিৎকার করছি! আআআআআআআআ!!!
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর মিলার''': ও ঠিক এই জায়গা দিয়ে রাস্তা ছেড়েছে।
:'''ডক্টর মিলার (ডাবিং করা ভয়েস)''': সাপ থেকে সাবধান!
:'''টম সার্ভো''': ওটা কে বলল?!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': ভাইরে ওকে দেখে মনে হচ্ছে ওর খুব কষ্ট হচ্ছে।
:'''টম সার্ভো (হোটেল কর্মী হিসেবে)''': পুলের পাশের ভদ্রলোক দয়া করে গানটা বন্ধ করবেন কি? আর সাপ থেকে সাবধান।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': আমি ধরে ফেলেছি ওকে দেখতে ঠিক ওই কার্টুন বাদুড়টার মতো লাগছে।
<hr width="50%"/>
:'''রক্সি''': উমম... কেমন আছেন আপনি?
:'''ক্রো টি. রোবট (লাশ হিসেবে)''': আমি একদম পুরোপুরি মরে গেছি।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': ভাইরে ওকে এতবার কোলে তুলে নেওয়া হয়েছে যে ওর পিঠের সাথে একটা হ্যান্ডেল লাগিয়ে দেওয়া উচিত ছিল!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওহ হ্যাঁ। আপনার ছোট ব্যাগটা নিতে ভুলবেন না যেন।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওই ব্যাগটাই ওর মৃত্যুর কারণ হবে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (ইগা হিসেবে)''': (গাইছে) নীল পরীর জন্য লাল গোলাপ...
:'''ক্রো এবং সার্ভো''': (একসাথে) ইগা শাক্কা! ইগা! ইগা!
:'''জোয়েল রবিনসন''': (গাইছে) আমি আমার অনুভূতি দমাতে পারছি না...
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': এটা মেপলউডের ফ্রেডরিক স্টোর।
:'''জোয়েল রবিনসন (ঘোষক হিসেবে)''': লোরেটা ইয়ং শো!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (ক্রিপ্টকিপার হিসেবে)''': পাতাল ঘরে স্বাগতম! আমরা আপনাদের জন্য কিছু একটা খুঁড়ে বের করেছি! কেন আমাদের সাথে থেকে ‘ড্রিম অন’ অনুষ্ঠানটা দেখছেন না? ওটা টিভির সেরা শো! (জোয়েলকে) আমি সত্যিই খুব অসুখী।
=== [[w:bn:আই অ্যাকিউজ মাই প্যারেন্টস|আই অ্যাকিউজ মাই প্যারেন্টস]] ===
:'''জোয়েল রবিনসন''': ঠিক আছে সবার কি আর্ট-থেরাপি প্রজেক্ট শেষ হয়েছে?
:'''জিপসি''': উমম-হুম।
:'''টম সার্ভো''': জোয়েল এই আর্ট-থেরাপির মানেটা কী বল তো?
:'''জোয়েল রবিনসন''': দেখো তোমাদের পরিবারের ছবি আঁকিয়ে আমি স্রেফ এটা দেখতে চেয়েছিলাম যে তোমরা সেই মানসিক সমস্যাগুলো থেকে বেরিয়ে আসতে পারো কি না যা আজকের সিনেমার নায়ক জিম্মি ভুগেছে। তো দেখি তোমরা কী এঁকেছ। এটা ক্রোর আঁকা...
:---
:'''টম সার্ভো''': হুম।
:'''ক্রো টি. রোবট''': এটা আমার বাবা। উনি অজেয়! উনার হাতগুলো ইস্পাতের তৈরি আর বুক থেকে লেজার বের হয়। পিউউ! পিউউ!
:'''জিপসি''': ওরে বাবা!
:'''ক্রো টি. রোবট''': বলে বোঝাতে হবে না যে উনিই এলাকার সেরা বাবা। আমরা ফাদার-সন পিকনিকে গেলে সবসময়ই জিতি। উনি আমাদের জ্ঞান দেন আর সব বাধা চুরমার করে এগিয়ে চলেন!
:'''জিপসি''': বাহ...
:'''জোয়েল রবিনসন''': উমম-হুম। আর এই বিশাল গোঁফটার মানে কী?
:'''ক্রো টি. রোবট''': উমম... জানি না।
:'''জোয়েল রবিনসন''': ঠিক আছে দেখি। (লিখছে) “গোঁফের ওপর অতিরিক্ত মনোযোগ দেওয়া মানে হলো নিজের নাক আর ঠোঁট নিয়ে লজ্জিত থাকা।” ভালো। এবার টম তোমারটা দেখি। এটা কী?
:---
:'''টম সার্ভো''': ঠিক আছে! উমম ওটা আমার মা এটা আমার বাবা আর ওটা আমার আরেকজন মা। আমার মা হলেন হেইলি মিলস বাবা হলেন জাইগ্যান্টর আর অন্য মা হলেন পেগি কাস।
:'''জোয়েল রবিনসন''': উমম-হুম। আর তোমার দুই মা হাত ধরে আছেন কেন টম?
:'''টম সার্ভো''': জানি না।
:'''জোয়েল রবিনসন''': ঠিক আছে দেখি... (লিখছে) “মা-বাবাকে নিয়ে তৈরি হওয়া কোনো সুপ্ত সমস্যা।” (ফিসফিস করে) এই লোকটার মাথায় সমস্যা আছে! (জিপসিকে) ঠিক আছে জিপসি এটা বেশ সুন্দর হয়েছে তোমারটা সম্পর্কে কিছু বলো।
:---
:'''জিপসি''': দেখো জোয়েল আমার আদর্শ পরিবার এখানেই আছে! আর আমি জানি রিচার্ড বেসহ্যর্ট ওপর থেকে আমাদের সবার দেখাশোনা করছেন।
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওহ এটা সত্যিই খুব মিষ্টি জিপসি। কিন্তু আমাকে বলো রিচার্ড বেসহ্যর্টকে তুমি ঈশ্বর বানালে কেন?
:'''জিপসি''': জানি না।
:'''ক্রো টি. রোবট''': উমম জোয়েল? তুমি রোবটদের মন নিয়ে গবেষণা করে সময় নষ্ট করছো কেন?
:'''জোয়েল রবিনসন''': উমম... আমি জানি না।
:---
:'''জোয়েল রবিনসন''': আমি স্রেফ মজা করছিলাম।
:---
:'''জোয়েল রবিনসন''': আমরা আসছি বিরতির পর। আমি সত্যিই জানি! আমি সত্যি সত্যিই জানি।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': জিম একটা পাগল-
:'''ক্রো টি. রোবট''': আর আস্ত গাধা।
:'''টম সার্ভো''': -ও নিজের মা-বাবার ওপর দোষ চাপাচ্ছে!
<hr width="50%"/>
:'''জিপসি''': যাক আমাদের আবার শুরু থেকে শুরু করতে হবে।
==== ট্রাক চাষি (ছোট ছবি) ====
:'''জোয়েল রবিনসন''': ইস্টার বানি ফিল্মস নিবেদন করছে...
:'''টম সার্ভো''': “ট্রাক চাষি”: বিশেষ সংস্করণ। এতে এমন কিছু দৃশ্য আছে যা স্টুডিওর মতে দর্শকদের জন্য খুব বেশি ভয়ংকর ছিল।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমার মনে হয় ওরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই সিনেমাটা বেচেছে।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': আমাদের অধিকাংশেরই মনে হয় যে এই মানুষগুলো খুব স্বাধীন ছিল...
:'''জোয়েল রবিনসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': কিন্তু ওরা আসলে ছিল আস্ত গাধা!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওরে বাবা! এটা তো কিলডোজার! ক্লিন্ট ওয়াকার না একাজ করবেন না!
:'''টম সার্ভো''': এখানে কয়েক হাজার একর রেইনফরেস্ট কেটে সাফ করে দেওয়া হচ্ছে। কারই বা মাথাব্যথা?
:'''ক্রো টি. রোবট (ড্রাইভার হিসেবে)''': ফালতু গাছপালা! আমি এদের ঘৃণা করি।
:'''জোয়েল রবিনসন''': ট্রাক চালানো খুব একটা মজার কাজ ছিল না। এটা হলো ফ্রিস্টাইল কম্পিটিশন।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আজকাল আর এমন গাছ দেখা যায় না। যাক অন্তত কেটে ফেলা হলো।
:'''টম সার্ভো''': দুঃখের বিষয় হলো এই লোকটা কারো হয়ে কাজ করে না। ও স্রেফ মজার জন্য একাজ করছে!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল, ক্রো এবং সার্ভো''': (স্পিড রেসার গানের সুরে গাইছে) এগিয়ে চলো স্পিড চাষি! এগিয়ে চলো স্পিড চাষি! এগিয়ে চলো স্পিড চাষি চলো!
: . . .
:'''টম সার্ভো''': এমন দৃশ্য রোজ দেখা যায় না।
:'''জোয়েল রবিনসন''': কোনটা?
:'''টম সার্ভো''': এমন এক চাষি যার হাত পা সব আস্ত আছে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': এবার হাঁসের খবর। সাথে আছেন হিউ ম্যাককোয়াকিন।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': সেচের জন্য এক জটিল পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওহ আসলেও খুব ‘জটিল’।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': রিও গ্র্যান্ড ডেল্টাতে মেক্সিকান নাগরিকরা যারা সাময়িক কাজের অনুমতি নিয়ে বর্ডার পার হয়ে আসে তারা সাহায্য করে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওরা কথাটাকে কত সুন্দর করে বলছে!
: . . .
:'''জোয়েল রবিনসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': এক কিশোরীকে কাজে লাগানো হয়েছে। ওর সৌন্দর্য খুব জলদিই হারিয়ে যাবে।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': গাজরগুলো আগে ধুয়ে নেওয়া হয়।
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': ওগুলোর স্বাদ নষ্ট করা হয়েছে যাতে লোকে মাংস কেনে!
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': কিছু গাজর বরফে জমানো হয়।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আর কিছু গাজরকে সবার সামনে অপমান করা হয়।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': দক্ষিণ টেক্সাসে ওদের একটা বাড়তি সমস্যা আছে...
:'''ক্রো টি. রোবট''': টেক্সাসের মানুষজন।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': সবজিগুলো বিশেষ ফ্রিজ দেওয়া কন্টেইনারে পাঠানো হয়।
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': পরে এই মেশিনটাই শ্রমিকদের পেটানোর কাজে ব্যবহার করা হয়।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': একটু দাঁড়ান কেউ কি আজ পর্যন্ত কোনো ট্রাক দেখেছেন?
==== আই অ্যাকিউজ মাই প্যারেন্টস (মূল সিনেমা) ====
:'''টম সার্ভো''': পেনাইল রিপ্লেসমেন্ট কর্পোরেশন পিকচার্স নিবেদন করছে...
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': জন ব্র্যাডশ-র কাহিনী!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': (গাইছে) ওরা হাসত যখন আমি আমার মা-বাবাকে দোষ দিতাম আর আমি ওদের মেরেই ফেলব... দেখি এবার ওরা হাসে কি না...
<hr width="50%"/>
:'''জিমি''': মহামান্য আদালত হয়তো আমার এটা বলা ঠিক হচ্ছে না...
:'''জোয়েল রবিনসন (জিমি হিসেবে)''': ...কিন্তু আমিই হলাম এস্থার রোল!
:'''জিমি''': কিন্তু... আমি আমার মা-বাবাকেই দোষ দেব!
:'''টম সার্ভো''': ইয়েস! আমরা টাইটেল পেয়ে গেছি!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল, ক্রো এবং সার্ভো''': মিথ্যাবাদী! মিথ্যাবাদী! মিথ্যাবাদী!
<hr width="50%"/>
:'''কিটি''': (গাইছে) তুমি কি খুশি...
:'''ক্রো টি. রোবট''': ‘খুশি’ শব্দটার ব্যাখ্যা দাও!
:'''কিটি''': ...তোমার কাজে...
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওহ সপ্তাহের শুরুতেই আমাকে এসব দুঃখের গান শুনিও না...
<hr width="50%"/>
:'''কিটি''': তুমি সারাজীবন ২৫ ডলার মাইনের এক জুতো বিক্রেতাই থেকে যাবে।
:'''টম সার্ভো (জিমি হিসেবে)''': ট্যাক্স দেওয়ার পর ওটা আঠারো ডলার হবে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (কিটি হিসেবে)''': আমার যদি মা-বাবা থাকত তবে আমি এখনই ওদের ওপর দোষ চাপাতাম!
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি ওর চুলের ওপর দোষ চাপাব!
<hr width="50%"/>
:'''কিটি''': কেন তুমি আমাকে ছেড়ে গেলে?
:'''জোয়েল রবিনসন''': তুমিই তো ওকে যেতে বলেছিলে!
:'''কিটি''': দয়া করে আমার কথা শোনো-
:'''টম সার্ভো''': দোষী নয়!
:'''কিটি''': -তুমি কোথায় এখন?
:'''ক্রো টি. রোবট''': দর্শকরাও বেশ অবাক হয়েছে।
=== [[w:bn:অপারেশন ডাবল ০০৭|অপারেশন ডাবল ০০৭]] ===
:'''জোয়েল রবিনসন''': (গাইছে) ও প্রতি মঙ্গলবার চুল কাটায়!
:'''ক্রো টি. রোবট''': (গাইছে) ও আলুর চেয়ে সবজি বেশি পছন্দ করে!
:'''টম সার্ভো''': (গাইছে) ওর প্রিয় সিনেমা হলো ‘টার্নার অ্যান্ড হুচ’!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': ঠিক আছে এই হলো গির্জা আর এই হলো চূড়া দরজা খোলো আর ঘুমাতে চলো।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': ঠিক আছে আমার প্রতিদিনের পিঠ মালিশ করার সময় হয়েছে; কে করবে কাজটা?
:'''টম সার্ভো''': জোয়েল আমাদের কারোই কাজ করার মতো হাত নেই।
:'''জোয়েল রবিনসন''': আমি জানি।
<hr width="50%"/>
:'''মিস্টার থেয়ার''': সবকিছু এমনভাবে চলবে যেন কিছুই ঘটেনি।
:'''জোয়েল রবিনসন''': আদতে কিছুই তো ঘটেনি...
=== [[w:bn:দ্য গার্ল ইন লাভার্স লেন|দ্য গার্ল ইন লাভার্স লেন]] ===
:'''টম সার্ভো''': ভালোবাসার গলির সেই মেয়েটি...
:'''ক্রো টি. রোবট''': সাথে আছে জ্যাক এলাম আর অন্য কেউ নয়!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': উমম ক্যামেরা নম্বর ৩ ট্র্যাক থেকে সরে যাও। ক্যামেরা ৩ ওহ খোদা- (ট্রেনটা সজোরে এগিয়ে এল)
<hr width="50%"/>
:'''ড্যানি''': আমার খুব খিদে পেয়েছে! চলো কিছু খাওয়া যাক।
:'''বিক্স''': ওটা ভালো আইডিয়া।
:'''টম সার্ভো (বিক্স হিসেবে)''': তুমি বুঝতে শুরু করেছো খোকা। তোমার বুদ্ধি বেশ প্রখর।
:---
:'''জোয়েল রবিনসন (ড্যানি হিসেবে)''': আমাদের খিদে পেয়েছে কিন্তু আইডিয়াটা আমার ছিল! তুমি কি মনে করো এটাই আমার নতুন কাজ হওয়া উচিত যে কখন খেতে হবে তা আমি ঠিক করব?
:'''ক্রো টি. রোবট (বিক্স হিসেবে)''': চুপ করো ড্যানি।
:'''জোয়েল রবিনসন (ড্যানি হিসেবে)''': ওহ।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': (গান গাইছে) দুলুথ থেকে বিকেল সোয়া পাঁচটার ট্রেনটা লাইনচ্যুত হয়ে গেল বিষাক্ত বর্জ্য সব দিকে ছড়িয়ে পড়ল আর কন্ডাক্টর মারা গেল এক বিষাক্ত মেঘ আকাশ ঢেকে দিল আর পুরো শহর কাশতে শুরু করল...
:'''জোয়েল এবং সার্ভো''': (কাশছে) কাফ কাফ... কাফ কাফ...
:'''ক্রো টি. রোবট''': (গাইছে) কয়েক দিনের মধ্যেই আমাদের শরীরের সব চামড়া খসে পড়বে।
<hr width="50%"/>
:'''গোসল করা মহিলা''': তুমি কি এখন সঠিক ঘরে আছো?
:'''টম সার্ভো (বিক্স হিসেবে)''': ওহ আমার জন্য এর চেয়ে সেরা জায়গা আর হতেই পারে না!
:'''ক্রো টি. রোবট (বিক্স হিসেবে)''': এখানে থাকা যদি ভুল হয় তবে আমি সঠিক কিছু করতে চাই না!
<hr width="50%"/>
:'''জেসি''': আমার মেয়েটাকে (ক্যারি) চাই।
:'''বিক্স''': আমি তোমাকে বলেছি ও ব্যস্ত আছে।
:'''ক্রো টি. রোবট (জেসি হিসেবে)''': তাহলে তুমি একটা ফ্রক পরে এসে বলো যে আমি আপনাকে কীভাবে সাহায্য করতে পারি?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': এলামের মতো বাঁচতে হলে...
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': তারপর সেখানে পিগমিরা আসবে! ওরা এক বিশাল পিগমি রাজ্যে থাকে।
. . .
:'''টম সার্ভো''': দেখো পিগমিরা একটা বাস ভাড়া করবে আর সোজা হলিউড চলে যাবে!
:'''ক্রো টি. রোবট''': (ফিসফিস করে) ফ্লোরিডাতে।
:'''টম সার্ভো''': ...ফ্লোরিডাতে! আর তারপর ওরা মহাকাশে যাবে। তুমি একটা শিক্ষা পাবে আর তারপর বাড়ি ফিরে যাবে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': এই তো! এটাই সেরা সমাপ্তি!
=== [[w:bn:দ্য পেইন্টেড হিলস|দ্য পেইন্টেড হিলস]] ===
==== শরীরের যত্ন ও পরিপাট্য (শর্ট) ====
:'''জোয়েল রবিনসন''': এটা কি কোনো বিজ্ঞাপন? চের কোথায়?
:'''টম সার্ভো (টিভি ঘোষক হিসেবে)''': বডি কেয়ার আর গ্রুমিং। ওরা দুজন পুলিশ।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': আহ বসন্ত!
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': নোংরা আর লজ্জাজনক বসন্ত!
:. . .
:'''জোয়েল রবিনসন''': জানেন তখন মানুষজন অনেক বেশি ফর্সা ছিল।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': অন্তর্বাস।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': ওই চুলগুলো দেখুন!
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি ওর চুল পছন্দ করি!
:'''বর্ণনাকারী''': আর ওই ব্লাউজটা!
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি দেখছি আমি দেখছি!
:...
:'''বর্ণনাকারী''': মাফ করবেন মিস! আমরা পরিপাটি থাকা নিয়ে একটা সিনেমা বানাতে চাইছিলাম কিন্তু আপনার এই দশা দেখে তো এই লোকটা আপনাকে মানুষ বলেই মনে করবে না!
:'''জোয়েল রবিনসন''': মানে ও আপনাকে স্পর্শ করতে চাইবে না!
:. . .
:'''বর্ণনাকারী''': ওই চুলগুলো দেখুন... ওই ত্বক... ওই মুখ...
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আর ওই... না-নাক।
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমরা আপনার যৌন ইচ্ছাকে নিয়ে একটা ফর্মাল রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছি!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (ছেলের গলায়)''': হেই আমি খেয়াল করলাম আপনাকে দেখতে ঠিক সবার মতো লাগছে!
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': পোশাক খুব গুরুত্বপূর্ণ। ভালো ফিটিং আর ভালো লুকিং ছাড়াও পোশাক পরিবেশের সাথে মানানসই হওয়া উচিত। যেমন এই জুতো জোড়া—
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': একদম অনৈতিক।
:'''বর্ণনাকারী''': —নিশ্চিতভাবেই আপনাকে অস্বস্তিতে ফেলবে... আর সবার নজরে আনবে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': নিজের স্বকীয়তা প্রকাশ করা একদম ভুল কাজ।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': ঘাম জমা ছাড়াও ত্বক সবসময় ধুলোবালি আর ময়লা টেনে নেয়।
:'''ক্রো টি. রোবট''': চামড়া স্রেফ আবর্জনা।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': এর মধ্যে একটা হলো ক্লিনজিং ক্রিম।
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আর অন্যটা হলো নাইট্রিক অ্যাসিড। সাবধানে বেছে নিন।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': আর এভাবেই... এক চমৎকার দিনের সমাপ্তি হলো।
:'''জোয়েল রবিনসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': সারাদিন শুধু পরিপাটি হতেই কেটে গেল।
: . . .
:'''বর্ণনাকারী''': আর তুমি...
:'''জোয়েল রবিনসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': ডাইনি!
:'''বর্ণনাকারী''': ...শরীরের যত্ন আর পরিপাট্য থাকার এই নিয়মগুলো মেনে চললে আপনিও সুন্দর দেখাতে পারবেন যা আপনার সুখের স্বপ্ন পূরণ করতে সাহায্য করবে।
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আর মনে রাখবেন—যখন আপনি নিজেকে স্পর্শ করেন তখন দেবতারা কাঁদেন। শুভ রাত্রি।
:---
:'''জোয়েল রবিনসন''': ওষুধের ক্যাবিনেটের ওপর নজর রাখুন! ওষুধের ক্যাবিনেটের ওপর নজর রাখুন!
:'''ক্রো টি. রোবট''': এবার আপনার পালা!
:---
:'''টম সার্ভো''': ওহ আর এই লোকগুলোর কথা ভুলবেন না যেন!
<hr width="50%"/>
:'''জিপসি''': আজ রাতে আমাদের বিতর্কের বিষয় হলো আজকের শর্ট ফিল্মের ওই মেয়েটি। টম সার্ভো আর ক্রো টি. রোবট বিতর্ক করবেন যে মেয়েটিকে নোংরা অবস্থায় ভালো লাগে নাকি পরিষ্কার অবস্থায়। ক্রোর দাবি হলো নোংরা অবস্থা আর সার্ভোর দাবি হলো পরিষ্কার অবস্থা। আমি সঞ্চালক। বিচারক জোয়েল রবিনসন। এবার ক্রো শুরু করো।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমার ওকে নোংরা অবস্থায় পছন্দ। যখন ওর বাকি সব বন্ধুরা ক্লাসে বসে একঘেয়ে গান শুনত তখন ও লোকাল জ্যাজ ক্লাবে গিয়ে আনন্দ করত। যখন ওর সহপাঠীরা স্রেফ সাধারণ ম্যাগাজিন পড়ত তখন ও একাই ছিল যে হেনরি মিলারের উদ্ধৃতি দিতে পারত। ও হয়তো নোংরা কিন্তু ও আমার কল্পনার স্বর্গের সাথে মিশে যায়। ধন্যবাদ।
:'''জিপসি''': টম সার্ভো,
:'''টম সার্ভো''': ধন্যবাদ জিপসি। আমার ওকে পরিষ্কার অবস্থায় পছন্দ কারণ ও ভেতর থেকে সিস্টেম পাল্টাতে চায়। ও হয়তো খুব আবেগপ্রবণ কিন্তু ও পরিষ্কার অন্তর্বাস পরে আর ও খুব গোছানো আর দায়িত্বশীল। আপনি ওকে যা খুশি ডাকতে পারেন তবে ও স্রেফ নিখুঁত। ধন্যবাদ।
:'''জিপসি''': এবার জোয়েল রবিনসন উনার সিদ্ধান্ত জানাবেন।
:'''জোয়েল রবিনসন''': ধন্যবাদ জিপসি। দুটো দিকই খুব জটিল আর এর কোনো সহজ উত্তর নেই তবে ক্রো-ই ঠিক।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ইয়ে! আমি জিতেছি! আমি জিতেছি!
:'''টম সার্ভো''': দাঁড়াও একটু জোয়েল! পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকার বিষয় আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ আর আমি জানি এই সমস্যার সমাধানের একটা ভালো পথ আছে।
:'''জোয়েল রবিনসন''': সেটা কী?
:'''টম সার্ভো''': থুথু ফেলার প্রতিযোগিতা! (জোয়েল আর ক্রো একে অপরের ওপর থুথু ফেলার ভান করল)
:'''জিপসি''': হেই থামো! হেই থামো বলছি!
==== দ্য পেইন্টেড হিলস (মূল সিনেমা) ====
:'''জোয়েল রবিনসন''': আমার ভয় হচ্ছে এটা দেখার পর আমাদের কারো কোনো আগ্রহই আর বেঁচে থাকবে না...
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আচ্ছা এটা কি সেই আসল পুরানো আমল নাকি সেই ঢং করা আমল যেখানে বিদ্যুৎ আর গাড়িও ছিল?
<hr width="50%"/>
:'''জোনাথন''': ত্রিশ বছর ধরে অনেক কষ্ট করে কোনো ফল পাইনি আর যখন সোনা পেলাম তখন আমি কোনো প্রস্তুতি ছাড়াই পাগলামি শুরু করলাম!
:'''ক্রো টি. রোবট (জোনাথন হিসেবে)''': কিন্তু সাধারণ মানুষের জন্য ওটুকুই যথেষ্ট...
<hr width="50%"/>
:'''টেইলর''': কুকুরটাকে পাত্তা দিও না টমি...
:'''টম সার্ভো (টেইলর হিসেবে)''': এই নাও সেক্স পিস্তল।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ওই বেড়াটা ওখানে এল কীভাবে?
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওরা কোরেল-ড্র (CorelDraw) ব্যবহার করেছে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': মাউন্ট রাশমোর!...তৈরি হওয়ার আগের দৃশ্য।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন (টেইলর হিসেবে)''': যাক শেষ পর্যন্ত এই দৃশ্যটা শেষ হলো।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': তো এই লোকটা এল গল্পের গতি পুরোপুরি থামিয়ে দিল আর চলে গেল।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (শেপ হিসেবে)''': সসেজ!
=== [[w:bn:গানস্লিঙ্গার|গানস্লিঙ্গার]] ===
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': জোয়েল তোমার এই সপ্তাহের এক্সপেরিমেন্ট হলো তোমার প্রথম কাউবয় সিনেমা। এটার নাম হলো ‘গানস্লিঙ্গার’ আর এতে অভিনয় করেছেন বেভারলি গারল্যান্ড।
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': বেভারলি গারল্যান্ড। (গর্জন করল)
:---
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': আর এটার পরিচালক রজার করম্যান তাই ফ্র্যাঙ্কের আগে তোমার মাথা ফেটে যেতে পারে। ইয়া-পি-কাই-ইয়ে!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': ঘোড়াগুলোকে সিগন্যাল দাও!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': করম্যান...
:---
:'''টম সার্ভো''': ওরে বাবা ও তো খুব চালাক আর চটপটে। ও আমাদের পাশ দিয়ে চলে গেল কীভাবে?
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': জানেন ওর উচিত ছিল ওকে বারের ওপর দিয়ে পিছলে দেওয়া।
:'''টম সার্ভো''': ওহ তখন ওটা আবিষ্কার হয়নি।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': ভাইরে এই সিনেমাটা আমাকে চরম মানসিক যন্ত্রণায় ফেলছে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': কী?... দরজা ওভাবে খোলে না নম্বর দেওয়া আছে... ও তো হলেই আছে!
:---
:'''জোয়েল রবিনসন (কাইন হিসেবে)''': ...আমার হলের ভেতরেই আছে।
<hr width="50%"/>
:'''কাইন''': ভালো মানুষেরা সাধারণত খুব জলদিই মারা যায়।
:'''টম সার্ভো''': আমরা অধিকাংশরাই নৈতিকভাবে একটু গোলমেলে আর সে কারণেই আমাদের মৃত্যুর কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই।
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন (পোলক হিসেবে)''': দাঁড়াও উমম... একটু অপেক্ষা করো!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': ঘরকুনো মানুষের কাজ!
:---
:'''টম সার্ভো''': ধুর ছাই!
<hr width="50%"/>
:'''কাইন''': তোমার চোখগুলো খুব সুন্দর...
:'''টম সার্ভো (কাইন হিসেবে)''': আর তোমার একটা ঘাড়ও আছে।
:. . .
:'''টম সার্ভো (কাইন হিসেবে)''': মদ আমাকে রোমান্সে সেরা বানিয়ে ছেড়েছে!
=== [[w:bn:মিচেল|মিচেল]] ===
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': এই যে। ‘মিচেল’ অভিনয়ে জো ডন বেকার।
:'''মাইক নেলসন''': তোমরা জো ডন বেকারের সিনেমা দেখো?
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': এই তো আসছে জোয়েল — মিচেল! এটা একটা সুপার সিক্রেট স্পাই... উমম যার একটা বাইক আছে... মহাকাশে হারিয়ে গেছে... হারকিউলিসের সাথে দেখা হয়েছে... বা হয়নি... উমম... এটা দেখো আর মন খারাপ করো কারণ এটা খুব বাজে জোয়েল!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (আইজাক হেইস হিসেবে)''': ওই মোটা লোকটা কে যে সারাক্ষণ ঝাপসা হয়ে থাকে আর মেয়েদের পেছনে ঘোরে?
:'''জোয়েল এবং ক্রো''': মিচেল!
:---
:'''টম সার্ভো (হেইস হিসেবে)''': ওই মিচেল একটা আস্ত—
:'''জোয়েল এবং ক্রো''': চুপ করো!
:'''টম সার্ভো (হেইস হিসেবে)''': আমি তো মিচেল সম্পর্কে বলছিলাম!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ইগা...
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': শ্টেমলো।
:---
:'''জোয়েল রবিনসন''': সাপ থেকে সাবধান!
:---
:'''টম সার্ভো (ঘোষক হিসেবে)''': আমরা এই ছবির ভেতরেই মিচেলকে কোথাও লুকিয়ে রেখেছি...
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (ঘোষক হিসেবে)''': মিচেল দয়া করে একটু দাঁড়াবেন কি?
<hr width="50%"/>
:'''বেনটন''': এই প্রবেশপথে কোনো সেলসম্যান এলাউড না।
:'''টম সার্ভো (মিচেল হিসেবে)''': কিন্তু আমি সেলসম্যান নই! আমি সেই মোটা পুলিশ অফিসার!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ড্যারিল গেটস আজ ছুটিতে আছেন।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (গলফ ধারাভাষ্যকার হিসেবে)''': ও গ্রিন এরিয়ায় ল্যান্ড করেছে।
:---
:'''টম সার্ভো (অন্যান্য গলফার হিসেবে)''': ভাই একটু তাড়াতাড়ি করুন এখানে একজনের মাথায় রক্তক্ষরণ হচ্ছে!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন''': বেবি অয়েল!
:'''জোয়েল, ক্রো, সার্ভো''': ব্লাআআআআরররঘঘঘঘঘ! (বমির শব্দ)
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': জোয়েল কেউ কেন মিচেলের সাথে একাজ করতে চাইবে?
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ খোদা নাআআআ!
<hr width="50%"/>
:'''বাচ্চা''': আমার মা তোমাকে পছন্দ করে না।
:'''মিচেল''': তাতে আমার কিছু যায় আসে না।
:---
:'''বাচ্চা''': কেন নয়?
:---
:'''মিচেল''': কেন নয়?
:---
:'''বাচ্চা''': না কেন নয়?
:---
:'''মিচেল''': কেন নয়?
:---
:'''বাচ্চা''': তুমি আমার কথা বারবার বলছো কেন?
:---
:'''টম সার্ভো''': আজ রাতে ঝগড়াঝাঁটি হবে।
:---
:'''মিচেল''': তুমি আমার কথা বারবার বলছো কেন?
:---
:'''বাচ্চা''': আমি তো বলছি না!
:---
:'''মিচেল''': আমিও বলছি না!
:---
:'''বাচ্চা''': তুমি বলছো!
:---
:'''মিচেল''': ভাগো তো!
:---
:'''বাচ্চা''': কী?
:---
:'''মিচেল''': কী?
:---
:'''বাচ্চা''': তুমি কী বললে?
:---
:'''মিচেল''': তুমি কী বললে?
:---
:'''বাচ্চা''': তুমি কিছু বললে?
:---
:'''টম সার্ভো''': (খুব রেগে গিয়ে) আআআআআআআআআআআ!!!!!
<hr width="50%"/>
:'''ডিনি''': মিচেল তুমি স্কচ কীভাবে পছন্দ করো?
:'''ক্রো টি. রোবট (মিচেল হিসেবে)''': উমম প্রচুর পরিমাণে।
<hr width="50%"/>
:'''হোয়েট এক্সটন''': (গাইছে) মিচেল মিচেল তোমার মা কী বলবে?
:'''ক্রো টি. রোবট''': মা বলবে ও আমার ছেলে না! তুমি প্রমাণ করতে পারবে না!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (মিচেল হিসেবে)''': আমি একাজ কেন করলাম?
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন (মিচেল হিসেবে)''': ভাইরে ছয়টা বার্গার খাওয়ার পর এই দেয়াল টপকানো খুব কঠিন কাজ!
=== [[w:bn:দ্য ব্রেইন দ্যাট উডন্ট ডাই|দ্য ব্রেইন দ্যাট উডন্ট ডাই]] ===
:'''বিলের বাবা''': আমার আগেই বোঝা উচিত ছিল যখন ওকে স্ট্রেচারে আনা হচ্ছিল যে ও নির্ঘাত মরবে।
:'''টম সার্ভো (বিলের বাবা হিসেবে)''': কারণ ও আমাকে ডাক্তার হিসেবে পেয়েছে।
: . . .
:'''মাইক নেলসন (ডার্থ ভেডার হিসেবে)''': লিউক আমার সাথে যোগ দাও নয়তো ফালতু সিনেমায় অভিনয় করো!
<hr width="50%"/>
:'''বিল''': তোমার কাছে কি গাড়ির চাবি আছে?
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': উত্তর হলো: হ্যাঁ ওর কাছে চাবি আছে।
:---
:'''টম সার্ভো (ঘোষক হিসেবে)''': অনেক লম্বা এক ট্রেলার!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': হেই ওটা তো আমার প্রম নাইটের গান ছিল!
:---
:'''টম সার্ভো (কোর্টনার হিসেবে)''': স্টপ সাইন? ওটা আবার কী? বাঁক? কিসের বাঁক?
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (কোর্টনার হিসেবে)''': আআআআ! রাস্তা আমাকে আক্রমণ করছে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (জ্যান হিসেবে)''': (মৃদু স্বরে) আমার ব্যাগটা নিতে ভুলো না যেন! হেই শুনছো?
: . . .
:'''টম সার্ভো (জ্যান হিসেবে)''': তোমাকে খুব দ্রুত চালাতে হতো তাই না? এবার দেখো মিস্টার বড় লোক! এখন আমার কোনো শরীরই নেই! তুমি খুশি তো?
: . . .
:'''মাইক নেলসন (স্পোর্টস ঘোষক হিসেবে)''': রিগিন্স ২০ মিটারে আছে... ১০ মিটারে... ওকে কেউ আটকাতে পারবে না!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ও হয় নোবেল প্রাইজ জিতবে নয়তো ট্রফি।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (ব্রিটিশ টানে)''': ওহ ধন্যবাদ খোদা! আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওরা সিস্টার বারট্রিলের মগজটা বাঁচিয়ে ফেলেছে!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (কোর্টনার হিসেবে)''': উমম ওর তো কার্ডবোর্ডের শরীর হতে পারে না। আমি ওটা চাই না।
:'''ক্রো টি. রোবট (কোর্টনার হিসেবে)''': হেই এটা তো আপগ্রেড করার ভালো সুযোগ...
:'''টম সার্ভো (কোর্টনার হিসেবে)''': উমম এটা ভালোই কিন্তু আমি সস্তা বা আজেবাজে কিছু চাই।
:---
:'''মাইক নেলসন''': যদি জ্যাক রুবি এক রেস্টুরেন্টের মালিক হতো।
: . . .
:'''টম সার্ভো (মৈত্রেয়ী হিসেবে)''': ডায়ান আরবাস ক্যাফেতে স্বাগতম।
: . . .
:'''মাইক নেলসন (স্ট্রিপার হিসেবে)''': এই নাচের মানে হলো বিকেল পাঁচটার আগে আলুর চপ পাওয়া যাবে না।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওর কি ফুসফুস লাগবে না?
:'''টম সার্ভো''': না ওর ঘাড় থেকে তো রক্ত পড়ছেই!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (জ্যান হিসেবে)''': দেখো তুমি কি জানো সবসময়ই কেউ না কেউ তোমার চেয়েও খারাপ অবস্থায় থাকে? আমিই হলাম সেই মানুষ!
<hr width="50%"/>
:'''জ্যান''': তুমি কি আমাকে বুঝতে পারছো? বুঝতে পারলে একবার শব্দ করো।
:'''টম সার্ভো''': আমার মনোযোগ পাওয়ার জন্য তিনবার শব্দ করো!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (রেডিও ডিজে হিসেবে)''': আজ এক খুব নোংরা সকাল। আপনারা শুনছেন কে-পর্ন রেডিও... সারাদিন শুধু আজেবাজে গান বাজবে। এই যে স্কিনির একটা গান।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (ঘোষক হিসেবে)''': ৩ নম্বর প্রতিযোগী পিছলে পড়ে গেছে আর ওর মাথা খুলে গেছে!
:'''টম সার্ভো (কোর্টনার হিসেবে)''': আমি ওটা নেব! আমি ওটা নেব!!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (রেডিও ডিজে হিসেবে)''': আজকের দিনের অশালীন ফোন কলের জন্য অপেক্ষা করুন... কে-পর্ন রেডিওতে!
:'''টম সার্ভো''': কে-পর্ন!
<hr width="50%"/>
:'''জোয়েল রবিনসন (কোর্টনার হিসেবে)''': দেখো... তুমি তোমার কাজে দক্ষ কিন্তু... তুমি যদি দরজাটা নামিয়ে রাখো তবেই আমাকে মারতে পারবে!
:---
:'''টম সার্ভো (কোর্টনার হিসেবে)''': এই তো হয়েছে! এবার তুমি আমাকে মারতে পারো! দরজাটা ব্যবহার করো!
: . . .
:'''টম সার্ভো (দানব হিসেবে)''': ছিঃ কী বাজে এক টুকরো মুরগির মাংস! ইয়াক!
=== [[w:bn:টিন-এজ স্ট্র্যাংলার|টিন-এজ স্ট্র্যাংলার]] ===
==== এটা কি ভালোবাসা? (ছোট ছবি) ====
:'''টম সার্ভো''': এটা কি ভালোবাসা নাকি মাইকেল ডগলাসের সাথে স্রেফ এক কঠিন রাত?
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': তো... ওয়াল্ডো কোথায়?
:'''মাইক নেলসন''': ও বিছানার নিচে।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওরে বাবা! ও কতবার ক্লাসে ফেল করেছে?
:'''টম সার্ভো''': হি হি হি।
:---
:'''মাইক নেলসন (প্যাগ হিসেবে)''': হাই মা।
<hr width="50%"/>
:'''প্যাগ''': আমার মনে হয় আমি এর বদলে একটা টেলিগ্রাম পাঠাব।
:'''লিজ''': পাগলামি কোরো না প্যাগ! তুমি সবসময় এমনভাবে কথা বলো যেন তোমার মা এক রাক্ষসী।
:'''মাইক নেলসন (লিজ হিসেবে)''': আমি তো ওকে পঞ্চাশ বছর ধরে চিনি...
<hr width="50%"/>
:'''লিজ''': সত্যি প্যাগ — আমি জানি না কতবার হাই স্কুলে পড়ার সময় থেকে আমি তোমার মুখে কোনো না কোনো ছেলের প্রশংসা শুনেছি।
:'''প্যাগ''': ওহ কিন্তু এটা আলাদা লিজ! সত্যি বলছি!
:'''মাইক নেলসন (প্যাগ হিসেবে)''': ওর শরীরের গঠন একদম নিখুঁত!
:---
:'''লিজ''': অ্যান্ডির প্রতি আমারও ঠিক এমনই মনে হয়েছিল।
:'''টম সার্ভো (লিজ হিসেবে)''': ...প্রায় ১৯০০ সালের দিকে।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': লিজ আর অ্যান্ডির জন্য আপনি এই প্রশ্নের উত্তর কীভাবে দেবেন? প্যাগি আর জোয়ি?
:'''টম সার্ভো''': বব আর ক্যারল? টেড আর অ্যালিস?
:'''বর্ণনাকারী''': আপনি কীভাবে বলবেন? এটা কি ভালোবাসা?
:'''ক্রো টি. রোবট''': এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আপনার হাতে দশ মিনিট সময় আছে।
:---
:'''মাইক নেলসন''': আর এখন পরবর্তী সংবাদের জন্য অপেক্ষা করুন।
:'''ক্রো টি. রোবট''': এই সিনেমা বানানোর সময় কোনো পশুপাখিকে জখম করা হয়নি।
:---
:'''টম সার্ভো''': “কতটা মায়া?”
:'''ক্রো টি. রোবট''': “কখন আমার বিয়ে করা উচিত?”
:---
:'''মাইক নেলসন''': “আপনার মলম চিনে নিন”
:'''টম সার্ভো''': “ওটা নিচে কী?”
:'''ক্রো টি. রোবট''': “যখন ও একটু কঠোর হতে চায়”
:'''মাইক নেলসন''': “বংশবৃদ্ধি আনন্দ নয়”
:'''টম সার্ভো''': “ওহ না শান্তি!”
:'''ক্রো টি. রোবট''': “ম্যাকক্লিন্টক!”
==== টিন-এজ স্ট্র্যাংলার (মূল সিনেমা) ====
:'''ক্রো টি. রোবট''': ঘাসের ওপর মায়া ২: স্বপ্নের যোদ্ধা!
=== [[w:bn:দ্য ওয়াইল্ড ওয়াইল্ড ওয়ার্ল্ড অব ব্যাটওম্যান|দ্য ওয়াইল্ড ওয়াইল্ড ওয়ার্ল্ড অব ব্যাটওম্যান]] ===
:'''জিপসি''': আমি কি এখন তোমার বাজিতে ভাগ্য নিয়ে আসার চেষ্টা করব নাকি করব না?..
==== প্রতারণা (শর্ট) ====
:'''টম সার্ভো''': প্রতারণা: ঘরে আর বাইরে কীভাবে আপনার সুবিধা মতো এটাকে ব্যবহার করবেন।
:'''ক্রো টি. রোবট''': সেন্ট্রন প্রোডাকশন যদিও আমরা আইডিয়াটা অন্য কোম্পানি থেকে চুরি করেছি কারণ আমরা প্রতারণা করছি!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (রেডিও ঘোষক হিসেবে)''': জ্যাক বেনি প্রোগ্রাম!
:---
:'''মাইক নেলসন''': ইবেনেজার স্ক্রুজ...
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': হতাশাজনক সেক্স চ্যাটের জন্য কল করুন।
:---
:'''টম সার্ভো''': ওহ মনে হয় শব্দ শিল্পী কল করছে!
<hr width="50%"/>
:'''জনি''': ওরা কেন কল করে না?
:'''ক্রো টি. রোবট''': কারণ ওরা তোমাকে পছন্দ করে না।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': মাদার তেরেসা কল করেছিলেন। উনি তোমাকে ঘৃণা করেন।
<hr width="50%"/>
:'''মেরি''': এই সমস্যাটা সমাধান করতে হবে। এখন বলো এটা কীভাবে করবে?
:'''ক্রো টি. রোবট (জন হিসেবে)''': ধুর চলো প্রতারণা করি!
:---
:'''টম সার্ভো (মেরি হিসেবে)''': তুমি তো একদমই মনোযোগ দিচ্ছো না তাই না?
:---
:'''মাইক নেলসন (মেরি হিসেবে)''': জন এটা তো ভূগোল ক্লাস!
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': আর ঠিক তোমার সামনেই তোমার বন্ধু মেরি বসে ছিল যার মাথায় তোমার সব উত্তর ছিল।
:'''ক্রো টি. রোবট''': এখনই ওর মাথাটা ফাটিয়ে উত্তর বের করো!
:---
:'''টম সার্ভো''': একটা নকশা করা কাপড়ের ওপর।
:---
:'''টম সার্ভো (জনি হিসেবে)''': পিসস্ত! হেই মেরি! উত্তরটা কী?
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': তোমার একটা ভুল ছিল তুমি খাতায় মেরির নাম লিখে দিয়েছিলে।
:---
:'''টম সার্ভো (মিস গ্র্যান্ডি হিসেবে)''': এই কন্ট্রাক্টটা আপনার জন্য মিস্টার এলজেবাব পাঠিয়েছেন।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': মিস গ্র্যান্ডির চোখে কি সন্দেহের আভাস ছিল যখন উনি তোমার দিকে তাকিয়েছিলেন?
:'''ক্রো টি. রোবট''': নাকি কামনার?
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': কোনোভাবে মিস গ্র্যান্ডির ওই অদ্ভুত চাহনি তোমাকে সারাক্ষণ অস্থির করে তুলল।
:---
:'''টম সার্ভো (জনি হিসেবে)''': ওহ হাই মিস গ্র্যান্ডি— আআআআআআআঘঘঘঘঘ! আআআআআআআআআ! দূরে থাকুন!
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': আর সবচেয়ে বড় কথা স্টুডেন্ট কাউন্সিলের প্রতিনিধি হিসেবে তোমার নতুন কাজ।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (জনি হিসেবে)''': আমি প্রতারণার জন্য একটা বিশেষ সেকশন বানাতে চাই!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (মিস গ্র্যান্ডি হিসেবে)''': আমার মনে হচ্ছে বড় কোনো বিশ্বাসঘাতকতা হয়েছে।
:'''মিস গ্র্যান্ডি''': জন ওটা এখানে নিয়ে এসো প্লিজ।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (মাইক হিসেবে)''': পেন্সিল নামিয়ে রাখো আর ডেস্ক থেকে সরে দাঁড়াও!
:---
:'''টম সার্ভো''': ভাগ্যিস অপরাধ জগতের সাথে তোমার যোগাযোগ আছে জনি তাই তুমি বেঁচে যাবে!
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': আর এভাবেই ডানা প্লেটোর ক্যারিয়ার শুরু হলো।
<hr width="50%"/>
:'''জনি''': হেই জিম ওটা কী?
:'''জিম''': স্টুডেন্ট কাউন্সিলের মিটিং।
:'''মাইক নেলসন (জিম হিসেবে)''': ওরা তোমার একটা পুতুল বানিয়ে ফাঁসি দিচ্ছে কারণ সবাই তোমাকে ঘৃণা করে।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক, ক্রো এবং সার্ভো''': আমাদের বারাব্বাসকে দাও! বারাব্বাস!
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': কিন্তু জন কি আসলেও অসৎ হতে চেয়েছিল?
:'''টম সার্ভো''': নাকি ও জন্মগতভাবেই শয়তান ছিল?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (রিডলার হিসেবে)''': আমার এই ধাঁধার উত্তর দাও ব্যাটম্যান! (অট্টহাসি হাসছে)
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': সমাপ্তি... অন্তত জনির মতো হতভাগা মানুষের জন্য!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': জানো ছেলেরা এই ব্যাটওম্যান সিনেমাটা যত আকর্ষণীয়ই হোক না কেন আমি ওই প্রতারণার শর্ট ফিল্মটার কথা ভুলতে পারছি না।
:'''টম সার্ভো''': উমম আমি একমত বন্ধু। ওতে অনেকগুলো প্রশ্ন ছিল যেমন জনি কি আসলেও অসৎ হতে চেয়েছিল নাকি মেরির ওপর দোষ চাপানো উচিত?
:'''মাইক নেলসন''': নাকি মেরি স্রেফ জনির হাতের পুতুল ছিল?
:'''জিপসি''': যা থেকে ইচ্ছাশক্তির প্রশ্ন ওঠে। স্বাধীন ইচ্ছা নিয়ে কী বলার আছে?
:'''টম সার্ভো''': ওর সহপাঠীদের কি ওকে আরেকটা সুযোগ দেওয়া উচিত ছিল আর কেনই বা আসামিকে নিজের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হলো না?
:'''মাইক নেলসন''': ভালো পয়েন্ট! আর মিস গ্র্যান্ডির কি এভাবে জনির বেডরুমে হুট করে ঢুকে পড়া ঠিক হয়েছে? তোমার কী মনে হয় ক্রো?
:'''ক্রো টি. রোবট''': উমম বিটলস!
:'''টম সার্ভো''': তুমি একদমই মনোযোগ দাওনি তাই না ক্রো?
<hr width="50%"/>
:'''জিপসি''': টম! চলো টম। ক্রো হয়তো ভুল করেছে কিন্তু আমাদের দয়া দেখানো উচিত। মনে রেখো বন্ধু দয়া হলো স্বর্গের বৃষ্টির মতো যা নিচের মাটিকে ভিজিয়ে দেয়।
:'''টম সার্ভো''': জিপসি ও তোমার রচনা থেকে চুরি করেছে।
:'''জিপসি''': তাই নাকি?.. **ওকে মৃত্যুদণ্ড দাও!! ওকে মৃত্যুদণ্ড দাও!!! আমি ওর পুরো পরিবারকে শেষ করতে চাই! ওর ঘরবাড়ি পুড়িয়ে ছারখার করে দিতে চাই!**
:'''মাইক নেলসন''': জিপসি শান্ত হও। এতে কোনো লাভ হবে না।
<hr width="50%"/>
:'''জিপসি''': তো ক্রো কেন উত্তর দেওয়ার সুযোগ পাবে মাইক?
:'''মাইক নেলসন''': দেখো এটা আইনি নিয়ম যে আসামিকে নিজের কথা বলার সুযোগ দিতে হবে।
:'''টম সার্ভো (জল্লাদ সেজে কুড়াল হাতে এল)''': তাছাড়া এতে ওর মনে আশা জাগবে আর ওকে মারার সময় আনন্দটাও বেশি হবে।
:'''মাইক নেলসন''': আমরা ওকে মারব না আর ওই মুখোশটা খোলো! (সার্ভোর মুখোশ খুলে দিল)
:'''ক্রো টি. রোবট''': ঠিক আছে আমি আমার শেষ কথা বলতে চাই। আমার একটা স্টেটমেন্ট আছে। হাই সবাইকে। তো কোথা থেকে শুরু করব?
:'''জিপসি''': আমাদের কি শোনা উচিত? আমরা তো ওকে সমাজচ্যুত করেছি।
:'''মাইক নেলসন''': না শোনা উচিত।
:'''জিপসি''': ওহ ভালো কথা সমাজচ্যুত করা খুব কঠিন কাজ। আমি বারবার ভুলে যাই।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আদালতের অনুমতি আছে কি?
:'''মাইক নেলসন (হাতুড়ি পিটিয়ে)''': অনুমতি আছে। সবাই চুপ করুন! (আলো নিভে গেল)
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি যখন পেছনের দিকে তাকাই আমি দেখি আমি একজন ভালো রোবট। এক উজ্জ্বল শৈশব আর যৌবনের পর আমি সেবায় মন দিলাম। আমাকে লোহার ব্লকে চ্যাপ্টা করা হয়েছে। আমাকে শেকল দিয়ে উল্টো করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
:'''জিপসি''': জানো কথাটা একদম সত্যি।
:'''ক্রো টি. রোবট''': কিন্তু ওগুলোর কোনো গুরুত্ব নেই কারণ আমি এখন এক কঠিন বিপদে আছি। আমার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ আনা হয়েছে আর এখানেই গল্পটা জটিল হয়ে যাচ্ছে।
:'''জিপসি''': জটিল? ও আমার পেপার কপি করেছে। ওতে জটিল হওয়ার কী আছে--? (মাইক ওকে থামিয়ে দিল)
:'''ক্রো টি. রোবট''': যদি আমার কাজগুলো বা উত্তর জোগাড় করার আজব কায়দাগুলো--
:'''জিপসি''': ও আমার পুরো পেপার কপি করেছে--
:'''ক্রো টি. রোাবট''': ...যদি সেই পদ্ধতিগুলো কারো কাছে অসৎ বা বেআইনি মনে হয়ে থাকে তবে তা আমাকে অনেক কষ্ট দেয়।
:'''টম সার্ভো''': আমরা কি এখন ওকে মেরে ফেলতে পারি??
:'''ক্রো টি. রোবট''': হয়তো আমি সরল মনে কোনো এক প্রলোভনে পড়ে গিয়েছিলাম। এই ট্র্যাজেডি যেন একদম নিখুঁত। কিন্তু আমি আমার কাজের দায় নিচ্ছি। আমি মাইককে ক্ষমা করে দিচ্ছি যে আমাকে এই বিপদে ফেলেছে। ও জানত না ও কী ফাঁদ পাতছে। আমি সার্ভো আর জিপসিকে ক্ষমা করে দিচ্ছি--
:'''জিপসি''': **ও আমার পেপার চুরি করেছে!!!**
:'''টম সার্ভো''': ওকে নিচে নামাও! নিচে! নিচে!
:'''ক্রো টি. রোবট''': আর আমি নিজেকেও ক্ষমা করে দিচ্ছি। ধন্যবাদ। আমি আপনাদের রায়ের অপেক্ষায় আছি।
:'''মাইক নেলসন''': তো ক্রো প্রথমেই বলি তুমি কিন্তু একবারও ক্ষমা চাওনি।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ আচ্ছা। এক নিঃস্বার্থ জীবনে আমি প্রতারণা করেছি। আমি লজ্জিত। আমি দুঃখিত।
:'''মাইক নেলসন''': আদালত আসামীকে... **দোষী** সাব্যস্ত করছে! (ক্রো কাঁদছে) কিন্তু যেহেতু ও লোক হিসেবে ভালো তাই সাজা হিসেবে ও আর ওর সব বন্ধুরা মিলে সারারাত মিষ্টি খাবে।
:'''টম সার্ভো''': আমি জানতাম বন্ধু! আমি জানতাম তোমার ফাঁসি হবে না!
==== দ্য ওয়াইল্ড ওয়াইল্ড ওয়ার্ল্ড অব ব্যাটওম্যান (মূল সিনেমা) ====
:'''মাইক নেলসন''': হেই আমি আমার ৪০ বছরের টিভি মেডেল পেয়ে গেছি।
:'''টম সার্ভো''': (গাইছে) তোমার গায়ে যখন কলঙ্ক লাগে তখন তুমি কী করো?
:'''ক্রো টি. রোবট''': (গাইছে) তুমি টিভি দেখো।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আমি ভীষণ রেগে আছি!...
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ওরে বাবা! ৩০ পাউন্ড ধারণক্ষমতার প্যান্টে ৪০ পাউন্ডের নিতম্ব ঠাসা হয়েছে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওরা কয়েকটা সিনেমা মিক্সারে ভরে মিক্স বাটন টিপে দিয়েছে!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ওহ ডোনাল্ড।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': যাক আমরা ব্যাটওম্যানের গোপন ক্ষমতা খুঁজে পেয়েছি: ও খোলা দরজা খুলতে পারে!
:'''টম সার্ভো''': তো এটাই হলো ‘দ্য ওয়াইল্ড ওয়াইল্ড ওয়ার্ল্ড অব ব্যাটওম্যান’ তাই তো?
:---
:'''মাইক নেলসন''': কী হয়েছে?
:'''টম সার্ভো (টিভি ঘোষক হিসেবে)''': হ্যাঁ এই হলো ৫০ আর ৬০ দশকের সেরা সব গান ৮-ট্র্যাক আর ক্যাসেটে!
:---
:'''মাইক, ক্রো, সার্ভো''': টেক্সাস স্টাইল।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওই দুজন একসময় খুব কিউট আর আদুরে বাচ্চা ছিল।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': সিম্পসন তাই তো?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': কী?... ওগুলো তো সেই মাটির নিচের দানব! সব সিনেমাগুলো গোলমাল হয়ে মিশে গেছে!
:---
:'''মাইক নেলসন''': তুমি আমার ব্যাটওম্যানে তোমার দানবদের ঢুকিয়ে দিয়েছো!
:---
:'''টম সার্ভো''': তুমি আমার দানবদের ভেতর তোমার ব্যাটওম্যান ঢুকিয়ে দিয়েছো!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': কোনো সিনেমা তখনই জঘন্য হয় যখন ওটা বানরদেরও ভালো মানুষ বানিয়ে ছাড়ে!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': হয়তো ওরা সবাই মাখনে পরিণত হবে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': তো মাইক এটাই হলো জাহান্নাম।
:'''মাইক নেলসন''': একদম ঠিক।
:'''ক্রো টি. রোবট''': মাইক আমি তোমাকে আদেশ দিচ্ছি আমাকে মেরে ফেলো।
:'''টম সার্ভো''': আমাকেও।
:'''মাইক নেলসন''': না। (একটু থেমে) তুমি কি আমাকে মারবে?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই হিটলার! আমরা এখানে অর্ডার দিতে চাই!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': দয়া করে এই সিনেমার রহস্য ফাঁস করবেন না।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': (চিৎকার করে) সমাপ্তি! সমাপ্তিইইইইই!!!
:---
:'''মাইক নেলসন''': সত্যিই খুব আজব জগত!
:'''ক্রো টি. রোবট''': এই সিনেমা দেখার পর তিন সপ্তাহ পর্যন্ত কোনো ধারালো বা বিপজ্জনক জিনিস থেকে দূরে থাকুন আর কোনো ভারী যন্ত্রপাতি চালাবেন না ধন্যবাদ!
=== [[w:bn:এলিয়েন ফ্রম L.A.|এলিয়েন ফ্রম L.A.]] ===
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যালো অপদার্থের দল! ফোর্ট স্যাটেলাইট অব লাভ-এর ট্রেনিং ক্যাম্পে স্বাগতম! আজ আমরা টম সার্ভোকে খুলে পরীক্ষা করব! আমি ড্রিল সার্জেন্ট ক্রো টি. রোবট আর তোমরা আমাকে ‘স্যার’ বলে ডাকবে! বুঝেছো খোকা?
:'''মাইক নেলসন''': (দুর্বল গলায়) স্যার হ্যাঁ স্যার।
:'''ক্রো টি. রোবট''': শুনতে পাইনি অপদার্থ!
:'''মাইক নেলসন''': বললাম স্যার হ্যাঁ স্যার!
:'''টম সার্ভো''': (টেবিলে টুকরো হয়ে পড়ে আছে) ক্রো আমরা কি কাজটা শুরু করতে পারি? আমি সিরিয়াল দেখতে চাই!
:'''ক্রো টি. রোবট''': কোথাও যাওয়া হবে না অপদার্থ! তুমি কি নিরাপদ জায়গায় পালিয়ে যেতে চাও?
:'''টম সার্ভো''': ওরে বাবা আমি খুব ভয় পেয়েছি...
:'''মাইক নেলসন''': হেই ক্রো অনেক হয়েছে...
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি এখানকার ড্রিল সার্জেন্ট বুঝেছো কন্টাক্ট লেন্স পরা অপদার্থ! এবার শপথ নাও!
:'''মাইক নেলসন''': এটা আমার রোবট এমন অনেক আছে কিন্তু এটা স্রেফ আমার।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আর তোমার রোবটের নাম কী খোকা?
:'''টম সার্ভো''': সার্ভো! টম সার্ভো!
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি তোমায় জিজ্ঞেস করিনি ফ্যাকাশে লোক! তুমি মেঝেতে শুয়ে পড়ো আর ২০টা পুশ-আপ দাও কর্পোরাল!
:'''টম সার্ভো''': উমম কারণ আমি পারি না?
:'''ক্রো টি. রোবট''': তাহলে এখন তোমাকে ২২০টা দিতে হবে! জলদি করো পাপিষ্ঠ!
:'''মাইক নেলসন''': আমরা আসছি বিরতির পর।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি শুনেছি ওটা! তুমি খুব জঘন্য একজন মানুষ!
:'''টম সার্ভো''': আসলে কয়েকটা টুকরো আর কি...
<hr width="50%"/>
:'''রবির গলায়''': ওর গলার স্বর ঠিক হিলিয়াম নেওয়া কোনো লোকের মতো।
: . . .
:'''রবির গলায়''': কারণ আমি সেই খেলনাগুলোর প্রতি আকৃষ্ট হই যারা টিপ দিলে আওয়াজ করে।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ওই সাইনটা দেখে আমার আসলেও একটা বার্গার খেতে ইচ্ছা করছে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই ওটা তো নীল মসজিদ!
:'''টম সার্ভো''': না নীল মসজিদ পাহাড়ের ওপর নয়।
:'''ক্রো টি. রোবট''': তুমি কি ইস্তাম্বুল গিয়েছো?
:'''টম সার্ভো''': ওটা ইস্তাম্বুলই না!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (ওয়ান্ডা হিসেবে)''': আহ! সুইমস্যুট সংখ্যা!
:'''ক্রো টি. রোবট (ওয়ান্ডা হিসেবে)''': পুরো ঘরটা আমার চোখের গন্ধে ম ম করছে!
<hr width="50%"/>
:'''ওয়ান্ডা''': বাবা?
:'''মাইক নেলসন''': দেখো পৃথিবীর সবকিছুর জন্য তোমার বাবা দায়ী নয়!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (ক্যাথি আয়ারল্যান্ড হিসেবে)''': এই দরজার আওয়াজটা বাদামী রঙের মতো!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওরে বাবা! ওই আজব রাইডটাতে চড়ো না ওটা একদমই নিরাপদ নাআআআআআআ!!!
<hr width="50%"/>
:'''শার্মিন''': একটু দাঁড়াও... ওটা কি আসলেও তোমার গলার স্বর?
:'''টম সার্ভো''': উফ সুযোগ পেলে আমি এই সিনেমাটাকে মেরেই ফেলতাম!
=== [[w:bn:বিগিনিং অব দ্য এন্ড|বিগিনিং অব দ্য এন্ড]] ===
:'''মাইক নেলসন (অড্রে হিসেবে)''': দাঁড়ান এটা তো গিয়ার না... আআআআঘঘঘঘ!!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (সৈনিক হিসেবে)''': মাসে এক উইকেন্ড আর বছরে দুই সপ্তাহের কথা ছিল ওটা আমি বিশ্বাস করি না!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (ঘাসফড়িং হিসেবে)''': ওরা জিমিনিকে ধরে ফেলেছে! ধরো ওদের!
:. . .
:'''মাইক নেলসন (জেনারেল হিসেবে)''': আমাদের গুছিয়ে কাজ করতে হবে! ঘাসফড়িংয়ের কাছে আমাদের হারা উচিত না বন্ধুরা!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (জেনারেল হিসেবে)''': আমি স্রেফ দেখতে এসেছিলাম তোমরা ফান্ডের টাকা দিয়ে কী করেছো... ওহ খোদা!
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': পিট! পিট! সঠিক নিশানার জন্য বিরতি দিয়ে গুলি চালাও!
<hr width="50%">
:'''টম সার্ভো''': যখন ব্রায়ান এনো শিকাগো শাসন করত।
<hr width="50%">
:'''মাইক নেলসন''': বন্ধুরা এটা মোটেও ইলিনয় নয়।
=== [[w:bn:দ্য অ্যাটমিক ব্রেইন|দ্য অ্যাটমিক ব্রেইন]] ===
:'''মাইক নেলসন''': তো এই ছোট ওয়েদার কিট দিয়ে তুমি নিজেকে কী বানিয়ে ফেলেছো বললে?
:'''টম সার্ভো''': ওয়েদার সার্ভো নাইন! স্যাটেলাইট অব লাভ-এ আপনার জন্য আবহাওয়া সংবাদ নিয়ে আমিই প্রথম হাজির হয়েছি!
:'''মাইক নেলসন''': দেখো আমি তোমার উদ্যোগকে সম্মান জানাই কিন্তু মহাকাশে কোনো আবহাওয়া নেই আর আমাদের কাছে অলরেডি মেশিন আছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': সার্ভো তুমি মহাকাশে মারা যাবে।
:'''জিপসি''': ক্রো! ও নাও মরতে পারে।
:'''টম সার্ভো''': একদম ঠিক ক্রো! এবার ওয়েদার সার্ভো নাইনকে মহাকাশে পাঠিয়ে দাও আর আমি আপনাদের টাটকা খবর দেব!
:'''মাইক নেলসন''': (ফিসফিস করে) আসলে আমাদের কোনো সমস্যা হবে না কারণ আমরা তো স্যাটেলাইটের ভেতরে সুরক্ষিত।
:'''টম সার্ভো''': (ফিসফিস করে) আমি জানি শুধু ওই বেচারাকে একটু বাইরে পাঠিয়ে দাও।
:'''জিপসি''': মরে যেও না!
:'''টম সার্ভো''': ওয়েদার সার্ভো নাইন থেকে প্রতি মুহূর্তের আপডেট-- (হ্যাচ বন্ধ হয়ে গেল) ভাইরে এখানে খুব ঠান্ডা। এত ঠান্ডা হওয়ার কথা ছিল কি?
:'''ক্রো টি. রোবট''': আরে ভয় পেয়ো না তুমি তো ওয়েদার সার্ভো নাইন!
:'''মাইক নেলসন''': সার্ভো শুধু রিপোর্টটা দাও আর ভেতরে চলে এসো ঠিক আছে?
:'''টম সার্ভো''': আবহাওয়ার খবর দেওয়ার আগে আমার কাছে কয়েকটা জন্মদিনের ঘোষণা আছে! হা হা! স্রেফ মজা করছিলাম। ভাইরে খুব ঠান্ডা এখানে!
:'''জিপসি''': ও নির্ঘাত মারা যাবে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ।
:'''টম সার্ভো''': বড় খবর হলো আবহাওয়া খুব ঠান্ডা। একটা জ্যাকেট সাথে রাখতে পারেন হা হা! ওহ ওটা কী? মনে হচ্ছে উল্কাপাত হবে। হয়তো একটু গরম লাগবে এখন। ওহ ওহ! (সার্ভো চিৎকার করতে শুরু করল)
:'''মাইক নেলসন''': মনে হচ্ছে কাজ হচ্ছে না! ক্যামবট রকেট নম্বর নাইন দেখাও! (বাইরে সার্ভোর ওপর উল্কাপাত হচ্ছে আর ওকে ভেতরে আনা হলো দেখা গেল ও পুড়ে গেছে)
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ এমন তো হতেই পারে।
:'''জিপসি''': সার্ভো তুমি ঠিক আছো?
:'''মাইক নেলসন''': সার্ভো বন্ধু কিছু তো বলো!
:'''টম সার্ভো''': (কাশছে) এখন আর ঠান্ডা লাগছে না।
:'''মাইক নেলসন''': আমি তোমাকে সারিয়ে তুলছি।
:'''ক্রো টি. রোবট''': বাহ! তোমাকে দেখতে খুব কুল লাগছে সার্ভো! হেই মাইক আমিও কি ওমন করতে পারি?
:'''মাইক নেলসন''': না! তুমি পারো না। তুমি একদম ওমন করবে না।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি ওটা করতে চাই আমি এর পরেই ওটা করব।
:'''মাইক নেলসন''': আমরা আসছি বিরতির পর।
:'''টম সার্ভো''': আবহাওয়া স্টেশন সাহায্য চাই! হা হা! মাথাটা পুড়ে যাচ্ছে! একটু সাহায্য... হা!
==== কিশোর অপরাধ সম্পর্কে কী? (শর্ট) ====
:'''টম সার্ভো''': ওরে বাবা ওরা ওকে পুরো চ্যাপ্টা করে দিয়েছে!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক, সার্ভো এবং ক্রো (সবার গলায়)''': নরম! নরম! নরম! নরম! নরম!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (ঘোষক হিসেবে)''': পিট লিঙ্ক জুলি আর... স্টিভ?
: . . .
:'''টম সার্ভো (ওয়াল্টার উইনচেল হিসেবে)''': এলিয়ট নেস আর উনার দল খুব কাছেই তাড়া করছিল!
<hr width="50%"/>
:'''রাগী কাউন্সিলর''': আমরা স্রেফ সময় নষ্ট করছি আর অনেক সময় অলরেডি নষ্ট হয়েছে!
:'''টম সার্ভো (কাউন্সিলর হিসেবে)''': সব কটাকে খতম করো!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ওটা প্রিন্সের নতুন নাম না?
:'''ক্রো টি. রোবট''': না ওটা ফ্র্যাঙ্ক গোরশিনের নতুন নাম!
==== দ্য অ্যাটমিক ব্রেইন (মূল সিনেমা) ====
:'''মাইক নেলসন''': হেই একটু দাঁড়াও!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ও তো পুরো উলঙ্গ!
:'''টম সার্ভো''': ওরে বাবা...
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ও তো অর্ধেক জ্যান্ত!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': (হাসছে) আর ও খুব ধীরে সুস্থে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে গেল!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (হেটি হিসেবে)''': মহারাজ! আমি হাঁটতে পারছি!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': তো মাইক সেই অ্যাটমিক ব্রেইনটা কোথায়?
:'''মাইক নেলসন''': আমি জানি না...
=== [[w:bn:আউটল|আউটল]] ===
:'''জিপসি''': এটা কোনো জিমনেসিয়াম নয়!
:'''ক্রো টি. রোবট''': আরে জিপসি যখন মজা হয় তখন মজাই হয়!
:'''জিপসি''': হ্যাঁ যতক্ষণ না কেউ মারা যায় ততক্ষণই মজা!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': এসো টম লাফ দাও আমি ধরছি।
:'''টম সার্ভো''': কিন্তু আমার ভয় করছে!
:'''মাইক নেলসন''': পাগলামি কোরো না। এসো।
:'''টম সার্ভো''': ঠিক আছে আমি আসছি।
:---
:'''জিপসি''': আমাদের কপালে ভালো কিছু নেই তাই না?
:'''টম সার্ভো''': ওহ ওহ মাইক বাঁচাও।
:'''মাইক নেলসন''': ঠিক আছে আমি আসছি আসছি।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওটা পরে হবে! আমাকে এখন যেতে হবে!
<hr width="50%"/>
:'''জিপসি''': হেই তোমাদের দেখতে পুরো ফ্যাবিওর মতো লাগছে! (হাসছে)
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': জেন রাসেলের সাথে? ওহ প্লিজ ওহ প্লিজ ওহ প্লিজ...
:'''মাইক নেলসন''': না নিজেকে অত আশাবাদী হতে দিও না।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি এখনই এই সিনেমাটাকে ঘৃণা করতে শুরু করেছি।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': কমিশনার গর্ডন কল করছেন!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (ওয়াটনি হিসেবে)''': স্রেফ ঠোঁট দুটো এক করো আর পান করো!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': কোনো সুযোগ আছে কি ওই লোকটা জানালার কাচ দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার?
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': মাফ করবেন দর্শক আমাদের কাছে স্পেশাল ইফেক্টসের কোনো টাকা ছিল না!
<hr width="50%"/>
:'''ওয়াটনি''': আমি কোথায় আছি?
:'''মাইক নেলসন''': তুমি এখানে আছো।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (ক্যাবট হিসেবে)''': চুপ করো! আমি অভিনয় করছি!
:---
:'''ওয়াটনি''': তুমিও যা আমিও তা! ক্যাবট শোনো। আমার কথা শোনো! ক্যাবট কী হচ্ছে এসব? কাল রাতে কী হয়েছিল? আমি কি কোনো ভুল করেছি? ধুর ক্যাবট।
:'''মাইক, ক্রো এবং সার্ভো''': ওকে মারো... ওকে মারো... ওকে মারো... ওকে মারো...
:---
:'''মাইক নেলসন''': ক্যাবট এখন কেউ দেখছে না ওকে একটা কোপ মারলেই ল্যাঠা চুকে যায়!
:'''ক্রো টি. রোবট''': হয়তো ওরা তোমাকে মদের দোকানে ফ্রি ড্রিঙ্কস দেবে।
<hr width="50%"/>
:'''পাহারাদার''': তুমি কে?
:'''ক্যাবট''': আমার নাম ক্যাবট।
:---
:'''গ্রামবাসী ১''': ক্যাবট!
:'''গ্রামবাসী ২''': ক্যাবট!
:'''গ্রামবাসী ৩''': ক্যাবট!
:'''গ্রামবাসী ৪''': ক্যাবট!
:'''গ্রামবাসী ৫''': ক্যাবট!
:'''মাইক নেলসন''': না নামটা ঠিক চেনা লাগছে না মাফ করবেন।
<hr width="50%">
:'''মাইক নেলসন (ক্যাবট হিসেবে)''': উমম কাল থেকে শুরু করব।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': দেখে নাও এটা জ্যাক নিকলাসের গলফ কমিউনিটির একটা!
:'''মাইক নেলসন''': তুমি কি বুড়ো হয়ে গেছো? ওসব খবর তুমি জানো কীভাবে?
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (জ্যাক প্যাল্যান্স হিসেবে)''': উমম আমরা ওটা বাতিল করেছি। ওটা খুব একটা পরিচিত ছিল না।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (জ্যাক প্যাল্যান্স হিসেবে)''': আমি আসলেও জানি না।
<hr width="50%"/>
:'''রানি লারা''': এখান থেকে দূর হও! পাজি পোকা কোথাকার!
:---
:'''মাইক নেলসন (জ্যাক প্যাল্যান্স হিসেবে)''': এবার... যদি... আপনি... অনুমতি... দেন... আমি... গিয়ে... আমার রিপ্রেজেন্টেটিভকে... আচ্ছা মতো... ঝাড়ব।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (ক্যাবট হিসেবে)''': উলঙ্গ অবস্থায়।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': দেখি... প্রথম দিন: কল পাইনি। সারারাত পার্টি করেছি। এখনও চোখে ঝাপসা দেখছি।
:'''মাইক নেলসন''': ঠিক আছে... তৃতীয় দিন: কল পাইনি। কাল হুট করে শটের ভেতরে ঢুকে পড়েছিলাম আর ওরা ওটা রেখে দিয়েছে। এই ‘আভান্তে আভান্তে’ কথাটার মানে কী ভাই?
:'''টম সার্ভো''': পঞ্চম দিন: কল পাইনি। চার দিন শুটিংয়ের পর আজ স্ক্রিপ্ট পেলাম আর কী আশ্চর্য আমি নাকি কোনো মহান দার্শনিক নই। আমি নাকি এক আজব জাদুকর।
:'''ক্রো টি. রোবট''': অষ্টম দিন: কল পাইনি। ওই বাতিল সিরিয়ালটার কথা মাথা থেকে বেরুচ্ছেই না। কেন? কেন এমন হলো? কিছুই হজম হচ্ছে না। ঘুমাতেও পারছি না।
:'''মাইক নেলসন''': নবম দিন: কল পাইনি। জিনার সাথে গ্রামে গিয়েছিলাম। আমার গলার আওয়াজে ইতালিয়ান বাচ্চারা ভয় পায়। পার ডিয়েমের সব টাকা ফালতু জিনিসের পেছনে ওড়ালাম।
:'''টম সার্ভো''': দশম দিন: কল পাইনি। মনে হয় আজ আমি একটা খুন করেছি। পরে কথা হবে?
:---
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আহ ভালো।
:'''ক্রো টি. রোবট''': তোমরা কি সেই দৃশ্যগুলো দেখেছো যা ফাইনাল মুভিতে রাখা হয়নি?
:'''মাইক নেলসন''': না ওগুলো কি সেই ফানি শো-তে দেখিয়েছিল?
:'''টম সার্ভো''': না আসলে মৃত্যুর খবরের অনুষ্ঠানে। মিয়ামি ভাইসের মতো শোনাল। তা এই সিনেমা কি কোনোদিন থিয়েটারে রিলিজ হয়েছিল তোমার মনে হয়?
:'''মাইক নেলসন''': না আমার মনে হয় না তবে ইউএসএ নেটওয়ার্কে হয়তো এসেছিল।
:'''টম সার্ভো''': ওহ ইউএসএ-- আমার ওই অরিজিনাল মুভিগুলো খুব ভালো লাগত যা ইউএসএ নেটওয়ার্কের জন্য বানানো হতো।
:'''মাইক নেলসন''': হ্যাঁ আমি জানি ওগুলো দারুণ ছিল আর ওগুলোর নাম হতো অনেকটা ‘ম্যালিবু ডেথ ব্রেস্ট’ টাইপ।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ অনেকটা ওমনই-- “জেফ ক্যানাওয়ে আর শারি বেলাফন্টে বিড়াল ইঁদুর খেলছেন ‘মার্ডার মোস্ট ময়েস্ট’ সিনেমায়।”
:'''টম সার্ভো''': ওহ হেই হেই আমার কাছে একটা আছে। “জুডি ল্যান্ডার্স এক ধুরন্ধর খুনিকে খুঁজছেন ‘পিকাবু লেস পি.আই.’ সিনেমায়।”
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওটা ভালো ছিল। আচ্ছা এটা কেমন হবে- “জেফ ক্যানাওয়ে একজন ভিজিল্যান্টি যে রাতে টহল দেয় ‘ডার্ক আন্ডারপ্যান্টস’ সিনেমায়”?
:'''মাইক নেলসন''': এটা শোনো। “লিন্ডসে ওয়াগনার একজন সেক্সি স্পিচ থেরাপিস্ট যাকে জিম্মি করা হয়েছে ‘টাং ল্যাশিং’ সিনেমায়!”
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমার পছন্দ হয়েছে!
:'''টম সার্ভো''': দাঁড়ান দাঁড়ান! আমি পেয়ে গেছি। “জেফ ক্যানাওয়ে আকণ্ঠ খুনের নেশায় মত্ত ‘ফ্রেঞ্চ পিস্তল’ সিনেমায়। ধরুন ওকে!” এটা বেশ মজার! হ্যাঁ।
:'''মাইক নেলসন''': ঠিক আছে এটা ট্রাই করো। “জেফ ক্যানাওয়ে একজন কলেজ প্রফেসর যার গোপন জীবন ‘ডেথ স্প্যাঙ্ক’ সিনেমায় সবার সামনে চলে আসে!”
:'''টম সার্ভো''': ওহ দারুণ “ডেথ স্প্যাঙ্ক”!
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমার কাছে একটা ভালো আছে। “ক্রিস লেমন আর হিদার লকলিয়ার একটা ক্রাইম ফাইটিং ইউনিট বানিয়েছে ‘দ্য লঞ্জেরি জাস্টিস ফাইলস’ সিনেমায়”?
:'''টম সার্ভো''': ওটা দারুণ। দাঁড়ান আরেকটা আছে। “জেফ ক্যানাওয়ে আর মর্গান ফেয়ারচাইল্ড হলেন ‘দ্য ক্রচলেস কিলার্স’।”
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওটা দারুণ হয়েছে! বেশ তেজ আছে এতে-- ওহ এটা কেমন হবে “হার্ড বাকনার সন্দেহ তৈরি করছেন রিচার্ড চেম্বারলেন আর বেন ভেরিনের মধ্যে ‘ট্যাপ প্যান্ট ডিজায়ার’ সিনেমায়”?
:'''টম সার্ভো''': বেন ভেরিনের ব্যবহারটা ভালো ছিল।
:'''মাইক নেলসন''': আমি তোমার চিন্তা পছন্দ করছি। এটা শোনো। “উইলিয়াম ডিভানে এক খুনিকে তাড়া করছেন ট্রপিকাল স্বর্গে ‘দ্য হাওয়াই এডিবল আন্ডারওয়্যার মার্ডারস’ সিনেমায়!”
:'''টম সার্ভো''': মাইক এই নামটার জন্য তোমাকে ভালোবাসা! ওকে এটা শোনো। “লিসা হার্টম্যান একজন পুলিশ অফিসার যে এক খুনিকে খুঁজছে ‘চিক বিটস’ সিনেমায়।”
:'''ক্রো টি. রোবট''': জানো সার্ভো এ জন্য আমি তোমাকে বিয়ে করতে পারতাম তবে— ওহ আমার কাছে একটা আছে। এটা সেরা। “জেফ ক্যানাওয়ে একজন পাগল ধর্মীয় নেতা ‘দ্য ওয়াকো প্যান্টি রেড’ সিনেমায়।”
:'''মাইক নেলসন''': উমম উমম “এরিক রবার্টস একজন আতঙ্কিত শিল্পী যে তার সাধ্যের বাইরে গিয়ে কাজ করেছে ‘নেকেড কেম দ্য নিউড’ সিনেমায়!”
:'''টম সার্ভো''': “পিটার ডিলুইস আর টমি টিউন হলেন ‘কড পুলিশ’।”
:'''মাইক নেলসন''': ওটা বেশ ভালো ছিল।
=== [[w:bn:র্যাডার সিক্রেট সার্ভিস|র্যাডার সিক্রেট সার্ভিস]] ===
==== লাস্ট ক্লিয়ার চান্স (শর্ট) ====
:'''টম সার্ভো''': আপনার শেষ সুযোগ... অবিশ্বাস্য ছাড় পাওয়ার!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': জ্যাক কেভোরকিয়ান একটা ওপেন টেইলগেট পার্টির আয়োজন করেছেন!
:'''টম সার্ভো''': আমার জন্য কিছু বাঁচিয়ে রেখো!
:---
:'''টম সার্ভো''': ওহ দেখো পেপ্টো-বিসমল গাড়ি।
:'''মাইক নেলসন''': কখনো এমন হতে দেবেন না। এই মানুষগুলো যে ভুল করেছে তা করবেন না। মরে যাবেন না।
<hr width="50%"/>
:'''পাহারাদার''': মনে হয় আমার কয়েক মিনিটের জন্য ভেতরে যাওয়া উচিত ছিল...
:---
:'''পাহারাদার''': ...কিন্তু আমি তা করতে পারিনি।
:'''ক্রো টি. রোবট (পাহারাদার হিসেবে)''': কারণ রিলের ফুটোয় ছেঁড়া ছিল।
<hr width="50%"/>
:'''পাহারাদার''': আমি এখান থেকেই বিদায় জানাতে পারি।
:'''টম সার্ভো (পাহারাদার হিসেবে)''': বিদায়!
<hr width="50%"/>
:'''পাহারাদার''': ফ্র্যাঙ্কের বান্ধবী বেটি হাটকিন্স ওর জন্য অপেক্ষা করছিল। সবাই জানত যে খুব জলদিই ওদের বিয়ে হবে।
:'''ক্রো টি. রোবট (বেটি হিসেবে)''': আমাদের বিয়ে কবে হবে?
:'''টম সার্ভো (ফ্র্যাঙ্ক জুনিয়র হিসেবে)''': খুব জলদিই।
<hr width="50%"/>
:'''পাহারাদার''': যখনই রাস্তায় কোনো বিপদ থাকে তখনই আপনাকে সতর্ক করার জন্য সাইন দেওয়া থাকে। যেমন বাঁকের সংকেত বা রাস্তার অধিকারের সংকেত ‘সরু সেতু’ ‘সামনে সিগন্যাল’ ‘প্রবেশ নিষেধ’ ‘ওভারটেকিং নিষেধ’ আর এমন আরও অনেক কিছু।
:'''ক্রো টি. রোবট''': “সব উলঙ্গ মেয়েরা”।
:'''টম সার্ভো''': “শুধুমাত্র সাদা চামড়ার লোকেদের জন্য”।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': (গর্জন করে) ররররর।
:. . .
:'''পাহারাদার''': আপনি যদি সংকেতগুলো না দেখেন...
:'''মাইক নেলসন''': ভাইরে আপনি জীবনের আসল রস আস্বাদন করতে পারেননি।
:'''পাহারাদার''': ...তবে এই ট্রেনটা আপনার জন্য এক বড় ধাক্কা হতে পারে।
:'''টম সার্ভো''': সোল ট্রেন!
:'''ক্রো টি. রোবট (ডন কর্নিলিয়াস হিসেবে)''': ক্লারিসা আপনাকে অনেক ধন্যবাদ...
<hr width="50%"/>
:'''পাহারাদার''': ওদের মনে হয় নিয়মগুলো অন্যদের জন্য ওদের মতো ভালো চালকদের জন্য নয়।
:'''টম সার্ভো (পাহারাদার হিসেবে)''': ওরা সব কমিউনিস্ট।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ৪০ শতাংশ গাড়ি দুর্ঘটনার কারণ হলো... মেয়েদের পেছনের অংশ!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (পাহারাদার হিসেবে)''': আমি তোমাকে বিছানায় শুইয়ে চাদর দিয়ে ঢেকে দিতাম কিন্তু তুমি তো মরে গেছো।
<hr width="50%"/>
:'''পাহারাদার''': প্রতিদিন এই সংকেতগুলোই আপনাকে বাঁচিয়ে রাখে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': যদিও আপনি ওটার যোগ্য নন।
<hr width="50%"/>
:'''পাহারাদার''': রাস্তায় আমরা অফিসাররা আরও একটা সমস্যার সম্মুখীন হই...
:'''মাইক নেলসন''': মহিলা চালক! (সবাই মুচকি হাসল)
<hr width="50%"/>
:'''পাহারাদার''': ...যে গাড়িটা ট্রাফিক নিয়ম অনুযায়ী অন্য গাড়িকে আগে যেতে দেয়।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': শহরের বুক চিরে ছুটে চলা এক ভাড়াটে খুনি।
<hr width="50%"/>
:'''পাহারাদার''': আর তবুও অনেক মানুষ যারা বড় দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে ফিরেছেন তারা বলেন--
:'''টম সার্ভো''': আআআআআআ!
:---
:'''টম সার্ভো''': ওটাই ওরা বলে।
<hr width="50%"/>
:'''ফ্র্যাঙ্ক জুনিয়র''': আমি হার মানছি অফিসার! আইনি অভিযোগটা কী?
:'''ক্রো টি. রোবট (পাহারাদার হিসেবে)''': হা হা! **অনিচ্ছাকৃত নরহত্যা**।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমার মনে হচ্ছে এই চরিত্রগুলোর মধ্যে কেউ একজন নিজের নাড়িভুঁড়ি দেখতে যাচ্ছে।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (ফ্র্যাঙ্ক জুনিয়র হিসেবে)''': হেই পুলিশ তো কোনোদিন বলেনি যে অতিরিক্ত গাধামি করা যাবে না!
<hr width="50%"/>
:'''ইঞ্জিনিয়ার''': ওরা কেন তাকায় না রাল্ফ? আমাকে বলো ওরা কেন তাকায় না?
:'''টম সার্ভো (রাল্ফ হিসেবে)''': তুমি বেশ গভীর কথা বললে আর্নি।
<hr width="50%"/>
:'''পাহারাদার''': তো এরপর যখন আমি আপনার গাড়ি থামাব...
:'''মাইক নেলসন (পাহারাদার হিসেবে)''': আমার ডিনারের টেবিলে একটা জায়গা রেখো!
:'''পাহারাদার''': ...আমাকে বলবেন না যে আপনি স্রেফ সামান্য জোরে চালাচ্ছিলেন স্রেফ সামান্য আইন ভেঙেছিলেন...
:'''টম সার্ভো''': ...উহ-ওহ...
:'''পাহারাদার''': ...স্রেফ সামান্য ভুল করেছিলেন ওসব অন্য কারো জন্য তুলে রাখুন ভাই!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ খোদা ও তো নিজের মানসিক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছে!
:'''পাহারাদার''': কারণ আমি এমন অনেক ‘সামান্য’ বোকামি দেখেছি...
:'''টম সার্ভো''': ও এক খারাপ পুলিশ যে খোলা রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে!
:'''পাহারাদার''': ...আর ওগুলো সামান্য মৃত হয়েই শেষ হয়েছে!
:'''মাইক নেলসন (পাহারাদার হিসেবে)''': এখন আমি গিয়ে একটা ছোটখাটো নাস্তা সেরে নিই।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো:''' হাই আমি ট্রুপার টম সার্ভো। আমি সব দেখেছি মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছি আর আমি আপনাকে মনে করিয়ে দিতে এসেছি যে বিপদ সব জায়গায় ওঁত পেতে আছে। না উঠবেন না। আপনারা তরুণরা অনেক কিছুকে খুব হালকাভাবে নেন যেমন আপনার স্যান্ডউইচ। ওহ আমি জানি আপনি ওই স্যান্ডউইচটা স্রেফ সামান্য খাবেন স্রেফ সামান্য মেয়োনিজ দিয়ে আর সামান্য সালামি দিয়ে।
:'''মাইক নেলসন:''' (নিজের চোখে স্যান্ডউইচের কোণা দিয়ে আঘাত করল) আআআআআআআ!!!
:'''ক্রো টি. রোবট:''' ওরা কেন তাকায় না?
:'''টম সার্ভো:''' শোনো ভাই! প্রায় চল্লিশ... উমম সব দুর্ঘটনার চল্লিশ শতাংশই হলো প্রায় অর্ধেক দুর্ঘটনা। কিন্তু কার মাথাব্যথা? আপনার ময়লা পরিষ্কার করার যন্ত্র নিয়ে আনন্দ করুন! আপনার কিছু হবে না। যা হওয়ার ওই অন্য লোকটার হবে!
:'''মাইক নেলসন:''' (নিজের চোখে ময়লা ঢুকিয়ে দিল) আআআআআআআ!!!!
:'''ক্রো টি. রোবট:''' ওরা কেন-- (মাইক অন্য চোখেও ময়লা ঢোকাল আর চিৎকার করল) ওরা কেন তাকায় না?
:'''টম সার্ভো:''' গরম থালাগুলো খুব মজার! ওগুলো বস! ওগুলো কুল! যতক্ষণ না...
:'''মাইক নেলসন:''' (গরম থালাটা নিজের মুখে চেপে ধরল) আআআআআআআ!!!
:'''ক্রো টি. রোবট:''' ওরা কেন--
:'''টম সার্ভো:''' আমি কেন এই পচা শহরের মাথামুণ্ডুহীন বাঁদরদের সাথে সময় নষ্ট করছি?! আমি এসব থেকে হাত ধুয়ে ফেললাম ভাই! ধুর!
:'''মাইক নেলসন:''' বাহ... ছোট লোকটা তো অভিনয়ের মধ্যে ডুবে গেছে তাই না?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট:''' হেই পাগল বিজ্ঞানীরা কী চায়?
:'''টম সার্ভো:''' ওহ পাগল বিজ্ঞানীরা! আপনি ওদের সাথে অনেক মজা করতে পারেন যতক্ষণ না কেউ চোখ হারায়!
:'''ক্রো টি. রোবট:''' (ডেস্কে মাথা ঠুকে সেন্স হারিয়ে ফেলল)
==== র্যাডার সিক্রেট সার্ভিস (মূল সিনেমা) ====
:'''ক্রো টি. রোবট''': গ্যারি বার্গহফ এখন আন্ডারকভার গোয়েন্দা!
:'''মাইক নেলসন''': ওতেই গত ১০ বছরে উনার ক্যারিয়ারের ব্যাখ্যা পাওয়া যায়।
=== [[w:bn:সান্তা ক্লজ|সান্তা ক্লজ]] ===
:'''ম্যাজিক ভয়েস''': আমরা ফিরছি... মনে হয়। নোয়েল!
<hr width="50%"/>
:'''জিপসি''': আমারটা খোলো মাইক! আমারটা খোলো!
:'''মাইক নেলসন''': ওহ বড়টা! ঠিক আছে। (বক্স খুলল) ওহ বাহ! চমৎকার সোয়েটার জিপসি। ধন্যবাদ! (সোয়েটারটা উঁচিয়ে ধরল) দেখো ওতে ‘জয়েইক’ লেখা আছে।
:'''জিপসি''': হ্যাঁ আসলে আমি ওটা অন্য একজনের জন্য অনেকদিন আগে বুনতে শুরু করেছিলাম তারপর তো তোমরা জানোই।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (সান্তা হিসেবে)''': (গাইছে) হো হো হো হো বেঁচে আছি বেঁচে আছি...
:. . .
:'''মাইক, ক্রো, সার্ভো''': (একসাথে গাইছে) আমি ওকে ভালোবাসি আমি ওকে ভালোবাসি আর ও যেখানে যায় আমিও যাব...
:. . .
:'''টম সার্ভো''': (গাইছে) আমাদের জোর করে গাওয়ানো হচ্ছে...
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই আমরা কি এমন কোনো দেশে যেতে পারি যাদের তালের সেন্স আছে?
:. . .
:'''বর্ণনাকারী''': ইংল্যান্ডের ছেলেমেয়েরা।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ...ওদের দাঁত সব পচা।
:'''টম সার্ভো (সান্তা হিসেবে)''': অনুভব করো! এই সান্তার সাথে মিশে যাও!
:. . .
:'''বর্ণনাকারী''': জাপানও সান্তাকে সাহায্য করে।
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': সান্তার টয় কর্পোরেশনে ইনভেস্ট করে ওরা এখন সান্তাকে পুরোপুরি কিনে নিয়েছে।
:. . .
:'''বর্ণনাকারী''': প্রাচ্যের গুণী শিল্পীরা।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ...ওরা আজ এখানে নেই।
:'''মাইক নেলসন''': উমম উমম তুমি আমার কিবোর্ডের ওপর নাচছো।
:'''টম সার্ভো (সান্তা হিসেবে)''': (গাইছে) সকালবেলাতেই কাজটা সেরে নাও!
:. . .
:'''বর্ণনাকারী''': রাশিয়ারও প্রতিনিধি দল আছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': সিআইএ বর্তমানে ওদের ওপর নজর রাখছে।
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': সান্তা ওদের দিয়ে দিনে ১৬ ঘণ্টা কাজ করায় আর ঘণ্টায় ২ ডলার দেয়।
:. . .
:'''বর্ণনাকারী''': ফ্রান্সের দল।
:'''টম সার্ভো''': ...ওদের গায়ে খুব দুর্গন্ধ!
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট (জেনারেল বার্কহাল্টার হিসেবে)''': ক্লিঙ্ক তুমি খুব বাজে গায়ক!
:'''মাইক নেলসন (কর্নেল ক্লিঙ্ক হিসেবে)''': আপনি একদম ঠিক বলেছেন! আমি আস্ত বাজে এক গায়ক!
:'''ক্রো টি. রোবট (জেনারেল বার্কহাল্টার হিসেবে)''': রুশ সীমান্তে গিয়ে গান গাইবে নাকি?
:---
:'''মাইক নেলসন''': আমি শুধু একটা জিনিস জানতে চাই: ডনি আর ম্যারি কখন দরজা দিয়ে ভেতরে আসবে?
:. . .
:'''বর্ণনাকারী''': ইতালির এক খুশির গান।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': এটা কি নিওরিয়ালিজম?
:---
:'''টম সার্ভো (ডন কর্লিয়নি হিসেবে)''': ঠিক আছে আমরা সান্তাকে খতম করব। ও ইস্টার বানির এলাকায় ঢোকার চেষ্টা করছে।
:'''মাইক নেলসন''': ঠিক আছে দারুণ। তুমি সবাইকে অপমান করে ছাড়লে।
:. . .
:'''বর্ণনাকারী''': ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জ।
:'''মাইক নেলসন''': ...এই সিনেমার সাথে ওদের কোনো সম্পর্কই নেই।
:'''টম সার্ভো (জামাইকান টানে)''': ওটা বৈধ করে দিন ভাই!
:'''মাইক নেলসন''': (গাইছে) উঠে দাঁড়াও নিজের অধিকারের জন্য লড়ো...
:'''টম সার্ভো (এড ম্যাকমোহন হিসেবে)''': পরবর্তী জুনিয়র গায়ক হিসেবে আসছে: থাইল্যান্ড!
:. . .
:'''বর্ণনাকারী''': দক্ষিণ আমেরিকান দলে আছে ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনা।
:'''মাইক নেলসন''': আর কয়েকটা দেশ যাদের কথা এখন না বললেও চলবে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হো! সান্তা তো নিষিদ্ধ নাচ নাচছে!
:. . .
:'''বর্ণনাকারী''': মধ্য আমেরিকার দেশগুলো।
:'''মাইক নেলসন''': ...সান্তার নিরাপত্তার জন্য ওরা হুমকি স্বরূপ।
:'''টম সার্ভো''': হেই ওই একই বাচ্চারা তো সব দেশে অভিনয় করছে! এর পরে হয়তো ওরা মিশরীয় সাজবে।
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': হুররে!
:'''মাইক নেলসন''': ইয়ে! ইউএসএ! উউ!
:'''বর্ণনাকারী''': আমেরিকার ছেলেমেয়েরা।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ...ওরা খুব অলস আর বখাটে তাই সান্তাকে সাহায্য করতে পারে না। যাক এখন কথাটা শুনতে ভালো লাগল।
:. . .
:'''বর্ণনাকারী''': মেক্সিকোর প্রতিবেশী একদল বাচ্চা।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ...ওরা অতিরিক্ত গয়নাগাটি পরেছে।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': ওর কথা শুনো না লুপিতা! চুরি করা পাপ আর তুমি পরে অনুশোচনা করবে!
:'''ক্রো টি. রোবট''': আহ শয়তান আর বর্ণনাকারীর সেই চিরন্তন যুদ্ধ।
:'''বর্ণনাকারী''': একদম ঠিক লুপিতা ওটা রেখে দাও।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (মা হিসেবে)''': শয়তানকে হারানোর জন্য সাবাশ মা আমার।
:'''পিচ''': (নিজের মনে বিড়বিড় করে রাগ ঝাড়ছে) অভিশাপ! ফালতু কাজ! অভিশাপ!
:'''মাইক নেলসন''': ওরে বাবা ওটা আর কোনোদিন কোরো না।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': সান্তার ক্ষমতা আর দাপট অনেক এলাকা জুড়ে। সান্তার অর্গানাইজেশন থেকে পালানোর কোনো জায়গা নেই।
<hr width="50%"/>
:'''সান্তা ক্লজ (দ্বিতীয় ছেলে)''': সান্তা আমাদের পাত্তা দেয় না। ও অনেক দূরে থাকে।
:'''টম সার্ভো (সান্তা ক্লজ হিসেবে)''': ওরা আমার গোপন পরিকল্পনার কথা জেনে ফেলেছে! জলদি পালাও!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': এটা তো এক ফ্যাসিস্ট সান্তা!
:'''মাইক নেলসন''': হ্যাঁ শেষে সান্তাকে উল্টো করে ঝুলিয়ে দেওয়া হবে।
:'''টম সার্ভো''': যাক অন্তত ও সব কাজ সুন্দর করে গুছিয়ে করেছে।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ওহ মনে হয় নরক থেকে ফান্ড জোগাড় করা হয়েছে!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (ঘোষক হিসেবে)''': এটা তোমার নতুন মা!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': তোমার ফ্রিজটা বেছে নাও লুপিতা!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (বাচ্চাদের গলায়)''': আমাকে ইসমায়েল বলে ডাকো... আমি আমার বাবার বানানো ঘরে জন্মেছিলাম... ঠিক সেই মুহূর্তে...
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': (গাইছে) আমি বাবাকে একটা চিঠি লিখেছি...
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (ছেলের গলায়)''': আমি তোমাকে বলছি পেপে কমেডি সেন্ট্রালের এই কনটেস্টগুলো স্রেফ সময় নষ্ট!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (সান্তা হিসেবে)''': হো হো হো! প্রতিটা চিঠিতে এক ডলার করে আছে! আমার ওই জালিয়াতি কাজ করেছে!
<hr width="50%"/>
:'''পেড্রো''': পৃথিবীর মানুষরা কী খায় সান্তা?
:'''সান্তা ক্লজ''': ওহ যা পায় তাই খায়! ওরা প্রায় সব পশুপাখি গাছপালা মূল মাছ এমনকি ধোঁয়া আর মদও খায়!
:'''টম সার্ভো (সান্তা ক্লজ হিসেবে)''': আর ওরা ফাস্ট ফুডও খায়!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': এটা মোটেও ভালো লাগছে না! খুব অদ্ভুত!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ সান্তা যখন হাসে তখন পুরো জগত অসন্তোষ প্রকাশ করে।
:---
:'''সার্ভো, মাইক এবং ক্রো''': হি হি হাহা হাহা (হাসি হঠাৎ কান্নায় রূপ নিল) আআআআআআআ! আআআআআআআআ!!!
:---
:'''মাইক নেলসন''': (ভীত হয়ে) কী হচ্ছে এসব?!
:---
:'''টম সার্ভো''': এক জাদুকরী চিহ্ন আর হরিণদের ওই হাসি... এবার বুঝে নাও।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (আফ্রিকান বাচ্চার গলায়)''': (বিড়বিড় করছে) চুলে হাড় গুঁজে রাখা... আমি ডেট্রয়েট থেকে এসেছি ভাই!
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': দেখি সান্তা আগে কোথায় যায়? ইউরোপ? আফ্রিকা? আমেরিকা?
:'''টম সার্ভো''': সার্কেল পাইন্স?
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (সান্তা হিসেবে)''': হো! হো! হো... দাঁড়ান আমি ফ্রান্সের কথা ভুলে গেছি। (একটু থেমে) ...যাক বাদ দাও! হো! হো! হো!
=== [[w:bn:টিন-এজ ক্রাইম ওয়েভ|টিন-এজ ক্রাইম ওয়েভ]] ===
:'''মাইক নেলসন (অ্যানসারিং মেশিন হিসেবে)''': আমি জিম রকফোর্ড বলছি মেসেজ রেখে দিন আমি পরে কল ব্যাক করব।
:'''ক্রো টি. রোবট''': জিমি আমি অ্যাঞ্জেল বলছি আমি খুব বিপদে পড়েছি!
:'''টম সার্ভো''': (মিউজিক বাজাতে শুরু করল)
=== [[w:bn:ভিলেজ অব দ্য জায়ান্টস|ভিলেজ অব দ্য জায়ান্টস]] ===
:'''ক্রো টি. রোবট''': “ভিত্তি”? হ্যাঁ কারণ দুটোই তো ইংরেজি ভাষায় লেখা!
:'''মাইক নেলসন''': হতে পারে এটা অন্য কোনো নামী বইয়ের ওপর ভিত্তি করে বানানো!
:'''টম সার্ভো''': ওহ থিওডোর সোরেনসেনের লেখা?
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ও নিজের হাতটাই উড়িয়ে দিয়েছে!
:'''ক্রো টি. রোবট (ম্যাগনাস পাইক হিসেবে)''': বিজ্ঞানের জোরে আমি অন্ধ হয়ে গেছি!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': জানো আমার সন্দেহ হচ্ছে সিনেমাটাকে লম্বা করার জন্য হয়তো অকারণেই এই দৃশ্যগুলো ঢোকানো হয়েছে।
:'''টম সার্ভো''': ওহ না না...
:'''মাইক নেলসন''': না ওটা আসলেও আছে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': এক দুঃস্বপ্ন।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': আমি চাই ওটা খুব বাজেভাবে ব্যর্থ হোক আর ওর ক্ষতি হোক যাতে আমাকে আর ‘উইলো’ সিনেমাটা দেখতে না হয়।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই আমার তো ‘উইলো’ ভালো লেগেছিল!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ওরে দেখো পুঁচকে বাচ্চাটা আমাদের বিরুদ্ধে ‘উইলো’ নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': (ক্ষেপে গিয়ে) আমার ‘উইলো’ ভালো লেগেছিল!
:'''মাইক নেলসন''': কেভিন পোল্যাক? ওটা তোমার ভালো লেগেছে?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': মাকড়সারা গর্জন করে না যত বড়ই হোক না কেন।
:'''মাইক নেলসন''': আমার মনে হয় না তুমি প্রমাণ করতে পারবে যে অত বড় মাকড়সারা গর্জন করে না।
:'''ক্রো টি. রোবট''': (নিজের স্বপক্ষে) আমার ‘উইলো’ ভালো লেগেছিল।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': হেই জানো রন মনে হয় বার্ট আই গর্ডনের কাছ থেকে ডিরেকশন শিখেছে।
:'''টম সার্ভো''': সেজন্যই ও ‘উইলো’ বানিয়েছিল।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই আমার **ভালো লেগেছিল** ‘উইলো’!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আরে থামুন তো! ‘উইলো’ সিনেমার ইফেক্ট তো এর চেয়ে অনেক ভালো ছিল!
:'''মাইক নেলসন''': হেই তোমার তো ওটা ভালো লেগেছিল!
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি— অ্যাঁ?
<hr width="50%"/>
:'''জিনিয়াস''': উলফ আমার কাছে তোমার জন্য খুব অবাক করা খবর আছে...
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ ‘উইলো’ একদম ফালতু ছিল!
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই ওটা কোনো যুক্তি হলো না।
<hr width="50%"/>
:'''ফ্রেড''': আমাদের অনেক অনেক পথ হাঁটতে হবে।
:'''অজ্ঞাত কণ্ঠস্বর''': মাফ করবেন। আপনারা কি হেইন্সভিলে থেকে আসছেন?
:'''ক্রো টি. রোবট (কণ্ঠস্বর হিসেবে)''': আপনি আমাকে রে ডাকতে পারেন বা আমাকে রে ডাকতে পারেন।
:'''ফ্রেড''': হ্যাঁ আমরা হেইন্সভিলে থেকেই আসছি।
:'''অজ্ঞাত কণ্ঠস্বর''': ওটাই কি সেই জায়গা যেখানে আঠালো জিনিসটা আছে?
:'''ফ্রেড''': হ্যাঁ ওটাই সেই জায়গা।
:'''অজ্ঞাত কণ্ঠস্বর''': অনেক ধন্যবাদ।
:---
:'''টম সার্ভো''': হা। শেষ একটা অপমানজনক কথা শোনাই আপনাদের।
:---
:'''মাইক নেলসন''': ছোট শহরের লজ্জিত অভিনেতারা বড় শহরের লজ্জিত অভিনেতাদের সাথে দেখা করছে।
:---
:'''টম সার্ভো''': তো... এটাই?! কোনো পুরস্কারই পেলাম না! আমরা এতক্ষণ ধরে **এটার** জন্যই অপেক্ষা করছিলাম?! (সিনেমা শেষ হতে না হতেই সেই পুরনো নাচ আবার শুরু হলো) **না!!!**
:'''মাইক, ক্রো এবং সার্ভো''': না না না!
:'''মাইক নেলসন''': এখানে ফিরে আসা মানে হলো এক বিশাল টার্কির ভেতর নিজের মুখ ঘষে দেওয়া।
:'''ক্রো টি. রোবট''': অথবা চোখের মনির ওপর রাবার ব্যান্ড লাগিয়ে রাখার মতো অনুভূতি।
:'''টম সার্ভো''': না এটা হলো উলিয়াম কনরাডের অন্তর্বাস পরার মতো অবস্থা!
:---
:'''মাইক নেলসন''': এটা ঠিক দাড়িওয়ালা খালার সাথে দীর্ঘক্ষণ চুমু খাওয়ার মতো অবস্থা!
:'''ক্রো টি. রোবট''': এটা ঠিক সকালে ঘুম থেকে উঠে জিম ভার্নিকে দেখার মতো অবস্থা! আআআআআ!!! (থিয়েটার থেকে পালিয়ে গেল)
:'''টম সার্ভো''': এটা ঠিক নিজের জিম ব্যাগের ভেতরে আটকে থাকার মতো অবস্থা!
:'''মাইক নেলসন''': এটা ঠিক জিম বেগের ভেতরে আটকে থাকার মতো অবস্থা!
=== [[w:bn:১২ টু দ্য মুন|১২ টু দ্য মুন]] ===
==== স্বপ্নের নকশা (শর্ট) ====
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ এটা নোয়েল কাওয়ার্ডের কাজ।
:---
:'''নুভিনা''': (গাইছে) গত রাতে স্বপ্ন দেখেছি চাঁদ খুব উজ্জ্বল ছিল...
:'''মাইক নেলসন''': ওহ কেউ নিজের স্বপ্নের কথা বললে আমার খুব বিরক্ত লাগে।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আর টমি টিউন হাজির হলেন!
:---
:'''রহস্যময় ব্যক্তি''': (গাইছে) আমি আপনাকে এমন এক জায়গায় নিয়ে যাব যেখানে আগামীর সাথে আজকের দেখা হয়...
:'''ক্রো টি. রোবট (নুভিনা হিসেবে)''': সমন জারি? আমার জন্য?
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': স্টেইনম্যান-হপসবার্গ বিয়ের অনুষ্ঠানের মাঝখানে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসার অভিজ্ঞতা আমারও এমন হয়েছিল।
<hr width="50%"/>
:'''নুভিনা''': (গাইছে) আমার একটা করভেট চাই!
:'''মাইক নেলসন (রহস্যময় ব্যক্তি হিসেবে)''': (গাইছে) আমার তাতে কিছুই যায় আসে না!
:---
:'''রহস্যময় ব্যক্তি''': আমি জানতাম তুমি এটাই চাইবে!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (রহস্যময় ব্যক্তি হিসেবে)''': সেজন্যই আমি তোমার মাথায় ঢুকে পড়েছিলাম!
:---
:'''নুভিনা''': (গাইছে) আমার একটা পন্টিয়াকও চাই!
:'''মাইক নেলসন''': ভাইরে মেয়েটা তো খুব ডিমান্ডিং!
<hr width="50%"/>
:'''রহস্যময় ব্যক্তি''': (গাইছে) এই বিউইকটা খুব সুন্দর!
:'''নুভিনা''': (গাইছে) আমি চালিয়ে দেখব!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': ও এবার ওটাকে উল্টে ফেলবে!
:---
: . . .
:'''টম সার্ভো (লাউডস্পিকার হিসেবে)''': সিকিউরিটি দয়া করে শোরুমে আসুন।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আশা করি এটা আগের সিনেমার পাল্টা কোনো যুক্তি হবে।
<hr width="50%"/>
:'''নুভিনা''': (গাইছে) স্বপ্ন সত্যি হওয়ার জন্য আমি আর তর সইতে পারছি না!
:'''টম সার্ভো''': যাক অন্তত ভালো একটা পার্কিংয়ের জায়গা পেয়েছি!
<hr width="50%"/>
:'''রহস্যময় ব্যক্তি''': জলদি ওকে রান্নাঘরে নিয়ে যাও!
:'''মাইক নেলসন (রহস্যময় ব্যক্তি হিসেবে)''': আলু ভাজা পুড়ে যাচ্ছে!
:'''ক্রো টি. রোবট (কিশোর ছেলের গলায়)''': ওখানে কি আর কোনো মেয়ে আছে?
:---
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': শুধু ফিউচারিস্টিক হলেই কোনো জিনিস কাজের হয় না।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আআআআ! এটা তো মিস্টার বি ন্যাচারালকে সম্মান জানানো হচ্ছে!
:'''টম সার্ভো''': ওহ না না না!
:---
:'''মাইক নেলসন''': ওনার মেজাজ পরিবর্তনের এটা নিশ্চয়ই পজিটিভ দিক।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ হো হো...
:---
:'''টম সার্ভো''': ভাইরে এই স্বপ্নের কথা লিখতে ওর সারাজীবন কেটে যাবে।
:---
:'''টম সার্ভো''': আআহ! বাহ!
:. . .
:'''মাইক নেলসন''': ফ্রয়েড সাহেব এই টুপির কী ব্যাখ্যা দিতেন কে জানে!
:'''ক্রো টি. রোবট''': আসলে মাঝে মাঝে টুপি স্রেফ টুপিই হয়।
<hr width="50%"/>
:'''নুভিনা''': আমার কেক তৈরি।
:'''মাইক নেলসন''': ধুর হতেই পারে না!
:'''টম সার্ভো''': মোমবাতি আর সব কিছু দেওয়া...
:'''ক্রো টি. রোবট''': শুভ জন্মদিন ওয়ান্ডা জুন।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': আর এখন এক মোহময়ী নৃত্যশিল্পী এবং এক বিশেষ পরিবেশনা: “ভবিষ্যতের নাচ”!
:'''ক্রো টি. রোবট (ঘোষক হিসেবে)''': কোরাস লাইন ২: শাকা খানের ক্রোধ!
: . . .
:'''নুভিনা''': সবাই বলে ভবিষ্যৎ খুব আজব কিন্তু আমার মনে হয় কিছু জিনিস কোনোদিন পাল্টাবে না।
:---
:'''সার্ভো, ক্রো (ভিড়ের গলায়)''': আমাদের সাইড চারিসকে দাও!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ও যখন নাচছে তখন জাপানিরা দুর্দান্ত সব গাড়ি বানাচ্ছে।
:'''টম সার্ভো (ঘোষক হিসেবে)''': সিন্ডি উইলিয়ামস হলেন টোয়াইলা থার্প আর ইসাডোরা ডানকান এক মহিলার বিশেষ অনুষ্ঠানে!
:'''মাইক নেলসন (ঘোষক হিসেবে)''': সাথে আছেন টম বোসলে।
:'''ক্রো টি. রোবট (ঘোষক হিসেবে)''': বোসলে হিসেবে।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (ঘোষক হিসেবে)''': সাথে আছেন জ্যাকি গ্লিসন অড্রে মিডোস...
:'''ক্রো টি. রোবট''': বনি আর ক্লাইডের মৃত্যুর গাড়ি!
:. . .
:'''টম সার্ভো (ঘোষক হিসেবে)''': সাথে আর্ট কার্নি আর জয়েস র্যান্ডলফ...
:'''ক্রো টি. রোবট''': ফনজির মৃত্যুর গাড়ি।
:---
:'''মাইক নেলসন (ফনজি হিসেবে)''': এই।
:. . .
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': অন্তঃসত্ত্বা মহিলা আর কুকুর ঐচ্ছিক।
:'''ক্রো টি. রোবট''': পুরো প্রোডাকশন জ্যাকি গ্লিসনের তত্ত্বাবধানে।
:. . .
:'''টম সার্ভো''': “তিনটি প্ল্যান্ট বন্ধ হওয়ার” গাড়ি।
:'''মাইক নেলসন''': নির্বাহী প্রযোজক জ্যাক ফিলবিন।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ইলেকট্রিক রেজার গাড়ি!
:. . .
:'''বর্ণনাকারী''': এমিলিও অব ক্যাপ্রির ডিজাইন করা পোশাক!
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': ম্যাডিসন অ্যাভিনিউয়ের সীমাহীন লোভ!
:'''টম সার্ভো (ঘোষক হিসেবে)''': ...দ্য হানিমুনার্স সিনেমায়!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (গাড়ির এক্সপ্রেশন হিসেবে)''': গরররর! ররররররর!
:. . .
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': হলিউডের সস্তা ভাঁড়ের পোশাক।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ওহ মাইকেল ক্রফোর্ডের সাথে গাড়ি মেলায় গেলে এমনই হয়।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': নিজের পুরুষত্ব জাহির করার গাড়ি!
:'''মাইক নেলসন''': আপনার বিপজ্জনক চুক্তি এবার শেষ হলো।
:. . .
:'''টম সার্ভো (নুভিনা হিসেবে)''': আপনাদের কাছে কি লাল রঙেরটা আছে?
:'''মাইক নেলসন (রহস্যময় ব্যক্তি হিসেবে)''': ম্যাম ওটা পেতে ছয় সপ্তাহ সময় লাগবে।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (রহস্যময় ব্যক্তি হিসেবে)''': দেখো আগামীর মৃত র্যাকুন।
:---
:'''নুভিনা''': (গাইছে) আগামীকাল...
:'''টম সার্ভো''': (এলমার ফান্ডের টানে গাইছে) আমার তলোয়ার আর জাদুর হেলমেট দিয়ে...
:. . .
:'''মাইক নেলসন (রহস্যময় ব্যক্তি হিসেবে)''': ওখানে প্রেসিডেন্ট বার্বি বেন্টন থাকেন সাথে থাকেন প্রধানমন্ত্রী জিম জে. বুলক।
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': অটোমেটিক ফ্রিনওয়ে। আপনি নিজেই বানান।
:. . .
:'''মাইক নেলসন''': কেউ অন্তত রক এন রোল আবিষ্কার করো দয়া করে!
:. . .
:'''টম সার্ভো''': ভবিষ্যৎ হয়তো ছবির মতো নাও হতে পারে। ব্যক্তিগত ভাগ্য ভিন্ন হতে পারে। আফ্রিকা ভারত বা দক্ষিণ আমেরিকায় ভবিষ্যৎ পাওয়া যাবে না।
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ ওখানে মনে হয় কোনো বিশাল বাচ্চা কন্ট্রোল ধরে দাঁড়িয়ে আছে।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': সাবধান! সামনের রাস্তা কাটা!
:---
==== ১২ টু দ্য মুন (মূল সিনেমা) ====
:'''টম সার্ভো (জেরি লুইস হিসেবে)''': সুন্দরী!
:'''ক্রো টি. রোবট (জেরি লুইস হিসেবে)''': হেই সুন্দরী!
:'''মাইক নেলসন (জেরি লুইস হিসেবে)''': হেই নিচে দেখুন সুন্দরী!
:'''টম সার্ভো (জেরি লুইস হিসেবে)''': এই সুন্দরীকে খুব ভালোবাসি।
:'''মাইক নেলসন''': উনি সবখানেই আছেন।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ডোনাটস?
:'''টম সার্ভো''': না না না।
:'''ক্রো টি. রোবট (জ্যাকি গ্লিসন হিসেবে)''': ওহ তোমরা চাঁদে যাচ্ছো ঠিক আছে!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': বাহ! মনে হচ্ছে আমিও ওতে আছি!
<hr width="50%"/>
:'''সেক্রেটারি জেনারেল''': এই মুহূর্তে...
:'''ক্রো টি. রোবট (সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে)''': আমি হয়তো মরে যাব!
:'''সেক্রেটারি জেনারেল''': ... দুই বিলিয়নের বেশি মানুষ...
:'''টম সার্ভো (সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে)''': ... খাবার পরিবেশন করা হয়েছে।
:'''সেক্রেটারি জেনারেল''': … পৃথিবীর প্রতিটি কোণা থেকে এই অনুষ্ঠানের দিকে তাকিয়ে আছে।
:'''মাইক নেলসন (সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে)''': ... আর আমার পেছনের দিকেও।
:'''সেক্রেটারি জেনারেল''': পৃথিবীর প্রতিটি জাতি তাদের মানুষ আর সম্পদ দিয়ে চাঁদ জয় করার চেষ্টা করছে আর একে ঘোষণা করবে...
:'''টম সার্ভো (সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে)''': ... ডলফিনদের জন্য নিরাপদ জায়গা হিসেবে!
:'''সেক্রেটারি জেনারেল''': ... আন্তর্জাতিক এলাকা।
:'''ক্রো টি. রোবট (সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে)''': ... আর প্যানকেক হাউস।
: . . .
:'''সেক্রেটারি জেনারেল''': ঈশ্বর আপনাদের সহায় হোন।
:'''টম সার্ভো''': আপনার সাথেও।
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর হামিদ''': আল্লাহর শোকর!
:'''ডক্টর ওরলভ''': জাহাজের প্রশংসা করো আল্লাহর নয়।
:'''টম সার্ভো (হামিদ হিসেবে)''': আমি যার খুশি প্রশংসা করব ধলা খোকা।
== মৌসুম ৬ ==
=== [[w:bn:গার্লস টাউন|গার্লস টাউন]] ===
:'''মাইক নেলসন''': মারো ওকে! ও কাঁদবে!
: . . .
:'''মাইক নেলসন''': ও দেখতে জাব্বা দ্য হাটের ছোটবেলার মতো।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (চিপ হিসেবে)''': (চিৎকার করে একটু থামল) হেই দেখো একটা নীতি কথা! (আবারও চিৎকার শুরু করল)
: . . .
:'''টম সার্ভো (চিপ হিসেবে)''': উমম... আমাকে কল কোরো?
: . . .
:'''ফ্রেড''': চিপ! হেই চিপ! কোথায় তুমি চিপ?
:'''ক্রো টি. রোবট (চিপের লাশ হিসেবে)''': নিচে! আমার ঘাড় একদম শক্ত হয়ে গেছে!
: . . .
:'''ফ্রেড''': চিপ কিছু তো বলো!
:'''ক্রো টি. রোবট (চিপের লাশ হিসেবে)''': “উউউ-আআআঘঘঘ!”
: . . .
:'''মাইক নেলসন (চিপের লাশ হিসেবে)''': হ্যালো! আমার মনে হয় ডেটটা বেশ ভালোই যাচ্ছে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': গার্লস টাউন বয়েজ ক্লাব আপনাকে গার্লস টাউনে স্বাগত জানাচ্ছে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ লেস ব্রাউন আর উনার ব্যান্ডের সাথে কিশোর মনের অস্থিরতা!
:. . .
:'''মাইক নেলসন (ছেলের গলায়)''': তুমি সূর্যকে তাড়িয়ে দিলে। তুমি অনেক শক্তিশালী।
:. . .
:'''টম সার্ভো''': ফাইট ডিরেকশনে জিমি বেন লাসেন।
:. . .
:'''মাইক নেলসন''': এ কারণেই ডিজনিল্যান্ডে মদ এলাউড না।
:. . .
:'''মাইক নেলসন (পুলিশ হিসেবে)''': পার্টি নিয়ে কেউ আমাদের কল দেয়নি। ওভার।
<hr width="50%"/>
:'''মাদার ভেরোনিকা''': আমার জন্য অপেক্ষা করো বোন।
:'''ক্রো টি. রোবট (মাদার ভেরোনিকা হিসেবে)''': যদি কোনো গুলির শব্দ শোনো তবে মোড় ঘুরে পালানোর জন্য তৈরি থেকো!
<hr width="50%"/>
:'''মিস্টার ক্লাইড''': তুমি কি আসলেও চাও যে ও জেলে যাক?
:'''টম সার্ভো''': ওকে দিয়ে শপথ করাও যে ও আর কোনোদিন ওই গানটা গাইবে না!
<hr width="50%"/>
:'''মিস্টার গার্ডনার''': আমার ছেলে তোমার মধ্যে কী দেখেছিল আমি কোনোদিন বুঝব না।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (সিলভার হিসেবে)''': এগুলো দেখে কি কিছু বোঝা যাচ্ছে?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': দেখি তো আমার এখন কোন দিকে তাকানো উচিত...?
<hr width="50%"/>
:'''সিলভার''': আশেপাশে কোনো... সুদর্শন পুরুষ আছে?
:---
:'''সিলভার''': স্টাইলিশ পুরুষ। পুরুষ মানুষ। অবিবাহিত কেউ!
:'''সেরাফিনা''': শুধু মালিরা আছে।
:'''ক্রো টি. রোবট (সেরাফিনা হিসেবে)''': আর ফাদার ফ্যাবিও!
<hr width="50%"/>
:'''জিমি''': আমি স্রেফ এক একাকী ছেলে…
:'''মাইক নেলসন''': এটা শুনে আমি একটুও অবাক হচ্ছি না কেন?
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': যে গান পুরো আমেরিকাকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল... ঘুম পাড়িয়ে।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': মখমলি শুয়োর!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (অপারেটর হিসেবে)''': গার্লস টাউন দয়া করে অপেক্ষা করুন।
:---
: . . .
:'''টম সার্ভো (অপারেটর হিসেবে)''': আমাদের সব লাইন এখন ব্যস্ত আছে। সবার শেষে যে কল দিয়েছে তাকে আগে ধরা হবে আর যে আগে কল দিয়েছে তাকে শেষে ধরা হবে।
<hr width="50%"/>
:'''সিলভার''': অপারেটর আমি দশবার ট্রাই করেছি! কেউ ফোন ধরছে না কেন!
:'''ক্রো টি. রোবট (অপারেটর হিসেবে)''': কেন আমি কি এখন আপনার বাড়িতে গিয়ে ফোন ধরব?!
<hr width="50%"/>
:'''সিলভার''': মনে হয় এবার তোমার সত্যিটা বলা উচিত।
:'''ক্রো টি. রোবট (মেরি লি হিসেবে)''': তুমি কি জানো আমরা দুজনেই কত হট?
:'''মেরি লি''': মনে আছে সেই রাতটা যখন তুমি চিপের সাথে ডেট মিস করেছিলে?
:'''টম সার্ভো (মেরি লি হিসেবে)''': ও মরে গেছে।
:'''মেরি লি''': তোমাকে না পেয়ে ও খুব রেগে গিয়েছিল...
:'''টম সার্ভো (মেরি লি হিসেবে)''': আর তারপর ও মরে গেল।
:'''মেরি লি''': ... আর ও আমাকে তোমার বদলে যেতে বলল।
:'''টম সার্ভো (মেরি লি হিসেবে)''': আর তারপর আমি ওকে মেরে ফেললাম আর ও মরে গেল।
:'''মেরি লি''': ও সবসময় বলত যে আমি কোথাও যাওয়ার জন্য খুব ছোট তাই আমি গেলাম।
:'''টম সার্ভো (মেরি লি হিসেবে)''': আর আমি ওকে মেরে ফেললাম আর ও একদম মরে গেল!
:'''সিলভার''': ওহ দারুণ।
:'''মেরি লি''': শুরুতে বেশ মজাই হচ্ছিল যখন ও শুধু আমাকে চুমু দিচ্ছিল...
:'''টম সার্ভো (মেরি লি হিসেবে)''': ও তখন ছিল না।
:'''মেরি লি''': কিন্তু তারপর ও...
:'''টম সার্ভো (মেরি লি হিসেবে)''': ...মরে গেল।
:'''মেরি লি''': ... ও শুরু করল...
:'''টম সার্ভো (মেরি লি হিসেবে)''': ... আমার হাতে খুন হতে...
:'''মেরি লি''': ... অশালীন ব্যবহার করতে আর আমি পালিয়ে এলাম। চিপ আমাকে ধরে ফেলল আর মেঝেতে আছড়ে ফেলার চেষ্টা করল...
:'''টম সার্ভো (মেরি লি হিসেবে)''': ও মরে যাওয়ার ঠিক আগে।
:'''মেরি লি''': আর তারপর...
:'''টম সার্ভো (মেরি লি হিসেবে)''': ও মরে গেল।
:'''মেরি লি''': ওর পা হুট করে পিছলে গেল...
:'''টম সার্ভো (মেরি লি হিসেবে)''': আর তারপর ওকে মেরে ফেলা হলো।
:'''মেরি লি''': ও পড়ে গেল...
:'''টম সার্ভো (মেরি লি হিসেবে)''': আর ও মরে গেল।
:'''সিলভার''': ও আচ্ছা তার মানে এভাবেই ওরা ওর গাড়িতে আমার লিপস্টিক পেয়েছিল! কিন্তু ওর বন্ধুর কী হলো?
:'''টম সার্ভো (মেরি লি হিসেবে)''': ও মরে যায়নি!
:'''মেরি লি''': ও সব দেখেছে।
:'''টম সার্ভো (মেরি লি হিসেবে)''': ও মরে গেছে।
:'''মেরি লি''': ও প্রথমে ভেবেছিল ওটা তুমি...
:'''টম সার্ভো (মেরি লি হিসেবে)''': আর তারপর ও মরে গেল।
:'''মেরি লি''': ...যতক্ষণ না ও আমাকে আবার দেখল।
:'''টম সার্ভো (মেরি লি হিসেবে)''': আর আমি ওকে মেরে ফেললাম।
:'''সিলভার''': আর তুমি এতক্ষণ ধরে আমাকে জেলে পচতে দিলে!
:'''মেরি লি''': (ফুঁপিয়ে কাঁদছে) সরি সিলভার আমি তোমাকে প্রথমবারই বলতে চেয়েছিলাম!
:'''ক্রো টি. রোবট (মেরি লি হিসেবে)''': আমি তোমাকে প্রথমবারই বলতে চেয়েছিলাম!!!
:'''সিলভার''': সব একদম শেষ হয়ে গেল...
:'''মাইক নেলসন (সিলভার হিসেবে)''': আমি বিশ্বাসই করতে পারছি না যে তুমি চিপের সাথে গিয়েছিলে!
:---
:'''মেরি লি''': তুমি হাসছো কেন?
:'''টম সার্ভো (সিলভার হিসেবে)''': ওহ ম্যাগাজিনে একটা মজার জোকস পড়লাম। বাদ দাও।
:'''সিলভার''': ওহ ওটা পাহাড় থেকে নয় পাহাড়ের খাদ দিয়ে পড়ে গেছে! মজার না?
:'''মাইক নেলসন (সিলভার হিসেবে)''': থাক ওসব বাদ দাও।
:'''মেরি লি''': আমার ভয় করছে... ফ্রেড আমাকে টিজুয়ানাতে পাঠাতে চাইছে।
:'''ক্রো টি. রোবট (মেরি লি হিসেবে)''': আর একটা মুরগির বদলে আমাকে বেচে দিতে চায়।
:'''সিলভার''': টিজুয়ানা?!
:'''টম সার্ভো (মেরি লি হিসেবে)''': হয়তো আমি হার্ব আলপার্টকে পাহাড় থেকে ফেলে দিতে পারব...
<hr width="50%"/>
:'''সিলভার মরগান''': ওহ আমি কত বড় বোকা যে এক নকল ডেলিভারি বয়ের পাল্লায় পড়েছিলাম!
:'''মাইক নেলসন''': বিশেষ করে যখন লোকটার বয়স ৩৮!
=== [[w:bn:ইনভেশন U.S.A.|ইনভেশন U.S.A.]] ===
==== পরিবারের সাথে একটি তারিখ (শর্ট) ====
:'''টম সার্ভো''': উডি অ্যালেনের কাহিনী!
:'''মাইক নেলসন''': হেই আমি আমার পরিবারকে বন্ধুর মতো পছন্দ করি!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': যাদের সবাই আসলে অনাথ।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (ভাই হিসেবে)''': **পাত্রের ভেতরে একটা খরগোশ আছে!**
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (ঘোষক হিসেবে)''': আমরা চুপিচুপি ওদের কফি বদলে দিয়েছি...
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': এই পরিবারের মহিলারা মনে করে যে রাতের খাবারের সময় পুরুষদের সামনে শান্ত আর সুন্দরী হয়ে থাকা উচিত।
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': যাতে পুরুষরা কিছু বোঝার আগেই ওদের মেরে ফেলা যায়।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (মেয়ে হিসেবে)''': হাই মা আমি প্রেগন্যান্ট।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': ভাই সময়ের দিকে খেয়াল করল আর বুঝল যে ডিনারের আগে ওকে সব গুছিয়ে নিজেকে পরিষ্কার করতে হবে।
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': ওকে জামাকাপড় ছেড়ে চুলে তেল মাখতে হবে।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': এখন মা আর মেয়ে ডিনারের শেষ প্রস্তুতি নিচ্ছে।
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': বিষ মিশিয়ে!
:'''ক্রো টি. রোবট (মেয়ে হিসেবে)''': সালাদে আরও মাখন চাই মা!
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': ...ও যাদের ভালোবাসে তাদের সাথে ডিনারে সময় কাটাবে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': কিন্তু এই লোকগুলোকে নয়।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আপনি এখন যা দেখছেন তা আসলে বাদ দেওয়া উচিত ছিল। আমি দুঃখিত।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': ওরা ওদের বাবার সাথে এমনভাবে কথা বলছে যেন ওকে দেখে ওরা আসলেও খুব খুশি।
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আসলে ওরা একদমই খুশি না...
<hr width="50%">
:'''মাইক নেলসন (জুনিয়র হিসেবে)''': বাবা আজ আমার একটা অনুভূতি হয়েছে।
:'''টম সার্ভো (বাবা হিসেবে)''': ওসব কোরো না খোকা।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (মা হিসেবে)''': হাই আমি বেটি আর আজ রাতে আমি তোমার স্ত্রী হিসেবে অভিনয় করব।
<hr width="50%"/>
:'''জিপসি''': মাইক এটা খুব বাজে ব্যাপার! আমরা কি স্রেফ খেতে পারি?
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': ভাই জুনিয়রকে বসিয়ে দিল...
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': মেয়েটি ফুল নিয়ে মেতে আছে।
:'''বর্ণনাকারী''': ...তারপর মা-কে চেয়ারে বসতে সাহায্য করল যেমনটা ও ওর বান্ধবীর সাথে করত।
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': এ বিষয়ে যত কম বলা যায় ততই ভালো।
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': জুনিয়র বাবাকে বসাল বোন কুকুরটাকে বসাল আর কুকুরটা...
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (মেয়ে হিসেবে)''': বাবা আমি এক নিগ্রোর সাথে ডেট করছি!
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': দেশের অনেক পরিবারই খাওয়ার আগে প্রার্থনা করে।
:'''ক্রো টি. রোবট (বাবা হিসেবে)''': দয়া করে খোদা আমাকে এখনই তুলে নাও...
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ফিল্ড মার্শাল মন্টগোমারি খেতে বসেছেন। হ্যাঁ দিনটা বেশ ভালো...
:---
:'''বর্ণনাকারী''': বাবা যখন খাবার দেয় তখন ওরা গল্প করে।
:---
:'''বর্ণনাকারী''': আমি বলেছি “গল্প করে” কারণ ডিনারের সময় ওটাই নিয়ম। এটা স্রেফ শিষ্টাচার নয় বুদ্ধিমানের কাজও বটে।
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আবেগ হলো নিচু জাতের মানুষের জন্য।
:'''বর্ণনাকারী''': শান্ত আর নিরুত্তাপ কথা বললে হজম ভালো হয়।
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': “নিরুত্তাপ” কথাটার ওপর আমি আর জোর দিতে পারছি না।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': বাবা আগে মাকে খাবার দেয় তারপর মেয়েকে।
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': চলো আমরা এটার একটা ফ্লো-চার্ট বানাই।
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আর বর্ণনাকারীর জন্য একটা প্লেট রেখো।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': কার দিন বেশি ভালো কেটেছে তা নিয়ে হুট করে এক চরম ঝগড়া শুরু হলো।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': মনে রাখবেন সবসময় আপনার বাম পাশের মানুষের মাংস কাটবেন।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': বাবা শুরু না করা পর্যন্ত কেউ খাওয়া শুরু করবে না।
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': এটা তোমার জন্যও প্রযোজ্য!
:---
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আপনাকে বসানোর জন্য।
:---
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': বাবা খাওয়ার অভিনয় করছে জুনিয়রকে কথা বলতে বলছে আর তারপর ওকে ত্যাজ্যপুত্র করছে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (বাবা হিসেবে)''': আমি অন্য শহরে চলে যাচ্ছি ডার্লিং।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': মা-কে অবশ্যই বলবে খাবার কত সুস্বাদু হয়েছে।
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': ...গলায় আটকে গেলেও বলবে।
:---
:'''টম সার্ভো (ভাই হিসেবে)''': এটা খুব বাজে হয়েছে!
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': সব কথায় বাগড়া দিও না আর একটানা কথা বোলো না। ওতে খাবারের আনন্দ মাটি হয়ে যায়।
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': …মানে আপনার যদি একটা ব্যক্তিত্ব থাকে।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': আপনার জীবনযাত্রার মান নিয়ে কোনো বাজে তুলনা করবেন না। ডিনার টেবিল অসন্তোষ প্রকাশের জায়গা নয়। ওতে মা-বাবা অস্বস্তি আর কষ্ট পান।
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': …আর ওরা অলরেডি আপনাকে ঘৃণা করে।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (বাবা হিসেবে)''': যাক এই তো অবস্থা। এবার সবাইকে চড়-থাপ্পড় মারা শুরু করি।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': হয়তো একটু মদ হলে পরিস্থিতি ভালো হতো।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': এবার কি আপনি বুঝতে পারছেন পরিবারের সাথে সময় কাটানো কতটা বিশেষ হতে পারে?
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': বুঝতে পারছেন? পারছেন কি?
:---
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': পারছেন কি? এখনই ‘হ্যাঁ’ বলো বলছি!
:---
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': ...আর নিয়ন্ত্রণ আর দমন।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': এটা দেখে আমার ফ্রিজ থেকে জমানো খাবার বের করে টিভির সামনে বসে খেতে ইচ্ছা করছে!
:'''টম সার্ভো (ঘোষক হিসেবে)''': এবার লবিতে গিয়ে কিছু রিফ্রেশমেন্ট নিন!
:'''মাইক নেলসন''': বিদায় সবাইকে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': সিমেল-মারভে রিলিজ।
==== ইনভেশন U.S.A. (মূল সিনেমা) ====
:'''মাইক নেলসন''': অভিনয়ে এই মানুষগুলো আর সাথে চাক নরিস।
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': কী আমি ডিরেকশন দেব?
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (ফ্লাইট কন্ট্রোলার হিসেবে)''': উফ যতক্ষণ না ভূমি খুঁজে পাচ্ছ ততক্ষণ নিচেই নামতে থাকো! তুমি কি ল্যান্ড করতে জানো না?!
<hr width="50%"/>
:'''ভিন্স''': তুমি আমার সাথে অনেক আগেই রেকর্ড গড়েছো।
:'''মাইক নেলসন (ভিন্স হিসেবে)''': ওহ খোদা আমি কত আকর্ষণীয়।
<hr width="50%"/>
:'''সিলভেস্টার''': ঠিক আছে আমি আসছি। হয়তো ওসব পার্টস বানাব। ... ড্রিঙ্কস শেষ?
:---
:'''ভিন্স''': আমি ওর দেখাশোনা করব।
:---
:'''টম সার্ভো (কার্লা হিসেবে)''': ভিন্স আর আমি আমাদের নিজস্ব পার্টস বানাব।
=== [[w:bn:দ্য ডেড টক ব্যাক|দ্য ডেড টক ব্যাক]] ===
:'''ক্রো টি. রোবট''': যাওয়ার আসলেও কোনো জায়গা নেই!
:'''মাইক নেলসন''': তবুও আমাদের নিয়ম মানতে হবে।
:'''জিপসি''': লাইনে কথা বলা নিষেধ!
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': হ্যালো নেলসন। জানো আমার এই সিনেমাটা বেশ পছন্দ হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের আইডিয়াটা দারুণ। **তাই বসে পড়ো!** আমি তোমাকে কয়েকটা প্রশ্ন করতে চাই! যদি তুমি আসলেও সেই মানুষ হও যা তুমি বলছো। আর আমি জানতে চাই তুমি কী করেছো আর কী হয়েছিল। তাড়াহুড়ো করার দরকার নেই আমাদের হাতে অঢেল সময় আছে।
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': (হঠাৎ চিৎকার করে) আমি করেছি! আমি করেছি! আমি সব করেছি!!
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': কী করেছো ফ্র্যাঙ্ক?
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': **সবকিছু!** আমিই জে.আর. কে গুলি করেছি! আমিই ওই মোটা বারকিপারকে মেরেছি! আমি সব আইসক্রিম খেয়ে ফেলেছি! আর জানো কী? আমি খুশি যে আমি ওটা করেছি! খুব খুশি! (অট্টহাসি হাসছে)
==== দ্য সেলিং উইজার্ড (শর্ট) ====
:'''মাইক নেলসন''': ওহ হ্যাঁ আর কড়া বিয়ার! উউ!
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': আপনি আইসক্রিম উৎপাদনকারী।
:'''ক্রো টি. রোবট''': দেয়ালের দিকে মুখ করে দাঁড়াও! হাত পা ছড়াও!
:---
:'''মাইক নেলসন''': আমি?
:---
:'''টম সার্ভো''': উডস্টকের আগের বেন আর জেরি।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (ঘোষক হিসেবে)''': এই তিনজন এখন পাল্লা দিতে যাচ্ছে—
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': হ্যাঁ আজকের সমস্যা হলো ব্যবসা নিয়ে...
:'''মাইক নেলসন''': তিন ধরনের ভ্যানিলা নিয়ে!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': নেশাগ্রস্ত মানুষের জন্য।
:---
:'''টম সার্ভো''': আমি নেব ওটা আমি নেব!
:---
:'''মাইক নেলসন''': এটা মহিলাদের দোষ।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': মার্কেট ক্রাশ করেছে!
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': কোম্পানিগুলো প্যাকেজ ডিজাইনের জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে।
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': তবুও ফলাফল এই।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আমরা কি স্বর্গে আছি?
:'''ক্রো টি. রোবট''': অন্যায্য দাম!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ওটা একটু বড় হয়ে গেছে আমি স্রেফ একটা হটপ্লেট চাই!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': বড় বড় বুক!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': অথবা এস. এ. এস.
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': স্রেফ এক নজর তাকিয়ে দেখুন পেছনে তাকাবেন না।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': এটা কি বরফ করা তুলা?
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আমাকে ওটা দিন! আমাকে দিন!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': কিন্তু ওতে জিভ দেবেন না!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': বাহ ওর হাঁটুতে একটা বড় ক্ষত আছে।
:---
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': তোমরা সব নোংরা মানসিকতার মানুষ!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': পরের ধাপ হলো একটা মুদি দোকান খোলা।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': এই ফ্রিজারটা দুর্দান্ত!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ...কোনো মাথামুণ্ডু নেই।
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': আহ গাড়িটা প্লাগইন করাই ভালো।
:. . .
:'''মাইক নেলসন''': (গাইছে) আর ওটা এখান দিয়ে বেরুচ্ছে...
:. . .
:'''টম সার্ভো''': আমার আইসক্রিম কোথায়?!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': কিন্তু আমার একটা চুলা দরকার।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': লাশগুলো খুব সুন্দর করে সাজিয়ে রাখা যায়।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (উডি অ্যালেন হিসেবে)''': জানো আমার মনে হয় আমি স্রেফ একটা ফ্লাস্ক কিনব।
:---
:---
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (প্রফেসর বুলার হিসেবে)''': জিভ আর ঠোঁটের অনেক কসরত।
:---
:'''মাইক নেলসন''': এদিকে সোভিয়েতরা স্পুটনিক লঞ্চ করছিল।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (এড ম্যাকমোহন হিসেবে)''': আর মনে রাখবেন এড ম্যাকমোহনের বিডউইজার আইসক্রিম কিনতে।
:---
:'''মাইক নেলসন''': লেনি রিফেনস্টালের সবচেয়ে শক্তিশালী সিনেমা।
:---
==== দ্য ডেড টক ব্যাক (মূল সিনেমা) ====
:'''ক্রো টি. রোবট (টিভি ঘোষক হিসেবে)''': আজকের পর্ব: রবার্ট কাল্পের সাথে “মৃতরা মাছ ধরছে”।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': প্রথম সিনেমা যা স্রেফ টর্চলাইট দিয়ে শুট করা হয়েছে।
:'''টম সার্ভো (সিনেমাটোগ্রাফার হিসেবে)''': জলদি করুন মার্লে! আমার কাছে আর মাত্র দুটো ব্যাটারি আছে!
:'''মাইক নেলসন''': মনে হয় সব টাকা ওই কঙ্গো বাদকদের পেছনে খরচ করা হয়েছে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ৩৪টি সিলিন্ডার থাকার কারণে পুরানো দিনের গাড়িতে তেল বেশি হয়ে যাওয়ার কোনো ভয় ছিল না।
:'''টম সার্ভো''': ও রেডিওতে তেল ঢুকিয়ে দিচ্ছে।
:---
:'''মাইক নেলসন''': আর আজব ট্রিপল-এ দল সেখানে হাজির।
:---
:'''টম সার্ভো''': ভাইরে জেমস বন্ড সিনেমার পর এমন উত্তেজনাকর শুরু আর দেখিনি।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রাস্কার''': আপনারা কি ইদানীং কিছু আজব গল্প শুনেছেন?
:'''টম সার্ভো (ক্রাস্কার হিসেবে)''': চাক বেরি সম্পর্কে?
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি জানতাম তুমি এটাই বলবে।
:---
:'''টম সার্ভো''': নাকি মেরিলিন ম্যাককু?
:---
:'''মাইক নেলসন''': উমম না চেনা লাগছে না। আমরা মনে হয় ভুল সিনেমায় ঢুকে পড়েছি।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': একটু দাঁড়ান আমার কাছে একটা জিনিস আছে।
:---
:'''মাইক নেলসন''': তুমি?
:---
:'''টম সার্ভো (ক্রাস্কার হিসেবে)''': সত্যি বলতে আমি ভুলেই গেছি।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (ক্রাস্কার হিসেবে)''': আমি আমার পুরনো রেকর্ডগুলো বেচে অন্নসংস্থান করি। আমি একটা বোলিং অ্যালিও চালাই... ওহ দেখুন আমি আসলে এখন বেকার। (নিচু স্বরে) মাইক আমাকে বাঁচাও!
:---
:'''টম সার্ভো (ক্রাস্কার হিসেবে)''': চামড়ার জ্যাকেট।
:---
:'''মাইক নেলসন (ক্রাস্কার হিসেবে)''': ওটা খুব কঠিন কাজ।
:---
:'''টম সার্ভো''': (বিদ্রূপ করে) যার উত্তর দিতে ও খুব আনন্দ পাবে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রাস্কার''': এটা কি চমৎকার হতো না... যদি আমরা কোনো মৃত মানুষের সাথে কথা বলতে পারতাম?
:'''টম সার্ভো''': নড়াচড়া বন্ধ করো।
:---
:'''টম সার্ভো (ক্রাস্কার হিসেবে)''': কুপন!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (ক্রাস্কার হিসেবে)''': তুমি কি আসলেও এসব বিশ্বাস করছো?
:---
:'''মাইক নেলসন (ক্রাস্কার হিসেবে)''': আমি খুব একা... (ফুঁপিয়ে কাঁদছে)
<hr width="50%"/>
:'''ক্রাস্কার''': তাপমাত্রা ঠিক হতে একটু সময় লাগবে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': উমম-হুম...
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ।
:'''ক্রাস্কার''': গরম হচ্ছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': অবশ্যই।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (ক্রাস্কার হিসেবে)''': তুমি কি কর্ডরয় কাপড় পরে আছো? ওতে রেডিওতে সমস্যা হয়। কম্পন ঠিক রাখতে তোমার চুলে শ্যাম্পু করা উচিত।
:'''মাইক নেলসন (ক্রাস্কার হিসেবে)''': এতে একটু সময় লাগবে; তুমি কি আমার সাথে সময় কাটাবে? আমরা হকি খেলতে পারি তবে খুব সাবধানে কারণ আমার বাবা নাইট শিফটে কাজ করেন...
:---
:'''টম সার্ভো (ক্রাস্কার হিসেবে)''': সমস্যা হলো ওরা তো মরে গেছে।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (অফিসার হিসেবে)''': ওই দেখো? জয়েস ক্যারল ওটস গত মাসে যে বইগুলো লিখেছেন।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': (গাইছে) ওই বিষাক্ত তীরটা আমার বুক লক্ষ্য করে ছুড়ো নাআআআআআআআ!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (সন্দেহভাজন হিসেবে)''': এই জিনিসের হিটার কোনোদিন কাজ করে না। তবে স্টার্ট হয় ভালোই...
:'''ক্রো টি. রোাবট''': পালানোর সময় একটা সুবিধা আছে? তেলের খরচ খুব কম।
:'''টম সার্ভো''': এক ঘণ্টায় শূন্য থেকে ৬০ কিমি স্পিড।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': কেউ কি ডাকছে নাকি?
:---
<hr width="50%"/>
:'''ক্রাস্কার''': আমাদের বলো তুমি কে। আমাদের ওটা জানা খুব দরকার।
:'''মাইক নেলসন''': মৃতদের সাথে কথা বলতে ১ টিপুন। আর স্বর্গে কথা বলতে চাইলে লাইনে থাকুন।
:---
:'''টম সার্ভো''': কারণ ওটা স্রেফ গ্লাসের ভেতরে রাখা একটা ব্লেড!!!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (ক্রাস্কার হিসেবে)''': আর আমার বউ... নিচে এল... ওর মুখটা... ফেটে গিয়েছিল! হা হা হা...
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ওহ আমার গাড়ি চলে এসেছে!
:---
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই আমি একটা জিনিস খেয়াল করলাম: ওরা কিন্তু কোনোদিন মৃতদের সাথে কথাই বলেনি!
=== [[w:bn:জম্বি নাইটমেয়ার|জম্বি নাইটমেয়ার]] ===
:'''টম সার্ভো''': ওহ মোটরহেড! আমার কাছে ওদের গাওয়া কোল পোর্টারের সেরা গানগুলো আছে!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': উমম ওটা কি ওম্যান স্কুল?
:---
:'''টম সার্ভো''': ওহ আমার মনে হয় থর খুব চমৎকার।
:---
:'''মাইক নেলসন''': ওহ ডেথ মাস্ক! ওরা আমার মা-বাবার ম্যারেজ অ্যানিভারসারিতে গান গেয়েছিল!
:---
:'''টম সার্ভো''': আর আমি ফিস্টকে পারফর্ম করতে দেখেছি যখন ওরা ব্যাডফিঙ্গারের সাপোর্টিং ব্যান্ড হিসেবে ছিল!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': চিন্তা কোরো না ওর নিচের অংশ ওকে বাঁচিয়ে দেবে!
:---
:'''টম সার্ভো''': ...অথবা দেবে না।
<hr width="50%"/>
:'''জিপসি''': আমি তোমাকে পছন্দ করতাম যখন তুমি একজন হিরো ছিলে ডার্থ ভেডারের চেয়েও শক্তিশালী ছিলে। কিন্তু এখন তুমি সবার মতো সাধারণ হয়ে গেছো। তাই আজ আসি পরে দেখা হবে।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (কিশোরদের গলায়)''': আমার মনে হয় আমরা একটা হরিণকে ধাক্কা দিয়েছি!
:'''ক্রো টি. রোবট (কিশোরদের গলায়)''': জলদি ক্যাসেটটা বদলে অন্য গান চালাও!!!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': মাঝরাস্তায় এক মরা মানুষ পড়ে আছে! মরা ছেলে!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (জিম হিসেবে)''': কানসাসের এই গানটা শুনলে আমার খুব মন খারাপ হয়!
<hr width="50%"/>
:'''জিম''': কী দেখছো? নিজের আইসক্রিম খাও!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (টনি হিসেবে)''': আমাকে... সেমিস্টার... রেজিস্ট্রেশন... করতে হবে!
:. . .
:'''টম সার্ভো''': অভিশপ্ত রেডিয়েটর!
:'''ক্রো টি. রোবট''': জন কেজের সাউন্ডট্র্যাক।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ডেড জোন শুধুমাত্র মালামাল ওঠা-নামার জন্য...
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (ব্যাটম্যান ঘোষক হিসেবে)''': ওটা কী?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ ওটা ওর জন্য খুব সহজ কাজ ও স্রেফ কল্পনা করছে যে ওটা টিম বার্টন।
<hr width="50%"/>
:'''সার্ভো''': কিন্তু আর.বি.আই. গুলোই তো আসল পার্থক্য গড়ে দেয় তাই না?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': জানো কি আজব ব্যাপার ওরা জম্বিটাকে স্রেফ ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়ার অপরাধে ধরেছে! (হাসছে)
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': হ্যাল নিডহামকে এই দৃশ্য ডিরেকশন দেওয়ার জন্য আনা হয়েছিল।
:---
:'''টম সার্ভো''': ব্যাস এই পর্যন্তই।
=== [[w:bn:কলোসাস অ্যান্ড দ্য হেডহান্টার্স|কলোসাস অ্যান্ড দ্য হেডহান্টার্স]] ===
:'''টম সার্ভো (মাসিস্টে হিসেবে)''': আমি স্রেফ এক ঘণ্টার জন্য তোমাদের একা রেখে গিয়েছিলাম—!
<hr width="50%"/>
:'''আরিয়াল''': তোমার নাম কী?
:'''মাসিস্টে''': মাসিস্টে আর তোমার?
:'''ক্রো টি. রোবট''': (হাসি চেপে) চিজস্টেক?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': হুম... ক্যামেরাম্যান তো দেখছি নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত...
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ ওটা তো এতক্ষণ পর্দার আড়ালে ছিল!
:---
:'''টম সার্ভো (মাসিস্টে হিসেবে)''': যদি আমরা কোনো ডাঙা খুঁজে পাই তবে খুব ভালো হবে!
:'''মাইক নেলসন (মাসিস্টে হিসেবে)''': ওটা... ভুল জায়গায় এসে পড়েছি মাফ করবেন।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': (মুচকি হেসে) ভাগ্যিস তখনও মৃত্যুর আবিষ্কার হয়নি।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (মাসিস্টে হিসেবে)''': হেই শোনো আমার দ্বীপটা এক বিস্ফোরণে ধ্বংস হয়ে গেছে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ওহ না! ও তো মস্ত বড় গর্তে পড়তে যাচ্ছে...
:---
:'''টম সার্ভো''': ওহ। যাক গে।
:. . .
:'''টম সার্ভো (সৈনিক হিসেবে)''': হেই বেশ মজা হচ্ছে তো! হুররে!
:'''মাইক নেলসন''': আর এভাবেই সমবেত সাঁতারের আবিষ্কার হলো!
<hr width="50%"/>
:'''কার্মেস''': এক মহিলার পক্ষে একা পুরো রাজ্যের দায়িত্ব সামলানো সম্ভব নয়।
:'''মাইক নেলসন''': হুহ! ও নিজেই তো খুব একটা শক্তপোক্ত নয়।
:'''কার্মেস''': সিংহাসন সামলানোর জন্য সাহস প্রজ্ঞা বীরত্ব আর নিষ্ঠুরতা দরকার...
:'''টম সার্ভো''': আর প্যান্টও!
:'''কার্মেস''': ...আর সেই সব গুণ যা শুধুমাত্র... একজন পুরুষের থাকে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': যাক অন্তত আপনি নিজেকে খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন না।
: . . .
:'''কার্মেস''': সে কারণেই আপনি আর আমি একসাথে শাসন করব আর আমি হব আপনার...
:'''টম সার্ভো''': ডান-ডান-ডান!
:'''কার্মেস''': ...উপদেষ্টা।
:'''ক্রো টি. রোবট''': কী?!
: . . .
:'''মাইক নেলসন (কার্মেস হিসেবে)''': আমাকে বকা দিচ্ছো কেন? এটাই আমার জীবনের সেরা সময় আমাকে থামিও না!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': কি কিউট না ওরা একটা গল্প বানানোর চেষ্টা করছে?
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': উমম এটা গল্পের অংশ না... আবার অ্যাকশন দৃশ্যও না... তাহলে ওটা কী?
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': এবার দেবতারা রেগে যাবে!
: . . .
:'''মাইক নেলসন''': তার মানে... ডিরেক্টরের কোনো গার্লফ্রেন্ড আছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': নির্ঘাত!
: . . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': এটাই ইতিহাসের প্রথম অস্বস্তিকর পরিস্থিতি।
:'''মাইক নেলসন''': প্রথমবার মানুষ বুঝতে পারছে না যে কোন দিকে তাকালে ভালো হবে।
: . . .
:'''ক্রো টি. রোবট (অন্ধ রাজার গলায়)''': আমার তো মনে হয় ভালোই হয়েছে!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': আহা বেচারা ওর সাথে মারপিট করার মতো কেউ নেই!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (কার্মেস হিসেবে)''': (নাক সুরে) ধরে ফেলেছি তোমায় হারামি!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (মাসিস্টে হিসেবে)''': বাহ ওই ধারালো জিনিসগুলো তো আসলেই কাজ করে!
: . . .
:'''টম সার্ভো''': সিনেমার ৭৫ শতাংশ পার হওয়ার পর মাসিস্টে অবশেষে কিছু একটা করল!
=== [[w:bn:দ্য ক্রিপিং টেরর|দ্য ক্রিপিং টেরর]] ===
:'''ক্রো টি. রোবট''': এটা একদমই কাজ করছে না। ... আমি আমার জীবনকে হালকা রঙের তুলি দিয়ে রাঙিয়েছি!
:'''টম সার্ভো''': একমাত্র প্রশ্ন যা এখন করা উচিত তা হলো “আমি এখন কিসের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি?”।
:'''জিপসি (গিটার বাদক হিসেবে)''': তুমি— সেই সাদা চামড়ার পুরুষ— তুমিই আমার শোষক। ওরে বাবা!
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ ও খুব গুণী! আমি ওর পারফরম্যান্স দেখেছি; ওর আত্মা আমাকে ডাক দিয়েছিল।
:'''জিপসি''': তাই আমি আমার সব রাগ বক্সের ভেতর ভরে আবর্জনার সাথে ফেলে দেব!
:'''মাইক নেলসন''': ডক্টর ফরেস্টার আপনাকে অনেক ধন্যবাদ; দেখেছেন কী করেছেন? আপনি আমার বন্ধুদের একদল অহংকারী ভণ্ড বানিয়ে ছেড়েছেন!
:'''জিপসি''': একজন সাদা চামড়ার মধ্যবিত্ত ক্ষমতাধর পুরুষ ঠিক এমনটাই বলবে মাইক!
<hr width="50%"/>
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': আমি আপনাকে আসল ভয়ংকর কিছু দেখাব... এই ঘাসের দাগগুলো!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ঠিক আছে আমি অবশেষে ডেবিকে বিয়ের কথা বলতে যাচ্ছি!
:'''মাইক নেলসন''': দারুণ তো; আংটিটা দেখি। (আংটিটা আঙুলে আটকে গেল) আংটিটা আটকে গেছে!
:'''টম সার্ভো''': মনে হয় আমাদের দুজনকেই বিয়ে করতে হবে! (হাসছে)
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি আসছি টমি!
:'''টম সার্ভো''': ঠিক আছে বন্ধু। ভেতরে চলে এসো!
:'''মাইক নেলসন''': ক্রো! তুমি একি করছো?! (মাইক ক্রোকে জিপসির মুখ থেকে বের করল)
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই হেই! ওরে বাবা! উফ! একদম কোমরে লেগেছে!
:'''মাইক নেলসন''': ওপরে উঠে এসো!
:'''জিপসি''': ধন্যবাদ মাইক। আশা করি তুমি ভাবছো না যে আইডিয়াটা আমার ছিল।
:'''মাইক নেলসন:''' না আমি জানি কার আইডিয়া হতে পারে। (জিপসির মুখের ভেতরে উঁকি দিল) হেই টম!
:'''টম সার্ভো''': হেই মাইক! দেখো ও তোমাকে গিলে ফেলতে পারে কি না। দারুণ অভিজ্ঞতা হবে!
:'''জিপসি''': ওহ এটা খুব লজ্জার ব্যাপার... আমাকে কি মোটা লাগছে?...
:'''মাইক নেলসন''': না জিপসি। তোমাকে মোটা লাগছে না। একটু গোলগাল হয়তো কিন্তু মোটা নও।
:'''জিপসি''': ওহ এটা সত্যিই খুব লজ্জার...
:'''টম সার্ভো''': চলে এসো! পাচনতন্ত্রের ভেতর ঘুরে আসার এর চেয়ে সেরা সুযোগ আর পাবে না। এটাই আসল ট্রিপ!
:'''মাইক নেলসন''': উমম না থাক। আমি বরং অন্য কিছু করি। যাই হোক আমাদের কয়েকটা চিঠি পড়তে হবে।
:'''জিপসি''': জানো মাইক আমার হুট করে শরীরটা কেমন যেন লাগছে। মনে হয় টমের ওপর আমার অ্যালার্জি হচ্ছে...
:'''ক্রো টি. রোবট:''' আমারও ঠিক তাই মনে হচ্ছে জিপসি।
:'''জিপসি''': আমি বরং একটা টিস্যু নিয়ে আসি... (ধীরে ধীরে চলে গেল)
==== দ্য ক্রিপিং টেরর (মূল সিনেমা) ====
:'''মাইক নেলসন''': বেসিনের ভেতর চুল কে ফেলে রেখেছে?
:'''টম সার্ভো''': আমি আমার আঁকিবুঁকি দিয়ে যা যা করতে পারি!
:'''ক্রো টি. রোবট''': মাকড়সারা নেশা করলে এমনই হয়।
. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': একটা চিকন চিরুনি হলেই সব ঠিক হয়ে যেত।
<hr width="50%"/>
:'''শেরিফ বেন''': এটা আমাদের কোনো মিসাইল হতে পারে।
:'''টম সার্ভো (মার্টিন হিসেবে)''': এই কাউন্টিতে কি মিসাইল আছে স্যার?
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (দানব হিসেবে)''': উমম আপনি যদি একটু কষ্ট করে ভেতরে ঢুকতেন...
:'''ক্রো টি. রোবট (দানব হিসেবে)''': আমি বিশ্বাসই করতে পারছি না আমি পুরোটা খেয়ে ফেলেছি!
. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': দানবকে খাইয়ে সৌন্দর্য রক্ষা করা হলো!
<hr width="50%"/>
:'''মহিলা''': বেচারা বাচ্চা; মা তোমার জ্বরটা একটু মেপে দেখুক।
:'''ক্রো টি. রোবট (বাচ্চা হিসেবে)''': না! ভাগো এখান থেকে!
:'''টম সার্ভো''': উমম আমি দেখতে চাই না এর পরে কী হবে।
:'''ক্রো টি. রোবট (বাচ্চা হিসেবে)''': দাঁড়ান আপনি ওটা **কোথায়** ঢোকাতে যাচ্ছেন?! আমি অসুস্থ না আমি ঠিক আছি! দেখুন আমি সুস্থ হয়ে গেছি!
:'''মাইক নেলসন (বাচ্চা হিসেবে)''': আআআউউউ আপনি এর ফল ভোগ করবেন!
:'''মহিলা''': বেচারা বাচ্চা; তুমি জলদি সুস্থ হয়ে যাবে।
:'''মাইক নেলসন''': ওকে কোলে নেওয়া বা খাওয়ানোর খবর নেই?
:'''টম সার্ভো (মহিলা হিসেবে)''': ওটা হয়ে গেছে। এখন সারাদিন আমার নিজের জন্য!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': টম উলফের স্ত্রী যখন কাপড় কাচেন!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': স্রোতের সাথে ভেসে যাও! **সাঁতার কাটো!**
:---
:'''মাইক নেলসন''': দুনিয়া থেকে একজন সান্তা কমে গেল।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (দানব হিসেবে)''': আমি জানি স্যুটটা খুব সস্তা কিন্তু আমার কাছে এটাই ছিল।
:'''টম সার্ভো (দানব হিসেবে)''': সবাই আমার দিকে ওভাবে তাকিয়ে আছে কেন?
:---
:'''মহিলা''': ওহ খোদা ওটা কী?!
:---
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (দানব হিসেবে)''': “ওখানে কী লেখা? লাভার্স লেন: আট মাইল?! আআআআআআঘঘঘঘ!”
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': দানবটি এরপর লাভার্স লেনে দেখা দিল।
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': …একদম ভর্তি দর্শকের সামনে!
:'''বর্ণনাকারী''': যারা সেই ঘটনা থেকে বেঁচে ফিরেছেন তারা আর কোনোদিন ওখানে যাননি।
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আর যারা বাঁচতে পারেননি তারাও আর কোনোদিন ওখানে যাননি।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ও একটা গাড়িকে মেয়ে দানব ভেবে ভুল করেছে! ছিঃ!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': হেই ওই জিনিসের ভেতরে তো গুলি থাকে!
=== [[w:bn:ব্লাডলাস্ট!|ব্লাডলাস্ট!]] ===
:'''জিপসি''': এখন বুঝলাম ও কেন এত অসুস্থ! ভাইরে আমার ওকে গালি দিতে ইচ্ছা করছে! ওহ আমি ওটা বলতে চাইনি!
:'''টম সার্ভো''': ও মুখ দিয়ে গালি দিয়েছে! জিপসি এবার বিপদে পড়বে; জিপসি বিপদে পড়বে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আআহ! হ্যালো। আজকের ‘রহস্য... খুন... ডিনার... পার্টি’ তে স্বাগতম—
:'''ক্রো টি. রোবট''': **আমি করেছি!**
:'''জিপসি, সার্ভো, মাইক''': ক্রো!
==== আংকেল জিমের ডেইরি ফার্ম (শর্ট) ====
:'''মাইক নেলসন''': পনির কি ডেইরি কাউন্সিলের মেম্বার?
:'''টম সার্ভো''': না পনির একটা আলাদা দল।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি জানতাম কিসের যেন গন্ধ আসছিল!
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ গোপন কথা আর মিথ্যে বলা খামার।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': এটা জর্জ আর বেটির সেই খামারে কাটানো গরমের ছুটির গল্প।
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': এক সতর্কবার্তা।
:'''বর্ণনাকারী''': জর্জ আর বেটি দুজনেই খুব উত্তেজিত কারণ এটা একটা বিশেষ ট্রিপ।
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': ওরা বাচ্চাদের ফেলে গিয়ে আর কোনোদিন ফিরবে না।
:'''বর্ণনাকারী''': কিন্তু ওরা অ্যান্ডি আর জেনের চেয়ে বেশি উত্তেজিত নয় যারা এই খামারে থাকে।
:'''মাইক নেলসন''': হতভাগা গাধার দল।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': আহ হ্যাঁ ওই ঘণ্টা বাজা মানেই পরমাণু হামলা হতে চলেছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': যাক এখন আর ওদের পাওয়ার কিছু নেই!
:'''টম সার্ভো (জর্জ হিসেবে)''': আমি চাই না এই দিনটা কোনোদিন শেষ হোক!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': বাচ্চারা অলরেডি আংকেল জিমকে বিরক্ত করে ফেলেছে। আংকেল জিম একজন রাগী মানুষ উনাকে বিরক্ত করা ঠিক না।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (আংকেল জিম হিসেবে)''': দেখেছো? আমরা এগুলো খালে ফেলে দিই আর সরকার আমাদের এর জন্য টাকা দেয়।
:'''ক্রো টি. রোবট (বেটি হিসেবে)''': আমি একটা আঙুল দেখতে পেলাম!
:'''মাইক নেলসন (জর্জ হিসেবে)''': আমি কি বাড়ি যেতে পারি?
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': এবার জুনিয়র স্যাম্পলস আর লুলুবেলে হাজির হয়েছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': **ওহ আমার মেরুদণ্ড!**
:---
:'''মাইক নেলসন (অ্যান্ডি হিসেবে)''': আমার মনে হয় না কারণ ডাক্তার-- আমি খুব দুর্বল আর আমার অ্যালার্জি আছে-- কিন্তু তুমি যদি আসলেও চাও তবে...
:---
:'''টম সার্ভো (অ্যান্ডি হিসেবে)''': ওহ আমি একটা কুড়াল পেয়েছি!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': এত হইচই দেখে খড়ের নিচে থাকা একটা সাপ বিরক্ত হয়ে উঠেছে।
:---
:'''মাইক নেলসন (জর্জ হিসেবে)''': আমার নতুন জিন্সটা সাবধানে রাখতে হবে কারণ ওটা সেল থেকে কেনা।
:---
:'''টম সার্ভো''': আজ রাতে খেলা হবে খড়ের ওপর দড়ি নিয়ে ঝোলা।
:'''মাইক নেলসন''': চোখ রাখুন কারণ এমনটা হতেই পারে।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': জর্জ আর অ্যান্ডি প্রতিদিন বিলকে সাহায্য করে শুকরদের খাওয়াতে।
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': দিনের পর দিন ক্লান্তিকর এক কাজ।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': মুরগির ছানারাও...
:'''মাইক নেলসন''': হেই ওরা তো মহিলা-- ওহ।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': খামারে একটা বড় কুকুরের খেলার জন্য অনেক জায়গা থাকে। ও স্রেফ একটা পোষা প্রাণী নয় ও পরিবারকে রক্ষাও করে...
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': প্রতিদ্বন্দ্বী খামার গ্যাংদের থেকে!
:---
:'''বর্ণনাকারী''': কিন্তু সব কুকুরছানারা শুধু খায় আর খেলে আর ঘুমায় যাতে ওরা বড় আর স্বাস্থ্যবান হতে পারে।
:---
:'''টম সার্ভো''': ওরে বাবা কী কিউট বাচ্চা! এই দেখো ছোট হামফ্রে!
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': খামারে থাকলে খুব খিদে পায় আর আন্ট হেলেন সত্যিই খুব ভালো রাঁধুনী।
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': ওনার সাধ্যমতো আর কি।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': জেরি লি লুইস ডিনারে যোগ দিলেন।
:---
:'''মাইক নেলসন''': আহ হ্যাঁ আংকেল জিমের ধর্মীয় তত্ত্ব শোনার সময় হয়েছে।
:---
:'''টম সার্ভো (বেটি হিসেবে)''': কিন্তু আমি তো খাবার পছন্দ করি না!
:---
:'''বর্ণনাকারী''': কত্ত চমৎকার সব খাবার।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': রেস্টুরেন্টে।
:---
:'''বর্ণনাকারী''': শরীর গঠনের জন্য আর লম্বা হওয়ার জন্য সব ধরনের খাবার দরকার।
:---
:'''মাইক নেলসন''': বেশিরভাগই তো স্রেফ মাখন।
:---
:'''টম সার্ভো''': সুজি ড্রিঙ্কসের শেষ অংশটা শেষ করল।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (জ্যাকি হিসেবে)''': সেজন্যই আমি আমার অন্তর্বাস পোড়াচ্ছি।
:---
:'''মাইক নেলসন''': চেপে রাখা আবেগগুলো ডিনারটা নির্বিঘ্নে শেষ করতে সাহায্য করল।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': তিন ঘণ্টা পর ওটা আবার জেগে উঠবে।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': বাড়িতে চকোলেটের ট্রাক উল্টে গেছে আর সবাই ফ্রিতে চকোলেট খাচ্ছে।
:---
:'''মাইক নেলসন (বেটি হিসেবে)''': আংকেল জিমের ব্যবহার অসহ্য। আমরা আজই ওকে খতম করব।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': উমম সাদা মানুষের জন্য সাদা ব্রেড।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': সময় গড়ানোর সাথে সাথে সবকিছুই বড় হতে লাগল। ভুট্টা গাছগুলো জর্জের হাঁটুর সমান ছিল এখন ওর চেয়েও লম্বা।
:'''টম সার্ভো''': জর্জ নিশ্চিতভাবেই ছোট হয়ে যাচ্ছে।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': গরমকাল শেষ আর জর্জ ও বেটি ওদের মা-বাবার জন্য অপেক্ষা করছে।
:'''মাইক এবং ক্রো (জর্জ আর জেন হিসেবে)''': মুক্তি!
:---
:'''টম সার্ভো (বাবা হিসেবে)''': ওদের শীতের কাপড়গুলো ছুড়ে দিয়ে পালানো যাক!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (জর্জ হিসেবে)''': হেই ওরা তো পাশ কাটিয়ে চলে যাচ্ছে-- দাঁড়াও! দাঁড়াও!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (আংকেল জিম হিসেবে)''': বিদায়! যদি হাতটা খুঁজে পাই তবে পাঠিয়ে দেব!
:'''মাইক নেলসন (জর্জ হিসেবে)''': চললাম গেঁয়ো চাষার দল!
==== ব্লাডলাস্ট! (মূল সিনেমা) ====
:'''টম সার্ভো''': সসেজের কাহিনী।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (কঙ্কাল হিসেবে)''': ওহ ওহ দারুণ পরিকল্পনা! চলো এখনই মৃত্যুর গাছের দিকে যাই!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (আল জোলসন হিসেবে)''': (গাইছে) মা! মা! তোমার একটা হাসির জন্য আমি বহুদূর হেঁটে আসব!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': (বিরক্ত হয়ে) আমি এই ভিলেনকে একদম পছন্দ করি না!
<hr width="50%"/>
:'''ব্যালু''': টনি আমি আবারও ভেবেছি।
:---
:'''মাইক নেলসন (ব্যালু হিসেবে)''': জন স্টেইনবেকের খুনের কাহিনী।
:---
:'''টম সার্ভো (টনি হিসেবে)''': মৃত্যুর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': দেখো সিনেমার শুরুতে যদি এই লোকটা বলত যে ও কোনোদিন নিজের অস্ত্রের ওপর আছড়ে পড়বে না তবেই এটাকে আইরনি বলা যেত।
=== [[w:bn:কোড নেম: ডায়মন্ড হেড|কোড নেম: ডায়মন্ড হেড]] ===
:'''মাইক নেলসন''': আমি মনে করি তুমি খুব অভদ্র এক ব্যক্তি তাই না মিস্টার? আমি তোমার হাসি বন্ধ করে ছাড়ব!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই আমরা তো স্রেফ পড়ছিলাম-
:---
:'''মাইক নেলসন (ক্রোকে বই দিয়ে মারল)''': মুখ বন্ধ রাখো! আমি কোনো অভদ্রতা সহ্য করব না বলে দিলাম!
:---
:'''টম সার্ভো''': কিন্তু আমরা তো-- (মাইকের মার খেয়ে কাঁদতে শুরু করল)
:---
:'''মাইক নেলসন''': আমি এখানে কোনো দুর্বল মানুষকে প্রশ্রয় দেব না! এই কোকটা দেখেছো? ওটা কি শেষ হয়েছে? তাকিয়ে দেখো! (সার্ভো আর ক্রোর মুখে ক্যানটা চেপে ধরল) এই হলো শেষ হওয়া কোক!
:---
:'''টম সার্ভো''': ঠিক আছে ক্যামবট অনেক হয়েছে!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': বন্ধ করো এটা; **বন্ধ করো বলছি**!!!
==== মেলায় একটি দিন (শর্ট) ====
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই আমি তো পড়াই শেষ করিনি!
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': এটা সেই মেলার মাঠ যেখানে মেলা হয়।
:'''টম সার্ভো''': কারো কোনো প্রশ্ন আছে?
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': ট্রাকে করে জনি ওলসন উনার বাছুরটিকে নিয়ে যাচ্ছেন।
:---
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আমাদের বলুন ওরা কী জিতেছে জনি ওলসন!
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': জনি আগে মাছ দেখতে গেল।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (জনি হিসেবে)''': আমি মাছ পছন্দ করি...
:---
:'''বর্ণনাকারী''': এগুলো তো বেশ বড় মাছ! এগুলো যদি বাড়ির পাশের খালে থাকত!
:---
:'''মাইক নেলসন''': আরে ওগুলো খালের ভেতরই ছিল ধরা হয়েছে বলেই তো এখানে আছে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': পরে এই পোকাগুলোই ববের শিকার করা মানুষদের মুখে পাওয়া যাবে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আচারগুলো সব ভিড় করেছে আচারের দৌড় দেখার জন্য!
:---
:---
:'''বর্ণনাকারী''': ওটা কী?
:'''ক্রো টি. রোবট''': **শয়তান**!
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': কেক টেস্ট করা খুব মজার কাজ হওয়া উচিত।
:---
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': … কিন্তু এই মহিলাটা সব আনন্দ মাটি করে দিচ্ছে!
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': প্রথমে ও কেকটা অনুভব করল...
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': ...আর তারপর নিজের চুলে ঘষতে শুরু করল...
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (মিস্টার ওলসেন হিসেবে)''': চলো ধুসর রঙের কিছু একটা খাওয়া যাক।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': বাঁ দিকের ছেলেটাকে দেখুন। ওর হার্ট এখনই ফেটে যাবে! দাঁড়ান...
:. . .
:'''বর্ণনাকারী''': ৪-এইচ বুথে সব আয়োজনের সাথে ভাজা মুরগি পাওয়া যাচ্ছে!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': কী ঝাল নাকি কম ঝাল?
:---
:'''টম সার্ভো''': ৪-এইচ বুথে খাবারের মহোৎসব চলছে।
:. . .
:'''বর্ণনাকারী''': অন্যান্য দর্শকরা ঘাসের ওপর বসে পিকনিক করছে।
:---
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': ঘাসের ওপর বসে খাওয়া বেশ মজার। বন্ধু তুমি কি বুঝতে পারছো?
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': ববের দেখার এখনও অনেক কিছু বাকি। এটা একটা জেট বিমান।
:---
:'''টম সার্ভো (বব হিসেবে)''': ওটার ভেতরে ভুট্টা কোথায় থাকে?
:---
:'''বর্ণনাকারী''': কেমন লাগত যদি তুমি ওটা চালাতে পারতে?
:---
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': …কম্বোডিয়ার ওপর দিয়ে চুপিচুপি উড়ে যাওয়া।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (ঘোড়া হিসেবে)''': গাড়িটা ধরো! গাড়ির ভেতর গাজর আছে!
:---
:'''টম সার্ভো (ঘোড়া হিসেবে)''': গাজর? আমি গাজর খুব ভালোবাসি!
:. . .
:'''মাইক নেলসন''': একটা চাকা ভিড়ের ভেতর ঢুকে পড়ল আর তিনজন মারা গেল!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': (দূর থেকে আসা আর্তনাদের মতো) আআআআআঘঘঘঘ...
:---
:'''টম সার্ভো''': তবুও মাছগুলোর সাথে এর কোনো তুলনাই হয় না তাই না?
:. . .
:'''বর্ণনাকারী''': ওরা বাঁকের মুখে চলে এসেছে।
:---
:'''টম সার্ভো''': আর ওরা জ্যাজ মিউজিক পছন্দ করে।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (ছেলের গলায়)''': দৌড়াও পচা কুত্তার মাংস আমি তোমার ওপর বাজি ধরেছি!
:. . .
:'''মাইক নেলসন (ঘোড়া হিসেবে)''': হেই বন্ধুরা আমার জন্য একটু দাঁড়াও!
:. . .
:'''বর্ণনাকারী''': দৌড় শেষ।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': আর ওক রিজ বয়েজ মঞ্চে এল।
:---
:'''মাইক নেলসন (ওক রিজ বয়েজ হিসেবে গাইছে)''': এলভিরা...
:---
:'''টম সার্ভো (বব হিসেবে)''': বাবা আমি বড় ল্যানির কাছে ৪২ হাজার ডলার ঋণী!
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': চ্যাম্পিয়ন ব্লু রিবন পেল একটা মেয়ে!
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': গরুগুলো তো খুব রেগে আছে!
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': খুব জলদিই রাইডগুলো শেষ হয়ে গেল।
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আর মামলা শুরু হলো।
:'''বর্ণনাকারী''': আর খুব জলদিই সব আনন্দ ফুরিয়ে গেল।
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট (ওলসেনদের একজনের গলায়)''': তোমার পয়সা শেষ এখন আমাদের কাজও শেষ।
==== কোড নেম: ডায়মন্ড হেড (মূল সিনেমা) ====
:'''ক্রো টি. রোবট''': বাহ জায়গাটা বেশ সুন্দর আমি বুঝতে পারছি কেন পরিবারগুলো এখানে আসতে চাইবে—
:---
:'''মাইক, সার্ভো এবং ক্রো''': আআআআআআআআআআ!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': এটা ঠিক মিচেল সিনেমার মতো হতে পারত।
:'''ক্রো টি. রোবট''': মিচেল হতে হলে আরও ৫০ পাউন্ড ওজন বাড়াতে হবে।
=== [[w:bn:দ্য স্কাইডাইভার্স|দ্য স্কাইডাইভার্স]] ===
==== ইন্ডাস্ট্রিয়াল আর্টস কেন পড়বেন? (শর্ট) ====
:'''ক্রো টি. রোবট''': কারণ তুমি অংকে খুব কাঁচা?
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': এই সিনেমা বানানোর সময় কোনো ছাত্রের হাত জখম হয়নি।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ধন্যবাদ সেন্ট্রন!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': এখনও কি ডিপ্রেশনে আছো?
:---
:'''জো (ভয়েস ওভার)''': জানো একটা বুদ্ধি মাথায় আসা খুব মজার।
:---
:'''মাইক নেলসন (জো হিসেবে)''': এই তো হয়েছে বেশ মজার না?
<hr width="50%"/>
:'''জো''': আর জানো যখন করাতের ওপর দিয়ে কাঠের টুকরোটা পিছলে যায় তখন আমার খুব ভালো লাগে।
:---
:'''মাইক নেলসন (জো হিসেবে)''': ...তারপর আমি নরম কাঠের ভেতরে পেরেকটা গেঁথে দিই...
:---
:'''জো''': আমার কাঠের গুঁড়োর সুবাস খুব ভালো লাগে...
:---
:'''টম সার্ভো (জো হিসেবে)''': আমি ওগুলো আমার পকেটে রাখি!
:---
:'''জো''': ...ওয়েল্ডিং করার ওই উজ্জ্বল আলো...
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (জো হিসেবে)''': আমি চুপিচুপি গিয়ে করাতের ওপর শুয়ে থাকতে ভালোবাসি!
:---
:'''টম সার্ভো (জো হিসেবে)''': হ্যাঁ!
:---
:'''জো''': ...পাওয়ার টুলের ওই তীক্ষ্ণ আওয়াজ...
:---
:'''মাইক নেলসন (জো হিসেবে)''': ...এক ছাত্রের গগণবিদারী চিৎকার...
:---
:'''জো''': ...বা চামড়ার ওপর যন্ত্রের টুংটাং শব্দ।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (জো হিসেবে)''': টুং টাং টুং... আমি আমার তোশকের নিচে মেকানিকসের ম্যাগাজিন রাখি!
:---
:'''টম সার্ভো''': প্যান্ট ছাড়া চ্যাপস পরার অনুভূতি!
:---
:'''জো''': ...একটা রেঞ্চ...
:---
:'''মাইক নেলসন''': আরে ভাই ছেড়ে দাও তো! ওসব অনেক পুরনো কথা ওটা শেষ হয়ে গেছে!
:---
:'''জো''': ...একটা প্লেন...
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (জো হিসেবে)''': এই যন্ত্রগুলোই আমার বন্ধু!
:---
:'''জো''': ...বা একটা বাটালি...
:---
:'''টম সার্ভো''': মেয়েদের কথা বলো খোকা মেয়েরা কোথায়?
:---
:'''মাইক নেলসন''': না না বাটালিই সই!
:---
:'''জো''': আর আমার খুব ভালো লাগে কারণ আমি একজন কারিগর।
:---
:'''মাইক নেলসন (জো হিসেবে)''': খুনি নও!
:---
:'''জো''': অবশ্য আমি আমার বন্ধুদের এসব কথা কোনোদিন বলব না। কারণ ওসব শুনলে ওরা হাসাহাসি করে।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (জো হিসেবে)''': তারপর ওরা তোমার প্যান্ট খুলে নিয়ে মাঠের চারপাশ দিয়ে দৌড়াবে...
<hr width="50%"/>
:'''জো-র বন্ধু''': বাহ তুমি এটা বানিয়েছো?
:---
:'''মাইক নেলসন (জো হিসেবে)''': আমি এটা জাদুকরের জন্য বানাচ্ছি।
:---
:'''জো-র বন্ধু''': জানো এটা দেখতে একদম দোকানের ফার্নিচারের মতো হয়েছে।
:---
:'''জো''': হওয়ারই তো কথা অনেক সময় নিয়ে বানিয়েছি তো।
:---
:'''জো-র বন্ধু''': একটু স্লো কাজ করো নাকি?
:---
:'''জো''': হ্যাঁ তবে এটা বানানোর পর আমি বুঝেছি যে পরেরটা আমি অর্ধেক সময়েই বানিয়ে ফেলতে পারব।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (জো হিসেবে)''': মেক্সিকানরা হলে আরও সস্তায় করে দিত।
<hr width="50%"/>
:'''জো-র বন্ধু''': এই ক্লাসটা তোমার কেমন লাগছে জো?
:'''জো''': আমার বেশ ভালোই লাগছে। কেন?
:---
:'''টম সার্ভো (জো-র বন্ধুর গলায়)''': তুমি কি আমার কান দুটো স্টেপলার দিয়ে গেঁথে দিতে পারো?
<hr width="50%"/>
:'''মিস্টার বার্নস''': আমাদের ছুতার লাগবে।
:---
:'''টম সার্ভো (মিস্টার বার্নস হিসেবে)''': আমাদের অভিনেতা লাগবে। যারা কথা পড়তে পারবে। সংলাপ বলতে পারবে... আর অন্যদের সাথে কথা বলবে।
:. . .
:---
:'''মিস্টার বার্নস''': আমাদের কামার লাগবে।
:---
:'''মাইক নেলসন (গাইছে)''': ওহ আপনি কোনোদিন বিশ্বাস করবেন না কোত্থেকে ওই বিস্কুটগুলো আসে...
:---
:'''মিস্টার বার্নস''': টুল অপারেটর লাগবে।
:---
:'''ক্রো, সার্ভো (গাইছে)''': টুল অপারেটর... টুল অপারেটর...
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': এই সিনেমাটা ছেলেদের দেখতে হতো আর মেয়েদের জিমনেসিয়ামে নিয়ে গিয়ে অন্য একটা সিনেমা দেখানো হতো!
==== দ্য স্কাইডাইভার্স (মূল সিনেমা) ====
:'''টম সার্ভো''': ওহ আমি জানি এটা কী এটা হলো “আমি তোমাকে টাকা দিতে পারব না তবে তোমার নামটা ক্রেডিটে দিয়ে দেব” টাইপ কাস্ট লিস্ট।
<hr width="50%"/>
:'''সুজি''': ফ্র্যাঙ্কি কি এখানে আছে?
:'''বেথ''': ফ্র্যাঙ্কি এখানে নেই।
:'''মাইক নেলসন''': ফ্র্যাঙ্কি হলিউড চলে গেছে।
<hr width="50%"/>
:'''বেথ''': তুমি কি একটু কফি খাবে?
:'''জো মস''': কফি?
:'''ক্রো টি. রোবট (জো হিসেবে)''': এই ‘কফি’ জিনিসটা আসলে কী?
:---
:'''জো মস''': আমি কফি পছন্দ করি!
:---
:'''বেথ''': বাহ ভালো তো!
:---
:'''মাইক নেলসন''': আর এভাবেই আমরা এই চরিত্রের গভীরতা বুঝতে পারলাম।
:. . .
:---
:'''টম সার্ভো (জো হিসেবে)''': তোমার ওই ‘কফি’ কোথায় আছে?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': সমুদ্র সমতলে আতঙ্ক।
:---
:'''টম সার্ভো''': (হাসছে) এয়ারপোর্ট ৭৭ এর চেয়েও ভয়ংকর!
<hr width="50%"/>
:'''হ্যারি''': কী হয়েছে?
:'''মাইক নেলসন (বেথ হিসেবে)''': আয়নায় আমার চুল দেখে আমি ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (বেথ হিসেবে)''': উমম হ্যারি তোমার মনে হয় বিমানটাও লাগবে।
:---
:'''হ্যারি''': বব তুমি তৈরি তো?
:'''বব''': (অফ ক্যামেরা) অবশ্যই হ্যারি!
:---
:---
:'''টম সার্ভো''': দাঁড়ান! ও ওখানে ছিল আর এখন আমরা-- প্লেনটা কোথায় গেল—!
:---
:'''মাইক নেলসন''': (বিস্ময় প্রকাশ করছে)
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': কোনো উন্মাদ এই সিনেমা এডিট করেছে।
: . . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': স্কাইডাইভিংয়ে হেলমেটের দরকার কী? যদি আপনি মাথার ওপর ল্যান্ড করেন তবেই কি ওটা কাজে আসবে?
:'''মাইক নেলসন''': সস্তা প্লেন। অন্য প্লেনের চেয়ে সস্তা।
: . . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': ডার্লিং কোনো স্টাইল জনপ্রিয় হলেই যে ওটা তোমাকেও মানাবে এমনটা না-ও হতে পারে...
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ধলা চামড়ার মানুষগুলোর জন্য আজকের এই বিশেষ আয়োজন।
: . . .
:'''টম সার্ভো (সুজি হিসেবে)''': আমার শরীরের রঙ ফ্যাকাশে রাখার জন্য রোদ থেকে বাঁচতে হবে।
:---
:'''সুজি''': আগামীকাল কি দেখা হবে?
:'''মাইক নেলসন (হ্যারি হিসেবে)''': উমম এডিটরের কাছে জিজ্ঞেস করতে হবে।
:---
:'''হ্যারি''': না... আগামীকাল না।
:'''ক্রো টি. রোবট (হ্যারি হিসেবে)''': আগামীকাল আমার মাথায় ব্যথা করবে।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আহ ও প্রেতাত্মা ডাকার আয়োজন করছে।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওরা ধারাবাহিকতার দেবতার আত্মা ডাকার চেষ্টা করছে।
: . . .
:'''মাইক নেলসন (হ্যারি হিসেবে)''': ডিনারটা যথেষ্ট ধবধবে সাদা হয়নি ডার্লিং।
<hr width="50%"/>
:'''হ্যারি''': আর ফ্র্যাঙ্কি যদি তোমাকে আমি আবার এখানে দেখি তবে তোমার দুই পা আমি ভেঙে দেব।
:'''মাইক নেলসন (ফ্র্যাঙ্কি হিসেবে)''': আমি যদি ওগুলো সাথে না আনি তবে কী হবে?
<hr width="50%"/>
:'''বার্নি''': নীল আকাশে আমি খুব স্বাধীন অনুভব করি।
:'''ক্রো টি. রোবট (বার্নি হিসেবে)''': ওখানে পুলিশ আমাকে ছুঁতে পারবে না।
:---
:'''বার্নি''': ...পাখির মতো ভেসে বেড়াতে খুব ভালো লাগে।
:'''মাইক নেলসন (বার্নি হিসেবে)''': লোকেদের ওপর পটি করা যায়।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': মনে হচ্ছে ওরা এই সিনেমায় কোনো ‘ঘটনা’ রাখতেই ভুলে গেছে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': দুই মিনিট পর আমরা উলঙ্গ হয়ে যাব!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ও হলো আস্ত এক গাধা।
<hr width="50%"/>
:'''সুজি''': তো ফ্র্যাঙ্কি তুমি কি ভীরু?
:'''মাইক নেলসন (ফ্র্যাঙ্কি হিসেবে)''': উমম আমাকে দেখতে দাও... আমি কি মুরগি? আমার তো কোনো ঝুঁটি নেই বা পাখনা নেই কিন্তু মাঝে মাঝে আমি হজমের জন্য পাথর খাই আর আমার—উমম...
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ওহ না! স্কাইডাইভাররা ওদের বিশাল সব ডিম পেড়েছে!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': এটা মোটেও নামী কোনো কাজ না এটা স্রেফ আজেবাজে কিছু একটা।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (ব্যক্তির গলায়)''': (বিড়বিড় করছে) একটা হিপিকে দেখছি। (চিৎকার করে) চুল কাটো হিপি! এখন খুব একটা কুল লাগছে না তাই না?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': এক অচেনা লোক শহরে এল কারো জীবনে কোনো প্রভাব ফেলল না আর চলে গেল।
: . . .
:'''মাইক নেলসন (বেথ হিসেবে)''': এখন আমি তাই করতে পারি যা আমি আসলেও করতে চাই! যেটা হলো... আমি ঠিক জানি না। হি হি। আমার প্যারাসুটের রঙ কী হবে?
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': হেই গিটারে তো আমন গোথকে দেখা যাচ্ছে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (পাইলট হিসেবে)''': রোজা টাওয়ার আকাশ কোন দিকে?
=== [[w:bn:দ্য ভায়োলেন্ট ইয়ার্স|দ্য ভায়োলেন্ট ইয়ার্স]] ===
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': টা-ডা!
:'''মাইক নেলসন''': **ওরে বাবা!!**
:'''ক্রো টি. রোবট:''' (ভীত হয়ে) **ওরে বাবা! ওরে বাবা!!!** (ক্রো ডুকরে কাঁদতে শুরু করল)
:'''টম সার্ভো''': বেশ আকর্ষণীয়! হেই সবাই! আমি বলতে চাইছি আমি একজন নতুন মানুষ হয়ে গেছি!
:'''জিপসি''': (ভীত হয়ে) **আমার শরীর খারাপ লাগছে!!!** (জিপসি ঘেন্নায় ওখান থেকে চলে গেল)
:'''টম সার্ভো''': আমি জানি আপনারা কী ভাবছেন। কেরি গ্রান্ট তাই তো? হ্যাঁ বলাই যায়! এমনকি সিনফেল্ডের ছোঁয়াও আছে হয়তো? হা হা হা আপনারা জানেন আমি ক্যারিয়ারের অনেকগুলো অপশন নিয়ে ভাবছি। রাজনীতি টিভি নিউজ এমনকি বিজ্ঞাপনের সিরিজও হতে পারে। হেই বাচ্চারা তোমাদের যদি মাথা লাগে তবে মাথা জোগাড় করো!
:'''মাইক নেলসন''': হা হা হা হা... **ওকে ধরো!** (মাইক সার্ভোর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে ওই নকল মাথাটা খুলে নেওয়ার চেষ্টা করল আর ক্রো তখন সমানে চিৎকার করে যাচ্ছিল)
<hr width="50%"/>
:'''জিপসি''': ওহ ওরা কী করছে?
:'''টম সার্ভো''': মনে হয় ওরা সিনেমার ওই ডাকাতির দৃশ্যটা আবার অভিনয় করছে।
:'''জিপসি''': ও আচ্ছা...
:---
:'''জিপসি''': উমম টম?
:'''টম সার্ভো''': হু?
:'''জিপসি''': ওটা কি সিনেমাতেও অতটা উত্তেজনাকর ছিল?
:'''টম সার্ভো''': একদম না।
:'''জিপসি''': ওহ আচ্ছা তবে কি ওটা হাস্যকর ছিল?
:'''টম সার্ভো''': একদম না।
:'''জিপসি''': ওহ আচ্ছা তবে আমাদের বরং একটা চিঠি পড়া উচিত তাই না?
==== একজন তরুণের কল্পনা (শর্ট) ====
:'''ক্রো টি. রোবট''': একজন তরুণের কল্পনা আর আলু ভাজা।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ও ওর ডিহিউমিডিফায়ার শুনছে।
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ কিশোররা অর্কেস্ট্রার বাজনা খুব পছন্দ করে।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (রেডিও ঘোষক হিসেবে)''': ইস্ত্রি করা প্রাণঘাতী হতে পারে।
<hr width="50%"/>
:'''জুডি''': উমম... আমি কুড়মুড়ে বেকন খুব পছন্দ করি।
:'''মাইক নেলসন''': হ্যাঁ দেখাই যাচ্ছে।
:'''মিসেস অ্যাডামস''': মা ওরকম গোগ্রাসে গিলো না! কেউ তোমার খাবার কেড়ে নিচ্ছে না।
:'''জুডি''': মাফ করবেন ডার্লিং আসলে এটা তোমারই দোষ। তুমি এত ভালো রান্না করো কেন।
:'''ক্রো টি. রোবট (জুডি হিসেবে)''': আমার পোষা ভিয়েতনামী শুকরটার কী হলো?
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (জুডি হিসেবে)''': যাক। এখন আমাকে মায়ের মতো দেখাচ্ছে।
:'''ক্রো টি. রোবট (জুডি হিসেবে)''': আমার ইলেকট্রিক ড্রেসটার জন্য ধন্যবাদ!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই ইলেকট্রিক ফোন!
<hr width="50%"/>
:'''জুডি''': ও কি এসেছে? ভাইরে ও তো একদম পাগল হয়ে গেছে!
:'''টম সার্ভো (জুডি হিসেবে)''': ও চারদিকে চিৎকার করে দৌড়াচ্ছে!
:. . .
:'''জুডি''': আর ও যখন আমার দিকে তাকায় আমার সব কেমন যেন হয়ে যায়!
:'''ক্রো টি. রোবট (ফোনের ওপাশের লোক হিসেবে)''': ওটা ভালো কথা ম্যাম। আমি আসলে আমার ম্যাগাজিন বিক্রি করার চেষ্টা করছি।
<hr width="50%"/>
:'''মিসেস অ্যাডামস''': এই নাও। কাজ শেষ।
:'''টম সার্ভো''': আর এটা খুব শান্তও বটে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': উমম কেউ কি খেয়াল করেছেন যে মেয়েটি আসলে মানসিক রোগী?
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (জুডি হিসেবে)''': (কাশছে) ওরে বাবা!
:'''জুডি''': ওহ আমি!
:'''টম সার্ভো''': (হাসছে) আমি কি ওটা আগেই বলেছিলাম?
<hr width="50%"/>
:'''অ্যালেক্স''': এই তো হয়ে গেছে।
:'''মাইক নেলসন (অ্যালেক্স হিসেবে)''': খোদা তুমি কত গাধা।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': জুডি: তারুণ্যের উম্মাদনা ছাড়িয়ে।
<hr width="50%"/>
:'''অ্যালেক্স''': ভাবছিলাম... আমরা কি ড্যান্স করতে যাব?
:'''জুডি''': ড্যান্স? ওহ অ্যালেক্স কত চমৎকার হবে!
:---
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': এই ফিল্মটি নার্ড কাউন্সিল নিবেদন করেছে। আপনার এলাকার নার্ডকে সাহায্য করুন!
:'''মাইক নেলসন''': আর মাদার কর্পোরেশন থেকেও ফান্ড পাওয়া গেছে। মায়ের অবিশ্বাস্য ক্ষমতা।
==== দ্য ভায়োলেন্ট ইয়ার্স (মূল সিনেমা) ====
:'''মাইক নেলসন''': ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ আপনাদের স্ক্রিনরাইটার: এড উড।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ও ওভাবেই মারা গেল যেভাবে ও বেঁচে ছিল... বীজগণিতে ফেল করে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': **অভিযোগ জানাতে অস্বীকার!**
:'''টম সার্ভো''': **বলছে: ধন্যবাদধন্যবাদধন্যবাদধন্যবাদ!**
:'''মাইক নেলসন''': **শত শত পুরুষ ক্রাইম সিনে ভিড় জমিয়েছে!**
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (পুলিশ হিসেবে)''': তুমি তো বলেছিলে তুমি জানো তাড়াটা কোথায় ছিল!
:'''ক্রো টি. রোবট (পুলিশ হিসেবে)''': না তুমিই তো বলেছিলে তুমি জানো!
:'''মাইক নেলসন (পুলিশ হিসেবে)''': আমি কোনোদিন বলিনি!
<hr width="50%"/>
:'''জজ''': কিছু মানুষ মনে করে যে খবরের কাগজ কিশোর অপরাধ নিয়ে বাড়িয়ে লেখে...
:'''মাইক নেলসন''': আমরা মনে করি না! আমরা কি যেতে পারি?
=== [[w:bn:লাস্ট অব দ্য ওয়াইল্ড হর্সেস|লাস্ট অব দ্য ওয়াইল্ড হর্সেস]] ===
:'''টম সার্ভো''': তো ক্রো শো-তে যাওয়ার আগে তুমি কি কোক খাবে?
:'''ক্রো টি. রোবট''': উমম অবশ্যই আমি রুট বিয়ার খাব।
:'''টম সার্ভো''': আমি কোকের কথা বলেছি।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি জানি আমি রুট বিয়ারই খাব।
:'''টম সার্ভো''': আমার কাছে শুধু কোক আছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ তবে বাদ দাও আমি স্রেফ পানি খাব।
:'''টম সার্ভো''': ঠিক আছে। অ্যাঁ?
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ আচ্ছা আমরা কোন শো-তে যাচ্ছি? আমি ভেবেছিলাম আমরা মুভি দেখতে যাচ্ছি।
:'''টম সার্ভো''': যাচ্ছি তো।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আর শো?
:'''টম সার্ভো''': না!
:'''ক্রো টি. রোবট''': তাহলে বললে কেন আমরা শো-তে যাচ্ছি?
:'''টম সার্ভো''': কারণ আমরা যাচ্ছি!
:'''ক্রো টি. রোবট''': কোন শো?
:'''টম সার্ভো''': ‘অ্যাওয়েকনিংস’।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওটা তো মুভি!
:'''টম সার্ভো''': আমি জানি! (দীর্ঘশ্বাস ফেলল) তুমি কি সাথে আসবে?
:'''ক্রো টি. রোবট''': কিসের সাথে আসব?
:'''টম সার্ভো''': আমার সাথে ক্রো আমার সাথে! তুমি কি আমার সাথে আসবে?!
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ কিন্তু আমার কাছে এখন টাকা নেই তুমি কি আমাকে কিছু টাকা ধার দেবে?
:'''মাইক নেলসন''': একটু থামো ঠিক আছে অনেক হয়েছে। জানো আঞ্চলিক টান আর স্রেফ গাধামির মধ্যে তফাত আছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': কিন্তু মাইক সেই তথ্য নির্বিশেষেও...
: . . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': তো ডিনার কখন হবে?
:'''টম সার্ভো''': দুপুরে হলে সমস্যা আছে?
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওটা তো লাঞ্চ টাইম!
:'''টম সার্ভো''': লাঞ্চ আর ডিনার একই তো কথা।
:---
:'''টম সার্ভো''': ওহ ওই আজব জিনিসটার ওপর কিছু একটা জ্বলছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ সিগন্যাল লাইট!
<hr width="50%"/>
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': তুমি কি আমাকে কোলে করে থিয়েটারে নিয়ে যাবে না?
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': ফ্র্যাঙ্ক তুমি ওটার জন্য অনেক বড় হয়ে গেছো!
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': ওহ ওটাই তো আমার প্রিয় অংশ ছিল!
<hr width="50%"/>
:'''জিপসি''': আমার জীবনের সবচেয়ে বড় দুঃস্বপ্নের চেয়েও এটা জঘন্য!
:'''টম সার্ভো''': এটা ভয়ংকর; এই সিনেমায় একটাও লেমুর নেই! (পালাতে পালাতে জিপসির সাথে চিৎকার শুরু করল)
<hr width="50%"/>
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': তুমি বুনো ঘোড়াগুলোর শেষ অংশটা হারিয়ে ফেলেছো গাধা কোথাকার!
:. . .
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': আহ আলবার্ট গ্লাসার সেই লোক যে আপনাকে বেঁধে রেখে মিউজিক দিয়ে পেটাতে থাকে!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (গল্পকার হিসেবে)''': পুরানো পশ্চিমের এক আজব কাকতালীয় ঘটনা।
:---
:'''রিলি''': ও কিছু একটা ফেলেছে। দেখো ওটা কী।
:'''ক্রো টি. রোবট (রিলি হিসেবে)''': ওটা একটা প্লট ডিভাইস। ওটা খুব দুর্বল তাই সাবধানে ধরবেন।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (রিলি হিসেবে)''': ওহ! খড়ের গাদার ভেতর সেই সুঁইটা পেয়ে গেছি!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আমি লফট-এর বিরুদ্ধে লড়েছিলাম আর লফটই জিতেছে।
=== [[w:bn:দ্য স্টারফাইটার্স|দ্য স্টারফাইটার্স]] ===
:'''ক্রো টি. রোবট''': শন পেনের কাহিনী!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আহ ক্রিস্টোর শেষ কাজ— ওহ ভালো কথা।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমরা ওদের বোমা মেরে জ্যাজ যুগে পাঠিয়ে দেব!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': আপনার চেহারা কি অদ্ভুত? কুতসিত? তাহলে এয়ারফোর্সে যোগ দিন।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (লায়নস হিসেবে)''': ঠিক আছে ড্যাভ... এবার উইগটা খুলে ইউনিফর্মটা পরে ফেলো তো।
:'''টম সার্ভো (লায়নস হিসেবে)''': ডার্লিং আমি কাজ শেষ না করা পর্যন্ত তুমি গাড়িতেই অপেক্ষা করো।
<hr width="50%"/>
:'''কর্নেল হান্ট''': তুমি কি জানো প্লেন চালানো ঠিক ভালোবাসা করার মতো?
:'''ক্রো টি. রোবট (মেজর স্টিভেন্স হিসেবে)''': উমম আপনাকে কি টাকা দিতে হয়?
<hr width="50%"/>
:'''কর্নেল হান্ট''': কর্নেল হান্ট বলছি।
:'''উইকোস্কি''': শুভ সকাল কর্নেল হান্ট! আপনাকে খুঁজে পাওয়া খুব কঠিন।
:'''মাইক নেলসন (হান্ট হিসেবে)''': সারা?
:'''কর্নেল হান্ট''': আপনি কে?
:'''উইকোস্কি''': উমম ফোনে নিজের পরিচয় দেওয়াটা একটু কঠিন কাজ...
:'''ক্রো টি. রোবট (উইকোস্কি হিসেবে)''': আমি কাঠের প্যানেল বিক্রি করি।
:'''উইকোস্কি''': আমি জন উইকোস্কি কয়েক সপ্তাহ আগে আপনার কমান্ডে যোগ দেওয়া ওই ছেলেটির বাবা।
:'''কর্নেল হান্ট''': ওহ হ্যাঁ আমাদের লেফটেন্যান্ট উইকোস্কি!
:'''টম সার্ভো''': আর উনার মুখে এখন এক্সপ্রেশন দেখা যাচ্ছে!
:'''কর্নেল হান্ট''': আমি তো আপনাকে চিনি কংগ্রেস সদস্য। আপনার সাথে কথা বলে ভালো লাগল। তবে আমার মনে হয় আপনার ছেলে এখন ট্রেনিং মিশনে আছে নয়তো আমি ওর সাথে কথা বলিয়ে দিতাম।
:'''উইকোস্কি''': ওহ আমি স্রেফ আপনার সাথে একটু পরিচয় হতে চেয়েছিলাম...
:'''মাইক নেলসন (উইকোস্কি হিসেবে)''': হয়তো ডিনারে...
:'''উইকোস্কি''': আমাদের মধ্যে অনেক মিল আছে আপনি জানেন...
:'''ক্রো টি. রোবট (উইকোস্কি/লিবারাস হিসেবে)''': আমার ভাই জর্জ...
:'''উইকোস্কি''': আপনার মনে আছে ২০ বছর আগে আমরা ইটিও (ETO) তে একসাথে ফ্লাইট দিয়েছিলাম?
:'''কর্নেল হান্ট''': ওই সময় আমাদের অনেক পাইলটই ইটিও-তে ছিল স্যার।
:'''উইকোস্কি''': হ্যাঁ আমি তাই মনে করি।
:'''টম সার্ভো''': (মাইককে) ওরা বিটিও (BTO)-তে ছিল?
:'''মাইক নেলসন''': আমি তাই মনে করি...
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': স্প্রিং হয়ে লাফ দিল! বিডি-ডি-ডি-ডি...
:'''টম সার্ভো''': এটা এয়ার ফোর্সের নতুন খেলনা বোমা!
:'''মাইক নেলসন''': হ্যাঁ তোমরা হেসো না; ওই বোমার ভেতর একটা বিড়াল ছানা আছে।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওটা ঠিক পিগ-পেনের ওপর ল্যান্ড করেছে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': রেইনবো গ্যাদারিং-এ স্বাগতম! আমাদের জীবদ্দশায় শান্তি আনা সম্ভব-- (মিসাইলটা টার্গেট উড়িয়ে দিল) ওরে বাবা!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': “লেফটেন্যান্ট হিবি”? ওই দেখো...
:'''টম সার্ভো''': ওখানে লেখা আছে “এখান থেকে তুলুন”।
:'''মাইক নেলসন''': ও আচ্ছা।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আপনারা তেল ভরার আরও দৃশ্য চেয়েছিলেন আর আমরা তা-ই দিচ্ছি!
:---
:'''টম সার্ভো''': চেক।
:---
:'''টম সার্ভো''': চেক।
:---
:'''টম সার্ভো''': পেয়েছি।
:---
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ হয়েছে।
:---
:'''টম সার্ভো''': ওসব দেখা হয়ে গেছে।
:---
:'''টম সার্ভো''': হয়ে গেছে।
:---
:'''টম সার্ভো'''; সব কভার করা হয়েছে।
:---
:'''মাইক নেলসন''': ঠিক আছে তবে চলো স্রেফ দেখা যাক।
:'''টম সার্ভো''': আসলে তেল ভরা খুব স্বাভাবিক একটা কাজ এটা নিয়ে মজা করার কিছু নেই।
:'''মাইক নেলসন''': ঠিক আছে তুমিই ঠিক।
:...
:'''টম সার্ভো (গাইছে)''': তুমি আর আমি জোছনার আলোয় তেল ভরছি! তেলের দাম যেন শ্যাম্পেনের মতো!
:'''মাইক নেলসন''': আমি জানি না তুমি কোথায় শেষ আর আমি কোথায় শুরু!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (প্লেন হিসেবে)''': না ভাই না! তুমি আমাকে ছাড়তে পারো না আর মাত্র ৪০০০ পাউন্ড দাও তারপর আমি ছেড়ে দেব! আমার খুব ঠান্ডা লাগছে...
:'''টম সার্ভো''': নেশাখোরদের নিয়ে জোকস।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (পাইলট হিসেবে)''': ওরে বাবা খুব কঠিন ছিল ভাই আমাকে গিরগিটি খেতে হয়েছে আর নিজের হিসু খেতে হয়েছে!
:'''টম সার্ভো (উদ্ধারকারী হিসেবে)''': তুমি তো এখানে মাত্র দশ মিনিট ছিলে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': তার মানে এয়ার ফোর্স মানে হলো একদল নাছোড়বান্দা অল্প বুদ্ধির মাতাল লোক যারা নিজেদের প্যান্টে পটি করে দেয় আর মেয়েদের সাথে কথা বলতে জানে না তাই তো?
:'''মাইক নেলসন''': উমম...
:'''টম সার্ভো''': আমি কি ঠিক বলছি?
:'''মাইক নেলসন''': হ্যাঁ। একদম ঠিক।
=== [[w:bn:দ্য সিনিস্টার আর্জ|দ্য সিনিস্টার আর্জ]] ===
:'''ক্রো টি. রোবট''': (জিপসিকে) আমরা তোমাকে একটা শাওয়ার পার্টি দিচ্ছি!
:'''জিপসি''': (অবাক হয়ে) অ্যাঁ!?
:'''টম সার্ভো''': ওরে দেখো ও তো পুরো অবাক হয়ে গেছে কি মিষ্টি লাগছে না?
:'''জিপসি''': উমম... কিন্তু আমার তো বিয়ে হচ্ছে না আর... আমি কি প্রেগন্যান্ট!?
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ জিপসি সব মহিলারাই শাওয়ার পার্টি পায় আর ওটা খুব সুন্দর হয়!
:'''জিপসি''': উমম আমি তো নিশ্চিত আমি একজন মহিলা।
:---
:'''মাইক নেলসন''': এটা হলো... পিঙ্কিং কাঁচি!
:---
:'''জিপসি''': ওহ! ধন্যবাদ অনেক চমৎকার আর সুন্দর উপহার!
:---
:'''টম সার্ভো''': ওগুলো তো খুব কিউট ক্রো! ওকে এটা আমার পক্ষ থেকে...
:---
:'''মাইক নেলসন''': আর এটা হলো... পিঙ্কিং কাঁচি!
:---
:'''জিপসি''': ওহ! ওহ!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': ঠিক আমারটার মতো! কত সুন্দর আর কিউট!
:---
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ জিপসি! আমি দেখলাম ক্রো তোমাকে ওই জিনিসটাই দিয়েছে তাই আমার মাথায় আইডিয়াটা এল! (সবাই হাসছে)
:---
:'''মাইক নেলসন''': ঠিক আছে এটা ক্যামবটের পক্ষ থেকে আর এটাও পিঙ্কিং কাঁচি!
:---
:'''জিপসি''': ওহ! এবার তবে কাঁচি চালানো শুরু করি! (জিপসি হাসছে)
:---
:'''মাইক নেলসন''': ঠিক আছে টম আর ক্রো মিলে আরও একটা উপহার এনেছে...
:---
:'''জিপসি''': ওহ আমাকে আন্দাজ করতে দাও... পিঙ্কিং কাঁচি?
:---
:'''মাইক নেলসন''': না...
:---
:'''জিপসি''': ওহ... .
:---
:'''মাইক নেলসন''': ওহ আমার মনে হয় এটাই! পিঙ্কিং কাঁচি! (জিপসি হাসছে)
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': আসলে টম ওটা দেখেছিল আর আমি রাজি হয়ে গেলাম!
:'''টম সার্ভো''': কত সুন্দর আর কিউট!
<hr width="50%"/>
:'''জিপসি''': এটা ফ্র্যাঙ্কের কাছ থেকে এসেছে! শোনো: (চিঠি পড়ছে) “প্রিয় জিপসি তুমি কেমন আছো? আমি ভালো আছি। আমি ডিপ ১৩-এ একটা বড়সড় বোমা মারতে যাচ্ছি। যাক লেখার জায়গা শেষ। শুভকামনা ফ্র্যাঙ্ক।” (হুমকিটা বুঝতে পারল) **ওহ খোদা! মাইক! টম! ক্রো! আমাদের ওকে আটকাতে হবে!** (আবারও চিঠি পড়া শুরু করল) “পুনশ্চ: আশা করি পিঙ্কিং কাঁচিটা তোমার পছন্দ হয়েছে।”
<hr width="50%"/>
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': ডাক্তার আমি বলতেই চাই যে আপনি সত্যিই এক অদ্ভুত মানুষ।
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': (বোমা লাগানো অবস্থায় বাধা) ফ্র্যাঙ্ক তুমি যদি এটা বন্ধ না করো তবে আমি তোমাকে মেরেই ফেলব!
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': না ডক্টর ফরেস্টার... উল্টো আপনিই আমাকে মারতে যাচ্ছেন। (অশুভ হাসি হাসছে) আপনি এখানে আটকে গেছেন।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আচ্ছা যদি ফ্র্যাঙ্ক ওর পরিকল্পনা সফল করে তবে তো আর কোনো পাগল বিজ্ঞানী থাকবে না!
:'''টম সার্ভো''': তার মানে আর কোনো অশুভ এক্সপেরিমেন্ট হবে না!
:'''মাইক নেলসন''': তার মানে আর কোনো ডিপ ১৩ থাকবে না!
:'''ক্রো টি. রোবট''': তার মানে আমরা আর কোনোদিন পৃথিবীতে ফিরতে পারব না!
:'''টম সার্ভো''': যার মানে হলো একসময় কোনো স্যাটেলাইট অব লাভও থাকবে না!
:'''মাইক নেলসন''': তার মানে আর কোনো... (সবাই বুঝতে পেরে ভয়ে বেহুঁশ হয়ে গেল)
:'''ক্রো টি. রোবট''': ...আমাদের ডক্টর ফরেস্টারকে বাঁচাতে হবে!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': আমাদের ফ্র্যাঙ্ককে থামানোর কোনো পথ খুঁজতে হবে কিন্তু কীভাবে?
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ ওটাই তো কোটি টাকার প্রশ্ন... দাঁড়ান! আমার কাছে একটা আইডিয়া আছে! বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজাখুঁজি করা! জিপসি তুমি কি আমাকে পুরো শহরের ম্যাপ দিতে পারবে?
:'''জিপসি''': তুমি কি শহরতলিগুলোও চাও?
:'''ক্রো টি. রোবট''': একদম অজপাড়াগাঁ পর্যন্ত! আমি গোয়ালঘর গরু আর মুরগিও দেখতে চাই!
:'''জিপসি''': আমার ছুটি তো গেল!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ধন্যবাদ ডার্লিং! (জিপসিকে চুমু খাওয়ার চেষ্টা করল)
:'''জিপসি''': ভাগো এখান থেকে শয়তান!
:'''টম সার্ভো''': ঠিক আছে ঠিক আছে! থামুন সবাই! হা হা! ল্যাব থেকে রিপোর্ট এসেছে আর আন্দাজ করুন ওই চিঠিতে কার আঙুলের ছাপ আছে?
:'''মাইক নেলসন''': উমম নির্ঘাত ফ্র্যাঙ্কের। ও নিজেই তো সাইন করেছে।
:'''টম সার্ভো''': ওহ হ্যাঁ ওটা ভুলেই গিয়েছিলাম...
:'''মাইক নেলসন''': এটা একটা কানাগলি কোনো কুলকিনারা নেই!
:'''জিপসি''': কাজটা মোটেও সহজ নয় ওটা তো আর পানির মতো সহজ নয়!
:'''মাইক নেলসন''': দাঁড়াও জিপসি আবার বলো ওটা...
:'''জিপসি''': বললাম তো কাজটা সহজ নয়!
:'''মাইক নেলসন''': পটেটো কেক! এই তো পেয়ে গেছি!
:'''ক্রো টি. রোবট''': পটেটো কেক?
:'''মাইক নেলসন''': ডার্লিং আগামী মাসে মাইনে পাওয়ার পর তোমাকে একটা নতুন টুপি কিনে দেব বলে দিলাম! (জিপসিকে জড়িয়ে ধরে চুমু দিল)
:'''জিপসি''': বাহ...!
<hr width="50%"/>
:'''জিপসি''': এর কোনো মাথামুণ্ডু নেই মাইক!
<hr width="50%"/>
:'''জিপসি''': ওহ ভাই আমার ভয় হচ্ছে ফরেস্টার হয়তো ফ্র্যাঙ্ককে মেরেই ফেলবে!
==== পরিষ্কার ও পরিপাটি থাকা (শর্ট) ====
:'''বর্ণনাকারী''': উহ-ওহ! জামাকাপড়ের সাথে এমন ব্যবহার করা একদম ঠিক না!
:'''মাইক নেলসন (ডন হিসেবে)''': কিন্তু ওগুলো তো আমার সাথে এমনই ব্যবহার করে!
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': ওহ মিলড্রেড তোমার জামাকাপড়গুলো দেখো! তুমি তো ডনের চেয়েও খারাপ!
:'''টম সার্ভো''': ডন ওয়াজ? সেই প্রোডিউসার?
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (হেনরি হিগিন্স হিসেবে)''': মহিলারা কেন পুরুষের মতো হতে পারে না?
:'''মাইক নেলসন''': ১৯৫০ এর দশকে মানুষ অদৃশ্য কণ্ঠস্বরের আদেশ বেশ ভালোই মানত।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আপনি যখন পরিষ্কার আর পরিপাটি থাকবেন তখন আনন্দের শেষ থাকবে না!
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': আঁচড়াও আর আঁচড়াও আর আঁচড়াও—কমপক্ষে ১০০ বার।
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': **স্রেফ আঁচড়ে যাও আর আমাদের সৃষ্টিকর্তার নাম নাও!**
==== দ্য সিনিস্টার আর্জ (মূল সিনেমা) ====
:'''মাইক নেলসন''': ও নির্ঘাত সেই পাজি নেতার কোনো সহকারী হবে।
<hr width=50%/>
:'''মাইক নেলসন''': হেই গাড়িটা ফোর্ড থেকে প্লাইমাউথ হয়ে গেল!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওমন তো হতেই পারে...
<hr width=50%/>
:'''মিস্টার রোমাইন''': আমি সকালের কাগজে পড়লাম যে পুলিশ বিভাগ ওই নোংরা ছবির ব্যবসা বন্ধ করার জন্য বিশেষ দল নামিয়েছে। একজন করদাতা হিসেবে আমি **দাবি** করছি... (নিজের হাতের তালুতে ঘুষি মারছে)
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ ওহ ওহ!
:'''মিস্টার রোমাইন''': ওই লোকগুলোকে চুরি ডাকাতি আর খুনের মতো বড় অপরাধ দমনে কাজে লাগান যারা রাস্তায় ঘুরে বেড়ায়। যা আমাকে আর আমার মতো সৎ নাগরিককে রক্ষা করবে। স্রেফ কয়েকটা ফালতু ছবির পেছনে এত টাকা খরচ করা একদম ঠিক না ওতে কারো কোনো ক্ষতি হয় না।
:'''লেফটেন্যান্ট কারসন''': “কারো কোনো ক্ষতি হয় না?!” আপনার তথ্যের জন্য জানাই মিস্টার করদাতা এই নোংরা ছবির ব্যবসা এই শহরের বেশিরভাগ বড় অপরাধের সাথে সরাসরি যুক্ত!
:'''মিস্টার রোমাইন''': কীভাবে?
:'''মাইক নেলসন (কারসন হিসেবে)''': উমম খুব পরোক্ষভাবে।
:'''লেফটেন্যান্ট কারসন''': এটা বোঝাতে একজন সাইকিয়াট্রিস্ট লাগবে কিন্তু আমি আপনাকে বলতে পারি যে আমাদের হাতে তিনটে খুনের মামলা আছে। তিনজন কিশোরী যারা ওই ছবির জন্য পোজ দিয়েছিল! পার্কে পাওয়া গেছে ওদের। অত্যাচার করা হয়েছে! শরীর ক্ষতবিক্ষত করা হয়েছে! খুন করা হয়েছে! এই দেখুন ছবি! (ছবিগুলো দেখাল)
:'''মাইক নেলসন (কারসন হিসেবে)''': উমম এখানে খুন এখানে অত্যাচার আর ক্ষতবিক্ষত কোথায়? ওই তো ওখানে...
:'''লেফটেন্যান্ট কারসন''': কেউ কেউ ওসব পাওয়ার জন্য চুরি করতে বা খুন করতেও পিছপা হয় না। ওটা ওদের কাছে নেশার চেয়েও ভয়ংকর! মিস্টার করদাতা এই অশ্লীল ছবির ব্যবসা অপহরণ বা ড্রাগ ব্যবসার চেয়েও খারাপ...
:'''ক্রো টি. রোবট''': একদম না!
:'''লেফটেন্যান্ট কারসন''': ... আমাকে একটা অপরাধ দেখান আর আমি আপনাকে একটা ছবি দেখাব যা ওই অপরাধ ঘটাতে সাহায্য করেছে। আমি কি বোঝাতে পেরেছি?
:'''মাইক নেলসন (রোমাইন হিসেবে)''': সম্পর্কটা একটু আবছা আমি মানছি কিন্তু...
:'''লেফটেন্যান্ট কারসন''': আপনার কি কোনো মেয়ে আছে মিস্টার রোমাইন?
:'''ক্রো টি. রোবট (কারসন হিসেবে)''': সে কি এই অশ্লীল ছবির ব্যবসায় আগ্রহী হবে?
:---
:'''টম সার্ভো (রোমাইন হিসেবে)''': উমমমম...
:'''মাইক নেলসন (কারসন হিসেবে)''': আপনি কি অন্য কোনো অপশন বেছে নিতে চান স্যার?
:'''টম সার্ভো (রোমাইন হিসেবে)''': উমমমমম.... মেয়ে...উমম মেয়ে... মেয়ে কি সেই জিনিস যার চাকা আছে আর- ওহ বাদ দাও ওটা তো বাইক। আমাকে আমার বউকে কল করতে দাও। মেয়ে বললে? মেয়ে... হুহ...
:'''মিস্টার রোমাইন''': হ্যাঁ... আমার **দুটো** মেয়ে আছে...
:'''ক্রো টি. রোবট (রোমাইন হিসেবে)''': আর একটা কুকুরছানা।
:'''টম সার্ভো''': অন্তত আমার **মনে হয়** ওরা আমার মেয়ে। আশা করি আমি সঠিক জিনিসই ভাবছি- আমাকে একটু সময় দিন।
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি পর্নোগ্রাফি নিয়ে **অনেক কিছু** শিখছি!
<hr width=50%/>
:'''মাইক নেলসন (গ্লোরিয়া হিসেবে)''': বেশ ভালো কাজ হয়েছে!
=== [[w:bn:স্যান ফ্রান্সিসকো ইন্টারন্যাশনাল|স্যান ফ্রান্সিসকো ইন্টারন্যাশনাল]] ===
:'''মাইক নেলসন''': হেই ওই বড় উল্কাটার থেকে সাবধান থেকো।
:---
:'''টম সার্ভো''': হেই ওটা তো মস্ত বড় ব্যাপার!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': (গাইছে) স্যান ফ্রান্সিসকো ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট! যেখানে সব ফালতু অভিনেতারা গর্জন করে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': উমম... সমুদ্র সমতলে আতঙ্ক।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': এয়ারপোর্টের পাশেই একটা হোটেল থাকা বেশ সুবিধার।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (ক্যাথি ব্যারেট হিসেবে)''': ফাদার আমাকে ক্ষমা করবেন আমি পাপ করেছি: আমি পার্নেলের উইগটা আমার নগ্ন শরীরে ঘষেছি!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': শহরে নতুন নীতি কথা এসেছে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (পার্নেল হিসেবে)''': ডেভি তোমাকে এই ফেডারেল এজেন্টদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিই। তোমরা কিশোররা এদেরকে ‘খতরনাক’ বলো।
=== [[w:bn:কিটেন উইথ অ্যা হুইপ|কিটেন উইথ অ্যা হুইপ]] ===
:'''মাইক নেলসন''': কার্ল স্টলিং ওর বাড়িতে আছে!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই ভালো কিছু একটা!
:'''টম সার্ভো''': একদম ঠিক!
:. . .
:'''মাইক নেলসন (ডেভিড হিসেবে)''': ওহ হ্যাঁ আমি তো সেই রুমটা এলমার ফান্ডকে ভাড়া দিয়েছিলাম।
=== [[w:bn:র্যাকেট গার্লস|র্যাকেট গার্লস]] ===
==== আপনি কি বিয়ের জন্য প্রস্তুত? (শর্ট) ====
:'''মাইক নেলসন''': উমম... হ্যাঁ আমি এমনিতেও সেক্স নিয়ে বিরক্ত।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ববি অরের ইলেকট্রিক ম্যারেজ! আসল বিয়ের মজা!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আপনার সরকারি চার্চে ঘুরে আসুন!
:'''মাইক নেলসন''': ফার্স্ট ফেডারেল চার্চ এফডিআইসি-র অন্তর্ভুক্ত।
<hr width="50%"/>
:'''মিস্টার হল''': যখন আপনাদের প্রথম দেখা হয়েছিল তখন হয়তো এক ধরনের শারীরিক টান ছিল...
:'''টম সার্ভো (ল্যারি হিসেবে)''': ওহ **হ্যাঁ!**
:'''মিস্টার হল''': ...এক রোমান্টিক আকর্ষণ যা আপনাদের কাছে এনেছে অনেকটা... ‘বোয়িং’ শব্দটার মতো!
:'''মাইক নেলসন (ল্যারি হিসেবে)''': আপনি কি আমার বোয়িং দেখেছেন?
:'''ল্যারি''': আপনি জানলেন কীভাবে?
:'''মিস্টার হল''': আসলে আমার সাথেও এমনটা হয়েছিল। যারা সুখে শান্তিতে বিয়ে করতে চায় তাদের সবার সাথেই এমনটা হয়। কিন্তু ওটা স্রেফ ‘বোয়িং’ এর চেয়েও বেশি কিছু।
:'''ক্রো টি. রোবট (হল হিসেবে)''': মাঝে মাঝে ‘শপ্লার্ট’ আওয়াজও হয়!
:'''মিস্টার হল''': কারণ দেখো যদি তোমরা মানসিকভাবে অনেক দূরে থাকো…
:'''মাইক নেলসন (হল হিসেবে)''': …যদি তোমাদের মধ্যে কেউ একজন **পাগল** হয়…
:---
:'''মিস্টার হল''': …যদি তোমাদের অতীত জীবন মানানসই না হয় তবে অনেক ঝগড়া আর অশান্তি হবে যতক্ষণ না…
:---
:'''ল্যারি''': ওটা চলে গেল!
:'''সু''': ওটা কোথায় গেল?!
:'''ক্রো টি. রোবট (ল্যারি হিসেবে)''': **আমরা মরতে যাচ্ছি!**
:'''মিস্টার হল''': তোমাদের ওই রোমান্টিক ভালোবাসার অবস্থাও ঠিক এমনই হবে যদি অন্য বিষয়গুলো তোমাদের বিচ্ছেদের কারণ হয়।
:'''টম সার্ভো (ল্যারি হিসেবে)''': **কিন্তু ওই রাবার ব্যান্ডটা গেল কোথায়?!**
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': (দূর থেকে আসা শব্দের মতো) ম্যারিনস আমরা এখান থেকে **বিদায়** নিচ্ছি!
:---
:'''মাইক নেলসন (সু হিসেবে)''': মাফ করবেন এক সেকেন্ডের জন্য ভিয়েতনামে চলে গিয়েছিলাম।
<hr width="50%"/>
:'''সু''': আমাদের কি অতীত জীবন একই রকম?
:'''মাইক নেলসন (সু হিসেবে)''': আমাদের কি কোনো পুরনো রেকর্ড আছে?
:'''সু''': আমাদের কি ধর্মীয় বিশ্বাস একই...
:'''ক্রো টি. রোবট (সু হিসেবে)''': আমি শয়তানের পূজা করি!
:'''সু''': ...আর ধর্ম নিয়ে আমাদের কি একই রকম অনুভূতি আছে?
:'''টম সার্ভো (সু হিসেবে)''': মানে খোদা আর ওসব নিয়ে আর কি।
:'''সু''': আমাদের কি আদর্শ আর রুচি একই রকম?
:'''মাইক নেলসন (সু হিসেবে)''': তাহলে আমাকে তোমার চামড়া দাও আর আমার কাছ থেকে ফিতা নাও।
==== র্যাকেট গার্লস (মূল সিনেমা) ====
:'''ক্রো টি. রোবট''': আশেপাশে কি কোনো মেলা চলছে?
: . . .
:'''মাইক নেলসন''': হেই সামনের সারির ওই মহিলাটাই সব চিৎকার করছে!
:'''ক্রো টি. রোবট (উশার হিসেবে)''': ম্যাম আপনাকে শান্ত হতে অনুরোধ করছি।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আহ আরও একটা ভর্তি দর্শক গ্যালারি।
<hr width="50%"/>
:'''স্কেলি''': হেই জো!
:'''টম সার্ভো (স্কেলি হিসেবে)''': তোমার হাতে বন্দুক নিয়ে তুমি কোথায় যাচ্ছো?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': (ভীত হয়ে) অনেক দিন আগে মরে যাওয়া এক মহিলার ওপর আমি আসক্ত হয়ে পড়ছি!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': **গান?!** কেন **এখানে?** কেন এখন? **আমাদের সাথেই কেন এমন হচ্ছে?!**
=== [[w:bn:দ্য সোর্ড অ্যান্ড দ্য ড্রাগন|দ্য সোর্ড অ্যান্ড দ্য ড্রাগন]] ===
:'''জিপসি''': ...তোমরা ছেলেরা খুব অদ্ভুত!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': (বন্দুক হাতে গাইছে) আমি হলাম ক্রাইম বিল; ব্যাং ব্যাং! আমি হলাম ক্রাইম বিল; ব্যাং ব্যাং! প্রতিদিন আমাকে গুলি করা হয়... আমি হলাম ক্রাইম বিল; ব্যাং ব্যাং! আমি হলাম ক্রাইম বিল; ব্যাং ব্যাং! এনআরএ আমার বিরোধিতা করে- ব্যাং ব্যাং! (মরে যাওয়ার ভান করল)
==== দ্য সোর্ড অ্যান্ড দ্য ড্রাগন ====
:'''মাইক নেলসন (ইলিয়া হিসেবে)''': ভাইরে ও তো আস্ত এক পরী।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (ব্যক্তির গলায়)''': ওটা হয়তো মদের দোষ লার্স কিন্তু তোমাকে দেখতে খুব **সুন্দরী** লাগছে...
:'''টম সার্ভো (ব্যক্তির গলায়)''': সভেন না! একাজ কোরো না!
<hr width="50%"/>
:'''ইলিয়া''': এখন তোমাকে অনেক কাজ করতে হবে আমার ব্যস্ত ছোট বউ।
:'''টম সার্ভো (ইলিয়া হিসেবে)''': চলো আমরা নোংরা কিছু করি।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': কাক! আমার স্বজাতীয় ভাইরা! দেখছো ওরা কত মহান আর মহৎ প্রাণী?
:'''টম সার্ভো''': (সন্দেহ নিয়ে) উমম-হুম...
<hr width="50%"/>
:'''লিটল ফ্যালকন''': আমার মনে হচ্ছে... আমি আমার মা-কে দেখতে পাচ্ছি!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (লিটল ফ্যালকন হিসেবে)''': মা!
=== [[w:bn:হাই স্কুল বিগ শট|হাই স্কুল বিগ শট]] ===
==== এই পৃথিবীর বাইরে (শর্ট) ====
:'''মাইক নেলসন''': ওরা একদম অন্যরকম তত্ত্বে বিশ্বাসী।
<hr width="50%"/>
:'''রেড''': ধরো কোনো তরুণী ওখানে গেল আর ওর ব্যবসার ধরন নিয়ে বকা দিল...
:'''ক্রো টি. রোবট (রেড হিসেবে)''': ধরো আমি কোনো নাটকে অভিনয় করছি!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (হোয়াইটি হিসেবে)''': তো মাবেল আমাকে বলল “কেন তুমি ওই কানের দুলগুলো পরেছো?” আর তারপর আমরা জুতো কিনতে গেলাম কিন্তু আমাদের পছন্দ মতো কিছুই পেলাম না কারণ আমার পা খুব চওড়া তবে মাঝে মাঝে আমি সস্তায় পেয়ে যাই যাই হোক সিন্ডি আমাকে বলল যে কাছেই এক বড় দোকান আছে আর সেখানে সেল চলছে ও জানে আমার কাছে এখন একদম টাকা নেই তাই আমি ওর সাথে তর্কে জড়ালাম আর...
<hr width="50%">
:'''বিল ডাডলি''': প্রথমেই এটা দেখুন। (এক টুকরো রুটি ধরল) এক স্লাইস রুটি।
:'''ক্রো টি. রোবট (ডাডলি হিসেবে)''': **পুরোটা খাও!**
:. . .
:'''হোয়াইটি''': আপনি কি বলতে চাইছেন যে আপনার এই ব্যবসা আপনার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ?
:'''ডাডলি''': আমি ঠিক ওমনটাই অনুভব করি।
:'''মাইক নেলসন (ডাডলি হিসেবে)''': (করুণ সুরে) আমাকে করতেই হবে। আমার আর কিছু নেই!
<hr width="50%">
:'''বিল ডাডলি''': আজ আমি মুদি দোকানদারের মন পাওয়ার জন্য একটু অন্য কিছু করব।
:'''টম সার্ভো (ডাডলি হিসেবে)''': দেখো আমি কীভাবে দোকানদারের পটিয়ে ফেলি।
:. . .
:'''ডাডলি''': হেই নতুন কিছু একটা! (ট্রলিটা ঠেলছে)
:'''মাইক নেলসন (ডাডলি হিসেবে)''': এটা যদি তোমার বাচ্চার ওপর দিয়ে চলে যেত তবে কত না খারাপ হতো...
<hr width="50%">
:'''মাইক নেলসন (দোকানদার হিসেবে)''': কী একটা গাধা।
:'''দোকানদারের ভয়েস ওভার''': বিল ডাডলি লোক হিসেবে ভালো। কখনো দরজা সজোরে বন্ধ করে না। সবসময় বন্ধুত্বপূর্ণ আর হাসিমুখে থাকে।
:'''টম সার্ভো (দোকানদার হিসেবে)''': ও কিসের নেশা করে?
:'''ভয়েস ওভার''': আমার দোকানের প্রতি ওর আগ্রহ আছে সবসময় সম্মান দিয়ে কথা বলে।
:'''ক্রো টি. রোবট (দোকানদার হিসেবে)''': ও আমার কাছে কী চায়?
:'''ভয়েস ওভার''': কখনো ট্রে ছুড়ে মারে না বা অকারণে বিরক্ত করে না।
:'''টম সার্ভো (দোকানদার হিসেবে)''': ও আমাকে একা ছেড়ে দিচ্ছে না কেন?
:'''ভয়েস ওভার''': আমি ওর মতো সেলসম্যানের সাথেই ব্যবসা করতে চাই।
:'''মাইক নেলসন (দোকানদার হিসেবে)''': কিন্তু ওর রুটি একদম জঘন্য।
<hr width="50%"/>
:'''বিল ডাডলি''': একজন রুটি বিক্রেতার জন্য দুটো জিনিস খুব দরকার একটা হলো এটা (মাথায় টোকা দিল) আর এটা (খাতা দেখাল)।
:'''ক্রো টি. রোবট''': একটা টুপি আর একটা খাতা।
<hr width="50%"/>
:'''বিল ডাডলি''': তাই আমি সবসময় এই টার্গেটগুলো কাছে রাখি যাতে ছোটখাটো ভুল বড় কোনো বিপদে রূপ না নেয়।
:'''মাইক নেলসন''': তোমার ট্রাক সব মালামাল দিয়ে ভর্তি রাখো যাতে তুমি... মানে... বুঝতেই পারছো...
==== হাই স্কুল বিগ শট (মূল সিনেমা) ====
:'''ক্রো টি. রোবট''': এটা কি স্ক্রিন টেস্ট?
:. . .
:'''মাইক নেলসন''': ওর চেহারায় এক অদ্ভুত কুশ্রীতা আছে।
:. . .
:'''টম সার্ভো''': এটা কি ওয়ারহোলের কোনো সিনেমা?
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': পটসি-র কাহিনী।
<hr width="50%"/>
:'''মিস্টার কার্টার''': এই পর্যায়ে হ্যামলেট ইয়োরিকের কঙ্কালটা তুলে নিয়ে এক বিখ্যাত ভাষণ দেয়। এখন বলো এই ভাষণটা কার উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছিল?
:'''ক্রো টি. রোবট (ছাত্র হিসেবে)''': উমম রিচার্ড ডসন।
:'''মাইক নেলসন (ছাত্র হিসেবে)''': ফ্রেড স্যানফোর্ড?
:'''টম সার্ভো (ছাত্র হিসেবে)''': উমম ল্যারি হোভিস।
:---
:'''মিস্টার কার্টার''': ভিন্স তুমি কি প্রশ্নের উত্তর দেবে দয়া করে?
:'''মাইক নেলসন (ভিন্স হিসেবে)''': তোমার মুখের দিকে তাকাও তোমার হাসিটা কত অদ্ভুত...
:'''মিস্টার কার্টার''': ভিন্স!
:'''ক্রো টি. রোবট (ভিন্স হিসেবে)''': উমম নিপলস।
:'''টম সার্ভো''': স্যার আমি হ্যামলেটের পাগলামির বিষয়টি নিয়ে বেশি চিন্তিত।
:'''ভিন্স''': মাফ করবেন মিস্টার কার্টার। আপনি কি দয়া করে প্রশ্নটা আবার করবেন?
:'''মিস্টার কার্টার''': হ্যামলেটের ওই বিখ্যাত ভাষণ কার উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছিল?
:'''ভিন্স''': আমি জানি না ভাই। আমি তো খামের ওপর নাম ঠিকানা দেখিনি। (সবাই হাসছে)
:'''ক্রো টি. রোবট (মিস্টার কার্টার হিসেবে)''': মিস্টার ম্যালফ দয়া করে চুপ করুন।
<hr width="50%"/>
:'''মিস্টার কার্টার''': তুমি কি কলেজ নিয়ে কিছু ভেবেছো? সেমিস্টার তো এক সপ্তাহের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে।
:'''টম সার্ভো (মিস্টার কার্টার হিসেবে)''': তোমার বয়স এখন ২৮। তোমার এবার গ্র্যাজুয়েট হওয়া উচিত।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': জানো ওরা যদি ওই দামী ল্যাম্পটা বেচে দিত তবে...
:'''মার্ভের বাবা''': ওহ ভালো কথা আমার মনে হয় আগামী সপ্তাহে আমি একটা কাজ পেয়ে যাব।
:'''মার্ভ''': সত্যি?
:'''মার্ভের বাবা''': হ্যাঁ। আজ একজনের সাথে দেখা হলো ও নিশ্চিত করল যে ও আমাকে ফুল টাইম কাজ দিয়ে দেবে।
:'''মাইক নেলসন (মার্ভের বাবা হিসেবে)''': হ্যাঁ। আমি বাড়ি বাড়ি গিয়ে আমার রক্ত বিক্রি করব।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (বেটি হিসেবে)''': তো আমরা কি সারারাত এই গলির ভেতরেই হাঁটব?
:'''মার্ভ''': আমি দুঃখিত বেটি সত্যি বলছি।
:'''বেটি''': ওহ ঠিক আছে। অন্তত সিনেমাটা তো ভালো ছিল।
:'''টম সার্ভো (বেটি হিসেবে)''': আমি এর আগে কোনোদিন ড্রাইভ-ইন মুভি থিয়েটারে হেঁটে আসিনি।
:'''মার্ভ''': আসলে আমাকে বাবাকে কিছু টাকা দিতে হয়েছিল--
:'''বেটি''': ওহ ওসব বাদ দাও। আমার বেশ ভালোই লাগছে।
:'''মার্ভ''': বেটি।
:'''মাইক নেলসন (মার্ভ হিসেবে)''': আমি কি তোমার অন্তর্বাসের গন্ধ নিতে পারি?
:'''মার্ভ''': আমার কাছে প্রায় এক ডলার বেঁচে আছে। তুমি কি কোক খাবে?
:'''বেটি''': অবশ্যই।
:'''ক্রো টি. রোবট (বেটি হিসেবে)''': অনেক ধন্যবাদ মিস্টার বড় লোক।
:---
:'''মাইক নেলসন''': আজ রাতের জন্য অফার: কোক মাত্র এক ডলার দশ সেন্ট।
<hr width="50%"/>
:'''বেটি''': ওহ ভিন্স।
:'''ক্রো টি. রোবট (বেটি হিসেবে)''': তুমি কি আমার জন্য একটা পেপার লিখে দেবে?
:'''ভিন্স''': তোমার সমস্যা কী? (একটু থেমে)
:'''মাইক নেলসন''': রিবুট হচ্ছে।
:'''বেটি''': মার্ভ আর আমাকে নিয়ে?
:'''টম সার্ভো (ভিন্স হিসেবে)''': জলদি করো আমি আর এই ফেস ধরে রাখতে পারছি না!
:'''বেটি''': ওহ তুমি সিরিয়াস হতে পারো না।
:'''ভিন্স''': দেখো তুমি ওর সাথে ছিলে। তুমি আমার বদলে ওর সাথে ডেটে গেলে!
:'''ক্রো টি. রোবট (বেটি হিসেবে)''': ওর কাছে তিন ডলার ছিল!
:'''বেটি''': কিন্তু ডার্লিং আমি শুধু চেয়েছিলাম ও আমার টার্ম পেপারটা লিখে দিক।
:'''মাইক নেলসন (ভিন্স হিসেবে)''': আমি যদি ওকে চুমু দিই তবে কি ও আমারটাও লিখে দেবে?
: . . .
:'''মাইক নেলসন (বেটি হিসেবে)''': এবার কি তুমি আমার প্রজেক্টটা লিখে দেবে?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': এই সব কান্ড স্রেফ একজন কড়া ইংরেজি শিক্ষকের জন্য।
=== [[w:bn:রেড জোন কিউবা|রেড জোন কিউবা]] ===
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': ক্লে এখানে একজন ‘স্কিনি লেগস’ ট্যাগলিয়ানো আপনার সাথে দেখা করতে এসেছে।
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': অ্যাঁ? জোয়ি ‘স্কিনি লেগস’ ট্যাগলিয়ানো? ও কি আমার সাথে হাই স্কুলে পড়ত? বাজি ধরে বলতে পারি ওটাই হবে। (হলের ভেতর গেল) জো? হ্যালো?
:---
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': উমম আমার একটু খারাপই লাগছে। আমি নিজেকে আংশিকভাবে দায়ী মনে করছি আর কি।
<hr width="50%"/>
:'''ম্যাজিক ভয়েস''': মনোযোগ দিন; বাফেট এখন পরিবেশন করা হচ্ছে।
:'''মাইক, ক্রো এবং সার্ভো''': বাফেট?!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': (দীর্ঘশ্বাস ফেলে) জানো জীবনে আর কোনোদিন আনন্দ পাব না এটা জেনেও বলছি রেড জোন কিউবা আমার ওপর খুব একটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলেনি...
:'''মাইক নেলসন''': হ্যাঁ এমনকি ক্যারল চ্যানিং সেজেও আমি এর প্রভাব থেকে বাঁচতে পারিনি...
:'''টম সার্ভো''': তো হেই! আমি জানি মন ভালো করার জন্য আমাদের কী করা উচিত! চলো একটা হাসিখুশি গান গাই! ঠিক আছে?!
:'''ক্রো টি. রোবট''': দারুণ আইডিয়া!
:'''মাইক নেলসন''': ঠিক আছে!
:'''টম সার্ভো''': শুরু করো ক্যামবট! (গাইছে) যখনই আমার কান্না পায় আর মন খারাপ হয় আমি ইস্ত্রি করার বোর্ড আর দেয়ালের কথা ভাবি আর আমার মন ভালো হয়ে যায়!
:'''ক্রো টি. রোবট''': (গাইছে) যখনই আমার খুব খারাপ লাগে আর নিজের জন্য মায়া হয় আমি কিছু আঠা আর স্ট্যাপলার নিয়ে আসি আর আমি এক ছোট পরীর মতো খুশি হয়ে যাই!
:'''মাইক নেলসন''': (গাইছে) যখনই আমি খুব গম্ভীর হয়ে যাই আর আমার আত্মার ভেতর কিছুই অবশিষ্ট থাকে না আমি টয়লেট পেপার চেক করি আর ফুরিয়ে গেলে আরেকটা রোল কিনে আনি!
:'''জিপসি''': (গাইছে) তুমি কি কোনোদিন পোস্ট-ইট নোট ছুঁয়ে দেখেছো? তুমি কি কোনোদিন বুটের দিকে তাকিয়েছো? তুমি কি কোনোদিন চেয়ারে বসেছো? তুমি কি কোনোদিন পেপার ক্লিপ ব্যবহার করেছো?
:'''ক্রো টি. রোবট''': (গাইছে) তো আমাদের পরামর্শ যদি তোমরা শোনো,
:'''টম সার্ভো''': (গাইছে) আর যদি তোমরা দারুণ অনুভব করতে চাও!
:'''জিপসি''': (গাইছে) তবে সেই কাজগুলো করো যা তোমাদের ভালো লাগে,
:'''মাইক নেলসন''': (গাইছে) আমার ইচ্ছা ছিল যদি আমি আরেকটু ক্লিয়ার করে বলতে পারতাম!
== মৌসুম ৭ ==
=== [[w:bn:নাইট অব দ্য ব্লাড বিস্ট|নাইট অব দ্য ব্লাড বিস্ট]] ===
==== একবার এক হানিমুনে (শর্ট) ====
:'''টম সার্ভো''': ওহ! মাইকেল জ্যাকসন আর লিসা মেরি প্রেসলি কতবার সেক্স করেছেন!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': (গাইছে) হিটলার আর জার্মানির জন্য বসন্ত এসে গেছে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (রিকি রিকার্ডো হিসেবে)''': লুসি আমি মরে গেছি!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': হেই এবার ওরা একদম ক্লিয়ার সিগন্যাল পাবে!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ওরা তো পুতুলের ঘরে থাকে!
:'''ক্রো টি. রোবট''': জানো ওদের উচিত দাদিকে ডেকোরেটরের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (জেফ হিসেবে)''': লিবারেসে হলে কী করত? না থাক ওটা না করাই ভালো।
:'''টম সার্ভো''': এই লোকটাকে নিয়ে ৩২টি শর্ট ফিল্মের একটি।
:'''ক্রো টি. রোবট (জেফ হিসেবে)''': দেখি তো... ‘যৌন হতাশা’ শব্দের সাথে কোন শব্দের মিল আছে?
:'''মাইক নেলসন (জেফ হিসেবে)''': একটু থামো! আমি লিফটের মিস্ত্রি! আমি গান লিখি না!
:---
:'''টম সার্ভো''': মিকি রোর্ক সাহায্য করতে এসেছেন।
:'''মেরি''': কোনো অনুপ্রেরণা পাচ্ছো না ডার্লিং?
:'''জেফ''': আজ আমি একদমই সাধারণ কোনো গানও লিখতে পারছি না।
:'''ক্রো টি. রোবট (মেরি হিসেবে)''': তুমি কেন উনাকে লিখতে চাইবে?
<hr width="50%"/>
:'''মেরি''': (গাইছে) আমার যদি আকাশে একটা প্রাসাদ থাকত...
:'''মাইক নেলসন''': (বিরক্ত হয়ে) হ্যাঁ স্রেফ চাইলেই তো আর ওটা হয়ে যাবে না!
:'''মেরি''': (গাইছে) অনেক উঁচুতে যেখানে নীল পাখিরা ওড়ে...
:'''টম সার্ভো (মেরি হিসেবে)''': (গাইছে) আমার যদি লুই নাইয়ের সাথে সেক্স করার সুযোগ থাকত...
:'''মেরি''': (গাইছে) ১০০ রুমওয়ালা এক সুন্দর ছোট প্রাসাদ...
:'''ক্রো টি. রোবট (মেরি হিসেবে)''': (গাইছে) আমাকে আর টিপার গোরের মতো ড্রেস পরতে হতো না...
:. . .
:'''মেরি''': আমি চাই...
:---
:'''মেরি''': (গাইছে) বেসিনের কলটা যেন সারাদিন টপ টপ না করে...
:'''ক্রো টি. রোবট''': লক্ষ্যটা একটু বড় করো বোন!
:---
:'''টম সার্ভো (মেরি হিসেবে)''': ওহ আমি চাই হার্ডওয়্যার হ্যাঙ্ক যেন আমার রান্নাঘরটা না বানাত!
:'''মেরি''': (গাইছে) ফ্রিজের দরজাটা যেন সবসময় বন্ধ থাকত...
:'''মাইক নেলসন (ফ্রিজ হিসেবে)''': হ্যাঁ অবশ্যই সবাই শুধু ফ্রিজেরই সমালোচনা করো।
:'''ক্রো টি. রোবট (ঘোষক হিসেবে)''': মিস বেটি ফারডেস আর উনার নতুন ওয়েস্টিনহাউস!
:'''মেরি''': (গাইছে) আমার যদি এমন একটা চুলা থাকত যার আগুন নেভেই না...
:'''ক্রো টি. রোবট''': (অস্ট্রেলিয়ান টানে) ওটা এখন খুঁজো না ওটা ২০০০ সালে পাওয়া যাবে!
:. . .
:'''মেরি''': (গাইছে) আমার বসার ঘরটা যদি আবার নতুন করে সাজানো যেত...
:'''মাইক নেলসন (মেরি হিসেবে)''': (গাইছে) একটা খবরের কাগজের মালিক হওয়া বেশ মজার হতো...
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ডার্লিং আমি হাসা থামাতে পারছি না আমি নরকে আছি!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': এদিকে উত্তর কোরিয়ায় সৈন্যরা কাদার মধ্যে মরছে...
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ওটা একটা গ্যারেজের চেয়ে বেশি সেক্সি কিছু না।
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': একটা বিছানা ওদের জন্য আর অন্যটা দাদির জন্য।
:. . .
:'''টম সার্ভো (মেরি হিসেবে)''': জেফ আর আমি রেসিং কার বেড নিতে চেয়েছিলাম কিন্তু শেষ পর্যন্ত এটাই নিলাম।
:. . .
:'''টম সার্ভো''': তো এটা এক ধরনের ওয়েস্টার্ন-প্রাচ্য-আধুনিক এক জগাখিচুড়ি অবস্থা তাই না?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (জেফ হিসেবে)''': আমি এ পর্যন্ত আসতে পেরেছি: **লা!**
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (প্রতিবেশী হিসেবে)''': উমম ডার্লিং জনসনদের ছাদে কি ওটা কোনো সমকামী পুরুষ?
:'''টম সার্ভো (মহিলা প্রতিবেশী হিসেবে)''': আমাদের ছাদের জন্যও কি একটা সমকামী পুরুষ আনা উচিত ডার্লিং?
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': (গাইছে) টাকা...
:'''জেফ''': একটু দাঁড়াও ওটা আবার করো তো!
:'''মাইক নেলসন (জেফ হিসেবে)''': হ্যাঁ ঠিক আছে। এবার তোমার স্কার্ট নাড়াও হাত পা ছড়াও আর ভ্যাকিউম ক্লিনার চালাও।
:'''জেফ''': হ্যাঁ! হ্যাঁ! কেন নয়?
:'''টম সার্ভো (জেফ হিসেবে)''': আমি কাউকে কল করছি গানটা লিখে দেওয়ার জন্য!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': (গাইছে) সবাই এখন... কুংফু ফাইটিং করছে ইয়ে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': শ্যাকিতে স্বাগতম!
:---
:'''মাইক নেলসন''': ওরে বাবা এলটন জন এখানে ছিল!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': এই সিনেমাটা ‘ইরেজারহেড’ সিনেমার পার্টনার হিসেবে খুব ভালো চলত।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (ঘোষক হিসেবে)''': পরবর্তী দৃশ্যে অশালীন যৌনতা আছে।
:'''টম সার্ভো''': একটু দাঁড়ান... ওটা আসলে কী নিয়ে ছিল?
==== নাইট অব দ্য ব্লাড বিস্ট (মূল সিনেমা) ====
:'''টম সার্ভো''': এটা সেই সময়ের কথা যখন নাসা (NASA) পরিবার ভিত্তিক ব্যবসা ছিল।
:'''ক্রো টি. রোবট (জেএফকে হিসেবে)''': এই দশক শেষ হওয়ার আগেই আমরা একটা পিকআপ ট্রাকে করে মানুষকে নিরাপদে নিয়ে আসব।
:'''টম সার্ভো''': ওরা মহাকাশ প্রজেক্টও চালায় আবার ট্রাক থেকে ভুট্টাও বিক্রি করে। দারুণ তো!
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর ওয়াইম্যান''': চামড়ায় কোনো দাগ নেই। তাপমাত্রাও স্বাভাবিক।
:'''মাইক নেলসন (ওয়াইম্যান হিসেবে)''': ঠিক আছে ওকে মরার জন্য আরেকটু সময় দাও।
<hr width="50%"/>
:'''ডেভ''': ডোনা একটু বাইরে গিয়ে স্টিভকে এখানে আসতে বলবে?
:'''টম সার্ভো (ডোনা হিসেবে)''': ঠিক আছে। স্টিইইইইইইইইভভভভভভ!
:'''মাইক নেলসন (ডেভ হিসেবে)''': ওটা তো আমিই করতে পারতাম...
<hr width="50%"/>
:'''ডেভ''': স্টিভ?
:'''মাইক নেলসন''': সবাই স্টিভ নয়!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (ডোনা হিসেবে)''': উমম তোমরা কি আমার ব্রাশটা দেখেছো?
:'''ডোনা''': স্টিভ।
:'''মাইক নেলসন (জুলি হিসেবে)''': জি?
:'''টম সার্ভো (ডক্টর ওয়াইম্যান হিসেবে)''': জি?
:'''ক্রো টি. রোবট (স্টিভ হিসেবে)''': জি?
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আর স্টিভরা সেখানে হাজির!
:'''ক্রো টি. রোবট''': স্টিভ ওয়ান তুমি ওদিকে যাও। স্টিভ টু আমার সাথে এসো!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ওহ খোদা... আমি প্রেগন্যান্ট!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (ডক্টর ওয়াইম্যান হিসেবে)''': আমি যা বলতে যাচ্ছি তা হয়তো অদ্ভুত শোনাবে কিন্তু আমার মনে হয় আমাদের এই লাশটা খেয়ে ফেলা উচিত।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': তবুও এটা ‘জুনিয়র’ সিনেমার চেয়ে অনেক ভালো।
<hr width="50%"/>
:'''ডোনা''': পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে যাচ্ছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি এগুলো উল্টো করে ধরেছি!
<hr width="50%"/>
:'''স্টিভ''': ওরা চলে গেছে।
:'''ক্রো টি. রোবট (স্টিভ হিসেবে)''': আমার বিস্কুটগুলো সব শেষ!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': স্টিভ নাম নেই এমন কাউকে বিশ্বাস করা খুব কঠিন।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমাকে কোলে তুলে নাও।
:'''টম সার্ভো''': চুপ করো।
:'''ক্রো টি. রোবট''': কোলে তুলে নাও!
:'''টম সার্ভো''': চুপ করো।
:'''ক্রো টি. রোবট''': কোলে তুলে নাও বলছি!!
:'''টম সার্ভো''': চুপ করো!
:'''ক্রো টি. রোবট''': উমমমমম...
=== [[w:bn:দ্য ব্রুট ম্যান|দ্য ব্রুট ম্যান]] ===
==== আগামী দিনের মুরগি (শর্ট) ====
:'''ক্রো টি. রোবট''': বিল ক্লিনটনের কাহিনী!
:'''টম সার্ভো''': আজকের মুরগির সাথে আগামীর মুরগির এক মরণপণ লড়াই!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': সেই সব মুরগির স্মৃতির উদ্দেশ্যে যারা মহান মুরগি যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছে।
:'''মাইক নেলসন''': একটু দাঁড়ান! নারী আর পুরুষরা মিলে আরও ভালো মুরগি বানানোর চেষ্টা করছে? এখানে কী ধরনের অসুস্থ এক্সপেরিমেন্ট চলছে ভাই?
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': এত বছর পরেও আগে মুরগি না আগে ডিম তা নিয়ে এখনও বেশ মজার বিতর্ক হয়।
:'''টম সার্ভো''': (হাসছে) না তা হয় না।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (মুরগি হিসেবে)''': বেটি তোমাকে কি ডিনারের ওপরই বসতে হবে?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (মুরগি হিসেবে)''': হুররে! আমরা ভ্রমণে যাচ্ছি! হেই আমরা কোথায় যাচ্ছি?
:'''টম সার্ভো''': মুরগিগুলোকে ওকলাহোমার শুটিং সেটে পাঠানো হচ্ছে!
:'''মাইক নেলসন (মুরগি হিসেবে)''': আমার মনে হয় সাদা পোশাকের লোকটা আমাদের আসলেও খুব পছন্দ করে সুসান। (কক কক শব্দ করল)
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': আমি আগামীর মুরগি হতে চাই কিন্তু কীভাবে আজকের দিনের সেরা মানুষ হওয়া যায়?
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': আর বড় ছোট সব খামারেই আরও ভালো মুরগির খোঁজ চলছে।
:'''টম সার্ভো''': ওই তো ওখানে! না দাঁড়ান ওখানে!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': যদি তোমরা শান্ত থাকো তবে আমি তোমাদের মিল্কিং মেশিনের সাথে লাগিয়ে দেব!
:'''বর্ণনাকারী''': অবশ্যই বড় হওয়ার আগে ওদের জন্ম হতে হবে তাই চলুন শুরু থেকে শুরু করি ইনকিউবেটরের ভেতর দিয়ে।
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': (নাক সুরে) আমি এখন ইনকিউবেটরের ভেতরে আছি...
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (ডিম হিসেবে)''': হেই আমি কি বাথরুমে যেতে পারি?
:'''টম সার্ভো (ডিম হিসেবে)''': না ভেতরেই থাকো।
:'''মাইক নেলসন (ডিম হিসেবে)''': ওহ প্লিজ। আমি কি বাড়ি যেতে পারি?
:'''টম সার্ভো (ডিম হিসেবে)''': না দরজা লক করা আছে!
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি সেই এপিসোডটা দেখেছি যেখানে ডিমগুলো খুব দ্রুত আসা শুরু করলে ও ওগুলো সব মুখে পুরে নিয়েছিল!
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': তাপমাত্রা ৯৯ ডিগ্রিতে রাখা হয় যাতে মুরগির শরীরের তাপ পাওয়া যায়।
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আর এই লোকটারও।
:. . .
:'''বর্ণনাকারী''': এই ইউনিটে ৮৫ হাজার ডিম আছে।
:'''টম সার্ভো''': আর সবার জন্য একটাই বাথরুম।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': পরিস্থিতি খুব গরম হতে যাচ্ছে!
:. . .
:'''টম সার্ভো''': মর্ক কলিং অরসন...
:'''ক্রো টি. রোবট (মুরগি ছানা হিসেবে)''': হেই আমি এখানে ঘুমানোর চেষ্টা করছি!
:. . .
:'''টম সার্ভো''': চোখটা তো রক্তবর্ণ হয়ে আছে।
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ দাঁড়ান ওটা তো আমার সিলি পুটি।
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': (গাইছে) আমি কত তৃষ্ণার্ত-- (হেঁচকি তুলল)
:. . .
:'''বর্ণনাকারী''': আর অবশেষে মুরগি ছানাটি খোলস ভেঙে বেরিয়ে আসার জন্য তৈরি।
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': চারদিকে খুব সাবধানে ডিনামাইট সাজিয়ে রাখা হয়েছে।
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': (গাইছে) এসো সবার সাথে দেখা করো-- ওহ সরি।
:. . .
:'''মাইক নেলসন''': মানুষ যখন নিজের ডেলিভারির ভিডিও করে তখন আমার খুব বিরক্ত লাগে।
:. . .
:'''টম সার্ভো''': ওটার ভেতরে কি মোজা থাকার কথা ছিল না?
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট (মুরগি ছানা হিসেবে)''': ওহ কাল রাতে আমি কী করেছিলাম?
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (মুরগি ছানা হিসেবে)''': হেই বন্ধুরা দেখো ওটাই খোদা!
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': পুরুষ আর স্ত্রী মুরগি আলাদা করা খুব কঠিন এক কাজ।
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ স্রেফ বিকৃত মস্তিষ্কের মানুষদের জন্য!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (চাষি হিসেবে)''': ওরে বাবা ও তো মিল্টন বার্লে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (কর্মী হিসেবে)''': গ্যারেজ সেল। ভালো জিনিস। বাচ্চাদের জন্য বাঁচিয়ে রাখো।
:---
:'''মাইক নেলসন (মুরগি ছানা হিসেবে)''': বেশ ভালো। জায়গাটা ছোট আর দেয়ালগুলো নিউট্রাল কালারের।
:'''টম সার্ভো (মুরগি ছানা হিসেবে)''': হাই সিন্ডি। আমি খুব খুশি যে আমি তোমার দলে আছি। খুব মজা হবে!
:'''মাইক নেলসন''': ৪০ পিস চিকেন নাগেটস প্যাক করুন!
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': কিন্তু একটু দাঁড়ান আপনি হয়তো বলছেন...
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': কেন আমি এই ফালতু জিনিসটা দেখছি?
:'''বর্ণনাকারী''': খাবার ছাড়া কি ওই ছানাগুলোকে দু-তিন দিনের ভ্রমণে পাঠানো সম্ভব?
:'''টম সার্ভো''': অবশ্যই!
:'''বর্ণনাকারী''': হ্যাঁ আসলেও সম্ভব!
:'''টম সার্ভো''': (অবাক হয়ে) ...হেই আমি তো ঠিক বলেছি।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': তবুও গতি খুব দরকার আর সে কারণেই ট্রাকের ভূমিকা অনেক।
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আমি বললাম “গতি **খুব দরকার**”!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': লোকটা মুরগি সেজে পালাচ্ছে!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': মুরগি!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (মেয়ে হিসেবে)''': তুমি কয়টার ওপর বসে আছো?
:'''ক্রো টি. রোবট (মেয়ে হিসেবে)''': এই ঈস্টারে বাবা একটু বেশিই পাগল হয়ে গেছেন।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': ইনকিউবেটর থেকে বেরোনোর পর ওদের আসল গন্তব্য...
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': ব্রডওয়ে!
:'''বর্ণনাকারী''': ...হলো ব্রুডার হাউস।
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': ফ্রাঙ্ক লয়েড রাইটের ডিজাইন করা।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': এখন থেকে ওদের জীবনের প্রধান কাজ হলো খাওয়া আর বড় হওয়া।
:'''টম সার্ভো''': (গাইছে) চিরকাল খাও আর বড় হও...
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': কয়েক দিন পর কাগজগুলো সরিয়ে ফেলা যায়।
:'''ক্রো টি. রোবট''': শুধু স্পোর্টস সেকশনটা বাদে।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': দুই তিন সপ্তাহ পর ওদের বাইরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয় যদি আবহাওয়া ভালো থাকে।
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আর যদি ওরা ওদের পড়াশোনা শেষ করে থাকে।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': থাকার জায়গাটা খুব ছোট হওয়া উচিত যাতে ১০০টার বেশি মুরগি না থাকে।
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': বা বিদেশি শ্রমিক।
:'''বর্ণনাকারী''': এই ঘর ওদের রোদ থেকে বাঁচায় আর ইঁদুরদের হাত থেকে সুরক্ষিত রাখে।
:---
:'''ক্রো, মাইক, সার্ভো (মুরগি হিসেবে)''': ইঁদুর?! **আআআআআআআঘঘঘঘঘ!!**
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (মুরগি হিসেবে)''': ওরে বাবা আমি কত মোটা হয়ে গেছি। আমি খাবারের দিকে তাকালেই আমার ওজন বেড়ে যায়।
:'''ক্রো টি. রোবট (মুরগি হিসেবে)''': তোমার কাছে কি এর স্বাদ অদ্ভুত লাগছে?
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': আপনি তো জানেন মুরগিরা কেমন হয়।
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ ওরা মনে করে সবকিছুর মালিক ওরাই।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': সেই পুরনো মুরগির ঘরের কথা মনে আছে?
:'''টম সার্ভো''': যেটাতে **ইঁদুর** ছিল?
:'''বর্ণনাকারী''': ওটা এখন একটা হোটেল... মুরগিদের হোটেল।
:'''মাইক নেলসন''': ঘণ্টা হিসেবে রুম ভাড়া পাওয়া যায়।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোাবট (মুরগি হিসেবে)''': সবাই ৩২৫ নম্বর গানটা ধরো।
:. . .
:'''টম সার্ভো (মুরগি হিসেবে)''': সবাই শোনো! সয়লেন্ট গ্রিন মুরগি দিয়ে তৈরি!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': এর কোনো মানে নেই; স্রেফ হাস্যকর!
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': যে মুরগি বছরে ২১০টি ডিম পাড়ে ও আপনার লাভের বন্ধু।
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': ও বেঁচে থাকবে।
:'''বর্ণনাকারী''': ওটাকে রেখে দিন।
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': ওটার দাম কয়েক মিলিয়ন।
:'''বর্ণনাকারী''': কিন্তু যে মুরগি বছরে মাত্র ৭০টি ডিম পাড়ে ওকে বাজারে পাঠিয়ে দিন।
:'''টম সার্ভো''': অথবা ওর ডেস্কে একটা ওয়ার্নিং লেটার পাঠিয়ে দিন।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': ...ডিম নিয়ে আরও কিছু তথ্য জানানো যাক।
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আমার গাড়িতে ডিম মারা বন্ধ করুন!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': তাই মুরগির নিচে মুখ পেতে রাখুন।
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': নিজের ডিম নিজে চাটুন বা কোনো বন্ধুকে দিয়ে চাটান।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': এই ক্যারিয়ার সিস্টেমটা খুব উন্নত। এটা দিয়ে খাবার দেওয়া যায় আবার ময়লাও পরিষ্কার করা যায়। অনেক পরিশ্রমের কাজ বাঁচিয়ে দেয়।
:'''টম সার্ভো (মুরগি হিসেবে)''': হেই বন্ধু আমাকে খাবার দাও আর আমার পটি পরিষ্কার করো!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (কর্মী হিসেবে)''': এই নিন আপনাদের স্টার্টার ডিশ ম্যাম। ড্রিঙ্কসের অর্ডার নিতে আমি এখনই আসছি।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ডিমের হিসাব খুব জটিল; এক একটার দাম অন্তত একশ ডলার হওয়া উচিত।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ওটা হলো গুফাস আর গ্যালান্ট।
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': এটা তোমার রান হতে পারত। এই নম্বরে কল করো।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি কি আমার নিজের মাংসের একটা টুকরো পেতে পারি প্লিজ?
: . . .
:'''টম সার্ভো''': (বিদ্রূপ করে) ওহ এত বেশি দেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ!
: . . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ মুরগির মাংস এক ইলেকট্রনের সমান পাতলা করে কাটা হয়েছে।
:'''টম সার্ভো''': এগুলো নিশ্চয়ই মডেলদের ডায়েট চার্ট।
:'''মাইক নেলসন (সার্ভার হিসেবে)''': এটা মিস মসের জন্য আর এটা মিস টার্লিংটনের জন্য...
: . . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ এটাই মুরগি। আমেরিকার গৌরবময় মুরগি আমেরিকান স্টাইলে কাটা হয়েছে!
:'''টম সার্ভো''': আপনি এটা মানিব্যাগের ভেতরেও রাখতে পারবেন।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': কিন্তু আপনার পকেটে টাকা তখনই আসবে যখন আপনি এই মুরগি বাজারে পাঠাবেন।
:---
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আমরা এখন বাজারে চলে এসেছি।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আহ ও তো মাতাল! ওকে দেখো।
:. . .
:---
:'''টম সার্ভো''': (মাইককে) হাত তোলো। একটা মুরগি কেন।
:'''মাইক নেলসন''': (হাত তুলল) আমি একটা চাই...
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ঠিক আছে চলো গান গাও! গান গাইছো না কেন!
:'''বর্ণনাকারী''': শত শত জ্যান্ত মুরগি এখন ড্রেসিং প্ল্যান্টের দিকে যাচ্ছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ড্রেসিং প্ল্যান্ট? শুনতে তো বেশ মজার লাগছে।
:'''টম সার্ভো''': আমি একটা নতুন টুপি চাই।
:---
:'''মাইক নেলসন''': এমনকি টেক্সাকো স্টেশনেও পাওয়া যায়।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': কোনো ড্রাইভার নেই! মুরগিরা জগত দখল করে নিয়েছে!
==== দ্য ব্রুট ম্যান (মূল সিনেমা) ====
:'''টম সার্ভো (মফিট হিসেবে)''': উমম দেখো হেলেন। ক্লাবের অন্য মেয়েরা আমাকে বলেছে তোমার এই একটানা পিয়ানো বাজানো নিয়ে কথা বলতে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (পুলিশ হিসেবে)''': (আইরিশ টানে) ঠিক আছে অনুষ্ঠান শেষ এখানে দেখার মতো কিছুই নেই। আমি আমার কাজে ফিরে যাচ্ছি...
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (মফিট হিসেবে)''': ওরা আমার ফ্রুট ব্রুট সিরিয়ালটা দিতে ভুলে গেছে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই ওটা তো কেটিএমএ (KTMA)!
<hr width="50%"/>
:'''মিস্টার হাসকিন্স''': এটা কোত্থেকে এল?
:'''জিমি''': কেউ দরজার নিচ দিয়ে গলিয়ে দিয়েছে।
:'''ক্রো টি. রোবট (জিমি হিসেবে)''': আমি খদ্দেরদের ঘৃণা করি!
:'''জিমি''': আপনার কি মনে হয় না এটা বেশ মজার? দরজার নিচ দিয়ে চিরকুট পাঠানো?
:'''মিস্টার হাসকিন্স''': না!
:'''টম সার্ভো (জিমি হিসেবে)''': ভাগো এখান থেকে!
:'''মিস্টার হাসকিন্স''': আর এটাকে রহস্য বানানোর চেষ্টা কোরো না!
:'''ক্রো টি. রোবট (জিমি হিসেবে)''': ভাগো এখান থেকে!
<hr width="50%"/>
:'''হেলেন''': হ্যাল? হ্যাল? হ্যাল?
:'''টম সার্ভো (হেলেন হিসেবে)''': দরজার লকটা খোলো হ্যাল।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আহ দেখো। “দানবীর সেক্স করেছেন।” সবসময় দানবীররাই এমন করে... রক স্টার আর দানবীর।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই বন্ধু তোমাকে এত মনমরা লাগছে কেন?
:'''মাইক নেলসন''': আরে থামো তো...
:'''ক্রো টি. রোবট''': (হাসছে) সরি আমি পারলাম না...
:'''মাইক নেলসন''': আমি তোমাকে বারণ করেছিলাম একাজ করতে!
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি জানি...
:'''টম সার্ভো''': ওটা খুব কষ্টের ছিল।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ও ঠিক করতে পারছে না ও আসলে কী—গুটিবাজ নাকি উঁকিঝুঁকি মারা লোক নাকি হাড়ভাঙা খুনি...
:'''ক্রো টি. রোবট''': আজকালকার বাজারে বহুমুখী প্রতিভা থাকা খুব জরুরি।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ! মাঝখানের রিংয়ে এখন সেই ভয়ংকর লোকটা মস্ত বড় এক কাজ করতে যাচ্ছে...
:---
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': (বিরক্ত হয়ে) এই সিনেমার নাম ‘দ্য ক্রিপার’ রাখলেই তো হতো! ‘ব্রুট ম্যান’ কেন ভাই...
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': কোনো শয়তানকে ভয় পাবেন না।
=== [[w:bn:ডেথস্টকার অ্যান্ড দ্য ওয়ারিয়র্স ফ্রম হেল|ডেথস্টকার অ্যান্ড দ্য ওয়ারিয়র্স ফ্রম হেল]] ===
:'''মাইক নেলসন''': হেই ওই আজব চিহ্নটা কোথায় গেল?
:'''টম সার্ভো''': ওহ এই লোকগুলো হলো একদম নরক থেকে আসা যোদ্ধা!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোাবট''': তো দেখি এই অদ্ভুত কথা বলার ঢং কতক্ষণ টেকে।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ভাইরে চুলের স্টাইল দেখে মনে হচ্ছে ওরা ১২০০ বছর পিছিয়ে আছে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': তো দেখি এই অদ্ভুত কথা বলার ঢং কতক্ষণ টেকে।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (মাইকেল ম্যাকডোনাল্ডের মতো চরিত্রের গলায়)''': আমরা পাবলিক প্লেসে ঝগড়া শুরু করব!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': মনে হচ্ছে আজ রাতে আবারও আমাকে একাই কাটাতে হবে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (যোদ্ধা হিসেবে)''': মারো! মারো!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওরে বাবা! ওটা তো তিতির পাখির জন্য পাতা ফাঁদ ছিল; ভাগ্য ভালো বেচে গেছে!
<hr width="50%"/>
:'''ট্রোক্সারটিস''': এর সাথে... বড় লোক হওয়ার... কোনো... সম্পর্ক... নেই।
:'''টম সার্ভো (ট্রোক্সারটিস হিসেবে)''': আমি... নিজে... স্ক্রিপ্ট... লিখেছি... আর... ওভাবেই... বলব।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওটা যাই হোক পাখির ডাক তো একদমই না।
:---
:'''টম সার্ভো (ডেথস্টকার হিসেবে)''': আমি একটা ঈগলকে বিড়ালের মতো ডাকতে শুনলাম!
<hr width="50%"/>
:'''খোরসা''': তুমি গোয়ালঘরে ঘুমাও!
:'''টম সার্ভো (ডেথস্টকার হিসেবে)''': এটা কি গোয়ালঘর না?
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (খোরসা হিসেবে)''': মাফ করবেন মিস্টার মুজ?
:'''মাইক নেলসন (যোদ্ধা হিসেবে)''': আমরা বাদুড় ম্যাম। কিঁউ কিঁউ কিঁউ।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': (গাইছে) আমরা গোল টেবিলের বীর যোদ্ধা!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ওহ না ও গ্রোভারকে দিয়ে জীন বানিয়ে ফেলেছে!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': এই সিনেমাটা খেলা অনেকটা কোনো দানব বা শত্রু ছাড়া গেম খেলার মতো।
<hr width="50%"/>
:'''ডেথস্টকার''': ...এখন ও বসে বসে মদ খাচ্ছে আর মেয়েদের পেছনে ঘুরছে।
:---
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': এটা আমাদের করা সবচেয়ে বড় বাজে সিনেমাগুলোর একটা।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (আক্রমণকারী হিসেবে)''': মনে রাখবেন ওপরের ধাপটা সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করবেন না!
:'''ক্রো টি. রোবট (আক্রমণকারী হিসেবে)''': আমরা আসলে কারা?!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': কী হচ্ছে এসব?... ও আচ্ছা... (ট্রোক্সারটিস হিসেবে) বুদ্ধিমান লোক বটে। এডিটর নিশ্চয়ই তোমার দলেই আছে!
<hr width="50%"/>
:'''মারিন্ডা''': আমি তোমাকে ভালোবাসি!
:'''টম সার্ভো''': জলদি! ক্ষতের ওপর একটা আলু চেপে ধরো!
:'''ক্রো টি. রোবট (মারিন্ডা হিসেবে)''': তুমিই আমার প্রথম... সবজি।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (মাইকেল ম্যাকডোনাল্ডের মতো চরিত্রের গলায়)''': ও তোমার পুরনো অতীত ছিল।
:'''মাইক নেলসন (ডেথস্টকার হিসেবে)''': দেখ ভাই চুপ করবি?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (সৈন্য হিসেবে)''': আমরা এখনও আমাদের আবছা লক্ষ্যের জন্য বীরত্বের সাথে লড়ছি!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ফয়েলে মুড়িয়ে ওকে বিচের বালুর নিচে কবর দেওয়া হয়েছে।
:. . .
:---
:'''টম সার্ভো (ডেথস্টকার হিসেবে)''': (ফুঁপিয়ে কাঁদছে) ফয়েলটা ভালো করে আটকে দাও... একটা কাঁটাচামচ দিয়ে ফুটো করে দাও নয়তো ওটা ফেটে যেতে পারে।
:. . .
:'''মাইক নেলসন (ডেথস্টকার হিসেবে)''': (ফুঁপিয়ে কাঁদছে) সত্যি বলতে ও মোটামুটি ভালোই ছিল।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (ব্যক্তির গলায়)''': বাদ দাও ভাই ওসব পুরনো কথা।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (ভিড়ের একজনের গলায়)''': ও চলে যাচ্ছে! আমাদের চরম কষ্টের দিন শেষ হলো!
=== [[w:bn:দ্য ইনক্রেডিবল মেল্টিং ম্যান|দ্য ইনক্রেডিবল মেল্টিং ম্যান]] ===
:'''ক্রো টি. রোবট''': মাইক এবার বলো “আমি এক জলদস্যুর জাহাজে জন্মেছিলাম।”
:'''মাইক নেলসন''': আমি এক গাদা আবর্জনার ভেতর... হেই!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': (হাসছে) “সার্ফবোর্ড নিয়ে এক গোলগাল লোক” ইন্টারন্যাশনাল।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': জর্জ হ্যামিল্টনের কাহিনী।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ভাইরে ওরা কত দ্রুত শনির কাছে পৌঁছে গেল!
:'''মাইক নেলসন''': এখন তো চারদিকে ফ্লাইওভার।
<hr width="50%"/>
:'''মহাকাশচারী''': আই.এম.ইউ. লঞ্চের জন্য তৈরি।
:'''ক্রো টি. রোবট''': তুমি মোটেও আমি নও এক কথা বারবার বোলো না!
<hr width="50%"/>
:'''লোরিং''': ওর কত সপ্তাহ চলছে?
:'''টেড নেলসন''': চৌদ্দ।
:'''টম সার্ভো (লোরিং হিসেবে)''': প্রেগন্যান্ট হওয়ার জন্য একটু বেশিই কচি মনে হচ্ছে না?
:. . .
:'''টম সার্ভো (লোরিং হিসেবে)''': তা তোমার কী মনে হয় এখানে যারা কাজ করে তারা কবে ফিরবে?
<hr width="50%"/>
:'''জেনারেল পেরি''': কী অবস্থা?
:'''টেড নেলসন''': খুব একটা ভালো না।
:'''টম সার্ভো (নেলসন হিসেবে)''': (ফিসফিস করে) আমার অফিসে একটা কালো লোক বসে আছে!
:. . .
:'''জেনারেল পেরি''': প্রায় ১৬০০ ঘণ্টার মতো... আর আশা করি তুমি তার আগেই ওকে খুঁজে পাবে।
:'''মাইক নেলসন''': ১৬০০ ঘণ্টা? তার মানে আরও পাঁচ মাস পরে?
<hr width="50%"/>
:'''টেড নেলসন''': আআদগকা!
:'''টম সার্ভো''': আহ অবশ্যই আদগকা।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (টেড হিসেবে)''': (বিরক্ত হয়ে) জেনারেল চায় আমি যেন ওই আদগকা মেল্টিং ম্যানকে খুঁজে বের করি।
:'''টেড নেলসন''': স্টিভ পালিয়ে গেছে।
:'''জুডি নেলসন''': ওহ খোদা।
:'''মাইক নেলসন (জুডি হিসেবে)''': আদগকা?
:'''জুডি নেলসন''': তুমি এখন কী করবে?
:'''ক্রো টি. রোবট (টেড হিসেবে)''': আগে আমাকে একটু ওজন কমাতে হবে।
:'''টেড নেলসন''': উমম তুমি কি বিস্কুট এনেছো? আমি কালই তোমাকে বলেছিলাম বিস্কুট লাগবে।
:'''জুডি নেলসন''': ওহ আমি ভুলেই গিয়েছিলাম। জানতাম কিছু একটা বাদ পড়েছে...
:'''টম সার্ভো (জুডি হিসেবে)''': (নিজের ওপর বিরক্ত হয়ে) আদগকা।
:'''জুডি নেলসন''': জানো ফোনের পাশে একটা প্যাড রাখা আছে তুমি চাইলে ওখানে লিখে রাখতে পারতে।
:---
:'''মাইক নেলসন''': জানো ওরা স্রেফ একটা ভুল করেছে আর অভিনেতাদের নিয়ে বাড়ি চলে গেছে।
:---
:'''টেড নেলসন''': (প্রশ্নটা এড়িয়ে গিয়ে) তো আমাদের কাছে কোনো বিস্কুট নেই?
:'''জুডি নেলসন''': টেড। স্টিভ?
:'''ক্রো টি. রোবট''': র্যাগিং বুল।
:'''টেড নেলসন''': স্টিভ?
:'''টম সার্ভো (টেড হিসেবে)''': স্টিভের কাছে বিস্কুট ছিল!
:'''টেড নেলসন''': আমাকে গিয়ে স্টিভকে খুঁজতে হবে।
:'''জুডি নেলসন''': কেন তুমি কেন যাবে?
:'''টেড নেলসন''': কারণ অন্য কেউ এ বিষয়ে কিছু জানে না।
:'''ক্রো টি. রোবট (টেড হিসেবে)''': চিপস বা পিৎজা কিছুই নেই?!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': এই লোকটা বেশ বড় মাপের কূটনীতিক।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ওরা কি স্ক্রিনে স্রেফ ‘ঐ’ লিখে দিতে পারত না?
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': তোমরা কি কেউ জানো আসলেও কি কোনো ভরসাযোগ্য মেল্টিং ম্যান আছে?
<hr width="50%"/>
:'''টেড নেলসন''': গুলি করবেন না আমি ডক্টর টেড নেলসন!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (মেল্টিং ম্যান হিসেবে)''': ওরে বাবা! টেড নেলসন না! আমার সাথে ওর কোনো সম্পর্ক নেই!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আর কী বাকি আছে শেষ করার? সবাই তো মরে ভূত!
:'''মাইক নেলসন''': এখন সিনেমাটাকে বাকি দায়ভার মেটাতে হবে।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (কর্মী হিসেবে)''': আমি ধলা চামড়ার মানুষগুলোকে কোনোদিন বুঝব না...
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': (হাসি চেপে) তা কয়টা সিনেমার শেষে এক ঝাড়ুদারকে দেখা যায় দানবকে ডাস্টবিনে ভরতে?
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': তার মানে ওরা কিছুই শেখেনি।
:'''টম সার্ভো''': একদম ঠিক।
:'''ক্রো টি. রোবট''': জানো মাইক আমি একটা জিনিস শিখেছি: ডাক্তাররা কারো তোয়াক্কা করে না।
:'''টম সার্ভো''': আমি শিখেছি ক্যালিফোর্নিয়ায় মাঝে মাঝে জ্যাকেট পরার মতো ঠান্ডা পড়ে।
:'''মাইক নেলসন''': আমি শিখেছি নিজের বাচ্চার নাম কোনোদিন ‘বার’ রাখা উচিত না।
:'''ক্রো টি. রোবট''': মাইক আমি বার নিয়ে একটা ছোট নাটক লিখেছি। শুনবে? “হাই তোমার নাম কী?” “বার।” “এই নাও আমার কোটটা ধরো। এবার বলো তোমার নাম কী?” “বার!” হি হি হি...
:'''মাইক নেলসন''': বেশ ভালো।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি নিজেকে আসলেও খুব মজার মানুষ মনে করি।
:'''টম সার্ভো''': আমি আরও শিখেছি গার্ডের সামনে কোনোদিন চিৎকার করে নিজের নাম বলা ঠিক না।
:'''মাইক নেলসন''': আমি শিখেছি আধখাওয়া মুরগির রান দিয়ে খুব একটা কড়া প্রতিবাদ জানানো যায় না।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমরা শিখেছি বাড়িতে সবসময় বিস্কুট মজুত রাখা ভালো।
:'''টম সার্ভো''': আমি শিখেছি পুলিশ অফিসারদের ভেতরে বারুদ ঠাসা থাকে।
:---
:'''মাইক নেলসন''': জোনাথন ডেম?! ধুর কার মাথাব্যথা। যাই হোক?
:'''টম সার্ভো''': উমম আবারও শিখলাম নাসাতে বড়জোর দুই তিনজন লোক কাজ করে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আর ওরা সিভিলিয়ান ডাক্তারদের হায়ার করে সব সামলানোর জন্য।
:'''টম সার্ভো''': আর কী আর কী? ওহ আমি শিখেছি নার্সরা ঠিকঠাক ইউনিফর্ম পায় না। তুমি?
:'''মাইক নেলসন''': আরও কিছু শেখার ছিল... ওহ আমরা শিখেছি কিছু বিড়াল ফ্রিজ খুলে দুধ বের করতে পারে আর মেঝের ওপর আছড়ে ফেলে সব নষ্ট করতে পারে।
:'''টম সার্ভো''': ভালো শিক্ষা।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমরা আরও শিখেছি যদি আপনি গলে যান তবে আপনি একজন ভালো দৌড়বিদ হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন।
:'''টম সার্ভো''': আমি শিখেছি কোনোদিন টেড নেলসনের মতো অলস ডাক্তারকে বিয়ে করা ঠিক না। আর ওর বাচ্চার মা হওয়া তো আরও ভুল।
:'''মাইক নেলসন''': একদম ঠিক। ওহ জানো আমি শিখেছি দরকার পড়লে আমি ‘আদগকা’ শব্দটা গালি হিসেবে ব্যবহার করতে পারি।
:'''টম সার্ভো''': আদগকা!
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি শিখেছি যদি কোনো জেনারেলকে ডিনারে ডাকো তবে মুরগির রান আর বিয়ার রেখো।
:'''টম সার্ভো''': আমরা শিখেছি আজকাল সিনেমা বানাতে আলো আর লাইটিংয়ের কোনো দরকার নেই।
:'''মাইক নেলসন''': এমনকি অভিনেতাদেরও কোনো দরকার নেই।
:'''টম সার্ভো''': আমি শিখেছি সঠিক পোশাক ছাড়া কোনোদিন শনির দিকে যাওয়া ঠিক না।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ। এখন আমি শিখছি এই সিনেমাটা মাত্র আশি মিনিটের হলেও দেখতে মনে হচ্ছে সারাজীবন কেটে গেল।
:'''টম সার্ভো''': আমি আরও শিখেছি কিছু পুলিশ অফিসার অবিবাহিত থাকে। তুমি কি তা জানতে?
:'''মাইক নেলসন''': হ্যাঁ জানতাম। আমি শিখেছি সত্তর দশকে কাউকে সুন্দর দেখানো ছিল একদম অসম্ভব।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি শিখেছি যদি দানবের হাত কেটে ফেলো তবে ও আরও শক্তিশালী হয়ে যায়।
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ। আর আমি শিখেছি যখন খুশি তখন গল্পের ভেতরে আজব সব টুইস্ট ঢুকিয়ে দেওয়া যায়। আমি ওটা জানতাম না।
:'''মাইক নেলসন''': আমরা শিখেছি যদি আপনাকে কোনো বড় সরকারি প্রজেক্ট সামলাতে দেওয়া হয় তবে আপনি কিছু না করলেও কোনো সমস্যা নেই।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ একদম ঠিক। আর আমরা শিখেছি কিছু মানুষ আঠা আর মেকআপের চরম অপব্যবহার করতে পারে।
:'''মাইক নেলসন''': ওহ আমি তোমাকে বুঝতে পারছি।
=== [[w:bn:এস্কেপ ২০০০|এস্কেপ ২০০০]] ===
:'''মাইক নেলসন''': হেই জন ম্যাডেন কেন স্যামুয়েল গোল্ডউইনের সাইন করছে?
:'''ক্রো টি. রোবট''': স্যামুয়েল গোল্ডউইন সংবিধানের জনক।
<hr width="50%"/>
:'''লাউডস্পিকার''': আপনাদের ব্রঙ্কস ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে! আমি আবারও বলছি ব্রঙ্কস ছেড়ে চলে যান!
:---
:'''মাইক নেলসন (ব্যক্তির গলায়)''': আমি আমার ব্যাগ নিতে ভুলে গেছি...!
:'''লাউডস্পিকার''': এই এলাকাকে বসবাসের অনুপযোগী ঘোষণা করা হয়েছে! শান্তিতে এলাকা ছেড়ে চলে যান!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (ব্যক্তির গলায়)''': ঠিক আছে আমি রাজি!
:'''লাউডস্পিকার''': ভয় পাওয়ার কিছু নেই! সরকার আপনাদের জন্য আধুনিক আর ভালো বিকল্প জায়গার ব্যবস্থা করেছে!
:---
:'''মাইক নেলসন''': (হাসছে)
:'''টম সার্ভো''': উমম-হুম।
:'''লাউডস্পিকার''': ব্রঙ্কস ছাড়ুন!
:'''টম সার্ভো (লাউডস্পিকার হিসেবে)''': এটা ইতালি হলেও ব্রঙ্কস ছেড়ে যান!
:'''লাউডস্পিকার''': আমি আবারও বলছি ব্রঙ্কস ছেড়ে চলে যান!
:'''মাইক নেলসন (লাউডস্পিকার হিসেবে)''': আপনিও হেনরি সিলভা।
:'''লাউডস্পিকার''': এই এলাকা ধ্বংস করা হবে!
:'''ক্রো টি. রোবট (লাউডস্পিকার হিসেবে)''': তাই আমাদের পরামর্শ হলো—
:'''সবাই''': ব্রঙ্কস ছাড়ুন!
:'''লাউডস্পিকার''': ...শান্তিতে চলে যান! ভয় পাওয়ার কিছু নেই! সরকার আপনাদের জন্য...
:'''টম সার্ভো''': তো ব্রঙ্কস ছাড়ুন।
:'''মাইক নেলসন''': স্রেফ ব্রঙ্কস ছেড়ে দিন।
:---
:'''টম সার্ভো (লাউডস্পিকার হিসেবে)''': জনসনকে ভোট দিন! জনসনকে ভোট দিন!
:. . .
:'''মাইক নেলসন''': হেই আমার রেডিও চলছিল। আমি শুনতে পাইনি... আমাদের কি ব্রঙ্কস ছাড়ার কথা?
<hr width="50%"/>
:'''লাউডস্পিকার''': পি-সিক্স এলাকা আলাদা করুন।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আর আমাদের বিঙ্গো হয়ে গেছে! দয়া করে কার্ডগুলো ধরুন।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (সৈনিক হিসেবে)''': (ভীত হয়ে) গ্যারি একটা পোকা দেখেছে! আআআআআআ!!!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (সৈনিক হিসেবে)''': দাঁড়াও আর্ল আমাকে এই সাইনটা পড়তে দাও: “ব্রঙ্কস ছাড়ুন”। ওহ ভাইরে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (কর্মীর গলায়)''': টেড আমার তো মনে হচ্ছে সবাই ব্রঙ্কস ছেড়ে চলে গেছে।
:'''টম সার্ভো''': প্রায় সবাই।
:'''মাইক নেলসন''': এই পোশাকগুলো দেওয়ার জন্য আমরা অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল কোম্পানিকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
:---
:'''মাইক নেলসন (ভিখারি হিসেবে)''': মনে হয় আমার ব্রঙ্কস ছেড়ে যাওয়াই ভালো।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (ভিখারি হিসেবে)''': আমি তো ভেবেছিলাম ওটা স্রেফ একটা পরামর্শ!
:---
:'''টম সার্ভো''': যখন মানুষের আবাসন নিয়ে কড়াকড়ি শুরু হয়!
:'''ভিখারি''': হেই হেই দাঁড়াও ভাই! ঠিক আছে আমি চলে যাচ্ছি!
:'''কর্মী''': তোমার আরও আগেই যাওয়া উচিত ছিল। খতম করো!
:'''মাইক নেলসন''': ওরে বাবা ঝাড়ুদাররা তো পাগল হয়ে গেছে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ওরা ভেতরে নাটকের রিহার্সাল দিচ্ছে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': একজন ফ্যাসিস্ট ইতালিয়ান? ধুর হতেই পারে না!!
<hr width="50%"/>
:'''মুন গ্রে''': ...আর এই জিসি কর্পোরেশন আস্ত আবর্জনা!
:---
:'''মাইক নেলসন (রিপোর্টার হিসেবে)''': এটা কি সত্যি? আপনি কি আবর্জনা?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': (হাসছে) মনে হয় ওরা ওদের গোপন ইচ্ছা এখানে ফাঁস করে দিয়েছে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (ট্র্যাশ হিসেবে)''': ধুর আমার তো ব্রঙ্কস ছেড়ে যাওয়াই উচিত ছিল!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আহ। ডেমোক্লিসের মই।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ এ পর্যন্ত ওর সবচেয়ে বড় শত্রু হলো একটা মই।
<hr width="50%"/>
:'''প্রেসিডেন্ট ক্লার্ক''': তো... তুমি ওদের দুজনকে পালিয়ে যেতে দিলে... ওই মেয়েটা আর ওই বখাটে ট্র্যাশকে।
:'''র্যাংলার''': (হাসছে) আমার তা মনে হয় না। ওরা দুজনেই... ওই... (মডেলের এক জায়গায় আঙুল দিল) ...ওখানে! (আবার অন্য জায়গায় আঙুল দিল) ...নয়তো ওখানে!
:'''টম সার্ভো''': ...ঠিক ওখানে!
:'''র্যাংলার''': তবে কোথাও না কোথাও তো আছেই!
:---
:'''প্রেসিডেন্ট ক্লার্ক''': হয়তো তুমি চাও আমি নিচে যাই... ওদের বোঝাতে... যেন ওরা ডিনামাইট দিয়ে নিজেদের উড়িয়ে দেয়?
:'''র্যাংলার''': (হাসছে) আমার তা মনে হয় না।
:'''ক্রো টি. রোবট''': তোমরা রিহার্সাল করোনি তাই না?
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (বডিগার্ড হিসেবে)''': ওরে বাবা কিসের ওপর পা দিলে তুমি!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (কর্মী হিসেবে)''': হাই! আমাদের মেরে ফেলুন!
:---
:'''টম সার্ভো (কর্মী হিসেবে)''': ধন্যবাদ!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (ডিজে হিসেবে)''': ঠিক আছে আমরা এখানে সুপারভ্যানে আছি আর আপনাদের দিচ্ছি একটা— (ভ্যানটা ফেটে গেল)
:'''টম সার্ভো (ট্র্যাশ হিসেবে)''': হেই ধুর। ওটা তো আমার ভ্যান ছিল!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ৫ নম্বর এলাকা পরিষ্কার করুন!
=== [[w:bn:লেজারব্লাস্ট|লেজারব্লাস্ট]] ===
:'''ক্রো টি. রোবট''': লেজার দিয়ে চোখের অপারেশন করানোর জঘন্য এক নাম... খদ্দেররা তো ভয়েই পালাবে।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (এলমার ফান্ডের গলায়)''': আমি মহাকাশযান শিকার করছি... হি হি হি হি।
:. . .
:---
:'''মাইক নেলসন''': এডওয়ার্ড সিডিপ্লেয়ারহ্যান্ডস।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ওহ দারুণ ই.টি. কল করেছে আমরা এসেছি আর ও এখন নেই।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ঠিক আছে এবার মুভি নম্বর **তিনে** যাওয়া যাক!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': তো সিনেমার এ পর্যন্ত সারমর্ম হলো: কেউ একজন আকাপুলকো গেছে আর কেউ একজন প্রায় তেল কিনেছে।
<hr width="50%"/>
:'''বিলি''': পাও! পা-পাও!
:'''টম সার্ভো''': এত কিছুর পর এখন বলছে “পা-পা-পাও”।
:'''মাইক নেলসন''': তোমার বয়স যখন ১১ পার হয়ে যাবে তখন আর ‘পাও’ বলা উচিত না।
:---
:'''টম সার্ভো''': মনে হচ্ছে ও কোনো অদ্ভুত নাচের মুদ্রা প্র্যাকটিস করছে।
:'''মাইক নেলসন''': ...তো এটা এমন একটা জিনিস যা তোমাকে নাচতে বাধ্য করে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ও তো জানলে অবাক হবে যে ওটা ‘পাও’ করে না বরং ‘ফুউউউউশ’ শব্দ করে!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (বিলি হিসেবে)''': হ্যাঁ... আমি মনে করি আপনি ৭৫ ডলারের বিনিময়ে আমার ভ্যানটা আসলেও খুব ভালো করে পরিষ্কার করে দেবেন!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ...তো আমরা একজনকে দেখছি যে অন্য একজনের জন্য অপেক্ষা করছে।
:'''টম সার্ভো''': এক পর্যায়ে গিয়ে এটা আর সিনেমা থাকে না!
<hr width="50%"/>
:'''ক্যাথি''': ইস বিলি... তুমি যদি আরেকটু সাধারণ হতে।
:'''মাইক নেলসন''': আরেকটু সাধারণ? ভাইরে ওটা হতে ওকে অনেক পরিশ্রম করতে হবে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': কিশোররা পুল পার্টিতে কেক খুব পছন্দ করে!
<hr width="50%"/>
:'''চাক''': ওরে বাবা। চাক কি তোমাকে ওর হট ডগটা দিতে পারে?
:'''মেয়ে''': আমি যা শুনেছি চাকি ওটা খুব একটা ‘হট’ না।
:'''ক্রো টি. রোবট (চাক হিসেবে)''': ও তো আমার সূক্ষ্ম রসিকতাটা বুঝতেই পারল না!
: . . .
:---
:'''মাইক নেলসন (চাক হিসেবে)''': এই নাও! এবার নিশ্চয়ই আমার রসিকতা ফিরিয়ে দেওয়ার আগে দুবার ভাববে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': এই সিনেমাটা আমার কাছে দুটো জিনিস বোঝায়: চাদর কেক আর পিঠের চর্বি!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ঠিক আছে চলো লিওনার্ড মাল্টিনের বইটা দেখি উমম ও এই সিনেমাকে আড়াইটা স্টার দিয়েছে... ওহ ‘মাই ফেভারিট ইয়ার’ সিনেমাটা তিন স্টার নিয়ে এর চেয়ে সামান্য ভালো।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হুহ।
:'''টম সার্ভো''': দেখো এখানে ‘হান্না অ্যান্ড হার সিস্টার্স’ স্রেফ এক স্টারের জন্য সেরা।
:'''মাইক নেলসন''': ওরে বাবা।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ দারুণ এখন ক্যামেরার ওপাশেই টায়ারে আগুন জ্বলছে!
:---
:'''মাইক নেলসন''': ঠিক আছে। উমম আহ দেখো হেই—লিওনার্ড মাল্টিন ‘মাই ডিনার উইথ আন্দ্রে’ সিনেমাকেও একই আড়াই স্টার দিয়েছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': উমম—
:'''টম সার্ভো''': (বিরক্ত হয়ে) ‘দ্য নেম অব দ্য রোজ’... এটা ওই সিনেমার চেয়েও ভালো সিনেমা! ওটা মাত্র দুই স্টার পেয়েছে!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ‘বিয়িং দেয়ার’ দুই স্টার।
:'''মাইক নেলসন''': উমম ‘লুকাস ট্যানার’ মুভিটা রিচার্ড ডোনার ডিরেক্ট করেছিলেন... আমি স্রেফ ওটা বলতে চেয়েছিলাম।
:'''টম সার্ভো''': ওহ। ভালো।
:'''মাইক নেলসন''': দেখি এখানে কী আছে...
:'''ক্রো টি. রোবট''': তার মানে আপনি বলতে চাইছেন রন মাসাক আর এডি ডিজেন নাকি রডি ম্যাকডোয়ালের চেয়েও বেশি নামী?
:'''টম সার্ভো''': দেখো মাইক ‘বার্ডম্যান অব আলকাট্রাজ’ তিন স্টার। লেজারব্লাস্টের চেয়ে মাত্র সামান্য ভালো।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওরা রডি ম্যাকডোয়ালের নামের বানান ভুল লিখেছে...
:'''টম সার্ভো''': আর কী আছে?
:'''মাইক নেলসন''': ওহ এই তো ‘ফুল মেটাল জ্যাকেট’ তিন স্টার।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হুম?
:'''টম সার্ভো''': লজ্জার ব্যাপার তাই না?
:'''মাইক নেলসন''': ওহ হেই ‘সেভেন সামুরাই’ দুই স্টার।
:'''ক্রো টি. রোবট''': (অবাক হয়ে) **কী?!**
:'''মাইক নেলসন''': আমি স্রেফ মজা করছিলাম।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ।
:'''টম সার্ভো''': আশা করি তাই।
:'''মাইক নেলসন''': এটা অনুযায়ী ‘আ ফিশ কলড ওয়ান্ডা’ নাকি লেজারব্লাস্টের মতোই ভালো সিনেমা।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ধুর...
:'''টম সার্ভো''': ‘ব্রডকাস্ট নিউজ’ ‘উইটনেস’ তিন স্টার—এর চেয়ে সামান্য ভালো।
:'''মাইক নেলসন''': উমম-হুম।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ‘ডিনার’ সিনেমার ক্ষেত্রেও একই কথা।
:'''মাইক নেলসন''': হ্যাঁ হুম। ওহ এই তো—এটা নাকি ‘ইন্ডিয়ানা জোনস অ্যান্ড দ্য টেম্পল অব ডুম’ সিনেমার চেয়েও ভালো।
:'''ক্রো টি. রোবট''': উমম ওটা হতে পারে...
:'''টম সার্ভো''': আর ‘লাস্ট ক্রুসেড’ এর সমান—আড়াই স্টার।
:'''মাইক নেলসন''': ওহ। আর তবুও: ‘ব্লেম ইট অন দ্য বেলবয়’... চার স্টার।
:'''টম সার্ভো''': (বিশ্বাস করতে পারছে না) **কোথায়?!**
:'''ক্রো টি. রোবট''': (অবাক হয়ে) কী?
:'''মাইক নেলসন''': না আমি মজা করছি।
:'''টম সার্ভো''': ওহ আপনি... আপনি... ধুর...
:'''মাইক নেলসন''': তো কিম মিলফোর্ডের ওই তেলচিটচিটে অভিনয় নাকি ‘আমাডেয়াস’ সিনেমায় এফ. মারে আব্রাহামের সেই অনবদ্য অভিনয়ের মতোই ভালো।
:'''ক্রো টি. রোবট''': লিওনার্ড মাল্টিনের মতে তাই মাইক।
:'''টম সার্ভো''': ‘বাগদাদ ক্যাফে’ দুর্দান্ত এক কমেডি—ওটাও লেজারব্লাস্টের চেয়ে ভালো না।
:'''মাইক নেলসন''': এবার আসল কঠিন জায়গায় আসি—‘হ্যারি অ্যান্ড দ্য হেন্ডারসনস’ নাকি লেজারব্লাস্টের মতোই ভালো।
:'''ক্রো টি. রোবট''': কারসন ম্যাককুলার্সের ক্লাসিক ‘দ্য হার্ট ইজ আ লোনলি হান্টার’—লেজারব্লাস্টের চেয়ে ভালো না।
:---
:'''মাইক নেলসন''': না না—
:'''টম সার্ভো''': উহু জন শ্লেসিঞ্জারের অস্কার জয়ী থ্রিলার ‘ম্যারাথন ম্যান’—লেজারব্লাস্টের সমান আড়াই স্টার।
:'''মাইক নেলসন''': ঠিক আছে তার মানে লরেন্স অলিভিয়ারের সেই শিউরে ওঠা অভিনয় নাকি লেজারব্লাস্টের ওই পচা পুলিশের অভিনয়ের চেয়ে ভালো না।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আবারও লিওনার্ড মাল্টিনের মতে তাই মাইক।
:'''মাইক নেলসন''': ঠিক আছে আহ—
:'''টম সার্ভো''': আহ দেখো দেখো ‘দ্য আউটল জোসি ওয়েলস’ এবং ‘আনফরগিভেন’! অস্কার জয়ী সিনেমা। ক্লিন্ট ইস্টউডের সেরা কাজ। তবে আমার মনে হয় আমরা এখন কোন দিকে যাচ্ছি তা তুমি জানো মাইক।
:'''মাইক নেলসন''': উমম হ্যাঁ...
:'''টম সার্ভো এবং মাইক''': লেজারব্লাস্টের সমান—
:'''টম সার্ভো''': আড়াই স্টার।
:'''মাইক নেলসন''': ওহ এই তো আরও কয়েকটা আছে। ‘সোফি'স চয়েস’—
:'''টম সার্ভো''': উমম-হুম।
:'''মাইক নেলসন''': উমম... এই তো একটা ‘উইলি ওঙ্কা অ্যান্ড দ্য চকলেট ফ্যাক্টরি’—
:'''টম সার্ভো''': না!
:'''মাইক নেলসন''': ‘দ্য গ্রেট স্যান্টিনি’—
:'''টম সার্ভো''': ওহ আমি ওটা বিশ্বাসই করতে পারছি না!
:'''মাইক নেলসন''': সব আড়াই স্টার।
:'''টম সার্ভো''': আড়াই স্টার।
:'''মাইক নেলসন''': একই মান।
:'''ক্রো টি. রোবট''': যেটাকে সংক্ষেপে ‘টেক্কা’ বলা হয়।
:'''মাইক নেলসন''': হ্যাঁ ‘টেক্কা’।
:'''টম সার্ভো''': (যেতে যেতে) লেজারব্লাস্টের সমান সব।
=== [[w:bn:মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০: দ্য মুভি|মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০: দ্য মুভি]] ([[w:bn:দিস আইল্যান্ড আর্থ|দিস আইল্যান্ড আর্থ]]) ===
:'''জিপসি''': সকাল হলো মাইক!
:'''মাইক নেলসন''': ওহ সকাল হলো জিপসি! আমার জন্য কী আছে আজ? (এক বিশাল হ্যামস্টারের মতো পানির নল থেকে পানি খেল)
:'''জিপসি''': অক্সিজেন আর নাইট্রোজেনের মিশ্রণ একদম সঠিক আছে। আমরা এখন দক্ষিণ মাদাগাস্কারের ওপর দিয়ে উড়ছি আর ওই চমৎকার গন্ধটা আসছে ওভেনে থাকা ল্যাম্ব রোস্ট থেকে।
:'''মাইক নেলসন''': আর মিষ্টি আলু?
:'''জিপসি''': অবশ্যই! ওহ আর আমি আজকের আবহাওয়ার খবর সংগ্রহ করেছি! এই নাও হার্ড কপি! (দৈনিক সংবাদপত্রটা দিল) কাবস আবার হেরেছে।
:'''টম সার্ভো''': ডাম-ডা-ডাম-ডাম-ডাম... ওহ হ্যালো মাইক! আজ স্যাটেলাইট অব লাভ-এ সব ঠিকঠাক চলছে তো? কোনো বিপদ বা ভয়ংকর ঘটনা নেই তো?
:'''মাইক নেলসন''': না টম। সবকিছু স্বাভাবিক মনে হচ্ছে।
:'''টম সার্ভো''': আহ নামমাত্র! ভালো! ভালো! তো আমার মনে হয় তুমি ওই ছন্দময় শব্দের আওয়াজ নিয়ে একদমই চিন্তিত নও?
:'''মাইক নেলসন''': হ্যাঁ ওটা কিসের আওয়াজ?
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ **ওটা কী** বলো তো? আমি একজন অত্যন্ত উন্নত রোবট মাইক আর আমি তোমাকে বলছি তোমার মোটেও এটা শোনার কথা না। কিছু একটা থেকে এই আওয়াজটা হচ্ছে মাইক। এখন চলো চিন্তা করি... আমি এখানে তুমি এখানে জিপসি এখানে...
:'''মাইক নেলসন''': ঠিক আছে টম। ক্রো কোথায়?
:'''টম সার্ভো''': **ক্রো কোথায়?** হুহ। আমার কিছু বলা বারণ আছে কিন্তু আমি দেখলাম ওই লোকটা হাতে একটা কুড়াল নিয়ে বেজমেন্টের দিকে যাচ্ছে!
:'''মাইক নেলসন''': (সতর্ক হয়ে) জিপসি হলুদ সংকেত জারি করো! আমাদের ওকে আটকাতে হবে!
:'''জিপসি''': বুঝেছি! (বিজ্ঞাপনের অ্যালার্ম বাজল)
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': (গান গাইছে) টিপারেরি যাওয়ার পথ অনেক দূর... অনেক দূর... (কুড়াল দিয়ে আঘাত করল) সেই মিষ্টি মেয়েটির কাছে যাকে আমি চিনি...! বিদায় নোয়া বিরিকে... হ্যালো হ্যারল্ড লয়েড...!
:'''মাইক নেলসন''': ক্রো!
:'''ক্রো টি. রোবট''': অ্যাঁ?
:'''মাইক নেলসন''': ক্রো শোনো তোমাকে থামতে হবে!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ! হাই মাইক! আমি সেরা জায়গাটা খুঁজে পেয়েছি! একবার যদি এই দেওয়ালটা ফুটো করতে পারি তবে আমরা সরাসরি সুড়ঙ্গ খুঁড়ে পৃথিবীতে পৌঁছে যাব!
:'''টম সার্ভো''': (উড়ে এল) ক্রো তুমি একটা গাধা! তুমি মহাকাশের ভেতর দিয়ে সুড়ঙ্গ খুঁড়তে পারো না!
:'''ক্রো টি. রোবট''': এসো এসো ছেলেরা! আমাদের সুযোগ পেলেই শত্রুকে নাজেহাল করতে হবে! (গান গাইছে)
:'''মাইক নেলসন''': ক্রো না! তুমি হাল ফেটে ফেলবে!
:---
:'''মাইক নেলসন''': (পড়ে যাওয়া থেকে বাঁচতে কিছু একটা ধরল) ওরে বাবা! ক্রোওওওওওওওওওও!!!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওরে বাবা আমি এটা ভাবিনি!
:'''টম সার্ভো''': সর্বোচ্চ গতিতে... থ্রাস্টার ঠিক করো... স্থির হও! এই তো হয়ে যাবে— (গর্তের দিকে টেনে নিয়ে গেল) ওরে বাবাআআআআআআআআ!!!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': ভাইরে খুব গোলমেলে অবস্থা! মাইক তুমি কি আমার হিসেবটা একটু দেবে?
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': ধন্যবাদ! ওরে বাবা দেখো এখানে লেখা আছে: **“হাল ফাটলে - সবাই মরবে”**! আমি তো নিচে দাগও দিয়ে রেখেছি! হা!
:---
:'''টম সার্ভো''': (চিৎকার করে) ওরে বাবাআআআআআআআ! ওহ! ওহ! আমি মরতে চাই না! ওহহহ! মা! মা! আআআআআআআ! আমি তোমাকে ভালোবাসি মাইইইইইইইইইককককককক! আআআআআআআআআআআ!!!!!
:---
:'''মাইক নেলসন''': সার্ভো!
:---
:'''মাইক নেলসন''': সাবাশ সার্ভো!
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি আর ওমন করব না!
:. . .
:'''টম সার্ভো''': হেই আমি এক অদ্ভুত অনুভূতি পাচ্ছি আর সত্যি বলতে... আমি ওটা **খুব পছন্দ** করছি!
:'''মাইক নেলসন''': এবার শোনো ক্রো আমি তোমাকে বলেছি: আর কোনো পালানোর চেষ্টা করবে না।
:'''ক্রো টি. রোবট''': বিশ্বাস করো মাইক আমি হিসেব করেছিলাম যে এটার সফল হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু আর আমার গাধামি করার সম্ভাবনা কতটুকু... আর আমি এগিয়ে গিয়েছিলাম।
:'''মাইক নেলসন''': এই নাও। (সার্ভোকে গর্ত থেকে তুলে ক্রোর হেলমেটটা ওখানে গুঁজে দিল)
:'''টম সার্ভো''': (মন খারাপ করে) ধুর ছাই!
:---
:'''জিপসি''': সময় হয়ে গেছে! ডক্টর এফ ডাকছেন!
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': আহ! মাইক! **রোবটরা!** আমি আজ খুব অশুভ অনুভব করছি কারণ আজকের এক্সপেরিমেন্ট হলো খুব বাজে একটা সিনেমা ‘দিস আইল্যান্ড আর্থ’! এই বাজে সিনেমার পর তোমরা নিশ্চয়ই আমার কাছে নতি স্বীকার করবে! ভালো কথা আমার তো মনে পড়ছে না যে তোমরা ইদানীং আমার কাছে নতি স্বীকার করেছো!
:'''মাইক নেলসন''': উমম অবশ্যই করেছি! গত সপ্তাহে!
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': না না না। ওটা স্রেফ একটু মাথা ঝোঁকানো ছিল। তো কেন আমরা সবাই এখন নতি স্বীকার করব না... **এখনই?!** (লাইফ সাপোর্ট সিস্টেম বন্ধ করে দিল)
:'''মাইক নেলসন''': দেখো আমি বুঝতে পারছি না তুমি কেন আমাদের— (দম বন্ধ হয়ে আসছে)
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': (আতঙ্কে) নতি স্বীকার করছি স্যার!
:'''টম সার্ভো''': (বিড়বিড় করছে)
:---
:'''মাইক নেলসন''': ঠিক আছে ডক্টর ফরেস্টার! ওরে বাবা!
:'''ক্রো টি. রোবট''': কত অভদ্র এক লোক!
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': যাক যখন একটু মজা হলোই তখন তৈরি হও... ওহ তবে এক্সপেরিমেন্ট শুরু করার আগে উমম... তোমরা কি... মানে... সেরে নিয়েছো?
:'''মাইক, ক্রো, সার্ভো''': (ম্লান স্বরে) হ্যাঁ...
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': কারণ আমি মাঝপথে সিনেমা থামাতে চাই না... মানে... বাথরুমে যাওয়ার জন্য?
:'''মাইক, ক্রো, সার্ভো''': থামাতে হবে না...
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': তবে তৈরি হও ‘দিস আইল্যান্ড আর্থ’ এর জন্য! (লিভার টেনে দিল)
:---
:'''মাইক নেলসন''': ওহ! মুভি সাইন এসে গেছে!
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': ...দাঁড়াও সাহায্য চাই! আন্টি এম! সারপ্রাইজ! ইন্টারোসিটর কার কাছে নেই তোমরা একদল গাধার দল? এবার থিয়েটারে ফিরে যাও গাধারা! আর মনে রেখো: আমি জানি তোমরা কে আর আমি সব দেখেছি। এবার বিদায় হও! (ইন্টারোসিটর থেকে লেজার দিয়ে মারল) আমিই ঈশ্বর... আমিই ঈশ্বর!!
==== দিস আইল্যান্ড আর্থ (মূল সিনেমা) ====
:'''ক্রো টি. রোবট''': পৃথিবীর দেখা সেরা আবহাওয়া আজই মনে হচ্ছে!
:'''মাইক নেলসন''': খেয়াল করেছো জাপান কত বড় দেখাচ্ছে?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ ক্রেডিটের ওপর কে হাঁচি দিল?
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ইউনিভার্সাল হওয়া মানেই কি ওটা ইন্টারন্যাশনাল হওয়া নয়?
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': যদি দামটা ঠিকঠাক থাকে তবে এই দ্বীপটা তোমার হতে পারে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ভাইরে মহাবিশ্ব তো খুব দ্রুত চলছে!
:'''টম সার্ভো''': হেই ওই তো বৃষ রাশি!
:'''মাইক নেলসন''': আর ওটা হলো গু-রাশি।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ দেখো ওরিয়ন দেউলিয়া হয়ে গেছে।
:'''টম সার্ভো''': শ্যাটনার শ্যাটনার শ্যাটনার... না ও এই সিনেমায় নেই আমরা বেঁচে গেছি!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ক্যালিফোর্নিয়ায় থাকলে অবশ্যই সুন্দর জায়গাগুলো ঘুরে দেখবেন...
:---
:'''টম সার্ভো''': ...ওহ।
:'''ক্রো টি. রোবট (গলফ ঘোষক হিসেবে)''': রাজধানী যাওয়ার পথে অনেক বড় এক বাধা।
:'''মাইক নেলসন''': ওয়াশিংটনল্যান্ড ডিজনির নতুন থিম পার্ক!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই! দেখা যাচ্ছে কাবসরা আবার হারছে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ওরে বাবা চারদিকে ফুটবল টিমের খেলোয়াড়রা শুয়ে আছে!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (মিচাম হিসেবে)''': হুট করে আমার রিফ্রেশিং মিন্ট ফ্লেভার মনে হচ্ছে।
:'''টম সার্ভো''': এয়ারফোর্সে এলএসডি টেস্টের শুরুর দিনগুলো।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': উইনি মোবাইলে চলো! উইনি ম্যান বিদায়!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ওহ হ্যাঁ। এটা সেই সময় যখন বিজ্ঞানের কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য থাকার দরকার ছিল না।
:'''ডক্টর মিচাম''': সিলিন্ডার নামাচ্ছি।
:'''টম সার্ভো (মিচাম হিসেবে)''': নাস্তার বিস্কুট ঢোকাচ্ছি।
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': (গম্ভীর স্বরে) সরকারের গোপন ডিম প্রজেক্ট।
:'''টম সার্ভো (মিচাম হিসেবে)''': ডক্টর জেমাইমার সাথে যোগাযোগ করো!
:'''মাইক নেলসন (মিচাম হিসেবে)''': খোদা আমি ব্লুবেরি ফ্লেভারটা খুব পছন্দ করি।
:---
:'''ডক্টর মিচাম''': রিঅ্যাকশন স্পিড বাড়াও।
:'''টম সার্ভো (মিচাম হিসেবে)''': সিরাপ গরম করা শুরু করো!
:'''মাইক নেলসন (মিচাম হিসেবে)''': ইয়াম্মি!
:---
:'''ডক্টর মিচাম''': রেডিওঅ্যাক্টিভ ক্ষয়ের মাত্রা চেক করো।
:'''ক্রো টি. রোবট (মিচাম হিসেবে)''': ফ্ল্যাশ গর্ডনের মতো শব্দ বাড়াও আর চারদিকে বিজ্ঞানীদের জিনিসপত্র ছড়িয়ে দাও।
: . . .
:---
:'''মাইক নেলসন (মিচাম হিসেবে)''': ওহ খোদা! আমার ওয়াফেল! কী ভয়ংকর ট্র্যাজেডি!
:---
:'''মাইক নেলসন''': ভাজা আলু তৈরি!
<hr width="50%"/>
:'''জো''': এটা আমার বউয়ের কাজে আসতে পারত।
:'''ক্রো টি. রোবট''': একজন পুরুষ?
<hr width="50%"/>
:'''মিচাম''': এটা কাগজ না। এটা এক ধরনের ধাতু।
:'''ক্রো টি. রোবট (জো হিসেবে)''': না স্যার। ওটা কাগজই!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': প্যাক খোলার আগেই— **ধুর!**
<hr width="50%"/>
:'''মিচাম''': এখানে ২৪৮৬টি পার্টস আছে।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (জো হিসেবে)''': উমম ২৪৮৫টি স্যার! (মড়মড় শব্দ করল)
:---
<hr width="50%"/>
:'''জো''': কোথা থেকে শুরু করব?
:'''মিচাম''': ঠিক এখান থেকে। (নকশার এক আজব চিহ্নে আঙুল দিল)
:'''মাইক নেলসন (মিচাম হিসেবে)''': ভাঁড়ের ওই আজব মুখ থেকে!
<hr width="50%"/>
:'''জো''': তুমি জানো আমার বাচ্চারা কী বলবে...
:'''টম সার্ভো''': “আপনি আমার আসল বাবা নন!”
:'''জো''': “এই জটিল পাইপগুলো দেখো!”
:'''মিচাম''': ওটা প্লাগে দাও জো।
:'''মাইক নেলসন''': ওর তো কোনো বাচ্চাই নেই। বেচারা জো।
<hr width="50%"/>
:'''এক্সেটার''': আমার নাম এক্সেটার।
:'''মাইক নেলসন (এক্সেটার হিসেবে)''': ডাগ এক্সেটার।
<hr width="50%"/>
:'''এক্সেটার''': দয়া করে সরে দাঁড়ান। আপনিও ডক্টর উইলসন।
:'''টম সার্ভো (এক্সেটার হিসেবে)''': না আরেকটু ডেঞ্জার জোনের দিকে যান প্লিজ!
:'''ক্রো টি. রোবট (এক্সেটার হিসেবে)''': হ্যাঁ খোদা আমি কত ভালো!
:---
:'''টম সার্ভো (মিচাম হিসেবে)''': ওহ খোদা আমি ইস্ত্রিটা প্লাগেই ফেলে এসেছি!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (জো হিসেবে)''': ওহ এদিকে এসো বড় গাধা কোথাকার!
:---
:'''টম সার্ভো''': জলদি বেকিং সোডা নিয়ে এসো!
:'''মাইক নেলসন''': বাড়ির মালকিন কিন্তু খুব রাগ করবেন!
:'''টম সার্ভো (মালকিন হিসেবে)''': তোমরা কি উপরে রান্না করছো?!
:'''মাইক নেলসন''': না!
:'''টম সার্ভো (মালকিন হিসেবে)''': তোমরা কি ইন্টারোসিটর বানাচ্ছো?!
:'''মাইক নেলসন''': **না বলছি তো!**
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (মিচাম হিসেবে)''': তো আপনি যখন ফেটেই গেলেন আমাদের শ্রোতাদের জন্য কিছু কি বলবেন?
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': হেই চার্লি রিচ!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ও চুলে প্রচুর তেল মাখে।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (অ্যাডামস হিসেবে)''': ওর মাথার কথা একদম তুলবে না।
<hr width="50%"/>
:'''এক্সেটার''': ডক্টর মিচাম! শুভ সকাল!
:'''মিচাম''': শুভ সকাল।
:'''এক্সেটার''': দয়া করে ভেতরে আসুন। আপনারা দুজনেই।
:'''টম সার্ভো (এক্সেটার হিসেবে)''': আমরা খুশি যে আপনি বাডি ইবসেন সোসাইটিতে যোগ দিয়েছেন!
<hr width="50%"/>
:'''মিচাম''': আমি যা জানতে চাই তা হলো...
:'''এক্সেটার''': আমরা কে... কেন আমরা এখানে।
:'''টম সার্ভো (এক্সেটার হিসেবে)''': আর কেন আমার দেওয়ালে বার্গারের ছবি টাঙানো আছে?
<hr width="50%"/>
:'''অ্যাডামস''': সাবধানে থেকো। এক্সেটার তোমাকে তোষামোদ করতে করতে মেরেই ফেলবে।
:'''এক্সেটার''': সত্যি কথা কোনোদিন তোষামোদ হয় না ডক্টর অ্যাডামস।
:'''টম সার্ভো (এক্সেটার হিসেবে)''': আপনি খুব সুন্দরী মহিলা!
<hr width="50%"/>
:'''স্টিভ কার্লসন''': ডক্টর অ্যাডামস।
:'''রুথ''': হ্যাঁ স্টিভ?
:'''মাইক নেলসন (কার্লসন হিসেবে)''': “আর বাকি সব” বলে আমাদের কেন অপমান করা হচ্ছে?
<hr width="50%"/>
:'''মিচাম''': মোজার্ট সম্পর্কে তোমার কী মনে হয় এক্সেটার?
:'''এক্সেটার''': আমি মনোযোগ দিচ্ছিলাম না। আপনাদের কম্পোজার তো বটেই।
:'''মিচাম''': **আমাদের** কম্পোজার? উনি তো বিশ্বখ্যাত।
:'''এক্সেটার''': হ্যাঁ অবশ্যই।
:'''মাইক নেলসন (এক্সেটার হিসেবে)''': আমি এলিয়েন না।
: . . .
:'''এক্সেটার''': আগামীকাল থেকে আমরা মিচামের ওপর জোর খাটানো শুরু করব।
:'''টম সার্ভো (এক্সেটার হিসেবে)''': তারপর আমি তোমার বুকের ভেতর ডিম পেড়ে দেব—তবে আমি এলিয়েন না!
<hr width="50%"/>
:'''কার্লসন''': ওদের দুজনের কপালে ওই আজব দাগগুলো কি খেয়াল করেছো?
:'''টম সার্ভো''': (বিদ্রূপ করে) **না তো!!!**
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': তো ওরা দুপুরে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে তাও আবার কাউন্টির সবচেয়ে বড় গাড়িতে চেপে যাতে কেউ দেখতে না পায়?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': নেস আর উনার দল ক্যাপোনের আস্তানার দিকে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ আপনাদের সামনে হাজির ফ্লোক অব সিগালস।
<hr width="50%"/>
:'''এক্সেটার''': রেলিংয়ের ওপর হাত রাখুন।
:---
:'''এক্সেটার''': ওগুলো চুম্বক দেওয়া।
:'''মাইক নেলসন (এক্সেটার হিসেবে)''': আর আপনার হাত যদি লোহার হতো তবে ওটার কোনো গুরুত্ব থাকত।
<hr width="50%"/>
:'''এক্সেটার''': হয়েছে অনেক। নরমাল ভিউ।
:'''মাইক, সার্ভো এবং ক্রো''': (নাটকীয় মিউজিকের তালে গাইছে) নরমাল ভিউ। নরমাল ভিউ! নরমাল ভিউ! ন-র-মা-ল ভিউউউউউউ!
<hr width="50%'>
:'''টম সার্ভো''': এটা আবার কিসের জঘন্য গ্রহ ভাই?!
<hr width="50%"/>
:'''এক্সেটার''': রুথ! মিচাম!
:'''টম সার্ভো (এক্সেটার হিসেবে)''': আমি তোমাদের ভালোবাসি!
:'''মিচাম''': পিছিয়ে যাও এক্সেটার!
:'''এক্সেটার''': মিচাম প্লিজ! আমাকে বিশ্বাস করো!
:'''মাইক নেলসন (এক্সেটার হিসেবে)''': তুমি একটা মিউটেন্টের গু হাতে ধরে আছো!
<hr width="50%"/>
:'''এক্সেটার''': পিছিয়ে যাও। আমি আদেশ দিচ্ছি পিছিয়ে যাও!
:'''মাইক নেলসন''': অভিনয়!
:'''ক্রো টি. রোবট (এক্সেটার হিসেবে)''': যাক ভালোই হলো। আমি ভাবতেই পারছি না কী হতে পারে...
:---
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (মিউটেন্ট হিসেবে)''': ওহ আমার ওখানে খুব লাগে! ওহ আমার পিয়ানো শেখা সব জল্লায় গেল! ওহ এখন আমার বাবার কথাও মনে পড়ছে না!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (রুথ হিসেবে)''': ওহ কার্ল।
:'''টম সার্ভো (মিচাম হিসেবে)''': উমম ক্যাল।
:'''ক্রো টি. রোবট (রুথ হিসেবে)''': ... ওহ ক্যাল।
:'''রুথ''': বাড়ি...
:'''মিচাম''': খোদার শোকর ওটা এখনও ওখানেই আছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আর আমি খুশি যে আজ শুক্রবার!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': “পুতুল সামলানোর লোক”? এই সিনেমায় তো কোনো পুতুলই ছিল না!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': হেই ও তো সেই মহান রান্ডো!
:'''টম সার্ভো''': দেখুন জাদুকর রান্ডো কীভাবে স্রেফ মনের জোরে সেট বানাচ্ছে!
:'''ক্রো টি. রোবট (রান্ডো হিসেবে)''': আমাদের কি আগে কখনো দেখা হয়েছে?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': জুলি ওয়াকার: টেক্সাস রেঞ্জার।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ইস্টম্যান: ও পূর্ব থেকে এসেছে মহান রান্ডোর সাথে লড়াই করতে!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': সব অধিকার সংরক্ষিত ক্যাল্লান!
:'''ক্রো টি. রোবট (ক্লিন্ট ইস্টউড হিসেবে)''': তাই নাকি? তাহলে ওই ছোট মেয়েটার অধিকারের কী হবে?
== মৌসুম ৮ ==
=== [[w:bn:রিভেঞ্জ অব দ্য ক্রিয়েচার|রিভেঞ্জ অব দ্য ক্রিয়েচার]] ===
:'''মাইক নেলসন (জর্জ টেলর হিসেবে)''': এমন এক গ্রহ যেখানে মানুষ থেকে বানরের বিবর্তন হয়েছে?
:'''প্রফেসর বোবো''': উমম হয়তো বিষয়টা আরেকটু জটিল কিন্তু মোটামুটি এমনই আর কি।
:'''মাইক নেলসন (জর্জ টেলর হিসেবে)''': তুমি পেরেছো! শেষ পর্যন্ত তুমি পেরেছো!
:'''প্রফেসর বোবো''': (নিস্পৃহভাবে) “...আমাদের সবাইকে নরকে পাঠাও”। হ্যাঁ হ্যাঁ।
:'''মাইক নেলসন (জর্জ টেলর হিসেবে)''': এটা একটা পাগলাগারদ! এক...
:'''প্রফেসর বোবো''': ...পাগলাগারদ। **আমি জানি!**
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (গিল ম্যান হিসেবে)''': (নাটকীয় মিউজিকের তালে) এই তো আমি! আমিই সেই দানব!
:'''টম সার্ভো''': ভাইরে এস্থার উইলিয়ামস তো খুব একটা ভালোভাবে বুড়ো হননি।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': হা হা! চার্লটন হেস্টনের মাছ খোঁজার যন্ত্র।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': রকিফেলার ফাউন্ডেশনের কেউ কি ডিনামাইটের খরচ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল?
<hr width="50%"/>
:'''মিস অ্যাবট''': এবার ঘোরো নীল। ঘোরো। ঘোরো। বসো। ঠিক আছে।
:'''টম সার্ভো (মিস অ্যাবট হিসেবে)''': আর... বিবর্তিত হও।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': এই লোকটা খুব বাজে। এটাই ওর প্রথম আর শেষ সিনেমা।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (নিউ ইয়র্কারের গলায়)''': ওর কি ওটা আছে?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': সবাই এখন “শ্যাওলার জগত” প্রদর্শনী দেখতে যাচ্ছে।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ওরে বাবা! মেনগেল সামুদ্রিক গবেষণা কেন্দ্র!
<hr width="50%"/>
:'''পুলিশ ক্যাপ্টেন''': নির্দেশগুলো মনে রাখবেন। এখন থেকে প্রফেসর যা বলবেন তা-ই হবে। আপনারা উনার আদেশ মানবেন!
:'''মাইক নেলসন (পুলিশ ক্যাপ্টেন হিসেবে)''': স্টেট ইউনিভার্সিটির মাছ গবেষণা বিভাগ এখন সামরিক আইন জারি করেছে!
=== [[w:bn:দ্য লিচ ওম্যান|দ্য লিচ ওম্যান]] ===
:'''ক্রো টি. রোবট''': এটা তো একটা রোরশ্যাখ টেস্ট।
:'''মাইক নেলসন''': আমি দেখছি স্রেফ ছড়িয়ে পড়া এক গাদা কালি।
:'''টম সার্ভো''': তার মানে আপনি একজন যৌন অপরাধী।
<hr width="50%"/>
:'''মাল্লা''': যখন আমরা একা থাকব তখন আমি কথা বলব।
:'''ক্রো টি. রোবট (ডক্টর ট্যালবট হিসেবে)''': উমম আমরা তো একাই আছি। নার্স খুব একটা বুদ্ধিমান না।
<hr width=50%/>
:'''নিল ফস্টার''': মিসেস ট্যালবট আমি জানি এটা কষ্টের কিন্তু ডিভোর্সের জন্য এগুলো করতেই হয়।
:'''মাইক নেলসন (নিল হিসেবে)''': আপনাকে বিবাহিত হতে হবে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (গাইড হিসেবে)''': ঠিক আছে আজ রাতে আমরা এখানেই ক্যাম্প করব। পরের পুরানো দৃশ্যগুলো ১৮ মাইল দূরে আছে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (সিংহ হিসেবে)''': উমম... হাকুনা মাটাটা?
: . . .
:'''টম সার্ভো''': বুঝেছি — এটা তিন রুমের একটা জাপানি অ্যাপার্টমেন্ট।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (নিল হিসেবে)''': আমি এখন বুঝতে পারছি আমাদের এনগেজমেন্ট কত বড় একটা মিথ্যে ছিল। আমি সত্যি ঘেন্না পাচ্ছি— ওহ হাই ডার্লিং।
:'''স্যালি''': আমার মনে হয় না কোনো ব্যাখ্যা কাজে দেবে। তুমি কি চেষ্টা করতে চাও?
:'''টম সার্ভো (নিল হিসেবে)''': নাহ চলো বার্গার খেতে যাই।
:'''নিল''': না আমি- আমি চাই না।
:'''মাইক নেলসন (নিল হিসেবে)''': আমি তোমার জন্য গাড়িতে চুইংগাম রেখে এসেছি...
:'''নিল''': আমি টেরির সাথে ড্রিঙ্কস করছিলাম আর ওর ব্যাগগুলো ওপরে নিয়ে যাচ্ছিলাম।
:'''টম সার্ভো (নিল হিসেবে)''': ব্যাগের ভেতর এক আজব লোক ছিল আর ও আমাকে আক্রমণ করেছিল।
:'''নিল''': দেখো ওর খালার আমি খুব গুরুত্বপূর্ণ ক্লায়েন্ট আর ভালো বন্ধু! আমি ওভাবে চলে আসতে পারতাম না! এখন আজেবাজে কল্পনা কোরো না...
:'''ক্রো টি. রোবট (নিল হিসেবে)''': এটা পঞ্চাশের দশক আমি কেন এক মহিলার কাছে কৈফিয়ত দিচ্ছি? গাড়িতে ওঠো!
<hr width="50%"/>
:'''নিল''': টেরি... তুমি কি আমাকে বিয়ে করবে?
:---
:'''মাইক নেলসন (নিল হিসেবে)''': উমম উমম আমি আমার প্রশ্ন ফিরিয়ে নিচ্ছি।
:'''টেরি''': ওহ নিল — আমি পারব না।
:'''টম সার্ভো (টেরি হিসেবে)''': স্টারফ্লিট এটা করতে নিষেধ করেছে।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': দুঃখের বিষয় হলো এক্সট্রা শিল্পীদের এই গোত্রটি এখন আর পৃথিবীতে নেই।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': এই লোকটা স্রেফ আলসেমির কারণে মারা যাবে।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': এটা ঠিক ‘দ্য লুসি শো’ এর খুনি এপিসোডের মতো।
=== [[w:bn:দ্য মোল পিপল|দ্য মোল People]] ===
:'''ব্যাক্সটার''': অবশ্যই এটা সায়েন্স ফিকশন। এটা এক কল্পনা এক রূপকথা।
:'''মাইক নেলসন''': এটা এক আজব ফালতু পাগলামি।
:'''ব্যাক্সটার''': কিন্তু আমার মনে হয় আপনি যদি এই ছবিটা দেখেন আর ভাবেন তবে শেষে...
:'''ক্রো টি. রোবট''': ...আপনার খুব নোংরা মনে হবে।
:'''ব্যাক্সটার''': আপনি বুঝতে পারবেন এটা স্রেফ একটা গল্পের চেয়েও বেশি কিছু।
:'''টম সার্ভো''': এটা একটা তালগোল পাকানো গল্প।
:'''ব্যাক্সটার''': এই বিংশ শতাব্দীতে আপনার আর আমার জন্য এর একটা অর্থ আর গুরুত্ব আছে। ধন্যবাদ আর বিদায়।
:'''মাইক নেলসন''': চিনা বাদামের নাক আর খুশি থাকা মাছ।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': মাউন্ট পিনাটুবোতে কাল অগ্নুৎপাত হয়েছে আর চারদিকে সিনেমার ক্রেডিট ছিটিয়ে দিয়েছে।
<hr width="50%"/>
:'''বেন্টলি''': আমরা এখানেই ক্যাম্প করব!
:'''ক্রো টি. রোবট''': আর আমরা আমাদের কবরগুলো ওখানে খুঁড়ব!
=== [[w:bn:দ্য ডেডলি ম্যান্টিস|দ্য ডেডলি ম্যান্টিস]] ===
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি একটা অদ্ভুত অনুভূতি পেলাম; যেন লক্ষ লক্ষ বানর একসাথে চিৎকার করে উঠল আর তারপর সব চুপ হয়ে গেল।
:'''টম সার্ভো''': (ম্লান স্বরে) হ্যাঁ পৃথিবী ধ্বংস হয়ে গেছে।
:'''মাইক নেলসন''': না তার চেয়েও খারাপ; মুভি সাইন এসে গেছে!
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': প্রতিটা কাজের জন্য...
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': একজন জ্যাকসন থাকে।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': আমেরিকা আর কানাডার দীর্ঘ বর্ডারের ওপর আরও একটা রাডার সুরক্ষা দেয়...
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': কানাডা আমাদের চিরশত্রু।
:'''বর্ণনাকারী''': ... পাইন ট্রি রাডার বেড়া।
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': পাইন গাছের প্রাকৃতিক রাডার আমাদের উত্তর দিকের বর্ডার রক্ষা করে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': জানো কী? জাহান্নামে যাও গ্রিনল্যান্ড!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (মেনার্ডের লোকের গলায়)''': মেনার্ডে মাখন গলানো ছাড় চলছে!
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর নেড্রিক জ্যাকসন''': আমি ডক্টর জ্যাকসন বলছি। ... জেনারেল ফোর্ড?
:'''ক্রো টি. রোবট (জ্যাকসন হিসেবে)''': জেনারেল টেনেসি আর্নি ফোর্ড?
:'''ডক্টর নেড্রিক জ্যাকসন''': ... হ্যাঁ।
:'''টম সার্ভো (জ্যাকসন হিসেবে)''': উমম ওটা ফুটো করার চেষ্টা করুন।
:'''ডক্টর নেড্রিক জ্যাকসন''': বুঝেছি জেনারেল। অবশ্যই স্যার আমি এখনই আসছি।
:'''মাইক নেলসন (জ্যাকসন হিসেবে)''': জেনারেল আবার পায়ে মালিশ চায়।
:'''মার্জ ব্লেইন''': সব ঠিক আছে তো?
:'''ডক্টর নেড্রিক জ্যাকসন''': অবশ্যই।
:'''টম সার্ভো (জ্যাকসন হিসেবে)''': ওরা আমাকে গিফট শপে পাঠিয়ে দিয়েছে।
:'''মার্জ ব্লেইন''': পেন্টাগন থেকে তো আর প্রতিদিন কল আসে না।
:'''ক্রো টি. রোবট (জ্যাকসন হিসেবে)''': তা ঠিক!
:'''ডক্টর নেড্রিক জ্যাকসন''': খুব কৌতূহলী।
:'''মার্জ ব্লেইন''': ঠিক আছে রহস্য করো না।
:'''মাইক নেলসন (মার্জ হিসেবে)''': আমি তোমার কোটটা টাঙিয়ে রাখব আর তোমাকে ঘৃণা করব।
:'''ডক্টর নেড্রিক জ্যাকসন''': যদি বলি তবে কি গোপন রাখবে?
:'''মার্জ ব্লেইন''': কথা দিচ্ছি।
:'''ডক্টর নেড্রিক জ্যাকসন''': ওরা উত্তর মেরুতে একটা পুরনো হাড় খুঁজে পেয়েছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': মিসেস বার্ট লার।
:'''ডক্টর নেড্রিক জ্যাকসন''': পেন্টাগন জানতে চায় ওটা কার।
:'''টম সার্ভো (জ্যাকসন হিসেবে)''': ওহ আর স্পেন আমাদের আক্রমণ করেছে আর জলপরীরা আসলেও আছে। বিদায়!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': উমম এই হাড় বিশেষজ্ঞকে স্যালুট দেওয়ার কোনো দরকার নেই।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ আমার মনে হয় এই লোকটা অসম্মানজনকভাবে বরখাস্ত হওয়ার নিয়ম খুব ভালো করেই জানে।
<hr width="50%"/>
:'''জেনারেল ফোর্ড''': আমি শুরুতেই বলতে চাই যে আজেবাজে গুজব আর খবরের কাগজের হেডিং সত্ত্বেও...
:'''ক্রো টি. রোবট (ফোর্ড হিসেবে)''': আমি সমকামী নই!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (কর্নেল পার্কম্যান হিসেবে)''': কিন্তু আমার প্যান্টের ভেতর একটা পোকা আছে।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আমরা কি মহাবিশ্বের দক্ষিণ অংশে আছি?
=== [[w:bn:দ্য থিং দ্যাট কুডন্ট ডাই|দ্য থিং দ্যাট কুডন্ট ডাই]] ===
:'''মাইক নেলসন''': আজকের আবহাওয়ার খবর: মহাসাগর কালো হয়ে গেছে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': স্ট্রম থার্মন্ডের কাহিনী!
:'''মাইক নেলসন''': মরতে ‘পারেনি’ নাকি মরতে ‘চায়নি’?
:'''ক্রো টি. রোবট''': উচিত ছিল না?
<hr width="50%"/>
:'''জেসিকা''': তুমি লিন্ডার হারিয়ে যাওয়া ঘড়িটা একটা ইঁদুরের বাসায় খুঁজে পাবে।
:'''টম সার্ভো''': একটা ইঁদুরের বাসা?
:'''জেসিকা''': লিন্ডার ঘরের পাশের ওক গাছের নিচে দেখো।
:'''টম সার্ভো (জেসিকা হিসেবে)''': … মেইন স্টেটে।
:'''মাইক নেলসন''': জানেন দেশের এখন দক্ষ ইঁদুরের খুব দরকার।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (লিন্ডা হিসেবে)''': ইঁদুরগুলো নতুন কাঁচ লাগিয়ে দিয়েছে!
:'''লিন্ডা''': ওটা এখনও চলছে।
:'''টম সার্ভো (জন ক্যামেরন সোয়েজ হিসেবে)''': জন ক্যামেরন ট্রেড-র্যাট।
<hr width="50%"/>
:'''গর্ডন''': এই নাও আমি এটা তোমার জন্য পলিশ করেছি। ইঁদুরের বাসায় পেয়েছিলাম।
:'''মাইক নেলসন (গর্ডন হিসেবে)''': ওর ওখানে ছোটখাটো একটা লেদ মেশিন ছিল।
:'''টম সার্ভো (গর্ডন হিসেবে)''': আমার মনে হয় আমি সব বিষ্ঠা পরিষ্কার করে ফেলেছি।
<hr width="50%"/>
:'''ফ্লাভিয়া''': ওটা কীসের শব্দ?
:'''ক্রো টি. রোবট''': আরে ওগুলো সেই ইঁদুর যারা নাইট শিফটে কাজ করছে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': (গাইছে) আমার পিঠের বেল্টে এক বিশাল হলুদ দাগ আছে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': পুরো সিনেমাটাই আসলে এই দৃশ্যের জন্য বানানো হয়েছে।
:'''মাইক নেলসন (ঘোষক হিসেবে)''': ব্রেস্ট কাউন্সিল নিবেদন করছে।
:'''টম সার্ভো (ঘোষক হিসেবে)''': যেখানে কাজ করেন বা ব্যাংকিং করেন সেখান থেকেই স্তন সংগ্রহ করুন!
=== [[w:bn:দ্য আনডেড|দ্য আনডেড]] ===
:'''ক্রো টি. রোবট''': প্রজেকশন রুমে আগুন লেগেছে! মনে হয় আমরা মুভিটা দেখতে পারব না!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ব্যাস হয়েছে আমাদের কপালে দুঃখ আছে।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': শয়তান কাবারেট প্রিন্স।
: . . .
:'''মাইক নেলসন''': এই লোকটা কোনোদিন স্বর্গে ছিল না ওকে লোকাল থিয়েটার থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে!
: . . .
:'''টম সার্ভো''': পিটার প্যান এখন শয়তানের চ্যালা।
<hr width="50%"/>
:'''কুইন্টাস''': আমরা এক আত্মা। আমরা এক।
:'''টম সার্ভো (ফ্র্যাঙ্কলিন হিসেবে)''': জানেন জলদি ঘুমানো আর জলদি ওঠা মানুষকে স্বাস্থ্যবান আর বুদ্ধিমান করে।
:'''কুইন্টাস''': আমি যখন তোমাকে স্পর্শ করি...
:'''ক্রো টি. রোবট (কুইন্টাস হিসেবে)''': আমি নিজের কথা ভাবি। না না না দাঁড়ান।
:'''কুইন্টাস''': …আমরা এক হয়ে যাব।
:'''টম সার্ভো (কুইন্টাস হিসেবে)''': সুবিধার জন্য আমরা স্রেফ ‘আমি’ হয়ে থাকব।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': মনে হচ্ছে মধ্যযুগেও হার্ডওয়্যার হ্যাঙ্ক ছিল।
:'''মাইক নেলসন (রে স্মান্ডা হিসেবে)''': মেনার্ডে কবরের ওপর বিশাল ছাড় চলছে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': স্মলকিন মাঝে মাঝে উলঙ্গ থাকে মাইক।
:'''মাইক নেলসন''': ওহ ধুর সার্ভো!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (নাইট হিসেবে)''': আপনার গাড়িটা সাইড করুন আর আমাকে লাইসেন্স দেখান। আপনি কি জানেন আপনি কত স্পিডে চালাচ্ছিলেন?
<hr width="50%"/>
:'''নাইট''': তুমি কি আমার সাথে রসিকতা করছো কবরখোদক?
:'''স্মলকিন''': আবারও বলছি আমি বলতে পারছি না কারণ আমি পাগল।
:'''মাইক নেলসন''': কবর খুঁড়ছে আর আপনার মগজ নিয়ে খেলছে!
...
:'''ক্রো টি. রোবট (স্মলকিন হিসেবে)''': আমাকে কি একটা ‘ম্যাড ম্যাগাজিন’ দেওয়া যাবে?
:'''টম সার্ভো (স্মলকিন হিসেবে)''': আমাকে আজ রাতে ‘ম্যাড অ্যাবাউট ইউ’ দেখতে হবে!
<hr width="50%"/>
:'''শয়তান''': এই সময়ে তোমার আসাটা ছিল অনেক লম্বা এক পথের ভ্রমণ...
:'''ক্রো টি. রোবট (শয়তান হিসেবে)''': ৬৬৬ নম্বর রুট!
:'''শয়তান''': …যা ডিয়ানাকে হেলেনের সাথে বেঁধে দিয়েছিল। এটা ছিল এক জ্যান্ত মন থেকে অন্য মনে যাওয়ার পথ।
:'''মাইক নেলসন (শয়তান হিসেবে)''': …এক ঘুমন্ত দর্শকের কাছে যাওয়ার পথ।
: . . .
:'''মাইক নেলসন''': (শয়তানের হাসির সাথে) তুমি এখানে আটকে গেছো!
:'''শয়তান''': এখানেই তোমার শেষ! এখন এখানকার জীবন থেকে যতটুকু পারো আরাম আর আনন্দ খুঁজে নাও।
:'''টম সার্ভো''': (গাইছে) ওহো আরাম আর আনন্দের খবর নিয়ে এলাম!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (নাইট হিসেবে)''': সাহায্য চাই! আমাকে আক্রমণ করা হয়েছে! আমাকে মারা বন্ধ করো! ওরে বাবা! রক্ত পড়ছে! আমার পা ভেঙে গেছে মনে হয়!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': কোনো সিনেমার কী হচ্ছে না তা নিয়ে আমি এর আগে কোনোদিন এত কিছু জানতাম না।
<hr width="50%"/>
:'''কুইন্টাস''': দাঁড়াও!!
=== [[w:bn:টেরর ফ্রম দ্য ইয়ার ৫০০০|টেরর ফ্রম দ্য ইয়ার ৫০০০]] ===
:'''বিজ্ঞানী ১''': বাহ বেশ আকর্ষণীয় এক স্যাম্পল তো!
:'''ক্রো টি. রোবট''': বাহ বেশ আকর্ষণীয় সংলাপ পড়ার কায়দা তো!
:'''বিজ্ঞানী ১''': ওটা কী?
:'''বিজ্ঞানী ২''': জানি না।
:'''টম সার্ভো''': মনে রাখবেন কোনো নাটকীয় সিনেমা বানাতে হলে আসল অভিনেতাদের ব্যবহার করবেন।
<hr width="50%"/>
:'''ক্লেয়ার''': আমি ভেবেছিলাম বিজ্ঞানীরা অজানাকে জানার নেশায় থাকে।
:'''ডক্টর হেজেস''': আপনি যদি কিছু মনে না করেন তবে আমি আমার গবেষণা ল্যাবরেটরিতেই সীমাবদ্ধ রাখব।
:'''টম সার্ভো (হেজেস হিসেবে)''': আমি স্রেফ কোমর পর্যন্ত আনন্দ খুঁজে পাই বন্ধু!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': এই সব আজগুবি দৃশ্যগুলো স্রেফ জোড়াতালি দিয়ে এক সিনেমা বানানো হয়েছে।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (হেজেস হিসেবে)''': এখন কী হচ্ছে?
:'''টম সার্ভো (হেজেস হিসেবে)''': ওই অন্য লোকটা কে?
:'''ক্রো টি. রোবট (হেজেস হিসেবে)''': আমরা কোথায় যাচ্ছি?
:'''মাইক নেলসন (হেজেস হিসেবে)''': আমার পায়ের নিচে এই তরল জিনিসটা কী?
:'''টম সার্ভো (হেজেস হিসেবে)''': দিনের ওই বলটার কী হলো?
:'''ক্রো টি. রোবট''': চলো আমরা সবাই চাঁদা তুলে এই সিনেমার জন্য একটা লাইট কিনি।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': হেই ওরা টুন্সেসকে খতম করে দিয়েছে!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ও একটা মাফিয়া ক্যানারিকে মেরেছিল তাই ওকে মরতেই হতো।
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর এরলিং''': ভাবো বব। মানুষের ইতিহাসে যেকোনো নতুন জায়গায় অভিযানের প্রথম কাজটা কী ছিল?
:'''ক্রো টি. রোবট (হেজেস হিসেবে)''': গণহত্যা?
:'''মাইক নেলসন (হেজেস হিসেবে)''': দাসত্ব?
:'''টম সার্ভো (হেজেস হিসেবে)''': রোগাক্রান্ত কম্বল ছড়িয়ে দেওয়া?
<hr width="50%"/>
:'''হেজেস''': শহরে কি কোনো ভালো সিনেমা চলছে?
:'''মাইক নেলসন''': (নাক সুরে) এখন আমাদের বসে বসে লোকেদের সিনেমা দেখা দেখতে হবে? এসবের মানে কী?
:'''ক্রো টি. রোবট''': হি হি হি!
:---
:'''মাইক এবং ক্রো''': ওহ।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (ভিক্টর হিসেবে)''': আমি শহরে যাচ্ছি হিরো হতে।
:'''মাইক নেলসন''': দয়া করে ওমন জঘন্য কথা বোলো না।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': এটা সেই একই সেট যা পরে ‘দ্য এজ অব ইনোসেন্স’ সিনেমায় ব্যবহার করা হয়েছিল!
:'''ক্রো টি. রোবট''': নাকি ওটা ‘সেন্স অ্যান্ড সেন্সিবিলিটি’ ছিল?
:'''মাইক নেলসন''': আমার মনে হয় ওটা ‘বারফ্লাই’ ছিল।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ ওটাই হবে।
=== [[w:bn:দ্য শি-ক্রিয়েচার|দ্য শি-ক্রিয়েচার]] ===
:'''মাইক নেলসন''': আচ্ছা নম্বর ৭ মুভটা আসলে কী? (গ্রহটা ফেটে গেল)
:'''টম সার্ভো''': মাইক তুমি **আবারও** একটা গ্রহ উড়িয়ে দিলে! তোমার সমস্যা কী ভাই?
:'''মাইক নেলসন''': আমি তো স্রেফ বলেছিলাম একটা ছোট সমস্যার সমাধান করতে!
:'''ক্রো টি. রোাবট''': আর ওরা তা-ই করেছে! এই যে আসছেন মাইক—মহাবিশ্বের ধ্বংসকারী!
:'''টম সার্ভো''': আগুনের দেবতা আমার থেকে দূরে থাকো!
<hr width="50%"/>
:'''জনি''': আমি ওকে চিনতাম যখন ও স্রেফ মেলার পেছনে ঘুরত। যখনই আমরা কোনো শহরে যেতাম ও সেখানেই আগে থেকে অপেক্ষা করত।
:'''টম সার্ভো''': তার মানে ও মেলার দর্শনার্থী না বরং মেলার অগ্রদূত।
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর এরিকসন''': হয়তো এক কাপ কফি খেতে খেতে কথা বলা যেতে পারে।
:'''আন্দ্রেয়া''': আমার ভালোই লাগবে।
:'''টম সার্ভো (এরিকসন হিসেবে)''': আপনি কি সি কাপ নাকি ডি কাপ কফি খাবেন?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (এরিকসন হিসেবে)''': আমার প্রথম প্রশ্ন: আমি কি ‘দিস আইল্যান্ড আর্থ’ সিনেমায় সুযোগ পাব?
:'''এরিকসন''': এখন কত সাল আন্দ্রেয়া?
:'''মাইক নেলসন (এলিজাবেথ হিসেবে)''': (গাইছে) এটা বিড়ালের বছর।
:'''আন্দ্রেয়া/এলিজাবেথ''': ১৬১৮ সাল আমাদের প্রভুর জন্মবছর।
:'''টম সার্ভো (এলিজাবেথ হিসেবে)''': হার্টফোর্ড হিয়ারফোর্ড আর হ্যাম্পশায়ারে।
:'''এরিকসন''': রাজ সিংহাসনে এখন কে আছেন?
:'''আন্দ্রেয়া/এলিজাবেথ''': জেমস স্টুয়ার্ট।
:'''মাইক নেলসন (জর্জ বেইলি হিসেবে)''': একটু দাঁড়ান। আপনি পাগল আর আপনি আমাকেও পাগল করে দিচ্ছেন!
<hr width="50%"/>
:'''লমবার্ডি''': সম্মোহন দিয়ে কোনো পশুকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এমন লোক খুব একটা নেই ডক্টর। তাই না?
:'''এরিকসন''': না।
:'''লমবার্ডি''': একটা শব্দ না করেও ও আমার সব কথা শুনল।
:'''মাইক নেলসন''': কারণ ও একটা **কুকুর**!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ওরে বাবা! ডোনাল্ড ডাকের কাছে জাদুর আংটি আছে!
:...
:'''ক্রো টি. রোবট''': ফ্রোডো স্নরকেলিং করতে গেছে!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': উনার লেকচার সিরিজটা দেখুন: “হাসিই হোক আপনার পরিচয়”।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (এরিকসন হিসেবে)''': উমম ওহ ইশ আমি উমম... হুম। উমম...
:...
:'''ক্রো টি. রোবট''': ভয়? আনন্দ? ওটা আসলে কী?
:...
:'''ক্রো টি. রোবট''': হতাশা? ভালোবাসা? উল্লাস? আমাদের বলো!
:...
:'''ক্রো টি. রোবট''': উদ্বেগ? প্যাশন? ক্ষুধা? ল্যান্স বলো কী হয়েছে?
:...
:'''ক্রো টি. রোবট''': বিরক্তি? আতঙ্ক? উদাসীনতা? নাকি গ্যাস?
:...
:'''টম সার্ভো''': ঠান্ডা? উল্লসিত? মাথা ব্যথা?
:'''মাইক নেলসন''': ওর ইমোশনাল মেমোরি তো আগের দৃশ্যেই আটকে আছে।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ভাইরে সুযোগ পেলে আমি এই সিনেমাটাকে মেশিনে ফেলে গুঁড়ো করে দিতাম।
<hr width="50%"/>
:'''বোবো''': (দুর্বল স্বরে) ওহ আমার মেরুদণ্ড। ওহ...
=== [[w:bn:আই ওয়াজ অ্যা টিনেজ ওয়্যারউলফ|আই ওয়াজ অ্যা টিনেজ ওয়্যারউলফ]] ===
:'''মাইক নেলসন''': (গাইছে) আমাদের কাছে একটা সিনেমা আছে আর তাতে অভিনয় করেছে মাইকেল ল্যান্ডন...
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': আর ৩৫ বছরের হাই স্কুলের ছাত্ররা তাকিয়ে দেখছে।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (টনি হিসেবে)''': কিন্তু আমি ভেবেছিলাম আমার একটা ছোট ঝগড়া করার অধিকার আছে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি যদি একটা পোকা হতাম তবে ওই গ্রিলের ওপর আছড়ে পড়তে আমার গর্ববোধ হতো। হ্যাঁ।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (ফ্র্যাঙ্ক হিসেবে)''': (বিড়বিড় করছে) “আমি ঠিক আছি। আমার লিফটের দরকার নেই।” আমি কী ভেবেছিলাম? ওটা তো ৪৭ মাইল দূর!
:'''ক্রো টি. রোবট (ফ্র্যাঙ্ক হিসেবে)''': আমি হয়তো খুব সুস্বাদু আর চর্বিযুক্ত—যা আমি আগে কখনো ভাবিনি।
: . . .
:'''টম সার্ভো''': আমি ছিলাম এক নেকড়ে মানবের নাস্তা।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (আর্লিন হিসেবে)''': …আর আমি তোমাকে পছন্দ করি কারণ…?
:'''টনি''': সরি আর্লিন। আমি জানি না আমি কেন এমন ব্যবহার করি।
:'''ক্রো টি. রোবট (আর্লিন হিসেবে)''': কারণ তুমি একটা আস্ত গাধা?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': শুধু হেঁটে যাওয়ার সময় কি তোমার মরতে ইচ্ছা করছে? তবে এটা নিশ্চিতভাবেই একটা হাই স্কুল!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': এবার তোমার খেয়ে ফেলার পর্ব শুরু হতে যাচ্ছে!
: . . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': জুডি গারল্যান্ডের ওষুধ শেষ হয়ে গেছে।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ওরা রাতে শুটিং করতে পারেনি কারণ রাতটা মিচেলব কোম্পানি কিনে নিয়েছে।
:'''মাইক নেলসন''': আমি ভেবেছিলাম রাতটা ভালোবাসার জন্য।
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ ছিল তবে মিচেলব ওটা এখন কিনে নিয়েছে।
=== [[w:bn:দ্য জায়ান্ট স্পাইডার ইনভেশন|দ্য জায়ান্ট স্পাইডার ইনভেশন]] ===
:'''ব্যক্তি''': শেরিফ!
:'''শেরিফ''': হেই ছোট বন্ধু!
<hr width="50%"/>
:'''ওলগা''': দাঁড়াও তুমি তোমার পিঠের বেল্টটা ভুলে গেছো।
:---
:'''মাইক নেলসন''': ছিঃ ও তো গোলাপি!
:'''টম সার্ভো''': আমি জানি না কীভাবে কিন্তু আমি মনে হয় এখনই সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা হারিয়েছি!
:'''ক্রো টি. রোবট''': এগিয়ে চলো মাকড়সা! এগিয়ে চলো!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (ড্যান হিসেবে)''': ভাইরে আশা করি ওই বোমাটা আমাদের পুরনো টায়ার আর ভাঙা ফ্রিজের ওপর পড়েনি!
:. . .
:'''ড্যান''': ওটা আবার কোন আপদ ছিল?
:'''মাইক নেলসন (ড্যান হিসেবে)''': ভাইরে ওটা আমার গাধার মতো মগজটাকে গুলিয়ে দিচ্ছে!
<hr width="50%"/>
:'''সবাই''': প্যাকার্স!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': পাথরের মতো শক্ত!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আসলেও একটা বোলিং বলের ভেতরের আঙুল ঢোকানোর ফুটোর ভেতরে শুট করা হয়েছে।
:. . .
:'''মাইক নেলসন''': আর সিনেমাটা এখন চরম বিরক্তির দিকে যাচ্ছে!
:'''ক্রো টি. রোবট''': এই সিনেমাটা আমাদের ঘৃণা করে তাই না?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': একজন গোসল করা মানুষ... খোদার শোকর!
<hr width="50%"/>
:'''ইভ''': হিরে দিয়ে কাচ কাটা যায়।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ যায় তবে ওরা খুব অলস!
:---
:'''টম সার্ভো''': দুর্ভাগ্যবশত ওদের সব জানালা প্লাস্টিক আর কস্টেপ দিয়ে বানানো!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (ড্যান হিসেবে)''': আরিয়ান জাতি... শাসন করছে...
:'''ড্যান''': দেখেছো ওটা!?
:'''মাইক নেলসন (ড্যান হিসেবে)''': আমি একটা আর (R) লিখেছি!
<hr width="50%"/>
:'''ইভ''': তোমাকে দেখে মনে হচ্ছে তোমার এক গ্লাস মদ দরকার।
:'''টম সার্ভো (ইভ হিসেবে)''': আর একটা গোসল আর একটা কাজও।
:'''ড্যান''': আমি আরেকটা লাশ পেয়েছি...
:'''মাইক নেলসন (ইভ হিসেবে)''': বাহ ভালো কারণ তোমারটাও বেশ পচে গেছে।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': আমার মনে হচ্ছে দক্ষিণ দিকটা আবার জেগে উঠে উত্তর দিককে চূর্ণ বিচূণ করে দিক।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (মাকড়সা হিসেবে)''': আমরা তোমার নোংরা মোজা! আমাদের ধুয়ে ফেলো!
:'''ক্রো টি. রোবট''': বিশাল পুতুল আক্রমণ!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (মাকড়সা হিসেবে)''': দয়া করে আপনার পাইপ পরিষ্কার করার সময় আমার পায়ের কথা একটু ভাববেন!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (ভিড়ের একজনের গলায়)''': ববি সিলকে মুক্তি দাও!
:'''টম সার্ভো (ভিড়ের একজনের গলায়)''': মুমিয়াকে মুক্তি দাও!
:'''মাইক নেলসন (ভিড়ের একজনের গলায়)''': ফ্রি বিয়ার দাও!
. . .
:'''শেরিফ''': ওরা ওটাকে ধ্বংস করতে বদ্ধপরিকর!
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমরা বদ্ধপরিকর!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি কিছু বলতে চাই। এই লোকটা মরে গেছে। সমাপ্তি।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আর তবুও বিল রিবান অক্ষত অবস্থায় বেঁচে ফিরল।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': জানেন বারবারা হেল যখন অস্কার জিতেছিলেন তখন উনি এক আবেগপূর্ণ ভাষণ দিয়েছিলেন যার মূল কথা ছিল— “ভ্যাআআআআআআআআন্স!!”
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': স্রেফ তুমিই এটা করতে পারো; তুমি এক বিশাল পাহাড়ী গরিলা। তুমি বোবো—কোকোর ছেলে!
:'''বোবো''': হ্যাঁ—হ্যাঁ! এবং গোডো মোগো আর চিম-চিম-এর মহান বংশধর!
<hr width="50%"/>
:'''বোবো''': আমি তোমাকে আর পুরো গ্যালাক্সিকে বাঁচিয়ে দিয়েছি! তুমি কি গর্বিত নও?
:'''পার্ল''': তার মানে ওরা সিনেমা দেখল আর আমি ওদের সিনেমা দেখাটা দেখতে পারলাম না? বোবো আমার ওই ক্লোন শরীরটা সরাও। ব্রেইন গাই ওদের সিনেমাটা আবার পাঠাও— **আবারও!**
:'''মাইক এবং রোবটরা''': মুভি সাইন! আবারও!
=== [[w:bn:পার্টস: দ্য ক্লোনাস হরর|পার্টস: দ্য ক্লোনাস হরর]] ===
:'''ক্রো টি. রোবট''': মাইক আমার মনে হচ্ছে আমার মাথার ভেতরের কণ্ঠস্বরগুলো স্বাভাবিকের চেয়ে একটু জোরে কথা বলছে।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': সত্তর দশকের জয় হোক!
:'''ক্রো টি. রোবট''': শন ক্যাসিডিকে প্রেসিডেন্ট করা হোক!
:'''টম সার্ভো''': আমরা বিলি বিয়ার চাই!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': মনে হয় ই. ই. কামিংস এটা লিখেছেন।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ওহ আমার মনে হয় না এর শেষটা খুব সুখের হবে।
:'''মাইক নেলসন''': জানেন এই পর্যায়ে এসে যেকোনো শেষই আমাকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ বানিয়ে ছাড়বে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ডিক সার্জেন্ট। উনি কি ‘বিউইচড’ সিরিয়ালে ডিক ইয়র্কের চরিত্রে অভিনয় করেননি?
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (গাইড হিসেবে)''': এটা আইনসম্মত নয় ভদ্রলোকেরা। আপনারা এটা নিজেদের দায়িত্বে করছেন…
<hr width="50%"/>
:'''লেনা''': আমার এটা বেশ ভালো লাগে। লেখার জন্য সময় পাওয়া যায়।
:'''রিচার্ড''': লেখা?
:'''লেনা''': হ্যাঁ আমি আমার ভাবনা আর আইডিয়াগুলো লিখি।
:'''ক্রো টি. রোবট (লেনা হিসেবে)''': আমি অলরেডি একটা পোস্ট-ইট নোট ভর্তি করে ফেলেছি।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট:''' বাহ! ও তো আসলেও আগুনের ওপর বসে ছিল!
:. . .
:'''মাইক নেলসন (ডেভিড হিসেবে):''' ‘আপনার গোপনাঙ্গ আর আগুন’।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (উইনস্টন স্মিথ হিসেবে)''': কী আশ্চর্য—ইউরেশিয়ার সাথে আমাদের কোনো যুদ্ধই হচ্ছে না!
: . . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমাদের গোপন ক্লোন নোটগুলো লিখে দেওয়ার জন্য মিস টেইলরের ক্লাস ফোর-এর ছাত্রছাত্রীদের ধন্যবাদ!
: . . .
:'''মাইক নেলসন (রিচার্ড হিসেবে)''': কালো হেলিকপ্টার… রোসওয়েল… এরিয়া ৫১… ওয়াকো… কোকা-কোলার ফর্মুলা…
<hr width="50%"/>
:'''জ্যাক''': ক্লোনাস নামের যে জায়গাটার কথা তুমি বারবার বলো...
:'''টম সার্ভো (জ্যাক হিসেবে)''': ওখানে কি কোনো বার আছে?
:. . .
:'''জ্যাক''': প্রফেসর আপনি জানেন কি ওই টেপটা সব ফাঁস করে দেবে?
:'''ক্রো টি. রোবট (জ্যাক হিসেবে)''': ভালো কথা বাথরুমটা কোথায়?
<hr width="50%"/>
:'''রিক''': তুমি টেপটা সম্পর্কে জানতে তাই না?
:'''জেফ''': হ্যাঁ। তুমি কি ওটা দেখেছো?
:'''রিক''': হ্যাঁ আর ওটা খুব ভয়ংকর।
:'''ক্রো টি. রোবট (রিক হিসেবে)''': অ্যাডাম স্যান্ডলার ওই টেপের ভেতর আছে।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (পিটার গ্রেভস হিসেবে)''': “জেমস আর্নেস: কুৎসিত আর গাধা”। আজ রাতে ‘বায়োগ্রাফি’ অনুষ্ঠানে দেখুন।
=== [[w:bn:দ্য ইনক্রেডিবলি স্ট্রেঞ্জ ক্রিয়েচার্স হু স্টপড লিভিং অ্যান্ড বিকেম মিক্সড-আপ জম্বিস|দ্য ইনক্রেডিবলি স্ট্রেঞ্জ ক্রিয়েচার্স হু স্টপড লিভিং অ্যান্ড বিকেম মিক্সড-আপ জম্বিস]] ===
:'''মাইক নেলসন''': উমম তোমার কী খবর সার্ভো?
:'''টম সার্ভো''': উমম আমি “রিসার্চ আর ডেভেলপমেন্টের মাধ্যমে বাচ্চাদের সাহায্য” করার জন্য হাঁটছি।
:'''মাইক নেলসন''': ওহ হেকট্রাড (HeCTRAD)! হ্যাঁ আমি ওই গ্রুপের নাম শুনেছি। ভালো গ্রুপ।
:'''টম সার্ভো''': না আসলে ওই পুরো লাইনটাই হলো একটা সংক্ষিপ্ত রূপ মাইক। ওটার মানে হলো “হাই সবাই এসো আমরা সবাই মিলে লুইজিয়ানাতে আজ থেকে ভালো কাজ শুরু করি কেমন? এখন শোনো শয়তান বড়লোক অহংকারী কুৎসিত লোকরা খুব কষ্ট পায় যখনই কেউ মূলা গাজর আর নাস্তা খায় আর বাসন মাজে না। শেষ পর্যন্ত ভিক্টর দুপুরে পিওরিয়াতে এক অদ্ভুত পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়”।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ডেভিড সুইমারের কঙ্কাল।
:. . .
:'''টম সার্ভো''': শেভিং করার ফল এমনই হয়।
:'''মাইক নেলসন (জম্বি হিসেবে)''': আমার মুখ যদি ফেটে যায় তবে তুমি আমায় বলবে তো?
:'''টম সার্ভো''': ও এখন ঝলসানো মাংস হয়ে যাচ্ছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওটা বব ডোলের ভেতরের বাচ্চার ছবি।
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': ও তো মেলার কোনো শস্যদানা দিয়ে বানানো মূর্তি হয়ে যাচ্ছে।
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': সকালে টম পেটি যেমন দেখায়।
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': জানেন শ্যাওলা দিয়ে বেশ ভালো উইগ বানানো যায়।
:---
:'''মাইক নেলসন''': আহ সেই পুরনো আমলের দুঃস্বপ্ন।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': বাজনার তো হাঁপানি হয়েছে।
:. . .
:'''মাইক নেলসন''': লিবি কুইন উনার পা দিয়ে বাজনা বাজাচ্ছেন।
:'''টম সার্ভো''': (বিজ্ঞাপনের সুরের তালে) লিবি লিবি লিবি যদি ক্রেডিটে লেখা থাকে তবে আপনার একদমই ভালো লাগবে না...
:'''মাইক নেলসন''': বাজনাটা যেকোনো সময় ফেটে যেতে পারে।
<hr width="50%"/>
:'''জেরি''': পৃথিবীটা স্রেফ উপভোগ করার জন্য মন খারাপ করার জন্য না। কাজ মানুষকে স্রেফ হতাশ করে হ্যারল্ড—মানুষ একদম ভেঙে পড়ে।
:'''মাইক নেলসন''': ‘গুফাস আর গ্যালান্ট’ মুভি।
<hr width="50%"/>
:'''জেরি''': কলেজ কেমন চলছে?
:'''ম্যাডিসন''': ভালোই। তুমিও ট্রাই করতে পারো।
:'''জেরি''': না থাক। এই জগতটাই আমার কলেজ।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ও স্রেফ পাস করার জন্য পরীক্ষা দিচ্ছে।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': আপনি জানেন ওই ১৪ বছরের ছেলেরা যারা ফেক আইডি নিয়ে এখানে ঢুকেছে তারা আসলেও খুব ঠকেছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ।
:'''টম সার্ভো''': ‘ফেলিজ নাভিদাদ’ ড্যান্সাররা।
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': আচ্ছা এই নাচগুলো কি কামোত্তেজক হওয়ার কথা ছিল নাকি স্রেফ বিরক্তিকর?
:'''মাইক নেলসন''': উমম বিরক্তিকরভাবেই কি কামোত্তেজক ছিল?
:. . .
:'''মাইক নেলসন''': একদম নিখুঁত তাল। ওরা নাচের দুনিয়ার ব্লু এঞ্জেলস।
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ একটা পা হড়কালেই সব চুরমার হয়ে যাবে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': এতে ‘লাভের্ন আর শার্লি’র একটা ছাপ আছে।
:. . .
:'''টম সার্ভো''': ‘রিভারড্যান্স’: স্ট্রিপ শো!
:'''মাইক নেলসন''': অরেঞ্জ বোলের বিরতির অনুষ্ঠান। হতাশ করার কোনো সুযোগ ছাড়ে না।
:. . .
:'''মাইক নেলসন''': তো এটা ম্যাডেলিন অলব্রাইটের জন্য এক সম্মাননা?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': জোয়েল গ্রে ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ।
:'''টম সার্ভো''': ও কি সেই লোক যাকে ড্যানি বোনডুচ পিটিয়েছিল?
:'''মাইক নেলসন''': দেখুন ও কীভাবে হাঁটছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': নোয়াম চমস্কির উচিত ছিল আরও ভালো ওপেনিং অ্যাক্ট বেছে নেওয়া।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (ক্যারল হিসেবে)''': প্রথম ব্লেডটা তোলে আর দ্বিতীয়টা কাটে। আপনি হয়ে যান...
:'''মাইক এবং ক্রো''': চিকের মতো রূপহীন!
:'''টম সার্ভো''': এবার সবাই— শেভ করুন!
:'''ক্রো টি. রোবট''': প্রতি দুই সপ্তাহে ব্লেড বদলান!
:'''মাইক নেলসন''': কোনো দাগ বা কাটা নেই! আরাম আর সুবিধা!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': জানেন কিছু সিনেমা দেখে নিজের সিনেমা বানাতে ইচ্ছা করে? এই সিনেমা দেখে আমার নিজের জন্য সস বানাতে ইচ্ছা করছে।
<hr width="50%"/>
:'''জেরি''': ওর মা কিছুই পছন্দ করে না। বিশেষ করে আমাকে।
:'''হ্যারল্ড''': উমম তুমি যদি একটা কাজ টাজ পেতে তবে হয়তো ওনার মত বদলাত।
:'''জেরি''': (অবাক হয়ে) **কাজ?!**
:'''টম সার্ভো (জেরি হিসেবে)''': আমি একজন নামী নিউরোসার্জন!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ম্যাডিসন হলো ম্যাডিসন।
:'''ক্রো টি. রোবট''': মাতাল চরিত্রে ও নিজেই। ভিখারি চরিত্রে ও নিজেই। স্ট্রিপার চরিত্রেও সে নিজেই।
=== [[w:bn:জ্যাক ফ্রস্ট|জ্যাক ফ্রস্ট]] ===
:'''টম সার্ভো''': জ্যাক স্প্রাট কোনোদিন তুষার খেতে পারত না।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ভদ্রমহিলা ও... জিপসি! মাইকেল নেলসন হলেন... **নাচের রাজা**!
:'''জিপসি''': ওহ!... অন্যজন কি মরে গেছে?
:'''ক্রো টি. রোবট''': জানি না...
<hr width="50%"/>
:'''জিপসি''': ওহ... উমম বাহ! আচ্ছা ওই বেসিনটা আমাকে একবার দেখতে হবে তাই আমি এখন...
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': তো গল্পের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো মোজা বোনা। ভাইরে মনে হচ্ছে দারুণ এক অভিজ্ঞতার দিকে যাচ্ছি আমরা!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': নটস বেরি ফার্মে আসুন আর এই আজব বাড়িতে চড়ে বসুন।
<hr width="50%"/>
:'''পার্ল''': এখানে কী হচ্ছে এসব? ‘এভরি হুইচ ওয়ে বাট লুজ’ নাকি সেরা বানরের সিনেমা... তোমরা বানরদের সিনেমা নিয়ে কী বোঝো? সেরা বানরের সিনেমা—সবচেয়ে সেরা—হলো ‘ডানস্টন চেকস ইন’; ব্যাস এই পর্যন্তই। (স্যাটেলাইটের দিকে তাকিয়ে মাইককে না দেখে) পরের বার দেখা হবে নেলসন নতুন কষ্ট তোমার জন্য অপেক্ষা করছে!
:'''মাইক নেলসন''': উমম আমি এখানেই আছি।
:'''পার্ল''': ওহ... (ঘুরে তাকিয়ে) ...পরের বার দেখা হবে নেলসন নতুন কষ্ট তোমার জন্য অপেক্ষা করছে!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': এই নামগুলো সব রাশিয়ান ভাষায় ‘অ্যালান স্মিথি’ বোঝায়।
<hr width="50%"/>
:'''সৎ মা''': মোরগ ডাকার আগেই যেন কাজ শেষ হয় মনে থাকবে? নয়তো তোমার বিনুনি আমি ছিঁড়ে ফেলব!
:'''ক্রো টি. রোবট (নাস্তেনকা হিসেবে গাইছে)''': এম মানে হলো অনেকবার তুমি আমাকে মেরেছো... ও মানে হলো অন্যান্য সময় তুমি আমাকে মেরেছো...
<hr width="50%"/>
:'''নাস্তেনকা''': দয়া করো হে ভোরের আকাশ! দয়া করো হে উদিত সূর্য!
:'''টম সার্ভো (সূর্য হিসেবে)''': আর আপনি হলেন...?
:'''নাস্তেনকা''': এই মোজা বোনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত একটু দাঁড়ান! নয়তো আমার ওপর চরম অত্যাচার করা হবে। আমার মা বলেছে আমার বিনুনি ছিঁড়ে ফেলবে।
:'''মাইক নেলসন (সূর্য হিসেবে)''': (শব্দ করল) আমি সূর্য বলছি। আপনার কল আমাদের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু এখন অনেক বেশি কল আসার কারণে...
:---
:'''টম সার্ভো''': ওহ জগত রসাতলে গেছে—ভূমিকম্প বন্যা সব হচ্ছে—কিন্তু তাতে কী? আপনি আপনার মোজা বুনুন।
:. . .
:'''নাস্তেনকা''': ধন্যবাদ হে ভোরের আকাশ!
:'''মাইক নেলসন (মাফিয়া ডন হিসেবে)''': কোনো একদিন তোমাকে এই ঋণ শোধ করতে হবে...
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': এটা ইমারজেন্সি ব্রডকাস্ট চিকেন এর একটি পরীক্ষা।
:'''টম সার্ভো''': ভাইরে পিটার তো আজ সকালে সবাইকে অস্বীকার করে বেড়াচ্ছে।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ফ্রোডো মাতাল হয়ে প্রতিবেশীদের জ্বালাচ্ছে।
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': যদি অদৃশ্য হওয়ার লুকোচুরি খেলা অলিম্পিকে থাকত তবে ফিনল্যান্ড নির্ঘাত গোল্ড মেডেল পেত!
<hr width="50%"/>
:'''ইভান''': নাস্তেনকা!
:'''টম সার্ভো''': ওটা ছিল রোগাইন ভর্তি বালতি।
:'''ইভান''': কী হয়েছে?
:'''ক্রো টি. রোবট (ইভান হিসেবে)''': আমাকে কি সহ্য করা যাচ্ছে না?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (ইভান হিসেবে)''': ধুর পাক! এবার তুমি একটু বেশিই বাড়িয়ে ফেলেছো!
:'''ইভান''': তুমি আমার সাথে একি করলে? তুমি একি করলে ডাইনি?!
:'''মাইক নেলসন (ইভান হিসেবে)''': মাগোওও! (কান্না করে পালিয়ে গেল)
:'''টম সার্ভো (ইভান হিসেবে)''': আমাকে এখন একটা খাবারের ঝুড়ি খুঁজতে হবে!
:'''নাস্তেনকা''': ইভানুশকা!
:'''ক্রো টি. রোবট (নাস্তেনকা হিসেবে)''': আমাদের তো ক্লাবে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে!
:'''নাস্তেনকা''': ইভান সত্যি বলছি আমি তোমার সাথে কিছুই করিনি!
:'''ইভান''': (রেগে গিয়ে) আমি তোমাকে অভিশাপ দিচ্ছি! সারাজীবনের জন্য অভিশাপ দিচ্ছি ডাইনি!
:'''টম সার্ভো''': আজ রাতের বিশেষ অনুষ্ঠান: গ্রিজলি অ্যাডামস।
:'''মাইক নেলসন (নাস্তেনকা হিসেবে)''': যখনই কোনো ছেলের সাথে দেখা হয় ও হয় সমকামী নয়তো ভালুক হয়ে যায়!
<hr width="50%"/>
:'''ইভান''': আমি তোমাকে তীর দিয়ে মেরেছিলাম আর তুমি আমাকে একটা পালক দিয়ে শেষ করে দিলে!
:'''ক্রো টি. রোবট (ইভান হিসেবে)''': ভাবলে বেশ মজাই লাগে তাই না!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': কেজিবি (KGB) ওর ওপর নজর রাখছে!
<hr width="50%"/>
:'''ফাদার মাশরুম''': ঠিক আছে শোনো ভালুক মাথার ভবঘুরে: আয়নায় নিজেকে একবার তাকাও আর জিজ্ঞেস করো...
:'''টম সার্ভো (ফাদার মাশরুম হিসেবে)''': আমি কি বনের ভেতরে পটি করি?
:'''ফাদার মাশরুম''': ...তুমি কীভাবে বেঁচে ছিলে? দেখো তুমি সারাক্ষণ স্রেফ নিজেকে নিয়ে বড়াই করতে। তুমি শুধু নিজেকেই ভালোবাসতে। তুমি সবাইকে ছোট করতে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': এই কথাগুলো মনে রেখো মাইক।
:'''ফাদার মাশরুম''': নাস্তেনকার কথা ভাবো; তুমি ওর মনে কষ্ট দিয়েছো।
:'''ইভান''': আমি ওর মনে কষ্ট দিয়েছি?!
:'''ফাদার মাশরুম''': তুমি জীবনে কোনোদিন কোনো ভালো কাজ করোনি ইভান। এখন আমার পরামর্শ শোনো:
:'''মাইক নেলসন (ফাদার মাশরুম হিসেবে)''': শেভ করো!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ওরে বাবা! আমি জানতাম না যে নার্নিয়াতে এত ল্যান্ডমাইন আছে!
<hr width="50%"/>
:'''সৎ মা''': না! তুমি রাজকুমারী নও।
:'''টম সার্ভো''': ওর মুখে সেই স্বাস্থ্যকর ভাঁড়ের মতো জেল্লা আছে।
:'''মারফুশকা''': ওহ তাই নাকি?
:'''সৎ মা''': তুমি হলে এক রানী!
:'''মাইক নেলসন''': মানে তোমাকে দেখতে ফ্রেডি মার্কারির মতো লাগছে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (ভিড়ের একজনের গলায়)''': একদল ফালতু লোক ওকে লজ্জা দিচ্ছে!
. . .
:'''টম সার্ভো''': ওটা তো ছোটবেলার মাইক নেলসন!
:'''মাইক নেলসন''': (বিরক্ত হয়ে) হেই!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': মাশরুম লোকটা আমাকে আসলেও খুব বিরক্ত করছে!
<hr width="50%"/>
:'''ইভান''': দেখো কুঁজো পরী আমি দুঃখিত!
:'''পরী''': তুমি কি ভয় পাচ্ছো?
:'''ইভান''': আসলে এর আগে আমাকে কোনোদিন ওভেনের ভেতর ঠেলে দেওয়া হয়নি আর আমি কোনোদিন বেলচার ওপর বসিনি!
:'''মাইক নেলসন (ইভান হিসেবে)''': ...অন্তত চ্যাপ্টা অংশটাতে নয়।
<hr width="50%"/>
:'''পরী''': এক দ্রুতগামী স্লেজ গাড়ি যা তুষারের ওপর দিয়ে ভেসে চলবে; বাতাসের মতো গতিতে ও নিজে থেকেই নাস্তেনকার কাছে পৌঁছে যাবে।
:'''টম সার্ভো''': ও ওটাকে ড্রাইভ মোডে রেখে দিয়েছে।
:'''পরী''': (হাসছে) আমার ভেড়ার পশমের কোটটার ওপর নজর রেখো ওটা প্রায় নতুন! ওটা আমার কাছে ফেরত আনতে ভুলো না যেন!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওটা ফেরত এনো... হা হা দারুণ তো!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': তো এই সিনেমার মূল কথা হলো সবাই এখানে আস্ত উন্মাদ?
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (গ্র্যান্ডফাদার ফ্রস্ট হিসেবে)''': বসন্ত নিপাত যাক!
:'''ক্রো টি. রোবট (গ্র্যান্ডফাদার ফ্রস্ট হিসেবে)''': আমি তুষার নিয়ে কাজ করি আর ওতে আমি খুব দক্ষ।
<hr width="50%"/>
:'''ফ্রস্টের কণ্ঠস্বর''': যে আমার রাজদণ্ড স্পর্শ করবে... ও আর কোনোদিন ঘুম থেকে জাগবে না।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ তো ওটা কি একটু সাবধানে রাখা যেত না?!
<hr width="50%"/>
:'''অজ্ঞাত কণ্ঠস্বর''': দেখো কারা এসেছে!
:'''টম সার্ভো''': ধন্যবাদ হে অজ্ঞাত কণ্ঠস্বর!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (নাস্তেনকা হিসেবে)''': আমরা তোমার দোরগোড়ায় থুথু ফেলি!
:'''টম সার্ভো''': থু!
:'''ক্রো টি. রোবট''': থু!
:'''মাইক নেলসন (বাবার গলায়)''': দয়া করে আমাকে সাথে নিয়ে যাও প্লিজ প্লিজ...
:'''নাস্তেনকা''': আমি তোমাদের পরিচয় করিয়ে দিতে চাই...
:'''টম সার্ভো (নাস্তেনকা হিসেবে)''': উমম তোমার নামটা যেন কী ছিল?
:'''নাস্তেনকা''': ইভানুশকা আমার হবু স্বামী।
:'''ক্রো টি. রোবট (ইভান হিসেবে)''': আমি ওদের দিকে তাকাতে পারছি না ডার্লিং; ওরা খুব কুৎসিত।
<hr width="50%"/>
:'''মারফুশকা''': আমার হবু স্বামীকে নিয়ে এসো আর আমাকে যৌতুক দাও; অনেক বড় যৌতুক... আর জলদি করো!
:'''ক্রো টি. রোবট (মারফুশকা হিসেবে)''': ওরে তোতলা বরফ দানব!
:'''ফ্রস্ট''': সা-সাহায্য করো!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': এটা তিনটে শুকরে টানা স্লেজ গাড়ি!
:'''টম সার্ভো''': এগিয়ে চলো উইলবার! গোর্ডি! বেব!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': এই তো...
:'''মাইক নেলসন''': এই তো...
:'''ক্রো টি. রোবট''': এই তো... মাইকেল প্যালিনের নকল বাজিয়েদের সম্মেলন!
: . . .
:'''টম সার্ভো''': ওরা নাকের লোম কাটা নিয়ে গান গাইছে।
: . . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওই তো সেই সাত বামন! নোংরা পচা উকুনে ভরা জঘন্য আর... ডক।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওরে বাবা! এটা মজার না ও আসলেও ব্যথা পেয়েছে মাইক।
<hr width="50%"/>
:'''কুঁজো পরী''': আমার ঝাড়ু! আমি একজন ডাইনি আর ওটা ছাড়া আমি নড়তে পারি না!
:'''ক্রো টি. রোবট''': উমম আপনার উচিত ছিল অন্য কোনো ব্যবস্থা রাখা!
=== [[w:bn:রাইডিং উইথ ডেথ|রাইডিং উইথ ডেথ]] ===
:'''মিসেস ফরেস্টার''': (পান্তা ভাতের মতো) ওহ দারুণ! এখন এটাই বাকি ছিল!
:'''বোবো''': ডাক্তার! ডাক্তার!
:'''অবজারভার''': এই তো আমি এসে গেছি!
:'''মিসেস ফরেস্টার''': ব্রেইন গাই? তোমার সমস্যাটা কী ভাই?
:'''অবজারভার''': আমাদের জাতি শান্তিতে বিশ্বাসী আর আমরা যুদ্ধ ঘৃণা করি। আমরা স্রেফ ব্যক্তিগত আক্রোশে মানুষ মারি। তবে আমরা মানবিক সাহায্য দিতে পারি। (ক্ষত পরিষ্কার করা শুরু করল)
:'''মিসেস ফরেস্টার''': ...কিসের যেন গন্ধ আসছে?!
:'''অবজারভার''': ওহ! মাস্টার্ড গ্যাস!
:'''মিসেস ফরেস্টার''': মাস্টার্ড গ্যাস! মাস্ক নিয়ে এসো!
:'''বোবো''': ওহ না ওটা আমি; আমি দুপুরে কনিশের সাথে এক বয়াম সস খেয়েছিলাম।
:'''অবজারভার''': ওরে বাবা বানরটা তো...
:'''মিসেস ফরেস্টার''': হয়েছে অনেক এবার আমরা পিছু হটছি!
:---
:'''অবজারভার''': হাতবোমা!
:'''বোবো''': গ্রেনেড! আমি তোমাকে বাঁচাব! (অবজারভারকে ধাক্কা দিয়ে নিচে ফেলে দিল আর গ্রেনেডটা ওর পাশেই ফাটল)
:'''মিসেস ফরেস্টার''': বোবো ব্রেইন গাই পাগলামি বন্ধ করো আর ভ্যানে ওঠো! ঠিক আছে নেলসন আমাদের এয়ার সাপোর্ট লাগবে আর ওটা খুব জলদি লাগবে!
:'''অবজারভার''': (মাথা তুলে) ভাগ্যিস আমার শরীর নেই... (আবারও শুয়ে পড়ল)
:---
:'''মাইক নেলসন''': কোনো সমস্যা নেই; আমি ছোটবেলায় ভিনেগার আর বেকিং সোডা দিয়ে অনেক বোমা বানিয়েছি...
:'''ক্রো টি. রোবট''': মাইক বেকিং সোডা কি একটু বেশি হয়ে যাচ্ছে নাকি—
:'''মাইক নেলসন''': (পাত্তা না দিয়ে) ...আর হাই স্কুলেও বানিয়েছি। এমনকি কলেজ থেকেও আমাকে ওটার জন্য বের করে দেওয়া হয়েছিল...
:'''টম সার্ভো''': নিশ্চিতভাবেই বেশি হয়ে যাচ্ছে মাইক।
:'''ক্রো টি. রোবট''': একটু বেশিই বেশি।
:---
:'''মাইক নেলসন''': আর সেই খণ্ডকালীন চাকরির কথা না বললেই নয়... যতক্ষণ না ওই লোকটা আমাকে ধরিয়ে দিল...
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই মাইক বন্ধু... বেকিং সোডা—
:'''মাইক নেলসন''': ওটা স্রেফ একটা প্র্যাঙ্ক ছিল কিন্তু ও আমাকে ধরিয়ে দিয়েই ছাড়ল তাই না? কিছু মানুষ আসলেও ওমনই হয়...
:'''টম সার্ভো''': তো বোমা ফেলুন মাইক!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ঠিক আছে মাইক! ফেলে দিন!
:'''মাইক নেলসন''': ওহ ঠিক! (বোমা নিয়ে চলে গেল)
:---
:'''টম সার্ভো''': (ক্রোকে) হেই আমি শুনেছি প্লাস্টিক পাইপ আর ব্যবহৃত ডায়াপার দিয়েও নাকি বাজুকা বানানো যায়।
:'''ক্রো টি. রোবট''': তাই নাকি?
:---
:'''মাইক নেলসন''': এই নিন মিসেস ফরেস্টার আপনার জন্য একটা উপহার...
:'''ক্রো টি. রোবট''': একটা উপহার!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': (উঠে দাঁড়িয়ে) ঠিক আছে মাইক কয়েকটা কথা বলি। প্রথমত তুমি আবারো একটা গ্রহ উড়িয়ে দিলে; তার মানে তোমার ঝুলিতে এখন তিনটে গ্রহ?
:'''টম সার্ভো''': তাই তো মনে হচ্ছে...
:'''ক্রো টি. রোবট''': আর দ্বিতীয়ত— **তোমার কি মাথার মগজ সব পচে গেছে গাধা লোক কোথাকার?!**
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': (জেটসনস কার্টুনের থিম মিউজিক বাজাল)
:'''মাইক নেলসন''': ইউনিভার্সাল শুধু রন বাদে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': পৃথিবী নিজেকে খুব মহান মনে করে তাই না?
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ ও মনে করে জগত ওর চারপাশেই ঘোরে।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': হেই ম্যাথু ব্রডরিকের কাহিনী।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আর বিশ্বাস করো মৃত্যু কোনোদিন তেলের পয়সা দেয় না।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': বেন মারফির ‘অভিনয়’ কি আসলেও অভিনয়? নাকি ক্যামেরা ওর দিকে তাক করা ছিল বলেই ওকে দেখা যাচ্ছে?
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যারি-ও থেকে বাতিল হওয়া অভিনেতারা।
:. . .
:'''টম সার্ভো''': ক্লু গুলাগার যদি এই সিনেমায় না থাকে তবে খুব অন্যায় হবে।
:'''মাইক নেলসন''': অ্যান্টনি জার্বি প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ!
:. . .
:'''টম সার্ভো''': ওহ এবার জন হিলার চরিত্রে উনি।
:. . .
:'''টম সার্ভো''': ওহ স্টিভেন বোচকো? তার মানে আমাদের এখন ডেনিস ফ্রাঞ্জের পেছনের অংশ দেখতে হবে?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আহ এলএ-র ওই ধোঁয়াশা আকাশ।
:'''মাইক নেলসন''': পাখি? একটাও নেই। সব মরে গেছে।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন অংক পরীক্ষা।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (ড্রিসকোল হিসেবে)''': এর ওপর কী লেগে আছে?
:'''ড্রিসকোল''': ডেলিভারি অপারেশন ঠিক ০৫০০ ঘণ্টায় শুরু হবে যখন আর্মির কনভয় ল্যাবরেটরি থেকে বের হবে। কিন্তু...
:'''ক্রো টি. রোবট (ড্রিসকোল হিসেবে)''': আগে আমাকে চশমাটা পরিষ্কার করতে হবে।
:'''ড্রিসকোল''': নিরাপত্তার খাতিরে এটা শুধু আমাদের চারজনের মধ্যেই থাকবে...
:'''টম সার্ভো (ড্রিসকোল হিসেবে)''': আমার চশমাটা খুব নোংরা হয়ে আছে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (মেকানিক হিসেবে)''': (অশুভভাবে) আমাকে ‘কার্ল’ বলে ডাকার একটা কারণ আছে।
:'''ক্রো টি. রোবট (স্যাম হিসেবে)''': তো আমার ব্রেক লাইন কাটলে শক অ্যাবজরবারের কী সুবিধা হবে? ধুর আমি তো আর মেকানিক না!
<hr width="50%"/>
:'''স্যাম''': ঠিক আছে আমি ৬৭ স্পিডে তোমার একদম কাছে আসছি।
:'''ক্রো টি. রোবট''': “কাছে আসছি।” মানুষ সেক্সের কত অদ্ভুত সব নাম দেয়।
:'''মাইক নেলসন (স্যাম হিসেবে)''': আমার তেল চপচপে গাড়ি এখন তোমার পেছনের দিকে ঘষা খাবে।
:'''টম সার্ভো (স্যাম হিসেবে)''': আমার শক্ত গ্রিল এখন তোমার অরক্ষিত দরজার ওপর চাপ দেবে।
:'''ক্রো টি. রোবট (স্যাম হিসেবে)''': আমার পিটারবিল্ট এখন তোমার ওই মিষ্টি মধুর গর্তের দিকে এগোবে—
:'''মাইক এবং সার্ভো''': উফ—ক্রো!
: . . .
:'''মাইক নেলসন (স্যাম হিসেবে)''': শান্ত আর তৃপ্ত হয়ে আমি এখন তোমার ওপর আলতো করে চাকা ঘষাচ্ছি।
:'''ক্রো টি. রোবট''': তুমি তো বলেছিলে আমিই খারাপ।
:'''মাইক নেলসন''': তুমিই আমাকে অনুপ্রেরণা দিয়েছো।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (বাফেলো বিল হিসেবে)''': ‘ডিউকস অব হাজার্ড’ আবার চালু হয়েছে!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (ডেনবি হিসেবে)''': কাপকেক! টুইঙ্কি দ্য কিড আর ফ্রুটপাই জাদুকরকে নিয়ে এসো!
=== [[w:bn:এজেন্ট ফর H.A.R.M.|এজেন্ট ফর H.A.R.M.]] ===
:'''মাইক নেলসন''': ওহ ওটার মানে হলো বিশাল আজব লাল মার্শমেলো।
:'''ক্রো টি. রোবট''': চুলওয়ালা মহাকাশচারীরা ম্যাসাচুসেটসকে ঘৃণা করে।
:'''টম সার্ভো''': সস্তা ভাড়ার মাংস।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (অ্যাডাম হিসেবে)''': শক্ত কাঠ বেবি!
: . . .
:'''অ্যাডাম''': এটা আপনার সাথেও হতে পারত ভুলবেন না যেন! এর চেয়ে জুডো ক্লাসে ফিরে যাওয়াই ভালো।
:'''মাইক নেলসন''': জুডো **ক্লাস**?
: . . .
:'''টম সার্ভো (অ্যাডাম হিসেবে)''': পরে কারাতে রিংয়ে দেখা হবে।
: . . .
:'''অ্যাডাম''': জুডো ক্লাস!
:'''ক্রো টি. রোবট (অ্যাডাম হিসেবে)''': তারপর কেন্ডো প্র্যাকটিস করো আর নিজের রাইফেলটাও সাথে এনো।
:'''মাইক নেলসন (ছাত্রী হিসেবে)''': আমাকে জুডো বিকিনিটা পরতে হবে।
<hr width="50%"/>
:'''অ্যাডাম:''' আমি উত্তর না পাওয়া পর্যন্ত এখান থেকে যাব না আমি কি পরিষ্কার করে বলতে পেরেছি?
:'''টম সার্ভো (ডক্টর স্টেফানিক হিসেবে):''' উমম একটু মিলিয়ে নিই... আপনি এখনই চলে যাচ্ছেন কারণ আপনি উত্তর পাচ্ছেন না।
:'''ডক্টর স্টেফানিক:''' হ্যাঁ। আপনি একদম পরিষ্কার করে বলেছেন।
:'''ক্রো টি. রোবট (ডক্টর স্টেফানিক হিসেবে):''' আমি শোয়ার জায়গাটা ঠিক করছি।
<hr width="50%"/>
:'''অ্যাডাম''': আপনি কি মনে করেন আপনার কিছু হবে না কারণ এটা আমেরিকা? আপেল পাই আর জ্যাজ মিউজিক?
:'''ক্রো টি. রোবট''': আর হুপ আর জিন্স?
:'''অ্যাডাম''': আমার কাজ হলো ডিনার টেবিলে খাবার রাখা আর কেউ আমাকে জিজ্ঞেস করে না আমি ওটা কীভাবে করি!
:'''মাইক নেলসন (ডক্টর স্টেফানিক হিসেবে)''': আপনার এই রূপক কথা বুঝতে আমার এক ঘণ্টা সময় লাগবে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': মাইক তুমি কেন বানরটার গলা টিপে ধরেছিলে?
:'''মাইক নেলসন''': কারণ বোবো খুব একটা... **হেই!!**
<hr width="50%"/>
:'''আভা''': তুমি কি আসছো নাকি আমি একাই সাঁতার কাটব?
:'''ক্রো টি. রোবট (অ্যাডাম হিসেবে)''': হ্যাঁ এবং হ্যাঁ।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': এটা কি চলছে? ঠিক আছে। হাই! আমি ক্রো টি. রোবট আর আমি বলতে এসেছি যে মাইক নেলসন নির্দোষ। মাইক নেলসন ২০০ শতাংশ (শব্দ করা হলো) নির্দোষ নয়। আর যদি আপনারা (শব্দ) ওকে নির্দোষ ঘোষণা না করেন তবে আপনারা আমার মোটা (শব্দ) চু- (শব্দ) করতে পারেন। আর ওটা আপনাদের ফালতু (শব্দ) আদালতের জন্যও প্রযোজ্য! মাইক আমি খুব (শব্দ) দুঃখিত যে আমি আপনার এই (শব্দ) জঘন্য ট্রায়ালে থাকতে পারলাম না ভাই। কিন্তু নেলসন আমি আপনাকে একটা কথা বলি। আমি যদি ওখানে থাকতাম তবে আমি সবার মোটা আর বোকা (শব্দ) আচ্ছা মতো ঝাড়তাম আর তারপর ওটা ওদের (শব্দ) ঢুকিয়ে দিতাম। যাই হোক মাইক বন্ধু আশা করি এই (শব্দ) কাজে দেবে। সাবধানে থেকো মাইক।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': এই তো শুরু হলো...
:---
:'''মাইক নেলসন''': ...আর এই হলো ওর তেজ!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ও একটা মেশিন মেরামত করে। ডাহ-ডাহ ডা ডাআআআআআআআ!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (অ্যাডাম হিসেবে)''': দাঁড়াও! নয়তো তোমার পাখা আমাকে পিষে মাংস বানিয়ে ফেলবে!
:'''টম সার্ভো''': দাঁড়াও! নয়তো আমি তোমাকে এজেন্ট ফর হার্ম বানিয়ে দেব!
=== [[w:bn:প্রিন্স অব স্পেস|প্রিন্স অব স্পেস]] ===
:'''মাইক নেলসন''': আমি মহাকাশে পৌঁছে গেছি! ধুর!
<hr width="50%"/>
:'''মা''': প্রথম মহাকাশ রকেটটি এই ঘাঁটি থেকে লঞ্চ করা হবে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ...ডাইনিং রুম থেকে?
<hr width="50%"/>
:'''স্পেসশিপ''': পৃথিবীর মানুষরা শোনো! পৃথিবীর মানুষরা শোনো! ক্রানকর এক্সপ্লোরেশন ফোর্স থেকে বলছি!
:'''ক্রো টি. রোবট''': পচা বেশ্যা?
:'''স্পেসশিপ''': ভয় পাবেন না! এক জরুরি বার্তার জন্য অপেক্ষা করুন! এক জরুরি বার্তার জন্য অপেক্ষা করুন!
:'''টম সার্ভো (টিভি ঘোষক হিসেবে)''': সেনাবাহিনীতে ফেরানো সম্ভব নয়!
: . . .
:'''ক্রো টি. রোবট (মিকি হিসেবে)''': এই খেলনাটা আমার চাই! আমি এটা **খুব পছন্দ** করি!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (হেডলাইন হিসেবে)''': ক্রানকর: দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই।
:'''মাইক নেলসন (হেডলাইন হিসেবে)''': ট্রুম্যান ক্যাপোকে পাঠানো হয়েছে ক্রানকরের সাথে লড়তে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (পেরিস্কোপ হিসেবে)''': আমি হলাম ধ্বংসের যন্ত্র!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': একটা বিরল গডজিলা মুক্ত দিন।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (কুকুর হিসেবে)''': রাফুরু! বাউ-আ-ওয়াউ!
:---
:'''মাইক নেলসন''': ওই কুকুরটার পিছু নাও!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (প্রিন্স অব স্পেস হিসেবে)''': তোমাদের বন্দুক কোনো কাজের না তবুও আমার খুব ভয় লাগছে।
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট (প্রিন্স অব স্পেস হিসেবে)''': আমার কোনো ক্ষমতা নেই তবে আমি বেশ ভালোই লাফাতে পারি!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': মরণপণ লড়াই চলছে!
<hr width="50%"/>
:'''ফ্যান্টম''': শোনো! ধরা দাও! নয়তো আমরা এই বাঁ-- (সিনেমা স্কিপ করল) --চ্ছাদের মেরে ফেলব!
:'''মাইক নেলসন''': “বাঁ--চ্ছাদের”?
:'''টম সার্ভো''': “বাঁচ্ছাদের”?
:'''প্রিন্স''': আমি শুনতে পাচ্ছি! ভেতরে এসো! আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করছি! বাচ্চাদের ছেড়ে দাও!
:'''ক্রো টি. রোবট''': শুনতে পাচ্ছো জেরি সিনফেল্ড?
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (সিও হিসেবে)''': আমি বুঝতে পারছি আপনি পনিরে ঠাসা।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (প্রিন্স অব স্পেস হিসেবে)''': আমাকে ওদিকে দুলিয়ে দাও ভরসাযোগ্য সুতো সাহেব!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (ফ্যান্টম হিসেবে)''': সব মুরগি ভাজাগুলো রেডি রাখো!
:'''মাইক নেলসন''': এডওয়ার্ড হপারের ছবির ওপরের অর্ধেকটা।
:'''টম সার্ভো (নাগরিক হিসেবে)''': ওহ! এক বিশাল রোস্ট চিকেন!
:'''ক্রো টি. রোবট (নাগরিক হিসেবে)''': বাইরে বাদামী রঙের আর ভেতরে খুব নরম আর রসালো!
:'''মাইক নেলসন (নাগরিক হিসেবে)''': ওটা কাঁচা নয়! পালাও!
:'''টম সার্ভো (নাগরিক হিসেবে)''': ওহহহহহ!
:'''ক্রো টি. রোবট (ফ্যান্টম হিসেবে)''': আলু নাকি মশলা?!
<hr width="50%"/>
:'''ফ্যান্টম''': কী একটা গাধা!
:'''টম সার্ভো (ফ্যান্টম হিসেবে)''': ও আমাদের অনেকবার হারিয়েছে ও কেন ভাবছে যে ওটা আবার করতে পারবে?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওর আসল ক্ষমতা হলো ও সবসময় অযোগ্য শত্রুদের বেছে নেয়।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (ওয়ালি হিসেবে)''': আমার মদ থেকে দূরে থাকো!
<hr width="50%"/>
:'''ফ্যান্টম''': তো ভদ্রলোকেরা আপনাদের সময় হয়ে গেছে। ক্রানকর ছেড়ে যাওয়ার জন্য তৈরি হন।
:'''ডক্টর কামিংস''': ওটা কী?
:'''ফ্যান্টম''': যাওয়ার জন্য তৈরি হন। আপনাদের মহাকাশ যানে উঠতে হবে।
:'''ডক্টর কামিংস''': কী!?
:'''টম সার্ভো''': খোদার কসম... **আপনাদের! মহাকাশ! যানে! উঠতে! হবে!!**
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': খুব সহজেই বোকা বানানো যায় এই প্রিন্স অব স্পেসকে।
<hr width="50%"/>
:'''ফ্যান্টম''': একদম ঠিক বলেছো আমার প্রিয় ম্যাকেন। এই দানবটা আমিই বানিয়েছি। ও আমার প্রতিটা আদেশ মানে।
:'''ক্রো টি. রোবট (ফ্যান্টম হিসেবে)''': যেমন “বিনা উদ্দেশ্যে ঘুরে বেড়াও আর ওজন বাড়াও”।
<hr width="50%"/>
:'''প্রিন্স অব স্পেস''': অনেক হয়েছে! তোমরা কবে বুঝবে যে তোমাদের বন্দুক আমার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না?
:'''ফ্যান্টম''': ওকে গুলি করো!
:'''মাইক নেলসন (কর্মী হিসেবে)''': কি দুর্দান্ত পরিকল্পনা স্যার!
=== [[w:bn:দ্য হরর অব পার্টি বিচ|দ্য হরর অব পার্টি বিচ]] ===
:'''টম সার্ভো''': আ-হিহিহিহি! আতঙ্ক!
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ পার্টি বিচের একমাত্র আতঙ্ক হলো সিন্ডির চিজ ডিপ!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': উলঙ্গ হয়ে গাড়ি চালানো: কিশোরদের নতুন ফ্যাশন।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': “বাড়তি সংলাপ” মানেটা কী ভাই?
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ যেমন “হেই তুমি!” “ওটা ছাড়ো!” আর “কেন নয়?”
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': স্টার্জিস: এক গতিশীল শহর!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': বাজি ধরে বলতে পারি ওটা মাখন দিয়ে খেতে দারুণ লাগবে। অবশ্য আমি নিজের মাথাটাও মাখন দিয়ে খেয়ে ফেলতে পারি।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': পুরুষদের কোনোদিন বিকিনি পরা উচিত না!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': আমি এখন তালেবানদের সাথে একমত হতে শুরু করেছি: নাচানাচি একদম বন্ধ করা উচিত।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমার মাথাটা ফেটে গেল!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওরে বাবা! এক দানব যার মুখের ৮০ শতাংশই হলো চোখের নিচের ফোলা অংশ।
:'''টম সার্ভো''': তো রেডিয়েশনেরও রসবোধ আছে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (বাইকার হিসেবে)''': (গাইছে) অনেক সুযোগ আছে যে আমি তোমার হাড্ডিসার শরীরটাকে পিটিয়ে তক্তা বানিয়ে দেব...
:. . .
:---
:'''মাইক নেলসন (বাইকার লিডার হিসেবে)''': আপনি আমাকে হারিয়ে দিয়েছেন স্যার; আপনি আর আপনার ওই নাচুনে বীরদের দল।
<hr width="50%"/>
:'''ইউলাবেল''': এটা মানুষের ব্যাপার ডক্টর গ্যাভিন!
:'''ক্রো টি. রোবট (ইউলাবেল হিসেবে)''': আপনি বুঝবেন না!
:. . .
:'''ডক্টর গ্যাভিন''': কয়েক ঘণ্টায় কিছুই সমাধান হবে না। অনেক গবেষণার দরকার।
:'''ইউলাবেল''': আর আপনি যখন গবেষণা করছেন তখন বাইরে কিছু একটা হামাগুড়ি দিয়ে শিকার খুঁজছে।
:'''ডক্টর গ্যাভিন''': হয়েছে অনেক!
:'''মাইক নেলসন (ডক্টর গ্যাভিন হিসেবে)''': তুমি আমাকে ভয় পাইয়ে দিচ্ছো!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ওরা জানেই না অন্তর্বাস কী তবুও অভিযান চালাতে ছাড়ছে না।
:'''টম সার্ভো''': প্রতিটা প্রজাতির পুরুষদের মধ্যেই এই সুপ্ত ইচ্ছা কাজ করে।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': দাঁড়ান— “পলিশদের মতো দেখুন?”
:'''টম সার্ভো''': অ্যাঁ?
:'''মাইক নেলসন''': ওটা তো শটে ছিল... দেখেন? ওখানে লেখা আছে “পলিশদের মতো দেখুন”!
:'''টম সার্ভো''': “পলিশদের মতো দেখুন”!
:'''ক্রো টি. রোবট''': নাকি ওটা ছিল “দেখুন! পলিশ মানুষ!”
<hr width="50%"/>
:'''ইলেইন''': (ফিসফিস করে) আমি কিছু শুনতে পাচ্ছি।
:'''টম সার্ভো (ইলেইন হিসেবে)''': (ফিসফিস করে) ও আসছে! সবাই পলিশদের মতো ভান করো!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আমরা কী দেখছি আর কেন দেখছি?
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': উমম ইতিমধ্যে কাল বিকেল হয়ে গেছে মনে হয়... .
=== [[w:bn:ডেভিল ডল|ডেভিল ডল]] ===
:'''টম সার্ভো''': (মাইককে) তুমি কি ক্রোকে দেখেছো?
:'''মাইক নেলসন''': ওহ হ্যাঁ ও এখন হোস্টেলের ওই আজব কল্পনার মধ্যে ডুবে আছে।
:'''টম সার্ভো''': ওহ মাতাল অভদ্র আর ঘ্যানঘ্যানানি...
:'''ক্রো টি. রোবট''': (অফ স্ক্রিন) ডেবি!!
:'''মাইক নেলসন''': ডেবি ঠিক ওটাই।
:'''ক্রো টি. রোবট''': (অফ স্ক্রিন) ডেবি ডি-ডি-ডি-ডেবি আমি... উরঘ! (কাঁচ ভাঙার শব্দ হলো)
:'''টম সার্ভো''': (বিস্ময় প্রকাশ করে) ওহ প্লিজ বলো ওটা একটা ল্যাম্প ছিল!
:'''মাইক নেলসন''': উমম মনে হয় ওটা ল্যাম্পই ছিল।
:'''ক্রো টি. রোবট''': (কাঁদছে) ডেবি! ডেবি আমার তোমাকে খুব দরকার! আমি এটা সহ্য করতে পারছি না। ডেবি আমি তোমার জন্য জানালাটা ভেঙেছি জানু। তোমাকে আমাকে ফিরিয়ে নিতেই হবে ডেবি! ডেবি!
:'''টম সার্ভো''': ও আমার জানালাটা ভেঙে ফেলেছে মাইক! ও খুব সাবধানে ওটা খুলল আর তারপর ভেঙে দিল!
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি ডেবির জন্য করেছি! আমাকে ওখানে যেতে দাও! আমার কিছু যায় আসে না!
:'''মাইক নেলসন''': শোনো ক্রো তুমি মাতাল নও তুমি কোনো হোস্টেলে থাকো না আর তুমি ডেবি নামের কাউকে চেনোও না।
:'''ক্রো টি. রোবট''': (ফুঁপিয়ে কাঁদছে) আমার কিছু যায় আসে না! ডেবি! আমাকে যেতে দাও!
:'''টম সার্ভো''': (ফুঁপিয়ে কাঁদছে) আমার জানালাটাআআআআ!
:---
:'''মাইক নেলসন''': হয়েছে ক্রো শান্ত হও।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ডেবি...
:'''মাইক নেলসন''': তুমি কি এমন কোনো কল্পনার কথা ভেবেছো যেখানে তুমি সুখী আর সফল?
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমার মনে হয় ডেবির ওই কল্পনাটাই বেশি ভালো ছিল।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (হুগো হিসেবে)''': আমি মনের জোরে গাড়ি চালাচ্ছি!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আমি কি মডার্ন নাকি রকার?
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': জানো রক এন রোল না থাকলে ভেন্ট্রিলোকুইজম অনেক বড় কিছু হতো।
:'''ক্রো টি. রোবট (ভোরেলি হিসেবে)''': অনেক ধন্যবাদ বৃদ্ধাশ্রমের মানুষগুলোকে!
:'''টম সার্ভো (ভোরেলি হিসেবে)''': দেখুন ও কথা বলছে না আর আমার ঠোঁটও নড়ছে না!
:'''মাইক নেলসন''': হাততালি দিতে থাকুন হয়তো ও আর কোনোদিন ওর আসল কাজে ফিরবে না!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (হুগো হিসেবে)''': একদম বাজে হয়েছে! এমনকি আমিও বিশ্বাস করিনি যে আমি কথা বলছি!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ! “ফেডারেটেড ইনকর্পোরেটেড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড”।
:'''টম সার্ভো''': আধুনিক স্থাপত্য—কার্যকর কিন্তু সৌন্দর্যহীন।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': ইতিমধ্যে স্টিফল-জয় কোম্পানিতে...
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': তো এই পুরানো আমলের ফোনগুলো কত ঘণ্টা সময় এই সিনেমায় নষ্ট করেছে?
<hr width="50%"/>
:'''গ্রেট ভোরেলি''': ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ আমি এই লোকটাকে বোঝানোর চেষ্টা করছি যে উনার জীবন সংকটে আছে...
:'''টম সার্ভো (ভোরেলি হিসেবে)''': তারপর আমি এখনই আসছি।
:'''গ্রেট ভোরেলি''': ওনার মৃত্যু যেকোনো সময় হতে পারে।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (ভোরেলি হিসেবে)''': আপনার জীবন বিপদে আছে আর আপনি এখনই মারা যাবেন। ধন্যবাদ!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': স্কচ ডিম! না দাঁড়ান ওটা তো ওর মুখ।
:'''গ্রেট ভোরেলি''': আপনি আমাকে বলেছিলেন যে চীনে আপনি একজন মানুষকে মাঝরাস্তায় ফাঁসি দিতে দেখেছেন।
:'''মাইক নেলসন''': মাঞ্চুরিয়ান ভেন্ট্রিলোকুইস্ট!
:'''গ্রেট ভোরেলি''': আমি চাই আপনি কল্পনা করুন যে আপনি উনার জায়গায় আছেন।
:'''ক্রো টি. রোবট''': (দীর্ঘশ্বাস ফেলে) এত নেতিবাচক কেন ভাই?
. . .
:'''ক্রো টি. রোবট (ভোরেলি হিসেবে)''': আমাদের কি আসলেও এই শোর নাম “মজাদার খুশির সময়” রাখা উচিত?
. . .
:'''সবাই (ভিড়ের গলায়)''': হুররে! আরও চাই!
:---
:'''মাইক নেলসন (ভোরেলি হিসেবে)''': হেই মনোযোগ দাও!
:'''ক্রো টি. রোবট (ভিড়ের গলায়)''': হা হা! আমরা আপনার নিষ্ঠুরতা পছন্দ করছি!
<hr width="50%"/>
:'''গ্রেট ভোরেলি''': তো হুগো আজ রাতে দর্শকদের আনন্দ দেওয়ার জন্য তুমি কী করবে?
:'''হুগো''': আপনি যা বলবেন আমার প্রিয় ভোরেলি; শুধু ওই টাইপের কাজ ছাড়া।
:'''গ্রেট ভোরেলি''': তুমি কী বোঝাতে চাইছো?
:'''হুগো''': স্রেফ এটাই যে আমি যখন কথা বলছি তখন আপনি হাসছেন।
:'''গ্রেট ভোরেলি''': তাতে সমস্যা কী?
:'''হুগো''': ওটা পুরনো ভেন্ট্রিলোকুইস্ট ট্রিক; এখন সবাই ওটাই করে ওটা সেকেলে হয়ে গেছে।
:'''গ্রেট ভোরেলি''': হয়তো আমরা দর্শকদের ওটার একটা নতুন রূপ দেখাতে পারি।
:'''টম সার্ভো (ভোরেলি হিসেবে)''': পালিশ করবে হুগো?
:'''হুগো''': আমাকে একটু মদ দাও। আমি মদ চাই।
:'''গ্রেট ভোরেলি''': একটা পুতুল? মদ খাবে?
:'''ক্রো টি. রোবট (ভোরেলি হিসেবে)''': একটু নেশা করবে নাকি?
:'''গ্রেট ভোরেলি''': পাগলামি কোরো না!
:'''হুগো''': আমি চাই! আমাকে দিন! আমি জানি মদ কী! আমি আগেও খেয়েছি। আমি একটু মদ চাই! আমি কেন পাব না?
:'''মাইক নেলসন (হুগো হিসেবে)''': আমি শুধু আমার নায্য পাওনা চাই! আমি স্রেফ ওটুকুই চাই!
:'''গ্রেট ভোরেলি''': তুমি স্রেফ একটা পুতুল হুগো।
:'''ক্রো টি. রোবট (ভিড়ের গলায়)''': ‘পুতুল-বিদ্বেষী ক্লাব’ বিরতির পর ফিরছে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (হুগো হিসেবে)''': আপনি ভাবছেন ও মাংস পছন্দ করে? দাঁড়ান দেখুন আমি মাংস কতটা ভালোবাসি!
<hr width="50%"/>
:'''গ্রেট ভোরেলি''': এবার হুগো—তোমাকে মরতেই হবে।
:'''ক্রো টি. রোবট (মার্সিডিজ হিসেবে)''': তখনই কিছু সতর্কবার্তা পাওয়া গিয়েছিল...
...
:'''মার্সিডিজ''': ও তিন মাস নড়াচড়া করেনি—স্রেফ শুয়ে ছিল আর... ছাদের দিকে তাকিয়ে ছিল। তারপর... ও মরে গেল। মরে গেল।
:'''মাইক নেলসন (মার্ক হিসেবে)''': ও কি বেঁচে ছিল?
<hr width="50%"/>
:'''গ্রেট ভোরেলি''': হুগো...
:'''মাইক নেলসন (ভোরেলি হিসেবে)''': তুমি কি এটা দিয়ে আবার তোমার পা শেভ করেছো?
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (হুগো হিসেবে)''': দয়া করে আমার খাঁচাটা ঢেকে দিন...
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': জানেন কুবরিক এই দৃশ্য দেখে বলেছিলেন “আমরা আমাদের হেইউড ফ্লয়েডকে পেয়ে গেছি!”
<hr width="50%"/>
:'''হুগো''': আটিকা! আটিকা!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (ভোরেলি চরিত্রে হুগো হিসেবে)''': আমি ঘামছি কারণ আমি একটা পুতুলকে শ্বাসরোধ করে মারছিলাম। আহ না দাঁড়ান!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': হুগো দ্য ডামিকে লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টি কোর্টে হাজির করা হয়েছে; একটু পরেই ওই ট্রায়ালের রায় জানানো হবে।
=== [[w:bn:ইনভেশন অব দ্য নেপচুন মেন|ইনভেশন অব দ্য নেপচুন মেন]] ===
:'''তিবানা''': তো... রোজি-প্যানি কমপ্লেক্স।
:'''মাইক নেলসন''': “রোজি-প্যান্টি কমপ্লেক্স”?
<hr width="50%"/>
:'''সার্ভো এবং ক্রো (নেপচুন মেন হিসেবে)''': হা। হা। হা। হা। তোমার পোশাকটা একদম হাস্যকর।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ওই লোকটা স্রেফ পড়ে গেল!
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': একদল অযোগ্য লোকের কাছে ওরা হারছে।
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট (স্পেস চিফ হিসেবে)''': আরে এসো না আমি একটু লাফালাফি করতে চাই আর তোমরা আরও কয়েকবার পড়ে যাও!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': পৃথিবীর ওপর যত খুশি গুলি চালাও স্রেফ বিল মাহেরকে নিয়ে যাও।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (জাপানিদের গলায়)''': ওহ চলো আমাদের কোরিয়ান বন্ধুদের কল করি! ওহ না—রাশিয়ানদের! উমম না। চায়নিজদের! ওহ মনে হয় কেউ আসবে না।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': আমি কোনোদিন ভাবিনি যে আমি একাজ করব কিন্তু হুট করে ‘ইনডিপেনডেন্স ডে’ সিনেমাটাকে অনেক বেশি উন্নত মনে হচ্ছে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': মরে যাওয়া... কিছুই না হওয়া... আর কোনোদিন নেপচুন মেন না দেখা!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': তো স্পেস শেফের কী হলো?
:'''মাইক নেলসন''': ওটা ‘চিফ’।
:'''ক্রো টি. রোবট''': চিফ শেফ?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': জানেন স্পেস চিফের উচিত মাঝেমধ্যে মহাকাশে (স্পেস) যাওয়া!
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ ও তো বড়জোর ‘নিচু আকাশ চিফ’।
:'''মাইক নেলসন''': ‘মাটি থেকে সামান্য উপরে থাকা চিফ’।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': কী হচ্ছে ওটা...?
:'''টম সার্ভো''': ওরা হিটলার বিল্ডিং উড়িয়ে দিয়েছে!!! এখন মানুষ হিটলারের স্মৃতিচিহ্ন দেখতে কোথায় যাবে?
:'''ক্রো টি. রোবট''': হিটলারের সব রাইড আর গেম! হিটলারের নুনদান দানি!
:'''মাইক নেলসন''': বিখ্যাত রেস্টুরেন্ট ‘দ্য বাঙ্কার’! ওটা শেষ হয়ে গেল! তোমরা সব শয়তানের দল...
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওরা ওটা উড়িয়ে দিয়েছে!
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': শোনো মাইক—তোমরা যেখানে বড় হয়েছো সেখানে কি কোনো হিটলার বিল্ডিং ছিল?
:'''মাইক নেলসন''': উমম... না। না।
:'''ক্রো টি. রোবট''': নিশ্চিত?
:'''মাইক নেলসন''': ...হ্যাঁ।
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': এরপরে কী? মুসোলিনি মল?
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ! তারপর পিনোচেট চিড়িয়াখানা!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': তো তোমাদের কি এই পুরনো দৃশ্যগুলো নিয়ে কোনো গান জানা আছে যা আমাদের এই সময়টা পার করতে সাহায্য করবে?
:'''টম সার্ভো''': ওহ আমি জানি! গানটা এমন: ডি-ডি ডি ডি ডি ডি... **খাও এটা মুভি!**
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই! হেই!
:'''টম সার্ভো''': এই ফালতু আর জঘন্য সিনেমাটা নাও ওটাকে গোল করে পাকিয়ে তারপর নিজের— (ফুঁপিয়ে কাঁদতে শুরু করল)
<hr width="50%"/>
:'''বিজ্ঞানী''': দশ নয় আট...
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ হ্যাঁ ঠিক আছে। এক...
:'''বিজ্ঞানী''': সাত...
:'''ক্রো টি. রোবট''': এক।
:'''বিজ্ঞানী''': ছয়...
:'''ক্রো টি. রোবট''': এক!
:'''বিজ্ঞানী''': পাঁচ...
:'''ক্রো টি. রোবট''': এক!!
:'''বিজ্ঞানী''': চার তিন...
:'''ক্রো টি. রোবট''': **এক!!!**
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': স্পেস চিফ মনে হয় জেট জাগুয়ার আর প্রিন্স অব স্পেসের সাথে বসে বিয়ার খাচ্ছে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (কমান্ডার হিসেবে)''': হেই কেউ কি আমার রেকর্ডটা দেখেছো?
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (প্রোব হিসেবে)''': ওহ না তোমরা বাচ্চারা আবারও? এই গ্রহে কি আর কোনো মানুষ নেই?
=== [[w:bn:স্পেস মিউটিনি|স্পেস মিউটিনি]] ===
:'''টম সার্ভো (সবার গলায়)''': তুমি কি শেরির কার্ডে সাইন করেছো?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': এখানে হিটলারকে ‘মহা যুদ্ধের এক স্থিতিশীল সৈনিক’ হিসেবে লেখা হয়েছে।
:'''মাইক নেলসন''': আরে ওগুলো অতটা পুরনো না। ঠিক আছে তো।
:'''টম সার্ভো''': তাই নাকি? এখানে লাইটবাল্বকে ‘এক আকর্ষণীয় তত্ত্ব’ বলা হয়েছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ! আর কংগ্রেসের বানান ভুল লিখেছে। ওটা কী ভাই?
:'''মাইক নেলসন''': উমম আমি ছোটবেলায় এগুলো পড়তাম। তখন তো ঠিকই লাগত।
:'''ক্রো টি. রোবট''': পর্যায় সারণীতে মাত্র তিনটে মৌল আছে মাইক!
:'''টম সার্ভো''': ‘এপসিলন’ অক্ষরের জন্য আলাদা একটা খণ্ড আছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': মাচু পিচুর মেইলিং অ্যাড্রেস দেওয়া আছে।
:'''টম সার্ভো''': স্টোনহেঞ্জের ছবি দেওয়া আছে!
:'''মাইক নেলসন''': তাতে কী?
:'''টম সার্ভো''': ছবিটাতে ওটা নির্মাণ করা হচ্ছে?!
:'''মাইক নেলসন''': তো তোমরা এই শিক্ষিত জ্ঞানপাপীরা বলতে চাইছো যে তোমাদের নতুন বই লাগবে। ঠিক আছে আমি তোমাদের নতুন সেট এনে দেব।
:'''টম সার্ভো''': ওহ যা কিছু হাতে লেখা নয় তা-ই চলবে।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': এডিটর থেকে এডিটরের কাছে পাঠানো হয়েছে সিনেমাটা বাঁচানোর এক আপ্রাণ চেষ্টায়!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': স্পেশাল ইফেক্টস দিয়েছে ইন্ডাস্ট্রিয়াল লাইট অ্যান্ড মরনস।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (লিয়া হিসেবে)''': আমার জিমের ভিডিওগুলো ভেতরে আছে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (জ্যানসেন হিসেবে)''': কিন্তু ছোট বাচ্চা আর ওদের খেলনাগুলোর কী হবে?
<hr width="50%"/>
:'''ক্যাপ্টেন ডিভার্স''': যে একাজ করেছে ও মহাকাশযান সম্পর্কে খুব ভালো জানত।
:'''কমান্ডার জ্যানসেন''': আমি একমত।
:'''মাইক নেলসন (জ্যানসেন হিসেবে)''': আমি জানি না এতে কোনো সাহায্য হবে কি না তবে হো হো হো।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (কালগান হিসেবে)''': হেই বন্ধুরা আমি উইকেন্ডের জন্য বাবার এনফোর্সার গাড়িটা পেয়েছি!
<hr width="50%"/>
:'''ম্যাকপিয়ারসন''': ভদ্রমহোদয়গণ মনে হচ্ছে আমরা সবাই একমত হতে পারছি না।
:'''মাইক নেলসন''': আমি একমত নই!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (পারসন হিসেবে)''': আগে আমাকে প্যান্টটা একটু ভিজিয়ে নিতে দাও।
:---
:'''টম সার্ভো''': এই কাউন্সিলকে খুব সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
:---
:'''মাইক নেলসন (পারসন হিসেবে)''': আমি বলতে চেয়েছিলাম আমি আপনাদের সাথেই আছি! ওহ আআআউউউ!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওর ইউনিফর্মটা ছিঁড়ে ফেলো ওটার দাম ওকে দিতে হবে!
:'''টম সার্ভো''': এরপর ওরা ওকে বই দেবে যাতে ওগুলো ছুড়ে ফেলে দেওয়া যায়।
:---
:'''মাইক নেলসন''': আমি ওর ওজন ৩৫ পাউন্ড বাড়িয়ে দেব!
:'''টম সার্ভো (ম্যাকপিয়ারসন হিসেবে)''': ঠিক আছে এবার তিন নম্বর এজেন্ডা: “শেরির বার্থডে পার্টি”।
:---
:'''মাইক নেলসন''': আমি স্রেফ ফুলকপি আর বাঁধাকপির মধ্যে গুলিয়ে ফেলতে চাই স্যার!
:---
:'''টম সার্ভো''': যাক অন্তত বিরল এক মিটিং যেখানে আসলেও কোনো কাজ হয়েছে!
<hr width="50%"/>
:'''রাইডার''': শুনুন মহিলা!
:'''লিয়া''': ডাক্তার!
:'''রাইডার''': ডাক্তার।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ডক্টর লেডি!
:. . .
:'''রাইডার''': আমাকে বেরিয়ে আসতেই হতো! আমার আর কোনো উপায় ছিল না!
:'''টম সার্ভো (লিয়া হিসেবে)''': ওটার নাম হলো ডক্টর আমার আর কোনো উপায় ছিল না!
:. . .
:'''রাইডার''': শুনুন উমম... আমি আপনার অনুভূতি বুঝতে পারছি।
:'''মাইক নেলসন''': ওটার নাম ডক্টর শুনুন উমম আমি আপনার অনুভূতি বুঝতে পারছি।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ওহ না রিক স্প্রিংফিল্ড মরে গেল!
:'''টম সার্ভো''': (গাইছে) ইশ আমার যদি জেসি'স গার্ল থাকত!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': হার্ভে ভিলিশেজের ডেথ কার।
:'''মাইক নেলসন''': ভাইরে আপনি হাত দিয়ে হেঁটেও ওকে ধরে ফেলতে পারবেন!
:'''ক্রো টি. রোবট (রাইডার হিসেবে)''': হেলমেটটা পরো আমরা **তিন** স্পিডে চলতে যাচ্ছি!
:---
:'''টম সার্ভো (রাইডার হিসেবে)''': সাইরেন বাজাও!
: . . .
:'''ক্রো টি. রোবট (কালগান হিসেবে)''': আমাদের এই গাড়ির দুই অশ্বশক্তিই লাগবে!
: . . .
:'''মাইক নেলসন (বডিগার্ড হিসেবে)''': আমি আর জোরে চালাতে পারছি না পলিশটা পড়ে যাবে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (ডিভার্স হিসেবে)''': (গাইছে) ডি ডো ডো ডো ডি ডা ডা ডা আমি শুধু এটাই বলতে চাই...
:---
:'''মাইক নেলসন''': হেই দাঁড়াও ও তো মরে গিয়েছিল!
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ ও মরে গিয়েছিল!
:'''মাইক নেলসন''': ও মারা গিয়েছিল!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (ডিভার্স হিসেবে)''': আমার মনে হয় ওই মৃত মহিলাকে আরেকটা সুযোগ দেওয়া আপনার মহানুভবতা।
: . . .
:'''কমান্ডার জ্যানসেন''': আমার মনে হয় ওরা আমাদের পাশের রাশিতে তাড়িয়ে নিতে চায়।
:'''ক্যাপ্টেন ডিভার্স''': হেলভেটিকা?
:'''মাইক নেলসন (ডিভার্স হিসেবে)''': ওহ আমি ওই ফন্টটা খুব ভালোবাসি!
: . . .
:'''টম সার্ভো (জ্যানসেন হিসেবে)''': টপ সুপার ডুপার ম্যাক্সি এক্সট্রিম আল্ট্রা সিক্রেট।
: . . .
:'''মাইক নেলসন (ডিভার্স হিসেবে)''': ঠিক আছে সবাই চটপটে হও—ওহ সরি সুসান।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (ম্যাকপিয়ারসন হিসেবে)''': একখানা ঘোড়া! আমার রাজ্যের বিনিময়ে একখানা ঘোড়া চাই!
<hr width="50%"/>
:'''ক্যাপ্টেন ডিভার্স''': স্যার আমরা দুজনেই জানি এখানে লড়াই করার মতো স্রেফ একজনই আছে। যে শারীরিক আর মানসিকভাবে দক্ষ।
:'''কমান্ডার জ্যানসেন''': ঠিক আছে।
:'''ক্রো টি. রোবট (জ্যানসেন হিসেবে)''': যাও আমার যুদ্ধের আলখাল্লাটা নিয়ে এসো।
<hr width="50%"/>
:'''কমান্ডার জ্যানসেন''': ক্যাপ্টেন ডিভার্স আর আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি: ডেভিড...
:'''ক্রো টি. রোবট''': তোমাকে বরখাস্ত করা হলো।
:. . .
:'''মাইক নেলসন''': আমরা ব্লাস্ট হার্ডচিজের ওপর ভরসা রাখলাম।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই শেরির বার্থডে পার্টি! অবশেষে!
:. . .
:'''মাইক নেলসন''': উউউ! আমরা আইএসও ৯০০১ সার্টিফিকেট পেয়েছি!
:. . .
:'''টম সার্ভো''': ও তোমার মেয়ের সাথে অনেক আনন্দ করবে।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ওই এক বিশাল সাহসী মাংসের টুকরো যাচ্ছে।
<hr width="50%"/>
:'''লিয়া''': আমি যাচ্ছি।
:'''ক্যাপ্টেন ডিভার্স''': লিয়া?
:'''মাইক নেলসন (ডিভার্স হিসেবে)''': আমার জন্য একটু কফি আনবে?
:'''ক্যাপ্টেন ডিভার্স''': লিয়া!
:'''মাইক নেলসন (ডিভার্স হিসেবে)''': কফি আনো বলছি!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': টোরো! টোরো! এই গাড়িগুলো টোরো কোম্পানি বানিয়েছে!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': জানো অনেকে এটাকে ‘বেন-হার’ সিনেমার রথের দৃশ্যের সাথে তুলনা করে?
:'''টম সার্ভো''': তাই নাকি?
:'''মাইক নেলসন''': হ্যাঁ ওরা সাধারণত বলে যে “বেন-হার আসলেও ভালো ছিল আর এটা আস্ত এক আবর্জনা।”
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': বিদ্রোহীদের জন্য একটা টিপস: **আরে থামো আর লক্ষ্য স্থির করো গাধার দল!**
:'''টম সার্ভো''': ওকে মারা এত কঠিন কেন? ওরা কেন ওই সাদা বিশাল বড় লক্ষ্যবস্তু মিস করছে?
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': হা হা ভালো ভালো এই **ভবিষ্যতের মহাকাশযানের** পুরনো নোংরা পাইপের ভেতরেই ফিরে চলো!
<hr width="50%"/>
:'''কালগান''': আমি এই লেজার তোমার দাঁতের ওপর ব্যবহার করব। এটা অনেকটা প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতির মতো যদিও তুমি ওসব নিয়ে কিছুই জানো না।
:'''টম সার্ভো (কালগান হিসেবে)''': তুমি দাঁতের চিকিৎসার ইতিহাস জানার মতো বুদ্ধিমান নও।
:'''লিয়া''': হারামি কোথাকার!
:'''মাইক নেলসন (লিয়া হিসেবে)''': আমার প্রাচীন চিকিৎসা শাস্ত্রের জ্ঞান নিয়ে অপমান করার সাহস হয় কী করে তোমার?!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আর আমাদের বীর নায়ক ওই পঙ্গু লোকটাকে পুড়িয়ে মারল!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': দেওয়ালে লাগানো কিবোর্ড... নির্ঘাত এটা **ভবিষ্যৎ!**
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ওরা বিয়ে করল আর সাড়ে আট পাউন্ড ওজনের এক শুয়োর ভাজা খেল।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': স্ল্যাব বাল্কহেড!
:'''টম সার্ভো''': ফ্রিজ লার্জমিট!
:'''মাইক নেলসন''': পান্ট স্পিডচাঙ্ক!
:'''ক্রো টি. রোবট''': বুচ ডেডলিফট!
:'''ক্রো টি. রোবট''': বোল্ড বিগফ্ল্যাঙ্ক!
:'''মাইক নেলসন''': স্প্লিন্ট চেস্টহেয়ার!
:'''মাইক নেলসন''': ফ্লিন্ট আয়রনস্ট্যাগ!
:'''ক্রো টি. রোবট''': বোল্ট ভ্যান্ডারহিউজ!
:'''মাইক নেলসন''': থিক ম্যাকরানফাস্ট!
:'''মাইক নেলসন''': ব্লাস্ট হার্ডচিজ!
:'''ক্রো টি. রোবট''': বাফ ড্রিঙ্কলটস!
:'''টম সার্ভো''': ট্রাঙ্ক স্ল্যামচেস্ট!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ফিস্ট রকবোন!
:'''মাইক নেলসন''': স্টাম্প বিফকনব!
:'''টম সার্ভো''': স্ম্যাশ ল্যাম্পজও!
:'''ক্রো টি. রোবট''': পাঞ্চ রকগ্রয়েন!
:'''মাইক নেলসন''': বাক প্ল্যাঙ্কচেস্ট!
:'''ক্রো টি. রোবট''': স্টাম্প চাঙ্কমেন!
:'''টম সার্ভো''': ডার্ক হার্ডপেক!
:'''মাইক নেলসন''': রিপ স্টেকফেস!
:'''ক্রো টি. রোবট''': স্লেট স্ল্যাবরক!
:'''টম সার্ভো''': ক্রাড বোনমিল!
:'''মাইক নেলসন''': ব্রিক হার্ডমিট!
:'''ক্রো টি. রোবট''': রিপ স্ল্যাগচিক!
:'''টম সার্ভো''': পাঞ্চ সাইডআইরন!
:'''মাইক নেলসন''': গ্রিসল ম্যাকথর্নবডি!
:'''ক্রো টি. রোবট''': স্লেট ফিস্টক্রাঞ্চ!
:'''মাইক নেলসন''': বাফ হার্ডব্যাক!
:'''টম সার্ভো''': বব জনসন! ওহ দাঁড়ান...
:'''টম সার্ভো''': ব্লাস্ট থিকনেক!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ক্রাঞ্চ বাটস্টেক!
:'''মাইক নেলসন''': স্ল্যাব স্কোয়াটথ্রাস্ট!
:'''টম সার্ভো''': লাম্প বিফব্রোথ!
:'''ক্রো টি. রোবট''': টাচ রাস্টরড!
:'''মাইক নেলসন''': রিফ ব্লাস্টবডি!
:'''মাইক নেলসন''': বিগ ম্যাকলার্জহিউজ!
:'''মাইক নেলসন''': স্মোক ম্যানমাসল!
:'''টম সার্ভো''': ইট পাঞ্চবিফ!
:'''মাইক নেলসন''': হ্যাক ব্লোফিস্ট!
:'''মাইক নেলসন''': রোল ফিজলবিফ!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ঠিক আছে মাইক সত্যি বলো। এই মিউজিকটা কি আসলেও তোমার রক্ত গরম করে দেয়?
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ মাইক এটা তো তোমার যুগের মিউজিক তোমার লোকেদের তৈরি তাই এই পুরো সিনেমার জন্য আমি তোমাকেই দায়ী করছি।
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ একদম তোমার মতোই এক সিনেমা। ভাইরে মাইক!
:'''মাইক নেলসন''': হেই আমিও এটাকে ঘৃণা করি! তোমরা আমাকে ধরছো কেন?
:'''ক্রো টি. রোবট''': তুমি আশির দশকে তরুণ ছিলে তাই না? এটাই তোমার জগত স্বীকার করো।
:'''মাইক নেলসন''': উমম...
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': ঠিক আছে এবার শোনো। এই হলো সেই গান যা শুনে তোমরা মাতাল শুক্রবারের রাতে কাঁদতে বসতে আর ঠান্ডা আলু ভাজা খেতে।
:'''টম সার্ভো''': আহ ছোট সুজিকে মদ খাইয়ে পটানোর চেষ্টা যখন চরম অপমানে শেষ হতো। তখন তুমি একা বসে এই ইমোশনাল গানগুলো গাইতে। তুমি সত্যিই করুণ।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ হয়তো কোনো এক সাধারণ মেয়ে তোমার ওপর দয়া করত কিন্তু সে যখন দেখত তুমি কতটা মাতাল তখন সে ঘেন্নায় চলে যেত।
:'''টম সার্ভো''': আর হয়তো ব্যান্ডের কোনো ছেলে দয়া করে তোমাকে বাড়ি পৌঁছে দিতে আসত। কিন্তু না মাইক! তুমি তোমার ডজ চার্জার নিয়ে বাড়ি ফিরতে চাইতে!
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ আর তুমি চাবির জন্য ওর সাথে কুস্তি করতে আর ও তোমাকে এক ঘুসিতে শুইয়ে দিয়ে চলে যেত। আর তুমি ওখানে শুয়ে শুয়ে ভাবতে যে এক স্কুল ব্যান্ডের লিডার তোমার পেছনে লাথি মেরে চলে গেল!
:'''টম সার্ভো''': তুমি সত্যিই করুণ।
:'''ক্রো টি. রোবট''': তুমি আর তোমার আশি দশক!
:'''টম সার্ভো''': তোমার প্রিয় আশি দশক!
:'''ক্রো টি. রোবট''': তুমি না থাকলে জগতটা সত্তর দশকেই থেকে যেত!
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ!
:'''মাইক নেলসন''': ঠিক আছে হয়েছে অনেক হয়েছে!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমায় মারবে? এসো আশি দশকের হিরো!
:'''টম সার্ভো''': এসো ঠান্ডা বাতাস! ওহ ওহ মারবেন না প্লিজ!
:---
:'''মাইক নেলসন''': দাঁড়াও দাঁড়াও তোমরা থামো এটা আমরা না।
:---
:'''টম সার্ভো''': না ওটাই তুমি! ধরো ওকে!
:'''ক্রো টি. রোবট''': না না সার্ভো ও ঠিক বলেছে। এই সিনেমা আমাদের একে অপরের বিরুদ্ধে লাগিয়ে দিচ্ছে! এটা শেষ হচ্ছে না কেন! এই ক্রেডিটগুলো শেষই হচ্ছে না! (কাঁদছে)
:'''টম সার্ভো''': (কাঁদছে) এটা ঠিক সেই ফালতু আশি দশকের মতো যা কোনোদিন শেষ হতে চায় না!
:'''মাইক নেলসন''': না না আসলে ওটা শেষ হয়েছে টম শান্ত হও। দেখো ওই যে কপিরাইট লেখা উঠেছে তার মানে শেষ।
:'''টম সার্ভো''': (কাঁদছে) সরি মাইক!
:'''ক্রো টি. রোবট''': (কাঁদছে) সরি মাইক!
:'''মাইক নেলসন''': সব শেষ হয়ে গেছে বন্ধুরা। আমিও দুঃখিত।
=== [[w:bn:টাইম চেজার্স|টাইম চেজার্স]] ===
:'''টম সার্ভো (কুকুর হিসেবে)''': হ্যালো আমি ফিডো হিচকক এই সিনেমার ডিরেক্টর।
:'''ক্রো টি. রোাবট''': ওর কাছে এক বালতি গোপনাঙ্গের স্বাদের পপকর্ন আছে।
:'''মাইক নেলসন''': ওহ ক্রো। শুরুতেই ওসব শুরু করলে।
:---
:'''টম সার্ভো''': এজউড এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেড নিবেদন করছে—
:'''মাইক নেলসন''': ঠিক আছে থামো।
:'''ক্রো টি. রোবট''': বন্ধ করো ওসব।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': এটা তো এনএফএল (NFL) গ্রাফিক্সের মতো।
:'''মাইক নেলসন''': (মিউজিক বাজাল)
<hr width="50%"/>
:'''নিক''': হা হা! নিক মিলার তুমি একজন জিনিয়াস!
:'''টম সার্ভো (নিক হিসেবে)''': এক উড়ন্ত জিনিয়াস!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': এই লোকটা... ও নিশ্চয়ই আমাদের হিরো না তাই তো? আমি কোনোভাবেই ওকে হিরো হিসেবে মেনে নেব না মাফ করবেন।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (ঘোষক হিসেবে)''': প্যারালাল পার্কিং ডে-তে চলে আসুন।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': মার্টিন স্টোরে আসুন। **কী খবর?!**
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আপনার মেইল এসেছে... সাথে মাথার টেকোও এসেছে!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': উমম... ভবিষ্যৎ।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': তার মানে ভবিষ্যতে বাচ্চারা সমকামী এজেন্ট হবে?
:. . .
:'''টম সার্ভো''': তার মানে... আজ থেকে ৫০ বছর পর মানে হলো ৩ বছর পর...
:. . .
:---
:'''টম সার্ভো''': হেই দেখো—এক লেসবিয়ান... **ভবিষ্যতের!**
:---
:'''মাইক নেলসন''': ফুড কোর্ট... **ভবিষ্যতের!**
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (রবার্টসন হিসেবে)''': হাই আমি বব ইভিল!
:'''রবার্টসন''': আমাকে বিশ্বাস করুন।
:'''টম সার্ভো (রবার্টসন হিসেবে)''': মুয়া-হা-হা-হা-হা-হা!
<hr width="50%"/>
:'''সৈনিক''': এদিকে এসো!
:'''মাইক নেলসন (সৈনিক হিসেবে)''': যদিও আমি ওদের উল্টো দিকে দৌড়াতে দেখছি!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': দুই ধরনের চেক জামা? ভাইরে আমি একটা উলঙ্গ রোবট হলেও আমি জানি এটা ফ্যাশনের জন্য চরম অপমান।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (জে.কে. হিসেবে)''': আমি ২০ মিনিটের জন্য বাইরে গেলাম আর ইভিলকো একদম শেষ হয়ে গেল!
:'''ক্রো টি. রোবট (ম্যাট হিসেবে)''': আমি টিমের হয়ে খেলি!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (বন্দুকধারী হিসেবে)''': আরররঘঘ! এক মরা ডজ ডার্টের ওপর ১৬ জন মানুষ!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': দারুণ এখন আবর্জনার ট্রাক রিভার্স করছে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আমি চাই ওরা যেন একসাথেই থাকে... কোনো এক কুয়োর নিচে যেখানে জানোয়াররা ওদের ছিঁড়ে খাবে!!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': এই সিনেমাটা আসলেও সিনেমার প্রতি অনাগ্রহ বাড়িয়ে দিচ্ছে।
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ আমারও তাই—অ্যাঁ?
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ওদের উচ্চতা কমে যাচ্ছে!
:---
:'''এডি''': আর ওদের স্পিডও কমে যাচ্ছে!
<hr width="50%"/>
:'''লিয়া''': নিক!
:'''ক্রো টি. রোবট (লিয়া হিসেবে)''': আজ সকালে শেভ করার সময় একটা নিক (দাগ) পড়ে গেছে!
:---
:'''এডি''': (বিরক্ত হয়ে) ওঠো! তুমি ঠিক আছো।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (নিক হিসেবে)''': হা হা! তোমার ভাগ্য খারাপ কারণ আমার হাত থেকে আঠা বের হয়!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আজ ২৭ জন কিবলার এলভিস মারা গেছে যখন একটা ছোট বিমান ওদের গাছে আছড়ে পড়ল!
:'''মাইক নেলসন''': ই.এল. ফাজ এখনও আশঙ্কাজনক অবস্থায় আছেন।
:. . .
:'''মাইক নেলসন''': ওহ ও মধু নেওয়ার চেষ্টা করছে!
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ মধুর মতো না ওটা পটির মতো।
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': ও একটা এনট (Ent) এর ওপর চড়ছে!
:'''টম সার্ভো''': (গম্ভীর স্বরে) হুমম আমার ওপর থেকে নামো হুমম।
:. . .
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': ও ওভাবেই মারা গেল যেভাবে ও বেঁচে ছিল: কাদায় মাখা অবস্থায়।
:---
:'''টম সার্ভো''': ওহ। বেশ ভালো হলো। ধন্যবাদ মুভি!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': গাছটা কি সিনেমার জন্য টাকা দিয়েছিল? **কেন এটা দেখাচ্ছে ওরা?**
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': তো আটটা ফ্লপি ডিস্কের মধ্যেই টাইম ট্রাভেলের চাবিকাঠি আছে।
:'''মাইক নেলসন''': সিনেমার সব কপি ডিলিট করব? হ্যাঁ। মানুষের স্মৃতি থেকে এই সিনেমার কথা মুছে দেব? হ্যাঁ।
:---
:'''মাইক নেলসন''': হেই... ও তো নিজের সার্জ প্রটেক্টরের বিরুদ্ধেও যুদ্ধ ঘোষণা করেছে...
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': এই বাদ্যযন্ত্রটা কে বাজাচ্ছে ভাই?!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': লেখা? এই সিনেমাটা কেউ লিখেছে? আমার তা মনে হয় না।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আমরা প্রতি রবিবার এক সুস্বাদু ব্রাশ (Bruch) পরিবেশন করি।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ওরে বাবা ওরা তো নরকের সমান ধন্যবাদ দিচ্ছে!
:. . .
:'''মাইক নেলসন''': এই সব মানুষরাই... কোনো না কোনোভাবে দায়ী বুঝতেই পারছো।
:---
:'''টম সার্ভো''': যার মানে হলো আমি ভারমন্টের ওই কর্মকর্তাদের আসলেও ঘৃণা করি। আমি মজা করছি না মাইক। আমি কোনোদিন ওদের পছন্দ করিনি! এটাই শেষ পেরেক। জাহান্নামে যান ভারমন্টের নাগরিক আর কর্মকর্তারা!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ভারমন্টে শুট করা হয়েছে: অন্য এক ছোট উইসকনসিন!
=== [[w:bn:ওভারড্রন অ্যাট দ্য মেমোরি ব্যাংক|ওভারড্রন অ্যাট দ্য মেমোরি ব্যাংক]] ===
:'''পার্ল''': আর এখন আরাম করে বসুন আর উপভোগ করুন নয় পর্বের এই বিশেষ সিরিজ ‘ওভারড্রন অ্যাট দ্য মেমোরি ব্যাংক’ অভিনয়ে প্রয়াত রাউল জুলিয়া একজন অসাধারণ অভিনেতা। উনি এই জঘন্য আবর্জনা—থুড়ি—এই উচ্চমানের প্রোগ্রামে কী করছিলেন কে জানে?
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': দাও ওটা আমাকে! দাও! এখনও অনেক কিছু বাকি আছে!
:'''মাইক নেলসন''': ওটা ছেড়ে দাও ভাই!
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ অবশ্যই মাইক। তুমি গিয়ে তোমার ওই ফালতু সিরিয়ালগুলো দেখো!
:---
:'''মাইক নেলসন''': মুভি সাইন এসে গেছে! (মাইক সার্ভোর হাত ছেড়ে দিল আর সার্ভো দূরে ছিটকে পড়ল)
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': এই সুন্দর লকেটটি শুধুমাত্র হোম শপিং নেটওয়ার্কে পাওয়া যাচ্ছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': এটা একটা রাউল-বিক্স কিউব!
:'''টম সার্ভো''': হি হি বন্ধুরা দেখো আমি ভেবেছিলাম ও পুয়ের্তো রিকান কিন্তু আমি জানতাম না ও...
:'''মাইক নেলসন''': ওহ না ওটা বোলো না!
:'''টম সার্ভো''': ...কিউবান!
:'''মাইক নেলসন''': ওরে বাবা।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': রাউল তুমি এখনই ফিরে এসো আর এই বাজে সিনেমায় অভিনয় করো খোকা!
:'''টম সার্ভো (রাউল জুলিয়া হিসেবে)''': কিন্তু আমি তো অন্য এক মহান চরিত্রে সাইন করেছি!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': আর এখন খবর।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ওটা তো নিউ ইয়র্ক পাবলিক টিভি স্টেশন! কী ব্যাপার পার্ল কি ভুল করে আমাদের খবরের অনুষ্ঠান পাঠাল নাকি?
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': (বিদ্রূপ করে) হা। হা। হা। হা। ওটা বেশ মজার ছিল।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওয়ান্ডা ক্যানন? ওটা তো পর্নস্টারদের মতো নাম! অবশ্য আমি ওসব নাম কোনোদিন শুনিনি... মানে আমি ওসব ম্যাগাজিন পড়ি না আর কি।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ওরে বাবা টিভির ফ্র্যাঙ্ক!
:'''টম সার্ভো''': বাহ ফ্র্যাঙ্ক তো জীবনে অনেক উন্নতি করেছে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': তবুও এটা ‘উইয়ার্ড’ ম্যাগাজিন পড়ার চেয়ে অনেক সহজ।
== মৌসুম ৯ ==
=== [[w:bn:দ্য প্রজেক্টেড ম্যান|দ্য প্রজেক্টেড ম্যান]] ===
:'''অবজারভার''': ওহ পার্ল ওটা আমি নই! আমি এখানে অনেকগুলো অতৃপ্ত আত্মার উপস্থিতি অনুভব করছি... যারা এই অন্ধকার হলে ঘুরে বেড়াচ্ছে একটু শান্তির আশায়... তাদের সেই অনন্ত রাত শেষ হওয়ার অপেক্ষায়... এক চরম হাহাকার... এই উদাসীন মহাবিশ্বের দিকে। নেপেন্থে! নেপেন্থে!
:'''পার্ল ফরেস্টার''': তুমি আসলেও খুব আজব।
:'''অবজারভার''': হয়তো আমার ভুল হচ্ছে।
<hr width="50%"/>
:'''ব্যক্তি''': ও কী করছে?
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ ও স্রেফ ওর সেই প্যাটেন্ট করা বিরক্তিকর সাউন্ড ইফেক্ট শোনাচ্ছে!
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর হিল''': সাবধানে গাড়ি চালাবেন না?!
:'''ডক্টর মিচেল''': সুন্দরী হয়তো আপনি হতে পারেন!
:'''ক্রো টি. রোবট (গার্ড হিসেবে)''': উমম ও বলেছে “সুন্দরী হয়তো আপনি হতে পারেন!” ম্যাম। আমি ঠিক জানি না ও কী বোঝাতে চেয়েছে!
:. . .
:'''টম সার্ভো''': উমম... গাড়ি হয়তো ও চালাচ্ছে!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': আহ গাড়ি পার্ক করা! চরিত্র ফুটিয়ে তোলা আর উত্তেজনা তৈরির কী দারুণ এক উপায়!
:---
:'''মাইক নেলসন''': একজস্ট সিস্টেম হয়তো ওর লাগবে!
<hr width="50%"/>
:'''প্রফেসর স্টেইনার''': লেজার প্রি-হিট!
:'''ডক্টর মিচেল''': লেজার প্রি-হিট... ভেতরে!
:'''ক্রো টি. রোবট (প্রফেসর স্টেইনার হিসেবে)''': প্যানে তেল আর ময়দা মাখাও!
:'''প্রফেসর স্টেইনার''': লেজার এমিশন রিলে।
:'''ডক্টর মিচেল''': লেজার এমিশন রিলে... চালু!
:'''টম সার্ভো (প্রফেসর স্টেইনার হিসেবে)''': গল্পের বারোটা বেজে গেছে! সিনেমাটা... জঘন্য!
:'''মাইক নেলসন''': আমরা কি অভিনেতা নই?
:'''প্রফেসর স্টেইনার''': রিলে ওয়ান।
:'''ডক্টর মিচেল''': রিলে ওয়ান... ভেতরে!
:'''টম সার্ভো (প্রফেসর স্টেইনার হিসেবে)''': ফালতু এক দৃশ্য... সমাপ্ত!
<hr width="50%"/>
:'''চোর''': গ্লোরিয়া?
:'''মাইক নেলসন (চোর হিসেবে)''': জি-এল-ও-আর-আই-এ?
:'''চোর''': গ্লোরিয়া!
:'''টম সার্ভো (চোর হিসেবে)''': পরম করুণাময় ঈশ্বর!
:'''চোর''': গ্লোরিয়া!
:'''ক্রো টি. রোবট (চোর হিসেবে)''': শুনেছি ওরা তোমার নম্বর পেয়ে গেছে।
<hr width="50%"/>
:'''ইন্সপেক্টর ডেভিস''': আমি কি ভেতরে যেতে পারি?
:'''টম সার্ভো (ডক্টর মিচেল হিসেবে)''': ও তো মরে গেছে আপনি চাইলে ওর ওপর কুস্তি লড়তে পারেন।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': বাহ বেশ গোলমেলে সমাপ্তি। সিনেমাটা কি ভয়ংকর ছিল নাকি স্রেফ ফালতু?
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ! এটা দেখার পর আমি কি একটা কুকুরকে লাথি মারব নাকি বিড়ালকে?
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি কি ডিরেক্টরকে স্রেফ মেরে ফেলব নাকি মারার আগে একটু অত্যাচার করব?
:'''মাইক নেলসন''': ক্রো!
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': আহ সিনেমা আর এর সব অভিনেতারা এখন নরকের আগুনে পুড়বে!!
=== [[w:bn:দ্য ফ্যান্টম প্ল্যানেট|দ্য ফ্যান্টম প্ল্যানেট]] ===
:'''ক্রো টি. রোবট''': দাদু আবারও মাইক্রোওয়েভ চালানোর চেষ্টা করেছিলেন।
:'''মাইক নেলসন''': প্যাট বুকাননের প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম দিন।
<hr width="50%"/>
:'''ম্যাকোনেন''': জানেন ক্যাপ্টেন আমার প্রতিটা বছর কাটে এই বিশ্বাসে যে ভালোর দিকে নজর দেওয়াটাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ...
:'''ক্রো টি. রোবট (চ্যাপম্যান হিসেবে)''': ওকে মেরো না...
:'''ম্যাকোনেন''': ...যদি আপনি একটু সময় নিয়ে ওটার দিকে তাকান।
:'''চ্যাপম্যান''': আপনি সত্যিই এক পিস মাল ম্যাকোনেন।
: . . .
:'''মাইক নেলসন (ম্যাকোনেন হিসেবে)''': জানেন ক্যাপ্টেন...
:'''ক্রো টি. রোবট (চ্যাপম্যান হিসেবে)''': চুপ করো রে।
: . . .
:'''মাইক নেলসন (চ্যাপম্যান হিসেবে)''': বাহ! আমি ওই সহকারী পাইলটকে ছাড়াই ল্যান্ড করতে পারলাম যে সারাক্ষণ ভালো আর মন্দের বকবক করত!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (চ্যাপম্যান হিসেবে)''': ওহ আমার বমি পাচ্ছে আর ওটা চারদিকে ভাসবে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': অভিনন্দন ম্যাডাম মহাকাশচারী আপনার ছেলে হয়েছে!...ছেলে...ছেলে...
:'''মাইক নেলসন''': জাগো ফ্র্যাঙ্ক! তুমি বিছানা ভিজিয়ে দিয়েছো!...দিয়েছো...দিয়েছো...
:'''ক্রো টি. রোবট''': ফ্র্যাঙ্ক তোমাকে আবারও ক্লাস থ্রি-তে ভর্তি হতে হবে!...হবে...হবে...
:'''মাইক নেলসন''': ফ্র্যাঙ্ক আমরা কালেকশন এজেন্সি থেকে বলছি। আপনার কি ক্রেডিট রেটিং এর কোনো চিন্তা নেই?...নেই...নেই...
:'''ক্রো টি. রোবট''': ফ্র্যাঙ্ক আমার ভয় হচ্ছে তুমি সেভেন-ইলেভেনে কাজ করার যোগ্য নও!...ন নও...ন নও...
:'''টম সার্ভো''': আপনি আমাদের দেখা সবচেয়ে জঘন্য ভাঁড়!...ভাঁড়...ভাঁড়...
<hr width="50%"/>
:'''জজ ইডেন''': পৃথিবীর মানুষ তোমার বিরুদ্ধে আমাদের একজনকে জখম করার অভিযোগ আছে।
:'''চ্যাপম্যান''': আমার মনে হয়েছিল আমাকে আক্রমণ করা হয়েছে আর আমি স্রেফ নিজেকে বাঁচিয়েছি।
:'''টম সার্ভো (চ্যাপম্যান হিসেবে)''': …সাহস আর উলঙ্গ অবস্থার সাথে।
<hr width="50%"/>
:'''চ্যাপম্যান''': আমি বুঝতে পারছি না।
:'''সেসম''': এখানে অনেক কিছুই তুমি বুঝতে পারবে না…
:'''ক্রো টি. রোবট (সেসম হিসেবে)''': …কারণ তুমি একটা আস্ত দরজার নব।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': দেখো! রোজ আর ভ্যালেরিয়া গ্যালারি থেকে চিৎকার করছে!
<hr width="50%"/>
:'''জজ ইডেন''': জুরিরা এখন ঠিক করবে আপনি দোষী নাকি নির্দোষ।
:'''টম সার্ভো (জুরি হিসেবে)''':
::আমরা বলছি ও দোষী! দোষী!
::দো-ষী! দোষী!
::হুররে! ইয়ে!
<hr width="50%"/>
:'''লিয়ারা''': আমাদের এখানে অক্সিজেন থাকলে আপনি সাথে সাথেই আপনার আসল আকার ফিরে পেতেন।
:'''ক্রো টি. রোবট''': তার মানে মানুষ আসলে স্রেফ বেলুন?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': জানেন এটা প্রায় ‘২০০১’ সিনেমার মতোই ভালো... যেন চোখের ভেতর পেরেক ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': দশ সেকেন্ড আগে দেখা দৃশ্য আবারও দেখাচ্ছে! এটা কোনো কথা হলো?!
<hr width="50%"/>
:'''হোয়াইট''': চ্যাপম্যান! চ্যাপম্যান!
:'''টম সার্ভো (হোয়াইট হিসেবে)''': তোমার কাছে কি চুইংগাম আছে?
:'''হোয়াইট''': ম্যাকোনেন কোথায়?
:'''চ্যাপম্যান''': ও শেষ। চলে গেছে।
:'''মাইক নেলসন (চ্যাপম্যান হিসেবে)''': ও সৌন্দর্য নিয়ে বেশি বকবক করছিল তাই ওকে আমি এয়ারলক দিয়ে বের করে দিয়েছি।
<hr width="50%"/>
:'''চ্যাপম্যান''': এখন ওরা আর আমাকে কোনোদিন বিশ্বাস করবে না...
:'''মাইক নেলসন (চ্যাপম্যান হিসেবে)''': আমাকে ওদের সবাইকে মেরে ফেলতে হবে।
=== [[w:bn:দ্য পিউমাম্যান|দ্য পিউমাম্যান]] ===
:'''কোবরাস''': মাঝে মাঝে ইতিহাসের চেয়ে রূপকথায় বেশি সত্য থাকে।
:'''মাইক নেলসন (কোবরাস হিসেবে)''': আর টার্কির চেয়ে হ্যাম-এ বেশি লবণ থাকে।
<hr width="50%"/>
:'''জেন''': তুমি এটা লুকাতে পারো না!
:'''কোবরাস''': কে আমাকে আটকাবে?
:'''টম সার্ভো''': পেশীবহুল আর চুলওয়ালা একজন বুদ্ধিমান লোক?
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': স্টিভ আমাদের কোম্পানির লোক কমানো হচ্ছে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমাদের নম্বরে কল দিন আর ভোট দিন।
<hr width="50%"/>
:'''জেন''': তার মানে ডাইনোসররা বিলুপ্ত হয়ে গেছে কারণ ওরা একে অপরকে ভালোবাসতে ভুলে গিয়েছিল? তাই তো?
:'''টম সার্ভো''': ভুলভাবে বললে ‘হ্যাঁ’।
<hr width="50%"/>
:'''ভাদিনহো''': আমার নাম ভাদিনহো।
:'''ক্রো টি. রোবট (ভাদিনহো হিসেবে)''': আমি একটা পেঁয়াজ।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ভাগ্যিস ওরা ঘরটা বিস্কুট দিয়ে বানিয়েছিল।
:'''ক্রো টি. রোবট''': তার মানে সামান্য বৃষ্টি হলেই এই ছাদ ভেঙে পড়বে।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ও এসেই আমার গাড়ির ওপর পটি করে দিল!
:'''ক্রো টি. রোবট (ভাদিনহো হিসেবে)''': সাবধান ওটা— ওরে বাবা সরাসরি পাখার ভেতর ঢুকে গেল।
:'''মাইক নেলসন''': ভুল করে ওরা ওকে ‘ক্যাপ্টেন গাধার’ পোশাক দিয়ে দিয়েছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': (পিউমাম্যান থিম মিউজিকের তালে গাইছে) পিউ-মা ম্যান ও এক গাধার মতো ওড়ে!
:'''মাইক নেলসন''': ওর কাজই হলো বড় বড় শহরের ওপর ওড়া।
:'''টম সার্ভো''': একটা পাখি ওর ইঞ্জিনে ঢুকে গেলেই ও সোজা নিচে আছড়ে পড়বে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ ওর ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার করলে স্রেফ চিৎকারের শব্দই পাওয়া যাবে!
<hr width="50%"/>
:'''ভাদিনহো''': তুমি ওড়ো না তোমার মন ওড়ে।
:'''ক্রো টি. রোবট (টনি হিসেবে)''': হ্যাঁ ধন্যবাদ কাস্টানেডা।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': অপরাধীরা কি জন্মগতভাবেই কনস্ট্রাকশন সাইট পছন্দ করে?
<hr width="50%"/>
:'''কোবরাস''': চলো খোঁজাখুঁজি শুরু করো। ওকে খুঁজে বের করো। আর মেরে ফেলো।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিধানে ‘চিরুনি’ (comb) শব্দের এটাই একমাত্র ব্যবহার।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (গুন্ডার গলায়)''': বাঁচাও! আমি ষাট ডিগ্রি কোণে পড়ছি আর ফিজিক্সের সব নিয়ম ভাঙছি!
:. . .
:'''টম সার্ভো (গুন্ডার গলায়)''': আমার গোঁফের ওজনের কারণে আমি একদিকে হেলে পড়ছি!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': মে মেয়েলী গাড়িটা রেডি করো!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': আমি টিভিতে রাত জেগে ফালতু শো দেখার জন্য এই ফায়ার ট্রাকে আছি।
:'''ক্রো টি. রোবট''': সাউন্ডট্র্যাক দিয়েছে আমার ছোট ভাইয়ের ক্যাসিও কিবোর্ড।
:'''টম সার্ভো (টনি হিসেবে)''': আমি সারাক্ষণ একটা ছোট গাড়িতে ছোট মানুষকে স্বপ্নে দেখি।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ওহ ও মাতাল হয়ে পুরনো বান্ধবীদের গাড়িতে ঢুকে পড়ছে।
:'''জেন''': টনি! তুমি এখানে কীভাবে এলে?
:'''টনি''': ওসব বাদ দাও। গাড়ি চালাও।
:'''টম সার্ভো''': ...ও বলল।
:'''জেন''': কিন্তু ওরা তোমাকে মেরে ফেলবে। কোবরাস তোমাকে মারতে চায় আর ওরা আমার পেছনেই আছে।
:'''টনি''': ওসব বাদ দাও। মাস্কটা কোথায় বলো।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ভিডিওর দোকানে যান।
:'''জেন''': আমাকে ওটা জিজ্ঞেস কোরো না আমি পারব না। আমি চাইলেও পারব না। আমি সবার মতো মুখ বন্ধ রাখতে বাধ্য।
:'''টনি''': চেষ্টা করো! নিজের মনের জোরে ওর বিরুদ্ধে লড়াই করো!
:'''মাইক নেলসন (জেন হিসেবে)''': কিন্তু আমার মন তো সায় দিচ্ছে না!
:'''জেন''': আমি পারব না! ও দূর থেকে আমাকে নিয়ন্ত্রণ করছে।
:'''টম সার্ভো''': অ্যামেলিয়া ইয়ারহার্ট না ওটা অ্যামেলিয়া এয়ারহেড।
<hr width="50%"/>
:'''কোবরাস''': যখন জগত আমার হাতের মুঠোয় থাকবে তখন আমিই ঠিক করব কখন যুদ্ধ হবে আর কখন শান্তি! কখন জীবন আর কখন মৃত্যু!
:'''টম সার্ভো (কোবরাস হিসেবে)''': আর আলু খাবেন নাকি সবজি!
<hr width="50%"/>
:'''কোবরাস''': তুমি কোনোভাবেই আমার থেকে বাঁচতে পারবে না পিউ-মা ম্যান!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওটা পি-উ-মা না ওটা পু-মা ম্যান!
:'''মাইক নেলসন''': তাই নাকি? ওরে ডোনাল্ড?
:'''কোবরাস''': তুমি স্রেফ এক তুচ্ছ... নগণ্য... মানুষ!
:'''টম সার্ভো''': না না ওটা মানুষ না ওটা হলো... ওহ থাক।
<hr width="50%"/>
:'''কোবরাস''': কারণ তুমি পৃথিবী থেকে এসেছো...
:'''টম সার্ভো (কোবরাস হিসেবে)''': আর তোমার ভেতরে ভুট্টা জন্মায়।
:'''কোবরাস''': আর এই পৃথিবীতেই তোমাকে ফিরতে হবে!
:'''মাইক নেলসন''': অ্যাঁ? ও কি পাগল? ওর কথার কোনো মানে নেই।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': রেড আউল স্টোরে ভালো জিনিস পাওয়া যায়...
:'''টম সার্ভো''': স্নাইডার ড্রাগে সবকিছুর দাম কম...
:'''ক্রো টি. রোবট''': যখনই আপনার চিপস এর সাথে সস লাগবে...
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': (গাইছে) বিশ্বাস করো আর না করো এই সিনেমা এখনও চলছে এটা তো দুই ঘণ্টা আগেই শেষ হওয়া উচিত ছিল...
<hr width="50%"/>
:'''ভাদিনহো''': তুমি সফল হয়েছো! ওরা ভাবছে তুমি মরে গেছো তাই ওরা তোমাকে আর বিরক্ত করবে না।
:'''মাইক নেলসন''': একা থাকাটাই হলো সেরা হিরোদের একমাত্র লক্ষ্য!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': তো মূলত হিরো হলো এই লোকটা। আমাদের সবারই এই ধ্রুব সত্যটা মেনে নেওয়া উচিত।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': আর আমরা এক দূরবর্তী কান্নার শব্দ শুনলাম।
=== [[w:bn:ওয়্যারউলফ|ওয়্যারউলফ]] ===
:'''মাইক নেলসন''': আমি এখন সেই স্ট্রাকচারের ভেতরে ঢুকছি। দেখে মনে হচ্ছে কোনো এক ধরনের আস্তাবল বা... না এটা তো একটা খাবারের দোকান। আমি এখন কাস্টমারদের একজনের কাছে যাব আর জানার চেষ্টা করব যে আমি ঠিক কোথায় আছি...
:'''পার্ল ফরেস্টার''': ব্রেইন গাই।
:'''অবজারভার''': হ্যাঁ। (এক বিশাল কামান নিয়ে মাইকের দিকে তাক করল)
:'''মাইক নেলসন''': আআহ! ঠিক আছে আমি ওপরে যাচ্ছি আর সিনেমাটা দেখছি... উমম ওটার নাম যেন কী ছিল?
:'''পার্ল ফরেস্টার''': ‘ওয়্যারউলফ’।
:'''মাইক নেলসন''': হ্যাঁ ওয়্যারউলফ ঠিক। উমম ব্রেইন গাই আপনি কি আমাকে একটু ওপরে তুলে দেবেন?
:'''অবজারভার''': না।
:'''মাইক নেলসন''': জানতাম আপনি এটাই বলবেন স্রেফ চেক করলাম আর কি। আমি যাচ্ছি... (তাড়াহুড়ো করে মই বেয়ে ওপরে উঠে গেল)
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': জানি না কার কাছে ও ছিল! (হাসছে)
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওমন বোলো না! তুমি বিপদে পড়বে! এটা খুব বাজে এক জোকস ছিল আর আমি মাইককে বলে দেব!
:'''টম সার্ভো''': হা হা কিছু যায় আসে না মাইকই বা কী করবে?
:'''মাইক নেলসন''': হেই বন্ধুরা।
:'''টম সার্ভো''': (চিৎকার করে) ওরে বাবা!
:'''ক্রো টি. রোবট''': মাইক এই সিনেমার টাইটেল ওঠার সময় সার্ভো বলছিল যে জানি না কার কাছে ও ছিল আর আমার মনে হয় এটা খুব বাজে একটা জোকস...
:'''মাইক নেলসন''': (হাসছে) ওরে বাবা এটা তো বেশ মজার আমার ভালো লেগেছে!
:'''টম সার্ভো''': ধন্যবাদ!
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই! আমিও ওটাই বোঝাতে চেয়েছিলাম! আমারও ভালো লেগেছে।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': (দীর্ঘশ্বাস ফেলে) সাবাশ সার্ভো।
:'''টম সার্ভো''': অনেক ধন্যবাদ!
<hr width="50%"/>
:'''বিলি''': হেই আমি কিছু একটা পেয়েছি!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওটা তো রন!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আর্কিওলজিস্টদের মারপিট!
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': পার্কের ভেতর ‘রোড হাউস’ এর অভিনয় চলছে।
:. . .
:'''মাইক নেলসন''': আর মারামারির সময় ওরা স্রেফ ইতিহাসের বারোটা বাজিয়ে দিল।
<hr width="50%"/>
:'''নোয়েল''': হয়তো পাগল শোনাবে কিন্তু...
:'''ক্রো টি. রোবট (নোয়েল হিসেবে)''': আমি আমার পায়ের বদলে আঙুর লাগিয়েছি।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (চাঁদ হিসেবে)''': ওহ আমি অনেক খেয়ে ফেলেছি—আমি এখন এক ভর্তি চাঁদ!
:'''মাইক নেলসন''': তোমায় আমি একটা ঘুসি মারব সার্ভো...
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': না দাঁড়ান! ওটা তো গরিলা!
:---
:'''টম সার্ভো''': ...সাথে একটা কুকুরের মুখোশ!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': এই দুজন মানুষের মিলনের ফলে যে বাচ্চা হবে ওটা আস্ত এক গাধা হবে তা আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি।
<hr width="50%"/>
:'''নোয়েল''': ইউরি! তোমার সমস্যা কী ভাই?!
:'''ক্রো টি. রোবট (নোয়েল হিসেবে)''': তুমি আমার বিবাহিত স্বামী!
<hr width="50%"/>
:'''পল''': আমি এখন একটা কিছু নিয়ে কাজ করছি।
:'''নাস্তাসিয়া''': তাই নাকি? বিষয়বস্তুটা কী?
:'''ক্রো টি. রোবট (পল হিসেবে)''': তুমি ঠিকই বলেছো। বিষয়বস্তুর কোনো দাম নেই!
:'''মাইক নেলসন''': হি হি দারুণ বলেছো!
<hr width="50%"/>
:'''নাস্তাসিয়া''': তুমি আমার কাছে কী লুকাচ্ছো নোয়েল? সত্যিটা বলো!
:'''টম সার্ভো (নোয়েল হিসেবে)''': (দাদির গলায়) তুমি সত্যিটা সহ্য করতে পারবে না খোকা!
:'''নোয়েল''': সময় হলে সব জানতে পারবে।
:'''নাস্তাসিয়া''': হয়তো তখন অনেক দেরি হয়ে যাবে!
:'''মাইক নেলসন''': বাহ! ভবিষ্যৎ বাণীটা তো দারুণ হলো।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': চবি রামোন!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': খুব সহজ মাইক। স্রেফ আমার ওপর আর পড়বে না।
:'''মাইক নেলসন''': হেই তোমার যদি ওমন ধারালো আর তীক্ষ্ণ বডি না হতো তবে হয়তো আমার সেলাই লাগত না!
:'''ক্রো টি. রোবট''': পরের বার পা তুলে হাঁটবে বুঝলে মিস্টার বড় লোক? (মাইকের নতুন রূপ দেখে) হেই। মাইক তোমার কী হয়েছে আমি জানি না কিন্তু হুট করে তোমাকে খুব সুদর্শন লাগছে!
:'''মাইক নেলসন''': তাই নাকি?
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ আমি বিশ্বাসই করতে পারছি না আমি এর আগে খেয়াল করিনি তুমি কত স্টাইলিশ! তুমি তো আস্ত এক দেবতা!
:---
:'''মাইক নেলসন''': কী— কী হয়েছে?
:'''টম সার্ভো''': মাইক তোমার হাতগুলো দেখো! মাথায় হাত দিয়ে দেখো!
:'''মাইক নেলসন''': তো আমার কাছে এখন জাল আর নখ আছে। কী হচ্ছে এসব-- (গলার স্বর হঠাৎ ক্রোর মতো হয়ে গেল) হেই! দাঁড়াও একটু!
:'''ক্রো টি. রোবট''': আহ তুমি যখন বোকামি করে আমার ওপর পড়েছিলে তখন আমার কিছু গুণ তোমার ভেতরে চলে গেছে।
:'''টম সার্ভো''': ছিঃ! গুণ বোলো না!
:'''মাইক নেলসন''': জানো আমার আসলেও খুব ভালো লাগছে আমি একদম সহজ অনুভব করছি। হ্যাঁ আমি ওটাই বলতে চেয়েছিলাম!
:'''টম সার্ভো''': ওহ না! ও এখন ‘ওয়্যারে-ক্রো’ হয়ে গেছে! ওয়্যারে-ক্রো!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ঠিক আছে। তো বলো এখন কেমন লাগছে?
:'''মাইক নেলসন''': উমম আমি রোগা অনুভব করছি...
:'''ক্রো টি. রোবট''': উমম-হুম।
:'''মাইক নেলসন''': ...আমি বেকন খুব ভালোবাসি...
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ হ্যাঁ!
:'''মাইক নেলসন''': ...আর আমি মনে করি সবার চেয়ে আমার বুদ্ধি বেশি।
:'''ক্রো টি. রোবট''': একদম ঠিক! তুমি এখন পুরো আমার মতো! ওহ এটা তো দারুণ হচ্ছে!
:'''মাইক নেলসন''': ভাইরে আমি আমাদের খুব ভালোবাসি!
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ আমিও!
:'''টম সার্ভো''': (বিরক্ত হয়ে) মাফ করবেন আমি এখন গিয়ে বমি করব! (চলে গেল)
:'''মাইক নেলসন''': হ্যাঁ যাও যাও। তো আর কী কী আশা করতে পারি?
:'''ক্রো টি. রোবট''': উমম প্রতি ৭ বছর পর পর তোমার গলার আওয়াজ পাল্টাবে...
:'''মাইক নেলসন''': ঠিক আছে ভালো।
:'''ক্রো টি. রোবট''': তুমি এখন থেকে টিভিতে ঘর সাজানোর আজব সব জিনিস অর্ডার করা শুরু করবে-
:'''মাইক নেলসন''': অলরেডি শুরু করে দিয়েছি!
:'''ক্রো টি. রোবট''': দারুণ! (বিজ্ঞাপনের ঘণ্টা বাজল) ওহ আমরা বিরতির পর ফিরছি!
:'''মাইক নেলসন''': হা হা! আর কী?
:'''ক্রো টি. রোবট''': তোমাকে এখন তোমার টাট্টু ঘোড়ার ছবির বিশাল কালেকশনটা লুকিয়ে রাখতে হবে।
:'''মাইক নেলসন''': ওহ দারুণ পয়েন্ট!
<hr width="50%"/>
:'''নাস্তাসিয়া''': তো শেষ পর্যন্ত এটাই হলো?
:'''টম সার্ভো (নাস্তাসিয়া হিসেবে)''': ওই... জিনিসটা যা হওয়ার কথা ছিল?
:'''নাস্তাসিয়া''': তুমি আর নোয়েল স্রেফ নাম আর টাকার জন্য একাজ করলে?
:'''ক্রো টি. রোবট (ইউরি হিসেবে)''': হ্যাঁ আমরা করেছি।
:'''নাস্তাসিয়া''': কিন্তু আমার লাশের ওপর দিয়ে হবে ওসব। শুনছো তুমি? আমি এটা হতে দেব না!
:'''টম সার্ভো (নাস্তাসিয়া হিসেবে)''': তুমি একটা আস্ত গাধা!
<hr width="50%"/>
:'''স্যাম''': ওয়্যারউলফ?
:'''ক্রো টি. রোবট (পল হিসেবে)''': না আমি তো কাঠবিড়ালি; অবশ্যই আমি ওয়্যারউলফ গাধা কোথাকার...
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (নাস্তাসিয়া হিসেবে)''': পল তুমি একটা ওয়্যারউইলফ!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওটা ছিল ডিরেক্টরের হার মানার শব্দ।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': পাও ওয়াও ইন্ডিয়ান ছেলে সব পশুপাখিকে খুব ভালোবাসত...
:'''মাইক, ক্রো, সার্ভো''': আমরা তোমাদের কাঁপিয়ে দেব! টাস্ক!
:'''টম সার্ভো''': যদিও ওরা ঝোপঝাড়ের ভেতর দিয়ে দৌড়াত আর এমন সব জায়গায় যেত যেখানে ইঁদুরও যেত না...
:'''ক্রো টি. রোবট''': জিপসি চোর আর ডাকাত আমরা শহরবাসীর কাছ থেকে ওসব শুনেছি...
:'''মাইক, ক্রো, সার্ভো''': টাস্ক!
:'''মাইক নেলসন''': পাহাড়ের ওপর এক একাকী রাখাল গান গাইত...
:'''টম সার্ভো''': ওই তো সান্তা ক্লজ আসছে একদম সান্তা ক্লজ লেন দিয়ে...
:'''মাইক, ক্রো, সার্ভো''': টাস্ক!
:'''ক্রো টি. রোবট''': এখনই সব দিয়ে দাও! এখনই সব দিয়ে দাও!!
:'''মাইক নেলসন''': আমার কাছে নতুন একজোড়া চাকা আছে আর আমার কাছে নতুন চাবিও আছে...
:'''মাইক, ক্রো, সার্ভো''': টাস্ক!
:'''টম সার্ভো''': অ্যাডমিরাল হ্যালসি আমাকে জানিয়েছেন যে উনার গোসল করা দরকার...
:'''ক্রো টি. রোবট''': আর চাঁদকে নিয়ে ছেলেটা গান গাইছে...
:'''মাইক নেলসন''': ইস্টার পার্টিতে তোমার নতুন টুপিটা নিয়ে এসো...
:'''টম সার্ভো''': ব্যাংককের এক রাত যেকোনো মানুষকে শেষ করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট!
:'''ক্রো টি. রোবট''': হাঁস মুরগি আর রাজহাঁস সব পালাচ্ছে যখন আমি আসছি...
:'''মাইক নেলসন''': আমরা তো স্রেফ নতুন ছাত্র ছিলাম!
:'''মাইক, ক্রো, সার্ভো''': ওহ সুসানা আমার জন্য কেঁদো না! আমি আলাবামা থেকে এসেছি আমার হাঁটুতে গিটার নিয়ে! টাস্ক!
=== [[w:bn:দ্য ডেডলি বিজ|দ্য ডেডলি বিজ]] ===
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওরা কি প্রতিটা মৌমাছির নাম দিয়ে দিয়েছে নাকি? ভাইরে এটা তো সারাজীবন লেগে যাবে...
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': (গাইছে) আট মাইল... ভুল পথে!
: . . .
:'''টম সার্ভো''': বন্ধুরা গান বাজনা বাদ দাও আর সরাসরি আসল নেশার দিকে চলো।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই ওরা তো বিল দ্য ক্যাট চাষ করছে!
<hr width="50%"/>
:'''হারগ্রোভ''': শুভ সকাল ডেভিড।
:'''হকিন্স''': শুভ সকাল মিস্টার হারগ্রোভ। আপনার জন্য কী আনব?
:'''হারগ্রোভ''': ওহ সেই চিরচেনা জিনিসটাই।
:'''টম সার্ভো''': সকাল ৯টা বাজে এত দেরি কেন?
:'''হারগ্রোভ''': ডাবল করে দাও ঠিক আছে?
:'''ক্রো টি. রোবট''': ঠিক আছে এখন বোঝা যাচ্ছে আমরা ইংল্যান্ডে আছি।
:'''মাইক নেলসন''': এন্ডি ক্যাপ: দ্য মুভি।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ওরে বাবা ওকে দেখো! আমি তো জানতামই না যে সিগারেটে এত ভিটামিন থাকে!
<hr width="50%"/>
:'''করোনার''': আদালতে আপনার কি এমন কিছু বলার আছে যা আপনার স্ত্রীর মৃত্যুর কারণ পরিষ্কার করতে সাহায্য করবে?
:'''হারগ্রোভ''': কারণটা তো পরিষ্কার। ও মৌমাছির কামড়ে মারা গেছে।
:'''করোনার''': আর ওর কুকুরটা?
:'''টম সার্ভো (হারগ্রোভ হিসেবে)''': উমম কুকুরটা ওকে কামড়ায়নি।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': (গাইছে) জলদি চলো জলদি চলো আমাদের যেতে হবে...
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই এটা তো দেখছি এক সাধারণ মেয়ে।
:'''মাইক নেলসন''': এই বন জঙ্গল কার?
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ আমি মনে হয় জানি।
:'''মাইক নেলসন''': অ্যাঁ?
:---
:'''টম সার্ভো''': খুনি বিস্কুটের গুঁড়ো!
:'''ক্রো টি. রোবট (ডরিস হিসেবে)''': ধুর ওই মৌমাছিগুলোর ডাক নিয়ে তো কবি অনেক কথা বলে গেছেন।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ও এখনও জুয়েলের চেয়ে ভালো লিপ-সিঙ্ক করে।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (টেস হিসেবে)''': আমার বদলা নাও! ঘেউ!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (হারগ্রোভ হিসেবে)''': তুমি যদি ওর অন্তর্বাস খোঁজো তবে জানাই আমি অলরেডি ভালোটা পরে আছি।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': বাড়িটা স্রেফ কাগজ আর তেলের ন্যাকড়া দিয়ে বানানো হয়েছিল।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ঠিক আছে এবার চুমু খাওয়া শুরু করো সিনেমা! কী হচ্ছে এসব?
:'''টম সার্ভো''': ক্রেডিটে কি লেখা উঠবে “শেষের ওই লোকটা”?
=== [[w:bn:দ্য স্পেস চিলড্রেন|দ্য স্পেস Children]] ===
==== সেঞ্চুরি ২১ কলিং (শর্ট) ====
:'''মাইক নেলসন''': ওহ! ওরা ওদের গোল্ডেন জ্যাকেটটা ফেরত চায়।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ এই মোনোরেল ডিজাইনারদের মগজ স্রেফ একদিকেই চলে।
:'''মাইক নেলসন''': তুমি ওভাবে খেপছো কেন?
:'''ক্রো টি. রোবট''': জানি না।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': মেলার একমাত্র বাথরুমটা ওই ওপরেই আছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': যাক জেনে ভালো লাগল যে ভবিষ্যতে স্রেফ একটানা হারমোনিয়ামের মিউজিক বাজবে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (মেয়ের গলায়)''': ওহ আসো না! তুমি সমকামী আর তুমি সেটা ভালো করেই জানো!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': জার্মানি থেকে উপহার? ওটা কী? পচা মাংস জঘন্য গাড়ি আর পরিচয়পত্র?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (ব্যক্তির গলায়)''': “পশুপাখি কীভাবে শেখে?” উমম যতক্ষণ ওরা সুস্বাদু হচ্ছে ততক্ষণ আমার কোনো মাথাব্যথা নেই।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (মহিলার গলায়)''': এই নাও তুমি একটা পাগল। এই পাখির মাথাটা চিবিয়ে খাও তো!
<hr width="50%"/>
:'''বেল ওম্যান''': ...আপনাকে স্রেফ আপনার প্রিয় নম্বরগুলোর একটা লিস্ট দিতে হবে। বাকি কাজ ইলেকট্রনিক ব্রেইনই করে দেবে।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (ছেলের গলায়)''': হিটলার এটা খুব পছন্দ করতেন!
<hr width="50%"/>
:'''দিদা''': হ্যালো?
:'''ছোট মেয়ে''': হ্যালো দিদা?
:'''ক্রো টি. রোবট (ছোট মেয়ের গলায়)''': আমার টাকাগুলো কোথায়?
<hr width="50%"/>
:'''বেল ওম্যান''': লাইনে অন্য কাউকে চান?
:'''টম সার্ভো (কাস্টমার হিসেবে)''': না।
:'''বেল ওম্যান''': ওটাও খুব সহজ। স্রেফ সুইচটা টিপুন তারপর একটা কোড নম্বর দিন আর ব্যাস!
:'''মাইক নেলসন''': উমম হয়তো।
:'''ক্রো টি. রোবট (বেল ওম্যান হিসেবে)''': খুব জলদিই আপনার সব বন্ধুরা ফোন কেটে দেবে আর আপনার কল দেখে ভয় পাবে।
<hr width="50%"/>
:'''বেল ওম্যান''': ছুটিতে অনেক দূরে থাকলেও স্রেফ ফোনের মাধ্যমে বাগানে পানি দেওয়া সম্ভব হবে।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ বাগান যখন আপনার ওপর হিসু করে দেবে তখন কেমন লাগবে?!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (বেল ওম্যান হিসেবে)''': আর ভবিষ্যতে এই প্রযুক্তির ব্যবহার সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়লেও আপনার কাছ থেকে বাড়তি দুই ডলার চার্জ নেওয়া হবেই!
==== দ্য স্পেস চিলড্রেন (মূল সিনেমা) ====
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমাকে মনে করিয়ে দিও কোনোদিন যেন বাচ্চা না হই।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (বাড হিসেবে)''': হ্যাঁ—আমি বাবার মানিব্যাগ থেকে টাকা চুরি করব আর দান করব।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওরে বাবা! চিন্তা করো তো মদ্যপ সৎ বাবার হাতে মার খাওয়াটা কেমন হবে!
<hr width="50%"/>
:'''অ্যান ব্রুস্টার''': ও কীভাবে তোমাকে এসব বলে আর কেনই বা বলে?
:'''বাড''': আমার মনে হয় না তুমি ওটা বুঝতে পারবে।
:---
:'''মাইক নেলসন (অ্যান হিসেবে)''': ওহ আমি বরং গিয়ে নিজেকে শেষ করে ফেলি।
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর ওয়ারম্যান''': ওটা দেখতে কেমন?
:'''ক্রো টি. রোবট (ব্রুস্টার হিসেবে)''': উমম ওর ব্যবহার বেশ ভালো...
=== [[w:bn:হবগব্লিনস|হবগব্লিনস]] ===
:'''টম সার্ভো''': কোনো সিনেমা থেকে কি যৌন রোগ হওয়া সম্ভব?
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ওর জুতোর ভেতর কি পটেটো চিপস আছে নাকি?
:'''টম সার্ভো''': প্রমাণ হলো যে ঝাড়ুদাররাও সোজা হয়ে হাঁটতে পারে!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': বার্জেস মেরেডিথ ভেতরে বসে বই পড়ছেন।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (ঘোষক হিসেবে)''': মেম্বার এফডিআই-মার্ডার!
:'''ক্রো টি. রোবট (ঘোষক হিসেবে)''': মৃত্যুর গ্যারান্টি ৫০ হাজার পর্যন্ত!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': হেই শেষের ক্রেডিটগুলো এসে গেছে! যাক সিনেমাটা খুব একটা জঘন্য ছিল না। অন্তত ছোট ছিল!
:'''মাইক নেলসন''': আরে এগুলো শুরুর ক্রেডিট!
:'''টম সার্ভো''': ওহ তাহলে দয়া করে আমাকে এখনই মেরে ফেলুন!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': এক লোক চোরের মতো করে এগোচ্ছে স্রেফ সাইলেন্ট মুভির ভিলেনের মতো!
:'''টম সার্ভো''': (গাইছে) আমাকে নিয়ে নাও...
<hr width="50%"/>
:'''ড্যাফনি''': (গাইছে) আজ রাতে সবাই সেক্স করো!
:'''টম সার্ভো''': আজ রাতে সবাই বমি করো।
:'''ক্রো টি. রোবট''': অদ্ভুত ব্যাপার হলো ওই ব্যান্ডের কেউ ওই রাতে সেক্স করেনি।
<hr width="50%"/>
:'''ম্যাকক্রিডি''': কিন্তু... আমি সতর্ক করেছিলাম... ওই প্রাণীরা... ভল্ট... আমি চেষ্টা করেছি...
:'''টম সার্ভো''': স্রেফ ভাঙা ভাঙা কথা। কোনো বাক্য নেই।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': তো হার্ডওয়্যার হ্যাঙ্ক কি কোনো ডিফেন্স কন্ট্রাক্ট পেয়েছে নাকি?
:. . .
:'''মাইক নেলসন''': ও এক আজব খেলায় ব্ল্যাক বেল্ট পেয়েছে।
:. . .
:'''মাইক নেলসন''': ওহ! ওই যে! দেখেছো ওটা? ওই পাইপটা ওদের চেয়ে ভালো অভিনয় করেছে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমরা কি একটা নিয়ম করতে পারি যে ভবিষ্যতে সিনেমা শুধু সিনেমার লোকেরাই বানাবে?
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': (আশির দশকের মিউজিকের তালে গাইছে)
:: এটাই সেই আশি দশক!
:: প্রচুর নেশা করো আর রিপাবলিকানদের ভোট দাও!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': এই হলো আমাদের হবগব্লিনস: ফ্র্যাঙ্কি স্নিফেলস বাউন্স-বাউন্স আর ক্লাউ।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ছিঃ! ওরা ভ্যানের ভেতরে সেক্স করেছে আর ওটা আমার কাছে মোটেও ঠিক মনে হয়নি!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': বিজ্ঞাপনের শিরোনামটা কি এমন ছিল— “দরকার: এক ঘ্যানঘ্যানানি বোকা ভিতু লোক”?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওটা কোনো মহিলা নয় ওটা তো ডেভিড লি রথ!
: . . .
:'''টম সার্ভো''': গাড়িটা যেকোনোভাবে এই সিনেমা থেকে বের হতে চাইছে!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': এক অপ্রত্যাশিত ট্র্যাজেডি: দুর্ঘটনার সময় ওই দুজন অভিনেতা গাড়ির ভেতর ছিলেন না!
:---
:'''মাইক নেলসন (কেভিন হিসেবে)''': ওই লোকটাকে দেখো লাইটের সামনে স্রেফ রঙিন কাগজ নাড়াচ্ছে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওরে বাবা! তুমি তো এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমানটাকেই নামিয়ে দিলে গাধা কোথাকার!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': উইসকনসিন ডেলসের রাজা অবশেষে একটা সিনেমা পেল।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক কাটআউট''': এটা বেশ বাজে সিনেমা তাই না?
:'''সার্ভো কাটআউট''': হ্যাঁ একদম ঠিক!
:'''ক্রো কাটআউট''': হেই বন্ধুরা এই হবগব্লিনস নিয়ে একটা ছোট গান গাইলে কেমন হয়?
:'''মাইক কাটআউট''': তুমি কি মজা করছো?
:'''সার্ভো কাটআউট''': তাহলে চলো শুরু করি!
:'''সবাই (গাইছে)''': হবগব্লিনস হবগব্লিনস কী করবে এই হবগব্লিনসদের নিয়ে? ওরা এখানে আছে ওরা ওখানে আছে এই পাজি হবগব্লিনসরা সব জায়গায় আছে! ইয়ে! উউ!
: . . .
:'''মাইক কাটআউট''': সাবধান ওই তো একটা আসছে!
:'''ক্রো কাটআউট''': সাবধানে থেকো তুমি ছোট খেলনা!
:'''সার্ভো কাটআউট''': নিশ্চিতভাবে কিছু একটা ঘটতে যাচ্ছে!
:---
:'''মাইক কাটআউট''': তো আমরা সবাই আজ হবগব্লিনস নিয়ে এক মূল্যবান শিক্ষা পেলাম...
<hr width="50%"/>
:'''ম্যাকক্রিডি''': আমি কি বলেছি যুদ্ধের সময় আমি কী করেছিলাম?
:'''কেভিন''': না কী?
:'''ক্রো টি. রোবট (ম্যাকক্রিডি হিসেবে)''': নিজের পায়ের আঙুল নিজেই উড়িয়ে দিয়ে পার পেয়েছিলাম!
=== [[w:bn:দ্য টাচ অব স্যাটান|দ্য টাচ অব স্যাটান]] ===
:'''চাষি''': মার্সি যদি তুমি অন্যদের মতো আসতে...
:'''টম সার্ভো''': মার্সি?
:'''চাষি''': ...তবে এত দৌড়ঝাঁপ করতে হতো না।
:'''মাইক নেলসন (মার্সি হিসেবে)''': হ্যাঁ আমাকে দোয়ান।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': আমেরিকান গথিক লোকগুলো এখন প্রতিশোধ নিচ্ছে।
: . . .
:'''ক্রো টি. রোবট (গল্প বলার ভঙ্গিতে)''': আর তারপর ও **মরে গেল**!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': দাদি ক্রেমার!
:'''মাইক নেলসন''': এক কাবুকি অভিনেতাকে জখম করা হয়েছে!
: . . .
:'''লুথার''': কী হয়েছে? তুমি একি করলে?
:'''টম সার্ভো (লুসিন্ডা হিসেবে)''': আমি টানা ১০ বছর রোদ পোহানোর ঘরে ছিলাম!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': এমবি মেলে? ওটা কোনো নাম না ওটা স্রেফ বাজে হাতের লেখা।
<hr width="50%"/>
:'''অ্যাটেন্ডেন্ট''': ঠিক ছয় ডলার হয়েছে।
:'''ক্রো টি. রোবট (অ্যাটেন্ডেন্ট হিসেবে)''': আর আমার মাথার ভেতরে থাকা এলিয়েনদের জন্য এক ডলার এক্সট্রা দিন।
: . . .
:'''অ্যাটেন্ডেন্ট''': দেখুন আমার ধারণা অনুযায়ী এক পাগল খুনি একাজ করেছে আর আমাদের আশেপাশে এমন কেউ নেই।
: . . .
:'''জডি''': হ্যাঁ আমাদের আশেপাশে ওরকম কোনো পাগল খুনির দরকার নেই।
:---
:'''টম সার্ভো (অ্যাটেন্ডেন্ট হিসেবে)''': তাই নাকি? আমাকে আমার ডিকশনারিটা একবার চেক করতে হবে।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': (গাইছে) কিন্তু গাছেরা তাদের অনুভূতি লুকাতে পারে না যদি ওরা নিজেদের পছন্দ করে...
:'''ক্রো টি. রোবট''': (কড়া স্বরে) মাইক এখনই থামো।
:'''মাইক নেলসন''': ...সরি।
<hr width="50%"/>
:'''জডি''': এটা কি তোমার পুকুর?
:---
:'''ক্রো টি. রোাবট (জডি হিসেবে)''': আপনি সময় নিতে পারেন প্রশ্নটা আসলেও খুব কঠিন।
:'''মেলিসা''': এটা আমার বাবার।
:'''জডি''': ওহ তোমার বাবা কি কিছু মনে করবেন যদি কেউ উনার পুকুরে পাথর ছুড়ে মারে?
:'''টম সার্ভো (মেলিসা হিসেবে)''': যতক্ষণ না আপনি উনার প্রিয় ব্যাঙটাকে মারছেন ততক্ষণ সমস্যা নেই।
:---
:'''মেলিসা''': আমার মনে হয় না উনি ওসব নিয়ে কিছু বলেছেন। ওটা কি তোমার গাড়ি?
:'''জডি''': হ্যাঁ।
:'''টম সার্ভো (মেলিসা হিসেবে)''': ওটার ওপর কি আমি পাথর ছুড়ে মারতে পারি?
<hr width="50%"/>
:'''মেলিসা''': এখানেই মাছরা থাকে।
:---
:'''জডি''': তুমি দৌড়ালে কেন?
:'''টম সার্ভো (মেলিসা হিসেবে)''': কারণ এখানেই মাছরা থাকে।
:'''মেলিসা''': আমার ইচ্ছা করল। আমি উড়তে চেয়েছিলাম কিন্তু পারলাম না তাই আমি দৌড়ালাম।
:---
:'''মাইক নেলসন (জডি হিসেবে)''': তুমি কি আস্ত এক গাধা?
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (জডি হিসেবে)''': এখানেই আমার জিভ থাকে।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (বার্নি ফিফ হিসেবে)''': আমি আপনাকে বলছি এন্ডি গাড়ির ভেতর একটা শয়তান ছিল!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ও ১৫ ডলার ৫৫ সেন্ট দিল যাতে ও ৬ ডলার ৬৬ সেন্ট ফেরত পায়।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (গ্রামবাসী হিসেবে)''': ওহ আর ফুটবল টিমের জয় হোক কিন্তু আগে ডাইনিটাকে পোড়াও।
:. . .
:'''স্ট্রিকল্যান্ড''': “দুষ্ট মানুষ তার সারাজীবন কষ্ট পায়...”
:'''টম সার্ভো (স্ট্রিকল্যান্ড হিসেবে)''': ...মেডেলিন বলেছিল।
:'''স্ট্রিকল্যান্ড''': “...আর অত্যাচারের বছরগুলো কোনোদিন শেষ হয় না...”
:'''ক্রো টি. রোবট (স্ট্রিকল্যান্ড হিসেবে)''': ধুর আজেবাজে কথা।
:'''স্ট্রিকল্যান্ড''': “ওর কানে এক ভয়ংকর আওয়াজ আসে।”
:'''মাইক নেলসন (স্ট্রিকল্যান্ড হিসেবে)''': ওটা পলা কোল আমি নিশ্চিত।
:'''স্ট্রিকল্যান্ড''': “সুখের সময়ও ধ্বংসকারী হানা দেয়।”
:---
:'''স্ট্রিকল্যান্ড''': কী হয়েছে মা?
:'''তরুণী লুসিন্ডা''': আমার মনে হলো আমি কিছু একটা শুনেছি।
:'''স্ট্রিকল্যান্ড''': খোদার বাণীর দিকে মন দাও।
:'''টম সার্ভো (স্ট্রিকল্যান্ড হিসেবে)''': কারণ ও তোমাকে ভালোবাসে আর তুমি না শুনলে ও তোমাকে মেরেই ফেলবে।
:'''স্ট্রিকল্যান্ড''': “হ্যাঁ...”
:'''ক্রো টি. রোবট (স্ট্রিকল্যান্ড হিসেবে)''': “...টিম!”
:'''স্ট্রিকল্যান্ড''': “...দুষ্টের আলো নিভে যাবে...”
:'''মাইক নেলসন (স্ট্রিকল্যান্ড হিসেবে)''': “...সাড়ে দশটার মধ্যে…”
:'''স্ট্রিকল্যান্ড''': “...আর আগুনের ফুলকি আর জ্বলবে না।”
:'''টম সার্ভো (মেয়ের গলায়)''': স্রেফ পুরনো স্টাইলের ফটো তোলো বাবা!
:. . .
:---
:'''মিসেস স্ট্রিকল্যান্ড''': কী হয়েছে ডেভিড?
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওরা বলছে “ডাইনিটাকে পোড়াও”! তুমি কি কানে খাটো?
:'''তরুণী মেলিসা''': বাবা কী হয়েছে?
:'''ক্রো টি. রোবট''': (বিরক্ত হয়ে) বলছে “ডাইনিটাকে পোড়াও”! তোমার কি বোঝার ক্ষমতা একদমই নেই?!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': (গাইছে) এই গানটা পাবলিক ডোমেইনের অধীনে তাই আমরা এটা দুবার ব্যবহার করেছি।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (লুসিন্ডা হিসেবে)''': আমি ভেবেছিলাম ওকে পাই খাওয়ার জন্য ডাকব; জানি না কী হয়ে গেল!
=== [[w:bn:গর্গো|গর্গো]] ===
:'''মাইক নেলসন''': “লন্ডন ইংল্যান্ড”... হ্যাঁ যার পুরো খরচ জোগানো হয়েছে রড স্টুয়ার্ট আর পিট টাউনশেন্ডের ট্যাক্সের টাকা দিয়ে।
:'''টম সার্ভো''': একটু দাঁড়ান আমি তো মাত্র তিনটে শব্দ পড়েছি!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ভাইস প্রেসিডেন্টের এক আজব নির্বাচনী স্লোগান।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': এই নতুন “কুল রাঞ্চ” ফ্লেভারের হাওয়া একদমই ভালো না।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': তারপর কী হলো?..
:---
:'''মাইক নেলসন''': ওহ ওরা তো ঠিকই আছে!
:'''ক্রো টি. রোবট''': (গাইছে)
:: ওরা বন্দরে পৌঁছে গেল আর সবাই ঠিক আছে।
:: ওরা লাঞ্চ করতে গেল আর অনেক ভালো অনুভব করল...
<hr width="50%"/>
:'''স্যাম''': মনে হচ্ছে ওরা খুব বড় ধাক্কা খেয়েছে।
:'''মাইক নেলসন''': বেচারা গাধার দল ১০০ বছর পর পর উদয় হয় আর ঝড়ের কবলে পড়ে।
<hr width="50%">
: '''জো''': তা তুমি কী জানো?
: '''মাইক, ক্রো, সার্ভো''': খুব একটা না। আপনি?
<hr width="50%"/>
:'''ম্যাককার্টিন''': পানি ভর্তি করার পর... তোমরা চলে যাবে। আজ রাতেই!
:'''জো''': যত জলদি হয় ততই ভালো!
:'''টম সার্ভো (জো হিসেবে)''': সোয়েটার যত টাইট হয় ততই ভালো! / ছেলেরা আমাদের ওপর ভরসা রাখছে!
:'''ক্রো টি. রোবট (স্যাম হিসেবে)''': ইয়ে!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': বেচারা আইরিশরা—হয় ওদের ইংল্যান্ড আক্রমণ করে নয়তো জঘন্য দানবরা!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (গর্গো হিসেবে)''': ম্যকরোর! ও'গ্রাউল!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (নাবিক হিসেবে)''': আয়ারল্যান্ডে আছি ভালো খাবার পাঠাও।
<hr width="50%"/>
:'''জো''': ওর ওপর নজর রেখো। আর ওকে একটা রাইফেল দাও।
:'''টম সার্ভো''': দানবকে রাইফেল দেবেন না!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি জানতাম না যে হাতিদের গায়ে লাগলেই ওরা ফেটে যায়!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': হয়তো মেরি পপিন্স উড়ে এসে ওর পেছনে একটা লাথি মারবে?
:'''মাইক নেলসন''': ওটা দেখতে আমি টাকা খরচ করতেও রাজি আছি।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আমার ইচ্ছা ছিল যদি ওরা ডরকিন সম্পর্কে আরও কিছু দেখাত।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ! সিনেমার শুরুতে অনেক ডরকিন ছিল। ওটা আরও দেখানো উচিত ছিল।
:'''টম সার্ভো''': অবশ্যই! আমি বলতে চাইছি এই পুরনো দৃশ্য দেখার চেয়ে ডরকিন দেখা অনেক ভালো।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ। আমি—আমি আসলেও ডরকিন দেখাটা খুব খুব মিস করছি।
:'''টম সার্ভো''': ধুর!
:'''মাইক নেলসন''': হেই! ওটা কাজও করে না!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওটা আসলেও কাজ করে মাইক। হি হি হি।
:'''মাইক নেলসন''': হয়েছে অনেক। অনেক ডরকিন হয়েছে! আমি—
:---
:'''মাইক নেলসন''': তোমরা জানো আমি কী বোঝাতে চেয়েছি। বন্ধ করো ওসব।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': গান্ধী নিশ্চয়ই ওপর থেকে হাসছেন।
<hr width="50%"/>
:'''স্যন''': ও ফিরে যাচ্ছে—সমুদ্রের বুকে।
:'''টম সার্ভো (স্যন হিসেবে)''': ...সাথে অনেকের রক্ত নিয়ে।
=== [[w:bn:দ্য ফাইনাল স্যাক্রিফাইস|দ্য ফাইনাল স্যাক্রিফাইস]] ===
:'''ক্রো টি. রোবট''': যদি ওটা আবার বন্ধ হয় তবে আমি আমার ব্লেন্ডারটা নিয়ে আসব।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': আমি ‘এ’ (A) পর্যন্ত সব বুঝতে পেরেছি।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ও এক মহান বংশের উত্তরাধিকারী।
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': এটার মানে হলো “সরাসরি ভিডিওর দোকানে পাঠানো হয়েছে!”
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': সাইলেন্ট কনসোনেন্টের এটা একটা বেআইনি ব্যবহার!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': জানো কী? এই সিনেমার গায়ে কানাডার গন্ধ লেগে আছে।
:'''টম সার্ভো''': আগে থেকেই।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ক্রেডিট দেখানোর সাত বছর পর?
:'''মাইক নেলসন''': মনে হয় তাই।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (ব্যক্তির গলায়)''': যাক আমাকে এখন কবরে ফিরতে হবে; সূর্য উঠে গেছে এক ঘণ্টা হলো আমি এখন গলতে শুরু করব।
:. . .
:'''মাইক নেলসন''': মানুষ মরার জন্য—
:'''টম সার্ভো''': (কড়া স্বরে) **একদম না।**
:'''মাইক নেলসন''': ...সরি।
:. . .
:'''ট্রয়''': হ্যালো বাবা। অনেক দিন হলো। আমি তোমাকে মিস করি। আমি জানতে চাই তোমার কী হয়েছিল।
:'''মাইক নেলসন (ট্রয়ের বাবা হিসেবে)''': আমি **মরে গেছি**।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': ওহ এখানেই ফ্রাইডে রেস্টুরেন্টের সব জিনিস রাখা হয়।
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট (ট্রয় হিসেবে)''': এখানেই আমি আমার লাল সোয়েটারগুলো লুকিয়ে রেখেছিলাম।
:'''টম সার্ভো''': ওহ খোদা। ও হয়তো জানতে পারবে যে ওর বাবা আসলে এক ভাঁড় ছিল।
:'''মাইক নেলসন (ট্রয় হিসেবে)''': আমার কিছু যায় আসে না। আমি আমার ব্যাটম্যান পাজামাটা আবার বের করছি।
:. . .
:'''টম সার্ভো (ট্রয় হিসেবে)''': যাক আমাকে এখন এই বক্সের ভেতর থাকা শিখতে হবে।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (ট্রয় হিসেবে)''': এবার আমি কিছু ধর্মীয় বই নিয়ে ব্যস্ত হব।
:---
:'''মাইক নেলসন''': ল্যারি কজোনকা!
:---
:'''টম সার্ভো (ট্রয় হিসেবে)''': ছিঃ ওই স্যান্ডউইচটা এখানে রাখা একদম ঠিক হয়নি।
:'''ক্রো টি. রোবট (ট্রয় হিসেবে)''': আমাকে এই সোয়েটারের ওয়ারেন্টি কার্ডটা খুঁজে বের করতে হবে।
:---
:'''মাইক নেলসন''': ল্যাবু লেবু খনি?! অবাক হওয়ার কিছু নেই যে বাবার সব টাকা লস হয়েছে!!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ওটা **খোলা**!
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট (গুন্ডার গলায়)''': আপনি কি দরজা বদলাতে আগ্রহী?
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': কানাডিয়ান ভিলেন গার্থ ভেডার।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (গুন্ডার গলায়)''': পাপিষ্ঠ পি-উই!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': উহ-ওহ শহরের ব্যাটারি মনে হয় ডাউন হয়ে গেছে।
<hr width="50%"/>
:'''জ্যাপ রওসডাওয়ার''': তোমার নাম কী খোকা?
:'''ট্রয়''': ট্রয় ম্যাকগ্রেগর।
:'''জ্যাপ রওসডাওয়ার''': আমি রওসডাওয়ার। জ্যাপ রওসডাওয়ার।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ আর আমার নাম হলো বিল পচা-পানি!
:---
:'''মাইক নেলসন''': রওসডাওয়ার-মোবাইল এগিয়ে চলো!
:'''টম সার্ভো''': আর ওরা দুজনে মিলে দক্ষিণ আলবার্টার সব ক্রাইম দমন করল!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': (বিরক্ত হয়ে) আমি এই ফালতু গাড়িগুলোর হিসেব গুলিয়ে ফেলছি ভাই!
<hr width="50%"/>
:'''ট্রয়''': ম্যাপের পেছনে কী আছে তা খুঁজতে কি তুমি আমায় সাহায্য করবে?
:'''মাইক নেলসন (রওসডাওয়ার হিসেবে)''': ওহ আমি ওসব ম্যাপ ট্যাপ খুঁজি না।
<hr width="50%"/>
:'''জ্যাপ রওসডাওয়ার''': তোমার কোনো ধারণা আছে তুমি কাদের পাল্লায় পড়েছো?
:'''ক্রো টি. রোবট (রওসডাওয়ার হিসেবে)''': ওরা স্যাসকাচোয়ানের লোক!
:'''ট্রয়''': না।
:'''জ্যাপ রওসডাওয়ার''': ওটা একটা কাল্ট।
:'''টম সার্ভো (রওসডাওয়ার হিসেবে)''': ওরা নীল ঝিনুকের পূজা করে।
:'''জ্যাপ রওসডাওয়ার''': ওরা জগত শাসন করতে চায়।
:'''ট্রয়''': তুমি জানলে কীভাবে?
:'''জ্যাপ রওসডাওয়ার''': আমি অনেক জায়গায় ঘুরেছি খোকা।
:'''ক্রো টি. রোবট (রওসডাওয়ার হিসেবে)''': আর আমি একদম চৌকো খোকা।
:'''টম সার্ভো''': ধুর!
<hr width="50%"/>
:'''রওসডাওয়ার''': ওরা একসময় এই দেশ শাসন করত।
:'''মাইক নেলসন (রওসডাওয়ার হিসেবে)''': ওরা এক সপ্তাহ এই এক একর জমি শাসন করেছিল। কেউ জানত না।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': রওসডাওয়ার-ডাওয়ার-ডাওয়ার-ডাওয়ার...
<hr width="50%"/>
:'''রওসডাওয়ার''': জাহান্নামে যাও!
:'''ক্রো টি. রোবট (রওসডাওয়ার হিসেবে)''': অথবা অন্তত এডমন্টনে যাও!
<hr width="50%"/>
:'''ট্রয়''': **খাবার!**
:'''ক্রো টি. রোবট (রওসডাওয়ার হিসেবে)''': হ্যাঁ কিন্তু বিয়ার নেই।
:'''পিপার''': হেই ওখানে কে?!
:'''টম সার্ভো (ট্রয় হিসেবে)''': আরও **খাবার!**
:'''পিপার''': তোমরা এখানে কী করছো?!
:'''ক্রো টি. রোবট (ট্রয় হিসেবে)''': আমরা তোমার **খাবার** খাচ্ছিলাম!
<hr width="50%"/>
:'''পিপার''': ম্যাকগ্রেগর? ট্রয় ম্যাকগ্রেগর? ...থমাসের ছেলে?
:'''ট্রয়''': হ্যাঁ! তুমি কি ওকে চিনতে?
:'''টম সার্ভো (পিপার হিসেবে)''': চিনতাম? ও খেতে খুব সুস্বাদু ছিল!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': হেই ওর প্যান্ট পরিষ্কার হলো কীভাবে?
:'''টম সার্ভো''': ওই নোংরা লোকটা সম্পর্কে যাই বলো ভাই ও কাপড় খুব ভালো কাচতে পারে।
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': (গাইছে) তোমার মুখে কাদা তুমি এক কলঙ্ক... গান গাইছে...
:'''ক্রো এবং সার্ভো''': আমরা রওসডাওয়ার হব!
:'''ক্রো টি. রোবট''': গাও সবাই!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ মনে হয় শেষ হয়ে গেছে।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (ট্রয় হিসেবে)''': আমি ওটা ফেলে দিয়েছি।
:'''মাইক নেলসন (ট্রয় হিসেবে)''': কোন দিকটা ধারালো?
:'''মাইক নেলসন (ট্রয় হিসেবে)''': উমম আমি আমার দুটো হাতের কবজিই কেটে ফেলেছি।
:'''মাইক নেলসন (ট্রয় হিসেবে)''': উমম আমি কোনোভাবে ছুরিটা গিলে ফেলেছি।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (সাতোরিস হিসেবে)''': তুমি আমার পেছনে গুলি মারলে! কী আজব ব্যাপার?! তুমি **আমার পেছনে** গুলি মারলে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ওহ বেবি রওসডাওয়ার আমাদের আর পুরো জগতকে বাঁচিয়ে দিল!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ও এক ভাঙা ট্রাকে করে জগত রক্ষা করতে এল।
:'''মাইক নেলসন''': ওর পিঠে এক দুর্গন্ধযুক্ত ডেনিম জ্যাকেট ছিল।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ও এই জঘন্য সিনেমাটাকে বাঁচাতে পারল না!
:'''মাইক নেলসন''': কিন্তু অন্তত আমাদের ওটা দেখতে হয়নি...
:'''টম সার্ভো''': **কী?!**
:'''মাইক নেলসন''': সরি আমি ঘাবড়ে গিয়েছিলাম।
=== [[w:bn:ডেভিল ফিশ|ডেভিল ফিশ]] ===
:'''টম সার্ভো:''' এক জঘন্য মাছের কাহিনী!
<hr width="50%"/>
:'''পিটার''': জ্যানেট! জ্যানেট!
:'''টম সার্ভো (পিটার হিসেবে)''': ওহ সরি আমি ভুলে গিয়েছিলাম। আমি জঘন্য মিস্টার জ্যাকসন!
<hr width="50%"/>
:'''ডক্টর ডেভিস''': যে সমুদ্রের সম্পদ কাজে লাগাতে পারবে... ভবিষ্যৎ ওর হাতেই থাকবে ডাক্তার।
:'''ডক্টর ওয়েস্ট''': ওর নিজের হাতে।
:'''ডক্টর ডেভিস''': একদম ঠিক।
:'''ক্রো টি. রোবট (ডেভিস হিসেবে)''': হ্যাঁ আমাকে সাহায্য করার জন্য ধন্যবাদ।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (শেরিফ গর্ডন হিসেবে)''': গোলাপি শরবত ঢেলে দাও!
:'''টম সার্ভো''': বাজি ধরে বলতে পারি ওরা এলাকার সব পাগলদের ভাড়া করেছে।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': মানুষের মতো দেখতে এক মহিলাকে দেখুন!
<hr width="50%"/>
:'''শেরিফ গর্ডন''': এক নম্বর দল রিপোর্ট দাও।
:'''দলের সদস্য''': এক নম্বর দল শেরিফ। এখনও কিছুই দেখিনি।
:'''ক্রো টি. রোবট (সদস্য হিসেবে)''': আমরা এখনও কিছুই দেখিনি বেবি... ওভার।
: . . .
:'''শেরিফ গর্ডন''': দুই নম্বর দল। দুই নম্বর দল!
:'''টম সার্ভো (মৃত সদস্য হিসেবে)''': আমাদের খেয়ে ফেলেছে ওভার!
: . . .
:'''শেরিফ গর্ডন''': দুই নম্বর দল। দুই নম্বর দল!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ ওরা এখন ‘নম্বর টু’ পজিশনে আছে।
: . . .
:'''টম সার্ভো (মাছ হিসেবে)''': (গাইছে) দক্ষিণের মানুষ আমি তোমার মাথা খেয়ে ফেলব!
: . . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': যাক এখন এলাকার সব জ্যান্ত প্রাণী মরে ভূত হবে।
: . . .
:'''টম সার্ভো (শেরিফ হিসেবে)''': ঠিক আছে এবার পেঁয়াজ আর মাশরুমগুলো ঢেলে দাও!
:'''ক্রো টি. রোবট''': কোস্ট গার্ডের কি আসলেও আগুনের কোনো দরকার আছে?
: . . .
:'''মাইক নেলসন''': ছিঃ কেউ মনে হয় নদীর ওপর দিয়াশলাই ছুড়ে মেরেছে।
=== [[w:bn:দ্য স্ক্রিমিং স্কাল|দ্য স্ক্রিমিং স্কাল]] ===
==== [[w:bn:রোবট রাম্পাস|রোবট রাম্পাস]] (একটি গাম্বি অ্যাডভেঞ্চার) (শর্ট) ====
:'''ক্রো টি. রোবট (গাম্বি হিসেবে)''': আজ আমার এক সহপাঠী চুল্লির ভেতর মরে গেছে **মা**।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': গাম্বির ভালো দিক হলো আপনি ওকে জানালার আঠা হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন।
<hr width="50%"/>
:'''গাম্বা''': এমন বুদ্ধিমান ছেলেদের তো দুধের সাথে বিস্কুট দেওয়া উচিত!
:'''টম সার্ভো''': (বিদ্রূপ করে) বিস্কুট? বাহ! হয়তো পরে সাদা ভাতও পাওয়া যাবে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই না! ওটা তো অন্য কারো বাগান!
:---
:'''মাইক নেলসন''': হেই ওটা তো পুরনো আমলের কাদা!
:. . .
:'''ক্রো টি. রোবট''': মানবতার বিরুদ্ধে এক যুদ্ধ।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (আবহাওয়াবিদ হিসেবে)''': আজ আকাশ ফ্যাকাশে আর মেঘলা থাকবে…
<hr width="50%"/>
:'''গাম্বির মা''': বুদ্ধিমান ছেলেদের বিস্কুট দেওয়া উচিত!
:'''টম সার্ভো''': বিস্কুট? বাহ! হয়তো পরে সাদা ভাতও পাওয়া যাবে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (গুন্ডার গলায়)''': এই লাশটাকে শহরের বাইরে নিয়ে যেতে হবে।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': তরল ধাতু!
:---
:'''মাইক নেলসন (গাম্বি হিসেবে)''': হেই বাবার শরীরের ভেতর দিয়ে জিনিস ছোড়া যায়! আমি একটা লোহার ব্লক নিয়ে আসছি!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ ভুল চাল! রোবটরা কোনো নিয়ম মানে না!
:---
:'''মাইক নেলসন (গাম্বো হিসেবে)''': খোদার শোকর আমার শরীরের ভেতরের অংশগুলো ঠিক আছে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (গাম্বির মা হিসেবে)''': ওতে আমার বুক চৌকো হয়ে গেল!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (গাম্বো হিসেবে)''': খোকা আমার একটা প্যান্ট লাগবে।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আআহ! ওরা ওর মাথাটা টাঙিয়ে রেখেছে! ওহ…
:'''ক্রো টি. রোবট''': মাইক আমি এখন বছরের পর বছর থেরাপি নেওয়ার জন্য তৈরি।
:'''টম সার্ভো''': মাথা টাঙানো... ওহ... এটা তো ‘সেভেন’ সিনেমার চেয়েও জঘন্য!
:'''মাইক নেলসন''': হেই ওর ক্ষতটা তো অন্য পাশে ছিল!
==== দ্য স্ক্রিমিং স্কাল (মূল সিনেমা) ====
:'''এরিক''': জেনি এই হলো মিকি।
:'''মাইক নেলসন (এরিক হিসেবে)''': মিকি হলো এক জ্যান্ত দুঃস্বপ্ন!
<hr width="50%"/>
:'''জেনি''': মারিয়ান কীভাবে মারা গেল?
:'''রেভারেন্ড স্নো''': এরিক কি তোমায় বলেনি?
:'''ক্রো টি. রোবট (স্নো হিসেবে)''': ও ওর মাথার ওপর বসে পড়েছিল।
:'''জেনি''': আমার মনে হয় এই বিষয়ে কথা বলা ওর জন্য কষ্টের। আমি ওকে দিয়ে বলাতে চাই...
:'''টম সার্ভো (স্নো হিসেবে)''': স্রেফ ধরে নাও ও গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে গিয়েছিল।
:'''জেনি''': আপনি কি আমায় বলবেন? আমি জানতে চাই।
:'''রেভারেন্ড স্নো''': ... ওটা ছিল এক বৃষ্টির দিন...
:'''মাইক নেলসন (স্নো হিসেবে)''': আর ও ওকে গুলি করল।
:'''রেভারেন্ড স্নো''': ও আর মিকি ওখানে কাজ করছিল। ও কয়েক মিনিটের জন্য বাড়ির দিকে ফিরছিল...
:'''ক্রো টি. রোবট (স্নো হিসেবে)''': তখন এক সিংহ লাফ দিয়ে এল আর ওকে গুলি করল। অন্তত এরিক তো তাই বলেছে।
:'''রেভারেন্ড স্নো''': আমরা দুর্ঘটনার পর যা বুঝতে পেরেছি তা হলো...
:'''টম সার্ভো (স্নো হিসেবে)''': ও গুলিতে ঝাঁঝরা হয়েছিল।
:'''রেভারেন্ড স্নো''': ... ও যখন আসছিল তখন খুব জোরে বৃষ্টি শুরু হলো।
:'''টম সার্ভো (স্নো হিসেবে)''': আর তারপর ও মরে গেল।
:'''রেভারেন্ড স্নো''': ও নিশ্চয়ই দৌড়াচ্ছিল... আমরা অবশ্য জানি না তখন ঠিক কী হয়েছিল...
:'''মাইক নেলসন (স্নো হিসেবে)''': আমাদের পুলিশের কল করা উচিত ছিল।
:'''রেভারেন্ড স্নো''': হয়তো ও পিঁছলে পড়ে গিয়েছিল। ওর মাথার খুলি চুরমার হয়ে গিয়েছিল।
:'''ক্রো টি. রোবট (স্নো হিসেবে)''': যাই হোক তুমি কেমন আছো?
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আহ বেচারা ইয়োরিক! ও খুব ভালো ছিল!
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (রেভারেন্ড স্নো হিসেবে)''': তুমি কি তোমার মন্ত্রীর সাথে এ বিষয়ে কথা বলেছো?
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (এরিক হিসেবে)''': ওভাবে আমার দিকে তাকিও না খুকি!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমরা কি তোমাকে কোনো সাহায্য করতে পারি সিনেমা মালকিন? তোমাকে কি একটু ধাক্কা দেব নাকি?
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': একটা বক্স জোগাড় করো!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': গায়িকা আবার মাতাল হয়েছে!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ দারুণ! ও এখন ইয়োকো ওনোর অ্যালবাম বাজাচ্ছে।
:'''মাইক নেলসন''': আমার মনে হয় টাইটেল হওয়া উচিত ছিল “চিৎকার; খুলি”।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন''': মার্টিন লুথার প্রতিটা পয়েন্ট আলাদা করে দেওয়ালে পেরেক দিয়ে গেঁথে দিচ্ছে।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': সবাই জানে ওটা স্রেফ এক গড়িয়ে পড়া খুলি!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': তো এই সিনেমাটা হলো কিছু গল্পের জগাখিচুড়ি আর এক টুকরো ময়লার সংমিশ্রণ।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ঠিক জায়গায় ল্যান্ড করেছে।
:'''টম সার্ভো''': ঘেউ!
=== [[w:bn:কোয়েস্ট অব দ্য ডেলটা নাইটস|কোয়েস্ট অব দ্য ডেলটা নাইটস]] ===
:'''ক্রো টি. রোবট''': ডেল্টা বার্কের খোঁজের চেয়ে এটা অনেক ভালো।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': অনেক বছর আগে চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল জীবন ছিল খুব কঠিন আর নিষ্ঠুর।
:'''ক্রো টি. রোবট''': জিমি কার্টার তখন ক্ষমতায় ছিলেন।
<hr width="50%"/>
:'''ডেভিড ওয়ার্নার''': (ক্ষমা চাওয়ার ভঙ্গিতে) স্রেফ টাকার জন্য করেছি বন্ধুরা।
<hr width="50%"/>
:'''বেডুল''': তোমার নাম কী?
:'''টম সার্ভো (টি হিসেবে)''': হ্যাঁ আমি ট্যাকো বেল চাই আর যা খুশি।
:. . .
:'''বেডুল''': তোমার নাম কী?
:'''ক্রো টি. রোবট (টি হিসেবে)''': আমার নাম... তুমি জাহান্নামে যাও!
<hr width="50%"/>
:'''পার্ল ফরেস্টার (টি হিসেবে)''': দেখি বোম্বাদিলের ওখানে কোনো থাকার জায়গা আছে কি না।
<hr width="50%"/>
:'''টি''': আমাকে শেখানো হয়েছে যাদের আমি শ্রদ্ধা করি তাদের ‘মাস্টার’ বলে ডাকতে।
:'''ক্রো টি. রোবট (টি হিসেবে)''': তাই নাকি মিস্টার বেটার?
<hr width="50%"/>
:'''পার্ল ফরেস্টার''': ছিঃ জাদুকরের হিসু!
:'''ক্রো টি. রোবট''': জাদুকরকে খালি করো!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (টি হিসেবে)''': দয়া করে আমায় মারবেন না!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (দাসের গলায়)''': আমি কি দুলব ম্যাম?
:. . .
:'''লর্ড ভুল্টায়ার''': আমরা অনেক সন্দেহভাজনকে ধরেছি।
:'''ক্রো টি. রোবট (ভুল্টায়ার হিসেবে)''': …কেভিন স্পেসিকেও।
:'''লর্ড ভুল্টায়ার''': আমি নিশ্চিত ওদের মধ্যে কেউ গোয়েন্দা।
:'''ম্যানারজে''': ম্যাপের খবর কী?
:'''লর্ড ভুল্টায়ার''': কোনো খবর নেই। মনে হচ্ছে…
:'''পার্ল ফরেস্টার (ভুল্টায়ার হিসেবে)''': …এখানে খুব ঠান্ডা। তোমার লোকটাকে একটু থামাও তো।
<hr width="50%"/>
:'''বেডুল''': এগুলো যে কাউকে নিমেষেই ঘুম পাড়িয়ে দেবে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': এগুলো স্রেফ ছোট ছোট গল্পের বই!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': এই সিনেমার যোদ্ধারা খুব একটা যুদ্ধ করতে জানে না।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ভাইরে সিনেমাটা আমাকে হারিয়ে ফেলেছে। ও একাই দৌড়ে পালাচ্ছে।
<hr width="50%"/>
:'''গুন্ডা''': আমি আসছিইইইই!
:'''মাইক নেলসন (রাজপুত্র হিসেবে)''': মুখ বন্ধ করো লেগোলাস!
<hr width="50%"/>
:'''টি''': যখন মনে সংশয় থাকবে তখন বিশ্রাম নাও।
:'''ক্রো টি. রোবট''': খোকা তোমার বয়স কম হলেও তুমি আস্ত এক পাপিষ্ঠ।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': টি যেকোনো গাধার ওপর দয়া করে যে ওর পথে আসে।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (ভুল্টায়ার হিসেবে)''': এক অদ্ভুত বৈজ্ঞানিক আনন্দ উপভোগ করুন।
== মৌসুম ১১: দ্য রিটার্ন ==
=== [[w:bn:রেপটিলিকাস|রেপটিলিকাস]] ===
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': আমি আমার পরিবারের সবচেয়ে বিখ্যাত এক্সপেরিমেন্ট ‘মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০’ আবার শুরু করছি! আমি এই ব্র্যান্ডটাকে অনেক বড় করব আর তারপর এক বিলিয়ন ডলারে ডিজনির কাছে বেচে দেব!
<hr width="50%">
:'''খনি শ্রমিক''': হাড়?
:'''জোনা''': জিম!
:'''খনি শ্রমিক''': জীবাশ্ম হাড়।
:'''জোনা''': জীবাশ্ম জিম!
<hr width="50%">
:'''ক্রো টি. রোবট''': ডেনমার্কে পচা কিছু একটা আছে আর ওটা হলো এই সিনেমা!
:'''জোনা''': ঠিক আছে বের হও।
:'''ক্রো টি. রোবট''': কী? ওটা তো শেক্সপিয়ার!
:'''জোনা''': বের হও বলছি!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ আসুন না...
<hr width="50%">
:'''জিপসি''': এখন আপনি হলেন মিস্টার ফাইলিং ক্যাবিনেট!
<hr width="50%">
:'''টম সার্ভো''': এক অজানা তথ্য: বিজ্ঞানের বেশিরভাগ বড় সমস্যার সমাধান এই বাসন ধোয়ার র্যাকের কাছেই হয়।
<hr width="50%">
:'''টম সার্ভো''': দরজা একটু খোলা আছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': তাপমাত্রা মাইনাস ৫ ডিগ্রি!
:'''জোনা''': একাকী থাকা মানুষের জন্য ও বেশ পরিপাটি।
:'''টম সার্ভো''': সময় এখন সকাল ৫:০৬।
:'''ক্রো টি. রোবট''': তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি!
:'''টম সার্ভো''': দরজা একটু খোলা আছে।
:'''জোনা''': একাকী থাকা মানুষের জন্য ও বেশ পরিপাটি।
:'''টম সার্ভো''': সময় এখন সকাল ৮:০৬।
:'''ক্রো টি. রোবট''': তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি!!!
<hr width="50%">
:'''ক্রো টি. রোবট''': শুধু ঈশ্বরই ঈশ্বরের অভিনয় করতে পারেন আর মাঝে মাঝে মরগান ফ্রিম্যান!
<hr width="50%">
:'''ক্রো টি. রোবট (অফিসার হিসেবে)''': বিঙ্গো। ইয়াতজি। আমাকে রাজা বানাও। আমি আসলেও জানি না ব্যাকগ্যামন কীভাবে খেলে।
=== [[w:bn:ক্রাই ওয়াইল্ডারনেস|ক্রাই ওয়াইল্ডারনেস]] ===
:'''ক্রো টি. রোবট''': ঠিক আছে যদি আপনি তাই চান।
:'''ক্রো, সার্ভো এবং জোনা''': **বন জঙ্গল!**
<hr width=50%>
:'''মিস্টার ডগলাস''': রূপকথায় বিশ্বাস করার জন্য তোমার বয়স এখন অনেক বেশি!
:'''জিপসি''': তাই নাকি? এটা জানার জন্য কী জঘন্য এক উপায়।
<hr width=50%/>
:'''উইল''': পল!
:'''জোনা (উইল হিসেবে)''': ওহ ওকে থামানোর জন্য আমাকে ওকে জখম করতে হবে। এটা প্রথমবার না। ব্যাং!
<hr width=50%>
:'''জোনা''': বুদ্ধিমান ছেলে। এক ভর্তি বন্দুকের একদম মুখের সামনে গিয়ে ওকে জড়িয়ে ধরো।
<hr width=50%>
:'''টম সার্ভো''': দাঁড়ান এক মিনিট। ওগুলো পা... পায়ের সাথে লাগানো পা... তার মানে ওটা... **একজন মানুষ!**
<hr width=50%>
:'''ক্রো টি. রোবট (র্যাকুন হিসেবে)''': আমি ‘গার্ডিয়ানস অব দ্য গ্যালাক্সি’ থেকে এখানে এলাম?!
:'''টম সার্ভো (অন্য র্যাকুন হিসেবে)''': আমার কথা ভাবো! আমি রেঞ্জার রিক ছিলাম!
:. . .
:'''জোনা''': জানো সমস্যাটা র্যাকুন নয় বরং সব খাবার ওভাবে খোলা অবস্থায় কাউন্টারে ফেলে রাখাটাই আসল সমস্যা।
:'''টম সার্ভো''': হেই টেবিলটা খালি আছে যদি তোমরা পরিষ্কার কোনো জায়গা চাও।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেসো না। তোমরা সব শুকরের জাত।
<hr width=50%/>
:'''মিস্টার ওয়াগনার''': তুমি কি আমার ব্যবসা বন্ধ করতে চাও উইল? তোমার বন্দুক বের করে আমাকে গুলি করছ না কেন? তাহলে হোটেলটা এমনিতেই বন্ধ হয়ে যাবে।
:'''উইল''': আমি স্রেফ এক বড় বিপর্যয় থামানোর চেষ্টা করছি।
:'''মিস্টার ওয়াগনার''': আমার বিপর্যয়। শেরিফ যদি বাইরে কোনো পাগল জানোয়ার থাকে তবে ওকে ধরুন!
:'''শেরিফ''': অবশ্যই স্যার মিস্টার ওয়াগনার।
:'''জোনা (শেরিফ হিসেবে)''': কত ওপরে স্যার?
:'''মিস্টার ওয়াগনার''': এখনও এখানে দাঁড়িয়ে কী করছেন? যান ওকে ধরুন!
:'''জিম''': আপনি বুঝতে পারছেন না মিস্টার ওয়াগনার।
:'''মিস্টার ওয়াগনার''': আমাকে বোঝান।
:'''উইল''': ওটা কোনো পাগল জানোয়ার না। ওটা স্রেফ এক... প্রাণী যা নিয়ে আমাদের কোনো অভিজ্ঞতা নেই।
:---
:'''টম সার্ভো''': ওরে বাবা!
:'''মিস্টার ওয়াগনার''': যদি কোনো রাস্তা বন্ধ করো বা কোনো গেস্টের সামনে মুখ খোলো তবে তোমাদের চাকরি থাকবে না! (মরগানকে) তুমি না বড় শিকারি? যাও শিকার করো! (জিমকে) তুমি নিজেকে ইন্ডিয়ান বলো? একটা বন্য প্রাণীকেও ধরতে পারো না। কিসের ইন্ডিয়ান তুমি!
:'''জোনা (ওয়াগনার হিসেবে)''': আমার বান্ধবীর সাথে দেখা হয়েছে? আমি যখনই কোনো বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্য করি তখনই ও উদয় হয়।
<hr width=50%>
:'''টম সার্ভো''': এই তো ও এসে গেছে। অবশেষে জিম আমাদের আনন্দের রাজপুত্র।
:'''জিম''': এটা সেই বুড়ো বিগ মাইক!
:'''ক্রো টি. রোাবট (উইল হিসেবে)''': নিরাপদ মনে হচ্ছে। পল তুমি ভেতরে যাও না কেন? এসো। ও মরে গেছে।
:'''জোনা (মরগান হিসেবে)''': ওটা কী? ওহ ও ওর নাড়িভুঁড়ি খাচ্ছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': গ্রিজলি ম্যান ২: ভালোবাসার শক্তি।
:'''টম সার্ভো (পল হিসেবে)''': হয়তো পরে হাসব।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': মনে হয় পাহাড়ি লোকেদের কাছে এটাই মজার। এটাই ওদের কাছে ‘সিনফেল্ড’।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': ভাইরে এরা কি ‘টু অ্যান্ড আ হাফ মেন’ এর জন্য হাসির সাউন্ড দেয় নাকি?
<hr width=50%>
:'''মরগান''': এটা আমাদের দুজনের মধ্যে গোপন থাক।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ঠিক আছে কোনো বড় মানুষ যখন কোনো বাচ্চাকে এমন কথা বলে তখন সেটা মোটেও ভালো কিছু হয় না।
<hr width=50%>
:'''ক্রো টি. রোবট (বাঘ হিসেবে)''': আপনাদের মতোই আমিও অবাক হয়েছি যে আমি এই সিনেমায় আছি।
<hr width=50%>
:'''জিম''': আমাকে কি তোমাকে বেঁধে রাখতে হবে?!
:'''পল''': তুমি একটা আস্ত গাধা ইন্ডিয়ান ছাড়া আর কিছুই না!
:'''ক্রো, সার্ভো এবং জোনা''': **ওরে বাবা!**
<hr width=50%/>
:'''জিম''': রেড হক! ওটা কি তুমি?
:'''রেড হক''': তোমার আমায় মনে আছে তাই না?
:'''জিম''': তুমি তো তেরো বছর আগে মরে গিয়েছিলে। আমি তোমাকে গুহার ভেতর মরে পড়ে থাকতে দেখেছিলাম।
:'''জোনা (রেড হক হিসেবে)''': শুভ ইস্টার।
:'''রেড হক''': আমি মরেই গিয়েছিলাম। সাত দিন পর আমি এক স্বপ্ন দেখলাম। বনের সব প্রাণীদের আমাকে দরকার ছিল তাই আমি উঠে দাঁড়ালাম আর গুহা থেকে বেরিয়ে এলাম। আমি তখন থেকেই এখানে আছি আমার বন্ধুদের সাথে।
:'''ক্রো টি. রোবট (বাজপাখি হিসেবে)''': আমি ওর বন্ধু না। আমি এই এলাকারও না। পুলিশ ডাকুন!
<hr width=50%/>
:'''মরগান''': এই বাঘ শিকার শেষ করো। আমি বড় কোনো শিকার খুঁজছি।
:'''উইল''': কী বোঝাতে চাইছো?
:'''মরগান''': আমি এক গুপ্তধনের ওপর বসে আছি এই বনের ঠিক এখানেই!
:'''ক্রো টি. রোবট (মরগান হিসেবে)''': এই দেখুন দামী সব ড্রাগের প্যাকেট!
<hr width=50%>
:'''জোনা''': হ্যাঁ আমি ভেবেছিলাম এই সিনেমা আমার আত্মাকে চূর্ণবিচূর্ণ করে দিয়েছে কিন্তু এই মিউজিকটা এখন অবশিষ্টাংশটুকুও পিষে ফেলছে।
=== [[w:bn:দ্য টাইম ট্রাভেলার্স|দ্য টাইম ট্রাভেলার্স]] ===
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি প্রতি ঘণ্টায় এক ঘণ্টা করে সময় ভ্রমণ করছি।
<hr width=50%>
:'''জিপসি''': রিপ টর্ন তো ডক্টর স্ট্রেঞ্জ!
<hr width=50%>
:'''ক্রো টি. রোবট''': চিন্তা করুন: আইপ্যাড আইফোন আইবল। সব এখনই ঘটছে বন্ধুরা।
<hr width=50%>
:'''টম সার্ভো''': শুধু কি আমারই মনে হচ্ছে নাকি ওই লোকটা এন্ড্রয়েডের গোপনাঙ্গের ওপর একটু বেশিই সময় নষ্ট করছে?
:'''জোনা''': ‘এন্ড-গ্রোয়েন’? তুমি কি এই শব্দটা মাত্রই বানালে?
:'''টম সার্ভো''': আমাকে কিছু একটা তো বলতেই হতো। ‘এলাকা’ আর ‘কুঁচকি’ শব্দগুলো পচে গেছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওই দেখো আরও একটা আসছে। ক্যামেরার সামনে নিজের গোপনাঙ্গ প্রদর্শন করছে। ধন্যবাদ। জঘন্য!
<hr width=50%/>
:'''ড্যানি''': ওরে বাবা! আমি তো ভেবেছিলাম আমি ওকেই দেখছি!
:'''জোনা''': (দীর্ঘশ্বাস ফেলে) জানো যখন ভবিষ্যতের কোনো সুন্দরী মহিলা তোমাকে এমন এক থালা চোখ দেবে যা ও ওর পুরনো প্রেমিকদের থেকে সংগ্রহ করেছে তখন স্রেফ বন্ধু হয়ে থাকাই ভালো ড্যানি।
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ ড্যানি। তুমি আসলেও ভাবো যে এক থালা চোখ তিন ফুট সরাতে ওর সাহায্যের দরকার ছিল? এগুলো তো সতর্কবার্তা ভাই! জাগো!
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': হেই জোনা এটা তো তুমি আর তোমার বালিশ!
:---
:'''জোনা''': হেই...
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': ভবিষ্যতের... কাঠের বাক্স আর খড়!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ভবিষ্যতের... ভিখারির বিছানা!
:'''জোনা''': ভবিষ্যতের... কাকতাড়ুয়ার ভেতরের অংশ!
:'''টম সার্ভো''': ভবিষ্যতের... ডিনামাইট রাখার জায়গা!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ভবিষ্যতের... নোংরা প্যাকিং মেটেরিয়াল!
:'''জোনা''': ভবিষ্যতের... অবিক্রীত বইয়ের স্তূপ!
<hr width=50%/>
:'''স্টিভ''': আপনি আমাদের মৃত্যুদণ্ড দিচ্ছেন।
:'''টম সার্ভো (স্টিভ হিসেবে)''': পাপিষ্ঠ পাজি লোক!
:'''উইলার্ড''': একাজ করতে আমার ভালো লাগছে না।
:'''স্টিভ''': আপনি প্রথম থেকেই আমাদের ওপর বিরক্ত ছিলেন!
:'''উইলার্ড''': হ্যাঁ ছিলাম কিন্তু সে কারণে আমি একাজ করছি না। আমি...
:'''ক্রো টি. রোবট''': সংলাপ!
:'''উইলার্ড''': আমাদের বৃহত্তর মঙ্গলের কথা ভাবতে হবে!
:'''ক্রো, সার্ভো এবং জোনা''': বৃহত্তর মঙ্গল...
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ না মহাবিশ্বের সিগন্যাল হারিয়ে গেছে!
:---
:'''জোনা''': প্রযোজক স্বীকার করতে চাইছেন যে এই সিনেমাটা আসলেও খুব একটা ভালো ছিল না।
:'''টম সার্ভো''': আমার মনে হয় না কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এই সিনেমার সাথে যুক্ত হতে চাইবে।
<hr width=50%/>
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': ম্যাক্স এটা মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০ এর ২০০তম পর্ব ছিল। কী দারুণ এক অর্জন।
:'''ম্যাক্স''': যদি আপনি আগের সিরিজগুলো ধরেন যার সাথে আমাদের কোনো সম্পর্ক ছিল না। টেকনিক্যালি এটা আমাদের তৃতীয় এপিসোড।
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': আরে ছাড়ো তো ডিজনিল্যান্ডও তো সারাক্ষণ ভুয়া অ্যানিভারসারি পালন করে! ডোনাল্ড ডাকের ৯০ বছর মিকি আর মিনির ২৫ বছর—আমি জানি না! আমাদের এই সুযোগটা কাজে লাগাতে হবে! কেক নিয়ে এসো!
:---
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': না না না হেই! মোমবাতি জ্বালানো যাবে না! এখানে নাইট্রোজেন অনেক বেশি! ওহ... শুভ ২০০তম জন্মদিন ম্যাক্স।
:'''ম্যাক্স''': ...হ্যাঁ ঠিক আছে।
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': ২০০তম বাটনটা টেকো ম্যাক্স।
=== [[w:bn:অ্যাভালাঞ্চ|অ্যাভালাঞ্চ]] ===
:'''জোনা''': ইলুমিনাতিরা একটা সিনেমা বানিয়েছে? হুহ।
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ আর ওরা ওটা নিয়ে বেশ খোলামেলা।
<hr width=50%/>
:'''ডেভিড''': তোমাদের দেখে খুব ভালো লাগছে।
:'''ক্রো টি. রোবট (ডেভিড হিসেবে)''': এমনকি এই রঙেও।
:---
:'''জোনা''': আর আমি তোমাকেও ভুলছি না ড্যানি গত মুভির সেই ছেলেটা।
<hr width=50%/>
:'''ফ্লোরেন্স''': যদি খেয়াল না করে থাকেন... আমরা শুধু বাইরেই নেই... বরং হাঁটু সমান বরফের ভেতরে... পাহাড়ের ওপরে ওঠার চেষ্টা করছি!
:'''জোনা (ডিরেক্টর হিসেবে)''': কাট! ১৫ নম্বর টেক আবার শুরু করো!
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট (নিক হিসেবে)''': আমার তুষারের গোলা আগেই এই সবকিছুর ভবিষ্যৎ বাণী করেছিল।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': তোমার কি মনে হয় ও বুঝতে পেরেছে যে ও বরফের নিচে আটকে গেছে? ওহ চলো দেখি।
:---
:'''ক্যারোলিন''': ওহ হাই।
:'''জোনা''': ওহ ও তো গরম পানির পুলে আছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আসলে তুষারধসের সময় এটাই সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা।
:'''টম সার্ভো''': ক্যামেরাম্যান তো ডুবে মরছে ওনাকে পাত্তা দিও না।
<hr width=50%/>
:'''জোনা (ওয়েটার হিসেবে)''': উমম আমরা কি এগুলো একটু বেশি বানিয়ে ফেলেছি? কেউ তো নিতে চাইছে না দেখতে খুব বাজে হলেও খেতে কিন্তু মোটামুটি। আমরা স্রেফ ফ্রিতে দিচ্ছি সিরিয়াসলি একটা ট্রাই করুন। কেউ আছেন? প্লিজ?
:'''ক্রো টি. রোবট (ওয়েটার হিসেবে)''': ধুর ছাই। আমরা এগুলো সব জ্বালিয়ে দেব আর বারান্দা থেকে ফেলে দেব। কী বা যায় আসে? এগুলো বানাচ্ছে কে ভাই? হাস্যকর।
:---
:'''টম সার্ভো (ওয়েটার হিসেবে)''': এটা নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। এটার গন্ধ খুব জঘন্য। আমরা দুঃখিত।
:'''জোনা (ফ্লোরেন্স হিসেবে)''': ওহ ছিঃ! মার্শমেলো পোড়া ঝিনুক টমেটো আর মাখন??? ওহ...
<hr width=50%/>
:'''জোনা''': জানো এই সিনেমায় কিসের অভাব আছে?
:'''ক্রো টি. রোবট''': নামের ট্যাগের।
<hr width=50%/>
:'''ডেভিড''': কী হচ্ছে এসব? আমি তো স্রেফ তোমাকে নাচার জন্য বলেছিলাম!
:'''ক্যারোলিন''': তুমি আমায় ‘অনুরোধ’ করোনি তুমি আমায় ‘আদেশ’ করেছিলে!
:'''টম সার্ভো''': পাগল হয়ে গেছো তুমি!
:'''ক্যারোলিন''': তুমি সবকিছু নিজের মতো চালাতে চাও তোমার কোনো নিয়ন্ত্রণ না থাকলে তুমি ঘাবড়ে যাও! সবসময় একই কথা! আমি এক পর্যায়ে গিয়ে ভুলেই গিয়েছিলাম আমি আসলে কী অনুভব করছি!
:'''ডেভিড''': আমি স্রেফ তোমার সাথে থাকতে চাই! তোমার সাথে থাকতে চাওয়ার মধ্যে ভুল কী বা তুমি আমার সাথে থাকতে চাওয়ার মধ্যে?!
:'''ক্যারোলিন''': তুমি আমার দম বন্ধ করে দাও! আমার একটু স্পেস দরকার! আমার একটু জায়গা দরকার! আমার সিদ্ধান্ত আমি নিজেই নিতে চাই! স্রেফ আমাকে একা ছেড়ে দাও।
:'''ডেভিড''': আমি তোমাকে একা ছাড়তে চাই না!
:'''ক্যারোলিন''': যাক ওটার একটা সমাধান আমার কাছে আছে।
:'''জোনা''': দ্বিতীয়বার ডিভোর্স নাও!
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': ওরা কেন বারবার নেপচুন গ্রহের দৃশ্য দেখাচ্ছে?
:'''ক্রো টি. রোবট''': জানি না তবে আমার ইচ্ছা ছিল ওরা যেন ওখানেই থেকে যেত।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': ওহ এখন এটা ওই জগাখিচুড়ি সায়েন্স ফিকশন মুভিগুলোর মতো হয়ে গেল।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ আপনাদের সামনে হাজির ‘প্লেন-লাঞ্চ’!
:'''জোনা''': আমি জানতাম না তুষারে আগুন ধরে যায়।
:'''টম সার্ভো''': তুষারে ধরে না কিন্তু থার্মোকলে ধরে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': এবারও যদি ধস না নামে তবে আমি চলে যাচ্ছি।
:'''জোনা''': আমার মনে হয় আমাদের একটু আইডিয়া নেওয়া উচিত। ওটা কি আসলেও পাহাড় নাকি স্রেফ একটা স্তূপ?
:'''টম সার্ভো''': প্রশ্ন হলো: আপনি কি এক টুকরো চকোলেট বারের জন্য বরফের নিচে তিলে তিলে মরতে রাজি হবেন?
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আপনি যখন ভাবলেন সিনেমাটা আর ফর্সা হতে পারবে না তখনই এটা হলো।
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওটা তো তুষারধসের জন্য হয়নি! ওরা আস্ত একদল অপদার্থ!
:---
:'''জোনা''': এই সিনেমার নাম ‘অ্যাভালাঞ্চ’ এর বদলে স্রেফ ‘বিরাট বিপদ’ রাখা উচিত ছিল।
:'''টম সার্ভো''': ওহ এখন আমরা তুষারধসের সাথে সম্পৃক্ত অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুগুলো দেখছি?
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': এর পরে কী? খবরে এটা পড়তে গিয়ে কেউ আঙুল কেটে ফেলবে?
<hr width=50%/>
:'''জোনা''': ওহ এটা তো বিজ্ঞাপনের সংকেত!
<hr width=50%/>
:'''জোনা''': দাঁড়াও ফ্লোরেন্স হয়তো এই পতন থেকে বেঁচে ফিরতে পারে।
:'''জিপসি''': দুর্ভাগ্যবশত ওর শরীরে এত মদ আছে যে ও এখন আস্ত এক মানব বোমা।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ এই তো গেল।
:'''টম সার্ভো''': এমনকি আগুনের থেকেও মদের গন্ধ বেরুচ্ছে।
=== [[w:bn:দ্য বিস্ট অব হলো মাউন্টেন|দ্য বিস্ট অব হলো মাউন্টেন]] ===
:'''জোনা''': ওহ ওটা কত দয়ালু কাজ যে মেলা থেকে বাচ্চাদের বসার জন্য পাথর দেওয়া হয়েছে আর আপনি ভেতরে বসে মদ গিলছেন।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ গাড়ির ভেতরে বসে রেডিও শোনার চেয়ে ওটা অনেক ভালো।
:---
:'''জোনা (পাঞ্চো হিসেবে)''': আমাকে মেলা থেকে বের করে দেবে? ওরাই আগে গুলি চালিয়েছিল তোমরা সবাই দেখেছো!
:'''ক্রো টি. রোবট (পাঞ্চো হিসেবে)''': আমি তো আগেই বলেছিলাম তোমার জন্মদিনে আমরা অনেক মজা করব!
:---
:'''টম সার্ভো (পাঞ্চিতো হিসেবে)''': ওহ বাবা আমি অনেক আগেই রাগ করা ছেড়ে দিয়েছি।
<hr width=50%/>
:'''ডন পেড্রো''': স্থানীয়রা বলছে খরা এবার জলাভূমিকে আরও কমিয়ে দিচ্ছে।
:'''জিমি রায়ান''': আমি জানি আমি ওখানে গিয়েছিলাম।
:'''টম সার্ভো (জিমি হিসেবে)''': গার্লফ্রেন্ড।
:'''ডন পেড্রো''': যখনই এমনটা হয় তখনই মানুষ আর পশু নিখোঁজ হওয়ার আজব সব গল্প শোনা যায়।
:'''এনরিকে''': নিখোঁজ হওয়ার কথা যখন উঠলই...
:'''ক্রো টি. রোবট (এনরিকে হিসেবে)''': কেউ কি আমার বিদেশি টানটা দেখেছো?
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো (জিমি হিসেবে)''': শেষবারের মতো বলছি! কোল্ডপ্লে! অতটাও! খারাপ! না!
<hr width=50%/>
:'''এনরিকে''': আমি যখন আমার হবু স্ত্রীকে অন্য এক পুরুষের বাহুবন্দি অবস্থায় দেখি তখন আমার কী ভাবা উচিত?!
:'''সারিতা''': আমি যদি অন্য কোনো পুরুষে আগ্রহী হতাম তবে আমি নিশ্চিতভাবেই সবার সামনে দিয়ে আসতাম না!
:'''এনরিকে''': কিন্তু সবাই দেখেছে!
:'''সারিতা''': ওরা যা দেখেছে তা হলো আমার প্রতি তোমার অবিশ্বাসের নমুনা! মাঝরাস্তায় মারামারি! স্রেফ ওই আমেরিকান ভদ্রলোক আমাকে বাড়ি পৌঁছে দিয়েছে কারণ আমার ঘোড়াটা পালিয়ে গিয়েছিল!
:'''জোনা''': ওহ...
:'''এনরিকে''': স্রেফ... স্রেফ আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি বলেই এমন হয়েছে। আমি ভাবতে পারছি না যে...
:'''টম সার্ভো (এনরিকে হিসেবে)''': ওহ কত নাটক।
:'''এনরিকে''': সারিতা আমাকে মাফ করো। মানুষ যখন প্রেমে পড়ে তখন ও আর ও থাকে না।
:'''ক্রো টি. রোবট (এনরিকে হিসেবে)''': ও অন্য এক আস্ত গাধা হয়ে যায়।
<hr width=50%>
:'''ক্রো টি. রোবট''': বাহ মাচু পিচু!
:'''টম সার্ভো''': মাচু পিচু পেরুতে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হুহ তার মানে ওরা পেরুতে এই সিনেমার শুটিং করেছে?
:---
:'''টম সার্ভো''': (বিরক্ত হয়ে) আপনি কি স্রেফ—?! ওহ!
<hr width=50%>
:'''জোনা''': ওরে বাবা জিমি এটা তো একটা পবিত্র জায়গা! তুমি এমন এক পশুর ওপর চড়ে আছো যে দিনে ২০ পাউন্ড ঘাস খায় আর যার পেটের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই! অংকটা মিলিয়ে নাও! আমি এটা বন্ধ করছি!
:'''টম সার্ভো''': পারবে না আমরা ওটা ট্রাই করেছি।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ আমরা তো বিশেষ পার্টস দিয়ে তৈরি।
<hr width=50%/>
:'''জোনা''': হ্যাঁ যদি তুমি একই সাথে ঘুসি মারো আর গুলি চালাও তবে গুলির স্পিড বেড়ে যাবে।
<hr width=50%>
:'''পাঞ্চিতো''': সেঁনর জিমি! সেঁনর ফিলিপ! বাবা জলাভূমি থেকে ফেরেনি!
:'''জোনা, ক্রো এবং সার্ভো''': গল্পের দ্বিতীয় টুইস্ট!
<hr width=50%>
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': উমম এটা কি সেই হ্যামিল্টন শো যেটার কথা সবাই বলছে?
:'''ম্যাক্স''': হতে পারে জীবনের এক উদযাপনী অনুষ্ঠান অথবা ওদের মাথায় খুব জোরে আঘাত লেগেছে।
:'''জোনা''': কেন এমন হচ্ছে? কী হচ্ছে এসব?! তোমরা আমার সাথে কথা বলছো না কেন?!
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': আমাদের বলো! আমাদের বলো! আমি পাগল হয়ে যাচ্ছি!
:'''ম্যাক্স''': তোমাদের শান্ত করার জন্য আমাদের কাকে মারতে হবে?!
:'''জোনা''': উত্তর দাও! তোমরা আমাকে ভয় পাইয়ে দিচ্ছো!
:'''ম্যাক্স''': কার রক্ত দিয়ে তোমার তৃষ্ণা মেটাতে হবে?
:'''জোনা''': ক্রো! টম; টম আমি জোনা বলছি! কী হচ্ছে এসব?!
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': (ভীত হয়ে) বন্ধ করো এসব!!
:'''জোনা''': ওহ! মুভি সাইন এসে গেছে; চলো আমাদের যেতে হবে!
:---
:'''জোনা''': ওসব কী ছিল ভাই?
:'''টম সার্ভো''': আমরা তো ওসব করিনি।
<hr width=50%>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি একটা অভিযোগ জানাতে চাই। এই ‘বিস্ট’ বা জানোয়ার শব্দটার ব্যবহার মোটেও সঠিক হয়নি কারণ আমি ভেবেছিলাম ওটার গায়ে অনেক লোম থাকবে। হয়তো কোনো ইয়েতি বা সেটআপ অনুযায়ী অন্তত একটা জাদুকরী প্রাণী হবে।
:'''টম সার্ভো''': তুমি কি স্রেফ এক আজব জিব বের করা মাটির ডাইনোসর আশা করোনি?
:'''ক্রো টি. রোবট''': না আমি ওটা আশা করিনি।
<hr width=50%>
:'''জোনা''': এই সিনেমায় যতবার ঘোড়ার পেছনের অংশ দেখা যাবে ততবার তুমি মদ্যপান করার একটা গেম শুরু করতে পারো।
:'''টম সার্ভো''': তুমি ওটাকে কী ডাকবে?
:'''জোনা''': জানি না। “পাঞ্চো”?
:'''ক্রো টি. রোবট''': আর তোমার বাচ্চারা তখন “পাঞ্চিতো” গেম খেলবে যেটা হলো যখন ওরা তোমাকে থামতে বলে প্রার্থনা করবে।
<hr width=50%>
:'''টম সার্ভো''': (এমএসটি৩কে থিম সংয়ের সুরে গাইছে) কিন্তু কাউবয় ওকে পছন্দ করত না তাই ও ওর মুখে গুলি মারল।
:'''ক্রো টি. রোবট''': অসাধারণ!
=== [[w:bn:স্টারক্র্যাশ|স্টারক্র্যাশ]] ===
:'''ঘোষক''': মেজর ব্র্যাডবেরি কমিউনিকেশন ব্রিজে আসুন। মেজর ব্র্যাডবেরি কমিউনিকেশন ব্রিজে আসুন।
:'''জিপসি (ঘোষক হিসেবে)''': আপনার নাস্তা তৈরি আছে।
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': কিছু মানুষ আসলেও জানে না বড়দিনের লাইট কখন খুলে রাখা উচিত।
<hr width=50%/>
:'''থর''': তুমি রাইফেলটা নিচে রাখতে পারো রে।
:'''টম সার্ভো (স্টেলা হিসেবে)''': আমার নাম রে না আমার নাম স্টেলা!
<hr width=50%/>
:'''জোনা''': আমার মনে হচ্ছে আমি এক সস্তা থিয়েটারের ‘গার্ডিয়ানস অব দ্য গ্যালাক্সি’ দেখছি।
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমরা কি হাইপারস্পেসে আছি নাকি আমরা স্রেফ একটা স্ক্রিনসেভার দেখছি?
<hr width=50%/>
:'''আটকন''': এটা পরের সৌরজগতের তৃতীয় গ্রহে।
:'''স্টেলা''': আমি কোনোদিন ওখানে যাইনি।
:'''টম সার্ভো (স্টেলা হিসেবে)''': আর আমার জন্মদিন সামনেই আসছে। স্রেফ মনে করিয়ে দিলাম আর কি।
:'''স্টেলা''': জায়গাটা কেমন?
:'''আটকন''': লাল কুয়াশা অনেক বাতাস আর কম অভিকর্ষ।
:'''ক্রো টি. রোবট (স্টেলা হিসেবে)''': ওহ তার মানে ওটা একদম ডেলাওয়্যার-এর মতো।
:'''আটকন''': আর বায়ুমণ্ডল বেশ স্থিতিশীল। তবে পুরো গ্রহটা বরফ আর তুষারে ঢাকা।
:'''ক্রো টি. রোবট (স্টেলা হিসেবে)''': ঠিক ডেলাওয়্যার-এর মতো।
:'''আটকন''': আর সূর্য ডুবলে আপনাকে খুব সাবধান থাকতে হবে। তাপমাত্রা কয়েক হাজার ডিগ্রি নেমে যায় আর নিমিষেই সবকিছু জমে যায়।
:'''ক্রো, সার্ভো এবং জোনা''': ঠিক ডেলাওয়্যার-এর মতো!
<hr width=50%/>
:'''থর''': বিদায় জানাও! (আটকনের ওপর লেজার দিয়ে মারল কিন্তু কিছুই হলো না কারণ লেজারগুলো খুব সস্তা মানের) কী?!
:'''জোনা (আটকন হিসেবে)''': তোমার এই ফালতু ইফেক্ট দিয়ে আমার কোনো ক্ষতি হবে না।
<hr width=50%/>
:'''জোনা''': ডেভিড হ্যাসেলহফ যখন মেলায় থাকেন তখনকার আসল ভিডিও।
:'''ক্রো টি. রোবট (স্টেলা হিসেবে)''': এই গুহাবাসীদের স্কার্টগুলো বেশ কিউট। বেশ মজার!
:---
:'''জোনা''': ওহ এখন তো ওরা স্রেফ অন্য সিনেমা থেকে কপি করছে।
:...
:'''টম সার্ভো (আটকন হিসেবে)''': খোদার শোকর আমার একদম অরিজিনাল একটা অস্ত্র আছে: আলোক তলোয়ার!
<hr width=50%/>
:'''সাইমন''': চলো তোমার জাহাজে উঠি আর রওনা দিই।
:'''আটকন''': আর এগিয়ে যাওয়ার দরকার নেই।
:'''ক্রো টি. রোবট''': কারণ বাজেট সব শেষ হয়ে গেছে। সমাপ্তি! চলো চলো যাওয়া যাক!
=== [[w:bn:দ্য ল্যান্ড দ্যাট টাইম ফরগট|দ্য ল্যান্ড দ্যাট টাইম ফরগট]] ===
:'''ক্রো টি. রোবট''': এটা সেই জাদুর ক্যান।
:'''টম সার্ভো''': ওটা খুব সুন্দর। স্রেফ একটা প্র্যাঙ্ক দুনিয়াতে ভাসিয়ে দেওয়া আর আশা করা যে এটা কারো দিনটা ভালো করে দেবে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': অথবা হার্ট অ্যাটাক করাবে।
<hr width=50%/>
:'''বোয়েন (ভয়েস ওভার)''': আমি আশা করি না যে কেউ আমার এই গল্প বিশ্বাস করবে।
:'''জোনা (বোয়েন হিসেবে)''': তাই বাদ দিন।
<hr width=50%/>
:'''ফ্রিডরিখ''': ওপরে ওঠার জন্য তৈরি হও।
:'''ডিয়েটজ''': জি ক্যাপ্টেন।
:'''ক্রো টি. রোবট''': উমম ডিলার বলেছিল জায়গাটা খুব আরামদায়ক।
:'''ফ্রিডরিখ''': পেরিস্কোপ ওপরে তোলো।
:'''অফিসার''': পেরিস্কোপ ওপরে তোলা হলো!
:'''টম সার্ভো (ফ্রিডরিখ হিসেবে)''': ক্লাউস আমাকে নকল করা বন্ধ করো। উফ সবসময় একই কাজ...
:---
:'''জোনা (ফ্রিডরিখ হিসেবে)''': ছেলেরা আমার নিয়মটা কী? যদি তোমরা পেরিস্কোপ ব্যবহার করো তবে ওটা মুছে রাখবে। এসো!
:'''ক্রো টি. রোবট''': এই যন্ত্রটা একদম ফালতু। কোনো রঙই নেই।
:'''ফ্রিডরিখ''': ঘন কুয়াশা। আমাদের জন্য সেরা জায়গা। পেরিস্কোপ নিচে নামাও।
:'''অফিসার''': পেরিস্কোপ নিচে নামানো হলো!
:'''টম সার্ভো (ফ্রিডরিখ হিসেবে)''': ক্লাউস আমি তোমাকে স্রেফ কী নিয়ে বললাম?!
:'''ক্রো টি. রোবট (ক্লাউস হিসেবে)''': মাফ করবেন ক্যাপ্টেন।
:'''ফ্রিডরিখ''': ইঞ্জিন ফুল স্পিড দাও।
:'''অফিসার''': ইঞ্জিন ফুল স্পিড!
:'''জোনা (ফ্রিডরিখ হিসেবে)''': ক্লাউস!
<hr width=50%/>
:'''ফ্রিডরিখ''': এখন এই এলাকায় একটা জার্মান জাহাজ আছে।
:'''টম সার্ভো''': ও বলেছে “এলাকায়”।
:'''ফ্রিডরিখ''': আর আমাদের এক ঘণ্টার মধ্যে দেখা করতে হবে।
:'''ক্রো টি. রোবট (ফ্রিডরিখ হিসেবে)''': নয়তো পিৎজা ফ্রিতে পাওয়া যাবে।
:'''ফ্রিডরিখ''': আর আপনাকে কমান্ডার গুলি করে মারা হবে একজন জলদস্যু হিসেবে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ ও কি জলদস্যু? সেই কারণেই কি এই মুভির রেটিং দেওয়া হয়েছে “আআআরররঘঘঘ”?
:'''জোনা''': না।
:'''ক্রো টি. রোবট''': কোনো একদিন পুরো শো-টা ওমনই হবে।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': ওই প্রাণীটা মনে হয় বিলুপ্ত হতে চলেছে তাই না?
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ হ্যাঁ অবশ্যই। ওর জাতের শেষ প্রাণী অমূল্য সম্পদ ওর ঘাম দিয়ে ক্যানসার সেরে যায় আরও কত কী। খতম করো! খতম করো ওটাকে!
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ ভালো আরও একটা ছোট বন্দুক। ওতে কাজ না হলে তুমি তোমার জুতো ছুড়ে মারতে পারো।
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমরা কি পৌঁছে গেছি?
:'''জোনা''': দয়া করে ওমন কোরো না।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমরা কি পৌঁছে গেছি?
:'''জোনা''': ক্রো থামো!
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমরা কি পৌঁছে গেছি?
:'''জোনা''': ক্রো আমি সত্যি বলছি আমি এই সিনেমাটা একদম উল্টো দিকে ঘুরিয়ে দেব!
<hr width=50%/>
:'''জোনা''': আরও দেরি হলে ডাইনোসরগুলো বিবর্তিত হয়ে পাখি হয়ে যাবে আর উড়ে পালাবে।
=== [[w:bn:দ্য লাভস অব হারকিউলিস|দ্য লাভস অব হারকিউলিস]] ===
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': তোমার আজকের এক্সপেরিমেন্ট হলো এক রাজকীয় কাহিনী যাতে অভিনয় করেছেন জেন ম্যান্সফিল্ড জেন ম্যান্সফিল্ডের স্বামী আর জেন ম্যান্সফিল্ডের বাকি অংশ।
:'''ম্যাক্স''': এটার থেকে পচা পনিরের গন্ধ বেরুচ্ছে!
<hr width=50%/>
:'''জোনা''': ওরে বাবা একজন দেবতা হয়েও ও ওই কাঠের টুকরোটা তুলতে হিমশিম খাচ্ছে।
:---
:'''ক্রো, সার্ভো এবং জোনা''': ওরে বাবা ওরে বাবা!
:'''টম সার্ভো (হারকিউলিস হিসেবে)''': ওহ এটা তো ভাবার চেয়েও বেশি ভারী! ঠিক আছে রাস্তা ছাড়ো! আমি একাই পুরো গাছটা নিয়ে আসছি! সাবধান! ওরে বাবা খুব ভারী। খুব লাগছে! ওহ আমি এটা ভাবিনি!
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট (হারকিউলিস হিসেবে)''': (ইতালিয়ান টানে) আমি দরজাটা ভেঙে দিয়েছিইইইই!
<hr width=50%/>
:'''জোনা''': ও এক বিশাল ন্যাপকিনের পেছনে দাঁড়িয়ে আছে কেন?
:'''টম সার্ভো''': ওওওও...
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ এটা বেশ মজার।
:---
:'''জোনা''': হেই হেই সার্ভো ওখান থেকে নামো! ক্রো এদিকে এসো!
:---
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ এই তো ও ওর ড্রেসটা পরে নিয়েছে। বাদ দাও।
:'''জোনা''': তা কেমন দেখলে?
:'''ক্রো টি. রোবট''': জঘন্য। ও এমনকি আন্ডারপ্যান্টও পরেনি।
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ হ্যাঁ ওই সারের চোখে খুনের নেশা দেখা যাচ্ছে।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো (ডেইনিরা হিসেবে)''': আমি গত দশ মিনিটে একবারও বেহুঁশ হইনি।
<hr width=50%/>
:'''হারকিউলিস''': তোমাকে যখন প্রথম দেখেছিলাম তখনই মনে হয়েছিল তুমি স্রেফ আমার।
:'''ক্রো টি. রোবট''': সতর্কবার্তা: ও এক আজব টাইপ লোক।
<hr width=50%/>
:'''অ্যালোস''': আমার হবু স্ত্রীর প্রাণ বাঁচানোর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
:---
:'''টম সার্ভো''': বাফারিং।
:'''জোনা''': প্রসেসিং।
:'''ক্রো টি. রোবট''': কম্পাইলিং।
:'''হারকিউলিস''': কী?
:'''জোনা''': ডাউনলোড শেষ।
:---
:'''টম সার্ভো''': বাফারিং।
:'''জোনা''': প্রসেসিং।
:'''ক্রো টি. রোবট''': কম্পাইলিং।
:'''হারকিউলিস''': কিন্তু আপনি তো-
:'''জোনা''': ডাউনলোড শেষ।
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট (হারকিউলিস হিসেবে)''': এবার আমার ওই ছোট নিপলের সামনে মাথা নত করো।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': ও মনে হয় কোনো কোল্ড ড্রিঙ্কসের বিজ্ঞাপনের ভেতর ঢুকে পড়েছে।
:'''জোনা''': ওই গোলাপি ধোঁয়া দেখছো? আজকাল এসব সিজিআই দিয়ে করা হয় যা একদম কৃত্রিম লাগে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ তুমি একদল অপদার্থ মানুষের আপ্রাণ চেষ্টার ওই উষ্ণতা কোনোদিন ওখানে পাবে না।
:'''জোনা''': ঠিক বলেছো।
:...
:'''ক্রো টি. রোবট''': গোলাপি ধোঁয়া কীভাবে পাওয়া যায়?
:'''টম সার্ভো''': খুব সহজ স্রেফ মেকআপের ভ্যান গাড়িটা কোথাও ধাক্কা দিলেই হয়ে যাবে।
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট (ডিরেক্টর হিসেবে)''': ঠিক আছে মিকি চলো আরেকবার ট্রাই করি। আমাদের কাছে মাত্র একটাই হাইড্রা আছে তাই ওটা নষ্ট কোরো না। মনে রেখো আমরা কালকে এক্সট্রা শট নেব। যদি তোমাকে ওটা মারতেই হয় তবে স্রেফ চিহ্নিত জায়গায় আঘাত করো আর বাকি সময় স্রেফ তলোয়ারের চ্যাপ্টা দিক দিয়ে হালকা করে ছোঁয়াও ঠিক যেমনটা আমরা কথা বলেছিলাম। ধন্যবাদ।
:'''জোনা''': আমার মনে হচ্ছে আমি একদল বখাটে কিশোরের জুরাসিক পার্কে তান্ডব চালানো দেখছি।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': আমি জানি এটা হারকিউলিসের সিনেমা কিন্তু এই হারকিউলিসকে মোটেও অতটা শক্তিশালী মনে হচ্ছে না।
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই আমার একটা আইডিয়া আছে হয়তো অস্ত্রগুলো ওখানেই পড়ে ছিল কারণ ওগুলো কোনো **কাজের ছিল না**??? আরে ভাই কী শুরু করেছো! আমি ঘেন্নায় ওখানেই পড়ে গেলাম।
=== [[w:bn:ইয়ংগ্যারি: মনস্টার ফ্রম দ্য ডিপ|ইয়ংগ্যারি: মনস্টার ফ্রম দ্য ডিপ]] ===
:'''টম সার্ভো''': দাঁড়ান শেষ হয়ে গেল? আমরা কি সিনেমার শেষ দৃশ্যে চলে এলাম নাকি?
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': মাঝখানের লেনটা শুধু নবদম্পতিদের জন্য। রাস্তা ছাড়ো!
:'''টম সার্ভো''': একই সাথে দায়িত্বশীল আর কাণ্ডজ্ঞানহীন ড্রাইভ করার কী দারুণ এক নমুনা।
<hr width=50%/>
:'''ইলো''': আমি জানি কী হচ্ছে। বাইরে এসো।
:'''বর''': কার সাথে কথা বলছো?
:'''ইলো''': ইচো বাইরে এসো!
:'''জিপসি''': দাঁড়ান ওর নাম ইচো আর ও মানুষের চুলকানি (itch) বাড়িয়ে দেয়? ভাগ্যিস ওর নাম পু-ও না।
:'''জোনা''': ঠিক আছে জিপসি...
<hr width=50%/>
:'''বর''': উমম আমি মনে হয় একটু ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।
:'''টম সার্ভো''': এটা ওর রোমান্টিক খেলার একটা অংশ।
:'''বর''': ভাইরে আমি আজ আসলেও খুব ক্লান্ত।
:'''কনে''': তুমি পরেও ঘুমাতে পারবে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': কিসের পরে জোনা?
:'''জোনা''': ওসব নিয়ে ভেবো না।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ঠিক আছে।
:'''বর''': তুমি এখন থেকেই ঝগড়া শুরু করবে না তো ডার্লিং?
:'''টম সার্ভো (বর হিসেবে)''': ওটা আমার খুব একটা পছন্দ না।
:'''কনে''': আমি এখনই তোমাকে বিরক্ত করে ফেললাম। মনে হয় আমাদের বিয়েটা টিকবে না।
:'''বর''': না।
:'''জোনা (বর হিসেবে)''': হ্যাঁ..
:'''বর''': যখনই আমি বিয়ে করি তখনই এমনটা হয়।
:'''টম সার্ভো''': “যখনই???”
:...
:'''বর''': হেই জানু...
:'''জোনা (বর হিসেবে)''': হেই তুমি কি মনে করো এবার আমরা একে অপরকে আমাদের নামগুলো বলতে পারি?
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': নির্ঘাত এটা সেই জাদুর স্টেশনের মিলিটারি প্রজেক্ট হবে।
<hr width=50%/>
:'''জোনা''': মুভি সাইন এসে গেছে!
:---
:'''জোনা''': ওহ ওটা ছিল...
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওরে বাবা খুব লজ্জা পেলাম!
:'''জোনা''': হ্যাঁ সরি ভাই।
<hr width=50%/>
:'''জোনা''': ওহ এই তো শুরু হলো! জিপসি প্যানিক মোড চালু করো!
:---
:'''জিপসি''': আরে শান্ত হও তোমরা এটা মোটেও ভালো মানের ভূমিকম্পের দৃশ্য না! দেখতে তো তোমার কাকার ট্রেনের খেলনার মতো লাগছে!
<hr width=50%/>
:'''জোনা''': হ্যাঁ ওটা তো উত্তর কোরিয়া। ওরা এমনটা... অনেকবার করে।
<hr width=50%/>
:'''পুলিশ অফিসার''': ইয়ংগ্যারি আসছে!
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই ওর জন্য ভালোই হলো!
<hr width=50%/>
:'''ইলোর মা''': যেয়ো না ইলো।
:'''ইলো''': তুমি দুশ্চিন্তা কোরো না আমাকে যেতেই হবে। আমি ঠিক থাকব।
:'''ইচো''': আমিও যাব।
:'''জোনা (ইচো হিসেবে)''': মৃত্যু আর ধ্বংসই আমার আসল খেলা। উউউ!
:'''ইলোর মা''': ইচো! ইচো! না ফিরে এসো প্লিজ!
:'''ক্রো টি. রোবট (ইচো হিসেবে)''': তুমি একটা আস্ত গাধা আর এই জায়গাটা খুব জঘন্য আমি চললাম!
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো (ছেলের গলায়)''': হে প্রভু দয়া করে ইয়ংগ্যারি আমাদের পিষে ফেলার আগেই আমার প্রিয় গানটা চালিয়ে দাও।
:'''জোনা''': আমি অবাক হচ্ছি যে ওই বোতলের ভেতর এত বিয়ার এল কোত্থেকে। এখনও পড়ছে!
<hr width=50%/>
:'''ইলো''': হ্যালো আমি প্রফেসর ইলো নামি। আমাকে একটু ইয়ংগ্যারিকে কাছ থেকে দেখতে হবে। আমাকে কি ভেতরে যেতে দেবেন?
:'''সৈনিক''': আপনি একটু বেশিই দেরি করে ফেলেছেন।
:'''ক্রো টি. রোবট (সৈনিক হিসেবে)''': ও মরে গেছে। সিনেমা শেষ।
:'''সৈনিক''': ওরা যেকোনো সময় ইয়ংগ্যারিকে মারবে।
:'''টম সার্ভো (সৈনিক হিসেবে)''': আমরা স্রেফ ধামাকার জন্য অপেক্ষা করছি।
:'''সৈনিক''': ওরা গাইডেড মিসাইল ব্যবহার করবে।
:'''জোনা''': এই তো সব তথ্য ফাঁস করার লোক এসে গেছে।
:'''সৈনিক''': আপনার চলে যাওয়াই ভালো।
:'''টম সার্ভো (ইলো হিসেবে)''': উমম আমরা যাচ্ছি না।
:'''সৈনিক''': ওরা যেকোনো সময় ইয়ংগ্যারিকে মারবে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': মেমোরি কি হ্যাং করেছে নাকি ভাই?
:'''সৈনিক''': ওরা গাইডেড মিসাইল ব্যবহার করবে।
:'''জোনা (সৈনিক হিসেবে)''': যান। আমার আর কোনো সংলাপ নেই!
:'''সৈনিক''': আপনার চলে যাওয়াই ভালো।
:'''সুন''': মিসাইল? আসলেও?
:'''টম সার্ভো''': ''হ্যাঁ! যেকোনো সময়!''
=== [[w:bn:উইজার্ডস অব দ্য লস্ট কিংডম|উইজার্ডস অব দ্য লস্ট কিংডম]] ===
:'''জোনা''': পুরো একটা রাজত্ব কীভাবে হারানো সম্ভব?
:'''ক্রো টি. রোবট''': গাড়ির ভেতরে দেখো! তোমরা কি ওটা গাড়িতে ফেলে এসেছো?
<hr width=50%/>
:'''জোনা''': জেমস হর্নার?!
:'''ক্রো টি. রোবট''': আহ হ্যাঁ। ‘ব্রেভহার্ট’ ‘এলিয়েনস’ ‘অ্যাভাটার’ আর এই সিনেমা।
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ যখন জেমস ক্যামেরন ‘টাইটানিক’ সিনেমার মিউজিক করছিলেন তখন উনি বলেছিলেন “আমার ওই উইজার্ডস অব দ্য লস্ট কিংডম এর মতো সাউন্ড চাই।”
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': এটা স্ট্রিমিং ভিডিও। বুঝেছো?
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': জাদুর হেলমেট আমায় বাঁচাও!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': (গাইছে)
:: ওরা আমাকে বীর যোদ্ধা বলে ডাকে
:: আমি ভেবেছিলাম আমি সব জয় করব
:: কিন্তু যখন থেকে ওই ছেলেটার সাথে দেখা হলো
:: আমি বুঝলাম আমি স্রেফ এক অপদার্থ
:: এটাই আমার কপাল
:: ওরা আমাকে বীর বলে ডাকে!
<hr width=50%/>
:'''জোনা''': ওরে বাবা! এক আসল ধামাকা কোনো ডিজিটাল ইফেক্ট নেই!
:'''শুর্কা''': অভিশাপ ওর ওপর! ও আমাকে এবার হারিয়ে দিল!
:'''জোনা''': দেখো লোকটা আসলেও চিৎকার করছে কারণ ও সত্যি সত্যিই ব্যথা পেয়েছে। এটা একটা আসল ভুল ছিল।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ বাহ!
<hr width=50%/>
:'''সাইমন''': ওটা কী?
:'''কোর''': রাইডার্সরা এদিকে আসছে!
:'''জোনা''': রাইটার্স? ওহ যাক ওরা স্ক্রিপ্টটা ঠিক করবে তাহলে!
<hr width=50%/>
:'''জোনা (সাইমন হিসেবে)''': আমার হুট করে মনে পড়ল আমি এক বিশাল গাধা!
<hr width=50%/>
:'''শুর্কা''': তোমার তেজ আছে।
:'''জোনা (শুর্কা হিসেবে)''': হ্যাঁ তোমার আছে।
:'''শুর্কা''': আমার ওটা ভালো লাগে।
:'''জোনা (শুর্কা হিসেবে)''': তোমার ক্ষেত্রে কী অবস্থা?
<hr width=50%/>
:'''হার্লা''': তোমার সবচেয়ে বড় পরীক্ষা এখনও বাকি। গোলফ্যাক্সকে এখানেই থাকতে হবে কিন্তু আমার একটা প্ল্যান আছে। যখন তোমার সবচেয়ে বেশি দরকার হবে তখন আমরা তোমার সাথে যোগ দেব।
:'''ক্রো টি. রোবট''': এটা কোনো প্ল্যান হলো না।
:'''সাইমন''': কিন্তু আমি পারব না।
:'''হার্লা''': পৃথিবীতে কোনো কিছুই নিশ্চিত নয়। যদি তুমি বেঁচে থাকো তবে আমরা আসব।
:'''টম সার্ভো (হার্লা হিসেবে)''': আর যদি তুমি না বাঁচো তবে আমি তোমার জানাজায় এক নতুন সাদা পশমের কোট পরে আসব কথা দিচ্ছি।
<hr width=50%/>
:'''জোনা (বৃদ্ধ লোকের গলায়)''': আমি এখন বুঝলাম ওরা এটাকে কেন আত্মহত্যার গুহা বলে!
:'''টম সার্ভো (বৃদ্ধ লোকের গলায়)''': কেন?
:'''জোনা (বৃদ্ধ লোকের গলায়)''': কারণ আমি নিজেকেই মেরে ফেলতে চাই!
:---
:'''জোনা (বৃদ্ধ লোকের গলায়)''': আমি ডিপ্রেশনে আছি...
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট (ভুতুড়ে কণ্ঠস্বর হিসেবে)''': আত্মহত্যার গুহায় স্বাগতম! মানুষ এখানে ঢোকার জন্য স্রেফ মরে যাচ্ছে। (অশুভ হাসি)
:'''টম সার্ভো (ভুতুড়ে কণ্ঠস্বর হিসেবে)''': সাবধানে থেকো নয়তো ভয় পেয়ে যাবে!
:'''ক্রো টি. রোবট (ভুতুড়ে কণ্ঠস্বর হিসেবে)''': পাগল হবে না যেন!
:'''টম সার্ভো (ভুতুড়ে কণ্ঠস্বর হিসেবে)''': এই নাও আমি তোমাকে একটা... হাত বাড়িয়ে দিচ্ছি!
:'''জোনা''': ঠিক আছে হয়েছে অনেক হয়েছে। এবার ওই সব আজব আওয়াজ বন্ধ করো।
:'''ক্রো এবং সার্ভো''': ওরে বাবা! আমরা তো স্রেফ মজা করছিলাম!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': উফ!
:'''টম সার্ভো''': আউচ!
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': এখানেই ওনকা ফ্যাক্টরির সব নোংরা পানি ফেলা হয়।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': জাদুকরদের লক্ষ্য এত বাজে কেন ভাই?
:'''জোনা''': মনে হয় ওই বিশাল বড় হাতার জন্য। নড়াচড়া করতে সমস্যা হয়।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আরে জাদুকররা হলো ফ্যান্টাসি জগতের পড়ুয়া ছেলে। নির্ঘাত ওদের চশমা লাগবে কিন্তু তখন তো আর চশমা আবিষ্কার হয়নি।
:'''টম সার্ভো''': তুমি কি মনে করো না ওদের এমন কোনো জাদু জানা উচিত যা দিয়ে চোখ ঠিক করা যায়?
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ তো সেটা তো ওদের জানা নেই আর সে কারণেই ওদের লক্ষ্য এত ফালতু।
<hr width=50%>
:'''জোনা''': ওহ কত সুন্দর। রাজা সাইমন এখন শান্তি আর প্রজ্ঞার সাথে শাসন করবেন।
:'''টম সার্ভো''': (বিদ্রূপ করে হাসছে) তুমি আসলেও ওটা বিশ্বাস করো? তুমি জানো ও এখন শুর্কার সব সমর্থকদের খুঁজে খুঁজে মারবে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ ওটা ওকে করতেই হবে। আর ওই পাগলামি ওকে আস্ত এক উন্মাদ বানিয়ে ছাড়বে।
:'''টম সার্ভো''': ও ওর বউয়ের কড়া ধর্মীয় অনুশাসনের পাল্লায় পড়বে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ আর ও এক নিষ্ঠুর ধর্মতন্ত্র চালু করবে যেখানে হাজার হাজার মানুষকে বিনা বিচারে মারা হবে।
:'''জোনা''': মানে তোমরা কি নিশ্চিত যে ও আসলেও একজন ভালো রাজা হতে পারবে না?
:'''টম সার্ভো''': চোখ খোলো জোনা! ক্ষমতা মানুষকে অন্ধ করে দেয়।
:'''ক্রো টি. রোবট''': খুব জলদিই ওর সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু গোলফ্যাক্সও বিদ্রোহীদের দলে যোগ দেবে।
:'''টম সার্ভো''': হার্লা ওই চতুর রাজনীতিবাজও ওর দিক বদলে ফেলবে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আর সাইমন ওর নিজের ছেলের হাতেই মারা যাবে আর এভাবেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হবে।
:'''টম সার্ভো''': (দীর্ঘশ্বাস ফেলে) যে সিংহাসন রক্ত দিয়ে পাওয়া যায় ওটা রক্ত দিয়েই শেষ হয়।
:'''জোনা''': তোমরা আমার শরীর খারাপ করে দিচ্ছো।
:'''টম সার্ভো''': এটাই বাস্তবতা জোনা। এটার সাথে মানিয়ে নিতে শেখো।
=== [[w:bn:উইজার্ডস অব দ্য লস্ট কিংডম II|উইজার্ডস অব দ্য লস্ট কিংডম II]] ===
:'''ক্যাডমন''': আমি জানি না কেন ওরা আমার মতো এক ক্ষমতাহীন পুরনো জাদুকরকে এমন এক কঠিন কাজে পাঠাল।
:'''জোনা''': কেউ মনে হয় ওনার ব্লগের কমেন্ট সেকশন পড়ে ফেলেছে।
<hr width=50%/>
:'''জোনা''': ভাইরে আমি কোনোদিন ভাবিনি যে আমি সাইমন আর কোরকে এত মিস করব।
<hr width=50%/>
:'''টায়র''': ও কত সুন্দরী মাস্টার! কত মায়াবী!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (টায়র হিসেবে)''': ও একাই দশজনকে পিটিয়ে তক্তা বানিয়ে দিচ্ছে!
:'''টায়র''': কত শক্তিশালী!
:'''ক্যাডমন''': যাওয়ার সময় হয়েছে টায়র।
:'''টায়র''': কিন্তু মাস্টার!
:'''ক্যাডমন''': যাওয়ার সময় হয়েছে বলছি!
:'''টায়র''': কিন্তু মাস্টার!
:'''জোনা (ক্যাডমন হিসেবে)''': **যাওয়ার সময় হয়েছে টায়র!!!**
:'''টায়র''': শিল্পকলা কি আমার শিক্ষার অংশ নয়?
:'''ক্যাডমন''': একদম না!
:'''টম সার্ভো (ক্যাডমন হিসেবে)''': সরকার আর্ট ফান্ডের টাকা সব কেটে দিয়েছে!
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': তো এটা মূলত পাথর-কাঁচি-কাগজ খেলা। আগুন তাবিজে ধ্বংস হয়। তাবিজে পা জমে যায়। পা দিয়ে আগুন নেভানো হয়। হ্যাঁ।
<hr width=50%/>
:'''টায়র''': তুমি আর কোনোদিন স্বাধীন আকাশের বাতাস নিতে পারবে না।
:---
:'''টম সার্ভো''': রবার্ট ব্ল্যাকের সেই বিখ্যাত হাসি।
:'''টায়র''': তাবিজে জাদুতে আমি তোমাকে পাথর বানিয়ে দেব!
:'''জোনা''': ও স্রেফ বানিয়ে বানিয়ে বলছে।
:'''টায়র''': উমেন কাউয়াই টেঙ্ক!
:'''টম সার্ভো (লোকি হিসেবে)''': সরি আমি অন্য একটা সিরিয়ালের কথা ভাবছিলাম।
:---
:'''জোনা''': ঠিক আছে ওকে জাব্বার কাছে নিয়ে যাও।
:'''টায়র''': এখন ওর বাগান পূর্ণতা পেল।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ইয়েইইইইই! সিএসআই মায়ামি!
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো (চোরের গলায়)''': আমার এই চালের জন্য তৈরি হও!
:'''ক্রো টি. রোবট (চোরের গলায়)''': বাজি ধরো এবার এটা কেমন হবে!
:'''জোনা (চোরের গলায়)''': না? তাহলে এবার এটার জন্য তৈরি হও!
:'''ক্রো, সার্ভো এবং জোনা''': মারো! মারো!
:'''টম সার্ভো (চোরের গলায়)''': তুমি আমাকে হারিয়ে দিয়েছো বীর যোদ্ধা কিন্তু তুমি কি এটা সামলাতে পারবে— ধোঁকা! আবারও একই চাল!
<hr width=50%/>
:'''ডনার''': ওকে তলোয়ারটা কে দিয়েছে?
:'''জোনা (ডনার হিসেবে)''': আর তোমার হল পাস কোথায়?
:'''ডনার''': তুমি ভোরের আলো দেখার আগেই মরবে।
:'''ফ্রেজা''': ও আমার গলায় ছুরি ধরেছিল আমি কোনো কথা দিইনি আমি স্রেফ বলেছিলাম চেষ্টা করব! এখন আমাকে একা থাকতে দাও আমার খুব মাথা ব্যথা করছে!
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমাদের সবারই করছে বিশ্বাস করো।
<hr width=50%/>
:'''টায়র''': আমি যদি তোমাকে নিয়ে যাই তবে আমি কী পাব?
:'''ফ্রেজা''': (কামোত্তেজক স্বরে) যা চাও তা-ই।
:'''টম সার্ভো (টায়র হিসেবে)''': আমি কি ওই রাবারের সাপগুলো রাখতে পারি?
:'''টায়র''': আমি এটাই ভয় পাচ্ছিলাম।
:---
:'''জোনা (টায়র হিসেবে)''': ব্যান্ডের মিউজিক আমার মানসিক দ্বিধাকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
=== [[w:bn:কার্নিভাল ম্যাজিক|কার্নিভাল ম্যাজিক]] ===
:'''টম সার্ভো''': হেই টাইটেল কার্ড তুমি চলে যেও না। আমরা তো মাত্র তোমার সাথে পরিচিত হলাম!
:'''ক্রো টি. রোবট''': কার্নিভাল? রিও-র মতো? ওহ।
:---
:'''টম সার্ভো''': কার্নিভাল ম্যান।
:'''জোনা''': কার্নিভাল ম্যাগনাম পি.আই.।
:'''টম সার্ভো''': ও. হেনরির গল্প।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ কার্নিভাল ম্যাজিক আমি তো ওটা আগে থেকেই জানতাম বন্ধুরা।
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': এই সিনেমায় অনেক মেয়ে আছে কিন্তু স্রেফ মিসি ও'শিয়া-ই গাড়ির ভেতরে আছে।
<hr width=50%/>
:'''মার্কভ''': এখন খেলা বন্ধ করো এটা সিরিয়াস ব্যাপার।
:'''টম সার্ভো''': সরি আমি জানি না আমি কী ভাবছিলাম।
:'''মার্কভ''': আমি সারাক্ষণ তোমার পেছনে লেগে থাকতে পারব না আর তুমি কী করছো তা নিয়ে দুশ্চিন্তাও করতে পারব না।
:'''টম সার্ভো''': তুমি যখন ঠিক তখন ঠিকই।
:'''মার্কভ''': এটা প্রথমবার হচ্ছে না তুমি জানো।
:'''টম সার্ভো''': আমরা তো কথা দিয়েছিলাম ওসব নিয়ে আর বলব না।
:'''মার্কভ''': তুমি স্রেফ চুপ থাকবে না তুমি ভাবো সবাই তোমার বন্ধু কারণ তুমি সবাইকে খুব বিশ্বাস করো।
:'''টম সার্ভো''': আমি ফেসবুককে দোষ দিচ্ছি।
:'''মার্কভ''': আমরা লোকেদের থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করি কিন্তু...
:'''টম সার্ভো''': ওরা সব জায়গায় তাই না?
:'''মার্কভ''': ... একসময় ওরা আমাদের জীবনে চলে আসবে আর কিছুই আগের মতো থাকবে না।
:'''টম সার্ভো''': তুমি কি ধূমকেতুর ওপর চড়ার কথা বলছো?
:'''মার্কভ''': জানো আমার নিজের জন্যও একটু সময় দরকার।
:'''টম সার্ভো''': অবশ্যই মাস্টার। আমায় মাফ করবেন।
:'''মার্কভ''': কিন্তু তুমি এত জোরে আওয়াজ করো যে সবাই ভাবে আমি কোনো দানবকে লুকিয়ে রেখেছি।
:'''টম সার্ভো''': আমি আবারও ক্ষমা চাইছি আমি আমার সীমা লঙ্ঘন করেছি আর সে জন্য আমি লজ্জিত।
:'''মার্কভ''': মানুষ যা বোঝে না তা নিয়ে সবসময় সন্দেহ করে।
:'''টম সার্ভো''': ঠিক ওই মুরগিটার মতো কাণ্ড তাই তো?
:'''মার্কভ''': আর সে কারণেই আমি তোমাকে লুকিয়ে রাখছি।
:'''টম সার্ভো''': ওটা যৌক্তিক মাস্টার। আমাকে আপনার ঘর রেডি করতে দিন।
:'''মার্কভ''': কিন্তু বাইরের জগতকে দূরে রাখা খুব কঠিন কাজ।
:'''টম সার্ভো''': আমি বুঝতে পারছি। আমরা সবাই সেই মহান দিনের অপেক্ষায় আছি। ওটা খুব গৌরবময় হবে।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওসব কী ছিল ভাই?
:'''টম সার্ভো''': আমি ছাই জানি।
<hr width=50%/>
:'''মার্কভ''': ওর কাছে কার্ক আছে।
:'''বাড''': কার্ক আর কোনো সমাধান নয়।
:'''টম সার্ভো''': পিকার্ড?
<hr width=50%/>
:'''মার্কভ''': অ্যালেক্স...
:'''টম সার্ভো''': আমি ২০০ ডলারের বিনিময়ে ওটা নেব।
:'''মার্কভ''': ...যখন সারা মারা গেল তখন তোমাকে শেখানোটাই আমার একমাত্র সম্বল ছিল। ওটাই আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে।
:'''জোনা''': শোক পালনের এটা কোন ধরনের পর্যায় ভাই?
:'''মার্কভ''': কিন্তু আমাদের কাছে এখন কোনো টাকা নেই...
:'''ক্রো টি. রোবট (মার্কভ হিসেবে)''': তোমার ওই অদ্ভুত শখের কারণেই আমাদের এই দশা হয়েছে।
:'''মার্কভ''': আর আমরা একসাথে থাকতে পারব না যদি... আমি তোমাকে খাওয়াতে না পারি।
:'''জোনা''': ওহ আমি বুঝেছি জীবনের সেই চিরন্তন চক্র। বউ মারা গেল বাঁদরকে কথা বলা শেখাল সস্তা মেলায় যোগ দিল টাকা ফুরিয়ে গেল আর ট্রেলারের ভেতর দুজনে না খেয়ে মরছে। কয়েকশ বার দেখেছি ওসব।
<hr width=50%>
:'''কার্নি''': ঠিক আছে ঠিক আছে ঠিক আছে এখানে আপনি সব পাবেন একটা ঠিকঠাক লক্ষ্য করলেই আপনি জিতে যাবেন—আপনি কী বলেন স্যার? ৫০ সেন্টে তিনটে বল স্রেফ একটা লাগলেই আপনি একটা সুন্দর গোল্ডফিশ বাড়ি নিয়ে যেতে পারবেন। সবাই খেলছে! আসুন স্যার ভেতরে আসুন...
:'''জোনা (কমিক বুক গাই হিসেবে)''': উমম না। একজন পণ্ডিত মানুষ হিসেবে আমি এসব ভাগ্যের খেলায় অংশ নিই না। আমি জানি এই কার্নিভালগুলো সম্ভাবনার সব নিয়ম ভেঙে নিজেদের সুবিধামতো গেম সাজিয়ে রাখে। অন্যদিকে আমার কিন্তু একটা নতুন প্যান্ট দরকার। ওহ না চারদিকে অনেক মানুষ জড়ো হয়েছে আমার খুব টেনশন হচ্ছে...
<hr width=50%/>
:'''জোনা''': হেই বন্ধুরা। ওটা মোটেও ঠিক হচ্ছে না।
:'''ক্রো টি. রোবট''': কিন্তু তুমি তো সারাক্ষণই নাচো!
:'''জোনা''': ওটা আমার ব্যক্তিগত সময় আর আমি জানতাম না যে তোমরা ওটাও দেখতে পাও ঠিক আছে?!
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': আরে ও তো মিসি ও'শিয়া গাড়ির সেই মেয়েটি!
:---
:'''জোনা''': গ্র্যান্ড থেফট অটো: বাঁদর শহর।
:'''টম সার্ভো''': ওসব বাদ দাও। মিসি ও'শিয়া কোথায়?!
:'''ক্রো টি. রোবট''': হুট করে কোনো সিদ্ধান্তে এসো না বন্ধুরা। ও হয়তো কোনো এক গাড়ির কোনো এক মেয়ে কিন্তু ও কি সেই নির্দিষ্ট মেয়েটা?
<hr width=50%>
:'''জোনা''': পুলিশ গাড়ি ঘাসের ওপর কাজ করে না!
:'''টম সার্ভো''': যতক্ষণ না তোমার কাছে শক্তি আছে! (হাসছে)
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট (অফিসার ১ হিসেবে)''': হ্যালো হ্যালো আমাদের সামনে একটা ‘কার্নিভাল ম্যাজিক’ চলছে।
:'''টম সার্ভো (অফিসার ২ হিসেবে)''': উমম ‘কার্নিভাল ম্যাজিক’? ওটা আবার কী?
:'''ক্রো টি. রোবট (অফিসার ১ হিসেবে)''': ওটা হলো যখন কোনো সস্তা প্রোডিউসার কার্নিভালের অ্যাক্সেস পায় আর তিন দিনে এক জঘন্য স্ক্রিপ্ট লেখে আর সব অভিনেতাদের বিয়ার আর চিজ স্টিক দিয়ে পেমেন্ট করে।
:'''টম সার্ভো (অফিসার ২ হিসেবে)''': ওহ আর ও সিনেমাটা লম্বা করার জন্য দুঃখী বাচ্চার ভিডিও আর এক আজব কার চেজ ঢুকিয়ে দেয় যা গল্পের সাথে কোনো সম্পর্কই রাখে না স্রেফ সিনেমা হলে চালানোর জন্য।
:'''ক্রো টি. রোবট (অফিসার ১ হিসেবে)''': উমম-হুম আর ওটা বছরের পর বছর ভল্টে পড়ে থাকে যতক্ষণ না কোনো পাগল বিজ্ঞানী এক গাধাকে ওটা দেখতে বাধ্য করে আর এভাবেই এক জঘন্য সিনেমার দ্বিতীয় জন্ম হয় যা ওর মেকাররা কোনোদিন স্বপ্নেও ভাবেনি।
:'''টম সার্ভো (অফিসার ২ হিসেবে)''': হ্যাঁ একদম ঠিক। ‘কার্নিভাল ম্যাজিক’।
<hr width=50%/>
:'''লিভিংস্টন''': দেখে মনে হচ্ছে ও মরার জন্যই জেদ ধরেছে।
:'''ক্রো, সার্ভো এবং জোনা''': ও যা খাচ্ছে আমাদেরও তাই দিন!
<hr width=50%/>
:'''জোনা''': ওহ ‘মোর কার্নিভাল ম্যাজিক’? নাআআ!
:'''টম সার্ভো''': ওহ হ্যাঁ এলভিন ফেল্টনার এই সিরিজের অনেকগুলো মুভি বানিয়েছে যদিও দ্বিতীয় মুভিটার নাম ছিল ‘২ ম্যাজিক ২ কার্নিভাল’।
:'''ক্রো টি. রোবট''': বিশাল হিট হয়েছিল কিন্তু অরিজিনাল ট্রিলজির শেষ মুভি ‘কার্নিভাল ম্যাজিক ৩: রিটার্ন অব দ্য গার্ল ইন দ্য কার’ এর সাথে কোনো তুলনাই হয় না।
:'''টম সার্ভো''': তারপর এলভিন পিরিওড ড্রামাতে মন দিয়েছিল। সেখানে আসল বাঁদরের বদলে সিজিআই বাঁদর ব্যবহার করা হয়েছিল।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আর কেউ আসলেও জানতে চায়নি যে মার্কভ আর অ্যালেক্সের দেখা কীভাবে হয়েছিল আর বাড ওর টুপি কোত্থেকে পেয়েছিল।
:'''টম সার্ভো''': ওরা আসলেও খুব বাজে অবস্থা করেছিল যখন ওই ডেভিড স্পিন-অফ মুভিটা এল যেখানে ও ওর বাবার পিআর কোম্পানিকে এক অশুভ কোম্পানির হাত থেকে বাঁচাতে বাড়ি ফিরেছিল।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ হ্যাঁ পুরো ‘কার্নিভাল ম্যাজিক শেয়ার্ড সিনেমাটিক ইউনিভার্স’। ওই সময় কার্নিভাল ম্যাজিক সিনেমাগুলো স্রেফ ৯০ মিনিটের খেলনার বিজ্ঞাপন ছাড়া আর কিছুই ছিল না।
:'''টম সার্ভো''': কিন্তু যখন সবাই ভাবল ম্যাজিক শেষ তখনই ওরা সিরিজটা রিবুট করল ‘কার্নিভাল ম্যাজিক বিগিন্স’ দিয়ে আর আমেরিকাকে মনে করিয়ে দিল কেন ওরা কথা বলা বাঁদর আর নোংরা কার্নিভাল লোকেদের এত ভালোবাসত।
:'''জোনা''': আমি জানতামই না যে এত মুভি আছে এটার।
:'''টম সার্ভো''': এলভিন ফেল্টনার আমেরিকাকে এক সহজ প্রশ্ন করেছিলেন: কেন একটা ট্রেলার পার্ককে মুভি স্টুডিও বানানো যাবে না?
:'''ক্রো টি. রোবট''': আর উত্তর ছিল মানুষ স্রেফ একটা টর্নেডো জোনের ভেতরে বেশি সময় কাটাতে চায় না।
:'''টম সার্ভো''': সত্যি তবে এর মধ্যে অনুপ্রেরণার কিছু আছে। এক লোক যে বলেছিল “সিনেমা বানাতে হলে আমার বড় স্টার অনেক টাকা প্রতিভা রুচি বা নূন্যতম শিষ্টাচারের কোনো দরকার নেই।”
:'''ক্রো টি. রোবট''': “আমার স্রেফ কয়েকটা ট্রেলার লাগবে একটা বাঁদর লাগবে আর একদল বেকার স্থানীয় প্রায়-অভিনেতা লাগবে।”
:'''জোনা''': ঠিক আছে আমি বুঝেছি তুমি বিদ্রূপ করছো।
:'''টম সার্ভো''': দুর্ভাগ্যবশত ওনার অন্য মুভিগুলো খুব একটা চলেনি।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওরা কয়েকটা ডিজাস্টার মুভিও ট্রাই করেছিল যেমন ‘টর্নেডো’ আর ‘দ্য নাইট দ্য সেপটিক ট্যাংক গেভ আউট’।
:'''টম সার্ভো''': আর অবশ্যই রোমান্টিক কমেডি ‘ভ্যান রকার্স’ আর ‘ম্যারেজ বেড অ্যাবাভ দ্য ড্রাইভার'স সিট’।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমার অ্যাকশন মুভিগুলো ভালো লাগত যেমন ‘ম্যাক্সিমাম টোয়াজ’।
:'''টম সার্ভো''': ওহ আর ওনার সায়েন্স ফিকশন ‘কসমিক উইনেবাগো অব দ্য ফোর্থ ডাইমেনশন’ এর কথা ভুললে চলবে না।
:'''জোনা''': বন্ধুরা এই মুভিগুলোর একটাও কি আসলেও ছিল?
:'''টম সার্ভো''': অবশ্যই না জোনা!
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমার তো মনে হয় না ‘কার্নিভাল ম্যাজিক’ও আসলেও কোনো সিনেমা ছিল তবুও আমরা ওটা দেখলাম!
:'''জোনা''': ভালো পয়েন্ট। আমরা কি আসলেও একটা সিনেমা দেখলাম এখন?
=== [[w:bn:দ্য ক্রিসমাস দ্যাট অলমোস্ট ওয়াজন্ট|দ্য ক্রিসমাস দ্যাট অলমোস্ট ওয়াজন্ট]] ===
:'''ম্যাক্স''': শুভ বড়দিন! হো হো হো!
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': না না! বন্ধ করো! আমাদের শো হলো একটানা দেখার জন্য। আমি বাজি ধরে বলতে পারি বড়দিনে কেউ এটা দেখছে না।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': হয় টাইটেল কার্ডটা ইতালিয়ান ভাষায় নয়তো আমাদের নাস্তা হিসেবে নাচোস দেওয়া হবে।
<hr width=50%/>
:'''স্যাম''': এবার বলো। আমাদের ওই পাজি লোকটা এ বছর কী ফন্দি এঁটেছে?
:'''ক্রো টি. রোবট (স্যাম হিসেবে)''': হ্যাঁ ওর সমস্যাটা কী?
<hr width=50%/>
:'''স্যাম''': আমাকে ভুল বুঝবেন না সান্তা। আমি সত্যিই খুব ভালো একজন উকিল। আমি স্রেফ বিল পাঠাতে ভুলে যাই।
:'''টম সার্ভো''': একজন উকিল যে বিল পাঠাতে ভুলে যায়? এই সিনেমাটা এখন আস্ত এক আজব গল্প হয়ে গেল।
<hr width=50%/>
:'''স্যাম''': টাকা। টাকা ছাড়া ওই লোকটা আর কিছুই বোঝে না। মিস্টার ফিনিয়াস টি. প্রুন শুধু টাকার চিন্তা করেন টাকার কথা বলেন টাকা খান আর টাকার গন্ধ শুকেন। মিস্টার ফিনিয়াস মাঝখানের নাম টি. প্রুন!
:'''টম সার্ভো''': টি মানে কি ‘দ্য’?
:'''স্যাম''': ওই টি মানে কি কোনোভাবে ‘কিপটে’ বোঝায়?!
:'''ক্রো টি. রোবট''': (নাটকীয় বিস্ময় নিয়ে) ওরে বাবা!
:'''প্রুন''': আপত্তি জানাচ্ছি!
:'''স্যাম''': আপত্তি নাকচ করা হলো!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ভাইরে উত্তর কোরিয়ার বিচার ব্যবস্থাও এর চেয়ে অনেক ভালো।
<hr width=50%/>
:'''জোনা''': কোনো একদিন ও স্রেফ একটা ড্রোন পাঠিয়ে একাজ করবে।
<hr width=50%/>
:'''সুজির মা''': দাঁড়াও আমি ওর কাছে সব গিয়ে বলি! এক আসল জ্যান্ত সান্তা ক্লজ তাও আবার বড় দোকানে!
:'''জোনা''': এর পরে কী মহিলারা গাড়ি চালাবে? নাকি চার্চের কোনো লোক হোয়াইট হাউসে যাবে???
<hr width=50%/>
:'''প্রুন''': কেন? কেন? কেন? কেন? কেন?
:'''জোনা (প্রুন হিসেবে)''': কেন আমি আরও আগে একটা বোট কিনলাম না?!
:'''প্রুন''': কেন? কেন? (এক পথচারী পাশ দিয়ে গেল) শুভ বড়দিন!
:'''পথচারী''': দয়া করে সাবধান স্যার আপনার ঠান্ডা লেগে যাবে!
:---
:'''প্রুন''': শুভ বড়দিন!
:'''টম সার্ভো (পথচারী হিসেবে)''': আমার মনে হয় আপনি ‘হ্যাপি হলিডে’ বলতে চেয়েছেন।
<hr width=50%/>
:'''প্রুন''': (গাইছে) কেন প্রতিদিন বড়দিন হয় না?
:'''জোনা (অন্য ব্যক্তির গলায়)''': আমি জানি না!
:'''প্রুন''': কেন প্রতিদিন সবাই খুশি থাকতে পারে না?
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওটা একটা কঠিন প্রশ্ন।
=== [[w:bn:অ্যাট দ্য আর্থস কোর|অ্যাট দ্য আর্থস কোর]] ===
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি ভাবছি ট্রেনের ড্রাইভার কি রিঙ্গো স্টার নাকি জর্জ কার্লিন।
<hr width=50%/>
:'''ডক্টর আবনার পেরি''': কী অদ্ভুত এক আকাশ!
:'''ডেভিড ইনেস''': কত আজব এক রঙ ডক।
:'''ডক্টর আবনার''': এটা নির্ঘাত আমাদের চেনা জগত নয়।
:'''জোনা''': আমার তো মনে হয় এটা টিম বার্টনের পেছনের উঠান।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': এক বিশাল দানব আমাদের আক্রমণ করছে... সিনেমার ভেতর থেকে!
<hr width=50%/>
:'''ডক্টর আবনার''': ওরে বাবা কী বিশাল! অথচ আমাদের পাওয়া সেরা জীবাশ্ম অনুযায়ী এর আকার বড়জোর একটা সাধারণ ক্রোর (Crow) মতো হওয়ার কথা ছিল!
:'''ক্রো টি. রোবট''': (অপমানিত হয়ে) ব্যাস হয়েছে আমি চললাম।
:---
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': একজন ভদ্রলোক হওয়ার খাতিরে ডেভিড ওর সব সহকর্মীদের লাভা ভর্তি ঘরে গুন্ডাদের সাথে আটকে দিল।
<hr width=50%/>
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': বিয়ের দিনে উত্তর কোরিয়ার একনায়ক হওয়া আমেরিকার প্রতিটি মহিলার জন্মগত অধিকার!
== মৌসুম ১২: দ্য গন্টলেট ==
=== [[w:bn:ম্যাক অ্যান্ড মি|ম্যাক অ্যান্ড মি]] ===
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': এখন থেকে আমরা সবকিছু সহজ আর বোকাদের মতো বানাব।
:'''ম্যাক্স''': হ্যাঁ। মানুষ যখন বোকা হয়ে যাবে তখন ওরা আমাদের টাকা দেবে বুদ্ধিমান হওয়ার জন্য আমাদের নতুন ওষুধ অ্যালজারনন খাওয়ার জন্য!
:'''জোনা''': আমি জানি না। মগজ নিয়ে কোনো কারিকুরি করা খুব একটা নিরাপদ মনে হচ্ছে না।
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': শান্ত হও হবু স্বামী! বিজ্ঞাপনে সব বিপদের কথা ছোট করে লিখে দিলে কেউ আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবে না। অ্যালজারনন...
:'''সিন্থিয়া''': হাই আমি সিন্থিয়া। আমি ক্লোন হওয়ার কারণে আমার বুদ্ধি খুব কম ছিল কিন্তু অ্যালজারনন খাওয়ার পর সব বদলে গেছে।
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': অ্যালজারনন...
:'''সিন্থিয়া''': অ্যালজারনন হলো বাজারের একমাত্র কার্যকর ওষুধ।
:'''ম্যাক্স''': অ্যালজারনন দিয়ে নিজের মগজ বাড়ান গাধার দল!
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': (দ্রুত স্বরে) অ্যালজারনন এর পার্শপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে আছে বমি বমি ভাব ইঁদুরের সাথে বন্ধুত্ব আর ১৯৬৯ সালের অস্কার জয়। সূর্য থাকাকালীন এই ওষুধ খেলে আপনি মারা যেতে পারেন।
:'''ম্যাক্স''': (দ্রুত স্বরে) এমনকি মজার ছলেও এই ওষুধ খাওয়া ঠিক না। বিস্তারিত জানতে গলফ ম্যাগাজিনে আমাদের বিজ্ঞাপন দেখুন।
:'''সিন্থিয়া''': অ্যালজারনন খেয়ে আমি এত বুদ্ধিমান হয়ে গেছি যে আমি বুঝতে পেরেছি এটা খুব বিপজ্জনক আর আমার এটা খাওয়া বন্ধ করা উচিত।
:'''কিঙ্গা, ম্যাক্স এবং সিন্থিয়া''': অ্যালজারনন!
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': দুশ্চিন্তা কোরো না স্রেফ কয়েকটা লাইট জ্বালিয়ে দিলে কেউ বুঝতেই পারবে না যে ওটা তোমার মায়ের পুরানো গাড়ি।
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': তো আমাদের মিষ্টি হিরো এখন গাড়ির নিচে চাপা পড়তে যাচ্ছে। বুঝেছি।
<hr width=50%/>
:'''জোনা''': ব্লু ম্যান গ্রুপ এর এমন রূপ আগে দেখেননি: বাদামী!
:'''টম সার্ভো (এলিয়েন হিসেবে)''': (কাশছে) না না তোমরা আমাকে ছাড়াই শুটিং চালিয়ে যাও প্লিজ...
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওরা তো কাপড় আবিষ্কার করার একদম কাছাকাছি চলে এসেছে। এসো বন্ধুরা!
:'''জোনা''': মনে হচ্ছে মানুষের বিবর্তন হয়েছে পিঙ্কি আর ব্রেইন থেকে।
<hr width=50%/>
:'''মাইক''': হেই কী অবস্থা সবার?
:'''ডেবি''': শশশ! আমরা প্রকৃতির আত্মার সাথে কথা বলছি।
:'''টম সার্ভো (ডেবি হিসেবে)''': আত্মারা বলছে এটা নাকি খুব আপত্তিকর।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': ওহ হ্যাঁ নতুন মালিকদের অপমান করার কী দারুণ এক উপায়। শাওয়ার ছেড়ে দিয়ে চলে যাও আর পানির বিল ওদের ঘাড়ে চাপাও।
:'''ক্রো টি. রোবট (এরিক হিসেবে)''': হ্যালো? কেউ ভেতরে আছে? আমি সেই ডেনভার থেকে এটাকে চেপে ধরে আছি ভাই!
:---
:'''জোনা''': কেউ জ্যানেট লি-কে খতম করে দিয়েছে!
:'''টম সার্ভো (এরিক হিসেবে)''': ওহ আমি তো ভেবেছিলাম ‘হাওয়ার্ড দ্য ডাক’ সিনেমার ওই হাঁস মহিলাটাকে পাব।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': আমার দরজায় কে টোকা দিচ্ছে?
:---
:'''জোনা''': উমম অন্ধকার ছাড়া আর কিছুই নেই।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হুহ অন্তত এক ব্যাগ পটি তো রেখে যেতে পারত।
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': মনে রাখবেন যখনই আপনি আপনার কথা বলা খেলনা ফেলে দেবেন তখন ব্যাটারিগুলো খুলে ফেলবেন।
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট (এরিক হিসেবে)''': এখন একেই বলে আসল রেসিং!
:'''ডেবি''': এরিক!
:'''টম সার্ভো''': বাতাসের সাথে পাল্লা দিয়ে চলো!
:---
:'''জোনা (এরিক হিসেবে)''': তোমার জন্য অভিশাপ সস্তা ওষুধের দোকান!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': জানো এই সিনেমা বানাতে গিয়ে ওরা তিনটে এরিককে শেষ করেছে।
:---
:'''টম সার্ভো (ম্যাক হিসেবে)''': দারুণ। এখন এটার জন্য আমাকেই সবাই দায়ী করবে।
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমার কেন যেন মনে হচ্ছে আমি এসব আগেও দেখেছি। এক মা শহরতলি বড় ভাই ছোট মেয়ে...
:'''জোনা''': হ্যাঁ ওটা হলো ‘ই.টি.’ (E.T.)
:'''ক্রো টি. রোবট''': না ওটা না। জানো ওরা একটা এলিয়েন পায় ও ফাস্ট ফুড খুব পছন্দ করে—
:'''জোনা''': হ্যাঁ ওটা তো ‘ই.টি.’ থেকেই নেওয়া।
:'''ক্রো টি. রোবট''': না কিন্তু এলিয়েনটা ওর পরিবার থেকে আলাদা হয়ে যায় আর বাড়ি ফিরতে চায়—
:'''জোনা''': তুমি ‘ই.টি.’ এর কথা ভাবছো!
:'''ক্রো টি. রোবট''': না কিন্তু তারপর এলিয়েনটা বাচ্চাটাকে উড়তে সাহায্য করে—
:'''জোনা''': **ই.টি.!!!**
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমাকে শেষ করতে দাও! —এক সামার ক্যাম্পের বক্সিং ম্যাচের সময়।
:'''জোনা''': ওহ ‘মিটবলস ২’।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ এই তো পেয়েছি!
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট (এজেন্ট হিসেবে)''': আমার বউকে বোলো আমি হুইলচেয়ারের একটা পিচ্চিকে তাড়া করতে গিয়ে মারা গেছি!
<hr width=50%/>
:'''মাইক''': এরিক!
:'''জোনা''': হেই সানগ্লাসটা খুব সুন্দর।
:'''টম সার্ভো''': (অন্য পাশ থেকে) হেই সানগ্লাসটা কোথায় গেল?
:'''মাইক''': তৈরি হও!
:---
:'''জোনা''': হেই সানগ্লাসটা খুব সুন্দর।
:'''টম সার্ভো''': (গাড়িতে ওঠার সময়) হেই সানগ্লাসটা কোথায় গেল?
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট (ইয়োডা হিসেবে)''': লিউক আজ থেকে ৩০ বছর পর তোমার চরিত্র নিয়ে ফ্যানরা খুব রেগে যাবে। হুমম হ্যাঁ।
<hr width=50%/>
:'''জোনা (বাবা হিসেবে)''': আমাকে বাথরুমে যেতে হবে এটা কোথায় রাখব?
:---
:'''টম সার্ভো (বাবা হিসেবে)''': তুমি কি আমাকে মাত্র চেক করলে???
:'''ক্রো এবং জোনা (পথচারী হিসেবে)''': ও কি আসলেও ওকে চেক করল???
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': ‘ই.টি.’ মুভিতে এটারই অভাব ছিল। মুদি দোকানে গোলাগুলি।
<hr width=50%/>
:'''জোনা''': ওহ আমি বাজি ধরে বলতে পারি এখন এরিক এক বিশাল ভাষণ দেবে যে আমাদের চেহারা যেমনই হোক আমরা সবাই আসলে এক আর ওটাই কি আসল— (পুলিশরা সমানে গুলি চালাতে শুরু করল) ওরে বাবা ঠিক আছে। ওটা— আমি বলতে চেয়েছিলাম— ওহ! না! নাআআ! না থামো! ওটা তো সবার এক হওয়ার ভাষণ হওয়ার কথা ছিল!
:'''টম সার্ভো''': কী? (গাড়িগুলো সব ফেটে গেল আর এক বিশাল বিস্ফোরণ হলো)
:'''জোনা''': নাআআআআ!!!
:'''ক্রো টি. রোবট''': কী হচ্ছে এসব???
:'''টম সার্ভো''': ওরে বাবা!
:'''জোনা''': না কী একটা— আরে ধুর!!! এটা তো ‘ই.টি.’ সিনেমায় হয়নি!
:'''ক্রো টি. রোবট''': সকালে নাপামের সুবাস আমার খুব ভালো লাগে!
:'''জোনা''': (বিরক্ত হয়ে) এটা তো সবার এক হওয়া আর সব ঠিক হয়ে যাওয়ার কথা ছিল...
<hr width=50%/>
:'''জোনা''': ওকে দেখতে ঠিক ফেস ছিঁড়ে ফেলা টেডি রাকসপিনের মতো লাগছে।
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওটা গির্জাও না আবার চুড়াও না।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো (ম্যাক হিসেবে)''': আমার শরীরের ভেতরের অংশ দেখবে? বেশ মজার।
:---
:'''টম সার্ভো (ম্যাক হিসেবে)''': আআহ! ওটা ছাড়া তো আমি বাঁচব না!
=== [[w:bn:অ্যাটলান্টিক রিম|অ্যাটলান্টিক রিম]] ===
:'''ক্রো টি. রোবট''': অ্যাটলান্টিক রিম? আপনি কি প্যাসিফিক-এর কথা বলতে চেয়েছেন?
<hr width=50%/>
:'''অ্যাডমিরাল হ্যাডলি''': রাডারের ছোট ভুলের জন্য এটা অনেক বড় ব্যাপার। আপনার কি আর কিছু বলার আছে?
:'''জিপসি''': ব্রুস উইলিস শুরু থেকেই মরা ছিল স্যার।
<hr width=50%/>
:'''লেফটেন্যান্ট জিম''': ধুর কটা বাজে এখন?
:'''ক্রো টি. রোবট''': সময় হলো একটা সামাজিক ধারণা স্যার!
<hr width=50%/>
:'''ডক্টর অ্যাডামস''': এক তেল খনি কে উড়িয়ে দিতে চাইবে?
:'''ক্রো টি. রোবট''': রবার্ট মুলার?
<hr width=50%/>
:'''লেফটেন্যান্ট জিম''': আমার সোনার থেকে ওটা উধাও হয়ে গেছে। আমার কাছে কিছু নেই। আর কেউ কি কিছু দেখতে পাচ্ছেন?
:'''ক্রো টি. রোবট (স্টোন হিসেবে)''': উমম আমি একটা বই পড়ছি।
:'''জোনা (অ্যাডমিরাল হ্যাডলি হিসেবে)''': জনি ক্যাশের অটোবায়োগ্রাফি।
:'''টম সার্ভো (ডক্টর মার্গারেট হিসেবে)''': ড্যানিয়েল স্টিল।
:'''ক্রো টি. রোবট (লেফটেন্যান্ট ওয়েক্সলার হিসেবে)''': আমি পডকাস্ট শুনছি।
<hr width=50%/>
:'''রেড''': এই জিনিসটা আমার পেছনের পেছনে লেগে আছে ভাই! ও তো আমাকে শেষ করে দেবে!
:'''ক্রো টি. রোবট''': মাফ করবেন কী বললেন?
:'''লেফটেন্যান্ট জিম''': হেই কাউকে ভেতরে পাঠান ওকে তো মেরেই ফেলছে!
:---
:'''টম সার্ভো (হ্যাডলি হিসেবে)''': ওটা তো ওর পেছনেই আছে।
:'''ক্রো টি. রোবট (অ্যাডামস হিসেবে)''': ওকে ছিঁড়ে ফেলছে।
:'''জোনা (ওয়েক্সলার হিসেবে)''': বিশেষ করে ওর পেছনের অংশ।
<hr width=50%/>
:'''রেড''': শান্ত হোন!
:'''ক্রো টি. রোবট''': কানিউ? ইয়েজি? আমি ওকে কী ডাকব বুঝতে পারছি না! দয়া করে কেউ আমাকে বলুন আমি কানিউকে কী ডাকব!
:'''টম সার্ভো (রেড হিসেবে)''': ওহ মনে হয় আমি বের হওয়ার পথ পেয়েছি। আমি যাচ্ছি- (দরজা লক হয়ে গেল) ওহ ধুর...
:'''রেড''': হেই মানুষ মরছে!
:'''জোনা (রেড হিসেবে)''': আর ওটা আসলে বেরেন-স্টেইন বিয়ারস! স্টেইন না!!!
<hr width=50%/>
:'''জোনা''': আমার কেন যেন মনে হয়েছিল আমাদের হেলমেটগুলো একই রকম হবে তোমার কি মনে হয়নি?
:'''টম সার্ভো''': জোয়েল হজসন???
<hr width=50%/>
:'''জোনা''': সেদিন আটজন সাহসী সৈনিক স্রেফ মুখের কথায় পুরো ম্যানহাটন খালি করে দিয়েছিল।
<hr width=50%/>
:'''জোনা (গিজ হিসেবে)''': ও নির্ঘাত এটা শুনবে! “ইউএস নেভি; আমার অ্যাডমিরাল ভুল শব্দ বলছে। হা হা!” টুইট করে দাও।
:'''গিজ''': আমি বলছি।
:'''ক্রো টি. রোবট (গিজ হিসেবে)''': তোমার ছেলে।
:'''গিজ''': আমরা এখানে কোনো পাত্তা পাচ্ছি না।
:'''ক্রো টি. রোবট (গিজ হিসেবে)''': স্রেফ একদল অযোগ্যদের আড্ডা।
:'''গিজ''': অ্যাডমিরাল নিউ ইয়র্ককে কোনো না কোনোভাবে হারাবেই।
:'''ক্রো টি. রোবট (গিজ হিসেবে)''': ও অলরেডি অরল্যান্ডো হারিয়ে ফেলেছে।
:'''গিজ''': আমার মনে হয় সময় এসেছে ওই বিশেষ চালটা চালার...
:'''ক্রো টি. রোবট (গিজ হিসেবে)''': একটু পজ নাও।
:'''গিজ''': ... ট্রোজান হর্স।
:'''ক্রো টি. রোবট (গিজ হিসেবে)''': বাম বাম বাম!
:'''গিজ''': জি স্যার।
:'''ক্রো টি. রোবট (গিজ হিসেবে)''': আমি আপনাকে ভালোবাসি। ওহ দাঁড়ান- আমি বলতে নেওয়ার ঠিক আগেই ও ফোন কেটে দেয় কেন ভাই?
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': বন্ধুরা দানবটার দিক থেকে একবার চিন্তা করো তো। ও ওর নিজের জগতের বাইরে এক বিলুপ্তপ্রায় প্রাণী হয়তো স্রেফ খাবারের সন্ধানে এসেছে আর হুট করে কিছু রোবট ওকে আক্রমণ করল।
:'''জোনা''': হ্যাঁ ও তো স্রেফ একটু শান্তিতে শ্বাস নিতে চায়।
:'''টম সার্ভো''': আমাদের উচিত এই নতুন সামুদ্রিক আমেরিকান দানবটাকে স্বাগত জানানো আর ওর গুণগুলোকে সম্মান করা।
:'''জোনা''': হ্যাঁ।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ ধুর ওটা একদমই ঠিক হয়নি!
:'''জোনা''': দানবটাকে খতম করো! ইউএসএ! ইউএসএ! ইউএসএ!
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': তো এখন ওরা সেলিব্রেট করতে যাচ্ছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': যেটা শেষ হবে আবারও রেডের জেলে যাওয়ার মাধ্যমে। এবার ও এক বিদেশি রাষ্ট্রদূতের কুকুরের ওপর হিসু করে দিয়েছে।
:'''জোনা''': যতক্ষণ না আরেকটা দানব আসে।
:'''টম সার্ভো''': আর ও ওটাকে হারাবে আর আবারও সেলিব্রেট করবে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আর ও আবারও জেলে যাবে।
:'''জোনা''': এভাবেই রেডের জীবন চক্র চলতে থাকবে।
:---
:'''টম সার্ভো''': আর সিনেমাটা ওভাবেই শেষ হলো যেভাবে শুরু হয়েছিল... আস্ত এক আবর্জনা হয়ে।
=== [[w:bn:লর্ডস অব দ্য ডিপ|লর্ডস অব দ্য ডিপ]] ===
:'''স্ট্যানলি''': বারবারা তোমাকে ঠিক চাকরি থেকে বের করা হয়নি। মানে—বের করে দেওয়া আর রিপ্লেস করার মধ্যে একটা তফাত আছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': কোনান ও'ব্রায়েনকে জিজ্ঞেস করে দেখুন।
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': সেজন্যই মুভি সাইন পাওয়ার সাথে সাথে থিয়েটারে যাওয়া উচিত।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': আমি বিশ্বাসই করতে পারছি না যে আমাকে এক বাচ্চার বার্থডে পার্টিতে মিনিয়ন সাজতে হয়েছে। আমি তো দামী স্কুল থেকে পড়াশোনা করেছি!
<hr width=50%/>
:'''জোনা''': আমি তো তোমায় বলেছিলাম রিঙ্গোকে ড্রাইভ করতে দিও না।
<hr width=50%/>
:'''জোনা''': যাক অন্তত ও ওর প্রিয় কাজ করতে করতেই মরল; মাছদের বকা দিতে দিতে।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': জোনা এই দৃশ্যটা কিন্তু একদমই ‘গ্রেট’ (grate) না।
:'''জোনা''': ধন্যবাদ টম। আমি জানি তুমি স্রেফ তোমার রাগ ঝাড়ছো (venting)। ক্রো তুমি একটা ট্রাই করবে?
:'''ক্রো টি. রোবট''': না থাক আমার কাছে এসব জোকস মোটেও মজার মনে হয় না। যদিও যেভাবে ওগুলো বানানো হয় মনে হয় যেন ওগুলো হাসির।
:'''জোনা''': আমি তোমার কথা বুঝতে পারছি।
:...
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই আমি পেয়েছি! ওটা সিঙ্কে (sink) ফেলে দাও। হ্যাঁ আমি এখন জোকস করছি! আমি নিজেকে পছন্দ করি আর আমি জোকস করছি!
<hr width=50%/>
:'''জোনা''': হেই ও তো সরাসরি আমাদের দিকেই তাকিয়ে আছে!
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ ও আমাদের ভয় পাইয়ে দিচ্ছে! থামুন ম্যাম!
:'''টম সার্ভো''': আর ওর ব্যবহার দেখো যেন আমরাই সব দোষ করেছি।
:'''জোনা''': হ্যাঁ!
:---
:'''টম সার্ভো''': না আপনিই পিছিয়ে যান!
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': এটা ঠিক ‘ওয়াটার’-হার্ট এর মতো! বুঝেছো? আমি কত মজার!
<hr width=50%/>
:'''চ্যাডউইক''': ওটা অনেকটা ওমন যদি তুমি সব আলাদা করে দাও...
:'''ক্রো টি. রোবট''': মানে ধামাকা করে?
:'''চ্যাডউইক''': ওগুলো সব একসময় আবার এক হয়ে যাবে...
:---
:'''জোনা''': এই হলো গির্জা আর এই হলো চূড়া...
:---
:'''জোনা''': দরজা খোলো লর্ডস অব দ্য ডিপল।
=== [[w:bn:দ্য ডে টাইম এন্ডেড|দ্য ডে টাইম এন্ডেড]] ===
:'''জেনি''': বিদায় বাবা!
:'''জোনা (রিচার্ড হিসেবে)''': ওহ তুমি কি সারাক্ষণ এখানেই ছিলে মা?
:'''রিচার্ড''': মা-র কথা শুনবে ঠিক আছে?
:'''জেনি''': শুনব বাবা।
:'''রিচার্ড''': ঠিক আছে কাল দেখা হবে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': সস্তা ডুপ্লিকেট মার্ক হ্যামিল এখন ওর রোমান্স শুরু করবে!
<hr width=50%/>
:'''স্টিভ''': হেই বাবা।
:'''সার্ভো, জোনা এবং ক্রো''': নর্ম!
<hr width=50%/>
:'''রিচার্ড''': ওটা ঠিক করতে কতক্ষণ লাগবে বলে মনে হয়?
:'''জোনা''': আধ ঘণ্টা স্যার। ওটা স্রেফ একটা পিৎজা।
:'''রিচার্ড''': ঠিক আছে আমি এক ঘণ্টা পর কল করব ধন্যবাদ।
:'''জোনা''': না না—কী কী টপিংস লাগবে ওটা তো—
<hr width=50%/>
:'''গ্রান্ট''': ওটা কী?
:'''আনা''': আয়নাটা।
:'''গ্রান্ট''': তা ওটার কী হয়েছে?
:'''আনা''': ওটা তো ভেঙে গিয়েছিল।
:'''ক্রো টি. রোবট (গ্রান্ট হিসেবে)''': অভিশপ্ত বাইকাররা ওটা ঠিক করে দিয়েছে মনে হয়!
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': দেখো আমি আর্ট ফিল্মের প্রশংসা করি কিন্তু ও বাথরুমে পটি করতে গেছে বলে আমাদের কেন এখানে বসে অপেক্ষা করতে হবে? এর মানে কী? কেন?
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট (আনা হিসেবে)''': উফ আমাকে এখন মিক্সড ড্রিঙ্কস খাওয়া বন্ধ করতে হবে...
<hr width=50%/>
:'''জেনি''': মা আমি যেতে চাই না। আমার এখানে ভালো লাগছে।
:'''বেথ''': শশশ মা এখন কথা বোলো না...
:'''টম সার্ভো (বেথ হিসেবে)''': আর কোনোদিনই বোলো না।
<hr width=50%/>
:'''জোনা (গ্রান্ট হিসেবে)''': ভাইরে তুমি কি আবারও ভেতরে হ্যাম রান্না করছো?
<hr width=50%/>
:'''জোনা (মিস্টার হ্যাঙ্কি হিসেবে)''': হ্যালো হাই!
=== [[w:bn:কিইলার ফিশ|কিলার ফিশ]] ===
:'''ম্যাক্স''': হেই আগে কোনটা এল? রান্না করা টার্কি নাকি ডিম?
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': (খুব বিরক্ত হয়ে) ... ওদের সিনেমাটা পাঠাও!
:'''ম্যাক্স''': না ভেবে দেখো যদি ওরা এটা থ্যাঙ্কসগিভিং বা ঈস্টারে দেখে তবে ওদের মাথা ঘুরে যাবে।
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': ...... না।
<hr width=50%/>
:'''ফিশার''': আমার মনে হয় আপনারা আমাদের লাইসেন্স আবার দেখতে চান? এই সপ্তাহে তো প্রতিদিন দেখেছেন।
:'''অফিসার''': কিন্তু এবার একটু অন্যরকম।
:'''জোনা (অফিসার হিসেবে)''': আজ আমার জন্মদিন।
:'''ফিশার''': আপনি ওটা আবারও বলতে পারেন।
:'''জোনা (অফিসার হিসেবে)''': আজ আমার জন্মদিন।
:'''ফিশার''': এবার আমরা জ্যাকপট পেয়েছি।
:'''ক্রো টি. রোবট (ফিশার হিসেবে)''': আমরা একটা টাকার হাঙ্গর ধরেছি! দেখে নিন!
:---
:'''টম সার্ভো''': ‘ফাইন্ডিং নেমো’র গুষ্ঠি কিলাই আমরা এক পাপিষ্ঠকে আর ওর জঘন্য পরিবারকে ধরেছি!
<hr width=50%/>
:'''লুইস''': আপনি আসলেও খুব সাহসী। এক হার্ট অ্যাটাকের রোগীকে বলছেন যে ওর কাজ বন্ধ করাটা ভাগ্যের ব্যাপার। ও যে বেঁচে আছে ওটাই ওর ভাগ্য।
:'''জোনা (লুইস হিসেবে)''': ও এক অলৌকিক ঘটনা!
:'''কাভ্যালো''': কিন্তু ওকে দেখে তো বেশ সুস্থই মনে হচ্ছে।
:'''লুইস''': ওটা ওর বান্ধবীটার জন্য। আমার মনে হয় মেয়েটা খুব কাজের।
:'''ক্রো টি. রোবট''': উফ আমি ভাবছি ওরা স্ক্রিপ্টে ওই আজব হাসির কথা কীভাবে লিখেছিল।
=== [[w:bn:অ্যাটর, দ্য ফাইটিং ঈগল|অ্যাটর, দ্য ফাইটিং ঈগল]] ===
:'''ইনডুন''': তোমার মনে হবে তুমি অনন্তকালের পথে পা দিয়েছো।
:'''জোনা''': আমি অন্য কিছুর ওপর পা দিয়েছি।
== মৌসুম ১২: দ্য গন্টলেট ==
=== [[w:bn:ম্যাক অ্যান্ড মি|ম্যাক অ্যান্ড মি]] ===
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': এখন থেকে আমরা সবকিছু সহজ আর বোকাদের মতো বানাব।
:'''ম্যাক্স''': হ্যাঁ। মানুষ যখন বোকা হয়ে যাবে তখন ওরা আমাদের টাকা দেবে বুদ্ধিমান হওয়ার জন্য আমাদের নতুন ওষুধ অ্যালজারনন খাওয়ার জন্য!
:'''জোনা''': আমি জানি না। মগজ নিয়ে কোনো কারিকুরি করা খুব একটা নিরাপদ মনে হচ্ছে না।
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': শান্ত হও হবু স্বামী! বিজ্ঞাপনে সব বিপদের কথা ছোট করে লিখে দিলে কেউ আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবে না। অ্যালজারনন...
:'''সিন্থিয়া''': হাই আমি সিন্থিয়া। আমি ক্লোন হওয়ার কারণে আমার বুদ্ধি খুব কম ছিল কিন্তু অ্যালজারনন খাওয়ার পর সব বদলে গেছে।
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': অ্যালজারনন...
:'''সিন্থিয়া''': অ্যালজারনন হলো বাজারের একমাত্র কার্যকর ওষুধ।
:'''ম্যাক্স''': অ্যালজারনন দিয়ে নিজের মগজ বাড়ান গাধার দল!
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': (দ্রুত স্বরে) অ্যালজারনন এর পার্শপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে আছে বমি বমি ভাব ইঁদুরের সাথে বন্ধুত্ব আর ১৯৬৯ সালের অস্কার জয়। সূর্য থাকাকালীন এই ওষুধ খেলে আপনি মারা যেতে পারেন।
:'''ম্যাক্স''': (দ্রুত স্বরে) এমনকি মজার ছলেও এই ওষুধ খাওয়া ঠিক না। বিস্তারিত জানতে গলফ ম্যাগাজিনে আমাদের বিজ্ঞাপন দেখুন।
:'''সিন্থিয়া''': অ্যালজারনন খেয়ে আমি এত বুদ্ধিমান হয়ে গেছি যে আমি বুঝতে পেরেছি এটা খুব বিপজ্জনক আর আমার এটা খাওয়া বন্ধ করা উচিত।
:'''কিঙ্গা, ম্যাক্স এবং সিন্থিয়া''': অ্যালজারনন!
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': দুশ্চিন্তা কোরো না স্রেফ কয়েকটা লাইট জ্বালিয়ে দিলে কেউ বুঝতেই পারবে না যে ওটা তোমার মায়ের পুরানো গাড়ি।
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': তো আমাদের মিষ্টি হিরো এখন গাড়ির নিচে চাপা পড়তে যাচ্ছে। বুঝেছি।
<hr width=50%/>
:'''জোনা''': ব্লু ম্যান গ্রুপ এর এমন রূপ আগে দেখেননি: বাদামী!
:'''টম সার্ভো (এলিয়েন হিসেবে)''': (কাশছে) না না তোমরা আমাকে ছাড়াই শুটিং চালিয়ে যাও প্লিজ...
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওরা তো কাপড় আবিষ্কার করার একদম কাছাকাছি চলে এসেছে। এসো বন্ধুরা!
:'''জোনা''': মনে হচ্ছে মানুষের বিবর্তন হয়েছে পিঙ্কি আর ব্রেইন থেকে।
<hr width=50%/>
:'''মাইক''': হেই কী অবস্থা সবার?
:'''ডেবি''': শশশ! আমরা প্রকৃতির আত্মার সাথে কথা বলছি।
:'''টম সার্ভো (ডেবি হিসেবে)''': আত্মারা বলছে এটা নাকি খুব আপত্তিকর।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': ওহ হ্যাঁ নতুন মালিকদের অপমান করার কী দারুণ এক উপায়। শাওয়ার ছেড়ে দিয়ে চলে যাও আর পানির বিল ওদের ঘাড়ে চাপাও।
:'''ক্রো টি. রোবট (এরিক হিসেবে)''': হ্যালো? কেউ ভেতরে আছে? আমি সেই ডেনভার থেকে এটাকে চেপে ধরে আছি ভাই!
:---
:'''জোনা''': কেউ জ্যানেট লি-কে খতম করে দিয়েছে!
:'''টম সার্ভো (এরিক হিসেবে)''': ওহ আমি তো ভেবেছিলাম ‘হাওয়ার্ড দ্য ডাক’ সিনেমার ওই হাঁস মহিলাটাকে পাব।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': আমার দরজায় কে টোকা দিচ্ছে?
:---
:'''জোনা''': উমম অন্ধকার ছাড়া আর কিছুই নেই।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হুহ অন্তত এক ব্যাগ পটি তো রেখে যেতে পারত।
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': মনে রাখবেন যখনই আপনি আপনার কথা বলা খেলনা ফেলে দেবেন তখন ব্যাটারিগুলো খুলে ফেলবেন।
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট (এরিক হিসেবে)''': এখন একেই বলে আসল রেসিং!
:'''ডেবি''': এরিক!
:'''টম সার্ভো''': বাতাসের সাথে পাল্লা দিয়ে চলো!
:---
:'''জোনা (এরিক হিসেবে)''': তোমার জন্য অভিশাপ সস্তা ওষুধের দোকান!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': জানো এই সিনেমা বানাতে গিয়ে ওরা তিনটে এরিককে শেষ করেছে।
:---
:'''টম সার্ভো (ম্যাক হিসেবে)''': দারুণ। এখন এটার জন্য আমাকেই সবাই দায়ী করবে।
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমার কেন যেন মনে হচ্ছে আমি এসব আগেও দেখেছি। এক মা শহরতলি বড় ভাই ছোট মেয়ে...
:'''জোনা''': হ্যাঁ ওটা হলো ‘ই.টি.’ (E.T.)
:'''ক্রো টি. রোবট''': না ওটা না। জানো ওরা একটা এলিয়েন পায় ও ফাস্ট ফুড খুব পছন্দ করে—
:'''জোনা''': হ্যাঁ ওটা তো ‘ই.টি.’ থেকেই নেওয়া।
:'''ক্রো টি. রোবট''': না কিন্তু এলিয়েনটা ওর পরিবার থেকে আলাদা হয়ে যায় আর বাড়ি ফিরতে চায়—
:'''জোনা''': তুমি ‘ই.টি.’ এর কথা ভাবছো!
:'''ক্রো টি. রোবট''': না কিন্তু তারপর এলিয়েনটা বাচ্চাটাকে উড়তে সাহায্য করে—
:'''জোনা''': **ই.টি.!!!**
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমাকে শেষ করতে দাও! —এক সামার ক্যাম্পের বক্সিং ম্যাচের সময়।
:'''জোনা''': ওহ ‘মিটবলস ২’।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ এই তো পেয়েছি!
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট (এজেন্ট হিসেবে)''': আমার বউকে বোলো আমি হুইলচেয়ারের একটা পিচ্চিকে তাড়া করতে গিয়ে মারা গেছি!
<hr width=50%/>
:'''মাইক''': এরিক!
:'''জোনা''': হেই সানগ্লাসটা খুব সুন্দর।
:'''টম সার্ভো''': (অন্য পাশ থেকে) হেই সানগ্লাসটা কোথায় গেল?
:'''মাইক''': তৈরি হও!
:---
:'''জোনা''': হেই সানগ্লাসটা খুব সুন্দর।
:'''টম সার্ভো''': (গাড়িতে ওঠার সময়) হেই সানগ্লাসটা কোথায় গেল?
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট (ইয়োডা হিসেবে)''': লিউক আজ থেকে ৩০ বছর পর তোমার চরিত্র নিয়ে ফ্যানরা খুব রেগে যাবে। হুমম হ্যাঁ।
<hr width=50%/>
:'''জোনা (বাবা হিসেবে)''': আমাকে বাথরুমে যেতে হবে এটা কোথায় রাখব?
:---
:'''টম সার্ভো (বাবা হিসেবে)''': তুমি কি আমাকে মাত্র চেক করলে???
:'''ক্রো এবং জোনা (পথচারী হিসেবে)''': ও কি আসলেও ওকে চেক করল???
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': ‘ই.টি.’ মুভিতে এটারই অভাব ছিল। মুদি দোকানে গোলাগুলি।
<hr width=50%/>
:'''জোনা''': ওহ আমি বাজি ধরে বলতে পারি এখন এরিক এক বিশাল ভাষণ দেবে যে আমাদের চেহারা যেমনই হোক আমরা সবাই আসলে এক আর ওটাই কি আসল— (পুলিশরা সমানে গুলি চালাতে শুরু করল) ওরে বাবা ঠিক আছে। ওটা— আমি বলতে চেয়েছিলাম— ওহ! না! নাআআ! না থামো! ওটা তো সবার এক হওয়ার ভাষণ হওয়ার কথা ছিল!
:'''টম সার্ভো''': কী? (গাড়িগুলো সব ফেটে গেল আর এক বিশাল বিস্ফোরণ হলো)
:'''জোনা''': নাআআআআ!!!
:'''ক্রো টি. রোবট''': কী হচ্ছে এসব???
:'''টম সার্ভো''': ওরে বাবা!
:'''জোনা''': না কী একটা— আরে ধুর!!! এটা তো ‘ই.টি.’ সিনেমায় হয়নি!
:'''ক্রো টি. রোবট''': সকালে নাপামের সুবাস আমার খুব ভালো লাগে!
:'''জোনা''': (বিরক্ত হয়ে) এটা তো সবার এক হওয়া আর সব ঠিক হয়ে যাওয়ার কথা ছিল...
<hr width=50%/>
:'''জোনা''': ওকে দেখতে ঠিক ফেস ছিঁড়ে ফেলা টেডি রাকসপিনের মতো লাগছে।
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওটা গির্জাও না আবার চুড়াও না।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো (ম্যাক হিসেবে)''': আমার শরীরের ভেতরের অংশ দেখবে? বেশ মজার।
:---
:'''টম সার্ভো (ম্যাক হিসেবে)''': আআহ! ওটা ছাড়া তো আমি বাঁচব না!
=== [[w:bn:অ্যাটলান্টিক রিম|অ্যাটলান্টিক রিম]] ===
:'''ক্রো টি. রোবট''': অ্যাটলান্টিক রিম? আপনি কি প্যাসিফিক-এর কথা বলতে চেয়েছেন?
<hr width=50%/>
:'''অ্যাডমিরাল হ্যাডলি''': রাডারের ছোট ভুলের জন্য এটা অনেক বড় ব্যাপার। আপনার কি আর কিছু বলার আছে?
:'''জিপসি''': ব্রুস উইলিস শুরু থেকেই মরা ছিল স্যার।
<hr width=50%/>
:'''লেফটেন্যান্ট জিম''': ধুর কটা বাজে এখন?
:'''ক্রো টি. রোবট''': সময় হলো একটা সামাজিক ধারণা স্যার!
<hr width=50%/>
:'''ডক্টর অ্যাডামস''': এক তেল খনি কে উড়িয়ে দিতে চাইবে?
:'''ক্রো টি. রোবট''': রবার্ট মুলার?
<hr width=50%/>
:'''লেফটেন্যান্ট জিম''': আমার সোনার থেকে ওটা উধাও হয়ে গেছে। আমার কাছে কিছু নেই। আর কেউ কি কিছু দেখতে পাচ্ছেন?
:'''ক্রো টি. রোবট (স্টোন হিসেবে)''': উমম আমি একটা বই পড়ছি।
:'''জোনা (অ্যাডমিরাল হ্যাডলি হিসেবে)''': জনি ক্যাশের অটোবায়োগ্রাফি।
:'''টম সার্ভো (ডক্টর মার্গারেট হিসেবে)''': ড্যানিয়েল স্টিল।
:'''ক্রো টি. রোবট (লেফটেন্যান্ট ওয়েক্সলার হিসেবে)''': আমি পডকাস্ট শুনছি।
<hr width=50%/>
:'''রেড''': এই জিনিসটা আমার পেছনের পেছনে লেগে আছে ভাই! ও তো আমাকে শেষ করে দেবে!
:'''ক্রো টি. রোবট''': মাফ করবেন কী বললেন?
:'''লেফটেন্যান্ট জিম''': হেই কাউকে ভেতরে পাঠান ওকে তো মেরেই ফেলছে!
:---
:'''টম সার্ভো (হ্যাডলি হিসেবে)''': ওটা তো ওর পেছনেই আছে।
:'''ক্রো টি. রোবট (অ্যাডামস হিসেবে)''': ওকে ছিঁড়ে ফেলছে।
:'''জোনা (ওয়েক্সলার হিসেবে)''': বিশেষ করে ওর পেছনের অংশ।
<hr width=50%/>
:'''রেড''': শান্ত হোন!
:'''ক্রো টি. রোবট''': কানিউ? ইয়েজি? আমি ওকে কী ডাকব বুঝতে পারছি না! দয়া করে কেউ আমাকে বলুন আমি কানিউকে কী ডাকব!
:'''টম সার্ভো (রেড হিসেবে)''': ওহ মনে হয় আমি বের হওয়ার পথ পেয়েছি। আমি যাচ্ছি- (দরজা লক হয়ে গেল) ওহ ধুর...
:'''রেড''': হেই মানুষ মরছে!
:'''জোনা (রেড হিসেবে)''': আর ওটা আসলে বেরেন-স্টেইন বিয়ারস! স্টেইন না!!!
<hr width=50%/>
:'''জোনা''': আমার কেন যেন মনে হয়েছিল আমাদের হেলমেটগুলো একই রকম হবে তোমার কি মনে হয়নি?
:'''টম সার্ভো''': জোয়েল হজসন???
<hr width=50%/>
:'''জোনা''': সেদিন আটজন সাহসী সৈনিক স্রেফ মুখের কথায় পুরো ম্যানহাটন খালি করে দিয়েছিল।
<hr width=50%/>
:'''জোনা (গিজ হিসেবে)''': ও নির্ঘাত এটা শুনবে! “ইউএস নেভি; আমার অ্যাডমিরাল ভুল শব্দ বলছে। হা হা!” টুইট করে দাও।
:'''গিজ''': আমি বলছি।
:'''ক্রো টি. রোবট (গিজ হিসেবে)''': তোমার ছেলে।
:'''গিজ''': আমরা এখানে কোনো পাত্তা পাচ্ছি না।
:'''ক্রো টি. রোবট (গিজ হিসেবে)''': স্রেফ একদল অযোগ্যদের আড্ডা।
:'''গিজ''': অ্যাডমিরাল নিউ ইয়র্ককে কোনো না কোনোভাবে হারাবেই।
:'''ক্রো টি. রোবট (গিজ হিসেবে)''': ও অলরেডি অরল্যান্ডো হারিয়ে ফেলেছে।
:'''গিজ''': আমার মনে হয় সময় এসেছে ওই বিশেষ চালটা চালার...
:'''ক্রো টি. রোবট (গিজ হিসেবে)''': একটু পজ নাও।
:'''গিজ''': ... ট্রোজান হর্স।
:'''ক্রো টি. রোবট (গিজ হিসেবে)''': বাম বাম বাম!
:'''গিজ''': জি স্যার।
:'''ক্রো টি. রোবট (গিজ হিসেবে)''': আমি আপনাকে ভালোবাসি। ওহ দাঁড়ান- আমি বলতে নেওয়ার ঠিক আগেই ও ফোন কেটে দেয় কেন ভাই?
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': বন্ধুরা দানবটার দিক থেকে একবার চিন্তা করো তো। ও ওর নিজের জগতের বাইরে এক বিলুপ্তপ্রায় প্রাণী হয়তো স্রেফ খাবারের সন্ধানে এসেছে আর হুট করে কিছু রোবট ওকে আক্রমণ করল।
:'''জোনা''': হ্যাঁ ও তো স্রেফ একটু শান্তিতে শ্বাস নিতে চায়।
:'''টম সার্ভো''': আমাদের উচিত এই নতুন সামুদ্রিক আমেরিকান দানবটাকে স্বাগত জানানো আর ওর গুণগুলোকে সম্মান করা।
:'''জোনা''': হ্যাঁ
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ ধুর ওটা একদমই ঠিক হয়নি!
:'''জোনা''': দানবটাকে খতম করো! ইউএসএ! ইউএসএ! ইউএসএ!
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': তো এখন ওরা সেলিব্রেট করতে যাচ্ছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': যেটা শেষ হবে আবারও রেডের জেলে যাওয়ার মাধ্যমে। এবার ও এক বিদেশি রাষ্ট্রদূতের কুকুরের ওপর হিসু করে দিয়েছে।
:'''জোনা''': যতক্ষণ না আরেকটা দানব আসে।
:'''টম সার্ভো''': আর ও ওটাকে হারাবে আর আবারও সেলিব্রেট করবে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আর ও আবারও জেলে যাবে।
:'''জোনা''': এভাবেই রেডের জীবন চক্র চলতে থাকবে।
:---
:'''টম সার্ভো''': আর সিনেমাটা ওভাবেই শেষ হলো যেভাবে শুরু হয়েছিল... আস্ত এক আবর্জনা হয়ে।
=== [[w:bn:লর্ডস অব দ্য ডিপ|লর্ডস অব দ্য ডিপ]] ===
:'''স্ট্যানলি''': বারবারা তোমাকে ঠিক চাকরি থেকে বের করা হয়নি। মানে—বের করে দেওয়া আর রিপ্লেস করার মধ্যে একটা তফাত আছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': কোনান ও'ব্রায়েনকে জিজ্ঞেস করে দেখুন।
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': সেজন্যই মুভি সাইন পাওয়ার সাথে সাথে থিয়েটারে যাওয়া উচিত।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': আমি বিশ্বাসই করতে পারছি না যে আমাকে এক বাচ্চার বার্থডে পার্টিতে মিনিয়ন সাজতে হয়েছে। আমি তো দামী স্কুল থেকে পড়াশোনা করেছি!
<hr width=50%/>
:'''জোনা''': আমি তো তোমায় বলেছিলাম রিঙ্গোকে ড্রাইভ করতে দিও না।
<hr width=50%/>
:'''জোনা''': যাক অন্তত ও ওর প্রিয় কাজ করতে করতেই মরল; মাছদের বকা দিতে দিতে।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': জোনা এই দৃশ্যটা কিন্তু একদমই ‘গ্রেট’ (grate) না।
:'''জোনা''': ধন্যবাদ টম। আমি জানি তুমি স্রেফ তোমার রাগ ঝাড়ছো (venting)। ক্রো তুমি একটা ট্রাই করবে?
:'''ক্রো টি. রোবট''': না থাক আমার কাছে এসব জোকস মোটেও মজার মনে হয় না। যদিও যেভাবে ওগুলো বানানো হয় মনে হয় যেন ওগুলো হাসির।
:'''জোনা''': আমি তোমার কথা বুঝতে পারছি।
:...
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': হেই আমি পেয়েছি! ওটা সিঙ্কে (sink) ফেলে দাও। হ্যাঁ আমি এখন জোকস করছি! আমি নিজেকে পছন্দ করি আর আমি জোকস করছি!
<hr width=50%/>
:'''জোনা''': হেই ও তো সরাসরি আমাদের দিকেই তাকিয়ে আছে!
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ ও আমাদের ভয় পাইয়ে দিচ্ছে! থামুন ম্যাম!
:'''টম সার্ভো''': আর ওর ব্যবহার দেখো যেন আমরাই সব দোষ করেছি।
:'''জোনা''': হ্যাঁ!
:---
:'''টম সার্ভো''': না আপনিই পিছিয়ে যান!
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': এটা ঠিক ‘ওয়াটার’-হার্ট এর মতো! বুঝেছো? আমি কত মজার!
<hr width=50%/>
:'''চ্যাডউইক''': ওটা অনেকটা ওমন যদি তুমি সব আলাদা করে দাও...
:'''ক্রো টি. রোবট''': মানে ধামাকা করে?
:'''চ্যাডউইক''': ওগুলো সব একসময় আবার এক হয়ে যাবে...
:---
:'''জোনা''': এই হলো গির্জা আর এই হলো চূড়া...
:---
:'''জোনা''': দরজা খোলো লর্ডস অব দ্য ডিপল।
=== [[w:bn:দ্য ডে টাইম এন্ডেড|দ্য ডে টাইম এন্ডেড]] ===
:'''জেনি''': বিদায় বাবা!
:'''জোনা (রিচার্ড হিসেবে)''': ওহ তুমি কি সারাক্ষণ এখানেই ছিলে মা?
:'''রিচার্ড''': মা-র কথা শুনবে ঠিক আছে?
:'''জেনি''': শুনব বাবা।
:'''রিচার্ড''': ঠিক আছে কাল দেখা হবে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': সস্তা ডুপ্লিকেট মার্ক হ্যামিল এখন ওর রোমান্স শুরু করবে!
<hr width=50%/>
:'''স্টিভ''': হেই বাবা।
:'''সার্ভো, জোনা এবং ক্রো''': নর্ম!
<hr width=50%/>
:'''রিচার্ড''': ওটা ঠিক করতে কতক্ষণ লাগবে বলে মনে হয়?
:'''জোনা''': আধ ঘণ্টা স্যার। ওটা স্রেফ একটা পিৎজা।
:'''রিচার্ড''': ঠিক আছে আমি এক ঘণ্টা পর কল করব ধন্যবাদ।
:'''জোনা''': না না—কী কী টপিংস লাগবে ওটা তো—
<hr width=50%/>
:'''গ্রান্ট''': ওটা কী?
:'''আনা''': আয়নাটা।
:'''গ্রান্ট''': তা ওটার কী হয়েছে?
:'''আনা''': ওটা তো ভেঙে গিয়েছিল।
:'''ক্রো টি. রোাবট (গ্রান্ট হিসেবে)''': অভিশপ্ত বাইকাররা ওটা ঠিক করে দিয়েছে মনে হয়!
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': দেখো আমি আর্ট ফিল্মের প্রশংসা করি কিন্তু ও বাথরুমে পটি করতে গেছে বলে আমাদের কেন এখানে বসে অপেক্ষা করতে হবে? এর মানে কী? কেন?
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট (আনা হিসেবে)''': উফ আমাকে এখন মিক্সড ড্রিঙ্কস খাওয়া বন্ধ করতে হবে...
<hr width=50%/>
:'''জেনি''': মা আমি যেতে চাই না। আমার এখানে ভালো লাগছে।
:'''বেথ''': শশশ মা এখন কথা বোলো না...
:'''টম সার্ভো (বেথ হিসেবে)''': আর কোনোদিনই বোলো না।
<hr width=50%/>
:'''জোনা (গ্রান্ট হিসেবে)''': ভাইরে তুমি কি আবারও ভেতরে হ্যাম রান্না করছো?
<hr width=50%/>
:'''জোনা (মিস্টার হ্যাঙ্কি হিসেবে)''': হ্যালো হাই!
=== [[w:bn:কিলার ফিশ|কিলার ফিশ]] ===
:'''ম্যাক্স''': হেই আগে কোনটা এল? রান্না করা টার্কি নাকি ডিম?
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': (খুব বিরক্ত হয়ে) ... ওদের সিনেমাটা পাঠাও!
:'''ম্যাক্স''': না ভেবে দেখো যদি ওরা এটা থ্যাঙ্কসগিভিং বা ঈস্টারে দেখে তবে ওদের মাথা ঘুরে যাবে।
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': ...... না।
<hr width=50%/>
:'''ফিশার''': আমার মনে হয় আপনারা আমাদের লাইসেন্স আবার দেখতে চান? এই সপ্তাহে তো প্রতিদিন দেখেছেন।
:'''অফিসার''': কিন্তু এবার একটু অন্যরকম।
:'''জোনা (অফিসার হিসেবে)''': আজ আমার জন্মদিন।
:'''ফিশার''': আপনি ওটা আবারও বলতে পারেন।
:'''জোনা (অফিসার হিসেবে)''': আজ আমার জন্মদিন।
:'''ফিশার''': এবার আমরা জ্যাকপট পেয়েছি।
:'''ক্রো টি. রোবট (ফিশার হিসেবে)''': আমরা একটা টাকার হাঙ্গর ধরেছি! দেখে নিন!
:---
:'''টম সার্ভো''': ‘ফাইন্ডিং নেমো’র গুষ্ঠি কিলাই আমরা এক পাপিষ্ঠকে আর ওর জঘন্য পরিবারকে ধরেছি!
<hr width=50%/>
:'''লুইস''': আপনি আসলেও খুব সাহসী। এক হার্ট অ্যাটাকের রোগীকে বলছেন যে ওর কাজ বন্ধ করাটা ভাগ্যের ব্যাপার। ও যে বেঁচে আছে ওটাই ওর ভাগ্য।
:'''জোনা (লুইস হিসেবে)''': ও এক অলৌকিক ঘটনা!
:'''কাভ্যালো''': কিন্তু ওকে দেখে তো বেশ সুস্থই মনে হচ্ছে।
:'''লুইস''': ওটা ওর বান্ধবীটার জন্য। আমার মনে হয় মেয়েটা খুব কাজের।
:'''ক্রো টি. রোবট''': উফ আমি ভাবছি ওরা স্ক্রিপ্টে ওই আজব হাসির কথা কীভাবে লিখেছিল।
=== [[w:bn:অ্যাটর, দ্য ফাইটিং ঈগল|অ্যাটর, দ্য ফাইটিং ঈগল]] ===
:'''ইনডুন''': তোমার মনে হবে তুমি অনন্তকালের পথে পা দিয়েছো।
:'''জোনা''': আমি অন্য কিছুর ওপর পা দিয়েছি।
== মৌসুম ১৩: দ্য গিজমোপ্লেক্স ==
=== [[w:bn:সান্তো ইন দ্য ট্রেজার অব ড্রাকুলা|সান্তো ইন দ্য ট্রেজার অব ড্রাকুলা]] ===
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': তিন দশক ধরে ফরেস্টার পরিবারের এই এক্সপেরিমেন্ট অনেকগুলো প্ল্যাটফর্মে চলেছে।
:'''ম্যাক্স''': কমেডি সেন্ট্রাল, সাই-ফাই চ্যানেল, নেটফ্লিক্স...
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': কিন্তু আমার পরিবার খুব ছোট চিন্তা করেছিল। কেন আমরা আমাদের ঘরের এই এক্সপেরিমেন্ট অকৃতজ্ঞ কর্তাদের হাতে তুলে দেব... যখন আমরা নিজেরাই সেই অকৃতজ্ঞ কর্তা হতে পারি?! সবার সামনে হাজির করছি: কিঙ্গা-ডোম! আমাদের প্রধান থিয়েটার—
:'''ম্যাক্স''': গিজমোপ্লেক্সের সাথে যুক্ত!
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': ... আমাদের প্রধান থিয়েটার!!! ... ‘মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০’ এর সবকিছুর জন্য। সিনেমার জগতের সবচেয়ে বাজে জিনিসের এক উজ্জ্বল বাতিঘর।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': সত্যি বলতে এটাই আমার প্রিয় ‘ক্যাসেলভেনিয়া’ সিক্যুয়েল।
<hr width=50%/>
:'''ভয়েসওভার''': (অনুবাদ করছে) ডক্টর সিজার সেপুলভেদা, নিউক্লিয়ার ফিজিসিস্ট।
:'''টম সার্ভো''': বৃহস্পতিবার টেলিমুন্ডোতে দেখুন।
<hr width=50%/>
:'''জোনা হজসন''': সান্তোর ওই রূপালী কুস্তি মুখোশটা দেখে মনে হচ্ছে কোট পরা একটা হার্শি কিস চকোলেট।
<hr width=50%/>
:'''জোনা হজসন''': উহ-ওহ আমার মনে হয় এই আজব কলটা এচ-এ-স্কেচ দিয়ে চলে।
<hr width=50%/>
:'''প্রফেসর ভ্যান রথ''': কী অদ্ভুত। এই আয়নায় সবকিছু দেখা যায়।
:'''জোনা হজসন''': হ্যাঁ এটা একটা আয়না।
:'''ভ্যান রথ''': কিন্তু আপনাকে দেখা যাচ্ছে না!
:'''কাউন্ট ড্রাকুলা''': পাপিষ্ঠ! (আয়নাটা চুরমার করে দিল)
:'''টম সার্ভো''': এখন আপনার কপালে সাত বছরের জন্য দুঃখ আছে—থুড়ি—দুর্ভাগ্য আছে।
<hr width=50%/>
:'''জোনা হজসন (ড্রাকুলা হিসেবে)''': ওরে গাধা আমি সারাক্ষণ আমিই ছিলাম!
:'''ভ্যান রথ''': ওরে খোদা! (বুকে ক্রস চিহ্ন আঁকল)
:'''টম সার্ভো''': চশমা, প্যান্ট... প্যান্ট... প্যান্ট...
<hr width=50%/>
:'''লুইসা''': খুব বাজে এক অভিজ্ঞতা ছিল।
:'''সান্তো''': শান্ত হও সব শেষ হয়ে গেছে। একটু বিশ্রাম নাও।
:'''ক্রো টি. রোবট (লুইসা হিসেবে)''': কিন্তু আমি তো সিনেমার অধিকাংশ সময়ই ঘুমিয়ে কাটিয়েছি।
<hr width=50%/>
:'''জোনা হজসন''': হেই তুমি আমার এড উড সিনেমায় হ্যালোইন স্টোর ঢুকিয়ে দিয়েছো।
:'''টম সার্ভো''': না তুমি আমার হ্যালোইন স্টোরের ভেতর এড উড সিনেমা ঢুকিয়ে দিয়েছো।
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': কুস্তির বেশিরভাগ অংশই আসলে স্রেফ কোলাকুলি করা।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': তো ছোট মেয়েটা যখন বাড়িতে হাঁটছে তখন অনেক জোরে মিউজিক বাজছে কিন্তু গাড়ি তাড়া করার সময় একদম পিনপতন নীরবতা। ঠিক আছে।
=== [[w:bn:রোবট ওয়ার্স|রোবট ওয়ার্স]] ===
:'''ক্রো টি. রোবট''': বাজি ধরে বলতে পারি জে মানে হলো “দয়া করে আমার পুরো নাম ব্যবহার করবেন না”।
<hr width=50%>
:'''ক্রো টি. রোবট''': বাবা ওটা কি তুমি???
:'''জোনা হজসন''': ওহ না ক্রো শান্ত হও। ওটা ও না।
:...
:'''ক্রো টি. রোবট''': বাবা তুমি কি আমার সাথে খেলবে?
:'''জোনা হজসন''': হেই ও তোমার বাবা না ঠিক আছে?
:'''ক্রো টি. রোবট''': জোনা তুমি আমার আসল বাবা নও!
<hr width=50%>
:'''টম সার্ভো''': খেলনা ট্যাংকটা গেল আর সাথে আমাদের প্রাকটিক্যাল ইফেক্টসের সব বাজেটও শেষ হলো।
<hr width=50%>
:'''ড্রেক''': রুনি তুমি নিশ্চয়ই পুরনো ক্যালিফোর্নিয়ার অতিরিক্ত রোদে বড় হয়েছো। তোমাকে একটা প্রশ্ন করি। তোমার বাবা কি খুব বড়লোক ছিল আর মা দেখতে সুন্দরী?
:'''রুনি''': তুমি কোর্ট মার্শালের দিকে এগোচ্ছো ছোকরা।
:'''টম সার্ভো (ড্রেক হিসেবে)''': ওটা ছোকরা না ভাই বলো!
<hr width=50%>
:'''রুনি''': আশা করি ওর গোপনাঙ্গে গুলি লাগবে।
:'''ক্রো, সার্ভো এবং জোনা''': আমরা সবাই সেটাই চাই।
<hr width=50%>
:'''স্টাম্পি''': জানেন ক্যাপ্টেন আমরা তো রোবট মানুষ। আমরা এখানে ধুলোবালির ভেতর কী করছি যেখানে মানুষ আমাদের উড়িয়ে দিতে পারে? আমাদের তো অজেয় হওয়ার কথা ছিল!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ঠিক টাইটানিক বা সিল শিল্পের মতো অথবা গেমস্টপ স্টকের মতো!
<hr width=50%>
:'''ক্রো টি. রোবট''': তো আমরা কার হয়ে সাপোর্ট দিচ্ছি?
:'''জোনা হজসন''': ওহ যে এই সিনেমাটা শেষ করার মতো গুলিটা চালাবে আমি তার পক্ষেই আছি।
<hr width=50%>
:'''জিপসি''': যাই হোক এখানে ‘ওয়ান্ডারওয়াল’ গানটা বাজানো যাক।
<hr width=50%>
:'''ড্রেক''': স্টাম্পি ওখান থেকে বের হও তুমি তো সহজ টার্গেট হয়ে আছো!
:'''স্টাম্পি''': ওভাররাইডটা চেপে ধরে রাখো!!!
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ আর জাদুর কাঠিটা বাড়াও আর প্যানেলটা ঠিক করো আর আজগুবি সব বাটন টিপতে থাকো!!!
<hr width=50%>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আর এভাবেই সব সাদা চামড়ার মানুষরা মরুভূমিতে পালিয়ে গেল আর সেখানে অ্যারিজোনার এক নতুন শহর তৈরি করল।
=== [[w:bn:বিয়ন্ড অ্যাটলান্টিস|বিয়ন্ড অ্যাটলান্টিস]] ===
:'''এমিলি কনর''': বিশ্বাসই হচ্ছে না আমি আসলেও চাঁদের উল্টো পিঠে আছি।
:'''ম্যাক্স''': সত্যি বলতে সব দিকটাই অন্ধকার।
<hr width=50%>
:'''এমিলি কনর''': জোনা-র রোবটগুলোর ব্যবহার আমার রোবটরা মাত্র কয়েক সেকেন্ডেই শিখে ফেলেছে।
:'''টম সার্ভো''': তো তাতে কী হয়েছে?
:'''এমিলি কনর''': ওটা কোনো সমস্যা হবে না...
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি তোমাকে বলছি সমস্যা কী হবে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই তোমার আত্মা পিষে যাবে!
:'''এমিলি কনর''': আমি ওতে অভ্যস্ত আমি টুইটারে আছি।
<hr width=50%>
:'''টম সার্ভো''': আমার বন্ধু জা রুল বলেছিল যে এখানে এক মস্ত বড় উৎসব হবে।
<hr width=50%>
:'''এমিলি কনর''': ওহ ও অবশেষে ওই ফ্যানটা পরিষ্কার করতে পারবে।
:'''ইস্ট এডি''': নিজের চোখ জুড়িয়ে নাও এটা দেখে।
:'''টম সার্ভো''': যেকোনো কিছুই ওটার দিক থেকে নজর সরানোর জন্য যথেষ্ট।
:'''লোগান''': ওটা তো এক তুসকারোরা!
:'''ক্রো টি. রোবট''': না ওটা একটা মুক্তো।
:'''লোগান''': এটার দাম হাজার হাজার পেসো হতে পারে। কোথায় পেলে এটা?
:'''এমিলি কনর''': এক ভিজে আর ভীতু লোকের কাছ থেকে।
:'''ইস্ট এডি''': এটা কি বেচতে পারবে?
:'''লোগান''': বেচা? ভাইরে এটা আগুনের মতো গরম কেকের মতো বিক্রি হবে! এগুলো খুব বিরল আমি অনেক বছর দেখিনি।
:'''ইস্ট এডি''': যেখানে এটা পেয়েছি সেখানে এমন আরও অনেক আছে।
:'''টম সার্ভো''': আমার কাছে এক লোক আছে যে ঝিনুকের ভেতর বালি ঢুকিয়ে দেয়।
:'''ইস্ট এডি''': আমি জোগান দেব তুমি ডিল করবে আর আমরা সমান ভাগে ভাগ করে নেব।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ভাগ করা? তার মানে তো প্রায় আধাআধি!
:'''লোগান''': ঠিক আছে বন্ধু!
:'''এমিলি কনর''': হয়ে যাবে পার্টনার!
<hr width=50%>
:'''লোগান''': এডি তোমার কাছে টাকা আছে আর আমি ডুবুরি। এখন আমাদের স্রেফ একটা বোট আর কিছু ভালো সরঞ্জাম লাগবে। ওগুলো সস্তায় পাওয়া যাবে। আমাকে স্রেফ সামান্য কিছু অগ্রিম দাও আমি কয়েক দিনেই সব রেডি করে ফেলব।
:'''এমিলি কনর''': উমম ও কি ওকে এক টুকরো মুরগির মাংস দিয়ে ধুয়ে দিচ্ছে?
:'''ইস্ট এডি''': শোনো আমি তোমার কথা বুঝতে পারছি আর আইডিয়াটাও দারুণ কিন্তু আমি চাই ভিক ম্যাথিয়াস যেন আমাদের সাথে থাকে। ও খুব ভালো ডুবুরি ওর নিজের বোট আছে আর ও এই দ্বীপগুলোকে নিজের হাতের তালুর মতো চেনে।
:'''লোগান''': না ওটা কাজ করবে না। ওকে সাথে নিলে আমাদের তিনজনের ভাগ হবে।
:'''ইস্ট এডি''': তো আমরা তিন ভাগেই ভাগ করব!
:'''এমিলি কনর (লোগান হিসেবে)''': উফ কিন্তু আমরা তো ডাইনামিক ডুও হতে চেয়েছিলাম ট্রাইও নয়!
<hr width=50%>
:'''টম সার্ভো (লোগান হিসেবে)''': দাঁড়ান এক মিনিট আমি আমার নিজের উল্টো দিকে বসে আছি কীভাবে?
<hr width=50%>
:'''এমিলি কনর''': এই গেমের ক্যারেক্টারগুলোর বুদ্ধিশুদ্ধি একদমই নেই।
<hr width=50%>
:'''ইস্ট এডি''': আমি ওর সাথে এমন ভাষায় কথা বলছি যা ও কোনোভাবেই অস্বীকার করতে পারবে না!
:'''এমিলি কনর''': এসপারান্তো।
:'''ইস্ট এডি''': সত্য কথা!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ইস্ট এডি কি ভিলেন নাকি???
:'''ইস্ট এডি''': আর তুমি আমার সাথে ইংরেজিতে কথা বলো!
:'''টম সার্ভো''': সে কারণেই আমেরিকান পর্যটকদের সারা বিশ্ব এত ভালোবাসে।
<hr width=50%>
:'''এমিলি কনর''': আমার মনে হয় আমাদের হোস্টদের একসাথেই থাকা উচিত।
:'''জোনা হজসন''': আসলে ঐতিহাসিকভাবে আমরা হোস্টরা কোনোদিন এক হইনি। স্রেফ একে অপরকে টেক্কা দেওয়ার জগত এটা।
:'''এমিলি কনর''': তাই নাকি? হয়তো একসাথে কাজ করলে তোমরা পালিয়ে যেতে পারতে। মানে ২০টা এক্সপেরিমেন্ট করার পরেও কি তোমরা একবারও ওদের টেক্কা দেওয়ার চেষ্টা করোনি? আমি কড়া কথা বলতে চাই না কিন্তু... ওদের তো বেশ গাধাই মনে হয়।
:'''জোনা হজসন''': হ্যাঁ হ্যাঁ ভালো পয়েন্ট! হয়তো সঠিক সহযোগিতার মাধ্যমে এই বন্দি জীবন শেষ করা সম্ভব!
:'''এমিলি কনর''': অ্যাঁ? তুমি হুট করে কবিতার মতো কথা বলছো কেন?
:'''জোনা হজসন''': কেন আমি ছন্দে কথা বলছি তা পরে বলব কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এখন তোমার জন্য আছে—
:'''এমিলি কনর''': মুভি সাইন!
<hr width=50%>
:'''নেরিউস''': তোমার ভেতরের এই অনুভূতি থেকে শুধু কষ্ট আর ধ্বংসই আসবে। তোমার ভাগ্য হলো বাইরের কারো সাথে সম্পর্ক করা ভালোবাসা নয়।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আইল্যান্ড টিন্ডার।
<hr width=50%>
:'''ভিক ম্যাথিয়াস''': আমি তোমাকে ভালোবাসি না।
:'''এমিলি কনর (সাইরিন হিসেবে)''': ঠিক আছে সাইরিন শান্ত থাকো। ওকে বুঝতে দিও না যে তুমি কষ্ট পেয়েছো...
:'''ক্রো টি. রোবট''': ও তো আসলেও জলপরীর মতো দৌড়াচ্ছে।
:'''টম সার্ভো (ম্যাথিয়াস হিসেবে)''': দাঁড়াও। থামো। ফিরে এসো।
<hr width=50%>
:'''সাইরিন''': আরও একটা জায়গা আছে।
:'''এমিলি কনর''': যেখানে তরমুজ জন্মায়?
:'''লোগান''': তুমি কিছু লুকাচ্ছো।
:'''সাইরিন''': ওটা অনেক গভীর।
:'''লোগান''': হ্যাঁ কিন্তু ওখানে মুক্তো আছে তাই তো?
:'''সাইরিন''': আমাদের লোকেদের লোককথা অনুযায়ী রিজিয়ন চ্যানেলে শত শত মুক্তো আছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': বিরক্তিকর রূপকথা কিন্তু ঠিক আছে।
:'''লোগান''': তুমি দেখেছো ওগুলো?
:'''সাইরিন''': না কিন্তু আমাদের গ্রামের অন্যরা দেখেছে।
:'''এমিলি কনর (সাইরিন হিসেবে)''': আর ওখানকার মাছগুলো? সব একদম উলঙ্গ।
:'''লোগান''': কিসের জন্য অপেক্ষা করছি আমরা?
:'''টম সার্ভো (সাইরিন হিসেবে)''': আপনি বলতে চেয়েছেন “আমরা কিসের জন্য অপেক্ষা করছি?”
:'''সাইরিন''': ওটা খুব বিপজ্জনক।
:'''লোগান''': জীবন একটাই।
:'''এমিলি কনর''': লোগান কি ‘ইয়োলো’ (YOLO) আবিষ্কার করল? ড্রকে তুমি এবার হার মানো।
<hr width=50%>
:'''ক্রো টি. রোবট''': এই সিনেমাটা হলো একগুচ্ছ সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য যা আজব সব মানুষ মিলে নষ্ট করে দিয়েছে।
<hr width=50%>
:'''এমিলি কনর''': সত্যি বলতে এই সিনেমাটা দেখে আমার নিজেরই সমুদ্রে ঝাঁপ দিতে ইচ্ছা করছে।
:...
:'''এমিলি কনর''': আমার মনে হয় না এই এক্সট্রা শিল্পীরা জানত যে পানি এত গভীর হবে।
:'''টম সার্ভো''': কেউই জানত না।
:'''ক্রো টি. রোবট''': এরিয়েলের সমাধি।
=== [[w:bn:মাঞ্চি|মাঞ্চি]] ===
:'''জোনা হজসন''': ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ আপনাদের সামনে হাজির ফ্র্যাক্টিস! অংকের মারপ্যাঁচে উজ্জ্বল হওয়ার রাত আজ।
:'''পুরুষ ঘোষক''': আপনারা যাকে আপনাদের পরবর্তী স্টুডেন্ট বডি প্রেসিডেন্ট হিসেবে বেছে নিয়েছেন উনার নাম ঘোষণা করাটা আমার জন্য সম্মানের। খামটা দিন ধন্যবাদ।
:'''ক্রো টি. রোবট (ঘোষক হিসেবে)''': আমি পড়তে জানি না।
:'''মহিলা ঘোষক''': আর বিজয়ী হলেন...
:'''জিপসি''': লা লা ল্যান্ড! ওহ আবার না...
:'''মহিলা ঘোষক''': গেজ ডবসন!
:'''টম সার্ভো (ভয়েস ওভার ঘোষক হিসেবে)''': গেজ ডবসনের এটা প্রথম জয় যখন উনি “আমি যদি রোবট হতাম” আর “উলঙ্গ বুক রিপোর্ট ২” এর মতো আজব সব কল্পনার জন্য নমিনেশন পেয়েছিলেন।
:'''জোনা হজসন''': ঠিক আছে এবার এক বালতি শুকরের রক্ত ঢেলে দাও।
:'''ক্রো টি. রোবট (কানিউ ওয়েস্ট হিসেবে)''': আমাকে শেষ করতে দাও...
<hr width=50%/>
:'''মিসেস ব্লেলক''': বোর্ডে থাকা সমস্যাটি দেখছো? আমরা কীভাবে যোগফল বের করতে পারি?
:'''জোনা হজসন''': কেউ আমাকে বলেছিল জগতটা এখন মাঞ্চিময় হবে!
<hr width=50%>
:'''গেজ ডবসন''': আপনার কি মনে হয় আপনি কোনোদিন এই জিপ গাড়িটা ঠিক করতে পারবেন?
:'''প্রোফেসর ক্রুইকশ্যাঙ্ক''': এই লোহালক্কড়ের স্তূপ? অবশ্যই পারব! তারপর আমাকে ভাবতে হবে এই হাত দুটো দিয়ে আর কী কী করা যায়।
:'''ক্রো টি. রোবট''': করবেন না আপনি অন্ধ হয়ে যাবেন!
<hr width=50%>
:'''ডবসন''': হেই আজ রাতে তুমি কোথায় ঘুমাবে?
:'''মাঞ্চি''': বন্ধু ওই বক্সের চেয়ে যেকোনো জায়গাই ভালো। সত্যি বলতে আমি ভাবছিলাম তোমার সাথেই থাকব।
:'''ক্রো, সার্ভো এবং জোনা''': ছিঃ।
:'''ডবসন''': কিন্তু বিছানা তোমাকে নিজেই বানিয়ে নিতে হবে।
:'''মাঞ্চি''': আমার চিন্তা কোরো না বন্ধু। হাতুড়ি আর পেরেক আমি তৈরি হয়েই এসেছি।
:'''জোনা হজসন''': পন্টিয়াস পাইলেট আপনাকে শুভেচ্ছা পাঠিয়েছেন।
<hr width=50%/>
:'''মাঞ্চি''': ঠিক আছে চলো শুরু করি। দেখি এই ছেলেটার গ্রেড কেমন।
:'''জোনা হজসন''': ও স্রেফ কিবোর্ডে যা খুশি টাইপ করল।
<hr width=50%>
:'''লিওন ড্যাগেট''': আমি... তোমাকে... মেরে... ফেলব।
:'''ক্রো টি. রোবট (লিওন হিসেবে)''': আগে আমি আমার ব্রেন হেমারেজটা সামলে নিই।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো (গেজ হিসেবে)''': মারামারিই হলো সব সমস্যার সমাধান!
:---
:'''জোনা হজসন''': ফুটবল এমনিতেও ওটা করত তাই না? মানে...
:'''টম সার্ভো (গেজ হিসেবে)''': তুমি মাত্র গেজ-ড হয়ে গেলে! না ওটা ভালো হলো না... গেজ নিয়ে কিছু একটা হবে।
:---
:'''জোনা হজসন''': গেজের ডুপ্লিকেটরা।
:'''জিম টিচার''': ঠিক আছে অনেক হয়েছে। ক্লাসে যাও। গেজ তোমার সাথে আমার কথা আছে!
:'''ক্রো টি. রোবট (জিম টিচার হিসেবে)''': তুমি অনিচ্ছাকৃত খুনের জন্য দোষী বন্ধু!
<hr width=50%>
:'''এলিয়ট''': আমার জীবনে আজ পর্যন্ত কাউকে করা এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
:'''ক্রো টি. রোবট (এলিয়ট হিসেবে)''': আপনি কি আমাকে এই সিনেমা থেকে বের করতে পারবেন?
<hr width=50%>
:'''মাঞ্চি''': গেজ কোনো কিছু আসলেও না চাইলে ওটা নিয়ে কোনোদিন জিজ্ঞেস করবে না।
:'''ডবসন''': আমি জানি।
:'''ক্রো টি. রোবট''': এই সিনেমার ডিজাইনারকে কি পুতুল টিম এই কথাটাই বলেছিল?
<hr width=50%>
:'''ক্যাথি''': গেএএএএজজজজ!
:'''টম সার্ভো''': গারফিল্ড!
:'''জোনা হজসন''': ডেনিস!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ম্যালকম!
:'''টম সার্ভো''': অ্যালভিন!!!
<hr width=50%>
:'''জোনা হজসন''': মাঞ্চিকে লাশের ব্যাগের ভেতর দেখে বেশ শান্তি লাগছে।
<hr width=50%/>
:'''জোনা হজসন''': এলিয়টের হারানো ক্রেডিট কার্ড দিয়ে জালিয়াতি করার অপরাধে ক্যাথিকে বারো বছরের জেল দেওয়া হয়েছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': এলিয়ট জেলখানায় মারা গেছে আর অন্য কয়েদিরা ওকে ছিঁড়ে খেয়েছে। কোনো মামলা করা হয়নি।
:'''টম সার্ভো''': প্রফেসর ক্রুইকশ্যাঙ্ককে হাইজ্যাকিংয়ের অপরাধে গুয়ান্তানামো বে-তে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্দি রাখা হয়েছে। উনি বিচারের কোনো আশা করছেন না।
:---
:'''জোনা হজসন''': দাঁড়ান প্রধান চরিত্র হয়েও চার নম্বরে নাম এসেছে?! ইশ।
=== [[w:bn:ডক্টর মর্ড্রিড|ডক্টর মর্ড্রিড]] ===
:'''এমিলি কনর''': আমার মনে হয় ক্যামেরাম্যান স্রেফ হারিয়ে গেছে।
<hr width=50%>
:'''ক্রো টি. রোবট''': খোদা জগতকে এতটাই ভালোবেসেছিলেন যে উনি উনার হাত দুটো এত বড় করে মেলে ধরেছেন।
<hr width=50%>
:'''কাবাল''': স্বর্গ আর মর্ত্যের দেয়াল ভেঙে ওটা এখন এই বদ্ধ ঘরে প্রবেশ করুক। ওটা ভেতরে ঢুকুক।
:'''এমিলি কনর''': জগত এর আগে এত অশুভ ক্যারামেল কোনোদিন দেখেনি।
:---
:'''জিপসি ২''': লরেম ইপসাম!
:---
:'''এমিলি কনর''': আমেরিকায় ওটাকে স্রেফ ‘জাদুর পাথর’ বলে।
<hr width=50%>
:'''সামান্থা হান্ট''': ওহ শোনো আমি জানতে চেয়েছিলাম—
:---
:'''টম সার্ভো''': ডক্টর মর্ড্রিড এক মহান জাদুকর উনার অসীম ক্ষমতা ব্যবহার করে বিরক্তিকর আড্ডা থেকে পালিয়ে গেলেন।
<hr width=50%>
:'''টম সার্ভো (মর্ড্রিড হিসেবে)''': দেখি এখানে কী আছে মৃত সাগরের স্ক্রল জাদুকরী স্ক্রল আর এল্ডার স্ক্রলস ফোর অবলিভিয়ন! হ্যাঁ!
<hr width=50%>
:'''টম সার্ভো''': মর্ড্রিডের ঘরে স্রেফ চাইলেই ঢুকে পড়া যায় না।
<hr width=50%>
:'''মর্ড্রিড''': আমাকে তোমাকে কিছু একটা বলতে হবে।
:'''এমিলি কনর (মর্ড্রিড হিসেবে)''': আমি প্রেগন্যান্ট।
:'''মর্ড্রিড''': তোমাকে কিছু ‘দেখাতে’ হবে যাতে তুমি বুঝতে পারো কেন আমি আর এখানে থাকতে পারছি না।
:'''টম সার্ভো (মর্ড্রিড হিসেবে)''': নাচের মাধ্যমে।
:'''সামান্থা''': আমাদের সব কথা রেকর্ড করা হচ্ছে।
:'''এমিলি কনর (সামান্থা হিসেবে)''': আমরা টুইচে (Twitch) লাইভ আছি। তিন মাসের সাবস্ক্রিপশনের জন্য ডাঙ্কি ড্যানকে ধন্যবাদ।
<hr width=50%>
:'''আদ্রিয়ান''': হেই দোস্ত দেখো মাস্টার আমাকে তোমার ফালতু অস্ত্র থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছে! তোমার কাছে কোনো— (পায়ে গুলি খেল)
:'''এমিলি কনর (আদ্রিয়ান হিসেবে)''': আমার জেলি প্যান্ট!
:'''আদ্রিয়ান''': লাগছে!
:'''গডিও''': ওর জন্য একটা অ্যাম্বুলেন্স ডাকো।
:'''ক্রো টি. রোবট (পুলিশ অফিসার হিসেবে)''': আপনি নিজেই একটা অ্যাম্বুলেন্স স্যার।
<hr width=50%>
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমার তো বিশ্বাসই হচ্ছে না যে ডক্টর মর্ড্রিড আসলে এক ক্রিসমাস মুভি ছিল!
:'''এমিলি কনর''': উমম না ওটা ওমন ছিল না।
:'''টম সার্ভো''': কিন্তু ওতে তো একটা বড়দিনের গাছ ছিল।
:'''এমিলি কনর''': বড়দিনের গাছ থাকলেই কি ওটা ক্রিসমাস মুভি হয়ে যায়? ‘১০১ ডালমেশিয়ান’ সিনেমাতেও একটা গাছ ছিল।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আচ্ছা যদি ওটা বড়দিনের সময় হয় আর একটা গাছও থাকে?
:'''টম সার্ভো''': যেমন ‘ডাই হার্ড’।
:'''এমিলি কনর''': ওটা কোনো বিষয় না। রিলিজ ডেটটা দেখো। ‘ডাই হার্ড’ রিলিজ হয়েছিল ১৫ জুলাই ১৯৮৮ সালে। ওটা গরমের দিনের ব্লকবাস্টার সিনেমা ক্রিসমাস মুভি না।
:'''টম সার্ভো''': তুমি ‘ডাই হার্ড’ কবে রিলিজ হয়েছে তা জানলে কীভাবে?
:'''এমিলি কনর''': আমাকে এই তর্ক অনেকবার করতে হয়েছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': তার মানে বড়দিনের সময় ছাড়া রিলিজ হওয়া কোনো মুভিই ক্রিসমাস মুভি না?
:'''এমিলি কনর''': একদম ঠিক।
:'''টম সার্ভো''': তাহলে ‘নাইটমেয়ার বিফোর ক্রিসমাস’ এর কী হবে?
:'''এমিলি কনর''': ওটা ১৩ অক্টোবর রিলিজ হয়েছে তাই ওটা নিশ্চিতভাবেই একটা হ্যালোইন মুভি।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ‘এলিফ’?
:'''এমিলি কনর''': ওটা ৭ নভেম্বর রিলিজ হয়েছে তাই ওটা স্রেফ থ্যাঙ্কসগিভিং এর আগে খাবার খাওয়া নিয়ে এক গল্প।
:'''টম সার্ভো''': ‘ইটস আ ওয়ান্ডারফুল লাইফ’?
:'''এমিলি কনর''': ওটা ৭ জানুয়ারি রিলিজ হয়েছে তাই ওটা নববর্ষের এক উপদেশমূলক নাটক।
:'''টম সার্ভো''': তার মানে নিউটনের গতির তৃতীয় সূত্র অনুযায়ী বড়দিনের সময় রিলিজ হওয়া যেকোনো সিনেমাই ক্রিসমাস মুভি?
:'''এমিলি কনর''': নিউটন আর আমি এ বিষয়ে একমত।
:'''ক্রো টি. রোবট''': তার মানে ‘টাইটানিক’ একটা ক্রিসমাস মুভি!
:'''এমিলি কনর''': হ্যাঁ। আর আমি এই কথাতেই অটল থাকব আর যদি ওই পাহাড়টা ডিসেম্বরের শেষে উদয় হয় তবে আমি ওটাকেও ক্রিসমাস পাহাড় বলব।
=== [[w:bn:ডিমন স্কোয়াড|ডিমন স্কোয়াড]] ===
:'''জোয়েল হজসন''': হেই ডক্টর এরহার্ড কয়েক হাজার বছর পর আপনার দেখা পেলাম। পাগলদের ব্যবসা কেমন চলছে?
:'''ডক্টর এরহার্ড''': ওহ জানেন তো জোয়েল। চড়াই-উতরাই আছে। এখন স্রেফ শখ হিসেবে করছি আর কি।
:'''জোয়েল হজসন''': বুঝতে পারছি। আপনার গলার স্বর শুনে ভালো লাগল। আপনার ওই কর্কশ আর ঘ্যানঘ্যানানি আওয়াজটা কানে খুব লাগত।
:'''ডক্টর এরহার্ড''': (কর্কশ স্বরে) ওটা একটা হরমোনজনিত সমস্যা তুমি এক টুকরো আব—
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': ভদ্রমহোদয়গণ!
<hr width=50%>
:'''বোনসি''': দাঁড়ান... ওই লোকটা যেন কে ছিল?
:'''আর্ডি''': পরে বলব। মুভি ইন দ্য হোল!
<hr width=50%>
:'''ডেইজি ও'রিলি''': ... আমি এই জিনিসটা স্রেফ ভাঙারি হিসেবে বেচব। আমাদের এমন কিছু দরকার যা অন্তত টানা ১০ মিনিট চলবে।
:'''নিক মুন''': ওসব কিনতে টাকা লাগে তো তাই না?
:'''ডেইজি''': এই জিনিসটা আমার চেয়েও বুড়ো।
:'''নিক মুন''': তবুও আমার চেয়ে বেশি কাজ করে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': মাতাল লোকটা বলছে।
:'''ডেইজি''': আমি বারবার বলছি আমি যে কাজের জন্য নিয়োগ পেয়েছি ওটা করতে পারলে আমার ভালো লাগত।
:'''টম সার্ভো (নিক মুন হিসেবে)''': আমি ভেবেছিলাম আমার একজন অভিজ্ঞ বারিস্তা দরকার।
:'''নিক মুন''': আমরা এটা মিটিয়ে নিয়েছি। তুমি ভাগ্যবান যে আমি তোমাকে কাজে নিয়েছি।
:'''ডেইজি''': ভাগ্য ভালো যে আমি ছাড়া আর কেউ আবেদন করেনি।
:'''জোয়েল হজসন''': ওহ লিঙ্কডইন-এর আরও এক সফল গল্প।
<hr width=50%>
:'''নিক মুন''': তো আপনার জন্য আমি কী করতে পারি মিস...
:'''ডলিয়া ফন্টেইন''': ফন্টেইন। ডলিয়া ফন্টেইন।
:'''নিক মুন''': মিস ফন্টেইন।
:'''ডলিয়া''': আমায় লিলা ডাকবেন।
:'''টম সার্ভো (নিক মুন হিসেবে)''': তো কারেন...
:'''জোয়েল হজসন (নিক মুন হিসেবে)''': লেসলি...
:'''ক্রো টি. রোবট (নিক মুন হিসেবে)''': স্যান্ডি...
:'''নিক মুন''': চার্লস ফন্টেইনের সাথে আপনার কোনো সম্পর্ক আছে?
:'''ডলিয়া''': উনি আমার বাবা।
:'''নিক মুন''': থামুন এবার।
:'''টম সার্ভো (নিক মুন হিসেবে)''': টনি।
:'''নিক মুন''': আমি নিখোঁজ মানুষের কেস নিই না।
:'''ডলিয়া''': আমার মনে হয় এই কেসটা আপনার ভালো লাগবে।
:'''নিক মুন''': দেখুন ম্যাম আমি সাহায্য করতে চাইলেও আপনার বাবাকে খুঁজে পাব না। চেক বইতে আপনি যতগুলো শূন্যই বসান না কেন কোনো লাভ হবে না।
:'''জোয়েল হজসন (নিক মুন হিসেবে)''': কারণ নিক অংক করতে জানে না।
<hr width=50%>
:'''ডলিয়া''': নিক আপনাকে একাজ করতে হবে না। আমি একটা হোটেল নিতে পারব।
:'''নিক মুন''': আমি আমার সব ক্লায়েন্টের জন্যই এটা করি।
:'''টম সার্ভো (ডলিয়া হিসেবে)''': হ্যাঁ আমি দেখছি ওরা আপনার বিছানার নিচেই আছে।
:'''নিক মুন''': মানে আপনি জানেন। আমার সব সুন্দরী আর অবিবাহিত ক্লায়েন্টদের জন্য আর কি।
:'''ক্রো টি. রোবট (ডলিয়া হিসেবে)''': ওহ আমি বুঝেছি। আপনি একটা শুকর!
<hr width=50%>
:'''ডলিয়া''': আপনি এখন কী করতে যাচ্ছেন?
:'''টম সার্ভো (নিক মুন হিসেবে)''': আমি মাত্র ১৪টা ডাম্পলিং খেয়েছি। আপনি কী মনে করেন?
<hr width=50%>
:'''নিক মুন''': ‘অচেনা লোকটা’ কী পরিকল্পনা করছে?
:'''জোয়েল হজসন''': ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’?
:'''ভ্যাম্পায়ার''': উনার কাছে ওই ছুরিটা আছে তাই আপনার কল্পনা শক্তি ব্যবহার করুন।
:'''ক্রো টি. রোবট (নিক মুন হিসেবে)''': হুমম... ড্রাগন।
:'''ভ্যাম্পায়ার''': আমি স্রেফ ওটুকুই জানি। এবার আমি কি যেতে পারি?
:'''টম সার্ভো (নিক মুন হিসেবে)''': অবশ্যই আপনার পার্কিং কার্ডটা কি পাঞ্চ করে দেব?
<hr width=50%>
:'''ডলিয়া''': এখন বুঝতে পারছি আপনি কেন একা থাকেন।
:'''ক্রো টি. রোবট (নিক মুন হিসেবে)''': বেশ কুল তাই না?
:'''নিক মুন''': (অবাক হয়ে) ... বাহ।
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ এক আসল জ্যান্ত মহিলা।
:'''ক্রো, সার্ভো এবং জোয়েল''': বেশ চমৎকার!
=== [[w:bn:গামেরা বনাম জাইগার|গামেরা বনাম জাইগার]] ===
:'''আর্ডি''': গামেরা? আমার এখন কচ্ছপের মাংস খেতে ইচ্ছা করছে।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': মনে হচ্ছে আমরা এখন গামেরার অডিশন ভিডিও দেখছি?
:'''ক্রো টি. রোবট''': গামেরা কি অন্য কোনো সিনেমায় অভিনয় করেছে?
:'''জোনা হজসন''': ওহ হ্যাঁ গামেরা অনেক সিনেমায় ছিল। ‘গামেরা বনাম গুইরন’ ‘গামেরা বনাম গাওস’ ‘গামেরা বনাম বারুগন’ ‘গামেরা বনাম ম্যাডিসন কাউন্টি’ আর ‘গামেরা বনাম ক্রেমার বনাম ক্রেমার’।
:'''ক্রো টি. রোবট''': বাহ আমি তো জানতামই না যে গামেরা এত বহুমুখী প্রতিভা রাখে।
:'''জোনা হজসন''': ওহ একদম ঠিক।
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ ও হলো কচ্ছপ অভিনেতাদের মধ্যে মেরিল স্ট্রিপ। ও যেকোনো কঠিন চরিত্রে অভিনয় করতে ভয় পায় না।
:'''জোনা হজসন''': হ্যাঁ সে কারণেই আমি ওকে এত পছন্দ করি।
<hr width=50%/>
:'''হিরোশি''': এটা কি আসলেও ডুব দেবে নাকি স্রেফ একটা খেলনা?
:'''হিরোশির বাবা''': না এটা একটা আসল ছোট সাবমেরিন। কিন্তু সমস্যা হলো এটা একটু বেশিই আসল আর অনেক নিচে চলে যায়।
:'''টম সার্ভো (হিরোশির বাবা হিসেবে)''': ঠিক আমার ডিপ্রেশনের মতো।
<hr width=50%/>
:'''জোনা হজসন''': গামেরা হলো জমানোর সেই পুরনো ফিজট স্পিনারের মতো।
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': জাইগার মনে হয় বলতে চাইছে “চলো এই বিষয়ে একটা দাঁড়ি টানি”।
:---
:'''জোনা হজসন''': জাইগার ড্যাশ মুভ ব্যবহার করছে! ওটা খুব কার্যকর হয়েছে!
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': ডাক্তার জিম বিনের কাছ থেকে দ্বিতীয় মতামত নিন।
<hr width=50%/>
:'''হিরোশি''': ওরা ওটা নামিয়ে রাখবে।
:'''সুসান''': (আজব টানে) এই লোকগুলোকে একটা শিক্ষা দেওয়া উচিত। ওরা কোনো অভিশাপকে ভয় পায় না।
:'''ক্রো টি. রোবট''': এই সিনেমায় যদি কারো সাবটাইটেল লাগত তবে সেটা ছিল এই মেয়েটি।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': চলো এই দানবটাকে এক্সেল রোজ ডাকি কারণ ওর ধ্বংস করার এক অদম্য ইচ্ছা আছে।
<hr width=50%/>
:'''সার্ভো, ক্রো এবং জোনা''': (গান গাইছে) গামেরা বিমানের মতো ওড়ে! ও ব্যথার ভেতরেই আনন্দ খোঁজে! গামেরা নিয়ে কোনো বাজে কথা নয়!
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট (গামেরা হিসেবে)''': (গাইছে) স্রেফ আমার হাত থেকেই রক্ত পড়ছে না / আমার ঘাড়ের মাংস থেকেও পড়ছে / কিন্তু আসলে আমার ইগো থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছে / কেন আমাকে আমার খোলস থেকে বের হতে হলো?
:'''জোনা হজসন (গামেরা হিসেবে)''': (গাইছে) সবাই আমাকে গামেরা হিসেবে চেনে / সেই কচ্ছপ যাকে সব বাচ্চারা ভালোবাসে / কিন্তু যদি আমি এক জাইগারের হাতে মারা যাই / তবে কি ওরা আমায় আগের মতো পছন্দ করবে?
:'''টম সার্ভো (গামেরা হিসেবে)''': (গাইছে) বাচ্চাদের ভালোবাসা বড়ই অদ্ভুত / এখন আছে তো পরক্ষণেই নেই / ওরা তোমাকে ভালোবাসবে আর কাল সকালেই ভুলে যাবে / ধোঁয়া যেমন নিমিষেই মিলিয়ে যায়।
:'''ক্রো টি. রোবট (গামেরা হিসেবে)''': (গাইছে) তুমি হয়তো বলবে গামেরার সব আছে / ক্ষমতা ওড়ার ক্ষমতা স্টাইল আর জনপ্রিয়তা / কিন্তু শহরে নতুন এক দানব সাঁতরে এল / আর এখন ওরা আমার নামটাই মনে রাখছে না।
:'''জোনা হজসন (গামেরা হিসেবে)''': (গাইছে) গামেরা হলো সব বাচ্চার বন্ধু / জগত একথায় সায় দেবে / ওহ গামেরা তো বাচ্চাদের বন্ধু / কিন্তু আমাকে কে বন্ধু বানাবে?
:'''টম সার্ভো (গামেরা হিসেবে)''': (গাইছে) অনেক দিন ধরে আমি গেয়ে চলেছি / এক অভিনেতা যার এখনও অনেক পথ বাকি / কারণ আমি তো স্রেফ একটা কচ্ছপ / আর কচ্ছপরা সবকিছুই ধীরে ধীরে করে।
:'''সার্ভো, ক্রো এবং জোনা''': (গাইছে) আর কচ্ছপরা সবকিছুই ধীরে ধীরে করে...
<hr width=50%/>
:'''জোনা হজসন''': এটা আজ পর্যন্ত খেলা হওয়া সবচেয়ে টেনশনের অপারেশন গেম।
<hr width=50%/>
:'''জোনা হজসন''': (গাইছে) আমার সাথে এসো আর তুমি দেখবে কচ্ছপের শ্বাস-প্রশ্বাসের এক আজব জগত! বাবার সাবমেরিন চুরি করো আর ওকে বাঁচানোর চেষ্টা করো।
:'''হিরোশি''': টমি আমার মনে হয় ওটাই সেই জায়গা। ডক্টর মাৎসুই ওর পাশে একটা ছোট ফুটো আছে।
:'''ডক্টর মাৎসুই''': একটা ফুটো? খুব সাবধান।
:'''টম সার্ভো''': সাপ থেকে সাবধান।
<hr width=50%/>
:'''সার্ভো, ক্রো এবং জোনা''': (গান গাইছে) গামেরা লাশটা বাড়ি নিয়ে যাও! হাড় থেকে সব মাংস খেয়ে নাও! কিটো ডায়েট গামেরা!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওরে বাবা ওদের পেছনে তো ‘জাস্ট ম্যারেড’ লেখা ব্যানার ঝুলছে।
:'''সার্ভো, ক্রো এবং জোনা''': (গান গাইছে) গামেরা এক সিনেমা যার কোনো শেষ নেই! বাড়ি ফেরা নেই! এটাই এখন তোমার জীবন!
=== দ্য ব্যাটওম্যান ===
:'''এমিলি কনর''': বাহ গথাম মনে হয় চরম অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': জ্যাজ ওয়েস্টার্ন মুভি দেখার মজাই আলাদা।
<hr width=50%/>
:'''এমিলি কনর''': ব্যাটওম্যান আপনি কি আপনার ইনকাম ট্যাক্সের ফাইল জমা দেবেন?
:'''টম সার্ভো''': ব্যাটওম্যান প্যান্ট সম্পর্কে আপনার মতামত কী?
:'''ক্রো টি. রোবট''': এটা কি সত্যি যে আপনার নতুন ভার্সনে ২৫ শতাংশ বেশি মাছ ধরার দৃশ্য আছে?
<hr width=50%/>
:'''ডক্টর এরিক উইলিয়ামস''': আপনারা এই শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ আবিষ্কারের সাক্ষী হতে যাচ্ছেন!
:'''টম সার্ভো (উইলিয়ামস হিসেবে)''': পুরনো ভিডিও ফুটেজ!
:'''ডক্টর উইলিয়ামস''': সমুদ্রের তলদেশ থেকে ৪০ কোটি বছর আগে মানুষের বংশধরদের যাত্রা শুরু হয়েছিল!
:'''এমিলি কনর''': এটা কি সায়েন্টোলজির কোনো প্রচার?
:'''ডক্টর উইলিয়ামস''': আর সব শুরু হয়েছিল প্রথম মেরুদণ্ডী প্রাণী মাছ থেকে! সেখান থেকেই আমরা বিবর্তনের উল্টো দিকে যাত্রা শুরু করব।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ নেশা এবার চড়তে শুরু করেছে।
:'''ডক্টর উইলিয়ামস''': আর আমরা এক নতুন জাতি তৈরি করব যা দেখতে আমাদের পূর্বপুরুষদের মতো হবে: মানুষ আর উভচরের এক মিশ্রণ! (অট্টহাসি হাসছে)
:'''এমিলি কনর''': ভাঁড়রা যখন নিজেদের জোকস শুনে নিজেরাই হাসে তখন আমার খুব মেজাজ খারাপ হয়।
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': যাক ড্যানি এলফম্যান উনার চাকরিটা স্রেফ এক অ্যালার্ম ঘড়ির কাছে হারিয়েছেন।
<hr width=50%/>
:'''গুন্ডা''': বস দেখুন আমরা কাকে পেয়েছি! এদিকে আসুন!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ধামাকা!
:'''টম সার্ভো''': বাবুম!
:---
:'''এমিলি কনর''': ধরো!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ঝাপিয়ে পড়ো!
:---
:'''টম সার্ভো''': অ্যাসিড!
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': ‘ব্যাটওম্যান’ হলো সেই সিনেমা যা বলতে চায় “আমরা এক পানির নিচের ক্যামেরা ভাড়া করেছি আর ওটার উসুল আমরা শেষ পয়সা পর্যন্ত তুলেই ছাড়ব!”
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': বাজনার ওই আওয়াজটা আমার একদম পছন্দ হয়নি।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': (গাইছে) ব্যাটওম্যান ডানে মোড় নেয় ব্যাটওম্যান ড্রাইভ করে ব্যাটওম্যানের সাহস অনেক বেশি ব্যাটওম্যান আনন্দ করে!
:'''এমিলি কনর''': সে কারণেই গাড়িতে সবসময় ড্যাশক্যাম থাকা ভালো।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ হর্ন বাজাও। ওতেই কাজ হবে।
<hr width=50%/>
:'''এমিলি কনর''': আমি নিশ্চিত ও একসময় ওই মিউজিক ব্যান্ডের মেম্বার ছিল।
:'''টম সার্ভো''': ও এখন মাছের দলে আছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': পরিষ্কারভাবে বোঝা যাচ্ছে।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': (গাইছে) বাঁচাও! আমার কাউকে দরকার...
:'''এমিলি কনর''': দয়া করে না। প্লিজ না।
:'''টম সার্ভো''': (গাইছে) বন্ধুদের সামান্য সাহায্যে আমি সব সামলে নিই...
:'''ক্রো টি. রোবট''': না না না তোমার একদম করা উচিত না।
:'''টম সার্ভো''': সরি আমি নিজেকে সামলাতে (kelp) পারছি না।
:'''ক্রো এবং এমিলি''': উফ!
<hr width=50%/>
:'''ডক্টর উইলিয়ামস''': এটা দেখা বেশ মজার হবে যে এক মহিলা এই সার্জারি সহ্য করতে পারে কি না। আজ পর্যন্ত কোনো পুরুষ এটা সহ্য করতে পারেনি তবে জৈবিক কারণে মহিলারা হয়তো এটা সামলে নেবে।
:'''মারিও''': আপনি পাগল ডাক্তার!
:'''ডক্টর উইলিয়ামস''': আপনি হয়তো ঠিক কিন্তু জেনে রাখুন পাগল আর জিনিয়াসের মধ্যে এক খুব সূক্ষ্ম রেখা থাকে!
:'''টম সার্ভো''': ওটা হলো কানিউ-এর সেই সূক্ষ্ম রেখা।
=== [[w:bn:দ্য মিলিয়ন আইজ অব সুমুরু|দ্য মিলিয়ন আইজ অব সুমুরু]] ===
:'''বোনসি''': ওহ এটা তো চেনা লাগছে।
:'''আর্ডি''': শশশ...
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওটা একটা ছেলে হয়েছে!
:'''জোনা হজসন''': ইয়েই!
<hr width=50%/>
:'''জোনা হজসন (গোয়েন্দা হিসেবে)''': হ্যালো দর্শক এই দৃশ্যে পাঁচটি ভুল ছিল। আপনি কি সবগুলো খুঁজে পেয়েছেন?
<hr width=50%/>
:'''মেডিকা''': মিস্টার ওয়েস্ট!
:'''নিক ওয়েস্ট''': হেই একটু দাঁড়ান!
:'''ক্রো টি. রোবট (নার্স হিসেবে)''': কিন্তু আমাদের তো অপারেশন করতে হবে।
:---
:'''জোনা হজসন (নার্স হিসেবে)''': পা দুটো ওপরে তুলুন বন্ধু।
:'''নিক ওয়েস্ট''': শুনুন ম্যাম আমার বিমা করা আছে সব টাকা শোধ করা আছে।
:---
:'''টম সার্ভো (নান হিসেবে)''': সরি এটা আমাদের নেটওয়ার্কের বাইরে।
:'''জোনা হজসন (নান হিসেবে)''': আর একজনও বাকি রইল না! (অশুভ হাসি হাসছে) বুঝেছো?
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': ঠিক আছে বন্ধুরা চলো এই মিশনটা শেষবারের মতো ঝালিয়ে নিই ঠিক আছে?
:'''জোনা হজসন''': অ্যাঁ?
:'''ক্রো টি. রোবট''': খুব সহজ। এইচএমজি আর সিআইএ চায় তুমি যেন ইউএসএ-র ওই ভিআইপি-কে বিএমডব্লিউ-তে করে বিবিসির কাছের এইচএমভি-তে নিয়ে যাও সকাল নটায়।
:'''জোনা হজসন''': অ্যাঁ?
:'''ক্রো টি. রোবট''': গ্রিনিচ মান সময় অনুযায়ী!
:'''টম সার্ভো''': খুব ভালো আর আমি ব্যবস্থা করেছি যেন এইচএমভি-র ভিপি এমআই৫-এর দেওয়া জিএমসি-তে করে যত জলদি সম্ভব পৌঁছে যায় আর টিভিতে যেন এইচজিটিভি চলে সাথে বিজি ব্যান্ডের গান বাজে।
:'''জোনা হজসন''': অ্যাঁ?!
:'''ক্রো টি. রোবট''': মনোযোগ দাও! সব যেন একদম নিখুঁত হয়!
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ সিডব্লিউ। যাই হোক এফওয়াইআই...
:'''জোনা হজসন''': ওহ ওটা আমি জানি! আপনার তথ্যের জন্য।
:'''ক্রো টি. রোবট''': পাগলামি কোরো না! ওটার মানে হলো এক আজব ইনফরম্যান্ট। ও বিএমডব্লিউ-র সাথে দেখা করবে সেখানে ইউএসএমসি বিটিও সিসিআর আর ইউবি৪০ থাকবে আর তুমি বসে বসে হাসবে তারপর জলদি ফিরবে যাতে আমরা কথা বলতে পারি।
:'''জোনা হজসন''': পরে কথা হবে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': একদম ঠিক!
:'''জোনা হজসন''': আহ তাহলে তুমি কেন— ওহ তুমি...
:'''টম সার্ভো''': একদম। ওকলাহোমা ইউনিভার্সিটি। তো দেখো এমসি৫ ওই এনএসএ ভিআইপি-র কাছে যাবে এমআই৫ বিএমডব্লিউ-তে করে ভিডব্লিউ-এর কাছে আর ওরে বাবা আমার মনে হয় আইএমও বিটিডব্লিউ এলওএল বিআরবি। এবিসি এনবিসি সিবিএস এএমসি টিএনটি সিএমএ জিএমও এএসপিসিএ ইউসিএলএ ওয়াইএমসিএ আইসিইউপি ঠিক আছে?
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ তুমি এ বিষয়ে কী বলবে?
:'''জোনা হজসন''': উমম ওডব্লিউজিএমএস।
:'''ক্রো এবং সার্ভো''': অ্যাঁ?
:---
:'''জোনা হজসন''': ওহ মুভি সাইন এসে গেছে!
<hr width=50%/>
:'''নিক ওয়েস্ট''': ওটা কী জিনিস?
:'''টম সার্ভো (সুমুরু হিসেবে)''': এটা মা-র মাথা ব্যথার ওষুধ।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': ফ্র্যাঙ্কি অ্যাভালনের চুলগুলো মনে হয় খেলনার দোকান থেকে কেনা হয়েছে।
<hr width=50%/>
:'''সুমুরু''': এরনো ওর জামাকাপড় কি প্যাক করা হয়েছে?
:'''এরনো''': হ্যাঁ ম্যাম।
:'''নিক ওয়েস্ট''': ওহ দয়া করে আমার নীল স্যুটটা সাবধানে রেখো ওতে খুব জলদি ভাজ পড়ে যায়।
:'''ক্রো টি. রোবট (সুমুরু হিসেবে)''': স্যুটটা পুড়িয়ে দাও।
:'''সুমুরু''': আর ওর বিলটা চুকিয়ে দাও।
:'''নিক ওয়েস্ট''': হ্যাঁ আমি চাই না হোটেলের বকেয়া বিল আমার কাঁধে থাকুক।
:'''সুমুরু''': জোকস চালিয়ে যান মিস্টার ওয়েস্ট।
:'''ক্রো, সার্ভো এবং জোনা''': দয়া করে বন্ধ করুন।
:'''সুমুরু''': রাত শেষ হওয়ার আগেই আপনার সব জোকস ফুরিয়ে যাবে।
:'''ক্রো, সার্ভো এবং জোনা''': আমাদেরও।
:'''নিক ওয়েস্ট''': আমার ভাণ্ডার এমনিতেও শেষ হয়ে আসছিল।
:'''ক্রো, সার্ভো এবং জোনা''': আমরা একমত।
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট (ফ্র্যাঙ্কি হিসেবে)''': আমি বুঝতে পারছি না। আমি রোমান্স করছি না কেন? আমি তো ফ্র্যাঙ্কি অ্যাভালন! মহাবিশ্ব কি আমার সাথে মজা করছে?
:...
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': বাহ চমৎকার!
:---
:'''টম সার্ভো (ফ্র্যাঙ্কি হিসেবে)''': অনেক দেরি হয়ে গেছে। আমি ফ্র্যাঙ্কি অ্যাভালন!
:---
:'''জোনা হজসন''': ধামাকা!
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': ঠিক আছে যদি কোনো বাচ্চা এই সিনেমা দেখে থাকো তবে তোমাদের ঘুমানোর সময় অনেক আগেই পার হয়ে গেছে।
=== [[w:bn:HG ওয়েলসের দ্য শেপ অব থিংস টু কাম|HG ওয়েলসের দ্য শেপ অব থিংস টু কাম]] ===
:'''এমিলি কনর''': ইতিমধ্যে নেটফ্লিক্সে...
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো (অফিসার হিসেবে)''': এটাকে টুইটার বলে। আলোচনার জন্য এটা দুর্দান্ত হবে।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': চেরনোবিল স্টাইল ড্রেস। ওরা কী ভাবছিল কে জানে?
:'''ক্রো টি. রোবট (ডক্টর কাবাল হিসেবে)''': ঠিক আছে আপনারা আমাকে ৩৫০ ডিগ্রিতে ৭০ মিনিট ধরে রান্না করবেন আমি হয়ে গেলে একটা কাঁটাচামচ দিয়ে চেক করবেন। প্রচুর মাখন দেবেন আর কিছু পেঁয়াজ কুচি দেবেন। আমি এক পিস আলু।
<hr width=50%/>
:'''ডক্টর কাবাল''': আমরা রওনা দিয়েছি। সামনে এক অসীম মহাকাশ... এক অজানা জগত...
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওটা স্রেফ একটা মডেল।
<hr width=50%/>
:'''কিম স্মেডলি''': অদ্ভুত আমি এখনও নিজেকে পৃথিবীর মেয়ে মনে করি।
:'''টম সার্ভো''': এমিলি তুমি কি এখনও নিজেকে পৃথিবীর মেয়ে মনে করো?
:'''এমিলি কনর''': ওহ জানি না। এখানে সাত বছর কাটানোর পর আমায় জিজ্ঞেস কোরো।
:'''ক্রো টি. রোবট''': উমম কোনো মানুষ এখানে এত দিন বাঁচেনি। অন্যদের জিজ্ঞেস করে দেখো।
:'''এমিলি কনর''': দাঁড়ান কী বললেন?
<hr width=50%>
:'''এমিলি কনর''': বাহ কত মিষ্টি। তোমরা কি কোনোদিন বিপদে আমাকে এভাবে সঙ্গ দেবে?
:'''টম সার্ভো''': উমম আমি তোমার সাথে হাঁটব যাতে তোমার ভুলগুলোর সমালোচনা করতে পারি।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি তোমাকে সামনে রাখব যাতে বড় কোনো বিস্ফোরণ হলে আমি বেঁচে যাই।
:'''টম সার্ভো''': আর আমি নিশ্চিতভাবে পুরো ঘটনাটা ভিডিও করে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করব।
:'''ক্রো এবং সার্ভো''': ভাইরাল ভিডিও!
<hr width=50%/>
:'''এমিলি কনর''': হেই স্টারশিপ এন্টারপ্রাইজের একদম নকল একটা জাহাজের নাম কী হওয়া উচিত?
:'''টম সার্ভো''': ইউএসএস কম্প্রোমাইজ।
<hr width=50%/>
:'''এমিলি কনর''': আমারও ঠিক ওমনই হয় যখন ওই পচা গানটা মাথা থেকে বেরুতেই চায় না।
=== [[w:bn:দ্য মাস্ক থ্রিডি|দ্য মাস্ক থ্রিডি]] ===
:'''ম্যাক্স''': শুভ সন্ধ্যা জোনা। রোমাঞ্চ আর আতঙ্কের এক রাতের জন্য তৈরি হও আর যেহেতু আমি স্যুপ বানাচ্ছি তাই ওটা গায়ে পড়ারও সম্ভাবনা আছে।
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': ম্যাক্স আমি তোমাকে বলেছিলাম ওই মাকড়সার জালগুলো পরিষ্কার করতে! গিজমোপ্লেক্স এখন দেখতে চার্লস অ্যাডামসের কবরের মতো লাগছে।
:'''ম্যাক্স''': আমি ভেবেছিলাম যেহেতু আজ হ্যালোইন—
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': তুমি ভেবেছিলে তুমি অলসতা করার আরও একটা সুযোগ পেয়েছো? জলদি পরিষ্কার করো!
:'''ম্যাক্স''': ঠিক আছে কিন্তু জাদুর কুমড়ো না আসলে আমি তোমাকেই দায়ী করব।
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': ওরে গাধা জাদুর কুমড়ো বলে কিছু নেই। তুমি কি কোনোদিন ওই কার্টুনটা শেষ পর্যন্ত দেখোনি?
:'''ম্যাক্স''': আমি অত দূর যেতে পারি না কারণ ওটা খুব ভয়ংকর!
<hr width=50%/>
:'''জোনা হজসন''': ওয়ার্নার ব্রাদার্স? আমরা কি সঠিক থিয়েটারে আছি?
<hr width=50%/>
:'''জিম মোরান''': আমি কবরের ধ্বংসস্তূপ থেকে অনেক মুখোশ উদ্ধার হতে দেখেছি আর আজব সব মন্দিরে শয়তান তাড়ানোর মুখোশ ঝুলতে দেখেছি।
:'''জোনা হজসন (জিম মোরান হিসেবে)''': আর বোকা ভূতদেরও।
:'''জিম মোরান''': কিন্তু আমার সারাজীবনের ভ্রমণে আমি এই মুখোশের শক্তির সমান আর কিছুই দেখিনি...
:'''ক্রো টি. রোবট''': মিসফিটস ব্যান্ডের লোগো!
:'''জিম মোরান''': ... আর এর সাথে থাকা এক ভয়ংকর অভিশাপ। এই মুখোশকে ঘিরেই আমাদের গল্প আর আমি বলতে পারি যে আমি কুসংস্কারে বিশ্বাসী না হলেও পৃথিবীর সব ধনসম্পদের বিনিময়েও আমি ওটা পরব না।
:'''জোনা হজসন (জিম মোরান হিসেবে)''': এমনকি এক প্যাকেট আইসক্রিমের জন্যেও না।
<hr width=50%/>
:'''ডক্টর অ্যালান বার্নস''': এই মুখোশটা আসলে কী?
:'''মাইকেল রেডিন''': এই মুখোশটাই সবকিছুর জন্য দায়ী। আপনি স্রেফ এর ক্ষমতা সম্পর্কে জানেন না।
:'''জিপসি (মাইকেল হিসেবে)''': এটা হলো এক জঘন্য পুরুষালি মুখোশ।
<hr width=50%/>
:'''জোনা হজসন''': একটা মূর্তির জন্য তুমি একটু বেশিই বিচার করছো। আর বর্ণবাদীও।
:'''ক্রো টি. রোবট (মূর্তির গলায়)''': আই-আই-আই-আই-আই...
:---
:'''টম সার্ভো (মিসেস কেলি হিসেবে)''': মাইকেল? আমি বাজনার শব্দ শুনলাম। অশুভ কিছু কি ঘটেছে মাইকেল? (দরজা খুলল) মাইকেল তুমি কোথায়— ওহ!
:---
:'''জোনা হজসন''': ও ওর প্রিয় কাজ করতে করতেই মরল: জ্যাজ হ্যান্ডস।
<hr width=50%/>
:'''ক্রো, সার্ভো এবং জোনা''': (গান গাইছে) আপনি জানেন না আমরা কী খুঁজে পেতে পারি কেন আপনি আমার সাথে আসছেন না ডক্টর বার্নস এক থ্রিডি গালিচার ভ্রমণে!
:'''ক্রো টি. রোবট''': এই চুইংগাম চিবানোর অনুভূতি কি আসলেও এমন হয়?
:---
:'''টম সার্ভো''': আক আক! আক আক আক!
:---
:'''জোনা হজসন''': চোখের মণি আর লেন্স ওরে বাবা!
<hr width=50%/>
:'''প্যাম আলব্রাইট''': অ্যালান আমি চাই তুমি কারো সাহায্য নাও। এমন কেউ যাকে তুমি বিশ্বাস করো।
:'''ক্রো টি. রোবট (প্যাম হিসেবে)''': যেমন বিমা কোম্পানির ওই জঘন্য এজেন্টটা।
:'''ডক্টর বার্নস''': বিশ্বাস? আমি কাউকে বিশ্বাস করি না।
:'''টম সার্ভো (ডক্টর বার্নস হিসেবে)''': এমনকি ফ্লো-কেও না।
<hr width=50%/>
:'''জোনা হজসন''': এই সিনেমাটা হলো এক রহস্যের ভেতর থাকা ধাঁধা যা থ্রিডি চশমা পরলে মাথা ব্যথা বাড়িয়ে দেয়।
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': মাস্ক ব্যবহার করার জন্য ধন্যবাদ। মাস্ক লাগানোর পর কোনো ভারী যন্ত্রপাতি চালাবেন না।
:'''টম সার্ভো''': মদের সাথে বা অন্য মাস্কের সাথে এটা মেশাবেন না।
:'''জোনা হজসন''': মাস্ক কোনো গাড়ি দুর্ঘটনা বা খুনের জন্য দায়ী থাকবে না।
:'''ক্রো টি. রোবট''': পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে আছে তেলচিটচিটে মুখ আর প্যান্ট শক্ত হয়ে যাওয়া। আজই আপনার ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করুন।
<hr width=50%/>
:'''প্যাম আলব্রাইট''': তোমাকে কি আবার ওই ড্রাগটা নিতে হবে অ্যালান? এটা কি নেশার মতো যা তোমার শরীরের প্রতিটা রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে গেছে? তুমি কি ওটাই অনুভব করছো অ্যালান?
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (ডক্টর বার্নস হিসেবে)''': আমি শুনতে পাচ্ছি না! আমি এখন একটা বই!
:'''প্যাম আলব্রাইট''': তোমার ভেতরের ওই জানোয়ারটাকে শান্ত করার নেশা?
:'''টম সার্ভো''': (গাইছে) তোমার ভেতরে খুব খিদে পেয়েছে...
:'''প্যাম আলব্রাইট''': আর যখন তুমি ওটা আবার পরবে তখন কেমন লাগবে?
:'''টম সার্ভো''': (গাইছে) ওটা চলে যাবে না...
:'''প্যাম আলব্রাইট''': এক বড় ধাক্কা যা তোমার জ্বলন্ত শরীরকে ঠান্ডা করে দেবে?
:'''ক্রো টি. রোবট''': এটা তো গ্রিজ লাইটনিং!
:'''প্যাম আলব্রাইট''': ওটা কি তোমাকে ওপরের দিকে নিয়ে যাবে যতক্ষণ না তুমি আবার নিচে নামার জন্য তৈরি হচ্ছো? আরও গভীরে আরও গভীরে যতক্ষণ না তুমি মরছো?!
:'''ডক্টর বার্নস''': চুপ করো চুপ করো!
:'''টম সার্ভো (ডক্টর বার্নস হিসেবে)''': তোমার এই বকবক আমাকে মেরেই ফেলবে!
:'''প্যাম আলব্রাইট''': আমাকে বলো যে আমি ভুল বলছি না।
:'''জোনা হজসন (হ্যাঙ্ক হিল হিসেবে)''': ওই প্যাম মেয়েটা একদম ঠিক না।
<hr width=50%/>
:'''প্যাম আলব্রাইট''': পুলিশ স্টেশন দিন প্লিজ।
:'''টম সার্ভো (প্যাম হিসেবে)''': হ্যাঁ আমি সাদা চামড়ার।
=== [[w:bn:দ্য বাবল|দ্য বাবল]] ===
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': জোয়েল তোমার আজকের এক্সপেরিমেন্ট হলো আমাদের দেখানো অন্যতম এক বাজে সিনেমা। আমি একদমই দুঃখিত নই।
:'''জোয়েল হজসন''': হেই ওটা কতটাই বা খারাপ হতে পারে? আমাকে তো ‘মানোস’ দেখতে হয়েছিল।
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': আর্ডি?
:'''আর্ডি''': ওহ এই সিনেমাটা মানসিকভাবে খুব অশান্তি দেয়। আমি আপনাকে পরামর্শ দেব একটা সতর্কবার্তা দেওয়ার জন্য যদি আপনি আসলেও এটা ব্যবহার করতে চান।
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': তো আমাদের স্কেলে এটার মান কত?
:'''আর্ডি''': উমম আমি এভাবে বলতে পারি—আমরা পুরো সিস্টেমটা ‘মানোস’ এর ওপর ভিত্তি করে বানিয়েছি কিন্তু সেই মুভিও আমাদের ওপর এমন প্রভাব ফেলেনি যা এই সিনেমাটা ফেলছে। এটা সব বাজে সিনেমার মা।
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': তুমি নিজেকে খুব চালাক মনে করো হজসন। “আমাকে মানোস দেখতে হয়েছে ডা ডা ডা ডা—” হা! এবার এই বদ্ধ সিনেমা ‘দ্য বাবল’ সহ্য করো। ওদের সিনেমাটা পাঠাওওওওওও!
:'''আর্ডি''': মুভি ইন দ্য হোল!
<hr width=50%/>
:'''মার্ক''': আমি জানি না আমার এখন কী করা উচিত।
:'''ক্যাথরিন''': তুমি সব খুব সিরিয়াসলি নিচ্ছো। বাচ্চা হওয়া আসলে কী? স্রেফ এক সুন্দর পেট ব্যথা।
:'''জোয়েল হজসন''': তাই নাকি?
:'''ক্যাথরিন''': ওহ খোদা এটা তো খুব বড় সাইজের!
:'''মার্ক''': ডার্লিং আমি দুঃখিত।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওসব বলে এখন আর লাভ নেই।
:'''ক্যাথরিন''': দুঃখিত হওয়ার কী আছে? আমি ওকে বের করতে চাই। আমি এই মোটা ইনকিউবেটর হয়ে থাকতে থাকতে ক্লান্ত।
:'''মার্ক''': একটু ধৈর্য ধরো। আমরা এই ঝামেলা থেকে বের হয়ে যাব। এই লোকটা খুব ভালো পাইলট।
:'''টম সার্ভো (মার্ক হিসেবে)''': সস্তা অনলাইন বিজ্ঞাপনের বর্ণনা অনুযায়ী আর কি।
:'''ক্যাথরিন''': ওকে একজন ভালো ডাক্তারও হতে হবে।
:'''মার্ক''': না... স্রেফ ওটা চেপে রাখো প্লিজ?
:'''জোয়েল হজসন (মার্ক হিসেবে)''': হ্যাঁ আশেপাশে নিশ্চয়ই কোনো রেস্ট স্টপ আছে।
<hr width=50%/>
:'''জোয়েল হজসন''': শুরুর এই দৃশ্যগুলো স্রেফ একটা আজব আর্টিকেল হওয়ার অপেক্ষায় আছে।
<hr width=50%/>
:'''ক্যাথরিন''': ভালো কথা মিস্টার এরপ্লেনের কী হলো? উনার নাম যেন কী ছিল? হ্যারিক?
:'''মার্ক''': টনি হ্যারিক। ও একটা পানশালা আর একটা মেয়ে খুঁজে পেয়েছে। আমার মনে হয় আমিও ওর সাথে যোগ দেব।
:'''ক্রো, সার্ভো এবং জোয়েল''': কী?!
<hr width=50%/>
:'''মার্ক''': আমি এমন জগাখিচুড়ি স্থাপত্য আগে কোনোদিন দেখিনি। দেখতে তো অনেকটা সিনেমার সেটের পেছনের দিকের মতো লাগছে।
:'''টনি''': ওটাই তো! একটা সিনেমার সেট এতে অবাক হওয়ার কী আছে।
:'''মার্ক''': হ্যাঁ অবশ্যই।
:'''ক্রো টি. রোবট (মার্ক হিসেবে)''': ওতেই সব পরিষ্কার হয়ে গেল।
:'''মার্ক''': আজব পোশাকের ওই মানুষগুলো... ল্যাম্পপোস্টের নিচ দিয়ে যাওয়া ওই ক্যাবলগুলো...
:'''টম সার্ভো (মার্ক হিসেবে)''': আর ওই লোকটা যে সারাক্ষণ আমাকে ভালো অভিনয় করার জন্য বকা দিচ্ছে।
:'''মার্ক''': কিন্তু আমি তো কোনো ক্যামেরা দেখছি না টনি।
:'''টনি''': বন্ধু আমি স্রেফ এখান থেকে বের হওয়ার পথ চাই।
:'''জোয়েল হজসন (টনি হিসেবে)''': এই পাইপগুলোর কোনো একটা নিশ্চয়ই আমাদের এখান থেকে বের করে দেবে।
:...
:'''টনি''': ধুর ছাই আমি স্রেফ আমার প্লেনটা চাই।
:'''টম সার্ভো''': আর আমি স্রেফ শেষের ক্রেডিটগুলো চাই।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': জানেন আমার হুট করে মনে হলো। ওরা আসলেও খুব কষ্টে আছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ এই সিনেমা আমার ছোটখাটো সমস্যাগুলোকে অনেক হালকা করে দিচ্ছে।
:'''জোয়েল হজসন''': একদম ঠিক আমার ছোট রোবট বন্ধুরা দিন যতই খারাপ যাক না কেন তুমি সবসময় বলতে পারবে যে “অন্তত আমি আর্চ ওবোলারের ‘দ্য বাবল’ সিনেমায় নেই।”
:'''টম সার্ভো''': কিন্তু আমরা তো ‘দ্য বাবল’ সিনেমাই দেখছি আর ওটা আসলেও খুব জঘন্য।
:'''জোয়েল হজসন''': হ্যাঁ সরি আমি তোমাদের মন ভালো করার চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু এটা আসলেও খুব বাজে।
<hr width=50%/>
:'''মার্ক''': শোনো এখন কি সময় হয়নি?
:'''টম সার্ভো''': উহ-ওহ...
:'''মার্ক''': বাস্তবতাকে মেনে নেওয়ার?
:'''জোয়েল হজসন''': নতুন মা-কে বলার জন্য কী দারুণ এক কথা।
:'''ক্যাথরিন''': বাস্তবতা? কিসের বাস্তবতা?
:'''ক্রো টি. রোবট''': তুমি ওটার ভেতরেই আছো।
:'''ক্যাথরিন''': হয় আমি কোনো দুঃস্বপ্নে আছি যেখান থেকে জাগতে পারছি না নয়তো যদি তোমার কথা সত্যি হয় তবে... তবে আমি এক মানব চিড়িয়াখানার অংশ।
:'''টম সার্ভো''': শুনতে তো বেশ অশুভ লাগছে।
:'''ক্যাথরিন''': আমি বরং ওই দুঃস্বপ্নেই থাকতে চাই।
:'''জোয়েল হজসন''': একারণেই বিয়ের আগে মানব চিড়িয়াখানা নিয়ে কথা বলা উচিত।
:'''মার্ক''': চিড়িয়াখানায়? আমরা কি আগে স্বাধীন ছিলাম? আমি কি ছিলাম না সেই একঘেয়ে রুটিনে বছরের পর বছর আটকে থাকা এক মানুষ?
:'''ক্যাথরিন''': কিন্তু মার্ক কোনো জানোয়ারের মতো কারো চোখের নিচে বেঁচে থাকা—
:'''মার্ক''': আমি কবে কারো চোখের নিচে ছিলাম না বলো?
:'''ক্যাথরিন''': ছোটবেলায়।
:'''মার্ক''': ছোটবেলায়? ধুর প্রথমে ছিল স্কুল তারপর আর্মি তারপর চাকরি।
:'''ক্রো টি. রোবট (মার্ক হিসেবে)''': তারপর এল আর্মি স্কুল।
:'''মার্ক''': কবে কেউ আমার ওপর নজর রাখেনি বলো তো? একটা জগত যা এখন আর নেই তা নিয়ে মন খারাপ করা বন্ধ করো।
:'''টম সার্ভো''': সমাপ্তি!
:'''মার্ক''': যা আছে তা নিয়েই খুশি থাকো। এই জায়গার সমস্যাটা কী?
:'''ক্রো টি. রোবট (ক্যাথরিন হিসেবে)''': একঘেয়ে।
:'''মার্ক''': এই পথ? এটা হিংসা আর ঘৃণা থেকে দূরে রাখে।
:'''জোয়েল হজসন''': আর বিনোদন থেকেও।
:'''মার্ক''': হ্যাঁ এমনকি বোমা থেকেও।
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওরে বাবা এটা তো বেশ গভীর কথা।
:'''ক্যাথরিন''': ওরা তো জ্যান্ত লাশ!
:'''মার্ক''': আমরা ওদের মতো নই। আমরা ওদের খাবার খাই না। দেখো আমরা জানি আমরা কী করছি।
:'''টম সার্ভো (মার্ক হিসেবে)''': আমরা খুব শান্ত।
:'''মার্ক''': আমরা এখানেই আমাদের জীবন কাটাতে পারি ক্যাথ একদম একা সম্পূর্ণ সুস্বাস্থ্য আর নিরাপত্তার সাথে।
:'''জোয়েল হজসন (মার্ক হিসেবে)''': বিমা কোম্পানিকে ধন্যবাদ।
:'''মার্ক''': তাতে ভুল কী?
:'''ক্যাথরিন''': আমি... আমি ওপরের দিকে তাকাই... আর নিজের মনেই ভাবি...
:'''ক্রো টি. রোবট (লুই আর্মস্ট্রং হিসেবে)''': কত মায়াবী এক বুদবুদ জগত!
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': অ্যামাজন কোম্পানিতে কাজ করলে অনুভূতিটা ঠিক এমনই হয়।
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': শেষ পর্যন্ত এটাই হলো। আমার আর কিছু বলার নেই! মনে হচ্ছে একই সিনেমা বারবার বারবার দেখছি! আমি আর পারছি না! ‘দ্য বাবল’ আসলেও সত্যি!!! আআআআআ! (থিয়েটার থেকে পালিয়ে গেল)
:'''টম সার্ভো এবং জোয়েল''': কী জানি কী হয়েছে ওর।
=== [[w:bn:দ্য ক্রিসমাস ড্রাগন|দ্য ক্রিসমাস ড্রাগন]] ===
:'''বোনসি''': খোদা আমাদের সবাইকে রক্ষা করুন।
:'''আর্ডি''': মুভি ইন দ্য হো-হো-হোল!
<hr width=50%/>
:'''গাজারেড''': ট্যাক্স।
:'''অ্যায়ডেনের মা''': আপনি কি সবার থেকেই চুরি করেন নাকি স্রেফ আমাদের থেকেই?
:'''গাজারেড''': আপনি কি পেমেন্ট দেবেন নাকি আমাকে একটু... জোর খাটাতে হবে?
:'''অ্যায়ডেনের বাবা''': আমি আপনাকে কিছুই দিচ্ছি না। আমি আমার পেমেন্ট লর্ড রথফোর্ডকে সরাসরি দেব।
:'''গাজারেড''': আমার মনে হয় না আমাদের লর্ড জেলখানায় কারো সাথে দেখা করেন। ওকে গ্রেফতার করো!
:---
:'''ক্রো টি. রোবট (গুন্ডার গলায়)''': ঠিক আছে হিসাবরক্ষকের দল চলো এবার কিছু অংক করা যাক!
:---
:'''ক্রো, সার্ভো এবং এমিলি''': (গান গাইছে) স্রেফ চমৎকার এক বড়দিনের সময় কাটাচ্ছি!
:'''অ্যায়ডেন''': না!
:'''টম সার্ভো (অ্যায়ডেন হিসেবে)''': সময় বাড়ানোর আবেদন করো!
:'''অ্যায়ডেনের বাবা''': ঠিক আছে! ঠিক আছে। হয়েছে অনেক।
:'''এমিলি কনর (গাজারেড হিসেবে)''': সত্যি? আপনি তো জিতেই যাচ্ছিলেন।
:'''অ্যায়ডেনের বাবা''': আমি টাকা নিয়ে আসছি।
:'''ক্রো টি. রোবট (অ্যায়ডেনের বাবা হিসেবে)''': আমরা আমাদের কুঁড়েঘরটা ভাড়ায় দিতে পারি।
:'''অ্যায়ডেনের বাবা''': স্রেফ ওকে আঘাত কোরো না।
:'''গাজারেড''': আমি ওকে আঘাত করার কথা স্বপ্নেও ভাবি না। বিশেষ করে যখন আমি খনিতে আরও একটা বাচ্চার ভালো দাম পাব। ওদের গাড়িতে তোলো!
:'''ক্রো, সার্ভো এবং এমিলি''': (গান গাইছে) স্রেফ চমৎকার এক বড়দিনের সময় কাটাচ্ছি!
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': তো এখন আমি বড়দিন নিয়ে পুরো কনফিউজড।
:'''জিপসি ২''': হ্যাঁ তার মানে কি রুডলফ এখন মুখ দিয়ে আগুন বের করবে?
:'''টম সার্ভো''': আর মেরি যিশুর গল্পে ওই জাদুর পাথরের ভূমিকা কী? উফ যারা ওই পুরনো ইতিহাস অনুবাদ করেছে ওরা আসলেও খুব বড় ভুল করেছে।
<hr width=50%/>
:'''ফিন''': গ্যারেট কোথায়?
:'''টম সার্ভো (অ্যায়ডেন হিসেবে)''': ও আমাদের ছেড়ে জিরাফদের দলে যোগ দিয়েছে কারণ ওর ঘাড়টা অনেক লম্বা। (ফুঁপিয়ে কাঁদছে)
<hr width=50%/>
:'''অ্যায়ডেন''': ভালো আইডিয়া র্যান্ড। দেখলে তো? আমরা যদি সবাই মিলে কাজ করি তবে আমরা সফল হবই।
:'''জোয়েল হজসন (অ্যায়ডেন হিসেবে)''': কিন্তু যদি আমরা আমাদের সব খাবার পানিতে ফেলে দিই তবে নয়।
:'''হয়েট''': তুমি কী ধরার চেষ্টা করছো?
:'''টম সার্ভো''': চর্মরোগ।
<hr width=50%/>
:'''ক্রো, সার্ভো এবং জোয়েল''': (গান গাইছে) স্রেফ চমৎকার এক বড়দিনের সময় কাটাচ্ছি!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ডিজনির জঙ্গল ক্রুজ আরও পাঁচটি প্রাণ কেড়ে নিল।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': মদ্যপানের বয়স ২১। গড় আয়ু ১৬। কত অন্যায়।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো (অ্যারিক হিসেবে)''': খুব খুব শান্ত থাকো। আমাদের এখানে শুটিং করার অনুমতি নেই। হিহিহি।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': এটা হলো স্পিলবার্গের সেই অবাক হওয়ার চাহনি যা স্রেফ টরন্টোর একটা স্টুডিওতে লাঠির মাথায় লাগানো টেনিস বলের দিকে তাকিয়েই পাওয়া সম্ভব।
<hr width=50%/>
:'''অ্যায়ডেন''': ওই পাখাটার ওপর বেশি চাপ দিও না।
:'''জোনা হজসন (ড্রাগন হিসেবে)''': (মাথা নাড়ল) ঠিক আছে মা।
:'''অ্যায়ডেন''': যদিও এটা খুব জলদি সেরে যাচ্ছে তবুও এখন ওড়া নিষেধ। তোমার বিশ্রাম দরকার।
:'''ক্রো টি. রোবট (অ্যায়ডেন হিসেবে)''': আর যদি ড্রিমওয়ার্কসের উকিলরা আসে তবে বলবে আমরা এখানে কোনোদিন ছিলাম না।
:'''সারওয়েন''': চিন্তা কোরো না...
:'''টম সার্ভো (সারওয়েন হিসেবে)''': আমি পিৎজার জন্য টাকা রেখে এসেছি।
:'''সারওয়েন''': তুমি ওর সাথে এক পবিত্র বন্ধন তৈরি করেছো। তোমরা দুজন সবসময় একে অপরকে খুঁজে পাবে।
:'''জোনা হজসন''': সোশ্যাল মিডিয়াকে ধন্যবাদ।
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': বাড়তি ঝামেলার সতর্কবার্তা।
:'''অ্যায়ডেন''': আমরা উত্তরে যাচ্ছি। সময় পেলে আমাদের সাথে দেখা কোরো।
:'''টম সার্ভো (ড্রাগন হিসেবে)''': আমি বুঝতে পারছি। পরের কয়েকটা দৃশ্যে আমাকে রাখার বাজেট তোমাদের নেই তাই তো?
<hr width=50%/>
:'''জোনা হজসন (অ্যারিক হিসেবে)''': চলো এই বাচ্চাদের এমন কিছু দেখাই যা নিয়ে ওরা সারাজীবন থেরাপিস্টের সাথে কথা বলতে পারে।
<hr width=50%/>
:'''এমিলি কনর''': ওহ ভাই দেখো ওরা ড্রাগনটাকে ‘স্লেজ’ (sleighed) করে ফেলেছে।
:'''জোয়েল হজসন''': ওহ ওটা তো বেশ মজার।
:'''জোনা হজসন''': আরে ধুর এমিলি...
<hr width=50%/>
:'''জোনা হজসন (অ্যায়ডেন হিসেবে)''': বড়দিনের আমেজ! জলদি করো সান্তা! খতম করো! খতম করো!
:---
:'''এমিলি কনর (ফাদার ক্রিসমাস হিসেবে)''': এবার মজা বোঝো পাপিষ্ঠের দল!
:'''জোয়েল হজসন (ফাদার ক্রিসমাস হিসেবে)''': ঠিক আছে এবার চলো ঘুরে গিয়ে ওদের সবাইকে শেষ করে দিই! আমরা ওদের পরিবারের পেছনেও লাগব আর সবাইকে শুভ রাত্রি!
:'''জোনা, এমিলি এবং জোয়েল''': হো হো হো!
<hr width=50%/>
:'''জোনা হজসন''': মনে হচ্ছে আমরা নড়ছি!
:'''এমিলি কনর''': ঠিক আছে সুযোগ কাজে লাগাও বন্ধুরা চলো সেই থিম গানটা গাওয়া যাক!
:'''জোনা হজসন''': কোনটা? এখানে তো প্রায় ১২টা আছে।
:'''জোয়েল হজসন''': উমম আমি শুধু মাইকেরটার লিরিক্স জানি।
== গিজমোপ্লেক্স শর্ট অব দ্য মান্থ ==
=== পাইপলাইন টু দ্য ক্লাউডস ===
=== লেটস মেক আ মিল ইন ২০ মিনিটস! ===
=== কোর্ট কেস ===
:'''বর্ণনাকারী''': টেনিস হলো যুদ্ধের এক রূপ। এক হিংস্র খেলা।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি ভেবেছিলাম ওটা আগুনের এক গোলা।
:'''বর্ণনাকারী''': আর সবকিছুর মাঝে সবার মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু হলো এই...
:'''এমিলি কনর (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': ছোট ছোট প্যান্টগুলো।
:'''বর্ণনাকারী''': টেনিস বল।
:'''ক্রো টি. রোবট''': বৈজ্ঞানিক নাম: টেনিয়াস বালিয়াস।
:'''বর্ণনাকারী''': ও ঘণ্টায় ১০০ মাইল বেগের এক জগতে বাস করে।
:'''টম সার্ভো''': পাম স্প্রিংস?
:'''বর্ণনাকারী''': আঘাত খুব তীব্র হয়। হয় খুব নিষ্ঠুর নয়তো পাখির পালকের মতো হালকা।
:'''এমিলি কনর''': ঠিক আমার বিয়ের মতো।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': ... তো একটা বল ওমন হয় কীভাবে?
:'''এমিলি কনর''': প্র্যাকটিস।
:'''বর্ণনাকারী''': এমন নির্ভরযোগ্যতা কীভাবে আসে? যখন এত বিপুল পরিমাণে তৈরি করা হয় তখন প্রতিটা বল কীভাবে এত নিখুঁত হয়?
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আর এত ফর্সা কেন?
:'''বর্ণনাকারী''': উত্তরটা আসে মেশিন থেকে...
:'''টম সার্ভো এবং ক্রো''': হুররে!
:'''বর্ণনাকারী''': ... আর মানুষের কাছ থেকে।
:'''টম সার্ভো এবং ক্রো''': ধুর...
:'''এমিলি কনর''': ওহ...
:'''বর্ণনাকারী''': ... আর একটা নামের কাছ থেকে। এক মস্ত বড় নাম।
:'''এমিলি, সার্ভো এবং ক্রো''': পেন!
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': ফিনিক্সের এই এক লাখ স্কয়ার ফুটের কারখানাটি এমন চারটি প্ল্যান্টের একটি।
:'''এমিলি কনর''': বাহ।
:'''বর্ণনাকারী''': প্রতিটি কারখানা স্রেফ একটা কাজের জন্য নিবেদিত...
:'''এমিলি কনর''': বল!
:'''বর্ণনাকারী''': সেরা টেনিস বল বানানো যতটা সম্ভব নিখুঁত করা যায়। লক্ষ লক্ষ বল।
:'''টম সার্ভো''': লক্ষ লক্ষ বল!
:'''বর্ণনাকারী''': অন্য কারখানাগুলো আছে পেনসিলভানিয়া আরকানসাস আর আয়ারল্যান্ডে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': (আইরিশ টানে) ওহ অবশ্যই আমরা আয়ারল্যান্ডে র্যাকেট দিয়ে বল পেটাতে খুব ভালোবাসি।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': প্রতিনিয়ত চেক করা হয় সব নিয়ম মানা হচ্ছে কি না তার গ্যারান্টি দেওয়া হয়। সবকিছু নিখুঁত হতে হবে।
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আমাদের দেশের নিরাপত্তা এটার ওপরই নির্ভর করে।
:'''বর্ণনাকারী''': প্রতিটি একই রকম দানা ছাঁচে রাখা হয়। অনেকগুলো একসাথে। ছাঁচ বন্ধ হয়ে যায় আর নির্দিষ্ট সময় ও তাপমাত্রায় কাজটা সম্পন্ন হয়।
:'''এমিলি কনর''': (গাইছে) স্রেফ দেওয়ালের আরেকটা ইট...
:'''বর্ণনাকারী''': কয়েক মিনিট পর পুরো বদলে গিয়ে দানাগুলো এক ধরনের কম্বলের মতো হয়ে বেরিয়ে আসে যা পরে অর্ধগোলাকার আকারে কাটার জন্য তৈরি হয়।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমি অনেক কিছু শিখছি।
:'''বর্ণনাকারী''': দেয়ালের পুরুত্ব ওজন আর সব মাপের পার্থক্য একদমই থাকে না বললেই চলে।
:'''এমিলি কনর (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': তারপর আমরা মধু আর বারবিকিউ সস মিশিয়ে দিই।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': অন্য একটা ছাঁচ যা প্রথমটার চেয়ে আলাদা তা দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজটা সারে। কিছু উপরে আর কিছু নিচে।
:'''টম সার্ভো''': ঠিক একটা ওয়াফেলের মতো।
:'''বর্ণনাকারী''': এই ছাঁচগুলো চাপে রাখা হয় যা বলের ভেতরের অংশে বাতাস আটকে রাখতে সাহায্য করে। এভাবেই ওটার লাফানোর ক্ষমতা তৈরি হয়।
:'''এমিলি কনর''': টিগারের মতো। হু-হু-হু-হু!
:'''বর্ণনাকারী''': প্রায় এক অ্যাটমোস্ফিয়ার চাপ। আবারও সময় তাপমাত্রা আর চাপ কাজটা সেরে দেয়। জোড়াগুলো একদম নিখুঁতভাবে লেগে যায়।
:'''টম সার্ভো''': আপনার কুকুর যেটা চিবিয়ে নষ্ট করবে সেটার জন্য এত খাটনি!
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': এই পর্যায়ে বলের সাইজ চেক করা হয়। দেখা হয় চোখে ইলেকট্রনিক যন্ত্রে আর যান্ত্রিকভাবে। তিন ধরনের পরীক্ষা।
:'''এমিলি, সার্ভো এবং ক্রো''': উমম...
:'''বর্ণনাকারী''': বড় বা ছোট বলগুলো আলাদা করে ফেলা হয় সাধারণ খেলার বল বা অন্য কাজের জন্য। ওগুলো টেনিসে ব্যবহার করা হয় না।
:'''এমিলি কনর''': আমি জানতাম না টেনিসের সাথে বর্ণবাদের এত মিল আছে।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': এরপর ড্রামের ভেতরে বলগুলোকে ঘোরানো হয়।
:'''এমিলি কনর''': আমি তোমার জন্য ঘুরব...
:'''বর্ণনাকারী''': বাষ্প দেওয়া হয়। ছাঁচের দাগগুলো মুছে যায়। উপরের অংশটা নরম আর তুলতুলে হয়ে ওঠে।
:'''টম সার্ভো''': ও এখন স্রেফ আজব সব শব্দ বানাচ্ছে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ তাই না?
:'''বর্ণনাকারী''': প্রিন্টিংয়ের জন্য লাইন ধরে দাঁড় করানো হয় যা এক গুরুত্বপূর্ণ কাজ। নামটা। পেন।
:'''ক্রো টি. রোবট''': জেমস পেন।
:'''বর্ণনাকারী''': শেষবার চেক করার পর বলগুলো এক বিশেষ ক্যানে ভরা হয়। পেন। টেনিস যেখানেই খেলা হয় সেখানেই এই নাম পরিচিত।
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': যেমন উইম্বলডনে বা ওই স্কুলে যেখানে তুমি হাঁটুতে সামান্য চোট পেয়ে টিম থেকে নাম কাটিয়েছিলে মনে আছে রে পুঁচকে কান্নাকাটি করা ছেলে?!
:'''বর্ণনাকারী''': ভালো কথা ক্যানের মুখটা এমনভাবে বানানো হয়েছে যাতে আঙুল কেটে না যায়।
:---
:'''এমিলি কনর''': ওরে বাবা! ওরে বাবা বাবা...
:'''বর্ণনাকারী''': এটা পেন কোম্পানি প্রথম নিয়ে আসে।
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': পেন নামের এক কর্মচারী যার এখন মাত্র চারটে আঙুল আছে।
<hr width="50%"/>
:'''এমিলি কনর''': ওহ তোমরা দুজনে এটা দেখো না। এটা খুব...
:---
:'''টম সার্ভো''': এটা দারুণ... সবাই একসাথে...
<hr width="50%"/>
:'''এমিলি কনর''': যখনই বলের কথা ভাববেন পেনের কথা ভাববেন।
:'''ক্রো টি. রোবট''': বল!
=== স্লিপ ফর হেলথ ===
:'''টম সার্ভো''': আমি এই সিরিজের দ্বিতীয় মুভিটা বেশি পছন্দ করি: ‘প্রতিশোধের জন্য ঘুম’।
<hr width=50%/>
:'''বর্ণনাকারী''': এক নতুন বাচ্চা পরিবারের জন্য খুব আনন্দের...
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': কিন্তু ভারসাম্য বজায় রাখতে একজনকে চলে যেতেই হবে।
:'''মার্থা''': ও সারাক্ষণ ঘুমিয়ে থাকে।
:'''জোয়েল হজসন''': ওহ ও চায় যে তুমি ওটাই ভাবো।
:'''মার্থা''': ও কবে থেকে আমাদের সাথে আনন্দ করবে?
:'''ডেভিড''': ও শুধু খায় আর ঘুমায়।
:'''টম সার্ভো (ডেভিড হিসেবে)''': আর পলিটিক্যাল শো দেখে।
<hr width=50%/>
:'''বর্ণনাকারী''': সবারই কিছু অভ্যাস থাকে। বাবা প্রতিদিন সন্ধ্যায় একই চেয়ারে বসে খবরের কাগজ পড়তে পছন্দ করেন।
:'''টম সার্ভো (বাবা হিসেবে)''': একটা বিড়াল যে ল্যাজানিয়া খায়?!
<hr width=50%/>
:'''বর্ণনাকারী''': নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস করা খুব জরুরি। ঘুমানোর এক দুই ঘণ্টা আগে শান্ত থাকা এই অভ্যাসেরই অংশ। ওতে আপনার শরীর আরাম পায় আর ঘুমের জন্য তৈরি হয়।
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': এক শিকারির জন্য খুব সহজ শিকার।
<hr width=50%/>
:'''বর্ণনাকারী''': কেউ কেউ শোয়ার সাথে সাথেই ঘুমিয়ে পড়ে কারো একটু সময় লাগে।
:'''জোয়েল হজসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': ডেভিড ওর করা সব পাপের হিসেব করে নিজেকে ঘুম পাড়ানোর চেষ্টা করছে।
:'''ক্রো টি. রোবট (ডেভিড হিসেবে)''': ২৩৯... ২৪০... আহ ২৪১... ওটা বেশ বড়সড় ছিল।
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': জানেন যদি আপনি স্বপ্নে মারা যান তবে আপনি আসলেও মারা যাবেন।
:'''জোয়েল হজসন (ডেভিড হিসেবে)''': না! এভাবে না আজ না! আমার বয়স মাত্র নয়! আমি তো সেই চ্যাপ্টারটা শেষই করতে পারিনি যার কথা আগে বলেছিলাম!
:---
:'''টম সার্ভো''': তবুও এটা সস্তা এয়ারলাইন্সে ওড়ার চেয়ে অনেক বেশি ভরসাযোগ্য।
:'''বর্ণনাকারী''': স্বপ্নের কোনো মানে হয় না তাই না?
:'''ক্রো টি. রোবট''': একদম না!
:'''বর্ণনাকারী''': কারণ শরীর যখন বিশ্রাম নেয় তখন মগজও বিশ্রাম নেয়...
:'''জোয়েল হজসন (ডেভিড হিসেবে)''': ৪৩২ ৪৩৩—ওহ আমি ৪৩৩ দুবার করে ফেলেছি। আবার শুরু করতে হবে। ১ ২...
<hr width=50%/>
:'''বর্ণনাকারী''': অ্যালার্ম এখনও বাজেনি। ডেভিড খেয়াল করল ও অ্যালার্ম বাজার আগেই ঘুম থেকে জেগে যায়।
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': সে কারণেই আপনার উচিত জাগার ঠিক ৩০ মিনিট আগে ঘুম থেকে ওঠা।
:'''বর্ণনাকারী''': ঘুম থেকে ওঠার এক দুই ঘণ্টার আগে কেউ নিজের সেরাটা দিতে পারে না। সে কারণেই জলদি ওঠা এত জরুরি।
:'''ক্রো টি. রোবট''': উমম... এই পরিবারে কি একটা বাচ্চাও ছিল না?
<hr width=50%/>
:'''বর্ণনাকারী''': নাস্তার জন্য অনেক সময় আছে। নাস্তা এক গুরুত্বপূর্ণ খাবার যা মিস করা একদম ঠিক না। যদি আপনি জলদি ঘুমান তবে আপনি জলদি উঠবেন। আপনি আপনার দিনটা খুব সুন্দর আর শান্তভাবে শুরু করতে পারবেন। ওতে আপনারও ভালো লাগবে আর পরিবারের অন্যদেরও। ডেভিড আর মার্থা ওদের সকালটা খুব উপভোগ করে।
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': খনিতে নামার আগে এটাই সূর্যের শেষ আলো যা ওরা দেখবে।
:'''জোয়েল হজসন''': “যাই মা আর বাবা এই সকালটা আসলেও খুব সুন্দর আর শান্ত ছিল।”
:'''ক্রো টি. রোবট''': সিরিয়াসলি ভাই! এই সিনেমাটা একটা বাচ্চা দিয়ে শুরু হয়েছিল!
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': বন্ধুরা আমার খুব টেনশন হচ্ছে। বাচ্চাটার কী হলো?!
=== দ্য ওয়ান্ডার অব রিপ্রোডাকশন ===
:'''পার্ল ফরেস্টার''': এটা এমিলির জন্য আরও একটা সিনেমা যেটার নাম হলো ‘প্রজননের বিস্ময়’ আর একজন পাগল বিজ্ঞানীর মা হিসেবে আমি হলফ করে বলতে পারি যে ওমন কাণ্ড আমি আর কোনোদিন করব না।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': অবশেষে! আমরা শিখতে পারব কীভাবে জাল নোট বানাতে হয়।
:---
:'''এমিলি কনর''': যাই হোক আজ সেই দিন ছিল যেদিন আমরা তোমাদের সাথে প্রজনন করব...
<hr width="50%"/>
:'''গ্যারি''': ভাইরে ওকে একবার দেখ। ও সত্যিই খুব সুন্দরী...
:'''ক্রো টি. রোবট (গ্যারি হিসেবে)''': কিন্তু ও জানেই না যে আমার কোনো অস্তিত্ব আছে!
:'''বব''': উমম আসলে ও কোনো মেয়ে নয় ও একজন ‘ছেলে’।
:'''এমিলি কনর (বব হিসেবে)''': গাধা।
:'''বব''': আপনারা এক পুরুষ কচ্ছপ মাছ দেখছেন। ও আপনার দেখা অন্যতম এক সুন্দরী মাছ হবে। যদি ভালো করে লক্ষ্য করেন...
:'''টম সার্ভো (বব হিসেবে)''': স্রেফ ওই কাদাটে বাদামী রঙটা দেখুন।
:'''বব''': ... রংধনুর প্রায় প্রতিটা রঙ ওর শরীরে আছে আর ও যখন সাঁতার কাটে তখন ওর পাখাগুলো খুব সুন্দর দেখায়...
:'''ক্রো টি. রোবট''': বব এখন নিজের আঙুল কামড়াচ্ছে।
<hr width="50%"/>
:'''বব''': শুনতে আজব লাগলেও এই প্রজাতির মাছের ক্ষেত্রে বাবাই বাচ্চাদের দেখাশোনা করে আর পরিবার সামলায়।
:'''টম সার্ভো''': এক আসল আদর্শ বাবা।
:'''মেয়ে''': বাবা? তাহলে মা মাছটা কী করে?
:'''ক্রো টি. রোবট (বব হিসেবে)''': ও স্রেফ মদ খায়।
<hr width="50%"/>
:'''বব''': বাবা মাছটা পানির ওপর উঠে আসে আর এক মুখ বাতাস নেয়। তারপর ও ওর পছন্দের জায়গায় যায় বাসা বানানোর জন্য। সাধারণত ওটা কোনো গাছ বা ভাসমান পাতার নিচে হয়।
:'''এমিলি কনর (বব হিসেবে)''': আশা করি কোনো পানশালার পাশেই হবে।
:'''বব''': তারপর ও মুখ থেকে বাতাস বের করে যা ওর বিশেষ লালার আবরণে মোড়ানো থাকে।
:'''টম সার্ভো''': ও যখন একাজ করে তখন ও ভালো বাবা কিন্তু আমি যখন ওমন করি তখন আমাকে দোকান থেকে বের করে দেওয়া হয়।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (মাছ হিসেবে)''': গর্তের ভেতরে বসে আমি ভাবছিলাম সমুদ্রের নিচে জীবনের কি আর কোনো মানে আছে?
<hr width="50%"/>
:'''বব''': এখন সৃষ্টিকর্তা সব বন্য প্রাণীকে ওদের সন্তানদের রক্ষা করার এক বিশেষ ক্ষমতা দিয়েছেন আর মা মাউথব্রুডার এই কাজটা খুব চমৎকারভাবে করে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': জাদু!
:'''বব''': যদিও ও ওর সব ডিম নিজের বিশাল মুখে পুরে নেয় তবুও ও ওগুলো গিলে ফেলে না। ও ডিম ফুটে বাচ্চা না হওয়া পর্যন্ত ওগুলো মুখেই রাখে।
:'''এমিলি কনর (বব হিসেবে)''': আর সারাজীবন বাচ্চাদের ওনার এই ত্যাগের কথা মনে করিয়ে দিতে থাকেন।
<hr width="50%"/>
:'''বব''': আনন্দ করো!
:'''ক্রো টি. রোবট''': কারণ ভিয়েতনাম যুদ্ধ ঠিক দরজার ওপাশেই অপেক্ষা করছে!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': আংকেল বব আবারও ফিরবেন ‘সাপের হজম প্রক্রিয়ার বিস্ময়’ নিয়ে!
=== ক্যাভালকেড ===
:'''বর্ণনাকারী''': এই দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া লোহার স্তূপটা একসময় এক মাইক্রোওয়েভ রেডিও টাওয়ার ছিল...
:'''ডক্টর এরহার্ড (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': এখন ওটা আস্ত আবর্জনা।
:'''বর্ণনাকারী''': আমাদের দেশের বিশাল টেলিফোন নেটওয়ার্কের এক অংশ। টর্নেডোর আঘাতে টাওয়ারটি ভেঙে পড়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই অল্টারনেট রুটের মাধ্যমে সার্ভিস চালু করা হয় তবে একটা অস্থায়ী টাওয়ার দ্রুত বসানো খুব দরকার।
:'''পার্ল ফরেস্টার''': আবারও মানুষ মারার আগে।
<hr width=50%/>
:'''পার্ল ফরেস্টার''': ভদ্রমহোদয়গণ এটা মাউস-ট্র্যাপ গেমের এক ভয়ংকর রূপ হতে যাচ্ছে।
<hr width=50%/>
:'''টেকনিশিয়ান''': ওটা বাঁ দিকে সরাও।
:'''ডক্টর এরহার্ড''': এবার ওটা পেছনে নাও সবাই।
:'''টেকনিশিয়ান''': বাঁয়ে। আরও একটু বাঁয়ে।
:'''পার্ল ফরেস্টার (টেকনিশিয়ান হিসেবে)''': আমার— ‘আমার’ বাঁয়ে!
:'''টেকনিশিয়ান''': সাবধানে... ওরে বাবা! ফ্রিকোয়েন্সি একদম মিলে গেছে!
:'''ডক্টর এরহার্ড (টেকনিশিয়ান হিসেবে)''': আমি এখন এই এনার্জি নিয়ে বাড়ি যাব আর আমার বউকে একটু খুশি করার চেষ্টা করব।
:'''বর্ণনাকারী''': টিভি প্রোগ্রাম ফোন কল আর ডেটা সব ঠিকঠাক চলছে। এটা স্রেফ এক প্র্যাকটিস ছিল...
:'''পার্ল ফরেস্টার''': আর সত্যি বলতে খুব মজাই হয়েছে!
:'''বর্ণনাকারী''': ... এমন সব ক্রু-দের জন্য যাদের প্রধান কাজ হলো দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখা।
:'''ডক্টর এরহার্ড (অন্য কর্মীর গলায়)''': দাঁড়ান এটা স্রেফ ‘প্র্যাকটিস’ ছিল?! জেফ তো আজ মরেই গেল!
<hr width=50%/>
:'''বর্ণনাকারী''': আকাশের প্রতি মানুষের এত আগ্রহ কেন?
:'''ডক্টর এরহার্ড''': কারণ নরক অলরেডি ভর্তি হয়ে গেছে।
<hr width=50%/>
:'''ডক্টর এরহার্ড''': যদি ওটা এতই বিপজ্জনক হয় তবে ওটার স্বাদ এত ভালো কেন?
<hr width=50%/>
:'''বর্ণনাকারী''': গ্লাসের ভেতর সিসা থাকার চিন্তাটাই খুব অদ্ভুত মনে হয়। তবুও ১৬৭৫ সালে ইংল্যান্ডে জর্জ রেভেনক্রফট এই লেড ক্রিস্টালের গ্লাসটি বানিয়েছিলেন।
:'''ডক্টর এরহার্ড (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': ওনার মৃত্যু হয়েছিল ১৬৭৬ সালে।
:'''বর্ণনাকারী''': লেড গ্লাস এখন এক্স-রে থেকে সুরক্ষা দেয়।
:'''পার্ল ফরেস্টার''': আর ওই লম্পট সুপারম্যান থেকেও।
<hr width=50%/>
:'''বর্ণনাকারী''': এই সুন্দর এলাকায় চাষবাসই হলো মানুষের প্রধান জীবিকা।
:'''ডক্টর এরহার্ড (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আর দুই নম্বর কাজ হলো খুন করা।
=== ব্যালেন্স বিম ফর গার্লস ===
=== বাইসাইক্লিং ভিজ্যুয়াল স্কিলস ===
:'''এমিলি কনর (মিস্টার ম্যাথিস হিসেবে)''': একদম স্বাভাবিক থাকো আর মনে রেখো যদি কেউ জিজ্ঞেস করে তবে বলবে আমরা একটা হরিণকে ধাক্কা দিয়েছি।
<hr width=50%/>
:'''মিস্টার ম্যাথিস''': শোনো কাল সকালে আমি নিরাপদ ড্রাইভিং নিয়ে একটা নতুন সিনেমা দেখব। তোমাদের মধ্যে কেউ কি ওটা দেখতে চাও? কাল সকাল নটায় কি এখানে দেখা করতে পারবে?
:'''কারেন''': অবশ্যই!
:'''মাইক''': ঠিক আছে।
:'''মিস্টার ম্যাথিস''': ঠিক আছে। ড্রাইভার এডুকেশন রুমে দেখা হবে।
:'''টেড''': কাল দেখা হবে!
:'''কারেন''': বাই!
:'''টম সার্ভো (বাচ্চার গলায়)''': জলদি বাড়ি চলো! আজ রাতে অপরাধ দমনের উৎসব শুরু হবে!
<hr width=50%/>
:'''টেড''': আমি তোমাকে কিছু বলতে চাই যা হয়তো তুমি কালকের সিনেমায় দেখবে কিন্তু আমার মনে হয় তোমার এখনই ওটা জানা দরকার।
:'''টম সার্ভো (টেড হিসেবে)''': মেরিল স্ট্রিপ এখনও সেরা।
:'''টেড''': যখনই তুমি কোনো স্টপ সাইনের কাছে আসবে তখনই তোমার গতি কমানোর বা থামার সংকেত দেওয়া উচিত। তারপর পেছনে তাকাও আর নিশ্চিত হও কোনো গাড়ি আসছে কি না। তারপর ডানে তাকাও আর যদি তিন রাস্তার মোড় হয় তবে ডানে বামে সব দিকে তাকিয়ে তারপর যখন পরিষ্কার হবে তখন...
:'''এমিলি কনর (টেড হিসেবে)''': তারপর বিশেষ কোড ব্যবহার করো আর তোমার কাছে আনলিমিটেড বাইক চলে আসবে!
<hr width=50%/>
:'''মিস্টার ম্যাথিস''': কারেন লাইটটা একটু বন্ধ করবে?
:'''ক্রো টি. রোবট (কারেন হিসেবে)''': একটা তালি দেওয়ার সুইচ কেনেন বুড়ো লোক!
<hr width=50%/>
:'''বর্ণনাকারী''': সব চালকেরই দক্ষতার সাথে চালানোর জন্য ভালো দৃষ্টিশক্তির অভ্যাস থাকা দরকার।
:'''এমিলি কনর (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': সাধারণভাবে চোখ থাকাটাই এক বিশাল প্লাস পয়েন্ট।
<hr width=50%/>
:'''বর্ণনাকারী''': এক নজরে আপনি যা যা দেখতে পান তাকে বলা হয় আপনার দৃষ্টিসীমা।
:'''ক্রো টি. রোবট''': পড়াশোনা হচ্ছে!
:---
:'''বর্ণনাকারী''': মাথা ঘোরালে আপনার দৃষ্টিসীমার কী পরিবর্তন হয় দেখুন।
:'''এমিলি কনর (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আপনি ইন্টারন্যাশনাল টাওয়েল ওয়ার্ল্ড দেখতে পাবেন।
:'''বর্ণনাকারী''': প্রতিবার দৃষ্টি বদলালে আপনার পুরো দৃষ্টিসীমা পাল্টে যায়।
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': বিজ্ঞানীরা এটাকে স্রেফ ‘তাকানো’ বলে।
<hr width=50%/>
:'''বর্ণনাকারী''': মোড়ে ট্রাফিক চেক করুন। ডানে আর বামে দেখুন...
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': তারপর একটু নেচে নিন।
:'''বর্ণনাকারী''': তারপর হাত হ্যান্ডেলবারে রাখুন আর ঘোরার আগে আবার পেছনে তাকিয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন।
:'''এমিলি কনর (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': এই কাজটা ২৭ বার করুন তারপর ৪৪ বার চুলাটা অন-অফ করুন যাতে আপনি নিশ্চিত হন যে আপনার মা মরে যাবে না।
<hr width=50%/>
:'''ছোট বেসবল খেলোয়াড়''': আজ কে বল করবে বলে মনে হয়? আশা করি ওটা ম্যাকক্যালভি হবে না!
:---
:'''টম সার্ভো (বাচ্চার গলায়)''': হ্যাঁ ওটাই আমি। আপনি নিশ্চয়ই ভাবছেন আমি এখানে কীভাবে এলাম...
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': সব শেষে ম্যাকক্যালভি আট ইনিংস খেলল দুই রান দিল ছয়টি হিট খেলল চারটি ওয়াক আর একটা আনুষ্ঠানিক বল করল।
:'''এমিলি কনর''': ও ওভাবেই মারা গেল যেভাবে ও বেসবল খেলত: বলের বাঁক বুঝতে না পেরে।
:...
:'''টম সার্ভো''': আর এই গল্পের মূল শিক্ষা হলো—বেসবল খেলার কোনো দাম নেই।
:'''প্যারামেডিক''': ঠিক আছে রাস্তা থেকে সরে দাঁড়ান।
:'''ক্রো টি. রোবট (প্যারামেডিক হিসেবে)''': ঠিক আছে এবার সরুন আমাদের পন্টিয়াক এর ফটোশুট শেষ করতে হবে।
<hr width=50%/>
:'''বর্ণনাকারী''': রাস্তার উপরিভাগের পরিবর্তনের দিকে নজর রাখুন। আপনার সাইকেল প্রতিটার ওপর আলাদাভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায়। আলগা পাথর খুব পিচ্ছিল হয়।
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আর মদের সাথে বেশ মানানসই।
:'''বর্ণনাকারী''': ইট বিছানো রাস্তা খুব এবড়োখেবড়ো হয়।
:'''এমিলি কনর''': এগুলো খুব আজব টাইপ উপদেশ।
:'''বর্ণনাকারী''': প্রতিটা রাস্তার জন্য আপনার গতি নিয়ন্ত্রণ করুন।
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': ঠিক তোমার ওই রাগী মেজাজটার মতো কেলেন।
<hr width=50%/>
:'''এমিলি কনর''': (গাইছে) দয়া করে আমাকে ভুলে যেয়ো না... (হাত ওপরে তুলল)
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমার মনে হয়েছিল জুলস আর জিম সিনেমাটা আরও লম্বা ছিল।
:'''এমিলি কনর''': হ্যাঁ বেভারলি জে. রাফ নিশ্চিতভাবেই তিনটে কুকুরের সংমিশ্রণ ছিল না।
:'''টম সার্ভো''': আশ্চর্যের বিষয় হলো আমাকে জন এল. ফ্রেন্ডকে আনফ্রেন্ড করতে হয়েছিল।
:'''ক্রো টি. রোবট''': রিচার্ড বি লং জেফরি বি লাইট আর আমি এই সিনেমার হাত থেকে নিস্তার পেলাম।
=== দ্য বাইসাইকেল ড্রাইভার ===
:'''সিন্থিয়া''': ওহ ড্রাইভার ট্রিলজির মধ্যে এটা ‘বেবি ড্রাইভার’ আর ‘ট্যাক্সি ড্রাইভার’ এর মাঝামাঝি একটা কিছু হবে।
<hr width=50%/>
:'''পার্ল ফরেস্টার (ড্রাইভার হিসেবে)''': ঠিক আছে এবার তোমরা বাচ্চারা আমার জন্য বিয়ার নিয়ে আসো।
<hr width=50%/>
:'''ড্রাইভার''': আমাকে এই সিনেমাটি উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে কারণ আমি আসলেও এক জুনিয়র হাই বাইক ক্লাবের উপদেষ্টা আর আমি ফুল টাইম ট্রাফিক সেফটি শেখাই।
:'''মেগা-সিন্থিয়া''': প্রমাণ করো!
:'''ড্রাইভার''': তাই আমি সেফটি এডুকেশনের সমস্যাগুলো দুই দিক থেকেই দেখতে পাই।
:'''সিন্থিয়া (ড্রাইভার হিসেবে)''': আমি বেশ দ্বিধায় আছি।
:'''ড্রাইভার''': সাইকেল আর গাড়ি একই রাস্তায় নিরাপদে চলতে পারে...
:'''পার্ল ফরেস্টার (ড্রাইভার হিসেবে)''': এই এক শতাব্দীর রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ এবার শেষ হওয়া উচিত!
:'''ড্রাইভার''': ... দুপক্ষকেই রাস্তার নিয়ম জানতে হবে মানতে হবে ড্রাইভিংয়ের দায়িত্ব নিতে হবে আর একে অপরের অধিকারকে সম্মান করতে হবে। এই সিনেমাটা স্রেফ ওসব নিয়েই।
:'''মেগা-সিন্থিয়া (ড্রাইভার হিসেবে)''': ওসব আর ভুট্টা ছড়ানো নিয়ে।
<hr width=50%/>
:'''সিন্থিয়া''': উমম এক স্থানীয় পুলিশ এক ছোকরাকে তাড়া করছে ক্যালহাউন কাউন্টিতে।
:'''পুলিশ অফিসার''': আমি কি আজ আপনার লাইসেন্সটা দেখতে পারি স্যার?
:'''সাইকেল চালক''': লাইসেন্স? কবে থেকে সাইকেল চালানোর জন্য লাইসেন্স লাগে ভাই?
:'''পুলিশ অফিসার''': উমম সাইকেল চালানোর জন্য লাইসেন্স লাগে না ঠিকই তবে আপনার কোনো পরিচয়পত্র লাগবে।
:'''মেগা-সিন্থিয়া (সাইকেল চালক হিসেবে)''': আমার নাতিরা এটা এঁকেছে আর ওতে দাদু লিখেছে। ওটা চলবে কি?
<hr width=50%/>
:'''মা''': জিম তুমি কি কথা দিতে পারো যে তুমি রাতে সাইকেল চালাবে না?
:'''পার্ল ফরেস্টার (জিম হিসেবে)''': আমি তো এটারও গ্যারান্টি দিতে পারছি না যে আমি এটা মদের জন্য বেচে দেব না।
<hr width=50%/>
:'''সিন্থিয়া''': তোমার জন্মদিনে তুমি দোকানের সব সাইকেলের সিটে বসার সুযোগ পাবে।
<hr width=50%/>
:'''মেয়ে সাইক্লিস্ট''': হেই জিম তুমি কী করছো?
:'''জিম''': ওহ আমি স্রেফ আমার হাতের সংকেতগুলো ঝালিয়ে নিচ্ছি।
:'''সিন্থিয়া''': তুমি অন্ধ হয়ে যাবে!
<hr width=50%/>
:'''ড্রাইভার''': জ্যামের সময় বাঁ দিকে মোড় নেওয়ার জন্য ও ফুটপাথ ব্যবহার করে যদি ওটা বৈধ হয় তবে চালায় নয়তো সাইকেল ঠেলে নিয়ে যায়।
:'''পার্ল ফরেস্টার''': আর যদি ওটা ওর স্টাইলের সাথে না মেলে তবে ওটা ফেলেই দেয়।
<hr width=50%/>
:'''সিন্থিয়া (গরু হিসেবে)''': আমার মনে হয় ওই সাইকেলের সিটটা আমার ভাই ছিল।
<hr width=50%/>
:'''ড্রাইভার''': জিম আমাদের নতুন মেম্বার বলবে রাস্তার নিয়মগুলো কী কী?
:'''সিন্থিয়া (জিম হিসেবে)''': হয় মারো নয়তো মরো।
:'''জিম''': রাস্তায় ট্রাফিক ব্যবস্থা নিরাপদ আর সুশৃঙ্খল রাখা।
:'''মেয়ে সাইক্লিস্ট''': তোমার কেন রাস্তার নিয়ম মানা উচিত?
:'''জিম''': কারণ আমি যদি না মানি তবে আমি অন্যদের কাছ থেকে ওটা আশা করতে পারি না।
:'''ড্রাইভার''': ওহ তার মানে আমরা ‘সবসময়’ রাস্তার নিয়ম মানি তাই তো?
:'''সাইক্লিস্টরা''': আমরা চেষ্টা করি কিন্তু কাজটা সহজ না!
:'''পার্ল, সিন্থিয়া এবং মেগা-সিন্থিয়া''': আর যখন খুব কঠিন মনে হয় তখন আমরা হাল ছেড়ে দিই!
=== লেটস কিপ ফুড সেফ টু ইট ===
:'''টম সার্ভো''': হ্যাঁ খাবার থেকে বন্দুক দূরে রাখুন।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': স্টিভ যখন হাত ধুচ্ছে তখন ক্যাথি চামচগুলো নিয়ে আসবে। ওরে বাবা! ও একটা চামচ ফেলে দিল।
:'''টম সার্ভো''': ব্যাস! ওর চাকরি গেল।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': এখন স্টিভ নাস্তার জন্য তৈরি আর বাবাও।
:'''এমিলি কনর (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': ওর অন্য পরিবার থেকে ফিরে এসেছে।
:'''বর্ণনাকারী''': বাবাও খাবার নিয়ে খুব সতর্ক। সসেজটা দেখতে ভালোই লাগছে...
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': কিন্তু ডিমগুলো খুব জঘন্য।
:'''বর্ণনাকারী''': কিন্তু এটার স্বাদ খুব একটা সুবিধার না।
:'''এমিলি কনর (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আর ক্যাথির তিনটে আঙুল নেই!
:'''বর্ণনাকারী''': তাই ও আর সসেজ খাবে না কারণ ওটা পচে গিয়ে থাকতে পারে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': তাই না ক্যাথি?
:'''বর্ণনাকারী''': প্রায়ই আমরা শুঁকে বা খেয়ে বুঝতে পারি খাবার ভালো কি না।
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': অথবা স্রেফ খাবারটাকেই জিজ্ঞেস করে দেখতে পারেন।
:'''বর্ণনাকারী''': যদি নিশ্চিত না হন তবে কোনোদিন ওই খাবার খাবেন না।
:'''এমিলি কনর (মা হিসেবে)''': ক্যাথি তুমি কি রান্নার ‘আগে’ তোমার আঙুলগুলো ধুয়েছিলে?
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': বাসন মাজা আমাদের খাবার সতেজ আর পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। কেন? চলো একটা থালায় কিছু বেঁচে যাওয়া খাবার নিয়ে পরীক্ষা করি। যদি খাবারগুলো ধুয়ে না ফেলা হয় তবে কী হবে বলে মনে হয়?
:'''টম সার্ভো''': ওটার গায়ে ট্যাটু হবে আর ও মেটাল গান শুনবে।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': হাত থেকে ময়লা আর জীবাণু দূর করার সেরা পথ হলো ভালো করে হাত ধোয়া।
:'''ক্রো টি. রোবট''': যতক্ষণ না রক্ত বের হয় ততক্ষণ ঘষুন।
:'''বর্ণনাকারী''': প্রচুর সাবান ব্যবহার করুন আঙুলের ফাঁকে হাতের তালুর উল্টো দিকে আর কবজিতেও। সব জায়গা পরিষ্কার করুন।
:'''টম সার্ভো''': ওই কবজিগুলো যে কোথায় কোথায় ছিল!
:'''এমিলি কনর''': আপনি ওটা আসলেও জানতে চান না।
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো''': ওটা তো কোয়ারেন্টাইনে থাকা প্যাক-ম্যান!
:---
:'''এমিলি কনর''': না প্যাক-ম্যান! (প্যাক-ম্যানের মৃত্যুর আওয়াজ করল)
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': কাগজে মোড়ানো স্ট্র ব্যবহার করলে দুধের ভেতর ধুলোবালি বা জীবাণু ঢুকতে পারে না।
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আর ওতে চারটে কচ্ছপই মারা যাবে।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': স্যালির কাছে কালকের একটা স্যান্ডউইচ আছে।
:'''টম সার্ভো (স্যালি হিসেবে)''': দেখলে? কোনো চালাকি নেই।
:'''বর্ণনাকারী''': ক্যাথি ওটা খেতে চাইত কিন্তু এতক্ষণ ফ্রিজের বাইরে থাকায় ওটা হয়তো পচে গেছে। ওটা সঠিক সিদ্ধান্ত ক্যাথি। যদি নিশ্চিত না হও তবে কোনোদিন ওমন খাবার খেয়ো না।
:'''এমিলি কনর (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': বাসী খাবারকে ‘না’ বলুন।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': ধরো তুমি একটা বিস্কুট মেঝেতে ফেলে দিলে।
:'''টম সার্ভো''': পাঁচ সেকেন্ডের নিয়ম কি খাটবে?
:'''বর্ণনাকারী''': কোনো জিনিস নিচে পড়লে তা খাওয়ার আগে ধুয়ে নেওয়া উচিত কিন্তু একটা বিস্কুট তুমি ধোবে কীভাবে?
:'''এমিলি কনর''': থুতু আছে তো!
:'''বর্ণনাকারী''': উমম ওটাকে ফেলে দেওয়াই ভালো।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আর সব প্রমাণ পুড়িয়ে ফেলুন।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': ঠিক আছে সবাই নেশা করা শুরু করো। পরের সিনেমায় আমরা পোকার কামড় নিয়ে আলোচনা করব।
=== [[w:bn:মিস্টার বি ন্যাচারাল|মিস্টার বি ন্যাচারাল]] (২০২৩) ===
:'''ম্যাক্স''': উফ মিস্টার বি ন্যাচারাল। বাঁচার কোনো পথ নেই কিঙ্গা! আমরা জানি না সিনেমা কখন শুরু হবে বা কখন শেষ হবে!
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': উমম ঠিক আছে বসো। হয়তো অতটা খারাপ হবে না।
<hr width="50%"/>
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': ফিল প্যাটন আপনি এক মায়াবী পাপিষ্ঠ আমি আপনার বই পড়েছি!
:'''ম্যাক্স''': আমি প্যাটন নামটা খুব পছন্দ করি। কত শক্তিশালী আর... তেজি!
<hr width="50%"/>
:'''মিস্টার বি ন্যাচারাল''': মিস্টার বি ন্যাচারাল আপনার সেবায় হাজির। মিউজিকের আত্মা হলো আমি! মিউজিকের সব আনন্দের উৎস। আমি অনেক অনেক দিন ধরে আছি। আমি আপনার বাবাকে চিনতাম। আপনার দাদিকেও। আর আমি যে আদম আর ইভ-এর সাথে বাগানে ছিলাম না তা নিশ্চিত করে বলতে পারবেন না।
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': ও কি শয়তান?
:'''মিস্টার বি ন্যাচারাল''': কেন আপনারা তো আমায় চেনেন। মিউজিকের আত্মা আপনাদের সবার ভেতরেই আছে। আপনার ভেতরে...
:'''ম্যাক্স''': পিচেস।
:'''মিস্টার বি ন্যাচারাল''': আপনার ভেতরে...
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': হার্ব...
:'''মিস্টার বি ন্যাচারাল''': আপনাদের সবার ভেতরে!
:'''ম্যাক্স (মিস্টার বি ন্যাচারাল হিসেবে)''': যেখানে একসময় আপনার আত্মা ছিল!
<hr width="50%"/>
:'''মিস্টার বি ন্যাচারাল''': আমি সাধারণত এই মিউজিকের সারিতেই ঘুরে বেড়াই কিন্তু যখনই কেউ সাহায্যের জন্য ডাকে আমি সবার সামনে হাজির হই! বিশেষ করে তরুণদের সামনে যাদের আমি ভালো কিছু শেখাতে চাই।
:'''ম্যাক্স''': উহ-ওহ দাঁড়ান একটু...
<hr width="50%"/>
:'''জিনি''': সত্যি বলছি এই রেকর্ডগুলোই সেরা।
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার (জিনি হিসেবে)''': এন.ডব্লিউ.এ. মানে কী?
<hr width="50%"/>
:'''ম্যাক্স''': মিস্টার বি ন্যাচারাল আপনি কোনো স্কুলের এক হাজার ফুটের ভেতরে থাকতে পারেন না!
<hr width="50%"/>
:'''বাজ টার্নার''': মিস্টার বি কী?
:'''মিস্টার বি ন্যাচারাল''': ন্যাচারাল! অবাক হওয়ার কিছু নেই খোকা। তুমি জানো আর না জানো তুমিই আমাকে ডেকেছো। যখনই তুমি ওই মিউজিকটা ছুঁলে নিজেকে ভালো রাখার জন্য তখনই আমি তোমার বার্তা পেয়ে গেছি। তুমি আমাকে জাগিয়ে দিয়েছো!
:'''ম্যাক্স''': ধুর!
:'''বাজ টার্নার''': তার মানে আপনি সারাক্ষণ এই ঘরেই লুকিয়ে ছিলেন আর আমি খেয়ালই করিনি?
:'''মিস্টার বি ন্যাচারাল''': না খোকা আমি ওটা বলতে চাইনি! মানে হলো তুমি তোমার ভেতরের মিউজিককে জাগিয়ে তুলেছো! ওটাই আমি! তোমার মিউজিকের আত্মা! ওটাই আমার নাম খোকা! বি ন্যাচারাল!
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': বিষয়গুলো খুব জটিল।
<hr width="50%"/>
:'''মিস্টার বি ন্যাচারাল''': শোনো আমি আমার এক আট বছরের বন্ধুর কাছে গিয়েছিলাম যে আমাকে সেদিন জাগিয়ে তুলেছিল।
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': অ্যাঁ?
:'''মিস্টার বি ন্যাচারাল''': আমি ওকে ফ্রেঞ্চ হর্ন বাজাতে সাহায্য করেছিলাম। তোমার ওর বাজনা শোনা উচিত ছিল! (হাসছে)
:'''ম্যাক্স''': ওহ সাবধানে থেকো রেজি ওয়াটস।
:'''মিস্টার বি ন্যাচারাল''': কারণ ও ওটা বাজাতে চেয়েছিল। ও আনন্দ পাচ্ছিল। সে কারণেই ওটা ওর কাছে খুব সহজ ছিল! বড় হয়ে ও যখন বুঝবে কাজটা কত কঠিন তখন দেখা যাবে। (হাসছে)
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার (মিস্টার বি ন্যাচারাল হিসেবে)''': হা হা হা তারপর ও মরে যাবে!
:'''মিস্টার বি ন্যাচারাল''': কারণ ও ছোট। ওর কোনো ভয় নেই।
:'''ম্যাক্স (মিস্টার বি ন্যাচারাল হিসেবে)''': ও স্রেফ এক বোকা! হি হি হি হা হা!
<hr width="50%"/>
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': উত্তর কোরিয়ার মিলিটারি মার্চের চেয়ে বেশি আত্মবিশ্বাস আর কিছুতে পাওয়া যায় না।
<hr width="50%"/>
:'''মিস্টার বি ন্যাচারাল''': তোমার কি মিউজিক ভালো লাগে?
:'''বাজ টার্নার''': শুনতে তো বেশ মজাই মনে হচ্ছে আমিও ওর কিছুটা স্বাদ নিতে চাই!
:'''ম্যাক্স (মিস্টার বি ন্যাচারাল হিসেবে)''': হ্যাঁ প্রথমবার ফ্রি-তেই পাওয়া যায় খোকা।
<hr width="50%"/>
:'''সেলসম্যান''': বছরের পর বছর অভিজ্ঞতাই সেরা বাদ্যযন্ত্র তৈরি করে। যদি ওই কারিগর এক সেকেন্ডের জন্য ওই হর্নটা ঘোরানো বন্ধ করে...
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার (সেলসম্যান হিসেবে)''': তবে ও এক ইলেকট্রিক শক খাবে।
<hr width="50%"/>
:'''সেলসম্যান''': সেরা বাদ্যযন্ত্রগুলো সবসময় একই রকম হয়। প্রতিটা ঠিক আগেরটার মতোই।
:'''ম্যাক্স (সেলসম্যান হিসেবে)''': ঠিক শহরতলির ওই সাদা মানুষগুলোর মতো।
<hr width="50%"/>
:'''ম্যাক্স (বাজ হিসেবে)''': আমি রিল বিগ ফিশ ব্যান্ডে যোগ দেব।
<hr width="50%"/>
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার''': হেই ডিজি আমি তোমার কাজিন মার্ভিন বলছি। মার্ভিন গিলেস্পি? তুমি কি সেই নতুন মিউজিকের কথা বলছিলে? এটা শোনো!
<hr width="50%"/>
:'''কিঙ্গা ফরেস্টার এবং ম্যাক্স''': এটা জঘন্য!
=== বেটার ব্রেকফাস্টস ইউ.এস.এ. ===
:'''বর্ণনাকারী''': প্রতিটি টেলিভিশন প্রোগ্রাম একটা টাইটেল দিয়ে শুরু হয়। প্রায়ই ওটা একটা স্ট্যান্ডের ওপর রাখা কার্ড হয়।
:'''এমিলি কনর''': ওরে বাবা! সব গোপন তথ্য এভাবে ফাঁস করবেন না!
:'''বর্ণনাকারী''': ... স্টুডিওতে প্রোগ্রাম শুরুর অনেক আগে থেকেই সব গুছিয়ে রাখা হয় যাতে অনুষ্ঠানটি সুন্দরভাবে চলতে পারে।
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': ওগুলো সব মেটে রঙের যাতে আপনার রঙিন টিভিতে ওগুলো সুন্দর দেখায়।
:'''বর্ণনাকারী''': ... এই শস্যদানার টেবিলে কারণ আমাদের নাস্তার গল্প শুরু হয় শস্যদানা দিয়ে।
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আর শেষ হয় মদ্যপান দিয়ে।
<hr width=50%/>
:'''বর্ণনাকারী''': আজকের দিনের ঝটপট আর গরম নাস্তা এই সব শস্যদানা থেকেই তৈরি হয়।
:'''এমিলি কনর''': মানে ওগুলো ঠিক আছে আর কি...
:'''বর্ণনাকারী''': বার্লি...
:'''টম সার্ভো''': সামান্য।
:'''বর্ণনাকারী''': ভুট্টা...
:'''ক্রো টি. রোবট''': যা আস্ত থাকলেই বেশি ভালো লাগে।
:'''বর্ণনাকারী''': ওটস...
:'''এমিলি কনর''': হল ছাড়া একদমই মূল্যহীন।
:'''বর্ণনাকারী''': চাল...
:'''টম সার্ভো''': কবুতর ফাটানোর যন্ত্র।
:'''বর্ণনাকারী''': আর গম অথবা এগুলোর সংমিশ্রণ।
:'''ক্রো টি. রোবট''': যখন জোয়ার হবে তখন আমায় ডেকো।
:'''বর্ণনাকারী''': ইউএস কৃষি বিভাগ বলছে নাস্তার এই পণ্যগুলো আমাদের উৎপাদিত শস্যের এক গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার।
:'''এমিলি কনর (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আর এতে স্বার্থের কোনো সংঘাত নেই বললেই চলে।
<hr width=50%/>
:'''বর্ণনাকারী''': অনেক ধরনের গম আছে...
:'''ক্রো টি. রোবট''': ভুট্টার গম বার্লির গম চালের গম...
:'''বর্ণনাকারী''': আর ওগুলো অনেক বড় এলাকা জুড়ে চাষ করা হয়।
:'''এমিলি কনর''': বেশি করে গম খেলে আপনার শরীরও অনেক বড় এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়বে।
<hr width=50%/>
:'''বর্ণনাকারী''': শস্যগুলো চ্যাপ্টা করা হয়...
:'''এমিলি কনর''': ভাঁজ করা হয়...
:'''বর্ণনাকারী''': দানা করা হয়...
:'''টম সার্ভো''': প্যাঁচানো হয়...
:'''বর্ণনাকারী''': ফুলিয়ে দেওয়া হয়...
:'''ক্রো টি. রোবট''': ক্ষতবিক্ষত করা হয়...
:'''বর্ণনাকারী''': কুচি কুচি করা হয়...
:'''এমিলি কনর''': অপমান করা হয়...
:'''বর্ণনাকারী''': আর পাকানো হয়।
:'''টম সার্ভো''': আর ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয়!
<hr width=50%/>
:'''বর্ণনাকারী''': পুষ্টিকর এই নাস্তাগুলো সরকারি পুষ্টিবিদদের পরামর্শ অনুযায়ী চারটি প্রধান খাবারের গ্রুপের একটি।
:'''টম সার্ভো''': সরকার আমাকে ব্যাটারি খাওয়া থেকে আটকাতে পারবে না!
<hr width=50%/>
:'''বর্ণনাকারী''': তো এটাই ছিল আমাদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ক প্রোগ্রাম ‘বেটার ব্রেকফাস্টস ইউ.এস.এ.’।
:'''ক্রো টি. রোবট''': যা সাথে সাথেই বাতিল করে দেওয়া হয়েছিল।
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': ব্ল্যাক হিস্ট্রি মান্থ পালিত না হলেও ওরা অন্তত শস্যদানা সম্পর্কে শিখল।
== বিশেষ পর্ব ==
=== মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার আওয়ার হোস্ট সেগমেন্টস ===
==== কেভ ডুয়েলার্স ====
==== গামেরা ====
==== পড পিপল ====
:'''জ্যাক পারকিন্স''': জানেন প্রায়ই মানুষ আমাকে রাস্তায় থামিয়ে জিজ্ঞেস করে “ডিপ ১৩ জগতটা আসলে কেমন?” তো ওসব বকবক না করে আমি স্রেফ একটা পাল্টা প্রশ্ন করি “আপনি কি ‘পড পিপল’ দেখেছেন?” এখন আপনি বলতে পারবেন “হ্যাঁ আমি পড পিপল দেখেছি।” প্লট থেকে শুরু করে সিনেমাটোগ্রাফি আর ওই আজব কুয়াশা আর সিন্থ-রক মিউজিক—সবই আপনি মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার আওয়ারে পাবেন। উপভোগ করুন।
<hr width=50%/>
:'''জ্যাক পারকিন্স''': ‘পড পিপল’ বানানো হয়েছিল বিখ্যাত সিনেমা ‘ই.টি.’ (E.T.) এর পরপরই যা বিশ্বজুড়ে কয়েকশ কোটি টাকা কামিয়েছিল। ‘পড পিপল’ অতটা চলেনি এমনকি ওটা ‘ম্যাক অ্যান্ড মি’ সিনেমার ধারেকাছেও যেতে পারেনি। ওহ যাক গে।
==== টাইম অব দ্য এপস ====
==== ড্যাডি-ও ====
:'''জ্যাক পারকিন্স''': আজকের সিনেমার নাম ‘ড্যাডি-ও’ যা এক আসল রত্ন আর এতে অভিনয় করেছেন গায়ক ডিক কন্টিনো যিনি এখনও লাস ভেগাসে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। সিনেমাটা যত পুরনোই হোক না কেন এটাকে এখনও বেশ মডার্ন মনে হয় যা প্রতিটি ফ্রেমে থাকা যত্নের পরিচয় দেয়। আমার এই বুড়ো কানে নতুন অনেক শব্দই ঠিকমতো ঢোকে না তবে তাতে কিছু যায় আসে না। বাজি ধরছি ক্রো সার্ভো জিপসি আর জোয়েল এই সিনেমার ধকল অনায়াসেই সামলে নেবে। তো সাউন্ড ফুল ভলিউমে দিয়ে দিন আর চলুন এই সিনেমার গুষ্ঠি কিলাই!
<hr width=50%/>
:'''জ্যাক পারকিন্স''': জানেন সেই রঙিন দিনগুলোর জন্য আমার মনে একটা আলাদা টান আছে। ওটা আমাকে সেই পুরনো চামড়ার জ্যাকেট আর স্টাইলিশ চুলের কথা মনে করিয়ে দেয়। আমি আমার সমসাময়িকদের সাথে অনেক মারপিট করেছি। আমিও গর্জন করেছি। উউউউ!
==== দ্য অ্যামেজিং কলোসাল ম্যান ====
==== ফিউজিটিভ এলিয়েন ====
==== ইট কনকার্ড দ্য ওয়ার্ল্ড ====
==== গামেরা বনাম গুইরন ====
==== আর্থ বনাম দ্য স্পাইডার ====
==== ভাইকিং উইমেন বনাম দ্য সি সার্পেন্ট ====
==== ওয়ার অব দ্য কলোসাল বিস্ট ====
==== দ্য আনআর্থলি ====
==== সান্তা ক্লজ কনকার্স দ্য মার্শিয়ানস ====
:'''জ্যাক পারকিন্স''': বড়দিন লক্ষ লক্ষ মানুষকে ডিপ্রেশনে ফেলে দেয় তবে আমি ছুটির দিনে স্কিং করতে পছন্দ করি আর যখনই দেখি আমার শহরের মলে কেউ কাঁধ ঝুঁকিয়ে মন খারাপ করে হাঁটছে তখন আমার ওকে ঝাঁকিয়ে বলতে ইচ্ছা করে “হাল ছাড়বেন না! আপনার কিসের অভাব যে আপনি মন খারাপ করে আছেন?!” ... তবে আমি নিজেকে সামলে নিই।
<hr width=50%/>
:'''জ্যাক পারকিন্স''': আপনারা কি জানেন ‘হুররে ফর সান্তা ক্লজ’ গানটা সিঙ্গেল হিসেবে রিলিজ হয়েছিল? আর ‘সান্তা ক্লজ কনকার্স’ মুভিটা ডেল কমিকস হিসেবেও এসেছিল? ওই চমৎকার স্ট্যান্ড-আপ কমেডিয়ানরা যেমন বলে “আমাকে ওসব আরও দিন!”
==== স্পেস ট্রাভেলার্স ====
==== দ্য জায়ান্ট গিলা মনস্টার ====
==== টিনেজার্স ফ্রম আউটার স্পেস ====
==== হারকিউলিস আনচেইনড ====
==== হারকিউলিস অ্যাগেইনস্ট দ্য মুন মেন ====
==== দ্য ম্যাজিক সোর্ড ====
==== টরমেন্টেড ====
==== দ্য বিটনিকস ====
==== ক্র্যাশ অব মুনস ====
==== অ্যাটাক অব দ্য দ্য আই ক্রিয়েচার্স ====
==== দ্য হিউম্যান ডুপ্লিকেটর্স ====
==== দ্য ডে দ্য আর্থ ফ্রোজ ====
:'''জ্যাক পারকিন্স''': (এক রূপকথার বই হাতে) হ্যালো প্রিয় বন্ধুরা। আমি স্রেফ এক চমৎকার সুইডিশ রূপকথা পড়ছিলাম যা আজব হলেও বিখ্যাত ব্যান্ড অ্যাপ্পা (ABBA)-র ওপর ভিত্তি করে লেখা। হুমম...
<hr width=50%/>
:'''জ্যাক পারকিন্স''': প্রিয় দর্শক মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার আওয়ারে ‘দ্য ডে দ্য আর্থ ফ্রোজ’ এর শেষ অংশে স্বাগতম। আমি শুরু করার জন্য আর তর সইতে পারছি না তবে আগে চলুন দেখে নিই প্রথম পর্বে কী হয়েছিল। সুন্দরী পক্ষীবিদ আনিক্কিকে বিয়ের প্রস্তাব দেয় লেমিনকাইনেন। ইতিমধ্যে পাহাড়ের এক পাজি ডাইনি আনিক্কিকে অপহরণ করে ওর ভাইকে দিয়ে সাম্পো বানানোর চেষ্টা করে যা এক কাঙ্ক্ষিত অথচ অস্পষ্ট পুরস্কার। আনিক্কির ভাই আর লেমিনকাইনেন মেয়েটিকে উদ্ধার করতে ছুটে যায়। আমি আর অপেক্ষা করতে পারছি না সত্যি বলতে ওই আকর্ষণীয় ডাইনিটা আমাকে পাগল করে দিচ্ছে। (হাসছে) ‘দ্য ডে দ্য আর্থ ফ্রোজ’ এর দ্বিতীয় পর্ব শুরু করা যাক। গরররর!
==== মানোস: দ্য হ্যান্ডস অব ফেট ====
:'''জ্যাক পারকিন্স''': (টরগোর গলায়) “মাস্টার সবসময় এখানেই থাকেন।” “মাস্টার এটা পছন্দ করবেন না।” (হাসছে) ভাইরে ওই মাস্টারকে অতিথিশালা ব্যবসা নিয়ে অনেক কিছু শিখতে হবে তাই না? মানে ওটা তো আসলেও এক আজব হোটেল! ভালো কথা ‘মানোস’ হলো স্প্যানিশ শব্দ যার মানে হলো ‘হাত’ তাই আজকের মুভির নাম হলো ‘হাত: হাতের খেলা’। বেশ ধূর্ত তাই না?
<hr width=50%/>
:'''জ্যাক পারকিন্স''': আমার বলতে খারাপ লাগছে কিন্তু এই সিনেমায় এমন একটা জিনিস ছিল যার কোনো মানেই হয় না। ওই বাবাকে দেখে বেশ বুদ্ধিমান মনে হয়েছিল কিন্তু ওহ খোদা ও তো ট্রিপ প্ল্যানিংয়ের এক জঘন্য নমুনা পেশ করল! এক কঠিন শিক্ষা যা আমি পেয়েছি তা হলো আপনাকে প্রতিদিনের প্রতিটা মুহূর্তের প্ল্যান থাকতে হবে আর ভ্রমণের সময় তো ওটা দ্বিগুণ জরুরি! বাজে প্ল্যানিংয়ের কারণে একটা ট্রিপ নষ্ট হয়ে যাওয়া দেখলে আমার শরীরের লোম খাঁড়া হয়ে যায়! তাই যদি পারেন পরের বার আমাদের সাথে যোগ দেবেন তবে দয়া করে সাবধান থাকবেন।
==== সিক্রেট এজেন্ট সুপার ড্রাগন ====
==== দ্য ম্যাজিক ভয়েজ অব সিনবাদ ====
:'''জ্যাক পারকিন্স''': আমি আপনাদের সতর্ক করতে চাই আজকের সিনেমার সিনবাদ সেই চিরচেনা দুর্ধর্ষ কোনো অভিযাত্রী না বরং ওকে দেখতে আমার আংকেল ফিলের মতো যে একটা মদের দোকান চালায়।
<hr width=50%/>
:'''জ্যাক পারকিন্স''': (ভাঁড় সেজে) নমস্কার প্রিয় বন্ধুরা। আমিও আমার একঘেয়ে ঘরোয়া জীবন থেকে বাঁচতে সার্কাসের স্বপ্ন দেখতাম। আজও মেকআপ হাতি আর ওই সব কিছুর গন্ধে আমি নস্টালজিক হয়ে পড়ি... ওহ আমার খুব ইচ্ছা করছে একটা ভাঁড়কে একটা ঘুসি মারতে।
<hr width=50%/>
:'''জ্যাক পারকিন্স''': হেই ওই পসাইডনের পাশে থাকা ক্যাটফিশটা নিয়ে বলি ক্যাটফিশ কি মিঠা পানির প্রাণী না? ভালো কথা যদি ভালো ক্যাটফিশ টোপ খোঁজেন তবে সসেজ আর কয়েকটা জ্যান্ত কেঁচো একসাথে মিশিয়ে নিন। ফলাফল দেখে আপনি আসলেও অবাক হবেন।
==== আই অ্যাকিউজ মাই প্যারেন্টস ====
=== টার্কি ডে '৯১ ===
:'''ক্রো টি. রোবট''': হাই আপনারা দেখছেন টার্কি ডে। টার্কি নিয়ে ১২ নম্বর তথ্য: যদি আপনি টার্কিকে বৃষ্টির ভেতর একা ফেলে রাখেন তবে ওরা ডুবে মরবে। পাপিষ্ঠ গাধার দল।
<hr width=50%/>
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': যাক আপনাকে অন্তত মানুষের বড়দিন নষ্ট করা ছাড়াও অন্য কিছুতে মন দিতে দেখে ভালো লাগছে।
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': উমম হ্যাঁ ঠিক।
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': তা প্যারেড কেমন চলছে? আমি কী কী মিস করলাম?
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': ওহ আপনি ওই জঘন্য শুঁয়োপোকাটা মিস করেছেন যা ওরা প্রতি বছর রঙ করে আর কয়েক হাজার জঘন্য ভাঁড় যাদের এর আগে কোনোদিন দেখেননি।
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': ওই দেখুন আন্ডারডগ বেলুন! ওহ এটা দারুণ! ওটাই আমার প্রিয়! জানেন এখন মনে হচ্ছে আজ আসলেও বড়দিন!
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': হ্যাঁ ঠিক তাই। (রিমোটের বোতাম টিপলে এক বিস্ফোরণ হলো) মরো খোকা মরো!
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': ওরে খোদা আমি এটা বিশ্বাস করতে পারছি না—ওহ এটা কত ভয়ংকর! ওহ ধসে পড়ছে—ওহ এটা ইতিহাসের সবচেয়ে জঘন্য—ওহ অমানবিক কাজ!!! (ফুঁপিয়ে কাঁদছে)
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': টার্কিটাকে অপমান করো ফ্র্যাঙ্ক। ওকে মরতেই হবে যাতে আমরা বাঁচতে পারি।
<hr width=50%/>
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': বাচ্চারা আমি দুঃখিত তবে আমাকে তোমাদের এই বড়দিনের আমেজটা নষ্ট করতে হবে। আমরা ‘ই.টি.’ দেখব না তার বদলে আমরা দেখব এক জঘন্য ডুপ্লিকেট মুভি ‘পড পিপল’।
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': ওহ আসুন না। আমি ভেবেছিলাম ডিনারের পর টিভি অফ থাকবে।
:'''জ্যাক পারকিন্স''': যদি কারো আগ্রহ থাকে তবে আমি ডিলান থমাসের এক চমৎকার বই ‘এ চাইল্ড'স ক্রিসমাস ইন ওয়েলস’ পড়ে শোনাতে পারি।
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': ওহ!
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': আমার মনে হয় না জ্যাক। ওটা টিভির জন্য ভালো কিছু হবে না।
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': ওহ ওটাই তো দরকার ছিল! যদি কারো আগ্রহ থাকে তবে জ্যাক কিচেনে বসে ওনার বই পড়বে। এসো সবাই। (বাকিরা সবাই চলে গেল)
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': যাক অন্তত আপনি আর আমি এটা একসাথে দেখতে পারি। যদি আপনি আপনার পরিবারের সাথে ভাবেন যে আমার শো দেখবেন নাকি ‘ই.টি.’ তবে নিজের মতো করে সব নষ্ট করুন আর পরিবারকে জানিয়ে দিন যে সিনেমার শেষে ই.টি. বাড়ি চলে যায়। এবার সামলে নিন স্পিলবার্গ সাহেব! ভালো কথা আমি অ্যামি আরভিংয়ের সাথে ডেট করছি আর ও খুব হট।
<hr width=50%/>
:'''জ্যাক পারকিন্স''': (মাতাল হয়ে) হ্যালো লিন্ডা এলারবি আপনি যদি শুনে থাকেন তবে আপনাকে একটা কথা বলতে চাই। এটা কি আজব না যে আমি আমার এই দামী চাকরিতে বছরে কয়েক লাখ টাকা কামাচ্ছি আর আপনি ওদিকে কফি বেচে বেড়াচ্ছেন— (ফরেস্টার ওকে ইলেকট্রিক শক দিল) আআআআঘঘঘঘ!
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': হিহি... ও একটু বেশিই খেয়ে ফেলেছে মনে হয়।
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': ফ্র্যাঙ্ক ওকে এখান থেকে বিদায় করো নয়তো আমি করব।
<hr width=50%/>
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': তা এক্সপেরিমেন্ট কেমন হলো?
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': ভালো ফ্র্যাঙ্ক। বেশ ভালো।
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': সবাই আপনাকে খুব মিস করেছে। ডিনারের সময় সবাই আপনার কথা জিজ্ঞেস করছিল।
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': ফ্র্যাঙ্ক আমি এখানেই ছিলাম। আমি বুঝতে পারছি না টানা ২৬ ঘণ্টা টার্কি ডে ম্যারাথন দেখানোর পরও আটলান্টা কেন এখনও পুড়ছে না।
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': (দীর্ঘশ্বাস ফেলে) এটা আমার দেওয়া সেরা ডিনার পার্টি ছিল। এমনকি গত এপ্রিলের ওই হ্যাট পার্টির চেয়েও বড়। হুমম। আপনার কী মনে হয়?
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': ফ্র্যাঙ্ক আমি একজন বিজ্ঞানী। আমার ভাবার সময় নেই।
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': ওহ কেউ মনে হয় খুব টায়ার্ড। কেন আপনি সব গুছিয়ে একটু ঘুমান না স্টিভ?
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': আমি জানি না আমি আসলেও জানি না আমি কী করেছি!
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': দেখুন আপনি ঠিকমতো খাননি। এই নিন আমি আপনার জন্য একটা নাস্তা এনেছি। (একটা আপেল দিল) খাবেন?
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': (আপেলটা ফেলে দিল) আমার নাস্তা খাওয়ার সময় নেই আমি— ফ্র্যাঙ্ক! এই তো পেয়েছি! ‘ড্যাডি-ও’! ইয়েস! ফ্র্যাঙ্ক তুমি এক জিনিয়াস আমি তোমাকে চুমু খেতে পারি— ঠিক আছে! ‘ড্যাডি-ও’!
<hr width=50%/>
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': আসুন বাবা খেয়ে নিন।
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': আমি ব্যর্থ ফ্র্যাঙ্ক। জগত দখল করা কতটাই বা কঠিন হতে পারে? পানির মতো সহজ হওয়ার কথা ছিল তাই না?
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': ওহ আসুন না নিজের ওপর অত কঠোর হবেন না। আপনি স্রেফ আপনার জীবনের সেরা এক্সপেরিমেন্টের ৩০ ঘণ্টার এক ম্যারাথন শেষ করেছেন স্রেফ যে কেউ একাজ করতে পারত না।
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': না ফ্র্যাঙ্ক তুমিই হলে আসল বীর। তুমি এই সুন্দর আয়োজন করেছো জায়গাটা খুব সুন্দর ছিল আপনাকেও খুব সুন্দর লাগছিল আর... আমি বলতে চাই ফ্র্যাঙ্ক আমি আপনাকে আসলেও খুব শ্রদ্ধা করি।
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': ধন্যবাদ স্টিভ। এক বড় মনের মানুষই এমন কথা বলতে পারে।
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': না ফ্র্যাঙ্ক আমি আসলেও বলছি। আপনি এক আসল অনুপ্রেরণা। জানেন আমার এখন মনে হয় এক টুকরো কুমড়োর পাই হলে বেশ হতো।
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': (নার্ভাস হয়ে) উমম ওটা... আমি আমার স্যান্ডউইচে খেয়ে ফেলেছি—একদমই বেঁচে নেই...
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': ওহ কিছু যায় আসে না। ছোট কোনো মাংসের টুকরো হলেও চলবে।
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': (নার্ভাস হয়ে) ... ওটা আমি শেকে দিয়ে দিয়েছি... একদমই নেই... আমি...
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': দৌড়ানো শুরু করো ফ্র্যাঙ্ক।
:'''টিভির ফ্র্যাঙ্ক''': জি স্যার।
=== টার্কি ডে '৯২ ===
:'''জিপসি''': আপনারা দেখছেন টার্কি ডে কমেডি সেন্ট্রালে। জানেন ঘর পরিষ্কার করা শুধু মেয়েদের কাজ না!
=== দ্য ডেড টক ব্যাক/কমেডি সেন্ট্রাল ব্রডকাস্ট'স জম্বি নাইটমেয়ার প্রমো ===
:'''জিপসি''': আমার সহকর্মী ক্রো টি. রোবট টম সার্ভো আর মাইক আমাকে বলেছেন আপনাদের জানাতে যে এই শনিবার রাত সাতটায় কমেডি সেন্ট্রালে আমাদের সিনেমা হবে ‘জম্বি নাইটমেয়ার’। এই শনিবার রাত সাতটায় কমেডি সেন্ট্রালে।
=== টার্কি ডে '৯৫ ===
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': অভিবাদন একদল হতভাগা অপদার্থের দল। আমি ডক্টর ক্লেটন ফরেস্টার আজ বড়দিন আর আমি আবারও খুব জলদি জগত শাসন করতে যাচ্ছি। আপনারা যখন একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কাঁদবেন তখন হয়তো মনে প্রশ্ন জাগবে “কেন এখন? কেন আমি?” কারণ আমার মা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই চলে আসবেন আর আমি চাই ওনার আসার আগেই জগতটা আমার হাতের মুঠোয় থাকুক। (কলিং বেল বাজল) ওহ না! মা! ওনি জলদি চলে এসেছেন! ওহ কী করব আমি?! আমি তো এখনও জগত শাসন করতে পারছি না! (দরজা খুলল)
:'''জ্যাক পারকিন্স''': হ্যালো আর বড়দিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা ডক্টর ক্লেটন ফরেস্টার।
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': পারকিন্স?! তুমি এখানে কী করছো তুমি এক আজব চিমসে যাওয়া বুড়ো—?!
:'''জ্যাক পারকিন্স''': এবার শান্ত হোন ক্লে আমি টিভির নিজের ফ্র্যাঙ্ক এর পক্ষ থেকে এক দাওয়াত নিয়ে এসেছি যা খুব সুন্দর ফন্টে আর চমৎকার কাগজে ছাপা হয়েছে—
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': ওটা আমায় দাও! (দাওয়াতটা কেড়ে নিল) “দয়া করে ডক্টর ক্লেটন ফরেস্টার আর টিভির ফ্র্যাঙ্ক এর সাথে যোগ দিন... বড়দিনের ডিনারে?! **ফ্র্যাঙ্ক!!!!!** (ডুকরে কাঁদতে শুরু করল)
:'''জ্যাক পারকিন্স''': ওহ শান্ত হোন ক্লে খুব মজা হবে। এই দেখুন আমি মেক্সিকান তিন স্তরের চাটনি এনেছি আশা করি সবার জন্য কুলাবে।
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': সবার জন্য? আরও লোক আসবে নাকি??? ওহ পাপিষ্ঠের দল— পারকিন্স আমার মা আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই চলে আসবেন। আমি তো জানিই না কিচেনে কী আছে। হয়তো কয়েক প্যাকেট নুডলস...
:'''জ্যাক পারকিন্স''': ওহ ক্লে ওটা মাদার ফরেস্টারের জন্য একদমই ঠিক হবে না আর বাকি গেস্টদের কথা তো ছেড়েই দিলাম। চলো আমরা এক কাজ করি। আমি এক মস্ত বড় লিস্ট বানিয়েছি আপনি স্রেফ দোকানে গিয়ে ওগুলো নিয়ে আসুন আর আমি এখানকার সব সামলে নিচ্ছি।
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': উমম হ্যাঁ ভালো ভালো। আমি স্রেফ ওই বড় দোকানে যাচ্ছি আর ওগুলো নিয়ে আসছি—ওহ ভালো কথা জ্যাক দয়া করে ওদের সিনেমাটা পাঠিয়ে দেবে কি?
:'''জ্যাক পারকিন্স''': কেন অবশ্যই। (ফরেস্টার চলে গেল) হ্যালো আর আমাদের এই বড়দিনের ম্যারাথনের প্রথম সিনেমায় স্বাগতম। এটা সিনেমার এক জঘন্য নমুনা যা আমি মনে করি অন্যতম এক সেরা—(ফরেস্টার দৌড়ে এল আর ওকে একটা কার্ড ধরিয়ে দিয়ে আবার চলে গেল) ধন্যবাদ। “তোরা সব মগজহীন বাঁদরের দল আমি তোদের আমার সামনে মাথা নত করতে বাধ্য করব। একদিন তোরা সবাই আমার সামনে উলঙ্গ আর অসহায় অবস্থায় কাঁপবি আর আমি তোদের তিলে তিলে শেষ করব। (হাসছে) যাতে আমি তোদের খুব জলদি নিয়ন্ত্রণ করতে পারি সে কারণে এ বছর আমি আমার প্রথম বছরের এক দ্রুত কাজ করা এপিসোড ‘দ্য ক্রলিং হ্যান্ড’ বেছে নিয়েছি— উপভোগ কর।”
<hr width=50%/>
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': (ব্যাগ ভর্তি বাজার নিয়ে এল) পারকিন্স! জ্যাক? ওখানে ওই মাশরুমগুলো ছিল না তাই আমি টিনের ক্যান নিয়ে এসেছি আর আমি তো জানিই না ওই চালগুলো কী তাই আমি স্রেফ প্যাক করা চাল নিয়ে এলাম। (মিস্টার বি ন্যাচারাল হঠাৎ উদয় হলো) আআহ! আপনি কে আর আপনি এখানে কী করছেন আপনার কী চাই?!
:'''মিস্টার বি ন্যাচারাল''': আমি মিস্টার বি ন্যাচারাল আর আমি তোমার আর তোমার ভেতরের মিউজিকের আত্মা! আমি তোমার বাবাকে চিনতাম!
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': আপনার কি টাকা লাগবে?
:'''জ্যাক পারকিন্স''': আহ মিস্টার বি ন্যাচারাল আমি দেখছি আপনি ফ্র্যাঙ্কের দাওয়াত পেয়েছেন!
:'''মিস্টার বি ন্যাচারাল''': আমি মেক্সিকান তিন স্তরের চাটনি নিয়ে এসেছি!
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': ওহ শোনো তোমরা দুজন আমি আসলেও চেষ্টা করছি মার আসার আগে জগত শাসন করতে তাই তোমরা যদি দয়া করে— ওহ স্রেফ এটাকে নিজের বাড়ি মনে করো।
:'''মিস্টার বি ন্যাচারাল''': বাহ ওতে আমার বেশ মজাই লাগবে!
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': ওরে বাবা...
<hr width=50%/>
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': আহ আবারও হ্যালো আমেরিকা আমার ম্যারাথনের তৃতীয় পর্বে স্বাগতম। দিন শেষে আপনারা দেখবেন—আমার মা আসছেন আর আমি ওনাকে কথা দিয়েছি যে আমি জগত শাসন করব! আআহ হা হা হা হা—
:'''জ্যাক পারকিন্স''': ডক্টর ফরেস্টার আমার এই বিশেষ খাবারটা ট্রাই করুন যা মহান এক রাঁধুনী আমাকে শিখিয়েছিলেন যখন আমরা একসাথে ছিলাম আর— (ফরেস্টার ওকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিল)
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': দুর্ভাগ্যবশত আমাকে কিছু আজব গেস্টদেরও সামলাতে হচ্ছে যাদের ফ্র্যাঙ্ক দাওয়াত দিয়ে গিয়েছিল স্বর্গ থেকে আসার সময়। তো যদি আমাদের কপাল ভালো হয় তবে আশা করি আর কোনো অনাহুত গেস্ট আসবে না। (পিচ হঠাৎ উদয় হলো)
:'''পিচ''': হাই! হি হি হি!
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': ওহ চলে যাও এখান থেকে!
:'''পিচ''': ওহ কিন্তু আমি তো মেক্সিকান তিন স্তরের চাটনি এনেছি হি হি হি!
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': ওহ স্রেফ ওটা বিছানার ওপর রাখো আমার অনেক কাজ বাকি—
:'''মিস্টার বি ন্যাচারাল''': (হঠাৎ হাজির হয়ে) হাই! আপনি কি খুশি হতে চান?
:'''জ্যাক পারকিন্স''': আহ মিস্টার বি ন্যাচারাল আপনাকে শয়তান পিচ বেহালজুব আর অনন্ত অন্ধকারের অধিপতির সাথে পরিচয় করিয়ে দিই।
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': চমৎকার! আমি মা আসার আগে জগত শাসন করার চেষ্টা করছি আর আমার বাড়িতে এখন শয়তান এক আজব মানুষ আর এক ডুপ্লিকেট পিটার গ্রেভস ঘুরে বেড়াচ্ছে!
:'''জ্যাক পারকিন্স''': হেই!
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': স্রেফ মজা করছিলাম পারকিন্স।
<hr width=50%/>
:'''জ্যাক পারকিন্স''': জানেন শয়তান আপনার সাথে দেখা করে ভালো লাগল। আপনি কি আমার নাম আন্দাজ করতে পারবেন? (ও আর পিচ দুজনে হাসছে) কিন্তু আমি যা বুঝতে পারছি না...
:'''পিচ''': আমার এই খেলার ধরন! হি হি হি!
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': শোনো তোমরা দুজন ফ্র্যাঙ্ক তোমাদের দাওয়াত দিয়েছে তাতে আমার কিছু যায় আসে না আমার মা আসার আগে আমাকে এই জগত নিয়ন্ত্রণ করতে হবে নয়তো আমাদের সবার কপালে দুঃখ আছে! (কলিং বেল বাজল) ওহ দারুণ এখন আবার কে এল? আবর্জনার স্তূপ কি আরও বাড়বে?! (দরজা খুলল) তা আপনি কে হতে পারেন...
:'''কিটেন উইথ অ্যা হুইপ''': (একটা বক্স হাতে এল) উমম কিটেন উইথ অ্যা হুইপ। আমি এটা আপনার জন্য এনেছি... (কাশল) এটা কোথায় রাখব?
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': ওহ স্রেফ ওটা বাথরুমে রাখুন আর বেশি কিছু করবেন না! আমার মা আসছেন।
:'''কিটেন উইথ অ্যা হুইপ''': হেই আমি তো আর বিপদে পড়িনি! (মিস্টার বি ন্যাচারাল পাশ দিয়ে গেল) যদিও আমি রাজি হতে পারি।
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': ও আসলে একটা ছেলে।
:'''কিটেন উইথ অ্যা হুইপ''': ওহ...
<hr width=50%/>
:'''জ্যাক পারকিন্স''': আমি আপনাকে পছন্দ করি। আপনি খুব মজার।
:'''মিস্টার বি ন্যাচারাল''': হ্যাঁ তো আমি এখন ওই কাজটা করতে যাচ্ছি যা আমি—
:'''জ্যাক পারকিন্স''': মিস্টার বি ন্যাচারাল খোদার কসম আমি বিশ্বাসই করতে পারছি না যে আপনি একটা ছেলে।
:'''মিস্টার বি ন্যাচারাল''': (নার্ভাস হয়ে) হ্যাঁ! আমি পুরোপুরিই এক পুরুষ মানুষ!
:'''জ্যাক পারকিন্স''': তবে তা-ই সই! আমার মনে হয় আমার নিজের ওপর ভরসা রাখা উচিত। স্যার আমাকে আপনাকে একটা চুমু দিতে দিন। (মিস্টার বি ন্যাচারালকে চুমু দিল আর ও ভয়ে থরথর করে কাঁপতে শুরু করল)
<hr width=50%/>
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': বাহ পারকিন্স তো বেশ হট তাই না? তাই তো মা? মা! ওহ আপনি এখানে—
:'''পার্ল''': ফ্র্যাঙ্ক কোথায়?
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': উমম ফ্র্যাঙ্ক এখানে নেই মা।
:'''পার্ল''': এখানে নেই ক্লেটন? বাহ ভালো তো আমি এত দূর থেকে এলাম আর—শোনো... (চুল ঠিক করল) জ্যাককে এর আগে কখনো এত সুন্দর লাগেনি।
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': শুভ বড়দিন মা।
:'''পার্ল''': হ্যাঁ হ্যাঁ ঠিক আছে।
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': উমম আপনি একদম সঠিক সময়ে এসেছেন আমি এখনই পুরো জগত দখল করতে যাচ্ছি মা।
:'''পার্ল''': ওটা বেশ ভালো খোকা। তা ওই লাল পা ওয়ালা লোকটা কে? ওই যে ওখানে দাঁড়িয়ে আছে ওটাই তো সে! (ফরেস্টারকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিল)
<hr width=50%/>
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': আহ আপনারা এখানে। শোনো তোমাদের এখন চটপটে হতে হবে। আমার মা এখানে আর আমি ওনাকে কথা দিয়েছি যে খাবার পরিবেশন করার আগেই আমি জগত শাসন করব। তো উমম... আমায় সাহায্য করো নয়তো আমি তোমাদের শেষ করে দেব।
:'''মাইক নেলসন''': আমরা... ওটা নিয়ে ভাবছি। হেই মনে হচ্ছে আপনার ওখানে বেশ জমজমাট পার্টি চলছে।
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': হ্যাঁ ওটা ফ্র্যাঙ্কের কাজ। ও গত এপ্রিলে ওদের দাওয়াত দিয়েছিল। মরে যাওয়ার পরেও ও আমাকে জ্বালাতে ছাড়ছে না।
:'''পার্ল''': তা ওটা কী ‘স্টার ট্রেক: ভয়েজার’ নাকি অন্য কিছু?
:'''ডক্টর ফরেস্টার''': ওহ না না মা এটা আমার এক্সপেরিমেন্ট। আপনার মনে আছে যখন আমি একটা—
:'''পার্ল''': আর্ট? ওটা কি তুমি?
:'''ক্রো টি. রোবট''': কেন পার্ল আপনাকে দেখে কত ভালো লাগল!
:'''পার্ল''': ওহ আর্ট তুমি এক পাজি লোক কত দিন পর দেখা হলো।
:'''ক্রো টি. রোবট''': আহ আপনাকে খুব সুন্দরী লাগছে পার্ল। দশ বছরের পুরনো ক্ষতগুলো ঘষামাজা করার পর থেকে আপনাকে আরও দশ বছর কচি লাগছে!
:'''পার্ল''': ওহ তুমি এক মায়াবী লোক! তো তুমি আমার ছেলের সাথে কাজ করো।
:'''ক্রো টি. রোবট''': হ্যাঁ। মূলত আমিই সব চালাই। (সার্ভো কাশল) ওহ আর এই লোকগুলো আমার আন্ডারে কাজ করে।
=== এমএসটি৩কে লিটল গোল্ড স্ট্যাচু প্রিভিউ স্পেশাল ===
:'''ফরেস্টের মা''': জীবন হলো এক বক্স চকোলেটের মতো ফরেস্ট! তুমি কোনোদিন জানবে না তুমি কী পেতে যাচ্ছো!
:---
:'''টম সার্ভো''': (বিদ্রূপ করে) ওহ “জীবন হলো এক বক্স চকোলেটের মতো”? আমার কাছে এর চেয়েও ভালো একটা উদাহরণ আছে! “জীবন হলো এক **ফালতু স্যান্ডউইচের** মতো! যত বেশি পাউরুটি থাকবে আপনাকে তত কম নোংরা সহ্য করতে হবে!” ছিঃ!
=== এমএসটি৩কে ১ম বার্ষিক সামার ব্লকবাস্টার রিভিউ ===
'''ক্রো টি. রোবট''': মাইক চিৎকার করা আর এই মানুষ মারা বন্ধ করো তুমি আমার ঘুম ভাঙিয়ে দিয়েছো।
==== দ্য ফিফথ এলিমেন্ট ====
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ পঞ্চম মৌল! মনে হয় এটা বোরন নিয়ে কোনো সিনেমা?
:'''টম সার্ভো''': ওহ আমি জানি না আমি স্রেফ মাঝেমধ্যে ওই চার্টটার দিকে তাকাই! হি হি!
==== দ্য লস্ট ওয়ার্ল্ড: জুরাসিক পার্ক ====
:'''মাইক নেলসন''': তা এই সিনেমার কাহিনী কী?
:'''ক্রো টি. রোবট''': মাইক আসল কাহিনী হলো স্টিভেন স্পিলবার্গের সেই বিখ্যাত “মানুষের তাকিয়ে থাকার দৃশ্য”। চলো দেখি।
:'''টম সার্ভো''': (উত্তেজিত হয়ে) ওহ আমি অবশ্যই দেখব!
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': পিট পোস্টলথওয়েট স্রেফ হাফপ্যান্ট পরে আছে? এই মুভিটা নির্ঘাত মহিলাদের জন্য!
=== এমএসটি৩কে ২য় বার্ষিক সামার ব্লকবাস্টার রিভিউ ===
:'''ক্রো টি. রোবট''': আমাদের প্রথম মুভিটি একটি টিভি শো-র ওপর ভিত্তি করে বানানো যা আসলেও এক হাস্যকর আইডিয়া।
==== এক্স-ফাইলস: ফাইট দ্য ফিউচার ====
:'''মাইক নেলসন''': এই দেখুন এজেন্ট মুল্ডার এক ঘাস বিছানো লোকের পিছু নিয়েছেন!
:'''মুল্ডার''': এক ইঞ্চি নিচের মাটি একদম শুকনো। এটা মাত্রই বিছানো হয়েছে।
:'''ক্রো টি. রোবট (মুল্ডার হিসেবে)''': …ঠিক আমার মতো।
<hr width="50%"/>
:'''বাচ্চা''': আপনারা মোটেও এফবিআই এজেন্ট নন!
:'''মুল্ডার''': তুমি জানলে কীভাবে?
:'''বাচ্চা''': কারণ আপনাদের দেখতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মাল বেচা হকারদের মতো লাগছে।
:'''টম সার্ভো (মুল্ডার হিসেবে)''': হ্যাঁ আর তোমাকে দেখতে এক অসুস্থ কার্টুন চরিত্রের মতো লাগছে।
<hr width="50%"/>
:'''মুল্ডার''': ওরাই কি তোমাদের এই সাইকেলগুলো দিয়েছিল?
:'''ক্রো টি. রোবট''': না ওটা ছিল সাইকেল-উপহার-দেওয়া-লোক।
==== এভার আফটার ====
:'''ব্যারোনেস ডি ঘেন্ট''': আমাদের নিজেদের জন্য মন খারাপ করলে চলবে না! পরিস্থিতি যত খারাপই হোক ওটা আরও খারাপ হতে পারে!
:'''ক্রো টি. রোবট''': প্রথম লুথেরান ধর্মাবলম্বী!
: . . .
:'''ব্যারোনেস ডি ঘেন্ট''': তোমার বৈশিষ্ট্যগুলো খুব... পুরুষালি।
:'''মাইক নেলসন (ডি ঘেন্ট হিসেবে)''': তোমাকে দেখতে প্যাট সামারালের মতো লাগছে।
: . . .
:'''ব্যারোনেস ডি ঘেন্ট''': অবাক হওয়ার কিছু নেই যে তুমি কঠিন পরিশ্রমের জন্য উপযুক্ত।
:'''ক্রো টি. রোবট (ডি ঘেন্ট হিসেবে)''': তুমি পল প্রুডমিনের মতো বাচ্চার জন্ম দেবে।
<hr width="50%"/>
:'''মাইক নেলসন (ড্যানিয়েল হিসেবে)''': আমি আমার নেশার জিনিসের ওপর হাঁচি দিয়ে ফেলেছি।
==== হ্যালোইন: এইচ টু ও (H2O) ====
:'''ক্রো টি. রোবট''': এমএসটি৩কে ব্লকবাস্টার রিভিউতে স্বাগতম যেখানে আমরা সেই সব মুভি নিয়ে কথা বলব যা গত বছরের হাইওয়ে বিলের কল্যাণে আমাদের দেখতেই হবে।
:'''টম সার্ভো''': উমম-হুম।
:'''মাইক নেলসন''': আমাদের পরের সিনেমা হলো জেমি লি কার্টিসের থ্রিলার ‘হ্যালোইন ওয়াটার’ যা আমার মনে হয় কুমড়োর ফ্লেভার দেওয়া কোনো কোল্ড ড্রিঙ্কস নিয়ে হবে।
==== দ্য ট্রুম্যান শো ====
:'''ট্রুম্যান''': তুমি কি চাও—
:'''মাইক নেলসন (লরেন হিসেবে)''': না।
:'''ট্রুম্যান''': হয়তো কোনোভাবে—
:'''মাইক নেলসন (লরেন হিসেবে)''': না!
:'''ট্রুম্যান''': কোনো এক সময়—
:'''মাইক নেলসন (লরেন হিসেবে)''': না!
:'''ট্রুম্যান''': পিৎজা খেতে যাবে... এই শুক্রবার?
:'''মাইক নেলসন (লরেন হিসেবে)''': উমম না!
:'''লরেন''': হ্যাঁ... আমি পারব না।
:'''ট্রুম্যান''': শনিবার?
:'''লরেন''': পারব না।
:'''ট্রুম্যান''': রবিবার-সোমবার-মঙ্গলবার?
:---
:'''টম সার্ভো (লরেন হিসেবে)''': না! শেষের ডব্লিউ অক্ষরটা সাইলেন্ট।
==== সেভিং প্রাইভেট রায়ান ====
:'''কর্পোরাল আপহ্যাম''': আসলে আমি এর আগে—ট্রেনিং পিরিয়ড ছাড়া কোনোদিন অস্ত্র হাতে ধরিনি স্যার।
:'''ক্যাপ্টেন মিলার''': তুমি কি ট্রেনিংয়ে গুলি চালিয়েছিলে?
:'''কর্পোরাল আপহ্যাম''': জি স্যার।
:'''মাইক নেলসন (আপহ্যাম হিসেবে)''': কিন্তু আমি আমার সার্জেন্টকে গুলি করেছিলাম।
==== গডজিলা (১৯৯৮) ====
:'''ক্রো টি. রোাবট''': উমম বন্ধুরা? আমরা আপনাদের এই গরমের এক জঘন্য সিনেমার ক্লিপ দেখাতে চেয়েছিলাম কিন্তু আমরা মামলার মুখে পড়ব। হ্যাঁ স্রেফ ওই জি-ড-জ-লা নামটা নিলেই আমাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়ে যাবে। তাই আমি নিজের এক অতিকায় টিকটিকির সিনেমা বানিয়েছি যা ওই ফালতু সিনেমার বিকল্প হতে পারে। উপভোগ করুন। করবেন কি?
:---
:'''ক্রো টি. রোবট''': এই তো! আর এটা একদম ম্যাথু ব্রডরিক মুক্ত! ওহ আর মাইক এটা দেখার জন্য ২৫ পয়সা দিয়েছে তাই এটা অলরেডি ওই ফালতু সিনেমার চেয়ে বেশি লাভ করে ফেলেছে।
=== এমএসটি৩কে অ্যাকাডেমি অব রোবটস চয়েস অ্যাওয়ার্ডস প্রিভিউ স্পেশাল ===
==== অ্যাজ গুড অ্যাজ ইট গেটস ====
:'''মেলভিন''': ওয়েট্রেস ক্যারল আর সাইমন— (সাউন্ড বন্ধ হয়ে গেল)
:'''টম সার্ভো''': অ্যাঁ? ওরা কেন “টক স্যুপের প্রাক্তন হোস্ট” কথাটাকে সেন্সর করল ভাই?
==== গুড উইল হান্টিং ====
:'''শন''': কারণ জানো কী? আমি তোমার কাছ থেকে এমন কিছুই শিখতে পারব না যা কোনো এক— (সাউন্ড বন্ধ) বইয়ে লেখা নেই!
:'''ক্রো টি. রোবট''': ওহ! আমি ওরকম কয়েকটা— (সাউন্ড বন্ধ) বই পড়েছি!
=== অ্যাসাইনমেন্ট: ভেনেজুয়েলা (শর্ট) ===
::''নোট: এই শর্ট ফিল্মটি কোনোদিন টিভিতে প্রচার হয়নি তবে এটি ডিভিডিতে পাওয়া যায়।''
:'''মাইক নেলসন:''' আমি শুক্রবার সকালের মধ্যে ভেনেজুয়েলাকে আমার ডেস্কে চাই!
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': ওই ভ্রমণে প্রথম যে জিনিসটা আমায় অবাক করেছিল তা হলো—
:---
:'''মাইক নেলসন (জিম হিসেবে)''': আমাকে এক টাইম পোর্টালের ভেতর দিয়ে টেনে নেওয়া হয়েছিল।
: . . .
:---
:'''বর্ণনাকারী''': যখন আমরা এক বিশাল স্টোরের পাশ দিয়ে গেলাম তখন আমার মনেই হলো না যে আমি দেশের বাইরে আছি।
:'''টম সার্ভো''': আহ-হা! কারণ আমাদের ওখানেও ওটাকে স্রেফ ‘বিরাট সেল’ বলে ডাকা হয়!
:'''বর্ণনাকারী''': আরেকটা চেনা দৃশ্য ছিল আমেরিকান গাড়িতে ঠাসা এক পুরনো গাড়ির বাজার।
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আমি স্রেফ ঘরের আমেজ পাওয়ার জন্য একটা গাড়ির ওপর ঝুকে পড়লাম!
<hr width="50%"/>
:'''জিম''': লেক মারাকাইবো এখান থেকে খুব সরু মনে হচ্ছে। কিন্তু এক পর্যায়ে এটা ৬০ মাইল চওড়া আর ১২০ মাইল লম্বা।
:'''টম সার্ভো (জিম হিসেবে)''': ওটাকে সরু ভেবে আমি নিজেকে আস্ত এক গাধা মনে করছিলাম।
:'''ক্রো টি. রোবট (জিম হিসেবে)''': আমি এই সুযোগে দেশের সব জলাশয় নিয়ে আমার মতামত আবার নতুন করে ভেবেছি।
:. . .
:---
:'''মাইক নেলসন (জিম হিসেবে)''': আমি স্রেফ হোটেলের বিছানায় শুয়ে কাঁদতে চেয়েছিলাম।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': অবশ্যই এটা এক ভিন্ন দেশ আর আমি এখানে বিদেশি। কিন্তু ভেনেজুয়েলার মানুষরা অলরেডি আমাকে আপন করে নিয়েছে। এখন আমাকে স্রেফ ভাষার সমস্যাটা মেটাতে হবে।
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': … আর এখানে থাকা এসকোবারকেও।
<hr width="50%"/>
:'''ক্রো টি. রোবট (বউ হিসেবে)''': আমি জানি আমার অভিযোগ করা উচিত না কিন্তু ও কোনোদিন বাড়িতে থাকে না। ওর আরেকটা বউ আছে যার নাম হলো ‘পেট্রোলিয়াম’!
<hr width="50%"/>
:'''টম সার্ভো (বউ হিসেবে)''': দিনে মাত্র এক ঘণ্টা পানি আসে। আমি হলে ওটা ভালো করে ফুটিয়ে নিতাম।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': এই প্রজেক্টের উদ্দেশ্য হলো মানুষকে স্বাবলম্বী করা যাতে সবকিছুর জন্য কোম্পানির দিকে তাকিয়ে থাকতে না হয়।
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': এটাকে বলে ভেনেজুয়েলালিজেশন।
<hr width="50%"/>
:'''বর্ণনাকারী''': আমি কারাকাসের কিছু ঐতিহাসিক জায়গাও দেখেছি যেমন প্লাজা বলিভার সেই পুরনো স্প্যানিশ চত্বর আর সেই মহান মুক্তিদাতার মূর্তি যিনি দক্ষিণ আমেরিকার ছয়টি দেশকে স্বাধীন করেছিলেন।
:'''মাইক নেলসন (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আমার মনে হয় ওটা জরো বা ওমন কেউ ছিল।
=== এমএসটি৩কে লাইভ সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং রিফ-অ্যালং স্পেশাল (২০২০) ===
==== মুন জিরো টু ====
==== সার্কাস ডে (শর্ট) ====
:'''ভাঁড়''': ভাঁড়দের গলিতে স্বাগতম...
:'''জিপসি ২ (ভাঁড় হিসেবে)''': তোমার মানিব্যাগটা দাও!
:'''ভাঁড়''': এখানেই আমি বড় শোর জন্য তৈরি হই।
:'''টম সার্ভো (ভাঁড় হিসেবে)''': আমি তোমার দুঃস্বপ্নগুলোকেও ওই বড় শো-ই ডাকি।
=== টার্কি ডে ২০২০ ===
==== সুপারমার্কেটের নেপথ্যে (শর্ট) ====
:'''টম সার্ভো''': সুপারমার্কেটের নেপথ্যে: সেই গল্প যা ওরা আমাদের জানাতে চায়নি।
<hr width=50%/>
:'''বর্ণনাকারী''': আমি এই সুপারমার্কেটের ম্যানেজার...
:'''ক্রো টি. রোবট (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আর এই শহরের একমাত্র গোরখোদক।
:'''বর্ণনাকারী''': ... আর এই হলো আমার ছেলে জনি।
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আজ ওর জন্মদিন আর ও মিষ্টির দোকানে দুই ঘণ্টা সময় কাটানোর সুযোগ পেয়েছে।
<hr width=50%/>
:'''বর্ণনাকারী''': একটা সুপারমার্কেট হলো অনেকগুলো ছোট বাজারের সংমিশ্রণ যা এক ছাদের নিচে থাকে। প্রতিটা সেকশনে আলাদা আলাদা খাবার পাওয়া যায়।
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': যার ফলে ছোট ছোট ফ্যামিলি বিজনেসগুলো লাটে ওঠে আর এভাবেই পুঁজিবাদ ধ্বংসের দিকে এগিয়ে চলে।
<hr width=50%/>
:'''এমিলি কনর (ম্যানেজার হিসেবে)''': ওটাই সূর্য জনি। ও আমাদের বন্ধু। ও জম্বিদের দূরে রাখে।
<hr width=50%/>
:'''এমিলি কনর (জনি হিসেবে)''': বাবা এটা আমাদের বোনকে খুঁজতে কীভাবে সাহায্য করবে?
:'''টম সার্ভো''': ওহ কত দুঃখের...
<hr width=50%/>
:'''টম সার্ভো''': হুমম আমি দেখছি এখানে বিফ স্টু আছে আর অনেক ফালতু সিনেমার ডিভিডিও আছে! সব আছে এখানে!
<hr width=50%/>
:'''এমিলি কনর (জনি হিসেবে)''': বাবা এটা কি আইনি কাজ?
:'''টম সার্ভো (ম্যানেজার হিসেবে)''': ভেতরে এসো জনি। আমার এক ভালো বন্ধু ডেভিড লিঞ্চের সাথে তোমার পরিচয় করিয়ে দিই।
<hr width=50%/>
:'''বর্ণনাকারী''': এই রুমে মাংসগুলো বিক্রির জন্য তৈরি করা হয়। যেহেতু খাবার পরিষ্কার রাখা খুব জরুরি তাই প্যাকেটগুলো সাবধানে মোড়ানো হয়। ওগুলোর ওপর পলিথিন দেওয়া হয় আর তারপর গরম ইস্ত্রি দিয়ে সিল করা হয়।
:'''এমিলি কনর (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আর এক স্লাইস তাজা পনিরও দেওয়া হয়।
:'''ক্রো টি. রোবট''': জানেন এভাবেই দামী আইসক্রিম পার্লারগুলো শুরু হয়েছিল। ওরা স্রেফ উল্টো কাজটা করত।
:'''বর্ণনাকারী''': প্রতিটা প্যাকেট ওজন করা হয় আর দাম লিখে লেবেল লাগানো হয়।
:'''টম সার্ভো''': (কসাই হিসেবে লিখছে) “বাঁচাও! আমাকে এই মার্কেটে বন্দি করে রাখা হয়েছে।”
<hr width=50%/>
:'''বর্ণনাকারী''': ইতিমধ্যে আমি কালকের সেলের জন্য কিছু সাইন চেক করছি।
:'''ক্রো টি. রোবট (ম্যানেজার হিসেবে)''': আমার ছেলেকে কি দেখেছো?
:'''বর্ণনাকারী''': আমি সাইন মেকারকে বলি যে কত দাম লেখা হবে। সাইনগুলো মেলার জানালার কাচে লাগানো হবে।
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': আমি ওই রাসায়নিকের গন্ধ নেওয়ার জন্য আরেকটু সময় দাঁড়ালাম।
<hr width=50%/>
:'''বর্ণনাকারী''': ইনি আমার সেক্রেটারি...
:'''ক্রো টি. রোবট (জনি হিসেবে)''': **মা???**
<hr width=50%/>
:'''বর্ণনাকারী''': জনি তুমি কি বাজারটা উদ্বোধন করতে চাও? স্রেফ এই বাটনটা টেপো...
:---
:'''টম সার্ভো (বর্ণনাকারী হিসেবে)''': ...আর মৌমাছিগুলো সব ছেড়ে দেওয়া হবে! (অশুভ হাসি)
<hr width=50%/>
:'''ক্রো টি. রোবট''': এই সব কাজ আসলে নীরব রোবটরা করে।
:'''এমিলি কনর''': হুমম কতই না ভালো হতো।
:'''ক্রো এবং সার্ভো''': হেই!
<hr width=50%/>
:'''বর্ণনাকারী''': জনি আর ওর মা ওদের শপিং শেষ করে বিল মিটিয়ে দিয়েছে। আজ জনি শিখল যে একটা সুপারমার্কেটের আড়ালে অনেক কিছুই ঘটে।
:'''ক্রো টি. রোবট''': বন্ধুরা আমি তর সইতে পারছি না পরের পর্বের জন্য যেখানে এক বড় কোম্পানি ওদের কিনে নেবে।
:'''এমিলি কনর''': ওরে বাবা... কুমড়োর ফ্লেভার।
== প্রধান অভিনেতা ==
* [[w:bn:জোয়েল হজসন|জোয়েল হজসন]] — [[w:bn:জোয়েল রবিনসন|জোয়েল রবিনসন]] (১৯৮৯–১৯৯৩) (১৯৯৯) (২০২২)/জোয়েল হজসন (১৯৮৮)
* [[w:bn:জে. এলভিস ওয়াইনস্টিন|জশ ওয়াইনস্টিন]] — [[w:bn:টম সার্ভো|টম সার্ভো]]/[[w:bn:ডক্টর লরেন্স এরহার্ড|ডক্টর লরেন্স এরহার্ড]] (১৯৮৮–১৯৮৯)/[[w:bn:জিপসি|জিপসি]] (১৯৮৮)
* [[w:bn:ট্রেস বিউলিউ|ট্রেস বিউলিউ]] — [[w:bn:ক্রো টি. রোবট|ক্রো টি. রোবট]]/[[w:bn:ডক্টর ক্লেটন ফরেস্টার|ডক্টর ক্লেটন ফরেস্টার]] (১৯৮৮–১৯৯৬, ২০১৪)
* [[w:bn:কেভিন ওয়্যাগনার মারফি|কেভিন মারফি]] — টম সার্ভো (১৯৯০–১৯৯৯)/[[w:bn:প্রফেসর বোবো|প্রফেসর বোবো]] (১৯৯৭–১৯৯৯)/[[w:bn:ক্যামবট|ক্যামবট]] (১৯৮৮)
* [[w:bn:জিম ম্যালন|জিম ম্যালন]] — জিপসি (১৯৮৯–১৯৯৭)
* [[w:bn:ফ্র্যাঙ্ক কনিফ|ফ্র্যাঙ্ক কনিফ]] — [[w:bn:টিভির ফ্র্যাঙ্ক|টিভির ফ্র্যাঙ্ক]] (১৯৯০–১৯৯৫)
* [[w:bn:মাইকেল জে. নেলসন|মাইকেল জে. নেলসন]] — [[w:bn:মাইক নেলসন|মাইক নেলসন]] (১৯৯৩–১৯৯৯)/[[w:bn:জ্যাক পারকিন্স|জ্যাক পারকিন্স]] (অনিয়মিত)
* [[w:bn:মেরি জো পেল|মেরি জো পেল]] — [[w:bn:পার্ল ফরেস্টার|পার্ল ফরেস্টার]] (১৯৯৪) (১৯৯৬–১৯৯৯)/[[w:bn:ম্যাজিক ভয়েস|ম্যাজিক ভয়েস]] (১৯৯২–১৯৯৪)
* [[w:bn:বিল করবেট|বিল করবেট]] — ক্রো টি. রোবট/অবজারভার (১৯৯৭–১৯৯৯)
* [[w:bn:প্যাট্রিক ব্রান্টসেগ|প্যাট্রিক ব্রান্টসেগ]] — জিপসি (১৯৯৭–১৯৯৯)
* [[w:bn:জোনা রে|জোনা রে]] — [[w:bn:জোনা হজসন|জোনা হজসন]] (২০১৭–২০১৮)
* [[w:bn:ব্যারন ভন|ব্যারন ভন]] — টম সার্ভো (২০১৭–২০১৮)
* [[w:bn:হ্যাম্পটন ইয়াউন্ট|হ্যাম্পটন ইয়াউন্ট]] — ক্রো টি. রোবট (২০১৭–২০১৮)
* [[w:bn:ফেলিশিয়া ডে|ফেলিশিয়া ডে]] — কিঙ্গা ফরেস্টার (২০১৭–২০১৮)
* [[w:bn:প্যাটন ওসওয়াল্ড|প্যাটন ওসওয়াল্ড]] — ম্যাক্স (২০১৭–২০১৮)
* রেবেকা হ্যানসন – জিপসি/সিন্থিয়া ফরেস্টার (২০১৭–২০২২)
* এমিলি মার্শ — এমিলি কনর (২০২২)
* কেলসি অ্যান ব্র্যাডি — [[w:bn:ক্রো টি. রোবট|ক্রো টি. রোবট]] (২০২২)
== বিশেষ অতিথি ==
* [[w:bn:লিওনার্ড মাল্টিন|লিওনার্ড মাল্টিন]] - নিজে (১৯৯৮)
* [[w:bn:নীল প্যাট্রিক হ্যারিস|নীল প্যাট্রিক হ্যারিস]] – নেভিল লেরয় (২০১৭)
* [[w:bn:জেরি সিনফেল্ড|জেরি সিনফেল্ড]] - ফ্রিক মাস্টারস্ট্রোক (২০১৭)
* [[w:bn:মার্ক হ্যামিল|মার্ক হ্যামিল]] - পি.টি. মাইন্ডস্ল্যাপ (২০১৭)
== আরও দেখুন ==
* [[w:bn:টেলিভিশন অনুষ্ঠান|টেলিভিশন অনুষ্ঠান]]
== বাহ্যিক লিঙ্ক ==
{{wikipedia}}
{{wikipedia|List of Mystery Science Theater 3000 episodes}}
* {{imdb title|0094517|Mystery Science Theater 3000}}
* {{imdb title|0117128|Mystery Science Theater 3000: The Movie}}
* [http://www.mst3kinfo.com/index.html দ্য স্যাটেলাইট নিউজ]: অফিশিয়াল ফ্যান সাইট
* [http://forrestcrow.proboards47.com এমএসটি৩কে ডিসকাশন বোর্ড]: ফ্যান ফোরাম
[[বিষয়শ্রেণী:বাতিলকৃত টেলিভিশন অনুষ্ঠান]]
[[বিষয়শ্রেণী:কমেডি সেন্ট্রালের অনুষ্ঠান]]
[[বিষয়শ্রেণী:সাইফাই চ্যানেলের অনুষ্ঠান]]
[[বিষয়শ্রেণী:ডিভিডিতে প্রকাশিত টেলিভিশন ধারাবাহিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:আমেরিকান কমিক বিজ্ঞান কল্পকাহিনি টেলিভিশন অনুষ্ঠান]]
[[বিষয়শ্রেণী:পাপেট্রি ব্যবহৃত আমেরিকান টেলিভিশন অনুষ্ঠান]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাতিলের পর পুনরায় শুরু হওয়া টেলিভিশন অনুষ্ঠান]]
[[বিষয়শ্রেণী:নেটফ্লিক্সের অনুষ্ঠান]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৯০-এর দশকের আমেরিকান কমেডি টেলিভিশন অনুষ্ঠান]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৮০-এর দশকের আমেরিকান কমেডি টেলিভিশন অনুষ্ঠান]]
fwqqs5beww9rfawyf53lmk2bbgv8zwj
ব্যবহারকারী:ARI/ImportToolDrafts.json
2
11880
73824
73382
2026-04-05T12:53:56Z
ARI
356
Updating ImportTool drafts
73824
json
application/json
{}
mbqvfsr1gawa9eid5wppvmaes442iwf
জন মেইনার্ড কেইনস
0
11909
74034
73392
2026-04-06T07:00:35Z
Anaf Ibn Shahibul
4193
/* উক্তি */ সংশোধন
74034
wikitext
text/x-wiki
[[File:Lopokova and Keynes 1920s cropped.jpg|thumb|right|মানসিক মুক্তির জন্য মতামতের ইতিহাস অধ্যয়ন একটি প্রয়োজনীয় প্রাথমিক পদক্ষেপ।]]
'''[[w:bn:জন মেনার্ড কেইনস|জন মেনার্ড কেইনস, ফার্স্ট ব্যারন কেইনস অফ টিলটন]]''' ([[৫ জুন]] [[১৮৮৩]] – [[২১ এপ্রিল]] [[১৯৪৬]]) ছিলেন একজন ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ। তাঁর তত্ত্বসমূহ, যা [[w:bn:কেইনসীয় অর্থনীতি|কেইনসীয় অর্থনীতি]] নামে পরিচিত, আধুনিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক তত্ত্ব এবং অনেক দেশের সরকারের রাজস্ব নীতির ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছে।
== উক্তি ==
=== ১৯১০-এর দশক ===
[[File:Duncan Grant with John Maynard Keynes.jpg|thumb|right|আমি এমন একটি সরকারের হয়ে কাজ করছি যাকে আমি ঘৃণা করি, আর এমন সব উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করছি যা আমার কাছে অপরাধ বলে মনে হয়।]]
* আমি এমন একটি সরকারের হয়ে কাজ করছি যাকে আমি ঘৃণা করি, আর এমন সব উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করছি যা আমার কাছে অপরাধ বলে মনে হয়।
** [[w:bn:ডানকান গ্র্যান্ট|ডানকান গ্র্যান্ট]]-এর কাছে লেখা চিঠি (১৫ ডিসেম্বর ১৯১৭)
==== ''দ্য ইকোনমিক কনসিকুয়েন্স অফ দ্য পিস'' (১৯১৯) ====
[[File:Keynes 1933.jpg|thumb|সম্ভবত এমন একদিন আসবে যখন শেষ পর্যন্ত সবার জন্য পর্যাপ্ত সম্পদ থাকবে এবং বংশধররা আমাদের পরিশ্রমের ফল ভোগ করতে পারবে।]]
[[File:Broken-chains.png|thumb|right|মানুষ চিরকাল নীরবে মৃত্যুবরণ করবে না।]]
* পারিপার্শ্বিক অবস্থার সাথে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা মানবজাতির অন্যতম প্রধান একটি বৈশিষ্ট্য।
** প্রথম অধ্যায়, পৃষ্ঠা ৩
* ইতিহাসের বড় বড় ঘটনাগুলো প্রায়শই জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং অন্যান্য মৌলিক অর্থনৈতিক পরিবর্তনের কারণে ঘটে। সমসাময়িক পর্যবেক্ষকদের নজর এড়িয়ে গেলেও তারা এসবের জন্য রাষ্ট্রনায়কদের বোকামি বা নাস্তিকদের ধর্মান্ধতাকে দায়ী করে থাকেন।
** দ্বিতীয় অধ্যায়, পরিচ্ছেদ ১, পৃষ্ঠা ১৪-১৫
* সঞ্চয় করার প্রবৃত্তিটি যেন দশ ভাগের নয় ভাগ পুণ্যের কাজে পরিণত হয়েছে, আর অর্থনীতির পরিধি বাড়ানোই হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রকৃত ধর্মের মূল লক্ষ্য।
** দ্বিতীয় অধ্যায়, পরিচ্ছেদ ৩, পৃষ্ঠা ২০
* আমি কেবল এটিই তুলে ধরতে চাই যে, অসমতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা সম্পদ পুঞ্জীভবনের নীতিটি যুদ্ধপূর্ব সমাজের শৃঙ্খলা ও অগ্রগতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। ... যুদ্ধ সবার কাছে ভোগবিলাসের সম্ভাবনা এবং অনেকের কাছেই ত্যাগের অসারতাকে উন্মোচন করে দিয়েছে।
** দ্বিতীয় অধ্যায়, পরিচ্ছেদ ৩
* তাঁর একটিমাত্র মোহ ছিল—ফ্রান্স; আর একটিমাত্র মোহভঙ্গ হয়েছিল—মানবজাতি সম্পর্কে, যার মধ্যে ফরাসিরা এবং তাঁর নিজের সহকর্মীরাও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
** [[w:bn:জর্জ ক্ল্যামঁসো|জর্জ ক্ল্যামঁসো]] সম্পর্কে, তৃতীয় অধ্যায়, পৃষ্ঠা ৩২
* নিজের প্রিয় জাতির গৌরব বৃদ্ধি করা অবশ্যই একটি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য—তবে সাধারণত প্রতিবেশীর ক্ষতির বিনিময়েই এটি অর্জিত হয়।
** তৃতীয় অধ্যায়, পৃষ্ঠা ৩৩
* কূটনীতিকদের সাজানো স্বপ্ন সবসময় সফল হয় না, তাই আমাদের ভবিষ্যতের ওপরই আস্থা রাখতে হবে।
** চতুর্থ অধ্যায়, পরিচ্ছেদ ৩, পৃষ্ঠা ১০৫
* মানুষ চিরকাল নীরবে মৃত্যুবরণ করবে না।
** ষষ্ঠ অধ্যায়, পৃষ্ঠা ২২৮
* লেনিনের মতে, পুঁজিবাদী ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার সেরা উপায় হলো মুদ্রার অবমূল্যায়ন। মুদ্রাস্ফীতির মাধ্যমে সরকারগুলো সাধারণ মানুষের অগোচরে তাদের সম্পদের একটি বড় অংশ বাজেয়াপ্ত করে নিতে পারে। এই পদ্ধতিতে তারা কেবল বাজেয়াপ্তই করে না, বরং তা করে খেয়ালখুশিমতো। ... লেনিন অবশ্যই ঠিক ছিলেন। সমাজব্যবস্থাকে পাল্টে দেওয়ার জন্য মুদ্রাকে কলুষিত করার চেয়ে সূক্ষ্ম ও নিশ্চিত উপায় আর নেই।
** ষষ্ঠ অধ্যায়, পৃষ্ঠা ২৩৫-২৩৬
* ঐতিহাসিকভাবে হয়তো এটিই সত্য যে, কোনো সমাজব্যবস্থা নিজের হাত ছাড়া অন্য কারও মাধ্যমে ধ্বংস হয় না।
** ষষ্ঠ অধ্যায়, পৃষ্ঠা ২৩৮
* অর্থনৈতিক বঞ্চনা খুব ধীরগতিতে অগ্রসর হয়, আর মানুষ যতদিন তা মুখ বুজে সহ্য করে, বাইরের বিশ্ব ততদিন এর খুব একটা পরোয়া করে না।
** ষষ্ঠ অধ্যায়, পৃষ্ঠা ২৫০
* ঊনবিংশ শতাব্দীর চালিকাশক্তিগুলোর পথচলা ফুরিয়েছে, সেগুলো এখন পুরোপুরি নিঃশেষিত।
** সপ্তম অধ্যায়, পৃষ্ঠা ২৫৪
=== ১৯২০-এর দশক ===
* ফ্রান্স যদি নিজে থেকে উসকানি না দেয়, তবে অদূর ভবিষ্যতে জার্মানিকে ভয় পাওয়ার মতো কিছু আছে—এমনটা ভাবা নিছকই বিভ্রম। জার্মানি যখন তার শক্তি ও আত্মমর্যাদা ফিরে পাবে, তখন পশ্চিমের দিকে নজর দেওয়ার আগে আরও অনেকগুলো বছর পেরিয়ে যাবে। জার্মানির ভবিষ্যৎ এখন পূর্ব দিকে, আর যখন তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা পুনরুজ্জীবিত হবে, তখন তারা নিশ্চিতভাবেই সেদিকে ফিরবে।
** ''এ রিভিশন অফ দ্য ট্রিটি'' (১৯২২), পৃষ্ঠা ১৮৬
* বর্তমানের প্রকৃত সংগ্রামটি হলো উদারতাবাদ বা র্যাডিক্যালিজমের (যাদের লক্ষ্য শান্তি, অবাধ বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি) সাথে সামরিকবাদী বা কূটনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির (যারা ক্ষমতা, মর্যাদা এবং জাতীয় গৌরবের হিসাব কষে)।
** ''ম্যানচেস্টার গার্ডিয়ান'' (১৯২২)
==== ''এ ট্র্যাক্ট অন মনিটারি রিফর্ম'' (১৯২৩) ====
* মুদ্রার অবমূল্যায়নের মাধ্যমে কর আরোপের ক্ষমতা সেই রোম সাম্রাজ্যের আমল থেকেই রাষ্ট্রের একটি সহজাত বৈশিষ্ট্য। আইনি দরপত্র (Legal-tender) তৈরি করা যেকোনো সরকারের চূড়ান্ত সংরক্ষিত ক্ষমতা; কোনো সরকারই এই অস্ত্রটি অব্যবহৃত রেখে নিজের পতন বা দেউলিয়া হওয়ার ঘোষণা দেবে না।
** প্রথম অধ্যায়, পৃষ্ঠা ১০
[[File:Aachen circle of money.jpg|thumb|right|বর্তমান ঘটনাবলির ক্ষেত্রে এই 'দীর্ঘ মেয়াদ' আসলে একটি বিভ্রান্তিকর ধারণা। কারণ দীর্ঘ মেয়াদে আমরা সবাই মৃত।]]
* বর্তমান ঘটনাবলির ক্ষেত্রে এই 'দীর্ঘ মেয়াদ' আসলে একটি বিভ্রান্তিকর ধারণা। কারণ দীর্ঘ মেয়াদে আমরা সবাই মৃত। সমুদ্র যখন উত্তাল, তখন অর্থনীতিবিদরা যদি কেবল এটাই বলেন যে ঝড় থেমে গেলে সমুদ্র আবার শান্ত হবে—তবে তারা নিজেদের জন্য অত্যন্ত সহজ এবং নিরর্থক একটি কাজ বেছে নিয়েছেন।
** তৃতীয় অধ্যায়, পৃষ্ঠা ৮০
* সত্যি বলতে, স্বর্ণমান হলো বর্বর যুগের একটি ধ্বংসাবশেষ মাত্র।
** চতুর্থ অধ্যায়, পৃষ্ঠা ১৭২
==== ''দ্য এন্ড অফ লেসে-ফেয়ার'' (১৯২৬) ====
* এটি মোটেও সত্য নয় যে, ব্যক্তিরা তাদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে কোনো সহজাত "প্রাকৃতিক স্বাধীনতা" ভোগ করে। এমন কোনো চুক্তি নেই যা সম্পদের মালিক বা অর্জনকারীদের চিরস্থায়ী অধিকার প্রদান করে।
* পুঁজিবাদকে বুদ্ধিমত্তার সাথে পরিচালনা করা গেলে তা হয়তো অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য অন্য যেকোনো ব্যবস্থার চেয়ে বেশি কার্যকর হতে পারে, তবে ব্যবস্থা হিসেবে এটি নিজেই অনেক দিক থেকে অত্যন্ত আপত্তিকর।
==== ''লেসে-ফেয়ার অ্যান্ড কমিউনিজম'' (১৯২৬) ====
* মার্কসীয় সমাজতন্ত্র মতাদর্শের ইতিহাসবিদদের কাছে সবসময় এক বিস্ময় হয়ে থাকবে—কীভাবে এত অযৌক্তিক ও একঘেয়ে একটি তত্ত্ব মানুষের মনে এবং ইতিহাসের ওপর এত গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারল?
** পৃষ্ঠা ৪৭-৪৮
* আমি কীভাবে এমন একটি মতবাদ গ্রহণ করতে পারি, যা একটি সেকেলে অর্থনৈতিক পাঠ্যপুস্তককে (দাস ক্যাপিটাল) সমালোচনার ঊর্ধ্বে রেখে তাকে বাইবেলের মর্যাদা দেয়? অথচ আমি জানি যে এটি কেবল বৈজ্ঞানিকভাবেই ভুল নয়, বরং আধুনিক বিশ্বের জন্য পুরোপুরি অকেজো।
** পৃষ্ঠা ৯৯
=== ১৯৩০-এর দশক ===
* অদূর ভবিষ্যৎ সম্পর্কে এমনকি সবচেয়ে দক্ষ বিনিয়োগকারীর অজ্ঞতাও তার জ্ঞানের চেয়ে অনেক বেশি। শেয়ার বাজারে কেনাবেচার সাথে জড়িত বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ আসলে কী করছে, সে সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণাই নেই।
** ''এ ট্রিটিজ অন মানি'', ভলিউম ২ (১৯৩০)
[[File:Neon_sign,_"CHANGE".jpg|thumb|right|শব্দগুলো কিছুটা ক্ষ্যাপাটে হওয়া উচিত, কারণ সেগুলো হলো চিন্তাহীন মানুষদের ওপর চিন্তার আক্রমণ।]]
* আমি তাদের দলে যারা দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক জটিলতা বাড়ানোর বদলে কমানোর পক্ষপাতী। ধারণা, জ্ঞান, শিল্প, আতিথেয়তা, ভ্রমণ—এসব বিষয় স্বভাবগতভাবেই আন্তর্জাতিক হওয়া উচিত। কিন্তু পণ্য যতটা সম্ভব নিজের দেশেই তৈরি হওয়া ভালো, এবং সর্বোপরি অর্থায়ন হওয়া উচিত প্রাথমিকভাবে জাতীয় পর্যায়ের।
** "ন্যাশনাল সেলফ-সাফিশিয়েন্সি" (১৯৩৩)
* শব্দগুলো কিছুটা ক্ষ্যাপাটে হওয়া উচিত, কারণ সেগুলো হলো চিন্তাহীন মানুষদের ওপর চিন্তার আক্রমণ।
** ''নিউ স্টেটসম্যান অ্যান্ড নেশন'' (১৫ জুলাই ১৯৩৩)
* অর্থনীতিতে আপনি আপনার প্রতিপক্ষকে ভুল করার জন্য শাস্তি দিতে পারবেন না; আপনি বড়জোর তাকে তার ভুলটা বুঝিয়ে বলতে পারবেন।
** ''দ্য জেনারেল থিওরি''-র খসড়া (১৯৩৪)
* কমিউনিজম তার শক্তি পায় অনেক গভীর ও গুরুতর উৎস থেকে। অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতির উপায় হিসেবে একে প্রস্তাব করা আমাদের বুদ্ধিমত্তার জন্য এক ধরনের অপমান। কিন্তু অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও 'খারাপ' করার উপায় হিসেবে এর আকর্ষণ প্রায় অদম্য।
** “স্টালিন-ওয়েলস টক: দ্য ভারবাটিম রিপোর্ট” (১৯৩৪)
[[File:Albert Einstein Head.jpg|thumb|right|আমাদের প্রজন্মের কাছে আইনস্টাইন এক দ্বৈত প্রতীক—একদিকে তিনি মহাকাশের অসীম শূন্যতায় বিচরণকারী এক প্রখর মস্তিষ্ক, অন্যদিকে তিনি এক সাহসী ও দয়ালু নির্বাসিত মানুষ, যাঁর অন্তর পবিত্র ও আত্মা সদা প্রফুল্ল।]]
* যে বালকেরা পরিণত মানবিকতায় পৌঁছাতে পারেনি, তারা প্রাচীন জাতির নবীদের—মার্কস, ফ্রয়েড, আইনস্টাইন—আঘাত করছে। ... আমাদের প্রজন্মের কাছে আইনস্টাইন এক দ্বৈত প্রতীক—একদিকে তিনি মহাকাশের অসীম শূন্যতায় বিচরণকারী এক প্রখর মস্তিষ্ক, অন্যদিকে তিনি এক সাহসী ও দয়ালু নির্বাসিত মানুষ, যাঁর অন্তর পবিত্র ও আত্মা সদা প্রফুল্ল। ... আইনস্টাইন সত্যিই এমন সব বিষয়ের প্রতিনিধিত্ব করেন যা নাৎসিরা সবচেয়ে বেশি ঘৃণা করে—বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা, ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য এবং শান্তিবাদ। ... যারা মুক্তবুদ্ধির মহিমা এবং গভীর সহানুভূতি সম্পর্কে কিছুই জানে না, যাদের কাছে টাকা, সহিংসতা আর রক্ত ছাড়া আর কিছুরই মূল্য নেই, তারা কীভাবে আইনস্টাইনকে বুঝবে?
** ''দ্য নিউ স্টেটসম্যান অ্যান্ড নেশন'' (২১ অক্টোবর ১৯৩৩)
* আশাবাদী হিসেবে আমি এখনও আশা করি যে, স্পেন ভৌগোলিকভাবে দুটি রাষ্ট্রে বিভক্ত হওয়ার মাধ্যমে হয়তো এই যুদ্ধের অবসান হতে পারে। তবে সবকিছুর ঊর্ধ্বে, আমি চাই যুদ্ধ শেষ হোক এবং এর বিস্তার না ঘটুক।
** কিংসলে মার্টিনের কাছে লেখা চিঠি (৯ আগস্ট ১৯৩৭)
* এমন এক সময় আসে যখন নিরুপায় হয়ে মেনে নিতে হয়, আবার এমন সময় আসে যখন শক্ত পদক্ষেপ নিতে হয়। আজ কি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের কর্তব্য নয় জাপানকে সতর্ক করা যে, যদি তারা তাদের পথ পরিবর্তন না করে, তবে তাদের সাথে সব বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করা হবে? দশবারের মধ্যে নয়বারই এমন হুমকি কাজে লাগার সম্ভাবনা থাকে।
** ''দ্য টাইমস''-এ প্রকাশিত চিঠি (২৯ সেপ্টেম্বর ১৯৩৭)
* আমাদের একমাত্র এবং প্রধান উদ্দেশ্য হওয়া উচিত শেষ পর্যন্ত ফ্যাসিবাদী শক্তির মোকাবিলা করা। আমি বিশ্বাস করি পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল এবং বিপজ্জনক, তাই কৌশলগত পিছু হটা এবং শক্তির একত্রীকরণ অপরিহার্য।
** কিংসলে মার্টিনের কাছে লেখা চিঠি (নভেম্বর ১৯৩৭)
* অর্থনীতি হলো মডেলের মাধ্যমে চিন্তা করার একটি বিজ্ঞান এবং সমসাময়িক বিশ্বের সাথে প্রাসঙ্গিক মডেল বেছে নেওয়ার একটি শিল্প। এর এমনটি হওয়াই স্বাভাবিক, কারণ প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের মতো অর্থনীতির উপাদানগুলো সময়ের সাথে অপরিবর্তিত থাকে না। ... ভালো অর্থনীতিবিদ পাওয়া দুষ্কর, কারণ ভালো মডেল বেছে নেওয়ার জন্য যে তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ ক্ষমতার প্রয়োজন হয়, তা অত্যন্ত বিরল।
** রয় হ্যারড-এর কাছে লেখা চিঠি (৪ জুলাই ১৯৩৮)
* বিশ্বযুদ্ধে [[w:bn:অ্যাডলফ হিটলার|হিটলার]] পরাজিত হবে এবং সে নিজেও তা ভালো করেই জানে। আমি আপনার সাথে একমত যে আমাদের শেষ পর্যন্ত ধোঁকা দিয়ে যাওয়া উচিত; আর যদি সেই ধোঁকা ধরা পড়ে যায়, তবে পিছিয়ে আসতে হবে। আপাতত আমি জনসমক্ষে কিছুটা কৃত্রিম আশাবাদ বজায় রাখাই পছন্দ করি।
** চেক সংকটের সময় [[w:bn:কিংসলে মার্টিন|কিংসলে মার্টিন]]-এর কাছে লেখা চিঠি (২৬ আগস্ট ১৯৩৮)
* আমরা ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট প্রতারণার শিকার হয়েছি। আমাদের নিজেদের দেশের নাৎসি-ঘনিষ্ঠদের নীতিহীন ষড়যন্ত্রের কারণে সম্মানজনক আন্তর্জাতিক নীতি এক ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। ... আমরা এবং ফ্রান্স কেবল একটি সভ্য ও বিশ্বস্ত জাতির কাছে আমাদের সম্মান এবং অঙ্গীকার বলি দিয়েছি এবং যা জঘন্য তার সাথে ভ্রাতৃত্ব স্থাপন করেছি।
** [[w:bn:মিউনিখ চুক্তি|মিউনিখ চুক্তি]] সম্পর্কে 'দ্য নিউ স্টেটসম্যান'-এ প্রকাশিত নিবন্ধ (৮ অক্টোবর ১৯৩৯)
* বামপন্থী বুদ্ধিজীবীরাই নাৎসি আগ্রাসনকে যেকোনো মূল্যে প্রতিহত করার দাবিতে সবচেয়ে সোচ্চার ছিলেন; কিন্তু যখন চূড়ান্ত লড়াইয়ের সময় এল, চার সপ্তাহ পার হতে না হতেই তারা শান্তিবাদী (pacifist) এবং পরাজয়বাদী চিঠি লিখতে শুরু করলেন।
** 'দ্য নিউ স্টেটসম্যান'-এ প্রকাশিত চিঠি (১৪ অক্টোবর ১৯৩৯)
==== ''এসেস ইন পারসুয়েশন'' (১৯৩১) ====
[[File:Lopokova and Keynes 1920s.jpg|thumb|আরাম-আয়েশ এবং অভ্যাস ত্যাগ করতে আমরা রাজি হতে পারি, কিন্তু আমি এমন কোনো মতবাদের জন্য প্রস্তুত নই যা দৈনন্দিন জীবনের স্বাধীনতা এবং নিরাপত্তাকে ধ্বংস করতে দ্বিধা করে না।]]
* অর্থের গুরুত্ব কেবল তা দিয়ে যা কেনা যায় তার জন্য। সুতরাং মুদ্রার এককের পরিবর্তন, যা সবার জন্য সমানভাবে কার্যকর এবং সব লেনদেনকে একইভাবে প্রভাবিত করে, তার আলাদা কোনো ফলাফল নেই। মূল্যের মান পরিবর্তনের ফলে একজন মানুষ যদি তার পাওনা ও শ্রমের বিনিময়ে আগের চেয়ে দ্বিগুণ অর্থ পায় এবং সব কেনাকাটার জন্য আগের চেয়ে দ্বিগুণ অর্থ ব্যয় করে, তবে সে সম্পূর্ণ অপ্রভাবিত থাকবে।
** "সোশ্যাল কনসিকুয়েন্স অফ চেঞ্জেস ইন দ্য ভ্যালু অফ মানি" (১৯২৩)
* দীর্ঘ উৎপাদন প্রক্রিয়ার সময় ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে মজুরি এবং অন্যান্য খরচের জন্য অর্থ ব্যয় করতে হয়—এই প্রত্যাশায় যে ভবিষ্যতে পণ্যটি বিক্রি করে সেই ব্যয় তুলে আনা যাবে। অর্থাৎ, মুদ্রার মাধ্যমে চুক্তিবদ্ধ উৎপাদন ব্যবস্থায় ব্যবসায়ীরা সবসময় এমন এক অবস্থানে থাকে যেখানে দাম বাড়লে তাদের লাভ হয় এবং দাম কমলে ক্ষতি হয়। তারা চাক বা না চাক, এই ব্যবস্থা তাদের সবসময় একটি বড় ধরনের ফাটকাবাজির অবস্থানে থাকতে বাধ্য করে; আর যদি তারা এই ঝুঁকি নিতে না চায়, তবে উৎপাদন প্রক্রিয়া স্থবির হয়ে পড়ে।
** "সোশ্যাল কনসিকুয়েন্স অফ চেঞ্জেস ইন দ্য ভ্যালু অফ মানি" (১৯২৩)
* ব্যক্তিবাদের এই মারাত্মক রোগ নিরাময়ের সর্বোত্তম উপায় হলো এমন একটি ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যেখানে দাম সাধারণত বাড়বে বা কমবে—এমন কোনো নিশ্চিত প্রত্যাশা থাকবে না। যদি অপ্রত্যাশিতভাবে সামান্য পরিবর্তন ঘটেও, তবে সম্পদের পুনর্বণ্টন হতে পারে কিন্তু তার ফলে মোট সম্পদ কমে যাবে না।
** "সোশ্যাল কনসিকুয়েন্স অফ চেঞ্জেস ইন দ্য ভ্যালু অফ মানি" (১৯২৩)
* মুদ্রাস্ফীতি হলো অন্যায় এবং মুদ্রাসঙ্কোচন হলো অকেজো। এই দুটির মধ্যে সম্ভবত মুদ্রাসঙ্কোচনই বেশি খারাপ (যদি আমরা জার্মানির মতো চরম মুদ্রাস্ফীতি বাদ দিই); কারণ একটি দরিদ্র বিশ্বে অলস বিনিয়োগকারীদের হতাশ করার চেয়ে বেকারত্ব তৈরি করা অনেক বেশি ক্ষতিকর। তবে আমাদের একটির সাথে অন্যটির তুলনা করার প্রয়োজন নেই; দুটিই এড়িয়ে চলার মতো ক্ষতিকর উপাদান।
** "সোশ্যাল কনসিকুয়েন্স অফ চেঞ্জেস ইন দ্য ভ্যালু অফ মানি" (১৯২৩)
* এটি একটি দুঃস্বপ্ন, যা সকাল হলেই কেটে যাবে। কারণ প্রকৃতির সম্পদ এবং মানুষের উদ্ভাবনী ক্ষমতা আগের মতোই উর্বর এবং উৎপাদনশীল। জীবনের বস্তুগত সমস্যা সমাধানের পথে আমাদের অগ্রগতির গতি কমেনি। আমরা আগের মতোই সবার জন্য উন্নত জীবন নিশ্চিত করতে সক্ষম... আজ আমরা একটি বিশাল বিশৃঙ্খলার মধ্যে জড়িয়ে পড়েছি, কারণ আমরা অর্থনীতির মতো একটি সূক্ষ্ম যন্ত্রের নিয়ন্ত্রণে ভুল করেছি যার কার্যপ্রণালী আমরা বুঝি না। এর ফলে আমাদের সম্পদের সম্ভাবনা কিছু সময়ের জন্য—হয়তো দীর্ঘ সময়ের জন্য—নষ্ট হতে পারে।
** "দ্য গ্রেট স্লাম্প অফ ১৯৩০" (১৯৩০); [[w:bn:মহা মন্দা|মহা মন্দা]] প্রসঙ্গে।
* ঋণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কীভাবে কাজ করে? এটি ইচ্ছাকৃতভাবে বেকারত্বকে তীব্র করার মাধ্যমেই কেবল ফলাফল অর্জন করে।
** "দ্য ইকোনমিক কনসিকুয়েন্স অফ মিস্টার চার্চিল" (১৯২৫)
* কয়লা খনির শ্রমিকরা কেন অন্যান্য শ্রমিক শ্রেণির চেয়ে নিম্নমানের জীবনযাপন করবে? তারা হয়তো অলস হতে পারে, কিন্তু অন্য মানুষের চেয়ে তারা বেশি অলস, এমন কোনো প্রমাণ কি আছে? সামাজিক ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে খনি শ্রমিকদের মজুরি কমানোর কোনো যুক্তি থাকতে পারে না। তারা কেবল অর্থনৈতিক যাঁতাকলের শিকার।
** "দ্য ইকোনমিক কনসিকুয়েন্স অফ মিস্টার চার্চিল" (১৯২৫)
* আমাদের দেওয়া সমাধানগুলো কি সবসময় অনেক দেরি করে আসে? আমরা কি গ্রেট ব্রিটেনে বসে আমাদের পুরো সাম্রাজ্যসহ বিশ্বের তিন-চতুর্থাংশ মানুষকে এমন এক নতুন মুদ্রা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আমন্ত্রণ জানাব যা পণ্যের বিনিময়ে স্থিতিশীল হবে? নাকি স্বর্ণমান বজায় রাখা দেশগুলো সেই কঠোর শর্তগুলো জানতে আগ্রহী হবে, যার ভিত্তিতে আমরা একটি আমূল সংস্কার করা স্বর্ণমান ব্যবস্থায় পুনরায় প্রবেশ করতে প্রস্তুত হব?
** "স্বর্ণমানের সমাপ্তি" (১৯৩১)
* লেনিনবাদ হলো এমন দুটি বিষয়ের সংমিশ্রণ যা ইউরোপীয়রা কয়েক শতাব্দী ধরে আত্মার আলাদা আলাদা প্রকোষ্ঠে রেখেছিল—ধর্ম এবং ব্যবসা। আমরা মর্মাহত কারণ এই ধর্মটি নতুন, এবং আমরা একে তুচ্ছজ্ঞান করি কারণ এখানে ব্যবসাকে ধর্মের অধীনস্থ করা হয়েছে (উল্টোটা হওয়ার পরিবর্তে), যা অত্যন্ত অদক্ষ একটি পদ্ধতি।
** "রাশিয়ার সংক্ষিপ্ত দৃশ্য" (১৯২৫); মূলত ''নেশন অ্যান্ড অ্যাথেনিয়াম''-এর প্রবন্ধ, পরে ''এসেস ইন পারসুয়েশন'' (১৯৩১)-এ সংকলিত।
* আরাম-আয়েশ এবং অভ্যাস ত্যাগ করতে আমরা রাজি হতে পারি, কিন্তু আমি এমন কোনো মতবাদের জন্য প্রস্তুত নই যা দৈনন্দিন জীবনের স্বাধীনতা এবং নিরাপত্তাকে কতটা ধ্বংস করছে তা নিয়ে পরোয়া করে না; যা ইচ্ছাকৃতভাবে নিপীড়ন, ধ্বংস এবং আন্তর্জাতিক সংঘাতের অস্ত্র ব্যবহার করে। আমি কীভাবে এমন এক নীতিকে প্রশংসা করতে পারি যা প্রতিটি পরিবার ও গোষ্ঠীর পেছনে গুপ্তচর নিয়োগ করতে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে এবং বিদেশে অশান্তি উসকে দেয়?
** "রাশিয়ার সংক্ষিপ্ত দৃশ্য" (১৯২৫)
* আমি কীভাবে এমন এক মতবাদ গ্রহণ করতে পারি যা একটি সেকেলে অর্থনৈতিক পাঠ্যবইকে বিনা প্রশ্নে মেনে নেয়, যা কেবল বৈজ্ঞানিকভাবে ভুলই নয় বরং আধুনিক বিশ্বের জন্য অকেজো? আমি কীভাবে এমন এক বিশ্বাস গ্রহণ করতে পারি যা মাছের চেয়ে কাদাকে বেশি পছন্দ করে, আর বুর্জোয়া ও বুদ্ধিজীবীদের ওপরে অভদ্র শ্রমিক শ্রেণিকে স্থান দেয়—যারা সব ত্রুটি সত্ত্বেও জীবনে গুণগত মান বজায় রাখে এবং নিশ্চিতভাবে মানুষের উন্নতির বীজ বহন করে?
** "রাশিয়ার সংক্ষিপ্ত দৃশ্য" (১৯২৫)
* কেউ যদি রাজনৈতিক জীব হিসেবে জন্মায়, তবে কোনো রাজনৈতিক দলের অন্তর্ভুক্ত না থাকাটা তার জন্য অত্যন্ত অস্বস্তিকর; এটি অনেকটা শীতল, একাকী এবং নিরর্থক অনুভূতির মতো।
** "আমি কি একজন উদারপন্থী?" (১৯২৫)
* তাই যে রাজনৈতিক জীব নিজে থেকে এই ঘৃণ্য কথাটি বলতে পারে না যে—"আমি কোনো দলের লোক নই"—সে কোনো দলের না থাকার চেয়ে বরং যেকোনো একটি দলের সদস্য হওয়াকেই শ্রেয় মনে করে। যদি সে আকর্ষণের নীতি দিয়ে কোনো ঘর খুঁজে না পায়, তবে সে অন্তত বিকর্ষণের নীতি দিয়ে একটি ঘর খুঁজে নেয়... বাইরে একলা ঠান্ডায় পড়ে থাকার চেয়ে এটাই ভালো।
** "আমি কি একজন উদারপন্থী?" (১৯২৫)
* আমি কীভাবে নিজেকে একজন রক্ষণশীল হিসেবে গড়ে তুলতে পারি? তারা আমাকে খাদ্য বা পানীয়—কোনো বুদ্ধিবৃত্তিক বা আধ্যাত্মিক সান্ত্বনা—কিছুই দেয় না। আমি এতে আনন্দিত, উত্তেজিত বা অনুপ্রাণিত কোনোটাই হতে পারব না। তাদের পরিবেশ, মানসিকতা এবং জীবনদর্শনের সাধারণ বৈশিষ্ট্যগুলো না আমার ব্যক্তিগত স্বার্থ রক্ষা করে, না জনকল্যাণ করে। এটি কোথাও নিয়ে যায় না; কোনো আদর্শকে সন্তুষ্ট করে না; কোনো বুদ্ধিবৃত্তিক মানদণ্ড মেনে চলে না; এমনকি এটি নিরাপদও নয়, বা আমরা ইতিমধ্যে যে সভ্যতার স্তরে পৌঁছেছি তা ধ্বংসকারীদের হাত থেকে রক্ষা করার জন্যও যথেষ্ট নয়।
** "আমি কি একজন উদারপন্থী?" (১৯২৫)
* তাহলে কি আমার লেবার পার্টিতে যোগ দেওয়া উচিত? ...প্রথমত, এটি একটি শ্রেণিভিত্তিক দল, এবং সেই শ্রেণি আমার শ্রেণি নয়। আমি যদি কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর স্বার্থ অনুসরণ করতেই চাই, তবে আমি আমার নিজের স্বার্থই দেখব। যখন শ্রেণি সংগ্রামের কথা আসে, আমার স্থানীয় এবং ব্যক্তিগত দেশপ্রেম আমার নিজের পরিবেশের সাথেই জড়িয়ে থাকে। যা আমার কাছে ন্যায়বিচার এবং সুবুদ্ধি মনে হয়, তা দ্বারা আমি প্রভাবিত হতে পারি; কিন্তু 'শ্রেণি' যুদ্ধে আমি সবসময় শিক্ষিত 'বুর্জোয়া'দের পক্ষেই থাকব।<br />তবে সবকিছুর ঊর্ধ্বে, আমি বিশ্বাস করি না যে লেবার পার্টির বুদ্ধিবৃত্তিক উপাদানগুলো কখনও পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে পারবে; যারা কী বলছে সে সম্পর্কে 'একদমই' কিছু জানে না, তাদের মাধ্যমেই সবসময় খুব বেশি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে; এবং যদি—যা অসম্ভব নয়—দলের নিয়ন্ত্রণ কোনো স্বৈরাচারী অভ্যন্তরীণ চক্রের হাতে চলে যায়, তবে সেই নিয়ন্ত্রণ চরম বামপন্থীদের স্বার্থে ব্যবহৃত হবে—লেবার পার্টির সেই অংশটি যাকে আমি 'বিপর্যয়ের দল' হিসেবে অভিহিত করব।
** "আমি কি একজন উদারপন্থী?" (১৯২৫)
* নেতিবাচক দিকগুলো বিচার করে আমি বিশ্বাস করতে শুরু করেছি যে, লিবারেল পার্টি এখনও ভবিষ্যতের অগ্রগতির জন্য সেরা হাতিয়ার—যদি কেবল এতে শক্তিশালী নেতৃত্ব এবং সঠিক কর্মসূচি থাকত।
** "আমি কি একজন উদারপন্থী?" (১৯২৫)
* কিন্তু যখন আমরা ইতিবাচকভাবে দলের সমস্যাগুলো বিবেচনা করি—অর্থাৎ কী আমাদের আকর্ষণ করে... তখন প্রতিটি দলের চিত্রই সমানভাবে হতাশাজনক, আমরা পদক্ষেপ বা ব্যক্তি যার ওপরই আশা রাখি না কেন। ...উনিশ শতকের ঐতিহাসিক দলীয় প্রশ্নগুলো গত সপ্তাহের বাসি মাংসের মতোই মৃত; আর যখন ভবিষ্যতের প্রশ্নগুলো সামনে ঘনিয়ে আসছে, সেগুলো এখনও দলীয় প্রশ্নে পরিণত হয়নি এবং পুরনো দলীয় বিভাজনরেখাকে অতিক্রম করে যাচ্ছে।
** "আমি কি একজন উদারপন্থী?" (১৯২৫)
* মানসিকভাবে মুক্ত হওয়ার জন্য মতামতের ইতিহাস অধ্যয়ন করা একটি প্রয়োজনীয় প্রাথমিক ধাপ।
** "লেসে-ফেয়ার-এর সমাপ্তি" (১৯২৬); প্রথম অধ্যায়
[[File:Lenin-east village.jpg|thumb|right|মার্কসীয় সমাজতন্ত্র মতাদর্শের ইতিহাসবিদদের কাছে সবসময় এক বিস্ময় হয়ে থাকবে—কীভাবে এত অযৌক্তিক ও একঘেয়ে একটি তত্ত্ব মানুষের মনে এবং ইতিহাসের ওপর এত গভীর প্রভাব বিস্তার করতে পারল।]]
* আমি জানি না কোন জিনিসটি একজন মানুষকে বেশি রক্ষণশীল করে তোলে—কেবল বর্তমান সম্পর্কে জানা, নাকি কেবল অতীত সম্পর্কে জানা।
** "লেসে-ফেয়ার-এর সমাপ্তি" (১৯২৬); প্রথম অধ্যায়
* 'লেসে-ফেয়ার' শব্দবন্ধটি অ্যাডাম স্মিথ, রিকার্ডো বা ম্যালথাসের লেখায় খুঁজে পাওয়া যায় না। এমনকি এই লেখকদের কারোর মধ্যেই এই ধারণাটি গোঁড়া বা কঠোর আকারে উপস্থিত নেই। অ্যাডাম স্মিথ অবশ্যই একজন মুক্ত বাণিজ্যপন্থী ছিলেন এবং আঠারো শতকের বাণিজ্যের ওপর অনেক বিধিনিষেধের বিরোধী ছিলেন। কিন্তু 'ন্যাভিগেশন অ্যাক্ট' এবং সুদ আইনের প্রতি তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি দেখায় যে তিনি গোঁড়া ছিলেন না। এমনকি 'অদৃশ্য হাত' সম্পর্কে তাঁর বিখ্যাত অনুচ্ছেদটিও সেই দর্শনকে প্রতিফলিত করে যা আমরা 'লেসে-ফেয়ার'-এর অর্থনৈতিক মতবাদের চেয়ে প্যালির দর্শনের সাথে বেশি যুক্ত করি।
** "লেসে-ফেয়ার-এর সমাপ্তি" (১৯২৬); দ্বিতীয় অধ্যায়
* মার্কসীয় সমাজতন্ত্র মতাদর্শের ইতিহাসবিদদের কাছে সবসময় এক বিস্ময় হয়ে থাকবে—কীভাবে এত অযৌক্তিক ও একঘেয়ে একটি তত্ত্ব মানুষের মনে এবং ইতিহাসের ওপর এত গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব বিস্তার করতে পারল।
** "লেসে-ফেয়ার-এর সমাপ্তি" (১৯২৬); তৃতীয় অধ্যায়
* আমার দিক থেকে আমি মনে করি যে, পুঁজিবাদকে বুদ্ধিমত্তার সাথে পরিচালনা করা গেলে তা অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য দৃশ্যমান অন্য যেকোনো ব্যবস্থার চেয়ে বেশি দক্ষ হতে পারে, তবে ব্যবস্থা হিসেবে এটি নিজেই অনেক দিক থেকে অত্যন্ত আপত্তিকর।
** "লেসে-ফেয়ার-এর সমাপ্তি" (১৯২৬); পঞ্চম অধ্যায়
[[File:Keynes at Monk's house.jpg|thumb|right|অধিকাংশ মানুষ বয়স বাড়ার সাথে সাথে টাকা এবং নিরাপত্তাকে বেশি ভালোবাসে, আর সৃষ্টি ও নির্মাণকে কম।]]
* অধিকাংশ মানুষ বয়স বাড়ার সাথে সাথে টাকা এবং নিরাপত্তাকে বেশি ভালোবাসে, আর সৃষ্টি ও নির্মাণকে কম।
** "ক্লিসল্ড" (১৯২৭); ''নেশন অ্যান্ড অ্যাথেনিয়াম''-এ প্রকাশিত।
* আমি আমাদের এমনভাবে মুক্ত হতে দেখি যে, আমরা ধর্ম এবং প্রথাগত গুণাবলির সবচেয়ে নিশ্চিত এবং অমোঘ নীতিগুলোতে ফিরে যেতে পারব – যেখানে লোভ একটি পাপ, সুদের কারবার একটি অপরাধ এবং অর্থের প্রতি মোহ অত্যন্ত ঘৃণ্য; যেখানে তারা সবচেয়ে বেশি পুণ্য ও সঠিক প্রজ্ঞার পথে চলবে যারা আগামীকালের জন্য খুব কম দুশ্চিন্তা করে। আমরা আবারও উপায়ের চেয়ে উদ্দেশ্যকে বেশি গুরুত্ব দেব এবং কেবল দরকারি জিনিসের চেয়ে মহৎ জিনিসকে পছন্দ করব। আমরা তাদের সম্মান করব যারা আমাদের শেখাতে পারেন কীভাবে প্রতিটি মুহূর্ত গুণী ও সুন্দরভাবে কাটানো যায়; সেই আনন্দদায়ক মানুষগুলো যারা সরাসরি উপভোগে সক্ষম, মাঠের সেই লিলি ফুলের মতো যারা পরিশ্রম করে না, সুতাও কাটে না।
** "আমাদের নাতি-নাতনিদের জন্য অর্থনৈতিক সম্ভাবনা" (১৯৩০); ''এসেস ইন পারসুয়েশন''-এ সংকলিত।
[[File:Earthbound.jpg|thumb|right|যখন সম্পদের সঞ্চয় আর উচ্চ সামাজিক গুরুত্বের বিষয় থাকবে না, তখন নৈতিক বিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে...]]
* যখন সম্পদের সঞ্চয় আর উচ্চ সামাজিক গুরুত্বের বিষয় থাকবে না, তখন নৈতিক বিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। আমরা অনেক ছদ্ম-নৈতিক নীতি থেকে নিজেদের মুক্ত করতে সক্ষম হব যা গত দুইশ বছর ধরে আমাদের তাড়া করে বেড়াচ্ছে এবং যার মাধ্যমে আমরা মানুষের কিছু অত্যন্ত বিরক্তিকর বৈশিষ্ট্যকে সর্বোচ্চ গুণের আসনে বসিয়েছি। আমরা তখন অর্থের মোহকে তার আসল মূল্যে মূল্যায়ন করার সাহস অর্জন করব। জীবন উপভোগের উপায় হিসেবে অর্থের ভালোবাসার বিপরীতে সম্পদ হিসেবে অর্থের প্রতি ভালোবাসা - যা জীবনের বাস্তবতা থেকে বিচ্যুত - তাকে তার প্রকৃত রূপেই চেনা যাবে; এটি একটি বিরক্তিকর অসুস্থতা, অনেকটা আধা-অপরাধমূলক ও আধা-মানসিক বিকারগ্রস্ত প্রবণতা যা মানুষ শিউরে উঠে মানসিক রোগের বিশেষজ্ঞদের হাতে তুলে দেয় … কিন্তু সাবধান! এর সময় এখনও আসেনি। অন্তত আরও ১০০ বছর আমাদের নিজেদের কাছে এবং সবার কাছে ভান করতে হবে যে যা সুন্দর তা নোংরা এবং যা নোংরা তা সুন্দর; কারণ নোংরা জিনিসগুলো কার্যকর এবং সুন্দরগুলো নয়। লোভ, সুদ এবং সাবধানতা আরও কিছু সময়ের জন্য আমাদের ঈশ্বর হয়ে থাকতে হবে। কারণ কেবল তারাই আমাদের অর্থনৈতিক প্রয়োজনীয়তার সুড়ঙ্গ থেকে দিনের আলোয় বের করে নিয়ে আসতে পারে।
** "আমাদের নাতি-নাতনিদের জন্য অর্থনৈতিক সম্ভাবনা" (১৯৩০)
* অর্থনীতিবিদরা যদি নিজেদের দন্তচিকিৎসকদের মতো বিনয়ী এবং দক্ষ ব্যক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারতেন, তবে তা দারুণ হতো।
** "আমাদের নাতি-নাতনিদের জন্য অর্থনৈতিক সম্ভাবনা" (১৯৩০)
* আগামী বহু যুগ ধরে আমাদের ভেতরে মানুষের আদি প্রবৃত্তির প্রভাব এত শক্তিশালী থাকবে যে, সন্তুষ্ট থাকার জন্য প্রত্যেকেরই কিছু কাজের প্রয়োজন হবে। আজকের দিনের ধনীদের চেয়ে আমরা নিজেদের কাজগুলো নিজেরাই বেশি করব, ছোটখাটো দায়িত্ব ও দৈনন্দিন রুটিনগুলো পেয়ে আমরা আনন্দিতই হব। কিন্তু এর বাইরে, আমরা মাখনের ওপর রুটির প্রলেপটি পাতলা করে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব—অর্থাৎ যেটুকু কাজ বাকি থাকবে তা যেন সবার মাঝে যতটা সম্ভব ভাগ করে দেওয়া যায়। প্রতিদিন তিন ঘণ্টার শিফট বা সপ্তাহে পনেরো ঘণ্টার কাজের নিয়ম এই সমস্যাটিকে দীর্ঘ সময়ের জন্য দূরে সরিয়ে রাখতে পারে। কারণ আমাদের অধিকাংশের ভেতরের সেই আদি প্রবৃত্তিকে শান্ত করার জন্য দিনে তিন ঘণ্টা কাজই যথেষ্ট!
** "আমাদের নাতি-নাতনিদের জন্য অর্থনৈতিক সম্ভাবনা" (১৯৩০)
==== ''এসেস ইন বায়োগ্রাফি'' (১৯৩৩) ====
[[File:Libertatis Aequilibritas GFDL.png|thumb|right|অর্থনীতি একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক বিজ্ঞান।]]
* জন লক তাঁর 'এসে কনসার্নিং হিউম্যান আন্ডারস্ট্যান্ডিং'—যা প্রথম আধুনিক ইংরেজি বই—লেখার পর থেকে গত আড়াই শতাব্দী ধরে যারা আমাদের চিন্তার ভিত্তি তৈরি করেছেন, ইংল্যান্ডের সেই উচ্চ বুদ্ধিজীবী সমাজের সংহতি এবং ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতাকে আমি কিছু বিস্তারিত স্পর্শের মাধ্যমে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। আমি নিচে স্যার জর্জ ভিলিয়ার্সের আশ্চর্যজনক বংশধরদের কথা বর্ণনা করেছি। কিন্তু উচ্চ বুদ্ধিজীবীদের বংশধারাও কোনো অংশে কম আন্তঃপ্রজননযুক্ত এবং আধ্যাত্মিকভাবে মিশ্রিত নয়। ভিলিয়ার্স সংযোগ রাজন্যবর্গ বা জনতাকে মুগ্ধ করুক এবং বর্তমান ঘটনাবলি শাসন করুক, বা শাসনের ভান করুক। লক সংযোগ এবং সেই দীর্ঘ ইংরেজ ধারার সাথে আধ্যাত্মিক আত্মীয়তা দাবি করার মধ্যেও এক ধরনের গর্বের অনুভূতি আছে, যারা বুদ্ধিবৃত্তিক এবং মানবিক উভয় দিক থেকেই একে অপরের সাথে যুক্ত, যাদের নাম আমার দ্বিতীয় বিভাগে রয়েছে। যদি তারা সবচেয়ে জ্ঞানী নাও হন, তবুও তারা মানুষের মধ্যে সবচেয়ে সত্যবাদী। যদি সবচেয়ে সুদর্শন নাও হন, তবুও সবচেয়ে অদ্ভুত এবং মিষ্টি। যদি সবচেয়ে বাস্তববাদী নাও হন, তবুও তাদের জনবিবেক সবচেয়ে বিশুদ্ধ। যদি উচ্চ শৈল্পিক প্রতিভার অধিকারী নাও হন, তবুও মানব মনের বিচরণক্ষেত্রে তাদের অর্জন সবচেয়ে মজবুত এবং আন্তরিক।
** ভূমিকা, পৃষ্ঠা viii
* মিস্টার লয়েড জর্জের যদি কোনো ভালো গুণ, কোনো আকর্ষণ বা মোহিনী শক্তি না থাকত, তবে তিনি বিপজ্জনক হতেন না। তিনি যদি মায়াবী মোহিনী না হতেন, তবে আমাদের ঘূর্ণিপাককে ভয় পাওয়ার প্রয়োজন হতো না।
** "মিস্টার লয়েড জর্জ: একটি খণ্ডাংশ", পৃষ্ঠা ৩৫
* সব রাজনৈতিক দলেরই জন্ম হয়েছে পুরনো ধ্যানধারণা থেকে, নতুন ধারণা থেকে নয়—এবং মার্কসবাদীদের ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে বেশি স্পষ্ট।
** "ট্রটস্কি অন ইংল্যান্ড", পৃষ্ঠা ৯১
* পরবর্তী পদক্ষেপটি নিতে হবে মাথা দিয়ে, আর মুষ্টিকে (শক্তি প্রয়োগ) অপেক্ষা করতে হবে।
** "ট্রটস্কি অন ইংল্যান্ড", পৃষ্ঠা ৯১
* অর্থনীতি একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক বিজ্ঞান।
** "রবার্ট ম্যালথাস: দ্য ফার্স্ট অফ দ্য কেমব্রিজ ইকোনমিস্টস", পৃষ্ঠা ১২৮
* অ্যাডাম স্মিথ, ম্যালথাস এবং ডেভিড রিকার্ডো! আধ্যাত্মিকভাবে তাঁদের সন্তান হিসেবে আমাদের কাছ থেকে সাধারণের চেয়েও বেশি আবেগ পাওয়ার মতো কিছু গুণ এই তিন ব্যক্তিত্বের মধ্যে রয়েছে।
** "রবার্ট ম্যালথাস: দ্য ফার্স্ট অফ দ্য কেমব্রিজ ইকোনমিস্টস", পৃষ্ঠা ১৪৮
* অর্থনীতির অধ্যয়নের জন্য উচ্চমানের কোনো বিশেষায়িত প্রতিভার প্রয়োজন বলে মনে হয় না। বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে বিবেচনা করলে, দর্শন বা বিশুদ্ধ বিজ্ঞানের উচ্চতর শাখাগুলোর তুলনায় এটি কি খুব সহজ বিষয় নয়? তবুও ভালো, এমনকি যোগ্য অর্থনীতিবিদ পাওয়াও দুষ্কর। এটি একটি সহজ বিষয়, যেখানে খুব কম লোকই পারদর্শী! এই কূটাভাসের ব্যাখ্যা হয়তো এখানেই যে, একজন দক্ষ অর্থনীতিবিদের মধ্যে বিরল কিছু গুণের সমন্বয় থাকতে হয়। তাঁকে বিভিন্ন দিকে উচ্চ মান অর্জন করতে হয় এবং এমন সব প্রতিভার সংমিশ্রণ ঘটাতে হয় যা সচরাচর একসাথে পাওয়া যায় না। তাঁকে কিছুটা গণিতবিদ, ইতিহাসবিদ, রাষ্ট্রনায়ক এবং দার্শনিক হতে হবে। তাঁকে প্রতীক বুঝতে হবে এবং শব্দ দিয়ে কথা বলতে হবে। তাঁকে বিশেষত্বকে সাধারণের নিরিখে চিন্তা করতে হবে এবং একই চিন্তার প্রবাহে বিমূর্ত ও মূর্ত উভয়কেই স্পর্শ করতে হবে। ভবিষ্যতের উদ্দেশ্যে অতীতের আলোকে বর্তমানকে অধ্যয়ন করতে হবে। মানুষের প্রকৃতি বা তার কোনো প্রতিষ্ঠানই তাঁর বিবেচনার সম্পূর্ণ বাইরে থাকা চলবে না। তাঁকে একই সাথে উদ্দেশ্যপূর্ণ এবং নিঃস্বার্থ হতে হবে; একজন শিল্পীর মতো নির্লিপ্ত ও দুর্নীতিমুক্ত, আবার কখনও একজন রাজনীতিবিদের মতো মাটির কাছাকাছি। আলফ্রেড মার্শালের মধ্যে এই বহুমুখী গুণের অনেকগুলোই ছিল। তবে প্রধানত তাঁর বিচিত্র প্রশিক্ষণ এবং বিভক্ত সত্তা তাঁকে একজন অর্থনীতিবিদের জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ও মৌলিক গুণগুলো দিয়েছিল—তিনি একই সাথে স্পষ্টভাবে ইতিহাসবিদ ও গণিতবিদ ছিলেন, যিনি বিশেষ ও সাধারণ, ক্ষণস্থায়ী ও চিরন্তন—উভয়কেই একসাথে নাড়াচাড়া করতেন।
** "আলফ্রেড মার্শাল", পৃষ্ঠা ১৭০
* মাঝে মাঝে ভুল হওয়াতে কোনো ক্ষতি নেই—বিশেষ করে যদি সেই ভুলটি দ্রুত ধরা পড়ে যায়।
** "আলফ্রেড মার্শাল", পৃষ্ঠা ১৭৫
* জেভন্স কেতলি ফুটতে দেখেছিলেন এবং শিশুর মতো আনন্দিত কণ্ঠে চিৎকার করে উঠেছিলেন; মার্শালও কেতলি ফুটতে দেখেছিলেন এবং নীরবে বসে একটি ইঞ্জিন তৈরির কাজে লেগেছিলেন।
** "আলফ্রেড মার্শাল", পৃষ্ঠা ১৮৮
* অর্থনীতিবিদদের উচিত অ্যাডাম স্মিথের জন্য বিশাল গ্রন্থের গৌরব ছেড়ে দেওয়া; তাদের উচিত সময়কে কাজে লাগানো, বাতাসের বুকে পুস্তিকা ছুড়ে দেওয়া, সবসময় বর্তমান সময়ের প্রেক্ষিতে লেখা এবং অমরত্ব যদি অর্জন করতেই হয় তবে তা দুর্ঘটনাক্রমে অর্জন করা।
** "আলফ্রেড মার্শাল", পৃষ্ঠা ২১২
* অর্থনৈতিক ভারসাম্যের সাধারণ তত্ত্বটি দুটি শক্তিশালী সহায়ক ধারণার মাধ্যমে শক্তিশালী এবং চিন্তার একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে—প্রান্তিকতা এবং প্রতিস্থাপন। প্রান্তিকতার ধারণাটি কেবল উপযোগিতার বাইরেও বিস্তৃত করা হয়েছে, যা যেকোনো অর্থনৈতিক উপাদানের ভারসাম্যের বিন্দু বর্ণনা করতে পারে।
** "আলফ্রেড মার্শাল", পৃষ্ঠা ২২৩
* সেখানে অফুরন্ত সম্ভাবনা ছিল, যা নাগালের বাইরে ছিল না।
** "আলফ্রেড মার্শাল", পৃষ্ঠা ২৫৩
* পারমাণবিক অনুকল্প যা পদার্থবিজ্ঞানে চমৎকারভাবে কাজ করেছিল, তা মনোবিজ্ঞানে বা মানসিক বিজ্ঞানে ব্যর্থ হয়।
** "ফ্রান্সিস ইসিড্রো এজওয়ার্থ", পৃষ্ঠা ২৮৬
* মার্শাল তাঁর মিশ্র বংশধরদের কথা মনে রেখে বলতেন—'ফ্রান্সিস লোকটা দারুণ, তবে ইসিড্রোর ব্যাপারে তোমাকে সতর্ক থাকতে হবে!'
** "ফ্রান্সিস ইসিড্রো এজওয়ার্থ", পৃষ্ঠা ২৯০
* যুক্তিবিদ্যা, লিরিক্যাল কবিতার মতোই মধ্যবয়স্কদের জন্য কোনো পেশা নয়।
** "এফ. পি. র্যামসে", পৃষ্ঠা ২৯৬
* আকাশের বিশালতার সামনে আমি বিন্দুমাত্র হীনম্মন্যতা বোধ করি না।
** "এফ. পি. র্যামসে", পৃষ্ঠা ৩১০
==== ''দ্য জেনারেল থিওরি অফ এমপ্লয়মেন্ট, ইন্টারেস্ট অ্যান্ড মানি'' (১৯৩৬) ====
[[File:Eye.jpg|thumb|right|অসুবিধাটি নতুন ধারণার মধ্যে নয়, বরং পুরনো ধারণাগুলো থেকে বেরিয়ে আসার মধ্যে; যা আমাদের অনেকের মনের প্রতিটি কোণায় শিকড় গেড়ে আছে।]]
* অসুবিধাটি নতুন ধারণার মধ্যে নয়, বরং পুরনো ধারণাগুলো থেকে বেরিয়ে আসার মধ্যে; যা আমাদের অনেকের মনের প্রতিটি কোণায় শিকড় গেড়ে আছে।
** ভূমিকা
* আমরা যে অর্থনৈতিক সমাজে বাস করি তার প্রধান ত্রুটিগুলো হলো পূর্ণ কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে ব্যর্থতা এবং সম্পদ ও আয়ের যথেচ্ছ ও অসম বণ্টন।
** অধ্যায় ২৪
* অর্থনীতিবিদ এবং রাজনৈতিক দার্শনিকদের ধারণাগুলো—তা সঠিক হোক বা ভুল—সাধারণত যতটা ভাবা হয় তার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। প্রকৃতপক্ষে পৃথিবী এর বাইরে অন্য কিছু দ্বারা শাসিত হয় না। বাস্তববাদী মানুষ যারা নিজেদের যেকোনো বুদ্ধিবৃত্তিক প্রভাব থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত বলে মনে করেন, তারা সাধারণত কোনো মৃত অর্থনীতিবিদের দাস হয়ে থাকেন। ক্ষমতায় থাকা উন্মাদ ব্যক্তিরা যারা অলৌকিক আদেশ শোনেন, তারা আসলে কয়েক বছর আগের কোনো এক অখ্যাত তাত্ত্বিক লেখকের উন্মাদনা থেকেই নিজেদের প্রেরণা সংগ্রহ করছেন। আমি নিশ্চিত যে, কায়েমি স্বার্থের ক্ষমতাকে চিন্তাধারার বিস্তারের তুলনায় অনেক বেশি অতিরঞ্জিত করে দেখা হয়। এটি অবিলম্বে না ঘটলেও একটি নির্দিষ্ট বিরতির পর ঘটে; কারণ অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দর্শনের ক্ষেত্রে এমন মানুষ খুব বেশি নেই যারা পঁচিশ বা ত্রিশ বছর বয়সের পর নতুন তত্ত্ব দ্বারা প্রভাবিত হন। তাই সরকারি কর্মচারী, রাজনীতিবিদ এমনকি আন্দোলনকারীরা বর্তমানের ঘটনায় যে ধারণাগুলো প্রয়োগ করেন, সেগুলো খুব একটা নতুন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। কিন্তু আজ হোক বা কাল, ভালো বা মন্দের জন্য কায়েমি স্বার্থ নয়, বরং চিন্তাধারাই সবচেয়ে বেশি বিপজ্জনক।
** অধ্যায় ২৪, পৃষ্ঠা ৩৮৩-৩৮৪
=== ১৯৪০-এর দশক ===
* এটি একটি চমৎকার বই যা আপনার কাছ থেকে প্রত্যাশিত আশার যোগ্য। উচ্চ নান্দনিক গুণসম্পন্ন সুসংগঠিত বিশ্লেষণের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী কাজ, যদিও এটি হয়তো সাধারণের চেয়ে বোদ্ধাদের জন্যই বেশি লেখা হয়েছে। যাই হোক, সাম্প্রতিক সময়ের এই ধরণের যেকোনো প্রচেষ্টার চেয়ে বুদ্ধিবৃত্তিক আনন্দের জন্য আমি এটিকেই বেশি পছন্দ করি।
** আব্বা লার্নারকে লেখা চিঠি (১৯৪২), 'দ্য ইকোনমিক্স অফ কন্ট্রোল' প্রসঙ্গে।
* আমরা যা আসলে 'করতে' পারি, তার সামর্থ্য আমাদের আছে।
** ১৯৪২; 'কালেক্টেড রাইটিংস', ভলিউম ২৭, পৃষ্ঠা ২৭০-এ প্রকাশিত।
[[File:Light dispersion conceptual.gif|thumb|right| নিউটন যুক্তিবাদী যুগের প্রথম মানুষ ছিলেন না। বরং তিনি ছিলেন জাদুকরদের শেষ প্রতিনিধি...]]
* নিউটন যুক্তিবাদী যুগের প্রথম মানুষ ছিলেন না। বরং তিনি ছিলেন জাদুকরদের শেষ প্রতিনিধি, ব্যাবিলনীয় এবং সুমেরীয়দের শেষ উত্তরাধিকারী; শেষ মহান সেই মস্তিষ্ক যিনি দৃশ্যমান এবং বুদ্ধিবৃত্তিক জগতের দিকে সেই একই দৃষ্টিতে তাকিয়েছিলেন, যে দৃষ্টিতে আজ থেকে দশ হাজার বছরেরও কম সময় আগে আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক উত্তরাধিকার গড়ার কারিগররা তাকিয়েছিলেন।
** "নিউটন, দ্য ম্যান"; রয়্যাল সোসাইটি ক্লাবে ভাষণ (১৯৪২)।
* তাঁর বিশেষ প্রতিভা ছিল একটি বিশুদ্ধ মানসিক সমস্যাকে ক্রমাগত তাঁর মনের মধ্যে ধরে রাখার ক্ষমতা, যতক্ষণ না তিনি এর শেষ দেখতে পেতেন।
** "নিউটন, দ্য ম্যান"; রয়্যাল সোসাইটি ক্লাবে ভাষণ (১৯৪২)।
* '''সেই পুরনো প্রবাদটি এখনও সত্য। আপনি যদি আপনার ব্যাংকারের কাছে ১০০০ পাউন্ড ঋণী হন, তবে আপনি তার করুণার ওপর নির্ভরশীল; আর যদি ১ মিলিয়ন পাউন্ড ঋণী হন, তবে অবস্থানটি ঠিক উল্টে যায়।'''
** "ওভারসিজ ফিনান্সিয়াল পলিসি ইন স্টেজ থ্রি" (১৫ মে ১৯৪৫-এ যুক্তরাজ্যের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভায় প্রচারিত স্মারক লিপি)।
:* আপনি যদি আপনার ব্যাংক ম্যানেজারকে এক হাজার পাউন্ড দেন, আপনি তার করুণায় আছেন। আপনি যদি তাকে এক মিলিয়ন পাউন্ড দেন, সে আপনার করুণায় আছে।
::* টাইম ম্যাগাজিনে প্রকাশিত সংস্করণ (ফেব্রুয়ারি ১৭, ১৯৪৭)।
:* '''যদি ব্যাংকের কাছে আপনার একশ পাউন্ড ঋণ থাকে, তবে সমস্যাটি আপনার। কিন্তু যদি এক মিলিয়ন ঋণ থাকে, তবে সমস্যাটি ব্যাংকের।'''
::* দ্য ইকোনমিস্ট (১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৮২), পৃষ্ঠা ১১।
[[File:Paradiso Canto 31 (148200393).jpg|thumb|right|সেই দিন খুব দূরে নয় যখন অর্থনৈতিক সমস্যা তার উপযুক্ত পেছনের আসনে গিয়ে বসবে...]]
* '''সেই দিন খুব দূরে নয় যখন অর্থনৈতিক সমস্যা তার উপযুক্ত পেছনের আসনে গিয়ে বসবে, এবং আমাদের হৃদয় ও মস্তিষ্কের অঙ্গন আমাদের প্রকৃত সমস্যাগুলো—অর্থাৎ জীবন ও মানবিক সম্পর্ক, সৃষ্টি, আচরণ এবং ধর্মের সমস্যাগুলো দ্বারা দখল বা পুনর্দখল হবে।'''
** আর্টস কাউন্সিলের প্রথম বার্ষিক প্রতিবেদন (১৯৪৫-১৯৪৬)
* তারা আমাকে খাদ্য বা পানীয়—কোনো বুদ্ধিবৃত্তিক বা আধ্যাত্মিক সান্ত্বনা—কিছুই দেয় না... [রক্ষণশীলতা] কোথাও নিয়ে যায় না; এটি কোনো আদর্শকে সন্তুষ্ট করে না; এটি কোনো বুদ্ধিবৃত্তিক মানদণ্ড মেনে চলে না; এটি এমনকি নিরাপদও নয়, বা আমরা ইতিমধ্যে যে সভ্যতার স্তরে পৌঁছেছি তা ধ্বংসকারীদের হাত থেকে রক্ষা করার জন্যও যথেষ্ট নয়।
** রক্ষণশীল দল সম্পর্কে; স্কিডেলস্কি (১৯৯২:২৩১), 'কালেক্টেড রাইটিংস' ভলিউম ৯, পৃষ্ঠা ২৯৬-২৯৭ থেকে উদ্ধৃত।
* শুরুতে মিস্টার বল্ডউইন চতুর নন—এটি একটি আকর্ষণ ছিল। কিন্তু যখন তিনি নিজের 'নির্বুদ্ধিতা' নিয়ে সবসময় আবেগপ্রবণতা দেখান, তখন সেই আকর্ষণ ভেঙে যায়।
** স্কিডেলস্কি (১৯৯২:২৩২), কেইনস 'পেপারস' PS/6 থেকে উদ্ধৃত।
* বইটি বর্তমান অবস্থায় আমার পড়া অন্যতম ভয়াবহ জগাখিচুড়ি বলে মনে হয়েছে, যেখানে ৪৫ নম্বর পৃষ্ঠার পর থেকে একটিও সঠিক প্রস্তাবনা নেই [হায়েক ৪৫ পৃষ্ঠা পর্যন্ত ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট দিয়েছিলেন; এরপর তাঁর তাত্ত্বিক মডেল শুরু হয়], তবুও এটি কিছু আগ্রহোদ্দীপক বিষয় ধরে রাখে যা পাঠকের মনে দাগ কাটতে পারে। এটি একটি অসাধারণ উদাহরণ যে কীভাবে একটি ভুল থেকে শুরু করে একজন আপসহীন তার্কিক শেষ পর্যন্ত পাগলাগারদে গিয়ে পৌঁছাতে পারেন।
** ফ্রেডরিখ হায়েকের 'প্রাইসেস অ্যান্ড প্রোডাকশন' সম্পর্কে, 'কালেক্টেড রাইটিংস', ভলিউম ১২, পৃষ্ঠা ২৫২।
==== ''হাউ টু পে ফর দ্য ওয়ার'' (১৯৪০) ====
* একটি মুক্ত সম্প্রদায়ের পক্ষে যুদ্ধের জন্য সংগঠিত হওয়া সহজ নয়। আমরা বিশেষজ্ঞ বা ভবিষ্যৎবক্তাদের কথা শুনতে অভ্যস্ত নই। আমাদের শক্তি নিহিত রয়েছে তাৎক্ষণিক উদ্ভাবন বা উপস্থিত বুদ্ধির ক্ষমতার মধ্যে। তবুও অপ্রীক্ষিত ধারণাগুলোর প্রতি উদার মন রাখা প্রয়োজন। যুদ্ধের শেষ কবে হবে তা কেউ বলতে পারে না। যুদ্ধকালীন পরিষেবাগুলোতে এটি স্বীকৃত যে, একটি দ্রুত সমাপ্তির সর্বোত্তম নিশ্চয়তা হলো দীর্ঘ সহনশীলতার পরিকল্পনা করা।
** প্রথম অধ্যায়: সমস্যার প্রকৃতি
* সাহস তখনই আসবে যখন সকল দলের জনমতের নেতারা যুদ্ধের ক্লান্তি ও বিভ্রান্তি থেকে বেরিয়ে এসে নিজেদের বোঝার মতো এবং জনগণকে ব্যাখ্যা করার মতো যথেষ্ট স্বচ্ছ মানসিকতা বজায় রাখবেন যে কী প্রয়োজন; এবং তারপর সামাজিক ন্যায়বিচারের চেতনায় একটি পরিকল্পনা প্রস্তাব করবেন—এমন একটি পরিকল্পনা যা ত্যাগের এই সময়কে কাঙ্ক্ষিত সংস্কারগুলো স্থগিত করার অজুহাত হিসেবে নয়, বরং বৈষম্য কমানোর ক্ষেত্রে আমরা এযাবৎ যতটুকু এগিয়েছি তার চেয়ে আরও বেশি এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করবে।
** প্রথম অধ্যায়: সমস্যার প্রকৃতি
* বিচ্ছিন্নভাবে কোনো কিছুই সমাধান করা যায় না। আমাদের সম্পদের প্রতিটি ব্যবহার একটি বিকল্প ব্যবহারের বিনিময়ে ঘটে।
** প্রথম অধ্যায়: সমস্যার প্রকৃতি
* অনেকগুলো আলাদা আলাদা নীতির সমন্বয়ে সঠিক ফলাফল নিশ্চিত করা অত্যন্ত কঠিন। এটি একটি সুবিধার বিপরীতে অন্যটি ওজন করার ওপর নির্ভর করে। সরবরাহ পরিষেবাগুলোর সীমার মধ্যে এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেই যা একে প্রভাবিত করে না।
** প্রথম অধ্যায়: সমস্যার প্রকৃতি
* শান্তির সময়ে অর্থনীতির 'কেক'-এর আকার নির্ভর করে কতটা কাজ করা হয়েছে তার ওপর। কিন্তু যুদ্ধকালীন সময়ে কেকের আকার নির্ধারিত থাকে। আমরা যদি বেশি পরিশ্রম করি, তবে আমরা ভালোভাবে লড়াই করতে পারি। কিন্তু আমাদের ভোগ বাড়ানো চলবে না।
** প্রথম অধ্যায়: সমস্যার প্রকৃতি
* আমাদের সমাধানের সাধারণ বৈশিষ্ট্য হতে হবে এই যে, এটি বর্ধিত আয়ের একটি অংশ ব্যয় করা থেকে বিরত রাখবে। পণ্যদ্রব্যের ঘাটতি বা উচ্চমূল্য ছাড়াও ব্যয়ের জন্য টাকা এবং কেনার জন্য পণ্যের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার এটাই একমাত্র উপায়।
** দ্বিতীয় অধ্যায়: সমাধানের প্রকৃতি
* বেসামরিক ভোগের জন্য কেকের কতটুকু অংশ অবশিষ্ট থাকবে তা গণনা করতে আমাদের তিনটি বিষয় প্রাক্কলন করতে হবে: (১) আমাদের মানুষ, কারখানা এবং কাঁচামাল ব্যবহার করে আমরা সর্বোচ্চ কতটুকু উৎপাদন করতে সক্ষম, (২) রপ্তানির চেয়ে বেশি আমদানির মাধ্যমে আমরা কতটা নিরাপদভাবে আমাদের বৈদেশিক রিজার্ভ ব্যবহার করতে পারি, (৩) আমাদের এই সমস্ত সামর্থ্যের ঠিক কতটুকু যুদ্ধ প্রচেষ্টায় ব্যবহৃত হবে।
** তৃতীয় অধ্যায়: আমাদের উৎপাদন ক্ষমতা এবং জাতীয় আয়
* বর্তমান বেকারত্বের প্রকৃতি এক বছর আগের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এটি আর চাহিদার অভাবের কারণে ঘটছে না। আমরা যা চাই তার কোনো সম্ভাব্য উদ্বৃত্ত সরবরাহ আর অবশিষ্ট নেই। পূর্ণ কর্মসংস্থানে পৌঁছানোর পথে দুটি বাধা রয়েছে। প্রথমটি হলো শ্রমকে প্রয়োজনীয় স্থানে স্থানান্তরিত করার অসুবিধা। দ্বিতীয়টি—এবং আপাতত প্রধান—বাধা হলো চাহিদা কার্যকর হওয়ার পথে শ্রমের অভাব ছাড়াও অন্যান্য সমস্যা।
** তৃতীয় অধ্যায়: আমাদের উৎপাদন ক্ষমতা এবং জাতীয় আয়
* আমি এখন যুক্তির এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছি যেখানে আমাকে খুব বেশি সুনির্দিষ্ট হওয়া অথবা খুব বেশি অস্পষ্ট থাকার মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নিতে হচ্ছে। আমি যদি একটি বাস্তব প্রস্তাবের খুঁটিনাটি সব উপস্থাপন করি, তবে আমি পরিকল্পনার মূল নীতির সাথে অপরিহার্য নয় এমন শত শত বিষয়ে সমালোচনার মুখে পড়ব। আমি যদি উদাহরণের জন্য পরিসংখ্যানের ব্যবহার আরও বাড়াই, তবে আমি ক্রমেই অনুমানের জালে জড়িয়ে পড়ব; এবং আমি পাঠককে এমন সব বিস্তারিত বিবরণে আটকে ফেলার ঝুঁকি নেব যা হয়তো নির্ভুল নয় এবং মূল কাঠামোকে ক্ষতিগ্রস্ত না করেই সংশোধন করা সম্ভব। আবার আমি যদি নিজেকে কেবল সাধারণ আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখি, তবে আমি পাঠককে চিন্তা করার মতো যথেষ্ট খোরাক দিতে পারব না; এবং প্রকৃতপক্ষে আমি মূল বিষয়টি এড়িয়ে যাব, যেহেতু সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর আকার বা গুরুত্ব কোনো অপ্রাসঙ্গিক বিশদ নয়।
** অধ্যায় ৫: বিলম্বিত বেতন, পারিবারিক ভাতা এবং সুলভ রেশনের একটি পরিকল্পনা
* প্রতিটি ব্যক্তির জন্য তার শ্রমের ফলের ওপর অধিকার বজায় রাখা একটি বড় সুবিধা, যদিও তাকে সেই ফল ভোগের সময় পিছিয়ে দিতে হয়। এভাবে তার ব্যক্তিগত সম্পদ বৃদ্ধি পায়। কারণ সম্পদ আসলে এটাই—বিলম্বিত ভোগের অধিকারের ওপর নিয়ন্ত্রণ।
** অধ্যায় ৫: বিলম্বিত বেতন, পারিবারিক ভাতা এবং সুলভ রেশনের একটি পরিকল্পনা
* ট্রেড ইউনিয়নগুলোর জন্য ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি বা মজুরি করের তুলনায় এই ধরণের পরিকল্পনা অনেক বেশি এবং স্পষ্ট সুবিধা প্রদান করে। যুদ্ধের চাহিদা সত্ত্বেও, শ্রমিকরা তাদের বর্ধিত পরিশ্রমের সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ ভোগ বা সুবিধা ভোগ করার অধিকার—আজ হোক বা কাল—নিশ্চিত করতে পারবে; যেখানে পারিবারিক ভাতা এবং সুলভ রেশন আসলে যুদ্ধের সময়ও দরিদ্র পরিবারগুলোর অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি ঘটাবে। আমরা যুদ্ধকে একটি ইতিবাচক সামাজিক উন্নতির সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করতে সফল হব। একটি ন্যায়সঙ্গত যুদ্ধের বোঝার যৌক্তিক অংশ এড়ানোর বিফল প্রচেষ্টার তুলনায় এটি কত বড় সুবিধা, যা শেষ পর্যন্ত কেবল ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতিই বয়ে আনে!
** অধ্যায় ৫: বিলম্বিত বেতন, পারিবারিক ভাতা এবং সুলভ রেশনের একটি পরিকল্পনা
* সঞ্চিত অর্থ চূড়ান্তভাবে ছাড় দেওয়ার উপযুক্ত সময়টি আসবে যুদ্ধ পরবর্তী প্রথম মন্দা শুরু হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে।
** অধ্যায় ৭: বিলম্বিত বেতন অবমুক্তকরণ এবং মূলধন কর
* জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির মাধ্যমে ভারসাম্যে পৌঁছানোর যে প্রক্রিয়া—যার পেছনে মজুরি বৃদ্ধির প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়—তা পরবর্তী অধ্যায়ে বর্ণনা করা হবে। তবে সব পক্ষই স্বীকার করে যে, এটিই হলো সম্ভাব্য নিকৃষ্টতম সমাধান।
** অধ্যায় ৮: রেশন প্রথা, মূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং মজুরি নিয়ন্ত্রণ
==আরোপিত উক্তি==
* '''পুঁজিবাদ হলো "সেই আশ্চর্যজনক বিশ্বাস যে, নিকৃষ্টতম ব্যক্তিদের নিকৃষ্টতম উদ্দেশ্যগুলো কোনো না কোনোভাবে সম্ভবপর সেরা বিশ্বের সেরা ফলাফল বয়ে নিয়ে আসবে।"'''
** স্যার জর্জ শস্টার কর্তৃক আরোপিত (১৯৫১)।
[[File:Lange-MigrantMother02.jpg|thumb|যখন আমার কাছে থাকা তথ্য পরিবর্তিত হয়, তখন আমি আমার সিদ্ধান্তও পরিবর্তন করি। আপনি কী করেন, জনাব?]]
* '''চিন্তাধারা ইতিহাসের গতিপথ নির্ধারণ করে।'''
** লরেন্স জে. পিটার (১৯৭৬) কর্তৃক উদ্ধৃত।
* '''কর ফাঁকি দেওয়া বা কর এড়িয়ে চলা হলো একমাত্র বুদ্ধিবৃত্তিক সাধনা যা এখনও কোনো পুরস্কার বা সুফল বয়ে আনে।'''
** অ্যালান এল. ম্যাকে (১৯৭৭) কর্তৃক উদ্ধৃত।
* '''শিক্ষা হলো অযোগ্যদের দ্বারা অজ্ঞদের ওপর অবোধ্য বিষয়গুলো চাপিয়ে দেওয়া।'''
** ১৯শে জুন ১৯৬২-এর 'জিউয়িশ ফ্রন্টিয়ার'-এ সংগৃহীত স্মৃতি থেকে।
* '''ছাপাখানা থেকে প্রুফ বা প্রাথমিক কপি হাতে পাওয়ার আগে আমি আসলে কাজ শুরুই করি না। এরপরই আমি আমার গম্ভীর বা প্রকৃত লেখা শুরু করতে পারি।'''
** দ্য গার্ডিয়ান (৮ জুন ১৯৮৩) কর্তৃক উদ্ধৃত।
* '''যখন আমার কাছে থাকা তথ্য পরিবর্তিত হয়, তখন আমি আমার সিদ্ধান্তও পরিবর্তন করি। আপনি কী করেন, জনাব?'''
** মহামন্দার সময় মুদ্রানীতি নিয়ে নিজের অবস্থান পরিবর্তনের সমালোচনার জবাবে দেওয়া উত্তর। এটি প্রায়ই এভাবে বলা হয়— "যখন তথ্য বা সত্য পরিবর্তিত হয়, তখন আমি আমার মন পরিবর্তন করি। আপনি কী করেন, জনাব?"
[[File:Champagne.jpg|thumb|right|আমার একমাত্র আক্ষেপ এই যে আমি আমার জীবনে আরও বেশি শ্যাম্পেন পান করিনি।]]
* '''আপনি সুতা দিয়ে ধাক্কা দিতে পারেন না।'''
** হ্যাল আর. ভেরিয়ান (২০০৩) কর্তৃক আরোপিত।
* '''সফল বিনিয়োগ হলো অন্যদের প্রত্যাশাকে আগেভাগে আঁচ করতে পারা।'''
** গ্রেগরি বার্গম্যান (২০০৬) কর্তৃক উদ্ধৃত।
* '''যতক্ষণ আপনি দেউলিয়া না হন, তার চেয়েও বেশি সময় বাজার অযৌক্তিক থাকতে পারে।'''
** রজার লোয়েনস্টাইন (২০০০) কর্তৃক উদ্ধৃত; মূলত এটি এ. গ্যারি শিলিং-এর উক্তি।
* '''আমার একমাত্র আক্ষেপ এই যে আমি আমার জীবনে আরও বেশি শ্যাম্পেন পান করিনি।'''
** কিংস কলেজ ফিস্টে বলা উক্তি, ১৯৪৯ সালের মেমোরিয়াল ও পরবর্তীতে ২০১৩ সালের 'কোট ইনভেস্টিগেটর'-এ উদ্ধৃত।
* '''চাষাবাদকে যদি শেয়ার বাজারের মতো পরিচালনা করা হতো, তবে একজন কৃষক সকালে বৃষ্টি হলে তার খামারটি বিক্রি করে দিতেন এবং বিকেলে রোদ উঠলে তা আবার কিনে নিতেন।'''
** উইল হাটন (২০০৮) কর্তৃক আরোপিত।
* '''আমাদের সময়ে আর কোনো বড় অর্থনৈতিক বিপর্যয় হবে না।'''
** ১৯২৭ সালে ফেলিক্স সোমারির সাথে কথোপকথন হিসেবে প্রতিবেদনকৃত।
<br /><div class="skin-nightmode-reset-color" style="padding: .5em; border: 1px solid black; background-color: #FFE7CC;">
== ভুলভাবে আরোপিত ==
* সুনির্দিষ্টভাবে ভুল হওয়ার চেয়ে মোটামুটিভাবে সঠিক হওয়া ভালো।
** কেইনসের মৃত্যুর আগে এই উক্তিটি তাঁর সাথে যুক্ত করা হয়নি। মূল উক্তিটি আসলে [[w:bn:কার্ভেথ রিড|কার্ভেথ রিড]]-এর এবং সেটি হলো:
** '''সঠিকভাবে ভুল হওয়ার চেয়ে অস্পষ্টভাবে সঠিক হওয়া ভালো।'''
*** ''লজিক, ডিডাক্টিভ অ্যান্ড ইনডাক্টিভ'' (১৮৯৮), পৃষ্ঠা ৩৫১। [http://www.gutenberg.org/files/18440/18440-h/18440-h.htm#Page_351]
</div>
== কেইনস সম্পর্কে উক্তি ==
[[File:Keynes Low.jpg|thumb|মেনার্ড কেইনসের মতো আর কেউ কেমব্রিজের সংস্কৃতি, আনন্দ এবং জনহিতকর কর্তব্যের চেতনাকে নিজের মধ্যে ধারণ করতে পারেননি। তাঁর মতো উজ্জ্বল এবং আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব আর কেউ ছিলেন না। এই শতাব্দীতে অন্য কোনো অর্থনীতিবিদ রাজনীতিবিদদের ওপর বা অর্থনীতির গতিপথের ওপর এত গভীর প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি। ~ [[w:bn:টড জি. বুকহোলজ|টড জি. বুকহোলজ]] ]]
[[File:WhiteandKeynes.jpg|thumb|আমাদের যুগে কেইনসের চেয়ে চতুর আর কেউ ছিল না, আর তিনি তা লুকিয়ে রাখার চেষ্টাও খুব একটা করতেন না। ~ [[w:bn:রয় হ্যারড|আর. এফ. হ্যারড]] ]]
:<small>লেখকের নাম বা উৎস অনুযায়ী বর্ণানুক্রমিকভাবে সাজানো</small>
[[File:Lydia Lopokova 1922.jpg|thumb|তিনি অবশ্যই একজন অর্থনীতিবিদ ছিলেন—কেমব্রিজের একজন ডন যার সাথে সেই পদের সমস্ত মর্যাদা এবং পাণ্ডিত্য জড়িয়ে ছিল; কিন্তু যখন স্ত্রী নির্বাচনের কথা এল, তখন তিনি বিদুষী নারীদের এড়িয়ে ডায়াঘিলেভের বিখ্যাত দলের প্রধান ব্যালেরিনা বা ব্যালে নৃত্যশিল্পীকে বেছে নিয়েছিলেন। ~ [[w:bn:রবার্ট হেইলব্রোনার|রবার্ট এল. হেইলব্রোনার]] ]]
[[File:Keynes Martin.jpg|thumb|কেইনসের মেধা ছিল আমার জানা মতে সবচেয়ে তীক্ষ্ণ এবং স্বচ্ছ। যখন আমি তাঁর সাথে বিতর্ক করতাম, তখন আমার মনে হতো আমি যেন নিজের জীবন হাতে নিয়ে লড়ছি, এবং খুব কম সময়ই আমি নিজেকে 'বোকা' মনে না করে সেই বিতর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে পারতাম। ~ [[w:bn:বারট্রান্ড রাসেল|বারট্রান্ড রাসেল]] ]]
* তাঁর [কেইনসের] অবসর সময়গুলো চমৎকারভাবে নানা কাজে ব্যয় হতো: কখনও নিজের খামারের শূকরগুলো পরিদর্শন করতে; কখনও ছবির নিলামে অংশ নিতে; কখনও (অন্যান্য গ্রন্থ সংগ্রাহকদের মতো নয়) এলিজাবেথীয় যুগের কোনো গৌণ কবির সদ্য কেনা বই গভীর মনোযোগ দিয়ে পড়তে; কখনও নিজের তৈরি থিয়েটারের বক্সে শুয়ে পিয়ানোর সুর শুনতে; আবার কখনও আড্ডা, প্রাণবন্ত আলাপ এবং এক গ্লাস ওয়াইনে মজে থাকতে। একটি কলেজ ফিস্টের শেষে তিনি বলেছিলেন, **‘আমার একমাত্র আক্ষেপ এই যে আমি আমার জীবনে আরও বেশি শ্যাম্পেন পান করিনি।’** আর এভাবেই তিনি জানতেন অবসর মানুষকে কী দিতে পারে এবং তিনি চেয়েছিলেন যেন সবাই সেই উপহারের অংশীদার হতে পারে।
** কিংস কলেজ (কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়)। ''জন মেনার্ড কেইনস, ১৮৮৩-১৯৪৬: ফেলো অ্যান্ড বারসার''। কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৪৯।
* ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরের আর্থিক সংকটের পর যখন মার্কিন ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক লেম্যান ব্রাদার্স ধসে পড়ে এবং পুরো ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে গ্রাস করার হুমকি দেয়, তখন **ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ জন মেনার্ড কেইনস আবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ফিরে আসেন।** বিশ্বজুড়ে সরকারগুলো যখন জরুরি ভিত্তিতে অর্থনৈতিক ধস এড়ানোর উপায় খুঁজছিল, তখন গণমাধ্যমে এবং অনেক অর্থনীতিবিদের লেখায় কেইনসের নাম প্রধান্য পায়।
** [[রজার ই. ব্যাকহাউস]] এবং ব্র্যাডলি ডব্লিউ. বেটম্যান, ১ম অধ্যায়: "কেইনস ফিরেছেন, কিন্তু কোন কেইনস?" ''ক্যাপিটালিস্ট রেভল্যুশনারি: জন মেনার্ড কেইনস'' (২০১১)।
* কেইনস ছিলেন অসাধারণ মেধার অধিকারী এক মানুষ, যিনি ব্যাংকিং, রাজনীতি, সিটি (আর্থিক কেন্দ্র), সাংবাদিকতা এবং শিল্পকলা—এই প্রতিটি জগতকে একইসাথে স্পর্শ করেছিলেন এবং সবখানেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। কিন্তু এটি বিশ্ব এবং মানুষের আচরণের প্রতি তাঁর দৃষ্টিভঙ্গির মূল কথা প্রকাশ করে না। আমি যা পছন্দ করি তা হলো—সমাজের নিজস্ব সদস্যদের প্রতি নৈতিক দায়িত্বের ওপর তাঁর অবিচল বিশ্বাস; এমন এক দৃষ্টিভঙ্গি যা তিনি তাঁর অর্থনৈতিক তত্ত্বগুলোতেও প্রয়োগ করেছিলেন।
** [[w:bn:জোয়ান বেকওয়েল|জোয়ান বেকওয়েল]], "মাই হিরো জন মেনার্ড কেইনস" (১৯ জুন ২০১০)।
* ১৯২০ সালে (ভার্সাই) চুক্তির তথাকথিত কঠোরতা নিয়ে আক্ষেপ এবং আশঙ্কাগুলো একটি বইয়ের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল, যা এক বিশাল এবং সুদূরপ্রসারী প্রভাব বিস্তার করতে যাচ্ছিল; প্রকৃতপক্ষে শেষ পর্যন্ত এটি ব্রিটিশ শাসক শ্রেণির মনে এই চুক্তি এবং এর অধীনে জার্মানির প্রতি আচরণের বিষয়ে দৃষ্টিভঙ্গি নির্ধারণ করে দিয়েছিল। বইটি ছিল ''দ্য ইকোনমিক কনসিকুয়েন্স অফ দ্য পিস'', যা লিখেছিলেন এক মেধাবী অর্থনীতিবিদ জে. এম. কেইনস, যিনি একই সাথে সেই সময়ের একজন অতি-বুদ্ধিজীবীও ছিলেন... লালন-পালনে একজন প্রথা-বিরোধী, যুদ্ধের সময় একজন বিবেকবান আপত্তিকারী, একজন উদারপন্থী এবং কিছুটা খুঁতখুঁতে স্বভাবের মানুষ... বিশেষ করে অর্থনীতির বাইরে যখনই এটি কিছু আলোচনা করেছে, তখন ''দ্য ইকোনমিক কনসিকুয়েন্স অফ দ্য পিস'' ছিল নিছক একটি আবেগপ্রবণ নৈতিক পুস্তিকা, যা রণকৌশল বা শক্তির ভারসাম্যকে বিবেচনায় নেয়নি। ভার্সাই চুক্তিকে 'কার্থাজিনিয়ান পিস' বা ধ্বংসাত্মক শান্তি বলার কেন্দ্রীয় যুক্তিটি নিজেই ছিল একটি আবেগপ্রবণ বাজে কথা; কারণ প্রথমত, ফরাসিরা সেই সময় যেমনটা ভয় পাচ্ছিল, এই চুক্তি জার্মানির ক্ষমতা কমানোর জন্য যথেষ্ট কঠোর ছিল না; দ্বিতীয়ত, জার্মানি নিজে যখন যুদ্ধ জয়ের আশা করছিল তখন মিত্রশক্তির ওপর যে শর্ত চাপানোর কথা ভেবেছিল, তার তুলনায় এটি ছিল অত্যন্ত নমনীয়; এবং তৃতীয়ত, ১৯১৮ সালের মার্চ মাসে ব্রেস্ট-লিটভস্ক-এ জার্মানি রাশিয়ার ওপর যে শর্ত চাপিয়েছিল, তার কাছে এটি ছিল নখের আঁচড়ের মতো সামান্য... তবে কেইনসের বইয়ের এই ত্রুটিগুলোর মধ্যেই—এর আবেগপ্রবণতা, নৈতিক ক্ষোভ, অপরাধবোধ এবং কৌশলগত বোধের অভাব—লুকিয়ে ছিল এর বিশেষ আবেদন যা এর সুদূরপ্রসারী এবং বিপর্যয়কর সাফল্য নিশ্চিত করেছিল... কারণ ১৯৩০-এর দশকের শুরুর দিকে ভার্সাই চুক্তি সম্পর্কে কেইনসীয় দৃষ্টিভঙ্গিই একজন শিক্ষিত, বুদ্ধিমান এবং উদারমনা মানুষের একমাত্র গ্রহণযোগ্য মত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
** [[w:bn:কোরেলি বারনেট|কোরেলি বারনেট]], ''দ্য কলাপ্স অফ ব্রিটিশ পাওয়ার'' (১৯৭২), পৃষ্ঠা ৩৯০-৩৯২।
* এই ধারায় সতর্ক গবেষণার পর আমি এই বিরক্তিকর সিদ্ধান্তে উপনীত হলাম যে, '''১৯৩০-এর দশকে কেইনস ১০০ ভাগ সঠিক ছিলেন।''' এর আগে আমি উল্টোটা ভাবতাম। কিন্তু সত্য তো সত্যই এবং আমার সিদ্ধান্ত অস্বীকার করার কোনো উপায় ছিল না। এটি আমার বইয়ের যুক্তিতে কোনো প্রভাব ফেলেনি, যা ছিল কেবল ধারণার উত্থান-পতন নিয়ে। কেইনসীয় ধারণাগুলো জনপ্রিয় হওয়ার পাশাপাশি সঠিক ছিল—এই বিষয়টি আমার থিসিসকে আরও শক্তিশালী করেছে।
** [[w:bn:ব্রুস বার্টলেট|ব্রুস বার্টলেট]], "রিভেঞ্জ অফ দ্য রিয়ালিটি-বেজড কমিউনিটি" (২০১২)
* আমি মনে করি কেইনসের একটি স্বাস্থ্যকর ডোজ ছাড়া সংকট এবং মন্দার প্রতি বেশিরভাগ সরকারের প্রতিক্রিয়া ব্যাখ্যা করা বেশ কঠিন।
** [[w:bn:অ্যালান এস. ব্লাইন্ডার|অ্যালান এস. ব্লাইন্ডার]], "টিচিং ম্যাক্রো প্রিন্সিপলস আফটার দ্য ফিনান্সিয়াল ক্রাইসিস", ''দ্য জার্নাল অফ ইকোনমিক এডুকেশন'' (২০১০)
* কেইনস কোনো বিপ্লবী ছিলেন না, কিন্তু তাঁর ধারণাগুলো বিংশ শতাব্দীর অর্থনীতিতে বিপ্লব ঘটিয়েছিল।
** [[স্যামুয়েল বোলস]], রিচার্ড এডওয়ার্ডস এবং ফ্রাঙ্ক রুজভেল্ট। ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং ক্যাপিটালিজম: কম্পিটিশন, কমান্ড অ্যান্ড চেঞ্জ'' (২০০৫), পৃষ্ঠা ৮২
* তাঁর মত প্রকাশের মোহনীয় ক্ষমতা এবং মহান কিন্তু বিশৃঙ্খল মেধার কারণে কেইনস সেই ব্যক্তি হিসেবে সবচেয়ে বেশি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন, যিনি মুদ্রাস্ফীতিকে সম্মানজনক করে তুলেছিলেন।
** [[w:bn:ব্রেন্ডান ব্র্যাকেন|ব্রেন্ডান ব্র্যাকেন]], ১৯৫৩ সালে উইলিয়াম সিডনি রবিনসন কর্তৃক উদ্ধৃত।
* কেইনসকে ছাড়া সরকারি বাজেটগুলো ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ত, যেমনটি কেইনসের আগে মন্দা এবং যুদ্ধের সময় হয়েছিল। কেইনসকে ছাড়া সরকারগুলো সময় ও স্থান ভেদে অর্থ তৈরির হার পরিবর্তন করত, যার ফলাফল ভালো এবং মন্দ উভয়ই হতে পারত। কেইনসকে ছাড়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ঘটত এবং পশ্চিমা গণতন্ত্রের অর্থনীতিগুলো ১৯৩০-এর দশকের স্থবিরতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারত। কেইনসকে ছাড়া যুদ্ধ-পরবর্তী বছরগুলোতে মূলত পূর্ণ কর্মসংস্থান এবং এর সাথে মুদ্রাস্ফীতির হুমকি দেখা দিত। কিন্তু ইতিহাসের এই ঘটনাগুলো কেইনসীয় উপস্থিতি ছাড়া ভিন্নভাবে ভাবা এবং বর্ণনা করা হতো। কেইনসকে ছাড়া ১৯৬০ ও ১৯৭০-এর দশকে সাধারণ রাজনীতিবিদদের প্রবণতাগুলো আরও ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণে থাকত। কেইনসকে ছাড়া আধুনিক বাজেটগুলো এত বেশি স্ফীত হতো না এবং মুদ্রাস্ফীতি মুক্ত সমাজের জন্য এতটা স্পষ্ট ও বর্তমান বিপদ হয়ে দাঁড়াত না। '''লর্ড কেইনসের উত্তরাধিকার হলো ঘাটতি ব্যয়, মুদ্রাস্ফীতি এবং সরকারের প্রবৃদ্ধির প্রতি স্বাভাবিক ও অনুমেয় রাজনৈতিক পক্ষপাতের জন্য দেওয়া তথাকথিত বুদ্ধিবৃত্তিক বৈধতা।'''
** [[জেমস এম. বুকানন]] এবং রিচার্ড ই. ওয়াগনার, ''ডেমোক্রেসি ইন ডেফিসিট'' (১৯৭৭), ৩য় অধ্যায়: ফার্স্ট, দ্য একাডেমিক স্ক্রিবলারস
* কেন ক্যামেলট (আদর্শ রাষ্ট্র) ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে? বিশাল মাপের বুদ্ধিবৃত্তিক ভুল করা হয়েছে এবং তা একচেটিয়াভাবে রাজনীতিবিদদের দ্বারা নয়। এই ভুলের দায় সরাসরি অর্থনীতিবিদদের ওপরও বর্তায়। যে "একাডেমিক স্ক্রিবলার" বা তাত্ত্বিক লেখককে এর জন্য বড় দায়ভার বহন করতে হবে, তিনি হলেন লর্ড কেইনস...
** [[জেমস এম. বুকানন]], রিচার্ড ই. ওয়াগনার এবং জন বার্টনের সাথে লেখা ''দ্য কনসিকুয়েন্সেস অফ কেইনস'' (১৯৭৮)
* কেইনস কর্মসংস্থানকে (এবং/অথবা উৎপাদনকে) নীতির একটি সুস্পষ্ট লক্ষ্য হিসেবে উন্নীত করার জন্য অনেকাংশে দায়ী। আমি যেমন জোর দিয়েছি, কেইনস অর্থনৈতিক প্রক্রিয়ার মৌলিক ধারণাটি পরিবর্তন করতে চেয়েছিলেন; তিনি কর্মসংস্থানকে সরাসরি নিয়ন্ত্রণের একটি চলক হিসেবে মূল মঞ্চে আনতে চেয়েছিলেন। তিনি বাজার ভারসাম্যের ধ্রুপদী মডেলটি উৎখাত করতে চেয়েছিলেন যেখানে কর্মসংস্থান কেবল বাজারের অংশগ্রহণকারীদের চাহিদা ও সরবরাহের মিথস্ক্রিয়ার একটি ফলাফল হিসেবে নির্ধারিত হয়। <br>আবারও এই ক্ষেত্রে কেইনস অত্যন্ত বেশি প্ররোচনামূলক ছিলেন। পূর্ণ কর্মসংস্থানকে একটি নীতিগত লক্ষ্য হিসেবে উন্নীত করে এবং এর ফলে মুদ্রা ও বাজার উভয় প্রতিষ্ঠানের প্রতি অবহেলা তৈরি করে, কেইনসীয় গুরুত্বারোপ শেষ পর্যন্ত ১৯৭০-এর দশকে আমাদের দেখা 'স্ট্যাগফ্লেশন' (মুদ্রাস্ফীতি ও স্থবিরতার সংমিশ্রণ) নিশ্চিত করেছিল। পরিস্থিতি হয়তো বেশ ভিন্ন হতে পারত যদি কেইনসীয় প্রচেষ্টাকে তার প্রকৃত রূপেই চেনা যেত।
** [[জেমস এম. বুকানন]], "কেইনসীয় ফলিস", ''দ্য লেগাসি অফ কেইনস'' (১৯৮৭)
* মেনার্ড কেইনসের মতো আর কেউ কেমব্রিজের সংস্কৃতি, আনন্দ এবং জনহিতকর কর্তব্যের চেতনাকে নিজের মধ্যে ধারণ করতে পারেননি। তাঁর মতো উজ্জ্বল এবং আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব আর কেউ ছিলেন না। এই শতাব্দীতে অন্য কোনো অর্থনীতিবিদ রাজনীতিবিদদের ওপর বা অর্থনীতির গতিপথের ওপর এত গভীর প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি।
** [[w:bn:টড জি. বুকহোলজ|টড জি. বুকহোলজ]], "কেইনস: বন ভিভান্ত অ্যাজ সেভিয়ার", ''নিউ আইডিয়াস ফ্রম ডেড ইকোনমিস্টস''।
* জে. এম. কেইনসের বই সম্পর্কে আপনি কী ভাবছেন? ... সামগ্রিকভাবে (প্যারিস শান্তি) সম্মেলনের কাজের এই নিন্দা খুব একটা কঠোর নয়। ইতিহাসে এমন খুব কম ঘটনার কথা আমার মনে পড়ে যেখানে আলোচকরা এত বেশি ভালো করতে পারতেন, কিন্তু তার বদলে তারা এত বেশি মন্দের জন্ম দিয়েছেন।
** [[জেমস ব্রাইস, ১ম ভিসকাউন্ট ব্রাইস]] থেকে সি. পি. স্কটকে লেখা চিঠি (২০ জানুয়ারি ১৯২০)।
* একটি বই, যা বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক প্রচার পেয়েছিল, সেখানে তিনি "কার্থাজিনিয়ান পিস" বা ধ্বংসাত্মক শান্তিকে উন্মোচিত এবং নিন্দা করেছিলেন। তিনি ধারাবাহিক অধ্যায়গুলোতে অখণ্ডনীয় যুক্তির মাধ্যমে আর্থিক এবং অর্থনৈতিক ধারাগুলোর দানবীয় চরিত্র তুলে ধরেছিলেন। এই সমস্ত বিষয়ে তাঁর মতামত সঠিক। তবে, গম্ভীরভাবে বিধিবদ্ধ করা অর্থনৈতিক শর্তগুলোর প্রতি তাঁর স্বাভাবিক ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে তিনি পুরো শান্তি চুক্তির কাঠামোকে এক ঢালাও নিন্দায় জড়িয়ে ফেলেছেন। অর্থনৈতিক বিষয়ে কথা বলার ক্ষেত্রে তাঁর যোগ্যতা অবিসংবাদিত ছিল; কিন্তু সমস্যার অন্য এবং অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো সম্পর্কে তিনি অনেকের চেয়ে ভালো বিচার করতে পারেননি।
** [[উইনস্টন চার্চিল]], ''দ্য ওয়ার্ল্ড ক্রাইসিস: দ্য আফটারম্যাথ'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ১৫৫-১৫৬।
* আমি আপনাকে বলতে পারি—যুদ্ধের ঠিক পরেই ব্রিটেন যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ঋণ নেওয়ার চেষ্টা করছিল, তখন আমি সাহায্য করছিলাম এবং কেইনসের একজন সহকারীর সাথে কথা বলছিলাম। কেইনস ঘরে ঢুকলেন এবং আমাদের দিকে হেঁটে এলেন। আমি যার সাথে কথা বলছিলাম তিনি বললেন, "ইনি কোস, যিনি আমাদের পরিসংখ্যান নিয়ে সাহায্য করছেন। আমার মনে হয় না আপনি তাঁকে চেনেন।" কেইনস বললেন, "না, আমি চিনি না।" এবং চলে গেলেন। কেইনসের সাথে আমার জীবন এমনই ছিল।
** [[রোনাল্ড কোস]], "কোস অন এক্সটারনালিটিস, দ্য ফার্ম, অ্যান্ড দ্য স্টেট অফ ইকোনমিক্স"-এ।
* সাম্প্রতিক ইতিহাসে কেইনসের মহান অবদান হলো এই যে, আমরা এখন জানি কীভাবে পূর্ণ কর্মসংস্থান বজায় রাখা যায়, যা ১৯৩০-এর দশকে সরকারগুলো জানত না।
** [[অ্যান্থনি ক্রসল্যান্ড]], কোপেনহেগেনে ট্রেড ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিসেস ইন্টারন্যাশনালের ভাষণে (সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
* এই বিশ্বাস যে মুদ্রার অস্থিতিশীলতা—মুদ্রাস্ফীতি এবং মুদ্রাসংকোচন—অন্যান্য অর্থনৈতিক সমস্যার প্রধান, বা অন্ততপক্ষে অন্যতম প্রধান কারণ; এই আশা যে সঠিক মুদ্রানীতির নীতিগুলো শনাক্ত করা সম্ভব এবং শনাক্ত করা গেলে তা অনিশ্চয়তা ও ঝুঁকিকে ব্যাপকভাবে হ্রাস করবে; সরকারি খাতের মূল কাজ হলো বেসরকারি অর্থনীতিকে একটি স্থিতিশীল পরিমাপদণ্ড এবং স্থিতিশীল পরিবেশ প্রদান করা—এই সবগুলিই সেই মূল ধারণা যা আমরা 'মানিটারিজম' (Monetarism) হিসেবে ডাকার জন্য বেছে নিই। ১৯২০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে কেইনস এই ধারণাগুলোতে অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতেন। এবং তাঁর 'ট্র্যাক্ট অন মনিটারি রিফর্ম' হলো অর্থনৈতিক তত্ত্বের একটি পর্যালোচনা এবং এই মানিটারিস্ট চশমা দিয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী ইউরোপের অর্থনৈতিক সমস্যার দিকে এক দৃষ্টিপাত।
** [[জে. ব্রাডফোর্ড ডেলং]], "[https://web.archive.org/web/20110610035753/http://www.j-bradford-delong.net/econ_articles/reviews/monetaryreform.html মনিটারি রিফর্ম]" (১৯৯৬)
* কেইনস তাঁর নিজের সময়ের যেসব কেন্দ্রীয় উদ্বেগের কথা বলেছিলেন, সেগুলো আজও সত্য বলে মনে হয়। তিনি আমাদের সম্মিলিত সমৃদ্ধির ভঙ্গুরতা এবং জাতীয়তাবাদ ও একটি শান্তিপূর্ণ এবং সমৃদ্ধ বৈশ্বিক সমাজের ভিত্তি হিসেবে কাজ করা শিকড়হীন মহাজাগতিক দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যকার গুরুতর উত্তেজনা নিয়ে চিন্তিত ছিলেন। তিনি আলোকপাত করেছিলেন কীভাবে আমাদের কর্মকাণ্ডকে সংগঠিত করা যায় এবং সুন্দর জীবনের উপযোগী একটি বিশ্ব গড়তে আমাদের সমৃদ্ধিকে ব্যবহার করা যায়। তিনি তৎকালীন উদীয়মান আদর্শিক দাওয়াইগুলোর অসারতা প্রকাশ করতে চেয়েছিলেন: লেসে-ফেয়ার, স্বতঃস্ফূর্ত শৃঙ্খলা, সম্মিলিত সহযোগিতা, কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা। এবং তিনি অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার যান্ত্রিক সমস্যাগুলো—এবং সেগুলো সমাধান করতে ব্যর্থ হলে যে সামাজিক, নৈতিক ও রাজনৈতিক বিপর্যয় নেমে আসবে—তা নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করেছিলেন।
** [[জে. ব্রাডফোর্ড ডেলং]], "[https://www.project-syndicate.org/commentary/thinkers-who-define-future-by-j--bradford-delong-2016-06 হুইচ থিংকার্স উইল ডিফাইন আওয়ার ফিউচার?]", ''প্রজেক্ট সিন্ডিকেট'' (২৮ জুন, ২০১৬)
* কেইনস বিশ্বাস করতেন না যে রাজনৈতিক স্বাধীনতা এবং অর্থনৈতিক দক্ষতা—যার জন্য তিনি আশা করেছিলেন—একটি উন্নত বিশ্ব গড়ার জন্য যথেষ্ট হবে। এর জন্য সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাও প্রয়োজন ছিল। এই বিভিন্ন লক্ষ্যের মধ্যে সমন্বয় সাধনের সমস্যাটি সন্তোষজনকভাবে সমাধান হওয়া থেকে এখনও অনেক দূরে। এই চ্যালেঞ্জের সমাধান খোঁজার নিরলস প্রচেষ্টায় কেইনস সেই মহান মানবতাবাদী এবং সামাজিক চিন্তাবিদদের মধ্যে একজন হিসেবে গণ্য হন, যাঁদের কাজ আরও নিবিড়ভাবে বোঝা এবং ধ্যানের দাবি রাখে। <br>কেইনসের কাছে দারিদ্র্য, অসমতা, বেকারত্ব এবং অর্থনৈতিক সংকটের সমস্যাগুলো কোনো বহিঃস্থ দুর্ঘটনা বা বাড়াবাড়ির শাস্তি নয়, বরং একটি দুর্বলভাবে সংগঠিত সমাজ এবং মানবিক ভুলের ফলাফল। 'পলিস' বা রাষ্ট্রে ঐক্যবদ্ধ ব্যক্তিদের কাজ হলো বড় ধরণের সংস্কারের মাধ্যমে এগুলোকে প্রশমিত করা বা শেষ করা। আমাদের কাছে পরিচিত আজকের পুঁজিবাদী অর্থনীতির প্রেক্ষাপটে কি এই ধরণের সংস্কার সম্ভব? কেইনস বিশ্বাস করতেন বা অন্তত আশা করতেন যে তা সম্ভব। কল্যাণকামী রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা তাঁকে সঠিক বলে প্রমাণ করেছিল বলে মনে হয়েছিল, কিন্তু পরিস্থিতির মোড় এখন ঘুরে গেছে এবং পুঁজিবাদের সুস্বাস্থ্যের অবস্থা সম্পর্কে অর্ধশতাব্দীরও বেশি আগে তাঁর দেওয়া রোগনির্ণয় এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রাসঙ্গিক। ভবিষ্যৎ কী বয়ে আনবে তা কেউ জানার দাবি করতে পারে না। তবে এটি তৈরি করা আমাদের ওপর নির্ভর করে। এটিই সম্ভবত জন মেনার্ড কেইনসের প্রধান বার্তা।
** গিলেস দোস্তালের, ''কেইনস অ্যান্ড হিজ ব্যাটলস'' (২০০৭), ১০ম অধ্যায়: উপসংহার: কেইনস থেকে কেইনসবাদ
* আমি হঠাৎ উপলব্ধি করলাম যে কেইনস এবং ঘরের সমস্ত মেধাবী অর্থনীতিবিদ্যার ছাত্ররা পণ্যের আচরণ নিয়ে আগ্রহী ছিল... যেখানে আমি আগ্রহী ছিলাম মানুষের আচরণ নিয়ে।
** [[পিটার ড্রাকার]], ''দ্য ইকোলজিক্যাল ভিশন'' (১৯৯৩), পৃষ্ঠা ৭৫-৭৬।
* মৃত্যুর কয়েক বছর আগে অর্থনীতিবিদ জন মেনার্ড কেইনসের মুখ থেকে পদার্থবিদ আইজ্যাক নিউটন সম্পর্কে একটি বক্তৃতা শোনার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল। কেইনস তখন নিজেই একজন কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব ছিলেন, গুরুতর অসুস্থ হওয়া সত্ত্বেও উইনস্টন চার্চিলের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে বিশাল দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি তাঁর দাপ্তরিক ব্যস্ততার মাঝেও কিছুটা সময় বের করে নিয়েছিলেন নিউটনের অপ্রকাশিত পাণ্ডুলিপিগুলো অধ্যয়ন করার শখের পেছনে। নিউটন তাঁর প্রাথমিক লেখাগুলো জীবনের শেষ পর্যন্ত একটি বড় বাক্সে লুকিয়ে রেখেছিলেন, যা খুব সম্প্রতি উদ্ধার করা হয়েছে। কেইনস ঠিক সেই পুরোনো ভবনেই বক্তৃতা দিচ্ছিলেন যেখানে ২৭০ বছর আগে নিউটন থাকতেন এবং কাজ করতেন। একটি প্রাচীন, অন্ধকার, শীতল ঘরে—যা যুদ্ধকালীন ব্ল্যাকআউট পর্দায় ঢাকা ছিল—অল্প কিছু শ্রোতা আলোর একটি ছোট বিন্দুর চারপাশে ভিড় করেছিলেন, যার নিচে কেইনসের ক্লান্ত দেহটি গুটিসুটি মেরে বসে ছিল। তিনি তীব্র আবেগ নিয়ে কথা বলছিলেন, যা তাঁর ফ্যাকাশে মুখ এবং পারিপার্শ্বিক বিষণ্ণতার কারণে আরও বেশি প্রভাবশালী হয়ে উঠেছিল।
** [[ফ্রিম্যান ডাইসন]], ''ডিস্টার্বিং দ্য ইউনিভার্স'' (১৯৭৯), পৃষ্ঠা ৮।
* কেইনস ছিলেন ব্রিটিশ সরকারের প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা এবং যুদ্ধকালীন সময়ে যখন আমাদের মোট জাতীয় উৎপাদনের অর্ধেকেরও বেশি এবং সমস্ত বৈদেশিক মুদ্রা যুদ্ধের পেছনে ব্যয় হচ্ছিল, তখন ব্রিটিশ অর্থনীতিকে সচল রাখার জন্য তিনি প্রধানত দায়ী ছিলেন। ...কেমব্রিজে তাঁর বিরল উপস্থিতির একটিতে থাকার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল, যখন তিনি "নিউটন, দ্য ম্যান" শিরোনামে একটি বক্তৃতা দিয়েছিলেন। ...এর চার বছর পর তিনি হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান, যার মূলে ছিল অতিরিক্ত পরিশ্রম এবং যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে ধীরগতির প্রপেলার চালিত বিমানে বারবার আটলান্টিক পাড়ি দেওয়ার কষ্ট।
** [[ফ্রিম্যান ডাইসন]], ''দ্য সায়েন্টিস্ট অ্যাজ রেবেল'' (২০০৬)।
* কেইনসের কাছে বেকারত্ব কখনও ভূমিকম্প বা বন্যার মতো কোনো "প্রাকৃতিক" দুর্যোগ হতে পারে না। তিনি জানতেন যে এটি সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সংগঠনের একটি ব্যর্থতা; একটি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে সমাজ এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যর্থতা। সহজ কথায়, যখন লক্ষ লক্ষ মানুষ কর্মহীন থাকে, তখন বুঝতে হবে আমরা আমাদের সমাজকে সেভাবে সংগঠিত করতে ব্যর্থ হয়েছি যাতে পূর্ণ কর্মসংস্থান নিশ্চিত হয়। যেহেতু এটি একটি সামাজিক সংগঠনের সমস্যা, তাই এর অবশ্যই সমাধান থাকবে যদি সমাজ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে ইচ্ছুক হয়। এর মানে এই নয় যে সমাধান খুঁজে পাওয়া বা বাস্তবায়ন করা সহজ হবে। আমাদের সমাজ এবং অর্থনীতি অত্যন্ত জটিল প্রতিষ্ঠান, যা দেশে-বিদেশে অসংখ্য প্রতিষ্ঠান ও মানুষকে যুক্ত করে এবং প্রত্যেকের নিজস্ব লক্ষ্য ও কাজ করার পদ্ধতি থাকে। তাছাড়া পূর্ণ কর্মসংস্থান অর্জন করা আমাদের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যের সাথে সাংঘর্ষিক হতে পারে। কিন্তু বেকারত্বকে প্রকৃতির নিয়ম হিসেবে মেনে নেওয়া অযৌক্তিক। বেকারত্ব আমাদের ব্যর্থতা। অন্ততপক্ষে, পূর্ণ কর্মসংস্থান পেতে হলে আমাদের কী কী পছন্দ বা সিদ্ধান্ত নিতে হবে তা স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে।
** [[জন ইটওয়েল]], "[http://prospect.org/article/citizen-keynes সিটিজেন কেইনস]", ''দ্য আমেরিকান প্রসপেক্ট'' (১৯৯৪)।
* জন মেনার্ড কেইনস প্রথম এই প্রশ্নটি তুলেছিলেন যে, যখন অর্থনীতি একটি 'তারল্য ফাঁদ' বা লিকুইডিটি ট্র্যাপে পড়ে যায়—অর্থাৎ যখন সুদের হার এমন এক স্তরে নেমে আসে যেখান থেকে মুদ্রানীতির আরও সম্প্রসারণ ঘটিয়েও একে কমানো সম্ভব হয় না—তখন অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে কী করা যেতে পারে এবং এমন পরিস্থিতিতে মুদ্রানীতি আদৌ কার্যকর হতে পারে কি না। দীর্ঘ সময় ধরে কেবল একটি তাত্ত্বিক কৌতূহল হিসেবে বিবেচিত কেইনসের এই প্রশ্নটি এখন জরুরি ব্যবহারিক গুরুত্বের বিষয় হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, যদিও তাত্ত্বিকরা এটি সম্পর্কে অনেকটা অপরিচিত হয়ে পড়েছেন।
** [[গৌতি বি. এগারটসন]] এবং [[মাইকেল উডফোর্ড]], "দ্য জিরো বাউন্ড অন ইন্টারেস্ট রেটস অ্যান্ড অপটিমাল মনিটারি পলিসি" (২০০৩)।
* কেইনস সমকামী ছিলেন এবং সন্তান নেওয়ার কোনো ইচ্ছাই তাঁর ছিল না। দীর্ঘমেয়াদে আমরা সবাই মৃত নই... আমাদের সন্তানরাই আমাদের উত্তরসূরি। কেইনসের অর্থনৈতিক আদর্শই আমাদের আজকের এই সমস্যাগুলোর মধ্যে ফেলেছে।
** নীল ফার্গুসনের কনফারেন্স বক্তব্য, ২০১৩ (সাংবাদিক ল্যান্স রবার্টস কর্তৃক সারসংক্ষেপকৃত)। ফার্গুসন পরবর্তীতে এই মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়েছিলেন।
* আমরা বলতে পারি যে কেইনসকে ঘিরে, ১৯৩০ থেকে ১৯৬০ সালের মধ্যে যুদ্ধের ঠিক আগে এবং পরে যে অর্থনৈতিক হস্তক্ষেপবাদী নীতি পূর্ণতা পেয়েছিল, সেই সমস্ত হস্তক্ষেপ এমন কিছু বয়ে এনেছে যাকে আমরা উদারতাবাদের সংকট বলতে পারি। আর এই সংকটটি জার্মানি এবং আমেরিকায় যুদ্ধের ঠিক আগে ও পরে সরকার পরিচালনার শিল্পে বেশ কিছু পুনর্মূল্যায়ন এবং নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে প্রকাশ পাচ্ছে।
** [[w:bn:মিশেল ফুকো|মিশেল ফুকো]], ''দ্য বার্থ অফ বায়োপলিটিক্স''।
* আমরা এখন সবাই কেইনসীয়।
** [[w:bn:মিল্টন ফ্রিডম্যান|মিল্টন ফ্রিডম্যান]], টাইম ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদ কাহিনীতে (৩১ ডিসেম্বর ১৯৬৫)।
** পরবর্তীতে ফ্রিডম্যান একটি চিঠিতে স্পষ্ট করেন: "এক অর্থে আমরা এখন সবাই কেইনসীয়; অন্য অর্থে এখন আর কেউই কেইনসীয় নয়।"
* এই দৃষ্টিভঙ্গিতে কোনো ছাত্রকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার মতো কিছু ছিল না; আবার কেইনসকে আকর্ষণীয় করে তোলার মতোও কিছু ছিল না। যারা সাইমনস, মিন্টস, নাইট এবং ভাইনারের কাছে শিক্ষা গ্রহণ করেছি, তাদের জন্য কেইনসের দেওয়ার মতো কিছু ছিল না।
** [[w:bn:মিল্টন ফ্রিডম্যান|মিল্টন ফ্রিডম্যান]], "কমেন্টস অন দ্য ক্রিটিকস", ''জার্নাল অফ পলিটিক্যাল ইকোনমি'' (১৯৭২)।
* কেইনসের উত্তরাধিকার ছিল দ্বিবিধ—কারিগরি অর্থনীতি এবং রাজনীতির ক্ষেত্রে। আমার কোনো সন্দেহ নেই যে কারিগরি অর্থনীতিতে কেইনসের অবদান অত্যন্ত কল্যাণকর ছিল এবং অর্থনৈতিক চিন্তাধারার ইতিহাসবিদরা তাঁকে অ্যাডাম স্মিথ, ডেভিড রিকার্ডো, জে. এস. মিল, আলফ্রেড মার্শাল এবং ডব্লিউ. স্ট্যানলি জেভন্সের মতো মহান ব্রিটিশ পূর্বসূরিদের সরাসরি উত্তরসূরি হিসেবে গণ্য করবেন। (...) তবে রাজনীতির ক্ষেত্রে কেইনসের অবদানের বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন, যা কারিগরি অর্থনীতির চেয়ে আজকের বিশ্বের ওপর অনেক বেশি প্রভাব ফেলেছে। বিশেষ করে, এটি নাগরিকদের দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট হয়ে পড়া স্ফীত বা অতি-বিশাল সরকারগুলোর বিস্তারে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে।
** [[w:bn:মিল্টন ফ্রিডম্যান|মিল্টন ফ্রিডম্যান]], "কেইনস'স পলিটিক্যাল লেগাসি" (১৯৮৬)।
* জন মেনার্ড কেইনস (১৮৮৩–১৯৪৬) হলেন সেই মহান ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদদের ধারার সর্বশেষ ব্যক্তি যারা অর্থনীতি শাস্ত্রের ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছিলেন। (...) এই মহান অর্থনীতিবিদদের ক্লাসিক কাজগুলোর তালিকা করতে গেলে ইতিহাসবিদরা কেইনসের যুগান্তকারী অবদান হিসেবে 'জেনারেল থিওরি'র কথা উল্লেখ করবেন। তবুও, আমার মতে কেইনস এই ধারার অন্তর্ভুক্ত হতেন এমনকি যদি 'জেনারেল থিওরি' কখনও প্রকাশিত নাও হতো। প্রকৃতপক্ষে, আমি সেই স্বল্পসংখ্যক পেশাদার অর্থনীতিবিদদের একজন যারা 'জেনারেল থিওরি' নয়, বরং 'ট্র্যাক্ট অন মনিটারি রিফর্ম' (১৯২৩)-কে অর্থনীতির ওপর তাঁর সেরা বই বলে মনে করি। পঁয়ষট্টি বছর পরেও এটি কেবল পাঠযোগ্যই নয়, বরং অর্থনৈতিক নীতিমালার ওপর বড় ধরণের প্রভাব বিস্তার করে চলেছে।
** [[w:bn:মিল্টন ফ্রিডম্যান|মিল্টন ফ্রিডম্যান]], "জন মেনার্ড কেইনস", ''ইকোনমিক কোয়ার্টারলি'' (১৯৯৭)।
* আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে কেইনসের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার তাঁর অর্থনৈতিক উত্তরাধিকারের চেয়ে অনেক বেশি ক্ষতি করেছে এবং এর দুটি কারণ রয়েছে। প্রথমত, অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ যাই হোক না কেন, পরোপকারী একনায়কতন্ত্র আজ হোক বা কাল একটি সর্বাত্মকবাদী সমাজের দিকে নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রাখে। দ্বিতীয়ত, কেইনসের অর্থনৈতিক তত্ত্বগুলো অর্থনীতিবিদদের চেয়েও বড় একটি গোষ্ঠীকে আকৃষ্ট করেছিল মূলত তাঁর রাজনৈতিক পদ্ধতির সাথে সেগুলোর যোগসূত্র থাকার কারণে।
** [[মিল্টন ফ্রিডম্যান]], "জন মেনার্ড কেইনস", ''ইকোনমিক কোয়ার্টারলি'' (১৯৯৭)।
* আমি কেইনসের একজন বড় ভক্ত। আমি মনে করি তিনি একজন মহান মানুষ এবং একজন মহান অর্থনীতিবিদ ছিলেন। মহামন্দা সম্পর্কে তিনি যে বিশেষ অনুকল্প দিয়েছিলেন আমি তার সাথে একমত নই, তবে প্রতিটি বিজ্ঞানের অগ্রগতি আসে এমন মানুষের কাছ থেকে যারা এমন সব অনুকল্প প্রদান করেন যা পরবর্তীকালে ভুল প্রমাণিত হয়। না, আমি মনে করি কেইনসের উদ্দেশ্য ছিল তাঁর দেশবাসী, তাঁর সহনাগরিক এবং বাকি বিশ্বের কল্যাণ সাধন করা।
** [[মিল্টন ফ্রিডম্যান]], র্যান্ডাল ই. পার্কার কর্তৃক গৃহীত সাক্ষাৎকার (২০০২)।
* কেইনসের দৃষ্টিভঙ্গি তৎকালীন এবং বর্তমানের রক্ষণশীল বা গোঁড়া সংবেদনশীলতাকে আঘাত করেছিল। ভোগই অর্থনৈতিক জীবনের লক্ষ্য, সঞ্চয় রোগতাত্ত্বিক বা ক্ষতিকর হতে পারে, মন্দার সময় সরকারি খাতের ঘাটতি প্রয়োজনীয় ও পুণ্যময় এবং সুদের হার কম রাখা উচিত—এই ধারণাগুলো সবসময়ই প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকার ও ব্যবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গির সাথে সাংঘর্ষিক ছিল। তবুও মহামন্দা এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ তাঁকে সঠিক বলে প্রমাণ করেছিল এবং ১৯৪৬ সালে তাঁর জীবনের শেষ প্রান্তে তাঁর ধারণাগুলো জাতীয় আয় গণনায় স্থান পায়, যা ব্র্রেটন উডস মুদ্রা ব্যবস্থার মূলে ছিল এবং শিক্ষা জগতে আধিপত্য বিস্তার করেছিল। তাঁর অনুসারীদের একটি দল—যুক্তিগতভাবে যারা "নব্য-ধ্রুপদী সংশ্লেষণ"-এর সমর্থক—ক্ষমতায় আরোহণ করেন, যার ফলাফল শেষ পর্যন্ত কেইনসীয় তত্ত্বের সুনামের জন্য সুখকর হয়নি। ১৯৭০-এর দশকে একটি পাল্টা বিপ্লব শুরু হয়: মানিটারিজম, সাপ্লাই-সাইড ইকোনমিক্স, রেশনাল এক্সপেকটেশন এবং নিয়ন্ত্রণমুক্তকরণ। ২০০০-এর দশকের মধ্যে এটি পূর্ণতা পায়—ঠিক ২০০৭-এর ভয়াবহ সংকটের আগমুহূর্তে যা আবারও কেইনসের দৃষ্টিভঙ্গির চিরস্থায়ী প্রাসঙ্গিকতা প্রদর্শন করে।
** জেমস কে. গ্যালব্রেথ, "কেইনস, জন মেনার্ড (১৮৮৩–১৯৪৬)", ''দ্য এনসাইক্লোপিডিয়া অফ পলিটিক্যাল থট'' (২০১৪)।
* প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ বা ফরাসি ট্রেজারিগুলো যে ধরণের সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল, সেগুলো সামলানোর জন্য কোনো অলৌকিক মানুষ নেই। হয় রপ্তানি থেকে বর্তমান আয়, বিক্রয়যোগ্য সম্পদ, ঋণ বা ক্রেডিট... অথবা বিদেশের সরবরাহকারীদের অর্থ প্রদানের জন্য সোনা থাকতে হবে, যে ক্ষেত্রে কর্মকর্তারা সফল। অথবা এই সম্পদগুলো নেই, যে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টরা ব্যর্থ। যাই হোক, সংবাদমাধ্যম এবং সাধারণ মানুষের মনে 'আর্থিক প্রতিভা'র কল্পনার মতো সহজে অন্য কিছু গেঁথে বসে না। উভয় পক্ষই বিশ্বাস করতে চায় যে... এমন কিছু ব্যক্তি আছেন যাঁদের অতিন্দ্রীয় অন্তর্দৃষ্টি ও ক্ষমতা রয়েছে, এমন মানুষ যাঁরা শূন্য থেকে কিছু তৈরি করতে পারেন। যুদ্ধের সময় (এবং পরে) ব্রিটেনে জনগনের কল্পনা থিতু হয়েছিল ৩১ বছর বয়সী (১৯১৪ সালে) ট্রেজারি কর্মকর্তা জন মেনার্ড কেইনসের ওপর। তাঁর সেই সময়ের নথিপত্রগুলো, যা সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে, নির্দেশ করে যে তিনি একজন পরিশ্রমী, দক্ষ এবং সম্পদশালী মানুষ ছিলেন যিনি মনোযোগ ও দক্ষতার সাথে পেমেন্টের বিপরীতে সম্পদের সমন্বয় করেছিলেন এবং ফরাসি ও রুশদের অনুরূপ সমস্যাগুলোতেও নিজের মেধা প্রয়োগ করেছিলেন। সেটুকুই ছিল সব।
** [[জন কেনেথ গ্যালব্রেথ]], ''মানি: হোয়েন্স ইট কেম, হোয়্যার ইট ওয়েন্ট'' (১৯৭৫), ১২তম অধ্যায়, পৃষ্ঠা ১৩৯।
* কেইনস কখনও ব্যক্তিগত অসন্তুষ্টি বা অসন্তোষের জায়গা থেকে পৃথিবী পরিবর্তনের চেষ্টা করেননি। [[মার্ক্স]] শপথ করেছিলেন যে তাঁর [[দারিদ্র্য]] এবং চর্মরোগের জন্য [[বুর্জোয়া]] শ্রেণিকে ভুগতে হবে। কেইনস দারিদ্র্য বা চর্মরোগ—কোনটিরই অভিজ্ঞতা পাননি। তাঁর কাছে পৃথিবীটা ছিল চমৎকার।
** জন কেনেথ গ্যালব্রেথ, ''[[w:bn:দ্য এজ অফ আনসার্টেইনটি|দ্য এজ অফ আনসার্টেইনটি]]'' (১৯৭৭) ৭ম অধ্যায়, পৃষ্ঠা ১৯৮।
* ১৯৩৬ সালের শরৎকালের মধ্যে কেইনস হার্ভার্ডে জোয়ারের শক্তির মতো পৌঁছে গিয়েছিলেন। তরুণ অর্থনীতিবিদদের মধ্যে এর আগে এমন কোনো উত্তেজনা দেখা যায়নি; এমনকি এর পরেও আর কখনও হয়নি। এখানে মন্দা এবং বেকারত্বের—যা ছিল সেই সময়ের সবচেয়ে জরুরি সমস্যা—একটি সমাধান ছিল। এটি একটি [[রক্ষণশীল]] সমাধানও ছিল। কেইনস দেখিয়েছিলেন যে সরকার সঞ্চয়ের আধিক্য (ক্রয়ক্ষমতার ঘাটতি) পূরণ করার মাধ্যমে অর্থনীতিকে এমনভাবে ঠেক দিয়ে রাখতে পারে যাতে এটি নিম্নস্তরের কোনো যন্ত্রণাদায়ক এবং সামাজিকভাবে হতাশাজনক অবস্থার পরিবর্তে পূর্ণ কর্মসংস্থানের কাছাকাছি বা পূর্ণ কর্মসংস্থানে পরিচালিত হয়।
** জন কেনেথ গ্যালব্রেথ, ''এ লাইফ ইন আওয়ার টাইমস'' (১৯৮১), ৫ম অধ্যায়।
* যুদ্ধের সময় কোনো এক আলোচনার মিশনে কেইনস বেশ ঘনঘন ওয়াশিংটনে থাকতেন। কূটনৈতিক আলোচনার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন যে কেউ জানেন যে এটি অলসতার একটি অনুশীলন। আপনি আপনার সরকারের নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করছেন, আপনি অন্যদের নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করছেন; আপনি একটি মিটিংয়ের জন্য অপেক্ষা করছেন। কেইনস সেই সময়গুলো আমেরিকান মিটিংগুলোতে অংশ নিয়ে পূরণ করতেন। ততদিনে তরুণদের একটি বড় দল তৈরি হয়েছিল, যাদের মধ্যে আমিও একজন ছিলাম, যারা তাঁর ধারণার প্রতি অনুগত ছিল—যেমনটি তিনি বলেছিলেন, লন্ডনের চেয়ে ওয়াশিংটনে তাঁর অনুসারীদের সংখ্যা অনেক বেশি ছিল। এই প্রভাবে তাঁর দম্ভও কিছুটা স্পর্শিত হয়েছিল, তাই তিনি যুদ্ধকালীন নীতি আলোচনার জন্য ওয়াশিংটনের একদল তরুণকে নিজের কাছে নিয়ে আসতেন এবং স্বভাবতই আমিও সেই দলে ছিলাম।
** জন কেনেথ গ্যালব্রেথ, সাক্ষাৎকার (আগস্ট ১৯৮৬)।
* কেইনস কি [[আশা]]র সঞ্চার করেছিলেন? ওহ, নিঃসন্দেহে। সেখানে আশা এবং আশাবাদের এক ঝলক হাওয়া ছিল এবং আমি কেমব্রিজ থেকে ফিরে এসে একদল মানুষকে দেখতে পেলাম যারা 'দ্য জেনারেল থিওরি' পড়েছিল।
** জন কেনেথ গ্যালব্রেথ, পিবিএস সাক্ষাৎকার (২৮ সেপ্টেম্বর, ২০০০)।
* কেইনস নিজে তাঁর সময়ে কিছু বেশ উগ্র বা বৈপ্লবিক আওয়াজ তোলার জন্য পরিচিত ছিলেন, উদাহরণস্বরূপ, যারা অন্য মানুষের ঋণের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকে—সেই শ্রেণিটিকে সম্পূর্ণ নির্মূল করার আহ্বান জানিয়েছিলেন—যাকে তিনি "রেন্টিয়ারদের ইউথেনেশিয়া" (নিষ্ক্রিয় বিনিয়োগকারীদের যন্ত্রণাহীন মৃত্যু) বলে অভিহিত করেছিলেন—যদিও তিনি এর মাধ্যমে কেবল সুদের হার ধীরে ধীরে কমিয়ে তাদের বিলুপ্তির কথা বুঝিয়েছিলেন। কেইনসবাদের অনেক বিষয়ের মতো এটিও শুরুতে যতটা বৈপ্লবিক মনে হয়েছিল, প্রকৃতপক্ষে ততটা ছিল না। আসলে এটি রাজনৈতিক অর্থনীতির মহান ঐতিহ্যেরই অংশ ছিল, যা অ্যাডাম স্মিথের ঋণমুক্ত ইউটোপিয়ার আদর্শ এবং বিশেষ করে ডেভিড রিকার্ডোর জমিদারদের 'পরজীবী' হিসেবে করা নিন্দাকে স্মরণ করিয়ে দেয়, যাদের অস্তিত্ব [[অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি]]র পরিপন্থী।
** [[ডেভিড গ্রেবার]], ''[[w:bn:ডেবট: দ্য ফার্স্ট ৫০০০ ইয়ার্স|ডেবট: দ্য ফার্স্ট ৫০০০ ইয়ার্স]]'', ১২তম অধ্যায়, পৃষ্ঠা ৩৭৪।
* কেইনস স্থূল, অশোভন বা কর্কশ হতে পারতেন, তাঁর মধ্যে এক ধরণের রাবেলেসীয় রসিকতা ছিল, যৌন বিষয়ে এক ধরণের আচ্ছন্ন কৌতূহল ছিল এবং প্রায়ই তাঁর মধ্যে পরিশীলিত আচরণের অভাব দেখা যেত। তিনি নিজেকে জাহির করতে এবং 'সবজান্তা' সাজতে পছন্দ করতেন। এটি তাঁর অসাধারণ দ্রুত এবং তীক্ষ্ণ মেধা, কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বইয়ের সারমর্ম বুঝে নেওয়ার ক্ষমতা এবং সমস্ত বিষয়ের ওপর এক অতৃপ্ত কৌতূহল থেকে সৃষ্টি হয়েছিল। কেইনসের মধ্যে তাঁর সময়ের শ্রেণিগত এবং জাতিগত কুসংস্কার ছিল, যা আধুনিক চোখ ও কানের কাছে রুচিহীন এবং প্রায়শই অপমানজনক মনে হয়, যদিও বাস্তব সম্পর্কের ক্ষেত্রে তিনি কদাচিৎ সে অনুযায়ী আচরণ করতেন। কারণ মূলে তিনি একজন গভীর গম্ভীর মানুষ ছিলেন, ভিক্টোরিয়ান এবং এডওয়ার্ডিয়ান যুগের একজন প্রতিনিধি, যিনি ব্যক্তিগত এবং জনজীবনে বেঁচে থাকার জন্য একটি দর্শনের সন্ধান করছিলেন।
** জি. সি. হারকোর্ট এবং সিন টার্নেল, "অন স্কিডেলস্কি’স কেইনস", ''ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি'' (২০০৫)।
* নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে কেইনসের বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে গভীর ধারণা ছিল। তিনি ছিলেন বাস্তববাদী এবং বিচক্ষণ একজন মানুষ। তিনি একজন অসাধারণ যোদ্ধা ছিলেন, যিনি প্রতিকূল পরিস্থিতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে প্রস্তুত থাকতেন; তবে তিনি কেবল কোনো [[ইউটোপীয়]] বা কাল্পনিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য লড়তে আগ্রহী ছিলেন না।
** [[w:bn:রয় হ্যারড|আর. এফ. হ্যারড]], "জন মেনার্ড কেইনস", ''দ্য রিভিউ অফ ইকোনমিক স্ট্যাটিস্টিকস'' (১৯৪৬)।
* ''' 'জেনারেল থিওরি' সম্পর্কে চূড়ান্ত রায় যাই হোক না কেন, অর্থনীতিবিদ হিসেবে কেইনসের শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকবে না। তাঁর মানসিক সক্ষমতা একজন পেশাদার অর্থনীতিবিদের সাধারণ সীমার চেয়ে অনেক বেশি বিস্তৃত ছিল।''' তিনি একাধারে ছিলেন একজন তার্কিক, একজন মহান গদ্য লেখক, একজন গভীর [[মনোবিজ্ঞানী]], একজন গ্রন্থ সংগ্রাহক এবং চিত্রকলার একজন সমঝদার; তাঁর মধ্যে মানুষকে প্রভাবিত করার ব্যবহারিক গুণ, রাজনৈতিক বিচক্ষণতা এবং ব্যবসায়িক দক্ষতা ছিল; তাঁর এমন কিছু ব্যক্তিগত গুণ ছিল যা তাঁর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের ওপর গভীর প্রভাব বিস্তার করত।
** [[w:bn:রয় হ্যারড|আর. এফ. হ্যারড]], "জন মেনার্ড কেইনস", ''দ্য রিভিউ অফ ইকোনমিক স্ট্যাটিস্টিকস'' (১৯৪৬)।
* আমার বিশ্বাস, অর্থনৈতিক চিন্তাধারার ভবিষ্যৎ ইতিহাসবিদরা অগ্রগতির পথে কেইনসের প্রদান করা সহায়তাকে তাঁর শ্রদ্ধেয় গুরু [[আলফ্রেড মার্শাল]]-এর চেয়েও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে গণ্য করবেন। আমার বিচারে তিনি [[অ্যাডাম স্মিথ]] এবং [[ডেভিড রিকার্ডো|রিকার্ডোর]] সমপর্যায়ের একজন ব্যক্তিত্ব।
** [[w:bn:রয় হ্যারড|আর. এফ. হ্যারড]], ''দ্য লাইফ অফ জন মেনার্ড কেইনস'' (১৯৫১), পৃষ্ঠা ৪৬৬।
* '''আমাদের যুগে কেইনসের চেয়ে চতুর আর কেউ ছিল না, আর তিনি তা লুকিয়ে রাখার চেষ্টাও খুব একটা করতেন না।'''
** [[w:bn:রয় হ্যারড|আর. এফ. হ্যারড]], ''দ্য লাইফ অফ জন মেনার্ড কেইনস'' (১৯৫১)।
* আমরা যে পরিস্থিতির দিকে ধাবিত হয়েছি তা বোঝার জন্য "কেইনসীয়" ধরণের পূর্ণ-কর্মসংস্থান নীতির বুদ্ধিবৃত্তিক উৎসগুলোর ওপর সংক্ষেপে নজর দেওয়া প্রয়োজন। লর্ড কেইনসের তত্ত্বগুলোর বিকাশ শুরু হয়েছিল এই সঠিক অন্তর্দৃষ্টি থেকে যে—ব্যাপক বেকারত্বের নিয়মিত কারণ হলো প্রকৃত [[মজুরি]] অত্যন্ত বেশি হওয়া। পরবর্তী ধাপটি ছিল এই প্রস্তাবনা যে, নগদ মজুরি সরাসরি কমানোর বিষয়টি এতটাই বেদনাদায়ক এবং দীর্ঘস্থায়ী সংগ্রামের জন্ম দিতে পারে যা চিন্তাই করা যায় না। তাই তিনি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, অর্থের মূল্য কমানোর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকৃত মজুরি কমাতে হবে। এটিই মূলত বর্তমানে ব্যাপকভাবে গৃহীত "পূর্ণ কর্মসংস্থান" নীতির পেছনের যুক্তি। যদি শ্রমিকরা এমন উচ্চ নগদ মজুরি দাবি করে যা পূর্ণ কর্মসংস্থানের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তবে অর্থের সরবরাহ এমনভাবে বৃদ্ধি করতে হবে যাতে পণ্যের দাম সেই পর্যায়ে পৌঁছায় যেখানে প্রচলিত নগদ মজুরির প্রকৃত মূল্য আর কর্মপ্রত্যাশী শ্রমিকদের উৎপাদনশীলতার চেয়ে বেশি না থাকে। বাস্তবে এর অর্থ দাঁড়ায় এই যে, প্রতিটি আলাদা ইউনিয়ন অর্থের মূল্যের সাথে পাল্লা দেওয়ার প্রচেষ্টায় নগদ মজুরি আরও বৃদ্ধির দাবি তুলতেই থাকবে এবং ইউনিয়নগুলোর এই সম্মিলিত প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত ক্রমবর্ধমান [[মুদ্রাস্ফীতি]] বয়ে আনবে।
** [[ফ্রেডরিখ হায়ের|ফ্রেডরিখ হায়েক]], ''দ্য কনস্টিটিউশন অফ লিবার্টি'' (১৯৬০), ১৮তম অধ্যায়।
* কেইনসের অনেক অনুসারী এখন স্বীকার করবেন যে, যুদ্ধ-পরবর্তী ব্রিটেনে প্রয়োগের ক্ষেত্রে তাঁর তত্ত্বের দুটি প্রধান দুর্বলতা ছিল। প্রথমত, সেগুলো সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোর, বিশেষ করে ট্রেড ইউনিয়নগুলোর অর্থনৈতিক প্রভাবকে উপেক্ষা করেছিল; প্রকৃতপক্ষে আয় বা মজুরির ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ ছাড়া ব্রিটেনে কেইনসীয় নীতিগুলো সফল হওয়ার সম্ভাবনা ছিল না... এবং দ্বিতীয়ত, সেগুলো বাইরের বিশ্বকেও উপেক্ষা করেছিল... চাহিদা ব্যবস্থাপনার মৌলিক কেইনসীয় ধারণাটি অনির্ভরযোগ্য হয়ে পড়েছিল। কেইনস বিশ্বাস করতেন যে, একটি সরকার কর সমন্বয় বা সরকারি ব্যয় পরিবর্তনের মাধ্যমে পণ্যের চাহিদা বাড়িয়ে বা কমিয়ে মুদ্রাস্ফীতি তৈরি না করেই দেশের উৎপাদন ক্ষমতার পূর্ণ ব্যবহার ও পূর্ণ কর্মসংস্থান বজায় রাখতে পারে। কিন্তু পূর্ণ কর্মসংস্থান তৈরির জন্য সরকারকে ঠিক কতটুকু অতিরিক্ত চাহিদা অর্থনীতিতে ইনজেক্ট করতে হবে, তা নির্ভুলভাবে জানা অসম্ভব হয়ে পড়েছিল... কেইনস এটি সঠিক বলেছিলেন যে পূর্ণ কর্মসংস্থানের জন্য পর্যাপ্ত চাহিদা একটি প্রয়োজনীয় শর্ত; কিন্তু পর্যাপ্ত তথ্যের অভাব এবং মানুষ কীভাবে তাদের অর্থ ব্যয় করবে সে সম্পর্কে অনিশ্চয়তার কারণে চাহিদার এই 'ফাইন টিউনিং' বা সূক্ষ্ম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।
** [[w:bn:ডেনিস হিলি|ডেনিস হিলি]], ''দ্য টাইম অফ মাই লাইফ'' (১৯৮৯; ১৯৯০), পৃষ্ঠা ৩৭৮-৩৭৯, ৩৮৩।
* সংক্ষেপে, আমার বিচারে কেইনস ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ, তবে এমন একজন রাজনীতিবিদ যার নির্বাচনী এলাকা কোনো ভোটদাতা গোষ্ঠী ছিল না বরং ছিল বুদ্ধিজীবী মহল। রাজনীতিবিদ হওয়ার জন্য তাঁকে একজন বিজ্ঞানী হতে হয়েছিল। এবং তিনি যথেষ্ট ভালো মানের বিজ্ঞানী ছিলেন, যাঁর বৈজ্ঞানিক সততা এবং সত্যের প্রতি নান্দনিক পছন্দ তাঁকে শেষ পর্যন্ত এটি স্বীকার করতে বাধ্য করেছিল যে—তৎকালীন সমাজবিজ্ঞান রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য যথেষ্ট ছিল না। তাই তাঁকে বিজ্ঞানকে সংস্কার করতে হয়েছিল যাতে এটি রাজনৈতিকভাবে প্রাসঙ্গিক এবং কার্যকর হয়। তিনি ছিলেন একজন বৈজ্ঞানিক রাজনৈতিক অর্থনীতিবিদ। কেউ চাইলে "বৈজ্ঞানিক" অথবা "রাজনৈতিক" যেকোনো একটি শব্দের ওপর জোর দিতে পারেন—তবে সেটি নির্ভর করবে আপনি তাঁর রাজনৈতিক জীবনী লিখছেন নাকি অর্থনৈতিক চিন্তাধারার ইতিহাস লিখছেন তার ওপর। তবে তিনি কী ছিলেন এবং ব্রিটিশ সমাজ ও ইতিহাসে তাঁর অবদান কী ছিল তা চিহ্নিত করার জন্য উভয় বিশেষণই উপযুক্ত এবং প্রয়োজনীয়।
** এলিজাবেথ জনসন, "জন মেনার্ড কেইনস: সায়েন্টিস্ট অর পলিটিশিয়ান?", ''জার্নাল অফ পলিটিক্যাল ইকোনমি'' (১৯৭৪)।
* দুই বিশ্বযুদ্ধের মধ্যবর্তী সময়ে কী ঘটেছিল তা বোঝা এবং তার পুনরাবৃত্তি রোধ করার একই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছিলেন জন মেনার্ড কেইনস। ১৮৮৩ সালে (শুম্পিটারের একই বছরে) জন্ম নেওয়া এই মহান ইংরেজ অর্থনীতিবিদ এক স্থিতিশীল, আত্মবিশ্বাসী, সমৃদ্ধ এবং শক্তিশালী ব্রিটেনে বেড়ে উঠেছিলেন। এরপর ট্রেজারিতে তাঁর সুবিধাজনক অবস্থান এবং ভার্সাই শান্তি আলোচনার একজন অংশগ্রহণকারী হিসেবে তিনি তাঁর চেনা জগতের ধস প্রত্যক্ষ করেন, যা তাঁর সংস্কৃতি ও শ্রেণির সমস্ত আশ্বস্তকারী নিশ্চয়তাগুলোকে কেড়ে নেয়। কেইনসও নিজেকে সেই প্রশ্নটি করেছিলেন যা হায়েক এবং তাঁর অস্ট্রিয়ান সহকর্মীরা করেছিলেন। কিন্তু তিনি এক ভিন্ন উত্তর দিয়েছিলেন। <br>হ্যাঁ, কেইনস স্বীকার করেছিলেন যে ভিক্টোরিয়ান ইউরোপের শেষ দিকের এই বিভাজন ছিল তাঁর জীবনের সংজ্ঞায়িত অভিজ্ঞতা। প্রকৃতপক্ষে, অর্থনৈতিক তত্ত্বে তাঁর অবদানের সারকথা ছিল 'অনিশ্চয়তার' ওপর তাঁর গুরুত্বারোপ: ধ্রুপদী এবং নব্য-ধ্রুপদী অর্থনীতির আত্মবিশ্বাসী দাওয়াইগুলোর বিপরীতে কেইনস মানুষের কর্মকাণ্ডের অপরিহার্য অনির্দেশ্যতা বা অনিশ্চয়তার ওপর জোর দিয়েছিলেন। যদি মন্দা, ফ্যাসিবাদ এবং যুদ্ধ থেকে কোনো শিক্ষা নেওয়ার থাকে তবে তা হলো এই: অনিশ্চয়তা—যা নিরাপত্তাহীনতা এবং সম্মিলিত ভয়ের পর্যায়ে উন্নীত হয়—ছিল সেই ক্ষয়কারী শক্তি যা উদার বিশ্বকে হুমকি দিয়েছিল এবং আবারও দিতে পারে।
** [[w:bn:টনি জাট|টনি জাট]], "হোয়াট ইজ লিভিং অ্যান্ড হোয়াট ইজ ডেড ইন সোশ্যাল ডেমোক্রেসি?" (২০০৯)।
* কেইনস নিঃসন্দেহে পূর্ববর্তী শতাব্দীর দ্বারা গঠিত একজন মানুষ ছিলেন। প্রথমত, অ্যাডাম স্মিথ থেকে শুরু করে জন স্টুয়ার্ট মিল পর্যন্ত আগের প্রজন্মের অনেক সেরা অর্থনীতিবিদদের মতো কেইনসও ছিলেন মূলত একজন দার্শনিক, যিনি ঘটনাক্রমে অর্থনৈতিক তথ্য নিয়ে কাজ করেছিলেন। পরিস্থিতি ভিন্ন হলে তিনি হয়তো একজন দার্শনিকই হতেন; প্রকৃতপক্ষে তাঁর কেমব্রিজ জীবনে তিনি কিছু যথাযথ দার্শনিক প্রবন্ধ লিখেছিলেন, যদিও সেগুলোর গাণিতিক ঝোঁক ছিল। <br>একজন অর্থনীতিবিদ হিসেবে কেইনস সবসময় নিজেকে অর্থনৈতিক যুক্তির উনবিংশ শতাব্দীর ঐতিহ্যের উত্তরদাতা হিসেবে দেখতেন। আলফ্রেড মার্শাল এবং জে. এস. মিলের অনুসারী অর্থনীতিবিদরা ধরে নিয়েছিলেন যে বাজারের এবং ফলস্বরূপ সামগ্রিক পুঁজিবাদী অর্থনীতির স্বাভাবিক অবস্থা হলো স্থিতিশীলতা। সুতরাং অস্থিতিশীলতা—সেটি অর্থনৈতিক মন্দা হোক বা বিকৃত বাজার কিংবা সরকারি হস্তক্ষেপ—সেটিকে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জীবনের প্রাকৃতিক নিয়মের অংশ হিসেবে প্রত্যাশা করা হতো; কিন্তু সেগুলোকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রয়োজনীয় প্রকৃতি হিসেবে তাত্ত্বিকভাবে ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন মনে করা হতো না। <br>প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগেই কেইনস এই ধারণার বিরুদ্ধে লিখতে শুরু করেছিলেন; যুদ্ধের পরে তিনি আর অন্য কিছু করেননি। সময়ের সাথে সাথে তিনি এই অবস্থানে পৌঁছান যে, অস্থিতিশীলতা এবং এর সাথে অনিবার্যভাবে আসা অদক্ষতা বাদ দিয়ে পুঁজিবাদী অর্থনীতির স্বাভাবিক অবস্থা বোঝা সম্ভব নয়। ধ্রুপদী অর্থনৈতিক ধারণা—যেখানে ভারসাম্য এবং যৌক্তিক ফলাফল ছিল নিয়ম, আর অস্থিতিশীলতা ও অনিশ্চয়তা ছিল ব্যতিক্রম—তা এখন উল্টে গেল। <br>তাছাড়া কেইনসের উদীয়মান তত্ত্বে, অস্থিতিশীলতার কারণ যা-ই হোক না কেন, তাকে এমন কোনো তত্ত্ব দিয়ে মোকাবিলা করা সম্ভব নয় যা অস্থিতিশীলতাকে আমলে নিতে পারে না। এই মৌলিক উদ্ভাবনটি গোডেলের প্যারাডক্সের সাথে তুলনীয়: আমরা যেমন আজ বলতে পারি, হস্তক্ষেপ ছাড়া কোনো ব্যবস্থা বা সিস্টেম নিজে নিজে ঠিক হয়ে যাবে—এমনটা আপনি আশা করতে পারেন না। সুতরাং বাজার কেবল কোনো কাল্পনিক 'অদৃশ্য হাত' অনুযায়ী নিজেকে নিয়ন্ত্রণই করে না, বরং সময়ের সাথে সাথে এগুলো আত্মঘাতী বিকৃতি তৈরি করে। <br>কেইনসের যুক্তিটি [[অ্যাডাম স্মিথ|অ্যাডাম স্মিথের]] 'দ্য থিওরি অফ মোরাল সেন্টিমেন্টস'-এ করা দাবির একটি চমৎকার ভারসাম্যপূর্ণ রূপ। স্মিথ যুক্তি দিয়েছিলেন যে পুঁজিবাদ নিজে থেকে এমন মূল্যবোধ তৈরি করে না যা এর সাফল্যকে সম্ভব করে; এটি সেগুলোকে প্রাক-পুঁজিবাদী বা অ-পুঁজিবাদী জগত থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে পায় অথবা ধর্ম বা নৈতিকতার ভাষা থেকে ধার করে। বিশ্বাস, আস্থা, চুক্তির নির্ভরযোগ্যতায় বিশ্বাস, ভবিষ্যৎ অতীতের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে—এমন ধারণাগুলোর বাজার ব্যবস্থার নিজস্ব যুক্তির সাথে কোনো সম্পর্ক নেই, কিন্তু এগুলো বাজার সচল রাখার জন্য প্রয়োজনীয়। এর সাথে কেইনস এই যুক্তি যোগ করেছিলেন যে, পুঁজিবাদ নিজের টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় সামাজিক অবস্থা নিজে তৈরি করতে পারে না।
** [[w:bn:টনি জাট|টনি জাট]], টনি জাট এবং টিমোথি স্নাইডার এর 'থিংকিং দ্য টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি' (২০১২), অধ্যায় ৯।
* মেনার্ড যত ঘণ্টাই কাজ করুক না কেন, কোনো সময়ই অপচয় হতো না। তাঁর মস্তিষ্ক খুব দ্রুত কাজ করত এবং তাঁর মধ্যে একাগ্রতার ক্ষমতা ছিল অত্যন্ত উচ্চমানের। তিনি বাড়িতেও নিয়মিত কাজ করতেন এবং তাঁর বাবার পড়ার ঘর শেয়ার করার অনুমতি পেয়েছিলেন—যা ছিল তাঁর অভ্যাসের প্রতি এক ধরণের স্বীকৃতি। কারণ তাঁর বাবা কাজের সময় যেকোনো ধরণের বিরক্তিতে অত্যন্ত সংবেদনশীল ছিলেন।
** জেফ্রি কেইনস, "দ্য আর্লি ইয়ার্স", 'এসেস অন জন মেনার্ড কেইনস' (১৯৭৯)।
* কেইনস যে কোনো বৈপ্লবিক বা উগ্রপন্থী ছিলেন না, সে বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে। তিনি পুঁজিবাদকে সংস্কার করতে চেয়েছিলেন যাতে এটি আরও ভালোভাবে কাজ করতে পারে এবং একে টিকিয়ে রাখা যায়। এটা কীভাবে সম্ভব যে কোনো পুঁজিবাদী পুঁজিবাদের সুরক্ষার জন্য তৈরি নীতির বিরোধিতা করবে? উত্তর হলো, অনেক পুঁজিবাদীই গুরুতর মন্দার সময় এই ব্যবস্থার নড়বড়ে অবস্থা সম্পর্কে সচেতন থাকেন না এবং তারা তাদের নিজেদের অবস্থান ও সামগ্রিক ব্যবস্থার মধ্যে সঠিক সম্পর্ক দেখতে পান না। এটা অনিবার্য যে, উপরে তালিকাভুক্ত পূর্ণ-কর্মসংস্থান আইনের কার্যকর পদক্ষেপগুলোর বেশিরভাগই পুঁজিবাদী জনসংখ্যার কিছু গোষ্ঠী দ্বারা দৃঢ়ভাবে বিরোধিতার সম্মুখীন হবে।
** [[w:bn:লরেন্স ক্লেইন|লরেন্স ক্লেইন]], ''দ্য কেইনসিয়ান রেভল্যুশন'' (১৯৪৯)।
* কেইনস নিজে [[w:bn:মুদ্রানীতি|মুদ্রানীতি]] নিয়ে খুব আগ্রহী ছিলেন। তিনি সারা জীবন অর্থ এবং সুদের হারের তত্ত্বের একজন বিশেষজ্ঞ ছিলেন। কিন্তু এই পদ্ধতিটি এক সময় সেকেলে হয়ে পড়ে এবং মানুষ অর্থসংক্রান্ত নীতির ওপর বেশি মনোযোগ দিতে শুরু করে। এরপর যখন মুদ্রানীতি আবার জনপ্রিয় হয়, তখন মানুষ সুদের হারের চেয়ে অর্থের সরবরাহ এবং অন্যান্য আর্থিক সমষ্টি যেমন M1 ও M2-এর ওপর বেশি জোর দেয়, যা সঠিক পথ ছিল না। সৌভাগ্যবশত, আমি মনে করি সুদের হারের নীতি এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর।
** [[w:bn:লরেন্স ক্লেইন|লরেন্স ক্লেইন]], "কেইনসিয়ানিজম এগেইন: ইন্টারভিউ উইথ লরেন্স ক্লেইন" (২০০১)।
* এখন আমি বলছি না যে কেইনস সব বিষয়েই সঠিক ছিলেন, অথবা আমাদের 'দ্য জেনারেল থিওরি'-কে মার্ক্সবাদীদের '[[w:bn:ডাস ক্যাপিটাল|ডাস ক্যাপিটাল]]'-এর মতো এক ধরণের জাগতিক বাইবেল হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। কিন্তু কেইনসের বড় ধারণার অপরিহার্য সত্যটি হলো—এমনকি সবচেয়ে উৎপাদনশীল অর্থনীতিও ব্যর্থ হতে পারে যদি ভোক্তা এবং বিনিয়োগকারীরা খুব কম ব্যয় করেন; এবং কখনও কখনও (সবসময় নয়!) সুদৃঢ় অর্থ ও সুষম বাজেটের পেছনে ছোটা প্রজ্ঞার বদলে বোকামি হতে পারে—যা ১৯৩০-এর দশকের মতো আজকের বিশ্বেও সমানভাবে স্পষ্ট। আর এই বিপজ্জনক দিনগুলোতে আমরা যদি সেই ধারণাকে উপেক্ষা বা প্রত্যাখ্যান করি, তবে তা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে দাঁড়াবে।
** [[w:bn:পল ক্রুগম্যান|পল ক্রুগম্যান]], "হোয়াই আরন্ট উই অল কেইনসিয়ানস ইয়েট?", 'ফরচুন' (১৯৯৮)।
* '''কেইনস কোনো [[সমাজতন্ত্রী]] ছিলেন না—তিনি পুঁজিবাদকে সমাহিত করতে নয়, বরং একে রক্ষা করতে এসেছিলেন।''' আর এক অর্থে, যে সময়ে এটি লেখা হয়েছিল সেই প্রেক্ষাপটে 'দ্য জেনারেল থিওরি' ছিল একটি [[রক্ষণশীল]] বই।
** [[w:bn:পল ক্রুগম্যান|পল ক্রুগম্যান]], 'দ্য জেনারেল থিওরি অফ এমপ্লয়মেন্ট, ইন্টারেস্ট অ্যান্ড মানি' (২০০৬)-এর ভূমিকা।
* তিনি ঘোষণা করছিলেন যে ইঞ্জিনের সমস্যাটি মৌলিক নয়, বরং এটি একটি কারিগরি সমাধানের মাধ্যমে ঠিক করা সম্ভব। এমন এক সময়ে যখন বিশ্বের অনেক বুদ্ধিজীবী নিশ্চিত ছিলেন যে পুঁজিবাদ একটি ব্যর্থ ব্যবস্থা এবং কেবল কেন্দ্রীয়ভাবে পরিকল্পিত অর্থনীতির মাধ্যমেই পশ্চিমারা মহামন্দা থেকে বেরিয়ে আসতে পারে—কেইনস তখন বলছিলেন যে পুঁজিবাদের ধ্বংস অনিবার্য নয়; বরং ব্যক্তিগত মালিকানা ও ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ রেখেও একটি অত্যন্ত সীমিত ধরণের সরকারি হস্তক্ষেপের মাধ্যমেই এই ব্যবস্থা কার্যকর করা সম্ভব। সংশয়বাদীদের ভুল প্রমাণ করে পুঁজিবাদ টিকে গিয়েছিল; এবং যদিও আজকের মুক্তবাজারপন্থীরা এই প্রস্তাবনাটি মেনে নিতে কষ্ট পেতে পারেন, তবে সেই টিকে থাকা মূলত কেইনসের প্রস্তাবিত শর্তগুলোর মাধ্যমেই সম্ভব হয়েছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সেই গতিবেগ দিয়েছিল যা কেইনস বছরের পর বছর ধরে তাগিদ দিচ্ছিলেন; কিন্তু মুক্তবাজারের ওপর আস্থা ফিরিয়ে এনেছিল কেবল মন্দা থেকে উত্তরণ নয়, বরং এই নিশ্চয়তা যে সামষ্টিক অর্থনৈতিক হস্তক্ষেপ—যেমন সুদের হার কমানো বা মন্দার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য বাজেট ঘাটতি বাড়ানো—একটি মুক্তবাজার অর্থনীতিকে কমবেশি স্থিতিশীল এবং পূর্ণ কর্মসংস্থানের কাছাকাছি রাখতে পারে। বাস্তবে পুঁজিবাদ এবং এর অর্থনীতিবিদরা জনসাধারণের সাথে একটি চুক্তি করেছিলেন: এখন থেকে মুক্তবাজার থাকা ঠিক হবে, কারণ আমরা আরও মহামন্দা প্রতিরোধ করার মতো যথেষ্ট জ্ঞান রাখি।
** [[w:bn:পল ক্রুগম্যান|পল ক্রুগম্যান]], 'দ্য রিটার্ন অফ ডিপ্রেশন ইকোনমিক্স অ্যান্ড দ্য ক্রাইসিস অফ ২০০৮' (২০০৯), অধ্যায় ৫।
* ১৯২৯-১৯৩০ সালের সংকটই প্রথম সমগ্র বিশ্বের পুঁজিবাদী অর্থনীতির ভিত্তিকে নাড়িয়ে দিয়েছিল এবং এর পরবর্তী দীর্ঘ মন্দার কারণেই বুর্জোয়া অর্থনীতিবিদরা এই ধরণের সমস্যাগুলোতে আগ্রহী হতে বাধ্য হয়েছিলেন। এরপর জন মেনার্ড কেইনস তাঁর বিখ্যাত কর্মসংস্থান তত্ত্ব প্রদান করেন যা আধুনিক পুঁজিবাদী ব্যবস্থার অন্তর্নিহিত প্রবণতা হিসেবে ব্যাপক বেকারত্ব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতার মোকাবিলায় রাষ্ট্রের যথাযথ হস্তক্ষেপমূলক নীতির কথা বলে। আংশিকভাবে কেইনসের প্রভাবে এবং আংশিকভাবে তাঁর থেকে স্বাধীনভাবে (কিছু ক্ষেত্রে তাঁর চেয়েও আগে) মার্ক্সীয় প্রজনন ও সঞ্চয় তত্ত্বের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ অর্থনৈতিক তত্ত্বগুলো আবির্ভূত হতে শুরু করে।
** [[w:bn:অস্কার লাঞ্জে|অস্কার লাঞ্জে]], 'পলিটিক্যাল ইকোনমি' (১৯৬৩), ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ৩০৯।
* নব্য-ধ্রুপদী অর্থনীতি জাতীয় অর্থনীতির বিকাশকে প্রভাবিত করে এমন অন্যান্য উপাদানকেও বিবেচনা করেছিল, যেমন—জনসংখ্যা বৃদ্ধি, ভোক্তার পছন্দের পরিবর্তন এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতি। তবে প্রযুক্তিগত অগ্রগতিকে অর্থনীতির বাইরের একটি বিষয় হিসেবে দেখা হতো, যা কেবল আকস্মিকভাবে অর্থনৈতিক উন্নয়নকে প্রভাবিত করে এবং এর সাথে জৈবিকভাবে জড়িত নয়। <br>কেইনসের তত্ত্ব অর্থনৈতিক উন্নয়নের মেকানিজম বা কৌশল সংক্রান্ত কোনো দৃষ্টিভঙ্গিকে মৌলিকভাবে পরিবর্তন করেনি। কেইনসের মতে, সঞ্চয় এবং ভোগের মধ্যকার বিভাজনও একটি প্রান্তিক মনস্তাত্ত্বিক হিসেবের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। কিন্তু তাঁর তত্ত্বে অন্য একটি উপাদানকে আমলে নেওয়া হয়েছে, তা হলো—পুঁজি মালিকদের তাদের আয়ের একটি নির্দিষ্ট অংশ 'তরল' আকারে (অর্থাৎ নগদ টাকা বা অন্যান্য পেমেন্টের মাধ্যম হিসেবে) ধরে রাখার প্রবণতা। এটি কিছু জটিলতার সৃষ্টি করে, কারণ আয়ের কতটুকু অংশ ভোগে যাবে এবং কতটুকু সঞ্চয়ে যাবে সেই সিদ্ধান্তের পাশাপাশি একটি তৃতীয় বিষয় চলে আসে—সঞ্চয়কৃত সম্পদ নিয়ে কী করা হবে: এটি কি বিনিয়োগ করা হবে, নাকি মুদ্রার আকারে রেখে দেওয়া হবে। পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় আয়ের বণ্টনের বড় পার্থক্যগুলো নীতিগতভাবে অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে। তবে কেইনসের মতে, জটিলতা তৈরি হয় তখন যখন কিছু পুঁজি মালিক অর্থকে তরল আকারে ধরে রাখেন। এর ফলে শ্রমশক্তির একটি অংশ এবং উৎপাদন ক্ষমতার একটি অংশ অলস হয়ে পড়ে থাকে এবং সমাজের উৎপাদনশীল শক্তি অপচয় হয়।
** [[w:bn:অস্কার লাঞ্জে|অস্কার লাঞ্জে]], ''পেপারস ইন ইকোনমিক্স অ্যান্ড সোশিওলজি'' (১৯৭০), পৃষ্ঠা ১৮৪।
* আমি আরেকটি অর্থনৈতিক উৎস থেকে উদ্ধৃতি দেব যা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ—কেইনস, ব্রিটিশ কূটনীতিক এবং 'দ্য ইকোনমিক কনসিকুয়েন্স অফ দ্য পিস'-এর লেখক; যিনি তাঁর সরকারের নির্দেশে ভার্সাই শান্তি আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন, একজন বুর্জোয়া দৃষ্টিভঙ্গি থেকে সেগুলো পর্যবেক্ষণ করেছিলেন, বিষয়টি ধাপে ধাপে বিস্তারিত অধ্যয়ন করেছিলেন এবং একজন অর্থনীতিবিদ হিসেবে সম্মেলনে অংশ নিয়েছিলেন। তিনি এমন সব সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যা একজন কমিউনিস্ট বিপ্লবীর সিদ্ধান্তের চেয়েও বেশি ওজনদার, চমকপ্রদ এবং শিক্ষণীয়; কারণ এগুলো একজন '''সুপরিচিত বুর্জোয়া এবং বলশেভিজমের কট্টর শত্রুর''' দেওয়া সিদ্ধান্ত। [...]
** [[w:bn:ভ্লাদিমির লেনিন|ভ্লাদিমির লেনিন]], দ্য সেকেন্ড কংগ্রেস অফ দ্য কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনাল (১৯২০)।
* [কেইনস] যেকোনো বড় জরুরি অবস্থার জন্য অত্যন্ত চপল এবং আবেগপ্রবণ একজন পরামর্শদাতা ছিলেন। তিনি খুব সহজেই যেকোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছে যেতেন। পরিস্থিতি আরও খারাপ হতো যখন তিনি একই ক্ষিপ্রতায় বিপরীত সিদ্ধান্তে ঝাঁপিয়ে পড়তেন। তিনি একজন বিনোদনদায়ক অর্থনীতিবিদ, যার অর্থ ও রাজনৈতিক অর্থনীতির উজ্জ্বল কিন্তু অগভীর প্রবন্ধগুলো—যদি গুরুত্ব সহকারে নেওয়া না হয়—পাঠকদের জন্য নির্মল আনন্দের উৎস হিসেবে কাজ করে। কিন্তু চ্যান্সেলর অফ দ্য এক্সচেকার (অর্থমন্ত্রী), যার রসবোধ খুব একটা প্রখর ছিল না, তিনি এই অদ্ভুত চরিত্রের মাঝে বিনোদন নয় বরং পথনির্দেশ খুঁজেছিলেন এবং এভাবেই এক সংকটময় মুহূর্তে তিনি বিভ্রান্ত হয়েছিলেন। কেইনসকে প্রথমবারের মতো চ্যান্সেলর এক পণ্ডিতের আসনে বসিয়েছিলেন এবং ভাবা হয়েছিল যে একটি আর্থিক দলিলে তাঁর স্বাক্ষরই গুরুত্ব বহন করবে। এখন এটি বেশ হাস্যকর মনে হয় যখন তাঁর বন্ধুরা—এমনকি তাঁর বন্ধুরাও—আর্থিক বিষয়ে তাঁর বিচারের ওপর আর সামান্যতম বিশ্বাসও রাখেন না।
** [[w:bn:ডেভিড লয়েড জর্জ|ডেভিড লয়েড জর্জ]], ''ওয়ার মেমোয়ার্স: ভলিউম ১'' (১৯৩৮), পৃষ্ঠা ৪১০।
* মেনার্ড কেইনস পুঁজিবাদ এবং উদার গণতন্ত্রের কার্যকারিতার ধারণার প্রতি পূর্ণ অঙ্গীকারবদ্ধ ছিলেন, তবে তাঁর কাছে কার্যকারিতার অর্থ এমন কোনো যন্ত্র ছিল না যা একবার চালু করে দিলেই নিজে নিজে চলতে থাকবে। কেইনসের কাছে কার্যকারিতা মানে ছিল নতুন পরিস্থিতিগুলো বিশ্লেষণের জন্য খোলা মনের বুদ্ধিবৃত্তি এবং শ্লীলতার নিরন্তর প্রয়োগ এবং সেগুলো মোকাবিলার জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার। সমাজ এবং সমাজে অর্থনৈতিক ধারণার ভূমিকা সম্পর্কে তাঁর এই দৃষ্টিভঙ্গি কেইনসের তাত্ত্বিক লেখালেখির জটিলতা এবং বিভ্রান্তির মাঝে খুঁজে পাওয়া কঠিন।
** [[w:bn:রবার্ট লুকাস|রবার্ট ই. লুকাস]], 'দ্য জার্নাল অফ মডার্ন হিস্ট্রি' (১৯৯৫)।
* ১৯১৯ সালের শেষে কেইনসের 'দ্য ইকোনমিক কনসিকুয়েন্স অফ দ্য পিস' প্রকাশ এবং এর ব্যাপক প্রচার গুরুতর প্রভাব ফেলেছিল। এটি [[w:bn:ডেভিড লয়েড জর্জ|লয়েড জর্জ]]-এর কর্তৃত্বকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল এবং ক্ষতিপূরণের বিষয়টি ধাপে ধাপে সমাধানের প্রচেষ্টাকে শক্তিশালী করার বদলে দুর্বল করে দিয়েছিল। প্যারিসে প্রেসিডেন্ট [[w:bn:উড্রো উইলসন|উড্রো উইলসন]] কীভাবে কৌশলে হেরে গিয়েছিলেন তাঁর বিবরণটি এক সংকটময় সময়ে আমেরিকায় উইলসনের অবস্থানকে মারাত্মকভাবে দুর্বল করে দিয়েছিল। অবশেষে, এটি পুরো ব্রিটেন এবং কমনওয়েলথ—এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও—জার্মানদের প্রতি এক ধরণের অপরাধবোধের সৃষ্টি করেছিল, যা কখনও পুরোপুরি মুছে যায়নি এবং যা বিপর্যয়ের উৎস হিসেবে প্রমাণিত হয়েছিল। "কার্থাজিনিয়ান পিস" বা ধ্বংসাত্মক শান্তির সেই কিংবদন্তি জার্মানি এবং ব্রিটেন উভয় দেশেই অপূরণীয় ক্ষতি করেছিল। ক্ষতিপূরণ এবং কিছু রাজনীতিবিদের দেওয়া বোকামিভরা প্রতিশ্রুতি এবং শীর্ষস্থানীয় ব্যাংকার ও "বিশেষজ্ঞদের" করা হিসেব সম্পর্কে যা-ই বলা হোক না কেন, বাস্তব তথ্যগুলো মনে করা বেশ হাস্যকর। কয়েক বছরে জার্মানি আসলে ১০০ কোটি পাউন্ড পরিশোধ করেছিল। আর এটি মেটাতে সে বাইরের বিশ্ব থেকে ১৫০ কোটি পাউন্ড ঋণ নিয়েছিল। এক কথায়, জার্মানিই ক্ষতিপূরণ পেয়েছিল, যার বড় অংশ এসেছিল আমেরিকা থেকে।
** [[হ্যারল্ড ম্যাকমিলান]], ''উইন্ডস অফ চেঞ্জ, ১৯১৪–১৯৩৯'' (১৯৬৬), পৃষ্ঠা ১২৩।
* কেইনসীয় নীতির ঐতিহাসিক ফলাফল স্পষ্ট। এর সবচেয়ে বড় পরীক্ষা, ১৯৩০-এর দশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রুজভেল্টের 'নিউ ডিল', ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছিল।
** [[w:bn:আর্নেস্ট ম্যান্ডেল|আর্নেস্ট ম্যান্ডেল]], "হোয়াই কেইনস ইজন্ট দ্য আনসার" (১৯৯২)।
* আপনি যদি অর্থনীতির সমস্যাগুলো বোঝার জন্য কেবল একজন অর্থনীতিবিদের শরণাপন্ন হতে চান, তবে কোনো সন্দেহ নেই যে সেই অর্থনীতিবিদ হবেন জন মেনার্ড কেইনস। যদিও কেইনস অর্ধশতাব্দীরও বেশি আগে মারা গেছেন, তবুও মন্দা এবং মহামন্দা সম্পর্কে তাঁর দেওয়া রোগনির্ণয় আজও আধুনিক সামষ্টিক অর্থনীতির ভিত্তি হয়ে আছে। আমরা এখন যে চ্যালেঞ্জগুলোর মুখোমুখি হচ্ছি তা ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে তাঁর অন্তর্দৃষ্টি অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যায়।
** [[w:bn:এন. গ্রেগরি মানকিউ|এন. গ্রেগরি মানকিউ]], "হোয়াট উড কেইনস হ্যাভ ডান?", 'নিউ ইয়র্ক টাইমস' (২০০৮)।
* এটি আমাদের সামষ্টিক অর্থনীতিবিদদের একটি তৃতীয় গোষ্ঠীর কাছে নিয়ে আসে: যারা কেইনস-পন্থী বা কেইনস-বিরোধী—কোনো দলেই পড়ে না। আমি নিজেকে সেই দোটানায় থাকা ব্যক্তিদের একজন মনে করি। আমরা উভয় পক্ষের যুক্তিগুলোকেই গুরুত্ব দিই, তবুও যখন দেখি যোদ্ধারা তাদের উৎসাহ বা ঘৃণা নিয়ে খুব বেশি দূর চলে যান, তখন আমরা বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকি। কেইনস ছিলেন একজন সৃজনশীল চিন্তাবিদ এবং অর্থনৈতিক ঘটনাবলীর তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষক, কিন্তু তিনি আমাদের জন্য অকাট্য উত্তরের চেয়ে অনেক বেশি কঠিন প্রশ্ন রেখে গেছেন।
** এন. গ্রেগরি মানকিউ, 'ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল' (২০০৯)।
* আমি কেইনসীয় এবং ধ্রুপদী তত্ত্বের অন্তর্দৃষ্টির সমন্বয় ঘটাই। যদিও কেইনসের 'জেনারেল থিওরি' আমাদের বর্তমান অর্থনৈতিক অস্থিরতা বোঝার অনেকখানি ভিত্তি প্রদান করে, তবে এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে অনেক মৌলিক প্রশ্নের সঠিক উত্তর ধ্রুপদী অর্থনীতিই প্রদান করে। এই বইয়ে আমি কেইনসের আগের ধ্রুপদী অর্থনীতিবিদ এবং গত কয়েক দশকের নতুন ধ্রুপদী অর্থনীতিবিদদের অনেক অবদান অন্তর্ভুক্ত করেছি। একই সাথে, আমি স্বীকার করি যে অর্থনৈতিক অস্থিরতা বোঝার জন্য কেইনস এবং নব্য-কেইনসীয়দের অনেক ধারণাই প্রয়োজনীয়। এখানে সামষ্টিক চাহিদার IS–LM মডেল, মুদ্রাস্ফীতি ও বেকারত্বের স্বল্পমেয়াদী বিনিময় এবং বিজনেস সাইকেল ডাইনামিক্সের আধুনিক মডেলগুলোকেও যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
** [[w:bn:এন. গ্রেগরি মানকিউ|এন. গ্রেগরি মানকিউ]], 'ম্যাক্রো ইকোনমিক্স' (২০১৫), ভূমিকা।
* আমি মনে করি যদি তুমি ট্রাইপোস পরীক্ষায় অংশ নাও এবং তার মাত্র দশ দিন আগে অর্থনীতি পুনরায় পড়ো, তবে তুমি সম্ভবত ফার্স্ট ক্লাস পাবে: আর যদি না পাও, তাতেও তোমার অবস্থানের কোনো ক্ষতি হবে না, কারণ সবাই জানবে যে অর্থনীতির জন্য তোমার হাতে খুব কম সময় ছিল।
** [[w:bn:আলফ্রেড মার্শাল|আলফ্রেড মার্শাল]], জন মেনার্ড কেইনসকে লেখা চিঠি (২ মে ১৯০৬)।
* মিস্টার কেইনস, যাঁর বিখ্যাত বই ['দ্য ইকোনমিক কনসিকুয়েন্স অফ দ্য পিস'] একজন পরাজিত শত্রুর প্রতি উদার মনোভাবের এক উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। প্রকৃতপক্ষে, একে চরিত্রগতভাবে ইংরেজদের সেই আবেগীয় ভারসাম্যের অভাব হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে যা আমাদের শত্রুদের প্রতি অত্যন্ত ন্যায়পরায়ণ এবং আমাদের মিত্র ও নিজেদের প্রতি অত্যন্ত কঠোর করে তুলেছিল।
** আর. বি. ম্যাককুলাম, ''পাবলিক ওপিনিয়ন অ্যান্ড দ্য লাস্ট পিস'' (১৯৪৪), পৃষ্ঠা ৭০।
* আমি মনে করি কেইনসের জীবন ও চিন্তাধারার গল্প আমাকে অর্থনীতির "অলঙ্কারশাস্ত্র" সম্পর্কে ভাবিয়ে তোলে। আমার ভাবনা হলো: কেইনস ছিলেন একজন সোফিস্ট, প্লেটোনিস্ট নন। তাঁকে একজন প্লেটোনিস্ট হিসেবে পড়া—যেমনটি অর্থনীতিবিদরা সাধারণত করে থাকেন—তাঁকে বোঝা প্রায় অসম্ভব করে তোলে।
** ডেইড্রে এন. ম্যাকক্লস্কি, "কেইনস ওয়াজ আ সোফিস্ট, অ্যান্ড আ গুড থিং, টু" (১৯৯৬)।
* আধুনিক প্লেটোনিস্টরা কেইনসকে ভুল বোঝেন, যারা ক্রমাগত তাঁর সত্য খোঁজার চেষ্টা করেন এবং তাঁকে একটি স্থিতিশীল প্লেটোনীয় তত্ত্বের ছাঁচে ফেলার চেষ্টা করেন। শুরু থেকেই ফ্রেডরিখ হায়েক এবং জে. আর. হিকসের মতো প্লেটোনীয় চিন্তাবিদরা তাঁর পদ্ধতিটি ধরতে পারেননি। (...) 'জেনারেল থিওরি'র শিরোনামটিই এই সোফিস্ট কৌশলের প্রতিফলন ঘটায়।
** ডেইড্রে এন. ম্যাকক্লস্কি, "কেইনস ওয়াজ আ সোফিস্ট, অ্যান্ড আ গুড থিং, টু" (১৯৯৬)।
* কেইনস বিশ্বাস করতেন যে তাঁর তত্ত্বের নীতিগত প্রভাব ছিল সুদূরপ্রসারী; এই তত্ত্ব কেবল পূর্ণ কর্মসংস্থানের কাছাকাছি পৌঁছানোর পথই দেখায়নি, বরং তিনি কল্পনা করেছিলেন যে ভোগের ওপর গুরুত্বারোপ এবং সরকারি পণ্যের সমন্বয় আয় বণ্টনে একটি সমতাবাদী পরিবর্তন আনবে। পুঁজিবাদের রেন্টিয়ার আয় (বিনা পরিশ্রমে অর্জিত আয়) বিলুপ্ত হবে এবং কর আরোপের মাধ্যমে আয়ের বৈষম্য কমিয়ে আনা হবে। তিনি বিশ্বাস করতেন যে ভোগের হার বাড়ানো এবং বিনিয়োগের সামাজিকীকরণ—উভয়ই পূর্ণ কর্মসংস্থান বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় এবং সামাজিক লক্ষ্য হিসেবে বাঞ্ছনীয়।
** [[w:bn:হাইম্যান মিনস্কি|হাইম্যান পি. মিনস্কি]], ''জন মেনার্ড কেইনস'' (১৯৭৬)।
* কেইনসের মর্যাদার পতনের মধ্যে একটি [[প্যারাডক্স]] বা হেঁয়ালি রয়েছে। আমাদের অর্থনীতির প্রেক্ষাপটে কেইনস দুটি প্রধান সমস্যা ব্যাখ্যা করতে চেয়েছিলেন: কেন আমাদের অর্থনীতিতে অস্থিরতা দেখা দেয় এবং এর আগে অর্জিত স্তরের চেয়ে পূর্ণ কর্মসংস্থানের আরও কাছাকাছি পৌঁছানো সম্ভব কি না। নীতিগত প্রশ্নের উত্তরে কেইনস বলেছিলেন যে সরকারি ব্যয় এবং কর আদায় একটি 'স্টিয়ারিং হুইল' বা নিয়ন্ত্রণকারী চাকা হিসেবে কাজ করতে পারে এবং এই চাকাটি কার্যকর হওয়ার জন্য একটি শর্ত হলো সরকারকে মহামন্দার আগের তুলনায় অর্থনীতির একটি বড় অংশ হতে হবে। ১৯৮১-৮২ সালের মন্দার চেয়ে ভয়াবহ কিছু এড়িয়ে চলায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আমাদের যে সাফল্য, তার বড় কারণ হলো আমাদের অনেক বড় আকারের সরকার ব্যবস্থা।
** [[w:bn:হাইম্যান মিনস্কি|হাইম্যান পি. মিনস্কি]], "দ্য লেগাসি অফ কেইনস", ''দ্য জার্নাল অফ ইকোনমিক এডুকেশন'' (১৯৮৫)।
* বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিক্টোরীয় পরিবর্তনগুলো তাঁর বাবা-মাকে কেমব্রিজে নিয়ে এসেছিল। ১৮৮০-এর দশকের শেষ ভিক্টোরীয় সংস্কার থেকে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর আবির্ভূত আধুনিক রাষ্ট্র-সমর্থিত প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের পুরো সময়টিতে নেভিল এবং মেনার্ড কেইনস উভয়েই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে যুক্ত ছিলেন। এই কারণে একটি প্রাতিষ্ঠানিক পটভূমি প্রদান করা প্রয়োজন যার প্রেক্ষিতে কেইনস পরিবারের জীবন ও সময়কে স্থাপন করা যায়।
** ডি. ই. মগ্রিজ, ''মেনার্ড কেইনস: অ্যান ইকোনমিস্ট'স বায়োগ্রাফি'' (১৯৯২)।
* আমি এ পর্যন্ত অর্জনের একটি দিকের ওপর মনোযোগ দিয়েছি: একটি তত্ত্ব বা তত্ত্বসমূহের সৃষ্টি, যা কোনো না কোনোভাবে অর্থনীতিবিদদের মানদণ্ড হিসেবে গৃহীত হয়েছে। কিন্তু কেইনস এবং অন্যান্য অর্থনীতিবিদদের ক্ষেত্রে তত্ত্বই সবটুকু ছিল না। কেইনস একজন প্রয়োগিক অর্থনীতিবিদও ছিলেন, যিনি বিদ্যমান তত্ত্বকে বিশ্বের বাস্তব তথ্যের সাথে সমন্বয় করে নির্দিষ্ট ফলাফল তৈরির চেষ্টা করতেন—সেটি ১৯৩১-৩২ বা ১৯৪১-৪৬ সালের আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবস্থা হোক, অথবা ১৯১৫, ১৯২৯-৩৩ বা ১৯৪০-৪৬ সালে ব্রিটিশ সরকারের আর্থিক নীতি হোক। এবং তিনি ব্যক্তিগত ও জনসমক্ষে বিভিন্নভাবে প্ররোচিত করার মাধ্যমে সেগুলোতে সফলও হয়েছিলেন। তিনি কীভাবে এবং কেন এটি করেছিলেন তা অর্থনীতির ইতিহাসবিদদের পাশাপাশি জীবনীকারদের জন্যও গবেষণার বিষয়।
** ডি. ই. মগ্রিজ, ''মেনার্ড কেইনস: অ্যান ইকোনমিস্ট'স বায়োগ্রাফি'' (১৯৯২), ভূমিকা।
* আমার অর্থনৈতিক চিন্তাভাবনার পটভূমি প্রথমে কেইনস সম্পর্কিত অধ্যয়নের মাধ্যমে বিকশিত হয়েছিল—তাঁর প্রাথমিক লেখা পড়ার চেয়েও তাঁর সাথে আলোচনার মাধ্যমে এটি বেশি হয়েছিল, কারণ তিনি ৩০-এর দশকের আগে 'জেনারেল থিওরি' লেখেননি। ... আমি কেইনসের মন্তব্যের জন্য [মোসলি] মেমোরেন্ডাম পাঠিয়েছিলাম... কেইনস তখন মোসলির অনুমতি নিয়ে এটি হুবার্ট হেন্ডারসনকে দেখিয়েছিলেন; তাঁরা দুজনেই একমত হয়েছিলেন যে "এটি একটি অত্যন্ত দক্ষ এবং তথ্যবহুল দলিল"। কেইনস সেই পুরো সময় জুড়ে আমাকে সমর্থন করেছিলেন এবং এমনকি পরবর্তীতে হ্যারল্ড নিকলসনকে বলেছিলেন যে তিনি 'নিউ পার্টি'কে ভোট দিতেন। শান্ত আচরণ এবং ক্ষুরধার বুদ্ধিসম্পন্ন এই উজ্জ্বল ও অমায়িক ব্যক্তির সম্পর্কে আমার ব্যক্তিগত স্মৃতি মূলত তাঁর বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজের আলোচনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ।
** [[w:bn:ওসওয়াল্ড মোসলি|ওসওয়াল্ড মোসলি]], ''মাই লাইফ'' (১৯৬৮), পৃষ্ঠা ১৭৮, ২৩৭-২৩৮।
* আপনি কি 'দ্য ইকোনমিক কনসিকুয়েন্স অফ দ্য পিস' সম্পর্কে কেইনসের লেখাটি পড়েছেন? আমি মনে করি এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি একজন উদারমনা মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট সমালোচনা তুলে ধরে, যিনি শান্তি সম্মেলনের ঘটনাপ্রবাহ ভেতর থেকে দেখেছিলেন... আমি না ভেবে পারছি না যে এটি মূলত বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি সাহসী উদারনীতি বা লিবারেল পলিসির রূপরেখা প্রদান করে। এর লক্ষ্য হলো—ইউরোপের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠন। আর পদ্ধতি হলো—লিগ অফ নেশনসের মাধ্যমে ভার্সাই চুক্তির সংশোধন। এটি আমাদের একটি সত্যিকারের লড়াই করার মতো নীতি দেয় যার বাড়তি সুবিধা হলো এটি সঠিক।
** গিলবার্ট মারে, ওয়াল্টার রানসিম্যানকে লেখা চিঠি (২৬ ডিসেম্বর ১৯১৯)।
* ফাসিবাদ মিস্টার মেনার্ড কেইনসের সাথে সম্পূর্ণ একমত, যদিও তিনি একজন প্রভাবশালী লিবারেল বা উদারপন্থী। প্রকৃতপক্ষে, মিস্টার কেইনসের চমৎকার ছোট বই 'দ্য এন্ড অফ লেসে-ফেয়ার' (১৯২৬) ফাসিবাদী [[অর্থনীতি]]র একটি কার্যকর ভূমিকা হিসেবে কাজ করতে পারে। এতে আপত্তি করার মতো প্রায় কিছুই নেই এবং প্রশংসা করার মতো অনেক কিছু আছে।
** [[w:bn:বেনিতো মুসোলিনি|বেনিতো মুসোলিনি]], 'ইউনিভার্সাল অ্যাসপেক্টস অফ ফ্যাসিজম' (১৯২৮) বইয়ে উদ্ধৃত।
* কেইনস এবং [[w:bn:ফ্রেডরিখ হায়ের|ফ্রেডরিখ হায়েকের]] একটি সমালোচনা শুরু করতে হবে এই নির্দেশ করার মাধ্যমে যে—তাঁদের তাত্ত্বিক ব্যবস্থায় অনিশ্চয়তা এবং প্রত্যাশার (anticipations) কোনো স্থান নেই। ...এটি কেইনসের স্বজ্ঞাত প্রতিভার (intuitive [[genius]]) একটি বড় প্রমাণ যে তিনি এমন সব বাস্তব ফলাফলে পৌঁছেছেন যা অনেক ক্ষেত্রেই তাঁর ত্রুটিপূর্ণ তাত্ত্বিক বিবৃতির চেয়ে অনেক বেশি উন্নত।
** [[w:bn:গুনার মিরডাল|গুনার মিরডাল]], 'মনিটারি ইকুইলিব্রিয়াম' (১৯৩৯)।
* 'নিউ পার্টি'-র অর্থনীতির বিষয়ে কেইনস খুব সহায়ক। তিনি বলেছেন যে তিনি কোনো প্রশ্ন ছাড়াই এই দলকে ভোট দেবেন। মুক্ত বাণিজ্যের বিষয়ে লেবার পার্টির দৃষ্টিভঙ্গি তাঁকে বিরক্ত করেছে। তিনি অনুভব করেন যে আমাদের দল সত্যিই অনেক ভালো কিছু করতে পারে এবং আমাদের কর্মসূচি অন্য যেকোনো দলের চেয়ে অনেক বেশি বলিষ্ঠ এবং নিশ্চিতভাবেই বেশি সাহসী।
** হ্যারল্ড নিকলসন, ডায়েরি (২৯ এপ্রিল ১৯৩১)।
* ১৯১৯ সালে... [[w:bn:অঁরি বর্গসঁ|অঁরি বর্গসঁ]], কার্ল বার্থ, আর্নস্ট কাসিরার, হ্যাভলক এলিস, কার্ল জ্যাসপার্স, জন মেনার্ড কেইনস, রুডলফ স্টেইনার—এই অমোঘ ব্যক্তিত্বরা সবাই নিজ নিজ ক্ষেত্রে সক্রিয় ছিলেন।
** সিনথিয়া ওজিক, 'ফেম অ্যান্ড ফলি: এসেস' (১৯৯৬)।
* এখানে কেইনসকে তাঁর সেরা এবং নিকৃষ্টতম রূপে পাওয়া যায়। নিকৃষ্টতম, কারণ তাঁর কিছু সামাজিক ও রাজনৈতিক তত্ত্ব খুব গভীর যাচাই সহ্য করতে পারবে না; কারণ সমাজ ততক্ষণ পর্যন্ত নতুন চাহিদা থেকে বিচ্যুত হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত ভোগ হবে প্রদর্শনীমূলক এবং প্রতিযোগিতামূলক; এবং কারণ—যেমনটি একজন ছাত্র একবার মন্তব্য করেছিল—গণতান্ত্রিক সরকার মানে কেবল কিছু পরোপকারী ওল্ড ইটোনিয়ানদের সমাবেশ নয়। সেরা, কারণ এই মানুষটির ছিল এক অনুসন্ধিৎসু, স্বজ্ঞাত, উস্কানিমূলক এবং বিচরণশীল মস্তিষ্ক।
** এ. এফ. ডব্লিউ. প্লাম্পট্রে, "কেইনস ইন কেমব্রিজ" (১৯৪৭)।
* কেইনস তাঁর সবচেয়ে প্রাঞ্জল এবং প্ররোচনামূলক মেজাজে ছিলেন; আর তার প্রভাব ছিল অপ্রতিরোধ্য। এমন মুহূর্তে আমি প্রায়ই ভাবি যে কেইনস অবশ্যই এ পর্যন্ত জন্ম নেওয়া সবচেয়ে অসাধারণ মানুষদের একজন হবেন—তাঁর দ্রুত যুক্তি, স্বজ্ঞার ক্ষিপ্রতা, প্রাণবন্ত কল্পনা, বিশাল দৃষ্টি এবং সর্বোপরি শব্দের ব্যবহারের অতুলনীয় জ্ঞান—সব মিলিয়ে এমন কিছু তৈরি করে যা সাধারণ মানুষের অর্জনের সীমার কয়েক ধাপ বাইরে।
** [[w:bn:লিওনেল রবিন্স|লিওনেল রবিন্স]], 'দ্য ওয়ারটাইম ডায়েরি অফ লিওনেল রবিন্স অ্যান্ড জেমস মিড ১৯৪৩-১৯৪৫'।
* রক্ষণশীলতার ওপর মিস্টার কেইনসের আক্রমণের ফলাফল অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী। প্রথমত, এটি অসমতার কথিত যৌক্তিকতার ভিত্তি উপড়ে ফেলে এবং আমাদের সামাজিক ব্যবস্থার বিশাল অসারতাকে নতুন চোখে দেখার সুযোগ করে দেয়।
** [[w:bn:জোয়ান রবিনসন|জোয়ান রবিনসন]], 'অ্যান এসে অন মার্ক্সিয়ান ইকোনমিক্স', অধ্যায় ৮, পৃষ্ঠা ৬৭।
* এটিই আমার কাছে অর্থনীতিতে কেইনসের গুরুত্বপূর্ণ অবদান বলে মনে হয়: তিনি বেশ কিছু মৌলিক ও নতুন প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি জিজ্ঞেস করেছিলেন—কর্মসংস্থানের স্তর কীসের দ্বারা নির্ধারিত হয়। তিনি জিজ্ঞেস করেছিলেন—অর্থনীতি কি স্বাভাবিকভাবেই পূর্ণ কর্মসংস্থানের স্তরে স্থিতিশীল থাকে এবং কোনো বিঘ্ন ঘটলে কি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেখানে ফিরে আসে। তিনি জিজ্ঞেস করেছিলেন—সুদের হার কীভাবে নির্ধারিত হয়। এই প্রশ্নগুলো আমাদের সাথেই আছে এবং অর্থনীতির কেন্দ্রে চিরকাল থাকবে।
** অস্টিন রবিনসন, "জন মেনার্ড কেইনস: ইকোনমিস্ট, অথর, স্টেটসম্যান" (১৯৭২)।
* কেইনস প্রশ্নটিকে আবার ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি রিকার্ডোর ভাষায় চিন্তা করতে শুরু করেন: সামগ্রিক উৎপাদন নিয়ে চিন্তা করলে এক কাপ চা নিয়ে ভাবার দরকার কী? যখন আপনি সামগ্রিক উৎপাদন নিয়ে ভাবছেন, তখন আপেক্ষিক দামগুলো—শ্রম এবং অর্থের আপেক্ষিক দামসহ—এমনিতেই পরিষ্কার হয়ে যায়। মূল্যস্তর তর্কে আসে ঠিকই, কিন্তু এটি মূল বিষয় হিসেবে নয় বরং একটি জটিলতা হিসেবে আসে। আপনি যদি রিকার্ডোর তত্ত্বে দক্ষ হন, তবে এমন ক্ষেত্রে কী করতে হবে তা আপনাকে থামিয়ে জিজ্ঞেস করতে হবে না, আপনি স্রেফ তা করে ফেলবেন। আপনি মূল সমস্যাটি সমাধান না হওয়া পর্যন্ত জটিলতাগুলোকে সরিয়ে রাখবেন। তাই কেইনস শুরুতে অর্থের দামের বিষয়টি সরিয়ে রেখেছিলেন। মার্শালের সেই 'এক কাপ চা' বাতাসে মিলিয়ে গেল। কিন্তু আপনি যদি অর্থ ব্যবহার করতে না পারেন, তবে মূল্যের একক হিসেবে কী নেবেন? এক মানব-ঘণ্টার শ্রম সময়। এটি মূল্যের সবচেয়ে সুবিধাজনক এবং বুদ্ধিদীপ্ত পরিমাপ, তাই স্বাভাবিকভাবেই আপনি এটি গ্রহণ করবেন। আপনাকে কিছু প্রমাণ করতে হবে না, আপনি স্রেফ তা করবেন।
** [[w:bn:জোয়ান রবিনসন|জোয়ান রবিনসন]], "অ্যান ওপেন লেটার ফ্রম আ কেইনসিয়ান টু আ মার্ক্সিস্ট" (১৯৫৩)।
* পরবর্তী অর্থনীতিবিদরা একটি সংশোধনবাদী ধারা বজায় রেখেছিলেন এবং অযৌক্তিকভাবে দাবি করেছিলেন যে কেইনস ছিলেন স্রেফ অনিশ্চয়তা তত্ত্বের একজন অগ্রপথনী (শ্যাকলস এবং লাচম্যান), অথবা তিনি ছিলেন শ্রমবাজারে অনুসন্ধান ব্যয়ের গুরুত্বের প্রবক্তা (ক্লোয়ার এবং লেইজনহুফভুদ)। এর কোনোটিই সত্য নয়। '''কেইনস যে একজন কেইনসীয় ছিলেন'''—হিকস, হ্যানসেন, স্যামুয়েলসন এবং মোডিগ্লিয়ানি প্রদত্ত সেই বহুনিন্দিত কেইনসীয় ব্যবস্থার প্রবক্তা—'''সেটিই একমাত্র ব্যাখ্যা যা কেইনসীয় অর্থনীতির কোনো অর্থ তৈরি করতে পারে।''' তবুও কেইনস একজন কেইনসীয়র চেয়েও বেশি কিছু ছিলেন। সর্বোপরি, তিনি ছিলেন এই অধ্যায়ে আমাদের আলোচিত এক অসাধারণ ক্ষতিকর ও অনিষ্টকারী ব্যক্তিত্ব: একজন আকর্ষণীয় কিন্তু ক্ষমতালোভী রাষ্ট্রবাদী মেকিয়াভেলি, যিনি বিংশ শতাব্দীর কিছু অত্যন্ত অশুভ প্রবণতা ও প্রতিষ্ঠানের মূর্ত প্রতীক ছিলেন।
** [[w:bn:মারে রথবার্ড|মারে এন. রথবার্ড]], "কেইনস, দ্য ম্যান", 'ডিসেন্ট অন কেইনস' (১৯৯২), পৃষ্ঠা ১৯৬।
* জন মেনার্ড কেইনস, যিনি ১৯৪৬ সালে ৬২ বছর বয়সে মারা যান, তিনি কেবল আমাদের সময়ের সবচেয়ে পরিচিত অর্থনীতিবিদই নন, বরং বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব হিসেবে গণ্য হওয়ার মতো একজন মানুষ। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী যুগের ইতিহাস আইনস্টাইন, চার্চিল, রুজভেল্ট বা হিটলারের নাম যেমন বাদ দিতে পারে না, তেমনি এই অনন্য ব্যক্তির নামও বাদ দিতে পারবে না। কেবল এই বিশাল প্রেক্ষাপটেই কেইনসের পূর্ণ গুরুত্ব দৃশ্যমান হয়। আমরা কীভাবে এই মানুষের প্রভাব বিচার করব? তিনি কি অর্থনীতির কোপার্নিকাস—যেমনটি অনেকে দাবি করেন—যিনি ঐতিহ্যের শৃঙ্খলে আবদ্ধ জড় অর্থনীতি থেকে ভূত তাড়িয়েছিলেন এবং সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতার দ্বার খুলে দিয়েছিলেন? নাকি তিনি সৃষ্টির চেয়ে ধ্বংসই বেশি করেছেন এবং এমন সব অশুভ শক্তির আবাহন করেছেন যাদের হাত থেকে আজ তিনি হয়তো নিজেই মুক্তি পেতে চাইতেন? <br>এই প্রশ্নগুলোর সহজ উত্তর দেওয়া কঠিন। একটি নিরপেক্ষ বিচারে কেবল এই মানুষের বহুমুখী প্রতিভা এবং ব্যক্তিগত আকর্ষণের কথা মাথায় রাখলেই হবে না, বরং আমাদের সময়ের অর্থনৈতিক বিতর্কগুলোকে পুষ্ট করা বিষয়গুলোর ব্যবচ্ছেদ করাও প্রয়োজন। আমরা এই প্রাণবন্ত, আবেগপ্রবণ এবং শৈল্পিক সংবেদনশীল মানুষের একটি চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করার মাধ্যমে শুরু করতে পারি: গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোতে তাঁর অবস্থান পরিবর্তনের এক অসাধারণ দক্ষতা—এমন সব অবস্থান যা তিনি কিছুক্ষণ আগেও অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তা ও তেজের সাথে সমর্থন করেছিলেন।
** উইলহেম রোপকে, 'ইকোনমিক্স অফ দ্য ফ্রি সোসাইটি' (১৯৬৩), অধ্যায় ৮।
* কীভাবে এমন একজন অসাধারণ মানুষ (সেরা অর্থে), যাঁর বুদ্ধিবৃত্তি ছিল অত্যন্ত বিস্তৃত এবং যিনি একাধারে শিল্পী ও সংগঠক হওয়ার পাশাপাশি একজন পন্ডিতও ছিলেন, তিনি একই সাথে নৈতিক-রাজনৈতিক মূলনীতিগুলোর (যা অর্থনীতির সংকীর্ণ ক্ষেত্রেও চতুর মুদ্রানীতির চেয়ে দীর্ঘমেয়াদে বেশি গুরুত্বপূর্ণ) প্রতি এত অন্ধ হতে পারেন—যেগুলো ছাড়া মানব সমাজ টিকে থাকতে পারে না? <br>আমরা এখানে যে ধরণের মানুষ এবং যে ধরণের দর্শন নিয়ে আলোচনা করছি তা পুরোপুরি মূল্যায়ন করার জন্য কেইনসকে অ্যাডাম স্মিথের সাথে তুলনা করা কার্যকর। অন্তত তাঁদের প্রভাবের গভীরতা এবং বিস্তৃতির দিক থেকে এই দুই ব্যক্তি ছিলেন আশ্চর্যজনকভাবে সদৃশ। তদুপরি, স্মিথ এবং কেইনস উভয়েরই আগ্রহ অর্থনীতির সীমানা ছাড়িয়ে অনেক দূরে বিস্তৃত ছিল। কিন্তু স্মিথ যেখানে তাঁর শ্রেষ্ঠ কর্ম 'ওয়েলথ অফ নেশনস' (১৭৭৬) ছাড়াও 'থিওরি অফ মোরাল সেন্টিমেন্টস' (১৭৫৯) নামে একটি বই আমাদের দিয়ে গেছেন—যা তাঁর ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা অর্থনৈতিক মতবাদগুলোর পূর্ণ নৈতিক-দার্শনিক ভিত্তি উন্মোচন করে; সেখানে কেইনস তাঁর অর্থনৈতিক কাজগুলো ছাড়াও আমাদের জন্য রেখে গেছেন সম্ভাবনা তত্ত্বের ওপর একটি মনোগ্রাফ ('এ ট্রিটাইজ অন প্রবাবিলিটি', ১৯২১)। স্মিথের কাছে, যাঁর 'ওয়েলথ অফ নেশনস' বইটি মানবজাতির সাংস্কৃতিক ইতিহাসের ওপর একটি বিশাল কাজের অংশ হিসেবে পরিকল্পিত ছিল, অর্থনীতিকে সমাজের বুদ্ধিবৃত্তিক, নৈতিক এবং ঐতিহাসিক জীবনের বৃহত্তর সমগ্রের একটি জৈব অংশ হিসেবে দেখা হতো; কেইনসের কাছে অর্থনীতি ছিল একটি গাণিতিক-যান্ত্রিক মহাবিশ্বের অংশ। একজন ছিলেন ১৮শ শতাব্দীর মানবতাবাদী চেতনার প্রতিনিধি; অন্যজন ২০শ শতাব্দীর জ্যামিতিক চেতনার প্রতিনিধি; একজন ছিলেন দেবাদী নৈতিকতাবাদী, অন্যজন ইতিবাচক বিজ্ঞানবাদের প্রবক্তা।
** [[w:bn:উইলহেম রোপকে|উইলহেম রোপকে]], 'ইকোনমিক্স অফ দ্য ফ্রি সোসাইটি' (১৯৬৩), অধ্যায় ৮।
* দেড় দশক আগে লর্ড কেইনস গত যুদ্ধের শেষ থেকে ১৯৩১ সালের বিশ্বমন্দা পর্যন্ত রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ইস্যুগুলোর ওপর তাঁর লেখাগুলোর একটি সংকলন তৈরি করেছিলেন। তিনি লিখেছিলেন, 'এখানে বারো বছরের হাহাকার জমা করা হয়েছে, এমন এক ক্যাসান্দ্রার হাহাকার যে কখনও সময়মতো ঘটনাপ্রবাহকে প্রভাবিত করতে পারেনি।' আমরা এখন জানি যে এটি তাঁর অতি-বিনয় ছিল: তিনি ভার্সাই চুক্তির বিরুদ্ধে তাঁর বইয়ের মাধ্যমে অত্যন্ত বেশি প্রভাব বিস্তার করেছিলেন—যেখানে তিনি প্রায় সম্পূর্ণ ভুল ছিলেন!—এবং মুদ্রানীতি, গোল্ড স্ট্যান্ডার্ডে ফিরে আসা এবং অন্যান্য ইস্যুতে যেখানে তিনি একদম সঠিক ছিলেন, সেখানে সেই সময় পর্যন্ত তাঁর কোনো প্রভাবই ছিল না। মানুষের কর্মকাণ্ড কতই না বিচিত্র!
** এ. এল. রাউস, 'দ্য এন্ড অফ অ্যান ইপোক' (১৯৪৭), পৃষ্ঠা ১।
* আমেরিকায় এখনও অনেক মানুষ আছেন যারা মন্দাকে ঈশ্বরের কাজ বলে মনে করেন। আমি মনে করি কেইনস প্রমাণ করেছেন যে এই ঘটনাগুলোর দায়ভার বিধাতার ওপর বর্তায় না।
** [[w:bn:বার্ট্রান্ড রাসেল|বার্ট্রান্ড রাসেল]], 'অটোবায়োগ্রাফি', অধ্যায় ৩, পৃষ্ঠা ৬৯।
* '''কেইনসের বুদ্ধিবৃত্তি ছিল আমার দেখা সবচেয়ে তীক্ষ্ণ এবং স্বচ্ছ।''' যখন আমি তাঁর সাথে বিতর্ক করতাম, তখন আমার মনে হতো আমি যেন নিজের জীবন হাতে নিয়ে লড়ছি এবং আমি খুব কম সময়ই নিজেকে 'বোকা' মনে না করে সেই বিতর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছি। আমি কখনও কখনও অনুভব করতে প্রলুব্ধ হতাম যে এত বেশি চতুরতা হয়তো গভীরতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, কিন্তু আমি মনে করি না যে এই অনুভূতিটি সঠিক ছিল।
** [[w:bn:বার্ট্রান্ড রাসেল|বার্ট্রান্ড রাসেল]], 'অটোবায়োগ্রাফি', অধ্যায় ৩, পৃষ্ঠা ৬৯।
* হ্যাঁ, কেইনস একজন প্রতিভা ছিলেন। হ্যাঁ, তাঁর কিছু ধারণা ছিল অপরিপক্ক এবং সেগুলো ডায়াগ্রাম বা প্রতীকী ব্যবহারের জন্য উপযোগী ছিল না। হ্যাঁ, র্যাডক্লিফ কমিটির সময় পর্যন্ত তাঁর অনেক ব্রিটিশ ভক্ত এখনও তাঁর ব্যবস্থার আদিম সংস্করণেই আটকে ছিলেন। এবং হ্যাঁ, কেইনস তাঁর প্যারাডাইম বা আদর্শগুলোর অতিরিক্ত সরলীকরণ অপছন্দ করতেন। <br>তবুও, বিজ্ঞানে অসংলগ্ন, অপরিপক্ক এবং বর্ণনাতীত বিষয়ের কোনো বাজারমূল্য নেই। যদি তাই হতো, তবে গ্যোটে আইন্সটাইন বা নিউটনের চেয়েও বড় বিজ্ঞানী হতেন। যা গুরুত্বপূর্ণ তা হলো কুহনিয়ান প্যারাডাইম যা জিনিয়াস নয় এমন মানুষরাও ব্যবহার করতে পারে। যা নিয়ে অনেক পন্ডিত স্বাধীনভাবে একমত হয়েছেন তা কেইনসের লেখা সেই মূল টেক্সট থেকে বিচ্ছিন্ন হতে পারে না। এখানে বিস্ময়কর বিষয়টি এক্সেল লেইজনহুফভুদ-এর জড়ো করা যুক্তির অকাট্যতা নয়, যা বরং বেশ নড়বড়ে; বরং এটি হলো ১৯৭০-এর দশকে কেইনসবাদকে ভুল প্রমাণ করার জন্য মানুষের মাঝে কতটা সুপ্ত চাহিদা ছিল। হ্যারি জনসন একই বিষয়কে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেছেন।
** [[w:bn:পল স্যামুয়েলসন|পল স্যামুয়েলসন]], "দ্য কেইনস সেন্টেনারি: সিম্প্যাথি ফ্রম দ্য আদার কেমব্রিজ", 'দ্য ইকোনমিস্ট' (১৯৮৩)।
* একজন আশাবাদী মানুষ যিনি এমন এক সময়ে বেঁচে ছিলেন যখন বিশ্ব অর্থনীতি এতটাই খারাপভাবে চলছিল যে চতুর কৌশলী উদ্ভাবনগুলোও চমৎকার কাজ করতে পারত; কেইনসের লক্ষ্য ছিল পুঁজিবাদকে নিজের হাত থেকেই রক্ষা করা। শেষ পর্যন্ত তাঁর প্রেসক্রিপশনটি তার সরলতম রূপেই নিজেই নিজেকে ধ্বংস করেছিল, কারণ একটি পূর্ণ-কর্মসংস্থানমূলক মানবিক রাষ্ট্র পরিচালনার বাধ্যবাধকতা আধুনিক অর্থনীতিগুলোকে 'স্ট্যাগফ্লেশন'-এর নতুন রোগের কাছে নতি স্বীকার করতে বাধ্য করেছিল—যেখানে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির সাথে বেকারত্ব এবং অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতা বিরাজ করে। <br>ভিন্ন ভিন্ন মতাদর্শের অর্থনীতিবিদরা প্রতিনিয়ত নিজেদের জিজ্ঞেস করেন: কেইনস যদি এখন বেঁচে থাকতেন তবে কী পরামর্শ দিতেন? এবং সাধারণত—সেই অর্থনীতিবিদ যদি ফ্রেডরিখ ফন হায়েকের মতো মুক্তবাজারপন্থী হন কিংবা জন কেনেথ গ্যালব্রেথের মতো শক্তিশালী হস্তক্ষেপবাদী হন—তাঁরা কেইনসকে এই সর্বোচ্চ সম্মানটি দেন যে, যদি তিনি পৃথিবীতে ফিরে আসেন তবে তিনি ঠিক তা-ই পছন্দ করবেন যা তাঁরা নিজেরা পছন্দ করেন। <br>কেউ চাইলে এটিও ভাবতে পারেন যে লর্ড কেইনস রোনাল্ড রিগ্যানের বিশাল কাঠামোগত ঘাটতির জন্য কী পরামর্শ দিতেন, যার ফলে মার্কিন অর্থনীতি উচ্চ কর্মসংস্থানের স্তরে পৌঁছানোর পর বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়।
** [[w:bn:পল স্যামুয়েলসন|পল স্যামুয়েলসন]], "দ্য হাউস দ্যাট কেইনস বিল্ট", 'দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস' (১৯৮৩)।
* আপনাকে বুঝতে হবে যে তৎকালীন জনমতে পুঁজিবাদ সাময়িকভাবে কতটা খারাপ অবস্থায় পৌঁছেছিল। আমার মনে আছে স্থানীয় সংবাদপত্রে ছোট শহরগুলোর মনোভাব নিয়ে একটি জরিপ দেখেছিলাম। তারা প্রশ্ন করেছিল, "আমাদের কি ব্যাংকিং ব্যবস্থা জাতীয়করণ করা উচিত?" সেই সম্পাদকদের অর্ধেকেরও বেশি—যারা কি না বিশ্বের সবচেয়ে রক্ষণশীল গোষ্ঠী—ব্যাংকিং ব্যবস্থা জাতীয়করণের পক্ষে মত দিয়েছিলেন। ফাদার কফলিন, ডেট্রয়েটের সেই জনমোহিনী নেতা যিনি ইহুদিবিদ্বেষী হয়ে উঠেছিলেন, তিনি "ফাউন্টেন পেন মানি, বিশাল সম্পদের কারিগর এবং মন্দিরের অর্থ পরিবর্তনকারীদের" নিয়ে অভিযোগ করেছিলেন। এটি ছিল এক ধরণের অপরিপক্ক সম্প্রসারণবাদ। হিউ লং এবং তাঁর "প্রত্যেক মানুষ একজন কোটিপতি" বা এই জাতীয় কিছু। তাই আমি বলব যে, কেইনস নিজেকে এই ব্যবস্থা বা সিস্টেমের ত্রাণকর্তা হিসেবে ভাবতেন। এবং অনেক নিউ ডিলার —আসল নিউ ডিলার, ভেবলেনাইট, টেকনোক্র্যাটরা—কেইনসীয় অর্থনীতি পছন্দ করতেন না। তারা বলতেন, "এটি কেবল উপশমকারী ব্যবহার করা, এটি সেই দুষ্ট পুঁজিবাদী আদর্শ থেকে মুক্তি দিচ্ছে না।" ১৯৩৩ সালে কেইনস যখন এখানে আসেন, তিনি রুজভেল্টকে বলেছিলেন যে তাঁর প্রতি মাসে ঘাটতি ব্যয়ে আরও অনেক বেশি খরচ করা প্রয়োজন। তিনি অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সাথে খুব সুনির্দিষ্ট কিছু পরিসংখ্যান দিয়েছিলেন।
** [[w:bn:পল স্যামুয়েলসন|পল স্যামুয়েলসন]], রান্ডাল ই. পার্কার সম্পাদিত 'রিফ্লেকশনস অন দ্য গ্রেট ডিপ্রেশন' (২০০২)-এ সাক্ষাৎকার।
* বিপরীতে এখন সবাই বোঝে যে, সরকার ছাড়া কোনো সমাধান হতে পারে না। কেইনসীয় ধারণাটি আবারও গৃহীত হয়েছে যে—একটি বাজার অর্থনীতি পরিচালনায় অর্থসংক্রান্ত নীতি এবং ঘাটতি ব্যয়ের একটি বড় ভূমিকা রয়েছে। আমি যদি চাইতাম মিল্টন ফ্রিডম্যান আজ বেঁচে থাকতেন, যাতে তিনি দেখতে পারতেন কীভাবে তাঁর চরমপন্থা তাঁর নিজের ধারণাগুলোরই পরাজয় ডেকে এনেছে।
** [[w:bn:পল স্যামুয়েলসন|পল স্যামুয়েলসন]], "ডোন্ট এক্সপেক্ট রিকভারি বিফোর ২০১২" (২০০৯)।
* অর্থনীতিবিদদের মধ্যে জন মেনার্ড কেইনস (১৮৮৩–১৯৪৬) সারাজীবন বেশ ভালোই করেছিলেন। তাঁর বুদ্ধিমত্তা ছিল উচ্চমানের এবং তিনি অবশ্যই গড়পড়তার চেয়ে ভালো ব্রিজ (তাস) খেলোয়াড় ছিলেন। দৃশ্যত মুদ্রা লেনদেনে তাঁর কিছু সাফল্য এসেছিল তাঁর ক্ষুদ্র ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক অনুমান থেকে। তবে, যুদ্ধ-পরবর্তী জার্মানিতে মুদ্রাস্ফীতির কারণে 'মার্ক'-এর মান কমে যাবে—এমন বাজিতে সফল হওয়ার পর তিনি প্রায় দেউলিয়া হয়ে গিয়েছিলেন যখন কয়েক মাসের জন্য মার্কের নিম্নমুখী প্রবণতা বদলে গিয়েছিল। শহরের একজন দয়ালু বন্ধু তাঁকে দেউলিয়া হওয়া থেকে বাঁচিয়েছিলেন—যা পোস্ট-এডওয়ার্ডিয়ান যুগে মৃত্যুর চেয়েও ভয়াবহ ছিল। (আবার ১৯২৯ সালে কেইনস-রবার্টসন স্পেকুলেটিভ ফান্ড খারাপ করার ফলে বেশ কিছু মানুষ লোকসানের শিকার হন। আমি এটি [[w:bn:লিওনেল রবিন্স|লিওনেল রবিন্স]]-এর কাছ থেকে জেনেছি। তবে, ১৯৩২ সালের শরতে জার্মান অধ্যাপক হ্যান্স নেইসার কেমব্রিজে কেইনসের একটি বক্তৃতা শুনেছিলেন, যেখানে তিনি বলেছিলেন, "এখনই আপনার জীবনের সুযোগ। বৈচিত্র্যময় সাধারণ শেয়ারগুলোতে বিনিয়োগ করার জন্য ধার করুন এবং ভিক্ষা করুন, কারণ পাউন্ডের অতিমূল্যায়ন শেষ হওয়ায় এগুলো এখন ঘুরে দাঁড়াবে।" এটি মোটেও খারাপ পরামর্শ ছিল না।)
** [[w:bn:পল স্যামুয়েলসন|পল স্যামুয়েলসন]], "অ্যান এনজয়েবল লাইফ পাজলিং ওভার মডার্ন ফিন্যান্স থিওরি" (২০০৯)।
* প্রকৃতি সাধারণত তাদের ওপর দুটি আলাদা দণ্ড আরোপ করে যারা তাদের শক্তির ভাণ্ডারকে খুব বেশি নিঃশেষ করার চেষ্টা করে। এর মধ্যে একটি দণ্ড কেইনস নিঃসন্দেহে পেয়েছিলেন। তাঁর কাজের গুণমান এর পরিমাণের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, এবং তা কেবল রূপগতভাবে নয়: তাঁর গৌণ কাজগুলোর অনেকগুলোতে দ্রুততার ছাপ পাওয়া যায়, এবং তাঁর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর কিছু অংশে নিরন্তর বাধার ছাপ রয়েছে যা এর পূর্ণ বিকাশে আঘাত করেছিল। যারা এটি বুঝতে ব্যর্থ হবেন—যারা বুঝতে পারবেন না যে তাঁরা এমন কাজ দেখছেন যা কখনও পুরোপুরি পরিপক্ক হতে দেওয়া হয়নি বা যাতে কখনও শেষ ছোঁয়া দেওয়া হয়নি—তাঁরা কখনও কেইনসের ক্ষমতার প্রতি সুবিচার করতে পারবেন না। কিন্তু অন্য দণ্ডটি তাঁর ক্ষেত্রে মওকুফ করা হয়েছিল। <br>সাধারণত সেইসব মানব-যন্ত্রের মধ্যে এক ধরণের অমানবিকতা থাকে যারা তাদের জ্বালানির প্রতিটি কণা পুরোপুরি ব্যবহার করে। এমন মানুষরা তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে শীতল, দুর্গম এবং মগ্ন থাকেন। তাঁদের কাজই তাঁদের জীবন, তাঁদের অন্য কোনো আগ্রহ থাকে না, অথবা থাকলেও তা অত্যন্ত অগভীর। কিন্তু কেইনস ছিলেন এর ঠিক বিপরীত—সবচেয়ে অমায়িক একজন মানুষ; অমায়িক, দয়ালু এবং প্রফুল্ল সেই অর্থে যে অর্থে ঠিক সেই মানুষরাই অমায়িক ও প্রফুল্ল হন যাদের মনে কোনো ভার নেই এবং যাঁদের একমাত্র মূলনীতি হলো কখনও তাঁদের কোনো কাজকে স্রেফ 'পরিশ্রম' বা 'খাটাখুনি'র পর্যায়ে যেতে না দেওয়া। তিনি স্নেহপ্রবণ ছিলেন। তিনি সবসময় অন্যের দৃষ্টিভঙ্গি, আগ্রহ এবং সমস্যাগুলোতে বন্ধুত্বপূর্ণ উৎসাহের সাথে প্রবেশ করতে প্রস্তুত থাকতেন। তিনি উদার ছিলেন, এবং তা কেবল অর্থের দিক থেকে নয়। তিনি সামাজিক ছিলেন, কথোপকথন উপভোগ করতেন এবং তাতে উজ্জ্বলতা ছড়াতেন। এবং বহুল প্রচলিত ধারণার বিপরীতে, তিনি 'ভদ্র' হতে পারতেন, এমন এক পুরনো আমলের শিষ্টাচার বা ভদ্রতা যা পালন করতে সময় লাগে। উদাহরণস্বরূপ, তাঁর অতিথি চ্যানেলে কুয়াশার কারণে দেরি করায় বিকেল ৪টায় না পৌঁছানো পর্যন্ত তিনি নিজের দুপুরের খাবার খেতে অস্বীকার করেছিলেন, যদিও টেলিগ্রাম এবং ফোনের মাধ্যমে তাঁকে অনুরোধ করা হয়েছিল।
** [[w:bn:জোসেফ শুম্পিটার|জোসেফ শুম্পিটার]], "জন মেনার্ড কেইনস ১৮৮৩-১৯৪৬", 'দ্য আমেরিকান ইকোনমিক রিভিউ' (১৯৪৬)।
* আমরা আজ যে পৃথিবীতে বাস করছি, মহামন্দার সেই অন্ধকার দিনগুলোতে কেইনস আমাদের যে অর্থনৈতিক প্রজ্ঞা দিয়েছিলেন, তার ফলে এটি অনেক বেশি নিরাপদ হয়েছে। যখন অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারণে সেই প্রজ্ঞাকে আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করা হয়, তখন বিপুল সংখ্যক মানুষকে অকারণে কষ্ট পেতে হয়। আমি ভয় পাচ্ছি যে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমরা এর বেশ কিছু হতাশাজনক উদাহরণ দেখেছি, বিশেষ করে ইউরোপে, যার মানবিক মূল্য ছিল বিশাল। কেইনস ছিলেন একজন মহান পথপ্রদর্শক, এবং এটি তাঁকে ব্যথিত করত—যদি অবাক না-ও করত—এটি দেখে যে, কীভাবে সুনির্দিষ্ট পথগুলো নীতি-নির্ধারণের দ্বারা ব্যাপকভাবে অবহেলিত হতে পারে যা সুচিন্তিত যুক্তির চেয়ে আদর্শের ওপর বেশি নির্ভর করে।
** [[w:bn:অমর্ত্য সেন|অমর্ত্য সেন]], "প্রফেসর অমর্ত্য সেন উইনস জন মেনার্ড কেইনস প্রাইজ" (২০১৫) উক্তিটি উদ্ধৃত।
* কেইনসের অর্থনৈতিক দর্শন তিনটি পরস্পর নির্ভরশীল অংশ নিয়ে গঠিত: তাঁর কারিগরি সামষ্টিক অর্থনীতি, তাঁর লড়াকু রাজনৈতিক দর্শন এবং তাঁর চূড়ান্ত নৈতিক উদ্দেশ্য।
** [[w:bn:রবার্ট স্কিডেলস্কি|রবার্ট স্কিডেলস্কি]], 'জন মেনার্ড কেইনস: ১৮৮৩-১৯৪৬: ইকোনমিস্ট, ফিলোসফার, স্টেটসম্যান' (২০০৩), ভূমিকা।
* ওডিসিউসের মতো কেইনসও একজন সফল নায়ক ছিলেন, বিয়োগান্তক বা ট্র্যাজিক নন। তিনি সাইরেনদের সুন্দর গান শুনেছিলেন, কিন্তু জাহাজডুবি থেকে বাঁচতে সতর্কতা অবলম্বন করেছিলেন এবং সেই পথেই চলেছিলেন যে পথে তাঁর প্রতিভা এবং বিশ্বের অবস্থা তাঁকে পূর্বনির্ধারিত করেছিল। চতুরতার সাথে তিনি তাঁর জীবনে এবং কাজে সব বিশ্বের সেরাটি পাওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন এবং অলৌকিকভাবে তা অর্জনের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছিলেন।
** রবার্ট স্কিডেলস্কি, 'জন মেনার্ড কেইনস: ১৮৮৩-১৯৪৬: ইকোনমিস্ট, ফিলোসফার, স্টেটসম্যান' (২০০৩), অধ্যায় ৪৩।
* কেইনস নিজেকে ''ধ্রুপদী'' অর্থনীতির উচ্ছেদকারী হিসেবে দেখতেন। তিনি আসলে যতটা ভেবেছিলেন তার চেয়ে কম বৈপ্লবিক ছিলেন। মার্শালিজমের বিশাল অংশ—বিশেষ করে সময়ের গুরুত্ব (স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদ), আংশিক ভারসাম্য বিশ্লেষণের কৌশল এবং অর্থের পরিমাণ তত্ত্বের নগদ ব্যালেন্স সংস্করণ—তাঁর অর্থনীতির কেন্দ্রে ছিল। এটি তাঁকে মেঙ্গার এবং ওয়ালরাসের সময়হীন যুগপৎ-সমীকরণ সাধারণ ভারসাম্য তত্ত্ব থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছিল, যা হায়েক প্রান্তিক বিপ্লবের সর্বোচ্চ অর্জন বলে মনে করতেন।
** রবার্ট স্কিডেলস্কি, 'হায়ের বনাম কেইনস: দ্য রোড টু রিকনসিলিয়েশন' (২০০৬)।
* [[w:bn:নীতিশাস্ত্র|নীতিশাস্ত্রে]] কেইনস ছিলেন একজন [[w:bn:প্লেটো|প্লেটোবাদী]], [[w:bn:রাজনীতি|রাজনীতিতে]] তিনি ছিলেন একজন [[w:bn:অ্যারিস্টটল|অ্যারিস্টটলীয়]]। তাঁর নীতিশাস্ত্র তাঁকে আদর্শের দিকে নির্দেশ করত; আর তাঁর রাজনীতি তাঁকে মডারেট বা মধ্যপন্থার দিকে নিয়ে যেত।
** রবার্ট স্কিডেলস্কি, 'জন মেনার্ড কেইনস: দ্য রিটার্ন অফ দ্য মাস্টার' (২০০৯), অধ্যায় ৭।
* সমস্ত অর্থনীতিবিদদের মধ্যে লর্ড কেইনস পরবর্তী মুহূর্তের পরিস্থিতি সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি সংবেদনশীল ছিলেন—তিনি ছিলেন ভবিষ্যতের শিরোনামগুলোর এক ধরণের গাইগার কাউন্টার। এটি ছিল এক অত্যন্ত অসাধারণ প্রতিভা এবং তাঁর তত্ত্বগুলোর জন্য এর অসাধারণ ফলাফল থাকতে পারে।
** [[w:bn:জর্জ স্টিগলার|জর্জ স্টিগলার]], 'ফাইভ লেকচারস অন ইকোনমিক প্রবলেমস' (১৯৪৯), অধ্যায় ১।
* কেইনসের একটি অভ্যাস ছিল রাষ্ট্রকে একজন 'দেউস এক্স মেকিনা' (অলৌকিক সমাধানকারী) হিসেবে গণ্য করা, যখনই তাঁর মানবিক চরিত্ররা পুঁজিবাদী খেলার নিয়ম অনুযায়ী আচরণ করতে গিয়ে এমন এক সংকটে পড়ে যেখান থেকে বের হওয়ার কোনো দৃশ্যত উপায় নেই। স্বাভাবিকভাবেই, এই অলৌকিক হস্তক্ষেপকারী লেখক এবং সম্ভবত দর্শকদের জন্য সন্তোষজনকভাবে সবকিছু সমাধান করে দেন। একমাত্র সমস্যা হলো—যেমনটি প্রতিটি মার্ক্সবাদী জানেন—রাষ্ট্র কোনো ঈশ্বর নয়, বরং অন্য সব চরিত্রের মতো এটিও একটি চরিত্র যার একটি নির্দিষ্ট ভূমিকা পালন করার আছে।
** [[w:bn:পল সুইজি|পি. এম. সুইজি]], "জন মেনার্ড কেইনস", 'সায়েন্স এন্ড সোসাইটি' (১৯৪৬)।
* এটি এমন নয় যে নিউ ডিল বা অন্য কেউ কেইনসের ধারণাগুলো বাস্তবায়ন করেছিল। প্রকৃতপক্ষে, একটি হেঁয়ালি বা প্যারাডক্স হলো এই যে—নাৎসি জার্মানির অনেক নীতি মন্দা কাটিয়ে ওঠার জন্য কেইনসের সুপারিশগুলোর সাথে অনেকটাই মিলে গিয়েছিল এবং জার্মানি সেই মন্দা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছিল। হিটলারের জার্মানি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনেক আগেই মন্দা থেকে বেরিয়ে এসেছিল, কারণ তারা যুদ্ধ কর্মসূচির পেছনে প্রচুর অর্থ ব্যয়, ঘাটতি অর্থায়ন এবং নিয়ন্ত্রিত বিনিয়োগ করেছিল। বাস্তব সত্য হলো, যুদ্ধের আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মহামন্দা কখনোই পুরোপুরি শেষ হয়নি। নিউ ডিল কখনোই কেইনসীয় নীতি অনুযায়ী কাজ করেনি। কেইনসীয় তত্ত্ব এবং নীতির ইতিহাস প্যারাডক্সে পরিপূর্ণ। এটি গুরুত্বপূর্ণ যে আপনি সেই সময়ের ইতিহাসের জটিলতাগুলো সত্যিই বুঝতে পারছেন কি না।
** [[w:bn:পল সুইজি|পি. এম. সুইজি]], ১৯৮৭ সালের সাক্ষাৎকার; 'দ্য কামিং অফ কেইনসিয়ানিজম টু আমেরিকা' (১৯৯৬)-এ প্রকাশিত।
* কেইনসের যুক্তির শক্তি এবং তার রাজনৈতিক বিষয়বস্তু সম্পর্কে একটি চমৎকার গল্প আছে। এটি একজন মার্ক্সবাদী জন স্ট্র্যাচি সম্পর্কে। তিনি লিটন স্ট্র্যাচির কাজিন ছিলেন—তাঁদের দুজনেরই লেখার হাত ছিল অসাধারণ। জন স্ট্র্যাচি 'দ্য কামিং স্ট্রাগল ফর পাওয়ার' নামে একটি বই লিখেছিলেন। ১৯৩০-এর দশকে ইংল্যান্ডের কেমব্রিজে এই বইটি এতটাই প্রভাবশালী ছিল যে, আমি যখন সেখানে যাই, দেখি প্রত্যেকের বুকশেলফে এটি প্রদর্শিত হচ্ছে। এটি ছিল কেমব্রিজ ছাত্রদের 'বাইবেল'। কেমব্রিজে আমার শেষ বর্ষে মার্শাল সোসাইটির পক্ষ থেকে স্ট্র্যাচিকে একটি বক্তৃতা দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সেই বক্তৃতায় তিনি যুক্তি দিয়েছিলেন যে মার্ক্স আমাদের দেখিয়েছিলেন কীভাবে এই ব্যবস্থাকে কার্যকর করতে হয়—এই যুক্তিটি ব্যাপক সমর্থন পেয়েছিল। আমাকে আগে থেকেই বক্তৃতার শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছিল। <br>আমি ধন্যবাদ জানালাম, তবে সেই সুযোগে এটিও বললাম যে—এটি ছিল ১৯৩৫ সালের নভেম্বর মাস—আগামী কয়েক মাসের মধ্যে একটি বই প্রকাশিত হতে যাচ্ছে যা বিশ্লেষণের আরও উন্নত পদ্ধতি নির্ধারণ করবে। এটি লিখেছেন জন মেনার্ড কেইনস। স্ট্র্যাচি এই নাম জানতেন কি না আমি জানতাম না। তিনি আমাকে বললেন, "আমি কেইনসের বই সম্পর্কে আরও জানতে চাই।" আমি তাঁকে জানালাম এবং তিনি নাম লিখে নিলেন। তখন আমি কেইনস এবং স্ট্র্যাচি পরিবারের মধ্যকার সম্পর্কের কথা জানতাম না। <br>কয়েক বছর পর আমি লেফট বুক ক্লাব থেকে জন স্ট্র্যাচির একটি নতুন বই পেলাম। আমি অবাক হয়ে দেখলাম; এটি ছিল পুরোপুরি কেইনসীয়! কেইনস দ্বারা তিনি এতটাই প্রভাবিত হয়েছিলেন যে রাতারাতি তাঁর অনুসারী হয়ে যান। স্ট্র্যাচি সত্যিই কেইনসকে বুঝতে পেরেছিলেন; তাঁর বইটি ছিল কেইনসীয় দর্শনের এক চমৎকার ব্যাখ্যা এবং ব্রিটিশ পরিস্থিতির ওপর এর প্রয়োগ। এটি কেইনসের চেয়েও বেশি আকর্ষণীয় এবং পুনরায় মুদ্রণযোগ্য। এটি দেখায় কীভাবে কেইনস কমিউনিজমকে খন্ডন করেছিলেন এবং কীভাবে জন স্ট্র্যাচির মতো একজন কট্টর মার্ক্সবাদী কেইনসের দ্বারা সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছিলেন। সেই ইতিহাস বিবেচনায় নিলে, পরবর্তীতে মার্কিন কেইনসীয়দের ওপর 'কমিউনিস্ট' হিসেবে যে আক্রমণ করা হয়েছিল, তা আমার কাছে বোধগম্য ছিল না।
** লরি টারশিস, ১৯৮৬ সালের সাক্ষাৎকার; 'দ্য কামিং অফ কেইনসিয়ানিজম টু আমেরিকা' (১৯৯৬)-এ প্রকাশিত।
* কেইনস মার্শালীয় আংশিক ভারসাম্য তত্ত্বে বাজার পরিষ্কার করার জন্য দাম সমন্বয় প্রক্রিয়ার কার্যকারিতাকে চ্যালেঞ্জ করেননি, যা শিখে তিনি বড় হয়েছিলেন। তবে তিনি পুরো অর্থনীতির বাজারের ক্ষেত্রে সেই প্রক্রিয়াগুলোর অন্ধ প্রয়োগকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। সামষ্টিক অর্থনীতি নামে যা পরিচিত তার ভিত্তি স্থাপন করে তিনি পুরো অর্থনীতিকে একটি বদ্ধ ব্যবস্থা হিসেবে মডেল করেছিলেন। তিনি জানতেন যে তিনি মার্শালের সেই ধারণা ব্যবহার করতে পারবেন না যেখানে ধরা হয়—একটি বাজার পরিষ্কার হওয়ার বিষয়টি অর্থনীতির বাকি অংশকে প্রভাবিত করবে না।
** [[w:bn:জেমস টোবিন|জেমস টোবিন]], "প্রাইস ফ্লেক্সিবিলিটি অ্যান্ড আউটপুট স্ট্যাবিলিটি: অ্যান ওল্ড কেইনসীয়ান ভিউ" (১৯৯৩)।
* মূল বার্তাটি এখনও এটিই যে, কেইনস যেমন যুক্তি দিয়েছিলেন—আর্থিক বা রাজনৈতিক যেকোনো 'তারল্য ফাঁদ'-এর সমাধান হলো রাজস্ব নীতি । জাপানে রাজস্ব নীতির বিরুদ্ধে যে যুক্তিগুলো দেওয়া হয়, আমি যতদূর বুঝি সেগুলো বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে ত্রুটিপূর্ণ; সামষ্টিক অর্থনীতির পরীক্ষায় এগুলোর জন্য ফেল গ্রেড পাওয়া উচিত।
** [[w:bn:জেমস টোবিন|জেমস টোবিন]], "রিফ্লেকশনস অন জাপানিজ পলিটিক্যাল ইকোনমি" (১৯৯৯)।
* আমি তাঁকে পছন্দ করতাম, তবে খুব একটা নয়; তাঁর মধ্যে ব্লুমসবারি গ্রুপের গন্ধ ছিল... তিনি ক্লিমেনসুর 'কার্থাজিনিয়ান পিস'-এর সমালোচনা করে ফুসলে উঠেছিলেন, ভার্সাই চুক্তিকে বেলজিয়ামে জার্মান আক্রমণের সাথে তুলনীয় অপরাধ বলে মনে করেছিলেন এবং "জার্মানিকে এক প্রজন্মের জন্য দাসত্বের দিকে ঠেলে দেওয়ার নীতির" নিন্দা জানিয়েছিলেন... শুরু থেকেই তিনি সবকিছু ভুলভাবে দেখেছিলেন, এমনকি কল্পনা করেছিলেন যে "ভবিষ্যতের বিপদ সীমান্ত বা সার্বভৌমত্বের মধ্যে নেই বরং খাদ্য, কয়লা এবং পরিবহনের মধ্যে রয়েছে"। ... তিনি মুক্ত রাষ্ট্রগুলোর নিন্দা করেছিলেন এবং নিকট ভবিষ্যতে ফ্রান্সের জন্য আর কোনো বিপদের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছিলেন... এই বেচারা লোকটির সব ভবিষ্যদ্বাণী ভুল প্রমাণিত হয়েছিল... প্রধান জার্মান প্রতিনিধি বলেছিলেন, "যারা এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন, তারা লক্ষ লক্ষ জার্মান পুরুষ, মহিলা ও শিশুর মৃত্যু পরোয়ানায় স্বাক্ষর করবেন।" আর কেইনস তাঁর প্রতিধ্বনি করে বলেছিলেন: "এই কথার কোনো যথাযথ উত্তর আমার জানা নেই"। অন্যরা বেশি কল্পনাপ্রবণ ছিল। স্বাক্ষরের দশ বছর পর ইউরোপীয় উৎপাদন প্রাক-যুদ্ধ স্তরকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল এবং জীবনযাত্রার মান আগে কখনও এত উন্নত ছিল না। জার্মানিতে কয়লা, লোহা ও ইস্পাত উৎপাদন সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছিল, সঞ্চয় ব্যাপকভাবে বেড়েছিল এবং জাতীয় আয় যুদ্ধের আগের তুলনায় ৬০% বেশি ছিল... তাই কেইনসের এই ক্ষোভ বা এর ফলে সৃষ্ট বোকামির প্রতি খুব কম মনোযোগ দেওয়া উচিত ছিল। ফলাফলটি অবশ্য ছিল বিশাল, কারণ 'দ্য ইকোনমিক কনসিকুয়েন্স অফ দ্য পিস' বইটি ছিল মার্কিন ভিন্নমতাবলম্বীদের উইলসনের শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার জন্য ঠিক যা প্রয়োজন। এটি "ভার্সাইয়ের ভয়াবহতা" প্রমাণের জন্য ব্যবহৃত হয়েছিল... কেইনস মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ভালো ও মন্দের মধ্যে নিরপেক্ষ থাকার যুক্তি দেওয়ার দিকে প্রথম পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।
** লর্ড ভ্যানসিটার্ট, 'দ্য মিস্ট প্রসেশন' (১৯৫৮), পৃষ্ঠা ২২৩-২২৬।
* কেইনস, আমি নিশ্চিত, প্রায়শই নিজের ভূমিকাকে একজন [[w:bn:নবী|নবী]] এবং [[w:bn:রাজনীতিবিদ|রাজনীতিবিদের]] মতো করে ব্যাখ্যা করতেন; এবং আমার ধারণা, তেমনই এক সময়ে তিনি লিখেছিলেন: "শব্দগুলো কিছুটা বুনো হওয়া উচিত, কারণ সেগুলো হলো অবিবেচকদের ওপর চিন্তার আক্রমণ।" নবী এবং রাজনীতিবিদের জন্য আমি একে চ্যালেঞ্জ করি না, কারণ তাঁদের পেশাগত লাইসেন্স আছে প্ররোচনার সব ধরণের আলঙ্কারিক উৎস ব্যবহার করে কোনো বাধাবিপত্তি ছাড়াই নিজেদের উদ্দেশ্য প্রচার করার। তবে আমি পেশাগত [[w:bn:শ্রম বিভাজন|শ্রম বিভাজনে]] বিশ্বাসী এবং তাই আমি উদ্বিগ্ন হই যখন অর্থনীতিবিদরা নবী বা রাজনীতিবিদের ভূমিকা ও কৌশল গ্রহণ করেন—বিশেষ করে যখন এমন কোনো সন্দেহের ভিত্তি থাকে যে সেখানে মিথ্যে ভবিষ্যদ্বাণী জড়িত।
** [[w:bn:জ্যাকব ভাইনার|জ্যাকব ভাইনার]], "কমেন্ট অন মাই ১৯৩৬ রিভিউ অফ কেইনস জেনারেল থিওরি" (১৯৬৪)।
* 'আমরা যা করতে পারি, তা আমরা বহনও করতে পারি,'—দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মাঝামাঝি সময়ে জন মেনার্ড কেইনস এই ঘোষণা দিয়েছিলেন। অতিমারি আমাদের সেই নীতির কথা মনে করিয়ে দিয়েছে; জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বিশ্ব হয়তো সত্যিই এটি কার্যকর করার আশা করতে পারে।
** ডেভিড ওয়ালেস-ওয়েলস, গ্রেটা থুনবার্গ সম্পাদিত 'দ্য ক্লাইমেট বুক' (২০২২)।
* জার্মান "নির্বাচনের" (২৯ মার্চ ১৯৩৬ সালের রাইখস্ট্যাগ নির্বাচন) পরের সকালে আমি ব্যাসেলে ভ্রমণ করি; সুইজারল্যান্ডে পৌঁছানোটা ছিল এক চমৎকার মুক্তি। এর ঠিক পরেই সম্ভবত লন্ডনের কোনো এক সভায় মেনার্ড কেইনসের সাথে আমার দেখা হয়েছিল। "আমি সত্যিই ইচ্ছা করি যে আপনি যদি সেই বইটি না লিখতেন", আমি নিজেকে বলতে শুনলাম (আমি 'দ্য ইকোনমিক কনসিকুয়েন্স' বইটির কথা বুঝিয়েছিলাম, যা জার্মানরা সবসময় উদ্ধৃত করত) এবং পরক্ষণেই আমার মনে হলো মাটির নিচে ঢুকে যাই। কিন্তু তিনি খুব সহজভাবে এবং নম্রভাবে বললেন, "আমিও তাই ইচ্ছা করি।"
** এলিজাবেথ উইস্কেম্যান, 'দ্য ইউরোপ আই স' (১৯৬৮), পৃষ্ঠা ৫৩।
== আরও দেখুন ==
* [[w:bn:কেইনসীয় অর্থনীতি|কেইনসীয় অর্থনীতি]]
* [[w:bn:জন মেনার্ড কেইনস এবং ফ্রেডরিখ হায়ের|জন মেনার্ড কেইনস এবং ফ্রেডরিখ হায়েক]]
* [[w:bn:কেইনসীয় অর্থনীতি|কেইনসীয় অর্থনীতি]]
=== রচনাবলী ===
* ''[[w:bn:দ্য জেনারেল থিওরি অফ এমপ্লয়মেন্ট, ইন্টারেস্ট অ্যান্ড মানি|দ্য জেনারেল থিওরি অফ এমপ্লয়মেন্ট, ইন্টারেস্ট অ্যান্ড মানি]]''
=== কেইনস সম্পর্কিত কাজ ===
* ''[[w:bn:ডেমোক্রেসি ইন ডেফিসিট|ডেমোক্রেসি ইন ডেফিসিট]]''
* ''[[w:bn:জন মেনার্ড কেইনস: ১৮৮৩-১৯৪৬: ইকোনমিস্ট, ফিলোসফার, স্টেটসম্যান|জন মেনার্ড কেইনস: ১৮৮৩-১৯৪৬: ইকোনমিস্ট, ফিলোসফার, স্টেটসম্যান]]'' (রবার্ট স্কিডেলস্কি, ২০০৩)
* ''[[w:bn:জন মেনার্ড কেইনস: দ্য রিটার্ন অফ দ্য মাস্টার|জন মেনার্ড কেইনস: দ্য রিটার্ন অফ দ্য মাস্টার]]'' (রবার্ট স্কিডেলস্কি, ২০০৯)
* ''[[w:bn:মেনার্ড কেইনস: অ্যান ইকোনমিস্ট'স বায়োগ্রাফি|মেনার্ড কেইনস: অ্যান ইকোনমিস্ট'স বায়োগ্রাফি]]'' (ডোনাল্ড মগ্রিজ, ১৯৯২)
== বহিঃসংযোগ ==
{{wikipedia}}
{{commonscat|John Maynard Keynes}}
{{উইকিসংকলন}}
* [http://cepa.newschool.edu/het/profiles/keynes.htm জীবনী, গ্রন্থপঞ্জি এবং লিঙ্ক]
* [http://www.time.com/time/time100/scientist/profile/keynes.html টাইম ১০০-এ জীবনী - শতাব্দীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি]
* [[w:bn:প্রজেক্ট গুটেনবার্গ|প্রজেক্ট গুটেনবার্গে]] [http://www.gutenberg.org/browse/authors/k#a6280 জন মেনার্ড কেইনসের রচনাবলী]
* [http://www.panarchy.org/keynes/laissezfaire.1926.html ''দ্য এন্ড অফ লেসে-ফেয়ার'' (১৯২৬)]
* [http://www.panarchy.org/keynes/national.1933.html ''ন্যাশনাল সেলফ-সাফিসিয়েন্সি'' (১৯৩৩)]
* জেমস এম. বিউকানান এবং রিচার্ড ই. ওয়াগনার রচিত ''[http://www.econlib.org/library/Buchanan/buchCv8Contents.html ডেমোক্রেসি ইন ডেফিসিট: দ্য পলিটিক্যাল লেগাসি অফ লর্ড কেইনস]'' (১৯৭৭)
* [https://en.wikipedia.org/wiki/Economics অর্থনীতি]
{{DEFAULTSORT:কেইনস, জন মেনার্ড}}
[[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের অর্থনীতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের সমাজবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের ইতিহাসবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের অকল্পিত সাহিত্যিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের নাস্তিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের সম্পাদক]]
[[বিষয়শ্রেণী:সুপ্রজননবিদ (Eugenicists)]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের সমাজসেবী]]
[[বিষয়শ্রেণী:এলজিবিটি ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:কৃষক]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৮৩-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৬-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজের ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:উদারপন্থী অর্থনীতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ব্রিটিশ একাডেমির ফেলো]]
p8fhkvbbuv9v3nvsb2qw9d2jlvidgcm
আল-বিরুনি
0
11910
74002
73452
2026-04-06T05:53:48Z
Amirhusenjihed
3671
সংশোধন
74002
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:Biruni-russian.jpg|থাম্ব|১৯৭৩ সালের একটি সোভিয়েত ডাকটিকিটে আল-বিরুনি।]]
[[চিত্র:Lunar phases al-Biruni.jpg|থাম্ব|আল-বিরুনির জ্যোতির্বিজ্ঞান সংক্রান্ত কাজের একটি চিত্র, যেখানে চাঁদের বিভিন্ন পর্যায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে।]]
[[চিত্র:Persian_Scholar_pavilion_in_Viena_UN_(Biruni).jpg|থাম্ব]]
[[চিত্র:Al_biruni_28-02-2010.jpg|থাম্ব]]
'''[[:w:আল-বেরুনি|আবু রায়হান মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-বিরুনি]]''' (১৫ সেপ্টেম্বর, ৯৭৩ – ১৩ ডিসেম্বর, ১০৪৮) ছিলেন একজন [[ইরান|পারস্য বা ইরানীয়]] বহুবিদ্যাবিশারদ, বিজ্ঞানী, পদার্থবিদ, নৃবিজ্ঞানী, মনোবিজ্ঞানী, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, রসায়নবিদ, আলকেমি ও জ্যোতিষশাস্ত্রের সমালোচক, বিশ্বকোষ প্রণেতা, ইতিহাসবিদ, ভূগোলবিদ, ভ্রমণকারী, ভূগণিতবিদ, ভূতত্ত্ববিদ, ফার্মাসিস্ট, দার্শনিক, ধর্মতত্ত্ববিদ, পণ্ডিত এবং শিক্ষক। তিনি এই সকল ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
== উক্তি ==
* একবার এক ঋষিকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, পণ্ডিতরা কেন ধনীদের দ্বারে ভিড় করেন, অথচ ধনীরা পণ্ডিতদের দ্বারে আসেন না। তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, "কারণ পণ্ডিতরা অর্থের ব্যবহার সম্পর্কে অবগত, কিন্তু ধনীরা [[বিজ্ঞান|জ্ঞানের]] মর্যাদা বোঝেন না।"
** এ.এল. ম্যাকে, ''ডিকশনারি অব সায়েন্টিফিক কোটেশনস'' (লন্ডন ১৯৯৪)।
* আপনি ভালো করেই জানেন... কী কারণে আমি প্রাচীন গ্রিকদের একটি বক্তব্য প্রমাণ করতে বিভিন্ন যুক্তির সন্ধান শুরু করেছিলাম... আর এই বিষয়ের প্রতি আমার কেমন গভীর অনুরাগ ছিল... যে কারণে জ্যামিতির এই অধ্যায়গুলো নিয়ে মেতে থাকায় আপনি আমাকে ভর্ৎসনা করেছিলেন। অথচ আপনি এগুলোর প্রকৃত নির্যাসটুকু জানতেন না, যা প্রতিটি বিষয়ের গভীরে তলিয়ে দেখার মধ্যেই নিহিত থাকে। ... একজন জ্যামিতিবিদ যে পথেই চলুন না কেন, চর্চার মাধ্যমে তিনি জাগতিক স্তর থেকে ঐশ্বরিক জ্ঞানের স্তরে উন্নীত হবেন। এসব জ্ঞানের নিগূঢ় অর্থ বোঝা কঠিন হওয়ায় খুব কম মানুষই তা উপলব্ধি করতে পারে... কারণ সবার পক্ষে তা কল্পনা করা সম্ভব নয়, বিশেষত তাদের জন্য যারা প্রমাণের শিল্প থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।
** ''বুক অন দ্য ফাইন্ডিং অব কর্ডস'' গ্রন্থ থেকে।
* আমি [[:w:আস-সিজযি|আবু সাঈদ সিজজি]]র উদ্ভাবিত 'জুর্কি' নামক একটি অ্যাস্ট্রোল্যাব (জ্যোতির্বিদ্যার যন্ত্র) দেখেছি। এটি আমার খুব পছন্দ হয়েছে এবং আমি তার প্রচুর প্রশংসা করেছি। কারণ, এই যন্ত্রটি এমন একটি ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি যে আমরা আকাশে যে গতি দেখি তা আসলে [[পৃথিবী|পৃথিবীর]] ঘূর্ণনের ফল, আকাশের নয়। সত্যি বলতে, এটি সমাধান করা বা ভুল প্রমাণ করা অত্যন্ত কঠিন একটি সমস্যা। [...] কারণ আপনি পৃথিবীকে গতিশীল ধরুন কিংবা আকাশকে, উভয় ক্ষেত্রেই [[জ্যোতির্বিজ্ঞান|জ্যোতির্বিজ্ঞানের]] হিসাবে কোনো পার্থক্য হয় না। এটি ভুল না কি সঠিক, তা খতিয়ে দেখা কেবল পদার্থবিদদেরই কাজ।
** হোসেইন নাসর, ''অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু ইসলামিক কসমোলজিক্যাল ডকট্রিনস'' (১৯৯৩), পৃষ্ঠা ১৩৫।
=== 'আল-বিরুনির ভারত' থেকে ===
:<small>[http://www.columbia.edu/cu/lweb/digital/collections/cul/texts/ldpd_5949073_001/index.html ''আলবেরুনি'স ইন্ডিয়া'', লন্ডন: কেগান পল, ট্রেঞ্চ, ট্রুবনার অ্যান্ড কোং, ১৯১০]</small>
* মুলতানের সূর্য মন্দির সম্পর্কে সুলাইমান, মাসউদি, ইস্তাখরি এবং ইবন হাওকালের মতো প্রাথমিক আরব ভূগোলবিদরা বর্ণনা করেছেন, যারা খ্রিস্টীয় নবম ও দশম শতাব্দীতে ভারত ভ্রমণ করেছিলেন। আরব আক্রমণকারীরা এটি ধ্বংস করেনি কারণ এটি রাজস্বের একটি বড় উৎস হওয়ার পাশাপাশি হিন্দুদের পাল্টা আক্রমণের বিরুদ্ধে সুরক্ষা প্রদান করত। মাসউদি লিখেছেন, "মুলতান মুসলমানদের অন্যতম শক্তিশালী সীমান্ত অঞ্চল... এতে মুলতান নামে পরিচিত একটি বিগ্রহও রয়েছে। সিন্ধু ও ভারতের বাসিন্দারা দূর-দূরান্ত থেকে এখানে তীর্থযাত্রা করতে আসে; তারা তাদের মানত পূরণ করতে সেখানে অর্থ, মূল্যবান পাথর, অগুরু কাঠ এবং সব ধরনের সুগন্ধি নিয়ে আসে। মুলতানের রাজার রাজস্বের সিংহভাগই আসে বিগ্রহের উদ্দেশ্যে আনা এই মূল্যবান উপহার থেকে... যখন অবিশ্বাসীরা মুলতানের বিরুদ্ধে অগ্রসর হয় এবং বিশ্বাসীরা তাদের প্রতিহত করার মতো যথেষ্ট শক্তি অনুভব করে না, তখন তারা তাদের বিগ্রহ ভেঙে ফেলার হুমকি দেয় এবং শত্রুরা অবিলম্বে পিছু হটে।"
** মুলতানে জালাম ইবনে শাইবান সম্পর্কে। এলিয়ট এবং ডাওসন, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ২৩।
* আল-বিরুনি লিপিবদ্ধ করেছেন: "তাদের একটি বিখ্যাত বিগ্রহ ছিল মুলতানের, যা সূর্যের প্রতি উৎসর্গীকৃত ছিল এবং তাই একে 'আদিত্য' বলা হতো। এটি কাঠের তৈরি ছিল এবং লাল কর্ডোভান চামড়া দিয়ে ঢাকা ছিল; এর দুটি চোখে দুটি লাল ইয়াকুত পাথর ছিল। বলা হয় এটি শেষ সত্যযুগে (কৃতযুগ) তৈরি করা হয়েছিল... যখন মুহাম্মদ ইবনে কাসিম ইবনে আল-মুনাব্বিহ মুলতান জয় করেন, তখন তিনি অনুসন্ধান করেন শহরটি কীভাবে এত সমৃদ্ধ হলো এবং সেখানে কীভাবে এত ধনসম্পদ জমা হলো। তারপর তিনি জানতে পারলেন যে এই বিগ্রহটিই তার কারণ, কারণ সব দিক থেকে তীর্থযাত্রীরা এটি দর্শন করতে আসত। তাই তিনি বিগ্রহটিকে যে স্থানে ছিল সেখানেই রাখা সমীচীন মনে করলেন, তবে তিনি উপহাসস্বরূপ এর গলায় এক টুকরো গরুর মাংস ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন। একই স্থানে একটি মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছিল। যখন কারমাতিরা মুলতান দখল করে, তখন জবরদখলকারী জালাম ইবনে শাইবান বিগ্রহটি টুকরো টুকরো করে ভেঙে ফেলে এবং এর পুরোহিতদের হত্যা করে... পরবর্তীতে যখন বরকতময় রাজপুত্র মাহমুদ সেই দেশগুলো থেকে তাদের শাসন মুছে দেন, তখন তিনি পুনরায় পুরোনো মসজিদটিকে জুমার নামাজের স্থানে পরিণত করেন।"
** মুলতানে জালাম ইবনে শাইবান সম্পর্কে। আল বিরুনি: ''তারিখুল-হিন্দ''; ই.সি. সাচাউ (অনুবাদ), ''আলবেরুনি'স ইন্ডিয়া'', নয়াদিল্লি পুনর্মুদ্রণ, ১৯৮৩, পৃষ্ঠা ১১৬।
* হিন্দুরা ঈশ্বরের বিষয়ে বিশ্বাস করে যে তিনি এক, শাশ্বত, আদি ও অন্তহীন, স্বাধীন ইচ্ছাশক্তিসম্পন্ন, সর্বশক্তিমান, সর্বজ্ঞ, জীবন্ত, জীবনদানকারী, শাসক এবং রক্ষাকারী; তিনি তার সার্বভৌমত্বে অনন্য, সবকিছুর সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্যের ঊর্ধ্বে, এবং তিনি কোনো কিছুর মতো নন এবং কোনো কিছুই তার মতো নয়।
** খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ২৭, জেমস ডব্লিউ লেইন, "দ্য ধর্ম অব ইসলাম অ্যান্ড দ্য দিন অব হিন্দুইজম: হিন্দুস অ্যান্ড মুসলিমস ইন দ্য এজ অব শিবাজী", ''ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব হিন্দু স্টাডিজ'', খণ্ড ৩, সংখ্যা ৩, ১৯৯৯।
* তিনি যে লিঙ্গটি স্থাপন করেছিলেন তা ছিল সোমনাথের পাথর, কারণ 'সোম' অর্থ চাঁদ এবং 'নাথ' অর্থ প্রভু, ফলে পুরো শব্দটির অর্থ দাঁড়ায় চন্দ্রের অধিপতি। রাজপুত্র মাহমুদ মূর্তিটি ধ্বংস করেছিলেন, আল্লাহ তার প্রতি সদয় হোন! - ৪১৬ হিজরি। তিনি উপরের অংশটি ভেঙে ফেলার এবং অবশিষ্টাংশ তার বাসস্থান গজনীতে নিয়ে যাওয়ার আদেশ দেন, সাথে এর সমস্ত স্বর্ণের আবরণ, সাজসজ্জা এবং কারুকার্যমণ্ডিত পোশাকও ছিল। এর একটি অংশ শহরের ঘোড়দৌড়ের ময়দানে (হিপোড্রোমে) নিক্ষেপ করা হয়েছে, সাথে থানেশ্বর (তানেসার) থেকে আনা ব্রোঞ্জের বিগ্রহ 'চক্রস্বামী'কেও সেখানে রাখা হয়েছে। সোমনাথের বিগ্রহের আরেকটি অংশ গজনীর মসজিদের দরজার সামনে পড়ে আছে, যেখানে মানুষ তাদের পা থেকে ময়লা ও কাদা পরিষ্কার করার জন্য পা ঘষে।
** ই.সি. সাচাউ (অনুবাদ), ''আলবেরুনি'স ইন্ডিয়া'', নয়াদিল্লি পুনর্মুদ্রণ, ১৯৮৩। পৃষ্ঠা ১০২-৩।
* থানেশ্বর (তানেসার) শহর হিন্দুদের কাছে অত্যন্ত পূজনীয়। সেই স্থানের বিগ্রহটির নাম 'চক্রস্বামী', অর্থাৎ চক্রের মালিক—একটি অস্ত্র যা আমরা আগে বর্ণনা করেছি। এটি ব্রোঞ্জের তৈরি এবং প্রায় মানুষের সমান উচ্চতার। এটি এখন গজনীর ঘোড়দৌড়ের ময়দানে পড়ে আছে, সোমনাথের প্রভুর (সোমনাথেশ্বর) সাথে, যা মহাদেবের পুরুষাঙ্গের একটি উপস্থাপনা, যাকে 'লিঙ্গ' বলা হয়।
** ই.সি. সাচাউ (অনুবাদ), ''আলবেরুনি'স ইন্ডিয়া'', নয়াদিল্লি পুনর্মুদ্রণ, ১৯৮৩, পৃষ্ঠা ১১৭।
* মাহমুদ এই দেশের সমৃদ্ধি পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছিলেন এবং সেখানে এমন সব অভাবনীয় কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন, যার ফলে হিন্দুরা চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়া ধূলিকণার মতো হয়ে পড়েছিল এবং মানুষের মুখে মুখে কেবল পুরোনো গল্প হিসেবে টিকে ছিল। তাদের সেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা উত্তরসূরিরা অবশ্যই সমস্ত মুসলিমদের প্রতি চরম ঘৃণা পোষণ করে... আমাদের বিজিত অঞ্চলগুলো থেকে হিন্দুদের বিজ্ঞানচর্চা অনেক দূরে সরে গেছে এবং এমন সব জায়গায় পালিয়ে গেছে যেখানে এখনও আমাদের হাত পৌঁছাতে পারেনি, যেমন- কাশ্মীর, বেনারস এবং অন্যান্য স্থানে। সেখানে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় উভয় কারণেই তাদের (হিন্দুদের) এবং সমস্ত বিদেশিদের মধ্যেকার বৈরিতা আরও বেশি রসদ পায়।
** ''আল-বিরুনি'স ইন্ডিয়া'', ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ২২। জৈন, মীনাক্ষী (২০১১) এর ''দ্য ইন্ডিয়া দে স: ফরেন অ্যাকাউন্টস''-এও (আংশিক) উদ্ধৃত।
* হিন্দুরা আলকেমি বা কিমিয়ার (রসায়নবিদ্যা) প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেয় না; তবে কোনো জাতিই এটি থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত নয়। কোনো জাতির এ বিষয়ে আসক্তি বেশি, আবার কোনোটির কম। একে বুদ্ধিমত্তা বা অজ্ঞতার প্রমাণ হিসেবে দেখা উচিত নয়; কারণ আমরা অনেক বুদ্ধিমান মানুষকে কিমিয়ার প্রতি আসক্ত হতে দেখি, আবার অনেক অজ্ঞ লোক এই বিদ্যা এবং এর বিশেষজ্ঞদের নিয়ে উপহাস করে।
** আল-বিরুনি; লাল, কে. এস. (১৯৯২) এর ''দ্য লেগাসি অব মুসলিম রুল ইন ইন্ডিয়া'' থেকে উদ্ধৃত। নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন। অধ্যায় ১।
* হিন্দুরা বিশ্বাস করে যে তাদের দেশ ছাড়া আর কোনো দেশ নেই, তাদের মতো কোনো জাতি নেই, তাদের মতো কোনো রাজা নেই, তাদের মতো কোনো ধর্ম নেই এবং তাদের মতো কোনো বিজ্ঞান নেই।
** আল-বিরুনি, ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ২২; কে. এস. লালের ''ইন্ডিয়ান মুসলিমস হু আর দে'' (১৯৯০) থেকে উদ্ধৃত।
* হিন্দুরা ধর্মে আমাদের থেকে ভিন্ন... তাদের নিজেদের মধ্যে ধর্মতাত্ত্বিক বিষয় নিয়ে বিবাদ খুব কমই হয়; বড়জোর তারা কথার লড়াই করে, কিন্তু ধর্মীয় বিতর্কের জন্য তারা কখনোই তাদের প্রাণ, শরীর বা সম্পত্তি বাজি ধরবে না। ...আচার-আচরণ এবং প্রথার দিক থেকে তারা আমাদের থেকে এতটাই আলাদা যে তারা তাদের শিশুদের আমাদের ভয় দেখায়... এবং আমাদের শয়তানের বংশধর বলে ঘোষণা করে। আমাদের কাজগুলো তাদের কাছে ভালো ও সঠিক কাজের ঠিক বিপরীত... তারা সব বিদেশিকে 'ম্লেচ্ছ' অর্থাৎ অপবিত্র বলে ডাকে এবং তাদের সাথে বিবাহ বা অন্য কোনো ধরনের সম্পর্ক রাখা, এমনকি একসাথে বসা, খাওয়া বা পান করাও নিষিদ্ধ করে। কারণ তারা মনে করে এতে তারা অপবিত্র হয়ে যাবে...
** আল-বিরুনি, ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ১৯-২০; কে. এস. লালের ''ইন্ডিয়ান মুসলিমস হু আর দে'' (১৯৯০) থেকে উদ্ধৃত।
* “এর (রসায়নের) মূলনীতিগুলো... স্বাস্থ্য ফিরিয়ে আনে... এবং বার্ধক্যকে তারুণ্যে ফিরিয়ে দেয়... সাদা চুল আবার কালো হয়, ইন্দ্রিয়গুলোর তীক্ষ্ণতা এবং যৌবনের চপলতা ফিরে আসে, এমনকি দাম্পত্য সক্ষমতাও বাড়ে; আর এই পৃথিবীতে মানুষের আয়ু দীর্ঘ সময়ের জন্য বৃদ্ধি পায়।”
** লাল, কে. এস. (১৯৯২) এর ''দ্য লেগাসি অব মুসলিম রুল ইন ইন্ডিয়া'' থেকে উদ্ধৃত। নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন। অধ্যায় ১।
* বিদেশিদের প্রতি হিন্দুদের এই অনীহা আরও বেড়ে যায় যখন মুসলিমরা তাদের দেশে আক্রমণ শুরু করে।
** এলিয়ট ও ডাউসন; মিশ্র, আর. জি. (২০০৫) এর ''ইন্ডিয়ান রেজিস্ট্যান্স টু আর্লি মুসলিম ইনভেডারস আপ টু ১২০৬ এডি'', পৃষ্ঠা ১১১।
* পাঠককে অবশ্যই সর্বদা মনে রাখতে হবে যে হিন্দুরা প্রতিটি ক্ষেত্রে আমাদের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। ...তারা উদ্ধত, মূর্খতাপূর্ণ অহংকারী, আত্মতৃপ্ত এবং স্থবির। তারা স্বভাবগতভাবেই তাদের জ্ঞান বিতরণে কুণ্ঠাবোধ করে এবং তাদের নিজেদের লোকদের মধ্যে অন্য বর্ণের মানুষের কাছ থেকে তা গোপন রাখার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে, তাই বিদেশিদের কাছ থেকে তো তা আরও বেশি আড়াল করবেই। ...তাদের দম্ভ এতটাই যে, আপনি যদি তাদের খুরাসান বা পারস্যের কোনো বিজ্ঞান বা পণ্ডিতের কথা বলেন, তবে তারা আপনাকে অজ্ঞ এবং মিথ্যাবাদী মনে করবে। তারা যদি ভ্রমণ করত এবং অন্য জাতিদের সাথে মিশত, তবে তারা দ্রুত তাদের মত পরিবর্তন করত; কারণ তাদের পূর্বপুরুষরা বর্তমান প্রজন্মের মতো এত সংকীর্ণমনা ছিলেন না...
** আল-বিরুনি, ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ১৭-২৫। ''আল-বিরুনি'স ইন্ডিয়া''। মীনাক্ষী জৈন (সম্পাদক) (২০১১)। ২য় খণ্ড, অধ্যায় ২।
== আল-বিরুনি সম্পর্কে ==
* বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে যেকোনো প্রাক-আধুনিক মুসলিমের অন্য কোনো সভ্যতার সাথে মোলাকাতের সবচেয়ে চিত্তাকর্ষক দলিল হলো ভারত ও তার উচ্চবিত্ত সংস্কৃতি নিয়ে একাদশ শতাব্দীর বহুবিদ্যাবিশারদ আল-বিরুনির বিবরণ।
** কুক, মাইকেল - ''এনসিয়েন্ট রিলিজিয়নস, মডার্ন পলিটিক্স: দ্য ইসলামিক কেস ইন কম্পারেটিভ পারসপেক্টিভ'' - প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি প্রেস (২০১৪)।
* এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ পণ্ডিত আল-বিরুনি সুলতান মাহমুদ গজনভির সাথে ভারতে এসেছিলেন এবং ভারতের ওপর একটি বৈজ্ঞানিক জরিপ লিখেছিলেন যা প্লিনির 'ন্যাচারাল হিস্ট্রি' এবং হামবোল্টের 'কসমস'-এর সাথে তুলনীয়।
** উইল ডুরান্ট এবং {{w|Ariel Durant|অ্যারিয়েল ডুরান্ট}}, ''{{w|The Story of Civilization|দ্য স্টোরি অব সিভিলাইজেশন}}'', ১ম বই, ''আওয়ার ওরিয়েন্টাল হেরিটেজ'' (১৯৩৫) ষষ্ঠ অধ্যায়: দ্য মুসলিম কনকুয়েস্ট।
* "জন্মসূত্রে পারসিক হলেও আল-বিরুনি তার লেখাগুলো আরবিতে লিখেছিলেন, যদিও তিনি ফারসি ছাড়াও আরও অন্তত চারটি ভাষা জানতেন।"
** রহমান হাবিব, ''এ ক্রোনোলজি অব ইসলামিক হিস্ট্রি, ৫৭০-১০০০ সিই'', ম্যানসেল পাবলিশিং, পৃষ্ঠা ১৬৭।
* জন্মসূত্রে পারসিক এবং স্বভাবে যুক্তিবাদী এই পণ্ডিত ইবনে সিনা এবং আল-হাইসামের সমসাময়িক ছিলেন। তিনি কেবল ইতিহাস, দর্শন এবং ভূগোল গভীরভাবে অধ্যয়নই করেননি, বরং মুসলিম জ্যোতির্বিজ্ঞানের অন্যতম বিস্তৃত গ্রন্থ 'কানুন আল-মাসুদি' রচনা করেছিলেন।
** [[:w:David C. Lindberg|ডেভিড সি. লিন্ডবার্গ]], ''সায়েন্স ইন দ্য মিডল এজেস'', ইউনিভার্সিটি অব শিকাগো প্রেস, পৃষ্ঠা ১৮।
* আল-বিরুনি ভাষাবিজ্ঞান থেকে খনিজ বিজ্ঞান পর্যন্ত অনেক বিষয়ের পণ্ডিত ছিলেন এবং সম্ভবত মধ্যযুগীয় উজবেকিস্তানের সবচেয়ে সর্বজনীন প্রতিভা ছিলেন।
** কোইচিরো মাৎসুরা (১৩ সেপ্টেম্বর ২০০০) ''[http://unesdoc.unesco.org/images/0012/001206/120699E.pdf জাতিসংঘ: শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (ইউনেস্কো)]''।
* সুলতান মাহমুদ গজনভির সমসাময়িক আবু রায়হান, যিনি আল-বিরুনি নামেই বেশি পরিচিত, তার রচিত ভারত সম্পর্কিত বিবরণটি সে সময়ের শ্রেষ্ঠ বিদেশি বিবরণ। ...তিনি সত্য অনুসন্ধানের এক প্রশংসনীয় স্পৃহা নিয়ে ভারতীয় সমাজ ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনের জন্য ধৈর্যের সাথে শ্রম দিয়েছিলেন এবং তার সময়ের তুলনায় এক অসাধারণ প্রগাঢ় জ্ঞান ও উদার মনের পরিচয় দিয়েছিলেন।
** ''দ্য হিস্ট্রি অ্যান্ড কালচার অব দ্য ইন্ডিয়ান পিপল: দ্য বৈদিক এজ'', সম্পাদক আর.সি. মজুমদার।
* আল-বিরুনির বই তলোয়ারের ঝনঝনানি, জ্বলন্ত শহর এবং লুণ্ঠিত মন্দিরের মধ্যখানে এক শান্ত, নিরপেক্ষ গবেষণার জাদুকরী দ্বীপের মতো... আল-বিরুনি ছিলেন প্রথম বৈজ্ঞানিক ভারততত্ত্ববিদ এবং সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ...
** মোহাম্মদ ইয়াসিন, ''রিডিং ইন ইন্ডিয়ান হিস্ট্রি'', আটলান্টিক পাবলিশার্স অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন, ১৯৮৮।
== বহিঃসংযোগ ==
*[https://www.infinityfoundation.com/mandala/h_es/h_es_kumar-v_alber_frameset.htm আল-বিরুনির চোখে ভারত]
*[https://www.infinityfoundation.com/mandala/h_es/h_es_kumar-v_math.htm প্রাক-ইসলামি ভারতের বিজ্ঞান, গণিত এবং স্থাপত্য সম্পর্কে আল-বিরুনি]
{{Wikipedia|আল-বেরুনি}}
[[বিষয়শ্রেণী:৯৭৩-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১০৪৮-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:পারস্যের দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:পারস্যের পদার্থবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:পারস্যের নৃবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:পারস্যের মনোবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:পারস্যের জ্যোতির্বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:জ্যোতিষী]]
[[বিষয়শ্রেণী:পারস্যের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:পারস্যের ইতিহাসবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:পারস্যের ভূগোলবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:পারস্যের ধর্মতাত্ত্বিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:পারস্যের গণিতবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:বহুবিদ্যাবিশারদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইরানের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইরানের মুসলিম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইরানের দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইরানের বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইরানের গণিতবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফার্মাসিস্ট]]
8gb4f1du1szuw22x2uh6g0jml8wkqt6
74006
74002
2026-04-06T05:58:25Z
Amirhusenjihed
3671
বানান সংশোধন
74006
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:Biruni-russian.jpg|থাম্ব|১৯৭৩ সালের একটি সোভিয়েত ডাকটিকিটে আল-বিরুনি।]]
[[চিত্র:Lunar phases al-Biruni.jpg|থাম্ব|আল-বিরুনির জ্যোতির্বিজ্ঞান সংক্রান্ত কাজের একটি চিত্র, যেখানে চাঁদের বিভিন্ন পর্যায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে।]]
[[চিত্র:Persian_Scholar_pavilion_in_Viena_UN_(Biruni).jpg|থাম্ব]]
[[চিত্র:Al_biruni_28-02-2010.jpg|থাম্ব]]
'''[[:w:আল-বেরুনি|আবু রায়হান মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-বিরুনি]]''' (১৫ সেপ্টেম্বর, ৯৭৩ – ১৩ ডিসেম্বর, ১০৪৮) ছিলেন একজন [[ইরান|পারস্য বা ইরানীয়]] বহুবিদ্যাবিশারদ, বিজ্ঞানী, পদার্থবিদ, নৃবিজ্ঞানী, মনোবিজ্ঞানী, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, রসায়নবিদ, আলকেমি ও জ্যোতিষশাস্ত্রের সমালোচক, বিশ্বকোষ প্রণেতা, ইতিহাসবিদ, ভূগোলবিদ, ভ্রমণকারী, ভূগণিতবিদ, ভূতত্ত্ববিদ, ফার্মাসিস্ট, দার্শনিক, ধর্মতত্ত্ববিদ, পণ্ডিত এবং শিক্ষক। তিনি এই সকল ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
== উক্তি ==
* একবার এক ঋষিকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, পণ্ডিতরা কেন ধনীদের দ্বারে ভিড় করেন, অথচ ধনীরা পণ্ডিতদের দ্বারে আসেন না। তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, "কারণ পণ্ডিতরা অর্থের ব্যবহার সম্পর্কে অবগত, কিন্তু ধনীরা [[বিজ্ঞান|জ্ঞানের]] মর্যাদা বোঝেন না।"
** এ.এল. ম্যাকে, ''ডিকশনারি অব সায়েন্টিফিক কোটেশনস'' (লন্ডন ১৯৯৪)।
* আপনি ভালো করেই জানেন... কী কারণে আমি প্রাচীন গ্রিকদের একটি বক্তব্য প্রমাণ করতে বিভিন্ন যুক্তির সন্ধান শুরু করেছিলাম... আর এই বিষয়ের প্রতি আমার কেমন গভীর অনুরাগ ছিল... যে কারণে জ্যামিতির এই অধ্যায়গুলো নিয়ে মেতে থাকায় আপনি আমাকে ভর্ৎসনা করেছিলেন। অথচ আপনি এগুলোর প্রকৃত নির্যাসটুকু জানতেন না, যা প্রতিটি বিষয়ের গভীরে তলিয়ে দেখার মধ্যেই নিহিত থাকে। ... একজন জ্যামিতিবিদ যে পথেই চলুন না কেন, চর্চার মাধ্যমে তিনি জাগতিক স্তর থেকে ঐশ্বরিক জ্ঞানের স্তরে উন্নীত হবেন। এসব জ্ঞানের নিগূঢ় অর্থ বোঝা কঠিন হওয়ায় খুব কম মানুষই তা উপলব্ধি করতে পারে... কারণ সবার পক্ষে তা কল্পনা করা সম্ভব নয়, বিশেষত তাদের জন্য যারা প্রমাণের শিল্প থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।
** ''বুক অন দ্য ফাইন্ডিং অব কর্ডস'' গ্রন্থ থেকে।
* আমি [[:w:আস-সিজযি|আবু সাঈদ সিজজি]]র উদ্ভাবিত 'জুর্কি' নামক একটি অ্যাস্ট্রোল্যাব (জ্যোতির্বিদ্যার যন্ত্র) দেখেছি। এটি আমার খুব পছন্দ হয়েছে এবং আমি তার প্রচুর প্রশংসা করেছি। কারণ, এই যন্ত্রটি এমন একটি ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি যে আমরা আকাশে যে গতি দেখি তা আসলে [[পৃথিবী|পৃথিবীর]] ঘূর্ণনের ফল, আকাশের নয়। সত্যি বলতে, এটি সমাধান করা বা ভুল প্রমাণ করা অত্যন্ত কঠিন একটি সমস্যা। [...] কারণ আপনি পৃথিবীকে গতিশীল ধরুন কিংবা আকাশকে, উভয় ক্ষেত্রেই [[জ্যোতির্বিজ্ঞান|জ্যোতির্বিজ্ঞানের]] হিসাবে কোনো পার্থক্য হয় না। এটি ভুল না কি সঠিক, তা খতিয়ে দেখা কেবল পদার্থবিদদেরই কাজ।
** হোসেইন নাসর, ''অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু ইসলামিক কসমোলজিক্যাল ডকট্রিনস'' (১৯৯৩), পৃষ্ঠা ১৩৫।
=== 'আল-বিরুনির ভারত' থেকে ===
:<small>[http://www.columbia.edu/cu/lweb/digital/collections/cul/texts/ldpd_5949073_001/index.html ''আলবেরুনি'স ইন্ডিয়া'', লন্ডন: কেগান পল, ট্রেঞ্চ, ট্রুবনার অ্যান্ড কোং, ১৯১০]</small>
* মুলতানের সূর্য মন্দির সম্পর্কে সুলাইমান, মাসউদি, ইস্তাখরি এবং ইবন হাওকালের মতো প্রাথমিক আরব ভূগোলবিদরা বর্ণনা করেছেন, যারা খ্রিস্টীয় নবম ও দশম শতাব্দীতে ভারত ভ্রমণ করেছিলেন। আরব আক্রমণকারীরা এটি ধ্বংস করেনি কারণ এটি রাজস্বের একটি বড় উৎস হওয়ার পাশাপাশি হিন্দুদের পাল্টা আক্রমণের বিরুদ্ধে সুরক্ষা প্রদান করত। মাসউদি লিখেছেন, "মুলতান মুসলমানদের অন্যতম শক্তিশালী সীমান্ত অঞ্চল... এতে মুলতান নামে পরিচিত একটি বিগ্রহও রয়েছে। সিন্ধু ও ভারতের বাসিন্দারা দূর-দূরান্ত থেকে এখানে তীর্থযাত্রা করতে আসে; তারা তাদের মানত পূরণ করতে সেখানে অর্থ, মূল্যবান পাথর, অগুরু কাঠ এবং সব ধরনের সুগন্ধি নিয়ে আসে। মুলতানের রাজার রাজস্বের সিংহভাগই আসে বিগ্রহের উদ্দেশ্যে আনা এই মূল্যবান উপহার থেকে... যখন অবিশ্বাসীরা মুলতানের বিরুদ্ধে অগ্রসর হয় এবং বিশ্বাসীরা তাদের প্রতিহত করার মতো যথেষ্ট শক্তি অনুভব করে না, তখন তারা তাদের বিগ্রহ ভেঙে ফেলার হুমকি দেয় এবং শত্রুরা অবিলম্বে পিছু হটে।"
** মুলতানে জালাম ইবনে শাইবান সম্পর্কে। এলিয়ট এবং ডাওসন, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ২৩।
* আল-বিরুনি লিপিবদ্ধ করেছেন: "তাদের একটি বিখ্যাত বিগ্রহ ছিল মুলতানের, যা সূর্যের প্রতি উৎসর্গীকৃত ছিল এবং তাই একে 'আদিত্য' বলা হতো। এটি কাঠের তৈরি ছিল এবং লাল কর্ডোভান চামড়া দিয়ে ঢাকা ছিল; এর দুটি চোখে দুটি লাল ইয়াকুত পাথর ছিল। বলা হয় এটি শেষ সত্যযুগে (কৃতযুগ) তৈরি করা হয়েছিল... যখন মুহাম্মদ ইবনে কাসিম ইবনে আল-মুনাব্বিহ মুলতান জয় করেন, তখন তিনি অনুসন্ধান করেন শহরটি কীভাবে এত সমৃদ্ধ হলো এবং সেখানে কীভাবে এত ধনসম্পদ জমা হলো। তারপর তিনি জানতে পারলেন যে এই বিগ্রহটিই তার কারণ, কারণ সব দিক থেকে তীর্থযাত্রীরা এটি দর্শন করতে আসত। তাই তিনি বিগ্রহটিকে যে স্থানে ছিল সেখানেই রাখা সমীচীন মনে করলেন, তবে তিনি উপহাসস্বরূপ এর গলায় এক টুকরো গরুর মাংস ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন। একই স্থানে একটি মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছিল। যখন কারমাতিরা মুলতান দখল করে, তখন জবরদখলকারী জালাম ইবনে শাইবান বিগ্রহটি টুকরো টুকরো করে ভেঙে ফেলে এবং এর পুরোহিতদের হত্যা করে... পরবর্তীতে যখন বরকতময় রাজপুত্র মাহমুদ সেই দেশগুলো থেকে তাদের শাসন মুছে দেন, তখন তিনি পুনরায় পুরোনো মসজিদটিকে জুমার নামাজের স্থানে পরিণত করেন।"
** মুলতানে জালাম ইবনে শাইবান সম্পর্কে। আল বিরুনি: ''তারিখুল-হিন্দ''; ই.সি. সাচাউ (অনুবাদ), ''আলবেরুনি'স ইন্ডিয়া'', নয়াদিল্লি পুনর্মুদ্রণ, ১৯৮৩, পৃষ্ঠা ১১৬।
* হিন্দুরা ঈশ্বরের বিষয়ে বিশ্বাস করে যে তিনি এক, শাশ্বত, আদি ও অন্তহীন, স্বাধীন ইচ্ছাশক্তিসম্পন্ন, সর্বশক্তিমান, সর্বজ্ঞ, জীবন্ত, জীবনদানকারী, শাসক এবং রক্ষাকারী; তিনি তার সার্বভৌমত্বে অনন্য, সবকিছুর সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্যের ঊর্ধ্বে, এবং তিনি কোনো কিছুর মতো নন এবং কোনো কিছুই তার মতো নয়।
** খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ২৭, জেমস ডব্লিউ লেইন, "দ্য ধর্ম অব ইসলাম অ্যান্ড দ্য দিন অব হিন্দুইজম: হিন্দুস অ্যান্ড মুসলিমস ইন দ্য এজ অব শিবাজী", ''ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব হিন্দু স্টাডিজ'', খণ্ড ৩, সংখ্যা ৩, ১৯৯৯।
* তিনি যে লিঙ্গটি স্থাপন করেছিলেন তা ছিল সোমনাথের পাথর, কারণ 'সোম' অর্থ চাঁদ এবং 'নাথ' অর্থ প্রভু, ফলে পুরো শব্দটির অর্থ দাঁড়ায় চন্দ্রের অধিপতি। রাজপুত্র মাহমুদ মূর্তিটি ধ্বংস করেছিলেন, আল্লাহ তার প্রতি সদয় হোন! - ৪১৬ হিজরি। তিনি উপরের অংশটি ভেঙে ফেলার এবং অবশিষ্টাংশ তার বাসস্থান গজনীতে নিয়ে যাওয়ার আদেশ দেন, সাথে এর সমস্ত স্বর্ণের আবরণ, সাজসজ্জা এবং কারুকার্যমণ্ডিত পোশাকও ছিল। এর একটি অংশ শহরের ঘোড়দৌড়ের ময়দানে (হিপোড্রোমে) নিক্ষেপ করা হয়েছে, সাথে থানেশ্বর (তানেসার) থেকে আনা ব্রোঞ্জের বিগ্রহ 'চক্রস্বামী'কেও সেখানে রাখা হয়েছে। সোমনাথের বিগ্রহের আরেকটি অংশ গজনীর মসজিদের দরজার সামনে পড়ে আছে, যেখানে মানুষ তাদের পা থেকে ময়লা ও কাদা পরিষ্কার করার জন্য পা ঘষে।
** ই.সি. সাচাউ (অনুবাদ), ''আলবেরুনি'স ইন্ডিয়া'', নয়াদিল্লি পুনর্মুদ্রণ, ১৯৮৩। পৃষ্ঠা ১০২-৩।
* থানেশ্বর (তানেসার) শহর হিন্দুদের কাছে অত্যন্ত পূজনীয়। সেই স্থানের বিগ্রহটির নাম 'চক্রস্বামী', অর্থাৎ চক্রের মালিক—একটি অস্ত্র যা আমরা আগে বর্ণনা করেছি। এটি ব্রোঞ্জের তৈরি এবং প্রায় মানুষের সমান উচ্চতার। এটি এখন গজনীর ঘোড়দৌড়ের ময়দানে পড়ে আছে, সোমনাথের প্রভুর (সোমনাথেশ্বর) সাথে, যা মহাদেবের পুরুষাঙ্গের একটি উপস্থাপনা, যাকে 'লিঙ্গ' বলা হয়।
** ই.সি. সাচাউ (অনুবাদ), ''আলবেরুনি'স ইন্ডিয়া'', নয়াদিল্লি পুনর্মুদ্রণ, ১৯৮৩, পৃষ্ঠা ১১৭।
* মাহমুদ এই দেশের সমৃদ্ধি পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছিলেন এবং সেখানে এমন সব অভাবনীয় কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন, যার ফলে হিন্দুরা চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়া ধূলিকণার মতো হয়ে পড়েছিল এবং মানুষের মুখে মুখে কেবল পুরোনো গল্প হিসেবে টিকে ছিল। তাদের সেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা উত্তরসূরিরা অবশ্যই সমস্ত মুসলিমদের প্রতি চরম ঘৃণা পোষণ করে... আমাদের বিজিত অঞ্চলগুলো থেকে হিন্দুদের বিজ্ঞানচর্চা অনেক দূরে সরে গেছে এবং এমন সব জায়গায় পালিয়ে গেছে যেখানে এখনও আমাদের হাত পৌঁছাতে পারেনি, যেমন- কাশ্মীর, বেনারস এবং অন্যান্য স্থানে। সেখানে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় উভয় কারণেই তাদের (হিন্দুদের) এবং সমস্ত বিদেশিদের মধ্যেকার বৈরিতা আরও বেশি রসদ পায়।
** ''আল-বিরুনি'স ইন্ডিয়া'', ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ২২। জৈন, মীনাক্ষী (২০১১) এর ''দ্য ইন্ডিয়া দে স: ফরেন অ্যাকাউন্টস''-এও (আংশিক) উদ্ধৃত।
* হিন্দুরা আলকেমি বা কিমিয়ার (রসায়নবিদ্যা) প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেয় না; তবে কোনো জাতিই এটি থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত নয়। কোনো জাতির এ বিষয়ে আসক্তি বেশি, আবার কোনোটির কম। একে বুদ্ধিমত্তা বা অজ্ঞতার প্রমাণ হিসেবে দেখা উচিত নয়; কারণ আমরা অনেক বুদ্ধিমান মানুষকে কিমিয়ার প্রতি আসক্ত হতে দেখি, আবার অনেক অজ্ঞ লোক এই বিদ্যা এবং এর বিশেষজ্ঞদের নিয়ে উপহাস করে।
** আল-বিরুনি; লাল, কে. এস. (১৯৯২) এর ''দ্য লেগাসি অব মুসলিম রুল ইন ইন্ডিয়া'' থেকে উদ্ধৃত। নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন। অধ্যায় ১।
* হিন্দুরা বিশ্বাস করে যে তাদের দেশ ছাড়া আর কোনো দেশ নেই, তাদের মতো কোনো জাতি নেই, তাদের মতো কোনো রাজা নেই, তাদের মতো কোনো ধর্ম নেই এবং তাদের মতো কোনো বিজ্ঞান নেই।
** আল-বিরুনি, ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ২২; কে. এস. লালের ''ইন্ডিয়ান মুসলিমস হু আর দে'' (১৯৯০) থেকে উদ্ধৃত।
* হিন্দুরা ধর্মে আমাদের থেকে ভিন্ন... তাদের নিজেদের মধ্যে ধর্মতাত্ত্বিক বিষয় নিয়ে বিবাদ খুব কমই হয়; বড়জোর তারা কথার লড়াই করে, কিন্তু ধর্মীয় বিতর্কের জন্য তারা কখনোই তাদের প্রাণ, শরীর বা সম্পত্তি বাজি ধরবে না। ...আচার-আচরণ এবং প্রথার দিক থেকে তারা আমাদের থেকে এতটাই আলাদা যে তারা তাদের শিশুদের আমাদের ভয় দেখায়... এবং আমাদের শয়তানের বংশধর বলে ঘোষণা করে। আমাদের কাজগুলো তাদের কাছে ভালো ও সঠিক কাজের ঠিক বিপরীত... তারা সব বিদেশিকে 'ম্লেচ্ছ' অর্থাৎ অপবিত্র বলে ডাকে এবং তাদের সাথে বিবাহ বা অন্য কোনো ধরনের সম্পর্ক রাখা, এমনকি একসাথে বসা, খাওয়া বা পান করাও নিষিদ্ধ করে। কারণ তারা মনে করে এতে তারা অপবিত্র হয়ে যাবে...
** আল-বিরুনি, ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ১৯-২০; কে. এস. লালের ''ইন্ডিয়ান মুসলিমস হু আর দে'' (১৯৯০) থেকে উদ্ধৃত।
* “এর (রসায়নের) মূলনীতিগুলো... স্বাস্থ্য ফিরিয়ে আনে... এবং বার্ধক্যকে তারুণ্যে ফিরিয়ে দেয়... সাদা চুল আবার কালো হয়, ইন্দ্রিয়গুলোর তীক্ষ্ণতা এবং যৌবনের চপলতা ফিরে আসে, এমনকি দাম্পত্য সক্ষমতাও বাড়ে; আর এই পৃথিবীতে মানুষের আয়ু দীর্ঘ সময়ের জন্য বৃদ্ধি পায়।”
** লাল, কে. এস. (১৯৯২) এর ''দ্য লেগাসি অব মুসলিম রুল ইন ইন্ডিয়া'' থেকে উদ্ধৃত। নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন। অধ্যায় ১।
* বিদেশিদের প্রতি হিন্দুদের এই অনীহা আরও বেড়ে যায় যখন মুসলিমরা তাদের দেশে আক্রমণ শুরু করে।
** এলিয়ট ও ডাউসন; মিশ্র, আর. জি. (২০০৫) এর ''ইন্ডিয়ান রেজিস্ট্যান্স টু আর্লি মুসলিম ইনভেডারস আপ টু ১২০৬ এডি'', পৃষ্ঠা ১১১।
* পাঠককে অবশ্যই সর্বদা মনে রাখতে হবে যে হিন্দুরা প্রতিটি ক্ষেত্রে আমাদের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। ...তারা উদ্ধত, মূর্খতাপূর্ণ অহংকারী, আত্মতৃপ্ত এবং স্থবির। তারা স্বভাবগতভাবেই তাদের জ্ঞান বিতরণে কুণ্ঠাবোধ করে এবং তাদের নিজেদের লোকদের মধ্যে অন্য বর্ণের মানুষের কাছ থেকে তা গোপন রাখার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে, তাই বিদেশিদের কাছ থেকে তো তা আরও বেশি আড়াল করবেই। ...তাদের দম্ভ এতটাই যে, আপনি যদি তাদের খুরাসান বা পারস্যের কোনো বিজ্ঞান বা পণ্ডিতের কথা বলেন, তবে তারা আপনাকে অজ্ঞ এবং মিথ্যাবাদী মনে করবে। তারা যদি ভ্রমণ করত এবং অন্য জাতিদের সাথে মিশত, তবে তারা দ্রুত তাদের মত পরিবর্তন করত; কারণ তাদের পূর্বপুরুষরা বর্তমান প্রজন্মের মতো এত সংকীর্ণমনা ছিলেন না...
** আল-বিরুনি, ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ১৭-২৫। ''আল-বিরুনি'স ইন্ডিয়া''। মীনাক্ষী জৈন (সম্পাদক) (২০১১)। ২য় খণ্ড, অধ্যায় ২।
== আল-বিরুনি সম্পর্কে ==
* বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে যেকোনো প্রাক-আধুনিক মুসলিমের অন্য কোনো সভ্যতার সাথে মোলাকাতের সবচেয়ে চিত্তাকর্ষক দলিল হলো ভারত ও তার উচ্চবিত্ত সংস্কৃতি নিয়ে একাদশ শতাব্দীর বহুবিদ্যাবিশারদ আল-বিরুনির বিবরণ।
** কুক, মাইকেল - ''এনসিয়েন্ট রিলিজিয়নস, মডার্ন পলিটিক্স: দ্য ইসলামিক কেস ইন কম্পারেটিভ পারসপেক্টিভ'' - প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি প্রেস (২০১৪)।
* এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ পণ্ডিত আল-বিরুনি সুলতান মাহমুদ গজনভির সাথে ভারতে এসেছিলেন এবং ভারতের ওপর একটি বৈজ্ঞানিক জরিপ লিখেছিলেন যা প্লিনির 'ন্যাচারাল হিস্ট্রি' এবং হামবোল্টের 'কসমসের' সাথে তুলনীয়।
** উইল ডুরান্ট এবং {{w|Ariel Durant|অ্যারিয়েল ডুরান্ট}}, ''{{w|The Story of Civilization|দ্য স্টোরি অব সিভিলাইজেশন}}'', ১ম বই, ''আওয়ার ওরিয়েন্টাল হেরিটেজ'' (১৯৩৫) ষষ্ঠ অধ্যায়: দ্য মুসলিম কনকুয়েস্ট।
* "জন্মসূত্রে পারসিক হলেও আল-বিরুনি তার লেখাগুলো আরবিতে লিখেছিলেন, যদিও তিনি ফারসি ছাড়াও আরও অন্তত চারটি ভাষা জানতেন।"
** রহমান হাবিব, ''এ ক্রোনোলজি অব ইসলামিক হিস্ট্রি, ৫৭০-১০০০ সিই'', ম্যানসেল পাবলিশিং, পৃষ্ঠা ১৬৭।
* জন্মসূত্রে পারসিক এবং স্বভাবে যুক্তিবাদী এই পণ্ডিত ইবনে সিনা এবং আল-হাইসামের সমসাময়িক ছিলেন। তিনি কেবল ইতিহাস, দর্শন এবং ভূগোল গভীরভাবে অধ্যয়নই করেননি, বরং মুসলিম জ্যোতির্বিজ্ঞানের অন্যতম বিস্তৃত গ্রন্থ 'কানুন আল-মাসুদি' রচনা করেছিলেন।
** [[:w:David C. Lindberg|ডেভিড সি. লিন্ডবার্গ]], ''সায়েন্স ইন দ্য মিডল এজেস'', ইউনিভার্সিটি অব শিকাগো প্রেস, পৃষ্ঠা ১৮।
* আল-বিরুনি ভাষাবিজ্ঞান থেকে খনিজ বিজ্ঞান পর্যন্ত অনেক বিষয়ের পণ্ডিত ছিলেন এবং সম্ভবত মধ্যযুগীয় উজবেকিস্তানের সবচেয়ে সর্বজনীন প্রতিভা ছিলেন।
** কোইচিরো মাৎসুরা (১৩ সেপ্টেম্বর ২০০০) ''[http://unesdoc.unesco.org/images/0012/001206/120699E.pdf জাতিসংঘ: শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (ইউনেস্কো)]''।
* সুলতান মাহমুদ গজনভির সমসাময়িক আবু রায়হান, যিনি আল-বিরুনি নামেই বেশি পরিচিত, তার রচিত ভারত সম্পর্কিত বিবরণটি সে সময়ের শ্রেষ্ঠ বিদেশি বিবরণ। ...তিনি সত্য অনুসন্ধানের এক প্রশংসনীয় স্পৃহা নিয়ে ভারতীয় সমাজ ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনের জন্য ধৈর্যের সাথে শ্রম দিয়েছিলেন এবং তার সময়ের তুলনায় এক অসাধারণ প্রগাঢ় জ্ঞান ও উদার মনের পরিচয় দিয়েছিলেন।
** ''দ্য হিস্ট্রি অ্যান্ড কালচার অব দ্য ইন্ডিয়ান পিপল: দ্য বৈদিক এজ'', সম্পাদক আর.সি. মজুমদার।
* আল-বিরুনির বই তলোয়ারের ঝনঝনানি, জ্বলন্ত শহর এবং লুণ্ঠিত মন্দিরের মধ্যখানে এক শান্ত, নিরপেক্ষ গবেষণার জাদুকরী দ্বীপের মতো... আল-বিরুনি ছিলেন প্রথম বৈজ্ঞানিক ভারততত্ত্ববিদ এবং সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ...
** মোহাম্মদ ইয়াসিন, ''রিডিং ইন ইন্ডিয়ান হিস্ট্রি'', আটলান্টিক পাবলিশার্স অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন, ১৯৮৮।
== বহিঃসংযোগ ==
*[https://www.infinityfoundation.com/mandala/h_es/h_es_kumar-v_alber_frameset.htm আল-বিরুনির চোখে ভারত]
*[https://www.infinityfoundation.com/mandala/h_es/h_es_kumar-v_math.htm প্রাক-ইসলামি ভারতের বিজ্ঞান, গণিত এবং স্থাপত্য সম্পর্কে আল-বিরুনি]
{{Wikipedia|আল-বেরুনি}}
[[বিষয়শ্রেণী:৯৭৩-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১০৪৮-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:পারস্যের দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:পারস্যের পদার্থবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:পারস্যের নৃবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:পারস্যের মনোবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:পারস্যের জ্যোতির্বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:জ্যোতিষী]]
[[বিষয়শ্রেণী:পারস্যের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:পারস্যের ইতিহাসবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:পারস্যের ভূগোলবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:পারস্যের ধর্মতাত্ত্বিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:পারস্যের গণিতবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:বহুবিদ্যাবিশারদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইরানের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইরানের মুসলিম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইরানের দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইরানের বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইরানের গণিতবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফার্মাসিস্ট]]
iqs41bttqnmlhsgi832qv3cdnp6ou64
ব্যবহারকারী আলাপ:Anaf Ibn Shahibul
3
11922
73945
73584
2026-04-05T23:09:55Z
ARI
356
/* যান্ত্রিক অনুবাদ */ নতুন অনুচ্ছেদ
73945
wikitext
text/x-wiki
== অম্লান দত্ত ==
পাতাটির বিন্যাস ঠিক নেই। উইকিউক্তির নিবন্ধের বিন্যাস উইকিপিডিয়ার থেকে আলাদা। এখানে আমরা প্রতিটি উক্তির নিচে দুটি বুলেট পয়েন্ট দিয়ে সেটির সূত্র সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করি। বিন্যাস ঠিক করে আমাকে জানালে আমি দেখে গ্রহণ বা বর্জন করবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৯:০৪, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] দুঃখিত আমি এই সম্পর্কে জানতাম না। আমি এটা সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পর্যালোচনা করুন। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:১০, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] পাতাটি আবার পড়েছি। তবে উক্তির সূত্রগুলোর পৃষ্ঠা সংখ্যা দেওয়া নেই কিংবা লিংক দেওয়া নেই। যেহেতু যাচাই করা সম্ভব হচ্ছেনা, তাই নিবন্ধটি গ্রহণ করার জন্য সূত্রগুলো সুস্পষ্ট করতে সেগুলোর সাথে পৃষ্ঠা বা লিংক দেওয়া প্রয়োজন। একটা প্রশ্ন, আপনি সূত্রগুলো কিভাবে পেয়েছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৩৫, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== দিমিত্রি মুরাতভ ==
[[দিমিত্রি মুরাতভ]] নিবন্ধটি সংক্ষিপ্ত নিবন্ধ, জমদানের পূর্বে নিবন্ধটি ভালোভাবে দেখুন। ওপর থেকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে বিভিন্ন চিহ্ন পাল্টে গেছে। "→' হয়ে গেছে ইত্যাদি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৫:২২, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ইংরেজি উইকিউক্তিতেও এটি সংক্ষিপ্ত ছিল এবং আমি "→"-এমন কোনো চিহ্নই দেখছি না। আপনি পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। নিবন্ধটি পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৬:২৩, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::"→"- বলতে বুঝিয়েছ, যেমন '''“enemies of the people.”''' হয়ে গেছে ''''জনগণের শত্রু।''''।
::অর্থাৎ double quote হয়ে গেছে single quote। এগুলো সাধারনত '''যান্ত্রিক অনুবাদের''' ক্ষেত্রে হয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০০:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সংশোধন করা হয়েছে — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৩:৫৫, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] সংশোধনের পরও অনেক ভুল রয়ে গিয়েছিল। যেমন- সূত্রর ফরম্যাট, অনেক উক্তি অসলের চেয়ে সংক্ষিপ্ত।
::::যাই হোক, আমি সংশোধন করে গ্রহণ করে নিয়েছি। আপনি খেয়াল করুন আমি কিভাবে সুত্রগুলো সংশোধন করেছি, পরবর্তীতে ওই ফরম্যাট অনুসরণ করবেন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০৬:৩৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি উইকিউক্তি সম্পর্কে বেশি কিছু জানতাম না। তাই ভুল হয়েছে। দুঃখিত। এরপরের নিবন্ধগুলো আরো মানসম্মত রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৩০, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== অখিলচন্দ্র দত্ত ==
সুধী, [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] নিবন্ধের অধিকাংশ উক্তির সূত্র নেই, যেগুলোর আছে সেগুলোর সূত্র সুস্পষ্ট নয়। আপনি উক্তিগুলো কিভাবে পেয়েছেন আর কোথায় পেয়েছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫১, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] সংশোধন করা হয়েছে! — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== যান্ত্রিক অনুবাদ ==
@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] আপনার অনুবাদকৃত নিবন্ধগুলোতে বিভিন্ন জায়গায় যান্ত্রিক অনুবাদের সাধরনতম বৈশিষ্টগুলো বিদ্যমান। নতুন নিবন্ধ আপাতত তৈরি না করে অনুগ্রহ করে সেগুলো প্রথমে সংশোধন করুন।<br>অন্যথায় [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা#১. এআই ও মেশিন ট্রান্সলেশন নীতি|পর্যালোচনা নীতিমালা]] অনুসারে আপনাকে প্রতিযোগিতা থেকে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ২৩:০৯, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
r2ee74smbupgl3rds6kt08v73mcgg0p
ব্যবহারকারী আলাপ:Amirhusenjihed
3
11926
74007
73498
2026-04-06T05:59:22Z
Amirhusenjihed
3671
/* আল-বিরুনি */ উত্তর
74007
wikitext
text/x-wiki
== আল-বিরুনি ==
এই নিবন্ধে কিছু ইংরেজি শব্দ রয়ে গেছে। আর কিছু বাক্য পড়ে মনে হয় অনেক শব্দ বোঝার উপযোগী না করে ভাবানুবাদ করা হয়েছে। এগুলো ঠিক করে আমাকে জানালে আমি আবার পর্যালোচনা করবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৯:১৮, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:ওকে । [[ব্যবহারকারী:Amirhusenjihed|Amirhusenjihed]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Amirhusenjihed#top|আলাপ]]) ০৯:২৪, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ধন্যবাদ । সংশোধন করা হয়েছে । আর কোনো সমস্যা থাকলে বলতে পারেন । [[ব্যবহারকারী:Amirhusenjihed|Amirhusenjihed]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Amirhusenjihed#top|আলাপ]]) ০৫:৫৯, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== আল-জাহিজ ==
আল-জাহিজ নিবন্ধের "আল-জাহিজ সম্পর্কে উক্তি" অংশে রাখা উক্তির শেষাংশে সংশোধন প্রয়োজন। এটা ছাড়া আর কোনো সমস্যা নেই। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৯:২৩, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ধন্যবাদ । সংশোধন করা হয়েছে । আর কোনো সমস্যা থাকলে বলতে পারেন । [[ব্যবহারকারী:Amirhusenjihed|Amirhusenjihed]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Amirhusenjihed#top|আলাপ]]) ১০:০১, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Amirhusenjihed|Amirhusenjihed]] গৃহীত হয়েছে [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৩২, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
ferla4v9xvugbhuftpcjkz100fifkkb
ফজল শাহাবুদ্দীন
0
11927
74025
73194
2026-04-06T06:26:21Z
Amirhusenjihed
3671
সংশোধন
74025
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:Fazl-Shahabuddin-2010.jpg|থাম্ব|ফজল শাহাবুদ্দীন।]]
'''[[:w:ফজল শাহাবুদ্দীন|ফজল শাহাবুদ্দীন]]''' (৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬ - ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৪) ছিলেন বাংলাদেশের অন্যতম খ্যাতিমান আধুনিক কবি, সাংবাদিক এবং প্রখ্যাত সম্পাদক। ষাটের দশকের আধুনিক ধারার কবি হিসেবে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। প্রেম, প্রকৃতি, নারী, একাকিত্ব এবং মৃত্যুচেতনা তার কবিতার প্রধান উপজীব্য। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশে সাপ্তাহিক পত্রিকার প্রচলনে পথিকৃৎ ছিলেন এবং তৎকালীন সময়ের সাড়া জাগানো সাপ্তাহিক '[[w:সাপ্তাহিক বিচিত্রা|বিচিত্রা]]' এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। বাংলা সাহিত্যে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি 'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার' এবং '[[w:একুশে পদক|একুশে পদক]]' লাভ করেন।
== উক্তি ==
* আমি কবিতা লিখি তাই সারা আকাশকে আমি এক মুহূর্তে বন্দী করতে পারি আমার হাতের মুঠোয়- আমি কবিতা লিখি তাই আমি ভালোবাসতে পারি।
** ফজল শাহাবুদ্দীনের কবিতা ও কাব্যদর্শন সম্পর্কিত আত্মোপলব্ধি ('চিন্তাসূত্র' সাহিত্য পত্রিকা)।
* <poem>আলোতে জন্মেছি আমি অন্ধকারে মৃত্যু নেমে আসে
অনন্ত আঁধারে জন্ম অনিবার্য জ্যোতিতে নির্বাণ।</poem>
** 'অন্ধকার, আলোর নিভৃতে' কবিতা, ফজল শাহাবুদ্দীন।
* <poem>অরণ্য সমুদ্র থেকে ধ্বনি ওঠে গগনে গগনে
পুষ্পিত শরীরে আমি হাত রাখি যখন তৃষ্ণায়
প্রাচীন অগ্নির মতো উৎক্ষিপ্ত হাওয়ায় হাওয়ায়
অযুত নক্ষত্র দেখি গলে যায় আমার চুম্বনে।</poem>
** বাংলানিউজ২৪-এ প্রকাশিত 'কবিতার নক্ষত্র পুরুষ ফজল শাহাবুদ্দীন' প্রবন্ধ থেকে উদ্ধৃত।
* <poem>তোকে মনে পড়ে এই বৃষ্টিভরা দিনে
তুই এক অগ্নিময় স্মৃতি আমার অস্তিত্বে একা
উন্মথিত দুর্লভ প্রতীতি অধুনা প্রাচীনে।</poem>
** ফজল শাহাবুদ্দীনের কবিতা থেকে উদ্ধৃত।
* বিধাতার ভালোবাসার একটি কণা হইয়া বাঁচিয়া থাকিতে কী সুখ কতো আনন্দ কতো তৃপ্তি পরিতৃপ্তি আমি বাঁচিয়া থাকিব ভালোবাসিব ভালোবাসিতে থাকিব।
** কবির নিজস্ব আধ্যাত্মিক ও জীবনমুখী রচনা থেকে সংগৃহীত।
== তার সম্পর্কে উক্তি ==
* ফজল শাহাবুদ্দীন হলেন বাংলাদেশের 'প্রথম উজ্জ্বল আধুনিক কবি'।
** প্রখ্যাত সব্যসাচী লেখক আবদুল মান্নান সৈয়দ কবি ফজল শাহাবুদ্দীনের বিচিত্র অভিজ্ঞতাময় কবিতার মূল্যায়ন করতে গিয়ে এই মন্তব্যটি করেন (গুণীজন ট্রাস্টের আর্কাইভ)।
* ফজল শাহাবুদ্দীন অন্তহীনতার কবি, অন্তরঙ্গতার কবি। তার কবিতা যেমন জীবনকে ছুঁয়ে যায়, তেমনি মৃত্যুকেও। তার কবিতা যেমন স্পর্শ করে আততায়ী সূর্যাস্ত, তেমনি তার আকাঙ্ক্ষায় ধ্বনিত হয় এক অদ্ভুত অসুন্দর।
** বাংলা কবিতায় তার অবদান নিয়ে লেখা সাহিত্য প্রবন্ধ থেকে সংগৃহীত।
* এদেশে জনপ্রিয় ম্যাগাজিন 'বিচিত্রার' জনক এবং প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন তিনি। ৭৭ এ এসেও যিনি ছিলেন তরুণ তুর্কী। সাহিত্য আড্ডা বা আসর মাতিয়ে রাখতে যার কোনো জুড়ি ছিল না।
** কবির প্রয়াণের পর দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত 'নক্ষত্রের একাকি যাত্রা' শীর্ষক স্মৃতিচারণমূলক প্রবন্ধ।
* ফজল শাহাবুদ্দীন তার কবিতায় এক শরীরী ব্যঞ্জনার সাথে যুক্ত করেছেন এমন এক আধ্যাত্মিক চেতনা, যা সাম্প্রতিক বাংলা কবিতায় একটি সম্পূর্ণ নতুন সুর সংযোজিত করতে পেরেছে।
** সমকালীন সাহিত্য সমালোচকদের দৃষ্টিতে কবির কাব্যদর্শন এবং কবিতার মূল্যায়ন।
* তিনি শুধু একজন কবিই ছিলেন না, বরং স্বাধীন বাংলাদেশে সাপ্তাহিক পত্রিকার আধুনিকায়নে তিনি ছিলেন একজন সত্যিকারের পথিকৃৎ।
** দেশের প্রকাশনা শিল্প ও সাংবাদিকতায় তার অবদান নিয়ে লেখা সম্পাদকীয় প্রবন্ধ।
== বহিঃসংযোগ ==
{{Wikipedia|ফজল শাহাবুদ্দীন}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৬-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০১৪-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশি কবি]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশি সাংবাদিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি কবি]]
[[বিষয়শ্রেণী:একুশে পদক বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার বিজয়ী]]
kjexgq055en1uk1l33agv4kht33lneu
বিক্রম সারাভাই
0
11941
73985
73578
2026-04-06T04:52:26Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
73985
wikitext
text/x-wiki
[[File:Vikram Sarabhai.jpg|thumb|right| বিক্রম সারাভাই, ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক]]
'''[[w:বিক্রম সারাভাই|বিক্রম আম্বালাল সারাভাই]]''' ([[w:গুজরাত| গুজরাতি]]: વિક્રમ અંબાલાલ સારાભાઇ) (১২ আগস্ট, ১৯১৯ – ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৭১) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিদ। তিনি ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক হিসেবে পরিচিত। তাকে “রেনেসাঁস ম্যান” বলেও অভিহিত করা হয়। তিনি ১৯৪৭ সালে ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা করেন। বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার (VSSC), যা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার উৎক্ষেপণযান উন্নয়ন কেন্দ্র, তার নামানুসারে নামকরণ করা হয়েছে। তিনি অ্যাটমিক এনার্জি কমিশনের চেয়ারম্যানও ছিলেন। তাকে ১৯৬৬ সালে পদ্মভূষণ এবং মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়। ভারতে প্রতি বছর তার জন্মদিন ১২ আগস্ট 'মহাকাশ বিজ্ঞান দিবস’ পালন করা হয়।
==উক্তি ==
*আমাদের বিজ্ঞানীরা বাইরের পরামর্শমূলক কাজে যুক্ত হলে আমরা তাদের তুচ্ছজ্ঞান করি। আমরা পরোক্ষভাবে গজদন্তমিনার মানসিকতাকে উৎসাহিত করি।
**{{cite web|url=http://resourcecentre.daiict.ac.in/eresources/iresources/quotations.html |title= ৬০ জন শ্রেষ্ঠ ভারতীয়র উক্তি |publisher= ধীরুভাই আম্বানি ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি}} থেকে উদ্ধৃত
*এমন অনেকে আছেন যারা একটি উন্নয়নশীল দেশে মহাকাশ কার্যক্রমের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আমাদের উদ্দেশ্যের কোনো অস্পষ্টতা নেই। চাঁদ বা গ্রহ অন্বেষণ কিংবা মনুষ্যবাহী মহাকাশ যাত্রার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করার মতো অলীক কল্পনা আমাদের নেই। কিন্তু আমরা এ ব্যাপারে নিশ্চিত যে, যদি আমরা জাতীয় পর্যায়ে এবং আন্তর্জাতিক সমাজে একটি অর্থবহ ভূমিকা পালন করতে চাই, তবে আমাদের দেশে বিদ্যমান মানুষ ও সমাজের বাস্তব সমস্যাগুলোতে উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগের ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই অদ্বিতীয় হতে হবে। এবং আমাদের মনে রাখতে হবে যে, আমাদের সমস্যাগুলোতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও বিশ্লেষণ পদ্ধতির প্রয়োগকে এমন কোনো জাঁকজমকপূর্ণ পরিকল্পনা গ্রহণের সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়, যার মূল প্রভাব কঠোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক মাপকাঠিতে পরিমাপযোগ্য অগ্রগতির চেয়ে লোকদেখানোই বেশি।
**"ডঃ বিক্রম এ. সারাভাই-এর গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা ও গবেষণাপত্রের তালিকা"-য় উদ্ধৃত।<ref name="PRL_Sarabhai_compilation">{{cite web |title=List Of Important Speeches And Papers By Dr. Vikram A. Sarabhai. |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=27 June 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627181445/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |archivedate=27 June 2019|page=113}}</ref>
*একটা উন্নয়নশীল দেশের জন্য মহাকাশ কার্যক্রমের গুরুত্ব অনুধাবন করতে গেলে কিছু অন্তর্নিহিত সমস্যাকে স্বীকার করে নেওয়া উচিত। এই সমস্যাগুলো মহাকাশ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত চাকচিক্য থেকে উদ্ভূত হয়। বাস্তব আশঙ্কা রয়েছে যে, উন্নয়নশীল দেশগুলো মূলত এই চাকচিক্যের জন্যই মহাকাশ কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে এবং আমাদের এখানে আলোচিত মূল্যবোধগুলোকে স্বীকৃতি না দিয়ে, বরং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কৃত্রিম ভাবমূর্তি তৈরির আকাঙ্ক্ষা থেকে সম্পদ বিনিয়োগ করতে পারে। মহাকাশ কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এই পরিস্থিতিকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে।
** "দি পাওয়ার অফ দি স্পেস ক্লাব" এ উদ্ধৃত<ref>{{cite book |last1=Paikowsky |first1=Deganit |title=The Power of the Space Club |date=2017 |publisher=Cambridge University Press |isbn=9781107194496 |url=https://books.google.co.in/books?id=e9AoDwAAQBAJ&pg=PA157&lpg=PA157#v=onepage&q&f=false |accessdate=12 September 2019 |language=en}}</ref>
*জাতির উন্নয়ন জনগণের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উপলব্ধি এবং প্রয়োগের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
*একটি জাতীয় কর্মসূচি, যার মাধ্যমে আগামী দশ বছরে ভারতের প্রায় ৮০ শতাংশ জনগণ দূরদর্শনের সুবিধা পাবে, তা জাতীয় সংহতি, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ইলেকট্রনিক শিল্পের উদ্দীপনা ও প্রসারের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হবে। এটি বিশেষত বিচ্ছিন্ন গ্রামীণ অঞ্চলে বসবাসকারী জনগণের জন্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।
*মৌলিক গবেষণার প্রধান কাজ হলো আবিষ্কার করা, গবেষণা ও উন্নয়নের কাজ হলো বিষয়টিকে সর্বোত্তম পর্যায়ে উন্নীত করা এবং শিল্পের কাজ হলো উৎপাদন করা; আর উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনাগুলোর সংগঠনে যে প্রধান সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হতে হয়, তার অন্যতম হলো এই তিনটি সংস্কৃতির মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা—এবং এমন একটি ভিত্তি প্রস্তুত করা, যার মাধ্যমে জ্ঞান, জনশক্তি ও প্রযুক্তির হস্তান্তর এক স্তর থেকে অন্য স্তরে অবাধ পারস্পরিক যোগাযোগের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে পারে এবং একে অপরের দ্বারা উপকৃত হতে পারে।
**১০ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে টিআইএফআর-এর রজত জয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রদত্ত ভাষণ থেকে উদ্ধৃত।<ref>{{Cite web|url=https://www.idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|title=Tata Institute of Fundamental Research Silver Jubilee celebration speech by Dr Vikram Sarabhai on Saturday, 10 April 1971|archiveurl=https://web.archive.org/web/20150418092154/http://idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|archivedate=18 April 2015}}</ref><ref name="PRL_Sarabhai_quotes"/>
*সেখানে কোনো নেতা নেই, নেই কোনো অনুগামীও। যদি কাউকে নেতা হিসেবে চিহ্নিত করতেই হয়, তবে তিনি হবেন কৃষক, নির্মাতা নন। তাকে এমন মাটি, সামগ্রিক আবহাওয়া এবং পরিবেশের জোগান দিতে হবে, যার মধ্যে বীজ অঙ্কুরিত হয়ে বেড়ে উঠতে পারে। আমরা এমন উদারচেতা মানুষদের প্রত্যাশা করি, যাদের নিজেদের নেতা হিসেবে প্রমাণ করার জন্য অন্যদের নির্দেশ জারি করার কোনো তীব্র তাগিদ নেই; বরং তারা নিজেদের সৃজনশীলতা, প্রকৃতিপ্রেম এবং যাকে ‘বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি’ বলা যেতে পারে তার প্রতি নিষ্ঠার মাধ্যমেই একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে ঠিক এমন নেতারাই আমাদের প্রয়োজন।
*নিছক অভিজ্ঞতাকে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
**{{cite web|url=http://www.outlookindia.com/article.aspx?216858|title=Vikram A. Sarabhai|date=19 August 2002|accessdate=14 December 2013|publisher=OutlookIndia}}
4p45bk76aff42ghuxvs4in22a5s5yq0
73987
73985
2026-04-06T04:57:56Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
73987
wikitext
text/x-wiki
[[File:Vikram Sarabhai.jpg|thumb|right| বিক্রম সারাভাই, ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক]]
'''[[w:বিক্রম সারাভাই|বিক্রম আম্বালাল সারাভাই]]''' ([[w:গুজরাত| গুজরাতি]]: વિક્રમ અંબાલાલ સારાભાઇ) (১২ আগস্ট, ১৯১৯ – ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৭১) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিদ। তিনি ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক হিসেবে পরিচিত। তাকে “রেনেসাঁস ম্যান” বলেও অভিহিত করা হয়। তিনি ১৯৪৭ সালে ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা করেন। বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার (VSSC), যা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার উৎক্ষেপণযান উন্নয়ন কেন্দ্র, তার নামানুসারে নামকরণ করা হয়েছে। তিনি অ্যাটমিক এনার্জি কমিশনের চেয়ারম্যানও ছিলেন। তাকে ১৯৬৬ সালে পদ্মভূষণ এবং মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়। ভারতে প্রতি বছর তার জন্মদিন ১২ আগস্ট 'মহাকাশ বিজ্ঞান দিবস’ পালন করা হয়।
==উক্তি ==
*আমাদের বিজ্ঞানীরা বাইরের পরামর্শমূলক কাজে যুক্ত হলে আমরা তাদের তুচ্ছজ্ঞান করি। আমরা পরোক্ষভাবে গজদন্তমিনার মানসিকতাকে উৎসাহিত করি।
**{{cite web|url=http://resourcecentre.daiict.ac.in/eresources/iresources/quotations.html |title= ৬০ জন শ্রেষ্ঠ ভারতীয়র উক্তি |publisher= ধীরুভাই আম্বানি ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি}} থেকে উদ্ধৃত
*এমন অনেকে আছেন যারা একটি উন্নয়নশীল দেশে মহাকাশ কার্যক্রমের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আমাদের উদ্দেশ্যের কোনো অস্পষ্টতা নেই। চাঁদ বা গ্রহ অন্বেষণ কিংবা মনুষ্যবাহী মহাকাশ যাত্রার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করার মতো অলীক কল্পনা আমাদের নেই। কিন্তু আমরা এ ব্যাপারে নিশ্চিত যে, যদি আমরা জাতীয় পর্যায়ে এবং আন্তর্জাতিক সমাজে একটি অর্থবহ ভূমিকা পালন করতে চাই, তবে আমাদের দেশে বিদ্যমান মানুষ ও সমাজের বাস্তব সমস্যাগুলোতে উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগের ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই অদ্বিতীয় হতে হবে। এবং আমাদের মনে রাখতে হবে যে, আমাদের সমস্যাগুলোতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও বিশ্লেষণ পদ্ধতির প্রয়োগকে এমন কোনো জাঁকজমকপূর্ণ পরিকল্পনা গ্রহণের সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়, যার মূল প্রভাব কঠোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক মাপকাঠিতে পরিমাপযোগ্য অগ্রগতির চেয়ে লোকদেখানোই বেশি।
**"ডঃ বিক্রম এ. সারাভাই-এর গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা ও গবেষণাপত্রের তালিকা"-য় উদ্ধৃত।<ref name="PRL_Sarabhai_compilation">{{cite web |title=List Of Important Speeches And Papers By Dr. Vikram A. Sarabhai. |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=27 June 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627181445/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |archivedate=27 June 2019|page=113}}</ref>
*একটা উন্নয়নশীল দেশের জন্য মহাকাশ কার্যক্রমের গুরুত্ব অনুধাবন করতে গেলে কিছু অন্তর্নিহিত সমস্যাকে স্বীকার করে নেওয়া উচিত। এই সমস্যাগুলো মহাকাশ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত চাকচিক্য থেকে উদ্ভূত হয়। বাস্তব আশঙ্কা রয়েছে যে, উন্নয়নশীল দেশগুলো মূলত এই চাকচিক্যের জন্যই মহাকাশ কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে এবং আমাদের এখানে আলোচিত মূল্যবোধগুলোকে স্বীকৃতি না দিয়ে, বরং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কৃত্রিম ভাবমূর্তি তৈরির আকাঙ্ক্ষা থেকে সম্পদ বিনিয়োগ করতে পারে। মহাকাশ কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এই পরিস্থিতিকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে।
** "দি পাওয়ার অফ দি স্পেস ক্লাব" এ উদ্ধৃত<ref>{{cite book |last1=Paikowsky |first1=Deganit |title=The Power of the Space Club |date=2017 |publisher=Cambridge University Press |isbn=9781107194496 |url=https://books.google.co.in/books?id=e9AoDwAAQBAJ&pg=PA157&lpg=PA157#v=onepage&q&f=false |accessdate=12 September 2019 |language=en}}</ref>
*জাতির উন্নয়ন জনগণের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উপলব্ধি এবং প্রয়োগের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
*একটি জাতীয় কর্মসূচি, যার মাধ্যমে আগামী দশ বছরে ভারতের প্রায় ৮০ শতাংশ জনগণ দূরদর্শনের সুবিধা পাবে, তা জাতীয় সংহতি, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ইলেকট্রনিক শিল্পের উদ্দীপনা ও প্রসারের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হবে। এটি বিশেষত বিচ্ছিন্ন গ্রামীণ অঞ্চলে বসবাসকারী জনগণের জন্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।
*মৌলিক গবেষণার প্রধান কাজ হলো আবিষ্কার করা, গবেষণা ও উন্নয়নের কাজ হলো বিষয়টিকে সর্বোত্তম পর্যায়ে উন্নীত করা এবং শিল্পের কাজ হলো উৎপাদন করা; আর উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনাগুলোর সংগঠনে যে প্রধান সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হতে হয়, তার অন্যতম হলো এই তিনটি সংস্কৃতির মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা—এবং এমন একটি ভিত্তি প্রস্তুত করা, যার মাধ্যমে জ্ঞান, জনশক্তি ও প্রযুক্তির হস্তান্তর এক স্তর থেকে অন্য স্তরে অবাধ পারস্পরিক যোগাযোগের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে পারে এবং একে অপরের দ্বারা উপকৃত হতে পারে।
**১০ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে টিআইএফআর-এর রজত জয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রদত্ত ভাষণ থেকে উদ্ধৃত।<ref>{{Cite web|url=https://www.idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|title=Tata Institute of Fundamental Research Silver Jubilee celebration speech by Dr Vikram Sarabhai on Saturday, 10 April 1971|archiveurl=https://web.archive.org/web/20150418092154/http://idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|archivedate=18 April 2015}}</ref><ref name="PRL_Sarabhai_quotes"/>
*সেখানে কোনো নেতা নেই, নেই কোনো অনুগামীও। যদি কাউকে নেতা হিসেবে চিহ্নিত করতেই হয়, তবে তিনি হবেন কৃষক, নির্মাতা নন। তাকে এমন মাটি, সামগ্রিক আবহাওয়া এবং পরিবেশের জোগান দিতে হবে, যার মধ্যে বীজ অঙ্কুরিত হয়ে বেড়ে উঠতে পারে। আমরা এমন উদারচেতা মানুষদের প্রত্যাশা করি, যাদের নিজেদের নেতা হিসেবে প্রমাণ করার জন্য অন্যদের নির্দেশ জারি করার কোনো তীব্র তাগিদ নেই; বরং তারা নিজেদের সৃজনশীলতা, প্রকৃতিপ্রেম এবং যাকে ‘বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি’ বলা যেতে পারে তার প্রতি নিষ্ঠার মাধ্যমেই একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে ঠিক এমন নেতারাই আমাদের প্রয়োজন।
*নিছক অভিজ্ঞতাকে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
**{{cite web|url=http://www.outlookindia.com/article.aspx?216858|title=Vikram A. Sarabhai|date=19 August 2002|accessdate=14 December 2013|publisher=OutlookIndia}}
*যিনি কোলাহলের মাঝেও সঙ্গীত শুনতে পারেন, তিনি মহত্ত্ব অর্জন করতে পারেন।
**{{Cite web|url=http://www.nmspacemuseum.org/halloffame/detail.php?id=120|title= Vikram Ambalal Sarabhai|accessdate=14 December 2013|publisher= New Mexico Museum of Space History}}
bb32umsjlygkp4uoct5ppcdy7vehbth
73988
73987
2026-04-06T05:01:32Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */অনুবাদ
73988
wikitext
text/x-wiki
[[File:Vikram Sarabhai.jpg|thumb|right| বিক্রম সারাভাই, ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক]]
'''[[w:বিক্রম সারাভাই|বিক্রম আম্বালাল সারাভাই]]''' ([[w:গুজরাত| গুজরাতি]]: વિક્રમ અંબાલાલ સારાભાઇ) (১২ আগস্ট, ১৯১৯ – ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৭১) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিদ। তিনি ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক হিসেবে পরিচিত। তাকে “রেনেসাঁস ম্যান” বলেও অভিহিত করা হয়। তিনি ১৯৪৭ সালে ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা করেন। বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার (VSSC), যা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার উৎক্ষেপণযান উন্নয়ন কেন্দ্র, তার নামানুসারে নামকরণ করা হয়েছে। তিনি অ্যাটমিক এনার্জি কমিশনের চেয়ারম্যানও ছিলেন। তাকে ১৯৬৬ সালে পদ্মভূষণ এবং মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়। ভারতে প্রতি বছর তার জন্মদিন ১২ আগস্ট 'মহাকাশ বিজ্ঞান দিবস’ পালন করা হয়।
==উক্তি ==
*আমাদের বিজ্ঞানীরা বাইরের পরামর্শমূলক কাজে যুক্ত হলে আমরা তাদের তুচ্ছজ্ঞান করি। আমরা পরোক্ষভাবে গজদন্তমিনার মানসিকতাকে উৎসাহিত করি।
**{{cite web|url=http://resourcecentre.daiict.ac.in/eresources/iresources/quotations.html |title= ৬০ জন শ্রেষ্ঠ ভারতীয়র উক্তি |publisher= ধীরুভাই আম্বানি ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি}} থেকে উদ্ধৃত
*এমন অনেকে আছেন যারা একটি উন্নয়নশীল দেশে মহাকাশ কার্যক্রমের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আমাদের উদ্দেশ্যের কোনো অস্পষ্টতা নেই। চাঁদ বা গ্রহ অন্বেষণ কিংবা মনুষ্যবাহী মহাকাশ যাত্রার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করার মতো অলীক কল্পনা আমাদের নেই। কিন্তু আমরা এ ব্যাপারে নিশ্চিত যে, যদি আমরা জাতীয় পর্যায়ে এবং আন্তর্জাতিক সমাজে একটি অর্থবহ ভূমিকা পালন করতে চাই, তবে আমাদের দেশে বিদ্যমান মানুষ ও সমাজের বাস্তব সমস্যাগুলোতে উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগের ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই অদ্বিতীয় হতে হবে। এবং আমাদের মনে রাখতে হবে যে, আমাদের সমস্যাগুলোতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও বিশ্লেষণ পদ্ধতির প্রয়োগকে এমন কোনো জাঁকজমকপূর্ণ পরিকল্পনা গ্রহণের সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়, যার মূল প্রভাব কঠোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক মাপকাঠিতে পরিমাপযোগ্য অগ্রগতির চেয়ে লোকদেখানোই বেশি।
**"ডঃ বিক্রম এ. সারাভাই-এর গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা ও গবেষণাপত্রের তালিকা"-য় উদ্ধৃত।<ref name="PRL_Sarabhai_compilation">{{cite web |title=List Of Important Speeches And Papers By Dr. Vikram A. Sarabhai. |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=27 June 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627181445/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |archivedate=27 June 2019|page=113}}</ref>
*একটা উন্নয়নশীল দেশের জন্য মহাকাশ কার্যক্রমের গুরুত্ব অনুধাবন করতে গেলে কিছু অন্তর্নিহিত সমস্যাকে স্বীকার করে নেওয়া উচিত। এই সমস্যাগুলো মহাকাশ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত চাকচিক্য থেকে উদ্ভূত হয়। বাস্তব আশঙ্কা রয়েছে যে, উন্নয়নশীল দেশগুলো মূলত এই চাকচিক্যের জন্যই মহাকাশ কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে এবং আমাদের এখানে আলোচিত মূল্যবোধগুলোকে স্বীকৃতি না দিয়ে, বরং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কৃত্রিম ভাবমূর্তি তৈরির আকাঙ্ক্ষা থেকে সম্পদ বিনিয়োগ করতে পারে। মহাকাশ কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এই পরিস্থিতিকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে।
** "দি পাওয়ার অফ দি স্পেস ক্লাব" এ উদ্ধৃত<ref>{{cite book |last1=Paikowsky |first1=Deganit |title=The Power of the Space Club |date=2017 |publisher=Cambridge University Press |isbn=9781107194496 |url=https://books.google.co.in/books?id=e9AoDwAAQBAJ&pg=PA157&lpg=PA157#v=onepage&q&f=false |accessdate=12 September 2019 |language=en}}</ref>
*জাতির উন্নয়ন জনগণের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উপলব্ধি এবং প্রয়োগের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
*একটি জাতীয় কর্মসূচি, যার মাধ্যমে আগামী দশ বছরে ভারতের প্রায় ৮০ শতাংশ জনগণ দূরদর্শনের সুবিধা পাবে, তা জাতীয় সংহতি, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ইলেকট্রনিক শিল্পের উদ্দীপনা ও প্রসারের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হবে। এটি বিশেষত বিচ্ছিন্ন গ্রামীণ অঞ্চলে বসবাসকারী জনগণের জন্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।
*মৌলিক গবেষণার প্রধান কাজ হলো আবিষ্কার করা, গবেষণা ও উন্নয়নের কাজ হলো বিষয়টিকে সর্বোত্তম পর্যায়ে উন্নীত করা এবং শিল্পের কাজ হলো উৎপাদন করা; আর উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনাগুলোর সংগঠনে যে প্রধান সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হতে হয়, তার অন্যতম হলো এই তিনটি সংস্কৃতির মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা—এবং এমন একটি ভিত্তি প্রস্তুত করা, যার মাধ্যমে জ্ঞান, জনশক্তি ও প্রযুক্তির হস্তান্তর এক স্তর থেকে অন্য স্তরে অবাধ পারস্পরিক যোগাযোগের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে পারে এবং একে অপরের দ্বারা উপকৃত হতে পারে।
**১০ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে টিআইএফআর-এর রজত জয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রদত্ত ভাষণ থেকে উদ্ধৃত।<ref>{{Cite web|url=https://www.idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|title=Tata Institute of Fundamental Research Silver Jubilee celebration speech by Dr Vikram Sarabhai on Saturday, 10 April 1971|archiveurl=https://web.archive.org/web/20150418092154/http://idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|archivedate=18 April 2015}}</ref><ref name="PRL_Sarabhai_quotes"/>
*সেখানে কোনো নেতা নেই, নেই কোনো অনুগামীও। যদি কাউকে নেতা হিসেবে চিহ্নিত করতেই হয়, তবে তিনি হবেন কৃষক, নির্মাতা নন। তাকে এমন মাটি, সামগ্রিক আবহাওয়া এবং পরিবেশের জোগান দিতে হবে, যার মধ্যে বীজ অঙ্কুরিত হয়ে বেড়ে উঠতে পারে। আমরা এমন উদারচেতা মানুষদের প্রত্যাশা করি, যাদের নিজেদের নেতা হিসেবে প্রমাণ করার জন্য অন্যদের নির্দেশ জারি করার কোনো তীব্র তাগিদ নেই; বরং তারা নিজেদের সৃজনশীলতা, প্রকৃতিপ্রেম এবং যাকে ‘বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি’ বলা যেতে পারে তার প্রতি নিষ্ঠার মাধ্যমেই একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে ঠিক এমন নেতারাই আমাদের প্রয়োজন।
*নিছক অভিজ্ঞতাকে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
**{{cite web|url=http://www.outlookindia.com/article.aspx?216858|title=Vikram A. Sarabhai|date=19 August 2002|accessdate=14 December 2013|publisher=OutlookIndia}}
*যিনি কোলাহলের মাঝেও সঙ্গীত শুনতে পারেন, তিনি মহত্ত্ব অর্জন করতে পারেন।
**{{Cite web|url=http://www.nmspacemuseum.org/halloffame/detail.php?id=120|title= Vikram Ambalal Sarabhai|accessdate=14 December 2013|publisher= New Mexico Museum of Space History}}
*আমাদের জাতীয় লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক পশ্চাৎপদতা ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতার অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে এমন পরিবর্তন কয়েক দশকের মধ্যে অর্জন করা, যা অন্যান্য দেশ ও ভূখণ্ডে বাস্তবায়িত হতে কয়েক শতাব্দী সময় লেগেছে। এর জন্য সকল স্তরে উদ্ভাবন প্রয়োজন।
0kx5zxbsjkbu1bsklkg66rmt0de3onw
73990
73988
2026-04-06T05:07:06Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */তথ্যসূত্র যোগ
73990
wikitext
text/x-wiki
[[File:Vikram Sarabhai.jpg|thumb|right| বিক্রম সারাভাই, ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক]]
'''[[w:বিক্রম সারাভাই|বিক্রম আম্বালাল সারাভাই]]''' ([[w:গুজরাত| গুজরাতি]]: વિક્રમ અંબાલાલ સારાભાઇ) (১২ আগস্ট, ১৯১৯ – ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৭১) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিদ। তিনি ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক হিসেবে পরিচিত। তাকে “রেনেসাঁস ম্যান” বলেও অভিহিত করা হয়। তিনি ১৯৪৭ সালে ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা করেন। বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার (VSSC), যা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার উৎক্ষেপণযান উন্নয়ন কেন্দ্র, তার নামানুসারে নামকরণ করা হয়েছে। তিনি অ্যাটমিক এনার্জি কমিশনের চেয়ারম্যানও ছিলেন। তাকে ১৯৬৬ সালে পদ্মভূষণ এবং মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়। ভারতে প্রতি বছর তার জন্মদিন ১২ আগস্ট 'মহাকাশ বিজ্ঞান দিবস’ পালন করা হয়।
==উক্তি ==
*আমাদের বিজ্ঞানীরা বাইরের পরামর্শমূলক কাজে যুক্ত হলে আমরা তাদের তুচ্ছজ্ঞান করি। আমরা পরোক্ষভাবে গজদন্তমিনার মানসিকতাকে উৎসাহিত করি।
**{{cite web|url=http://resourcecentre.daiict.ac.in/eresources/iresources/quotations.html |title= ৬০ জন শ্রেষ্ঠ ভারতীয়র উক্তি |publisher= ধীরুভাই আম্বানি ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি}} থেকে উদ্ধৃত
*এমন অনেকে আছেন যারা একটি উন্নয়নশীল দেশে মহাকাশ কার্যক্রমের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আমাদের উদ্দেশ্যের কোনো অস্পষ্টতা নেই। চাঁদ বা গ্রহ অন্বেষণ কিংবা মনুষ্যবাহী মহাকাশ যাত্রার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করার মতো অলীক কল্পনা আমাদের নেই। কিন্তু আমরা এ ব্যাপারে নিশ্চিত যে, যদি আমরা জাতীয় পর্যায়ে এবং আন্তর্জাতিক সমাজে একটি অর্থবহ ভূমিকা পালন করতে চাই, তবে আমাদের দেশে বিদ্যমান মানুষ ও সমাজের বাস্তব সমস্যাগুলোতে উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগের ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই অদ্বিতীয় হতে হবে। এবং আমাদের মনে রাখতে হবে যে, আমাদের সমস্যাগুলোতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও বিশ্লেষণ পদ্ধতির প্রয়োগকে এমন কোনো জাঁকজমকপূর্ণ পরিকল্পনা গ্রহণের সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়, যার মূল প্রভাব কঠোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক মাপকাঠিতে পরিমাপযোগ্য অগ্রগতির চেয়ে লোকদেখানোই বেশি।
**"ডঃ বিক্রম এ. সারাভাই-এর গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা ও গবেষণাপত্রের তালিকা"-য় উদ্ধৃত।<ref name="PRL_Sarabhai_compilation">{{cite web |title=List Of Important Speeches And Papers By Dr. Vikram A. Sarabhai. |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=27 June 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627181445/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |archivedate=27 June 2019|page=113}}</ref>
*একটা উন্নয়নশীল দেশের জন্য মহাকাশ কার্যক্রমের গুরুত্ব অনুধাবন করতে গেলে কিছু অন্তর্নিহিত সমস্যাকে স্বীকার করে নেওয়া উচিত। এই সমস্যাগুলো মহাকাশ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত চাকচিক্য থেকে উদ্ভূত হয়। বাস্তব আশঙ্কা রয়েছে যে, উন্নয়নশীল দেশগুলো মূলত এই চাকচিক্যের জন্যই মহাকাশ কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে এবং আমাদের এখানে আলোচিত মূল্যবোধগুলোকে স্বীকৃতি না দিয়ে, বরং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কৃত্রিম ভাবমূর্তি তৈরির আকাঙ্ক্ষা থেকে সম্পদ বিনিয়োগ করতে পারে। মহাকাশ কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এই পরিস্থিতিকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে।
** "দি পাওয়ার অফ দি স্পেস ক্লাব" এ উদ্ধৃত<ref>{{cite book |last1=Paikowsky |first1=Deganit |title=The Power of the Space Club |date=2017 |publisher=Cambridge University Press |isbn=9781107194496 |url=https://books.google.co.in/books?id=e9AoDwAAQBAJ&pg=PA157&lpg=PA157#v=onepage&q&f=false |accessdate=12 September 2019 |language=en}}</ref>
*জাতির উন্নয়ন জনগণের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উপলব্ধি এবং প্রয়োগের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
*একটি জাতীয় কর্মসূচি, যার মাধ্যমে আগামী দশ বছরে ভারতের প্রায় ৮০ শতাংশ জনগণ দূরদর্শনের সুবিধা পাবে, তা জাতীয় সংহতি, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ইলেকট্রনিক শিল্পের উদ্দীপনা ও প্রসারের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হবে। এটি বিশেষত বিচ্ছিন্ন গ্রামীণ অঞ্চলে বসবাসকারী জনগণের জন্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।
*মৌলিক গবেষণার প্রধান কাজ হলো আবিষ্কার করা, গবেষণা ও উন্নয়নের কাজ হলো বিষয়টিকে সর্বোত্তম পর্যায়ে উন্নীত করা এবং শিল্পের কাজ হলো উৎপাদন করা; আর উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনাগুলোর সংগঠনে যে প্রধান সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হতে হয়, তার অন্যতম হলো এই তিনটি সংস্কৃতির মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা—এবং এমন একটি ভিত্তি প্রস্তুত করা, যার মাধ্যমে জ্ঞান, জনশক্তি ও প্রযুক্তির হস্তান্তর এক স্তর থেকে অন্য স্তরে অবাধ পারস্পরিক যোগাযোগের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে পারে এবং একে অপরের দ্বারা উপকৃত হতে পারে।
**১০ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে টিআইএফআর-এর রজত জয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রদত্ত ভাষণ থেকে উদ্ধৃত।<ref>{{Cite web|url=https://www.idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|title=Tata Institute of Fundamental Research Silver Jubilee celebration speech by Dr Vikram Sarabhai on Saturday, 10 April 1971|archiveurl=https://web.archive.org/web/20150418092154/http://idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|archivedate=18 April 2015}}</ref><ref name="PRL_Sarabhai_quotes"/>
*সেখানে কোনো নেতা নেই, নেই কোনো অনুগামীও। যদি কাউকে নেতা হিসেবে চিহ্নিত করতেই হয়, তবে তিনি হবেন কৃষক, নির্মাতা নন। তাকে এমন মাটি, সামগ্রিক আবহাওয়া এবং পরিবেশের জোগান দিতে হবে, যার মধ্যে বীজ অঙ্কুরিত হয়ে বেড়ে উঠতে পারে। আমরা এমন উদারচেতা মানুষদের প্রত্যাশা করি, যাদের নিজেদের নেতা হিসেবে প্রমাণ করার জন্য অন্যদের নির্দেশ জারি করার কোনো তীব্র তাগিদ নেই; বরং তারা নিজেদের সৃজনশীলতা, প্রকৃতিপ্রেম এবং যাকে ‘বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি’ বলা যেতে পারে তার প্রতি নিষ্ঠার মাধ্যমেই একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে ঠিক এমন নেতারাই আমাদের প্রয়োজন।
*নিছক অভিজ্ঞতাকে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
**{{cite web|url=http://www.outlookindia.com/article.aspx?216858|title=Vikram A. Sarabhai|date=19 August 2002|accessdate=14 December 2013|publisher=OutlookIndia}}
*যিনি কোলাহলের মাঝেও সঙ্গীত শুনতে পারেন, তিনি মহত্ত্ব অর্জন করতে পারেন।
**{{Cite web|url=http://www.nmspacemuseum.org/halloffame/detail.php?id=120|title= Vikram Ambalal Sarabhai|accessdate=14 December 2013|publisher= New Mexico Museum of Space History}}
*আমাদের জাতীয় লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক পশ্চাৎপদতা ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতার অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে এমন পরিবর্তন কয়েক দশকের মধ্যে অর্জন করা, যা অন্যান্য দেশ ও ভূখণ্ডে বাস্তবায়িত হতে কয়েক শতাব্দী সময় লেগেছে। এর জন্য সকল স্তরে উদ্ভাবন প্রয়োজন।
**"বিক্রম এ. সারাভাই" এ উদ্ধৃত.<ref name="PRL_Sarabhai_quotes">{{cite web |title=The Tenth Dr. Vikram A. Sarabhai Festival of Performing Arts |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=12 September 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627192004/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |archivedate=12 September 2019|page=28}}</ref>
5j9atrofoh1jkuhhtqm4tcwj5w4ffsd
73991
73990
2026-04-06T05:10:54Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
73991
wikitext
text/x-wiki
[[File:Vikram Sarabhai.jpg|thumb|right| বিক্রম সারাভাই, ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক]]
'''[[w:বিক্রম সারাভাই|বিক্রম আম্বালাল সারাভাই]]''' ([[w:গুজরাত| গুজরাতি]]: વિક્રમ અંબાલાલ સારાભાઇ) (১২ আগস্ট, ১৯১৯ – ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৭১) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিদ। তিনি ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক হিসেবে পরিচিত। তাকে “রেনেসাঁস ম্যান” বলেও অভিহিত করা হয়। তিনি ১৯৪৭ সালে ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা করেন। বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার (VSSC), যা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার উৎক্ষেপণযান উন্নয়ন কেন্দ্র, তার নামানুসারে নামকরণ করা হয়েছে। তিনি অ্যাটমিক এনার্জি কমিশনের চেয়ারম্যানও ছিলেন। তাকে ১৯৬৬ সালে পদ্মভূষণ এবং মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়। ভারতে প্রতি বছর তার জন্মদিন ১২ আগস্ট 'মহাকাশ বিজ্ঞান দিবস’ পালন করা হয়।
==উক্তি ==
*আমাদের বিজ্ঞানীরা বাইরের পরামর্শমূলক কাজে যুক্ত হলে আমরা তাদের তুচ্ছজ্ঞান করি। আমরা পরোক্ষভাবে গজদন্তমিনার মানসিকতাকে উৎসাহিত করি।
**{{cite web|url=http://resourcecentre.daiict.ac.in/eresources/iresources/quotations.html |title= ৬০ জন শ্রেষ্ঠ ভারতীয়র উক্তি |publisher= ধীরুভাই আম্বানি ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি}} থেকে উদ্ধৃত
*এমন অনেকে আছেন যারা একটি উন্নয়নশীল দেশে মহাকাশ কার্যক্রমের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আমাদের উদ্দেশ্যের কোনো অস্পষ্টতা নেই। চাঁদ বা গ্রহ অন্বেষণ কিংবা মনুষ্যবাহী মহাকাশ যাত্রার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করার মতো অলীক কল্পনা আমাদের নেই। কিন্তু আমরা এ ব্যাপারে নিশ্চিত যে, যদি আমরা জাতীয় পর্যায়ে এবং আন্তর্জাতিক সমাজে একটি অর্থবহ ভূমিকা পালন করতে চাই, তবে আমাদের দেশে বিদ্যমান মানুষ ও সমাজের বাস্তব সমস্যাগুলোতে উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগের ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই অদ্বিতীয় হতে হবে। এবং আমাদের মনে রাখতে হবে যে, আমাদের সমস্যাগুলোতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও বিশ্লেষণ পদ্ধতির প্রয়োগকে এমন কোনো জাঁকজমকপূর্ণ পরিকল্পনা গ্রহণের সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়, যার মূল প্রভাব কঠোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক মাপকাঠিতে পরিমাপযোগ্য অগ্রগতির চেয়ে লোকদেখানোই বেশি।
**"ডঃ বিক্রম এ. সারাভাই-এর গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা ও গবেষণাপত্রের তালিকা"-য় উদ্ধৃত।<ref name="PRL_Sarabhai_compilation">{{cite web |title=List Of Important Speeches And Papers By Dr. Vikram A. Sarabhai. |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=27 June 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627181445/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |archivedate=27 June 2019|page=113}}</ref>
*একটা উন্নয়নশীল দেশের জন্য মহাকাশ কার্যক্রমের গুরুত্ব অনুধাবন করতে গেলে কিছু অন্তর্নিহিত সমস্যাকে স্বীকার করে নেওয়া উচিত। এই সমস্যাগুলো মহাকাশ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত চাকচিক্য থেকে উদ্ভূত হয়। বাস্তব আশঙ্কা রয়েছে যে, উন্নয়নশীল দেশগুলো মূলত এই চাকচিক্যের জন্যই মহাকাশ কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে এবং আমাদের এখানে আলোচিত মূল্যবোধগুলোকে স্বীকৃতি না দিয়ে, বরং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কৃত্রিম ভাবমূর্তি তৈরির আকাঙ্ক্ষা থেকে সম্পদ বিনিয়োগ করতে পারে। মহাকাশ কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এই পরিস্থিতিকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে।
** "দি পাওয়ার অফ দি স্পেস ক্লাব" এ উদ্ধৃত<ref>{{cite book |last1=Paikowsky |first1=Deganit |title=The Power of the Space Club |date=2017 |publisher=Cambridge University Press |isbn=9781107194496 |url=https://books.google.co.in/books?id=e9AoDwAAQBAJ&pg=PA157&lpg=PA157#v=onepage&q&f=false |accessdate=12 September 2019 |language=en}}</ref>
*জাতির উন্নয়ন জনগণের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উপলব্ধি এবং প্রয়োগের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
*একটি জাতীয় কর্মসূচি, যার মাধ্যমে আগামী দশ বছরে ভারতের প্রায় ৮০ শতাংশ জনগণ দূরদর্শনের সুবিধা পাবে, তা জাতীয় সংহতি, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ইলেকট্রনিক শিল্পের উদ্দীপনা ও প্রসারের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হবে। এটি বিশেষত বিচ্ছিন্ন গ্রামীণ অঞ্চলে বসবাসকারী জনগণের জন্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।
*মৌলিক গবেষণার প্রধান কাজ হলো আবিষ্কার করা, গবেষণা ও উন্নয়নের কাজ হলো বিষয়টিকে সর্বোত্তম পর্যায়ে উন্নীত করা এবং শিল্পের কাজ হলো উৎপাদন করা; আর উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনাগুলোর সংগঠনে যে প্রধান সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হতে হয়, তার অন্যতম হলো এই তিনটি সংস্কৃতির মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা—এবং এমন একটি ভিত্তি প্রস্তুত করা, যার মাধ্যমে জ্ঞান, জনশক্তি ও প্রযুক্তির হস্তান্তর এক স্তর থেকে অন্য স্তরে অবাধ পারস্পরিক যোগাযোগের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে পারে এবং একে অপরের দ্বারা উপকৃত হতে পারে।
**১০ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে টিআইএফআর-এর রজত জয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রদত্ত ভাষণ থেকে উদ্ধৃত।<ref>{{Cite web|url=https://www.idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|title=Tata Institute of Fundamental Research Silver Jubilee celebration speech by Dr Vikram Sarabhai on Saturday, 10 April 1971|archiveurl=https://web.archive.org/web/20150418092154/http://idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|archivedate=18 April 2015}}</ref><ref name="PRL_Sarabhai_quotes"/>
*সেখানে কোনো নেতা নেই, নেই কোনো অনুগামীও। যদি কাউকে নেতা হিসেবে চিহ্নিত করতেই হয়, তবে তিনি হবেন কৃষক, নির্মাতা নন। তাকে এমন মাটি, সামগ্রিক আবহাওয়া এবং পরিবেশের জোগান দিতে হবে, যার মধ্যে বীজ অঙ্কুরিত হয়ে বেড়ে উঠতে পারে। আমরা এমন উদারচেতা মানুষদের প্রত্যাশা করি, যাদের নিজেদের নেতা হিসেবে প্রমাণ করার জন্য অন্যদের নির্দেশ জারি করার কোনো তীব্র তাগিদ নেই; বরং তারা নিজেদের সৃজনশীলতা, প্রকৃতিপ্রেম এবং যাকে ‘বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি’ বলা যেতে পারে তার প্রতি নিষ্ঠার মাধ্যমেই একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে ঠিক এমন নেতারাই আমাদের প্রয়োজন।
** সায়েন্স পলিসি অ্যান্ড ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট, নিউ দিল্লি: ম্যাকমিলান, ১৯৭৪ <ref>{{Cite web|url=https://www.isro.gov.in/sites/default/files/flipping_book/institution_building/files/assets/common/downloads/Institution%20Building.pdf|title=Institution building : Lessons from Vikrarn Sarabhai's leadership|archiveurl=https://web.archive.org/web/20220812025514/https://www.isro.gov.in/sites/default/files/flipping_book/institution_building/files/assets/common/downloads/Institution%20Building.pdf|archivedate=12 August 2022}}</ref>
*নিছক অভিজ্ঞতাকে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
**{{cite web|url=http://www.outlookindia.com/article.aspx?216858|title=Vikram A. Sarabhai|date=19 August 2002|accessdate=14 December 2013|publisher=OutlookIndia}}
*যিনি কোলাহলের মাঝেও সঙ্গীত শুনতে পারেন, তিনি মহত্ত্ব অর্জন করতে পারেন।
**{{Cite web|url=http://www.nmspacemuseum.org/halloffame/detail.php?id=120|title= Vikram Ambalal Sarabhai|accessdate=14 December 2013|publisher= New Mexico Museum of Space History}}
*আমাদের জাতীয় লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক পশ্চাৎপদতা ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতার অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে এমন পরিবর্তন কয়েক দশকের মধ্যে অর্জন করা, যা অন্যান্য দেশ ও ভূখণ্ডে বাস্তবায়িত হতে কয়েক শতাব্দী সময় লেগেছে। এর জন্য সকল স্তরে উদ্ভাবন প্রয়োজন।
**"বিক্রম এ. সারাভাই" এ উদ্ধৃত.<ref name="PRL_Sarabhai_quotes">{{cite web |title=The Tenth Dr. Vikram A. Sarabhai Festival of Performing Arts |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=12 September 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627192004/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |archivedate=12 September 2019|page=28}}</ref>
nltdndji3m6227qipe5zof62g8mlhpg
73995
73991
2026-04-06T05:14:38Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
73995
wikitext
text/x-wiki
[[File:Vikram Sarabhai.jpg|thumb|right| বিক্রম সারাভাই, ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক]]
'''[[w:বিক্রম সারাভাই|বিক্রম আম্বালাল সারাভাই]]''' ([[w:গুজরাত| গুজরাতি]]: વિક્રમ અંબાલાલ સારાભાઇ) (১২ আগস্ট, ১৯১৯ – ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৭১) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিদ। তিনি ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক হিসেবে পরিচিত। তাকে “রেনেসাঁস ম্যান” বলেও অভিহিত করা হয়। তিনি ১৯৪৭ সালে ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা করেন। বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার (VSSC), যা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার উৎক্ষেপণযান উন্নয়ন কেন্দ্র, তার নামানুসারে নামকরণ করা হয়েছে। তিনি অ্যাটমিক এনার্জি কমিশনের চেয়ারম্যানও ছিলেন। তাকে ১৯৬৬ সালে পদ্মভূষণ এবং মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়। ভারতে প্রতি বছর তার জন্মদিন ১২ আগস্ট 'মহাকাশ বিজ্ঞান দিবস’ পালন করা হয়।
==উক্তি ==
*আমাদের বিজ্ঞানীরা বাইরের পরামর্শমূলক কাজে যুক্ত হলে আমরা তাদের তুচ্ছজ্ঞান করি। আমরা পরোক্ষভাবে গজদন্তমিনার মানসিকতাকে উৎসাহিত করি।
**{{cite web|url=http://resourcecentre.daiict.ac.in/eresources/iresources/quotations.html |title= ৬০ জন শ্রেষ্ঠ ভারতীয়র উক্তি |publisher= ধীরুভাই আম্বানি ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি}} থেকে উদ্ধৃত
*এমন অনেকে আছেন যারা একটি উন্নয়নশীল দেশে মহাকাশ কার্যক্রমের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আমাদের উদ্দেশ্যের কোনো অস্পষ্টতা নেই। চাঁদ বা গ্রহ অন্বেষণ কিংবা মনুষ্যবাহী মহাকাশ যাত্রার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করার মতো অলীক কল্পনা আমাদের নেই। কিন্তু আমরা এ ব্যাপারে নিশ্চিত যে, যদি আমরা জাতীয় পর্যায়ে এবং আন্তর্জাতিক সমাজে একটি অর্থবহ ভূমিকা পালন করতে চাই, তবে আমাদের দেশে বিদ্যমান মানুষ ও সমাজের বাস্তব সমস্যাগুলোতে উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগের ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই অদ্বিতীয় হতে হবে। এবং আমাদের মনে রাখতে হবে যে, আমাদের সমস্যাগুলোতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও বিশ্লেষণ পদ্ধতির প্রয়োগকে এমন কোনো জাঁকজমকপূর্ণ পরিকল্পনা গ্রহণের সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়, যার মূল প্রভাব কঠোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক মাপকাঠিতে পরিমাপযোগ্য অগ্রগতির চেয়ে লোকদেখানোই বেশি।
**"ডঃ বিক্রম এ. সারাভাই-এর গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা ও গবেষণাপত্রের তালিকা"-য় উদ্ধৃত।<ref name="PRL_Sarabhai_compilation">{{cite web |title=List Of Important Speeches And Papers By Dr. Vikram A. Sarabhai. |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=27 June 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627181445/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |archivedate=27 June 2019|page=113}}</ref>
*একটা উন্নয়নশীল দেশের জন্য মহাকাশ কার্যক্রমের গুরুত্ব অনুধাবন করতে গেলে কিছু অন্তর্নিহিত সমস্যাকে স্বীকার করে নেওয়া উচিত। এই সমস্যাগুলো মহাকাশ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত চাকচিক্য থেকে উদ্ভূত হয়। বাস্তব আশঙ্কা রয়েছে যে, উন্নয়নশীল দেশগুলো মূলত এই চাকচিক্যের জন্যই মহাকাশ কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে এবং আমাদের এখানে আলোচিত মূল্যবোধগুলোকে স্বীকৃতি না দিয়ে, বরং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কৃত্রিম ভাবমূর্তি তৈরির আকাঙ্ক্ষা থেকে সম্পদ বিনিয়োগ করতে পারে। মহাকাশ কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এই পরিস্থিতিকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে।
** "দি পাওয়ার অফ দি স্পেস ক্লাব" এ উদ্ধৃত<ref>{{cite book |last1=Paikowsky |first1=Deganit |title=The Power of the Space Club |date=2017 |publisher=Cambridge University Press |isbn=9781107194496 |url=https://books.google.co.in/books?id=e9AoDwAAQBAJ&pg=PA157&lpg=PA157#v=onepage&q&f=false |accessdate=12 September 2019 |language=en}}</ref>
*জাতির উন্নয়ন জনগণের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উপলব্ধি এবং প্রয়োগের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
**"বিক্রম এ সারাভাই"এ উদ্ধৃত<ref name="PRL_Sarabhai_quotes">{{cite web |title=The Tenth Dr. Vikram A. Sarabhai Festival of Performing Arts |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=12 September 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627192004/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |archivedate=12 September 2019|page=28}}</ref>
*একটি জাতীয় কর্মসূচি, যার মাধ্যমে আগামী দশ বছরে ভারতের প্রায় ৮০ শতাংশ জনগণ দূরদর্শনের সুবিধা পাবে, তা জাতীয় সংহতি, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ইলেকট্রনিক শিল্পের উদ্দীপনা ও প্রসারের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হবে। এটি বিশেষত বিচ্ছিন্ন গ্রামীণ অঞ্চলে বসবাসকারী জনগণের জন্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।
*মৌলিক গবেষণার প্রধান কাজ হলো আবিষ্কার করা, গবেষণা ও উন্নয়নের কাজ হলো বিষয়টিকে সর্বোত্তম পর্যায়ে উন্নীত করা এবং শিল্পের কাজ হলো উৎপাদন করা; আর উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনাগুলোর সংগঠনে যে প্রধান সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হতে হয়, তার অন্যতম হলো এই তিনটি সংস্কৃতির মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা—এবং এমন একটি ভিত্তি প্রস্তুত করা, যার মাধ্যমে জ্ঞান, জনশক্তি ও প্রযুক্তির হস্তান্তর এক স্তর থেকে অন্য স্তরে অবাধ পারস্পরিক যোগাযোগের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে পারে এবং একে অপরের দ্বারা উপকৃত হতে পারে।
**১০ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে টিআইএফআর-এর রজত জয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রদত্ত ভাষণ থেকে উদ্ধৃত।<ref>{{Cite web|url=https://www.idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|title=Tata Institute of Fundamental Research Silver Jubilee celebration speech by Dr Vikram Sarabhai on Saturday, 10 April 1971|archiveurl=https://web.archive.org/web/20150418092154/http://idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|archivedate=18 April 2015}}</ref><ref name="PRL_Sarabhai_quotes"/>
*সেখানে কোনো নেতা নেই, নেই কোনো অনুগামীও। যদি কাউকে নেতা হিসেবে চিহ্নিত করতেই হয়, তবে তিনি হবেন কৃষক, নির্মাতা নন। তাকে এমন মাটি, সামগ্রিক আবহাওয়া এবং পরিবেশের জোগান দিতে হবে, যার মধ্যে বীজ অঙ্কুরিত হয়ে বেড়ে উঠতে পারে। আমরা এমন উদারচেতা মানুষদের প্রত্যাশা করি, যাদের নিজেদের নেতা হিসেবে প্রমাণ করার জন্য অন্যদের নির্দেশ জারি করার কোনো তীব্র তাগিদ নেই; বরং তারা নিজেদের সৃজনশীলতা, প্রকৃতিপ্রেম এবং যাকে ‘বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি’ বলা যেতে পারে তার প্রতি নিষ্ঠার মাধ্যমেই একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে ঠিক এমন নেতারাই আমাদের প্রয়োজন।
** সায়েন্স পলিসি অ্যান্ড ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট, নিউ দিল্লি: ম্যাকমিলান, ১৯৭৪ <ref>{{Cite web|url=https://www.isro.gov.in/sites/default/files/flipping_book/institution_building/files/assets/common/downloads/Institution%20Building.pdf|title=Institution building : Lessons from Vikrarn Sarabhai's leadership|archiveurl=https://web.archive.org/web/20220812025514/https://www.isro.gov.in/sites/default/files/flipping_book/institution_building/files/assets/common/downloads/Institution%20Building.pdf|archivedate=12 August 2022}}</ref>
*নিছক অভিজ্ঞতাকে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
**{{cite web|url=http://www.outlookindia.com/article.aspx?216858|title=Vikram A. Sarabhai|date=19 August 2002|accessdate=14 December 2013|publisher=OutlookIndia}}
*যিনি কোলাহলের মাঝেও সঙ্গীত শুনতে পারেন, তিনি মহত্ত্ব অর্জন করতে পারেন।
**{{Cite web|url=http://www.nmspacemuseum.org/halloffame/detail.php?id=120|title= Vikram Ambalal Sarabhai|accessdate=14 December 2013|publisher= New Mexico Museum of Space History}}
*আমাদের জাতীয় লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক পশ্চাৎপদতা ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতার অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে এমন পরিবর্তন কয়েক দশকের মধ্যে অর্জন করা, যা অন্যান্য দেশ ও ভূখণ্ডে বাস্তবায়িত হতে কয়েক শতাব্দী সময় লেগেছে। এর জন্য সকল স্তরে উদ্ভাবন প্রয়োজন।
**"বিক্রম এ. সারাভাই" এ উদ্ধৃত.<ref name="PRL_Sarabhai_quotes">{{cite web |title=The Tenth Dr. Vikram A. Sarabhai Festival of Performing Arts |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=12 September 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627192004/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |archivedate=12 September 2019|page=28}}</ref>
cwrk63gdlnwldvjxnm576wy0y0aih2w
73996
73995
2026-04-06T05:19:29Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
73996
wikitext
text/x-wiki
[[File:Vikram Sarabhai.jpg|thumb|right| বিক্রম সারাভাই, ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক]]
'''[[w:বিক্রম সারাভাই|বিক্রম আম্বালাল সারাভাই]]''' ([[w:গুজরাত| গুজরাতি]]: વિક્રમ અંબાલાલ સારાભાઇ) (১২ আগস্ট, ১৯১৯ – ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৭১) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিদ। তিনি ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক হিসেবে পরিচিত। তাকে “রেনেসাঁস ম্যান” বলেও অভিহিত করা হয়। তিনি ১৯৪৭ সালে ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা করেন। বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার (VSSC), যা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার উৎক্ষেপণযান উন্নয়ন কেন্দ্র, তার নামানুসারে নামকরণ করা হয়েছে। তিনি অ্যাটমিক এনার্জি কমিশনের চেয়ারম্যানও ছিলেন। তাকে ১৯৬৬ সালে পদ্মভূষণ এবং মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়। ভারতে প্রতি বছর তার জন্মদিন ১২ আগস্ট 'মহাকাশ বিজ্ঞান দিবস’ পালন করা হয়।
==উক্তি ==
*আমাদের বিজ্ঞানীরা বাইরের পরামর্শমূলক কাজে যুক্ত হলে আমরা তাদের তুচ্ছজ্ঞান করি। আমরা পরোক্ষভাবে গজদন্তমিনার মানসিকতাকে উৎসাহিত করি।
**{{cite web|url=http://resourcecentre.daiict.ac.in/eresources/iresources/quotations.html |title= ৬০ জন শ্রেষ্ঠ ভারতীয়র উক্তি |publisher= ধীরুভাই আম্বানি ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি}} থেকে উদ্ধৃত
*এমন অনেকে আছেন যারা একটি উন্নয়নশীল দেশে মহাকাশ কার্যক্রমের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আমাদের উদ্দেশ্যের কোনো অস্পষ্টতা নেই। চাঁদ বা গ্রহ অন্বেষণ কিংবা মনুষ্যবাহী মহাকাশ যাত্রার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করার মতো অলীক কল্পনা আমাদের নেই। কিন্তু আমরা এ ব্যাপারে নিশ্চিত যে, যদি আমরা জাতীয় পর্যায়ে এবং আন্তর্জাতিক সমাজে একটি অর্থবহ ভূমিকা পালন করতে চাই, তবে আমাদের দেশে বিদ্যমান মানুষ ও সমাজের বাস্তব সমস্যাগুলোতে উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগের ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই অদ্বিতীয় হতে হবে। এবং আমাদের মনে রাখতে হবে যে, আমাদের সমস্যাগুলোতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও বিশ্লেষণ পদ্ধতির প্রয়োগকে এমন কোনো জাঁকজমকপূর্ণ পরিকল্পনা গ্রহণের সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়, যার মূল প্রভাব কঠোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক মাপকাঠিতে পরিমাপযোগ্য অগ্রগতির চেয়ে লোকদেখানোই বেশি।
**"ডঃ বিক্রম এ. সারাভাই-এর গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা ও গবেষণাপত্রের তালিকা"-য় উদ্ধৃত।<ref name="PRL_Sarabhai_compilation">{{cite web |title=List Of Important Speeches And Papers By Dr. Vikram A. Sarabhai. |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=27 June 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627181445/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |archivedate=27 June 2019|page=113}}</ref>
*একটা উন্নয়নশীল দেশের জন্য মহাকাশ কার্যক্রমের গুরুত্ব অনুধাবন করতে গেলে কিছু অন্তর্নিহিত সমস্যাকে স্বীকার করে নেওয়া উচিত। এই সমস্যাগুলো মহাকাশ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত চাকচিক্য থেকে উদ্ভূত হয়। বাস্তব আশঙ্কা রয়েছে যে, উন্নয়নশীল দেশগুলো মূলত এই চাকচিক্যের জন্যই মহাকাশ কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে এবং আমাদের এখানে আলোচিত মূল্যবোধগুলোকে স্বীকৃতি না দিয়ে, বরং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কৃত্রিম ভাবমূর্তি তৈরির আকাঙ্ক্ষা থেকে সম্পদ বিনিয়োগ করতে পারে। মহাকাশ কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এই পরিস্থিতিকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে।
** "দি পাওয়ার অফ দি স্পেস ক্লাব" এ উদ্ধৃত<ref>{{cite book |last1=Paikowsky |first1=Deganit |title=The Power of the Space Club |date=2017 |publisher=Cambridge University Press |isbn=9781107194496 |url=https://books.google.co.in/books?id=e9AoDwAAQBAJ&pg=PA157&lpg=PA157#v=onepage&q&f=false |accessdate=12 September 2019 |language=en}}</ref>
*জাতির উন্নয়ন জনগণের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উপলব্ধি এবং প্রয়োগের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
**"বিক্রম এ সারাভাই"এ উদ্ধৃত<ref name="PRL_Sarabhai_quotes">{{cite web |title=The Tenth Dr. Vikram A. Sarabhai Festival of Performing Arts |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=12 September 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627192004/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |archivedate=12 September 2019|page=28}}</ref>
*একটি জাতীয় কর্মসূচি, যার মাধ্যমে আগামী দশ বছরে ভারতের প্রায় ৮০ শতাংশ জনগণ দূরদর্শনের সুবিধা পাবে, তা জাতীয় সংহতি, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ইলেকট্রনিক শিল্পের উদ্দীপনা ও প্রসারের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হবে। এটি বিশেষত বিচ্ছিন্ন গ্রামীণ অঞ্চলে বসবাসকারী জনগণের জন্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।
**"Communication and National Development" গ্রন্থে ১৯৭৪ সালে তার অগ্রাধিকারের উদ্ধৃতি।
*মৌলিক গবেষণার প্রধান কাজ হলো আবিষ্কার করা, গবেষণা ও উন্নয়নের কাজ হলো বিষয়টিকে সর্বোত্তম পর্যায়ে উন্নীত করা এবং শিল্পের কাজ হলো উৎপাদন করা; আর উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনাগুলোর সংগঠনে যে প্রধান সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হতে হয়, তার অন্যতম হলো এই তিনটি সংস্কৃতির মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা—এবং এমন একটি ভিত্তি প্রস্তুত করা, যার মাধ্যমে জ্ঞান, জনশক্তি ও প্রযুক্তির হস্তান্তর এক স্তর থেকে অন্য স্তরে অবাধ পারস্পরিক যোগাযোগের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে পারে এবং একে অপরের দ্বারা উপকৃত হতে পারে।
**১০ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে টিআইএফআর-এর রজত জয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রদত্ত ভাষণ থেকে উদ্ধৃত।<ref>{{Cite web|url=https://www.idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|title=Tata Institute of Fundamental Research Silver Jubilee celebration speech by Dr Vikram Sarabhai on Saturday, 10 April 1971|archiveurl=https://web.archive.org/web/20150418092154/http://idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|archivedate=18 April 2015}}</ref><ref name="PRL_Sarabhai_quotes"/>
*সেখানে কোনো নেতা নেই, নেই কোনো অনুগামীও। যদি কাউকে নেতা হিসেবে চিহ্নিত করতেই হয়, তবে তিনি হবেন কৃষক, নির্মাতা নন। তাকে এমন মাটি, সামগ্রিক আবহাওয়া এবং পরিবেশের জোগান দিতে হবে, যার মধ্যে বীজ অঙ্কুরিত হয়ে বেড়ে উঠতে পারে। আমরা এমন উদারচেতা মানুষদের প্রত্যাশা করি, যাদের নিজেদের নেতা হিসেবে প্রমাণ করার জন্য অন্যদের নির্দেশ জারি করার কোনো তীব্র তাগিদ নেই; বরং তারা নিজেদের সৃজনশীলতা, প্রকৃতিপ্রেম এবং যাকে ‘বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি’ বলা যেতে পারে তার প্রতি নিষ্ঠার মাধ্যমেই একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে ঠিক এমন নেতারাই আমাদের প্রয়োজন।
** সায়েন্স পলিসি অ্যান্ড ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট, নিউ দিল্লি: ম্যাকমিলান, ১৯৭৪ <ref>{{Cite web|url=https://www.isro.gov.in/sites/default/files/flipping_book/institution_building/files/assets/common/downloads/Institution%20Building.pdf|title=Institution building : Lessons from Vikrarn Sarabhai's leadership|archiveurl=https://web.archive.org/web/20220812025514/https://www.isro.gov.in/sites/default/files/flipping_book/institution_building/files/assets/common/downloads/Institution%20Building.pdf|archivedate=12 August 2022}}</ref>
*নিছক অভিজ্ঞতাকে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
**{{cite web|url=http://www.outlookindia.com/article.aspx?216858|title=Vikram A. Sarabhai|date=19 August 2002|accessdate=14 December 2013|publisher=OutlookIndia}}
*যিনি কোলাহলের মাঝেও সঙ্গীত শুনতে পারেন, তিনি মহত্ত্ব অর্জন করতে পারেন।
**{{Cite web|url=http://www.nmspacemuseum.org/halloffame/detail.php?id=120|title= Vikram Ambalal Sarabhai|accessdate=14 December 2013|publisher= New Mexico Museum of Space History}}
*আমাদের জাতীয় লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক পশ্চাৎপদতা ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতার অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে এমন পরিবর্তন কয়েক দশকের মধ্যে অর্জন করা, যা অন্যান্য দেশ ও ভূখণ্ডে বাস্তবায়িত হতে কয়েক শতাব্দী সময় লেগেছে। এর জন্য সকল স্তরে উদ্ভাবন প্রয়োজন।
**"বিক্রম এ. সারাভাই" এ উদ্ধৃত.<ref name="PRL_Sarabhai_quotes">{{cite web |title=The Tenth Dr. Vikram A. Sarabhai Festival of Performing Arts |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=12 September 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627192004/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |archivedate=12 September 2019|page=28}}</ref>
75t1gsusiw7xl6ujb5d2mf78aofn5vm
73997
73996
2026-04-06T05:25:26Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */সংশোধন
73997
wikitext
text/x-wiki
[[File:Vikram Sarabhai.jpg|thumb|right| বিক্রম সারাভাই, ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক]]
'''[[w:বিক্রম সারাভাই|বিক্রম আম্বালাল সারাভাই]]''' ([[w:গুজরাত| গুজরাতি]]: વિક્રમ અંબાલાલ સારાભાઇ) (১২ আগস্ট, ১৯১৯ – ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৭১) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিদ। তিনি ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক হিসেবে পরিচিত। তাকে “রেনেসাঁস ম্যান” বলেও অভিহিত করা হয়। তিনি ১৯৪৭ সালে ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা করেন। বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার (VSSC), যা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার উৎক্ষেপণযান উন্নয়ন কেন্দ্র, তার নামানুসারে নামকরণ করা হয়েছে। তিনি অ্যাটমিক এনার্জি কমিশনের চেয়ারম্যানও ছিলেন। তাকে ১৯৬৬ সালে পদ্মভূষণ এবং মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়। ভারতে প্রতি বছর তার জন্মদিন ১২ আগস্ট 'মহাকাশ বিজ্ঞান দিবস’ পালন করা হয়।
==উক্তি ==
*আমাদের বিজ্ঞানীরা বাইরের পরামর্শমূলক কাজে যুক্ত হলে আমরা তাদের তুচ্ছজ্ঞান করি। আমরা পরোক্ষভাবে গজদন্তমিনার মানসিকতাকে উৎসাহিত করি।
**{{cite web|url=http://resourcecentre.daiict.ac.in/eresources/iresources/quotations.html |title= ৬০ জন শ্রেষ্ঠ ভারতীয়র উক্তি |publisher= ধীরুভাই আম্বানি ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি}} থেকে উদ্ধৃত
*এমন অনেকে আছেন যারা একটি উন্নয়নশীল দেশে মহাকাশ কার্যক্রমের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আমাদের উদ্দেশ্যের কোনো অস্পষ্টতা নেই। চাঁদ বা গ্রহ অন্বেষণ কিংবা মনুষ্যবাহী মহাকাশ যাত্রার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করার মতো অলীক কল্পনা আমাদের নেই। কিন্তু আমরা এ ব্যাপারে নিশ্চিত যে, যদি আমরা জাতীয় পর্যায়ে এবং আন্তর্জাতিক সমাজে একটি অর্থবহ ভূমিকা পালন করতে চাই, তবে আমাদের দেশে বিদ্যমান মানুষ ও সমাজের বাস্তব সমস্যাগুলোতে উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগের ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই অদ্বিতীয় হতে হবে। এবং আমাদের মনে রাখতে হবে যে, আমাদের সমস্যাগুলোতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও বিশ্লেষণ পদ্ধতির প্রয়োগকে এমন কোনো জাঁকজমকপূর্ণ পরিকল্পনা গ্রহণের সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়, যার মূল প্রভাব কঠোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক মাপকাঠিতে পরিমাপযোগ্য অগ্রগতির চেয়ে লোকদেখানোই বেশি।
**"ডঃ বিক্রম এ. সারাভাই-এর গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা ও গবেষণাপত্রের তালিকা"-য় উদ্ধৃত।<ref name="PRL_Sarabhai_compilation">{{cite web |title=List Of Important Speeches And Papers By Dr. Vikram A. Sarabhai. |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=27 June 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627181445/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |archivedate=27 June 2019|page=113}}</ref>
*একটা উন্নয়নশীল দেশের জন্য মহাকাশ কার্যক্রমের গুরুত্ব অনুধাবন করতে গেলে কিছু অন্তর্নিহিত সমস্যাকে স্বীকার করে নেওয়া উচিত। এই সমস্যাগুলো মহাকাশ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত চাকচিক্য থেকে উদ্ভূত হয়। বাস্তব আশঙ্কা রয়েছে যে, উন্নয়নশীল দেশগুলো মূলত এই চাকচিক্যের জন্যই মহাকাশ কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে এবং আমাদের এখানে আলোচিত মূল্যবোধগুলোকে স্বীকৃতি না দিয়ে, বরং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কৃত্রিম ভাবমূর্তি তৈরির আকাঙ্ক্ষা থেকে সম্পদ বিনিয়োগ করতে পারে। মহাকাশ কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এই পরিস্থিতিকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে।
** "দি পাওয়ার অফ দি স্পেস ক্লাব" এ উদ্ধৃত<ref>{{cite book |last1=Paikowsky |first1=Deganit |title=The Power of the Space Club |date=2017 |publisher=Cambridge University Press |isbn=9781107194496 |url=https://books.google.co.in/books?id=e9AoDwAAQBAJ&pg=PA157&lpg=PA157#v=onepage&q&f=false |accessdate=12 September 2019 |language=en}}</ref>
*জাতির উন্নয়ন জনগণের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উপলব্ধি এবং প্রয়োগের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
**"বিক্রম এ সারাভাই"এ উদ্ধৃত<ref name="PRL_Sarabhai_quotes">{{cite web |title=The Tenth Dr. Vikram A. Sarabhai Festival of Performing Arts |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=12 September 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627192004/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |archivedate=12 September 2019|page=28}}</ref>
*একটি জাতীয় কর্মসূচি, যার মাধ্যমে আগামী দশ বছরে ভারতের প্রায় ৮০ শতাংশ জনগণ দূরদর্শনের সুবিধা পাবে, তা জাতীয় সংহতি, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ইলেকট্রনিক শিল্পের উদ্দীপনা ও প্রসারের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হবে। এটি বিশেষত বিচ্ছিন্ন গ্রামীণ অঞ্চলে বসবাসকারী জনগণের জন্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।
**"Communication and National Development" গ্রন্থে ১৯৭৪ সালে তার অগ্রাধিকারের উদ্ধৃতি।
*মৌলিক গবেষণার প্রধান কাজ হলো আবিষ্কার করা, গবেষণা ও উন্নয়নের কাজ হলো বিষয়টিকে সর্বোত্তম পর্যায়ে উন্নীত করা এবং শিল্পের কাজ হলো উৎপাদন করা; আর উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনাগুলোর সংগঠনে যে প্রধান সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হতে হয়, তার অন্যতম হলো এই তিনটি সংস্কৃতির মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা—এবং এমন একটি ভিত্তি প্রস্তুত করা, যার মাধ্যমে জ্ঞান, জনশক্তি ও প্রযুক্তির হস্তান্তর এক স্তর থেকে অন্য স্তরে অবাধ পারস্পরিক যোগাযোগের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে পারে এবং একে অপরের দ্বারা উপকৃত হতে পারে।
**১০ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে টিআইএফআর-এর রজত জয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রদত্ত ভাষণ থেকে উদ্ধৃত।<ref>{{Cite web|url=https://www.idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|title=Tata Institute of Fundamental Research Silver Jubilee celebration speech by Dr Vikram Sarabhai on Saturday, 10 April 1971|archiveurl=https://web.archive.org/web/20150418092154/http://idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|archivedate=18 April 2015}}</ref><ref name="PRL_Sarabhai_quotes"/>
*সেখানে কোনো নেতা নেই, নেই কোনো অনুগামীও। যদি কাউকে নেতা হিসেবে চিহ্নিত করতেই হয়, তবে তিনি হবেন কৃষক, নির্মাতা নন। তাকে এমন মাটি, সামগ্রিক আবহাওয়া এবং পরিবেশের জোগান দিতে হবে, যার মধ্যে বীজ অঙ্কুরিত হয়ে বেড়ে উঠতে পারে। আমরা এমন উদারচেতা মানুষদের প্রত্যাশা করি, যাদের নিজেদের নেতা হিসেবে প্রমাণ করার জন্য অন্যদের নির্দেশ জারি করার কোনো তীব্র তাগিদ নেই; বরং তারা নিজেদের সৃজনশীলতা, প্রকৃতিপ্রেম এবং যাকে ‘বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি’ বলা যেতে পারে তার প্রতি নিষ্ঠার মাধ্যমেই একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে ঠিক এমন নেতারাই আমাদের প্রয়োজন।
** সায়েন্স পলিসি অ্যান্ড ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট, নিউ দিল্লি: ম্যাকমিলান, ১৯৭৪ <ref>{{Cite web|url=https://www.isro.gov.in/sites/default/files/flipping_book/institution_building/files/assets/common/downloads/Institution%20Building.pdf|title=Institution building : Lessons from Vikrarn Sarabhai's leadership|archiveurl=https://web.archive.org/web/20220812025514/https://www.isro.gov.in/sites/default/files/flipping_book/institution_building/files/assets/common/downloads/Institution%20Building.pdf|archivedate=12 August 2022}}</ref>
*নিছক অভিজ্ঞতাকে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
**{{cite web|url=http://www.outlookindia.com/article.aspx?216858|title=Vikram A. Sarabhai|date=19 August 2002|accessdate=14 December 2013|publisher=OutlookIndia}}
*যিনি কোলাহলের মাঝেও সঙ্গীত শুনতে পারেন, তিনি মহত্ত্ব অর্জন করতে পারেন।
**{{Cite web|url=http://www.nmspacemuseum.org/halloffame/detail.php?id=120|title= Vikram Ambalal Sarabhai|accessdate=14 December 2013|publisher= New Mexico Museum of Space History}}
*আমাদের জাতীয় লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক পশ্চাৎপদতা ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতার অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে এমন পরিবর্তন কয়েক দশকের মধ্যে অর্জন করা, যা অন্যান্য দেশ ও ভূখণ্ডে বাস্তবায়িত হতে কয়েক শতাব্দী সময় লেগেছে। এর জন্য সকল স্তরে উদ্ভাবন প্রয়োজন।
**নেহেরু-পরবর্তী যুগে “দূরদর্শন ও উন্নয়ন” বিষয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি, {{cite book|last= Joshi |first=Puran Chandra |title=Communication and National Development|url=http://books.google.com/books?id=re46IrFLtQ8C&pg=PR25|date=1 January 2002|publisher=Anamika Publishers & Distributors|isbn=978-81-7975-013-1|page=xxv}} থেকে উদ্ধৃত
qs3nerbi52ikhimu5nfdhp96gzvo4n6
73998
73997
2026-04-06T05:48:20Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
73998
wikitext
text/x-wiki
[[File:Vikram Sarabhai.jpg|thumb|right| বিক্রম সারাভাই, ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক]]
'''[[w:বিক্রম সারাভাই|বিক্রম আম্বালাল সারাভাই]]''' ([[w:গুজরাত| গুজরাতি]]: વિક્રમ અંબાલાલ સારાભાઇ) (১২ আগস্ট, ১৯১৯ – ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৭১) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিদ। তিনি ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক হিসেবে পরিচিত। তাকে “রেনেসাঁস ম্যান” বলেও অভিহিত করা হয়। তিনি ১৯৪৭ সালে ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা করেন। বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার (VSSC), যা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার উৎক্ষেপণযান উন্নয়ন কেন্দ্র, তার নামানুসারে নামকরণ করা হয়েছে। তিনি অ্যাটমিক এনার্জি কমিশনের চেয়ারম্যানও ছিলেন। তাকে ১৯৬৬ সালে পদ্মভূষণ এবং মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়। ভারতে প্রতি বছর তার জন্মদিন ১২ আগস্ট 'মহাকাশ বিজ্ঞান দিবস’ পালন করা হয়।
==উক্তি ==
*আমাদের বিজ্ঞানীরা বাইরের পরামর্শমূলক কাজে যুক্ত হলে আমরা তাদের তুচ্ছজ্ঞান করি। আমরা পরোক্ষভাবে গজদন্তমিনার মানসিকতাকে উৎসাহিত করি।
**{{cite web|url=http://resourcecentre.daiict.ac.in/eresources/iresources/quotations.html |title= ৬০ জন শ্রেষ্ঠ ভারতীয়র উক্তি |publisher= ধীরুভাই আম্বানি ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি}} থেকে উদ্ধৃত
*এমন অনেকে আছেন যারা একটি উন্নয়নশীল দেশে মহাকাশ কার্যক্রমের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আমাদের উদ্দেশ্যের কোনো অস্পষ্টতা নেই। চাঁদ বা গ্রহ অন্বেষণ কিংবা মনুষ্যবাহী মহাকাশ যাত্রার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করার মতো অলীক কল্পনা আমাদের নেই। কিন্তু আমরা এ ব্যাপারে নিশ্চিত যে, যদি আমরা জাতীয় পর্যায়ে এবং আন্তর্জাতিক সমাজে একটি অর্থবহ ভূমিকা পালন করতে চাই, তবে আমাদের দেশে বিদ্যমান মানুষ ও সমাজের বাস্তব সমস্যাগুলোতে উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগের ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই অদ্বিতীয় হতে হবে। এবং আমাদের মনে রাখতে হবে যে, আমাদের সমস্যাগুলোতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও বিশ্লেষণ পদ্ধতির প্রয়োগকে এমন কোনো জাঁকজমকপূর্ণ পরিকল্পনা গ্রহণের সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়, যার মূল প্রভাব কঠোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক মাপকাঠিতে পরিমাপযোগ্য অগ্রগতির চেয়ে লোকদেখানোই বেশি।
**"ডঃ বিক্রম এ. সারাভাই-এর গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা ও গবেষণাপত্রের তালিকা"-য় উদ্ধৃত।<ref name="PRL_Sarabhai_compilation">{{cite web |title=List Of Important Speeches And Papers By Dr. Vikram A. Sarabhai. |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=27 June 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627181445/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |archivedate=27 June 2019|page=113}}</ref>
*একটা উন্নয়নশীল দেশের জন্য মহাকাশ কার্যক্রমের গুরুত্ব অনুধাবন করতে গেলে কিছু অন্তর্নিহিত সমস্যাকে স্বীকার করে নেওয়া উচিত। এই সমস্যাগুলো মহাকাশ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত চাকচিক্য থেকে উদ্ভূত হয়। বাস্তব আশঙ্কা রয়েছে যে, উন্নয়নশীল দেশগুলো মূলত এই চাকচিক্যের জন্যই মহাকাশ কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে এবং আমাদের এখানে আলোচিত মূল্যবোধগুলোকে স্বীকৃতি না দিয়ে, বরং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কৃত্রিম ভাবমূর্তি তৈরির আকাঙ্ক্ষা থেকে সম্পদ বিনিয়োগ করতে পারে। মহাকাশ কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এই পরিস্থিতিকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে।
** "দি পাওয়ার অফ দি স্পেস ক্লাব" এ উদ্ধৃত<ref>{{cite book |last1=Paikowsky |first1=Deganit |title=The Power of the Space Club |date=2017 |publisher=Cambridge University Press |isbn=9781107194496 |url=https://books.google.co.in/books?id=e9AoDwAAQBAJ&pg=PA157&lpg=PA157#v=onepage&q&f=false |accessdate=12 September 2019 |language=en}}</ref>
*জাতির উন্নয়ন জনগণের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উপলব্ধি এবং প্রয়োগের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
**"বিক্রম এ সারাভাই"এ উদ্ধৃত<ref name="PRL_Sarabhai_quotes">{{cite web |title=The Tenth Dr. Vikram A. Sarabhai Festival of Performing Arts |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=12 September 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627192004/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |archivedate=12 September 2019|page=28}}</ref>
*একটি জাতীয় কর্মসূচি, যার মাধ্যমে আগামী দশ বছরে ভারতের প্রায় ৮০ শতাংশ জনগণ দূরদর্শনের সুবিধা পাবে, তা জাতীয় সংহতি, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ইলেকট্রনিক শিল্পের উদ্দীপনা ও প্রসারের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হবে। এটি বিশেষত বিচ্ছিন্ন গ্রামীণ অঞ্চলে বসবাসকারী জনগণের জন্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।
**"Communication and National Development" গ্রন্থে ১৯৭৪ সালে তার অগ্রাধিকারের উদ্ধৃতি।
*মৌলিক গবেষণার প্রধান কাজ হলো আবিষ্কার করা, গবেষণা ও উন্নয়নের কাজ হলো বিষয়টিকে সর্বোত্তম পর্যায়ে উন্নীত করা এবং শিল্পের কাজ হলো উৎপাদন করা; আর উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনাগুলোর সংগঠনে যে প্রধান সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হতে হয়, তার অন্যতম হলো এই তিনটি সংস্কৃতির মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা—এবং এমন একটি ভিত্তি প্রস্তুত করা, যার মাধ্যমে জ্ঞান, জনশক্তি ও প্রযুক্তির হস্তান্তর এক স্তর থেকে অন্য স্তরে অবাধ পারস্পরিক যোগাযোগের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে পারে এবং একে অপরের দ্বারা উপকৃত হতে পারে।
**১০ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে টিআইএফআর-এর রজত জয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রদত্ত ভাষণ থেকে উদ্ধৃত।<ref>{{Cite web|url=https://www.idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|title=Tata Institute of Fundamental Research Silver Jubilee celebration speech by Dr Vikram Sarabhai on Saturday, 10 April 1971|archiveurl=https://web.archive.org/web/20150418092154/http://idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|archivedate=18 April 2015}}</ref><ref name="PRL_Sarabhai_quotes"/>
*সেখানে কোনো নেতা নেই, নেই কোনো অনুগামীও। যদি কাউকে নেতা হিসেবে চিহ্নিত করতেই হয়, তবে তিনি হবেন কৃষক, নির্মাতা নন। তাকে এমন মাটি, সামগ্রিক আবহাওয়া এবং পরিবেশের জোগান দিতে হবে, যার মধ্যে বীজ অঙ্কুরিত হয়ে বেড়ে উঠতে পারে। আমরা এমন উদারচেতা মানুষদের প্রত্যাশা করি, যাদের নিজেদের নেতা হিসেবে প্রমাণ করার জন্য অন্যদের নির্দেশ জারি করার কোনো তীব্র তাগিদ নেই; বরং তারা নিজেদের সৃজনশীলতা, প্রকৃতিপ্রেম এবং যাকে ‘বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি’ বলা যেতে পারে তার প্রতি নিষ্ঠার মাধ্যমেই একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে ঠিক এমন নেতারাই আমাদের প্রয়োজন।
** সায়েন্স পলিসি অ্যান্ড ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট, নিউ দিল্লি: ম্যাকমিলান, ১৯৭৪ <ref>{{Cite web|url=https://www.isro.gov.in/sites/default/files/flipping_book/institution_building/files/assets/common/downloads/Institution%20Building.pdf|title=Institution building : Lessons from Vikrarn Sarabhai's leadership|archiveurl=https://web.archive.org/web/20220812025514/https://www.isro.gov.in/sites/default/files/flipping_book/institution_building/files/assets/common/downloads/Institution%20Building.pdf|archivedate=12 August 2022}}</ref>
*নিছক অভিজ্ঞতাকে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
**{{cite web|url=http://www.outlookindia.com/article.aspx?216858|title=Vikram A. Sarabhai|date=19 August 2002|accessdate=14 December 2013|publisher=OutlookIndia}}
*যিনি কোলাহলের মাঝেও সঙ্গীত শুনতে পারেন, তিনি মহত্ত্ব অর্জন করতে পারেন।
**{{Cite web|url=http://www.nmspacemuseum.org/halloffame/detail.php?id=120|title= Vikram Ambalal Sarabhai|accessdate=14 December 2013|publisher= New Mexico Museum of Space History}}
*আমাদের জাতীয় লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক পশ্চাৎপদতা ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতার অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে এমন পরিবর্তন কয়েক দশকের মধ্যে অর্জন করা, যা অন্যান্য দেশ ও ভূখণ্ডে বাস্তবায়িত হতে কয়েক শতাব্দী সময় লেগেছে। এর জন্য সকল স্তরে উদ্ভাবন প্রয়োজন।
**নেহেরু-পরবর্তী যুগে “দূরদর্শন ও উন্নয়ন” বিষয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি, {{cite book|last= Joshi |first=Puran Chandra |title=Communication and National Development|url=http://books.google.com/books?id=re46IrFLtQ8C&pg=PR25|date=1 January 2002|publisher=Anamika Publishers & Distributors|isbn=978-81-7975-013-1|page=xxv}} থেকে উদ্ধৃত
===ভারতীয় পারমাণবিক বোমার নির্মাণ: বিজ্ঞান, গোপনীয়তা এবং উত্তর-ঔপনিবেশিক রাষ্ট্র===
c80407qpe1k2dp3h5tcvhip258wluii
73999
73998
2026-04-06T05:49:34Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
73999
wikitext
text/x-wiki
[[File:Vikram Sarabhai.jpg|thumb|right| বিক্রম সারাভাই, ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক]]
'''[[w:বিক্রম সারাভাই|বিক্রম আম্বালাল সারাভাই]]''' ([[w:গুজরাত| গুজরাতি]]: વિક્રમ અંબાલાલ સારાભાઇ) (১২ আগস্ট, ১৯১৯ – ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৭১) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিদ। তিনি ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক হিসেবে পরিচিত। তাকে “রেনেসাঁস ম্যান” বলেও অভিহিত করা হয়। তিনি ১৯৪৭ সালে ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা করেন। বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার (VSSC), যা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার উৎক্ষেপণযান উন্নয়ন কেন্দ্র, তার নামানুসারে নামকরণ করা হয়েছে। তিনি অ্যাটমিক এনার্জি কমিশনের চেয়ারম্যানও ছিলেন। তাকে ১৯৬৬ সালে পদ্মভূষণ এবং মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়। ভারতে প্রতি বছর তার জন্মদিন ১২ আগস্ট 'মহাকাশ বিজ্ঞান দিবস’ পালন করা হয়।
==উক্তি ==
*আমাদের বিজ্ঞানীরা বাইরের পরামর্শমূলক কাজে যুক্ত হলে আমরা তাদের তুচ্ছজ্ঞান করি। আমরা পরোক্ষভাবে গজদন্তমিনার মানসিকতাকে উৎসাহিত করি।
**{{cite web|url=http://resourcecentre.daiict.ac.in/eresources/iresources/quotations.html |title= ৬০ জন শ্রেষ্ঠ ভারতীয়র উক্তি |publisher= ধীরুভাই আম্বানি ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি}} থেকে উদ্ধৃত
*এমন অনেকে আছেন যারা একটি উন্নয়নশীল দেশে মহাকাশ কার্যক্রমের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আমাদের উদ্দেশ্যের কোনো অস্পষ্টতা নেই। চাঁদ বা গ্রহ অন্বেষণ কিংবা মনুষ্যবাহী মহাকাশ যাত্রার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করার মতো অলীক কল্পনা আমাদের নেই। কিন্তু আমরা এ ব্যাপারে নিশ্চিত যে, যদি আমরা জাতীয় পর্যায়ে এবং আন্তর্জাতিক সমাজে একটি অর্থবহ ভূমিকা পালন করতে চাই, তবে আমাদের দেশে বিদ্যমান মানুষ ও সমাজের বাস্তব সমস্যাগুলোতে উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগের ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই অদ্বিতীয় হতে হবে। এবং আমাদের মনে রাখতে হবে যে, আমাদের সমস্যাগুলোতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও বিশ্লেষণ পদ্ধতির প্রয়োগকে এমন কোনো জাঁকজমকপূর্ণ পরিকল্পনা গ্রহণের সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়, যার মূল প্রভাব কঠোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক মাপকাঠিতে পরিমাপযোগ্য অগ্রগতির চেয়ে লোকদেখানোই বেশি।
**"ডঃ বিক্রম এ. সারাভাই-এর গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা ও গবেষণাপত্রের তালিকা"-য় উদ্ধৃত।<ref name="PRL_Sarabhai_compilation">{{cite web |title=List Of Important Speeches And Papers By Dr. Vikram A. Sarabhai. |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=27 June 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627181445/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |archivedate=27 June 2019|page=113}}</ref>
*একটা উন্নয়নশীল দেশের জন্য মহাকাশ কার্যক্রমের গুরুত্ব অনুধাবন করতে গেলে কিছু অন্তর্নিহিত সমস্যাকে স্বীকার করে নেওয়া উচিত। এই সমস্যাগুলো মহাকাশ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত চাকচিক্য থেকে উদ্ভূত হয়। বাস্তব আশঙ্কা রয়েছে যে, উন্নয়নশীল দেশগুলো মূলত এই চাকচিক্যের জন্যই মহাকাশ কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে এবং আমাদের এখানে আলোচিত মূল্যবোধগুলোকে স্বীকৃতি না দিয়ে, বরং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কৃত্রিম ভাবমূর্তি তৈরির আকাঙ্ক্ষা থেকে সম্পদ বিনিয়োগ করতে পারে। মহাকাশ কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এই পরিস্থিতিকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে।
** "দি পাওয়ার অফ দি স্পেস ক্লাব" এ উদ্ধৃত<ref>{{cite book |last1=Paikowsky |first1=Deganit |title=The Power of the Space Club |date=2017 |publisher=Cambridge University Press |isbn=9781107194496 |url=https://books.google.co.in/books?id=e9AoDwAAQBAJ&pg=PA157&lpg=PA157#v=onepage&q&f=false |accessdate=12 September 2019 |language=en}}</ref>
*জাতির উন্নয়ন জনগণের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উপলব্ধি এবং প্রয়োগের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
**"বিক্রম এ সারাভাই"এ উদ্ধৃত<ref name="PRL_Sarabhai_quotes">{{cite web |title=The Tenth Dr. Vikram A. Sarabhai Festival of Performing Arts |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=12 September 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627192004/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |archivedate=12 September 2019|page=28}}</ref>
*একটি জাতীয় কর্মসূচি, যার মাধ্যমে আগামী দশ বছরে ভারতের প্রায় ৮০ শতাংশ জনগণ দূরদর্শনের সুবিধা পাবে, তা জাতীয় সংহতি, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ইলেকট্রনিক শিল্পের উদ্দীপনা ও প্রসারের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হবে। এটি বিশেষত বিচ্ছিন্ন গ্রামীণ অঞ্চলে বসবাসকারী জনগণের জন্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।
**"Communication and National Development" গ্রন্থে ১৯৭৪ সালে তার অগ্রাধিকারের উদ্ধৃতি।
*মৌলিক গবেষণার প্রধান কাজ হলো আবিষ্কার করা, গবেষণা ও উন্নয়নের কাজ হলো বিষয়টিকে সর্বোত্তম পর্যায়ে উন্নীত করা এবং শিল্পের কাজ হলো উৎপাদন করা; আর উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনাগুলোর সংগঠনে যে প্রধান সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হতে হয়, তার অন্যতম হলো এই তিনটি সংস্কৃতির মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা—এবং এমন একটি ভিত্তি প্রস্তুত করা, যার মাধ্যমে জ্ঞান, জনশক্তি ও প্রযুক্তির হস্তান্তর এক স্তর থেকে অন্য স্তরে অবাধ পারস্পরিক যোগাযোগের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে পারে এবং একে অপরের দ্বারা উপকৃত হতে পারে।
**১০ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে টিআইএফআর-এর রজত জয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রদত্ত ভাষণ থেকে উদ্ধৃত।<ref>{{Cite web|url=https://www.idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|title=Tata Institute of Fundamental Research Silver Jubilee celebration speech by Dr Vikram Sarabhai on Saturday, 10 April 1971|archiveurl=https://web.archive.org/web/20150418092154/http://idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|archivedate=18 April 2015}}</ref><ref name="PRL_Sarabhai_quotes"/>
*সেখানে কোনো নেতা নেই, নেই কোনো অনুগামীও। যদি কাউকে নেতা হিসেবে চিহ্নিত করতেই হয়, তবে তিনি হবেন কৃষক, নির্মাতা নন। তাকে এমন মাটি, সামগ্রিক আবহাওয়া এবং পরিবেশের জোগান দিতে হবে, যার মধ্যে বীজ অঙ্কুরিত হয়ে বেড়ে উঠতে পারে। আমরা এমন উদারচেতা মানুষদের প্রত্যাশা করি, যাদের নিজেদের নেতা হিসেবে প্রমাণ করার জন্য অন্যদের নির্দেশ জারি করার কোনো তীব্র তাগিদ নেই; বরং তারা নিজেদের সৃজনশীলতা, প্রকৃতিপ্রেম এবং যাকে ‘বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি’ বলা যেতে পারে তার প্রতি নিষ্ঠার মাধ্যমেই একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে ঠিক এমন নেতারাই আমাদের প্রয়োজন।
** সায়েন্স পলিসি অ্যান্ড ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট, নিউ দিল্লি: ম্যাকমিলান, ১৯৭৪ <ref>{{Cite web|url=https://www.isro.gov.in/sites/default/files/flipping_book/institution_building/files/assets/common/downloads/Institution%20Building.pdf|title=Institution building : Lessons from Vikrarn Sarabhai's leadership|archiveurl=https://web.archive.org/web/20220812025514/https://www.isro.gov.in/sites/default/files/flipping_book/institution_building/files/assets/common/downloads/Institution%20Building.pdf|archivedate=12 August 2022}}</ref>
*নিছক অভিজ্ঞতাকে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
**{{cite web|url=http://www.outlookindia.com/article.aspx?216858|title=Vikram A. Sarabhai|date=19 August 2002|accessdate=14 December 2013|publisher=OutlookIndia}}
*যিনি কোলাহলের মাঝেও সঙ্গীত শুনতে পারেন, তিনি মহত্ত্ব অর্জন করতে পারেন।
**{{Cite web|url=http://www.nmspacemuseum.org/halloffame/detail.php?id=120|title= Vikram Ambalal Sarabhai|accessdate=14 December 2013|publisher= New Mexico Museum of Space History}}
*আমাদের জাতীয় লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক পশ্চাৎপদতা ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতার অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে এমন পরিবর্তন কয়েক দশকের মধ্যে অর্জন করা, যা অন্যান্য দেশ ও ভূখণ্ডে বাস্তবায়িত হতে কয়েক শতাব্দী সময় লেগেছে। এর জন্য সকল স্তরে উদ্ভাবন প্রয়োজন।
**নেহেরু-পরবর্তী যুগে “দূরদর্শন ও উন্নয়ন” বিষয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি, {{cite book|last= Joshi |first=Puran Chandra |title=Communication and National Development|url=http://books.google.com/books?id=re46IrFLtQ8C&pg=PR25|date=1 January 2002|publisher=Anamika Publishers & Distributors|isbn=978-81-7975-013-1|page=xxv}} থেকে উদ্ধৃত
===ভারতীয় পারমাণবিক বোমার নির্মাণ: বিজ্ঞান, গোপনীয়তা এবং উত্তর-ঔপনিবেশিক রাষ্ট্র===
<small>{{cite book|last= Abraham |first=Itty |title=The Making of the Indian Atomic Bomb: Science, Secrecy and the Postcolonial State|url=http://books.google.com/books?id=c3MPQhmV0loC&pg=PA143|date=15 November 1998|publisher=Zed Books|isbn=978-1-85649-630-8|pages=143}}</small>
can8a96e1kbbnxpg0puhuafjxl0efdx
74001
73999
2026-04-06T05:53:23Z
Nil Nandy
2294
/* ভারতীয় পারমাণবিক বোমার নির্মাণ: বিজ্ঞান, গোপনীয়তা এবং উত্তর-ঔপনিবেশিক রাষ্ট্র */
74001
wikitext
text/x-wiki
[[File:Vikram Sarabhai.jpg|thumb|right| বিক্রম সারাভাই, ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক]]
'''[[w:বিক্রম সারাভাই|বিক্রম আম্বালাল সারাভাই]]''' ([[w:গুজরাত| গুজরাতি]]: વિક્રમ અંબાલાલ સારાભાઇ) (১২ আগস্ট, ১৯১৯ – ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৭১) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিদ। তিনি ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক হিসেবে পরিচিত। তাকে “রেনেসাঁস ম্যান” বলেও অভিহিত করা হয়। তিনি ১৯৪৭ সালে ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা করেন। বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার (VSSC), যা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার উৎক্ষেপণযান উন্নয়ন কেন্দ্র, তার নামানুসারে নামকরণ করা হয়েছে। তিনি অ্যাটমিক এনার্জি কমিশনের চেয়ারম্যানও ছিলেন। তাকে ১৯৬৬ সালে পদ্মভূষণ এবং মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়। ভারতে প্রতি বছর তার জন্মদিন ১২ আগস্ট 'মহাকাশ বিজ্ঞান দিবস’ পালন করা হয়।
==উক্তি ==
*আমাদের বিজ্ঞানীরা বাইরের পরামর্শমূলক কাজে যুক্ত হলে আমরা তাদের তুচ্ছজ্ঞান করি। আমরা পরোক্ষভাবে গজদন্তমিনার মানসিকতাকে উৎসাহিত করি।
**{{cite web|url=http://resourcecentre.daiict.ac.in/eresources/iresources/quotations.html |title= ৬০ জন শ্রেষ্ঠ ভারতীয়র উক্তি |publisher= ধীরুভাই আম্বানি ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি}} থেকে উদ্ধৃত
*এমন অনেকে আছেন যারা একটি উন্নয়নশীল দেশে মহাকাশ কার্যক্রমের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আমাদের উদ্দেশ্যের কোনো অস্পষ্টতা নেই। চাঁদ বা গ্রহ অন্বেষণ কিংবা মনুষ্যবাহী মহাকাশ যাত্রার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করার মতো অলীক কল্পনা আমাদের নেই। কিন্তু আমরা এ ব্যাপারে নিশ্চিত যে, যদি আমরা জাতীয় পর্যায়ে এবং আন্তর্জাতিক সমাজে একটি অর্থবহ ভূমিকা পালন করতে চাই, তবে আমাদের দেশে বিদ্যমান মানুষ ও সমাজের বাস্তব সমস্যাগুলোতে উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগের ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই অদ্বিতীয় হতে হবে। এবং আমাদের মনে রাখতে হবে যে, আমাদের সমস্যাগুলোতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও বিশ্লেষণ পদ্ধতির প্রয়োগকে এমন কোনো জাঁকজমকপূর্ণ পরিকল্পনা গ্রহণের সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়, যার মূল প্রভাব কঠোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক মাপকাঠিতে পরিমাপযোগ্য অগ্রগতির চেয়ে লোকদেখানোই বেশি।
**"ডঃ বিক্রম এ. সারাভাই-এর গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা ও গবেষণাপত্রের তালিকা"-য় উদ্ধৃত।<ref name="PRL_Sarabhai_compilation">{{cite web |title=List Of Important Speeches And Papers By Dr. Vikram A. Sarabhai. |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=27 June 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627181445/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |archivedate=27 June 2019|page=113}}</ref>
*একটা উন্নয়নশীল দেশের জন্য মহাকাশ কার্যক্রমের গুরুত্ব অনুধাবন করতে গেলে কিছু অন্তর্নিহিত সমস্যাকে স্বীকার করে নেওয়া উচিত। এই সমস্যাগুলো মহাকাশ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত চাকচিক্য থেকে উদ্ভূত হয়। বাস্তব আশঙ্কা রয়েছে যে, উন্নয়নশীল দেশগুলো মূলত এই চাকচিক্যের জন্যই মহাকাশ কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে এবং আমাদের এখানে আলোচিত মূল্যবোধগুলোকে স্বীকৃতি না দিয়ে, বরং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কৃত্রিম ভাবমূর্তি তৈরির আকাঙ্ক্ষা থেকে সম্পদ বিনিয়োগ করতে পারে। মহাকাশ কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এই পরিস্থিতিকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে।
** "দি পাওয়ার অফ দি স্পেস ক্লাব" এ উদ্ধৃত<ref>{{cite book |last1=Paikowsky |first1=Deganit |title=The Power of the Space Club |date=2017 |publisher=Cambridge University Press |isbn=9781107194496 |url=https://books.google.co.in/books?id=e9AoDwAAQBAJ&pg=PA157&lpg=PA157#v=onepage&q&f=false |accessdate=12 September 2019 |language=en}}</ref>
*জাতির উন্নয়ন জনগণের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উপলব্ধি এবং প্রয়োগের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
**"বিক্রম এ সারাভাই"এ উদ্ধৃত<ref name="PRL_Sarabhai_quotes">{{cite web |title=The Tenth Dr. Vikram A. Sarabhai Festival of Performing Arts |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=12 September 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627192004/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |archivedate=12 September 2019|page=28}}</ref>
*একটি জাতীয় কর্মসূচি, যার মাধ্যমে আগামী দশ বছরে ভারতের প্রায় ৮০ শতাংশ জনগণ দূরদর্শনের সুবিধা পাবে, তা জাতীয় সংহতি, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ইলেকট্রনিক শিল্পের উদ্দীপনা ও প্রসারের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হবে। এটি বিশেষত বিচ্ছিন্ন গ্রামীণ অঞ্চলে বসবাসকারী জনগণের জন্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।
**"Communication and National Development" গ্রন্থে ১৯৭৪ সালে তার অগ্রাধিকারের উদ্ধৃতি।
*মৌলিক গবেষণার প্রধান কাজ হলো আবিষ্কার করা, গবেষণা ও উন্নয়নের কাজ হলো বিষয়টিকে সর্বোত্তম পর্যায়ে উন্নীত করা এবং শিল্পের কাজ হলো উৎপাদন করা; আর উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনাগুলোর সংগঠনে যে প্রধান সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হতে হয়, তার অন্যতম হলো এই তিনটি সংস্কৃতির মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা—এবং এমন একটি ভিত্তি প্রস্তুত করা, যার মাধ্যমে জ্ঞান, জনশক্তি ও প্রযুক্তির হস্তান্তর এক স্তর থেকে অন্য স্তরে অবাধ পারস্পরিক যোগাযোগের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে পারে এবং একে অপরের দ্বারা উপকৃত হতে পারে।
**১০ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে টিআইএফআর-এর রজত জয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রদত্ত ভাষণ থেকে উদ্ধৃত।<ref>{{Cite web|url=https://www.idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|title=Tata Institute of Fundamental Research Silver Jubilee celebration speech by Dr Vikram Sarabhai on Saturday, 10 April 1971|archiveurl=https://web.archive.org/web/20150418092154/http://idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|archivedate=18 April 2015}}</ref><ref name="PRL_Sarabhai_quotes"/>
*সেখানে কোনো নেতা নেই, নেই কোনো অনুগামীও। যদি কাউকে নেতা হিসেবে চিহ্নিত করতেই হয়, তবে তিনি হবেন কৃষক, নির্মাতা নন। তাকে এমন মাটি, সামগ্রিক আবহাওয়া এবং পরিবেশের জোগান দিতে হবে, যার মধ্যে বীজ অঙ্কুরিত হয়ে বেড়ে উঠতে পারে। আমরা এমন উদারচেতা মানুষদের প্রত্যাশা করি, যাদের নিজেদের নেতা হিসেবে প্রমাণ করার জন্য অন্যদের নির্দেশ জারি করার কোনো তীব্র তাগিদ নেই; বরং তারা নিজেদের সৃজনশীলতা, প্রকৃতিপ্রেম এবং যাকে ‘বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি’ বলা যেতে পারে তার প্রতি নিষ্ঠার মাধ্যমেই একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে ঠিক এমন নেতারাই আমাদের প্রয়োজন।
** সায়েন্স পলিসি অ্যান্ড ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট, নিউ দিল্লি: ম্যাকমিলান, ১৯৭৪ <ref>{{Cite web|url=https://www.isro.gov.in/sites/default/files/flipping_book/institution_building/files/assets/common/downloads/Institution%20Building.pdf|title=Institution building : Lessons from Vikrarn Sarabhai's leadership|archiveurl=https://web.archive.org/web/20220812025514/https://www.isro.gov.in/sites/default/files/flipping_book/institution_building/files/assets/common/downloads/Institution%20Building.pdf|archivedate=12 August 2022}}</ref>
*নিছক অভিজ্ঞতাকে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
**{{cite web|url=http://www.outlookindia.com/article.aspx?216858|title=Vikram A. Sarabhai|date=19 August 2002|accessdate=14 December 2013|publisher=OutlookIndia}}
*যিনি কোলাহলের মাঝেও সঙ্গীত শুনতে পারেন, তিনি মহত্ত্ব অর্জন করতে পারেন।
**{{Cite web|url=http://www.nmspacemuseum.org/halloffame/detail.php?id=120|title= Vikram Ambalal Sarabhai|accessdate=14 December 2013|publisher= New Mexico Museum of Space History}}
*আমাদের জাতীয় লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক পশ্চাৎপদতা ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতার অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে এমন পরিবর্তন কয়েক দশকের মধ্যে অর্জন করা, যা অন্যান্য দেশ ও ভূখণ্ডে বাস্তবায়িত হতে কয়েক শতাব্দী সময় লেগেছে। এর জন্য সকল স্তরে উদ্ভাবন প্রয়োজন।
**নেহেরু-পরবর্তী যুগে “দূরদর্শন ও উন্নয়ন” বিষয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি, {{cite book|last= Joshi |first=Puran Chandra |title=Communication and National Development|url=http://books.google.com/books?id=re46IrFLtQ8C&pg=PR25|date=1 January 2002|publisher=Anamika Publishers & Distributors|isbn=978-81-7975-013-1|page=xxv}} থেকে উদ্ধৃত
===ভারতীয় পারমাণবিক বোমার নির্মাণ: বিজ্ঞান, গোপনীয়তা এবং উত্তর-ঔপনিবেশিক রাষ্ট্র===
<small>{{cite book|last= Abraham |first=Itty |title=The Making of the Indian Atomic Bomb: Science, Secrecy and the Postcolonial State|url=http://books.google.com/books?id=c3MPQhmV0loC&pg=PA143|date=15 November 1998|publisher=Zed Books|isbn=978-1-85649-630-8|pages=143}}</small>
*আমি জোর দিয়ে বলতে চাই যে, নিরাপত্তা শুধু বাইরে থেকে নয়, ভেতর থেকেও বিপন্ন হতে পারে। যদি আপনারা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অগ্রগতির হার বজায় না রাখেন, তবে আমি বলব যে আপনারা এক ভয়াবহ সংকটের সম্মুখীন হবেন, যা আমাদের পরিচিত ভারতকে ধ্বংস করে দেবে।
**এমন এক সময়ে যখন ব্যাপক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার সংকট চলছিল এবং যখন তাকে পারমাণবিক শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যানের পদ গ্রহণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।
*সুতরাং, এই পুরো বিষয়টির আসল সমস্যাটি হলো, যেকোনো নির্দিষ্ট সময়ে একটি দেশ যে প্রতিরক্ষা ব্যয়ের বোঝা বহন করতে পারে, তার বিপরীতে উৎপাদনশীল ও সামাজিক কল্যাণের জন্য জাতীয় সম্পদের ব্যবহার।
**অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন বনাম বাহ্যিক প্রতিরক্ষার অগ্রাধিকারের প্রশ্নে।
ab59f7di4ljfgq9jno2qmlbq6fr8fnb
74004
74001
2026-04-06T05:57:20Z
Nil Nandy
2294
74004
wikitext
text/x-wiki
[[File:Vikram Sarabhai.jpg|thumb|right| বিক্রম সারাভাই, ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক]]
'''[[w:বিক্রম সারাভাই|বিক্রম আম্বালাল সারাভাই]]''' ([[w:গুজরাত| গুজরাতি]]: વિક્રમ અંબાલાલ સારાભાઇ) (১২ আগস্ট, ১৯১৯ – ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৭১) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিদ। তিনি ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক হিসেবে পরিচিত। তাকে “রেনেসাঁস ম্যান” বলেও অভিহিত করা হয়। তিনি ১৯৪৭ সালে ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা করেন। বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার (VSSC), যা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার উৎক্ষেপণযান উন্নয়ন কেন্দ্র, তার নামানুসারে নামকরণ করা হয়েছে। তিনি অ্যাটমিক এনার্জি কমিশনের চেয়ারম্যানও ছিলেন। তাকে ১৯৬৬ সালে পদ্মভূষণ এবং মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়। ভারতে প্রতি বছর তার জন্মদিন ১২ আগস্ট 'মহাকাশ বিজ্ঞান দিবস’ পালন করা হয়।
==উক্তি ==
*আমাদের বিজ্ঞানীরা বাইরের পরামর্শমূলক কাজে যুক্ত হলে আমরা তাদের তুচ্ছজ্ঞান করি। আমরা পরোক্ষভাবে গজদন্তমিনার মানসিকতাকে উৎসাহিত করি।
**{{cite web|url=http://resourcecentre.daiict.ac.in/eresources/iresources/quotations.html |title= ৬০ জন শ্রেষ্ঠ ভারতীয়র উক্তি |publisher= ধীরুভাই আম্বানি ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি}} থেকে উদ্ধৃত
*এমন অনেকে আছেন যারা একটি উন্নয়নশীল দেশে মহাকাশ কার্যক্রমের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আমাদের উদ্দেশ্যের কোনো অস্পষ্টতা নেই। চাঁদ বা গ্রহ অন্বেষণ কিংবা মনুষ্যবাহী মহাকাশ যাত্রার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করার মতো অলীক কল্পনা আমাদের নেই। কিন্তু আমরা এ ব্যাপারে নিশ্চিত যে, যদি আমরা জাতীয় পর্যায়ে এবং আন্তর্জাতিক সমাজে একটি অর্থবহ ভূমিকা পালন করতে চাই, তবে আমাদের দেশে বিদ্যমান মানুষ ও সমাজের বাস্তব সমস্যাগুলোতে উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগের ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই অদ্বিতীয় হতে হবে। এবং আমাদের মনে রাখতে হবে যে, আমাদের সমস্যাগুলোতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও বিশ্লেষণ পদ্ধতির প্রয়োগকে এমন কোনো জাঁকজমকপূর্ণ পরিকল্পনা গ্রহণের সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়, যার মূল প্রভাব কঠোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক মাপকাঠিতে পরিমাপযোগ্য অগ্রগতির চেয়ে লোকদেখানোই বেশি।
**"ডঃ বিক্রম এ. সারাভাই-এর গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা ও গবেষণাপত্রের তালিকা"-য় উদ্ধৃত।<ref name="PRL_Sarabhai_compilation">{{cite web |title=List Of Important Speeches And Papers By Dr. Vikram A. Sarabhai. |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=27 June 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627181445/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |archivedate=27 June 2019|page=113}}</ref>
*একটা উন্নয়নশীল দেশের জন্য মহাকাশ কার্যক্রমের গুরুত্ব অনুধাবন করতে গেলে কিছু অন্তর্নিহিত সমস্যাকে স্বীকার করে নেওয়া উচিত। এই সমস্যাগুলো মহাকাশ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত চাকচিক্য থেকে উদ্ভূত হয়। বাস্তব আশঙ্কা রয়েছে যে, উন্নয়নশীল দেশগুলো মূলত এই চাকচিক্যের জন্যই মহাকাশ কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে এবং আমাদের এখানে আলোচিত মূল্যবোধগুলোকে স্বীকৃতি না দিয়ে, বরং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কৃত্রিম ভাবমূর্তি তৈরির আকাঙ্ক্ষা থেকে সম্পদ বিনিয়োগ করতে পারে। মহাকাশ কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এই পরিস্থিতিকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে।
** "দি পাওয়ার অফ দি স্পেস ক্লাব" এ উদ্ধৃত<ref>{{cite book |last1=Paikowsky |first1=Deganit |title=The Power of the Space Club |date=2017 |publisher=Cambridge University Press |isbn=9781107194496 |url=https://books.google.co.in/books?id=e9AoDwAAQBAJ&pg=PA157&lpg=PA157#v=onepage&q&f=false |accessdate=12 September 2019 |language=en}}</ref>
*জাতির উন্নয়ন জনগণের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উপলব্ধি এবং প্রয়োগের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
**"বিক্রম এ সারাভাই"এ উদ্ধৃত<ref name="PRL_Sarabhai_quotes">{{cite web |title=The Tenth Dr. Vikram A. Sarabhai Festival of Performing Arts |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=12 September 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627192004/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |archivedate=12 September 2019|page=28}}</ref>
*একটি জাতীয় কর্মসূচি, যার মাধ্যমে আগামী দশ বছরে ভারতের প্রায় ৮০ শতাংশ জনগণ দূরদর্শনের সুবিধা পাবে, তা জাতীয় সংহতি, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ইলেকট্রনিক শিল্পের উদ্দীপনা ও প্রসারের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হবে। এটি বিশেষত বিচ্ছিন্ন গ্রামীণ অঞ্চলে বসবাসকারী জনগণের জন্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।
**"Communication and National Development" গ্রন্থে ১৯৭৪ সালে তার অগ্রাধিকারের উদ্ধৃতি।
*মৌলিক গবেষণার প্রধান কাজ হলো আবিষ্কার করা, গবেষণা ও উন্নয়নের কাজ হলো বিষয়টিকে সর্বোত্তম পর্যায়ে উন্নীত করা এবং শিল্পের কাজ হলো উৎপাদন করা; আর উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনাগুলোর সংগঠনে যে প্রধান সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হতে হয়, তার অন্যতম হলো এই তিনটি সংস্কৃতির মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা—এবং এমন একটি ভিত্তি প্রস্তুত করা, যার মাধ্যমে জ্ঞান, জনশক্তি ও প্রযুক্তির হস্তান্তর এক স্তর থেকে অন্য স্তরে অবাধ পারস্পরিক যোগাযোগের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে পারে এবং একে অপরের দ্বারা উপকৃত হতে পারে।
**১০ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে টিআইএফআর-এর রজত জয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রদত্ত ভাষণ থেকে উদ্ধৃত।<ref>{{Cite web|url=https://www.idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|title=Tata Institute of Fundamental Research Silver Jubilee celebration speech by Dr Vikram Sarabhai on Saturday, 10 April 1971|archiveurl=https://web.archive.org/web/20150418092154/http://idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|archivedate=18 April 2015}}</ref><ref name="PRL_Sarabhai_quotes"/>
*সেখানে কোনো নেতা নেই, নেই কোনো অনুগামীও। যদি কাউকে নেতা হিসেবে চিহ্নিত করতেই হয়, তবে তিনি হবেন কৃষক, নির্মাতা নন। তাকে এমন মাটি, সামগ্রিক আবহাওয়া এবং পরিবেশের জোগান দিতে হবে, যার মধ্যে বীজ অঙ্কুরিত হয়ে বেড়ে উঠতে পারে। আমরা এমন উদারচেতা মানুষদের প্রত্যাশা করি, যাদের নিজেদের নেতা হিসেবে প্রমাণ করার জন্য অন্যদের নির্দেশ জারি করার কোনো তীব্র তাগিদ নেই; বরং তারা নিজেদের সৃজনশীলতা, প্রকৃতিপ্রেম এবং যাকে ‘বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি’ বলা যেতে পারে তার প্রতি নিষ্ঠার মাধ্যমেই একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে ঠিক এমন নেতারাই আমাদের প্রয়োজন।
** সায়েন্স পলিসি অ্যান্ড ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট, নিউ দিল্লি: ম্যাকমিলান, ১৯৭৪ <ref>{{Cite web|url=https://www.isro.gov.in/sites/default/files/flipping_book/institution_building/files/assets/common/downloads/Institution%20Building.pdf|title=Institution building : Lessons from Vikrarn Sarabhai's leadership|archiveurl=https://web.archive.org/web/20220812025514/https://www.isro.gov.in/sites/default/files/flipping_book/institution_building/files/assets/common/downloads/Institution%20Building.pdf|archivedate=12 August 2022}}</ref>
*নিছক অভিজ্ঞতাকে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
**{{cite web|url=http://www.outlookindia.com/article.aspx?216858|title=Vikram A. Sarabhai|date=19 August 2002|accessdate=14 December 2013|publisher=OutlookIndia}}
*যিনি কোলাহলের মাঝেও সঙ্গীত শুনতে পারেন, তিনি মহত্ত্ব অর্জন করতে পারেন।
**{{Cite web|url=http://www.nmspacemuseum.org/halloffame/detail.php?id=120|title= Vikram Ambalal Sarabhai|accessdate=14 December 2013|publisher= New Mexico Museum of Space History}}
*আমাদের জাতীয় লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক পশ্চাৎপদতা ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতার অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে এমন পরিবর্তন কয়েক দশকের মধ্যে অর্জন করা, যা অন্যান্য দেশ ও ভূখণ্ডে বাস্তবায়িত হতে কয়েক শতাব্দী সময় লেগেছে। এর জন্য সকল স্তরে উদ্ভাবন প্রয়োজন।
**নেহেরু-পরবর্তী যুগে “দূরদর্শন ও উন্নয়ন” বিষয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি, {{cite book|last= Joshi |first=Puran Chandra |title=Communication and National Development|url=http://books.google.com/books?id=re46IrFLtQ8C&pg=PR25|date=1 January 2002|publisher=Anamika Publishers & Distributors|isbn=978-81-7975-013-1|page=xxv}} থেকে উদ্ধৃত
===ভারতীয় পারমাণবিক বোমার নির্মাণ: বিজ্ঞান, গোপনীয়তা এবং উত্তর-ঔপনিবেশিক রাষ্ট্র===
<small>{{cite book|last= Abraham |first=Itty |title=The Making of the Indian Atomic Bomb: Science, Secrecy and the Postcolonial State|url=http://books.google.com/books?id=c3MPQhmV0loC&pg=PA143|date=15 November 1998|publisher=Zed Books|isbn=978-1-85649-630-8|pages=143}}</small>
*আমি জোর দিয়ে বলতে চাই যে, নিরাপত্তা শুধু বাইরে থেকে নয়, ভেতর থেকেও বিপন্ন হতে পারে। যদি আপনারা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অগ্রগতির হার বজায় না রাখেন, তবে আমি বলব যে আপনারা এক ভয়াবহ সংকটের সম্মুখীন হবেন, যা আমাদের পরিচিত ভারতকে ধ্বংস করে দেবে।
**এমন এক সময়ে যখন ব্যাপক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার সংকট চলছিল এবং যখন তাকে পারমাণবিক শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যানের পদ গ্রহণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।
*সুতরাং, এই পুরো বিষয়টির আসল সমস্যাটি হলো, যেকোনো নির্দিষ্ট সময়ে একটি দেশ যে প্রতিরক্ষা ব্যয়ের বোঝা বহন করতে পারে, তার বিপরীতে উৎপাদনশীল ও সামাজিক কল্যাণের জন্য জাতীয় সম্পদের ব্যবহার।
**অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন বনাম বাহ্যিক প্রতিরক্ষার অগ্রাধিকারের প্রশ্নে।
==তার সম্পর্কে উক্তি==
o96lgtk3750ddnw1qpakrp42355pfgz
74008
74004
2026-04-06T06:01:21Z
Nil Nandy
2294
/* তার সম্পর্কে উক্তি */
74008
wikitext
text/x-wiki
[[File:Vikram Sarabhai.jpg|thumb|right| বিক্রম সারাভাই, ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক]]
'''[[w:বিক্রম সারাভাই|বিক্রম আম্বালাল সারাভাই]]''' ([[w:গুজরাত| গুজরাতি]]: વિક્રમ અંબાલાલ સારાભાઇ) (১২ আগস্ট, ১৯১৯ – ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৭১) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিদ। তিনি ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক হিসেবে পরিচিত। তাকে “রেনেসাঁস ম্যান” বলেও অভিহিত করা হয়। তিনি ১৯৪৭ সালে ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা করেন। বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার (VSSC), যা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার উৎক্ষেপণযান উন্নয়ন কেন্দ্র, তার নামানুসারে নামকরণ করা হয়েছে। তিনি অ্যাটমিক এনার্জি কমিশনের চেয়ারম্যানও ছিলেন। তাকে ১৯৬৬ সালে পদ্মভূষণ এবং মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়। ভারতে প্রতি বছর তার জন্মদিন ১২ আগস্ট 'মহাকাশ বিজ্ঞান দিবস’ পালন করা হয়।
==উক্তি ==
*আমাদের বিজ্ঞানীরা বাইরের পরামর্শমূলক কাজে যুক্ত হলে আমরা তাদের তুচ্ছজ্ঞান করি। আমরা পরোক্ষভাবে গজদন্তমিনার মানসিকতাকে উৎসাহিত করি।
**{{cite web|url=http://resourcecentre.daiict.ac.in/eresources/iresources/quotations.html |title= ৬০ জন শ্রেষ্ঠ ভারতীয়র উক্তি |publisher= ধীরুভাই আম্বানি ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি}} থেকে উদ্ধৃত
*এমন অনেকে আছেন যারা একটি উন্নয়নশীল দেশে মহাকাশ কার্যক্রমের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আমাদের উদ্দেশ্যের কোনো অস্পষ্টতা নেই। চাঁদ বা গ্রহ অন্বেষণ কিংবা মনুষ্যবাহী মহাকাশ যাত্রার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করার মতো অলীক কল্পনা আমাদের নেই। কিন্তু আমরা এ ব্যাপারে নিশ্চিত যে, যদি আমরা জাতীয় পর্যায়ে এবং আন্তর্জাতিক সমাজে একটি অর্থবহ ভূমিকা পালন করতে চাই, তবে আমাদের দেশে বিদ্যমান মানুষ ও সমাজের বাস্তব সমস্যাগুলোতে উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগের ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই অদ্বিতীয় হতে হবে। এবং আমাদের মনে রাখতে হবে যে, আমাদের সমস্যাগুলোতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও বিশ্লেষণ পদ্ধতির প্রয়োগকে এমন কোনো জাঁকজমকপূর্ণ পরিকল্পনা গ্রহণের সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়, যার মূল প্রভাব কঠোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক মাপকাঠিতে পরিমাপযোগ্য অগ্রগতির চেয়ে লোকদেখানোই বেশি।
**"ডঃ বিক্রম এ. সারাভাই-এর গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা ও গবেষণাপত্রের তালিকা"-য় উদ্ধৃত।<ref name="PRL_Sarabhai_compilation">{{cite web |title=List Of Important Speeches And Papers By Dr. Vikram A. Sarabhai. |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=27 June 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627181445/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |archivedate=27 June 2019|page=113}}</ref>
*একটা উন্নয়নশীল দেশের জন্য মহাকাশ কার্যক্রমের গুরুত্ব অনুধাবন করতে গেলে কিছু অন্তর্নিহিত সমস্যাকে স্বীকার করে নেওয়া উচিত। এই সমস্যাগুলো মহাকাশ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত চাকচিক্য থেকে উদ্ভূত হয়। বাস্তব আশঙ্কা রয়েছে যে, উন্নয়নশীল দেশগুলো মূলত এই চাকচিক্যের জন্যই মহাকাশ কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে এবং আমাদের এখানে আলোচিত মূল্যবোধগুলোকে স্বীকৃতি না দিয়ে, বরং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কৃত্রিম ভাবমূর্তি তৈরির আকাঙ্ক্ষা থেকে সম্পদ বিনিয়োগ করতে পারে। মহাকাশ কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এই পরিস্থিতিকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে।
** "দি পাওয়ার অফ দি স্পেস ক্লাব" এ উদ্ধৃত<ref>{{cite book |last1=Paikowsky |first1=Deganit |title=The Power of the Space Club |date=2017 |publisher=Cambridge University Press |isbn=9781107194496 |url=https://books.google.co.in/books?id=e9AoDwAAQBAJ&pg=PA157&lpg=PA157#v=onepage&q&f=false |accessdate=12 September 2019 |language=en}}</ref>
*জাতির উন্নয়ন জনগণের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উপলব্ধি এবং প্রয়োগের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
**"বিক্রম এ সারাভাই"এ উদ্ধৃত<ref name="PRL_Sarabhai_quotes">{{cite web |title=The Tenth Dr. Vikram A. Sarabhai Festival of Performing Arts |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=12 September 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627192004/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |archivedate=12 September 2019|page=28}}</ref>
*একটি জাতীয় কর্মসূচি, যার মাধ্যমে আগামী দশ বছরে ভারতের প্রায় ৮০ শতাংশ জনগণ দূরদর্শনের সুবিধা পাবে, তা জাতীয় সংহতি, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ইলেকট্রনিক শিল্পের উদ্দীপনা ও প্রসারের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হবে। এটি বিশেষত বিচ্ছিন্ন গ্রামীণ অঞ্চলে বসবাসকারী জনগণের জন্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।
**"Communication and National Development" গ্রন্থে ১৯৭৪ সালে তার অগ্রাধিকারের উদ্ধৃতি।
*মৌলিক গবেষণার প্রধান কাজ হলো আবিষ্কার করা, গবেষণা ও উন্নয়নের কাজ হলো বিষয়টিকে সর্বোত্তম পর্যায়ে উন্নীত করা এবং শিল্পের কাজ হলো উৎপাদন করা; আর উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনাগুলোর সংগঠনে যে প্রধান সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হতে হয়, তার অন্যতম হলো এই তিনটি সংস্কৃতির মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা—এবং এমন একটি ভিত্তি প্রস্তুত করা, যার মাধ্যমে জ্ঞান, জনশক্তি ও প্রযুক্তির হস্তান্তর এক স্তর থেকে অন্য স্তরে অবাধ পারস্পরিক যোগাযোগের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে পারে এবং একে অপরের দ্বারা উপকৃত হতে পারে।
**১০ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে টিআইএফআর-এর রজত জয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রদত্ত ভাষণ থেকে উদ্ধৃত।<ref>{{Cite web|url=https://www.idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|title=Tata Institute of Fundamental Research Silver Jubilee celebration speech by Dr Vikram Sarabhai on Saturday, 10 April 1971|archiveurl=https://web.archive.org/web/20150418092154/http://idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|archivedate=18 April 2015}}</ref><ref name="PRL_Sarabhai_quotes"/>
*সেখানে কোনো নেতা নেই, নেই কোনো অনুগামীও। যদি কাউকে নেতা হিসেবে চিহ্নিত করতেই হয়, তবে তিনি হবেন কৃষক, নির্মাতা নন। তাকে এমন মাটি, সামগ্রিক আবহাওয়া এবং পরিবেশের জোগান দিতে হবে, যার মধ্যে বীজ অঙ্কুরিত হয়ে বেড়ে উঠতে পারে। আমরা এমন উদারচেতা মানুষদের প্রত্যাশা করি, যাদের নিজেদের নেতা হিসেবে প্রমাণ করার জন্য অন্যদের নির্দেশ জারি করার কোনো তীব্র তাগিদ নেই; বরং তারা নিজেদের সৃজনশীলতা, প্রকৃতিপ্রেম এবং যাকে ‘বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি’ বলা যেতে পারে তার প্রতি নিষ্ঠার মাধ্যমেই একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে ঠিক এমন নেতারাই আমাদের প্রয়োজন।
** সায়েন্স পলিসি অ্যান্ড ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট, নিউ দিল্লি: ম্যাকমিলান, ১৯৭৪ <ref>{{Cite web|url=https://www.isro.gov.in/sites/default/files/flipping_book/institution_building/files/assets/common/downloads/Institution%20Building.pdf|title=Institution building : Lessons from Vikrarn Sarabhai's leadership|archiveurl=https://web.archive.org/web/20220812025514/https://www.isro.gov.in/sites/default/files/flipping_book/institution_building/files/assets/common/downloads/Institution%20Building.pdf|archivedate=12 August 2022}}</ref>
*নিছক অভিজ্ঞতাকে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
**{{cite web|url=http://www.outlookindia.com/article.aspx?216858|title=Vikram A. Sarabhai|date=19 August 2002|accessdate=14 December 2013|publisher=OutlookIndia}}
*যিনি কোলাহলের মাঝেও সঙ্গীত শুনতে পারেন, তিনি মহত্ত্ব অর্জন করতে পারেন।
**{{Cite web|url=http://www.nmspacemuseum.org/halloffame/detail.php?id=120|title= Vikram Ambalal Sarabhai|accessdate=14 December 2013|publisher= New Mexico Museum of Space History}}
*আমাদের জাতীয় লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক পশ্চাৎপদতা ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতার অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে এমন পরিবর্তন কয়েক দশকের মধ্যে অর্জন করা, যা অন্যান্য দেশ ও ভূখণ্ডে বাস্তবায়িত হতে কয়েক শতাব্দী সময় লেগেছে। এর জন্য সকল স্তরে উদ্ভাবন প্রয়োজন।
**নেহেরু-পরবর্তী যুগে “দূরদর্শন ও উন্নয়ন” বিষয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি, {{cite book|last= Joshi |first=Puran Chandra |title=Communication and National Development|url=http://books.google.com/books?id=re46IrFLtQ8C&pg=PR25|date=1 January 2002|publisher=Anamika Publishers & Distributors|isbn=978-81-7975-013-1|page=xxv}} থেকে উদ্ধৃত
===ভারতীয় পারমাণবিক বোমার নির্মাণ: বিজ্ঞান, গোপনীয়তা এবং উত্তর-ঔপনিবেশিক রাষ্ট্র===
<small>{{cite book|last= Abraham |first=Itty |title=The Making of the Indian Atomic Bomb: Science, Secrecy and the Postcolonial State|url=http://books.google.com/books?id=c3MPQhmV0loC&pg=PA143|date=15 November 1998|publisher=Zed Books|isbn=978-1-85649-630-8|pages=143}}</small>
*আমি জোর দিয়ে বলতে চাই যে, নিরাপত্তা শুধু বাইরে থেকে নয়, ভেতর থেকেও বিপন্ন হতে পারে। যদি আপনারা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অগ্রগতির হার বজায় না রাখেন, তবে আমি বলব যে আপনারা এক ভয়াবহ সংকটের সম্মুখীন হবেন, যা আমাদের পরিচিত ভারতকে ধ্বংস করে দেবে।
**এমন এক সময়ে যখন ব্যাপক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার সংকট চলছিল এবং যখন তাকে পারমাণবিক শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যানের পদ গ্রহণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।
*সুতরাং, এই পুরো বিষয়টির আসল সমস্যাটি হলো, যেকোনো নির্দিষ্ট সময়ে একটি দেশ যে প্রতিরক্ষা ব্যয়ের বোঝা বহন করতে পারে, তার বিপরীতে উৎপাদনশীল ও সামাজিক কল্যাণের জন্য জাতীয় সম্পদের ব্যবহার।
**অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন বনাম বাহ্যিক প্রতিরক্ষার অগ্রাধিকারের প্রশ্নে।
==তার সম্পর্কে উক্তি==
==বহিঃসংযোগ==
* https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf
* https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf
{{Wikipedia}}
{{DEFAULTSORT:Sarabhai, Vikram}}
==তথ্যসূত্র==
{{Reflist}}
2l88ahmsinqv1np3xpfpogcxtgag32s
74010
74008
2026-04-06T06:02:51Z
Nil Nandy
2294
/* তথ্যসূত্র */
74010
wikitext
text/x-wiki
[[File:Vikram Sarabhai.jpg|thumb|right| বিক্রম সারাভাই, ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক]]
'''[[w:বিক্রম সারাভাই|বিক্রম আম্বালাল সারাভাই]]''' ([[w:গুজরাত| গুজরাতি]]: વિક્રમ અંબાલાલ સારાભાઇ) (১২ আগস্ট, ১৯১৯ – ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৭১) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিদ। তিনি ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক হিসেবে পরিচিত। তাকে “রেনেসাঁস ম্যান” বলেও অভিহিত করা হয়। তিনি ১৯৪৭ সালে ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা করেন। বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার (VSSC), যা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার উৎক্ষেপণযান উন্নয়ন কেন্দ্র, তার নামানুসারে নামকরণ করা হয়েছে। তিনি অ্যাটমিক এনার্জি কমিশনের চেয়ারম্যানও ছিলেন। তাকে ১৯৬৬ সালে পদ্মভূষণ এবং মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়। ভারতে প্রতি বছর তার জন্মদিন ১২ আগস্ট 'মহাকাশ বিজ্ঞান দিবস’ পালন করা হয়।
==উক্তি ==
*আমাদের বিজ্ঞানীরা বাইরের পরামর্শমূলক কাজে যুক্ত হলে আমরা তাদের তুচ্ছজ্ঞান করি। আমরা পরোক্ষভাবে গজদন্তমিনার মানসিকতাকে উৎসাহিত করি।
**{{cite web|url=http://resourcecentre.daiict.ac.in/eresources/iresources/quotations.html |title= ৬০ জন শ্রেষ্ঠ ভারতীয়র উক্তি |publisher= ধীরুভাই আম্বানি ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি}} থেকে উদ্ধৃত
*এমন অনেকে আছেন যারা একটি উন্নয়নশীল দেশে মহাকাশ কার্যক্রমের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আমাদের উদ্দেশ্যের কোনো অস্পষ্টতা নেই। চাঁদ বা গ্রহ অন্বেষণ কিংবা মনুষ্যবাহী মহাকাশ যাত্রার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করার মতো অলীক কল্পনা আমাদের নেই। কিন্তু আমরা এ ব্যাপারে নিশ্চিত যে, যদি আমরা জাতীয় পর্যায়ে এবং আন্তর্জাতিক সমাজে একটি অর্থবহ ভূমিকা পালন করতে চাই, তবে আমাদের দেশে বিদ্যমান মানুষ ও সমাজের বাস্তব সমস্যাগুলোতে উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগের ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই অদ্বিতীয় হতে হবে। এবং আমাদের মনে রাখতে হবে যে, আমাদের সমস্যাগুলোতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও বিশ্লেষণ পদ্ধতির প্রয়োগকে এমন কোনো জাঁকজমকপূর্ণ পরিকল্পনা গ্রহণের সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়, যার মূল প্রভাব কঠোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক মাপকাঠিতে পরিমাপযোগ্য অগ্রগতির চেয়ে লোকদেখানোই বেশি।
**"ডঃ বিক্রম এ. সারাভাই-এর গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা ও গবেষণাপত্রের তালিকা"-য় উদ্ধৃত।<ref name="PRL_Sarabhai_compilation">{{cite web |title=List Of Important Speeches And Papers By Dr. Vikram A. Sarabhai. |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=27 June 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627181445/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |archivedate=27 June 2019|page=113}}</ref>
*একটা উন্নয়নশীল দেশের জন্য মহাকাশ কার্যক্রমের গুরুত্ব অনুধাবন করতে গেলে কিছু অন্তর্নিহিত সমস্যাকে স্বীকার করে নেওয়া উচিত। এই সমস্যাগুলো মহাকাশ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত চাকচিক্য থেকে উদ্ভূত হয়। বাস্তব আশঙ্কা রয়েছে যে, উন্নয়নশীল দেশগুলো মূলত এই চাকচিক্যের জন্যই মহাকাশ কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে এবং আমাদের এখানে আলোচিত মূল্যবোধগুলোকে স্বীকৃতি না দিয়ে, বরং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কৃত্রিম ভাবমূর্তি তৈরির আকাঙ্ক্ষা থেকে সম্পদ বিনিয়োগ করতে পারে। মহাকাশ কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এই পরিস্থিতিকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে।
** "দি পাওয়ার অফ দি স্পেস ক্লাব" এ উদ্ধৃত<ref>{{cite book |last1=Paikowsky |first1=Deganit |title=The Power of the Space Club |date=2017 |publisher=Cambridge University Press |isbn=9781107194496 |url=https://books.google.co.in/books?id=e9AoDwAAQBAJ&pg=PA157&lpg=PA157#v=onepage&q&f=false |accessdate=12 September 2019 |language=en}}</ref>
*জাতির উন্নয়ন জনগণের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উপলব্ধি এবং প্রয়োগের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
**"বিক্রম এ সারাভাই"এ উদ্ধৃত<ref name="PRL_Sarabhai_quotes">{{cite web |title=The Tenth Dr. Vikram A. Sarabhai Festival of Performing Arts |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=12 September 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627192004/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |archivedate=12 September 2019|page=28}}</ref>
*একটি জাতীয় কর্মসূচি, যার মাধ্যমে আগামী দশ বছরে ভারতের প্রায় ৮০ শতাংশ জনগণ দূরদর্শনের সুবিধা পাবে, তা জাতীয় সংহতি, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ইলেকট্রনিক শিল্পের উদ্দীপনা ও প্রসারের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হবে। এটি বিশেষত বিচ্ছিন্ন গ্রামীণ অঞ্চলে বসবাসকারী জনগণের জন্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।
**"Communication and National Development" গ্রন্থে ১৯৭৪ সালে তার অগ্রাধিকারের উদ্ধৃতি।
*মৌলিক গবেষণার প্রধান কাজ হলো আবিষ্কার করা, গবেষণা ও উন্নয়নের কাজ হলো বিষয়টিকে সর্বোত্তম পর্যায়ে উন্নীত করা এবং শিল্পের কাজ হলো উৎপাদন করা; আর উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনাগুলোর সংগঠনে যে প্রধান সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হতে হয়, তার অন্যতম হলো এই তিনটি সংস্কৃতির মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা—এবং এমন একটি ভিত্তি প্রস্তুত করা, যার মাধ্যমে জ্ঞান, জনশক্তি ও প্রযুক্তির হস্তান্তর এক স্তর থেকে অন্য স্তরে অবাধ পারস্পরিক যোগাযোগের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে পারে এবং একে অপরের দ্বারা উপকৃত হতে পারে।
**১০ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে টিআইএফআর-এর রজত জয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রদত্ত ভাষণ থেকে উদ্ধৃত।<ref>{{Cite web|url=https://www.idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|title=Tata Institute of Fundamental Research Silver Jubilee celebration speech by Dr Vikram Sarabhai on Saturday, 10 April 1971|archiveurl=https://web.archive.org/web/20150418092154/http://idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|archivedate=18 April 2015}}</ref><ref name="PRL_Sarabhai_quotes"/>
*সেখানে কোনো নেতা নেই, নেই কোনো অনুগামীও। যদি কাউকে নেতা হিসেবে চিহ্নিত করতেই হয়, তবে তিনি হবেন কৃষক, নির্মাতা নন। তাকে এমন মাটি, সামগ্রিক আবহাওয়া এবং পরিবেশের জোগান দিতে হবে, যার মধ্যে বীজ অঙ্কুরিত হয়ে বেড়ে উঠতে পারে। আমরা এমন উদারচেতা মানুষদের প্রত্যাশা করি, যাদের নিজেদের নেতা হিসেবে প্রমাণ করার জন্য অন্যদের নির্দেশ জারি করার কোনো তীব্র তাগিদ নেই; বরং তারা নিজেদের সৃজনশীলতা, প্রকৃতিপ্রেম এবং যাকে ‘বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি’ বলা যেতে পারে তার প্রতি নিষ্ঠার মাধ্যমেই একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে ঠিক এমন নেতারাই আমাদের প্রয়োজন।
** সায়েন্স পলিসি অ্যান্ড ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট, নিউ দিল্লি: ম্যাকমিলান, ১৯৭৪ <ref>{{Cite web|url=https://www.isro.gov.in/sites/default/files/flipping_book/institution_building/files/assets/common/downloads/Institution%20Building.pdf|title=Institution building : Lessons from Vikrarn Sarabhai's leadership|archiveurl=https://web.archive.org/web/20220812025514/https://www.isro.gov.in/sites/default/files/flipping_book/institution_building/files/assets/common/downloads/Institution%20Building.pdf|archivedate=12 August 2022}}</ref>
*নিছক অভিজ্ঞতাকে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
**{{cite web|url=http://www.outlookindia.com/article.aspx?216858|title=Vikram A. Sarabhai|date=19 August 2002|accessdate=14 December 2013|publisher=OutlookIndia}}
*যিনি কোলাহলের মাঝেও সঙ্গীত শুনতে পারেন, তিনি মহত্ত্ব অর্জন করতে পারেন।
**{{Cite web|url=http://www.nmspacemuseum.org/halloffame/detail.php?id=120|title= Vikram Ambalal Sarabhai|accessdate=14 December 2013|publisher= New Mexico Museum of Space History}}
*আমাদের জাতীয় লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক পশ্চাৎপদতা ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতার অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে এমন পরিবর্তন কয়েক দশকের মধ্যে অর্জন করা, যা অন্যান্য দেশ ও ভূখণ্ডে বাস্তবায়িত হতে কয়েক শতাব্দী সময় লেগেছে। এর জন্য সকল স্তরে উদ্ভাবন প্রয়োজন।
**নেহেরু-পরবর্তী যুগে “দূরদর্শন ও উন্নয়ন” বিষয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি, {{cite book|last= Joshi |first=Puran Chandra |title=Communication and National Development|url=http://books.google.com/books?id=re46IrFLtQ8C&pg=PR25|date=1 January 2002|publisher=Anamika Publishers & Distributors|isbn=978-81-7975-013-1|page=xxv}} থেকে উদ্ধৃত
===ভারতীয় পারমাণবিক বোমার নির্মাণ: বিজ্ঞান, গোপনীয়তা এবং উত্তর-ঔপনিবেশিক রাষ্ট্র===
<small>{{cite book|last= Abraham |first=Itty |title=The Making of the Indian Atomic Bomb: Science, Secrecy and the Postcolonial State|url=http://books.google.com/books?id=c3MPQhmV0loC&pg=PA143|date=15 November 1998|publisher=Zed Books|isbn=978-1-85649-630-8|pages=143}}</small>
*আমি জোর দিয়ে বলতে চাই যে, নিরাপত্তা শুধু বাইরে থেকে নয়, ভেতর থেকেও বিপন্ন হতে পারে। যদি আপনারা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অগ্রগতির হার বজায় না রাখেন, তবে আমি বলব যে আপনারা এক ভয়াবহ সংকটের সম্মুখীন হবেন, যা আমাদের পরিচিত ভারতকে ধ্বংস করে দেবে।
**এমন এক সময়ে যখন ব্যাপক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার সংকট চলছিল এবং যখন তাকে পারমাণবিক শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যানের পদ গ্রহণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।
*সুতরাং, এই পুরো বিষয়টির আসল সমস্যাটি হলো, যেকোনো নির্দিষ্ট সময়ে একটি দেশ যে প্রতিরক্ষা ব্যয়ের বোঝা বহন করতে পারে, তার বিপরীতে উৎপাদনশীল ও সামাজিক কল্যাণের জন্য জাতীয় সম্পদের ব্যবহার।
**অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন বনাম বাহ্যিক প্রতিরক্ষার অগ্রাধিকারের প্রশ্নে।
==তার সম্পর্কে উক্তি==
==বহিঃসংযোগ==
* https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf
* https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf
{{Wikipedia}}
{{DEFAULTSORT:Sarabhai, Vikram}}
==তথ্যসূত্র==
5eq9ge727n1bgmoxp6mwy4g7y1x6crp
74011
74010
2026-04-06T06:05:20Z
Nil Nandy
2294
/* তার সম্পর্কে উক্তি */
74011
wikitext
text/x-wiki
[[File:Vikram Sarabhai.jpg|thumb|right| বিক্রম সারাভাই, ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক]]
'''[[w:বিক্রম সারাভাই|বিক্রম আম্বালাল সারাভাই]]''' ([[w:গুজরাত| গুজরাতি]]: વિક્રમ અંબાલાલ સારાભાઇ) (১২ আগস্ট, ১৯১৯ – ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৭১) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিদ। তিনি ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক হিসেবে পরিচিত। তাকে “রেনেসাঁস ম্যান” বলেও অভিহিত করা হয়। তিনি ১৯৪৭ সালে ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা করেন। বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার (VSSC), যা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার উৎক্ষেপণযান উন্নয়ন কেন্দ্র, তার নামানুসারে নামকরণ করা হয়েছে। তিনি অ্যাটমিক এনার্জি কমিশনের চেয়ারম্যানও ছিলেন। তাকে ১৯৬৬ সালে পদ্মভূষণ এবং মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়। ভারতে প্রতি বছর তার জন্মদিন ১২ আগস্ট 'মহাকাশ বিজ্ঞান দিবস’ পালন করা হয়।
==উক্তি ==
*আমাদের বিজ্ঞানীরা বাইরের পরামর্শমূলক কাজে যুক্ত হলে আমরা তাদের তুচ্ছজ্ঞান করি। আমরা পরোক্ষভাবে গজদন্তমিনার মানসিকতাকে উৎসাহিত করি।
**{{cite web|url=http://resourcecentre.daiict.ac.in/eresources/iresources/quotations.html |title= ৬০ জন শ্রেষ্ঠ ভারতীয়র উক্তি |publisher= ধীরুভাই আম্বানি ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি}} থেকে উদ্ধৃত
*এমন অনেকে আছেন যারা একটি উন্নয়নশীল দেশে মহাকাশ কার্যক্রমের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আমাদের উদ্দেশ্যের কোনো অস্পষ্টতা নেই। চাঁদ বা গ্রহ অন্বেষণ কিংবা মনুষ্যবাহী মহাকাশ যাত্রার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করার মতো অলীক কল্পনা আমাদের নেই। কিন্তু আমরা এ ব্যাপারে নিশ্চিত যে, যদি আমরা জাতীয় পর্যায়ে এবং আন্তর্জাতিক সমাজে একটি অর্থবহ ভূমিকা পালন করতে চাই, তবে আমাদের দেশে বিদ্যমান মানুষ ও সমাজের বাস্তব সমস্যাগুলোতে উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগের ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই অদ্বিতীয় হতে হবে। এবং আমাদের মনে রাখতে হবে যে, আমাদের সমস্যাগুলোতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও বিশ্লেষণ পদ্ধতির প্রয়োগকে এমন কোনো জাঁকজমকপূর্ণ পরিকল্পনা গ্রহণের সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়, যার মূল প্রভাব কঠোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক মাপকাঠিতে পরিমাপযোগ্য অগ্রগতির চেয়ে লোকদেখানোই বেশি।
**"ডঃ বিক্রম এ. সারাভাই-এর গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা ও গবেষণাপত্রের তালিকা"-য় উদ্ধৃত।<ref name="PRL_Sarabhai_compilation">{{cite web |title=List Of Important Speeches And Papers By Dr. Vikram A. Sarabhai. |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=27 June 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627181445/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |archivedate=27 June 2019|page=113}}</ref>
*একটা উন্নয়নশীল দেশের জন্য মহাকাশ কার্যক্রমের গুরুত্ব অনুধাবন করতে গেলে কিছু অন্তর্নিহিত সমস্যাকে স্বীকার করে নেওয়া উচিত। এই সমস্যাগুলো মহাকাশ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত চাকচিক্য থেকে উদ্ভূত হয়। বাস্তব আশঙ্কা রয়েছে যে, উন্নয়নশীল দেশগুলো মূলত এই চাকচিক্যের জন্যই মহাকাশ কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে এবং আমাদের এখানে আলোচিত মূল্যবোধগুলোকে স্বীকৃতি না দিয়ে, বরং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কৃত্রিম ভাবমূর্তি তৈরির আকাঙ্ক্ষা থেকে সম্পদ বিনিয়োগ করতে পারে। মহাকাশ কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এই পরিস্থিতিকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে।
** "দি পাওয়ার অফ দি স্পেস ক্লাব" এ উদ্ধৃত<ref>{{cite book |last1=Paikowsky |first1=Deganit |title=The Power of the Space Club |date=2017 |publisher=Cambridge University Press |isbn=9781107194496 |url=https://books.google.co.in/books?id=e9AoDwAAQBAJ&pg=PA157&lpg=PA157#v=onepage&q&f=false |accessdate=12 September 2019 |language=en}}</ref>
*জাতির উন্নয়ন জনগণের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উপলব্ধি এবং প্রয়োগের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
**"বিক্রম এ সারাভাই"এ উদ্ধৃত<ref name="PRL_Sarabhai_quotes">{{cite web |title=The Tenth Dr. Vikram A. Sarabhai Festival of Performing Arts |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=12 September 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627192004/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |archivedate=12 September 2019|page=28}}</ref>
*একটি জাতীয় কর্মসূচি, যার মাধ্যমে আগামী দশ বছরে ভারতের প্রায় ৮০ শতাংশ জনগণ দূরদর্শনের সুবিধা পাবে, তা জাতীয় সংহতি, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ইলেকট্রনিক শিল্পের উদ্দীপনা ও প্রসারের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হবে। এটি বিশেষত বিচ্ছিন্ন গ্রামীণ অঞ্চলে বসবাসকারী জনগণের জন্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।
**"Communication and National Development" গ্রন্থে ১৯৭৪ সালে তার অগ্রাধিকারের উদ্ধৃতি।
*মৌলিক গবেষণার প্রধান কাজ হলো আবিষ্কার করা, গবেষণা ও উন্নয়নের কাজ হলো বিষয়টিকে সর্বোত্তম পর্যায়ে উন্নীত করা এবং শিল্পের কাজ হলো উৎপাদন করা; আর উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনাগুলোর সংগঠনে যে প্রধান সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হতে হয়, তার অন্যতম হলো এই তিনটি সংস্কৃতির মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা—এবং এমন একটি ভিত্তি প্রস্তুত করা, যার মাধ্যমে জ্ঞান, জনশক্তি ও প্রযুক্তির হস্তান্তর এক স্তর থেকে অন্য স্তরে অবাধ পারস্পরিক যোগাযোগের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে পারে এবং একে অপরের দ্বারা উপকৃত হতে পারে।
**১০ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে টিআইএফআর-এর রজত জয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রদত্ত ভাষণ থেকে উদ্ধৃত।<ref>{{Cite web|url=https://www.idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|title=Tata Institute of Fundamental Research Silver Jubilee celebration speech by Dr Vikram Sarabhai on Saturday, 10 April 1971|archiveurl=https://web.archive.org/web/20150418092154/http://idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|archivedate=18 April 2015}}</ref><ref name="PRL_Sarabhai_quotes"/>
*সেখানে কোনো নেতা নেই, নেই কোনো অনুগামীও। যদি কাউকে নেতা হিসেবে চিহ্নিত করতেই হয়, তবে তিনি হবেন কৃষক, নির্মাতা নন। তাকে এমন মাটি, সামগ্রিক আবহাওয়া এবং পরিবেশের জোগান দিতে হবে, যার মধ্যে বীজ অঙ্কুরিত হয়ে বেড়ে উঠতে পারে। আমরা এমন উদারচেতা মানুষদের প্রত্যাশা করি, যাদের নিজেদের নেতা হিসেবে প্রমাণ করার জন্য অন্যদের নির্দেশ জারি করার কোনো তীব্র তাগিদ নেই; বরং তারা নিজেদের সৃজনশীলতা, প্রকৃতিপ্রেম এবং যাকে ‘বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি’ বলা যেতে পারে তার প্রতি নিষ্ঠার মাধ্যমেই একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে ঠিক এমন নেতারাই আমাদের প্রয়োজন।
** সায়েন্স পলিসি অ্যান্ড ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট, নিউ দিল্লি: ম্যাকমিলান, ১৯৭৪ <ref>{{Cite web|url=https://www.isro.gov.in/sites/default/files/flipping_book/institution_building/files/assets/common/downloads/Institution%20Building.pdf|title=Institution building : Lessons from Vikrarn Sarabhai's leadership|archiveurl=https://web.archive.org/web/20220812025514/https://www.isro.gov.in/sites/default/files/flipping_book/institution_building/files/assets/common/downloads/Institution%20Building.pdf|archivedate=12 August 2022}}</ref>
*নিছক অভিজ্ঞতাকে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
**{{cite web|url=http://www.outlookindia.com/article.aspx?216858|title=Vikram A. Sarabhai|date=19 August 2002|accessdate=14 December 2013|publisher=OutlookIndia}}
*যিনি কোলাহলের মাঝেও সঙ্গীত শুনতে পারেন, তিনি মহত্ত্ব অর্জন করতে পারেন।
**{{Cite web|url=http://www.nmspacemuseum.org/halloffame/detail.php?id=120|title= Vikram Ambalal Sarabhai|accessdate=14 December 2013|publisher= New Mexico Museum of Space History}}
*আমাদের জাতীয় লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক পশ্চাৎপদতা ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতার অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে এমন পরিবর্তন কয়েক দশকের মধ্যে অর্জন করা, যা অন্যান্য দেশ ও ভূখণ্ডে বাস্তবায়িত হতে কয়েক শতাব্দী সময় লেগেছে। এর জন্য সকল স্তরে উদ্ভাবন প্রয়োজন।
**নেহেরু-পরবর্তী যুগে “দূরদর্শন ও উন্নয়ন” বিষয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি, {{cite book|last= Joshi |first=Puran Chandra |title=Communication and National Development|url=http://books.google.com/books?id=re46IrFLtQ8C&pg=PR25|date=1 January 2002|publisher=Anamika Publishers & Distributors|isbn=978-81-7975-013-1|page=xxv}} থেকে উদ্ধৃত
===ভারতীয় পারমাণবিক বোমার নির্মাণ: বিজ্ঞান, গোপনীয়তা এবং উত্তর-ঔপনিবেশিক রাষ্ট্র===
<small>{{cite book|last= Abraham |first=Itty |title=The Making of the Indian Atomic Bomb: Science, Secrecy and the Postcolonial State|url=http://books.google.com/books?id=c3MPQhmV0loC&pg=PA143|date=15 November 1998|publisher=Zed Books|isbn=978-1-85649-630-8|pages=143}}</small>
*আমি জোর দিয়ে বলতে চাই যে, নিরাপত্তা শুধু বাইরে থেকে নয়, ভেতর থেকেও বিপন্ন হতে পারে। যদি আপনারা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অগ্রগতির হার বজায় না রাখেন, তবে আমি বলব যে আপনারা এক ভয়াবহ সংকটের সম্মুখীন হবেন, যা আমাদের পরিচিত ভারতকে ধ্বংস করে দেবে।
**এমন এক সময়ে যখন ব্যাপক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার সংকট চলছিল এবং যখন তাকে পারমাণবিক শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যানের পদ গ্রহণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।
*সুতরাং, এই পুরো বিষয়টির আসল সমস্যাটি হলো, যেকোনো নির্দিষ্ট সময়ে একটি দেশ যে প্রতিরক্ষা ব্যয়ের বোঝা বহন করতে পারে, তার বিপরীতে উৎপাদনশীল ও সামাজিক কল্যাণের জন্য জাতীয় সম্পদের ব্যবহার।
**অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন বনাম বাহ্যিক প্রতিরক্ষার অগ্রাধিকারের প্রশ্নে।
==তার সম্পর্কে উক্তি==
===প্রাইড অব দি নেশন: ড. এ. পি. জে. আবদুল কালাম===
<small>{{cite book|author1=Mahesh Sharma|author2=Mahesh Sharma, P.Bhalla, P.K. Das|author3=P.Bhalla|title=Pride Of The Nation : Dr. A.P.J. Abdul Kalam|url=http://books.google.com/books?id=TkGyzKt-l6cC&pg=PA46|year=2004|publisher=Diamond Pocket Books (P) Ltd.|isbn=978-81-288-0806-7|pages=45–49}}</small>
==বহিঃসংযোগ==
* https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf
* https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf
{{Wikipedia}}
{{DEFAULTSORT:Sarabhai, Vikram}}
==তথ্যসূত্র==
7m4fljyuv6y7fry51jjywjpxxhspwvh
74012
74011
2026-04-06T06:06:34Z
Nil Nandy
2294
/* প্রাইড অব দি নেশন: ড. এ. পি. জে. আবদুল কালাম */
74012
wikitext
text/x-wiki
[[File:Vikram Sarabhai.jpg|thumb|right| বিক্রম সারাভাই, ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক]]
'''[[w:বিক্রম সারাভাই|বিক্রম আম্বালাল সারাভাই]]''' ([[w:গুজরাত| গুজরাতি]]: વિક્રમ અંબાલાલ સારાભાઇ) (১২ আগস্ট, ১৯১৯ – ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৭১) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিদ। তিনি ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক হিসেবে পরিচিত। তাকে “রেনেসাঁস ম্যান” বলেও অভিহিত করা হয়। তিনি ১৯৪৭ সালে ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা করেন। বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার (VSSC), যা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার উৎক্ষেপণযান উন্নয়ন কেন্দ্র, তার নামানুসারে নামকরণ করা হয়েছে। তিনি অ্যাটমিক এনার্জি কমিশনের চেয়ারম্যানও ছিলেন। তাকে ১৯৬৬ সালে পদ্মভূষণ এবং মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়। ভারতে প্রতি বছর তার জন্মদিন ১২ আগস্ট 'মহাকাশ বিজ্ঞান দিবস’ পালন করা হয়।
==উক্তি ==
*আমাদের বিজ্ঞানীরা বাইরের পরামর্শমূলক কাজে যুক্ত হলে আমরা তাদের তুচ্ছজ্ঞান করি। আমরা পরোক্ষভাবে গজদন্তমিনার মানসিকতাকে উৎসাহিত করি।
**{{cite web|url=http://resourcecentre.daiict.ac.in/eresources/iresources/quotations.html |title= ৬০ জন শ্রেষ্ঠ ভারতীয়র উক্তি |publisher= ধীরুভাই আম্বানি ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি}} থেকে উদ্ধৃত
*এমন অনেকে আছেন যারা একটি উন্নয়নশীল দেশে মহাকাশ কার্যক্রমের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আমাদের উদ্দেশ্যের কোনো অস্পষ্টতা নেই। চাঁদ বা গ্রহ অন্বেষণ কিংবা মনুষ্যবাহী মহাকাশ যাত্রার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করার মতো অলীক কল্পনা আমাদের নেই। কিন্তু আমরা এ ব্যাপারে নিশ্চিত যে, যদি আমরা জাতীয় পর্যায়ে এবং আন্তর্জাতিক সমাজে একটি অর্থবহ ভূমিকা পালন করতে চাই, তবে আমাদের দেশে বিদ্যমান মানুষ ও সমাজের বাস্তব সমস্যাগুলোতে উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগের ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই অদ্বিতীয় হতে হবে। এবং আমাদের মনে রাখতে হবে যে, আমাদের সমস্যাগুলোতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও বিশ্লেষণ পদ্ধতির প্রয়োগকে এমন কোনো জাঁকজমকপূর্ণ পরিকল্পনা গ্রহণের সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়, যার মূল প্রভাব কঠোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক মাপকাঠিতে পরিমাপযোগ্য অগ্রগতির চেয়ে লোকদেখানোই বেশি।
**"ডঃ বিক্রম এ. সারাভাই-এর গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা ও গবেষণাপত্রের তালিকা"-য় উদ্ধৃত।<ref name="PRL_Sarabhai_compilation">{{cite web |title=List Of Important Speeches And Papers By Dr. Vikram A. Sarabhai. |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=27 June 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627181445/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |archivedate=27 June 2019|page=113}}</ref>
*একটা উন্নয়নশীল দেশের জন্য মহাকাশ কার্যক্রমের গুরুত্ব অনুধাবন করতে গেলে কিছু অন্তর্নিহিত সমস্যাকে স্বীকার করে নেওয়া উচিত। এই সমস্যাগুলো মহাকাশ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত চাকচিক্য থেকে উদ্ভূত হয়। বাস্তব আশঙ্কা রয়েছে যে, উন্নয়নশীল দেশগুলো মূলত এই চাকচিক্যের জন্যই মহাকাশ কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে এবং আমাদের এখানে আলোচিত মূল্যবোধগুলোকে স্বীকৃতি না দিয়ে, বরং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কৃত্রিম ভাবমূর্তি তৈরির আকাঙ্ক্ষা থেকে সম্পদ বিনিয়োগ করতে পারে। মহাকাশ কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এই পরিস্থিতিকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে।
** "দি পাওয়ার অফ দি স্পেস ক্লাব" এ উদ্ধৃত<ref>{{cite book |last1=Paikowsky |first1=Deganit |title=The Power of the Space Club |date=2017 |publisher=Cambridge University Press |isbn=9781107194496 |url=https://books.google.co.in/books?id=e9AoDwAAQBAJ&pg=PA157&lpg=PA157#v=onepage&q&f=false |accessdate=12 September 2019 |language=en}}</ref>
*জাতির উন্নয়ন জনগণের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উপলব্ধি এবং প্রয়োগের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
**"বিক্রম এ সারাভাই"এ উদ্ধৃত<ref name="PRL_Sarabhai_quotes">{{cite web |title=The Tenth Dr. Vikram A. Sarabhai Festival of Performing Arts |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=12 September 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627192004/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |archivedate=12 September 2019|page=28}}</ref>
*একটি জাতীয় কর্মসূচি, যার মাধ্যমে আগামী দশ বছরে ভারতের প্রায় ৮০ শতাংশ জনগণ দূরদর্শনের সুবিধা পাবে, তা জাতীয় সংহতি, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ইলেকট্রনিক শিল্পের উদ্দীপনা ও প্রসারের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হবে। এটি বিশেষত বিচ্ছিন্ন গ্রামীণ অঞ্চলে বসবাসকারী জনগণের জন্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।
**"Communication and National Development" গ্রন্থে ১৯৭৪ সালে তার অগ্রাধিকারের উদ্ধৃতি।
*মৌলিক গবেষণার প্রধান কাজ হলো আবিষ্কার করা, গবেষণা ও উন্নয়নের কাজ হলো বিষয়টিকে সর্বোত্তম পর্যায়ে উন্নীত করা এবং শিল্পের কাজ হলো উৎপাদন করা; আর উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনাগুলোর সংগঠনে যে প্রধান সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হতে হয়, তার অন্যতম হলো এই তিনটি সংস্কৃতির মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা—এবং এমন একটি ভিত্তি প্রস্তুত করা, যার মাধ্যমে জ্ঞান, জনশক্তি ও প্রযুক্তির হস্তান্তর এক স্তর থেকে অন্য স্তরে অবাধ পারস্পরিক যোগাযোগের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে পারে এবং একে অপরের দ্বারা উপকৃত হতে পারে।
**১০ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে টিআইএফআর-এর রজত জয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রদত্ত ভাষণ থেকে উদ্ধৃত।<ref>{{Cite web|url=https://www.idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|title=Tata Institute of Fundamental Research Silver Jubilee celebration speech by Dr Vikram Sarabhai on Saturday, 10 April 1971|archiveurl=https://web.archive.org/web/20150418092154/http://idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|archivedate=18 April 2015}}</ref><ref name="PRL_Sarabhai_quotes"/>
*সেখানে কোনো নেতা নেই, নেই কোনো অনুগামীও। যদি কাউকে নেতা হিসেবে চিহ্নিত করতেই হয়, তবে তিনি হবেন কৃষক, নির্মাতা নন। তাকে এমন মাটি, সামগ্রিক আবহাওয়া এবং পরিবেশের জোগান দিতে হবে, যার মধ্যে বীজ অঙ্কুরিত হয়ে বেড়ে উঠতে পারে। আমরা এমন উদারচেতা মানুষদের প্রত্যাশা করি, যাদের নিজেদের নেতা হিসেবে প্রমাণ করার জন্য অন্যদের নির্দেশ জারি করার কোনো তীব্র তাগিদ নেই; বরং তারা নিজেদের সৃজনশীলতা, প্রকৃতিপ্রেম এবং যাকে ‘বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি’ বলা যেতে পারে তার প্রতি নিষ্ঠার মাধ্যমেই একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে ঠিক এমন নেতারাই আমাদের প্রয়োজন।
** সায়েন্স পলিসি অ্যান্ড ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট, নিউ দিল্লি: ম্যাকমিলান, ১৯৭৪ <ref>{{Cite web|url=https://www.isro.gov.in/sites/default/files/flipping_book/institution_building/files/assets/common/downloads/Institution%20Building.pdf|title=Institution building : Lessons from Vikrarn Sarabhai's leadership|archiveurl=https://web.archive.org/web/20220812025514/https://www.isro.gov.in/sites/default/files/flipping_book/institution_building/files/assets/common/downloads/Institution%20Building.pdf|archivedate=12 August 2022}}</ref>
*নিছক অভিজ্ঞতাকে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
**{{cite web|url=http://www.outlookindia.com/article.aspx?216858|title=Vikram A. Sarabhai|date=19 August 2002|accessdate=14 December 2013|publisher=OutlookIndia}}
*যিনি কোলাহলের মাঝেও সঙ্গীত শুনতে পারেন, তিনি মহত্ত্ব অর্জন করতে পারেন।
**{{Cite web|url=http://www.nmspacemuseum.org/halloffame/detail.php?id=120|title= Vikram Ambalal Sarabhai|accessdate=14 December 2013|publisher= New Mexico Museum of Space History}}
*আমাদের জাতীয় লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক পশ্চাৎপদতা ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতার অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে এমন পরিবর্তন কয়েক দশকের মধ্যে অর্জন করা, যা অন্যান্য দেশ ও ভূখণ্ডে বাস্তবায়িত হতে কয়েক শতাব্দী সময় লেগেছে। এর জন্য সকল স্তরে উদ্ভাবন প্রয়োজন।
**নেহেরু-পরবর্তী যুগে “দূরদর্শন ও উন্নয়ন” বিষয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি, {{cite book|last= Joshi |first=Puran Chandra |title=Communication and National Development|url=http://books.google.com/books?id=re46IrFLtQ8C&pg=PR25|date=1 January 2002|publisher=Anamika Publishers & Distributors|isbn=978-81-7975-013-1|page=xxv}} থেকে উদ্ধৃত
===ভারতীয় পারমাণবিক বোমার নির্মাণ: বিজ্ঞান, গোপনীয়তা এবং উত্তর-ঔপনিবেশিক রাষ্ট্র===
<small>{{cite book|last= Abraham |first=Itty |title=The Making of the Indian Atomic Bomb: Science, Secrecy and the Postcolonial State|url=http://books.google.com/books?id=c3MPQhmV0loC&pg=PA143|date=15 November 1998|publisher=Zed Books|isbn=978-1-85649-630-8|pages=143}}</small>
*আমি জোর দিয়ে বলতে চাই যে, নিরাপত্তা শুধু বাইরে থেকে নয়, ভেতর থেকেও বিপন্ন হতে পারে। যদি আপনারা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অগ্রগতির হার বজায় না রাখেন, তবে আমি বলব যে আপনারা এক ভয়াবহ সংকটের সম্মুখীন হবেন, যা আমাদের পরিচিত ভারতকে ধ্বংস করে দেবে।
**এমন এক সময়ে যখন ব্যাপক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার সংকট চলছিল এবং যখন তাকে পারমাণবিক শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যানের পদ গ্রহণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।
*সুতরাং, এই পুরো বিষয়টির আসল সমস্যাটি হলো, যেকোনো নির্দিষ্ট সময়ে একটি দেশ যে প্রতিরক্ষা ব্যয়ের বোঝা বহন করতে পারে, তার বিপরীতে উৎপাদনশীল ও সামাজিক কল্যাণের জন্য জাতীয় সম্পদের ব্যবহার।
**অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন বনাম বাহ্যিক প্রতিরক্ষার অগ্রাধিকারের প্রশ্নে।
==তার সম্পর্কে উক্তি==
===প্রাইড অব দি নেশন: ড. এ. পি. জে. আবদুল কালাম===
<small>{{cite book|author1=Mahesh Sharma|author2=P.K. Das|author3=P. Bhalla|title=Pride Of The Nation : Dr. A.P.J. Abdul Kalam|url=http://books.google.com/books?id=TkGyzKt-l6cC&pg=PA46|year=2004|publisher=Diamond Pocket Books (P) Ltd.|isbn=978-81-288-0806-7|pages=45–49}}</small>
==বহিঃসংযোগ==
* https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf
* https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf
{{Wikipedia}}
{{DEFAULTSORT:Sarabhai, Vikram}}
==তথ্যসূত্র==
hdlacs926s8ysj33qt6khcnc7msru6r
74041
74012
2026-04-06T07:09:14Z
Nil Nandy
2294
/* প্রাইড অব দি নেশন: ড. এ. পি. জে. আবদুল কালাম */অনুবাদ
74041
wikitext
text/x-wiki
[[File:Vikram Sarabhai.jpg|thumb|right| বিক্রম সারাভাই, ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক]]
'''[[w:বিক্রম সারাভাই|বিক্রম আম্বালাল সারাভাই]]''' ([[w:গুজরাত| গুজরাতি]]: વિક્રમ અંબાલાલ સારાભાઇ) (১২ আগস্ট, ১৯১৯ – ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৭১) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিদ। তিনি ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক হিসেবে পরিচিত। তাকে “রেনেসাঁস ম্যান” বলেও অভিহিত করা হয়। তিনি ১৯৪৭ সালে ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা করেন। বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার (VSSC), যা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার উৎক্ষেপণযান উন্নয়ন কেন্দ্র, তার নামানুসারে নামকরণ করা হয়েছে। তিনি অ্যাটমিক এনার্জি কমিশনের চেয়ারম্যানও ছিলেন। তাকে ১৯৬৬ সালে পদ্মভূষণ এবং মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়। ভারতে প্রতি বছর তার জন্মদিন ১২ আগস্ট 'মহাকাশ বিজ্ঞান দিবস’ পালন করা হয়।
==উক্তি ==
*আমাদের বিজ্ঞানীরা বাইরের পরামর্শমূলক কাজে যুক্ত হলে আমরা তাদের তুচ্ছজ্ঞান করি। আমরা পরোক্ষভাবে গজদন্তমিনার মানসিকতাকে উৎসাহিত করি।
**{{cite web|url=http://resourcecentre.daiict.ac.in/eresources/iresources/quotations.html |title= ৬০ জন শ্রেষ্ঠ ভারতীয়র উক্তি |publisher= ধীরুভাই আম্বানি ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি}} থেকে উদ্ধৃত
*এমন অনেকে আছেন যারা একটি উন্নয়নশীল দেশে মহাকাশ কার্যক্রমের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আমাদের উদ্দেশ্যের কোনো অস্পষ্টতা নেই। চাঁদ বা গ্রহ অন্বেষণ কিংবা মনুষ্যবাহী মহাকাশ যাত্রার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করার মতো অলীক কল্পনা আমাদের নেই। কিন্তু আমরা এ ব্যাপারে নিশ্চিত যে, যদি আমরা জাতীয় পর্যায়ে এবং আন্তর্জাতিক সমাজে একটি অর্থবহ ভূমিকা পালন করতে চাই, তবে আমাদের দেশে বিদ্যমান মানুষ ও সমাজের বাস্তব সমস্যাগুলোতে উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগের ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই অদ্বিতীয় হতে হবে। এবং আমাদের মনে রাখতে হবে যে, আমাদের সমস্যাগুলোতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও বিশ্লেষণ পদ্ধতির প্রয়োগকে এমন কোনো জাঁকজমকপূর্ণ পরিকল্পনা গ্রহণের সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়, যার মূল প্রভাব কঠোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক মাপকাঠিতে পরিমাপযোগ্য অগ্রগতির চেয়ে লোকদেখানোই বেশি।
**"ডঃ বিক্রম এ. সারাভাই-এর গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা ও গবেষণাপত্রের তালিকা"-য় উদ্ধৃত।<ref name="PRL_Sarabhai_compilation">{{cite web |title=List Of Important Speeches And Papers By Dr. Vikram A. Sarabhai. |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=27 June 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627181445/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |archivedate=27 June 2019|page=113}}</ref>
*একটা উন্নয়নশীল দেশের জন্য মহাকাশ কার্যক্রমের গুরুত্ব অনুধাবন করতে গেলে কিছু অন্তর্নিহিত সমস্যাকে স্বীকার করে নেওয়া উচিত। এই সমস্যাগুলো মহাকাশ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত চাকচিক্য থেকে উদ্ভূত হয়। বাস্তব আশঙ্কা রয়েছে যে, উন্নয়নশীল দেশগুলো মূলত এই চাকচিক্যের জন্যই মহাকাশ কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে এবং আমাদের এখানে আলোচিত মূল্যবোধগুলোকে স্বীকৃতি না দিয়ে, বরং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কৃত্রিম ভাবমূর্তি তৈরির আকাঙ্ক্ষা থেকে সম্পদ বিনিয়োগ করতে পারে। মহাকাশ কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এই পরিস্থিতিকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে।
** "দি পাওয়ার অফ দি স্পেস ক্লাব" এ উদ্ধৃত<ref>{{cite book |last1=Paikowsky |first1=Deganit |title=The Power of the Space Club |date=2017 |publisher=Cambridge University Press |isbn=9781107194496 |url=https://books.google.co.in/books?id=e9AoDwAAQBAJ&pg=PA157&lpg=PA157#v=onepage&q&f=false |accessdate=12 September 2019 |language=en}}</ref>
*জাতির উন্নয়ন জনগণের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উপলব্ধি এবং প্রয়োগের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
**"বিক্রম এ সারাভাই"এ উদ্ধৃত<ref name="PRL_Sarabhai_quotes">{{cite web |title=The Tenth Dr. Vikram A. Sarabhai Festival of Performing Arts |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=12 September 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627192004/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |archivedate=12 September 2019|page=28}}</ref>
*একটি জাতীয় কর্মসূচি, যার মাধ্যমে আগামী দশ বছরে ভারতের প্রায় ৮০ শতাংশ জনগণ দূরদর্শনের সুবিধা পাবে, তা জাতীয় সংহতি, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ইলেকট্রনিক শিল্পের উদ্দীপনা ও প্রসারের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হবে। এটি বিশেষত বিচ্ছিন্ন গ্রামীণ অঞ্চলে বসবাসকারী জনগণের জন্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।
**"Communication and National Development" গ্রন্থে ১৯৭৪ সালে তার অগ্রাধিকারের উদ্ধৃতি।
*মৌলিক গবেষণার প্রধান কাজ হলো আবিষ্কার করা, গবেষণা ও উন্নয়নের কাজ হলো বিষয়টিকে সর্বোত্তম পর্যায়ে উন্নীত করা এবং শিল্পের কাজ হলো উৎপাদন করা; আর উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনাগুলোর সংগঠনে যে প্রধান সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হতে হয়, তার অন্যতম হলো এই তিনটি সংস্কৃতির মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা—এবং এমন একটি ভিত্তি প্রস্তুত করা, যার মাধ্যমে জ্ঞান, জনশক্তি ও প্রযুক্তির হস্তান্তর এক স্তর থেকে অন্য স্তরে অবাধ পারস্পরিক যোগাযোগের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে পারে এবং একে অপরের দ্বারা উপকৃত হতে পারে।
**১০ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে টিআইএফআর-এর রজত জয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রদত্ত ভাষণ থেকে উদ্ধৃত।<ref>{{Cite web|url=https://www.idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|title=Tata Institute of Fundamental Research Silver Jubilee celebration speech by Dr Vikram Sarabhai on Saturday, 10 April 1971|archiveurl=https://web.archive.org/web/20150418092154/http://idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|archivedate=18 April 2015}}</ref><ref name="PRL_Sarabhai_quotes"/>
*সেখানে কোনো নেতা নেই, নেই কোনো অনুগামীও। যদি কাউকে নেতা হিসেবে চিহ্নিত করতেই হয়, তবে তিনি হবেন কৃষক, নির্মাতা নন। তাকে এমন মাটি, সামগ্রিক আবহাওয়া এবং পরিবেশের জোগান দিতে হবে, যার মধ্যে বীজ অঙ্কুরিত হয়ে বেড়ে উঠতে পারে। আমরা এমন উদারচেতা মানুষদের প্রত্যাশা করি, যাদের নিজেদের নেতা হিসেবে প্রমাণ করার জন্য অন্যদের নির্দেশ জারি করার কোনো তীব্র তাগিদ নেই; বরং তারা নিজেদের সৃজনশীলতা, প্রকৃতিপ্রেম এবং যাকে ‘বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি’ বলা যেতে পারে তার প্রতি নিষ্ঠার মাধ্যমেই একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে ঠিক এমন নেতারাই আমাদের প্রয়োজন।
** সায়েন্স পলিসি অ্যান্ড ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট, নিউ দিল্লি: ম্যাকমিলান, ১৯৭৪ <ref>{{Cite web|url=https://www.isro.gov.in/sites/default/files/flipping_book/institution_building/files/assets/common/downloads/Institution%20Building.pdf|title=Institution building : Lessons from Vikrarn Sarabhai's leadership|archiveurl=https://web.archive.org/web/20220812025514/https://www.isro.gov.in/sites/default/files/flipping_book/institution_building/files/assets/common/downloads/Institution%20Building.pdf|archivedate=12 August 2022}}</ref>
*নিছক অভিজ্ঞতাকে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
**{{cite web|url=http://www.outlookindia.com/article.aspx?216858|title=Vikram A. Sarabhai|date=19 August 2002|accessdate=14 December 2013|publisher=OutlookIndia}}
*যিনি কোলাহলের মাঝেও সঙ্গীত শুনতে পারেন, তিনি মহত্ত্ব অর্জন করতে পারেন।
**{{Cite web|url=http://www.nmspacemuseum.org/halloffame/detail.php?id=120|title= Vikram Ambalal Sarabhai|accessdate=14 December 2013|publisher= New Mexico Museum of Space History}}
*আমাদের জাতীয় লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক পশ্চাৎপদতা ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতার অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে এমন পরিবর্তন কয়েক দশকের মধ্যে অর্জন করা, যা অন্যান্য দেশ ও ভূখণ্ডে বাস্তবায়িত হতে কয়েক শতাব্দী সময় লেগেছে। এর জন্য সকল স্তরে উদ্ভাবন প্রয়োজন।
**নেহেরু-পরবর্তী যুগে “দূরদর্শন ও উন্নয়ন” বিষয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি, {{cite book|last= Joshi |first=Puran Chandra |title=Communication and National Development|url=http://books.google.com/books?id=re46IrFLtQ8C&pg=PR25|date=1 January 2002|publisher=Anamika Publishers & Distributors|isbn=978-81-7975-013-1|page=xxv}} থেকে উদ্ধৃত
===ভারতীয় পারমাণবিক বোমার নির্মাণ: বিজ্ঞান, গোপনীয়তা এবং উত্তর-ঔপনিবেশিক রাষ্ট্র===
<small>{{cite book|last= Abraham |first=Itty |title=The Making of the Indian Atomic Bomb: Science, Secrecy and the Postcolonial State|url=http://books.google.com/books?id=c3MPQhmV0loC&pg=PA143|date=15 November 1998|publisher=Zed Books|isbn=978-1-85649-630-8|pages=143}}</small>
*আমি জোর দিয়ে বলতে চাই যে, নিরাপত্তা শুধু বাইরে থেকে নয়, ভেতর থেকেও বিপন্ন হতে পারে। যদি আপনারা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অগ্রগতির হার বজায় না রাখেন, তবে আমি বলব যে আপনারা এক ভয়াবহ সংকটের সম্মুখীন হবেন, যা আমাদের পরিচিত ভারতকে ধ্বংস করে দেবে।
**এমন এক সময়ে যখন ব্যাপক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার সংকট চলছিল এবং যখন তাকে পারমাণবিক শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যানের পদ গ্রহণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।
*সুতরাং, এই পুরো বিষয়টির আসল সমস্যাটি হলো, যেকোনো নির্দিষ্ট সময়ে একটি দেশ যে প্রতিরক্ষা ব্যয়ের বোঝা বহন করতে পারে, তার বিপরীতে উৎপাদনশীল ও সামাজিক কল্যাণের জন্য জাতীয় সম্পদের ব্যবহার।
**অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন বনাম বাহ্যিক প্রতিরক্ষার অগ্রাধিকারের প্রশ্নে।
==তার সম্পর্কে উক্তি==
===প্রাইড অব দি নেশন: ড. এ. পি. জে. আবদুল কালাম===
<small>{{cite book|author1=Mahesh Sharma|author2=P.K. Das|author3=P. Bhalla|title=Pride Of The Nation : Dr. A.P.J. Abdul Kalam|url=http://books.google.com/books?id=TkGyzKt-l6cC&pg=PA46|year=2004|publisher=Diamond Pocket Books (P) Ltd.|isbn=978-81-288-0806-7|pages=45–49}}</small>
*বিক্রম সারাভাইয়ের মহাকাশ জয়ের স্বপ্ন এখন আর নেই, কিন্তু তার সেই স্বপ্ন আজও ইসরোর গবেষণার একটি প্রধান বিষয়।
*রকেট উৎক্ষেপণের আধুনিক প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণের জন্য নাসার কাছে প্রশিক্ষণার্থী প্রার্থী হিসেবে ডঃ কালামের নাম প্রস্তাব করেছিলেন অধ্যাপক সারাভাই।
*অধ্যাপক সারাভাই একজন প্রকৌশলী বা বিজ্ঞানীর কাজের ক্ষমতা তার ডিগ্রি বা প্রশিক্ষণ দিয়ে নয়, বরং তার আত্মবিশ্বাস দিয়ে মূল্যায়ন করতেন। *অধ্যাপক সারাভাইয়ের তীব্র ইচ্ছা ছিল যে রকেট উৎপাদনে ভারতকে অবশ্যই স্বনির্ভর হতে হবে, তাই তিনি সর্বদা নতুন কিছু করার জন্য উৎসাহে পূর্ণ থাকতেন।
*তিনি সর্বদা প্রকৌশলীদের নতুন প্রযুক্তিগত জ্ঞান দিতেন এবং সেই মুহূর্তে তার মুখ আনন্দে উদ্ভাসিত হয়ে উঠত।
*তিনি প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও কখনও বিচ্যুত হননি, বরং তিনি মেনে নিয়েছিলেন যে কিছু শেখার জন্য ভুল করা বা কিছু ভুলে যাওয়া কোনো অপরাধ নয়।
*তিনি বলেছিলেন যে আমরা যদি বিশ্বে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে চাই, তবে আমাদের আত্মনির্ভরশীল হতে হবে এবং নতুন ধারণা ও কৌশলের জন্য গবেষণা করতে হবে।
*তিনি তার দলের সবাইকে যেকোনো নতুন প্রকল্প সম্পর্কে জানাতেন এবং সবার সাথে আলোচনা করার পরেই কেবল সেটির উপর কাজ শুরু করতেন। তিনি বলতেন যে, কোনো প্রকল্পের সাথে কর্মীর শারীরিক সংযোগের পাশাপাশি মানসিক সংযোগও থাকা আবশ্যক; অন্যথায় এর প্রতি নিষ্ঠা ও ভক্তি অর্জন করা যায় না।
*কোনো প্রকৌশলী বা বিজ্ঞানীর কাজে তিনি সন্তুষ্ট না হলে, সঙ্গে সঙ্গে তাকে তার ভুল ধরিয়ে দিতেন। এমন মুহূর্তে তিনি খুবই ইতিবাচক থাকতেন।
*তিনি বলতেন যে, সাফল্যের তুলনায় ব্যর্থতাই আমাদের বেশি গড়ে তোলে। তিনি এতটাই প্রতিভাবান ছিলেন যে খুব দ্রুত যেকোনো সমস্যার সমাধান করতে পারতেন।
*তরুণ প্রকৌশলীদের নতুন নতুন পরামর্শ দেওয়ার অভ্যাস তাঁর ছিল। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও স্বাভাবিক থাকাটা ছিল তাঁর সহজাত বৈশিষ্ট্য।
*শুধুমাত্র অধ্যাপক বিক্রম সারাভাইয়ের অনুপ্রেরণার কারণেই ভারতে এসএলভি স্যাটেলাইটের উৎক্ষেপণ সম্ভব হয়েছিল। এটা বললে অত্যুক্তি হবে না যে, অধ্যাপক সারাভাই হলেন ভারতীয় বিজ্ঞানের দিগন্তের সেই সূর্য, যিনি ভবিষ্যৎ বিজ্ঞানীদের পথ দেখিয়ে যাবেন।
==বহিঃসংযোগ==
* https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf
* https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf
{{Wikipedia}}
{{DEFAULTSORT:Sarabhai, Vikram}}
==তথ্যসূত্র==
dhb9ms2tgg4t3mwr8upncj93t4e7skz
74042
74041
2026-04-06T07:10:31Z
Nil Nandy
2294
/* তার সম্পর্কে উক্তি */
74042
wikitext
text/x-wiki
[[File:Vikram Sarabhai.jpg|thumb|right| বিক্রম সারাভাই, ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক]]
'''[[w:বিক্রম সারাভাই|বিক্রম আম্বালাল সারাভাই]]''' ([[w:গুজরাত| গুজরাতি]]: વિક્રમ અંબાલાલ સારાભાઇ) (১২ আগস্ট, ১৯১৯ – ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৭১) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিদ। তিনি ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক হিসেবে পরিচিত। তাকে “রেনেসাঁস ম্যান” বলেও অভিহিত করা হয়। তিনি ১৯৪৭ সালে ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা করেন। বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার (VSSC), যা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার উৎক্ষেপণযান উন্নয়ন কেন্দ্র, তার নামানুসারে নামকরণ করা হয়েছে। তিনি অ্যাটমিক এনার্জি কমিশনের চেয়ারম্যানও ছিলেন। তাকে ১৯৬৬ সালে পদ্মভূষণ এবং মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়। ভারতে প্রতি বছর তার জন্মদিন ১২ আগস্ট 'মহাকাশ বিজ্ঞান দিবস’ পালন করা হয়।
==উক্তি ==
*আমাদের বিজ্ঞানীরা বাইরের পরামর্শমূলক কাজে যুক্ত হলে আমরা তাদের তুচ্ছজ্ঞান করি। আমরা পরোক্ষভাবে গজদন্তমিনার মানসিকতাকে উৎসাহিত করি।
**{{cite web|url=http://resourcecentre.daiict.ac.in/eresources/iresources/quotations.html |title= ৬০ জন শ্রেষ্ঠ ভারতীয়র উক্তি |publisher= ধীরুভাই আম্বানি ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি}} থেকে উদ্ধৃত
*এমন অনেকে আছেন যারা একটি উন্নয়নশীল দেশে মহাকাশ কার্যক্রমের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আমাদের উদ্দেশ্যের কোনো অস্পষ্টতা নেই। চাঁদ বা গ্রহ অন্বেষণ কিংবা মনুষ্যবাহী মহাকাশ যাত্রার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করার মতো অলীক কল্পনা আমাদের নেই। কিন্তু আমরা এ ব্যাপারে নিশ্চিত যে, যদি আমরা জাতীয় পর্যায়ে এবং আন্তর্জাতিক সমাজে একটি অর্থবহ ভূমিকা পালন করতে চাই, তবে আমাদের দেশে বিদ্যমান মানুষ ও সমাজের বাস্তব সমস্যাগুলোতে উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগের ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই অদ্বিতীয় হতে হবে। এবং আমাদের মনে রাখতে হবে যে, আমাদের সমস্যাগুলোতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও বিশ্লেষণ পদ্ধতির প্রয়োগকে এমন কোনো জাঁকজমকপূর্ণ পরিকল্পনা গ্রহণের সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়, যার মূল প্রভাব কঠোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক মাপকাঠিতে পরিমাপযোগ্য অগ্রগতির চেয়ে লোকদেখানোই বেশি।
**"ডঃ বিক্রম এ. সারাভাই-এর গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা ও গবেষণাপত্রের তালিকা"-য় উদ্ধৃত।<ref name="PRL_Sarabhai_compilation">{{cite web |title=List Of Important Speeches And Papers By Dr. Vikram A. Sarabhai. |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=27 June 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627181445/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |archivedate=27 June 2019|page=113}}</ref>
*একটা উন্নয়নশীল দেশের জন্য মহাকাশ কার্যক্রমের গুরুত্ব অনুধাবন করতে গেলে কিছু অন্তর্নিহিত সমস্যাকে স্বীকার করে নেওয়া উচিত। এই সমস্যাগুলো মহাকাশ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত চাকচিক্য থেকে উদ্ভূত হয়। বাস্তব আশঙ্কা রয়েছে যে, উন্নয়নশীল দেশগুলো মূলত এই চাকচিক্যের জন্যই মহাকাশ কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে এবং আমাদের এখানে আলোচিত মূল্যবোধগুলোকে স্বীকৃতি না দিয়ে, বরং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কৃত্রিম ভাবমূর্তি তৈরির আকাঙ্ক্ষা থেকে সম্পদ বিনিয়োগ করতে পারে। মহাকাশ কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এই পরিস্থিতিকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে।
** "দি পাওয়ার অফ দি স্পেস ক্লাব" এ উদ্ধৃত<ref>{{cite book |last1=Paikowsky |first1=Deganit |title=The Power of the Space Club |date=2017 |publisher=Cambridge University Press |isbn=9781107194496 |url=https://books.google.co.in/books?id=e9AoDwAAQBAJ&pg=PA157&lpg=PA157#v=onepage&q&f=false |accessdate=12 September 2019 |language=en}}</ref>
*জাতির উন্নয়ন জনগণের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উপলব্ধি এবং প্রয়োগের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
**"বিক্রম এ সারাভাই"এ উদ্ধৃত<ref name="PRL_Sarabhai_quotes">{{cite web |title=The Tenth Dr. Vikram A. Sarabhai Festival of Performing Arts |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=12 September 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627192004/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |archivedate=12 September 2019|page=28}}</ref>
*একটি জাতীয় কর্মসূচি, যার মাধ্যমে আগামী দশ বছরে ভারতের প্রায় ৮০ শতাংশ জনগণ দূরদর্শনের সুবিধা পাবে, তা জাতীয় সংহতি, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ইলেকট্রনিক শিল্পের উদ্দীপনা ও প্রসারের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হবে। এটি বিশেষত বিচ্ছিন্ন গ্রামীণ অঞ্চলে বসবাসকারী জনগণের জন্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।
**"Communication and National Development" গ্রন্থে ১৯৭৪ সালে তার অগ্রাধিকারের উদ্ধৃতি।
*মৌলিক গবেষণার প্রধান কাজ হলো আবিষ্কার করা, গবেষণা ও উন্নয়নের কাজ হলো বিষয়টিকে সর্বোত্তম পর্যায়ে উন্নীত করা এবং শিল্পের কাজ হলো উৎপাদন করা; আর উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনাগুলোর সংগঠনে যে প্রধান সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হতে হয়, তার অন্যতম হলো এই তিনটি সংস্কৃতির মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা—এবং এমন একটি ভিত্তি প্রস্তুত করা, যার মাধ্যমে জ্ঞান, জনশক্তি ও প্রযুক্তির হস্তান্তর এক স্তর থেকে অন্য স্তরে অবাধ পারস্পরিক যোগাযোগের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে পারে এবং একে অপরের দ্বারা উপকৃত হতে পারে।
**১০ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে টিআইএফআর-এর রজত জয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রদত্ত ভাষণ থেকে উদ্ধৃত।<ref>{{Cite web|url=https://www.idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|title=Tata Institute of Fundamental Research Silver Jubilee celebration speech by Dr Vikram Sarabhai on Saturday, 10 April 1971|archiveurl=https://web.archive.org/web/20150418092154/http://idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|archivedate=18 April 2015}}</ref><ref name="PRL_Sarabhai_quotes"/>
*সেখানে কোনো নেতা নেই, নেই কোনো অনুগামীও। যদি কাউকে নেতা হিসেবে চিহ্নিত করতেই হয়, তবে তিনি হবেন কৃষক, নির্মাতা নন। তাকে এমন মাটি, সামগ্রিক আবহাওয়া এবং পরিবেশের জোগান দিতে হবে, যার মধ্যে বীজ অঙ্কুরিত হয়ে বেড়ে উঠতে পারে। আমরা এমন উদারচেতা মানুষদের প্রত্যাশা করি, যাদের নিজেদের নেতা হিসেবে প্রমাণ করার জন্য অন্যদের নির্দেশ জারি করার কোনো তীব্র তাগিদ নেই; বরং তারা নিজেদের সৃজনশীলতা, প্রকৃতিপ্রেম এবং যাকে ‘বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি’ বলা যেতে পারে তার প্রতি নিষ্ঠার মাধ্যমেই একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে ঠিক এমন নেতারাই আমাদের প্রয়োজন।
** সায়েন্স পলিসি অ্যান্ড ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট, নিউ দিল্লি: ম্যাকমিলান, ১৯৭৪ <ref>{{Cite web|url=https://www.isro.gov.in/sites/default/files/flipping_book/institution_building/files/assets/common/downloads/Institution%20Building.pdf|title=Institution building : Lessons from Vikrarn Sarabhai's leadership|archiveurl=https://web.archive.org/web/20220812025514/https://www.isro.gov.in/sites/default/files/flipping_book/institution_building/files/assets/common/downloads/Institution%20Building.pdf|archivedate=12 August 2022}}</ref>
*নিছক অভিজ্ঞতাকে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
**{{cite web|url=http://www.outlookindia.com/article.aspx?216858|title=Vikram A. Sarabhai|date=19 August 2002|accessdate=14 December 2013|publisher=OutlookIndia}}
*যিনি কোলাহলের মাঝেও সঙ্গীত শুনতে পারেন, তিনি মহত্ত্ব অর্জন করতে পারেন।
**{{Cite web|url=http://www.nmspacemuseum.org/halloffame/detail.php?id=120|title= Vikram Ambalal Sarabhai|accessdate=14 December 2013|publisher= New Mexico Museum of Space History}}
*আমাদের জাতীয় লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক পশ্চাৎপদতা ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতার অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে এমন পরিবর্তন কয়েক দশকের মধ্যে অর্জন করা, যা অন্যান্য দেশ ও ভূখণ্ডে বাস্তবায়িত হতে কয়েক শতাব্দী সময় লেগেছে। এর জন্য সকল স্তরে উদ্ভাবন প্রয়োজন।
**নেহেরু-পরবর্তী যুগে “দূরদর্শন ও উন্নয়ন” বিষয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি, {{cite book|last= Joshi |first=Puran Chandra |title=Communication and National Development|url=http://books.google.com/books?id=re46IrFLtQ8C&pg=PR25|date=1 January 2002|publisher=Anamika Publishers & Distributors|isbn=978-81-7975-013-1|page=xxv}} থেকে উদ্ধৃত
===ভারতীয় পারমাণবিক বোমার নির্মাণ: বিজ্ঞান, গোপনীয়তা এবং উত্তর-ঔপনিবেশিক রাষ্ট্র===
<small>{{cite book|last= Abraham |first=Itty |title=The Making of the Indian Atomic Bomb: Science, Secrecy and the Postcolonial State|url=http://books.google.com/books?id=c3MPQhmV0loC&pg=PA143|date=15 November 1998|publisher=Zed Books|isbn=978-1-85649-630-8|pages=143}}</small>
*আমি জোর দিয়ে বলতে চাই যে, নিরাপত্তা শুধু বাইরে থেকে নয়, ভেতর থেকেও বিপন্ন হতে পারে। যদি আপনারা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অগ্রগতির হার বজায় না রাখেন, তবে আমি বলব যে আপনারা এক ভয়াবহ সংকটের সম্মুখীন হবেন, যা আমাদের পরিচিত ভারতকে ধ্বংস করে দেবে।
**এমন এক সময়ে যখন ব্যাপক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার সংকট চলছিল এবং যখন তাকে পারমাণবিক শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যানের পদ গ্রহণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।
*সুতরাং, এই পুরো বিষয়টির আসল সমস্যাটি হলো, যেকোনো নির্দিষ্ট সময়ে একটি দেশ যে প্রতিরক্ষা ব্যয়ের বোঝা বহন করতে পারে, তার বিপরীতে উৎপাদনশীল ও সামাজিক কল্যাণের জন্য জাতীয় সম্পদের ব্যবহার।
**অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন বনাম বাহ্যিক প্রতিরক্ষার অগ্রাধিকারের প্রশ্নে।
==তার সম্পর্কে উক্তি==
===প্রাইড অব দি নেশন: ড. এ. পি. জে. আবদুল কালাম===
<small>{{cite book|author1=Mahesh Sharma|author2=P.K. Das|author3=P. Bhalla|title=Pride Of The Nation : Dr. A.P.J. Abdul Kalam|url=http://books.google.com/books?id=TkGyzKt-l6cC&pg=PA46|year=2004|publisher=Diamond Pocket Books (P) Ltd.|isbn=978-81-288-0806-7|pages=45–49}}</small>
*বিক্রম সারাভাইয়ের মহাকাশ জয়ের স্বপ্ন এখন আর নেই, কিন্তু তার সেই স্বপ্ন আজও ইসরোর গবেষণার একটি প্রধান বিষয়।
*রকেট উৎক্ষেপণের আধুনিক প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণের জন্য নাসার কাছে প্রশিক্ষণার্থী প্রার্থী হিসেবে ডঃ কালামের নাম প্রস্তাব করেছিলেন অধ্যাপক সারাভাই।
*অধ্যাপক সারাভাই একজন প্রকৌশলী বা বিজ্ঞানীর কাজের ক্ষমতা তার ডিগ্রি বা প্রশিক্ষণ দিয়ে নয়, বরং তার আত্মবিশ্বাস দিয়ে মূল্যায়ন করতেন। *অধ্যাপক সারাভাইয়ের তীব্র ইচ্ছা ছিল যে রকেট উৎপাদনে ভারতকে অবশ্যই স্বনির্ভর হতে হবে, তাই তিনি সর্বদা নতুন কিছু করার জন্য উৎসাহে পূর্ণ থাকতেন।
*তিনি সর্বদা প্রকৌশলীদের নতুন প্রযুক্তিগত জ্ঞান দিতেন এবং সেই মুহূর্তে তার মুখ আনন্দে উদ্ভাসিত হয়ে উঠত।
*তিনি প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও কখনও বিচ্যুত হননি, বরং তিনি মেনে নিয়েছিলেন যে কিছু শেখার জন্য ভুল করা বা কিছু ভুলে যাওয়া কোনো অপরাধ নয়।
*তিনি বলেছিলেন যে আমরা যদি বিশ্বে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে চাই, তবে আমাদের আত্মনির্ভরশীল হতে হবে এবং নতুন ধারণা ও কৌশলের জন্য গবেষণা করতে হবে।
*তিনি তার দলের সবাইকে যেকোনো নতুন প্রকল্প সম্পর্কে জানাতেন এবং সবার সাথে আলোচনা করার পরেই কেবল সেটির উপর কাজ শুরু করতেন। তিনি বলতেন যে, কোনো প্রকল্পের সাথে কর্মীর শারীরিক সংযোগের পাশাপাশি মানসিক সংযোগও থাকা আবশ্যক; অন্যথায় এর প্রতি নিষ্ঠা ও ভক্তি অর্জন করা যায় না।
*কোনো প্রকৌশলী বা বিজ্ঞানীর কাজে তিনি সন্তুষ্ট না হলে, সঙ্গে সঙ্গে তাকে তার ভুল ধরিয়ে দিতেন। এমন মুহূর্তে তিনি খুবই ইতিবাচক থাকতেন।
*তিনি বলতেন যে, সাফল্যের তুলনায় ব্যর্থতাই আমাদের বেশি গড়ে তোলে।
*তিনি এতটাই প্রতিভাবান ছিলেন যে খুব দ্রুত যেকোনো সমস্যার সমাধান করতে পারতেন। তরুণ প্রকৌশলীদের নতুন নতুন পরামর্শ দেওয়ার অভ্যাস তাঁর ছিল। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও স্বাভাবিক থাকাটা ছিল তাঁর সহজাত বৈশিষ্ট্য।
*শুধুমাত্র অধ্যাপক বিক্রম সারাভাইয়ের অনুপ্রেরণার কারণেই ভারতে এসএলভি স্যাটেলাইটের উৎক্ষেপণ সম্ভব হয়েছিল। এটা বললে অত্যুক্তি হবে না যে, অধ্যাপক সারাভাই হলেন ভারতীয় বিজ্ঞানের দিগন্তের সেই সূর্য, যিনি ভবিষ্যৎ বিজ্ঞানীদের পথ দেখিয়ে যাবেন।
==বহিঃসংযোগ==
* https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf
* https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf
{{Wikipedia}}
{{DEFAULTSORT:Sarabhai, Vikram}}
==তথ্যসূত্র==
mdk9r7sellwxra476xdmnh19wovxjht
74043
74042
2026-04-06T07:11:25Z
Nil Nandy
2294
/* প্রাইড অব দি নেশন: ড. এ. পি. জে. আবদুল কালাম */
74043
wikitext
text/x-wiki
[[File:Vikram Sarabhai.jpg|thumb|right| বিক্রম সারাভাই, ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক]]
'''[[w:বিক্রম সারাভাই|বিক্রম আম্বালাল সারাভাই]]''' ([[w:গুজরাত| গুজরাতি]]: વિક્રમ અંબાલાલ સારાભાઇ) (১২ আগস্ট, ১৯১৯ – ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৭১) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিদ। তিনি ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক হিসেবে পরিচিত। তাকে “রেনেসাঁস ম্যান” বলেও অভিহিত করা হয়। তিনি ১৯৪৭ সালে ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা করেন। বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার (VSSC), যা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার উৎক্ষেপণযান উন্নয়ন কেন্দ্র, তার নামানুসারে নামকরণ করা হয়েছে। তিনি অ্যাটমিক এনার্জি কমিশনের চেয়ারম্যানও ছিলেন। তাকে ১৯৬৬ সালে পদ্মভূষণ এবং মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়। ভারতে প্রতি বছর তার জন্মদিন ১২ আগস্ট 'মহাকাশ বিজ্ঞান দিবস’ পালন করা হয়।
==উক্তি ==
*আমাদের বিজ্ঞানীরা বাইরের পরামর্শমূলক কাজে যুক্ত হলে আমরা তাদের তুচ্ছজ্ঞান করি। আমরা পরোক্ষভাবে গজদন্তমিনার মানসিকতাকে উৎসাহিত করি।
**{{cite web|url=http://resourcecentre.daiict.ac.in/eresources/iresources/quotations.html |title= ৬০ জন শ্রেষ্ঠ ভারতীয়র উক্তি |publisher= ধীরুভাই আম্বানি ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি}} থেকে উদ্ধৃত
*এমন অনেকে আছেন যারা একটি উন্নয়নশীল দেশে মহাকাশ কার্যক্রমের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আমাদের উদ্দেশ্যের কোনো অস্পষ্টতা নেই। চাঁদ বা গ্রহ অন্বেষণ কিংবা মনুষ্যবাহী মহাকাশ যাত্রার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করার মতো অলীক কল্পনা আমাদের নেই। কিন্তু আমরা এ ব্যাপারে নিশ্চিত যে, যদি আমরা জাতীয় পর্যায়ে এবং আন্তর্জাতিক সমাজে একটি অর্থবহ ভূমিকা পালন করতে চাই, তবে আমাদের দেশে বিদ্যমান মানুষ ও সমাজের বাস্তব সমস্যাগুলোতে উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগের ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই অদ্বিতীয় হতে হবে। এবং আমাদের মনে রাখতে হবে যে, আমাদের সমস্যাগুলোতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও বিশ্লেষণ পদ্ধতির প্রয়োগকে এমন কোনো জাঁকজমকপূর্ণ পরিকল্পনা গ্রহণের সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়, যার মূল প্রভাব কঠোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক মাপকাঠিতে পরিমাপযোগ্য অগ্রগতির চেয়ে লোকদেখানোই বেশি।
**"ডঃ বিক্রম এ. সারাভাই-এর গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা ও গবেষণাপত্রের তালিকা"-য় উদ্ধৃত।<ref name="PRL_Sarabhai_compilation">{{cite web |title=List Of Important Speeches And Papers By Dr. Vikram A. Sarabhai. |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=27 June 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627181445/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |archivedate=27 June 2019|page=113}}</ref>
*একটা উন্নয়নশীল দেশের জন্য মহাকাশ কার্যক্রমের গুরুত্ব অনুধাবন করতে গেলে কিছু অন্তর্নিহিত সমস্যাকে স্বীকার করে নেওয়া উচিত। এই সমস্যাগুলো মহাকাশ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত চাকচিক্য থেকে উদ্ভূত হয়। বাস্তব আশঙ্কা রয়েছে যে, উন্নয়নশীল দেশগুলো মূলত এই চাকচিক্যের জন্যই মহাকাশ কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে এবং আমাদের এখানে আলোচিত মূল্যবোধগুলোকে স্বীকৃতি না দিয়ে, বরং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কৃত্রিম ভাবমূর্তি তৈরির আকাঙ্ক্ষা থেকে সম্পদ বিনিয়োগ করতে পারে। মহাকাশ কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এই পরিস্থিতিকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে।
** "দি পাওয়ার অফ দি স্পেস ক্লাব" এ উদ্ধৃত<ref>{{cite book |last1=Paikowsky |first1=Deganit |title=The Power of the Space Club |date=2017 |publisher=Cambridge University Press |isbn=9781107194496 |url=https://books.google.co.in/books?id=e9AoDwAAQBAJ&pg=PA157&lpg=PA157#v=onepage&q&f=false |accessdate=12 September 2019 |language=en}}</ref>
*জাতির উন্নয়ন জনগণের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উপলব্ধি এবং প্রয়োগের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
**"বিক্রম এ সারাভাই"এ উদ্ধৃত<ref name="PRL_Sarabhai_quotes">{{cite web |title=The Tenth Dr. Vikram A. Sarabhai Festival of Performing Arts |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=12 September 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627192004/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |archivedate=12 September 2019|page=28}}</ref>
*একটি জাতীয় কর্মসূচি, যার মাধ্যমে আগামী দশ বছরে ভারতের প্রায় ৮০ শতাংশ জনগণ দূরদর্শনের সুবিধা পাবে, তা জাতীয় সংহতি, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ইলেকট্রনিক শিল্পের উদ্দীপনা ও প্রসারের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হবে। এটি বিশেষত বিচ্ছিন্ন গ্রামীণ অঞ্চলে বসবাসকারী জনগণের জন্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।
**"Communication and National Development" গ্রন্থে ১৯৭৪ সালে তার অগ্রাধিকারের উদ্ধৃতি।
*মৌলিক গবেষণার প্রধান কাজ হলো আবিষ্কার করা, গবেষণা ও উন্নয়নের কাজ হলো বিষয়টিকে সর্বোত্তম পর্যায়ে উন্নীত করা এবং শিল্পের কাজ হলো উৎপাদন করা; আর উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনাগুলোর সংগঠনে যে প্রধান সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হতে হয়, তার অন্যতম হলো এই তিনটি সংস্কৃতির মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা—এবং এমন একটি ভিত্তি প্রস্তুত করা, যার মাধ্যমে জ্ঞান, জনশক্তি ও প্রযুক্তির হস্তান্তর এক স্তর থেকে অন্য স্তরে অবাধ পারস্পরিক যোগাযোগের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে পারে এবং একে অপরের দ্বারা উপকৃত হতে পারে।
**১০ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে টিআইএফআর-এর রজত জয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রদত্ত ভাষণ থেকে উদ্ধৃত।<ref>{{Cite web|url=https://www.idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|title=Tata Institute of Fundamental Research Silver Jubilee celebration speech by Dr Vikram Sarabhai on Saturday, 10 April 1971|archiveurl=https://web.archive.org/web/20150418092154/http://idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|archivedate=18 April 2015}}</ref><ref name="PRL_Sarabhai_quotes"/>
*সেখানে কোনো নেতা নেই, নেই কোনো অনুগামীও। যদি কাউকে নেতা হিসেবে চিহ্নিত করতেই হয়, তবে তিনি হবেন কৃষক, নির্মাতা নন। তাকে এমন মাটি, সামগ্রিক আবহাওয়া এবং পরিবেশের জোগান দিতে হবে, যার মধ্যে বীজ অঙ্কুরিত হয়ে বেড়ে উঠতে পারে। আমরা এমন উদারচেতা মানুষদের প্রত্যাশা করি, যাদের নিজেদের নেতা হিসেবে প্রমাণ করার জন্য অন্যদের নির্দেশ জারি করার কোনো তীব্র তাগিদ নেই; বরং তারা নিজেদের সৃজনশীলতা, প্রকৃতিপ্রেম এবং যাকে ‘বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি’ বলা যেতে পারে তার প্রতি নিষ্ঠার মাধ্যমেই একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে ঠিক এমন নেতারাই আমাদের প্রয়োজন।
** সায়েন্স পলিসি অ্যান্ড ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট, নিউ দিল্লি: ম্যাকমিলান, ১৯৭৪ <ref>{{Cite web|url=https://www.isro.gov.in/sites/default/files/flipping_book/institution_building/files/assets/common/downloads/Institution%20Building.pdf|title=Institution building : Lessons from Vikrarn Sarabhai's leadership|archiveurl=https://web.archive.org/web/20220812025514/https://www.isro.gov.in/sites/default/files/flipping_book/institution_building/files/assets/common/downloads/Institution%20Building.pdf|archivedate=12 August 2022}}</ref>
*নিছক অভিজ্ঞতাকে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
**{{cite web|url=http://www.outlookindia.com/article.aspx?216858|title=Vikram A. Sarabhai|date=19 August 2002|accessdate=14 December 2013|publisher=OutlookIndia}}
*যিনি কোলাহলের মাঝেও সঙ্গীত শুনতে পারেন, তিনি মহত্ত্ব অর্জন করতে পারেন।
**{{Cite web|url=http://www.nmspacemuseum.org/halloffame/detail.php?id=120|title= Vikram Ambalal Sarabhai|accessdate=14 December 2013|publisher= New Mexico Museum of Space History}}
*আমাদের জাতীয় লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক পশ্চাৎপদতা ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতার অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে এমন পরিবর্তন কয়েক দশকের মধ্যে অর্জন করা, যা অন্যান্য দেশ ও ভূখণ্ডে বাস্তবায়িত হতে কয়েক শতাব্দী সময় লেগেছে। এর জন্য সকল স্তরে উদ্ভাবন প্রয়োজন।
**নেহেরু-পরবর্তী যুগে “দূরদর্শন ও উন্নয়ন” বিষয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি, {{cite book|last= Joshi |first=Puran Chandra |title=Communication and National Development|url=http://books.google.com/books?id=re46IrFLtQ8C&pg=PR25|date=1 January 2002|publisher=Anamika Publishers & Distributors|isbn=978-81-7975-013-1|page=xxv}} থেকে উদ্ধৃত
===ভারতীয় পারমাণবিক বোমার নির্মাণ: বিজ্ঞান, গোপনীয়তা এবং উত্তর-ঔপনিবেশিক রাষ্ট্র===
<small>{{cite book|last= Abraham |first=Itty |title=The Making of the Indian Atomic Bomb: Science, Secrecy and the Postcolonial State|url=http://books.google.com/books?id=c3MPQhmV0loC&pg=PA143|date=15 November 1998|publisher=Zed Books|isbn=978-1-85649-630-8|pages=143}}</small>
*আমি জোর দিয়ে বলতে চাই যে, নিরাপত্তা শুধু বাইরে থেকে নয়, ভেতর থেকেও বিপন্ন হতে পারে। যদি আপনারা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অগ্রগতির হার বজায় না রাখেন, তবে আমি বলব যে আপনারা এক ভয়াবহ সংকটের সম্মুখীন হবেন, যা আমাদের পরিচিত ভারতকে ধ্বংস করে দেবে।
**এমন এক সময়ে যখন ব্যাপক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার সংকট চলছিল এবং যখন তাকে পারমাণবিক শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যানের পদ গ্রহণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।
*সুতরাং, এই পুরো বিষয়টির আসল সমস্যাটি হলো, যেকোনো নির্দিষ্ট সময়ে একটি দেশ যে প্রতিরক্ষা ব্যয়ের বোঝা বহন করতে পারে, তার বিপরীতে উৎপাদনশীল ও সামাজিক কল্যাণের জন্য জাতীয় সম্পদের ব্যবহার।
**অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন বনাম বাহ্যিক প্রতিরক্ষার অগ্রাধিকারের প্রশ্নে।
==তার সম্পর্কে উক্তি==
===প্রাইড অব দি নেশন: ড. এ. পি. জে. আবদুল কালাম===
<small>{{cite book|author1=Mahesh Sharma|author2=P.K. Das|author3=P. Bhalla|title=Pride Of The Nation : Dr. A.P.J. Abdul Kalam|url=http://books.google.com/books?id=TkGyzKt-l6cC&pg=PA46|year=2004|publisher=Diamond Pocket Books (P) Ltd.|isbn=978-81-288-0806-7|pages=45–49}}</small>
*বিক্রম সারাভাইয়ের মহাকাশ জয়ের স্বপ্ন এখন আর নেই, কিন্তু তার সেই স্বপ্ন আজও ইসরোর গবেষণার একটি প্রধান বিষয়।
*রকেট উৎক্ষেপণের আধুনিক প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণের জন্য নাসার কাছে প্রশিক্ষণার্থী প্রার্থী হিসেবে ডঃ কালামের নাম প্রস্তাব করেছিলেন অধ্যাপক সারাভাই।
*অধ্যাপক সারাভাই একজন প্রকৌশলী বা বিজ্ঞানীর কাজের ক্ষমতা তার ডিগ্রি বা প্রশিক্ষণ দিয়ে নয়, বরং তার আত্মবিশ্বাস দিয়ে মূল্যায়ন করতেন।
*অধ্যাপক সারাভাইয়ের তীব্র ইচ্ছা ছিল যে রকেট উৎপাদনে ভারতকে অবশ্যই স্বনির্ভর হতে হবে, তাই তিনি সর্বদা নতুন কিছু করার জন্য উৎসাহে পূর্ণ থাকতেন।
*তিনি সর্বদা প্রকৌশলীদের নতুন প্রযুক্তিগত জ্ঞান দিতেন এবং সেই মুহূর্তে তার মুখ আনন্দে উদ্ভাসিত হয়ে উঠত।
*তিনি প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও কখনও বিচ্যুত হননি, বরং তিনি মেনে নিয়েছিলেন যে কিছু শেখার জন্য ভুল করা বা কিছু ভুলে যাওয়া কোনো অপরাধ নয়।
*তিনি বলেছিলেন যে আমরা যদি বিশ্বে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে চাই, তবে আমাদের আত্মনির্ভরশীল হতে হবে এবং নতুন ধারণা ও কৌশলের জন্য গবেষণা করতে হবে।
*তিনি তার দলের সবাইকে যেকোনো নতুন প্রকল্প সম্পর্কে জানাতেন এবং সবার সাথে আলোচনা করার পরেই কেবল সেটির উপর কাজ শুরু করতেন। তিনি বলতেন যে, কোনো প্রকল্পের সাথে কর্মীর শারীরিক সংযোগের পাশাপাশি মানসিক সংযোগও থাকা আবশ্যক; অন্যথায় এর প্রতি নিষ্ঠা ও ভক্তি অর্জন করা যায় না।
*কোনো প্রকৌশলী বা বিজ্ঞানীর কাজে তিনি সন্তুষ্ট না হলে, সঙ্গে সঙ্গে তাকে তার ভুল ধরিয়ে দিতেন। এমন মুহূর্তে তিনি খুবই ইতিবাচক থাকতেন।
*তিনি বলতেন যে, সাফল্যের তুলনায় ব্যর্থতাই আমাদের বেশি গড়ে তোলে।
*তিনি এতটাই প্রতিভাবান ছিলেন যে খুব দ্রুত যেকোনো সমস্যার সমাধান করতে পারতেন। তরুণ প্রকৌশলীদের নতুন নতুন পরামর্শ দেওয়ার অভ্যাস তাঁর ছিল। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও স্বাভাবিক থাকাটা ছিল তাঁর সহজাত বৈশিষ্ট্য।
*শুধুমাত্র অধ্যাপক বিক্রম সারাভাইয়ের অনুপ্রেরণার কারণেই ভারতে এসএলভি স্যাটেলাইটের উৎক্ষেপণ সম্ভব হয়েছিল। এটা বললে অত্যুক্তি হবে না যে, অধ্যাপক সারাভাই হলেন ভারতীয় বিজ্ঞানের দিগন্তের সেই সূর্য, যিনি ভবিষ্যৎ বিজ্ঞানীদের পথ দেখিয়ে যাবেন।
==বহিঃসংযোগ==
* https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf
* https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf
{{Wikipedia}}
{{DEFAULTSORT:Sarabhai, Vikram}}
==তথ্যসূত্র==
2c8p2zfiaxiocakn7vbe012dof533ou
74044
74043
2026-04-06T07:12:56Z
Nil Nandy
2294
/* তথ্যসূত্র */
74044
wikitext
text/x-wiki
[[File:Vikram Sarabhai.jpg|thumb|right| বিক্রম সারাভাই, ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক]]
'''[[w:বিক্রম সারাভাই|বিক্রম আম্বালাল সারাভাই]]''' ([[w:গুজরাত| গুজরাতি]]: વિક્રમ અંબાલાલ સારાભાઇ) (১২ আগস্ট, ১৯১৯ – ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৭১) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিদ। তিনি ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক হিসেবে পরিচিত। তাকে “রেনেসাঁস ম্যান” বলেও অভিহিত করা হয়। তিনি ১৯৪৭ সালে ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা করেন। বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার (VSSC), যা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার উৎক্ষেপণযান উন্নয়ন কেন্দ্র, তার নামানুসারে নামকরণ করা হয়েছে। তিনি অ্যাটমিক এনার্জি কমিশনের চেয়ারম্যানও ছিলেন। তাকে ১৯৬৬ সালে পদ্মভূষণ এবং মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়। ভারতে প্রতি বছর তার জন্মদিন ১২ আগস্ট 'মহাকাশ বিজ্ঞান দিবস’ পালন করা হয়।
==উক্তি ==
*আমাদের বিজ্ঞানীরা বাইরের পরামর্শমূলক কাজে যুক্ত হলে আমরা তাদের তুচ্ছজ্ঞান করি। আমরা পরোক্ষভাবে গজদন্তমিনার মানসিকতাকে উৎসাহিত করি।
**{{cite web|url=http://resourcecentre.daiict.ac.in/eresources/iresources/quotations.html |title= ৬০ জন শ্রেষ্ঠ ভারতীয়র উক্তি |publisher= ধীরুভাই আম্বানি ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি}} থেকে উদ্ধৃত
*এমন অনেকে আছেন যারা একটি উন্নয়নশীল দেশে মহাকাশ কার্যক্রমের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আমাদের উদ্দেশ্যের কোনো অস্পষ্টতা নেই। চাঁদ বা গ্রহ অন্বেষণ কিংবা মনুষ্যবাহী মহাকাশ যাত্রার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করার মতো অলীক কল্পনা আমাদের নেই। কিন্তু আমরা এ ব্যাপারে নিশ্চিত যে, যদি আমরা জাতীয় পর্যায়ে এবং আন্তর্জাতিক সমাজে একটি অর্থবহ ভূমিকা পালন করতে চাই, তবে আমাদের দেশে বিদ্যমান মানুষ ও সমাজের বাস্তব সমস্যাগুলোতে উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগের ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই অদ্বিতীয় হতে হবে। এবং আমাদের মনে রাখতে হবে যে, আমাদের সমস্যাগুলোতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও বিশ্লেষণ পদ্ধতির প্রয়োগকে এমন কোনো জাঁকজমকপূর্ণ পরিকল্পনা গ্রহণের সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়, যার মূল প্রভাব কঠোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক মাপকাঠিতে পরিমাপযোগ্য অগ্রগতির চেয়ে লোকদেখানোই বেশি।
**"ডঃ বিক্রম এ. সারাভাই-এর গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা ও গবেষণাপত্রের তালিকা"-য় উদ্ধৃত।<ref name="PRL_Sarabhai_compilation">{{cite web |title=List Of Important Speeches And Papers By Dr. Vikram A. Sarabhai. |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=27 June 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627181445/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |archivedate=27 June 2019|page=113}}</ref>
*একটা উন্নয়নশীল দেশের জন্য মহাকাশ কার্যক্রমের গুরুত্ব অনুধাবন করতে গেলে কিছু অন্তর্নিহিত সমস্যাকে স্বীকার করে নেওয়া উচিত। এই সমস্যাগুলো মহাকাশ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত চাকচিক্য থেকে উদ্ভূত হয়। বাস্তব আশঙ্কা রয়েছে যে, উন্নয়নশীল দেশগুলো মূলত এই চাকচিক্যের জন্যই মহাকাশ কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে এবং আমাদের এখানে আলোচিত মূল্যবোধগুলোকে স্বীকৃতি না দিয়ে, বরং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কৃত্রিম ভাবমূর্তি তৈরির আকাঙ্ক্ষা থেকে সম্পদ বিনিয়োগ করতে পারে। মহাকাশ কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এই পরিস্থিতিকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে।
** "দি পাওয়ার অফ দি স্পেস ক্লাব" এ উদ্ধৃত<ref>{{cite book |last1=Paikowsky |first1=Deganit |title=The Power of the Space Club |date=2017 |publisher=Cambridge University Press |isbn=9781107194496 |url=https://books.google.co.in/books?id=e9AoDwAAQBAJ&pg=PA157&lpg=PA157#v=onepage&q&f=false |accessdate=12 September 2019 |language=en}}</ref>
*জাতির উন্নয়ন জনগণের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উপলব্ধি এবং প্রয়োগের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
**"বিক্রম এ সারাভাই"এ উদ্ধৃত<ref name="PRL_Sarabhai_quotes">{{cite web |title=The Tenth Dr. Vikram A. Sarabhai Festival of Performing Arts |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=12 September 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627192004/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |archivedate=12 September 2019|page=28}}</ref>
*একটি জাতীয় কর্মসূচি, যার মাধ্যমে আগামী দশ বছরে ভারতের প্রায় ৮০ শতাংশ জনগণ দূরদর্শনের সুবিধা পাবে, তা জাতীয় সংহতি, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ইলেকট্রনিক শিল্পের উদ্দীপনা ও প্রসারের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হবে। এটি বিশেষত বিচ্ছিন্ন গ্রামীণ অঞ্চলে বসবাসকারী জনগণের জন্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।
**"Communication and National Development" গ্রন্থে ১৯৭৪ সালে তার অগ্রাধিকারের উদ্ধৃতি।
*মৌলিক গবেষণার প্রধান কাজ হলো আবিষ্কার করা, গবেষণা ও উন্নয়নের কাজ হলো বিষয়টিকে সর্বোত্তম পর্যায়ে উন্নীত করা এবং শিল্পের কাজ হলো উৎপাদন করা; আর উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনাগুলোর সংগঠনে যে প্রধান সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হতে হয়, তার অন্যতম হলো এই তিনটি সংস্কৃতির মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা—এবং এমন একটি ভিত্তি প্রস্তুত করা, যার মাধ্যমে জ্ঞান, জনশক্তি ও প্রযুক্তির হস্তান্তর এক স্তর থেকে অন্য স্তরে অবাধ পারস্পরিক যোগাযোগের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে পারে এবং একে অপরের দ্বারা উপকৃত হতে পারে।
**১০ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে টিআইএফআর-এর রজত জয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রদত্ত ভাষণ থেকে উদ্ধৃত।<ref>{{Cite web|url=https://www.idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|title=Tata Institute of Fundamental Research Silver Jubilee celebration speech by Dr Vikram Sarabhai on Saturday, 10 April 1971|archiveurl=https://web.archive.org/web/20150418092154/http://idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|archivedate=18 April 2015}}</ref><ref name="PRL_Sarabhai_quotes"/>
*সেখানে কোনো নেতা নেই, নেই কোনো অনুগামীও। যদি কাউকে নেতা হিসেবে চিহ্নিত করতেই হয়, তবে তিনি হবেন কৃষক, নির্মাতা নন। তাকে এমন মাটি, সামগ্রিক আবহাওয়া এবং পরিবেশের জোগান দিতে হবে, যার মধ্যে বীজ অঙ্কুরিত হয়ে বেড়ে উঠতে পারে। আমরা এমন উদারচেতা মানুষদের প্রত্যাশা করি, যাদের নিজেদের নেতা হিসেবে প্রমাণ করার জন্য অন্যদের নির্দেশ জারি করার কোনো তীব্র তাগিদ নেই; বরং তারা নিজেদের সৃজনশীলতা, প্রকৃতিপ্রেম এবং যাকে ‘বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি’ বলা যেতে পারে তার প্রতি নিষ্ঠার মাধ্যমেই একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে ঠিক এমন নেতারাই আমাদের প্রয়োজন।
** সায়েন্স পলিসি অ্যান্ড ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট, নিউ দিল্লি: ম্যাকমিলান, ১৯৭৪ <ref>{{Cite web|url=https://www.isro.gov.in/sites/default/files/flipping_book/institution_building/files/assets/common/downloads/Institution%20Building.pdf|title=Institution building : Lessons from Vikrarn Sarabhai's leadership|archiveurl=https://web.archive.org/web/20220812025514/https://www.isro.gov.in/sites/default/files/flipping_book/institution_building/files/assets/common/downloads/Institution%20Building.pdf|archivedate=12 August 2022}}</ref>
*নিছক অভিজ্ঞতাকে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
**{{cite web|url=http://www.outlookindia.com/article.aspx?216858|title=Vikram A. Sarabhai|date=19 August 2002|accessdate=14 December 2013|publisher=OutlookIndia}}
*যিনি কোলাহলের মাঝেও সঙ্গীত শুনতে পারেন, তিনি মহত্ত্ব অর্জন করতে পারেন।
**{{Cite web|url=http://www.nmspacemuseum.org/halloffame/detail.php?id=120|title= Vikram Ambalal Sarabhai|accessdate=14 December 2013|publisher= New Mexico Museum of Space History}}
*আমাদের জাতীয় লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক পশ্চাৎপদতা ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতার অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে এমন পরিবর্তন কয়েক দশকের মধ্যে অর্জন করা, যা অন্যান্য দেশ ও ভূখণ্ডে বাস্তবায়িত হতে কয়েক শতাব্দী সময় লেগেছে। এর জন্য সকল স্তরে উদ্ভাবন প্রয়োজন।
**নেহেরু-পরবর্তী যুগে “দূরদর্শন ও উন্নয়ন” বিষয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি, {{cite book|last= Joshi |first=Puran Chandra |title=Communication and National Development|url=http://books.google.com/books?id=re46IrFLtQ8C&pg=PR25|date=1 January 2002|publisher=Anamika Publishers & Distributors|isbn=978-81-7975-013-1|page=xxv}} থেকে উদ্ধৃত
===ভারতীয় পারমাণবিক বোমার নির্মাণ: বিজ্ঞান, গোপনীয়তা এবং উত্তর-ঔপনিবেশিক রাষ্ট্র===
<small>{{cite book|last= Abraham |first=Itty |title=The Making of the Indian Atomic Bomb: Science, Secrecy and the Postcolonial State|url=http://books.google.com/books?id=c3MPQhmV0loC&pg=PA143|date=15 November 1998|publisher=Zed Books|isbn=978-1-85649-630-8|pages=143}}</small>
*আমি জোর দিয়ে বলতে চাই যে, নিরাপত্তা শুধু বাইরে থেকে নয়, ভেতর থেকেও বিপন্ন হতে পারে। যদি আপনারা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অগ্রগতির হার বজায় না রাখেন, তবে আমি বলব যে আপনারা এক ভয়াবহ সংকটের সম্মুখীন হবেন, যা আমাদের পরিচিত ভারতকে ধ্বংস করে দেবে।
**এমন এক সময়ে যখন ব্যাপক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার সংকট চলছিল এবং যখন তাকে পারমাণবিক শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যানের পদ গ্রহণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।
*সুতরাং, এই পুরো বিষয়টির আসল সমস্যাটি হলো, যেকোনো নির্দিষ্ট সময়ে একটি দেশ যে প্রতিরক্ষা ব্যয়ের বোঝা বহন করতে পারে, তার বিপরীতে উৎপাদনশীল ও সামাজিক কল্যাণের জন্য জাতীয় সম্পদের ব্যবহার।
**অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন বনাম বাহ্যিক প্রতিরক্ষার অগ্রাধিকারের প্রশ্নে।
==তার সম্পর্কে উক্তি==
===প্রাইড অব দি নেশন: ড. এ. পি. জে. আবদুল কালাম===
<small>{{cite book|author1=Mahesh Sharma|author2=P.K. Das|author3=P. Bhalla|title=Pride Of The Nation : Dr. A.P.J. Abdul Kalam|url=http://books.google.com/books?id=TkGyzKt-l6cC&pg=PA46|year=2004|publisher=Diamond Pocket Books (P) Ltd.|isbn=978-81-288-0806-7|pages=45–49}}</small>
*বিক্রম সারাভাইয়ের মহাকাশ জয়ের স্বপ্ন এখন আর নেই, কিন্তু তার সেই স্বপ্ন আজও ইসরোর গবেষণার একটি প্রধান বিষয়।
*রকেট উৎক্ষেপণের আধুনিক প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণের জন্য নাসার কাছে প্রশিক্ষণার্থী প্রার্থী হিসেবে ডঃ কালামের নাম প্রস্তাব করেছিলেন অধ্যাপক সারাভাই।
*অধ্যাপক সারাভাই একজন প্রকৌশলী বা বিজ্ঞানীর কাজের ক্ষমতা তার ডিগ্রি বা প্রশিক্ষণ দিয়ে নয়, বরং তার আত্মবিশ্বাস দিয়ে মূল্যায়ন করতেন।
*অধ্যাপক সারাভাইয়ের তীব্র ইচ্ছা ছিল যে রকেট উৎপাদনে ভারতকে অবশ্যই স্বনির্ভর হতে হবে, তাই তিনি সর্বদা নতুন কিছু করার জন্য উৎসাহে পূর্ণ থাকতেন।
*তিনি সর্বদা প্রকৌশলীদের নতুন প্রযুক্তিগত জ্ঞান দিতেন এবং সেই মুহূর্তে তার মুখ আনন্দে উদ্ভাসিত হয়ে উঠত।
*তিনি প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও কখনও বিচ্যুত হননি, বরং তিনি মেনে নিয়েছিলেন যে কিছু শেখার জন্য ভুল করা বা কিছু ভুলে যাওয়া কোনো অপরাধ নয়।
*তিনি বলেছিলেন যে আমরা যদি বিশ্বে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে চাই, তবে আমাদের আত্মনির্ভরশীল হতে হবে এবং নতুন ধারণা ও কৌশলের জন্য গবেষণা করতে হবে।
*তিনি তার দলের সবাইকে যেকোনো নতুন প্রকল্প সম্পর্কে জানাতেন এবং সবার সাথে আলোচনা করার পরেই কেবল সেটির উপর কাজ শুরু করতেন। তিনি বলতেন যে, কোনো প্রকল্পের সাথে কর্মীর শারীরিক সংযোগের পাশাপাশি মানসিক সংযোগও থাকা আবশ্যক; অন্যথায় এর প্রতি নিষ্ঠা ও ভক্তি অর্জন করা যায় না।
*কোনো প্রকৌশলী বা বিজ্ঞানীর কাজে তিনি সন্তুষ্ট না হলে, সঙ্গে সঙ্গে তাকে তার ভুল ধরিয়ে দিতেন। এমন মুহূর্তে তিনি খুবই ইতিবাচক থাকতেন।
*তিনি বলতেন যে, সাফল্যের তুলনায় ব্যর্থতাই আমাদের বেশি গড়ে তোলে।
*তিনি এতটাই প্রতিভাবান ছিলেন যে খুব দ্রুত যেকোনো সমস্যার সমাধান করতে পারতেন। তরুণ প্রকৌশলীদের নতুন নতুন পরামর্শ দেওয়ার অভ্যাস তাঁর ছিল। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও স্বাভাবিক থাকাটা ছিল তাঁর সহজাত বৈশিষ্ট্য।
*শুধুমাত্র অধ্যাপক বিক্রম সারাভাইয়ের অনুপ্রেরণার কারণেই ভারতে এসএলভি স্যাটেলাইটের উৎক্ষেপণ সম্ভব হয়েছিল। এটা বললে অত্যুক্তি হবে না যে, অধ্যাপক সারাভাই হলেন ভারতীয় বিজ্ঞানের দিগন্তের সেই সূর্য, যিনি ভবিষ্যৎ বিজ্ঞানীদের পথ দেখিয়ে যাবেন।
==বহিঃসংযোগ==
* https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf
* https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf
{{Wikipedia}}
{{DEFAULTSORT:Sarabhai, Vikram}}
==তথ্যসূত্র==
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৭১-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯১৯-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী]]
gwc0sd92tvemnyjmu870trm3ko2iv72
74045
74044
2026-04-06T07:14:23Z
Nil Nandy
2294
74045
wikitext
text/x-wiki
[[File:Vikram Sarabhai.jpg|thumb|right| বিক্রম সারাভাই, ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক]]
'''[[w:বিক্রম সারাভাই|বিক্রম আম্বালাল সারাভাই]]''' ([[w:গুজরাত| গুজরাতি]]: વિક્રમ અંબાલાલ સારાભાઇ) (১২ আগস্ট, ১৯১৯ – ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৭১) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিদ। তিনি ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জনক হিসেবে পরিচিত। তাকে “রেনেসাঁস ম্যান” বলেও অভিহিত করা হয়। তিনি ১৯৪৭ সালে ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা করেন। বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার (VSSC), যা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার উৎক্ষেপণযান উন্নয়ন কেন্দ্র, তার নামানুসারে নামকরণ করা হয়েছে। তিনি অ্যাটমিক এনার্জি কমিশনের চেয়ারম্যানও ছিলেন। তাকে ১৯৬৬ সালে পদ্মভূষণ এবং ১৯৭২ সালে মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়। ভারতে প্রতি বছর তার জন্মদিন ১২ আগস্ট 'মহাকাশ বিজ্ঞান দিবস’ পালন করা হয়।
==উক্তি ==
*আমাদের বিজ্ঞানীরা বাইরের পরামর্শমূলক কাজে যুক্ত হলে আমরা তাদের তুচ্ছজ্ঞান করি। আমরা পরোক্ষভাবে গজদন্তমিনার মানসিকতাকে উৎসাহিত করি।
**{{cite web|url=http://resourcecentre.daiict.ac.in/eresources/iresources/quotations.html |title= ৬০ জন শ্রেষ্ঠ ভারতীয়র উক্তি |publisher= ধীরুভাই আম্বানি ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি}} থেকে উদ্ধৃত
*এমন অনেকে আছেন যারা একটি উন্নয়নশীল দেশে মহাকাশ কার্যক্রমের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আমাদের উদ্দেশ্যের কোনো অস্পষ্টতা নেই। চাঁদ বা গ্রহ অন্বেষণ কিংবা মনুষ্যবাহী মহাকাশ যাত্রার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করার মতো অলীক কল্পনা আমাদের নেই। কিন্তু আমরা এ ব্যাপারে নিশ্চিত যে, যদি আমরা জাতীয় পর্যায়ে এবং আন্তর্জাতিক সমাজে একটি অর্থবহ ভূমিকা পালন করতে চাই, তবে আমাদের দেশে বিদ্যমান মানুষ ও সমাজের বাস্তব সমস্যাগুলোতে উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগের ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই অদ্বিতীয় হতে হবে। এবং আমাদের মনে রাখতে হবে যে, আমাদের সমস্যাগুলোতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও বিশ্লেষণ পদ্ধতির প্রয়োগকে এমন কোনো জাঁকজমকপূর্ণ পরিকল্পনা গ্রহণের সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়, যার মূল প্রভাব কঠোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক মাপকাঠিতে পরিমাপযোগ্য অগ্রগতির চেয়ে লোকদেখানোই বেশি।
**"ডঃ বিক্রম এ. সারাভাই-এর গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা ও গবেষণাপত্রের তালিকা"-য় উদ্ধৃত।<ref name="PRL_Sarabhai_compilation">{{cite web |title=List Of Important Speeches And Papers By Dr. Vikram A. Sarabhai. |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=27 June 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627181445/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf |archivedate=27 June 2019|page=113}}</ref>
*একটা উন্নয়নশীল দেশের জন্য মহাকাশ কার্যক্রমের গুরুত্ব অনুধাবন করতে গেলে কিছু অন্তর্নিহিত সমস্যাকে স্বীকার করে নেওয়া উচিত। এই সমস্যাগুলো মহাকাশ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত চাকচিক্য থেকে উদ্ভূত হয়। বাস্তব আশঙ্কা রয়েছে যে, উন্নয়নশীল দেশগুলো মূলত এই চাকচিক্যের জন্যই মহাকাশ কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে এবং আমাদের এখানে আলোচিত মূল্যবোধগুলোকে স্বীকৃতি না দিয়ে, বরং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কৃত্রিম ভাবমূর্তি তৈরির আকাঙ্ক্ষা থেকে সম্পদ বিনিয়োগ করতে পারে। মহাকাশ কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এই পরিস্থিতিকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে।
** "দি পাওয়ার অফ দি স্পেস ক্লাব" এ উদ্ধৃত<ref>{{cite book |last1=Paikowsky |first1=Deganit |title=The Power of the Space Club |date=2017 |publisher=Cambridge University Press |isbn=9781107194496 |url=https://books.google.co.in/books?id=e9AoDwAAQBAJ&pg=PA157&lpg=PA157#v=onepage&q&f=false |accessdate=12 September 2019 |language=en}}</ref>
*জাতির উন্নয়ন জনগণের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উপলব্ধি এবং প্রয়োগের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
**"বিক্রম এ সারাভাই"এ উদ্ধৃত<ref name="PRL_Sarabhai_quotes">{{cite web |title=The Tenth Dr. Vikram A. Sarabhai Festival of Performing Arts |url=https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |website=PRL.res.in |accessdate=12 September 2019 |archiveurl=https://web.archive.org/web/20190627192004/https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf |archivedate=12 September 2019|page=28}}</ref>
*একটি জাতীয় কর্মসূচি, যার মাধ্যমে আগামী দশ বছরে ভারতের প্রায় ৮০ শতাংশ জনগণ দূরদর্শনের সুবিধা পাবে, তা জাতীয় সংহতি, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ইলেকট্রনিক শিল্পের উদ্দীপনা ও প্রসারের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হবে। এটি বিশেষত বিচ্ছিন্ন গ্রামীণ অঞ্চলে বসবাসকারী জনগণের জন্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।
**"Communication and National Development" গ্রন্থে ১৯৭৪ সালে তার অগ্রাধিকারের উদ্ধৃতি।
*মৌলিক গবেষণার প্রধান কাজ হলো আবিষ্কার করা, গবেষণা ও উন্নয়নের কাজ হলো বিষয়টিকে সর্বোত্তম পর্যায়ে উন্নীত করা এবং শিল্পের কাজ হলো উৎপাদন করা; আর উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনাগুলোর সংগঠনে যে প্রধান সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হতে হয়, তার অন্যতম হলো এই তিনটি সংস্কৃতির মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা—এবং এমন একটি ভিত্তি প্রস্তুত করা, যার মাধ্যমে জ্ঞান, জনশক্তি ও প্রযুক্তির হস্তান্তর এক স্তর থেকে অন্য স্তরে অবাধ পারস্পরিক যোগাযোগের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে পারে এবং একে অপরের দ্বারা উপকৃত হতে পারে।
**১০ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে টিআইএফআর-এর রজত জয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রদত্ত ভাষণ থেকে উদ্ধৃত।<ref>{{Cite web|url=https://www.idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|title=Tata Institute of Fundamental Research Silver Jubilee celebration speech by Dr Vikram Sarabhai on Saturday, 10 April 1971|archiveurl=https://web.archive.org/web/20150418092154/http://idsa.in/npihp/documents/IDSA-TIFR-01011954e.pdf|archivedate=18 April 2015}}</ref><ref name="PRL_Sarabhai_quotes"/>
*সেখানে কোনো নেতা নেই, নেই কোনো অনুগামীও। যদি কাউকে নেতা হিসেবে চিহ্নিত করতেই হয়, তবে তিনি হবেন কৃষক, নির্মাতা নন। তাকে এমন মাটি, সামগ্রিক আবহাওয়া এবং পরিবেশের জোগান দিতে হবে, যার মধ্যে বীজ অঙ্কুরিত হয়ে বেড়ে উঠতে পারে। আমরা এমন উদারচেতা মানুষদের প্রত্যাশা করি, যাদের নিজেদের নেতা হিসেবে প্রমাণ করার জন্য অন্যদের নির্দেশ জারি করার কোনো তীব্র তাগিদ নেই; বরং তারা নিজেদের সৃজনশীলতা, প্রকৃতিপ্রেম এবং যাকে ‘বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি’ বলা যেতে পারে তার প্রতি নিষ্ঠার মাধ্যমেই একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে ঠিক এমন নেতারাই আমাদের প্রয়োজন।
** সায়েন্স পলিসি অ্যান্ড ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট, নিউ দিল্লি: ম্যাকমিলান, ১৯৭৪ <ref>{{Cite web|url=https://www.isro.gov.in/sites/default/files/flipping_book/institution_building/files/assets/common/downloads/Institution%20Building.pdf|title=Institution building : Lessons from Vikrarn Sarabhai's leadership|archiveurl=https://web.archive.org/web/20220812025514/https://www.isro.gov.in/sites/default/files/flipping_book/institution_building/files/assets/common/downloads/Institution%20Building.pdf|archivedate=12 August 2022}}</ref>
*নিছক অভিজ্ঞতাকে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
**{{cite web|url=http://www.outlookindia.com/article.aspx?216858|title=Vikram A. Sarabhai|date=19 August 2002|accessdate=14 December 2013|publisher=OutlookIndia}}
*যিনি কোলাহলের মাঝেও সঙ্গীত শুনতে পারেন, তিনি মহত্ত্ব অর্জন করতে পারেন।
**{{Cite web|url=http://www.nmspacemuseum.org/halloffame/detail.php?id=120|title= Vikram Ambalal Sarabhai|accessdate=14 December 2013|publisher= New Mexico Museum of Space History}}
*আমাদের জাতীয় লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক পশ্চাৎপদতা ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতার অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে এমন পরিবর্তন কয়েক দশকের মধ্যে অর্জন করা, যা অন্যান্য দেশ ও ভূখণ্ডে বাস্তবায়িত হতে কয়েক শতাব্দী সময় লেগেছে। এর জন্য সকল স্তরে উদ্ভাবন প্রয়োজন।
**নেহেরু-পরবর্তী যুগে “দূরদর্শন ও উন্নয়ন” বিষয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি, {{cite book|last= Joshi |first=Puran Chandra |title=Communication and National Development|url=http://books.google.com/books?id=re46IrFLtQ8C&pg=PR25|date=1 January 2002|publisher=Anamika Publishers & Distributors|isbn=978-81-7975-013-1|page=xxv}} থেকে উদ্ধৃত
===ভারতীয় পারমাণবিক বোমার নির্মাণ: বিজ্ঞান, গোপনীয়তা এবং উত্তর-ঔপনিবেশিক রাষ্ট্র===
<small>{{cite book|last= Abraham |first=Itty |title=The Making of the Indian Atomic Bomb: Science, Secrecy and the Postcolonial State|url=http://books.google.com/books?id=c3MPQhmV0loC&pg=PA143|date=15 November 1998|publisher=Zed Books|isbn=978-1-85649-630-8|pages=143}}</small>
*আমি জোর দিয়ে বলতে চাই যে, নিরাপত্তা শুধু বাইরে থেকে নয়, ভেতর থেকেও বিপন্ন হতে পারে। যদি আপনারা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অগ্রগতির হার বজায় না রাখেন, তবে আমি বলব যে আপনারা এক ভয়াবহ সংকটের সম্মুখীন হবেন, যা আমাদের পরিচিত ভারতকে ধ্বংস করে দেবে।
**এমন এক সময়ে যখন ব্যাপক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার সংকট চলছিল এবং যখন তাকে পারমাণবিক শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যানের পদ গ্রহণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।
*সুতরাং, এই পুরো বিষয়টির আসল সমস্যাটি হলো, যেকোনো নির্দিষ্ট সময়ে একটি দেশ যে প্রতিরক্ষা ব্যয়ের বোঝা বহন করতে পারে, তার বিপরীতে উৎপাদনশীল ও সামাজিক কল্যাণের জন্য জাতীয় সম্পদের ব্যবহার।
**অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন বনাম বাহ্যিক প্রতিরক্ষার অগ্রাধিকারের প্রশ্নে।
==তার সম্পর্কে উক্তি==
===প্রাইড অব দি নেশন: ড. এ. পি. জে. আবদুল কালাম===
<small>{{cite book|author1=Mahesh Sharma|author2=P.K. Das|author3=P. Bhalla|title=Pride Of The Nation : Dr. A.P.J. Abdul Kalam|url=http://books.google.com/books?id=TkGyzKt-l6cC&pg=PA46|year=2004|publisher=Diamond Pocket Books (P) Ltd.|isbn=978-81-288-0806-7|pages=45–49}}</small>
*বিক্রম সারাভাইয়ের মহাকাশ জয়ের স্বপ্ন এখন আর নেই, কিন্তু তার সেই স্বপ্ন আজও ইসরোর গবেষণার একটি প্রধান বিষয়।
*রকেট উৎক্ষেপণের আধুনিক প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণের জন্য নাসার কাছে প্রশিক্ষণার্থী প্রার্থী হিসেবে ডঃ কালামের নাম প্রস্তাব করেছিলেন অধ্যাপক সারাভাই।
*অধ্যাপক সারাভাই একজন প্রকৌশলী বা বিজ্ঞানীর কাজের ক্ষমতা তার ডিগ্রি বা প্রশিক্ষণ দিয়ে নয়, বরং তার আত্মবিশ্বাস দিয়ে মূল্যায়ন করতেন।
*অধ্যাপক সারাভাইয়ের তীব্র ইচ্ছা ছিল যে রকেট উৎপাদনে ভারতকে অবশ্যই স্বনির্ভর হতে হবে, তাই তিনি সর্বদা নতুন কিছু করার জন্য উৎসাহে পূর্ণ থাকতেন।
*তিনি সর্বদা প্রকৌশলীদের নতুন প্রযুক্তিগত জ্ঞান দিতেন এবং সেই মুহূর্তে তার মুখ আনন্দে উদ্ভাসিত হয়ে উঠত।
*তিনি প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও কখনও বিচ্যুত হননি, বরং তিনি মেনে নিয়েছিলেন যে কিছু শেখার জন্য ভুল করা বা কিছু ভুলে যাওয়া কোনো অপরাধ নয়।
*তিনি বলেছিলেন যে আমরা যদি বিশ্বে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে চাই, তবে আমাদের আত্মনির্ভরশীল হতে হবে এবং নতুন ধারণা ও কৌশলের জন্য গবেষণা করতে হবে।
*তিনি তার দলের সবাইকে যেকোনো নতুন প্রকল্প সম্পর্কে জানাতেন এবং সবার সাথে আলোচনা করার পরেই কেবল সেটির উপর কাজ শুরু করতেন। তিনি বলতেন যে, কোনো প্রকল্পের সাথে কর্মীর শারীরিক সংযোগের পাশাপাশি মানসিক সংযোগও থাকা আবশ্যক; অন্যথায় এর প্রতি নিষ্ঠা ও ভক্তি অর্জন করা যায় না।
*কোনো প্রকৌশলী বা বিজ্ঞানীর কাজে তিনি সন্তুষ্ট না হলে, সঙ্গে সঙ্গে তাকে তার ভুল ধরিয়ে দিতেন। এমন মুহূর্তে তিনি খুবই ইতিবাচক থাকতেন।
*তিনি বলতেন যে, সাফল্যের তুলনায় ব্যর্থতাই আমাদের বেশি গড়ে তোলে।
*তিনি এতটাই প্রতিভাবান ছিলেন যে খুব দ্রুত যেকোনো সমস্যার সমাধান করতে পারতেন। তরুণ প্রকৌশলীদের নতুন নতুন পরামর্শ দেওয়ার অভ্যাস তাঁর ছিল। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও স্বাভাবিক থাকাটা ছিল তাঁর সহজাত বৈশিষ্ট্য।
*শুধুমাত্র অধ্যাপক বিক্রম সারাভাইয়ের অনুপ্রেরণার কারণেই ভারতে এসএলভি স্যাটেলাইটের উৎক্ষেপণ সম্ভব হয়েছিল। এটা বললে অত্যুক্তি হবে না যে, অধ্যাপক সারাভাই হলেন ভারতীয় বিজ্ঞানের দিগন্তের সেই সূর্য, যিনি ভবিষ্যৎ বিজ্ঞানীদের পথ দেখিয়ে যাবেন।
==বহিঃসংযোগ==
* https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_speeches.pdf
* https://www.prl.res.in/~library/sarabhai_v_quotes.pdf
{{Wikipedia}}
{{DEFAULTSORT:Sarabhai, Vikram}}
==তথ্যসূত্র==
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৭১-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯১৯-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী]]
1cvm1uw52z0tl2x4cctxj9oujdssuwx
ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব
0
11961
73816
73815
2026-04-05T12:09:17Z
ARI
356
/* December 2020 */
73816
wikitext
text/x-wiki
'''ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব''' শুরু হয়েছিল ২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি দুপুর ১২টায় (ইএসটি), যখন [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি [[বারাক ওবামা]]র স্থলাভিষিক্ত হন। ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে [[জো বাইডেন]]ের কাছে পরাজিত হওয়ার পর ২০২১ সালের ২০ জানুয়ারি তাঁর এই মেয়াদ শেষ হয়। ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর, ট্রাম্প ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি থেকে বাইডেনের উত্তরসূরি হিসেবে দ্বিতীয় এবং শেষবারের মতো বিরতিহীন মেয়াদে দায়িত্ব পালন শুরু করেন।
[[File:USSupremeCourtWestFacade.JPG|thumb|পুরো ট্রাম্প প্রশাসন ছিল সুপ্রিম কোর্টের রক্ষণশীলদের জন্য একটি "মুখোশ খুলে যাওয়ার" মুহূর্ত। দেখা যাচ্ছে যে, তারা আসলে কোনো আইনি নজিরের পরোয়া করে না (সিনেটের নিশ্চিতকরণ শুনানিতে তারা যতবারই মিথ্যা বলুক বা পরোয়া করার দাবি করুক না কেন)। তারা আসলে আইনের মূল পাঠ্য বা বিচারিক সংযম নিয়ে মাথা ঘামায় না। তারা শুধু তাদের পছন্দমতো রাজনৈতিক ফলাফল চায় এবং তা করার জন্য তাদের কাছে পর্যাপ্ত ভোট আছে। তারা কোনো ঐতিহ্য, রীতিনীতি বা সাধারণ আইনি ব্যবস্থায় বিচার বিভাগীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার মূল ভিত্তি সম্পর্কে কোনো তোয়াক্কা করে না। তারা কেবল জিততে চায়। ~ এলি মিস্টাল]]
:আরও দেখুন:
::'''''[[যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড-১৯ মহামারি]]'''''
== উক্তি==
=== ২০১৭ ===
==== জানুয়ারি ২০১৭ ====
===== অভিষেক ভাষণ, (২০ জানুয়ারি, ২০১৭) =====
<small>[https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/the-inaugural-address/ প্রতিলিপি] (২০ জানুয়ারি, ২০১৭)</small>
* চিফ জাস্টিস রবার্টস, [[জিমি কার্টার|প্রেসিডেন্ট কার্টার]], প্রেসিডেন্ট ক্লিনটন, প্রেসিডেন্ট বুশ, প্রেসিডেন্ট ওবামা, সহ-আমেরিকানরা এবং বিশ্বের সকল মানুষ: আপনাদের ধন্যবাদ। আমরা, আমেরিকার নাগরিকরা, আজ আমাদের দেশ পুনর্গঠন এবং আমাদের সকল জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণের এক মহান জাতীয় উদ্যোগে একত্রিত হয়েছি। আমরা একসাথে আগামী বহু বছর ধরে আমেরিকা এবং বিশ্বের গতিপথ নির্ধারণ করব। আমরা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হব, আমরা কষ্টের মুখোমুখি হব, কিন্তু আমরা আমাদের কাজ সম্পন্ন করব। প্রতি ৪ বছর পর পর আমরা এই সিঁড়িতে একত্রিত হই নিয়মমাফিক এবং শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য, আর এই অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে তাঁদের আন্তরিক সহায়তার জন্য আমরা প্রেসিডেন্ট ওবামা এবং ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামার কাছে কৃতজ্ঞ। তাঁরা অসাধারণ ছিলেন। আপনাদের ধন্যবাদ।
* তবে আজকের এই অনুষ্ঠানের একটি বিশেষ তাৎপর্য আছে। '''কারণ আজ আমরা শুধু এক প্রশাসন থেকে অন্য প্রশাসনের হাতে বা এক দল থেকে অন্য দলের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করছি না; বরং আমরা ক্ষমতা ওয়াশিংটন ডি.সি. থেকে সরিয়ে এনে আপনাদেরকে, অর্থাৎ জনগণকে তা ফিরিয়ে দিচ্ছি। দীর্ঘ সময় ধরে আমাদের দেশের রাজধানীর একটি ছোট গোষ্ঠী সরকারের সুফল ভোগ করেছে, আর সাধারণ মানুষকে এর ভার বহন করতে হয়েছে। ওয়াশিংটন সমৃদ্ধ হয়েছে, কিন্তু জনগণ সেই সম্পদের অংশীদার হয়নি। রাজনীতিবিদরা সমৃদ্ধ হয়েছেন, কিন্তু কর্মসংস্থান হারিয়ে গেছে এবং কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। প্রভাবশালী গোষ্ঠী নিজেদের সুরক্ষিত করেছে, কিন্তু আমাদের দেশের নাগরিকদের করেনি। তাদের বিজয় আপনাদের বিজয় ছিল না; তাদের সাফল্য আপনাদের সাফল্য ছিল না। তারা যখন আমাদের দেশের রাজধানীতে উৎসবে মেতেছিল, তখন সারা দেশে ধুঁকতে থাকা পরিবারগুলোর উদযাপন করার মতো তেমন কিছু ছিল না।''' সে সব কিছু আজ থেকে এবং এখনই বদলে যাচ্ছে, কারণ এই মুহূর্তটি আপনাদের মুহূর্ত: এটি আপনাদেরই প্রাপ্য। আজ এখানে যারা সমবেত হয়েছেন এবং সারা আমেরিকা জুড়ে যারা দেখছেন, এটি সবার মুহূর্ত। এই দিনটি আপনাদের দিন। এই উৎসব আপনাদের উৎসব। আর এই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আপনাদের দেশ। আমাদের সরকার কোন দলের নিয়ন্ত্রণে আছে সেটি বড় কথা নয়, বড় কথা হলো আমাদের সরকার জনগণের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে কি না। '''২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি সেই দিন হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে, যেদিন জনগণ আবারও এই জাতির শাসক হয়েছে। আমাদের দেশের বিস্মৃত পুরুষ এবং নারীদের আর বিস্মৃত রাখা হবে না। এখন থেকে সবাই আপনাদের কথা শুনবে।'''
* '''একটি ঐতিহাসিক আন্দোলনের অংশ হতে আপনারা কোটি কোটি সংখ্যায় এগিয়ে এসেছেন, যার উদাহরণ আগে কখনো বিশ্ব দেখেনি। এই আন্দোলনের কেন্দ্রে রয়েছে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিশ্বাস: একটি রাষ্ট্র টিকে থাকে তার নাগরিকদের সেবা করার জন্য।''' আমেরিকানরা তাদের সন্তানদের জন্য ভালো স্কুল, পরিবারের জন্য নিরাপদ এলাকা এবং নিজেদের জন্য ভালো কর্মসংস্থান চায়। এগুলো ন্যায়পরায়ণ মানুষ ও জনসাধারণের অত্যন্ত সংগত ও যুক্তিসঙ্গত দাবি। কিন্তু আমাদের অনেক নাগরিকের জন্য বাস্তবতা ভিন্ন: শহরের ঘিঞ্জি এলাকাগুলোতে দারিদ্র্যের কবলে আটকে থাকা মা ও শিশু; মরিচা ধরা কলকারখানাগুলো কবরের নামফলকের মতো আমাদের দেশের চারপাশে ছড়িয়ে আছে; একটি শিক্ষা ব্যবস্থা, যা প্রচুর অর্থ পেলেও আমাদের তরুণ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জ্ঞান থেকে বঞ্চিত রাখছে; এবং অপরাধ, গ্যাং আর মাদক আমাদের অনেক প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এবং দেশের অপার সম্ভাবনাকে নষ্ট করেছে। এই আমেরিকান ধ্বংসলীলা ঠিক এখানেই থেমে যাবে এবং এখনই থেমে যাবে। আমরা এক জাতি, এবং তাদের কষ্ট আমাদের কষ্ট, তাদের স্বপ্ন আমাদের স্বপ্ন এবং তাদের সাফল্য হবে আমাদের সাফল্য। আমাদের হৃদয় এক, আমাদের ঘর এক এবং আমাদের গৌরবময় নিয়তিও এক। আজ আমি যে পদের শপথ নিচ্ছি, তা হলো সকল আমেরিকানদের প্রতি আনুগত্যের শপথ।
* কয়েক দশক ধরে আমরা আমেরিকান শিল্পের বিনিময়ে বিদেশি শিল্পকে সমৃদ্ধ করেছি, অন্য দেশের সেনাবাহিনীকে ভর্তুকি দিয়েছি, অথচ আমাদের নিজেদের সামরিক বাহিনীকে খুব দুঃখজনকভাবে ক্ষয় হতে দিয়েছি। আমরা অন্য দেশের সীমানা রক্ষা করেছি কিন্তু নিজেদের সীমানা রক্ষা করতে অস্বীকার করেছি। যখন আমেরিকার অবকাঠামো জরাজীর্ণ ও ধ্বংস হয়ে যাচ্ছিল, তখন আমরা বিদেশের মাটিতে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করেছি। আমরা অন্য দেশগুলোকে ধনী করেছি, আর আমাদের দেশের সম্পদ, শক্তি এবং আত্মবিশ্বাস দিগন্তে মিলিয়ে গেছে। একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়ে আমাদের উপকূল ছেড়ে চলে গেছে, এমনকি পেছনে ফেলে আসা লক্ষ লক্ষ আমেরিকান শ্রমিকের কথা কেউ একবারও ভাবেনি। আমাদের মধ্যবিত্তের সম্পদ তাদের ঘর থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছে এবং তারপর সারা বিশ্বে পুনর্বন্টন করা হয়েছে। কিন্তু সেটা ছিল অতীত। আর এখন আমরা কেবল ভবিষ্যতের দিকে তাকাচ্ছি। '''আজ এখানে সমবেত হয়ে আমরা একটি নতুন আদেশ জারি করছি যা প্রতিটি শহরে, প্রতিটি বিদেশি রাজধানীতে এবং ক্ষমতার প্রতিটি অলিন্দে শোনা যাবে। আজ থেকে একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের দেশকে শাসন করবে। আজ থেকে এটি হতে যাচ্ছে কেবল 'আমেরিকা ফার্স্ট' (আমেরিকা প্রথম)। আমেরিকা ফার্স্ট।''' বাণিজ্য, কর, অভিবাসন এবং বৈদেশিক বিষয় নিয়ে প্রতিটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আমেরিকান শ্রমিক এবং আমেরিকান পরিবারের সুবিধার কথা মাথায় রেখে।
* আমাদের পণ্য তৈরি করা, আমাদের কোম্পানিগুলোকে চুরি করা এবং আমাদের কর্মসংস্থান নষ্ট করার হাত থেকে আমাদের সীমান্ত রক্ষা করতে হবে। এই সুরক্ষা আমাদের ব্যাপক সমৃদ্ধি ও শক্তির দিকে নিয়ে যাবে। আমি আমার শরীরের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত আপনাদের জন্য লড়াই করব এবং আমি কখনও আপনাদের হতাশ করব না। আমেরিকা আবারও জিততে শুরু করবে, এমনভাবে জিতবে যা আগে কখনও দেখা যায়নি। আমরা আমাদের কর্মসংস্থান ফিরিয়ে আনব। আমরা আমাদের সীমান্ত ফিরিয়ে আনব। আমরা আমাদের সম্পদ ফিরিয়ে আনব। এবং আমরা আমাদের স্বপ্নগুলোকেও ফিরিয়ে আনব। আমরা আমাদের এই চমৎকার দেশজুড়ে নতুন রাস্তা, হাইওয়ে, সেতু, বিমানবন্দর, টানেল এবং রেলপথ তৈরি করব। আমরা আমাদের জনগণকে সরকারি সাহায্যের ওপর নির্ভরশীলতা থেকে মুক্ত করে কাজে ফিরিয়ে আনব এবং আমেরিকান হাতে ও আমেরিকান শ্রমে আমাদের দেশ পুনর্গঠন করব। আমরা দুটি সাধারণ নিয়ম মেনে চলব: আমেরিকান পণ্য কিনুন এবং আমেরিকানদের কাজে নিয়োগ দিন। আমরা বিশ্বের দেশগুলোর সাথে বন্ধুত্ব এবং সদিচ্ছা বজায় রাখব, তবে আমরা এই ধারণার সাথে তা করব যে প্রতিটি জাতির অধিকার আছে তাদের নিজেদের স্বার্থকে সবার আগে রাখা। আমরা আমাদের জীবনধারা কারো ওপর চাপিয়ে দিতে চাই না, বরং এটিকে উদাহরণ হিসেবে উজ্জ্বল করতে চাই—আমরা উজ্জ্বল হব—যাতে সবাই তা অনুসরণ করতে পারে। '''আমরা পুরনো মিত্রতা জোরদার করব এবং নতুন মিত্র তৈরি করব এবং উগ্র ইসলামি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সভ্য বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ করব, যা আমরা পৃথিবী থেকে পুরোপুরি নির্মূল করব।''' '''আমাদের রাজনীতির মূলে থাকবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য এবং আমাদের দেশের প্রতি আমাদের এই আনুগত্যের মাধ্যমে আমরা একে অপরের প্রতি আমাদের আনুগত্য খুঁজে পাব। আপনি যখন দেশপ্রেমের জন্য আপনার হৃদয় খুলে দেবেন, তখন সেখানে কোনো কুসংস্কারের জায়গা থাকবে না। [[বাইবেল]] আমাদের বলে, "ঈশ্বরের সন্তানরা যখন একতায় বসবাস করে তখন তা কতই না ভালো এবং আনন্দদায়ক।" আমাদের অবশ্যই খোলাখুলিভাবে মনের কথা বলতে হবে, সততার সাথে আমাদের মতবিরোধ নিয়ে বিতর্ক করতে হবে, তবে সর্বদা সংহতি বজায় রাখতে হবে। যখন আমেরিকা ঐক্যবদ্ধ থাকে, আমেরিকাকে তখন থামানো অসম্ভব।''' কোনো ভয় থাকার কথা নয়: আমরা সুরক্ষিত এবং আমরা সর্বদা সুরক্ষিত থাকব। আমাদের সামরিক বাহিনী ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মহান পুরুষ ও নারীদের দ্বারা আমরা সুরক্ষিত থাকব এবং সবচেয়ে বড় কথা হলো, আমরা ঈশ্বরের দ্বারা সুরক্ষিত থাকব।
* সবশেষে আমাদের বড় কিছু ভাবতে হবে এবং আরও বড় স্বপ্ন দেখতে হবে। আমেরিকায় আমরা বুঝি যে, একটি জাতি ততক্ষণই বেঁচে থাকে যতক্ষণ সেটি চেষ্টা করে যায়। আমরা আর সেই সব রাজনীতিবিদদের গ্রহণ করব না যারা কেবল কথাই বলেন কিন্তু কোনো কাজ করেন না, অনবরত অভিযোগ করেন কিন্তু সে বিষয়ে কিছু করেন না। ফাঁকা বুলির সময় শেষ। এখন কাজ করার সময় এসেছে। কাউকে বলতে দেবেন না যে এটি করা সম্ভব নয়। আমেরিকার সাহস, লড়াই এবং উদ্দীপনার সাথে কোনো চ্যালেঞ্জই পেরে উঠবে না। আমরা ব্যর্থ হব না। আমাদের দেশ আবারও সমৃদ্ধ ও সফল হবে। আমরা এক নতুন সহস্রাব্দের শুরুতে দাঁড়িয়ে আছি, মহাকাশের রহস্য উন্মোচন করতে, পৃথিবীকে রোগের অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে এবং আগামীর জ্বালানি, শিল্প ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে আমরা প্রস্তুত। এক নতুন জাতীয় গর্ব আমাদের আত্মাকে নাড়া দেবে, আমাদের দৃষ্টিকে উন্নত করবে এবং আমাদের বিভেদ দূর করবে।
* এখন সেই পুরনো প্রজ্ঞাটি মনে রাখার সময় যা আমাদের সৈন্যরা কখনও ভুলবে না: আমরা কালো হই বা বাদামী অথবা সাদা, আমাদের সবার শরীরেই দেশপ্রেমিকদের লাল রক্ত প্রবাহিত হয়, আমরা সবাই একই গৌরবময় স্বাধীনতা উপভোগ করি এবং আমরা সবাই একই মহান আমেরিকান পতাকাকে অভিবাদন জানাই। আর ডেট্রয়েটের জনবহুল শহরে বা নেব্রাস্কার ঝড়ো প্রান্তরে যে শিশুই জন্ম নিক না কেন, তারা একই রাতের আকাশের দিকে তাকায়, তারা একই স্বপ্নে তাদের হৃদয় পূর্ণ করে এবং তারা একই সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রাণবায়ুতে উদ্দীপ্ত হয়। তাই কাছে ও দূরের প্রতিটি শহরের, ছোট ও বড় সব আমেরিকানদের বলছি, পাহাড় থেকে পাহাড়, মহাসাগর থেকে মহাসাগর—এই কথাগুলো শুনুন: আপনাদের আর কখনও অবহেলা করা হবে না। আপনাদের কণ্ঠস্বর, আপনাদের আশা এবং আপনাদের স্বপ্ন আমাদের আমেরিকান নিয়তি নির্ধারণ করবে। আর আপনাদের সাহস, মহানুভবতা এবং ভালোবাসা চিরকাল আমাদের পথ দেখাবে। '''একসাথে আমরা আমেরিকাকে আবারও শক্তিশালী করে তুলব। আমরা আমেরিকাকে আবারও সম্পদশালী করে তুলব। আমরা আমেরিকাকে আবারও গর্বিত করে তুলব। আমরা আমেরিকাকে আবারও নিরাপদ করে তুলব। এবং, হ্যাঁ, একসাথে আমরা আমেরিকাকে আবারও মহান করে তুলব।''' আপনাদের ধন্যবাদ। ঈশ্বর আপনাদের মঙ্গল করুন এবং ঈশ্বর আমেরিকার মঙ্গল করুন। ধন্যবাদ। ঈশ্বর আমেরিকার মঙ্গল করুন।
* কোনো অপ্রত্যাশিত ফলাফলের জন্য প্রস্তুত থাকতে চেয়ে স্থানীয় ডোনাল্ড ট্রাম্প সমর্থক ৫২ বছর বয়সী ফ্রেড ম্যাকগুয়ার গত মঙ্গলবার বলেছেন যে, অভিবাসীদের লক্ষ্য করে প্রেসিডেন্টের পরিকল্পিত আক্রমণাত্মক পুলিশিং এবং নজরদারি নীতি যদি সব সমস্যার সমাধান করতে না পারে, তবে তার কাছে বিকল্প কিছু বলির পাঁঠা প্রস্তুত রাখা আছে। “আমি আশা করছি যে গণ-নির্বাসন, বাধ্যতামূলক নিবন্ধন, বিচার ছাড়াই অনির্দিষ্টকালের আটক এবং বর্ধিত নজরদারি সব সম্ভাব্য সমস্যার সমাধান করবে। কিন্তু নিরাপদ থাকতে আমি অন্য কিছু গোষ্ঠীকেও দানব হিসেবে চিহ্নিত করার জন্য প্রস্তুত রেখেছি,” ম্যাকগুয়ার বলেন। তিনি আরও যোগ করেন যে, ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি যদি অপরাধ কমাতে এবং অর্থনীতির উন্নতি করতে ব্যর্থ হয়, তবে তিনি তার ক্ষোভ কল্যাণভোগী, পরিবেশবাদী কর্মী এবং সম্ভবত উদারপন্থী কলেজ অধ্যাপকদের দিকে ঘুরিয়ে দিতে প্রস্তুত। “অবশ্যই ওবামার লিগ্যাসি তো অনেক দোষ পাবেই। আর যখন মানুষ আমাকে জিজ্ঞাসা করবে কেন শ্রমিক শ্রেণীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না, তখন আমি লেবার ইউনিয়ন এবং পলিটিক্যাল কারেক্টনেসকেও দোষারোপ করতে পারব। হ্যাঁ, আগামী চার বা আট বছর পার করার জন্য আমার কাছে যথেষ্ট বলির পাঁঠার ধারণা আছে।” ম্যাকগুয়ার আরও বলেন যে তিনি এখনই ইহুদিদের বলির পাঁঠা বানানোর কথা ভাবছেন না, তবে আগামী কয়েক বছর পরিস্থিতি কেমন যায় তা দেখার জন্য অপেক্ষা করবেন।
** ''দ্য অনিয়ন'' প্যারোডি পত্রিকা, [https://theonion.com/trump-supporter-has-few-backup-scapegoats-ready-to-go-i-1819579570/"অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা সব সমাধান না করলে ট্রাম্প সমর্থকের কাছে কিছু বিকল্প বলির পাঁঠা প্রস্তুত আছে"], ২০ জানুয়ারি ২০১৭
* এর সাথে যুক্ত হয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আধিপত্য, যিনি ২০১৬ সালের নির্বাচনে অংশত একজন নেটিভিস্ট এবং অভিবাসন বিরোধী গোষ্ঠীকে তুষ্ট করে জয়ী হয়েছিলেন। ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের শার্লটসভিলে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী বিক্ষোভকারীদের সমাবেশে যে প্রাণঘাতী সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছিল, সে বিষয়ে ট্রাম্পের সংযত নিন্দা তাঁর সবচেয়ে অনুগত সমর্থক ছাড়া সবার কাছ থেকেই সমালোচনার শিকার হয়েছিল। আর এই রাজনৈতিক সম্পর্কগুলো বিশ্লেষণ করার জরুরি প্রয়োজনটি তখনই অর্থবহ হয়ে ওঠে। ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভোট দেওয়া লক্ষ লক্ষ সাধারণ ডানপন্থী আমেরিকানদের কেউই নাৎসিদের সাথে এক কাতারে দাঁড়াতে চান না। তবে এটি একটি বাস্তব সত্য যে, সেই বিধ্বংসী শার্লটসভিলে ইভেন্টে নাৎসি-বান্ধব সংগঠন, নাৎসি প্রতীক এবং নাৎসি ভঙ্গি দেখা গিয়েছিল, যে অনুষ্ঠানটির নাম "বামদের ঐক্যবদ্ধ করুন" ছিল না, বরং ছিল "ডানদের ঐক্যবদ্ধ করুন"। যদিও আমেরিকান রাজনীতিতে ব্যবহৃত 'বাম' এবং 'ডান' শব্দগুলো কিছুটা অস্পষ্ট হতে পারে, তবে এগুলো উদারনীতিবাদ/প্রগতিশীলতা (যা মূলত ডেমোক্র্যাটিক পার্টি দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করা হয়) এবং রক্ষণশীলতা/ঐতিহ্যবাদ (যা মূলত রিপাবলিকান পার্টি দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করা হয়)-এর মধ্যে মৌলিক আদর্শগত বিভাজন চিহ্নিত করতে সহায়ক। আদর্শের একটি পটভূমি হিসেবে দেখলে, সমাজতন্ত্র/সাম্যবাদ ঐতিহ্যগতভাবে এই স্কেলের চরম বাম প্রান্তে পড়ে, আর জাতীয়তাবাদ/ফ্যাসিবাদ পড়ে অতি-ডানপন্থী প্রান্তে।
** ডেভিড এমেরি, [https://www.snopes.com/news/2017/09/05/were-nazis-socialists/ নাৎসিরা কি সমাজতন্ত্রী ছিল?] (৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭), ''স্নোপস''
[[File:Donald_Trump_delivering_inauguration_speech_01-20-17_(cropped).jpg|thumb|এই মুহূর্ত থেকে, এটি হতে যাচ্ছে আমেরিকা ফার্স্ট।]]
[[File:2017_Presidential_Inauguration_CV6A0663.jpg|thumb|আমি যখন বাইরে তাকিয়েছিলাম, সেই ময়দানটি দেখে মনে হলো যেন দশ বা পনেরো লাখ মানুষ ছিল।]]
* আমি যখন বাইরে তাকিয়েছিলাম, সেই ময়দানটি দেখে মনে হলো যেন দশ বা পনেরো লাখ মানুষ ছিল। তারা এমন একটি মাঠ দেখিয়েছিল যেখানে প্রায় কেউই দাঁড়িয়ে ছিল না। আর তারা বলেছিল, "ডোনাল্ড ট্রাম্প লোক টানতে পারেননি।" আমি বললাম, "প্রায় বৃষ্টি হচ্ছিল!" বৃষ্টির কারণে তাদের ভয় পেয়ে দূরে চলে যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু ঈশ্বর নিচপানে তাকালেন এবং বললেন যে আমরা আপনার বক্তৃতার সময় বৃষ্টি হতে দেব না।
** [https://www.youtube.com/watch?v=GMBqDN7-QLg অভিষেক অনুষ্ঠানে লোকসমাগম এবং সংবাদ মাধ্যমের কাভারেজ নিয়ে সিআইএ সদর দপ্তরে ট্রাম্পের বক্তব্য], ফক্স ১০ ফিনিক্স (২১ জানুয়ারি ২০১৭)
* সেই পুরনো প্রবাদ, ‘বিজয়ীরই সমস্ত লুণ্ঠিত দ্রব্য’—আপনাদের মনে আছে। আমি সবসময় বলতাম, তেল নিজেদের কাছে রাখো। আমি ইরাক যুদ্ধের ভক্ত ছিলাম না। আমি ইরাকে যেতে চাইনি। কিন্তু আমি আপনাদের বলব, যখন আমরা সেখানে ছিলাম, আমরা ভুলভাবে সেখান থেকে বেরিয়ে এসেছি। আর আমি সবসময় বলতাম, এর পাশাপাশি তেলটা রেখে দাও। আমি এটি অর্থনৈতিক কারণে বলেছিলাম। কিন্তু মাইক, আপনি যদি ভেবে দেখেন, আমরা যদি তেল নিজেদের কাছে রাখতাম তবে সম্ভবত আইএসআইএস তৈরি হতো না, কারণ তারা সেখান থেকেই তাদের টাকা উপার্জন করেছিল। তাই আমাদের তেলটা রাখা উচিত ছিল। তবে ঠিক আছে। হয়তো আপনি আরেকটা সুযোগ পাবেন। কিন্তু বাস্তব হলো, তেলটা রাখা উচিত ছিল।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের সিআইএতে ভাষণ, [https://www.cbsnews.com/news/trump-cia-speech-transcript/ ২৩ জানুয়ারি ২০১৭]
* কিন্তু আপনি যখন ভালোবাসার এই বিশাল সমুদ্রের দিকে তাকাবেন — আমি একে 'ভালোবাসার সমুদ্র' বলি — এটি সত্যিই বিশেষ কিছু।
** [https://www.youtube.com/watch?v=RDvoBoxv028 ডেভিড মুয়ারের সাথে এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প তাঁর অভিষেক অনুষ্ঠানের ভিড়ের একটি বাঁধাই করা ছবির বর্ণনা দিচ্ছেন], এবিসি (২৫ জানুয়ারি ২০১৭)
* [ডেভিড বেকার সম্পর্কে] সে আবারও তোষামোদ করছে। আপনারা জানেন, আমি সবসময় সেই সব সাংবাদিকদের কথা বলি যারা তোষামোদ করে যখন তারা এমন কিছু লিখতে চায় যা আপনি শুনতে চান কিন্তু লক্ষ লক্ষ মানুষ সম্ভবত শুনতে চায় না বা শোনার প্রয়োজন নেই।
** [http://www.bbc.com/news/world-us-canada-38764653/ "ভোটার জালিয়াতি নিয়ে ট্রাম্পের কথায় উদারপন্থীরা চিন্তিত"], বিবিসি (২৭ জানুয়ারি ২০১৭)
* আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে, আমাদের সৈন্যরা বিদেশে যে হুমকির বিরুদ্ধে লড়াই করছে, আমরা যেন তাদের আমাদের দেশে ঢুকতে না দিই।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://edition.cnn.com/2017/01/27/politics/trump-plans-to-sign-executive-action-on-refugees-extreme-vetting/ "উগ্র ইসলামি সন্ত্রাসীদের দূরে রাখতে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর"], সিএনএন (২৭ জানুয়ারি ২০১৭)
* আমি সবসময় প্রার্থনা করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছি... আমি বলব যে এই পদটি এতটাই শক্তিশালী যে আপনার ঈশ্বরকে আরও বেশি প্রয়োজন।
** [http://www1.cbn.com/cbnnews/entertainment/2017/january/worship-artist-credits-psalms-91-for-miraculous-cancer-healing ডেভিড ব্রডির সাথে ট্রাম্পের সাক্ষাৎকারে] উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], সিবিএন নিউজ (২৯ জানুয়ারি ২০১৭)
==== ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ====
* আমি এখন খুব গর্বিত যে ন্যাশনাল মলে আমাদের একটি জাদুঘর আছে যেখানে মানুষ [[মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]] এবং আরও অনেক কিছু সম্পর্কে জানতে পারে। আমি লক্ষ্য করছি যে, ফ্রেডরিক ডগলাস এমন একজনের উদাহরণ যিনি এক চমৎকার কাজ করেছেন এবং দিন দিন আরও বেশি পরিচিতি পাচ্ছেন। হ্যারিয়েট টুবম্যান, রোসা পার্কস এবং আরও লক্ষ লক্ষ কৃষ্ণবর্ণের আমেরিকান যারা [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]]কে আজকের এই অবস্থানে নিয়ে এসেছেন। দারুণ প্রভাব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theatlantic.com/politics/archive/2017/02/frederick-douglass-trump/515292/ ডোনাল্ড ট্রাম্প'স ন্যারেটিভ অফ দ্য লাইফ অফ ফ্রেডরিক ডগলাস] থেকে উদ্ধৃত, ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭।
* আমরা যখন ন্যাশনাল আফ্রিকান আমেরিকান হিস্ট্রি মান্থ পালন করছি, তখন আমরা আফ্রিকান আমেরিকানদের ঐতিহ্য ও অর্জনকে স্বীকৃতি দিচ্ছি। আফ্রিকান আমেরিকানরা যে অবদান রেখেছেন এবং রেখে চলেছেন তা আমাদের সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আফ্রিকান আমেরিকানদের ইতিহাস সেই সহনশীলতা এবং উদ্ভাবনী চেতনার উদাহরণ যা আমাদের জাতিকে মহান করে চলেছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/president-donald-j-trump-proclaims-february-national-african-american-history-month/ ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭] থেকে উদ্ধৃত।
* ওয়াশিংটনে আমাদের জন্য, ঈশ্বরের ইচ্ছা অনুযায়ী জনগণের সেবা করার প্রজ্ঞা পেতে আমাদের কখনোই তাঁর কাছে প্রার্থনা করা বন্ধ করা উচিত নয়। তবে ''দ্য অ্যাপ্রেন্টিস'' অনুষ্ঠানে আমরা দারুণ সফল হয়েছিলাম। যখন আমি রাষ্ট্রপতির জন্য দাঁড়ালাম, তখন আমাকে অনুষ্ঠানটি ছাড়তে হয়েছিল। তখনই আমি নিশ্চিতভাবে জানতাম যে আমি এটি করছি। তারা আমার জায়গায় এক মস্ত বড় মুভি স্টার আরনল্ড শোয়ার্জনেগারকে নিয়োগ করেছিল এবং আমরা জানি এর ফলাফল কী হয়েছে। রেটিং একদম তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে, এটি একটি চরম বিপর্যয় ছিল। মার্ক বার্নেট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আর কখনও বাজি ধরবেন না। আমি কেবল আরনল্ডের জন্য প্রার্থনা করতে চাই, যদি আমরা পারি, সেই রেটিংগুলোর জন্য, ঠিক আছে?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=cyxacu5AslI ট্রাম্পের "ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট" ভাষণ] (২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* আমাদের কঠোর হতে হবে। এখন আমাদের একটু কঠোর হওয়ার সময় এসেছে। বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশ আমাদের সুযোগ নিচ্ছে। এটা আর ঘটবে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/us-news/2017/feb/02/donald-trump-australia-refugees-malcolm-turnbull-phone-call বিরোধ সত্ত্বেও হোয়াইট হাউস বলছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়ার শরণার্থীদের গ্রহণ করতে পারে] (২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* এটি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যে এটি আর রিপোর্টও করা হচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে সেই অত্যন্ত অসৎ সংবাদমাধ্যমগুলো এটি রিপোর্ট করতে চায় না। তাদের নিজস্ব কারণ আছে এবং আপনারা সেটি বোঝেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://www.bbc.co.uk/news/world-us-canada-38890090 ম্যাকডিল এয়ার ফোর্স বেসে দেওয়া এক বক্তৃতায় সন্ত্রাসী হামলার রিপোর্টিং নিয়ে ট্রাম্পের উক্তি] (৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* সেই স্টেট সিনেটর কে? আপনি কি আমাকে তার নাম বলতে চান? আমরা তার ক্যারিয়ার ধ্বংস করে দেব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=Z1SKm1hTWq0 শেরিফ হ্যারল্ড ইভেনসনের বক্তব্যের জবাবে ট্রাম্পের উক্তি], যেখানে শেরিফ উল্লেখ করেছিলেন যে টেক্সাসের একজন স্টেট সিনেটর এমন আইন প্রস্তাব করছেন যাতে শেরিফরা বাজেয়াপ্ত অর্থ পাওয়ার আগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার প্রয়োজন পড়বে। (৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)
* আমি বিচারকদের একটি প্যানেলের কথা শুনেছি এবং আমি সে বিষয়ে মন্তব্য করব — আমি নিশ্চিতভাবে একজন বিচারকের বক্তব্যের ওপর কোনো মন্তব্য করব না — তবে আমাকে সত্যি বলতে হবে যে, এই বিচারকরা যদি আদালতের প্রতি শ্রদ্ধার খাতিরে আদালতকে সাহায্য করতে চাইতেন, তবে তাদের যা করা উচিত ছিল তারা সেটাই করতেন। মানে এটা খুব দুঃখজনক। যখন আপনি খুব সাধারণ, সুন্দরভাবে লেখা এবং নিখুঁতভাবে লেখা কোনো কিছু পড়েন — অবশ্যই সেই একটি বক্তব্য ছাড়া যেখানে "সে" (পুরুষ বা নারী) এর কথা বলা হয়েছে — কিন্তু যখন আপনি এত নিখুঁতভাবে লেখা এবং যে কারো কাছে এত স্পষ্ট কিছু পড়েন, আর তারপর যখন আপনি আইনজীবীদের দেখেন এবং আমি গত রাতে অবাক হয়ে দেখছিলাম, আমি এমন সব কথা শুনলাম যা আমি বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। এমন সব কথা যার সাথে আমি যা পড়েছি তার কোনো সম্পর্কই ছিল না। আমি কখনোই আদালতকে পক্ষপাতদুষ্ট বলতে চাই না, তাই আমি একে পক্ষপাতদুষ্ট বলব না। আমরা এখনও কোনো সিদ্ধান্ত পাইনি, তবে আদালতগুলো এখন খুব বেশি রাজনৈতিক বলে মনে হয়। আমাদের বিচার ব্যবস্থার জন্য এটি খুব ভালো হতো যদি তারা একটি বিবৃতি পড়তে পারত এবং যা সঠিক তা করতে পারত।
* আমেরিকার প্রতিটি শিশুর উচিত কোনো ভয় ছাড়াই বাইরে খেলাধুলা করা, কোনো বিপদ ছাড়াই বাড়ি ফেরা এবং মাদক, গ্যাং বা সহিংসতা সম্পর্কে চিন্তিত না হয়ে স্কুলে যাওয়া।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/02/08/remarks-president-trump-mcca-winter-conference "এমসিসিএ উইন্টার কনফারেন্সে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্য"] (৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* আমি শুধু বলতে চাই যে, আমরা আমাদের সেই জয়ে খুবই সম্মানিত বোধ করছি, ৩০৬টি ইলেক্ট্রোরাল কলেজ ভোট। আমাদের ২২০ পার হওয়ার কথা ছিল না, আপনি [[বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু|ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর]] দিকে ফিরে সেটি জানেন, তাই না? ২২১ হওয়ার কোনো পথ ছিল না, কিন্তু তারপর তারা বলল ২৭০ হওয়ার কোনো পথ নেই এবং সেখানে প্রচুর উৎসাহ ছিল। আমি বলব যে, আমরা এই দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনব, আমরা এই দেশে অপরাধ বন্ধ করব। আমরা দীর্ঘদিনের বর্ণবাদ এবং অন্যান্য যা কিছু ঘটছে তা বন্ধ করার জন্য আমাদের ক্ষমতার মধ্যে সবকিছু করব। কারণ দীর্ঘ সময় ধরে অনেক খারাপ জিনিস ঘটে আসছে। আমি মনে করি আমার নির্বাচনে জেতার অন্যতম কারণ হলো আমাদের জাতি এখন অনেক বিভক্ত, খুব বেশি বিভক্ত। আশা করি আমি সে বিষয়ে কিছু করতে পারব এবং এটি আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ইহুদি মানুষ, আমার অনেক বন্ধু, আমার এক মেয়ে যে এই মুহূর্তে এখানে আছে, এক জামাতা এবং তিন চমৎকার নাতি-নাতনির কথা বলতে গেলে, আমি মনে করি আপনারা আগামী তিন, চার বা আট বছরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনেক পরিবর্তন দেখতে পাবেন। আমি মনে করি অনেক ভালো কিছু ঘটছে এবং আপনারা অনেক ভালোবাসা দেখতে পাবেন, আপনারা অনেক ভালোবাসা দেখতে পাবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ইহুদি বিদ্বেষের ক্রমবর্ধমান ঘটনা এবং তার প্রশাসনে বিদেশি ভীতি নিয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে, [https://www.youtube.com/watch?v=SmfseeZt5fA যৌথ সংবাদ সম্মেলনে] (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)।
* সংবাদমাধ্যম এতটাই অসৎ হয়ে পড়েছে যে আমরা যদি এ বিষয়ে কথা না বলি, তবে আমরা আমেরিকান জনগণের প্রতি চরম অন্যায় করব। চরম অন্যায়। কী ঘটছে তা জানার জন্য আমাদের কথা বলতে হবে, কারণ সত্যি বলতে সংবাদমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। অসততার মাত্রা এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে।
* আমার মনে হয় রোনাল্ড রিগ্যানের পর এটিই ছিল সবচেয়ে বড় ইলেক্ট্রোরাল কলেজ জয়।
* এই প্রশাসন একটি নিখুঁত যন্ত্রের মতো চলছে।
[[চিত্র:Michael_Flynn_(30020745053).jpg|থাম্ব|মাইক ফ্লিন একজন ভালো মানুষ, আর আমি তার পদত্যাগ চেয়েছি।]]
* মাইক ফ্লিন একজন ভালো মানুষ, আর আমি তার পদত্যাগ চেয়েছি। তিনি সম্মানের সাথে তা দিয়েছেন। তিনি এমন একজন মানুষ যার সম্পর্কে আমাদের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সকে কিছু তথ্য দেওয়া হয়েছিল, যিনি আজ আমাদের সাথে আছেন। আর যেভাবে সেই তথ্যগুলো দেওয়া হয়েছে তাতে আমি খুশি ছিলাম না। তাকে এটা করতে হতো না, কারণ তিনি যা করেছেন তা ভুল ছিল না। তিনি যে তথ্য দেখেছিলেন সে দিক থেকে কোনো ভুল ছিল না। ভুল ছিল অন্যদের, যার মধ্যে এই ঘরের আপনারাও আছেন, যেভাবে তথ্যগুলো দেওয়া হয়েছিল। কারণ সেগুলো ছিল গোপন তথ্য যা অবৈধভাবে দেওয়া হয়েছিল। এটাই আসল সমস্যা।
* দেখুন, আমি যখন জনসভায় যাই, তারা ঘুরে দাঁড়ায় এবং সিএনএন এর দিকে চিৎকার করতে শুরু করে। তারা সিএনএন-এর দিকে তাদের প্ল্যাকার্ড ছুড়ে মারতে চায়। আমি মনে করি আপনারা একটু ভিন্ন হলে অনেক ভালো করতেন।
* আগামীকাল তারা বলবে, "ডোনাল্ড ট্রাম্প সংবাদমাধ্যমের ওপর চিৎকার করেছেন।" আমি চিৎকার করছি না। আমি শুধু আপনাদের বলছি। আপনারা জানেন, আপনারা অসৎ মানুষ। কিন্তু আমি চিৎকার করছি না। আমি এটি উপভোগ করছি। আমার বেশ ভালো লাগছে। কিন্তু আগামীকাল শিরোনাম হবে, "ডোনাল্ড ট্রাম্প চিৎকার করেছেন।" আমি চিৎকার করছি না।
[[চিত্র:HEUraniumC.jpg|থাম্ব|আপনারা জানেন ইউরেনিয়াম কী, তাই না? এটি পারমাণবিক অস্ত্র এবং আরও অনেক কিছুর সাথে জড়িত। ইউরেনিয়াম দিয়ে অনেক কাজ করা হয়, যার মধ্যে কিছু খারাপ জিনিসও আছে।]]
* আপনারা জানেন ইউরেনিয়াম কী, তাই না? এটি পারমাণবিক অস্ত্র এবং আরও অনেক কিছুর সাথে জড়িত। ইউরেনিয়াম দিয়ে অনেক কাজ করা হয়, যার মধ্যে কিছু খারাপ জিনিসও আছে।
* এর মধ্যে [[ইরাক]]ের পরিস্থিতি খুব, খুব কঠিন। আপনারা কি জানেন কেন? কারণ আমি সামরিক বাহিনী নিয়ে কথা বলি না এবং আরও কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলি না, যা শুনে আপনারা অবাক হবেন। আর আমার পুরো নির্বাচনী প্রচারণায় আমি সেটাই বলেছি। তাই আমার আপনাদের বলার প্রয়োজন নেই। আমি সেই লোকেদের মতো হতে চাই না যারা বলে, "হ্যাঁ, আমরা এই কাজ করতে যাচ্ছি।" আমার তা করার দরকার নেই। উত্তর কোরিয়ায় আমি কী করতে যাচ্ছি তা আমার আপনাদের বলার দরকার নেই। একটু দাঁড়ান। [[উত্তর কোরিয়া]]য় আমি কী করতে যাচ্ছি তা আমার আপনাদের বলার দরকার নেই। আর ইরানের সাথে আমি কী করতে যাচ্ছি তাও আমার আপনাদের বলার দরকার নেই। কেন জানেন? কারণ তাদের এটি জানা উচিত নয়। আর শেষ পর্যন্ত আপনারা এই প্রশ্ন করতে করতে ক্লান্ত হয়ে যাবেন।
* আপনি কোথা থেকে এসেছেন? [সাংবাদিক উত্তর দিলেন তিনি বিবিসি থেকে এসেছেন] এই তো আরেক রত্ন।
* আপনি কি সভার ব্যবস্থা করতে চান? তারা কি আপনার বন্ধু? [একজন আফ্রিকান-আমেরিকান সাংবাদিককে উদ্দেশ্য করে এবং কংগ্রেসনাল ব্ল্যাক ককাসের কথা উল্লেখ করে]
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.nytimes.com/2017/02/16/us/politics/donald-trump-press-conference-transcript.html?_r=0 হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে করা মন্তব্য] (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)।
* আপনার পুরো জীবনে দেখা মানুষের মধ্যে আমিই হলাম সবচেয়ে কম ইহুদি বিদ্বেষী ব্যক্তি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.cnbc.com/2017/02/16/donald-trump-i-am-the-least-anti-semitic-racist-person-that-youve-ever-seen.html সিএনবিসি] (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* গতকাল রাতে সুইডেনে কী ঘটেছে একবার দেখুন। সুইডেন! কে বিশ্বাস করবে, সুইডেন! তারা প্রচুর সংখ্যক মানুষকে আশ্রয় দিয়েছে এবং তারা এমন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে যা তারা কখনও কল্পনাও করেনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=AMLK15edOUY ফ্লোরিডার মেলবোর্নে সমর্থকদের এক বিশাল সমাবেশে ট্রাম্পের বক্তব্য] (১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* আর আমি চাই আপনারা সবাই জানুন যে আমরা ফেক নিউজের বিরুদ্ধে লড়ছি। এটা ভুয়া, জাল, একদম মিথ্যে। কয়েক দিন আগে আমি ফেক নিউজকে জনগণের শত্রু বলেছিলাম, আর তারা সত্যিই তাই, তারা জনগণের শত্রু।
* কারো নাম ব্যবহার না করে তাদের কোনো সূত্র ব্যবহার করতে দেওয়া উচিত নয়। তাদের নাম সামনে আসতে দিন। তাদের নাম প্রকাশ করা হোক।
* আমি [[সুইডেন]]কে ভালোবাসি, চমৎকার দেশ, চমৎকার মানুষ। কিন্তু তারা বোঝে, ওখানকার মানুষ বোঝে যে আমি ঠিক বলছি। সুইডেনে কী ঘটছে একবার দেখুন।
* আমার একজন বন্ধু আছে, সে খুব প্রতিপত্তিশালী একজন মানুষ। সে আলোর ভালোবাসে, সে [[প্যারিস]] ভালোবাসে। বছরের পর বছর ধরে প্রতি বছর গ্রীষ্মকালে সে তার স্ত্রী এবং পরিবারকে নিয়ে নিয়মিত প্যারিসে যেত। অনেকদিন তার সাথে দেখা হয়নি, তাই আমি বললাম, জিম, তোমাকে একটা প্রশ্ন করি, প্যারিসের কী অবস্থা? "প্যারিস? আমি আর সেখানে যাই না, প্যারিস আর আগের মতো প্যারিস নেই।"
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://time.com/4682023/cpac-donald-trump-speech-transcript/ বার্ষিক কনজারভেটিভ পলিটিক্যাল অ্যাকশন কনফারেন্সে ভাষণ দেওয়ার সময়] (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)।
* এটি একটি অবিশ্বাস্যরকম জটিল বিষয়। কেউ জানত না যে স্বাস্থ্যসেবা এত জটিল হতে পারে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/us-news/video/2017/feb/27/trump-healthcare-complicated-budget-video হোয়াইট হাউসে ন্যাশনাল গভর্নরস অ্যাসোসিয়েশনের বৈঠকে ভাষণ দেওয়ার সময়] (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* সারা বিশ্বের অনেক জাতি — যেমন [[কানাডা]], [[অস্ট্রেলিয়া]] এবং আরও অনেক দেশের মেধা-ভিত্তিক অভিবাসন ব্যবস্থা রয়েছে। এটি একটি মৌলিক নীতি যে যারা কোনো দেশে প্রবেশ করতে চায় তাদের নিজেদের আর্থিকভাবে স্বচ্ছল রাখার ক্ষমতা থাকতে হবে। অথচ আমেরিকায় আমরা এই নিয়ম কার্যকর করি না, যা আমাদের সবচেয়ে দরিদ্র নাগরিকরা যে জনসম্পদের ওপর নির্ভর করে তার ওপর চাপ সৃষ্টি করে।<br>..<br>প্রধানমন্ত্রী [[জাস্টিন ট্রুডো]]র সহায়তায় আমরা কানাডার সাথে একটি কাউন্সিল গঠন করেছি যাতে নারী উদ্যোক্তারা তাদের ব্যবসা শুরু করতে এবং তাদের আর্থিক স্বপ্ন পূরণ করতে প্রয়োজনীয় নেটওয়ার্ক, বাজার এবং মূলধন পেতে পারে।<br>..<br>আমেরিকা সকল জাতির নিজস্ব পথ বেছে নেওয়ার অধিকারকে শ্রদ্ধা করে। আমার কাজ বিশ্বের প্রতিনিধিত্ব করা নয়। আমার কাজ হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করা।<br>..<br>যথাযথ যাচাইকরণ করা সম্ভব নয় এমন জায়গা থেকে অনিয়ন্ত্রিত প্রবেশাধিকার দেওয়া সহানুভূতি নয়, বরং অবিবেচনা। আমরা আমেরিকার ভেতরে সন্ত্রাসবাদের কোনো ঘাঁটি তৈরি হতে দিতে পারি না — আমরা আমাদের জাতিকে চরমপন্থীদের আশ্রয়স্থল হতে দিতে পারি না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theglobeandmail.com/news/world/us-politics/donald-trump-congress-speech-immigration/article34158135/ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, গ্লোব অ্যান্ড মেইল অনুযায়ী] থেকে উদ্ধৃত।
==== মার্চ ২০১৭ ====
* আমাদের আইরিশ বন্ধুদের সাথে যখন আমরা আজ এখানে দাঁড়িয়ে আছি, আমার সেই প্রবাদের কথা মনে পড়ছে; এবং এটি খুব ভালো একটি প্রবাদ, এটি আমার খুব পছন্দ, আমি অনেক অনেক বছর ধরে এটি শুনে আসছি এবং আমি এটি ভালোবাসি: "সব সময় সেই বন্ধুদের ভুলে যাওয়ার কথা মনে রাখবেন যারা অবিশ্বস্ত প্রমাণিত হয়েছে, কিন্তু যারা আপনার পাশে থেকেছে তাদের মনে রাখার কথা কখনও ভুলবেন না।" আমরা তা জানি, রাজনৈতিকভাবে বলতে গেলে আমাদের অনেকেই তা জানি, আমরা এটি ভালোভাবেই জানি, এটি একটি চমৎকার কথা।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/us-news/2017/mar/17/trumps-irish-proverb-causes-derision-on-the-web তৎকালীন আইরিশ সরকারপ্রধান এন্ডা কেনির সফরের সময় দেওয়া বক্তব্য] (১৭ মার্চ ২০১৭)
==== এপ্রিল ২০১৭ ====
* চলো ওকে মেরেই ফেলি! চলো ভেতরে যাই। চলো ওদের সবাইকে খতম করে দিই।
** বাশার আল-আসাদ সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]-এর উক্তি, যেমনটি ফিলিপ রাকার এবং রবার্ট কস্টা লিখিত [https://www.washingtonpost.com/politics/bob-woodwards-new-book-reveals-a-nervous-breakdown-of-trumps-presidency/2018/09/04/b27a389e-ac60-11e8-a8d7-0f63ab8b1370_story.html?noredirect=on&utm_term=.f1bf8ed6690c বব উডওয়ার্ডের নতুন বই ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতিত্বের এক 'মানসিক ভেঙে পড়া'র চিত্র তুলে ধরেছে] (৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮), ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'' উদ্ধৃত।
* সিরিয়ায় আজ নারী ও শিশুসহ নিরীহ মানুষের ওপর যে রাসায়নিক হামলা হয়েছে, তা অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং সভ্য দুনিয়া এটি উপেক্ষা করতে পারে না। বাশার আল-আসাদ সরকারের এই জঘন্য কর্মকাণ্ড পূর্ববর্তী প্রশাসনের দুর্বলতা এবং দোদুল্যমানতারই ফল। রাষ্ট্রপতি ওবামা ২০১২ সালে বলেছিলেন যে তিনি রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের বিরুদ্ধে একটি "রেড লাইন" বা চূড়ান্ত সীমা নির্ধারণ করবেন, কিন্তু পরে তিনি কিছুই করেননি। এই অসহনীয় হামলার নিন্দা জানাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সারা বিশ্বের মিত্রদের পাশে দাঁড়িয়েছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.presidency.ucsb.edu/documents/statement-the-chemical-weapons-attack-khan-sheikhoun-syria সিরিয়ার খান শেখাউনে রাসায়নিক অস্ত্র হামলা সম্পর্কে বিবৃতি] থেকে উদ্ধৃত, ''আমেরিকান প্রেসিডেন্সি প্রজেক্ট'', (৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭)
* অনেকের জন্যই এটি ছিল এক ধীরগতির এবং নৃশংস মৃত্যু... এমনকি সুন্দর ছোট শিশুদেরও এই অত্যন্ত বর্বরোচিত হামলায় নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়েছে।
** সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র হামলা সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প]], [http://www.nydailynews.com/news/politics/trump-blasts-syria-murdering-civilians-u-s-strike-article-1.3027449 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিমান ঘাঁটিতে অন্তত ৫০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পর রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প নিজের দেশের মানুষকে 'নিষ্ঠুরভাবে হত্যার' জন্য সিরিয়ার সমালোচনা করেছেন], ৬ এপ্রিল ২০১৭।
* আমরা রাতের খাবার শেষ করেছিলাম। তখন আমরা মিষ্টান্ন খাচ্ছিলাম। আর আমাদের কাছে সবচেয়ে চমৎকার এক টুকরো চকোলেট কেক ছিল যা আপনি কখনও দেখেননি, এবং রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং সেটি উপভোগ করছিলেন।
* তো যা হলো, আমি বললাম যে আমরা মাত্রই ৫৯টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছি যা ইরাকের দিকে যাচ্ছে। [সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী তাকে সংশোধন করে দেন] হ্যাঁ, সিরিয়ার দিকে যাচ্ছে।
** চীনা রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের সাথে ডিনার করার সময় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প]], [http://www.cnn.com/2017/04/12/politics/donald-trump-xi-jingping-syria-chocolate-cake/ 'চমৎকার' চকোলেট কেক খেতে খেতে ট্রাম্প ও শি সিরিয়ায় হামলা নিয়ে কথা বলেছেন], ১২ এপ্রিল ২০১৭।
* তো এটি আমেরিকায় কৃষি এবং গ্রামীণ সমৃদ্ধিকে উৎসাহিত করার জন্য। আর এখন, এখানে অনেক কথা আছে, আমি সবকিছু পড়ার ঝামেলায় যাব না।
** [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/04/25/remarks-president-trump-farmers-roundtable-and-executive-order-signing আমেরিকায় কৃষি এবং গ্রামীণ সমৃদ্ধি বাড়াতে কৃষকদের গোলটেবিল বৈঠক এবং নির্বাহী আদেশে সই করার সময় রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্যে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৫ এপ্রিল ২০১৭)
[[চিত্র:Shinzō_Abe_and_Donald_Trump_in_Palm_Beach_(3).jpeg|থাম্ব|আমি ভেবেছিলাম এটি আরও সহজ হবে।]]
* আমি ভেবেছিলাম এটি আরও সহজ হবে।
** রয়টার্সের সাথে এক [http://www.reuters.com/article/us-usa-trump-100days-idUSKBN17U0CA সাক্ষাৎকারে তার প্রথম ১০০ দিন সম্পর্কে আলোচনা করার সময়] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৭ এপ্রিল ২০১৭)
* আমি মনে করি প্রথম ১০০ দিনে আমরা হয়তো যে কোনো রাষ্ট্রপতির চেয়ে বেশি কাজ করেছি... হ্যারি ট্রুম্যান-এর পর আর কেউ এত কাজ করেনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের]] সাথে সাক্ষাৎকার, [http://www.washingtonexaminer.com/full-interview-with-president-trump-on-his-first-100-days/article/2621516 তার প্রথম ১০০ দিন সম্পর্কে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের সাথে পূর্ণাঙ্গ সাক্ষাৎকার], ২৮ এপ্রিল ২০১৭।
==== মে ২০১৭ ====
* কোনো আমেরিকানকে ফেডারেল সরকারের নির্দেশ এবং তাদের বিশ্বাসের নীতির মধ্যে কোনো একটিকে বেছে নিতে বাধ্য করা উচিত নয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://www.foxnews.com/opinion/2017/05/04/what-trump-understands-about-religious-liberty-in-america.html আমেরিকায় ধর্মীয় স্বাধীনতা সম্পর্কে ট্রাম্প কী বোঝেন?] থেকে উদ্ধৃত (৪ মে ২০১৭)
[[চিত্র:James_Comey_official_portrait.jpg|থাম্ব|আমি মাত্রই এফবিআই প্রধানকে বরখাস্ত করেছি। তিনি পাগল ছিলেন, এক্কেবারে বদ্ধ পাগল।]]
* আমি মাত্রই এফবিআই প্রধানকে বরখাস্ত করেছি। তিনি পাগল ছিলেন, এক্কেবারে বদ্ধ পাগল।<br>..<br>রাশিয়া নিয়ে আমি প্রচণ্ড চাপের মুখে ছিলাম। সেটা এখন কেটে গেছে।<br>..<br>আমার বিরুদ্ধে কোনো তদন্ত চলছে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], বৈঠকের আনুষ্ঠানিক বিবরণ অনুযায়ী [https://www.nytimes.com/2017/05/19/us/politics/trump-russia-comey.html হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রিত রুশ কর্মকর্তাদের সাথে ট্রাম্পের কথোপকথনের অংশ] থেকে উদ্ধৃত (১০ মে ২০১৭)
* আপনি কি আগে কখনও এই কথাটি ব্যবহার করতে শুনেছেন? কারণ আমি শুনিনি। মানে, আমি ঠিক... কয়েক দিন আগে এটি মাথায় এল আর আমার মনে হলো এটি বেশ ভালো। এটাই আপনাদের করতে হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [[দি ইকোনমিস্ট]]ে প্রকাশিত একটি সাক্ষাৎকারে অর্থনৈতিক উদ্দীপনা প্রসঙ্গে [http://www.economist.com/Trumptranscript "প্রাইম দ্য পাম্প" শব্দটি উদ্ভাবনের দাবি করেছেন] (১১ মে ২০১৭)
* আর সত্যি বলতে, যখন আমি এটি করার সিদ্ধান্ত নিই, তখন আমি নিজেকে বলেছিলাম, "জানো তো, ট্রাম্প আর রাশিয়াকে নিয়ে এই রাশিয়ার ব্যাপারটা আসলে একটা সাজানো গল্প। নির্বাচনে হারার পর ডেমোক্র্যাটরা এটি একটি অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করছে।"
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://www.nbcnews.com/nightly-news/video/president-trump-this-russia-thing-is-a-made-up-story-941962819745 এনবিসির লেস্টার হোল্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেছেন] যে ফেডারেল তদন্তের ওপর বিরক্তিই ছিল এফবিআই পরিচালক জেমস কোমিকে বরখাস্ত করার একটি কারণ (১১ মে ২০১৭)
* সমালোচক হওয়ার চেয়ে সহজ বা করুণ আর কিছু নেই। কারণ তারা এমন লোক যারা কাজ শেষ করতে পারে না। কিন্তু ভবিষ্যৎ স্বপ্নদ্রষ্টাদের জন্য, সমালোচকদের জন্য নয়। ভবিষ্যৎ সেই সব মানুষের জন্য যারা সমালোচকরা যা-ই বলুক না কেন, নিজেদের মনের কথা শোনে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=B421uhrOV-o&feature=youtu.be&t=12m34s লিবার্টি ইউনিভার্সিটির সমাবর্তন ভাষণ] থেকে উদ্ধৃত (১৩ মে ২০১৭)
* ইদানীং আমার সাথে বিশেষ করে সংবাদমাধ্যম যেভাবে আচরণ করছে তা দেখুন। ইতিহাসের কোনো রাজনীতিবিদের সাথে, এবং আমি এটি খুব নিশ্চিতভাবেই বলছি, এর চেয়ে খারাপ বা অন্যায় আচরণ করা হয়নি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/us-news/video/2017/may/17/donald-trump-media-coast-guard-speech-video "ইউএস কোস্ট গার্ড একাডেমির সমাবর্তন অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তৃতায় সংবাদমাধ্যমের সমালোচনা করার সময়"] থেকে উদ্ধৃত (১৭ মে ২০১৭)
* ওহ আমার ঈশ্বর। এটি ভয়ংকর। '''এটিই আমার রাষ্ট্রপতিত্বের শেষ। আমি শেষ।'''
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], রাশিয়া তদন্তে একজন স্পেশাল কাউন্সিল নিয়োগের বিষয়ে। রবার্ট এস. মুলার ৩য় লিখিত [https://commons.wikimedia.org/wiki/File:Report_On_The_Investigation_Into_Russian_Interference_In_The_2016_Presidential_Election.pdf "রিপোর্ট অন দ্য ইনভেস্টিগেশন ইনটু রাশিয়ান ইন্টারফারেন্স ইন দ্য ২০১৬ প্রেসিডেন্সিয়াল ইলেকশন"], ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ৭৮-এ উদ্ধৃত।
* অনেক তরুণ, সুন্দর, নিষ্পাপ মানুষ যারা জীবনকে উপভোগ করছিল, জীবনের কিছু শয়তান লুজার তাদের হত্যা করেছে। আমি তাদের দানব বলব না কারণ তারা ওই শব্দটি পছন্দ করবে। তারা ভাববে এটি একটি চমৎকার নাম। আমি এখন থেকে তাদের লুজার বলব কারণ তারা তা-ই। তারা লুজার। আর আমরা এমন আরও অনেককে পাব। কিন্তু তারা ব্যর্থ, শুধু এটা মনে রাখবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theatlantic.com/international/archive/2017/05/trump-manchester-losers/527745/ দি আনটলান্টিক] থেকে উদ্ধৃত
==== জুন ২০১৭ ====
* আমি প্যারিসের নয়, বরং পিটসবার্গের নাগরিকদের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য নির্বাচিত হয়েছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/06/01/statement-president-trump-paris-climate-accord প্যারিস জলবায়ু চুক্তি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বিবৃতি], যেখানে তিনি প্যারিস চুক্তি থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেন (১ জুন ২০১৭)
* ইতিহাস স্বপ্নদ্রষ্টাদের দ্বারা লেখা হয়, সন্দেহবাদীদের দ্বারা নয়।
[[চিত্র:Family trump in the Easter Egg Roll (cropped).jpg|থাম্ব|আমি ধনী-দরিদ্র সব মানুষকেই ভালোবাসি, কিন্তু বিশেষ ওই পদগুলোর জন্য আমি কোনো দরিদ্র মানুষকে চাই না।]]
* আমি ধনী-দরিদ্র সব মানুষকেই ভালোবাসি, কিন্তু বিশেষ ওই পদগুলোর জন্য আমি কোনো দরিদ্র মানুষকে চাই না।
* আমরা দেওয়ালটিকে একটি সৌর দেওয়াল হিসেবে তৈরির কথা ভাবছি, যাতে এটি শক্তি উৎপাদন করে এবং নিজের খরচ নিজেই মেটাতে পারে। আর এভাবে মেক্সিকোকে অনেক কম টাকা দিতে হবে, আর সেটা ভালো, তাই না? আপনারা প্রথম দল যাদের আমি এটি বললাম। একটি সৌর দেওয়াল, এর মানে হয়। দেখা যাক, আমরা এটি নিয়ে কাজ করছি। সৌর দেওয়াল, প্যানেল, চমৎকার। মানে আসলে ভেবে দেখুন, এটি যত উঁচুতে যাবে এর মূল্য তত বাড়বে, এটি অনেকটা... বেশ ভালো কল্পনাশক্তি ''[নিজের মাথার দিকে ইশারা করে]'', তাই না, ভালো? আমার পরিকল্পনা।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://www.foxnews.com/politics/2017/06/21/president-trump-holds-iowa-rally-live-blog.html আইওয়ার সিডার র্যাপিডসে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের জনসভা] থেকে উদ্ধৃত (২১ জুন ২০১৭)
* দেখুন আমি তাকে রেকর্ড করিনি — কী ঘটছে তা আপনি কখনোই বুঝতে পারবেন না, যখন আপনি দেখবেন যে ওবামা প্রশাসন, এবং সম্ভবত তার চেয়েও বেশি সময় ধরে, এই সব মুখোশ উন্মোচন এবং নজরদারি করছিল। আর আপনি যখন চারিদিকে নজরদারি করার মতো গুরুতর এবং ভয়াবহ পরিস্থিতি সম্পর্কে সব পড়বেন, যেমনটা আমি গত কয়েক মাস ধরে পড়ছি। আর আপনারা 'মুখোশ উন্মোচন' শব্দটি শুনেছেন, এমন একটি শব্দ যা আপনারা হয়তো আগে কখনও শোনেননি। তাই সেখানে কী আছে আপনি কখনও জানবেন না — তবে আমি রেকর্ড করিনি, আর আমার কাছে কোনো টেপ নেই, আর আমি রেকর্ড করিনি।
* ভালো, এটি খুব একটা বোকামি ছিল না, আমি আপনাকে তা বলতে পারি। ''[সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী যখন ইঙ্গিত দেন যে রেকর্ড বা টেপ আছে বলে তার টুইট করা একটি চালাকি ছিল, তার জবাবে]''
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://insider.foxnews.com/2017/06/23/trump-comey-tapes-tweet-mueller-probe-fox-friends-interview "ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডসে এইন্সলি ইয়ারহার্ডের নেওয়া ট্রাম্পের সাক্ষাৎকার"] থেকে উদ্ধৃত (২৩ জুন ২০১৭)
* আমি শুনলাম কম রেটিংয়ের জো স্কারবোরো আমাকে নিয়ে খারাপ কথা বলছে (আর দেখি না)। তাহলে কম বুদ্ধির পাগল মিকা আর সাইকো জো কেন নিউ ইয়ার ইভের আশেপাশে টানা ৩ রাত মার-আ-লাগোতে এসেছিল এবং আমার সাথে যোগ দেওয়ার জন্য জোরাজুরি করেছিল? ফেস-লিফটের কারণে তার মুখ থেকে রক্ত পড়ছিল। আমি না বলে দিয়েছিলাম!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.nytimes.com/2017/06/29/business/media/trump-mika-brzezinski-facelift.html "ট্রাম্প মিকা ব্রজেজিনস্কিকে বিদ্রূপ করেছেন"] থেকে উদ্ধৃত (২৯ জুন ২০১৭)
[[চিত্র:Donald_Trump_(29273256122)_-_Cropped.jpg|থাম্ব|মানুষের আত্মা অজানাকে জানার জন্য ব্যাকুল থাকে। মহাবিশ্বের রহস্য উন্মোচনের মাধ্যমে আমরা নিজেদের ভেতরের সত্যকেও উন্মোচন করি।]]
* মানুষের আত্মা অজানাকে জানার জন্য ব্যাকুল থাকে। মহাবিশ্বের রহস্য উন্মোচনের মাধ্যমে আমরা নিজেদের ভেতরের সত্যকেও উন্মোচন করি। এটা সত্যি। আমাদের মহাকাশ যাত্রা শুধু আমাদের শক্তিশালী আর সমৃদ্ধই করবে না, বরং আমাদের বড় লক্ষ্যগুলোর পেছনে ঐক্যবদ্ধ করবে এবং সবাইকে আরও কাছাকাছি নিয়ে আসবে। এটা কি দারুণ হবে না? আপনারা কি বিশ্বাস করতে পারেন যে মহাকাশ এমনটা করবে? আমি ভেবেছিলাম রাজনীতি হয়তো এটা করবে। (হাসি)। যাই হোক, আমাদের এখন মহাকাশের ওপরই ভরসা করতে হবে।
* প্রতিবার আকাশে কোনো কিছুর উৎক্ষেপণ আমাদের এমন এক ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায় যেখানে আমাদের সাধারণ মানবিকতার বিশালতার সামনে আমাদের পার্থক্যগুলো ছোট মনে হয়। অনেক সময় সত্যকে দেখার জন্য কোনো কিছুকে দূর থেকে দেখতে হয়। জ্ঞানের চিরন্তন সন্ধানে মানবতার অগ্রভাগে থাকা এবং অজানার অভিযানে জাতিগুলোর মধ্যে নেতৃত্ব দেওয়া আমেরিকার ভাগ্য।
* মহাকাশ। বাইরে অনেক জায়গা আছে, তাই না? ''[বাজ অলড্রিন মাঝপথে বলেন: অসীমের পথে এবং তারও ঊর্ধ্বে!]'' এটা অসীম, এটা অসীম হতে পারে, আমরা ঠিক জানি না। তবে হতেও পারে, সেখানে নিশ্চয়ই কিছু আছে, তবে এটা অসীম হতে পারে, তাই তো?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/06/30/remarks-president-signing-executive-order-national-space-council "ন্যাশনাল স্পেস কাউন্সিলের একটি নির্বাহী আদেশে সই করার সময় ট্রাম্পের বক্তব্য"] থেকে উদ্ধৃত (৩০ জুন ২০১৭)
==== জুলাই ২০১৭ ====
* আমাদের সময়ের মৌলিক প্রশ্নটি হলো পশ্চিমা বিশ্বের বেঁচে থাকার ইচ্ছা আছে কি না। যেকোনো মূল্যে আমাদের মূল্যবোধ রক্ষা করার আত্মবিশ্বাস কি আমাদের আছে? আমাদের সীমান্ত রক্ষা করার জন্য নাগরিকদের প্রতি কি আমাদের যথেষ্ট সম্মান আছে? যারা আমাদের সভ্যতাকে নসাৎ বা ধ্বংস করতে চায়, তাদের মুখে দাঁড়িয়ে আমাদের সভ্যতা টিকিয়ে রাখার আকাঙ্ক্ষা ও সাহস কি আমাদের আছে?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/07/06/remarks-president-trump-people-poland-july-6-2017 "পোল্যান্ডের জনগণের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্য"] (৬ জুলাই ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত
* ...ওবামাকেয়ারকে ব্যর্থ হতে দিন, এটি অনেক সহজ হবে। এবং আমি মনে করি আমরা সম্ভবত এমন অবস্থানে আছি যেখানে আমরা ওবামাকেয়ারকে ব্যর্থ হতে দেব। আমরা এর দায় নেব না। আমি এর দায় নেব না। আমি আপনাদের বলতে পারি যে রিপাবলিকানরা এর দায় নেবে না। আমরা ওবামাকেয়ারকে ব্যর্থ হতে দেব এবং তারপর ডেমোক্র্যাটরা আমাদের কাছে আসবে।
** হোয়াইট হাউসের এক সংবাদ সম্মেলন, ১৮ জুলাই ২০১৭, থমাস কাপলান লিখিত [https://www.nytimes.com/2017/07/18/us/politics/republicans-obamacare-repeal-now-replace-later.html রিপাবলিকানদের স্বাস্থ্য বিল ভেস্তে যাওয়ার সাথে সাথে ট্রাম্প বলেছেন "ওবামাকেয়ারকে ব্যর্থ হতে দিন]" শীর্ষক নিবন্ধে উদ্ধৃত, ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৮ জুলাই ২০১৭
* আমি অ্যাটর্নি জেনারেলের ওপর হতাশ। দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় পরপরই তার নিজেকে সরিয়ে নেওয়া উচিত হয়নি। আর যদি তিনি নিজেকে সরিয়ে নিতেই চাইতেন, তবে তার উচিত ছিল দায়িত্ব নেওয়ার আগেই আমাকে তা বলা। তাহলে আমি খুব সহজেই অন্য কাউকে বেছে নিতাম। তাই আমি মনে করি এটি একটি খারাপ ব্যাপার, রাষ্ট্রপতির জন্য নয় বরং রাষ্ট্রপতিত্বের জন্য। আমি মনে করি এটি রাষ্ট্রপতিত্বের প্রতি অন্যায় হয়েছে এবং আমি ঠিক এমনটাই মনে করি।
** হোয়াইট হাউসের এক সাংবাদিক সম্মেলনে [https://www.youtube.com/watch?v=ZgImDKyPZwg জেফ সেশনস সম্পর্কে একটি প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প] (২৫ জুলাই ২০১৭)
* আমি বলেছি দয়া করে খুব বেশি ভালো হবেন না। যেমন আপনারা যখন কাউকে গাড়িতে তোলেন এবং তাদের মাথা রক্ষা করেন, আপনারা জানেন, যেভাবে হাত দিয়ে আড়াল করেন যাতে মাথায় আঘাত না লাগে অথচ তারা হয়তো মাত্রই কাউকে খুন করে এসেছে, তাদের মাথায় যাতে আঘাত না লাগে? আমি বললাম, আপনারা হাত সরিয়ে নিতে পারেন, ঠিক আছে।
** লং আইল্যান্ডের সাফোক কাউন্টি কমিউনিটি কলেজে [https://www.youtube.com/watch?v=NFgjNPiq9Cw পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের বক্তব্য (২৮ জুলাই ২০১৭)
===== ২০১৭ ন্যাশনাল স্কাউট জাম্বোরি (২৪ জুলাই ২০১৭) =====
<small>[https://www.youtube.com/watch?v=TplF26czQVE ২০১৭ ন্যাশনাল স্কাউট জাম্বোরিতে তরুণদের অনুপ্রাণিত করছেন ট্রাম্প] (২৪ জুলাই ২০১৭)</small>
* আমি বললাম, ছেলে স্কাউটদের সামনে দাঁড়িয়ে কে রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে চায়, তাই না?
* আপনারা জানেন, আমি ওয়াশিংটনে যাই এবং এই সব রাজনীতিবিদদের দেখি, আর আমি সেই সোয়াম্প দেখি। এটি কোনো ভালো জায়গা নয়। আসলে আজ আমি বলেছি যে আমাদের 'সোয়াম্প' শব্দটি বদলে 'সেসপুল' বা হয়তো 'সুয়্যার' শব্দ ব্যবহার করা উচিত। তবে এটি ভালো নয়, একদমই ভালো নয়।
* সেক্রেটারি টম প্রাইসও এখানে আছেন। আজ ডক্টর প্রাইস আমাদের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা সচিব হিসেবে লক্ষ লক্ষ আমেরিকানকে শক্তিশালী এবং সুস্থ রাখতে সাহায্য করার মাধ্যমে স্কাউট শপথ অনুযায়ী কাজ করে চলেছেন এবং তিনি চমৎকার কাজ করছেন। আর আশা করি তিনি ওবামাকেয়ার নামের এই ভয়ংকর জিনিসটিকে শেষ করার পথে আগামীকাল প্রয়োজনীয় ভোট পাবেন যা আমাদের সত্যিই ক্ষতি করছে। যাই হোক, আপনি কি ভোটগুলো পাবেন? তাকে সেগুলো পেতেই হবে। তাকে সেগুলো পেতেই হবে। ওহ, তাকে পেতেই হবে, অন্যথায় আমি বলব, "টম, তোমাকে বরখাস্ত করা হলো।"
* দয়া করে ওই ক্যামেরাগুলো পেছনের দিকে ঘোরান, ওটা অবিশ্বাস্য। যাই হোক, আপনাদের কী মনে হয় এই বিশাল এবং রেকর্ড সৃষ্টিকারী ভিড় আজ রাতে টেলিভিশনে দেখানোর সম্ভাবনা কতটুকু? ১ শতাংশ না কি শূন্য? ভুয়া মিডিয়া বলবে, "রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প", আর আপনারা জানেন এটি কী, "রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প আজ ছেলে স্কাউটদের এক ছোট ভিড়ের সামনে ভাষণ দিয়েছেন।"
* যাই হোক, শুধু একটা প্রশ্ন, রাষ্ট্রপতি ওবামা কি কখনো কোনো জাম্বোরিতে এসেছিলেন?
* আর আপনারা জানেন ইলেক্ট্রোরাল কলেজে আমাদের অনেক অসুবিধা আছে, পপুলার ভোট পাওয়া অনেক সহজ।
==== আগস্ট ২০১৭ ====
* [[উত্তর কোরিয়া]]র জন্য এটাই সবচেয়ে ভালো হবে যেন তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে আর কোনো হুমকির আঙুল না তোলে। তাদের এমন '''আগুন আর প্রচণ্ড রাগের মোকাবিলা করতে হবে যা দুনিয়া আগে কখনো দেখেনি'''। তিনি একটি সাধারণ রাষ্ট্রের সীমা ছাড়িয়ে অনেক বেশি হুমকি দিচ্ছেন। তাদের এমন '''আগুন, প্রচণ্ড রাগ আর সত্যি বলতে এমন শক্তির''' মুখে পড়তে হবে যা এই পৃথিবী আগে কখনো দেখেনি।
** ওপিওয়েড অতিমারি সংক্রান্ত এক জনসভায় উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য।
** সিএনএনেরর [http://www.cnn.com/2017/08/09/politics/trump-fire-fury-improvise-north-korea/index.html ট্রাম্পের 'আগুন ও প্রচণ্ড ক্রোধ' বিষয়ক মন্তব্যটি তাৎক্ষণিক ছিল কিন্তু ছিল বিখ্যাত], ৯ আগস্ট ২০১৭।
* আমরা অনেক পক্ষ থেকে, হ্যাঁ অনেক পক্ষ থেকেই ঘৃণা, গোঁড়ামি আর সহিংসতার এই ভয়াবহ রূপের কড়া ভাষায় নিন্দা জানাই। আমাদের দেশে এটি দীর্ঘ সময় ধরে চলে আসছে। এটি ডোনাল্ড ট্রাম্প বা বারাক ওবামার সময় থেকে নয়, বরং অনেক অনেক দিন ধরে চলছে।
** ভার্জিনিয়ার শার্লটসভিলে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী র্যালির সন্ত্রাস সম্পর্কে প্রথম বিবৃতি। [https://www.theguardian.com/us-news/2017/aug/12/charlottesville-protest-trump-condemns-violence-many-sides] দ্য গার্ডিয়ান। (১২ আগস্ট ২০১৭)
*বর্ণবাদ একটি শয়তানি। আর যারা এর নামে অশান্তি সৃষ্টি করে তারা স্রেফ অপরাধী আর গুন্ডা। কেকেকে, নব্য-নাৎসি, শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী আর অন্যান্য ঘৃণ্য গোষ্ঠীগুলো আমেরিকান হিসেবে আমাদের প্রিয় আদর্শগুলোর পরিপন্থী এবং জঘন্য। যারা গোঁড়ামির নামে অশান্তি ছড়ায় তারা আমেরিকার মূল সত্তায় আঘাত করে। প্রার্থী হিসেবে আমি দেশে আইন-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম এবং আমাদের সরকারি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো সেই কথা রাখছে। আমরা এই লড়াইয়ে কোনো কিছুর কমতি রাখব না যাতে প্রতিটি আমেরিকান শিশু ভয় আর সহিংসতা ছাড়া বড় হতে পারে। আমরা সকল আমেরিকানের পবিত্র অধিকার রক্ষা করব এবং আমরা সবাই মিলে কাজ করব যাতে এই ধন্য দেশের প্রতিটি নাগরিক তাদের মনের স্বপ্ন পূরণ করতে পারে এবং আমাদের আত্মার ভালোবাসা ও আনন্দ প্রকাশ করতে পারে।
** ১১-১২ আগস্ট ২০১৭ তারিখে ভার্জিনিয়ার শার্লটসভিলে অনুষ্ঠিত একটি চরম-ডানপন্থী র্যালিতে সহিংসতার বিষয়ে পরবর্তী বিবৃতি; [http://www.cnn.com/2017/08/14/politics/trump-condemns-charlottesville-attackers/index.html ট্রাম্প কেকেকে, নব্য-নাৎসি আর শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীদের 'জঘন্য' বলেছেন] (১৪ আগস্ট ২০১৭)
*'''হ্যাঁ, আমি মনে করি দুই পক্ষেরই দোষ আছে। আপনারা দুই পক্ষকেই ভালো করে দেখুন, আমার মনে হয় দুই পক্ষেরই দোষ আছে এবং এ নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই, আপনাদেরও থাকা উচিত নয়।''' আর আপনারা যদি এটি সঠিকভাবে তুলে ধরতেন, তবে বলতেন... [সাংবাদিক: নব্য-নাৎসিরা এটি শুরু করেছিল। তারা শার্লটসভিলে এসেছিল। তারা... (সাংবাদিকদের শোরগোল)] মাফ করবেন। শুনুন। '''তারা নিজেদের নব্য-নাৎসি হিসেবে পরিচয় দেয়নি।''' আর সেই দলে কিছু খুব খারাপ মানুষ ছিল। '''কিন্তু দুই পক্ষেই এমন কিছু মানুষ ছিল যারা খুব ভালো মানুষ ছিল।''' সেই দলে এমন কিছু লোক ছিল — মাফ করবেন — আমি আপনাদের মতোই ছবিগুলো দেখেছি। সেই দলে এমন লোক ছিল যারা তাদের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি মূর্তি সরিয়ে ফেলা এবং একটি পার্কের নাম রবার্ট ই. লি থেকে অন্য নামে বদলানোর প্রতিবাদ করতে সেখানে এসেছিল। [সাংবাদিকদের শোরগোল] জর্জ ওয়াশিংটন কি দাসের মালিক ছিলেন না? অবশ্যই ছিলেন। তাহলে কি এখন জর্জ ওয়াশিংটন তার মর্যাদা হারাবেন? আমরা কি — মাফ করবেন — আমরা কি এখন জর্জ ওয়াশিংটনের মূর্তি সরিয়ে ফেলব? থমাস জেফারসনের কথাই ধরুন। আপনারা তাকে পছন্দ করেন, তাই তো? ভালো। আমরা কি এখন তার মূর্তি সরিয়ে ফেলব কারণ তিনি একজন বড় দাসের মালিক ছিলেন? এভাবে তো আপনারা ইতিহাস আর সংস্কৃতিকেই বদলে দিচ্ছেন। সেই দলে এমন কিছু লোক ছিল — এবং '''আমি নব্য-নাৎসি আর শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদীদের কথা বলছি না, কারণ তাদের পুরোপুরি নিন্দা জানানো উচিত''' — কিন্তু সেই দলে '''নব্য-নাৎসি আর শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী ছাড়াও আরও অনেক সাধারণ মানুষ ছিল''', ঠিক আছে? আর সংবাদমাধ্যম তাদের সাথে চরম অন্যায় আচরণ করেছে। আবার অন্য দলেও কিছু ভালো মানুষ ছিল, কিন্তু সেখানে কিছু দাঙ্গাবাজও ছিল যাদের আপনারা '''কালো পোশাক, হেলমেট আর বেসবল ব্যাট''' নিয়ে আসতে দেখেছেন। অন্য দলেও অনেক খারাপ লোক ছিল।
* শনিবার আমি যে বিবৃতিটি দিয়েছিলাম, সেই প্রথম কথাগুলো একদম সঠিক ছিল।
** নিউ ইয়র্কের ট্রাম্প টাওয়ারে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে রয়টার্সের [https://www.reuters.com/article/us-virginia-protests-idUSKCN1AV0WT "ভার্জিনিয়ার প্রাণঘাতী সহিংসতার জন্য ট্রাম্প আবারও উভয় পক্ষকে দায়ী করেছেন"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৫ আগস্ট ২০১৭)। প্রতিলিপি: [https://www.cnbc.com/2017/08/15/read-the-transcript-of-donald-trumps-jaw-dropping-press-conference.html সিএনবিসি], [https://www.vox.com/2017/8/15/16154028/trump-press-conference-transcript-charlottesville ভক্স]।
==== সেপ্টেম্বর ২০১৭ ====
* এটি এমন এক রাষ্ট্রপতিত্ব যার প্রধান বৈশিষ্ট্য আদর্শ নয়, এমনকি নীতিও নয়। এটি হলো এক ধরনের স্নায়বিক সমস্যা।
** ব্রেট স্টিফেনস, [http://archive.is/bD7xJ "ট্রাম্প রক্ষণশীলদের তাদের উপযুক্ত পাওনা বুঝিয়ে দিচ্ছেন"] (১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস''
* ভেনেজুয়েলার সমস্যা এটা নয় যে সেখানে [[সমাজতন্ত্র]] ঠিকমতো বাস্তবায়ন করা হয়নি। বরং সমস্যাটা হলো সেখানে সমাজতন্ত্র ঠিকঠাকভাবেই বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭২তম অধিবেশনে দেওয়া তার প্রথম ভাষণে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। (১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭)
* আপনারা এর চেয়ে ভালো একটা কাজই করতে পারেন যদি দেখেন এমনটা হচ্ছে, এমনকি একজন খেলোয়াড়ও যদি এমন করে, তবে স্টেডিয়াম ছেড়ে চলে যান। আমি কথা দিচ্ছি, এসব বন্ধ হয়ে যাবে। এসব বন্ধ হবেই। শুধু উঠে চলে যান। উঠে চলে যান। এমনিতেও খেলাটা আর আগের মতো নেই। আপনারা কি দেখতে চাইবেন না যে এনএফএলের মালিকদের কেউ একজন, যখন কেউ আমাদের পতাকাকে অসম্মান করছে, তখন বলছেন, 'ওই কুত্তার বাচ্চাকে এখনই মাঠ থেকে বের করে দাও। বের করো! ওকে বরখাস্ত করা হলো। ওকে বরখাস্ত করা হলো!'
** অ্যালাবামার হান্টসভিলে এক জনসভায় মার্কিন পতাকার বিরুদ্ধে এনএফএল খেলোয়াড়দের প্রতিবাদ প্রসঙ্গে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
** {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৭-০৯-২২ |শিরোনাম=জাতীয় সংগীতে হাঁটু গেড়ে বসার জন্য এনএফএল খেলোয়াড়দের বরখাস্তের দাবি জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প — এবং তারা এর জবাব দিয়েছে |লেখক=অ্যারিক জেনকিন্স |সাময়িকী=ফরচুন |ইউআরএল=http://fortune.com/2017/09/23/donald-trump-nfl-players-anthem-response/}}
* হোমল্যান্ড সিকিউরিটি থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষা বিভাগ পর্যন্ত আমাদের সরকারের সব যথাযথ বিভাগ এই দুর্যোগ মোকাবিলায় পুরোপুরি নিয়োজিত আছে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে উদ্ধার ও পুনরুদ্ধারের এমন প্রচেষ্টা হয়তো আগে কখনো দেখা যায়নি। এটি একটি দ্বীপ যার চারিদিকে জল, বিশাল জলরাশি, সমুদ্রের জল।
** ঘূর্ণিঝড় মারিয়া সম্পর্কে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
** {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৭-০৯-২৯ |শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন পুয়ের্তো রিকো হলো 'বিশাল জলরাশি বেষ্টিত একটি দ্বীপ' |লেখক=এমিলি শুগারম্যান |সাময়িকী=দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট |অবস্থান=ইউকে |ইউআরএল=https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-politics/donald-trump-puerto-rico-hurricane-maria-comments-island-big-water-a7975011.html}}
==== অক্টোবর ২০১৭ ====
* আপনারা কি জানেন এটি কিসের প্রতীক? হয়তো এটি ঝড়ের আগের শান্ত মুহূর্ত। ''[সাংবাদিক: কিসের ঝড়?]'' হতে পারে ঝড়ের আগের শান্ত, একদম শান্ত একটা ভাব। [সাংবাদিক: কিসের ঝড় মিস্টার প্রেসিডেন্ট?] এই ঘরে বিশ্বের সেরা সামরিক ব্যক্তিরা আছেন, আমি শুধু আপনাদের এটাই বলব, আর আমাদের সন্ধ্যাটা খুব চমৎকার কাটবে। ''[সাংবাদিক: কিসের ঝড় মিস্টার প্রেসিডেন্ট?]'' আপনারা জানতে পারবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.washingtonpost.com/news/post-politics/wp/2017/10/06/trump-gathers-with-military-leaders-says-maybe-its-the-calm-before-the-storm/ "হোয়াইট হাউসে ছবি তোলার সময় দেওয়া বক্তব্য"] থেকে উদ্ধৃত (৬ অক্টোবর ২০১৭)
* সংবাদমাধ্যম হলো — সত্যি বলতে, আমার উদ্ভাবিত সেরা শব্দগুলোর একটি হলো "ফেক" (ভুয়া)। আমার ধারণা হয়তো অন্য মানুষও বছরের পর বছর এটি ব্যবহার করেছে, কিন্তু আমি কখনো তা খেয়াল করিনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ড্যানিয়েল ডেল লিখিত [https://www.thestar.com/news/world/2017/10/08/donald-trump-defends-paper-towels-in-puerto-rico-says-stephen-paddock-was-probably-smart-in-bizarre-tv-interview-analysis.html এক বিচিত্র টিভি সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প পুয়ের্তো রিকোর পেপার টাওয়েল নিয়ে আত্মপক্ষ সমর্থন করেছেন এবং স্টিফেন প্যাডক সম্পর্কে বলেছেন সে 'সম্ভবত বুদ্ধিমান' ছিল: একটি বিশ্লেষণ] শীর্ষক নিবন্ধে উদ্ধৃত, দ্য স্টার ডট কম, ৮ অক্টোবর ২০১৭
* চেইন মাইগ্রেশন হলো অন্যতম এক বিপর্যয়। আপনি একজনকে আসতে দিচ্ছেন আর সেই একজন ১০ বা ১২ জনকে নিয়ে আসছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ১১ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে [https://abcnews.go.com/US/times-trump-slammed-chain-migration-apparently-helped-wifes/story?id=57132429 শন হ্যানিটি]র নেওয়া সাক্ষাৎকারে
* আর আমরা এটি সেই সব বাবা-মায়েদের মধ্যে দেখি যারা ভোরবেলায় ঘুম থেকে ওঠেন; তারা দুটো চাকরি করেন, কখনো কখনো তিনটা চাকরিও করেন। তারা প্রতিদিন আসবাবপত্র এবং তাদের সন্তানদের ভবিষ্যতের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.palmerreport.com/opinion/random-words-donald-trump/5573/ ২০১৭ ভ্যালুস ভোটার সামিটে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্য] থেকে উদ্ধৃত (১৩ অক্টোবর ২০১৭)
* এইমাত্র খবর এল: "চরমপন্থী ইসলামি সন্ত্রাসের প্রসারের মাঝে যুক্তরাজ্যে বার্ষিক অপরাধের হার ১৩% বেড়েছে।" ভালো কথা নয়, আমাদের অবশ্যই আমেরিকাকে নিরাপদ রাখতে হবে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.snopes.com/trump-uk-terrorism/ @রিয়েলডোনাল্ডট্রাম্প এর টুইট] থেকে উদ্ধৃত (২০ অক্টোবর ২০১৭)
* আমাদের সম্পর্ক খুব ভালো। লোকে বলে যেকোনো রাষ্ট্রপতি-রাষ্ট্রপতির মধ্যে আমাদের সম্পর্ক সবচেয়ে সেরা, কারণ তাকেও রাষ্ট্রপতি বলা হয়। এখন কেউ কেউ তাকে চীনের রাজা বলে ডাকতে পারে, কিন্তু তাকে রাষ্ট্রপতিই বলা হয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ২৫ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে [https://www.realclearpolitics.com/video/2017/10/25/full_lou_dobbs_interview_trump_asks_what_could_be_more_fake_than_cbs_nbc_abc_and_cnn.html ফক্স বিজনেসে লু ডবসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শি জিনপিং প্রসঙ্গে] থেকে উদ্ধৃত
==== নভেম্বর ২০১৭ ====
* কিম জং-উন কেন আমাকে "বুড়ো" বলে অপমান করবেন, যেখানে আমি তাকে কখনোই "বেঁটে আর মোটা" বলি না? যা-ই হোক, আমি তার বন্ধু হওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছি — হয়তো কোনো একদিন তেমনটা হয়েও যাবে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], কোরি চার্লটন লিখিত [https://www.thesun.co.uk/news/4895959/donald-trump-calls-kim-jong-un-short-and-fat-and-says-hes-trying-hard-to-be-his-friend/ ডোনাল্ড ট্রাম্প কিম জং-উনকে 'বেঁটে আর মোটা' বলেছেন এবং বলেছেন যে তিনি 'তার বন্ধু হওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছেন'] শীর্ষক নিবন্ধে উদ্ধৃত, ''দ্য সান'', ৮ নভেম্বর ২০১৭
* [[হোয়াইট হাউস]]ে ভারতের একজন প্রকৃত বন্ধু আছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ২৮ নভেম্বর ২০১৭, [http://indianexpress.com/article/india/india-has-true-friend-at-white-house-says-ivanka-trump-at-global-entrepreneurship-summit-full-text-ivanka-trump/ গ্লোবাল এন্টারপ্রেনারশিপ সামিটে ইভানকা ট্রাম্প বলেছেন হোয়াইট হাউসে ভারতের অকৃত্রিম বন্ধু আছে], ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
==== ডিসেম্বর ২০১৭ ====
* সে অনেক মানুষকে মেরে ফেলেছে, তাদের ওপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে দিয়েছে। আর এসব হয়েছে ওই ধারাবাহিক অভিবাসনের সুযোগে। এই নিয়ম অনুযায়ী, দেখা যাচ্ছে তার সাথে হয়তো ২২ থেকে ২৪ জন লোক এ দেশে এসেছিল। তার দাদা, দাদি, মা, বাবা, ভাই আর বোনেরা। আমাদের এই ধারাবাহিক অভিবাসন ব্যবস্থা বন্ধ করতে হবে। আমাদের এটি বন্ধ করতেই হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.breitbart.com/politics/2017/12/08/trump-time-congress-adopt-pro-american-immigration-agenda/ ৮ ডিসেম্বর ২০১৭] থেকে উদ্ধৃত
=== ২০১৮ ===
==== জানুয়ারি ২০১৮ ====
* গত ১৫ বছরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বোকার মতো পাকিস্তানকে ৩৩ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি সাহায্য দিয়েছে, তারা আমাদের মিথ্যা আর প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই দেয়নি; আমাদের নেতাদের তারা বোকা ভেবেছে। আমরা আফগানিস্তানে যেসব সন্ত্রাসীদের খুঁজি, তারা তাদের নিরাপদ আশ্রয় দেয়, আর আমাদের খুব সামান্যই সাহায্য করে। আর না!
** সিএনএন: ২০১৮ সালে ট্রাম্পের প্রথম টুইট: পাকিস্তান আমাদের 'মিথ্যা আর প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই দেয়নি' [https://edition.cnn.com/2018/01/01/politics/donald-trump-2018-pakistan/index.html], দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট [https://www.independent.co.uk/news/world/americas/donald-trump-pakistan-tweet-lies-deceit-aid-us-president-terrorism-aid-a8136516.html]
* এই দেশে মানহানি আইনগুলো খুব দুর্বল। সেগুলো যদি শক্তিশালী হতো, তবে খুব কাজে দিত। আপনার মাথায় যাই আসুক তাই বলে দিলেন, এমনটা আর হতে পারত না।
** মাইকেল উলফের ''ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি'' সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উত্তর, [https://factba.se/transcript/donald-trump-remarks-questions-camp-david-gop-retreat-january-6-2018 ক্যাম্প ডেভিড ভাষণ] (৬ জানুয়ারি ২০১৮)
* আমি একজন অত্যন্ত সফল ব্যবসায়ী থেকে শীর্ষ টিভি তারকা... তারপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হয়েছি (প্রথম চেষ্টাতেই)। আমি মনে করি এটি আমাকে স্রেফ বুদ্ধিমান নয়, বরং একজন জিনিয়াস হিসেবে প্রমাণ করে... আর তাও আবার এক অত্যন্ত স্থিরবুদ্ধি সম্পন্ন জিনিয়াস!
** টুইটারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], সিএনএনের [https://www.cnn.com/2018/01/06/politics/donald-trump-white-house-fitness-very-stable-genius/index.html ট্রাম্প: আমি একজন 'অত্যন্ত স্থিরবুদ্ধি সম্পন্ন জিনিয়াস'] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (৬ জানুয়ারি ২০১৮)
* আমি ব্যায়াম করি। মানে আমি হাঁটি, এটা ওটা করি। পাশের ভবনে দৌঁড়ে যাই। মানুষ যা ভাবে তার চেয়ে বেশি ব্যায়াম আমি করি।<br>অনেকে জিমে গিয়ে দুই ঘণ্টা কসরত করে। আমি অনেককে দেখেছি... তারপর তাদের ৫৫ বছর বয়সে হাঁটু বা নিতম্ব পাল্টাতে হয়। আমার সেই সমস্যা নেই।<br>আমার মনে হয় তারা সবাই বুঝতে পেরেছে যে এমন একজন রাষ্ট্রপতির ওপরই সব ছাড়তে হবে যিনি পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি নম্বর পেয়েছেন। আমি আর কী বলব?<br>আমি অনেকদিন পর ট্রেডমিলে উঠেছিলাম, সেটির ঢাল খুব বেশি ছিল এবং আমি দীর্ঘ সময় সেখানে ছিলাম।<br>তারা অবাক হয়ে গিয়েছিল। তারা বলল, 'ঠিক আছে, আপনি এখন থামতে পারেন, এটা দারুণ।' আমি বললাম, 'আপনারা চাইলে আমি আরও অনেকক্ষণ করতে পারি।'<br>আমি সব সময় ডায়েটে বিশ্বাস করি কারণ আমি শক্তিশালী, বুঝলেন? আমি বল অনেক দূরে মারতে পারি। মানে আমি শারীরিকভাবে শক্তিশালী।<br>হোয়াইট হাউসে যারা খাবার তৈরি করেন তারা অসাধারণ, কিন্তু আমি মনে করি তারা হয়তো খাবারের পরিমাণ কিছুটা কমাতে পারেন এবং হয়তো চর্বিযুক্ত উপকরণগুলো বাদ দিতে পারেন, এতে আমার কোনো সমস্যা নেই।
** রয়টার্সের সাথে এক [https://www.reuters.com/article/us-usa-trump-fitness/exclusive-exercise-i-get-more-than-people-think-trump-says-idUSKBN1F633B সাক্ষাৎকারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৭ জানুয়ারি ২০১৮)
* বর্তমানে বেশ কিছু অঙ্গরাজ্যে আইন অনুযায়ী নবম মাসে মায়ের গর্ভ থেকে সন্তান জন্ম দেওয়ার অনুমতি আছে। এটি ভুল, এটি পরিবর্তন করা দরকার।
** র্যাচেল ক্রস লিখিত [http://mashable.com/2018/01/19/trump-march-for-life-childbirth/#NXYV1ubFzSqW "ট্রাম্প মূলত সন্তান জন্মদানের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৯ জানুয়ারি ২০১৮), ''ম্যাশাবল''
* আপনি যদি আমাকে বলেন যে তারা খুব খারাপ মানুষ, ভয়ংকর বর্ণবাদী মানুষ, তবে আপনি চাইলে আমি অবশ্যই ক্ষমা চাইব।
** গত নভেম্বরে ব্রিটিশ ফার্স্টের উস্কানিমূলক এবং যাচাই না করা ইসলাম-বিদ্বেষী ভিডিওগুলো রিটুইট করা প্রসঙ্গে [http://www.itv.com/goodmorningbritain/news/piers-morgan-donald-trump-says-sorry-to-britain গুড মর্নিং ব্রিটেনে পিয়ার্স মরগ্যানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]] (২৬ জানুয়ারি ২০১৮)
* ''[সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী: আপনি কি জলবায়ু পরিবর্তনে বিশ্বাস করেন? আপনি কি মনে করেন এর অস্তিত্ব আছে?]'' উম্ম, কখনো ঠান্ডা হয় আবার কখনো গরম হয়, আর দেখুন, আগে একে জলবায়ু পরিবর্তন বলা হতো না, বলা হতো গ্লোবাল ওয়ার্মিং। ''[সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী: ঠিক।]'' তাই না? ওটা খুব একটা কাজে দিচ্ছিল না, কারণ সব জায়গায় খুব বেশি ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছিল। বরফের আস্তরণগুলো গলে যাওয়ার কথা ছিল, এতদিনে তো সেগুলো শেষ হয়ে যাওয়ার কথা, কিন্তু এখন সেগুলো রেকর্ড গড়ছে, সেগুলো এখন রেকর্ড মাত্রায় আছে।
** ব্রিটিশ টিভিতে দেওয়া এক [https://www.itv.com/news/2018-01-29/what-we-learned-from-donald-trumps-interview-with-itv/ সাক্ষাৎকারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৮ জানুয়ারি ২০১৮)
* সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে নিউ ইয়র্কে দুটি সন্ত্রাসী হামলা এই ভিসা লটারি এবং ধারাবাহিক অভিবাসনের কারণেই সম্ভব হয়েছে।
** ব্রেইটবার্টে [https://www.breitbart.com/live/state-union-fact-check-analysis-livewire/fact-check-yes-nyc-terrorists-entered-u-s-chain-migration-visa-lottery/ ৩০ জানুয়ারি ২০১৮] তারিখে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আমরা আমাদের মহান জাতির প্রতি আফ্রিকান আমেরিকানদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানকে সম্মান জানাতে ন্যাশনাল আফ্রিকান আমেরিকান হিস্ট্রি মান্থ পালন করি।
** [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/president-donald-j-trump-proclaims-february-2018-national-african-american-history-month/ ৩১ জানুয়ারি ২০১৮] তারিখে করা ঘোষণায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
*** টুইটারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের রিটুইট, [https://twitter.com/statedept/status/959192815313080323 ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, @স্টেটডিপার্টমেন্ট] এবং [https://twitter.com/whitehouse/status/959481056373149696 ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, @হোয়াইটহাউস]
==== ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ====
[[চিত্র:State_of_the_Union_(39974380282).jpg|থাম্ব|আমরা কি একে দেশদ্রোহিতা বলতে পারি? কেন নয়?]]
* একদিকের অর্ধেক লোক একদম পাগল হয়ে যাচ্ছিল, তারা সব কিছু পছন্দ করছিল, তারা দেশের জন্য ভালো কিছু করতে চায়। আর অন্যদিকে বাকিরা, এমনকি ইতিবাচক খবরেও, সত্যিই খুব ভালো খবরেও তারা এমন মুখ করে ছিল যেন কেউ মারা গেছে। এটা তো দেশপ্রেমবিরোধী। কেউ একজন একে দেশদ্রোহিতা বলেছে, আমার মনে হয়, হ্যাঁ কেন নয়? আমরা কি এটাকে দেশদ্রোহিতা বলতে পারি? কেন নয়?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=zjwPiE1wCU0 সিনসিনাটিতে ডেমোক্র্যাটদের হাততালি না দেওয়া প্রসঙ্গে বক্তব্য], তার স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণের সময় (৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)
* একটি নিরাপদ, আধুনিক আর আইনসম্মত অভিবাসন ব্যবস্থা তৈরির জন্য আমার প্রশাসন তিনটি প্রধান লক্ষ্য স্থির করেছে: সীমান্ত পুরোপুরি সুরক্ষিত করা, ধারাবাহিক অভিবাসন বন্ধ করা আর ভিসা লটারি বাতিল করা। এই ধারাবাহিক অভিবাসন একটি বিপর্যয় এবং আমাদের দেশের জন্য খুব অন্যায্য। এই ভিসা লটারি এমন একটা বিষয় যা শুরুতেই অনুমতি দেওয়া উচিত হয়নি। মানুষ আমাদের দেশে আসার জন্য লটারি খেলে। এটা কেমন ব্যবস্থা? এখন কংগ্রেসের পদক্ষেপ নেওয়ার আর আমেরিকানদের রক্ষা করার সময় এসেছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে [https://abcnews.go.com/US/times-trump-slammed-chain-migration-apparently-helped-wifes/story?id=57132429 এবিসি নিউজ]-এ উদ্ধৃত
* ফেক নিউজ @সিএনএন আর @এনবিসি-তে যেমনটা বলা হয়েছে, আমি কখনো বলিনি যে "শিক্ষকদের হাতে বন্দুক তুলে দাও"। আমি বলেছিলাম সামরিক বা বিশেষ প্রশিক্ষণ পাওয়া দক্ষ শিক্ষকদের হাতে গোপন অস্ত্র রাখার সুযোগ দেওয়ার কথা, শুধুমাত্র সেরাদের জন্য। প্রায় ২০ শতাংশ শিক্ষক, সংখ্যাটা অনেক, তারা এখন সক্ষম হবেন...
* ...কোনো জানোয়ার বা অসুস্থ লোক যদি খারাপ উদ্দেশ্যে স্কুলে আসে, তবে তারা সাথে সাথে পাল্টা গুলি ছুড়তে পারবেন। উচ্চ প্রশিক্ষিত শিক্ষকরা ওই সব কাপুরুষদের সামনে বাধা হিসেবে কাজ করবেন যারা এমন কাজ করে। রক্ষী রাখার চেয়ে অনেক কম খরচে এটি অনেক বেশি কার্যকর হবে। "অস্ত্রহীন" স্কুলগুলো খারাপ লোকদের টানে। হামলা বন্ধ হবেই!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট (২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮), এনবিসি নিউজের [https://www.nbcnews.com/politics/politics-news/trump-defends-arming-teachers-protect-students-sicko-shooter-n850216 "শিক্ষকদের সশস্ত্র করার পক্ষে ট্রাম্পের সাফাই, এনআরএর প্রশংসা"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)
* কারণ আমেরিকার মানুষ সরকারকে পূজা করে না। তারা ঈশ্বরকে পূজা করে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=QsUZCo7hasI সিপ্যাক সম্মেলনে] উদ্ধৃত (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)
* অথবা মাইক, আগে আগ্নেয়াস্ত্রগুলো নিয়ে নাও তারপর আদালতে যাও, কারণ ওটা অন্য ব্যবস্থা। কারণ অনেক সময় আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে পৌঁছাতে অনেক দেরি হয়ে যায়। '''আগেভাগেই বন্দুক কেড়ে নেওয়া আমার পছন্দ।''' যেমন ফ্লোরিডার এই পাগল লোকটার ঘটনায় দেখা গেছে, তার কাছে অনেক অস্ত্র ছিল, সবাই তা দেখেছে, আদালতে যেতে গেলে অনেক সময় লাগত। তাই আপনি যা বলছেন ঠিক সেটাই করতে পারেন, '''তবে আগে বন্দুকগুলো নিয়ে নিন, আইনি প্রক্রিয়া পরে হবে।'''
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে বন্দুক সহিংসতা নিয়ে এক বৈঠকে উদ্ধৃত [https://eu.usatoday.com/story/news/factcheck/2021/10/14/fact-check-trump-made-comment-taking-guns-without-due-process/6070319001/] [https://www.c-span.org/video/?c4907473/user-clip-trump-pence-feb-28-2018] [https://www.factcheck.org/2020/09/trump-said-i-like-taking-the-guns-early-not-harris/]
==== মার্চ ২০১৮ ====
*ভুলে যাবেন না চীন কত শক্তিশালী, আর [[শি জিনপিং]] একজন অত্যন্ত ভদ্রলোক। তিনি এখন আজীবনের জন্য রাষ্ট্রপতি। আমৃত্যু রাষ্ট্রপতি। আর তিনি দুর্দান্ত। দেখুন, তিনি সেটি করে দেখিয়েছেন। আমি মনে করি এটি দারুণ। হয়তো কোনো একদিন আমাদেরও এটি চেষ্টা করে দেখতে হবে।
** মার-এ-লাগোতে এক তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], কেভিন লিপটাক লিখিত [https://www.cnn.com/2018/03/03/politics/trump-maralago-remarks/index.html "ক্ষমতা সুসংহত করা চীনের শি সম্পর্কে ট্রাম্প: ''হয়তো কোনো একদিন আমরাও এটি চেষ্টা করে দেখব''"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, ''সিএনএন'', ৩ মার্চ ২০১৮।
==== এপ্রিল ২০১৮ ====
* আমি হোয়াইট হাউস হিস্টোরিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন এবং সেই সব মানুষকে ধন্যবাদ জানাতে চাই যারা মেলানিয়া এবং বাকি সবার সাথে মিলে এই অবিশ্বাস্য বাড়ি বা ভবনটিকে বা আপনি একে যাই বলতে চান, কারণ আসলে এর উপযুক্ত কোনো নাম নেই; এটি অনন্য, একদম চমৎকার অবস্থায় রাখতে কঠোর পরিশ্রম করছেন। আমরা একে মাঝে মাঝে একদম ঝকঝকে তকতকে বা টিপি-টপ অবস্থা বলি। আর এটি সত্যিই দারুণ একটি জায়গা।
** ইস্টার উপলক্ষে দেওয়া এক ভাষণে [[হোয়াইট হাউস]] প্রসঙ্গে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২ এপ্রিল ২০১৮)
* আর ধারাবাহিক অভিবাসনের কথা ভাবুন একবার। ধরুন আপনি আসলেন, আর এখন আপনি আপনার পরিবারকে নিয়ে আসতে পারছেন, তারপর আপনার মা আর বাবাকে নিয়ে আসতে পারছেন। আপনি আপনার দাদিকেও নিয়ে আসতে পারেন। আপনি আপনার আত্মীয়স্বজনদের নিয়ে আসতে পারেন ম্যানহাটনের ওয়েস্ট সাইড হাইওয়েতে, যা আমি খুব ভালো করেই চিনি, এমন একজন ছিল যে গাড়ি চালিয়ে দিয়েছিল; আমার মনে হয় সে প্রায় আটজনকে মেরে ফেলেছিল।
** ৫ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে [https://abcnews.go.com/US/times-trump-slammed-chain-migration-apparently-helped-wifes/story?id=57132429 এবিসি নিউজে] উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
==== মে ২০১৮ ====
[[চিত্র:Protests after US decision to withdraw from JCPOA, around former US embassy, Tehran - 8 May 2018 25.jpg|থাম্ব|আমরা এমন কোনো [[:w:ইসলামি প্রজাতন্ত্রী ইরান সরকার|শাসনব্যবস্থাকে]] পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাণঘাতী অস্ত্রের নাগাল পেতে দেব না যারা "আমেরিকা ধ্বংস হোক" স্লোগান দেয়।]]
* আমেরিকা পারমাণবিক ব্ল্যাকমেলের কাছে জিম্মি হয়ে থাকবে না। আমরা মার্কিন শহরগুলোকে ধ্বংসের হুমকির মুখে পড়তে দেব না। আর '''আমরা এমন কোনো শাসনব্যবস্থাকে পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাণঘাতী অস্ত্রের নাগাল পেতে দেব না যারা "আমেরিকা ধ্বংস হোক" স্লোগান দেয়।'''
** ৮ মে ২০১৮ তারিখে ইরান পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দেওয়া বক্তব্য [https://www.vox.com/world/2018/5/8/17332494/read-trump-iran-nuclear-deal-speech-full-text-announcement-transcript vox.com]
==== জুন ২০১৮ ====
* অনেক আইন বিশেষজ্ঞ যেমনটা বলেছেন, নিজেকে ক্ষমা করার পূর্ণ অধিকার আমার আছে। কিন্তু আমি তা করতে যাব কেন যখন আমি কোনো ভুলই করিনি?
** ৪ জুন ২০১৮ তারিখে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের [https://www.bbc.com/news/world-us-canada-44359434 মন্তব্য]
* এই ভুয়া সংবাদমাধ্যম গুলো দেখা সত্যিই মজার, বিশেষ করে এনবিসি আর সিএনএন। উত্তর কোরিয়ার সাথে হওয়া চুক্তিটিকে খাটো করে দেখানোর জন্য তারা জানপ্রাণ দিয়ে লড়ছে। ৫০০ দিন আগেও তারা এই চুক্তির জন্য "পায়ে ধরত" তখন তো মনে হচ্ছিল যুদ্ধ লেগে যাবে। আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো এই ভুয়া সংবাদমাধ্যম, যা নির্বোধদের দ্বারা খুব সহজেই ছড়িয়ে দেওয়া হয়!
** ডোনাল্ড ট্রাম্পের করা [https://x.com/realDonaldTrump/status/1006891643985854464 পোস্ট] (১৩ জুন ২০১৮, সকাল ৬:৩০), যা মূলত টুইটারে দেওয়া হয়েছিল।
* এদিকে ডেমোক্র্যাটদের কারণে সাধারণ মানুষ কষ্ট পাচ্ছে। আমরা তৈরি করেছি, আর ওরাও তৈরি করেছে, এবং ওরাই এটা হতে দিয়েছে—একটি বিশাল শিশু পাচার শিল্প। ঠিক এটাই আজ দাঁড়িয়েছে। পাচারকারীরা—একটু ভেবে দেখুন—মানুষ পাচারকারীরা অঢেল অর্থ বানাচ্ছে। এটা লজ্জার বিষয়। এই আইনি ফাঁকফোকরগুলো যখন বিদেশী পরিবার আর অপ্রাপ্তবয়স্কদের অবৈধভাবে সীমান্ত পার হতে বাধ্য করে, তখন তাদের দেশে ছেড়ে দিতে আমরা বাধ্য হই।
** ২১ জুন ২০১৮ তারিখে মন্ত্রিসভার বৈঠকে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের]] [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-cabinet-meeting-9/ বক্তব্য]
* রাষ্ট্রপতির টুইট করা নিয়ন্ত্রণ বা কমানোর চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে, প্রিবাসের এর একটি কার্যকর সমাধান খুঁজছিলেন। যেহেতু এই টুইটগুলো প্রায়ই রাষ্ট্রপতির অত্যধিক টেলিভিশন দেখার কারণে শুরু হতো, তাই তিনি ওই টেলিভিশন বন্ধ করার পথ খুঁজছিলেন। কিন্তু টেলিভিশন দেখা ছিল ট্রাম্পের নিয়মিত কাজ। রবিবার রাতগুলো হতো সবচেয়ে খারাপ। ট্রাম্প তার গলফ রিসোর্টে সপ্তাহান্ত কাটিয়ে ঠিক এমন সময় হোয়াইট হাউসে ফিরতেন যখন তার বিরোধী নেটওয়ার্ক এমএসএনবিসি আর সিএনএনে রাজনৈতিক আলোচনা চলত। রাষ্ট্রপতি আর ফার্স্ট লেডির আলাদা শয়নকক্ষ ছিল। ট্রাম্প বেশিরভাগ সময় একাই তার ঘরে বিশাল টিভি চালিয়ে বসে থাকতেন; হাতে থাকত রিমোট, টিভো আর তার টুইটার অ্যাকাউন্ট। প্রিবাস রাষ্ট্রপতির শয়নকক্ষকে "শয়তানের কারখানা" এবং ভোরের সময় ও বিপজ্জনক রবিবার রাতগুলোকে "ডাইনিদের প্রহর" বলতেন। সকালের ব্যাপারে তার খুব একটা কিছু করার ছিল না, তবে সপ্তাহান্তের সূচির ওপর তার কিছুটা নিয়ন্ত্রণ ছিল। তিনি ট্রাম্পের রবিবার হোয়াইট হাউসে ফেরার সময়টা বিকালের দিকে পিছিয়ে দিতে শুরু করেন। ট্রাম্প রাত ৯টার ঠিক আগে হোয়াইট হাউসে পৌঁছাতেন, যখন এমএসএনবিসি আর সিএনএন সাধারণত হালকা ধরনের অনুষ্ঠান প্রচার করত যেখানে তাৎক্ষণিক রাজনৈতিক বিতর্ক বা তাতে ট্রাম্পের ভূমিকা নিয়ে কোনো আলোচনা থাকত না।
**বব উডওয়ার্ড, ''ফিয়ার: ট্রাম্প ইন দ্য হোয়াইট হাউস'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ১৯৫
* ট্রাম্প প্রশংসা পেতে পছন্দ করতেন তবে গ্রাহামকে বলতেন, "তুমি একজন মধ্যমপন্থী লোক। আমি চাই তুমি ১০০ ভাগ ট্রাম্পের পক্ষে থাকো।" এটি সেই আনুগত্যের অঙ্গীকারের মতোই ছিল যা এফবিআইয়ের তৎকালীন পরিচালক জেমস কোমি বলেছিলেন যে ট্রাম্প তার কাছে চেয়েছিলেন। কোমির মতে, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির প্রথম সপ্তাহে হোয়াইট হাউসের গ্রিন রুমে তাদের সেই বিখ্যাত একান্ত ডিনারের সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, "আমার আনুগত্য দরকার। আমি আনুগত্য আশা করি।" গ্রাহাম জিজ্ঞেস করলেন, "ঠিক আছে, সমস্যাটা কোথায়? আগে শুনি, তারপর বলব আমি ১০০ ভাগ আপনার পক্ষে কি না।" ট্রাম্প বললেন, "তুমি প্রায় ৮২ শতাংশ পক্ষে।" "আসলে কিছু দিন আমি ১০০ ভাগ থাকি, আবার কিছু দিন শূন্যও হতে পারি।" "আমি চাই তুমি সবসময় ১০০ ভাগ আমার লোক হয়ে থাকো।" গ্রাহাম পাল্টা জিজ্ঞেস করলেন, "আপনি যখন ভুল করবেন তখন আমি কেন বলব যে আপনি ঠিক? তাতে আপনার বা আমার কী লাভ? রাষ্ট্রপতির এমন মানুষ দরকার যারা সত্যিটা মুখের ওপর বলতে পারে। আমি আজেবাজে কথা বলছি কি না তা দেখার দায়িত্ব আপনার।"
** বব উডওয়ার্ড, ''ফিয়ার: ট্রাম্প ইন দ্য হোয়াইট হাউস'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ৩১৭
* কিন্তু সেই মানুষটি আর তার প্রেসিডেন্সির মধ্যে ডাউড এক করুণ ত্রুটি দেখতে পেয়েছিলেন। রাজনৈতিক বাদানুবাদ, এড়িয়ে যাওয়া, অস্বীকার করা, টুইট করা, ধোঁয়াশা তৈরি করা, "ভুয়া সংবাদ" বলে চিৎকার করা আর ক্ষোভ প্রকাশ, এই সবকিছুর মাঝে ট্রাম্পের একটি প্রধান সমস্যা ছিল যা ডাউড জানতেন কিন্তু রাষ্ট্রপতির সামনে তা বলতে পারতেন না: "আপনি একজন চরম মিথ্যাবাদী।"
** বব উডওয়ার্ড, ''ফিয়ার: ট্রাম্প ইন দ্য হোয়াইট হাউস'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ৩৫৭
==== জুলাই ২০১৮ ====
* কিন্তু আমাদের এটি খুব সাবধানে করতে হবে কারণ আমরা এখন #মিটু প্রজন্মের মধ্যে আছি, তাই আমাদের খুব সতর্ক থাকতে হবে। আমরা খুব আলতো করে সেই সরঞ্জামটি নেব এবং ধীরে করে ছুড়ে দেব, যাতে সেটি তার গায়ে লেগে হাতে চোট না পায়।
** [https://www.washingtonpost.com/politics/trump-mocks-metoo-movement-in-montana-rally/2018/07/05/fad40ce2-80b3-11e8-b660-4d0f9f0351f1_story.html?noredirect=on ৫ জুলাই ২০১৮ তারিখে ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন]
* ওসব অন্যান্য লোকেরা করে। আমি করি না। আমি খুবই সুসংগত। আমি একজন অত্যন্ত সুস্থির মেধাসম্পন্ন ব্যক্তি।
** কোনো সাংবাদিক তার বক্তব্যের স্ববিরোধিতা নিয়ে প্রশ্ন করলে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই উত্তর দেন, যা [https://www.timesofisrael.com/trump-once-again-proclaims-himself-a-very-stable-genius/ ট্রাম্প নিজেকে আবারও একজন ‘অত্যন্ত সুস্থির মেধাসম্পন্ন’ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করেছেন] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, দ্য টাইমস অফ ইসরায়েল (১২ জুলাই ২০১৮)
* [[ইউরোপ]]ে এই অভিবাসন হতে দেওয়াটা লজ্জার বিষয়। আমি মনে করি এটি ইউরোপের কাঠামো বদলে দিয়েছে এবং আপনারা যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেন, তবে এটি আর আগের মতো থাকবে না, এবং আমি সেটি ইতিবাচক অর্থে বলছি না। তাই ইউরোপে লাখ লাখ মানুষের এই অনুপ্রবেশ ঘটতে দেওয়াটা খুবই দুঃখজনক। আমার মনে হয় আপনারা আপনাদের সংস্কৃতি হারাচ্ছেন।
** [https://www.thesun.co.uk/news/6766531/trump-may-brexit-us-deal-off/ ''দ্য সান'' এর সাথে সাক্ষাৎকারে], [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], (১৩ জুলাই ২০১৮)
* সাহারা মরুভূমির সীমান্ত আমাদের [[মেক্সিকো]] সীমান্তের চেয়ে বড় হতে পারে না।
** স্পেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোসেপ বোরেলকে ফোনে বলেছিলেন [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। প্রেক্ষাপটটি ছিল স্পেনের ভূমধ্যসাগরীয় অভিবাসন সংকট মোকাবিলায় সাহারা মরুভূমি জুড়ে সীমান্ত প্রাচীর নির্মাণের জন্য ট্রাম্পের দেওয়া পরামর্শ। [https://eu.usatoday.com/story/news/politics/onpolitics/2018/09/20/trump-spain-wall-sahara-desert/1365944002/ পররাষ্ট্রমন্ত্রী: অভিবাসীদের ঠেকাতে স্পেনকে সাহারা মরুভূমি জুড়ে প্রাচীর নির্মাণের পরামর্শ দিয়েছেন ট্রাম্প]
* ইরানি রাষ্ট্রপতি রুহানির প্রতি: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আর কখনোই হুমকি দেবেন না, অন্যথায় আপনাকে এমন পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে যা ইতিহাসের খুব কম মানুষই আগে ভোগ করেছে। আমরা আর এমন কোনো দেশ নই যে আপনাদের উম্মাদনাপূর্ণ সহিংসতা ও মৃত্যুর কথা সহ্য করবে। সাবধান থাকুন!
** [https://www.theatlantic.com/politics/archive/2019/01/covfefe-trump-typo-turned-meme/579763/ দ্য আটলান্টিক: "ছয় ঘণ্টা তিন মিনিটের ইন্টারনেট বিশৃঙ্খলা"], [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আপনারা যা দেখছেন আর যা পড়ছেন, আসলে তা ঘটছে না।
** [https://time.com/5347737/trump-quote-george-orwell-vfw-speech/ 'আপনারা যা দেখছেন... তা ঘটছে না।' মানুষ ট্রাম্পের এই উক্তিটিকে জর্জ অরওয়েলের সাথে তুলনা করছে] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৪ জুলাই ২০১৮)
* আমরা ১৪৭টি নতুন এফ-৩৫ লাইটনিং যুদ্ধবিমান অর্ডার করছি। এটি একটি অবিশ্বাস্য বিমান। এটি রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম; এটি দেখা যায় না। তাই আমি যখন অপর পক্ষের লোকেদের সাথে কথা বলি, তারাও আমাদের এই বিমানটি অর্ডার করার চেষ্টা করছে। এটি যে দেখা যায় না, এই বিষয়টি তারা বেশ পছন্দ করেছে। আমি বললাম, 'আপনার বিমানের সাথে লড়াইয়ে এটি কেমন করবে?' তারা বলে, 'আমাদের একটা সমস্যা আছে: আমরা আপনার বিমানটি দেখতেই পাই না'।
** ''[https://www.popularmechanics.com/military/aviation/amp33658771/trump-keeps-saying-the-f-35-is-invisible/ ট্রাম্প বারবার বলছেন যে এফ-৩৫ অদৃশ্য]'' শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৪ জুলাই ২০১৮)
==== আগস্ট ২০১৮ ====
* আপনি জানেন, আপনি যদি বাইরে গিয়ে বাজার করতে চান, তবে কার্ডে আপনার ছবি লাগে, পরিচয়পত্র লাগে। আপনি বাইরে গিয়ে কিছু কিনতে চাইলেই পরিচয়পত্র আর আপনার ছবি লাগে। অনেক ক্ষেত্রেই একমাত্র যখন আপনি রাষ্ট্রপতি, সিনেটর, গভর্নর বা কংগ্রেস সদস্যের জন্য ভোট দিতে যান, তখন আপনার এসব কিছুর দরকার হয় না। এটা পাগলামি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://edition.cnn.com/2018/08/01/politics/trump-grocery-shopping-id/index.html "ট্রাম্প দাবি করেছেন যে বাজার করতে পরিচয়পত্র লাগে। আসলেই লাগে না।"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, ''সিএনএন'' (২১ আগস্ট, ২০১৮)
* আমাদের আইনগুলো খুব বাজে! এই ধারাবাহিক অভিবাসনের কথাই ধরুন না? একজন লোক আসে আর তার সাথে আরও ৩২ জন চলে আসে। যে ব্যক্তি ওয়েস্ট সাইড হাইওয়েতে ১৮ জনের ওপর গাড়ি চালিয়ে দিয়েছিল, এবং আমার মনে হয় আটজন মারা গিয়েছিল তাকেও সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ওই ধারাবাহিক অভিবাসনের কারণে আমেরিকার ভেতরেই তার পরিবারের ২২ জন সদস্য আছে। তাই রাশ, আমাদের এই বিষয়গুলো বদলাতে হবে।
** ১ আগস্ট, ২০১৮ তারিখে রাশ লিম্বোর সাথে সাক্ষাৎকারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* ধারাবাহিক অভিবাসনের ব্যাপারটা কেমন? ওটার কথা ভাবুন তো একবার? কেউ একজন আসলো, তারপর সে তার মা, বাবা এমনকি দূর সম্পর্কের আত্মীয়স্বজনদেরও নিয়ে আসলো। সে তাদের সবাইকেই নিয়ে আসে।
** ওহাইওতে ৮ আগস্টের এক নির্বাচনী জনসভায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://abcnews.go.com/US/times-trump-slammed-chain-migration-apparently-helped-wifes/story?id=57132429 এবিসি নিউজের] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত
==== সেপ্টেম্বর ২০১৮ ====
* গত ২৫ বা ৩০ বছরে আমাদের দিকে এমন কিছু আসতে কেউ দেখেনি। হয়তো আগে কখনোই দেখেনি। এটি ভীষণ বড় আর ভীষণ জলীয়। এতে বিপুল পরিমাণ জল আছে।
** [https://www.youtube.com/watch?v=MqHwQhZC8jQ ট্রাম্প হারিকেন ফ্লোরেন্স সম্পর্কে বলেছেন এটি 'ভীষণ বড় আর ভীষণ জলীয়'] শীর্ষক প্রতিবেদনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আমি সেই সব অসাধারণ নারী-পুরুষদের ধন্যবাদ জানাতে চাই যারা ফ্লোরেন্স মোকাবিলায় দারুণ কাজ করেছেন। এটি একটি শক্তিশালী হারিকেন। জলের পরিমাণের দিক থেকে এটি আমাদের দেখা সবচেয়ে সিক্ত হারিকেনগুলোর একটি।
** [https://youtube.com/watch?v=RiDpRVqqXfk&t=30 ট্রাম্প হারিকেন ফ্লোরেন্সকে বর্ণনা করেছেন "জলের দিক থেকে আমাদের দেখা সবচেয়ে সিক্ত"] শীর্ষক প্রতিবেদনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আর মজার ব্যাপার জানেন? যখন আমি এটি করেছিলাম, তখন আমি বেশ কঠোর ছিলাম এবং তিনিও তাই ছিলেন। আমাদের মধ্যে অনেক কথা কাটাকাটি হয়েছিল এবং তারপর আমরা একে অপরের প্রেমে পড়ে গেলাম। ঠিক আছে? না, সত্যিই। তিনি আমাকে চমৎকার সব চিঠি লিখেছিলেন। সেগুলো খুব সুন্দর চিঠি ছিল। আমরা প্রেমে পড়ে গেলাম।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-০৯-৩০ |শিরোনাম=একে অপরকে ‘চমৎকার চিঠি’ পাঠানোর পর ট্রাম্প বলেছেন তিনি আর কিম জং-উন ‘প্রেমে পড়েছিলেন’ |সাময়িকী=''দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট'' |অবস্থান=ইউকে |ইউআরএল=https://www.independent.co.uk/news/world/americas/trump-kim-jong-un-love-letters-relationship-denuclearisation-nuclear-weapons-a8561701.html}}
* একক কোনো বিদেশী সরবরাহকারীর ওপর নির্ভরতা কোনো রাষ্ট্রকে জবরদস্তি আর হুমকির মুখে ফেলতে পারে। আর এই কারণেই আমরা [[পোল্যান্ড]]ের মতো ইউরোপীয় দেশগুলোকে অভিনন্দন জানাই একটি বাল্টিক পাইপলাইন নির্মাণের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য যাতে দেশগুলো তাদের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল না থাকে। জার্মানি যদি দ্রুত তার পথ পরিবর্তন না করে তবে তারা পুরোপুরি রাশিয়ার জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]-এর ভাষণ, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-০৯-২৫ |শিরোনাম=জাতিসংঘে ট্রাম্প পোল্যান্ডের প্রশংসা করেছেন এবং রাশিয়ার জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতার কারণে জার্মানির সমালোচনা করেছেন |লেখক=রয়টার্স স্টাফ |সাময়িকী=''রয়টার্স'' |ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/us-un-assembly-usa-germany-idUSKCN1M527Y}} থেকে উদ্ধৃত
* আজ আমি আমাদের অসাধারণ অগ্রগতির কথা জানাতে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সামনে দাঁড়িয়েছি। দুই বছরেরও কম সময়ে আমার প্রশাসন আমাদের দেশের ইতিহাসে অন্য যেকোনো প্রশাসনের চেয়ে বেশি কাজ সম্পন্ন করেছে। আমেরিকার— এটি একদম সত্যি কথা। ''[পরিষদের হাস্যধ্বনি]'' আমি এমন প্রতিক্রিয়া আশা করিনি, তবে ঠিক আছে।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের ভাষণ, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-০৯-২৬ |শিরোনাম=বিশ্বায়নের বিপরীতে দেশপ্রেমকে দাঁড় করানো ট্রাম্পের জাতিসংঘের ভাষণ প্রমাণ করে যে দেশপ্রেম বলতে কী বোঝায় সে সম্পর্কে রাষ্ট্রপতির কোনো ধারণা নেই |লেখক=ড্যানিয়েল শাপিরো |সাময়িকী=''এনবিসি নিউজ'' |ইউআরএল=https://www.nbcnews.com/think/opinion/trump-s-u-n-speech-pitting-globalism-against-patriotism-proves-ncna913141}} থেকে উদ্ধৃত
* আমেরিকা আমেরিকানদের দ্বারা শাসিত হয়। আমরা বিশ্বায়নের আদর্শকে প্রত্যাখ্যান করি এবং [[দেশপ্রেম]]-এর তত্ত্বকে গ্রহণ করি।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের ভাষণ, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-০৯-২৫ |শিরোনাম=জাতিসংঘে ট্রাম্পের ভাষণ হাস্যরসের আর অবিশ্বাস্য অনুভূতির জন্ম দিয়েছে |লেখক=রবিন রাইট |সাময়িকী=''দ্য নিউ ইয়র্কার'' |ইউআরএল=https://www.newyorker.com/news/news-desk/trumps-speech-at-the-un-triggers-laughterand-disbelief}} থেকে উদ্ধৃত
==== অক্টোবর ২০১৮ ====
* আমি জানি আপনি চিন্তা করছেন না। আপনি কখনই তা করেন না।
** এক সাংবাদিক প্রশ্ন করার সময় তাকে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এ কথা বলেন। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-০২ |শিরোনাম=প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিককে বললেন: ‘আমি জানি আপনি চিন্তা করছেন না। আপনি কখনই করেন না’ |ইউআরএল=https://www.youtube.com/watch?v=ASOTct1woo8}}
* শুধুমাত্র তখনই করব যদি আমি ব্যক্তিগতভাবে তার পরীক্ষা নিতে পারি। এটি এমন কিছু হবে না যা করতে আমি খুব একটা আনন্দ পাব।
** এলিজাবেথ ওয়ারেনকে নেটিভ আমেরিকান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য।
** {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-১৫ |শিরোনাম=ওয়ারেন যদি তার নেটিভ আমেরিকান ডিএনএ প্রমাণ করতে পারেন তবে ট্রাম্প দাতব্য সংস্থায় ১০ লক্ষ ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এখন তিনি ইতস্তত করছেন। |লেখক=অ্যামি বি ওয়াং এবং ডিয়ানা পল |সাময়িকী=''ওয়াশিংটন পোস্ট'' |ইউআরএল=https://www.washingtonpost.com/politics/2018/10/15/trump-dared-elizabeth-warren-take-dna-test-prove-her-native-american-ancestry-now-what/}}
* বিজ্ঞানের প্রতি আমার এক ধরনের সহজাত বোধ আছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-১৫ |শিরোনাম=ট্রাম্প: বিজ্ঞানের প্রতি আমার ‘সহজাত প্রতিভা’ আমাকে বলছে যে জলবায়ু বিজ্ঞান ভুল |লেখক=জোনাথন চেইট |সাময়িকী=''নিউ ইয়র্ক ইনটেলিজেন্সার'' |ইউআরএল=https://nymag.com/intelligencer/2018/10/trump-i-have-a-natural-instinct-for-science.html}} থেকে উদ্ধৃত
* জানেন তো, একটা শব্দ আছে। ওটা কিছুটা সেকেলে হয়ে গিয়েছে। একে বলা হয় জাতীয়তাবাদী। আমি বলি, 'তাই নাকি? আমাদের ওই শব্দটা ব্যবহার করার কথা নয়?' জানেন আমি কী? আমি একজন জাতীয়তাবাদী।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-২৩ |শিরোনাম=টেড ক্রুজের পক্ষে প্রচার করার সময় ট্রাম্প নিজেকে ‘জাতীয়তাবাদী’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন |লেখক=জন ওয়ালশ |সাময়িকী=''বিজনেস ইনসাইডার'' |ইউআরএল=https://www.businessinsider.in/trump-declares-himself-a-nationalist-while-stumping-for-ted-cruz/articleshow/66327534.cms}} থেকে উদ্ধৃত
* এখন দেখুন কতটা হাস্যকর: আমরাই বিশ্বের একমাত্র দেশ যেখানে একজন মানুষ আসে, তার সন্তান হয়, আর সেই সন্তান মূলত ৮৫ বছরের জন্য ওই সব সুযোগ-সুবিধা সহ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হয়ে যায়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-৩০ |শিরোনাম=ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধ করতে চান |লেখক=অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস |সাময়িকী=''সিবিসি'' |ইউআরএল=https://www.cbc.ca/news/world/trump-birthright-citizenship-1.4883589}} থেকে উদ্ধৃত
* আমাকে সব সময় বলা হতো যে এর জন্য সংবিধান সংশোধন দরকার। জানেন কী? আসলে দরকার নেই। প্রথমত, আপনার ওটার প্রয়োজন নেই। দ্বিতীয়ত, আপনি অবশ্যই কংগ্রেসের কোনো আইনের মাধ্যমে এটি করতে পারেন।<br>কিন্তু এখন তারা বলছে যে আমি স্রেফ একটি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে এটি করতে পারি।<br>এটি প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে। একটি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমেই এটি ঘটবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-৩০ |শিরোনাম=ট্রাম্প কি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধ করতে পারেন? |লেখক=রবার্ট ফার্লে |সাময়িকী=''ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি'' |ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2018/10/can-trump-end-birthright-citizenship-by-executive-order/}} থেকে উদ্ধৃত
==== নভেম্বর ২০১৮ ====
* আপনাদের মেঝেগুলোর যত্ন নিতে হবে। মানে, বনের মেঝে। এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আপনি অন্যান্য দেশের দিকে তাকালে দেখবেন তারা কাজগুলো অন্যভাবে করে, আর সেটা একদম আলাদা এক গল্প। আমি ফিনল্যান্ডের রাষ্ট্রপতির সাথে ছিলাম, তিনি বলেছিলেন, "আমাদের পরিস্থিতি একদম আলাদা— আমরা একটি বনের জাতি।" তিনি এটাকে বনের জাতি বলেছিলেন। আর তারা পাতা পরিষ্কার করা, ঝাড়ু দেওয়া আর এসব কাজে প্রচুর সময় দেয়, তাই তাদের কোনো সমস্যা হয় না।
** প্যারাডাইস, ক্যালিফোর্নিয়া, ১৭ নভেম্বর ২০১৮, ''টাইম'' এর প্রতিবেদন অনুযায়ী উদ্ধৃত: [https://time.com/5458605/trump-finland-raking-reactions/ #রেকনিউজ: ট্রাম্প দেশটিকে 'বন পরিষ্কার করে' বলার পর ফিনল্যান্ডের মানুষ পাতা পরিষ্কারের ছবি দিয়ে তাকে নিয়ে উপহাস করছে], লেখক: অ্যাশলে হফম্যান; এবং ভিডিওসহ ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'' এর প্রতিবেদনে: [https://www.nytimes.com/2018/11/18/world-europe/finland-california-wildfires-trump-raking.html ট্রাম্প বলেছেন অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে ক্যালিফোর্নিয়া ফিনল্যান্ডের কাছ থেকে শিখতে পারে। তিনি কি সঠিক?], লেখক: প্যাট্রিক কিংসলি, ১৮ নভেম্বর ২০১৮।
** ফিনল্যান্ডের রাষ্ট্রপতি শউলি নিনিস্তো বলেছেন যে পাতা পরিষ্কার করা নিয়ে কোনো কথা হয়েছে বলে তার মনে পড়ছে না। [https://www.washingtonpost.com/world/the_americas/finnish-president-says-he-briefed-trump-on-forest-monitoring/2018/11/18/dd46a57e-eb32-11e8-8b47-bd0975fd6199_story.html]
* '''সংবাদদাতা''': আপনি কি জলবায়ু প্রতিবেদনটি এখনও পড়েছেন?<br />'''ট্রাম্প''': আমি দেখেছি। আমি এর কিছু অংশ পড়েছি এবং এটা ঠিক আছে।<br />'''সংবাদদাতা''': তারা বলছে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ভয়াবহ হতে পারে।<br />'''ট্রাম্প''': হ্যাঁ। আমি এটা বিশ্বাস করি না।<br />'''সংবাদদাতা''': আপনি এটা বিশ্বাস করেন না?<br />'''ট্রাম্প''': না, না। আমি এটা বিশ্বাস করি না। আর এখানে আরেকটা ব্যাপার আছে: আপনাকে চীন, জাপান এবং পুরো এশিয়া আর এই সব অন্যান্য দেশকেও হিসেবে রাখতে হবে— বুঝলেন তো, এটা আমাদের দেশ নিয়ে কথা বলছে। এই মুহূর্তে, আমরা আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিষ্কার অবস্থায় আছি এবং এটা আমার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু যদি আমরা পরিষ্কার থাকি আর পৃথিবীর অন্য সব জায়গা নোংরা থাকে, তবে সেটা খুব একটা ভালো হবে না।
** ডোনাল্ড ট্রাম্প, ২৬ নভেম্বর ২০১৮, চতুর্থ জাতীয় জলবায়ু মূল্যায়ন প্রসঙ্গে (''ওয়াশিংটন পোস্ট'': [https://www.washingtonpost.com/politics/2018/11/26/trump-responds-report-indicating-huge-cost-climate-change-i-dont-believe-it/ জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশাল ক্ষতির কথা বলা তার প্রশাসনের প্রতিবেদনের জবাবে ট্রাম্প: 'আমি এটা বিশ্বাস করি না'], লেখক: ফিলিপ বাম্প, ২৬ নভেম্বর ২০১৮, সংগৃহীত: ১ ডিসেম্বর ২০১৮; ''বিবিসি নিউজ'': [https://www.bbc.com/news/av/world-us-canada-46324405/i-don-t-believe-it-trump-on-climate-report 'আমি এটা বিশ্বাস করি না' - জলবায়ু প্রতিবেদন নিয়ে ট্রাম্প], ২৬ নভেম্বর ২০১৮, সংগৃহীত: ১ ডিসেম্বর ২০১৮; ''দ্য গার্ডিয়ান'', অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস: [https://www.theguardian.com/us-news/video/2018/nov/26/yeah-i-dont-believe-it-trump-on-administrations-own-climate-report-video] ‘হ্যাঁ, আমি এটা বিশ্বাস করি না’: তার নিজের প্রশাসনের জলবায়ু প্রতিবেদন নিয়ে ট্রাম্প)।
* আমার মতো অনেক মানুষ যাদের বুদ্ধিমত্তা অনেক উঁচু স্তরের, তাদের অন্যতম সমস্যা হলো আমরা সবকিছুতে খুব একটা বিশ্বাস করি না। আপনি আমাদের বাতাস আর জলের দিকে তাকান, এটি এখন রেকর্ড পরিমাণ পরিষ্কার। কিন্তু আপনি যখন চীন, এশিয়ার বিভিন্ন অংশ, দক্ষিণ আমেরিকা এবং রাশিয়ার মতো বিশ্বের আরও অনেক জায়গার দিকে তাকাবেন, তখন দেখবেন ওখানকার বাতাস অনেক বেশি নোংরা। আর বায়ুমণ্ডলের কথা বললে, মহাসাগরগুলো খুব ছোট এবং এসব ময়লা উড়ে বা ভেসে চলে আসে। মানে, আমরা সবসময় আমাদের সমুদ্রসৈকত থেকে হাজার হাজার টন আবর্জনা পরিষ্কার করি যা এশিয়া থেকে আসে। এটা স্রেফ প্রশান্ত মহাসাগর দিয়ে ভেসে আসে, আর আমরা বলি এগুলো কোথা থেকে আসছে। আর এটা শুরু করার জন্য অনেক মানুষের প্রয়োজন হয়।
** ডোনাল্ড ট্রাম্প, ২৮ নভেম্বর, ''ওয়াশিংটন পোস্ট''-এর সাক্ষাৎকারে, তার প্রশাসনের ১৩টি সংস্থার করা বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রতিবেদন তিনি বিশ্বাস করেন কি না সেই প্রসঙ্গে। [https://splinternews.com/man-with-very-high-level-of-intelligence-says-oceans-ar-1830699334] (অত্যন্ত বুদ্ধিমান একজন মানুষ বলছেন মহাসাগরগুলো খুব ছোট)।
==== ডিসেম্বর ২০১৮ ====
* আমি ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।<br>তিনি আপনাদের এক বিরাট সমর্থক। কারেনও তাই। তারা সেখানে যায় আর আপনাদের দেশকে ভালোবাসে। তারা আপনাদের দেশকে ভালোবাসে। আবার তারা এই দেশকেও ভালোবাসে। এটি একটি ভালো সমন্বয়, তাই না?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://forward.com/opinion/415676/trump-just-accused-jews-of-loving-israel-not-america-and-his-fans-cheered/ ৭ ডিসেম্বর, ২০১৮]।
* চাক, সীমান্ত নিরাপত্তার জন্য সরকার অচল করে দিতে পেরে আমি গর্বিত। এই দেশের মানুষ চায় না যে অপরাধী, সমস্যায় জর্জরিত লোকজন আর মাদক আমাদের দেশে ঢুকুক। আমি এর দায়িত্ব নেব। আমিই এটি বন্ধ করব। এর জন্য আমি আপনাদের দোষ দেব না। গতবার আপনারা এটি বন্ধ করেছিলেন। সেটি কাজে দেয়নি। এটি বন্ধ করার দায়ভার আমিই নিচ্ছি।
** ন্যান্সি পেলোসি এবং চাক শুমারের সাথে ওভাল অফিসের বৈঠকে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা ২০১৮-১৯ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ফেডারেল সরকার অচল অবস্থা-র দিকে নিয়ে যায়। "[https://www.upi.com/Top_News/US/2018/12/11/Trump-proud-to-shut-down-government-in-wall-talks-with-Democrats/6271544554657/ ডেমোক্র্যাটদের সাথে প্রাচীর সংক্রান্ত আলোচনায় সরকার অচল করতে পেরে ট্রাম্প 'গর্বিত']", ইউনাইটেড প্রেস ইন্টারন্যাশনাল (১২ ডিসেম্বর, ২০১৮)
* তুমি কি এখনও সান্টাতে বিশ্বাস করো? কারণ ৭ বছর বয়সে এটি অনেকটা শেষের দিকে, তাই না?
** ৭ বছরের এক শিশুকে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/australia-news/2018/dec/25/christmas-cheer-trump-tells-boy-that-believing-in-santa-at-seven-is-marginal ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৮]
* দেখুন, আমি ওভাবে দেখছি না। আমি বিবির সাথে কথা বলেছি, আমি বিবিকে বলেছি।<br>আর আপনারা জানেন, আমরা ইসরায়েলকে বছরে ৪.৫ বিলিয়ন ডলার দিই।<br>আর আপনারা যদি দেখেন, তারা নিজেদের রক্ষায় খুব ভালো করছে। তো বিষয়টি এমনই।<br>মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চিরকাল বিশ্বের পুলিশ হয়ে থাকতে পারে না।<br>আমরা সেটি করতে চাই না।
** ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৮ তারিখে [https://www.timesofisrael.com/trump-we-give-israel-billions-it-can-defend-itself-in-syria/ টাইমস অফ ইসরায়েলে] [[বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু]] প্রসঙ্গে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
=== ২০১৯ ===
* প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইদানীং ডেমোক্র্যাটদের সমাজতান্ত্রিক হওয়ার যে কথাগুলো বলছেন, আসলে বাস্তবতা হলো তিনিই হলেন বড় সরকারের রাজা। ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনেও কেন্দ্রীয় প্রশাসন বারাক ওবামার আমলের মতোই বড়, একচেটিয়া, কাণ্ডজ্ঞানহীন খরচকারী আর মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপকারী হয়ে আছে। অনেক ক্ষেত্রে এটি আগের চেয়েও বড়। ট্রাম্পের সমর্থকদের জন্য এটি একটি অপ্রীতিকর সত্য। সীমিত সরকারের প্রথাগত রক্ষণশীল চিন্তাধারায় না থেকে ট্রাম্প সরকারকে আরও ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে তুলেছেন। আমরা যখন তাকে জানাই যে তার হঠকারী পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করার জন্য সরকার কখনোই যথেষ্ট বড় বা শক্তিশালী হবে না, তখন তিনি খুব বিরক্ত হন। ওবামার আমলে আসলে মার্কিন কেন্দ্রীয় বাজেট ঘাটতি কমে আসছিল। ২০০৯ সালে ওবামা যখন দায়িত্ব নেন তখন এটি ছিল ১.৪ ট্রিলিয়ন ডলার, যা ২০১৬ সালে তিনি চলে যাওয়ার ঠিক আগে ৫৮৭ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছিল। এই উল্লেখযোগ্য সাফল্যের কৃতিত্ব কংগ্রেসের রিপাবলিকানদের পাওনা, যারা ২০১১ সালে হোয়াইট হাউসের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিলেন। তারা বাজেট নিয়ে এমন একটি চুক্তির দাবি করেছিলেন যা ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে আনবে। এটি ছিল বাজেট কন্ট্রোল অ্যাক্ট, এমন একটি আইন যা কেন্দ্রীয় খরচ কমিয়েছিল, ভবিষ্যতের ব্যয়ের ওপর কঠোর বার্ষিক সীমা আরোপ করেছিল এবং সরকারের "ক্রেডিট কার্ডের" ওপর একটি লাগাম টেনেছিল। এটি রক্ষণশীল "টি পার্টি" আন্দোলনের সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ৯৯-১০০
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের খরচ কমানোর প্রতি কোনো আগ্রহ ছিল না। তিনি হয়তো করদাতাদের অর্থ বাঁচানোর জন্য কাজ করছেন এমন একটি ভাব দেখানোর চেষ্টা করেন। আর এটা সত্যি যে কোনো বোকা পরিকল্পনা যদি অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়, তবে তাকে সেটা থেকে বিরত করা যায়। কিন্তু সেটি মানুষের টাকা বাঁচানোর জন্য নয়। তিনি আসলে সেই টাকা অন্য কিছুতে খরচ করতে চান যেখানে তার ব্যক্তিগত আগ্রহ আছে, যেমন বোমা বা সীমান্ত নিরাপত্তা। ট্রাম্প সেই সব মানুষকে ঘৃণা করেন যারা "হিসাবি" বা কিপটে। বর্তমানে তিনি সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ব্যবস্থাপনায় অঢেল টাকা ওড়াচ্ছেন। ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের টাকা ওড়ানোর দিনগুলোকে ভেগাস এর কোনো ক্যাসিনোর পাঁচ ডলারের টেবিলের মতো মনে হয়। এর ফলে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে বাজেট ঘাটতি প্রতি বছর বেড়েছে এবং বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। রাষ্ট্রপতি বার্ষিক আয়ের চেয়ে এক ট্রিলিয়ন ডলার বেশি খরচ করার পথে আছেন। শুধু ২০১৯ সালের দিকে তাকালেই তা বোঝা যায়। রাষ্ট্রপতি রেকর্ড ভঙ্গকারী ৪.৭ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজেট প্রস্তাব করেছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় সরকার এক বছরেই এত টাকা খরচ করুক। ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে আমেরিকার ঋণ, যার বড় অংশই আমরা অন্য দেশের কাছ থেকে ধার নিয়েছি, কয়েক ট্রিলিয়ন বেড়েছে এবং মোট ঋণের পরিমাণ এখন সর্বোচ্চ ২২ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এক হিসেব অনুযায়ী, আমাদের ঋণ পরিশোধ করতে হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি করদাতাকে গড়ে ৪ লক্ষ ডলার করে দিতে হবে। এটি পুরো আমেরিকার জন্য একটি ভয়াবহ সতর্ক সংকেত হওয়া উচিত। আমরা এভাবে টাকা ধার করে যেতে পারি না যা আমরা শোধ করতে পারব না। অন্যথায় আমাদের সন্তানদের এর জন্য চরম মূল্য দিতে হবে।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১০০
* ইচ্ছাকৃত অজ্ঞতা শব্দটিই আমাদের শত্রুদের প্রতি রাষ্ট্রপতির মনোভাব বর্ণনা করার সবচেয়ে সঠিক উপায়। তিনি যা দেখতে চান কেবল তা-ই দেখেন। ট্রাম্প যদি কোনো বিদেশী নেতাকে পছন্দ করেন, তবে সেই নেতার কারণে তৈরি হতে পারে এমন কোনো বিপদ বা তাদের গোপন উদ্দেশ্যগুলো তিনি মানতে রাজি হন না। এই কারণেই জাতি-রাষ্ট্রগুলোর হুমকি সম্পর্কে আমেরিকার বিস্তারিত গোয়েন্দা রিপোর্ট বা আমাদের ঘনিষ্ঠ মিত্রদের জরুরি সতর্কবার্তাকে তিনি খুব সহজে উড়িয়ে দিতে পারেন।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৬৭-১৬৮
* আমাদের শত্রুরা ঠিকই বুঝতে পেরেছে যে রাষ্ট্রপতিকে খুব সহজেই কুপোকাত করা যায়। টুইটারে দেওয়া তার যুদ্ধংদেহী হুমকিতে তারা বিচলিত হয় না কারণ তারা জানে তাকে ভুলিয়ে-ভালিয়ে কাজ হাসিল করা সম্ভব। তাদের কথায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প খুব সহজেই প্রভাবিত হন। আমরা সবাই তা দেখতে পাই। তোষামোদে তিনি খুব সহজেই গলে যান। আলোচনার সময় তিনি নতি স্বীকার করেন এবং স্রেফ ভালো চুক্তির মতো দেখতে এমন কিছুর জন্য তিনি অনেক বেশি ছাড় দিতে রাজি হয়ে যান, সেটি আসলে ভালো চুক্তি হোক বা না হোক। তারা মনে করে তিনি দুর্বল, আর এই সুযোগটাই তারা নেয়। আর যখন তা পারে না, তখন তারা স্রেফ তাকে পাত্তাই দেয় না।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৭৩
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথাগুলো কেবল তার দলকেই পাগল করে তুলছে না, বরং আমেরিকানদের মধ্যেও বিভেদ সৃষ্টি করছে। তিনি হয়তো টুইটার বা মাইকের সামনে ঝগড়া শুরু করেন, কিন্তু আমরা সেই লড়াই ঘরে ঘরে চালিয়ে যাই। গবেষণায় দেখা গেছে যে রিপাবলিকানরা আরও বেশি একরোখা হয়ে উঠছে এবং দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে চাইছে না, ডেমোক্র্যাটরাও একই কাজ করছে। দুই পক্ষ কেবল একটি বিষয়েই একমত হতে পারে, আর তা হলো এই বিভাজন সত্যিই বাড়ছে। ২০১৯ সালে প্রকাশিত পিউ রিসার্চ সেন্টার এর একটি জরিপে দেখা গেছে যে আমেরিকার প্রায় ৮৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ মনে করেন যে "দেশের রাজনৈতিক বিতর্ক এখন অনেক বেশি নেতিবাচক এবং সম্মানহীন হয়ে পড়েছে" এবং দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ বলেছেন যে এটি এখন আসল সমস্যার দিকে নজর দিচ্ছে না। তারা এর দায়ভার কার ওপর চাপিয়েছেন? অধিকাংশ মানুষই বিশ্বাস করেন যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প "রাজনৈতিক বিতর্কের ধরন ও প্রকৃতিকে আরও খারাপের দিকে নিয়ে গেছেন"। এই মৌখিক তিক্ততার ফলাফল বাস্তবেও দেখা যাচ্ছে। আমাদের এই বিভেদগুলো একে অপরের সাথে মেলামেশার সম্ভাবনা কমিয়ে দিচ্ছে, সরকারের প্রতি আস্থা কমিয়ে দিচ্ছে এবং দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমাদের আশাহত করছে। অন্য একটি জরিপ অনুযায়ী, ২০৫০ সালের কথা ভেবে আমেরিকানরা ভীষণ নিরাশ। অধিকাংশ মানুষই ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তখন পতনের মুখে থাকবে, অর্থনৈতিক বৈষম্যের ভারে জর্জরিত হবে এবং রাজনৈতিকভাবে আরও বেশি বিভক্ত হবে। শেষ পয়েন্টটিতে ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকান উভয় পক্ষই প্রায় সমানভাবে একমত হয়েছে। দেশের রাজধানীতে রাষ্ট্রপতির লাগামহীন কথাবার্তা তার নিজের পরিকল্পনাগুলোকেই বাধাগ্রস্ত করছে। আগে যেসব বিষয়ে কোনো বিতর্ক ছিল না, এখন ক্যাপিটল হিল এ সেসব বিষয়েও তিনি কারো সম্মতি পাচ্ছেন না। ডেমোক্র্যাটরা যে খুব একটা দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার চেষ্টা করছে তা নয়, কিন্তু রিপাবলিকান পার্টির প্রধান যদি তাদের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীর বদলে চিরশত্রু হিসেবে না দেখতেন তবে হয়তো কিছুটা আশা থাকত। এর পরিবর্তে, প্রতিটি বড় আইডিয়া প্রকাশের সাথে সাথেই বিষাক্ত হয়ে ওঠে। বাজেটের প্রতিটি লাইন যেন রাজনৈতিক রণক্ষেত্রের এক একটি পরিখা। আমরা সবসময় রাষ্ট্রপতির অগ্রাধিকারগুলো সফল করতে হিমশিম খাই কারণ তিনি নিজেই নিজের সবচেয়ে বড় শত্রু।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৯১-১৯২
=== ২০১৯ ===
* প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইদানীং ডেমোক্র্যাটরা আমেরিকাকে সমাজতান্ত্রিক বানানোর চেষ্টা করছে বলে যে কথাবার্তা বলছেন, তার বিপরীতে বাস্তবতা হলো তিনিই হলেন বড় সরকারের রাজা। ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে কেন্দ্রীয় প্রশাসন বারাক ওবামার আমলের মতোই বিশাল, এককেন্দ্রীক, খরচের ব্যাপারে কাণ্ডজ্ঞানহীন আর মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপকারী হয়ে আছে। অনেক ক্ষেত্রে এটি এখন আরও বড়। ট্রাম্পের সমর্থকদের জন্য এটি একটি অপ্রীতিকর সত্য। কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা সীমিত রাখার প্রথাগত রক্ষণশীল বিশ্বাসে অটল না থেকে ট্রাম্প বরং সরকারকে আরও ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে তুলেছেন। আমরা যখন তাকে জানাই যে তার হঠকারী পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করার জন্য সরকার কখনোই যথেষ্ট বড় বা শক্তিশালী হবে না, তখন তিনি খুব বিরক্ত হন। ওবামার আমলে আসলে মার্কিন কেন্দ্রীয় বাজেটের ঘাটতি কমছিল। ২০০৯ সালে ওবামা যখন দায়িত্ব নেন তখন এটি ছিল ১.৪ ট্রিলিয়ন ডলার, যা ২০১৬ সালে তিনি চলে যাওয়ার ঠিক আগে ৫৮৭ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছিল। এই উল্লেখযোগ্য সাফল্যের কৃতিত্ব কংগ্রেসের রিপাবলিকানদের পাওনা, যারা ২০১১ সালে হোয়াইট হাউসের সাথে একটি অচলাবস্থা তৈরি করেছিলেন। তারা এমন একটি বাজেট চুক্তির দাবি করেছিলেন যা ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে আনবে। এটি ছিল বাজেট কন্ট্রোল অ্যাক্ট, যা কেন্দ্রীয় খরচ কমিয়েছিল, ভবিষ্যতের ব্যয়ের ওপর কঠোর বার্ষিক সীমা আরোপ করেছিল এবং সরকারের "ক্রেডিট কার্ডের" ওপর একটি লাগাম টেনেছিল। এটি রক্ষণশীল "টি পার্টি" আন্দোলনের শ্রেষ্ঠ সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ৯৯-১০০
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের খরচ কমানোর প্রতি কোনো আগ্রহ ছিল না। তিনি হয়তো করদাতাদের অর্থ বাঁচানোর জন্য কাজ করছেন এমন একটি ভাব দেখানোর চেষ্টা করেন। আর এটা সত্যি যে কোনো বোকা পরিকল্পনা যদি অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়, তবে তাকে সেটা থেকে বিরত করা যায়। কিন্তু সেটি মানুষের টাকা বাঁচানোর জন্য নয়। তিনি আসলে সেই টাকা অন্য কিছুতে খরচ করতে চান যেখানে তার ব্যক্তিগত আগ্রহ আছে, যেমন বোমা বা সীমান্ত নিরাপত্তা। ট্রাম্প সেই সব মানুষকে অপছন্দ করেন যারা খুব হিসাব করে চলেন। বর্তমানে তিনি সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ব্যবস্থাপনায় অঢেল টাকা ওড়াচ্ছেন। ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের টাকা ওড়ানোর দিনগুলোকে লাস ভেগাস এর কোনো ক্যাসিনোর পাঁচ ডলারের টেবিলের মতো মনে হয়। এর ফলে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে বাজেট ঘাটতি প্রতি বছর বেড়েছে এবং তা বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। রাষ্ট্রপতি বার্ষিক আয়ের চেয়ে এক ট্রিলিয়ন ডলার বেশি খরচ করার পথে আছেন। শুধু ২০১৯ সালের দিকে তাকালেই তা বোঝা যায়। রাষ্ট্রপতি রেকর্ড ভঙ্গকারী ৪.৭ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজেট প্রস্তাব করেছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় সরকার এক বছরেই এত টাকা খরচ করুক। ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে আমেরিকার ঋণ, যার বড় অংশই আমরা অন্য দেশের কাছ থেকে ধার নিয়েছি, কয়েক ট্রিলিয়ন বেড়েছে এবং মোট ঋণের পরিমাণ এখন সর্বোচ্চ ২২ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এক হিসেব অনুযায়ী, আমাদের ঋণ পরিশোধ করতে হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি করদাতাকে গড়ে ৪ লক্ষ ডলার করে দিতে হবে। এটি পুরো আমেরিকার জন্য একটি ভয়াবহ সতর্ক সংকেত হওয়া উচিত। আমরা এভাবে টাকা ধার করে যেতে পারি না যা আমরা শোধ করতে পারব না। অন্যথায় আমাদের সন্তানদের এর জন্য চরম মূল্য দিতে হবে।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১০০
* ইচ্ছাকৃত অজ্ঞতা শব্দ জোড়া রাষ্ট্রপতির শত্রুদের প্রতি তার মনোভাব বর্ণনা করার সবচেয়ে সঠিক উপায়। তিনি যা দেখতে চান কেবল তা-ই দেখেন। ট্রাম্প যদি কোনো বিদেশী নেতাকে পছন্দ করেন, তবে সেই নেতার কারণে তৈরি হতে পারে এমন কোনো বিপদ বা তাদের গোপন উদ্দেশ্যগুলো তিনি মানতে রাজি হন না। এই কারণেই জাতি রাষ্ট্রগুলোর হুমকি সম্পর্কে আমেরিকার বিস্তারিত গোয়েন্দা রিপোর্ট বা আমাদের ঘনিষ্ঠ মিত্রদের জরুরি সতর্কবার্তাকে তিনি খুব সহজে উড়িয়ে দিতে পারেন।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৬৭-১৬৮
* আমাদের শত্রুরা ঠিকই বুঝতে পেরেছে যে রাষ্ট্রপতিকে খুব সহজেই ভুলিয়ে ভালিয়ে কাজ হাসিল করা যায়। টুইটারে দেওয়া তার যুদ্ধংদেহী হুমকিতে তারা বিচলিত হয় না কারণ তারা জানে তাকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তাদের কথায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প খুব সহজেই প্রভাবিত হন। আমরা সবাই তা দেখতে পাই। তোষামোদে তিনি খুব সহজেই গলে যান। আলোচনার সময় তিনি নতি স্বীকার করেন এবং স্রেফ ভালো চুক্তির মতো দেখতে এমন কিছুর জন্য তিনি অনেক কিছু ছেড়ে দিতে রাজি হয়ে যান, সেটি আসলে ভালো চুক্তি হোক বা না হোক। তারা বিশ্বাস করে যে তিনি দুর্বল, আর এই সুযোগটাই তারা নেয়। আর যখন তা পারে না, তখন তারা স্রেফ তাকে পাত্তাই দেয় না।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৭৩
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথাগুলো কেবল তার দলকেই অতিষ্ঠ করে তুলছে না, বরং আমেরিকানদের মধ্যেও বিভেদ সৃষ্টি করছে। তিনি হয়তো টুইটার বা মাইকের সামনে ঝগড়া শুরু করেন, কিন্তু আমরা সেই লড়াই ঘরে ঘরে চালিয়ে যাই। গবেষণায় দেখা গেছে যে রিপাবলিকানরা আরও বেশি একরোখা হয়ে উঠছে এবং দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে চাইছে না, ডেমোক্র্যাটরাও একই কাজ করছে। দুই পক্ষ কেবল একটি বিষয়েই একমত হতে পারে, আর তা হলো এই বিভাজন সত্যিই বাড়ছে। ২০১৯ সালে প্রকাশিত পিউ রিসার্চ সেন্টার এর একটি জরিপে দেখা গেছে যে আমেরিকার প্রায় ৮৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ মনে করেন যে "দেশের রাজনৈতিক বিতর্ক এখন অনেক বেশি নেতিবাচক এবং কম সম্মানজনক হয়ে পড়েছে" এবং দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ বলেছেন যে এটি এখন আসল সমস্যার দিকে নজর দিচ্ছে না। তারা এর দায়ভার কার ওপর চাপিয়েছেন? অধিকাংশ মানুষই বিশ্বাস করেন যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প "রাজনৈতিক বিতর্কের ধরন ও প্রকৃতিকে আরও খারাপের দিকে নিয়ে গেছেন।" এই মৌখিক তিক্ততার ফল বাস্তবেও দেখা যাচ্ছে। আমাদের এই বিভেদগুলো একে অপরের সাথে মেলামেশার সম্ভাবনা কমিয়ে দিচ্ছে, সরকারের প্রতি আস্থা কমিয়ে দিচ্ছে এবং দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমাদের নিরাশ করছে। অন্য একটি জরিপ অনুযায়ী, ২০৫০ সালের কথা ভেবে আমেরিকানরা ভীষণ চিন্তিত। অধিকাংশ মানুষই ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তখন পতনের মুখে থাকবে, অর্থনৈতিক বৈষম্যের ভারে জর্জরিত হবে এবং রাজনৈতিকভাবে আরও বেশি বিভক্ত হবে। শেষ পয়েন্টটিতে ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকান উভয় পক্ষই প্রায় সমানভাবে একমত হয়েছে। দেশের রাজধানীতে রাষ্ট্রপতির লাগামহীন কথাবার্তা তার নিজের পরিকল্পনাগুলোকেই বাধাগ্রস্ত করছে। আগে যেসব বিষয়ে কোনো বিতর্ক ছিল না, এখন ক্যাপিটল হিল এ সেসব বিষয়েও তিনি কারো সম্মতি পাচ্ছেন না। ডেমোক্র্যাটরা যে খুব একটা দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার চেষ্টা করছে তা নয়, কিন্তু রিপাবলিকান পার্টির প্রধান যদি তাদের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীর বদলে চিরশত্রু হিসেবে না দেখতেন তবে হয়তো কিছুটা আশা থাকত। এর পরিবর্তে, প্রতিটি বড় আইডিয়া প্রকাশের সাথে সাথেই বিতর্কিত হয়ে ওঠে। বাজেটের প্রতিটি লাইন যেন রাজনৈতিক রণক্ষেত্রের এক একটি পরিখা। আমরা সবসময় রাষ্ট্রপতির অগ্রাধিকারগুলো সফল করতে হিমশিম খাই কারণ তিনি নিজেই নিজের সবচেয়ে বড় শত্রু।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৯১-১৯২
==== জানুয়ারি ২০১৯ ====
* আমরা বেরিয়ে আসছি এবং খুব বুদ্ধিমত্তার সাথেই বেরিয়ে আসছি। আর আমরা জিতছি, আমরা জিতছি। ঠিক আছে। তবে আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে গেলে বলব, '''একটি নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে'''। আমি কখনোই বলিনি যে আমি কালকেই বেরিয়ে যাচ্ছি। আমি বলেছি যে আমি আমাদের সৈন্যদের ফিরিয়ে আনছি এবং তাদের সিরিয়া থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে। হ্যাঁ, একদম ঠিক। তবে আমরা খুব শক্তিশালীভাবেই বেরিয়ে আসছি।
** ২ জানুয়ারি, ২০১৯ তারিখে এপি আর্কাইভে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* ইরান এখন আর আগের মতো দেশ নেই। ইরান সিরিয়া থেকে তাদের লোক সরিয়ে নিচ্ছে। '''সত্যি বলতে, তারা সেখানে যা খুশি করতে পারে''', কিন্তু তারা লোক সরিয়ে নিচ্ছে। তারা ইয়েমেন থেকেও লোক সরিয়ে নিচ্ছে। ইরান এখন স্রেফ টিকে থাকতে চায়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০১-০২ |শিরোনাম=ট্রাম্প: ইরান সিরিয়াতে 'যা খুশি করতে পারে' |লেখক=এরিক কর্টেলেসা |সাময়িকী=''টাইমস অফ ইসরায়েল'' |ইউআরএল=https://www.timesofisrael.com/trump-iran-can-do-what-they-want-in-syria/}} শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত
* ড্রোন সম্পর্কে আমি যে কারও চেয়ে বেশি জানি। যত রকমের নিরাপত্তার ব্যবস্থা হতে পারে সে সম্পর্কে আমার ধারণা আছে। (জানুয়ারি ২০১৯)
* আমার মনে হয় নির্বাচনী প্রচারণার অর্থায়ন সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না, কারণ আমিই সবচেয়ে বড় অনুদানকারী। (১৯৯৯)
* টেলিভিশন রেটিং পায় এমন মানুষদের সম্পর্কে আমি যে কারও চেয়ে বেশি জানি। (অক্টোবর ২০১২)
* আইএসআইএস সম্পর্কে আমি জেনারেলদের চেয়েও বেশি জানি। (নভেম্বর ২০১৫)
* আমি সোশ্যাল মিডিয়া বুঝি। আমি টুইটার আর ফেসবুকের ক্ষমতা সম্ভবত যে কারও চেয়ে ভালো বুঝি, আমার সাফল্যের দিকে তাকালেই সেটা বোঝা যায়, তাই না? (নভেম্বর ২০১৫)
* আদালত সম্পর্কে আমি এই পৃথিবীর যেকোনো মানুষের চেয়ে বেশি জানি। (নভেম্বর ২০১৫)
* মামলা মোকদ্দমা সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কে জানে? আমিই তো এগুলোর রাজা। (জানুয়ারি ২০১৬)
* আমি রাজনীতিবিদদের যে কারও চেয়ে ভালো বুঝি।
* ভিসা ব্যবস্থা সম্পর্কে আমার চেয়ে ভালো কেউ জানে না। আমি এইচ ওয়ান বি বুঝি। আমি এইচ টু বি বুঝি। বিশ্বাস করুন, এই মঞ্চে আর কেউ জানে না কীভাবে এটি পরিবর্তন করতে হয়। (মার্চ ২০১৬)
* বাণিজ্য সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না। (মার্চ ২০১৬)
* মার্কিন সরকারি ব্যবস্থা সম্পর্কে আমার চেয়ে ভালো কেউ জানে না। (এপ্রিল ২০১৬)
* নবায়নযোগ্য শক্তি সম্পর্কে আমি পৃথিবীর যেকোনো মানুষের চেয়ে বেশি জানি। (এপ্রিল ২০১৬)
* আমার মনে হয় কর ব্যবস্থা সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না, সম্ভবত পৃথিবীর ইতিহাসেই কেউ জানে না। (মে ২০১৬)
* আমি ঋণের রাজা। আমি ঋণ সামলাতে দক্ষ। আমার চেয়ে ভালো ঋণ কেউ বোঝে না। (জুন ২০১৬)
* আমি টাকা পয়সার বিষয়গুলো যে কারও চেয়ে ভালো বুঝি। (জুন ২০১৬)
* দেখুন, একজন নির্মাতা হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প অবকাঠামো সম্পর্কে যতটা জানেন, এই দেশের ইতিহাসে আর কেউ তা জানেন না। (জুলাই ২০১৬)
* সিনেটর কোরি বুকার নিজের সম্পর্কে যা জানেন, আমি তার চেয়েও বেশি জানি। (জুলাই ২০১৬)
* আমার মনে হয় আমি অপর পক্ষ ডেমোক্র্যাটদের সম্পর্কে প্রায় সবার চেয়ে বেশি জানি। (নভেম্বর ২০১৬)
* নির্মাণ কাজ সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না। (মে ২০১৮)
* আমার মনে হয় আমি অর্থনীতি সম্পর্কে ফেডারেল রিজার্ভের চেয়েও ভালো জানি। (অক্টোবর ২০১৮)
* প্রযুক্তি প্রযুক্তি সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানি না। (ডিসেম্বর ২০১৮)
* ড্রোন সম্পর্কে আমি যে কারও চেয়ে বেশি জানি। যত রকমের নিরাপত্তার ব্যবস্থা হতে পারে সে সম্পর্কে আমার ধারণা আছে। (জানুয়ারি ২০১৯)
* মাথার ওপর ড্রোন ওড়া আর আমার মনে হয় এই ধরনের প্রযুক্তি সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না। (জানুয়ারি ২০১৯)
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.axios.com/2019/01/05/everything-trump-says-he-knows-more-about-than-anybody "সবকিছু যা ট্রাম্প দাবি করেন যে তিনি 'যে কারও চেয়ে বেশি জানেন'"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, ''অ্যাক্সিওস'' (৫ জানুয়ারি, ২০১৯)
* আমরা স্বাধীন হয়ে জন্মেছি আর স্বাধীনই থাকব। আজ রাতে আমরা আমাদের সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করছি যে আমেরিকা কখনোই একটি সমাজতান্ত্রিক দেশ হবে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০১-০৫ |শিরোনাম=ওকাসিও-কর্টেজের উদ্দেশ্যে ট্রাম্প: 'আমেরিকা কখনোই সমাজতান্ত্রিক দেশ হবে না' |লেখক=জোয়েল গেহরকে |সাময়িকী=''ওয়াশিংটন এক্সামিনার'' |ইউআরএল=https://www.washingtonexaminer.com/policy/defense-national-security/trump-to-ocasio-cortez-america-will-never-be-a-socialist-country}} শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত
* <p>''প্রশ্ন:'' এই সরকার অচল হওয়ার দায় কি আপনার ওপর বর্তায়?</p><p>''ডোনাল্ড ট্রাম্প:'' '''দায়ভার সবার ওপরই বর্তায়।'''</p>
** হোয়াইট হাউসের সংবাদ সম্মেলনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ১০ জানুয়ারি, ২০১৯, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০১-১০ |শিরোনাম=দায়িত্ব অস্বীকার করে ট্রাম্পের ঘোষণা, ‘দায়ভার সবার ওপরই বর্তায়’ |লেখক=স্টিভ বেনেন |সাময়িকী=এমএসএনবিসি |ইউআরএল=http://www.msnbc.com/rachel-maddow-show/rejecting-responsibility-trump-declares-the-buck-stops-everybody}} শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, এবং {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০১-১০ |শিরোনাম=ট্রাম্প: যে অচল অবস্থার দায় নিতে তিনি গর্বিত ছিলেন এখন বলছেন ‘দায়ভার সবার’ |লেখক=অলিভার উইলিস |সাময়িকী=আমেরিকান ইন্ডিপেন্ডেন্ট |ইউআরএল=https://americanindependent.com/trump-buck-stops-with-everybody-shutdown-proud/}} শীর্ষক প্রতিবেদনে ভিডিওসহ উদ্ধৃত
* আমাদের কাছে পিৎজা আছে, তিনশ হ্যামবার্গার আছে, প্রচুর ফ্রেঞ্চ ফ্রাই আছে, আমাদের সব প্রিয় খাবার। আমি দেখতে চাই আমরা যাওয়ার পর এখানে কী অবশিষ্ট থাকে, কারণ আমার মনে হয় না খুব বেশি কিছু থাকবে। যদি সেটি আমেরিকান হয়, তবে আমি এটি পছন্দ করি। এগুলো সব আমেরিকান খাবার।
** ''বিবিসি''-র একটি প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৪ জানুয়ারি, ২০১৯)
* আমি কি আপনাদের সামান্য কিছু সালাদ দেব যা ফার্স্ট লেডি আর সেকেন্ড লেডি মিলে বানাবেন? তারা কিছু সালাদ বানাবেন।<br>তখন আমি বললাম আপনারা তো সালাদ খুব একটা পছন্দ করেন না।<br>নাকি আমি বাইরে থেকে প্রায় এক হাজার হ্যামবার্ডার আনিয়ে নেব? বিগ ম্যাক।<br>তো আমরা আসলে সেটাই করলাম।<br>আমরা বার্গার কিং থেকে এক হাজার বার্গার কিনলাম।<br>সব আমেরিকান কোম্পানি।<br>বার্গার কিং, ওয়েন্ডি’স আর ম্যাকডোনাল্ডস।
** ''রোলিং স্টোনের'' একটি [https://www.rollingstone.com/politics/politics-news/trump-fast-food-white-house-779128/ প্রতিবেদনে] উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৪ জানুয়ারি, ২০১৯)
* গত রাতে হোয়াইট হাউসে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন ক্লেমসন টাইগারদের সাথে সময়টা দারুণ কেটেছে। সরকার অচল থাকার কারণে আমি তাদের প্রচুর পরিমাণে ফাস্ট ফুড খাইয়েছি (আমি নিজে টাকা দিয়েছি), ১০০০ এর বেশি হ্যামবার্ডার ইত্যাদি। এক ঘণ্টার মধ্যেই সব শেষ হয়ে গিয়েছিল। দারুণ সব ছেলে আর কী দারুণ পেটুক!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1085159285208858624 টুইট] (১৫ জানুয়ারি ২০১৯)
* জাতীয় আফ্রিকান আমেরিকান ইতিহাস মাস হলো আফ্রিকান আমেরিকানদের অমর কাহিনী এবং স্বাধীনতা, লক্ষ্য ও সুযোগের সেই উপহারগুলোকে পুনরায় জানার একটি উপলক্ষ যা তারা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রেখে গেছেন।
** [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/presidential-proclamation-national-african-american-history-month-2019/ ৩১ জানুয়ারি ২০১৯-এর ভোরের ঘোষণা WhiteHouse.gov] কৃষ্ণাঙ্গদের ইতিহাসের মাস সম্পর্কিত
*** [https://twitter.com/realdonaldtrump/status/1091427927475085312 ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ টুইটারে পুনরায় পোস্ট করা হয়েছে]
==== ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ====
* যখন আমরা ওই এলাকার খেলাফতের বাকি অংশটুকু দখল করে নেব, তখন তারা ইরাকে আমাদের ঘাঁটিতে চলে যাবে। শেষ পর্যন্ত তাদের কেউ কেউ বাড়িতে ফিরে আসবে। কিন্তু আমরা সেখানে থাকব এবং আমরা সেখানে থাকছিই--<br>আমাদের ইসরায়েলকে রক্ষা করতে হবে। আমাদের অন্যান্য জিনিসেরও সুরক্ষা দিতে হবে। তবে হ্যাঁ, তারা সময়ের ব্যবধানে ফিরে আসবে। দেখুন, আমরা বিশ্বকে রক্ষা করছি। ইতিহাসের যে কারও চেয়ে আমরা অনেক বেশি টাকা খরচ করছি। গত পাঁচ বছরে আমরা [[আফগানিস্তান]]ে বছরে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলার খরচ করেছি। হাতেগোনা কয়েকটি দেশ ছাড়া এই পরিমাণ টাকা অধিকাংশ দেশের শিক্ষা, চিকিৎসা এবং অন্য সব খাতের মোট খরচের চেয়েও বেশি।
** ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ তারিখে [https://www.cbsnews.com/news/donald-trump-interview-face-the-nation-margaret-brennan-today-2019-02-01/ ডোনাল্ড ট্রাম্পের] সাক্ষাৎকার যা ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ তারিখে [https://www.cbsnews.com/news/transcript-president-trump-on-face-the-nation-february-3-2019/ প্রচারিত] হয়, ''সিবিএস নিউজ''
* স্বাধীনতার মহৎ অন্বেষণে আমরা [[ভেনেজুয়েলা|ভেনেজুয়েলার]] জনগণের পাশে আছি। আমরা মাদুরো সরকারের নিষ্ঠুরতার নিন্দা জানাই। তাদের সমাজতান্ত্রিক নীতিগুলো ওই দেশটিকে দক্ষিণ আমেরিকার সবচেয়ে ধনী দেশ থেকে চরম [[দারিদ্র্য]] আর হতাশার দেশে পরিণত করেছে।
** [https://fair.org/home/the-media-myth-of-once-prosperous-and-democratic-venezuela-before-chavez/ "চ্যাভেজের আগে এক সময়কার সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক ভেনেজুয়েলা নিয়ে সংবাদমাধ্যমের মিথ"] শীর্ষক প্রতিবেদনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯)
* আমাদের দেশ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই আমাদের অধিকাংশ বড় অর্জনগুলো—স্বাধীনতা লাভ থেকে শুরু করে নাগরিক অধিকারের বিলোপ এবং নারীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা—এই সবকিছুতেই ধর্মপ্রাণ মানুষ নেতৃত্ব দিয়েছে।
** [https://www.huffingtonpost.com/entry/trump-civil-rights-abolition-prayer-breakfast_us_5c5e14ace4b0eec79b236874 ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯] তারিখে প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আসলে আমি মনে হয় এটি বলতে পারি, জাপানের প্রধানমন্ত্রী আবে আমাকে একটি চিঠির খুব সুন্দর অনুলিপি দিয়েছেন যা তিনি নোবেল পুরস্কার প্রদানকারী ব্যক্তিদের কাছে পাঠিয়েছেন। তিনি বলেছেন: '''"জাপানের পক্ষ থেকে আমি অত্যন্ত সম্মানের সাথে আপনার নাম প্রস্তাব করছি। আমি তাদের অনুরোধ করছি আপনাকে যেন নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়।"''' আমি বললাম, 'ধন্যবাদ।'<br>আমরা অনেক ভালো কাজ করছি। এই প্রশাসন দুর্দান্ত কাজ করছে কিন্তু আমরা তার কোনো স্বীকৃতি পাই না। '''তাই প্রধানমন্ত্রী আবে আমাকে—মানে এটি নোবেল পুরস্কারের জন্য পাঠানো একটি চমৎকার পাঁচ পৃষ্ঠার চিঠি যা তিনি তাদের কাছে পাঠিয়েছেন।''' জানেন কেন? কারণ জাপানের ওপর দিয়ে রকেট আর ক্ষেপণাস্ত্র উড়ে যাচ্ছিল এবং বিপদ সংকেত বেজে উঠছিল—আপনারা তা জানেন। এখন হঠাৎ করেই তারা ভালো বোধ করছে, তারা নিজেদের নিরাপদ মনে করছে। আমিই তা করেছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |শিরোনাম=ট্রাম্প এখনই যা বললেন তা আপনি বিশ্বাস করবেন না: চমকে দেওয়ার মতো ৬টি মুহূর্ত |লেখক=দারেহ গ্রেগরিয়ান |সাময়িকী=''এনবিসি নিউজ'' |ইউআরএল=https://www.nbcnews.com/politics/donald-trump/you-won-t-believe-what-trump-just-said-6-eye-n972166}} শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯)
====মার্চ ২০১৯====
*এই ঘরে এমন কিছু মানুষ আছেন যারা এটি পছন্দ করবেন না। আমাদের বেকারত্বের হার ৩.৭ শতাংশে নেমে এসেছে, যা দীর্ঘ সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন। কিন্তু এটা ভেবে দেখুন: আমি এই সব কোম্পানিগুলোকে দেশে ফিরিয়ে আনছি। তাদের কর্মী প্রয়োজন। চারদিকে যে চমৎকার সব কারখানাগুলো খুলছে, সেখানে কাজ করার জন্য আমাদের দেশে মানুষ নিয়ে আসতে হবে। নির্বাচনী প্রচারণার সময় আমি ঠিক এই কথাগুলো বলিনি, কারণ আমি জানতাম না যে আমরা এতটা সফল হব। কোম্পানিগুলো হুড়মুড় করে আমাদের দেশে ফিরে আসছে, আর এখন আমরা চাই মানুষ আসুক। আমাদের কর্মীদের আসা প্রয়োজন, তবে তাদের অবশ্যই আইনগতভাবে আসতে হবে এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে আসতে হবে। যোগ্যতা, যোগ্যতা, যোগ্যতা।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-2019-conservative-political-action-conference/ ৩ মার্চ ২০১৯]।
====এপ্রিল ২০১৯====
*সবাইকে হ্যালো। অর্থনীতির নতুন তথ্যগুলো এইমাত্র প্রকাশিত হয়েছে; সেগুলো খুব, খুব ভালো। অর্থনৈতিক দিক দিয়ে আমাদের দেশ অবিশ্বাস্য রকমের ভালো করছে। আপনাদের বেশিরভাগই এই খবরগুলো প্রচার করেন না, কারণ আপনাদের দৃষ্টিকোণ থেকে এটি শুনতে ভালো লাগে না। কিন্তু দেশ সত্যিই খুব, খুব ভালো চলছে। আমাদের এখানে এখন অনেক রোমাঞ্চকর কাজ হচ্ছে। অনেক কোম্পানি শীঘ্রই ঘোষণা করবে যে তারা যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসছে। তারা সবাই ফিরে আসছে। যেখানে আসল কর্মযজ্ঞ চলছে, তারা সেখানেই থাকতে চায়।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900207/html/DCPD-201900207.htm ৫ এপ্রিল ২০১৯]।
*আপনার বাড়ির আশেপাশে কোথাও যদি উইন্ডমিল (বায়ুকল) থাকে, তবে অভিনন্দন, আপনার বাড়ির দাম এক ধাক্কায় ৭৫ শতাংশ কমে গেল। '''আর তারা বলে যে এর শব্দে ক্যান্সার হয়।''' আপনিই আমাকে এটি বলেছিলেন, ঠিক আছে। ''[হাত দিয়ে গোল করে ইশারা করেন এবং মুখ দিয়ে একটি শব্দ করেন]'' আপনারা জানেন যে ওই জিনিসটা কেমন শব্দ করে... আর অবশ্যই এটি পাখিদের জন্য এক কবরস্থানের মতো।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], রিপাবলিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসনাল কমিটির এক বক্তৃতায়, ২ এপ্রিল ২০১৯, জাচারি বি. উলফের "[https://www.cnn.com/2019/04/03/politics/trumps-war-on-windmills-now-includes-wild-cancer-claim/index.html উইন্ডমিলের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের যুদ্ধে এখন ক্যান্সারের অদ্ভুত দাবিও যুক্ত হয়েছে]", সিএনএন (৩ এপ্রিল ২০১৯) এবং জন গ্রিনবার্গের "[https://www.politifact.com/truth-o-meter/statements/2019/apr/08/donald-trump/republicans-dismiss-trumps-windmill-and-cancer-cla/ ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্যান্সার ও উইন্ড টারবাইনের মধ্যকার হাস্যকর যোগসূত্র]", পলিটিফ্যাক্ট (৮ এপ্রিল ২০১৯)-এ উদ্ধৃত।
*যারা বেআইনিভাবে আমাদের দেশে ঢুকেছে, তাদের হাতে হাজার হাজার আমেরিকান নিষ্ঠুরভাবে প্রাণ হারিয়েছেন।
** রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প, ফেব্রুয়ারি মাসে তার স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণে, "[https://www.politico.com/story/2019/04/22/stephen-miller-immigration-trump-1284287 স্টিফেন মিলার যেভাবে অভিবাসন বিষয়টিকে ব্যক্তিগত জেদে পরিণত করেছেন]" প্রতিবেদন অনুযায়ী (২২ এপ্রিল ২০১৯)।
*তাদের টিকা নিতেই হবে। ভ্যাকসিন নেওয়াটা এখন ভীষণ জরুরি। অসুখটা এখন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। তাই টিকা নেওয়াটা আবশ্যিক।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], মেগান ভ্যাজকুয়েজের প্রতিবেদনে উল্লিখিত: "[https://www.cnn.com/2019/04/26/politics/donald-trump-measles-vaccines হামের প্রাদুর্ভাবের মুখে ট্রাম্প এখন বলছেন অভিভাবকদের অবশ্যই সন্তানদের টিকা দিতে হবে]", সিএনএন (২৬ এপ্রিল ২০১৯)।
[[File:Bernie Sanders.jpg|thumb|ডোনাল্ড ট্রাম্প... তার পুরো রাজনৈতিক কৌশল হলো আমেরিকান জনগণকে আড়াআড়ি ভাগ করা... তাই আপনার কাছে এমন একজন রাষ্ট্রপতি আছেন যিনি কোটিপতিদের কর ছাড় দেন... যিনি ৩ কোটি ২০ লক্ষ মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত করার ফন্দি আঁটেন... যিনি কর সুবিধার ৮৩ শতাংশই তুলে দিয়েছেন মাত্র শীর্ষ এক শতাংশ ধনকুবেরের হাতে... এখন ভাবুন, আপনি কীভাবে নির্বাচনে জিতবেন? কী বলবেন — ওই দেখুন নথিপত্রহীন মানুষগুলো, তারা সবাই আপনার শত্রু। 'আমার পাশে দাঁড়ান। তাদের ঘৃণা করুন। চলুন এই দেশটাকে ভাগ করে ফেলি।' ~ [[বার্নি স্যান্ডার্স]] ]]
[[File:Ahmed al-Sharaa in July 2025 (cropped).jpg|thumb|আমি তাকে একজন শান্তিকামী মানুষ হিসেবে দেখি। আমরা দুজনেই একই শত্রুর লক্ষ্যবস্তু হয়েছিলাম। ট্রাম্প ক্ষমতা, শক্তি এবং ফলাফল অর্জন করতে জানেন। ~ আহমেদ আল-শারা]]
*['''[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]'''] যা করছেন সেটা আসলে '''আমেরিকার মানুষকে তাদের জাতি বা জন্মপরিচয়ের ভিত্তিতে ভাগ করার একটা রাজনৈতিক চাল'''... '''আপনার কাছে এমন একজন রাষ্ট্রপতি আছেন যিনি কোটিপতিদের কর ছাড় দেন''' আর মেডিকেয়ার, মেডিকেইড ও সোশ্যাল সিকিউরিটির মতো সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পগুলো কমিয়ে দিতে চান। তিনি কিন্তু এগুলো নিয়ে নির্বাচনে প্রচার চালাবেন না। আপনার রাষ্ট্রপতি এমন একজন মানুষ '''যিনি ৩ কোটি ২০ লক্ষ মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করেছেন'''। সেটা নিয়েও তিনি প্রচার চালাবেন না। তিনি এমন এক রাষ্ট্রপতি '''যিনি কর সুবিধার ৮৩ শতাংশই দিয়েছেন শীর্ষ এক শতাংশ ধনীকে''', এই কথা বলেও তিনি প্রচার চালাবেন না। '''তাহলে আপনি কীভাবে নির্বাচনে জিতবেন? কী বলবেন — ওই যে দেখছেন নথিপত্রহীন মানুষগুলো, তারা সবাই আপনার শত্রু। 'আমার পাশে দাঁড়ান। তাদের ঘৃণা করুন। চলুন দেশটাকে ভাগ করে ফেলি।''''' আমি মনে করি এটি অত্যন্ত কুৎসিত আর বিপজ্জনক একটা পথ। আর এটা আটকানোর জন্য আমি আমার সাধ্যমতো সবকিছু করব।
**[https://www.newsweek.com/stand-me-hate-them-bernie-sanders-says-trumps-reelection-plan-based-dividing-country-1445407 ''আমার পাশে দাঁড়ান। তাদের ঘৃণা করুন: বার্নি স্যান্ডার্স বলছেন ট্রাম্পের পুনর্নির্বাচনী পরিকল্পনা দেশকে ভাগ করার ওপর ভিত্তি করে, নিউজউইক''], ক্রিস মোরান (২৩ জুন ২০১৯)।
*টাকার রহস্য খুঁজুন: এই প্রশাসন আসলে কিছু রাক্ষুসে ব্যবসায়ীদের পকেট ভরাতে ব্যস্ত, আর তার মূল্য দিতে হচ্ছে নিম্ন আয়ের সাধারণ শ্রমিক ও ক্রেতাদের। এটা সেই সরকার যারা উপভোক্তাদের স্বার্থ দেখার বদলে চড়া সুদে ঋণ দেওয়া মহাজনদের বাঁচাতে উঠেপড়ে লেগেছে এবং ছাত্রদের ঋণ মওকুফ প্রকল্পের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। এনএলআরবির নজিরবিহীন ইউনিয়ন-বিরোধী তৎপরতাও ঠিক একই ধরনের। এগুলো সাধারণ শ্রমিকদের আরও অসহায় আর অসুরক্ষিত করে তোলার ফন্দি, ঠিক যেমনটি এই প্রশাসন অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্ট এবং মেডিকেইড সম্প্রসারণ বাতিলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে—কারণ অর্থনীতির নিচের তলার মানুষগুলো যত বেশি ভয়ের মধ্যে থাকবে, তাদের শোষণ করা তত সহজ হবে।
** সাশা আব্রামস্কি, ''[https://www.thenation.com/article/archive/trump-labor-gm-strikes/ শ্রমিকদের অধিকারের ওপর ট্রাম্পের হামলা জোরদার হচ্ছে]'' (২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯), ''দ্য নেশন''।
*বেশ কিছু রাজ্যে শিক্ষকদের ধর্মঘটের পর সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে যে, সাধারণ মানুষের ৬৪ শতাংশই শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষে—যা গত ৫০ বছরের মধ্যে প্রায় সর্বোচ্চ। এগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। শ্রমিক আন্দোলন অবশেষে জেগে উঠছে। আর আমেরিকানরা এখন বুঝে গেছে যে ট্রাম্পের এই মেকি 'জনদরদী' সাজ আসলে ধনীদের আখের গুছিয়ে দেওয়ার একটা ফন্দি মাত্র।
** সাশা আব্রামস্কি, ''[https://www.thenation.com/article/archive/trump-labor-gm-strikes/ শ্রমিকদের অধিকারের ওপর ট্রাম্পের হামলা জোরদার হচ্ছে]'' (২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯), ''দ্য নেশন''।
====জুন ২০১৯====
*অভিশংসনের কোনো ভিত্তিই নেই। একেবারেই নেই। কোনো যোগসাজশ ছিল না। কোনো বাধাদান ছিল না। কোনো অপরাধ ছিল না। অপরাধ যা করার তা ডেমোক্র্যাটরা করেছে। ডেমোক্র্যাটরাই অপরাধ করেছে। অভিশংসনের কোনো আইনি ভিত্তি নেই। এটি একটি বিরাট উইচ হান্ট বা ডাইনি শিকার। ডেমোক্র্যাটসহ সবাই এটা জানে।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900366/html/DCPD-201900366.htm ২ জুন ২০১৯]।
*এই সপ্তাহে আমরা ন্যায়পরায়ণ দেশগুলোর এক বিশাল প্রচেষ্টা এবং ইতিহাসের অন্যতম মহৎ এক উদ্যোগকে স্মরণ করছি। পঁচাত্তর বছর আগে, ১ লক্ষ ৫০ হাজারের বেশি মিত্রবাহিনী এই দ্বীপে প্রস্তুতি নিচ্ছিল ফ্রান্সে প্যারাশুটে করে নামার জন্য, নরম্যান্ডির সমুদ্রসৈকত দখলে নেওয়ার জন্য এবং আমাদের সভ্যতাকে পুনরায় জয় করার জন্য। মহামান্যা যেমনটা মনে রেখেছেন, ব্রিটিশ জনগণ প্রায় ৫ বছর ধরে এই দিনটির জন্য আশা, প্রার্থনা এবং লড়াই করে আসছিলেন। ১৯৪০ ও ১৯৪১ সালের ব্লিৎজের সময় যখন ব্রিটেন একা লড়াই করছিল, তখন নাৎসি যুদ্ধযন্ত্রগুলো এই দেশে এবং এই চমৎকার শহরে হাজার হাজার বোমা ফেলেছিল। কেবল বাকিংহাম প্যালেসেই ১৬ বার বোমা হামলা চালানো হয়েছিল। সেই ঘোর দুর্দিনে এই দেশের মানুষ বিশ্বকে দেখিয়েছিল ব্রিটিশ হওয়া মানে কী। তারা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে রাস্তা পরিষ্কার করেছে, নিজেদের বিধ্বস্ত বাড়িগুলোতে ইউনিয়নের পতাকা উড়িয়েছে এবং জয়ের জন্য লড়াই চালিয়ে গেছে। তারা শুধু জয়ই চেয়েছিল। যুক্তরাজ্যের ছেলে-মেয়েদের সাহস নিশ্চিত করেছে যে আপনাদের ভাগ্য চিরকাল আপনাদের হাতেই থাকবে। এই সবকিছুর মধ্য দিয়ে রাজপরিবার ছিল কমনওয়েলথের অটল সংহতির এক অবিচল মুখ।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900368/html/DCPD-201900368.htm ৩ জুন ২০১৯]।
*আজ সন্ধ্যায় আমরা ঈশ্বরের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের সেই সাহসী সন্তানদের জন্য যারা নাৎসি এবং নাৎসি শাসনকে পরাজিত করে লক্ষ লক্ষ মানুষকে স্বৈরশাসন থেকে মুক্ত করেছিলেন। আমাদের দেশগুলোর মধ্যকার বন্ধন সেই "মহৎ ক্রুসেডের" মাধ্যমেই চিরতরে সিলমোহর হয়ে গেছে। আমাদের এই যৌথ বিজয় ও ঐতিহ্যকে সম্মান জানানোর পাশাপাশি আমরা সেই অভিন্ন মূল্যবোধগুলোকে আবারও স্বীকার করছি যা সুদূর ভবিষ্যতেও আমাদের ঐক্যবদ্ধ রাখবে: মুক্তি, সার্বভৌমত্ব, আত্মনিয়ন্ত্রণ, আইনের শাসন এবং সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের দেওয়া অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ থেকে আজ পর্যন্ত মহামান্যা এই অমূল্য ঐতিহ্যগুলোর এক অবিচল প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি সেই মর্যাদা, দায়িত্ববোধ এবং দেশপ্রেমের চেতনাকে ধারণ করেছেন যা প্রতিটি ব্রিটিশ হৃদয়ে সগৌরবে স্পন্দিত হয়। সব আমেরিকানের পক্ষ থেকে আমি আমাদের জনগণের চিরন্তন বন্ধুত্ব, আমাদের দেশগুলোর প্রাণশক্তি এবং মহামান্যা রানীর দীর্ঘ ও সত্যিই অসাধারণ রাজত্বের জন্য শুভকামনা জ্ঞাপন করছি। ধন্যবাদ।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900368/html/DCPD-201900368.htm ৩ জুন ২০১৯]।
*আপনি ভিয়েতনাম যুদ্ধের কথা বলছেন, অথচ সেই সময়ে দেশটির কথা কেউ শোনেনি।
** ১৯৬৮ সালে ভিয়েতনাম সম্পর্কে মার্কিনদের সাধারণ ধারণা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এমন মন্তব্য করেছিলেন (যখন ভিয়েতনামে প্রায় ৫ লক্ষ মার্কিন সেনা মোতায়েন ছিল); ([https://www.japantimes.co.jp/news/2019/06/06/world/politics-diplomacy-world/trump-says-never-fan-vietnam-war-claims-americans-hadnt-heard-country-1968/#.XraZ4hMzbOQ "ট্রাম্প বলেছেন তিনি 'কখনও ভক্ত ছিলেন না' ভিয়েতনাম যুদ্ধের, এবং দাবি করেছেন যে ১৯৬৮ সালে আমেরিকানরা দেশটির কথা শোনেনি"], ''জাপান টাইমস''। ২০১৯-০৬-০৫।
*আমার মনে হয় গতকাল অনেক অগ্রগতি হয়েছে, তবে আমাদের আরও অনেক দূর এগোতে হবে। মেক্সিকো বহু বছর ধরে শত শত কোটি ডলার আয় করছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর এক বিশাল ভাগ্য গড়ে তুলছে। তাদের এগিয়ে আসতে হবে, যথাযথ দায়িত্ব নিতে হবে, এবং হয়তো তারা তা করবেও। আমরা দেখব কী হয়। তারা সমস্যার সমাধান করতে পারে। ডেমোক্র্যাটরা—কংগ্রেস এক ভয়াবহ বিপর্যয়ে পরিণত হয়েছে। তারা বদলাবে না। তারা কিছুই করবে না। তারা অবাধ অভিবাসন চায়—আমাদের দেশে যেন অভিবাসনের ঢল নামে। তারা পরোয়া করে না কে ঢুকছে। তাদের কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড আছে কি না তাতেও তাদের কিছু যায় আসে না। এতে কোনো তফাত হয় না। তারা কিছুই পাল্টাবে না। আমরা তাদের কাছে গিয়ে বলি, "চলুন অভিবাসন আইনগুলো ঠিক করি।" তারা শুধু এর খারাপটা দেখতে চায়। পরিস্থিতি যত খারাপ হয়, তারা তত বেশি খুশি হয়। এটাই হলো বাস্তবতা, আর আমার মনে হয় নির্বাচন পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই থাকবে। এটি অত্যন্ত লজ্জাজনক। কারণ সত্যি বলতে কী, কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাটরা যদি কিছু পরিবর্তন করতে রাজি হতো তবে আমরা এই সমস্যার খুব সহজেই সমাধান করতে পারতাম, কিন্তু তারা রাজি নয়। আর বিষয়টি এমনই। তারা শুধু সময় পার করতে চায়। তারা খুব খারাপ পরিস্থিতি দেখতে চায়। অপরাধ নিয়ে তাদের কোনো মাথা ব্যথা নেই। আমাদের দেশে মাদকের ঢল নামছে তা নিয়েও তাদের পরোয়া নেই। তাদের কিছুই আসে যায় না। এর পুরোটাই রাজনীতি। এটি এক নৃশংস কারবার। সুতরাং পরিস্থিতি এমনই। তবে মেক্সিকোর সাথে আমাদের দারুণ কথা হচ্ছে। দেখা যাক কী হয়। তবে বেশ নাটকীয় কিছু ঘটতে পারে। আমরা মেক্সিকোকে বলেছি যে শুল্ক প্রয়োগ করা হবে। আর আমি সত্যিই তা করতে চাই। এতে আমি খুব খুশি। অনেক লোক, যাদের মধ্যে সিনেটররাও আছেন, শুল্কের কথা এলে তারা কী নিয়ে কথা বলছেন সে সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণাই নেই। একদমই কোনো ধারণা নেই। যখন আপনার কাছে টাকা থাকে, যখন আপনার কাছে পণ্য থাকে, যখন আপনার কাছে এমন কিছু থাকে যা সবাই চায়, তখন শুল্ক নিয়ে আপনি খুব সুবিধাজনক অবস্থানে থাকেন এবং আমরা এখন সেখানেই আছি। আমরা হলাম পিগিব্যাংক। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হলো সেই পিগিব্যাংক। এখানে সেই সব অর্থ আছে যা অন্যরা আমাদের কাছ থেকে কেড়ে নিতে চায়, তবে এখন আর তারা তা সহজে নিতে পারছে না। এখন পরিস্থিতি অনেক আলাদা। চীনের সাথে আমাদের আলোচনা—অনেক কৌতূহলী সব ঘটনা ঘটছে। দেখা যাক কী হয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900372/html/DCPD-201900372.htm ৬ জুন ২০১৯]।
*''রিপোর্টার:'' আপনি কি ইরানের সাথে যুদ্ধে যেতে রাজি আছেন?<br />''ট্রাম্প:'' আপনি নিজেই জানতে পারবেন। জানতে পারবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{cite news|date=২০ জুন ২০১৯|title=ইরানের সাথে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প জনগণকে বলছেন 'আপনারা জানতে পারবেন'|work=দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট|url=https://www.washingtonpost.com/video/world/trump-tells-public-youll-find-out-when-asked-about-a-war-with-iran/2019/06/20/18f8c92d-b370-4a01-a948-4144be20f730_video.html}}
* কোনো এক কারণে আমাদের মধ্যে একটা চমৎকার বোঝাপড়া বা অন্য কিছু কাজ করে। দেখা যাক কী হয়। আমাদের অনেকটা পথ পাড়ি দেওয়া বাকি। তবে আমার কোনো তাড়াহুড়ো নেই... তাই আমি শুধু এটুকুই বলতে চাই যে আমরা ডিএমজেডের দিকে যাচ্ছি। এ'''ই পরিকল্পনাটা আমার অনেক আগে থেকেই ছিল, তবে কাল হঠাৎ মাথায় এল''' যে হয়তো একবার হাই-হ্যালো করা যায়, দ্রুত হাত মেলানো যায় এবং কুশল বিনিময় করা যায়।
** দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে ব্লু হাউসে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের সংবাদ সম্মেলন, {{উদ্ধৃতি|date=2019-06-30 |title=ট্রাম্প: কিম এবং আমার মধ্যে "একটি নির্দিষ্ট রসায়ন আছে" |periodical=সিএনএন |url=https://edition.cnn.com/politics/live-news/trump-dmz-kim-live-intl-hnk/h_8b23e071903b007d8ff1934be8457d2c}} অনুযায়ী।
=====ফ্রান্সের কলভিল-সুর-মেয়ারে ডি-ডের ৭৫তম বার্ষিকীতে ভাষণ=====
<small>[https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900373/html/DCPD-201900373.htm প্রতিলিপি] (৬ জুন, ২০১৯)</small>
* এখানে আজ আপনাদের সাথে ৬০ জনেরও বেশি প্রবীণ যোদ্ধা উপস্থিত আছেন, যারা ডি-ডে’র সেই লড়াইয়ে ময়দানে নেমেছিলেন। আপনাদের কাছে আমাদের এই ঋণ কোনোদিন শোধ হওয়ার নয়। আজ আমরা আপনাদের প্রতি আমাদের চিরন্তন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আপনারা যখন বয়সে তরুণ ছিলেন, তখন এক মহৎ অভিযানে নিজেদের জীবন সঁপে দিয়েছিলেন যা ছিল ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এক উদ্যোগ। আপনাদের সেই অভিযান ছিল এক মহাকাব্যিক যুদ্ধের কাহিনী, যেখানে ন্যায় আর অন্যায়ের মধ্যকার এক প্রচণ্ড ও চিরস্থায়ী লড়াই ফুটে উঠেছিল। ১৯৪৪ সালের ৬ই জুন, আপনারা এক বিস্ময়কর ক্ষমতার অধিকারী বিশাল এক মুক্তিসেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন। মাসের পর মাস পরিকল্পনার পর মিত্রবাহিনী এই প্রাচীন সমুদ্রতীরকে বেছে নিয়েছিল নাৎসি সাম্রাজ্যের পৈশাচিক স্বৈরাচারকে পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য। যুদ্ধের শুরুটা হয়েছিল আমাদের মাথার ওপরের ওই আকাশেই। মধ্যরাতের সেই চরম উত্তেজনাকর প্রথম কয়েক ঘণ্টায় ১,০০০টি বিমান গর্জন করে উড়ে গিয়েছিল, আর ১৭,০০০ আকাশসেনা ওই অরণ্যের ওপারে ঘুটঘুটে অন্ধকারের মধ্যে ঝাঁপ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এরপর যখন ভোর হলো, তখন এই পাহাড়গুলো দখল করে রাখা শত্রুরা দেখল পৃথিবীর ইতিহাসের বৃহত্তম নৌ-রণতরীর বহর। উপকূল থেকে মাত্র কয়েক মাইল দূরে ৭,০০০ জাহাজ ১ লক্ষ ৩০ হাজার যোদ্ধা নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল।
* তারা ছিলেন মুক্ত ও স্বাধীন বিভিন্ন দেশের নাগরিক, যারা দেশমাতৃকা এবং কোটি কোটি অজাত প্রজন্মের প্রতি নিজেদের কর্তব্যে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলেন। সেখানে ছিলেন ব্রিটিশরা, যাদের আভিজাত্য আর অদম্য মানসিক শক্তি তাদের ডানকার্কের ভয়াবহ সময় আর লন্ডনের ব্লিৎজ কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করেছিল। নাৎসিদের সেই উন্মাদনার চেয়ে ব্রিটিশদের আত্মমর্যাদাবোধ ছিল অনেক বেশি শক্তিশালী। আপনাদের ধন্যবাদ। সেখানে ছিলেন কানাডিয়ানরা, যাদের প্রগাঢ় সম্মানবোধ আর আনুগত্য একদম শুরু থেকেই তাদের ব্রিটেনের পাশে দাঁড়িয়ে যুদ্ধ করতে বাধ্য করেছিল। সেখানে ছিলেন লড়াকু পোলিশরা, কঠোর নরওয়েজিয়ানরা এবং সাহসী অস্ট্রেলিয়ানরা। সেখানে ছিলেন ফরাসি কমান্ডোরা, যাদের সাথে খুব দ্রুতই যোগ দিয়েছিল তাদের হাজার হাজার সাহসী দেশবাসী যারা ফরাসি বীরত্বের দীর্ঘ ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় লিখতে প্রস্তুত ছিল। আর সবশেষে ছিলেন আমেরিকানরা। তারা এসেছিলেন সুবিশাল গ্রামাঞ্চল, ঝলমলে শহর আর শক্তিশালী শিল্প নগরীগুলো থেকে। যুদ্ধের আগে তাদের অনেকেরই নিজের এলাকার বাইরে পা দেওয়ার সুযোগ হয়নি। অথচ আজ তারা নিজেদের ঘর থেকে অর্ধ-পৃথিবী দূরে জীবন উৎসর্গ করতে এসেছেন।
* ওমাহা নামের এই সমুদ্রতীরটি নাৎসিরা ভয়াবহ মারণাস্ত্র আর বালির নিচে অসংখ্য মাইন পুঁতে রেখে সুরক্ষিত করেছিল। এখানেই হাজার হাজার আমেরিকান নেমেছিলেন। সেই সকালে যারা ল্যান্ডিং ক্রাফটে চড়েছিলেন, সেই সেনারা জানতেন যে তাদের কাঁধে কেবল একজন সৈনিকের সরঞ্জাম নেই, বরং জড়িয়ে আছে গোটা পৃথিবীর ভাগ্য। কর্নেল জর্জ টেলর, যার ১৬তম পদাতিক রেজিমেন্ট প্রথম আক্রমণকারী দলের সাথে যোগ দিয়েছিল, তাকে একবার জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: যদি জার্মানরা ঠিক ওই মুহূর্তেই আপনাদের সমুদ্রসৈকতে আটকে দিত, তবে কী হতো? এই মহান আমেরিকান জবাব দিয়েছিলেন: "কেন, আমাদের ঠিক পেছনেই ১৮তম পদাতিক বাহিনী আসছে। ২৬তম পদাতিক বাহিনীও আসবে। এরপর ২য় ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনও সমুদ্রে প্রস্তুত আছে। এছাড়া ৯ম ডিভিশন, ২য় আরমর্ড, ৩য় আরমর্ড আর বাকি সবাই তো আছেই। হয়তো ১৬তম রেজিমেন্ট সফল হবে না, কিন্তু কেউ না কেউ ঠিকই সফল হবে।"
* ৯,৩৮৮ জন তরুণ আমেরিকান এই সুন্দর ভূমিতে সাদা ক্রস আর স্টার অব ডেভিডের নিচে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন। তাদের প্রত্যেককে একেকটি ফরাসি পরিবার নিজেদের আপনজন হিসেবে গ্রহণ করেছে। তারা ফ্রান্সের সব প্রান্ত থেকে এখানে আসেন আমাদের ছেলেদের দেখাশোনা করতে। তারা হাঁটু গেড়ে বসেন, কাঁদেন, প্রার্থনা করেন এবং ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। তারা কখনও ভুলবেন না। আজ আমেরিকা ফরাসি জনগণকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছে আমাদের প্রিয় শহীদদের সম্মান জানানোর জন্য। আপনাদের অনেক অনেক ধন্যবাদ।
* আমাদের সকল বন্ধু ও অংশীদারদের প্রতি বলতে চাই: আমাদের এই প্রিয় মৈত্রী যুদ্ধের উত্তাপে গড়ে উঠেছে, যুদ্ধের অগ্নিপরীক্ষায় পরীক্ষিত হয়েছে এবং শান্তির আশীর্বাদে প্রমাণিত হয়েছে। আমাদের এই বন্ধন অবিচ্ছেদ্য।
* সারা বিশ্ব থেকে আমেরিকানরা এই জায়গার প্রতি এক টান অনুভব করে, যেন এটি আমাদের আত্মারই একটি অংশ। আমরা এখানে কেবল তারা কী করেছিলেন তার জন্য আসি না, বরং তারা কেমন মানুষ ছিলেন সেই বীরত্বের টানেই ফিরে আসি। তারা ছিলেন তরুণ, যাদের সামনে গোটা জীবন পড়ে ছিল। তারা ছিলেন স্বামী, যারা নিজেদের তরুণী স্ত্রীদের বিদায় জানিয়ে কর্তব্যকেই নিয়তি হিসেবে মেনে নিয়েছিলেন। তারা ছিলেন বাবা, যারা তাদের সন্তানদের মুখ দেখার সুযোগ পাননি কারণ তাদের একটি কাজ সম্পন্ন করার ছিল। আর ঈশ্বরকে সাক্ষী রেখে তারা সেই কাজ পূরণ করতে যাচ্ছিলেন। তারা ঢেউয়ের পর ঢেউয়ের মতো এগিয়ে গিয়েছিলেন—কোনো প্রশ্ন বা দ্বিধা ছাড়াই।
* আমেরিকান অস্ত্রের শক্তির চেয়েও বেশি শক্তিশালী ছিল আমেরিকানদের হৃদয়ের তেজ। এই মানুষগুলো এক অদম্য শক্তির জোরে নরকের আগুনের মধ্য দিয়ে ছুটে গিয়েছিলেন যা কোনো অস্ত্র ধ্বংস করতে পারত না আর তা হলো এক মুক্ত ও গর্বিত জাতির প্রগাঢ় দেশপ্রেম। তারা নিয়ন্ত্রণ বা আধিপত্য বিস্তারের জন্য লড়েননি, লড়েছিলেন স্বাধীনতা, গণতন্ত্র আর স্বশাসনের জন্য। তারা লড়াই করেছিলেন ঘর আর দেশের প্রতি ভালোবাসা, সেই চেনা রাস্তা, স্কুল মাঠ, গির্জা আর প্রতিবেশী সেই পরিবার আর সমাজের জন্য যারা আমাদের এমন মহৎ মানুষ উপহার দিয়েছে। তারা বিশ্বাস করতেন যে আমেরিকা সবকিছু করতে পারে কারণ আমরা এক মহান জাতি। এই অসাধারণ শক্তি এসেছিল এক অসাধারণ চেতনা থেকে। সাহসের উৎস ছিল অগাধ বিশ্বাস। একটি সেনাবাহিনীর মহৎ কর্মগুলো এসেছিল তাদের ভালোবাসার গভীরতা থেকে। নিজেদের ভাগ্যের মুখোমুখি হয়ে আমেরিকান আর মিত্রবাহিনী নিজেদের ঈশ্বরের হাতে সঁপে দিয়েছিলেন।
* আমার পেছনে থাকা মানুষগুলো আপনাদের বলবেন যে তারা কেবল ভাগ্যবান ছিলেন। তাদের মধ্যে একজন যেমনটা বলেছিলেন, "আসল বীররা তো এখানে মাটির নিচে শুয়ে আছেন।" কিন্তু আমরা জানি এই মানুষগুলো কী করেছিলেন। তারা কতটা সাহসী ছিলেন তা আমাদের অজানা নয়। তারা এখানে এসে স্বাধীনতা রক্ষা করেছিলেন এবং বাড়ি ফিরে গিয়ে আমাদের সবাইকে দেখিয়েছিলেন স্বাধীনতা মানে আসলে কী। বিজয়ী আমেরিকানরা শান্তিকালেও সমান উজ্জ্বল ছিলেন। তারা পরিবার গড়েছেন, শিল্পায়ন করেছেন এবং এমন এক জাতীয় সংস্কৃতি গড়ে তুলেছেন যা গোটা বিশ্বকে অনুপ্রাণিত করেছে। পরবর্তী দশকগুলোতে আমেরিকা সাম্যবাদকে পরাজিত করেছে, নাগরিক অধিকার সুরক্ষিত করেছে, বিজ্ঞানে বিপ্লব ঘটিয়েছে, চাঁদে মানুষ পাঠিয়েছে এবং প্রতিনিয়ত নতুন নতুন দিগন্তের দিকে এগিয়ে গেছে। আর আজ আমেরিকা আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।
* সাত দশক আগে, ডি-ডের যোদ্ধারা এক অশুভ শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন যারা হাজার বছরের এক সাম্রাজ্যের স্বপ্ন দেখত। সেই অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে তারা এমন এক উত্তরাধিকার রেখে গেছেন যা চিরকাল টিকে থাকবে যতদিন মানুষের মনে দায়িত্ব আর সম্মানের বোধ থাকবে; যতদিন মানুষের হৃদয়ে স্বাধীনতা অম্লান থাকবে। আমার পেছনে বসে থাকা এই মানুষগুলো এবং সামনে এই ময়দানে শুয়ে থাকা ছেলেদের উদ্দেশ্যে বলছি, আপনাদের এই দৃষ্টান্ত কখনও পুরনো হবে না। আপনাদের বীরত্বগাথা অমর হয়ে থাকবে। আপনাদের সাহসী ও অটল চেতনা কখনও মরবে না। তারা যে রক্ত ঝরিয়েছেন আর যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তা কেবল একটি যুদ্ধে জয় এনে দেয়নি বরং তা আমাদের সভ্যতার টিকে থাকা নিশ্চিত করেছে। তারা আমাদের পথ দেখিয়ে গেছেন কীভাবে আমাদের জীবনযাত্রাকে ভালোবাসতে হয় এবং রক্ষা করতে হয়। আজ এই পবিত্র ভূমিতে দাঁড়িয়ে আমরা শপথ করছি যে আমাদের জাতিগুলো চিরকাল শক্তিশালী আর ঐক্যবদ্ধ থাকবে। আমাদের মানুষেরা সাহসী হবে, আমাদের হৃদয় অনুগত থাকবে আর আমাদের পরবর্তী প্রজন্মগুলো চিরকাল মুক্ত থাকবে। ঈশ্বর আমাদের মহান প্রবীণ যোদ্ধাদের মঙ্গল করুন, ঈশ্বর আমাদের মিত্রদের মঙ্গল করুন, ঈশ্বর ডি-ডের বীরদের মঙ্গল করুন এবং ঈশ্বর আমেরিকার মঙ্গল করুন। আপনাদের অনেক ধন্যবাদ। ধন্যবাদ।
====জুলাই ২০১৯====
* "আমি বলেছিলাম, জানেন তো, আপনি আমাকে পছন্দ করেন না আর আমিও আপনাকে পছন্দ করি না। আমি আপনাকে কখনও পছন্দ করিনি আর আপনিও আমাকে পছন্দ করেননি, কিন্তু আপনি আমাকেই সমর্থন করবেন কারণ আপনি একজন ধনী মানুষ। আর আপনি যদি আমাকে সমর্থন না করেন, তবে আপনি এতটাই দরিদ্র হয়ে যাবেন যে আপনি নিজেই সেটা বিশ্বাস করতে পারবেন না।"
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] একজন নামহীন ব্যবসায়ীর কথা উল্লেখ করছিলেন, যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৭-১৭ |শিরোনাম=বিশ্লেষণ: ডোনাল্ড ট্রাম্পের নর্থ ক্যারোলাইনা জনসভার ৫১টি সবচেয়ে আপত্তিকর উক্তি |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=WLOS.com |ইউআরএল=https://wlos.com/news/local/analysis-the-51-most-outrageous-lines-from-donald-trumps-nc-rally}}
* সবাই আমাকে মিস্টার প্রেসিডেন্ট বলে ডাকে। এটা সত্যি। এটা একটা মজার ব্যাপার।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৭-১৭ |শিরোনাম=বিশ্লেষণ: ডোনাল্ড ট্রাম্পের নর্থ ক্যারোলাইনা জনসভার ৫১টি সবচেয়ে আপত্তিকর উক্তি |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=WLOS.com |ইউআরএল=https://wlos.com/news/local/analysis-the-51-most-outrageous-lines-from-donald-trumps-nc-rally}}
* তাছাড়া, আমার কাছে অনুচ্ছেদ ২ আছে, যেখানে রাষ্ট্রপতি হিসেবে আমার যা খুশি তাই করার অধিকার আছে [...] কিন্তু আমি এমনকি সেটা নিয়ে কথাও বলি না।
** ওয়াশিংটন ডিসিতে টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ টিন স্টুডেন্ট অ্যাকশন সামিটে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের ভাষণ (২৩ জুলাই ২০১৯), যা [https://www.washingtonpost.com/politics/2019/07/23/trump-falsely-tells-auditorium-full-teens-constitution-gives-him-right-do-whatever-i-want/ "মুলার তদন্ত নিয়ে আক্ষেপ করার সময়, ট্রাম্প ভুলভাবে বলেছেন যে সংবিধান তাকে 'যা খুশি করার অধিকার' দিয়েছে"] উদ্ধৃত হয়েছে, ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'' (২৩ জুলাই ২০১৯)
* বরিস জনসন, ভালো মানুষ, তিনি কঠোর কিন্তু বুদ্ধিমান। তারা তাকে ব্রিটেনের ট্রাম্প বলে ডাকে.. সেখানে তারা আমাকে পছন্দ করে।
** [https://www.youtube.com/watch?v=S0wO89TT9vI জনসন সম্পর্কে ট্রাম্প: 'তারা তাকে ব্রিটেনের ট্রাম্প বলে ডাকে' - বিবিসি নিউজ] ২৪ জুলাই ২০১৯
* এই লোকগুলো [ডেমোক্র্যাটরা] সব ভাঁড়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, যা ২৬ জুলাই হোয়াইট হাউস থেকে [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-signing-safe-third-country-agreement-guatemala/ দেওয়া বক্তব্যে (ভিডিও)] উদ্ধৃত হয়েছে।
* আমি এই পুরো বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে কম বর্ণবাদী মানুষ।
** [https://www.theguardian.com/us-news/video/2019/jul/30/trump-claims-least-racist-person-in-the-world দ্য গার্ডিয়ান অনুযায়ী] উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি (৩০ জুলাই ২০১৯)
====আগস্ট ২০১৯====
* আমার মনে হয় আমার কথাবার্তা - মানুষকে একত্র করে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৮-০৭ |শিরোনাম=সমালোচকদের তীব্র নিন্দা জানানোর পাশাপাশি ট্রাম্প বলেছেন যে তার কথাগুলো ‘মানুষকে একত্র করে’ |লেখক=স্টিভ বেনেন |সাময়িকী=এমএসএনবিসি |ইউআরএল=http://www.msnbc.com/rachel-maddow-show/while-slamming-critics-trump-says-his-words-bring-people-together}}
* আমি মনে করি যে কোনো ইহুদি ব্যক্তি যিনি ডেমোক্র্যাটদের ভোট দেন -- তা হয় জ্ঞানের চরম অভাব অথবা বড় কোনো অবিশ্বস্ততা প্রকাশ করে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৮-২১ |শিরোনাম=ইহুদিরা ডেমোক্র্যাটদের ভোট দিলে তারা অবিশ্বস্ত — ট্রাম্পের এমন উক্তিতে ইহুদি নেতারা ক্ষুব্ধ |লেখক=মেগান ভাজকুয়েজ, জিম অ্যাকোস্টা |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2019/08/20/politics/donald-trump-jewish-americans-democrat-disloyalty/index.html?no-st=9999999999}}
* আমিই সেই মনোনীত ব্যক্তি। কাউকে তো এটা করতেই হতো, তাই আমি চীনের মোকাবিলা করছি... আর আপনারা তো জানেনই যে আমরা জিতছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৮-২১ |শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্প: 'আমিই সেই মনোনীত ব্যক্তি' |লেখক=টোলা এমবাকওয়ে |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://premierchristian.news/en/news/article/donald-trump-i-am-the-chosen-one}}
====সেপ্টেম্বর ২০১৯====
* আমার প্রিয় স্বৈরশাসক কোথায়?
** মিশরের রাষ্ট্রপতি [[আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি]]কে খোঁজার সময় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই উক্তি করেন, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৯-১৩ |শিরোনাম=সম্মেলনে মিশরীয় প্রতিপক্ষের অপেক্ষায় থাকা ট্রাম্প 'আমার প্রিয় স্বৈরশাসক' বলে সম্বোধন করেছেন | লেখক=ন্যান্সি এ. ইউসেফ, ভিভিয়ান সালামা এবং মাইকেল সি. বেন্ডার | ইউআরএল=https://www.wsj.com/articles/trump-awaiting-egyptian-counterpart-at-summit-called-out-for-my-favorite-dictator-11568403645?tesla=y&mod=e2twp}}
* আমাকে সবসময় কমলা রঙের দেখায়। আর আপনাদেরও তাই দেখায়। এই আলোটা সবচেয়ে খারাপ।
** শক্তি-সাশ্রয়ী লাইট বাল্ব নিয়ে অভিযোগ করার সময় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই উক্তি করেন, যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৯-২৪ |শিরোনাম=ট্রাম্প কেন শক্তি-সাশ্রয়ী লাইট বাল্ব পছন্দ করেন না সে প্রসঙ্গে: “আমাকে সবসময় কমলা রঙের দেখায়” |লেখক=এলিয়ট হ্যানন |ইউআরএল=https://slate.com/news-and-politics/2019/09/trump-on-why-he-doesnt-like-energy-efficient-light-bulbs-i-always-look-orange.html}}
* সত্যটা একদম পরিষ্কার — আপনি যদি স্বাধীনতা চান, তবে নিজের দেশ নিয়ে গর্ব করুন; যদি [[গণতন্ত্র]] চান, তবে নিজের সার্বভৌমত্ব আঁকড়ে ধরুন; আর যদি শান্তি চান, তবে নিজের জাতিকে ভালোবাসুন। বিজ্ঞ নেতারা সবসময় তাদের নিজেদের লোক এবং নিজেদের দেশের স্বার্থকে সবার আগে স্থান দেন। ভবিষ্যৎ গ্লোবালিস্টদের নয়। ভবিষ্যৎ দেশপ্রেমিকদের। ভবিষ্যৎ সেই সার্বভৌম ও স্বাধীন দেশগুলোর যারা তাদের নাগরিকদের রক্ষা করে, প্রতিবেশীদের শ্রদ্ধা করে এবং প্রতিটি দেশ যে কারণে অনন্য, সেই পার্থক্যগুলোকে সম্মান জানায়।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের ভাষণ, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৯-১৩ |শিরোনাম=ট্রাম্পের জাতিসংঘ ভাষণে বিশ্বায়নের সমালোচনা: ভবিষ্যৎ হলো জাতীয়তাবাদের |লেখক=টিম পিয়ার্স |সাময়িকী=ওয়াশিংটন এক্সামিনার |ইউআরএল=https://www.washingtonexaminer.com/news/trump-un-speech-knocks-globalism-the-future-belongs-to-nationalism}}
====অক্টোবর ২০১৯====
=====আবু বকর আল-বাগদাদীর মৃত্যু নিয়ে বক্তব্য=====
[[File:President Trump Watches as U.S. Special Operations Forces Close in on ISIS Leader (48967991042).jpg|thumb|গত রাতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসবাদী নেতাকে ন্যায়ের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে। আবু বকর আল-বাগদাদী মৃত। তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে নির্মম ও সহিংস সন্ত্রাসী সংগঠন ইসলামিক স্টেটের প্রতিষ্ঠাতা ও নেতা।]]
:<small>[https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/statement-president-death-abu-bakr-al-baghdadi/ Whitehouse.gov-এ সরকারি বিবৃতি (২৭ অক্টোবর ২০১৯)] · [https://www.nytimes.com/2019/10/27/us/trump-transcript-isis-al-baghdadi.html দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-এ দেওয়া বক্তব্যের প্রতিলিপি (২৭ অক্টোবর ২০১৯)] · [https://www.youtube.com/watch?v=Q6YvsrGILrw "আবু বকর আল-বাগদাদীর মৃত্যু নিয়ে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের পূর্ণাঙ্গ ঘোষণা", দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট ইউটিউব চ্যানেল (২৭ অক্টোবর ২০১৯)]</small>
* গত রাতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসবাদী নেতাকে ন্যায়ের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে। আবু বকর আল-বাগদাদী মৃত। তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে নির্মম ও সহিংস সন্ত্রাসী সংগঠন ইসলামিক স্টেটের প্রতিষ্ঠাতা ও নেতা। বহু বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাগদাদীকে খুঁজছিল। তাকে ধরা বা খতম করা আমার প্রশাসনের জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ছিল। মার্কিন স্পেশাল অপারেশন বাহিনী এই অভিযান সম্পন্ন করতে উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ায় একটি বিপজ্জনক এবং দুঃসাহসী নৈশ অভিযান চালায়।
* নিরপরাধ মানুষকে যারা অত্যাচার ও হত্যা করে, সেইসব সন্ত্রাসীদের কখনোই শান্তিতে ঘুমানো উচিত নয়; কারণ তারা জানে যে আমরা তাদের পুরোপুরি ধ্বংস করে দেব। এই বন্য দানবগুলো তাদের ভাগ্য থেকে রেহাই পাবে না—আর তারা ঈশ্বরের চূড়ান্ত বিচার থেকেও বাঁচতে পারবে না।
* এই অভিযানটি ছিল নিখুঁত এবং এটি কেবল নির্দিষ্ট কিছু দেশ ও মানুষের স্বীকৃতি ও সহায়তায় সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। <br /> আমি রাশিয়া, তুরস্ক, সিরিয়া এবং ইরাককে ধন্যবাদ জানাতে চাই। সেই সাথে সিরীয় কুর্দিদেরও ধন্যবাদ জানাই আমাদের কিছু বিশেষ সহায়তা প্রদানের জন্য। চমৎকার সব গোয়েন্দা কর্মকর্তাদেরও ধন্যবাদ জানাই যারা এই সফল অভিযানটি সম্ভব করতে সাহায্য করেছেন।
* গত রাত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশ্বের জন্য একটি মহান রাত ছিল। একজন নৃশংস খুনি, যে অগণিত মানুষের কষ্ট ও মৃত্যুর কারণ হয়েছিল, তাকে কঠোরভাবে নির্মূল করা হয়েছে—সে আর কখনোই কোনো নিরপরাধ পুরুষ, নারী বা শিশুর ক্ষতি করতে পারবে না। সে একটি কুকুরের মতো মারা গেছে। সে একজন কাপুরুষের মতো মারা গেছে। পৃথিবী এখন অনেক বেশি নিরাপদ।
* আমি বলতে চাই না কীভাবে, তবে এটি ছিল একদম নিখুঁত ঠিক যেন আপনি কোনো সিনেমা দেখছেন। সেখানে ব্যবহৃত প্রযুক্তি এককথায় সত্যিই অসাধারণ।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://edition.cnn.com/2019/10/27/politics/donald-trump-baghdadi-death-isis/index.html ২৭ অক্টোবর ২০১৯]
====নভেম্বর ২০১৯====
* আমি কিছুই চাই না, আমি কিছুই চাই না, আমি কোনো কুইড প্রো কো চাই না। জেলেনস্কিকে বলুন সঠিক কাজটি করতে। এটিই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে শেষ কথা।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], রাষ্ট্রদূত গর্ডন সন্ডল্যান্ডের সাক্ষ্য প্রদানের পর [https://www.vox.com/2019/11/20/20974383/trump-big-sharpie-notes-on-impeachment-testimony ২০ নভেম্বর হোয়াইট হাউসের লনে একটি নোটপ্যাডে লেখা মন্তব্য]।
====ডিসেম্বর ২০১৯====
* এমন এক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেখানে আমরা বেসিন, ঝরনা এবং বাথরুমের অন্যান্য জিনিসগুলো নিয়ে খুব গুরুত্ব দিয়ে ভাবছি।<br>আপনি কলের মুখ খুলছেন কিন্তু কোনো জল পাচ্ছেন না...<br>লোকে ১০ বার, ১৫ বার করে টয়লেট ফ্লাশ করছে। তাদের কাছে এত জল আছে যে তা ওপর থেকে নিচে পড়ছে। একেই বলে বৃষ্টি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, {{উদ্ধৃতি |লেখক=ম্যাথিউ ক্যান্টর |শিরোনাম=ট্রাম্প বলেছেন যে মানুষ '১০ বার টয়লেট ফ্লাশ করে' এবং তিনি এর সমাধান খুঁজছেন |সাময়িকী=দ্য গার্ডিয়ান |তারিখ=২০১৯-১২-০৬ |ইউআরএল=https://www.theguardian.com/us-news/2019/dec/06/trump-says-people-flush-the-toilet-10-times-and-seeks-solution}}
* খুবই হাস্যকর। গ্রেটাকে অবশ্যই তার রাগ নিয়ন্ত্রণের সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে, তারপর কোনো বন্ধুর সাথে সেকেলে ধরনের ভালো কোনো সিনেমা দেখতে যাওয়া উচিত! শান্ত হও গ্রেটা, শান্ত হও!
** ২০১৯ সালে টাইম ম্যাগাজিনের 'পারসন অফ দ্য ইয়ার' নির্বাচিত হওয়ার পর সুইডিশ স্কুলছাত্রী এবং জলবায়ু কর্মী গ্রেটা থুনবার্গ সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেছিলেন, {{উদ্ধৃতি | লেখক=রয়টার্স কর্মী | শিরোনাম=রাগ নিয়ন্ত্রণের খোঁচা দেওয়ার পর ট্রাম্পকে পাল্টা জবাব দিলেন জলবায়ু কর্মী থুনবার্গ | সাময়িকী=রয়টার্স | তারিখ=২০১৯-১২-০৬ | ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/us-usa-election-thunberg-idUSKBN27M0TN}}
* আমি বাতাস কখনও বুঝিনি। আমি উইন্ডমিল সম্পর্কে অনেক জানি, আমি অন্য যে কারও চেয়ে এটি ভালোভাবে পড়েছি। আমি জানি এটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এগুলো বেশিরভাগই চীন আর জার্মানিতে তৈরি হয়, এখানে খুব কম তৈরি হয়, নেই বললেই চলে, কিন্তু এগুলো যখন তৈরি করা হয় তখন—আপনি যদি এর মধ্যে থাকেন তবে বুঝবেন—বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে ধোঁয়া আর গ্যাস নির্গত হয়। আপনারা জানেন তো আমাদের একটা পৃথিবী আছে, তাই না? মহাবিশ্বের তুলনায় এই পৃথিবীটা অনেক ছোট। তাই প্রচুর পরিমাণে ধোঁয়া আর সবকিছু সেখানে মেশে। আপনারা কার্বন ফুটপ্রিন্টের কথা বলেন, ধোঁয়া বাতাসে ছড়াচ্ছে, একদম ছড়াচ্ছে, সেটা চীন বা জার্মানি যেখানেই হোক, তা বাতাসে মিশছে।<br>আপনারা ওই [বায়ুকলগুলো] দেখছেন। ওগুলো সব আলাদা আলাদা রঙের। ওগুলো সাদা ধরনের, কিন্তু কোনোটি আবার কমলা-সাদা। কমলা আমার প্রিয় রঙ।
** টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ সম্মেলনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |লেখক=কনর ম্যানিয়ন |শিরোনাম=রক্ষণশীল গোষ্ঠীর সামনে ভাষণে উইন্ডমিলের সমালোচনা করলেন ট্রাম্প: ‘আমি বাতাস কখনও বুঝিনি’ |সাময়িকী=মিডিয়াআইট |তারিখ=২০১৯-১২-২২ |ইউআরএল=https://www.mediaite.com/trump/trump-attacks-windmills-in-speech-to-conservative-group-i-never-understood-wind/}}
===২০২০===
* সবাই জানে যে ডোনাল্ড ট্রাম্প হার মেনে নিতে পারেন না, আর রয় কোহনের কর্তৃত্ববাদী নির্দেশনার শেষ উপদেশটি ছিল, "যদি তুমি হেরে যাও, তবে বলো যে তুমি জিতেছ।" তাই নভেম্বরে ট্রাম্প যদি হেরে যান, তবে তিনি সম্ভবত দাবি করবেন যে নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে এবং তিনি সেটা বাতিলের চেষ্টা করবেন। কিন্তু ডেমোক্র্যাট এবং ডেমোক্র্যাট-ঘেঁষা স্বতন্ত্র ভোটারদের বিশাল উপস্থিতি তাকে বিদায় করে ২০ জানুয়ারি ২০২১-এ হোয়াইট হাউসের দক্ষিণ বারান্দায় মালপত্র সরানোর ভ্যান নিয়ে আসতে পারে। কোভিড-১৯ অতিমারী এবং জর্জ ফ্লয়েড ট্র্যাজেডিগুলো মোকাবিলায় ট্রাম্পের শোচনীয় ব্যর্থতা কিছু অনিশ্চিত ভোটারকে ডেমোক্র্যাট শিবিরে নিয়ে এসেছে, এমনকি জুনের শুরু পর্যন্ত ট্রাম্পের নিজের সমর্থকদের একাংশও এই সংকটে তার দুর্বল প্রতিক্রিয়া দেখে বিচলিত হয়ে পড়েছেন। তরুণ ভোটাররা এই বিষয়টি নিশ্চিতভাবে ঠিক করে দিতে পারেন, কারণ তারা যুক্তরাষ্ট্রে সবথেকে কম কুসংস্কারাচ্ছন্ন গোষ্ঠী এবং তারা বিভিন্ন কারণে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোর বিরোধী। ঐতিহাসিকভাবে ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সীরা ভোট কম দিলেও জর্জ ফ্লয়েডের হত্যার পর কুসংস্কারের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে তারাই সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল। ডেমোক্র্যাটরা যদি তরুণদের মধ্যে ভালো নিবন্ধন অভিযান চালাতে পারে এবং বাইডেন সমর্থকরা যদি রিপাবলিকানদের দেওয়া ভোট দমনের সব বাধা অতিক্রম করতে পারে, আর যদি বার্নি স্যান্ডার্সের সমর্থকরা ট্রাম্প জিতলে কিছুই না পাওয়ার চেয়ে ভবিষ্যতে বাকিটা পাওয়ার আশায় বর্তমানে অর্ধেক দাবিতেই সন্তুষ্ট থাকে, তবে ডেমোক্র্যাটরা নভেম্বরে হোয়াইট হাউস এবং কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই জয়লাভ করতে পারে। <br>ধরা যাক তেমনটাই হলো। নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলো, কিন্তু এমনকি ইলেক্টোরাল কলেজে ডেমোক্র্যাটরা জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যা পেল। তা সত্ত্বেও ট্রাম্প দাবি করলেন যে সেখানে বিশাল জালিয়াতি হয়েছে এবং এই নির্বাচনের কোনো গুরুত্ব নেই। তিনি বারবার যেমনটা বলেন, সেভাবেই বললেন যে "এটি একটি ধোঁকাবাজি"। তিনি বললেন, "একে ন্যায্য হতে হবে!" আর তার সমর্থকরা ট্রাম্পের সমর্থনে চিৎকার করতে করতে রাস্তায় নেমে এলো। ট্রাম্প হেরে গিয়েও ক্ষমতা ছাড়তে অস্বীকার করলে কারোরই অবাক হওয়া উচিত নয়। মাইকেল কোহেন, যিনি দীর্ঘ বছর ট্রাম্পের ব্যক্তিগত আইনজীবী হিসেবে কাজ করেছেন এবং তাকে অন্য অনেকের চেয়ে ভালো চেনেন, তিনি ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯-এ শপথ নিয়ে বলেছিলেন, "মিস্টার ট্রাম্পের সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে আমি ভয় পাচ্ছি যে তিনি যদি ২০২০ সালের নির্বাচনে হেরে যান, তবে কখনোই সেখানে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর হবে না।" ট্রাম্পের উচ্চপদস্থ কর্মী, যিনি ''নিউ ইয়র্ক টাইমসের'' সম্পাদকীয় এবং ''এ ওয়ার্নিং'' বইয়ের জন্য 'অ্যানোনিমাস' নামে পরিচিত, তিনি বলেছেন যে ট্রাম্প "চুপচাপ বা সহজে বিদায় নেবেন না," যা একটি সম্ভাব্য "গৃহযুদ্ধের" ইঙ্গিত দেয়। স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি ২০১৯ সালের মে মাসে ''নিউ ইয়র্ক টাইমস''-কে বলেছিলেন যে ২০২০ সালে ট্রাম্পের পরাজয় মেনে না নেওয়ার বিষয়টি তাকে চিন্তিত করে, তিনি আরও বলেন, "আমাদের এর বিরুদ্ধে প্রস্তুতি নিতে হবে।"
** জন ডিন এবং বব আলটেমেয়ার, ''অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ার'' (২০২০)। ব্রুকলিন: মেলভিল হাউস, পৃষ্ঠা ২৭৬-২৭৭
* ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি ২০২১ সালে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা ছাড়েনও, তার সমর্থক গোষ্ঠী অটুট থাকবে এবং তারা তার পূর্বসূরির মতো তার উত্তরসূরিকেও বাধা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকবে। অথবা যদি ট্রাম্পের প্রভাব অনিবর্য়ভাবে কমে যায়, তবে সেই সমর্থক গোষ্ঠী অন্য যে কেউ নিজেদের দখলে নিতে পারবে তার জন্যই কাজ করবে। ট্রাম্পের চেয়ে বুদ্ধিমান কেউ যদি ফক্স নিউজ এবং ডানপন্থী সংবাদমাধ্যমের সমর্থন পায়, তবে ভবিষ্যতে সে আরও বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। আপনারা নিশ্চিত থাকতে পারেন যে বিভিন্ন উচ্চাকাঙ্ক্ষী ব্যক্তিরা ইতিমধ্যেই পরবর্তী ত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার কথা ভাবতে শুরু করেছেন। আপনারা এটাও নিশ্চিত থাকতে পারেন যে "রাজা নির্মাতা" বা ক্ষমতাশালীরাও এখন এই ক্ষেত্রটি নিয়ে পড়াশোনা করছেন, যার মধ্যে ধর্মীয় রক্ষণশীল নেতাদেরও অন্তর্ভুক্ত করা যায় যারা হয়ত বুঝতে পারছেন যে তাদের বিশ্বাসীদের ওপর ট্রাম্পের নিয়ন্ত্রণ কিছুটা শিথিল হচ্ছে।
** জন ডিন এবং বব আলটেমেয়ার, ''অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ার'' (২০২০)। ব্রুকলিন: মেলভিল হাউস, পৃষ্ঠা ২৭৯
* একজন চতুর ক্ষমতা দখলকারী হওয়ার যোগ্যতা ডোনাল্ড জন ট্রাম্পের নেই বললেই চলে। যদি মনে হয় আমরা তার প্রতি কঠোর হয়েছি, তবে যারা তার সাথে চলেন তাদের কথা শুনুন। মানুষ হিসেবে তিনি একটি করুণ দৃষ্টান্ত। তার চিন্তাচেতনা অনেক দিন ধরেই বাস্তববিমুখ। তিনি নিজের জীবনই ঠিক করতে অক্ষম, যা অহংকারের ক্ষত আর অজ্ঞতা ও আত্মপ্রবঞ্চনার গর্তে ভরা, তাই তিনি যে ক্ষতি করেছেন তা মেরামত করা তার পক্ষে অসম্ভব। যদি তিনি সম্রাট হন, তবে আমরা গর্ব করে বলতে পারব যে কোনো নির্বোধ রাজা তৈরি করতে আমাদের প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে অন্তঃপ্রজনন করতে হয়নি। আমরা একজনকে দিয়েই শুরু করেছি। আরও দুঃখের বিষয় হলো, দেশের একটি সংখ্যালঘু অংশ হয়ত ট্রাম্পকে একনায়ক বানাতে পারবে না। বেশিরভাগ আমেরিকান তাকে ভোট দেবে না; তারা কেবল ভোটই দেয়নি। সংক্ষেপে বলতে গেলে, আমাদের পূর্বপুরুষরা যার জন্য লড়াই করেছেন এবং যা জয় করেছেন ও রক্ষা করেছেন, তা আমরা হারাতে পারি কারণ আমাদের বেশিরভাগ মানুষ ২০২০ সালে তা রক্ষার জন্য ভোট দিতেও যাবে না।
** জন ডিন এবং বব আলটেমেয়ার, ''অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ার'' (২০২০)। ব্রুকলিন: মেলভিল হাউস, পৃষ্ঠা ২৮২
* হোয়াইট হাউসে আসার পর ভিতরে সবকিছু কীভাবে চলে তা সুশৃঙ্খলভাবে বোঝার সুযোগ পেতে আমার প্রায় এক মাস সময় লেগেছিল। অনেকভাবেই বিশৃঙ্খলা তৈরি হতো, যা প্রায়ই নির্দিষ্ট নীতিগত বিষয়ের মাধ্যমে প্রকাশ পেত... ২০১৮ সালের শেষ মাস এবং ২০১৯ সালের শুরুর দিকে, ট্রাম্পের ক্ষমতায় থাকার দ্বিতীয় বছর যখন শেষ হচ্ছিল-আমার আসার প্রায় আট থেকে নয় মাস পরে বেশ কিছু বিচ্ছিন্ন বিষয় এবং ব্যক্তি প্রশাসনকে আরও অজানা পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিতে শুরু করে। উদাহরণস্বরূপ, ২০১৮ সালের জুনের শুরুতে জন এফ. কেলি ট্রাম্পের সময়সূচীর জন্য একটি নতুন কৌশল ব্যবহার করেন। তিনি প্রতিদিন সকাল ১১টায় ওভাল অফিসে "চিফ অফ স্টাফ" সময় দিয়ে দিন শুরু করতেন, এই আশায় যে সপ্তাহে দুবার গোয়েন্দা ব্রিফিংয়ের সময় ট্রাম্প যে এলোমেলো দীর্ঘ বক্তব্য দেন তা কমানো যাবে। অবশ্যই বেশিরভাগ মানুষ যা দেখে অবাক হতেন তা হলো, ট্রাম্পের "অফিসিয়াল" দিন শুরু হতো প্রায় দুপুরের খাবারের সময় থেকে। ট্রাম্প সকালে অলসভাবে বসে থাকতেন না। বরং তিনি বাসভবনে ফোনে কথা বলে অনেক সময় কাটাতেন। তিনি সব ধরনের মানুষের সাথে কথা বলতেন, কখনও সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে (আমি ওভাল অফিসে আসার আগে প্রায় প্রতিদিন তার সাথে ফোনে কথা বলতাম কারণ অনেক বিষয়ে তাকে জানানো বা তার নির্দেশ নেওয়ার প্রয়োজন হতো), কিন্তু তিনি সরকারের বাইরের মানুষের সাথেও দীর্ঘ সময় কথা বলতেন। যেকোনো সংজ্ঞায় এটি সমসাময়িক রাষ্ট্রপতিদের মধ্যে একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা ছিল।
** জন বোল্টন, ''দ্য রুম হোয়্যার ইট হ্যাপেন্ড: এ হোয়াইট হাউস মেমোয়ার'' (২০২০), পৃষ্ঠা ২২৩
* আসলে ট্রাম্প সাধারণত সপ্তাহে মাত্র দুবার গোয়েন্দা ব্রিফিং নিতেন এবং সেগুলোর বেশিরভাগই ব্রিফিং দেওয়া কর্মকর্তাদের চেয়ে তিনিই বেশি কথা বলতেন, যা প্রায়ই সেই বিষয়ের সাথে সম্পূর্ণ সম্পর্কহীন হতো। ট্রাম্পের সময়সূচী সামলানো ছিল সবথেকে সহজ কাজ। তার প্রতিহিংসাপরায়ণতা সামলানো ছিল সবথেকে কঠিন, যা জন ম্যাককেইনের প্রতি তার ক্রমাগত ক্ষোভের মধ্য দিয়ে ফুটে উঠত এমনকি ম্যাককেইন মারা যাওয়ার পরও যখন তিনি ট্রাম্পের কোনো ক্ষতি করতে পারতেন না। তার প্রতিহিংসার আরেকটি উদাহরণ ছিল ১৫ আগস্ট সিআইএ-এর প্রাক্তন পরিচালক জন ব্রেনানের সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত। এখন ব্রেনানও খুব একটা ভালো ছিলেন না এবং তার সময়ে সিআইএ আগের চেয়ে অনেক বেশি রাজনৈতিক হয়ে পড়েছিল। তিনি যেকোনো অন্যায়ের কথা অস্বীকার করেছিলেন, কিন্তু ট্রাম্প নিশ্চিত ছিলেন যে ব্রেনান তার ২০১৬ সালের নির্বাচনী অভিযানে নজরদারি করার জন্য ফিসা প্রক্রিয়ার অপব্যবহারের সাথে জড়িত ছিলেন। ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর ব্রেনান মিডিয়াতে তার নিয়মিত সমালোচনা করার ফলে বিষয়টি আরও জটিল হয়ে উঠেছিল।
** জন বোল্টন, ''দ্য রুম হোয়্যার ইট হ্যাপেন্ড: এ হোয়াইট হাউস মেমোয়ার'' (২০২০), পৃষ্ঠা ২২৪
* রাষ্ট্রপতির ইতিহাসে হয়ত ট্রাম্পই একমাত্র ব্যক্তি যিনি অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় উপস্থিত হওয়া নিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছিলেন। শুরুটা হয়েছিল ২০১৮ সালের এপ্রিলে বারবারা বুশের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সময়, যেখানে ট্রাম্প উপস্থিত হননি (যদিও চারজন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এবং ফার্স্ট লেডি সেখানে উপস্থিত ছিলেন)। এরপর আগস্টের শেষে ছিল জন ম্যাককেইনের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া। কেলি ২৭ আগস্ট হোয়াইট হাউসের কর্মীদের সাথে সাপ্তাহিক বৈঠক শুরু করে বলেছিলেন, "আমি আজ খুব খারাপ অবস্থায় আছি," কারণ ট্রাম্পের সাথে সরকারি পতাকা অর্ধনমিত রাখা এবং কারা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তা নিয়ে তার ক্রমাগত মতপার্থক্য চলছিল। ম্যাককেইনের পরিবারও অনুষ্ঠানে ট্রাম্পকে চায়নি, তাই অনুভূতিটা ছিল পারস্পরিক। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হলো যে ক্যাপিটল রোটুন্ডা অনুষ্ঠান এবং ওয়াশিংটন ন্যাশনাল ক্যাথেড্রালের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া উভয় অনুষ্ঠানেই পেন্স প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেতৃত্ব দেবেন। অনুষ্ঠানে প্রচুর মানুষ উপস্থিত হয়েছিলেন এবং সেখানে সেই সামাজিক মেলামেশাও ছিল যা সাধারণত বিদায় বেলায় ঘটে থাকে। আমি যাদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছি তাদের মধ্যে ছিলেন জর্জ ডব্লিউ বুশ এবং লরা বুশ। বুশ হাসি মুখে জিজ্ঞেস করলেন, "বোল্টন, এখনো চাকরিটা আছে তো?" "আপাতত আছে," আমি উত্তর দিলাম এবং আমরা সবাই হাসলাম। যখন জর্জ এইচ.ডব্লিউ. বুশ পরবর্তীতে আর্জেন্টিনা জি২০ চলাকালীন মারা গেলেন, ট্রাম্প জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করলেন, একটি যথাযথ রাষ্ট্রপতির বিবৃতি দিলেন এবং বৈঠকের সময় জর্জ ডব্লিউ. এবং জেব বুশ উভয়ের সাথেই আন্তরিকভাবে কথা বললেন। তিনি এবং ফার্স্ট লেডি ৫ ডিসেম্বর কোনো ঝামেলা ছাড়াই ন্যাশনাল ক্যাথেড্রালের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। আসলে এটা করা খুব একটা কঠিন ছিল না।
** জন বোল্টন, ''দ্য রুম হোয়্যার ইট হ্যাপেন্ড: এ হোয়াইট হাউস মেমোয়ার'' (২০২০), পৃষ্ঠা ২২৬
* আমার দাদামশাই ট্রাম্প পরিবারে বিভাজনের যে পরিবেশ তৈরি করেছিলেন, ডোনাল্ড সবসময় সেই পরিবেশেই বেড়ে উঠেছেন এবং বিভাজন তাকে অন্যদের বিনিময়ে সুবিধা দিয়ে চলেছে। এটি আমাদের দয়ালু হওয়ার বা ক্ষমাশীলতায় বিশ্বাস করার ক্ষমতাকে দুর্বল করে দিচ্ছে, যে ধারণাগুলোর কোনো মানেই তার কাছে কোনোদিন ছিল না। তার প্রশাসন এবং তার দল এখন তার অভিযোগ আর অধিকারের রাজনীতির নিচে চাপা পড়ে গেছে। আরও খারাপ বিষয় হলো ডোনাল্ড, যিনি ইতিহাস, সাংবিধানিক নীতি, কূটনীতি (বা আসলে অন্য কিছু নিয়েই) কিছুই বোঝেন না এবং যাকে কখনও এই ধরনের জ্ঞান প্রদর্শনের জন্য চাপ দেওয়া হয়নি, তিনি দেশের সব জোট এবং আমাদের সামাজিক কর্মসূচিগুলোকে কেবল টাকার চশমা দিয়ে মূল্যায়ন করেছেন, ঠিক যেমনটা তার বাবা তাকে শিখিয়েছিলেন। শাসনের ব্যয় এবং সুবিধাকে কেবল আর্থিক দিক থেকে বিবেচনা করা হয়, যেন মার্কিন ট্রেজারি তার ব্যক্তিগত মাটির ব্যাংক। তার কাছে প্রতিটি ডলার খরচ হওয়া মানে তার নিজের ক্ষতি, আর প্রতিটি ডলার বাঁচানো মানে তার নিজের লাভ।
** মেরি এল. ট্রাম্প, ''টু মাচ অ্যান্ড নেভার এনাফ: হাউ মাই ফ্যামিলি ক্রিয়েটেড দ্য ওয়ার্ল্ড'স মোস্ট ডেঞ্জারাস ম্যান'' (২০২০), পৃষ্ঠা ১৫-১৬
* যদিও আমার ফুফু এবং চাচারা অন্য কিছু ভাববেন, আমি এই বইটি অর্থ উপার্জন বা প্রতিশোধ নেওয়ার উদ্দেশ্যে লিখছি না। যদি সেগুলোর কোনো একটিও আমার উদ্দেশ্য হতো, তবে আমি অনেক বছর আগেই আমাদের পরিবার নিয়ে বই লিখতাম, যখন ডোনাল্ড তার বারবার দেউলিয়া হওয়া ব্যবসায়ী হিসেবে খ্যাতি এবং গুরুত্বহীন রিয়েলিটি শো হোস্টের পরিচয় ব্যবহার করে হোয়াইট হাউসে পৌঁছাবেন তা অনুমান করার কোনো উপায় ছিল না। তখন এটি অনেক নিরাপদও হতো কারণ আমার চাচা তখন তথ্য প্রকাশকারী বা সমালোচকদের ভয় দেখানো বা বিপদে ফেলার মতো অবস্থানে ছিলেন না। তবে গত তিন বছরের ঘটনাগুলো আমাকে বাধ্য করেছে এবং আমি আর চুপ করে থাকতে পারছি না। এই বইটি যখন প্রকাশিত হবে, ততদিনে ডোনাল্ডের অহংকার আর ইচ্ছাকৃত অজ্ঞতার বেদীতে লক্ষ লক্ষ আমেরিকান জীবন বলিদান দেওয়া হয়ে যাবে। তিনি যদি দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসেন, তবে সেটি হবে আমেরিকান গণতন্ত্রের শেষ।
** মেরি এল. ট্রাম্প, ''টু মাচ অ্যান্ড নেভার এনাফ: হাউ মাই ফ্যামিলি ক্রিয়েটেড দ্য ওয়ার্ল্ড'স মোস্ট ডেঞ্জারাস ম্যান'' (২০২০), পৃষ্ঠা ১৬-১৭
* যখন আপনি নিজেই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করেন এবং আপনাকে আপনার কথা বিস্তারিত ব্যাখ্যা করতে বা আপনি প্রকৃত তথ্য বুঝতে পারছেন কি না তা প্রমাণ করতে বাধ্য করা হয় না, তখন কথা বলা বা নিজেকে জ্ঞানী হিসেবে তুলে ধরা খুব সহজ। এটি সংবাদমাধ্যমের জন্য একটি অভিযোগ (অন্য অনেকের মধ্যে) যে নির্বাচনী প্রচারণার সময় এগুলোর কিছুই বদলায়নি, যখন ডোনাল্ডের মিথ্যা এবং অদ্ভুত দাবিগুলো প্রকাশ করলে হয়ত আমাদের তার রাষ্ট্রপতিত্ব থেকে বাঁচানো যেত। হাতেগোনা যে কয়েকবার তাকে তার অবস্থান বা নীতি (যার আসলে কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তখনও তার কাছ থেকে কোনো যৌক্তিক কথা বা গভীর জ্ঞান প্রদর্শনের আশা করা হয়নি। নির্বাচনের পর থেকে তিনি এই ধরনের প্রশ্নগুলো পুরোপুরি এড়িয়ে যাওয়ার উপায় বের করে নিয়েছেন; হোয়াইট হাউসের প্রেস ব্রিফিং এবং আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনের বদলে এখন এসেছে "চপার টক" বা হেলিকপ্টারের শব্দের মধ্যে কথা বলা, যেখানে তিনি অভিনয় করতে পারেন যে হেলিকপ্টারের শব্দের জন্য তিনি কোনো অপ্রীতিকর প্রশ্ন শুনতে পাচ্ছেন না। ২০২০ সালে তার অতিমারী বিষয়ক "প্রেস ব্রিফিং" দ্রুতই আত্মতুষ্টি, জনমোহিনী বক্তৃতা আর চাটুকারিতায় ভরা ছোটখাটো নির্বাচনী জনসভায় পরিণত হয়েছিল। সেখানে তিনি সেই অমার্জনীয় ব্যর্থতাগুলোকে অস্বীকার করেছেন যা ইতিমধ্যেই হাজার হাজার মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে, উন্নতির কথা নিয়ে মিথ্যা বলেছেন এবং সেইসব মানুষকে বলির পাঁঠা বানিয়েছেন যারা পর্যাপ্ত সুরক্ষা ও সরঞ্জাম ছাড়াই নিজেদের জীবন ঝুঁকি নিয়ে আমাদের বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। এমনকি যখন লক্ষ লক্ষ আমেরিকান অসুস্থ হয়ে মারা যাচ্ছে, তখনও তিনি একে জয় হিসেবে এবং তার অসাধারণ নেতৃত্বের প্রমাণ হিসেবে প্রচার করছেন। আর যদি কেউ মনে করে যে তিনি গম্ভীর বা গম্ভীর হতে সক্ষম, তবে তিনি মডেলদের সাথে শোয়া নিয়ে জোকস করবেন অথবা তার ফেসবুক অনুসারীর সংখ্যা নিয়ে মিথ্যা বলবেন। তবুও সংবাদ মাধ্যমগুলো তার থেকে সরে আসতে রাজি নয়। যে কয়েকজন সাংবাদিক তাকে চ্যালেঞ্জ করেন বা যারা ডোনাল্ডকে কেবল একটি আতঙ্কিত জাতির জন্য সান্ত্বনার বাণী বলতে অনুরোধ করেন, তাদের "নচ্ছাড়" বলে উপহাস ও অবজ্ঞা করা হয়। ডোনাল্ডের প্রথম দিকের সেই ধ্বংসাত্মক আচরণ যা ফ্রেড উৎসাহিত করেছিলেন, সেখান থেকে শুরু করে মিডিয়ার তাকে চ্যালেঞ্জ করতে অনিচ্ছা এবং ২০ জানুয়ারি ২০১৭ থেকে তিনি প্রতিদিন যে দুর্নীতি করছেন তার প্রতি রিপাবলিকান পার্টির চোখ বুজে থাকা সবকিছুই এই এককালের মহান জাতির অর্থনীতি, গণতন্ত্র এবং স্বাস্থ্যের আসন্ন পতনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
** মেরি এল. ট্রাম্প, ''টু মাচ অ্যান্ড নেভার এনাফ: হাউ মাই ফ্যামিলি ক্রিয়েটেড দ্য ওয়ার্ল্ড'স মোস্ট ডেঞ্জারাস ম্যান'' (২০২০), পৃষ্ঠা ২০৩
* সাত ঘণ্টা পর ট্রাম্প গত তিন মাসের মধ্যে তার প্রথম করোনাভাইরাস টাস্ক ফোর্স সংবাদ সম্মেলনে একটি দীর্ঘ বক্তব্য দেন। তিনি হোয়াইট হাউসে একাই কথা বলেন। সেখানে মাইক পেন্স, ফাউসি বা বার্কস কেউ ছিলেন না। তিনি তার বলার ধরণও পরিবর্তন করেন। ভাইরাসের পরিস্থিতি নিয়ে সবকিছু খুব একটা ভালো ছিল না। "এটি সম্ভবত দুর্ভাগ্যের বিষয় যে ভালো হওয়ার আগে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে," ট্রাম্প একটি অস্বাভাবিক বাস্তববাদী কথা বলেন। "এমন কিছু যা আমি কোনো বিষয় সম্পর্কে বলতে পছন্দ করি না, কিন্তু পরিস্থিতি এমনই।" এর আগে ট্রাম্প মাস্ক পরতে অনিচ্ছুক ছিলেন। "একটি মাস্ক নিন," তিনি বলেন। "আপনি মাস্ক পছন্দ করেন বা না করেন, এর একটি প্রভাব আছে। এর একটা ফল পাওয়া যাবে এবং আমাদের যা যা পাওয়া সম্ভব তার সবই প্রয়োজন।" তার মন্তব্যগুলো ছিল একটি পরোক্ষ স্বীকারোক্তি যে তার আগের পদ্ধতিগুলো কাজ করেনি এবং আসলে ভাইরাসের পরিস্থিতি অনেক বেশি খারাপ ছিল। দিনটি ছিল ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতিত্বের একটি ক্ষুদ্র রূপ, যা কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে "আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে" থেকে "ভালো হওয়ার আগে আরও খারাপ হবে", এই দুই মেরুতে ঘুরেছে। এটি ছিল একদম সাম্প্রতিক উদাহরণ এবং এই বইটি প্রেসে যাওয়ার আগের শেষ ঘটনা যে ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতিত্ব ছিল দ্বিধাগ্রস্ততায় ভরা, একটি অনিশ্চিত পথে চলা, যা কখনও লড়াই আবার কখনও সমঝোতা এবং একটি বক্তব্য বা পদক্ষেপ থেকে ঠিক তার বিপরীত দিকে যাওয়ার মধ্য দিয়ে চলেছে।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৮৪-৩৮৫
* রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প সম্পর্কে এই বইয়ের প্রতিবেদন শেষ করার পর আমি ক্লান্তি অনুভব করলাম। দেশটি তখন সত্যিকারের বিশৃঙ্খলার মধ্যে ছিল। ভাইরাসটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল। অর্থনীতি সংকটে ছিল এবং ৪ কোটিরও বেশি মানুষ কর্মহীন ছিল। বর্ণবাদ এবং বৈষম্য নিয়ে একটি শক্তিশালী হিসাব-নিকাশের সময় আমাদের সামনে ছিল। এর কোনো শেষ দেখা যাচ্ছিল না এবং সেখান থেকে বের হওয়ার কোনো পরিষ্কার পথও ছিল না। আমি ৭ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্পের সাথে সেই কথোপকথনের কথা ভাবলাম যখন তিনি "প্রতিটি দরজার পিছনে ডিনামাইট" বা সেই অপ্রত্যাশিত বিস্ফোরণের কথা উল্লেখ করেছিলেন যা সবকিছু বদলে দিতে পারে। তিনি সম্ভবত কোনো বাইরের ঘটনার কথা ভাবছিলেন যা ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতিত্বকে প্রভাবিত করবে। কিন্তু এখন আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে, "দরজার পিছনের ডিনামাইট" সবার সামনেই ছিল। সেটি ছিলেন ট্রাম্প নিজেই। সেই বিশাল ব্যক্তিত্ব। সুসংগঠিত হতে ব্যর্থতা। শৃঙ্খলার অভাব। তার বেছে নেওয়া মানুষ বা বিশেষজ্ঞদের ওপর বিশ্বাসের অভাব। অনেক আমেরিকান প্রতিষ্ঠানকে অবমূল্যায়ন করার চেষ্টা। একটি শান্ত ও নিরাময়কারী কণ্ঠস্বর হতে ব্যর্থতা। ভুল স্বীকার করতে অনিচ্ছা। নিজের কাজ নিজে করতে ব্যর্থতা। শান্তির প্রস্তাব দিতে ব্যর্থতা। অন্যদের কথা মন দিয়ে শোনা। একটি পরিকল্পনা তৈরি করা। ম্যাটিস, টিলারসন এবং কোটস এরা সবাই রক্ষণশীল বা অরাজনৈতিক মানুষ ছিলেন যারা তাকে এবং দেশকে সাহায্য করতে চেয়েছিলেন। তারা নিখুঁত মানুষ ছিলেন না, কিন্তু জনসেবার আহ্বানে সাড়া দিয়েছিলেন। তারা কোনো ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠী বা ডিপ স্টেট ছিলেন না। তবুও তাদের প্রত্যেকেই তাদের নেতার কাছ থেকে নিষ্ঠুর কথা শুনে বিদায় নিয়েছেন। তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন যে ট্রাম্প তাদের দেশের জন্য এক অস্থির হুমকি। একটু ভেবে দেখুন: শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা নেতারা মনে করতেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি দেশের জন্য একটি বিপদ।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৮৬-৩৮৭
* ২৮ জানুয়ারি ২০২০-এ যখন ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং তার উপ-প্রধান ট্রাম্পকে সতর্ক করেছিলেন যে এই ভাইরাসটি তার রাষ্ট্রপতিত্বের জন্য সবথেকে বড় জাতীয় নিরাপত্তা হুমকি হবে—হতে পারে এমন নয়, বরং হবে তখন নেতৃত্বের ঘড়িটি নতুন করে সেট করতে হয়েছিল। এটি ছিল একটি বিস্তারিত পূর্বাভাস, যা তথ্য এবং অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে করা হয়েছিল এবং দুর্ভাগ্যবশত যা সঠিক প্রমাণিত হয়েছিল। রাষ্ট্রপতিরা হলেন নির্বাহী বিভাগ। সেখানে সতর্ক করার একটি দায়িত্ব ছিল। শোনা, পরিকল্পনা করা এবং যত্ন নেওয়ার দায়িত্ব। দীর্ঘ সময় ধরে ট্রাম্প গড়িমসি করেছেন এবং অন্যরা যেমনটা বলেছিলেন, তিনিও বলেছিলেন যে ভাইরাসটি চিন্তার কারণ কিন্তু এখনই নয়। দুই নৌকায় পা দেওয়ার ভালো কারণ ছিল, কিন্তু সেখানে আরও সুসংগত এবং সাহসীভাবে কথা বলা উচিত ছিল। নেতৃত্ব দেওয়া মানেই প্রায় সবসময় ঝুঁকি নেওয়া। ভাইরাসটি, যাকে ট্রাম্প "মহামারী" বলেন, তা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশ্বকে এমন এক অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খলার মধ্যে ফেলেছে যা কেবল মন্দা নয়, বরং মহামন্দা হতে পারে। এটি একটি প্রকৃত আর্থিক সংকট, যা কোটি কোটি মানুষকে কর্মহীন করে দিয়েছে। ট্রাম্পের সমাধান হলো অতিমারী-পূর্ব সময়ে তিনি যে অর্থনৈতিক অলৌকিকতা সৃষ্টি করেছেন বলে বিশ্বাস করেন, তা আবার তৈরি করার চেষ্টা করা। ডেমোক্র্যাট, রিপাবলিকান এবং ট্রাম্প পুনরুদ্ধারের জন্য অন্তত ২.২ ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করতে রাজি হয়েছিলেন, যা ক্রমবর্ধমান ঘাটতির কারণে ভবিষ্যতে নিজস্ব সমস্যা তৈরি করবে। মানুষের প্রাণের ক্ষয়ক্ষতি ছিল অকল্পনীয়, জুলাইয়ের মধ্যে ভাইরাসে ১,৩০,০০০-এর বেশি আমেরিকান মারা গেছে এবং এর কোনো প্রকৃত শেষ দেখা যাচ্ছে না।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৮৯
* আমেরিকান রাজনীতির গভীরভাবে গেঁথে থাকা ঘৃণা ট্রাম্পের বছরগুলোতে আরও বিকশিত হয়েছিল। তিনি সেগুলোকে উস্কে দিয়েছিলেন এবং দেশটিকে এক করার জন্য সুসংহত কোনো প্রচেষ্টা করেননি। ডেমোক্র্যাটরাও তা করেনি। ট্রাম্প মনে করতেন ডেমোক্র্যাটরা তার সাথে খুব অন্যায় করেছে, আবার ডেমোক্র্যাটরাও মনে করত ট্রাম্প তাদের সাথে অন্যায় করেছেন। তাদের মধ্যে দেয়ালগুলো কেবল আরও উঁচুই হয়েছে। ট্রাম্পের সাথে আমার ১৭টি সাক্ষাৎকার নেওয়া একটি চ্যালেঞ্জ ছিল। তিনি তার ওপর লেখা আমার প্রথম বই ''ফিয়ার''-কে অসত্য, একটি "প্রতারণা" এবং "ঠাট্টা" বলে অভিহিত করেছিলেন এবং আমাকে "ডেমোক্র্যাটদের লোক" বলেছিলেন। তার ঘনিষ্ঠ কয়েক জন তাকে বলেছিলেন যে বইটি সত্য ছিল এবং লিন্ডসে গ্রাহাম তাকে বলেছিলেন যে আমি তার মুখে কোনো কথা বসিয়ে দেব না এবং যতটা সম্ভব নির্ভুলভাবে প্রতিবেদন করব। ট্রাম্প কোনো এক কারণে আমার সাথে সহযোগিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যা আমার কাছে পরিষ্কার নয়। তার মনে হয়েছিল তিনি একজন নির্ভরযোগ্য উৎস হয়ে উঠবেন। তিনি কখনও নির্ভরযোগ্য ছিলেন, কখনও পুরোপুরি অনির্ভরযোগ্য এবং প্রায়ই মিশ্র... কিন্তু সাক্ষাৎকারগুলো দেখায় যে তার "আমি একাই এটি ঠিক করতে পারি" এমন কথাবার্তা সত্ত্বেও তিনি অনেক সময় দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন, সত্য গোপন করেছেন এবং দেশের নেতার ভূমিকা এড়িয়ে গেছেন। আমেরিকা এবং বিশ্ব যেমনটা জানে, ট্রাম্প একজন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। তিনি জাঁকজমক পছন্দ করেন। সংকটের সময় রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত বিষয়ের চেয়ে কার্যকারিতা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কোটি কোটি মানুষের কাছে আমেরিকার আশার গল্প একটি দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৮৯-৩৯০
* প্রায় ৫০ বছর ধরে আমি নিক্সন থেকে ট্রাম্প পর্যন্ত ৯ জন রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে লিখেছি যা ৪৫ জন মার্কিন রাষ্ট্রপতির ২০ শতাংশ। একজন রাষ্ট্রপতিকে অবশ্যই জনগণের সাথে খারাপ সংবাদের পাশাপাশি ভালো সংবাদ ভাগ করে নিতে ইচ্ছুক হতে হবে। সকল রাষ্ট্রপতির তথ্য দেওয়া, সতর্ক করা, রক্ষা করা এবং লক্ষ্য ও প্রকৃত জাতীয় স্বার্থকে সংজ্ঞায়িত করার একটি বড় বাধ্যবাধকতা থাকে। ট্রাম্প এর বদলে ব্যক্তিগত আবেগকে তার শাসনের মূলনীতি বানিয়ে ফেলেছেন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার কর্মদক্ষতা সামগ্রিকভাবে বিবেচনা করলে আমি কেবল একটি সিদ্ধান্তেই পৌঁছাতে পারি: ট্রাম্প এই কাজের জন্য ভুল মানুষ।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৯১-৩৯২
====জানুয়ারি ২০২০====
=====ডোনাল্ড ট্রাম্পের চার্লসটন, সাউথ ক্যারোলাইনা জনসভা (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০)=====
:<small>সাউথ ক্যারোলাইনার চার্লসটন জনসভায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]-এর ভাষণ (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০), ''রেভ''-এ [https://www.rev.com/blog/transcripts/donald-trump-charleston-south-carolina-rally-transcript-february-28-2020 অনলাইনে থাকা প্রতিলিপি] থেকে সংগৃহীত।</small>
* ধন্যবাদ। ধন্যবাদ। আপনাদের অনেক ধন্যবাদ। আমি শুধু এটাই বলতে পারি যে, এই ভুয়া খবরের মাধ্যমগুলো আসলে কিছুই বোঝে না, তাই না? তারা এটা বুঝতেই পারে না। [অস্পষ্ট ০০:০২:৫৪] তারা একদমই বোঝে না। হ্যালো চার্লসটন! আমি সাউথ ক্যারোলাইনার মতো এই চমৎকার অঙ্গরাজ্যে হাজার হাজার পরিশ্রমী আমেরিকান দেশপ্রেমিকদের মাঝে ফিরে আসতে পেরে রোমাঞ্চিত, যারা বিশ্বাস, পরিবার, ঈশ্বর এবং নিজের দেশে আস্থা রাখেন। ধন্যবাদ। এখানে এক বিশাল ভিড় জমেছে, যা কেবল বাইরের সেই মানুষের সংখ্যার চেয়ে কম যারা ভেতরে ঢোকার সুযোগ পাননি। আপনারা যারা এখানে দাঁড়িয়ে আছেন বা বসে আছেন, তাদের মধ্যে কেউ যদি নিজের জায়গা ছেড়ে দিতে চান, তবে হাত তুলুন। ঠিক আছে। তাহলে চলুন শুরু করি, তাই তো? সবাইকে অনেক ধন্যবাদ। এটা দারুণ। না, তারা এটা বোঝে না। এই রাস্তার কিছুটা দূরেই আগামীকাল যারা নির্বাচনে লড়তে যাচ্ছেন তাদের একজনের একটা সভা চলছে। তারা ১০০ জন লোক জড়ো করার চেষ্টা করছে, কিন্তু তারা পারবে না। তাই আমার মনে হয় তারা একটা গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করবে। তারা আসলে সেটাই করে। তাই মানুষ যখন কোনো জনসভায় যেতে চায়, শেষ পর্যন্ত তারা গোলটেবিলে বসে অভিশংসন নিয়ে নিজেদের ব্যাখ্যা দেয়। পাগলামি।
* না, এটা পাগলামি। স্রেফ পাগলামি! এটা একটা অদ্ভুত ব্যাপার। না, এই ভুয়া খবরের সংবাদমাধ্যমগুলো বছরের পর বছর ধরে এটা বোঝার চেষ্টা করছে। কিন্তু তারা এখনো বুঝতে পারেনি। তারা বুঝতে পারছে না। ওই ক্যামেরাগুলোর দিকে তাকিয়ে দেখুন। ওই সব ক্যামেরা দেখুন। কত কত ক্যামেরা! লিন্ডসে এবং টিম, অনেক ক্যামেরা... তারা শুনেছে যে আপনারা এখানে আছেন। তারা শুনেছে টিম আর লিন্ডসে এখানে আছেন এবং... তারা বলেছিল, "আমরা ওই জনসভায় যাব না," কিন্তু যখন তারা শুনল যে আমাদের এই চমৎকার কংগ্রেস সদস্যদের সাথে ওই দুজনও এখানে আছেন... তবে আমাদের জাতির জন্য এটি একটি অবিশ্বাস্য সময়। আমরা যাকে ‘আমেরিকার মহিমান্বিত প্রত্যাবর্তন’ বলছি, আমরা এখন তার ঠিক মাঝখানে আছি। কর্মসংস্থান বাড়ছে, আয় বাড়ছে, কারখানাগুলো ফিরে আসছে, দারিদ্র্য কমছে, আত্মবিশ্বাস বাড়ছে এবং আমরা মার্কিন সামরিক বাহিনীর দুর্দান্ত ক্ষমতাকে সম্পূর্ণ নতুনভাবে গড়ে তুলেছি। আমাদের দেশ আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।
* আমরা আরও শক্তিশালী, আমরা আরও ভালো অবস্থানে আছি। কিন্তু যখন আমরা একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলছি, তখন ওয়াশিংটনের কট্টর বামপন্থী ডেমোক্র্যাটরা সবকিছু পুড়িয়ে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। তারা গত তিন বছর ধরে এমনকি আমি আরও আগে থেকে বলতে পারি, নির্বাচনের পর থেকে তিন বছর হয়েছে, তবে আমরা নির্বাচনের আগের কথাই ধরি তারা আপনাদের ভোট মুছে ফেলার এবং আমাদের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। কিন্তু আপনাদের সাহায্যে আমরা অতি-বামপন্থীদের দুর্নীতি ফাঁস করেছি এবং তাদের অশুভ পরিকল্পনা নস্যাৎ করেছি। দেখা যাক সামনের মাসগুলোতে কী হয়। চলুন দেখি। স্রেফ অপেক্ষা করে দেখি। খুবই অসৎ লোক তারা। এখন ডেমোক্র্যাটরা করোনাভাইরাসকে রাজনৈতিক রূপ দিচ্ছে, আপনারা সেটা জানেন তো? করোনাভাইরাস, তারা এটাকে রাজনীতিতে টেনে আনছে। আমরা চমৎকারভাবে কাজ করেছি। আপনারা যখন জিজ্ঞেস করেন, "রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প কেমন কাজ করছেন?" তখন তারা বলে, "ওহ, ভালো না, ভালো না।" তাদের কোনো ধারণা নেই। তাদের বিন্দুমাত্র ধারণা নেই। তারা এমনকি আইওয়াতে তাদের ভোটও ঠিকমতো গুনতে পারে না। তারা গুনতেও জানে না। না, তারা পারে না। তারা নিজেদের ভোট গুনতে পারে না।
* আমার এক লোক আমার কাছে এসে বলল, "মিস্টার প্রেসিডেন্ট, তারা আপনাকে রাশিয়া, রাশিয়া, রাশিয়া বলে হারানোর চেষ্টা করেছিল।" সেটা খুব একটা কাজে আসেনি। তারা সেটা করতে পারেনি। তারা অভিশংসনের ধোঁকাবাজি করার চেষ্টা করেছে। সেটা ছিল একদম নিখুঁত একটি ফোনালাপ নিয়ে। তারা যেকোনো কিছু করার চেষ্টা করেছে। বারবার চেষ্টা করেছে। আপনি আসার পর থেকেই তারা এটা করছে। সবকিছু বদলে যাচ্ছে। তারা হেরে গেছে। সবকিছু এখন পাল্টে যাচ্ছে। ভেবে দেখুন। চিন্তা করে দেখুন। '''আর এটাই হলো তাদের নতুন ধোঁকাবাজি।''' কিন্তু আমরা এমন কিছু করেছি যা বেশ আশ্চর্যজনক। এই বিশাল দেশে আমাদের মাত্র ১৫ জন আক্রান্ত ছিল এবং কারণটা হলো আমরা শুরুতেই ব্যবস্থা নিয়েছি। আমরা আগেভাগে ব্যবস্থা নিয়েছি বলেই সংখ্যাটা এর চেয়ে অনেক বেশি হয়নি। আমরা খুব ভালো করছি। আমাদের দেশ খুব ভালো চলছে। আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ। আমরা অনেক বেশি একতাবদ্ধ। রিপাবলিকান দল এখনকার মতো আগে কখনোই এতটা ঐক্যবদ্ধ ছিল না। আমাদের দেশে এখন যে গণজোয়ার চলছে, ইতিহাসে এমনটা আগে কখনোই দেখা যায়নি। কখনোই এমন আন্দোলন হয়নি। তাই একটি পরিসংখ্যান নিয়ে আমরা কথা বলতে চাই, বলুন। ইউএসএ বলুন। ঠিক আছে। ইউএসএ। তো এমন একটা সংখ্যা যা কেউ শোনেনি, কিন্তু আমি সম্প্রতি শুনেছি এবং শুনে অবাক হয়েছি যে, প্রতি বছর ফ্লু বা সাধারণ ইনফ্লুয়েঞ্জায় গড়ে ৩৫,০০০ মানুষ মারা যায়। কেউ কি সেটা জানতেন? ৩৫,০০০, এটা অনেক মানুষ। এটা ১,০০,০০০ পর্যন্ত হতে পারে, আবার ২৭,০০০ হতে পারে। তারা বলে সাধারণত কমপক্ষে ২৭,০০০ থেকে শুরু করে বছরে ১,০০,০০০ মানুষ মারা যায়। আর এখন পর্যন্ত আমরা যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসে কাউকে হারাইনি। একজনকেও না। তার মানে এই নয় যে আমরা হারাব না, আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত আছি। এর মানে এই নয় যে আমরা হারাব না, কিন্তু ভেবে দেখুন। আপনারা ৩৫ থেকে ৪০ হাজার মানুষের কথা শুনছেন আর আমরা কাউকে হারাইনি, অথচ দেখুন সংবাদমাধ্যমগুলো কীভাবে হিস্টিরিয়ায় ভুগছে। সিএনএনের ভুয়া খবর আর ওই ক্যামেরাটা এইমাত্র বন্ধ হয়ে গেল, ওই ক্যামেরাটা। ক্যামেরাটা এইমাত্র বন্ধ হলো। ওটা আবার চালু করুন। আচ্ছা, যাই হোক, শুনুন। এটা দেখুন, সত্যি বলতে সব অনুষ্ঠানই এমন হয়। এটা আমাদের নিয়ে। এটা পুরোপুরি আমাদের সম্পর্কে। আমি চাই তারা ক্যামেরা ঘুরিয়ে পুরো গ্যালারিটা দেখাক। তারা কখনোই তা করে না। কখনোই না। তারা কখনোই তা দেখায় না। তারা কখনোই পুরো গ্যালারি দেখায় না। আপনারা শব্দ শুনেই বুঝতে পারছেন কারণ যখন আপনি এই শব্দ শুনবেন, তা ২০০ মানুষের শব্দ নয়। তা ১০০ মানুষের শব্দ নয়। সেখানে হাজার হাজার মানুষ রয়েছে, এমনকি বাইরেও অনেক মানুষ আছে। আপনারা সেটা শুনতে পাচ্ছেন। তারা সবসময় আমার মুখ দেখায়। ওই মুখটা দেখতে পাচ্ছেন? তারা আমার মুখ দেখায়। আমি চাই তারা আমার মুখ না দেখিয়ে পুরো গ্যালারিটা দেখাক, তাই তো? [...] যখন চরম বামপন্থীরা এই জঘন্য ধোঁকাবাজি দিয়ে আমেরিকার সময় নষ্ট করছে, তখন আমরা সন্ত্রাসীদের খতম করছি, কর্মসংস্থান তৈরি করছি, মজুরি বাড়াচ্ছি, ন্যায্য বাণিজ্য চুক্তি করছি, আমাদের সীমান্ত সুরক্ষিত করছি এবং প্রতিটি জাতি, ধর্ম ও বর্ণের নাগরিকদের জীবন উন্নত করছি। আমরা শুধু গত মাসেই আরও ২,২৫,০০০ কর্মসংস্থান যোগ করেছি। আর নির্বাচনের পর থেকে এটি মোট ৭০ লক্ষ কর্মসংস্থান হয়েছে, ৭০ লক্ষ। সাউথ ক্যারোলাইনার মতো চমৎকার অঙ্গরাজ্যে বেকারত্বের হার। আপনারা কি সেই জায়গার নাম শুনেছেন?
* প্রায় সবাই। আপনারা কি এটা বিশ্বাস করতে পারেন? আমি নিশ্চিত আপনাদের স্বামীরা খুব রোমাঞ্চিত, তাই না? তারা দারুণ খুশি। আপনারা আজ রাতে কোথায় যাচ্ছেন? আমি ট্রাম্পের আরেকটি জনসভায় যাচ্ছি। চমৎকার। ১১৪ নম্বর সভা। আপনাদের স্বামীরা এ ব্যাপারে কী বলেন? এখানকার এই দলটি। তিনি বললেন, "আমরা পরোয়া করি না।" ধন্যবাদ। আপনাদের ধন্যবাদ। ডেমোক্র্যাটরা শুধু ভয়াবহ সব কথা বলবে, যদিও তারা জানে যে আমরা খুব ভালো কাজ করছি। আমাদের হাতে যা আছে তা দিয়েই আমরা চমৎকার কাজ করছি। এটি অবিশ্বাস্য। ডেমোক্র্যাটরা মন থেকে চায় আমরা যেন ব্যর্থ হই। এমনকি তাদের কাজ যদি আপনারা তাকিয়ে দেখুন এই দেশের মানুষের ক্ষতিও করে, তবুও তারা পিছু হটে না। তারা মানুষের ক্ষতি করবে, মানুষের সম্পদের ক্ষতি করবে, সবকিছুর ক্ষতি করবে। এমনকি তারা মিথ্যা বলছে জেনেও আমাদের দেশের ক্ষতি করতে তারা রাজি আছে শুধু খারাপ কথা বলার জন্য। আমরা [[মেক্সিকো]], [[কানাডা]], [[চীন]], দক্ষিণ কোরিয়া এবং [[জাপান]]ের সাথে অবিশ্বাস্য সব চুক্তি করেছি। আর আপনি যদি এই পেছনের লোকগুলোর সামনে একটা মাইক্রোফোন ধরেন যেমনটা আগে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস বা অস্কারে হতো, এখন আর হয় না। বছরের সেরা সিনেমা। এটি দক্ষিণ কোরিয়া-তে তৈরি। এটার মানে কী? আমি বছরের সেরা সিনেমা দেখার অপেক্ষায় আছি
* আর এটি তৈরি... তিনি বললেন, "এটি আবর্জনা।" কেবল সাউথ ক্যারোলাইনাতেই আপনি এটা বলতে পারেন। কেবল সাউথ ক্যারোলাইনায়। আপনারা আমাদের বিপদে ফেলে দেবেন। না, ভুয়া খবর প্রচারকারীদের জন্য তিনি যা বলেছেন আমি কেবল তারই পুনরাবৃত্তি করছি। না, কিন্তু গুরুত্বের সাথে বলছি যে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের রেটিং অনেক নিচে নেমে গেছে। আপনারা জানেন কেন? কারণ তারা আমাদের আক্রমণ করা শুরু করেছিল এবং আমরা এখন আর ওতে বিশ্বাস করি না। এই কারণেই। না, কিন্তু তারা বছরের সেরা সিনেমা হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ার তৈরি একটি চলচ্চিত্রকে বেছে নিয়েছে। তারা তো আমাদের জন্য যথেষ্ট জিনিসপত্র বানায়, তাই না? আর তারা ভালো। তারা আমাদের বন্ধু। আমাদের সুযোগ নেয়, ঠিক আছে। এখন আর অতটা নয়। আমরা সত্যিই, আপনারা যদি দেখেন, বিশ্বের সেরা পেশাদারদের নিয়ে চমৎকারভাবে সুসংগঠিত হয়েছি। আমরা সবথেকে খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত আছি। আপনাদের সবথেকে খারাপের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে, তবে আশা করি শেষ পর্যন্ত এটি খুব সামান্যই হবে। এই কারণেই আমি আপনাদের বলছি যখন ফ্লুতে ৩৫,০০০ মানুষ মারা যায় আর এই ভাইরাসটি সম্পর্কে আমাদের খুব খুব গুরুত্বের সাথে ভাবতে হবে। আমরা সেটাই করছি। আমরা সবথেকে খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।
* আমার প্রশাসন [[যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড-১৯ মহামারি|যুক্তরাষ্ট্রে এই রোগের বিস্তার]] রোধে আধুনিক ইতিহাসের সবথেকে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। আমরা প্রস্তুত। আমরা একদম প্রস্তুত। পুরোপুরি প্রস্তুত। গত ৩১ জানুয়ারি আমি আদেশ দিয়েছি যে যেসব বিদেশি নাগরিক সম্প্রতি চীনে ছিলেন তাদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ স্থগিত করা হবে। এই পদক্ষেপের ডেমোক্র্যাটরা তীব্র সমালোচনা ও প্রতিবাদ করেছিল আর এখন সবাই আমার প্রশংসা করে বলছে, "আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনি ১০০ শতাংশ সঠিক ছিলেন।" পরিস্থিতি একদম অন্যরকম হতে পারত। কিন্তু আমি বলছি, চলুন বিষয়টি ঠিকভাবে বুঝি। একটি ভাইরাস চীনে শুরু হলো, সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ল, আর যুক্তরাষ্ট্রে এটি তেমনভাবে ছড়িয়ে পড়ল না কারণ আমি এবং আমার প্রশাসন অনেক মতভেদের বিরুদ্ধে গিয়েও শুরুতেই কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। আর ডেমোক্র্যাটদের একমাত্র বলার বিষয় হলো আপনারা দেখছেন যে এটি ডোনাল্ড ট্রাম্পের দোষ, তাই না? এটি ডোনাল্ড ট্রাম্পের দোষ। না, এগুলো স্রেফ ঘটে যাওয়া কিছু বিষয়।
* কিন্তু আপনারা জানেন এটা কী প্রমাণ করে? বিপদ আসতেই পারে। দুই সপ্তাহ আগে কে এই কথা ভেবেছিল? চার সপ্তাহ আগে কে ভেবেছিল যে এমন কিছু চলতে পারে? আপনি ভাবেননি। কিন্তু জীবনে অনেক কিছু ঘটে আর আপনাদের প্রস্তুত থাকতে হবে, নমনীয় হতে হবে এবং এর মোকাবিলা করার ক্ষমতা থাকতে হবে। আর আমাদের কাছে বিশ্বের সেরা পেশাদাররা আছেন, বিশ্বের সেরা এবং আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত। একই সময়ে আমি ৫০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয়ভাবে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইন বা সঙ্গনিরোধ চালু করেছি। আমাদের কিছু মানুষকে আলাদা রাখতে হয়েছিল। তারা খুশি ছিলেন না, তারা এ নিয়ে মোটেও খুশি ছিলেন না। আমি আপনাদের বলতে চাই যে অনেক মানুষ আছে যারা খুব একটা খুশি ছিল না, কিন্তু দুই সপ্তাহ পর তারা খুশি হয়ে গেল। আপনারা জানেন কারা খুশি হয়েছিল? তাদের আশেপাশে যারা ছিল তারা খুশি হয়েছিল। তারাই শেষ পর্যন্ত খুশি হয়েছিল।
** দ্রষ্টব্য: ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের মেডিকেল অ্যান্ড বায়োডিফেন্স প্রিপেয়ার্ডনেস পলিসির প্রাক্তন পরিচালক লুসিয়ানা বোরিও ২০১৮ সালে আটলান্টার এমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সিম্পোজিয়ামে বলেছিলেন, যা ১৯১৮ সালের ইনফ্লুয়েঞ্জা অতিমারীর ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত হয়েছিল: "অতিমারী ফ্লুর ঝুঁকি স্বাস্থ্য নিরাপত্তার প্রধান উদ্বেগের বিষয়, আমরা কি এর মোকাবিলা করতে প্রস্তুত? আমি ভয় পাচ্ছি উত্তরটি হলো 'না'।" যা উদ্ধৃত হয়েছে factCheck.org তে রেম রিডারের লেখা [https://www.factcheck.org/2020/03/contrary-to-trumps-claim-a-pandemic-was-widely-expected-at-some-point/ ''ট্রাম্পের দাবির বিপরীতে, কোনো এক সময়ে অতিমারীর প্রত্যাশা ব্যাপকভাবে ছিল''] (২০ মার্চ ২০২০) শীর্ষক নিবন্ধে।
* আমি একটি হোয়াইট হাউস ভাইরাস টাস্ক ফোর্স গঠন করেছি। এটি অনেক বড় একটি বিষয়, একটি ভাইরাস টাস্ক ফোর্স। আমাদের প্রয়োজনীয় সংস্থান নিশ্চিত করতে আমি ২.৫ বিলিয়ন ডলারের অনুরোধ করেছিলাম। ডেমোক্র্যাটরা বলেছিল, "এটি ভয়াবহ। তিনি ভুল করছেন। তার ২.৫ বিলিয়ন নয় বরং ৮.৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন।" আমার সাথে আগে এমনটা কখনো ঘটেনি। আমি ২.৫ বিলিয়ন চাইলাম আর তারা আমাকে ৮.৫ বিলিয়ন দিতে চায়, তাই আমি বললাম, "আমি এটাই নেব।" এতে কি আমি খারাপ কিছু... আমি এটা নেব। আমি নেবই। আগে আমার সাথে এমনটা কখনো হয়নি। কখনোই না। আমরা চাই ২.৫ বিলিয়ন। ওটাই যথেষ্ট। আমরা দাবি করছি আপনি ৮.৫ বিলিয়ন নিন। তিনি জানেন না তিনি কী করছেন। আমরা ৮.৫ বিলিয়ন চাই। এই লোকগুলো পাগল। আমাদের বুঝতে হবে যে সীমান্ত নিরাপত্তা মানেই স্বাস্থ্য নিরাপত্তা। আর আপনারা সবাই দেখেছেন যে জাদুর মতো দেওয়াল উঠে গেছে। এটি জাদুর মতো তৈরি হয়েছে। আপনারা কি ভাবছেন এটি খুব সহজ ছিল? এটি একদমই সহজ ছিল না। এটি চমৎকারভাবে তৈরি হচ্ছে এবং আমরা এখন ১৩২ মাইল পর্যন্ত তৈরি করেছি এবং এটিই সেই আসল দেওয়াল যা সীমান্ত রক্ষা, জল, সবকিছুর জন্য প্রয়োজন।
* তো আমি জানি না এই অ্যারেনায় উপস্থিতির রেকর্ড কত, তবে আমাকে বলা হয়েছে যে আমরা সেটি অনেক বড় ব্যবধানে ভেঙেছি। আর বাইরেও অনেক মানুষ আছে। আমাদের কি তাদের বলে দেওয়ার অনুমতি আছে যে আমরা কাকে ভোট দিতে বলব? কারণ আপনারা তো অনেককে বাদ দিতে পারেন। ঠিক আছে, এক মিনিট দাঁড়ান, চলুন একটা জরিপ করা যাক। আমরা পেছনের ওই ভুয়া সংবাদমাধ্যমগুলোর জন্য এটি করছি। তৈরি? আমাদের জন্য সেরা প্রার্থী কে হবে? তাদের জন্য নয় কিন্তু। আমরা প্রস্তুত। তৈরি তো? তাহলে চলুন তাদের নামগুলো দ্রুত একবার দেখে নিই। আমরা স্টেয়ারকে এর মধ্যে রাখব না কারণ সে একজন পরাজিত ব্যক্তি। সে বাদ, ঠিক আছে? আমরা তাকে রাখব না। সেরা কে হবে? এটি একটি আসল জরিপ। এটি সেই সব ভুয়া জরিপগুলোর মতো নয় যা... সত্যি বলতে আমি তোমাকে ভালোবাসি, [[ফক্স নিউজ|ফক্স]], তবে ফক্সের নেওয়া সেই জরিপগুলো সবথেকে খারাপ। এই লোক... এই জরিপকারী ট্রাম্পকে মনেপ্রাণে ঘৃণা করে। গত নির্বাচনে আমি অনেক বড় ব্যবধানে হারছিলাম। তারা বলেছিল, "সে নারীদের কাছে খুব ভালো করেছে।" সবকিছু ভুল ছিল। আর তারা কখনো এই লোকটাকে বদলায়নি। কিন্তু এটা দেখুন। আপনারা তৈরি?
* গতকাল আমাদের একটি চমৎকার অনুষ্ঠান ছিল, অনুষ্ঠানটি ছিল খুব সুন্দর তরুণ আফ্রিকান আমেরিকান নেতারা সেখানে ছিলেন। আমি তাদের যে বিষয়গুলো জিজ্ঞেস করেছিলাম এবং আমি অনেক দিন ধরেই এটা নিয়ে ভাবছিলাম... এবং মহান সব মানুষ, দুর্দান্ত মানুষ। তাদের মধ্যে কয়েকজন আজ রাতে এখানে আছেন। আপনারা কি আফ্রিকান আমেরিকান নামটা পছন্দ করেন নাকি কৃষ্ণাঙ্গ? আর তারা সবাই একসাথে চিৎকার করে বলল, "কৃষ্ণাঙ্গ!" না, সত্যি। আমি আপনাদের বলছি। কারণ আপনি যখন জিজ্ঞেস করেন, "আফ্রিকান আমেরিকান নাকি কৃষ্ণাঙ্গ?" আর তারা প্রায় সাথে সাথেই বলল, "কৃষ্ণাঙ্গ।" আমাদের চমৎকার একদল মানুষ ছিল এবং যা ঘটেছিল তা হলো এনবিসি... এটি ছিল ভালোবাসার এক মিলনমেলা। এটি ছিল অবিশ্বাস্য। এটি ৪৫ মিনিট ধরে চলেছিল। এটি ভালোবাসার এক উৎসব ছিল। এটি অবিশ্বাস্য ছিল। এনবিসি প্রত্যাখ্যান করেছিল... তারা ঠিক ওখানেই আছে। তারা প্রত্যাখ্যান করেছিল... কমকাস্ট, যার মালিকানাধীন এনবিসি... আসলে এনবিসিকে আমার মনে হয় আমরা এমএসডিএনসি ডাকি, তাই না? এমএসডিএনসি। কিন্তু আমার মনে হয় এনবিসি সিএনএনের চেয়েও খারাপ। সত্যি বলছি। আর কমকাস্ট, এমন এক কোম্পানি যারা তাদের ইমেজের জন্য লক্ষ লক্ষ ডলার খরচ করে... আমি তাদের ইমেজ নষ্ট করার জন্য যা যা করা সম্ভব তার সবই করব কারণ তারা ভয়াবহ। তারা খুব বাজে লোক। তারা একদল জঘন্য মানুষ। আর তারা বহু বছর ধরে ''দ্য অ্যাপ্রেন্টিসের'' জন্য আমাকে প্রচুর অর্থ দিয়েছে। তারা আমাকে অঢেল টাকা দিয়েছে। আর আমি যখন শো-টি ছেড়েছিলাম, তখন এটি খুব ভালো চলছিল। যখন আমি শোটি ছাড়ি ১৪টি সিজন, ভেবে দেখুন তারা একজন বিখ্যাত চলচ্চিত্র তারকাকে নিয়ে আসে। আমি তার নাম বলব না। কেউ জানবে না। আসলে কেউই তার নাম জানবে না কারণ সে খুব অল্প সময়ের জন্য সেখানে ছিল। কিন্তু ট্রাম্পকে সরিয়ে দেওয়ার পর অনুষ্ঠানটি খুব দ্রুতই গোল্লায় গেল। কিন্তু এখন থেকে পাঁচ বছর পর দেশ অবশ্যই আপনারা তাদের খেপিয়ে দিতে চান পাঁচ বছর বা নয় বছর বা ১৩ বছর। অথবা ১৮ বছর! আরও ১০ বছর। নাহ। ওহ, আপনারা এটা বললে তারা পাগল হয়ে যায়। যখন আপনারা তাদের বলবেন আরও পাঁচ বছর, তার মানে এটা হলো পাঁচ, কিন্তু এরপর আপনি বলতে পারেন হয়ত নয়, হয়ত ১৩, হয়ত ১৭, হয়ত ২১, অথবা না, হয়ত ২১। চলুন এটাই করি। আমরা নিজেদের জন্য ২৫ বছরের একটি সময়সীমা ঠিক করি। ২৫ বছরের বেশি নয়। আর নয়। ঠিক আছে। তারা সেনেটে কোনো কিছু পাস করবে। টিম, লিন্ডসেকে নিয়ে সেনেটে এটি পাস করান, দয়া করে ২৫ বছরের একটি মেয়াদ নির্দিষ্ট করে দিন।
====ফেব্রুয়ারি ২০২০====
* শিশু দারিদ্র্য হ্রাসের কর্মসূচিগুলো এমনকি সেই বছরগুলোতেও সাহায্য করে যখন দরিদ্র বা প্রায়-দরিদ্র অভিভাবকদের আয় বাড়ে। এবং স্বাভাবিকভাবেই, দুঃসময়ে এই কর্মসূচিগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ কর্মসংস্থানের বাজার আজ ভালো চললেও কাল ধসে পড়তে পারে। ট্রাম্প প্রশাসন এই ধরনের কর্মসূচিগুলোর যোগ্যতার নিয়মাবলি নতুন করে লিখেছে যাতে সুবিধাপ্রাপ্ত মানুষের সংখ্যা কমানো যায়। এর পেছনের তথাকথিত লক্ষ্য হলো: সরকারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে খরচ কমানো। (ট্রাম্পের সঙ্গীরা বড় বড় কর্পোরেশন এবং অতি-ধনী ব্যক্তিদের জন্য যে ভর্তুকি আর কর ফাঁকির সুযোগ তৈরি করেছেন, সেগুলোর কথা না-ই বা বললাম, যার ফলে শত শত কোটি ডলার সরকারি খরচ এবং হারানো রাজস্ব যুক্ত হচ্ছে।)
** রাজন মেনন, ''[https://www.thenation.com/article/economy/child-poverty-trump/ ট্রাম্পের দারিদ্র্য-বিরোধী যুদ্ধে আমাদের শিশুরাও অন্তর্ভুক্ত]'' (৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০), ''দ্য নেশন''।
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচিত হওয়ার আগেও শিশুদের যত্ন বা চাইল্ডকেয়ারের জন্য সহায়তার যোগ্য পরিবারগুলোর মাত্র ছয় ভাগের এক ভাগ সহায়তা পেত এবং আবাসন ভর্তুকি পেত মাত্র পাঁচ ভাগের এক ভাগ। তা সত্ত্বেও তার প্রশাসন সেই সব কর্মসূচি বন্ধ করার প্রস্তুতি নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল, যেগুলো এই পরিবারগুলোকে আবাসন ও শিশুদের যত্নে সাহায্য করত। ভবিষ্যতে এই পরিবারগুলোর তার কাছে সাহায্যের আশা করে কোনো লাভ নেই। তিনি তাদের জন্য কোনো ট্রাম্প টাওয়ার বানাবেন না। "মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন" বলতে যাই বোঝানো হোক না কেন, আমেরিকার গরিব শিশুদের সাহায্য করা এর অন্তর্ভুক্ত নয়। ডোনাল্ড ট্রাম্প যতদিন তাদের জীবনের দৌড় নিয়ন্ত্রণ করবেন, তারা নিজেদের শুরুর লাইন থেকে আরও দূরেই খুঁজে পাবে।
** রাজন মেনন, ''[https://www.thenation.com/article/economy/child-poverty-trump/ ট্রাম্পের দারিদ্র্য-বিরোধী যুদ্ধে আমাদের শিশুরাও অন্তর্ভুক্ত]'' (৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০), ''দ্য নেশন''।
==== মার্চ ২০২০ ====
* এই সম্পদ বা অর্থ জোগাড় করার জন্য একটা অতিমারীর অপেক্ষায় থাকা ঠিক হয়নি। ২০১৯ সালের জুনে আমরা হাউস বাজেট কমিটির কাছে 'দরিদ্র মানুষের নৈতিক বাজেট' পেশ করেছিলাম। সেখানে আমরা দেখিয়েছিলাম যে কীভাবে পুরো দেশের এই প্রয়োজনগুলো মেটানো সম্ভব। '''আপনারা যদি এই নৈতিক বাজেটটি মেনে চলতেন, তবে স্বাস্থ্যসেবা, ভালো কাজ, সম্মানজনক মজুরি, আবাসন এবং বিশুদ্ধ জলের মতো খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে আমরা ইতিমধ্যেই দেশের অর্থনীতিতে ১.২ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি টাকা যোগ করার পথে এগিয়ে যেতাম।<BR>এখন ওপর থেকে নিচে সুবিধা পৌঁছানোর সমাধানের সময় নয়। আমরা জানি যে নিচের দিকের মানুষের উন্নতি হলে সবারই উন্নতি হয়। বর্তমান সংকট এবং আমরা কয়েক বছর বা দশক ধরে যেসব সমস্যার বিরুদ্ধে লড়াই করছি, সেগুলোর বাস্তব সমাধান আমাদের হাতে আছে। আপনাদের কাছে আমাদের দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা মানুষকে সংগঠিত করা এবং শক্তি বাড়ানো চালিয়ে যাব। আমাদের লক্ষ লক্ষ মানুষ অনেক দীর্ঘ সময় ধরে কষ্ট পাচ্ছে। আমরা আর চুপ করে থাকব না।''' কোভিড-১৯ অতিমারী তার ভয়াবহ বিস্তারের মাধ্যমে আমাদের এক নজিরবিহীন জরুরি অবস্থার মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। তবে এই জরুরি অবস্থা আসলে আরও গভীর এবং দীর্ঘস্থায়ী একটি সংকটের ফল, তা হলো দারিদ্র্য ও চরম বৈষম্য। আমাদের সমাজ এমন ১৪০ মিলিয়ন মানুষের প্রয়োজনকে পাত্তাই দেয় না যারা হয় গরিব, না হয় সামান্য কোনো বিপদে পড়লেই গরিব হয়ে যাবে।
** রাষ্ট্রপতি [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], উপ-রাষ্ট্রপতি [[মাইক পেন্স]] এবং ১১৬তম মার্কিন কংগ্রেসের সদস্যদের কাছে লেখা চিঠিতে রেভ উইলিয়াম বারবার দ্বিতীয়, [https://www.poorpeoplescampaign.org/poverty-amidst-pandemic/ অতিমারীর মধ্যে দারিদ্র্য: কোভিড-১৯-এর একটি নৈতিক প্রতিক্রিয়া] (১৯ মার্চ ২০২০), লিজ থিওহারিসের সাথে যৌথভাবে লেখা, পুওর পিপলস ক্যাম্পেইন: এ ন্যাশনাল কল ফর এ মোরাল রিভাইভাল।
* নিয়মিতভাবে ভবিষ্যতের ঝুঁকিগুলো যাচাই করে দেখার মতো শৃঙ্খলা বা ধীরস্থির মনোভাব বেশির ভাগ নেতারই নেই। আর অনেক আগে থেকেই প্রধান বিপদটা ঠিকভাবে চিনে নিয়ে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার মতো দূরদর্শিতা তো আরও বিরল। এক কথায় বলতে গেলে, ট্রাম্প প্রশাসন পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। তারা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দেওয়া করোনাভাইরাস ছড়ানোর বারবার সতর্কতা যেমন গায়ে মাখেনি, তেমনি বিপদের তুলনায় দেশজুড়ে যে ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া দরকার ছিল, তাও নিতে পারেনি। ভাইরাসের এই ক্ষতি সামলানোর জন্য সরকারি ও বেসরকারি সব পক্ষকে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো ক্ষমতা আর সম্পদ কেবল কেন্দ্রীয় সরকারেরই ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, ট্রাম্পের কর্মকর্তারা একের পর এক ভুল ধারণা (কোভিড-১৯-এর বিপদকে গুরুত্ব না দেওয়া) এবং ভুল সিদ্ধান্ত (জরুরি ব্যবস্থা নিতে দেরি করা) নিয়েছেন। এর ফলে আমেরিকানদের নিরাপত্তা অকারণে ঝুঁকির মুখে পড়েছে। সংক্ষেপে, ট্রাম্প প্রশাসন আমেরিকান জনগণের ওপর এক বিশাল বড় বিপর্যয় চাপিয়ে দিয়েছে। তবে পার্ল হারবার বা ৯/১১-এর মতো অতীতের বড় বড় ঘটনাগুলোর তুলনায় এবারের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে নজিরবিহীন উদাসীনতা, এমনকি ইচ্ছাকৃত অবহেলার কারণে। উদাহরণস্বরূপ, ৯/১১ কমিশন রিপোর্ট যেমন আল-কায়েদার হামলার জন্য রোনাল্ড রেগান থেকে শুরু করে জর্জ ডব্লিউ বুশ পর্যন্ত বিভিন্ন প্রশাসনকে দায়ী করেছিল, এই করোনাভাইরাস সংকটের দায়ভার কিন্তু পুরোপুরি বর্তমান হোয়াইট হাউসের ওপরই বর্তায়। [...] করোনাভাইরাস ছড়ানোর শুরুর দিকে হোয়াইট হাউসের এই গা-ছাড়া ভাব আধুনিক রাষ্ট্রপতিত্বের ইতিহাসে সবথেকে বড় ভুল হিসেবে গণ্য হবে। তাদের কাছে যথেষ্ট আগে থেকেই পরিষ্কার সতর্কবার্তা ছিল এবং তারা চাইলেই দেশটাকে আরও ভালোভাবে প্রস্তুত করতে পারত। কিন্তু যেভাবে তারা দূরদর্শিতা আর সময়ের সুযোগ নষ্ট করেছে তা কখনোই ভোলা উচিত নয়। আর এর কারণটাও মনে রাখা দরকার: ট্রাম্প শুরু থেকেই ভুল ছিলেন, আর তার সাঙ্গোপাঙ্গরা সেই ভুলটাকেই দীর্ঘ সময় ধরে বড় করে দেখানোর চেষ্টা করেছে। আমেরিকানদের এখন দশকের পর দশক ধরে এর খেসারত দিতে হবে।
** মাইকা জেঙ্কো, [https://foreignpolicy.com/2020/03/25/coronavirus-worst-intelligence-failure-us-history-covid-19/ ''করোনাভাইরাস মার্কিন ইতিহাসের সবথেকে বড় গোয়েন্দা ব্যর্থতা''], ২৫ মার্চ ২০২০, ফরেন পলিসি।
==== এপ্রিল ২০২০ ====
* এই মহামারীর প্রাদুর্ভাব অবাক করার মতো, সত্যি বলতে আঁতকে ওঠার মতো, কিন্তু এর আবির্ভাবটা মোটেই অভাবিত ছিল না। আর এই সংকটে সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রেকর্ড সবথেকে খারাপ হওয়াটাও আশ্চর্যের কিছু নয়। [...] কোভিড-১৯ সংকট থেকে আমরা একসময় মুক্তি পাব, তবে তার জন্য এক ভয়াবহ এবং বিশাল মূল্য দিতে হবে, বিশেষ করে দরিদ্র আর অসহায় মানুষদের। কিন্তু মেরু অঞ্চলের বরফের আস্তরণ গলে যাওয়া আর বিশ্ব উষ্ণায়নের অন্যান্য বিধ্বংসী পরিণাম থেকে ফেরার কোনো পথ থাকবে না। [...] বর্তমান প্রশাসনের কাছে সম্ভাব্য অতিমারী সম্পর্কে যথেষ্ট সতর্কবার্তা ছিল। আসলে, গত অক্টোবরেই একটি উচ্চপর্যায়ের মহড়া বা সিমুলেশন চালানো হয়েছিল। ট্রাম্প ক্ষমতায় থাকাকালীন ঠিক সেভাবেই কাজ করেছেন যেভাবে আমরা তাকে দেখে অভ্যস্ত: সরকারের সব প্রয়োজনীয় বিভাগগুলোর তহবিল বন্ধ করে দিয়ে বা সেগুলোকে ভেঙে দিয়ে। তিনি মন দিয়ে তার করপোরেট প্রভুদের নির্দেশ মেনে চলেছেন। মুনাফা বাড়াতে বাধা দেয় এমন সব নিয়মকানুন তুলে দেওয়ার জন্য তিনি কাজ করছেন যাতে প্রাণের বিনিময়েও ব্যবসায়িক লাভ নিশ্চিত করা যায়। পরিবেশগত বিপর্যয়ের খাদের কিনারায় পৌঁছানোর দৌড়ে তিনি নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যা এখন পর্যন্ত তার সবথেকে বড় অপরাধ—আসলে এর ফলাফল বিবেচনা করলে এটি ইতিহাসের সবথেকে বড় অপরাধ।
** [[নোম চম্স্কি]], সি.জে. পলিচ্রনিউ-এর সাথে এক সাক্ষাৎকারে, [https://truthout.org/articles/chomsky-ventilator-shortage-exposes-the-cruelty-of-neoliberal-capitalism/ ''চম্স্কি: ভেন্টিলেটরের অভাব নিওলিবারাল ক্যাপিটালিজমের নিষ্ঠুরতাকে প্রকাশ করে''] (১ এপ্রিল ২০২০), ''ট্রুথআউট''।
* ক্ষমতা নিয়ে দলাদলি বা রেষারেষি এই প্রশাসনের একটা চিরচেনা রূপ, আর এই অতিমারী মোকাবিলার ক্ষেত্রেও তার কোনো ব্যতিক্রম হয়নি। [...] এমনকি তাদের কাজকর্মের মধ্যেও কোনো অভ্যন্তরীণ মিল বা শৃঙ্খলা দেখা যাচ্ছে না।
** মিশেল গোল্ডবার্গ, [https://www.nytimes.com/2020/04/02/opinion/jared-kushner-coronavirus.html ''জ্যারেড কুশনারকে দায়িত্বে রাখাটা চরম পাগলামি''] (২ এপ্রিল ২০২০), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস''।
* জীবনে না হলেও, এই প্রশাসনে অন্তত তাই (অর্থাৎ মানুষ বড়ই একা)।
** অ্যান্ড্রু কুওমোর বক্তব্য: "ধরে নিন জীবনে আপনি একাই পথ চলছেন" প্রসঙ্গে [[মিশেল গোল্ডবার্গ]], [https://www.nytimes.com/2020/04/02/opinion/jared-kushner-coronavirus.html ''জ্যারেড কুশনারকে দায়িত্বে রাখাটা চরম পাগলামি''] (২ এপ্রিল ২০২০), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস''।
* প্রেসিডেন্ট হলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট, তাই তার কথাগুলোকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য হিসেবেই গণ্য করা হয়।
** হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি শন স্পাইসার, [https://www.cnn.com/2017/06/06/politics/trump-tweets-official-statements/index.html হোয়াইট হাউস: ট্রাম্পের টুইটগুলো 'অফিসিয়াল স্টেটমেন্ট' বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য] ৬ জুন, (প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের টুইটার বার্তার মর্যাদা প্রসঙ্গে)।
* সে ১ কোটি ৫০ লক্ষেরও বেশি কর্মসংস্থান তৈরি করেছে।
** নিজের মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্প সম্পর্কে ব্যবসায়িক নেতাদের সাথে এক ফোনালাপে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। কোনো ব্যাখ্যা বা প্রমাণ দেওয়া হয়নি। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৪-০৭ |শিরোনাম=ট্রাম্প দাবি করেছেন যে তার মেয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মোট কর্মসংস্থানের ১০ শতাংশ তৈরি করেছে |লেখক=ইয়ান মিলহিজার |সাময়িকী=Vox|ইউআরএল=https://www.vox.com/2020/4/8/21212802/trump-ivanka-10-percent-jobs-walmart-15-million}}
* যখন কেউ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হন, তখন তার ক্ষমতা হয় নিরঙ্কুশ।
** করোনাভাইরাস টাস্ক ফোর্সের প্রেস ব্রিফিংয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৪-১৩ |শিরোনাম=সিএনএন রিপোর্টার সরাসরি ট্রাম্পের মুখের ওপর প্রতিবাদ করেন যখন তিনি রাজার মতো ক্ষমতার দাবি করেন |লেখক=কোডি ফেনউইক |সাময়িকী=রস্টোরি |ইউআরএল=https://www.rawstory.com/2020/04/cnn-reporter-flat-out-contradicts-trump-to-his-face-when-he-claims-king-like-authority/}}
* এই কারণেই আপনাদের রেটিং এত খারাপ, কারণ আপনারা করুণার পাত্র। বলে যান। শুরু করুন। আপনাদের রেটিং ভয়াবহ। আপনাদের আবার আসল খবরের দিকে ফিরে যাওয়া উচিত। বলে যান।
** একজন সাংবাদিকের কথা থামিয়ে দিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যিনি "আগামী সপ্তাহে মাসের প্রথম তারিখ..." বলে প্রশ্ন শুরু করেছিলেন। হোয়াইট হাউস করোনাভাইরাস টাস্ক ফোর্স ব্রিফিং (১৯ এপ্রিল ২০২০), [https://www.rev.com/blog/transcripts/donald-trump-coronavirus-press-conference-transcript-april-19 ডোনাল্ড ট্রাম্পের করোনাভাইরাস সংবাদ সম্মেলনের প্রতিলিপি ১৯ এপ্রিল]
* আমি খুব সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করি। বাণিজ্য চুক্তি, সামরিক পুনর্গঠন ইত্যাদি দেখাশোনার জন্য আমি অনেক মাস ধরে হোয়াইট হাউস থেকে বের হইনি (কেবল হাসপাতাল জাহাজ কমফোর্ট উদ্বোধন করা ছাড়া)। আর এরপর আমি সেই লোকসান হতে থাকা নিউ ইয়র্ক টাইমসে আমার কাজের সময়সূচী আর খাদ্যাভ্যাস নিয়ে একটা ভুয়া খবর পড়লাম, যা লিখেছে একজন তৃতীয় শ্রেণির সাংবাদিক যে আমার সম্পর্কে কিছুই জানে না। আমি প্রায়ই গভীর রাত পর্যন্ত ওভাল অফিসে থাকি আর পরে পড়ি বা দেখি যে আমি নাকি আমার শোবার ঘরে বসে রাগে রাগে হ্যামবার্গার আর ডায়েট কোক খাচ্ছি। আমার সাথে যারা থাকেন তারা সবসময় অবাক হন। আমাকে ছোট করার জন্য সব কিছুই চলে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৪-২৬ |শিরোনাম='হ্যামবারগার' এবং 'নোবেল প্রাইজ': বানানে ভুল করা টুইটার বার্তায় গণমাধ্যমকে আক্রমণ ট্রাম্পের |লেখক=অ্যালেক্স উডওয়ার্ড |সাময়িকী=ইন্ডিপেন্ডেন্ট |ইউআরএল=https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-politics/donald-trump-latest-coronavirus-hamburger-nobel-prize-russia-a9485006.html}}
* রাশিয়া, রাশিয়া, রাশিয়া নিয়ে কাজ করার জন্য সেই সব 'রিপোর্টার' যারা নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন, অথচ শেষে তারা পুরোপুরি ভুল প্রমাণিত হয়েছেন (এবং আসলে অন্য পক্ষই অপরাধ করেছিল), তারা কবে তাদের প্রিয় 'নোবেল' ফিরিয়ে দেবেন যাতে সেগুলো সেই সব আসল রিপোর্টার আর সাংবাদিকদের দেওয়া যায় যারা সঠিক খবর দিয়েছিলেন?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৪-২৬ |শিরোনাম=রাশিয়া তদন্ত নিয়ে সংবাদ করা সাংবাদিকদের 'নোবেল প্রাইজ' ফিরিয়ে দিতে বললেন ট্রাম্প, পরে টুইটটি মুছে ফেলা হয় |লেখক=জেমস পাসলে |সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার |ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-deletes-tweet-calling-for-journalists-to-return-noble-prizes-2020-4?r=US&IR=T}}
* এরা খুব ভালো মানুষ, তবে তারা রাগান্বিত।
** মিশিগানে স্টেট ক্যাপিটল দখল করা সশস্ত্র বিক্ষোভকারীদের সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-০১ |শিরোনাম=বন্দুক নিয়ে সংসদ ভবন দখল করা 'খুব ভালো মানুষদের' দাবি মেনে নিতে মিশিগানের গভর্নরকে ট্রাম্পের তাগিদ |লেখক=ট্রাভিস গেটিস |সাময়িকী=রস্টোরি |ইউআরএল=https://www.rawstory.com/2020/05/trump-urges-michigan-governor-to-give-in-to-very-good-people-who-stormed-statehouse-with-guns/}}
====মে ২০২০====
* আমরা ৮ বছরের মধ্যে এইডস-মুক্ত হব। আমরা শুরু করেছি, আসলে ১০ বছর আগে শুরু করা উচিত ছিল। আগের প্রশাসনের আমলেই এটি শুরু হওয়া উচিত ছিল। তারা কিছুই করেনি। আমার প্রশাসনের সময়েই এর শুরু হয়েছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-০৩ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ফক্স নিউজের টাউন হলে করোনাভাইরাস এবং অন্যান্য বিষয়ে ট্রাম্পের একগুচ্ছ মিথ্যা দাবি |লেখক=ড্যানিয়েল ডেল |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/05/03/politics/fact-check-fox-news-townhall-trump-may-3/index.html}}
* আমাদের যে ঐক্য আছে, এক অর্থে আমাদের মধ্যে দারুণ মিল রয়েছে, আবার অন্য অর্থে আমার মনে হয় তারাও সাথে আসবে। আমি বলতে চাইছি, আমি তো অবশ্যই তেমনটাই আশা করি। তবে আমার প্রধান কাজ হলো আমাদের দেশকে আগের জায়গায় ফিরিয়ে আনা। আমি একে আগের অবস্থায় বা হয়ত তার চেয়েও ভালো অবস্থানে নিয়ে যেতে চাই। আপনারা জানেন তো, আমাদের হাতে এখন এক বিশাল প্রণোদনা রয়েছে সেই সব অর্থ যা নিয়ে আজ রাতে আমরা এ পর্যন্ত কথা বলেছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-০৪ |শিরোনাম=লিঙ্কন মেমোরিয়ালে ফক্স টাউন হলে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৪৫টি সবথেকে চমকপ্রদ উক্তি |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/05/04/politics/donald-trump-fox-lincoln-memorial/index.html}}
* তো ক্যালিফোর্নিয়াতে ডেমোক্র্যাটরা ডাকযোগে ব্যালট পাঠিয়ে ভোট নেওয়ার জন্য পাগল হয়ে লড়াই করেছিল এবং সফলও হয়েছিল। তারা এখন সেই অঙ্গরাজ্যের সবথেকে বেশি ডেমোক্র্যাট-ঘেঁষা এলাকায় ভোট দেওয়ার বুথ খুলেছে। তারা আরেকটি নির্বাচনে কারচুপি করার চেষ্টা করছে। সেখানে সবকিছুই সাজানো। এই ভোটগুলো অবশ্যই গণ্য করা যাবে না। প্রতারণা!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-০৯ |শিরোনাম=উন্মত্ত টুইটগুলোতে ট্রাম্প বলেছেন ক্যালিফোর্নিয়ার সব ভোট ‘অবশ্যই গণ্য করা যাবে না’ |লেখক=মার্ক এনসি |সাময়িকী=নিউজ করপস |ইউআরএল=https://www.newscorpse.com/ncWP/?p=45212}}
* খাস খবর: মিশিগান প্রাথমিক ও সাধারণ নির্বাচনের আগে ৭৭ লক্ষ মানুষের কাছে অ্যাবসেন্ট ব্যালট (অনুপস্থিত ভোটারদের ব্যালট) পাঠাচ্ছে। একজন উদ্ধত সেক্রেটারি অফ স্টেট কোনো অনুমতি ছাড়াই এটি বেআইনিভাবে করেছেন। মিশিগান যদি ভোটার জালিয়াতির এই পথে হাঁটতে চায়, তবে আমি তাদের অর্থ সাহায্য আটকে দেওয়ার কথা বলব!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-২০ |শিরোনাম=মিশিগানের অ্যাবসেন্ট ব্যালট আবেদন নিয়ে ট্রাম্পের মিথ্যা টুইট |লেখক=ডি'অ্যাঞ্জেলো গোর |সাময়িকী=FactCheck.org |ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/05/trumps-false-tweet-about-michigan-absentee-ballot-applications/}}
* আর জানেন তো, আপনি যখন "মাথাপিছু" বা পার ক্যাপিটা বলেন, সেখানে অনেক ধরনের পার ক্যাপিটা আছে। এটা অনেকটা এমন যে কার তুলনায় মাথাপিছু? তবে আপনি যেকোনো বিভাগই দেখুন না কেন, মাথাপিছু হিসেবেও আমরা একদম শীর্ষে অর্থাৎ ভালো অবস্থানে আছি। তারা দারুণ কাজ করেছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-২০ |শিরোনাম=কোভিড-১৯ নিয়ে আলোচনার সময় ট্রাম্প কি বলেছিলেন যে ‘অনেক ধরনের পার ক্যাপিটা’ আছে? |লেখক=কিম লাক্যাপ্রিয়া |সাময়িকী=TruthOrFiction.com |ইউআরএল=https://www.truthorfiction.com/did-president-trump-say-there-were-many-per-capitas-in-a-covid-19-discussion/}}
* আমি পাঁচ বছর আগে মিশিগানে ‘ম্যান অফ দ্য ইয়ার’ হিসেবে সম্মানিত হয়েছিলাম।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-২২ |শিরোনাম=মিশিগানে ট্রাম্পের সন্দেহজনক ‘ম্যান অফ দ্য ইয়ার’ হওয়ার বড়াই |লেখক=রবার্ট ফার্লি |সাময়িকী=actCheck.org |ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2019/08/trumps-dubious-michigan-man-of-the-year-boast/}}
* ডাকযোগে পাঠানো ব্যালট বা মেল-ইন ব্যালটে যে বড় ধরনের কারচুপি হবে না, তার কোনো সম্ভাবনাই নেই (একদম শূন্য)! ডাকবক্সগুলো চুরি হবে, ব্যালট জাল করা হবে, এমনকি সেগুলো অবৈধভাবে ছাপানো আর তাতে জালিয়াতি করে সইও করা হবে। ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে ব্যালট পাঠাচ্ছেন। ওই রাজ্যে বসবাসকারী যে কেউ, সে যে-ই হোক বা যেভাবেই সেখানে আসুক না কেন, সে একটি ব্যালট পাবে। এরপর আসবে কিছু পেশাদার লোক, যারা এই সব মানুষদের বলে দেবে কীভাবে আর কাকে ভোট দিতে হবে। এদের মধ্যে অনেকে আবার আগে কখনো ভোট দেওয়ার কথা ভাবেনি। এটি একটি সাজানো নির্বাচন হবে। অসম্ভব!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1265255835124539392 টুইটারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৬ মে ২০২০)
* ভেবে দেখুন তো, আপনার স্থানীয় ফোন কোম্পানিগুলো যদি আপনার বলা কথাগুলো এডিট করার বা সেন্সর করার চেষ্টা করত। সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোর ক্ষমতা তো তার চেয়েও অনেক বেশি।
** {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-২৮ |শিরোনাম=সোশ্যাল মিডিয়া দমনের যুক্তি দিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি হাস্যকর তুলনা ব্যবহার করেছেন |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/05/28/politics/donald-trump-twitter-facebook-social-media-executive-order/index.html}}
====জুন ২০২০====
[[File:President Trump Visits St. John's Episcopal Church (49963649028).jpg|thumb|আপনাদের আধিপত্য বিস্তার করতে হবে নতুবা আপনাদের একদল মূর্খ মনে হবে, আপনাদের লোকজনকে গ্রেফতার করতে হবে এবং তাদের বিচার করতে হবে।]]
* আপনাদের আধিপত্য বিস্তার করতে হবে নতুবা আপনাদের একদল মূর্খ মনে হবে, আপনাদের লোকজনকে গ্রেফতার করতে হবে এবং তাদের বিচার করতে হবে।
* আপনাদের খুব বেশি সাবধান হওয়ার দরকার নেই।
** জর্জ ফ্লয়েড হত্যার পর পুলিশি সহিংসতার বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারী সাধারণ মানুষের প্রতি কেমন প্রতিক্রিয়া দেখাতে হবে সে বিষয়ে মার্কিন গভর্নরদের নির্দেশ দিচ্ছেন [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-০১ |শিরোনাম=বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে গভর্নরদের আক্রমণাত্মক কৌশল ব্যবহারের উৎসাহ দিচ্ছেন উত্তেজিত ট্রাম্প |লেখক=কেভিন লিপটাক, রায়ান নোবলস, সারাহ ওয়েস্টউড |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/06/01/politics/donald-trump-race-police/index.html}}
* ওয়াশিংটন, ডি.সি. গত রাতে পৃথিবীর সবথেকে নিরাপদ জায়গা ছিল!
** [https://twitter.com/realdonaldtrump/status/1267959729361485825 ২ জুন ২০২০-এর টুইট], ৮ জুন ২০২০, [https://www.usnews.com/news/politics/articles/2020-06-07/ap-fact-check-trump-exaggerations-on-blacks-economic-gains ইউএস নিউজ]।
* এটি তার জন্য একটি দারুণ দিন। এটি সবার জন্যই একটি দারুণ দিন। গুণের বিচারে এটি খুবই চমৎকার একটি দিন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] দাবি করেছেন যে মার্কিন অর্থনীতি "আবার সঠিক পথে ফিরে এসেছে", এবং তিনি এর সাথে জর্জ ফ্লয়েডকে যুক্ত করেছেন, যাকে কয়েক দিন আগে পুলিশ হত্যা করেছিল। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-০৫ |শিরোনাম=জর্জ ফ্লয়েড ওপর থেকে নিচে তাকিয়ে দেখছেন এবং দিনটিকে ‘একটি দারুণ দিন’ বলার জন্য ট্রাম্পের সমালোচনা |লেখক=এমা রোজমার্জি |সাময়িকী=ইউনিলাড |ইউআরএল=https://www.unilad.co.uk/news/trump-criticised-for-saying-george-floyd-is-looking-down-and-calling-it-a-great-day/}}
* বাফেলোর যে বিক্ষোভকারীকে পুলিশ ধাক্কা দিয়েছিল সে একজন অ্যান্টিফা প্ররোচনাকারী হতে পারে। ৭৫ বছর বয়সী মার্টিন গুগিনোকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল কারণ মনে হচ্ছিল তিনি পুলিশের যোগাযোগের সরঞ্জামগুলো অকেজো করার জন্য স্ক্যান করছিলেন। @OANN আমি দেখেছি, তাকে যত জোরে ধাক্কা দেওয়া হয়েছিল তার চেয়েও বেশি জোরে তিনি পড়ে গিয়েছিলেন। তিনি স্ক্যানার দিয়ে লক্ষ্য করছিলেন। এটি কি কোনো সাজানো নাটক হতে পারে?
** পুলিশের হাতে নিষ্ঠুরভাবে নির্যাতিত হওয়ার পর মস্তিষ্কে আঘাত পাওয়া শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারী মার্টিন গুগিনো সম্পর্কে কোনো প্রমাণ ছাড়াই [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই সব মন্তব্য বারবার করেছেন। যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-০৯ |শিরোনাম=বাফেলো পুলিশের ধাক্কায় পড়ে যাওয়া ৭৫ বছর বয়সী বৃদ্ধের বিরুদ্ধে পড়ে যাওয়ার নাটক করার অভিযোগ ট্রাম্পের |লেখক=ক্যামেরন ফিউ |সাময়িকী=ইউনিলাড |ইউআরএল=https://www.unilad.co.uk/news/trump-accuses-75-year-old-knocked-down-by-buffalo-police-of-faking-fall/}}
* আমার মনে হয় অন্য যেকোনো রাষ্ট্রপতির চেয়ে আমি কৃষ্ণাঙ্গ সম্প্রদায়ের জন্য বেশি কাজ করেছি এবং চলুন আমরা আব্রাহাম লিংকনকে বাদ দিই কারণ তিনি ভালো কাজ করেছিলেন যদিও সেটা সবসময়ই প্রশ্নবিদ্ধ, মানে সহজ কথায় শেষ ফলাফলটা।
** জর্জ ফ্লয়েড বিক্ষোভ চলাকালীন ফক্স নিউজের সাথে এক সাক্ষাৎকারে নিজের নেতৃত্ব এবং আফ্রিকান-আমেরিকান সম্প্রদায়ের সাথে সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার সময় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন। জেরেমি স্টাহলের নিবন্ধ "[https://slate.com/news-and-politics/2020/06/what-was-trump-trying-to-say-about-abraham-lincoln.html আব্রাহাম লিংকন সম্পর্কে ট্রাম্প কী বলতে চেয়েছিলেন?]" ১২ জুন ২০২০, ''স্লেট''।
* সে একজন মিথ্যাবাদী... হোয়াইট হাউসের সবাই জন বোল্টনকে ঘৃণা করত।
** নিজের বেছে নেওয়া জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেন, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-১৫ |শিরোনাম=বোল্টনের বিস্ফোরক বই প্রকাশের পর ট্রাম্প তাকে ‘মিথ্যাবাদী’ বলে অভিহিত করেছেন এবং বলেছেন ‘হোয়াইট হাউসের সবাই তাকে ঘৃণা করত’ |লেখক=নিকোল ডারা |সাময়িকী=দ্য সান |ইউআরএল=https://www.the-sun.com/news/999925/trump-john-bolton-book-white-house-liar/}}
* এরাই সেই সব মানুষ — সবথেকে সেরা, সবথেকে স্মার্ট, সবথেকে মেধাবী, আর তারা এইডসের টিকা আবিষ্কার করেছে। তারা... আরও নানা কিছু আবিষ্কার করেছে।
** বিজ্ঞানীদের সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই দাবি করেন, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-১৬ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: অস্তিত্বহীন এইডস টিকা নিয়ে ট্রাম্পের দাবি |লেখক=ক্যালভিন উডওয়ার্ড, হোপ ইয়েন |সাময়িকী=নিউজ ১২ |ইউআরএল=https://www.kxii.com/content/news/AP-FACT-CHECK-Trump-on-an-AIDS-vaccine-that-doesnt-exist-571309161.html/}}
* আমি একটা ভালো কাজ করেছি: আমি জুনটিন্থকে খুব বিখ্যাত করে তুলেছি।<br>এটি আসলে একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান, একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। কিন্তু আগে কেউ এর নাম শোনেনি।
** বুধবার ১৭ জুন ২০২০-এ ওভাল অফিসে দেওয়া সাক্ষাৎকারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন। ১৯ জুন ২০২০-এ ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের মাইকেল বেন্ডারের [https://www.wsj.com/articles/trump-talks-juneteenth-john-bolton-economy-in-wsj-interview-11592493771 একটি নিবন্ধ] অনুযায়ী এবং ২১ জুন ২০২০-এ দ্য গার্ডিয়ানের রিচার্ড ওল্ফের[https://www.theguardian.com/commentisfree/2020/jun/20/donald-trump-tulsa-rally-crowd-empty-seats লেখায়] এটি বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
* আমি বললাম, 'জেনারেল, কোনো রেলিং ছাড়া ওই ঢালু পথ দিয়ে নিচে নামতে গিয়ে আছাড় না খেয়ে নামা আমার পক্ষে অসম্ভব, জেনারেল।'
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-২০ |শিরোনাম=১৭৯৮টি শব্দ যা প্রমাণ করে যে ওয়েস্ট পয়েন্টের ঢালু পথ নামার গল্প নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প কতটা আচ্ছন্ন |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/06/22/politics/donald-trump-tulsa-rally-west-point-ramp/index.html |ভাষা=en-US}}
* আপনাদের ৪০১(কে) (অবসরকালীন সঞ্চয়) এবং আপনাদের টাকা-পয়সা সব মূল্যহীন হয়ে পড়বে।
** জো বাইডেন যদি পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জেতেন তবে কী হবে সে সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-২০ |শিরোনাম=অতিমারী নিয়ে আবারও মিথ্যাচার, জুনের শুরু থেকে জুলাইয়ের শুরু পর্যন্ত ট্রাম্প ২০০টি মিথ্যা দাবি করেছেন |লেখক=ড্যানিয়েল ডেল, তারা সুব্রামানিয়াম |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/07/18/politics/fact-check-trump-june-july-2020/index.html |ভাষা=en-US}}
* সাজানো ২০২০ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ভিনদেশ এবং অন্যরা লক্ষ লক্ষ ডাক-ব্যালট ছাপাবে। এটি হবে আমাদের সময়ের সবথেকে বড় কেলেঙ্কারি!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]-এর দাবি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-২২ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ডাকযোগে ভোট দেওয়া নিয়ে ভিত্তিহীন দাবি ছড়াচ্ছেন ট্রাম্প |লেখক=মাইলস পার্কস |সাময়িকী=এনপিআর |ইউআরএল=https://apnews.com/1d1a98892bdc7e1df97807b3be48bb13 |ভাষা=en-US}}
* আচ্ছা, একটি বিষয় যা সত্যিই দারুণ হবে তা হলো — অভিজ্ঞতা শব্দটির কদর এখনো আছে। আমি সবসময় বলি অভিজ্ঞতার চেয়ে প্রতিভাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমি সবসময় এটাই বলেছি। কিন্তু অভিজ্ঞতা শব্দটিও খুব গুরুত্বপূর্ণ। এর একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ অর্থ আছে। আমি আগে কখনো এটা করিনি। আমি কখনো ওয়াশিংটনে রাত কাটাইনি। আমি ওয়াশিংটনে বড়জোর ১৭ বার এসেছিলাম। আর হঠাৎ করে আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হয়ে গেলাম। আপনারা তো গল্পটা জানেন। আমি ফার্স্ট লেডির সাথে পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউ দিয়ে যাচ্ছিলাম আর বলছিলাম, ‘এটা দারুণ। কিন্তু আমি ওয়াশিংটনের খুব বেশি মানুষকে চিনতাম না। এটি আমার চেনা জায়গা ছিল না। আমি ম্যানহাটন থেকে, নিউ ইয়র্ক থেকে এসেছিলাম। এখন আমি সবাইকে চিনি এবং প্রশাসনে আমার কাছে দারুণ সব মানুষ আছে। আপনি কিছু ভুল করবেনই। যেমন, ওই গাধাটার কথা ধরুন, ওই যে বোল্টন। সে সবসময় চাইত সবার ওপর বোমা ফেলতে। আপনার তো সবার ওপর বোমা ফেলার দরকার নেই। মানুষের প্রাণ নেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
** "দ্বিতীয় মেয়াদে আপনার অগ্রাধিকারগুলো কী হবে?" - এই প্রশ্নের জবাবে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন। যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৭-১৭ |শিরোনাম=দ্বিতীয় মেয়াদের পরিকল্পনা নিয়ে ট্রাম্পের আবোলতাবোল বকুনি |লেখক=অ্যাডাম কে রেমন্ড |সাময়িকী=নিউ ইয়র্ক ম্যাগাজিন |ইউআরএল=https://nymag.com/intelligencer/2020/06/trump-hannity-interview-full-of-unintelligible-rambling.html}}
* রাশিয়ানরা [[আফগানিস্তান]]ে আমাদের সেনাদের ওপর তথাকথিত যে হামলা চালিয়েছে সে সম্পর্কে আমাকে, @উপ-রাষ্ট্রপতি পেন্স অথবা চিফ অফ স্টাফ @মার্কমিডোসকে কেউ কিছুই বলেনি।
** আফগানিস্তানে মার্কিন সেনাদের হত্যার জন্য রাশিয়ান গোয়েন্দারা তালিবানদের টাকা দিচ্ছে, এমন একটি সংবাদ প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেন। যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-২৮ |শিরোনাম=মার্কিন সেনাদের হত্যার জন্য পুরস্কার বা বাউন্টি দেওয়ার খবর সম্পর্কে তাকে ব্রিফ করার বিষয়টি অস্বীকার করলেন ট্রাম্প |লেখক=কাইল বালুক |সাময়িকী=দ্য হিল |ইউআরএল=https://thehill.com/homenews/administration/504890-trump-denies-he-was-briefed-on-reported-bounties-on-us-troops |ভাষা=en-US}}
* আপনারা কি স্রেফ তাদের গুলি করতে পারেন না? স্রেফ তাদের পায়ে বা এমন কোথাও গুলি করুন না?
** জর্জ ফ্লয়েড হত্যার পর হোয়াইট হাউসের আশেপাশে রাস্তায় বিক্ষোভকারীদের সম্পর্কে জুন ২০২০-এ [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেছিলেন। প্রাক্তন প্রতিরক্ষা সচিব মার্ক এসপারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এটি [https://www.axios.com/mark-esper-book-trump-protesters-24e93272-2af5-423d-be3b-164daab7b43d.html "স্কুপ: এসপার বলেছেন ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের গুলি করতে চেয়েছিলেন"], অ্যাক্সিওস, ২ মে ২০২২।
====জুলাই ২০২০====
* সমাজ ও প্রকৃতির সকল নিয়মের বিরুদ্ধে গিয়ে আমাদের শিশুদের স্কুলে শেখানো হচ্ছে নিজেদের দেশকে ঘৃণা করতে। তাদের বিশ্বাস করানো হচ্ছে যে যারা এই দেশ গড়ে তুলেছিলেন তারা নায়ক নন বরং খলনায়ক ছিলেন। আমেরিকান ইতিহাসের এই কট্টরপন্থী দৃষ্টিভঙ্গি আসলে মিথ্যার জাল। এখানে সব প্রেক্ষিত সরিয়ে ফেলা হয়েছে, সমস্ত গুণকে আড়াল করা হয়েছে, প্রতিটি উদ্দেশ্যকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রতিটি তথ্য বিকৃত করা হয়েছে এবং প্রতিটি ত্রুটিকে এমনভাবে বড় করে দেখানো হয়েছে যাতে ইতিহাস পুরোপুরি মুছে যায় এবং সমস্ত নথিপত্র চেনা দায় হয়ে পড়ে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-০৩ |শিরোনাম=বাইডেন শিক্ষকদের বলেছেন যে তারা সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করছেন, একই দিনে ট্রাম্প বলেছেন যে শিক্ষকরা শিশুদের ‘দেশকে ঘৃণা করতে’ শেখাচ্ছেন |লেখক=ভ্যালেরি স্ট্রস |সাময়িকী=ইন্ডিপেন্ডেন্ট |ইউআরএল=https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-election/biden-trump-teachers-education-policy-2020-election-a9603156.html}}
* আমাদের বিদ্যালয়গুলোতে, আমাদের নিউজ রুমগুলোতে, এমনকি আমাদের কর্পোরেট বোর্ডরুমগুলোতেও এক নতুন কট্টর বামপন্থী ফ্যাসিবাদ এসেছে যা সবার কাছ থেকে নিঃশর্ত আনুগত্য দাবি করে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-০৩ |শিরোনাম=মাউন্ট রাশমোর ভাষণে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২৮টি সবথেকে আপত্তিকর উক্তি |লেখক=ভ্যালেরি স্ট্রস |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/07/04/politics/donald-trump-mount-rushmore-south-dakota-speech-lines/index.html}}
* আমাদের -- এপ্রিলের পর থেকে ভোক্তাদের আত্মবিশ্বাস ১২ পয়েন্ট বেড়েছে, যা সর্বকালের সর্বোচ্চ। ভেবে দেখুন একবার।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের একটি অসত্য দাবি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-০৯ |শিরোনাম=আবারও অতিরঞ্জিত কথা, ট্রাম্পের দাবি চারটি অর্থনৈতিক সূচক রেকর্ড গড়েছে যা আসলে কোনো রেকর্ড নয় |লেখক=ড্যানিয়েল ডেল |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/07/06/politics/fact-check-trump-june-jobs-exaggerations/index.html}}
* অনেক বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্কুল ব্যবস্থা এখন পড়াশোনার বদলে কট্টর বামপন্থী মতাদর্শ চাপিয়ে দেওয়ার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। তাই আমি ট্রেজারি বিভাগকে তাদের কর-মুক্ত সুবিধা এবং অর্থায়ন পুনরায় খতিয়ে দেখতে বলছি। যদি এই অপপ্রচার বা জনস্বার্থ বিরোধী কাজ চলতে থাকে, তবে সেই সব সুবিধা কেড়ে নেওয়া হবে। আমাদের শিশুদের শিক্ষা দিতে হবে, তাদের ওপর কোনো মতাদর্শ চাপিয়ে দেওয়া যাবে না!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১১ |শিরোনাম=মার্কিন স্কুলগুলো পুনরায় খোলার বিষয়ে ট্রাম্পের চাপের মুখে ডাক্তার ও শিক্ষকদের অসম্মতি |লেখক=সুসান হেভি |সাময়িকী=রয়টার্স |ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/us-health-coronavirus-uda-education/in-bid-to-reopen-u-s-schools-trump-threatens-their-tax-exempt-status-idUSKBN24B2D3?il=0}}
* আমি একটি জটিল এলাকায় একটি বেসরকারি গোষ্ঠীর দ্বারা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে টাকা তুলে দেওয়ালের এই খুব ছোট অংশটি তৈরির বিরোধী ছিলাম। এটি কেবল আমাকে ছোট করার জন্য করা হয়েছিল এবং হয়ত এখন এটি কাজও করছে না। এটি দেওয়ালের বাকি ৫০০ মাইলের মতোই তৈরি করা উচিত ছিল।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১২ |শিরোনাম=সমর্থকদের অর্থায়নে নির্মিত দেওয়ালের অস্থিতিশীল অংশটি কেবল 'আমাকে ছোট করার জন্য করা হয়েছিল' বলে দাবি ট্রাম্পের |লেখক= ক্যাথরিন গার্সিয়া | সাময়িকী=দ্য উইক |ইউআরএল=https://theweek.com/speedreads/925124/trump-says-possibly-unstable-section-border-wall-funded-by-supporters-only-done-make-look-bad}}
* আমি এমন অনেককে চিনি যারা কনফেডারেট পতাকা পছন্দ করেন এবং তারা [[দাসত্ব]]ের কথা ভাবছেন না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১৮ |শিরোনাম=ট্রাম্প একটি কনফেডারেট পতাকার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন যেখানে তার অনেক সমর্থক আগেই হার মেনে নিয়েছে |লেখক= টিনা নগুয়েন | সাময়িকী=পলিটিকো |ইউআরএল=https://www.politico.com/news/2020/07/18/trump-confederate-flag-battle-368607}}
* দেখুন, আমি সবসময় সবকিছুর জন্য দায়িত্ব নিই কারণ শেষ পর্যন্ত এটি আমারই কাজ। আমাকে সবাইকে একই সারিতে আনতে হয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১৯ |শিরোনাম=করোনাভাইরাস নিয়ে সমালোচকদের জবাব দিলেন ট্রাম্প, বিশেষ সাক্ষাৎকারে কথা বললেন নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেবেন কি না তা নিয়ে |লেখক= রন ব্লিটজার | সাময়িকী=ফক্স নিউজ |ইউআরএল=https://www.foxnews.com/politics/trump-pushes-back-against-critics-on-coronavirus-addresses-whether-he-will-accept-election-results-in-exclusive-interview}}
* আমি সত্যি বলছি, আমি ফক্স নিউজের খুব একটা ভক্ত নই।
* আমরা দুই সপ্তাহের মধ্যে একটি স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনা সই করতে যাচ্ছি, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ এবং সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনা যা করার অধিকার ডাকা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত আমাকে দিয়েছে। তাই আমরা সমাধান করতে যাচ্ছি আমরা একটি অভিবাসন পরিকল্পনা, একটি স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনা এবং অন্যান্য আরও কিছু পরিকল্পনা সই করতে যাচ্ছি। আগামী চার সপ্তাহে আমি যা করতে যাচ্ছি তা আগে কেউ করেনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১৯ |শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্প বনাম ফক্স নিউজ সানডে: একটি উত্তপ্ত সাক্ষাৎকারের কিছু বিশেষ মুহূর্ত |লেখক= আমান্ডা হোলপাচ | সাময়িকী=দ্য গার্ডিয়ান |ইউআরএল=https://www.theguardian.com/us-news/2020/jul/19/donald-trump-fox-news-sunday-chris-wallace-interview}}
* আসলে আপনি যখন ভালো কিছু দেখেন তখন সেটার কোনো তদন্ত বা যাচাই করেন না।
** মাঝেমধ্যে অদ্ভুত সব বিষয় রিটুইট করার অভ্যাস সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-২২ |শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বীকার করেছেন যে তিনি প্রায়ই নিজের টুইট নিয়ে আফসোস করেন, বলেছেন তার রিটুইটগুলো তাকে বিপদে ফেলে দেয় এবং সেই সব পুরোনো দিনের কথা মনে করেন যখন একটি চিঠি লিখে এক দিন ফেলে রাখা যেত |লেখক= এরিয়েল জিলবার | সাময়িকী=ডেইলি মেইল |ইউআরএল=https://www.dailymail.co.uk/news/article-8558493/Trump-says-regrets-Twitter-posts-admits-times-love-it.html}}
* এটি যদি আমার টেবিলে আসত তবে আমি অবশ্যই এ নিয়ে কিছু করতাম।
** আফগানিস্তানে আমেরিকানদের হত্যার জন্য রাশিয়া জঙ্গিদের পুরস্কার, এমন একটি মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের প্রেক্ষিতে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেন। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-২৮ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: ওষুধের দাম ও হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন নিয়ে ট্রাম্পের জাঁকজমকপূর্ণ কথা |লেখক=হোপ ইয়েন এবং ক্যালভিন উডওয়ার্ড | সাময়িকী=স্টার ট্রিবিউন |ইউআরএল=https://www.startribune.com/ap-fact-check-trump-hype-on-drug-costs-hydroxychloroquine/571989352/}}
* যেসব নৈরাজ্যবাদী, উস্কানিদাতা বা বিক্ষোভকারী পোর্টল্যান্ডের আমাদের ফেডারেল আদালত ভবন বা আমাদের যেকোনো শহর বা অঙ্গরাজ্যের ফেডারেল ভবন ভাঙচুর বা ক্ষতি করবে, তাদের আমাদের সম্প্রতি পুনরায় কার্যকর করা মূর্তি ও স্মৃতিস্তম্ভ আইনের আওতায় বিচার করা হবে। কমপক্ষে দশ বছরের জেল। এমনটা করবেন না!
** [https://mobile.twitter.com/Oijans/status/1346916360178302978 টুইটার] বার্তায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ২৮ জুলাই ২০২০।
* আমি মনে করি সে একটি চমৎকার প্রার্থী হতে পারে, [[কমলা হ্যারিস]]। সে একটি চমৎকার প্রার্থী হবে।
** কমলা হ্যারিস-এর উপ-রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য, যা একটি [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-marine-one-departure-072920/ হোয়াইট হাউসের প্রতিলিপি] থেকে পাওয়া।
* সার্বজনীন ডাকযোগে ভোট (অ্যাবসেন্ট ব্যালট নয়, যা আসলে ভালো) হওয়ার ফলে ২০২০ সালের নির্বাচন হবে ইতিহাসের সবথেকে ভুল এবং জালিয়াতিপূর্ণ নির্বাচন। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য চরম লজ্জার হবে। মানুষ যতক্ষণ না সঠিকভাবে এবং নিরাপদে ভোট দিতে পারে, ততক্ষণ কি নির্বাচন স্থগিত রাখা উচিত???
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট ({{উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1288818160389558273 |শিরোনাম=সার্বজনীন ডাকযোগে ভোট হওয়ার ফলে ২০২০ সালের নির্বাচন হবে ইতিহাসের সবথেকে ভুল এবং জালিয়াতিপূর্ণ নির্বাচন। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য চরম লজ্জার হবে। মানুষ যতক্ষণ না সঠিকভাবে এবং নিরাপদে ভোট দিতে পারে, ততক্ষণ কি নির্বাচন স্থগিত রাখা উচিত??? |তারিখ=২০২০-০৭-৩০ |সংগ্রহের-তারিখ=২০২০-০৭-৩০ |প্রকাশক=টুইটার |ভাষা=en-US |লেখক=ডোনাল্ড ট্রাম্প}})। এটি ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছিল এবং অনেক সংবাদ মাধ্যম এটি উদ্ধৃত করেছে, যেমন {{উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://www.bbc.co.uk/news/world-us-canada-53599363 |শিরোনাম=রিপাবলিকানদের ট্রাম্পের প্রতি বার্তা: আপনি ২০২০ সালের নির্বাচন পেছাতে পারেন না |তারিখ=২০২০-০৭-৩০ |সংগ্রহের-তারিখ=২০২০-০৭-৩০ |প্রকাশক=বিবিসি |ভাষা=en-GB}}।
* নির্বাচনের ফলাফল অবশ্যই নির্বাচনের রাতেই জানতে হবে, কয়েক দিন, মাস বা বছর পরে নয়!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-২৯ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: নির্বাচনের বিষয়ে ট্রাম্পের উত্তেজনা এবং বিকৃতি |লেখক=ক্যালভিন উডওয়ার্ড | সাময়িকী=সিয়াটেল টাইমস |ইউআরএল=https://www.seattletimes.com/nation-world/ap-fact-check-trumps-election-agitations-and-distortions/}}
* প্রথম দিকের প্রশ্নগুলো খুব সহজ। শেষের প্রশ্নগুলো অনেক বেশি কঠিন, যেমন স্মৃতিশক্তির একটি প্রশ্ন। এটি অনেকটা এমন যে আপনি বলছেন, '''"ব্যক্তি, নারী, পুরুষ, ক্যামেরা, টিভি"'''। তো তারা বলে, "আপনি কি এটি আবার বলতে পারবেন?" তো আমি বললাম, "হ্যাঁ। এটি হলো ব্যক্তি, নারী, পুরুষ, ক্যামেরা, টিভি।" ঠিক আছে। এটি খুব ভালো। আপনি যদি ধারাবাহিকভাবে বলতে পারেন, তবে আপনি অতিরিক্ত পয়েন্ট পাবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি|তারিখ=২০২০-০৭-২৩|শিরোনাম=মানসিক সক্ষমতা পরীক্ষায় রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের সাফল্য: ব্যক্তি, নারী, পুরুষ, ক্যামেরা, টিভি|লেখক=পিটার ওয়েড|সাময়িকী=রোলিং স্টোন|ইউআরএল=https://www.rollingstone.com/politics/politics-news/trump-cognitive-test-person-woman-man-camera-tv-1033002}}। মন্ট্রিয়ল কগনিটিভ অ্যাসেসমেন্ট দেওয়ার প্রসঙ্গে তিনি এই কথা বলেন।
* যখন তারা ধরা পড়ে, তারা বলে, “না, এটি তো আমার পরিবারের জন্য আনা সুপ।” তারা এতটাই নিষ্পাপ। “এটি আমার পরিবারের জন্য আনা সুপ।” এটি অবিশ্বাস্য। আর আপনারা দেখবেন মানুষ সুপের ব্যাগ নিয়ে আসছে, সুপের বিশাল বড় ব্যাগ। আর তারা সেগুলো মাটিতে রাখে, আর নৈরাজ্যবাদীরা সেগুলো নিয়ে আমাদের পুলিশদের দিকে ছুড়তে শুরু করে। আর এটি যদি আপনাকে আঘাত করে, তবে তা ইটের চেয়েও বেশি ক্ষতিকর কারণ এতে অনেক গতি থাকে। এটি একদম সঠিক মাপের। এটি যেন একদম নিখুঁতভাবে তৈরি করা হয়েছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি|তারিখ=২০২০-০৯-০২|শিরোনাম=বোঝা যাচ্ছে যে ট্রাম্প অ্যান্টিফার নতুন গোপন অস্ত্র ‘সুপ’ নিয়ে খুব আতঙ্কিত|লেখক=সারাহ মিডকিফ| সাময়িকী=রিফাইনারি২৯|ইউআরএল=https://www.refinery29.com/en-us/2020/09/10001730/trump-cans-bags-of-soup-antifa-protestors}}
====আগস্ট ২০২০====
* ওষুধ কোম্পানিগুলো যখন আমার বিরুদ্ধে বড় বড় টেলিভিশন বিজ্ঞাপন দেয়, তখন তারা যা বলে (যা মিথ্যা) তা ভুলে যান, আপনারা জানেন যে ওষুধের দাম অনেক কমছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৮-০২ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: ওষুধের দাম ও হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন নিয়ে ট্রাম্পের জাঁকজমকপূর্ণ কথা |লেখক=হোপ ইয়েন এবং ক্যালভিন উডওয়ার্ড | সাময়িকী=এপি নিউজ |ইউআরএল=https://apnews.com/d7f1d2003aeaa95466e12b875b7b4619}}
* এক অবৈধ নৈশ ক্যুর মাধ্যমে নেভাদার ক্লাবহাউস গভর্নর রিপাবলিকানদের জন্য সেই অঙ্গরাজ্যে জেতা অসম্ভব করে তুলেছেন। প্রস্তুতি ছাড়া ডাকবিভাগ কখনোই ডাকযোগে পাঠানো ভোটের চাপ সামলাতে পারবে না। কভিডকে ব্যবহার করে অঙ্গরাজ্যটি চুরি করা হচ্ছে। আদালতে দেখা হবে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=কুইন্ট ফোরজি | তারিখ=২০২০-০৮-০৩ |শিরোনাম=নেভাদায় ডাকযোগে ভোট বন্ধ করতে ট্রাম্পের মামলার হুমকি | সাময়িকী=পলিটিকো | ইউআরএল=https://www.politico.com/news/2020/08/03/trump-nevada-mail-voting-lawsuit-390878}}
* আপনি একে ডাকযোগে ভোট বলুন বা অ্যাবসেন্ট ভোটিং, ফ্লোরিডায় নির্বাচনী ব্যবস্থা নিরাপদ ও সুরক্ষিত, এটি পরীক্ষিত ও সত্য। ফ্লোরিডার ভোটদান ব্যবস্থা পরিষ্কার করা হয়েছে (আমরা ডেমোক্র্যাটদের পরিবর্তনের চেষ্টা নস্যাৎ করেছি), তাই '''ফ্লোরিডায় আমি সবাইকে ব্যালটের অনুরোধ করতে এবং ডাকযোগে ভোট দিতে উৎসাহিত করি!''' #এমএজিএ
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=বেটসি ক্লেইন | তারিখ=২০২০-০৮-০৩ |শিরোনাম=আপাত দৃষ্টিতে অবস্থান বদলে ফ্লোরিডাবাসীকে ডাকযোগে ভোট দিতে উৎসাহিত করলেন ট্রাম্প | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/04/politics/donald-trump-mail-in-voting-florida/index.html}}
* বড় ধরনের কারচুপি ছাড়া ডাকযোগে ভোট সম্পন্ন হওয়ার কোনো উপায় নেই।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | তারিখ=২০২০-০৮-০৩ |শিরোনাম=জোনাথন সোয়ান ট্রাম্পের মিথ্যা ফাঁস করার সহজ রহস্য উন্মোচন করেছেন: মৌলিক ফলো-আপ প্রশ্ন | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/04/politics/fact-check-jonathan-swan-axios-hbo-interview-trump-coronavirus/index.html}}
* আমি যখন দায়িত্ব নিই, তখন আমাদের কাছে কোনো পরীক্ষাই ছিল না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] উল্লেখ করেছেন যে ২০১৭ সালে, ২০১৯ সালে আবির্ভূত করোনাভাইরাসের জন্য কোনো পরীক্ষা ছিল না, যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি | লেখক=স্টিভ বেনেন | তারিখ=২০২০-০৮-০৩ |শিরোনাম=ভাইরাস পরীক্ষার বিরুদ্ধে যুক্তি দিতে কাল্পনিক 'ম্যানুয়াল'-এর কথা বলছেন ট্রাম্প | সাময়িকী=এমএসএনবিসি | ইউআরএল=https://www.msnbc.com/rachel-maddow-show/trump-points-imagined-manuals-argue-against-virus-tests-n1235815}}
* আমরা অবিশ্বাস্য কাজ করেছি, সবকিছু নিয়ন্ত্রণে আছে। [যুক্তরাষ্ট্রের [[কোভিড-১৯ অতিমারী]] পরিস্থিতি সামলানো প্রসঙ্গে]
** এইচবিওতে অ্যাক্সিওসের জোনাথন সোয়ানের সাথে [https://www.youtube.com/watch?v=zaaTZkqsaxY সাক্ষাৎকারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
* বিস্ফোরণের ধরণ দেখে মনে হচ্ছে এটি তেমনই ছিল। আমি আমাদের কয়েকজন বড় জেনারেলের সাথে দেখা করেছি এবং তাদের মনে হয়েছে যে এটি এমনই ছিল। এটি কোনো উৎপাদন সংক্রান্ত বা কারখানার বিস্ফোরণ জাতীয় ঘটনা ছিল না... তারা মনে করছেন এটি একটি হামলা ছিল। হ্যাঁ, এটি কোনো এক ধরনের বোমা ছিল।
** বৈরুতের বিস্ফোরণকে দুর্ঘটনা না বলে কেন তিনি হামলা বলছেন, এই প্রশ্নের জবাবে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি | লেখক=ডার্লিন সুপারভিল/এপি | তারিখ=২০২০-০৮-০৪ |শিরোনাম= বৈরুতের বিশাল বিস্ফোরণ সম্ভবত একটি 'হামলা', বললেন ট্রাম্প | সাময়িকী=টাইম |ইউআরএল=time.com/5875784/trump-explosion-beirut-attack/ }}
* '''প্রশ্ন''': যদি প্রেসিডেন্ট ওবামার সময়ে ১,৬০,০০০ মানুষ মারা যেত, আপনার কি মনে হয় আপনি তার পদত্যাগ দাবি করতেন?
: '''[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]''': না, আমি তা করতাম না। আমার মনে হয় আমরা যা করতে পেরেছি তা অবিশ্বাস্য। আমরা যদি আমাদের দেশ বন্ধ না করতাম, তবে ইতিমধ্যেই ১৫ বা ২০ লক্ষ মানুষ মারা যেত। আমরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি; এখন আমাদের এটি বন্ধ করতে হবে না। আমরা রোগটি বুঝি। কেউ এটি বোঝেনি কারণ কেউ এর আগে এমন কিছু দেখেনি। সবথেকে কাছাকাছি ঘটনা হলো ১৯১৭ সাল, তারা যেমনটা বলে, তাই তো? সেই মহান অতিমারীটি অবশ্যই একটি ভয়াবহ বিষয় ছিল, যেখানে তারা ৫ থেকে ১০ কোটি মানুষ হারিয়েছিল। সম্ভবত এটিই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ করে দিয়েছিল; সব সৈন্যরা অসুস্থ ছিল। সেটি একটি ভয়াবহ পরিস্থিতি ছিল। আর এটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে। এটি অত্যন্ত, অত্যন্ত ছোঁয়াচে। না, আমি যদি অনেকের কথা শুনতাম, তবে আমরা এটি খোলা রাখতাম। আর এখন আমরা এটি পুরো সময় খোলাই রাখছি। আমরা এটি খোলা রাখি। কিন্তু আমরা যদি এটি খোলা রাখতাম, তবে এখন ১৫ বা ২০ লক্ষ মানুষ—১৫ থেকে ২০ লক্ষ মানুষ মারা যেতে পারত। আমাদের লোকেরা চমৎকার কাজ করেছে,আমাদের পরামর্শক এবং ডাক্তাররা। আপনারা জানেন, অনেক মতভেদ আর অনেক কিছুর মাঝেই এটি হয়েছে।
:* [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-press-briefing-august-10-2020/ ''১০ আগস্ট ২০২০-এর সাংবাদিক বৈঠকে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্য''], প্রকাশিত হয়েছে: ১১ আগস্ট ২০২০, ''whitehouse.gov''।
:* দ্রষ্টব্য: অক্টোবর ২০১৪-এ ডোনাল্ড ট্রাম্প [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/525431218910027776 টুইট] করেছিলেন যে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা-র পদত্যাগ করা উচিত কারণ গিনিতে ইবোলা রোগীদের চিকিৎসা করা একজন ডাক্তার যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে এসেছিলেন, যা স্নোপসের [https://www.snopes.com/fact-check/trump-obama-ebola-tweet/ ইবোলা চিকিৎসক যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার পর ট্রাম্প কি ওবামার পদত্যাগ দাবি করেছিলেন?] শীর্ষক প্রতিবেদনে (১৫ মে ২০২০) প্রকাশিত হয়েছে। আর ১৯১৮ সালের ফ্লু অতিমারী ১৯১৮ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯২০ সালের এপ্রিল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল, যা ১৯৩৯ সালে শুরু হওয়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অনেক আগের ঘটনা।
* বাইডেন যদি জেতেন, তবে তিনি সবার কর দ্বিগুণ, তিনগুণ বাড়িয়ে দেবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল, হোমস লিব্র্যান্ড এবং তারা সুব্রামানিয়াম | তারিখ=২০২০-০৮-০৪ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ব্রিফিংগুলোতে মিথ্যা দাবি আর অতিরঞ্জিত করার অভ্যাসে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন ট্রাম্প | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/12/politics/donald-trump-press-briefing-biden-tax-plan-coronavirus-fact-check/index.html}}
* নচ্ছাড়
* ভয়াবহ
* এমন একজন যে অনেক অনেক অসত্য গল্প বলেছে
* অস্বাভাবিকভাবে নচ্ছাড়
* এমন এক পর্যায়ের নচ্ছাড় যা স্রেফ একটি জঘন্য ব্যাপার
* [[জো বাইডেন]]ের প্রতি খুবই নচ্ছাড়
* সম্ভবত পোকাহন্টাসের চেয়েও বেশি নচ্ছাড়
* মার্কিন সেনেটের যে কারো চেয়ে সবথেকে নীচ, সবথেকে ভয়াবহ এবং সবথেকে অসম্মানজনক।
** [[কমলা হ্যারিস]] সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি ফোর্বস-এ অ্যান্ড্রু সোলেন্ডার উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি | লেখক=অ্যান্ড্রু সোলেন্ডার | তারিখ=২০২০-০৮-১১ | শিরোনাম=হোয়াইট হাউসের ব্রিফিংয়ে কমলা হ্যারিসকে বারবার 'নচ্ছাড়' ও 'ভয়াবহ' বললেন ট্রাম্প | সাময়িকী=ফোর্বস | ইউআরএল=https://www.forbes.com/sites/andrewsolender/2020/08/11/trump-repeatedly-calls-kamala-harris-nasty-and-horrible-in-white-house-briefing/#440e0fb54570}}
* ইউরোপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে অতিরিক্ত মৃত্যুহার প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি।
** করোনাভাইরাস নিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি | লেখক=জেসিকা ম্যাকডোনাল্ড | তারিখ=২০২০-০৮-১১ | শিরোনাম=বিভ্রান্তিকর এবং ত্রুটিপূর্ণ অতিরিক্ত মৃত্যুর পরিসংখ্যান দিলেন ট্রাম্প | সাময়িকী= FactCheck.org | ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/08/trump-touts-misleading-and-flawed-excess-mortality-statistic/}}
* আমি যদি নির্বাচনে না জিতি, তবে চীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মালিক হয়ে যাবে আপনাদের চীনা ভাষা বলা শিখতে হবে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=জাস্টিন প্যারাগোনা | তারিখ=২০২০-০৮-১২ |শিরোনাম=ট্রাম্প: বাইডেনের কাছে হারলে চীনা ভাষা শিখতে প্রস্তুত থাকুন | সাময়িকী=ডেইলি বিস্ট | ইউআরএল=https://www.thedailybeast.com/trump-if-i-lose-to-biden-get-ready-to-have-to-learn-to-speak-chinese/}}
* এখন, ডাকবিভাগকে সচল রাখার জন্য তাদের সেই অর্থের প্রয়োজন, যাতে তারা এই লক্ষ লক্ষ ব্যালট সামলাতে পারে। এখন, আমরা যদি কোনো চুক্তিতে না আসি, তার মানে তারা সেই টাকা পাবে না। তার মানে তারা সার্বজনীন ডাকযোগে ভোট ব্যবস্থা করতে পারবে না, তারা স্রেফ পারবে না।
** (১৩ আগস্ট ২০২০) [https://abcnews.go.com/Politics/trump-opposes-funding-usps-bid-block-vote-mail/story?id=72353322 ডাকযোগে ভোট বাধা দেওয়ার লক্ষ্যে ট্রাম্প ইউএসপিএসর তহবিল দেওয়ার বিরোধিতা করার পর সুর বদলালেন] ''এবিসি নিউজএ'' প্রকাশিত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য।
* ডেমোক্র্যাট শহরগুলো ছেড়ে দিন। সেগুলোকে পচতে দিন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] একজন সমর্থকের বার্তা রিটুইট করেছেন, {{উদ্ধৃতি | লেখক=জেমস গর্ডন | তারিখ=২০২০-০৮-১৬ |শিরোনাম='তাদের পচতে দিন!': নিউ ইয়র্ক বা শিকাগোর মতো ডেমোক্র্যাট শাসিত শহর ত্যাগের আহ্বানে সমর্থকের বার্তায় ট্রাম্পের রিটুইট | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://www.dailymail.co.uk/news/article-8633677/Let-rot-Trump-retweets-supporters-message-democrat-cities.html}}
* যাই হোক, নিউজিল্যান্ডে বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছিল।
** কভিড-১৯ ভাইরাস সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন, যা সেই সময় নিউজিল্যান্ডে মোট ২২ জনের মৃত্যুর কারণ হয়েছিল। {{উদ্ধৃতি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | তারিখ=২০২০-০৮-১৮ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ট্রাম্প নিউজিল্যান্ডে 'বড় প্রাদুর্ভাব' হয়েছে বললেও দেশটিতে বৃহস্পতিবার মাত্র ৫ জন আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/20/politics/fact-check-trump-new-zealand-outbreak/index.html}}
* আমি আবার দেখছি দাবানল শুরু হচ্ছে। ক্যালিফোর্নিয়াতে এগুলো আবার শুরু হচ্ছে। আমি বলেছিলাম, আপনাদের মেঝে পরিষ্কার করতে হবে, আপনাদের জঙ্গল পরিষ্কার করতে হবে সেখানে অনেক বছরের জমে থাকা পাতা আর ভাঙা গাছ আছে এবং সেগুলো খুবই দাহ্য, আপনি ছোঁয়া দিলেই জ্বলে ওঠে। সম্ভবত আমাদের তাদের দিয়ে এর খেসারত দেওয়াতে হবে কারণ তারা আমাদের কথা শোনে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=জেরেমি বি. হোয়াইট | তারিখ=২০২০-০৮-১৯ |শিরোনাম=দাবানলের জন্য ক্যালিফোর্নিয়াকে দায়ী করে ট্রাম্প বললেন 'আপনাদের মেঝে পরিষ্কার করতে হবে' | সাময়িকী=পলিটিকো | ইউআরএল=https://www.politico.com/states/california/story/2020/08/20/trump-blames-california-for-wildfires-tells-state-you-gotta-clean-your-floors-1311059}}
* আমি এই প্রজেক্ট বা প্রকল্প সম্পর্কে কিছুই জানি না, শুধু এটুকু ছাড়া যে আমি যখন এটি সম্পর্কে পড়েছিলাম তখন এটি আমার পছন্দ হয়নি, একদমই পছন্দ হয়নি।
* মিস্টার ব্যাননের জন্য এটি খুব দুঃখজনক। আমি অন্য কাউকেও চিনতাম না।
** ব্যক্তিগতভাবে পরিচালিত ‘উই বিল্ড দ্য ওয়াল’ প্রকল্প সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=অ্যান্ড্রু কাচিনস্কি, এম স্টেক | তারিখ=২০২০-০৮-২০ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: অস্বীকার করলেও বেসরকারি সীমান্ত দেওয়াল প্রকল্পের সাথে জড়িত বেশিরভাগ মানুষকেই চেনেন ট্রাম্প | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/20/politics/fact-check-trump-private-border-wall-project/index.html}}
* তাদের জেতার একমাত্র উপায় হলো একটি সাজানো নির্বাচন। আমি সত্যিই এটা বিশ্বাস করি। আমি বাইরের ভিড় দেখেছি।
** [[ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)]] সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | তারিখ=২০২০-০৮-২০ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: বাইডেনকে আক্রমণ করে পেনসিলভানিয়ায় দেওয়া ভাষণে ট্রাম্পের একগুচ্ছ মিথ্যা দাবি | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/20/politics/trump-false-claims-pennsylvania-speech-biden-fact-check/index.html}}
* আমাদের কাছে শেরিফ থাকবে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা থাকবে, এবং আমরা আশা করছি ইউএস অ্যাটর্নি এবং অ্যাটর্নি জেনারেলসহ সবাই থাকবে।
** ভোটার জালিয়াতি পর্যবেক্ষণ ও প্রতিরোধের পরিকল্পনা সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=তারা সুব্রামানিয়াম | তারিখ=২০২০-০৮-২১ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: রাষ্ট্রপতি কি ভোটকেন্দ্রে আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের পাঠাতে পারেন? | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/21/politics/donald-trump-law-enforcement-election-polls-fact-check/index.html}}
* এফডিএ-তে থাকা ডিপ স্টেট বা অন্য যে কেউ, ওষুধ কোম্পানিগুলোর জন্য ভ্যাকসিন এবং থেরাপিউটিক পরীক্ষার লোক পাওয়া খুব কঠিন করে দিচ্ছে। স্পষ্টতই, তারা আশা করছে ৩রা নভেম্বরের পর পর্যন্ত এর ফলাফল পিছিয়ে দিতে। আমাদের অবশ্যই গতি বাড়ানো এবং জীবন বাঁচানোর দিকে মনোযোগ দিতে হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=হোপ ইয়েন, ক্যালভিন উডওয়ার্ড | তারিখ=২০২০-০৮-২৪ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: এফডিএ-তে 'ডিপ স্টেট' থাকা নিয়ে ট্রাম্পের ভিত্তিহীন দাবি | সাময়িকী=পিটসবার্গ পোস্ট-গেজেট | ইউআরএল=https://www.post-gazette.com/business/powersource/2020/08/24/AP-FACT-CHECK-Trump-s-baseless-claim-of-deep-state-at-FDA/stories/202008240037}}
==== সেপ্টেম্বর ২০২০ ====
* পুরো শহরটা সারাক্ষণ আগুনে পুড়ছে।
** পোর্টল্যান্ড সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৯-০১ |শিরোনাম=বাইডেন এবং বিক্ষোভ নিয়ে ট্রাম্পের আরও কিছু মিথ্যা দাবি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল, তারা সুব্রামানিয়াম, হোমস লিব্র্যান্ড | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/31/politics/trump-kenosha-briefing-fact-check/index.html}}
* গত এক সপ্তাহে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া আর মারা যাওয়ার হার অনেক কমে গেছে।
** কোভিড-১৯ অতিমারী সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৯-০৩ |শিরোনাম=এমনকি ফক্স নিউজও ট্রাম্পের জনসভাগুলো পুরো প্রচার করছে না, তবে তার মিথ্যাচারগুলো এখনো অবাক করার মতো |লেখক=ব্রায়ান স্টেল্টার | সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/04/media/donald-trump-pennsylvania-reliable-sources/index.html}}
* ডাউ জোনস সূচক এইমাত্র ২৯,০০০ ছাড়িয়েছে! আমাকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে পাওয়া আপনাদের অনেক বড় ভাগ্য। জো বাইডেন ক্ষমতায় থাকলে এটা ধসে পড়ত।
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1301249968091455488 [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট]
* ওর মতো মাস্ক পাগল মানুষ কি আগে কখনো দেখেছেন? মাস্কটা সারাক্ষণ ঝুলে থাকে। ও মনে করে এতেই ও নিরাপদ। আমি যদি কোনো মানসিক ডাক্তার হতাম, তবে বলতাম এই লোকের মাথায় নিশ্চয়ই বড় কোনো সমস্যা আছে। শুধু ঝুলেই থাকে।
** জো বাইডেনের মাস্ক পরা নিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের বিদ্রূপ, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-০৪ |শিরোনাম=মাস্ক পরার ধরন নিয়ে জো বাইডেনকে উপহাস করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প | সাময়িকী=ইন্ডিপেন্ডেন্ট.আইই | ইউআরএল=https://www.independent.ie/videos/donald-trump-mocks-joe-biden-for-manner-of-wearing-mask-39502878.html}}
* আপনার ভোট যদি গোনা না হয়ে থাকে, তবে আবার গিয়ে ভোট দিন এটা প্রতিটি নাগরিকের অধিকার। বোতাম টিপে ভোট দিয়ে দিন। আপনার ওই ডাকযোগে পাঠানো ব্যালট যদি পরে পৌঁছায়, তবে সেটা আর গোনা হবে না কারণ আপনি আগেই ভোট দিয়ে দিয়েছেন। এভাবে আপনার ভোট নিশ্চিতভাবে গোনা হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] দুইবার ভোট দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন, যা একটি অপরাধ। যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-০৪ | শিরোনাম=কর্তৃপক্ষের সতর্কতা উপেক্ষা করে আবারও সমর্থকদের দুইবার ভোট দেওয়ার পরামর্শ দিলেন ট্রাম্প | লেখক= ডায়ান গ্যালাঘের, ক্যারোলিন কেলি, মার্শাল কোহেন, ব্রায়ান রোকাস | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/05/politics/trump-vote-twice-north-carolina/index.html}}
* পেন্টাগনের বড় বড় কর্তারা... সারাক্ষণ শুধু যুদ্ধ করতে চায়। যাতে বোমা আর প্লেন বানানো কোম্পানিগুলো খুশি থাকে।
** হোয়াইট হাউসের সামনে এক [https://www.trtworld.com/americas/trump-pentagon-chiefs-fighting-wars-to-oblige-arms-companies-39561 সংবাদ সম্মেলনে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (৭ সেপ্টেম্বর ২০২০)।
* অপারেশন ওয়ার্প স্পিডের মাধ্যমে আমরা চিকিৎসার নতুন পথ খুঁজেছি। এতে গত এপ্রিলের তুলনায় মৃত্যুর হার ৮৫% কমে গেছে।
* পারমাণবিক শক্তির দিক থেকে আমরা অনেক এগিয়ে আছি। আমরা এর অনেক উন্নতি করেছি।
* যখন খবর আসে যে কিছু দেশ আমাকে খুব একটা পছন্দ করে না, তা সবসময় আমার ব্যক্তিত্বের জন্য নয়তবে সত্যি বলতে, সেটাও একটা কারণ হতে পারে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-০৮ | শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্পের সংবাদ সম্মেলনের ৩৭টি অদ্ভুত উক্তি | লেখক= ক্রিস সিলিঞ্জা | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/08/politics/donald-trump-labor-day-press-conference/index.html}}
* মার্কিন প্রেসিডেন্টই সব শেষ সিদ্ধান্ত নেন।
* বব উডওয়ার্ড যদি মনেই করত আমি যা বলেছি তা ভুল, তবে সাথে সাথেই ওর উচিত ছিল প্রশাসনকে জানানো যাতে তারা প্রস্তুতি নিতে পারত।
** বব উডওয়ার্ডকে দেওয়া সাক্ষাৎকার প্রসঙ্গে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১০ | শিরোনাম=কাউকে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মনে করিয়ে দেওয়া দরকার যে বব উডওয়ার্ড মার্কিন প্রেসিডেন্ট নন | লেখক= ক্রিস সিলিঞ্জা | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/10/politics/trump-bob-woodward-rage/index.html}}
* আমার মনে হয় ও বোধহয় কোনো নেশা-টেশা করে।
** জো বাইডেন সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১০ | শিরোনাম=বাইডেনের বিরুদ্ধে মাদক নেওয়ার অভিযোগ আনতে ফক্স নিউজের সাক্ষাৎকারকে ব্যবহার করলেন ট্রাম্প | লেখক= মার্টিন পেঙ্গেলি | সাময়িকী=দ্য গার্ডিয়ান | ইউআরএল=https://www.theguardian.com/us-news/2020/sep/12/trump-biden-drugs-fox-news-interview}}
* আপনার গভর্নরকে বলুন রাজ্যটা খুলে দিতে।
** ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০-এ সমর্থকদের সামনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। এ প্রসঙ্গে [https://www.usatoday.com/story/news/politics/elections/2020/09/13/donald-trump-latino-voters-las-vegas-ahead-rally/5784501002/ ''নেভাদার গভর্নর স্টিভ সিসোলাক বলেছেন যে ট্রাম্প ঘরোয়া পরিবেশে জনসভা করে নিজের স্বার্থপরতা দেখিয়েছেন''] প্রতিবেদনটি উল্লেখযোগ্য।
* বয়স্কদের যে এতো সহজে আক্রান্ত হতে পারে, তা কেউ আগে জানত না।
** করোনাভাইরাস সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১৬ | শিরোনাম=এবিসি টাউন হলে ট্রাম্প অন্তত ২২টি ভুল দাবি করেছেন | লেখক= ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/16/politics/fact-check-trump-abc-town-hall/index.html}}
* আমরা খুব দ্রুত আর নিরাপদভাবে টিকা পৌঁছে দেওয়ার জন্য কাজ করছি। আমাদের মনে হয় অক্টোবরের দিকেই শুরু করতে পারব। ঘোষণা হওয়ার সাথে সাথেই আমরা কাজ শুরু করে দেব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১৬ | শিরোনাম=টিকার গতি নিয়ে ট্রাম্প আবারও বাড়িয়ে কথা বলেছেন | লেখক= জেসিকা ম্যাকডোনাল্ড | সাময়িকী=ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি | ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/09/trump-again-overstates-speed-of-covid-19-vaccine-rollout/}}
* এফডিএ অনুমোদন দিলেই ২০২০ সালের শেষ নাগাদ আমরা ১০ কোটি ডোজ টিকা বিলি করতে পারব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি উদ্ধৃতি হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১৬ | শিরোনাম=ট্রাম্প বলেছেন ২০২০ সালের মধ্যে অন্তত ১০ কোটি টিকা দেওয়া সম্ভব হবে | লেখক= রয়টার্স কর্মী | সাময়িকী=রয়টার্স| ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/healthcoronavirus-trump-vaccine/trump-says-u-s-could-distribute-at-least-100-million-covid-vaccine-doses-by-end-of-2020-idINW1N2FG089}}
* পেনসিলভ্যানিয়ায় কী হচ্ছে দেখেছেন? ওখানকার সুপ্রিম কোর্টের জজ নাকি রায় দিয়েছেন যে ভোট গুনতে তারা যত খুশি সময় নিতে পারবে। তার মানে গতবারের মতো এবারও আমিই ওখানে জিততে যাচ্ছি। খুব সহজেই জিতব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১৬ | শিরোনাম=পেনসিলভানিয়াতে ভোট গণনা নিয়ে ট্রাম্পের ভুল বক্তব্য | লেখক= রেম রিডার | সাময়িকী=ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি| ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/09/trumps-false-statement-about-counting-ballots-in-pennsylvania/}}
* বামপন্থী দাঙ্গাবাজরা আমাদের মহান নেতাদের মূর্তি ভেঙে ফেলছে, স্মৃতিস্তম্ভ নষ্ট করছে আর বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে। ওরা বলে "আমেরিকা কোনোদিনই মহান ছিল না"। ওরা পুলিশকেও আক্রমণ করছে। তাদের লক্ষ্য একটাই সত্য গোপন করা আর আমেরিকানদের ভয় দেখিয়ে তাদের সংস্কৃতি আর ঐতিহ্য ভুলিয়ে দেওয়া।
** [https://trumpwhitehouse.archives.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-white-house-conference-american-history/ আমেরিকান ইতিহাস বিষয়ক হোয়াইট হাউস সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য] (১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০)
* যারা আমেরিকান পতাকা পোড়াচ্ছে, তারা আসলে আমাদের মূল নীতিগুলোকেও পুড়িয়ে দিতে চায়। ওরা চায় আমেরিকানরা যেন নিজেদের পরিচয় আর বিশ্বাসের ওপর ভরসা হারিয়ে ফেলে। বামপন্থীদের এই সাংস্কৃতিক বিপ্লব আসলে আমেরিকার মূল আদর্শকেই উৎখাত করার জন্য তৈরি হয়েছে।
** [https://trumpwhitehouse.archives.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-white-house-conference-american-history/ আমেরিকান ইতিহাস বিষয়ক হোয়াইট হাউস সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য] (১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০)
* বামপন্থীরা মিথ্যা দিয়ে আমেরিকার ইতিহাসকে নষ্ট করে দিয়েছে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের সেই ১৬১৯ প্রজেক্ট এর বড় প্রমাণ। ওরা শিশুদের শেখাচ্ছে যে আমেরিকা শোষণ আর অত্যাচারের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। অথচ আমেরিকা তো দাসত্ব শেষ করেছে, মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে আর এক সমৃদ্ধ জাতি গড়ে তুলেছে।
** [https://trumpwhitehouse.archives.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-white-house-conference-american-history/ আমেরিকান ইতিহাস বিষয়ক হোয়াইট হাউস সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য] (১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০)
* আমি শিনজোকে বললাম, ‘শিনজো, দয়া করে আমার একটা কথা শোনো। আমাদের দেশে আরও গাড়ি কারখানা দরকার। ওগুলো জাপানে না বানিয়ে আমাদের এখানে বানাও।’ ও প্রথমে মানতে চায়নি, কিন্তু আমি জোর দিয়ে বললাম। পরের দিনই খবর এল: ‘মিশিগানে পাঁচটা বড় বড় গাড়ি কারখানা চালু হচ্ছে।’
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-২১ | শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: ট্রাম্পের বানানো গাড়ি কারখানার গল্প | লেখক= হোপ ইয়েন, ক্যালভিন উডওয়ার্ড, টম ক্রিশার | সাময়িকী=এপি | ইউআরএল=https://apnews.com/ec85b88102464c9651d32b475c01c183}}
* আমিই এটা বাঁচিয়েছি। আমাদের কয়লা খনির শ্রমিকদের আবার কাজে ফিরিয়েছি।
** কয়লা খনি শিল্প সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-২১ | শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: কর্মসংস্থান নিয়ে ট্রাম্পের ভুল দাবি | লেখক= ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/23/politics/fact-check-trump-jobs-manufacturing-coal/index.html}}
* এখন আমরা সত্যিটা জানি। এই ভাইরাস কেবল বয়স্ক আর অসুস্থ মানুষদের ওপর প্রভাব ফেলে। তরুণদের কিছু হয় না। ওদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশি। সত্যি বলতে, এটি আসলে প্রায় কাউকেই ছুঁতে পারে না। এটি একটি আশ্চর্যজনক বিষয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-২২ | শিরোনাম=ট্রাম্প বললেন করোনাভাইরাস আসলে কারো ওপর প্রভাব ফেলে না | লেখক= কাশ্মীরা গ্যান্ডার | সাময়িকী=নিউজউইক | ইউআরএল=https://www.newsweek.com/trump-covid-virtually-nobody-rally-ohio-1533452}}
* আমরা পেনসিলভানিয়াতে এগিয়ে আছি। ফ্লোরিডায় এগিয়ে আছি। আমার মনে হয় সব জায়গাতেই আমি এগিয়ে আছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-২৮ | শিরোনাম=সপ্তাহান্তে ট্রাম্পের দাবিগুলোর ফ্যাক্ট-চেকিং | লেখক=লরি রবার্টসন | সাময়িকী=ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি | ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/09/factchecking-trumps-weekend-claims/}}
* ওষুধের দাম ৮০ বা ৯০ শতাংশ কমে যাবে।
**পুরো নির্বাচনটাই আগে থেকে সাজানো।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-৩০ | শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: বিতর্কে ট্রাম্প ও বাইডেনের ভুল দাবি | লেখক=এপি কর্মী | সাময়িকী=এমপিআর নিউজ| ইউআরএল=https://www.mprnews.org/story/2020/09/30/fact-check-false-claims-flood-trumpbiden-debate}}
* আমি আজ পড়েছি যে ২০১৬ সালেও ১% ব্যালট বাতিল করা হয়েছিল। ওরা এগুলো যেখানে সেখানে ফেলে দেয়। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় ডাকপিয়নরা নাকি ব্যালট বিক্রি করে দিচ্ছে। ময়লার ঝুড়িতেও ট্রাম্পের নাম লেখা ব্যালট পাওয়া গেছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-৩০ | শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ডাকযোগে ভোট নিয়ে ট্রাম্পের প্রায় সব দাবিই ভুল ছিল | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন| ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/30/politics/fact-check-trump-first-debate-mail-voting-fraud/index.html}}
* আমার প্রশাসন ধর্মপ্রাণ আমেরিকানদের জন্য লড়া কোনোদিন থামাবে না।
** ২০২০ সালের জনসভায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০-এর [https://www.theatlantic.com/politics/archive/2020/09/trump-secretly-mocks-his-christian-supporters/616522/ আটলান্টিক] নিবন্ধ অনুযায়ী।
==== অক্টোবর ২০২০ ====
[[File:Interfaith Health Care Vigil 6291113.jpg|thumb|ট্রাম্প আর পেন্সের উচিত মানুষকে মুক্তি দেওয়া। ওরা গরিব আর অল্প আয়ের মানুষদের জিম্মি করে রেখেছে, জরুরি পরিষেবার কর্মীদের জিম্মি করে রেখেছে। এই দেশে এখন পরিবর্তনের সময় এসেছে। ~ রেভ. উইলিয়াম বারবার ২ ]]
* আমাদের মহান যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক উদ্দীপনা চায় এবং এর প্রয়োজন আছে। সবাই মিলে কাজ করে এটা সফল করুন। ধন্যবাদ!
**[https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1312449034154504192 টুইটারের মাধ্যমে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ৩ অক্টোবর ২০২০
* আমি আমার প্রতিনিধিদের নির্দেশ দিয়েছি নির্বাচনের আগে পর্যন্ত আলোচনা বন্ধ রাখতে। আমি জেতার সাথে সাথেই আমরা একটা বড় স্টিমুলাস বিল পাস করব, যা পরিশ্রমী আমেরিকান আর ছোট ব্যবসার ওপর জোর দেবে।
** [https://www.axios.com/trump-coronavirus-stimulus-negotiations-7d464d0e-924f-46f5-90d2-9e8097c9c8f7.html ট্রাম্প বলেছেন তিনি নির্বাচনের আগে কভিড সহায়তা নিয়ে আলোচনা করবেন না] নিবন্ধ অনুযায়ী [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আফগানিস্তানে আমাদের যে অল্প সংখ্যক সাহসী নারী-পুরুষ কাজ করছেন, বড়দিনের মধ্যেই তাদের বাড়ি ফিরিয়ে আনা উচিত!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1313984510749544450 টুইটারের মাধ্যমে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ৭ অক্টোবর ২০২০
* অর্থনীতির ক্ষেত্রে আমার মনে হয় ডোনাল্ড ট্রাম্প আর [[জো বাইডেন]]ের মধ্যে এক মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। জো বাইডেন বিশ্বাস করেন যে আমেরিকান শ্রমিক আর আমেরিকান পরিবারের সুস্বাস্থ্যের ওপর ভিত্তি করে অর্থনীতির শক্তি মাপা উচিত। অন্যদিকে '''ডোনাল্ড ট্রাম্প ধনীদের অবস্থার ওপর ভিত্তি করে অর্থনীতির শক্তি মাপেন। এই কারণেই তিনি একটি কর বিল পাস করেছিলেন যা শীর্ষ ১% ধনী আর আমেরিকার বড় বড় কোম্পানিগুলোকে সুবিধা দেয়। এর ফলে ২ ট্রিলিয়ন ডলারের ঘাটতি তৈরি হয়েছে যা আমেরিকানদেরই শোধ করতে হবে। পেন্স আর ট্রাম্প কেবল পুলিশি সহিংসতার ক্ষেত্রেই বর্ণবাদ অস্বীকার করছেন না, তারা অর্থনীতি আর স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রেও বিদ্যমান বর্ণবাদকে পাত্তা দিচ্ছেন না... তারা শুধু ধনী আর লোভীদেরই সুরক্ষা দিতে চান। ট্রাম্প-পেন্স পরিকল্পনা মানেই হলো ধনীদের আরও টাকা দেওয়া। আসলে ট্রাম্প-পেন্স-ম্যাককনেল পরিকল্পনা হলো স্টিমুলাস পাস করতে না চাওয়া, কারণ তারা আরও ২০০ বিলিয়ন ডলারের কর ছাড় চান।''' তারা যুদ্ধবিমানের জন্য টাকা চান, আর কোম্পানিগুলোকে সুরক্ষা দিতে চান যাতে করোনাভাইরাস থেকে কর্মীদের সুরক্ষা না দেওয়ার জন্য তাদের কোনো দায় নিতে না হয়।
** রেভ উইলিয়াম বারবার ২, [https://www.democracynow.org/2020/10/8/mike_pence_kamala_harris_vp_debate রেভ. উইলিয়াম বারবার: লক্ষ লক্ষ মানুষ লড়াই করছে। তাহলে কেন বিতর্কে দারিদ্র্যকে উপেক্ষা করা হচ্ছে?, ''ডেমোক্র্যাসি নাউ''] (৮ অক্টোবর ২০২০)
* আমি কোনো অনলাইনে বিতর্ক করব না। ভার্চুয়াল বিতর্কে আমি আমার সময় নষ্ট করব না।
** কভিড-১৯ সংক্রমণের কারণে দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি বিতর্কে দূরবর্তী অবস্থান থেকে অংশগ্রহণের উদ্যোগ সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-০৮ |শিরোনাম=সিপিডি পরিবর্তন ঘোষণার পর ট্রাম্প বলেছেন তিনি 'ভার্চুয়াল বিতর্কে' সময় নষ্ট করবেন না | লেখক=ব্রুক সিংম্যান | সাময়িকী=ফক্স নিউজ | ইউআরএল=https://www.foxnews.com/politics/second-trump-biden-debate-will-be-virtual-organizers-say}}
* দানব... কমিউনিস্ট... ভয়াবহ... একদমই অপছন্দ করার মতো।
** উপ-রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী কমলা হ্যারিস সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-০৮ |শিরোনাম=উপ-রাষ্ট্রপতি বিতর্কের পরের সকালে ট্রাম্প হ্যারিসকে 'দানব' বলে অপমান করলেন | লেখক=এলিজাবেথ থমাস | সাময়িকী=এবিসি নিউজ | ইউআরএল=https://abcnews.go.com/Politics/trump-insults-harris-monster-morning-vice-presidential-debate/story?id=73498918}}
* আমরা ফ্লোরিডায় একটা জনসভা করতে চাই, সম্ভবত শনিবার রাতে ফ্লোরিডায়। পরের রাতে পেনসিলভ্যানিয়ায় আর একটা করতে পারি। আমি খুব ভালো বোধ করছি! আসলে কাল পরীক্ষা হবে, আসল পরীক্ষা। কারণ সারাক্ষণ পরীক্ষা করার কোনো দরকার নেই, তবে তারা খুব সামান্য সংক্রমণ বা ভাইরাস পেয়েছে, যদি আদৌ পেয়ে থাকে। আমি জানি না তারা কিছু পেয়েছে কি না, আমি ডাক্তারদের সাথে এ নিয়ে বেশি কথা বলিনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-০৮ |শিরোনাম=হানিটি সাক্ষাৎকারে কাশির মাঝেই ট্রাম্প বললেন তিনি শনিবার জনসভা করতে চান | লেখক=জাস্টিন বারগোনা | সাময়িকী=ডেইলি বিস্ট | ইউআরএল=https://www.thedailybeast.com/trump-coughing-through-hannity-interview-says-he-wants-to-do-saturday-rally}}
* শুল্ক নিয়ে আগে কেউ কখনও শোনেনি। কেউ না। আসলে আমি যখন এটি শুরু করি, তারা এর মানেও জানত না।
** চীন থেকে আমদানির ওপর শুল্ক সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-১১ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: হাসপাতাল থেকে ফেরার পর ফক্স বিজনেসে দেওয়া প্রথম সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প অন্তত ১৪টি মিথ্যা দাবি করেছেন | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/10/08/politics/fact-check-trump-interview-bartiromo-fox-business/index.html}}
* উত্তর ক্যারোলাইনায় আমি যা দেখেছি, আমরা যা সেখানে পরাজিত করেছি এবং যার বিরুদ্ধে মামলা করেছি, '''ট্রাম্প আর পেন্স এখন সেই কাজটাই জাতীয় পর্যায়ে করার কথা বলছেন: অত্যন্ত সূক্ষ্ম বর্ণবাদ... পেন্স আর ট্রাম্প ভোটাধিকার আইনে বিশ্বাস করেন না... তারা জানেন যে সবাই ভোট দিলে তারা জিততে পারবেন না। তারা কৃষ্ণাঙ্গ আর বাদামী বর্ণের গরিব মানুষদের ভোট দেওয়া নিয়ে প্রচণ্ড ভয়ে আছেন।'''<br>আর এই কথা বলা বন্ধ করুন যে গতবার ট্রাম্প জিতেছিলেন। তিনি ৮০,০০০ ভোটের ব্যবধানে ইলেক্টোরাল কলেজে নির্বাচিত হয়েছিলেন। আমাদের এই কাল্পনিক কথাগুলো বন্ধ করতে হবে যে তার কোনো জাদুকরী ক্ষমতা ছিল। আসল কথা হলো, ১০০ মিলিয়ন মানুষ ভোট দেয়নি। ... আমি যাত্রাপুস্তক-এর সেই অংশের কথা না ভেবে পারলাম না, যেখানে ঈশ্বর বলেছিলেন, "তুমি যদি আমার লোকদের যেতে না দাও, তবে আমি চিহ্ন হিসেবে মাছি পাঠাব। কিন্তু আমি মাছিগুলোকে মানুষের ওপর পড়তে দেব না, মাছিগুলো কেবল প্রতীক হবে যে তুমি ভুল করছ। তুমি মিথ্যা বলছ। আমার লোকদের মুক্তি দাও।" আর ট্রাম্প এবং পেন্সের উচিত মানুষকে মুক্তি দেওয়া। তারা গরিব আর অল্প আয়ের মানুষদের জিম্মি করে রেখেছে, জরুরি পরিষেবার কর্মীদের জিম্মি করে রেখেছে। এই দেশে এখন পরিবর্তনের সময় এসেছে।
** রেভ. উইলিয়াম বারবার ২, [https://www.democracynow.org/2020/10/8/rev_william_barber_voting_2020 ভোটার দমনের ওপর রেভ. উইলিয়াম বারবার: রিপাবলিকানরা জানে সবাই ভোট দিলে তারা জিততে পারবে না], ''ডেমোক্র্যাসি নাউ!'', (৮ অক্টোবর ২০২০)
* অনেকে যেমনটা লক্ষ্য করেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাস্তব মেনে নেওয়ার ক্ষমতা আশ্চর্যজনকভাবে কম, বিশেষ করে যখন তিনি অন্য কিছু বিশ্বাস করতে চান যা আমি ''অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ার'' বইতে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছি। নিজেকে মিথ্যা বোঝানোর জন্য তিনি অদ্ভুত সব উৎস আর চাটুকার মানুষ খুঁজবেন। তিনি চেয়েছিলেন ভাইরাসটা এমনিতে চলে যাক, তাই তিনি বিশ্বাস করেছিলেন যে এপ্রিলের গরমে এটি মারা যাবে, অথবা হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনে এর প্রতিকার হবে, অথবা ব্লিচ দিয়ে এটি ধ্বংস হবে, নতুবা অক্টোবরের মধ্যে টিকার মাধ্যমে এটি প্রতিরোধ করা যাবে। যখন তিনি শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি কতটা গুরুতর তা স্বীকার করলেন, তখনই তিনি অঙ্গরাজ্যগুলোকে আবার খুলে দেওয়ার এবং স্বাভাবিক জীবনে ফেরার জন্য চাপ দিতে শুরু করলেন। যার ফলাফল কিছু অঙ্গরাজ্যের জন্য খুব খারাপ হয়েছিল। তিনি সাধারণ নির্বাচনী জনসভা করতে জেদ ধরলেন, মাস্ক পরতে নির উৎসাহিত করলেন, শরতে স্কুল খুলতে বাধ্য করলেন আর অর্থনীতি চাঙ্গা করতে এবং জেতার সম্ভাবনা বাড়াতে জনগণের ওপর অপরীক্ষিত টিকা ব্যবহারের চাপ দিলেন।<br>চীনকে দোষারোপ করা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য বলির পাঁঠা দরকার ছিল। তিনি চীনের ওপর দোষ চাপিয়ে বললেন যে তার কাছে গোপন প্রমাণ আছে যে চীন এই ভাইরাস তৈরি করেছে এবং সারা বিশ্বে এটি ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ দিয়েছে। তিনি ব্যাখ্যা করেছিলেন যে শুরুতে চীনের প্রেসিডেন্ট সি জিনপিং তাকে ধোঁকা দিয়েছিলেন, যিনি তাকে ফোনে আশ্বস্ত করেছিলেন যে রোগটি নিয়ন্ত্রণে আছে। ট্রাম্প ৬ ফেব্রুয়ারি তাকে ফোন করে রোগ নির্মূলের জন্য সাহায্য করতে সিডিসির বিজ্ঞানীদের চীনে পাঠানোর প্রস্তাব দেন। তিনি ভেবেছিলেন সি জিনপিং এই আগে প্রত্যাখ্যান করা প্রস্তাবে রাজি হবেন কারণ তার সাথে চীনা নেতার ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল। কিন্তু সি জিনপিং আগ্রহী ছিলেন না। ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের ডেপুটি ডিরেক্টর ম্যাট পটিংগার, যিনি ফোনালাপটি শুনেছিলেন, তার মতে সি জিনপিং এমন একটা ধারণা দিয়েছিলেন যে চীনে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে আছে (''রেজ'', পৃষ্ঠা ২৪১-২৪৩)। কিন্তু চীন এই রোগ নিয়ন্ত্রণে নাটকীয় পদক্ষেপ নিয়েছিল। ৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই উহান আর সেই প্রদেশটিকে চীনের বাকি অংশ থেকে আলাদা করে ফেলা হয়েছিল এবং দুই সপ্তাহ ধরে কঠোর কোয়ারেন্টাইন চালু করা হয়েছিল। প্রায় ৪০,০০০ স্বাস্থ্যকর্মী সেই এলাকায় পাঠানো হয়েছিল, দ্রুত হাসপাতাল তৈরি করা হচ্ছিল আর সংক্রমণের হার কমে আসছিল।<br>চীনা সরকার অবশ্যই দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে রোগ ছড়ানো বন্ধ করতে কিছু করেনি। কিন্তু সারা বিশ্বের ভাইরাস বিশেষজ্ঞরা একমত যে কভিড-১৯ প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হয়েছে, গবেষণাগারে নয়। যুক্তরাষ্ট্র করোনাভাইরাস মৃত্যুতে বিশ্বে এক নম্বর হয়েছে সি জিনপিং ট্রাম্পের কাছে মিথ্যা বলেছিলেন বলে নয়, বরং ট্রাম্প নিজের দেশের বিশেষজ্ঞদের বারবার দেওয়া সবথেকে বড় সতর্কবাণীগুলো কয়েক সপ্তাহ ধরে উপেক্ষা করেছিলেন বলে। এরপর তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে আমেরিকানদের কাছে মিথ্যা বলেছিলেন যে তাদের কী করা উচিত। এই রক্তের দায় অন্য যে কারোর চেয়ে তার ওপরই বেশি, আর মনে মনে অজুহাত, অস্বীকার আর দায় চাপানোর আড়ালে তিনিও সম্ভবত তা জানেন।
** বব আলটেমেয়ার, [https://theauthoritarians.org/updating-authoritarian-nightmare/ "অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ার-এর আপডেট"], ৮ অক্টোবর ২০২০।
* আমেরিকান জনগণের স্বার্থ দেখার বদলে বার ডোনাল্ড ট্রাম্পের পোষা কুকুরের মতো কাজ করাকেই বেছে নিয়েছেন।
** ফিলিপ হালপার্ন (মার্কিন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল), [https://lawandcrime.com/high-profile/assistant-u-s-attorney-leaves-doj-after-36-years-due-to-lap-dog-bill-barrs-slavish-obedience-to-donald-trumps-will/ 'পোষা কুকুর' বিল বারের ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইচ্ছার প্রতি 'ক্রীতদাসসুলভ আনুগত্যের' কারণে ৩৬ বছর পর সহকারী মার্কিন অ্যাটর্নি বিচার বিভাগ ত্যাগ করলেন] নিবন্ধ অনুযায়ী (১৫ অক্টোবর ২০২০)
* আমার মনে হয় আমেরিকান জনগণের অধিকার আছে প্রেসিডেন্ট তার উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা বলেন তার ওপর নির্ভর করার। যখন একজন প্রেসিডেন্ট নিজের উদ্দেশ্য সম্পর্কে একদম পরিষ্কার কথা বলেন, তখন হোয়াইট হাউস কাউন্সিলের এই কথা আমি মেনে নিতে পারি না যে, 'আসলে এটা তার উদ্দেশ্য ছিল না।' হয়ত হোয়াইট হাউস কাউন্সিল প্রেসিডেন্টের সাথে কথা বলেছে, অথবা বলেনি—আমি তা জানি না।
** মার্কিন জেলা আদালতের বিচারক রেজি ওয়ালটন, যিনি [[জর্জ ডব্লিউ বুশ]]-এর আমলের নিয়োগপ্রাপ্ত, [https://www.politico.com/news/2020/10/16/judge-trump-russia-probe-declassification-429832 বিচারক জানতে চান ট্রাম্প রাশিয়া তদন্তের গোপনীয়তা উন্মোচন থেকে পিছিয়ে যাচ্ছেন কি না] নিবন্ধ অনুযায়ী (১৬ অক্টোবর ২০২০)
* আমি যখন দেখি হাজার হাজার ব্যালট ময়লার ঝুড়িতে ফেলে দেওয়া হয়েছে আর সেগুলোতে আমার নাম রয়েছে? এতে আমি একদমই খুশি নই।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-১৭ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: অতিমারীতে ট্রাম্প এমন কিছু দেখছেন যা অন্য কেউ দেখছে না | লেখক=ক্যালভিন উডওয়ার্ড, হোপ ইয়েন | সাময়িকী=এপি নিউজ| ইউআরএল=https://apnews.com/article/election-2020-virus-outbreak-ap-fact-check-donald-trump-technology-a6ddb8360fa9b1ff95acbbc1e03f437e}}
* আপনারা কি দেখেছেন যে ওরা প্রায় ৫০,০০০ ব্যালট একটা নদীর মতো জায়গায় খুঁজে পেয়েছে?<br>টিকা ছাড়াও এই অতিমারী শেষ হবে। এটি তার পথেই চলবে আর শেষ হবে। ওরা পাগল হয়ে যাবে। কালই খবর হবে যে তিনি বলেছেন ‘টিকা ছাড়াই’—দেখবেন। এই লোকগুলো পাগল। না, এটি স্বাভাবিকভাবেই চলছে। আমরা শেষ পর্যায়ে চলে এসেছি। আপনারা সংখ্যাগুলো দেখছেন, আমরা ঠিক পথেই আছি।<br>মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অন্য দেশের চেয়ে বেশি আক্রান্ত দেখা যায় কারণ এখানে অনেক বেশি (এবং ব্যয়বহুল) পরীক্ষা করা হয়—আর ভুয়া সংবাদমাধ্যমগুলো প্রতিদিন এর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।<br>চীন ভাইরাসের পর থেকে আমরা আমাদের দেশের ইতিহাসে রেকর্ড সংখ্যক কর্মসংস্থান তৈরি করেছি—মাত্র কয়েক মাসেই ১ কোটি ১৪ লক্ষ।<br>আমরা এখন কর্মসংস্থান আর বেকারত্বের নতুন রেকর্ড গড়ছি। আমরা অর্থনৈতিকভাবে নানা রকম রেকর্ড গড়ছি।<br>আমি একটা বিলে সই করেছি যার ফলে আপনি যদি কোনো সরকারি মূর্তি ভাঙেন তবে আপনার ১০ বছরের জেল হবে। মেক্সিকো দেওয়ালের খরচ দিচ্ছে। আমরা ইতিহাসের সবথেকে বড় কর ছাড় দিয়েছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২০ |শিরোনাম=ট্রাম্পের অসৎ সপ্তাহান্তের ফ্যাক্ট-চেকিং: প্রেসিডেন্ট তিন দিনে অন্তত ৬৬টি মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর দাবি করেছেন | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল| সাময়িকী= সিএনএন| ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/10/19/politics/fact-check-trump-dishonest-weekend-florida-michigan-georgia-wisconsin/index.html}}
* (''ভুয়া ব্যালট প্রসঙ্গে:'') সেই সব ব্যালটগুলোর কথা ভাবুন তো যেগুলোতে আমার নাম ছাড়াই ছাপানো হয়েছিল? সেগুলোতে সব ছিল। সেনেট থেকে শুরু করে সব পদ ছিল, শুধু আমার নাম দিতেই ওরা ভুলে গেল।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২০ |শিরোনাম=ট্রাম্প আবার ব্যালট নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন | লেখক=লরি রবার্টসন| সাময়িকী= ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি| ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/10/trump-misleads-on-ballots-again/}}
* আমাদের কোনো সমাজতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট থাকবে না। বিশেষ করে কোনো নারী সমাজতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট আমাদের থাকবে না। আমরা এটা হতে দেব না, আমরা এটা সহ্য করব না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৪ |শিরোনাম=ডেমোক্র্যাটিক উপ-রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীর বিরুদ্ধে ট্রাম্পের কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ | লেখক=সারাহ আল-আরশানি| সাময়িকী= বিজনেস ইনসাইডার| ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-targets-kamala-harris-in-sexist-rant-2020-10?r=US&IR=T}}
* আমাদের এমন কোনো প্রেসিডেন্ট থাকবে না যে স্রেফ তার সমালোচনা করার জন্য মানুষকে জেলের ভয় দেখাবে।
** জো বাইডেনের নির্বাচনী প্রচারে [https://www.wlrn.org/2020-10-25/obama-hits-campaign-trail-in-south-florida-criticizing-trumps-behavior-as-worse-than-florida-man ওবামা দক্ষিণ ফ্লোরিডায় নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্পের আচরণকে ফ্লোরিডা ম্যানের চেয়েও খারাপ বলে সমালোচনা করেছেন] নিবন্ধ অনুযায়ী [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৫ অক্টোবর ২০২০)
* ওদের সবাইকে জেলে ভরুন।
** একটি অনির্ধারিত গোষ্ঠী সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৬ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: '৬০ মিনিটস'-এ ট্রাম্প অন্তত ১৬টি মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর দাবি করেছেন | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল| সাময়িকী= সিএনএন| ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/10/25/politics/fact-check-trump-60-minutes-lesley-stahl/index.html}}
* আমার যদি সোশ্যাল মিডিয়া না থাকত, তবে আমার কথা পৌঁছানোর আর কোনো উপায় থাকত না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৬ |শিরোনাম=সিবিএস ট্রাম্পের ৬০ মিনিটস সাক্ষাৎকার থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ফুটেজ প্রকাশ করেছে | লেখক=মার্টিন মেলাম| সাময়িকী= দ্য গার্ডিয়ান| ইউআরএল=https://www.theguardian.com/us-news/2020/oct/26/cbs-releases-footage-trump-walking-out-60-minutes-interview}}
* পুরো যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে ডাকযোগে পাঠানো ব্যালট নিয়ে বড় সমস্যা আর গরমিল দেখা যাচ্ছে। ৩রা নভেম্বরের মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল থাকতে হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট, যা "বিভ্রান্তিকর" হিসেবে চিহ্নিত এবং যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৬ |শিরোনাম=টুইটার ডাকযোগে ভোট নিয়ে ট্রাম্পের আরেকটি টুইটকে 'বিভ্রান্তিকর' হিসেবে চিহ্নিত করল এবং অন্য ব্যবহারকারীদের এটি রিটুইট করা বন্ধ করে দিল | লেখক=ইসাবেল অ্যাশার হ্যামিল্টন| সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার| ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/twitter-trump-tweet-mail-voting-warning-label-minsinformation-block-retweet-2020-10?r=US&IR=T}}
* পেনসিলভ্যানিয়ায় এখন একমাত্র যা করা যায় তা হলো বিক্ষোভ। আপনি গির্জায় যেতে পারেন না। আপনি আপনার ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করতে পারেন না। আপনি আপনার যাজক বা রাবাইদের সাথে থাকতে পারেন না। এর কিছুই করা যায় না। আপনি কিচ্ছু করতে পারেন না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৭ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: পেনসিলভ্যানিয়ার মানুষ 'গির্জায় যেতে পারে না' বলে ট্রাম্প মিথ্যা দাবি করেছেন | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/10/27/politics/trump-false-claim-pennsylvania-cant-go-to-church-fact-check/index.html}}
* সে আপনাদের আইনের পাহাড় চাপিয়ে দেবে, পুলিশ বিভাগগুলো বন্ধ করে দেবে, আমাদের সীমান্ত বিলীন করে দেবে, আপনাদের বন্দুক কেড়ে নেবে, ধর্মীয় স্বাধীনতা শেষ করবে আর আপনাদের শহরতলিগুলোকে ধ্বংস করে দেবে।
* আপনারা যদি বাইডেনকে ভোট দেন, তার মানে স্কুলে কোনো বাচ্চা থাকবে না, কোনো সমাবর্তন হবে না, কোনো বিয়ে হবে না, কোনো থ্যাঙ্কসগিভিং, বড়দিন বা স্বাধীনতা দিবস পালিত হবে না।
** ডেমোক্র্যাট রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী জো বাইডেন সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৯ |শিরোনাম=স্বাভাবিক অতিরঞ্জিত কথার মাধ্যমে ট্রাম্প বাইডেনের অধীনে জীবনের এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছেন | লেখক=ডার্লিন সুপারভিল | সাময়িকী=দ্য টাইমস অফ ইসরায়েল | ইউআরএল=https://www.timesofisrael.com/with-typical-hyperbole-trump-paints-apocalyptic-portrait-of-life-under-biden/}}
==== নভেম্বর ২০২০ ====
* আমরা এই নির্বাচনে জেতার জন্য পুরোপুরি তৈরি ছিলাম। সত্যি বলতে, আমরা জিতেই গেছি। এটি আমাদের জাতির সাথে এক বিশাল জালিয়াতি। আমরা চাই আইনের সঠিক প্রয়োগ হোক। তাই আমরা মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে যাব। আমরা চাই সব ভোট গ্রহণ বন্ধ হোক।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-০৩ |শিরোনাম=মার্কিন রাষ্ট্রপতি পদের ফলাফল এখনো অমীমাংসিত; মধ্য-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রধান অঙ্গরাজ্যগুলোতে বাইডেন এগিয়ে | লেখক= ট্রেভর হানিকাট, জেফ মেসন | সাময়িকী=রয়টার্স | ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/usa-election/us-presidency-still-undecided-biden-opens-leads-in-key-midwestern-states-idUSKBN27J0FZ}}
* আমি এই নির্বাচনে জিতেছি, তাও বিশাল ব্যবধানে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1325099845045071873 ৭ নভেম্বর ২০২০]
* ২০১৬ সালে ট্রাম্পের জয়ে মানুষ এই কারণে বিচলিত ছিল যে তিনি এমন সব নীতি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রচারণা চালিয়েছিলেন, যা রাষ্ট্রীয় সহিংসতার মাধ্যমে জাতিগত ও নৃতাত্ত্বিক সংখ্যালঘুদের লক্ষ্যবস্তু করে (এবং তিনি কেবল অভদ্র বা অসভ্য ছিলেন বলেই এমনটা করেননি)। কোনোভাবেই বাইডেনের প্রচারণাকে এর সাথে তুলনা করা যায় না। দুঃখিত! বাইডেন খ্রিস্টানদের নিষিদ্ধ করবেন না, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এখানে থাকা শ্বেতাঙ্গ অভিবাসীদের মর্যাদা খেয়ালখুশিমতো বাতিল করবেন না, দেশের শ্বেতাঙ্গ অধ্যুষিত অংশগুলো বিক্রি করার চেষ্টা করবেন না বা শ্বেতাঙ্গদের বিরুদ্ধে পুলিশি সহিংসতাকে উস্কে দেবেন না। আপনাদের এই হতাশাকে কোনোভাবেই নিপীড়ন বলা যায় না।
** অ্যাডাম সারওয়ার, ৯ নভেম্বর ২০২০ টুইটারে
* রিপোর্ট: ডোমিনিয়ন সারা দেশে ট্রাম্পের ২৭ লক্ষ ভোট মুছে ফেলেছে। তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে পেনসিলভানিয়ায় ২,২১,০০০ ভোট প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের থেকে সরিয়ে বাইডেনের অ্যাকাউন্টে দেওয়া হয়েছে। ৯,৪১,০০০ ট্রাম্পের ভোট মুছে ফেলা হয়েছে। ডোমিনিয়ন ভোটিং সিস্টেম ব্যবহার করা অঙ্গরাজ্যগুলো ট্রাম্পের ৪,৩৫,০০০ ভোট বাইডেনের দিকে সরিয়ে দিয়েছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]েরে বিতর্কিত টুইট, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-১৩ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: 'মুছে ফেলা' ভোট নিয়ে ট্রাম্পের টুইটের গালগল্প | লেখক= আলী সোয়েনসন, আমান্ডা সিটজ | সাময়িকী=এপি নিউজ | ইউআরএল=https://apnews.com/article/election-2020-ap-fact-check-joe-biden-donald-trump-technology-13c104367924b8192b4fcecf334f7806}}
* ফক্স নিউজ আর ভুয়া খবরের মাধ্যমগুলো এই বিশাল জমায়েত দেখাচ্ছে না। বদলে তারা তাদের সাংবাদিকদের প্রায় জনশূন্য রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রেখেছে। এখন আমরা সংবাদমাধ্যমের দ্বারা তথ্য দমনের শিকার হচ্ছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1327724046595842049 ১৪ নভেম্বর ২০২০]
* নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের মতো জায়গাগুলো বাদে বাকি সব সাধারণ মানুষের জন্য টিকা পাওয়া যাবে। রাজনৈতিক কারণে সেখানকার গভর্নর দেরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আমার মনে হয় না এটি রাজনৈতিকভাবে ভালো, স্বাস্থ্যের দিক থেকেও এটি খুব খারাপ, তবে তিনি টিকা নিয়ে সময় নিতে চান। আমরা এমন কোনো রাজ্যে এটি পৌঁছে দিতে পারি না যারা তাদের জনগণকে অবিলম্বে এটি দেবে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-৩০ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: টিকা এবং অঙ্গরাজ্যগুলোতে এর বিতরণ নিয়ে ট্রাম্পের ভুল তথ্য | লেখক= হোপ ইয়েন, লরা নিরগার্ড, ক্যান্ডিস চই | সাময়িকী=এপি | ইউআরএল=https://apnews.com/article/ap-fact-check-joe-biden-donald-trump-politics-coronavirus-pandemic-76d1580f82b1586b207990396c1e3b5f}}
* এইমাত্র নেভাদা অঙ্গরাজ্যে এক বিশাল জয় এল। কাউন্টি কমিশনারের লড়াইয়ে ডেমোক্র্যাটদের একচ্ছত্র আধিপত্যের ওই ভোট বাতিল করা হয়েছে কারণ সেখানে বড় ধরনের ভোট জালিয়াতি ধরা পড়েছে। ক্লার্ক কাউন্টির কর্মকর্তারা তাদের নিজেদের নির্বাচনী নিরাপত্তার ওপর আস্থা রাখতে পারছেন না। বিশাল প্রভাব!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]][https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1328483862490574849 টুইটারে], ১৬ নভেম্বর ২০২০
* আমি নির্বাচনে জিতেছি!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1328334945148952576 টুইটারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেখানে টুইটার সতর্কবার্তা দিয়েছে: "একাধিক সূত্র এই নির্বাচনের ভিন্ন ফলাফল দিয়েছে",১৬ নভেম্বর ২০২০
* ২০২০ সালের নির্বাচনের নিরাপত্তা সম্পর্কে ক্রিস ক্রেবসের সাম্প্রতিক বক্তব্য অত্যন্ত ভুল ছিল... তাই অবিলম্বে ক্রিস ক্রেবসকে সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার সিকিউরিটি এজেন্সির পরিচালক পদ থেকে বরখাস্ত করা হলো।
** [https://www.usatoday.com/story/news/politics/2020/11/17/trump-ousts-homeland-security-chris-krebs-called-election-secure/6276676002/ ট্রাম্প হোমল্যান্ড সিকিউরিটির সাইবার প্রধান ক্রিস ক্রেবসকে বরখাস্ত করেছেন, যিনি নির্বাচনকে সুরক্ষিত বলেছিলেন] শীর্ষক খবর অনুযায়ী ডোনাল্ড ট্রাম্প টুইটারের মাধ্যমে তার সাইবার প্রধানকে বরখাস্ত করেছেন (১৮ নভেম্বর ২০২০)
* আমি না থাকলে আরও চার বছর আপনারা টিকা পেতেন না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-২০ |শিরোনাম=ট্রাম্পের ইঙ্গিত যে তাকে হারানোর জন্য টিকা কোম্পানিগুলো প্রতিশোধমূলক ষড়যন্ত্র করেছে | লেখক= র্যাচেল ওল্ডিং | সাময়িকী=ডেইলি বিস্ট | ইউআরএল=https://www.thedailybeast.com/trump-suggests-vaccine-companies-orchestrated-revenge-filled-conspiracy-to-make-him-lose}}
* আমার সাথে ওভাবে কথা বলবেন না, আপনার কোনো যোগ্যতাই নেই। আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতির সাথে ওভাবে কখনো কথা বলবেন না।
** থ্যাঙ্কসগিভিংয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-election-2020/trump-news-live-twitter-biden-election-b1762621.html ট্রাম্প নিউজ: শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা ছাড়ার প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসার পর পেনসিলভানিয়ার আপিলে হেরেছেন প্রেসিডেন্ট] নিবন্ধে উদ্ধৃত হয়েছে।,২৭ নভেম্বর ২০২০
* তথ্য দমনের জন্য বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো আর ভুয়া সংবাদমাধ্যম একজোট হয়েছে। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা শেষ হয়ে গেছে, এটি এখন অতীত। এই কারণেই তারা ২০২০ সালের নির্বাচনের প্রকৃত তথ্য ও পরিসংখ্যান প্রকাশ করতে অস্বীকার করছে...
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1332349861774155778?s=20 টুইট] যা টুইটার "নির্বাচনী জালিয়াতি সম্পর্কে এই দাবিটি বিতর্কিত" লেবেল দিয়ে চিহ্নিত করেছে,২৭ নভেম্বর ২০২০
* বাইডেন কেবল তখনই প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোয়াইট হাউসে ঢুকতে পারবেন, যদি তিনি প্রমাণ করতে পারেন যে তার ওই হাস্যকর '৮ কোটি ভোট' জালিয়াতি বা অবৈধভাবে পাওয়া যায়নি। ডেট্রয়েট, আটলান্টা, ফিলাডেলফিয়া আর মিলওয়াকিতে কী হয়েছে তা দেখলে বুঝবেন যে বিশাল ভোট জালিয়াতি হয়েছে। এটি তার জন্য এক বিশাল এবং সমাধান অযোগ্য সমস্যা।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-২৮ |শিরোনাম=প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মিথ্যা এবং ষড়যন্ত্র তত্ত্ব টুইট করা চালিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে ট্রাম্প আভাস দিয়েছেন যে বাইডেন 'প্রমাণ করতে না পারলে' তিনি হোয়াইট হাউস ছাড়বেন না | লেখক= গ্রেস প্যানেটা | সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার | ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-says-he-wont-leave-white-house-biden-disproves-fraud-2020-11?r=US&IR=T}}
* পেনসিলভানিয়ার ঘটনায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে এবং আমাদের কাছে এর বিশাল প্রমাণ রয়েছে। কিছু মানুষ স্রেফ তা দেখতে চায় না। আমাদের দেশকে বাঁচানোর সাথে তারা কোনো সম্পর্ক রাখতে চায় না। দুঃখজনক!!!
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1332778938121203720 টুইট],২৮ নভেম্বর ২০২০
* @FoxNews-এর দিনের বেলার অনুষ্ঠানগুলো দেখা প্রায় অসম্ভব, বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-২৯ |শিরোনাম=নির্বাচনের পর প্রথম সাক্ষাৎকারের আগে ফক্স নিউজ বাদে 'অন্য কিছু' দেখার জন্য দর্শকদের বললেন ট্রাম্প | লেখক= ইয়েলেনা জানোভা | সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার | ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-calls-fox-news-unwatchable-criticism-newsmax-2020-11?r=US&IR=T}}
* এই দেশে সংবাদপত্রের কোনো স্বাধীনতা নেই, এখানে চলছে তথ্য দমন।
** ফক্স নিউজে মারিয়া বার্টিরোমোর সাথে এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]],২৯ নভেম্বর ২০২০
* আমি এমন সব টিকা নিয়ে এসেছি যা মানুষ ভেবেছিল পেতে পাঁচ বছর সময় লাগবে।
* কিছু যান্ত্রিক গোলযোগ হয়েছিল যার ফলে আমার হাজার হাজার ভোট বাইডেনের অ্যাকাউন্টে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
* (যুক্তরাষ্ট্রের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি সামলানো প্রসঙ্গে:) আমরা বিশ্বের বাকি দেশগুলোর চেয়ে ভালো করছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-২৯ |শিরোনাম=ফক্স নিউজের মারিয়া বার্টিরোমো নির্বাচনের পর ট্রাম্পের প্রথম টিভি সাক্ষাৎকার নিয়েছেন, যা মিথ্যায় ভরা ছিল | লেখক= আলেকজিস বেনভেনেস্টে | সাময়িকী= সিএনএন বিজনেস | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/11/29/media/bartiromo-trump-interview/index.html}}
* ব্রায়ান কেম্প আর ডগ ডুসির মতো রিপাবলিকান থাকতে ডেমোক্র্যাটদের কী দরকার?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-৩০ |শিরোনাম=ট্রাম্পের আক্রমণের পর অ্যারিজোনার গভর্নর ডগ ডুসি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পক্ষে সাফাই দিয়েছেন | লেখক= ক্যারোলিন কেলি, অ্যালিসন মেইন | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/11/30/politics/doug-ducey-defends-election-arizona-trump/index.html}}
==== ডিসেম্বর ২০২০ ====
(কালানুক্রমিকভাবে)
* আসলে আমি উইসকনসিনে জিতেছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-০৫ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: সাজানো নির্বাচনের ভিত্তিহীন দাবির মধ্যে ট্রাম্প বলেছেন তিনি উইসকনসিনে জিতেছেন | লেখক= ডি.এল. ডেভিস, পলিটিফ্যাক্ট | সাময়িকী=হিউস্টন ক্রনিকল | ইউআরএল=https://www.houstonchronicle.com/local/texas-politics/politifact/article/Fact-check-Among-baseless-claims-of-rigged-15794749.php}}
* আপনাদের বোঝার সুবিধার্থে বলছি, আপনারা জানেন যে আমরা জর্জিয়াতে জিতেছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-০৫ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: জর্জিয়ায় নির্বাচনী প্রচারের সময় ট্রাম্পের ভিত্তিহীন দাবি | লেখক= ইউজিন কিয়েলি | সাময়িকী=জিএ টুডে | ইউআরএল=https://www.gpb.org/news/2020/12/09/fact-check-trump-makes-bogus-swing-state-claim-during-campaign-stop-in-georgia}}
* যদি আমি হারতাম, তবে আমি খুব উদারভাবে হার মেনে নিতাম।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-০৬ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: জনসভায় ট্রাম্পের দুঃসাহসিক মিথ্যাচার | লেখক= ক্যালভিন উডওয়ার্ড | সাময়িকী=এপি নিউজ | ইউআরএল=https://apnews.com/article/fact-check-donald-trump-rally-falsehoods-424834660f894040b55b415aecb2a443}}
* রাইনো ব্রায়ান কেম্প, জিওফ ডানকান এবং সেক্রেটারি অফ স্টেট ব্র্যাড রাফেনসপারজার জর্জিয়ার আমাদের দুজন মহান সিনেটর ডেভিড পারডু এবং কেলি লোফ্লারের সম্ভাব্য পরাজয়ের জন্য এককভাবে দায়ী থাকবেন। তারা কোনো বিশেষ অধিবেশন ডাকবে না বা সই যাচাই করবে না! মানুষ অনেক ক্ষুব্ধ!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-০৭ |শিরোনাম=ট্রাম্প বলেছেন রাইনো কেম্প এবং রাফেনসপারজারই 'এককভাবে দায়ী' যদি লোফ্লার ও পারডু নির্বাচনে হারেন | লেখক= জেফারি মার্টিন | সাময়িকী=নিউজউইক | ইউআরএল=https://www.newsweek.com/trump-says-rinos-kemp-raffensperger-solely-responsible-if-loeffler-perdue-lose-election-1553024}}
* সুপ্রিম কোর্ট আমাদের সত্যিই হতাশ করেছে। কোনো প্রজ্ঞা নেই, কোনো সাহস নেই!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-১১ |শিরোনাম='কোনো প্রজ্ঞা নেই, কোনো সাহস নেই!': টেক্সাসের নির্বাচনী ফলাফল বাতিলের আবেদন সুপ্রিম কোর্ট প্রত্যাখ্যান করার পর ট্রাম্পের ক্ষোভ | লেখক= কেলসি ভ্লামিস | সাময়িকী=এমএসএন নিউজ | ইউআরএল=https://www.msn.com/en-us/news/other/no-wisdom-no-courage-trump-lashes-out-at-the-supreme-court-after-it-rejected-a-texas-bid-to-overturn-the-election-results/ar-BB1bRIqA}}
* আমরা কেবল লড়াই শুরু করেছি!!!
** ২০২০ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে লড়াই করা প্রসঙ্গে ট্রাম্পের টুইট,{{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-১১ |শিরোনাম=ঐতিহাসিক টিকা বিতরণের আগে ট্রাম্প আত্মঘাতী লড়াইতে লিপ্ত | লেখক= মেভ রেস্টন | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/12/13/politics/donald-trump-william-barr-pfizer-vaccine/index.html}}
* এটি শেষ হয়ে যায়নি। আমরা লড়াই চালিয়ে যাব এবং সামনের দিকে এগিয়ে যাব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-১২ |শিরোনাম=ইলেক্টোরাল কলেজের ভোটের আগে ট্রাম্প 'ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস'-কে বলেছেন যে নির্বাচনী চ্যালেঞ্জ 'শেষ হয়ে যায়নি' | লেখক= রন ব্লিটজনার | সাময়িকী=ফক্স নিউজ | ইউআরএল=https://www.foxnews.com/politics/trump-fox-and-friends-election-challenges-not-over-electoral-college-vote}}
* দারুণ! স্টপ দ্য স্টিলের জন্য ওয়াশিংটন ডিসিতে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হচ্ছে। আমি এ সম্পর্কে জানতাম না, তবে আমি তাদের সাথে দেখা করতে যাব! #এমএজিএ
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, [https://en.wikinews.org/wiki/Conservative_groups_hold_rally_in_Washington_D.C._claiming_U.S._elections_were_stolen_from_President_Trump "ওয়াশিংটন ডিসিতে রক্ষণশীল গোষ্ঠীর জনসভা, মার্কিন নির্বাচন চুরি হয়েছে বলে দাবি"], ১৫ ডিসেম্বর ২০২০।
* এইমাত্র হোয়াইট হাউসে অ্যাটর্নি জেনারেল বিল বারের সাথে খুব সুন্দর একটি বৈঠক হলো। আমাদের সম্পর্ক খুব ভালো ছিল, তিনি চমৎকার কাজ করেছেন! চিঠিতে যেমনটা লেখা আছে, বিল বড়দিনের ঠিক আগেই তার পরিবারের সাথে ছুটি কাটানোর জন্য বিদায় নেবেন...
* ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ রোজেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.bbc.com/news/world-us-canada-55312016 উইলিয়াম বার: মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল বড়দিনের আগেই পদ ছাড়ছেন], ১৫ ডিসেম্বর ২০২০।
* আমরা আজ এখানে একটি ঐতিহাসিক সপ্তাহের শেষে একত্রিত হয়েছি আমেরিকান জনগণকে এটা নিশ্চিত করতে যে আশা খুব কাছেই। কেলি এবং আমি অত্যন্ত আনন্দের সাথে এই সপ্তাহ শেষ হওয়ার আগেই আমেরিকান জনগণের জন্য আমাদের সুরক্ষিত এবং প্রস্তুতকৃত এই নিরাপদ ও কার্যকর করোনাভাইরাস টিকা নিতে এগিয়ে এসেছি। এটি সত্যিই একটি অনুপ্রেরণাদায়ক দিন।
** উপ-রাষ্ট্রপতি পেন্স, [https://www.politico.com/news/2020/12/18/pence-covid-vaccine-live-television-448080 'আশা কাছেই': সরাসরি টেলিভিশনে করোনাভাইরাস টিকা নিলেন পেন্স], ১৮ ডিসেম্বর ২০২০।
* টেক্সাসের ৫ম সংসদীয় আসনের মার্কিন কংগ্রেস সদস্য হতে পেরে আমি গর্বিত। আমি ৬ই জানুয়ারি আপত্তি জানানোর মাধ্যমে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাশে দাঁড়াতে পেরেও গর্বিত। আমি কংগ্রেসের প্রতিটি সহকর্মীকে একই কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।
** [https://twitter.com/Lancegooden টুইটারে] ল্যান্স গুডেন, ২৬ ডিসেম্বর ২০২০।
===== বাইডেনের নির্বাচনী জয় বাতিলের ট্রাম্প-সমর্থিত মামলা সুপ্রিম কোর্টে খারিজ =====
* আমি বারবার যেমনটা বলেছি, আমাদের সংবিধান অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলোর মধ্যে প্রকৃত বিরোধের বিষয়গুলো শেষ পর্যন্ত কেবল সুপ্রিম কোর্টই নিষ্পত্তি করতে পারে এবং এই কারণেই বিচারপতিদের উচিত এই মামলার শুনানি করা এবং সিদ্ধান্ত দেওয়া।
** [https://www.theadvocate.com/baton_rouge/news/politics/elections/article_193de3e0-3a54-11eb-8036-07b9fff910f6.html জেফ ল্যান্ড্রি জো বাইডেনের পক্ষে যাওয়া ইলেক্টোরাল ভোট গণনা বন্ধে টেক্সাসের প্রচেষ্টাকে সমর্থন করছেন], ৯ ডিসেম্বর ২০২০-এ লুইসিয়ানার অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ ল্যান্ড্রি।
* সুপ্রিম কোর্ট যদি মহৎ প্রজ্ঞা এবং সাহস দেখায়, তবে আমেরিকান জনগণ সম্ভবত ইতিহাসের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ মামলাটিতে জিতবে এবং আমাদের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রতি আবার শ্রদ্ধা ফিরে আসবে!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1337494507756072961 রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প], ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* আমেরিকার একটি স্বচ্ছ নির্বাচন প্রাপ্য ছিল, কিন্তু তারা যা পেয়েছে তা হলো: জর্জিয়াতে গোপনে যোগ করা ব্যালট ভর্তি সুটকেস, উইসকনসিনে মৃত ব্যক্তিদের ভোট প্রদান, নেভাদাতে ভোটের বিনিময়ে অর্থের কারসাজি, পেনসিলভানিয়া-তে পোল ওয়াচারদের ঢুকতে না দেওয়া, মিশিগানে ব্যালট ড্রপবক্স খোলা অবস্থায় পাওয়া এবং মিশিগানেই ক্লার্কের মুখে ???। প্রমাণ অকাট্য। আপনাদের আইনপ্রণেতাদের ডাকুন, তাদের স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য লড়াই করতে বলুন।
** [https://twitter.com/realDonaldTrump @realDonaldTrump ভিডিওতে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* '''অন্যান্য অঙ্গরাজ্যগুলো কীভাবে তাদের নিজস্ব নির্বাচন পরিচালনা করবে তা নিয়ে মামলা করার জন্য টেক্সাসের অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী কোনো আইনি ভিত্তি নেই।'''
** [https://twitter.com/SCOTUSblog/status/1337546093102510080?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1337546093102510080%7Ctwgr%5E%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.cbc.ca%2Fnews%2Fworld%2Ftrump-lawsuit-supreme-court-defeat-1.5838403 স্কোটাসব্লগ (SCOTUSblog)], মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট, ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* সাংবিধানিক প্রশ্নটি ভোটাররা জালিয়াতি করেছে কি না তা নয়, বরং প্রশ্ন হলো অঙ্গরাজ্যের কর্মকর্তারা ব্যালটের সততা রক্ষার নিয়মগুলো পরিকল্পিতভাবে শিথিল করে আইন লঙ্ঘন করেছেন কি না যাতে জালিয়াতি ধরা না যায়।
** [https://www.salon.com/2020/12/11/republicans-want-more-than-a-coup-trumps-loyalty-test-exposes-their-hatred-for-democracy/ রিপাবলিকানরা একটি অভ্যুত্থানের চেয়েও বেশি কিছু চায়: ট্রাম্পের আনুগত্য পরীক্ষা গণতন্ত্রের প্রতি তাদের ঘৃণা প্রকাশ করে], টেক্সাসের অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটন, ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* মামলাটি গুণাগুণের ভিত্তিতে খারিজ করা হয়নি, এটি আইনি ভিত্তির অভাবে খারিজ করা হয়েছে। তাই এর সমাধান হলো রাষ্ট্রপতি বা কিছু নির্বাচক কর্তৃক জেলা আদালতে একই তথ্যগুলো উল্লেখ করে মামলা করা যেখানে তাদের আইনি ভিত্তি থাকবে।
* আমাদের জেলা আদালতে এই মামলাগুলো অবিলম্বে দায়ের করতে কোনো বাধা নেই যেখানে অবশ্যই রাষ্ট্রপতির আইনি ভিত্তি থাকবে। কিছু নির্বাচকেরও আইনি ভিত্তি থাকবে কারণ তাদের সাংবিধানিক অধিকার খর্ব করা হয়েছে।
* আমাদের কাজ শেষ হয়নি। আমাকে বিশ্বাস করুন।
** [https://thehill.com/regulation/court-battles/529928-giuliani-says-trump-team-not-finished-after-supreme-court-defeat সুপ্রিম কোর্টে পরাজয়ের পর জিলিয়ানি বলেছেন ট্রাম্পের দল 'এখনো শেষ হয়ে যায়নি'], [[রুডি জিলিয়ানি]], ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* এটি দুর্ভাগ্যজনক যে সুপ্রিম কোর্ট এই মামলাটি গ্রহণ না করার এবং এই চারটি অঙ্গরাজ্যের ফেডারেল ও স্টেট নির্বাচন আইন মানতে ব্যর্থতার সাংবিধানিকতা যাচাই না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
** [https://www.texastribune.org/2020/12/11/texas-lawsuit-supreme-court-election-results/ মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট চার অঙ্গরাজ্যের ২০২০ সালের নির্বাচনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে টেক্সাসের মামলা খারিজ করে দিয়েছে], কেন প্যাক্সটন, ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* একাধিক অঙ্গরাজ্য এবং এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির জড়িত থাকা একটি মৌলিক এক্তিয়ারভুক্ত বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট কোনো আইনি ভিত্তি খুঁজে পাবে না, এটি হাস্যকর। এটি সংবিধানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে...। তারা আসলে "ভয় পেয়ে পিছিয়ে গেছে" এবং মামলার গুণাগুণের ওপর রায় দিতে চায়নি। আমাদের দেশের জন্য এটি খুবই খারাপ!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1338246403164954629 টুইটারের মাধ্যমে] রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প, ১৩ ডিসেম্বর ২০২০।
* আমি গত সাজানো (রাষ্ট্রপতি পদের জন্য) নির্বাচনে মিচসহ অন্তত ৮ জন রিপাবলিকান সিনেটরকে পরাজয় থেকে বাঁচিয়েছি। এখন তারা (প্রায় সবাই) হাত গুটিয়ে বসে আছে এবং আমাকে কট্টর বামপন্থী ডেমোক্র্যাটদের মতো এক কুটিল ও হিংস্র শত্রুর বিরুদ্ধে একা লড়তে দেখছে। আমি কখনোই ভুলব না!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের বিতর্কিত [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1342245390540804096 টুইট], ২৫ ডিসেম্বর ২০২০।
* ২০২০ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে যে বিশাল নির্বাচনী জালিয়াতি হয়েছে সে ব্যাপারে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট সম্পূর্ণ অযোগ্যতা এবং দুর্বলতা দেখিয়েছে। আমাদের কাছে অকাট্য প্রমাণ আছে, কিন্তু তারা তা দেখতে চায় না—তারা বলছে কোনো ‘আইনি ভিত্তি’ নেই। আমাদের নির্বাচনে যদি দুর্নীতি হয়, তবে আমাদের কোনো দেশই থাকবে না!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের বিতর্কিত টুইট, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-২৬ |শিরোনাম=ক্ষমতার মেয়াদ এক মাসেরও কম থাকতে ট্রাম্প তার নির্বাচনী পরাজয় বাতিল করতে অস্বীকার করায় 'সম্পূর্ণ অযোগ্য' সুপ্রিম কোর্টের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন | লেখক= কনর পেরেট | সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার | ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-supreme-court-totally-incompetent-for-refusing-to-overturn-election-2020-12?r=US&IR=T}}
* দুর্বল এবং ক্লান্ত রিপাবলিকান "নেতৃত্ব" এই খারাপ প্রতিরক্ষা বিলটি পাস হওয়ার সুযোগ করে দেবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1342245390540804096 টুইট], ২৯ ডিসেম্বর ২০২০।
* রিপাবলিকান নেতৃত্ব কেবল সবথেকে সহজ পথটি বেছে নিতে চায়। আমাদের নেতারা (অবশ্যই আমি নই!) অত্যন্ত করুণ।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-২৯ | শিরোনাম=তার ভেটো উপেক্ষা করার পর রিপাবলিকানদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন ট্রাম্প | লেখক= জ্যাচারি বি. উলফ | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/12/29/politics/donald-trump-house-votes/index.html}}
====January 2021====
*So, look, all I wanna do, is I wanna find 11,780 votes.
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] speaking to Georgia election officials (including Georgia Secretary of State Brad Raffensperger) on January 2, pressuring Secretary of State {{W|Brian Kemp}} to recalculate the [[w:2020 United States presidential election|2020 United States presidential election]] vote in his favor. {{উদ্ধৃতি |date=2020-01-03 |url=https://www.washingtonpost.com/video/politics/audio-trump-berates-ga-secretary-of-state-urges-him-to-find-votes/2021/01/03/aba64f5f-8c3c-490f-af34-618ccea732d7_video.html |title=Audio: Trump berates Ga. secretary of state, urges him to ‘find’ votes |publisher=''{{W|The Washington Post}}''}}
***[https://www.cnn.com/2021/01/03/politics/trump-brad-raffensperger-phone-call-transcript/index.html full transcript] on CNN
* So dead people voted. And I think the number is close to 5,000 people [in Georgia] .. [There] were thousands and thousands of ballots in a box that was not an official or a sealed box.<br>They ran out because of a water-main break. And there was no water main, there was nothing. There was no break.<br>You had out-of-state voters - they voted in Georgia but they were from out of state - of 4,925<br>They're shredding ballots. And you should look at that very carefully. Because that's so illegal.<br>We have not gone through your Dominion [voting machines], so we can't give them blessing. I mean, in other states, we think we found tremendous corruption with Dominion machines...
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] in {{উদ্ধৃতি |date=2020-01-03 | author = BBC News Reality Check Team | url=https://www.bbc.com/news/election-us-2020-55529230 |title=Georgia election: Donald Trump's phone call fact-checked |publisher=BBC News}}
*One thing we know is you, [[w:Jeffrey A. Rosen|Rosen]], aren't going to do anything to overturn the election
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] in [https://www.npr.org/2021/10/07/1044015379/senate-report-details-trumps-efforts-to-use-doj-to-overturn-election-results "Senate report details Trump's efforts to use DOJ to overturn election results"] (January 3, 2021)
*Rudy, you did a great job. He's got guts. You know what? He's got guts, unlike a lot of people in the Republican Party. He's got guts. He fights, he fights.<br>..<br>Our brightest days are before us, our greatest achievements still wait. I think one of our great achievements will be election security because nobody until I came along, had any idea how corrupt our elections were. And again, most people would stand there at 9:00 in the evening and say, “I want to thank you very much,” and they go off to some other life, but I said, “Something’s wrong here. Something’s really wrong. Can’t have happened.” And we fight. We fight like Hell and if you don’t fight like Hell, you’re not going to have a country anymore.<br>..<br>After this, we’re going to walk down and I’ll be there with you. We’re going to walk down. We’re going to walk down any one you want, but I think right here. We’re going walk down to the Capitol, and we’re going to cheer on our brave senators, and congressmen and women. We’re probably not going to be cheering so much for some of them because you’ll never take back our country with weakness. You have to show strength, and you have to be strong. We have come to demand that Congress do the right thing and only count the electors who have been lawfully slated, lawfully slated. I know that everyone here will soon be marching over to the Capitol building to peacefully and patriotically make your voices heard. Today we will see whether Republicans stand strong for integrity of our elections, but whether or not they stand strong for our country, our country. Our country has been under siege for a long time, far longer than this four-year period.<br>we’re going to walk down Pennsylvania Avenue, I love Pennsylvania Avenue, and we’re going to the Capitol and we’re going to try and give…<br>our Republicans, the weak ones, because the strong ones don’t need any of our help,<br>we’re going to try and give them the kind of pride and boldness that they need to take back our country.<br>So let’s walk down Pennsylvania Avenue.
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] in [https://www.rev.com/blog/transcripts/donald-trump-speech-save-america-rally-transcript-january-6 Save America Rally Speech] on 6 January 2021
* [[Mike Pence]] didn’t have the courage to do what should have been done to protect our Country and our Constitution, giving States a chance to certify a corrected set of facts, not the fraudulent or inaccurate ones which they were asked to previously certify. USA demands the truth!
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] [https://archive.is/jCmfK 11:24am tweet] on 6 January 2021
* So what?
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] on January 6, 2021, while watching television news coverage of the [[2021 United States Capitol attack]] in the dining room off of the [[w:Oval Office|Oval Office]], upon being informed Vice President [[Mike Pence]] had been moved to a secure location ({{cite news |title=Judge Unseals New Evidence in Federal Election Case Against Trump |newspaper=[[The New York Times]] |first1=Alan |last1=Feuer |first2=Charlie |last2=Savage |date=October 2, 2024 |url=https://www.nytimes.com/2024/10/02/us/politics/trump-jan-6-case-jack-smith-evidence.html}} {{cite news |title=US prosecutors show new details of Trump's bid to overturn election loss |first=Andrew |last=Goudsward |date=October 2, 2024 |url=https://www.reuters.com/world/us/us-prosecutors-detail-evidence-trump-election-subversion-case-2024-10-02/ |agency=[[w:Reuters|Reuters]]}})
*I am asking for everyone at the U.S. Capitol to remain peaceful. No violence! Remember, WE are the Party of law and order – respect the law and our great men and women in blue. Thank you!
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] in [https://archive.is/IvpaU 12:13pm tweet] on 6 January 2021
*We love you. You are very special.
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] in video in tweet (later deleted) aimed at protestors who entered into the United States Capitol. Quoted by {{উদ্ধৃতি |date=2020-01-06 | author = Eliza Relman, Oma Seddiq, Jake Lahut | url=https://www.businessinsider.com/trump-video-statement-capitol-rioters-we-love-you-very-special-2021-1?r=US&IR=T |title=Trump tells his violent supporters who stormed the Capitol 'you're very special,' but asks them 'to go home' |publisher=Business Insider}}
*To all of my wonderful supporters, I know you are disappointed, but I also want you to know that our incredible journey is just beginning
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] video (2;28) from [https://archive.is/o4JN6 4:28pm tweet] posted by [[Ivanka Trump]] on 7 January 2020
*I would like to begin by addressing the heinous attack on the United States Capitol. Like all Americans, I am outraged by the violence, lawlessness, and mayhem. I immediately deployed the National Guard and Federal law enforcement to secure the building and expel the intruders. America is and must always be a nation of law and order. The demonstrators who infiltrated the Capitol have defiled the seat of American democracy. To those who engage in the acts of violence and destruction, you do not represent our country. And to those who broke the law, you will pay.<br>We have just been through an intense election, and emotions are high. But now tempers must be cooled and calm restored. We must get on with the business of America. My campaign vigorously pursued every legal avenue to contest the election results. My only goal was to ensure the integrity of the vote. In so doing, I was fighting to defend American democracy. I continue to strongly believe that we must reform our election laws to verify the identity and eligibility of all voters and to ensure faith and confidence in all future elections.
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] post-January 6 speech [https://www.presidency.ucsb.edu/documents/videotaped-remarks-the-attack-the-united-states-capitol-the-certification-the-electoral Videotaped Remarks on the Attack on the United States Capitol, the Certification of the Electoral College Results, and the Transition to a New Administration] on January 7
*To all of those who have asked, I will not be going to the Inauguration on January 20th.
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] [https://archive.is/tzc2r 7:44am tweet] on 8 January 2021
* His ingenuity, genius, and creativity earned him immense wealth, but his character and philanthropic generosity his great name. Sheldon was also a staunch supporter of our great ally the State of [[ইসরায়েল]]
** [[President Trump]] in [https://www.npr.org/2021/01/12/693679109/sheldon-adelson-conservative-donor-and-casino-titan-dies-at-87 Sheldon Adelson, Conservative Donor And Casino Titan, Dies At 87] January 12, 2021
* We will be back in some form
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] quoted by {{উদ্ধৃতি |date=2020-01-20 | author = Kevin Liptak | url=https://edition.cnn.com/2021/01/20/politics/donald-trump-leaves-white-house/index.html |title=Trump departs Washington a pariah as his era in power ends |publisher=CNN}}
=== Post-presidency (2021–2025) ===
* BREAKING: The [[U.S. Capitol]] is on lockdown after pro-[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] protestors breached the building as Congress began to certify Electoral College votes for [[জো বাইডেন]].
** [[Axios]] via [[Twitter]] [https://twitter.com/i/events/1346454323635527680 tweet] posted Jan 6, 2021
* Supreme Court eras are often identified with their chief justices, as is true of the current period that began with [[John Roberts|Roberts]] nearly two decades ago. But the Court can be measured also by presidential influence. Certain presidents, such as [[Franklin D. Roosevelt]], who appointed eight justices in his twelve years in office, had a disproportionate effect on the Court. [[রোনাল্ড রিগ্যান]] and [[রিচার্ড নিক্সন]] also stood out for their imprint. The Trump effect, especially in terms of the individuals chosen and the resulting shift in the balance of power, has been incomparable. He is gone from office and they are here for life.
** Joan Biskupic, ''Nine Black Robes: Inside the Supreme Court's Drive to the Right and its Historic Consequences'' (2023), New York: William Morrow, first edition hardcover, p. 10-11
* One day when I was about 6, I was walking with my dad in [[নিউইয়র্ক শহর]]. We noticed that someone had stuck little folded squares of paper under the windshield wipers of the cars parked on the street beside us. My father picked one up and read it. I saw his face grow dark with anger. “What is it, Papa?” “It’s a message from people who think that all [[ইহুদি ধর্ম]] should be killed.”<br>This would have been in the late 1950s, a time when the [[নাৎসিবাদ|Nazi]] [[The Holocaust|extermination of millions of Jews]] in [[ইউরোপ]] was still fresh in the American consciousness. Not, you might have thought, a good season for sowing murderous [[antisemitism]] in lower [[নিউইয়র্ক শহর|Manhattan]]. Already aware that, being the daughter of a Jewish father and gentile mother, I was myself a demi-semite, I was worried. I knew that these people wanted to kill my father, but with a typical child-centered focus, I really wanted to know whether the gentile half of my heredity would protect me in the event of a new Holocaust. “Would they kill me, too?” I asked. Yes, he told me, they would if they could. But he then reassured me that such people would never actually have the power to do what they wanted to. It couldn’t happen here.<br>I must admit that I’m grateful my father died before Donald Trump became president, before tiki-torch-bearing Nazi wannabes seeking to “Unite the Right” marched through Charlottesville, Va., in 2017, chanting “Jews will not replace us!” before one of them drove his car into a crowd of counterdemonstrators, killing Heather Heyer, and before President Trump responded to the whole event by declaring that “you also had people that were very fine people, on both sides.”<br>Maybe the grubby little group behind the tracts my father and I saw that day in New York would have let me live. Maybe not. In those days home-grown fascists were rare and so didn’t have that kind of power.
** Rebecca Gordon, [https://www.msn.com/en-us/news/world/the-right-s-attempted-extermination-campaign-of-queer-people-is-textbook-fascism/ar-AA1doVnf?ocid=msedgntp&cvid=0d5f12e7a48447b182bb5a96d57d9a4e&ei=7/ The Right’s Attempted Extermination Campaign of Queer People Is Textbook Fascism] (4 July 2023), ''The Nation''
* Why should it matter whether Donald Trump’s [[Make America Great Again|MAGA]] movement and the Republican Party he’s largely taken over represent a kind of fascism? The answer: because the logic of fascism leads so inexorably to the politics of [[extermination]]. Describing his MAGA movement as fascism makes it easier to recognize the existential threat it truly represents—not only to a democratic society but to specific groups of human beings within it.<br>I know it may sound alarmist, but I think it’s true: proto-fascist forces in this country have shown that they are increasingly willing to exterminate queer people, if that’s what it takes to gain and hold on to power. If I’m right, that means all Americans, queer or not, now face an existential threat.<br<For those who don’t happen to fall into one of MAGA’s target groups, let me close by paraphrasing Donald Trump: In the end, they’re coming after you. We’re just standing in the way.
** Rebecca Gordon, [https://www.msn.com/en-us/news/world/the-right-s-attempted-extermination-campaign-of-queer-people-is-textbook-fascism/ar-AA1doVnf?ocid=msedgntp&cvid=0d5f12e7a48447b182bb5a96d57d9a4e&ei=7/ The Right’s Attempted Extermination Campaign of Queer People Is Textbook Fascism] (4 July 2023), ''The Nation''
* Trump's advisers believed his ego and pride prevented him from making sound, well-informed judgments. His management style resembled a carnival ride, jerking this way and that, forcing senior management officials to thwart his inane and sometimes illegal ideas. Some of them concluded that the president was a long-term and immediate danger to the country that he had sworn an oath to protect, yet they took comfort that he had not had to steer the country through a crisis. Trump's actions and words nevertheless had painful consequences. His assault on the rule of law degraded our democratic institutions and left Americans reasonably fearful they could no longer take for granted basic [[civil rights]] and untainted [[ন্যায়বিচার]]. His contempt for foreign alliances weakened America's leadership in the world and empowered dictators and despots. His barbarous immigration policies ripped migrant children out of the arms of their families. His bigoted rhetoric emboldened white supremacists to step out of the shadows. But at least Trump had not been tested by a foreign military strike, an economic collapse, or a public health crisis. At least not until 2020.
** Carol Leonnig and Philip Rucker, ''I Alone Can Fix It: Donald J. Trump's Catastrophic Final Year'' (2021), p. 1-2
* The year 2020 will be remembered in the American epoch as one of anguish and abject failure. The coronavirus pandemic killed more than half a million people in the United States and infected tens of millions more, the deadliest health crisis in a century. Through the administration's [[w:Operation_Warp_Speed|Operation Warp Speed]] helped produce vaccines in record time, its overall coronavirus response was mismanaged by the president and marred by ineptitude and backbiting. The virus was only one of the crises Trump confronted in 2020. The pandemic paralyzed the economy, plunging the nation into a recession during which low-wage workers, many of them minorities, suffered the most. The May 25 killing of George Floyd, a Black man, under the knee of a white police officer ignited protests for racial justice and an end to [[Police corruption|police discrimination and brutality]]. Yet Trump sought to exploit the simmering divisions for personal political gain, quickly declared himself "your president of law and order" and relentlessly pressured Pentagon leaders to deploy active-duty troops against [[Black Lives Matter]] protestors. The worsening climate crisis, meanwhile, was almost entirely ignored Trump, who earlier in his term had rolled back environmental regulations and withdrawn the United States from the [[Paris Agreement]]. The president was instead preoccupied with stoking doubts about the legitimacy of the election. After he lost to Joe Biden, Trump fanned the flames of conspiracies and howled about fraud that did not exist. His false claims of a "rigged election" inspired thousands of people to storm the Capitol in a violent and ultimately failed insurrection on January 6, 2021.
** Carol Leonnig and Philip Rucker, ''I Alone Can Fix It: Donald J. Trump's Catastrophic Final Year'' (2021), p. 2
* Trump's standard tool kit for getting out of trouble- bullying, bluster, and manipulation- was useless in managing the pandemic. He tried to cloak reality with happy talk. He promised cures that would never be realized. He floated dangerous and unproven treatments, such as injecting bleach into patients' bodies. He muzzled experts like Dr. Anthony Fauci, who challenged his shaky claims and became more popular than the president. He refused to lead by example and wear a mask. He picked feuds with health officials and state governors scrambling to respond to emergency outbreaks, striking out at those who didn't praise his haphazard response. Not only did he fail to keep Americans safe; he couldn't keep himself safe. Trump was hospitalized with COVID-19 in October 2020, zapping his false air of invincibility.
** Carol Leonnig and Philip Rucker, ''I Alone Can Fix It: Donald J. Trump's Catastrophic Final Year'' (2021), p. 5
* The coronavirus changed the world, altering how people worked, how families lived, and what constituted a community. These profound changes were accelerated by the recession and heightened by the tensions in the aftermath of Floyd's killing. Trump, however, principally governed for a minority of the country- his hard-core political supporters- and chose neither to try to unite the nation nor to reimagine a postpandemic America. He egged on the anger and disaffection among many white people who felt economically threatened and culturally marginalized. He pitted groups of Americans against one another. He uttered [[Racism in the United States|racist]] phrases and used his immense social media platforms to spread messages of hate. "His view of America is provincial, it's parochial, it's sullied, it's any other adjective that calls up a sense of narrowness and ugliness," said Eddie Glaude Jr., chair of the Department of African American Studies at [[Princeton University]]. "In so many ways, Donald Trump represents the death rattle of an old America, and it's loud and it's violent." A senior government official who worked closely with the president drew a parallel between Trump's handling of the Black Lives Matter protests and Adolf Hitler's rise to power in [[নাৎসিবাদ]].
** Carol Leonnig and Philip Rucker, ''I Alone Can Fix It: Donald J. Trump's Catastrophic Final Year'' (2021), p. 5
* I'm continuing to fight for this [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|president]]. He's fought for us and so we're going to stay on top of that.
** [[Kelly Loeffler]] according to [https://www.foxnews.com/transcript/sen-loeffler-warnocks-values-are-out-of-step-with-georgia Sen. Loeffler: Warnock’s values are ‘out of step with Georgia] aired January 3, 2020
* We will be back in some form
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] quoted by {{উদ্ধৃতি |date=2020-01-20 | author = Kevin Liptak | url=https://edition.cnn.com/2021/01/20/politics/donald-trump-leaves-white-house/index.html |title=Trump departs Washington a pariah as his era in power ends |publisher=CNN}}
* The ''[[The New York Times|New York Times]]'' published an article Monday that's bone-chilling for anyone who cherishes our [[মুক্তি]], [[গণতন্ত্র]] and [[Constitutional democracy|constitutional governance]]. The story recounted, with full cooperation of Donald Trump’s presidential campaign, his plans to eliminate executive branch constraints on his power if he is elected president in 2024.<br>The obstacles to be eliminated include an independent Justice Department, independent leadership in administrative agencies and an independent civil service. Richard Neustadt, one of the country’s best known students of the American presidency, has said that in a constitutional democracy the chief executive “does not obtain results by giving orders – or not. ... He does not get action without argument. Presidential power is the power to persuade.”Trump’s plan would substitute loyalty to him for loyalty to the Constitution. This vision is simultaneously frightening and unsurprising. In 2019, he said, “I have to the right to do whatever I want as president.” And in December, Trump called for the “termination of ... the Constitution.”<br>In effect, he attempted to do exactly that in the run-up to the riot at the Capitol on Jan. 6, 2021, by pressuring state officials to reverse President Joe Biden’s electoral victory, attempting to weaponize the Justice Department and bullying Vice President Mike Pence to overturn the election.
** Austin Sarat and Dennis Aftergut, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/is-america-on-the-brink-of-tyranny-trump-s-plan-if-elected-in-2024-should-frighten-us-all/ar-AA1e6K0y?ocid=msedgntp&cvid=1d908091b99b488496691c7d51ab2efe&ei=5/ Is America on the brink of tyranny? Trump's plan if elected in 2024 should frighten us all.] (20 July 2023), ''USA Today''
* The ''Times'' story outlined his 2025 road map to implement this command-and-control model of executive authority and centralization of power if he’s returned to the Oval Office. In effect, the article described how his team would replace our constitutional republic with an authoritarian state. Such a state seeks to eliminate the independence of civil servants. Saying good things about bureaucracy may be unpopular, but federal employees' competence, expert judgment and commitment to governance by law is essential to democratic government.<br>One definition of an authoritarian state is that it is characterized by the consolidation of power in a single leader, "a controlling regime that justifies itself as a 'necessary evil.'" That kind of control necessarily features "strict government-imposed constraints on social freedoms such as suppression of political opponents and anti-regime activity."<br>Those characteristics describe the contours of the 2025 blueprint that the Trump campaign wanted the public to see via the Times' report. As the story notes, they are setting the stage, if Trump is elected, “to claim a mandate” for the goal of centralizing power in him.<br>The ''Times'' quoted John McEntee, Trump’s 2020 White House director of personnel, defending the rejection of checks and balances on a president: “Our current executive branch was conceived of by liberals for the purpose of promulgating liberal policies. ... What’s necessary is a complete system overhaul.”
** Austin Sarat and Dennis Aftergut, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/is-america-on-the-brink-of-tyranny-trump-s-plan-if-elected-in-2024-should-frighten-us-all/ar-AA1e6K0y?ocid=msedgntp&cvid=1d908091b99b488496691c7d51ab2efe&ei=5/ Is America on the brink of tyranny? Trump's plan if elected in 2024 should frighten us all.] (20 July 2023), ''USA Today''
* In fact, the executive branch, like the two other branches, was devised by the framers of our Constitution, to limit power by dividing it. Even Alexander Hamilton, who defended energy in the executive branch, suggested that the path to tyranny was marked when government officials are “obliged to take refuge in the absolute power of a single man.”<br>James Madison joined Hamilton in warning in ''The Federalist 48'' that “power is of an encroaching nature.” For that reason, ''The Federalist 51'' states, “Ambition must be made to counteract ambition.”<br>It described the paradox facing the framers as this: One must “enable the government to control the governed; and in the next place, oblige it to control itself.”<br>Trump’s 2025 blueprint would end governmental control on a president so he can dominate and control the governed.
** Austin Sarat and Dennis Aftergut, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/is-america-on-the-brink-of-tyranny-trump-s-plan-if-elected-in-2024-should-frighten-us-all/ar-AA1e6K0y?ocid=msedgntp&cvid=1d908091b99b488496691c7d51ab2efe&ei=5/ Is America on the brink of tyranny? Trump's plan if elected in 2024 should frighten us all.] (20 July 2023), ''USA Today''
* Along with divided power, the central constraint that our founding documents create is the overarching legal institution known as the rule of law. That is why Trump’s plan for a radical reorganization of the executive branch starts with ending “the post-Watergate norm of Justice Department independence from White House political control.”<br>Controlling the prosecutorial power allows a president to use it to favor friends, destroy enemies and intimidate ordinary citizens tempted to speak out.<br>That would sound the death knell of American freedom. As [[জন লক]], the 17th century political philosopher who inspired the authors of the Declaration of Independence, wrote, “Wherever law ends, tyranny begins.” Or as Blake Smith put it in an article in Foreign Policy last year, “The bureaucratic ethos is essential to the functioning of the state and the preservation of private life as a separate, unpolitical domain of tolerated freedom.”<br>At the close of America’s first decade as a constitutional republic, George Washington voluntarily chose not to seek a third term as president to avoid setting the country on the road to the tyranny of lifetime rule by a president. He understood from the revolution against a king that retaining the personal power of one person is the central goal of authoritarianism.<br>If voters elect Trump president in 2024, he will implement the plan his campaign has purposefully leaked. The outcome is easy to foretell. A bureaucracy purged of those loyal to the Constitution rather than to Trump will send free and fair elections to history’s landfill, along with the Bill of Rights and the freedoms they were designed to protect.
** Austin Sarat and Dennis Aftergut, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/is-america-on-the-brink-of-tyranny-trump-s-plan-if-elected-in-2024-should-frighten-us-all/ar-AA1e6K0y?ocid=msedgntp&cvid=1d908091b99b488496691c7d51ab2efe&ei=5/ Is America on the brink of tyranny? Trump's plan if elected in 2024 should frighten us all.] (20 July 2023), ''USA Today''
==See also==
* [[Presidency of Joe Biden]]
* [[Second presidency of Donald Trump]]
* [[President of the United States]]
* [[Mike Pence]], [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* [[বারাক ওবামা]] and [[Presidency of Joe Biden]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন]]
==External links==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী}}
[[Category:Donald Trump]]
[[Category:Politics of the United States]]
[[Category:Presidency of Donald Trump| ]]
e7v8kibqjxqk7a2ylmw8yduzd2n0y6q
73818
73816
2026-04-05T12:27:37Z
ARI
356
/* January 2021 */
73818
wikitext
text/x-wiki
'''ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব''' শুরু হয়েছিল ২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি দুপুর ১২টায় (ইএসটি), যখন [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি [[বারাক ওবামা]]র স্থলাভিষিক্ত হন। ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে [[জো বাইডেন]]ের কাছে পরাজিত হওয়ার পর ২০২১ সালের ২০ জানুয়ারি তাঁর এই মেয়াদ শেষ হয়। ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর, ট্রাম্প ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি থেকে বাইডেনের উত্তরসূরি হিসেবে দ্বিতীয় এবং শেষবারের মতো বিরতিহীন মেয়াদে দায়িত্ব পালন শুরু করেন।
[[File:USSupremeCourtWestFacade.JPG|thumb|পুরো ট্রাম্প প্রশাসন ছিল সুপ্রিম কোর্টের রক্ষণশীলদের জন্য একটি "মুখোশ খুলে যাওয়ার" মুহূর্ত। দেখা যাচ্ছে যে, তারা আসলে কোনো আইনি নজিরের পরোয়া করে না (সিনেটের নিশ্চিতকরণ শুনানিতে তারা যতবারই মিথ্যা বলুক বা পরোয়া করার দাবি করুক না কেন)। তারা আসলে আইনের মূল পাঠ্য বা বিচারিক সংযম নিয়ে মাথা ঘামায় না। তারা শুধু তাদের পছন্দমতো রাজনৈতিক ফলাফল চায় এবং তা করার জন্য তাদের কাছে পর্যাপ্ত ভোট আছে। তারা কোনো ঐতিহ্য, রীতিনীতি বা সাধারণ আইনি ব্যবস্থায় বিচার বিভাগীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার মূল ভিত্তি সম্পর্কে কোনো তোয়াক্কা করে না। তারা কেবল জিততে চায়। ~ এলি মিস্টাল]]
:আরও দেখুন:
::'''''[[যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড-১৯ মহামারি]]'''''
== উক্তি==
=== ২০১৭ ===
==== জানুয়ারি ২০১৭ ====
===== অভিষেক ভাষণ, (২০ জানুয়ারি, ২০১৭) =====
<small>[https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/the-inaugural-address/ প্রতিলিপি] (২০ জানুয়ারি, ২০১৭)</small>
* চিফ জাস্টিস রবার্টস, [[জিমি কার্টার|প্রেসিডেন্ট কার্টার]], প্রেসিডেন্ট ক্লিনটন, প্রেসিডেন্ট বুশ, প্রেসিডেন্ট ওবামা, সহ-আমেরিকানরা এবং বিশ্বের সকল মানুষ: আপনাদের ধন্যবাদ। আমরা, আমেরিকার নাগরিকরা, আজ আমাদের দেশ পুনর্গঠন এবং আমাদের সকল জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণের এক মহান জাতীয় উদ্যোগে একত্রিত হয়েছি। আমরা একসাথে আগামী বহু বছর ধরে আমেরিকা এবং বিশ্বের গতিপথ নির্ধারণ করব। আমরা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হব, আমরা কষ্টের মুখোমুখি হব, কিন্তু আমরা আমাদের কাজ সম্পন্ন করব। প্রতি ৪ বছর পর পর আমরা এই সিঁড়িতে একত্রিত হই নিয়মমাফিক এবং শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য, আর এই অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে তাঁদের আন্তরিক সহায়তার জন্য আমরা প্রেসিডেন্ট ওবামা এবং ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামার কাছে কৃতজ্ঞ। তাঁরা অসাধারণ ছিলেন। আপনাদের ধন্যবাদ।
* তবে আজকের এই অনুষ্ঠানের একটি বিশেষ তাৎপর্য আছে। '''কারণ আজ আমরা শুধু এক প্রশাসন থেকে অন্য প্রশাসনের হাতে বা এক দল থেকে অন্য দলের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করছি না; বরং আমরা ক্ষমতা ওয়াশিংটন ডি.সি. থেকে সরিয়ে এনে আপনাদেরকে, অর্থাৎ জনগণকে তা ফিরিয়ে দিচ্ছি। দীর্ঘ সময় ধরে আমাদের দেশের রাজধানীর একটি ছোট গোষ্ঠী সরকারের সুফল ভোগ করেছে, আর সাধারণ মানুষকে এর ভার বহন করতে হয়েছে। ওয়াশিংটন সমৃদ্ধ হয়েছে, কিন্তু জনগণ সেই সম্পদের অংশীদার হয়নি। রাজনীতিবিদরা সমৃদ্ধ হয়েছেন, কিন্তু কর্মসংস্থান হারিয়ে গেছে এবং কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। প্রভাবশালী গোষ্ঠী নিজেদের সুরক্ষিত করেছে, কিন্তু আমাদের দেশের নাগরিকদের করেনি। তাদের বিজয় আপনাদের বিজয় ছিল না; তাদের সাফল্য আপনাদের সাফল্য ছিল না। তারা যখন আমাদের দেশের রাজধানীতে উৎসবে মেতেছিল, তখন সারা দেশে ধুঁকতে থাকা পরিবারগুলোর উদযাপন করার মতো তেমন কিছু ছিল না।''' সে সব কিছু আজ থেকে এবং এখনই বদলে যাচ্ছে, কারণ এই মুহূর্তটি আপনাদের মুহূর্ত: এটি আপনাদেরই প্রাপ্য। আজ এখানে যারা সমবেত হয়েছেন এবং সারা আমেরিকা জুড়ে যারা দেখছেন, এটি সবার মুহূর্ত। এই দিনটি আপনাদের দিন। এই উৎসব আপনাদের উৎসব। আর এই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আপনাদের দেশ। আমাদের সরকার কোন দলের নিয়ন্ত্রণে আছে সেটি বড় কথা নয়, বড় কথা হলো আমাদের সরকার জনগণের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে কি না। '''২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি সেই দিন হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে, যেদিন জনগণ আবারও এই জাতির শাসক হয়েছে। আমাদের দেশের বিস্মৃত পুরুষ এবং নারীদের আর বিস্মৃত রাখা হবে না। এখন থেকে সবাই আপনাদের কথা শুনবে।'''
* '''একটি ঐতিহাসিক আন্দোলনের অংশ হতে আপনারা কোটি কোটি সংখ্যায় এগিয়ে এসেছেন, যার উদাহরণ আগে কখনো বিশ্ব দেখেনি। এই আন্দোলনের কেন্দ্রে রয়েছে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিশ্বাস: একটি রাষ্ট্র টিকে থাকে তার নাগরিকদের সেবা করার জন্য।''' আমেরিকানরা তাদের সন্তানদের জন্য ভালো স্কুল, পরিবারের জন্য নিরাপদ এলাকা এবং নিজেদের জন্য ভালো কর্মসংস্থান চায়। এগুলো ন্যায়পরায়ণ মানুষ ও জনসাধারণের অত্যন্ত সংগত ও যুক্তিসঙ্গত দাবি। কিন্তু আমাদের অনেক নাগরিকের জন্য বাস্তবতা ভিন্ন: শহরের ঘিঞ্জি এলাকাগুলোতে দারিদ্র্যের কবলে আটকে থাকা মা ও শিশু; মরিচা ধরা কলকারখানাগুলো কবরের নামফলকের মতো আমাদের দেশের চারপাশে ছড়িয়ে আছে; একটি শিক্ষা ব্যবস্থা, যা প্রচুর অর্থ পেলেও আমাদের তরুণ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জ্ঞান থেকে বঞ্চিত রাখছে; এবং অপরাধ, গ্যাং আর মাদক আমাদের অনেক প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এবং দেশের অপার সম্ভাবনাকে নষ্ট করেছে। এই আমেরিকান ধ্বংসলীলা ঠিক এখানেই থেমে যাবে এবং এখনই থেমে যাবে। আমরা এক জাতি, এবং তাদের কষ্ট আমাদের কষ্ট, তাদের স্বপ্ন আমাদের স্বপ্ন এবং তাদের সাফল্য হবে আমাদের সাফল্য। আমাদের হৃদয় এক, আমাদের ঘর এক এবং আমাদের গৌরবময় নিয়তিও এক। আজ আমি যে পদের শপথ নিচ্ছি, তা হলো সকল আমেরিকানদের প্রতি আনুগত্যের শপথ।
* কয়েক দশক ধরে আমরা আমেরিকান শিল্পের বিনিময়ে বিদেশি শিল্পকে সমৃদ্ধ করেছি, অন্য দেশের সেনাবাহিনীকে ভর্তুকি দিয়েছি, অথচ আমাদের নিজেদের সামরিক বাহিনীকে খুব দুঃখজনকভাবে ক্ষয় হতে দিয়েছি। আমরা অন্য দেশের সীমানা রক্ষা করেছি কিন্তু নিজেদের সীমানা রক্ষা করতে অস্বীকার করেছি। যখন আমেরিকার অবকাঠামো জরাজীর্ণ ও ধ্বংস হয়ে যাচ্ছিল, তখন আমরা বিদেশের মাটিতে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করেছি। আমরা অন্য দেশগুলোকে ধনী করেছি, আর আমাদের দেশের সম্পদ, শক্তি এবং আত্মবিশ্বাস দিগন্তে মিলিয়ে গেছে। একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়ে আমাদের উপকূল ছেড়ে চলে গেছে, এমনকি পেছনে ফেলে আসা লক্ষ লক্ষ আমেরিকান শ্রমিকের কথা কেউ একবারও ভাবেনি। আমাদের মধ্যবিত্তের সম্পদ তাদের ঘর থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছে এবং তারপর সারা বিশ্বে পুনর্বন্টন করা হয়েছে। কিন্তু সেটা ছিল অতীত। আর এখন আমরা কেবল ভবিষ্যতের দিকে তাকাচ্ছি। '''আজ এখানে সমবেত হয়ে আমরা একটি নতুন আদেশ জারি করছি যা প্রতিটি শহরে, প্রতিটি বিদেশি রাজধানীতে এবং ক্ষমতার প্রতিটি অলিন্দে শোনা যাবে। আজ থেকে একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের দেশকে শাসন করবে। আজ থেকে এটি হতে যাচ্ছে কেবল 'আমেরিকা ফার্স্ট' (আমেরিকা প্রথম)। আমেরিকা ফার্স্ট।''' বাণিজ্য, কর, অভিবাসন এবং বৈদেশিক বিষয় নিয়ে প্রতিটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আমেরিকান শ্রমিক এবং আমেরিকান পরিবারের সুবিধার কথা মাথায় রেখে।
* আমাদের পণ্য তৈরি করা, আমাদের কোম্পানিগুলোকে চুরি করা এবং আমাদের কর্মসংস্থান নষ্ট করার হাত থেকে আমাদের সীমান্ত রক্ষা করতে হবে। এই সুরক্ষা আমাদের ব্যাপক সমৃদ্ধি ও শক্তির দিকে নিয়ে যাবে। আমি আমার শরীরের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত আপনাদের জন্য লড়াই করব এবং আমি কখনও আপনাদের হতাশ করব না। আমেরিকা আবারও জিততে শুরু করবে, এমনভাবে জিতবে যা আগে কখনও দেখা যায়নি। আমরা আমাদের কর্মসংস্থান ফিরিয়ে আনব। আমরা আমাদের সীমান্ত ফিরিয়ে আনব। আমরা আমাদের সম্পদ ফিরিয়ে আনব। এবং আমরা আমাদের স্বপ্নগুলোকেও ফিরিয়ে আনব। আমরা আমাদের এই চমৎকার দেশজুড়ে নতুন রাস্তা, হাইওয়ে, সেতু, বিমানবন্দর, টানেল এবং রেলপথ তৈরি করব। আমরা আমাদের জনগণকে সরকারি সাহায্যের ওপর নির্ভরশীলতা থেকে মুক্ত করে কাজে ফিরিয়ে আনব এবং আমেরিকান হাতে ও আমেরিকান শ্রমে আমাদের দেশ পুনর্গঠন করব। আমরা দুটি সাধারণ নিয়ম মেনে চলব: আমেরিকান পণ্য কিনুন এবং আমেরিকানদের কাজে নিয়োগ দিন। আমরা বিশ্বের দেশগুলোর সাথে বন্ধুত্ব এবং সদিচ্ছা বজায় রাখব, তবে আমরা এই ধারণার সাথে তা করব যে প্রতিটি জাতির অধিকার আছে তাদের নিজেদের স্বার্থকে সবার আগে রাখা। আমরা আমাদের জীবনধারা কারো ওপর চাপিয়ে দিতে চাই না, বরং এটিকে উদাহরণ হিসেবে উজ্জ্বল করতে চাই—আমরা উজ্জ্বল হব—যাতে সবাই তা অনুসরণ করতে পারে। '''আমরা পুরনো মিত্রতা জোরদার করব এবং নতুন মিত্র তৈরি করব এবং উগ্র ইসলামি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সভ্য বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ করব, যা আমরা পৃথিবী থেকে পুরোপুরি নির্মূল করব।''' '''আমাদের রাজনীতির মূলে থাকবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য এবং আমাদের দেশের প্রতি আমাদের এই আনুগত্যের মাধ্যমে আমরা একে অপরের প্রতি আমাদের আনুগত্য খুঁজে পাব। আপনি যখন দেশপ্রেমের জন্য আপনার হৃদয় খুলে দেবেন, তখন সেখানে কোনো কুসংস্কারের জায়গা থাকবে না। [[বাইবেল]] আমাদের বলে, "ঈশ্বরের সন্তানরা যখন একতায় বসবাস করে তখন তা কতই না ভালো এবং আনন্দদায়ক।" আমাদের অবশ্যই খোলাখুলিভাবে মনের কথা বলতে হবে, সততার সাথে আমাদের মতবিরোধ নিয়ে বিতর্ক করতে হবে, তবে সর্বদা সংহতি বজায় রাখতে হবে। যখন আমেরিকা ঐক্যবদ্ধ থাকে, আমেরিকাকে তখন থামানো অসম্ভব।''' কোনো ভয় থাকার কথা নয়: আমরা সুরক্ষিত এবং আমরা সর্বদা সুরক্ষিত থাকব। আমাদের সামরিক বাহিনী ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মহান পুরুষ ও নারীদের দ্বারা আমরা সুরক্ষিত থাকব এবং সবচেয়ে বড় কথা হলো, আমরা ঈশ্বরের দ্বারা সুরক্ষিত থাকব।
* সবশেষে আমাদের বড় কিছু ভাবতে হবে এবং আরও বড় স্বপ্ন দেখতে হবে। আমেরিকায় আমরা বুঝি যে, একটি জাতি ততক্ষণই বেঁচে থাকে যতক্ষণ সেটি চেষ্টা করে যায়। আমরা আর সেই সব রাজনীতিবিদদের গ্রহণ করব না যারা কেবল কথাই বলেন কিন্তু কোনো কাজ করেন না, অনবরত অভিযোগ করেন কিন্তু সে বিষয়ে কিছু করেন না। ফাঁকা বুলির সময় শেষ। এখন কাজ করার সময় এসেছে। কাউকে বলতে দেবেন না যে এটি করা সম্ভব নয়। আমেরিকার সাহস, লড়াই এবং উদ্দীপনার সাথে কোনো চ্যালেঞ্জই পেরে উঠবে না। আমরা ব্যর্থ হব না। আমাদের দেশ আবারও সমৃদ্ধ ও সফল হবে। আমরা এক নতুন সহস্রাব্দের শুরুতে দাঁড়িয়ে আছি, মহাকাশের রহস্য উন্মোচন করতে, পৃথিবীকে রোগের অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে এবং আগামীর জ্বালানি, শিল্প ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে আমরা প্রস্তুত। এক নতুন জাতীয় গর্ব আমাদের আত্মাকে নাড়া দেবে, আমাদের দৃষ্টিকে উন্নত করবে এবং আমাদের বিভেদ দূর করবে।
* এখন সেই পুরনো প্রজ্ঞাটি মনে রাখার সময় যা আমাদের সৈন্যরা কখনও ভুলবে না: আমরা কালো হই বা বাদামী অথবা সাদা, আমাদের সবার শরীরেই দেশপ্রেমিকদের লাল রক্ত প্রবাহিত হয়, আমরা সবাই একই গৌরবময় স্বাধীনতা উপভোগ করি এবং আমরা সবাই একই মহান আমেরিকান পতাকাকে অভিবাদন জানাই। আর ডেট্রয়েটের জনবহুল শহরে বা নেব্রাস্কার ঝড়ো প্রান্তরে যে শিশুই জন্ম নিক না কেন, তারা একই রাতের আকাশের দিকে তাকায়, তারা একই স্বপ্নে তাদের হৃদয় পূর্ণ করে এবং তারা একই সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রাণবায়ুতে উদ্দীপ্ত হয়। তাই কাছে ও দূরের প্রতিটি শহরের, ছোট ও বড় সব আমেরিকানদের বলছি, পাহাড় থেকে পাহাড়, মহাসাগর থেকে মহাসাগর—এই কথাগুলো শুনুন: আপনাদের আর কখনও অবহেলা করা হবে না। আপনাদের কণ্ঠস্বর, আপনাদের আশা এবং আপনাদের স্বপ্ন আমাদের আমেরিকান নিয়তি নির্ধারণ করবে। আর আপনাদের সাহস, মহানুভবতা এবং ভালোবাসা চিরকাল আমাদের পথ দেখাবে। '''একসাথে আমরা আমেরিকাকে আবারও শক্তিশালী করে তুলব। আমরা আমেরিকাকে আবারও সম্পদশালী করে তুলব। আমরা আমেরিকাকে আবারও গর্বিত করে তুলব। আমরা আমেরিকাকে আবারও নিরাপদ করে তুলব। এবং, হ্যাঁ, একসাথে আমরা আমেরিকাকে আবারও মহান করে তুলব।''' আপনাদের ধন্যবাদ। ঈশ্বর আপনাদের মঙ্গল করুন এবং ঈশ্বর আমেরিকার মঙ্গল করুন। ধন্যবাদ। ঈশ্বর আমেরিকার মঙ্গল করুন।
* কোনো অপ্রত্যাশিত ফলাফলের জন্য প্রস্তুত থাকতে চেয়ে স্থানীয় ডোনাল্ড ট্রাম্প সমর্থক ৫২ বছর বয়সী ফ্রেড ম্যাকগুয়ার গত মঙ্গলবার বলেছেন যে, অভিবাসীদের লক্ষ্য করে প্রেসিডেন্টের পরিকল্পিত আক্রমণাত্মক পুলিশিং এবং নজরদারি নীতি যদি সব সমস্যার সমাধান করতে না পারে, তবে তার কাছে বিকল্প কিছু বলির পাঁঠা প্রস্তুত রাখা আছে। “আমি আশা করছি যে গণ-নির্বাসন, বাধ্যতামূলক নিবন্ধন, বিচার ছাড়াই অনির্দিষ্টকালের আটক এবং বর্ধিত নজরদারি সব সম্ভাব্য সমস্যার সমাধান করবে। কিন্তু নিরাপদ থাকতে আমি অন্য কিছু গোষ্ঠীকেও দানব হিসেবে চিহ্নিত করার জন্য প্রস্তুত রেখেছি,” ম্যাকগুয়ার বলেন। তিনি আরও যোগ করেন যে, ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি যদি অপরাধ কমাতে এবং অর্থনীতির উন্নতি করতে ব্যর্থ হয়, তবে তিনি তার ক্ষোভ কল্যাণভোগী, পরিবেশবাদী কর্মী এবং সম্ভবত উদারপন্থী কলেজ অধ্যাপকদের দিকে ঘুরিয়ে দিতে প্রস্তুত। “অবশ্যই ওবামার লিগ্যাসি তো অনেক দোষ পাবেই। আর যখন মানুষ আমাকে জিজ্ঞাসা করবে কেন শ্রমিক শ্রেণীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না, তখন আমি লেবার ইউনিয়ন এবং পলিটিক্যাল কারেক্টনেসকেও দোষারোপ করতে পারব। হ্যাঁ, আগামী চার বা আট বছর পার করার জন্য আমার কাছে যথেষ্ট বলির পাঁঠার ধারণা আছে।” ম্যাকগুয়ার আরও বলেন যে তিনি এখনই ইহুদিদের বলির পাঁঠা বানানোর কথা ভাবছেন না, তবে আগামী কয়েক বছর পরিস্থিতি কেমন যায় তা দেখার জন্য অপেক্ষা করবেন।
** ''দ্য অনিয়ন'' প্যারোডি পত্রিকা, [https://theonion.com/trump-supporter-has-few-backup-scapegoats-ready-to-go-i-1819579570/"অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা সব সমাধান না করলে ট্রাম্প সমর্থকের কাছে কিছু বিকল্প বলির পাঁঠা প্রস্তুত আছে"], ২০ জানুয়ারি ২০১৭
* এর সাথে যুক্ত হয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আধিপত্য, যিনি ২০১৬ সালের নির্বাচনে অংশত একজন নেটিভিস্ট এবং অভিবাসন বিরোধী গোষ্ঠীকে তুষ্ট করে জয়ী হয়েছিলেন। ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের শার্লটসভিলে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী বিক্ষোভকারীদের সমাবেশে যে প্রাণঘাতী সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছিল, সে বিষয়ে ট্রাম্পের সংযত নিন্দা তাঁর সবচেয়ে অনুগত সমর্থক ছাড়া সবার কাছ থেকেই সমালোচনার শিকার হয়েছিল। আর এই রাজনৈতিক সম্পর্কগুলো বিশ্লেষণ করার জরুরি প্রয়োজনটি তখনই অর্থবহ হয়ে ওঠে। ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভোট দেওয়া লক্ষ লক্ষ সাধারণ ডানপন্থী আমেরিকানদের কেউই নাৎসিদের সাথে এক কাতারে দাঁড়াতে চান না। তবে এটি একটি বাস্তব সত্য যে, সেই বিধ্বংসী শার্লটসভিলে ইভেন্টে নাৎসি-বান্ধব সংগঠন, নাৎসি প্রতীক এবং নাৎসি ভঙ্গি দেখা গিয়েছিল, যে অনুষ্ঠানটির নাম "বামদের ঐক্যবদ্ধ করুন" ছিল না, বরং ছিল "ডানদের ঐক্যবদ্ধ করুন"। যদিও আমেরিকান রাজনীতিতে ব্যবহৃত 'বাম' এবং 'ডান' শব্দগুলো কিছুটা অস্পষ্ট হতে পারে, তবে এগুলো উদারনীতিবাদ/প্রগতিশীলতা (যা মূলত ডেমোক্র্যাটিক পার্টি দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করা হয়) এবং রক্ষণশীলতা/ঐতিহ্যবাদ (যা মূলত রিপাবলিকান পার্টি দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করা হয়)-এর মধ্যে মৌলিক আদর্শগত বিভাজন চিহ্নিত করতে সহায়ক। আদর্শের একটি পটভূমি হিসেবে দেখলে, সমাজতন্ত্র/সাম্যবাদ ঐতিহ্যগতভাবে এই স্কেলের চরম বাম প্রান্তে পড়ে, আর জাতীয়তাবাদ/ফ্যাসিবাদ পড়ে অতি-ডানপন্থী প্রান্তে।
** ডেভিড এমেরি, [https://www.snopes.com/news/2017/09/05/were-nazis-socialists/ নাৎসিরা কি সমাজতন্ত্রী ছিল?] (৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭), ''স্নোপস''
[[File:Donald_Trump_delivering_inauguration_speech_01-20-17_(cropped).jpg|thumb|এই মুহূর্ত থেকে, এটি হতে যাচ্ছে আমেরিকা ফার্স্ট।]]
[[File:2017_Presidential_Inauguration_CV6A0663.jpg|thumb|আমি যখন বাইরে তাকিয়েছিলাম, সেই ময়দানটি দেখে মনে হলো যেন দশ বা পনেরো লাখ মানুষ ছিল।]]
* আমি যখন বাইরে তাকিয়েছিলাম, সেই ময়দানটি দেখে মনে হলো যেন দশ বা পনেরো লাখ মানুষ ছিল। তারা এমন একটি মাঠ দেখিয়েছিল যেখানে প্রায় কেউই দাঁড়িয়ে ছিল না। আর তারা বলেছিল, "ডোনাল্ড ট্রাম্প লোক টানতে পারেননি।" আমি বললাম, "প্রায় বৃষ্টি হচ্ছিল!" বৃষ্টির কারণে তাদের ভয় পেয়ে দূরে চলে যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু ঈশ্বর নিচপানে তাকালেন এবং বললেন যে আমরা আপনার বক্তৃতার সময় বৃষ্টি হতে দেব না।
** [https://www.youtube.com/watch?v=GMBqDN7-QLg অভিষেক অনুষ্ঠানে লোকসমাগম এবং সংবাদ মাধ্যমের কাভারেজ নিয়ে সিআইএ সদর দপ্তরে ট্রাম্পের বক্তব্য], ফক্স ১০ ফিনিক্স (২১ জানুয়ারি ২০১৭)
* সেই পুরনো প্রবাদ, ‘বিজয়ীরই সমস্ত লুণ্ঠিত দ্রব্য’—আপনাদের মনে আছে। আমি সবসময় বলতাম, তেল নিজেদের কাছে রাখো। আমি ইরাক যুদ্ধের ভক্ত ছিলাম না। আমি ইরাকে যেতে চাইনি। কিন্তু আমি আপনাদের বলব, যখন আমরা সেখানে ছিলাম, আমরা ভুলভাবে সেখান থেকে বেরিয়ে এসেছি। আর আমি সবসময় বলতাম, এর পাশাপাশি তেলটা রেখে দাও। আমি এটি অর্থনৈতিক কারণে বলেছিলাম। কিন্তু মাইক, আপনি যদি ভেবে দেখেন, আমরা যদি তেল নিজেদের কাছে রাখতাম তবে সম্ভবত আইএসআইএস তৈরি হতো না, কারণ তারা সেখান থেকেই তাদের টাকা উপার্জন করেছিল। তাই আমাদের তেলটা রাখা উচিত ছিল। তবে ঠিক আছে। হয়তো আপনি আরেকটা সুযোগ পাবেন। কিন্তু বাস্তব হলো, তেলটা রাখা উচিত ছিল।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের সিআইএতে ভাষণ, [https://www.cbsnews.com/news/trump-cia-speech-transcript/ ২৩ জানুয়ারি ২০১৭]
* কিন্তু আপনি যখন ভালোবাসার এই বিশাল সমুদ্রের দিকে তাকাবেন — আমি একে 'ভালোবাসার সমুদ্র' বলি — এটি সত্যিই বিশেষ কিছু।
** [https://www.youtube.com/watch?v=RDvoBoxv028 ডেভিড মুয়ারের সাথে এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প তাঁর অভিষেক অনুষ্ঠানের ভিড়ের একটি বাঁধাই করা ছবির বর্ণনা দিচ্ছেন], এবিসি (২৫ জানুয়ারি ২০১৭)
* [ডেভিড বেকার সম্পর্কে] সে আবারও তোষামোদ করছে। আপনারা জানেন, আমি সবসময় সেই সব সাংবাদিকদের কথা বলি যারা তোষামোদ করে যখন তারা এমন কিছু লিখতে চায় যা আপনি শুনতে চান কিন্তু লক্ষ লক্ষ মানুষ সম্ভবত শুনতে চায় না বা শোনার প্রয়োজন নেই।
** [http://www.bbc.com/news/world-us-canada-38764653/ "ভোটার জালিয়াতি নিয়ে ট্রাম্পের কথায় উদারপন্থীরা চিন্তিত"], বিবিসি (২৭ জানুয়ারি ২০১৭)
* আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে, আমাদের সৈন্যরা বিদেশে যে হুমকির বিরুদ্ধে লড়াই করছে, আমরা যেন তাদের আমাদের দেশে ঢুকতে না দিই।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://edition.cnn.com/2017/01/27/politics/trump-plans-to-sign-executive-action-on-refugees-extreme-vetting/ "উগ্র ইসলামি সন্ত্রাসীদের দূরে রাখতে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর"], সিএনএন (২৭ জানুয়ারি ২০১৭)
* আমি সবসময় প্রার্থনা করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছি... আমি বলব যে এই পদটি এতটাই শক্তিশালী যে আপনার ঈশ্বরকে আরও বেশি প্রয়োজন।
** [http://www1.cbn.com/cbnnews/entertainment/2017/january/worship-artist-credits-psalms-91-for-miraculous-cancer-healing ডেভিড ব্রডির সাথে ট্রাম্পের সাক্ষাৎকারে] উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], সিবিএন নিউজ (২৯ জানুয়ারি ২০১৭)
==== ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ====
* আমি এখন খুব গর্বিত যে ন্যাশনাল মলে আমাদের একটি জাদুঘর আছে যেখানে মানুষ [[মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]] এবং আরও অনেক কিছু সম্পর্কে জানতে পারে। আমি লক্ষ্য করছি যে, ফ্রেডরিক ডগলাস এমন একজনের উদাহরণ যিনি এক চমৎকার কাজ করেছেন এবং দিন দিন আরও বেশি পরিচিতি পাচ্ছেন। হ্যারিয়েট টুবম্যান, রোসা পার্কস এবং আরও লক্ষ লক্ষ কৃষ্ণবর্ণের আমেরিকান যারা [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]]কে আজকের এই অবস্থানে নিয়ে এসেছেন। দারুণ প্রভাব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theatlantic.com/politics/archive/2017/02/frederick-douglass-trump/515292/ ডোনাল্ড ট্রাম্প'স ন্যারেটিভ অফ দ্য লাইফ অফ ফ্রেডরিক ডগলাস] থেকে উদ্ধৃত, ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭।
* আমরা যখন ন্যাশনাল আফ্রিকান আমেরিকান হিস্ট্রি মান্থ পালন করছি, তখন আমরা আফ্রিকান আমেরিকানদের ঐতিহ্য ও অর্জনকে স্বীকৃতি দিচ্ছি। আফ্রিকান আমেরিকানরা যে অবদান রেখেছেন এবং রেখে চলেছেন তা আমাদের সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আফ্রিকান আমেরিকানদের ইতিহাস সেই সহনশীলতা এবং উদ্ভাবনী চেতনার উদাহরণ যা আমাদের জাতিকে মহান করে চলেছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/president-donald-j-trump-proclaims-february-national-african-american-history-month/ ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭] থেকে উদ্ধৃত।
* ওয়াশিংটনে আমাদের জন্য, ঈশ্বরের ইচ্ছা অনুযায়ী জনগণের সেবা করার প্রজ্ঞা পেতে আমাদের কখনোই তাঁর কাছে প্রার্থনা করা বন্ধ করা উচিত নয়। তবে ''দ্য অ্যাপ্রেন্টিস'' অনুষ্ঠানে আমরা দারুণ সফল হয়েছিলাম। যখন আমি রাষ্ট্রপতির জন্য দাঁড়ালাম, তখন আমাকে অনুষ্ঠানটি ছাড়তে হয়েছিল। তখনই আমি নিশ্চিতভাবে জানতাম যে আমি এটি করছি। তারা আমার জায়গায় এক মস্ত বড় মুভি স্টার আরনল্ড শোয়ার্জনেগারকে নিয়োগ করেছিল এবং আমরা জানি এর ফলাফল কী হয়েছে। রেটিং একদম তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে, এটি একটি চরম বিপর্যয় ছিল। মার্ক বার্নেট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আর কখনও বাজি ধরবেন না। আমি কেবল আরনল্ডের জন্য প্রার্থনা করতে চাই, যদি আমরা পারি, সেই রেটিংগুলোর জন্য, ঠিক আছে?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=cyxacu5AslI ট্রাম্পের "ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট" ভাষণ] (২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* আমাদের কঠোর হতে হবে। এখন আমাদের একটু কঠোর হওয়ার সময় এসেছে। বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশ আমাদের সুযোগ নিচ্ছে। এটা আর ঘটবে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/us-news/2017/feb/02/donald-trump-australia-refugees-malcolm-turnbull-phone-call বিরোধ সত্ত্বেও হোয়াইট হাউস বলছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়ার শরণার্থীদের গ্রহণ করতে পারে] (২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* এটি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যে এটি আর রিপোর্টও করা হচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে সেই অত্যন্ত অসৎ সংবাদমাধ্যমগুলো এটি রিপোর্ট করতে চায় না। তাদের নিজস্ব কারণ আছে এবং আপনারা সেটি বোঝেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://www.bbc.co.uk/news/world-us-canada-38890090 ম্যাকডিল এয়ার ফোর্স বেসে দেওয়া এক বক্তৃতায় সন্ত্রাসী হামলার রিপোর্টিং নিয়ে ট্রাম্পের উক্তি] (৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* সেই স্টেট সিনেটর কে? আপনি কি আমাকে তার নাম বলতে চান? আমরা তার ক্যারিয়ার ধ্বংস করে দেব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=Z1SKm1hTWq0 শেরিফ হ্যারল্ড ইভেনসনের বক্তব্যের জবাবে ট্রাম্পের উক্তি], যেখানে শেরিফ উল্লেখ করেছিলেন যে টেক্সাসের একজন স্টেট সিনেটর এমন আইন প্রস্তাব করছেন যাতে শেরিফরা বাজেয়াপ্ত অর্থ পাওয়ার আগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার প্রয়োজন পড়বে। (৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)
* আমি বিচারকদের একটি প্যানেলের কথা শুনেছি এবং আমি সে বিষয়ে মন্তব্য করব — আমি নিশ্চিতভাবে একজন বিচারকের বক্তব্যের ওপর কোনো মন্তব্য করব না — তবে আমাকে সত্যি বলতে হবে যে, এই বিচারকরা যদি আদালতের প্রতি শ্রদ্ধার খাতিরে আদালতকে সাহায্য করতে চাইতেন, তবে তাদের যা করা উচিত ছিল তারা সেটাই করতেন। মানে এটা খুব দুঃখজনক। যখন আপনি খুব সাধারণ, সুন্দরভাবে লেখা এবং নিখুঁতভাবে লেখা কোনো কিছু পড়েন — অবশ্যই সেই একটি বক্তব্য ছাড়া যেখানে "সে" (পুরুষ বা নারী) এর কথা বলা হয়েছে — কিন্তু যখন আপনি এত নিখুঁতভাবে লেখা এবং যে কারো কাছে এত স্পষ্ট কিছু পড়েন, আর তারপর যখন আপনি আইনজীবীদের দেখেন এবং আমি গত রাতে অবাক হয়ে দেখছিলাম, আমি এমন সব কথা শুনলাম যা আমি বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। এমন সব কথা যার সাথে আমি যা পড়েছি তার কোনো সম্পর্কই ছিল না। আমি কখনোই আদালতকে পক্ষপাতদুষ্ট বলতে চাই না, তাই আমি একে পক্ষপাতদুষ্ট বলব না। আমরা এখনও কোনো সিদ্ধান্ত পাইনি, তবে আদালতগুলো এখন খুব বেশি রাজনৈতিক বলে মনে হয়। আমাদের বিচার ব্যবস্থার জন্য এটি খুব ভালো হতো যদি তারা একটি বিবৃতি পড়তে পারত এবং যা সঠিক তা করতে পারত।
* আমেরিকার প্রতিটি শিশুর উচিত কোনো ভয় ছাড়াই বাইরে খেলাধুলা করা, কোনো বিপদ ছাড়াই বাড়ি ফেরা এবং মাদক, গ্যাং বা সহিংসতা সম্পর্কে চিন্তিত না হয়ে স্কুলে যাওয়া।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/02/08/remarks-president-trump-mcca-winter-conference "এমসিসিএ উইন্টার কনফারেন্সে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্য"] (৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* আমি শুধু বলতে চাই যে, আমরা আমাদের সেই জয়ে খুবই সম্মানিত বোধ করছি, ৩০৬টি ইলেক্ট্রোরাল কলেজ ভোট। আমাদের ২২০ পার হওয়ার কথা ছিল না, আপনি [[বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু|ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর]] দিকে ফিরে সেটি জানেন, তাই না? ২২১ হওয়ার কোনো পথ ছিল না, কিন্তু তারপর তারা বলল ২৭০ হওয়ার কোনো পথ নেই এবং সেখানে প্রচুর উৎসাহ ছিল। আমি বলব যে, আমরা এই দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনব, আমরা এই দেশে অপরাধ বন্ধ করব। আমরা দীর্ঘদিনের বর্ণবাদ এবং অন্যান্য যা কিছু ঘটছে তা বন্ধ করার জন্য আমাদের ক্ষমতার মধ্যে সবকিছু করব। কারণ দীর্ঘ সময় ধরে অনেক খারাপ জিনিস ঘটে আসছে। আমি মনে করি আমার নির্বাচনে জেতার অন্যতম কারণ হলো আমাদের জাতি এখন অনেক বিভক্ত, খুব বেশি বিভক্ত। আশা করি আমি সে বিষয়ে কিছু করতে পারব এবং এটি আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ইহুদি মানুষ, আমার অনেক বন্ধু, আমার এক মেয়ে যে এই মুহূর্তে এখানে আছে, এক জামাতা এবং তিন চমৎকার নাতি-নাতনির কথা বলতে গেলে, আমি মনে করি আপনারা আগামী তিন, চার বা আট বছরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনেক পরিবর্তন দেখতে পাবেন। আমি মনে করি অনেক ভালো কিছু ঘটছে এবং আপনারা অনেক ভালোবাসা দেখতে পাবেন, আপনারা অনেক ভালোবাসা দেখতে পাবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ইহুদি বিদ্বেষের ক্রমবর্ধমান ঘটনা এবং তার প্রশাসনে বিদেশি ভীতি নিয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে, [https://www.youtube.com/watch?v=SmfseeZt5fA যৌথ সংবাদ সম্মেলনে] (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)।
* সংবাদমাধ্যম এতটাই অসৎ হয়ে পড়েছে যে আমরা যদি এ বিষয়ে কথা না বলি, তবে আমরা আমেরিকান জনগণের প্রতি চরম অন্যায় করব। চরম অন্যায়। কী ঘটছে তা জানার জন্য আমাদের কথা বলতে হবে, কারণ সত্যি বলতে সংবাদমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। অসততার মাত্রা এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে।
* আমার মনে হয় রোনাল্ড রিগ্যানের পর এটিই ছিল সবচেয়ে বড় ইলেক্ট্রোরাল কলেজ জয়।
* এই প্রশাসন একটি নিখুঁত যন্ত্রের মতো চলছে।
[[চিত্র:Michael_Flynn_(30020745053).jpg|থাম্ব|মাইক ফ্লিন একজন ভালো মানুষ, আর আমি তার পদত্যাগ চেয়েছি।]]
* মাইক ফ্লিন একজন ভালো মানুষ, আর আমি তার পদত্যাগ চেয়েছি। তিনি সম্মানের সাথে তা দিয়েছেন। তিনি এমন একজন মানুষ যার সম্পর্কে আমাদের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সকে কিছু তথ্য দেওয়া হয়েছিল, যিনি আজ আমাদের সাথে আছেন। আর যেভাবে সেই তথ্যগুলো দেওয়া হয়েছে তাতে আমি খুশি ছিলাম না। তাকে এটা করতে হতো না, কারণ তিনি যা করেছেন তা ভুল ছিল না। তিনি যে তথ্য দেখেছিলেন সে দিক থেকে কোনো ভুল ছিল না। ভুল ছিল অন্যদের, যার মধ্যে এই ঘরের আপনারাও আছেন, যেভাবে তথ্যগুলো দেওয়া হয়েছিল। কারণ সেগুলো ছিল গোপন তথ্য যা অবৈধভাবে দেওয়া হয়েছিল। এটাই আসল সমস্যা।
* দেখুন, আমি যখন জনসভায় যাই, তারা ঘুরে দাঁড়ায় এবং সিএনএন এর দিকে চিৎকার করতে শুরু করে। তারা সিএনএন-এর দিকে তাদের প্ল্যাকার্ড ছুড়ে মারতে চায়। আমি মনে করি আপনারা একটু ভিন্ন হলে অনেক ভালো করতেন।
* আগামীকাল তারা বলবে, "ডোনাল্ড ট্রাম্প সংবাদমাধ্যমের ওপর চিৎকার করেছেন।" আমি চিৎকার করছি না। আমি শুধু আপনাদের বলছি। আপনারা জানেন, আপনারা অসৎ মানুষ। কিন্তু আমি চিৎকার করছি না। আমি এটি উপভোগ করছি। আমার বেশ ভালো লাগছে। কিন্তু আগামীকাল শিরোনাম হবে, "ডোনাল্ড ট্রাম্প চিৎকার করেছেন।" আমি চিৎকার করছি না।
[[চিত্র:HEUraniumC.jpg|থাম্ব|আপনারা জানেন ইউরেনিয়াম কী, তাই না? এটি পারমাণবিক অস্ত্র এবং আরও অনেক কিছুর সাথে জড়িত। ইউরেনিয়াম দিয়ে অনেক কাজ করা হয়, যার মধ্যে কিছু খারাপ জিনিসও আছে।]]
* আপনারা জানেন ইউরেনিয়াম কী, তাই না? এটি পারমাণবিক অস্ত্র এবং আরও অনেক কিছুর সাথে জড়িত। ইউরেনিয়াম দিয়ে অনেক কাজ করা হয়, যার মধ্যে কিছু খারাপ জিনিসও আছে।
* এর মধ্যে [[ইরাক]]ের পরিস্থিতি খুব, খুব কঠিন। আপনারা কি জানেন কেন? কারণ আমি সামরিক বাহিনী নিয়ে কথা বলি না এবং আরও কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলি না, যা শুনে আপনারা অবাক হবেন। আর আমার পুরো নির্বাচনী প্রচারণায় আমি সেটাই বলেছি। তাই আমার আপনাদের বলার প্রয়োজন নেই। আমি সেই লোকেদের মতো হতে চাই না যারা বলে, "হ্যাঁ, আমরা এই কাজ করতে যাচ্ছি।" আমার তা করার দরকার নেই। উত্তর কোরিয়ায় আমি কী করতে যাচ্ছি তা আমার আপনাদের বলার দরকার নেই। একটু দাঁড়ান। [[উত্তর কোরিয়া]]য় আমি কী করতে যাচ্ছি তা আমার আপনাদের বলার দরকার নেই। আর ইরানের সাথে আমি কী করতে যাচ্ছি তাও আমার আপনাদের বলার দরকার নেই। কেন জানেন? কারণ তাদের এটি জানা উচিত নয়। আর শেষ পর্যন্ত আপনারা এই প্রশ্ন করতে করতে ক্লান্ত হয়ে যাবেন।
* আপনি কোথা থেকে এসেছেন? [সাংবাদিক উত্তর দিলেন তিনি বিবিসি থেকে এসেছেন] এই তো আরেক রত্ন।
* আপনি কি সভার ব্যবস্থা করতে চান? তারা কি আপনার বন্ধু? [একজন আফ্রিকান-আমেরিকান সাংবাদিককে উদ্দেশ্য করে এবং কংগ্রেসনাল ব্ল্যাক ককাসের কথা উল্লেখ করে]
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.nytimes.com/2017/02/16/us/politics/donald-trump-press-conference-transcript.html?_r=0 হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে করা মন্তব্য] (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)।
* আপনার পুরো জীবনে দেখা মানুষের মধ্যে আমিই হলাম সবচেয়ে কম ইহুদি বিদ্বেষী ব্যক্তি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.cnbc.com/2017/02/16/donald-trump-i-am-the-least-anti-semitic-racist-person-that-youve-ever-seen.html সিএনবিসি] (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* গতকাল রাতে সুইডেনে কী ঘটেছে একবার দেখুন। সুইডেন! কে বিশ্বাস করবে, সুইডেন! তারা প্রচুর সংখ্যক মানুষকে আশ্রয় দিয়েছে এবং তারা এমন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে যা তারা কখনও কল্পনাও করেনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=AMLK15edOUY ফ্লোরিডার মেলবোর্নে সমর্থকদের এক বিশাল সমাবেশে ট্রাম্পের বক্তব্য] (১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* আর আমি চাই আপনারা সবাই জানুন যে আমরা ফেক নিউজের বিরুদ্ধে লড়ছি। এটা ভুয়া, জাল, একদম মিথ্যে। কয়েক দিন আগে আমি ফেক নিউজকে জনগণের শত্রু বলেছিলাম, আর তারা সত্যিই তাই, তারা জনগণের শত্রু।
* কারো নাম ব্যবহার না করে তাদের কোনো সূত্র ব্যবহার করতে দেওয়া উচিত নয়। তাদের নাম সামনে আসতে দিন। তাদের নাম প্রকাশ করা হোক।
* আমি [[সুইডেন]]কে ভালোবাসি, চমৎকার দেশ, চমৎকার মানুষ। কিন্তু তারা বোঝে, ওখানকার মানুষ বোঝে যে আমি ঠিক বলছি। সুইডেনে কী ঘটছে একবার দেখুন।
* আমার একজন বন্ধু আছে, সে খুব প্রতিপত্তিশালী একজন মানুষ। সে আলোর ভালোবাসে, সে [[প্যারিস]] ভালোবাসে। বছরের পর বছর ধরে প্রতি বছর গ্রীষ্মকালে সে তার স্ত্রী এবং পরিবারকে নিয়ে নিয়মিত প্যারিসে যেত। অনেকদিন তার সাথে দেখা হয়নি, তাই আমি বললাম, জিম, তোমাকে একটা প্রশ্ন করি, প্যারিসের কী অবস্থা? "প্যারিস? আমি আর সেখানে যাই না, প্যারিস আর আগের মতো প্যারিস নেই।"
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://time.com/4682023/cpac-donald-trump-speech-transcript/ বার্ষিক কনজারভেটিভ পলিটিক্যাল অ্যাকশন কনফারেন্সে ভাষণ দেওয়ার সময়] (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)।
* এটি একটি অবিশ্বাস্যরকম জটিল বিষয়। কেউ জানত না যে স্বাস্থ্যসেবা এত জটিল হতে পারে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/us-news/video/2017/feb/27/trump-healthcare-complicated-budget-video হোয়াইট হাউসে ন্যাশনাল গভর্নরস অ্যাসোসিয়েশনের বৈঠকে ভাষণ দেওয়ার সময়] (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* সারা বিশ্বের অনেক জাতি — যেমন [[কানাডা]], [[অস্ট্রেলিয়া]] এবং আরও অনেক দেশের মেধা-ভিত্তিক অভিবাসন ব্যবস্থা রয়েছে। এটি একটি মৌলিক নীতি যে যারা কোনো দেশে প্রবেশ করতে চায় তাদের নিজেদের আর্থিকভাবে স্বচ্ছল রাখার ক্ষমতা থাকতে হবে। অথচ আমেরিকায় আমরা এই নিয়ম কার্যকর করি না, যা আমাদের সবচেয়ে দরিদ্র নাগরিকরা যে জনসম্পদের ওপর নির্ভর করে তার ওপর চাপ সৃষ্টি করে।<br>..<br>প্রধানমন্ত্রী [[জাস্টিন ট্রুডো]]র সহায়তায় আমরা কানাডার সাথে একটি কাউন্সিল গঠন করেছি যাতে নারী উদ্যোক্তারা তাদের ব্যবসা শুরু করতে এবং তাদের আর্থিক স্বপ্ন পূরণ করতে প্রয়োজনীয় নেটওয়ার্ক, বাজার এবং মূলধন পেতে পারে।<br>..<br>আমেরিকা সকল জাতির নিজস্ব পথ বেছে নেওয়ার অধিকারকে শ্রদ্ধা করে। আমার কাজ বিশ্বের প্রতিনিধিত্ব করা নয়। আমার কাজ হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করা।<br>..<br>যথাযথ যাচাইকরণ করা সম্ভব নয় এমন জায়গা থেকে অনিয়ন্ত্রিত প্রবেশাধিকার দেওয়া সহানুভূতি নয়, বরং অবিবেচনা। আমরা আমেরিকার ভেতরে সন্ত্রাসবাদের কোনো ঘাঁটি তৈরি হতে দিতে পারি না — আমরা আমাদের জাতিকে চরমপন্থীদের আশ্রয়স্থল হতে দিতে পারি না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theglobeandmail.com/news/world/us-politics/donald-trump-congress-speech-immigration/article34158135/ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, গ্লোব অ্যান্ড মেইল অনুযায়ী] থেকে উদ্ধৃত।
==== মার্চ ২০১৭ ====
* আমাদের আইরিশ বন্ধুদের সাথে যখন আমরা আজ এখানে দাঁড়িয়ে আছি, আমার সেই প্রবাদের কথা মনে পড়ছে; এবং এটি খুব ভালো একটি প্রবাদ, এটি আমার খুব পছন্দ, আমি অনেক অনেক বছর ধরে এটি শুনে আসছি এবং আমি এটি ভালোবাসি: "সব সময় সেই বন্ধুদের ভুলে যাওয়ার কথা মনে রাখবেন যারা অবিশ্বস্ত প্রমাণিত হয়েছে, কিন্তু যারা আপনার পাশে থেকেছে তাদের মনে রাখার কথা কখনও ভুলবেন না।" আমরা তা জানি, রাজনৈতিকভাবে বলতে গেলে আমাদের অনেকেই তা জানি, আমরা এটি ভালোভাবেই জানি, এটি একটি চমৎকার কথা।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/us-news/2017/mar/17/trumps-irish-proverb-causes-derision-on-the-web তৎকালীন আইরিশ সরকারপ্রধান এন্ডা কেনির সফরের সময় দেওয়া বক্তব্য] (১৭ মার্চ ২০১৭)
==== এপ্রিল ২০১৭ ====
* চলো ওকে মেরেই ফেলি! চলো ভেতরে যাই। চলো ওদের সবাইকে খতম করে দিই।
** বাশার আল-আসাদ সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]-এর উক্তি, যেমনটি ফিলিপ রাকার এবং রবার্ট কস্টা লিখিত [https://www.washingtonpost.com/politics/bob-woodwards-new-book-reveals-a-nervous-breakdown-of-trumps-presidency/2018/09/04/b27a389e-ac60-11e8-a8d7-0f63ab8b1370_story.html?noredirect=on&utm_term=.f1bf8ed6690c বব উডওয়ার্ডের নতুন বই ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতিত্বের এক 'মানসিক ভেঙে পড়া'র চিত্র তুলে ধরেছে] (৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮), ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'' উদ্ধৃত।
* সিরিয়ায় আজ নারী ও শিশুসহ নিরীহ মানুষের ওপর যে রাসায়নিক হামলা হয়েছে, তা অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং সভ্য দুনিয়া এটি উপেক্ষা করতে পারে না। বাশার আল-আসাদ সরকারের এই জঘন্য কর্মকাণ্ড পূর্ববর্তী প্রশাসনের দুর্বলতা এবং দোদুল্যমানতারই ফল। রাষ্ট্রপতি ওবামা ২০১২ সালে বলেছিলেন যে তিনি রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের বিরুদ্ধে একটি "রেড লাইন" বা চূড়ান্ত সীমা নির্ধারণ করবেন, কিন্তু পরে তিনি কিছুই করেননি। এই অসহনীয় হামলার নিন্দা জানাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সারা বিশ্বের মিত্রদের পাশে দাঁড়িয়েছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.presidency.ucsb.edu/documents/statement-the-chemical-weapons-attack-khan-sheikhoun-syria সিরিয়ার খান শেখাউনে রাসায়নিক অস্ত্র হামলা সম্পর্কে বিবৃতি] থেকে উদ্ধৃত, ''আমেরিকান প্রেসিডেন্সি প্রজেক্ট'', (৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭)
* অনেকের জন্যই এটি ছিল এক ধীরগতির এবং নৃশংস মৃত্যু... এমনকি সুন্দর ছোট শিশুদেরও এই অত্যন্ত বর্বরোচিত হামলায় নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়েছে।
** সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র হামলা সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প]], [http://www.nydailynews.com/news/politics/trump-blasts-syria-murdering-civilians-u-s-strike-article-1.3027449 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিমান ঘাঁটিতে অন্তত ৫০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পর রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প নিজের দেশের মানুষকে 'নিষ্ঠুরভাবে হত্যার' জন্য সিরিয়ার সমালোচনা করেছেন], ৬ এপ্রিল ২০১৭।
* আমরা রাতের খাবার শেষ করেছিলাম। তখন আমরা মিষ্টান্ন খাচ্ছিলাম। আর আমাদের কাছে সবচেয়ে চমৎকার এক টুকরো চকোলেট কেক ছিল যা আপনি কখনও দেখেননি, এবং রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং সেটি উপভোগ করছিলেন।
* তো যা হলো, আমি বললাম যে আমরা মাত্রই ৫৯টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছি যা ইরাকের দিকে যাচ্ছে। [সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী তাকে সংশোধন করে দেন] হ্যাঁ, সিরিয়ার দিকে যাচ্ছে।
** চীনা রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের সাথে ডিনার করার সময় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প]], [http://www.cnn.com/2017/04/12/politics/donald-trump-xi-jingping-syria-chocolate-cake/ 'চমৎকার' চকোলেট কেক খেতে খেতে ট্রাম্প ও শি সিরিয়ায় হামলা নিয়ে কথা বলেছেন], ১২ এপ্রিল ২০১৭।
* তো এটি আমেরিকায় কৃষি এবং গ্রামীণ সমৃদ্ধিকে উৎসাহিত করার জন্য। আর এখন, এখানে অনেক কথা আছে, আমি সবকিছু পড়ার ঝামেলায় যাব না।
** [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/04/25/remarks-president-trump-farmers-roundtable-and-executive-order-signing আমেরিকায় কৃষি এবং গ্রামীণ সমৃদ্ধি বাড়াতে কৃষকদের গোলটেবিল বৈঠক এবং নির্বাহী আদেশে সই করার সময় রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্যে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৫ এপ্রিল ২০১৭)
[[চিত্র:Shinzō_Abe_and_Donald_Trump_in_Palm_Beach_(3).jpeg|থাম্ব|আমি ভেবেছিলাম এটি আরও সহজ হবে।]]
* আমি ভেবেছিলাম এটি আরও সহজ হবে।
** রয়টার্সের সাথে এক [http://www.reuters.com/article/us-usa-trump-100days-idUSKBN17U0CA সাক্ষাৎকারে তার প্রথম ১০০ দিন সম্পর্কে আলোচনা করার সময়] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৭ এপ্রিল ২০১৭)
* আমি মনে করি প্রথম ১০০ দিনে আমরা হয়তো যে কোনো রাষ্ট্রপতির চেয়ে বেশি কাজ করেছি... হ্যারি ট্রুম্যান-এর পর আর কেউ এত কাজ করেনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের]] সাথে সাক্ষাৎকার, [http://www.washingtonexaminer.com/full-interview-with-president-trump-on-his-first-100-days/article/2621516 তার প্রথম ১০০ দিন সম্পর্কে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের সাথে পূর্ণাঙ্গ সাক্ষাৎকার], ২৮ এপ্রিল ২০১৭।
==== মে ২০১৭ ====
* কোনো আমেরিকানকে ফেডারেল সরকারের নির্দেশ এবং তাদের বিশ্বাসের নীতির মধ্যে কোনো একটিকে বেছে নিতে বাধ্য করা উচিত নয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://www.foxnews.com/opinion/2017/05/04/what-trump-understands-about-religious-liberty-in-america.html আমেরিকায় ধর্মীয় স্বাধীনতা সম্পর্কে ট্রাম্প কী বোঝেন?] থেকে উদ্ধৃত (৪ মে ২০১৭)
[[চিত্র:James_Comey_official_portrait.jpg|থাম্ব|আমি মাত্রই এফবিআই প্রধানকে বরখাস্ত করেছি। তিনি পাগল ছিলেন, এক্কেবারে বদ্ধ পাগল।]]
* আমি মাত্রই এফবিআই প্রধানকে বরখাস্ত করেছি। তিনি পাগল ছিলেন, এক্কেবারে বদ্ধ পাগল।<br>..<br>রাশিয়া নিয়ে আমি প্রচণ্ড চাপের মুখে ছিলাম। সেটা এখন কেটে গেছে।<br>..<br>আমার বিরুদ্ধে কোনো তদন্ত চলছে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], বৈঠকের আনুষ্ঠানিক বিবরণ অনুযায়ী [https://www.nytimes.com/2017/05/19/us/politics/trump-russia-comey.html হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রিত রুশ কর্মকর্তাদের সাথে ট্রাম্পের কথোপকথনের অংশ] থেকে উদ্ধৃত (১০ মে ২০১৭)
* আপনি কি আগে কখনও এই কথাটি ব্যবহার করতে শুনেছেন? কারণ আমি শুনিনি। মানে, আমি ঠিক... কয়েক দিন আগে এটি মাথায় এল আর আমার মনে হলো এটি বেশ ভালো। এটাই আপনাদের করতে হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [[দি ইকোনমিস্ট]]ে প্রকাশিত একটি সাক্ষাৎকারে অর্থনৈতিক উদ্দীপনা প্রসঙ্গে [http://www.economist.com/Trumptranscript "প্রাইম দ্য পাম্প" শব্দটি উদ্ভাবনের দাবি করেছেন] (১১ মে ২০১৭)
* আর সত্যি বলতে, যখন আমি এটি করার সিদ্ধান্ত নিই, তখন আমি নিজেকে বলেছিলাম, "জানো তো, ট্রাম্প আর রাশিয়াকে নিয়ে এই রাশিয়ার ব্যাপারটা আসলে একটা সাজানো গল্প। নির্বাচনে হারার পর ডেমোক্র্যাটরা এটি একটি অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করছে।"
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://www.nbcnews.com/nightly-news/video/president-trump-this-russia-thing-is-a-made-up-story-941962819745 এনবিসির লেস্টার হোল্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেছেন] যে ফেডারেল তদন্তের ওপর বিরক্তিই ছিল এফবিআই পরিচালক জেমস কোমিকে বরখাস্ত করার একটি কারণ (১১ মে ২০১৭)
* সমালোচক হওয়ার চেয়ে সহজ বা করুণ আর কিছু নেই। কারণ তারা এমন লোক যারা কাজ শেষ করতে পারে না। কিন্তু ভবিষ্যৎ স্বপ্নদ্রষ্টাদের জন্য, সমালোচকদের জন্য নয়। ভবিষ্যৎ সেই সব মানুষের জন্য যারা সমালোচকরা যা-ই বলুক না কেন, নিজেদের মনের কথা শোনে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=B421uhrOV-o&feature=youtu.be&t=12m34s লিবার্টি ইউনিভার্সিটির সমাবর্তন ভাষণ] থেকে উদ্ধৃত (১৩ মে ২০১৭)
* ইদানীং আমার সাথে বিশেষ করে সংবাদমাধ্যম যেভাবে আচরণ করছে তা দেখুন। ইতিহাসের কোনো রাজনীতিবিদের সাথে, এবং আমি এটি খুব নিশ্চিতভাবেই বলছি, এর চেয়ে খারাপ বা অন্যায় আচরণ করা হয়নি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/us-news/video/2017/may/17/donald-trump-media-coast-guard-speech-video "ইউএস কোস্ট গার্ড একাডেমির সমাবর্তন অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তৃতায় সংবাদমাধ্যমের সমালোচনা করার সময়"] থেকে উদ্ধৃত (১৭ মে ২০১৭)
* ওহ আমার ঈশ্বর। এটি ভয়ংকর। '''এটিই আমার রাষ্ট্রপতিত্বের শেষ। আমি শেষ।'''
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], রাশিয়া তদন্তে একজন স্পেশাল কাউন্সিল নিয়োগের বিষয়ে। রবার্ট এস. মুলার ৩য় লিখিত [https://commons.wikimedia.org/wiki/File:Report_On_The_Investigation_Into_Russian_Interference_In_The_2016_Presidential_Election.pdf "রিপোর্ট অন দ্য ইনভেস্টিগেশন ইনটু রাশিয়ান ইন্টারফারেন্স ইন দ্য ২০১৬ প্রেসিডেন্সিয়াল ইলেকশন"], ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ৭৮-এ উদ্ধৃত।
* অনেক তরুণ, সুন্দর, নিষ্পাপ মানুষ যারা জীবনকে উপভোগ করছিল, জীবনের কিছু শয়তান লুজার তাদের হত্যা করেছে। আমি তাদের দানব বলব না কারণ তারা ওই শব্দটি পছন্দ করবে। তারা ভাববে এটি একটি চমৎকার নাম। আমি এখন থেকে তাদের লুজার বলব কারণ তারা তা-ই। তারা লুজার। আর আমরা এমন আরও অনেককে পাব। কিন্তু তারা ব্যর্থ, শুধু এটা মনে রাখবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theatlantic.com/international/archive/2017/05/trump-manchester-losers/527745/ দি আনটলান্টিক] থেকে উদ্ধৃত
==== জুন ২০১৭ ====
* আমি প্যারিসের নয়, বরং পিটসবার্গের নাগরিকদের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য নির্বাচিত হয়েছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/06/01/statement-president-trump-paris-climate-accord প্যারিস জলবায়ু চুক্তি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বিবৃতি], যেখানে তিনি প্যারিস চুক্তি থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেন (১ জুন ২০১৭)
* ইতিহাস স্বপ্নদ্রষ্টাদের দ্বারা লেখা হয়, সন্দেহবাদীদের দ্বারা নয়।
[[চিত্র:Family trump in the Easter Egg Roll (cropped).jpg|থাম্ব|আমি ধনী-দরিদ্র সব মানুষকেই ভালোবাসি, কিন্তু বিশেষ ওই পদগুলোর জন্য আমি কোনো দরিদ্র মানুষকে চাই না।]]
* আমি ধনী-দরিদ্র সব মানুষকেই ভালোবাসি, কিন্তু বিশেষ ওই পদগুলোর জন্য আমি কোনো দরিদ্র মানুষকে চাই না।
* আমরা দেওয়ালটিকে একটি সৌর দেওয়াল হিসেবে তৈরির কথা ভাবছি, যাতে এটি শক্তি উৎপাদন করে এবং নিজের খরচ নিজেই মেটাতে পারে। আর এভাবে মেক্সিকোকে অনেক কম টাকা দিতে হবে, আর সেটা ভালো, তাই না? আপনারা প্রথম দল যাদের আমি এটি বললাম। একটি সৌর দেওয়াল, এর মানে হয়। দেখা যাক, আমরা এটি নিয়ে কাজ করছি। সৌর দেওয়াল, প্যানেল, চমৎকার। মানে আসলে ভেবে দেখুন, এটি যত উঁচুতে যাবে এর মূল্য তত বাড়বে, এটি অনেকটা... বেশ ভালো কল্পনাশক্তি ''[নিজের মাথার দিকে ইশারা করে]'', তাই না, ভালো? আমার পরিকল্পনা।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://www.foxnews.com/politics/2017/06/21/president-trump-holds-iowa-rally-live-blog.html আইওয়ার সিডার র্যাপিডসে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের জনসভা] থেকে উদ্ধৃত (২১ জুন ২০১৭)
* দেখুন আমি তাকে রেকর্ড করিনি — কী ঘটছে তা আপনি কখনোই বুঝতে পারবেন না, যখন আপনি দেখবেন যে ওবামা প্রশাসন, এবং সম্ভবত তার চেয়েও বেশি সময় ধরে, এই সব মুখোশ উন্মোচন এবং নজরদারি করছিল। আর আপনি যখন চারিদিকে নজরদারি করার মতো গুরুতর এবং ভয়াবহ পরিস্থিতি সম্পর্কে সব পড়বেন, যেমনটা আমি গত কয়েক মাস ধরে পড়ছি। আর আপনারা 'মুখোশ উন্মোচন' শব্দটি শুনেছেন, এমন একটি শব্দ যা আপনারা হয়তো আগে কখনও শোনেননি। তাই সেখানে কী আছে আপনি কখনও জানবেন না — তবে আমি রেকর্ড করিনি, আর আমার কাছে কোনো টেপ নেই, আর আমি রেকর্ড করিনি।
* ভালো, এটি খুব একটা বোকামি ছিল না, আমি আপনাকে তা বলতে পারি। ''[সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী যখন ইঙ্গিত দেন যে রেকর্ড বা টেপ আছে বলে তার টুইট করা একটি চালাকি ছিল, তার জবাবে]''
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://insider.foxnews.com/2017/06/23/trump-comey-tapes-tweet-mueller-probe-fox-friends-interview "ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডসে এইন্সলি ইয়ারহার্ডের নেওয়া ট্রাম্পের সাক্ষাৎকার"] থেকে উদ্ধৃত (২৩ জুন ২০১৭)
* আমি শুনলাম কম রেটিংয়ের জো স্কারবোরো আমাকে নিয়ে খারাপ কথা বলছে (আর দেখি না)। তাহলে কম বুদ্ধির পাগল মিকা আর সাইকো জো কেন নিউ ইয়ার ইভের আশেপাশে টানা ৩ রাত মার-আ-লাগোতে এসেছিল এবং আমার সাথে যোগ দেওয়ার জন্য জোরাজুরি করেছিল? ফেস-লিফটের কারণে তার মুখ থেকে রক্ত পড়ছিল। আমি না বলে দিয়েছিলাম!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.nytimes.com/2017/06/29/business/media/trump-mika-brzezinski-facelift.html "ট্রাম্প মিকা ব্রজেজিনস্কিকে বিদ্রূপ করেছেন"] থেকে উদ্ধৃত (২৯ জুন ২০১৭)
[[চিত্র:Donald_Trump_(29273256122)_-_Cropped.jpg|থাম্ব|মানুষের আত্মা অজানাকে জানার জন্য ব্যাকুল থাকে। মহাবিশ্বের রহস্য উন্মোচনের মাধ্যমে আমরা নিজেদের ভেতরের সত্যকেও উন্মোচন করি।]]
* মানুষের আত্মা অজানাকে জানার জন্য ব্যাকুল থাকে। মহাবিশ্বের রহস্য উন্মোচনের মাধ্যমে আমরা নিজেদের ভেতরের সত্যকেও উন্মোচন করি। এটা সত্যি। আমাদের মহাকাশ যাত্রা শুধু আমাদের শক্তিশালী আর সমৃদ্ধই করবে না, বরং আমাদের বড় লক্ষ্যগুলোর পেছনে ঐক্যবদ্ধ করবে এবং সবাইকে আরও কাছাকাছি নিয়ে আসবে। এটা কি দারুণ হবে না? আপনারা কি বিশ্বাস করতে পারেন যে মহাকাশ এমনটা করবে? আমি ভেবেছিলাম রাজনীতি হয়তো এটা করবে। (হাসি)। যাই হোক, আমাদের এখন মহাকাশের ওপরই ভরসা করতে হবে।
* প্রতিবার আকাশে কোনো কিছুর উৎক্ষেপণ আমাদের এমন এক ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায় যেখানে আমাদের সাধারণ মানবিকতার বিশালতার সামনে আমাদের পার্থক্যগুলো ছোট মনে হয়। অনেক সময় সত্যকে দেখার জন্য কোনো কিছুকে দূর থেকে দেখতে হয়। জ্ঞানের চিরন্তন সন্ধানে মানবতার অগ্রভাগে থাকা এবং অজানার অভিযানে জাতিগুলোর মধ্যে নেতৃত্ব দেওয়া আমেরিকার ভাগ্য।
* মহাকাশ। বাইরে অনেক জায়গা আছে, তাই না? ''[বাজ অলড্রিন মাঝপথে বলেন: অসীমের পথে এবং তারও ঊর্ধ্বে!]'' এটা অসীম, এটা অসীম হতে পারে, আমরা ঠিক জানি না। তবে হতেও পারে, সেখানে নিশ্চয়ই কিছু আছে, তবে এটা অসীম হতে পারে, তাই তো?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/06/30/remarks-president-signing-executive-order-national-space-council "ন্যাশনাল স্পেস কাউন্সিলের একটি নির্বাহী আদেশে সই করার সময় ট্রাম্পের বক্তব্য"] থেকে উদ্ধৃত (৩০ জুন ২০১৭)
==== জুলাই ২০১৭ ====
* আমাদের সময়ের মৌলিক প্রশ্নটি হলো পশ্চিমা বিশ্বের বেঁচে থাকার ইচ্ছা আছে কি না। যেকোনো মূল্যে আমাদের মূল্যবোধ রক্ষা করার আত্মবিশ্বাস কি আমাদের আছে? আমাদের সীমান্ত রক্ষা করার জন্য নাগরিকদের প্রতি কি আমাদের যথেষ্ট সম্মান আছে? যারা আমাদের সভ্যতাকে নসাৎ বা ধ্বংস করতে চায়, তাদের মুখে দাঁড়িয়ে আমাদের সভ্যতা টিকিয়ে রাখার আকাঙ্ক্ষা ও সাহস কি আমাদের আছে?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/07/06/remarks-president-trump-people-poland-july-6-2017 "পোল্যান্ডের জনগণের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্য"] (৬ জুলাই ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত
* ...ওবামাকেয়ারকে ব্যর্থ হতে দিন, এটি অনেক সহজ হবে। এবং আমি মনে করি আমরা সম্ভবত এমন অবস্থানে আছি যেখানে আমরা ওবামাকেয়ারকে ব্যর্থ হতে দেব। আমরা এর দায় নেব না। আমি এর দায় নেব না। আমি আপনাদের বলতে পারি যে রিপাবলিকানরা এর দায় নেবে না। আমরা ওবামাকেয়ারকে ব্যর্থ হতে দেব এবং তারপর ডেমোক্র্যাটরা আমাদের কাছে আসবে।
** হোয়াইট হাউসের এক সংবাদ সম্মেলন, ১৮ জুলাই ২০১৭, থমাস কাপলান লিখিত [https://www.nytimes.com/2017/07/18/us/politics/republicans-obamacare-repeal-now-replace-later.html রিপাবলিকানদের স্বাস্থ্য বিল ভেস্তে যাওয়ার সাথে সাথে ট্রাম্প বলেছেন "ওবামাকেয়ারকে ব্যর্থ হতে দিন]" শীর্ষক নিবন্ধে উদ্ধৃত, ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৮ জুলাই ২০১৭
* আমি অ্যাটর্নি জেনারেলের ওপর হতাশ। দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় পরপরই তার নিজেকে সরিয়ে নেওয়া উচিত হয়নি। আর যদি তিনি নিজেকে সরিয়ে নিতেই চাইতেন, তবে তার উচিত ছিল দায়িত্ব নেওয়ার আগেই আমাকে তা বলা। তাহলে আমি খুব সহজেই অন্য কাউকে বেছে নিতাম। তাই আমি মনে করি এটি একটি খারাপ ব্যাপার, রাষ্ট্রপতির জন্য নয় বরং রাষ্ট্রপতিত্বের জন্য। আমি মনে করি এটি রাষ্ট্রপতিত্বের প্রতি অন্যায় হয়েছে এবং আমি ঠিক এমনটাই মনে করি।
** হোয়াইট হাউসের এক সাংবাদিক সম্মেলনে [https://www.youtube.com/watch?v=ZgImDKyPZwg জেফ সেশনস সম্পর্কে একটি প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প] (২৫ জুলাই ২০১৭)
* আমি বলেছি দয়া করে খুব বেশি ভালো হবেন না। যেমন আপনারা যখন কাউকে গাড়িতে তোলেন এবং তাদের মাথা রক্ষা করেন, আপনারা জানেন, যেভাবে হাত দিয়ে আড়াল করেন যাতে মাথায় আঘাত না লাগে অথচ তারা হয়তো মাত্রই কাউকে খুন করে এসেছে, তাদের মাথায় যাতে আঘাত না লাগে? আমি বললাম, আপনারা হাত সরিয়ে নিতে পারেন, ঠিক আছে।
** লং আইল্যান্ডের সাফোক কাউন্টি কমিউনিটি কলেজে [https://www.youtube.com/watch?v=NFgjNPiq9Cw পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের বক্তব্য (২৮ জুলাই ২০১৭)
===== ২০১৭ ন্যাশনাল স্কাউট জাম্বোরি (২৪ জুলাই ২০১৭) =====
<small>[https://www.youtube.com/watch?v=TplF26czQVE ২০১৭ ন্যাশনাল স্কাউট জাম্বোরিতে তরুণদের অনুপ্রাণিত করছেন ট্রাম্প] (২৪ জুলাই ২০১৭)</small>
* আমি বললাম, ছেলে স্কাউটদের সামনে দাঁড়িয়ে কে রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে চায়, তাই না?
* আপনারা জানেন, আমি ওয়াশিংটনে যাই এবং এই সব রাজনীতিবিদদের দেখি, আর আমি সেই সোয়াম্প দেখি। এটি কোনো ভালো জায়গা নয়। আসলে আজ আমি বলেছি যে আমাদের 'সোয়াম্প' শব্দটি বদলে 'সেসপুল' বা হয়তো 'সুয়্যার' শব্দ ব্যবহার করা উচিত। তবে এটি ভালো নয়, একদমই ভালো নয়।
* সেক্রেটারি টম প্রাইসও এখানে আছেন। আজ ডক্টর প্রাইস আমাদের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা সচিব হিসেবে লক্ষ লক্ষ আমেরিকানকে শক্তিশালী এবং সুস্থ রাখতে সাহায্য করার মাধ্যমে স্কাউট শপথ অনুযায়ী কাজ করে চলেছেন এবং তিনি চমৎকার কাজ করছেন। আর আশা করি তিনি ওবামাকেয়ার নামের এই ভয়ংকর জিনিসটিকে শেষ করার পথে আগামীকাল প্রয়োজনীয় ভোট পাবেন যা আমাদের সত্যিই ক্ষতি করছে। যাই হোক, আপনি কি ভোটগুলো পাবেন? তাকে সেগুলো পেতেই হবে। তাকে সেগুলো পেতেই হবে। ওহ, তাকে পেতেই হবে, অন্যথায় আমি বলব, "টম, তোমাকে বরখাস্ত করা হলো।"
* দয়া করে ওই ক্যামেরাগুলো পেছনের দিকে ঘোরান, ওটা অবিশ্বাস্য। যাই হোক, আপনাদের কী মনে হয় এই বিশাল এবং রেকর্ড সৃষ্টিকারী ভিড় আজ রাতে টেলিভিশনে দেখানোর সম্ভাবনা কতটুকু? ১ শতাংশ না কি শূন্য? ভুয়া মিডিয়া বলবে, "রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প", আর আপনারা জানেন এটি কী, "রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প আজ ছেলে স্কাউটদের এক ছোট ভিড়ের সামনে ভাষণ দিয়েছেন।"
* যাই হোক, শুধু একটা প্রশ্ন, রাষ্ট্রপতি ওবামা কি কখনো কোনো জাম্বোরিতে এসেছিলেন?
* আর আপনারা জানেন ইলেক্ট্রোরাল কলেজে আমাদের অনেক অসুবিধা আছে, পপুলার ভোট পাওয়া অনেক সহজ।
==== আগস্ট ২০১৭ ====
* [[উত্তর কোরিয়া]]র জন্য এটাই সবচেয়ে ভালো হবে যেন তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে আর কোনো হুমকির আঙুল না তোলে। তাদের এমন '''আগুন আর প্রচণ্ড রাগের মোকাবিলা করতে হবে যা দুনিয়া আগে কখনো দেখেনি'''। তিনি একটি সাধারণ রাষ্ট্রের সীমা ছাড়িয়ে অনেক বেশি হুমকি দিচ্ছেন। তাদের এমন '''আগুন, প্রচণ্ড রাগ আর সত্যি বলতে এমন শক্তির''' মুখে পড়তে হবে যা এই পৃথিবী আগে কখনো দেখেনি।
** ওপিওয়েড অতিমারি সংক্রান্ত এক জনসভায় উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য।
** সিএনএনেরর [http://www.cnn.com/2017/08/09/politics/trump-fire-fury-improvise-north-korea/index.html ট্রাম্পের 'আগুন ও প্রচণ্ড ক্রোধ' বিষয়ক মন্তব্যটি তাৎক্ষণিক ছিল কিন্তু ছিল বিখ্যাত], ৯ আগস্ট ২০১৭।
* আমরা অনেক পক্ষ থেকে, হ্যাঁ অনেক পক্ষ থেকেই ঘৃণা, গোঁড়ামি আর সহিংসতার এই ভয়াবহ রূপের কড়া ভাষায় নিন্দা জানাই। আমাদের দেশে এটি দীর্ঘ সময় ধরে চলে আসছে। এটি ডোনাল্ড ট্রাম্প বা বারাক ওবামার সময় থেকে নয়, বরং অনেক অনেক দিন ধরে চলছে।
** ভার্জিনিয়ার শার্লটসভিলে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী র্যালির সন্ত্রাস সম্পর্কে প্রথম বিবৃতি। [https://www.theguardian.com/us-news/2017/aug/12/charlottesville-protest-trump-condemns-violence-many-sides] দ্য গার্ডিয়ান। (১২ আগস্ট ২০১৭)
*বর্ণবাদ একটি শয়তানি। আর যারা এর নামে অশান্তি সৃষ্টি করে তারা স্রেফ অপরাধী আর গুন্ডা। কেকেকে, নব্য-নাৎসি, শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী আর অন্যান্য ঘৃণ্য গোষ্ঠীগুলো আমেরিকান হিসেবে আমাদের প্রিয় আদর্শগুলোর পরিপন্থী এবং জঘন্য। যারা গোঁড়ামির নামে অশান্তি ছড়ায় তারা আমেরিকার মূল সত্তায় আঘাত করে। প্রার্থী হিসেবে আমি দেশে আইন-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম এবং আমাদের সরকারি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো সেই কথা রাখছে। আমরা এই লড়াইয়ে কোনো কিছুর কমতি রাখব না যাতে প্রতিটি আমেরিকান শিশু ভয় আর সহিংসতা ছাড়া বড় হতে পারে। আমরা সকল আমেরিকানের পবিত্র অধিকার রক্ষা করব এবং আমরা সবাই মিলে কাজ করব যাতে এই ধন্য দেশের প্রতিটি নাগরিক তাদের মনের স্বপ্ন পূরণ করতে পারে এবং আমাদের আত্মার ভালোবাসা ও আনন্দ প্রকাশ করতে পারে।
** ১১-১২ আগস্ট ২০১৭ তারিখে ভার্জিনিয়ার শার্লটসভিলে অনুষ্ঠিত একটি চরম-ডানপন্থী র্যালিতে সহিংসতার বিষয়ে পরবর্তী বিবৃতি; [http://www.cnn.com/2017/08/14/politics/trump-condemns-charlottesville-attackers/index.html ট্রাম্প কেকেকে, নব্য-নাৎসি আর শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীদের 'জঘন্য' বলেছেন] (১৪ আগস্ট ২০১৭)
*'''হ্যাঁ, আমি মনে করি দুই পক্ষেরই দোষ আছে। আপনারা দুই পক্ষকেই ভালো করে দেখুন, আমার মনে হয় দুই পক্ষেরই দোষ আছে এবং এ নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই, আপনাদেরও থাকা উচিত নয়।''' আর আপনারা যদি এটি সঠিকভাবে তুলে ধরতেন, তবে বলতেন... [সাংবাদিক: নব্য-নাৎসিরা এটি শুরু করেছিল। তারা শার্লটসভিলে এসেছিল। তারা... (সাংবাদিকদের শোরগোল)] মাফ করবেন। শুনুন। '''তারা নিজেদের নব্য-নাৎসি হিসেবে পরিচয় দেয়নি।''' আর সেই দলে কিছু খুব খারাপ মানুষ ছিল। '''কিন্তু দুই পক্ষেই এমন কিছু মানুষ ছিল যারা খুব ভালো মানুষ ছিল।''' সেই দলে এমন কিছু লোক ছিল — মাফ করবেন — আমি আপনাদের মতোই ছবিগুলো দেখেছি। সেই দলে এমন লোক ছিল যারা তাদের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি মূর্তি সরিয়ে ফেলা এবং একটি পার্কের নাম রবার্ট ই. লি থেকে অন্য নামে বদলানোর প্রতিবাদ করতে সেখানে এসেছিল। [সাংবাদিকদের শোরগোল] জর্জ ওয়াশিংটন কি দাসের মালিক ছিলেন না? অবশ্যই ছিলেন। তাহলে কি এখন জর্জ ওয়াশিংটন তার মর্যাদা হারাবেন? আমরা কি — মাফ করবেন — আমরা কি এখন জর্জ ওয়াশিংটনের মূর্তি সরিয়ে ফেলব? থমাস জেফারসনের কথাই ধরুন। আপনারা তাকে পছন্দ করেন, তাই তো? ভালো। আমরা কি এখন তার মূর্তি সরিয়ে ফেলব কারণ তিনি একজন বড় দাসের মালিক ছিলেন? এভাবে তো আপনারা ইতিহাস আর সংস্কৃতিকেই বদলে দিচ্ছেন। সেই দলে এমন কিছু লোক ছিল — এবং '''আমি নব্য-নাৎসি আর শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদীদের কথা বলছি না, কারণ তাদের পুরোপুরি নিন্দা জানানো উচিত''' — কিন্তু সেই দলে '''নব্য-নাৎসি আর শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী ছাড়াও আরও অনেক সাধারণ মানুষ ছিল''', ঠিক আছে? আর সংবাদমাধ্যম তাদের সাথে চরম অন্যায় আচরণ করেছে। আবার অন্য দলেও কিছু ভালো মানুষ ছিল, কিন্তু সেখানে কিছু দাঙ্গাবাজও ছিল যাদের আপনারা '''কালো পোশাক, হেলমেট আর বেসবল ব্যাট''' নিয়ে আসতে দেখেছেন। অন্য দলেও অনেক খারাপ লোক ছিল।
* শনিবার আমি যে বিবৃতিটি দিয়েছিলাম, সেই প্রথম কথাগুলো একদম সঠিক ছিল।
** নিউ ইয়র্কের ট্রাম্প টাওয়ারে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে রয়টার্সের [https://www.reuters.com/article/us-virginia-protests-idUSKCN1AV0WT "ভার্জিনিয়ার প্রাণঘাতী সহিংসতার জন্য ট্রাম্প আবারও উভয় পক্ষকে দায়ী করেছেন"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৫ আগস্ট ২০১৭)। প্রতিলিপি: [https://www.cnbc.com/2017/08/15/read-the-transcript-of-donald-trumps-jaw-dropping-press-conference.html সিএনবিসি], [https://www.vox.com/2017/8/15/16154028/trump-press-conference-transcript-charlottesville ভক্স]।
==== সেপ্টেম্বর ২০১৭ ====
* এটি এমন এক রাষ্ট্রপতিত্ব যার প্রধান বৈশিষ্ট্য আদর্শ নয়, এমনকি নীতিও নয়। এটি হলো এক ধরনের স্নায়বিক সমস্যা।
** ব্রেট স্টিফেনস, [http://archive.is/bD7xJ "ট্রাম্প রক্ষণশীলদের তাদের উপযুক্ত পাওনা বুঝিয়ে দিচ্ছেন"] (১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস''
* ভেনেজুয়েলার সমস্যা এটা নয় যে সেখানে [[সমাজতন্ত্র]] ঠিকমতো বাস্তবায়ন করা হয়নি। বরং সমস্যাটা হলো সেখানে সমাজতন্ত্র ঠিকঠাকভাবেই বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭২তম অধিবেশনে দেওয়া তার প্রথম ভাষণে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। (১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭)
* আপনারা এর চেয়ে ভালো একটা কাজই করতে পারেন যদি দেখেন এমনটা হচ্ছে, এমনকি একজন খেলোয়াড়ও যদি এমন করে, তবে স্টেডিয়াম ছেড়ে চলে যান। আমি কথা দিচ্ছি, এসব বন্ধ হয়ে যাবে। এসব বন্ধ হবেই। শুধু উঠে চলে যান। উঠে চলে যান। এমনিতেও খেলাটা আর আগের মতো নেই। আপনারা কি দেখতে চাইবেন না যে এনএফএলের মালিকদের কেউ একজন, যখন কেউ আমাদের পতাকাকে অসম্মান করছে, তখন বলছেন, 'ওই কুত্তার বাচ্চাকে এখনই মাঠ থেকে বের করে দাও। বের করো! ওকে বরখাস্ত করা হলো। ওকে বরখাস্ত করা হলো!'
** অ্যালাবামার হান্টসভিলে এক জনসভায় মার্কিন পতাকার বিরুদ্ধে এনএফএল খেলোয়াড়দের প্রতিবাদ প্রসঙ্গে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
** {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৭-০৯-২২ |শিরোনাম=জাতীয় সংগীতে হাঁটু গেড়ে বসার জন্য এনএফএল খেলোয়াড়দের বরখাস্তের দাবি জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প — এবং তারা এর জবাব দিয়েছে |লেখক=অ্যারিক জেনকিন্স |সাময়িকী=ফরচুন |ইউআরএল=http://fortune.com/2017/09/23/donald-trump-nfl-players-anthem-response/}}
* হোমল্যান্ড সিকিউরিটি থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষা বিভাগ পর্যন্ত আমাদের সরকারের সব যথাযথ বিভাগ এই দুর্যোগ মোকাবিলায় পুরোপুরি নিয়োজিত আছে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে উদ্ধার ও পুনরুদ্ধারের এমন প্রচেষ্টা হয়তো আগে কখনো দেখা যায়নি। এটি একটি দ্বীপ যার চারিদিকে জল, বিশাল জলরাশি, সমুদ্রের জল।
** ঘূর্ণিঝড় মারিয়া সম্পর্কে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
** {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৭-০৯-২৯ |শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন পুয়ের্তো রিকো হলো 'বিশাল জলরাশি বেষ্টিত একটি দ্বীপ' |লেখক=এমিলি শুগারম্যান |সাময়িকী=দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট |অবস্থান=ইউকে |ইউআরএল=https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-politics/donald-trump-puerto-rico-hurricane-maria-comments-island-big-water-a7975011.html}}
==== অক্টোবর ২০১৭ ====
* আপনারা কি জানেন এটি কিসের প্রতীক? হয়তো এটি ঝড়ের আগের শান্ত মুহূর্ত। ''[সাংবাদিক: কিসের ঝড়?]'' হতে পারে ঝড়ের আগের শান্ত, একদম শান্ত একটা ভাব। [সাংবাদিক: কিসের ঝড় মিস্টার প্রেসিডেন্ট?] এই ঘরে বিশ্বের সেরা সামরিক ব্যক্তিরা আছেন, আমি শুধু আপনাদের এটাই বলব, আর আমাদের সন্ধ্যাটা খুব চমৎকার কাটবে। ''[সাংবাদিক: কিসের ঝড় মিস্টার প্রেসিডেন্ট?]'' আপনারা জানতে পারবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.washingtonpost.com/news/post-politics/wp/2017/10/06/trump-gathers-with-military-leaders-says-maybe-its-the-calm-before-the-storm/ "হোয়াইট হাউসে ছবি তোলার সময় দেওয়া বক্তব্য"] থেকে উদ্ধৃত (৬ অক্টোবর ২০১৭)
* সংবাদমাধ্যম হলো — সত্যি বলতে, আমার উদ্ভাবিত সেরা শব্দগুলোর একটি হলো "ফেক" (ভুয়া)। আমার ধারণা হয়তো অন্য মানুষও বছরের পর বছর এটি ব্যবহার করেছে, কিন্তু আমি কখনো তা খেয়াল করিনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ড্যানিয়েল ডেল লিখিত [https://www.thestar.com/news/world/2017/10/08/donald-trump-defends-paper-towels-in-puerto-rico-says-stephen-paddock-was-probably-smart-in-bizarre-tv-interview-analysis.html এক বিচিত্র টিভি সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প পুয়ের্তো রিকোর পেপার টাওয়েল নিয়ে আত্মপক্ষ সমর্থন করেছেন এবং স্টিফেন প্যাডক সম্পর্কে বলেছেন সে 'সম্ভবত বুদ্ধিমান' ছিল: একটি বিশ্লেষণ] শীর্ষক নিবন্ধে উদ্ধৃত, দ্য স্টার ডট কম, ৮ অক্টোবর ২০১৭
* চেইন মাইগ্রেশন হলো অন্যতম এক বিপর্যয়। আপনি একজনকে আসতে দিচ্ছেন আর সেই একজন ১০ বা ১২ জনকে নিয়ে আসছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ১১ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে [https://abcnews.go.com/US/times-trump-slammed-chain-migration-apparently-helped-wifes/story?id=57132429 শন হ্যানিটি]র নেওয়া সাক্ষাৎকারে
* আর আমরা এটি সেই সব বাবা-মায়েদের মধ্যে দেখি যারা ভোরবেলায় ঘুম থেকে ওঠেন; তারা দুটো চাকরি করেন, কখনো কখনো তিনটা চাকরিও করেন। তারা প্রতিদিন আসবাবপত্র এবং তাদের সন্তানদের ভবিষ্যতের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.palmerreport.com/opinion/random-words-donald-trump/5573/ ২০১৭ ভ্যালুস ভোটার সামিটে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্য] থেকে উদ্ধৃত (১৩ অক্টোবর ২০১৭)
* এইমাত্র খবর এল: "চরমপন্থী ইসলামি সন্ত্রাসের প্রসারের মাঝে যুক্তরাজ্যে বার্ষিক অপরাধের হার ১৩% বেড়েছে।" ভালো কথা নয়, আমাদের অবশ্যই আমেরিকাকে নিরাপদ রাখতে হবে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.snopes.com/trump-uk-terrorism/ @রিয়েলডোনাল্ডট্রাম্প এর টুইট] থেকে উদ্ধৃত (২০ অক্টোবর ২০১৭)
* আমাদের সম্পর্ক খুব ভালো। লোকে বলে যেকোনো রাষ্ট্রপতি-রাষ্ট্রপতির মধ্যে আমাদের সম্পর্ক সবচেয়ে সেরা, কারণ তাকেও রাষ্ট্রপতি বলা হয়। এখন কেউ কেউ তাকে চীনের রাজা বলে ডাকতে পারে, কিন্তু তাকে রাষ্ট্রপতিই বলা হয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ২৫ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে [https://www.realclearpolitics.com/video/2017/10/25/full_lou_dobbs_interview_trump_asks_what_could_be_more_fake_than_cbs_nbc_abc_and_cnn.html ফক্স বিজনেসে লু ডবসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শি জিনপিং প্রসঙ্গে] থেকে উদ্ধৃত
==== নভেম্বর ২০১৭ ====
* কিম জং-উন কেন আমাকে "বুড়ো" বলে অপমান করবেন, যেখানে আমি তাকে কখনোই "বেঁটে আর মোটা" বলি না? যা-ই হোক, আমি তার বন্ধু হওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছি — হয়তো কোনো একদিন তেমনটা হয়েও যাবে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], কোরি চার্লটন লিখিত [https://www.thesun.co.uk/news/4895959/donald-trump-calls-kim-jong-un-short-and-fat-and-says-hes-trying-hard-to-be-his-friend/ ডোনাল্ড ট্রাম্প কিম জং-উনকে 'বেঁটে আর মোটা' বলেছেন এবং বলেছেন যে তিনি 'তার বন্ধু হওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছেন'] শীর্ষক নিবন্ধে উদ্ধৃত, ''দ্য সান'', ৮ নভেম্বর ২০১৭
* [[হোয়াইট হাউস]]ে ভারতের একজন প্রকৃত বন্ধু আছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ২৮ নভেম্বর ২০১৭, [http://indianexpress.com/article/india/india-has-true-friend-at-white-house-says-ivanka-trump-at-global-entrepreneurship-summit-full-text-ivanka-trump/ গ্লোবাল এন্টারপ্রেনারশিপ সামিটে ইভানকা ট্রাম্প বলেছেন হোয়াইট হাউসে ভারতের অকৃত্রিম বন্ধু আছে], ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
==== ডিসেম্বর ২০১৭ ====
* সে অনেক মানুষকে মেরে ফেলেছে, তাদের ওপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে দিয়েছে। আর এসব হয়েছে ওই ধারাবাহিক অভিবাসনের সুযোগে। এই নিয়ম অনুযায়ী, দেখা যাচ্ছে তার সাথে হয়তো ২২ থেকে ২৪ জন লোক এ দেশে এসেছিল। তার দাদা, দাদি, মা, বাবা, ভাই আর বোনেরা। আমাদের এই ধারাবাহিক অভিবাসন ব্যবস্থা বন্ধ করতে হবে। আমাদের এটি বন্ধ করতেই হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.breitbart.com/politics/2017/12/08/trump-time-congress-adopt-pro-american-immigration-agenda/ ৮ ডিসেম্বর ২০১৭] থেকে উদ্ধৃত
=== ২০১৮ ===
==== জানুয়ারি ২০১৮ ====
* গত ১৫ বছরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বোকার মতো পাকিস্তানকে ৩৩ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি সাহায্য দিয়েছে, তারা আমাদের মিথ্যা আর প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই দেয়নি; আমাদের নেতাদের তারা বোকা ভেবেছে। আমরা আফগানিস্তানে যেসব সন্ত্রাসীদের খুঁজি, তারা তাদের নিরাপদ আশ্রয় দেয়, আর আমাদের খুব সামান্যই সাহায্য করে। আর না!
** সিএনএন: ২০১৮ সালে ট্রাম্পের প্রথম টুইট: পাকিস্তান আমাদের 'মিথ্যা আর প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই দেয়নি' [https://edition.cnn.com/2018/01/01/politics/donald-trump-2018-pakistan/index.html], দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট [https://www.independent.co.uk/news/world/americas/donald-trump-pakistan-tweet-lies-deceit-aid-us-president-terrorism-aid-a8136516.html]
* এই দেশে মানহানি আইনগুলো খুব দুর্বল। সেগুলো যদি শক্তিশালী হতো, তবে খুব কাজে দিত। আপনার মাথায় যাই আসুক তাই বলে দিলেন, এমনটা আর হতে পারত না।
** মাইকেল উলফের ''ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি'' সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উত্তর, [https://factba.se/transcript/donald-trump-remarks-questions-camp-david-gop-retreat-january-6-2018 ক্যাম্প ডেভিড ভাষণ] (৬ জানুয়ারি ২০১৮)
* আমি একজন অত্যন্ত সফল ব্যবসায়ী থেকে শীর্ষ টিভি তারকা... তারপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হয়েছি (প্রথম চেষ্টাতেই)। আমি মনে করি এটি আমাকে স্রেফ বুদ্ধিমান নয়, বরং একজন জিনিয়াস হিসেবে প্রমাণ করে... আর তাও আবার এক অত্যন্ত স্থিরবুদ্ধি সম্পন্ন জিনিয়াস!
** টুইটারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], সিএনএনের [https://www.cnn.com/2018/01/06/politics/donald-trump-white-house-fitness-very-stable-genius/index.html ট্রাম্প: আমি একজন 'অত্যন্ত স্থিরবুদ্ধি সম্পন্ন জিনিয়াস'] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (৬ জানুয়ারি ২০১৮)
* আমি ব্যায়াম করি। মানে আমি হাঁটি, এটা ওটা করি। পাশের ভবনে দৌঁড়ে যাই। মানুষ যা ভাবে তার চেয়ে বেশি ব্যায়াম আমি করি।<br>অনেকে জিমে গিয়ে দুই ঘণ্টা কসরত করে। আমি অনেককে দেখেছি... তারপর তাদের ৫৫ বছর বয়সে হাঁটু বা নিতম্ব পাল্টাতে হয়। আমার সেই সমস্যা নেই।<br>আমার মনে হয় তারা সবাই বুঝতে পেরেছে যে এমন একজন রাষ্ট্রপতির ওপরই সব ছাড়তে হবে যিনি পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি নম্বর পেয়েছেন। আমি আর কী বলব?<br>আমি অনেকদিন পর ট্রেডমিলে উঠেছিলাম, সেটির ঢাল খুব বেশি ছিল এবং আমি দীর্ঘ সময় সেখানে ছিলাম।<br>তারা অবাক হয়ে গিয়েছিল। তারা বলল, 'ঠিক আছে, আপনি এখন থামতে পারেন, এটা দারুণ।' আমি বললাম, 'আপনারা চাইলে আমি আরও অনেকক্ষণ করতে পারি।'<br>আমি সব সময় ডায়েটে বিশ্বাস করি কারণ আমি শক্তিশালী, বুঝলেন? আমি বল অনেক দূরে মারতে পারি। মানে আমি শারীরিকভাবে শক্তিশালী।<br>হোয়াইট হাউসে যারা খাবার তৈরি করেন তারা অসাধারণ, কিন্তু আমি মনে করি তারা হয়তো খাবারের পরিমাণ কিছুটা কমাতে পারেন এবং হয়তো চর্বিযুক্ত উপকরণগুলো বাদ দিতে পারেন, এতে আমার কোনো সমস্যা নেই।
** রয়টার্সের সাথে এক [https://www.reuters.com/article/us-usa-trump-fitness/exclusive-exercise-i-get-more-than-people-think-trump-says-idUSKBN1F633B সাক্ষাৎকারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৭ জানুয়ারি ২০১৮)
* বর্তমানে বেশ কিছু অঙ্গরাজ্যে আইন অনুযায়ী নবম মাসে মায়ের গর্ভ থেকে সন্তান জন্ম দেওয়ার অনুমতি আছে। এটি ভুল, এটি পরিবর্তন করা দরকার।
** র্যাচেল ক্রস লিখিত [http://mashable.com/2018/01/19/trump-march-for-life-childbirth/#NXYV1ubFzSqW "ট্রাম্প মূলত সন্তান জন্মদানের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৯ জানুয়ারি ২০১৮), ''ম্যাশাবল''
* আপনি যদি আমাকে বলেন যে তারা খুব খারাপ মানুষ, ভয়ংকর বর্ণবাদী মানুষ, তবে আপনি চাইলে আমি অবশ্যই ক্ষমা চাইব।
** গত নভেম্বরে ব্রিটিশ ফার্স্টের উস্কানিমূলক এবং যাচাই না করা ইসলাম-বিদ্বেষী ভিডিওগুলো রিটুইট করা প্রসঙ্গে [http://www.itv.com/goodmorningbritain/news/piers-morgan-donald-trump-says-sorry-to-britain গুড মর্নিং ব্রিটেনে পিয়ার্স মরগ্যানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]] (২৬ জানুয়ারি ২০১৮)
* ''[সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী: আপনি কি জলবায়ু পরিবর্তনে বিশ্বাস করেন? আপনি কি মনে করেন এর অস্তিত্ব আছে?]'' উম্ম, কখনো ঠান্ডা হয় আবার কখনো গরম হয়, আর দেখুন, আগে একে জলবায়ু পরিবর্তন বলা হতো না, বলা হতো গ্লোবাল ওয়ার্মিং। ''[সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী: ঠিক।]'' তাই না? ওটা খুব একটা কাজে দিচ্ছিল না, কারণ সব জায়গায় খুব বেশি ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছিল। বরফের আস্তরণগুলো গলে যাওয়ার কথা ছিল, এতদিনে তো সেগুলো শেষ হয়ে যাওয়ার কথা, কিন্তু এখন সেগুলো রেকর্ড গড়ছে, সেগুলো এখন রেকর্ড মাত্রায় আছে।
** ব্রিটিশ টিভিতে দেওয়া এক [https://www.itv.com/news/2018-01-29/what-we-learned-from-donald-trumps-interview-with-itv/ সাক্ষাৎকারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৮ জানুয়ারি ২০১৮)
* সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে নিউ ইয়র্কে দুটি সন্ত্রাসী হামলা এই ভিসা লটারি এবং ধারাবাহিক অভিবাসনের কারণেই সম্ভব হয়েছে।
** ব্রেইটবার্টে [https://www.breitbart.com/live/state-union-fact-check-analysis-livewire/fact-check-yes-nyc-terrorists-entered-u-s-chain-migration-visa-lottery/ ৩০ জানুয়ারি ২০১৮] তারিখে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আমরা আমাদের মহান জাতির প্রতি আফ্রিকান আমেরিকানদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানকে সম্মান জানাতে ন্যাশনাল আফ্রিকান আমেরিকান হিস্ট্রি মান্থ পালন করি।
** [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/president-donald-j-trump-proclaims-february-2018-national-african-american-history-month/ ৩১ জানুয়ারি ২০১৮] তারিখে করা ঘোষণায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
*** টুইটারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের রিটুইট, [https://twitter.com/statedept/status/959192815313080323 ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, @স্টেটডিপার্টমেন্ট] এবং [https://twitter.com/whitehouse/status/959481056373149696 ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, @হোয়াইটহাউস]
==== ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ====
[[চিত্র:State_of_the_Union_(39974380282).jpg|থাম্ব|আমরা কি একে দেশদ্রোহিতা বলতে পারি? কেন নয়?]]
* একদিকের অর্ধেক লোক একদম পাগল হয়ে যাচ্ছিল, তারা সব কিছু পছন্দ করছিল, তারা দেশের জন্য ভালো কিছু করতে চায়। আর অন্যদিকে বাকিরা, এমনকি ইতিবাচক খবরেও, সত্যিই খুব ভালো খবরেও তারা এমন মুখ করে ছিল যেন কেউ মারা গেছে। এটা তো দেশপ্রেমবিরোধী। কেউ একজন একে দেশদ্রোহিতা বলেছে, আমার মনে হয়, হ্যাঁ কেন নয়? আমরা কি এটাকে দেশদ্রোহিতা বলতে পারি? কেন নয়?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=zjwPiE1wCU0 সিনসিনাটিতে ডেমোক্র্যাটদের হাততালি না দেওয়া প্রসঙ্গে বক্তব্য], তার স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণের সময় (৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)
* একটি নিরাপদ, আধুনিক আর আইনসম্মত অভিবাসন ব্যবস্থা তৈরির জন্য আমার প্রশাসন তিনটি প্রধান লক্ষ্য স্থির করেছে: সীমান্ত পুরোপুরি সুরক্ষিত করা, ধারাবাহিক অভিবাসন বন্ধ করা আর ভিসা লটারি বাতিল করা। এই ধারাবাহিক অভিবাসন একটি বিপর্যয় এবং আমাদের দেশের জন্য খুব অন্যায্য। এই ভিসা লটারি এমন একটা বিষয় যা শুরুতেই অনুমতি দেওয়া উচিত হয়নি। মানুষ আমাদের দেশে আসার জন্য লটারি খেলে। এটা কেমন ব্যবস্থা? এখন কংগ্রেসের পদক্ষেপ নেওয়ার আর আমেরিকানদের রক্ষা করার সময় এসেছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে [https://abcnews.go.com/US/times-trump-slammed-chain-migration-apparently-helped-wifes/story?id=57132429 এবিসি নিউজ]-এ উদ্ধৃত
* ফেক নিউজ @সিএনএন আর @এনবিসি-তে যেমনটা বলা হয়েছে, আমি কখনো বলিনি যে "শিক্ষকদের হাতে বন্দুক তুলে দাও"। আমি বলেছিলাম সামরিক বা বিশেষ প্রশিক্ষণ পাওয়া দক্ষ শিক্ষকদের হাতে গোপন অস্ত্র রাখার সুযোগ দেওয়ার কথা, শুধুমাত্র সেরাদের জন্য। প্রায় ২০ শতাংশ শিক্ষক, সংখ্যাটা অনেক, তারা এখন সক্ষম হবেন...
* ...কোনো জানোয়ার বা অসুস্থ লোক যদি খারাপ উদ্দেশ্যে স্কুলে আসে, তবে তারা সাথে সাথে পাল্টা গুলি ছুড়তে পারবেন। উচ্চ প্রশিক্ষিত শিক্ষকরা ওই সব কাপুরুষদের সামনে বাধা হিসেবে কাজ করবেন যারা এমন কাজ করে। রক্ষী রাখার চেয়ে অনেক কম খরচে এটি অনেক বেশি কার্যকর হবে। "অস্ত্রহীন" স্কুলগুলো খারাপ লোকদের টানে। হামলা বন্ধ হবেই!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট (২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮), এনবিসি নিউজের [https://www.nbcnews.com/politics/politics-news/trump-defends-arming-teachers-protect-students-sicko-shooter-n850216 "শিক্ষকদের সশস্ত্র করার পক্ষে ট্রাম্পের সাফাই, এনআরএর প্রশংসা"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)
* কারণ আমেরিকার মানুষ সরকারকে পূজা করে না। তারা ঈশ্বরকে পূজা করে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=QsUZCo7hasI সিপ্যাক সম্মেলনে] উদ্ধৃত (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)
* অথবা মাইক, আগে আগ্নেয়াস্ত্রগুলো নিয়ে নাও তারপর আদালতে যাও, কারণ ওটা অন্য ব্যবস্থা। কারণ অনেক সময় আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে পৌঁছাতে অনেক দেরি হয়ে যায়। '''আগেভাগেই বন্দুক কেড়ে নেওয়া আমার পছন্দ।''' যেমন ফ্লোরিডার এই পাগল লোকটার ঘটনায় দেখা গেছে, তার কাছে অনেক অস্ত্র ছিল, সবাই তা দেখেছে, আদালতে যেতে গেলে অনেক সময় লাগত। তাই আপনি যা বলছেন ঠিক সেটাই করতে পারেন, '''তবে আগে বন্দুকগুলো নিয়ে নিন, আইনি প্রক্রিয়া পরে হবে।'''
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে বন্দুক সহিংসতা নিয়ে এক বৈঠকে উদ্ধৃত [https://eu.usatoday.com/story/news/factcheck/2021/10/14/fact-check-trump-made-comment-taking-guns-without-due-process/6070319001/] [https://www.c-span.org/video/?c4907473/user-clip-trump-pence-feb-28-2018] [https://www.factcheck.org/2020/09/trump-said-i-like-taking-the-guns-early-not-harris/]
==== মার্চ ২০১৮ ====
*ভুলে যাবেন না চীন কত শক্তিশালী, আর [[শি জিনপিং]] একজন অত্যন্ত ভদ্রলোক। তিনি এখন আজীবনের জন্য রাষ্ট্রপতি। আমৃত্যু রাষ্ট্রপতি। আর তিনি দুর্দান্ত। দেখুন, তিনি সেটি করে দেখিয়েছেন। আমি মনে করি এটি দারুণ। হয়তো কোনো একদিন আমাদেরও এটি চেষ্টা করে দেখতে হবে।
** মার-এ-লাগোতে এক তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], কেভিন লিপটাক লিখিত [https://www.cnn.com/2018/03/03/politics/trump-maralago-remarks/index.html "ক্ষমতা সুসংহত করা চীনের শি সম্পর্কে ট্রাম্প: ''হয়তো কোনো একদিন আমরাও এটি চেষ্টা করে দেখব''"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, ''সিএনএন'', ৩ মার্চ ২০১৮।
==== এপ্রিল ২০১৮ ====
* আমি হোয়াইট হাউস হিস্টোরিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন এবং সেই সব মানুষকে ধন্যবাদ জানাতে চাই যারা মেলানিয়া এবং বাকি সবার সাথে মিলে এই অবিশ্বাস্য বাড়ি বা ভবনটিকে বা আপনি একে যাই বলতে চান, কারণ আসলে এর উপযুক্ত কোনো নাম নেই; এটি অনন্য, একদম চমৎকার অবস্থায় রাখতে কঠোর পরিশ্রম করছেন। আমরা একে মাঝে মাঝে একদম ঝকঝকে তকতকে বা টিপি-টপ অবস্থা বলি। আর এটি সত্যিই দারুণ একটি জায়গা।
** ইস্টার উপলক্ষে দেওয়া এক ভাষণে [[হোয়াইট হাউস]] প্রসঙ্গে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২ এপ্রিল ২০১৮)
* আর ধারাবাহিক অভিবাসনের কথা ভাবুন একবার। ধরুন আপনি আসলেন, আর এখন আপনি আপনার পরিবারকে নিয়ে আসতে পারছেন, তারপর আপনার মা আর বাবাকে নিয়ে আসতে পারছেন। আপনি আপনার দাদিকেও নিয়ে আসতে পারেন। আপনি আপনার আত্মীয়স্বজনদের নিয়ে আসতে পারেন ম্যানহাটনের ওয়েস্ট সাইড হাইওয়েতে, যা আমি খুব ভালো করেই চিনি, এমন একজন ছিল যে গাড়ি চালিয়ে দিয়েছিল; আমার মনে হয় সে প্রায় আটজনকে মেরে ফেলেছিল।
** ৫ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে [https://abcnews.go.com/US/times-trump-slammed-chain-migration-apparently-helped-wifes/story?id=57132429 এবিসি নিউজে] উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
==== মে ২০১৮ ====
[[চিত্র:Protests after US decision to withdraw from JCPOA, around former US embassy, Tehran - 8 May 2018 25.jpg|থাম্ব|আমরা এমন কোনো [[:w:ইসলামি প্রজাতন্ত্রী ইরান সরকার|শাসনব্যবস্থাকে]] পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাণঘাতী অস্ত্রের নাগাল পেতে দেব না যারা "আমেরিকা ধ্বংস হোক" স্লোগান দেয়।]]
* আমেরিকা পারমাণবিক ব্ল্যাকমেলের কাছে জিম্মি হয়ে থাকবে না। আমরা মার্কিন শহরগুলোকে ধ্বংসের হুমকির মুখে পড়তে দেব না। আর '''আমরা এমন কোনো শাসনব্যবস্থাকে পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাণঘাতী অস্ত্রের নাগাল পেতে দেব না যারা "আমেরিকা ধ্বংস হোক" স্লোগান দেয়।'''
** ৮ মে ২০১৮ তারিখে ইরান পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দেওয়া বক্তব্য [https://www.vox.com/world/2018/5/8/17332494/read-trump-iran-nuclear-deal-speech-full-text-announcement-transcript vox.com]
==== জুন ২০১৮ ====
* অনেক আইন বিশেষজ্ঞ যেমনটা বলেছেন, নিজেকে ক্ষমা করার পূর্ণ অধিকার আমার আছে। কিন্তু আমি তা করতে যাব কেন যখন আমি কোনো ভুলই করিনি?
** ৪ জুন ২০১৮ তারিখে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের [https://www.bbc.com/news/world-us-canada-44359434 মন্তব্য]
* এই ভুয়া সংবাদমাধ্যম গুলো দেখা সত্যিই মজার, বিশেষ করে এনবিসি আর সিএনএন। উত্তর কোরিয়ার সাথে হওয়া চুক্তিটিকে খাটো করে দেখানোর জন্য তারা জানপ্রাণ দিয়ে লড়ছে। ৫০০ দিন আগেও তারা এই চুক্তির জন্য "পায়ে ধরত" তখন তো মনে হচ্ছিল যুদ্ধ লেগে যাবে। আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো এই ভুয়া সংবাদমাধ্যম, যা নির্বোধদের দ্বারা খুব সহজেই ছড়িয়ে দেওয়া হয়!
** ডোনাল্ড ট্রাম্পের করা [https://x.com/realDonaldTrump/status/1006891643985854464 পোস্ট] (১৩ জুন ২০১৮, সকাল ৬:৩০), যা মূলত টুইটারে দেওয়া হয়েছিল।
* এদিকে ডেমোক্র্যাটদের কারণে সাধারণ মানুষ কষ্ট পাচ্ছে। আমরা তৈরি করেছি, আর ওরাও তৈরি করেছে, এবং ওরাই এটা হতে দিয়েছে—একটি বিশাল শিশু পাচার শিল্প। ঠিক এটাই আজ দাঁড়িয়েছে। পাচারকারীরা—একটু ভেবে দেখুন—মানুষ পাচারকারীরা অঢেল অর্থ বানাচ্ছে। এটা লজ্জার বিষয়। এই আইনি ফাঁকফোকরগুলো যখন বিদেশী পরিবার আর অপ্রাপ্তবয়স্কদের অবৈধভাবে সীমান্ত পার হতে বাধ্য করে, তখন তাদের দেশে ছেড়ে দিতে আমরা বাধ্য হই।
** ২১ জুন ২০১৮ তারিখে মন্ত্রিসভার বৈঠকে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের]] [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-cabinet-meeting-9/ বক্তব্য]
* রাষ্ট্রপতির টুইট করা নিয়ন্ত্রণ বা কমানোর চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে, প্রিবাসের এর একটি কার্যকর সমাধান খুঁজছিলেন। যেহেতু এই টুইটগুলো প্রায়ই রাষ্ট্রপতির অত্যধিক টেলিভিশন দেখার কারণে শুরু হতো, তাই তিনি ওই টেলিভিশন বন্ধ করার পথ খুঁজছিলেন। কিন্তু টেলিভিশন দেখা ছিল ট্রাম্পের নিয়মিত কাজ। রবিবার রাতগুলো হতো সবচেয়ে খারাপ। ট্রাম্প তার গলফ রিসোর্টে সপ্তাহান্ত কাটিয়ে ঠিক এমন সময় হোয়াইট হাউসে ফিরতেন যখন তার বিরোধী নেটওয়ার্ক এমএসএনবিসি আর সিএনএনে রাজনৈতিক আলোচনা চলত। রাষ্ট্রপতি আর ফার্স্ট লেডির আলাদা শয়নকক্ষ ছিল। ট্রাম্প বেশিরভাগ সময় একাই তার ঘরে বিশাল টিভি চালিয়ে বসে থাকতেন; হাতে থাকত রিমোট, টিভো আর তার টুইটার অ্যাকাউন্ট। প্রিবাস রাষ্ট্রপতির শয়নকক্ষকে "শয়তানের কারখানা" এবং ভোরের সময় ও বিপজ্জনক রবিবার রাতগুলোকে "ডাইনিদের প্রহর" বলতেন। সকালের ব্যাপারে তার খুব একটা কিছু করার ছিল না, তবে সপ্তাহান্তের সূচির ওপর তার কিছুটা নিয়ন্ত্রণ ছিল। তিনি ট্রাম্পের রবিবার হোয়াইট হাউসে ফেরার সময়টা বিকালের দিকে পিছিয়ে দিতে শুরু করেন। ট্রাম্প রাত ৯টার ঠিক আগে হোয়াইট হাউসে পৌঁছাতেন, যখন এমএসএনবিসি আর সিএনএন সাধারণত হালকা ধরনের অনুষ্ঠান প্রচার করত যেখানে তাৎক্ষণিক রাজনৈতিক বিতর্ক বা তাতে ট্রাম্পের ভূমিকা নিয়ে কোনো আলোচনা থাকত না।
**বব উডওয়ার্ড, ''ফিয়ার: ট্রাম্প ইন দ্য হোয়াইট হাউস'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ১৯৫
* ট্রাম্প প্রশংসা পেতে পছন্দ করতেন তবে গ্রাহামকে বলতেন, "তুমি একজন মধ্যমপন্থী লোক। আমি চাই তুমি ১০০ ভাগ ট্রাম্পের পক্ষে থাকো।" এটি সেই আনুগত্যের অঙ্গীকারের মতোই ছিল যা এফবিআইয়ের তৎকালীন পরিচালক জেমস কোমি বলেছিলেন যে ট্রাম্প তার কাছে চেয়েছিলেন। কোমির মতে, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির প্রথম সপ্তাহে হোয়াইট হাউসের গ্রিন রুমে তাদের সেই বিখ্যাত একান্ত ডিনারের সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, "আমার আনুগত্য দরকার। আমি আনুগত্য আশা করি।" গ্রাহাম জিজ্ঞেস করলেন, "ঠিক আছে, সমস্যাটা কোথায়? আগে শুনি, তারপর বলব আমি ১০০ ভাগ আপনার পক্ষে কি না।" ট্রাম্প বললেন, "তুমি প্রায় ৮২ শতাংশ পক্ষে।" "আসলে কিছু দিন আমি ১০০ ভাগ থাকি, আবার কিছু দিন শূন্যও হতে পারি।" "আমি চাই তুমি সবসময় ১০০ ভাগ আমার লোক হয়ে থাকো।" গ্রাহাম পাল্টা জিজ্ঞেস করলেন, "আপনি যখন ভুল করবেন তখন আমি কেন বলব যে আপনি ঠিক? তাতে আপনার বা আমার কী লাভ? রাষ্ট্রপতির এমন মানুষ দরকার যারা সত্যিটা মুখের ওপর বলতে পারে। আমি আজেবাজে কথা বলছি কি না তা দেখার দায়িত্ব আপনার।"
** বব উডওয়ার্ড, ''ফিয়ার: ট্রাম্প ইন দ্য হোয়াইট হাউস'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ৩১৭
* কিন্তু সেই মানুষটি আর তার প্রেসিডেন্সির মধ্যে ডাউড এক করুণ ত্রুটি দেখতে পেয়েছিলেন। রাজনৈতিক বাদানুবাদ, এড়িয়ে যাওয়া, অস্বীকার করা, টুইট করা, ধোঁয়াশা তৈরি করা, "ভুয়া সংবাদ" বলে চিৎকার করা আর ক্ষোভ প্রকাশ, এই সবকিছুর মাঝে ট্রাম্পের একটি প্রধান সমস্যা ছিল যা ডাউড জানতেন কিন্তু রাষ্ট্রপতির সামনে তা বলতে পারতেন না: "আপনি একজন চরম মিথ্যাবাদী।"
** বব উডওয়ার্ড, ''ফিয়ার: ট্রাম্প ইন দ্য হোয়াইট হাউস'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ৩৫৭
==== জুলাই ২০১৮ ====
* কিন্তু আমাদের এটি খুব সাবধানে করতে হবে কারণ আমরা এখন #মিটু প্রজন্মের মধ্যে আছি, তাই আমাদের খুব সতর্ক থাকতে হবে। আমরা খুব আলতো করে সেই সরঞ্জামটি নেব এবং ধীরে করে ছুড়ে দেব, যাতে সেটি তার গায়ে লেগে হাতে চোট না পায়।
** [https://www.washingtonpost.com/politics/trump-mocks-metoo-movement-in-montana-rally/2018/07/05/fad40ce2-80b3-11e8-b660-4d0f9f0351f1_story.html?noredirect=on ৫ জুলাই ২০১৮ তারিখে ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন]
* ওসব অন্যান্য লোকেরা করে। আমি করি না। আমি খুবই সুসংগত। আমি একজন অত্যন্ত সুস্থির মেধাসম্পন্ন ব্যক্তি।
** কোনো সাংবাদিক তার বক্তব্যের স্ববিরোধিতা নিয়ে প্রশ্ন করলে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই উত্তর দেন, যা [https://www.timesofisrael.com/trump-once-again-proclaims-himself-a-very-stable-genius/ ট্রাম্প নিজেকে আবারও একজন ‘অত্যন্ত সুস্থির মেধাসম্পন্ন’ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করেছেন] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, দ্য টাইমস অফ ইসরায়েল (১২ জুলাই ২০১৮)
* [[ইউরোপ]]ে এই অভিবাসন হতে দেওয়াটা লজ্জার বিষয়। আমি মনে করি এটি ইউরোপের কাঠামো বদলে দিয়েছে এবং আপনারা যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেন, তবে এটি আর আগের মতো থাকবে না, এবং আমি সেটি ইতিবাচক অর্থে বলছি না। তাই ইউরোপে লাখ লাখ মানুষের এই অনুপ্রবেশ ঘটতে দেওয়াটা খুবই দুঃখজনক। আমার মনে হয় আপনারা আপনাদের সংস্কৃতি হারাচ্ছেন।
** [https://www.thesun.co.uk/news/6766531/trump-may-brexit-us-deal-off/ ''দ্য সান'' এর সাথে সাক্ষাৎকারে], [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], (১৩ জুলাই ২০১৮)
* সাহারা মরুভূমির সীমান্ত আমাদের [[মেক্সিকো]] সীমান্তের চেয়ে বড় হতে পারে না।
** স্পেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোসেপ বোরেলকে ফোনে বলেছিলেন [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। প্রেক্ষাপটটি ছিল স্পেনের ভূমধ্যসাগরীয় অভিবাসন সংকট মোকাবিলায় সাহারা মরুভূমি জুড়ে সীমান্ত প্রাচীর নির্মাণের জন্য ট্রাম্পের দেওয়া পরামর্শ। [https://eu.usatoday.com/story/news/politics/onpolitics/2018/09/20/trump-spain-wall-sahara-desert/1365944002/ পররাষ্ট্রমন্ত্রী: অভিবাসীদের ঠেকাতে স্পেনকে সাহারা মরুভূমি জুড়ে প্রাচীর নির্মাণের পরামর্শ দিয়েছেন ট্রাম্প]
* ইরানি রাষ্ট্রপতি রুহানির প্রতি: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আর কখনোই হুমকি দেবেন না, অন্যথায় আপনাকে এমন পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে যা ইতিহাসের খুব কম মানুষই আগে ভোগ করেছে। আমরা আর এমন কোনো দেশ নই যে আপনাদের উম্মাদনাপূর্ণ সহিংসতা ও মৃত্যুর কথা সহ্য করবে। সাবধান থাকুন!
** [https://www.theatlantic.com/politics/archive/2019/01/covfefe-trump-typo-turned-meme/579763/ দ্য আটলান্টিক: "ছয় ঘণ্টা তিন মিনিটের ইন্টারনেট বিশৃঙ্খলা"], [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আপনারা যা দেখছেন আর যা পড়ছেন, আসলে তা ঘটছে না।
** [https://time.com/5347737/trump-quote-george-orwell-vfw-speech/ 'আপনারা যা দেখছেন... তা ঘটছে না।' মানুষ ট্রাম্পের এই উক্তিটিকে জর্জ অরওয়েলের সাথে তুলনা করছে] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৪ জুলাই ২০১৮)
* আমরা ১৪৭টি নতুন এফ-৩৫ লাইটনিং যুদ্ধবিমান অর্ডার করছি। এটি একটি অবিশ্বাস্য বিমান। এটি রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম; এটি দেখা যায় না। তাই আমি যখন অপর পক্ষের লোকেদের সাথে কথা বলি, তারাও আমাদের এই বিমানটি অর্ডার করার চেষ্টা করছে। এটি যে দেখা যায় না, এই বিষয়টি তারা বেশ পছন্দ করেছে। আমি বললাম, 'আপনার বিমানের সাথে লড়াইয়ে এটি কেমন করবে?' তারা বলে, 'আমাদের একটা সমস্যা আছে: আমরা আপনার বিমানটি দেখতেই পাই না'।
** ''[https://www.popularmechanics.com/military/aviation/amp33658771/trump-keeps-saying-the-f-35-is-invisible/ ট্রাম্প বারবার বলছেন যে এফ-৩৫ অদৃশ্য]'' শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৪ জুলাই ২০১৮)
==== আগস্ট ২০১৮ ====
* আপনি জানেন, আপনি যদি বাইরে গিয়ে বাজার করতে চান, তবে কার্ডে আপনার ছবি লাগে, পরিচয়পত্র লাগে। আপনি বাইরে গিয়ে কিছু কিনতে চাইলেই পরিচয়পত্র আর আপনার ছবি লাগে। অনেক ক্ষেত্রেই একমাত্র যখন আপনি রাষ্ট্রপতি, সিনেটর, গভর্নর বা কংগ্রেস সদস্যের জন্য ভোট দিতে যান, তখন আপনার এসব কিছুর দরকার হয় না। এটা পাগলামি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://edition.cnn.com/2018/08/01/politics/trump-grocery-shopping-id/index.html "ট্রাম্প দাবি করেছেন যে বাজার করতে পরিচয়পত্র লাগে। আসলেই লাগে না।"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, ''সিএনএন'' (২১ আগস্ট, ২০১৮)
* আমাদের আইনগুলো খুব বাজে! এই ধারাবাহিক অভিবাসনের কথাই ধরুন না? একজন লোক আসে আর তার সাথে আরও ৩২ জন চলে আসে। যে ব্যক্তি ওয়েস্ট সাইড হাইওয়েতে ১৮ জনের ওপর গাড়ি চালিয়ে দিয়েছিল, এবং আমার মনে হয় আটজন মারা গিয়েছিল তাকেও সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ওই ধারাবাহিক অভিবাসনের কারণে আমেরিকার ভেতরেই তার পরিবারের ২২ জন সদস্য আছে। তাই রাশ, আমাদের এই বিষয়গুলো বদলাতে হবে।
** ১ আগস্ট, ২০১৮ তারিখে রাশ লিম্বোর সাথে সাক্ষাৎকারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* ধারাবাহিক অভিবাসনের ব্যাপারটা কেমন? ওটার কথা ভাবুন তো একবার? কেউ একজন আসলো, তারপর সে তার মা, বাবা এমনকি দূর সম্পর্কের আত্মীয়স্বজনদেরও নিয়ে আসলো। সে তাদের সবাইকেই নিয়ে আসে।
** ওহাইওতে ৮ আগস্টের এক নির্বাচনী জনসভায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://abcnews.go.com/US/times-trump-slammed-chain-migration-apparently-helped-wifes/story?id=57132429 এবিসি নিউজের] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত
==== সেপ্টেম্বর ২০১৮ ====
* গত ২৫ বা ৩০ বছরে আমাদের দিকে এমন কিছু আসতে কেউ দেখেনি। হয়তো আগে কখনোই দেখেনি। এটি ভীষণ বড় আর ভীষণ জলীয়। এতে বিপুল পরিমাণ জল আছে।
** [https://www.youtube.com/watch?v=MqHwQhZC8jQ ট্রাম্প হারিকেন ফ্লোরেন্স সম্পর্কে বলেছেন এটি 'ভীষণ বড় আর ভীষণ জলীয়'] শীর্ষক প্রতিবেদনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আমি সেই সব অসাধারণ নারী-পুরুষদের ধন্যবাদ জানাতে চাই যারা ফ্লোরেন্স মোকাবিলায় দারুণ কাজ করেছেন। এটি একটি শক্তিশালী হারিকেন। জলের পরিমাণের দিক থেকে এটি আমাদের দেখা সবচেয়ে সিক্ত হারিকেনগুলোর একটি।
** [https://youtube.com/watch?v=RiDpRVqqXfk&t=30 ট্রাম্প হারিকেন ফ্লোরেন্সকে বর্ণনা করেছেন "জলের দিক থেকে আমাদের দেখা সবচেয়ে সিক্ত"] শীর্ষক প্রতিবেদনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আর মজার ব্যাপার জানেন? যখন আমি এটি করেছিলাম, তখন আমি বেশ কঠোর ছিলাম এবং তিনিও তাই ছিলেন। আমাদের মধ্যে অনেক কথা কাটাকাটি হয়েছিল এবং তারপর আমরা একে অপরের প্রেমে পড়ে গেলাম। ঠিক আছে? না, সত্যিই। তিনি আমাকে চমৎকার সব চিঠি লিখেছিলেন। সেগুলো খুব সুন্দর চিঠি ছিল। আমরা প্রেমে পড়ে গেলাম।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-০৯-৩০ |শিরোনাম=একে অপরকে ‘চমৎকার চিঠি’ পাঠানোর পর ট্রাম্প বলেছেন তিনি আর কিম জং-উন ‘প্রেমে পড়েছিলেন’ |সাময়িকী=''দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট'' |অবস্থান=ইউকে |ইউআরএল=https://www.independent.co.uk/news/world/americas/trump-kim-jong-un-love-letters-relationship-denuclearisation-nuclear-weapons-a8561701.html}}
* একক কোনো বিদেশী সরবরাহকারীর ওপর নির্ভরতা কোনো রাষ্ট্রকে জবরদস্তি আর হুমকির মুখে ফেলতে পারে। আর এই কারণেই আমরা [[পোল্যান্ড]]ের মতো ইউরোপীয় দেশগুলোকে অভিনন্দন জানাই একটি বাল্টিক পাইপলাইন নির্মাণের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য যাতে দেশগুলো তাদের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল না থাকে। জার্মানি যদি দ্রুত তার পথ পরিবর্তন না করে তবে তারা পুরোপুরি রাশিয়ার জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]-এর ভাষণ, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-০৯-২৫ |শিরোনাম=জাতিসংঘে ট্রাম্প পোল্যান্ডের প্রশংসা করেছেন এবং রাশিয়ার জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতার কারণে জার্মানির সমালোচনা করেছেন |লেখক=রয়টার্স স্টাফ |সাময়িকী=''রয়টার্স'' |ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/us-un-assembly-usa-germany-idUSKCN1M527Y}} থেকে উদ্ধৃত
* আজ আমি আমাদের অসাধারণ অগ্রগতির কথা জানাতে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সামনে দাঁড়িয়েছি। দুই বছরেরও কম সময়ে আমার প্রশাসন আমাদের দেশের ইতিহাসে অন্য যেকোনো প্রশাসনের চেয়ে বেশি কাজ সম্পন্ন করেছে। আমেরিকার— এটি একদম সত্যি কথা। ''[পরিষদের হাস্যধ্বনি]'' আমি এমন প্রতিক্রিয়া আশা করিনি, তবে ঠিক আছে।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের ভাষণ, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-০৯-২৬ |শিরোনাম=বিশ্বায়নের বিপরীতে দেশপ্রেমকে দাঁড় করানো ট্রাম্পের জাতিসংঘের ভাষণ প্রমাণ করে যে দেশপ্রেম বলতে কী বোঝায় সে সম্পর্কে রাষ্ট্রপতির কোনো ধারণা নেই |লেখক=ড্যানিয়েল শাপিরো |সাময়িকী=''এনবিসি নিউজ'' |ইউআরএল=https://www.nbcnews.com/think/opinion/trump-s-u-n-speech-pitting-globalism-against-patriotism-proves-ncna913141}} থেকে উদ্ধৃত
* আমেরিকা আমেরিকানদের দ্বারা শাসিত হয়। আমরা বিশ্বায়নের আদর্শকে প্রত্যাখ্যান করি এবং [[দেশপ্রেম]]-এর তত্ত্বকে গ্রহণ করি।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের ভাষণ, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-০৯-২৫ |শিরোনাম=জাতিসংঘে ট্রাম্পের ভাষণ হাস্যরসের আর অবিশ্বাস্য অনুভূতির জন্ম দিয়েছে |লেখক=রবিন রাইট |সাময়িকী=''দ্য নিউ ইয়র্কার'' |ইউআরএল=https://www.newyorker.com/news/news-desk/trumps-speech-at-the-un-triggers-laughterand-disbelief}} থেকে উদ্ধৃত
==== অক্টোবর ২০১৮ ====
* আমি জানি আপনি চিন্তা করছেন না। আপনি কখনই তা করেন না।
** এক সাংবাদিক প্রশ্ন করার সময় তাকে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এ কথা বলেন। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-০২ |শিরোনাম=প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিককে বললেন: ‘আমি জানি আপনি চিন্তা করছেন না। আপনি কখনই করেন না’ |ইউআরএল=https://www.youtube.com/watch?v=ASOTct1woo8}}
* শুধুমাত্র তখনই করব যদি আমি ব্যক্তিগতভাবে তার পরীক্ষা নিতে পারি। এটি এমন কিছু হবে না যা করতে আমি খুব একটা আনন্দ পাব।
** এলিজাবেথ ওয়ারেনকে নেটিভ আমেরিকান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য।
** {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-১৫ |শিরোনাম=ওয়ারেন যদি তার নেটিভ আমেরিকান ডিএনএ প্রমাণ করতে পারেন তবে ট্রাম্প দাতব্য সংস্থায় ১০ লক্ষ ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এখন তিনি ইতস্তত করছেন। |লেখক=অ্যামি বি ওয়াং এবং ডিয়ানা পল |সাময়িকী=''ওয়াশিংটন পোস্ট'' |ইউআরএল=https://www.washingtonpost.com/politics/2018/10/15/trump-dared-elizabeth-warren-take-dna-test-prove-her-native-american-ancestry-now-what/}}
* বিজ্ঞানের প্রতি আমার এক ধরনের সহজাত বোধ আছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-১৫ |শিরোনাম=ট্রাম্প: বিজ্ঞানের প্রতি আমার ‘সহজাত প্রতিভা’ আমাকে বলছে যে জলবায়ু বিজ্ঞান ভুল |লেখক=জোনাথন চেইট |সাময়িকী=''নিউ ইয়র্ক ইনটেলিজেন্সার'' |ইউআরএল=https://nymag.com/intelligencer/2018/10/trump-i-have-a-natural-instinct-for-science.html}} থেকে উদ্ধৃত
* জানেন তো, একটা শব্দ আছে। ওটা কিছুটা সেকেলে হয়ে গিয়েছে। একে বলা হয় জাতীয়তাবাদী। আমি বলি, 'তাই নাকি? আমাদের ওই শব্দটা ব্যবহার করার কথা নয়?' জানেন আমি কী? আমি একজন জাতীয়তাবাদী।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-২৩ |শিরোনাম=টেড ক্রুজের পক্ষে প্রচার করার সময় ট্রাম্প নিজেকে ‘জাতীয়তাবাদী’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন |লেখক=জন ওয়ালশ |সাময়িকী=''বিজনেস ইনসাইডার'' |ইউআরএল=https://www.businessinsider.in/trump-declares-himself-a-nationalist-while-stumping-for-ted-cruz/articleshow/66327534.cms}} থেকে উদ্ধৃত
* এখন দেখুন কতটা হাস্যকর: আমরাই বিশ্বের একমাত্র দেশ যেখানে একজন মানুষ আসে, তার সন্তান হয়, আর সেই সন্তান মূলত ৮৫ বছরের জন্য ওই সব সুযোগ-সুবিধা সহ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হয়ে যায়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-৩০ |শিরোনাম=ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধ করতে চান |লেখক=অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস |সাময়িকী=''সিবিসি'' |ইউআরএল=https://www.cbc.ca/news/world/trump-birthright-citizenship-1.4883589}} থেকে উদ্ধৃত
* আমাকে সব সময় বলা হতো যে এর জন্য সংবিধান সংশোধন দরকার। জানেন কী? আসলে দরকার নেই। প্রথমত, আপনার ওটার প্রয়োজন নেই। দ্বিতীয়ত, আপনি অবশ্যই কংগ্রেসের কোনো আইনের মাধ্যমে এটি করতে পারেন।<br>কিন্তু এখন তারা বলছে যে আমি স্রেফ একটি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে এটি করতে পারি।<br>এটি প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে। একটি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমেই এটি ঘটবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-৩০ |শিরোনাম=ট্রাম্প কি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধ করতে পারেন? |লেখক=রবার্ট ফার্লে |সাময়িকী=''ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি'' |ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2018/10/can-trump-end-birthright-citizenship-by-executive-order/}} থেকে উদ্ধৃত
==== নভেম্বর ২০১৮ ====
* আপনাদের মেঝেগুলোর যত্ন নিতে হবে। মানে, বনের মেঝে। এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আপনি অন্যান্য দেশের দিকে তাকালে দেখবেন তারা কাজগুলো অন্যভাবে করে, আর সেটা একদম আলাদা এক গল্প। আমি ফিনল্যান্ডের রাষ্ট্রপতির সাথে ছিলাম, তিনি বলেছিলেন, "আমাদের পরিস্থিতি একদম আলাদা— আমরা একটি বনের জাতি।" তিনি এটাকে বনের জাতি বলেছিলেন। আর তারা পাতা পরিষ্কার করা, ঝাড়ু দেওয়া আর এসব কাজে প্রচুর সময় দেয়, তাই তাদের কোনো সমস্যা হয় না।
** প্যারাডাইস, ক্যালিফোর্নিয়া, ১৭ নভেম্বর ২০১৮, ''টাইম'' এর প্রতিবেদন অনুযায়ী উদ্ধৃত: [https://time.com/5458605/trump-finland-raking-reactions/ #রেকনিউজ: ট্রাম্প দেশটিকে 'বন পরিষ্কার করে' বলার পর ফিনল্যান্ডের মানুষ পাতা পরিষ্কারের ছবি দিয়ে তাকে নিয়ে উপহাস করছে], লেখক: অ্যাশলে হফম্যান; এবং ভিডিওসহ ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'' এর প্রতিবেদনে: [https://www.nytimes.com/2018/11/18/world-europe/finland-california-wildfires-trump-raking.html ট্রাম্প বলেছেন অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে ক্যালিফোর্নিয়া ফিনল্যান্ডের কাছ থেকে শিখতে পারে। তিনি কি সঠিক?], লেখক: প্যাট্রিক কিংসলি, ১৮ নভেম্বর ২০১৮।
** ফিনল্যান্ডের রাষ্ট্রপতি শউলি নিনিস্তো বলেছেন যে পাতা পরিষ্কার করা নিয়ে কোনো কথা হয়েছে বলে তার মনে পড়ছে না। [https://www.washingtonpost.com/world/the_americas/finnish-president-says-he-briefed-trump-on-forest-monitoring/2018/11/18/dd46a57e-eb32-11e8-8b47-bd0975fd6199_story.html]
* '''সংবাদদাতা''': আপনি কি জলবায়ু প্রতিবেদনটি এখনও পড়েছেন?<br />'''ট্রাম্প''': আমি দেখেছি। আমি এর কিছু অংশ পড়েছি এবং এটা ঠিক আছে।<br />'''সংবাদদাতা''': তারা বলছে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ভয়াবহ হতে পারে।<br />'''ট্রাম্প''': হ্যাঁ। আমি এটা বিশ্বাস করি না।<br />'''সংবাদদাতা''': আপনি এটা বিশ্বাস করেন না?<br />'''ট্রাম্প''': না, না। আমি এটা বিশ্বাস করি না। আর এখানে আরেকটা ব্যাপার আছে: আপনাকে চীন, জাপান এবং পুরো এশিয়া আর এই সব অন্যান্য দেশকেও হিসেবে রাখতে হবে— বুঝলেন তো, এটা আমাদের দেশ নিয়ে কথা বলছে। এই মুহূর্তে, আমরা আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিষ্কার অবস্থায় আছি এবং এটা আমার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু যদি আমরা পরিষ্কার থাকি আর পৃথিবীর অন্য সব জায়গা নোংরা থাকে, তবে সেটা খুব একটা ভালো হবে না।
** ডোনাল্ড ট্রাম্প, ২৬ নভেম্বর ২০১৮, চতুর্থ জাতীয় জলবায়ু মূল্যায়ন প্রসঙ্গে (''ওয়াশিংটন পোস্ট'': [https://www.washingtonpost.com/politics/2018/11/26/trump-responds-report-indicating-huge-cost-climate-change-i-dont-believe-it/ জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশাল ক্ষতির কথা বলা তার প্রশাসনের প্রতিবেদনের জবাবে ট্রাম্প: 'আমি এটা বিশ্বাস করি না'], লেখক: ফিলিপ বাম্প, ২৬ নভেম্বর ২০১৮, সংগৃহীত: ১ ডিসেম্বর ২০১৮; ''বিবিসি নিউজ'': [https://www.bbc.com/news/av/world-us-canada-46324405/i-don-t-believe-it-trump-on-climate-report 'আমি এটা বিশ্বাস করি না' - জলবায়ু প্রতিবেদন নিয়ে ট্রাম্প], ২৬ নভেম্বর ২০১৮, সংগৃহীত: ১ ডিসেম্বর ২০১৮; ''দ্য গার্ডিয়ান'', অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস: [https://www.theguardian.com/us-news/video/2018/nov/26/yeah-i-dont-believe-it-trump-on-administrations-own-climate-report-video] ‘হ্যাঁ, আমি এটা বিশ্বাস করি না’: তার নিজের প্রশাসনের জলবায়ু প্রতিবেদন নিয়ে ট্রাম্প)।
* আমার মতো অনেক মানুষ যাদের বুদ্ধিমত্তা অনেক উঁচু স্তরের, তাদের অন্যতম সমস্যা হলো আমরা সবকিছুতে খুব একটা বিশ্বাস করি না। আপনি আমাদের বাতাস আর জলের দিকে তাকান, এটি এখন রেকর্ড পরিমাণ পরিষ্কার। কিন্তু আপনি যখন চীন, এশিয়ার বিভিন্ন অংশ, দক্ষিণ আমেরিকা এবং রাশিয়ার মতো বিশ্বের আরও অনেক জায়গার দিকে তাকাবেন, তখন দেখবেন ওখানকার বাতাস অনেক বেশি নোংরা। আর বায়ুমণ্ডলের কথা বললে, মহাসাগরগুলো খুব ছোট এবং এসব ময়লা উড়ে বা ভেসে চলে আসে। মানে, আমরা সবসময় আমাদের সমুদ্রসৈকত থেকে হাজার হাজার টন আবর্জনা পরিষ্কার করি যা এশিয়া থেকে আসে। এটা স্রেফ প্রশান্ত মহাসাগর দিয়ে ভেসে আসে, আর আমরা বলি এগুলো কোথা থেকে আসছে। আর এটা শুরু করার জন্য অনেক মানুষের প্রয়োজন হয়।
** ডোনাল্ড ট্রাম্প, ২৮ নভেম্বর, ''ওয়াশিংটন পোস্ট''-এর সাক্ষাৎকারে, তার প্রশাসনের ১৩টি সংস্থার করা বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রতিবেদন তিনি বিশ্বাস করেন কি না সেই প্রসঙ্গে। [https://splinternews.com/man-with-very-high-level-of-intelligence-says-oceans-ar-1830699334] (অত্যন্ত বুদ্ধিমান একজন মানুষ বলছেন মহাসাগরগুলো খুব ছোট)।
==== ডিসেম্বর ২০১৮ ====
* আমি ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।<br>তিনি আপনাদের এক বিরাট সমর্থক। কারেনও তাই। তারা সেখানে যায় আর আপনাদের দেশকে ভালোবাসে। তারা আপনাদের দেশকে ভালোবাসে। আবার তারা এই দেশকেও ভালোবাসে। এটি একটি ভালো সমন্বয়, তাই না?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://forward.com/opinion/415676/trump-just-accused-jews-of-loving-israel-not-america-and-his-fans-cheered/ ৭ ডিসেম্বর, ২০১৮]।
* চাক, সীমান্ত নিরাপত্তার জন্য সরকার অচল করে দিতে পেরে আমি গর্বিত। এই দেশের মানুষ চায় না যে অপরাধী, সমস্যায় জর্জরিত লোকজন আর মাদক আমাদের দেশে ঢুকুক। আমি এর দায়িত্ব নেব। আমিই এটি বন্ধ করব। এর জন্য আমি আপনাদের দোষ দেব না। গতবার আপনারা এটি বন্ধ করেছিলেন। সেটি কাজে দেয়নি। এটি বন্ধ করার দায়ভার আমিই নিচ্ছি।
** ন্যান্সি পেলোসি এবং চাক শুমারের সাথে ওভাল অফিসের বৈঠকে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা ২০১৮-১৯ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ফেডারেল সরকার অচল অবস্থা-র দিকে নিয়ে যায়। "[https://www.upi.com/Top_News/US/2018/12/11/Trump-proud-to-shut-down-government-in-wall-talks-with-Democrats/6271544554657/ ডেমোক্র্যাটদের সাথে প্রাচীর সংক্রান্ত আলোচনায় সরকার অচল করতে পেরে ট্রাম্প 'গর্বিত']", ইউনাইটেড প্রেস ইন্টারন্যাশনাল (১২ ডিসেম্বর, ২০১৮)
* তুমি কি এখনও সান্টাতে বিশ্বাস করো? কারণ ৭ বছর বয়সে এটি অনেকটা শেষের দিকে, তাই না?
** ৭ বছরের এক শিশুকে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/australia-news/2018/dec/25/christmas-cheer-trump-tells-boy-that-believing-in-santa-at-seven-is-marginal ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৮]
* দেখুন, আমি ওভাবে দেখছি না। আমি বিবির সাথে কথা বলেছি, আমি বিবিকে বলেছি।<br>আর আপনারা জানেন, আমরা ইসরায়েলকে বছরে ৪.৫ বিলিয়ন ডলার দিই।<br>আর আপনারা যদি দেখেন, তারা নিজেদের রক্ষায় খুব ভালো করছে। তো বিষয়টি এমনই।<br>মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চিরকাল বিশ্বের পুলিশ হয়ে থাকতে পারে না।<br>আমরা সেটি করতে চাই না।
** ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৮ তারিখে [https://www.timesofisrael.com/trump-we-give-israel-billions-it-can-defend-itself-in-syria/ টাইমস অফ ইসরায়েলে] [[বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু]] প্রসঙ্গে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
=== ২০১৯ ===
* প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইদানীং ডেমোক্র্যাটদের সমাজতান্ত্রিক হওয়ার যে কথাগুলো বলছেন, আসলে বাস্তবতা হলো তিনিই হলেন বড় সরকারের রাজা। ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনেও কেন্দ্রীয় প্রশাসন বারাক ওবামার আমলের মতোই বড়, একচেটিয়া, কাণ্ডজ্ঞানহীন খরচকারী আর মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপকারী হয়ে আছে। অনেক ক্ষেত্রে এটি আগের চেয়েও বড়। ট্রাম্পের সমর্থকদের জন্য এটি একটি অপ্রীতিকর সত্য। সীমিত সরকারের প্রথাগত রক্ষণশীল চিন্তাধারায় না থেকে ট্রাম্প সরকারকে আরও ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে তুলেছেন। আমরা যখন তাকে জানাই যে তার হঠকারী পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করার জন্য সরকার কখনোই যথেষ্ট বড় বা শক্তিশালী হবে না, তখন তিনি খুব বিরক্ত হন। ওবামার আমলে আসলে মার্কিন কেন্দ্রীয় বাজেট ঘাটতি কমে আসছিল। ২০০৯ সালে ওবামা যখন দায়িত্ব নেন তখন এটি ছিল ১.৪ ট্রিলিয়ন ডলার, যা ২০১৬ সালে তিনি চলে যাওয়ার ঠিক আগে ৫৮৭ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছিল। এই উল্লেখযোগ্য সাফল্যের কৃতিত্ব কংগ্রেসের রিপাবলিকানদের পাওনা, যারা ২০১১ সালে হোয়াইট হাউসের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিলেন। তারা বাজেট নিয়ে এমন একটি চুক্তির দাবি করেছিলেন যা ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে আনবে। এটি ছিল বাজেট কন্ট্রোল অ্যাক্ট, এমন একটি আইন যা কেন্দ্রীয় খরচ কমিয়েছিল, ভবিষ্যতের ব্যয়ের ওপর কঠোর বার্ষিক সীমা আরোপ করেছিল এবং সরকারের "ক্রেডিট কার্ডের" ওপর একটি লাগাম টেনেছিল। এটি রক্ষণশীল "টি পার্টি" আন্দোলনের সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ৯৯-১০০
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের খরচ কমানোর প্রতি কোনো আগ্রহ ছিল না। তিনি হয়তো করদাতাদের অর্থ বাঁচানোর জন্য কাজ করছেন এমন একটি ভাব দেখানোর চেষ্টা করেন। আর এটা সত্যি যে কোনো বোকা পরিকল্পনা যদি অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়, তবে তাকে সেটা থেকে বিরত করা যায়। কিন্তু সেটি মানুষের টাকা বাঁচানোর জন্য নয়। তিনি আসলে সেই টাকা অন্য কিছুতে খরচ করতে চান যেখানে তার ব্যক্তিগত আগ্রহ আছে, যেমন বোমা বা সীমান্ত নিরাপত্তা। ট্রাম্প সেই সব মানুষকে ঘৃণা করেন যারা "হিসাবি" বা কিপটে। বর্তমানে তিনি সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ব্যবস্থাপনায় অঢেল টাকা ওড়াচ্ছেন। ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের টাকা ওড়ানোর দিনগুলোকে ভেগাস এর কোনো ক্যাসিনোর পাঁচ ডলারের টেবিলের মতো মনে হয়। এর ফলে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে বাজেট ঘাটতি প্রতি বছর বেড়েছে এবং বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। রাষ্ট্রপতি বার্ষিক আয়ের চেয়ে এক ট্রিলিয়ন ডলার বেশি খরচ করার পথে আছেন। শুধু ২০১৯ সালের দিকে তাকালেই তা বোঝা যায়। রাষ্ট্রপতি রেকর্ড ভঙ্গকারী ৪.৭ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজেট প্রস্তাব করেছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় সরকার এক বছরেই এত টাকা খরচ করুক। ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে আমেরিকার ঋণ, যার বড় অংশই আমরা অন্য দেশের কাছ থেকে ধার নিয়েছি, কয়েক ট্রিলিয়ন বেড়েছে এবং মোট ঋণের পরিমাণ এখন সর্বোচ্চ ২২ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এক হিসেব অনুযায়ী, আমাদের ঋণ পরিশোধ করতে হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি করদাতাকে গড়ে ৪ লক্ষ ডলার করে দিতে হবে। এটি পুরো আমেরিকার জন্য একটি ভয়াবহ সতর্ক সংকেত হওয়া উচিত। আমরা এভাবে টাকা ধার করে যেতে পারি না যা আমরা শোধ করতে পারব না। অন্যথায় আমাদের সন্তানদের এর জন্য চরম মূল্য দিতে হবে।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১০০
* ইচ্ছাকৃত অজ্ঞতা শব্দটিই আমাদের শত্রুদের প্রতি রাষ্ট্রপতির মনোভাব বর্ণনা করার সবচেয়ে সঠিক উপায়। তিনি যা দেখতে চান কেবল তা-ই দেখেন। ট্রাম্প যদি কোনো বিদেশী নেতাকে পছন্দ করেন, তবে সেই নেতার কারণে তৈরি হতে পারে এমন কোনো বিপদ বা তাদের গোপন উদ্দেশ্যগুলো তিনি মানতে রাজি হন না। এই কারণেই জাতি-রাষ্ট্রগুলোর হুমকি সম্পর্কে আমেরিকার বিস্তারিত গোয়েন্দা রিপোর্ট বা আমাদের ঘনিষ্ঠ মিত্রদের জরুরি সতর্কবার্তাকে তিনি খুব সহজে উড়িয়ে দিতে পারেন।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৬৭-১৬৮
* আমাদের শত্রুরা ঠিকই বুঝতে পেরেছে যে রাষ্ট্রপতিকে খুব সহজেই কুপোকাত করা যায়। টুইটারে দেওয়া তার যুদ্ধংদেহী হুমকিতে তারা বিচলিত হয় না কারণ তারা জানে তাকে ভুলিয়ে-ভালিয়ে কাজ হাসিল করা সম্ভব। তাদের কথায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প খুব সহজেই প্রভাবিত হন। আমরা সবাই তা দেখতে পাই। তোষামোদে তিনি খুব সহজেই গলে যান। আলোচনার সময় তিনি নতি স্বীকার করেন এবং স্রেফ ভালো চুক্তির মতো দেখতে এমন কিছুর জন্য তিনি অনেক বেশি ছাড় দিতে রাজি হয়ে যান, সেটি আসলে ভালো চুক্তি হোক বা না হোক। তারা মনে করে তিনি দুর্বল, আর এই সুযোগটাই তারা নেয়। আর যখন তা পারে না, তখন তারা স্রেফ তাকে পাত্তাই দেয় না।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৭৩
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথাগুলো কেবল তার দলকেই পাগল করে তুলছে না, বরং আমেরিকানদের মধ্যেও বিভেদ সৃষ্টি করছে। তিনি হয়তো টুইটার বা মাইকের সামনে ঝগড়া শুরু করেন, কিন্তু আমরা সেই লড়াই ঘরে ঘরে চালিয়ে যাই। গবেষণায় দেখা গেছে যে রিপাবলিকানরা আরও বেশি একরোখা হয়ে উঠছে এবং দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে চাইছে না, ডেমোক্র্যাটরাও একই কাজ করছে। দুই পক্ষ কেবল একটি বিষয়েই একমত হতে পারে, আর তা হলো এই বিভাজন সত্যিই বাড়ছে। ২০১৯ সালে প্রকাশিত পিউ রিসার্চ সেন্টার এর একটি জরিপে দেখা গেছে যে আমেরিকার প্রায় ৮৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ মনে করেন যে "দেশের রাজনৈতিক বিতর্ক এখন অনেক বেশি নেতিবাচক এবং সম্মানহীন হয়ে পড়েছে" এবং দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ বলেছেন যে এটি এখন আসল সমস্যার দিকে নজর দিচ্ছে না। তারা এর দায়ভার কার ওপর চাপিয়েছেন? অধিকাংশ মানুষই বিশ্বাস করেন যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প "রাজনৈতিক বিতর্কের ধরন ও প্রকৃতিকে আরও খারাপের দিকে নিয়ে গেছেন"। এই মৌখিক তিক্ততার ফলাফল বাস্তবেও দেখা যাচ্ছে। আমাদের এই বিভেদগুলো একে অপরের সাথে মেলামেশার সম্ভাবনা কমিয়ে দিচ্ছে, সরকারের প্রতি আস্থা কমিয়ে দিচ্ছে এবং দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমাদের আশাহত করছে। অন্য একটি জরিপ অনুযায়ী, ২০৫০ সালের কথা ভেবে আমেরিকানরা ভীষণ নিরাশ। অধিকাংশ মানুষই ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তখন পতনের মুখে থাকবে, অর্থনৈতিক বৈষম্যের ভারে জর্জরিত হবে এবং রাজনৈতিকভাবে আরও বেশি বিভক্ত হবে। শেষ পয়েন্টটিতে ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকান উভয় পক্ষই প্রায় সমানভাবে একমত হয়েছে। দেশের রাজধানীতে রাষ্ট্রপতির লাগামহীন কথাবার্তা তার নিজের পরিকল্পনাগুলোকেই বাধাগ্রস্ত করছে। আগে যেসব বিষয়ে কোনো বিতর্ক ছিল না, এখন ক্যাপিটল হিল এ সেসব বিষয়েও তিনি কারো সম্মতি পাচ্ছেন না। ডেমোক্র্যাটরা যে খুব একটা দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার চেষ্টা করছে তা নয়, কিন্তু রিপাবলিকান পার্টির প্রধান যদি তাদের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীর বদলে চিরশত্রু হিসেবে না দেখতেন তবে হয়তো কিছুটা আশা থাকত। এর পরিবর্তে, প্রতিটি বড় আইডিয়া প্রকাশের সাথে সাথেই বিষাক্ত হয়ে ওঠে। বাজেটের প্রতিটি লাইন যেন রাজনৈতিক রণক্ষেত্রের এক একটি পরিখা। আমরা সবসময় রাষ্ট্রপতির অগ্রাধিকারগুলো সফল করতে হিমশিম খাই কারণ তিনি নিজেই নিজের সবচেয়ে বড় শত্রু।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৯১-১৯২
=== ২০১৯ ===
* প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইদানীং ডেমোক্র্যাটরা আমেরিকাকে সমাজতান্ত্রিক বানানোর চেষ্টা করছে বলে যে কথাবার্তা বলছেন, তার বিপরীতে বাস্তবতা হলো তিনিই হলেন বড় সরকারের রাজা। ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে কেন্দ্রীয় প্রশাসন বারাক ওবামার আমলের মতোই বিশাল, এককেন্দ্রীক, খরচের ব্যাপারে কাণ্ডজ্ঞানহীন আর মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপকারী হয়ে আছে। অনেক ক্ষেত্রে এটি এখন আরও বড়। ট্রাম্পের সমর্থকদের জন্য এটি একটি অপ্রীতিকর সত্য। কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা সীমিত রাখার প্রথাগত রক্ষণশীল বিশ্বাসে অটল না থেকে ট্রাম্প বরং সরকারকে আরও ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে তুলেছেন। আমরা যখন তাকে জানাই যে তার হঠকারী পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করার জন্য সরকার কখনোই যথেষ্ট বড় বা শক্তিশালী হবে না, তখন তিনি খুব বিরক্ত হন। ওবামার আমলে আসলে মার্কিন কেন্দ্রীয় বাজেটের ঘাটতি কমছিল। ২০০৯ সালে ওবামা যখন দায়িত্ব নেন তখন এটি ছিল ১.৪ ট্রিলিয়ন ডলার, যা ২০১৬ সালে তিনি চলে যাওয়ার ঠিক আগে ৫৮৭ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছিল। এই উল্লেখযোগ্য সাফল্যের কৃতিত্ব কংগ্রেসের রিপাবলিকানদের পাওনা, যারা ২০১১ সালে হোয়াইট হাউসের সাথে একটি অচলাবস্থা তৈরি করেছিলেন। তারা এমন একটি বাজেট চুক্তির দাবি করেছিলেন যা ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে আনবে। এটি ছিল বাজেট কন্ট্রোল অ্যাক্ট, যা কেন্দ্রীয় খরচ কমিয়েছিল, ভবিষ্যতের ব্যয়ের ওপর কঠোর বার্ষিক সীমা আরোপ করেছিল এবং সরকারের "ক্রেডিট কার্ডের" ওপর একটি লাগাম টেনেছিল। এটি রক্ষণশীল "টি পার্টি" আন্দোলনের শ্রেষ্ঠ সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ৯৯-১০০
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের খরচ কমানোর প্রতি কোনো আগ্রহ ছিল না। তিনি হয়তো করদাতাদের অর্থ বাঁচানোর জন্য কাজ করছেন এমন একটি ভাব দেখানোর চেষ্টা করেন। আর এটা সত্যি যে কোনো বোকা পরিকল্পনা যদি অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়, তবে তাকে সেটা থেকে বিরত করা যায়। কিন্তু সেটি মানুষের টাকা বাঁচানোর জন্য নয়। তিনি আসলে সেই টাকা অন্য কিছুতে খরচ করতে চান যেখানে তার ব্যক্তিগত আগ্রহ আছে, যেমন বোমা বা সীমান্ত নিরাপত্তা। ট্রাম্প সেই সব মানুষকে অপছন্দ করেন যারা খুব হিসাব করে চলেন। বর্তমানে তিনি সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ব্যবস্থাপনায় অঢেল টাকা ওড়াচ্ছেন। ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের টাকা ওড়ানোর দিনগুলোকে লাস ভেগাস এর কোনো ক্যাসিনোর পাঁচ ডলারের টেবিলের মতো মনে হয়। এর ফলে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে বাজেট ঘাটতি প্রতি বছর বেড়েছে এবং তা বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। রাষ্ট্রপতি বার্ষিক আয়ের চেয়ে এক ট্রিলিয়ন ডলার বেশি খরচ করার পথে আছেন। শুধু ২০১৯ সালের দিকে তাকালেই তা বোঝা যায়। রাষ্ট্রপতি রেকর্ড ভঙ্গকারী ৪.৭ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজেট প্রস্তাব করেছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় সরকার এক বছরেই এত টাকা খরচ করুক। ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে আমেরিকার ঋণ, যার বড় অংশই আমরা অন্য দেশের কাছ থেকে ধার নিয়েছি, কয়েক ট্রিলিয়ন বেড়েছে এবং মোট ঋণের পরিমাণ এখন সর্বোচ্চ ২২ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এক হিসেব অনুযায়ী, আমাদের ঋণ পরিশোধ করতে হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি করদাতাকে গড়ে ৪ লক্ষ ডলার করে দিতে হবে। এটি পুরো আমেরিকার জন্য একটি ভয়াবহ সতর্ক সংকেত হওয়া উচিত। আমরা এভাবে টাকা ধার করে যেতে পারি না যা আমরা শোধ করতে পারব না। অন্যথায় আমাদের সন্তানদের এর জন্য চরম মূল্য দিতে হবে।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১০০
* ইচ্ছাকৃত অজ্ঞতা শব্দ জোড়া রাষ্ট্রপতির শত্রুদের প্রতি তার মনোভাব বর্ণনা করার সবচেয়ে সঠিক উপায়। তিনি যা দেখতে চান কেবল তা-ই দেখেন। ট্রাম্প যদি কোনো বিদেশী নেতাকে পছন্দ করেন, তবে সেই নেতার কারণে তৈরি হতে পারে এমন কোনো বিপদ বা তাদের গোপন উদ্দেশ্যগুলো তিনি মানতে রাজি হন না। এই কারণেই জাতি রাষ্ট্রগুলোর হুমকি সম্পর্কে আমেরিকার বিস্তারিত গোয়েন্দা রিপোর্ট বা আমাদের ঘনিষ্ঠ মিত্রদের জরুরি সতর্কবার্তাকে তিনি খুব সহজে উড়িয়ে দিতে পারেন।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৬৭-১৬৮
* আমাদের শত্রুরা ঠিকই বুঝতে পেরেছে যে রাষ্ট্রপতিকে খুব সহজেই ভুলিয়ে ভালিয়ে কাজ হাসিল করা যায়। টুইটারে দেওয়া তার যুদ্ধংদেহী হুমকিতে তারা বিচলিত হয় না কারণ তারা জানে তাকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তাদের কথায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প খুব সহজেই প্রভাবিত হন। আমরা সবাই তা দেখতে পাই। তোষামোদে তিনি খুব সহজেই গলে যান। আলোচনার সময় তিনি নতি স্বীকার করেন এবং স্রেফ ভালো চুক্তির মতো দেখতে এমন কিছুর জন্য তিনি অনেক কিছু ছেড়ে দিতে রাজি হয়ে যান, সেটি আসলে ভালো চুক্তি হোক বা না হোক। তারা বিশ্বাস করে যে তিনি দুর্বল, আর এই সুযোগটাই তারা নেয়। আর যখন তা পারে না, তখন তারা স্রেফ তাকে পাত্তাই দেয় না।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৭৩
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথাগুলো কেবল তার দলকেই অতিষ্ঠ করে তুলছে না, বরং আমেরিকানদের মধ্যেও বিভেদ সৃষ্টি করছে। তিনি হয়তো টুইটার বা মাইকের সামনে ঝগড়া শুরু করেন, কিন্তু আমরা সেই লড়াই ঘরে ঘরে চালিয়ে যাই। গবেষণায় দেখা গেছে যে রিপাবলিকানরা আরও বেশি একরোখা হয়ে উঠছে এবং দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে চাইছে না, ডেমোক্র্যাটরাও একই কাজ করছে। দুই পক্ষ কেবল একটি বিষয়েই একমত হতে পারে, আর তা হলো এই বিভাজন সত্যিই বাড়ছে। ২০১৯ সালে প্রকাশিত পিউ রিসার্চ সেন্টার এর একটি জরিপে দেখা গেছে যে আমেরিকার প্রায় ৮৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ মনে করেন যে "দেশের রাজনৈতিক বিতর্ক এখন অনেক বেশি নেতিবাচক এবং কম সম্মানজনক হয়ে পড়েছে" এবং দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ বলেছেন যে এটি এখন আসল সমস্যার দিকে নজর দিচ্ছে না। তারা এর দায়ভার কার ওপর চাপিয়েছেন? অধিকাংশ মানুষই বিশ্বাস করেন যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প "রাজনৈতিক বিতর্কের ধরন ও প্রকৃতিকে আরও খারাপের দিকে নিয়ে গেছেন।" এই মৌখিক তিক্ততার ফল বাস্তবেও দেখা যাচ্ছে। আমাদের এই বিভেদগুলো একে অপরের সাথে মেলামেশার সম্ভাবনা কমিয়ে দিচ্ছে, সরকারের প্রতি আস্থা কমিয়ে দিচ্ছে এবং দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমাদের নিরাশ করছে। অন্য একটি জরিপ অনুযায়ী, ২০৫০ সালের কথা ভেবে আমেরিকানরা ভীষণ চিন্তিত। অধিকাংশ মানুষই ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তখন পতনের মুখে থাকবে, অর্থনৈতিক বৈষম্যের ভারে জর্জরিত হবে এবং রাজনৈতিকভাবে আরও বেশি বিভক্ত হবে। শেষ পয়েন্টটিতে ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকান উভয় পক্ষই প্রায় সমানভাবে একমত হয়েছে। দেশের রাজধানীতে রাষ্ট্রপতির লাগামহীন কথাবার্তা তার নিজের পরিকল্পনাগুলোকেই বাধাগ্রস্ত করছে। আগে যেসব বিষয়ে কোনো বিতর্ক ছিল না, এখন ক্যাপিটল হিল এ সেসব বিষয়েও তিনি কারো সম্মতি পাচ্ছেন না। ডেমোক্র্যাটরা যে খুব একটা দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার চেষ্টা করছে তা নয়, কিন্তু রিপাবলিকান পার্টির প্রধান যদি তাদের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীর বদলে চিরশত্রু হিসেবে না দেখতেন তবে হয়তো কিছুটা আশা থাকত। এর পরিবর্তে, প্রতিটি বড় আইডিয়া প্রকাশের সাথে সাথেই বিতর্কিত হয়ে ওঠে। বাজেটের প্রতিটি লাইন যেন রাজনৈতিক রণক্ষেত্রের এক একটি পরিখা। আমরা সবসময় রাষ্ট্রপতির অগ্রাধিকারগুলো সফল করতে হিমশিম খাই কারণ তিনি নিজেই নিজের সবচেয়ে বড় শত্রু।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৯১-১৯২
==== জানুয়ারি ২০১৯ ====
* আমরা বেরিয়ে আসছি এবং খুব বুদ্ধিমত্তার সাথেই বেরিয়ে আসছি। আর আমরা জিতছি, আমরা জিতছি। ঠিক আছে। তবে আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে গেলে বলব, '''একটি নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে'''। আমি কখনোই বলিনি যে আমি কালকেই বেরিয়ে যাচ্ছি। আমি বলেছি যে আমি আমাদের সৈন্যদের ফিরিয়ে আনছি এবং তাদের সিরিয়া থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে। হ্যাঁ, একদম ঠিক। তবে আমরা খুব শক্তিশালীভাবেই বেরিয়ে আসছি।
** ২ জানুয়ারি, ২০১৯ তারিখে এপি আর্কাইভে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* ইরান এখন আর আগের মতো দেশ নেই। ইরান সিরিয়া থেকে তাদের লোক সরিয়ে নিচ্ছে। '''সত্যি বলতে, তারা সেখানে যা খুশি করতে পারে''', কিন্তু তারা লোক সরিয়ে নিচ্ছে। তারা ইয়েমেন থেকেও লোক সরিয়ে নিচ্ছে। ইরান এখন স্রেফ টিকে থাকতে চায়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০১-০২ |শিরোনাম=ট্রাম্প: ইরান সিরিয়াতে 'যা খুশি করতে পারে' |লেখক=এরিক কর্টেলেসা |সাময়িকী=''টাইমস অফ ইসরায়েল'' |ইউআরএল=https://www.timesofisrael.com/trump-iran-can-do-what-they-want-in-syria/}} শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত
* ড্রোন সম্পর্কে আমি যে কারও চেয়ে বেশি জানি। যত রকমের নিরাপত্তার ব্যবস্থা হতে পারে সে সম্পর্কে আমার ধারণা আছে। (জানুয়ারি ২০১৯)
* আমার মনে হয় নির্বাচনী প্রচারণার অর্থায়ন সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না, কারণ আমিই সবচেয়ে বড় অনুদানকারী। (১৯৯৯)
* টেলিভিশন রেটিং পায় এমন মানুষদের সম্পর্কে আমি যে কারও চেয়ে বেশি জানি। (অক্টোবর ২০১২)
* আইএসআইএস সম্পর্কে আমি জেনারেলদের চেয়েও বেশি জানি। (নভেম্বর ২০১৫)
* আমি সোশ্যাল মিডিয়া বুঝি। আমি টুইটার আর ফেসবুকের ক্ষমতা সম্ভবত যে কারও চেয়ে ভালো বুঝি, আমার সাফল্যের দিকে তাকালেই সেটা বোঝা যায়, তাই না? (নভেম্বর ২০১৫)
* আদালত সম্পর্কে আমি এই পৃথিবীর যেকোনো মানুষের চেয়ে বেশি জানি। (নভেম্বর ২০১৫)
* মামলা মোকদ্দমা সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কে জানে? আমিই তো এগুলোর রাজা। (জানুয়ারি ২০১৬)
* আমি রাজনীতিবিদদের যে কারও চেয়ে ভালো বুঝি।
* ভিসা ব্যবস্থা সম্পর্কে আমার চেয়ে ভালো কেউ জানে না। আমি এইচ ওয়ান বি বুঝি। আমি এইচ টু বি বুঝি। বিশ্বাস করুন, এই মঞ্চে আর কেউ জানে না কীভাবে এটি পরিবর্তন করতে হয়। (মার্চ ২০১৬)
* বাণিজ্য সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না। (মার্চ ২০১৬)
* মার্কিন সরকারি ব্যবস্থা সম্পর্কে আমার চেয়ে ভালো কেউ জানে না। (এপ্রিল ২০১৬)
* নবায়নযোগ্য শক্তি সম্পর্কে আমি পৃথিবীর যেকোনো মানুষের চেয়ে বেশি জানি। (এপ্রিল ২০১৬)
* আমার মনে হয় কর ব্যবস্থা সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না, সম্ভবত পৃথিবীর ইতিহাসেই কেউ জানে না। (মে ২০১৬)
* আমি ঋণের রাজা। আমি ঋণ সামলাতে দক্ষ। আমার চেয়ে ভালো ঋণ কেউ বোঝে না। (জুন ২০১৬)
* আমি টাকা পয়সার বিষয়গুলো যে কারও চেয়ে ভালো বুঝি। (জুন ২০১৬)
* দেখুন, একজন নির্মাতা হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প অবকাঠামো সম্পর্কে যতটা জানেন, এই দেশের ইতিহাসে আর কেউ তা জানেন না। (জুলাই ২০১৬)
* সিনেটর কোরি বুকার নিজের সম্পর্কে যা জানেন, আমি তার চেয়েও বেশি জানি। (জুলাই ২০১৬)
* আমার মনে হয় আমি অপর পক্ষ ডেমোক্র্যাটদের সম্পর্কে প্রায় সবার চেয়ে বেশি জানি। (নভেম্বর ২০১৬)
* নির্মাণ কাজ সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না। (মে ২০১৮)
* আমার মনে হয় আমি অর্থনীতি সম্পর্কে ফেডারেল রিজার্ভের চেয়েও ভালো জানি। (অক্টোবর ২০১৮)
* প্রযুক্তি প্রযুক্তি সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানি না। (ডিসেম্বর ২০১৮)
* ড্রোন সম্পর্কে আমি যে কারও চেয়ে বেশি জানি। যত রকমের নিরাপত্তার ব্যবস্থা হতে পারে সে সম্পর্কে আমার ধারণা আছে। (জানুয়ারি ২০১৯)
* মাথার ওপর ড্রোন ওড়া আর আমার মনে হয় এই ধরনের প্রযুক্তি সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না। (জানুয়ারি ২০১৯)
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.axios.com/2019/01/05/everything-trump-says-he-knows-more-about-than-anybody "সবকিছু যা ট্রাম্প দাবি করেন যে তিনি 'যে কারও চেয়ে বেশি জানেন'"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, ''অ্যাক্সিওস'' (৫ জানুয়ারি, ২০১৯)
* আমরা স্বাধীন হয়ে জন্মেছি আর স্বাধীনই থাকব। আজ রাতে আমরা আমাদের সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করছি যে আমেরিকা কখনোই একটি সমাজতান্ত্রিক দেশ হবে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০১-০৫ |শিরোনাম=ওকাসিও-কর্টেজের উদ্দেশ্যে ট্রাম্প: 'আমেরিকা কখনোই সমাজতান্ত্রিক দেশ হবে না' |লেখক=জোয়েল গেহরকে |সাময়িকী=''ওয়াশিংটন এক্সামিনার'' |ইউআরএল=https://www.washingtonexaminer.com/policy/defense-national-security/trump-to-ocasio-cortez-america-will-never-be-a-socialist-country}} শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত
* <p>''প্রশ্ন:'' এই সরকার অচল হওয়ার দায় কি আপনার ওপর বর্তায়?</p><p>''ডোনাল্ড ট্রাম্প:'' '''দায়ভার সবার ওপরই বর্তায়।'''</p>
** হোয়াইট হাউসের সংবাদ সম্মেলনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ১০ জানুয়ারি, ২০১৯, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০১-১০ |শিরোনাম=দায়িত্ব অস্বীকার করে ট্রাম্পের ঘোষণা, ‘দায়ভার সবার ওপরই বর্তায়’ |লেখক=স্টিভ বেনেন |সাময়িকী=এমএসএনবিসি |ইউআরএল=http://www.msnbc.com/rachel-maddow-show/rejecting-responsibility-trump-declares-the-buck-stops-everybody}} শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, এবং {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০১-১০ |শিরোনাম=ট্রাম্প: যে অচল অবস্থার দায় নিতে তিনি গর্বিত ছিলেন এখন বলছেন ‘দায়ভার সবার’ |লেখক=অলিভার উইলিস |সাময়িকী=আমেরিকান ইন্ডিপেন্ডেন্ট |ইউআরএল=https://americanindependent.com/trump-buck-stops-with-everybody-shutdown-proud/}} শীর্ষক প্রতিবেদনে ভিডিওসহ উদ্ধৃত
* আমাদের কাছে পিৎজা আছে, তিনশ হ্যামবার্গার আছে, প্রচুর ফ্রেঞ্চ ফ্রাই আছে, আমাদের সব প্রিয় খাবার। আমি দেখতে চাই আমরা যাওয়ার পর এখানে কী অবশিষ্ট থাকে, কারণ আমার মনে হয় না খুব বেশি কিছু থাকবে। যদি সেটি আমেরিকান হয়, তবে আমি এটি পছন্দ করি। এগুলো সব আমেরিকান খাবার।
** ''বিবিসি''-র একটি প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৪ জানুয়ারি, ২০১৯)
* আমি কি আপনাদের সামান্য কিছু সালাদ দেব যা ফার্স্ট লেডি আর সেকেন্ড লেডি মিলে বানাবেন? তারা কিছু সালাদ বানাবেন।<br>তখন আমি বললাম আপনারা তো সালাদ খুব একটা পছন্দ করেন না।<br>নাকি আমি বাইরে থেকে প্রায় এক হাজার হ্যামবার্ডার আনিয়ে নেব? বিগ ম্যাক।<br>তো আমরা আসলে সেটাই করলাম।<br>আমরা বার্গার কিং থেকে এক হাজার বার্গার কিনলাম।<br>সব আমেরিকান কোম্পানি।<br>বার্গার কিং, ওয়েন্ডি’স আর ম্যাকডোনাল্ডস।
** ''রোলিং স্টোনের'' একটি [https://www.rollingstone.com/politics/politics-news/trump-fast-food-white-house-779128/ প্রতিবেদনে] উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৪ জানুয়ারি, ২০১৯)
* গত রাতে হোয়াইট হাউসে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন ক্লেমসন টাইগারদের সাথে সময়টা দারুণ কেটেছে। সরকার অচল থাকার কারণে আমি তাদের প্রচুর পরিমাণে ফাস্ট ফুড খাইয়েছি (আমি নিজে টাকা দিয়েছি), ১০০০ এর বেশি হ্যামবার্ডার ইত্যাদি। এক ঘণ্টার মধ্যেই সব শেষ হয়ে গিয়েছিল। দারুণ সব ছেলে আর কী দারুণ পেটুক!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1085159285208858624 টুইট] (১৫ জানুয়ারি ২০১৯)
* জাতীয় আফ্রিকান আমেরিকান ইতিহাস মাস হলো আফ্রিকান আমেরিকানদের অমর কাহিনী এবং স্বাধীনতা, লক্ষ্য ও সুযোগের সেই উপহারগুলোকে পুনরায় জানার একটি উপলক্ষ যা তারা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রেখে গেছেন।
** [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/presidential-proclamation-national-african-american-history-month-2019/ ৩১ জানুয়ারি ২০১৯-এর ভোরের ঘোষণা WhiteHouse.gov] কৃষ্ণাঙ্গদের ইতিহাসের মাস সম্পর্কিত
*** [https://twitter.com/realdonaldtrump/status/1091427927475085312 ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ টুইটারে পুনরায় পোস্ট করা হয়েছে]
==== ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ====
* যখন আমরা ওই এলাকার খেলাফতের বাকি অংশটুকু দখল করে নেব, তখন তারা ইরাকে আমাদের ঘাঁটিতে চলে যাবে। শেষ পর্যন্ত তাদের কেউ কেউ বাড়িতে ফিরে আসবে। কিন্তু আমরা সেখানে থাকব এবং আমরা সেখানে থাকছিই--<br>আমাদের ইসরায়েলকে রক্ষা করতে হবে। আমাদের অন্যান্য জিনিসেরও সুরক্ষা দিতে হবে। তবে হ্যাঁ, তারা সময়ের ব্যবধানে ফিরে আসবে। দেখুন, আমরা বিশ্বকে রক্ষা করছি। ইতিহাসের যে কারও চেয়ে আমরা অনেক বেশি টাকা খরচ করছি। গত পাঁচ বছরে আমরা [[আফগানিস্তান]]ে বছরে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলার খরচ করেছি। হাতেগোনা কয়েকটি দেশ ছাড়া এই পরিমাণ টাকা অধিকাংশ দেশের শিক্ষা, চিকিৎসা এবং অন্য সব খাতের মোট খরচের চেয়েও বেশি।
** ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ তারিখে [https://www.cbsnews.com/news/donald-trump-interview-face-the-nation-margaret-brennan-today-2019-02-01/ ডোনাল্ড ট্রাম্পের] সাক্ষাৎকার যা ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ তারিখে [https://www.cbsnews.com/news/transcript-president-trump-on-face-the-nation-february-3-2019/ প্রচারিত] হয়, ''সিবিএস নিউজ''
* স্বাধীনতার মহৎ অন্বেষণে আমরা [[ভেনেজুয়েলা|ভেনেজুয়েলার]] জনগণের পাশে আছি। আমরা মাদুরো সরকারের নিষ্ঠুরতার নিন্দা জানাই। তাদের সমাজতান্ত্রিক নীতিগুলো ওই দেশটিকে দক্ষিণ আমেরিকার সবচেয়ে ধনী দেশ থেকে চরম [[দারিদ্র্য]] আর হতাশার দেশে পরিণত করেছে।
** [https://fair.org/home/the-media-myth-of-once-prosperous-and-democratic-venezuela-before-chavez/ "চ্যাভেজের আগে এক সময়কার সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক ভেনেজুয়েলা নিয়ে সংবাদমাধ্যমের মিথ"] শীর্ষক প্রতিবেদনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯)
* আমাদের দেশ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই আমাদের অধিকাংশ বড় অর্জনগুলো—স্বাধীনতা লাভ থেকে শুরু করে নাগরিক অধিকারের বিলোপ এবং নারীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা—এই সবকিছুতেই ধর্মপ্রাণ মানুষ নেতৃত্ব দিয়েছে।
** [https://www.huffingtonpost.com/entry/trump-civil-rights-abolition-prayer-breakfast_us_5c5e14ace4b0eec79b236874 ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯] তারিখে প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আসলে আমি মনে হয় এটি বলতে পারি, জাপানের প্রধানমন্ত্রী আবে আমাকে একটি চিঠির খুব সুন্দর অনুলিপি দিয়েছেন যা তিনি নোবেল পুরস্কার প্রদানকারী ব্যক্তিদের কাছে পাঠিয়েছেন। তিনি বলেছেন: '''"জাপানের পক্ষ থেকে আমি অত্যন্ত সম্মানের সাথে আপনার নাম প্রস্তাব করছি। আমি তাদের অনুরোধ করছি আপনাকে যেন নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়।"''' আমি বললাম, 'ধন্যবাদ।'<br>আমরা অনেক ভালো কাজ করছি। এই প্রশাসন দুর্দান্ত কাজ করছে কিন্তু আমরা তার কোনো স্বীকৃতি পাই না। '''তাই প্রধানমন্ত্রী আবে আমাকে—মানে এটি নোবেল পুরস্কারের জন্য পাঠানো একটি চমৎকার পাঁচ পৃষ্ঠার চিঠি যা তিনি তাদের কাছে পাঠিয়েছেন।''' জানেন কেন? কারণ জাপানের ওপর দিয়ে রকেট আর ক্ষেপণাস্ত্র উড়ে যাচ্ছিল এবং বিপদ সংকেত বেজে উঠছিল—আপনারা তা জানেন। এখন হঠাৎ করেই তারা ভালো বোধ করছে, তারা নিজেদের নিরাপদ মনে করছে। আমিই তা করেছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |শিরোনাম=ট্রাম্প এখনই যা বললেন তা আপনি বিশ্বাস করবেন না: চমকে দেওয়ার মতো ৬টি মুহূর্ত |লেখক=দারেহ গ্রেগরিয়ান |সাময়িকী=''এনবিসি নিউজ'' |ইউআরএল=https://www.nbcnews.com/politics/donald-trump/you-won-t-believe-what-trump-just-said-6-eye-n972166}} শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯)
====মার্চ ২০১৯====
*এই ঘরে এমন কিছু মানুষ আছেন যারা এটি পছন্দ করবেন না। আমাদের বেকারত্বের হার ৩.৭ শতাংশে নেমে এসেছে, যা দীর্ঘ সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন। কিন্তু এটা ভেবে দেখুন: আমি এই সব কোম্পানিগুলোকে দেশে ফিরিয়ে আনছি। তাদের কর্মী প্রয়োজন। চারদিকে যে চমৎকার সব কারখানাগুলো খুলছে, সেখানে কাজ করার জন্য আমাদের দেশে মানুষ নিয়ে আসতে হবে। নির্বাচনী প্রচারণার সময় আমি ঠিক এই কথাগুলো বলিনি, কারণ আমি জানতাম না যে আমরা এতটা সফল হব। কোম্পানিগুলো হুড়মুড় করে আমাদের দেশে ফিরে আসছে, আর এখন আমরা চাই মানুষ আসুক। আমাদের কর্মীদের আসা প্রয়োজন, তবে তাদের অবশ্যই আইনগতভাবে আসতে হবে এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে আসতে হবে। যোগ্যতা, যোগ্যতা, যোগ্যতা।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-2019-conservative-political-action-conference/ ৩ মার্চ ২০১৯]।
====এপ্রিল ২০১৯====
*সবাইকে হ্যালো। অর্থনীতির নতুন তথ্যগুলো এইমাত্র প্রকাশিত হয়েছে; সেগুলো খুব, খুব ভালো। অর্থনৈতিক দিক দিয়ে আমাদের দেশ অবিশ্বাস্য রকমের ভালো করছে। আপনাদের বেশিরভাগই এই খবরগুলো প্রচার করেন না, কারণ আপনাদের দৃষ্টিকোণ থেকে এটি শুনতে ভালো লাগে না। কিন্তু দেশ সত্যিই খুব, খুব ভালো চলছে। আমাদের এখানে এখন অনেক রোমাঞ্চকর কাজ হচ্ছে। অনেক কোম্পানি শীঘ্রই ঘোষণা করবে যে তারা যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসছে। তারা সবাই ফিরে আসছে। যেখানে আসল কর্মযজ্ঞ চলছে, তারা সেখানেই থাকতে চায়।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900207/html/DCPD-201900207.htm ৫ এপ্রিল ২০১৯]।
*আপনার বাড়ির আশেপাশে কোথাও যদি উইন্ডমিল (বায়ুকল) থাকে, তবে অভিনন্দন, আপনার বাড়ির দাম এক ধাক্কায় ৭৫ শতাংশ কমে গেল। '''আর তারা বলে যে এর শব্দে ক্যান্সার হয়।''' আপনিই আমাকে এটি বলেছিলেন, ঠিক আছে। ''[হাত দিয়ে গোল করে ইশারা করেন এবং মুখ দিয়ে একটি শব্দ করেন]'' আপনারা জানেন যে ওই জিনিসটা কেমন শব্দ করে... আর অবশ্যই এটি পাখিদের জন্য এক কবরস্থানের মতো।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], রিপাবলিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসনাল কমিটির এক বক্তৃতায়, ২ এপ্রিল ২০১৯, জাচারি বি. উলফের "[https://www.cnn.com/2019/04/03/politics/trumps-war-on-windmills-now-includes-wild-cancer-claim/index.html উইন্ডমিলের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের যুদ্ধে এখন ক্যান্সারের অদ্ভুত দাবিও যুক্ত হয়েছে]", সিএনএন (৩ এপ্রিল ২০১৯) এবং জন গ্রিনবার্গের "[https://www.politifact.com/truth-o-meter/statements/2019/apr/08/donald-trump/republicans-dismiss-trumps-windmill-and-cancer-cla/ ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্যান্সার ও উইন্ড টারবাইনের মধ্যকার হাস্যকর যোগসূত্র]", পলিটিফ্যাক্ট (৮ এপ্রিল ২০১৯)-এ উদ্ধৃত।
*যারা বেআইনিভাবে আমাদের দেশে ঢুকেছে, তাদের হাতে হাজার হাজার আমেরিকান নিষ্ঠুরভাবে প্রাণ হারিয়েছেন।
** রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প, ফেব্রুয়ারি মাসে তার স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণে, "[https://www.politico.com/story/2019/04/22/stephen-miller-immigration-trump-1284287 স্টিফেন মিলার যেভাবে অভিবাসন বিষয়টিকে ব্যক্তিগত জেদে পরিণত করেছেন]" প্রতিবেদন অনুযায়ী (২২ এপ্রিল ২০১৯)।
*তাদের টিকা নিতেই হবে। ভ্যাকসিন নেওয়াটা এখন ভীষণ জরুরি। অসুখটা এখন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। তাই টিকা নেওয়াটা আবশ্যিক।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], মেগান ভ্যাজকুয়েজের প্রতিবেদনে উল্লিখিত: "[https://www.cnn.com/2019/04/26/politics/donald-trump-measles-vaccines হামের প্রাদুর্ভাবের মুখে ট্রাম্প এখন বলছেন অভিভাবকদের অবশ্যই সন্তানদের টিকা দিতে হবে]", সিএনএন (২৬ এপ্রিল ২০১৯)।
[[File:Bernie Sanders.jpg|thumb|ডোনাল্ড ট্রাম্প... তার পুরো রাজনৈতিক কৌশল হলো আমেরিকান জনগণকে আড়াআড়ি ভাগ করা... তাই আপনার কাছে এমন একজন রাষ্ট্রপতি আছেন যিনি কোটিপতিদের কর ছাড় দেন... যিনি ৩ কোটি ২০ লক্ষ মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত করার ফন্দি আঁটেন... যিনি কর সুবিধার ৮৩ শতাংশই তুলে দিয়েছেন মাত্র শীর্ষ এক শতাংশ ধনকুবেরের হাতে... এখন ভাবুন, আপনি কীভাবে নির্বাচনে জিতবেন? কী বলবেন — ওই দেখুন নথিপত্রহীন মানুষগুলো, তারা সবাই আপনার শত্রু। 'আমার পাশে দাঁড়ান। তাদের ঘৃণা করুন। চলুন এই দেশটাকে ভাগ করে ফেলি।' ~ [[বার্নি স্যান্ডার্স]] ]]
[[File:Ahmed al-Sharaa in July 2025 (cropped).jpg|thumb|আমি তাকে একজন শান্তিকামী মানুষ হিসেবে দেখি। আমরা দুজনেই একই শত্রুর লক্ষ্যবস্তু হয়েছিলাম। ট্রাম্প ক্ষমতা, শক্তি এবং ফলাফল অর্জন করতে জানেন। ~ আহমেদ আল-শারা]]
*['''[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]'''] যা করছেন সেটা আসলে '''আমেরিকার মানুষকে তাদের জাতি বা জন্মপরিচয়ের ভিত্তিতে ভাগ করার একটা রাজনৈতিক চাল'''... '''আপনার কাছে এমন একজন রাষ্ট্রপতি আছেন যিনি কোটিপতিদের কর ছাড় দেন''' আর মেডিকেয়ার, মেডিকেইড ও সোশ্যাল সিকিউরিটির মতো সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পগুলো কমিয়ে দিতে চান। তিনি কিন্তু এগুলো নিয়ে নির্বাচনে প্রচার চালাবেন না। আপনার রাষ্ট্রপতি এমন একজন মানুষ '''যিনি ৩ কোটি ২০ লক্ষ মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করেছেন'''। সেটা নিয়েও তিনি প্রচার চালাবেন না। তিনি এমন এক রাষ্ট্রপতি '''যিনি কর সুবিধার ৮৩ শতাংশই দিয়েছেন শীর্ষ এক শতাংশ ধনীকে''', এই কথা বলেও তিনি প্রচার চালাবেন না। '''তাহলে আপনি কীভাবে নির্বাচনে জিতবেন? কী বলবেন — ওই যে দেখছেন নথিপত্রহীন মানুষগুলো, তারা সবাই আপনার শত্রু। 'আমার পাশে দাঁড়ান। তাদের ঘৃণা করুন। চলুন দেশটাকে ভাগ করে ফেলি।''''' আমি মনে করি এটি অত্যন্ত কুৎসিত আর বিপজ্জনক একটা পথ। আর এটা আটকানোর জন্য আমি আমার সাধ্যমতো সবকিছু করব।
**[https://www.newsweek.com/stand-me-hate-them-bernie-sanders-says-trumps-reelection-plan-based-dividing-country-1445407 ''আমার পাশে দাঁড়ান। তাদের ঘৃণা করুন: বার্নি স্যান্ডার্স বলছেন ট্রাম্পের পুনর্নির্বাচনী পরিকল্পনা দেশকে ভাগ করার ওপর ভিত্তি করে, নিউজউইক''], ক্রিস মোরান (২৩ জুন ২০১৯)।
*টাকার রহস্য খুঁজুন: এই প্রশাসন আসলে কিছু রাক্ষুসে ব্যবসায়ীদের পকেট ভরাতে ব্যস্ত, আর তার মূল্য দিতে হচ্ছে নিম্ন আয়ের সাধারণ শ্রমিক ও ক্রেতাদের। এটা সেই সরকার যারা উপভোক্তাদের স্বার্থ দেখার বদলে চড়া সুদে ঋণ দেওয়া মহাজনদের বাঁচাতে উঠেপড়ে লেগেছে এবং ছাত্রদের ঋণ মওকুফ প্রকল্পের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। এনএলআরবির নজিরবিহীন ইউনিয়ন-বিরোধী তৎপরতাও ঠিক একই ধরনের। এগুলো সাধারণ শ্রমিকদের আরও অসহায় আর অসুরক্ষিত করে তোলার ফন্দি, ঠিক যেমনটি এই প্রশাসন অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্ট এবং মেডিকেইড সম্প্রসারণ বাতিলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে—কারণ অর্থনীতির নিচের তলার মানুষগুলো যত বেশি ভয়ের মধ্যে থাকবে, তাদের শোষণ করা তত সহজ হবে।
** সাশা আব্রামস্কি, ''[https://www.thenation.com/article/archive/trump-labor-gm-strikes/ শ্রমিকদের অধিকারের ওপর ট্রাম্পের হামলা জোরদার হচ্ছে]'' (২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯), ''দ্য নেশন''।
*বেশ কিছু রাজ্যে শিক্ষকদের ধর্মঘটের পর সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে যে, সাধারণ মানুষের ৬৪ শতাংশই শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষে—যা গত ৫০ বছরের মধ্যে প্রায় সর্বোচ্চ। এগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। শ্রমিক আন্দোলন অবশেষে জেগে উঠছে। আর আমেরিকানরা এখন বুঝে গেছে যে ট্রাম্পের এই মেকি 'জনদরদী' সাজ আসলে ধনীদের আখের গুছিয়ে দেওয়ার একটা ফন্দি মাত্র।
** সাশা আব্রামস্কি, ''[https://www.thenation.com/article/archive/trump-labor-gm-strikes/ শ্রমিকদের অধিকারের ওপর ট্রাম্পের হামলা জোরদার হচ্ছে]'' (২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯), ''দ্য নেশন''।
====জুন ২০১৯====
*অভিশংসনের কোনো ভিত্তিই নেই। একেবারেই নেই। কোনো যোগসাজশ ছিল না। কোনো বাধাদান ছিল না। কোনো অপরাধ ছিল না। অপরাধ যা করার তা ডেমোক্র্যাটরা করেছে। ডেমোক্র্যাটরাই অপরাধ করেছে। অভিশংসনের কোনো আইনি ভিত্তি নেই। এটি একটি বিরাট উইচ হান্ট বা ডাইনি শিকার। ডেমোক্র্যাটসহ সবাই এটা জানে।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900366/html/DCPD-201900366.htm ২ জুন ২০১৯]।
*এই সপ্তাহে আমরা ন্যায়পরায়ণ দেশগুলোর এক বিশাল প্রচেষ্টা এবং ইতিহাসের অন্যতম মহৎ এক উদ্যোগকে স্মরণ করছি। পঁচাত্তর বছর আগে, ১ লক্ষ ৫০ হাজারের বেশি মিত্রবাহিনী এই দ্বীপে প্রস্তুতি নিচ্ছিল ফ্রান্সে প্যারাশুটে করে নামার জন্য, নরম্যান্ডির সমুদ্রসৈকত দখলে নেওয়ার জন্য এবং আমাদের সভ্যতাকে পুনরায় জয় করার জন্য। মহামান্যা যেমনটা মনে রেখেছেন, ব্রিটিশ জনগণ প্রায় ৫ বছর ধরে এই দিনটির জন্য আশা, প্রার্থনা এবং লড়াই করে আসছিলেন। ১৯৪০ ও ১৯৪১ সালের ব্লিৎজের সময় যখন ব্রিটেন একা লড়াই করছিল, তখন নাৎসি যুদ্ধযন্ত্রগুলো এই দেশে এবং এই চমৎকার শহরে হাজার হাজার বোমা ফেলেছিল। কেবল বাকিংহাম প্যালেসেই ১৬ বার বোমা হামলা চালানো হয়েছিল। সেই ঘোর দুর্দিনে এই দেশের মানুষ বিশ্বকে দেখিয়েছিল ব্রিটিশ হওয়া মানে কী। তারা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে রাস্তা পরিষ্কার করেছে, নিজেদের বিধ্বস্ত বাড়িগুলোতে ইউনিয়নের পতাকা উড়িয়েছে এবং জয়ের জন্য লড়াই চালিয়ে গেছে। তারা শুধু জয়ই চেয়েছিল। যুক্তরাজ্যের ছেলে-মেয়েদের সাহস নিশ্চিত করেছে যে আপনাদের ভাগ্য চিরকাল আপনাদের হাতেই থাকবে। এই সবকিছুর মধ্য দিয়ে রাজপরিবার ছিল কমনওয়েলথের অটল সংহতির এক অবিচল মুখ।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900368/html/DCPD-201900368.htm ৩ জুন ২০১৯]।
*আজ সন্ধ্যায় আমরা ঈশ্বরের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের সেই সাহসী সন্তানদের জন্য যারা নাৎসি এবং নাৎসি শাসনকে পরাজিত করে লক্ষ লক্ষ মানুষকে স্বৈরশাসন থেকে মুক্ত করেছিলেন। আমাদের দেশগুলোর মধ্যকার বন্ধন সেই "মহৎ ক্রুসেডের" মাধ্যমেই চিরতরে সিলমোহর হয়ে গেছে। আমাদের এই যৌথ বিজয় ও ঐতিহ্যকে সম্মান জানানোর পাশাপাশি আমরা সেই অভিন্ন মূল্যবোধগুলোকে আবারও স্বীকার করছি যা সুদূর ভবিষ্যতেও আমাদের ঐক্যবদ্ধ রাখবে: মুক্তি, সার্বভৌমত্ব, আত্মনিয়ন্ত্রণ, আইনের শাসন এবং সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের দেওয়া অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ থেকে আজ পর্যন্ত মহামান্যা এই অমূল্য ঐতিহ্যগুলোর এক অবিচল প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি সেই মর্যাদা, দায়িত্ববোধ এবং দেশপ্রেমের চেতনাকে ধারণ করেছেন যা প্রতিটি ব্রিটিশ হৃদয়ে সগৌরবে স্পন্দিত হয়। সব আমেরিকানের পক্ষ থেকে আমি আমাদের জনগণের চিরন্তন বন্ধুত্ব, আমাদের দেশগুলোর প্রাণশক্তি এবং মহামান্যা রানীর দীর্ঘ ও সত্যিই অসাধারণ রাজত্বের জন্য শুভকামনা জ্ঞাপন করছি। ধন্যবাদ।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900368/html/DCPD-201900368.htm ৩ জুন ২০১৯]।
*আপনি ভিয়েতনাম যুদ্ধের কথা বলছেন, অথচ সেই সময়ে দেশটির কথা কেউ শোনেনি।
** ১৯৬৮ সালে ভিয়েতনাম সম্পর্কে মার্কিনদের সাধারণ ধারণা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এমন মন্তব্য করেছিলেন (যখন ভিয়েতনামে প্রায় ৫ লক্ষ মার্কিন সেনা মোতায়েন ছিল); ([https://www.japantimes.co.jp/news/2019/06/06/world/politics-diplomacy-world/trump-says-never-fan-vietnam-war-claims-americans-hadnt-heard-country-1968/#.XraZ4hMzbOQ "ট্রাম্প বলেছেন তিনি 'কখনও ভক্ত ছিলেন না' ভিয়েতনাম যুদ্ধের, এবং দাবি করেছেন যে ১৯৬৮ সালে আমেরিকানরা দেশটির কথা শোনেনি"], ''জাপান টাইমস''। ২০১৯-০৬-০৫।
*আমার মনে হয় গতকাল অনেক অগ্রগতি হয়েছে, তবে আমাদের আরও অনেক দূর এগোতে হবে। মেক্সিকো বহু বছর ধরে শত শত কোটি ডলার আয় করছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর এক বিশাল ভাগ্য গড়ে তুলছে। তাদের এগিয়ে আসতে হবে, যথাযথ দায়িত্ব নিতে হবে, এবং হয়তো তারা তা করবেও। আমরা দেখব কী হয়। তারা সমস্যার সমাধান করতে পারে। ডেমোক্র্যাটরা—কংগ্রেস এক ভয়াবহ বিপর্যয়ে পরিণত হয়েছে। তারা বদলাবে না। তারা কিছুই করবে না। তারা অবাধ অভিবাসন চায়—আমাদের দেশে যেন অভিবাসনের ঢল নামে। তারা পরোয়া করে না কে ঢুকছে। তাদের কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড আছে কি না তাতেও তাদের কিছু যায় আসে না। এতে কোনো তফাত হয় না। তারা কিছুই পাল্টাবে না। আমরা তাদের কাছে গিয়ে বলি, "চলুন অভিবাসন আইনগুলো ঠিক করি।" তারা শুধু এর খারাপটা দেখতে চায়। পরিস্থিতি যত খারাপ হয়, তারা তত বেশি খুশি হয়। এটাই হলো বাস্তবতা, আর আমার মনে হয় নির্বাচন পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই থাকবে। এটি অত্যন্ত লজ্জাজনক। কারণ সত্যি বলতে কী, কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাটরা যদি কিছু পরিবর্তন করতে রাজি হতো তবে আমরা এই সমস্যার খুব সহজেই সমাধান করতে পারতাম, কিন্তু তারা রাজি নয়। আর বিষয়টি এমনই। তারা শুধু সময় পার করতে চায়। তারা খুব খারাপ পরিস্থিতি দেখতে চায়। অপরাধ নিয়ে তাদের কোনো মাথা ব্যথা নেই। আমাদের দেশে মাদকের ঢল নামছে তা নিয়েও তাদের পরোয়া নেই। তাদের কিছুই আসে যায় না। এর পুরোটাই রাজনীতি। এটি এক নৃশংস কারবার। সুতরাং পরিস্থিতি এমনই। তবে মেক্সিকোর সাথে আমাদের দারুণ কথা হচ্ছে। দেখা যাক কী হয়। তবে বেশ নাটকীয় কিছু ঘটতে পারে। আমরা মেক্সিকোকে বলেছি যে শুল্ক প্রয়োগ করা হবে। আর আমি সত্যিই তা করতে চাই। এতে আমি খুব খুশি। অনেক লোক, যাদের মধ্যে সিনেটররাও আছেন, শুল্কের কথা এলে তারা কী নিয়ে কথা বলছেন সে সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণাই নেই। একদমই কোনো ধারণা নেই। যখন আপনার কাছে টাকা থাকে, যখন আপনার কাছে পণ্য থাকে, যখন আপনার কাছে এমন কিছু থাকে যা সবাই চায়, তখন শুল্ক নিয়ে আপনি খুব সুবিধাজনক অবস্থানে থাকেন এবং আমরা এখন সেখানেই আছি। আমরা হলাম পিগিব্যাংক। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হলো সেই পিগিব্যাংক। এখানে সেই সব অর্থ আছে যা অন্যরা আমাদের কাছ থেকে কেড়ে নিতে চায়, তবে এখন আর তারা তা সহজে নিতে পারছে না। এখন পরিস্থিতি অনেক আলাদা। চীনের সাথে আমাদের আলোচনা—অনেক কৌতূহলী সব ঘটনা ঘটছে। দেখা যাক কী হয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900372/html/DCPD-201900372.htm ৬ জুন ২০১৯]।
*''রিপোর্টার:'' আপনি কি ইরানের সাথে যুদ্ধে যেতে রাজি আছেন?<br />''ট্রাম্প:'' আপনি নিজেই জানতে পারবেন। জানতে পারবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{cite news|date=২০ জুন ২০১৯|title=ইরানের সাথে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প জনগণকে বলছেন 'আপনারা জানতে পারবেন'|work=দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট|url=https://www.washingtonpost.com/video/world/trump-tells-public-youll-find-out-when-asked-about-a-war-with-iran/2019/06/20/18f8c92d-b370-4a01-a948-4144be20f730_video.html}}
* কোনো এক কারণে আমাদের মধ্যে একটা চমৎকার বোঝাপড়া বা অন্য কিছু কাজ করে। দেখা যাক কী হয়। আমাদের অনেকটা পথ পাড়ি দেওয়া বাকি। তবে আমার কোনো তাড়াহুড়ো নেই... তাই আমি শুধু এটুকুই বলতে চাই যে আমরা ডিএমজেডের দিকে যাচ্ছি। এ'''ই পরিকল্পনাটা আমার অনেক আগে থেকেই ছিল, তবে কাল হঠাৎ মাথায় এল''' যে হয়তো একবার হাই-হ্যালো করা যায়, দ্রুত হাত মেলানো যায় এবং কুশল বিনিময় করা যায়।
** দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে ব্লু হাউসে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের সংবাদ সম্মেলন, {{উদ্ধৃতি|date=2019-06-30 |title=ট্রাম্প: কিম এবং আমার মধ্যে "একটি নির্দিষ্ট রসায়ন আছে" |periodical=সিএনএন |url=https://edition.cnn.com/politics/live-news/trump-dmz-kim-live-intl-hnk/h_8b23e071903b007d8ff1934be8457d2c}} অনুযায়ী।
=====ফ্রান্সের কলভিল-সুর-মেয়ারে ডি-ডের ৭৫তম বার্ষিকীতে ভাষণ=====
<small>[https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900373/html/DCPD-201900373.htm প্রতিলিপি] (৬ জুন, ২০১৯)</small>
* এখানে আজ আপনাদের সাথে ৬০ জনেরও বেশি প্রবীণ যোদ্ধা উপস্থিত আছেন, যারা ডি-ডে’র সেই লড়াইয়ে ময়দানে নেমেছিলেন। আপনাদের কাছে আমাদের এই ঋণ কোনোদিন শোধ হওয়ার নয়। আজ আমরা আপনাদের প্রতি আমাদের চিরন্তন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আপনারা যখন বয়সে তরুণ ছিলেন, তখন এক মহৎ অভিযানে নিজেদের জীবন সঁপে দিয়েছিলেন যা ছিল ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এক উদ্যোগ। আপনাদের সেই অভিযান ছিল এক মহাকাব্যিক যুদ্ধের কাহিনী, যেখানে ন্যায় আর অন্যায়ের মধ্যকার এক প্রচণ্ড ও চিরস্থায়ী লড়াই ফুটে উঠেছিল। ১৯৪৪ সালের ৬ই জুন, আপনারা এক বিস্ময়কর ক্ষমতার অধিকারী বিশাল এক মুক্তিসেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন। মাসের পর মাস পরিকল্পনার পর মিত্রবাহিনী এই প্রাচীন সমুদ্রতীরকে বেছে নিয়েছিল নাৎসি সাম্রাজ্যের পৈশাচিক স্বৈরাচারকে পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য। যুদ্ধের শুরুটা হয়েছিল আমাদের মাথার ওপরের ওই আকাশেই। মধ্যরাতের সেই চরম উত্তেজনাকর প্রথম কয়েক ঘণ্টায় ১,০০০টি বিমান গর্জন করে উড়ে গিয়েছিল, আর ১৭,০০০ আকাশসেনা ওই অরণ্যের ওপারে ঘুটঘুটে অন্ধকারের মধ্যে ঝাঁপ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এরপর যখন ভোর হলো, তখন এই পাহাড়গুলো দখল করে রাখা শত্রুরা দেখল পৃথিবীর ইতিহাসের বৃহত্তম নৌ-রণতরীর বহর। উপকূল থেকে মাত্র কয়েক মাইল দূরে ৭,০০০ জাহাজ ১ লক্ষ ৩০ হাজার যোদ্ধা নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল।
* তারা ছিলেন মুক্ত ও স্বাধীন বিভিন্ন দেশের নাগরিক, যারা দেশমাতৃকা এবং কোটি কোটি অজাত প্রজন্মের প্রতি নিজেদের কর্তব্যে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলেন। সেখানে ছিলেন ব্রিটিশরা, যাদের আভিজাত্য আর অদম্য মানসিক শক্তি তাদের ডানকার্কের ভয়াবহ সময় আর লন্ডনের ব্লিৎজ কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করেছিল। নাৎসিদের সেই উন্মাদনার চেয়ে ব্রিটিশদের আত্মমর্যাদাবোধ ছিল অনেক বেশি শক্তিশালী। আপনাদের ধন্যবাদ। সেখানে ছিলেন কানাডিয়ানরা, যাদের প্রগাঢ় সম্মানবোধ আর আনুগত্য একদম শুরু থেকেই তাদের ব্রিটেনের পাশে দাঁড়িয়ে যুদ্ধ করতে বাধ্য করেছিল। সেখানে ছিলেন লড়াকু পোলিশরা, কঠোর নরওয়েজিয়ানরা এবং সাহসী অস্ট্রেলিয়ানরা। সেখানে ছিলেন ফরাসি কমান্ডোরা, যাদের সাথে খুব দ্রুতই যোগ দিয়েছিল তাদের হাজার হাজার সাহসী দেশবাসী যারা ফরাসি বীরত্বের দীর্ঘ ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় লিখতে প্রস্তুত ছিল। আর সবশেষে ছিলেন আমেরিকানরা। তারা এসেছিলেন সুবিশাল গ্রামাঞ্চল, ঝলমলে শহর আর শক্তিশালী শিল্প নগরীগুলো থেকে। যুদ্ধের আগে তাদের অনেকেরই নিজের এলাকার বাইরে পা দেওয়ার সুযোগ হয়নি। অথচ আজ তারা নিজেদের ঘর থেকে অর্ধ-পৃথিবী দূরে জীবন উৎসর্গ করতে এসেছেন।
* ওমাহা নামের এই সমুদ্রতীরটি নাৎসিরা ভয়াবহ মারণাস্ত্র আর বালির নিচে অসংখ্য মাইন পুঁতে রেখে সুরক্ষিত করেছিল। এখানেই হাজার হাজার আমেরিকান নেমেছিলেন। সেই সকালে যারা ল্যান্ডিং ক্রাফটে চড়েছিলেন, সেই সেনারা জানতেন যে তাদের কাঁধে কেবল একজন সৈনিকের সরঞ্জাম নেই, বরং জড়িয়ে আছে গোটা পৃথিবীর ভাগ্য। কর্নেল জর্জ টেলর, যার ১৬তম পদাতিক রেজিমেন্ট প্রথম আক্রমণকারী দলের সাথে যোগ দিয়েছিল, তাকে একবার জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: যদি জার্মানরা ঠিক ওই মুহূর্তেই আপনাদের সমুদ্রসৈকতে আটকে দিত, তবে কী হতো? এই মহান আমেরিকান জবাব দিয়েছিলেন: "কেন, আমাদের ঠিক পেছনেই ১৮তম পদাতিক বাহিনী আসছে। ২৬তম পদাতিক বাহিনীও আসবে। এরপর ২য় ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনও সমুদ্রে প্রস্তুত আছে। এছাড়া ৯ম ডিভিশন, ২য় আরমর্ড, ৩য় আরমর্ড আর বাকি সবাই তো আছেই। হয়তো ১৬তম রেজিমেন্ট সফল হবে না, কিন্তু কেউ না কেউ ঠিকই সফল হবে।"
* ৯,৩৮৮ জন তরুণ আমেরিকান এই সুন্দর ভূমিতে সাদা ক্রস আর স্টার অব ডেভিডের নিচে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন। তাদের প্রত্যেককে একেকটি ফরাসি পরিবার নিজেদের আপনজন হিসেবে গ্রহণ করেছে। তারা ফ্রান্সের সব প্রান্ত থেকে এখানে আসেন আমাদের ছেলেদের দেখাশোনা করতে। তারা হাঁটু গেড়ে বসেন, কাঁদেন, প্রার্থনা করেন এবং ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। তারা কখনও ভুলবেন না। আজ আমেরিকা ফরাসি জনগণকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছে আমাদের প্রিয় শহীদদের সম্মান জানানোর জন্য। আপনাদের অনেক অনেক ধন্যবাদ।
* আমাদের সকল বন্ধু ও অংশীদারদের প্রতি বলতে চাই: আমাদের এই প্রিয় মৈত্রী যুদ্ধের উত্তাপে গড়ে উঠেছে, যুদ্ধের অগ্নিপরীক্ষায় পরীক্ষিত হয়েছে এবং শান্তির আশীর্বাদে প্রমাণিত হয়েছে। আমাদের এই বন্ধন অবিচ্ছেদ্য।
* সারা বিশ্ব থেকে আমেরিকানরা এই জায়গার প্রতি এক টান অনুভব করে, যেন এটি আমাদের আত্মারই একটি অংশ। আমরা এখানে কেবল তারা কী করেছিলেন তার জন্য আসি না, বরং তারা কেমন মানুষ ছিলেন সেই বীরত্বের টানেই ফিরে আসি। তারা ছিলেন তরুণ, যাদের সামনে গোটা জীবন পড়ে ছিল। তারা ছিলেন স্বামী, যারা নিজেদের তরুণী স্ত্রীদের বিদায় জানিয়ে কর্তব্যকেই নিয়তি হিসেবে মেনে নিয়েছিলেন। তারা ছিলেন বাবা, যারা তাদের সন্তানদের মুখ দেখার সুযোগ পাননি কারণ তাদের একটি কাজ সম্পন্ন করার ছিল। আর ঈশ্বরকে সাক্ষী রেখে তারা সেই কাজ পূরণ করতে যাচ্ছিলেন। তারা ঢেউয়ের পর ঢেউয়ের মতো এগিয়ে গিয়েছিলেন—কোনো প্রশ্ন বা দ্বিধা ছাড়াই।
* আমেরিকান অস্ত্রের শক্তির চেয়েও বেশি শক্তিশালী ছিল আমেরিকানদের হৃদয়ের তেজ। এই মানুষগুলো এক অদম্য শক্তির জোরে নরকের আগুনের মধ্য দিয়ে ছুটে গিয়েছিলেন যা কোনো অস্ত্র ধ্বংস করতে পারত না আর তা হলো এক মুক্ত ও গর্বিত জাতির প্রগাঢ় দেশপ্রেম। তারা নিয়ন্ত্রণ বা আধিপত্য বিস্তারের জন্য লড়েননি, লড়েছিলেন স্বাধীনতা, গণতন্ত্র আর স্বশাসনের জন্য। তারা লড়াই করেছিলেন ঘর আর দেশের প্রতি ভালোবাসা, সেই চেনা রাস্তা, স্কুল মাঠ, গির্জা আর প্রতিবেশী সেই পরিবার আর সমাজের জন্য যারা আমাদের এমন মহৎ মানুষ উপহার দিয়েছে। তারা বিশ্বাস করতেন যে আমেরিকা সবকিছু করতে পারে কারণ আমরা এক মহান জাতি। এই অসাধারণ শক্তি এসেছিল এক অসাধারণ চেতনা থেকে। সাহসের উৎস ছিল অগাধ বিশ্বাস। একটি সেনাবাহিনীর মহৎ কর্মগুলো এসেছিল তাদের ভালোবাসার গভীরতা থেকে। নিজেদের ভাগ্যের মুখোমুখি হয়ে আমেরিকান আর মিত্রবাহিনী নিজেদের ঈশ্বরের হাতে সঁপে দিয়েছিলেন।
* আমার পেছনে থাকা মানুষগুলো আপনাদের বলবেন যে তারা কেবল ভাগ্যবান ছিলেন। তাদের মধ্যে একজন যেমনটা বলেছিলেন, "আসল বীররা তো এখানে মাটির নিচে শুয়ে আছেন।" কিন্তু আমরা জানি এই মানুষগুলো কী করেছিলেন। তারা কতটা সাহসী ছিলেন তা আমাদের অজানা নয়। তারা এখানে এসে স্বাধীনতা রক্ষা করেছিলেন এবং বাড়ি ফিরে গিয়ে আমাদের সবাইকে দেখিয়েছিলেন স্বাধীনতা মানে আসলে কী। বিজয়ী আমেরিকানরা শান্তিকালেও সমান উজ্জ্বল ছিলেন। তারা পরিবার গড়েছেন, শিল্পায়ন করেছেন এবং এমন এক জাতীয় সংস্কৃতি গড়ে তুলেছেন যা গোটা বিশ্বকে অনুপ্রাণিত করেছে। পরবর্তী দশকগুলোতে আমেরিকা সাম্যবাদকে পরাজিত করেছে, নাগরিক অধিকার সুরক্ষিত করেছে, বিজ্ঞানে বিপ্লব ঘটিয়েছে, চাঁদে মানুষ পাঠিয়েছে এবং প্রতিনিয়ত নতুন নতুন দিগন্তের দিকে এগিয়ে গেছে। আর আজ আমেরিকা আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।
* সাত দশক আগে, ডি-ডের যোদ্ধারা এক অশুভ শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন যারা হাজার বছরের এক সাম্রাজ্যের স্বপ্ন দেখত। সেই অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে তারা এমন এক উত্তরাধিকার রেখে গেছেন যা চিরকাল টিকে থাকবে যতদিন মানুষের মনে দায়িত্ব আর সম্মানের বোধ থাকবে; যতদিন মানুষের হৃদয়ে স্বাধীনতা অম্লান থাকবে। আমার পেছনে বসে থাকা এই মানুষগুলো এবং সামনে এই ময়দানে শুয়ে থাকা ছেলেদের উদ্দেশ্যে বলছি, আপনাদের এই দৃষ্টান্ত কখনও পুরনো হবে না। আপনাদের বীরত্বগাথা অমর হয়ে থাকবে। আপনাদের সাহসী ও অটল চেতনা কখনও মরবে না। তারা যে রক্ত ঝরিয়েছেন আর যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তা কেবল একটি যুদ্ধে জয় এনে দেয়নি বরং তা আমাদের সভ্যতার টিকে থাকা নিশ্চিত করেছে। তারা আমাদের পথ দেখিয়ে গেছেন কীভাবে আমাদের জীবনযাত্রাকে ভালোবাসতে হয় এবং রক্ষা করতে হয়। আজ এই পবিত্র ভূমিতে দাঁড়িয়ে আমরা শপথ করছি যে আমাদের জাতিগুলো চিরকাল শক্তিশালী আর ঐক্যবদ্ধ থাকবে। আমাদের মানুষেরা সাহসী হবে, আমাদের হৃদয় অনুগত থাকবে আর আমাদের পরবর্তী প্রজন্মগুলো চিরকাল মুক্ত থাকবে। ঈশ্বর আমাদের মহান প্রবীণ যোদ্ধাদের মঙ্গল করুন, ঈশ্বর আমাদের মিত্রদের মঙ্গল করুন, ঈশ্বর ডি-ডের বীরদের মঙ্গল করুন এবং ঈশ্বর আমেরিকার মঙ্গল করুন। আপনাদের অনেক ধন্যবাদ। ধন্যবাদ।
====জুলাই ২০১৯====
* "আমি বলেছিলাম, জানেন তো, আপনি আমাকে পছন্দ করেন না আর আমিও আপনাকে পছন্দ করি না। আমি আপনাকে কখনও পছন্দ করিনি আর আপনিও আমাকে পছন্দ করেননি, কিন্তু আপনি আমাকেই সমর্থন করবেন কারণ আপনি একজন ধনী মানুষ। আর আপনি যদি আমাকে সমর্থন না করেন, তবে আপনি এতটাই দরিদ্র হয়ে যাবেন যে আপনি নিজেই সেটা বিশ্বাস করতে পারবেন না।"
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] একজন নামহীন ব্যবসায়ীর কথা উল্লেখ করছিলেন, যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৭-১৭ |শিরোনাম=বিশ্লেষণ: ডোনাল্ড ট্রাম্পের নর্থ ক্যারোলাইনা জনসভার ৫১টি সবচেয়ে আপত্তিকর উক্তি |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=WLOS.com |ইউআরএল=https://wlos.com/news/local/analysis-the-51-most-outrageous-lines-from-donald-trumps-nc-rally}}
* সবাই আমাকে মিস্টার প্রেসিডেন্ট বলে ডাকে। এটা সত্যি। এটা একটা মজার ব্যাপার।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৭-১৭ |শিরোনাম=বিশ্লেষণ: ডোনাল্ড ট্রাম্পের নর্থ ক্যারোলাইনা জনসভার ৫১টি সবচেয়ে আপত্তিকর উক্তি |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=WLOS.com |ইউআরএল=https://wlos.com/news/local/analysis-the-51-most-outrageous-lines-from-donald-trumps-nc-rally}}
* তাছাড়া, আমার কাছে অনুচ্ছেদ ২ আছে, যেখানে রাষ্ট্রপতি হিসেবে আমার যা খুশি তাই করার অধিকার আছে [...] কিন্তু আমি এমনকি সেটা নিয়ে কথাও বলি না।
** ওয়াশিংটন ডিসিতে টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ টিন স্টুডেন্ট অ্যাকশন সামিটে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের ভাষণ (২৩ জুলাই ২০১৯), যা [https://www.washingtonpost.com/politics/2019/07/23/trump-falsely-tells-auditorium-full-teens-constitution-gives-him-right-do-whatever-i-want/ "মুলার তদন্ত নিয়ে আক্ষেপ করার সময়, ট্রাম্প ভুলভাবে বলেছেন যে সংবিধান তাকে 'যা খুশি করার অধিকার' দিয়েছে"] উদ্ধৃত হয়েছে, ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'' (২৩ জুলাই ২০১৯)
* বরিস জনসন, ভালো মানুষ, তিনি কঠোর কিন্তু বুদ্ধিমান। তারা তাকে ব্রিটেনের ট্রাম্প বলে ডাকে.. সেখানে তারা আমাকে পছন্দ করে।
** [https://www.youtube.com/watch?v=S0wO89TT9vI জনসন সম্পর্কে ট্রাম্প: 'তারা তাকে ব্রিটেনের ট্রাম্প বলে ডাকে' - বিবিসি নিউজ] ২৪ জুলাই ২০১৯
* এই লোকগুলো [ডেমোক্র্যাটরা] সব ভাঁড়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, যা ২৬ জুলাই হোয়াইট হাউস থেকে [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-signing-safe-third-country-agreement-guatemala/ দেওয়া বক্তব্যে (ভিডিও)] উদ্ধৃত হয়েছে।
* আমি এই পুরো বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে কম বর্ণবাদী মানুষ।
** [https://www.theguardian.com/us-news/video/2019/jul/30/trump-claims-least-racist-person-in-the-world দ্য গার্ডিয়ান অনুযায়ী] উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি (৩০ জুলাই ২০১৯)
====আগস্ট ২০১৯====
* আমার মনে হয় আমার কথাবার্তা - মানুষকে একত্র করে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৮-০৭ |শিরোনাম=সমালোচকদের তীব্র নিন্দা জানানোর পাশাপাশি ট্রাম্প বলেছেন যে তার কথাগুলো ‘মানুষকে একত্র করে’ |লেখক=স্টিভ বেনেন |সাময়িকী=এমএসএনবিসি |ইউআরএল=http://www.msnbc.com/rachel-maddow-show/while-slamming-critics-trump-says-his-words-bring-people-together}}
* আমি মনে করি যে কোনো ইহুদি ব্যক্তি যিনি ডেমোক্র্যাটদের ভোট দেন -- তা হয় জ্ঞানের চরম অভাব অথবা বড় কোনো অবিশ্বস্ততা প্রকাশ করে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৮-২১ |শিরোনাম=ইহুদিরা ডেমোক্র্যাটদের ভোট দিলে তারা অবিশ্বস্ত — ট্রাম্পের এমন উক্তিতে ইহুদি নেতারা ক্ষুব্ধ |লেখক=মেগান ভাজকুয়েজ, জিম অ্যাকোস্টা |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2019/08/20/politics/donald-trump-jewish-americans-democrat-disloyalty/index.html?no-st=9999999999}}
* আমিই সেই মনোনীত ব্যক্তি। কাউকে তো এটা করতেই হতো, তাই আমি চীনের মোকাবিলা করছি... আর আপনারা তো জানেনই যে আমরা জিতছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৮-২১ |শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্প: 'আমিই সেই মনোনীত ব্যক্তি' |লেখক=টোলা এমবাকওয়ে |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://premierchristian.news/en/news/article/donald-trump-i-am-the-chosen-one}}
====সেপ্টেম্বর ২০১৯====
* আমার প্রিয় স্বৈরশাসক কোথায়?
** মিশরের রাষ্ট্রপতি [[আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি]]কে খোঁজার সময় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই উক্তি করেন, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৯-১৩ |শিরোনাম=সম্মেলনে মিশরীয় প্রতিপক্ষের অপেক্ষায় থাকা ট্রাম্প 'আমার প্রিয় স্বৈরশাসক' বলে সম্বোধন করেছেন | লেখক=ন্যান্সি এ. ইউসেফ, ভিভিয়ান সালামা এবং মাইকেল সি. বেন্ডার | ইউআরএল=https://www.wsj.com/articles/trump-awaiting-egyptian-counterpart-at-summit-called-out-for-my-favorite-dictator-11568403645?tesla=y&mod=e2twp}}
* আমাকে সবসময় কমলা রঙের দেখায়। আর আপনাদেরও তাই দেখায়। এই আলোটা সবচেয়ে খারাপ।
** শক্তি-সাশ্রয়ী লাইট বাল্ব নিয়ে অভিযোগ করার সময় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই উক্তি করেন, যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৯-২৪ |শিরোনাম=ট্রাম্প কেন শক্তি-সাশ্রয়ী লাইট বাল্ব পছন্দ করেন না সে প্রসঙ্গে: “আমাকে সবসময় কমলা রঙের দেখায়” |লেখক=এলিয়ট হ্যানন |ইউআরএল=https://slate.com/news-and-politics/2019/09/trump-on-why-he-doesnt-like-energy-efficient-light-bulbs-i-always-look-orange.html}}
* সত্যটা একদম পরিষ্কার — আপনি যদি স্বাধীনতা চান, তবে নিজের দেশ নিয়ে গর্ব করুন; যদি [[গণতন্ত্র]] চান, তবে নিজের সার্বভৌমত্ব আঁকড়ে ধরুন; আর যদি শান্তি চান, তবে নিজের জাতিকে ভালোবাসুন। বিজ্ঞ নেতারা সবসময় তাদের নিজেদের লোক এবং নিজেদের দেশের স্বার্থকে সবার আগে স্থান দেন। ভবিষ্যৎ গ্লোবালিস্টদের নয়। ভবিষ্যৎ দেশপ্রেমিকদের। ভবিষ্যৎ সেই সার্বভৌম ও স্বাধীন দেশগুলোর যারা তাদের নাগরিকদের রক্ষা করে, প্রতিবেশীদের শ্রদ্ধা করে এবং প্রতিটি দেশ যে কারণে অনন্য, সেই পার্থক্যগুলোকে সম্মান জানায়।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের ভাষণ, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৯-১৩ |শিরোনাম=ট্রাম্পের জাতিসংঘ ভাষণে বিশ্বায়নের সমালোচনা: ভবিষ্যৎ হলো জাতীয়তাবাদের |লেখক=টিম পিয়ার্স |সাময়িকী=ওয়াশিংটন এক্সামিনার |ইউআরএল=https://www.washingtonexaminer.com/news/trump-un-speech-knocks-globalism-the-future-belongs-to-nationalism}}
====অক্টোবর ২০১৯====
=====আবু বকর আল-বাগদাদীর মৃত্যু নিয়ে বক্তব্য=====
[[File:President Trump Watches as U.S. Special Operations Forces Close in on ISIS Leader (48967991042).jpg|thumb|গত রাতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসবাদী নেতাকে ন্যায়ের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে। আবু বকর আল-বাগদাদী মৃত। তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে নির্মম ও সহিংস সন্ত্রাসী সংগঠন ইসলামিক স্টেটের প্রতিষ্ঠাতা ও নেতা।]]
:<small>[https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/statement-president-death-abu-bakr-al-baghdadi/ Whitehouse.gov-এ সরকারি বিবৃতি (২৭ অক্টোবর ২০১৯)] · [https://www.nytimes.com/2019/10/27/us/trump-transcript-isis-al-baghdadi.html দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-এ দেওয়া বক্তব্যের প্রতিলিপি (২৭ অক্টোবর ২০১৯)] · [https://www.youtube.com/watch?v=Q6YvsrGILrw "আবু বকর আল-বাগদাদীর মৃত্যু নিয়ে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের পূর্ণাঙ্গ ঘোষণা", দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট ইউটিউব চ্যানেল (২৭ অক্টোবর ২০১৯)]</small>
* গত রাতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসবাদী নেতাকে ন্যায়ের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে। আবু বকর আল-বাগদাদী মৃত। তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে নির্মম ও সহিংস সন্ত্রাসী সংগঠন ইসলামিক স্টেটের প্রতিষ্ঠাতা ও নেতা। বহু বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাগদাদীকে খুঁজছিল। তাকে ধরা বা খতম করা আমার প্রশাসনের জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ছিল। মার্কিন স্পেশাল অপারেশন বাহিনী এই অভিযান সম্পন্ন করতে উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ায় একটি বিপজ্জনক এবং দুঃসাহসী নৈশ অভিযান চালায়।
* নিরপরাধ মানুষকে যারা অত্যাচার ও হত্যা করে, সেইসব সন্ত্রাসীদের কখনোই শান্তিতে ঘুমানো উচিত নয়; কারণ তারা জানে যে আমরা তাদের পুরোপুরি ধ্বংস করে দেব। এই বন্য দানবগুলো তাদের ভাগ্য থেকে রেহাই পাবে না—আর তারা ঈশ্বরের চূড়ান্ত বিচার থেকেও বাঁচতে পারবে না।
* এই অভিযানটি ছিল নিখুঁত এবং এটি কেবল নির্দিষ্ট কিছু দেশ ও মানুষের স্বীকৃতি ও সহায়তায় সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। <br /> আমি রাশিয়া, তুরস্ক, সিরিয়া এবং ইরাককে ধন্যবাদ জানাতে চাই। সেই সাথে সিরীয় কুর্দিদেরও ধন্যবাদ জানাই আমাদের কিছু বিশেষ সহায়তা প্রদানের জন্য। চমৎকার সব গোয়েন্দা কর্মকর্তাদেরও ধন্যবাদ জানাই যারা এই সফল অভিযানটি সম্ভব করতে সাহায্য করেছেন।
* গত রাত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশ্বের জন্য একটি মহান রাত ছিল। একজন নৃশংস খুনি, যে অগণিত মানুষের কষ্ট ও মৃত্যুর কারণ হয়েছিল, তাকে কঠোরভাবে নির্মূল করা হয়েছে—সে আর কখনোই কোনো নিরপরাধ পুরুষ, নারী বা শিশুর ক্ষতি করতে পারবে না। সে একটি কুকুরের মতো মারা গেছে। সে একজন কাপুরুষের মতো মারা গেছে। পৃথিবী এখন অনেক বেশি নিরাপদ।
* আমি বলতে চাই না কীভাবে, তবে এটি ছিল একদম নিখুঁত ঠিক যেন আপনি কোনো সিনেমা দেখছেন। সেখানে ব্যবহৃত প্রযুক্তি এককথায় সত্যিই অসাধারণ।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://edition.cnn.com/2019/10/27/politics/donald-trump-baghdadi-death-isis/index.html ২৭ অক্টোবর ২০১৯]
====নভেম্বর ২০১৯====
* আমি কিছুই চাই না, আমি কিছুই চাই না, আমি কোনো কুইড প্রো কো চাই না। জেলেনস্কিকে বলুন সঠিক কাজটি করতে। এটিই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে শেষ কথা।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], রাষ্ট্রদূত গর্ডন সন্ডল্যান্ডের সাক্ষ্য প্রদানের পর [https://www.vox.com/2019/11/20/20974383/trump-big-sharpie-notes-on-impeachment-testimony ২০ নভেম্বর হোয়াইট হাউসের লনে একটি নোটপ্যাডে লেখা মন্তব্য]।
====ডিসেম্বর ২০১৯====
* এমন এক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেখানে আমরা বেসিন, ঝরনা এবং বাথরুমের অন্যান্য জিনিসগুলো নিয়ে খুব গুরুত্ব দিয়ে ভাবছি।<br>আপনি কলের মুখ খুলছেন কিন্তু কোনো জল পাচ্ছেন না...<br>লোকে ১০ বার, ১৫ বার করে টয়লেট ফ্লাশ করছে। তাদের কাছে এত জল আছে যে তা ওপর থেকে নিচে পড়ছে। একেই বলে বৃষ্টি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, {{উদ্ধৃতি |লেখক=ম্যাথিউ ক্যান্টর |শিরোনাম=ট্রাম্প বলেছেন যে মানুষ '১০ বার টয়লেট ফ্লাশ করে' এবং তিনি এর সমাধান খুঁজছেন |সাময়িকী=দ্য গার্ডিয়ান |তারিখ=২০১৯-১২-০৬ |ইউআরএল=https://www.theguardian.com/us-news/2019/dec/06/trump-says-people-flush-the-toilet-10-times-and-seeks-solution}}
* খুবই হাস্যকর। গ্রেটাকে অবশ্যই তার রাগ নিয়ন্ত্রণের সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে, তারপর কোনো বন্ধুর সাথে সেকেলে ধরনের ভালো কোনো সিনেমা দেখতে যাওয়া উচিত! শান্ত হও গ্রেটা, শান্ত হও!
** ২০১৯ সালে টাইম ম্যাগাজিনের 'পারসন অফ দ্য ইয়ার' নির্বাচিত হওয়ার পর সুইডিশ স্কুলছাত্রী এবং জলবায়ু কর্মী গ্রেটা থুনবার্গ সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেছিলেন, {{উদ্ধৃতি | লেখক=রয়টার্স কর্মী | শিরোনাম=রাগ নিয়ন্ত্রণের খোঁচা দেওয়ার পর ট্রাম্পকে পাল্টা জবাব দিলেন জলবায়ু কর্মী থুনবার্গ | সাময়িকী=রয়টার্স | তারিখ=২০১৯-১২-০৬ | ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/us-usa-election-thunberg-idUSKBN27M0TN}}
* আমি বাতাস কখনও বুঝিনি। আমি উইন্ডমিল সম্পর্কে অনেক জানি, আমি অন্য যে কারও চেয়ে এটি ভালোভাবে পড়েছি। আমি জানি এটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এগুলো বেশিরভাগই চীন আর জার্মানিতে তৈরি হয়, এখানে খুব কম তৈরি হয়, নেই বললেই চলে, কিন্তু এগুলো যখন তৈরি করা হয় তখন—আপনি যদি এর মধ্যে থাকেন তবে বুঝবেন—বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে ধোঁয়া আর গ্যাস নির্গত হয়। আপনারা জানেন তো আমাদের একটা পৃথিবী আছে, তাই না? মহাবিশ্বের তুলনায় এই পৃথিবীটা অনেক ছোট। তাই প্রচুর পরিমাণে ধোঁয়া আর সবকিছু সেখানে মেশে। আপনারা কার্বন ফুটপ্রিন্টের কথা বলেন, ধোঁয়া বাতাসে ছড়াচ্ছে, একদম ছড়াচ্ছে, সেটা চীন বা জার্মানি যেখানেই হোক, তা বাতাসে মিশছে।<br>আপনারা ওই [বায়ুকলগুলো] দেখছেন। ওগুলো সব আলাদা আলাদা রঙের। ওগুলো সাদা ধরনের, কিন্তু কোনোটি আবার কমলা-সাদা। কমলা আমার প্রিয় রঙ।
** টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ সম্মেলনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |লেখক=কনর ম্যানিয়ন |শিরোনাম=রক্ষণশীল গোষ্ঠীর সামনে ভাষণে উইন্ডমিলের সমালোচনা করলেন ট্রাম্প: ‘আমি বাতাস কখনও বুঝিনি’ |সাময়িকী=মিডিয়াআইট |তারিখ=২০১৯-১২-২২ |ইউআরএল=https://www.mediaite.com/trump/trump-attacks-windmills-in-speech-to-conservative-group-i-never-understood-wind/}}
===২০২০===
* সবাই জানে যে ডোনাল্ড ট্রাম্প হার মেনে নিতে পারেন না, আর রয় কোহনের কর্তৃত্ববাদী নির্দেশনার শেষ উপদেশটি ছিল, "যদি তুমি হেরে যাও, তবে বলো যে তুমি জিতেছ।" তাই নভেম্বরে ট্রাম্প যদি হেরে যান, তবে তিনি সম্ভবত দাবি করবেন যে নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে এবং তিনি সেটা বাতিলের চেষ্টা করবেন। কিন্তু ডেমোক্র্যাট এবং ডেমোক্র্যাট-ঘেঁষা স্বতন্ত্র ভোটারদের বিশাল উপস্থিতি তাকে বিদায় করে ২০ জানুয়ারি ২০২১-এ হোয়াইট হাউসের দক্ষিণ বারান্দায় মালপত্র সরানোর ভ্যান নিয়ে আসতে পারে। কোভিড-১৯ অতিমারী এবং জর্জ ফ্লয়েড ট্র্যাজেডিগুলো মোকাবিলায় ট্রাম্পের শোচনীয় ব্যর্থতা কিছু অনিশ্চিত ভোটারকে ডেমোক্র্যাট শিবিরে নিয়ে এসেছে, এমনকি জুনের শুরু পর্যন্ত ট্রাম্পের নিজের সমর্থকদের একাংশও এই সংকটে তার দুর্বল প্রতিক্রিয়া দেখে বিচলিত হয়ে পড়েছেন। তরুণ ভোটাররা এই বিষয়টি নিশ্চিতভাবে ঠিক করে দিতে পারেন, কারণ তারা যুক্তরাষ্ট্রে সবথেকে কম কুসংস্কারাচ্ছন্ন গোষ্ঠী এবং তারা বিভিন্ন কারণে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোর বিরোধী। ঐতিহাসিকভাবে ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সীরা ভোট কম দিলেও জর্জ ফ্লয়েডের হত্যার পর কুসংস্কারের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে তারাই সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল। ডেমোক্র্যাটরা যদি তরুণদের মধ্যে ভালো নিবন্ধন অভিযান চালাতে পারে এবং বাইডেন সমর্থকরা যদি রিপাবলিকানদের দেওয়া ভোট দমনের সব বাধা অতিক্রম করতে পারে, আর যদি বার্নি স্যান্ডার্সের সমর্থকরা ট্রাম্প জিতলে কিছুই না পাওয়ার চেয়ে ভবিষ্যতে বাকিটা পাওয়ার আশায় বর্তমানে অর্ধেক দাবিতেই সন্তুষ্ট থাকে, তবে ডেমোক্র্যাটরা নভেম্বরে হোয়াইট হাউস এবং কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই জয়লাভ করতে পারে। <br>ধরা যাক তেমনটাই হলো। নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলো, কিন্তু এমনকি ইলেক্টোরাল কলেজে ডেমোক্র্যাটরা জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যা পেল। তা সত্ত্বেও ট্রাম্প দাবি করলেন যে সেখানে বিশাল জালিয়াতি হয়েছে এবং এই নির্বাচনের কোনো গুরুত্ব নেই। তিনি বারবার যেমনটা বলেন, সেভাবেই বললেন যে "এটি একটি ধোঁকাবাজি"। তিনি বললেন, "একে ন্যায্য হতে হবে!" আর তার সমর্থকরা ট্রাম্পের সমর্থনে চিৎকার করতে করতে রাস্তায় নেমে এলো। ট্রাম্প হেরে গিয়েও ক্ষমতা ছাড়তে অস্বীকার করলে কারোরই অবাক হওয়া উচিত নয়। মাইকেল কোহেন, যিনি দীর্ঘ বছর ট্রাম্পের ব্যক্তিগত আইনজীবী হিসেবে কাজ করেছেন এবং তাকে অন্য অনেকের চেয়ে ভালো চেনেন, তিনি ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯-এ শপথ নিয়ে বলেছিলেন, "মিস্টার ট্রাম্পের সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে আমি ভয় পাচ্ছি যে তিনি যদি ২০২০ সালের নির্বাচনে হেরে যান, তবে কখনোই সেখানে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর হবে না।" ট্রাম্পের উচ্চপদস্থ কর্মী, যিনি ''নিউ ইয়র্ক টাইমসের'' সম্পাদকীয় এবং ''এ ওয়ার্নিং'' বইয়ের জন্য 'অ্যানোনিমাস' নামে পরিচিত, তিনি বলেছেন যে ট্রাম্প "চুপচাপ বা সহজে বিদায় নেবেন না," যা একটি সম্ভাব্য "গৃহযুদ্ধের" ইঙ্গিত দেয়। স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি ২০১৯ সালের মে মাসে ''নিউ ইয়র্ক টাইমস''-কে বলেছিলেন যে ২০২০ সালে ট্রাম্পের পরাজয় মেনে না নেওয়ার বিষয়টি তাকে চিন্তিত করে, তিনি আরও বলেন, "আমাদের এর বিরুদ্ধে প্রস্তুতি নিতে হবে।"
** জন ডিন এবং বব আলটেমেয়ার, ''অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ার'' (২০২০)। ব্রুকলিন: মেলভিল হাউস, পৃষ্ঠা ২৭৬-২৭৭
* ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি ২০২১ সালে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা ছাড়েনও, তার সমর্থক গোষ্ঠী অটুট থাকবে এবং তারা তার পূর্বসূরির মতো তার উত্তরসূরিকেও বাধা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকবে। অথবা যদি ট্রাম্পের প্রভাব অনিবর্য়ভাবে কমে যায়, তবে সেই সমর্থক গোষ্ঠী অন্য যে কেউ নিজেদের দখলে নিতে পারবে তার জন্যই কাজ করবে। ট্রাম্পের চেয়ে বুদ্ধিমান কেউ যদি ফক্স নিউজ এবং ডানপন্থী সংবাদমাধ্যমের সমর্থন পায়, তবে ভবিষ্যতে সে আরও বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। আপনারা নিশ্চিত থাকতে পারেন যে বিভিন্ন উচ্চাকাঙ্ক্ষী ব্যক্তিরা ইতিমধ্যেই পরবর্তী ত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার কথা ভাবতে শুরু করেছেন। আপনারা এটাও নিশ্চিত থাকতে পারেন যে "রাজা নির্মাতা" বা ক্ষমতাশালীরাও এখন এই ক্ষেত্রটি নিয়ে পড়াশোনা করছেন, যার মধ্যে ধর্মীয় রক্ষণশীল নেতাদেরও অন্তর্ভুক্ত করা যায় যারা হয়ত বুঝতে পারছেন যে তাদের বিশ্বাসীদের ওপর ট্রাম্পের নিয়ন্ত্রণ কিছুটা শিথিল হচ্ছে।
** জন ডিন এবং বব আলটেমেয়ার, ''অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ার'' (২০২০)। ব্রুকলিন: মেলভিল হাউস, পৃষ্ঠা ২৭৯
* একজন চতুর ক্ষমতা দখলকারী হওয়ার যোগ্যতা ডোনাল্ড জন ট্রাম্পের নেই বললেই চলে। যদি মনে হয় আমরা তার প্রতি কঠোর হয়েছি, তবে যারা তার সাথে চলেন তাদের কথা শুনুন। মানুষ হিসেবে তিনি একটি করুণ দৃষ্টান্ত। তার চিন্তাচেতনা অনেক দিন ধরেই বাস্তববিমুখ। তিনি নিজের জীবনই ঠিক করতে অক্ষম, যা অহংকারের ক্ষত আর অজ্ঞতা ও আত্মপ্রবঞ্চনার গর্তে ভরা, তাই তিনি যে ক্ষতি করেছেন তা মেরামত করা তার পক্ষে অসম্ভব। যদি তিনি সম্রাট হন, তবে আমরা গর্ব করে বলতে পারব যে কোনো নির্বোধ রাজা তৈরি করতে আমাদের প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে অন্তঃপ্রজনন করতে হয়নি। আমরা একজনকে দিয়েই শুরু করেছি। আরও দুঃখের বিষয় হলো, দেশের একটি সংখ্যালঘু অংশ হয়ত ট্রাম্পকে একনায়ক বানাতে পারবে না। বেশিরভাগ আমেরিকান তাকে ভোট দেবে না; তারা কেবল ভোটই দেয়নি। সংক্ষেপে বলতে গেলে, আমাদের পূর্বপুরুষরা যার জন্য লড়াই করেছেন এবং যা জয় করেছেন ও রক্ষা করেছেন, তা আমরা হারাতে পারি কারণ আমাদের বেশিরভাগ মানুষ ২০২০ সালে তা রক্ষার জন্য ভোট দিতেও যাবে না।
** জন ডিন এবং বব আলটেমেয়ার, ''অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ার'' (২০২০)। ব্রুকলিন: মেলভিল হাউস, পৃষ্ঠা ২৮২
* হোয়াইট হাউসে আসার পর ভিতরে সবকিছু কীভাবে চলে তা সুশৃঙ্খলভাবে বোঝার সুযোগ পেতে আমার প্রায় এক মাস সময় লেগেছিল। অনেকভাবেই বিশৃঙ্খলা তৈরি হতো, যা প্রায়ই নির্দিষ্ট নীতিগত বিষয়ের মাধ্যমে প্রকাশ পেত... ২০১৮ সালের শেষ মাস এবং ২০১৯ সালের শুরুর দিকে, ট্রাম্পের ক্ষমতায় থাকার দ্বিতীয় বছর যখন শেষ হচ্ছিল-আমার আসার প্রায় আট থেকে নয় মাস পরে বেশ কিছু বিচ্ছিন্ন বিষয় এবং ব্যক্তি প্রশাসনকে আরও অজানা পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিতে শুরু করে। উদাহরণস্বরূপ, ২০১৮ সালের জুনের শুরুতে জন এফ. কেলি ট্রাম্পের সময়সূচীর জন্য একটি নতুন কৌশল ব্যবহার করেন। তিনি প্রতিদিন সকাল ১১টায় ওভাল অফিসে "চিফ অফ স্টাফ" সময় দিয়ে দিন শুরু করতেন, এই আশায় যে সপ্তাহে দুবার গোয়েন্দা ব্রিফিংয়ের সময় ট্রাম্প যে এলোমেলো দীর্ঘ বক্তব্য দেন তা কমানো যাবে। অবশ্যই বেশিরভাগ মানুষ যা দেখে অবাক হতেন তা হলো, ট্রাম্পের "অফিসিয়াল" দিন শুরু হতো প্রায় দুপুরের খাবারের সময় থেকে। ট্রাম্প সকালে অলসভাবে বসে থাকতেন না। বরং তিনি বাসভবনে ফোনে কথা বলে অনেক সময় কাটাতেন। তিনি সব ধরনের মানুষের সাথে কথা বলতেন, কখনও সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে (আমি ওভাল অফিসে আসার আগে প্রায় প্রতিদিন তার সাথে ফোনে কথা বলতাম কারণ অনেক বিষয়ে তাকে জানানো বা তার নির্দেশ নেওয়ার প্রয়োজন হতো), কিন্তু তিনি সরকারের বাইরের মানুষের সাথেও দীর্ঘ সময় কথা বলতেন। যেকোনো সংজ্ঞায় এটি সমসাময়িক রাষ্ট্রপতিদের মধ্যে একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা ছিল।
** জন বোল্টন, ''দ্য রুম হোয়্যার ইট হ্যাপেন্ড: এ হোয়াইট হাউস মেমোয়ার'' (২০২০), পৃষ্ঠা ২২৩
* আসলে ট্রাম্প সাধারণত সপ্তাহে মাত্র দুবার গোয়েন্দা ব্রিফিং নিতেন এবং সেগুলোর বেশিরভাগই ব্রিফিং দেওয়া কর্মকর্তাদের চেয়ে তিনিই বেশি কথা বলতেন, যা প্রায়ই সেই বিষয়ের সাথে সম্পূর্ণ সম্পর্কহীন হতো। ট্রাম্পের সময়সূচী সামলানো ছিল সবথেকে সহজ কাজ। তার প্রতিহিংসাপরায়ণতা সামলানো ছিল সবথেকে কঠিন, যা জন ম্যাককেইনের প্রতি তার ক্রমাগত ক্ষোভের মধ্য দিয়ে ফুটে উঠত এমনকি ম্যাককেইন মারা যাওয়ার পরও যখন তিনি ট্রাম্পের কোনো ক্ষতি করতে পারতেন না। তার প্রতিহিংসার আরেকটি উদাহরণ ছিল ১৫ আগস্ট সিআইএ-এর প্রাক্তন পরিচালক জন ব্রেনানের সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত। এখন ব্রেনানও খুব একটা ভালো ছিলেন না এবং তার সময়ে সিআইএ আগের চেয়ে অনেক বেশি রাজনৈতিক হয়ে পড়েছিল। তিনি যেকোনো অন্যায়ের কথা অস্বীকার করেছিলেন, কিন্তু ট্রাম্প নিশ্চিত ছিলেন যে ব্রেনান তার ২০১৬ সালের নির্বাচনী অভিযানে নজরদারি করার জন্য ফিসা প্রক্রিয়ার অপব্যবহারের সাথে জড়িত ছিলেন। ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর ব্রেনান মিডিয়াতে তার নিয়মিত সমালোচনা করার ফলে বিষয়টি আরও জটিল হয়ে উঠেছিল।
** জন বোল্টন, ''দ্য রুম হোয়্যার ইট হ্যাপেন্ড: এ হোয়াইট হাউস মেমোয়ার'' (২০২০), পৃষ্ঠা ২২৪
* রাষ্ট্রপতির ইতিহাসে হয়ত ট্রাম্পই একমাত্র ব্যক্তি যিনি অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় উপস্থিত হওয়া নিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছিলেন। শুরুটা হয়েছিল ২০১৮ সালের এপ্রিলে বারবারা বুশের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সময়, যেখানে ট্রাম্প উপস্থিত হননি (যদিও চারজন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এবং ফার্স্ট লেডি সেখানে উপস্থিত ছিলেন)। এরপর আগস্টের শেষে ছিল জন ম্যাককেইনের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া। কেলি ২৭ আগস্ট হোয়াইট হাউসের কর্মীদের সাথে সাপ্তাহিক বৈঠক শুরু করে বলেছিলেন, "আমি আজ খুব খারাপ অবস্থায় আছি," কারণ ট্রাম্পের সাথে সরকারি পতাকা অর্ধনমিত রাখা এবং কারা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তা নিয়ে তার ক্রমাগত মতপার্থক্য চলছিল। ম্যাককেইনের পরিবারও অনুষ্ঠানে ট্রাম্পকে চায়নি, তাই অনুভূতিটা ছিল পারস্পরিক। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হলো যে ক্যাপিটল রোটুন্ডা অনুষ্ঠান এবং ওয়াশিংটন ন্যাশনাল ক্যাথেড্রালের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া উভয় অনুষ্ঠানেই পেন্স প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেতৃত্ব দেবেন। অনুষ্ঠানে প্রচুর মানুষ উপস্থিত হয়েছিলেন এবং সেখানে সেই সামাজিক মেলামেশাও ছিল যা সাধারণত বিদায় বেলায় ঘটে থাকে। আমি যাদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছি তাদের মধ্যে ছিলেন জর্জ ডব্লিউ বুশ এবং লরা বুশ। বুশ হাসি মুখে জিজ্ঞেস করলেন, "বোল্টন, এখনো চাকরিটা আছে তো?" "আপাতত আছে," আমি উত্তর দিলাম এবং আমরা সবাই হাসলাম। যখন জর্জ এইচ.ডব্লিউ. বুশ পরবর্তীতে আর্জেন্টিনা জি২০ চলাকালীন মারা গেলেন, ট্রাম্প জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করলেন, একটি যথাযথ রাষ্ট্রপতির বিবৃতি দিলেন এবং বৈঠকের সময় জর্জ ডব্লিউ. এবং জেব বুশ উভয়ের সাথেই আন্তরিকভাবে কথা বললেন। তিনি এবং ফার্স্ট লেডি ৫ ডিসেম্বর কোনো ঝামেলা ছাড়াই ন্যাশনাল ক্যাথেড্রালের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। আসলে এটা করা খুব একটা কঠিন ছিল না।
** জন বোল্টন, ''দ্য রুম হোয়্যার ইট হ্যাপেন্ড: এ হোয়াইট হাউস মেমোয়ার'' (২০২০), পৃষ্ঠা ২২৬
* আমার দাদামশাই ট্রাম্প পরিবারে বিভাজনের যে পরিবেশ তৈরি করেছিলেন, ডোনাল্ড সবসময় সেই পরিবেশেই বেড়ে উঠেছেন এবং বিভাজন তাকে অন্যদের বিনিময়ে সুবিধা দিয়ে চলেছে। এটি আমাদের দয়ালু হওয়ার বা ক্ষমাশীলতায় বিশ্বাস করার ক্ষমতাকে দুর্বল করে দিচ্ছে, যে ধারণাগুলোর কোনো মানেই তার কাছে কোনোদিন ছিল না। তার প্রশাসন এবং তার দল এখন তার অভিযোগ আর অধিকারের রাজনীতির নিচে চাপা পড়ে গেছে। আরও খারাপ বিষয় হলো ডোনাল্ড, যিনি ইতিহাস, সাংবিধানিক নীতি, কূটনীতি (বা আসলে অন্য কিছু নিয়েই) কিছুই বোঝেন না এবং যাকে কখনও এই ধরনের জ্ঞান প্রদর্শনের জন্য চাপ দেওয়া হয়নি, তিনি দেশের সব জোট এবং আমাদের সামাজিক কর্মসূচিগুলোকে কেবল টাকার চশমা দিয়ে মূল্যায়ন করেছেন, ঠিক যেমনটা তার বাবা তাকে শিখিয়েছিলেন। শাসনের ব্যয় এবং সুবিধাকে কেবল আর্থিক দিক থেকে বিবেচনা করা হয়, যেন মার্কিন ট্রেজারি তার ব্যক্তিগত মাটির ব্যাংক। তার কাছে প্রতিটি ডলার খরচ হওয়া মানে তার নিজের ক্ষতি, আর প্রতিটি ডলার বাঁচানো মানে তার নিজের লাভ।
** মেরি এল. ট্রাম্প, ''টু মাচ অ্যান্ড নেভার এনাফ: হাউ মাই ফ্যামিলি ক্রিয়েটেড দ্য ওয়ার্ল্ড'স মোস্ট ডেঞ্জারাস ম্যান'' (২০২০), পৃষ্ঠা ১৫-১৬
* যদিও আমার ফুফু এবং চাচারা অন্য কিছু ভাববেন, আমি এই বইটি অর্থ উপার্জন বা প্রতিশোধ নেওয়ার উদ্দেশ্যে লিখছি না। যদি সেগুলোর কোনো একটিও আমার উদ্দেশ্য হতো, তবে আমি অনেক বছর আগেই আমাদের পরিবার নিয়ে বই লিখতাম, যখন ডোনাল্ড তার বারবার দেউলিয়া হওয়া ব্যবসায়ী হিসেবে খ্যাতি এবং গুরুত্বহীন রিয়েলিটি শো হোস্টের পরিচয় ব্যবহার করে হোয়াইট হাউসে পৌঁছাবেন তা অনুমান করার কোনো উপায় ছিল না। তখন এটি অনেক নিরাপদও হতো কারণ আমার চাচা তখন তথ্য প্রকাশকারী বা সমালোচকদের ভয় দেখানো বা বিপদে ফেলার মতো অবস্থানে ছিলেন না। তবে গত তিন বছরের ঘটনাগুলো আমাকে বাধ্য করেছে এবং আমি আর চুপ করে থাকতে পারছি না। এই বইটি যখন প্রকাশিত হবে, ততদিনে ডোনাল্ডের অহংকার আর ইচ্ছাকৃত অজ্ঞতার বেদীতে লক্ষ লক্ষ আমেরিকান জীবন বলিদান দেওয়া হয়ে যাবে। তিনি যদি দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসেন, তবে সেটি হবে আমেরিকান গণতন্ত্রের শেষ।
** মেরি এল. ট্রাম্প, ''টু মাচ অ্যান্ড নেভার এনাফ: হাউ মাই ফ্যামিলি ক্রিয়েটেড দ্য ওয়ার্ল্ড'স মোস্ট ডেঞ্জারাস ম্যান'' (২০২০), পৃষ্ঠা ১৬-১৭
* যখন আপনি নিজেই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করেন এবং আপনাকে আপনার কথা বিস্তারিত ব্যাখ্যা করতে বা আপনি প্রকৃত তথ্য বুঝতে পারছেন কি না তা প্রমাণ করতে বাধ্য করা হয় না, তখন কথা বলা বা নিজেকে জ্ঞানী হিসেবে তুলে ধরা খুব সহজ। এটি সংবাদমাধ্যমের জন্য একটি অভিযোগ (অন্য অনেকের মধ্যে) যে নির্বাচনী প্রচারণার সময় এগুলোর কিছুই বদলায়নি, যখন ডোনাল্ডের মিথ্যা এবং অদ্ভুত দাবিগুলো প্রকাশ করলে হয়ত আমাদের তার রাষ্ট্রপতিত্ব থেকে বাঁচানো যেত। হাতেগোনা যে কয়েকবার তাকে তার অবস্থান বা নীতি (যার আসলে কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তখনও তার কাছ থেকে কোনো যৌক্তিক কথা বা গভীর জ্ঞান প্রদর্শনের আশা করা হয়নি। নির্বাচনের পর থেকে তিনি এই ধরনের প্রশ্নগুলো পুরোপুরি এড়িয়ে যাওয়ার উপায় বের করে নিয়েছেন; হোয়াইট হাউসের প্রেস ব্রিফিং এবং আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনের বদলে এখন এসেছে "চপার টক" বা হেলিকপ্টারের শব্দের মধ্যে কথা বলা, যেখানে তিনি অভিনয় করতে পারেন যে হেলিকপ্টারের শব্দের জন্য তিনি কোনো অপ্রীতিকর প্রশ্ন শুনতে পাচ্ছেন না। ২০২০ সালে তার অতিমারী বিষয়ক "প্রেস ব্রিফিং" দ্রুতই আত্মতুষ্টি, জনমোহিনী বক্তৃতা আর চাটুকারিতায় ভরা ছোটখাটো নির্বাচনী জনসভায় পরিণত হয়েছিল। সেখানে তিনি সেই অমার্জনীয় ব্যর্থতাগুলোকে অস্বীকার করেছেন যা ইতিমধ্যেই হাজার হাজার মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে, উন্নতির কথা নিয়ে মিথ্যা বলেছেন এবং সেইসব মানুষকে বলির পাঁঠা বানিয়েছেন যারা পর্যাপ্ত সুরক্ষা ও সরঞ্জাম ছাড়াই নিজেদের জীবন ঝুঁকি নিয়ে আমাদের বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। এমনকি যখন লক্ষ লক্ষ আমেরিকান অসুস্থ হয়ে মারা যাচ্ছে, তখনও তিনি একে জয় হিসেবে এবং তার অসাধারণ নেতৃত্বের প্রমাণ হিসেবে প্রচার করছেন। আর যদি কেউ মনে করে যে তিনি গম্ভীর বা গম্ভীর হতে সক্ষম, তবে তিনি মডেলদের সাথে শোয়া নিয়ে জোকস করবেন অথবা তার ফেসবুক অনুসারীর সংখ্যা নিয়ে মিথ্যা বলবেন। তবুও সংবাদ মাধ্যমগুলো তার থেকে সরে আসতে রাজি নয়। যে কয়েকজন সাংবাদিক তাকে চ্যালেঞ্জ করেন বা যারা ডোনাল্ডকে কেবল একটি আতঙ্কিত জাতির জন্য সান্ত্বনার বাণী বলতে অনুরোধ করেন, তাদের "নচ্ছাড়" বলে উপহাস ও অবজ্ঞা করা হয়। ডোনাল্ডের প্রথম দিকের সেই ধ্বংসাত্মক আচরণ যা ফ্রেড উৎসাহিত করেছিলেন, সেখান থেকে শুরু করে মিডিয়ার তাকে চ্যালেঞ্জ করতে অনিচ্ছা এবং ২০ জানুয়ারি ২০১৭ থেকে তিনি প্রতিদিন যে দুর্নীতি করছেন তার প্রতি রিপাবলিকান পার্টির চোখ বুজে থাকা সবকিছুই এই এককালের মহান জাতির অর্থনীতি, গণতন্ত্র এবং স্বাস্থ্যের আসন্ন পতনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
** মেরি এল. ট্রাম্প, ''টু মাচ অ্যান্ড নেভার এনাফ: হাউ মাই ফ্যামিলি ক্রিয়েটেড দ্য ওয়ার্ল্ড'স মোস্ট ডেঞ্জারাস ম্যান'' (২০২০), পৃষ্ঠা ২০৩
* সাত ঘণ্টা পর ট্রাম্প গত তিন মাসের মধ্যে তার প্রথম করোনাভাইরাস টাস্ক ফোর্স সংবাদ সম্মেলনে একটি দীর্ঘ বক্তব্য দেন। তিনি হোয়াইট হাউসে একাই কথা বলেন। সেখানে মাইক পেন্স, ফাউসি বা বার্কস কেউ ছিলেন না। তিনি তার বলার ধরণও পরিবর্তন করেন। ভাইরাসের পরিস্থিতি নিয়ে সবকিছু খুব একটা ভালো ছিল না। "এটি সম্ভবত দুর্ভাগ্যের বিষয় যে ভালো হওয়ার আগে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে," ট্রাম্প একটি অস্বাভাবিক বাস্তববাদী কথা বলেন। "এমন কিছু যা আমি কোনো বিষয় সম্পর্কে বলতে পছন্দ করি না, কিন্তু পরিস্থিতি এমনই।" এর আগে ট্রাম্প মাস্ক পরতে অনিচ্ছুক ছিলেন। "একটি মাস্ক নিন," তিনি বলেন। "আপনি মাস্ক পছন্দ করেন বা না করেন, এর একটি প্রভাব আছে। এর একটা ফল পাওয়া যাবে এবং আমাদের যা যা পাওয়া সম্ভব তার সবই প্রয়োজন।" তার মন্তব্যগুলো ছিল একটি পরোক্ষ স্বীকারোক্তি যে তার আগের পদ্ধতিগুলো কাজ করেনি এবং আসলে ভাইরাসের পরিস্থিতি অনেক বেশি খারাপ ছিল। দিনটি ছিল ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতিত্বের একটি ক্ষুদ্র রূপ, যা কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে "আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে" থেকে "ভালো হওয়ার আগে আরও খারাপ হবে", এই দুই মেরুতে ঘুরেছে। এটি ছিল একদম সাম্প্রতিক উদাহরণ এবং এই বইটি প্রেসে যাওয়ার আগের শেষ ঘটনা যে ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতিত্ব ছিল দ্বিধাগ্রস্ততায় ভরা, একটি অনিশ্চিত পথে চলা, যা কখনও লড়াই আবার কখনও সমঝোতা এবং একটি বক্তব্য বা পদক্ষেপ থেকে ঠিক তার বিপরীত দিকে যাওয়ার মধ্য দিয়ে চলেছে।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৮৪-৩৮৫
* রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প সম্পর্কে এই বইয়ের প্রতিবেদন শেষ করার পর আমি ক্লান্তি অনুভব করলাম। দেশটি তখন সত্যিকারের বিশৃঙ্খলার মধ্যে ছিল। ভাইরাসটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল। অর্থনীতি সংকটে ছিল এবং ৪ কোটিরও বেশি মানুষ কর্মহীন ছিল। বর্ণবাদ এবং বৈষম্য নিয়ে একটি শক্তিশালী হিসাব-নিকাশের সময় আমাদের সামনে ছিল। এর কোনো শেষ দেখা যাচ্ছিল না এবং সেখান থেকে বের হওয়ার কোনো পরিষ্কার পথও ছিল না। আমি ৭ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্পের সাথে সেই কথোপকথনের কথা ভাবলাম যখন তিনি "প্রতিটি দরজার পিছনে ডিনামাইট" বা সেই অপ্রত্যাশিত বিস্ফোরণের কথা উল্লেখ করেছিলেন যা সবকিছু বদলে দিতে পারে। তিনি সম্ভবত কোনো বাইরের ঘটনার কথা ভাবছিলেন যা ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতিত্বকে প্রভাবিত করবে। কিন্তু এখন আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে, "দরজার পিছনের ডিনামাইট" সবার সামনেই ছিল। সেটি ছিলেন ট্রাম্প নিজেই। সেই বিশাল ব্যক্তিত্ব। সুসংগঠিত হতে ব্যর্থতা। শৃঙ্খলার অভাব। তার বেছে নেওয়া মানুষ বা বিশেষজ্ঞদের ওপর বিশ্বাসের অভাব। অনেক আমেরিকান প্রতিষ্ঠানকে অবমূল্যায়ন করার চেষ্টা। একটি শান্ত ও নিরাময়কারী কণ্ঠস্বর হতে ব্যর্থতা। ভুল স্বীকার করতে অনিচ্ছা। নিজের কাজ নিজে করতে ব্যর্থতা। শান্তির প্রস্তাব দিতে ব্যর্থতা। অন্যদের কথা মন দিয়ে শোনা। একটি পরিকল্পনা তৈরি করা। ম্যাটিস, টিলারসন এবং কোটস এরা সবাই রক্ষণশীল বা অরাজনৈতিক মানুষ ছিলেন যারা তাকে এবং দেশকে সাহায্য করতে চেয়েছিলেন। তারা নিখুঁত মানুষ ছিলেন না, কিন্তু জনসেবার আহ্বানে সাড়া দিয়েছিলেন। তারা কোনো ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠী বা ডিপ স্টেট ছিলেন না। তবুও তাদের প্রত্যেকেই তাদের নেতার কাছ থেকে নিষ্ঠুর কথা শুনে বিদায় নিয়েছেন। তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন যে ট্রাম্প তাদের দেশের জন্য এক অস্থির হুমকি। একটু ভেবে দেখুন: শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা নেতারা মনে করতেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি দেশের জন্য একটি বিপদ।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৮৬-৩৮৭
* ২৮ জানুয়ারি ২০২০-এ যখন ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং তার উপ-প্রধান ট্রাম্পকে সতর্ক করেছিলেন যে এই ভাইরাসটি তার রাষ্ট্রপতিত্বের জন্য সবথেকে বড় জাতীয় নিরাপত্তা হুমকি হবে—হতে পারে এমন নয়, বরং হবে তখন নেতৃত্বের ঘড়িটি নতুন করে সেট করতে হয়েছিল। এটি ছিল একটি বিস্তারিত পূর্বাভাস, যা তথ্য এবং অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে করা হয়েছিল এবং দুর্ভাগ্যবশত যা সঠিক প্রমাণিত হয়েছিল। রাষ্ট্রপতিরা হলেন নির্বাহী বিভাগ। সেখানে সতর্ক করার একটি দায়িত্ব ছিল। শোনা, পরিকল্পনা করা এবং যত্ন নেওয়ার দায়িত্ব। দীর্ঘ সময় ধরে ট্রাম্প গড়িমসি করেছেন এবং অন্যরা যেমনটা বলেছিলেন, তিনিও বলেছিলেন যে ভাইরাসটি চিন্তার কারণ কিন্তু এখনই নয়। দুই নৌকায় পা দেওয়ার ভালো কারণ ছিল, কিন্তু সেখানে আরও সুসংগত এবং সাহসীভাবে কথা বলা উচিত ছিল। নেতৃত্ব দেওয়া মানেই প্রায় সবসময় ঝুঁকি নেওয়া। ভাইরাসটি, যাকে ট্রাম্প "মহামারী" বলেন, তা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশ্বকে এমন এক অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খলার মধ্যে ফেলেছে যা কেবল মন্দা নয়, বরং মহামন্দা হতে পারে। এটি একটি প্রকৃত আর্থিক সংকট, যা কোটি কোটি মানুষকে কর্মহীন করে দিয়েছে। ট্রাম্পের সমাধান হলো অতিমারী-পূর্ব সময়ে তিনি যে অর্থনৈতিক অলৌকিকতা সৃষ্টি করেছেন বলে বিশ্বাস করেন, তা আবার তৈরি করার চেষ্টা করা। ডেমোক্র্যাট, রিপাবলিকান এবং ট্রাম্প পুনরুদ্ধারের জন্য অন্তত ২.২ ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করতে রাজি হয়েছিলেন, যা ক্রমবর্ধমান ঘাটতির কারণে ভবিষ্যতে নিজস্ব সমস্যা তৈরি করবে। মানুষের প্রাণের ক্ষয়ক্ষতি ছিল অকল্পনীয়, জুলাইয়ের মধ্যে ভাইরাসে ১,৩০,০০০-এর বেশি আমেরিকান মারা গেছে এবং এর কোনো প্রকৃত শেষ দেখা যাচ্ছে না।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৮৯
* আমেরিকান রাজনীতির গভীরভাবে গেঁথে থাকা ঘৃণা ট্রাম্পের বছরগুলোতে আরও বিকশিত হয়েছিল। তিনি সেগুলোকে উস্কে দিয়েছিলেন এবং দেশটিকে এক করার জন্য সুসংহত কোনো প্রচেষ্টা করেননি। ডেমোক্র্যাটরাও তা করেনি। ট্রাম্প মনে করতেন ডেমোক্র্যাটরা তার সাথে খুব অন্যায় করেছে, আবার ডেমোক্র্যাটরাও মনে করত ট্রাম্প তাদের সাথে অন্যায় করেছেন। তাদের মধ্যে দেয়ালগুলো কেবল আরও উঁচুই হয়েছে। ট্রাম্পের সাথে আমার ১৭টি সাক্ষাৎকার নেওয়া একটি চ্যালেঞ্জ ছিল। তিনি তার ওপর লেখা আমার প্রথম বই ''ফিয়ার''-কে অসত্য, একটি "প্রতারণা" এবং "ঠাট্টা" বলে অভিহিত করেছিলেন এবং আমাকে "ডেমোক্র্যাটদের লোক" বলেছিলেন। তার ঘনিষ্ঠ কয়েক জন তাকে বলেছিলেন যে বইটি সত্য ছিল এবং লিন্ডসে গ্রাহাম তাকে বলেছিলেন যে আমি তার মুখে কোনো কথা বসিয়ে দেব না এবং যতটা সম্ভব নির্ভুলভাবে প্রতিবেদন করব। ট্রাম্প কোনো এক কারণে আমার সাথে সহযোগিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যা আমার কাছে পরিষ্কার নয়। তার মনে হয়েছিল তিনি একজন নির্ভরযোগ্য উৎস হয়ে উঠবেন। তিনি কখনও নির্ভরযোগ্য ছিলেন, কখনও পুরোপুরি অনির্ভরযোগ্য এবং প্রায়ই মিশ্র... কিন্তু সাক্ষাৎকারগুলো দেখায় যে তার "আমি একাই এটি ঠিক করতে পারি" এমন কথাবার্তা সত্ত্বেও তিনি অনেক সময় দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন, সত্য গোপন করেছেন এবং দেশের নেতার ভূমিকা এড়িয়ে গেছেন। আমেরিকা এবং বিশ্ব যেমনটা জানে, ট্রাম্প একজন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। তিনি জাঁকজমক পছন্দ করেন। সংকটের সময় রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত বিষয়ের চেয়ে কার্যকারিতা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কোটি কোটি মানুষের কাছে আমেরিকার আশার গল্প একটি দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৮৯-৩৯০
* প্রায় ৫০ বছর ধরে আমি নিক্সন থেকে ট্রাম্প পর্যন্ত ৯ জন রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে লিখেছি যা ৪৫ জন মার্কিন রাষ্ট্রপতির ২০ শতাংশ। একজন রাষ্ট্রপতিকে অবশ্যই জনগণের সাথে খারাপ সংবাদের পাশাপাশি ভালো সংবাদ ভাগ করে নিতে ইচ্ছুক হতে হবে। সকল রাষ্ট্রপতির তথ্য দেওয়া, সতর্ক করা, রক্ষা করা এবং লক্ষ্য ও প্রকৃত জাতীয় স্বার্থকে সংজ্ঞায়িত করার একটি বড় বাধ্যবাধকতা থাকে। ট্রাম্প এর বদলে ব্যক্তিগত আবেগকে তার শাসনের মূলনীতি বানিয়ে ফেলেছেন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার কর্মদক্ষতা সামগ্রিকভাবে বিবেচনা করলে আমি কেবল একটি সিদ্ধান্তেই পৌঁছাতে পারি: ট্রাম্প এই কাজের জন্য ভুল মানুষ।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৯১-৩৯২
====জানুয়ারি ২০২০====
=====ডোনাল্ড ট্রাম্পের চার্লসটন, সাউথ ক্যারোলাইনা জনসভা (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০)=====
:<small>সাউথ ক্যারোলাইনার চার্লসটন জনসভায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]-এর ভাষণ (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০), ''রেভ''-এ [https://www.rev.com/blog/transcripts/donald-trump-charleston-south-carolina-rally-transcript-february-28-2020 অনলাইনে থাকা প্রতিলিপি] থেকে সংগৃহীত।</small>
* ধন্যবাদ। ধন্যবাদ। আপনাদের অনেক ধন্যবাদ। আমি শুধু এটাই বলতে পারি যে, এই ভুয়া খবরের মাধ্যমগুলো আসলে কিছুই বোঝে না, তাই না? তারা এটা বুঝতেই পারে না। [অস্পষ্ট ০০:০২:৫৪] তারা একদমই বোঝে না। হ্যালো চার্লসটন! আমি সাউথ ক্যারোলাইনার মতো এই চমৎকার অঙ্গরাজ্যে হাজার হাজার পরিশ্রমী আমেরিকান দেশপ্রেমিকদের মাঝে ফিরে আসতে পেরে রোমাঞ্চিত, যারা বিশ্বাস, পরিবার, ঈশ্বর এবং নিজের দেশে আস্থা রাখেন। ধন্যবাদ। এখানে এক বিশাল ভিড় জমেছে, যা কেবল বাইরের সেই মানুষের সংখ্যার চেয়ে কম যারা ভেতরে ঢোকার সুযোগ পাননি। আপনারা যারা এখানে দাঁড়িয়ে আছেন বা বসে আছেন, তাদের মধ্যে কেউ যদি নিজের জায়গা ছেড়ে দিতে চান, তবে হাত তুলুন। ঠিক আছে। তাহলে চলুন শুরু করি, তাই তো? সবাইকে অনেক ধন্যবাদ। এটা দারুণ। না, তারা এটা বোঝে না। এই রাস্তার কিছুটা দূরেই আগামীকাল যারা নির্বাচনে লড়তে যাচ্ছেন তাদের একজনের একটা সভা চলছে। তারা ১০০ জন লোক জড়ো করার চেষ্টা করছে, কিন্তু তারা পারবে না। তাই আমার মনে হয় তারা একটা গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করবে। তারা আসলে সেটাই করে। তাই মানুষ যখন কোনো জনসভায় যেতে চায়, শেষ পর্যন্ত তারা গোলটেবিলে বসে অভিশংসন নিয়ে নিজেদের ব্যাখ্যা দেয়। পাগলামি।
* না, এটা পাগলামি। স্রেফ পাগলামি! এটা একটা অদ্ভুত ব্যাপার। না, এই ভুয়া খবরের সংবাদমাধ্যমগুলো বছরের পর বছর ধরে এটা বোঝার চেষ্টা করছে। কিন্তু তারা এখনো বুঝতে পারেনি। তারা বুঝতে পারছে না। ওই ক্যামেরাগুলোর দিকে তাকিয়ে দেখুন। ওই সব ক্যামেরা দেখুন। কত কত ক্যামেরা! লিন্ডসে এবং টিম, অনেক ক্যামেরা... তারা শুনেছে যে আপনারা এখানে আছেন। তারা শুনেছে টিম আর লিন্ডসে এখানে আছেন এবং... তারা বলেছিল, "আমরা ওই জনসভায় যাব না," কিন্তু যখন তারা শুনল যে আমাদের এই চমৎকার কংগ্রেস সদস্যদের সাথে ওই দুজনও এখানে আছেন... তবে আমাদের জাতির জন্য এটি একটি অবিশ্বাস্য সময়। আমরা যাকে ‘আমেরিকার মহিমান্বিত প্রত্যাবর্তন’ বলছি, আমরা এখন তার ঠিক মাঝখানে আছি। কর্মসংস্থান বাড়ছে, আয় বাড়ছে, কারখানাগুলো ফিরে আসছে, দারিদ্র্য কমছে, আত্মবিশ্বাস বাড়ছে এবং আমরা মার্কিন সামরিক বাহিনীর দুর্দান্ত ক্ষমতাকে সম্পূর্ণ নতুনভাবে গড়ে তুলেছি। আমাদের দেশ আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।
* আমরা আরও শক্তিশালী, আমরা আরও ভালো অবস্থানে আছি। কিন্তু যখন আমরা একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলছি, তখন ওয়াশিংটনের কট্টর বামপন্থী ডেমোক্র্যাটরা সবকিছু পুড়িয়ে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। তারা গত তিন বছর ধরে এমনকি আমি আরও আগে থেকে বলতে পারি, নির্বাচনের পর থেকে তিন বছর হয়েছে, তবে আমরা নির্বাচনের আগের কথাই ধরি তারা আপনাদের ভোট মুছে ফেলার এবং আমাদের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। কিন্তু আপনাদের সাহায্যে আমরা অতি-বামপন্থীদের দুর্নীতি ফাঁস করেছি এবং তাদের অশুভ পরিকল্পনা নস্যাৎ করেছি। দেখা যাক সামনের মাসগুলোতে কী হয়। চলুন দেখি। স্রেফ অপেক্ষা করে দেখি। খুবই অসৎ লোক তারা। এখন ডেমোক্র্যাটরা করোনাভাইরাসকে রাজনৈতিক রূপ দিচ্ছে, আপনারা সেটা জানেন তো? করোনাভাইরাস, তারা এটাকে রাজনীতিতে টেনে আনছে। আমরা চমৎকারভাবে কাজ করেছি। আপনারা যখন জিজ্ঞেস করেন, "রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প কেমন কাজ করছেন?" তখন তারা বলে, "ওহ, ভালো না, ভালো না।" তাদের কোনো ধারণা নেই। তাদের বিন্দুমাত্র ধারণা নেই। তারা এমনকি আইওয়াতে তাদের ভোটও ঠিকমতো গুনতে পারে না। তারা গুনতেও জানে না। না, তারা পারে না। তারা নিজেদের ভোট গুনতে পারে না।
* আমার এক লোক আমার কাছে এসে বলল, "মিস্টার প্রেসিডেন্ট, তারা আপনাকে রাশিয়া, রাশিয়া, রাশিয়া বলে হারানোর চেষ্টা করেছিল।" সেটা খুব একটা কাজে আসেনি। তারা সেটা করতে পারেনি। তারা অভিশংসনের ধোঁকাবাজি করার চেষ্টা করেছে। সেটা ছিল একদম নিখুঁত একটি ফোনালাপ নিয়ে। তারা যেকোনো কিছু করার চেষ্টা করেছে। বারবার চেষ্টা করেছে। আপনি আসার পর থেকেই তারা এটা করছে। সবকিছু বদলে যাচ্ছে। তারা হেরে গেছে। সবকিছু এখন পাল্টে যাচ্ছে। ভেবে দেখুন। চিন্তা করে দেখুন। '''আর এটাই হলো তাদের নতুন ধোঁকাবাজি।''' কিন্তু আমরা এমন কিছু করেছি যা বেশ আশ্চর্যজনক। এই বিশাল দেশে আমাদের মাত্র ১৫ জন আক্রান্ত ছিল এবং কারণটা হলো আমরা শুরুতেই ব্যবস্থা নিয়েছি। আমরা আগেভাগে ব্যবস্থা নিয়েছি বলেই সংখ্যাটা এর চেয়ে অনেক বেশি হয়নি। আমরা খুব ভালো করছি। আমাদের দেশ খুব ভালো চলছে। আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ। আমরা অনেক বেশি একতাবদ্ধ। রিপাবলিকান দল এখনকার মতো আগে কখনোই এতটা ঐক্যবদ্ধ ছিল না। আমাদের দেশে এখন যে গণজোয়ার চলছে, ইতিহাসে এমনটা আগে কখনোই দেখা যায়নি। কখনোই এমন আন্দোলন হয়নি। তাই একটি পরিসংখ্যান নিয়ে আমরা কথা বলতে চাই, বলুন। ইউএসএ বলুন। ঠিক আছে। ইউএসএ। তো এমন একটা সংখ্যা যা কেউ শোনেনি, কিন্তু আমি সম্প্রতি শুনেছি এবং শুনে অবাক হয়েছি যে, প্রতি বছর ফ্লু বা সাধারণ ইনফ্লুয়েঞ্জায় গড়ে ৩৫,০০০ মানুষ মারা যায়। কেউ কি সেটা জানতেন? ৩৫,০০০, এটা অনেক মানুষ। এটা ১,০০,০০০ পর্যন্ত হতে পারে, আবার ২৭,০০০ হতে পারে। তারা বলে সাধারণত কমপক্ষে ২৭,০০০ থেকে শুরু করে বছরে ১,০০,০০০ মানুষ মারা যায়। আর এখন পর্যন্ত আমরা যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসে কাউকে হারাইনি। একজনকেও না। তার মানে এই নয় যে আমরা হারাব না, আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত আছি। এর মানে এই নয় যে আমরা হারাব না, কিন্তু ভেবে দেখুন। আপনারা ৩৫ থেকে ৪০ হাজার মানুষের কথা শুনছেন আর আমরা কাউকে হারাইনি, অথচ দেখুন সংবাদমাধ্যমগুলো কীভাবে হিস্টিরিয়ায় ভুগছে। সিএনএনের ভুয়া খবর আর ওই ক্যামেরাটা এইমাত্র বন্ধ হয়ে গেল, ওই ক্যামেরাটা। ক্যামেরাটা এইমাত্র বন্ধ হলো। ওটা আবার চালু করুন। আচ্ছা, যাই হোক, শুনুন। এটা দেখুন, সত্যি বলতে সব অনুষ্ঠানই এমন হয়। এটা আমাদের নিয়ে। এটা পুরোপুরি আমাদের সম্পর্কে। আমি চাই তারা ক্যামেরা ঘুরিয়ে পুরো গ্যালারিটা দেখাক। তারা কখনোই তা করে না। কখনোই না। তারা কখনোই তা দেখায় না। তারা কখনোই পুরো গ্যালারি দেখায় না। আপনারা শব্দ শুনেই বুঝতে পারছেন কারণ যখন আপনি এই শব্দ শুনবেন, তা ২০০ মানুষের শব্দ নয়। তা ১০০ মানুষের শব্দ নয়। সেখানে হাজার হাজার মানুষ রয়েছে, এমনকি বাইরেও অনেক মানুষ আছে। আপনারা সেটা শুনতে পাচ্ছেন। তারা সবসময় আমার মুখ দেখায়। ওই মুখটা দেখতে পাচ্ছেন? তারা আমার মুখ দেখায়। আমি চাই তারা আমার মুখ না দেখিয়ে পুরো গ্যালারিটা দেখাক, তাই তো? [...] যখন চরম বামপন্থীরা এই জঘন্য ধোঁকাবাজি দিয়ে আমেরিকার সময় নষ্ট করছে, তখন আমরা সন্ত্রাসীদের খতম করছি, কর্মসংস্থান তৈরি করছি, মজুরি বাড়াচ্ছি, ন্যায্য বাণিজ্য চুক্তি করছি, আমাদের সীমান্ত সুরক্ষিত করছি এবং প্রতিটি জাতি, ধর্ম ও বর্ণের নাগরিকদের জীবন উন্নত করছি। আমরা শুধু গত মাসেই আরও ২,২৫,০০০ কর্মসংস্থান যোগ করেছি। আর নির্বাচনের পর থেকে এটি মোট ৭০ লক্ষ কর্মসংস্থান হয়েছে, ৭০ লক্ষ। সাউথ ক্যারোলাইনার মতো চমৎকার অঙ্গরাজ্যে বেকারত্বের হার। আপনারা কি সেই জায়গার নাম শুনেছেন?
* প্রায় সবাই। আপনারা কি এটা বিশ্বাস করতে পারেন? আমি নিশ্চিত আপনাদের স্বামীরা খুব রোমাঞ্চিত, তাই না? তারা দারুণ খুশি। আপনারা আজ রাতে কোথায় যাচ্ছেন? আমি ট্রাম্পের আরেকটি জনসভায় যাচ্ছি। চমৎকার। ১১৪ নম্বর সভা। আপনাদের স্বামীরা এ ব্যাপারে কী বলেন? এখানকার এই দলটি। তিনি বললেন, "আমরা পরোয়া করি না।" ধন্যবাদ। আপনাদের ধন্যবাদ। ডেমোক্র্যাটরা শুধু ভয়াবহ সব কথা বলবে, যদিও তারা জানে যে আমরা খুব ভালো কাজ করছি। আমাদের হাতে যা আছে তা দিয়েই আমরা চমৎকার কাজ করছি। এটি অবিশ্বাস্য। ডেমোক্র্যাটরা মন থেকে চায় আমরা যেন ব্যর্থ হই। এমনকি তাদের কাজ যদি আপনারা তাকিয়ে দেখুন এই দেশের মানুষের ক্ষতিও করে, তবুও তারা পিছু হটে না। তারা মানুষের ক্ষতি করবে, মানুষের সম্পদের ক্ষতি করবে, সবকিছুর ক্ষতি করবে। এমনকি তারা মিথ্যা বলছে জেনেও আমাদের দেশের ক্ষতি করতে তারা রাজি আছে শুধু খারাপ কথা বলার জন্য। আমরা [[মেক্সিকো]], [[কানাডা]], [[চীন]], দক্ষিণ কোরিয়া এবং [[জাপান]]ের সাথে অবিশ্বাস্য সব চুক্তি করেছি। আর আপনি যদি এই পেছনের লোকগুলোর সামনে একটা মাইক্রোফোন ধরেন যেমনটা আগে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস বা অস্কারে হতো, এখন আর হয় না। বছরের সেরা সিনেমা। এটি দক্ষিণ কোরিয়া-তে তৈরি। এটার মানে কী? আমি বছরের সেরা সিনেমা দেখার অপেক্ষায় আছি
* আর এটি তৈরি... তিনি বললেন, "এটি আবর্জনা।" কেবল সাউথ ক্যারোলাইনাতেই আপনি এটা বলতে পারেন। কেবল সাউথ ক্যারোলাইনায়। আপনারা আমাদের বিপদে ফেলে দেবেন। না, ভুয়া খবর প্রচারকারীদের জন্য তিনি যা বলেছেন আমি কেবল তারই পুনরাবৃত্তি করছি। না, কিন্তু গুরুত্বের সাথে বলছি যে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের রেটিং অনেক নিচে নেমে গেছে। আপনারা জানেন কেন? কারণ তারা আমাদের আক্রমণ করা শুরু করেছিল এবং আমরা এখন আর ওতে বিশ্বাস করি না। এই কারণেই। না, কিন্তু তারা বছরের সেরা সিনেমা হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ার তৈরি একটি চলচ্চিত্রকে বেছে নিয়েছে। তারা তো আমাদের জন্য যথেষ্ট জিনিসপত্র বানায়, তাই না? আর তারা ভালো। তারা আমাদের বন্ধু। আমাদের সুযোগ নেয়, ঠিক আছে। এখন আর অতটা নয়। আমরা সত্যিই, আপনারা যদি দেখেন, বিশ্বের সেরা পেশাদারদের নিয়ে চমৎকারভাবে সুসংগঠিত হয়েছি। আমরা সবথেকে খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত আছি। আপনাদের সবথেকে খারাপের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে, তবে আশা করি শেষ পর্যন্ত এটি খুব সামান্যই হবে। এই কারণেই আমি আপনাদের বলছি যখন ফ্লুতে ৩৫,০০০ মানুষ মারা যায় আর এই ভাইরাসটি সম্পর্কে আমাদের খুব খুব গুরুত্বের সাথে ভাবতে হবে। আমরা সেটাই করছি। আমরা সবথেকে খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।
* আমার প্রশাসন [[যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড-১৯ মহামারি|যুক্তরাষ্ট্রে এই রোগের বিস্তার]] রোধে আধুনিক ইতিহাসের সবথেকে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। আমরা প্রস্তুত। আমরা একদম প্রস্তুত। পুরোপুরি প্রস্তুত। গত ৩১ জানুয়ারি আমি আদেশ দিয়েছি যে যেসব বিদেশি নাগরিক সম্প্রতি চীনে ছিলেন তাদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ স্থগিত করা হবে। এই পদক্ষেপের ডেমোক্র্যাটরা তীব্র সমালোচনা ও প্রতিবাদ করেছিল আর এখন সবাই আমার প্রশংসা করে বলছে, "আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনি ১০০ শতাংশ সঠিক ছিলেন।" পরিস্থিতি একদম অন্যরকম হতে পারত। কিন্তু আমি বলছি, চলুন বিষয়টি ঠিকভাবে বুঝি। একটি ভাইরাস চীনে শুরু হলো, সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ল, আর যুক্তরাষ্ট্রে এটি তেমনভাবে ছড়িয়ে পড়ল না কারণ আমি এবং আমার প্রশাসন অনেক মতভেদের বিরুদ্ধে গিয়েও শুরুতেই কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। আর ডেমোক্র্যাটদের একমাত্র বলার বিষয় হলো আপনারা দেখছেন যে এটি ডোনাল্ড ট্রাম্পের দোষ, তাই না? এটি ডোনাল্ড ট্রাম্পের দোষ। না, এগুলো স্রেফ ঘটে যাওয়া কিছু বিষয়।
* কিন্তু আপনারা জানেন এটা কী প্রমাণ করে? বিপদ আসতেই পারে। দুই সপ্তাহ আগে কে এই কথা ভেবেছিল? চার সপ্তাহ আগে কে ভেবেছিল যে এমন কিছু চলতে পারে? আপনি ভাবেননি। কিন্তু জীবনে অনেক কিছু ঘটে আর আপনাদের প্রস্তুত থাকতে হবে, নমনীয় হতে হবে এবং এর মোকাবিলা করার ক্ষমতা থাকতে হবে। আর আমাদের কাছে বিশ্বের সেরা পেশাদাররা আছেন, বিশ্বের সেরা এবং আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত। একই সময়ে আমি ৫০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয়ভাবে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইন বা সঙ্গনিরোধ চালু করেছি। আমাদের কিছু মানুষকে আলাদা রাখতে হয়েছিল। তারা খুশি ছিলেন না, তারা এ নিয়ে মোটেও খুশি ছিলেন না। আমি আপনাদের বলতে চাই যে অনেক মানুষ আছে যারা খুব একটা খুশি ছিল না, কিন্তু দুই সপ্তাহ পর তারা খুশি হয়ে গেল। আপনারা জানেন কারা খুশি হয়েছিল? তাদের আশেপাশে যারা ছিল তারা খুশি হয়েছিল। তারাই শেষ পর্যন্ত খুশি হয়েছিল।
** দ্রষ্টব্য: ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের মেডিকেল অ্যান্ড বায়োডিফেন্স প্রিপেয়ার্ডনেস পলিসির প্রাক্তন পরিচালক লুসিয়ানা বোরিও ২০১৮ সালে আটলান্টার এমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সিম্পোজিয়ামে বলেছিলেন, যা ১৯১৮ সালের ইনফ্লুয়েঞ্জা অতিমারীর ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত হয়েছিল: "অতিমারী ফ্লুর ঝুঁকি স্বাস্থ্য নিরাপত্তার প্রধান উদ্বেগের বিষয়, আমরা কি এর মোকাবিলা করতে প্রস্তুত? আমি ভয় পাচ্ছি উত্তরটি হলো 'না'।" যা উদ্ধৃত হয়েছে factCheck.org তে রেম রিডারের লেখা [https://www.factcheck.org/2020/03/contrary-to-trumps-claim-a-pandemic-was-widely-expected-at-some-point/ ''ট্রাম্পের দাবির বিপরীতে, কোনো এক সময়ে অতিমারীর প্রত্যাশা ব্যাপকভাবে ছিল''] (২০ মার্চ ২০২০) শীর্ষক নিবন্ধে।
* আমি একটি হোয়াইট হাউস ভাইরাস টাস্ক ফোর্স গঠন করেছি। এটি অনেক বড় একটি বিষয়, একটি ভাইরাস টাস্ক ফোর্স। আমাদের প্রয়োজনীয় সংস্থান নিশ্চিত করতে আমি ২.৫ বিলিয়ন ডলারের অনুরোধ করেছিলাম। ডেমোক্র্যাটরা বলেছিল, "এটি ভয়াবহ। তিনি ভুল করছেন। তার ২.৫ বিলিয়ন নয় বরং ৮.৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন।" আমার সাথে আগে এমনটা কখনো ঘটেনি। আমি ২.৫ বিলিয়ন চাইলাম আর তারা আমাকে ৮.৫ বিলিয়ন দিতে চায়, তাই আমি বললাম, "আমি এটাই নেব।" এতে কি আমি খারাপ কিছু... আমি এটা নেব। আমি নেবই। আগে আমার সাথে এমনটা কখনো হয়নি। কখনোই না। আমরা চাই ২.৫ বিলিয়ন। ওটাই যথেষ্ট। আমরা দাবি করছি আপনি ৮.৫ বিলিয়ন নিন। তিনি জানেন না তিনি কী করছেন। আমরা ৮.৫ বিলিয়ন চাই। এই লোকগুলো পাগল। আমাদের বুঝতে হবে যে সীমান্ত নিরাপত্তা মানেই স্বাস্থ্য নিরাপত্তা। আর আপনারা সবাই দেখেছেন যে জাদুর মতো দেওয়াল উঠে গেছে। এটি জাদুর মতো তৈরি হয়েছে। আপনারা কি ভাবছেন এটি খুব সহজ ছিল? এটি একদমই সহজ ছিল না। এটি চমৎকারভাবে তৈরি হচ্ছে এবং আমরা এখন ১৩২ মাইল পর্যন্ত তৈরি করেছি এবং এটিই সেই আসল দেওয়াল যা সীমান্ত রক্ষা, জল, সবকিছুর জন্য প্রয়োজন।
* তো আমি জানি না এই অ্যারেনায় উপস্থিতির রেকর্ড কত, তবে আমাকে বলা হয়েছে যে আমরা সেটি অনেক বড় ব্যবধানে ভেঙেছি। আর বাইরেও অনেক মানুষ আছে। আমাদের কি তাদের বলে দেওয়ার অনুমতি আছে যে আমরা কাকে ভোট দিতে বলব? কারণ আপনারা তো অনেককে বাদ দিতে পারেন। ঠিক আছে, এক মিনিট দাঁড়ান, চলুন একটা জরিপ করা যাক। আমরা পেছনের ওই ভুয়া সংবাদমাধ্যমগুলোর জন্য এটি করছি। তৈরি? আমাদের জন্য সেরা প্রার্থী কে হবে? তাদের জন্য নয় কিন্তু। আমরা প্রস্তুত। তৈরি তো? তাহলে চলুন তাদের নামগুলো দ্রুত একবার দেখে নিই। আমরা স্টেয়ারকে এর মধ্যে রাখব না কারণ সে একজন পরাজিত ব্যক্তি। সে বাদ, ঠিক আছে? আমরা তাকে রাখব না। সেরা কে হবে? এটি একটি আসল জরিপ। এটি সেই সব ভুয়া জরিপগুলোর মতো নয় যা... সত্যি বলতে আমি তোমাকে ভালোবাসি, [[ফক্স নিউজ|ফক্স]], তবে ফক্সের নেওয়া সেই জরিপগুলো সবথেকে খারাপ। এই লোক... এই জরিপকারী ট্রাম্পকে মনেপ্রাণে ঘৃণা করে। গত নির্বাচনে আমি অনেক বড় ব্যবধানে হারছিলাম। তারা বলেছিল, "সে নারীদের কাছে খুব ভালো করেছে।" সবকিছু ভুল ছিল। আর তারা কখনো এই লোকটাকে বদলায়নি। কিন্তু এটা দেখুন। আপনারা তৈরি?
* গতকাল আমাদের একটি চমৎকার অনুষ্ঠান ছিল, অনুষ্ঠানটি ছিল খুব সুন্দর তরুণ আফ্রিকান আমেরিকান নেতারা সেখানে ছিলেন। আমি তাদের যে বিষয়গুলো জিজ্ঞেস করেছিলাম এবং আমি অনেক দিন ধরেই এটা নিয়ে ভাবছিলাম... এবং মহান সব মানুষ, দুর্দান্ত মানুষ। তাদের মধ্যে কয়েকজন আজ রাতে এখানে আছেন। আপনারা কি আফ্রিকান আমেরিকান নামটা পছন্দ করেন নাকি কৃষ্ণাঙ্গ? আর তারা সবাই একসাথে চিৎকার করে বলল, "কৃষ্ণাঙ্গ!" না, সত্যি। আমি আপনাদের বলছি। কারণ আপনি যখন জিজ্ঞেস করেন, "আফ্রিকান আমেরিকান নাকি কৃষ্ণাঙ্গ?" আর তারা প্রায় সাথে সাথেই বলল, "কৃষ্ণাঙ্গ।" আমাদের চমৎকার একদল মানুষ ছিল এবং যা ঘটেছিল তা হলো এনবিসি... এটি ছিল ভালোবাসার এক মিলনমেলা। এটি ছিল অবিশ্বাস্য। এটি ৪৫ মিনিট ধরে চলেছিল। এটি ভালোবাসার এক উৎসব ছিল। এটি অবিশ্বাস্য ছিল। এনবিসি প্রত্যাখ্যান করেছিল... তারা ঠিক ওখানেই আছে। তারা প্রত্যাখ্যান করেছিল... কমকাস্ট, যার মালিকানাধীন এনবিসি... আসলে এনবিসিকে আমার মনে হয় আমরা এমএসডিএনসি ডাকি, তাই না? এমএসডিএনসি। কিন্তু আমার মনে হয় এনবিসি সিএনএনের চেয়েও খারাপ। সত্যি বলছি। আর কমকাস্ট, এমন এক কোম্পানি যারা তাদের ইমেজের জন্য লক্ষ লক্ষ ডলার খরচ করে... আমি তাদের ইমেজ নষ্ট করার জন্য যা যা করা সম্ভব তার সবই করব কারণ তারা ভয়াবহ। তারা খুব বাজে লোক। তারা একদল জঘন্য মানুষ। আর তারা বহু বছর ধরে ''দ্য অ্যাপ্রেন্টিসের'' জন্য আমাকে প্রচুর অর্থ দিয়েছে। তারা আমাকে অঢেল টাকা দিয়েছে। আর আমি যখন শো-টি ছেড়েছিলাম, তখন এটি খুব ভালো চলছিল। যখন আমি শোটি ছাড়ি ১৪টি সিজন, ভেবে দেখুন তারা একজন বিখ্যাত চলচ্চিত্র তারকাকে নিয়ে আসে। আমি তার নাম বলব না। কেউ জানবে না। আসলে কেউই তার নাম জানবে না কারণ সে খুব অল্প সময়ের জন্য সেখানে ছিল। কিন্তু ট্রাম্পকে সরিয়ে দেওয়ার পর অনুষ্ঠানটি খুব দ্রুতই গোল্লায় গেল। কিন্তু এখন থেকে পাঁচ বছর পর দেশ অবশ্যই আপনারা তাদের খেপিয়ে দিতে চান পাঁচ বছর বা নয় বছর বা ১৩ বছর। অথবা ১৮ বছর! আরও ১০ বছর। নাহ। ওহ, আপনারা এটা বললে তারা পাগল হয়ে যায়। যখন আপনারা তাদের বলবেন আরও পাঁচ বছর, তার মানে এটা হলো পাঁচ, কিন্তু এরপর আপনি বলতে পারেন হয়ত নয়, হয়ত ১৩, হয়ত ১৭, হয়ত ২১, অথবা না, হয়ত ২১। চলুন এটাই করি। আমরা নিজেদের জন্য ২৫ বছরের একটি সময়সীমা ঠিক করি। ২৫ বছরের বেশি নয়। আর নয়। ঠিক আছে। তারা সেনেটে কোনো কিছু পাস করবে। টিম, লিন্ডসেকে নিয়ে সেনেটে এটি পাস করান, দয়া করে ২৫ বছরের একটি মেয়াদ নির্দিষ্ট করে দিন।
====ফেব্রুয়ারি ২০২০====
* শিশু দারিদ্র্য হ্রাসের কর্মসূচিগুলো এমনকি সেই বছরগুলোতেও সাহায্য করে যখন দরিদ্র বা প্রায়-দরিদ্র অভিভাবকদের আয় বাড়ে। এবং স্বাভাবিকভাবেই, দুঃসময়ে এই কর্মসূচিগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ কর্মসংস্থানের বাজার আজ ভালো চললেও কাল ধসে পড়তে পারে। ট্রাম্প প্রশাসন এই ধরনের কর্মসূচিগুলোর যোগ্যতার নিয়মাবলি নতুন করে লিখেছে যাতে সুবিধাপ্রাপ্ত মানুষের সংখ্যা কমানো যায়। এর পেছনের তথাকথিত লক্ষ্য হলো: সরকারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে খরচ কমানো। (ট্রাম্পের সঙ্গীরা বড় বড় কর্পোরেশন এবং অতি-ধনী ব্যক্তিদের জন্য যে ভর্তুকি আর কর ফাঁকির সুযোগ তৈরি করেছেন, সেগুলোর কথা না-ই বা বললাম, যার ফলে শত শত কোটি ডলার সরকারি খরচ এবং হারানো রাজস্ব যুক্ত হচ্ছে।)
** রাজন মেনন, ''[https://www.thenation.com/article/economy/child-poverty-trump/ ট্রাম্পের দারিদ্র্য-বিরোধী যুদ্ধে আমাদের শিশুরাও অন্তর্ভুক্ত]'' (৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০), ''দ্য নেশন''।
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচিত হওয়ার আগেও শিশুদের যত্ন বা চাইল্ডকেয়ারের জন্য সহায়তার যোগ্য পরিবারগুলোর মাত্র ছয় ভাগের এক ভাগ সহায়তা পেত এবং আবাসন ভর্তুকি পেত মাত্র পাঁচ ভাগের এক ভাগ। তা সত্ত্বেও তার প্রশাসন সেই সব কর্মসূচি বন্ধ করার প্রস্তুতি নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল, যেগুলো এই পরিবারগুলোকে আবাসন ও শিশুদের যত্নে সাহায্য করত। ভবিষ্যতে এই পরিবারগুলোর তার কাছে সাহায্যের আশা করে কোনো লাভ নেই। তিনি তাদের জন্য কোনো ট্রাম্প টাওয়ার বানাবেন না। "মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন" বলতে যাই বোঝানো হোক না কেন, আমেরিকার গরিব শিশুদের সাহায্য করা এর অন্তর্ভুক্ত নয়। ডোনাল্ড ট্রাম্প যতদিন তাদের জীবনের দৌড় নিয়ন্ত্রণ করবেন, তারা নিজেদের শুরুর লাইন থেকে আরও দূরেই খুঁজে পাবে।
** রাজন মেনন, ''[https://www.thenation.com/article/economy/child-poverty-trump/ ট্রাম্পের দারিদ্র্য-বিরোধী যুদ্ধে আমাদের শিশুরাও অন্তর্ভুক্ত]'' (৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০), ''দ্য নেশন''।
==== মার্চ ২০২০ ====
* এই সম্পদ বা অর্থ জোগাড় করার জন্য একটা অতিমারীর অপেক্ষায় থাকা ঠিক হয়নি। ২০১৯ সালের জুনে আমরা হাউস বাজেট কমিটির কাছে 'দরিদ্র মানুষের নৈতিক বাজেট' পেশ করেছিলাম। সেখানে আমরা দেখিয়েছিলাম যে কীভাবে পুরো দেশের এই প্রয়োজনগুলো মেটানো সম্ভব। '''আপনারা যদি এই নৈতিক বাজেটটি মেনে চলতেন, তবে স্বাস্থ্যসেবা, ভালো কাজ, সম্মানজনক মজুরি, আবাসন এবং বিশুদ্ধ জলের মতো খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে আমরা ইতিমধ্যেই দেশের অর্থনীতিতে ১.২ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি টাকা যোগ করার পথে এগিয়ে যেতাম।<BR>এখন ওপর থেকে নিচে সুবিধা পৌঁছানোর সমাধানের সময় নয়। আমরা জানি যে নিচের দিকের মানুষের উন্নতি হলে সবারই উন্নতি হয়। বর্তমান সংকট এবং আমরা কয়েক বছর বা দশক ধরে যেসব সমস্যার বিরুদ্ধে লড়াই করছি, সেগুলোর বাস্তব সমাধান আমাদের হাতে আছে। আপনাদের কাছে আমাদের দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা মানুষকে সংগঠিত করা এবং শক্তি বাড়ানো চালিয়ে যাব। আমাদের লক্ষ লক্ষ মানুষ অনেক দীর্ঘ সময় ধরে কষ্ট পাচ্ছে। আমরা আর চুপ করে থাকব না।''' কোভিড-১৯ অতিমারী তার ভয়াবহ বিস্তারের মাধ্যমে আমাদের এক নজিরবিহীন জরুরি অবস্থার মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। তবে এই জরুরি অবস্থা আসলে আরও গভীর এবং দীর্ঘস্থায়ী একটি সংকটের ফল, তা হলো দারিদ্র্য ও চরম বৈষম্য। আমাদের সমাজ এমন ১৪০ মিলিয়ন মানুষের প্রয়োজনকে পাত্তাই দেয় না যারা হয় গরিব, না হয় সামান্য কোনো বিপদে পড়লেই গরিব হয়ে যাবে।
** রাষ্ট্রপতি [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], উপ-রাষ্ট্রপতি [[মাইক পেন্স]] এবং ১১৬তম মার্কিন কংগ্রেসের সদস্যদের কাছে লেখা চিঠিতে রেভ উইলিয়াম বারবার দ্বিতীয়, [https://www.poorpeoplescampaign.org/poverty-amidst-pandemic/ অতিমারীর মধ্যে দারিদ্র্য: কোভিড-১৯-এর একটি নৈতিক প্রতিক্রিয়া] (১৯ মার্চ ২০২০), লিজ থিওহারিসের সাথে যৌথভাবে লেখা, পুওর পিপলস ক্যাম্পেইন: এ ন্যাশনাল কল ফর এ মোরাল রিভাইভাল।
* নিয়মিতভাবে ভবিষ্যতের ঝুঁকিগুলো যাচাই করে দেখার মতো শৃঙ্খলা বা ধীরস্থির মনোভাব বেশির ভাগ নেতারই নেই। আর অনেক আগে থেকেই প্রধান বিপদটা ঠিকভাবে চিনে নিয়ে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার মতো দূরদর্শিতা তো আরও বিরল। এক কথায় বলতে গেলে, ট্রাম্প প্রশাসন পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। তারা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দেওয়া করোনাভাইরাস ছড়ানোর বারবার সতর্কতা যেমন গায়ে মাখেনি, তেমনি বিপদের তুলনায় দেশজুড়ে যে ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া দরকার ছিল, তাও নিতে পারেনি। ভাইরাসের এই ক্ষতি সামলানোর জন্য সরকারি ও বেসরকারি সব পক্ষকে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো ক্ষমতা আর সম্পদ কেবল কেন্দ্রীয় সরকারেরই ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, ট্রাম্পের কর্মকর্তারা একের পর এক ভুল ধারণা (কোভিড-১৯-এর বিপদকে গুরুত্ব না দেওয়া) এবং ভুল সিদ্ধান্ত (জরুরি ব্যবস্থা নিতে দেরি করা) নিয়েছেন। এর ফলে আমেরিকানদের নিরাপত্তা অকারণে ঝুঁকির মুখে পড়েছে। সংক্ষেপে, ট্রাম্প প্রশাসন আমেরিকান জনগণের ওপর এক বিশাল বড় বিপর্যয় চাপিয়ে দিয়েছে। তবে পার্ল হারবার বা ৯/১১-এর মতো অতীতের বড় বড় ঘটনাগুলোর তুলনায় এবারের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে নজিরবিহীন উদাসীনতা, এমনকি ইচ্ছাকৃত অবহেলার কারণে। উদাহরণস্বরূপ, ৯/১১ কমিশন রিপোর্ট যেমন আল-কায়েদার হামলার জন্য রোনাল্ড রেগান থেকে শুরু করে জর্জ ডব্লিউ বুশ পর্যন্ত বিভিন্ন প্রশাসনকে দায়ী করেছিল, এই করোনাভাইরাস সংকটের দায়ভার কিন্তু পুরোপুরি বর্তমান হোয়াইট হাউসের ওপরই বর্তায়। [...] করোনাভাইরাস ছড়ানোর শুরুর দিকে হোয়াইট হাউসের এই গা-ছাড়া ভাব আধুনিক রাষ্ট্রপতিত্বের ইতিহাসে সবথেকে বড় ভুল হিসেবে গণ্য হবে। তাদের কাছে যথেষ্ট আগে থেকেই পরিষ্কার সতর্কবার্তা ছিল এবং তারা চাইলেই দেশটাকে আরও ভালোভাবে প্রস্তুত করতে পারত। কিন্তু যেভাবে তারা দূরদর্শিতা আর সময়ের সুযোগ নষ্ট করেছে তা কখনোই ভোলা উচিত নয়। আর এর কারণটাও মনে রাখা দরকার: ট্রাম্প শুরু থেকেই ভুল ছিলেন, আর তার সাঙ্গোপাঙ্গরা সেই ভুলটাকেই দীর্ঘ সময় ধরে বড় করে দেখানোর চেষ্টা করেছে। আমেরিকানদের এখন দশকের পর দশক ধরে এর খেসারত দিতে হবে।
** মাইকা জেঙ্কো, [https://foreignpolicy.com/2020/03/25/coronavirus-worst-intelligence-failure-us-history-covid-19/ ''করোনাভাইরাস মার্কিন ইতিহাসের সবথেকে বড় গোয়েন্দা ব্যর্থতা''], ২৫ মার্চ ২০২০, ফরেন পলিসি।
==== এপ্রিল ২০২০ ====
* এই মহামারীর প্রাদুর্ভাব অবাক করার মতো, সত্যি বলতে আঁতকে ওঠার মতো, কিন্তু এর আবির্ভাবটা মোটেই অভাবিত ছিল না। আর এই সংকটে সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রেকর্ড সবথেকে খারাপ হওয়াটাও আশ্চর্যের কিছু নয়। [...] কোভিড-১৯ সংকট থেকে আমরা একসময় মুক্তি পাব, তবে তার জন্য এক ভয়াবহ এবং বিশাল মূল্য দিতে হবে, বিশেষ করে দরিদ্র আর অসহায় মানুষদের। কিন্তু মেরু অঞ্চলের বরফের আস্তরণ গলে যাওয়া আর বিশ্ব উষ্ণায়নের অন্যান্য বিধ্বংসী পরিণাম থেকে ফেরার কোনো পথ থাকবে না। [...] বর্তমান প্রশাসনের কাছে সম্ভাব্য অতিমারী সম্পর্কে যথেষ্ট সতর্কবার্তা ছিল। আসলে, গত অক্টোবরেই একটি উচ্চপর্যায়ের মহড়া বা সিমুলেশন চালানো হয়েছিল। ট্রাম্প ক্ষমতায় থাকাকালীন ঠিক সেভাবেই কাজ করেছেন যেভাবে আমরা তাকে দেখে অভ্যস্ত: সরকারের সব প্রয়োজনীয় বিভাগগুলোর তহবিল বন্ধ করে দিয়ে বা সেগুলোকে ভেঙে দিয়ে। তিনি মন দিয়ে তার করপোরেট প্রভুদের নির্দেশ মেনে চলেছেন। মুনাফা বাড়াতে বাধা দেয় এমন সব নিয়মকানুন তুলে দেওয়ার জন্য তিনি কাজ করছেন যাতে প্রাণের বিনিময়েও ব্যবসায়িক লাভ নিশ্চিত করা যায়। পরিবেশগত বিপর্যয়ের খাদের কিনারায় পৌঁছানোর দৌড়ে তিনি নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যা এখন পর্যন্ত তার সবথেকে বড় অপরাধ—আসলে এর ফলাফল বিবেচনা করলে এটি ইতিহাসের সবথেকে বড় অপরাধ।
** [[নোম চম্স্কি]], সি.জে. পলিচ্রনিউ-এর সাথে এক সাক্ষাৎকারে, [https://truthout.org/articles/chomsky-ventilator-shortage-exposes-the-cruelty-of-neoliberal-capitalism/ ''চম্স্কি: ভেন্টিলেটরের অভাব নিওলিবারাল ক্যাপিটালিজমের নিষ্ঠুরতাকে প্রকাশ করে''] (১ এপ্রিল ২০২০), ''ট্রুথআউট''।
* ক্ষমতা নিয়ে দলাদলি বা রেষারেষি এই প্রশাসনের একটা চিরচেনা রূপ, আর এই অতিমারী মোকাবিলার ক্ষেত্রেও তার কোনো ব্যতিক্রম হয়নি। [...] এমনকি তাদের কাজকর্মের মধ্যেও কোনো অভ্যন্তরীণ মিল বা শৃঙ্খলা দেখা যাচ্ছে না।
** মিশেল গোল্ডবার্গ, [https://www.nytimes.com/2020/04/02/opinion/jared-kushner-coronavirus.html ''জ্যারেড কুশনারকে দায়িত্বে রাখাটা চরম পাগলামি''] (২ এপ্রিল ২০২০), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস''।
* জীবনে না হলেও, এই প্রশাসনে অন্তত তাই (অর্থাৎ মানুষ বড়ই একা)।
** অ্যান্ড্রু কুওমোর বক্তব্য: "ধরে নিন জীবনে আপনি একাই পথ চলছেন" প্রসঙ্গে [[মিশেল গোল্ডবার্গ]], [https://www.nytimes.com/2020/04/02/opinion/jared-kushner-coronavirus.html ''জ্যারেড কুশনারকে দায়িত্বে রাখাটা চরম পাগলামি''] (২ এপ্রিল ২০২০), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস''।
* প্রেসিডেন্ট হলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট, তাই তার কথাগুলোকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য হিসেবেই গণ্য করা হয়।
** হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি শন স্পাইসার, [https://www.cnn.com/2017/06/06/politics/trump-tweets-official-statements/index.html হোয়াইট হাউস: ট্রাম্পের টুইটগুলো 'অফিসিয়াল স্টেটমেন্ট' বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য] ৬ জুন, (প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের টুইটার বার্তার মর্যাদা প্রসঙ্গে)।
* সে ১ কোটি ৫০ লক্ষেরও বেশি কর্মসংস্থান তৈরি করেছে।
** নিজের মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্প সম্পর্কে ব্যবসায়িক নেতাদের সাথে এক ফোনালাপে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। কোনো ব্যাখ্যা বা প্রমাণ দেওয়া হয়নি। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৪-০৭ |শিরোনাম=ট্রাম্প দাবি করেছেন যে তার মেয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মোট কর্মসংস্থানের ১০ শতাংশ তৈরি করেছে |লেখক=ইয়ান মিলহিজার |সাময়িকী=Vox|ইউআরএল=https://www.vox.com/2020/4/8/21212802/trump-ivanka-10-percent-jobs-walmart-15-million}}
* যখন কেউ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হন, তখন তার ক্ষমতা হয় নিরঙ্কুশ।
** করোনাভাইরাস টাস্ক ফোর্সের প্রেস ব্রিফিংয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৪-১৩ |শিরোনাম=সিএনএন রিপোর্টার সরাসরি ট্রাম্পের মুখের ওপর প্রতিবাদ করেন যখন তিনি রাজার মতো ক্ষমতার দাবি করেন |লেখক=কোডি ফেনউইক |সাময়িকী=রস্টোরি |ইউআরএল=https://www.rawstory.com/2020/04/cnn-reporter-flat-out-contradicts-trump-to-his-face-when-he-claims-king-like-authority/}}
* এই কারণেই আপনাদের রেটিং এত খারাপ, কারণ আপনারা করুণার পাত্র। বলে যান। শুরু করুন। আপনাদের রেটিং ভয়াবহ। আপনাদের আবার আসল খবরের দিকে ফিরে যাওয়া উচিত। বলে যান।
** একজন সাংবাদিকের কথা থামিয়ে দিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যিনি "আগামী সপ্তাহে মাসের প্রথম তারিখ..." বলে প্রশ্ন শুরু করেছিলেন। হোয়াইট হাউস করোনাভাইরাস টাস্ক ফোর্স ব্রিফিং (১৯ এপ্রিল ২০২০), [https://www.rev.com/blog/transcripts/donald-trump-coronavirus-press-conference-transcript-april-19 ডোনাল্ড ট্রাম্পের করোনাভাইরাস সংবাদ সম্মেলনের প্রতিলিপি ১৯ এপ্রিল]
* আমি খুব সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করি। বাণিজ্য চুক্তি, সামরিক পুনর্গঠন ইত্যাদি দেখাশোনার জন্য আমি অনেক মাস ধরে হোয়াইট হাউস থেকে বের হইনি (কেবল হাসপাতাল জাহাজ কমফোর্ট উদ্বোধন করা ছাড়া)। আর এরপর আমি সেই লোকসান হতে থাকা নিউ ইয়র্ক টাইমসে আমার কাজের সময়সূচী আর খাদ্যাভ্যাস নিয়ে একটা ভুয়া খবর পড়লাম, যা লিখেছে একজন তৃতীয় শ্রেণির সাংবাদিক যে আমার সম্পর্কে কিছুই জানে না। আমি প্রায়ই গভীর রাত পর্যন্ত ওভাল অফিসে থাকি আর পরে পড়ি বা দেখি যে আমি নাকি আমার শোবার ঘরে বসে রাগে রাগে হ্যামবার্গার আর ডায়েট কোক খাচ্ছি। আমার সাথে যারা থাকেন তারা সবসময় অবাক হন। আমাকে ছোট করার জন্য সব কিছুই চলে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৪-২৬ |শিরোনাম='হ্যামবারগার' এবং 'নোবেল প্রাইজ': বানানে ভুল করা টুইটার বার্তায় গণমাধ্যমকে আক্রমণ ট্রাম্পের |লেখক=অ্যালেক্স উডওয়ার্ড |সাময়িকী=ইন্ডিপেন্ডেন্ট |ইউআরএল=https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-politics/donald-trump-latest-coronavirus-hamburger-nobel-prize-russia-a9485006.html}}
* রাশিয়া, রাশিয়া, রাশিয়া নিয়ে কাজ করার জন্য সেই সব 'রিপোর্টার' যারা নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন, অথচ শেষে তারা পুরোপুরি ভুল প্রমাণিত হয়েছেন (এবং আসলে অন্য পক্ষই অপরাধ করেছিল), তারা কবে তাদের প্রিয় 'নোবেল' ফিরিয়ে দেবেন যাতে সেগুলো সেই সব আসল রিপোর্টার আর সাংবাদিকদের দেওয়া যায় যারা সঠিক খবর দিয়েছিলেন?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৪-২৬ |শিরোনাম=রাশিয়া তদন্ত নিয়ে সংবাদ করা সাংবাদিকদের 'নোবেল প্রাইজ' ফিরিয়ে দিতে বললেন ট্রাম্প, পরে টুইটটি মুছে ফেলা হয় |লেখক=জেমস পাসলে |সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার |ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-deletes-tweet-calling-for-journalists-to-return-noble-prizes-2020-4?r=US&IR=T}}
* এরা খুব ভালো মানুষ, তবে তারা রাগান্বিত।
** মিশিগানে স্টেট ক্যাপিটল দখল করা সশস্ত্র বিক্ষোভকারীদের সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-০১ |শিরোনাম=বন্দুক নিয়ে সংসদ ভবন দখল করা 'খুব ভালো মানুষদের' দাবি মেনে নিতে মিশিগানের গভর্নরকে ট্রাম্পের তাগিদ |লেখক=ট্রাভিস গেটিস |সাময়িকী=রস্টোরি |ইউআরএল=https://www.rawstory.com/2020/05/trump-urges-michigan-governor-to-give-in-to-very-good-people-who-stormed-statehouse-with-guns/}}
====মে ২০২০====
* আমরা ৮ বছরের মধ্যে এইডস-মুক্ত হব। আমরা শুরু করেছি, আসলে ১০ বছর আগে শুরু করা উচিত ছিল। আগের প্রশাসনের আমলেই এটি শুরু হওয়া উচিত ছিল। তারা কিছুই করেনি। আমার প্রশাসনের সময়েই এর শুরু হয়েছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-০৩ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ফক্স নিউজের টাউন হলে করোনাভাইরাস এবং অন্যান্য বিষয়ে ট্রাম্পের একগুচ্ছ মিথ্যা দাবি |লেখক=ড্যানিয়েল ডেল |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/05/03/politics/fact-check-fox-news-townhall-trump-may-3/index.html}}
* আমাদের যে ঐক্য আছে, এক অর্থে আমাদের মধ্যে দারুণ মিল রয়েছে, আবার অন্য অর্থে আমার মনে হয় তারাও সাথে আসবে। আমি বলতে চাইছি, আমি তো অবশ্যই তেমনটাই আশা করি। তবে আমার প্রধান কাজ হলো আমাদের দেশকে আগের জায়গায় ফিরিয়ে আনা। আমি একে আগের অবস্থায় বা হয়ত তার চেয়েও ভালো অবস্থানে নিয়ে যেতে চাই। আপনারা জানেন তো, আমাদের হাতে এখন এক বিশাল প্রণোদনা রয়েছে সেই সব অর্থ যা নিয়ে আজ রাতে আমরা এ পর্যন্ত কথা বলেছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-০৪ |শিরোনাম=লিঙ্কন মেমোরিয়ালে ফক্স টাউন হলে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৪৫টি সবথেকে চমকপ্রদ উক্তি |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/05/04/politics/donald-trump-fox-lincoln-memorial/index.html}}
* তো ক্যালিফোর্নিয়াতে ডেমোক্র্যাটরা ডাকযোগে ব্যালট পাঠিয়ে ভোট নেওয়ার জন্য পাগল হয়ে লড়াই করেছিল এবং সফলও হয়েছিল। তারা এখন সেই অঙ্গরাজ্যের সবথেকে বেশি ডেমোক্র্যাট-ঘেঁষা এলাকায় ভোট দেওয়ার বুথ খুলেছে। তারা আরেকটি নির্বাচনে কারচুপি করার চেষ্টা করছে। সেখানে সবকিছুই সাজানো। এই ভোটগুলো অবশ্যই গণ্য করা যাবে না। প্রতারণা!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-০৯ |শিরোনাম=উন্মত্ত টুইটগুলোতে ট্রাম্প বলেছেন ক্যালিফোর্নিয়ার সব ভোট ‘অবশ্যই গণ্য করা যাবে না’ |লেখক=মার্ক এনসি |সাময়িকী=নিউজ করপস |ইউআরএল=https://www.newscorpse.com/ncWP/?p=45212}}
* খাস খবর: মিশিগান প্রাথমিক ও সাধারণ নির্বাচনের আগে ৭৭ লক্ষ মানুষের কাছে অ্যাবসেন্ট ব্যালট (অনুপস্থিত ভোটারদের ব্যালট) পাঠাচ্ছে। একজন উদ্ধত সেক্রেটারি অফ স্টেট কোনো অনুমতি ছাড়াই এটি বেআইনিভাবে করেছেন। মিশিগান যদি ভোটার জালিয়াতির এই পথে হাঁটতে চায়, তবে আমি তাদের অর্থ সাহায্য আটকে দেওয়ার কথা বলব!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-২০ |শিরোনাম=মিশিগানের অ্যাবসেন্ট ব্যালট আবেদন নিয়ে ট্রাম্পের মিথ্যা টুইট |লেখক=ডি'অ্যাঞ্জেলো গোর |সাময়িকী=FactCheck.org |ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/05/trumps-false-tweet-about-michigan-absentee-ballot-applications/}}
* আর জানেন তো, আপনি যখন "মাথাপিছু" বা পার ক্যাপিটা বলেন, সেখানে অনেক ধরনের পার ক্যাপিটা আছে। এটা অনেকটা এমন যে কার তুলনায় মাথাপিছু? তবে আপনি যেকোনো বিভাগই দেখুন না কেন, মাথাপিছু হিসেবেও আমরা একদম শীর্ষে অর্থাৎ ভালো অবস্থানে আছি। তারা দারুণ কাজ করেছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-২০ |শিরোনাম=কোভিড-১৯ নিয়ে আলোচনার সময় ট্রাম্প কি বলেছিলেন যে ‘অনেক ধরনের পার ক্যাপিটা’ আছে? |লেখক=কিম লাক্যাপ্রিয়া |সাময়িকী=TruthOrFiction.com |ইউআরএল=https://www.truthorfiction.com/did-president-trump-say-there-were-many-per-capitas-in-a-covid-19-discussion/}}
* আমি পাঁচ বছর আগে মিশিগানে ‘ম্যান অফ দ্য ইয়ার’ হিসেবে সম্মানিত হয়েছিলাম।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-২২ |শিরোনাম=মিশিগানে ট্রাম্পের সন্দেহজনক ‘ম্যান অফ দ্য ইয়ার’ হওয়ার বড়াই |লেখক=রবার্ট ফার্লি |সাময়িকী=actCheck.org |ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2019/08/trumps-dubious-michigan-man-of-the-year-boast/}}
* ডাকযোগে পাঠানো ব্যালট বা মেল-ইন ব্যালটে যে বড় ধরনের কারচুপি হবে না, তার কোনো সম্ভাবনাই নেই (একদম শূন্য)! ডাকবক্সগুলো চুরি হবে, ব্যালট জাল করা হবে, এমনকি সেগুলো অবৈধভাবে ছাপানো আর তাতে জালিয়াতি করে সইও করা হবে। ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে ব্যালট পাঠাচ্ছেন। ওই রাজ্যে বসবাসকারী যে কেউ, সে যে-ই হোক বা যেভাবেই সেখানে আসুক না কেন, সে একটি ব্যালট পাবে। এরপর আসবে কিছু পেশাদার লোক, যারা এই সব মানুষদের বলে দেবে কীভাবে আর কাকে ভোট দিতে হবে। এদের মধ্যে অনেকে আবার আগে কখনো ভোট দেওয়ার কথা ভাবেনি। এটি একটি সাজানো নির্বাচন হবে। অসম্ভব!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1265255835124539392 টুইটারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৬ মে ২০২০)
* ভেবে দেখুন তো, আপনার স্থানীয় ফোন কোম্পানিগুলো যদি আপনার বলা কথাগুলো এডিট করার বা সেন্সর করার চেষ্টা করত। সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোর ক্ষমতা তো তার চেয়েও অনেক বেশি।
** {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-২৮ |শিরোনাম=সোশ্যাল মিডিয়া দমনের যুক্তি দিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি হাস্যকর তুলনা ব্যবহার করেছেন |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/05/28/politics/donald-trump-twitter-facebook-social-media-executive-order/index.html}}
====জুন ২০২০====
[[File:President Trump Visits St. John's Episcopal Church (49963649028).jpg|thumb|আপনাদের আধিপত্য বিস্তার করতে হবে নতুবা আপনাদের একদল মূর্খ মনে হবে, আপনাদের লোকজনকে গ্রেফতার করতে হবে এবং তাদের বিচার করতে হবে।]]
* আপনাদের আধিপত্য বিস্তার করতে হবে নতুবা আপনাদের একদল মূর্খ মনে হবে, আপনাদের লোকজনকে গ্রেফতার করতে হবে এবং তাদের বিচার করতে হবে।
* আপনাদের খুব বেশি সাবধান হওয়ার দরকার নেই।
** জর্জ ফ্লয়েড হত্যার পর পুলিশি সহিংসতার বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারী সাধারণ মানুষের প্রতি কেমন প্রতিক্রিয়া দেখাতে হবে সে বিষয়ে মার্কিন গভর্নরদের নির্দেশ দিচ্ছেন [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-০১ |শিরোনাম=বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে গভর্নরদের আক্রমণাত্মক কৌশল ব্যবহারের উৎসাহ দিচ্ছেন উত্তেজিত ট্রাম্প |লেখক=কেভিন লিপটাক, রায়ান নোবলস, সারাহ ওয়েস্টউড |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/06/01/politics/donald-trump-race-police/index.html}}
* ওয়াশিংটন, ডি.সি. গত রাতে পৃথিবীর সবথেকে নিরাপদ জায়গা ছিল!
** [https://twitter.com/realdonaldtrump/status/1267959729361485825 ২ জুন ২০২০-এর টুইট], ৮ জুন ২০২০, [https://www.usnews.com/news/politics/articles/2020-06-07/ap-fact-check-trump-exaggerations-on-blacks-economic-gains ইউএস নিউজ]।
* এটি তার জন্য একটি দারুণ দিন। এটি সবার জন্যই একটি দারুণ দিন। গুণের বিচারে এটি খুবই চমৎকার একটি দিন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] দাবি করেছেন যে মার্কিন অর্থনীতি "আবার সঠিক পথে ফিরে এসেছে", এবং তিনি এর সাথে জর্জ ফ্লয়েডকে যুক্ত করেছেন, যাকে কয়েক দিন আগে পুলিশ হত্যা করেছিল। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-০৫ |শিরোনাম=জর্জ ফ্লয়েড ওপর থেকে নিচে তাকিয়ে দেখছেন এবং দিনটিকে ‘একটি দারুণ দিন’ বলার জন্য ট্রাম্পের সমালোচনা |লেখক=এমা রোজমার্জি |সাময়িকী=ইউনিলাড |ইউআরএল=https://www.unilad.co.uk/news/trump-criticised-for-saying-george-floyd-is-looking-down-and-calling-it-a-great-day/}}
* বাফেলোর যে বিক্ষোভকারীকে পুলিশ ধাক্কা দিয়েছিল সে একজন অ্যান্টিফা প্ররোচনাকারী হতে পারে। ৭৫ বছর বয়সী মার্টিন গুগিনোকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল কারণ মনে হচ্ছিল তিনি পুলিশের যোগাযোগের সরঞ্জামগুলো অকেজো করার জন্য স্ক্যান করছিলেন। @OANN আমি দেখেছি, তাকে যত জোরে ধাক্কা দেওয়া হয়েছিল তার চেয়েও বেশি জোরে তিনি পড়ে গিয়েছিলেন। তিনি স্ক্যানার দিয়ে লক্ষ্য করছিলেন। এটি কি কোনো সাজানো নাটক হতে পারে?
** পুলিশের হাতে নিষ্ঠুরভাবে নির্যাতিত হওয়ার পর মস্তিষ্কে আঘাত পাওয়া শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারী মার্টিন গুগিনো সম্পর্কে কোনো প্রমাণ ছাড়াই [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই সব মন্তব্য বারবার করেছেন। যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-০৯ |শিরোনাম=বাফেলো পুলিশের ধাক্কায় পড়ে যাওয়া ৭৫ বছর বয়সী বৃদ্ধের বিরুদ্ধে পড়ে যাওয়ার নাটক করার অভিযোগ ট্রাম্পের |লেখক=ক্যামেরন ফিউ |সাময়িকী=ইউনিলাড |ইউআরএল=https://www.unilad.co.uk/news/trump-accuses-75-year-old-knocked-down-by-buffalo-police-of-faking-fall/}}
* আমার মনে হয় অন্য যেকোনো রাষ্ট্রপতির চেয়ে আমি কৃষ্ণাঙ্গ সম্প্রদায়ের জন্য বেশি কাজ করেছি এবং চলুন আমরা আব্রাহাম লিংকনকে বাদ দিই কারণ তিনি ভালো কাজ করেছিলেন যদিও সেটা সবসময়ই প্রশ্নবিদ্ধ, মানে সহজ কথায় শেষ ফলাফলটা।
** জর্জ ফ্লয়েড বিক্ষোভ চলাকালীন ফক্স নিউজের সাথে এক সাক্ষাৎকারে নিজের নেতৃত্ব এবং আফ্রিকান-আমেরিকান সম্প্রদায়ের সাথে সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার সময় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন। জেরেমি স্টাহলের নিবন্ধ "[https://slate.com/news-and-politics/2020/06/what-was-trump-trying-to-say-about-abraham-lincoln.html আব্রাহাম লিংকন সম্পর্কে ট্রাম্প কী বলতে চেয়েছিলেন?]" ১২ জুন ২০২০, ''স্লেট''।
* সে একজন মিথ্যাবাদী... হোয়াইট হাউসের সবাই জন বোল্টনকে ঘৃণা করত।
** নিজের বেছে নেওয়া জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেন, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-১৫ |শিরোনাম=বোল্টনের বিস্ফোরক বই প্রকাশের পর ট্রাম্প তাকে ‘মিথ্যাবাদী’ বলে অভিহিত করেছেন এবং বলেছেন ‘হোয়াইট হাউসের সবাই তাকে ঘৃণা করত’ |লেখক=নিকোল ডারা |সাময়িকী=দ্য সান |ইউআরএল=https://www.the-sun.com/news/999925/trump-john-bolton-book-white-house-liar/}}
* এরাই সেই সব মানুষ — সবথেকে সেরা, সবথেকে স্মার্ট, সবথেকে মেধাবী, আর তারা এইডসের টিকা আবিষ্কার করেছে। তারা... আরও নানা কিছু আবিষ্কার করেছে।
** বিজ্ঞানীদের সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই দাবি করেন, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-১৬ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: অস্তিত্বহীন এইডস টিকা নিয়ে ট্রাম্পের দাবি |লেখক=ক্যালভিন উডওয়ার্ড, হোপ ইয়েন |সাময়িকী=নিউজ ১২ |ইউআরএল=https://www.kxii.com/content/news/AP-FACT-CHECK-Trump-on-an-AIDS-vaccine-that-doesnt-exist-571309161.html/}}
* আমি একটা ভালো কাজ করেছি: আমি জুনটিন্থকে খুব বিখ্যাত করে তুলেছি।<br>এটি আসলে একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান, একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। কিন্তু আগে কেউ এর নাম শোনেনি।
** বুধবার ১৭ জুন ২০২০-এ ওভাল অফিসে দেওয়া সাক্ষাৎকারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন। ১৯ জুন ২০২০-এ ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের মাইকেল বেন্ডারের [https://www.wsj.com/articles/trump-talks-juneteenth-john-bolton-economy-in-wsj-interview-11592493771 একটি নিবন্ধ] অনুযায়ী এবং ২১ জুন ২০২০-এ দ্য গার্ডিয়ানের রিচার্ড ওল্ফের[https://www.theguardian.com/commentisfree/2020/jun/20/donald-trump-tulsa-rally-crowd-empty-seats লেখায়] এটি বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
* আমি বললাম, 'জেনারেল, কোনো রেলিং ছাড়া ওই ঢালু পথ দিয়ে নিচে নামতে গিয়ে আছাড় না খেয়ে নামা আমার পক্ষে অসম্ভব, জেনারেল।'
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-২০ |শিরোনাম=১৭৯৮টি শব্দ যা প্রমাণ করে যে ওয়েস্ট পয়েন্টের ঢালু পথ নামার গল্প নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প কতটা আচ্ছন্ন |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/06/22/politics/donald-trump-tulsa-rally-west-point-ramp/index.html |ভাষা=en-US}}
* আপনাদের ৪০১(কে) (অবসরকালীন সঞ্চয়) এবং আপনাদের টাকা-পয়সা সব মূল্যহীন হয়ে পড়বে।
** জো বাইডেন যদি পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জেতেন তবে কী হবে সে সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-২০ |শিরোনাম=অতিমারী নিয়ে আবারও মিথ্যাচার, জুনের শুরু থেকে জুলাইয়ের শুরু পর্যন্ত ট্রাম্প ২০০টি মিথ্যা দাবি করেছেন |লেখক=ড্যানিয়েল ডেল, তারা সুব্রামানিয়াম |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/07/18/politics/fact-check-trump-june-july-2020/index.html |ভাষা=en-US}}
* সাজানো ২০২০ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ভিনদেশ এবং অন্যরা লক্ষ লক্ষ ডাক-ব্যালট ছাপাবে। এটি হবে আমাদের সময়ের সবথেকে বড় কেলেঙ্কারি!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]-এর দাবি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-২২ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ডাকযোগে ভোট দেওয়া নিয়ে ভিত্তিহীন দাবি ছড়াচ্ছেন ট্রাম্প |লেখক=মাইলস পার্কস |সাময়িকী=এনপিআর |ইউআরএল=https://apnews.com/1d1a98892bdc7e1df97807b3be48bb13 |ভাষা=en-US}}
* আচ্ছা, একটি বিষয় যা সত্যিই দারুণ হবে তা হলো — অভিজ্ঞতা শব্দটির কদর এখনো আছে। আমি সবসময় বলি অভিজ্ঞতার চেয়ে প্রতিভাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমি সবসময় এটাই বলেছি। কিন্তু অভিজ্ঞতা শব্দটিও খুব গুরুত্বপূর্ণ। এর একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ অর্থ আছে। আমি আগে কখনো এটা করিনি। আমি কখনো ওয়াশিংটনে রাত কাটাইনি। আমি ওয়াশিংটনে বড়জোর ১৭ বার এসেছিলাম। আর হঠাৎ করে আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হয়ে গেলাম। আপনারা তো গল্পটা জানেন। আমি ফার্স্ট লেডির সাথে পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউ দিয়ে যাচ্ছিলাম আর বলছিলাম, ‘এটা দারুণ। কিন্তু আমি ওয়াশিংটনের খুব বেশি মানুষকে চিনতাম না। এটি আমার চেনা জায়গা ছিল না। আমি ম্যানহাটন থেকে, নিউ ইয়র্ক থেকে এসেছিলাম। এখন আমি সবাইকে চিনি এবং প্রশাসনে আমার কাছে দারুণ সব মানুষ আছে। আপনি কিছু ভুল করবেনই। যেমন, ওই গাধাটার কথা ধরুন, ওই যে বোল্টন। সে সবসময় চাইত সবার ওপর বোমা ফেলতে। আপনার তো সবার ওপর বোমা ফেলার দরকার নেই। মানুষের প্রাণ নেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
** "দ্বিতীয় মেয়াদে আপনার অগ্রাধিকারগুলো কী হবে?" - এই প্রশ্নের জবাবে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন। যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৭-১৭ |শিরোনাম=দ্বিতীয় মেয়াদের পরিকল্পনা নিয়ে ট্রাম্পের আবোলতাবোল বকুনি |লেখক=অ্যাডাম কে রেমন্ড |সাময়িকী=নিউ ইয়র্ক ম্যাগাজিন |ইউআরএল=https://nymag.com/intelligencer/2020/06/trump-hannity-interview-full-of-unintelligible-rambling.html}}
* রাশিয়ানরা [[আফগানিস্তান]]ে আমাদের সেনাদের ওপর তথাকথিত যে হামলা চালিয়েছে সে সম্পর্কে আমাকে, @উপ-রাষ্ট্রপতি পেন্স অথবা চিফ অফ স্টাফ @মার্কমিডোসকে কেউ কিছুই বলেনি।
** আফগানিস্তানে মার্কিন সেনাদের হত্যার জন্য রাশিয়ান গোয়েন্দারা তালিবানদের টাকা দিচ্ছে, এমন একটি সংবাদ প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেন। যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-২৮ |শিরোনাম=মার্কিন সেনাদের হত্যার জন্য পুরস্কার বা বাউন্টি দেওয়ার খবর সম্পর্কে তাকে ব্রিফ করার বিষয়টি অস্বীকার করলেন ট্রাম্প |লেখক=কাইল বালুক |সাময়িকী=দ্য হিল |ইউআরএল=https://thehill.com/homenews/administration/504890-trump-denies-he-was-briefed-on-reported-bounties-on-us-troops |ভাষা=en-US}}
* আপনারা কি স্রেফ তাদের গুলি করতে পারেন না? স্রেফ তাদের পায়ে বা এমন কোথাও গুলি করুন না?
** জর্জ ফ্লয়েড হত্যার পর হোয়াইট হাউসের আশেপাশে রাস্তায় বিক্ষোভকারীদের সম্পর্কে জুন ২০২০-এ [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেছিলেন। প্রাক্তন প্রতিরক্ষা সচিব মার্ক এসপারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এটি [https://www.axios.com/mark-esper-book-trump-protesters-24e93272-2af5-423d-be3b-164daab7b43d.html "স্কুপ: এসপার বলেছেন ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের গুলি করতে চেয়েছিলেন"], অ্যাক্সিওস, ২ মে ২০২২।
====জুলাই ২০২০====
* সমাজ ও প্রকৃতির সকল নিয়মের বিরুদ্ধে গিয়ে আমাদের শিশুদের স্কুলে শেখানো হচ্ছে নিজেদের দেশকে ঘৃণা করতে। তাদের বিশ্বাস করানো হচ্ছে যে যারা এই দেশ গড়ে তুলেছিলেন তারা নায়ক নন বরং খলনায়ক ছিলেন। আমেরিকান ইতিহাসের এই কট্টরপন্থী দৃষ্টিভঙ্গি আসলে মিথ্যার জাল। এখানে সব প্রেক্ষিত সরিয়ে ফেলা হয়েছে, সমস্ত গুণকে আড়াল করা হয়েছে, প্রতিটি উদ্দেশ্যকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রতিটি তথ্য বিকৃত করা হয়েছে এবং প্রতিটি ত্রুটিকে এমনভাবে বড় করে দেখানো হয়েছে যাতে ইতিহাস পুরোপুরি মুছে যায় এবং সমস্ত নথিপত্র চেনা দায় হয়ে পড়ে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-০৩ |শিরোনাম=বাইডেন শিক্ষকদের বলেছেন যে তারা সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করছেন, একই দিনে ট্রাম্প বলেছেন যে শিক্ষকরা শিশুদের ‘দেশকে ঘৃণা করতে’ শেখাচ্ছেন |লেখক=ভ্যালেরি স্ট্রস |সাময়িকী=ইন্ডিপেন্ডেন্ট |ইউআরএল=https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-election/biden-trump-teachers-education-policy-2020-election-a9603156.html}}
* আমাদের বিদ্যালয়গুলোতে, আমাদের নিউজ রুমগুলোতে, এমনকি আমাদের কর্পোরেট বোর্ডরুমগুলোতেও এক নতুন কট্টর বামপন্থী ফ্যাসিবাদ এসেছে যা সবার কাছ থেকে নিঃশর্ত আনুগত্য দাবি করে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-০৩ |শিরোনাম=মাউন্ট রাশমোর ভাষণে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২৮টি সবথেকে আপত্তিকর উক্তি |লেখক=ভ্যালেরি স্ট্রস |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/07/04/politics/donald-trump-mount-rushmore-south-dakota-speech-lines/index.html}}
* আমাদের -- এপ্রিলের পর থেকে ভোক্তাদের আত্মবিশ্বাস ১২ পয়েন্ট বেড়েছে, যা সর্বকালের সর্বোচ্চ। ভেবে দেখুন একবার।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের একটি অসত্য দাবি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-০৯ |শিরোনাম=আবারও অতিরঞ্জিত কথা, ট্রাম্পের দাবি চারটি অর্থনৈতিক সূচক রেকর্ড গড়েছে যা আসলে কোনো রেকর্ড নয় |লেখক=ড্যানিয়েল ডেল |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/07/06/politics/fact-check-trump-june-jobs-exaggerations/index.html}}
* অনেক বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্কুল ব্যবস্থা এখন পড়াশোনার বদলে কট্টর বামপন্থী মতাদর্শ চাপিয়ে দেওয়ার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। তাই আমি ট্রেজারি বিভাগকে তাদের কর-মুক্ত সুবিধা এবং অর্থায়ন পুনরায় খতিয়ে দেখতে বলছি। যদি এই অপপ্রচার বা জনস্বার্থ বিরোধী কাজ চলতে থাকে, তবে সেই সব সুবিধা কেড়ে নেওয়া হবে। আমাদের শিশুদের শিক্ষা দিতে হবে, তাদের ওপর কোনো মতাদর্শ চাপিয়ে দেওয়া যাবে না!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১১ |শিরোনাম=মার্কিন স্কুলগুলো পুনরায় খোলার বিষয়ে ট্রাম্পের চাপের মুখে ডাক্তার ও শিক্ষকদের অসম্মতি |লেখক=সুসান হেভি |সাময়িকী=রয়টার্স |ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/us-health-coronavirus-uda-education/in-bid-to-reopen-u-s-schools-trump-threatens-their-tax-exempt-status-idUSKBN24B2D3?il=0}}
* আমি একটি জটিল এলাকায় একটি বেসরকারি গোষ্ঠীর দ্বারা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে টাকা তুলে দেওয়ালের এই খুব ছোট অংশটি তৈরির বিরোধী ছিলাম। এটি কেবল আমাকে ছোট করার জন্য করা হয়েছিল এবং হয়ত এখন এটি কাজও করছে না। এটি দেওয়ালের বাকি ৫০০ মাইলের মতোই তৈরি করা উচিত ছিল।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১২ |শিরোনাম=সমর্থকদের অর্থায়নে নির্মিত দেওয়ালের অস্থিতিশীল অংশটি কেবল 'আমাকে ছোট করার জন্য করা হয়েছিল' বলে দাবি ট্রাম্পের |লেখক= ক্যাথরিন গার্সিয়া | সাময়িকী=দ্য উইক |ইউআরএল=https://theweek.com/speedreads/925124/trump-says-possibly-unstable-section-border-wall-funded-by-supporters-only-done-make-look-bad}}
* আমি এমন অনেককে চিনি যারা কনফেডারেট পতাকা পছন্দ করেন এবং তারা [[দাসত্ব]]ের কথা ভাবছেন না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১৮ |শিরোনাম=ট্রাম্প একটি কনফেডারেট পতাকার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন যেখানে তার অনেক সমর্থক আগেই হার মেনে নিয়েছে |লেখক= টিনা নগুয়েন | সাময়িকী=পলিটিকো |ইউআরএল=https://www.politico.com/news/2020/07/18/trump-confederate-flag-battle-368607}}
* দেখুন, আমি সবসময় সবকিছুর জন্য দায়িত্ব নিই কারণ শেষ পর্যন্ত এটি আমারই কাজ। আমাকে সবাইকে একই সারিতে আনতে হয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১৯ |শিরোনাম=করোনাভাইরাস নিয়ে সমালোচকদের জবাব দিলেন ট্রাম্প, বিশেষ সাক্ষাৎকারে কথা বললেন নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেবেন কি না তা নিয়ে |লেখক= রন ব্লিটজার | সাময়িকী=ফক্স নিউজ |ইউআরএল=https://www.foxnews.com/politics/trump-pushes-back-against-critics-on-coronavirus-addresses-whether-he-will-accept-election-results-in-exclusive-interview}}
* আমি সত্যি বলছি, আমি ফক্স নিউজের খুব একটা ভক্ত নই।
* আমরা দুই সপ্তাহের মধ্যে একটি স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনা সই করতে যাচ্ছি, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ এবং সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনা যা করার অধিকার ডাকা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত আমাকে দিয়েছে। তাই আমরা সমাধান করতে যাচ্ছি আমরা একটি অভিবাসন পরিকল্পনা, একটি স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনা এবং অন্যান্য আরও কিছু পরিকল্পনা সই করতে যাচ্ছি। আগামী চার সপ্তাহে আমি যা করতে যাচ্ছি তা আগে কেউ করেনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১৯ |শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্প বনাম ফক্স নিউজ সানডে: একটি উত্তপ্ত সাক্ষাৎকারের কিছু বিশেষ মুহূর্ত |লেখক= আমান্ডা হোলপাচ | সাময়িকী=দ্য গার্ডিয়ান |ইউআরএল=https://www.theguardian.com/us-news/2020/jul/19/donald-trump-fox-news-sunday-chris-wallace-interview}}
* আসলে আপনি যখন ভালো কিছু দেখেন তখন সেটার কোনো তদন্ত বা যাচাই করেন না।
** মাঝেমধ্যে অদ্ভুত সব বিষয় রিটুইট করার অভ্যাস সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-২২ |শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বীকার করেছেন যে তিনি প্রায়ই নিজের টুইট নিয়ে আফসোস করেন, বলেছেন তার রিটুইটগুলো তাকে বিপদে ফেলে দেয় এবং সেই সব পুরোনো দিনের কথা মনে করেন যখন একটি চিঠি লিখে এক দিন ফেলে রাখা যেত |লেখক= এরিয়েল জিলবার | সাময়িকী=ডেইলি মেইল |ইউআরএল=https://www.dailymail.co.uk/news/article-8558493/Trump-says-regrets-Twitter-posts-admits-times-love-it.html}}
* এটি যদি আমার টেবিলে আসত তবে আমি অবশ্যই এ নিয়ে কিছু করতাম।
** আফগানিস্তানে আমেরিকানদের হত্যার জন্য রাশিয়া জঙ্গিদের পুরস্কার, এমন একটি মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের প্রেক্ষিতে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেন। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-২৮ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: ওষুধের দাম ও হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন নিয়ে ট্রাম্পের জাঁকজমকপূর্ণ কথা |লেখক=হোপ ইয়েন এবং ক্যালভিন উডওয়ার্ড | সাময়িকী=স্টার ট্রিবিউন |ইউআরএল=https://www.startribune.com/ap-fact-check-trump-hype-on-drug-costs-hydroxychloroquine/571989352/}}
* যেসব নৈরাজ্যবাদী, উস্কানিদাতা বা বিক্ষোভকারী পোর্টল্যান্ডের আমাদের ফেডারেল আদালত ভবন বা আমাদের যেকোনো শহর বা অঙ্গরাজ্যের ফেডারেল ভবন ভাঙচুর বা ক্ষতি করবে, তাদের আমাদের সম্প্রতি পুনরায় কার্যকর করা মূর্তি ও স্মৃতিস্তম্ভ আইনের আওতায় বিচার করা হবে। কমপক্ষে দশ বছরের জেল। এমনটা করবেন না!
** [https://mobile.twitter.com/Oijans/status/1346916360178302978 টুইটার] বার্তায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ২৮ জুলাই ২০২০।
* আমি মনে করি সে একটি চমৎকার প্রার্থী হতে পারে, [[কমলা হ্যারিস]]। সে একটি চমৎকার প্রার্থী হবে।
** কমলা হ্যারিস-এর উপ-রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য, যা একটি [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-marine-one-departure-072920/ হোয়াইট হাউসের প্রতিলিপি] থেকে পাওয়া।
* সার্বজনীন ডাকযোগে ভোট (অ্যাবসেন্ট ব্যালট নয়, যা আসলে ভালো) হওয়ার ফলে ২০২০ সালের নির্বাচন হবে ইতিহাসের সবথেকে ভুল এবং জালিয়াতিপূর্ণ নির্বাচন। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য চরম লজ্জার হবে। মানুষ যতক্ষণ না সঠিকভাবে এবং নিরাপদে ভোট দিতে পারে, ততক্ষণ কি নির্বাচন স্থগিত রাখা উচিত???
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট ({{উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1288818160389558273 |শিরোনাম=সার্বজনীন ডাকযোগে ভোট হওয়ার ফলে ২০২০ সালের নির্বাচন হবে ইতিহাসের সবথেকে ভুল এবং জালিয়াতিপূর্ণ নির্বাচন। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য চরম লজ্জার হবে। মানুষ যতক্ষণ না সঠিকভাবে এবং নিরাপদে ভোট দিতে পারে, ততক্ষণ কি নির্বাচন স্থগিত রাখা উচিত??? |তারিখ=২০২০-০৭-৩০ |সংগ্রহের-তারিখ=২০২০-০৭-৩০ |প্রকাশক=টুইটার |ভাষা=en-US |লেখক=ডোনাল্ড ট্রাম্প}})। এটি ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছিল এবং অনেক সংবাদ মাধ্যম এটি উদ্ধৃত করেছে, যেমন {{উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://www.bbc.co.uk/news/world-us-canada-53599363 |শিরোনাম=রিপাবলিকানদের ট্রাম্পের প্রতি বার্তা: আপনি ২০২০ সালের নির্বাচন পেছাতে পারেন না |তারিখ=২০২০-০৭-৩০ |সংগ্রহের-তারিখ=২০২০-০৭-৩০ |প্রকাশক=বিবিসি |ভাষা=en-GB}}।
* নির্বাচনের ফলাফল অবশ্যই নির্বাচনের রাতেই জানতে হবে, কয়েক দিন, মাস বা বছর পরে নয়!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-২৯ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: নির্বাচনের বিষয়ে ট্রাম্পের উত্তেজনা এবং বিকৃতি |লেখক=ক্যালভিন উডওয়ার্ড | সাময়িকী=সিয়াটেল টাইমস |ইউআরএল=https://www.seattletimes.com/nation-world/ap-fact-check-trumps-election-agitations-and-distortions/}}
* প্রথম দিকের প্রশ্নগুলো খুব সহজ। শেষের প্রশ্নগুলো অনেক বেশি কঠিন, যেমন স্মৃতিশক্তির একটি প্রশ্ন। এটি অনেকটা এমন যে আপনি বলছেন, '''"ব্যক্তি, নারী, পুরুষ, ক্যামেরা, টিভি"'''। তো তারা বলে, "আপনি কি এটি আবার বলতে পারবেন?" তো আমি বললাম, "হ্যাঁ। এটি হলো ব্যক্তি, নারী, পুরুষ, ক্যামেরা, টিভি।" ঠিক আছে। এটি খুব ভালো। আপনি যদি ধারাবাহিকভাবে বলতে পারেন, তবে আপনি অতিরিক্ত পয়েন্ট পাবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি|তারিখ=২০২০-০৭-২৩|শিরোনাম=মানসিক সক্ষমতা পরীক্ষায় রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের সাফল্য: ব্যক্তি, নারী, পুরুষ, ক্যামেরা, টিভি|লেখক=পিটার ওয়েড|সাময়িকী=রোলিং স্টোন|ইউআরএল=https://www.rollingstone.com/politics/politics-news/trump-cognitive-test-person-woman-man-camera-tv-1033002}}। মন্ট্রিয়ল কগনিটিভ অ্যাসেসমেন্ট দেওয়ার প্রসঙ্গে তিনি এই কথা বলেন।
* যখন তারা ধরা পড়ে, তারা বলে, “না, এটি তো আমার পরিবারের জন্য আনা সুপ।” তারা এতটাই নিষ্পাপ। “এটি আমার পরিবারের জন্য আনা সুপ।” এটি অবিশ্বাস্য। আর আপনারা দেখবেন মানুষ সুপের ব্যাগ নিয়ে আসছে, সুপের বিশাল বড় ব্যাগ। আর তারা সেগুলো মাটিতে রাখে, আর নৈরাজ্যবাদীরা সেগুলো নিয়ে আমাদের পুলিশদের দিকে ছুড়তে শুরু করে। আর এটি যদি আপনাকে আঘাত করে, তবে তা ইটের চেয়েও বেশি ক্ষতিকর কারণ এতে অনেক গতি থাকে। এটি একদম সঠিক মাপের। এটি যেন একদম নিখুঁতভাবে তৈরি করা হয়েছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি|তারিখ=২০২০-০৯-০২|শিরোনাম=বোঝা যাচ্ছে যে ট্রাম্প অ্যান্টিফার নতুন গোপন অস্ত্র ‘সুপ’ নিয়ে খুব আতঙ্কিত|লেখক=সারাহ মিডকিফ| সাময়িকী=রিফাইনারি২৯|ইউআরএল=https://www.refinery29.com/en-us/2020/09/10001730/trump-cans-bags-of-soup-antifa-protestors}}
====আগস্ট ২০২০====
* ওষুধ কোম্পানিগুলো যখন আমার বিরুদ্ধে বড় বড় টেলিভিশন বিজ্ঞাপন দেয়, তখন তারা যা বলে (যা মিথ্যা) তা ভুলে যান, আপনারা জানেন যে ওষুধের দাম অনেক কমছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৮-০২ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: ওষুধের দাম ও হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন নিয়ে ট্রাম্পের জাঁকজমকপূর্ণ কথা |লেখক=হোপ ইয়েন এবং ক্যালভিন উডওয়ার্ড | সাময়িকী=এপি নিউজ |ইউআরএল=https://apnews.com/d7f1d2003aeaa95466e12b875b7b4619}}
* এক অবৈধ নৈশ ক্যুর মাধ্যমে নেভাদার ক্লাবহাউস গভর্নর রিপাবলিকানদের জন্য সেই অঙ্গরাজ্যে জেতা অসম্ভব করে তুলেছেন। প্রস্তুতি ছাড়া ডাকবিভাগ কখনোই ডাকযোগে পাঠানো ভোটের চাপ সামলাতে পারবে না। কভিডকে ব্যবহার করে অঙ্গরাজ্যটি চুরি করা হচ্ছে। আদালতে দেখা হবে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=কুইন্ট ফোরজি | তারিখ=২০২০-০৮-০৩ |শিরোনাম=নেভাদায় ডাকযোগে ভোট বন্ধ করতে ট্রাম্পের মামলার হুমকি | সাময়িকী=পলিটিকো | ইউআরএল=https://www.politico.com/news/2020/08/03/trump-nevada-mail-voting-lawsuit-390878}}
* আপনি একে ডাকযোগে ভোট বলুন বা অ্যাবসেন্ট ভোটিং, ফ্লোরিডায় নির্বাচনী ব্যবস্থা নিরাপদ ও সুরক্ষিত, এটি পরীক্ষিত ও সত্য। ফ্লোরিডার ভোটদান ব্যবস্থা পরিষ্কার করা হয়েছে (আমরা ডেমোক্র্যাটদের পরিবর্তনের চেষ্টা নস্যাৎ করেছি), তাই '''ফ্লোরিডায় আমি সবাইকে ব্যালটের অনুরোধ করতে এবং ডাকযোগে ভোট দিতে উৎসাহিত করি!''' #এমএজিএ
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=বেটসি ক্লেইন | তারিখ=২০২০-০৮-০৩ |শিরোনাম=আপাত দৃষ্টিতে অবস্থান বদলে ফ্লোরিডাবাসীকে ডাকযোগে ভোট দিতে উৎসাহিত করলেন ট্রাম্প | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/04/politics/donald-trump-mail-in-voting-florida/index.html}}
* বড় ধরনের কারচুপি ছাড়া ডাকযোগে ভোট সম্পন্ন হওয়ার কোনো উপায় নেই।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | তারিখ=২০২০-০৮-০৩ |শিরোনাম=জোনাথন সোয়ান ট্রাম্পের মিথ্যা ফাঁস করার সহজ রহস্য উন্মোচন করেছেন: মৌলিক ফলো-আপ প্রশ্ন | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/04/politics/fact-check-jonathan-swan-axios-hbo-interview-trump-coronavirus/index.html}}
* আমি যখন দায়িত্ব নিই, তখন আমাদের কাছে কোনো পরীক্ষাই ছিল না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] উল্লেখ করেছেন যে ২০১৭ সালে, ২০১৯ সালে আবির্ভূত করোনাভাইরাসের জন্য কোনো পরীক্ষা ছিল না, যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি | লেখক=স্টিভ বেনেন | তারিখ=২০২০-০৮-০৩ |শিরোনাম=ভাইরাস পরীক্ষার বিরুদ্ধে যুক্তি দিতে কাল্পনিক 'ম্যানুয়াল'-এর কথা বলছেন ট্রাম্প | সাময়িকী=এমএসএনবিসি | ইউআরএল=https://www.msnbc.com/rachel-maddow-show/trump-points-imagined-manuals-argue-against-virus-tests-n1235815}}
* আমরা অবিশ্বাস্য কাজ করেছি, সবকিছু নিয়ন্ত্রণে আছে। [যুক্তরাষ্ট্রের [[কোভিড-১৯ অতিমারী]] পরিস্থিতি সামলানো প্রসঙ্গে]
** এইচবিওতে অ্যাক্সিওসের জোনাথন সোয়ানের সাথে [https://www.youtube.com/watch?v=zaaTZkqsaxY সাক্ষাৎকারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
* বিস্ফোরণের ধরণ দেখে মনে হচ্ছে এটি তেমনই ছিল। আমি আমাদের কয়েকজন বড় জেনারেলের সাথে দেখা করেছি এবং তাদের মনে হয়েছে যে এটি এমনই ছিল। এটি কোনো উৎপাদন সংক্রান্ত বা কারখানার বিস্ফোরণ জাতীয় ঘটনা ছিল না... তারা মনে করছেন এটি একটি হামলা ছিল। হ্যাঁ, এটি কোনো এক ধরনের বোমা ছিল।
** বৈরুতের বিস্ফোরণকে দুর্ঘটনা না বলে কেন তিনি হামলা বলছেন, এই প্রশ্নের জবাবে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি | লেখক=ডার্লিন সুপারভিল/এপি | তারিখ=২০২০-০৮-০৪ |শিরোনাম= বৈরুতের বিশাল বিস্ফোরণ সম্ভবত একটি 'হামলা', বললেন ট্রাম্প | সাময়িকী=টাইম |ইউআরএল=time.com/5875784/trump-explosion-beirut-attack/ }}
* '''প্রশ্ন''': যদি প্রেসিডেন্ট ওবামার সময়ে ১,৬০,০০০ মানুষ মারা যেত, আপনার কি মনে হয় আপনি তার পদত্যাগ দাবি করতেন?
: '''[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]''': না, আমি তা করতাম না। আমার মনে হয় আমরা যা করতে পেরেছি তা অবিশ্বাস্য। আমরা যদি আমাদের দেশ বন্ধ না করতাম, তবে ইতিমধ্যেই ১৫ বা ২০ লক্ষ মানুষ মারা যেত। আমরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি; এখন আমাদের এটি বন্ধ করতে হবে না। আমরা রোগটি বুঝি। কেউ এটি বোঝেনি কারণ কেউ এর আগে এমন কিছু দেখেনি। সবথেকে কাছাকাছি ঘটনা হলো ১৯১৭ সাল, তারা যেমনটা বলে, তাই তো? সেই মহান অতিমারীটি অবশ্যই একটি ভয়াবহ বিষয় ছিল, যেখানে তারা ৫ থেকে ১০ কোটি মানুষ হারিয়েছিল। সম্ভবত এটিই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ করে দিয়েছিল; সব সৈন্যরা অসুস্থ ছিল। সেটি একটি ভয়াবহ পরিস্থিতি ছিল। আর এটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে। এটি অত্যন্ত, অত্যন্ত ছোঁয়াচে। না, আমি যদি অনেকের কথা শুনতাম, তবে আমরা এটি খোলা রাখতাম। আর এখন আমরা এটি পুরো সময় খোলাই রাখছি। আমরা এটি খোলা রাখি। কিন্তু আমরা যদি এটি খোলা রাখতাম, তবে এখন ১৫ বা ২০ লক্ষ মানুষ—১৫ থেকে ২০ লক্ষ মানুষ মারা যেতে পারত। আমাদের লোকেরা চমৎকার কাজ করেছে,আমাদের পরামর্শক এবং ডাক্তাররা। আপনারা জানেন, অনেক মতভেদ আর অনেক কিছুর মাঝেই এটি হয়েছে।
:* [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-press-briefing-august-10-2020/ ''১০ আগস্ট ২০২০-এর সাংবাদিক বৈঠকে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্য''], প্রকাশিত হয়েছে: ১১ আগস্ট ২০২০, ''whitehouse.gov''।
:* দ্রষ্টব্য: অক্টোবর ২০১৪-এ ডোনাল্ড ট্রাম্প [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/525431218910027776 টুইট] করেছিলেন যে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা-র পদত্যাগ করা উচিত কারণ গিনিতে ইবোলা রোগীদের চিকিৎসা করা একজন ডাক্তার যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে এসেছিলেন, যা স্নোপসের [https://www.snopes.com/fact-check/trump-obama-ebola-tweet/ ইবোলা চিকিৎসক যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার পর ট্রাম্প কি ওবামার পদত্যাগ দাবি করেছিলেন?] শীর্ষক প্রতিবেদনে (১৫ মে ২০২০) প্রকাশিত হয়েছে। আর ১৯১৮ সালের ফ্লু অতিমারী ১৯১৮ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯২০ সালের এপ্রিল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল, যা ১৯৩৯ সালে শুরু হওয়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অনেক আগের ঘটনা।
* বাইডেন যদি জেতেন, তবে তিনি সবার কর দ্বিগুণ, তিনগুণ বাড়িয়ে দেবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল, হোমস লিব্র্যান্ড এবং তারা সুব্রামানিয়াম | তারিখ=২০২০-০৮-০৪ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ব্রিফিংগুলোতে মিথ্যা দাবি আর অতিরঞ্জিত করার অভ্যাসে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন ট্রাম্প | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/12/politics/donald-trump-press-briefing-biden-tax-plan-coronavirus-fact-check/index.html}}
* নচ্ছাড়
* ভয়াবহ
* এমন একজন যে অনেক অনেক অসত্য গল্প বলেছে
* অস্বাভাবিকভাবে নচ্ছাড়
* এমন এক পর্যায়ের নচ্ছাড় যা স্রেফ একটি জঘন্য ব্যাপার
* [[জো বাইডেন]]ের প্রতি খুবই নচ্ছাড়
* সম্ভবত পোকাহন্টাসের চেয়েও বেশি নচ্ছাড়
* মার্কিন সেনেটের যে কারো চেয়ে সবথেকে নীচ, সবথেকে ভয়াবহ এবং সবথেকে অসম্মানজনক।
** [[কমলা হ্যারিস]] সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি ফোর্বস-এ অ্যান্ড্রু সোলেন্ডার উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি | লেখক=অ্যান্ড্রু সোলেন্ডার | তারিখ=২০২০-০৮-১১ | শিরোনাম=হোয়াইট হাউসের ব্রিফিংয়ে কমলা হ্যারিসকে বারবার 'নচ্ছাড়' ও 'ভয়াবহ' বললেন ট্রাম্প | সাময়িকী=ফোর্বস | ইউআরএল=https://www.forbes.com/sites/andrewsolender/2020/08/11/trump-repeatedly-calls-kamala-harris-nasty-and-horrible-in-white-house-briefing/#440e0fb54570}}
* ইউরোপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে অতিরিক্ত মৃত্যুহার প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি।
** করোনাভাইরাস নিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি | লেখক=জেসিকা ম্যাকডোনাল্ড | তারিখ=২০২০-০৮-১১ | শিরোনাম=বিভ্রান্তিকর এবং ত্রুটিপূর্ণ অতিরিক্ত মৃত্যুর পরিসংখ্যান দিলেন ট্রাম্প | সাময়িকী= FactCheck.org | ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/08/trump-touts-misleading-and-flawed-excess-mortality-statistic/}}
* আমি যদি নির্বাচনে না জিতি, তবে চীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মালিক হয়ে যাবে আপনাদের চীনা ভাষা বলা শিখতে হবে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=জাস্টিন প্যারাগোনা | তারিখ=২০২০-০৮-১২ |শিরোনাম=ট্রাম্প: বাইডেনের কাছে হারলে চীনা ভাষা শিখতে প্রস্তুত থাকুন | সাময়িকী=ডেইলি বিস্ট | ইউআরএল=https://www.thedailybeast.com/trump-if-i-lose-to-biden-get-ready-to-have-to-learn-to-speak-chinese/}}
* এখন, ডাকবিভাগকে সচল রাখার জন্য তাদের সেই অর্থের প্রয়োজন, যাতে তারা এই লক্ষ লক্ষ ব্যালট সামলাতে পারে। এখন, আমরা যদি কোনো চুক্তিতে না আসি, তার মানে তারা সেই টাকা পাবে না। তার মানে তারা সার্বজনীন ডাকযোগে ভোট ব্যবস্থা করতে পারবে না, তারা স্রেফ পারবে না।
** (১৩ আগস্ট ২০২০) [https://abcnews.go.com/Politics/trump-opposes-funding-usps-bid-block-vote-mail/story?id=72353322 ডাকযোগে ভোট বাধা দেওয়ার লক্ষ্যে ট্রাম্প ইউএসপিএসর তহবিল দেওয়ার বিরোধিতা করার পর সুর বদলালেন] ''এবিসি নিউজএ'' প্রকাশিত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য।
* ডেমোক্র্যাট শহরগুলো ছেড়ে দিন। সেগুলোকে পচতে দিন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] একজন সমর্থকের বার্তা রিটুইট করেছেন, {{উদ্ধৃতি | লেখক=জেমস গর্ডন | তারিখ=২০২০-০৮-১৬ |শিরোনাম='তাদের পচতে দিন!': নিউ ইয়র্ক বা শিকাগোর মতো ডেমোক্র্যাট শাসিত শহর ত্যাগের আহ্বানে সমর্থকের বার্তায় ট্রাম্পের রিটুইট | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://www.dailymail.co.uk/news/article-8633677/Let-rot-Trump-retweets-supporters-message-democrat-cities.html}}
* যাই হোক, নিউজিল্যান্ডে বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছিল।
** কভিড-১৯ ভাইরাস সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন, যা সেই সময় নিউজিল্যান্ডে মোট ২২ জনের মৃত্যুর কারণ হয়েছিল। {{উদ্ধৃতি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | তারিখ=২০২০-০৮-১৮ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ট্রাম্প নিউজিল্যান্ডে 'বড় প্রাদুর্ভাব' হয়েছে বললেও দেশটিতে বৃহস্পতিবার মাত্র ৫ জন আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/20/politics/fact-check-trump-new-zealand-outbreak/index.html}}
* আমি আবার দেখছি দাবানল শুরু হচ্ছে। ক্যালিফোর্নিয়াতে এগুলো আবার শুরু হচ্ছে। আমি বলেছিলাম, আপনাদের মেঝে পরিষ্কার করতে হবে, আপনাদের জঙ্গল পরিষ্কার করতে হবে সেখানে অনেক বছরের জমে থাকা পাতা আর ভাঙা গাছ আছে এবং সেগুলো খুবই দাহ্য, আপনি ছোঁয়া দিলেই জ্বলে ওঠে। সম্ভবত আমাদের তাদের দিয়ে এর খেসারত দেওয়াতে হবে কারণ তারা আমাদের কথা শোনে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=জেরেমি বি. হোয়াইট | তারিখ=২০২০-০৮-১৯ |শিরোনাম=দাবানলের জন্য ক্যালিফোর্নিয়াকে দায়ী করে ট্রাম্প বললেন 'আপনাদের মেঝে পরিষ্কার করতে হবে' | সাময়িকী=পলিটিকো | ইউআরএল=https://www.politico.com/states/california/story/2020/08/20/trump-blames-california-for-wildfires-tells-state-you-gotta-clean-your-floors-1311059}}
* আমি এই প্রজেক্ট বা প্রকল্প সম্পর্কে কিছুই জানি না, শুধু এটুকু ছাড়া যে আমি যখন এটি সম্পর্কে পড়েছিলাম তখন এটি আমার পছন্দ হয়নি, একদমই পছন্দ হয়নি।
* মিস্টার ব্যাননের জন্য এটি খুব দুঃখজনক। আমি অন্য কাউকেও চিনতাম না।
** ব্যক্তিগতভাবে পরিচালিত ‘উই বিল্ড দ্য ওয়াল’ প্রকল্প সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=অ্যান্ড্রু কাচিনস্কি, এম স্টেক | তারিখ=২০২০-০৮-২০ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: অস্বীকার করলেও বেসরকারি সীমান্ত দেওয়াল প্রকল্পের সাথে জড়িত বেশিরভাগ মানুষকেই চেনেন ট্রাম্প | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/20/politics/fact-check-trump-private-border-wall-project/index.html}}
* তাদের জেতার একমাত্র উপায় হলো একটি সাজানো নির্বাচন। আমি সত্যিই এটা বিশ্বাস করি। আমি বাইরের ভিড় দেখেছি।
** [[ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)]] সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | তারিখ=২০২০-০৮-২০ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: বাইডেনকে আক্রমণ করে পেনসিলভানিয়ায় দেওয়া ভাষণে ট্রাম্পের একগুচ্ছ মিথ্যা দাবি | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/20/politics/trump-false-claims-pennsylvania-speech-biden-fact-check/index.html}}
* আমাদের কাছে শেরিফ থাকবে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা থাকবে, এবং আমরা আশা করছি ইউএস অ্যাটর্নি এবং অ্যাটর্নি জেনারেলসহ সবাই থাকবে।
** ভোটার জালিয়াতি পর্যবেক্ষণ ও প্রতিরোধের পরিকল্পনা সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=তারা সুব্রামানিয়াম | তারিখ=২০২০-০৮-২১ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: রাষ্ট্রপতি কি ভোটকেন্দ্রে আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের পাঠাতে পারেন? | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/21/politics/donald-trump-law-enforcement-election-polls-fact-check/index.html}}
* এফডিএ-তে থাকা ডিপ স্টেট বা অন্য যে কেউ, ওষুধ কোম্পানিগুলোর জন্য ভ্যাকসিন এবং থেরাপিউটিক পরীক্ষার লোক পাওয়া খুব কঠিন করে দিচ্ছে। স্পষ্টতই, তারা আশা করছে ৩রা নভেম্বরের পর পর্যন্ত এর ফলাফল পিছিয়ে দিতে। আমাদের অবশ্যই গতি বাড়ানো এবং জীবন বাঁচানোর দিকে মনোযোগ দিতে হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=হোপ ইয়েন, ক্যালভিন উডওয়ার্ড | তারিখ=২০২০-০৮-২৪ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: এফডিএ-তে 'ডিপ স্টেট' থাকা নিয়ে ট্রাম্পের ভিত্তিহীন দাবি | সাময়িকী=পিটসবার্গ পোস্ট-গেজেট | ইউআরএল=https://www.post-gazette.com/business/powersource/2020/08/24/AP-FACT-CHECK-Trump-s-baseless-claim-of-deep-state-at-FDA/stories/202008240037}}
==== সেপ্টেম্বর ২০২০ ====
* পুরো শহরটা সারাক্ষণ আগুনে পুড়ছে।
** পোর্টল্যান্ড সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৯-০১ |শিরোনাম=বাইডেন এবং বিক্ষোভ নিয়ে ট্রাম্পের আরও কিছু মিথ্যা দাবি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল, তারা সুব্রামানিয়াম, হোমস লিব্র্যান্ড | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/31/politics/trump-kenosha-briefing-fact-check/index.html}}
* গত এক সপ্তাহে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া আর মারা যাওয়ার হার অনেক কমে গেছে।
** কোভিড-১৯ অতিমারী সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৯-০৩ |শিরোনাম=এমনকি ফক্স নিউজও ট্রাম্পের জনসভাগুলো পুরো প্রচার করছে না, তবে তার মিথ্যাচারগুলো এখনো অবাক করার মতো |লেখক=ব্রায়ান স্টেল্টার | সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/04/media/donald-trump-pennsylvania-reliable-sources/index.html}}
* ডাউ জোনস সূচক এইমাত্র ২৯,০০০ ছাড়িয়েছে! আমাকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে পাওয়া আপনাদের অনেক বড় ভাগ্য। জো বাইডেন ক্ষমতায় থাকলে এটা ধসে পড়ত।
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1301249968091455488 [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট]
* ওর মতো মাস্ক পাগল মানুষ কি আগে কখনো দেখেছেন? মাস্কটা সারাক্ষণ ঝুলে থাকে। ও মনে করে এতেই ও নিরাপদ। আমি যদি কোনো মানসিক ডাক্তার হতাম, তবে বলতাম এই লোকের মাথায় নিশ্চয়ই বড় কোনো সমস্যা আছে। শুধু ঝুলেই থাকে।
** জো বাইডেনের মাস্ক পরা নিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের বিদ্রূপ, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-০৪ |শিরোনাম=মাস্ক পরার ধরন নিয়ে জো বাইডেনকে উপহাস করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প | সাময়িকী=ইন্ডিপেন্ডেন্ট.আইই | ইউআরএল=https://www.independent.ie/videos/donald-trump-mocks-joe-biden-for-manner-of-wearing-mask-39502878.html}}
* আপনার ভোট যদি গোনা না হয়ে থাকে, তবে আবার গিয়ে ভোট দিন এটা প্রতিটি নাগরিকের অধিকার। বোতাম টিপে ভোট দিয়ে দিন। আপনার ওই ডাকযোগে পাঠানো ব্যালট যদি পরে পৌঁছায়, তবে সেটা আর গোনা হবে না কারণ আপনি আগেই ভোট দিয়ে দিয়েছেন। এভাবে আপনার ভোট নিশ্চিতভাবে গোনা হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] দুইবার ভোট দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন, যা একটি অপরাধ। যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-০৪ | শিরোনাম=কর্তৃপক্ষের সতর্কতা উপেক্ষা করে আবারও সমর্থকদের দুইবার ভোট দেওয়ার পরামর্শ দিলেন ট্রাম্প | লেখক= ডায়ান গ্যালাঘের, ক্যারোলিন কেলি, মার্শাল কোহেন, ব্রায়ান রোকাস | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/05/politics/trump-vote-twice-north-carolina/index.html}}
* পেন্টাগনের বড় বড় কর্তারা... সারাক্ষণ শুধু যুদ্ধ করতে চায়। যাতে বোমা আর প্লেন বানানো কোম্পানিগুলো খুশি থাকে।
** হোয়াইট হাউসের সামনে এক [https://www.trtworld.com/americas/trump-pentagon-chiefs-fighting-wars-to-oblige-arms-companies-39561 সংবাদ সম্মেলনে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (৭ সেপ্টেম্বর ২০২০)।
* অপারেশন ওয়ার্প স্পিডের মাধ্যমে আমরা চিকিৎসার নতুন পথ খুঁজেছি। এতে গত এপ্রিলের তুলনায় মৃত্যুর হার ৮৫% কমে গেছে।
* পারমাণবিক শক্তির দিক থেকে আমরা অনেক এগিয়ে আছি। আমরা এর অনেক উন্নতি করেছি।
* যখন খবর আসে যে কিছু দেশ আমাকে খুব একটা পছন্দ করে না, তা সবসময় আমার ব্যক্তিত্বের জন্য নয়তবে সত্যি বলতে, সেটাও একটা কারণ হতে পারে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-০৮ | শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্পের সংবাদ সম্মেলনের ৩৭টি অদ্ভুত উক্তি | লেখক= ক্রিস সিলিঞ্জা | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/08/politics/donald-trump-labor-day-press-conference/index.html}}
* মার্কিন প্রেসিডেন্টই সব শেষ সিদ্ধান্ত নেন।
* বব উডওয়ার্ড যদি মনেই করত আমি যা বলেছি তা ভুল, তবে সাথে সাথেই ওর উচিত ছিল প্রশাসনকে জানানো যাতে তারা প্রস্তুতি নিতে পারত।
** বব উডওয়ার্ডকে দেওয়া সাক্ষাৎকার প্রসঙ্গে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১০ | শিরোনাম=কাউকে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মনে করিয়ে দেওয়া দরকার যে বব উডওয়ার্ড মার্কিন প্রেসিডেন্ট নন | লেখক= ক্রিস সিলিঞ্জা | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/10/politics/trump-bob-woodward-rage/index.html}}
* আমার মনে হয় ও বোধহয় কোনো নেশা-টেশা করে।
** জো বাইডেন সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১০ | শিরোনাম=বাইডেনের বিরুদ্ধে মাদক নেওয়ার অভিযোগ আনতে ফক্স নিউজের সাক্ষাৎকারকে ব্যবহার করলেন ট্রাম্প | লেখক= মার্টিন পেঙ্গেলি | সাময়িকী=দ্য গার্ডিয়ান | ইউআরএল=https://www.theguardian.com/us-news/2020/sep/12/trump-biden-drugs-fox-news-interview}}
* আপনার গভর্নরকে বলুন রাজ্যটা খুলে দিতে।
** ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০-এ সমর্থকদের সামনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। এ প্রসঙ্গে [https://www.usatoday.com/story/news/politics/elections/2020/09/13/donald-trump-latino-voters-las-vegas-ahead-rally/5784501002/ ''নেভাদার গভর্নর স্টিভ সিসোলাক বলেছেন যে ট্রাম্প ঘরোয়া পরিবেশে জনসভা করে নিজের স্বার্থপরতা দেখিয়েছেন''] প্রতিবেদনটি উল্লেখযোগ্য।
* বয়স্কদের যে এতো সহজে আক্রান্ত হতে পারে, তা কেউ আগে জানত না।
** করোনাভাইরাস সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১৬ | শিরোনাম=এবিসি টাউন হলে ট্রাম্প অন্তত ২২টি ভুল দাবি করেছেন | লেখক= ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/16/politics/fact-check-trump-abc-town-hall/index.html}}
* আমরা খুব দ্রুত আর নিরাপদভাবে টিকা পৌঁছে দেওয়ার জন্য কাজ করছি। আমাদের মনে হয় অক্টোবরের দিকেই শুরু করতে পারব। ঘোষণা হওয়ার সাথে সাথেই আমরা কাজ শুরু করে দেব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১৬ | শিরোনাম=টিকার গতি নিয়ে ট্রাম্প আবারও বাড়িয়ে কথা বলেছেন | লেখক= জেসিকা ম্যাকডোনাল্ড | সাময়িকী=ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি | ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/09/trump-again-overstates-speed-of-covid-19-vaccine-rollout/}}
* এফডিএ অনুমোদন দিলেই ২০২০ সালের শেষ নাগাদ আমরা ১০ কোটি ডোজ টিকা বিলি করতে পারব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি উদ্ধৃতি হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১৬ | শিরোনাম=ট্রাম্প বলেছেন ২০২০ সালের মধ্যে অন্তত ১০ কোটি টিকা দেওয়া সম্ভব হবে | লেখক= রয়টার্স কর্মী | সাময়িকী=রয়টার্স| ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/healthcoronavirus-trump-vaccine/trump-says-u-s-could-distribute-at-least-100-million-covid-vaccine-doses-by-end-of-2020-idINW1N2FG089}}
* পেনসিলভ্যানিয়ায় কী হচ্ছে দেখেছেন? ওখানকার সুপ্রিম কোর্টের জজ নাকি রায় দিয়েছেন যে ভোট গুনতে তারা যত খুশি সময় নিতে পারবে। তার মানে গতবারের মতো এবারও আমিই ওখানে জিততে যাচ্ছি। খুব সহজেই জিতব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১৬ | শিরোনাম=পেনসিলভানিয়াতে ভোট গণনা নিয়ে ট্রাম্পের ভুল বক্তব্য | লেখক= রেম রিডার | সাময়িকী=ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি| ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/09/trumps-false-statement-about-counting-ballots-in-pennsylvania/}}
* বামপন্থী দাঙ্গাবাজরা আমাদের মহান নেতাদের মূর্তি ভেঙে ফেলছে, স্মৃতিস্তম্ভ নষ্ট করছে আর বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে। ওরা বলে "আমেরিকা কোনোদিনই মহান ছিল না"। ওরা পুলিশকেও আক্রমণ করছে। তাদের লক্ষ্য একটাই সত্য গোপন করা আর আমেরিকানদের ভয় দেখিয়ে তাদের সংস্কৃতি আর ঐতিহ্য ভুলিয়ে দেওয়া।
** [https://trumpwhitehouse.archives.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-white-house-conference-american-history/ আমেরিকান ইতিহাস বিষয়ক হোয়াইট হাউস সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য] (১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০)
* যারা আমেরিকান পতাকা পোড়াচ্ছে, তারা আসলে আমাদের মূল নীতিগুলোকেও পুড়িয়ে দিতে চায়। ওরা চায় আমেরিকানরা যেন নিজেদের পরিচয় আর বিশ্বাসের ওপর ভরসা হারিয়ে ফেলে। বামপন্থীদের এই সাংস্কৃতিক বিপ্লব আসলে আমেরিকার মূল আদর্শকেই উৎখাত করার জন্য তৈরি হয়েছে।
** [https://trumpwhitehouse.archives.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-white-house-conference-american-history/ আমেরিকান ইতিহাস বিষয়ক হোয়াইট হাউস সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য] (১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০)
* বামপন্থীরা মিথ্যা দিয়ে আমেরিকার ইতিহাসকে নষ্ট করে দিয়েছে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের সেই ১৬১৯ প্রজেক্ট এর বড় প্রমাণ। ওরা শিশুদের শেখাচ্ছে যে আমেরিকা শোষণ আর অত্যাচারের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। অথচ আমেরিকা তো দাসত্ব শেষ করেছে, মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে আর এক সমৃদ্ধ জাতি গড়ে তুলেছে।
** [https://trumpwhitehouse.archives.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-white-house-conference-american-history/ আমেরিকান ইতিহাস বিষয়ক হোয়াইট হাউস সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য] (১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০)
* আমি শিনজোকে বললাম, ‘শিনজো, দয়া করে আমার একটা কথা শোনো। আমাদের দেশে আরও গাড়ি কারখানা দরকার। ওগুলো জাপানে না বানিয়ে আমাদের এখানে বানাও।’ ও প্রথমে মানতে চায়নি, কিন্তু আমি জোর দিয়ে বললাম। পরের দিনই খবর এল: ‘মিশিগানে পাঁচটা বড় বড় গাড়ি কারখানা চালু হচ্ছে।’
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-২১ | শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: ট্রাম্পের বানানো গাড়ি কারখানার গল্প | লেখক= হোপ ইয়েন, ক্যালভিন উডওয়ার্ড, টম ক্রিশার | সাময়িকী=এপি | ইউআরএল=https://apnews.com/ec85b88102464c9651d32b475c01c183}}
* আমিই এটা বাঁচিয়েছি। আমাদের কয়লা খনির শ্রমিকদের আবার কাজে ফিরিয়েছি।
** কয়লা খনি শিল্প সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-২১ | শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: কর্মসংস্থান নিয়ে ট্রাম্পের ভুল দাবি | লেখক= ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/23/politics/fact-check-trump-jobs-manufacturing-coal/index.html}}
* এখন আমরা সত্যিটা জানি। এই ভাইরাস কেবল বয়স্ক আর অসুস্থ মানুষদের ওপর প্রভাব ফেলে। তরুণদের কিছু হয় না। ওদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশি। সত্যি বলতে, এটি আসলে প্রায় কাউকেই ছুঁতে পারে না। এটি একটি আশ্চর্যজনক বিষয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-২২ | শিরোনাম=ট্রাম্প বললেন করোনাভাইরাস আসলে কারো ওপর প্রভাব ফেলে না | লেখক= কাশ্মীরা গ্যান্ডার | সাময়িকী=নিউজউইক | ইউআরএল=https://www.newsweek.com/trump-covid-virtually-nobody-rally-ohio-1533452}}
* আমরা পেনসিলভানিয়াতে এগিয়ে আছি। ফ্লোরিডায় এগিয়ে আছি। আমার মনে হয় সব জায়গাতেই আমি এগিয়ে আছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-২৮ | শিরোনাম=সপ্তাহান্তে ট্রাম্পের দাবিগুলোর ফ্যাক্ট-চেকিং | লেখক=লরি রবার্টসন | সাময়িকী=ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি | ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/09/factchecking-trumps-weekend-claims/}}
* ওষুধের দাম ৮০ বা ৯০ শতাংশ কমে যাবে।
**পুরো নির্বাচনটাই আগে থেকে সাজানো।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-৩০ | শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: বিতর্কে ট্রাম্প ও বাইডেনের ভুল দাবি | লেখক=এপি কর্মী | সাময়িকী=এমপিআর নিউজ| ইউআরএল=https://www.mprnews.org/story/2020/09/30/fact-check-false-claims-flood-trumpbiden-debate}}
* আমি আজ পড়েছি যে ২০১৬ সালেও ১% ব্যালট বাতিল করা হয়েছিল। ওরা এগুলো যেখানে সেখানে ফেলে দেয়। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় ডাকপিয়নরা নাকি ব্যালট বিক্রি করে দিচ্ছে। ময়লার ঝুড়িতেও ট্রাম্পের নাম লেখা ব্যালট পাওয়া গেছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-৩০ | শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ডাকযোগে ভোট নিয়ে ট্রাম্পের প্রায় সব দাবিই ভুল ছিল | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন| ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/30/politics/fact-check-trump-first-debate-mail-voting-fraud/index.html}}
* আমার প্রশাসন ধর্মপ্রাণ আমেরিকানদের জন্য লড়া কোনোদিন থামাবে না।
** ২০২০ সালের জনসভায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০-এর [https://www.theatlantic.com/politics/archive/2020/09/trump-secretly-mocks-his-christian-supporters/616522/ আটলান্টিক] নিবন্ধ অনুযায়ী।
==== অক্টোবর ২০২০ ====
[[File:Interfaith Health Care Vigil 6291113.jpg|thumb|ট্রাম্প আর পেন্সের উচিত মানুষকে মুক্তি দেওয়া। ওরা গরিব আর অল্প আয়ের মানুষদের জিম্মি করে রেখেছে, জরুরি পরিষেবার কর্মীদের জিম্মি করে রেখেছে। এই দেশে এখন পরিবর্তনের সময় এসেছে। ~ রেভ. উইলিয়াম বারবার ২ ]]
* আমাদের মহান যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক উদ্দীপনা চায় এবং এর প্রয়োজন আছে। সবাই মিলে কাজ করে এটা সফল করুন। ধন্যবাদ!
**[https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1312449034154504192 টুইটারের মাধ্যমে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ৩ অক্টোবর ২০২০
* আমি আমার প্রতিনিধিদের নির্দেশ দিয়েছি নির্বাচনের আগে পর্যন্ত আলোচনা বন্ধ রাখতে। আমি জেতার সাথে সাথেই আমরা একটা বড় স্টিমুলাস বিল পাস করব, যা পরিশ্রমী আমেরিকান আর ছোট ব্যবসার ওপর জোর দেবে।
** [https://www.axios.com/trump-coronavirus-stimulus-negotiations-7d464d0e-924f-46f5-90d2-9e8097c9c8f7.html ট্রাম্প বলেছেন তিনি নির্বাচনের আগে কভিড সহায়তা নিয়ে আলোচনা করবেন না] নিবন্ধ অনুযায়ী [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আফগানিস্তানে আমাদের যে অল্প সংখ্যক সাহসী নারী-পুরুষ কাজ করছেন, বড়দিনের মধ্যেই তাদের বাড়ি ফিরিয়ে আনা উচিত!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1313984510749544450 টুইটারের মাধ্যমে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ৭ অক্টোবর ২০২০
* অর্থনীতির ক্ষেত্রে আমার মনে হয় ডোনাল্ড ট্রাম্প আর [[জো বাইডেন]]ের মধ্যে এক মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। জো বাইডেন বিশ্বাস করেন যে আমেরিকান শ্রমিক আর আমেরিকান পরিবারের সুস্বাস্থ্যের ওপর ভিত্তি করে অর্থনীতির শক্তি মাপা উচিত। অন্যদিকে '''ডোনাল্ড ট্রাম্প ধনীদের অবস্থার ওপর ভিত্তি করে অর্থনীতির শক্তি মাপেন। এই কারণেই তিনি একটি কর বিল পাস করেছিলেন যা শীর্ষ ১% ধনী আর আমেরিকার বড় বড় কোম্পানিগুলোকে সুবিধা দেয়। এর ফলে ২ ট্রিলিয়ন ডলারের ঘাটতি তৈরি হয়েছে যা আমেরিকানদেরই শোধ করতে হবে। পেন্স আর ট্রাম্প কেবল পুলিশি সহিংসতার ক্ষেত্রেই বর্ণবাদ অস্বীকার করছেন না, তারা অর্থনীতি আর স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রেও বিদ্যমান বর্ণবাদকে পাত্তা দিচ্ছেন না... তারা শুধু ধনী আর লোভীদেরই সুরক্ষা দিতে চান। ট্রাম্প-পেন্স পরিকল্পনা মানেই হলো ধনীদের আরও টাকা দেওয়া। আসলে ট্রাম্প-পেন্স-ম্যাককনেল পরিকল্পনা হলো স্টিমুলাস পাস করতে না চাওয়া, কারণ তারা আরও ২০০ বিলিয়ন ডলারের কর ছাড় চান।''' তারা যুদ্ধবিমানের জন্য টাকা চান, আর কোম্পানিগুলোকে সুরক্ষা দিতে চান যাতে করোনাভাইরাস থেকে কর্মীদের সুরক্ষা না দেওয়ার জন্য তাদের কোনো দায় নিতে না হয়।
** রেভ উইলিয়াম বারবার ২, [https://www.democracynow.org/2020/10/8/mike_pence_kamala_harris_vp_debate রেভ. উইলিয়াম বারবার: লক্ষ লক্ষ মানুষ লড়াই করছে। তাহলে কেন বিতর্কে দারিদ্র্যকে উপেক্ষা করা হচ্ছে?, ''ডেমোক্র্যাসি নাউ''] (৮ অক্টোবর ২০২০)
* আমি কোনো অনলাইনে বিতর্ক করব না। ভার্চুয়াল বিতর্কে আমি আমার সময় নষ্ট করব না।
** কভিড-১৯ সংক্রমণের কারণে দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি বিতর্কে দূরবর্তী অবস্থান থেকে অংশগ্রহণের উদ্যোগ সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-০৮ |শিরোনাম=সিপিডি পরিবর্তন ঘোষণার পর ট্রাম্প বলেছেন তিনি 'ভার্চুয়াল বিতর্কে' সময় নষ্ট করবেন না | লেখক=ব্রুক সিংম্যান | সাময়িকী=ফক্স নিউজ | ইউআরএল=https://www.foxnews.com/politics/second-trump-biden-debate-will-be-virtual-organizers-say}}
* দানব... কমিউনিস্ট... ভয়াবহ... একদমই অপছন্দ করার মতো।
** উপ-রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী কমলা হ্যারিস সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-০৮ |শিরোনাম=উপ-রাষ্ট্রপতি বিতর্কের পরের সকালে ট্রাম্প হ্যারিসকে 'দানব' বলে অপমান করলেন | লেখক=এলিজাবেথ থমাস | সাময়িকী=এবিসি নিউজ | ইউআরএল=https://abcnews.go.com/Politics/trump-insults-harris-monster-morning-vice-presidential-debate/story?id=73498918}}
* আমরা ফ্লোরিডায় একটা জনসভা করতে চাই, সম্ভবত শনিবার রাতে ফ্লোরিডায়। পরের রাতে পেনসিলভ্যানিয়ায় আর একটা করতে পারি। আমি খুব ভালো বোধ করছি! আসলে কাল পরীক্ষা হবে, আসল পরীক্ষা। কারণ সারাক্ষণ পরীক্ষা করার কোনো দরকার নেই, তবে তারা খুব সামান্য সংক্রমণ বা ভাইরাস পেয়েছে, যদি আদৌ পেয়ে থাকে। আমি জানি না তারা কিছু পেয়েছে কি না, আমি ডাক্তারদের সাথে এ নিয়ে বেশি কথা বলিনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-০৮ |শিরোনাম=হানিটি সাক্ষাৎকারে কাশির মাঝেই ট্রাম্প বললেন তিনি শনিবার জনসভা করতে চান | লেখক=জাস্টিন বারগোনা | সাময়িকী=ডেইলি বিস্ট | ইউআরএল=https://www.thedailybeast.com/trump-coughing-through-hannity-interview-says-he-wants-to-do-saturday-rally}}
* শুল্ক নিয়ে আগে কেউ কখনও শোনেনি। কেউ না। আসলে আমি যখন এটি শুরু করি, তারা এর মানেও জানত না।
** চীন থেকে আমদানির ওপর শুল্ক সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-১১ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: হাসপাতাল থেকে ফেরার পর ফক্স বিজনেসে দেওয়া প্রথম সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প অন্তত ১৪টি মিথ্যা দাবি করেছেন | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/10/08/politics/fact-check-trump-interview-bartiromo-fox-business/index.html}}
* উত্তর ক্যারোলাইনায় আমি যা দেখেছি, আমরা যা সেখানে পরাজিত করেছি এবং যার বিরুদ্ধে মামলা করেছি, '''ট্রাম্প আর পেন্স এখন সেই কাজটাই জাতীয় পর্যায়ে করার কথা বলছেন: অত্যন্ত সূক্ষ্ম বর্ণবাদ... পেন্স আর ট্রাম্প ভোটাধিকার আইনে বিশ্বাস করেন না... তারা জানেন যে সবাই ভোট দিলে তারা জিততে পারবেন না। তারা কৃষ্ণাঙ্গ আর বাদামী বর্ণের গরিব মানুষদের ভোট দেওয়া নিয়ে প্রচণ্ড ভয়ে আছেন।'''<br>আর এই কথা বলা বন্ধ করুন যে গতবার ট্রাম্প জিতেছিলেন। তিনি ৮০,০০০ ভোটের ব্যবধানে ইলেক্টোরাল কলেজে নির্বাচিত হয়েছিলেন। আমাদের এই কাল্পনিক কথাগুলো বন্ধ করতে হবে যে তার কোনো জাদুকরী ক্ষমতা ছিল। আসল কথা হলো, ১০০ মিলিয়ন মানুষ ভোট দেয়নি। ... আমি যাত্রাপুস্তক-এর সেই অংশের কথা না ভেবে পারলাম না, যেখানে ঈশ্বর বলেছিলেন, "তুমি যদি আমার লোকদের যেতে না দাও, তবে আমি চিহ্ন হিসেবে মাছি পাঠাব। কিন্তু আমি মাছিগুলোকে মানুষের ওপর পড়তে দেব না, মাছিগুলো কেবল প্রতীক হবে যে তুমি ভুল করছ। তুমি মিথ্যা বলছ। আমার লোকদের মুক্তি দাও।" আর ট্রাম্প এবং পেন্সের উচিত মানুষকে মুক্তি দেওয়া। তারা গরিব আর অল্প আয়ের মানুষদের জিম্মি করে রেখেছে, জরুরি পরিষেবার কর্মীদের জিম্মি করে রেখেছে। এই দেশে এখন পরিবর্তনের সময় এসেছে।
** রেভ. উইলিয়াম বারবার ২, [https://www.democracynow.org/2020/10/8/rev_william_barber_voting_2020 ভোটার দমনের ওপর রেভ. উইলিয়াম বারবার: রিপাবলিকানরা জানে সবাই ভোট দিলে তারা জিততে পারবে না], ''ডেমোক্র্যাসি নাউ!'', (৮ অক্টোবর ২০২০)
* অনেকে যেমনটা লক্ষ্য করেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাস্তব মেনে নেওয়ার ক্ষমতা আশ্চর্যজনকভাবে কম, বিশেষ করে যখন তিনি অন্য কিছু বিশ্বাস করতে চান যা আমি ''অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ার'' বইতে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছি। নিজেকে মিথ্যা বোঝানোর জন্য তিনি অদ্ভুত সব উৎস আর চাটুকার মানুষ খুঁজবেন। তিনি চেয়েছিলেন ভাইরাসটা এমনিতে চলে যাক, তাই তিনি বিশ্বাস করেছিলেন যে এপ্রিলের গরমে এটি মারা যাবে, অথবা হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনে এর প্রতিকার হবে, অথবা ব্লিচ দিয়ে এটি ধ্বংস হবে, নতুবা অক্টোবরের মধ্যে টিকার মাধ্যমে এটি প্রতিরোধ করা যাবে। যখন তিনি শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি কতটা গুরুতর তা স্বীকার করলেন, তখনই তিনি অঙ্গরাজ্যগুলোকে আবার খুলে দেওয়ার এবং স্বাভাবিক জীবনে ফেরার জন্য চাপ দিতে শুরু করলেন। যার ফলাফল কিছু অঙ্গরাজ্যের জন্য খুব খারাপ হয়েছিল। তিনি সাধারণ নির্বাচনী জনসভা করতে জেদ ধরলেন, মাস্ক পরতে নির উৎসাহিত করলেন, শরতে স্কুল খুলতে বাধ্য করলেন আর অর্থনীতি চাঙ্গা করতে এবং জেতার সম্ভাবনা বাড়াতে জনগণের ওপর অপরীক্ষিত টিকা ব্যবহারের চাপ দিলেন।<br>চীনকে দোষারোপ করা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য বলির পাঁঠা দরকার ছিল। তিনি চীনের ওপর দোষ চাপিয়ে বললেন যে তার কাছে গোপন প্রমাণ আছে যে চীন এই ভাইরাস তৈরি করেছে এবং সারা বিশ্বে এটি ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ দিয়েছে। তিনি ব্যাখ্যা করেছিলেন যে শুরুতে চীনের প্রেসিডেন্ট সি জিনপিং তাকে ধোঁকা দিয়েছিলেন, যিনি তাকে ফোনে আশ্বস্ত করেছিলেন যে রোগটি নিয়ন্ত্রণে আছে। ট্রাম্প ৬ ফেব্রুয়ারি তাকে ফোন করে রোগ নির্মূলের জন্য সাহায্য করতে সিডিসির বিজ্ঞানীদের চীনে পাঠানোর প্রস্তাব দেন। তিনি ভেবেছিলেন সি জিনপিং এই আগে প্রত্যাখ্যান করা প্রস্তাবে রাজি হবেন কারণ তার সাথে চীনা নেতার ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল। কিন্তু সি জিনপিং আগ্রহী ছিলেন না। ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের ডেপুটি ডিরেক্টর ম্যাট পটিংগার, যিনি ফোনালাপটি শুনেছিলেন, তার মতে সি জিনপিং এমন একটা ধারণা দিয়েছিলেন যে চীনে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে আছে (''রেজ'', পৃষ্ঠা ২৪১-২৪৩)। কিন্তু চীন এই রোগ নিয়ন্ত্রণে নাটকীয় পদক্ষেপ নিয়েছিল। ৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই উহান আর সেই প্রদেশটিকে চীনের বাকি অংশ থেকে আলাদা করে ফেলা হয়েছিল এবং দুই সপ্তাহ ধরে কঠোর কোয়ারেন্টাইন চালু করা হয়েছিল। প্রায় ৪০,০০০ স্বাস্থ্যকর্মী সেই এলাকায় পাঠানো হয়েছিল, দ্রুত হাসপাতাল তৈরি করা হচ্ছিল আর সংক্রমণের হার কমে আসছিল।<br>চীনা সরকার অবশ্যই দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে রোগ ছড়ানো বন্ধ করতে কিছু করেনি। কিন্তু সারা বিশ্বের ভাইরাস বিশেষজ্ঞরা একমত যে কভিড-১৯ প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হয়েছে, গবেষণাগারে নয়। যুক্তরাষ্ট্র করোনাভাইরাস মৃত্যুতে বিশ্বে এক নম্বর হয়েছে সি জিনপিং ট্রাম্পের কাছে মিথ্যা বলেছিলেন বলে নয়, বরং ট্রাম্প নিজের দেশের বিশেষজ্ঞদের বারবার দেওয়া সবথেকে বড় সতর্কবাণীগুলো কয়েক সপ্তাহ ধরে উপেক্ষা করেছিলেন বলে। এরপর তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে আমেরিকানদের কাছে মিথ্যা বলেছিলেন যে তাদের কী করা উচিত। এই রক্তের দায় অন্য যে কারোর চেয়ে তার ওপরই বেশি, আর মনে মনে অজুহাত, অস্বীকার আর দায় চাপানোর আড়ালে তিনিও সম্ভবত তা জানেন।
** বব আলটেমেয়ার, [https://theauthoritarians.org/updating-authoritarian-nightmare/ "অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ার-এর আপডেট"], ৮ অক্টোবর ২০২০।
* আমেরিকান জনগণের স্বার্থ দেখার বদলে বার ডোনাল্ড ট্রাম্পের পোষা কুকুরের মতো কাজ করাকেই বেছে নিয়েছেন।
** ফিলিপ হালপার্ন (মার্কিন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল), [https://lawandcrime.com/high-profile/assistant-u-s-attorney-leaves-doj-after-36-years-due-to-lap-dog-bill-barrs-slavish-obedience-to-donald-trumps-will/ 'পোষা কুকুর' বিল বারের ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইচ্ছার প্রতি 'ক্রীতদাসসুলভ আনুগত্যের' কারণে ৩৬ বছর পর সহকারী মার্কিন অ্যাটর্নি বিচার বিভাগ ত্যাগ করলেন] নিবন্ধ অনুযায়ী (১৫ অক্টোবর ২০২০)
* আমার মনে হয় আমেরিকান জনগণের অধিকার আছে প্রেসিডেন্ট তার উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা বলেন তার ওপর নির্ভর করার। যখন একজন প্রেসিডেন্ট নিজের উদ্দেশ্য সম্পর্কে একদম পরিষ্কার কথা বলেন, তখন হোয়াইট হাউস কাউন্সিলের এই কথা আমি মেনে নিতে পারি না যে, 'আসলে এটা তার উদ্দেশ্য ছিল না।' হয়ত হোয়াইট হাউস কাউন্সিল প্রেসিডেন্টের সাথে কথা বলেছে, অথবা বলেনি—আমি তা জানি না।
** মার্কিন জেলা আদালতের বিচারক রেজি ওয়ালটন, যিনি [[জর্জ ডব্লিউ বুশ]]-এর আমলের নিয়োগপ্রাপ্ত, [https://www.politico.com/news/2020/10/16/judge-trump-russia-probe-declassification-429832 বিচারক জানতে চান ট্রাম্প রাশিয়া তদন্তের গোপনীয়তা উন্মোচন থেকে পিছিয়ে যাচ্ছেন কি না] নিবন্ধ অনুযায়ী (১৬ অক্টোবর ২০২০)
* আমি যখন দেখি হাজার হাজার ব্যালট ময়লার ঝুড়িতে ফেলে দেওয়া হয়েছে আর সেগুলোতে আমার নাম রয়েছে? এতে আমি একদমই খুশি নই।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-১৭ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: অতিমারীতে ট্রাম্প এমন কিছু দেখছেন যা অন্য কেউ দেখছে না | লেখক=ক্যালভিন উডওয়ার্ড, হোপ ইয়েন | সাময়িকী=এপি নিউজ| ইউআরএল=https://apnews.com/article/election-2020-virus-outbreak-ap-fact-check-donald-trump-technology-a6ddb8360fa9b1ff95acbbc1e03f437e}}
* আপনারা কি দেখেছেন যে ওরা প্রায় ৫০,০০০ ব্যালট একটা নদীর মতো জায়গায় খুঁজে পেয়েছে?<br>টিকা ছাড়াও এই অতিমারী শেষ হবে। এটি তার পথেই চলবে আর শেষ হবে। ওরা পাগল হয়ে যাবে। কালই খবর হবে যে তিনি বলেছেন ‘টিকা ছাড়াই’—দেখবেন। এই লোকগুলো পাগল। না, এটি স্বাভাবিকভাবেই চলছে। আমরা শেষ পর্যায়ে চলে এসেছি। আপনারা সংখ্যাগুলো দেখছেন, আমরা ঠিক পথেই আছি।<br>মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অন্য দেশের চেয়ে বেশি আক্রান্ত দেখা যায় কারণ এখানে অনেক বেশি (এবং ব্যয়বহুল) পরীক্ষা করা হয়—আর ভুয়া সংবাদমাধ্যমগুলো প্রতিদিন এর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।<br>চীন ভাইরাসের পর থেকে আমরা আমাদের দেশের ইতিহাসে রেকর্ড সংখ্যক কর্মসংস্থান তৈরি করেছি—মাত্র কয়েক মাসেই ১ কোটি ১৪ লক্ষ।<br>আমরা এখন কর্মসংস্থান আর বেকারত্বের নতুন রেকর্ড গড়ছি। আমরা অর্থনৈতিকভাবে নানা রকম রেকর্ড গড়ছি।<br>আমি একটা বিলে সই করেছি যার ফলে আপনি যদি কোনো সরকারি মূর্তি ভাঙেন তবে আপনার ১০ বছরের জেল হবে। মেক্সিকো দেওয়ালের খরচ দিচ্ছে। আমরা ইতিহাসের সবথেকে বড় কর ছাড় দিয়েছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২০ |শিরোনাম=ট্রাম্পের অসৎ সপ্তাহান্তের ফ্যাক্ট-চেকিং: প্রেসিডেন্ট তিন দিনে অন্তত ৬৬টি মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর দাবি করেছেন | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল| সাময়িকী= সিএনএন| ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/10/19/politics/fact-check-trump-dishonest-weekend-florida-michigan-georgia-wisconsin/index.html}}
* (''ভুয়া ব্যালট প্রসঙ্গে:'') সেই সব ব্যালটগুলোর কথা ভাবুন তো যেগুলোতে আমার নাম ছাড়াই ছাপানো হয়েছিল? সেগুলোতে সব ছিল। সেনেট থেকে শুরু করে সব পদ ছিল, শুধু আমার নাম দিতেই ওরা ভুলে গেল।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২০ |শিরোনাম=ট্রাম্প আবার ব্যালট নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন | লেখক=লরি রবার্টসন| সাময়িকী= ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি| ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/10/trump-misleads-on-ballots-again/}}
* আমাদের কোনো সমাজতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট থাকবে না। বিশেষ করে কোনো নারী সমাজতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট আমাদের থাকবে না। আমরা এটা হতে দেব না, আমরা এটা সহ্য করব না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৪ |শিরোনাম=ডেমোক্র্যাটিক উপ-রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীর বিরুদ্ধে ট্রাম্পের কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ | লেখক=সারাহ আল-আরশানি| সাময়িকী= বিজনেস ইনসাইডার| ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-targets-kamala-harris-in-sexist-rant-2020-10?r=US&IR=T}}
* আমাদের এমন কোনো প্রেসিডেন্ট থাকবে না যে স্রেফ তার সমালোচনা করার জন্য মানুষকে জেলের ভয় দেখাবে।
** জো বাইডেনের নির্বাচনী প্রচারে [https://www.wlrn.org/2020-10-25/obama-hits-campaign-trail-in-south-florida-criticizing-trumps-behavior-as-worse-than-florida-man ওবামা দক্ষিণ ফ্লোরিডায় নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্পের আচরণকে ফ্লোরিডা ম্যানের চেয়েও খারাপ বলে সমালোচনা করেছেন] নিবন্ধ অনুযায়ী [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৫ অক্টোবর ২০২০)
* ওদের সবাইকে জেলে ভরুন।
** একটি অনির্ধারিত গোষ্ঠী সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৬ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: '৬০ মিনিটস'-এ ট্রাম্প অন্তত ১৬টি মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর দাবি করেছেন | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল| সাময়িকী= সিএনএন| ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/10/25/politics/fact-check-trump-60-minutes-lesley-stahl/index.html}}
* আমার যদি সোশ্যাল মিডিয়া না থাকত, তবে আমার কথা পৌঁছানোর আর কোনো উপায় থাকত না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৬ |শিরোনাম=সিবিএস ট্রাম্পের ৬০ মিনিটস সাক্ষাৎকার থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ফুটেজ প্রকাশ করেছে | লেখক=মার্টিন মেলাম| সাময়িকী= দ্য গার্ডিয়ান| ইউআরএল=https://www.theguardian.com/us-news/2020/oct/26/cbs-releases-footage-trump-walking-out-60-minutes-interview}}
* পুরো যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে ডাকযোগে পাঠানো ব্যালট নিয়ে বড় সমস্যা আর গরমিল দেখা যাচ্ছে। ৩রা নভেম্বরের মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল থাকতে হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট, যা "বিভ্রান্তিকর" হিসেবে চিহ্নিত এবং যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৬ |শিরোনাম=টুইটার ডাকযোগে ভোট নিয়ে ট্রাম্পের আরেকটি টুইটকে 'বিভ্রান্তিকর' হিসেবে চিহ্নিত করল এবং অন্য ব্যবহারকারীদের এটি রিটুইট করা বন্ধ করে দিল | লেখক=ইসাবেল অ্যাশার হ্যামিল্টন| সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার| ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/twitter-trump-tweet-mail-voting-warning-label-minsinformation-block-retweet-2020-10?r=US&IR=T}}
* পেনসিলভ্যানিয়ায় এখন একমাত্র যা করা যায় তা হলো বিক্ষোভ। আপনি গির্জায় যেতে পারেন না। আপনি আপনার ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করতে পারেন না। আপনি আপনার যাজক বা রাবাইদের সাথে থাকতে পারেন না। এর কিছুই করা যায় না। আপনি কিচ্ছু করতে পারেন না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৭ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: পেনসিলভ্যানিয়ার মানুষ 'গির্জায় যেতে পারে না' বলে ট্রাম্প মিথ্যা দাবি করেছেন | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/10/27/politics/trump-false-claim-pennsylvania-cant-go-to-church-fact-check/index.html}}
* সে আপনাদের আইনের পাহাড় চাপিয়ে দেবে, পুলিশ বিভাগগুলো বন্ধ করে দেবে, আমাদের সীমান্ত বিলীন করে দেবে, আপনাদের বন্দুক কেড়ে নেবে, ধর্মীয় স্বাধীনতা শেষ করবে আর আপনাদের শহরতলিগুলোকে ধ্বংস করে দেবে।
* আপনারা যদি বাইডেনকে ভোট দেন, তার মানে স্কুলে কোনো বাচ্চা থাকবে না, কোনো সমাবর্তন হবে না, কোনো বিয়ে হবে না, কোনো থ্যাঙ্কসগিভিং, বড়দিন বা স্বাধীনতা দিবস পালিত হবে না।
** ডেমোক্র্যাট রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী জো বাইডেন সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৯ |শিরোনাম=স্বাভাবিক অতিরঞ্জিত কথার মাধ্যমে ট্রাম্প বাইডেনের অধীনে জীবনের এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছেন | লেখক=ডার্লিন সুপারভিল | সাময়িকী=দ্য টাইমস অফ ইসরায়েল | ইউআরএল=https://www.timesofisrael.com/with-typical-hyperbole-trump-paints-apocalyptic-portrait-of-life-under-biden/}}
==== নভেম্বর ২০২০ ====
* আমরা এই নির্বাচনে জেতার জন্য পুরোপুরি তৈরি ছিলাম। সত্যি বলতে, আমরা জিতেই গেছি। এটি আমাদের জাতির সাথে এক বিশাল জালিয়াতি। আমরা চাই আইনের সঠিক প্রয়োগ হোক। তাই আমরা মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে যাব। আমরা চাই সব ভোট গ্রহণ বন্ধ হোক।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-০৩ |শিরোনাম=মার্কিন রাষ্ট্রপতি পদের ফলাফল এখনো অমীমাংসিত; মধ্য-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রধান অঙ্গরাজ্যগুলোতে বাইডেন এগিয়ে | লেখক= ট্রেভর হানিকাট, জেফ মেসন | সাময়িকী=রয়টার্স | ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/usa-election/us-presidency-still-undecided-biden-opens-leads-in-key-midwestern-states-idUSKBN27J0FZ}}
* আমি এই নির্বাচনে জিতেছি, তাও বিশাল ব্যবধানে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1325099845045071873 ৭ নভেম্বর ২০২০]
* ২০১৬ সালে ট্রাম্পের জয়ে মানুষ এই কারণে বিচলিত ছিল যে তিনি এমন সব নীতি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রচারণা চালিয়েছিলেন, যা রাষ্ট্রীয় সহিংসতার মাধ্যমে জাতিগত ও নৃতাত্ত্বিক সংখ্যালঘুদের লক্ষ্যবস্তু করে (এবং তিনি কেবল অভদ্র বা অসভ্য ছিলেন বলেই এমনটা করেননি)। কোনোভাবেই বাইডেনের প্রচারণাকে এর সাথে তুলনা করা যায় না। দুঃখিত! বাইডেন খ্রিস্টানদের নিষিদ্ধ করবেন না, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এখানে থাকা শ্বেতাঙ্গ অভিবাসীদের মর্যাদা খেয়ালখুশিমতো বাতিল করবেন না, দেশের শ্বেতাঙ্গ অধ্যুষিত অংশগুলো বিক্রি করার চেষ্টা করবেন না বা শ্বেতাঙ্গদের বিরুদ্ধে পুলিশি সহিংসতাকে উস্কে দেবেন না। আপনাদের এই হতাশাকে কোনোভাবেই নিপীড়ন বলা যায় না।
** অ্যাডাম সারওয়ার, ৯ নভেম্বর ২০২০ টুইটারে
* রিপোর্ট: ডোমিনিয়ন সারা দেশে ট্রাম্পের ২৭ লক্ষ ভোট মুছে ফেলেছে। তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে পেনসিলভানিয়ায় ২,২১,০০০ ভোট প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের থেকে সরিয়ে বাইডেনের অ্যাকাউন্টে দেওয়া হয়েছে। ৯,৪১,০০০ ট্রাম্পের ভোট মুছে ফেলা হয়েছে। ডোমিনিয়ন ভোটিং সিস্টেম ব্যবহার করা অঙ্গরাজ্যগুলো ট্রাম্পের ৪,৩৫,০০০ ভোট বাইডেনের দিকে সরিয়ে দিয়েছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]েরে বিতর্কিত টুইট, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-১৩ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: 'মুছে ফেলা' ভোট নিয়ে ট্রাম্পের টুইটের গালগল্প | লেখক= আলী সোয়েনসন, আমান্ডা সিটজ | সাময়িকী=এপি নিউজ | ইউআরএল=https://apnews.com/article/election-2020-ap-fact-check-joe-biden-donald-trump-technology-13c104367924b8192b4fcecf334f7806}}
* ফক্স নিউজ আর ভুয়া খবরের মাধ্যমগুলো এই বিশাল জমায়েত দেখাচ্ছে না। বদলে তারা তাদের সাংবাদিকদের প্রায় জনশূন্য রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রেখেছে। এখন আমরা সংবাদমাধ্যমের দ্বারা তথ্য দমনের শিকার হচ্ছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1327724046595842049 ১৪ নভেম্বর ২০২০]
* নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের মতো জায়গাগুলো বাদে বাকি সব সাধারণ মানুষের জন্য টিকা পাওয়া যাবে। রাজনৈতিক কারণে সেখানকার গভর্নর দেরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আমার মনে হয় না এটি রাজনৈতিকভাবে ভালো, স্বাস্থ্যের দিক থেকেও এটি খুব খারাপ, তবে তিনি টিকা নিয়ে সময় নিতে চান। আমরা এমন কোনো রাজ্যে এটি পৌঁছে দিতে পারি না যারা তাদের জনগণকে অবিলম্বে এটি দেবে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-৩০ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: টিকা এবং অঙ্গরাজ্যগুলোতে এর বিতরণ নিয়ে ট্রাম্পের ভুল তথ্য | লেখক= হোপ ইয়েন, লরা নিরগার্ড, ক্যান্ডিস চই | সাময়িকী=এপি | ইউআরএল=https://apnews.com/article/ap-fact-check-joe-biden-donald-trump-politics-coronavirus-pandemic-76d1580f82b1586b207990396c1e3b5f}}
* এইমাত্র নেভাদা অঙ্গরাজ্যে এক বিশাল জয় এল। কাউন্টি কমিশনারের লড়াইয়ে ডেমোক্র্যাটদের একচ্ছত্র আধিপত্যের ওই ভোট বাতিল করা হয়েছে কারণ সেখানে বড় ধরনের ভোট জালিয়াতি ধরা পড়েছে। ক্লার্ক কাউন্টির কর্মকর্তারা তাদের নিজেদের নির্বাচনী নিরাপত্তার ওপর আস্থা রাখতে পারছেন না। বিশাল প্রভাব!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]][https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1328483862490574849 টুইটারে], ১৬ নভেম্বর ২০২০
* আমি নির্বাচনে জিতেছি!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1328334945148952576 টুইটারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেখানে টুইটার সতর্কবার্তা দিয়েছে: "একাধিক সূত্র এই নির্বাচনের ভিন্ন ফলাফল দিয়েছে",১৬ নভেম্বর ২০২০
* ২০২০ সালের নির্বাচনের নিরাপত্তা সম্পর্কে ক্রিস ক্রেবসের সাম্প্রতিক বক্তব্য অত্যন্ত ভুল ছিল... তাই অবিলম্বে ক্রিস ক্রেবসকে সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার সিকিউরিটি এজেন্সির পরিচালক পদ থেকে বরখাস্ত করা হলো।
** [https://www.usatoday.com/story/news/politics/2020/11/17/trump-ousts-homeland-security-chris-krebs-called-election-secure/6276676002/ ট্রাম্প হোমল্যান্ড সিকিউরিটির সাইবার প্রধান ক্রিস ক্রেবসকে বরখাস্ত করেছেন, যিনি নির্বাচনকে সুরক্ষিত বলেছিলেন] শীর্ষক খবর অনুযায়ী ডোনাল্ড ট্রাম্প টুইটারের মাধ্যমে তার সাইবার প্রধানকে বরখাস্ত করেছেন (১৮ নভেম্বর ২০২০)
* আমি না থাকলে আরও চার বছর আপনারা টিকা পেতেন না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-২০ |শিরোনাম=ট্রাম্পের ইঙ্গিত যে তাকে হারানোর জন্য টিকা কোম্পানিগুলো প্রতিশোধমূলক ষড়যন্ত্র করেছে | লেখক= র্যাচেল ওল্ডিং | সাময়িকী=ডেইলি বিস্ট | ইউআরএল=https://www.thedailybeast.com/trump-suggests-vaccine-companies-orchestrated-revenge-filled-conspiracy-to-make-him-lose}}
* আমার সাথে ওভাবে কথা বলবেন না, আপনার কোনো যোগ্যতাই নেই। আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতির সাথে ওভাবে কখনো কথা বলবেন না।
** থ্যাঙ্কসগিভিংয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-election-2020/trump-news-live-twitter-biden-election-b1762621.html ট্রাম্প নিউজ: শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা ছাড়ার প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসার পর পেনসিলভানিয়ার আপিলে হেরেছেন প্রেসিডেন্ট] নিবন্ধে উদ্ধৃত হয়েছে।,২৭ নভেম্বর ২০২০
* তথ্য দমনের জন্য বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো আর ভুয়া সংবাদমাধ্যম একজোট হয়েছে। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা শেষ হয়ে গেছে, এটি এখন অতীত। এই কারণেই তারা ২০২০ সালের নির্বাচনের প্রকৃত তথ্য ও পরিসংখ্যান প্রকাশ করতে অস্বীকার করছে...
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1332349861774155778?s=20 টুইট] যা টুইটার "নির্বাচনী জালিয়াতি সম্পর্কে এই দাবিটি বিতর্কিত" লেবেল দিয়ে চিহ্নিত করেছে,২৭ নভেম্বর ২০২০
* বাইডেন কেবল তখনই প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোয়াইট হাউসে ঢুকতে পারবেন, যদি তিনি প্রমাণ করতে পারেন যে তার ওই হাস্যকর '৮ কোটি ভোট' জালিয়াতি বা অবৈধভাবে পাওয়া যায়নি। ডেট্রয়েট, আটলান্টা, ফিলাডেলফিয়া আর মিলওয়াকিতে কী হয়েছে তা দেখলে বুঝবেন যে বিশাল ভোট জালিয়াতি হয়েছে। এটি তার জন্য এক বিশাল এবং সমাধান অযোগ্য সমস্যা।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-২৮ |শিরোনাম=প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মিথ্যা এবং ষড়যন্ত্র তত্ত্ব টুইট করা চালিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে ট্রাম্প আভাস দিয়েছেন যে বাইডেন 'প্রমাণ করতে না পারলে' তিনি হোয়াইট হাউস ছাড়বেন না | লেখক= গ্রেস প্যানেটা | সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার | ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-says-he-wont-leave-white-house-biden-disproves-fraud-2020-11?r=US&IR=T}}
* পেনসিলভানিয়ার ঘটনায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে এবং আমাদের কাছে এর বিশাল প্রমাণ রয়েছে। কিছু মানুষ স্রেফ তা দেখতে চায় না। আমাদের দেশকে বাঁচানোর সাথে তারা কোনো সম্পর্ক রাখতে চায় না। দুঃখজনক!!!
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1332778938121203720 টুইট],২৮ নভেম্বর ২০২০
* @FoxNews-এর দিনের বেলার অনুষ্ঠানগুলো দেখা প্রায় অসম্ভব, বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-২৯ |শিরোনাম=নির্বাচনের পর প্রথম সাক্ষাৎকারের আগে ফক্স নিউজ বাদে 'অন্য কিছু' দেখার জন্য দর্শকদের বললেন ট্রাম্প | লেখক= ইয়েলেনা জানোভা | সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার | ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-calls-fox-news-unwatchable-criticism-newsmax-2020-11?r=US&IR=T}}
* এই দেশে সংবাদপত্রের কোনো স্বাধীনতা নেই, এখানে চলছে তথ্য দমন।
** ফক্স নিউজে মারিয়া বার্টিরোমোর সাথে এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]],২৯ নভেম্বর ২০২০
* আমি এমন সব টিকা নিয়ে এসেছি যা মানুষ ভেবেছিল পেতে পাঁচ বছর সময় লাগবে।
* কিছু যান্ত্রিক গোলযোগ হয়েছিল যার ফলে আমার হাজার হাজার ভোট বাইডেনের অ্যাকাউন্টে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
* (যুক্তরাষ্ট্রের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি সামলানো প্রসঙ্গে:) আমরা বিশ্বের বাকি দেশগুলোর চেয়ে ভালো করছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-২৯ |শিরোনাম=ফক্স নিউজের মারিয়া বার্টিরোমো নির্বাচনের পর ট্রাম্পের প্রথম টিভি সাক্ষাৎকার নিয়েছেন, যা মিথ্যায় ভরা ছিল | লেখক= আলেকজিস বেনভেনেস্টে | সাময়িকী= সিএনএন বিজনেস | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/11/29/media/bartiromo-trump-interview/index.html}}
* ব্রায়ান কেম্প আর ডগ ডুসির মতো রিপাবলিকান থাকতে ডেমোক্র্যাটদের কী দরকার?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-৩০ |শিরোনাম=ট্রাম্পের আক্রমণের পর অ্যারিজোনার গভর্নর ডগ ডুসি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পক্ষে সাফাই দিয়েছেন | লেখক= ক্যারোলিন কেলি, অ্যালিসন মেইন | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/11/30/politics/doug-ducey-defends-election-arizona-trump/index.html}}
==== ডিসেম্বর ২০২০ ====
(কালানুক্রমিকভাবে)
* আসলে আমি উইসকনসিনে জিতেছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-০৫ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: সাজানো নির্বাচনের ভিত্তিহীন দাবির মধ্যে ট্রাম্প বলেছেন তিনি উইসকনসিনে জিতেছেন | লেখক= ডি.এল. ডেভিস, পলিটিফ্যাক্ট | সাময়িকী=হিউস্টন ক্রনিকল | ইউআরএল=https://www.houstonchronicle.com/local/texas-politics/politifact/article/Fact-check-Among-baseless-claims-of-rigged-15794749.php}}
* আপনাদের বোঝার সুবিধার্থে বলছি, আপনারা জানেন যে আমরা জর্জিয়াতে জিতেছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-০৫ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: জর্জিয়ায় নির্বাচনী প্রচারের সময় ট্রাম্পের ভিত্তিহীন দাবি | লেখক= ইউজিন কিয়েলি | সাময়িকী=জিএ টুডে | ইউআরএল=https://www.gpb.org/news/2020/12/09/fact-check-trump-makes-bogus-swing-state-claim-during-campaign-stop-in-georgia}}
* যদি আমি হারতাম, তবে আমি খুব উদারভাবে হার মেনে নিতাম।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-০৬ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: জনসভায় ট্রাম্পের দুঃসাহসিক মিথ্যাচার | লেখক= ক্যালভিন উডওয়ার্ড | সাময়িকী=এপি নিউজ | ইউআরএল=https://apnews.com/article/fact-check-donald-trump-rally-falsehoods-424834660f894040b55b415aecb2a443}}
* রাইনো ব্রায়ান কেম্প, জিওফ ডানকান এবং সেক্রেটারি অফ স্টেট ব্র্যাড রাফেনসপারজার জর্জিয়ার আমাদের দুজন মহান সিনেটর ডেভিড পারডু এবং কেলি লোফ্লারের সম্ভাব্য পরাজয়ের জন্য এককভাবে দায়ী থাকবেন। তারা কোনো বিশেষ অধিবেশন ডাকবে না বা সই যাচাই করবে না! মানুষ অনেক ক্ষুব্ধ!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-০৭ |শিরোনাম=ট্রাম্প বলেছেন রাইনো কেম্প এবং রাফেনসপারজারই 'এককভাবে দায়ী' যদি লোফ্লার ও পারডু নির্বাচনে হারেন | লেখক= জেফারি মার্টিন | সাময়িকী=নিউজউইক | ইউআরএল=https://www.newsweek.com/trump-says-rinos-kemp-raffensperger-solely-responsible-if-loeffler-perdue-lose-election-1553024}}
* সুপ্রিম কোর্ট আমাদের সত্যিই হতাশ করেছে। কোনো প্রজ্ঞা নেই, কোনো সাহস নেই!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-১১ |শিরোনাম='কোনো প্রজ্ঞা নেই, কোনো সাহস নেই!': টেক্সাসের নির্বাচনী ফলাফল বাতিলের আবেদন সুপ্রিম কোর্ট প্রত্যাখ্যান করার পর ট্রাম্পের ক্ষোভ | লেখক= কেলসি ভ্লামিস | সাময়িকী=এমএসএন নিউজ | ইউআরএল=https://www.msn.com/en-us/news/other/no-wisdom-no-courage-trump-lashes-out-at-the-supreme-court-after-it-rejected-a-texas-bid-to-overturn-the-election-results/ar-BB1bRIqA}}
* আমরা কেবল লড়াই শুরু করেছি!!!
** ২০২০ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে লড়াই করা প্রসঙ্গে ট্রাম্পের টুইট,{{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-১১ |শিরোনাম=ঐতিহাসিক টিকা বিতরণের আগে ট্রাম্প আত্মঘাতী লড়াইতে লিপ্ত | লেখক= মেভ রেস্টন | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/12/13/politics/donald-trump-william-barr-pfizer-vaccine/index.html}}
* এটি শেষ হয়ে যায়নি। আমরা লড়াই চালিয়ে যাব এবং সামনের দিকে এগিয়ে যাব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-১২ |শিরোনাম=ইলেক্টোরাল কলেজের ভোটের আগে ট্রাম্প 'ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস'-কে বলেছেন যে নির্বাচনী চ্যালেঞ্জ 'শেষ হয়ে যায়নি' | লেখক= রন ব্লিটজনার | সাময়িকী=ফক্স নিউজ | ইউআরএল=https://www.foxnews.com/politics/trump-fox-and-friends-election-challenges-not-over-electoral-college-vote}}
* দারুণ! স্টপ দ্য স্টিলের জন্য ওয়াশিংটন ডিসিতে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হচ্ছে। আমি এ সম্পর্কে জানতাম না, তবে আমি তাদের সাথে দেখা করতে যাব! #এমএজিএ
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, [https://en.wikinews.org/wiki/Conservative_groups_hold_rally_in_Washington_D.C._claiming_U.S._elections_were_stolen_from_President_Trump "ওয়াশিংটন ডিসিতে রক্ষণশীল গোষ্ঠীর জনসভা, মার্কিন নির্বাচন চুরি হয়েছে বলে দাবি"], ১৫ ডিসেম্বর ২০২০।
* এইমাত্র হোয়াইট হাউসে অ্যাটর্নি জেনারেল বিল বারের সাথে খুব সুন্দর একটি বৈঠক হলো। আমাদের সম্পর্ক খুব ভালো ছিল, তিনি চমৎকার কাজ করেছেন! চিঠিতে যেমনটা লেখা আছে, বিল বড়দিনের ঠিক আগেই তার পরিবারের সাথে ছুটি কাটানোর জন্য বিদায় নেবেন...
* ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ রোজেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.bbc.com/news/world-us-canada-55312016 উইলিয়াম বার: মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল বড়দিনের আগেই পদ ছাড়ছেন], ১৫ ডিসেম্বর ২০২০।
* আমরা আজ এখানে একটি ঐতিহাসিক সপ্তাহের শেষে একত্রিত হয়েছি আমেরিকান জনগণকে এটা নিশ্চিত করতে যে আশা খুব কাছেই। কেলি এবং আমি অত্যন্ত আনন্দের সাথে এই সপ্তাহ শেষ হওয়ার আগেই আমেরিকান জনগণের জন্য আমাদের সুরক্ষিত এবং প্রস্তুতকৃত এই নিরাপদ ও কার্যকর করোনাভাইরাস টিকা নিতে এগিয়ে এসেছি। এটি সত্যিই একটি অনুপ্রেরণাদায়ক দিন।
** উপ-রাষ্ট্রপতি পেন্স, [https://www.politico.com/news/2020/12/18/pence-covid-vaccine-live-television-448080 'আশা কাছেই': সরাসরি টেলিভিশনে করোনাভাইরাস টিকা নিলেন পেন্স], ১৮ ডিসেম্বর ২০২০।
* টেক্সাসের ৫ম সংসদীয় আসনের মার্কিন কংগ্রেস সদস্য হতে পেরে আমি গর্বিত। আমি ৬ই জানুয়ারি আপত্তি জানানোর মাধ্যমে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাশে দাঁড়াতে পেরেও গর্বিত। আমি কংগ্রেসের প্রতিটি সহকর্মীকে একই কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।
** [https://twitter.com/Lancegooden টুইটারে] ল্যান্স গুডেন, ২৬ ডিসেম্বর ২০২০।
===== বাইডেনের নির্বাচনী জয় বাতিলের ট্রাম্প-সমর্থিত মামলা সুপ্রিম কোর্টে খারিজ =====
* আমি বারবার যেমনটা বলেছি, আমাদের সংবিধান অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলোর মধ্যে প্রকৃত বিরোধের বিষয়গুলো শেষ পর্যন্ত কেবল সুপ্রিম কোর্টই নিষ্পত্তি করতে পারে এবং এই কারণেই বিচারপতিদের উচিত এই মামলার শুনানি করা এবং সিদ্ধান্ত দেওয়া।
** [https://www.theadvocate.com/baton_rouge/news/politics/elections/article_193de3e0-3a54-11eb-8036-07b9fff910f6.html জেফ ল্যান্ড্রি জো বাইডেনের পক্ষে যাওয়া ইলেক্টোরাল ভোট গণনা বন্ধে টেক্সাসের প্রচেষ্টাকে সমর্থন করছেন], ৯ ডিসেম্বর ২০২০-এ লুইসিয়ানার অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ ল্যান্ড্রি।
* সুপ্রিম কোর্ট যদি মহৎ প্রজ্ঞা এবং সাহস দেখায়, তবে আমেরিকান জনগণ সম্ভবত ইতিহাসের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ মামলাটিতে জিতবে এবং আমাদের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রতি আবার শ্রদ্ধা ফিরে আসবে!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1337494507756072961 রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প], ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* আমেরিকার একটি স্বচ্ছ নির্বাচন প্রাপ্য ছিল, কিন্তু তারা যা পেয়েছে তা হলো: জর্জিয়াতে গোপনে যোগ করা ব্যালট ভর্তি সুটকেস, উইসকনসিনে মৃত ব্যক্তিদের ভোট প্রদান, নেভাদাতে ভোটের বিনিময়ে অর্থের কারসাজি, পেনসিলভানিয়া-তে পোল ওয়াচারদের ঢুকতে না দেওয়া, মিশিগানে ব্যালট ড্রপবক্স খোলা অবস্থায় পাওয়া এবং মিশিগানেই ক্লার্কের মুখে ???। প্রমাণ অকাট্য। আপনাদের আইনপ্রণেতাদের ডাকুন, তাদের স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য লড়াই করতে বলুন।
** [https://twitter.com/realDonaldTrump @realDonaldTrump ভিডিওতে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* '''অন্যান্য অঙ্গরাজ্যগুলো কীভাবে তাদের নিজস্ব নির্বাচন পরিচালনা করবে তা নিয়ে মামলা করার জন্য টেক্সাসের অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী কোনো আইনি ভিত্তি নেই।'''
** [https://twitter.com/SCOTUSblog/status/1337546093102510080?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1337546093102510080%7Ctwgr%5E%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.cbc.ca%2Fnews%2Fworld%2Ftrump-lawsuit-supreme-court-defeat-1.5838403 স্কোটাসব্লগ (SCOTUSblog)], মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট, ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* সাংবিধানিক প্রশ্নটি ভোটাররা জালিয়াতি করেছে কি না তা নয়, বরং প্রশ্ন হলো অঙ্গরাজ্যের কর্মকর্তারা ব্যালটের সততা রক্ষার নিয়মগুলো পরিকল্পিতভাবে শিথিল করে আইন লঙ্ঘন করেছেন কি না যাতে জালিয়াতি ধরা না যায়।
** [https://www.salon.com/2020/12/11/republicans-want-more-than-a-coup-trumps-loyalty-test-exposes-their-hatred-for-democracy/ রিপাবলিকানরা একটি অভ্যুত্থানের চেয়েও বেশি কিছু চায়: ট্রাম্পের আনুগত্য পরীক্ষা গণতন্ত্রের প্রতি তাদের ঘৃণা প্রকাশ করে], টেক্সাসের অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটন, ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* মামলাটি গুণাগুণের ভিত্তিতে খারিজ করা হয়নি, এটি আইনি ভিত্তির অভাবে খারিজ করা হয়েছে। তাই এর সমাধান হলো রাষ্ট্রপতি বা কিছু নির্বাচক কর্তৃক জেলা আদালতে একই তথ্যগুলো উল্লেখ করে মামলা করা যেখানে তাদের আইনি ভিত্তি থাকবে।
* আমাদের জেলা আদালতে এই মামলাগুলো অবিলম্বে দায়ের করতে কোনো বাধা নেই যেখানে অবশ্যই রাষ্ট্রপতির আইনি ভিত্তি থাকবে। কিছু নির্বাচকেরও আইনি ভিত্তি থাকবে কারণ তাদের সাংবিধানিক অধিকার খর্ব করা হয়েছে।
* আমাদের কাজ শেষ হয়নি। আমাকে বিশ্বাস করুন।
** [https://thehill.com/regulation/court-battles/529928-giuliani-says-trump-team-not-finished-after-supreme-court-defeat সুপ্রিম কোর্টে পরাজয়ের পর জিলিয়ানি বলেছেন ট্রাম্পের দল 'এখনো শেষ হয়ে যায়নি'], [[রুডি জিলিয়ানি]], ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* এটি দুর্ভাগ্যজনক যে সুপ্রিম কোর্ট এই মামলাটি গ্রহণ না করার এবং এই চারটি অঙ্গরাজ্যের ফেডারেল ও স্টেট নির্বাচন আইন মানতে ব্যর্থতার সাংবিধানিকতা যাচাই না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
** [https://www.texastribune.org/2020/12/11/texas-lawsuit-supreme-court-election-results/ মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট চার অঙ্গরাজ্যের ২০২০ সালের নির্বাচনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে টেক্সাসের মামলা খারিজ করে দিয়েছে], কেন প্যাক্সটন, ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* একাধিক অঙ্গরাজ্য এবং এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির জড়িত থাকা একটি মৌলিক এক্তিয়ারভুক্ত বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট কোনো আইনি ভিত্তি খুঁজে পাবে না, এটি হাস্যকর। এটি সংবিধানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে...। তারা আসলে "ভয় পেয়ে পিছিয়ে গেছে" এবং মামলার গুণাগুণের ওপর রায় দিতে চায়নি। আমাদের দেশের জন্য এটি খুবই খারাপ!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1338246403164954629 টুইটারের মাধ্যমে] রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প, ১৩ ডিসেম্বর ২০২০।
* আমি গত সাজানো (রাষ্ট্রপতি পদের জন্য) নির্বাচনে মিচসহ অন্তত ৮ জন রিপাবলিকান সিনেটরকে পরাজয় থেকে বাঁচিয়েছি। এখন তারা (প্রায় সবাই) হাত গুটিয়ে বসে আছে এবং আমাকে কট্টর বামপন্থী ডেমোক্র্যাটদের মতো এক কুটিল ও হিংস্র শত্রুর বিরুদ্ধে একা লড়তে দেখছে। আমি কখনোই ভুলব না!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের বিতর্কিত [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1342245390540804096 টুইট], ২৫ ডিসেম্বর ২০২০।
* ২০২০ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে যে বিশাল নির্বাচনী জালিয়াতি হয়েছে সে ব্যাপারে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট সম্পূর্ণ অযোগ্যতা এবং দুর্বলতা দেখিয়েছে। আমাদের কাছে অকাট্য প্রমাণ আছে, কিন্তু তারা তা দেখতে চায় না—তারা বলছে কোনো ‘আইনি ভিত্তি’ নেই। আমাদের নির্বাচনে যদি দুর্নীতি হয়, তবে আমাদের কোনো দেশই থাকবে না!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের বিতর্কিত টুইট, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-২৬ |শিরোনাম=ক্ষমতার মেয়াদ এক মাসেরও কম থাকতে ট্রাম্প তার নির্বাচনী পরাজয় বাতিল করতে অস্বীকার করায় 'সম্পূর্ণ অযোগ্য' সুপ্রিম কোর্টের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন | লেখক= কনর পেরেট | সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার | ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-supreme-court-totally-incompetent-for-refusing-to-overturn-election-2020-12?r=US&IR=T}}
* দুর্বল এবং ক্লান্ত রিপাবলিকান "নেতৃত্ব" এই খারাপ প্রতিরক্ষা বিলটি পাস হওয়ার সুযোগ করে দেবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1342245390540804096 টুইট], ২৯ ডিসেম্বর ২০২০।
* রিপাবলিকান নেতৃত্ব কেবল সবথেকে সহজ পথটি বেছে নিতে চায়। আমাদের নেতারা (অবশ্যই আমি নই!) অত্যন্ত করুণ।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-২৯ | শিরোনাম=তার ভেটো উপেক্ষা করার পর রিপাবলিকানদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন ট্রাম্প | লেখক= জ্যাচারি বি. উলফ | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/12/29/politics/donald-trump-house-votes/index.html}}
==== জানুয়ারি ২০২১ ====
* তো দেখুন, আমি কেবল ১১,৭৮০টি ভোট খুঁজে পেতে চাই।
** ২ জানুয়ারি জর্জিয়ার নির্বাচনী কর্মকর্তাদের (জর্জিয়ার সেক্রেটারি অফ স্টেট ব্র্যাড রাফেনসপারজারসহ) সাথে কথা বলার সময় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেখানে তিনি ২০২০ সালের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট নিজের পক্ষে গণনা করার জন্য সেক্রেটারি অফ স্টেট ব্রায়ান কেম্পকে চাপ দিচ্ছিলেন। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২১-০১-০৩ |ইউআরএল=https://www.washingtonpost.com/video/politics/audio-trump-berates-ga-secretary-of-state-urges-him-to-find-votes/2021/01/03/aba64f5f-8c3c-490f-af34-618ccea732d7_video.html |শিরোনাম=অডিও: জর্জিয়ার সেক্রেটারি অফ স্টেটকে তিরস্কার করলেন ট্রাম্প, ভোট ‘খুঁজে’ বের করার তাগিদ দিলেন |প্রকাশক=''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট''}}
*** সিএনএনে [https://www.cnn.com/2021/01/03/politics/trump-brad-raffensperger-phone-call-transcript/index.html পূর্ণাঙ্গ প্রতিলিপি]
* মৃত মানুষের নামেও ভোট পড়েছে। জর্জিয়ায় আমার মনে হয় এই সংখ্যাটা প্রায় ৫,০০০-এর কাছাকাছি... এমন সব বাক্সে হাজার হাজার ব্যালট পাওয়া গেছে যেগুলো কোনো স্বীকৃত বা সিল করা বাক্স ছিল না। ওরা জল চলাচলের পাইপ ফেটে যাওয়ার বাহানা দিয়ে সবাই বেরিয়ে গিয়েছিল। অথচ বাস্তবে সেখানে কোনো পাইপই ছিল না, কিচ্ছু হয়নি। পাইপ ফাটার কোনো ঘটনাই সেখানে ঘটেনি।<br>সেখানে ৪,৯২৫ জন বহিরাগত ভোটার ছিল, ওরা অন্য রাজ্যের বাসিন্দা হয়েও জর্জিয়ায় এসে ভোট দিয়ে গেছে।<br>ওরা সব ব্যালট পেপার নষ্ট করে ফেলছে। আপনাদের এই ব্যাপারটা খুব ভালো করে খতিয়ে দেখা উচিত। কারণ এটা ঘোরতর বেআইনি। আপনাদের এই ডোমিনিয়ন মেশিনগুলো আমরা এখনো ভালো করে পরীক্ষা করিনি, তাই এগুলোর ওপর এখনই ভরসা করতে পারছি না। অন্য রাজ্যগুলোতে এই ডোমিনিয়ন মেশিনগুলো ব্যবহার করে অনেক বড় বড় কারচুপি করা হয়েছে বলে আমাদের বিশ্বাস...
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২১-০১-০৩ | লেখক = বিবিসি নিউজ রিয়েলিটি চেক টিম | ইউআরএল=https://www.bbc.com/news/election-us-2020-55529230 |শিরোনাম=জর্জিয়া নির্বাচন: ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফোনালাপের ফ্যাক্ট-চেক |প্রকাশক=বিবিসি নিউজ}}
* জেফরি রোজেন, আমরা একটা বিষয় জানি যে আপনি এই নির্বাচন উল্টে দেওয়ার জন্য কিছুই করবেন না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.npr.org/2021/10/07/1044015379/senate-report-details-trumps-efforts-to-use-doj-to-overturn-election-results "নির্বাচনের ফলাফল পাল্টাতে বিচার বিভাগকে ব্যবহার করার বিষয়ে ট্রাম্পের প্রচেষ্টার বিস্তারিত সেনেট রিপোর্ট"], ৩ জানুয়ারি ২০২১।
* রুডি, আপনি দারুণ কাজ করেছেন। ওর সাহস আছে। জানেন কী? রিপাবলিকান পার্টির অনেক মানুষের মতো ও ভীতু নয়, ওর সাহস আছে। ও লড়াই করে. <br>..<br>আমাদের উজ্জ্বল দিনগুলো সামনেই আছে, আমাদের মহান অর্জনগুলো এখনো বাকি। আমার মনে হয় আমাদের অন্যতম বড় অর্জন হবে নির্বাচনী নিরাপত্তা, কারণ আমি আসার আগে কেউ জানতই না যে আমাদের নির্বাচন কতটা দুর্নীতিগ্রস্ত। আবারও বলছি, বেশিরভাগ মানুষই রাত ৯টার সময় দাঁড়িয়ে বলবে, “আপনাদের অনেক ধন্যবাদ,” আর এরপর তারা অন্য কাজে চলে যাবে। কিন্তু আমি বললাম, “এখানে কোনো ঝামেলা আছে। বড় কোনো ঝামেলা আছে। এমনটা হতেই পারে না।” আর আমরা লড়াই করি। আমরা জানপ্রাণ দিয়ে লড়াই করি, আর আপনারা যদি এভাবে লড়াই না করেন, তবে আপনাদের আর কোনো দেশ থাকবে না।<br>..<br>এর পর আমরা সবাই একসাথে হেঁটে নিচে যাব। আমি আপনাদের সাথেই থাকব। আমরা হেঁটে যাব। আপনারা যেদিক দিয়ে চান সেদিক দিয়েই আমরা যাব, তবে আমার মনে হয় এখান দিয়েই ভালো। আমরা ক্যাপিটল ভবনের দিকে হেঁটে যাব এবং আমাদের সাহসী সিনেটর আর কংগ্রেসের নারী-পুরুষদের উৎসাহিত করব। আমরা হয়ত তাদের সবার জন্য চিৎকার করব না, কারণ দুর্বলতা দিয়ে আপনি কখনোই নিজের দেশ ফিরে পাবেন না। আপনাদের শক্তি দেখাতে হবে, আপনাদের শক্তিশালী হতে হবে। আমরা কংগ্রেসের কাছে দাবি জানাতে এসেছি যেন তারা সঠিক কাজটি করে এবং কেবল বৈধভাবে তালিকাভুক্ত নির্বাচকদের ভোটই গণনা করে। আমি জানি যে এখানে উপস্থিত সবাই শীঘ্রই ক্যাপিটল ভবনের দিকে পদযাত্রা করবেন যাতে শান্তিপূর্ণভাবে এবং দেশপ্রেমের সাথে আপনাদের কণ্ঠস্বর শোনানো যায়। আজ আমরা দেখব রিপাবলিকানরা আমাদের নির্বাচনের সততার পক্ষে শক্তভাবে দাঁড়ায় কি না, তারা আমাদের দেশের পক্ষে দাঁড়ায় কি না। আমাদের দেশ দীর্ঘ সময় ধরে অবরোধের মুখে আছে, এই চার বছরের চেয়েও অনেক বেশি সময় ধরে।<br>..<br>আমরা পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউ দিয়ে হেঁটে যাব, আমি এই রাস্তাটি খুব ভালোবাসি, আমরা ক্যাপিটল ভবনে যাব এবং...<br>আমাদের রিপাবলিকানদের সেই সব দুর্বলদের, কারণ যারা শক্তিশালী তাদের আমাদের সাহায্যের দরকার নেই—আমরা তাদের সেই গর্ব আর সাহস দেওয়ার চেষ্টা করব যা তাদের নিজের দেশ ফিরে পেতে প্রয়োজন। তাই চলুন পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউ দিয়ে হাঁটা শুরু করি।
** ৬ জানুয়ারি ২০২১-এর [https://www.rev.com/blog/transcripts/donald-trump-speech-save-america-rally-transcript-january-6 সেভ আমেরিকা র্যালির ভাষণে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
* আমাদের দেশ আর সংবিধানকে রক্ষা করার জন্য যা করা উচিত ছিল, মাইক পেন্সের সেই সাহসটুকু ছিল না। তিনি অঙ্গরাজ্যগুলোকে সত্য তথ্যগুলো যাচাই করার সুযোগ দিতে পারতেন, পরিবর্তে তাদের সেই সব জাল আর ভুল তথ্যগুলোই মেনে নিতে বলা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র সত্য জানতে চায়!
** ৬ জানুয়ারি ২০২১-এর [https://archive.is/jCmfK সকাল ১১:২৪-এর টুইটে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
* তাতে কী?
** ওভাল অফিসের পাশের ডাইনিং রুমে বসে টেলিভিশনে ২০২১ সালে মার্কিন ক্যাপিটলে হামলার খবর দেখার সময় ৬ জানুয়ারি ২০২১-এ [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেন। উপ-রাষ্ট্রপতি মাইক পেন্সকে একটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, এই খবর পাওয়ার পর তিনি এটি বলেন। ({{উদ্ধৃতি |শিরোনাম=ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ফেডারেল নির্বাচনী মামলায় নতুন প্রমাণ প্রকাশ করলেন বিচারক |সংবাদপত্র=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস |প্রথম১=অ্যালান |শেষ১=ফুয়ের |প্রথম২=চার্লি |শেষ২=স্যাভেজ |তারিখ=২ অক্টোবর ২০২৪ |ইউআরএল=https://www.nytimes.com/2024/10/02/us/politics/trump-jan-6-case-jack-smith-evidence.html}} {{উদ্ধৃতি |শিরোনাম=নির্বাচনী পরাজয় পাল্টানোর বিষয়ে ট্রাম্পের প্রচেষ্টার নতুন তথ্য দেখালেন মার্কিন প্রসিকিউটররা |প্রথম=অ্যান্ড্রু |শেষ=গুডওয়ার্ড |তারিখ=২ অক্টোবর ২০২৪ |ইউআরএল=https://www.reuters.com/world/us/us-prosecutors-detail-evidence-trump-election-subversion-case-2024-10-02/ |সংস্থা=রয়টার্স}})
* আমি মার্কিন ক্যাপিটল ভবনে উপস্থিত সবাইকে শান্ত থাকার জন্য অনুরোধ করছি। কোনো সহিংসতা নয়! মনে রাখবেন, আমরাই আইন ও শৃঙ্খলার দল, আইন এবং আমাদের নীল পোশাকের (পুলিশ) মহান নারী-পুরুষদের সম্মান করুন। ধন্যবাদ!
** ৬ জানুয়ারি ২০২১-এর [https://archive.is/IvpaU দুপুর ১২:১৩-এর টুইটে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
* আমরা আপনাদের ভালোবাসি। আপনারা খুব বিশেষ।
** মার্কিন ক্যাপিটল ভবনে ঢুকে পড়া বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে দেওয়া একটি ভিডিও বার্তায় (যা পরে মুছে ফেলা হয়েছে) [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। যা বিজনেস ইনসাইডারে উদ্ধৃত হয়েছে: {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২১-০১-০৬ | লেখক = এলিজা রেলম্যান, ওমা সেদ্দিক, জ্যাক লাহুত | ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-video-statement-capitol-rioters-we-love-you-very-special-2021-1?r=US&IR=T |শিরোনাম=ক্যাপিটলে হামলা চালানো নিজের সহিংস সমর্থকদের ট্রাম্প বললেন ‘আপনারা খুব বিশেষ’, তবে তাদের ‘বাড়ি ফিরে যেতে’ অনুরোধ করলেন |প্রকাশক=বিজনেস ইনসাইডার}}
* আমার সব চমৎকার সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলছি, আমি জানি আপনারা হতাশ, কিন্তু আমি আপনাদের এটাও জানাতে চাই যে আমাদের অবিশ্বাস্য এই যাত্রা কেবল শুরু হচ্ছে।
** ইভাঙ্কা ট্রাম্পের পোস্ট করা [https://archive.is/o4JN6 বিকাল ৪:২৮-এর টুইটের] ভিডিও বার্তায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ৭ জানুয়ারি ২০২১।
* আমি শুরুতেই মার্কিন ক্যাপিটল ভবনে ঘটে যাওয়া জঘন্য হামলার বিষয়ে কিছু বলতে চাই। অন্য সব আমেরিকানদের মতো আমিও এই সহিংসতা, আইনহীনতা আর বিশৃঙ্খলার ঘটনায় ক্ষুব্ধ। আমি ভবনটি সুরক্ষিত করতে এবং অনুপ্রবেশকারীদের বের করে দিতে অবিলম্বে ন্যাশনাল গার্ড আর ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী সংস্থা মোতায়েন করেছি। আমেরিকাকে সবসময়ই একটি আইন ও শৃঙ্খলার দেশ হয়ে থাকতে হবে। যেসব বিক্ষোভকারী ক্যাপিটলে ঢুকে পড়েছিল, তারা আমেরিকান গণতন্ত্রের পবিত্র আসনকে কলঙ্কিত করেছে। যারা এই সহিংসতা আর ধ্বংসাত্মক কাজে লিপ্ত হয়েছে, আপনারা আমাদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন না। আর যারা আইন ভেঙেছেন, আপনাদের খেসারত দিতে হবে।<br>আমরা এইমাত্র একটি তীব্র নির্বাচনের মধ্য দিয়ে এসেছি এবং আবেগ এখন অনেক উঁচুতে। কিন্তু এখন মেজাজ ঠান্ডা করতে হবে এবং শান্তি ফিরিয়ে আনতে হবে। আমাদের আমেরিকার কাজে ফিরে যেতে হবে। আমার প্রচারণা নির্বাচনী ফলাফল চ্যালেঞ্জ করতে সম্ভাব্য সব আইনি পথ ব্যবহার করেছে। আমার একমাত্র লক্ষ্য ছিল ভোটের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। এটি করার মাধ্যমে আমি আমেরিকান গণতন্ত্রকে রক্ষা করার জন্য লড়াই করছিলাম। আমি এখনো দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে সকল ভোটারের পরিচয় আর যোগ্যতা যাচাই করার জন্য আমাদের নির্বাচনী আইন সংস্কার করতে হবে যাতে ভবিষ্যতের সব নির্বাচনে মানুষের আস্থা আর বিশ্বাস অটুট থাকে।
** ক্যাপিটল হামলা পরবর্তী ভাষণে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.presidency.ucsb.edu/documents/videotaped-remarks-the-attack-the-united-states-capitol-the-certification-the-electoral মার্কিন ক্যাপিটলে হামলা, ইলেক্টোরাল কলেজের ফলাফল অনুমোদন এবং নতুন প্রশাসনের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে ভিডিও বার্তা], ৭ জানুয়ারি ২০২১।
* যারা জানতে চেয়েছেন তাদের উদ্দেশ্যে বলছি, আমি ২০ জানুয়ারির অভিষেক অনুষ্ঠানে যাব না।
** ৮ জানুয়ারি ২০২১-এর [https://archive.is/tzc2r সকাল ৭:৪৪-এর টুইটে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
* তার প্রতিভা, মেধা আর সৃজনশীলতা তাকে অঢেল সম্পদ এনে দিয়েছিল, তবে তার চরিত্র আর জনহিতৈষী উদারতা তাকে খ্যাতি এনে দিয়েছে। শেলডন আমাদের মহান বন্ধু ইসরায়েল রাষ্ট্রের একজন কট্টর সমর্থকও ছিলেন।
** [https://www.npr.org/2021/01/12/693679109/sheldon-adelson-conservative-donor-and-casino-titan-dies-at-87 রক্ষণশীল দাতা এবং ক্যাসিনো সম্রাট শেলডন অ্যাডেলসন ৮৭ বছর বয়সে মারা গেছেন] সংবাদ প্রতিবেদনে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প, ১২ জানুয়ারি ২০২১।
* আমরা কোনো না কোনোভাবে আবার ফিরে আসব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২১-০১-২০ | লেখক = কেভিন লিপটাক | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2021/01/20/politics/donald-trump-leaves-white-house/index.html |শিরোনাম=ক্ষমতার মেয়াদ শেষ হওয়ার সাথে সাথে সমাজচ্যুত হয়ে ওয়াশিংটন ত্যাগ করলেন ট্রাম্প |প্রকাশক=সিএনএন}}
=== Post-presidency (2021–2025) ===
* BREAKING: The [[U.S. Capitol]] is on lockdown after pro-[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] protestors breached the building as Congress began to certify Electoral College votes for [[জো বাইডেন]].
** [[Axios]] via [[Twitter]] [https://twitter.com/i/events/1346454323635527680 tweet] posted Jan 6, 2021
* Supreme Court eras are often identified with their chief justices, as is true of the current period that began with [[John Roberts|Roberts]] nearly two decades ago. But the Court can be measured also by presidential influence. Certain presidents, such as [[Franklin D. Roosevelt]], who appointed eight justices in his twelve years in office, had a disproportionate effect on the Court. [[রোনাল্ড রিগ্যান]] and [[রিচার্ড নিক্সন]] also stood out for their imprint. The Trump effect, especially in terms of the individuals chosen and the resulting shift in the balance of power, has been incomparable. He is gone from office and they are here for life.
** Joan Biskupic, ''Nine Black Robes: Inside the Supreme Court's Drive to the Right and its Historic Consequences'' (2023), New York: William Morrow, first edition hardcover, p. 10-11
* One day when I was about 6, I was walking with my dad in [[নিউইয়র্ক শহর]]. We noticed that someone had stuck little folded squares of paper under the windshield wipers of the cars parked on the street beside us. My father picked one up and read it. I saw his face grow dark with anger. “What is it, Papa?” “It’s a message from people who think that all [[ইহুদি ধর্ম]] should be killed.”<br>This would have been in the late 1950s, a time when the [[নাৎসিবাদ|Nazi]] [[The Holocaust|extermination of millions of Jews]] in [[ইউরোপ]] was still fresh in the American consciousness. Not, you might have thought, a good season for sowing murderous [[antisemitism]] in lower [[নিউইয়র্ক শহর|Manhattan]]. Already aware that, being the daughter of a Jewish father and gentile mother, I was myself a demi-semite, I was worried. I knew that these people wanted to kill my father, but with a typical child-centered focus, I really wanted to know whether the gentile half of my heredity would protect me in the event of a new Holocaust. “Would they kill me, too?” I asked. Yes, he told me, they would if they could. But he then reassured me that such people would never actually have the power to do what they wanted to. It couldn’t happen here.<br>I must admit that I’m grateful my father died before Donald Trump became president, before tiki-torch-bearing Nazi wannabes seeking to “Unite the Right” marched through Charlottesville, Va., in 2017, chanting “Jews will not replace us!” before one of them drove his car into a crowd of counterdemonstrators, killing Heather Heyer, and before President Trump responded to the whole event by declaring that “you also had people that were very fine people, on both sides.”<br>Maybe the grubby little group behind the tracts my father and I saw that day in New York would have let me live. Maybe not. In those days home-grown fascists were rare and so didn’t have that kind of power.
** Rebecca Gordon, [https://www.msn.com/en-us/news/world/the-right-s-attempted-extermination-campaign-of-queer-people-is-textbook-fascism/ar-AA1doVnf?ocid=msedgntp&cvid=0d5f12e7a48447b182bb5a96d57d9a4e&ei=7/ The Right’s Attempted Extermination Campaign of Queer People Is Textbook Fascism] (4 July 2023), ''The Nation''
* Why should it matter whether Donald Trump’s [[Make America Great Again|MAGA]] movement and the Republican Party he’s largely taken over represent a kind of fascism? The answer: because the logic of fascism leads so inexorably to the politics of [[extermination]]. Describing his MAGA movement as fascism makes it easier to recognize the existential threat it truly represents—not only to a democratic society but to specific groups of human beings within it.<br>I know it may sound alarmist, but I think it’s true: proto-fascist forces in this country have shown that they are increasingly willing to exterminate queer people, if that’s what it takes to gain and hold on to power. If I’m right, that means all Americans, queer or not, now face an existential threat.<br<For those who don’t happen to fall into one of MAGA’s target groups, let me close by paraphrasing Donald Trump: In the end, they’re coming after you. We’re just standing in the way.
** Rebecca Gordon, [https://www.msn.com/en-us/news/world/the-right-s-attempted-extermination-campaign-of-queer-people-is-textbook-fascism/ar-AA1doVnf?ocid=msedgntp&cvid=0d5f12e7a48447b182bb5a96d57d9a4e&ei=7/ The Right’s Attempted Extermination Campaign of Queer People Is Textbook Fascism] (4 July 2023), ''The Nation''
* Trump's advisers believed his ego and pride prevented him from making sound, well-informed judgments. His management style resembled a carnival ride, jerking this way and that, forcing senior management officials to thwart his inane and sometimes illegal ideas. Some of them concluded that the president was a long-term and immediate danger to the country that he had sworn an oath to protect, yet they took comfort that he had not had to steer the country through a crisis. Trump's actions and words nevertheless had painful consequences. His assault on the rule of law degraded our democratic institutions and left Americans reasonably fearful they could no longer take for granted basic [[civil rights]] and untainted [[ন্যায়বিচার]]. His contempt for foreign alliances weakened America's leadership in the world and empowered dictators and despots. His barbarous immigration policies ripped migrant children out of the arms of their families. His bigoted rhetoric emboldened white supremacists to step out of the shadows. But at least Trump had not been tested by a foreign military strike, an economic collapse, or a public health crisis. At least not until 2020.
** Carol Leonnig and Philip Rucker, ''I Alone Can Fix It: Donald J. Trump's Catastrophic Final Year'' (2021), p. 1-2
* The year 2020 will be remembered in the American epoch as one of anguish and abject failure. The coronavirus pandemic killed more than half a million people in the United States and infected tens of millions more, the deadliest health crisis in a century. Through the administration's [[w:Operation_Warp_Speed|Operation Warp Speed]] helped produce vaccines in record time, its overall coronavirus response was mismanaged by the president and marred by ineptitude and backbiting. The virus was only one of the crises Trump confronted in 2020. The pandemic paralyzed the economy, plunging the nation into a recession during which low-wage workers, many of them minorities, suffered the most. The May 25 killing of George Floyd, a Black man, under the knee of a white police officer ignited protests for racial justice and an end to [[Police corruption|police discrimination and brutality]]. Yet Trump sought to exploit the simmering divisions for personal political gain, quickly declared himself "your president of law and order" and relentlessly pressured Pentagon leaders to deploy active-duty troops against [[Black Lives Matter]] protestors. The worsening climate crisis, meanwhile, was almost entirely ignored Trump, who earlier in his term had rolled back environmental regulations and withdrawn the United States from the [[Paris Agreement]]. The president was instead preoccupied with stoking doubts about the legitimacy of the election. After he lost to Joe Biden, Trump fanned the flames of conspiracies and howled about fraud that did not exist. His false claims of a "rigged election" inspired thousands of people to storm the Capitol in a violent and ultimately failed insurrection on January 6, 2021.
** Carol Leonnig and Philip Rucker, ''I Alone Can Fix It: Donald J. Trump's Catastrophic Final Year'' (2021), p. 2
* Trump's standard tool kit for getting out of trouble- bullying, bluster, and manipulation- was useless in managing the pandemic. He tried to cloak reality with happy talk. He promised cures that would never be realized. He floated dangerous and unproven treatments, such as injecting bleach into patients' bodies. He muzzled experts like Dr. Anthony Fauci, who challenged his shaky claims and became more popular than the president. He refused to lead by example and wear a mask. He picked feuds with health officials and state governors scrambling to respond to emergency outbreaks, striking out at those who didn't praise his haphazard response. Not only did he fail to keep Americans safe; he couldn't keep himself safe. Trump was hospitalized with COVID-19 in October 2020, zapping his false air of invincibility.
** Carol Leonnig and Philip Rucker, ''I Alone Can Fix It: Donald J. Trump's Catastrophic Final Year'' (2021), p. 5
* The coronavirus changed the world, altering how people worked, how families lived, and what constituted a community. These profound changes were accelerated by the recession and heightened by the tensions in the aftermath of Floyd's killing. Trump, however, principally governed for a minority of the country- his hard-core political supporters- and chose neither to try to unite the nation nor to reimagine a postpandemic America. He egged on the anger and disaffection among many white people who felt economically threatened and culturally marginalized. He pitted groups of Americans against one another. He uttered [[Racism in the United States|racist]] phrases and used his immense social media platforms to spread messages of hate. "His view of America is provincial, it's parochial, it's sullied, it's any other adjective that calls up a sense of narrowness and ugliness," said Eddie Glaude Jr., chair of the Department of African American Studies at [[Princeton University]]. "In so many ways, Donald Trump represents the death rattle of an old America, and it's loud and it's violent." A senior government official who worked closely with the president drew a parallel between Trump's handling of the Black Lives Matter protests and Adolf Hitler's rise to power in [[নাৎসিবাদ]].
** Carol Leonnig and Philip Rucker, ''I Alone Can Fix It: Donald J. Trump's Catastrophic Final Year'' (2021), p. 5
* I'm continuing to fight for this [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|president]]. He's fought for us and so we're going to stay on top of that.
** [[Kelly Loeffler]] according to [https://www.foxnews.com/transcript/sen-loeffler-warnocks-values-are-out-of-step-with-georgia Sen. Loeffler: Warnock’s values are ‘out of step with Georgia] aired January 3, 2020
* We will be back in some form
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] quoted by {{উদ্ধৃতি |date=2020-01-20 | author = Kevin Liptak | url=https://edition.cnn.com/2021/01/20/politics/donald-trump-leaves-white-house/index.html |title=Trump departs Washington a pariah as his era in power ends |publisher=CNN}}
* The ''[[The New York Times|New York Times]]'' published an article Monday that's bone-chilling for anyone who cherishes our [[মুক্তি]], [[গণতন্ত্র]] and [[Constitutional democracy|constitutional governance]]. The story recounted, with full cooperation of Donald Trump’s presidential campaign, his plans to eliminate executive branch constraints on his power if he is elected president in 2024.<br>The obstacles to be eliminated include an independent Justice Department, independent leadership in administrative agencies and an independent civil service. Richard Neustadt, one of the country’s best known students of the American presidency, has said that in a constitutional democracy the chief executive “does not obtain results by giving orders – or not. ... He does not get action without argument. Presidential power is the power to persuade.”Trump’s plan would substitute loyalty to him for loyalty to the Constitution. This vision is simultaneously frightening and unsurprising. In 2019, he said, “I have to the right to do whatever I want as president.” And in December, Trump called for the “termination of ... the Constitution.”<br>In effect, he attempted to do exactly that in the run-up to the riot at the Capitol on Jan. 6, 2021, by pressuring state officials to reverse President Joe Biden’s electoral victory, attempting to weaponize the Justice Department and bullying Vice President Mike Pence to overturn the election.
** Austin Sarat and Dennis Aftergut, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/is-america-on-the-brink-of-tyranny-trump-s-plan-if-elected-in-2024-should-frighten-us-all/ar-AA1e6K0y?ocid=msedgntp&cvid=1d908091b99b488496691c7d51ab2efe&ei=5/ Is America on the brink of tyranny? Trump's plan if elected in 2024 should frighten us all.] (20 July 2023), ''USA Today''
* The ''Times'' story outlined his 2025 road map to implement this command-and-control model of executive authority and centralization of power if he’s returned to the Oval Office. In effect, the article described how his team would replace our constitutional republic with an authoritarian state. Such a state seeks to eliminate the independence of civil servants. Saying good things about bureaucracy may be unpopular, but federal employees' competence, expert judgment and commitment to governance by law is essential to democratic government.<br>One definition of an authoritarian state is that it is characterized by the consolidation of power in a single leader, "a controlling regime that justifies itself as a 'necessary evil.'" That kind of control necessarily features "strict government-imposed constraints on social freedoms such as suppression of political opponents and anti-regime activity."<br>Those characteristics describe the contours of the 2025 blueprint that the Trump campaign wanted the public to see via the Times' report. As the story notes, they are setting the stage, if Trump is elected, “to claim a mandate” for the goal of centralizing power in him.<br>The ''Times'' quoted John McEntee, Trump’s 2020 White House director of personnel, defending the rejection of checks and balances on a president: “Our current executive branch was conceived of by liberals for the purpose of promulgating liberal policies. ... What’s necessary is a complete system overhaul.”
** Austin Sarat and Dennis Aftergut, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/is-america-on-the-brink-of-tyranny-trump-s-plan-if-elected-in-2024-should-frighten-us-all/ar-AA1e6K0y?ocid=msedgntp&cvid=1d908091b99b488496691c7d51ab2efe&ei=5/ Is America on the brink of tyranny? Trump's plan if elected in 2024 should frighten us all.] (20 July 2023), ''USA Today''
* In fact, the executive branch, like the two other branches, was devised by the framers of our Constitution, to limit power by dividing it. Even Alexander Hamilton, who defended energy in the executive branch, suggested that the path to tyranny was marked when government officials are “obliged to take refuge in the absolute power of a single man.”<br>James Madison joined Hamilton in warning in ''The Federalist 48'' that “power is of an encroaching nature.” For that reason, ''The Federalist 51'' states, “Ambition must be made to counteract ambition.”<br>It described the paradox facing the framers as this: One must “enable the government to control the governed; and in the next place, oblige it to control itself.”<br>Trump’s 2025 blueprint would end governmental control on a president so he can dominate and control the governed.
** Austin Sarat and Dennis Aftergut, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/is-america-on-the-brink-of-tyranny-trump-s-plan-if-elected-in-2024-should-frighten-us-all/ar-AA1e6K0y?ocid=msedgntp&cvid=1d908091b99b488496691c7d51ab2efe&ei=5/ Is America on the brink of tyranny? Trump's plan if elected in 2024 should frighten us all.] (20 July 2023), ''USA Today''
* Along with divided power, the central constraint that our founding documents create is the overarching legal institution known as the rule of law. That is why Trump’s plan for a radical reorganization of the executive branch starts with ending “the post-Watergate norm of Justice Department independence from White House political control.”<br>Controlling the prosecutorial power allows a president to use it to favor friends, destroy enemies and intimidate ordinary citizens tempted to speak out.<br>That would sound the death knell of American freedom. As [[জন লক]], the 17th century political philosopher who inspired the authors of the Declaration of Independence, wrote, “Wherever law ends, tyranny begins.” Or as Blake Smith put it in an article in Foreign Policy last year, “The bureaucratic ethos is essential to the functioning of the state and the preservation of private life as a separate, unpolitical domain of tolerated freedom.”<br>At the close of America’s first decade as a constitutional republic, George Washington voluntarily chose not to seek a third term as president to avoid setting the country on the road to the tyranny of lifetime rule by a president. He understood from the revolution against a king that retaining the personal power of one person is the central goal of authoritarianism.<br>If voters elect Trump president in 2024, he will implement the plan his campaign has purposefully leaked. The outcome is easy to foretell. A bureaucracy purged of those loyal to the Constitution rather than to Trump will send free and fair elections to history’s landfill, along with the Bill of Rights and the freedoms they were designed to protect.
** Austin Sarat and Dennis Aftergut, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/is-america-on-the-brink-of-tyranny-trump-s-plan-if-elected-in-2024-should-frighten-us-all/ar-AA1e6K0y?ocid=msedgntp&cvid=1d908091b99b488496691c7d51ab2efe&ei=5/ Is America on the brink of tyranny? Trump's plan if elected in 2024 should frighten us all.] (20 July 2023), ''USA Today''
==See also==
* [[Presidency of Joe Biden]]
* [[Second presidency of Donald Trump]]
* [[President of the United States]]
* [[Mike Pence]], [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* [[বারাক ওবামা]] and [[Presidency of Joe Biden]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন]]
==External links==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী}}
[[Category:Donald Trump]]
[[Category:Politics of the United States]]
[[Category:Presidency of Donald Trump| ]]
krouq7qx4yjp65rx61hc6z7hmk2ltjy
73819
73818
2026-04-05T12:38:56Z
ARI
356
/* Post-presidency (2021–2025) */
73819
wikitext
text/x-wiki
'''ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব''' শুরু হয়েছিল ২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি দুপুর ১২টায় (ইএসটি), যখন [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি [[বারাক ওবামা]]র স্থলাভিষিক্ত হন। ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে [[জো বাইডেন]]ের কাছে পরাজিত হওয়ার পর ২০২১ সালের ২০ জানুয়ারি তাঁর এই মেয়াদ শেষ হয়। ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর, ট্রাম্প ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি থেকে বাইডেনের উত্তরসূরি হিসেবে দ্বিতীয় এবং শেষবারের মতো বিরতিহীন মেয়াদে দায়িত্ব পালন শুরু করেন।
[[File:USSupremeCourtWestFacade.JPG|thumb|পুরো ট্রাম্প প্রশাসন ছিল সুপ্রিম কোর্টের রক্ষণশীলদের জন্য একটি "মুখোশ খুলে যাওয়ার" মুহূর্ত। দেখা যাচ্ছে যে, তারা আসলে কোনো আইনি নজিরের পরোয়া করে না (সিনেটের নিশ্চিতকরণ শুনানিতে তারা যতবারই মিথ্যা বলুক বা পরোয়া করার দাবি করুক না কেন)। তারা আসলে আইনের মূল পাঠ্য বা বিচারিক সংযম নিয়ে মাথা ঘামায় না। তারা শুধু তাদের পছন্দমতো রাজনৈতিক ফলাফল চায় এবং তা করার জন্য তাদের কাছে পর্যাপ্ত ভোট আছে। তারা কোনো ঐতিহ্য, রীতিনীতি বা সাধারণ আইনি ব্যবস্থায় বিচার বিভাগীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার মূল ভিত্তি সম্পর্কে কোনো তোয়াক্কা করে না। তারা কেবল জিততে চায়। ~ এলি মিস্টাল]]
:আরও দেখুন:
::'''''[[যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড-১৯ মহামারি]]'''''
== উক্তি==
=== ২০১৭ ===
==== জানুয়ারি ২০১৭ ====
===== অভিষেক ভাষণ, (২০ জানুয়ারি, ২০১৭) =====
<small>[https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/the-inaugural-address/ প্রতিলিপি] (২০ জানুয়ারি, ২০১৭)</small>
* চিফ জাস্টিস রবার্টস, [[জিমি কার্টার|প্রেসিডেন্ট কার্টার]], প্রেসিডেন্ট ক্লিনটন, প্রেসিডেন্ট বুশ, প্রেসিডেন্ট ওবামা, সহ-আমেরিকানরা এবং বিশ্বের সকল মানুষ: আপনাদের ধন্যবাদ। আমরা, আমেরিকার নাগরিকরা, আজ আমাদের দেশ পুনর্গঠন এবং আমাদের সকল জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণের এক মহান জাতীয় উদ্যোগে একত্রিত হয়েছি। আমরা একসাথে আগামী বহু বছর ধরে আমেরিকা এবং বিশ্বের গতিপথ নির্ধারণ করব। আমরা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হব, আমরা কষ্টের মুখোমুখি হব, কিন্তু আমরা আমাদের কাজ সম্পন্ন করব। প্রতি ৪ বছর পর পর আমরা এই সিঁড়িতে একত্রিত হই নিয়মমাফিক এবং শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য, আর এই অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে তাঁদের আন্তরিক সহায়তার জন্য আমরা প্রেসিডেন্ট ওবামা এবং ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামার কাছে কৃতজ্ঞ। তাঁরা অসাধারণ ছিলেন। আপনাদের ধন্যবাদ।
* তবে আজকের এই অনুষ্ঠানের একটি বিশেষ তাৎপর্য আছে। '''কারণ আজ আমরা শুধু এক প্রশাসন থেকে অন্য প্রশাসনের হাতে বা এক দল থেকে অন্য দলের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করছি না; বরং আমরা ক্ষমতা ওয়াশিংটন ডি.সি. থেকে সরিয়ে এনে আপনাদেরকে, অর্থাৎ জনগণকে তা ফিরিয়ে দিচ্ছি। দীর্ঘ সময় ধরে আমাদের দেশের রাজধানীর একটি ছোট গোষ্ঠী সরকারের সুফল ভোগ করেছে, আর সাধারণ মানুষকে এর ভার বহন করতে হয়েছে। ওয়াশিংটন সমৃদ্ধ হয়েছে, কিন্তু জনগণ সেই সম্পদের অংশীদার হয়নি। রাজনীতিবিদরা সমৃদ্ধ হয়েছেন, কিন্তু কর্মসংস্থান হারিয়ে গেছে এবং কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। প্রভাবশালী গোষ্ঠী নিজেদের সুরক্ষিত করেছে, কিন্তু আমাদের দেশের নাগরিকদের করেনি। তাদের বিজয় আপনাদের বিজয় ছিল না; তাদের সাফল্য আপনাদের সাফল্য ছিল না। তারা যখন আমাদের দেশের রাজধানীতে উৎসবে মেতেছিল, তখন সারা দেশে ধুঁকতে থাকা পরিবারগুলোর উদযাপন করার মতো তেমন কিছু ছিল না।''' সে সব কিছু আজ থেকে এবং এখনই বদলে যাচ্ছে, কারণ এই মুহূর্তটি আপনাদের মুহূর্ত: এটি আপনাদেরই প্রাপ্য। আজ এখানে যারা সমবেত হয়েছেন এবং সারা আমেরিকা জুড়ে যারা দেখছেন, এটি সবার মুহূর্ত। এই দিনটি আপনাদের দিন। এই উৎসব আপনাদের উৎসব। আর এই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আপনাদের দেশ। আমাদের সরকার কোন দলের নিয়ন্ত্রণে আছে সেটি বড় কথা নয়, বড় কথা হলো আমাদের সরকার জনগণের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে কি না। '''২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি সেই দিন হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে, যেদিন জনগণ আবারও এই জাতির শাসক হয়েছে। আমাদের দেশের বিস্মৃত পুরুষ এবং নারীদের আর বিস্মৃত রাখা হবে না। এখন থেকে সবাই আপনাদের কথা শুনবে।'''
* '''একটি ঐতিহাসিক আন্দোলনের অংশ হতে আপনারা কোটি কোটি সংখ্যায় এগিয়ে এসেছেন, যার উদাহরণ আগে কখনো বিশ্ব দেখেনি। এই আন্দোলনের কেন্দ্রে রয়েছে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিশ্বাস: একটি রাষ্ট্র টিকে থাকে তার নাগরিকদের সেবা করার জন্য।''' আমেরিকানরা তাদের সন্তানদের জন্য ভালো স্কুল, পরিবারের জন্য নিরাপদ এলাকা এবং নিজেদের জন্য ভালো কর্মসংস্থান চায়। এগুলো ন্যায়পরায়ণ মানুষ ও জনসাধারণের অত্যন্ত সংগত ও যুক্তিসঙ্গত দাবি। কিন্তু আমাদের অনেক নাগরিকের জন্য বাস্তবতা ভিন্ন: শহরের ঘিঞ্জি এলাকাগুলোতে দারিদ্র্যের কবলে আটকে থাকা মা ও শিশু; মরিচা ধরা কলকারখানাগুলো কবরের নামফলকের মতো আমাদের দেশের চারপাশে ছড়িয়ে আছে; একটি শিক্ষা ব্যবস্থা, যা প্রচুর অর্থ পেলেও আমাদের তরুণ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জ্ঞান থেকে বঞ্চিত রাখছে; এবং অপরাধ, গ্যাং আর মাদক আমাদের অনেক প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এবং দেশের অপার সম্ভাবনাকে নষ্ট করেছে। এই আমেরিকান ধ্বংসলীলা ঠিক এখানেই থেমে যাবে এবং এখনই থেমে যাবে। আমরা এক জাতি, এবং তাদের কষ্ট আমাদের কষ্ট, তাদের স্বপ্ন আমাদের স্বপ্ন এবং তাদের সাফল্য হবে আমাদের সাফল্য। আমাদের হৃদয় এক, আমাদের ঘর এক এবং আমাদের গৌরবময় নিয়তিও এক। আজ আমি যে পদের শপথ নিচ্ছি, তা হলো সকল আমেরিকানদের প্রতি আনুগত্যের শপথ।
* কয়েক দশক ধরে আমরা আমেরিকান শিল্পের বিনিময়ে বিদেশি শিল্পকে সমৃদ্ধ করেছি, অন্য দেশের সেনাবাহিনীকে ভর্তুকি দিয়েছি, অথচ আমাদের নিজেদের সামরিক বাহিনীকে খুব দুঃখজনকভাবে ক্ষয় হতে দিয়েছি। আমরা অন্য দেশের সীমানা রক্ষা করেছি কিন্তু নিজেদের সীমানা রক্ষা করতে অস্বীকার করেছি। যখন আমেরিকার অবকাঠামো জরাজীর্ণ ও ধ্বংস হয়ে যাচ্ছিল, তখন আমরা বিদেশের মাটিতে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করেছি। আমরা অন্য দেশগুলোকে ধনী করেছি, আর আমাদের দেশের সম্পদ, শক্তি এবং আত্মবিশ্বাস দিগন্তে মিলিয়ে গেছে। একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়ে আমাদের উপকূল ছেড়ে চলে গেছে, এমনকি পেছনে ফেলে আসা লক্ষ লক্ষ আমেরিকান শ্রমিকের কথা কেউ একবারও ভাবেনি। আমাদের মধ্যবিত্তের সম্পদ তাদের ঘর থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছে এবং তারপর সারা বিশ্বে পুনর্বন্টন করা হয়েছে। কিন্তু সেটা ছিল অতীত। আর এখন আমরা কেবল ভবিষ্যতের দিকে তাকাচ্ছি। '''আজ এখানে সমবেত হয়ে আমরা একটি নতুন আদেশ জারি করছি যা প্রতিটি শহরে, প্রতিটি বিদেশি রাজধানীতে এবং ক্ষমতার প্রতিটি অলিন্দে শোনা যাবে। আজ থেকে একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের দেশকে শাসন করবে। আজ থেকে এটি হতে যাচ্ছে কেবল 'আমেরিকা ফার্স্ট' (আমেরিকা প্রথম)। আমেরিকা ফার্স্ট।''' বাণিজ্য, কর, অভিবাসন এবং বৈদেশিক বিষয় নিয়ে প্রতিটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আমেরিকান শ্রমিক এবং আমেরিকান পরিবারের সুবিধার কথা মাথায় রেখে।
* আমাদের পণ্য তৈরি করা, আমাদের কোম্পানিগুলোকে চুরি করা এবং আমাদের কর্মসংস্থান নষ্ট করার হাত থেকে আমাদের সীমান্ত রক্ষা করতে হবে। এই সুরক্ষা আমাদের ব্যাপক সমৃদ্ধি ও শক্তির দিকে নিয়ে যাবে। আমি আমার শরীরের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত আপনাদের জন্য লড়াই করব এবং আমি কখনও আপনাদের হতাশ করব না। আমেরিকা আবারও জিততে শুরু করবে, এমনভাবে জিতবে যা আগে কখনও দেখা যায়নি। আমরা আমাদের কর্মসংস্থান ফিরিয়ে আনব। আমরা আমাদের সীমান্ত ফিরিয়ে আনব। আমরা আমাদের সম্পদ ফিরিয়ে আনব। এবং আমরা আমাদের স্বপ্নগুলোকেও ফিরিয়ে আনব। আমরা আমাদের এই চমৎকার দেশজুড়ে নতুন রাস্তা, হাইওয়ে, সেতু, বিমানবন্দর, টানেল এবং রেলপথ তৈরি করব। আমরা আমাদের জনগণকে সরকারি সাহায্যের ওপর নির্ভরশীলতা থেকে মুক্ত করে কাজে ফিরিয়ে আনব এবং আমেরিকান হাতে ও আমেরিকান শ্রমে আমাদের দেশ পুনর্গঠন করব। আমরা দুটি সাধারণ নিয়ম মেনে চলব: আমেরিকান পণ্য কিনুন এবং আমেরিকানদের কাজে নিয়োগ দিন। আমরা বিশ্বের দেশগুলোর সাথে বন্ধুত্ব এবং সদিচ্ছা বজায় রাখব, তবে আমরা এই ধারণার সাথে তা করব যে প্রতিটি জাতির অধিকার আছে তাদের নিজেদের স্বার্থকে সবার আগে রাখা। আমরা আমাদের জীবনধারা কারো ওপর চাপিয়ে দিতে চাই না, বরং এটিকে উদাহরণ হিসেবে উজ্জ্বল করতে চাই—আমরা উজ্জ্বল হব—যাতে সবাই তা অনুসরণ করতে পারে। '''আমরা পুরনো মিত্রতা জোরদার করব এবং নতুন মিত্র তৈরি করব এবং উগ্র ইসলামি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সভ্য বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ করব, যা আমরা পৃথিবী থেকে পুরোপুরি নির্মূল করব।''' '''আমাদের রাজনীতির মূলে থাকবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য এবং আমাদের দেশের প্রতি আমাদের এই আনুগত্যের মাধ্যমে আমরা একে অপরের প্রতি আমাদের আনুগত্য খুঁজে পাব। আপনি যখন দেশপ্রেমের জন্য আপনার হৃদয় খুলে দেবেন, তখন সেখানে কোনো কুসংস্কারের জায়গা থাকবে না। [[বাইবেল]] আমাদের বলে, "ঈশ্বরের সন্তানরা যখন একতায় বসবাস করে তখন তা কতই না ভালো এবং আনন্দদায়ক।" আমাদের অবশ্যই খোলাখুলিভাবে মনের কথা বলতে হবে, সততার সাথে আমাদের মতবিরোধ নিয়ে বিতর্ক করতে হবে, তবে সর্বদা সংহতি বজায় রাখতে হবে। যখন আমেরিকা ঐক্যবদ্ধ থাকে, আমেরিকাকে তখন থামানো অসম্ভব।''' কোনো ভয় থাকার কথা নয়: আমরা সুরক্ষিত এবং আমরা সর্বদা সুরক্ষিত থাকব। আমাদের সামরিক বাহিনী ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মহান পুরুষ ও নারীদের দ্বারা আমরা সুরক্ষিত থাকব এবং সবচেয়ে বড় কথা হলো, আমরা ঈশ্বরের দ্বারা সুরক্ষিত থাকব।
* সবশেষে আমাদের বড় কিছু ভাবতে হবে এবং আরও বড় স্বপ্ন দেখতে হবে। আমেরিকায় আমরা বুঝি যে, একটি জাতি ততক্ষণই বেঁচে থাকে যতক্ষণ সেটি চেষ্টা করে যায়। আমরা আর সেই সব রাজনীতিবিদদের গ্রহণ করব না যারা কেবল কথাই বলেন কিন্তু কোনো কাজ করেন না, অনবরত অভিযোগ করেন কিন্তু সে বিষয়ে কিছু করেন না। ফাঁকা বুলির সময় শেষ। এখন কাজ করার সময় এসেছে। কাউকে বলতে দেবেন না যে এটি করা সম্ভব নয়। আমেরিকার সাহস, লড়াই এবং উদ্দীপনার সাথে কোনো চ্যালেঞ্জই পেরে উঠবে না। আমরা ব্যর্থ হব না। আমাদের দেশ আবারও সমৃদ্ধ ও সফল হবে। আমরা এক নতুন সহস্রাব্দের শুরুতে দাঁড়িয়ে আছি, মহাকাশের রহস্য উন্মোচন করতে, পৃথিবীকে রোগের অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে এবং আগামীর জ্বালানি, শিল্প ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে আমরা প্রস্তুত। এক নতুন জাতীয় গর্ব আমাদের আত্মাকে নাড়া দেবে, আমাদের দৃষ্টিকে উন্নত করবে এবং আমাদের বিভেদ দূর করবে।
* এখন সেই পুরনো প্রজ্ঞাটি মনে রাখার সময় যা আমাদের সৈন্যরা কখনও ভুলবে না: আমরা কালো হই বা বাদামী অথবা সাদা, আমাদের সবার শরীরেই দেশপ্রেমিকদের লাল রক্ত প্রবাহিত হয়, আমরা সবাই একই গৌরবময় স্বাধীনতা উপভোগ করি এবং আমরা সবাই একই মহান আমেরিকান পতাকাকে অভিবাদন জানাই। আর ডেট্রয়েটের জনবহুল শহরে বা নেব্রাস্কার ঝড়ো প্রান্তরে যে শিশুই জন্ম নিক না কেন, তারা একই রাতের আকাশের দিকে তাকায়, তারা একই স্বপ্নে তাদের হৃদয় পূর্ণ করে এবং তারা একই সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রাণবায়ুতে উদ্দীপ্ত হয়। তাই কাছে ও দূরের প্রতিটি শহরের, ছোট ও বড় সব আমেরিকানদের বলছি, পাহাড় থেকে পাহাড়, মহাসাগর থেকে মহাসাগর—এই কথাগুলো শুনুন: আপনাদের আর কখনও অবহেলা করা হবে না। আপনাদের কণ্ঠস্বর, আপনাদের আশা এবং আপনাদের স্বপ্ন আমাদের আমেরিকান নিয়তি নির্ধারণ করবে। আর আপনাদের সাহস, মহানুভবতা এবং ভালোবাসা চিরকাল আমাদের পথ দেখাবে। '''একসাথে আমরা আমেরিকাকে আবারও শক্তিশালী করে তুলব। আমরা আমেরিকাকে আবারও সম্পদশালী করে তুলব। আমরা আমেরিকাকে আবারও গর্বিত করে তুলব। আমরা আমেরিকাকে আবারও নিরাপদ করে তুলব। এবং, হ্যাঁ, একসাথে আমরা আমেরিকাকে আবারও মহান করে তুলব।''' আপনাদের ধন্যবাদ। ঈশ্বর আপনাদের মঙ্গল করুন এবং ঈশ্বর আমেরিকার মঙ্গল করুন। ধন্যবাদ। ঈশ্বর আমেরিকার মঙ্গল করুন।
* কোনো অপ্রত্যাশিত ফলাফলের জন্য প্রস্তুত থাকতে চেয়ে স্থানীয় ডোনাল্ড ট্রাম্প সমর্থক ৫২ বছর বয়সী ফ্রেড ম্যাকগুয়ার গত মঙ্গলবার বলেছেন যে, অভিবাসীদের লক্ষ্য করে প্রেসিডেন্টের পরিকল্পিত আক্রমণাত্মক পুলিশিং এবং নজরদারি নীতি যদি সব সমস্যার সমাধান করতে না পারে, তবে তার কাছে বিকল্প কিছু বলির পাঁঠা প্রস্তুত রাখা আছে। “আমি আশা করছি যে গণ-নির্বাসন, বাধ্যতামূলক নিবন্ধন, বিচার ছাড়াই অনির্দিষ্টকালের আটক এবং বর্ধিত নজরদারি সব সম্ভাব্য সমস্যার সমাধান করবে। কিন্তু নিরাপদ থাকতে আমি অন্য কিছু গোষ্ঠীকেও দানব হিসেবে চিহ্নিত করার জন্য প্রস্তুত রেখেছি,” ম্যাকগুয়ার বলেন। তিনি আরও যোগ করেন যে, ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি যদি অপরাধ কমাতে এবং অর্থনীতির উন্নতি করতে ব্যর্থ হয়, তবে তিনি তার ক্ষোভ কল্যাণভোগী, পরিবেশবাদী কর্মী এবং সম্ভবত উদারপন্থী কলেজ অধ্যাপকদের দিকে ঘুরিয়ে দিতে প্রস্তুত। “অবশ্যই ওবামার লিগ্যাসি তো অনেক দোষ পাবেই। আর যখন মানুষ আমাকে জিজ্ঞাসা করবে কেন শ্রমিক শ্রেণীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না, তখন আমি লেবার ইউনিয়ন এবং পলিটিক্যাল কারেক্টনেসকেও দোষারোপ করতে পারব। হ্যাঁ, আগামী চার বা আট বছর পার করার জন্য আমার কাছে যথেষ্ট বলির পাঁঠার ধারণা আছে।” ম্যাকগুয়ার আরও বলেন যে তিনি এখনই ইহুদিদের বলির পাঁঠা বানানোর কথা ভাবছেন না, তবে আগামী কয়েক বছর পরিস্থিতি কেমন যায় তা দেখার জন্য অপেক্ষা করবেন।
** ''দ্য অনিয়ন'' প্যারোডি পত্রিকা, [https://theonion.com/trump-supporter-has-few-backup-scapegoats-ready-to-go-i-1819579570/"অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা সব সমাধান না করলে ট্রাম্প সমর্থকের কাছে কিছু বিকল্প বলির পাঁঠা প্রস্তুত আছে"], ২০ জানুয়ারি ২০১৭
* এর সাথে যুক্ত হয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আধিপত্য, যিনি ২০১৬ সালের নির্বাচনে অংশত একজন নেটিভিস্ট এবং অভিবাসন বিরোধী গোষ্ঠীকে তুষ্ট করে জয়ী হয়েছিলেন। ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের শার্লটসভিলে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী বিক্ষোভকারীদের সমাবেশে যে প্রাণঘাতী সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছিল, সে বিষয়ে ট্রাম্পের সংযত নিন্দা তাঁর সবচেয়ে অনুগত সমর্থক ছাড়া সবার কাছ থেকেই সমালোচনার শিকার হয়েছিল। আর এই রাজনৈতিক সম্পর্কগুলো বিশ্লেষণ করার জরুরি প্রয়োজনটি তখনই অর্থবহ হয়ে ওঠে। ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভোট দেওয়া লক্ষ লক্ষ সাধারণ ডানপন্থী আমেরিকানদের কেউই নাৎসিদের সাথে এক কাতারে দাঁড়াতে চান না। তবে এটি একটি বাস্তব সত্য যে, সেই বিধ্বংসী শার্লটসভিলে ইভেন্টে নাৎসি-বান্ধব সংগঠন, নাৎসি প্রতীক এবং নাৎসি ভঙ্গি দেখা গিয়েছিল, যে অনুষ্ঠানটির নাম "বামদের ঐক্যবদ্ধ করুন" ছিল না, বরং ছিল "ডানদের ঐক্যবদ্ধ করুন"। যদিও আমেরিকান রাজনীতিতে ব্যবহৃত 'বাম' এবং 'ডান' শব্দগুলো কিছুটা অস্পষ্ট হতে পারে, তবে এগুলো উদারনীতিবাদ/প্রগতিশীলতা (যা মূলত ডেমোক্র্যাটিক পার্টি দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করা হয়) এবং রক্ষণশীলতা/ঐতিহ্যবাদ (যা মূলত রিপাবলিকান পার্টি দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করা হয়)-এর মধ্যে মৌলিক আদর্শগত বিভাজন চিহ্নিত করতে সহায়ক। আদর্শের একটি পটভূমি হিসেবে দেখলে, সমাজতন্ত্র/সাম্যবাদ ঐতিহ্যগতভাবে এই স্কেলের চরম বাম প্রান্তে পড়ে, আর জাতীয়তাবাদ/ফ্যাসিবাদ পড়ে অতি-ডানপন্থী প্রান্তে।
** ডেভিড এমেরি, [https://www.snopes.com/news/2017/09/05/were-nazis-socialists/ নাৎসিরা কি সমাজতন্ত্রী ছিল?] (৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭), ''স্নোপস''
[[File:Donald_Trump_delivering_inauguration_speech_01-20-17_(cropped).jpg|thumb|এই মুহূর্ত থেকে, এটি হতে যাচ্ছে আমেরিকা ফার্স্ট।]]
[[File:2017_Presidential_Inauguration_CV6A0663.jpg|thumb|আমি যখন বাইরে তাকিয়েছিলাম, সেই ময়দানটি দেখে মনে হলো যেন দশ বা পনেরো লাখ মানুষ ছিল।]]
* আমি যখন বাইরে তাকিয়েছিলাম, সেই ময়দানটি দেখে মনে হলো যেন দশ বা পনেরো লাখ মানুষ ছিল। তারা এমন একটি মাঠ দেখিয়েছিল যেখানে প্রায় কেউই দাঁড়িয়ে ছিল না। আর তারা বলেছিল, "ডোনাল্ড ট্রাম্প লোক টানতে পারেননি।" আমি বললাম, "প্রায় বৃষ্টি হচ্ছিল!" বৃষ্টির কারণে তাদের ভয় পেয়ে দূরে চলে যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু ঈশ্বর নিচপানে তাকালেন এবং বললেন যে আমরা আপনার বক্তৃতার সময় বৃষ্টি হতে দেব না।
** [https://www.youtube.com/watch?v=GMBqDN7-QLg অভিষেক অনুষ্ঠানে লোকসমাগম এবং সংবাদ মাধ্যমের কাভারেজ নিয়ে সিআইএ সদর দপ্তরে ট্রাম্পের বক্তব্য], ফক্স ১০ ফিনিক্স (২১ জানুয়ারি ২০১৭)
* সেই পুরনো প্রবাদ, ‘বিজয়ীরই সমস্ত লুণ্ঠিত দ্রব্য’—আপনাদের মনে আছে। আমি সবসময় বলতাম, তেল নিজেদের কাছে রাখো। আমি ইরাক যুদ্ধের ভক্ত ছিলাম না। আমি ইরাকে যেতে চাইনি। কিন্তু আমি আপনাদের বলব, যখন আমরা সেখানে ছিলাম, আমরা ভুলভাবে সেখান থেকে বেরিয়ে এসেছি। আর আমি সবসময় বলতাম, এর পাশাপাশি তেলটা রেখে দাও। আমি এটি অর্থনৈতিক কারণে বলেছিলাম। কিন্তু মাইক, আপনি যদি ভেবে দেখেন, আমরা যদি তেল নিজেদের কাছে রাখতাম তবে সম্ভবত আইএসআইএস তৈরি হতো না, কারণ তারা সেখান থেকেই তাদের টাকা উপার্জন করেছিল। তাই আমাদের তেলটা রাখা উচিত ছিল। তবে ঠিক আছে। হয়তো আপনি আরেকটা সুযোগ পাবেন। কিন্তু বাস্তব হলো, তেলটা রাখা উচিত ছিল।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের সিআইএতে ভাষণ, [https://www.cbsnews.com/news/trump-cia-speech-transcript/ ২৩ জানুয়ারি ২০১৭]
* কিন্তু আপনি যখন ভালোবাসার এই বিশাল সমুদ্রের দিকে তাকাবেন — আমি একে 'ভালোবাসার সমুদ্র' বলি — এটি সত্যিই বিশেষ কিছু।
** [https://www.youtube.com/watch?v=RDvoBoxv028 ডেভিড মুয়ারের সাথে এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প তাঁর অভিষেক অনুষ্ঠানের ভিড়ের একটি বাঁধাই করা ছবির বর্ণনা দিচ্ছেন], এবিসি (২৫ জানুয়ারি ২০১৭)
* [ডেভিড বেকার সম্পর্কে] সে আবারও তোষামোদ করছে। আপনারা জানেন, আমি সবসময় সেই সব সাংবাদিকদের কথা বলি যারা তোষামোদ করে যখন তারা এমন কিছু লিখতে চায় যা আপনি শুনতে চান কিন্তু লক্ষ লক্ষ মানুষ সম্ভবত শুনতে চায় না বা শোনার প্রয়োজন নেই।
** [http://www.bbc.com/news/world-us-canada-38764653/ "ভোটার জালিয়াতি নিয়ে ট্রাম্পের কথায় উদারপন্থীরা চিন্তিত"], বিবিসি (২৭ জানুয়ারি ২০১৭)
* আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে, আমাদের সৈন্যরা বিদেশে যে হুমকির বিরুদ্ধে লড়াই করছে, আমরা যেন তাদের আমাদের দেশে ঢুকতে না দিই।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://edition.cnn.com/2017/01/27/politics/trump-plans-to-sign-executive-action-on-refugees-extreme-vetting/ "উগ্র ইসলামি সন্ত্রাসীদের দূরে রাখতে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর"], সিএনএন (২৭ জানুয়ারি ২০১৭)
* আমি সবসময় প্রার্থনা করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছি... আমি বলব যে এই পদটি এতটাই শক্তিশালী যে আপনার ঈশ্বরকে আরও বেশি প্রয়োজন।
** [http://www1.cbn.com/cbnnews/entertainment/2017/january/worship-artist-credits-psalms-91-for-miraculous-cancer-healing ডেভিড ব্রডির সাথে ট্রাম্পের সাক্ষাৎকারে] উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], সিবিএন নিউজ (২৯ জানুয়ারি ২০১৭)
==== ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ====
* আমি এখন খুব গর্বিত যে ন্যাশনাল মলে আমাদের একটি জাদুঘর আছে যেখানে মানুষ [[মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]] এবং আরও অনেক কিছু সম্পর্কে জানতে পারে। আমি লক্ষ্য করছি যে, ফ্রেডরিক ডগলাস এমন একজনের উদাহরণ যিনি এক চমৎকার কাজ করেছেন এবং দিন দিন আরও বেশি পরিচিতি পাচ্ছেন। হ্যারিয়েট টুবম্যান, রোসা পার্কস এবং আরও লক্ষ লক্ষ কৃষ্ণবর্ণের আমেরিকান যারা [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]]কে আজকের এই অবস্থানে নিয়ে এসেছেন। দারুণ প্রভাব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theatlantic.com/politics/archive/2017/02/frederick-douglass-trump/515292/ ডোনাল্ড ট্রাম্প'স ন্যারেটিভ অফ দ্য লাইফ অফ ফ্রেডরিক ডগলাস] থেকে উদ্ধৃত, ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭।
* আমরা যখন ন্যাশনাল আফ্রিকান আমেরিকান হিস্ট্রি মান্থ পালন করছি, তখন আমরা আফ্রিকান আমেরিকানদের ঐতিহ্য ও অর্জনকে স্বীকৃতি দিচ্ছি। আফ্রিকান আমেরিকানরা যে অবদান রেখেছেন এবং রেখে চলেছেন তা আমাদের সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আফ্রিকান আমেরিকানদের ইতিহাস সেই সহনশীলতা এবং উদ্ভাবনী চেতনার উদাহরণ যা আমাদের জাতিকে মহান করে চলেছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/president-donald-j-trump-proclaims-february-national-african-american-history-month/ ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭] থেকে উদ্ধৃত।
* ওয়াশিংটনে আমাদের জন্য, ঈশ্বরের ইচ্ছা অনুযায়ী জনগণের সেবা করার প্রজ্ঞা পেতে আমাদের কখনোই তাঁর কাছে প্রার্থনা করা বন্ধ করা উচিত নয়। তবে ''দ্য অ্যাপ্রেন্টিস'' অনুষ্ঠানে আমরা দারুণ সফল হয়েছিলাম। যখন আমি রাষ্ট্রপতির জন্য দাঁড়ালাম, তখন আমাকে অনুষ্ঠানটি ছাড়তে হয়েছিল। তখনই আমি নিশ্চিতভাবে জানতাম যে আমি এটি করছি। তারা আমার জায়গায় এক মস্ত বড় মুভি স্টার আরনল্ড শোয়ার্জনেগারকে নিয়োগ করেছিল এবং আমরা জানি এর ফলাফল কী হয়েছে। রেটিং একদম তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে, এটি একটি চরম বিপর্যয় ছিল। মার্ক বার্নেট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আর কখনও বাজি ধরবেন না। আমি কেবল আরনল্ডের জন্য প্রার্থনা করতে চাই, যদি আমরা পারি, সেই রেটিংগুলোর জন্য, ঠিক আছে?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=cyxacu5AslI ট্রাম্পের "ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট" ভাষণ] (২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* আমাদের কঠোর হতে হবে। এখন আমাদের একটু কঠোর হওয়ার সময় এসেছে। বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশ আমাদের সুযোগ নিচ্ছে। এটা আর ঘটবে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/us-news/2017/feb/02/donald-trump-australia-refugees-malcolm-turnbull-phone-call বিরোধ সত্ত্বেও হোয়াইট হাউস বলছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়ার শরণার্থীদের গ্রহণ করতে পারে] (২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* এটি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যে এটি আর রিপোর্টও করা হচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে সেই অত্যন্ত অসৎ সংবাদমাধ্যমগুলো এটি রিপোর্ট করতে চায় না। তাদের নিজস্ব কারণ আছে এবং আপনারা সেটি বোঝেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://www.bbc.co.uk/news/world-us-canada-38890090 ম্যাকডিল এয়ার ফোর্স বেসে দেওয়া এক বক্তৃতায় সন্ত্রাসী হামলার রিপোর্টিং নিয়ে ট্রাম্পের উক্তি] (৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* সেই স্টেট সিনেটর কে? আপনি কি আমাকে তার নাম বলতে চান? আমরা তার ক্যারিয়ার ধ্বংস করে দেব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=Z1SKm1hTWq0 শেরিফ হ্যারল্ড ইভেনসনের বক্তব্যের জবাবে ট্রাম্পের উক্তি], যেখানে শেরিফ উল্লেখ করেছিলেন যে টেক্সাসের একজন স্টেট সিনেটর এমন আইন প্রস্তাব করছেন যাতে শেরিফরা বাজেয়াপ্ত অর্থ পাওয়ার আগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার প্রয়োজন পড়বে। (৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)
* আমি বিচারকদের একটি প্যানেলের কথা শুনেছি এবং আমি সে বিষয়ে মন্তব্য করব — আমি নিশ্চিতভাবে একজন বিচারকের বক্তব্যের ওপর কোনো মন্তব্য করব না — তবে আমাকে সত্যি বলতে হবে যে, এই বিচারকরা যদি আদালতের প্রতি শ্রদ্ধার খাতিরে আদালতকে সাহায্য করতে চাইতেন, তবে তাদের যা করা উচিত ছিল তারা সেটাই করতেন। মানে এটা খুব দুঃখজনক। যখন আপনি খুব সাধারণ, সুন্দরভাবে লেখা এবং নিখুঁতভাবে লেখা কোনো কিছু পড়েন — অবশ্যই সেই একটি বক্তব্য ছাড়া যেখানে "সে" (পুরুষ বা নারী) এর কথা বলা হয়েছে — কিন্তু যখন আপনি এত নিখুঁতভাবে লেখা এবং যে কারো কাছে এত স্পষ্ট কিছু পড়েন, আর তারপর যখন আপনি আইনজীবীদের দেখেন এবং আমি গত রাতে অবাক হয়ে দেখছিলাম, আমি এমন সব কথা শুনলাম যা আমি বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। এমন সব কথা যার সাথে আমি যা পড়েছি তার কোনো সম্পর্কই ছিল না। আমি কখনোই আদালতকে পক্ষপাতদুষ্ট বলতে চাই না, তাই আমি একে পক্ষপাতদুষ্ট বলব না। আমরা এখনও কোনো সিদ্ধান্ত পাইনি, তবে আদালতগুলো এখন খুব বেশি রাজনৈতিক বলে মনে হয়। আমাদের বিচার ব্যবস্থার জন্য এটি খুব ভালো হতো যদি তারা একটি বিবৃতি পড়তে পারত এবং যা সঠিক তা করতে পারত।
* আমেরিকার প্রতিটি শিশুর উচিত কোনো ভয় ছাড়াই বাইরে খেলাধুলা করা, কোনো বিপদ ছাড়াই বাড়ি ফেরা এবং মাদক, গ্যাং বা সহিংসতা সম্পর্কে চিন্তিত না হয়ে স্কুলে যাওয়া।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/02/08/remarks-president-trump-mcca-winter-conference "এমসিসিএ উইন্টার কনফারেন্সে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্য"] (৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* আমি শুধু বলতে চাই যে, আমরা আমাদের সেই জয়ে খুবই সম্মানিত বোধ করছি, ৩০৬টি ইলেক্ট্রোরাল কলেজ ভোট। আমাদের ২২০ পার হওয়ার কথা ছিল না, আপনি [[বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু|ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর]] দিকে ফিরে সেটি জানেন, তাই না? ২২১ হওয়ার কোনো পথ ছিল না, কিন্তু তারপর তারা বলল ২৭০ হওয়ার কোনো পথ নেই এবং সেখানে প্রচুর উৎসাহ ছিল। আমি বলব যে, আমরা এই দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনব, আমরা এই দেশে অপরাধ বন্ধ করব। আমরা দীর্ঘদিনের বর্ণবাদ এবং অন্যান্য যা কিছু ঘটছে তা বন্ধ করার জন্য আমাদের ক্ষমতার মধ্যে সবকিছু করব। কারণ দীর্ঘ সময় ধরে অনেক খারাপ জিনিস ঘটে আসছে। আমি মনে করি আমার নির্বাচনে জেতার অন্যতম কারণ হলো আমাদের জাতি এখন অনেক বিভক্ত, খুব বেশি বিভক্ত। আশা করি আমি সে বিষয়ে কিছু করতে পারব এবং এটি আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ইহুদি মানুষ, আমার অনেক বন্ধু, আমার এক মেয়ে যে এই মুহূর্তে এখানে আছে, এক জামাতা এবং তিন চমৎকার নাতি-নাতনির কথা বলতে গেলে, আমি মনে করি আপনারা আগামী তিন, চার বা আট বছরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনেক পরিবর্তন দেখতে পাবেন। আমি মনে করি অনেক ভালো কিছু ঘটছে এবং আপনারা অনেক ভালোবাসা দেখতে পাবেন, আপনারা অনেক ভালোবাসা দেখতে পাবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ইহুদি বিদ্বেষের ক্রমবর্ধমান ঘটনা এবং তার প্রশাসনে বিদেশি ভীতি নিয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে, [https://www.youtube.com/watch?v=SmfseeZt5fA যৌথ সংবাদ সম্মেলনে] (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)।
* সংবাদমাধ্যম এতটাই অসৎ হয়ে পড়েছে যে আমরা যদি এ বিষয়ে কথা না বলি, তবে আমরা আমেরিকান জনগণের প্রতি চরম অন্যায় করব। চরম অন্যায়। কী ঘটছে তা জানার জন্য আমাদের কথা বলতে হবে, কারণ সত্যি বলতে সংবাদমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। অসততার মাত্রা এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে।
* আমার মনে হয় রোনাল্ড রিগ্যানের পর এটিই ছিল সবচেয়ে বড় ইলেক্ট্রোরাল কলেজ জয়।
* এই প্রশাসন একটি নিখুঁত যন্ত্রের মতো চলছে।
[[চিত্র:Michael_Flynn_(30020745053).jpg|থাম্ব|মাইক ফ্লিন একজন ভালো মানুষ, আর আমি তার পদত্যাগ চেয়েছি।]]
* মাইক ফ্লিন একজন ভালো মানুষ, আর আমি তার পদত্যাগ চেয়েছি। তিনি সম্মানের সাথে তা দিয়েছেন। তিনি এমন একজন মানুষ যার সম্পর্কে আমাদের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সকে কিছু তথ্য দেওয়া হয়েছিল, যিনি আজ আমাদের সাথে আছেন। আর যেভাবে সেই তথ্যগুলো দেওয়া হয়েছে তাতে আমি খুশি ছিলাম না। তাকে এটা করতে হতো না, কারণ তিনি যা করেছেন তা ভুল ছিল না। তিনি যে তথ্য দেখেছিলেন সে দিক থেকে কোনো ভুল ছিল না। ভুল ছিল অন্যদের, যার মধ্যে এই ঘরের আপনারাও আছেন, যেভাবে তথ্যগুলো দেওয়া হয়েছিল। কারণ সেগুলো ছিল গোপন তথ্য যা অবৈধভাবে দেওয়া হয়েছিল। এটাই আসল সমস্যা।
* দেখুন, আমি যখন জনসভায় যাই, তারা ঘুরে দাঁড়ায় এবং সিএনএন এর দিকে চিৎকার করতে শুরু করে। তারা সিএনএন-এর দিকে তাদের প্ল্যাকার্ড ছুড়ে মারতে চায়। আমি মনে করি আপনারা একটু ভিন্ন হলে অনেক ভালো করতেন।
* আগামীকাল তারা বলবে, "ডোনাল্ড ট্রাম্প সংবাদমাধ্যমের ওপর চিৎকার করেছেন।" আমি চিৎকার করছি না। আমি শুধু আপনাদের বলছি। আপনারা জানেন, আপনারা অসৎ মানুষ। কিন্তু আমি চিৎকার করছি না। আমি এটি উপভোগ করছি। আমার বেশ ভালো লাগছে। কিন্তু আগামীকাল শিরোনাম হবে, "ডোনাল্ড ট্রাম্প চিৎকার করেছেন।" আমি চিৎকার করছি না।
[[চিত্র:HEUraniumC.jpg|থাম্ব|আপনারা জানেন ইউরেনিয়াম কী, তাই না? এটি পারমাণবিক অস্ত্র এবং আরও অনেক কিছুর সাথে জড়িত। ইউরেনিয়াম দিয়ে অনেক কাজ করা হয়, যার মধ্যে কিছু খারাপ জিনিসও আছে।]]
* আপনারা জানেন ইউরেনিয়াম কী, তাই না? এটি পারমাণবিক অস্ত্র এবং আরও অনেক কিছুর সাথে জড়িত। ইউরেনিয়াম দিয়ে অনেক কাজ করা হয়, যার মধ্যে কিছু খারাপ জিনিসও আছে।
* এর মধ্যে [[ইরাক]]ের পরিস্থিতি খুব, খুব কঠিন। আপনারা কি জানেন কেন? কারণ আমি সামরিক বাহিনী নিয়ে কথা বলি না এবং আরও কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলি না, যা শুনে আপনারা অবাক হবেন। আর আমার পুরো নির্বাচনী প্রচারণায় আমি সেটাই বলেছি। তাই আমার আপনাদের বলার প্রয়োজন নেই। আমি সেই লোকেদের মতো হতে চাই না যারা বলে, "হ্যাঁ, আমরা এই কাজ করতে যাচ্ছি।" আমার তা করার দরকার নেই। উত্তর কোরিয়ায় আমি কী করতে যাচ্ছি তা আমার আপনাদের বলার দরকার নেই। একটু দাঁড়ান। [[উত্তর কোরিয়া]]য় আমি কী করতে যাচ্ছি তা আমার আপনাদের বলার দরকার নেই। আর ইরানের সাথে আমি কী করতে যাচ্ছি তাও আমার আপনাদের বলার দরকার নেই। কেন জানেন? কারণ তাদের এটি জানা উচিত নয়। আর শেষ পর্যন্ত আপনারা এই প্রশ্ন করতে করতে ক্লান্ত হয়ে যাবেন।
* আপনি কোথা থেকে এসেছেন? [সাংবাদিক উত্তর দিলেন তিনি বিবিসি থেকে এসেছেন] এই তো আরেক রত্ন।
* আপনি কি সভার ব্যবস্থা করতে চান? তারা কি আপনার বন্ধু? [একজন আফ্রিকান-আমেরিকান সাংবাদিককে উদ্দেশ্য করে এবং কংগ্রেসনাল ব্ল্যাক ককাসের কথা উল্লেখ করে]
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.nytimes.com/2017/02/16/us/politics/donald-trump-press-conference-transcript.html?_r=0 হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে করা মন্তব্য] (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)।
* আপনার পুরো জীবনে দেখা মানুষের মধ্যে আমিই হলাম সবচেয়ে কম ইহুদি বিদ্বেষী ব্যক্তি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.cnbc.com/2017/02/16/donald-trump-i-am-the-least-anti-semitic-racist-person-that-youve-ever-seen.html সিএনবিসি] (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* গতকাল রাতে সুইডেনে কী ঘটেছে একবার দেখুন। সুইডেন! কে বিশ্বাস করবে, সুইডেন! তারা প্রচুর সংখ্যক মানুষকে আশ্রয় দিয়েছে এবং তারা এমন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে যা তারা কখনও কল্পনাও করেনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=AMLK15edOUY ফ্লোরিডার মেলবোর্নে সমর্থকদের এক বিশাল সমাবেশে ট্রাম্পের বক্তব্য] (১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* আর আমি চাই আপনারা সবাই জানুন যে আমরা ফেক নিউজের বিরুদ্ধে লড়ছি। এটা ভুয়া, জাল, একদম মিথ্যে। কয়েক দিন আগে আমি ফেক নিউজকে জনগণের শত্রু বলেছিলাম, আর তারা সত্যিই তাই, তারা জনগণের শত্রু।
* কারো নাম ব্যবহার না করে তাদের কোনো সূত্র ব্যবহার করতে দেওয়া উচিত নয়। তাদের নাম সামনে আসতে দিন। তাদের নাম প্রকাশ করা হোক।
* আমি [[সুইডেন]]কে ভালোবাসি, চমৎকার দেশ, চমৎকার মানুষ। কিন্তু তারা বোঝে, ওখানকার মানুষ বোঝে যে আমি ঠিক বলছি। সুইডেনে কী ঘটছে একবার দেখুন।
* আমার একজন বন্ধু আছে, সে খুব প্রতিপত্তিশালী একজন মানুষ। সে আলোর ভালোবাসে, সে [[প্যারিস]] ভালোবাসে। বছরের পর বছর ধরে প্রতি বছর গ্রীষ্মকালে সে তার স্ত্রী এবং পরিবারকে নিয়ে নিয়মিত প্যারিসে যেত। অনেকদিন তার সাথে দেখা হয়নি, তাই আমি বললাম, জিম, তোমাকে একটা প্রশ্ন করি, প্যারিসের কী অবস্থা? "প্যারিস? আমি আর সেখানে যাই না, প্যারিস আর আগের মতো প্যারিস নেই।"
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://time.com/4682023/cpac-donald-trump-speech-transcript/ বার্ষিক কনজারভেটিভ পলিটিক্যাল অ্যাকশন কনফারেন্সে ভাষণ দেওয়ার সময়] (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)।
* এটি একটি অবিশ্বাস্যরকম জটিল বিষয়। কেউ জানত না যে স্বাস্থ্যসেবা এত জটিল হতে পারে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/us-news/video/2017/feb/27/trump-healthcare-complicated-budget-video হোয়াইট হাউসে ন্যাশনাল গভর্নরস অ্যাসোসিয়েশনের বৈঠকে ভাষণ দেওয়ার সময়] (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* সারা বিশ্বের অনেক জাতি — যেমন [[কানাডা]], [[অস্ট্রেলিয়া]] এবং আরও অনেক দেশের মেধা-ভিত্তিক অভিবাসন ব্যবস্থা রয়েছে। এটি একটি মৌলিক নীতি যে যারা কোনো দেশে প্রবেশ করতে চায় তাদের নিজেদের আর্থিকভাবে স্বচ্ছল রাখার ক্ষমতা থাকতে হবে। অথচ আমেরিকায় আমরা এই নিয়ম কার্যকর করি না, যা আমাদের সবচেয়ে দরিদ্র নাগরিকরা যে জনসম্পদের ওপর নির্ভর করে তার ওপর চাপ সৃষ্টি করে।<br>..<br>প্রধানমন্ত্রী [[জাস্টিন ট্রুডো]]র সহায়তায় আমরা কানাডার সাথে একটি কাউন্সিল গঠন করেছি যাতে নারী উদ্যোক্তারা তাদের ব্যবসা শুরু করতে এবং তাদের আর্থিক স্বপ্ন পূরণ করতে প্রয়োজনীয় নেটওয়ার্ক, বাজার এবং মূলধন পেতে পারে।<br>..<br>আমেরিকা সকল জাতির নিজস্ব পথ বেছে নেওয়ার অধিকারকে শ্রদ্ধা করে। আমার কাজ বিশ্বের প্রতিনিধিত্ব করা নয়। আমার কাজ হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করা।<br>..<br>যথাযথ যাচাইকরণ করা সম্ভব নয় এমন জায়গা থেকে অনিয়ন্ত্রিত প্রবেশাধিকার দেওয়া সহানুভূতি নয়, বরং অবিবেচনা। আমরা আমেরিকার ভেতরে সন্ত্রাসবাদের কোনো ঘাঁটি তৈরি হতে দিতে পারি না — আমরা আমাদের জাতিকে চরমপন্থীদের আশ্রয়স্থল হতে দিতে পারি না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theglobeandmail.com/news/world/us-politics/donald-trump-congress-speech-immigration/article34158135/ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, গ্লোব অ্যান্ড মেইল অনুযায়ী] থেকে উদ্ধৃত।
==== মার্চ ২০১৭ ====
* আমাদের আইরিশ বন্ধুদের সাথে যখন আমরা আজ এখানে দাঁড়িয়ে আছি, আমার সেই প্রবাদের কথা মনে পড়ছে; এবং এটি খুব ভালো একটি প্রবাদ, এটি আমার খুব পছন্দ, আমি অনেক অনেক বছর ধরে এটি শুনে আসছি এবং আমি এটি ভালোবাসি: "সব সময় সেই বন্ধুদের ভুলে যাওয়ার কথা মনে রাখবেন যারা অবিশ্বস্ত প্রমাণিত হয়েছে, কিন্তু যারা আপনার পাশে থেকেছে তাদের মনে রাখার কথা কখনও ভুলবেন না।" আমরা তা জানি, রাজনৈতিকভাবে বলতে গেলে আমাদের অনেকেই তা জানি, আমরা এটি ভালোভাবেই জানি, এটি একটি চমৎকার কথা।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/us-news/2017/mar/17/trumps-irish-proverb-causes-derision-on-the-web তৎকালীন আইরিশ সরকারপ্রধান এন্ডা কেনির সফরের সময় দেওয়া বক্তব্য] (১৭ মার্চ ২০১৭)
==== এপ্রিল ২০১৭ ====
* চলো ওকে মেরেই ফেলি! চলো ভেতরে যাই। চলো ওদের সবাইকে খতম করে দিই।
** বাশার আল-আসাদ সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]-এর উক্তি, যেমনটি ফিলিপ রাকার এবং রবার্ট কস্টা লিখিত [https://www.washingtonpost.com/politics/bob-woodwards-new-book-reveals-a-nervous-breakdown-of-trumps-presidency/2018/09/04/b27a389e-ac60-11e8-a8d7-0f63ab8b1370_story.html?noredirect=on&utm_term=.f1bf8ed6690c বব উডওয়ার্ডের নতুন বই ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতিত্বের এক 'মানসিক ভেঙে পড়া'র চিত্র তুলে ধরেছে] (৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮), ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'' উদ্ধৃত।
* সিরিয়ায় আজ নারী ও শিশুসহ নিরীহ মানুষের ওপর যে রাসায়নিক হামলা হয়েছে, তা অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং সভ্য দুনিয়া এটি উপেক্ষা করতে পারে না। বাশার আল-আসাদ সরকারের এই জঘন্য কর্মকাণ্ড পূর্ববর্তী প্রশাসনের দুর্বলতা এবং দোদুল্যমানতারই ফল। রাষ্ট্রপতি ওবামা ২০১২ সালে বলেছিলেন যে তিনি রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের বিরুদ্ধে একটি "রেড লাইন" বা চূড়ান্ত সীমা নির্ধারণ করবেন, কিন্তু পরে তিনি কিছুই করেননি। এই অসহনীয় হামলার নিন্দা জানাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সারা বিশ্বের মিত্রদের পাশে দাঁড়িয়েছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.presidency.ucsb.edu/documents/statement-the-chemical-weapons-attack-khan-sheikhoun-syria সিরিয়ার খান শেখাউনে রাসায়নিক অস্ত্র হামলা সম্পর্কে বিবৃতি] থেকে উদ্ধৃত, ''আমেরিকান প্রেসিডেন্সি প্রজেক্ট'', (৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭)
* অনেকের জন্যই এটি ছিল এক ধীরগতির এবং নৃশংস মৃত্যু... এমনকি সুন্দর ছোট শিশুদেরও এই অত্যন্ত বর্বরোচিত হামলায় নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়েছে।
** সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র হামলা সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প]], [http://www.nydailynews.com/news/politics/trump-blasts-syria-murdering-civilians-u-s-strike-article-1.3027449 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিমান ঘাঁটিতে অন্তত ৫০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পর রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প নিজের দেশের মানুষকে 'নিষ্ঠুরভাবে হত্যার' জন্য সিরিয়ার সমালোচনা করেছেন], ৬ এপ্রিল ২০১৭।
* আমরা রাতের খাবার শেষ করেছিলাম। তখন আমরা মিষ্টান্ন খাচ্ছিলাম। আর আমাদের কাছে সবচেয়ে চমৎকার এক টুকরো চকোলেট কেক ছিল যা আপনি কখনও দেখেননি, এবং রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং সেটি উপভোগ করছিলেন।
* তো যা হলো, আমি বললাম যে আমরা মাত্রই ৫৯টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছি যা ইরাকের দিকে যাচ্ছে। [সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী তাকে সংশোধন করে দেন] হ্যাঁ, সিরিয়ার দিকে যাচ্ছে।
** চীনা রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের সাথে ডিনার করার সময় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প]], [http://www.cnn.com/2017/04/12/politics/donald-trump-xi-jingping-syria-chocolate-cake/ 'চমৎকার' চকোলেট কেক খেতে খেতে ট্রাম্প ও শি সিরিয়ায় হামলা নিয়ে কথা বলেছেন], ১২ এপ্রিল ২০১৭।
* তো এটি আমেরিকায় কৃষি এবং গ্রামীণ সমৃদ্ধিকে উৎসাহিত করার জন্য। আর এখন, এখানে অনেক কথা আছে, আমি সবকিছু পড়ার ঝামেলায় যাব না।
** [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/04/25/remarks-president-trump-farmers-roundtable-and-executive-order-signing আমেরিকায় কৃষি এবং গ্রামীণ সমৃদ্ধি বাড়াতে কৃষকদের গোলটেবিল বৈঠক এবং নির্বাহী আদেশে সই করার সময় রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্যে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৫ এপ্রিল ২০১৭)
[[চিত্র:Shinzō_Abe_and_Donald_Trump_in_Palm_Beach_(3).jpeg|থাম্ব|আমি ভেবেছিলাম এটি আরও সহজ হবে।]]
* আমি ভেবেছিলাম এটি আরও সহজ হবে।
** রয়টার্সের সাথে এক [http://www.reuters.com/article/us-usa-trump-100days-idUSKBN17U0CA সাক্ষাৎকারে তার প্রথম ১০০ দিন সম্পর্কে আলোচনা করার সময়] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৭ এপ্রিল ২০১৭)
* আমি মনে করি প্রথম ১০০ দিনে আমরা হয়তো যে কোনো রাষ্ট্রপতির চেয়ে বেশি কাজ করেছি... হ্যারি ট্রুম্যান-এর পর আর কেউ এত কাজ করেনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের]] সাথে সাক্ষাৎকার, [http://www.washingtonexaminer.com/full-interview-with-president-trump-on-his-first-100-days/article/2621516 তার প্রথম ১০০ দিন সম্পর্কে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের সাথে পূর্ণাঙ্গ সাক্ষাৎকার], ২৮ এপ্রিল ২০১৭।
==== মে ২০১৭ ====
* কোনো আমেরিকানকে ফেডারেল সরকারের নির্দেশ এবং তাদের বিশ্বাসের নীতির মধ্যে কোনো একটিকে বেছে নিতে বাধ্য করা উচিত নয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://www.foxnews.com/opinion/2017/05/04/what-trump-understands-about-religious-liberty-in-america.html আমেরিকায় ধর্মীয় স্বাধীনতা সম্পর্কে ট্রাম্প কী বোঝেন?] থেকে উদ্ধৃত (৪ মে ২০১৭)
[[চিত্র:James_Comey_official_portrait.jpg|থাম্ব|আমি মাত্রই এফবিআই প্রধানকে বরখাস্ত করেছি। তিনি পাগল ছিলেন, এক্কেবারে বদ্ধ পাগল।]]
* আমি মাত্রই এফবিআই প্রধানকে বরখাস্ত করেছি। তিনি পাগল ছিলেন, এক্কেবারে বদ্ধ পাগল।<br>..<br>রাশিয়া নিয়ে আমি প্রচণ্ড চাপের মুখে ছিলাম। সেটা এখন কেটে গেছে।<br>..<br>আমার বিরুদ্ধে কোনো তদন্ত চলছে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], বৈঠকের আনুষ্ঠানিক বিবরণ অনুযায়ী [https://www.nytimes.com/2017/05/19/us/politics/trump-russia-comey.html হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রিত রুশ কর্মকর্তাদের সাথে ট্রাম্পের কথোপকথনের অংশ] থেকে উদ্ধৃত (১০ মে ২০১৭)
* আপনি কি আগে কখনও এই কথাটি ব্যবহার করতে শুনেছেন? কারণ আমি শুনিনি। মানে, আমি ঠিক... কয়েক দিন আগে এটি মাথায় এল আর আমার মনে হলো এটি বেশ ভালো। এটাই আপনাদের করতে হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [[দি ইকোনমিস্ট]]ে প্রকাশিত একটি সাক্ষাৎকারে অর্থনৈতিক উদ্দীপনা প্রসঙ্গে [http://www.economist.com/Trumptranscript "প্রাইম দ্য পাম্প" শব্দটি উদ্ভাবনের দাবি করেছেন] (১১ মে ২০১৭)
* আর সত্যি বলতে, যখন আমি এটি করার সিদ্ধান্ত নিই, তখন আমি নিজেকে বলেছিলাম, "জানো তো, ট্রাম্প আর রাশিয়াকে নিয়ে এই রাশিয়ার ব্যাপারটা আসলে একটা সাজানো গল্প। নির্বাচনে হারার পর ডেমোক্র্যাটরা এটি একটি অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করছে।"
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://www.nbcnews.com/nightly-news/video/president-trump-this-russia-thing-is-a-made-up-story-941962819745 এনবিসির লেস্টার হোল্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেছেন] যে ফেডারেল তদন্তের ওপর বিরক্তিই ছিল এফবিআই পরিচালক জেমস কোমিকে বরখাস্ত করার একটি কারণ (১১ মে ২০১৭)
* সমালোচক হওয়ার চেয়ে সহজ বা করুণ আর কিছু নেই। কারণ তারা এমন লোক যারা কাজ শেষ করতে পারে না। কিন্তু ভবিষ্যৎ স্বপ্নদ্রষ্টাদের জন্য, সমালোচকদের জন্য নয়। ভবিষ্যৎ সেই সব মানুষের জন্য যারা সমালোচকরা যা-ই বলুক না কেন, নিজেদের মনের কথা শোনে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=B421uhrOV-o&feature=youtu.be&t=12m34s লিবার্টি ইউনিভার্সিটির সমাবর্তন ভাষণ] থেকে উদ্ধৃত (১৩ মে ২০১৭)
* ইদানীং আমার সাথে বিশেষ করে সংবাদমাধ্যম যেভাবে আচরণ করছে তা দেখুন। ইতিহাসের কোনো রাজনীতিবিদের সাথে, এবং আমি এটি খুব নিশ্চিতভাবেই বলছি, এর চেয়ে খারাপ বা অন্যায় আচরণ করা হয়নি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/us-news/video/2017/may/17/donald-trump-media-coast-guard-speech-video "ইউএস কোস্ট গার্ড একাডেমির সমাবর্তন অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তৃতায় সংবাদমাধ্যমের সমালোচনা করার সময়"] থেকে উদ্ধৃত (১৭ মে ২০১৭)
* ওহ আমার ঈশ্বর। এটি ভয়ংকর। '''এটিই আমার রাষ্ট্রপতিত্বের শেষ। আমি শেষ।'''
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], রাশিয়া তদন্তে একজন স্পেশাল কাউন্সিল নিয়োগের বিষয়ে। রবার্ট এস. মুলার ৩য় লিখিত [https://commons.wikimedia.org/wiki/File:Report_On_The_Investigation_Into_Russian_Interference_In_The_2016_Presidential_Election.pdf "রিপোর্ট অন দ্য ইনভেস্টিগেশন ইনটু রাশিয়ান ইন্টারফারেন্স ইন দ্য ২০১৬ প্রেসিডেন্সিয়াল ইলেকশন"], ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ৭৮-এ উদ্ধৃত।
* অনেক তরুণ, সুন্দর, নিষ্পাপ মানুষ যারা জীবনকে উপভোগ করছিল, জীবনের কিছু শয়তান লুজার তাদের হত্যা করেছে। আমি তাদের দানব বলব না কারণ তারা ওই শব্দটি পছন্দ করবে। তারা ভাববে এটি একটি চমৎকার নাম। আমি এখন থেকে তাদের লুজার বলব কারণ তারা তা-ই। তারা লুজার। আর আমরা এমন আরও অনেককে পাব। কিন্তু তারা ব্যর্থ, শুধু এটা মনে রাখবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theatlantic.com/international/archive/2017/05/trump-manchester-losers/527745/ দি আনটলান্টিক] থেকে উদ্ধৃত
==== জুন ২০১৭ ====
* আমি প্যারিসের নয়, বরং পিটসবার্গের নাগরিকদের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য নির্বাচিত হয়েছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/06/01/statement-president-trump-paris-climate-accord প্যারিস জলবায়ু চুক্তি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বিবৃতি], যেখানে তিনি প্যারিস চুক্তি থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেন (১ জুন ২০১৭)
* ইতিহাস স্বপ্নদ্রষ্টাদের দ্বারা লেখা হয়, সন্দেহবাদীদের দ্বারা নয়।
[[চিত্র:Family trump in the Easter Egg Roll (cropped).jpg|থাম্ব|আমি ধনী-দরিদ্র সব মানুষকেই ভালোবাসি, কিন্তু বিশেষ ওই পদগুলোর জন্য আমি কোনো দরিদ্র মানুষকে চাই না।]]
* আমি ধনী-দরিদ্র সব মানুষকেই ভালোবাসি, কিন্তু বিশেষ ওই পদগুলোর জন্য আমি কোনো দরিদ্র মানুষকে চাই না।
* আমরা দেওয়ালটিকে একটি সৌর দেওয়াল হিসেবে তৈরির কথা ভাবছি, যাতে এটি শক্তি উৎপাদন করে এবং নিজের খরচ নিজেই মেটাতে পারে। আর এভাবে মেক্সিকোকে অনেক কম টাকা দিতে হবে, আর সেটা ভালো, তাই না? আপনারা প্রথম দল যাদের আমি এটি বললাম। একটি সৌর দেওয়াল, এর মানে হয়। দেখা যাক, আমরা এটি নিয়ে কাজ করছি। সৌর দেওয়াল, প্যানেল, চমৎকার। মানে আসলে ভেবে দেখুন, এটি যত উঁচুতে যাবে এর মূল্য তত বাড়বে, এটি অনেকটা... বেশ ভালো কল্পনাশক্তি ''[নিজের মাথার দিকে ইশারা করে]'', তাই না, ভালো? আমার পরিকল্পনা।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://www.foxnews.com/politics/2017/06/21/president-trump-holds-iowa-rally-live-blog.html আইওয়ার সিডার র্যাপিডসে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের জনসভা] থেকে উদ্ধৃত (২১ জুন ২০১৭)
* দেখুন আমি তাকে রেকর্ড করিনি — কী ঘটছে তা আপনি কখনোই বুঝতে পারবেন না, যখন আপনি দেখবেন যে ওবামা প্রশাসন, এবং সম্ভবত তার চেয়েও বেশি সময় ধরে, এই সব মুখোশ উন্মোচন এবং নজরদারি করছিল। আর আপনি যখন চারিদিকে নজরদারি করার মতো গুরুতর এবং ভয়াবহ পরিস্থিতি সম্পর্কে সব পড়বেন, যেমনটা আমি গত কয়েক মাস ধরে পড়ছি। আর আপনারা 'মুখোশ উন্মোচন' শব্দটি শুনেছেন, এমন একটি শব্দ যা আপনারা হয়তো আগে কখনও শোনেননি। তাই সেখানে কী আছে আপনি কখনও জানবেন না — তবে আমি রেকর্ড করিনি, আর আমার কাছে কোনো টেপ নেই, আর আমি রেকর্ড করিনি।
* ভালো, এটি খুব একটা বোকামি ছিল না, আমি আপনাকে তা বলতে পারি। ''[সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী যখন ইঙ্গিত দেন যে রেকর্ড বা টেপ আছে বলে তার টুইট করা একটি চালাকি ছিল, তার জবাবে]''
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://insider.foxnews.com/2017/06/23/trump-comey-tapes-tweet-mueller-probe-fox-friends-interview "ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডসে এইন্সলি ইয়ারহার্ডের নেওয়া ট্রাম্পের সাক্ষাৎকার"] থেকে উদ্ধৃত (২৩ জুন ২০১৭)
* আমি শুনলাম কম রেটিংয়ের জো স্কারবোরো আমাকে নিয়ে খারাপ কথা বলছে (আর দেখি না)। তাহলে কম বুদ্ধির পাগল মিকা আর সাইকো জো কেন নিউ ইয়ার ইভের আশেপাশে টানা ৩ রাত মার-আ-লাগোতে এসেছিল এবং আমার সাথে যোগ দেওয়ার জন্য জোরাজুরি করেছিল? ফেস-লিফটের কারণে তার মুখ থেকে রক্ত পড়ছিল। আমি না বলে দিয়েছিলাম!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.nytimes.com/2017/06/29/business/media/trump-mika-brzezinski-facelift.html "ট্রাম্প মিকা ব্রজেজিনস্কিকে বিদ্রূপ করেছেন"] থেকে উদ্ধৃত (২৯ জুন ২০১৭)
[[চিত্র:Donald_Trump_(29273256122)_-_Cropped.jpg|থাম্ব|মানুষের আত্মা অজানাকে জানার জন্য ব্যাকুল থাকে। মহাবিশ্বের রহস্য উন্মোচনের মাধ্যমে আমরা নিজেদের ভেতরের সত্যকেও উন্মোচন করি।]]
* মানুষের আত্মা অজানাকে জানার জন্য ব্যাকুল থাকে। মহাবিশ্বের রহস্য উন্মোচনের মাধ্যমে আমরা নিজেদের ভেতরের সত্যকেও উন্মোচন করি। এটা সত্যি। আমাদের মহাকাশ যাত্রা শুধু আমাদের শক্তিশালী আর সমৃদ্ধই করবে না, বরং আমাদের বড় লক্ষ্যগুলোর পেছনে ঐক্যবদ্ধ করবে এবং সবাইকে আরও কাছাকাছি নিয়ে আসবে। এটা কি দারুণ হবে না? আপনারা কি বিশ্বাস করতে পারেন যে মহাকাশ এমনটা করবে? আমি ভেবেছিলাম রাজনীতি হয়তো এটা করবে। (হাসি)। যাই হোক, আমাদের এখন মহাকাশের ওপরই ভরসা করতে হবে।
* প্রতিবার আকাশে কোনো কিছুর উৎক্ষেপণ আমাদের এমন এক ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায় যেখানে আমাদের সাধারণ মানবিকতার বিশালতার সামনে আমাদের পার্থক্যগুলো ছোট মনে হয়। অনেক সময় সত্যকে দেখার জন্য কোনো কিছুকে দূর থেকে দেখতে হয়। জ্ঞানের চিরন্তন সন্ধানে মানবতার অগ্রভাগে থাকা এবং অজানার অভিযানে জাতিগুলোর মধ্যে নেতৃত্ব দেওয়া আমেরিকার ভাগ্য।
* মহাকাশ। বাইরে অনেক জায়গা আছে, তাই না? ''[বাজ অলড্রিন মাঝপথে বলেন: অসীমের পথে এবং তারও ঊর্ধ্বে!]'' এটা অসীম, এটা অসীম হতে পারে, আমরা ঠিক জানি না। তবে হতেও পারে, সেখানে নিশ্চয়ই কিছু আছে, তবে এটা অসীম হতে পারে, তাই তো?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/06/30/remarks-president-signing-executive-order-national-space-council "ন্যাশনাল স্পেস কাউন্সিলের একটি নির্বাহী আদেশে সই করার সময় ট্রাম্পের বক্তব্য"] থেকে উদ্ধৃত (৩০ জুন ২০১৭)
==== জুলাই ২০১৭ ====
* আমাদের সময়ের মৌলিক প্রশ্নটি হলো পশ্চিমা বিশ্বের বেঁচে থাকার ইচ্ছা আছে কি না। যেকোনো মূল্যে আমাদের মূল্যবোধ রক্ষা করার আত্মবিশ্বাস কি আমাদের আছে? আমাদের সীমান্ত রক্ষা করার জন্য নাগরিকদের প্রতি কি আমাদের যথেষ্ট সম্মান আছে? যারা আমাদের সভ্যতাকে নসাৎ বা ধ্বংস করতে চায়, তাদের মুখে দাঁড়িয়ে আমাদের সভ্যতা টিকিয়ে রাখার আকাঙ্ক্ষা ও সাহস কি আমাদের আছে?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/07/06/remarks-president-trump-people-poland-july-6-2017 "পোল্যান্ডের জনগণের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্য"] (৬ জুলাই ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত
* ...ওবামাকেয়ারকে ব্যর্থ হতে দিন, এটি অনেক সহজ হবে। এবং আমি মনে করি আমরা সম্ভবত এমন অবস্থানে আছি যেখানে আমরা ওবামাকেয়ারকে ব্যর্থ হতে দেব। আমরা এর দায় নেব না। আমি এর দায় নেব না। আমি আপনাদের বলতে পারি যে রিপাবলিকানরা এর দায় নেবে না। আমরা ওবামাকেয়ারকে ব্যর্থ হতে দেব এবং তারপর ডেমোক্র্যাটরা আমাদের কাছে আসবে।
** হোয়াইট হাউসের এক সংবাদ সম্মেলন, ১৮ জুলাই ২০১৭, থমাস কাপলান লিখিত [https://www.nytimes.com/2017/07/18/us/politics/republicans-obamacare-repeal-now-replace-later.html রিপাবলিকানদের স্বাস্থ্য বিল ভেস্তে যাওয়ার সাথে সাথে ট্রাম্প বলেছেন "ওবামাকেয়ারকে ব্যর্থ হতে দিন]" শীর্ষক নিবন্ধে উদ্ধৃত, ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৮ জুলাই ২০১৭
* আমি অ্যাটর্নি জেনারেলের ওপর হতাশ। দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় পরপরই তার নিজেকে সরিয়ে নেওয়া উচিত হয়নি। আর যদি তিনি নিজেকে সরিয়ে নিতেই চাইতেন, তবে তার উচিত ছিল দায়িত্ব নেওয়ার আগেই আমাকে তা বলা। তাহলে আমি খুব সহজেই অন্য কাউকে বেছে নিতাম। তাই আমি মনে করি এটি একটি খারাপ ব্যাপার, রাষ্ট্রপতির জন্য নয় বরং রাষ্ট্রপতিত্বের জন্য। আমি মনে করি এটি রাষ্ট্রপতিত্বের প্রতি অন্যায় হয়েছে এবং আমি ঠিক এমনটাই মনে করি।
** হোয়াইট হাউসের এক সাংবাদিক সম্মেলনে [https://www.youtube.com/watch?v=ZgImDKyPZwg জেফ সেশনস সম্পর্কে একটি প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প] (২৫ জুলাই ২০১৭)
* আমি বলেছি দয়া করে খুব বেশি ভালো হবেন না। যেমন আপনারা যখন কাউকে গাড়িতে তোলেন এবং তাদের মাথা রক্ষা করেন, আপনারা জানেন, যেভাবে হাত দিয়ে আড়াল করেন যাতে মাথায় আঘাত না লাগে অথচ তারা হয়তো মাত্রই কাউকে খুন করে এসেছে, তাদের মাথায় যাতে আঘাত না লাগে? আমি বললাম, আপনারা হাত সরিয়ে নিতে পারেন, ঠিক আছে।
** লং আইল্যান্ডের সাফোক কাউন্টি কমিউনিটি কলেজে [https://www.youtube.com/watch?v=NFgjNPiq9Cw পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের বক্তব্য (২৮ জুলাই ২০১৭)
===== ২০১৭ ন্যাশনাল স্কাউট জাম্বোরি (২৪ জুলাই ২০১৭) =====
<small>[https://www.youtube.com/watch?v=TplF26czQVE ২০১৭ ন্যাশনাল স্কাউট জাম্বোরিতে তরুণদের অনুপ্রাণিত করছেন ট্রাম্প] (২৪ জুলাই ২০১৭)</small>
* আমি বললাম, ছেলে স্কাউটদের সামনে দাঁড়িয়ে কে রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে চায়, তাই না?
* আপনারা জানেন, আমি ওয়াশিংটনে যাই এবং এই সব রাজনীতিবিদদের দেখি, আর আমি সেই সোয়াম্প দেখি। এটি কোনো ভালো জায়গা নয়। আসলে আজ আমি বলেছি যে আমাদের 'সোয়াম্প' শব্দটি বদলে 'সেসপুল' বা হয়তো 'সুয়্যার' শব্দ ব্যবহার করা উচিত। তবে এটি ভালো নয়, একদমই ভালো নয়।
* সেক্রেটারি টম প্রাইসও এখানে আছেন। আজ ডক্টর প্রাইস আমাদের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা সচিব হিসেবে লক্ষ লক্ষ আমেরিকানকে শক্তিশালী এবং সুস্থ রাখতে সাহায্য করার মাধ্যমে স্কাউট শপথ অনুযায়ী কাজ করে চলেছেন এবং তিনি চমৎকার কাজ করছেন। আর আশা করি তিনি ওবামাকেয়ার নামের এই ভয়ংকর জিনিসটিকে শেষ করার পথে আগামীকাল প্রয়োজনীয় ভোট পাবেন যা আমাদের সত্যিই ক্ষতি করছে। যাই হোক, আপনি কি ভোটগুলো পাবেন? তাকে সেগুলো পেতেই হবে। তাকে সেগুলো পেতেই হবে। ওহ, তাকে পেতেই হবে, অন্যথায় আমি বলব, "টম, তোমাকে বরখাস্ত করা হলো।"
* দয়া করে ওই ক্যামেরাগুলো পেছনের দিকে ঘোরান, ওটা অবিশ্বাস্য। যাই হোক, আপনাদের কী মনে হয় এই বিশাল এবং রেকর্ড সৃষ্টিকারী ভিড় আজ রাতে টেলিভিশনে দেখানোর সম্ভাবনা কতটুকু? ১ শতাংশ না কি শূন্য? ভুয়া মিডিয়া বলবে, "রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প", আর আপনারা জানেন এটি কী, "রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প আজ ছেলে স্কাউটদের এক ছোট ভিড়ের সামনে ভাষণ দিয়েছেন।"
* যাই হোক, শুধু একটা প্রশ্ন, রাষ্ট্রপতি ওবামা কি কখনো কোনো জাম্বোরিতে এসেছিলেন?
* আর আপনারা জানেন ইলেক্ট্রোরাল কলেজে আমাদের অনেক অসুবিধা আছে, পপুলার ভোট পাওয়া অনেক সহজ।
==== আগস্ট ২০১৭ ====
* [[উত্তর কোরিয়া]]র জন্য এটাই সবচেয়ে ভালো হবে যেন তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে আর কোনো হুমকির আঙুল না তোলে। তাদের এমন '''আগুন আর প্রচণ্ড রাগের মোকাবিলা করতে হবে যা দুনিয়া আগে কখনো দেখেনি'''। তিনি একটি সাধারণ রাষ্ট্রের সীমা ছাড়িয়ে অনেক বেশি হুমকি দিচ্ছেন। তাদের এমন '''আগুন, প্রচণ্ড রাগ আর সত্যি বলতে এমন শক্তির''' মুখে পড়তে হবে যা এই পৃথিবী আগে কখনো দেখেনি।
** ওপিওয়েড অতিমারি সংক্রান্ত এক জনসভায় উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য।
** সিএনএনেরর [http://www.cnn.com/2017/08/09/politics/trump-fire-fury-improvise-north-korea/index.html ট্রাম্পের 'আগুন ও প্রচণ্ড ক্রোধ' বিষয়ক মন্তব্যটি তাৎক্ষণিক ছিল কিন্তু ছিল বিখ্যাত], ৯ আগস্ট ২০১৭।
* আমরা অনেক পক্ষ থেকে, হ্যাঁ অনেক পক্ষ থেকেই ঘৃণা, গোঁড়ামি আর সহিংসতার এই ভয়াবহ রূপের কড়া ভাষায় নিন্দা জানাই। আমাদের দেশে এটি দীর্ঘ সময় ধরে চলে আসছে। এটি ডোনাল্ড ট্রাম্প বা বারাক ওবামার সময় থেকে নয়, বরং অনেক অনেক দিন ধরে চলছে।
** ভার্জিনিয়ার শার্লটসভিলে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী র্যালির সন্ত্রাস সম্পর্কে প্রথম বিবৃতি। [https://www.theguardian.com/us-news/2017/aug/12/charlottesville-protest-trump-condemns-violence-many-sides] দ্য গার্ডিয়ান। (১২ আগস্ট ২০১৭)
*বর্ণবাদ একটি শয়তানি। আর যারা এর নামে অশান্তি সৃষ্টি করে তারা স্রেফ অপরাধী আর গুন্ডা। কেকেকে, নব্য-নাৎসি, শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী আর অন্যান্য ঘৃণ্য গোষ্ঠীগুলো আমেরিকান হিসেবে আমাদের প্রিয় আদর্শগুলোর পরিপন্থী এবং জঘন্য। যারা গোঁড়ামির নামে অশান্তি ছড়ায় তারা আমেরিকার মূল সত্তায় আঘাত করে। প্রার্থী হিসেবে আমি দেশে আইন-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম এবং আমাদের সরকারি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো সেই কথা রাখছে। আমরা এই লড়াইয়ে কোনো কিছুর কমতি রাখব না যাতে প্রতিটি আমেরিকান শিশু ভয় আর সহিংসতা ছাড়া বড় হতে পারে। আমরা সকল আমেরিকানের পবিত্র অধিকার রক্ষা করব এবং আমরা সবাই মিলে কাজ করব যাতে এই ধন্য দেশের প্রতিটি নাগরিক তাদের মনের স্বপ্ন পূরণ করতে পারে এবং আমাদের আত্মার ভালোবাসা ও আনন্দ প্রকাশ করতে পারে।
** ১১-১২ আগস্ট ২০১৭ তারিখে ভার্জিনিয়ার শার্লটসভিলে অনুষ্ঠিত একটি চরম-ডানপন্থী র্যালিতে সহিংসতার বিষয়ে পরবর্তী বিবৃতি; [http://www.cnn.com/2017/08/14/politics/trump-condemns-charlottesville-attackers/index.html ট্রাম্প কেকেকে, নব্য-নাৎসি আর শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীদের 'জঘন্য' বলেছেন] (১৪ আগস্ট ২০১৭)
*'''হ্যাঁ, আমি মনে করি দুই পক্ষেরই দোষ আছে। আপনারা দুই পক্ষকেই ভালো করে দেখুন, আমার মনে হয় দুই পক্ষেরই দোষ আছে এবং এ নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই, আপনাদেরও থাকা উচিত নয়।''' আর আপনারা যদি এটি সঠিকভাবে তুলে ধরতেন, তবে বলতেন... [সাংবাদিক: নব্য-নাৎসিরা এটি শুরু করেছিল। তারা শার্লটসভিলে এসেছিল। তারা... (সাংবাদিকদের শোরগোল)] মাফ করবেন। শুনুন। '''তারা নিজেদের নব্য-নাৎসি হিসেবে পরিচয় দেয়নি।''' আর সেই দলে কিছু খুব খারাপ মানুষ ছিল। '''কিন্তু দুই পক্ষেই এমন কিছু মানুষ ছিল যারা খুব ভালো মানুষ ছিল।''' সেই দলে এমন কিছু লোক ছিল — মাফ করবেন — আমি আপনাদের মতোই ছবিগুলো দেখেছি। সেই দলে এমন লোক ছিল যারা তাদের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি মূর্তি সরিয়ে ফেলা এবং একটি পার্কের নাম রবার্ট ই. লি থেকে অন্য নামে বদলানোর প্রতিবাদ করতে সেখানে এসেছিল। [সাংবাদিকদের শোরগোল] জর্জ ওয়াশিংটন কি দাসের মালিক ছিলেন না? অবশ্যই ছিলেন। তাহলে কি এখন জর্জ ওয়াশিংটন তার মর্যাদা হারাবেন? আমরা কি — মাফ করবেন — আমরা কি এখন জর্জ ওয়াশিংটনের মূর্তি সরিয়ে ফেলব? থমাস জেফারসনের কথাই ধরুন। আপনারা তাকে পছন্দ করেন, তাই তো? ভালো। আমরা কি এখন তার মূর্তি সরিয়ে ফেলব কারণ তিনি একজন বড় দাসের মালিক ছিলেন? এভাবে তো আপনারা ইতিহাস আর সংস্কৃতিকেই বদলে দিচ্ছেন। সেই দলে এমন কিছু লোক ছিল — এবং '''আমি নব্য-নাৎসি আর শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদীদের কথা বলছি না, কারণ তাদের পুরোপুরি নিন্দা জানানো উচিত''' — কিন্তু সেই দলে '''নব্য-নাৎসি আর শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী ছাড়াও আরও অনেক সাধারণ মানুষ ছিল''', ঠিক আছে? আর সংবাদমাধ্যম তাদের সাথে চরম অন্যায় আচরণ করেছে। আবার অন্য দলেও কিছু ভালো মানুষ ছিল, কিন্তু সেখানে কিছু দাঙ্গাবাজও ছিল যাদের আপনারা '''কালো পোশাক, হেলমেট আর বেসবল ব্যাট''' নিয়ে আসতে দেখেছেন। অন্য দলেও অনেক খারাপ লোক ছিল।
* শনিবার আমি যে বিবৃতিটি দিয়েছিলাম, সেই প্রথম কথাগুলো একদম সঠিক ছিল।
** নিউ ইয়র্কের ট্রাম্প টাওয়ারে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে রয়টার্সের [https://www.reuters.com/article/us-virginia-protests-idUSKCN1AV0WT "ভার্জিনিয়ার প্রাণঘাতী সহিংসতার জন্য ট্রাম্প আবারও উভয় পক্ষকে দায়ী করেছেন"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৫ আগস্ট ২০১৭)। প্রতিলিপি: [https://www.cnbc.com/2017/08/15/read-the-transcript-of-donald-trumps-jaw-dropping-press-conference.html সিএনবিসি], [https://www.vox.com/2017/8/15/16154028/trump-press-conference-transcript-charlottesville ভক্স]।
==== সেপ্টেম্বর ২০১৭ ====
* এটি এমন এক রাষ্ট্রপতিত্ব যার প্রধান বৈশিষ্ট্য আদর্শ নয়, এমনকি নীতিও নয়। এটি হলো এক ধরনের স্নায়বিক সমস্যা।
** ব্রেট স্টিফেনস, [http://archive.is/bD7xJ "ট্রাম্প রক্ষণশীলদের তাদের উপযুক্ত পাওনা বুঝিয়ে দিচ্ছেন"] (১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস''
* ভেনেজুয়েলার সমস্যা এটা নয় যে সেখানে [[সমাজতন্ত্র]] ঠিকমতো বাস্তবায়ন করা হয়নি। বরং সমস্যাটা হলো সেখানে সমাজতন্ত্র ঠিকঠাকভাবেই বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭২তম অধিবেশনে দেওয়া তার প্রথম ভাষণে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। (১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭)
* আপনারা এর চেয়ে ভালো একটা কাজই করতে পারেন যদি দেখেন এমনটা হচ্ছে, এমনকি একজন খেলোয়াড়ও যদি এমন করে, তবে স্টেডিয়াম ছেড়ে চলে যান। আমি কথা দিচ্ছি, এসব বন্ধ হয়ে যাবে। এসব বন্ধ হবেই। শুধু উঠে চলে যান। উঠে চলে যান। এমনিতেও খেলাটা আর আগের মতো নেই। আপনারা কি দেখতে চাইবেন না যে এনএফএলের মালিকদের কেউ একজন, যখন কেউ আমাদের পতাকাকে অসম্মান করছে, তখন বলছেন, 'ওই কুত্তার বাচ্চাকে এখনই মাঠ থেকে বের করে দাও। বের করো! ওকে বরখাস্ত করা হলো। ওকে বরখাস্ত করা হলো!'
** অ্যালাবামার হান্টসভিলে এক জনসভায় মার্কিন পতাকার বিরুদ্ধে এনএফএল খেলোয়াড়দের প্রতিবাদ প্রসঙ্গে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
** {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৭-০৯-২২ |শিরোনাম=জাতীয় সংগীতে হাঁটু গেড়ে বসার জন্য এনএফএল খেলোয়াড়দের বরখাস্তের দাবি জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প — এবং তারা এর জবাব দিয়েছে |লেখক=অ্যারিক জেনকিন্স |সাময়িকী=ফরচুন |ইউআরএল=http://fortune.com/2017/09/23/donald-trump-nfl-players-anthem-response/}}
* হোমল্যান্ড সিকিউরিটি থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষা বিভাগ পর্যন্ত আমাদের সরকারের সব যথাযথ বিভাগ এই দুর্যোগ মোকাবিলায় পুরোপুরি নিয়োজিত আছে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে উদ্ধার ও পুনরুদ্ধারের এমন প্রচেষ্টা হয়তো আগে কখনো দেখা যায়নি। এটি একটি দ্বীপ যার চারিদিকে জল, বিশাল জলরাশি, সমুদ্রের জল।
** ঘূর্ণিঝড় মারিয়া সম্পর্কে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
** {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৭-০৯-২৯ |শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন পুয়ের্তো রিকো হলো 'বিশাল জলরাশি বেষ্টিত একটি দ্বীপ' |লেখক=এমিলি শুগারম্যান |সাময়িকী=দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট |অবস্থান=ইউকে |ইউআরএল=https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-politics/donald-trump-puerto-rico-hurricane-maria-comments-island-big-water-a7975011.html}}
==== অক্টোবর ২০১৭ ====
* আপনারা কি জানেন এটি কিসের প্রতীক? হয়তো এটি ঝড়ের আগের শান্ত মুহূর্ত। ''[সাংবাদিক: কিসের ঝড়?]'' হতে পারে ঝড়ের আগের শান্ত, একদম শান্ত একটা ভাব। [সাংবাদিক: কিসের ঝড় মিস্টার প্রেসিডেন্ট?] এই ঘরে বিশ্বের সেরা সামরিক ব্যক্তিরা আছেন, আমি শুধু আপনাদের এটাই বলব, আর আমাদের সন্ধ্যাটা খুব চমৎকার কাটবে। ''[সাংবাদিক: কিসের ঝড় মিস্টার প্রেসিডেন্ট?]'' আপনারা জানতে পারবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.washingtonpost.com/news/post-politics/wp/2017/10/06/trump-gathers-with-military-leaders-says-maybe-its-the-calm-before-the-storm/ "হোয়াইট হাউসে ছবি তোলার সময় দেওয়া বক্তব্য"] থেকে উদ্ধৃত (৬ অক্টোবর ২০১৭)
* সংবাদমাধ্যম হলো — সত্যি বলতে, আমার উদ্ভাবিত সেরা শব্দগুলোর একটি হলো "ফেক" (ভুয়া)। আমার ধারণা হয়তো অন্য মানুষও বছরের পর বছর এটি ব্যবহার করেছে, কিন্তু আমি কখনো তা খেয়াল করিনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ড্যানিয়েল ডেল লিখিত [https://www.thestar.com/news/world/2017/10/08/donald-trump-defends-paper-towels-in-puerto-rico-says-stephen-paddock-was-probably-smart-in-bizarre-tv-interview-analysis.html এক বিচিত্র টিভি সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প পুয়ের্তো রিকোর পেপার টাওয়েল নিয়ে আত্মপক্ষ সমর্থন করেছেন এবং স্টিফেন প্যাডক সম্পর্কে বলেছেন সে 'সম্ভবত বুদ্ধিমান' ছিল: একটি বিশ্লেষণ] শীর্ষক নিবন্ধে উদ্ধৃত, দ্য স্টার ডট কম, ৮ অক্টোবর ২০১৭
* চেইন মাইগ্রেশন হলো অন্যতম এক বিপর্যয়। আপনি একজনকে আসতে দিচ্ছেন আর সেই একজন ১০ বা ১২ জনকে নিয়ে আসছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ১১ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে [https://abcnews.go.com/US/times-trump-slammed-chain-migration-apparently-helped-wifes/story?id=57132429 শন হ্যানিটি]র নেওয়া সাক্ষাৎকারে
* আর আমরা এটি সেই সব বাবা-মায়েদের মধ্যে দেখি যারা ভোরবেলায় ঘুম থেকে ওঠেন; তারা দুটো চাকরি করেন, কখনো কখনো তিনটা চাকরিও করেন। তারা প্রতিদিন আসবাবপত্র এবং তাদের সন্তানদের ভবিষ্যতের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.palmerreport.com/opinion/random-words-donald-trump/5573/ ২০১৭ ভ্যালুস ভোটার সামিটে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্য] থেকে উদ্ধৃত (১৩ অক্টোবর ২০১৭)
* এইমাত্র খবর এল: "চরমপন্থী ইসলামি সন্ত্রাসের প্রসারের মাঝে যুক্তরাজ্যে বার্ষিক অপরাধের হার ১৩% বেড়েছে।" ভালো কথা নয়, আমাদের অবশ্যই আমেরিকাকে নিরাপদ রাখতে হবে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.snopes.com/trump-uk-terrorism/ @রিয়েলডোনাল্ডট্রাম্প এর টুইট] থেকে উদ্ধৃত (২০ অক্টোবর ২০১৭)
* আমাদের সম্পর্ক খুব ভালো। লোকে বলে যেকোনো রাষ্ট্রপতি-রাষ্ট্রপতির মধ্যে আমাদের সম্পর্ক সবচেয়ে সেরা, কারণ তাকেও রাষ্ট্রপতি বলা হয়। এখন কেউ কেউ তাকে চীনের রাজা বলে ডাকতে পারে, কিন্তু তাকে রাষ্ট্রপতিই বলা হয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ২৫ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে [https://www.realclearpolitics.com/video/2017/10/25/full_lou_dobbs_interview_trump_asks_what_could_be_more_fake_than_cbs_nbc_abc_and_cnn.html ফক্স বিজনেসে লু ডবসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শি জিনপিং প্রসঙ্গে] থেকে উদ্ধৃত
==== নভেম্বর ২০১৭ ====
* কিম জং-উন কেন আমাকে "বুড়ো" বলে অপমান করবেন, যেখানে আমি তাকে কখনোই "বেঁটে আর মোটা" বলি না? যা-ই হোক, আমি তার বন্ধু হওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছি — হয়তো কোনো একদিন তেমনটা হয়েও যাবে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], কোরি চার্লটন লিখিত [https://www.thesun.co.uk/news/4895959/donald-trump-calls-kim-jong-un-short-and-fat-and-says-hes-trying-hard-to-be-his-friend/ ডোনাল্ড ট্রাম্প কিম জং-উনকে 'বেঁটে আর মোটা' বলেছেন এবং বলেছেন যে তিনি 'তার বন্ধু হওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছেন'] শীর্ষক নিবন্ধে উদ্ধৃত, ''দ্য সান'', ৮ নভেম্বর ২০১৭
* [[হোয়াইট হাউস]]ে ভারতের একজন প্রকৃত বন্ধু আছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ২৮ নভেম্বর ২০১৭, [http://indianexpress.com/article/india/india-has-true-friend-at-white-house-says-ivanka-trump-at-global-entrepreneurship-summit-full-text-ivanka-trump/ গ্লোবাল এন্টারপ্রেনারশিপ সামিটে ইভানকা ট্রাম্প বলেছেন হোয়াইট হাউসে ভারতের অকৃত্রিম বন্ধু আছে], ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
==== ডিসেম্বর ২০১৭ ====
* সে অনেক মানুষকে মেরে ফেলেছে, তাদের ওপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে দিয়েছে। আর এসব হয়েছে ওই ধারাবাহিক অভিবাসনের সুযোগে। এই নিয়ম অনুযায়ী, দেখা যাচ্ছে তার সাথে হয়তো ২২ থেকে ২৪ জন লোক এ দেশে এসেছিল। তার দাদা, দাদি, মা, বাবা, ভাই আর বোনেরা। আমাদের এই ধারাবাহিক অভিবাসন ব্যবস্থা বন্ধ করতে হবে। আমাদের এটি বন্ধ করতেই হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.breitbart.com/politics/2017/12/08/trump-time-congress-adopt-pro-american-immigration-agenda/ ৮ ডিসেম্বর ২০১৭] থেকে উদ্ধৃত
=== ২০১৮ ===
==== জানুয়ারি ২০১৮ ====
* গত ১৫ বছরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বোকার মতো পাকিস্তানকে ৩৩ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি সাহায্য দিয়েছে, তারা আমাদের মিথ্যা আর প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই দেয়নি; আমাদের নেতাদের তারা বোকা ভেবেছে। আমরা আফগানিস্তানে যেসব সন্ত্রাসীদের খুঁজি, তারা তাদের নিরাপদ আশ্রয় দেয়, আর আমাদের খুব সামান্যই সাহায্য করে। আর না!
** সিএনএন: ২০১৮ সালে ট্রাম্পের প্রথম টুইট: পাকিস্তান আমাদের 'মিথ্যা আর প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই দেয়নি' [https://edition.cnn.com/2018/01/01/politics/donald-trump-2018-pakistan/index.html], দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট [https://www.independent.co.uk/news/world/americas/donald-trump-pakistan-tweet-lies-deceit-aid-us-president-terrorism-aid-a8136516.html]
* এই দেশে মানহানি আইনগুলো খুব দুর্বল। সেগুলো যদি শক্তিশালী হতো, তবে খুব কাজে দিত। আপনার মাথায় যাই আসুক তাই বলে দিলেন, এমনটা আর হতে পারত না।
** মাইকেল উলফের ''ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি'' সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উত্তর, [https://factba.se/transcript/donald-trump-remarks-questions-camp-david-gop-retreat-january-6-2018 ক্যাম্প ডেভিড ভাষণ] (৬ জানুয়ারি ২০১৮)
* আমি একজন অত্যন্ত সফল ব্যবসায়ী থেকে শীর্ষ টিভি তারকা... তারপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হয়েছি (প্রথম চেষ্টাতেই)। আমি মনে করি এটি আমাকে স্রেফ বুদ্ধিমান নয়, বরং একজন জিনিয়াস হিসেবে প্রমাণ করে... আর তাও আবার এক অত্যন্ত স্থিরবুদ্ধি সম্পন্ন জিনিয়াস!
** টুইটারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], সিএনএনের [https://www.cnn.com/2018/01/06/politics/donald-trump-white-house-fitness-very-stable-genius/index.html ট্রাম্প: আমি একজন 'অত্যন্ত স্থিরবুদ্ধি সম্পন্ন জিনিয়াস'] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (৬ জানুয়ারি ২০১৮)
* আমি ব্যায়াম করি। মানে আমি হাঁটি, এটা ওটা করি। পাশের ভবনে দৌঁড়ে যাই। মানুষ যা ভাবে তার চেয়ে বেশি ব্যায়াম আমি করি।<br>অনেকে জিমে গিয়ে দুই ঘণ্টা কসরত করে। আমি অনেককে দেখেছি... তারপর তাদের ৫৫ বছর বয়সে হাঁটু বা নিতম্ব পাল্টাতে হয়। আমার সেই সমস্যা নেই।<br>আমার মনে হয় তারা সবাই বুঝতে পেরেছে যে এমন একজন রাষ্ট্রপতির ওপরই সব ছাড়তে হবে যিনি পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি নম্বর পেয়েছেন। আমি আর কী বলব?<br>আমি অনেকদিন পর ট্রেডমিলে উঠেছিলাম, সেটির ঢাল খুব বেশি ছিল এবং আমি দীর্ঘ সময় সেখানে ছিলাম।<br>তারা অবাক হয়ে গিয়েছিল। তারা বলল, 'ঠিক আছে, আপনি এখন থামতে পারেন, এটা দারুণ।' আমি বললাম, 'আপনারা চাইলে আমি আরও অনেকক্ষণ করতে পারি।'<br>আমি সব সময় ডায়েটে বিশ্বাস করি কারণ আমি শক্তিশালী, বুঝলেন? আমি বল অনেক দূরে মারতে পারি। মানে আমি শারীরিকভাবে শক্তিশালী।<br>হোয়াইট হাউসে যারা খাবার তৈরি করেন তারা অসাধারণ, কিন্তু আমি মনে করি তারা হয়তো খাবারের পরিমাণ কিছুটা কমাতে পারেন এবং হয়তো চর্বিযুক্ত উপকরণগুলো বাদ দিতে পারেন, এতে আমার কোনো সমস্যা নেই।
** রয়টার্সের সাথে এক [https://www.reuters.com/article/us-usa-trump-fitness/exclusive-exercise-i-get-more-than-people-think-trump-says-idUSKBN1F633B সাক্ষাৎকারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৭ জানুয়ারি ২০১৮)
* বর্তমানে বেশ কিছু অঙ্গরাজ্যে আইন অনুযায়ী নবম মাসে মায়ের গর্ভ থেকে সন্তান জন্ম দেওয়ার অনুমতি আছে। এটি ভুল, এটি পরিবর্তন করা দরকার।
** র্যাচেল ক্রস লিখিত [http://mashable.com/2018/01/19/trump-march-for-life-childbirth/#NXYV1ubFzSqW "ট্রাম্প মূলত সন্তান জন্মদানের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৯ জানুয়ারি ২০১৮), ''ম্যাশাবল''
* আপনি যদি আমাকে বলেন যে তারা খুব খারাপ মানুষ, ভয়ংকর বর্ণবাদী মানুষ, তবে আপনি চাইলে আমি অবশ্যই ক্ষমা চাইব।
** গত নভেম্বরে ব্রিটিশ ফার্স্টের উস্কানিমূলক এবং যাচাই না করা ইসলাম-বিদ্বেষী ভিডিওগুলো রিটুইট করা প্রসঙ্গে [http://www.itv.com/goodmorningbritain/news/piers-morgan-donald-trump-says-sorry-to-britain গুড মর্নিং ব্রিটেনে পিয়ার্স মরগ্যানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]] (২৬ জানুয়ারি ২০১৮)
* ''[সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী: আপনি কি জলবায়ু পরিবর্তনে বিশ্বাস করেন? আপনি কি মনে করেন এর অস্তিত্ব আছে?]'' উম্ম, কখনো ঠান্ডা হয় আবার কখনো গরম হয়, আর দেখুন, আগে একে জলবায়ু পরিবর্তন বলা হতো না, বলা হতো গ্লোবাল ওয়ার্মিং। ''[সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী: ঠিক।]'' তাই না? ওটা খুব একটা কাজে দিচ্ছিল না, কারণ সব জায়গায় খুব বেশি ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছিল। বরফের আস্তরণগুলো গলে যাওয়ার কথা ছিল, এতদিনে তো সেগুলো শেষ হয়ে যাওয়ার কথা, কিন্তু এখন সেগুলো রেকর্ড গড়ছে, সেগুলো এখন রেকর্ড মাত্রায় আছে।
** ব্রিটিশ টিভিতে দেওয়া এক [https://www.itv.com/news/2018-01-29/what-we-learned-from-donald-trumps-interview-with-itv/ সাক্ষাৎকারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৮ জানুয়ারি ২০১৮)
* সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে নিউ ইয়র্কে দুটি সন্ত্রাসী হামলা এই ভিসা লটারি এবং ধারাবাহিক অভিবাসনের কারণেই সম্ভব হয়েছে।
** ব্রেইটবার্টে [https://www.breitbart.com/live/state-union-fact-check-analysis-livewire/fact-check-yes-nyc-terrorists-entered-u-s-chain-migration-visa-lottery/ ৩০ জানুয়ারি ২০১৮] তারিখে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আমরা আমাদের মহান জাতির প্রতি আফ্রিকান আমেরিকানদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানকে সম্মান জানাতে ন্যাশনাল আফ্রিকান আমেরিকান হিস্ট্রি মান্থ পালন করি।
** [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/president-donald-j-trump-proclaims-february-2018-national-african-american-history-month/ ৩১ জানুয়ারি ২০১৮] তারিখে করা ঘোষণায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
*** টুইটারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের রিটুইট, [https://twitter.com/statedept/status/959192815313080323 ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, @স্টেটডিপার্টমেন্ট] এবং [https://twitter.com/whitehouse/status/959481056373149696 ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, @হোয়াইটহাউস]
==== ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ====
[[চিত্র:State_of_the_Union_(39974380282).jpg|থাম্ব|আমরা কি একে দেশদ্রোহিতা বলতে পারি? কেন নয়?]]
* একদিকের অর্ধেক লোক একদম পাগল হয়ে যাচ্ছিল, তারা সব কিছু পছন্দ করছিল, তারা দেশের জন্য ভালো কিছু করতে চায়। আর অন্যদিকে বাকিরা, এমনকি ইতিবাচক খবরেও, সত্যিই খুব ভালো খবরেও তারা এমন মুখ করে ছিল যেন কেউ মারা গেছে। এটা তো দেশপ্রেমবিরোধী। কেউ একজন একে দেশদ্রোহিতা বলেছে, আমার মনে হয়, হ্যাঁ কেন নয়? আমরা কি এটাকে দেশদ্রোহিতা বলতে পারি? কেন নয়?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=zjwPiE1wCU0 সিনসিনাটিতে ডেমোক্র্যাটদের হাততালি না দেওয়া প্রসঙ্গে বক্তব্য], তার স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণের সময় (৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)
* একটি নিরাপদ, আধুনিক আর আইনসম্মত অভিবাসন ব্যবস্থা তৈরির জন্য আমার প্রশাসন তিনটি প্রধান লক্ষ্য স্থির করেছে: সীমান্ত পুরোপুরি সুরক্ষিত করা, ধারাবাহিক অভিবাসন বন্ধ করা আর ভিসা লটারি বাতিল করা। এই ধারাবাহিক অভিবাসন একটি বিপর্যয় এবং আমাদের দেশের জন্য খুব অন্যায্য। এই ভিসা লটারি এমন একটা বিষয় যা শুরুতেই অনুমতি দেওয়া উচিত হয়নি। মানুষ আমাদের দেশে আসার জন্য লটারি খেলে। এটা কেমন ব্যবস্থা? এখন কংগ্রেসের পদক্ষেপ নেওয়ার আর আমেরিকানদের রক্ষা করার সময় এসেছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে [https://abcnews.go.com/US/times-trump-slammed-chain-migration-apparently-helped-wifes/story?id=57132429 এবিসি নিউজ]-এ উদ্ধৃত
* ফেক নিউজ @সিএনএন আর @এনবিসি-তে যেমনটা বলা হয়েছে, আমি কখনো বলিনি যে "শিক্ষকদের হাতে বন্দুক তুলে দাও"। আমি বলেছিলাম সামরিক বা বিশেষ প্রশিক্ষণ পাওয়া দক্ষ শিক্ষকদের হাতে গোপন অস্ত্র রাখার সুযোগ দেওয়ার কথা, শুধুমাত্র সেরাদের জন্য। প্রায় ২০ শতাংশ শিক্ষক, সংখ্যাটা অনেক, তারা এখন সক্ষম হবেন...
* ...কোনো জানোয়ার বা অসুস্থ লোক যদি খারাপ উদ্দেশ্যে স্কুলে আসে, তবে তারা সাথে সাথে পাল্টা গুলি ছুড়তে পারবেন। উচ্চ প্রশিক্ষিত শিক্ষকরা ওই সব কাপুরুষদের সামনে বাধা হিসেবে কাজ করবেন যারা এমন কাজ করে। রক্ষী রাখার চেয়ে অনেক কম খরচে এটি অনেক বেশি কার্যকর হবে। "অস্ত্রহীন" স্কুলগুলো খারাপ লোকদের টানে। হামলা বন্ধ হবেই!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট (২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮), এনবিসি নিউজের [https://www.nbcnews.com/politics/politics-news/trump-defends-arming-teachers-protect-students-sicko-shooter-n850216 "শিক্ষকদের সশস্ত্র করার পক্ষে ট্রাম্পের সাফাই, এনআরএর প্রশংসা"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)
* কারণ আমেরিকার মানুষ সরকারকে পূজা করে না। তারা ঈশ্বরকে পূজা করে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=QsUZCo7hasI সিপ্যাক সম্মেলনে] উদ্ধৃত (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)
* অথবা মাইক, আগে আগ্নেয়াস্ত্রগুলো নিয়ে নাও তারপর আদালতে যাও, কারণ ওটা অন্য ব্যবস্থা। কারণ অনেক সময় আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে পৌঁছাতে অনেক দেরি হয়ে যায়। '''আগেভাগেই বন্দুক কেড়ে নেওয়া আমার পছন্দ।''' যেমন ফ্লোরিডার এই পাগল লোকটার ঘটনায় দেখা গেছে, তার কাছে অনেক অস্ত্র ছিল, সবাই তা দেখেছে, আদালতে যেতে গেলে অনেক সময় লাগত। তাই আপনি যা বলছেন ঠিক সেটাই করতে পারেন, '''তবে আগে বন্দুকগুলো নিয়ে নিন, আইনি প্রক্রিয়া পরে হবে।'''
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে বন্দুক সহিংসতা নিয়ে এক বৈঠকে উদ্ধৃত [https://eu.usatoday.com/story/news/factcheck/2021/10/14/fact-check-trump-made-comment-taking-guns-without-due-process/6070319001/] [https://www.c-span.org/video/?c4907473/user-clip-trump-pence-feb-28-2018] [https://www.factcheck.org/2020/09/trump-said-i-like-taking-the-guns-early-not-harris/]
==== মার্চ ২০১৮ ====
*ভুলে যাবেন না চীন কত শক্তিশালী, আর [[শি জিনপিং]] একজন অত্যন্ত ভদ্রলোক। তিনি এখন আজীবনের জন্য রাষ্ট্রপতি। আমৃত্যু রাষ্ট্রপতি। আর তিনি দুর্দান্ত। দেখুন, তিনি সেটি করে দেখিয়েছেন। আমি মনে করি এটি দারুণ। হয়তো কোনো একদিন আমাদেরও এটি চেষ্টা করে দেখতে হবে।
** মার-এ-লাগোতে এক তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], কেভিন লিপটাক লিখিত [https://www.cnn.com/2018/03/03/politics/trump-maralago-remarks/index.html "ক্ষমতা সুসংহত করা চীনের শি সম্পর্কে ট্রাম্প: ''হয়তো কোনো একদিন আমরাও এটি চেষ্টা করে দেখব''"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, ''সিএনএন'', ৩ মার্চ ২০১৮।
==== এপ্রিল ২০১৮ ====
* আমি হোয়াইট হাউস হিস্টোরিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন এবং সেই সব মানুষকে ধন্যবাদ জানাতে চাই যারা মেলানিয়া এবং বাকি সবার সাথে মিলে এই অবিশ্বাস্য বাড়ি বা ভবনটিকে বা আপনি একে যাই বলতে চান, কারণ আসলে এর উপযুক্ত কোনো নাম নেই; এটি অনন্য, একদম চমৎকার অবস্থায় রাখতে কঠোর পরিশ্রম করছেন। আমরা একে মাঝে মাঝে একদম ঝকঝকে তকতকে বা টিপি-টপ অবস্থা বলি। আর এটি সত্যিই দারুণ একটি জায়গা।
** ইস্টার উপলক্ষে দেওয়া এক ভাষণে [[হোয়াইট হাউস]] প্রসঙ্গে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২ এপ্রিল ২০১৮)
* আর ধারাবাহিক অভিবাসনের কথা ভাবুন একবার। ধরুন আপনি আসলেন, আর এখন আপনি আপনার পরিবারকে নিয়ে আসতে পারছেন, তারপর আপনার মা আর বাবাকে নিয়ে আসতে পারছেন। আপনি আপনার দাদিকেও নিয়ে আসতে পারেন। আপনি আপনার আত্মীয়স্বজনদের নিয়ে আসতে পারেন ম্যানহাটনের ওয়েস্ট সাইড হাইওয়েতে, যা আমি খুব ভালো করেই চিনি, এমন একজন ছিল যে গাড়ি চালিয়ে দিয়েছিল; আমার মনে হয় সে প্রায় আটজনকে মেরে ফেলেছিল।
** ৫ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে [https://abcnews.go.com/US/times-trump-slammed-chain-migration-apparently-helped-wifes/story?id=57132429 এবিসি নিউজে] উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
==== মে ২০১৮ ====
[[চিত্র:Protests after US decision to withdraw from JCPOA, around former US embassy, Tehran - 8 May 2018 25.jpg|থাম্ব|আমরা এমন কোনো [[:w:ইসলামি প্রজাতন্ত্রী ইরান সরকার|শাসনব্যবস্থাকে]] পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাণঘাতী অস্ত্রের নাগাল পেতে দেব না যারা "আমেরিকা ধ্বংস হোক" স্লোগান দেয়।]]
* আমেরিকা পারমাণবিক ব্ল্যাকমেলের কাছে জিম্মি হয়ে থাকবে না। আমরা মার্কিন শহরগুলোকে ধ্বংসের হুমকির মুখে পড়তে দেব না। আর '''আমরা এমন কোনো শাসনব্যবস্থাকে পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাণঘাতী অস্ত্রের নাগাল পেতে দেব না যারা "আমেরিকা ধ্বংস হোক" স্লোগান দেয়।'''
** ৮ মে ২০১৮ তারিখে ইরান পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দেওয়া বক্তব্য [https://www.vox.com/world/2018/5/8/17332494/read-trump-iran-nuclear-deal-speech-full-text-announcement-transcript vox.com]
==== জুন ২০১৮ ====
* অনেক আইন বিশেষজ্ঞ যেমনটা বলেছেন, নিজেকে ক্ষমা করার পূর্ণ অধিকার আমার আছে। কিন্তু আমি তা করতে যাব কেন যখন আমি কোনো ভুলই করিনি?
** ৪ জুন ২০১৮ তারিখে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের [https://www.bbc.com/news/world-us-canada-44359434 মন্তব্য]
* এই ভুয়া সংবাদমাধ্যম গুলো দেখা সত্যিই মজার, বিশেষ করে এনবিসি আর সিএনএন। উত্তর কোরিয়ার সাথে হওয়া চুক্তিটিকে খাটো করে দেখানোর জন্য তারা জানপ্রাণ দিয়ে লড়ছে। ৫০০ দিন আগেও তারা এই চুক্তির জন্য "পায়ে ধরত" তখন তো মনে হচ্ছিল যুদ্ধ লেগে যাবে। আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো এই ভুয়া সংবাদমাধ্যম, যা নির্বোধদের দ্বারা খুব সহজেই ছড়িয়ে দেওয়া হয়!
** ডোনাল্ড ট্রাম্পের করা [https://x.com/realDonaldTrump/status/1006891643985854464 পোস্ট] (১৩ জুন ২০১৮, সকাল ৬:৩০), যা মূলত টুইটারে দেওয়া হয়েছিল।
* এদিকে ডেমোক্র্যাটদের কারণে সাধারণ মানুষ কষ্ট পাচ্ছে। আমরা তৈরি করেছি, আর ওরাও তৈরি করেছে, এবং ওরাই এটা হতে দিয়েছে—একটি বিশাল শিশু পাচার শিল্প। ঠিক এটাই আজ দাঁড়িয়েছে। পাচারকারীরা—একটু ভেবে দেখুন—মানুষ পাচারকারীরা অঢেল অর্থ বানাচ্ছে। এটা লজ্জার বিষয়। এই আইনি ফাঁকফোকরগুলো যখন বিদেশী পরিবার আর অপ্রাপ্তবয়স্কদের অবৈধভাবে সীমান্ত পার হতে বাধ্য করে, তখন তাদের দেশে ছেড়ে দিতে আমরা বাধ্য হই।
** ২১ জুন ২০১৮ তারিখে মন্ত্রিসভার বৈঠকে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের]] [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-cabinet-meeting-9/ বক্তব্য]
* রাষ্ট্রপতির টুইট করা নিয়ন্ত্রণ বা কমানোর চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে, প্রিবাসের এর একটি কার্যকর সমাধান খুঁজছিলেন। যেহেতু এই টুইটগুলো প্রায়ই রাষ্ট্রপতির অত্যধিক টেলিভিশন দেখার কারণে শুরু হতো, তাই তিনি ওই টেলিভিশন বন্ধ করার পথ খুঁজছিলেন। কিন্তু টেলিভিশন দেখা ছিল ট্রাম্পের নিয়মিত কাজ। রবিবার রাতগুলো হতো সবচেয়ে খারাপ। ট্রাম্প তার গলফ রিসোর্টে সপ্তাহান্ত কাটিয়ে ঠিক এমন সময় হোয়াইট হাউসে ফিরতেন যখন তার বিরোধী নেটওয়ার্ক এমএসএনবিসি আর সিএনএনে রাজনৈতিক আলোচনা চলত। রাষ্ট্রপতি আর ফার্স্ট লেডির আলাদা শয়নকক্ষ ছিল। ট্রাম্প বেশিরভাগ সময় একাই তার ঘরে বিশাল টিভি চালিয়ে বসে থাকতেন; হাতে থাকত রিমোট, টিভো আর তার টুইটার অ্যাকাউন্ট। প্রিবাস রাষ্ট্রপতির শয়নকক্ষকে "শয়তানের কারখানা" এবং ভোরের সময় ও বিপজ্জনক রবিবার রাতগুলোকে "ডাইনিদের প্রহর" বলতেন। সকালের ব্যাপারে তার খুব একটা কিছু করার ছিল না, তবে সপ্তাহান্তের সূচির ওপর তার কিছুটা নিয়ন্ত্রণ ছিল। তিনি ট্রাম্পের রবিবার হোয়াইট হাউসে ফেরার সময়টা বিকালের দিকে পিছিয়ে দিতে শুরু করেন। ট্রাম্প রাত ৯টার ঠিক আগে হোয়াইট হাউসে পৌঁছাতেন, যখন এমএসএনবিসি আর সিএনএন সাধারণত হালকা ধরনের অনুষ্ঠান প্রচার করত যেখানে তাৎক্ষণিক রাজনৈতিক বিতর্ক বা তাতে ট্রাম্পের ভূমিকা নিয়ে কোনো আলোচনা থাকত না।
**বব উডওয়ার্ড, ''ফিয়ার: ট্রাম্প ইন দ্য হোয়াইট হাউস'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ১৯৫
* ট্রাম্প প্রশংসা পেতে পছন্দ করতেন তবে গ্রাহামকে বলতেন, "তুমি একজন মধ্যমপন্থী লোক। আমি চাই তুমি ১০০ ভাগ ট্রাম্পের পক্ষে থাকো।" এটি সেই আনুগত্যের অঙ্গীকারের মতোই ছিল যা এফবিআইয়ের তৎকালীন পরিচালক জেমস কোমি বলেছিলেন যে ট্রাম্প তার কাছে চেয়েছিলেন। কোমির মতে, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির প্রথম সপ্তাহে হোয়াইট হাউসের গ্রিন রুমে তাদের সেই বিখ্যাত একান্ত ডিনারের সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, "আমার আনুগত্য দরকার। আমি আনুগত্য আশা করি।" গ্রাহাম জিজ্ঞেস করলেন, "ঠিক আছে, সমস্যাটা কোথায়? আগে শুনি, তারপর বলব আমি ১০০ ভাগ আপনার পক্ষে কি না।" ট্রাম্প বললেন, "তুমি প্রায় ৮২ শতাংশ পক্ষে।" "আসলে কিছু দিন আমি ১০০ ভাগ থাকি, আবার কিছু দিন শূন্যও হতে পারি।" "আমি চাই তুমি সবসময় ১০০ ভাগ আমার লোক হয়ে থাকো।" গ্রাহাম পাল্টা জিজ্ঞেস করলেন, "আপনি যখন ভুল করবেন তখন আমি কেন বলব যে আপনি ঠিক? তাতে আপনার বা আমার কী লাভ? রাষ্ট্রপতির এমন মানুষ দরকার যারা সত্যিটা মুখের ওপর বলতে পারে। আমি আজেবাজে কথা বলছি কি না তা দেখার দায়িত্ব আপনার।"
** বব উডওয়ার্ড, ''ফিয়ার: ট্রাম্প ইন দ্য হোয়াইট হাউস'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ৩১৭
* কিন্তু সেই মানুষটি আর তার প্রেসিডেন্সির মধ্যে ডাউড এক করুণ ত্রুটি দেখতে পেয়েছিলেন। রাজনৈতিক বাদানুবাদ, এড়িয়ে যাওয়া, অস্বীকার করা, টুইট করা, ধোঁয়াশা তৈরি করা, "ভুয়া সংবাদ" বলে চিৎকার করা আর ক্ষোভ প্রকাশ, এই সবকিছুর মাঝে ট্রাম্পের একটি প্রধান সমস্যা ছিল যা ডাউড জানতেন কিন্তু রাষ্ট্রপতির সামনে তা বলতে পারতেন না: "আপনি একজন চরম মিথ্যাবাদী।"
** বব উডওয়ার্ড, ''ফিয়ার: ট্রাম্প ইন দ্য হোয়াইট হাউস'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ৩৫৭
==== জুলাই ২০১৮ ====
* কিন্তু আমাদের এটি খুব সাবধানে করতে হবে কারণ আমরা এখন #মিটু প্রজন্মের মধ্যে আছি, তাই আমাদের খুব সতর্ক থাকতে হবে। আমরা খুব আলতো করে সেই সরঞ্জামটি নেব এবং ধীরে করে ছুড়ে দেব, যাতে সেটি তার গায়ে লেগে হাতে চোট না পায়।
** [https://www.washingtonpost.com/politics/trump-mocks-metoo-movement-in-montana-rally/2018/07/05/fad40ce2-80b3-11e8-b660-4d0f9f0351f1_story.html?noredirect=on ৫ জুলাই ২০১৮ তারিখে ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন]
* ওসব অন্যান্য লোকেরা করে। আমি করি না। আমি খুবই সুসংগত। আমি একজন অত্যন্ত সুস্থির মেধাসম্পন্ন ব্যক্তি।
** কোনো সাংবাদিক তার বক্তব্যের স্ববিরোধিতা নিয়ে প্রশ্ন করলে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই উত্তর দেন, যা [https://www.timesofisrael.com/trump-once-again-proclaims-himself-a-very-stable-genius/ ট্রাম্প নিজেকে আবারও একজন ‘অত্যন্ত সুস্থির মেধাসম্পন্ন’ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করেছেন] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, দ্য টাইমস অফ ইসরায়েল (১২ জুলাই ২০১৮)
* [[ইউরোপ]]ে এই অভিবাসন হতে দেওয়াটা লজ্জার বিষয়। আমি মনে করি এটি ইউরোপের কাঠামো বদলে দিয়েছে এবং আপনারা যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেন, তবে এটি আর আগের মতো থাকবে না, এবং আমি সেটি ইতিবাচক অর্থে বলছি না। তাই ইউরোপে লাখ লাখ মানুষের এই অনুপ্রবেশ ঘটতে দেওয়াটা খুবই দুঃখজনক। আমার মনে হয় আপনারা আপনাদের সংস্কৃতি হারাচ্ছেন।
** [https://www.thesun.co.uk/news/6766531/trump-may-brexit-us-deal-off/ ''দ্য সান'' এর সাথে সাক্ষাৎকারে], [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], (১৩ জুলাই ২০১৮)
* সাহারা মরুভূমির সীমান্ত আমাদের [[মেক্সিকো]] সীমান্তের চেয়ে বড় হতে পারে না।
** স্পেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোসেপ বোরেলকে ফোনে বলেছিলেন [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। প্রেক্ষাপটটি ছিল স্পেনের ভূমধ্যসাগরীয় অভিবাসন সংকট মোকাবিলায় সাহারা মরুভূমি জুড়ে সীমান্ত প্রাচীর নির্মাণের জন্য ট্রাম্পের দেওয়া পরামর্শ। [https://eu.usatoday.com/story/news/politics/onpolitics/2018/09/20/trump-spain-wall-sahara-desert/1365944002/ পররাষ্ট্রমন্ত্রী: অভিবাসীদের ঠেকাতে স্পেনকে সাহারা মরুভূমি জুড়ে প্রাচীর নির্মাণের পরামর্শ দিয়েছেন ট্রাম্প]
* ইরানি রাষ্ট্রপতি রুহানির প্রতি: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আর কখনোই হুমকি দেবেন না, অন্যথায় আপনাকে এমন পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে যা ইতিহাসের খুব কম মানুষই আগে ভোগ করেছে। আমরা আর এমন কোনো দেশ নই যে আপনাদের উম্মাদনাপূর্ণ সহিংসতা ও মৃত্যুর কথা সহ্য করবে। সাবধান থাকুন!
** [https://www.theatlantic.com/politics/archive/2019/01/covfefe-trump-typo-turned-meme/579763/ দ্য আটলান্টিক: "ছয় ঘণ্টা তিন মিনিটের ইন্টারনেট বিশৃঙ্খলা"], [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আপনারা যা দেখছেন আর যা পড়ছেন, আসলে তা ঘটছে না।
** [https://time.com/5347737/trump-quote-george-orwell-vfw-speech/ 'আপনারা যা দেখছেন... তা ঘটছে না।' মানুষ ট্রাম্পের এই উক্তিটিকে জর্জ অরওয়েলের সাথে তুলনা করছে] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৪ জুলাই ২০১৮)
* আমরা ১৪৭টি নতুন এফ-৩৫ লাইটনিং যুদ্ধবিমান অর্ডার করছি। এটি একটি অবিশ্বাস্য বিমান। এটি রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম; এটি দেখা যায় না। তাই আমি যখন অপর পক্ষের লোকেদের সাথে কথা বলি, তারাও আমাদের এই বিমানটি অর্ডার করার চেষ্টা করছে। এটি যে দেখা যায় না, এই বিষয়টি তারা বেশ পছন্দ করেছে। আমি বললাম, 'আপনার বিমানের সাথে লড়াইয়ে এটি কেমন করবে?' তারা বলে, 'আমাদের একটা সমস্যা আছে: আমরা আপনার বিমানটি দেখতেই পাই না'।
** ''[https://www.popularmechanics.com/military/aviation/amp33658771/trump-keeps-saying-the-f-35-is-invisible/ ট্রাম্প বারবার বলছেন যে এফ-৩৫ অদৃশ্য]'' শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৪ জুলাই ২০১৮)
==== আগস্ট ২০১৮ ====
* আপনি জানেন, আপনি যদি বাইরে গিয়ে বাজার করতে চান, তবে কার্ডে আপনার ছবি লাগে, পরিচয়পত্র লাগে। আপনি বাইরে গিয়ে কিছু কিনতে চাইলেই পরিচয়পত্র আর আপনার ছবি লাগে। অনেক ক্ষেত্রেই একমাত্র যখন আপনি রাষ্ট্রপতি, সিনেটর, গভর্নর বা কংগ্রেস সদস্যের জন্য ভোট দিতে যান, তখন আপনার এসব কিছুর দরকার হয় না। এটা পাগলামি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://edition.cnn.com/2018/08/01/politics/trump-grocery-shopping-id/index.html "ট্রাম্প দাবি করেছেন যে বাজার করতে পরিচয়পত্র লাগে। আসলেই লাগে না।"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, ''সিএনএন'' (২১ আগস্ট, ২০১৮)
* আমাদের আইনগুলো খুব বাজে! এই ধারাবাহিক অভিবাসনের কথাই ধরুন না? একজন লোক আসে আর তার সাথে আরও ৩২ জন চলে আসে। যে ব্যক্তি ওয়েস্ট সাইড হাইওয়েতে ১৮ জনের ওপর গাড়ি চালিয়ে দিয়েছিল, এবং আমার মনে হয় আটজন মারা গিয়েছিল তাকেও সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ওই ধারাবাহিক অভিবাসনের কারণে আমেরিকার ভেতরেই তার পরিবারের ২২ জন সদস্য আছে। তাই রাশ, আমাদের এই বিষয়গুলো বদলাতে হবে।
** ১ আগস্ট, ২০১৮ তারিখে রাশ লিম্বোর সাথে সাক্ষাৎকারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* ধারাবাহিক অভিবাসনের ব্যাপারটা কেমন? ওটার কথা ভাবুন তো একবার? কেউ একজন আসলো, তারপর সে তার মা, বাবা এমনকি দূর সম্পর্কের আত্মীয়স্বজনদেরও নিয়ে আসলো। সে তাদের সবাইকেই নিয়ে আসে।
** ওহাইওতে ৮ আগস্টের এক নির্বাচনী জনসভায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://abcnews.go.com/US/times-trump-slammed-chain-migration-apparently-helped-wifes/story?id=57132429 এবিসি নিউজের] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত
==== সেপ্টেম্বর ২০১৮ ====
* গত ২৫ বা ৩০ বছরে আমাদের দিকে এমন কিছু আসতে কেউ দেখেনি। হয়তো আগে কখনোই দেখেনি। এটি ভীষণ বড় আর ভীষণ জলীয়। এতে বিপুল পরিমাণ জল আছে।
** [https://www.youtube.com/watch?v=MqHwQhZC8jQ ট্রাম্প হারিকেন ফ্লোরেন্স সম্পর্কে বলেছেন এটি 'ভীষণ বড় আর ভীষণ জলীয়'] শীর্ষক প্রতিবেদনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আমি সেই সব অসাধারণ নারী-পুরুষদের ধন্যবাদ জানাতে চাই যারা ফ্লোরেন্স মোকাবিলায় দারুণ কাজ করেছেন। এটি একটি শক্তিশালী হারিকেন। জলের পরিমাণের দিক থেকে এটি আমাদের দেখা সবচেয়ে সিক্ত হারিকেনগুলোর একটি।
** [https://youtube.com/watch?v=RiDpRVqqXfk&t=30 ট্রাম্প হারিকেন ফ্লোরেন্সকে বর্ণনা করেছেন "জলের দিক থেকে আমাদের দেখা সবচেয়ে সিক্ত"] শীর্ষক প্রতিবেদনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আর মজার ব্যাপার জানেন? যখন আমি এটি করেছিলাম, তখন আমি বেশ কঠোর ছিলাম এবং তিনিও তাই ছিলেন। আমাদের মধ্যে অনেক কথা কাটাকাটি হয়েছিল এবং তারপর আমরা একে অপরের প্রেমে পড়ে গেলাম। ঠিক আছে? না, সত্যিই। তিনি আমাকে চমৎকার সব চিঠি লিখেছিলেন। সেগুলো খুব সুন্দর চিঠি ছিল। আমরা প্রেমে পড়ে গেলাম।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-০৯-৩০ |শিরোনাম=একে অপরকে ‘চমৎকার চিঠি’ পাঠানোর পর ট্রাম্প বলেছেন তিনি আর কিম জং-উন ‘প্রেমে পড়েছিলেন’ |সাময়িকী=''দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট'' |অবস্থান=ইউকে |ইউআরএল=https://www.independent.co.uk/news/world/americas/trump-kim-jong-un-love-letters-relationship-denuclearisation-nuclear-weapons-a8561701.html}}
* একক কোনো বিদেশী সরবরাহকারীর ওপর নির্ভরতা কোনো রাষ্ট্রকে জবরদস্তি আর হুমকির মুখে ফেলতে পারে। আর এই কারণেই আমরা [[পোল্যান্ড]]ের মতো ইউরোপীয় দেশগুলোকে অভিনন্দন জানাই একটি বাল্টিক পাইপলাইন নির্মাণের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য যাতে দেশগুলো তাদের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল না থাকে। জার্মানি যদি দ্রুত তার পথ পরিবর্তন না করে তবে তারা পুরোপুরি রাশিয়ার জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]-এর ভাষণ, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-০৯-২৫ |শিরোনাম=জাতিসংঘে ট্রাম্প পোল্যান্ডের প্রশংসা করেছেন এবং রাশিয়ার জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতার কারণে জার্মানির সমালোচনা করেছেন |লেখক=রয়টার্স স্টাফ |সাময়িকী=''রয়টার্স'' |ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/us-un-assembly-usa-germany-idUSKCN1M527Y}} থেকে উদ্ধৃত
* আজ আমি আমাদের অসাধারণ অগ্রগতির কথা জানাতে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সামনে দাঁড়িয়েছি। দুই বছরেরও কম সময়ে আমার প্রশাসন আমাদের দেশের ইতিহাসে অন্য যেকোনো প্রশাসনের চেয়ে বেশি কাজ সম্পন্ন করেছে। আমেরিকার— এটি একদম সত্যি কথা। ''[পরিষদের হাস্যধ্বনি]'' আমি এমন প্রতিক্রিয়া আশা করিনি, তবে ঠিক আছে।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের ভাষণ, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-০৯-২৬ |শিরোনাম=বিশ্বায়নের বিপরীতে দেশপ্রেমকে দাঁড় করানো ট্রাম্পের জাতিসংঘের ভাষণ প্রমাণ করে যে দেশপ্রেম বলতে কী বোঝায় সে সম্পর্কে রাষ্ট্রপতির কোনো ধারণা নেই |লেখক=ড্যানিয়েল শাপিরো |সাময়িকী=''এনবিসি নিউজ'' |ইউআরএল=https://www.nbcnews.com/think/opinion/trump-s-u-n-speech-pitting-globalism-against-patriotism-proves-ncna913141}} থেকে উদ্ধৃত
* আমেরিকা আমেরিকানদের দ্বারা শাসিত হয়। আমরা বিশ্বায়নের আদর্শকে প্রত্যাখ্যান করি এবং [[দেশপ্রেম]]-এর তত্ত্বকে গ্রহণ করি।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের ভাষণ, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-০৯-২৫ |শিরোনাম=জাতিসংঘে ট্রাম্পের ভাষণ হাস্যরসের আর অবিশ্বাস্য অনুভূতির জন্ম দিয়েছে |লেখক=রবিন রাইট |সাময়িকী=''দ্য নিউ ইয়র্কার'' |ইউআরএল=https://www.newyorker.com/news/news-desk/trumps-speech-at-the-un-triggers-laughterand-disbelief}} থেকে উদ্ধৃত
==== অক্টোবর ২০১৮ ====
* আমি জানি আপনি চিন্তা করছেন না। আপনি কখনই তা করেন না।
** এক সাংবাদিক প্রশ্ন করার সময় তাকে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এ কথা বলেন। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-০২ |শিরোনাম=প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিককে বললেন: ‘আমি জানি আপনি চিন্তা করছেন না। আপনি কখনই করেন না’ |ইউআরএল=https://www.youtube.com/watch?v=ASOTct1woo8}}
* শুধুমাত্র তখনই করব যদি আমি ব্যক্তিগতভাবে তার পরীক্ষা নিতে পারি। এটি এমন কিছু হবে না যা করতে আমি খুব একটা আনন্দ পাব।
** এলিজাবেথ ওয়ারেনকে নেটিভ আমেরিকান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য।
** {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-১৫ |শিরোনাম=ওয়ারেন যদি তার নেটিভ আমেরিকান ডিএনএ প্রমাণ করতে পারেন তবে ট্রাম্প দাতব্য সংস্থায় ১০ লক্ষ ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এখন তিনি ইতস্তত করছেন। |লেখক=অ্যামি বি ওয়াং এবং ডিয়ানা পল |সাময়িকী=''ওয়াশিংটন পোস্ট'' |ইউআরএল=https://www.washingtonpost.com/politics/2018/10/15/trump-dared-elizabeth-warren-take-dna-test-prove-her-native-american-ancestry-now-what/}}
* বিজ্ঞানের প্রতি আমার এক ধরনের সহজাত বোধ আছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-১৫ |শিরোনাম=ট্রাম্প: বিজ্ঞানের প্রতি আমার ‘সহজাত প্রতিভা’ আমাকে বলছে যে জলবায়ু বিজ্ঞান ভুল |লেখক=জোনাথন চেইট |সাময়িকী=''নিউ ইয়র্ক ইনটেলিজেন্সার'' |ইউআরএল=https://nymag.com/intelligencer/2018/10/trump-i-have-a-natural-instinct-for-science.html}} থেকে উদ্ধৃত
* জানেন তো, একটা শব্দ আছে। ওটা কিছুটা সেকেলে হয়ে গিয়েছে। একে বলা হয় জাতীয়তাবাদী। আমি বলি, 'তাই নাকি? আমাদের ওই শব্দটা ব্যবহার করার কথা নয়?' জানেন আমি কী? আমি একজন জাতীয়তাবাদী।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-২৩ |শিরোনাম=টেড ক্রুজের পক্ষে প্রচার করার সময় ট্রাম্প নিজেকে ‘জাতীয়তাবাদী’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন |লেখক=জন ওয়ালশ |সাময়িকী=''বিজনেস ইনসাইডার'' |ইউআরএল=https://www.businessinsider.in/trump-declares-himself-a-nationalist-while-stumping-for-ted-cruz/articleshow/66327534.cms}} থেকে উদ্ধৃত
* এখন দেখুন কতটা হাস্যকর: আমরাই বিশ্বের একমাত্র দেশ যেখানে একজন মানুষ আসে, তার সন্তান হয়, আর সেই সন্তান মূলত ৮৫ বছরের জন্য ওই সব সুযোগ-সুবিধা সহ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হয়ে যায়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-৩০ |শিরোনাম=ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধ করতে চান |লেখক=অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস |সাময়িকী=''সিবিসি'' |ইউআরএল=https://www.cbc.ca/news/world/trump-birthright-citizenship-1.4883589}} থেকে উদ্ধৃত
* আমাকে সব সময় বলা হতো যে এর জন্য সংবিধান সংশোধন দরকার। জানেন কী? আসলে দরকার নেই। প্রথমত, আপনার ওটার প্রয়োজন নেই। দ্বিতীয়ত, আপনি অবশ্যই কংগ্রেসের কোনো আইনের মাধ্যমে এটি করতে পারেন।<br>কিন্তু এখন তারা বলছে যে আমি স্রেফ একটি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে এটি করতে পারি।<br>এটি প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে। একটি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমেই এটি ঘটবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-৩০ |শিরোনাম=ট্রাম্প কি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধ করতে পারেন? |লেখক=রবার্ট ফার্লে |সাময়িকী=''ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি'' |ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2018/10/can-trump-end-birthright-citizenship-by-executive-order/}} থেকে উদ্ধৃত
==== নভেম্বর ২০১৮ ====
* আপনাদের মেঝেগুলোর যত্ন নিতে হবে। মানে, বনের মেঝে। এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আপনি অন্যান্য দেশের দিকে তাকালে দেখবেন তারা কাজগুলো অন্যভাবে করে, আর সেটা একদম আলাদা এক গল্প। আমি ফিনল্যান্ডের রাষ্ট্রপতির সাথে ছিলাম, তিনি বলেছিলেন, "আমাদের পরিস্থিতি একদম আলাদা— আমরা একটি বনের জাতি।" তিনি এটাকে বনের জাতি বলেছিলেন। আর তারা পাতা পরিষ্কার করা, ঝাড়ু দেওয়া আর এসব কাজে প্রচুর সময় দেয়, তাই তাদের কোনো সমস্যা হয় না।
** প্যারাডাইস, ক্যালিফোর্নিয়া, ১৭ নভেম্বর ২০১৮, ''টাইম'' এর প্রতিবেদন অনুযায়ী উদ্ধৃত: [https://time.com/5458605/trump-finland-raking-reactions/ #রেকনিউজ: ট্রাম্প দেশটিকে 'বন পরিষ্কার করে' বলার পর ফিনল্যান্ডের মানুষ পাতা পরিষ্কারের ছবি দিয়ে তাকে নিয়ে উপহাস করছে], লেখক: অ্যাশলে হফম্যান; এবং ভিডিওসহ ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'' এর প্রতিবেদনে: [https://www.nytimes.com/2018/11/18/world-europe/finland-california-wildfires-trump-raking.html ট্রাম্প বলেছেন অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে ক্যালিফোর্নিয়া ফিনল্যান্ডের কাছ থেকে শিখতে পারে। তিনি কি সঠিক?], লেখক: প্যাট্রিক কিংসলি, ১৮ নভেম্বর ২০১৮।
** ফিনল্যান্ডের রাষ্ট্রপতি শউলি নিনিস্তো বলেছেন যে পাতা পরিষ্কার করা নিয়ে কোনো কথা হয়েছে বলে তার মনে পড়ছে না। [https://www.washingtonpost.com/world/the_americas/finnish-president-says-he-briefed-trump-on-forest-monitoring/2018/11/18/dd46a57e-eb32-11e8-8b47-bd0975fd6199_story.html]
* '''সংবাদদাতা''': আপনি কি জলবায়ু প্রতিবেদনটি এখনও পড়েছেন?<br />'''ট্রাম্প''': আমি দেখেছি। আমি এর কিছু অংশ পড়েছি এবং এটা ঠিক আছে।<br />'''সংবাদদাতা''': তারা বলছে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ভয়াবহ হতে পারে।<br />'''ট্রাম্প''': হ্যাঁ। আমি এটা বিশ্বাস করি না।<br />'''সংবাদদাতা''': আপনি এটা বিশ্বাস করেন না?<br />'''ট্রাম্প''': না, না। আমি এটা বিশ্বাস করি না। আর এখানে আরেকটা ব্যাপার আছে: আপনাকে চীন, জাপান এবং পুরো এশিয়া আর এই সব অন্যান্য দেশকেও হিসেবে রাখতে হবে— বুঝলেন তো, এটা আমাদের দেশ নিয়ে কথা বলছে। এই মুহূর্তে, আমরা আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিষ্কার অবস্থায় আছি এবং এটা আমার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু যদি আমরা পরিষ্কার থাকি আর পৃথিবীর অন্য সব জায়গা নোংরা থাকে, তবে সেটা খুব একটা ভালো হবে না।
** ডোনাল্ড ট্রাম্প, ২৬ নভেম্বর ২০১৮, চতুর্থ জাতীয় জলবায়ু মূল্যায়ন প্রসঙ্গে (''ওয়াশিংটন পোস্ট'': [https://www.washingtonpost.com/politics/2018/11/26/trump-responds-report-indicating-huge-cost-climate-change-i-dont-believe-it/ জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশাল ক্ষতির কথা বলা তার প্রশাসনের প্রতিবেদনের জবাবে ট্রাম্প: 'আমি এটা বিশ্বাস করি না'], লেখক: ফিলিপ বাম্প, ২৬ নভেম্বর ২০১৮, সংগৃহীত: ১ ডিসেম্বর ২০১৮; ''বিবিসি নিউজ'': [https://www.bbc.com/news/av/world-us-canada-46324405/i-don-t-believe-it-trump-on-climate-report 'আমি এটা বিশ্বাস করি না' - জলবায়ু প্রতিবেদন নিয়ে ট্রাম্প], ২৬ নভেম্বর ২০১৮, সংগৃহীত: ১ ডিসেম্বর ২০১৮; ''দ্য গার্ডিয়ান'', অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস: [https://www.theguardian.com/us-news/video/2018/nov/26/yeah-i-dont-believe-it-trump-on-administrations-own-climate-report-video] ‘হ্যাঁ, আমি এটা বিশ্বাস করি না’: তার নিজের প্রশাসনের জলবায়ু প্রতিবেদন নিয়ে ট্রাম্প)।
* আমার মতো অনেক মানুষ যাদের বুদ্ধিমত্তা অনেক উঁচু স্তরের, তাদের অন্যতম সমস্যা হলো আমরা সবকিছুতে খুব একটা বিশ্বাস করি না। আপনি আমাদের বাতাস আর জলের দিকে তাকান, এটি এখন রেকর্ড পরিমাণ পরিষ্কার। কিন্তু আপনি যখন চীন, এশিয়ার বিভিন্ন অংশ, দক্ষিণ আমেরিকা এবং রাশিয়ার মতো বিশ্বের আরও অনেক জায়গার দিকে তাকাবেন, তখন দেখবেন ওখানকার বাতাস অনেক বেশি নোংরা। আর বায়ুমণ্ডলের কথা বললে, মহাসাগরগুলো খুব ছোট এবং এসব ময়লা উড়ে বা ভেসে চলে আসে। মানে, আমরা সবসময় আমাদের সমুদ্রসৈকত থেকে হাজার হাজার টন আবর্জনা পরিষ্কার করি যা এশিয়া থেকে আসে। এটা স্রেফ প্রশান্ত মহাসাগর দিয়ে ভেসে আসে, আর আমরা বলি এগুলো কোথা থেকে আসছে। আর এটা শুরু করার জন্য অনেক মানুষের প্রয়োজন হয়।
** ডোনাল্ড ট্রাম্প, ২৮ নভেম্বর, ''ওয়াশিংটন পোস্ট''-এর সাক্ষাৎকারে, তার প্রশাসনের ১৩টি সংস্থার করা বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রতিবেদন তিনি বিশ্বাস করেন কি না সেই প্রসঙ্গে। [https://splinternews.com/man-with-very-high-level-of-intelligence-says-oceans-ar-1830699334] (অত্যন্ত বুদ্ধিমান একজন মানুষ বলছেন মহাসাগরগুলো খুব ছোট)।
==== ডিসেম্বর ২০১৮ ====
* আমি ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।<br>তিনি আপনাদের এক বিরাট সমর্থক। কারেনও তাই। তারা সেখানে যায় আর আপনাদের দেশকে ভালোবাসে। তারা আপনাদের দেশকে ভালোবাসে। আবার তারা এই দেশকেও ভালোবাসে। এটি একটি ভালো সমন্বয়, তাই না?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://forward.com/opinion/415676/trump-just-accused-jews-of-loving-israel-not-america-and-his-fans-cheered/ ৭ ডিসেম্বর, ২০১৮]।
* চাক, সীমান্ত নিরাপত্তার জন্য সরকার অচল করে দিতে পেরে আমি গর্বিত। এই দেশের মানুষ চায় না যে অপরাধী, সমস্যায় জর্জরিত লোকজন আর মাদক আমাদের দেশে ঢুকুক। আমি এর দায়িত্ব নেব। আমিই এটি বন্ধ করব। এর জন্য আমি আপনাদের দোষ দেব না। গতবার আপনারা এটি বন্ধ করেছিলেন। সেটি কাজে দেয়নি। এটি বন্ধ করার দায়ভার আমিই নিচ্ছি।
** ন্যান্সি পেলোসি এবং চাক শুমারের সাথে ওভাল অফিসের বৈঠকে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা ২০১৮-১৯ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ফেডারেল সরকার অচল অবস্থা-র দিকে নিয়ে যায়। "[https://www.upi.com/Top_News/US/2018/12/11/Trump-proud-to-shut-down-government-in-wall-talks-with-Democrats/6271544554657/ ডেমোক্র্যাটদের সাথে প্রাচীর সংক্রান্ত আলোচনায় সরকার অচল করতে পেরে ট্রাম্প 'গর্বিত']", ইউনাইটেড প্রেস ইন্টারন্যাশনাল (১২ ডিসেম্বর, ২০১৮)
* তুমি কি এখনও সান্টাতে বিশ্বাস করো? কারণ ৭ বছর বয়সে এটি অনেকটা শেষের দিকে, তাই না?
** ৭ বছরের এক শিশুকে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/australia-news/2018/dec/25/christmas-cheer-trump-tells-boy-that-believing-in-santa-at-seven-is-marginal ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৮]
* দেখুন, আমি ওভাবে দেখছি না। আমি বিবির সাথে কথা বলেছি, আমি বিবিকে বলেছি।<br>আর আপনারা জানেন, আমরা ইসরায়েলকে বছরে ৪.৫ বিলিয়ন ডলার দিই।<br>আর আপনারা যদি দেখেন, তারা নিজেদের রক্ষায় খুব ভালো করছে। তো বিষয়টি এমনই।<br>মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চিরকাল বিশ্বের পুলিশ হয়ে থাকতে পারে না।<br>আমরা সেটি করতে চাই না।
** ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৮ তারিখে [https://www.timesofisrael.com/trump-we-give-israel-billions-it-can-defend-itself-in-syria/ টাইমস অফ ইসরায়েলে] [[বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু]] প্রসঙ্গে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
=== ২০১৯ ===
* প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইদানীং ডেমোক্র্যাটদের সমাজতান্ত্রিক হওয়ার যে কথাগুলো বলছেন, আসলে বাস্তবতা হলো তিনিই হলেন বড় সরকারের রাজা। ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনেও কেন্দ্রীয় প্রশাসন বারাক ওবামার আমলের মতোই বড়, একচেটিয়া, কাণ্ডজ্ঞানহীন খরচকারী আর মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপকারী হয়ে আছে। অনেক ক্ষেত্রে এটি আগের চেয়েও বড়। ট্রাম্পের সমর্থকদের জন্য এটি একটি অপ্রীতিকর সত্য। সীমিত সরকারের প্রথাগত রক্ষণশীল চিন্তাধারায় না থেকে ট্রাম্প সরকারকে আরও ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে তুলেছেন। আমরা যখন তাকে জানাই যে তার হঠকারী পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করার জন্য সরকার কখনোই যথেষ্ট বড় বা শক্তিশালী হবে না, তখন তিনি খুব বিরক্ত হন। ওবামার আমলে আসলে মার্কিন কেন্দ্রীয় বাজেট ঘাটতি কমে আসছিল। ২০০৯ সালে ওবামা যখন দায়িত্ব নেন তখন এটি ছিল ১.৪ ট্রিলিয়ন ডলার, যা ২০১৬ সালে তিনি চলে যাওয়ার ঠিক আগে ৫৮৭ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছিল। এই উল্লেখযোগ্য সাফল্যের কৃতিত্ব কংগ্রেসের রিপাবলিকানদের পাওনা, যারা ২০১১ সালে হোয়াইট হাউসের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিলেন। তারা বাজেট নিয়ে এমন একটি চুক্তির দাবি করেছিলেন যা ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে আনবে। এটি ছিল বাজেট কন্ট্রোল অ্যাক্ট, এমন একটি আইন যা কেন্দ্রীয় খরচ কমিয়েছিল, ভবিষ্যতের ব্যয়ের ওপর কঠোর বার্ষিক সীমা আরোপ করেছিল এবং সরকারের "ক্রেডিট কার্ডের" ওপর একটি লাগাম টেনেছিল। এটি রক্ষণশীল "টি পার্টি" আন্দোলনের সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ৯৯-১০০
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের খরচ কমানোর প্রতি কোনো আগ্রহ ছিল না। তিনি হয়তো করদাতাদের অর্থ বাঁচানোর জন্য কাজ করছেন এমন একটি ভাব দেখানোর চেষ্টা করেন। আর এটা সত্যি যে কোনো বোকা পরিকল্পনা যদি অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়, তবে তাকে সেটা থেকে বিরত করা যায়। কিন্তু সেটি মানুষের টাকা বাঁচানোর জন্য নয়। তিনি আসলে সেই টাকা অন্য কিছুতে খরচ করতে চান যেখানে তার ব্যক্তিগত আগ্রহ আছে, যেমন বোমা বা সীমান্ত নিরাপত্তা। ট্রাম্প সেই সব মানুষকে ঘৃণা করেন যারা "হিসাবি" বা কিপটে। বর্তমানে তিনি সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ব্যবস্থাপনায় অঢেল টাকা ওড়াচ্ছেন। ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের টাকা ওড়ানোর দিনগুলোকে ভেগাস এর কোনো ক্যাসিনোর পাঁচ ডলারের টেবিলের মতো মনে হয়। এর ফলে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে বাজেট ঘাটতি প্রতি বছর বেড়েছে এবং বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। রাষ্ট্রপতি বার্ষিক আয়ের চেয়ে এক ট্রিলিয়ন ডলার বেশি খরচ করার পথে আছেন। শুধু ২০১৯ সালের দিকে তাকালেই তা বোঝা যায়। রাষ্ট্রপতি রেকর্ড ভঙ্গকারী ৪.৭ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজেট প্রস্তাব করেছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় সরকার এক বছরেই এত টাকা খরচ করুক। ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে আমেরিকার ঋণ, যার বড় অংশই আমরা অন্য দেশের কাছ থেকে ধার নিয়েছি, কয়েক ট্রিলিয়ন বেড়েছে এবং মোট ঋণের পরিমাণ এখন সর্বোচ্চ ২২ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এক হিসেব অনুযায়ী, আমাদের ঋণ পরিশোধ করতে হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি করদাতাকে গড়ে ৪ লক্ষ ডলার করে দিতে হবে। এটি পুরো আমেরিকার জন্য একটি ভয়াবহ সতর্ক সংকেত হওয়া উচিত। আমরা এভাবে টাকা ধার করে যেতে পারি না যা আমরা শোধ করতে পারব না। অন্যথায় আমাদের সন্তানদের এর জন্য চরম মূল্য দিতে হবে।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১০০
* ইচ্ছাকৃত অজ্ঞতা শব্দটিই আমাদের শত্রুদের প্রতি রাষ্ট্রপতির মনোভাব বর্ণনা করার সবচেয়ে সঠিক উপায়। তিনি যা দেখতে চান কেবল তা-ই দেখেন। ট্রাম্প যদি কোনো বিদেশী নেতাকে পছন্দ করেন, তবে সেই নেতার কারণে তৈরি হতে পারে এমন কোনো বিপদ বা তাদের গোপন উদ্দেশ্যগুলো তিনি মানতে রাজি হন না। এই কারণেই জাতি-রাষ্ট্রগুলোর হুমকি সম্পর্কে আমেরিকার বিস্তারিত গোয়েন্দা রিপোর্ট বা আমাদের ঘনিষ্ঠ মিত্রদের জরুরি সতর্কবার্তাকে তিনি খুব সহজে উড়িয়ে দিতে পারেন।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৬৭-১৬৮
* আমাদের শত্রুরা ঠিকই বুঝতে পেরেছে যে রাষ্ট্রপতিকে খুব সহজেই কুপোকাত করা যায়। টুইটারে দেওয়া তার যুদ্ধংদেহী হুমকিতে তারা বিচলিত হয় না কারণ তারা জানে তাকে ভুলিয়ে-ভালিয়ে কাজ হাসিল করা সম্ভব। তাদের কথায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প খুব সহজেই প্রভাবিত হন। আমরা সবাই তা দেখতে পাই। তোষামোদে তিনি খুব সহজেই গলে যান। আলোচনার সময় তিনি নতি স্বীকার করেন এবং স্রেফ ভালো চুক্তির মতো দেখতে এমন কিছুর জন্য তিনি অনেক বেশি ছাড় দিতে রাজি হয়ে যান, সেটি আসলে ভালো চুক্তি হোক বা না হোক। তারা মনে করে তিনি দুর্বল, আর এই সুযোগটাই তারা নেয়। আর যখন তা পারে না, তখন তারা স্রেফ তাকে পাত্তাই দেয় না।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৭৩
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথাগুলো কেবল তার দলকেই পাগল করে তুলছে না, বরং আমেরিকানদের মধ্যেও বিভেদ সৃষ্টি করছে। তিনি হয়তো টুইটার বা মাইকের সামনে ঝগড়া শুরু করেন, কিন্তু আমরা সেই লড়াই ঘরে ঘরে চালিয়ে যাই। গবেষণায় দেখা গেছে যে রিপাবলিকানরা আরও বেশি একরোখা হয়ে উঠছে এবং দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে চাইছে না, ডেমোক্র্যাটরাও একই কাজ করছে। দুই পক্ষ কেবল একটি বিষয়েই একমত হতে পারে, আর তা হলো এই বিভাজন সত্যিই বাড়ছে। ২০১৯ সালে প্রকাশিত পিউ রিসার্চ সেন্টার এর একটি জরিপে দেখা গেছে যে আমেরিকার প্রায় ৮৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ মনে করেন যে "দেশের রাজনৈতিক বিতর্ক এখন অনেক বেশি নেতিবাচক এবং সম্মানহীন হয়ে পড়েছে" এবং দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ বলেছেন যে এটি এখন আসল সমস্যার দিকে নজর দিচ্ছে না। তারা এর দায়ভার কার ওপর চাপিয়েছেন? অধিকাংশ মানুষই বিশ্বাস করেন যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প "রাজনৈতিক বিতর্কের ধরন ও প্রকৃতিকে আরও খারাপের দিকে নিয়ে গেছেন"। এই মৌখিক তিক্ততার ফলাফল বাস্তবেও দেখা যাচ্ছে। আমাদের এই বিভেদগুলো একে অপরের সাথে মেলামেশার সম্ভাবনা কমিয়ে দিচ্ছে, সরকারের প্রতি আস্থা কমিয়ে দিচ্ছে এবং দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমাদের আশাহত করছে। অন্য একটি জরিপ অনুযায়ী, ২০৫০ সালের কথা ভেবে আমেরিকানরা ভীষণ নিরাশ। অধিকাংশ মানুষই ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তখন পতনের মুখে থাকবে, অর্থনৈতিক বৈষম্যের ভারে জর্জরিত হবে এবং রাজনৈতিকভাবে আরও বেশি বিভক্ত হবে। শেষ পয়েন্টটিতে ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকান উভয় পক্ষই প্রায় সমানভাবে একমত হয়েছে। দেশের রাজধানীতে রাষ্ট্রপতির লাগামহীন কথাবার্তা তার নিজের পরিকল্পনাগুলোকেই বাধাগ্রস্ত করছে। আগে যেসব বিষয়ে কোনো বিতর্ক ছিল না, এখন ক্যাপিটল হিল এ সেসব বিষয়েও তিনি কারো সম্মতি পাচ্ছেন না। ডেমোক্র্যাটরা যে খুব একটা দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার চেষ্টা করছে তা নয়, কিন্তু রিপাবলিকান পার্টির প্রধান যদি তাদের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীর বদলে চিরশত্রু হিসেবে না দেখতেন তবে হয়তো কিছুটা আশা থাকত। এর পরিবর্তে, প্রতিটি বড় আইডিয়া প্রকাশের সাথে সাথেই বিষাক্ত হয়ে ওঠে। বাজেটের প্রতিটি লাইন যেন রাজনৈতিক রণক্ষেত্রের এক একটি পরিখা। আমরা সবসময় রাষ্ট্রপতির অগ্রাধিকারগুলো সফল করতে হিমশিম খাই কারণ তিনি নিজেই নিজের সবচেয়ে বড় শত্রু।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৯১-১৯২
=== ২০১৯ ===
* প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইদানীং ডেমোক্র্যাটরা আমেরিকাকে সমাজতান্ত্রিক বানানোর চেষ্টা করছে বলে যে কথাবার্তা বলছেন, তার বিপরীতে বাস্তবতা হলো তিনিই হলেন বড় সরকারের রাজা। ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে কেন্দ্রীয় প্রশাসন বারাক ওবামার আমলের মতোই বিশাল, এককেন্দ্রীক, খরচের ব্যাপারে কাণ্ডজ্ঞানহীন আর মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপকারী হয়ে আছে। অনেক ক্ষেত্রে এটি এখন আরও বড়। ট্রাম্পের সমর্থকদের জন্য এটি একটি অপ্রীতিকর সত্য। কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা সীমিত রাখার প্রথাগত রক্ষণশীল বিশ্বাসে অটল না থেকে ট্রাম্প বরং সরকারকে আরও ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে তুলেছেন। আমরা যখন তাকে জানাই যে তার হঠকারী পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করার জন্য সরকার কখনোই যথেষ্ট বড় বা শক্তিশালী হবে না, তখন তিনি খুব বিরক্ত হন। ওবামার আমলে আসলে মার্কিন কেন্দ্রীয় বাজেটের ঘাটতি কমছিল। ২০০৯ সালে ওবামা যখন দায়িত্ব নেন তখন এটি ছিল ১.৪ ট্রিলিয়ন ডলার, যা ২০১৬ সালে তিনি চলে যাওয়ার ঠিক আগে ৫৮৭ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছিল। এই উল্লেখযোগ্য সাফল্যের কৃতিত্ব কংগ্রেসের রিপাবলিকানদের পাওনা, যারা ২০১১ সালে হোয়াইট হাউসের সাথে একটি অচলাবস্থা তৈরি করেছিলেন। তারা এমন একটি বাজেট চুক্তির দাবি করেছিলেন যা ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে আনবে। এটি ছিল বাজেট কন্ট্রোল অ্যাক্ট, যা কেন্দ্রীয় খরচ কমিয়েছিল, ভবিষ্যতের ব্যয়ের ওপর কঠোর বার্ষিক সীমা আরোপ করেছিল এবং সরকারের "ক্রেডিট কার্ডের" ওপর একটি লাগাম টেনেছিল। এটি রক্ষণশীল "টি পার্টি" আন্দোলনের শ্রেষ্ঠ সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ৯৯-১০০
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের খরচ কমানোর প্রতি কোনো আগ্রহ ছিল না। তিনি হয়তো করদাতাদের অর্থ বাঁচানোর জন্য কাজ করছেন এমন একটি ভাব দেখানোর চেষ্টা করেন। আর এটা সত্যি যে কোনো বোকা পরিকল্পনা যদি অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়, তবে তাকে সেটা থেকে বিরত করা যায়। কিন্তু সেটি মানুষের টাকা বাঁচানোর জন্য নয়। তিনি আসলে সেই টাকা অন্য কিছুতে খরচ করতে চান যেখানে তার ব্যক্তিগত আগ্রহ আছে, যেমন বোমা বা সীমান্ত নিরাপত্তা। ট্রাম্প সেই সব মানুষকে অপছন্দ করেন যারা খুব হিসাব করে চলেন। বর্তমানে তিনি সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ব্যবস্থাপনায় অঢেল টাকা ওড়াচ্ছেন। ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের টাকা ওড়ানোর দিনগুলোকে লাস ভেগাস এর কোনো ক্যাসিনোর পাঁচ ডলারের টেবিলের মতো মনে হয়। এর ফলে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে বাজেট ঘাটতি প্রতি বছর বেড়েছে এবং তা বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। রাষ্ট্রপতি বার্ষিক আয়ের চেয়ে এক ট্রিলিয়ন ডলার বেশি খরচ করার পথে আছেন। শুধু ২০১৯ সালের দিকে তাকালেই তা বোঝা যায়। রাষ্ট্রপতি রেকর্ড ভঙ্গকারী ৪.৭ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজেট প্রস্তাব করেছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় সরকার এক বছরেই এত টাকা খরচ করুক। ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে আমেরিকার ঋণ, যার বড় অংশই আমরা অন্য দেশের কাছ থেকে ধার নিয়েছি, কয়েক ট্রিলিয়ন বেড়েছে এবং মোট ঋণের পরিমাণ এখন সর্বোচ্চ ২২ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এক হিসেব অনুযায়ী, আমাদের ঋণ পরিশোধ করতে হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি করদাতাকে গড়ে ৪ লক্ষ ডলার করে দিতে হবে। এটি পুরো আমেরিকার জন্য একটি ভয়াবহ সতর্ক সংকেত হওয়া উচিত। আমরা এভাবে টাকা ধার করে যেতে পারি না যা আমরা শোধ করতে পারব না। অন্যথায় আমাদের সন্তানদের এর জন্য চরম মূল্য দিতে হবে।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১০০
* ইচ্ছাকৃত অজ্ঞতা শব্দ জোড়া রাষ্ট্রপতির শত্রুদের প্রতি তার মনোভাব বর্ণনা করার সবচেয়ে সঠিক উপায়। তিনি যা দেখতে চান কেবল তা-ই দেখেন। ট্রাম্প যদি কোনো বিদেশী নেতাকে পছন্দ করেন, তবে সেই নেতার কারণে তৈরি হতে পারে এমন কোনো বিপদ বা তাদের গোপন উদ্দেশ্যগুলো তিনি মানতে রাজি হন না। এই কারণেই জাতি রাষ্ট্রগুলোর হুমকি সম্পর্কে আমেরিকার বিস্তারিত গোয়েন্দা রিপোর্ট বা আমাদের ঘনিষ্ঠ মিত্রদের জরুরি সতর্কবার্তাকে তিনি খুব সহজে উড়িয়ে দিতে পারেন।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৬৭-১৬৮
* আমাদের শত্রুরা ঠিকই বুঝতে পেরেছে যে রাষ্ট্রপতিকে খুব সহজেই ভুলিয়ে ভালিয়ে কাজ হাসিল করা যায়। টুইটারে দেওয়া তার যুদ্ধংদেহী হুমকিতে তারা বিচলিত হয় না কারণ তারা জানে তাকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তাদের কথায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প খুব সহজেই প্রভাবিত হন। আমরা সবাই তা দেখতে পাই। তোষামোদে তিনি খুব সহজেই গলে যান। আলোচনার সময় তিনি নতি স্বীকার করেন এবং স্রেফ ভালো চুক্তির মতো দেখতে এমন কিছুর জন্য তিনি অনেক কিছু ছেড়ে দিতে রাজি হয়ে যান, সেটি আসলে ভালো চুক্তি হোক বা না হোক। তারা বিশ্বাস করে যে তিনি দুর্বল, আর এই সুযোগটাই তারা নেয়। আর যখন তা পারে না, তখন তারা স্রেফ তাকে পাত্তাই দেয় না।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৭৩
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথাগুলো কেবল তার দলকেই অতিষ্ঠ করে তুলছে না, বরং আমেরিকানদের মধ্যেও বিভেদ সৃষ্টি করছে। তিনি হয়তো টুইটার বা মাইকের সামনে ঝগড়া শুরু করেন, কিন্তু আমরা সেই লড়াই ঘরে ঘরে চালিয়ে যাই। গবেষণায় দেখা গেছে যে রিপাবলিকানরা আরও বেশি একরোখা হয়ে উঠছে এবং দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে চাইছে না, ডেমোক্র্যাটরাও একই কাজ করছে। দুই পক্ষ কেবল একটি বিষয়েই একমত হতে পারে, আর তা হলো এই বিভাজন সত্যিই বাড়ছে। ২০১৯ সালে প্রকাশিত পিউ রিসার্চ সেন্টার এর একটি জরিপে দেখা গেছে যে আমেরিকার প্রায় ৮৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ মনে করেন যে "দেশের রাজনৈতিক বিতর্ক এখন অনেক বেশি নেতিবাচক এবং কম সম্মানজনক হয়ে পড়েছে" এবং দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ বলেছেন যে এটি এখন আসল সমস্যার দিকে নজর দিচ্ছে না। তারা এর দায়ভার কার ওপর চাপিয়েছেন? অধিকাংশ মানুষই বিশ্বাস করেন যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প "রাজনৈতিক বিতর্কের ধরন ও প্রকৃতিকে আরও খারাপের দিকে নিয়ে গেছেন।" এই মৌখিক তিক্ততার ফল বাস্তবেও দেখা যাচ্ছে। আমাদের এই বিভেদগুলো একে অপরের সাথে মেলামেশার সম্ভাবনা কমিয়ে দিচ্ছে, সরকারের প্রতি আস্থা কমিয়ে দিচ্ছে এবং দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমাদের নিরাশ করছে। অন্য একটি জরিপ অনুযায়ী, ২০৫০ সালের কথা ভেবে আমেরিকানরা ভীষণ চিন্তিত। অধিকাংশ মানুষই ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তখন পতনের মুখে থাকবে, অর্থনৈতিক বৈষম্যের ভারে জর্জরিত হবে এবং রাজনৈতিকভাবে আরও বেশি বিভক্ত হবে। শেষ পয়েন্টটিতে ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকান উভয় পক্ষই প্রায় সমানভাবে একমত হয়েছে। দেশের রাজধানীতে রাষ্ট্রপতির লাগামহীন কথাবার্তা তার নিজের পরিকল্পনাগুলোকেই বাধাগ্রস্ত করছে। আগে যেসব বিষয়ে কোনো বিতর্ক ছিল না, এখন ক্যাপিটল হিল এ সেসব বিষয়েও তিনি কারো সম্মতি পাচ্ছেন না। ডেমোক্র্যাটরা যে খুব একটা দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার চেষ্টা করছে তা নয়, কিন্তু রিপাবলিকান পার্টির প্রধান যদি তাদের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীর বদলে চিরশত্রু হিসেবে না দেখতেন তবে হয়তো কিছুটা আশা থাকত। এর পরিবর্তে, প্রতিটি বড় আইডিয়া প্রকাশের সাথে সাথেই বিতর্কিত হয়ে ওঠে। বাজেটের প্রতিটি লাইন যেন রাজনৈতিক রণক্ষেত্রের এক একটি পরিখা। আমরা সবসময় রাষ্ট্রপতির অগ্রাধিকারগুলো সফল করতে হিমশিম খাই কারণ তিনি নিজেই নিজের সবচেয়ে বড় শত্রু।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৯১-১৯২
==== জানুয়ারি ২০১৯ ====
* আমরা বেরিয়ে আসছি এবং খুব বুদ্ধিমত্তার সাথেই বেরিয়ে আসছি। আর আমরা জিতছি, আমরা জিতছি। ঠিক আছে। তবে আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে গেলে বলব, '''একটি নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে'''। আমি কখনোই বলিনি যে আমি কালকেই বেরিয়ে যাচ্ছি। আমি বলেছি যে আমি আমাদের সৈন্যদের ফিরিয়ে আনছি এবং তাদের সিরিয়া থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে। হ্যাঁ, একদম ঠিক। তবে আমরা খুব শক্তিশালীভাবেই বেরিয়ে আসছি।
** ২ জানুয়ারি, ২০১৯ তারিখে এপি আর্কাইভে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* ইরান এখন আর আগের মতো দেশ নেই। ইরান সিরিয়া থেকে তাদের লোক সরিয়ে নিচ্ছে। '''সত্যি বলতে, তারা সেখানে যা খুশি করতে পারে''', কিন্তু তারা লোক সরিয়ে নিচ্ছে। তারা ইয়েমেন থেকেও লোক সরিয়ে নিচ্ছে। ইরান এখন স্রেফ টিকে থাকতে চায়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০১-০২ |শিরোনাম=ট্রাম্প: ইরান সিরিয়াতে 'যা খুশি করতে পারে' |লেখক=এরিক কর্টেলেসা |সাময়িকী=''টাইমস অফ ইসরায়েল'' |ইউআরএল=https://www.timesofisrael.com/trump-iran-can-do-what-they-want-in-syria/}} শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত
* ড্রোন সম্পর্কে আমি যে কারও চেয়ে বেশি জানি। যত রকমের নিরাপত্তার ব্যবস্থা হতে পারে সে সম্পর্কে আমার ধারণা আছে। (জানুয়ারি ২০১৯)
* আমার মনে হয় নির্বাচনী প্রচারণার অর্থায়ন সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না, কারণ আমিই সবচেয়ে বড় অনুদানকারী। (১৯৯৯)
* টেলিভিশন রেটিং পায় এমন মানুষদের সম্পর্কে আমি যে কারও চেয়ে বেশি জানি। (অক্টোবর ২০১২)
* আইএসআইএস সম্পর্কে আমি জেনারেলদের চেয়েও বেশি জানি। (নভেম্বর ২০১৫)
* আমি সোশ্যাল মিডিয়া বুঝি। আমি টুইটার আর ফেসবুকের ক্ষমতা সম্ভবত যে কারও চেয়ে ভালো বুঝি, আমার সাফল্যের দিকে তাকালেই সেটা বোঝা যায়, তাই না? (নভেম্বর ২০১৫)
* আদালত সম্পর্কে আমি এই পৃথিবীর যেকোনো মানুষের চেয়ে বেশি জানি। (নভেম্বর ২০১৫)
* মামলা মোকদ্দমা সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কে জানে? আমিই তো এগুলোর রাজা। (জানুয়ারি ২০১৬)
* আমি রাজনীতিবিদদের যে কারও চেয়ে ভালো বুঝি।
* ভিসা ব্যবস্থা সম্পর্কে আমার চেয়ে ভালো কেউ জানে না। আমি এইচ ওয়ান বি বুঝি। আমি এইচ টু বি বুঝি। বিশ্বাস করুন, এই মঞ্চে আর কেউ জানে না কীভাবে এটি পরিবর্তন করতে হয়। (মার্চ ২০১৬)
* বাণিজ্য সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না। (মার্চ ২০১৬)
* মার্কিন সরকারি ব্যবস্থা সম্পর্কে আমার চেয়ে ভালো কেউ জানে না। (এপ্রিল ২০১৬)
* নবায়নযোগ্য শক্তি সম্পর্কে আমি পৃথিবীর যেকোনো মানুষের চেয়ে বেশি জানি। (এপ্রিল ২০১৬)
* আমার মনে হয় কর ব্যবস্থা সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না, সম্ভবত পৃথিবীর ইতিহাসেই কেউ জানে না। (মে ২০১৬)
* আমি ঋণের রাজা। আমি ঋণ সামলাতে দক্ষ। আমার চেয়ে ভালো ঋণ কেউ বোঝে না। (জুন ২০১৬)
* আমি টাকা পয়সার বিষয়গুলো যে কারও চেয়ে ভালো বুঝি। (জুন ২০১৬)
* দেখুন, একজন নির্মাতা হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প অবকাঠামো সম্পর্কে যতটা জানেন, এই দেশের ইতিহাসে আর কেউ তা জানেন না। (জুলাই ২০১৬)
* সিনেটর কোরি বুকার নিজের সম্পর্কে যা জানেন, আমি তার চেয়েও বেশি জানি। (জুলাই ২০১৬)
* আমার মনে হয় আমি অপর পক্ষ ডেমোক্র্যাটদের সম্পর্কে প্রায় সবার চেয়ে বেশি জানি। (নভেম্বর ২০১৬)
* নির্মাণ কাজ সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না। (মে ২০১৮)
* আমার মনে হয় আমি অর্থনীতি সম্পর্কে ফেডারেল রিজার্ভের চেয়েও ভালো জানি। (অক্টোবর ২০১৮)
* প্রযুক্তি প্রযুক্তি সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানি না। (ডিসেম্বর ২০১৮)
* ড্রোন সম্পর্কে আমি যে কারও চেয়ে বেশি জানি। যত রকমের নিরাপত্তার ব্যবস্থা হতে পারে সে সম্পর্কে আমার ধারণা আছে। (জানুয়ারি ২০১৯)
* মাথার ওপর ড্রোন ওড়া আর আমার মনে হয় এই ধরনের প্রযুক্তি সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না। (জানুয়ারি ২০১৯)
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.axios.com/2019/01/05/everything-trump-says-he-knows-more-about-than-anybody "সবকিছু যা ট্রাম্প দাবি করেন যে তিনি 'যে কারও চেয়ে বেশি জানেন'"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, ''অ্যাক্সিওস'' (৫ জানুয়ারি, ২০১৯)
* আমরা স্বাধীন হয়ে জন্মেছি আর স্বাধীনই থাকব। আজ রাতে আমরা আমাদের সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করছি যে আমেরিকা কখনোই একটি সমাজতান্ত্রিক দেশ হবে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০১-০৫ |শিরোনাম=ওকাসিও-কর্টেজের উদ্দেশ্যে ট্রাম্প: 'আমেরিকা কখনোই সমাজতান্ত্রিক দেশ হবে না' |লেখক=জোয়েল গেহরকে |সাময়িকী=''ওয়াশিংটন এক্সামিনার'' |ইউআরএল=https://www.washingtonexaminer.com/policy/defense-national-security/trump-to-ocasio-cortez-america-will-never-be-a-socialist-country}} শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত
* <p>''প্রশ্ন:'' এই সরকার অচল হওয়ার দায় কি আপনার ওপর বর্তায়?</p><p>''ডোনাল্ড ট্রাম্প:'' '''দায়ভার সবার ওপরই বর্তায়।'''</p>
** হোয়াইট হাউসের সংবাদ সম্মেলনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ১০ জানুয়ারি, ২০১৯, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০১-১০ |শিরোনাম=দায়িত্ব অস্বীকার করে ট্রাম্পের ঘোষণা, ‘দায়ভার সবার ওপরই বর্তায়’ |লেখক=স্টিভ বেনেন |সাময়িকী=এমএসএনবিসি |ইউআরএল=http://www.msnbc.com/rachel-maddow-show/rejecting-responsibility-trump-declares-the-buck-stops-everybody}} শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, এবং {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০১-১০ |শিরোনাম=ট্রাম্প: যে অচল অবস্থার দায় নিতে তিনি গর্বিত ছিলেন এখন বলছেন ‘দায়ভার সবার’ |লেখক=অলিভার উইলিস |সাময়িকী=আমেরিকান ইন্ডিপেন্ডেন্ট |ইউআরএল=https://americanindependent.com/trump-buck-stops-with-everybody-shutdown-proud/}} শীর্ষক প্রতিবেদনে ভিডিওসহ উদ্ধৃত
* আমাদের কাছে পিৎজা আছে, তিনশ হ্যামবার্গার আছে, প্রচুর ফ্রেঞ্চ ফ্রাই আছে, আমাদের সব প্রিয় খাবার। আমি দেখতে চাই আমরা যাওয়ার পর এখানে কী অবশিষ্ট থাকে, কারণ আমার মনে হয় না খুব বেশি কিছু থাকবে। যদি সেটি আমেরিকান হয়, তবে আমি এটি পছন্দ করি। এগুলো সব আমেরিকান খাবার।
** ''বিবিসি''-র একটি প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৪ জানুয়ারি, ২০১৯)
* আমি কি আপনাদের সামান্য কিছু সালাদ দেব যা ফার্স্ট লেডি আর সেকেন্ড লেডি মিলে বানাবেন? তারা কিছু সালাদ বানাবেন।<br>তখন আমি বললাম আপনারা তো সালাদ খুব একটা পছন্দ করেন না।<br>নাকি আমি বাইরে থেকে প্রায় এক হাজার হ্যামবার্ডার আনিয়ে নেব? বিগ ম্যাক।<br>তো আমরা আসলে সেটাই করলাম।<br>আমরা বার্গার কিং থেকে এক হাজার বার্গার কিনলাম।<br>সব আমেরিকান কোম্পানি।<br>বার্গার কিং, ওয়েন্ডি’স আর ম্যাকডোনাল্ডস।
** ''রোলিং স্টোনের'' একটি [https://www.rollingstone.com/politics/politics-news/trump-fast-food-white-house-779128/ প্রতিবেদনে] উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৪ জানুয়ারি, ২০১৯)
* গত রাতে হোয়াইট হাউসে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন ক্লেমসন টাইগারদের সাথে সময়টা দারুণ কেটেছে। সরকার অচল থাকার কারণে আমি তাদের প্রচুর পরিমাণে ফাস্ট ফুড খাইয়েছি (আমি নিজে টাকা দিয়েছি), ১০০০ এর বেশি হ্যামবার্ডার ইত্যাদি। এক ঘণ্টার মধ্যেই সব শেষ হয়ে গিয়েছিল। দারুণ সব ছেলে আর কী দারুণ পেটুক!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1085159285208858624 টুইট] (১৫ জানুয়ারি ২০১৯)
* জাতীয় আফ্রিকান আমেরিকান ইতিহাস মাস হলো আফ্রিকান আমেরিকানদের অমর কাহিনী এবং স্বাধীনতা, লক্ষ্য ও সুযোগের সেই উপহারগুলোকে পুনরায় জানার একটি উপলক্ষ যা তারা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রেখে গেছেন।
** [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/presidential-proclamation-national-african-american-history-month-2019/ ৩১ জানুয়ারি ২০১৯-এর ভোরের ঘোষণা WhiteHouse.gov] কৃষ্ণাঙ্গদের ইতিহাসের মাস সম্পর্কিত
*** [https://twitter.com/realdonaldtrump/status/1091427927475085312 ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ টুইটারে পুনরায় পোস্ট করা হয়েছে]
==== ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ====
* যখন আমরা ওই এলাকার খেলাফতের বাকি অংশটুকু দখল করে নেব, তখন তারা ইরাকে আমাদের ঘাঁটিতে চলে যাবে। শেষ পর্যন্ত তাদের কেউ কেউ বাড়িতে ফিরে আসবে। কিন্তু আমরা সেখানে থাকব এবং আমরা সেখানে থাকছিই--<br>আমাদের ইসরায়েলকে রক্ষা করতে হবে। আমাদের অন্যান্য জিনিসেরও সুরক্ষা দিতে হবে। তবে হ্যাঁ, তারা সময়ের ব্যবধানে ফিরে আসবে। দেখুন, আমরা বিশ্বকে রক্ষা করছি। ইতিহাসের যে কারও চেয়ে আমরা অনেক বেশি টাকা খরচ করছি। গত পাঁচ বছরে আমরা [[আফগানিস্তান]]ে বছরে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলার খরচ করেছি। হাতেগোনা কয়েকটি দেশ ছাড়া এই পরিমাণ টাকা অধিকাংশ দেশের শিক্ষা, চিকিৎসা এবং অন্য সব খাতের মোট খরচের চেয়েও বেশি।
** ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ তারিখে [https://www.cbsnews.com/news/donald-trump-interview-face-the-nation-margaret-brennan-today-2019-02-01/ ডোনাল্ড ট্রাম্পের] সাক্ষাৎকার যা ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ তারিখে [https://www.cbsnews.com/news/transcript-president-trump-on-face-the-nation-february-3-2019/ প্রচারিত] হয়, ''সিবিএস নিউজ''
* স্বাধীনতার মহৎ অন্বেষণে আমরা [[ভেনেজুয়েলা|ভেনেজুয়েলার]] জনগণের পাশে আছি। আমরা মাদুরো সরকারের নিষ্ঠুরতার নিন্দা জানাই। তাদের সমাজতান্ত্রিক নীতিগুলো ওই দেশটিকে দক্ষিণ আমেরিকার সবচেয়ে ধনী দেশ থেকে চরম [[দারিদ্র্য]] আর হতাশার দেশে পরিণত করেছে।
** [https://fair.org/home/the-media-myth-of-once-prosperous-and-democratic-venezuela-before-chavez/ "চ্যাভেজের আগে এক সময়কার সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক ভেনেজুয়েলা নিয়ে সংবাদমাধ্যমের মিথ"] শীর্ষক প্রতিবেদনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯)
* আমাদের দেশ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই আমাদের অধিকাংশ বড় অর্জনগুলো—স্বাধীনতা লাভ থেকে শুরু করে নাগরিক অধিকারের বিলোপ এবং নারীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা—এই সবকিছুতেই ধর্মপ্রাণ মানুষ নেতৃত্ব দিয়েছে।
** [https://www.huffingtonpost.com/entry/trump-civil-rights-abolition-prayer-breakfast_us_5c5e14ace4b0eec79b236874 ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯] তারিখে প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আসলে আমি মনে হয় এটি বলতে পারি, জাপানের প্রধানমন্ত্রী আবে আমাকে একটি চিঠির খুব সুন্দর অনুলিপি দিয়েছেন যা তিনি নোবেল পুরস্কার প্রদানকারী ব্যক্তিদের কাছে পাঠিয়েছেন। তিনি বলেছেন: '''"জাপানের পক্ষ থেকে আমি অত্যন্ত সম্মানের সাথে আপনার নাম প্রস্তাব করছি। আমি তাদের অনুরোধ করছি আপনাকে যেন নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়।"''' আমি বললাম, 'ধন্যবাদ।'<br>আমরা অনেক ভালো কাজ করছি। এই প্রশাসন দুর্দান্ত কাজ করছে কিন্তু আমরা তার কোনো স্বীকৃতি পাই না। '''তাই প্রধানমন্ত্রী আবে আমাকে—মানে এটি নোবেল পুরস্কারের জন্য পাঠানো একটি চমৎকার পাঁচ পৃষ্ঠার চিঠি যা তিনি তাদের কাছে পাঠিয়েছেন।''' জানেন কেন? কারণ জাপানের ওপর দিয়ে রকেট আর ক্ষেপণাস্ত্র উড়ে যাচ্ছিল এবং বিপদ সংকেত বেজে উঠছিল—আপনারা তা জানেন। এখন হঠাৎ করেই তারা ভালো বোধ করছে, তারা নিজেদের নিরাপদ মনে করছে। আমিই তা করেছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |শিরোনাম=ট্রাম্প এখনই যা বললেন তা আপনি বিশ্বাস করবেন না: চমকে দেওয়ার মতো ৬টি মুহূর্ত |লেখক=দারেহ গ্রেগরিয়ান |সাময়িকী=''এনবিসি নিউজ'' |ইউআরএল=https://www.nbcnews.com/politics/donald-trump/you-won-t-believe-what-trump-just-said-6-eye-n972166}} শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯)
====মার্চ ২০১৯====
*এই ঘরে এমন কিছু মানুষ আছেন যারা এটি পছন্দ করবেন না। আমাদের বেকারত্বের হার ৩.৭ শতাংশে নেমে এসেছে, যা দীর্ঘ সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন। কিন্তু এটা ভেবে দেখুন: আমি এই সব কোম্পানিগুলোকে দেশে ফিরিয়ে আনছি। তাদের কর্মী প্রয়োজন। চারদিকে যে চমৎকার সব কারখানাগুলো খুলছে, সেখানে কাজ করার জন্য আমাদের দেশে মানুষ নিয়ে আসতে হবে। নির্বাচনী প্রচারণার সময় আমি ঠিক এই কথাগুলো বলিনি, কারণ আমি জানতাম না যে আমরা এতটা সফল হব। কোম্পানিগুলো হুড়মুড় করে আমাদের দেশে ফিরে আসছে, আর এখন আমরা চাই মানুষ আসুক। আমাদের কর্মীদের আসা প্রয়োজন, তবে তাদের অবশ্যই আইনগতভাবে আসতে হবে এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে আসতে হবে। যোগ্যতা, যোগ্যতা, যোগ্যতা।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-2019-conservative-political-action-conference/ ৩ মার্চ ২০১৯]।
====এপ্রিল ২০১৯====
*সবাইকে হ্যালো। অর্থনীতির নতুন তথ্যগুলো এইমাত্র প্রকাশিত হয়েছে; সেগুলো খুব, খুব ভালো। অর্থনৈতিক দিক দিয়ে আমাদের দেশ অবিশ্বাস্য রকমের ভালো করছে। আপনাদের বেশিরভাগই এই খবরগুলো প্রচার করেন না, কারণ আপনাদের দৃষ্টিকোণ থেকে এটি শুনতে ভালো লাগে না। কিন্তু দেশ সত্যিই খুব, খুব ভালো চলছে। আমাদের এখানে এখন অনেক রোমাঞ্চকর কাজ হচ্ছে। অনেক কোম্পানি শীঘ্রই ঘোষণা করবে যে তারা যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসছে। তারা সবাই ফিরে আসছে। যেখানে আসল কর্মযজ্ঞ চলছে, তারা সেখানেই থাকতে চায়।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900207/html/DCPD-201900207.htm ৫ এপ্রিল ২০১৯]।
*আপনার বাড়ির আশেপাশে কোথাও যদি উইন্ডমিল (বায়ুকল) থাকে, তবে অভিনন্দন, আপনার বাড়ির দাম এক ধাক্কায় ৭৫ শতাংশ কমে গেল। '''আর তারা বলে যে এর শব্দে ক্যান্সার হয়।''' আপনিই আমাকে এটি বলেছিলেন, ঠিক আছে। ''[হাত দিয়ে গোল করে ইশারা করেন এবং মুখ দিয়ে একটি শব্দ করেন]'' আপনারা জানেন যে ওই জিনিসটা কেমন শব্দ করে... আর অবশ্যই এটি পাখিদের জন্য এক কবরস্থানের মতো।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], রিপাবলিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসনাল কমিটির এক বক্তৃতায়, ২ এপ্রিল ২০১৯, জাচারি বি. উলফের "[https://www.cnn.com/2019/04/03/politics/trumps-war-on-windmills-now-includes-wild-cancer-claim/index.html উইন্ডমিলের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের যুদ্ধে এখন ক্যান্সারের অদ্ভুত দাবিও যুক্ত হয়েছে]", সিএনএন (৩ এপ্রিল ২০১৯) এবং জন গ্রিনবার্গের "[https://www.politifact.com/truth-o-meter/statements/2019/apr/08/donald-trump/republicans-dismiss-trumps-windmill-and-cancer-cla/ ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্যান্সার ও উইন্ড টারবাইনের মধ্যকার হাস্যকর যোগসূত্র]", পলিটিফ্যাক্ট (৮ এপ্রিল ২০১৯)-এ উদ্ধৃত।
*যারা বেআইনিভাবে আমাদের দেশে ঢুকেছে, তাদের হাতে হাজার হাজার আমেরিকান নিষ্ঠুরভাবে প্রাণ হারিয়েছেন।
** রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প, ফেব্রুয়ারি মাসে তার স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণে, "[https://www.politico.com/story/2019/04/22/stephen-miller-immigration-trump-1284287 স্টিফেন মিলার যেভাবে অভিবাসন বিষয়টিকে ব্যক্তিগত জেদে পরিণত করেছেন]" প্রতিবেদন অনুযায়ী (২২ এপ্রিল ২০১৯)।
*তাদের টিকা নিতেই হবে। ভ্যাকসিন নেওয়াটা এখন ভীষণ জরুরি। অসুখটা এখন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। তাই টিকা নেওয়াটা আবশ্যিক।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], মেগান ভ্যাজকুয়েজের প্রতিবেদনে উল্লিখিত: "[https://www.cnn.com/2019/04/26/politics/donald-trump-measles-vaccines হামের প্রাদুর্ভাবের মুখে ট্রাম্প এখন বলছেন অভিভাবকদের অবশ্যই সন্তানদের টিকা দিতে হবে]", সিএনএন (২৬ এপ্রিল ২০১৯)।
[[File:Bernie Sanders.jpg|thumb|ডোনাল্ড ট্রাম্প... তার পুরো রাজনৈতিক কৌশল হলো আমেরিকান জনগণকে আড়াআড়ি ভাগ করা... তাই আপনার কাছে এমন একজন রাষ্ট্রপতি আছেন যিনি কোটিপতিদের কর ছাড় দেন... যিনি ৩ কোটি ২০ লক্ষ মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত করার ফন্দি আঁটেন... যিনি কর সুবিধার ৮৩ শতাংশই তুলে দিয়েছেন মাত্র শীর্ষ এক শতাংশ ধনকুবেরের হাতে... এখন ভাবুন, আপনি কীভাবে নির্বাচনে জিতবেন? কী বলবেন — ওই দেখুন নথিপত্রহীন মানুষগুলো, তারা সবাই আপনার শত্রু। 'আমার পাশে দাঁড়ান। তাদের ঘৃণা করুন। চলুন এই দেশটাকে ভাগ করে ফেলি।' ~ [[বার্নি স্যান্ডার্স]] ]]
[[File:Ahmed al-Sharaa in July 2025 (cropped).jpg|thumb|আমি তাকে একজন শান্তিকামী মানুষ হিসেবে দেখি। আমরা দুজনেই একই শত্রুর লক্ষ্যবস্তু হয়েছিলাম। ট্রাম্প ক্ষমতা, শক্তি এবং ফলাফল অর্জন করতে জানেন। ~ আহমেদ আল-শারা]]
*['''[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]'''] যা করছেন সেটা আসলে '''আমেরিকার মানুষকে তাদের জাতি বা জন্মপরিচয়ের ভিত্তিতে ভাগ করার একটা রাজনৈতিক চাল'''... '''আপনার কাছে এমন একজন রাষ্ট্রপতি আছেন যিনি কোটিপতিদের কর ছাড় দেন''' আর মেডিকেয়ার, মেডিকেইড ও সোশ্যাল সিকিউরিটির মতো সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পগুলো কমিয়ে দিতে চান। তিনি কিন্তু এগুলো নিয়ে নির্বাচনে প্রচার চালাবেন না। আপনার রাষ্ট্রপতি এমন একজন মানুষ '''যিনি ৩ কোটি ২০ লক্ষ মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করেছেন'''। সেটা নিয়েও তিনি প্রচার চালাবেন না। তিনি এমন এক রাষ্ট্রপতি '''যিনি কর সুবিধার ৮৩ শতাংশই দিয়েছেন শীর্ষ এক শতাংশ ধনীকে''', এই কথা বলেও তিনি প্রচার চালাবেন না। '''তাহলে আপনি কীভাবে নির্বাচনে জিতবেন? কী বলবেন — ওই যে দেখছেন নথিপত্রহীন মানুষগুলো, তারা সবাই আপনার শত্রু। 'আমার পাশে দাঁড়ান। তাদের ঘৃণা করুন। চলুন দেশটাকে ভাগ করে ফেলি।''''' আমি মনে করি এটি অত্যন্ত কুৎসিত আর বিপজ্জনক একটা পথ। আর এটা আটকানোর জন্য আমি আমার সাধ্যমতো সবকিছু করব।
**[https://www.newsweek.com/stand-me-hate-them-bernie-sanders-says-trumps-reelection-plan-based-dividing-country-1445407 ''আমার পাশে দাঁড়ান। তাদের ঘৃণা করুন: বার্নি স্যান্ডার্স বলছেন ট্রাম্পের পুনর্নির্বাচনী পরিকল্পনা দেশকে ভাগ করার ওপর ভিত্তি করে, নিউজউইক''], ক্রিস মোরান (২৩ জুন ২০১৯)।
*টাকার রহস্য খুঁজুন: এই প্রশাসন আসলে কিছু রাক্ষুসে ব্যবসায়ীদের পকেট ভরাতে ব্যস্ত, আর তার মূল্য দিতে হচ্ছে নিম্ন আয়ের সাধারণ শ্রমিক ও ক্রেতাদের। এটা সেই সরকার যারা উপভোক্তাদের স্বার্থ দেখার বদলে চড়া সুদে ঋণ দেওয়া মহাজনদের বাঁচাতে উঠেপড়ে লেগেছে এবং ছাত্রদের ঋণ মওকুফ প্রকল্পের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। এনএলআরবির নজিরবিহীন ইউনিয়ন-বিরোধী তৎপরতাও ঠিক একই ধরনের। এগুলো সাধারণ শ্রমিকদের আরও অসহায় আর অসুরক্ষিত করে তোলার ফন্দি, ঠিক যেমনটি এই প্রশাসন অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্ট এবং মেডিকেইড সম্প্রসারণ বাতিলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে—কারণ অর্থনীতির নিচের তলার মানুষগুলো যত বেশি ভয়ের মধ্যে থাকবে, তাদের শোষণ করা তত সহজ হবে।
** সাশা আব্রামস্কি, ''[https://www.thenation.com/article/archive/trump-labor-gm-strikes/ শ্রমিকদের অধিকারের ওপর ট্রাম্পের হামলা জোরদার হচ্ছে]'' (২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯), ''দ্য নেশন''।
*বেশ কিছু রাজ্যে শিক্ষকদের ধর্মঘটের পর সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে যে, সাধারণ মানুষের ৬৪ শতাংশই শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষে—যা গত ৫০ বছরের মধ্যে প্রায় সর্বোচ্চ। এগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। শ্রমিক আন্দোলন অবশেষে জেগে উঠছে। আর আমেরিকানরা এখন বুঝে গেছে যে ট্রাম্পের এই মেকি 'জনদরদী' সাজ আসলে ধনীদের আখের গুছিয়ে দেওয়ার একটা ফন্দি মাত্র।
** সাশা আব্রামস্কি, ''[https://www.thenation.com/article/archive/trump-labor-gm-strikes/ শ্রমিকদের অধিকারের ওপর ট্রাম্পের হামলা জোরদার হচ্ছে]'' (২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯), ''দ্য নেশন''।
====জুন ২০১৯====
*অভিশংসনের কোনো ভিত্তিই নেই। একেবারেই নেই। কোনো যোগসাজশ ছিল না। কোনো বাধাদান ছিল না। কোনো অপরাধ ছিল না। অপরাধ যা করার তা ডেমোক্র্যাটরা করেছে। ডেমোক্র্যাটরাই অপরাধ করেছে। অভিশংসনের কোনো আইনি ভিত্তি নেই। এটি একটি বিরাট উইচ হান্ট বা ডাইনি শিকার। ডেমোক্র্যাটসহ সবাই এটা জানে।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900366/html/DCPD-201900366.htm ২ জুন ২০১৯]।
*এই সপ্তাহে আমরা ন্যায়পরায়ণ দেশগুলোর এক বিশাল প্রচেষ্টা এবং ইতিহাসের অন্যতম মহৎ এক উদ্যোগকে স্মরণ করছি। পঁচাত্তর বছর আগে, ১ লক্ষ ৫০ হাজারের বেশি মিত্রবাহিনী এই দ্বীপে প্রস্তুতি নিচ্ছিল ফ্রান্সে প্যারাশুটে করে নামার জন্য, নরম্যান্ডির সমুদ্রসৈকত দখলে নেওয়ার জন্য এবং আমাদের সভ্যতাকে পুনরায় জয় করার জন্য। মহামান্যা যেমনটা মনে রেখেছেন, ব্রিটিশ জনগণ প্রায় ৫ বছর ধরে এই দিনটির জন্য আশা, প্রার্থনা এবং লড়াই করে আসছিলেন। ১৯৪০ ও ১৯৪১ সালের ব্লিৎজের সময় যখন ব্রিটেন একা লড়াই করছিল, তখন নাৎসি যুদ্ধযন্ত্রগুলো এই দেশে এবং এই চমৎকার শহরে হাজার হাজার বোমা ফেলেছিল। কেবল বাকিংহাম প্যালেসেই ১৬ বার বোমা হামলা চালানো হয়েছিল। সেই ঘোর দুর্দিনে এই দেশের মানুষ বিশ্বকে দেখিয়েছিল ব্রিটিশ হওয়া মানে কী। তারা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে রাস্তা পরিষ্কার করেছে, নিজেদের বিধ্বস্ত বাড়িগুলোতে ইউনিয়নের পতাকা উড়িয়েছে এবং জয়ের জন্য লড়াই চালিয়ে গেছে। তারা শুধু জয়ই চেয়েছিল। যুক্তরাজ্যের ছেলে-মেয়েদের সাহস নিশ্চিত করেছে যে আপনাদের ভাগ্য চিরকাল আপনাদের হাতেই থাকবে। এই সবকিছুর মধ্য দিয়ে রাজপরিবার ছিল কমনওয়েলথের অটল সংহতির এক অবিচল মুখ।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900368/html/DCPD-201900368.htm ৩ জুন ২০১৯]।
*আজ সন্ধ্যায় আমরা ঈশ্বরের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের সেই সাহসী সন্তানদের জন্য যারা নাৎসি এবং নাৎসি শাসনকে পরাজিত করে লক্ষ লক্ষ মানুষকে স্বৈরশাসন থেকে মুক্ত করেছিলেন। আমাদের দেশগুলোর মধ্যকার বন্ধন সেই "মহৎ ক্রুসেডের" মাধ্যমেই চিরতরে সিলমোহর হয়ে গেছে। আমাদের এই যৌথ বিজয় ও ঐতিহ্যকে সম্মান জানানোর পাশাপাশি আমরা সেই অভিন্ন মূল্যবোধগুলোকে আবারও স্বীকার করছি যা সুদূর ভবিষ্যতেও আমাদের ঐক্যবদ্ধ রাখবে: মুক্তি, সার্বভৌমত্ব, আত্মনিয়ন্ত্রণ, আইনের শাসন এবং সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের দেওয়া অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ থেকে আজ পর্যন্ত মহামান্যা এই অমূল্য ঐতিহ্যগুলোর এক অবিচল প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি সেই মর্যাদা, দায়িত্ববোধ এবং দেশপ্রেমের চেতনাকে ধারণ করেছেন যা প্রতিটি ব্রিটিশ হৃদয়ে সগৌরবে স্পন্দিত হয়। সব আমেরিকানের পক্ষ থেকে আমি আমাদের জনগণের চিরন্তন বন্ধুত্ব, আমাদের দেশগুলোর প্রাণশক্তি এবং মহামান্যা রানীর দীর্ঘ ও সত্যিই অসাধারণ রাজত্বের জন্য শুভকামনা জ্ঞাপন করছি। ধন্যবাদ।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900368/html/DCPD-201900368.htm ৩ জুন ২০১৯]।
*আপনি ভিয়েতনাম যুদ্ধের কথা বলছেন, অথচ সেই সময়ে দেশটির কথা কেউ শোনেনি।
** ১৯৬৮ সালে ভিয়েতনাম সম্পর্কে মার্কিনদের সাধারণ ধারণা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এমন মন্তব্য করেছিলেন (যখন ভিয়েতনামে প্রায় ৫ লক্ষ মার্কিন সেনা মোতায়েন ছিল); ([https://www.japantimes.co.jp/news/2019/06/06/world/politics-diplomacy-world/trump-says-never-fan-vietnam-war-claims-americans-hadnt-heard-country-1968/#.XraZ4hMzbOQ "ট্রাম্প বলেছেন তিনি 'কখনও ভক্ত ছিলেন না' ভিয়েতনাম যুদ্ধের, এবং দাবি করেছেন যে ১৯৬৮ সালে আমেরিকানরা দেশটির কথা শোনেনি"], ''জাপান টাইমস''। ২০১৯-০৬-০৫।
*আমার মনে হয় গতকাল অনেক অগ্রগতি হয়েছে, তবে আমাদের আরও অনেক দূর এগোতে হবে। মেক্সিকো বহু বছর ধরে শত শত কোটি ডলার আয় করছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর এক বিশাল ভাগ্য গড়ে তুলছে। তাদের এগিয়ে আসতে হবে, যথাযথ দায়িত্ব নিতে হবে, এবং হয়তো তারা তা করবেও। আমরা দেখব কী হয়। তারা সমস্যার সমাধান করতে পারে। ডেমোক্র্যাটরা—কংগ্রেস এক ভয়াবহ বিপর্যয়ে পরিণত হয়েছে। তারা বদলাবে না। তারা কিছুই করবে না। তারা অবাধ অভিবাসন চায়—আমাদের দেশে যেন অভিবাসনের ঢল নামে। তারা পরোয়া করে না কে ঢুকছে। তাদের কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড আছে কি না তাতেও তাদের কিছু যায় আসে না। এতে কোনো তফাত হয় না। তারা কিছুই পাল্টাবে না। আমরা তাদের কাছে গিয়ে বলি, "চলুন অভিবাসন আইনগুলো ঠিক করি।" তারা শুধু এর খারাপটা দেখতে চায়। পরিস্থিতি যত খারাপ হয়, তারা তত বেশি খুশি হয়। এটাই হলো বাস্তবতা, আর আমার মনে হয় নির্বাচন পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই থাকবে। এটি অত্যন্ত লজ্জাজনক। কারণ সত্যি বলতে কী, কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাটরা যদি কিছু পরিবর্তন করতে রাজি হতো তবে আমরা এই সমস্যার খুব সহজেই সমাধান করতে পারতাম, কিন্তু তারা রাজি নয়। আর বিষয়টি এমনই। তারা শুধু সময় পার করতে চায়। তারা খুব খারাপ পরিস্থিতি দেখতে চায়। অপরাধ নিয়ে তাদের কোনো মাথা ব্যথা নেই। আমাদের দেশে মাদকের ঢল নামছে তা নিয়েও তাদের পরোয়া নেই। তাদের কিছুই আসে যায় না। এর পুরোটাই রাজনীতি। এটি এক নৃশংস কারবার। সুতরাং পরিস্থিতি এমনই। তবে মেক্সিকোর সাথে আমাদের দারুণ কথা হচ্ছে। দেখা যাক কী হয়। তবে বেশ নাটকীয় কিছু ঘটতে পারে। আমরা মেক্সিকোকে বলেছি যে শুল্ক প্রয়োগ করা হবে। আর আমি সত্যিই তা করতে চাই। এতে আমি খুব খুশি। অনেক লোক, যাদের মধ্যে সিনেটররাও আছেন, শুল্কের কথা এলে তারা কী নিয়ে কথা বলছেন সে সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণাই নেই। একদমই কোনো ধারণা নেই। যখন আপনার কাছে টাকা থাকে, যখন আপনার কাছে পণ্য থাকে, যখন আপনার কাছে এমন কিছু থাকে যা সবাই চায়, তখন শুল্ক নিয়ে আপনি খুব সুবিধাজনক অবস্থানে থাকেন এবং আমরা এখন সেখানেই আছি। আমরা হলাম পিগিব্যাংক। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হলো সেই পিগিব্যাংক। এখানে সেই সব অর্থ আছে যা অন্যরা আমাদের কাছ থেকে কেড়ে নিতে চায়, তবে এখন আর তারা তা সহজে নিতে পারছে না। এখন পরিস্থিতি অনেক আলাদা। চীনের সাথে আমাদের আলোচনা—অনেক কৌতূহলী সব ঘটনা ঘটছে। দেখা যাক কী হয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900372/html/DCPD-201900372.htm ৬ জুন ২০১৯]।
*''রিপোর্টার:'' আপনি কি ইরানের সাথে যুদ্ধে যেতে রাজি আছেন?<br />''ট্রাম্প:'' আপনি নিজেই জানতে পারবেন। জানতে পারবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{cite news|date=২০ জুন ২০১৯|title=ইরানের সাথে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প জনগণকে বলছেন 'আপনারা জানতে পারবেন'|work=দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট|url=https://www.washingtonpost.com/video/world/trump-tells-public-youll-find-out-when-asked-about-a-war-with-iran/2019/06/20/18f8c92d-b370-4a01-a948-4144be20f730_video.html}}
* কোনো এক কারণে আমাদের মধ্যে একটা চমৎকার বোঝাপড়া বা অন্য কিছু কাজ করে। দেখা যাক কী হয়। আমাদের অনেকটা পথ পাড়ি দেওয়া বাকি। তবে আমার কোনো তাড়াহুড়ো নেই... তাই আমি শুধু এটুকুই বলতে চাই যে আমরা ডিএমজেডের দিকে যাচ্ছি। এ'''ই পরিকল্পনাটা আমার অনেক আগে থেকেই ছিল, তবে কাল হঠাৎ মাথায় এল''' যে হয়তো একবার হাই-হ্যালো করা যায়, দ্রুত হাত মেলানো যায় এবং কুশল বিনিময় করা যায়।
** দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে ব্লু হাউসে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের সংবাদ সম্মেলন, {{উদ্ধৃতি|date=2019-06-30 |title=ট্রাম্প: কিম এবং আমার মধ্যে "একটি নির্দিষ্ট রসায়ন আছে" |periodical=সিএনএন |url=https://edition.cnn.com/politics/live-news/trump-dmz-kim-live-intl-hnk/h_8b23e071903b007d8ff1934be8457d2c}} অনুযায়ী।
=====ফ্রান্সের কলভিল-সুর-মেয়ারে ডি-ডের ৭৫তম বার্ষিকীতে ভাষণ=====
<small>[https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900373/html/DCPD-201900373.htm প্রতিলিপি] (৬ জুন, ২০১৯)</small>
* এখানে আজ আপনাদের সাথে ৬০ জনেরও বেশি প্রবীণ যোদ্ধা উপস্থিত আছেন, যারা ডি-ডে’র সেই লড়াইয়ে ময়দানে নেমেছিলেন। আপনাদের কাছে আমাদের এই ঋণ কোনোদিন শোধ হওয়ার নয়। আজ আমরা আপনাদের প্রতি আমাদের চিরন্তন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আপনারা যখন বয়সে তরুণ ছিলেন, তখন এক মহৎ অভিযানে নিজেদের জীবন সঁপে দিয়েছিলেন যা ছিল ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এক উদ্যোগ। আপনাদের সেই অভিযান ছিল এক মহাকাব্যিক যুদ্ধের কাহিনী, যেখানে ন্যায় আর অন্যায়ের মধ্যকার এক প্রচণ্ড ও চিরস্থায়ী লড়াই ফুটে উঠেছিল। ১৯৪৪ সালের ৬ই জুন, আপনারা এক বিস্ময়কর ক্ষমতার অধিকারী বিশাল এক মুক্তিসেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন। মাসের পর মাস পরিকল্পনার পর মিত্রবাহিনী এই প্রাচীন সমুদ্রতীরকে বেছে নিয়েছিল নাৎসি সাম্রাজ্যের পৈশাচিক স্বৈরাচারকে পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য। যুদ্ধের শুরুটা হয়েছিল আমাদের মাথার ওপরের ওই আকাশেই। মধ্যরাতের সেই চরম উত্তেজনাকর প্রথম কয়েক ঘণ্টায় ১,০০০টি বিমান গর্জন করে উড়ে গিয়েছিল, আর ১৭,০০০ আকাশসেনা ওই অরণ্যের ওপারে ঘুটঘুটে অন্ধকারের মধ্যে ঝাঁপ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এরপর যখন ভোর হলো, তখন এই পাহাড়গুলো দখল করে রাখা শত্রুরা দেখল পৃথিবীর ইতিহাসের বৃহত্তম নৌ-রণতরীর বহর। উপকূল থেকে মাত্র কয়েক মাইল দূরে ৭,০০০ জাহাজ ১ লক্ষ ৩০ হাজার যোদ্ধা নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল।
* তারা ছিলেন মুক্ত ও স্বাধীন বিভিন্ন দেশের নাগরিক, যারা দেশমাতৃকা এবং কোটি কোটি অজাত প্রজন্মের প্রতি নিজেদের কর্তব্যে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলেন। সেখানে ছিলেন ব্রিটিশরা, যাদের আভিজাত্য আর অদম্য মানসিক শক্তি তাদের ডানকার্কের ভয়াবহ সময় আর লন্ডনের ব্লিৎজ কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করেছিল। নাৎসিদের সেই উন্মাদনার চেয়ে ব্রিটিশদের আত্মমর্যাদাবোধ ছিল অনেক বেশি শক্তিশালী। আপনাদের ধন্যবাদ। সেখানে ছিলেন কানাডিয়ানরা, যাদের প্রগাঢ় সম্মানবোধ আর আনুগত্য একদম শুরু থেকেই তাদের ব্রিটেনের পাশে দাঁড়িয়ে যুদ্ধ করতে বাধ্য করেছিল। সেখানে ছিলেন লড়াকু পোলিশরা, কঠোর নরওয়েজিয়ানরা এবং সাহসী অস্ট্রেলিয়ানরা। সেখানে ছিলেন ফরাসি কমান্ডোরা, যাদের সাথে খুব দ্রুতই যোগ দিয়েছিল তাদের হাজার হাজার সাহসী দেশবাসী যারা ফরাসি বীরত্বের দীর্ঘ ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় লিখতে প্রস্তুত ছিল। আর সবশেষে ছিলেন আমেরিকানরা। তারা এসেছিলেন সুবিশাল গ্রামাঞ্চল, ঝলমলে শহর আর শক্তিশালী শিল্প নগরীগুলো থেকে। যুদ্ধের আগে তাদের অনেকেরই নিজের এলাকার বাইরে পা দেওয়ার সুযোগ হয়নি। অথচ আজ তারা নিজেদের ঘর থেকে অর্ধ-পৃথিবী দূরে জীবন উৎসর্গ করতে এসেছেন।
* ওমাহা নামের এই সমুদ্রতীরটি নাৎসিরা ভয়াবহ মারণাস্ত্র আর বালির নিচে অসংখ্য মাইন পুঁতে রেখে সুরক্ষিত করেছিল। এখানেই হাজার হাজার আমেরিকান নেমেছিলেন। সেই সকালে যারা ল্যান্ডিং ক্রাফটে চড়েছিলেন, সেই সেনারা জানতেন যে তাদের কাঁধে কেবল একজন সৈনিকের সরঞ্জাম নেই, বরং জড়িয়ে আছে গোটা পৃথিবীর ভাগ্য। কর্নেল জর্জ টেলর, যার ১৬তম পদাতিক রেজিমেন্ট প্রথম আক্রমণকারী দলের সাথে যোগ দিয়েছিল, তাকে একবার জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: যদি জার্মানরা ঠিক ওই মুহূর্তেই আপনাদের সমুদ্রসৈকতে আটকে দিত, তবে কী হতো? এই মহান আমেরিকান জবাব দিয়েছিলেন: "কেন, আমাদের ঠিক পেছনেই ১৮তম পদাতিক বাহিনী আসছে। ২৬তম পদাতিক বাহিনীও আসবে। এরপর ২য় ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনও সমুদ্রে প্রস্তুত আছে। এছাড়া ৯ম ডিভিশন, ২য় আরমর্ড, ৩য় আরমর্ড আর বাকি সবাই তো আছেই। হয়তো ১৬তম রেজিমেন্ট সফল হবে না, কিন্তু কেউ না কেউ ঠিকই সফল হবে।"
* ৯,৩৮৮ জন তরুণ আমেরিকান এই সুন্দর ভূমিতে সাদা ক্রস আর স্টার অব ডেভিডের নিচে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন। তাদের প্রত্যেককে একেকটি ফরাসি পরিবার নিজেদের আপনজন হিসেবে গ্রহণ করেছে। তারা ফ্রান্সের সব প্রান্ত থেকে এখানে আসেন আমাদের ছেলেদের দেখাশোনা করতে। তারা হাঁটু গেড়ে বসেন, কাঁদেন, প্রার্থনা করেন এবং ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। তারা কখনও ভুলবেন না। আজ আমেরিকা ফরাসি জনগণকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছে আমাদের প্রিয় শহীদদের সম্মান জানানোর জন্য। আপনাদের অনেক অনেক ধন্যবাদ।
* আমাদের সকল বন্ধু ও অংশীদারদের প্রতি বলতে চাই: আমাদের এই প্রিয় মৈত্রী যুদ্ধের উত্তাপে গড়ে উঠেছে, যুদ্ধের অগ্নিপরীক্ষায় পরীক্ষিত হয়েছে এবং শান্তির আশীর্বাদে প্রমাণিত হয়েছে। আমাদের এই বন্ধন অবিচ্ছেদ্য।
* সারা বিশ্ব থেকে আমেরিকানরা এই জায়গার প্রতি এক টান অনুভব করে, যেন এটি আমাদের আত্মারই একটি অংশ। আমরা এখানে কেবল তারা কী করেছিলেন তার জন্য আসি না, বরং তারা কেমন মানুষ ছিলেন সেই বীরত্বের টানেই ফিরে আসি। তারা ছিলেন তরুণ, যাদের সামনে গোটা জীবন পড়ে ছিল। তারা ছিলেন স্বামী, যারা নিজেদের তরুণী স্ত্রীদের বিদায় জানিয়ে কর্তব্যকেই নিয়তি হিসেবে মেনে নিয়েছিলেন। তারা ছিলেন বাবা, যারা তাদের সন্তানদের মুখ দেখার সুযোগ পাননি কারণ তাদের একটি কাজ সম্পন্ন করার ছিল। আর ঈশ্বরকে সাক্ষী রেখে তারা সেই কাজ পূরণ করতে যাচ্ছিলেন। তারা ঢেউয়ের পর ঢেউয়ের মতো এগিয়ে গিয়েছিলেন—কোনো প্রশ্ন বা দ্বিধা ছাড়াই।
* আমেরিকান অস্ত্রের শক্তির চেয়েও বেশি শক্তিশালী ছিল আমেরিকানদের হৃদয়ের তেজ। এই মানুষগুলো এক অদম্য শক্তির জোরে নরকের আগুনের মধ্য দিয়ে ছুটে গিয়েছিলেন যা কোনো অস্ত্র ধ্বংস করতে পারত না আর তা হলো এক মুক্ত ও গর্বিত জাতির প্রগাঢ় দেশপ্রেম। তারা নিয়ন্ত্রণ বা আধিপত্য বিস্তারের জন্য লড়েননি, লড়েছিলেন স্বাধীনতা, গণতন্ত্র আর স্বশাসনের জন্য। তারা লড়াই করেছিলেন ঘর আর দেশের প্রতি ভালোবাসা, সেই চেনা রাস্তা, স্কুল মাঠ, গির্জা আর প্রতিবেশী সেই পরিবার আর সমাজের জন্য যারা আমাদের এমন মহৎ মানুষ উপহার দিয়েছে। তারা বিশ্বাস করতেন যে আমেরিকা সবকিছু করতে পারে কারণ আমরা এক মহান জাতি। এই অসাধারণ শক্তি এসেছিল এক অসাধারণ চেতনা থেকে। সাহসের উৎস ছিল অগাধ বিশ্বাস। একটি সেনাবাহিনীর মহৎ কর্মগুলো এসেছিল তাদের ভালোবাসার গভীরতা থেকে। নিজেদের ভাগ্যের মুখোমুখি হয়ে আমেরিকান আর মিত্রবাহিনী নিজেদের ঈশ্বরের হাতে সঁপে দিয়েছিলেন।
* আমার পেছনে থাকা মানুষগুলো আপনাদের বলবেন যে তারা কেবল ভাগ্যবান ছিলেন। তাদের মধ্যে একজন যেমনটা বলেছিলেন, "আসল বীররা তো এখানে মাটির নিচে শুয়ে আছেন।" কিন্তু আমরা জানি এই মানুষগুলো কী করেছিলেন। তারা কতটা সাহসী ছিলেন তা আমাদের অজানা নয়। তারা এখানে এসে স্বাধীনতা রক্ষা করেছিলেন এবং বাড়ি ফিরে গিয়ে আমাদের সবাইকে দেখিয়েছিলেন স্বাধীনতা মানে আসলে কী। বিজয়ী আমেরিকানরা শান্তিকালেও সমান উজ্জ্বল ছিলেন। তারা পরিবার গড়েছেন, শিল্পায়ন করেছেন এবং এমন এক জাতীয় সংস্কৃতি গড়ে তুলেছেন যা গোটা বিশ্বকে অনুপ্রাণিত করেছে। পরবর্তী দশকগুলোতে আমেরিকা সাম্যবাদকে পরাজিত করেছে, নাগরিক অধিকার সুরক্ষিত করেছে, বিজ্ঞানে বিপ্লব ঘটিয়েছে, চাঁদে মানুষ পাঠিয়েছে এবং প্রতিনিয়ত নতুন নতুন দিগন্তের দিকে এগিয়ে গেছে। আর আজ আমেরিকা আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।
* সাত দশক আগে, ডি-ডের যোদ্ধারা এক অশুভ শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন যারা হাজার বছরের এক সাম্রাজ্যের স্বপ্ন দেখত। সেই অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে তারা এমন এক উত্তরাধিকার রেখে গেছেন যা চিরকাল টিকে থাকবে যতদিন মানুষের মনে দায়িত্ব আর সম্মানের বোধ থাকবে; যতদিন মানুষের হৃদয়ে স্বাধীনতা অম্লান থাকবে। আমার পেছনে বসে থাকা এই মানুষগুলো এবং সামনে এই ময়দানে শুয়ে থাকা ছেলেদের উদ্দেশ্যে বলছি, আপনাদের এই দৃষ্টান্ত কখনও পুরনো হবে না। আপনাদের বীরত্বগাথা অমর হয়ে থাকবে। আপনাদের সাহসী ও অটল চেতনা কখনও মরবে না। তারা যে রক্ত ঝরিয়েছেন আর যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তা কেবল একটি যুদ্ধে জয় এনে দেয়নি বরং তা আমাদের সভ্যতার টিকে থাকা নিশ্চিত করেছে। তারা আমাদের পথ দেখিয়ে গেছেন কীভাবে আমাদের জীবনযাত্রাকে ভালোবাসতে হয় এবং রক্ষা করতে হয়। আজ এই পবিত্র ভূমিতে দাঁড়িয়ে আমরা শপথ করছি যে আমাদের জাতিগুলো চিরকাল শক্তিশালী আর ঐক্যবদ্ধ থাকবে। আমাদের মানুষেরা সাহসী হবে, আমাদের হৃদয় অনুগত থাকবে আর আমাদের পরবর্তী প্রজন্মগুলো চিরকাল মুক্ত থাকবে। ঈশ্বর আমাদের মহান প্রবীণ যোদ্ধাদের মঙ্গল করুন, ঈশ্বর আমাদের মিত্রদের মঙ্গল করুন, ঈশ্বর ডি-ডের বীরদের মঙ্গল করুন এবং ঈশ্বর আমেরিকার মঙ্গল করুন। আপনাদের অনেক ধন্যবাদ। ধন্যবাদ।
====জুলাই ২০১৯====
* "আমি বলেছিলাম, জানেন তো, আপনি আমাকে পছন্দ করেন না আর আমিও আপনাকে পছন্দ করি না। আমি আপনাকে কখনও পছন্দ করিনি আর আপনিও আমাকে পছন্দ করেননি, কিন্তু আপনি আমাকেই সমর্থন করবেন কারণ আপনি একজন ধনী মানুষ। আর আপনি যদি আমাকে সমর্থন না করেন, তবে আপনি এতটাই দরিদ্র হয়ে যাবেন যে আপনি নিজেই সেটা বিশ্বাস করতে পারবেন না।"
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] একজন নামহীন ব্যবসায়ীর কথা উল্লেখ করছিলেন, যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৭-১৭ |শিরোনাম=বিশ্লেষণ: ডোনাল্ড ট্রাম্পের নর্থ ক্যারোলাইনা জনসভার ৫১টি সবচেয়ে আপত্তিকর উক্তি |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=WLOS.com |ইউআরএল=https://wlos.com/news/local/analysis-the-51-most-outrageous-lines-from-donald-trumps-nc-rally}}
* সবাই আমাকে মিস্টার প্রেসিডেন্ট বলে ডাকে। এটা সত্যি। এটা একটা মজার ব্যাপার।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৭-১৭ |শিরোনাম=বিশ্লেষণ: ডোনাল্ড ট্রাম্পের নর্থ ক্যারোলাইনা জনসভার ৫১টি সবচেয়ে আপত্তিকর উক্তি |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=WLOS.com |ইউআরএল=https://wlos.com/news/local/analysis-the-51-most-outrageous-lines-from-donald-trumps-nc-rally}}
* তাছাড়া, আমার কাছে অনুচ্ছেদ ২ আছে, যেখানে রাষ্ট্রপতি হিসেবে আমার যা খুশি তাই করার অধিকার আছে [...] কিন্তু আমি এমনকি সেটা নিয়ে কথাও বলি না।
** ওয়াশিংটন ডিসিতে টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ টিন স্টুডেন্ট অ্যাকশন সামিটে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের ভাষণ (২৩ জুলাই ২০১৯), যা [https://www.washingtonpost.com/politics/2019/07/23/trump-falsely-tells-auditorium-full-teens-constitution-gives-him-right-do-whatever-i-want/ "মুলার তদন্ত নিয়ে আক্ষেপ করার সময়, ট্রাম্প ভুলভাবে বলেছেন যে সংবিধান তাকে 'যা খুশি করার অধিকার' দিয়েছে"] উদ্ধৃত হয়েছে, ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'' (২৩ জুলাই ২০১৯)
* বরিস জনসন, ভালো মানুষ, তিনি কঠোর কিন্তু বুদ্ধিমান। তারা তাকে ব্রিটেনের ট্রাম্প বলে ডাকে.. সেখানে তারা আমাকে পছন্দ করে।
** [https://www.youtube.com/watch?v=S0wO89TT9vI জনসন সম্পর্কে ট্রাম্প: 'তারা তাকে ব্রিটেনের ট্রাম্প বলে ডাকে' - বিবিসি নিউজ] ২৪ জুলাই ২০১৯
* এই লোকগুলো [ডেমোক্র্যাটরা] সব ভাঁড়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, যা ২৬ জুলাই হোয়াইট হাউস থেকে [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-signing-safe-third-country-agreement-guatemala/ দেওয়া বক্তব্যে (ভিডিও)] উদ্ধৃত হয়েছে।
* আমি এই পুরো বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে কম বর্ণবাদী মানুষ।
** [https://www.theguardian.com/us-news/video/2019/jul/30/trump-claims-least-racist-person-in-the-world দ্য গার্ডিয়ান অনুযায়ী] উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি (৩০ জুলাই ২০১৯)
====আগস্ট ২০১৯====
* আমার মনে হয় আমার কথাবার্তা - মানুষকে একত্র করে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৮-০৭ |শিরোনাম=সমালোচকদের তীব্র নিন্দা জানানোর পাশাপাশি ট্রাম্প বলেছেন যে তার কথাগুলো ‘মানুষকে একত্র করে’ |লেখক=স্টিভ বেনেন |সাময়িকী=এমএসএনবিসি |ইউআরএল=http://www.msnbc.com/rachel-maddow-show/while-slamming-critics-trump-says-his-words-bring-people-together}}
* আমি মনে করি যে কোনো ইহুদি ব্যক্তি যিনি ডেমোক্র্যাটদের ভোট দেন -- তা হয় জ্ঞানের চরম অভাব অথবা বড় কোনো অবিশ্বস্ততা প্রকাশ করে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৮-২১ |শিরোনাম=ইহুদিরা ডেমোক্র্যাটদের ভোট দিলে তারা অবিশ্বস্ত — ট্রাম্পের এমন উক্তিতে ইহুদি নেতারা ক্ষুব্ধ |লেখক=মেগান ভাজকুয়েজ, জিম অ্যাকোস্টা |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2019/08/20/politics/donald-trump-jewish-americans-democrat-disloyalty/index.html?no-st=9999999999}}
* আমিই সেই মনোনীত ব্যক্তি। কাউকে তো এটা করতেই হতো, তাই আমি চীনের মোকাবিলা করছি... আর আপনারা তো জানেনই যে আমরা জিতছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৮-২১ |শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্প: 'আমিই সেই মনোনীত ব্যক্তি' |লেখক=টোলা এমবাকওয়ে |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://premierchristian.news/en/news/article/donald-trump-i-am-the-chosen-one}}
====সেপ্টেম্বর ২০১৯====
* আমার প্রিয় স্বৈরশাসক কোথায়?
** মিশরের রাষ্ট্রপতি [[আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি]]কে খোঁজার সময় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই উক্তি করেন, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৯-১৩ |শিরোনাম=সম্মেলনে মিশরীয় প্রতিপক্ষের অপেক্ষায় থাকা ট্রাম্প 'আমার প্রিয় স্বৈরশাসক' বলে সম্বোধন করেছেন | লেখক=ন্যান্সি এ. ইউসেফ, ভিভিয়ান সালামা এবং মাইকেল সি. বেন্ডার | ইউআরএল=https://www.wsj.com/articles/trump-awaiting-egyptian-counterpart-at-summit-called-out-for-my-favorite-dictator-11568403645?tesla=y&mod=e2twp}}
* আমাকে সবসময় কমলা রঙের দেখায়। আর আপনাদেরও তাই দেখায়। এই আলোটা সবচেয়ে খারাপ।
** শক্তি-সাশ্রয়ী লাইট বাল্ব নিয়ে অভিযোগ করার সময় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই উক্তি করেন, যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৯-২৪ |শিরোনাম=ট্রাম্প কেন শক্তি-সাশ্রয়ী লাইট বাল্ব পছন্দ করেন না সে প্রসঙ্গে: “আমাকে সবসময় কমলা রঙের দেখায়” |লেখক=এলিয়ট হ্যানন |ইউআরএল=https://slate.com/news-and-politics/2019/09/trump-on-why-he-doesnt-like-energy-efficient-light-bulbs-i-always-look-orange.html}}
* সত্যটা একদম পরিষ্কার — আপনি যদি স্বাধীনতা চান, তবে নিজের দেশ নিয়ে গর্ব করুন; যদি [[গণতন্ত্র]] চান, তবে নিজের সার্বভৌমত্ব আঁকড়ে ধরুন; আর যদি শান্তি চান, তবে নিজের জাতিকে ভালোবাসুন। বিজ্ঞ নেতারা সবসময় তাদের নিজেদের লোক এবং নিজেদের দেশের স্বার্থকে সবার আগে স্থান দেন। ভবিষ্যৎ গ্লোবালিস্টদের নয়। ভবিষ্যৎ দেশপ্রেমিকদের। ভবিষ্যৎ সেই সার্বভৌম ও স্বাধীন দেশগুলোর যারা তাদের নাগরিকদের রক্ষা করে, প্রতিবেশীদের শ্রদ্ধা করে এবং প্রতিটি দেশ যে কারণে অনন্য, সেই পার্থক্যগুলোকে সম্মান জানায়।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের ভাষণ, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৯-১৩ |শিরোনাম=ট্রাম্পের জাতিসংঘ ভাষণে বিশ্বায়নের সমালোচনা: ভবিষ্যৎ হলো জাতীয়তাবাদের |লেখক=টিম পিয়ার্স |সাময়িকী=ওয়াশিংটন এক্সামিনার |ইউআরএল=https://www.washingtonexaminer.com/news/trump-un-speech-knocks-globalism-the-future-belongs-to-nationalism}}
====অক্টোবর ২০১৯====
=====আবু বকর আল-বাগদাদীর মৃত্যু নিয়ে বক্তব্য=====
[[File:President Trump Watches as U.S. Special Operations Forces Close in on ISIS Leader (48967991042).jpg|thumb|গত রাতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসবাদী নেতাকে ন্যায়ের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে। আবু বকর আল-বাগদাদী মৃত। তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে নির্মম ও সহিংস সন্ত্রাসী সংগঠন ইসলামিক স্টেটের প্রতিষ্ঠাতা ও নেতা।]]
:<small>[https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/statement-president-death-abu-bakr-al-baghdadi/ Whitehouse.gov-এ সরকারি বিবৃতি (২৭ অক্টোবর ২০১৯)] · [https://www.nytimes.com/2019/10/27/us/trump-transcript-isis-al-baghdadi.html দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-এ দেওয়া বক্তব্যের প্রতিলিপি (২৭ অক্টোবর ২০১৯)] · [https://www.youtube.com/watch?v=Q6YvsrGILrw "আবু বকর আল-বাগদাদীর মৃত্যু নিয়ে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের পূর্ণাঙ্গ ঘোষণা", দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট ইউটিউব চ্যানেল (২৭ অক্টোবর ২০১৯)]</small>
* গত রাতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসবাদী নেতাকে ন্যায়ের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে। আবু বকর আল-বাগদাদী মৃত। তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে নির্মম ও সহিংস সন্ত্রাসী সংগঠন ইসলামিক স্টেটের প্রতিষ্ঠাতা ও নেতা। বহু বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাগদাদীকে খুঁজছিল। তাকে ধরা বা খতম করা আমার প্রশাসনের জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ছিল। মার্কিন স্পেশাল অপারেশন বাহিনী এই অভিযান সম্পন্ন করতে উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ায় একটি বিপজ্জনক এবং দুঃসাহসী নৈশ অভিযান চালায়।
* নিরপরাধ মানুষকে যারা অত্যাচার ও হত্যা করে, সেইসব সন্ত্রাসীদের কখনোই শান্তিতে ঘুমানো উচিত নয়; কারণ তারা জানে যে আমরা তাদের পুরোপুরি ধ্বংস করে দেব। এই বন্য দানবগুলো তাদের ভাগ্য থেকে রেহাই পাবে না—আর তারা ঈশ্বরের চূড়ান্ত বিচার থেকেও বাঁচতে পারবে না।
* এই অভিযানটি ছিল নিখুঁত এবং এটি কেবল নির্দিষ্ট কিছু দেশ ও মানুষের স্বীকৃতি ও সহায়তায় সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। <br /> আমি রাশিয়া, তুরস্ক, সিরিয়া এবং ইরাককে ধন্যবাদ জানাতে চাই। সেই সাথে সিরীয় কুর্দিদেরও ধন্যবাদ জানাই আমাদের কিছু বিশেষ সহায়তা প্রদানের জন্য। চমৎকার সব গোয়েন্দা কর্মকর্তাদেরও ধন্যবাদ জানাই যারা এই সফল অভিযানটি সম্ভব করতে সাহায্য করেছেন।
* গত রাত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশ্বের জন্য একটি মহান রাত ছিল। একজন নৃশংস খুনি, যে অগণিত মানুষের কষ্ট ও মৃত্যুর কারণ হয়েছিল, তাকে কঠোরভাবে নির্মূল করা হয়েছে—সে আর কখনোই কোনো নিরপরাধ পুরুষ, নারী বা শিশুর ক্ষতি করতে পারবে না। সে একটি কুকুরের মতো মারা গেছে। সে একজন কাপুরুষের মতো মারা গেছে। পৃথিবী এখন অনেক বেশি নিরাপদ।
* আমি বলতে চাই না কীভাবে, তবে এটি ছিল একদম নিখুঁত ঠিক যেন আপনি কোনো সিনেমা দেখছেন। সেখানে ব্যবহৃত প্রযুক্তি এককথায় সত্যিই অসাধারণ।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://edition.cnn.com/2019/10/27/politics/donald-trump-baghdadi-death-isis/index.html ২৭ অক্টোবর ২০১৯]
====নভেম্বর ২০১৯====
* আমি কিছুই চাই না, আমি কিছুই চাই না, আমি কোনো কুইড প্রো কো চাই না। জেলেনস্কিকে বলুন সঠিক কাজটি করতে। এটিই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে শেষ কথা।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], রাষ্ট্রদূত গর্ডন সন্ডল্যান্ডের সাক্ষ্য প্রদানের পর [https://www.vox.com/2019/11/20/20974383/trump-big-sharpie-notes-on-impeachment-testimony ২০ নভেম্বর হোয়াইট হাউসের লনে একটি নোটপ্যাডে লেখা মন্তব্য]।
====ডিসেম্বর ২০১৯====
* এমন এক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেখানে আমরা বেসিন, ঝরনা এবং বাথরুমের অন্যান্য জিনিসগুলো নিয়ে খুব গুরুত্ব দিয়ে ভাবছি।<br>আপনি কলের মুখ খুলছেন কিন্তু কোনো জল পাচ্ছেন না...<br>লোকে ১০ বার, ১৫ বার করে টয়লেট ফ্লাশ করছে। তাদের কাছে এত জল আছে যে তা ওপর থেকে নিচে পড়ছে। একেই বলে বৃষ্টি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, {{উদ্ধৃতি |লেখক=ম্যাথিউ ক্যান্টর |শিরোনাম=ট্রাম্প বলেছেন যে মানুষ '১০ বার টয়লেট ফ্লাশ করে' এবং তিনি এর সমাধান খুঁজছেন |সাময়িকী=দ্য গার্ডিয়ান |তারিখ=২০১৯-১২-০৬ |ইউআরএল=https://www.theguardian.com/us-news/2019/dec/06/trump-says-people-flush-the-toilet-10-times-and-seeks-solution}}
* খুবই হাস্যকর। গ্রেটাকে অবশ্যই তার রাগ নিয়ন্ত্রণের সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে, তারপর কোনো বন্ধুর সাথে সেকেলে ধরনের ভালো কোনো সিনেমা দেখতে যাওয়া উচিত! শান্ত হও গ্রেটা, শান্ত হও!
** ২০১৯ সালে টাইম ম্যাগাজিনের 'পারসন অফ দ্য ইয়ার' নির্বাচিত হওয়ার পর সুইডিশ স্কুলছাত্রী এবং জলবায়ু কর্মী গ্রেটা থুনবার্গ সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেছিলেন, {{উদ্ধৃতি | লেখক=রয়টার্স কর্মী | শিরোনাম=রাগ নিয়ন্ত্রণের খোঁচা দেওয়ার পর ট্রাম্পকে পাল্টা জবাব দিলেন জলবায়ু কর্মী থুনবার্গ | সাময়িকী=রয়টার্স | তারিখ=২০১৯-১২-০৬ | ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/us-usa-election-thunberg-idUSKBN27M0TN}}
* আমি বাতাস কখনও বুঝিনি। আমি উইন্ডমিল সম্পর্কে অনেক জানি, আমি অন্য যে কারও চেয়ে এটি ভালোভাবে পড়েছি। আমি জানি এটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এগুলো বেশিরভাগই চীন আর জার্মানিতে তৈরি হয়, এখানে খুব কম তৈরি হয়, নেই বললেই চলে, কিন্তু এগুলো যখন তৈরি করা হয় তখন—আপনি যদি এর মধ্যে থাকেন তবে বুঝবেন—বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে ধোঁয়া আর গ্যাস নির্গত হয়। আপনারা জানেন তো আমাদের একটা পৃথিবী আছে, তাই না? মহাবিশ্বের তুলনায় এই পৃথিবীটা অনেক ছোট। তাই প্রচুর পরিমাণে ধোঁয়া আর সবকিছু সেখানে মেশে। আপনারা কার্বন ফুটপ্রিন্টের কথা বলেন, ধোঁয়া বাতাসে ছড়াচ্ছে, একদম ছড়াচ্ছে, সেটা চীন বা জার্মানি যেখানেই হোক, তা বাতাসে মিশছে।<br>আপনারা ওই [বায়ুকলগুলো] দেখছেন। ওগুলো সব আলাদা আলাদা রঙের। ওগুলো সাদা ধরনের, কিন্তু কোনোটি আবার কমলা-সাদা। কমলা আমার প্রিয় রঙ।
** টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ সম্মেলনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |লেখক=কনর ম্যানিয়ন |শিরোনাম=রক্ষণশীল গোষ্ঠীর সামনে ভাষণে উইন্ডমিলের সমালোচনা করলেন ট্রাম্প: ‘আমি বাতাস কখনও বুঝিনি’ |সাময়িকী=মিডিয়াআইট |তারিখ=২০১৯-১২-২২ |ইউআরএল=https://www.mediaite.com/trump/trump-attacks-windmills-in-speech-to-conservative-group-i-never-understood-wind/}}
===২০২০===
* সবাই জানে যে ডোনাল্ড ট্রাম্প হার মেনে নিতে পারেন না, আর রয় কোহনের কর্তৃত্ববাদী নির্দেশনার শেষ উপদেশটি ছিল, "যদি তুমি হেরে যাও, তবে বলো যে তুমি জিতেছ।" তাই নভেম্বরে ট্রাম্প যদি হেরে যান, তবে তিনি সম্ভবত দাবি করবেন যে নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে এবং তিনি সেটা বাতিলের চেষ্টা করবেন। কিন্তু ডেমোক্র্যাট এবং ডেমোক্র্যাট-ঘেঁষা স্বতন্ত্র ভোটারদের বিশাল উপস্থিতি তাকে বিদায় করে ২০ জানুয়ারি ২০২১-এ হোয়াইট হাউসের দক্ষিণ বারান্দায় মালপত্র সরানোর ভ্যান নিয়ে আসতে পারে। কোভিড-১৯ অতিমারী এবং জর্জ ফ্লয়েড ট্র্যাজেডিগুলো মোকাবিলায় ট্রাম্পের শোচনীয় ব্যর্থতা কিছু অনিশ্চিত ভোটারকে ডেমোক্র্যাট শিবিরে নিয়ে এসেছে, এমনকি জুনের শুরু পর্যন্ত ট্রাম্পের নিজের সমর্থকদের একাংশও এই সংকটে তার দুর্বল প্রতিক্রিয়া দেখে বিচলিত হয়ে পড়েছেন। তরুণ ভোটাররা এই বিষয়টি নিশ্চিতভাবে ঠিক করে দিতে পারেন, কারণ তারা যুক্তরাষ্ট্রে সবথেকে কম কুসংস্কারাচ্ছন্ন গোষ্ঠী এবং তারা বিভিন্ন কারণে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোর বিরোধী। ঐতিহাসিকভাবে ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সীরা ভোট কম দিলেও জর্জ ফ্লয়েডের হত্যার পর কুসংস্কারের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে তারাই সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল। ডেমোক্র্যাটরা যদি তরুণদের মধ্যে ভালো নিবন্ধন অভিযান চালাতে পারে এবং বাইডেন সমর্থকরা যদি রিপাবলিকানদের দেওয়া ভোট দমনের সব বাধা অতিক্রম করতে পারে, আর যদি বার্নি স্যান্ডার্সের সমর্থকরা ট্রাম্প জিতলে কিছুই না পাওয়ার চেয়ে ভবিষ্যতে বাকিটা পাওয়ার আশায় বর্তমানে অর্ধেক দাবিতেই সন্তুষ্ট থাকে, তবে ডেমোক্র্যাটরা নভেম্বরে হোয়াইট হাউস এবং কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই জয়লাভ করতে পারে। <br>ধরা যাক তেমনটাই হলো। নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলো, কিন্তু এমনকি ইলেক্টোরাল কলেজে ডেমোক্র্যাটরা জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যা পেল। তা সত্ত্বেও ট্রাম্প দাবি করলেন যে সেখানে বিশাল জালিয়াতি হয়েছে এবং এই নির্বাচনের কোনো গুরুত্ব নেই। তিনি বারবার যেমনটা বলেন, সেভাবেই বললেন যে "এটি একটি ধোঁকাবাজি"। তিনি বললেন, "একে ন্যায্য হতে হবে!" আর তার সমর্থকরা ট্রাম্পের সমর্থনে চিৎকার করতে করতে রাস্তায় নেমে এলো। ট্রাম্প হেরে গিয়েও ক্ষমতা ছাড়তে অস্বীকার করলে কারোরই অবাক হওয়া উচিত নয়। মাইকেল কোহেন, যিনি দীর্ঘ বছর ট্রাম্পের ব্যক্তিগত আইনজীবী হিসেবে কাজ করেছেন এবং তাকে অন্য অনেকের চেয়ে ভালো চেনেন, তিনি ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯-এ শপথ নিয়ে বলেছিলেন, "মিস্টার ট্রাম্পের সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে আমি ভয় পাচ্ছি যে তিনি যদি ২০২০ সালের নির্বাচনে হেরে যান, তবে কখনোই সেখানে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর হবে না।" ট্রাম্পের উচ্চপদস্থ কর্মী, যিনি ''নিউ ইয়র্ক টাইমসের'' সম্পাদকীয় এবং ''এ ওয়ার্নিং'' বইয়ের জন্য 'অ্যানোনিমাস' নামে পরিচিত, তিনি বলেছেন যে ট্রাম্প "চুপচাপ বা সহজে বিদায় নেবেন না," যা একটি সম্ভাব্য "গৃহযুদ্ধের" ইঙ্গিত দেয়। স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি ২০১৯ সালের মে মাসে ''নিউ ইয়র্ক টাইমস''-কে বলেছিলেন যে ২০২০ সালে ট্রাম্পের পরাজয় মেনে না নেওয়ার বিষয়টি তাকে চিন্তিত করে, তিনি আরও বলেন, "আমাদের এর বিরুদ্ধে প্রস্তুতি নিতে হবে।"
** জন ডিন এবং বব আলটেমেয়ার, ''অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ার'' (২০২০)। ব্রুকলিন: মেলভিল হাউস, পৃষ্ঠা ২৭৬-২৭৭
* ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি ২০২১ সালে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা ছাড়েনও, তার সমর্থক গোষ্ঠী অটুট থাকবে এবং তারা তার পূর্বসূরির মতো তার উত্তরসূরিকেও বাধা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকবে। অথবা যদি ট্রাম্পের প্রভাব অনিবর্য়ভাবে কমে যায়, তবে সেই সমর্থক গোষ্ঠী অন্য যে কেউ নিজেদের দখলে নিতে পারবে তার জন্যই কাজ করবে। ট্রাম্পের চেয়ে বুদ্ধিমান কেউ যদি ফক্স নিউজ এবং ডানপন্থী সংবাদমাধ্যমের সমর্থন পায়, তবে ভবিষ্যতে সে আরও বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। আপনারা নিশ্চিত থাকতে পারেন যে বিভিন্ন উচ্চাকাঙ্ক্ষী ব্যক্তিরা ইতিমধ্যেই পরবর্তী ত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার কথা ভাবতে শুরু করেছেন। আপনারা এটাও নিশ্চিত থাকতে পারেন যে "রাজা নির্মাতা" বা ক্ষমতাশালীরাও এখন এই ক্ষেত্রটি নিয়ে পড়াশোনা করছেন, যার মধ্যে ধর্মীয় রক্ষণশীল নেতাদেরও অন্তর্ভুক্ত করা যায় যারা হয়ত বুঝতে পারছেন যে তাদের বিশ্বাসীদের ওপর ট্রাম্পের নিয়ন্ত্রণ কিছুটা শিথিল হচ্ছে।
** জন ডিন এবং বব আলটেমেয়ার, ''অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ার'' (২০২০)। ব্রুকলিন: মেলভিল হাউস, পৃষ্ঠা ২৭৯
* একজন চতুর ক্ষমতা দখলকারী হওয়ার যোগ্যতা ডোনাল্ড জন ট্রাম্পের নেই বললেই চলে। যদি মনে হয় আমরা তার প্রতি কঠোর হয়েছি, তবে যারা তার সাথে চলেন তাদের কথা শুনুন। মানুষ হিসেবে তিনি একটি করুণ দৃষ্টান্ত। তার চিন্তাচেতনা অনেক দিন ধরেই বাস্তববিমুখ। তিনি নিজের জীবনই ঠিক করতে অক্ষম, যা অহংকারের ক্ষত আর অজ্ঞতা ও আত্মপ্রবঞ্চনার গর্তে ভরা, তাই তিনি যে ক্ষতি করেছেন তা মেরামত করা তার পক্ষে অসম্ভব। যদি তিনি সম্রাট হন, তবে আমরা গর্ব করে বলতে পারব যে কোনো নির্বোধ রাজা তৈরি করতে আমাদের প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে অন্তঃপ্রজনন করতে হয়নি। আমরা একজনকে দিয়েই শুরু করেছি। আরও দুঃখের বিষয় হলো, দেশের একটি সংখ্যালঘু অংশ হয়ত ট্রাম্পকে একনায়ক বানাতে পারবে না। বেশিরভাগ আমেরিকান তাকে ভোট দেবে না; তারা কেবল ভোটই দেয়নি। সংক্ষেপে বলতে গেলে, আমাদের পূর্বপুরুষরা যার জন্য লড়াই করেছেন এবং যা জয় করেছেন ও রক্ষা করেছেন, তা আমরা হারাতে পারি কারণ আমাদের বেশিরভাগ মানুষ ২০২০ সালে তা রক্ষার জন্য ভোট দিতেও যাবে না।
** জন ডিন এবং বব আলটেমেয়ার, ''অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ার'' (২০২০)। ব্রুকলিন: মেলভিল হাউস, পৃষ্ঠা ২৮২
* হোয়াইট হাউসে আসার পর ভিতরে সবকিছু কীভাবে চলে তা সুশৃঙ্খলভাবে বোঝার সুযোগ পেতে আমার প্রায় এক মাস সময় লেগেছিল। অনেকভাবেই বিশৃঙ্খলা তৈরি হতো, যা প্রায়ই নির্দিষ্ট নীতিগত বিষয়ের মাধ্যমে প্রকাশ পেত... ২০১৮ সালের শেষ মাস এবং ২০১৯ সালের শুরুর দিকে, ট্রাম্পের ক্ষমতায় থাকার দ্বিতীয় বছর যখন শেষ হচ্ছিল-আমার আসার প্রায় আট থেকে নয় মাস পরে বেশ কিছু বিচ্ছিন্ন বিষয় এবং ব্যক্তি প্রশাসনকে আরও অজানা পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিতে শুরু করে। উদাহরণস্বরূপ, ২০১৮ সালের জুনের শুরুতে জন এফ. কেলি ট্রাম্পের সময়সূচীর জন্য একটি নতুন কৌশল ব্যবহার করেন। তিনি প্রতিদিন সকাল ১১টায় ওভাল অফিসে "চিফ অফ স্টাফ" সময় দিয়ে দিন শুরু করতেন, এই আশায় যে সপ্তাহে দুবার গোয়েন্দা ব্রিফিংয়ের সময় ট্রাম্প যে এলোমেলো দীর্ঘ বক্তব্য দেন তা কমানো যাবে। অবশ্যই বেশিরভাগ মানুষ যা দেখে অবাক হতেন তা হলো, ট্রাম্পের "অফিসিয়াল" দিন শুরু হতো প্রায় দুপুরের খাবারের সময় থেকে। ট্রাম্প সকালে অলসভাবে বসে থাকতেন না। বরং তিনি বাসভবনে ফোনে কথা বলে অনেক সময় কাটাতেন। তিনি সব ধরনের মানুষের সাথে কথা বলতেন, কখনও সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে (আমি ওভাল অফিসে আসার আগে প্রায় প্রতিদিন তার সাথে ফোনে কথা বলতাম কারণ অনেক বিষয়ে তাকে জানানো বা তার নির্দেশ নেওয়ার প্রয়োজন হতো), কিন্তু তিনি সরকারের বাইরের মানুষের সাথেও দীর্ঘ সময় কথা বলতেন। যেকোনো সংজ্ঞায় এটি সমসাময়িক রাষ্ট্রপতিদের মধ্যে একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা ছিল।
** জন বোল্টন, ''দ্য রুম হোয়্যার ইট হ্যাপেন্ড: এ হোয়াইট হাউস মেমোয়ার'' (২০২০), পৃষ্ঠা ২২৩
* আসলে ট্রাম্প সাধারণত সপ্তাহে মাত্র দুবার গোয়েন্দা ব্রিফিং নিতেন এবং সেগুলোর বেশিরভাগই ব্রিফিং দেওয়া কর্মকর্তাদের চেয়ে তিনিই বেশি কথা বলতেন, যা প্রায়ই সেই বিষয়ের সাথে সম্পূর্ণ সম্পর্কহীন হতো। ট্রাম্পের সময়সূচী সামলানো ছিল সবথেকে সহজ কাজ। তার প্রতিহিংসাপরায়ণতা সামলানো ছিল সবথেকে কঠিন, যা জন ম্যাককেইনের প্রতি তার ক্রমাগত ক্ষোভের মধ্য দিয়ে ফুটে উঠত এমনকি ম্যাককেইন মারা যাওয়ার পরও যখন তিনি ট্রাম্পের কোনো ক্ষতি করতে পারতেন না। তার প্রতিহিংসার আরেকটি উদাহরণ ছিল ১৫ আগস্ট সিআইএ-এর প্রাক্তন পরিচালক জন ব্রেনানের সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত। এখন ব্রেনানও খুব একটা ভালো ছিলেন না এবং তার সময়ে সিআইএ আগের চেয়ে অনেক বেশি রাজনৈতিক হয়ে পড়েছিল। তিনি যেকোনো অন্যায়ের কথা অস্বীকার করেছিলেন, কিন্তু ট্রাম্প নিশ্চিত ছিলেন যে ব্রেনান তার ২০১৬ সালের নির্বাচনী অভিযানে নজরদারি করার জন্য ফিসা প্রক্রিয়ার অপব্যবহারের সাথে জড়িত ছিলেন। ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর ব্রেনান মিডিয়াতে তার নিয়মিত সমালোচনা করার ফলে বিষয়টি আরও জটিল হয়ে উঠেছিল।
** জন বোল্টন, ''দ্য রুম হোয়্যার ইট হ্যাপেন্ড: এ হোয়াইট হাউস মেমোয়ার'' (২০২০), পৃষ্ঠা ২২৪
* রাষ্ট্রপতির ইতিহাসে হয়ত ট্রাম্পই একমাত্র ব্যক্তি যিনি অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় উপস্থিত হওয়া নিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছিলেন। শুরুটা হয়েছিল ২০১৮ সালের এপ্রিলে বারবারা বুশের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সময়, যেখানে ট্রাম্প উপস্থিত হননি (যদিও চারজন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এবং ফার্স্ট লেডি সেখানে উপস্থিত ছিলেন)। এরপর আগস্টের শেষে ছিল জন ম্যাককেইনের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া। কেলি ২৭ আগস্ট হোয়াইট হাউসের কর্মীদের সাথে সাপ্তাহিক বৈঠক শুরু করে বলেছিলেন, "আমি আজ খুব খারাপ অবস্থায় আছি," কারণ ট্রাম্পের সাথে সরকারি পতাকা অর্ধনমিত রাখা এবং কারা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তা নিয়ে তার ক্রমাগত মতপার্থক্য চলছিল। ম্যাককেইনের পরিবারও অনুষ্ঠানে ট্রাম্পকে চায়নি, তাই অনুভূতিটা ছিল পারস্পরিক। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হলো যে ক্যাপিটল রোটুন্ডা অনুষ্ঠান এবং ওয়াশিংটন ন্যাশনাল ক্যাথেড্রালের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া উভয় অনুষ্ঠানেই পেন্স প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেতৃত্ব দেবেন। অনুষ্ঠানে প্রচুর মানুষ উপস্থিত হয়েছিলেন এবং সেখানে সেই সামাজিক মেলামেশাও ছিল যা সাধারণত বিদায় বেলায় ঘটে থাকে। আমি যাদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছি তাদের মধ্যে ছিলেন জর্জ ডব্লিউ বুশ এবং লরা বুশ। বুশ হাসি মুখে জিজ্ঞেস করলেন, "বোল্টন, এখনো চাকরিটা আছে তো?" "আপাতত আছে," আমি উত্তর দিলাম এবং আমরা সবাই হাসলাম। যখন জর্জ এইচ.ডব্লিউ. বুশ পরবর্তীতে আর্জেন্টিনা জি২০ চলাকালীন মারা গেলেন, ট্রাম্প জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করলেন, একটি যথাযথ রাষ্ট্রপতির বিবৃতি দিলেন এবং বৈঠকের সময় জর্জ ডব্লিউ. এবং জেব বুশ উভয়ের সাথেই আন্তরিকভাবে কথা বললেন। তিনি এবং ফার্স্ট লেডি ৫ ডিসেম্বর কোনো ঝামেলা ছাড়াই ন্যাশনাল ক্যাথেড্রালের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। আসলে এটা করা খুব একটা কঠিন ছিল না।
** জন বোল্টন, ''দ্য রুম হোয়্যার ইট হ্যাপেন্ড: এ হোয়াইট হাউস মেমোয়ার'' (২০২০), পৃষ্ঠা ২২৬
* আমার দাদামশাই ট্রাম্প পরিবারে বিভাজনের যে পরিবেশ তৈরি করেছিলেন, ডোনাল্ড সবসময় সেই পরিবেশেই বেড়ে উঠেছেন এবং বিভাজন তাকে অন্যদের বিনিময়ে সুবিধা দিয়ে চলেছে। এটি আমাদের দয়ালু হওয়ার বা ক্ষমাশীলতায় বিশ্বাস করার ক্ষমতাকে দুর্বল করে দিচ্ছে, যে ধারণাগুলোর কোনো মানেই তার কাছে কোনোদিন ছিল না। তার প্রশাসন এবং তার দল এখন তার অভিযোগ আর অধিকারের রাজনীতির নিচে চাপা পড়ে গেছে। আরও খারাপ বিষয় হলো ডোনাল্ড, যিনি ইতিহাস, সাংবিধানিক নীতি, কূটনীতি (বা আসলে অন্য কিছু নিয়েই) কিছুই বোঝেন না এবং যাকে কখনও এই ধরনের জ্ঞান প্রদর্শনের জন্য চাপ দেওয়া হয়নি, তিনি দেশের সব জোট এবং আমাদের সামাজিক কর্মসূচিগুলোকে কেবল টাকার চশমা দিয়ে মূল্যায়ন করেছেন, ঠিক যেমনটা তার বাবা তাকে শিখিয়েছিলেন। শাসনের ব্যয় এবং সুবিধাকে কেবল আর্থিক দিক থেকে বিবেচনা করা হয়, যেন মার্কিন ট্রেজারি তার ব্যক্তিগত মাটির ব্যাংক। তার কাছে প্রতিটি ডলার খরচ হওয়া মানে তার নিজের ক্ষতি, আর প্রতিটি ডলার বাঁচানো মানে তার নিজের লাভ।
** মেরি এল. ট্রাম্প, ''টু মাচ অ্যান্ড নেভার এনাফ: হাউ মাই ফ্যামিলি ক্রিয়েটেড দ্য ওয়ার্ল্ড'স মোস্ট ডেঞ্জারাস ম্যান'' (২০২০), পৃষ্ঠা ১৫-১৬
* যদিও আমার ফুফু এবং চাচারা অন্য কিছু ভাববেন, আমি এই বইটি অর্থ উপার্জন বা প্রতিশোধ নেওয়ার উদ্দেশ্যে লিখছি না। যদি সেগুলোর কোনো একটিও আমার উদ্দেশ্য হতো, তবে আমি অনেক বছর আগেই আমাদের পরিবার নিয়ে বই লিখতাম, যখন ডোনাল্ড তার বারবার দেউলিয়া হওয়া ব্যবসায়ী হিসেবে খ্যাতি এবং গুরুত্বহীন রিয়েলিটি শো হোস্টের পরিচয় ব্যবহার করে হোয়াইট হাউসে পৌঁছাবেন তা অনুমান করার কোনো উপায় ছিল না। তখন এটি অনেক নিরাপদও হতো কারণ আমার চাচা তখন তথ্য প্রকাশকারী বা সমালোচকদের ভয় দেখানো বা বিপদে ফেলার মতো অবস্থানে ছিলেন না। তবে গত তিন বছরের ঘটনাগুলো আমাকে বাধ্য করেছে এবং আমি আর চুপ করে থাকতে পারছি না। এই বইটি যখন প্রকাশিত হবে, ততদিনে ডোনাল্ডের অহংকার আর ইচ্ছাকৃত অজ্ঞতার বেদীতে লক্ষ লক্ষ আমেরিকান জীবন বলিদান দেওয়া হয়ে যাবে। তিনি যদি দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসেন, তবে সেটি হবে আমেরিকান গণতন্ত্রের শেষ।
** মেরি এল. ট্রাম্প, ''টু মাচ অ্যান্ড নেভার এনাফ: হাউ মাই ফ্যামিলি ক্রিয়েটেড দ্য ওয়ার্ল্ড'স মোস্ট ডেঞ্জারাস ম্যান'' (২০২০), পৃষ্ঠা ১৬-১৭
* যখন আপনি নিজেই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করেন এবং আপনাকে আপনার কথা বিস্তারিত ব্যাখ্যা করতে বা আপনি প্রকৃত তথ্য বুঝতে পারছেন কি না তা প্রমাণ করতে বাধ্য করা হয় না, তখন কথা বলা বা নিজেকে জ্ঞানী হিসেবে তুলে ধরা খুব সহজ। এটি সংবাদমাধ্যমের জন্য একটি অভিযোগ (অন্য অনেকের মধ্যে) যে নির্বাচনী প্রচারণার সময় এগুলোর কিছুই বদলায়নি, যখন ডোনাল্ডের মিথ্যা এবং অদ্ভুত দাবিগুলো প্রকাশ করলে হয়ত আমাদের তার রাষ্ট্রপতিত্ব থেকে বাঁচানো যেত। হাতেগোনা যে কয়েকবার তাকে তার অবস্থান বা নীতি (যার আসলে কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তখনও তার কাছ থেকে কোনো যৌক্তিক কথা বা গভীর জ্ঞান প্রদর্শনের আশা করা হয়নি। নির্বাচনের পর থেকে তিনি এই ধরনের প্রশ্নগুলো পুরোপুরি এড়িয়ে যাওয়ার উপায় বের করে নিয়েছেন; হোয়াইট হাউসের প্রেস ব্রিফিং এবং আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনের বদলে এখন এসেছে "চপার টক" বা হেলিকপ্টারের শব্দের মধ্যে কথা বলা, যেখানে তিনি অভিনয় করতে পারেন যে হেলিকপ্টারের শব্দের জন্য তিনি কোনো অপ্রীতিকর প্রশ্ন শুনতে পাচ্ছেন না। ২০২০ সালে তার অতিমারী বিষয়ক "প্রেস ব্রিফিং" দ্রুতই আত্মতুষ্টি, জনমোহিনী বক্তৃতা আর চাটুকারিতায় ভরা ছোটখাটো নির্বাচনী জনসভায় পরিণত হয়েছিল। সেখানে তিনি সেই অমার্জনীয় ব্যর্থতাগুলোকে অস্বীকার করেছেন যা ইতিমধ্যেই হাজার হাজার মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে, উন্নতির কথা নিয়ে মিথ্যা বলেছেন এবং সেইসব মানুষকে বলির পাঁঠা বানিয়েছেন যারা পর্যাপ্ত সুরক্ষা ও সরঞ্জাম ছাড়াই নিজেদের জীবন ঝুঁকি নিয়ে আমাদের বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। এমনকি যখন লক্ষ লক্ষ আমেরিকান অসুস্থ হয়ে মারা যাচ্ছে, তখনও তিনি একে জয় হিসেবে এবং তার অসাধারণ নেতৃত্বের প্রমাণ হিসেবে প্রচার করছেন। আর যদি কেউ মনে করে যে তিনি গম্ভীর বা গম্ভীর হতে সক্ষম, তবে তিনি মডেলদের সাথে শোয়া নিয়ে জোকস করবেন অথবা তার ফেসবুক অনুসারীর সংখ্যা নিয়ে মিথ্যা বলবেন। তবুও সংবাদ মাধ্যমগুলো তার থেকে সরে আসতে রাজি নয়। যে কয়েকজন সাংবাদিক তাকে চ্যালেঞ্জ করেন বা যারা ডোনাল্ডকে কেবল একটি আতঙ্কিত জাতির জন্য সান্ত্বনার বাণী বলতে অনুরোধ করেন, তাদের "নচ্ছাড়" বলে উপহাস ও অবজ্ঞা করা হয়। ডোনাল্ডের প্রথম দিকের সেই ধ্বংসাত্মক আচরণ যা ফ্রেড উৎসাহিত করেছিলেন, সেখান থেকে শুরু করে মিডিয়ার তাকে চ্যালেঞ্জ করতে অনিচ্ছা এবং ২০ জানুয়ারি ২০১৭ থেকে তিনি প্রতিদিন যে দুর্নীতি করছেন তার প্রতি রিপাবলিকান পার্টির চোখ বুজে থাকা সবকিছুই এই এককালের মহান জাতির অর্থনীতি, গণতন্ত্র এবং স্বাস্থ্যের আসন্ন পতনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
** মেরি এল. ট্রাম্প, ''টু মাচ অ্যান্ড নেভার এনাফ: হাউ মাই ফ্যামিলি ক্রিয়েটেড দ্য ওয়ার্ল্ড'স মোস্ট ডেঞ্জারাস ম্যান'' (২০২০), পৃষ্ঠা ২০৩
* সাত ঘণ্টা পর ট্রাম্প গত তিন মাসের মধ্যে তার প্রথম করোনাভাইরাস টাস্ক ফোর্স সংবাদ সম্মেলনে একটি দীর্ঘ বক্তব্য দেন। তিনি হোয়াইট হাউসে একাই কথা বলেন। সেখানে মাইক পেন্স, ফাউসি বা বার্কস কেউ ছিলেন না। তিনি তার বলার ধরণও পরিবর্তন করেন। ভাইরাসের পরিস্থিতি নিয়ে সবকিছু খুব একটা ভালো ছিল না। "এটি সম্ভবত দুর্ভাগ্যের বিষয় যে ভালো হওয়ার আগে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে," ট্রাম্প একটি অস্বাভাবিক বাস্তববাদী কথা বলেন। "এমন কিছু যা আমি কোনো বিষয় সম্পর্কে বলতে পছন্দ করি না, কিন্তু পরিস্থিতি এমনই।" এর আগে ট্রাম্প মাস্ক পরতে অনিচ্ছুক ছিলেন। "একটি মাস্ক নিন," তিনি বলেন। "আপনি মাস্ক পছন্দ করেন বা না করেন, এর একটি প্রভাব আছে। এর একটা ফল পাওয়া যাবে এবং আমাদের যা যা পাওয়া সম্ভব তার সবই প্রয়োজন।" তার মন্তব্যগুলো ছিল একটি পরোক্ষ স্বীকারোক্তি যে তার আগের পদ্ধতিগুলো কাজ করেনি এবং আসলে ভাইরাসের পরিস্থিতি অনেক বেশি খারাপ ছিল। দিনটি ছিল ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতিত্বের একটি ক্ষুদ্র রূপ, যা কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে "আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে" থেকে "ভালো হওয়ার আগে আরও খারাপ হবে", এই দুই মেরুতে ঘুরেছে। এটি ছিল একদম সাম্প্রতিক উদাহরণ এবং এই বইটি প্রেসে যাওয়ার আগের শেষ ঘটনা যে ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতিত্ব ছিল দ্বিধাগ্রস্ততায় ভরা, একটি অনিশ্চিত পথে চলা, যা কখনও লড়াই আবার কখনও সমঝোতা এবং একটি বক্তব্য বা পদক্ষেপ থেকে ঠিক তার বিপরীত দিকে যাওয়ার মধ্য দিয়ে চলেছে।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৮৪-৩৮৫
* রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প সম্পর্কে এই বইয়ের প্রতিবেদন শেষ করার পর আমি ক্লান্তি অনুভব করলাম। দেশটি তখন সত্যিকারের বিশৃঙ্খলার মধ্যে ছিল। ভাইরাসটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল। অর্থনীতি সংকটে ছিল এবং ৪ কোটিরও বেশি মানুষ কর্মহীন ছিল। বর্ণবাদ এবং বৈষম্য নিয়ে একটি শক্তিশালী হিসাব-নিকাশের সময় আমাদের সামনে ছিল। এর কোনো শেষ দেখা যাচ্ছিল না এবং সেখান থেকে বের হওয়ার কোনো পরিষ্কার পথও ছিল না। আমি ৭ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্পের সাথে সেই কথোপকথনের কথা ভাবলাম যখন তিনি "প্রতিটি দরজার পিছনে ডিনামাইট" বা সেই অপ্রত্যাশিত বিস্ফোরণের কথা উল্লেখ করেছিলেন যা সবকিছু বদলে দিতে পারে। তিনি সম্ভবত কোনো বাইরের ঘটনার কথা ভাবছিলেন যা ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতিত্বকে প্রভাবিত করবে। কিন্তু এখন আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে, "দরজার পিছনের ডিনামাইট" সবার সামনেই ছিল। সেটি ছিলেন ট্রাম্প নিজেই। সেই বিশাল ব্যক্তিত্ব। সুসংগঠিত হতে ব্যর্থতা। শৃঙ্খলার অভাব। তার বেছে নেওয়া মানুষ বা বিশেষজ্ঞদের ওপর বিশ্বাসের অভাব। অনেক আমেরিকান প্রতিষ্ঠানকে অবমূল্যায়ন করার চেষ্টা। একটি শান্ত ও নিরাময়কারী কণ্ঠস্বর হতে ব্যর্থতা। ভুল স্বীকার করতে অনিচ্ছা। নিজের কাজ নিজে করতে ব্যর্থতা। শান্তির প্রস্তাব দিতে ব্যর্থতা। অন্যদের কথা মন দিয়ে শোনা। একটি পরিকল্পনা তৈরি করা। ম্যাটিস, টিলারসন এবং কোটস এরা সবাই রক্ষণশীল বা অরাজনৈতিক মানুষ ছিলেন যারা তাকে এবং দেশকে সাহায্য করতে চেয়েছিলেন। তারা নিখুঁত মানুষ ছিলেন না, কিন্তু জনসেবার আহ্বানে সাড়া দিয়েছিলেন। তারা কোনো ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠী বা ডিপ স্টেট ছিলেন না। তবুও তাদের প্রত্যেকেই তাদের নেতার কাছ থেকে নিষ্ঠুর কথা শুনে বিদায় নিয়েছেন। তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন যে ট্রাম্প তাদের দেশের জন্য এক অস্থির হুমকি। একটু ভেবে দেখুন: শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা নেতারা মনে করতেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি দেশের জন্য একটি বিপদ।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৮৬-৩৮৭
* ২৮ জানুয়ারি ২০২০-এ যখন ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং তার উপ-প্রধান ট্রাম্পকে সতর্ক করেছিলেন যে এই ভাইরাসটি তার রাষ্ট্রপতিত্বের জন্য সবথেকে বড় জাতীয় নিরাপত্তা হুমকি হবে—হতে পারে এমন নয়, বরং হবে তখন নেতৃত্বের ঘড়িটি নতুন করে সেট করতে হয়েছিল। এটি ছিল একটি বিস্তারিত পূর্বাভাস, যা তথ্য এবং অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে করা হয়েছিল এবং দুর্ভাগ্যবশত যা সঠিক প্রমাণিত হয়েছিল। রাষ্ট্রপতিরা হলেন নির্বাহী বিভাগ। সেখানে সতর্ক করার একটি দায়িত্ব ছিল। শোনা, পরিকল্পনা করা এবং যত্ন নেওয়ার দায়িত্ব। দীর্ঘ সময় ধরে ট্রাম্প গড়িমসি করেছেন এবং অন্যরা যেমনটা বলেছিলেন, তিনিও বলেছিলেন যে ভাইরাসটি চিন্তার কারণ কিন্তু এখনই নয়। দুই নৌকায় পা দেওয়ার ভালো কারণ ছিল, কিন্তু সেখানে আরও সুসংগত এবং সাহসীভাবে কথা বলা উচিত ছিল। নেতৃত্ব দেওয়া মানেই প্রায় সবসময় ঝুঁকি নেওয়া। ভাইরাসটি, যাকে ট্রাম্প "মহামারী" বলেন, তা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশ্বকে এমন এক অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খলার মধ্যে ফেলেছে যা কেবল মন্দা নয়, বরং মহামন্দা হতে পারে। এটি একটি প্রকৃত আর্থিক সংকট, যা কোটি কোটি মানুষকে কর্মহীন করে দিয়েছে। ট্রাম্পের সমাধান হলো অতিমারী-পূর্ব সময়ে তিনি যে অর্থনৈতিক অলৌকিকতা সৃষ্টি করেছেন বলে বিশ্বাস করেন, তা আবার তৈরি করার চেষ্টা করা। ডেমোক্র্যাট, রিপাবলিকান এবং ট্রাম্প পুনরুদ্ধারের জন্য অন্তত ২.২ ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করতে রাজি হয়েছিলেন, যা ক্রমবর্ধমান ঘাটতির কারণে ভবিষ্যতে নিজস্ব সমস্যা তৈরি করবে। মানুষের প্রাণের ক্ষয়ক্ষতি ছিল অকল্পনীয়, জুলাইয়ের মধ্যে ভাইরাসে ১,৩০,০০০-এর বেশি আমেরিকান মারা গেছে এবং এর কোনো প্রকৃত শেষ দেখা যাচ্ছে না।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৮৯
* আমেরিকান রাজনীতির গভীরভাবে গেঁথে থাকা ঘৃণা ট্রাম্পের বছরগুলোতে আরও বিকশিত হয়েছিল। তিনি সেগুলোকে উস্কে দিয়েছিলেন এবং দেশটিকে এক করার জন্য সুসংহত কোনো প্রচেষ্টা করেননি। ডেমোক্র্যাটরাও তা করেনি। ট্রাম্প মনে করতেন ডেমোক্র্যাটরা তার সাথে খুব অন্যায় করেছে, আবার ডেমোক্র্যাটরাও মনে করত ট্রাম্প তাদের সাথে অন্যায় করেছেন। তাদের মধ্যে দেয়ালগুলো কেবল আরও উঁচুই হয়েছে। ট্রাম্পের সাথে আমার ১৭টি সাক্ষাৎকার নেওয়া একটি চ্যালেঞ্জ ছিল। তিনি তার ওপর লেখা আমার প্রথম বই ''ফিয়ার''-কে অসত্য, একটি "প্রতারণা" এবং "ঠাট্টা" বলে অভিহিত করেছিলেন এবং আমাকে "ডেমোক্র্যাটদের লোক" বলেছিলেন। তার ঘনিষ্ঠ কয়েক জন তাকে বলেছিলেন যে বইটি সত্য ছিল এবং লিন্ডসে গ্রাহাম তাকে বলেছিলেন যে আমি তার মুখে কোনো কথা বসিয়ে দেব না এবং যতটা সম্ভব নির্ভুলভাবে প্রতিবেদন করব। ট্রাম্প কোনো এক কারণে আমার সাথে সহযোগিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যা আমার কাছে পরিষ্কার নয়। তার মনে হয়েছিল তিনি একজন নির্ভরযোগ্য উৎস হয়ে উঠবেন। তিনি কখনও নির্ভরযোগ্য ছিলেন, কখনও পুরোপুরি অনির্ভরযোগ্য এবং প্রায়ই মিশ্র... কিন্তু সাক্ষাৎকারগুলো দেখায় যে তার "আমি একাই এটি ঠিক করতে পারি" এমন কথাবার্তা সত্ত্বেও তিনি অনেক সময় দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন, সত্য গোপন করেছেন এবং দেশের নেতার ভূমিকা এড়িয়ে গেছেন। আমেরিকা এবং বিশ্ব যেমনটা জানে, ট্রাম্প একজন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। তিনি জাঁকজমক পছন্দ করেন। সংকটের সময় রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত বিষয়ের চেয়ে কার্যকারিতা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কোটি কোটি মানুষের কাছে আমেরিকার আশার গল্প একটি দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৮৯-৩৯০
* প্রায় ৫০ বছর ধরে আমি নিক্সন থেকে ট্রাম্প পর্যন্ত ৯ জন রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে লিখেছি যা ৪৫ জন মার্কিন রাষ্ট্রপতির ২০ শতাংশ। একজন রাষ্ট্রপতিকে অবশ্যই জনগণের সাথে খারাপ সংবাদের পাশাপাশি ভালো সংবাদ ভাগ করে নিতে ইচ্ছুক হতে হবে। সকল রাষ্ট্রপতির তথ্য দেওয়া, সতর্ক করা, রক্ষা করা এবং লক্ষ্য ও প্রকৃত জাতীয় স্বার্থকে সংজ্ঞায়িত করার একটি বড় বাধ্যবাধকতা থাকে। ট্রাম্প এর বদলে ব্যক্তিগত আবেগকে তার শাসনের মূলনীতি বানিয়ে ফেলেছেন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার কর্মদক্ষতা সামগ্রিকভাবে বিবেচনা করলে আমি কেবল একটি সিদ্ধান্তেই পৌঁছাতে পারি: ট্রাম্প এই কাজের জন্য ভুল মানুষ।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৯১-৩৯২
====জানুয়ারি ২০২০====
=====ডোনাল্ড ট্রাম্পের চার্লসটন, সাউথ ক্যারোলাইনা জনসভা (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০)=====
:<small>সাউথ ক্যারোলাইনার চার্লসটন জনসভায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]-এর ভাষণ (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০), ''রেভ''-এ [https://www.rev.com/blog/transcripts/donald-trump-charleston-south-carolina-rally-transcript-february-28-2020 অনলাইনে থাকা প্রতিলিপি] থেকে সংগৃহীত।</small>
* ধন্যবাদ। ধন্যবাদ। আপনাদের অনেক ধন্যবাদ। আমি শুধু এটাই বলতে পারি যে, এই ভুয়া খবরের মাধ্যমগুলো আসলে কিছুই বোঝে না, তাই না? তারা এটা বুঝতেই পারে না। [অস্পষ্ট ০০:০২:৫৪] তারা একদমই বোঝে না। হ্যালো চার্লসটন! আমি সাউথ ক্যারোলাইনার মতো এই চমৎকার অঙ্গরাজ্যে হাজার হাজার পরিশ্রমী আমেরিকান দেশপ্রেমিকদের মাঝে ফিরে আসতে পেরে রোমাঞ্চিত, যারা বিশ্বাস, পরিবার, ঈশ্বর এবং নিজের দেশে আস্থা রাখেন। ধন্যবাদ। এখানে এক বিশাল ভিড় জমেছে, যা কেবল বাইরের সেই মানুষের সংখ্যার চেয়ে কম যারা ভেতরে ঢোকার সুযোগ পাননি। আপনারা যারা এখানে দাঁড়িয়ে আছেন বা বসে আছেন, তাদের মধ্যে কেউ যদি নিজের জায়গা ছেড়ে দিতে চান, তবে হাত তুলুন। ঠিক আছে। তাহলে চলুন শুরু করি, তাই তো? সবাইকে অনেক ধন্যবাদ। এটা দারুণ। না, তারা এটা বোঝে না। এই রাস্তার কিছুটা দূরেই আগামীকাল যারা নির্বাচনে লড়তে যাচ্ছেন তাদের একজনের একটা সভা চলছে। তারা ১০০ জন লোক জড়ো করার চেষ্টা করছে, কিন্তু তারা পারবে না। তাই আমার মনে হয় তারা একটা গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করবে। তারা আসলে সেটাই করে। তাই মানুষ যখন কোনো জনসভায় যেতে চায়, শেষ পর্যন্ত তারা গোলটেবিলে বসে অভিশংসন নিয়ে নিজেদের ব্যাখ্যা দেয়। পাগলামি।
* না, এটা পাগলামি। স্রেফ পাগলামি! এটা একটা অদ্ভুত ব্যাপার। না, এই ভুয়া খবরের সংবাদমাধ্যমগুলো বছরের পর বছর ধরে এটা বোঝার চেষ্টা করছে। কিন্তু তারা এখনো বুঝতে পারেনি। তারা বুঝতে পারছে না। ওই ক্যামেরাগুলোর দিকে তাকিয়ে দেখুন। ওই সব ক্যামেরা দেখুন। কত কত ক্যামেরা! লিন্ডসে এবং টিম, অনেক ক্যামেরা... তারা শুনেছে যে আপনারা এখানে আছেন। তারা শুনেছে টিম আর লিন্ডসে এখানে আছেন এবং... তারা বলেছিল, "আমরা ওই জনসভায় যাব না," কিন্তু যখন তারা শুনল যে আমাদের এই চমৎকার কংগ্রেস সদস্যদের সাথে ওই দুজনও এখানে আছেন... তবে আমাদের জাতির জন্য এটি একটি অবিশ্বাস্য সময়। আমরা যাকে ‘আমেরিকার মহিমান্বিত প্রত্যাবর্তন’ বলছি, আমরা এখন তার ঠিক মাঝখানে আছি। কর্মসংস্থান বাড়ছে, আয় বাড়ছে, কারখানাগুলো ফিরে আসছে, দারিদ্র্য কমছে, আত্মবিশ্বাস বাড়ছে এবং আমরা মার্কিন সামরিক বাহিনীর দুর্দান্ত ক্ষমতাকে সম্পূর্ণ নতুনভাবে গড়ে তুলেছি। আমাদের দেশ আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।
* আমরা আরও শক্তিশালী, আমরা আরও ভালো অবস্থানে আছি। কিন্তু যখন আমরা একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলছি, তখন ওয়াশিংটনের কট্টর বামপন্থী ডেমোক্র্যাটরা সবকিছু পুড়িয়ে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। তারা গত তিন বছর ধরে এমনকি আমি আরও আগে থেকে বলতে পারি, নির্বাচনের পর থেকে তিন বছর হয়েছে, তবে আমরা নির্বাচনের আগের কথাই ধরি তারা আপনাদের ভোট মুছে ফেলার এবং আমাদের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। কিন্তু আপনাদের সাহায্যে আমরা অতি-বামপন্থীদের দুর্নীতি ফাঁস করেছি এবং তাদের অশুভ পরিকল্পনা নস্যাৎ করেছি। দেখা যাক সামনের মাসগুলোতে কী হয়। চলুন দেখি। স্রেফ অপেক্ষা করে দেখি। খুবই অসৎ লোক তারা। এখন ডেমোক্র্যাটরা করোনাভাইরাসকে রাজনৈতিক রূপ দিচ্ছে, আপনারা সেটা জানেন তো? করোনাভাইরাস, তারা এটাকে রাজনীতিতে টেনে আনছে। আমরা চমৎকারভাবে কাজ করেছি। আপনারা যখন জিজ্ঞেস করেন, "রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প কেমন কাজ করছেন?" তখন তারা বলে, "ওহ, ভালো না, ভালো না।" তাদের কোনো ধারণা নেই। তাদের বিন্দুমাত্র ধারণা নেই। তারা এমনকি আইওয়াতে তাদের ভোটও ঠিকমতো গুনতে পারে না। তারা গুনতেও জানে না। না, তারা পারে না। তারা নিজেদের ভোট গুনতে পারে না।
* আমার এক লোক আমার কাছে এসে বলল, "মিস্টার প্রেসিডেন্ট, তারা আপনাকে রাশিয়া, রাশিয়া, রাশিয়া বলে হারানোর চেষ্টা করেছিল।" সেটা খুব একটা কাজে আসেনি। তারা সেটা করতে পারেনি। তারা অভিশংসনের ধোঁকাবাজি করার চেষ্টা করেছে। সেটা ছিল একদম নিখুঁত একটি ফোনালাপ নিয়ে। তারা যেকোনো কিছু করার চেষ্টা করেছে। বারবার চেষ্টা করেছে। আপনি আসার পর থেকেই তারা এটা করছে। সবকিছু বদলে যাচ্ছে। তারা হেরে গেছে। সবকিছু এখন পাল্টে যাচ্ছে। ভেবে দেখুন। চিন্তা করে দেখুন। '''আর এটাই হলো তাদের নতুন ধোঁকাবাজি।''' কিন্তু আমরা এমন কিছু করেছি যা বেশ আশ্চর্যজনক। এই বিশাল দেশে আমাদের মাত্র ১৫ জন আক্রান্ত ছিল এবং কারণটা হলো আমরা শুরুতেই ব্যবস্থা নিয়েছি। আমরা আগেভাগে ব্যবস্থা নিয়েছি বলেই সংখ্যাটা এর চেয়ে অনেক বেশি হয়নি। আমরা খুব ভালো করছি। আমাদের দেশ খুব ভালো চলছে। আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ। আমরা অনেক বেশি একতাবদ্ধ। রিপাবলিকান দল এখনকার মতো আগে কখনোই এতটা ঐক্যবদ্ধ ছিল না। আমাদের দেশে এখন যে গণজোয়ার চলছে, ইতিহাসে এমনটা আগে কখনোই দেখা যায়নি। কখনোই এমন আন্দোলন হয়নি। তাই একটি পরিসংখ্যান নিয়ে আমরা কথা বলতে চাই, বলুন। ইউএসএ বলুন। ঠিক আছে। ইউএসএ। তো এমন একটা সংখ্যা যা কেউ শোনেনি, কিন্তু আমি সম্প্রতি শুনেছি এবং শুনে অবাক হয়েছি যে, প্রতি বছর ফ্লু বা সাধারণ ইনফ্লুয়েঞ্জায় গড়ে ৩৫,০০০ মানুষ মারা যায়। কেউ কি সেটা জানতেন? ৩৫,০০০, এটা অনেক মানুষ। এটা ১,০০,০০০ পর্যন্ত হতে পারে, আবার ২৭,০০০ হতে পারে। তারা বলে সাধারণত কমপক্ষে ২৭,০০০ থেকে শুরু করে বছরে ১,০০,০০০ মানুষ মারা যায়। আর এখন পর্যন্ত আমরা যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসে কাউকে হারাইনি। একজনকেও না। তার মানে এই নয় যে আমরা হারাব না, আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত আছি। এর মানে এই নয় যে আমরা হারাব না, কিন্তু ভেবে দেখুন। আপনারা ৩৫ থেকে ৪০ হাজার মানুষের কথা শুনছেন আর আমরা কাউকে হারাইনি, অথচ দেখুন সংবাদমাধ্যমগুলো কীভাবে হিস্টিরিয়ায় ভুগছে। সিএনএনের ভুয়া খবর আর ওই ক্যামেরাটা এইমাত্র বন্ধ হয়ে গেল, ওই ক্যামেরাটা। ক্যামেরাটা এইমাত্র বন্ধ হলো। ওটা আবার চালু করুন। আচ্ছা, যাই হোক, শুনুন। এটা দেখুন, সত্যি বলতে সব অনুষ্ঠানই এমন হয়। এটা আমাদের নিয়ে। এটা পুরোপুরি আমাদের সম্পর্কে। আমি চাই তারা ক্যামেরা ঘুরিয়ে পুরো গ্যালারিটা দেখাক। তারা কখনোই তা করে না। কখনোই না। তারা কখনোই তা দেখায় না। তারা কখনোই পুরো গ্যালারি দেখায় না। আপনারা শব্দ শুনেই বুঝতে পারছেন কারণ যখন আপনি এই শব্দ শুনবেন, তা ২০০ মানুষের শব্দ নয়। তা ১০০ মানুষের শব্দ নয়। সেখানে হাজার হাজার মানুষ রয়েছে, এমনকি বাইরেও অনেক মানুষ আছে। আপনারা সেটা শুনতে পাচ্ছেন। তারা সবসময় আমার মুখ দেখায়। ওই মুখটা দেখতে পাচ্ছেন? তারা আমার মুখ দেখায়। আমি চাই তারা আমার মুখ না দেখিয়ে পুরো গ্যালারিটা দেখাক, তাই তো? [...] যখন চরম বামপন্থীরা এই জঘন্য ধোঁকাবাজি দিয়ে আমেরিকার সময় নষ্ট করছে, তখন আমরা সন্ত্রাসীদের খতম করছি, কর্মসংস্থান তৈরি করছি, মজুরি বাড়াচ্ছি, ন্যায্য বাণিজ্য চুক্তি করছি, আমাদের সীমান্ত সুরক্ষিত করছি এবং প্রতিটি জাতি, ধর্ম ও বর্ণের নাগরিকদের জীবন উন্নত করছি। আমরা শুধু গত মাসেই আরও ২,২৫,০০০ কর্মসংস্থান যোগ করেছি। আর নির্বাচনের পর থেকে এটি মোট ৭০ লক্ষ কর্মসংস্থান হয়েছে, ৭০ লক্ষ। সাউথ ক্যারোলাইনার মতো চমৎকার অঙ্গরাজ্যে বেকারত্বের হার। আপনারা কি সেই জায়গার নাম শুনেছেন?
* প্রায় সবাই। আপনারা কি এটা বিশ্বাস করতে পারেন? আমি নিশ্চিত আপনাদের স্বামীরা খুব রোমাঞ্চিত, তাই না? তারা দারুণ খুশি। আপনারা আজ রাতে কোথায় যাচ্ছেন? আমি ট্রাম্পের আরেকটি জনসভায় যাচ্ছি। চমৎকার। ১১৪ নম্বর সভা। আপনাদের স্বামীরা এ ব্যাপারে কী বলেন? এখানকার এই দলটি। তিনি বললেন, "আমরা পরোয়া করি না।" ধন্যবাদ। আপনাদের ধন্যবাদ। ডেমোক্র্যাটরা শুধু ভয়াবহ সব কথা বলবে, যদিও তারা জানে যে আমরা খুব ভালো কাজ করছি। আমাদের হাতে যা আছে তা দিয়েই আমরা চমৎকার কাজ করছি। এটি অবিশ্বাস্য। ডেমোক্র্যাটরা মন থেকে চায় আমরা যেন ব্যর্থ হই। এমনকি তাদের কাজ যদি আপনারা তাকিয়ে দেখুন এই দেশের মানুষের ক্ষতিও করে, তবুও তারা পিছু হটে না। তারা মানুষের ক্ষতি করবে, মানুষের সম্পদের ক্ষতি করবে, সবকিছুর ক্ষতি করবে। এমনকি তারা মিথ্যা বলছে জেনেও আমাদের দেশের ক্ষতি করতে তারা রাজি আছে শুধু খারাপ কথা বলার জন্য। আমরা [[মেক্সিকো]], [[কানাডা]], [[চীন]], দক্ষিণ কোরিয়া এবং [[জাপান]]ের সাথে অবিশ্বাস্য সব চুক্তি করেছি। আর আপনি যদি এই পেছনের লোকগুলোর সামনে একটা মাইক্রোফোন ধরেন যেমনটা আগে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস বা অস্কারে হতো, এখন আর হয় না। বছরের সেরা সিনেমা। এটি দক্ষিণ কোরিয়া-তে তৈরি। এটার মানে কী? আমি বছরের সেরা সিনেমা দেখার অপেক্ষায় আছি
* আর এটি তৈরি... তিনি বললেন, "এটি আবর্জনা।" কেবল সাউথ ক্যারোলাইনাতেই আপনি এটা বলতে পারেন। কেবল সাউথ ক্যারোলাইনায়। আপনারা আমাদের বিপদে ফেলে দেবেন। না, ভুয়া খবর প্রচারকারীদের জন্য তিনি যা বলেছেন আমি কেবল তারই পুনরাবৃত্তি করছি। না, কিন্তু গুরুত্বের সাথে বলছি যে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের রেটিং অনেক নিচে নেমে গেছে। আপনারা জানেন কেন? কারণ তারা আমাদের আক্রমণ করা শুরু করেছিল এবং আমরা এখন আর ওতে বিশ্বাস করি না। এই কারণেই। না, কিন্তু তারা বছরের সেরা সিনেমা হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ার তৈরি একটি চলচ্চিত্রকে বেছে নিয়েছে। তারা তো আমাদের জন্য যথেষ্ট জিনিসপত্র বানায়, তাই না? আর তারা ভালো। তারা আমাদের বন্ধু। আমাদের সুযোগ নেয়, ঠিক আছে। এখন আর অতটা নয়। আমরা সত্যিই, আপনারা যদি দেখেন, বিশ্বের সেরা পেশাদারদের নিয়ে চমৎকারভাবে সুসংগঠিত হয়েছি। আমরা সবথেকে খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত আছি। আপনাদের সবথেকে খারাপের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে, তবে আশা করি শেষ পর্যন্ত এটি খুব সামান্যই হবে। এই কারণেই আমি আপনাদের বলছি যখন ফ্লুতে ৩৫,০০০ মানুষ মারা যায় আর এই ভাইরাসটি সম্পর্কে আমাদের খুব খুব গুরুত্বের সাথে ভাবতে হবে। আমরা সেটাই করছি। আমরা সবথেকে খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।
* আমার প্রশাসন [[যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড-১৯ মহামারি|যুক্তরাষ্ট্রে এই রোগের বিস্তার]] রোধে আধুনিক ইতিহাসের সবথেকে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। আমরা প্রস্তুত। আমরা একদম প্রস্তুত। পুরোপুরি প্রস্তুত। গত ৩১ জানুয়ারি আমি আদেশ দিয়েছি যে যেসব বিদেশি নাগরিক সম্প্রতি চীনে ছিলেন তাদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ স্থগিত করা হবে। এই পদক্ষেপের ডেমোক্র্যাটরা তীব্র সমালোচনা ও প্রতিবাদ করেছিল আর এখন সবাই আমার প্রশংসা করে বলছে, "আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনি ১০০ শতাংশ সঠিক ছিলেন।" পরিস্থিতি একদম অন্যরকম হতে পারত। কিন্তু আমি বলছি, চলুন বিষয়টি ঠিকভাবে বুঝি। একটি ভাইরাস চীনে শুরু হলো, সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ল, আর যুক্তরাষ্ট্রে এটি তেমনভাবে ছড়িয়ে পড়ল না কারণ আমি এবং আমার প্রশাসন অনেক মতভেদের বিরুদ্ধে গিয়েও শুরুতেই কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। আর ডেমোক্র্যাটদের একমাত্র বলার বিষয় হলো আপনারা দেখছেন যে এটি ডোনাল্ড ট্রাম্পের দোষ, তাই না? এটি ডোনাল্ড ট্রাম্পের দোষ। না, এগুলো স্রেফ ঘটে যাওয়া কিছু বিষয়।
* কিন্তু আপনারা জানেন এটা কী প্রমাণ করে? বিপদ আসতেই পারে। দুই সপ্তাহ আগে কে এই কথা ভেবেছিল? চার সপ্তাহ আগে কে ভেবেছিল যে এমন কিছু চলতে পারে? আপনি ভাবেননি। কিন্তু জীবনে অনেক কিছু ঘটে আর আপনাদের প্রস্তুত থাকতে হবে, নমনীয় হতে হবে এবং এর মোকাবিলা করার ক্ষমতা থাকতে হবে। আর আমাদের কাছে বিশ্বের সেরা পেশাদাররা আছেন, বিশ্বের সেরা এবং আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত। একই সময়ে আমি ৫০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয়ভাবে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইন বা সঙ্গনিরোধ চালু করেছি। আমাদের কিছু মানুষকে আলাদা রাখতে হয়েছিল। তারা খুশি ছিলেন না, তারা এ নিয়ে মোটেও খুশি ছিলেন না। আমি আপনাদের বলতে চাই যে অনেক মানুষ আছে যারা খুব একটা খুশি ছিল না, কিন্তু দুই সপ্তাহ পর তারা খুশি হয়ে গেল। আপনারা জানেন কারা খুশি হয়েছিল? তাদের আশেপাশে যারা ছিল তারা খুশি হয়েছিল। তারাই শেষ পর্যন্ত খুশি হয়েছিল।
** দ্রষ্টব্য: ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের মেডিকেল অ্যান্ড বায়োডিফেন্স প্রিপেয়ার্ডনেস পলিসির প্রাক্তন পরিচালক লুসিয়ানা বোরিও ২০১৮ সালে আটলান্টার এমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সিম্পোজিয়ামে বলেছিলেন, যা ১৯১৮ সালের ইনফ্লুয়েঞ্জা অতিমারীর ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত হয়েছিল: "অতিমারী ফ্লুর ঝুঁকি স্বাস্থ্য নিরাপত্তার প্রধান উদ্বেগের বিষয়, আমরা কি এর মোকাবিলা করতে প্রস্তুত? আমি ভয় পাচ্ছি উত্তরটি হলো 'না'।" যা উদ্ধৃত হয়েছে factCheck.org তে রেম রিডারের লেখা [https://www.factcheck.org/2020/03/contrary-to-trumps-claim-a-pandemic-was-widely-expected-at-some-point/ ''ট্রাম্পের দাবির বিপরীতে, কোনো এক সময়ে অতিমারীর প্রত্যাশা ব্যাপকভাবে ছিল''] (২০ মার্চ ২০২০) শীর্ষক নিবন্ধে।
* আমি একটি হোয়াইট হাউস ভাইরাস টাস্ক ফোর্স গঠন করেছি। এটি অনেক বড় একটি বিষয়, একটি ভাইরাস টাস্ক ফোর্স। আমাদের প্রয়োজনীয় সংস্থান নিশ্চিত করতে আমি ২.৫ বিলিয়ন ডলারের অনুরোধ করেছিলাম। ডেমোক্র্যাটরা বলেছিল, "এটি ভয়াবহ। তিনি ভুল করছেন। তার ২.৫ বিলিয়ন নয় বরং ৮.৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন।" আমার সাথে আগে এমনটা কখনো ঘটেনি। আমি ২.৫ বিলিয়ন চাইলাম আর তারা আমাকে ৮.৫ বিলিয়ন দিতে চায়, তাই আমি বললাম, "আমি এটাই নেব।" এতে কি আমি খারাপ কিছু... আমি এটা নেব। আমি নেবই। আগে আমার সাথে এমনটা কখনো হয়নি। কখনোই না। আমরা চাই ২.৫ বিলিয়ন। ওটাই যথেষ্ট। আমরা দাবি করছি আপনি ৮.৫ বিলিয়ন নিন। তিনি জানেন না তিনি কী করছেন। আমরা ৮.৫ বিলিয়ন চাই। এই লোকগুলো পাগল। আমাদের বুঝতে হবে যে সীমান্ত নিরাপত্তা মানেই স্বাস্থ্য নিরাপত্তা। আর আপনারা সবাই দেখেছেন যে জাদুর মতো দেওয়াল উঠে গেছে। এটি জাদুর মতো তৈরি হয়েছে। আপনারা কি ভাবছেন এটি খুব সহজ ছিল? এটি একদমই সহজ ছিল না। এটি চমৎকারভাবে তৈরি হচ্ছে এবং আমরা এখন ১৩২ মাইল পর্যন্ত তৈরি করেছি এবং এটিই সেই আসল দেওয়াল যা সীমান্ত রক্ষা, জল, সবকিছুর জন্য প্রয়োজন।
* তো আমি জানি না এই অ্যারেনায় উপস্থিতির রেকর্ড কত, তবে আমাকে বলা হয়েছে যে আমরা সেটি অনেক বড় ব্যবধানে ভেঙেছি। আর বাইরেও অনেক মানুষ আছে। আমাদের কি তাদের বলে দেওয়ার অনুমতি আছে যে আমরা কাকে ভোট দিতে বলব? কারণ আপনারা তো অনেককে বাদ দিতে পারেন। ঠিক আছে, এক মিনিট দাঁড়ান, চলুন একটা জরিপ করা যাক। আমরা পেছনের ওই ভুয়া সংবাদমাধ্যমগুলোর জন্য এটি করছি। তৈরি? আমাদের জন্য সেরা প্রার্থী কে হবে? তাদের জন্য নয় কিন্তু। আমরা প্রস্তুত। তৈরি তো? তাহলে চলুন তাদের নামগুলো দ্রুত একবার দেখে নিই। আমরা স্টেয়ারকে এর মধ্যে রাখব না কারণ সে একজন পরাজিত ব্যক্তি। সে বাদ, ঠিক আছে? আমরা তাকে রাখব না। সেরা কে হবে? এটি একটি আসল জরিপ। এটি সেই সব ভুয়া জরিপগুলোর মতো নয় যা... সত্যি বলতে আমি তোমাকে ভালোবাসি, [[ফক্স নিউজ|ফক্স]], তবে ফক্সের নেওয়া সেই জরিপগুলো সবথেকে খারাপ। এই লোক... এই জরিপকারী ট্রাম্পকে মনেপ্রাণে ঘৃণা করে। গত নির্বাচনে আমি অনেক বড় ব্যবধানে হারছিলাম। তারা বলেছিল, "সে নারীদের কাছে খুব ভালো করেছে।" সবকিছু ভুল ছিল। আর তারা কখনো এই লোকটাকে বদলায়নি। কিন্তু এটা দেখুন। আপনারা তৈরি?
* গতকাল আমাদের একটি চমৎকার অনুষ্ঠান ছিল, অনুষ্ঠানটি ছিল খুব সুন্দর তরুণ আফ্রিকান আমেরিকান নেতারা সেখানে ছিলেন। আমি তাদের যে বিষয়গুলো জিজ্ঞেস করেছিলাম এবং আমি অনেক দিন ধরেই এটা নিয়ে ভাবছিলাম... এবং মহান সব মানুষ, দুর্দান্ত মানুষ। তাদের মধ্যে কয়েকজন আজ রাতে এখানে আছেন। আপনারা কি আফ্রিকান আমেরিকান নামটা পছন্দ করেন নাকি কৃষ্ণাঙ্গ? আর তারা সবাই একসাথে চিৎকার করে বলল, "কৃষ্ণাঙ্গ!" না, সত্যি। আমি আপনাদের বলছি। কারণ আপনি যখন জিজ্ঞেস করেন, "আফ্রিকান আমেরিকান নাকি কৃষ্ণাঙ্গ?" আর তারা প্রায় সাথে সাথেই বলল, "কৃষ্ণাঙ্গ।" আমাদের চমৎকার একদল মানুষ ছিল এবং যা ঘটেছিল তা হলো এনবিসি... এটি ছিল ভালোবাসার এক মিলনমেলা। এটি ছিল অবিশ্বাস্য। এটি ৪৫ মিনিট ধরে চলেছিল। এটি ভালোবাসার এক উৎসব ছিল। এটি অবিশ্বাস্য ছিল। এনবিসি প্রত্যাখ্যান করেছিল... তারা ঠিক ওখানেই আছে। তারা প্রত্যাখ্যান করেছিল... কমকাস্ট, যার মালিকানাধীন এনবিসি... আসলে এনবিসিকে আমার মনে হয় আমরা এমএসডিএনসি ডাকি, তাই না? এমএসডিএনসি। কিন্তু আমার মনে হয় এনবিসি সিএনএনের চেয়েও খারাপ। সত্যি বলছি। আর কমকাস্ট, এমন এক কোম্পানি যারা তাদের ইমেজের জন্য লক্ষ লক্ষ ডলার খরচ করে... আমি তাদের ইমেজ নষ্ট করার জন্য যা যা করা সম্ভব তার সবই করব কারণ তারা ভয়াবহ। তারা খুব বাজে লোক। তারা একদল জঘন্য মানুষ। আর তারা বহু বছর ধরে ''দ্য অ্যাপ্রেন্টিসের'' জন্য আমাকে প্রচুর অর্থ দিয়েছে। তারা আমাকে অঢেল টাকা দিয়েছে। আর আমি যখন শো-টি ছেড়েছিলাম, তখন এটি খুব ভালো চলছিল। যখন আমি শোটি ছাড়ি ১৪টি সিজন, ভেবে দেখুন তারা একজন বিখ্যাত চলচ্চিত্র তারকাকে নিয়ে আসে। আমি তার নাম বলব না। কেউ জানবে না। আসলে কেউই তার নাম জানবে না কারণ সে খুব অল্প সময়ের জন্য সেখানে ছিল। কিন্তু ট্রাম্পকে সরিয়ে দেওয়ার পর অনুষ্ঠানটি খুব দ্রুতই গোল্লায় গেল। কিন্তু এখন থেকে পাঁচ বছর পর দেশ অবশ্যই আপনারা তাদের খেপিয়ে দিতে চান পাঁচ বছর বা নয় বছর বা ১৩ বছর। অথবা ১৮ বছর! আরও ১০ বছর। নাহ। ওহ, আপনারা এটা বললে তারা পাগল হয়ে যায়। যখন আপনারা তাদের বলবেন আরও পাঁচ বছর, তার মানে এটা হলো পাঁচ, কিন্তু এরপর আপনি বলতে পারেন হয়ত নয়, হয়ত ১৩, হয়ত ১৭, হয়ত ২১, অথবা না, হয়ত ২১। চলুন এটাই করি। আমরা নিজেদের জন্য ২৫ বছরের একটি সময়সীমা ঠিক করি। ২৫ বছরের বেশি নয়। আর নয়। ঠিক আছে। তারা সেনেটে কোনো কিছু পাস করবে। টিম, লিন্ডসেকে নিয়ে সেনেটে এটি পাস করান, দয়া করে ২৫ বছরের একটি মেয়াদ নির্দিষ্ট করে দিন।
====ফেব্রুয়ারি ২০২০====
* শিশু দারিদ্র্য হ্রাসের কর্মসূচিগুলো এমনকি সেই বছরগুলোতেও সাহায্য করে যখন দরিদ্র বা প্রায়-দরিদ্র অভিভাবকদের আয় বাড়ে। এবং স্বাভাবিকভাবেই, দুঃসময়ে এই কর্মসূচিগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ কর্মসংস্থানের বাজার আজ ভালো চললেও কাল ধসে পড়তে পারে। ট্রাম্প প্রশাসন এই ধরনের কর্মসূচিগুলোর যোগ্যতার নিয়মাবলি নতুন করে লিখেছে যাতে সুবিধাপ্রাপ্ত মানুষের সংখ্যা কমানো যায়। এর পেছনের তথাকথিত লক্ষ্য হলো: সরকারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে খরচ কমানো। (ট্রাম্পের সঙ্গীরা বড় বড় কর্পোরেশন এবং অতি-ধনী ব্যক্তিদের জন্য যে ভর্তুকি আর কর ফাঁকির সুযোগ তৈরি করেছেন, সেগুলোর কথা না-ই বা বললাম, যার ফলে শত শত কোটি ডলার সরকারি খরচ এবং হারানো রাজস্ব যুক্ত হচ্ছে।)
** রাজন মেনন, ''[https://www.thenation.com/article/economy/child-poverty-trump/ ট্রাম্পের দারিদ্র্য-বিরোধী যুদ্ধে আমাদের শিশুরাও অন্তর্ভুক্ত]'' (৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০), ''দ্য নেশন''।
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচিত হওয়ার আগেও শিশুদের যত্ন বা চাইল্ডকেয়ারের জন্য সহায়তার যোগ্য পরিবারগুলোর মাত্র ছয় ভাগের এক ভাগ সহায়তা পেত এবং আবাসন ভর্তুকি পেত মাত্র পাঁচ ভাগের এক ভাগ। তা সত্ত্বেও তার প্রশাসন সেই সব কর্মসূচি বন্ধ করার প্রস্তুতি নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল, যেগুলো এই পরিবারগুলোকে আবাসন ও শিশুদের যত্নে সাহায্য করত। ভবিষ্যতে এই পরিবারগুলোর তার কাছে সাহায্যের আশা করে কোনো লাভ নেই। তিনি তাদের জন্য কোনো ট্রাম্প টাওয়ার বানাবেন না। "মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন" বলতে যাই বোঝানো হোক না কেন, আমেরিকার গরিব শিশুদের সাহায্য করা এর অন্তর্ভুক্ত নয়। ডোনাল্ড ট্রাম্প যতদিন তাদের জীবনের দৌড় নিয়ন্ত্রণ করবেন, তারা নিজেদের শুরুর লাইন থেকে আরও দূরেই খুঁজে পাবে।
** রাজন মেনন, ''[https://www.thenation.com/article/economy/child-poverty-trump/ ট্রাম্পের দারিদ্র্য-বিরোধী যুদ্ধে আমাদের শিশুরাও অন্তর্ভুক্ত]'' (৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০), ''দ্য নেশন''।
==== মার্চ ২০২০ ====
* এই সম্পদ বা অর্থ জোগাড় করার জন্য একটা অতিমারীর অপেক্ষায় থাকা ঠিক হয়নি। ২০১৯ সালের জুনে আমরা হাউস বাজেট কমিটির কাছে 'দরিদ্র মানুষের নৈতিক বাজেট' পেশ করেছিলাম। সেখানে আমরা দেখিয়েছিলাম যে কীভাবে পুরো দেশের এই প্রয়োজনগুলো মেটানো সম্ভব। '''আপনারা যদি এই নৈতিক বাজেটটি মেনে চলতেন, তবে স্বাস্থ্যসেবা, ভালো কাজ, সম্মানজনক মজুরি, আবাসন এবং বিশুদ্ধ জলের মতো খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে আমরা ইতিমধ্যেই দেশের অর্থনীতিতে ১.২ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি টাকা যোগ করার পথে এগিয়ে যেতাম।<BR>এখন ওপর থেকে নিচে সুবিধা পৌঁছানোর সমাধানের সময় নয়। আমরা জানি যে নিচের দিকের মানুষের উন্নতি হলে সবারই উন্নতি হয়। বর্তমান সংকট এবং আমরা কয়েক বছর বা দশক ধরে যেসব সমস্যার বিরুদ্ধে লড়াই করছি, সেগুলোর বাস্তব সমাধান আমাদের হাতে আছে। আপনাদের কাছে আমাদের দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা মানুষকে সংগঠিত করা এবং শক্তি বাড়ানো চালিয়ে যাব। আমাদের লক্ষ লক্ষ মানুষ অনেক দীর্ঘ সময় ধরে কষ্ট পাচ্ছে। আমরা আর চুপ করে থাকব না।''' কোভিড-১৯ অতিমারী তার ভয়াবহ বিস্তারের মাধ্যমে আমাদের এক নজিরবিহীন জরুরি অবস্থার মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। তবে এই জরুরি অবস্থা আসলে আরও গভীর এবং দীর্ঘস্থায়ী একটি সংকটের ফল, তা হলো দারিদ্র্য ও চরম বৈষম্য। আমাদের সমাজ এমন ১৪০ মিলিয়ন মানুষের প্রয়োজনকে পাত্তাই দেয় না যারা হয় গরিব, না হয় সামান্য কোনো বিপদে পড়লেই গরিব হয়ে যাবে।
** রাষ্ট্রপতি [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], উপ-রাষ্ট্রপতি [[মাইক পেন্স]] এবং ১১৬তম মার্কিন কংগ্রেসের সদস্যদের কাছে লেখা চিঠিতে রেভ উইলিয়াম বারবার দ্বিতীয়, [https://www.poorpeoplescampaign.org/poverty-amidst-pandemic/ অতিমারীর মধ্যে দারিদ্র্য: কোভিড-১৯-এর একটি নৈতিক প্রতিক্রিয়া] (১৯ মার্চ ২০২০), লিজ থিওহারিসের সাথে যৌথভাবে লেখা, পুওর পিপলস ক্যাম্পেইন: এ ন্যাশনাল কল ফর এ মোরাল রিভাইভাল।
* নিয়মিতভাবে ভবিষ্যতের ঝুঁকিগুলো যাচাই করে দেখার মতো শৃঙ্খলা বা ধীরস্থির মনোভাব বেশির ভাগ নেতারই নেই। আর অনেক আগে থেকেই প্রধান বিপদটা ঠিকভাবে চিনে নিয়ে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার মতো দূরদর্শিতা তো আরও বিরল। এক কথায় বলতে গেলে, ট্রাম্প প্রশাসন পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। তারা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দেওয়া করোনাভাইরাস ছড়ানোর বারবার সতর্কতা যেমন গায়ে মাখেনি, তেমনি বিপদের তুলনায় দেশজুড়ে যে ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া দরকার ছিল, তাও নিতে পারেনি। ভাইরাসের এই ক্ষতি সামলানোর জন্য সরকারি ও বেসরকারি সব পক্ষকে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো ক্ষমতা আর সম্পদ কেবল কেন্দ্রীয় সরকারেরই ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, ট্রাম্পের কর্মকর্তারা একের পর এক ভুল ধারণা (কোভিড-১৯-এর বিপদকে গুরুত্ব না দেওয়া) এবং ভুল সিদ্ধান্ত (জরুরি ব্যবস্থা নিতে দেরি করা) নিয়েছেন। এর ফলে আমেরিকানদের নিরাপত্তা অকারণে ঝুঁকির মুখে পড়েছে। সংক্ষেপে, ট্রাম্প প্রশাসন আমেরিকান জনগণের ওপর এক বিশাল বড় বিপর্যয় চাপিয়ে দিয়েছে। তবে পার্ল হারবার বা ৯/১১-এর মতো অতীতের বড় বড় ঘটনাগুলোর তুলনায় এবারের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে নজিরবিহীন উদাসীনতা, এমনকি ইচ্ছাকৃত অবহেলার কারণে। উদাহরণস্বরূপ, ৯/১১ কমিশন রিপোর্ট যেমন আল-কায়েদার হামলার জন্য রোনাল্ড রেগান থেকে শুরু করে জর্জ ডব্লিউ বুশ পর্যন্ত বিভিন্ন প্রশাসনকে দায়ী করেছিল, এই করোনাভাইরাস সংকটের দায়ভার কিন্তু পুরোপুরি বর্তমান হোয়াইট হাউসের ওপরই বর্তায়। [...] করোনাভাইরাস ছড়ানোর শুরুর দিকে হোয়াইট হাউসের এই গা-ছাড়া ভাব আধুনিক রাষ্ট্রপতিত্বের ইতিহাসে সবথেকে বড় ভুল হিসেবে গণ্য হবে। তাদের কাছে যথেষ্ট আগে থেকেই পরিষ্কার সতর্কবার্তা ছিল এবং তারা চাইলেই দেশটাকে আরও ভালোভাবে প্রস্তুত করতে পারত। কিন্তু যেভাবে তারা দূরদর্শিতা আর সময়ের সুযোগ নষ্ট করেছে তা কখনোই ভোলা উচিত নয়। আর এর কারণটাও মনে রাখা দরকার: ট্রাম্প শুরু থেকেই ভুল ছিলেন, আর তার সাঙ্গোপাঙ্গরা সেই ভুলটাকেই দীর্ঘ সময় ধরে বড় করে দেখানোর চেষ্টা করেছে। আমেরিকানদের এখন দশকের পর দশক ধরে এর খেসারত দিতে হবে।
** মাইকা জেঙ্কো, [https://foreignpolicy.com/2020/03/25/coronavirus-worst-intelligence-failure-us-history-covid-19/ ''করোনাভাইরাস মার্কিন ইতিহাসের সবথেকে বড় গোয়েন্দা ব্যর্থতা''], ২৫ মার্চ ২০২০, ফরেন পলিসি।
==== এপ্রিল ২০২০ ====
* এই মহামারীর প্রাদুর্ভাব অবাক করার মতো, সত্যি বলতে আঁতকে ওঠার মতো, কিন্তু এর আবির্ভাবটা মোটেই অভাবিত ছিল না। আর এই সংকটে সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রেকর্ড সবথেকে খারাপ হওয়াটাও আশ্চর্যের কিছু নয়। [...] কোভিড-১৯ সংকট থেকে আমরা একসময় মুক্তি পাব, তবে তার জন্য এক ভয়াবহ এবং বিশাল মূল্য দিতে হবে, বিশেষ করে দরিদ্র আর অসহায় মানুষদের। কিন্তু মেরু অঞ্চলের বরফের আস্তরণ গলে যাওয়া আর বিশ্ব উষ্ণায়নের অন্যান্য বিধ্বংসী পরিণাম থেকে ফেরার কোনো পথ থাকবে না। [...] বর্তমান প্রশাসনের কাছে সম্ভাব্য অতিমারী সম্পর্কে যথেষ্ট সতর্কবার্তা ছিল। আসলে, গত অক্টোবরেই একটি উচ্চপর্যায়ের মহড়া বা সিমুলেশন চালানো হয়েছিল। ট্রাম্প ক্ষমতায় থাকাকালীন ঠিক সেভাবেই কাজ করেছেন যেভাবে আমরা তাকে দেখে অভ্যস্ত: সরকারের সব প্রয়োজনীয় বিভাগগুলোর তহবিল বন্ধ করে দিয়ে বা সেগুলোকে ভেঙে দিয়ে। তিনি মন দিয়ে তার করপোরেট প্রভুদের নির্দেশ মেনে চলেছেন। মুনাফা বাড়াতে বাধা দেয় এমন সব নিয়মকানুন তুলে দেওয়ার জন্য তিনি কাজ করছেন যাতে প্রাণের বিনিময়েও ব্যবসায়িক লাভ নিশ্চিত করা যায়। পরিবেশগত বিপর্যয়ের খাদের কিনারায় পৌঁছানোর দৌড়ে তিনি নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যা এখন পর্যন্ত তার সবথেকে বড় অপরাধ—আসলে এর ফলাফল বিবেচনা করলে এটি ইতিহাসের সবথেকে বড় অপরাধ।
** [[নোম চম্স্কি]], সি.জে. পলিচ্রনিউ-এর সাথে এক সাক্ষাৎকারে, [https://truthout.org/articles/chomsky-ventilator-shortage-exposes-the-cruelty-of-neoliberal-capitalism/ ''চম্স্কি: ভেন্টিলেটরের অভাব নিওলিবারাল ক্যাপিটালিজমের নিষ্ঠুরতাকে প্রকাশ করে''] (১ এপ্রিল ২০২০), ''ট্রুথআউট''।
* ক্ষমতা নিয়ে দলাদলি বা রেষারেষি এই প্রশাসনের একটা চিরচেনা রূপ, আর এই অতিমারী মোকাবিলার ক্ষেত্রেও তার কোনো ব্যতিক্রম হয়নি। [...] এমনকি তাদের কাজকর্মের মধ্যেও কোনো অভ্যন্তরীণ মিল বা শৃঙ্খলা দেখা যাচ্ছে না।
** মিশেল গোল্ডবার্গ, [https://www.nytimes.com/2020/04/02/opinion/jared-kushner-coronavirus.html ''জ্যারেড কুশনারকে দায়িত্বে রাখাটা চরম পাগলামি''] (২ এপ্রিল ২০২০), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস''।
* জীবনে না হলেও, এই প্রশাসনে অন্তত তাই (অর্থাৎ মানুষ বড়ই একা)।
** অ্যান্ড্রু কুওমোর বক্তব্য: "ধরে নিন জীবনে আপনি একাই পথ চলছেন" প্রসঙ্গে [[মিশেল গোল্ডবার্গ]], [https://www.nytimes.com/2020/04/02/opinion/jared-kushner-coronavirus.html ''জ্যারেড কুশনারকে দায়িত্বে রাখাটা চরম পাগলামি''] (২ এপ্রিল ২০২০), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস''।
* প্রেসিডেন্ট হলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট, তাই তার কথাগুলোকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য হিসেবেই গণ্য করা হয়।
** হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি শন স্পাইসার, [https://www.cnn.com/2017/06/06/politics/trump-tweets-official-statements/index.html হোয়াইট হাউস: ট্রাম্পের টুইটগুলো 'অফিসিয়াল স্টেটমেন্ট' বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য] ৬ জুন, (প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের টুইটার বার্তার মর্যাদা প্রসঙ্গে)।
* সে ১ কোটি ৫০ লক্ষেরও বেশি কর্মসংস্থান তৈরি করেছে।
** নিজের মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্প সম্পর্কে ব্যবসায়িক নেতাদের সাথে এক ফোনালাপে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। কোনো ব্যাখ্যা বা প্রমাণ দেওয়া হয়নি। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৪-০৭ |শিরোনাম=ট্রাম্প দাবি করেছেন যে তার মেয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মোট কর্মসংস্থানের ১০ শতাংশ তৈরি করেছে |লেখক=ইয়ান মিলহিজার |সাময়িকী=Vox|ইউআরএল=https://www.vox.com/2020/4/8/21212802/trump-ivanka-10-percent-jobs-walmart-15-million}}
* যখন কেউ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হন, তখন তার ক্ষমতা হয় নিরঙ্কুশ।
** করোনাভাইরাস টাস্ক ফোর্সের প্রেস ব্রিফিংয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৪-১৩ |শিরোনাম=সিএনএন রিপোর্টার সরাসরি ট্রাম্পের মুখের ওপর প্রতিবাদ করেন যখন তিনি রাজার মতো ক্ষমতার দাবি করেন |লেখক=কোডি ফেনউইক |সাময়িকী=রস্টোরি |ইউআরএল=https://www.rawstory.com/2020/04/cnn-reporter-flat-out-contradicts-trump-to-his-face-when-he-claims-king-like-authority/}}
* এই কারণেই আপনাদের রেটিং এত খারাপ, কারণ আপনারা করুণার পাত্র। বলে যান। শুরু করুন। আপনাদের রেটিং ভয়াবহ। আপনাদের আবার আসল খবরের দিকে ফিরে যাওয়া উচিত। বলে যান।
** একজন সাংবাদিকের কথা থামিয়ে দিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যিনি "আগামী সপ্তাহে মাসের প্রথম তারিখ..." বলে প্রশ্ন শুরু করেছিলেন। হোয়াইট হাউস করোনাভাইরাস টাস্ক ফোর্স ব্রিফিং (১৯ এপ্রিল ২০২০), [https://www.rev.com/blog/transcripts/donald-trump-coronavirus-press-conference-transcript-april-19 ডোনাল্ড ট্রাম্পের করোনাভাইরাস সংবাদ সম্মেলনের প্রতিলিপি ১৯ এপ্রিল]
* আমি খুব সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করি। বাণিজ্য চুক্তি, সামরিক পুনর্গঠন ইত্যাদি দেখাশোনার জন্য আমি অনেক মাস ধরে হোয়াইট হাউস থেকে বের হইনি (কেবল হাসপাতাল জাহাজ কমফোর্ট উদ্বোধন করা ছাড়া)। আর এরপর আমি সেই লোকসান হতে থাকা নিউ ইয়র্ক টাইমসে আমার কাজের সময়সূচী আর খাদ্যাভ্যাস নিয়ে একটা ভুয়া খবর পড়লাম, যা লিখেছে একজন তৃতীয় শ্রেণির সাংবাদিক যে আমার সম্পর্কে কিছুই জানে না। আমি প্রায়ই গভীর রাত পর্যন্ত ওভাল অফিসে থাকি আর পরে পড়ি বা দেখি যে আমি নাকি আমার শোবার ঘরে বসে রাগে রাগে হ্যামবার্গার আর ডায়েট কোক খাচ্ছি। আমার সাথে যারা থাকেন তারা সবসময় অবাক হন। আমাকে ছোট করার জন্য সব কিছুই চলে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৪-২৬ |শিরোনাম='হ্যামবারগার' এবং 'নোবেল প্রাইজ': বানানে ভুল করা টুইটার বার্তায় গণমাধ্যমকে আক্রমণ ট্রাম্পের |লেখক=অ্যালেক্স উডওয়ার্ড |সাময়িকী=ইন্ডিপেন্ডেন্ট |ইউআরএল=https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-politics/donald-trump-latest-coronavirus-hamburger-nobel-prize-russia-a9485006.html}}
* রাশিয়া, রাশিয়া, রাশিয়া নিয়ে কাজ করার জন্য সেই সব 'রিপোর্টার' যারা নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন, অথচ শেষে তারা পুরোপুরি ভুল প্রমাণিত হয়েছেন (এবং আসলে অন্য পক্ষই অপরাধ করেছিল), তারা কবে তাদের প্রিয় 'নোবেল' ফিরিয়ে দেবেন যাতে সেগুলো সেই সব আসল রিপোর্টার আর সাংবাদিকদের দেওয়া যায় যারা সঠিক খবর দিয়েছিলেন?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৪-২৬ |শিরোনাম=রাশিয়া তদন্ত নিয়ে সংবাদ করা সাংবাদিকদের 'নোবেল প্রাইজ' ফিরিয়ে দিতে বললেন ট্রাম্প, পরে টুইটটি মুছে ফেলা হয় |লেখক=জেমস পাসলে |সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার |ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-deletes-tweet-calling-for-journalists-to-return-noble-prizes-2020-4?r=US&IR=T}}
* এরা খুব ভালো মানুষ, তবে তারা রাগান্বিত।
** মিশিগানে স্টেট ক্যাপিটল দখল করা সশস্ত্র বিক্ষোভকারীদের সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-০১ |শিরোনাম=বন্দুক নিয়ে সংসদ ভবন দখল করা 'খুব ভালো মানুষদের' দাবি মেনে নিতে মিশিগানের গভর্নরকে ট্রাম্পের তাগিদ |লেখক=ট্রাভিস গেটিস |সাময়িকী=রস্টোরি |ইউআরএল=https://www.rawstory.com/2020/05/trump-urges-michigan-governor-to-give-in-to-very-good-people-who-stormed-statehouse-with-guns/}}
====মে ২০২০====
* আমরা ৮ বছরের মধ্যে এইডস-মুক্ত হব। আমরা শুরু করেছি, আসলে ১০ বছর আগে শুরু করা উচিত ছিল। আগের প্রশাসনের আমলেই এটি শুরু হওয়া উচিত ছিল। তারা কিছুই করেনি। আমার প্রশাসনের সময়েই এর শুরু হয়েছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-০৩ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ফক্স নিউজের টাউন হলে করোনাভাইরাস এবং অন্যান্য বিষয়ে ট্রাম্পের একগুচ্ছ মিথ্যা দাবি |লেখক=ড্যানিয়েল ডেল |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/05/03/politics/fact-check-fox-news-townhall-trump-may-3/index.html}}
* আমাদের যে ঐক্য আছে, এক অর্থে আমাদের মধ্যে দারুণ মিল রয়েছে, আবার অন্য অর্থে আমার মনে হয় তারাও সাথে আসবে। আমি বলতে চাইছি, আমি তো অবশ্যই তেমনটাই আশা করি। তবে আমার প্রধান কাজ হলো আমাদের দেশকে আগের জায়গায় ফিরিয়ে আনা। আমি একে আগের অবস্থায় বা হয়ত তার চেয়েও ভালো অবস্থানে নিয়ে যেতে চাই। আপনারা জানেন তো, আমাদের হাতে এখন এক বিশাল প্রণোদনা রয়েছে সেই সব অর্থ যা নিয়ে আজ রাতে আমরা এ পর্যন্ত কথা বলেছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-০৪ |শিরোনাম=লিঙ্কন মেমোরিয়ালে ফক্স টাউন হলে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৪৫টি সবথেকে চমকপ্রদ উক্তি |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/05/04/politics/donald-trump-fox-lincoln-memorial/index.html}}
* তো ক্যালিফোর্নিয়াতে ডেমোক্র্যাটরা ডাকযোগে ব্যালট পাঠিয়ে ভোট নেওয়ার জন্য পাগল হয়ে লড়াই করেছিল এবং সফলও হয়েছিল। তারা এখন সেই অঙ্গরাজ্যের সবথেকে বেশি ডেমোক্র্যাট-ঘেঁষা এলাকায় ভোট দেওয়ার বুথ খুলেছে। তারা আরেকটি নির্বাচনে কারচুপি করার চেষ্টা করছে। সেখানে সবকিছুই সাজানো। এই ভোটগুলো অবশ্যই গণ্য করা যাবে না। প্রতারণা!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-০৯ |শিরোনাম=উন্মত্ত টুইটগুলোতে ট্রাম্প বলেছেন ক্যালিফোর্নিয়ার সব ভোট ‘অবশ্যই গণ্য করা যাবে না’ |লেখক=মার্ক এনসি |সাময়িকী=নিউজ করপস |ইউআরএল=https://www.newscorpse.com/ncWP/?p=45212}}
* খাস খবর: মিশিগান প্রাথমিক ও সাধারণ নির্বাচনের আগে ৭৭ লক্ষ মানুষের কাছে অ্যাবসেন্ট ব্যালট (অনুপস্থিত ভোটারদের ব্যালট) পাঠাচ্ছে। একজন উদ্ধত সেক্রেটারি অফ স্টেট কোনো অনুমতি ছাড়াই এটি বেআইনিভাবে করেছেন। মিশিগান যদি ভোটার জালিয়াতির এই পথে হাঁটতে চায়, তবে আমি তাদের অর্থ সাহায্য আটকে দেওয়ার কথা বলব!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-২০ |শিরোনাম=মিশিগানের অ্যাবসেন্ট ব্যালট আবেদন নিয়ে ট্রাম্পের মিথ্যা টুইট |লেখক=ডি'অ্যাঞ্জেলো গোর |সাময়িকী=FactCheck.org |ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/05/trumps-false-tweet-about-michigan-absentee-ballot-applications/}}
* আর জানেন তো, আপনি যখন "মাথাপিছু" বা পার ক্যাপিটা বলেন, সেখানে অনেক ধরনের পার ক্যাপিটা আছে। এটা অনেকটা এমন যে কার তুলনায় মাথাপিছু? তবে আপনি যেকোনো বিভাগই দেখুন না কেন, মাথাপিছু হিসেবেও আমরা একদম শীর্ষে অর্থাৎ ভালো অবস্থানে আছি। তারা দারুণ কাজ করেছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-২০ |শিরোনাম=কোভিড-১৯ নিয়ে আলোচনার সময় ট্রাম্প কি বলেছিলেন যে ‘অনেক ধরনের পার ক্যাপিটা’ আছে? |লেখক=কিম লাক্যাপ্রিয়া |সাময়িকী=TruthOrFiction.com |ইউআরএল=https://www.truthorfiction.com/did-president-trump-say-there-were-many-per-capitas-in-a-covid-19-discussion/}}
* আমি পাঁচ বছর আগে মিশিগানে ‘ম্যান অফ দ্য ইয়ার’ হিসেবে সম্মানিত হয়েছিলাম।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-২২ |শিরোনাম=মিশিগানে ট্রাম্পের সন্দেহজনক ‘ম্যান অফ দ্য ইয়ার’ হওয়ার বড়াই |লেখক=রবার্ট ফার্লি |সাময়িকী=actCheck.org |ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2019/08/trumps-dubious-michigan-man-of-the-year-boast/}}
* ডাকযোগে পাঠানো ব্যালট বা মেল-ইন ব্যালটে যে বড় ধরনের কারচুপি হবে না, তার কোনো সম্ভাবনাই নেই (একদম শূন্য)! ডাকবক্সগুলো চুরি হবে, ব্যালট জাল করা হবে, এমনকি সেগুলো অবৈধভাবে ছাপানো আর তাতে জালিয়াতি করে সইও করা হবে। ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে ব্যালট পাঠাচ্ছেন। ওই রাজ্যে বসবাসকারী যে কেউ, সে যে-ই হোক বা যেভাবেই সেখানে আসুক না কেন, সে একটি ব্যালট পাবে। এরপর আসবে কিছু পেশাদার লোক, যারা এই সব মানুষদের বলে দেবে কীভাবে আর কাকে ভোট দিতে হবে। এদের মধ্যে অনেকে আবার আগে কখনো ভোট দেওয়ার কথা ভাবেনি। এটি একটি সাজানো নির্বাচন হবে। অসম্ভব!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1265255835124539392 টুইটারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৬ মে ২০২০)
* ভেবে দেখুন তো, আপনার স্থানীয় ফোন কোম্পানিগুলো যদি আপনার বলা কথাগুলো এডিট করার বা সেন্সর করার চেষ্টা করত। সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোর ক্ষমতা তো তার চেয়েও অনেক বেশি।
** {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-২৮ |শিরোনাম=সোশ্যাল মিডিয়া দমনের যুক্তি দিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি হাস্যকর তুলনা ব্যবহার করেছেন |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/05/28/politics/donald-trump-twitter-facebook-social-media-executive-order/index.html}}
====জুন ২০২০====
[[File:President Trump Visits St. John's Episcopal Church (49963649028).jpg|thumb|আপনাদের আধিপত্য বিস্তার করতে হবে নতুবা আপনাদের একদল মূর্খ মনে হবে, আপনাদের লোকজনকে গ্রেফতার করতে হবে এবং তাদের বিচার করতে হবে।]]
* আপনাদের আধিপত্য বিস্তার করতে হবে নতুবা আপনাদের একদল মূর্খ মনে হবে, আপনাদের লোকজনকে গ্রেফতার করতে হবে এবং তাদের বিচার করতে হবে।
* আপনাদের খুব বেশি সাবধান হওয়ার দরকার নেই।
** জর্জ ফ্লয়েড হত্যার পর পুলিশি সহিংসতার বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারী সাধারণ মানুষের প্রতি কেমন প্রতিক্রিয়া দেখাতে হবে সে বিষয়ে মার্কিন গভর্নরদের নির্দেশ দিচ্ছেন [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-০১ |শিরোনাম=বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে গভর্নরদের আক্রমণাত্মক কৌশল ব্যবহারের উৎসাহ দিচ্ছেন উত্তেজিত ট্রাম্প |লেখক=কেভিন লিপটাক, রায়ান নোবলস, সারাহ ওয়েস্টউড |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/06/01/politics/donald-trump-race-police/index.html}}
* ওয়াশিংটন, ডি.সি. গত রাতে পৃথিবীর সবথেকে নিরাপদ জায়গা ছিল!
** [https://twitter.com/realdonaldtrump/status/1267959729361485825 ২ জুন ২০২০-এর টুইট], ৮ জুন ২০২০, [https://www.usnews.com/news/politics/articles/2020-06-07/ap-fact-check-trump-exaggerations-on-blacks-economic-gains ইউএস নিউজ]।
* এটি তার জন্য একটি দারুণ দিন। এটি সবার জন্যই একটি দারুণ দিন। গুণের বিচারে এটি খুবই চমৎকার একটি দিন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] দাবি করেছেন যে মার্কিন অর্থনীতি "আবার সঠিক পথে ফিরে এসেছে", এবং তিনি এর সাথে জর্জ ফ্লয়েডকে যুক্ত করেছেন, যাকে কয়েক দিন আগে পুলিশ হত্যা করেছিল। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-০৫ |শিরোনাম=জর্জ ফ্লয়েড ওপর থেকে নিচে তাকিয়ে দেখছেন এবং দিনটিকে ‘একটি দারুণ দিন’ বলার জন্য ট্রাম্পের সমালোচনা |লেখক=এমা রোজমার্জি |সাময়িকী=ইউনিলাড |ইউআরএল=https://www.unilad.co.uk/news/trump-criticised-for-saying-george-floyd-is-looking-down-and-calling-it-a-great-day/}}
* বাফেলোর যে বিক্ষোভকারীকে পুলিশ ধাক্কা দিয়েছিল সে একজন অ্যান্টিফা প্ররোচনাকারী হতে পারে। ৭৫ বছর বয়সী মার্টিন গুগিনোকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল কারণ মনে হচ্ছিল তিনি পুলিশের যোগাযোগের সরঞ্জামগুলো অকেজো করার জন্য স্ক্যান করছিলেন। @OANN আমি দেখেছি, তাকে যত জোরে ধাক্কা দেওয়া হয়েছিল তার চেয়েও বেশি জোরে তিনি পড়ে গিয়েছিলেন। তিনি স্ক্যানার দিয়ে লক্ষ্য করছিলেন। এটি কি কোনো সাজানো নাটক হতে পারে?
** পুলিশের হাতে নিষ্ঠুরভাবে নির্যাতিত হওয়ার পর মস্তিষ্কে আঘাত পাওয়া শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারী মার্টিন গুগিনো সম্পর্কে কোনো প্রমাণ ছাড়াই [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই সব মন্তব্য বারবার করেছেন। যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-০৯ |শিরোনাম=বাফেলো পুলিশের ধাক্কায় পড়ে যাওয়া ৭৫ বছর বয়সী বৃদ্ধের বিরুদ্ধে পড়ে যাওয়ার নাটক করার অভিযোগ ট্রাম্পের |লেখক=ক্যামেরন ফিউ |সাময়িকী=ইউনিলাড |ইউআরএল=https://www.unilad.co.uk/news/trump-accuses-75-year-old-knocked-down-by-buffalo-police-of-faking-fall/}}
* আমার মনে হয় অন্য যেকোনো রাষ্ট্রপতির চেয়ে আমি কৃষ্ণাঙ্গ সম্প্রদায়ের জন্য বেশি কাজ করেছি এবং চলুন আমরা আব্রাহাম লিংকনকে বাদ দিই কারণ তিনি ভালো কাজ করেছিলেন যদিও সেটা সবসময়ই প্রশ্নবিদ্ধ, মানে সহজ কথায় শেষ ফলাফলটা।
** জর্জ ফ্লয়েড বিক্ষোভ চলাকালীন ফক্স নিউজের সাথে এক সাক্ষাৎকারে নিজের নেতৃত্ব এবং আফ্রিকান-আমেরিকান সম্প্রদায়ের সাথে সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার সময় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন। জেরেমি স্টাহলের নিবন্ধ "[https://slate.com/news-and-politics/2020/06/what-was-trump-trying-to-say-about-abraham-lincoln.html আব্রাহাম লিংকন সম্পর্কে ট্রাম্প কী বলতে চেয়েছিলেন?]" ১২ জুন ২০২০, ''স্লেট''।
* সে একজন মিথ্যাবাদী... হোয়াইট হাউসের সবাই জন বোল্টনকে ঘৃণা করত।
** নিজের বেছে নেওয়া জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেন, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-১৫ |শিরোনাম=বোল্টনের বিস্ফোরক বই প্রকাশের পর ট্রাম্প তাকে ‘মিথ্যাবাদী’ বলে অভিহিত করেছেন এবং বলেছেন ‘হোয়াইট হাউসের সবাই তাকে ঘৃণা করত’ |লেখক=নিকোল ডারা |সাময়িকী=দ্য সান |ইউআরএল=https://www.the-sun.com/news/999925/trump-john-bolton-book-white-house-liar/}}
* এরাই সেই সব মানুষ — সবথেকে সেরা, সবথেকে স্মার্ট, সবথেকে মেধাবী, আর তারা এইডসের টিকা আবিষ্কার করেছে। তারা... আরও নানা কিছু আবিষ্কার করেছে।
** বিজ্ঞানীদের সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই দাবি করেন, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-১৬ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: অস্তিত্বহীন এইডস টিকা নিয়ে ট্রাম্পের দাবি |লেখক=ক্যালভিন উডওয়ার্ড, হোপ ইয়েন |সাময়িকী=নিউজ ১২ |ইউআরএল=https://www.kxii.com/content/news/AP-FACT-CHECK-Trump-on-an-AIDS-vaccine-that-doesnt-exist-571309161.html/}}
* আমি একটা ভালো কাজ করেছি: আমি জুনটিন্থকে খুব বিখ্যাত করে তুলেছি।<br>এটি আসলে একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান, একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। কিন্তু আগে কেউ এর নাম শোনেনি।
** বুধবার ১৭ জুন ২০২০-এ ওভাল অফিসে দেওয়া সাক্ষাৎকারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন। ১৯ জুন ২০২০-এ ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের মাইকেল বেন্ডারের [https://www.wsj.com/articles/trump-talks-juneteenth-john-bolton-economy-in-wsj-interview-11592493771 একটি নিবন্ধ] অনুযায়ী এবং ২১ জুন ২০২০-এ দ্য গার্ডিয়ানের রিচার্ড ওল্ফের[https://www.theguardian.com/commentisfree/2020/jun/20/donald-trump-tulsa-rally-crowd-empty-seats লেখায়] এটি বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
* আমি বললাম, 'জেনারেল, কোনো রেলিং ছাড়া ওই ঢালু পথ দিয়ে নিচে নামতে গিয়ে আছাড় না খেয়ে নামা আমার পক্ষে অসম্ভব, জেনারেল।'
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-২০ |শিরোনাম=১৭৯৮টি শব্দ যা প্রমাণ করে যে ওয়েস্ট পয়েন্টের ঢালু পথ নামার গল্প নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প কতটা আচ্ছন্ন |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/06/22/politics/donald-trump-tulsa-rally-west-point-ramp/index.html |ভাষা=en-US}}
* আপনাদের ৪০১(কে) (অবসরকালীন সঞ্চয়) এবং আপনাদের টাকা-পয়সা সব মূল্যহীন হয়ে পড়বে।
** জো বাইডেন যদি পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জেতেন তবে কী হবে সে সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-২০ |শিরোনাম=অতিমারী নিয়ে আবারও মিথ্যাচার, জুনের শুরু থেকে জুলাইয়ের শুরু পর্যন্ত ট্রাম্প ২০০টি মিথ্যা দাবি করেছেন |লেখক=ড্যানিয়েল ডেল, তারা সুব্রামানিয়াম |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/07/18/politics/fact-check-trump-june-july-2020/index.html |ভাষা=en-US}}
* সাজানো ২০২০ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ভিনদেশ এবং অন্যরা লক্ষ লক্ষ ডাক-ব্যালট ছাপাবে। এটি হবে আমাদের সময়ের সবথেকে বড় কেলেঙ্কারি!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]-এর দাবি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-২২ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ডাকযোগে ভোট দেওয়া নিয়ে ভিত্তিহীন দাবি ছড়াচ্ছেন ট্রাম্প |লেখক=মাইলস পার্কস |সাময়িকী=এনপিআর |ইউআরএল=https://apnews.com/1d1a98892bdc7e1df97807b3be48bb13 |ভাষা=en-US}}
* আচ্ছা, একটি বিষয় যা সত্যিই দারুণ হবে তা হলো — অভিজ্ঞতা শব্দটির কদর এখনো আছে। আমি সবসময় বলি অভিজ্ঞতার চেয়ে প্রতিভাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমি সবসময় এটাই বলেছি। কিন্তু অভিজ্ঞতা শব্দটিও খুব গুরুত্বপূর্ণ। এর একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ অর্থ আছে। আমি আগে কখনো এটা করিনি। আমি কখনো ওয়াশিংটনে রাত কাটাইনি। আমি ওয়াশিংটনে বড়জোর ১৭ বার এসেছিলাম। আর হঠাৎ করে আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হয়ে গেলাম। আপনারা তো গল্পটা জানেন। আমি ফার্স্ট লেডির সাথে পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউ দিয়ে যাচ্ছিলাম আর বলছিলাম, ‘এটা দারুণ। কিন্তু আমি ওয়াশিংটনের খুব বেশি মানুষকে চিনতাম না। এটি আমার চেনা জায়গা ছিল না। আমি ম্যানহাটন থেকে, নিউ ইয়র্ক থেকে এসেছিলাম। এখন আমি সবাইকে চিনি এবং প্রশাসনে আমার কাছে দারুণ সব মানুষ আছে। আপনি কিছু ভুল করবেনই। যেমন, ওই গাধাটার কথা ধরুন, ওই যে বোল্টন। সে সবসময় চাইত সবার ওপর বোমা ফেলতে। আপনার তো সবার ওপর বোমা ফেলার দরকার নেই। মানুষের প্রাণ নেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
** "দ্বিতীয় মেয়াদে আপনার অগ্রাধিকারগুলো কী হবে?" - এই প্রশ্নের জবাবে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন। যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৭-১৭ |শিরোনাম=দ্বিতীয় মেয়াদের পরিকল্পনা নিয়ে ট্রাম্পের আবোলতাবোল বকুনি |লেখক=অ্যাডাম কে রেমন্ড |সাময়িকী=নিউ ইয়র্ক ম্যাগাজিন |ইউআরএল=https://nymag.com/intelligencer/2020/06/trump-hannity-interview-full-of-unintelligible-rambling.html}}
* রাশিয়ানরা [[আফগানিস্তান]]ে আমাদের সেনাদের ওপর তথাকথিত যে হামলা চালিয়েছে সে সম্পর্কে আমাকে, @উপ-রাষ্ট্রপতি পেন্স অথবা চিফ অফ স্টাফ @মার্কমিডোসকে কেউ কিছুই বলেনি।
** আফগানিস্তানে মার্কিন সেনাদের হত্যার জন্য রাশিয়ান গোয়েন্দারা তালিবানদের টাকা দিচ্ছে, এমন একটি সংবাদ প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেন। যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-২৮ |শিরোনাম=মার্কিন সেনাদের হত্যার জন্য পুরস্কার বা বাউন্টি দেওয়ার খবর সম্পর্কে তাকে ব্রিফ করার বিষয়টি অস্বীকার করলেন ট্রাম্প |লেখক=কাইল বালুক |সাময়িকী=দ্য হিল |ইউআরএল=https://thehill.com/homenews/administration/504890-trump-denies-he-was-briefed-on-reported-bounties-on-us-troops |ভাষা=en-US}}
* আপনারা কি স্রেফ তাদের গুলি করতে পারেন না? স্রেফ তাদের পায়ে বা এমন কোথাও গুলি করুন না?
** জর্জ ফ্লয়েড হত্যার পর হোয়াইট হাউসের আশেপাশে রাস্তায় বিক্ষোভকারীদের সম্পর্কে জুন ২০২০-এ [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেছিলেন। প্রাক্তন প্রতিরক্ষা সচিব মার্ক এসপারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এটি [https://www.axios.com/mark-esper-book-trump-protesters-24e93272-2af5-423d-be3b-164daab7b43d.html "স্কুপ: এসপার বলেছেন ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের গুলি করতে চেয়েছিলেন"], অ্যাক্সিওস, ২ মে ২০২২।
====জুলাই ২০২০====
* সমাজ ও প্রকৃতির সকল নিয়মের বিরুদ্ধে গিয়ে আমাদের শিশুদের স্কুলে শেখানো হচ্ছে নিজেদের দেশকে ঘৃণা করতে। তাদের বিশ্বাস করানো হচ্ছে যে যারা এই দেশ গড়ে তুলেছিলেন তারা নায়ক নন বরং খলনায়ক ছিলেন। আমেরিকান ইতিহাসের এই কট্টরপন্থী দৃষ্টিভঙ্গি আসলে মিথ্যার জাল। এখানে সব প্রেক্ষিত সরিয়ে ফেলা হয়েছে, সমস্ত গুণকে আড়াল করা হয়েছে, প্রতিটি উদ্দেশ্যকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রতিটি তথ্য বিকৃত করা হয়েছে এবং প্রতিটি ত্রুটিকে এমনভাবে বড় করে দেখানো হয়েছে যাতে ইতিহাস পুরোপুরি মুছে যায় এবং সমস্ত নথিপত্র চেনা দায় হয়ে পড়ে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-০৩ |শিরোনাম=বাইডেন শিক্ষকদের বলেছেন যে তারা সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করছেন, একই দিনে ট্রাম্প বলেছেন যে শিক্ষকরা শিশুদের ‘দেশকে ঘৃণা করতে’ শেখাচ্ছেন |লেখক=ভ্যালেরি স্ট্রস |সাময়িকী=ইন্ডিপেন্ডেন্ট |ইউআরএল=https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-election/biden-trump-teachers-education-policy-2020-election-a9603156.html}}
* আমাদের বিদ্যালয়গুলোতে, আমাদের নিউজ রুমগুলোতে, এমনকি আমাদের কর্পোরেট বোর্ডরুমগুলোতেও এক নতুন কট্টর বামপন্থী ফ্যাসিবাদ এসেছে যা সবার কাছ থেকে নিঃশর্ত আনুগত্য দাবি করে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-০৩ |শিরোনাম=মাউন্ট রাশমোর ভাষণে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২৮টি সবথেকে আপত্তিকর উক্তি |লেখক=ভ্যালেরি স্ট্রস |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/07/04/politics/donald-trump-mount-rushmore-south-dakota-speech-lines/index.html}}
* আমাদের -- এপ্রিলের পর থেকে ভোক্তাদের আত্মবিশ্বাস ১২ পয়েন্ট বেড়েছে, যা সর্বকালের সর্বোচ্চ। ভেবে দেখুন একবার।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের একটি অসত্য দাবি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-০৯ |শিরোনাম=আবারও অতিরঞ্জিত কথা, ট্রাম্পের দাবি চারটি অর্থনৈতিক সূচক রেকর্ড গড়েছে যা আসলে কোনো রেকর্ড নয় |লেখক=ড্যানিয়েল ডেল |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/07/06/politics/fact-check-trump-june-jobs-exaggerations/index.html}}
* অনেক বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্কুল ব্যবস্থা এখন পড়াশোনার বদলে কট্টর বামপন্থী মতাদর্শ চাপিয়ে দেওয়ার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। তাই আমি ট্রেজারি বিভাগকে তাদের কর-মুক্ত সুবিধা এবং অর্থায়ন পুনরায় খতিয়ে দেখতে বলছি। যদি এই অপপ্রচার বা জনস্বার্থ বিরোধী কাজ চলতে থাকে, তবে সেই সব সুবিধা কেড়ে নেওয়া হবে। আমাদের শিশুদের শিক্ষা দিতে হবে, তাদের ওপর কোনো মতাদর্শ চাপিয়ে দেওয়া যাবে না!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১১ |শিরোনাম=মার্কিন স্কুলগুলো পুনরায় খোলার বিষয়ে ট্রাম্পের চাপের মুখে ডাক্তার ও শিক্ষকদের অসম্মতি |লেখক=সুসান হেভি |সাময়িকী=রয়টার্স |ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/us-health-coronavirus-uda-education/in-bid-to-reopen-u-s-schools-trump-threatens-their-tax-exempt-status-idUSKBN24B2D3?il=0}}
* আমি একটি জটিল এলাকায় একটি বেসরকারি গোষ্ঠীর দ্বারা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে টাকা তুলে দেওয়ালের এই খুব ছোট অংশটি তৈরির বিরোধী ছিলাম। এটি কেবল আমাকে ছোট করার জন্য করা হয়েছিল এবং হয়ত এখন এটি কাজও করছে না। এটি দেওয়ালের বাকি ৫০০ মাইলের মতোই তৈরি করা উচিত ছিল।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১২ |শিরোনাম=সমর্থকদের অর্থায়নে নির্মিত দেওয়ালের অস্থিতিশীল অংশটি কেবল 'আমাকে ছোট করার জন্য করা হয়েছিল' বলে দাবি ট্রাম্পের |লেখক= ক্যাথরিন গার্সিয়া | সাময়িকী=দ্য উইক |ইউআরএল=https://theweek.com/speedreads/925124/trump-says-possibly-unstable-section-border-wall-funded-by-supporters-only-done-make-look-bad}}
* আমি এমন অনেককে চিনি যারা কনফেডারেট পতাকা পছন্দ করেন এবং তারা [[দাসত্ব]]ের কথা ভাবছেন না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১৮ |শিরোনাম=ট্রাম্প একটি কনফেডারেট পতাকার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন যেখানে তার অনেক সমর্থক আগেই হার মেনে নিয়েছে |লেখক= টিনা নগুয়েন | সাময়িকী=পলিটিকো |ইউআরএল=https://www.politico.com/news/2020/07/18/trump-confederate-flag-battle-368607}}
* দেখুন, আমি সবসময় সবকিছুর জন্য দায়িত্ব নিই কারণ শেষ পর্যন্ত এটি আমারই কাজ। আমাকে সবাইকে একই সারিতে আনতে হয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১৯ |শিরোনাম=করোনাভাইরাস নিয়ে সমালোচকদের জবাব দিলেন ট্রাম্প, বিশেষ সাক্ষাৎকারে কথা বললেন নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেবেন কি না তা নিয়ে |লেখক= রন ব্লিটজার | সাময়িকী=ফক্স নিউজ |ইউআরএল=https://www.foxnews.com/politics/trump-pushes-back-against-critics-on-coronavirus-addresses-whether-he-will-accept-election-results-in-exclusive-interview}}
* আমি সত্যি বলছি, আমি ফক্স নিউজের খুব একটা ভক্ত নই।
* আমরা দুই সপ্তাহের মধ্যে একটি স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনা সই করতে যাচ্ছি, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ এবং সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনা যা করার অধিকার ডাকা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত আমাকে দিয়েছে। তাই আমরা সমাধান করতে যাচ্ছি আমরা একটি অভিবাসন পরিকল্পনা, একটি স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনা এবং অন্যান্য আরও কিছু পরিকল্পনা সই করতে যাচ্ছি। আগামী চার সপ্তাহে আমি যা করতে যাচ্ছি তা আগে কেউ করেনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১৯ |শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্প বনাম ফক্স নিউজ সানডে: একটি উত্তপ্ত সাক্ষাৎকারের কিছু বিশেষ মুহূর্ত |লেখক= আমান্ডা হোলপাচ | সাময়িকী=দ্য গার্ডিয়ান |ইউআরএল=https://www.theguardian.com/us-news/2020/jul/19/donald-trump-fox-news-sunday-chris-wallace-interview}}
* আসলে আপনি যখন ভালো কিছু দেখেন তখন সেটার কোনো তদন্ত বা যাচাই করেন না।
** মাঝেমধ্যে অদ্ভুত সব বিষয় রিটুইট করার অভ্যাস সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-২২ |শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বীকার করেছেন যে তিনি প্রায়ই নিজের টুইট নিয়ে আফসোস করেন, বলেছেন তার রিটুইটগুলো তাকে বিপদে ফেলে দেয় এবং সেই সব পুরোনো দিনের কথা মনে করেন যখন একটি চিঠি লিখে এক দিন ফেলে রাখা যেত |লেখক= এরিয়েল জিলবার | সাময়িকী=ডেইলি মেইল |ইউআরএল=https://www.dailymail.co.uk/news/article-8558493/Trump-says-regrets-Twitter-posts-admits-times-love-it.html}}
* এটি যদি আমার টেবিলে আসত তবে আমি অবশ্যই এ নিয়ে কিছু করতাম।
** আফগানিস্তানে আমেরিকানদের হত্যার জন্য রাশিয়া জঙ্গিদের পুরস্কার, এমন একটি মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের প্রেক্ষিতে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেন। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-২৮ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: ওষুধের দাম ও হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন নিয়ে ট্রাম্পের জাঁকজমকপূর্ণ কথা |লেখক=হোপ ইয়েন এবং ক্যালভিন উডওয়ার্ড | সাময়িকী=স্টার ট্রিবিউন |ইউআরএল=https://www.startribune.com/ap-fact-check-trump-hype-on-drug-costs-hydroxychloroquine/571989352/}}
* যেসব নৈরাজ্যবাদী, উস্কানিদাতা বা বিক্ষোভকারী পোর্টল্যান্ডের আমাদের ফেডারেল আদালত ভবন বা আমাদের যেকোনো শহর বা অঙ্গরাজ্যের ফেডারেল ভবন ভাঙচুর বা ক্ষতি করবে, তাদের আমাদের সম্প্রতি পুনরায় কার্যকর করা মূর্তি ও স্মৃতিস্তম্ভ আইনের আওতায় বিচার করা হবে। কমপক্ষে দশ বছরের জেল। এমনটা করবেন না!
** [https://mobile.twitter.com/Oijans/status/1346916360178302978 টুইটার] বার্তায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ২৮ জুলাই ২০২০।
* আমি মনে করি সে একটি চমৎকার প্রার্থী হতে পারে, [[কমলা হ্যারিস]]। সে একটি চমৎকার প্রার্থী হবে।
** কমলা হ্যারিস-এর উপ-রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য, যা একটি [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-marine-one-departure-072920/ হোয়াইট হাউসের প্রতিলিপি] থেকে পাওয়া।
* সার্বজনীন ডাকযোগে ভোট (অ্যাবসেন্ট ব্যালট নয়, যা আসলে ভালো) হওয়ার ফলে ২০২০ সালের নির্বাচন হবে ইতিহাসের সবথেকে ভুল এবং জালিয়াতিপূর্ণ নির্বাচন। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য চরম লজ্জার হবে। মানুষ যতক্ষণ না সঠিকভাবে এবং নিরাপদে ভোট দিতে পারে, ততক্ষণ কি নির্বাচন স্থগিত রাখা উচিত???
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট ({{উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1288818160389558273 |শিরোনাম=সার্বজনীন ডাকযোগে ভোট হওয়ার ফলে ২০২০ সালের নির্বাচন হবে ইতিহাসের সবথেকে ভুল এবং জালিয়াতিপূর্ণ নির্বাচন। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য চরম লজ্জার হবে। মানুষ যতক্ষণ না সঠিকভাবে এবং নিরাপদে ভোট দিতে পারে, ততক্ষণ কি নির্বাচন স্থগিত রাখা উচিত??? |তারিখ=২০২০-০৭-৩০ |সংগ্রহের-তারিখ=২০২০-০৭-৩০ |প্রকাশক=টুইটার |ভাষা=en-US |লেখক=ডোনাল্ড ট্রাম্প}})। এটি ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছিল এবং অনেক সংবাদ মাধ্যম এটি উদ্ধৃত করেছে, যেমন {{উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://www.bbc.co.uk/news/world-us-canada-53599363 |শিরোনাম=রিপাবলিকানদের ট্রাম্পের প্রতি বার্তা: আপনি ২০২০ সালের নির্বাচন পেছাতে পারেন না |তারিখ=২০২০-০৭-৩০ |সংগ্রহের-তারিখ=২০২০-০৭-৩০ |প্রকাশক=বিবিসি |ভাষা=en-GB}}।
* নির্বাচনের ফলাফল অবশ্যই নির্বাচনের রাতেই জানতে হবে, কয়েক দিন, মাস বা বছর পরে নয়!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-২৯ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: নির্বাচনের বিষয়ে ট্রাম্পের উত্তেজনা এবং বিকৃতি |লেখক=ক্যালভিন উডওয়ার্ড | সাময়িকী=সিয়াটেল টাইমস |ইউআরএল=https://www.seattletimes.com/nation-world/ap-fact-check-trumps-election-agitations-and-distortions/}}
* প্রথম দিকের প্রশ্নগুলো খুব সহজ। শেষের প্রশ্নগুলো অনেক বেশি কঠিন, যেমন স্মৃতিশক্তির একটি প্রশ্ন। এটি অনেকটা এমন যে আপনি বলছেন, '''"ব্যক্তি, নারী, পুরুষ, ক্যামেরা, টিভি"'''। তো তারা বলে, "আপনি কি এটি আবার বলতে পারবেন?" তো আমি বললাম, "হ্যাঁ। এটি হলো ব্যক্তি, নারী, পুরুষ, ক্যামেরা, টিভি।" ঠিক আছে। এটি খুব ভালো। আপনি যদি ধারাবাহিকভাবে বলতে পারেন, তবে আপনি অতিরিক্ত পয়েন্ট পাবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি|তারিখ=২০২০-০৭-২৩|শিরোনাম=মানসিক সক্ষমতা পরীক্ষায় রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের সাফল্য: ব্যক্তি, নারী, পুরুষ, ক্যামেরা, টিভি|লেখক=পিটার ওয়েড|সাময়িকী=রোলিং স্টোন|ইউআরএল=https://www.rollingstone.com/politics/politics-news/trump-cognitive-test-person-woman-man-camera-tv-1033002}}। মন্ট্রিয়ল কগনিটিভ অ্যাসেসমেন্ট দেওয়ার প্রসঙ্গে তিনি এই কথা বলেন।
* যখন তারা ধরা পড়ে, তারা বলে, “না, এটি তো আমার পরিবারের জন্য আনা সুপ।” তারা এতটাই নিষ্পাপ। “এটি আমার পরিবারের জন্য আনা সুপ।” এটি অবিশ্বাস্য। আর আপনারা দেখবেন মানুষ সুপের ব্যাগ নিয়ে আসছে, সুপের বিশাল বড় ব্যাগ। আর তারা সেগুলো মাটিতে রাখে, আর নৈরাজ্যবাদীরা সেগুলো নিয়ে আমাদের পুলিশদের দিকে ছুড়তে শুরু করে। আর এটি যদি আপনাকে আঘাত করে, তবে তা ইটের চেয়েও বেশি ক্ষতিকর কারণ এতে অনেক গতি থাকে। এটি একদম সঠিক মাপের। এটি যেন একদম নিখুঁতভাবে তৈরি করা হয়েছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি|তারিখ=২০২০-০৯-০২|শিরোনাম=বোঝা যাচ্ছে যে ট্রাম্প অ্যান্টিফার নতুন গোপন অস্ত্র ‘সুপ’ নিয়ে খুব আতঙ্কিত|লেখক=সারাহ মিডকিফ| সাময়িকী=রিফাইনারি২৯|ইউআরএল=https://www.refinery29.com/en-us/2020/09/10001730/trump-cans-bags-of-soup-antifa-protestors}}
====আগস্ট ২০২০====
* ওষুধ কোম্পানিগুলো যখন আমার বিরুদ্ধে বড় বড় টেলিভিশন বিজ্ঞাপন দেয়, তখন তারা যা বলে (যা মিথ্যা) তা ভুলে যান, আপনারা জানেন যে ওষুধের দাম অনেক কমছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৮-০২ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: ওষুধের দাম ও হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন নিয়ে ট্রাম্পের জাঁকজমকপূর্ণ কথা |লেখক=হোপ ইয়েন এবং ক্যালভিন উডওয়ার্ড | সাময়িকী=এপি নিউজ |ইউআরএল=https://apnews.com/d7f1d2003aeaa95466e12b875b7b4619}}
* এক অবৈধ নৈশ ক্যুর মাধ্যমে নেভাদার ক্লাবহাউস গভর্নর রিপাবলিকানদের জন্য সেই অঙ্গরাজ্যে জেতা অসম্ভব করে তুলেছেন। প্রস্তুতি ছাড়া ডাকবিভাগ কখনোই ডাকযোগে পাঠানো ভোটের চাপ সামলাতে পারবে না। কভিডকে ব্যবহার করে অঙ্গরাজ্যটি চুরি করা হচ্ছে। আদালতে দেখা হবে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=কুইন্ট ফোরজি | তারিখ=২০২০-০৮-০৩ |শিরোনাম=নেভাদায় ডাকযোগে ভোট বন্ধ করতে ট্রাম্পের মামলার হুমকি | সাময়িকী=পলিটিকো | ইউআরএল=https://www.politico.com/news/2020/08/03/trump-nevada-mail-voting-lawsuit-390878}}
* আপনি একে ডাকযোগে ভোট বলুন বা অ্যাবসেন্ট ভোটিং, ফ্লোরিডায় নির্বাচনী ব্যবস্থা নিরাপদ ও সুরক্ষিত, এটি পরীক্ষিত ও সত্য। ফ্লোরিডার ভোটদান ব্যবস্থা পরিষ্কার করা হয়েছে (আমরা ডেমোক্র্যাটদের পরিবর্তনের চেষ্টা নস্যাৎ করেছি), তাই '''ফ্লোরিডায় আমি সবাইকে ব্যালটের অনুরোধ করতে এবং ডাকযোগে ভোট দিতে উৎসাহিত করি!''' #এমএজিএ
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=বেটসি ক্লেইন | তারিখ=২০২০-০৮-০৩ |শিরোনাম=আপাত দৃষ্টিতে অবস্থান বদলে ফ্লোরিডাবাসীকে ডাকযোগে ভোট দিতে উৎসাহিত করলেন ট্রাম্প | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/04/politics/donald-trump-mail-in-voting-florida/index.html}}
* বড় ধরনের কারচুপি ছাড়া ডাকযোগে ভোট সম্পন্ন হওয়ার কোনো উপায় নেই।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | তারিখ=২০২০-০৮-০৩ |শিরোনাম=জোনাথন সোয়ান ট্রাম্পের মিথ্যা ফাঁস করার সহজ রহস্য উন্মোচন করেছেন: মৌলিক ফলো-আপ প্রশ্ন | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/04/politics/fact-check-jonathan-swan-axios-hbo-interview-trump-coronavirus/index.html}}
* আমি যখন দায়িত্ব নিই, তখন আমাদের কাছে কোনো পরীক্ষাই ছিল না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] উল্লেখ করেছেন যে ২০১৭ সালে, ২০১৯ সালে আবির্ভূত করোনাভাইরাসের জন্য কোনো পরীক্ষা ছিল না, যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি | লেখক=স্টিভ বেনেন | তারিখ=২০২০-০৮-০৩ |শিরোনাম=ভাইরাস পরীক্ষার বিরুদ্ধে যুক্তি দিতে কাল্পনিক 'ম্যানুয়াল'-এর কথা বলছেন ট্রাম্প | সাময়িকী=এমএসএনবিসি | ইউআরএল=https://www.msnbc.com/rachel-maddow-show/trump-points-imagined-manuals-argue-against-virus-tests-n1235815}}
* আমরা অবিশ্বাস্য কাজ করেছি, সবকিছু নিয়ন্ত্রণে আছে। [যুক্তরাষ্ট্রের [[কোভিড-১৯ অতিমারী]] পরিস্থিতি সামলানো প্রসঙ্গে]
** এইচবিওতে অ্যাক্সিওসের জোনাথন সোয়ানের সাথে [https://www.youtube.com/watch?v=zaaTZkqsaxY সাক্ষাৎকারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
* বিস্ফোরণের ধরণ দেখে মনে হচ্ছে এটি তেমনই ছিল। আমি আমাদের কয়েকজন বড় জেনারেলের সাথে দেখা করেছি এবং তাদের মনে হয়েছে যে এটি এমনই ছিল। এটি কোনো উৎপাদন সংক্রান্ত বা কারখানার বিস্ফোরণ জাতীয় ঘটনা ছিল না... তারা মনে করছেন এটি একটি হামলা ছিল। হ্যাঁ, এটি কোনো এক ধরনের বোমা ছিল।
** বৈরুতের বিস্ফোরণকে দুর্ঘটনা না বলে কেন তিনি হামলা বলছেন, এই প্রশ্নের জবাবে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি | লেখক=ডার্লিন সুপারভিল/এপি | তারিখ=২০২০-০৮-০৪ |শিরোনাম= বৈরুতের বিশাল বিস্ফোরণ সম্ভবত একটি 'হামলা', বললেন ট্রাম্প | সাময়িকী=টাইম |ইউআরএল=time.com/5875784/trump-explosion-beirut-attack/ }}
* '''প্রশ্ন''': যদি প্রেসিডেন্ট ওবামার সময়ে ১,৬০,০০০ মানুষ মারা যেত, আপনার কি মনে হয় আপনি তার পদত্যাগ দাবি করতেন?
: '''[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]''': না, আমি তা করতাম না। আমার মনে হয় আমরা যা করতে পেরেছি তা অবিশ্বাস্য। আমরা যদি আমাদের দেশ বন্ধ না করতাম, তবে ইতিমধ্যেই ১৫ বা ২০ লক্ষ মানুষ মারা যেত। আমরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি; এখন আমাদের এটি বন্ধ করতে হবে না। আমরা রোগটি বুঝি। কেউ এটি বোঝেনি কারণ কেউ এর আগে এমন কিছু দেখেনি। সবথেকে কাছাকাছি ঘটনা হলো ১৯১৭ সাল, তারা যেমনটা বলে, তাই তো? সেই মহান অতিমারীটি অবশ্যই একটি ভয়াবহ বিষয় ছিল, যেখানে তারা ৫ থেকে ১০ কোটি মানুষ হারিয়েছিল। সম্ভবত এটিই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ করে দিয়েছিল; সব সৈন্যরা অসুস্থ ছিল। সেটি একটি ভয়াবহ পরিস্থিতি ছিল। আর এটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে। এটি অত্যন্ত, অত্যন্ত ছোঁয়াচে। না, আমি যদি অনেকের কথা শুনতাম, তবে আমরা এটি খোলা রাখতাম। আর এখন আমরা এটি পুরো সময় খোলাই রাখছি। আমরা এটি খোলা রাখি। কিন্তু আমরা যদি এটি খোলা রাখতাম, তবে এখন ১৫ বা ২০ লক্ষ মানুষ—১৫ থেকে ২০ লক্ষ মানুষ মারা যেতে পারত। আমাদের লোকেরা চমৎকার কাজ করেছে,আমাদের পরামর্শক এবং ডাক্তাররা। আপনারা জানেন, অনেক মতভেদ আর অনেক কিছুর মাঝেই এটি হয়েছে।
:* [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-press-briefing-august-10-2020/ ''১০ আগস্ট ২০২০-এর সাংবাদিক বৈঠকে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্য''], প্রকাশিত হয়েছে: ১১ আগস্ট ২০২০, ''whitehouse.gov''।
:* দ্রষ্টব্য: অক্টোবর ২০১৪-এ ডোনাল্ড ট্রাম্প [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/525431218910027776 টুইট] করেছিলেন যে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা-র পদত্যাগ করা উচিত কারণ গিনিতে ইবোলা রোগীদের চিকিৎসা করা একজন ডাক্তার যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে এসেছিলেন, যা স্নোপসের [https://www.snopes.com/fact-check/trump-obama-ebola-tweet/ ইবোলা চিকিৎসক যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার পর ট্রাম্প কি ওবামার পদত্যাগ দাবি করেছিলেন?] শীর্ষক প্রতিবেদনে (১৫ মে ২০২০) প্রকাশিত হয়েছে। আর ১৯১৮ সালের ফ্লু অতিমারী ১৯১৮ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯২০ সালের এপ্রিল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল, যা ১৯৩৯ সালে শুরু হওয়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অনেক আগের ঘটনা।
* বাইডেন যদি জেতেন, তবে তিনি সবার কর দ্বিগুণ, তিনগুণ বাড়িয়ে দেবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল, হোমস লিব্র্যান্ড এবং তারা সুব্রামানিয়াম | তারিখ=২০২০-০৮-০৪ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ব্রিফিংগুলোতে মিথ্যা দাবি আর অতিরঞ্জিত করার অভ্যাসে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন ট্রাম্প | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/12/politics/donald-trump-press-briefing-biden-tax-plan-coronavirus-fact-check/index.html}}
* নচ্ছাড়
* ভয়াবহ
* এমন একজন যে অনেক অনেক অসত্য গল্প বলেছে
* অস্বাভাবিকভাবে নচ্ছাড়
* এমন এক পর্যায়ের নচ্ছাড় যা স্রেফ একটি জঘন্য ব্যাপার
* [[জো বাইডেন]]ের প্রতি খুবই নচ্ছাড়
* সম্ভবত পোকাহন্টাসের চেয়েও বেশি নচ্ছাড়
* মার্কিন সেনেটের যে কারো চেয়ে সবথেকে নীচ, সবথেকে ভয়াবহ এবং সবথেকে অসম্মানজনক।
** [[কমলা হ্যারিস]] সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি ফোর্বস-এ অ্যান্ড্রু সোলেন্ডার উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি | লেখক=অ্যান্ড্রু সোলেন্ডার | তারিখ=২০২০-০৮-১১ | শিরোনাম=হোয়াইট হাউসের ব্রিফিংয়ে কমলা হ্যারিসকে বারবার 'নচ্ছাড়' ও 'ভয়াবহ' বললেন ট্রাম্প | সাময়িকী=ফোর্বস | ইউআরএল=https://www.forbes.com/sites/andrewsolender/2020/08/11/trump-repeatedly-calls-kamala-harris-nasty-and-horrible-in-white-house-briefing/#440e0fb54570}}
* ইউরোপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে অতিরিক্ত মৃত্যুহার প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি।
** করোনাভাইরাস নিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি | লেখক=জেসিকা ম্যাকডোনাল্ড | তারিখ=২০২০-০৮-১১ | শিরোনাম=বিভ্রান্তিকর এবং ত্রুটিপূর্ণ অতিরিক্ত মৃত্যুর পরিসংখ্যান দিলেন ট্রাম্প | সাময়িকী= FactCheck.org | ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/08/trump-touts-misleading-and-flawed-excess-mortality-statistic/}}
* আমি যদি নির্বাচনে না জিতি, তবে চীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মালিক হয়ে যাবে আপনাদের চীনা ভাষা বলা শিখতে হবে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=জাস্টিন প্যারাগোনা | তারিখ=২০২০-০৮-১২ |শিরোনাম=ট্রাম্প: বাইডেনের কাছে হারলে চীনা ভাষা শিখতে প্রস্তুত থাকুন | সাময়িকী=ডেইলি বিস্ট | ইউআরএল=https://www.thedailybeast.com/trump-if-i-lose-to-biden-get-ready-to-have-to-learn-to-speak-chinese/}}
* এখন, ডাকবিভাগকে সচল রাখার জন্য তাদের সেই অর্থের প্রয়োজন, যাতে তারা এই লক্ষ লক্ষ ব্যালট সামলাতে পারে। এখন, আমরা যদি কোনো চুক্তিতে না আসি, তার মানে তারা সেই টাকা পাবে না। তার মানে তারা সার্বজনীন ডাকযোগে ভোট ব্যবস্থা করতে পারবে না, তারা স্রেফ পারবে না।
** (১৩ আগস্ট ২০২০) [https://abcnews.go.com/Politics/trump-opposes-funding-usps-bid-block-vote-mail/story?id=72353322 ডাকযোগে ভোট বাধা দেওয়ার লক্ষ্যে ট্রাম্প ইউএসপিএসর তহবিল দেওয়ার বিরোধিতা করার পর সুর বদলালেন] ''এবিসি নিউজএ'' প্রকাশিত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য।
* ডেমোক্র্যাট শহরগুলো ছেড়ে দিন। সেগুলোকে পচতে দিন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] একজন সমর্থকের বার্তা রিটুইট করেছেন, {{উদ্ধৃতি | লেখক=জেমস গর্ডন | তারিখ=২০২০-০৮-১৬ |শিরোনাম='তাদের পচতে দিন!': নিউ ইয়র্ক বা শিকাগোর মতো ডেমোক্র্যাট শাসিত শহর ত্যাগের আহ্বানে সমর্থকের বার্তায় ট্রাম্পের রিটুইট | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://www.dailymail.co.uk/news/article-8633677/Let-rot-Trump-retweets-supporters-message-democrat-cities.html}}
* যাই হোক, নিউজিল্যান্ডে বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছিল।
** কভিড-১৯ ভাইরাস সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন, যা সেই সময় নিউজিল্যান্ডে মোট ২২ জনের মৃত্যুর কারণ হয়েছিল। {{উদ্ধৃতি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | তারিখ=২০২০-০৮-১৮ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ট্রাম্প নিউজিল্যান্ডে 'বড় প্রাদুর্ভাব' হয়েছে বললেও দেশটিতে বৃহস্পতিবার মাত্র ৫ জন আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/20/politics/fact-check-trump-new-zealand-outbreak/index.html}}
* আমি আবার দেখছি দাবানল শুরু হচ্ছে। ক্যালিফোর্নিয়াতে এগুলো আবার শুরু হচ্ছে। আমি বলেছিলাম, আপনাদের মেঝে পরিষ্কার করতে হবে, আপনাদের জঙ্গল পরিষ্কার করতে হবে সেখানে অনেক বছরের জমে থাকা পাতা আর ভাঙা গাছ আছে এবং সেগুলো খুবই দাহ্য, আপনি ছোঁয়া দিলেই জ্বলে ওঠে। সম্ভবত আমাদের তাদের দিয়ে এর খেসারত দেওয়াতে হবে কারণ তারা আমাদের কথা শোনে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=জেরেমি বি. হোয়াইট | তারিখ=২০২০-০৮-১৯ |শিরোনাম=দাবানলের জন্য ক্যালিফোর্নিয়াকে দায়ী করে ট্রাম্প বললেন 'আপনাদের মেঝে পরিষ্কার করতে হবে' | সাময়িকী=পলিটিকো | ইউআরএল=https://www.politico.com/states/california/story/2020/08/20/trump-blames-california-for-wildfires-tells-state-you-gotta-clean-your-floors-1311059}}
* আমি এই প্রজেক্ট বা প্রকল্প সম্পর্কে কিছুই জানি না, শুধু এটুকু ছাড়া যে আমি যখন এটি সম্পর্কে পড়েছিলাম তখন এটি আমার পছন্দ হয়নি, একদমই পছন্দ হয়নি।
* মিস্টার ব্যাননের জন্য এটি খুব দুঃখজনক। আমি অন্য কাউকেও চিনতাম না।
** ব্যক্তিগতভাবে পরিচালিত ‘উই বিল্ড দ্য ওয়াল’ প্রকল্প সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=অ্যান্ড্রু কাচিনস্কি, এম স্টেক | তারিখ=২০২০-০৮-২০ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: অস্বীকার করলেও বেসরকারি সীমান্ত দেওয়াল প্রকল্পের সাথে জড়িত বেশিরভাগ মানুষকেই চেনেন ট্রাম্প | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/20/politics/fact-check-trump-private-border-wall-project/index.html}}
* তাদের জেতার একমাত্র উপায় হলো একটি সাজানো নির্বাচন। আমি সত্যিই এটা বিশ্বাস করি। আমি বাইরের ভিড় দেখেছি।
** [[ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)]] সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | তারিখ=২০২০-০৮-২০ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: বাইডেনকে আক্রমণ করে পেনসিলভানিয়ায় দেওয়া ভাষণে ট্রাম্পের একগুচ্ছ মিথ্যা দাবি | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/20/politics/trump-false-claims-pennsylvania-speech-biden-fact-check/index.html}}
* আমাদের কাছে শেরিফ থাকবে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা থাকবে, এবং আমরা আশা করছি ইউএস অ্যাটর্নি এবং অ্যাটর্নি জেনারেলসহ সবাই থাকবে।
** ভোটার জালিয়াতি পর্যবেক্ষণ ও প্রতিরোধের পরিকল্পনা সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=তারা সুব্রামানিয়াম | তারিখ=২০২০-০৮-২১ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: রাষ্ট্রপতি কি ভোটকেন্দ্রে আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের পাঠাতে পারেন? | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/21/politics/donald-trump-law-enforcement-election-polls-fact-check/index.html}}
* এফডিএ-তে থাকা ডিপ স্টেট বা অন্য যে কেউ, ওষুধ কোম্পানিগুলোর জন্য ভ্যাকসিন এবং থেরাপিউটিক পরীক্ষার লোক পাওয়া খুব কঠিন করে দিচ্ছে। স্পষ্টতই, তারা আশা করছে ৩রা নভেম্বরের পর পর্যন্ত এর ফলাফল পিছিয়ে দিতে। আমাদের অবশ্যই গতি বাড়ানো এবং জীবন বাঁচানোর দিকে মনোযোগ দিতে হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=হোপ ইয়েন, ক্যালভিন উডওয়ার্ড | তারিখ=২০২০-০৮-২৪ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: এফডিএ-তে 'ডিপ স্টেট' থাকা নিয়ে ট্রাম্পের ভিত্তিহীন দাবি | সাময়িকী=পিটসবার্গ পোস্ট-গেজেট | ইউআরএল=https://www.post-gazette.com/business/powersource/2020/08/24/AP-FACT-CHECK-Trump-s-baseless-claim-of-deep-state-at-FDA/stories/202008240037}}
==== সেপ্টেম্বর ২০২০ ====
* পুরো শহরটা সারাক্ষণ আগুনে পুড়ছে।
** পোর্টল্যান্ড সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৯-০১ |শিরোনাম=বাইডেন এবং বিক্ষোভ নিয়ে ট্রাম্পের আরও কিছু মিথ্যা দাবি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল, তারা সুব্রামানিয়াম, হোমস লিব্র্যান্ড | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/31/politics/trump-kenosha-briefing-fact-check/index.html}}
* গত এক সপ্তাহে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া আর মারা যাওয়ার হার অনেক কমে গেছে।
** কোভিড-১৯ অতিমারী সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৯-০৩ |শিরোনাম=এমনকি ফক্স নিউজও ট্রাম্পের জনসভাগুলো পুরো প্রচার করছে না, তবে তার মিথ্যাচারগুলো এখনো অবাক করার মতো |লেখক=ব্রায়ান স্টেল্টার | সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/04/media/donald-trump-pennsylvania-reliable-sources/index.html}}
* ডাউ জোনস সূচক এইমাত্র ২৯,০০০ ছাড়িয়েছে! আমাকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে পাওয়া আপনাদের অনেক বড় ভাগ্য। জো বাইডেন ক্ষমতায় থাকলে এটা ধসে পড়ত।
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1301249968091455488 [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট]
* ওর মতো মাস্ক পাগল মানুষ কি আগে কখনো দেখেছেন? মাস্কটা সারাক্ষণ ঝুলে থাকে। ও মনে করে এতেই ও নিরাপদ। আমি যদি কোনো মানসিক ডাক্তার হতাম, তবে বলতাম এই লোকের মাথায় নিশ্চয়ই বড় কোনো সমস্যা আছে। শুধু ঝুলেই থাকে।
** জো বাইডেনের মাস্ক পরা নিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের বিদ্রূপ, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-০৪ |শিরোনাম=মাস্ক পরার ধরন নিয়ে জো বাইডেনকে উপহাস করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প | সাময়িকী=ইন্ডিপেন্ডেন্ট.আইই | ইউআরএল=https://www.independent.ie/videos/donald-trump-mocks-joe-biden-for-manner-of-wearing-mask-39502878.html}}
* আপনার ভোট যদি গোনা না হয়ে থাকে, তবে আবার গিয়ে ভোট দিন এটা প্রতিটি নাগরিকের অধিকার। বোতাম টিপে ভোট দিয়ে দিন। আপনার ওই ডাকযোগে পাঠানো ব্যালট যদি পরে পৌঁছায়, তবে সেটা আর গোনা হবে না কারণ আপনি আগেই ভোট দিয়ে দিয়েছেন। এভাবে আপনার ভোট নিশ্চিতভাবে গোনা হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] দুইবার ভোট দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন, যা একটি অপরাধ। যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-০৪ | শিরোনাম=কর্তৃপক্ষের সতর্কতা উপেক্ষা করে আবারও সমর্থকদের দুইবার ভোট দেওয়ার পরামর্শ দিলেন ট্রাম্প | লেখক= ডায়ান গ্যালাঘের, ক্যারোলিন কেলি, মার্শাল কোহেন, ব্রায়ান রোকাস | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/05/politics/trump-vote-twice-north-carolina/index.html}}
* পেন্টাগনের বড় বড় কর্তারা... সারাক্ষণ শুধু যুদ্ধ করতে চায়। যাতে বোমা আর প্লেন বানানো কোম্পানিগুলো খুশি থাকে।
** হোয়াইট হাউসের সামনে এক [https://www.trtworld.com/americas/trump-pentagon-chiefs-fighting-wars-to-oblige-arms-companies-39561 সংবাদ সম্মেলনে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (৭ সেপ্টেম্বর ২০২০)।
* অপারেশন ওয়ার্প স্পিডের মাধ্যমে আমরা চিকিৎসার নতুন পথ খুঁজেছি। এতে গত এপ্রিলের তুলনায় মৃত্যুর হার ৮৫% কমে গেছে।
* পারমাণবিক শক্তির দিক থেকে আমরা অনেক এগিয়ে আছি। আমরা এর অনেক উন্নতি করেছি।
* যখন খবর আসে যে কিছু দেশ আমাকে খুব একটা পছন্দ করে না, তা সবসময় আমার ব্যক্তিত্বের জন্য নয়তবে সত্যি বলতে, সেটাও একটা কারণ হতে পারে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-০৮ | শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্পের সংবাদ সম্মেলনের ৩৭টি অদ্ভুত উক্তি | লেখক= ক্রিস সিলিঞ্জা | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/08/politics/donald-trump-labor-day-press-conference/index.html}}
* মার্কিন প্রেসিডেন্টই সব শেষ সিদ্ধান্ত নেন।
* বব উডওয়ার্ড যদি মনেই করত আমি যা বলেছি তা ভুল, তবে সাথে সাথেই ওর উচিত ছিল প্রশাসনকে জানানো যাতে তারা প্রস্তুতি নিতে পারত।
** বব উডওয়ার্ডকে দেওয়া সাক্ষাৎকার প্রসঙ্গে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১০ | শিরোনাম=কাউকে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মনে করিয়ে দেওয়া দরকার যে বব উডওয়ার্ড মার্কিন প্রেসিডেন্ট নন | লেখক= ক্রিস সিলিঞ্জা | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/10/politics/trump-bob-woodward-rage/index.html}}
* আমার মনে হয় ও বোধহয় কোনো নেশা-টেশা করে।
** জো বাইডেন সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১০ | শিরোনাম=বাইডেনের বিরুদ্ধে মাদক নেওয়ার অভিযোগ আনতে ফক্স নিউজের সাক্ষাৎকারকে ব্যবহার করলেন ট্রাম্প | লেখক= মার্টিন পেঙ্গেলি | সাময়িকী=দ্য গার্ডিয়ান | ইউআরএল=https://www.theguardian.com/us-news/2020/sep/12/trump-biden-drugs-fox-news-interview}}
* আপনার গভর্নরকে বলুন রাজ্যটা খুলে দিতে।
** ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০-এ সমর্থকদের সামনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। এ প্রসঙ্গে [https://www.usatoday.com/story/news/politics/elections/2020/09/13/donald-trump-latino-voters-las-vegas-ahead-rally/5784501002/ ''নেভাদার গভর্নর স্টিভ সিসোলাক বলেছেন যে ট্রাম্প ঘরোয়া পরিবেশে জনসভা করে নিজের স্বার্থপরতা দেখিয়েছেন''] প্রতিবেদনটি উল্লেখযোগ্য।
* বয়স্কদের যে এতো সহজে আক্রান্ত হতে পারে, তা কেউ আগে জানত না।
** করোনাভাইরাস সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১৬ | শিরোনাম=এবিসি টাউন হলে ট্রাম্প অন্তত ২২টি ভুল দাবি করেছেন | লেখক= ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/16/politics/fact-check-trump-abc-town-hall/index.html}}
* আমরা খুব দ্রুত আর নিরাপদভাবে টিকা পৌঁছে দেওয়ার জন্য কাজ করছি। আমাদের মনে হয় অক্টোবরের দিকেই শুরু করতে পারব। ঘোষণা হওয়ার সাথে সাথেই আমরা কাজ শুরু করে দেব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১৬ | শিরোনাম=টিকার গতি নিয়ে ট্রাম্প আবারও বাড়িয়ে কথা বলেছেন | লেখক= জেসিকা ম্যাকডোনাল্ড | সাময়িকী=ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি | ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/09/trump-again-overstates-speed-of-covid-19-vaccine-rollout/}}
* এফডিএ অনুমোদন দিলেই ২০২০ সালের শেষ নাগাদ আমরা ১০ কোটি ডোজ টিকা বিলি করতে পারব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি উদ্ধৃতি হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১৬ | শিরোনাম=ট্রাম্প বলেছেন ২০২০ সালের মধ্যে অন্তত ১০ কোটি টিকা দেওয়া সম্ভব হবে | লেখক= রয়টার্স কর্মী | সাময়িকী=রয়টার্স| ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/healthcoronavirus-trump-vaccine/trump-says-u-s-could-distribute-at-least-100-million-covid-vaccine-doses-by-end-of-2020-idINW1N2FG089}}
* পেনসিলভ্যানিয়ায় কী হচ্ছে দেখেছেন? ওখানকার সুপ্রিম কোর্টের জজ নাকি রায় দিয়েছেন যে ভোট গুনতে তারা যত খুশি সময় নিতে পারবে। তার মানে গতবারের মতো এবারও আমিই ওখানে জিততে যাচ্ছি। খুব সহজেই জিতব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১৬ | শিরোনাম=পেনসিলভানিয়াতে ভোট গণনা নিয়ে ট্রাম্পের ভুল বক্তব্য | লেখক= রেম রিডার | সাময়িকী=ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি| ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/09/trumps-false-statement-about-counting-ballots-in-pennsylvania/}}
* বামপন্থী দাঙ্গাবাজরা আমাদের মহান নেতাদের মূর্তি ভেঙে ফেলছে, স্মৃতিস্তম্ভ নষ্ট করছে আর বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে। ওরা বলে "আমেরিকা কোনোদিনই মহান ছিল না"। ওরা পুলিশকেও আক্রমণ করছে। তাদের লক্ষ্য একটাই সত্য গোপন করা আর আমেরিকানদের ভয় দেখিয়ে তাদের সংস্কৃতি আর ঐতিহ্য ভুলিয়ে দেওয়া।
** [https://trumpwhitehouse.archives.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-white-house-conference-american-history/ আমেরিকান ইতিহাস বিষয়ক হোয়াইট হাউস সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য] (১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০)
* যারা আমেরিকান পতাকা পোড়াচ্ছে, তারা আসলে আমাদের মূল নীতিগুলোকেও পুড়িয়ে দিতে চায়। ওরা চায় আমেরিকানরা যেন নিজেদের পরিচয় আর বিশ্বাসের ওপর ভরসা হারিয়ে ফেলে। বামপন্থীদের এই সাংস্কৃতিক বিপ্লব আসলে আমেরিকার মূল আদর্শকেই উৎখাত করার জন্য তৈরি হয়েছে।
** [https://trumpwhitehouse.archives.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-white-house-conference-american-history/ আমেরিকান ইতিহাস বিষয়ক হোয়াইট হাউস সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য] (১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০)
* বামপন্থীরা মিথ্যা দিয়ে আমেরিকার ইতিহাসকে নষ্ট করে দিয়েছে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের সেই ১৬১৯ প্রজেক্ট এর বড় প্রমাণ। ওরা শিশুদের শেখাচ্ছে যে আমেরিকা শোষণ আর অত্যাচারের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। অথচ আমেরিকা তো দাসত্ব শেষ করেছে, মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে আর এক সমৃদ্ধ জাতি গড়ে তুলেছে।
** [https://trumpwhitehouse.archives.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-white-house-conference-american-history/ আমেরিকান ইতিহাস বিষয়ক হোয়াইট হাউস সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য] (১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০)
* আমি শিনজোকে বললাম, ‘শিনজো, দয়া করে আমার একটা কথা শোনো। আমাদের দেশে আরও গাড়ি কারখানা দরকার। ওগুলো জাপানে না বানিয়ে আমাদের এখানে বানাও।’ ও প্রথমে মানতে চায়নি, কিন্তু আমি জোর দিয়ে বললাম। পরের দিনই খবর এল: ‘মিশিগানে পাঁচটা বড় বড় গাড়ি কারখানা চালু হচ্ছে।’
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-২১ | শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: ট্রাম্পের বানানো গাড়ি কারখানার গল্প | লেখক= হোপ ইয়েন, ক্যালভিন উডওয়ার্ড, টম ক্রিশার | সাময়িকী=এপি | ইউআরএল=https://apnews.com/ec85b88102464c9651d32b475c01c183}}
* আমিই এটা বাঁচিয়েছি। আমাদের কয়লা খনির শ্রমিকদের আবার কাজে ফিরিয়েছি।
** কয়লা খনি শিল্প সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-২১ | শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: কর্মসংস্থান নিয়ে ট্রাম্পের ভুল দাবি | লেখক= ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/23/politics/fact-check-trump-jobs-manufacturing-coal/index.html}}
* এখন আমরা সত্যিটা জানি। এই ভাইরাস কেবল বয়স্ক আর অসুস্থ মানুষদের ওপর প্রভাব ফেলে। তরুণদের কিছু হয় না। ওদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশি। সত্যি বলতে, এটি আসলে প্রায় কাউকেই ছুঁতে পারে না। এটি একটি আশ্চর্যজনক বিষয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-২২ | শিরোনাম=ট্রাম্প বললেন করোনাভাইরাস আসলে কারো ওপর প্রভাব ফেলে না | লেখক= কাশ্মীরা গ্যান্ডার | সাময়িকী=নিউজউইক | ইউআরএল=https://www.newsweek.com/trump-covid-virtually-nobody-rally-ohio-1533452}}
* আমরা পেনসিলভানিয়াতে এগিয়ে আছি। ফ্লোরিডায় এগিয়ে আছি। আমার মনে হয় সব জায়গাতেই আমি এগিয়ে আছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-২৮ | শিরোনাম=সপ্তাহান্তে ট্রাম্পের দাবিগুলোর ফ্যাক্ট-চেকিং | লেখক=লরি রবার্টসন | সাময়িকী=ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি | ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/09/factchecking-trumps-weekend-claims/}}
* ওষুধের দাম ৮০ বা ৯০ শতাংশ কমে যাবে।
**পুরো নির্বাচনটাই আগে থেকে সাজানো।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-৩০ | শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: বিতর্কে ট্রাম্প ও বাইডেনের ভুল দাবি | লেখক=এপি কর্মী | সাময়িকী=এমপিআর নিউজ| ইউআরএল=https://www.mprnews.org/story/2020/09/30/fact-check-false-claims-flood-trumpbiden-debate}}
* আমি আজ পড়েছি যে ২০১৬ সালেও ১% ব্যালট বাতিল করা হয়েছিল। ওরা এগুলো যেখানে সেখানে ফেলে দেয়। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় ডাকপিয়নরা নাকি ব্যালট বিক্রি করে দিচ্ছে। ময়লার ঝুড়িতেও ট্রাম্পের নাম লেখা ব্যালট পাওয়া গেছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-৩০ | শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ডাকযোগে ভোট নিয়ে ট্রাম্পের প্রায় সব দাবিই ভুল ছিল | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন| ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/30/politics/fact-check-trump-first-debate-mail-voting-fraud/index.html}}
* আমার প্রশাসন ধর্মপ্রাণ আমেরিকানদের জন্য লড়া কোনোদিন থামাবে না।
** ২০২০ সালের জনসভায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০-এর [https://www.theatlantic.com/politics/archive/2020/09/trump-secretly-mocks-his-christian-supporters/616522/ আটলান্টিক] নিবন্ধ অনুযায়ী।
==== অক্টোবর ২০২০ ====
[[File:Interfaith Health Care Vigil 6291113.jpg|thumb|ট্রাম্প আর পেন্সের উচিত মানুষকে মুক্তি দেওয়া। ওরা গরিব আর অল্প আয়ের মানুষদের জিম্মি করে রেখেছে, জরুরি পরিষেবার কর্মীদের জিম্মি করে রেখেছে। এই দেশে এখন পরিবর্তনের সময় এসেছে। ~ রেভ. উইলিয়াম বারবার ২ ]]
* আমাদের মহান যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক উদ্দীপনা চায় এবং এর প্রয়োজন আছে। সবাই মিলে কাজ করে এটা সফল করুন। ধন্যবাদ!
**[https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1312449034154504192 টুইটারের মাধ্যমে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ৩ অক্টোবর ২০২০
* আমি আমার প্রতিনিধিদের নির্দেশ দিয়েছি নির্বাচনের আগে পর্যন্ত আলোচনা বন্ধ রাখতে। আমি জেতার সাথে সাথেই আমরা একটা বড় স্টিমুলাস বিল পাস করব, যা পরিশ্রমী আমেরিকান আর ছোট ব্যবসার ওপর জোর দেবে।
** [https://www.axios.com/trump-coronavirus-stimulus-negotiations-7d464d0e-924f-46f5-90d2-9e8097c9c8f7.html ট্রাম্প বলেছেন তিনি নির্বাচনের আগে কভিড সহায়তা নিয়ে আলোচনা করবেন না] নিবন্ধ অনুযায়ী [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আফগানিস্তানে আমাদের যে অল্প সংখ্যক সাহসী নারী-পুরুষ কাজ করছেন, বড়দিনের মধ্যেই তাদের বাড়ি ফিরিয়ে আনা উচিত!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1313984510749544450 টুইটারের মাধ্যমে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ৭ অক্টোবর ২০২০
* অর্থনীতির ক্ষেত্রে আমার মনে হয় ডোনাল্ড ট্রাম্প আর [[জো বাইডেন]]ের মধ্যে এক মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। জো বাইডেন বিশ্বাস করেন যে আমেরিকান শ্রমিক আর আমেরিকান পরিবারের সুস্বাস্থ্যের ওপর ভিত্তি করে অর্থনীতির শক্তি মাপা উচিত। অন্যদিকে '''ডোনাল্ড ট্রাম্প ধনীদের অবস্থার ওপর ভিত্তি করে অর্থনীতির শক্তি মাপেন। এই কারণেই তিনি একটি কর বিল পাস করেছিলেন যা শীর্ষ ১% ধনী আর আমেরিকার বড় বড় কোম্পানিগুলোকে সুবিধা দেয়। এর ফলে ২ ট্রিলিয়ন ডলারের ঘাটতি তৈরি হয়েছে যা আমেরিকানদেরই শোধ করতে হবে। পেন্স আর ট্রাম্প কেবল পুলিশি সহিংসতার ক্ষেত্রেই বর্ণবাদ অস্বীকার করছেন না, তারা অর্থনীতি আর স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রেও বিদ্যমান বর্ণবাদকে পাত্তা দিচ্ছেন না... তারা শুধু ধনী আর লোভীদেরই সুরক্ষা দিতে চান। ট্রাম্প-পেন্স পরিকল্পনা মানেই হলো ধনীদের আরও টাকা দেওয়া। আসলে ট্রাম্প-পেন্স-ম্যাককনেল পরিকল্পনা হলো স্টিমুলাস পাস করতে না চাওয়া, কারণ তারা আরও ২০০ বিলিয়ন ডলারের কর ছাড় চান।''' তারা যুদ্ধবিমানের জন্য টাকা চান, আর কোম্পানিগুলোকে সুরক্ষা দিতে চান যাতে করোনাভাইরাস থেকে কর্মীদের সুরক্ষা না দেওয়ার জন্য তাদের কোনো দায় নিতে না হয়।
** রেভ উইলিয়াম বারবার ২, [https://www.democracynow.org/2020/10/8/mike_pence_kamala_harris_vp_debate রেভ. উইলিয়াম বারবার: লক্ষ লক্ষ মানুষ লড়াই করছে। তাহলে কেন বিতর্কে দারিদ্র্যকে উপেক্ষা করা হচ্ছে?, ''ডেমোক্র্যাসি নাউ''] (৮ অক্টোবর ২০২০)
* আমি কোনো অনলাইনে বিতর্ক করব না। ভার্চুয়াল বিতর্কে আমি আমার সময় নষ্ট করব না।
** কভিড-১৯ সংক্রমণের কারণে দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি বিতর্কে দূরবর্তী অবস্থান থেকে অংশগ্রহণের উদ্যোগ সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-০৮ |শিরোনাম=সিপিডি পরিবর্তন ঘোষণার পর ট্রাম্প বলেছেন তিনি 'ভার্চুয়াল বিতর্কে' সময় নষ্ট করবেন না | লেখক=ব্রুক সিংম্যান | সাময়িকী=ফক্স নিউজ | ইউআরএল=https://www.foxnews.com/politics/second-trump-biden-debate-will-be-virtual-organizers-say}}
* দানব... কমিউনিস্ট... ভয়াবহ... একদমই অপছন্দ করার মতো।
** উপ-রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী কমলা হ্যারিস সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-০৮ |শিরোনাম=উপ-রাষ্ট্রপতি বিতর্কের পরের সকালে ট্রাম্প হ্যারিসকে 'দানব' বলে অপমান করলেন | লেখক=এলিজাবেথ থমাস | সাময়িকী=এবিসি নিউজ | ইউআরএল=https://abcnews.go.com/Politics/trump-insults-harris-monster-morning-vice-presidential-debate/story?id=73498918}}
* আমরা ফ্লোরিডায় একটা জনসভা করতে চাই, সম্ভবত শনিবার রাতে ফ্লোরিডায়। পরের রাতে পেনসিলভ্যানিয়ায় আর একটা করতে পারি। আমি খুব ভালো বোধ করছি! আসলে কাল পরীক্ষা হবে, আসল পরীক্ষা। কারণ সারাক্ষণ পরীক্ষা করার কোনো দরকার নেই, তবে তারা খুব সামান্য সংক্রমণ বা ভাইরাস পেয়েছে, যদি আদৌ পেয়ে থাকে। আমি জানি না তারা কিছু পেয়েছে কি না, আমি ডাক্তারদের সাথে এ নিয়ে বেশি কথা বলিনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-০৮ |শিরোনাম=হানিটি সাক্ষাৎকারে কাশির মাঝেই ট্রাম্প বললেন তিনি শনিবার জনসভা করতে চান | লেখক=জাস্টিন বারগোনা | সাময়িকী=ডেইলি বিস্ট | ইউআরএল=https://www.thedailybeast.com/trump-coughing-through-hannity-interview-says-he-wants-to-do-saturday-rally}}
* শুল্ক নিয়ে আগে কেউ কখনও শোনেনি। কেউ না। আসলে আমি যখন এটি শুরু করি, তারা এর মানেও জানত না।
** চীন থেকে আমদানির ওপর শুল্ক সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-১১ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: হাসপাতাল থেকে ফেরার পর ফক্স বিজনেসে দেওয়া প্রথম সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প অন্তত ১৪টি মিথ্যা দাবি করেছেন | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/10/08/politics/fact-check-trump-interview-bartiromo-fox-business/index.html}}
* উত্তর ক্যারোলাইনায় আমি যা দেখেছি, আমরা যা সেখানে পরাজিত করেছি এবং যার বিরুদ্ধে মামলা করেছি, '''ট্রাম্প আর পেন্স এখন সেই কাজটাই জাতীয় পর্যায়ে করার কথা বলছেন: অত্যন্ত সূক্ষ্ম বর্ণবাদ... পেন্স আর ট্রাম্প ভোটাধিকার আইনে বিশ্বাস করেন না... তারা জানেন যে সবাই ভোট দিলে তারা জিততে পারবেন না। তারা কৃষ্ণাঙ্গ আর বাদামী বর্ণের গরিব মানুষদের ভোট দেওয়া নিয়ে প্রচণ্ড ভয়ে আছেন।'''<br>আর এই কথা বলা বন্ধ করুন যে গতবার ট্রাম্প জিতেছিলেন। তিনি ৮০,০০০ ভোটের ব্যবধানে ইলেক্টোরাল কলেজে নির্বাচিত হয়েছিলেন। আমাদের এই কাল্পনিক কথাগুলো বন্ধ করতে হবে যে তার কোনো জাদুকরী ক্ষমতা ছিল। আসল কথা হলো, ১০০ মিলিয়ন মানুষ ভোট দেয়নি। ... আমি যাত্রাপুস্তক-এর সেই অংশের কথা না ভেবে পারলাম না, যেখানে ঈশ্বর বলেছিলেন, "তুমি যদি আমার লোকদের যেতে না দাও, তবে আমি চিহ্ন হিসেবে মাছি পাঠাব। কিন্তু আমি মাছিগুলোকে মানুষের ওপর পড়তে দেব না, মাছিগুলো কেবল প্রতীক হবে যে তুমি ভুল করছ। তুমি মিথ্যা বলছ। আমার লোকদের মুক্তি দাও।" আর ট্রাম্প এবং পেন্সের উচিত মানুষকে মুক্তি দেওয়া। তারা গরিব আর অল্প আয়ের মানুষদের জিম্মি করে রেখেছে, জরুরি পরিষেবার কর্মীদের জিম্মি করে রেখেছে। এই দেশে এখন পরিবর্তনের সময় এসেছে।
** রেভ. উইলিয়াম বারবার ২, [https://www.democracynow.org/2020/10/8/rev_william_barber_voting_2020 ভোটার দমনের ওপর রেভ. উইলিয়াম বারবার: রিপাবলিকানরা জানে সবাই ভোট দিলে তারা জিততে পারবে না], ''ডেমোক্র্যাসি নাউ!'', (৮ অক্টোবর ২০২০)
* অনেকে যেমনটা লক্ষ্য করেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাস্তব মেনে নেওয়ার ক্ষমতা আশ্চর্যজনকভাবে কম, বিশেষ করে যখন তিনি অন্য কিছু বিশ্বাস করতে চান যা আমি ''অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ার'' বইতে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছি। নিজেকে মিথ্যা বোঝানোর জন্য তিনি অদ্ভুত সব উৎস আর চাটুকার মানুষ খুঁজবেন। তিনি চেয়েছিলেন ভাইরাসটা এমনিতে চলে যাক, তাই তিনি বিশ্বাস করেছিলেন যে এপ্রিলের গরমে এটি মারা যাবে, অথবা হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনে এর প্রতিকার হবে, অথবা ব্লিচ দিয়ে এটি ধ্বংস হবে, নতুবা অক্টোবরের মধ্যে টিকার মাধ্যমে এটি প্রতিরোধ করা যাবে। যখন তিনি শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি কতটা গুরুতর তা স্বীকার করলেন, তখনই তিনি অঙ্গরাজ্যগুলোকে আবার খুলে দেওয়ার এবং স্বাভাবিক জীবনে ফেরার জন্য চাপ দিতে শুরু করলেন। যার ফলাফল কিছু অঙ্গরাজ্যের জন্য খুব খারাপ হয়েছিল। তিনি সাধারণ নির্বাচনী জনসভা করতে জেদ ধরলেন, মাস্ক পরতে নির উৎসাহিত করলেন, শরতে স্কুল খুলতে বাধ্য করলেন আর অর্থনীতি চাঙ্গা করতে এবং জেতার সম্ভাবনা বাড়াতে জনগণের ওপর অপরীক্ষিত টিকা ব্যবহারের চাপ দিলেন।<br>চীনকে দোষারোপ করা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য বলির পাঁঠা দরকার ছিল। তিনি চীনের ওপর দোষ চাপিয়ে বললেন যে তার কাছে গোপন প্রমাণ আছে যে চীন এই ভাইরাস তৈরি করেছে এবং সারা বিশ্বে এটি ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ দিয়েছে। তিনি ব্যাখ্যা করেছিলেন যে শুরুতে চীনের প্রেসিডেন্ট সি জিনপিং তাকে ধোঁকা দিয়েছিলেন, যিনি তাকে ফোনে আশ্বস্ত করেছিলেন যে রোগটি নিয়ন্ত্রণে আছে। ট্রাম্প ৬ ফেব্রুয়ারি তাকে ফোন করে রোগ নির্মূলের জন্য সাহায্য করতে সিডিসির বিজ্ঞানীদের চীনে পাঠানোর প্রস্তাব দেন। তিনি ভেবেছিলেন সি জিনপিং এই আগে প্রত্যাখ্যান করা প্রস্তাবে রাজি হবেন কারণ তার সাথে চীনা নেতার ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল। কিন্তু সি জিনপিং আগ্রহী ছিলেন না। ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের ডেপুটি ডিরেক্টর ম্যাট পটিংগার, যিনি ফোনালাপটি শুনেছিলেন, তার মতে সি জিনপিং এমন একটা ধারণা দিয়েছিলেন যে চীনে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে আছে (''রেজ'', পৃষ্ঠা ২৪১-২৪৩)। কিন্তু চীন এই রোগ নিয়ন্ত্রণে নাটকীয় পদক্ষেপ নিয়েছিল। ৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই উহান আর সেই প্রদেশটিকে চীনের বাকি অংশ থেকে আলাদা করে ফেলা হয়েছিল এবং দুই সপ্তাহ ধরে কঠোর কোয়ারেন্টাইন চালু করা হয়েছিল। প্রায় ৪০,০০০ স্বাস্থ্যকর্মী সেই এলাকায় পাঠানো হয়েছিল, দ্রুত হাসপাতাল তৈরি করা হচ্ছিল আর সংক্রমণের হার কমে আসছিল।<br>চীনা সরকার অবশ্যই দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে রোগ ছড়ানো বন্ধ করতে কিছু করেনি। কিন্তু সারা বিশ্বের ভাইরাস বিশেষজ্ঞরা একমত যে কভিড-১৯ প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হয়েছে, গবেষণাগারে নয়। যুক্তরাষ্ট্র করোনাভাইরাস মৃত্যুতে বিশ্বে এক নম্বর হয়েছে সি জিনপিং ট্রাম্পের কাছে মিথ্যা বলেছিলেন বলে নয়, বরং ট্রাম্প নিজের দেশের বিশেষজ্ঞদের বারবার দেওয়া সবথেকে বড় সতর্কবাণীগুলো কয়েক সপ্তাহ ধরে উপেক্ষা করেছিলেন বলে। এরপর তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে আমেরিকানদের কাছে মিথ্যা বলেছিলেন যে তাদের কী করা উচিত। এই রক্তের দায় অন্য যে কারোর চেয়ে তার ওপরই বেশি, আর মনে মনে অজুহাত, অস্বীকার আর দায় চাপানোর আড়ালে তিনিও সম্ভবত তা জানেন।
** বব আলটেমেয়ার, [https://theauthoritarians.org/updating-authoritarian-nightmare/ "অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ার-এর আপডেট"], ৮ অক্টোবর ২০২০।
* আমেরিকান জনগণের স্বার্থ দেখার বদলে বার ডোনাল্ড ট্রাম্পের পোষা কুকুরের মতো কাজ করাকেই বেছে নিয়েছেন।
** ফিলিপ হালপার্ন (মার্কিন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল), [https://lawandcrime.com/high-profile/assistant-u-s-attorney-leaves-doj-after-36-years-due-to-lap-dog-bill-barrs-slavish-obedience-to-donald-trumps-will/ 'পোষা কুকুর' বিল বারের ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইচ্ছার প্রতি 'ক্রীতদাসসুলভ আনুগত্যের' কারণে ৩৬ বছর পর সহকারী মার্কিন অ্যাটর্নি বিচার বিভাগ ত্যাগ করলেন] নিবন্ধ অনুযায়ী (১৫ অক্টোবর ২০২০)
* আমার মনে হয় আমেরিকান জনগণের অধিকার আছে প্রেসিডেন্ট তার উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা বলেন তার ওপর নির্ভর করার। যখন একজন প্রেসিডেন্ট নিজের উদ্দেশ্য সম্পর্কে একদম পরিষ্কার কথা বলেন, তখন হোয়াইট হাউস কাউন্সিলের এই কথা আমি মেনে নিতে পারি না যে, 'আসলে এটা তার উদ্দেশ্য ছিল না।' হয়ত হোয়াইট হাউস কাউন্সিল প্রেসিডেন্টের সাথে কথা বলেছে, অথবা বলেনি—আমি তা জানি না।
** মার্কিন জেলা আদালতের বিচারক রেজি ওয়ালটন, যিনি [[জর্জ ডব্লিউ বুশ]]-এর আমলের নিয়োগপ্রাপ্ত, [https://www.politico.com/news/2020/10/16/judge-trump-russia-probe-declassification-429832 বিচারক জানতে চান ট্রাম্প রাশিয়া তদন্তের গোপনীয়তা উন্মোচন থেকে পিছিয়ে যাচ্ছেন কি না] নিবন্ধ অনুযায়ী (১৬ অক্টোবর ২০২০)
* আমি যখন দেখি হাজার হাজার ব্যালট ময়লার ঝুড়িতে ফেলে দেওয়া হয়েছে আর সেগুলোতে আমার নাম রয়েছে? এতে আমি একদমই খুশি নই।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-১৭ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: অতিমারীতে ট্রাম্প এমন কিছু দেখছেন যা অন্য কেউ দেখছে না | লেখক=ক্যালভিন উডওয়ার্ড, হোপ ইয়েন | সাময়িকী=এপি নিউজ| ইউআরএল=https://apnews.com/article/election-2020-virus-outbreak-ap-fact-check-donald-trump-technology-a6ddb8360fa9b1ff95acbbc1e03f437e}}
* আপনারা কি দেখেছেন যে ওরা প্রায় ৫০,০০০ ব্যালট একটা নদীর মতো জায়গায় খুঁজে পেয়েছে?<br>টিকা ছাড়াও এই অতিমারী শেষ হবে। এটি তার পথেই চলবে আর শেষ হবে। ওরা পাগল হয়ে যাবে। কালই খবর হবে যে তিনি বলেছেন ‘টিকা ছাড়াই’—দেখবেন। এই লোকগুলো পাগল। না, এটি স্বাভাবিকভাবেই চলছে। আমরা শেষ পর্যায়ে চলে এসেছি। আপনারা সংখ্যাগুলো দেখছেন, আমরা ঠিক পথেই আছি।<br>মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অন্য দেশের চেয়ে বেশি আক্রান্ত দেখা যায় কারণ এখানে অনেক বেশি (এবং ব্যয়বহুল) পরীক্ষা করা হয়—আর ভুয়া সংবাদমাধ্যমগুলো প্রতিদিন এর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।<br>চীন ভাইরাসের পর থেকে আমরা আমাদের দেশের ইতিহাসে রেকর্ড সংখ্যক কর্মসংস্থান তৈরি করেছি—মাত্র কয়েক মাসেই ১ কোটি ১৪ লক্ষ।<br>আমরা এখন কর্মসংস্থান আর বেকারত্বের নতুন রেকর্ড গড়ছি। আমরা অর্থনৈতিকভাবে নানা রকম রেকর্ড গড়ছি।<br>আমি একটা বিলে সই করেছি যার ফলে আপনি যদি কোনো সরকারি মূর্তি ভাঙেন তবে আপনার ১০ বছরের জেল হবে। মেক্সিকো দেওয়ালের খরচ দিচ্ছে। আমরা ইতিহাসের সবথেকে বড় কর ছাড় দিয়েছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২০ |শিরোনাম=ট্রাম্পের অসৎ সপ্তাহান্তের ফ্যাক্ট-চেকিং: প্রেসিডেন্ট তিন দিনে অন্তত ৬৬টি মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর দাবি করেছেন | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল| সাময়িকী= সিএনএন| ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/10/19/politics/fact-check-trump-dishonest-weekend-florida-michigan-georgia-wisconsin/index.html}}
* (''ভুয়া ব্যালট প্রসঙ্গে:'') সেই সব ব্যালটগুলোর কথা ভাবুন তো যেগুলোতে আমার নাম ছাড়াই ছাপানো হয়েছিল? সেগুলোতে সব ছিল। সেনেট থেকে শুরু করে সব পদ ছিল, শুধু আমার নাম দিতেই ওরা ভুলে গেল।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২০ |শিরোনাম=ট্রাম্প আবার ব্যালট নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন | লেখক=লরি রবার্টসন| সাময়িকী= ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি| ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/10/trump-misleads-on-ballots-again/}}
* আমাদের কোনো সমাজতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট থাকবে না। বিশেষ করে কোনো নারী সমাজতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট আমাদের থাকবে না। আমরা এটা হতে দেব না, আমরা এটা সহ্য করব না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৪ |শিরোনাম=ডেমোক্র্যাটিক উপ-রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীর বিরুদ্ধে ট্রাম্পের কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ | লেখক=সারাহ আল-আরশানি| সাময়িকী= বিজনেস ইনসাইডার| ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-targets-kamala-harris-in-sexist-rant-2020-10?r=US&IR=T}}
* আমাদের এমন কোনো প্রেসিডেন্ট থাকবে না যে স্রেফ তার সমালোচনা করার জন্য মানুষকে জেলের ভয় দেখাবে।
** জো বাইডেনের নির্বাচনী প্রচারে [https://www.wlrn.org/2020-10-25/obama-hits-campaign-trail-in-south-florida-criticizing-trumps-behavior-as-worse-than-florida-man ওবামা দক্ষিণ ফ্লোরিডায় নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্পের আচরণকে ফ্লোরিডা ম্যানের চেয়েও খারাপ বলে সমালোচনা করেছেন] নিবন্ধ অনুযায়ী [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৫ অক্টোবর ২০২০)
* ওদের সবাইকে জেলে ভরুন।
** একটি অনির্ধারিত গোষ্ঠী সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৬ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: '৬০ মিনিটস'-এ ট্রাম্প অন্তত ১৬টি মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর দাবি করেছেন | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল| সাময়িকী= সিএনএন| ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/10/25/politics/fact-check-trump-60-minutes-lesley-stahl/index.html}}
* আমার যদি সোশ্যাল মিডিয়া না থাকত, তবে আমার কথা পৌঁছানোর আর কোনো উপায় থাকত না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৬ |শিরোনাম=সিবিএস ট্রাম্পের ৬০ মিনিটস সাক্ষাৎকার থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ফুটেজ প্রকাশ করেছে | লেখক=মার্টিন মেলাম| সাময়িকী= দ্য গার্ডিয়ান| ইউআরএল=https://www.theguardian.com/us-news/2020/oct/26/cbs-releases-footage-trump-walking-out-60-minutes-interview}}
* পুরো যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে ডাকযোগে পাঠানো ব্যালট নিয়ে বড় সমস্যা আর গরমিল দেখা যাচ্ছে। ৩রা নভেম্বরের মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল থাকতে হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট, যা "বিভ্রান্তিকর" হিসেবে চিহ্নিত এবং যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৬ |শিরোনাম=টুইটার ডাকযোগে ভোট নিয়ে ট্রাম্পের আরেকটি টুইটকে 'বিভ্রান্তিকর' হিসেবে চিহ্নিত করল এবং অন্য ব্যবহারকারীদের এটি রিটুইট করা বন্ধ করে দিল | লেখক=ইসাবেল অ্যাশার হ্যামিল্টন| সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার| ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/twitter-trump-tweet-mail-voting-warning-label-minsinformation-block-retweet-2020-10?r=US&IR=T}}
* পেনসিলভ্যানিয়ায় এখন একমাত্র যা করা যায় তা হলো বিক্ষোভ। আপনি গির্জায় যেতে পারেন না। আপনি আপনার ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করতে পারেন না। আপনি আপনার যাজক বা রাবাইদের সাথে থাকতে পারেন না। এর কিছুই করা যায় না। আপনি কিচ্ছু করতে পারেন না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৭ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: পেনসিলভ্যানিয়ার মানুষ 'গির্জায় যেতে পারে না' বলে ট্রাম্প মিথ্যা দাবি করেছেন | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/10/27/politics/trump-false-claim-pennsylvania-cant-go-to-church-fact-check/index.html}}
* সে আপনাদের আইনের পাহাড় চাপিয়ে দেবে, পুলিশ বিভাগগুলো বন্ধ করে দেবে, আমাদের সীমান্ত বিলীন করে দেবে, আপনাদের বন্দুক কেড়ে নেবে, ধর্মীয় স্বাধীনতা শেষ করবে আর আপনাদের শহরতলিগুলোকে ধ্বংস করে দেবে।
* আপনারা যদি বাইডেনকে ভোট দেন, তার মানে স্কুলে কোনো বাচ্চা থাকবে না, কোনো সমাবর্তন হবে না, কোনো বিয়ে হবে না, কোনো থ্যাঙ্কসগিভিং, বড়দিন বা স্বাধীনতা দিবস পালিত হবে না।
** ডেমোক্র্যাট রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী জো বাইডেন সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৯ |শিরোনাম=স্বাভাবিক অতিরঞ্জিত কথার মাধ্যমে ট্রাম্প বাইডেনের অধীনে জীবনের এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছেন | লেখক=ডার্লিন সুপারভিল | সাময়িকী=দ্য টাইমস অফ ইসরায়েল | ইউআরএল=https://www.timesofisrael.com/with-typical-hyperbole-trump-paints-apocalyptic-portrait-of-life-under-biden/}}
==== নভেম্বর ২০২০ ====
* আমরা এই নির্বাচনে জেতার জন্য পুরোপুরি তৈরি ছিলাম। সত্যি বলতে, আমরা জিতেই গেছি। এটি আমাদের জাতির সাথে এক বিশাল জালিয়াতি। আমরা চাই আইনের সঠিক প্রয়োগ হোক। তাই আমরা মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে যাব। আমরা চাই সব ভোট গ্রহণ বন্ধ হোক।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-০৩ |শিরোনাম=মার্কিন রাষ্ট্রপতি পদের ফলাফল এখনো অমীমাংসিত; মধ্য-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রধান অঙ্গরাজ্যগুলোতে বাইডেন এগিয়ে | লেখক= ট্রেভর হানিকাট, জেফ মেসন | সাময়িকী=রয়টার্স | ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/usa-election/us-presidency-still-undecided-biden-opens-leads-in-key-midwestern-states-idUSKBN27J0FZ}}
* আমি এই নির্বাচনে জিতেছি, তাও বিশাল ব্যবধানে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1325099845045071873 ৭ নভেম্বর ২০২০]
* ২০১৬ সালে ট্রাম্পের জয়ে মানুষ এই কারণে বিচলিত ছিল যে তিনি এমন সব নীতি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রচারণা চালিয়েছিলেন, যা রাষ্ট্রীয় সহিংসতার মাধ্যমে জাতিগত ও নৃতাত্ত্বিক সংখ্যালঘুদের লক্ষ্যবস্তু করে (এবং তিনি কেবল অভদ্র বা অসভ্য ছিলেন বলেই এমনটা করেননি)। কোনোভাবেই বাইডেনের প্রচারণাকে এর সাথে তুলনা করা যায় না। দুঃখিত! বাইডেন খ্রিস্টানদের নিষিদ্ধ করবেন না, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এখানে থাকা শ্বেতাঙ্গ অভিবাসীদের মর্যাদা খেয়ালখুশিমতো বাতিল করবেন না, দেশের শ্বেতাঙ্গ অধ্যুষিত অংশগুলো বিক্রি করার চেষ্টা করবেন না বা শ্বেতাঙ্গদের বিরুদ্ধে পুলিশি সহিংসতাকে উস্কে দেবেন না। আপনাদের এই হতাশাকে কোনোভাবেই নিপীড়ন বলা যায় না।
** অ্যাডাম সারওয়ার, ৯ নভেম্বর ২০২০ টুইটারে
* রিপোর্ট: ডোমিনিয়ন সারা দেশে ট্রাম্পের ২৭ লক্ষ ভোট মুছে ফেলেছে। তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে পেনসিলভানিয়ায় ২,২১,০০০ ভোট প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের থেকে সরিয়ে বাইডেনের অ্যাকাউন্টে দেওয়া হয়েছে। ৯,৪১,০০০ ট্রাম্পের ভোট মুছে ফেলা হয়েছে। ডোমিনিয়ন ভোটিং সিস্টেম ব্যবহার করা অঙ্গরাজ্যগুলো ট্রাম্পের ৪,৩৫,০০০ ভোট বাইডেনের দিকে সরিয়ে দিয়েছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]েরে বিতর্কিত টুইট, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-১৩ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: 'মুছে ফেলা' ভোট নিয়ে ট্রাম্পের টুইটের গালগল্প | লেখক= আলী সোয়েনসন, আমান্ডা সিটজ | সাময়িকী=এপি নিউজ | ইউআরএল=https://apnews.com/article/election-2020-ap-fact-check-joe-biden-donald-trump-technology-13c104367924b8192b4fcecf334f7806}}
* ফক্স নিউজ আর ভুয়া খবরের মাধ্যমগুলো এই বিশাল জমায়েত দেখাচ্ছে না। বদলে তারা তাদের সাংবাদিকদের প্রায় জনশূন্য রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রেখেছে। এখন আমরা সংবাদমাধ্যমের দ্বারা তথ্য দমনের শিকার হচ্ছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1327724046595842049 ১৪ নভেম্বর ২০২০]
* নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের মতো জায়গাগুলো বাদে বাকি সব সাধারণ মানুষের জন্য টিকা পাওয়া যাবে। রাজনৈতিক কারণে সেখানকার গভর্নর দেরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আমার মনে হয় না এটি রাজনৈতিকভাবে ভালো, স্বাস্থ্যের দিক থেকেও এটি খুব খারাপ, তবে তিনি টিকা নিয়ে সময় নিতে চান। আমরা এমন কোনো রাজ্যে এটি পৌঁছে দিতে পারি না যারা তাদের জনগণকে অবিলম্বে এটি দেবে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-৩০ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: টিকা এবং অঙ্গরাজ্যগুলোতে এর বিতরণ নিয়ে ট্রাম্পের ভুল তথ্য | লেখক= হোপ ইয়েন, লরা নিরগার্ড, ক্যান্ডিস চই | সাময়িকী=এপি | ইউআরএল=https://apnews.com/article/ap-fact-check-joe-biden-donald-trump-politics-coronavirus-pandemic-76d1580f82b1586b207990396c1e3b5f}}
* এইমাত্র নেভাদা অঙ্গরাজ্যে এক বিশাল জয় এল। কাউন্টি কমিশনারের লড়াইয়ে ডেমোক্র্যাটদের একচ্ছত্র আধিপত্যের ওই ভোট বাতিল করা হয়েছে কারণ সেখানে বড় ধরনের ভোট জালিয়াতি ধরা পড়েছে। ক্লার্ক কাউন্টির কর্মকর্তারা তাদের নিজেদের নির্বাচনী নিরাপত্তার ওপর আস্থা রাখতে পারছেন না। বিশাল প্রভাব!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]][https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1328483862490574849 টুইটারে], ১৬ নভেম্বর ২০২০
* আমি নির্বাচনে জিতেছি!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1328334945148952576 টুইটারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেখানে টুইটার সতর্কবার্তা দিয়েছে: "একাধিক সূত্র এই নির্বাচনের ভিন্ন ফলাফল দিয়েছে",১৬ নভেম্বর ২০২০
* ২০২০ সালের নির্বাচনের নিরাপত্তা সম্পর্কে ক্রিস ক্রেবসের সাম্প্রতিক বক্তব্য অত্যন্ত ভুল ছিল... তাই অবিলম্বে ক্রিস ক্রেবসকে সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার সিকিউরিটি এজেন্সির পরিচালক পদ থেকে বরখাস্ত করা হলো।
** [https://www.usatoday.com/story/news/politics/2020/11/17/trump-ousts-homeland-security-chris-krebs-called-election-secure/6276676002/ ট্রাম্প হোমল্যান্ড সিকিউরিটির সাইবার প্রধান ক্রিস ক্রেবসকে বরখাস্ত করেছেন, যিনি নির্বাচনকে সুরক্ষিত বলেছিলেন] শীর্ষক খবর অনুযায়ী ডোনাল্ড ট্রাম্প টুইটারের মাধ্যমে তার সাইবার প্রধানকে বরখাস্ত করেছেন (১৮ নভেম্বর ২০২০)
* আমি না থাকলে আরও চার বছর আপনারা টিকা পেতেন না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-২০ |শিরোনাম=ট্রাম্পের ইঙ্গিত যে তাকে হারানোর জন্য টিকা কোম্পানিগুলো প্রতিশোধমূলক ষড়যন্ত্র করেছে | লেখক= র্যাচেল ওল্ডিং | সাময়িকী=ডেইলি বিস্ট | ইউআরএল=https://www.thedailybeast.com/trump-suggests-vaccine-companies-orchestrated-revenge-filled-conspiracy-to-make-him-lose}}
* আমার সাথে ওভাবে কথা বলবেন না, আপনার কোনো যোগ্যতাই নেই। আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতির সাথে ওভাবে কখনো কথা বলবেন না।
** থ্যাঙ্কসগিভিংয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-election-2020/trump-news-live-twitter-biden-election-b1762621.html ট্রাম্প নিউজ: শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা ছাড়ার প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসার পর পেনসিলভানিয়ার আপিলে হেরেছেন প্রেসিডেন্ট] নিবন্ধে উদ্ধৃত হয়েছে।,২৭ নভেম্বর ২০২০
* তথ্য দমনের জন্য বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো আর ভুয়া সংবাদমাধ্যম একজোট হয়েছে। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা শেষ হয়ে গেছে, এটি এখন অতীত। এই কারণেই তারা ২০২০ সালের নির্বাচনের প্রকৃত তথ্য ও পরিসংখ্যান প্রকাশ করতে অস্বীকার করছে...
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1332349861774155778?s=20 টুইট] যা টুইটার "নির্বাচনী জালিয়াতি সম্পর্কে এই দাবিটি বিতর্কিত" লেবেল দিয়ে চিহ্নিত করেছে,২৭ নভেম্বর ২০২০
* বাইডেন কেবল তখনই প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোয়াইট হাউসে ঢুকতে পারবেন, যদি তিনি প্রমাণ করতে পারেন যে তার ওই হাস্যকর '৮ কোটি ভোট' জালিয়াতি বা অবৈধভাবে পাওয়া যায়নি। ডেট্রয়েট, আটলান্টা, ফিলাডেলফিয়া আর মিলওয়াকিতে কী হয়েছে তা দেখলে বুঝবেন যে বিশাল ভোট জালিয়াতি হয়েছে। এটি তার জন্য এক বিশাল এবং সমাধান অযোগ্য সমস্যা।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-২৮ |শিরোনাম=প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মিথ্যা এবং ষড়যন্ত্র তত্ত্ব টুইট করা চালিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে ট্রাম্প আভাস দিয়েছেন যে বাইডেন 'প্রমাণ করতে না পারলে' তিনি হোয়াইট হাউস ছাড়বেন না | লেখক= গ্রেস প্যানেটা | সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার | ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-says-he-wont-leave-white-house-biden-disproves-fraud-2020-11?r=US&IR=T}}
* পেনসিলভানিয়ার ঘটনায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে এবং আমাদের কাছে এর বিশাল প্রমাণ রয়েছে। কিছু মানুষ স্রেফ তা দেখতে চায় না। আমাদের দেশকে বাঁচানোর সাথে তারা কোনো সম্পর্ক রাখতে চায় না। দুঃখজনক!!!
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1332778938121203720 টুইট],২৮ নভেম্বর ২০২০
* @FoxNews-এর দিনের বেলার অনুষ্ঠানগুলো দেখা প্রায় অসম্ভব, বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-২৯ |শিরোনাম=নির্বাচনের পর প্রথম সাক্ষাৎকারের আগে ফক্স নিউজ বাদে 'অন্য কিছু' দেখার জন্য দর্শকদের বললেন ট্রাম্প | লেখক= ইয়েলেনা জানোভা | সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার | ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-calls-fox-news-unwatchable-criticism-newsmax-2020-11?r=US&IR=T}}
* এই দেশে সংবাদপত্রের কোনো স্বাধীনতা নেই, এখানে চলছে তথ্য দমন।
** ফক্স নিউজে মারিয়া বার্টিরোমোর সাথে এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]],২৯ নভেম্বর ২০২০
* আমি এমন সব টিকা নিয়ে এসেছি যা মানুষ ভেবেছিল পেতে পাঁচ বছর সময় লাগবে।
* কিছু যান্ত্রিক গোলযোগ হয়েছিল যার ফলে আমার হাজার হাজার ভোট বাইডেনের অ্যাকাউন্টে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
* (যুক্তরাষ্ট্রের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি সামলানো প্রসঙ্গে:) আমরা বিশ্বের বাকি দেশগুলোর চেয়ে ভালো করছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-২৯ |শিরোনাম=ফক্স নিউজের মারিয়া বার্টিরোমো নির্বাচনের পর ট্রাম্পের প্রথম টিভি সাক্ষাৎকার নিয়েছেন, যা মিথ্যায় ভরা ছিল | লেখক= আলেকজিস বেনভেনেস্টে | সাময়িকী= সিএনএন বিজনেস | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/11/29/media/bartiromo-trump-interview/index.html}}
* ব্রায়ান কেম্প আর ডগ ডুসির মতো রিপাবলিকান থাকতে ডেমোক্র্যাটদের কী দরকার?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-৩০ |শিরোনাম=ট্রাম্পের আক্রমণের পর অ্যারিজোনার গভর্নর ডগ ডুসি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পক্ষে সাফাই দিয়েছেন | লেখক= ক্যারোলিন কেলি, অ্যালিসন মেইন | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/11/30/politics/doug-ducey-defends-election-arizona-trump/index.html}}
==== ডিসেম্বর ২০২০ ====
(কালানুক্রমিকভাবে)
* আসলে আমি উইসকনসিনে জিতেছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-০৫ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: সাজানো নির্বাচনের ভিত্তিহীন দাবির মধ্যে ট্রাম্প বলেছেন তিনি উইসকনসিনে জিতেছেন | লেখক= ডি.এল. ডেভিস, পলিটিফ্যাক্ট | সাময়িকী=হিউস্টন ক্রনিকল | ইউআরএল=https://www.houstonchronicle.com/local/texas-politics/politifact/article/Fact-check-Among-baseless-claims-of-rigged-15794749.php}}
* আপনাদের বোঝার সুবিধার্থে বলছি, আপনারা জানেন যে আমরা জর্জিয়াতে জিতেছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-০৫ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: জর্জিয়ায় নির্বাচনী প্রচারের সময় ট্রাম্পের ভিত্তিহীন দাবি | লেখক= ইউজিন কিয়েলি | সাময়িকী=জিএ টুডে | ইউআরএল=https://www.gpb.org/news/2020/12/09/fact-check-trump-makes-bogus-swing-state-claim-during-campaign-stop-in-georgia}}
* যদি আমি হারতাম, তবে আমি খুব উদারভাবে হার মেনে নিতাম।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-০৬ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: জনসভায় ট্রাম্পের দুঃসাহসিক মিথ্যাচার | লেখক= ক্যালভিন উডওয়ার্ড | সাময়িকী=এপি নিউজ | ইউআরএল=https://apnews.com/article/fact-check-donald-trump-rally-falsehoods-424834660f894040b55b415aecb2a443}}
* রাইনো ব্রায়ান কেম্প, জিওফ ডানকান এবং সেক্রেটারি অফ স্টেট ব্র্যাড রাফেনসপারজার জর্জিয়ার আমাদের দুজন মহান সিনেটর ডেভিড পারডু এবং কেলি লোফ্লারের সম্ভাব্য পরাজয়ের জন্য এককভাবে দায়ী থাকবেন। তারা কোনো বিশেষ অধিবেশন ডাকবে না বা সই যাচাই করবে না! মানুষ অনেক ক্ষুব্ধ!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-০৭ |শিরোনাম=ট্রাম্প বলেছেন রাইনো কেম্প এবং রাফেনসপারজারই 'এককভাবে দায়ী' যদি লোফ্লার ও পারডু নির্বাচনে হারেন | লেখক= জেফারি মার্টিন | সাময়িকী=নিউজউইক | ইউআরএল=https://www.newsweek.com/trump-says-rinos-kemp-raffensperger-solely-responsible-if-loeffler-perdue-lose-election-1553024}}
* সুপ্রিম কোর্ট আমাদের সত্যিই হতাশ করেছে। কোনো প্রজ্ঞা নেই, কোনো সাহস নেই!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-১১ |শিরোনাম='কোনো প্রজ্ঞা নেই, কোনো সাহস নেই!': টেক্সাসের নির্বাচনী ফলাফল বাতিলের আবেদন সুপ্রিম কোর্ট প্রত্যাখ্যান করার পর ট্রাম্পের ক্ষোভ | লেখক= কেলসি ভ্লামিস | সাময়িকী=এমএসএন নিউজ | ইউআরএল=https://www.msn.com/en-us/news/other/no-wisdom-no-courage-trump-lashes-out-at-the-supreme-court-after-it-rejected-a-texas-bid-to-overturn-the-election-results/ar-BB1bRIqA}}
* আমরা কেবল লড়াই শুরু করেছি!!!
** ২০২০ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে লড়াই করা প্রসঙ্গে ট্রাম্পের টুইট,{{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-১১ |শিরোনাম=ঐতিহাসিক টিকা বিতরণের আগে ট্রাম্প আত্মঘাতী লড়াইতে লিপ্ত | লেখক= মেভ রেস্টন | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/12/13/politics/donald-trump-william-barr-pfizer-vaccine/index.html}}
* এটি শেষ হয়ে যায়নি। আমরা লড়াই চালিয়ে যাব এবং সামনের দিকে এগিয়ে যাব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-১২ |শিরোনাম=ইলেক্টোরাল কলেজের ভোটের আগে ট্রাম্প 'ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস'-কে বলেছেন যে নির্বাচনী চ্যালেঞ্জ 'শেষ হয়ে যায়নি' | লেখক= রন ব্লিটজনার | সাময়িকী=ফক্স নিউজ | ইউআরএল=https://www.foxnews.com/politics/trump-fox-and-friends-election-challenges-not-over-electoral-college-vote}}
* দারুণ! স্টপ দ্য স্টিলের জন্য ওয়াশিংটন ডিসিতে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হচ্ছে। আমি এ সম্পর্কে জানতাম না, তবে আমি তাদের সাথে দেখা করতে যাব! #এমএজিএ
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, [https://en.wikinews.org/wiki/Conservative_groups_hold_rally_in_Washington_D.C._claiming_U.S._elections_were_stolen_from_President_Trump "ওয়াশিংটন ডিসিতে রক্ষণশীল গোষ্ঠীর জনসভা, মার্কিন নির্বাচন চুরি হয়েছে বলে দাবি"], ১৫ ডিসেম্বর ২০২০।
* এইমাত্র হোয়াইট হাউসে অ্যাটর্নি জেনারেল বিল বারের সাথে খুব সুন্দর একটি বৈঠক হলো। আমাদের সম্পর্ক খুব ভালো ছিল, তিনি চমৎকার কাজ করেছেন! চিঠিতে যেমনটা লেখা আছে, বিল বড়দিনের ঠিক আগেই তার পরিবারের সাথে ছুটি কাটানোর জন্য বিদায় নেবেন...
* ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ রোজেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.bbc.com/news/world-us-canada-55312016 উইলিয়াম বার: মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল বড়দিনের আগেই পদ ছাড়ছেন], ১৫ ডিসেম্বর ২০২০।
* আমরা আজ এখানে একটি ঐতিহাসিক সপ্তাহের শেষে একত্রিত হয়েছি আমেরিকান জনগণকে এটা নিশ্চিত করতে যে আশা খুব কাছেই। কেলি এবং আমি অত্যন্ত আনন্দের সাথে এই সপ্তাহ শেষ হওয়ার আগেই আমেরিকান জনগণের জন্য আমাদের সুরক্ষিত এবং প্রস্তুতকৃত এই নিরাপদ ও কার্যকর করোনাভাইরাস টিকা নিতে এগিয়ে এসেছি। এটি সত্যিই একটি অনুপ্রেরণাদায়ক দিন।
** উপ-রাষ্ট্রপতি পেন্স, [https://www.politico.com/news/2020/12/18/pence-covid-vaccine-live-television-448080 'আশা কাছেই': সরাসরি টেলিভিশনে করোনাভাইরাস টিকা নিলেন পেন্স], ১৮ ডিসেম্বর ২০২০।
* টেক্সাসের ৫ম সংসদীয় আসনের মার্কিন কংগ্রেস সদস্য হতে পেরে আমি গর্বিত। আমি ৬ই জানুয়ারি আপত্তি জানানোর মাধ্যমে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাশে দাঁড়াতে পেরেও গর্বিত। আমি কংগ্রেসের প্রতিটি সহকর্মীকে একই কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।
** [https://twitter.com/Lancegooden টুইটারে] ল্যান্স গুডেন, ২৬ ডিসেম্বর ২০২০।
===== বাইডেনের নির্বাচনী জয় বাতিলের ট্রাম্প-সমর্থিত মামলা সুপ্রিম কোর্টে খারিজ =====
* আমি বারবার যেমনটা বলেছি, আমাদের সংবিধান অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলোর মধ্যে প্রকৃত বিরোধের বিষয়গুলো শেষ পর্যন্ত কেবল সুপ্রিম কোর্টই নিষ্পত্তি করতে পারে এবং এই কারণেই বিচারপতিদের উচিত এই মামলার শুনানি করা এবং সিদ্ধান্ত দেওয়া।
** [https://www.theadvocate.com/baton_rouge/news/politics/elections/article_193de3e0-3a54-11eb-8036-07b9fff910f6.html জেফ ল্যান্ড্রি জো বাইডেনের পক্ষে যাওয়া ইলেক্টোরাল ভোট গণনা বন্ধে টেক্সাসের প্রচেষ্টাকে সমর্থন করছেন], ৯ ডিসেম্বর ২০২০-এ লুইসিয়ানার অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ ল্যান্ড্রি।
* সুপ্রিম কোর্ট যদি মহৎ প্রজ্ঞা এবং সাহস দেখায়, তবে আমেরিকান জনগণ সম্ভবত ইতিহাসের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ মামলাটিতে জিতবে এবং আমাদের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রতি আবার শ্রদ্ধা ফিরে আসবে!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1337494507756072961 রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প], ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* আমেরিকার একটি স্বচ্ছ নির্বাচন প্রাপ্য ছিল, কিন্তু তারা যা পেয়েছে তা হলো: জর্জিয়াতে গোপনে যোগ করা ব্যালট ভর্তি সুটকেস, উইসকনসিনে মৃত ব্যক্তিদের ভোট প্রদান, নেভাদাতে ভোটের বিনিময়ে অর্থের কারসাজি, পেনসিলভানিয়া-তে পোল ওয়াচারদের ঢুকতে না দেওয়া, মিশিগানে ব্যালট ড্রপবক্স খোলা অবস্থায় পাওয়া এবং মিশিগানেই ক্লার্কের মুখে ???। প্রমাণ অকাট্য। আপনাদের আইনপ্রণেতাদের ডাকুন, তাদের স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য লড়াই করতে বলুন।
** [https://twitter.com/realDonaldTrump @realDonaldTrump ভিডিওতে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* '''অন্যান্য অঙ্গরাজ্যগুলো কীভাবে তাদের নিজস্ব নির্বাচন পরিচালনা করবে তা নিয়ে মামলা করার জন্য টেক্সাসের অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী কোনো আইনি ভিত্তি নেই।'''
** [https://twitter.com/SCOTUSblog/status/1337546093102510080?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1337546093102510080%7Ctwgr%5E%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.cbc.ca%2Fnews%2Fworld%2Ftrump-lawsuit-supreme-court-defeat-1.5838403 স্কোটাসব্লগ (SCOTUSblog)], মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট, ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* সাংবিধানিক প্রশ্নটি ভোটাররা জালিয়াতি করেছে কি না তা নয়, বরং প্রশ্ন হলো অঙ্গরাজ্যের কর্মকর্তারা ব্যালটের সততা রক্ষার নিয়মগুলো পরিকল্পিতভাবে শিথিল করে আইন লঙ্ঘন করেছেন কি না যাতে জালিয়াতি ধরা না যায়।
** [https://www.salon.com/2020/12/11/republicans-want-more-than-a-coup-trumps-loyalty-test-exposes-their-hatred-for-democracy/ রিপাবলিকানরা একটি অভ্যুত্থানের চেয়েও বেশি কিছু চায়: ট্রাম্পের আনুগত্য পরীক্ষা গণতন্ত্রের প্রতি তাদের ঘৃণা প্রকাশ করে], টেক্সাসের অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটন, ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* মামলাটি গুণাগুণের ভিত্তিতে খারিজ করা হয়নি, এটি আইনি ভিত্তির অভাবে খারিজ করা হয়েছে। তাই এর সমাধান হলো রাষ্ট্রপতি বা কিছু নির্বাচক কর্তৃক জেলা আদালতে একই তথ্যগুলো উল্লেখ করে মামলা করা যেখানে তাদের আইনি ভিত্তি থাকবে।
* আমাদের জেলা আদালতে এই মামলাগুলো অবিলম্বে দায়ের করতে কোনো বাধা নেই যেখানে অবশ্যই রাষ্ট্রপতির আইনি ভিত্তি থাকবে। কিছু নির্বাচকেরও আইনি ভিত্তি থাকবে কারণ তাদের সাংবিধানিক অধিকার খর্ব করা হয়েছে।
* আমাদের কাজ শেষ হয়নি। আমাকে বিশ্বাস করুন।
** [https://thehill.com/regulation/court-battles/529928-giuliani-says-trump-team-not-finished-after-supreme-court-defeat সুপ্রিম কোর্টে পরাজয়ের পর জিলিয়ানি বলেছেন ট্রাম্পের দল 'এখনো শেষ হয়ে যায়নি'], [[রুডি জিলিয়ানি]], ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* এটি দুর্ভাগ্যজনক যে সুপ্রিম কোর্ট এই মামলাটি গ্রহণ না করার এবং এই চারটি অঙ্গরাজ্যের ফেডারেল ও স্টেট নির্বাচন আইন মানতে ব্যর্থতার সাংবিধানিকতা যাচাই না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
** [https://www.texastribune.org/2020/12/11/texas-lawsuit-supreme-court-election-results/ মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট চার অঙ্গরাজ্যের ২০২০ সালের নির্বাচনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে টেক্সাসের মামলা খারিজ করে দিয়েছে], কেন প্যাক্সটন, ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* একাধিক অঙ্গরাজ্য এবং এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির জড়িত থাকা একটি মৌলিক এক্তিয়ারভুক্ত বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট কোনো আইনি ভিত্তি খুঁজে পাবে না, এটি হাস্যকর। এটি সংবিধানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে...। তারা আসলে "ভয় পেয়ে পিছিয়ে গেছে" এবং মামলার গুণাগুণের ওপর রায় দিতে চায়নি। আমাদের দেশের জন্য এটি খুবই খারাপ!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1338246403164954629 টুইটারের মাধ্যমে] রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প, ১৩ ডিসেম্বর ২০২০।
* আমি গত সাজানো (রাষ্ট্রপতি পদের জন্য) নির্বাচনে মিচসহ অন্তত ৮ জন রিপাবলিকান সিনেটরকে পরাজয় থেকে বাঁচিয়েছি। এখন তারা (প্রায় সবাই) হাত গুটিয়ে বসে আছে এবং আমাকে কট্টর বামপন্থী ডেমোক্র্যাটদের মতো এক কুটিল ও হিংস্র শত্রুর বিরুদ্ধে একা লড়তে দেখছে। আমি কখনোই ভুলব না!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের বিতর্কিত [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1342245390540804096 টুইট], ২৫ ডিসেম্বর ২০২০।
* ২০২০ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে যে বিশাল নির্বাচনী জালিয়াতি হয়েছে সে ব্যাপারে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট সম্পূর্ণ অযোগ্যতা এবং দুর্বলতা দেখিয়েছে। আমাদের কাছে অকাট্য প্রমাণ আছে, কিন্তু তারা তা দেখতে চায় না—তারা বলছে কোনো ‘আইনি ভিত্তি’ নেই। আমাদের নির্বাচনে যদি দুর্নীতি হয়, তবে আমাদের কোনো দেশই থাকবে না!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের বিতর্কিত টুইট, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-২৬ |শিরোনাম=ক্ষমতার মেয়াদ এক মাসেরও কম থাকতে ট্রাম্প তার নির্বাচনী পরাজয় বাতিল করতে অস্বীকার করায় 'সম্পূর্ণ অযোগ্য' সুপ্রিম কোর্টের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন | লেখক= কনর পেরেট | সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার | ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-supreme-court-totally-incompetent-for-refusing-to-overturn-election-2020-12?r=US&IR=T}}
* দুর্বল এবং ক্লান্ত রিপাবলিকান "নেতৃত্ব" এই খারাপ প্রতিরক্ষা বিলটি পাস হওয়ার সুযোগ করে দেবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1342245390540804096 টুইট], ২৯ ডিসেম্বর ২০২০।
* রিপাবলিকান নেতৃত্ব কেবল সবথেকে সহজ পথটি বেছে নিতে চায়। আমাদের নেতারা (অবশ্যই আমি নই!) অত্যন্ত করুণ।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-২৯ | শিরোনাম=তার ভেটো উপেক্ষা করার পর রিপাবলিকানদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন ট্রাম্প | লেখক= জ্যাচারি বি. উলফ | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/12/29/politics/donald-trump-house-votes/index.html}}
==== জানুয়ারি ২০২১ ====
* তো দেখুন, আমি কেবল ১১,৭৮০টি ভোট খুঁজে পেতে চাই।
** ২ জানুয়ারি জর্জিয়ার নির্বাচনী কর্মকর্তাদের (জর্জিয়ার সেক্রেটারি অফ স্টেট ব্র্যাড রাফেনসপারজারসহ) সাথে কথা বলার সময় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেখানে তিনি ২০২০ সালের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট নিজের পক্ষে গণনা করার জন্য সেক্রেটারি অফ স্টেট ব্রায়ান কেম্পকে চাপ দিচ্ছিলেন। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২১-০১-০৩ |ইউআরএল=https://www.washingtonpost.com/video/politics/audio-trump-berates-ga-secretary-of-state-urges-him-to-find-votes/2021/01/03/aba64f5f-8c3c-490f-af34-618ccea732d7_video.html |শিরোনাম=অডিও: জর্জিয়ার সেক্রেটারি অফ স্টেটকে তিরস্কার করলেন ট্রাম্প, ভোট ‘খুঁজে’ বের করার তাগিদ দিলেন |প্রকাশক=''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট''}}
*** সিএনএনে [https://www.cnn.com/2021/01/03/politics/trump-brad-raffensperger-phone-call-transcript/index.html পূর্ণাঙ্গ প্রতিলিপি]
* মৃত মানুষের নামেও ভোট পড়েছে। জর্জিয়ায় আমার মনে হয় এই সংখ্যাটা প্রায় ৫,০০০-এর কাছাকাছি... এমন সব বাক্সে হাজার হাজার ব্যালট পাওয়া গেছে যেগুলো কোনো স্বীকৃত বা সিল করা বাক্স ছিল না। ওরা জল চলাচলের পাইপ ফেটে যাওয়ার বাহানা দিয়ে সবাই বেরিয়ে গিয়েছিল। অথচ বাস্তবে সেখানে কোনো পাইপই ছিল না, কিচ্ছু হয়নি। পাইপ ফাটার কোনো ঘটনাই সেখানে ঘটেনি।<br>সেখানে ৪,৯২৫ জন বহিরাগত ভোটার ছিল, ওরা অন্য রাজ্যের বাসিন্দা হয়েও জর্জিয়ায় এসে ভোট দিয়ে গেছে।<br>ওরা সব ব্যালট পেপার নষ্ট করে ফেলছে। আপনাদের এই ব্যাপারটা খুব ভালো করে খতিয়ে দেখা উচিত। কারণ এটা ঘোরতর বেআইনি। আপনাদের এই ডোমিনিয়ন মেশিনগুলো আমরা এখনো ভালো করে পরীক্ষা করিনি, তাই এগুলোর ওপর এখনই ভরসা করতে পারছি না। অন্য রাজ্যগুলোতে এই ডোমিনিয়ন মেশিনগুলো ব্যবহার করে অনেক বড় বড় কারচুপি করা হয়েছে বলে আমাদের বিশ্বাস...
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২১-০১-০৩ | লেখক = বিবিসি নিউজ রিয়েলিটি চেক টিম | ইউআরএল=https://www.bbc.com/news/election-us-2020-55529230 |শিরোনাম=জর্জিয়া নির্বাচন: ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফোনালাপের ফ্যাক্ট-চেক |প্রকাশক=বিবিসি নিউজ}}
* জেফরি রোজেন, আমরা একটা বিষয় জানি যে আপনি এই নির্বাচন উল্টে দেওয়ার জন্য কিছুই করবেন না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.npr.org/2021/10/07/1044015379/senate-report-details-trumps-efforts-to-use-doj-to-overturn-election-results "নির্বাচনের ফলাফল পাল্টাতে বিচার বিভাগকে ব্যবহার করার বিষয়ে ট্রাম্পের প্রচেষ্টার বিস্তারিত সেনেট রিপোর্ট"], ৩ জানুয়ারি ২০২১।
* রুডি, আপনি দারুণ কাজ করেছেন। ওর সাহস আছে। জানেন কী? রিপাবলিকান পার্টির অনেক মানুষের মতো ও ভীতু নয়, ওর সাহস আছে। ও লড়াই করে. <br>..<br>আমাদের উজ্জ্বল দিনগুলো সামনেই আছে, আমাদের মহান অর্জনগুলো এখনো বাকি। আমার মনে হয় আমাদের অন্যতম বড় অর্জন হবে নির্বাচনী নিরাপত্তা, কারণ আমি আসার আগে কেউ জানতই না যে আমাদের নির্বাচন কতটা দুর্নীতিগ্রস্ত। আবারও বলছি, বেশিরভাগ মানুষই রাত ৯টার সময় দাঁড়িয়ে বলবে, “আপনাদের অনেক ধন্যবাদ,” আর এরপর তারা অন্য কাজে চলে যাবে। কিন্তু আমি বললাম, “এখানে কোনো ঝামেলা আছে। বড় কোনো ঝামেলা আছে। এমনটা হতেই পারে না।” আর আমরা লড়াই করি। আমরা জানপ্রাণ দিয়ে লড়াই করি, আর আপনারা যদি এভাবে লড়াই না করেন, তবে আপনাদের আর কোনো দেশ থাকবে না।<br>..<br>এর পর আমরা সবাই একসাথে হেঁটে নিচে যাব। আমি আপনাদের সাথেই থাকব। আমরা হেঁটে যাব। আপনারা যেদিক দিয়ে চান সেদিক দিয়েই আমরা যাব, তবে আমার মনে হয় এখান দিয়েই ভালো। আমরা ক্যাপিটল ভবনের দিকে হেঁটে যাব এবং আমাদের সাহসী সিনেটর আর কংগ্রেসের নারী-পুরুষদের উৎসাহিত করব। আমরা হয়ত তাদের সবার জন্য চিৎকার করব না, কারণ দুর্বলতা দিয়ে আপনি কখনোই নিজের দেশ ফিরে পাবেন না। আপনাদের শক্তি দেখাতে হবে, আপনাদের শক্তিশালী হতে হবে। আমরা কংগ্রেসের কাছে দাবি জানাতে এসেছি যেন তারা সঠিক কাজটি করে এবং কেবল বৈধভাবে তালিকাভুক্ত নির্বাচকদের ভোটই গণনা করে। আমি জানি যে এখানে উপস্থিত সবাই শীঘ্রই ক্যাপিটল ভবনের দিকে পদযাত্রা করবেন যাতে শান্তিপূর্ণভাবে এবং দেশপ্রেমের সাথে আপনাদের কণ্ঠস্বর শোনানো যায়। আজ আমরা দেখব রিপাবলিকানরা আমাদের নির্বাচনের সততার পক্ষে শক্তভাবে দাঁড়ায় কি না, তারা আমাদের দেশের পক্ষে দাঁড়ায় কি না। আমাদের দেশ দীর্ঘ সময় ধরে অবরোধের মুখে আছে, এই চার বছরের চেয়েও অনেক বেশি সময় ধরে।<br>..<br>আমরা পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউ দিয়ে হেঁটে যাব, আমি এই রাস্তাটি খুব ভালোবাসি, আমরা ক্যাপিটল ভবনে যাব এবং...<br>আমাদের রিপাবলিকানদের সেই সব দুর্বলদের, কারণ যারা শক্তিশালী তাদের আমাদের সাহায্যের দরকার নেই—আমরা তাদের সেই গর্ব আর সাহস দেওয়ার চেষ্টা করব যা তাদের নিজের দেশ ফিরে পেতে প্রয়োজন। তাই চলুন পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউ দিয়ে হাঁটা শুরু করি।
** ৬ জানুয়ারি ২০২১-এর [https://www.rev.com/blog/transcripts/donald-trump-speech-save-america-rally-transcript-january-6 সেভ আমেরিকা র্যালির ভাষণে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
* আমাদের দেশ আর সংবিধানকে রক্ষা করার জন্য যা করা উচিত ছিল, মাইক পেন্সের সেই সাহসটুকু ছিল না। তিনি অঙ্গরাজ্যগুলোকে সত্য তথ্যগুলো যাচাই করার সুযোগ দিতে পারতেন, পরিবর্তে তাদের সেই সব জাল আর ভুল তথ্যগুলোই মেনে নিতে বলা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র সত্য জানতে চায়!
** ৬ জানুয়ারি ২০২১-এর [https://archive.is/jCmfK সকাল ১১:২৪-এর টুইটে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
* তাতে কী?
** ওভাল অফিসের পাশের ডাইনিং রুমে বসে টেলিভিশনে ২০২১ সালে মার্কিন ক্যাপিটলে হামলার খবর দেখার সময় ৬ জানুয়ারি ২০২১-এ [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেন। উপ-রাষ্ট্রপতি মাইক পেন্সকে একটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, এই খবর পাওয়ার পর তিনি এটি বলেন। ({{উদ্ধৃতি |শিরোনাম=ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ফেডারেল নির্বাচনী মামলায় নতুন প্রমাণ প্রকাশ করলেন বিচারক |সংবাদপত্র=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস |প্রথম১=অ্যালান |শেষ১=ফুয়ের |প্রথম২=চার্লি |শেষ২=স্যাভেজ |তারিখ=২ অক্টোবর ২০২৪ |ইউআরএল=https://www.nytimes.com/2024/10/02/us/politics/trump-jan-6-case-jack-smith-evidence.html}} {{উদ্ধৃতি |শিরোনাম=নির্বাচনী পরাজয় পাল্টানোর বিষয়ে ট্রাম্পের প্রচেষ্টার নতুন তথ্য দেখালেন মার্কিন প্রসিকিউটররা |প্রথম=অ্যান্ড্রু |শেষ=গুডওয়ার্ড |তারিখ=২ অক্টোবর ২০২৪ |ইউআরএল=https://www.reuters.com/world/us/us-prosecutors-detail-evidence-trump-election-subversion-case-2024-10-02/ |সংস্থা=রয়টার্স}})
* আমি মার্কিন ক্যাপিটল ভবনে উপস্থিত সবাইকে শান্ত থাকার জন্য অনুরোধ করছি। কোনো সহিংসতা নয়! মনে রাখবেন, আমরাই আইন ও শৃঙ্খলার দল, আইন এবং আমাদের নীল পোশাকের (পুলিশ) মহান নারী-পুরুষদের সম্মান করুন। ধন্যবাদ!
** ৬ জানুয়ারি ২০২১-এর [https://archive.is/IvpaU দুপুর ১২:১৩-এর টুইটে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
* আমরা আপনাদের ভালোবাসি। আপনারা খুব বিশেষ।
** মার্কিন ক্যাপিটল ভবনে ঢুকে পড়া বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে দেওয়া একটি ভিডিও বার্তায় (যা পরে মুছে ফেলা হয়েছে) [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। যা বিজনেস ইনসাইডারে উদ্ধৃত হয়েছে: {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২১-০১-০৬ | লেখক = এলিজা রেলম্যান, ওমা সেদ্দিক, জ্যাক লাহুত | ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-video-statement-capitol-rioters-we-love-you-very-special-2021-1?r=US&IR=T |শিরোনাম=ক্যাপিটলে হামলা চালানো নিজের সহিংস সমর্থকদের ট্রাম্প বললেন ‘আপনারা খুব বিশেষ’, তবে তাদের ‘বাড়ি ফিরে যেতে’ অনুরোধ করলেন |প্রকাশক=বিজনেস ইনসাইডার}}
* আমার সব চমৎকার সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলছি, আমি জানি আপনারা হতাশ, কিন্তু আমি আপনাদের এটাও জানাতে চাই যে আমাদের অবিশ্বাস্য এই যাত্রা কেবল শুরু হচ্ছে।
** ইভাঙ্কা ট্রাম্পের পোস্ট করা [https://archive.is/o4JN6 বিকাল ৪:২৮-এর টুইটের] ভিডিও বার্তায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ৭ জানুয়ারি ২০২১।
* আমি শুরুতেই মার্কিন ক্যাপিটল ভবনে ঘটে যাওয়া জঘন্য হামলার বিষয়ে কিছু বলতে চাই। অন্য সব আমেরিকানদের মতো আমিও এই সহিংসতা, আইনহীনতা আর বিশৃঙ্খলার ঘটনায় ক্ষুব্ধ। আমি ভবনটি সুরক্ষিত করতে এবং অনুপ্রবেশকারীদের বের করে দিতে অবিলম্বে ন্যাশনাল গার্ড আর ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী সংস্থা মোতায়েন করেছি। আমেরিকাকে সবসময়ই একটি আইন ও শৃঙ্খলার দেশ হয়ে থাকতে হবে। যেসব বিক্ষোভকারী ক্যাপিটলে ঢুকে পড়েছিল, তারা আমেরিকান গণতন্ত্রের পবিত্র আসনকে কলঙ্কিত করেছে। যারা এই সহিংসতা আর ধ্বংসাত্মক কাজে লিপ্ত হয়েছে, আপনারা আমাদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন না। আর যারা আইন ভেঙেছেন, আপনাদের খেসারত দিতে হবে।<br>আমরা এইমাত্র একটি তীব্র নির্বাচনের মধ্য দিয়ে এসেছি এবং আবেগ এখন অনেক উঁচুতে। কিন্তু এখন মেজাজ ঠান্ডা করতে হবে এবং শান্তি ফিরিয়ে আনতে হবে। আমাদের আমেরিকার কাজে ফিরে যেতে হবে। আমার প্রচারণা নির্বাচনী ফলাফল চ্যালেঞ্জ করতে সম্ভাব্য সব আইনি পথ ব্যবহার করেছে। আমার একমাত্র লক্ষ্য ছিল ভোটের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। এটি করার মাধ্যমে আমি আমেরিকান গণতন্ত্রকে রক্ষা করার জন্য লড়াই করছিলাম। আমি এখনো দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে সকল ভোটারের পরিচয় আর যোগ্যতা যাচাই করার জন্য আমাদের নির্বাচনী আইন সংস্কার করতে হবে যাতে ভবিষ্যতের সব নির্বাচনে মানুষের আস্থা আর বিশ্বাস অটুট থাকে।
** ক্যাপিটল হামলা পরবর্তী ভাষণে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.presidency.ucsb.edu/documents/videotaped-remarks-the-attack-the-united-states-capitol-the-certification-the-electoral মার্কিন ক্যাপিটলে হামলা, ইলেক্টোরাল কলেজের ফলাফল অনুমোদন এবং নতুন প্রশাসনের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে ভিডিও বার্তা], ৭ জানুয়ারি ২০২১।
* যারা জানতে চেয়েছেন তাদের উদ্দেশ্যে বলছি, আমি ২০ জানুয়ারির অভিষেক অনুষ্ঠানে যাব না।
** ৮ জানুয়ারি ২০২১-এর [https://archive.is/tzc2r সকাল ৭:৪৪-এর টুইটে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
* তার প্রতিভা, মেধা আর সৃজনশীলতা তাকে অঢেল সম্পদ এনে দিয়েছিল, তবে তার চরিত্র আর জনহিতৈষী উদারতা তাকে খ্যাতি এনে দিয়েছে। শেলডন আমাদের মহান বন্ধু ইসরায়েল রাষ্ট্রের একজন কট্টর সমর্থকও ছিলেন।
** [https://www.npr.org/2021/01/12/693679109/sheldon-adelson-conservative-donor-and-casino-titan-dies-at-87 রক্ষণশীল দাতা এবং ক্যাসিনো সম্রাট শেলডন অ্যাডেলসন ৮৭ বছর বয়সে মারা গেছেন] সংবাদ প্রতিবেদনে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প, ১২ জানুয়ারি ২০২১।
* আমরা কোনো না কোনোভাবে আবার ফিরে আসব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২১-০১-২০ | লেখক = কেভিন লিপটাক | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2021/01/20/politics/donald-trump-leaves-white-house/index.html |শিরোনাম=ক্ষমতার মেয়াদ শেষ হওয়ার সাথে সাথে সমাজচ্যুত হয়ে ওয়াশিংটন ত্যাগ করলেন ট্রাম্প |প্রকাশক=সিএনএন}}
=== রাষ্ট্রপতিত্ব পরবর্তী (২০ ২০২১–২০২৫) ===
* খাস খবর: কংগ্রেস যখন [[জো বাইডেন]]এর জন্য ইলেক্টোরাল কলেজের ভোট অনুমোদন শুরু করেছে, তখন ট্রাম্প-পন্থী বিক্ষোভকারীরা ভবনটিতে ঢুকে পড়ার পর ইউএস ক্যাপিটল অবরুদ্ধ।
** অ্যাক্সিওস, টুইটারের মাধ্যমে [https://twitter.com/i/events/1346454323635527680 টুইট], ৬ জানুয়ারি ২০২১।
* সুপ্রিম কোর্টের সময়কালকে প্রায়ই তাদের প্রধান বিচারপতিদের নামে চেনা যায়, যেমনটা প্রায় দুই দশক আগে রবার্টসের হাত ধরে শুরু হওয়া বর্তমান সময়ের ক্ষেত্রেও সত্যি। তবে আদালতের সক্ষমতা রাষ্ট্রপতির প্রভাব দিয়েও মাপা যায়। ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের মতো কিছু রাষ্ট্রপতি, যারা তাদের বারো বছরের ক্ষমতায় আটজন বিচারপতি নিয়োগ করেছিলেন, আদালতের ওপর তাদের এক অস্বাভাবিক প্রভাব ছিল। [[রোনাল্ড রিগ্যান]] এবং [[রিচার্ড নিক্সন]]ও তাদের ছাপ রাখার জন্য আলাদা হয়ে আছেন। ট্রাম্পের প্রভাব, বিশেষ করে বিচারক নির্বাচনের ধরণ এবং তার ফলে ক্ষমতার ভারসাম্যে যে পরিবর্তন এসেছে, তা অতুলনীয়। তিনি ক্ষমতা থেকে চলে গেছেন কিন্তু তারা সারা জীবনের জন্য এখানে থেকে গেছেন।
** জোন বিস্কুপিক, ''নাইন ব্ল্যাক রোবস: ইনসাইড দ্য সুপ্রিম কোর্ট'স ড্রাইভ টু দ্য রাইট অ্যান্ড ইটস হিস্টোরিক কনসিকুয়েন্সেস'' (২০২৩), নিউ ইয়র্ক: উইলিয়াম মরো, প্রথম সংস্করণ হার্ডকভার, পৃষ্ঠা ১০-১১।
* একদিন আমার বয়স যখন ৬ বছর, আমি আমার বাবার সাথে নিউ ইয়র্ক শহরে হাঁটছিলাম। আমরা খেয়াল করলাম যে কেউ আমাদের পাশের রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িগুলোর উইন্ডশিল্ড ওয়াইপারের নিচে ছোট ছোট ভাঁজ করা কাগজ গুঁজে দিয়েছে। আমার বাবা একটা কাগজ তুলে নিয়ে পড়লেন। দেখলাম রাগে তার মুখ অন্ধকার হয়ে গেল। “কী হয়েছে বাবা?” “এটি এমন কিছু মানুষের বার্তা যারা মনে করে সব ইহুদি ধর্মাবলম্বীদের মেরে ফেলা উচিত।”<br>এটি ১৯৫০-এর দশকের শেষের দিকের কথা, যখন [[ইউরোপ]]ে |নাৎসিদের হাতে ক্ষ লক্ষ ইহুদিদের গণহত্যার স্মৃতি আমেরিকানদের মনে টাটকা ছিল। লোয়ার ম্যানহাটনে প্রাণঘাতী ইহুদিবিদ্বেষ ছড়ানোর জন্য সেটি কোনো উপযুক্ত সময় ছিল না। একজন ইহুদি বাবা এবং অ-ইহুদি মায়ের সন্তান হওয়ায় আমি নিজেও অর্ধেক ইহুদি, তাই আমি কিছুটা চিন্তিত ছিলাম। আমি জানতাম যে এই লোকগুলো আমার বাবাকে মেরে ফেলতে চায়, কিন্তু শিশুদের মতো কেবল নিজেকে নিয়ে ভাবনায় আমি জানতে চেয়েছিলাম যে নতুন কোনো হলোকাস্ট হলে আমার মায়ের অ-ইহুদি বংশপরিচয় কি আমাকে রক্ষা করবে। “ওরা কি আমাকেও মেরে ফেলবে?” আমি জিজ্ঞেস করলাম। হ্যাঁ, তিনি আমাকে বললেন, সুযোগ পেলে তারা তাই করত। কিন্তু এরপর তিনি আমাকে আশ্বস্ত করে বললেন যে, এই ধরনের মানুষদের হাতে কখনোই তাদের মনের ইচ্ছা পূরণ করার মতো ক্ষমতা আসবে না। এটি এখানে ঘটা সম্ভব নয়।<br>আমি স্বীকার করছি যে আমি কৃতজ্ঞ কারণ ডোনাল্ড ট্রাম্প রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগেই আমার বাবা মারা গেছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে, ২০১৭ সালে শার্লটসভিলে টিকি-টর্চ হাতে নাৎসি হতে চাওয়া লোকজন “ইউনাইট দ্য রাইট” এর হয়ে মিছিল করেনি এবং “ইহুদিরা আমাদের জায়গা নিতে পারবে না!” বলে চিৎকার করেনি। ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগে তাদের কেউ পাল্টা বিক্ষোভকারীদের ওপর গাড়ি তুলে দিয়ে হেদার হেয়ারকে হত্যা করেনি এবং ট্রাম্প এই পুরো ঘটনা নিয়ে এমন মন্তব্য করেননি যে “উভয় পক্ষেই খুব ভালো মানুষ ছিল।” হয়ত নিউ ইয়র্কে সেদিন দেখা সেই তুচ্ছ ছোট দলটি আমাকে বেঁচে থাকতে দিত, আবার হয়ত দিত না। সেই সময় দেশে জন্মানো ফ্যাসিবাদীরা খুব বিরল ছিল এবং তাদের হাতে সেই ধরনের কোনো ক্ষমতা ছিল না।
** রেবেকা গর্ডন, [https://www.msn.com/en-us/news/world/the-right-s-attempted-extermination-campaign-of-queer-people-is-textbook-fascism/ar-AA1doVnf?ocid=msedgntp&cvid=0d5f12e7a48447b182bb5a96d57d9a4e&ei=7/ কুইয়ার বা সমকামী মানুষদের ওপর ডানপন্থীদের বিনাশী অভিযান হলো পাঠ্যবইয়ের ফ্যাসিবাদের মতো] (৪ জুলাই ২০২৩), ''দ্য নেশন''।
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন আন্দোলন এবং তার দখল করা রিপাবলিকান দল ফ্যাসিবাদের কোনো রূপ কি না, তা নিয়ে কেন মাথা ঘামানো উচিত? উত্তর হলো: কারণ ফ্যাসিবাদের যুক্তি অনিবার্যভাবে বিনাশের রাজনীতির দিকে নিয়ে যায়। তার এই এমএজিএ আন্দোলনকে ফ্যাসিবাদ হিসেবে বর্ণনা করলে এটি যে অস্তিত্ব রক্ষার জন্য হুমকি তা বোঝা সহজ হয়, এটি কেবল একটি গণতান্ত্রিক সমাজের জন্যই নয় বরং এর ভেতরে থাকা নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর জন্যও হুমকি।<br>আমি জানি এটি আতঙ্ক ছড়ানোর মতো শোনাতে পারে, তবে আমার মনে হয় এটি সত্য: এই দেশের প্রাক-ফ্যাসিবাদী শক্তিগুলো দেখিয়েছে যে তারা ক্ষমতা অর্জন এবং তা ধরে রাখার জন্য সমকামী মানুষদের নিশ্চিহ্ন করতে দিন দিন আরও বেশি আগ্রহী হয়ে উঠছে। যদি আমি ঠিক হয়ে থাকি, তবে এর অর্থ হলো সব আমেরিকান, সমকামী হোক বা না হোক, এখন এক অস্তিত্ব রক্ষার হুমকির মুখে আছে। এমএজিএ আন্দোলনের লক্ষ্যবস্তু নয় এমন মানুষদের উদ্দেশ্যে আমি ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথাগুলো একটু ঘুরিয়ে বলতে চাই: শেষ পর্যন্ত তারা আপনার পেছনেই আসবে। আমরা কেবল মাঝে দাঁড়িয়ে আছি।
** রেবেকা গর্ডন, [https://www.msn.com/en-us/news/world/the-right-s-attempted-extermination-campaign-of-queer-people-is-textbook-fascism/ar-AA1doVnf?ocid=msedgntp&cvid=0d5f12e7a48447b182bb5a96d57d9a4e&ei=7/ কুইয়ার বা সমকামী মানুষদের ওপর ডানপন্থীদের বিনাশী অভিযান হলো পাঠ্যবইয়ের ফ্যাসিবাদের মতো] (৪ জুলাই ২০২৩), ''দ্য নেশন''।
* ট্রাম্পের উপদেষ্টারা মনে করতেন যে তার অহংকার এবং গর্ব তাকে সঠিক এবং তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিতে বাধা দেয়। তার ব্যবস্থাপনার ধরণ ছিল অনেকটা নাগরদোলার মতো যা এদিক-সেদিক দুলত এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তার বোকা এবং মাঝেমধ্যে বেআইনি ধারণাগুলোকে ঠেকাতে বাধ্য করত। তাদের মধ্যে কেউ কেউ এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন যে, রাষ্ট্রপতি সেই দেশের জন্য এক দীর্ঘমেয়াদী এবং তাৎক্ষণিক বিপদ যাকে রক্ষা করার জন্য তিনি শপথ নিয়েছিলেন। তা সত্ত্বেও তারা এই ভেবে সান্ত্বনা পেতেন যে তাকে কোনো সংকটের মধ্য দিয়ে দেশ পরিচালনা করতে হয়নি। তবে ট্রাম্পের কাজ এবং কথাগুলোর ফলাফল ছিল বেদনাদায়ক। আইনের শাসনের ওপর তার আঘাত আমাদের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং আমেরিকানদের মনে এই ভয় জাগিয়ে দিয়েছে যে তারা আর মৌলিক নাগরিক অধিকার এবং কলঙ্কমুক্ত ন্যায়বিচারকে নিশ্চিত বলে ধরে নিতে পারবে না। বিদেশি জোটগুলোর প্রতি তার অবজ্ঞা বিশ্বে আমেরিকার নেতৃত্বকে দুর্বল করেছে এবং স্বৈরশাসকদের ক্ষমতাশালী করেছে। তার বর্বর অভিবাসন নীতি অভিবাসী শিশুদের তাদের পরিবারের কোল থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে। তার সংকীর্ণ কথাবার্তা শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীদের অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আসতে সাহসী করেছে। তবে অন্তত ২০২০ সালের আগে পর্যন্ত ট্রাম্পকে কোনো বিদেশি সামরিক হামলা, অর্থনৈতিক ধস বা জনস্বাস্থ্য সংকটের পরীক্ষা দিতে হয়নি।
** ক্যারল লিওনিগ এবং ফিলিপ রাকার, ''আই অ্যালোন ক্যান ফিক্স ইট: ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প'স ক্যাটাস্ট্রফিক ফাইনাল ইয়ার'' (২০২১), পৃষ্ঠা ১-২।
* ২০২০ সাল আমেরিকান ইতিহাসে যন্ত্রণা এবং চরম ব্যর্থতার বছর হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। করোনাভাইরাস অতিমারী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাঁচ লক্ষাধিক মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এবং কোটি কোটি মানুষকে সংক্রমিত করেছে, যা এক শতাব্দীর মধ্যে সবথেকে ভয়াবহ স্বাস্থ্য সংকট। প্রশাসনের অপারেশন ওয়ার্প স্পিড রেকর্ড সময়ে টিকা তৈরি করতে সাহায্য করলেও, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় রাষ্ট্রপতির অব্যবস্থাপনা, অযোগ্যতা আর অন্তর্কলহ স্পষ্ট ছিল। ২০২০ সালে ট্রাম্পের সামনে আসা সংকটগুলোর মধ্যে ভাইরাসটি কেবল একটি ছিল। অতিমারী অর্থনীতিকে স্থবির করে দিয়েছিল, দেশকে এক মন্দার মধ্যে ঠেলে দিয়েছিল যেখানে কম মজুরির শ্রমিকরা, যাদের মধ্যে অনেকেই সংখ্যালঘু, সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ২৫ মে শ্বেতাঙ্গ পুলিশ কর্মকর্তার হাঁটুর নিচে কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তি জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যু বর্ণবাদী বিচারের দাবি এবং পুলিশের বৈষম্য ও বর্বরতা বন্ধের আন্দোলনকে উস্কে দিয়েছিল। তবুও ট্রাম্প ব্যক্তিগত রাজনৈতিক লাভের জন্য এই বিভাজনকে কাজে লাগাতে চেয়েছিলেন। তিনি দ্রুত নিজেকে "আইন ও শৃঙ্খলার রাষ্ট্রপতি" হিসেবে ঘোষণা করেন এবং ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে সক্রিয় সেনা মোতায়েন করতে পেন্টাগন নেতাদের ওপর ক্রমাগত চাপ দিতে থাকেন। এদিকে জলবায়ু সংকট আরও খারাপ হলেও ট্রাম্প সেটিকে পুরোপুরি উপেক্ষা করেছিলেন, যিনি তার মেয়াদের শুরুতে পরিবেশগত নিয়মকানুন বাতিল করেছিলেন এবং প্যারিস চুক্তি থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নিয়েছিলেন। রাষ্ট্রপতি এর বদলে নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে সন্দেহ উস্কে দিতে ব্যস্ত ছিলেন। জো বাইডেনের কাছে হেরে যাওয়ার পর ট্রাম্প ষড়যন্ত্রের আগুন উস্কে দেন এবং অস্তিত্বহীন জালিয়াতি নিয়ে চিৎকার করতে থাকেন। সাজানো নির্বাচন নিয়ে তার মিথ্যা দাবি হাজার হাজার মানুষকে ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটলে এক সহিংস এবং শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ বিদ্রোহে উস্কে দিয়েছিল।
** ক্যারল লিওনিগ এবং ফিলিপ রাকার, ''আই অ্যালোন ক্যান ফিক্স ইট: ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প'স ক্যাটাস্ট্রফিক ফাইনাল ইয়ার'' (২০২১), পৃষ্ঠা ২।
* বিপদ থেকে বেরিয়ে আসার জন্য ট্রাম্পের সাধারণ কৌশলগুলো ভয় দেখানো, বাগাড়ম্বর এবং কারসাজি অতিমারী মোকাবিলায় অকেজো প্রমাণিত হয়েছে। তিনি সুখের কথা বলে বাস্তবতাকে ঢেকে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি এমন সব প্রতিকারের কথা বলেছিলেন যা কখনোই বাস্তবায়িত হয়নি। তিনি রোগীদের শরীরে ব্লিচ ইনজেকশন দেওয়ার মতো বিপজ্জনক এবং অপ্রমাণিত চিকিৎসার কথা বলেছিলেন। তিনি ডক্টর অ্যান্থনি ফাউসির মতো বিশেষজ্ঞদের মুখ বন্ধ করার চেষ্টা করেছিলেন, যারা তার দুর্বল দাবিগুলোকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন এবং রাষ্ট্রপতির চেয়েও বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন। তিনি নিজে মাস্ক পরে উদাহরণ তৈরি করতে অস্বীকার করেছিলেন। জরুরি পরিস্থিতি সামলাতে ব্যস্ত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং অঙ্গরাজ্যের গভর্নরদের সাথে তিনি বিবাদে জড়িয়ে পড়েছিলেন এবং যারা তার অগোছালো কাজের প্রশংসা করেনি তাদের ওপর চড়াও হয়েছিলেন। তিনি কেবল আমেরিকানদের নিরাপদ রাখতেই ব্যর্থ হননি, তিনি নিজেকেও নিরাপদ রাখতে পারেননি। ২০২০ সালের অক্টোবর মাসে ট্রাম্প কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন, যা তার অপরাজেয় হওয়ার মিথ্যা অহংকারকে ভেঙে দেয়।
** ক্যারল লিওনিগ এবং ফিলিপ রাকার, ''আই অ্যালোন ক্যান ফিক্স ইট: ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প'স ক্যাটাস্ট্রফিক ফাইনাল ইয়ার'' (২০২১), পৃষ্ঠা ৫।
* করোনাভাইরাস বিশ্বকে বদলে দিয়েছে, মানুষের কাজের ধরণ, পরিবারের জীবনযাপন এবং সমাজের রূপ পরিবর্তন করে দিয়েছে। এই গভীর পরিবর্তনগুলো মন্দার কারণে আরও ত্বরান্বিত হয়েছে এবং ফ্লয়েড হত্যার পরবর্তী উত্তেজনায় আরও তীব্র হয়েছে। তবে ট্রাম্প মূলত দেশের একটি সংখ্যালঘু অংশের জন্য তার কট্টর রাজনৈতিক সমর্থকদের জন্য শাসন পরিচালনা করেছেন। তিনি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার বা অতিমারী পরবর্তী আমেরিকার কথা ভাবার চেষ্টা করেননি। তিনি সেই সব শ্বেতাঙ্গদের ক্ষোভ আর অসন্তোষকে উস্কে দিয়েছিলেন যারা অর্থনৈতিকভাবে হুমকি এবং মানসিকভাবে কোণঠাসা বোধ করছিল। তিনি আমেরিকানদের এক পক্ষকে অন্য পক্ষের বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি বর্ণবাদী শব্দ ব্যবহার করেছিলেন এবং তার বিশাল সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোকে ঘৃণার বার্তা ছড়াতে ব্যবহার করেছিলেন। প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের আফ্রিকান আমেরিকান স্টাডিজ বিভাগের প্রধান এডি গ্লড জুনিয়র বলেন, "আমেরিকা সম্পর্কে তার দৃষ্টিভঙ্গি সংকীর্ণ, মান্ধাতা আমলের এবং কলুষিত।" তিনি আরও বলেন, "অনেক দিক থেকেই ডোনাল্ড ট্রাম্প এক পুরোনো আমেরিকার মৃত্যু যন্ত্রণার প্রতিনিধিত্ব করেন, যা অত্যন্ত উচ্চকিত এবং সহিংস।" রাষ্ট্রপতির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করা সরকারের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার বিক্ষোভ মোকাবিলায় ট্রাম্পের আচরণের সাথেনাৎসি জার্মানিতে অ্যাডলফ হিটলারের ক্ষমতায় আসার মিল খুঁজে পেয়েছেন।
** ক্যারল লিওনিগ এবং ফিলিপ রাকার, ''আই অ্যালোন ক্যান ফিক্স ইট: ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প'স ক্যাটাস্ট্রফিক ফাইনাল ইয়ার'' (২০২১), পৃষ্ঠা ৫।
* আমি এই [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|রাষ্ট্রপতি]]র হয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি। তিনি আমাদের জন্য লড়াই করেছেন এবং তাই আমরা সেটির ওপরই অবিচল থাকব।
** [[কেলি লোফ্লর]], [https://www.foxnews.com/transcript/sen-loeffler-warnocks-values-are-out-of-step-with-georgia সিনেটর লোফ্লর: ওয়ারনকের মূল্যবোধ জর্জিয়ার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়] খবর অনুযায়ী (৩ জানুয়ারি ২০২০)।
* আমরা কোনো না কোনোভাবে আবার ফিরে আসব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২১-০১-২০ | লেখক = কেভিন লিপটাক | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2021/01/20/politics/donald-trump-leaves-white-house/index.html |শিরোনাম=ক্ষমতার মেয়াদ শেষ হওয়ার সাথে সাথে সমাজচ্যুত হয়ে ওয়াশিংটন ত্যাগ করলেন ট্রাম্প |প্রকাশক=সিএনএন}}
* ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'' সোমবার একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেছে যা আমাদের [[মুক্তি]], [[গণতন্ত্র]] এবং সাংবিধানিক শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল যে কারো জন্য আতঙ্কজনক। সেই প্রতিবেদনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণার পূর্ণ সহযোগিতায় বর্ণনা করা হয়েছে যে, ২০২৪ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে তিনি কীভাবে তার ক্ষমতার ওপর থাকা নির্বাহী বিভাগের বাধাগুলো দূর করার পরিকল্পনা করছেন।<br>সেই দূর করার তালিকায় থাকা বাধাগুলোর মধ্যে রয়েছে একটি স্বাধীন বিচার বিভাগ, প্রশাসনিক সংস্থাগুলোর স্বাধীন নেতৃত্ব এবং একটি স্বাধীন সিভিল সার্ভিস। আমেরিকার রাষ্ট্রপতিত্ব নিয়ে দেশের অন্যতম পরিচিত গবেষক রিচার্ড নিউস্টাড বলেছেন যে, একটি সাংবিধানিক গণতন্ত্রে প্রধান নির্বাহী “আদেশ দেওয়ার মাধ্যমে ফলাফল পান না।<br>... তিনি বিতর্ক ছাড়া কোনো কাজ আদায় করতে পারেন না। রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা হলো মানুষকে রাজি করানোর ক্ষমতা।” ট্রাম্পের পরিকল্পনা সংবিধানের প্রতি আনুগত্যের বদলে তার নিজের প্রতি আনুগত্যের কথা বলে। এই দৃষ্টিভঙ্গি একইসাথে ভীতিকর এবং প্রত্যাশিত। ২০১৯ সালে তিনি বলেছিলেন, “রাষ্ট্রপতি হিসেবে আমার যা খুশি তাই করার অধিকার আছে।” আর ডিসেম্বরে ট্রাম্প “সংবিধান বিলুপ্তির” আহ্বান জানিয়েছিলেন।<br>আসলে তিনি ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটলে দাঙ্গার আগে ঠিক সেটিই করার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নির্বাচনী বিজয় পাল্টে দেওয়ার জন্য অঙ্গরাজ্য কর্মকর্তাদের ওপর চাপ দিয়েছিলেন, বিচার বিভাগকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছিলেন এবং নির্বাচন উল্টে দেওয়ার জন্য উপ-রাষ্ট্রপতি মাইক পেন্সকে ভয় দেখিয়েছিলেন।
** অস্টিন সারাত এবং ডেনিস আফটারগাট, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/is-america-on-the-brink-of-tyranny-trump-s-plan-if-elected-in-2024-should-frighten-us-all/ar-AA1e6K0y?ocid=msedgntp&cvid=1d908091b99b488496691c7d51ab2efe&ei=5/ আমেরিকা কি স্বৈরতন্ত্রের দ্বারপ্রান্তে? ২০২৪ সালে ট্রাম্প নির্বাচিত হলে তার পরিকল্পনা আমাদের সবার জন্য ভায়ের কারণ হওয়া উচিত।] (২০ জুলাই ২০২৩), ''ইউএসএ টুডে''।
* ''টাইমসের'' প্রতিবেদনে ওভাল অফিসে ফিরে আসলে নির্বাহী কর্তৃত্বের এই নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণের ২০২৫ সালের রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে। আসলে সেই নিবন্ধে বর্ণনা করা হয়েছে কীভাবে তার দল আমাদের সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্রের বদলে একটি কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্র তৈরি করবে। এমন একটি রাষ্ট্র সরকারি কর্মচারীদের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে চায়। আমলাতন্ত্র সম্পর্কে ভালো কথা বলা অজনপ্রিয় হতে পারে, তবে ফেডারেল কর্মীদের দক্ষতা, বিশেষজ্ঞ মতামত এবং আইনের মাধ্যমে শাসনের প্রতি দায়বদ্ধতা একটি গণতান্ত্রিক সরকারের জন্য অপরিহার্য।<br>কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্রের একটি সংজ্ঞা হলো এটি একক নেতার হাতে ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ দ্বারা চিহ্নিত করা যায়, যা নিজেকে একটি “প্রয়োজনীয় মন্দ” হিসেবে সমর্থন করে। এই ধরণের নিয়ন্ত্রণে অবশ্যই সামাজিক স্বাধীনতার ওপর কঠোর সরকারি বিধিনিষেধ থাকে, যেমন রাজনৈতিক বিরোধীদের দমন এবং শাসন-বিরোধী কার্যক্রম বন্ধ করা।
এই বৈশিষ্ট্যগুলোই ২০২৫ সালের সেই নীল নকশায় উঠে এসেছে যা ট্রাম্পের প্রচার দল টাইমসের প্রতিবেদনের মাধ্যমে জনগণকে দেখাতে চেয়েছিল। প্রতিবেদনে যেমনটি বলা হয়েছে, ট্রাম্প নির্বাচিত হলে তার হাতে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করার লক্ষ্যের জন্য তারা একটি ভিত্তি তৈরি করছে।<br>''টাইমস'' ট্রাম্পের ২০২০ সালের হোয়াইট হাউসের কর্মী পরিচালক জন ম্যাকএন্টি-র উক্তি উদ্ধৃত করেছে, যিনি রাষ্ট্রপতির ওপর ভারসাম্য রক্ষার নিয়মগুলো প্রত্যাখ্যান করার পক্ষে কথা বলেছেন: “আমাদের বর্তমান নির্বাহী বিভাগ উদারপন্থীদের দ্বারা তাদের নীতি প্রচারের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল। ... যা প্রয়োজন তা হলো পুরো ব্যবস্থার সংস্কার।”
** অস্টিন সারাত এবং ডেনিস আফটারগাট, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/is-america-on-the-brink-of-tyranny-trump-s-plan-if-elected-in-2024-should-frighten-us-all/ar-AA1e6K0y?ocid=msedgntp&cvid=1d908091b99b488496691c7d51ab2efe&ei=5/ আমেরিকা কি স্বৈরতন্ত্রের দ্বারপ্রান্তে? ২০২৪ সালে ট্রাম্প নির্বাচিত হলে তার পরিকল্পনা আমাদের সবার জন্য ভায়ের কারণ হওয়া উচিত।] (২০ জুলাই ২০২৩), ''ইউএসএ টুডে''।
* আসলে সংবিধান প্রণেতারা ক্ষমতার বিকেন্দ্রকরণের মাধ্যমেই নির্বাহী বিভাগসহ অন্য দুটি বিভাগ তৈরি করেছিলেন। এমনকি আলেকজান্ডার হ্যামিল্টন, যিনি নির্বাহী বিভাগের শক্তির পক্ষে ছিলেন, তিনিও বলেছিলেন যে স্বৈরতন্ত্রের পথ তখনই তৈরি হয় যখন সরকারি কর্মকর্তারা “একক ব্যক্তির নিরঙ্কুশ ক্ষমতার আশ্রয়ে যেতে বাধ্য হন।”<br>জেমস ম্যাডিসন এবং হ্যামিল্টন দুজনেই ''দ্য ফেডারেলিস্ট ৪৮''-এ সতর্ক করেছিলেন যে “ক্ষমতা স্বভাবতই গ্রাসকারী।” সেই কারণে ''দ্য ফেডারেলিস্ট ৫১'' অনুযায়ী, “উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে উচ্চাকাঙ্ক্ষা দিয়েই প্রতিহত করতে হবে।”<br>সেই সময় প্রণেতারা যে সংকটের মুখোমুখি হয়েছিলেন তা ছিল: একজনকে অবশ্যই “সরকারকে শাসিতদের নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম করে তুলতে হবে; এবং পরবর্তী ধাপে, সরকারকে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে বাধ্য করতে হবে।”<br>ট্রাম্পের ২০২৫ সালের রূপরেখা রাষ্ট্রপতির ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ শেষ করে দেবে যাতে তিনি শাসিতদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করতে পারেন।
** অস্টিন সারাত এবং ডেনিস আফটারগাট, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/is-america-on-the-brink-of-tyranny-trump-s-plan-if-elected-in-2024-should-frighten-us-all/ar-AA1e6K0y?ocid=msedgntp&cvid=1d908091b99b488496691c7d51ab2efe&ei=5/ আমেরিকা কি স্বৈরতন্ত্রের দ্বারপ্রান্তে? ২০২৪ সালে ট্রাম্প নির্বাচিত হলে তার পরিকল্পনা আমাদের সবার জন্য ভায়ের কারণ হওয়া উচিত।] (২০ জুলাই ২০২৩), ''ইউএসএ টুডে''।
* ক্ষমতার বিভাজনের সাথে আমাদের প্রতিষ্ঠাতা দলিলগুলো যে প্রধান বাধা তৈরি করেছে তা হলো আইনের শাসন। এই কারণেই ট্রাম্পের নির্বাহী বিভাগের আমূল পরিবর্তনের পরিকল্পনা শুরু হয়েছে “ওয়াটারগেট পরবর্তী বিচার বিভাগের ওপর হোয়াইট হাউসের রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের নিয়ম” শেষ করার মাধ্যমে।<br>প্রসেকিউটরদের ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকলে একজন রাষ্ট্রপতি তা বন্ধুদের সুবিধা দিতে, শত্রুদের ধ্বংস করতে এবং সাধারণ নাগরিকদের ভয় দেখাতে ব্যবহার করতে পারেন যারা সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন।<br>এটি আমেরিকান স্বাধীনতার মৃত্যুঘণ্টা বাজিয়ে দেবে। ১৭শ শতাব্দীর রাজনৈতিক দার্শনিক [[জন লক]], যার লেখা স্বাধীনতা ঘোষণার লেখকদের অনুপ্রাণিত করেছিল, তিনি লিখেছিলেন, “যেখানে আইনের শেষ, সেখানেই স্বৈরতন্ত্রের শুরু।” অথবা যেমন ব্লেক স্মিথ গত বছর ফরেন পলিসির একটি নিবন্ধে লিখেছিলেন, “রাষ্ট্রের কার্যকারিতা এবং ব্যক্তিগত জীবনকে একটি আলাদা, অরাজনৈতিক এবং স্বাধীন ক্ষেত্র হিসেবে টিকিয়ে রাখার জন্য আমলাতান্ত্রিক আদর্শ অপরিহার্য।”<br>আমেরিকার সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্র হিসেবে প্রথম দশকের শেষে জর্জ ওয়াশিংটন স্বেচ্ছায় তৃতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি না হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যাতে দেশকে রাষ্ট্রপতির আমৃত্যু শাসনের স্বৈরতন্ত্রের পথে না ঠেলে দেওয়া হয়। তিনি রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে বিপ্লব থেকে বুঝেছিলেন যে একজন ব্যক্তির হাতে ক্ষমতা কুক্ষিগত করাই হলো স্বৈরতন্ত্রের মূল লক্ষ্য।<br>২০২৪ সালে ভোটাররা যদি ট্রাম্পকে নির্বাচিত করেন, তবে তিনি তার দলের ফাঁস করা সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবেন। ফলাফল সহজেই অনুমান করা যায়। সংবিধানের বদলে ট্রাম্পের প্রতি অনুগত আমলাতন্ত্র অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনকে ইতিহাসের আবর্জনায় পাঠিয়ে দেবে, সাথে নাগরিক অধিকারের বিল এবং সেই স্বাধীনতাগুলোকেও যা রক্ষার জন্য এই বিল তৈরি করা হয়েছিল।
** অস্টিন সারাত এবং ডেনিস আফটারগাট, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/is-america-on-the-brink-of-tyranny-trump-s-plan-if-elected-in-2024-should-frighten-us-all/ar-AA1e6K0y?ocid=msedgntp&cvid=1d908091b99b488496691c7d51ab2efe&ei=5/ আমেরিকা কি স্বৈরতন্ত্রের দ্বারপ্রান্তে? ২০২৪ সালে ট্রাম্প নির্বাচিত হলে তার পরিকল্পনা আমাদের সবার জন্য ভায়ের কারণ হওয়া উচিত।] (২০ জুলাই ২০২৩), ''ইউএসএ টুডে''।
==See also==
* [[Presidency of Joe Biden]]
* [[Second presidency of Donald Trump]]
* [[President of the United States]]
* [[Mike Pence]], [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* [[বারাক ওবামা]] and [[Presidency of Joe Biden]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন]]
==External links==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী}}
[[Category:Donald Trump]]
[[Category:Politics of the United States]]
[[Category:Presidency of Donald Trump| ]]
tor7gq1u8woqikaoe2z46967tjqu1bj
73820
73819
2026-04-05T12:40:08Z
ARI
356
/* See also */
73820
wikitext
text/x-wiki
'''ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব''' শুরু হয়েছিল ২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি দুপুর ১২টায় (ইএসটি), যখন [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি [[বারাক ওবামা]]র স্থলাভিষিক্ত হন। ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে [[জো বাইডেন]]ের কাছে পরাজিত হওয়ার পর ২০২১ সালের ২০ জানুয়ারি তাঁর এই মেয়াদ শেষ হয়। ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর, ট্রাম্প ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি থেকে বাইডেনের উত্তরসূরি হিসেবে দ্বিতীয় এবং শেষবারের মতো বিরতিহীন মেয়াদে দায়িত্ব পালন শুরু করেন।
[[File:USSupremeCourtWestFacade.JPG|thumb|পুরো ট্রাম্প প্রশাসন ছিল সুপ্রিম কোর্টের রক্ষণশীলদের জন্য একটি "মুখোশ খুলে যাওয়ার" মুহূর্ত। দেখা যাচ্ছে যে, তারা আসলে কোনো আইনি নজিরের পরোয়া করে না (সিনেটের নিশ্চিতকরণ শুনানিতে তারা যতবারই মিথ্যা বলুক বা পরোয়া করার দাবি করুক না কেন)। তারা আসলে আইনের মূল পাঠ্য বা বিচারিক সংযম নিয়ে মাথা ঘামায় না। তারা শুধু তাদের পছন্দমতো রাজনৈতিক ফলাফল চায় এবং তা করার জন্য তাদের কাছে পর্যাপ্ত ভোট আছে। তারা কোনো ঐতিহ্য, রীতিনীতি বা সাধারণ আইনি ব্যবস্থায় বিচার বিভাগীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার মূল ভিত্তি সম্পর্কে কোনো তোয়াক্কা করে না। তারা কেবল জিততে চায়। ~ এলি মিস্টাল]]
:আরও দেখুন:
::'''''[[যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড-১৯ মহামারি]]'''''
== উক্তি==
=== ২০১৭ ===
==== জানুয়ারি ২০১৭ ====
===== অভিষেক ভাষণ, (২০ জানুয়ারি, ২০১৭) =====
<small>[https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/the-inaugural-address/ প্রতিলিপি] (২০ জানুয়ারি, ২০১৭)</small>
* চিফ জাস্টিস রবার্টস, [[জিমি কার্টার|প্রেসিডেন্ট কার্টার]], প্রেসিডেন্ট ক্লিনটন, প্রেসিডেন্ট বুশ, প্রেসিডেন্ট ওবামা, সহ-আমেরিকানরা এবং বিশ্বের সকল মানুষ: আপনাদের ধন্যবাদ। আমরা, আমেরিকার নাগরিকরা, আজ আমাদের দেশ পুনর্গঠন এবং আমাদের সকল জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণের এক মহান জাতীয় উদ্যোগে একত্রিত হয়েছি। আমরা একসাথে আগামী বহু বছর ধরে আমেরিকা এবং বিশ্বের গতিপথ নির্ধারণ করব। আমরা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হব, আমরা কষ্টের মুখোমুখি হব, কিন্তু আমরা আমাদের কাজ সম্পন্ন করব। প্রতি ৪ বছর পর পর আমরা এই সিঁড়িতে একত্রিত হই নিয়মমাফিক এবং শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য, আর এই অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে তাঁদের আন্তরিক সহায়তার জন্য আমরা প্রেসিডেন্ট ওবামা এবং ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামার কাছে কৃতজ্ঞ। তাঁরা অসাধারণ ছিলেন। আপনাদের ধন্যবাদ।
* তবে আজকের এই অনুষ্ঠানের একটি বিশেষ তাৎপর্য আছে। '''কারণ আজ আমরা শুধু এক প্রশাসন থেকে অন্য প্রশাসনের হাতে বা এক দল থেকে অন্য দলের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করছি না; বরং আমরা ক্ষমতা ওয়াশিংটন ডি.সি. থেকে সরিয়ে এনে আপনাদেরকে, অর্থাৎ জনগণকে তা ফিরিয়ে দিচ্ছি। দীর্ঘ সময় ধরে আমাদের দেশের রাজধানীর একটি ছোট গোষ্ঠী সরকারের সুফল ভোগ করেছে, আর সাধারণ মানুষকে এর ভার বহন করতে হয়েছে। ওয়াশিংটন সমৃদ্ধ হয়েছে, কিন্তু জনগণ সেই সম্পদের অংশীদার হয়নি। রাজনীতিবিদরা সমৃদ্ধ হয়েছেন, কিন্তু কর্মসংস্থান হারিয়ে গেছে এবং কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। প্রভাবশালী গোষ্ঠী নিজেদের সুরক্ষিত করেছে, কিন্তু আমাদের দেশের নাগরিকদের করেনি। তাদের বিজয় আপনাদের বিজয় ছিল না; তাদের সাফল্য আপনাদের সাফল্য ছিল না। তারা যখন আমাদের দেশের রাজধানীতে উৎসবে মেতেছিল, তখন সারা দেশে ধুঁকতে থাকা পরিবারগুলোর উদযাপন করার মতো তেমন কিছু ছিল না।''' সে সব কিছু আজ থেকে এবং এখনই বদলে যাচ্ছে, কারণ এই মুহূর্তটি আপনাদের মুহূর্ত: এটি আপনাদেরই প্রাপ্য। আজ এখানে যারা সমবেত হয়েছেন এবং সারা আমেরিকা জুড়ে যারা দেখছেন, এটি সবার মুহূর্ত। এই দিনটি আপনাদের দিন। এই উৎসব আপনাদের উৎসব। আর এই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আপনাদের দেশ। আমাদের সরকার কোন দলের নিয়ন্ত্রণে আছে সেটি বড় কথা নয়, বড় কথা হলো আমাদের সরকার জনগণের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে কি না। '''২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি সেই দিন হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে, যেদিন জনগণ আবারও এই জাতির শাসক হয়েছে। আমাদের দেশের বিস্মৃত পুরুষ এবং নারীদের আর বিস্মৃত রাখা হবে না। এখন থেকে সবাই আপনাদের কথা শুনবে।'''
* '''একটি ঐতিহাসিক আন্দোলনের অংশ হতে আপনারা কোটি কোটি সংখ্যায় এগিয়ে এসেছেন, যার উদাহরণ আগে কখনো বিশ্ব দেখেনি। এই আন্দোলনের কেন্দ্রে রয়েছে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিশ্বাস: একটি রাষ্ট্র টিকে থাকে তার নাগরিকদের সেবা করার জন্য।''' আমেরিকানরা তাদের সন্তানদের জন্য ভালো স্কুল, পরিবারের জন্য নিরাপদ এলাকা এবং নিজেদের জন্য ভালো কর্মসংস্থান চায়। এগুলো ন্যায়পরায়ণ মানুষ ও জনসাধারণের অত্যন্ত সংগত ও যুক্তিসঙ্গত দাবি। কিন্তু আমাদের অনেক নাগরিকের জন্য বাস্তবতা ভিন্ন: শহরের ঘিঞ্জি এলাকাগুলোতে দারিদ্র্যের কবলে আটকে থাকা মা ও শিশু; মরিচা ধরা কলকারখানাগুলো কবরের নামফলকের মতো আমাদের দেশের চারপাশে ছড়িয়ে আছে; একটি শিক্ষা ব্যবস্থা, যা প্রচুর অর্থ পেলেও আমাদের তরুণ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জ্ঞান থেকে বঞ্চিত রাখছে; এবং অপরাধ, গ্যাং আর মাদক আমাদের অনেক প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এবং দেশের অপার সম্ভাবনাকে নষ্ট করেছে। এই আমেরিকান ধ্বংসলীলা ঠিক এখানেই থেমে যাবে এবং এখনই থেমে যাবে। আমরা এক জাতি, এবং তাদের কষ্ট আমাদের কষ্ট, তাদের স্বপ্ন আমাদের স্বপ্ন এবং তাদের সাফল্য হবে আমাদের সাফল্য। আমাদের হৃদয় এক, আমাদের ঘর এক এবং আমাদের গৌরবময় নিয়তিও এক। আজ আমি যে পদের শপথ নিচ্ছি, তা হলো সকল আমেরিকানদের প্রতি আনুগত্যের শপথ।
* কয়েক দশক ধরে আমরা আমেরিকান শিল্পের বিনিময়ে বিদেশি শিল্পকে সমৃদ্ধ করেছি, অন্য দেশের সেনাবাহিনীকে ভর্তুকি দিয়েছি, অথচ আমাদের নিজেদের সামরিক বাহিনীকে খুব দুঃখজনকভাবে ক্ষয় হতে দিয়েছি। আমরা অন্য দেশের সীমানা রক্ষা করেছি কিন্তু নিজেদের সীমানা রক্ষা করতে অস্বীকার করেছি। যখন আমেরিকার অবকাঠামো জরাজীর্ণ ও ধ্বংস হয়ে যাচ্ছিল, তখন আমরা বিদেশের মাটিতে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করেছি। আমরা অন্য দেশগুলোকে ধনী করেছি, আর আমাদের দেশের সম্পদ, শক্তি এবং আত্মবিশ্বাস দিগন্তে মিলিয়ে গেছে। একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়ে আমাদের উপকূল ছেড়ে চলে গেছে, এমনকি পেছনে ফেলে আসা লক্ষ লক্ষ আমেরিকান শ্রমিকের কথা কেউ একবারও ভাবেনি। আমাদের মধ্যবিত্তের সম্পদ তাদের ঘর থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছে এবং তারপর সারা বিশ্বে পুনর্বন্টন করা হয়েছে। কিন্তু সেটা ছিল অতীত। আর এখন আমরা কেবল ভবিষ্যতের দিকে তাকাচ্ছি। '''আজ এখানে সমবেত হয়ে আমরা একটি নতুন আদেশ জারি করছি যা প্রতিটি শহরে, প্রতিটি বিদেশি রাজধানীতে এবং ক্ষমতার প্রতিটি অলিন্দে শোনা যাবে। আজ থেকে একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের দেশকে শাসন করবে। আজ থেকে এটি হতে যাচ্ছে কেবল 'আমেরিকা ফার্স্ট' (আমেরিকা প্রথম)। আমেরিকা ফার্স্ট।''' বাণিজ্য, কর, অভিবাসন এবং বৈদেশিক বিষয় নিয়ে প্রতিটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আমেরিকান শ্রমিক এবং আমেরিকান পরিবারের সুবিধার কথা মাথায় রেখে।
* আমাদের পণ্য তৈরি করা, আমাদের কোম্পানিগুলোকে চুরি করা এবং আমাদের কর্মসংস্থান নষ্ট করার হাত থেকে আমাদের সীমান্ত রক্ষা করতে হবে। এই সুরক্ষা আমাদের ব্যাপক সমৃদ্ধি ও শক্তির দিকে নিয়ে যাবে। আমি আমার শরীরের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত আপনাদের জন্য লড়াই করব এবং আমি কখনও আপনাদের হতাশ করব না। আমেরিকা আবারও জিততে শুরু করবে, এমনভাবে জিতবে যা আগে কখনও দেখা যায়নি। আমরা আমাদের কর্মসংস্থান ফিরিয়ে আনব। আমরা আমাদের সীমান্ত ফিরিয়ে আনব। আমরা আমাদের সম্পদ ফিরিয়ে আনব। এবং আমরা আমাদের স্বপ্নগুলোকেও ফিরিয়ে আনব। আমরা আমাদের এই চমৎকার দেশজুড়ে নতুন রাস্তা, হাইওয়ে, সেতু, বিমানবন্দর, টানেল এবং রেলপথ তৈরি করব। আমরা আমাদের জনগণকে সরকারি সাহায্যের ওপর নির্ভরশীলতা থেকে মুক্ত করে কাজে ফিরিয়ে আনব এবং আমেরিকান হাতে ও আমেরিকান শ্রমে আমাদের দেশ পুনর্গঠন করব। আমরা দুটি সাধারণ নিয়ম মেনে চলব: আমেরিকান পণ্য কিনুন এবং আমেরিকানদের কাজে নিয়োগ দিন। আমরা বিশ্বের দেশগুলোর সাথে বন্ধুত্ব এবং সদিচ্ছা বজায় রাখব, তবে আমরা এই ধারণার সাথে তা করব যে প্রতিটি জাতির অধিকার আছে তাদের নিজেদের স্বার্থকে সবার আগে রাখা। আমরা আমাদের জীবনধারা কারো ওপর চাপিয়ে দিতে চাই না, বরং এটিকে উদাহরণ হিসেবে উজ্জ্বল করতে চাই—আমরা উজ্জ্বল হব—যাতে সবাই তা অনুসরণ করতে পারে। '''আমরা পুরনো মিত্রতা জোরদার করব এবং নতুন মিত্র তৈরি করব এবং উগ্র ইসলামি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সভ্য বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ করব, যা আমরা পৃথিবী থেকে পুরোপুরি নির্মূল করব।''' '''আমাদের রাজনীতির মূলে থাকবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য এবং আমাদের দেশের প্রতি আমাদের এই আনুগত্যের মাধ্যমে আমরা একে অপরের প্রতি আমাদের আনুগত্য খুঁজে পাব। আপনি যখন দেশপ্রেমের জন্য আপনার হৃদয় খুলে দেবেন, তখন সেখানে কোনো কুসংস্কারের জায়গা থাকবে না। [[বাইবেল]] আমাদের বলে, "ঈশ্বরের সন্তানরা যখন একতায় বসবাস করে তখন তা কতই না ভালো এবং আনন্দদায়ক।" আমাদের অবশ্যই খোলাখুলিভাবে মনের কথা বলতে হবে, সততার সাথে আমাদের মতবিরোধ নিয়ে বিতর্ক করতে হবে, তবে সর্বদা সংহতি বজায় রাখতে হবে। যখন আমেরিকা ঐক্যবদ্ধ থাকে, আমেরিকাকে তখন থামানো অসম্ভব।''' কোনো ভয় থাকার কথা নয়: আমরা সুরক্ষিত এবং আমরা সর্বদা সুরক্ষিত থাকব। আমাদের সামরিক বাহিনী ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মহান পুরুষ ও নারীদের দ্বারা আমরা সুরক্ষিত থাকব এবং সবচেয়ে বড় কথা হলো, আমরা ঈশ্বরের দ্বারা সুরক্ষিত থাকব।
* সবশেষে আমাদের বড় কিছু ভাবতে হবে এবং আরও বড় স্বপ্ন দেখতে হবে। আমেরিকায় আমরা বুঝি যে, একটি জাতি ততক্ষণই বেঁচে থাকে যতক্ষণ সেটি চেষ্টা করে যায়। আমরা আর সেই সব রাজনীতিবিদদের গ্রহণ করব না যারা কেবল কথাই বলেন কিন্তু কোনো কাজ করেন না, অনবরত অভিযোগ করেন কিন্তু সে বিষয়ে কিছু করেন না। ফাঁকা বুলির সময় শেষ। এখন কাজ করার সময় এসেছে। কাউকে বলতে দেবেন না যে এটি করা সম্ভব নয়। আমেরিকার সাহস, লড়াই এবং উদ্দীপনার সাথে কোনো চ্যালেঞ্জই পেরে উঠবে না। আমরা ব্যর্থ হব না। আমাদের দেশ আবারও সমৃদ্ধ ও সফল হবে। আমরা এক নতুন সহস্রাব্দের শুরুতে দাঁড়িয়ে আছি, মহাকাশের রহস্য উন্মোচন করতে, পৃথিবীকে রোগের অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে এবং আগামীর জ্বালানি, শিল্প ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে আমরা প্রস্তুত। এক নতুন জাতীয় গর্ব আমাদের আত্মাকে নাড়া দেবে, আমাদের দৃষ্টিকে উন্নত করবে এবং আমাদের বিভেদ দূর করবে।
* এখন সেই পুরনো প্রজ্ঞাটি মনে রাখার সময় যা আমাদের সৈন্যরা কখনও ভুলবে না: আমরা কালো হই বা বাদামী অথবা সাদা, আমাদের সবার শরীরেই দেশপ্রেমিকদের লাল রক্ত প্রবাহিত হয়, আমরা সবাই একই গৌরবময় স্বাধীনতা উপভোগ করি এবং আমরা সবাই একই মহান আমেরিকান পতাকাকে অভিবাদন জানাই। আর ডেট্রয়েটের জনবহুল শহরে বা নেব্রাস্কার ঝড়ো প্রান্তরে যে শিশুই জন্ম নিক না কেন, তারা একই রাতের আকাশের দিকে তাকায়, তারা একই স্বপ্নে তাদের হৃদয় পূর্ণ করে এবং তারা একই সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রাণবায়ুতে উদ্দীপ্ত হয়। তাই কাছে ও দূরের প্রতিটি শহরের, ছোট ও বড় সব আমেরিকানদের বলছি, পাহাড় থেকে পাহাড়, মহাসাগর থেকে মহাসাগর—এই কথাগুলো শুনুন: আপনাদের আর কখনও অবহেলা করা হবে না। আপনাদের কণ্ঠস্বর, আপনাদের আশা এবং আপনাদের স্বপ্ন আমাদের আমেরিকান নিয়তি নির্ধারণ করবে। আর আপনাদের সাহস, মহানুভবতা এবং ভালোবাসা চিরকাল আমাদের পথ দেখাবে। '''একসাথে আমরা আমেরিকাকে আবারও শক্তিশালী করে তুলব। আমরা আমেরিকাকে আবারও সম্পদশালী করে তুলব। আমরা আমেরিকাকে আবারও গর্বিত করে তুলব। আমরা আমেরিকাকে আবারও নিরাপদ করে তুলব। এবং, হ্যাঁ, একসাথে আমরা আমেরিকাকে আবারও মহান করে তুলব।''' আপনাদের ধন্যবাদ। ঈশ্বর আপনাদের মঙ্গল করুন এবং ঈশ্বর আমেরিকার মঙ্গল করুন। ধন্যবাদ। ঈশ্বর আমেরিকার মঙ্গল করুন।
* কোনো অপ্রত্যাশিত ফলাফলের জন্য প্রস্তুত থাকতে চেয়ে স্থানীয় ডোনাল্ড ট্রাম্প সমর্থক ৫২ বছর বয়সী ফ্রেড ম্যাকগুয়ার গত মঙ্গলবার বলেছেন যে, অভিবাসীদের লক্ষ্য করে প্রেসিডেন্টের পরিকল্পিত আক্রমণাত্মক পুলিশিং এবং নজরদারি নীতি যদি সব সমস্যার সমাধান করতে না পারে, তবে তার কাছে বিকল্প কিছু বলির পাঁঠা প্রস্তুত রাখা আছে। “আমি আশা করছি যে গণ-নির্বাসন, বাধ্যতামূলক নিবন্ধন, বিচার ছাড়াই অনির্দিষ্টকালের আটক এবং বর্ধিত নজরদারি সব সম্ভাব্য সমস্যার সমাধান করবে। কিন্তু নিরাপদ থাকতে আমি অন্য কিছু গোষ্ঠীকেও দানব হিসেবে চিহ্নিত করার জন্য প্রস্তুত রেখেছি,” ম্যাকগুয়ার বলেন। তিনি আরও যোগ করেন যে, ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি যদি অপরাধ কমাতে এবং অর্থনীতির উন্নতি করতে ব্যর্থ হয়, তবে তিনি তার ক্ষোভ কল্যাণভোগী, পরিবেশবাদী কর্মী এবং সম্ভবত উদারপন্থী কলেজ অধ্যাপকদের দিকে ঘুরিয়ে দিতে প্রস্তুত। “অবশ্যই ওবামার লিগ্যাসি তো অনেক দোষ পাবেই। আর যখন মানুষ আমাকে জিজ্ঞাসা করবে কেন শ্রমিক শ্রেণীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না, তখন আমি লেবার ইউনিয়ন এবং পলিটিক্যাল কারেক্টনেসকেও দোষারোপ করতে পারব। হ্যাঁ, আগামী চার বা আট বছর পার করার জন্য আমার কাছে যথেষ্ট বলির পাঁঠার ধারণা আছে।” ম্যাকগুয়ার আরও বলেন যে তিনি এখনই ইহুদিদের বলির পাঁঠা বানানোর কথা ভাবছেন না, তবে আগামী কয়েক বছর পরিস্থিতি কেমন যায় তা দেখার জন্য অপেক্ষা করবেন।
** ''দ্য অনিয়ন'' প্যারোডি পত্রিকা, [https://theonion.com/trump-supporter-has-few-backup-scapegoats-ready-to-go-i-1819579570/"অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা সব সমাধান না করলে ট্রাম্প সমর্থকের কাছে কিছু বিকল্প বলির পাঁঠা প্রস্তুত আছে"], ২০ জানুয়ারি ২০১৭
* এর সাথে যুক্ত হয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আধিপত্য, যিনি ২০১৬ সালের নির্বাচনে অংশত একজন নেটিভিস্ট এবং অভিবাসন বিরোধী গোষ্ঠীকে তুষ্ট করে জয়ী হয়েছিলেন। ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের শার্লটসভিলে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী বিক্ষোভকারীদের সমাবেশে যে প্রাণঘাতী সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছিল, সে বিষয়ে ট্রাম্পের সংযত নিন্দা তাঁর সবচেয়ে অনুগত সমর্থক ছাড়া সবার কাছ থেকেই সমালোচনার শিকার হয়েছিল। আর এই রাজনৈতিক সম্পর্কগুলো বিশ্লেষণ করার জরুরি প্রয়োজনটি তখনই অর্থবহ হয়ে ওঠে। ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভোট দেওয়া লক্ষ লক্ষ সাধারণ ডানপন্থী আমেরিকানদের কেউই নাৎসিদের সাথে এক কাতারে দাঁড়াতে চান না। তবে এটি একটি বাস্তব সত্য যে, সেই বিধ্বংসী শার্লটসভিলে ইভেন্টে নাৎসি-বান্ধব সংগঠন, নাৎসি প্রতীক এবং নাৎসি ভঙ্গি দেখা গিয়েছিল, যে অনুষ্ঠানটির নাম "বামদের ঐক্যবদ্ধ করুন" ছিল না, বরং ছিল "ডানদের ঐক্যবদ্ধ করুন"। যদিও আমেরিকান রাজনীতিতে ব্যবহৃত 'বাম' এবং 'ডান' শব্দগুলো কিছুটা অস্পষ্ট হতে পারে, তবে এগুলো উদারনীতিবাদ/প্রগতিশীলতা (যা মূলত ডেমোক্র্যাটিক পার্টি দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করা হয়) এবং রক্ষণশীলতা/ঐতিহ্যবাদ (যা মূলত রিপাবলিকান পার্টি দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করা হয়)-এর মধ্যে মৌলিক আদর্শগত বিভাজন চিহ্নিত করতে সহায়ক। আদর্শের একটি পটভূমি হিসেবে দেখলে, সমাজতন্ত্র/সাম্যবাদ ঐতিহ্যগতভাবে এই স্কেলের চরম বাম প্রান্তে পড়ে, আর জাতীয়তাবাদ/ফ্যাসিবাদ পড়ে অতি-ডানপন্থী প্রান্তে।
** ডেভিড এমেরি, [https://www.snopes.com/news/2017/09/05/were-nazis-socialists/ নাৎসিরা কি সমাজতন্ত্রী ছিল?] (৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭), ''স্নোপস''
[[File:Donald_Trump_delivering_inauguration_speech_01-20-17_(cropped).jpg|thumb|এই মুহূর্ত থেকে, এটি হতে যাচ্ছে আমেরিকা ফার্স্ট।]]
[[File:2017_Presidential_Inauguration_CV6A0663.jpg|thumb|আমি যখন বাইরে তাকিয়েছিলাম, সেই ময়দানটি দেখে মনে হলো যেন দশ বা পনেরো লাখ মানুষ ছিল।]]
* আমি যখন বাইরে তাকিয়েছিলাম, সেই ময়দানটি দেখে মনে হলো যেন দশ বা পনেরো লাখ মানুষ ছিল। তারা এমন একটি মাঠ দেখিয়েছিল যেখানে প্রায় কেউই দাঁড়িয়ে ছিল না। আর তারা বলেছিল, "ডোনাল্ড ট্রাম্প লোক টানতে পারেননি।" আমি বললাম, "প্রায় বৃষ্টি হচ্ছিল!" বৃষ্টির কারণে তাদের ভয় পেয়ে দূরে চলে যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু ঈশ্বর নিচপানে তাকালেন এবং বললেন যে আমরা আপনার বক্তৃতার সময় বৃষ্টি হতে দেব না।
** [https://www.youtube.com/watch?v=GMBqDN7-QLg অভিষেক অনুষ্ঠানে লোকসমাগম এবং সংবাদ মাধ্যমের কাভারেজ নিয়ে সিআইএ সদর দপ্তরে ট্রাম্পের বক্তব্য], ফক্স ১০ ফিনিক্স (২১ জানুয়ারি ২০১৭)
* সেই পুরনো প্রবাদ, ‘বিজয়ীরই সমস্ত লুণ্ঠিত দ্রব্য’—আপনাদের মনে আছে। আমি সবসময় বলতাম, তেল নিজেদের কাছে রাখো। আমি ইরাক যুদ্ধের ভক্ত ছিলাম না। আমি ইরাকে যেতে চাইনি। কিন্তু আমি আপনাদের বলব, যখন আমরা সেখানে ছিলাম, আমরা ভুলভাবে সেখান থেকে বেরিয়ে এসেছি। আর আমি সবসময় বলতাম, এর পাশাপাশি তেলটা রেখে দাও। আমি এটি অর্থনৈতিক কারণে বলেছিলাম। কিন্তু মাইক, আপনি যদি ভেবে দেখেন, আমরা যদি তেল নিজেদের কাছে রাখতাম তবে সম্ভবত আইএসআইএস তৈরি হতো না, কারণ তারা সেখান থেকেই তাদের টাকা উপার্জন করেছিল। তাই আমাদের তেলটা রাখা উচিত ছিল। তবে ঠিক আছে। হয়তো আপনি আরেকটা সুযোগ পাবেন। কিন্তু বাস্তব হলো, তেলটা রাখা উচিত ছিল।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের সিআইএতে ভাষণ, [https://www.cbsnews.com/news/trump-cia-speech-transcript/ ২৩ জানুয়ারি ২০১৭]
* কিন্তু আপনি যখন ভালোবাসার এই বিশাল সমুদ্রের দিকে তাকাবেন — আমি একে 'ভালোবাসার সমুদ্র' বলি — এটি সত্যিই বিশেষ কিছু।
** [https://www.youtube.com/watch?v=RDvoBoxv028 ডেভিড মুয়ারের সাথে এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প তাঁর অভিষেক অনুষ্ঠানের ভিড়ের একটি বাঁধাই করা ছবির বর্ণনা দিচ্ছেন], এবিসি (২৫ জানুয়ারি ২০১৭)
* [ডেভিড বেকার সম্পর্কে] সে আবারও তোষামোদ করছে। আপনারা জানেন, আমি সবসময় সেই সব সাংবাদিকদের কথা বলি যারা তোষামোদ করে যখন তারা এমন কিছু লিখতে চায় যা আপনি শুনতে চান কিন্তু লক্ষ লক্ষ মানুষ সম্ভবত শুনতে চায় না বা শোনার প্রয়োজন নেই।
** [http://www.bbc.com/news/world-us-canada-38764653/ "ভোটার জালিয়াতি নিয়ে ট্রাম্পের কথায় উদারপন্থীরা চিন্তিত"], বিবিসি (২৭ জানুয়ারি ২০১৭)
* আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে, আমাদের সৈন্যরা বিদেশে যে হুমকির বিরুদ্ধে লড়াই করছে, আমরা যেন তাদের আমাদের দেশে ঢুকতে না দিই।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://edition.cnn.com/2017/01/27/politics/trump-plans-to-sign-executive-action-on-refugees-extreme-vetting/ "উগ্র ইসলামি সন্ত্রাসীদের দূরে রাখতে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর"], সিএনএন (২৭ জানুয়ারি ২০১৭)
* আমি সবসময় প্রার্থনা করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছি... আমি বলব যে এই পদটি এতটাই শক্তিশালী যে আপনার ঈশ্বরকে আরও বেশি প্রয়োজন।
** [http://www1.cbn.com/cbnnews/entertainment/2017/january/worship-artist-credits-psalms-91-for-miraculous-cancer-healing ডেভিড ব্রডির সাথে ট্রাম্পের সাক্ষাৎকারে] উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], সিবিএন নিউজ (২৯ জানুয়ারি ২০১৭)
==== ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ====
* আমি এখন খুব গর্বিত যে ন্যাশনাল মলে আমাদের একটি জাদুঘর আছে যেখানে মানুষ [[মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]] এবং আরও অনেক কিছু সম্পর্কে জানতে পারে। আমি লক্ষ্য করছি যে, ফ্রেডরিক ডগলাস এমন একজনের উদাহরণ যিনি এক চমৎকার কাজ করেছেন এবং দিন দিন আরও বেশি পরিচিতি পাচ্ছেন। হ্যারিয়েট টুবম্যান, রোসা পার্কস এবং আরও লক্ষ লক্ষ কৃষ্ণবর্ণের আমেরিকান যারা [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]]কে আজকের এই অবস্থানে নিয়ে এসেছেন। দারুণ প্রভাব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theatlantic.com/politics/archive/2017/02/frederick-douglass-trump/515292/ ডোনাল্ড ট্রাম্প'স ন্যারেটিভ অফ দ্য লাইফ অফ ফ্রেডরিক ডগলাস] থেকে উদ্ধৃত, ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭।
* আমরা যখন ন্যাশনাল আফ্রিকান আমেরিকান হিস্ট্রি মান্থ পালন করছি, তখন আমরা আফ্রিকান আমেরিকানদের ঐতিহ্য ও অর্জনকে স্বীকৃতি দিচ্ছি। আফ্রিকান আমেরিকানরা যে অবদান রেখেছেন এবং রেখে চলেছেন তা আমাদের সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আফ্রিকান আমেরিকানদের ইতিহাস সেই সহনশীলতা এবং উদ্ভাবনী চেতনার উদাহরণ যা আমাদের জাতিকে মহান করে চলেছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/president-donald-j-trump-proclaims-february-national-african-american-history-month/ ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭] থেকে উদ্ধৃত।
* ওয়াশিংটনে আমাদের জন্য, ঈশ্বরের ইচ্ছা অনুযায়ী জনগণের সেবা করার প্রজ্ঞা পেতে আমাদের কখনোই তাঁর কাছে প্রার্থনা করা বন্ধ করা উচিত নয়। তবে ''দ্য অ্যাপ্রেন্টিস'' অনুষ্ঠানে আমরা দারুণ সফল হয়েছিলাম। যখন আমি রাষ্ট্রপতির জন্য দাঁড়ালাম, তখন আমাকে অনুষ্ঠানটি ছাড়তে হয়েছিল। তখনই আমি নিশ্চিতভাবে জানতাম যে আমি এটি করছি। তারা আমার জায়গায় এক মস্ত বড় মুভি স্টার আরনল্ড শোয়ার্জনেগারকে নিয়োগ করেছিল এবং আমরা জানি এর ফলাফল কী হয়েছে। রেটিং একদম তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে, এটি একটি চরম বিপর্যয় ছিল। মার্ক বার্নেট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আর কখনও বাজি ধরবেন না। আমি কেবল আরনল্ডের জন্য প্রার্থনা করতে চাই, যদি আমরা পারি, সেই রেটিংগুলোর জন্য, ঠিক আছে?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=cyxacu5AslI ট্রাম্পের "ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট" ভাষণ] (২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* আমাদের কঠোর হতে হবে। এখন আমাদের একটু কঠোর হওয়ার সময় এসেছে। বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশ আমাদের সুযোগ নিচ্ছে। এটা আর ঘটবে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/us-news/2017/feb/02/donald-trump-australia-refugees-malcolm-turnbull-phone-call বিরোধ সত্ত্বেও হোয়াইট হাউস বলছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়ার শরণার্থীদের গ্রহণ করতে পারে] (২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* এটি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যে এটি আর রিপোর্টও করা হচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে সেই অত্যন্ত অসৎ সংবাদমাধ্যমগুলো এটি রিপোর্ট করতে চায় না। তাদের নিজস্ব কারণ আছে এবং আপনারা সেটি বোঝেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://www.bbc.co.uk/news/world-us-canada-38890090 ম্যাকডিল এয়ার ফোর্স বেসে দেওয়া এক বক্তৃতায় সন্ত্রাসী হামলার রিপোর্টিং নিয়ে ট্রাম্পের উক্তি] (৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* সেই স্টেট সিনেটর কে? আপনি কি আমাকে তার নাম বলতে চান? আমরা তার ক্যারিয়ার ধ্বংস করে দেব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=Z1SKm1hTWq0 শেরিফ হ্যারল্ড ইভেনসনের বক্তব্যের জবাবে ট্রাম্পের উক্তি], যেখানে শেরিফ উল্লেখ করেছিলেন যে টেক্সাসের একজন স্টেট সিনেটর এমন আইন প্রস্তাব করছেন যাতে শেরিফরা বাজেয়াপ্ত অর্থ পাওয়ার আগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার প্রয়োজন পড়বে। (৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)
* আমি বিচারকদের একটি প্যানেলের কথা শুনেছি এবং আমি সে বিষয়ে মন্তব্য করব — আমি নিশ্চিতভাবে একজন বিচারকের বক্তব্যের ওপর কোনো মন্তব্য করব না — তবে আমাকে সত্যি বলতে হবে যে, এই বিচারকরা যদি আদালতের প্রতি শ্রদ্ধার খাতিরে আদালতকে সাহায্য করতে চাইতেন, তবে তাদের যা করা উচিত ছিল তারা সেটাই করতেন। মানে এটা খুব দুঃখজনক। যখন আপনি খুব সাধারণ, সুন্দরভাবে লেখা এবং নিখুঁতভাবে লেখা কোনো কিছু পড়েন — অবশ্যই সেই একটি বক্তব্য ছাড়া যেখানে "সে" (পুরুষ বা নারী) এর কথা বলা হয়েছে — কিন্তু যখন আপনি এত নিখুঁতভাবে লেখা এবং যে কারো কাছে এত স্পষ্ট কিছু পড়েন, আর তারপর যখন আপনি আইনজীবীদের দেখেন এবং আমি গত রাতে অবাক হয়ে দেখছিলাম, আমি এমন সব কথা শুনলাম যা আমি বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। এমন সব কথা যার সাথে আমি যা পড়েছি তার কোনো সম্পর্কই ছিল না। আমি কখনোই আদালতকে পক্ষপাতদুষ্ট বলতে চাই না, তাই আমি একে পক্ষপাতদুষ্ট বলব না। আমরা এখনও কোনো সিদ্ধান্ত পাইনি, তবে আদালতগুলো এখন খুব বেশি রাজনৈতিক বলে মনে হয়। আমাদের বিচার ব্যবস্থার জন্য এটি খুব ভালো হতো যদি তারা একটি বিবৃতি পড়তে পারত এবং যা সঠিক তা করতে পারত।
* আমেরিকার প্রতিটি শিশুর উচিত কোনো ভয় ছাড়াই বাইরে খেলাধুলা করা, কোনো বিপদ ছাড়াই বাড়ি ফেরা এবং মাদক, গ্যাং বা সহিংসতা সম্পর্কে চিন্তিত না হয়ে স্কুলে যাওয়া।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/02/08/remarks-president-trump-mcca-winter-conference "এমসিসিএ উইন্টার কনফারেন্সে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্য"] (৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* আমি শুধু বলতে চাই যে, আমরা আমাদের সেই জয়ে খুবই সম্মানিত বোধ করছি, ৩০৬টি ইলেক্ট্রোরাল কলেজ ভোট। আমাদের ২২০ পার হওয়ার কথা ছিল না, আপনি [[বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু|ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর]] দিকে ফিরে সেটি জানেন, তাই না? ২২১ হওয়ার কোনো পথ ছিল না, কিন্তু তারপর তারা বলল ২৭০ হওয়ার কোনো পথ নেই এবং সেখানে প্রচুর উৎসাহ ছিল। আমি বলব যে, আমরা এই দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনব, আমরা এই দেশে অপরাধ বন্ধ করব। আমরা দীর্ঘদিনের বর্ণবাদ এবং অন্যান্য যা কিছু ঘটছে তা বন্ধ করার জন্য আমাদের ক্ষমতার মধ্যে সবকিছু করব। কারণ দীর্ঘ সময় ধরে অনেক খারাপ জিনিস ঘটে আসছে। আমি মনে করি আমার নির্বাচনে জেতার অন্যতম কারণ হলো আমাদের জাতি এখন অনেক বিভক্ত, খুব বেশি বিভক্ত। আশা করি আমি সে বিষয়ে কিছু করতে পারব এবং এটি আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ইহুদি মানুষ, আমার অনেক বন্ধু, আমার এক মেয়ে যে এই মুহূর্তে এখানে আছে, এক জামাতা এবং তিন চমৎকার নাতি-নাতনির কথা বলতে গেলে, আমি মনে করি আপনারা আগামী তিন, চার বা আট বছরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনেক পরিবর্তন দেখতে পাবেন। আমি মনে করি অনেক ভালো কিছু ঘটছে এবং আপনারা অনেক ভালোবাসা দেখতে পাবেন, আপনারা অনেক ভালোবাসা দেখতে পাবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ইহুদি বিদ্বেষের ক্রমবর্ধমান ঘটনা এবং তার প্রশাসনে বিদেশি ভীতি নিয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে, [https://www.youtube.com/watch?v=SmfseeZt5fA যৌথ সংবাদ সম্মেলনে] (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)।
* সংবাদমাধ্যম এতটাই অসৎ হয়ে পড়েছে যে আমরা যদি এ বিষয়ে কথা না বলি, তবে আমরা আমেরিকান জনগণের প্রতি চরম অন্যায় করব। চরম অন্যায়। কী ঘটছে তা জানার জন্য আমাদের কথা বলতে হবে, কারণ সত্যি বলতে সংবাদমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। অসততার মাত্রা এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে।
* আমার মনে হয় রোনাল্ড রিগ্যানের পর এটিই ছিল সবচেয়ে বড় ইলেক্ট্রোরাল কলেজ জয়।
* এই প্রশাসন একটি নিখুঁত যন্ত্রের মতো চলছে।
[[চিত্র:Michael_Flynn_(30020745053).jpg|থাম্ব|মাইক ফ্লিন একজন ভালো মানুষ, আর আমি তার পদত্যাগ চেয়েছি।]]
* মাইক ফ্লিন একজন ভালো মানুষ, আর আমি তার পদত্যাগ চেয়েছি। তিনি সম্মানের সাথে তা দিয়েছেন। তিনি এমন একজন মানুষ যার সম্পর্কে আমাদের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সকে কিছু তথ্য দেওয়া হয়েছিল, যিনি আজ আমাদের সাথে আছেন। আর যেভাবে সেই তথ্যগুলো দেওয়া হয়েছে তাতে আমি খুশি ছিলাম না। তাকে এটা করতে হতো না, কারণ তিনি যা করেছেন তা ভুল ছিল না। তিনি যে তথ্য দেখেছিলেন সে দিক থেকে কোনো ভুল ছিল না। ভুল ছিল অন্যদের, যার মধ্যে এই ঘরের আপনারাও আছেন, যেভাবে তথ্যগুলো দেওয়া হয়েছিল। কারণ সেগুলো ছিল গোপন তথ্য যা অবৈধভাবে দেওয়া হয়েছিল। এটাই আসল সমস্যা।
* দেখুন, আমি যখন জনসভায় যাই, তারা ঘুরে দাঁড়ায় এবং সিএনএন এর দিকে চিৎকার করতে শুরু করে। তারা সিএনএন-এর দিকে তাদের প্ল্যাকার্ড ছুড়ে মারতে চায়। আমি মনে করি আপনারা একটু ভিন্ন হলে অনেক ভালো করতেন।
* আগামীকাল তারা বলবে, "ডোনাল্ড ট্রাম্প সংবাদমাধ্যমের ওপর চিৎকার করেছেন।" আমি চিৎকার করছি না। আমি শুধু আপনাদের বলছি। আপনারা জানেন, আপনারা অসৎ মানুষ। কিন্তু আমি চিৎকার করছি না। আমি এটি উপভোগ করছি। আমার বেশ ভালো লাগছে। কিন্তু আগামীকাল শিরোনাম হবে, "ডোনাল্ড ট্রাম্প চিৎকার করেছেন।" আমি চিৎকার করছি না।
[[চিত্র:HEUraniumC.jpg|থাম্ব|আপনারা জানেন ইউরেনিয়াম কী, তাই না? এটি পারমাণবিক অস্ত্র এবং আরও অনেক কিছুর সাথে জড়িত। ইউরেনিয়াম দিয়ে অনেক কাজ করা হয়, যার মধ্যে কিছু খারাপ জিনিসও আছে।]]
* আপনারা জানেন ইউরেনিয়াম কী, তাই না? এটি পারমাণবিক অস্ত্র এবং আরও অনেক কিছুর সাথে জড়িত। ইউরেনিয়াম দিয়ে অনেক কাজ করা হয়, যার মধ্যে কিছু খারাপ জিনিসও আছে।
* এর মধ্যে [[ইরাক]]ের পরিস্থিতি খুব, খুব কঠিন। আপনারা কি জানেন কেন? কারণ আমি সামরিক বাহিনী নিয়ে কথা বলি না এবং আরও কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলি না, যা শুনে আপনারা অবাক হবেন। আর আমার পুরো নির্বাচনী প্রচারণায় আমি সেটাই বলেছি। তাই আমার আপনাদের বলার প্রয়োজন নেই। আমি সেই লোকেদের মতো হতে চাই না যারা বলে, "হ্যাঁ, আমরা এই কাজ করতে যাচ্ছি।" আমার তা করার দরকার নেই। উত্তর কোরিয়ায় আমি কী করতে যাচ্ছি তা আমার আপনাদের বলার দরকার নেই। একটু দাঁড়ান। [[উত্তর কোরিয়া]]য় আমি কী করতে যাচ্ছি তা আমার আপনাদের বলার দরকার নেই। আর ইরানের সাথে আমি কী করতে যাচ্ছি তাও আমার আপনাদের বলার দরকার নেই। কেন জানেন? কারণ তাদের এটি জানা উচিত নয়। আর শেষ পর্যন্ত আপনারা এই প্রশ্ন করতে করতে ক্লান্ত হয়ে যাবেন।
* আপনি কোথা থেকে এসেছেন? [সাংবাদিক উত্তর দিলেন তিনি বিবিসি থেকে এসেছেন] এই তো আরেক রত্ন।
* আপনি কি সভার ব্যবস্থা করতে চান? তারা কি আপনার বন্ধু? [একজন আফ্রিকান-আমেরিকান সাংবাদিককে উদ্দেশ্য করে এবং কংগ্রেসনাল ব্ল্যাক ককাসের কথা উল্লেখ করে]
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.nytimes.com/2017/02/16/us/politics/donald-trump-press-conference-transcript.html?_r=0 হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে করা মন্তব্য] (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)।
* আপনার পুরো জীবনে দেখা মানুষের মধ্যে আমিই হলাম সবচেয়ে কম ইহুদি বিদ্বেষী ব্যক্তি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.cnbc.com/2017/02/16/donald-trump-i-am-the-least-anti-semitic-racist-person-that-youve-ever-seen.html সিএনবিসি] (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* গতকাল রাতে সুইডেনে কী ঘটেছে একবার দেখুন। সুইডেন! কে বিশ্বাস করবে, সুইডেন! তারা প্রচুর সংখ্যক মানুষকে আশ্রয় দিয়েছে এবং তারা এমন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে যা তারা কখনও কল্পনাও করেনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=AMLK15edOUY ফ্লোরিডার মেলবোর্নে সমর্থকদের এক বিশাল সমাবেশে ট্রাম্পের বক্তব্য] (১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* আর আমি চাই আপনারা সবাই জানুন যে আমরা ফেক নিউজের বিরুদ্ধে লড়ছি। এটা ভুয়া, জাল, একদম মিথ্যে। কয়েক দিন আগে আমি ফেক নিউজকে জনগণের শত্রু বলেছিলাম, আর তারা সত্যিই তাই, তারা জনগণের শত্রু।
* কারো নাম ব্যবহার না করে তাদের কোনো সূত্র ব্যবহার করতে দেওয়া উচিত নয়। তাদের নাম সামনে আসতে দিন। তাদের নাম প্রকাশ করা হোক।
* আমি [[সুইডেন]]কে ভালোবাসি, চমৎকার দেশ, চমৎকার মানুষ। কিন্তু তারা বোঝে, ওখানকার মানুষ বোঝে যে আমি ঠিক বলছি। সুইডেনে কী ঘটছে একবার দেখুন।
* আমার একজন বন্ধু আছে, সে খুব প্রতিপত্তিশালী একজন মানুষ। সে আলোর ভালোবাসে, সে [[প্যারিস]] ভালোবাসে। বছরের পর বছর ধরে প্রতি বছর গ্রীষ্মকালে সে তার স্ত্রী এবং পরিবারকে নিয়ে নিয়মিত প্যারিসে যেত। অনেকদিন তার সাথে দেখা হয়নি, তাই আমি বললাম, জিম, তোমাকে একটা প্রশ্ন করি, প্যারিসের কী অবস্থা? "প্যারিস? আমি আর সেখানে যাই না, প্যারিস আর আগের মতো প্যারিস নেই।"
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://time.com/4682023/cpac-donald-trump-speech-transcript/ বার্ষিক কনজারভেটিভ পলিটিক্যাল অ্যাকশন কনফারেন্সে ভাষণ দেওয়ার সময়] (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)।
* এটি একটি অবিশ্বাস্যরকম জটিল বিষয়। কেউ জানত না যে স্বাস্থ্যসেবা এত জটিল হতে পারে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/us-news/video/2017/feb/27/trump-healthcare-complicated-budget-video হোয়াইট হাউসে ন্যাশনাল গভর্নরস অ্যাসোসিয়েশনের বৈঠকে ভাষণ দেওয়ার সময়] (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* সারা বিশ্বের অনেক জাতি — যেমন [[কানাডা]], [[অস্ট্রেলিয়া]] এবং আরও অনেক দেশের মেধা-ভিত্তিক অভিবাসন ব্যবস্থা রয়েছে। এটি একটি মৌলিক নীতি যে যারা কোনো দেশে প্রবেশ করতে চায় তাদের নিজেদের আর্থিকভাবে স্বচ্ছল রাখার ক্ষমতা থাকতে হবে। অথচ আমেরিকায় আমরা এই নিয়ম কার্যকর করি না, যা আমাদের সবচেয়ে দরিদ্র নাগরিকরা যে জনসম্পদের ওপর নির্ভর করে তার ওপর চাপ সৃষ্টি করে।<br>..<br>প্রধানমন্ত্রী [[জাস্টিন ট্রুডো]]র সহায়তায় আমরা কানাডার সাথে একটি কাউন্সিল গঠন করেছি যাতে নারী উদ্যোক্তারা তাদের ব্যবসা শুরু করতে এবং তাদের আর্থিক স্বপ্ন পূরণ করতে প্রয়োজনীয় নেটওয়ার্ক, বাজার এবং মূলধন পেতে পারে।<br>..<br>আমেরিকা সকল জাতির নিজস্ব পথ বেছে নেওয়ার অধিকারকে শ্রদ্ধা করে। আমার কাজ বিশ্বের প্রতিনিধিত্ব করা নয়। আমার কাজ হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করা।<br>..<br>যথাযথ যাচাইকরণ করা সম্ভব নয় এমন জায়গা থেকে অনিয়ন্ত্রিত প্রবেশাধিকার দেওয়া সহানুভূতি নয়, বরং অবিবেচনা। আমরা আমেরিকার ভেতরে সন্ত্রাসবাদের কোনো ঘাঁটি তৈরি হতে দিতে পারি না — আমরা আমাদের জাতিকে চরমপন্থীদের আশ্রয়স্থল হতে দিতে পারি না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theglobeandmail.com/news/world/us-politics/donald-trump-congress-speech-immigration/article34158135/ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, গ্লোব অ্যান্ড মেইল অনুযায়ী] থেকে উদ্ধৃত।
==== মার্চ ২০১৭ ====
* আমাদের আইরিশ বন্ধুদের সাথে যখন আমরা আজ এখানে দাঁড়িয়ে আছি, আমার সেই প্রবাদের কথা মনে পড়ছে; এবং এটি খুব ভালো একটি প্রবাদ, এটি আমার খুব পছন্দ, আমি অনেক অনেক বছর ধরে এটি শুনে আসছি এবং আমি এটি ভালোবাসি: "সব সময় সেই বন্ধুদের ভুলে যাওয়ার কথা মনে রাখবেন যারা অবিশ্বস্ত প্রমাণিত হয়েছে, কিন্তু যারা আপনার পাশে থেকেছে তাদের মনে রাখার কথা কখনও ভুলবেন না।" আমরা তা জানি, রাজনৈতিকভাবে বলতে গেলে আমাদের অনেকেই তা জানি, আমরা এটি ভালোভাবেই জানি, এটি একটি চমৎকার কথা।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/us-news/2017/mar/17/trumps-irish-proverb-causes-derision-on-the-web তৎকালীন আইরিশ সরকারপ্রধান এন্ডা কেনির সফরের সময় দেওয়া বক্তব্য] (১৭ মার্চ ২০১৭)
==== এপ্রিল ২০১৭ ====
* চলো ওকে মেরেই ফেলি! চলো ভেতরে যাই। চলো ওদের সবাইকে খতম করে দিই।
** বাশার আল-আসাদ সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]-এর উক্তি, যেমনটি ফিলিপ রাকার এবং রবার্ট কস্টা লিখিত [https://www.washingtonpost.com/politics/bob-woodwards-new-book-reveals-a-nervous-breakdown-of-trumps-presidency/2018/09/04/b27a389e-ac60-11e8-a8d7-0f63ab8b1370_story.html?noredirect=on&utm_term=.f1bf8ed6690c বব উডওয়ার্ডের নতুন বই ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতিত্বের এক 'মানসিক ভেঙে পড়া'র চিত্র তুলে ধরেছে] (৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮), ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'' উদ্ধৃত।
* সিরিয়ায় আজ নারী ও শিশুসহ নিরীহ মানুষের ওপর যে রাসায়নিক হামলা হয়েছে, তা অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং সভ্য দুনিয়া এটি উপেক্ষা করতে পারে না। বাশার আল-আসাদ সরকারের এই জঘন্য কর্মকাণ্ড পূর্ববর্তী প্রশাসনের দুর্বলতা এবং দোদুল্যমানতারই ফল। রাষ্ট্রপতি ওবামা ২০১২ সালে বলেছিলেন যে তিনি রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের বিরুদ্ধে একটি "রেড লাইন" বা চূড়ান্ত সীমা নির্ধারণ করবেন, কিন্তু পরে তিনি কিছুই করেননি। এই অসহনীয় হামলার নিন্দা জানাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সারা বিশ্বের মিত্রদের পাশে দাঁড়িয়েছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.presidency.ucsb.edu/documents/statement-the-chemical-weapons-attack-khan-sheikhoun-syria সিরিয়ার খান শেখাউনে রাসায়নিক অস্ত্র হামলা সম্পর্কে বিবৃতি] থেকে উদ্ধৃত, ''আমেরিকান প্রেসিডেন্সি প্রজেক্ট'', (৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭)
* অনেকের জন্যই এটি ছিল এক ধীরগতির এবং নৃশংস মৃত্যু... এমনকি সুন্দর ছোট শিশুদেরও এই অত্যন্ত বর্বরোচিত হামলায় নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়েছে।
** সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র হামলা সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প]], [http://www.nydailynews.com/news/politics/trump-blasts-syria-murdering-civilians-u-s-strike-article-1.3027449 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিমান ঘাঁটিতে অন্তত ৫০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পর রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প নিজের দেশের মানুষকে 'নিষ্ঠুরভাবে হত্যার' জন্য সিরিয়ার সমালোচনা করেছেন], ৬ এপ্রিল ২০১৭।
* আমরা রাতের খাবার শেষ করেছিলাম। তখন আমরা মিষ্টান্ন খাচ্ছিলাম। আর আমাদের কাছে সবচেয়ে চমৎকার এক টুকরো চকোলেট কেক ছিল যা আপনি কখনও দেখেননি, এবং রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং সেটি উপভোগ করছিলেন।
* তো যা হলো, আমি বললাম যে আমরা মাত্রই ৫৯টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছি যা ইরাকের দিকে যাচ্ছে। [সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী তাকে সংশোধন করে দেন] হ্যাঁ, সিরিয়ার দিকে যাচ্ছে।
** চীনা রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের সাথে ডিনার করার সময় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প]], [http://www.cnn.com/2017/04/12/politics/donald-trump-xi-jingping-syria-chocolate-cake/ 'চমৎকার' চকোলেট কেক খেতে খেতে ট্রাম্প ও শি সিরিয়ায় হামলা নিয়ে কথা বলেছেন], ১২ এপ্রিল ২০১৭।
* তো এটি আমেরিকায় কৃষি এবং গ্রামীণ সমৃদ্ধিকে উৎসাহিত করার জন্য। আর এখন, এখানে অনেক কথা আছে, আমি সবকিছু পড়ার ঝামেলায় যাব না।
** [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/04/25/remarks-president-trump-farmers-roundtable-and-executive-order-signing আমেরিকায় কৃষি এবং গ্রামীণ সমৃদ্ধি বাড়াতে কৃষকদের গোলটেবিল বৈঠক এবং নির্বাহী আদেশে সই করার সময় রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্যে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৫ এপ্রিল ২০১৭)
[[চিত্র:Shinzō_Abe_and_Donald_Trump_in_Palm_Beach_(3).jpeg|থাম্ব|আমি ভেবেছিলাম এটি আরও সহজ হবে।]]
* আমি ভেবেছিলাম এটি আরও সহজ হবে।
** রয়টার্সের সাথে এক [http://www.reuters.com/article/us-usa-trump-100days-idUSKBN17U0CA সাক্ষাৎকারে তার প্রথম ১০০ দিন সম্পর্কে আলোচনা করার সময়] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৭ এপ্রিল ২০১৭)
* আমি মনে করি প্রথম ১০০ দিনে আমরা হয়তো যে কোনো রাষ্ট্রপতির চেয়ে বেশি কাজ করেছি... হ্যারি ট্রুম্যান-এর পর আর কেউ এত কাজ করেনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের]] সাথে সাক্ষাৎকার, [http://www.washingtonexaminer.com/full-interview-with-president-trump-on-his-first-100-days/article/2621516 তার প্রথম ১০০ দিন সম্পর্কে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের সাথে পূর্ণাঙ্গ সাক্ষাৎকার], ২৮ এপ্রিল ২০১৭।
==== মে ২০১৭ ====
* কোনো আমেরিকানকে ফেডারেল সরকারের নির্দেশ এবং তাদের বিশ্বাসের নীতির মধ্যে কোনো একটিকে বেছে নিতে বাধ্য করা উচিত নয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://www.foxnews.com/opinion/2017/05/04/what-trump-understands-about-religious-liberty-in-america.html আমেরিকায় ধর্মীয় স্বাধীনতা সম্পর্কে ট্রাম্প কী বোঝেন?] থেকে উদ্ধৃত (৪ মে ২০১৭)
[[চিত্র:James_Comey_official_portrait.jpg|থাম্ব|আমি মাত্রই এফবিআই প্রধানকে বরখাস্ত করেছি। তিনি পাগল ছিলেন, এক্কেবারে বদ্ধ পাগল।]]
* আমি মাত্রই এফবিআই প্রধানকে বরখাস্ত করেছি। তিনি পাগল ছিলেন, এক্কেবারে বদ্ধ পাগল।<br>..<br>রাশিয়া নিয়ে আমি প্রচণ্ড চাপের মুখে ছিলাম। সেটা এখন কেটে গেছে।<br>..<br>আমার বিরুদ্ধে কোনো তদন্ত চলছে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], বৈঠকের আনুষ্ঠানিক বিবরণ অনুযায়ী [https://www.nytimes.com/2017/05/19/us/politics/trump-russia-comey.html হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রিত রুশ কর্মকর্তাদের সাথে ট্রাম্পের কথোপকথনের অংশ] থেকে উদ্ধৃত (১০ মে ২০১৭)
* আপনি কি আগে কখনও এই কথাটি ব্যবহার করতে শুনেছেন? কারণ আমি শুনিনি। মানে, আমি ঠিক... কয়েক দিন আগে এটি মাথায় এল আর আমার মনে হলো এটি বেশ ভালো। এটাই আপনাদের করতে হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [[দি ইকোনমিস্ট]]ে প্রকাশিত একটি সাক্ষাৎকারে অর্থনৈতিক উদ্দীপনা প্রসঙ্গে [http://www.economist.com/Trumptranscript "প্রাইম দ্য পাম্প" শব্দটি উদ্ভাবনের দাবি করেছেন] (১১ মে ২০১৭)
* আর সত্যি বলতে, যখন আমি এটি করার সিদ্ধান্ত নিই, তখন আমি নিজেকে বলেছিলাম, "জানো তো, ট্রাম্প আর রাশিয়াকে নিয়ে এই রাশিয়ার ব্যাপারটা আসলে একটা সাজানো গল্প। নির্বাচনে হারার পর ডেমোক্র্যাটরা এটি একটি অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করছে।"
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://www.nbcnews.com/nightly-news/video/president-trump-this-russia-thing-is-a-made-up-story-941962819745 এনবিসির লেস্টার হোল্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেছেন] যে ফেডারেল তদন্তের ওপর বিরক্তিই ছিল এফবিআই পরিচালক জেমস কোমিকে বরখাস্ত করার একটি কারণ (১১ মে ২০১৭)
* সমালোচক হওয়ার চেয়ে সহজ বা করুণ আর কিছু নেই। কারণ তারা এমন লোক যারা কাজ শেষ করতে পারে না। কিন্তু ভবিষ্যৎ স্বপ্নদ্রষ্টাদের জন্য, সমালোচকদের জন্য নয়। ভবিষ্যৎ সেই সব মানুষের জন্য যারা সমালোচকরা যা-ই বলুক না কেন, নিজেদের মনের কথা শোনে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=B421uhrOV-o&feature=youtu.be&t=12m34s লিবার্টি ইউনিভার্সিটির সমাবর্তন ভাষণ] থেকে উদ্ধৃত (১৩ মে ২০১৭)
* ইদানীং আমার সাথে বিশেষ করে সংবাদমাধ্যম যেভাবে আচরণ করছে তা দেখুন। ইতিহাসের কোনো রাজনীতিবিদের সাথে, এবং আমি এটি খুব নিশ্চিতভাবেই বলছি, এর চেয়ে খারাপ বা অন্যায় আচরণ করা হয়নি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/us-news/video/2017/may/17/donald-trump-media-coast-guard-speech-video "ইউএস কোস্ট গার্ড একাডেমির সমাবর্তন অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তৃতায় সংবাদমাধ্যমের সমালোচনা করার সময়"] থেকে উদ্ধৃত (১৭ মে ২০১৭)
* ওহ আমার ঈশ্বর। এটি ভয়ংকর। '''এটিই আমার রাষ্ট্রপতিত্বের শেষ। আমি শেষ।'''
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], রাশিয়া তদন্তে একজন স্পেশাল কাউন্সিল নিয়োগের বিষয়ে। রবার্ট এস. মুলার ৩য় লিখিত [https://commons.wikimedia.org/wiki/File:Report_On_The_Investigation_Into_Russian_Interference_In_The_2016_Presidential_Election.pdf "রিপোর্ট অন দ্য ইনভেস্টিগেশন ইনটু রাশিয়ান ইন্টারফারেন্স ইন দ্য ২০১৬ প্রেসিডেন্সিয়াল ইলেকশন"], ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ৭৮-এ উদ্ধৃত।
* অনেক তরুণ, সুন্দর, নিষ্পাপ মানুষ যারা জীবনকে উপভোগ করছিল, জীবনের কিছু শয়তান লুজার তাদের হত্যা করেছে। আমি তাদের দানব বলব না কারণ তারা ওই শব্দটি পছন্দ করবে। তারা ভাববে এটি একটি চমৎকার নাম। আমি এখন থেকে তাদের লুজার বলব কারণ তারা তা-ই। তারা লুজার। আর আমরা এমন আরও অনেককে পাব। কিন্তু তারা ব্যর্থ, শুধু এটা মনে রাখবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theatlantic.com/international/archive/2017/05/trump-manchester-losers/527745/ দি আনটলান্টিক] থেকে উদ্ধৃত
==== জুন ২০১৭ ====
* আমি প্যারিসের নয়, বরং পিটসবার্গের নাগরিকদের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য নির্বাচিত হয়েছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/06/01/statement-president-trump-paris-climate-accord প্যারিস জলবায়ু চুক্তি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বিবৃতি], যেখানে তিনি প্যারিস চুক্তি থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেন (১ জুন ২০১৭)
* ইতিহাস স্বপ্নদ্রষ্টাদের দ্বারা লেখা হয়, সন্দেহবাদীদের দ্বারা নয়।
[[চিত্র:Family trump in the Easter Egg Roll (cropped).jpg|থাম্ব|আমি ধনী-দরিদ্র সব মানুষকেই ভালোবাসি, কিন্তু বিশেষ ওই পদগুলোর জন্য আমি কোনো দরিদ্র মানুষকে চাই না।]]
* আমি ধনী-দরিদ্র সব মানুষকেই ভালোবাসি, কিন্তু বিশেষ ওই পদগুলোর জন্য আমি কোনো দরিদ্র মানুষকে চাই না।
* আমরা দেওয়ালটিকে একটি সৌর দেওয়াল হিসেবে তৈরির কথা ভাবছি, যাতে এটি শক্তি উৎপাদন করে এবং নিজের খরচ নিজেই মেটাতে পারে। আর এভাবে মেক্সিকোকে অনেক কম টাকা দিতে হবে, আর সেটা ভালো, তাই না? আপনারা প্রথম দল যাদের আমি এটি বললাম। একটি সৌর দেওয়াল, এর মানে হয়। দেখা যাক, আমরা এটি নিয়ে কাজ করছি। সৌর দেওয়াল, প্যানেল, চমৎকার। মানে আসলে ভেবে দেখুন, এটি যত উঁচুতে যাবে এর মূল্য তত বাড়বে, এটি অনেকটা... বেশ ভালো কল্পনাশক্তি ''[নিজের মাথার দিকে ইশারা করে]'', তাই না, ভালো? আমার পরিকল্পনা।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://www.foxnews.com/politics/2017/06/21/president-trump-holds-iowa-rally-live-blog.html আইওয়ার সিডার র্যাপিডসে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের জনসভা] থেকে উদ্ধৃত (২১ জুন ২০১৭)
* দেখুন আমি তাকে রেকর্ড করিনি — কী ঘটছে তা আপনি কখনোই বুঝতে পারবেন না, যখন আপনি দেখবেন যে ওবামা প্রশাসন, এবং সম্ভবত তার চেয়েও বেশি সময় ধরে, এই সব মুখোশ উন্মোচন এবং নজরদারি করছিল। আর আপনি যখন চারিদিকে নজরদারি করার মতো গুরুতর এবং ভয়াবহ পরিস্থিতি সম্পর্কে সব পড়বেন, যেমনটা আমি গত কয়েক মাস ধরে পড়ছি। আর আপনারা 'মুখোশ উন্মোচন' শব্দটি শুনেছেন, এমন একটি শব্দ যা আপনারা হয়তো আগে কখনও শোনেননি। তাই সেখানে কী আছে আপনি কখনও জানবেন না — তবে আমি রেকর্ড করিনি, আর আমার কাছে কোনো টেপ নেই, আর আমি রেকর্ড করিনি।
* ভালো, এটি খুব একটা বোকামি ছিল না, আমি আপনাকে তা বলতে পারি। ''[সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী যখন ইঙ্গিত দেন যে রেকর্ড বা টেপ আছে বলে তার টুইট করা একটি চালাকি ছিল, তার জবাবে]''
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://insider.foxnews.com/2017/06/23/trump-comey-tapes-tweet-mueller-probe-fox-friends-interview "ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডসে এইন্সলি ইয়ারহার্ডের নেওয়া ট্রাম্পের সাক্ষাৎকার"] থেকে উদ্ধৃত (২৩ জুন ২০১৭)
* আমি শুনলাম কম রেটিংয়ের জো স্কারবোরো আমাকে নিয়ে খারাপ কথা বলছে (আর দেখি না)। তাহলে কম বুদ্ধির পাগল মিকা আর সাইকো জো কেন নিউ ইয়ার ইভের আশেপাশে টানা ৩ রাত মার-আ-লাগোতে এসেছিল এবং আমার সাথে যোগ দেওয়ার জন্য জোরাজুরি করেছিল? ফেস-লিফটের কারণে তার মুখ থেকে রক্ত পড়ছিল। আমি না বলে দিয়েছিলাম!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.nytimes.com/2017/06/29/business/media/trump-mika-brzezinski-facelift.html "ট্রাম্প মিকা ব্রজেজিনস্কিকে বিদ্রূপ করেছেন"] থেকে উদ্ধৃত (২৯ জুন ২০১৭)
[[চিত্র:Donald_Trump_(29273256122)_-_Cropped.jpg|থাম্ব|মানুষের আত্মা অজানাকে জানার জন্য ব্যাকুল থাকে। মহাবিশ্বের রহস্য উন্মোচনের মাধ্যমে আমরা নিজেদের ভেতরের সত্যকেও উন্মোচন করি।]]
* মানুষের আত্মা অজানাকে জানার জন্য ব্যাকুল থাকে। মহাবিশ্বের রহস্য উন্মোচনের মাধ্যমে আমরা নিজেদের ভেতরের সত্যকেও উন্মোচন করি। এটা সত্যি। আমাদের মহাকাশ যাত্রা শুধু আমাদের শক্তিশালী আর সমৃদ্ধই করবে না, বরং আমাদের বড় লক্ষ্যগুলোর পেছনে ঐক্যবদ্ধ করবে এবং সবাইকে আরও কাছাকাছি নিয়ে আসবে। এটা কি দারুণ হবে না? আপনারা কি বিশ্বাস করতে পারেন যে মহাকাশ এমনটা করবে? আমি ভেবেছিলাম রাজনীতি হয়তো এটা করবে। (হাসি)। যাই হোক, আমাদের এখন মহাকাশের ওপরই ভরসা করতে হবে।
* প্রতিবার আকাশে কোনো কিছুর উৎক্ষেপণ আমাদের এমন এক ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায় যেখানে আমাদের সাধারণ মানবিকতার বিশালতার সামনে আমাদের পার্থক্যগুলো ছোট মনে হয়। অনেক সময় সত্যকে দেখার জন্য কোনো কিছুকে দূর থেকে দেখতে হয়। জ্ঞানের চিরন্তন সন্ধানে মানবতার অগ্রভাগে থাকা এবং অজানার অভিযানে জাতিগুলোর মধ্যে নেতৃত্ব দেওয়া আমেরিকার ভাগ্য।
* মহাকাশ। বাইরে অনেক জায়গা আছে, তাই না? ''[বাজ অলড্রিন মাঝপথে বলেন: অসীমের পথে এবং তারও ঊর্ধ্বে!]'' এটা অসীম, এটা অসীম হতে পারে, আমরা ঠিক জানি না। তবে হতেও পারে, সেখানে নিশ্চয়ই কিছু আছে, তবে এটা অসীম হতে পারে, তাই তো?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/06/30/remarks-president-signing-executive-order-national-space-council "ন্যাশনাল স্পেস কাউন্সিলের একটি নির্বাহী আদেশে সই করার সময় ট্রাম্পের বক্তব্য"] থেকে উদ্ধৃত (৩০ জুন ২০১৭)
==== জুলাই ২০১৭ ====
* আমাদের সময়ের মৌলিক প্রশ্নটি হলো পশ্চিমা বিশ্বের বেঁচে থাকার ইচ্ছা আছে কি না। যেকোনো মূল্যে আমাদের মূল্যবোধ রক্ষা করার আত্মবিশ্বাস কি আমাদের আছে? আমাদের সীমান্ত রক্ষা করার জন্য নাগরিকদের প্রতি কি আমাদের যথেষ্ট সম্মান আছে? যারা আমাদের সভ্যতাকে নসাৎ বা ধ্বংস করতে চায়, তাদের মুখে দাঁড়িয়ে আমাদের সভ্যতা টিকিয়ে রাখার আকাঙ্ক্ষা ও সাহস কি আমাদের আছে?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/07/06/remarks-president-trump-people-poland-july-6-2017 "পোল্যান্ডের জনগণের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্য"] (৬ জুলাই ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত
* ...ওবামাকেয়ারকে ব্যর্থ হতে দিন, এটি অনেক সহজ হবে। এবং আমি মনে করি আমরা সম্ভবত এমন অবস্থানে আছি যেখানে আমরা ওবামাকেয়ারকে ব্যর্থ হতে দেব। আমরা এর দায় নেব না। আমি এর দায় নেব না। আমি আপনাদের বলতে পারি যে রিপাবলিকানরা এর দায় নেবে না। আমরা ওবামাকেয়ারকে ব্যর্থ হতে দেব এবং তারপর ডেমোক্র্যাটরা আমাদের কাছে আসবে।
** হোয়াইট হাউসের এক সংবাদ সম্মেলন, ১৮ জুলাই ২০১৭, থমাস কাপলান লিখিত [https://www.nytimes.com/2017/07/18/us/politics/republicans-obamacare-repeal-now-replace-later.html রিপাবলিকানদের স্বাস্থ্য বিল ভেস্তে যাওয়ার সাথে সাথে ট্রাম্প বলেছেন "ওবামাকেয়ারকে ব্যর্থ হতে দিন]" শীর্ষক নিবন্ধে উদ্ধৃত, ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৮ জুলাই ২০১৭
* আমি অ্যাটর্নি জেনারেলের ওপর হতাশ। দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় পরপরই তার নিজেকে সরিয়ে নেওয়া উচিত হয়নি। আর যদি তিনি নিজেকে সরিয়ে নিতেই চাইতেন, তবে তার উচিত ছিল দায়িত্ব নেওয়ার আগেই আমাকে তা বলা। তাহলে আমি খুব সহজেই অন্য কাউকে বেছে নিতাম। তাই আমি মনে করি এটি একটি খারাপ ব্যাপার, রাষ্ট্রপতির জন্য নয় বরং রাষ্ট্রপতিত্বের জন্য। আমি মনে করি এটি রাষ্ট্রপতিত্বের প্রতি অন্যায় হয়েছে এবং আমি ঠিক এমনটাই মনে করি।
** হোয়াইট হাউসের এক সাংবাদিক সম্মেলনে [https://www.youtube.com/watch?v=ZgImDKyPZwg জেফ সেশনস সম্পর্কে একটি প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প] (২৫ জুলাই ২০১৭)
* আমি বলেছি দয়া করে খুব বেশি ভালো হবেন না। যেমন আপনারা যখন কাউকে গাড়িতে তোলেন এবং তাদের মাথা রক্ষা করেন, আপনারা জানেন, যেভাবে হাত দিয়ে আড়াল করেন যাতে মাথায় আঘাত না লাগে অথচ তারা হয়তো মাত্রই কাউকে খুন করে এসেছে, তাদের মাথায় যাতে আঘাত না লাগে? আমি বললাম, আপনারা হাত সরিয়ে নিতে পারেন, ঠিক আছে।
** লং আইল্যান্ডের সাফোক কাউন্টি কমিউনিটি কলেজে [https://www.youtube.com/watch?v=NFgjNPiq9Cw পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের বক্তব্য (২৮ জুলাই ২০১৭)
===== ২০১৭ ন্যাশনাল স্কাউট জাম্বোরি (২৪ জুলাই ২০১৭) =====
<small>[https://www.youtube.com/watch?v=TplF26czQVE ২০১৭ ন্যাশনাল স্কাউট জাম্বোরিতে তরুণদের অনুপ্রাণিত করছেন ট্রাম্প] (২৪ জুলাই ২০১৭)</small>
* আমি বললাম, ছেলে স্কাউটদের সামনে দাঁড়িয়ে কে রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে চায়, তাই না?
* আপনারা জানেন, আমি ওয়াশিংটনে যাই এবং এই সব রাজনীতিবিদদের দেখি, আর আমি সেই সোয়াম্প দেখি। এটি কোনো ভালো জায়গা নয়। আসলে আজ আমি বলেছি যে আমাদের 'সোয়াম্প' শব্দটি বদলে 'সেসপুল' বা হয়তো 'সুয়্যার' শব্দ ব্যবহার করা উচিত। তবে এটি ভালো নয়, একদমই ভালো নয়।
* সেক্রেটারি টম প্রাইসও এখানে আছেন। আজ ডক্টর প্রাইস আমাদের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা সচিব হিসেবে লক্ষ লক্ষ আমেরিকানকে শক্তিশালী এবং সুস্থ রাখতে সাহায্য করার মাধ্যমে স্কাউট শপথ অনুযায়ী কাজ করে চলেছেন এবং তিনি চমৎকার কাজ করছেন। আর আশা করি তিনি ওবামাকেয়ার নামের এই ভয়ংকর জিনিসটিকে শেষ করার পথে আগামীকাল প্রয়োজনীয় ভোট পাবেন যা আমাদের সত্যিই ক্ষতি করছে। যাই হোক, আপনি কি ভোটগুলো পাবেন? তাকে সেগুলো পেতেই হবে। তাকে সেগুলো পেতেই হবে। ওহ, তাকে পেতেই হবে, অন্যথায় আমি বলব, "টম, তোমাকে বরখাস্ত করা হলো।"
* দয়া করে ওই ক্যামেরাগুলো পেছনের দিকে ঘোরান, ওটা অবিশ্বাস্য। যাই হোক, আপনাদের কী মনে হয় এই বিশাল এবং রেকর্ড সৃষ্টিকারী ভিড় আজ রাতে টেলিভিশনে দেখানোর সম্ভাবনা কতটুকু? ১ শতাংশ না কি শূন্য? ভুয়া মিডিয়া বলবে, "রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প", আর আপনারা জানেন এটি কী, "রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প আজ ছেলে স্কাউটদের এক ছোট ভিড়ের সামনে ভাষণ দিয়েছেন।"
* যাই হোক, শুধু একটা প্রশ্ন, রাষ্ট্রপতি ওবামা কি কখনো কোনো জাম্বোরিতে এসেছিলেন?
* আর আপনারা জানেন ইলেক্ট্রোরাল কলেজে আমাদের অনেক অসুবিধা আছে, পপুলার ভোট পাওয়া অনেক সহজ।
==== আগস্ট ২০১৭ ====
* [[উত্তর কোরিয়া]]র জন্য এটাই সবচেয়ে ভালো হবে যেন তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে আর কোনো হুমকির আঙুল না তোলে। তাদের এমন '''আগুন আর প্রচণ্ড রাগের মোকাবিলা করতে হবে যা দুনিয়া আগে কখনো দেখেনি'''। তিনি একটি সাধারণ রাষ্ট্রের সীমা ছাড়িয়ে অনেক বেশি হুমকি দিচ্ছেন। তাদের এমন '''আগুন, প্রচণ্ড রাগ আর সত্যি বলতে এমন শক্তির''' মুখে পড়তে হবে যা এই পৃথিবী আগে কখনো দেখেনি।
** ওপিওয়েড অতিমারি সংক্রান্ত এক জনসভায় উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য।
** সিএনএনেরর [http://www.cnn.com/2017/08/09/politics/trump-fire-fury-improvise-north-korea/index.html ট্রাম্পের 'আগুন ও প্রচণ্ড ক্রোধ' বিষয়ক মন্তব্যটি তাৎক্ষণিক ছিল কিন্তু ছিল বিখ্যাত], ৯ আগস্ট ২০১৭।
* আমরা অনেক পক্ষ থেকে, হ্যাঁ অনেক পক্ষ থেকেই ঘৃণা, গোঁড়ামি আর সহিংসতার এই ভয়াবহ রূপের কড়া ভাষায় নিন্দা জানাই। আমাদের দেশে এটি দীর্ঘ সময় ধরে চলে আসছে। এটি ডোনাল্ড ট্রাম্প বা বারাক ওবামার সময় থেকে নয়, বরং অনেক অনেক দিন ধরে চলছে।
** ভার্জিনিয়ার শার্লটসভিলে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী র্যালির সন্ত্রাস সম্পর্কে প্রথম বিবৃতি। [https://www.theguardian.com/us-news/2017/aug/12/charlottesville-protest-trump-condemns-violence-many-sides] দ্য গার্ডিয়ান। (১২ আগস্ট ২০১৭)
*বর্ণবাদ একটি শয়তানি। আর যারা এর নামে অশান্তি সৃষ্টি করে তারা স্রেফ অপরাধী আর গুন্ডা। কেকেকে, নব্য-নাৎসি, শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী আর অন্যান্য ঘৃণ্য গোষ্ঠীগুলো আমেরিকান হিসেবে আমাদের প্রিয় আদর্শগুলোর পরিপন্থী এবং জঘন্য। যারা গোঁড়ামির নামে অশান্তি ছড়ায় তারা আমেরিকার মূল সত্তায় আঘাত করে। প্রার্থী হিসেবে আমি দেশে আইন-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম এবং আমাদের সরকারি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো সেই কথা রাখছে। আমরা এই লড়াইয়ে কোনো কিছুর কমতি রাখব না যাতে প্রতিটি আমেরিকান শিশু ভয় আর সহিংসতা ছাড়া বড় হতে পারে। আমরা সকল আমেরিকানের পবিত্র অধিকার রক্ষা করব এবং আমরা সবাই মিলে কাজ করব যাতে এই ধন্য দেশের প্রতিটি নাগরিক তাদের মনের স্বপ্ন পূরণ করতে পারে এবং আমাদের আত্মার ভালোবাসা ও আনন্দ প্রকাশ করতে পারে।
** ১১-১২ আগস্ট ২০১৭ তারিখে ভার্জিনিয়ার শার্লটসভিলে অনুষ্ঠিত একটি চরম-ডানপন্থী র্যালিতে সহিংসতার বিষয়ে পরবর্তী বিবৃতি; [http://www.cnn.com/2017/08/14/politics/trump-condemns-charlottesville-attackers/index.html ট্রাম্প কেকেকে, নব্য-নাৎসি আর শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীদের 'জঘন্য' বলেছেন] (১৪ আগস্ট ২০১৭)
*'''হ্যাঁ, আমি মনে করি দুই পক্ষেরই দোষ আছে। আপনারা দুই পক্ষকেই ভালো করে দেখুন, আমার মনে হয় দুই পক্ষেরই দোষ আছে এবং এ নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই, আপনাদেরও থাকা উচিত নয়।''' আর আপনারা যদি এটি সঠিকভাবে তুলে ধরতেন, তবে বলতেন... [সাংবাদিক: নব্য-নাৎসিরা এটি শুরু করেছিল। তারা শার্লটসভিলে এসেছিল। তারা... (সাংবাদিকদের শোরগোল)] মাফ করবেন। শুনুন। '''তারা নিজেদের নব্য-নাৎসি হিসেবে পরিচয় দেয়নি।''' আর সেই দলে কিছু খুব খারাপ মানুষ ছিল। '''কিন্তু দুই পক্ষেই এমন কিছু মানুষ ছিল যারা খুব ভালো মানুষ ছিল।''' সেই দলে এমন কিছু লোক ছিল — মাফ করবেন — আমি আপনাদের মতোই ছবিগুলো দেখেছি। সেই দলে এমন লোক ছিল যারা তাদের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি মূর্তি সরিয়ে ফেলা এবং একটি পার্কের নাম রবার্ট ই. লি থেকে অন্য নামে বদলানোর প্রতিবাদ করতে সেখানে এসেছিল। [সাংবাদিকদের শোরগোল] জর্জ ওয়াশিংটন কি দাসের মালিক ছিলেন না? অবশ্যই ছিলেন। তাহলে কি এখন জর্জ ওয়াশিংটন তার মর্যাদা হারাবেন? আমরা কি — মাফ করবেন — আমরা কি এখন জর্জ ওয়াশিংটনের মূর্তি সরিয়ে ফেলব? থমাস জেফারসনের কথাই ধরুন। আপনারা তাকে পছন্দ করেন, তাই তো? ভালো। আমরা কি এখন তার মূর্তি সরিয়ে ফেলব কারণ তিনি একজন বড় দাসের মালিক ছিলেন? এভাবে তো আপনারা ইতিহাস আর সংস্কৃতিকেই বদলে দিচ্ছেন। সেই দলে এমন কিছু লোক ছিল — এবং '''আমি নব্য-নাৎসি আর শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদীদের কথা বলছি না, কারণ তাদের পুরোপুরি নিন্দা জানানো উচিত''' — কিন্তু সেই দলে '''নব্য-নাৎসি আর শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী ছাড়াও আরও অনেক সাধারণ মানুষ ছিল''', ঠিক আছে? আর সংবাদমাধ্যম তাদের সাথে চরম অন্যায় আচরণ করেছে। আবার অন্য দলেও কিছু ভালো মানুষ ছিল, কিন্তু সেখানে কিছু দাঙ্গাবাজও ছিল যাদের আপনারা '''কালো পোশাক, হেলমেট আর বেসবল ব্যাট''' নিয়ে আসতে দেখেছেন। অন্য দলেও অনেক খারাপ লোক ছিল।
* শনিবার আমি যে বিবৃতিটি দিয়েছিলাম, সেই প্রথম কথাগুলো একদম সঠিক ছিল।
** নিউ ইয়র্কের ট্রাম্প টাওয়ারে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে রয়টার্সের [https://www.reuters.com/article/us-virginia-protests-idUSKCN1AV0WT "ভার্জিনিয়ার প্রাণঘাতী সহিংসতার জন্য ট্রাম্প আবারও উভয় পক্ষকে দায়ী করেছেন"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৫ আগস্ট ২০১৭)। প্রতিলিপি: [https://www.cnbc.com/2017/08/15/read-the-transcript-of-donald-trumps-jaw-dropping-press-conference.html সিএনবিসি], [https://www.vox.com/2017/8/15/16154028/trump-press-conference-transcript-charlottesville ভক্স]।
==== সেপ্টেম্বর ২০১৭ ====
* এটি এমন এক রাষ্ট্রপতিত্ব যার প্রধান বৈশিষ্ট্য আদর্শ নয়, এমনকি নীতিও নয়। এটি হলো এক ধরনের স্নায়বিক সমস্যা।
** ব্রেট স্টিফেনস, [http://archive.is/bD7xJ "ট্রাম্প রক্ষণশীলদের তাদের উপযুক্ত পাওনা বুঝিয়ে দিচ্ছেন"] (১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস''
* ভেনেজুয়েলার সমস্যা এটা নয় যে সেখানে [[সমাজতন্ত্র]] ঠিকমতো বাস্তবায়ন করা হয়নি। বরং সমস্যাটা হলো সেখানে সমাজতন্ত্র ঠিকঠাকভাবেই বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭২তম অধিবেশনে দেওয়া তার প্রথম ভাষণে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। (১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭)
* আপনারা এর চেয়ে ভালো একটা কাজই করতে পারেন যদি দেখেন এমনটা হচ্ছে, এমনকি একজন খেলোয়াড়ও যদি এমন করে, তবে স্টেডিয়াম ছেড়ে চলে যান। আমি কথা দিচ্ছি, এসব বন্ধ হয়ে যাবে। এসব বন্ধ হবেই। শুধু উঠে চলে যান। উঠে চলে যান। এমনিতেও খেলাটা আর আগের মতো নেই। আপনারা কি দেখতে চাইবেন না যে এনএফএলের মালিকদের কেউ একজন, যখন কেউ আমাদের পতাকাকে অসম্মান করছে, তখন বলছেন, 'ওই কুত্তার বাচ্চাকে এখনই মাঠ থেকে বের করে দাও। বের করো! ওকে বরখাস্ত করা হলো। ওকে বরখাস্ত করা হলো!'
** অ্যালাবামার হান্টসভিলে এক জনসভায় মার্কিন পতাকার বিরুদ্ধে এনএফএল খেলোয়াড়দের প্রতিবাদ প্রসঙ্গে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
** {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৭-০৯-২২ |শিরোনাম=জাতীয় সংগীতে হাঁটু গেড়ে বসার জন্য এনএফএল খেলোয়াড়দের বরখাস্তের দাবি জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প — এবং তারা এর জবাব দিয়েছে |লেখক=অ্যারিক জেনকিন্স |সাময়িকী=ফরচুন |ইউআরএল=http://fortune.com/2017/09/23/donald-trump-nfl-players-anthem-response/}}
* হোমল্যান্ড সিকিউরিটি থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষা বিভাগ পর্যন্ত আমাদের সরকারের সব যথাযথ বিভাগ এই দুর্যোগ মোকাবিলায় পুরোপুরি নিয়োজিত আছে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে উদ্ধার ও পুনরুদ্ধারের এমন প্রচেষ্টা হয়তো আগে কখনো দেখা যায়নি। এটি একটি দ্বীপ যার চারিদিকে জল, বিশাল জলরাশি, সমুদ্রের জল।
** ঘূর্ণিঝড় মারিয়া সম্পর্কে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
** {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৭-০৯-২৯ |শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন পুয়ের্তো রিকো হলো 'বিশাল জলরাশি বেষ্টিত একটি দ্বীপ' |লেখক=এমিলি শুগারম্যান |সাময়িকী=দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট |অবস্থান=ইউকে |ইউআরএল=https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-politics/donald-trump-puerto-rico-hurricane-maria-comments-island-big-water-a7975011.html}}
==== অক্টোবর ২০১৭ ====
* আপনারা কি জানেন এটি কিসের প্রতীক? হয়তো এটি ঝড়ের আগের শান্ত মুহূর্ত। ''[সাংবাদিক: কিসের ঝড়?]'' হতে পারে ঝড়ের আগের শান্ত, একদম শান্ত একটা ভাব। [সাংবাদিক: কিসের ঝড় মিস্টার প্রেসিডেন্ট?] এই ঘরে বিশ্বের সেরা সামরিক ব্যক্তিরা আছেন, আমি শুধু আপনাদের এটাই বলব, আর আমাদের সন্ধ্যাটা খুব চমৎকার কাটবে। ''[সাংবাদিক: কিসের ঝড় মিস্টার প্রেসিডেন্ট?]'' আপনারা জানতে পারবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.washingtonpost.com/news/post-politics/wp/2017/10/06/trump-gathers-with-military-leaders-says-maybe-its-the-calm-before-the-storm/ "হোয়াইট হাউসে ছবি তোলার সময় দেওয়া বক্তব্য"] থেকে উদ্ধৃত (৬ অক্টোবর ২০১৭)
* সংবাদমাধ্যম হলো — সত্যি বলতে, আমার উদ্ভাবিত সেরা শব্দগুলোর একটি হলো "ফেক" (ভুয়া)। আমার ধারণা হয়তো অন্য মানুষও বছরের পর বছর এটি ব্যবহার করেছে, কিন্তু আমি কখনো তা খেয়াল করিনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ড্যানিয়েল ডেল লিখিত [https://www.thestar.com/news/world/2017/10/08/donald-trump-defends-paper-towels-in-puerto-rico-says-stephen-paddock-was-probably-smart-in-bizarre-tv-interview-analysis.html এক বিচিত্র টিভি সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প পুয়ের্তো রিকোর পেপার টাওয়েল নিয়ে আত্মপক্ষ সমর্থন করেছেন এবং স্টিফেন প্যাডক সম্পর্কে বলেছেন সে 'সম্ভবত বুদ্ধিমান' ছিল: একটি বিশ্লেষণ] শীর্ষক নিবন্ধে উদ্ধৃত, দ্য স্টার ডট কম, ৮ অক্টোবর ২০১৭
* চেইন মাইগ্রেশন হলো অন্যতম এক বিপর্যয়। আপনি একজনকে আসতে দিচ্ছেন আর সেই একজন ১০ বা ১২ জনকে নিয়ে আসছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ১১ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে [https://abcnews.go.com/US/times-trump-slammed-chain-migration-apparently-helped-wifes/story?id=57132429 শন হ্যানিটি]র নেওয়া সাক্ষাৎকারে
* আর আমরা এটি সেই সব বাবা-মায়েদের মধ্যে দেখি যারা ভোরবেলায় ঘুম থেকে ওঠেন; তারা দুটো চাকরি করেন, কখনো কখনো তিনটা চাকরিও করেন। তারা প্রতিদিন আসবাবপত্র এবং তাদের সন্তানদের ভবিষ্যতের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.palmerreport.com/opinion/random-words-donald-trump/5573/ ২০১৭ ভ্যালুস ভোটার সামিটে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্য] থেকে উদ্ধৃত (১৩ অক্টোবর ২০১৭)
* এইমাত্র খবর এল: "চরমপন্থী ইসলামি সন্ত্রাসের প্রসারের মাঝে যুক্তরাজ্যে বার্ষিক অপরাধের হার ১৩% বেড়েছে।" ভালো কথা নয়, আমাদের অবশ্যই আমেরিকাকে নিরাপদ রাখতে হবে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.snopes.com/trump-uk-terrorism/ @রিয়েলডোনাল্ডট্রাম্প এর টুইট] থেকে উদ্ধৃত (২০ অক্টোবর ২০১৭)
* আমাদের সম্পর্ক খুব ভালো। লোকে বলে যেকোনো রাষ্ট্রপতি-রাষ্ট্রপতির মধ্যে আমাদের সম্পর্ক সবচেয়ে সেরা, কারণ তাকেও রাষ্ট্রপতি বলা হয়। এখন কেউ কেউ তাকে চীনের রাজা বলে ডাকতে পারে, কিন্তু তাকে রাষ্ট্রপতিই বলা হয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ২৫ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে [https://www.realclearpolitics.com/video/2017/10/25/full_lou_dobbs_interview_trump_asks_what_could_be_more_fake_than_cbs_nbc_abc_and_cnn.html ফক্স বিজনেসে লু ডবসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শি জিনপিং প্রসঙ্গে] থেকে উদ্ধৃত
==== নভেম্বর ২০১৭ ====
* কিম জং-উন কেন আমাকে "বুড়ো" বলে অপমান করবেন, যেখানে আমি তাকে কখনোই "বেঁটে আর মোটা" বলি না? যা-ই হোক, আমি তার বন্ধু হওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছি — হয়তো কোনো একদিন তেমনটা হয়েও যাবে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], কোরি চার্লটন লিখিত [https://www.thesun.co.uk/news/4895959/donald-trump-calls-kim-jong-un-short-and-fat-and-says-hes-trying-hard-to-be-his-friend/ ডোনাল্ড ট্রাম্প কিম জং-উনকে 'বেঁটে আর মোটা' বলেছেন এবং বলেছেন যে তিনি 'তার বন্ধু হওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছেন'] শীর্ষক নিবন্ধে উদ্ধৃত, ''দ্য সান'', ৮ নভেম্বর ২০১৭
* [[হোয়াইট হাউস]]ে ভারতের একজন প্রকৃত বন্ধু আছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ২৮ নভেম্বর ২০১৭, [http://indianexpress.com/article/india/india-has-true-friend-at-white-house-says-ivanka-trump-at-global-entrepreneurship-summit-full-text-ivanka-trump/ গ্লোবাল এন্টারপ্রেনারশিপ সামিটে ইভানকা ট্রাম্প বলেছেন হোয়াইট হাউসে ভারতের অকৃত্রিম বন্ধু আছে], ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
==== ডিসেম্বর ২০১৭ ====
* সে অনেক মানুষকে মেরে ফেলেছে, তাদের ওপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে দিয়েছে। আর এসব হয়েছে ওই ধারাবাহিক অভিবাসনের সুযোগে। এই নিয়ম অনুযায়ী, দেখা যাচ্ছে তার সাথে হয়তো ২২ থেকে ২৪ জন লোক এ দেশে এসেছিল। তার দাদা, দাদি, মা, বাবা, ভাই আর বোনেরা। আমাদের এই ধারাবাহিক অভিবাসন ব্যবস্থা বন্ধ করতে হবে। আমাদের এটি বন্ধ করতেই হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.breitbart.com/politics/2017/12/08/trump-time-congress-adopt-pro-american-immigration-agenda/ ৮ ডিসেম্বর ২০১৭] থেকে উদ্ধৃত
=== ২০১৮ ===
==== জানুয়ারি ২০১৮ ====
* গত ১৫ বছরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বোকার মতো পাকিস্তানকে ৩৩ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি সাহায্য দিয়েছে, তারা আমাদের মিথ্যা আর প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই দেয়নি; আমাদের নেতাদের তারা বোকা ভেবেছে। আমরা আফগানিস্তানে যেসব সন্ত্রাসীদের খুঁজি, তারা তাদের নিরাপদ আশ্রয় দেয়, আর আমাদের খুব সামান্যই সাহায্য করে। আর না!
** সিএনএন: ২০১৮ সালে ট্রাম্পের প্রথম টুইট: পাকিস্তান আমাদের 'মিথ্যা আর প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই দেয়নি' [https://edition.cnn.com/2018/01/01/politics/donald-trump-2018-pakistan/index.html], দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট [https://www.independent.co.uk/news/world/americas/donald-trump-pakistan-tweet-lies-deceit-aid-us-president-terrorism-aid-a8136516.html]
* এই দেশে মানহানি আইনগুলো খুব দুর্বল। সেগুলো যদি শক্তিশালী হতো, তবে খুব কাজে দিত। আপনার মাথায় যাই আসুক তাই বলে দিলেন, এমনটা আর হতে পারত না।
** মাইকেল উলফের ''ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি'' সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উত্তর, [https://factba.se/transcript/donald-trump-remarks-questions-camp-david-gop-retreat-january-6-2018 ক্যাম্প ডেভিড ভাষণ] (৬ জানুয়ারি ২০১৮)
* আমি একজন অত্যন্ত সফল ব্যবসায়ী থেকে শীর্ষ টিভি তারকা... তারপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হয়েছি (প্রথম চেষ্টাতেই)। আমি মনে করি এটি আমাকে স্রেফ বুদ্ধিমান নয়, বরং একজন জিনিয়াস হিসেবে প্রমাণ করে... আর তাও আবার এক অত্যন্ত স্থিরবুদ্ধি সম্পন্ন জিনিয়াস!
** টুইটারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], সিএনএনের [https://www.cnn.com/2018/01/06/politics/donald-trump-white-house-fitness-very-stable-genius/index.html ট্রাম্প: আমি একজন 'অত্যন্ত স্থিরবুদ্ধি সম্পন্ন জিনিয়াস'] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (৬ জানুয়ারি ২০১৮)
* আমি ব্যায়াম করি। মানে আমি হাঁটি, এটা ওটা করি। পাশের ভবনে দৌঁড়ে যাই। মানুষ যা ভাবে তার চেয়ে বেশি ব্যায়াম আমি করি।<br>অনেকে জিমে গিয়ে দুই ঘণ্টা কসরত করে। আমি অনেককে দেখেছি... তারপর তাদের ৫৫ বছর বয়সে হাঁটু বা নিতম্ব পাল্টাতে হয়। আমার সেই সমস্যা নেই।<br>আমার মনে হয় তারা সবাই বুঝতে পেরেছে যে এমন একজন রাষ্ট্রপতির ওপরই সব ছাড়তে হবে যিনি পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি নম্বর পেয়েছেন। আমি আর কী বলব?<br>আমি অনেকদিন পর ট্রেডমিলে উঠেছিলাম, সেটির ঢাল খুব বেশি ছিল এবং আমি দীর্ঘ সময় সেখানে ছিলাম।<br>তারা অবাক হয়ে গিয়েছিল। তারা বলল, 'ঠিক আছে, আপনি এখন থামতে পারেন, এটা দারুণ।' আমি বললাম, 'আপনারা চাইলে আমি আরও অনেকক্ষণ করতে পারি।'<br>আমি সব সময় ডায়েটে বিশ্বাস করি কারণ আমি শক্তিশালী, বুঝলেন? আমি বল অনেক দূরে মারতে পারি। মানে আমি শারীরিকভাবে শক্তিশালী।<br>হোয়াইট হাউসে যারা খাবার তৈরি করেন তারা অসাধারণ, কিন্তু আমি মনে করি তারা হয়তো খাবারের পরিমাণ কিছুটা কমাতে পারেন এবং হয়তো চর্বিযুক্ত উপকরণগুলো বাদ দিতে পারেন, এতে আমার কোনো সমস্যা নেই।
** রয়টার্সের সাথে এক [https://www.reuters.com/article/us-usa-trump-fitness/exclusive-exercise-i-get-more-than-people-think-trump-says-idUSKBN1F633B সাক্ষাৎকারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৭ জানুয়ারি ২০১৮)
* বর্তমানে বেশ কিছু অঙ্গরাজ্যে আইন অনুযায়ী নবম মাসে মায়ের গর্ভ থেকে সন্তান জন্ম দেওয়ার অনুমতি আছে। এটি ভুল, এটি পরিবর্তন করা দরকার।
** র্যাচেল ক্রস লিখিত [http://mashable.com/2018/01/19/trump-march-for-life-childbirth/#NXYV1ubFzSqW "ট্রাম্প মূলত সন্তান জন্মদানের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৯ জানুয়ারি ২০১৮), ''ম্যাশাবল''
* আপনি যদি আমাকে বলেন যে তারা খুব খারাপ মানুষ, ভয়ংকর বর্ণবাদী মানুষ, তবে আপনি চাইলে আমি অবশ্যই ক্ষমা চাইব।
** গত নভেম্বরে ব্রিটিশ ফার্স্টের উস্কানিমূলক এবং যাচাই না করা ইসলাম-বিদ্বেষী ভিডিওগুলো রিটুইট করা প্রসঙ্গে [http://www.itv.com/goodmorningbritain/news/piers-morgan-donald-trump-says-sorry-to-britain গুড মর্নিং ব্রিটেনে পিয়ার্স মরগ্যানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]] (২৬ জানুয়ারি ২০১৮)
* ''[সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী: আপনি কি জলবায়ু পরিবর্তনে বিশ্বাস করেন? আপনি কি মনে করেন এর অস্তিত্ব আছে?]'' উম্ম, কখনো ঠান্ডা হয় আবার কখনো গরম হয়, আর দেখুন, আগে একে জলবায়ু পরিবর্তন বলা হতো না, বলা হতো গ্লোবাল ওয়ার্মিং। ''[সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী: ঠিক।]'' তাই না? ওটা খুব একটা কাজে দিচ্ছিল না, কারণ সব জায়গায় খুব বেশি ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছিল। বরফের আস্তরণগুলো গলে যাওয়ার কথা ছিল, এতদিনে তো সেগুলো শেষ হয়ে যাওয়ার কথা, কিন্তু এখন সেগুলো রেকর্ড গড়ছে, সেগুলো এখন রেকর্ড মাত্রায় আছে।
** ব্রিটিশ টিভিতে দেওয়া এক [https://www.itv.com/news/2018-01-29/what-we-learned-from-donald-trumps-interview-with-itv/ সাক্ষাৎকারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৮ জানুয়ারি ২০১৮)
* সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে নিউ ইয়র্কে দুটি সন্ত্রাসী হামলা এই ভিসা লটারি এবং ধারাবাহিক অভিবাসনের কারণেই সম্ভব হয়েছে।
** ব্রেইটবার্টে [https://www.breitbart.com/live/state-union-fact-check-analysis-livewire/fact-check-yes-nyc-terrorists-entered-u-s-chain-migration-visa-lottery/ ৩০ জানুয়ারি ২০১৮] তারিখে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আমরা আমাদের মহান জাতির প্রতি আফ্রিকান আমেরিকানদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানকে সম্মান জানাতে ন্যাশনাল আফ্রিকান আমেরিকান হিস্ট্রি মান্থ পালন করি।
** [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/president-donald-j-trump-proclaims-february-2018-national-african-american-history-month/ ৩১ জানুয়ারি ২০১৮] তারিখে করা ঘোষণায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
*** টুইটারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের রিটুইট, [https://twitter.com/statedept/status/959192815313080323 ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, @স্টেটডিপার্টমেন্ট] এবং [https://twitter.com/whitehouse/status/959481056373149696 ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, @হোয়াইটহাউস]
==== ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ====
[[চিত্র:State_of_the_Union_(39974380282).jpg|থাম্ব|আমরা কি একে দেশদ্রোহিতা বলতে পারি? কেন নয়?]]
* একদিকের অর্ধেক লোক একদম পাগল হয়ে যাচ্ছিল, তারা সব কিছু পছন্দ করছিল, তারা দেশের জন্য ভালো কিছু করতে চায়। আর অন্যদিকে বাকিরা, এমনকি ইতিবাচক খবরেও, সত্যিই খুব ভালো খবরেও তারা এমন মুখ করে ছিল যেন কেউ মারা গেছে। এটা তো দেশপ্রেমবিরোধী। কেউ একজন একে দেশদ্রোহিতা বলেছে, আমার মনে হয়, হ্যাঁ কেন নয়? আমরা কি এটাকে দেশদ্রোহিতা বলতে পারি? কেন নয়?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=zjwPiE1wCU0 সিনসিনাটিতে ডেমোক্র্যাটদের হাততালি না দেওয়া প্রসঙ্গে বক্তব্য], তার স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণের সময় (৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)
* একটি নিরাপদ, আধুনিক আর আইনসম্মত অভিবাসন ব্যবস্থা তৈরির জন্য আমার প্রশাসন তিনটি প্রধান লক্ষ্য স্থির করেছে: সীমান্ত পুরোপুরি সুরক্ষিত করা, ধারাবাহিক অভিবাসন বন্ধ করা আর ভিসা লটারি বাতিল করা। এই ধারাবাহিক অভিবাসন একটি বিপর্যয় এবং আমাদের দেশের জন্য খুব অন্যায্য। এই ভিসা লটারি এমন একটা বিষয় যা শুরুতেই অনুমতি দেওয়া উচিত হয়নি। মানুষ আমাদের দেশে আসার জন্য লটারি খেলে। এটা কেমন ব্যবস্থা? এখন কংগ্রেসের পদক্ষেপ নেওয়ার আর আমেরিকানদের রক্ষা করার সময় এসেছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে [https://abcnews.go.com/US/times-trump-slammed-chain-migration-apparently-helped-wifes/story?id=57132429 এবিসি নিউজ]-এ উদ্ধৃত
* ফেক নিউজ @সিএনএন আর @এনবিসি-তে যেমনটা বলা হয়েছে, আমি কখনো বলিনি যে "শিক্ষকদের হাতে বন্দুক তুলে দাও"। আমি বলেছিলাম সামরিক বা বিশেষ প্রশিক্ষণ পাওয়া দক্ষ শিক্ষকদের হাতে গোপন অস্ত্র রাখার সুযোগ দেওয়ার কথা, শুধুমাত্র সেরাদের জন্য। প্রায় ২০ শতাংশ শিক্ষক, সংখ্যাটা অনেক, তারা এখন সক্ষম হবেন...
* ...কোনো জানোয়ার বা অসুস্থ লোক যদি খারাপ উদ্দেশ্যে স্কুলে আসে, তবে তারা সাথে সাথে পাল্টা গুলি ছুড়তে পারবেন। উচ্চ প্রশিক্ষিত শিক্ষকরা ওই সব কাপুরুষদের সামনে বাধা হিসেবে কাজ করবেন যারা এমন কাজ করে। রক্ষী রাখার চেয়ে অনেক কম খরচে এটি অনেক বেশি কার্যকর হবে। "অস্ত্রহীন" স্কুলগুলো খারাপ লোকদের টানে। হামলা বন্ধ হবেই!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট (২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮), এনবিসি নিউজের [https://www.nbcnews.com/politics/politics-news/trump-defends-arming-teachers-protect-students-sicko-shooter-n850216 "শিক্ষকদের সশস্ত্র করার পক্ষে ট্রাম্পের সাফাই, এনআরএর প্রশংসা"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)
* কারণ আমেরিকার মানুষ সরকারকে পূজা করে না। তারা ঈশ্বরকে পূজা করে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=QsUZCo7hasI সিপ্যাক সম্মেলনে] উদ্ধৃত (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)
* অথবা মাইক, আগে আগ্নেয়াস্ত্রগুলো নিয়ে নাও তারপর আদালতে যাও, কারণ ওটা অন্য ব্যবস্থা। কারণ অনেক সময় আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে পৌঁছাতে অনেক দেরি হয়ে যায়। '''আগেভাগেই বন্দুক কেড়ে নেওয়া আমার পছন্দ।''' যেমন ফ্লোরিডার এই পাগল লোকটার ঘটনায় দেখা গেছে, তার কাছে অনেক অস্ত্র ছিল, সবাই তা দেখেছে, আদালতে যেতে গেলে অনেক সময় লাগত। তাই আপনি যা বলছেন ঠিক সেটাই করতে পারেন, '''তবে আগে বন্দুকগুলো নিয়ে নিন, আইনি প্রক্রিয়া পরে হবে।'''
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে বন্দুক সহিংসতা নিয়ে এক বৈঠকে উদ্ধৃত [https://eu.usatoday.com/story/news/factcheck/2021/10/14/fact-check-trump-made-comment-taking-guns-without-due-process/6070319001/] [https://www.c-span.org/video/?c4907473/user-clip-trump-pence-feb-28-2018] [https://www.factcheck.org/2020/09/trump-said-i-like-taking-the-guns-early-not-harris/]
==== মার্চ ২০১৮ ====
*ভুলে যাবেন না চীন কত শক্তিশালী, আর [[শি জিনপিং]] একজন অত্যন্ত ভদ্রলোক। তিনি এখন আজীবনের জন্য রাষ্ট্রপতি। আমৃত্যু রাষ্ট্রপতি। আর তিনি দুর্দান্ত। দেখুন, তিনি সেটি করে দেখিয়েছেন। আমি মনে করি এটি দারুণ। হয়তো কোনো একদিন আমাদেরও এটি চেষ্টা করে দেখতে হবে।
** মার-এ-লাগোতে এক তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], কেভিন লিপটাক লিখিত [https://www.cnn.com/2018/03/03/politics/trump-maralago-remarks/index.html "ক্ষমতা সুসংহত করা চীনের শি সম্পর্কে ট্রাম্প: ''হয়তো কোনো একদিন আমরাও এটি চেষ্টা করে দেখব''"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, ''সিএনএন'', ৩ মার্চ ২০১৮।
==== এপ্রিল ২০১৮ ====
* আমি হোয়াইট হাউস হিস্টোরিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন এবং সেই সব মানুষকে ধন্যবাদ জানাতে চাই যারা মেলানিয়া এবং বাকি সবার সাথে মিলে এই অবিশ্বাস্য বাড়ি বা ভবনটিকে বা আপনি একে যাই বলতে চান, কারণ আসলে এর উপযুক্ত কোনো নাম নেই; এটি অনন্য, একদম চমৎকার অবস্থায় রাখতে কঠোর পরিশ্রম করছেন। আমরা একে মাঝে মাঝে একদম ঝকঝকে তকতকে বা টিপি-টপ অবস্থা বলি। আর এটি সত্যিই দারুণ একটি জায়গা।
** ইস্টার উপলক্ষে দেওয়া এক ভাষণে [[হোয়াইট হাউস]] প্রসঙ্গে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২ এপ্রিল ২০১৮)
* আর ধারাবাহিক অভিবাসনের কথা ভাবুন একবার। ধরুন আপনি আসলেন, আর এখন আপনি আপনার পরিবারকে নিয়ে আসতে পারছেন, তারপর আপনার মা আর বাবাকে নিয়ে আসতে পারছেন। আপনি আপনার দাদিকেও নিয়ে আসতে পারেন। আপনি আপনার আত্মীয়স্বজনদের নিয়ে আসতে পারেন ম্যানহাটনের ওয়েস্ট সাইড হাইওয়েতে, যা আমি খুব ভালো করেই চিনি, এমন একজন ছিল যে গাড়ি চালিয়ে দিয়েছিল; আমার মনে হয় সে প্রায় আটজনকে মেরে ফেলেছিল।
** ৫ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে [https://abcnews.go.com/US/times-trump-slammed-chain-migration-apparently-helped-wifes/story?id=57132429 এবিসি নিউজে] উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
==== মে ২০১৮ ====
[[চিত্র:Protests after US decision to withdraw from JCPOA, around former US embassy, Tehran - 8 May 2018 25.jpg|থাম্ব|আমরা এমন কোনো [[:w:ইসলামি প্রজাতন্ত্রী ইরান সরকার|শাসনব্যবস্থাকে]] পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাণঘাতী অস্ত্রের নাগাল পেতে দেব না যারা "আমেরিকা ধ্বংস হোক" স্লোগান দেয়।]]
* আমেরিকা পারমাণবিক ব্ল্যাকমেলের কাছে জিম্মি হয়ে থাকবে না। আমরা মার্কিন শহরগুলোকে ধ্বংসের হুমকির মুখে পড়তে দেব না। আর '''আমরা এমন কোনো শাসনব্যবস্থাকে পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাণঘাতী অস্ত্রের নাগাল পেতে দেব না যারা "আমেরিকা ধ্বংস হোক" স্লোগান দেয়।'''
** ৮ মে ২০১৮ তারিখে ইরান পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দেওয়া বক্তব্য [https://www.vox.com/world/2018/5/8/17332494/read-trump-iran-nuclear-deal-speech-full-text-announcement-transcript vox.com]
==== জুন ২০১৮ ====
* অনেক আইন বিশেষজ্ঞ যেমনটা বলেছেন, নিজেকে ক্ষমা করার পূর্ণ অধিকার আমার আছে। কিন্তু আমি তা করতে যাব কেন যখন আমি কোনো ভুলই করিনি?
** ৪ জুন ২০১৮ তারিখে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের [https://www.bbc.com/news/world-us-canada-44359434 মন্তব্য]
* এই ভুয়া সংবাদমাধ্যম গুলো দেখা সত্যিই মজার, বিশেষ করে এনবিসি আর সিএনএন। উত্তর কোরিয়ার সাথে হওয়া চুক্তিটিকে খাটো করে দেখানোর জন্য তারা জানপ্রাণ দিয়ে লড়ছে। ৫০০ দিন আগেও তারা এই চুক্তির জন্য "পায়ে ধরত" তখন তো মনে হচ্ছিল যুদ্ধ লেগে যাবে। আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো এই ভুয়া সংবাদমাধ্যম, যা নির্বোধদের দ্বারা খুব সহজেই ছড়িয়ে দেওয়া হয়!
** ডোনাল্ড ট্রাম্পের করা [https://x.com/realDonaldTrump/status/1006891643985854464 পোস্ট] (১৩ জুন ২০১৮, সকাল ৬:৩০), যা মূলত টুইটারে দেওয়া হয়েছিল।
* এদিকে ডেমোক্র্যাটদের কারণে সাধারণ মানুষ কষ্ট পাচ্ছে। আমরা তৈরি করেছি, আর ওরাও তৈরি করেছে, এবং ওরাই এটা হতে দিয়েছে—একটি বিশাল শিশু পাচার শিল্প। ঠিক এটাই আজ দাঁড়িয়েছে। পাচারকারীরা—একটু ভেবে দেখুন—মানুষ পাচারকারীরা অঢেল অর্থ বানাচ্ছে। এটা লজ্জার বিষয়। এই আইনি ফাঁকফোকরগুলো যখন বিদেশী পরিবার আর অপ্রাপ্তবয়স্কদের অবৈধভাবে সীমান্ত পার হতে বাধ্য করে, তখন তাদের দেশে ছেড়ে দিতে আমরা বাধ্য হই।
** ২১ জুন ২০১৮ তারিখে মন্ত্রিসভার বৈঠকে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের]] [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-cabinet-meeting-9/ বক্তব্য]
* রাষ্ট্রপতির টুইট করা নিয়ন্ত্রণ বা কমানোর চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে, প্রিবাসের এর একটি কার্যকর সমাধান খুঁজছিলেন। যেহেতু এই টুইটগুলো প্রায়ই রাষ্ট্রপতির অত্যধিক টেলিভিশন দেখার কারণে শুরু হতো, তাই তিনি ওই টেলিভিশন বন্ধ করার পথ খুঁজছিলেন। কিন্তু টেলিভিশন দেখা ছিল ট্রাম্পের নিয়মিত কাজ। রবিবার রাতগুলো হতো সবচেয়ে খারাপ। ট্রাম্প তার গলফ রিসোর্টে সপ্তাহান্ত কাটিয়ে ঠিক এমন সময় হোয়াইট হাউসে ফিরতেন যখন তার বিরোধী নেটওয়ার্ক এমএসএনবিসি আর সিএনএনে রাজনৈতিক আলোচনা চলত। রাষ্ট্রপতি আর ফার্স্ট লেডির আলাদা শয়নকক্ষ ছিল। ট্রাম্প বেশিরভাগ সময় একাই তার ঘরে বিশাল টিভি চালিয়ে বসে থাকতেন; হাতে থাকত রিমোট, টিভো আর তার টুইটার অ্যাকাউন্ট। প্রিবাস রাষ্ট্রপতির শয়নকক্ষকে "শয়তানের কারখানা" এবং ভোরের সময় ও বিপজ্জনক রবিবার রাতগুলোকে "ডাইনিদের প্রহর" বলতেন। সকালের ব্যাপারে তার খুব একটা কিছু করার ছিল না, তবে সপ্তাহান্তের সূচির ওপর তার কিছুটা নিয়ন্ত্রণ ছিল। তিনি ট্রাম্পের রবিবার হোয়াইট হাউসে ফেরার সময়টা বিকালের দিকে পিছিয়ে দিতে শুরু করেন। ট্রাম্প রাত ৯টার ঠিক আগে হোয়াইট হাউসে পৌঁছাতেন, যখন এমএসএনবিসি আর সিএনএন সাধারণত হালকা ধরনের অনুষ্ঠান প্রচার করত যেখানে তাৎক্ষণিক রাজনৈতিক বিতর্ক বা তাতে ট্রাম্পের ভূমিকা নিয়ে কোনো আলোচনা থাকত না।
**বব উডওয়ার্ড, ''ফিয়ার: ট্রাম্প ইন দ্য হোয়াইট হাউস'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ১৯৫
* ট্রাম্প প্রশংসা পেতে পছন্দ করতেন তবে গ্রাহামকে বলতেন, "তুমি একজন মধ্যমপন্থী লোক। আমি চাই তুমি ১০০ ভাগ ট্রাম্পের পক্ষে থাকো।" এটি সেই আনুগত্যের অঙ্গীকারের মতোই ছিল যা এফবিআইয়ের তৎকালীন পরিচালক জেমস কোমি বলেছিলেন যে ট্রাম্প তার কাছে চেয়েছিলেন। কোমির মতে, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির প্রথম সপ্তাহে হোয়াইট হাউসের গ্রিন রুমে তাদের সেই বিখ্যাত একান্ত ডিনারের সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, "আমার আনুগত্য দরকার। আমি আনুগত্য আশা করি।" গ্রাহাম জিজ্ঞেস করলেন, "ঠিক আছে, সমস্যাটা কোথায়? আগে শুনি, তারপর বলব আমি ১০০ ভাগ আপনার পক্ষে কি না।" ট্রাম্প বললেন, "তুমি প্রায় ৮২ শতাংশ পক্ষে।" "আসলে কিছু দিন আমি ১০০ ভাগ থাকি, আবার কিছু দিন শূন্যও হতে পারি।" "আমি চাই তুমি সবসময় ১০০ ভাগ আমার লোক হয়ে থাকো।" গ্রাহাম পাল্টা জিজ্ঞেস করলেন, "আপনি যখন ভুল করবেন তখন আমি কেন বলব যে আপনি ঠিক? তাতে আপনার বা আমার কী লাভ? রাষ্ট্রপতির এমন মানুষ দরকার যারা সত্যিটা মুখের ওপর বলতে পারে। আমি আজেবাজে কথা বলছি কি না তা দেখার দায়িত্ব আপনার।"
** বব উডওয়ার্ড, ''ফিয়ার: ট্রাম্প ইন দ্য হোয়াইট হাউস'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ৩১৭
* কিন্তু সেই মানুষটি আর তার প্রেসিডেন্সির মধ্যে ডাউড এক করুণ ত্রুটি দেখতে পেয়েছিলেন। রাজনৈতিক বাদানুবাদ, এড়িয়ে যাওয়া, অস্বীকার করা, টুইট করা, ধোঁয়াশা তৈরি করা, "ভুয়া সংবাদ" বলে চিৎকার করা আর ক্ষোভ প্রকাশ, এই সবকিছুর মাঝে ট্রাম্পের একটি প্রধান সমস্যা ছিল যা ডাউড জানতেন কিন্তু রাষ্ট্রপতির সামনে তা বলতে পারতেন না: "আপনি একজন চরম মিথ্যাবাদী।"
** বব উডওয়ার্ড, ''ফিয়ার: ট্রাম্প ইন দ্য হোয়াইট হাউস'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ৩৫৭
==== জুলাই ২০১৮ ====
* কিন্তু আমাদের এটি খুব সাবধানে করতে হবে কারণ আমরা এখন #মিটু প্রজন্মের মধ্যে আছি, তাই আমাদের খুব সতর্ক থাকতে হবে। আমরা খুব আলতো করে সেই সরঞ্জামটি নেব এবং ধীরে করে ছুড়ে দেব, যাতে সেটি তার গায়ে লেগে হাতে চোট না পায়।
** [https://www.washingtonpost.com/politics/trump-mocks-metoo-movement-in-montana-rally/2018/07/05/fad40ce2-80b3-11e8-b660-4d0f9f0351f1_story.html?noredirect=on ৫ জুলাই ২০১৮ তারিখে ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন]
* ওসব অন্যান্য লোকেরা করে। আমি করি না। আমি খুবই সুসংগত। আমি একজন অত্যন্ত সুস্থির মেধাসম্পন্ন ব্যক্তি।
** কোনো সাংবাদিক তার বক্তব্যের স্ববিরোধিতা নিয়ে প্রশ্ন করলে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই উত্তর দেন, যা [https://www.timesofisrael.com/trump-once-again-proclaims-himself-a-very-stable-genius/ ট্রাম্প নিজেকে আবারও একজন ‘অত্যন্ত সুস্থির মেধাসম্পন্ন’ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করেছেন] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, দ্য টাইমস অফ ইসরায়েল (১২ জুলাই ২০১৮)
* [[ইউরোপ]]ে এই অভিবাসন হতে দেওয়াটা লজ্জার বিষয়। আমি মনে করি এটি ইউরোপের কাঠামো বদলে দিয়েছে এবং আপনারা যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেন, তবে এটি আর আগের মতো থাকবে না, এবং আমি সেটি ইতিবাচক অর্থে বলছি না। তাই ইউরোপে লাখ লাখ মানুষের এই অনুপ্রবেশ ঘটতে দেওয়াটা খুবই দুঃখজনক। আমার মনে হয় আপনারা আপনাদের সংস্কৃতি হারাচ্ছেন।
** [https://www.thesun.co.uk/news/6766531/trump-may-brexit-us-deal-off/ ''দ্য সান'' এর সাথে সাক্ষাৎকারে], [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], (১৩ জুলাই ২০১৮)
* সাহারা মরুভূমির সীমান্ত আমাদের [[মেক্সিকো]] সীমান্তের চেয়ে বড় হতে পারে না।
** স্পেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোসেপ বোরেলকে ফোনে বলেছিলেন [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। প্রেক্ষাপটটি ছিল স্পেনের ভূমধ্যসাগরীয় অভিবাসন সংকট মোকাবিলায় সাহারা মরুভূমি জুড়ে সীমান্ত প্রাচীর নির্মাণের জন্য ট্রাম্পের দেওয়া পরামর্শ। [https://eu.usatoday.com/story/news/politics/onpolitics/2018/09/20/trump-spain-wall-sahara-desert/1365944002/ পররাষ্ট্রমন্ত্রী: অভিবাসীদের ঠেকাতে স্পেনকে সাহারা মরুভূমি জুড়ে প্রাচীর নির্মাণের পরামর্শ দিয়েছেন ট্রাম্প]
* ইরানি রাষ্ট্রপতি রুহানির প্রতি: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আর কখনোই হুমকি দেবেন না, অন্যথায় আপনাকে এমন পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে যা ইতিহাসের খুব কম মানুষই আগে ভোগ করেছে। আমরা আর এমন কোনো দেশ নই যে আপনাদের উম্মাদনাপূর্ণ সহিংসতা ও মৃত্যুর কথা সহ্য করবে। সাবধান থাকুন!
** [https://www.theatlantic.com/politics/archive/2019/01/covfefe-trump-typo-turned-meme/579763/ দ্য আটলান্টিক: "ছয় ঘণ্টা তিন মিনিটের ইন্টারনেট বিশৃঙ্খলা"], [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আপনারা যা দেখছেন আর যা পড়ছেন, আসলে তা ঘটছে না।
** [https://time.com/5347737/trump-quote-george-orwell-vfw-speech/ 'আপনারা যা দেখছেন... তা ঘটছে না।' মানুষ ট্রাম্পের এই উক্তিটিকে জর্জ অরওয়েলের সাথে তুলনা করছে] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৪ জুলাই ২০১৮)
* আমরা ১৪৭টি নতুন এফ-৩৫ লাইটনিং যুদ্ধবিমান অর্ডার করছি। এটি একটি অবিশ্বাস্য বিমান। এটি রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম; এটি দেখা যায় না। তাই আমি যখন অপর পক্ষের লোকেদের সাথে কথা বলি, তারাও আমাদের এই বিমানটি অর্ডার করার চেষ্টা করছে। এটি যে দেখা যায় না, এই বিষয়টি তারা বেশ পছন্দ করেছে। আমি বললাম, 'আপনার বিমানের সাথে লড়াইয়ে এটি কেমন করবে?' তারা বলে, 'আমাদের একটা সমস্যা আছে: আমরা আপনার বিমানটি দেখতেই পাই না'।
** ''[https://www.popularmechanics.com/military/aviation/amp33658771/trump-keeps-saying-the-f-35-is-invisible/ ট্রাম্প বারবার বলছেন যে এফ-৩৫ অদৃশ্য]'' শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৪ জুলাই ২০১৮)
==== আগস্ট ২০১৮ ====
* আপনি জানেন, আপনি যদি বাইরে গিয়ে বাজার করতে চান, তবে কার্ডে আপনার ছবি লাগে, পরিচয়পত্র লাগে। আপনি বাইরে গিয়ে কিছু কিনতে চাইলেই পরিচয়পত্র আর আপনার ছবি লাগে। অনেক ক্ষেত্রেই একমাত্র যখন আপনি রাষ্ট্রপতি, সিনেটর, গভর্নর বা কংগ্রেস সদস্যের জন্য ভোট দিতে যান, তখন আপনার এসব কিছুর দরকার হয় না। এটা পাগলামি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://edition.cnn.com/2018/08/01/politics/trump-grocery-shopping-id/index.html "ট্রাম্প দাবি করেছেন যে বাজার করতে পরিচয়পত্র লাগে। আসলেই লাগে না।"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, ''সিএনএন'' (২১ আগস্ট, ২০১৮)
* আমাদের আইনগুলো খুব বাজে! এই ধারাবাহিক অভিবাসনের কথাই ধরুন না? একজন লোক আসে আর তার সাথে আরও ৩২ জন চলে আসে। যে ব্যক্তি ওয়েস্ট সাইড হাইওয়েতে ১৮ জনের ওপর গাড়ি চালিয়ে দিয়েছিল, এবং আমার মনে হয় আটজন মারা গিয়েছিল তাকেও সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ওই ধারাবাহিক অভিবাসনের কারণে আমেরিকার ভেতরেই তার পরিবারের ২২ জন সদস্য আছে। তাই রাশ, আমাদের এই বিষয়গুলো বদলাতে হবে।
** ১ আগস্ট, ২০১৮ তারিখে রাশ লিম্বোর সাথে সাক্ষাৎকারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* ধারাবাহিক অভিবাসনের ব্যাপারটা কেমন? ওটার কথা ভাবুন তো একবার? কেউ একজন আসলো, তারপর সে তার মা, বাবা এমনকি দূর সম্পর্কের আত্মীয়স্বজনদেরও নিয়ে আসলো। সে তাদের সবাইকেই নিয়ে আসে।
** ওহাইওতে ৮ আগস্টের এক নির্বাচনী জনসভায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://abcnews.go.com/US/times-trump-slammed-chain-migration-apparently-helped-wifes/story?id=57132429 এবিসি নিউজের] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত
==== সেপ্টেম্বর ২০১৮ ====
* গত ২৫ বা ৩০ বছরে আমাদের দিকে এমন কিছু আসতে কেউ দেখেনি। হয়তো আগে কখনোই দেখেনি। এটি ভীষণ বড় আর ভীষণ জলীয়। এতে বিপুল পরিমাণ জল আছে।
** [https://www.youtube.com/watch?v=MqHwQhZC8jQ ট্রাম্প হারিকেন ফ্লোরেন্স সম্পর্কে বলেছেন এটি 'ভীষণ বড় আর ভীষণ জলীয়'] শীর্ষক প্রতিবেদনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আমি সেই সব অসাধারণ নারী-পুরুষদের ধন্যবাদ জানাতে চাই যারা ফ্লোরেন্স মোকাবিলায় দারুণ কাজ করেছেন। এটি একটি শক্তিশালী হারিকেন। জলের পরিমাণের দিক থেকে এটি আমাদের দেখা সবচেয়ে সিক্ত হারিকেনগুলোর একটি।
** [https://youtube.com/watch?v=RiDpRVqqXfk&t=30 ট্রাম্প হারিকেন ফ্লোরেন্সকে বর্ণনা করেছেন "জলের দিক থেকে আমাদের দেখা সবচেয়ে সিক্ত"] শীর্ষক প্রতিবেদনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আর মজার ব্যাপার জানেন? যখন আমি এটি করেছিলাম, তখন আমি বেশ কঠোর ছিলাম এবং তিনিও তাই ছিলেন। আমাদের মধ্যে অনেক কথা কাটাকাটি হয়েছিল এবং তারপর আমরা একে অপরের প্রেমে পড়ে গেলাম। ঠিক আছে? না, সত্যিই। তিনি আমাকে চমৎকার সব চিঠি লিখেছিলেন। সেগুলো খুব সুন্দর চিঠি ছিল। আমরা প্রেমে পড়ে গেলাম।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-০৯-৩০ |শিরোনাম=একে অপরকে ‘চমৎকার চিঠি’ পাঠানোর পর ট্রাম্প বলেছেন তিনি আর কিম জং-উন ‘প্রেমে পড়েছিলেন’ |সাময়িকী=''দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট'' |অবস্থান=ইউকে |ইউআরএল=https://www.independent.co.uk/news/world/americas/trump-kim-jong-un-love-letters-relationship-denuclearisation-nuclear-weapons-a8561701.html}}
* একক কোনো বিদেশী সরবরাহকারীর ওপর নির্ভরতা কোনো রাষ্ট্রকে জবরদস্তি আর হুমকির মুখে ফেলতে পারে। আর এই কারণেই আমরা [[পোল্যান্ড]]ের মতো ইউরোপীয় দেশগুলোকে অভিনন্দন জানাই একটি বাল্টিক পাইপলাইন নির্মাণের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য যাতে দেশগুলো তাদের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল না থাকে। জার্মানি যদি দ্রুত তার পথ পরিবর্তন না করে তবে তারা পুরোপুরি রাশিয়ার জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]-এর ভাষণ, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-০৯-২৫ |শিরোনাম=জাতিসংঘে ট্রাম্প পোল্যান্ডের প্রশংসা করেছেন এবং রাশিয়ার জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতার কারণে জার্মানির সমালোচনা করেছেন |লেখক=রয়টার্স স্টাফ |সাময়িকী=''রয়টার্স'' |ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/us-un-assembly-usa-germany-idUSKCN1M527Y}} থেকে উদ্ধৃত
* আজ আমি আমাদের অসাধারণ অগ্রগতির কথা জানাতে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সামনে দাঁড়িয়েছি। দুই বছরেরও কম সময়ে আমার প্রশাসন আমাদের দেশের ইতিহাসে অন্য যেকোনো প্রশাসনের চেয়ে বেশি কাজ সম্পন্ন করেছে। আমেরিকার— এটি একদম সত্যি কথা। ''[পরিষদের হাস্যধ্বনি]'' আমি এমন প্রতিক্রিয়া আশা করিনি, তবে ঠিক আছে।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের ভাষণ, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-০৯-২৬ |শিরোনাম=বিশ্বায়নের বিপরীতে দেশপ্রেমকে দাঁড় করানো ট্রাম্পের জাতিসংঘের ভাষণ প্রমাণ করে যে দেশপ্রেম বলতে কী বোঝায় সে সম্পর্কে রাষ্ট্রপতির কোনো ধারণা নেই |লেখক=ড্যানিয়েল শাপিরো |সাময়িকী=''এনবিসি নিউজ'' |ইউআরএল=https://www.nbcnews.com/think/opinion/trump-s-u-n-speech-pitting-globalism-against-patriotism-proves-ncna913141}} থেকে উদ্ধৃত
* আমেরিকা আমেরিকানদের দ্বারা শাসিত হয়। আমরা বিশ্বায়নের আদর্শকে প্রত্যাখ্যান করি এবং [[দেশপ্রেম]]-এর তত্ত্বকে গ্রহণ করি।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের ভাষণ, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-০৯-২৫ |শিরোনাম=জাতিসংঘে ট্রাম্পের ভাষণ হাস্যরসের আর অবিশ্বাস্য অনুভূতির জন্ম দিয়েছে |লেখক=রবিন রাইট |সাময়িকী=''দ্য নিউ ইয়র্কার'' |ইউআরএল=https://www.newyorker.com/news/news-desk/trumps-speech-at-the-un-triggers-laughterand-disbelief}} থেকে উদ্ধৃত
==== অক্টোবর ২০১৮ ====
* আমি জানি আপনি চিন্তা করছেন না। আপনি কখনই তা করেন না।
** এক সাংবাদিক প্রশ্ন করার সময় তাকে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এ কথা বলেন। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-০২ |শিরোনাম=প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিককে বললেন: ‘আমি জানি আপনি চিন্তা করছেন না। আপনি কখনই করেন না’ |ইউআরএল=https://www.youtube.com/watch?v=ASOTct1woo8}}
* শুধুমাত্র তখনই করব যদি আমি ব্যক্তিগতভাবে তার পরীক্ষা নিতে পারি। এটি এমন কিছু হবে না যা করতে আমি খুব একটা আনন্দ পাব।
** এলিজাবেথ ওয়ারেনকে নেটিভ আমেরিকান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য।
** {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-১৫ |শিরোনাম=ওয়ারেন যদি তার নেটিভ আমেরিকান ডিএনএ প্রমাণ করতে পারেন তবে ট্রাম্প দাতব্য সংস্থায় ১০ লক্ষ ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এখন তিনি ইতস্তত করছেন। |লেখক=অ্যামি বি ওয়াং এবং ডিয়ানা পল |সাময়িকী=''ওয়াশিংটন পোস্ট'' |ইউআরএল=https://www.washingtonpost.com/politics/2018/10/15/trump-dared-elizabeth-warren-take-dna-test-prove-her-native-american-ancestry-now-what/}}
* বিজ্ঞানের প্রতি আমার এক ধরনের সহজাত বোধ আছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-১৫ |শিরোনাম=ট্রাম্প: বিজ্ঞানের প্রতি আমার ‘সহজাত প্রতিভা’ আমাকে বলছে যে জলবায়ু বিজ্ঞান ভুল |লেখক=জোনাথন চেইট |সাময়িকী=''নিউ ইয়র্ক ইনটেলিজেন্সার'' |ইউআরএল=https://nymag.com/intelligencer/2018/10/trump-i-have-a-natural-instinct-for-science.html}} থেকে উদ্ধৃত
* জানেন তো, একটা শব্দ আছে। ওটা কিছুটা সেকেলে হয়ে গিয়েছে। একে বলা হয় জাতীয়তাবাদী। আমি বলি, 'তাই নাকি? আমাদের ওই শব্দটা ব্যবহার করার কথা নয়?' জানেন আমি কী? আমি একজন জাতীয়তাবাদী।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-২৩ |শিরোনাম=টেড ক্রুজের পক্ষে প্রচার করার সময় ট্রাম্প নিজেকে ‘জাতীয়তাবাদী’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন |লেখক=জন ওয়ালশ |সাময়িকী=''বিজনেস ইনসাইডার'' |ইউআরএল=https://www.businessinsider.in/trump-declares-himself-a-nationalist-while-stumping-for-ted-cruz/articleshow/66327534.cms}} থেকে উদ্ধৃত
* এখন দেখুন কতটা হাস্যকর: আমরাই বিশ্বের একমাত্র দেশ যেখানে একজন মানুষ আসে, তার সন্তান হয়, আর সেই সন্তান মূলত ৮৫ বছরের জন্য ওই সব সুযোগ-সুবিধা সহ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হয়ে যায়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-৩০ |শিরোনাম=ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধ করতে চান |লেখক=অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস |সাময়িকী=''সিবিসি'' |ইউআরএল=https://www.cbc.ca/news/world/trump-birthright-citizenship-1.4883589}} থেকে উদ্ধৃত
* আমাকে সব সময় বলা হতো যে এর জন্য সংবিধান সংশোধন দরকার। জানেন কী? আসলে দরকার নেই। প্রথমত, আপনার ওটার প্রয়োজন নেই। দ্বিতীয়ত, আপনি অবশ্যই কংগ্রেসের কোনো আইনের মাধ্যমে এটি করতে পারেন।<br>কিন্তু এখন তারা বলছে যে আমি স্রেফ একটি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে এটি করতে পারি।<br>এটি প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে। একটি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমেই এটি ঘটবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-৩০ |শিরোনাম=ট্রাম্প কি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধ করতে পারেন? |লেখক=রবার্ট ফার্লে |সাময়িকী=''ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি'' |ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2018/10/can-trump-end-birthright-citizenship-by-executive-order/}} থেকে উদ্ধৃত
==== নভেম্বর ২০১৮ ====
* আপনাদের মেঝেগুলোর যত্ন নিতে হবে। মানে, বনের মেঝে। এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আপনি অন্যান্য দেশের দিকে তাকালে দেখবেন তারা কাজগুলো অন্যভাবে করে, আর সেটা একদম আলাদা এক গল্প। আমি ফিনল্যান্ডের রাষ্ট্রপতির সাথে ছিলাম, তিনি বলেছিলেন, "আমাদের পরিস্থিতি একদম আলাদা— আমরা একটি বনের জাতি।" তিনি এটাকে বনের জাতি বলেছিলেন। আর তারা পাতা পরিষ্কার করা, ঝাড়ু দেওয়া আর এসব কাজে প্রচুর সময় দেয়, তাই তাদের কোনো সমস্যা হয় না।
** প্যারাডাইস, ক্যালিফোর্নিয়া, ১৭ নভেম্বর ২০১৮, ''টাইম'' এর প্রতিবেদন অনুযায়ী উদ্ধৃত: [https://time.com/5458605/trump-finland-raking-reactions/ #রেকনিউজ: ট্রাম্প দেশটিকে 'বন পরিষ্কার করে' বলার পর ফিনল্যান্ডের মানুষ পাতা পরিষ্কারের ছবি দিয়ে তাকে নিয়ে উপহাস করছে], লেখক: অ্যাশলে হফম্যান; এবং ভিডিওসহ ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'' এর প্রতিবেদনে: [https://www.nytimes.com/2018/11/18/world-europe/finland-california-wildfires-trump-raking.html ট্রাম্প বলেছেন অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে ক্যালিফোর্নিয়া ফিনল্যান্ডের কাছ থেকে শিখতে পারে। তিনি কি সঠিক?], লেখক: প্যাট্রিক কিংসলি, ১৮ নভেম্বর ২০১৮।
** ফিনল্যান্ডের রাষ্ট্রপতি শউলি নিনিস্তো বলেছেন যে পাতা পরিষ্কার করা নিয়ে কোনো কথা হয়েছে বলে তার মনে পড়ছে না। [https://www.washingtonpost.com/world/the_americas/finnish-president-says-he-briefed-trump-on-forest-monitoring/2018/11/18/dd46a57e-eb32-11e8-8b47-bd0975fd6199_story.html]
* '''সংবাদদাতা''': আপনি কি জলবায়ু প্রতিবেদনটি এখনও পড়েছেন?<br />'''ট্রাম্প''': আমি দেখেছি। আমি এর কিছু অংশ পড়েছি এবং এটা ঠিক আছে।<br />'''সংবাদদাতা''': তারা বলছে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ভয়াবহ হতে পারে।<br />'''ট্রাম্প''': হ্যাঁ। আমি এটা বিশ্বাস করি না।<br />'''সংবাদদাতা''': আপনি এটা বিশ্বাস করেন না?<br />'''ট্রাম্প''': না, না। আমি এটা বিশ্বাস করি না। আর এখানে আরেকটা ব্যাপার আছে: আপনাকে চীন, জাপান এবং পুরো এশিয়া আর এই সব অন্যান্য দেশকেও হিসেবে রাখতে হবে— বুঝলেন তো, এটা আমাদের দেশ নিয়ে কথা বলছে। এই মুহূর্তে, আমরা আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিষ্কার অবস্থায় আছি এবং এটা আমার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু যদি আমরা পরিষ্কার থাকি আর পৃথিবীর অন্য সব জায়গা নোংরা থাকে, তবে সেটা খুব একটা ভালো হবে না।
** ডোনাল্ড ট্রাম্প, ২৬ নভেম্বর ২০১৮, চতুর্থ জাতীয় জলবায়ু মূল্যায়ন প্রসঙ্গে (''ওয়াশিংটন পোস্ট'': [https://www.washingtonpost.com/politics/2018/11/26/trump-responds-report-indicating-huge-cost-climate-change-i-dont-believe-it/ জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশাল ক্ষতির কথা বলা তার প্রশাসনের প্রতিবেদনের জবাবে ট্রাম্প: 'আমি এটা বিশ্বাস করি না'], লেখক: ফিলিপ বাম্প, ২৬ নভেম্বর ২০১৮, সংগৃহীত: ১ ডিসেম্বর ২০১৮; ''বিবিসি নিউজ'': [https://www.bbc.com/news/av/world-us-canada-46324405/i-don-t-believe-it-trump-on-climate-report 'আমি এটা বিশ্বাস করি না' - জলবায়ু প্রতিবেদন নিয়ে ট্রাম্প], ২৬ নভেম্বর ২০১৮, সংগৃহীত: ১ ডিসেম্বর ২০১৮; ''দ্য গার্ডিয়ান'', অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস: [https://www.theguardian.com/us-news/video/2018/nov/26/yeah-i-dont-believe-it-trump-on-administrations-own-climate-report-video] ‘হ্যাঁ, আমি এটা বিশ্বাস করি না’: তার নিজের প্রশাসনের জলবায়ু প্রতিবেদন নিয়ে ট্রাম্প)।
* আমার মতো অনেক মানুষ যাদের বুদ্ধিমত্তা অনেক উঁচু স্তরের, তাদের অন্যতম সমস্যা হলো আমরা সবকিছুতে খুব একটা বিশ্বাস করি না। আপনি আমাদের বাতাস আর জলের দিকে তাকান, এটি এখন রেকর্ড পরিমাণ পরিষ্কার। কিন্তু আপনি যখন চীন, এশিয়ার বিভিন্ন অংশ, দক্ষিণ আমেরিকা এবং রাশিয়ার মতো বিশ্বের আরও অনেক জায়গার দিকে তাকাবেন, তখন দেখবেন ওখানকার বাতাস অনেক বেশি নোংরা। আর বায়ুমণ্ডলের কথা বললে, মহাসাগরগুলো খুব ছোট এবং এসব ময়লা উড়ে বা ভেসে চলে আসে। মানে, আমরা সবসময় আমাদের সমুদ্রসৈকত থেকে হাজার হাজার টন আবর্জনা পরিষ্কার করি যা এশিয়া থেকে আসে। এটা স্রেফ প্রশান্ত মহাসাগর দিয়ে ভেসে আসে, আর আমরা বলি এগুলো কোথা থেকে আসছে। আর এটা শুরু করার জন্য অনেক মানুষের প্রয়োজন হয়।
** ডোনাল্ড ট্রাম্প, ২৮ নভেম্বর, ''ওয়াশিংটন পোস্ট''-এর সাক্ষাৎকারে, তার প্রশাসনের ১৩টি সংস্থার করা বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রতিবেদন তিনি বিশ্বাস করেন কি না সেই প্রসঙ্গে। [https://splinternews.com/man-with-very-high-level-of-intelligence-says-oceans-ar-1830699334] (অত্যন্ত বুদ্ধিমান একজন মানুষ বলছেন মহাসাগরগুলো খুব ছোট)।
==== ডিসেম্বর ২০১৮ ====
* আমি ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।<br>তিনি আপনাদের এক বিরাট সমর্থক। কারেনও তাই। তারা সেখানে যায় আর আপনাদের দেশকে ভালোবাসে। তারা আপনাদের দেশকে ভালোবাসে। আবার তারা এই দেশকেও ভালোবাসে। এটি একটি ভালো সমন্বয়, তাই না?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://forward.com/opinion/415676/trump-just-accused-jews-of-loving-israel-not-america-and-his-fans-cheered/ ৭ ডিসেম্বর, ২০১৮]।
* চাক, সীমান্ত নিরাপত্তার জন্য সরকার অচল করে দিতে পেরে আমি গর্বিত। এই দেশের মানুষ চায় না যে অপরাধী, সমস্যায় জর্জরিত লোকজন আর মাদক আমাদের দেশে ঢুকুক। আমি এর দায়িত্ব নেব। আমিই এটি বন্ধ করব। এর জন্য আমি আপনাদের দোষ দেব না। গতবার আপনারা এটি বন্ধ করেছিলেন। সেটি কাজে দেয়নি। এটি বন্ধ করার দায়ভার আমিই নিচ্ছি।
** ন্যান্সি পেলোসি এবং চাক শুমারের সাথে ওভাল অফিসের বৈঠকে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা ২০১৮-১৯ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ফেডারেল সরকার অচল অবস্থা-র দিকে নিয়ে যায়। "[https://www.upi.com/Top_News/US/2018/12/11/Trump-proud-to-shut-down-government-in-wall-talks-with-Democrats/6271544554657/ ডেমোক্র্যাটদের সাথে প্রাচীর সংক্রান্ত আলোচনায় সরকার অচল করতে পেরে ট্রাম্প 'গর্বিত']", ইউনাইটেড প্রেস ইন্টারন্যাশনাল (১২ ডিসেম্বর, ২০১৮)
* তুমি কি এখনও সান্টাতে বিশ্বাস করো? কারণ ৭ বছর বয়সে এটি অনেকটা শেষের দিকে, তাই না?
** ৭ বছরের এক শিশুকে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/australia-news/2018/dec/25/christmas-cheer-trump-tells-boy-that-believing-in-santa-at-seven-is-marginal ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৮]
* দেখুন, আমি ওভাবে দেখছি না। আমি বিবির সাথে কথা বলেছি, আমি বিবিকে বলেছি।<br>আর আপনারা জানেন, আমরা ইসরায়েলকে বছরে ৪.৫ বিলিয়ন ডলার দিই।<br>আর আপনারা যদি দেখেন, তারা নিজেদের রক্ষায় খুব ভালো করছে। তো বিষয়টি এমনই।<br>মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চিরকাল বিশ্বের পুলিশ হয়ে থাকতে পারে না।<br>আমরা সেটি করতে চাই না।
** ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৮ তারিখে [https://www.timesofisrael.com/trump-we-give-israel-billions-it-can-defend-itself-in-syria/ টাইমস অফ ইসরায়েলে] [[বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু]] প্রসঙ্গে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
=== ২০১৯ ===
* প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইদানীং ডেমোক্র্যাটদের সমাজতান্ত্রিক হওয়ার যে কথাগুলো বলছেন, আসলে বাস্তবতা হলো তিনিই হলেন বড় সরকারের রাজা। ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনেও কেন্দ্রীয় প্রশাসন বারাক ওবামার আমলের মতোই বড়, একচেটিয়া, কাণ্ডজ্ঞানহীন খরচকারী আর মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপকারী হয়ে আছে। অনেক ক্ষেত্রে এটি আগের চেয়েও বড়। ট্রাম্পের সমর্থকদের জন্য এটি একটি অপ্রীতিকর সত্য। সীমিত সরকারের প্রথাগত রক্ষণশীল চিন্তাধারায় না থেকে ট্রাম্প সরকারকে আরও ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে তুলেছেন। আমরা যখন তাকে জানাই যে তার হঠকারী পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করার জন্য সরকার কখনোই যথেষ্ট বড় বা শক্তিশালী হবে না, তখন তিনি খুব বিরক্ত হন। ওবামার আমলে আসলে মার্কিন কেন্দ্রীয় বাজেট ঘাটতি কমে আসছিল। ২০০৯ সালে ওবামা যখন দায়িত্ব নেন তখন এটি ছিল ১.৪ ট্রিলিয়ন ডলার, যা ২০১৬ সালে তিনি চলে যাওয়ার ঠিক আগে ৫৮৭ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছিল। এই উল্লেখযোগ্য সাফল্যের কৃতিত্ব কংগ্রেসের রিপাবলিকানদের পাওনা, যারা ২০১১ সালে হোয়াইট হাউসের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিলেন। তারা বাজেট নিয়ে এমন একটি চুক্তির দাবি করেছিলেন যা ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে আনবে। এটি ছিল বাজেট কন্ট্রোল অ্যাক্ট, এমন একটি আইন যা কেন্দ্রীয় খরচ কমিয়েছিল, ভবিষ্যতের ব্যয়ের ওপর কঠোর বার্ষিক সীমা আরোপ করেছিল এবং সরকারের "ক্রেডিট কার্ডের" ওপর একটি লাগাম টেনেছিল। এটি রক্ষণশীল "টি পার্টি" আন্দোলনের সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ৯৯-১০০
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের খরচ কমানোর প্রতি কোনো আগ্রহ ছিল না। তিনি হয়তো করদাতাদের অর্থ বাঁচানোর জন্য কাজ করছেন এমন একটি ভাব দেখানোর চেষ্টা করেন। আর এটা সত্যি যে কোনো বোকা পরিকল্পনা যদি অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়, তবে তাকে সেটা থেকে বিরত করা যায়। কিন্তু সেটি মানুষের টাকা বাঁচানোর জন্য নয়। তিনি আসলে সেই টাকা অন্য কিছুতে খরচ করতে চান যেখানে তার ব্যক্তিগত আগ্রহ আছে, যেমন বোমা বা সীমান্ত নিরাপত্তা। ট্রাম্প সেই সব মানুষকে ঘৃণা করেন যারা "হিসাবি" বা কিপটে। বর্তমানে তিনি সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ব্যবস্থাপনায় অঢেল টাকা ওড়াচ্ছেন। ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের টাকা ওড়ানোর দিনগুলোকে ভেগাস এর কোনো ক্যাসিনোর পাঁচ ডলারের টেবিলের মতো মনে হয়। এর ফলে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে বাজেট ঘাটতি প্রতি বছর বেড়েছে এবং বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। রাষ্ট্রপতি বার্ষিক আয়ের চেয়ে এক ট্রিলিয়ন ডলার বেশি খরচ করার পথে আছেন। শুধু ২০১৯ সালের দিকে তাকালেই তা বোঝা যায়। রাষ্ট্রপতি রেকর্ড ভঙ্গকারী ৪.৭ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজেট প্রস্তাব করেছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় সরকার এক বছরেই এত টাকা খরচ করুক। ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে আমেরিকার ঋণ, যার বড় অংশই আমরা অন্য দেশের কাছ থেকে ধার নিয়েছি, কয়েক ট্রিলিয়ন বেড়েছে এবং মোট ঋণের পরিমাণ এখন সর্বোচ্চ ২২ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এক হিসেব অনুযায়ী, আমাদের ঋণ পরিশোধ করতে হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি করদাতাকে গড়ে ৪ লক্ষ ডলার করে দিতে হবে। এটি পুরো আমেরিকার জন্য একটি ভয়াবহ সতর্ক সংকেত হওয়া উচিত। আমরা এভাবে টাকা ধার করে যেতে পারি না যা আমরা শোধ করতে পারব না। অন্যথায় আমাদের সন্তানদের এর জন্য চরম মূল্য দিতে হবে।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১০০
* ইচ্ছাকৃত অজ্ঞতা শব্দটিই আমাদের শত্রুদের প্রতি রাষ্ট্রপতির মনোভাব বর্ণনা করার সবচেয়ে সঠিক উপায়। তিনি যা দেখতে চান কেবল তা-ই দেখেন। ট্রাম্প যদি কোনো বিদেশী নেতাকে পছন্দ করেন, তবে সেই নেতার কারণে তৈরি হতে পারে এমন কোনো বিপদ বা তাদের গোপন উদ্দেশ্যগুলো তিনি মানতে রাজি হন না। এই কারণেই জাতি-রাষ্ট্রগুলোর হুমকি সম্পর্কে আমেরিকার বিস্তারিত গোয়েন্দা রিপোর্ট বা আমাদের ঘনিষ্ঠ মিত্রদের জরুরি সতর্কবার্তাকে তিনি খুব সহজে উড়িয়ে দিতে পারেন।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৬৭-১৬৮
* আমাদের শত্রুরা ঠিকই বুঝতে পেরেছে যে রাষ্ট্রপতিকে খুব সহজেই কুপোকাত করা যায়। টুইটারে দেওয়া তার যুদ্ধংদেহী হুমকিতে তারা বিচলিত হয় না কারণ তারা জানে তাকে ভুলিয়ে-ভালিয়ে কাজ হাসিল করা সম্ভব। তাদের কথায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প খুব সহজেই প্রভাবিত হন। আমরা সবাই তা দেখতে পাই। তোষামোদে তিনি খুব সহজেই গলে যান। আলোচনার সময় তিনি নতি স্বীকার করেন এবং স্রেফ ভালো চুক্তির মতো দেখতে এমন কিছুর জন্য তিনি অনেক বেশি ছাড় দিতে রাজি হয়ে যান, সেটি আসলে ভালো চুক্তি হোক বা না হোক। তারা মনে করে তিনি দুর্বল, আর এই সুযোগটাই তারা নেয়। আর যখন তা পারে না, তখন তারা স্রেফ তাকে পাত্তাই দেয় না।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৭৩
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথাগুলো কেবল তার দলকেই পাগল করে তুলছে না, বরং আমেরিকানদের মধ্যেও বিভেদ সৃষ্টি করছে। তিনি হয়তো টুইটার বা মাইকের সামনে ঝগড়া শুরু করেন, কিন্তু আমরা সেই লড়াই ঘরে ঘরে চালিয়ে যাই। গবেষণায় দেখা গেছে যে রিপাবলিকানরা আরও বেশি একরোখা হয়ে উঠছে এবং দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে চাইছে না, ডেমোক্র্যাটরাও একই কাজ করছে। দুই পক্ষ কেবল একটি বিষয়েই একমত হতে পারে, আর তা হলো এই বিভাজন সত্যিই বাড়ছে। ২০১৯ সালে প্রকাশিত পিউ রিসার্চ সেন্টার এর একটি জরিপে দেখা গেছে যে আমেরিকার প্রায় ৮৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ মনে করেন যে "দেশের রাজনৈতিক বিতর্ক এখন অনেক বেশি নেতিবাচক এবং সম্মানহীন হয়ে পড়েছে" এবং দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ বলেছেন যে এটি এখন আসল সমস্যার দিকে নজর দিচ্ছে না। তারা এর দায়ভার কার ওপর চাপিয়েছেন? অধিকাংশ মানুষই বিশ্বাস করেন যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প "রাজনৈতিক বিতর্কের ধরন ও প্রকৃতিকে আরও খারাপের দিকে নিয়ে গেছেন"। এই মৌখিক তিক্ততার ফলাফল বাস্তবেও দেখা যাচ্ছে। আমাদের এই বিভেদগুলো একে অপরের সাথে মেলামেশার সম্ভাবনা কমিয়ে দিচ্ছে, সরকারের প্রতি আস্থা কমিয়ে দিচ্ছে এবং দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমাদের আশাহত করছে। অন্য একটি জরিপ অনুযায়ী, ২০৫০ সালের কথা ভেবে আমেরিকানরা ভীষণ নিরাশ। অধিকাংশ মানুষই ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তখন পতনের মুখে থাকবে, অর্থনৈতিক বৈষম্যের ভারে জর্জরিত হবে এবং রাজনৈতিকভাবে আরও বেশি বিভক্ত হবে। শেষ পয়েন্টটিতে ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকান উভয় পক্ষই প্রায় সমানভাবে একমত হয়েছে। দেশের রাজধানীতে রাষ্ট্রপতির লাগামহীন কথাবার্তা তার নিজের পরিকল্পনাগুলোকেই বাধাগ্রস্ত করছে। আগে যেসব বিষয়ে কোনো বিতর্ক ছিল না, এখন ক্যাপিটল হিল এ সেসব বিষয়েও তিনি কারো সম্মতি পাচ্ছেন না। ডেমোক্র্যাটরা যে খুব একটা দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার চেষ্টা করছে তা নয়, কিন্তু রিপাবলিকান পার্টির প্রধান যদি তাদের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীর বদলে চিরশত্রু হিসেবে না দেখতেন তবে হয়তো কিছুটা আশা থাকত। এর পরিবর্তে, প্রতিটি বড় আইডিয়া প্রকাশের সাথে সাথেই বিষাক্ত হয়ে ওঠে। বাজেটের প্রতিটি লাইন যেন রাজনৈতিক রণক্ষেত্রের এক একটি পরিখা। আমরা সবসময় রাষ্ট্রপতির অগ্রাধিকারগুলো সফল করতে হিমশিম খাই কারণ তিনি নিজেই নিজের সবচেয়ে বড় শত্রু।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৯১-১৯২
=== ২০১৯ ===
* প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইদানীং ডেমোক্র্যাটরা আমেরিকাকে সমাজতান্ত্রিক বানানোর চেষ্টা করছে বলে যে কথাবার্তা বলছেন, তার বিপরীতে বাস্তবতা হলো তিনিই হলেন বড় সরকারের রাজা। ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে কেন্দ্রীয় প্রশাসন বারাক ওবামার আমলের মতোই বিশাল, এককেন্দ্রীক, খরচের ব্যাপারে কাণ্ডজ্ঞানহীন আর মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপকারী হয়ে আছে। অনেক ক্ষেত্রে এটি এখন আরও বড়। ট্রাম্পের সমর্থকদের জন্য এটি একটি অপ্রীতিকর সত্য। কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা সীমিত রাখার প্রথাগত রক্ষণশীল বিশ্বাসে অটল না থেকে ট্রাম্প বরং সরকারকে আরও ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে তুলেছেন। আমরা যখন তাকে জানাই যে তার হঠকারী পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করার জন্য সরকার কখনোই যথেষ্ট বড় বা শক্তিশালী হবে না, তখন তিনি খুব বিরক্ত হন। ওবামার আমলে আসলে মার্কিন কেন্দ্রীয় বাজেটের ঘাটতি কমছিল। ২০০৯ সালে ওবামা যখন দায়িত্ব নেন তখন এটি ছিল ১.৪ ট্রিলিয়ন ডলার, যা ২০১৬ সালে তিনি চলে যাওয়ার ঠিক আগে ৫৮৭ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছিল। এই উল্লেখযোগ্য সাফল্যের কৃতিত্ব কংগ্রেসের রিপাবলিকানদের পাওনা, যারা ২০১১ সালে হোয়াইট হাউসের সাথে একটি অচলাবস্থা তৈরি করেছিলেন। তারা এমন একটি বাজেট চুক্তির দাবি করেছিলেন যা ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে আনবে। এটি ছিল বাজেট কন্ট্রোল অ্যাক্ট, যা কেন্দ্রীয় খরচ কমিয়েছিল, ভবিষ্যতের ব্যয়ের ওপর কঠোর বার্ষিক সীমা আরোপ করেছিল এবং সরকারের "ক্রেডিট কার্ডের" ওপর একটি লাগাম টেনেছিল। এটি রক্ষণশীল "টি পার্টি" আন্দোলনের শ্রেষ্ঠ সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ৯৯-১০০
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের খরচ কমানোর প্রতি কোনো আগ্রহ ছিল না। তিনি হয়তো করদাতাদের অর্থ বাঁচানোর জন্য কাজ করছেন এমন একটি ভাব দেখানোর চেষ্টা করেন। আর এটা সত্যি যে কোনো বোকা পরিকল্পনা যদি অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়, তবে তাকে সেটা থেকে বিরত করা যায়। কিন্তু সেটি মানুষের টাকা বাঁচানোর জন্য নয়। তিনি আসলে সেই টাকা অন্য কিছুতে খরচ করতে চান যেখানে তার ব্যক্তিগত আগ্রহ আছে, যেমন বোমা বা সীমান্ত নিরাপত্তা। ট্রাম্প সেই সব মানুষকে অপছন্দ করেন যারা খুব হিসাব করে চলেন। বর্তমানে তিনি সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ব্যবস্থাপনায় অঢেল টাকা ওড়াচ্ছেন। ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের টাকা ওড়ানোর দিনগুলোকে লাস ভেগাস এর কোনো ক্যাসিনোর পাঁচ ডলারের টেবিলের মতো মনে হয়। এর ফলে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে বাজেট ঘাটতি প্রতি বছর বেড়েছে এবং তা বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। রাষ্ট্রপতি বার্ষিক আয়ের চেয়ে এক ট্রিলিয়ন ডলার বেশি খরচ করার পথে আছেন। শুধু ২০১৯ সালের দিকে তাকালেই তা বোঝা যায়। রাষ্ট্রপতি রেকর্ড ভঙ্গকারী ৪.৭ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজেট প্রস্তাব করেছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় সরকার এক বছরেই এত টাকা খরচ করুক। ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে আমেরিকার ঋণ, যার বড় অংশই আমরা অন্য দেশের কাছ থেকে ধার নিয়েছি, কয়েক ট্রিলিয়ন বেড়েছে এবং মোট ঋণের পরিমাণ এখন সর্বোচ্চ ২২ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এক হিসেব অনুযায়ী, আমাদের ঋণ পরিশোধ করতে হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি করদাতাকে গড়ে ৪ লক্ষ ডলার করে দিতে হবে। এটি পুরো আমেরিকার জন্য একটি ভয়াবহ সতর্ক সংকেত হওয়া উচিত। আমরা এভাবে টাকা ধার করে যেতে পারি না যা আমরা শোধ করতে পারব না। অন্যথায় আমাদের সন্তানদের এর জন্য চরম মূল্য দিতে হবে।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১০০
* ইচ্ছাকৃত অজ্ঞতা শব্দ জোড়া রাষ্ট্রপতির শত্রুদের প্রতি তার মনোভাব বর্ণনা করার সবচেয়ে সঠিক উপায়। তিনি যা দেখতে চান কেবল তা-ই দেখেন। ট্রাম্প যদি কোনো বিদেশী নেতাকে পছন্দ করেন, তবে সেই নেতার কারণে তৈরি হতে পারে এমন কোনো বিপদ বা তাদের গোপন উদ্দেশ্যগুলো তিনি মানতে রাজি হন না। এই কারণেই জাতি রাষ্ট্রগুলোর হুমকি সম্পর্কে আমেরিকার বিস্তারিত গোয়েন্দা রিপোর্ট বা আমাদের ঘনিষ্ঠ মিত্রদের জরুরি সতর্কবার্তাকে তিনি খুব সহজে উড়িয়ে দিতে পারেন।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৬৭-১৬৮
* আমাদের শত্রুরা ঠিকই বুঝতে পেরেছে যে রাষ্ট্রপতিকে খুব সহজেই ভুলিয়ে ভালিয়ে কাজ হাসিল করা যায়। টুইটারে দেওয়া তার যুদ্ধংদেহী হুমকিতে তারা বিচলিত হয় না কারণ তারা জানে তাকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তাদের কথায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প খুব সহজেই প্রভাবিত হন। আমরা সবাই তা দেখতে পাই। তোষামোদে তিনি খুব সহজেই গলে যান। আলোচনার সময় তিনি নতি স্বীকার করেন এবং স্রেফ ভালো চুক্তির মতো দেখতে এমন কিছুর জন্য তিনি অনেক কিছু ছেড়ে দিতে রাজি হয়ে যান, সেটি আসলে ভালো চুক্তি হোক বা না হোক। তারা বিশ্বাস করে যে তিনি দুর্বল, আর এই সুযোগটাই তারা নেয়। আর যখন তা পারে না, তখন তারা স্রেফ তাকে পাত্তাই দেয় না।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৭৩
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথাগুলো কেবল তার দলকেই অতিষ্ঠ করে তুলছে না, বরং আমেরিকানদের মধ্যেও বিভেদ সৃষ্টি করছে। তিনি হয়তো টুইটার বা মাইকের সামনে ঝগড়া শুরু করেন, কিন্তু আমরা সেই লড়াই ঘরে ঘরে চালিয়ে যাই। গবেষণায় দেখা গেছে যে রিপাবলিকানরা আরও বেশি একরোখা হয়ে উঠছে এবং দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে চাইছে না, ডেমোক্র্যাটরাও একই কাজ করছে। দুই পক্ষ কেবল একটি বিষয়েই একমত হতে পারে, আর তা হলো এই বিভাজন সত্যিই বাড়ছে। ২০১৯ সালে প্রকাশিত পিউ রিসার্চ সেন্টার এর একটি জরিপে দেখা গেছে যে আমেরিকার প্রায় ৮৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ মনে করেন যে "দেশের রাজনৈতিক বিতর্ক এখন অনেক বেশি নেতিবাচক এবং কম সম্মানজনক হয়ে পড়েছে" এবং দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ বলেছেন যে এটি এখন আসল সমস্যার দিকে নজর দিচ্ছে না। তারা এর দায়ভার কার ওপর চাপিয়েছেন? অধিকাংশ মানুষই বিশ্বাস করেন যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প "রাজনৈতিক বিতর্কের ধরন ও প্রকৃতিকে আরও খারাপের দিকে নিয়ে গেছেন।" এই মৌখিক তিক্ততার ফল বাস্তবেও দেখা যাচ্ছে। আমাদের এই বিভেদগুলো একে অপরের সাথে মেলামেশার সম্ভাবনা কমিয়ে দিচ্ছে, সরকারের প্রতি আস্থা কমিয়ে দিচ্ছে এবং দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমাদের নিরাশ করছে। অন্য একটি জরিপ অনুযায়ী, ২০৫০ সালের কথা ভেবে আমেরিকানরা ভীষণ চিন্তিত। অধিকাংশ মানুষই ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তখন পতনের মুখে থাকবে, অর্থনৈতিক বৈষম্যের ভারে জর্জরিত হবে এবং রাজনৈতিকভাবে আরও বেশি বিভক্ত হবে। শেষ পয়েন্টটিতে ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকান উভয় পক্ষই প্রায় সমানভাবে একমত হয়েছে। দেশের রাজধানীতে রাষ্ট্রপতির লাগামহীন কথাবার্তা তার নিজের পরিকল্পনাগুলোকেই বাধাগ্রস্ত করছে। আগে যেসব বিষয়ে কোনো বিতর্ক ছিল না, এখন ক্যাপিটল হিল এ সেসব বিষয়েও তিনি কারো সম্মতি পাচ্ছেন না। ডেমোক্র্যাটরা যে খুব একটা দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার চেষ্টা করছে তা নয়, কিন্তু রিপাবলিকান পার্টির প্রধান যদি তাদের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীর বদলে চিরশত্রু হিসেবে না দেখতেন তবে হয়তো কিছুটা আশা থাকত। এর পরিবর্তে, প্রতিটি বড় আইডিয়া প্রকাশের সাথে সাথেই বিতর্কিত হয়ে ওঠে। বাজেটের প্রতিটি লাইন যেন রাজনৈতিক রণক্ষেত্রের এক একটি পরিখা। আমরা সবসময় রাষ্ট্রপতির অগ্রাধিকারগুলো সফল করতে হিমশিম খাই কারণ তিনি নিজেই নিজের সবচেয়ে বড় শত্রু।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৯১-১৯২
==== জানুয়ারি ২০১৯ ====
* আমরা বেরিয়ে আসছি এবং খুব বুদ্ধিমত্তার সাথেই বেরিয়ে আসছি। আর আমরা জিতছি, আমরা জিতছি। ঠিক আছে। তবে আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে গেলে বলব, '''একটি নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে'''। আমি কখনোই বলিনি যে আমি কালকেই বেরিয়ে যাচ্ছি। আমি বলেছি যে আমি আমাদের সৈন্যদের ফিরিয়ে আনছি এবং তাদের সিরিয়া থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে। হ্যাঁ, একদম ঠিক। তবে আমরা খুব শক্তিশালীভাবেই বেরিয়ে আসছি।
** ২ জানুয়ারি, ২০১৯ তারিখে এপি আর্কাইভে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* ইরান এখন আর আগের মতো দেশ নেই। ইরান সিরিয়া থেকে তাদের লোক সরিয়ে নিচ্ছে। '''সত্যি বলতে, তারা সেখানে যা খুশি করতে পারে''', কিন্তু তারা লোক সরিয়ে নিচ্ছে। তারা ইয়েমেন থেকেও লোক সরিয়ে নিচ্ছে। ইরান এখন স্রেফ টিকে থাকতে চায়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০১-০২ |শিরোনাম=ট্রাম্প: ইরান সিরিয়াতে 'যা খুশি করতে পারে' |লেখক=এরিক কর্টেলেসা |সাময়িকী=''টাইমস অফ ইসরায়েল'' |ইউআরএল=https://www.timesofisrael.com/trump-iran-can-do-what-they-want-in-syria/}} শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত
* ড্রোন সম্পর্কে আমি যে কারও চেয়ে বেশি জানি। যত রকমের নিরাপত্তার ব্যবস্থা হতে পারে সে সম্পর্কে আমার ধারণা আছে। (জানুয়ারি ২০১৯)
* আমার মনে হয় নির্বাচনী প্রচারণার অর্থায়ন সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না, কারণ আমিই সবচেয়ে বড় অনুদানকারী। (১৯৯৯)
* টেলিভিশন রেটিং পায় এমন মানুষদের সম্পর্কে আমি যে কারও চেয়ে বেশি জানি। (অক্টোবর ২০১২)
* আইএসআইএস সম্পর্কে আমি জেনারেলদের চেয়েও বেশি জানি। (নভেম্বর ২০১৫)
* আমি সোশ্যাল মিডিয়া বুঝি। আমি টুইটার আর ফেসবুকের ক্ষমতা সম্ভবত যে কারও চেয়ে ভালো বুঝি, আমার সাফল্যের দিকে তাকালেই সেটা বোঝা যায়, তাই না? (নভেম্বর ২০১৫)
* আদালত সম্পর্কে আমি এই পৃথিবীর যেকোনো মানুষের চেয়ে বেশি জানি। (নভেম্বর ২০১৫)
* মামলা মোকদ্দমা সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কে জানে? আমিই তো এগুলোর রাজা। (জানুয়ারি ২০১৬)
* আমি রাজনীতিবিদদের যে কারও চেয়ে ভালো বুঝি।
* ভিসা ব্যবস্থা সম্পর্কে আমার চেয়ে ভালো কেউ জানে না। আমি এইচ ওয়ান বি বুঝি। আমি এইচ টু বি বুঝি। বিশ্বাস করুন, এই মঞ্চে আর কেউ জানে না কীভাবে এটি পরিবর্তন করতে হয়। (মার্চ ২০১৬)
* বাণিজ্য সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না। (মার্চ ২০১৬)
* মার্কিন সরকারি ব্যবস্থা সম্পর্কে আমার চেয়ে ভালো কেউ জানে না। (এপ্রিল ২০১৬)
* নবায়নযোগ্য শক্তি সম্পর্কে আমি পৃথিবীর যেকোনো মানুষের চেয়ে বেশি জানি। (এপ্রিল ২০১৬)
* আমার মনে হয় কর ব্যবস্থা সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না, সম্ভবত পৃথিবীর ইতিহাসেই কেউ জানে না। (মে ২০১৬)
* আমি ঋণের রাজা। আমি ঋণ সামলাতে দক্ষ। আমার চেয়ে ভালো ঋণ কেউ বোঝে না। (জুন ২০১৬)
* আমি টাকা পয়সার বিষয়গুলো যে কারও চেয়ে ভালো বুঝি। (জুন ২০১৬)
* দেখুন, একজন নির্মাতা হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প অবকাঠামো সম্পর্কে যতটা জানেন, এই দেশের ইতিহাসে আর কেউ তা জানেন না। (জুলাই ২০১৬)
* সিনেটর কোরি বুকার নিজের সম্পর্কে যা জানেন, আমি তার চেয়েও বেশি জানি। (জুলাই ২০১৬)
* আমার মনে হয় আমি অপর পক্ষ ডেমোক্র্যাটদের সম্পর্কে প্রায় সবার চেয়ে বেশি জানি। (নভেম্বর ২০১৬)
* নির্মাণ কাজ সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না। (মে ২০১৮)
* আমার মনে হয় আমি অর্থনীতি সম্পর্কে ফেডারেল রিজার্ভের চেয়েও ভালো জানি। (অক্টোবর ২০১৮)
* প্রযুক্তি প্রযুক্তি সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানি না। (ডিসেম্বর ২০১৮)
* ড্রোন সম্পর্কে আমি যে কারও চেয়ে বেশি জানি। যত রকমের নিরাপত্তার ব্যবস্থা হতে পারে সে সম্পর্কে আমার ধারণা আছে। (জানুয়ারি ২০১৯)
* মাথার ওপর ড্রোন ওড়া আর আমার মনে হয় এই ধরনের প্রযুক্তি সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না। (জানুয়ারি ২০১৯)
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.axios.com/2019/01/05/everything-trump-says-he-knows-more-about-than-anybody "সবকিছু যা ট্রাম্প দাবি করেন যে তিনি 'যে কারও চেয়ে বেশি জানেন'"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, ''অ্যাক্সিওস'' (৫ জানুয়ারি, ২০১৯)
* আমরা স্বাধীন হয়ে জন্মেছি আর স্বাধীনই থাকব। আজ রাতে আমরা আমাদের সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করছি যে আমেরিকা কখনোই একটি সমাজতান্ত্রিক দেশ হবে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০১-০৫ |শিরোনাম=ওকাসিও-কর্টেজের উদ্দেশ্যে ট্রাম্প: 'আমেরিকা কখনোই সমাজতান্ত্রিক দেশ হবে না' |লেখক=জোয়েল গেহরকে |সাময়িকী=''ওয়াশিংটন এক্সামিনার'' |ইউআরএল=https://www.washingtonexaminer.com/policy/defense-national-security/trump-to-ocasio-cortez-america-will-never-be-a-socialist-country}} শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত
* <p>''প্রশ্ন:'' এই সরকার অচল হওয়ার দায় কি আপনার ওপর বর্তায়?</p><p>''ডোনাল্ড ট্রাম্প:'' '''দায়ভার সবার ওপরই বর্তায়।'''</p>
** হোয়াইট হাউসের সংবাদ সম্মেলনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ১০ জানুয়ারি, ২০১৯, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০১-১০ |শিরোনাম=দায়িত্ব অস্বীকার করে ট্রাম্পের ঘোষণা, ‘দায়ভার সবার ওপরই বর্তায়’ |লেখক=স্টিভ বেনেন |সাময়িকী=এমএসএনবিসি |ইউআরএল=http://www.msnbc.com/rachel-maddow-show/rejecting-responsibility-trump-declares-the-buck-stops-everybody}} শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, এবং {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০১-১০ |শিরোনাম=ট্রাম্প: যে অচল অবস্থার দায় নিতে তিনি গর্বিত ছিলেন এখন বলছেন ‘দায়ভার সবার’ |লেখক=অলিভার উইলিস |সাময়িকী=আমেরিকান ইন্ডিপেন্ডেন্ট |ইউআরএল=https://americanindependent.com/trump-buck-stops-with-everybody-shutdown-proud/}} শীর্ষক প্রতিবেদনে ভিডিওসহ উদ্ধৃত
* আমাদের কাছে পিৎজা আছে, তিনশ হ্যামবার্গার আছে, প্রচুর ফ্রেঞ্চ ফ্রাই আছে, আমাদের সব প্রিয় খাবার। আমি দেখতে চাই আমরা যাওয়ার পর এখানে কী অবশিষ্ট থাকে, কারণ আমার মনে হয় না খুব বেশি কিছু থাকবে। যদি সেটি আমেরিকান হয়, তবে আমি এটি পছন্দ করি। এগুলো সব আমেরিকান খাবার।
** ''বিবিসি''-র একটি প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৪ জানুয়ারি, ২০১৯)
* আমি কি আপনাদের সামান্য কিছু সালাদ দেব যা ফার্স্ট লেডি আর সেকেন্ড লেডি মিলে বানাবেন? তারা কিছু সালাদ বানাবেন।<br>তখন আমি বললাম আপনারা তো সালাদ খুব একটা পছন্দ করেন না।<br>নাকি আমি বাইরে থেকে প্রায় এক হাজার হ্যামবার্ডার আনিয়ে নেব? বিগ ম্যাক।<br>তো আমরা আসলে সেটাই করলাম।<br>আমরা বার্গার কিং থেকে এক হাজার বার্গার কিনলাম।<br>সব আমেরিকান কোম্পানি।<br>বার্গার কিং, ওয়েন্ডি’স আর ম্যাকডোনাল্ডস।
** ''রোলিং স্টোনের'' একটি [https://www.rollingstone.com/politics/politics-news/trump-fast-food-white-house-779128/ প্রতিবেদনে] উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৪ জানুয়ারি, ২০১৯)
* গত রাতে হোয়াইট হাউসে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন ক্লেমসন টাইগারদের সাথে সময়টা দারুণ কেটেছে। সরকার অচল থাকার কারণে আমি তাদের প্রচুর পরিমাণে ফাস্ট ফুড খাইয়েছি (আমি নিজে টাকা দিয়েছি), ১০০০ এর বেশি হ্যামবার্ডার ইত্যাদি। এক ঘণ্টার মধ্যেই সব শেষ হয়ে গিয়েছিল। দারুণ সব ছেলে আর কী দারুণ পেটুক!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1085159285208858624 টুইট] (১৫ জানুয়ারি ২০১৯)
* জাতীয় আফ্রিকান আমেরিকান ইতিহাস মাস হলো আফ্রিকান আমেরিকানদের অমর কাহিনী এবং স্বাধীনতা, লক্ষ্য ও সুযোগের সেই উপহারগুলোকে পুনরায় জানার একটি উপলক্ষ যা তারা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রেখে গেছেন।
** [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/presidential-proclamation-national-african-american-history-month-2019/ ৩১ জানুয়ারি ২০১৯-এর ভোরের ঘোষণা WhiteHouse.gov] কৃষ্ণাঙ্গদের ইতিহাসের মাস সম্পর্কিত
*** [https://twitter.com/realdonaldtrump/status/1091427927475085312 ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ টুইটারে পুনরায় পোস্ট করা হয়েছে]
==== ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ====
* যখন আমরা ওই এলাকার খেলাফতের বাকি অংশটুকু দখল করে নেব, তখন তারা ইরাকে আমাদের ঘাঁটিতে চলে যাবে। শেষ পর্যন্ত তাদের কেউ কেউ বাড়িতে ফিরে আসবে। কিন্তু আমরা সেখানে থাকব এবং আমরা সেখানে থাকছিই--<br>আমাদের ইসরায়েলকে রক্ষা করতে হবে। আমাদের অন্যান্য জিনিসেরও সুরক্ষা দিতে হবে। তবে হ্যাঁ, তারা সময়ের ব্যবধানে ফিরে আসবে। দেখুন, আমরা বিশ্বকে রক্ষা করছি। ইতিহাসের যে কারও চেয়ে আমরা অনেক বেশি টাকা খরচ করছি। গত পাঁচ বছরে আমরা [[আফগানিস্তান]]ে বছরে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলার খরচ করেছি। হাতেগোনা কয়েকটি দেশ ছাড়া এই পরিমাণ টাকা অধিকাংশ দেশের শিক্ষা, চিকিৎসা এবং অন্য সব খাতের মোট খরচের চেয়েও বেশি।
** ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ তারিখে [https://www.cbsnews.com/news/donald-trump-interview-face-the-nation-margaret-brennan-today-2019-02-01/ ডোনাল্ড ট্রাম্পের] সাক্ষাৎকার যা ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ তারিখে [https://www.cbsnews.com/news/transcript-president-trump-on-face-the-nation-february-3-2019/ প্রচারিত] হয়, ''সিবিএস নিউজ''
* স্বাধীনতার মহৎ অন্বেষণে আমরা [[ভেনেজুয়েলা|ভেনেজুয়েলার]] জনগণের পাশে আছি। আমরা মাদুরো সরকারের নিষ্ঠুরতার নিন্দা জানাই। তাদের সমাজতান্ত্রিক নীতিগুলো ওই দেশটিকে দক্ষিণ আমেরিকার সবচেয়ে ধনী দেশ থেকে চরম [[দারিদ্র্য]] আর হতাশার দেশে পরিণত করেছে।
** [https://fair.org/home/the-media-myth-of-once-prosperous-and-democratic-venezuela-before-chavez/ "চ্যাভেজের আগে এক সময়কার সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক ভেনেজুয়েলা নিয়ে সংবাদমাধ্যমের মিথ"] শীর্ষক প্রতিবেদনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯)
* আমাদের দেশ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই আমাদের অধিকাংশ বড় অর্জনগুলো—স্বাধীনতা লাভ থেকে শুরু করে নাগরিক অধিকারের বিলোপ এবং নারীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা—এই সবকিছুতেই ধর্মপ্রাণ মানুষ নেতৃত্ব দিয়েছে।
** [https://www.huffingtonpost.com/entry/trump-civil-rights-abolition-prayer-breakfast_us_5c5e14ace4b0eec79b236874 ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯] তারিখে প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আসলে আমি মনে হয় এটি বলতে পারি, জাপানের প্রধানমন্ত্রী আবে আমাকে একটি চিঠির খুব সুন্দর অনুলিপি দিয়েছেন যা তিনি নোবেল পুরস্কার প্রদানকারী ব্যক্তিদের কাছে পাঠিয়েছেন। তিনি বলেছেন: '''"জাপানের পক্ষ থেকে আমি অত্যন্ত সম্মানের সাথে আপনার নাম প্রস্তাব করছি। আমি তাদের অনুরোধ করছি আপনাকে যেন নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়।"''' আমি বললাম, 'ধন্যবাদ।'<br>আমরা অনেক ভালো কাজ করছি। এই প্রশাসন দুর্দান্ত কাজ করছে কিন্তু আমরা তার কোনো স্বীকৃতি পাই না। '''তাই প্রধানমন্ত্রী আবে আমাকে—মানে এটি নোবেল পুরস্কারের জন্য পাঠানো একটি চমৎকার পাঁচ পৃষ্ঠার চিঠি যা তিনি তাদের কাছে পাঠিয়েছেন।''' জানেন কেন? কারণ জাপানের ওপর দিয়ে রকেট আর ক্ষেপণাস্ত্র উড়ে যাচ্ছিল এবং বিপদ সংকেত বেজে উঠছিল—আপনারা তা জানেন। এখন হঠাৎ করেই তারা ভালো বোধ করছে, তারা নিজেদের নিরাপদ মনে করছে। আমিই তা করেছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |শিরোনাম=ট্রাম্প এখনই যা বললেন তা আপনি বিশ্বাস করবেন না: চমকে দেওয়ার মতো ৬টি মুহূর্ত |লেখক=দারেহ গ্রেগরিয়ান |সাময়িকী=''এনবিসি নিউজ'' |ইউআরএল=https://www.nbcnews.com/politics/donald-trump/you-won-t-believe-what-trump-just-said-6-eye-n972166}} শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯)
====মার্চ ২০১৯====
*এই ঘরে এমন কিছু মানুষ আছেন যারা এটি পছন্দ করবেন না। আমাদের বেকারত্বের হার ৩.৭ শতাংশে নেমে এসেছে, যা দীর্ঘ সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন। কিন্তু এটা ভেবে দেখুন: আমি এই সব কোম্পানিগুলোকে দেশে ফিরিয়ে আনছি। তাদের কর্মী প্রয়োজন। চারদিকে যে চমৎকার সব কারখানাগুলো খুলছে, সেখানে কাজ করার জন্য আমাদের দেশে মানুষ নিয়ে আসতে হবে। নির্বাচনী প্রচারণার সময় আমি ঠিক এই কথাগুলো বলিনি, কারণ আমি জানতাম না যে আমরা এতটা সফল হব। কোম্পানিগুলো হুড়মুড় করে আমাদের দেশে ফিরে আসছে, আর এখন আমরা চাই মানুষ আসুক। আমাদের কর্মীদের আসা প্রয়োজন, তবে তাদের অবশ্যই আইনগতভাবে আসতে হবে এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে আসতে হবে। যোগ্যতা, যোগ্যতা, যোগ্যতা।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-2019-conservative-political-action-conference/ ৩ মার্চ ২০১৯]।
====এপ্রিল ২০১৯====
*সবাইকে হ্যালো। অর্থনীতির নতুন তথ্যগুলো এইমাত্র প্রকাশিত হয়েছে; সেগুলো খুব, খুব ভালো। অর্থনৈতিক দিক দিয়ে আমাদের দেশ অবিশ্বাস্য রকমের ভালো করছে। আপনাদের বেশিরভাগই এই খবরগুলো প্রচার করেন না, কারণ আপনাদের দৃষ্টিকোণ থেকে এটি শুনতে ভালো লাগে না। কিন্তু দেশ সত্যিই খুব, খুব ভালো চলছে। আমাদের এখানে এখন অনেক রোমাঞ্চকর কাজ হচ্ছে। অনেক কোম্পানি শীঘ্রই ঘোষণা করবে যে তারা যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসছে। তারা সবাই ফিরে আসছে। যেখানে আসল কর্মযজ্ঞ চলছে, তারা সেখানেই থাকতে চায়।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900207/html/DCPD-201900207.htm ৫ এপ্রিল ২০১৯]।
*আপনার বাড়ির আশেপাশে কোথাও যদি উইন্ডমিল (বায়ুকল) থাকে, তবে অভিনন্দন, আপনার বাড়ির দাম এক ধাক্কায় ৭৫ শতাংশ কমে গেল। '''আর তারা বলে যে এর শব্দে ক্যান্সার হয়।''' আপনিই আমাকে এটি বলেছিলেন, ঠিক আছে। ''[হাত দিয়ে গোল করে ইশারা করেন এবং মুখ দিয়ে একটি শব্দ করেন]'' আপনারা জানেন যে ওই জিনিসটা কেমন শব্দ করে... আর অবশ্যই এটি পাখিদের জন্য এক কবরস্থানের মতো।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], রিপাবলিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসনাল কমিটির এক বক্তৃতায়, ২ এপ্রিল ২০১৯, জাচারি বি. উলফের "[https://www.cnn.com/2019/04/03/politics/trumps-war-on-windmills-now-includes-wild-cancer-claim/index.html উইন্ডমিলের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের যুদ্ধে এখন ক্যান্সারের অদ্ভুত দাবিও যুক্ত হয়েছে]", সিএনএন (৩ এপ্রিল ২০১৯) এবং জন গ্রিনবার্গের "[https://www.politifact.com/truth-o-meter/statements/2019/apr/08/donald-trump/republicans-dismiss-trumps-windmill-and-cancer-cla/ ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্যান্সার ও উইন্ড টারবাইনের মধ্যকার হাস্যকর যোগসূত্র]", পলিটিফ্যাক্ট (৮ এপ্রিল ২০১৯)-এ উদ্ধৃত।
*যারা বেআইনিভাবে আমাদের দেশে ঢুকেছে, তাদের হাতে হাজার হাজার আমেরিকান নিষ্ঠুরভাবে প্রাণ হারিয়েছেন।
** রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প, ফেব্রুয়ারি মাসে তার স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণে, "[https://www.politico.com/story/2019/04/22/stephen-miller-immigration-trump-1284287 স্টিফেন মিলার যেভাবে অভিবাসন বিষয়টিকে ব্যক্তিগত জেদে পরিণত করেছেন]" প্রতিবেদন অনুযায়ী (২২ এপ্রিল ২০১৯)।
*তাদের টিকা নিতেই হবে। ভ্যাকসিন নেওয়াটা এখন ভীষণ জরুরি। অসুখটা এখন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। তাই টিকা নেওয়াটা আবশ্যিক।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], মেগান ভ্যাজকুয়েজের প্রতিবেদনে উল্লিখিত: "[https://www.cnn.com/2019/04/26/politics/donald-trump-measles-vaccines হামের প্রাদুর্ভাবের মুখে ট্রাম্প এখন বলছেন অভিভাবকদের অবশ্যই সন্তানদের টিকা দিতে হবে]", সিএনএন (২৬ এপ্রিল ২০১৯)।
[[File:Bernie Sanders.jpg|thumb|ডোনাল্ড ট্রাম্প... তার পুরো রাজনৈতিক কৌশল হলো আমেরিকান জনগণকে আড়াআড়ি ভাগ করা... তাই আপনার কাছে এমন একজন রাষ্ট্রপতি আছেন যিনি কোটিপতিদের কর ছাড় দেন... যিনি ৩ কোটি ২০ লক্ষ মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত করার ফন্দি আঁটেন... যিনি কর সুবিধার ৮৩ শতাংশই তুলে দিয়েছেন মাত্র শীর্ষ এক শতাংশ ধনকুবেরের হাতে... এখন ভাবুন, আপনি কীভাবে নির্বাচনে জিতবেন? কী বলবেন — ওই দেখুন নথিপত্রহীন মানুষগুলো, তারা সবাই আপনার শত্রু। 'আমার পাশে দাঁড়ান। তাদের ঘৃণা করুন। চলুন এই দেশটাকে ভাগ করে ফেলি।' ~ [[বার্নি স্যান্ডার্স]] ]]
[[File:Ahmed al-Sharaa in July 2025 (cropped).jpg|thumb|আমি তাকে একজন শান্তিকামী মানুষ হিসেবে দেখি। আমরা দুজনেই একই শত্রুর লক্ষ্যবস্তু হয়েছিলাম। ট্রাম্প ক্ষমতা, শক্তি এবং ফলাফল অর্জন করতে জানেন। ~ আহমেদ আল-শারা]]
*['''[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]'''] যা করছেন সেটা আসলে '''আমেরিকার মানুষকে তাদের জাতি বা জন্মপরিচয়ের ভিত্তিতে ভাগ করার একটা রাজনৈতিক চাল'''... '''আপনার কাছে এমন একজন রাষ্ট্রপতি আছেন যিনি কোটিপতিদের কর ছাড় দেন''' আর মেডিকেয়ার, মেডিকেইড ও সোশ্যাল সিকিউরিটির মতো সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পগুলো কমিয়ে দিতে চান। তিনি কিন্তু এগুলো নিয়ে নির্বাচনে প্রচার চালাবেন না। আপনার রাষ্ট্রপতি এমন একজন মানুষ '''যিনি ৩ কোটি ২০ লক্ষ মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করেছেন'''। সেটা নিয়েও তিনি প্রচার চালাবেন না। তিনি এমন এক রাষ্ট্রপতি '''যিনি কর সুবিধার ৮৩ শতাংশই দিয়েছেন শীর্ষ এক শতাংশ ধনীকে''', এই কথা বলেও তিনি প্রচার চালাবেন না। '''তাহলে আপনি কীভাবে নির্বাচনে জিতবেন? কী বলবেন — ওই যে দেখছেন নথিপত্রহীন মানুষগুলো, তারা সবাই আপনার শত্রু। 'আমার পাশে দাঁড়ান। তাদের ঘৃণা করুন। চলুন দেশটাকে ভাগ করে ফেলি।''''' আমি মনে করি এটি অত্যন্ত কুৎসিত আর বিপজ্জনক একটা পথ। আর এটা আটকানোর জন্য আমি আমার সাধ্যমতো সবকিছু করব।
**[https://www.newsweek.com/stand-me-hate-them-bernie-sanders-says-trumps-reelection-plan-based-dividing-country-1445407 ''আমার পাশে দাঁড়ান। তাদের ঘৃণা করুন: বার্নি স্যান্ডার্স বলছেন ট্রাম্পের পুনর্নির্বাচনী পরিকল্পনা দেশকে ভাগ করার ওপর ভিত্তি করে, নিউজউইক''], ক্রিস মোরান (২৩ জুন ২০১৯)।
*টাকার রহস্য খুঁজুন: এই প্রশাসন আসলে কিছু রাক্ষুসে ব্যবসায়ীদের পকেট ভরাতে ব্যস্ত, আর তার মূল্য দিতে হচ্ছে নিম্ন আয়ের সাধারণ শ্রমিক ও ক্রেতাদের। এটা সেই সরকার যারা উপভোক্তাদের স্বার্থ দেখার বদলে চড়া সুদে ঋণ দেওয়া মহাজনদের বাঁচাতে উঠেপড়ে লেগেছে এবং ছাত্রদের ঋণ মওকুফ প্রকল্পের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। এনএলআরবির নজিরবিহীন ইউনিয়ন-বিরোধী তৎপরতাও ঠিক একই ধরনের। এগুলো সাধারণ শ্রমিকদের আরও অসহায় আর অসুরক্ষিত করে তোলার ফন্দি, ঠিক যেমনটি এই প্রশাসন অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্ট এবং মেডিকেইড সম্প্রসারণ বাতিলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে—কারণ অর্থনীতির নিচের তলার মানুষগুলো যত বেশি ভয়ের মধ্যে থাকবে, তাদের শোষণ করা তত সহজ হবে।
** সাশা আব্রামস্কি, ''[https://www.thenation.com/article/archive/trump-labor-gm-strikes/ শ্রমিকদের অধিকারের ওপর ট্রাম্পের হামলা জোরদার হচ্ছে]'' (২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯), ''দ্য নেশন''।
*বেশ কিছু রাজ্যে শিক্ষকদের ধর্মঘটের পর সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে যে, সাধারণ মানুষের ৬৪ শতাংশই শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষে—যা গত ৫০ বছরের মধ্যে প্রায় সর্বোচ্চ। এগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। শ্রমিক আন্দোলন অবশেষে জেগে উঠছে। আর আমেরিকানরা এখন বুঝে গেছে যে ট্রাম্পের এই মেকি 'জনদরদী' সাজ আসলে ধনীদের আখের গুছিয়ে দেওয়ার একটা ফন্দি মাত্র।
** সাশা আব্রামস্কি, ''[https://www.thenation.com/article/archive/trump-labor-gm-strikes/ শ্রমিকদের অধিকারের ওপর ট্রাম্পের হামলা জোরদার হচ্ছে]'' (২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯), ''দ্য নেশন''।
====জুন ২০১৯====
*অভিশংসনের কোনো ভিত্তিই নেই। একেবারেই নেই। কোনো যোগসাজশ ছিল না। কোনো বাধাদান ছিল না। কোনো অপরাধ ছিল না। অপরাধ যা করার তা ডেমোক্র্যাটরা করেছে। ডেমোক্র্যাটরাই অপরাধ করেছে। অভিশংসনের কোনো আইনি ভিত্তি নেই। এটি একটি বিরাট উইচ হান্ট বা ডাইনি শিকার। ডেমোক্র্যাটসহ সবাই এটা জানে।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900366/html/DCPD-201900366.htm ২ জুন ২০১৯]।
*এই সপ্তাহে আমরা ন্যায়পরায়ণ দেশগুলোর এক বিশাল প্রচেষ্টা এবং ইতিহাসের অন্যতম মহৎ এক উদ্যোগকে স্মরণ করছি। পঁচাত্তর বছর আগে, ১ লক্ষ ৫০ হাজারের বেশি মিত্রবাহিনী এই দ্বীপে প্রস্তুতি নিচ্ছিল ফ্রান্সে প্যারাশুটে করে নামার জন্য, নরম্যান্ডির সমুদ্রসৈকত দখলে নেওয়ার জন্য এবং আমাদের সভ্যতাকে পুনরায় জয় করার জন্য। মহামান্যা যেমনটা মনে রেখেছেন, ব্রিটিশ জনগণ প্রায় ৫ বছর ধরে এই দিনটির জন্য আশা, প্রার্থনা এবং লড়াই করে আসছিলেন। ১৯৪০ ও ১৯৪১ সালের ব্লিৎজের সময় যখন ব্রিটেন একা লড়াই করছিল, তখন নাৎসি যুদ্ধযন্ত্রগুলো এই দেশে এবং এই চমৎকার শহরে হাজার হাজার বোমা ফেলেছিল। কেবল বাকিংহাম প্যালেসেই ১৬ বার বোমা হামলা চালানো হয়েছিল। সেই ঘোর দুর্দিনে এই দেশের মানুষ বিশ্বকে দেখিয়েছিল ব্রিটিশ হওয়া মানে কী। তারা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে রাস্তা পরিষ্কার করেছে, নিজেদের বিধ্বস্ত বাড়িগুলোতে ইউনিয়নের পতাকা উড়িয়েছে এবং জয়ের জন্য লড়াই চালিয়ে গেছে। তারা শুধু জয়ই চেয়েছিল। যুক্তরাজ্যের ছেলে-মেয়েদের সাহস নিশ্চিত করেছে যে আপনাদের ভাগ্য চিরকাল আপনাদের হাতেই থাকবে। এই সবকিছুর মধ্য দিয়ে রাজপরিবার ছিল কমনওয়েলথের অটল সংহতির এক অবিচল মুখ।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900368/html/DCPD-201900368.htm ৩ জুন ২০১৯]।
*আজ সন্ধ্যায় আমরা ঈশ্বরের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের সেই সাহসী সন্তানদের জন্য যারা নাৎসি এবং নাৎসি শাসনকে পরাজিত করে লক্ষ লক্ষ মানুষকে স্বৈরশাসন থেকে মুক্ত করেছিলেন। আমাদের দেশগুলোর মধ্যকার বন্ধন সেই "মহৎ ক্রুসেডের" মাধ্যমেই চিরতরে সিলমোহর হয়ে গেছে। আমাদের এই যৌথ বিজয় ও ঐতিহ্যকে সম্মান জানানোর পাশাপাশি আমরা সেই অভিন্ন মূল্যবোধগুলোকে আবারও স্বীকার করছি যা সুদূর ভবিষ্যতেও আমাদের ঐক্যবদ্ধ রাখবে: মুক্তি, সার্বভৌমত্ব, আত্মনিয়ন্ত্রণ, আইনের শাসন এবং সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের দেওয়া অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ থেকে আজ পর্যন্ত মহামান্যা এই অমূল্য ঐতিহ্যগুলোর এক অবিচল প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি সেই মর্যাদা, দায়িত্ববোধ এবং দেশপ্রেমের চেতনাকে ধারণ করেছেন যা প্রতিটি ব্রিটিশ হৃদয়ে সগৌরবে স্পন্দিত হয়। সব আমেরিকানের পক্ষ থেকে আমি আমাদের জনগণের চিরন্তন বন্ধুত্ব, আমাদের দেশগুলোর প্রাণশক্তি এবং মহামান্যা রানীর দীর্ঘ ও সত্যিই অসাধারণ রাজত্বের জন্য শুভকামনা জ্ঞাপন করছি। ধন্যবাদ।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900368/html/DCPD-201900368.htm ৩ জুন ২০১৯]।
*আপনি ভিয়েতনাম যুদ্ধের কথা বলছেন, অথচ সেই সময়ে দেশটির কথা কেউ শোনেনি।
** ১৯৬৮ সালে ভিয়েতনাম সম্পর্কে মার্কিনদের সাধারণ ধারণা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এমন মন্তব্য করেছিলেন (যখন ভিয়েতনামে প্রায় ৫ লক্ষ মার্কিন সেনা মোতায়েন ছিল); ([https://www.japantimes.co.jp/news/2019/06/06/world/politics-diplomacy-world/trump-says-never-fan-vietnam-war-claims-americans-hadnt-heard-country-1968/#.XraZ4hMzbOQ "ট্রাম্প বলেছেন তিনি 'কখনও ভক্ত ছিলেন না' ভিয়েতনাম যুদ্ধের, এবং দাবি করেছেন যে ১৯৬৮ সালে আমেরিকানরা দেশটির কথা শোনেনি"], ''জাপান টাইমস''। ২০১৯-০৬-০৫।
*আমার মনে হয় গতকাল অনেক অগ্রগতি হয়েছে, তবে আমাদের আরও অনেক দূর এগোতে হবে। মেক্সিকো বহু বছর ধরে শত শত কোটি ডলার আয় করছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর এক বিশাল ভাগ্য গড়ে তুলছে। তাদের এগিয়ে আসতে হবে, যথাযথ দায়িত্ব নিতে হবে, এবং হয়তো তারা তা করবেও। আমরা দেখব কী হয়। তারা সমস্যার সমাধান করতে পারে। ডেমোক্র্যাটরা—কংগ্রেস এক ভয়াবহ বিপর্যয়ে পরিণত হয়েছে। তারা বদলাবে না। তারা কিছুই করবে না। তারা অবাধ অভিবাসন চায়—আমাদের দেশে যেন অভিবাসনের ঢল নামে। তারা পরোয়া করে না কে ঢুকছে। তাদের কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড আছে কি না তাতেও তাদের কিছু যায় আসে না। এতে কোনো তফাত হয় না। তারা কিছুই পাল্টাবে না। আমরা তাদের কাছে গিয়ে বলি, "চলুন অভিবাসন আইনগুলো ঠিক করি।" তারা শুধু এর খারাপটা দেখতে চায়। পরিস্থিতি যত খারাপ হয়, তারা তত বেশি খুশি হয়। এটাই হলো বাস্তবতা, আর আমার মনে হয় নির্বাচন পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই থাকবে। এটি অত্যন্ত লজ্জাজনক। কারণ সত্যি বলতে কী, কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাটরা যদি কিছু পরিবর্তন করতে রাজি হতো তবে আমরা এই সমস্যার খুব সহজেই সমাধান করতে পারতাম, কিন্তু তারা রাজি নয়। আর বিষয়টি এমনই। তারা শুধু সময় পার করতে চায়। তারা খুব খারাপ পরিস্থিতি দেখতে চায়। অপরাধ নিয়ে তাদের কোনো মাথা ব্যথা নেই। আমাদের দেশে মাদকের ঢল নামছে তা নিয়েও তাদের পরোয়া নেই। তাদের কিছুই আসে যায় না। এর পুরোটাই রাজনীতি। এটি এক নৃশংস কারবার। সুতরাং পরিস্থিতি এমনই। তবে মেক্সিকোর সাথে আমাদের দারুণ কথা হচ্ছে। দেখা যাক কী হয়। তবে বেশ নাটকীয় কিছু ঘটতে পারে। আমরা মেক্সিকোকে বলেছি যে শুল্ক প্রয়োগ করা হবে। আর আমি সত্যিই তা করতে চাই। এতে আমি খুব খুশি। অনেক লোক, যাদের মধ্যে সিনেটররাও আছেন, শুল্কের কথা এলে তারা কী নিয়ে কথা বলছেন সে সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণাই নেই। একদমই কোনো ধারণা নেই। যখন আপনার কাছে টাকা থাকে, যখন আপনার কাছে পণ্য থাকে, যখন আপনার কাছে এমন কিছু থাকে যা সবাই চায়, তখন শুল্ক নিয়ে আপনি খুব সুবিধাজনক অবস্থানে থাকেন এবং আমরা এখন সেখানেই আছি। আমরা হলাম পিগিব্যাংক। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হলো সেই পিগিব্যাংক। এখানে সেই সব অর্থ আছে যা অন্যরা আমাদের কাছ থেকে কেড়ে নিতে চায়, তবে এখন আর তারা তা সহজে নিতে পারছে না। এখন পরিস্থিতি অনেক আলাদা। চীনের সাথে আমাদের আলোচনা—অনেক কৌতূহলী সব ঘটনা ঘটছে। দেখা যাক কী হয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900372/html/DCPD-201900372.htm ৬ জুন ২০১৯]।
*''রিপোর্টার:'' আপনি কি ইরানের সাথে যুদ্ধে যেতে রাজি আছেন?<br />''ট্রাম্প:'' আপনি নিজেই জানতে পারবেন। জানতে পারবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{cite news|date=২০ জুন ২০১৯|title=ইরানের সাথে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প জনগণকে বলছেন 'আপনারা জানতে পারবেন'|work=দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট|url=https://www.washingtonpost.com/video/world/trump-tells-public-youll-find-out-when-asked-about-a-war-with-iran/2019/06/20/18f8c92d-b370-4a01-a948-4144be20f730_video.html}}
* কোনো এক কারণে আমাদের মধ্যে একটা চমৎকার বোঝাপড়া বা অন্য কিছু কাজ করে। দেখা যাক কী হয়। আমাদের অনেকটা পথ পাড়ি দেওয়া বাকি। তবে আমার কোনো তাড়াহুড়ো নেই... তাই আমি শুধু এটুকুই বলতে চাই যে আমরা ডিএমজেডের দিকে যাচ্ছি। এ'''ই পরিকল্পনাটা আমার অনেক আগে থেকেই ছিল, তবে কাল হঠাৎ মাথায় এল''' যে হয়তো একবার হাই-হ্যালো করা যায়, দ্রুত হাত মেলানো যায় এবং কুশল বিনিময় করা যায়।
** দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে ব্লু হাউসে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের সংবাদ সম্মেলন, {{উদ্ধৃতি|date=2019-06-30 |title=ট্রাম্প: কিম এবং আমার মধ্যে "একটি নির্দিষ্ট রসায়ন আছে" |periodical=সিএনএন |url=https://edition.cnn.com/politics/live-news/trump-dmz-kim-live-intl-hnk/h_8b23e071903b007d8ff1934be8457d2c}} অনুযায়ী।
=====ফ্রান্সের কলভিল-সুর-মেয়ারে ডি-ডের ৭৫তম বার্ষিকীতে ভাষণ=====
<small>[https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900373/html/DCPD-201900373.htm প্রতিলিপি] (৬ জুন, ২০১৯)</small>
* এখানে আজ আপনাদের সাথে ৬০ জনেরও বেশি প্রবীণ যোদ্ধা উপস্থিত আছেন, যারা ডি-ডে’র সেই লড়াইয়ে ময়দানে নেমেছিলেন। আপনাদের কাছে আমাদের এই ঋণ কোনোদিন শোধ হওয়ার নয়। আজ আমরা আপনাদের প্রতি আমাদের চিরন্তন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আপনারা যখন বয়সে তরুণ ছিলেন, তখন এক মহৎ অভিযানে নিজেদের জীবন সঁপে দিয়েছিলেন যা ছিল ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এক উদ্যোগ। আপনাদের সেই অভিযান ছিল এক মহাকাব্যিক যুদ্ধের কাহিনী, যেখানে ন্যায় আর অন্যায়ের মধ্যকার এক প্রচণ্ড ও চিরস্থায়ী লড়াই ফুটে উঠেছিল। ১৯৪৪ সালের ৬ই জুন, আপনারা এক বিস্ময়কর ক্ষমতার অধিকারী বিশাল এক মুক্তিসেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন। মাসের পর মাস পরিকল্পনার পর মিত্রবাহিনী এই প্রাচীন সমুদ্রতীরকে বেছে নিয়েছিল নাৎসি সাম্রাজ্যের পৈশাচিক স্বৈরাচারকে পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য। যুদ্ধের শুরুটা হয়েছিল আমাদের মাথার ওপরের ওই আকাশেই। মধ্যরাতের সেই চরম উত্তেজনাকর প্রথম কয়েক ঘণ্টায় ১,০০০টি বিমান গর্জন করে উড়ে গিয়েছিল, আর ১৭,০০০ আকাশসেনা ওই অরণ্যের ওপারে ঘুটঘুটে অন্ধকারের মধ্যে ঝাঁপ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এরপর যখন ভোর হলো, তখন এই পাহাড়গুলো দখল করে রাখা শত্রুরা দেখল পৃথিবীর ইতিহাসের বৃহত্তম নৌ-রণতরীর বহর। উপকূল থেকে মাত্র কয়েক মাইল দূরে ৭,০০০ জাহাজ ১ লক্ষ ৩০ হাজার যোদ্ধা নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল।
* তারা ছিলেন মুক্ত ও স্বাধীন বিভিন্ন দেশের নাগরিক, যারা দেশমাতৃকা এবং কোটি কোটি অজাত প্রজন্মের প্রতি নিজেদের কর্তব্যে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলেন। সেখানে ছিলেন ব্রিটিশরা, যাদের আভিজাত্য আর অদম্য মানসিক শক্তি তাদের ডানকার্কের ভয়াবহ সময় আর লন্ডনের ব্লিৎজ কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করেছিল। নাৎসিদের সেই উন্মাদনার চেয়ে ব্রিটিশদের আত্মমর্যাদাবোধ ছিল অনেক বেশি শক্তিশালী। আপনাদের ধন্যবাদ। সেখানে ছিলেন কানাডিয়ানরা, যাদের প্রগাঢ় সম্মানবোধ আর আনুগত্য একদম শুরু থেকেই তাদের ব্রিটেনের পাশে দাঁড়িয়ে যুদ্ধ করতে বাধ্য করেছিল। সেখানে ছিলেন লড়াকু পোলিশরা, কঠোর নরওয়েজিয়ানরা এবং সাহসী অস্ট্রেলিয়ানরা। সেখানে ছিলেন ফরাসি কমান্ডোরা, যাদের সাথে খুব দ্রুতই যোগ দিয়েছিল তাদের হাজার হাজার সাহসী দেশবাসী যারা ফরাসি বীরত্বের দীর্ঘ ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় লিখতে প্রস্তুত ছিল। আর সবশেষে ছিলেন আমেরিকানরা। তারা এসেছিলেন সুবিশাল গ্রামাঞ্চল, ঝলমলে শহর আর শক্তিশালী শিল্প নগরীগুলো থেকে। যুদ্ধের আগে তাদের অনেকেরই নিজের এলাকার বাইরে পা দেওয়ার সুযোগ হয়নি। অথচ আজ তারা নিজেদের ঘর থেকে অর্ধ-পৃথিবী দূরে জীবন উৎসর্গ করতে এসেছেন।
* ওমাহা নামের এই সমুদ্রতীরটি নাৎসিরা ভয়াবহ মারণাস্ত্র আর বালির নিচে অসংখ্য মাইন পুঁতে রেখে সুরক্ষিত করেছিল। এখানেই হাজার হাজার আমেরিকান নেমেছিলেন। সেই সকালে যারা ল্যান্ডিং ক্রাফটে চড়েছিলেন, সেই সেনারা জানতেন যে তাদের কাঁধে কেবল একজন সৈনিকের সরঞ্জাম নেই, বরং জড়িয়ে আছে গোটা পৃথিবীর ভাগ্য। কর্নেল জর্জ টেলর, যার ১৬তম পদাতিক রেজিমেন্ট প্রথম আক্রমণকারী দলের সাথে যোগ দিয়েছিল, তাকে একবার জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: যদি জার্মানরা ঠিক ওই মুহূর্তেই আপনাদের সমুদ্রসৈকতে আটকে দিত, তবে কী হতো? এই মহান আমেরিকান জবাব দিয়েছিলেন: "কেন, আমাদের ঠিক পেছনেই ১৮তম পদাতিক বাহিনী আসছে। ২৬তম পদাতিক বাহিনীও আসবে। এরপর ২য় ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনও সমুদ্রে প্রস্তুত আছে। এছাড়া ৯ম ডিভিশন, ২য় আরমর্ড, ৩য় আরমর্ড আর বাকি সবাই তো আছেই। হয়তো ১৬তম রেজিমেন্ট সফল হবে না, কিন্তু কেউ না কেউ ঠিকই সফল হবে।"
* ৯,৩৮৮ জন তরুণ আমেরিকান এই সুন্দর ভূমিতে সাদা ক্রস আর স্টার অব ডেভিডের নিচে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন। তাদের প্রত্যেককে একেকটি ফরাসি পরিবার নিজেদের আপনজন হিসেবে গ্রহণ করেছে। তারা ফ্রান্সের সব প্রান্ত থেকে এখানে আসেন আমাদের ছেলেদের দেখাশোনা করতে। তারা হাঁটু গেড়ে বসেন, কাঁদেন, প্রার্থনা করেন এবং ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। তারা কখনও ভুলবেন না। আজ আমেরিকা ফরাসি জনগণকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছে আমাদের প্রিয় শহীদদের সম্মান জানানোর জন্য। আপনাদের অনেক অনেক ধন্যবাদ।
* আমাদের সকল বন্ধু ও অংশীদারদের প্রতি বলতে চাই: আমাদের এই প্রিয় মৈত্রী যুদ্ধের উত্তাপে গড়ে উঠেছে, যুদ্ধের অগ্নিপরীক্ষায় পরীক্ষিত হয়েছে এবং শান্তির আশীর্বাদে প্রমাণিত হয়েছে। আমাদের এই বন্ধন অবিচ্ছেদ্য।
* সারা বিশ্ব থেকে আমেরিকানরা এই জায়গার প্রতি এক টান অনুভব করে, যেন এটি আমাদের আত্মারই একটি অংশ। আমরা এখানে কেবল তারা কী করেছিলেন তার জন্য আসি না, বরং তারা কেমন মানুষ ছিলেন সেই বীরত্বের টানেই ফিরে আসি। তারা ছিলেন তরুণ, যাদের সামনে গোটা জীবন পড়ে ছিল। তারা ছিলেন স্বামী, যারা নিজেদের তরুণী স্ত্রীদের বিদায় জানিয়ে কর্তব্যকেই নিয়তি হিসেবে মেনে নিয়েছিলেন। তারা ছিলেন বাবা, যারা তাদের সন্তানদের মুখ দেখার সুযোগ পাননি কারণ তাদের একটি কাজ সম্পন্ন করার ছিল। আর ঈশ্বরকে সাক্ষী রেখে তারা সেই কাজ পূরণ করতে যাচ্ছিলেন। তারা ঢেউয়ের পর ঢেউয়ের মতো এগিয়ে গিয়েছিলেন—কোনো প্রশ্ন বা দ্বিধা ছাড়াই।
* আমেরিকান অস্ত্রের শক্তির চেয়েও বেশি শক্তিশালী ছিল আমেরিকানদের হৃদয়ের তেজ। এই মানুষগুলো এক অদম্য শক্তির জোরে নরকের আগুনের মধ্য দিয়ে ছুটে গিয়েছিলেন যা কোনো অস্ত্র ধ্বংস করতে পারত না আর তা হলো এক মুক্ত ও গর্বিত জাতির প্রগাঢ় দেশপ্রেম। তারা নিয়ন্ত্রণ বা আধিপত্য বিস্তারের জন্য লড়েননি, লড়েছিলেন স্বাধীনতা, গণতন্ত্র আর স্বশাসনের জন্য। তারা লড়াই করেছিলেন ঘর আর দেশের প্রতি ভালোবাসা, সেই চেনা রাস্তা, স্কুল মাঠ, গির্জা আর প্রতিবেশী সেই পরিবার আর সমাজের জন্য যারা আমাদের এমন মহৎ মানুষ উপহার দিয়েছে। তারা বিশ্বাস করতেন যে আমেরিকা সবকিছু করতে পারে কারণ আমরা এক মহান জাতি। এই অসাধারণ শক্তি এসেছিল এক অসাধারণ চেতনা থেকে। সাহসের উৎস ছিল অগাধ বিশ্বাস। একটি সেনাবাহিনীর মহৎ কর্মগুলো এসেছিল তাদের ভালোবাসার গভীরতা থেকে। নিজেদের ভাগ্যের মুখোমুখি হয়ে আমেরিকান আর মিত্রবাহিনী নিজেদের ঈশ্বরের হাতে সঁপে দিয়েছিলেন।
* আমার পেছনে থাকা মানুষগুলো আপনাদের বলবেন যে তারা কেবল ভাগ্যবান ছিলেন। তাদের মধ্যে একজন যেমনটা বলেছিলেন, "আসল বীররা তো এখানে মাটির নিচে শুয়ে আছেন।" কিন্তু আমরা জানি এই মানুষগুলো কী করেছিলেন। তারা কতটা সাহসী ছিলেন তা আমাদের অজানা নয়। তারা এখানে এসে স্বাধীনতা রক্ষা করেছিলেন এবং বাড়ি ফিরে গিয়ে আমাদের সবাইকে দেখিয়েছিলেন স্বাধীনতা মানে আসলে কী। বিজয়ী আমেরিকানরা শান্তিকালেও সমান উজ্জ্বল ছিলেন। তারা পরিবার গড়েছেন, শিল্পায়ন করেছেন এবং এমন এক জাতীয় সংস্কৃতি গড়ে তুলেছেন যা গোটা বিশ্বকে অনুপ্রাণিত করেছে। পরবর্তী দশকগুলোতে আমেরিকা সাম্যবাদকে পরাজিত করেছে, নাগরিক অধিকার সুরক্ষিত করেছে, বিজ্ঞানে বিপ্লব ঘটিয়েছে, চাঁদে মানুষ পাঠিয়েছে এবং প্রতিনিয়ত নতুন নতুন দিগন্তের দিকে এগিয়ে গেছে। আর আজ আমেরিকা আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।
* সাত দশক আগে, ডি-ডের যোদ্ধারা এক অশুভ শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন যারা হাজার বছরের এক সাম্রাজ্যের স্বপ্ন দেখত। সেই অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে তারা এমন এক উত্তরাধিকার রেখে গেছেন যা চিরকাল টিকে থাকবে যতদিন মানুষের মনে দায়িত্ব আর সম্মানের বোধ থাকবে; যতদিন মানুষের হৃদয়ে স্বাধীনতা অম্লান থাকবে। আমার পেছনে বসে থাকা এই মানুষগুলো এবং সামনে এই ময়দানে শুয়ে থাকা ছেলেদের উদ্দেশ্যে বলছি, আপনাদের এই দৃষ্টান্ত কখনও পুরনো হবে না। আপনাদের বীরত্বগাথা অমর হয়ে থাকবে। আপনাদের সাহসী ও অটল চেতনা কখনও মরবে না। তারা যে রক্ত ঝরিয়েছেন আর যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তা কেবল একটি যুদ্ধে জয় এনে দেয়নি বরং তা আমাদের সভ্যতার টিকে থাকা নিশ্চিত করেছে। তারা আমাদের পথ দেখিয়ে গেছেন কীভাবে আমাদের জীবনযাত্রাকে ভালোবাসতে হয় এবং রক্ষা করতে হয়। আজ এই পবিত্র ভূমিতে দাঁড়িয়ে আমরা শপথ করছি যে আমাদের জাতিগুলো চিরকাল শক্তিশালী আর ঐক্যবদ্ধ থাকবে। আমাদের মানুষেরা সাহসী হবে, আমাদের হৃদয় অনুগত থাকবে আর আমাদের পরবর্তী প্রজন্মগুলো চিরকাল মুক্ত থাকবে। ঈশ্বর আমাদের মহান প্রবীণ যোদ্ধাদের মঙ্গল করুন, ঈশ্বর আমাদের মিত্রদের মঙ্গল করুন, ঈশ্বর ডি-ডের বীরদের মঙ্গল করুন এবং ঈশ্বর আমেরিকার মঙ্গল করুন। আপনাদের অনেক ধন্যবাদ। ধন্যবাদ।
====জুলাই ২০১৯====
* "আমি বলেছিলাম, জানেন তো, আপনি আমাকে পছন্দ করেন না আর আমিও আপনাকে পছন্দ করি না। আমি আপনাকে কখনও পছন্দ করিনি আর আপনিও আমাকে পছন্দ করেননি, কিন্তু আপনি আমাকেই সমর্থন করবেন কারণ আপনি একজন ধনী মানুষ। আর আপনি যদি আমাকে সমর্থন না করেন, তবে আপনি এতটাই দরিদ্র হয়ে যাবেন যে আপনি নিজেই সেটা বিশ্বাস করতে পারবেন না।"
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] একজন নামহীন ব্যবসায়ীর কথা উল্লেখ করছিলেন, যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৭-১৭ |শিরোনাম=বিশ্লেষণ: ডোনাল্ড ট্রাম্পের নর্থ ক্যারোলাইনা জনসভার ৫১টি সবচেয়ে আপত্তিকর উক্তি |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=WLOS.com |ইউআরএল=https://wlos.com/news/local/analysis-the-51-most-outrageous-lines-from-donald-trumps-nc-rally}}
* সবাই আমাকে মিস্টার প্রেসিডেন্ট বলে ডাকে। এটা সত্যি। এটা একটা মজার ব্যাপার।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৭-১৭ |শিরোনাম=বিশ্লেষণ: ডোনাল্ড ট্রাম্পের নর্থ ক্যারোলাইনা জনসভার ৫১টি সবচেয়ে আপত্তিকর উক্তি |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=WLOS.com |ইউআরএল=https://wlos.com/news/local/analysis-the-51-most-outrageous-lines-from-donald-trumps-nc-rally}}
* তাছাড়া, আমার কাছে অনুচ্ছেদ ২ আছে, যেখানে রাষ্ট্রপতি হিসেবে আমার যা খুশি তাই করার অধিকার আছে [...] কিন্তু আমি এমনকি সেটা নিয়ে কথাও বলি না।
** ওয়াশিংটন ডিসিতে টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ টিন স্টুডেন্ট অ্যাকশন সামিটে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের ভাষণ (২৩ জুলাই ২০১৯), যা [https://www.washingtonpost.com/politics/2019/07/23/trump-falsely-tells-auditorium-full-teens-constitution-gives-him-right-do-whatever-i-want/ "মুলার তদন্ত নিয়ে আক্ষেপ করার সময়, ট্রাম্প ভুলভাবে বলেছেন যে সংবিধান তাকে 'যা খুশি করার অধিকার' দিয়েছে"] উদ্ধৃত হয়েছে, ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'' (২৩ জুলাই ২০১৯)
* বরিস জনসন, ভালো মানুষ, তিনি কঠোর কিন্তু বুদ্ধিমান। তারা তাকে ব্রিটেনের ট্রাম্প বলে ডাকে.. সেখানে তারা আমাকে পছন্দ করে।
** [https://www.youtube.com/watch?v=S0wO89TT9vI জনসন সম্পর্কে ট্রাম্প: 'তারা তাকে ব্রিটেনের ট্রাম্প বলে ডাকে' - বিবিসি নিউজ] ২৪ জুলাই ২০১৯
* এই লোকগুলো [ডেমোক্র্যাটরা] সব ভাঁড়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, যা ২৬ জুলাই হোয়াইট হাউস থেকে [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-signing-safe-third-country-agreement-guatemala/ দেওয়া বক্তব্যে (ভিডিও)] উদ্ধৃত হয়েছে।
* আমি এই পুরো বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে কম বর্ণবাদী মানুষ।
** [https://www.theguardian.com/us-news/video/2019/jul/30/trump-claims-least-racist-person-in-the-world দ্য গার্ডিয়ান অনুযায়ী] উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি (৩০ জুলাই ২০১৯)
====আগস্ট ২০১৯====
* আমার মনে হয় আমার কথাবার্তা - মানুষকে একত্র করে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৮-০৭ |শিরোনাম=সমালোচকদের তীব্র নিন্দা জানানোর পাশাপাশি ট্রাম্প বলেছেন যে তার কথাগুলো ‘মানুষকে একত্র করে’ |লেখক=স্টিভ বেনেন |সাময়িকী=এমএসএনবিসি |ইউআরএল=http://www.msnbc.com/rachel-maddow-show/while-slamming-critics-trump-says-his-words-bring-people-together}}
* আমি মনে করি যে কোনো ইহুদি ব্যক্তি যিনি ডেমোক্র্যাটদের ভোট দেন -- তা হয় জ্ঞানের চরম অভাব অথবা বড় কোনো অবিশ্বস্ততা প্রকাশ করে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৮-২১ |শিরোনাম=ইহুদিরা ডেমোক্র্যাটদের ভোট দিলে তারা অবিশ্বস্ত — ট্রাম্পের এমন উক্তিতে ইহুদি নেতারা ক্ষুব্ধ |লেখক=মেগান ভাজকুয়েজ, জিম অ্যাকোস্টা |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2019/08/20/politics/donald-trump-jewish-americans-democrat-disloyalty/index.html?no-st=9999999999}}
* আমিই সেই মনোনীত ব্যক্তি। কাউকে তো এটা করতেই হতো, তাই আমি চীনের মোকাবিলা করছি... আর আপনারা তো জানেনই যে আমরা জিতছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৮-২১ |শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্প: 'আমিই সেই মনোনীত ব্যক্তি' |লেখক=টোলা এমবাকওয়ে |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://premierchristian.news/en/news/article/donald-trump-i-am-the-chosen-one}}
====সেপ্টেম্বর ২০১৯====
* আমার প্রিয় স্বৈরশাসক কোথায়?
** মিশরের রাষ্ট্রপতি [[আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি]]কে খোঁজার সময় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই উক্তি করেন, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৯-১৩ |শিরোনাম=সম্মেলনে মিশরীয় প্রতিপক্ষের অপেক্ষায় থাকা ট্রাম্প 'আমার প্রিয় স্বৈরশাসক' বলে সম্বোধন করেছেন | লেখক=ন্যান্সি এ. ইউসেফ, ভিভিয়ান সালামা এবং মাইকেল সি. বেন্ডার | ইউআরএল=https://www.wsj.com/articles/trump-awaiting-egyptian-counterpart-at-summit-called-out-for-my-favorite-dictator-11568403645?tesla=y&mod=e2twp}}
* আমাকে সবসময় কমলা রঙের দেখায়। আর আপনাদেরও তাই দেখায়। এই আলোটা সবচেয়ে খারাপ।
** শক্তি-সাশ্রয়ী লাইট বাল্ব নিয়ে অভিযোগ করার সময় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই উক্তি করেন, যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৯-২৪ |শিরোনাম=ট্রাম্প কেন শক্তি-সাশ্রয়ী লাইট বাল্ব পছন্দ করেন না সে প্রসঙ্গে: “আমাকে সবসময় কমলা রঙের দেখায়” |লেখক=এলিয়ট হ্যানন |ইউআরএল=https://slate.com/news-and-politics/2019/09/trump-on-why-he-doesnt-like-energy-efficient-light-bulbs-i-always-look-orange.html}}
* সত্যটা একদম পরিষ্কার — আপনি যদি স্বাধীনতা চান, তবে নিজের দেশ নিয়ে গর্ব করুন; যদি [[গণতন্ত্র]] চান, তবে নিজের সার্বভৌমত্ব আঁকড়ে ধরুন; আর যদি শান্তি চান, তবে নিজের জাতিকে ভালোবাসুন। বিজ্ঞ নেতারা সবসময় তাদের নিজেদের লোক এবং নিজেদের দেশের স্বার্থকে সবার আগে স্থান দেন। ভবিষ্যৎ গ্লোবালিস্টদের নয়। ভবিষ্যৎ দেশপ্রেমিকদের। ভবিষ্যৎ সেই সার্বভৌম ও স্বাধীন দেশগুলোর যারা তাদের নাগরিকদের রক্ষা করে, প্রতিবেশীদের শ্রদ্ধা করে এবং প্রতিটি দেশ যে কারণে অনন্য, সেই পার্থক্যগুলোকে সম্মান জানায়।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের ভাষণ, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৯-১৩ |শিরোনাম=ট্রাম্পের জাতিসংঘ ভাষণে বিশ্বায়নের সমালোচনা: ভবিষ্যৎ হলো জাতীয়তাবাদের |লেখক=টিম পিয়ার্স |সাময়িকী=ওয়াশিংটন এক্সামিনার |ইউআরএল=https://www.washingtonexaminer.com/news/trump-un-speech-knocks-globalism-the-future-belongs-to-nationalism}}
====অক্টোবর ২০১৯====
=====আবু বকর আল-বাগদাদীর মৃত্যু নিয়ে বক্তব্য=====
[[File:President Trump Watches as U.S. Special Operations Forces Close in on ISIS Leader (48967991042).jpg|thumb|গত রাতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসবাদী নেতাকে ন্যায়ের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে। আবু বকর আল-বাগদাদী মৃত। তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে নির্মম ও সহিংস সন্ত্রাসী সংগঠন ইসলামিক স্টেটের প্রতিষ্ঠাতা ও নেতা।]]
:<small>[https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/statement-president-death-abu-bakr-al-baghdadi/ Whitehouse.gov-এ সরকারি বিবৃতি (২৭ অক্টোবর ২০১৯)] · [https://www.nytimes.com/2019/10/27/us/trump-transcript-isis-al-baghdadi.html দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-এ দেওয়া বক্তব্যের প্রতিলিপি (২৭ অক্টোবর ২০১৯)] · [https://www.youtube.com/watch?v=Q6YvsrGILrw "আবু বকর আল-বাগদাদীর মৃত্যু নিয়ে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের পূর্ণাঙ্গ ঘোষণা", দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট ইউটিউব চ্যানেল (২৭ অক্টোবর ২০১৯)]</small>
* গত রাতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসবাদী নেতাকে ন্যায়ের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে। আবু বকর আল-বাগদাদী মৃত। তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে নির্মম ও সহিংস সন্ত্রাসী সংগঠন ইসলামিক স্টেটের প্রতিষ্ঠাতা ও নেতা। বহু বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাগদাদীকে খুঁজছিল। তাকে ধরা বা খতম করা আমার প্রশাসনের জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ছিল। মার্কিন স্পেশাল অপারেশন বাহিনী এই অভিযান সম্পন্ন করতে উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ায় একটি বিপজ্জনক এবং দুঃসাহসী নৈশ অভিযান চালায়।
* নিরপরাধ মানুষকে যারা অত্যাচার ও হত্যা করে, সেইসব সন্ত্রাসীদের কখনোই শান্তিতে ঘুমানো উচিত নয়; কারণ তারা জানে যে আমরা তাদের পুরোপুরি ধ্বংস করে দেব। এই বন্য দানবগুলো তাদের ভাগ্য থেকে রেহাই পাবে না—আর তারা ঈশ্বরের চূড়ান্ত বিচার থেকেও বাঁচতে পারবে না।
* এই অভিযানটি ছিল নিখুঁত এবং এটি কেবল নির্দিষ্ট কিছু দেশ ও মানুষের স্বীকৃতি ও সহায়তায় সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। <br /> আমি রাশিয়া, তুরস্ক, সিরিয়া এবং ইরাককে ধন্যবাদ জানাতে চাই। সেই সাথে সিরীয় কুর্দিদেরও ধন্যবাদ জানাই আমাদের কিছু বিশেষ সহায়তা প্রদানের জন্য। চমৎকার সব গোয়েন্দা কর্মকর্তাদেরও ধন্যবাদ জানাই যারা এই সফল অভিযানটি সম্ভব করতে সাহায্য করেছেন।
* গত রাত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশ্বের জন্য একটি মহান রাত ছিল। একজন নৃশংস খুনি, যে অগণিত মানুষের কষ্ট ও মৃত্যুর কারণ হয়েছিল, তাকে কঠোরভাবে নির্মূল করা হয়েছে—সে আর কখনোই কোনো নিরপরাধ পুরুষ, নারী বা শিশুর ক্ষতি করতে পারবে না। সে একটি কুকুরের মতো মারা গেছে। সে একজন কাপুরুষের মতো মারা গেছে। পৃথিবী এখন অনেক বেশি নিরাপদ।
* আমি বলতে চাই না কীভাবে, তবে এটি ছিল একদম নিখুঁত ঠিক যেন আপনি কোনো সিনেমা দেখছেন। সেখানে ব্যবহৃত প্রযুক্তি এককথায় সত্যিই অসাধারণ।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://edition.cnn.com/2019/10/27/politics/donald-trump-baghdadi-death-isis/index.html ২৭ অক্টোবর ২০১৯]
====নভেম্বর ২০১৯====
* আমি কিছুই চাই না, আমি কিছুই চাই না, আমি কোনো কুইড প্রো কো চাই না। জেলেনস্কিকে বলুন সঠিক কাজটি করতে। এটিই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে শেষ কথা।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], রাষ্ট্রদূত গর্ডন সন্ডল্যান্ডের সাক্ষ্য প্রদানের পর [https://www.vox.com/2019/11/20/20974383/trump-big-sharpie-notes-on-impeachment-testimony ২০ নভেম্বর হোয়াইট হাউসের লনে একটি নোটপ্যাডে লেখা মন্তব্য]।
====ডিসেম্বর ২০১৯====
* এমন এক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেখানে আমরা বেসিন, ঝরনা এবং বাথরুমের অন্যান্য জিনিসগুলো নিয়ে খুব গুরুত্ব দিয়ে ভাবছি।<br>আপনি কলের মুখ খুলছেন কিন্তু কোনো জল পাচ্ছেন না...<br>লোকে ১০ বার, ১৫ বার করে টয়লেট ফ্লাশ করছে। তাদের কাছে এত জল আছে যে তা ওপর থেকে নিচে পড়ছে। একেই বলে বৃষ্টি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, {{উদ্ধৃতি |লেখক=ম্যাথিউ ক্যান্টর |শিরোনাম=ট্রাম্প বলেছেন যে মানুষ '১০ বার টয়লেট ফ্লাশ করে' এবং তিনি এর সমাধান খুঁজছেন |সাময়িকী=দ্য গার্ডিয়ান |তারিখ=২০১৯-১২-০৬ |ইউআরএল=https://www.theguardian.com/us-news/2019/dec/06/trump-says-people-flush-the-toilet-10-times-and-seeks-solution}}
* খুবই হাস্যকর। গ্রেটাকে অবশ্যই তার রাগ নিয়ন্ত্রণের সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে, তারপর কোনো বন্ধুর সাথে সেকেলে ধরনের ভালো কোনো সিনেমা দেখতে যাওয়া উচিত! শান্ত হও গ্রেটা, শান্ত হও!
** ২০১৯ সালে টাইম ম্যাগাজিনের 'পারসন অফ দ্য ইয়ার' নির্বাচিত হওয়ার পর সুইডিশ স্কুলছাত্রী এবং জলবায়ু কর্মী গ্রেটা থুনবার্গ সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেছিলেন, {{উদ্ধৃতি | লেখক=রয়টার্স কর্মী | শিরোনাম=রাগ নিয়ন্ত্রণের খোঁচা দেওয়ার পর ট্রাম্পকে পাল্টা জবাব দিলেন জলবায়ু কর্মী থুনবার্গ | সাময়িকী=রয়টার্স | তারিখ=২০১৯-১২-০৬ | ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/us-usa-election-thunberg-idUSKBN27M0TN}}
* আমি বাতাস কখনও বুঝিনি। আমি উইন্ডমিল সম্পর্কে অনেক জানি, আমি অন্য যে কারও চেয়ে এটি ভালোভাবে পড়েছি। আমি জানি এটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এগুলো বেশিরভাগই চীন আর জার্মানিতে তৈরি হয়, এখানে খুব কম তৈরি হয়, নেই বললেই চলে, কিন্তু এগুলো যখন তৈরি করা হয় তখন—আপনি যদি এর মধ্যে থাকেন তবে বুঝবেন—বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে ধোঁয়া আর গ্যাস নির্গত হয়। আপনারা জানেন তো আমাদের একটা পৃথিবী আছে, তাই না? মহাবিশ্বের তুলনায় এই পৃথিবীটা অনেক ছোট। তাই প্রচুর পরিমাণে ধোঁয়া আর সবকিছু সেখানে মেশে। আপনারা কার্বন ফুটপ্রিন্টের কথা বলেন, ধোঁয়া বাতাসে ছড়াচ্ছে, একদম ছড়াচ্ছে, সেটা চীন বা জার্মানি যেখানেই হোক, তা বাতাসে মিশছে।<br>আপনারা ওই [বায়ুকলগুলো] দেখছেন। ওগুলো সব আলাদা আলাদা রঙের। ওগুলো সাদা ধরনের, কিন্তু কোনোটি আবার কমলা-সাদা। কমলা আমার প্রিয় রঙ।
** টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ সম্মেলনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |লেখক=কনর ম্যানিয়ন |শিরোনাম=রক্ষণশীল গোষ্ঠীর সামনে ভাষণে উইন্ডমিলের সমালোচনা করলেন ট্রাম্প: ‘আমি বাতাস কখনও বুঝিনি’ |সাময়িকী=মিডিয়াআইট |তারিখ=২০১৯-১২-২২ |ইউআরএল=https://www.mediaite.com/trump/trump-attacks-windmills-in-speech-to-conservative-group-i-never-understood-wind/}}
===২০২০===
* সবাই জানে যে ডোনাল্ড ট্রাম্প হার মেনে নিতে পারেন না, আর রয় কোহনের কর্তৃত্ববাদী নির্দেশনার শেষ উপদেশটি ছিল, "যদি তুমি হেরে যাও, তবে বলো যে তুমি জিতেছ।" তাই নভেম্বরে ট্রাম্প যদি হেরে যান, তবে তিনি সম্ভবত দাবি করবেন যে নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে এবং তিনি সেটা বাতিলের চেষ্টা করবেন। কিন্তু ডেমোক্র্যাট এবং ডেমোক্র্যাট-ঘেঁষা স্বতন্ত্র ভোটারদের বিশাল উপস্থিতি তাকে বিদায় করে ২০ জানুয়ারি ২০২১-এ হোয়াইট হাউসের দক্ষিণ বারান্দায় মালপত্র সরানোর ভ্যান নিয়ে আসতে পারে। কোভিড-১৯ অতিমারী এবং জর্জ ফ্লয়েড ট্র্যাজেডিগুলো মোকাবিলায় ট্রাম্পের শোচনীয় ব্যর্থতা কিছু অনিশ্চিত ভোটারকে ডেমোক্র্যাট শিবিরে নিয়ে এসেছে, এমনকি জুনের শুরু পর্যন্ত ট্রাম্পের নিজের সমর্থকদের একাংশও এই সংকটে তার দুর্বল প্রতিক্রিয়া দেখে বিচলিত হয়ে পড়েছেন। তরুণ ভোটাররা এই বিষয়টি নিশ্চিতভাবে ঠিক করে দিতে পারেন, কারণ তারা যুক্তরাষ্ট্রে সবথেকে কম কুসংস্কারাচ্ছন্ন গোষ্ঠী এবং তারা বিভিন্ন কারণে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোর বিরোধী। ঐতিহাসিকভাবে ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সীরা ভোট কম দিলেও জর্জ ফ্লয়েডের হত্যার পর কুসংস্কারের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে তারাই সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল। ডেমোক্র্যাটরা যদি তরুণদের মধ্যে ভালো নিবন্ধন অভিযান চালাতে পারে এবং বাইডেন সমর্থকরা যদি রিপাবলিকানদের দেওয়া ভোট দমনের সব বাধা অতিক্রম করতে পারে, আর যদি বার্নি স্যান্ডার্সের সমর্থকরা ট্রাম্প জিতলে কিছুই না পাওয়ার চেয়ে ভবিষ্যতে বাকিটা পাওয়ার আশায় বর্তমানে অর্ধেক দাবিতেই সন্তুষ্ট থাকে, তবে ডেমোক্র্যাটরা নভেম্বরে হোয়াইট হাউস এবং কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই জয়লাভ করতে পারে। <br>ধরা যাক তেমনটাই হলো। নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলো, কিন্তু এমনকি ইলেক্টোরাল কলেজে ডেমোক্র্যাটরা জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যা পেল। তা সত্ত্বেও ট্রাম্প দাবি করলেন যে সেখানে বিশাল জালিয়াতি হয়েছে এবং এই নির্বাচনের কোনো গুরুত্ব নেই। তিনি বারবার যেমনটা বলেন, সেভাবেই বললেন যে "এটি একটি ধোঁকাবাজি"। তিনি বললেন, "একে ন্যায্য হতে হবে!" আর তার সমর্থকরা ট্রাম্পের সমর্থনে চিৎকার করতে করতে রাস্তায় নেমে এলো। ট্রাম্প হেরে গিয়েও ক্ষমতা ছাড়তে অস্বীকার করলে কারোরই অবাক হওয়া উচিত নয়। মাইকেল কোহেন, যিনি দীর্ঘ বছর ট্রাম্পের ব্যক্তিগত আইনজীবী হিসেবে কাজ করেছেন এবং তাকে অন্য অনেকের চেয়ে ভালো চেনেন, তিনি ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯-এ শপথ নিয়ে বলেছিলেন, "মিস্টার ট্রাম্পের সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে আমি ভয় পাচ্ছি যে তিনি যদি ২০২০ সালের নির্বাচনে হেরে যান, তবে কখনোই সেখানে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর হবে না।" ট্রাম্পের উচ্চপদস্থ কর্মী, যিনি ''নিউ ইয়র্ক টাইমসের'' সম্পাদকীয় এবং ''এ ওয়ার্নিং'' বইয়ের জন্য 'অ্যানোনিমাস' নামে পরিচিত, তিনি বলেছেন যে ট্রাম্প "চুপচাপ বা সহজে বিদায় নেবেন না," যা একটি সম্ভাব্য "গৃহযুদ্ধের" ইঙ্গিত দেয়। স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি ২০১৯ সালের মে মাসে ''নিউ ইয়র্ক টাইমস''-কে বলেছিলেন যে ২০২০ সালে ট্রাম্পের পরাজয় মেনে না নেওয়ার বিষয়টি তাকে চিন্তিত করে, তিনি আরও বলেন, "আমাদের এর বিরুদ্ধে প্রস্তুতি নিতে হবে।"
** জন ডিন এবং বব আলটেমেয়ার, ''অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ার'' (২০২০)। ব্রুকলিন: মেলভিল হাউস, পৃষ্ঠা ২৭৬-২৭৭
* ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি ২০২১ সালে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা ছাড়েনও, তার সমর্থক গোষ্ঠী অটুট থাকবে এবং তারা তার পূর্বসূরির মতো তার উত্তরসূরিকেও বাধা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকবে। অথবা যদি ট্রাম্পের প্রভাব অনিবর্য়ভাবে কমে যায়, তবে সেই সমর্থক গোষ্ঠী অন্য যে কেউ নিজেদের দখলে নিতে পারবে তার জন্যই কাজ করবে। ট্রাম্পের চেয়ে বুদ্ধিমান কেউ যদি ফক্স নিউজ এবং ডানপন্থী সংবাদমাধ্যমের সমর্থন পায়, তবে ভবিষ্যতে সে আরও বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। আপনারা নিশ্চিত থাকতে পারেন যে বিভিন্ন উচ্চাকাঙ্ক্ষী ব্যক্তিরা ইতিমধ্যেই পরবর্তী ত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার কথা ভাবতে শুরু করেছেন। আপনারা এটাও নিশ্চিত থাকতে পারেন যে "রাজা নির্মাতা" বা ক্ষমতাশালীরাও এখন এই ক্ষেত্রটি নিয়ে পড়াশোনা করছেন, যার মধ্যে ধর্মীয় রক্ষণশীল নেতাদেরও অন্তর্ভুক্ত করা যায় যারা হয়ত বুঝতে পারছেন যে তাদের বিশ্বাসীদের ওপর ট্রাম্পের নিয়ন্ত্রণ কিছুটা শিথিল হচ্ছে।
** জন ডিন এবং বব আলটেমেয়ার, ''অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ার'' (২০২০)। ব্রুকলিন: মেলভিল হাউস, পৃষ্ঠা ২৭৯
* একজন চতুর ক্ষমতা দখলকারী হওয়ার যোগ্যতা ডোনাল্ড জন ট্রাম্পের নেই বললেই চলে। যদি মনে হয় আমরা তার প্রতি কঠোর হয়েছি, তবে যারা তার সাথে চলেন তাদের কথা শুনুন। মানুষ হিসেবে তিনি একটি করুণ দৃষ্টান্ত। তার চিন্তাচেতনা অনেক দিন ধরেই বাস্তববিমুখ। তিনি নিজের জীবনই ঠিক করতে অক্ষম, যা অহংকারের ক্ষত আর অজ্ঞতা ও আত্মপ্রবঞ্চনার গর্তে ভরা, তাই তিনি যে ক্ষতি করেছেন তা মেরামত করা তার পক্ষে অসম্ভব। যদি তিনি সম্রাট হন, তবে আমরা গর্ব করে বলতে পারব যে কোনো নির্বোধ রাজা তৈরি করতে আমাদের প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে অন্তঃপ্রজনন করতে হয়নি। আমরা একজনকে দিয়েই শুরু করেছি। আরও দুঃখের বিষয় হলো, দেশের একটি সংখ্যালঘু অংশ হয়ত ট্রাম্পকে একনায়ক বানাতে পারবে না। বেশিরভাগ আমেরিকান তাকে ভোট দেবে না; তারা কেবল ভোটই দেয়নি। সংক্ষেপে বলতে গেলে, আমাদের পূর্বপুরুষরা যার জন্য লড়াই করেছেন এবং যা জয় করেছেন ও রক্ষা করেছেন, তা আমরা হারাতে পারি কারণ আমাদের বেশিরভাগ মানুষ ২০২০ সালে তা রক্ষার জন্য ভোট দিতেও যাবে না।
** জন ডিন এবং বব আলটেমেয়ার, ''অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ার'' (২০২০)। ব্রুকলিন: মেলভিল হাউস, পৃষ্ঠা ২৮২
* হোয়াইট হাউসে আসার পর ভিতরে সবকিছু কীভাবে চলে তা সুশৃঙ্খলভাবে বোঝার সুযোগ পেতে আমার প্রায় এক মাস সময় লেগেছিল। অনেকভাবেই বিশৃঙ্খলা তৈরি হতো, যা প্রায়ই নির্দিষ্ট নীতিগত বিষয়ের মাধ্যমে প্রকাশ পেত... ২০১৮ সালের শেষ মাস এবং ২০১৯ সালের শুরুর দিকে, ট্রাম্পের ক্ষমতায় থাকার দ্বিতীয় বছর যখন শেষ হচ্ছিল-আমার আসার প্রায় আট থেকে নয় মাস পরে বেশ কিছু বিচ্ছিন্ন বিষয় এবং ব্যক্তি প্রশাসনকে আরও অজানা পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিতে শুরু করে। উদাহরণস্বরূপ, ২০১৮ সালের জুনের শুরুতে জন এফ. কেলি ট্রাম্পের সময়সূচীর জন্য একটি নতুন কৌশল ব্যবহার করেন। তিনি প্রতিদিন সকাল ১১টায় ওভাল অফিসে "চিফ অফ স্টাফ" সময় দিয়ে দিন শুরু করতেন, এই আশায় যে সপ্তাহে দুবার গোয়েন্দা ব্রিফিংয়ের সময় ট্রাম্প যে এলোমেলো দীর্ঘ বক্তব্য দেন তা কমানো যাবে। অবশ্যই বেশিরভাগ মানুষ যা দেখে অবাক হতেন তা হলো, ট্রাম্পের "অফিসিয়াল" দিন শুরু হতো প্রায় দুপুরের খাবারের সময় থেকে। ট্রাম্প সকালে অলসভাবে বসে থাকতেন না। বরং তিনি বাসভবনে ফোনে কথা বলে অনেক সময় কাটাতেন। তিনি সব ধরনের মানুষের সাথে কথা বলতেন, কখনও সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে (আমি ওভাল অফিসে আসার আগে প্রায় প্রতিদিন তার সাথে ফোনে কথা বলতাম কারণ অনেক বিষয়ে তাকে জানানো বা তার নির্দেশ নেওয়ার প্রয়োজন হতো), কিন্তু তিনি সরকারের বাইরের মানুষের সাথেও দীর্ঘ সময় কথা বলতেন। যেকোনো সংজ্ঞায় এটি সমসাময়িক রাষ্ট্রপতিদের মধ্যে একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা ছিল।
** জন বোল্টন, ''দ্য রুম হোয়্যার ইট হ্যাপেন্ড: এ হোয়াইট হাউস মেমোয়ার'' (২০২০), পৃষ্ঠা ২২৩
* আসলে ট্রাম্প সাধারণত সপ্তাহে মাত্র দুবার গোয়েন্দা ব্রিফিং নিতেন এবং সেগুলোর বেশিরভাগই ব্রিফিং দেওয়া কর্মকর্তাদের চেয়ে তিনিই বেশি কথা বলতেন, যা প্রায়ই সেই বিষয়ের সাথে সম্পূর্ণ সম্পর্কহীন হতো। ট্রাম্পের সময়সূচী সামলানো ছিল সবথেকে সহজ কাজ। তার প্রতিহিংসাপরায়ণতা সামলানো ছিল সবথেকে কঠিন, যা জন ম্যাককেইনের প্রতি তার ক্রমাগত ক্ষোভের মধ্য দিয়ে ফুটে উঠত এমনকি ম্যাককেইন মারা যাওয়ার পরও যখন তিনি ট্রাম্পের কোনো ক্ষতি করতে পারতেন না। তার প্রতিহিংসার আরেকটি উদাহরণ ছিল ১৫ আগস্ট সিআইএ-এর প্রাক্তন পরিচালক জন ব্রেনানের সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত। এখন ব্রেনানও খুব একটা ভালো ছিলেন না এবং তার সময়ে সিআইএ আগের চেয়ে অনেক বেশি রাজনৈতিক হয়ে পড়েছিল। তিনি যেকোনো অন্যায়ের কথা অস্বীকার করেছিলেন, কিন্তু ট্রাম্প নিশ্চিত ছিলেন যে ব্রেনান তার ২০১৬ সালের নির্বাচনী অভিযানে নজরদারি করার জন্য ফিসা প্রক্রিয়ার অপব্যবহারের সাথে জড়িত ছিলেন। ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর ব্রেনান মিডিয়াতে তার নিয়মিত সমালোচনা করার ফলে বিষয়টি আরও জটিল হয়ে উঠেছিল।
** জন বোল্টন, ''দ্য রুম হোয়্যার ইট হ্যাপেন্ড: এ হোয়াইট হাউস মেমোয়ার'' (২০২০), পৃষ্ঠা ২২৪
* রাষ্ট্রপতির ইতিহাসে হয়ত ট্রাম্পই একমাত্র ব্যক্তি যিনি অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় উপস্থিত হওয়া নিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছিলেন। শুরুটা হয়েছিল ২০১৮ সালের এপ্রিলে বারবারা বুশের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সময়, যেখানে ট্রাম্প উপস্থিত হননি (যদিও চারজন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এবং ফার্স্ট লেডি সেখানে উপস্থিত ছিলেন)। এরপর আগস্টের শেষে ছিল জন ম্যাককেইনের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া। কেলি ২৭ আগস্ট হোয়াইট হাউসের কর্মীদের সাথে সাপ্তাহিক বৈঠক শুরু করে বলেছিলেন, "আমি আজ খুব খারাপ অবস্থায় আছি," কারণ ট্রাম্পের সাথে সরকারি পতাকা অর্ধনমিত রাখা এবং কারা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তা নিয়ে তার ক্রমাগত মতপার্থক্য চলছিল। ম্যাককেইনের পরিবারও অনুষ্ঠানে ট্রাম্পকে চায়নি, তাই অনুভূতিটা ছিল পারস্পরিক। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হলো যে ক্যাপিটল রোটুন্ডা অনুষ্ঠান এবং ওয়াশিংটন ন্যাশনাল ক্যাথেড্রালের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া উভয় অনুষ্ঠানেই পেন্স প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেতৃত্ব দেবেন। অনুষ্ঠানে প্রচুর মানুষ উপস্থিত হয়েছিলেন এবং সেখানে সেই সামাজিক মেলামেশাও ছিল যা সাধারণত বিদায় বেলায় ঘটে থাকে। আমি যাদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছি তাদের মধ্যে ছিলেন জর্জ ডব্লিউ বুশ এবং লরা বুশ। বুশ হাসি মুখে জিজ্ঞেস করলেন, "বোল্টন, এখনো চাকরিটা আছে তো?" "আপাতত আছে," আমি উত্তর দিলাম এবং আমরা সবাই হাসলাম। যখন জর্জ এইচ.ডব্লিউ. বুশ পরবর্তীতে আর্জেন্টিনা জি২০ চলাকালীন মারা গেলেন, ট্রাম্প জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করলেন, একটি যথাযথ রাষ্ট্রপতির বিবৃতি দিলেন এবং বৈঠকের সময় জর্জ ডব্লিউ. এবং জেব বুশ উভয়ের সাথেই আন্তরিকভাবে কথা বললেন। তিনি এবং ফার্স্ট লেডি ৫ ডিসেম্বর কোনো ঝামেলা ছাড়াই ন্যাশনাল ক্যাথেড্রালের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। আসলে এটা করা খুব একটা কঠিন ছিল না।
** জন বোল্টন, ''দ্য রুম হোয়্যার ইট হ্যাপেন্ড: এ হোয়াইট হাউস মেমোয়ার'' (২০২০), পৃষ্ঠা ২২৬
* আমার দাদামশাই ট্রাম্প পরিবারে বিভাজনের যে পরিবেশ তৈরি করেছিলেন, ডোনাল্ড সবসময় সেই পরিবেশেই বেড়ে উঠেছেন এবং বিভাজন তাকে অন্যদের বিনিময়ে সুবিধা দিয়ে চলেছে। এটি আমাদের দয়ালু হওয়ার বা ক্ষমাশীলতায় বিশ্বাস করার ক্ষমতাকে দুর্বল করে দিচ্ছে, যে ধারণাগুলোর কোনো মানেই তার কাছে কোনোদিন ছিল না। তার প্রশাসন এবং তার দল এখন তার অভিযোগ আর অধিকারের রাজনীতির নিচে চাপা পড়ে গেছে। আরও খারাপ বিষয় হলো ডোনাল্ড, যিনি ইতিহাস, সাংবিধানিক নীতি, কূটনীতি (বা আসলে অন্য কিছু নিয়েই) কিছুই বোঝেন না এবং যাকে কখনও এই ধরনের জ্ঞান প্রদর্শনের জন্য চাপ দেওয়া হয়নি, তিনি দেশের সব জোট এবং আমাদের সামাজিক কর্মসূচিগুলোকে কেবল টাকার চশমা দিয়ে মূল্যায়ন করেছেন, ঠিক যেমনটা তার বাবা তাকে শিখিয়েছিলেন। শাসনের ব্যয় এবং সুবিধাকে কেবল আর্থিক দিক থেকে বিবেচনা করা হয়, যেন মার্কিন ট্রেজারি তার ব্যক্তিগত মাটির ব্যাংক। তার কাছে প্রতিটি ডলার খরচ হওয়া মানে তার নিজের ক্ষতি, আর প্রতিটি ডলার বাঁচানো মানে তার নিজের লাভ।
** মেরি এল. ট্রাম্প, ''টু মাচ অ্যান্ড নেভার এনাফ: হাউ মাই ফ্যামিলি ক্রিয়েটেড দ্য ওয়ার্ল্ড'স মোস্ট ডেঞ্জারাস ম্যান'' (২০২০), পৃষ্ঠা ১৫-১৬
* যদিও আমার ফুফু এবং চাচারা অন্য কিছু ভাববেন, আমি এই বইটি অর্থ উপার্জন বা প্রতিশোধ নেওয়ার উদ্দেশ্যে লিখছি না। যদি সেগুলোর কোনো একটিও আমার উদ্দেশ্য হতো, তবে আমি অনেক বছর আগেই আমাদের পরিবার নিয়ে বই লিখতাম, যখন ডোনাল্ড তার বারবার দেউলিয়া হওয়া ব্যবসায়ী হিসেবে খ্যাতি এবং গুরুত্বহীন রিয়েলিটি শো হোস্টের পরিচয় ব্যবহার করে হোয়াইট হাউসে পৌঁছাবেন তা অনুমান করার কোনো উপায় ছিল না। তখন এটি অনেক নিরাপদও হতো কারণ আমার চাচা তখন তথ্য প্রকাশকারী বা সমালোচকদের ভয় দেখানো বা বিপদে ফেলার মতো অবস্থানে ছিলেন না। তবে গত তিন বছরের ঘটনাগুলো আমাকে বাধ্য করেছে এবং আমি আর চুপ করে থাকতে পারছি না। এই বইটি যখন প্রকাশিত হবে, ততদিনে ডোনাল্ডের অহংকার আর ইচ্ছাকৃত অজ্ঞতার বেদীতে লক্ষ লক্ষ আমেরিকান জীবন বলিদান দেওয়া হয়ে যাবে। তিনি যদি দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসেন, তবে সেটি হবে আমেরিকান গণতন্ত্রের শেষ।
** মেরি এল. ট্রাম্প, ''টু মাচ অ্যান্ড নেভার এনাফ: হাউ মাই ফ্যামিলি ক্রিয়েটেড দ্য ওয়ার্ল্ড'স মোস্ট ডেঞ্জারাস ম্যান'' (২০২০), পৃষ্ঠা ১৬-১৭
* যখন আপনি নিজেই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করেন এবং আপনাকে আপনার কথা বিস্তারিত ব্যাখ্যা করতে বা আপনি প্রকৃত তথ্য বুঝতে পারছেন কি না তা প্রমাণ করতে বাধ্য করা হয় না, তখন কথা বলা বা নিজেকে জ্ঞানী হিসেবে তুলে ধরা খুব সহজ। এটি সংবাদমাধ্যমের জন্য একটি অভিযোগ (অন্য অনেকের মধ্যে) যে নির্বাচনী প্রচারণার সময় এগুলোর কিছুই বদলায়নি, যখন ডোনাল্ডের মিথ্যা এবং অদ্ভুত দাবিগুলো প্রকাশ করলে হয়ত আমাদের তার রাষ্ট্রপতিত্ব থেকে বাঁচানো যেত। হাতেগোনা যে কয়েকবার তাকে তার অবস্থান বা নীতি (যার আসলে কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তখনও তার কাছ থেকে কোনো যৌক্তিক কথা বা গভীর জ্ঞান প্রদর্শনের আশা করা হয়নি। নির্বাচনের পর থেকে তিনি এই ধরনের প্রশ্নগুলো পুরোপুরি এড়িয়ে যাওয়ার উপায় বের করে নিয়েছেন; হোয়াইট হাউসের প্রেস ব্রিফিং এবং আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনের বদলে এখন এসেছে "চপার টক" বা হেলিকপ্টারের শব্দের মধ্যে কথা বলা, যেখানে তিনি অভিনয় করতে পারেন যে হেলিকপ্টারের শব্দের জন্য তিনি কোনো অপ্রীতিকর প্রশ্ন শুনতে পাচ্ছেন না। ২০২০ সালে তার অতিমারী বিষয়ক "প্রেস ব্রিফিং" দ্রুতই আত্মতুষ্টি, জনমোহিনী বক্তৃতা আর চাটুকারিতায় ভরা ছোটখাটো নির্বাচনী জনসভায় পরিণত হয়েছিল। সেখানে তিনি সেই অমার্জনীয় ব্যর্থতাগুলোকে অস্বীকার করেছেন যা ইতিমধ্যেই হাজার হাজার মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে, উন্নতির কথা নিয়ে মিথ্যা বলেছেন এবং সেইসব মানুষকে বলির পাঁঠা বানিয়েছেন যারা পর্যাপ্ত সুরক্ষা ও সরঞ্জাম ছাড়াই নিজেদের জীবন ঝুঁকি নিয়ে আমাদের বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। এমনকি যখন লক্ষ লক্ষ আমেরিকান অসুস্থ হয়ে মারা যাচ্ছে, তখনও তিনি একে জয় হিসেবে এবং তার অসাধারণ নেতৃত্বের প্রমাণ হিসেবে প্রচার করছেন। আর যদি কেউ মনে করে যে তিনি গম্ভীর বা গম্ভীর হতে সক্ষম, তবে তিনি মডেলদের সাথে শোয়া নিয়ে জোকস করবেন অথবা তার ফেসবুক অনুসারীর সংখ্যা নিয়ে মিথ্যা বলবেন। তবুও সংবাদ মাধ্যমগুলো তার থেকে সরে আসতে রাজি নয়। যে কয়েকজন সাংবাদিক তাকে চ্যালেঞ্জ করেন বা যারা ডোনাল্ডকে কেবল একটি আতঙ্কিত জাতির জন্য সান্ত্বনার বাণী বলতে অনুরোধ করেন, তাদের "নচ্ছাড়" বলে উপহাস ও অবজ্ঞা করা হয়। ডোনাল্ডের প্রথম দিকের সেই ধ্বংসাত্মক আচরণ যা ফ্রেড উৎসাহিত করেছিলেন, সেখান থেকে শুরু করে মিডিয়ার তাকে চ্যালেঞ্জ করতে অনিচ্ছা এবং ২০ জানুয়ারি ২০১৭ থেকে তিনি প্রতিদিন যে দুর্নীতি করছেন তার প্রতি রিপাবলিকান পার্টির চোখ বুজে থাকা সবকিছুই এই এককালের মহান জাতির অর্থনীতি, গণতন্ত্র এবং স্বাস্থ্যের আসন্ন পতনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
** মেরি এল. ট্রাম্প, ''টু মাচ অ্যান্ড নেভার এনাফ: হাউ মাই ফ্যামিলি ক্রিয়েটেড দ্য ওয়ার্ল্ড'স মোস্ট ডেঞ্জারাস ম্যান'' (২০২০), পৃষ্ঠা ২০৩
* সাত ঘণ্টা পর ট্রাম্প গত তিন মাসের মধ্যে তার প্রথম করোনাভাইরাস টাস্ক ফোর্স সংবাদ সম্মেলনে একটি দীর্ঘ বক্তব্য দেন। তিনি হোয়াইট হাউসে একাই কথা বলেন। সেখানে মাইক পেন্স, ফাউসি বা বার্কস কেউ ছিলেন না। তিনি তার বলার ধরণও পরিবর্তন করেন। ভাইরাসের পরিস্থিতি নিয়ে সবকিছু খুব একটা ভালো ছিল না। "এটি সম্ভবত দুর্ভাগ্যের বিষয় যে ভালো হওয়ার আগে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে," ট্রাম্প একটি অস্বাভাবিক বাস্তববাদী কথা বলেন। "এমন কিছু যা আমি কোনো বিষয় সম্পর্কে বলতে পছন্দ করি না, কিন্তু পরিস্থিতি এমনই।" এর আগে ট্রাম্প মাস্ক পরতে অনিচ্ছুক ছিলেন। "একটি মাস্ক নিন," তিনি বলেন। "আপনি মাস্ক পছন্দ করেন বা না করেন, এর একটি প্রভাব আছে। এর একটা ফল পাওয়া যাবে এবং আমাদের যা যা পাওয়া সম্ভব তার সবই প্রয়োজন।" তার মন্তব্যগুলো ছিল একটি পরোক্ষ স্বীকারোক্তি যে তার আগের পদ্ধতিগুলো কাজ করেনি এবং আসলে ভাইরাসের পরিস্থিতি অনেক বেশি খারাপ ছিল। দিনটি ছিল ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতিত্বের একটি ক্ষুদ্র রূপ, যা কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে "আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে" থেকে "ভালো হওয়ার আগে আরও খারাপ হবে", এই দুই মেরুতে ঘুরেছে। এটি ছিল একদম সাম্প্রতিক উদাহরণ এবং এই বইটি প্রেসে যাওয়ার আগের শেষ ঘটনা যে ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতিত্ব ছিল দ্বিধাগ্রস্ততায় ভরা, একটি অনিশ্চিত পথে চলা, যা কখনও লড়াই আবার কখনও সমঝোতা এবং একটি বক্তব্য বা পদক্ষেপ থেকে ঠিক তার বিপরীত দিকে যাওয়ার মধ্য দিয়ে চলেছে।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৮৪-৩৮৫
* রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প সম্পর্কে এই বইয়ের প্রতিবেদন শেষ করার পর আমি ক্লান্তি অনুভব করলাম। দেশটি তখন সত্যিকারের বিশৃঙ্খলার মধ্যে ছিল। ভাইরাসটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল। অর্থনীতি সংকটে ছিল এবং ৪ কোটিরও বেশি মানুষ কর্মহীন ছিল। বর্ণবাদ এবং বৈষম্য নিয়ে একটি শক্তিশালী হিসাব-নিকাশের সময় আমাদের সামনে ছিল। এর কোনো শেষ দেখা যাচ্ছিল না এবং সেখান থেকে বের হওয়ার কোনো পরিষ্কার পথও ছিল না। আমি ৭ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্পের সাথে সেই কথোপকথনের কথা ভাবলাম যখন তিনি "প্রতিটি দরজার পিছনে ডিনামাইট" বা সেই অপ্রত্যাশিত বিস্ফোরণের কথা উল্লেখ করেছিলেন যা সবকিছু বদলে দিতে পারে। তিনি সম্ভবত কোনো বাইরের ঘটনার কথা ভাবছিলেন যা ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতিত্বকে প্রভাবিত করবে। কিন্তু এখন আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে, "দরজার পিছনের ডিনামাইট" সবার সামনেই ছিল। সেটি ছিলেন ট্রাম্প নিজেই। সেই বিশাল ব্যক্তিত্ব। সুসংগঠিত হতে ব্যর্থতা। শৃঙ্খলার অভাব। তার বেছে নেওয়া মানুষ বা বিশেষজ্ঞদের ওপর বিশ্বাসের অভাব। অনেক আমেরিকান প্রতিষ্ঠানকে অবমূল্যায়ন করার চেষ্টা। একটি শান্ত ও নিরাময়কারী কণ্ঠস্বর হতে ব্যর্থতা। ভুল স্বীকার করতে অনিচ্ছা। নিজের কাজ নিজে করতে ব্যর্থতা। শান্তির প্রস্তাব দিতে ব্যর্থতা। অন্যদের কথা মন দিয়ে শোনা। একটি পরিকল্পনা তৈরি করা। ম্যাটিস, টিলারসন এবং কোটস এরা সবাই রক্ষণশীল বা অরাজনৈতিক মানুষ ছিলেন যারা তাকে এবং দেশকে সাহায্য করতে চেয়েছিলেন। তারা নিখুঁত মানুষ ছিলেন না, কিন্তু জনসেবার আহ্বানে সাড়া দিয়েছিলেন। তারা কোনো ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠী বা ডিপ স্টেট ছিলেন না। তবুও তাদের প্রত্যেকেই তাদের নেতার কাছ থেকে নিষ্ঠুর কথা শুনে বিদায় নিয়েছেন। তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন যে ট্রাম্প তাদের দেশের জন্য এক অস্থির হুমকি। একটু ভেবে দেখুন: শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা নেতারা মনে করতেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি দেশের জন্য একটি বিপদ।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৮৬-৩৮৭
* ২৮ জানুয়ারি ২০২০-এ যখন ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং তার উপ-প্রধান ট্রাম্পকে সতর্ক করেছিলেন যে এই ভাইরাসটি তার রাষ্ট্রপতিত্বের জন্য সবথেকে বড় জাতীয় নিরাপত্তা হুমকি হবে—হতে পারে এমন নয়, বরং হবে তখন নেতৃত্বের ঘড়িটি নতুন করে সেট করতে হয়েছিল। এটি ছিল একটি বিস্তারিত পূর্বাভাস, যা তথ্য এবং অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে করা হয়েছিল এবং দুর্ভাগ্যবশত যা সঠিক প্রমাণিত হয়েছিল। রাষ্ট্রপতিরা হলেন নির্বাহী বিভাগ। সেখানে সতর্ক করার একটি দায়িত্ব ছিল। শোনা, পরিকল্পনা করা এবং যত্ন নেওয়ার দায়িত্ব। দীর্ঘ সময় ধরে ট্রাম্প গড়িমসি করেছেন এবং অন্যরা যেমনটা বলেছিলেন, তিনিও বলেছিলেন যে ভাইরাসটি চিন্তার কারণ কিন্তু এখনই নয়। দুই নৌকায় পা দেওয়ার ভালো কারণ ছিল, কিন্তু সেখানে আরও সুসংগত এবং সাহসীভাবে কথা বলা উচিত ছিল। নেতৃত্ব দেওয়া মানেই প্রায় সবসময় ঝুঁকি নেওয়া। ভাইরাসটি, যাকে ট্রাম্প "মহামারী" বলেন, তা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশ্বকে এমন এক অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খলার মধ্যে ফেলেছে যা কেবল মন্দা নয়, বরং মহামন্দা হতে পারে। এটি একটি প্রকৃত আর্থিক সংকট, যা কোটি কোটি মানুষকে কর্মহীন করে দিয়েছে। ট্রাম্পের সমাধান হলো অতিমারী-পূর্ব সময়ে তিনি যে অর্থনৈতিক অলৌকিকতা সৃষ্টি করেছেন বলে বিশ্বাস করেন, তা আবার তৈরি করার চেষ্টা করা। ডেমোক্র্যাট, রিপাবলিকান এবং ট্রাম্প পুনরুদ্ধারের জন্য অন্তত ২.২ ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করতে রাজি হয়েছিলেন, যা ক্রমবর্ধমান ঘাটতির কারণে ভবিষ্যতে নিজস্ব সমস্যা তৈরি করবে। মানুষের প্রাণের ক্ষয়ক্ষতি ছিল অকল্পনীয়, জুলাইয়ের মধ্যে ভাইরাসে ১,৩০,০০০-এর বেশি আমেরিকান মারা গেছে এবং এর কোনো প্রকৃত শেষ দেখা যাচ্ছে না।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৮৯
* আমেরিকান রাজনীতির গভীরভাবে গেঁথে থাকা ঘৃণা ট্রাম্পের বছরগুলোতে আরও বিকশিত হয়েছিল। তিনি সেগুলোকে উস্কে দিয়েছিলেন এবং দেশটিকে এক করার জন্য সুসংহত কোনো প্রচেষ্টা করেননি। ডেমোক্র্যাটরাও তা করেনি। ট্রাম্প মনে করতেন ডেমোক্র্যাটরা তার সাথে খুব অন্যায় করেছে, আবার ডেমোক্র্যাটরাও মনে করত ট্রাম্প তাদের সাথে অন্যায় করেছেন। তাদের মধ্যে দেয়ালগুলো কেবল আরও উঁচুই হয়েছে। ট্রাম্পের সাথে আমার ১৭টি সাক্ষাৎকার নেওয়া একটি চ্যালেঞ্জ ছিল। তিনি তার ওপর লেখা আমার প্রথম বই ''ফিয়ার''-কে অসত্য, একটি "প্রতারণা" এবং "ঠাট্টা" বলে অভিহিত করেছিলেন এবং আমাকে "ডেমোক্র্যাটদের লোক" বলেছিলেন। তার ঘনিষ্ঠ কয়েক জন তাকে বলেছিলেন যে বইটি সত্য ছিল এবং লিন্ডসে গ্রাহাম তাকে বলেছিলেন যে আমি তার মুখে কোনো কথা বসিয়ে দেব না এবং যতটা সম্ভব নির্ভুলভাবে প্রতিবেদন করব। ট্রাম্প কোনো এক কারণে আমার সাথে সহযোগিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যা আমার কাছে পরিষ্কার নয়। তার মনে হয়েছিল তিনি একজন নির্ভরযোগ্য উৎস হয়ে উঠবেন। তিনি কখনও নির্ভরযোগ্য ছিলেন, কখনও পুরোপুরি অনির্ভরযোগ্য এবং প্রায়ই মিশ্র... কিন্তু সাক্ষাৎকারগুলো দেখায় যে তার "আমি একাই এটি ঠিক করতে পারি" এমন কথাবার্তা সত্ত্বেও তিনি অনেক সময় দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন, সত্য গোপন করেছেন এবং দেশের নেতার ভূমিকা এড়িয়ে গেছেন। আমেরিকা এবং বিশ্ব যেমনটা জানে, ট্রাম্প একজন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। তিনি জাঁকজমক পছন্দ করেন। সংকটের সময় রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত বিষয়ের চেয়ে কার্যকারিতা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কোটি কোটি মানুষের কাছে আমেরিকার আশার গল্প একটি দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৮৯-৩৯০
* প্রায় ৫০ বছর ধরে আমি নিক্সন থেকে ট্রাম্প পর্যন্ত ৯ জন রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে লিখেছি যা ৪৫ জন মার্কিন রাষ্ট্রপতির ২০ শতাংশ। একজন রাষ্ট্রপতিকে অবশ্যই জনগণের সাথে খারাপ সংবাদের পাশাপাশি ভালো সংবাদ ভাগ করে নিতে ইচ্ছুক হতে হবে। সকল রাষ্ট্রপতির তথ্য দেওয়া, সতর্ক করা, রক্ষা করা এবং লক্ষ্য ও প্রকৃত জাতীয় স্বার্থকে সংজ্ঞায়িত করার একটি বড় বাধ্যবাধকতা থাকে। ট্রাম্প এর বদলে ব্যক্তিগত আবেগকে তার শাসনের মূলনীতি বানিয়ে ফেলেছেন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার কর্মদক্ষতা সামগ্রিকভাবে বিবেচনা করলে আমি কেবল একটি সিদ্ধান্তেই পৌঁছাতে পারি: ট্রাম্প এই কাজের জন্য ভুল মানুষ।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৯১-৩৯২
====জানুয়ারি ২০২০====
=====ডোনাল্ড ট্রাম্পের চার্লসটন, সাউথ ক্যারোলাইনা জনসভা (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০)=====
:<small>সাউথ ক্যারোলাইনার চার্লসটন জনসভায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]-এর ভাষণ (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০), ''রেভ''-এ [https://www.rev.com/blog/transcripts/donald-trump-charleston-south-carolina-rally-transcript-february-28-2020 অনলাইনে থাকা প্রতিলিপি] থেকে সংগৃহীত।</small>
* ধন্যবাদ। ধন্যবাদ। আপনাদের অনেক ধন্যবাদ। আমি শুধু এটাই বলতে পারি যে, এই ভুয়া খবরের মাধ্যমগুলো আসলে কিছুই বোঝে না, তাই না? তারা এটা বুঝতেই পারে না। [অস্পষ্ট ০০:০২:৫৪] তারা একদমই বোঝে না। হ্যালো চার্লসটন! আমি সাউথ ক্যারোলাইনার মতো এই চমৎকার অঙ্গরাজ্যে হাজার হাজার পরিশ্রমী আমেরিকান দেশপ্রেমিকদের মাঝে ফিরে আসতে পেরে রোমাঞ্চিত, যারা বিশ্বাস, পরিবার, ঈশ্বর এবং নিজের দেশে আস্থা রাখেন। ধন্যবাদ। এখানে এক বিশাল ভিড় জমেছে, যা কেবল বাইরের সেই মানুষের সংখ্যার চেয়ে কম যারা ভেতরে ঢোকার সুযোগ পাননি। আপনারা যারা এখানে দাঁড়িয়ে আছেন বা বসে আছেন, তাদের মধ্যে কেউ যদি নিজের জায়গা ছেড়ে দিতে চান, তবে হাত তুলুন। ঠিক আছে। তাহলে চলুন শুরু করি, তাই তো? সবাইকে অনেক ধন্যবাদ। এটা দারুণ। না, তারা এটা বোঝে না। এই রাস্তার কিছুটা দূরেই আগামীকাল যারা নির্বাচনে লড়তে যাচ্ছেন তাদের একজনের একটা সভা চলছে। তারা ১০০ জন লোক জড়ো করার চেষ্টা করছে, কিন্তু তারা পারবে না। তাই আমার মনে হয় তারা একটা গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করবে। তারা আসলে সেটাই করে। তাই মানুষ যখন কোনো জনসভায় যেতে চায়, শেষ পর্যন্ত তারা গোলটেবিলে বসে অভিশংসন নিয়ে নিজেদের ব্যাখ্যা দেয়। পাগলামি।
* না, এটা পাগলামি। স্রেফ পাগলামি! এটা একটা অদ্ভুত ব্যাপার। না, এই ভুয়া খবরের সংবাদমাধ্যমগুলো বছরের পর বছর ধরে এটা বোঝার চেষ্টা করছে। কিন্তু তারা এখনো বুঝতে পারেনি। তারা বুঝতে পারছে না। ওই ক্যামেরাগুলোর দিকে তাকিয়ে দেখুন। ওই সব ক্যামেরা দেখুন। কত কত ক্যামেরা! লিন্ডসে এবং টিম, অনেক ক্যামেরা... তারা শুনেছে যে আপনারা এখানে আছেন। তারা শুনেছে টিম আর লিন্ডসে এখানে আছেন এবং... তারা বলেছিল, "আমরা ওই জনসভায় যাব না," কিন্তু যখন তারা শুনল যে আমাদের এই চমৎকার কংগ্রেস সদস্যদের সাথে ওই দুজনও এখানে আছেন... তবে আমাদের জাতির জন্য এটি একটি অবিশ্বাস্য সময়। আমরা যাকে ‘আমেরিকার মহিমান্বিত প্রত্যাবর্তন’ বলছি, আমরা এখন তার ঠিক মাঝখানে আছি। কর্মসংস্থান বাড়ছে, আয় বাড়ছে, কারখানাগুলো ফিরে আসছে, দারিদ্র্য কমছে, আত্মবিশ্বাস বাড়ছে এবং আমরা মার্কিন সামরিক বাহিনীর দুর্দান্ত ক্ষমতাকে সম্পূর্ণ নতুনভাবে গড়ে তুলেছি। আমাদের দেশ আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।
* আমরা আরও শক্তিশালী, আমরা আরও ভালো অবস্থানে আছি। কিন্তু যখন আমরা একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলছি, তখন ওয়াশিংটনের কট্টর বামপন্থী ডেমোক্র্যাটরা সবকিছু পুড়িয়ে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। তারা গত তিন বছর ধরে এমনকি আমি আরও আগে থেকে বলতে পারি, নির্বাচনের পর থেকে তিন বছর হয়েছে, তবে আমরা নির্বাচনের আগের কথাই ধরি তারা আপনাদের ভোট মুছে ফেলার এবং আমাদের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। কিন্তু আপনাদের সাহায্যে আমরা অতি-বামপন্থীদের দুর্নীতি ফাঁস করেছি এবং তাদের অশুভ পরিকল্পনা নস্যাৎ করেছি। দেখা যাক সামনের মাসগুলোতে কী হয়। চলুন দেখি। স্রেফ অপেক্ষা করে দেখি। খুবই অসৎ লোক তারা। এখন ডেমোক্র্যাটরা করোনাভাইরাসকে রাজনৈতিক রূপ দিচ্ছে, আপনারা সেটা জানেন তো? করোনাভাইরাস, তারা এটাকে রাজনীতিতে টেনে আনছে। আমরা চমৎকারভাবে কাজ করেছি। আপনারা যখন জিজ্ঞেস করেন, "রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প কেমন কাজ করছেন?" তখন তারা বলে, "ওহ, ভালো না, ভালো না।" তাদের কোনো ধারণা নেই। তাদের বিন্দুমাত্র ধারণা নেই। তারা এমনকি আইওয়াতে তাদের ভোটও ঠিকমতো গুনতে পারে না। তারা গুনতেও জানে না। না, তারা পারে না। তারা নিজেদের ভোট গুনতে পারে না।
* আমার এক লোক আমার কাছে এসে বলল, "মিস্টার প্রেসিডেন্ট, তারা আপনাকে রাশিয়া, রাশিয়া, রাশিয়া বলে হারানোর চেষ্টা করেছিল।" সেটা খুব একটা কাজে আসেনি। তারা সেটা করতে পারেনি। তারা অভিশংসনের ধোঁকাবাজি করার চেষ্টা করেছে। সেটা ছিল একদম নিখুঁত একটি ফোনালাপ নিয়ে। তারা যেকোনো কিছু করার চেষ্টা করেছে। বারবার চেষ্টা করেছে। আপনি আসার পর থেকেই তারা এটা করছে। সবকিছু বদলে যাচ্ছে। তারা হেরে গেছে। সবকিছু এখন পাল্টে যাচ্ছে। ভেবে দেখুন। চিন্তা করে দেখুন। '''আর এটাই হলো তাদের নতুন ধোঁকাবাজি।''' কিন্তু আমরা এমন কিছু করেছি যা বেশ আশ্চর্যজনক। এই বিশাল দেশে আমাদের মাত্র ১৫ জন আক্রান্ত ছিল এবং কারণটা হলো আমরা শুরুতেই ব্যবস্থা নিয়েছি। আমরা আগেভাগে ব্যবস্থা নিয়েছি বলেই সংখ্যাটা এর চেয়ে অনেক বেশি হয়নি। আমরা খুব ভালো করছি। আমাদের দেশ খুব ভালো চলছে। আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ। আমরা অনেক বেশি একতাবদ্ধ। রিপাবলিকান দল এখনকার মতো আগে কখনোই এতটা ঐক্যবদ্ধ ছিল না। আমাদের দেশে এখন যে গণজোয়ার চলছে, ইতিহাসে এমনটা আগে কখনোই দেখা যায়নি। কখনোই এমন আন্দোলন হয়নি। তাই একটি পরিসংখ্যান নিয়ে আমরা কথা বলতে চাই, বলুন। ইউএসএ বলুন। ঠিক আছে। ইউএসএ। তো এমন একটা সংখ্যা যা কেউ শোনেনি, কিন্তু আমি সম্প্রতি শুনেছি এবং শুনে অবাক হয়েছি যে, প্রতি বছর ফ্লু বা সাধারণ ইনফ্লুয়েঞ্জায় গড়ে ৩৫,০০০ মানুষ মারা যায়। কেউ কি সেটা জানতেন? ৩৫,০০০, এটা অনেক মানুষ। এটা ১,০০,০০০ পর্যন্ত হতে পারে, আবার ২৭,০০০ হতে পারে। তারা বলে সাধারণত কমপক্ষে ২৭,০০০ থেকে শুরু করে বছরে ১,০০,০০০ মানুষ মারা যায়। আর এখন পর্যন্ত আমরা যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসে কাউকে হারাইনি। একজনকেও না। তার মানে এই নয় যে আমরা হারাব না, আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত আছি। এর মানে এই নয় যে আমরা হারাব না, কিন্তু ভেবে দেখুন। আপনারা ৩৫ থেকে ৪০ হাজার মানুষের কথা শুনছেন আর আমরা কাউকে হারাইনি, অথচ দেখুন সংবাদমাধ্যমগুলো কীভাবে হিস্টিরিয়ায় ভুগছে। সিএনএনের ভুয়া খবর আর ওই ক্যামেরাটা এইমাত্র বন্ধ হয়ে গেল, ওই ক্যামেরাটা। ক্যামেরাটা এইমাত্র বন্ধ হলো। ওটা আবার চালু করুন। আচ্ছা, যাই হোক, শুনুন। এটা দেখুন, সত্যি বলতে সব অনুষ্ঠানই এমন হয়। এটা আমাদের নিয়ে। এটা পুরোপুরি আমাদের সম্পর্কে। আমি চাই তারা ক্যামেরা ঘুরিয়ে পুরো গ্যালারিটা দেখাক। তারা কখনোই তা করে না। কখনোই না। তারা কখনোই তা দেখায় না। তারা কখনোই পুরো গ্যালারি দেখায় না। আপনারা শব্দ শুনেই বুঝতে পারছেন কারণ যখন আপনি এই শব্দ শুনবেন, তা ২০০ মানুষের শব্দ নয়। তা ১০০ মানুষের শব্দ নয়। সেখানে হাজার হাজার মানুষ রয়েছে, এমনকি বাইরেও অনেক মানুষ আছে। আপনারা সেটা শুনতে পাচ্ছেন। তারা সবসময় আমার মুখ দেখায়। ওই মুখটা দেখতে পাচ্ছেন? তারা আমার মুখ দেখায়। আমি চাই তারা আমার মুখ না দেখিয়ে পুরো গ্যালারিটা দেখাক, তাই তো? [...] যখন চরম বামপন্থীরা এই জঘন্য ধোঁকাবাজি দিয়ে আমেরিকার সময় নষ্ট করছে, তখন আমরা সন্ত্রাসীদের খতম করছি, কর্মসংস্থান তৈরি করছি, মজুরি বাড়াচ্ছি, ন্যায্য বাণিজ্য চুক্তি করছি, আমাদের সীমান্ত সুরক্ষিত করছি এবং প্রতিটি জাতি, ধর্ম ও বর্ণের নাগরিকদের জীবন উন্নত করছি। আমরা শুধু গত মাসেই আরও ২,২৫,০০০ কর্মসংস্থান যোগ করেছি। আর নির্বাচনের পর থেকে এটি মোট ৭০ লক্ষ কর্মসংস্থান হয়েছে, ৭০ লক্ষ। সাউথ ক্যারোলাইনার মতো চমৎকার অঙ্গরাজ্যে বেকারত্বের হার। আপনারা কি সেই জায়গার নাম শুনেছেন?
* প্রায় সবাই। আপনারা কি এটা বিশ্বাস করতে পারেন? আমি নিশ্চিত আপনাদের স্বামীরা খুব রোমাঞ্চিত, তাই না? তারা দারুণ খুশি। আপনারা আজ রাতে কোথায় যাচ্ছেন? আমি ট্রাম্পের আরেকটি জনসভায় যাচ্ছি। চমৎকার। ১১৪ নম্বর সভা। আপনাদের স্বামীরা এ ব্যাপারে কী বলেন? এখানকার এই দলটি। তিনি বললেন, "আমরা পরোয়া করি না।" ধন্যবাদ। আপনাদের ধন্যবাদ। ডেমোক্র্যাটরা শুধু ভয়াবহ সব কথা বলবে, যদিও তারা জানে যে আমরা খুব ভালো কাজ করছি। আমাদের হাতে যা আছে তা দিয়েই আমরা চমৎকার কাজ করছি। এটি অবিশ্বাস্য। ডেমোক্র্যাটরা মন থেকে চায় আমরা যেন ব্যর্থ হই। এমনকি তাদের কাজ যদি আপনারা তাকিয়ে দেখুন এই দেশের মানুষের ক্ষতিও করে, তবুও তারা পিছু হটে না। তারা মানুষের ক্ষতি করবে, মানুষের সম্পদের ক্ষতি করবে, সবকিছুর ক্ষতি করবে। এমনকি তারা মিথ্যা বলছে জেনেও আমাদের দেশের ক্ষতি করতে তারা রাজি আছে শুধু খারাপ কথা বলার জন্য। আমরা [[মেক্সিকো]], [[কানাডা]], [[চীন]], দক্ষিণ কোরিয়া এবং [[জাপান]]ের সাথে অবিশ্বাস্য সব চুক্তি করেছি। আর আপনি যদি এই পেছনের লোকগুলোর সামনে একটা মাইক্রোফোন ধরেন যেমনটা আগে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস বা অস্কারে হতো, এখন আর হয় না। বছরের সেরা সিনেমা। এটি দক্ষিণ কোরিয়া-তে তৈরি। এটার মানে কী? আমি বছরের সেরা সিনেমা দেখার অপেক্ষায় আছি
* আর এটি তৈরি... তিনি বললেন, "এটি আবর্জনা।" কেবল সাউথ ক্যারোলাইনাতেই আপনি এটা বলতে পারেন। কেবল সাউথ ক্যারোলাইনায়। আপনারা আমাদের বিপদে ফেলে দেবেন। না, ভুয়া খবর প্রচারকারীদের জন্য তিনি যা বলেছেন আমি কেবল তারই পুনরাবৃত্তি করছি। না, কিন্তু গুরুত্বের সাথে বলছি যে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের রেটিং অনেক নিচে নেমে গেছে। আপনারা জানেন কেন? কারণ তারা আমাদের আক্রমণ করা শুরু করেছিল এবং আমরা এখন আর ওতে বিশ্বাস করি না। এই কারণেই। না, কিন্তু তারা বছরের সেরা সিনেমা হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ার তৈরি একটি চলচ্চিত্রকে বেছে নিয়েছে। তারা তো আমাদের জন্য যথেষ্ট জিনিসপত্র বানায়, তাই না? আর তারা ভালো। তারা আমাদের বন্ধু। আমাদের সুযোগ নেয়, ঠিক আছে। এখন আর অতটা নয়। আমরা সত্যিই, আপনারা যদি দেখেন, বিশ্বের সেরা পেশাদারদের নিয়ে চমৎকারভাবে সুসংগঠিত হয়েছি। আমরা সবথেকে খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত আছি। আপনাদের সবথেকে খারাপের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে, তবে আশা করি শেষ পর্যন্ত এটি খুব সামান্যই হবে। এই কারণেই আমি আপনাদের বলছি যখন ফ্লুতে ৩৫,০০০ মানুষ মারা যায় আর এই ভাইরাসটি সম্পর্কে আমাদের খুব খুব গুরুত্বের সাথে ভাবতে হবে। আমরা সেটাই করছি। আমরা সবথেকে খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।
* আমার প্রশাসন [[যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড-১৯ মহামারি|যুক্তরাষ্ট্রে এই রোগের বিস্তার]] রোধে আধুনিক ইতিহাসের সবথেকে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। আমরা প্রস্তুত। আমরা একদম প্রস্তুত। পুরোপুরি প্রস্তুত। গত ৩১ জানুয়ারি আমি আদেশ দিয়েছি যে যেসব বিদেশি নাগরিক সম্প্রতি চীনে ছিলেন তাদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ স্থগিত করা হবে। এই পদক্ষেপের ডেমোক্র্যাটরা তীব্র সমালোচনা ও প্রতিবাদ করেছিল আর এখন সবাই আমার প্রশংসা করে বলছে, "আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনি ১০০ শতাংশ সঠিক ছিলেন।" পরিস্থিতি একদম অন্যরকম হতে পারত। কিন্তু আমি বলছি, চলুন বিষয়টি ঠিকভাবে বুঝি। একটি ভাইরাস চীনে শুরু হলো, সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ল, আর যুক্তরাষ্ট্রে এটি তেমনভাবে ছড়িয়ে পড়ল না কারণ আমি এবং আমার প্রশাসন অনেক মতভেদের বিরুদ্ধে গিয়েও শুরুতেই কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। আর ডেমোক্র্যাটদের একমাত্র বলার বিষয় হলো আপনারা দেখছেন যে এটি ডোনাল্ড ট্রাম্পের দোষ, তাই না? এটি ডোনাল্ড ট্রাম্পের দোষ। না, এগুলো স্রেফ ঘটে যাওয়া কিছু বিষয়।
* কিন্তু আপনারা জানেন এটা কী প্রমাণ করে? বিপদ আসতেই পারে। দুই সপ্তাহ আগে কে এই কথা ভেবেছিল? চার সপ্তাহ আগে কে ভেবেছিল যে এমন কিছু চলতে পারে? আপনি ভাবেননি। কিন্তু জীবনে অনেক কিছু ঘটে আর আপনাদের প্রস্তুত থাকতে হবে, নমনীয় হতে হবে এবং এর মোকাবিলা করার ক্ষমতা থাকতে হবে। আর আমাদের কাছে বিশ্বের সেরা পেশাদাররা আছেন, বিশ্বের সেরা এবং আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত। একই সময়ে আমি ৫০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয়ভাবে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইন বা সঙ্গনিরোধ চালু করেছি। আমাদের কিছু মানুষকে আলাদা রাখতে হয়েছিল। তারা খুশি ছিলেন না, তারা এ নিয়ে মোটেও খুশি ছিলেন না। আমি আপনাদের বলতে চাই যে অনেক মানুষ আছে যারা খুব একটা খুশি ছিল না, কিন্তু দুই সপ্তাহ পর তারা খুশি হয়ে গেল। আপনারা জানেন কারা খুশি হয়েছিল? তাদের আশেপাশে যারা ছিল তারা খুশি হয়েছিল। তারাই শেষ পর্যন্ত খুশি হয়েছিল।
** দ্রষ্টব্য: ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের মেডিকেল অ্যান্ড বায়োডিফেন্স প্রিপেয়ার্ডনেস পলিসির প্রাক্তন পরিচালক লুসিয়ানা বোরিও ২০১৮ সালে আটলান্টার এমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সিম্পোজিয়ামে বলেছিলেন, যা ১৯১৮ সালের ইনফ্লুয়েঞ্জা অতিমারীর ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত হয়েছিল: "অতিমারী ফ্লুর ঝুঁকি স্বাস্থ্য নিরাপত্তার প্রধান উদ্বেগের বিষয়, আমরা কি এর মোকাবিলা করতে প্রস্তুত? আমি ভয় পাচ্ছি উত্তরটি হলো 'না'।" যা উদ্ধৃত হয়েছে factCheck.org তে রেম রিডারের লেখা [https://www.factcheck.org/2020/03/contrary-to-trumps-claim-a-pandemic-was-widely-expected-at-some-point/ ''ট্রাম্পের দাবির বিপরীতে, কোনো এক সময়ে অতিমারীর প্রত্যাশা ব্যাপকভাবে ছিল''] (২০ মার্চ ২০২০) শীর্ষক নিবন্ধে।
* আমি একটি হোয়াইট হাউস ভাইরাস টাস্ক ফোর্স গঠন করেছি। এটি অনেক বড় একটি বিষয়, একটি ভাইরাস টাস্ক ফোর্স। আমাদের প্রয়োজনীয় সংস্থান নিশ্চিত করতে আমি ২.৫ বিলিয়ন ডলারের অনুরোধ করেছিলাম। ডেমোক্র্যাটরা বলেছিল, "এটি ভয়াবহ। তিনি ভুল করছেন। তার ২.৫ বিলিয়ন নয় বরং ৮.৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন।" আমার সাথে আগে এমনটা কখনো ঘটেনি। আমি ২.৫ বিলিয়ন চাইলাম আর তারা আমাকে ৮.৫ বিলিয়ন দিতে চায়, তাই আমি বললাম, "আমি এটাই নেব।" এতে কি আমি খারাপ কিছু... আমি এটা নেব। আমি নেবই। আগে আমার সাথে এমনটা কখনো হয়নি। কখনোই না। আমরা চাই ২.৫ বিলিয়ন। ওটাই যথেষ্ট। আমরা দাবি করছি আপনি ৮.৫ বিলিয়ন নিন। তিনি জানেন না তিনি কী করছেন। আমরা ৮.৫ বিলিয়ন চাই। এই লোকগুলো পাগল। আমাদের বুঝতে হবে যে সীমান্ত নিরাপত্তা মানেই স্বাস্থ্য নিরাপত্তা। আর আপনারা সবাই দেখেছেন যে জাদুর মতো দেওয়াল উঠে গেছে। এটি জাদুর মতো তৈরি হয়েছে। আপনারা কি ভাবছেন এটি খুব সহজ ছিল? এটি একদমই সহজ ছিল না। এটি চমৎকারভাবে তৈরি হচ্ছে এবং আমরা এখন ১৩২ মাইল পর্যন্ত তৈরি করেছি এবং এটিই সেই আসল দেওয়াল যা সীমান্ত রক্ষা, জল, সবকিছুর জন্য প্রয়োজন।
* তো আমি জানি না এই অ্যারেনায় উপস্থিতির রেকর্ড কত, তবে আমাকে বলা হয়েছে যে আমরা সেটি অনেক বড় ব্যবধানে ভেঙেছি। আর বাইরেও অনেক মানুষ আছে। আমাদের কি তাদের বলে দেওয়ার অনুমতি আছে যে আমরা কাকে ভোট দিতে বলব? কারণ আপনারা তো অনেককে বাদ দিতে পারেন। ঠিক আছে, এক মিনিট দাঁড়ান, চলুন একটা জরিপ করা যাক। আমরা পেছনের ওই ভুয়া সংবাদমাধ্যমগুলোর জন্য এটি করছি। তৈরি? আমাদের জন্য সেরা প্রার্থী কে হবে? তাদের জন্য নয় কিন্তু। আমরা প্রস্তুত। তৈরি তো? তাহলে চলুন তাদের নামগুলো দ্রুত একবার দেখে নিই। আমরা স্টেয়ারকে এর মধ্যে রাখব না কারণ সে একজন পরাজিত ব্যক্তি। সে বাদ, ঠিক আছে? আমরা তাকে রাখব না। সেরা কে হবে? এটি একটি আসল জরিপ। এটি সেই সব ভুয়া জরিপগুলোর মতো নয় যা... সত্যি বলতে আমি তোমাকে ভালোবাসি, [[ফক্স নিউজ|ফক্স]], তবে ফক্সের নেওয়া সেই জরিপগুলো সবথেকে খারাপ। এই লোক... এই জরিপকারী ট্রাম্পকে মনেপ্রাণে ঘৃণা করে। গত নির্বাচনে আমি অনেক বড় ব্যবধানে হারছিলাম। তারা বলেছিল, "সে নারীদের কাছে খুব ভালো করেছে।" সবকিছু ভুল ছিল। আর তারা কখনো এই লোকটাকে বদলায়নি। কিন্তু এটা দেখুন। আপনারা তৈরি?
* গতকাল আমাদের একটি চমৎকার অনুষ্ঠান ছিল, অনুষ্ঠানটি ছিল খুব সুন্দর তরুণ আফ্রিকান আমেরিকান নেতারা সেখানে ছিলেন। আমি তাদের যে বিষয়গুলো জিজ্ঞেস করেছিলাম এবং আমি অনেক দিন ধরেই এটা নিয়ে ভাবছিলাম... এবং মহান সব মানুষ, দুর্দান্ত মানুষ। তাদের মধ্যে কয়েকজন আজ রাতে এখানে আছেন। আপনারা কি আফ্রিকান আমেরিকান নামটা পছন্দ করেন নাকি কৃষ্ণাঙ্গ? আর তারা সবাই একসাথে চিৎকার করে বলল, "কৃষ্ণাঙ্গ!" না, সত্যি। আমি আপনাদের বলছি। কারণ আপনি যখন জিজ্ঞেস করেন, "আফ্রিকান আমেরিকান নাকি কৃষ্ণাঙ্গ?" আর তারা প্রায় সাথে সাথেই বলল, "কৃষ্ণাঙ্গ।" আমাদের চমৎকার একদল মানুষ ছিল এবং যা ঘটেছিল তা হলো এনবিসি... এটি ছিল ভালোবাসার এক মিলনমেলা। এটি ছিল অবিশ্বাস্য। এটি ৪৫ মিনিট ধরে চলেছিল। এটি ভালোবাসার এক উৎসব ছিল। এটি অবিশ্বাস্য ছিল। এনবিসি প্রত্যাখ্যান করেছিল... তারা ঠিক ওখানেই আছে। তারা প্রত্যাখ্যান করেছিল... কমকাস্ট, যার মালিকানাধীন এনবিসি... আসলে এনবিসিকে আমার মনে হয় আমরা এমএসডিএনসি ডাকি, তাই না? এমএসডিএনসি। কিন্তু আমার মনে হয় এনবিসি সিএনএনের চেয়েও খারাপ। সত্যি বলছি। আর কমকাস্ট, এমন এক কোম্পানি যারা তাদের ইমেজের জন্য লক্ষ লক্ষ ডলার খরচ করে... আমি তাদের ইমেজ নষ্ট করার জন্য যা যা করা সম্ভব তার সবই করব কারণ তারা ভয়াবহ। তারা খুব বাজে লোক। তারা একদল জঘন্য মানুষ। আর তারা বহু বছর ধরে ''দ্য অ্যাপ্রেন্টিসের'' জন্য আমাকে প্রচুর অর্থ দিয়েছে। তারা আমাকে অঢেল টাকা দিয়েছে। আর আমি যখন শো-টি ছেড়েছিলাম, তখন এটি খুব ভালো চলছিল। যখন আমি শোটি ছাড়ি ১৪টি সিজন, ভেবে দেখুন তারা একজন বিখ্যাত চলচ্চিত্র তারকাকে নিয়ে আসে। আমি তার নাম বলব না। কেউ জানবে না। আসলে কেউই তার নাম জানবে না কারণ সে খুব অল্প সময়ের জন্য সেখানে ছিল। কিন্তু ট্রাম্পকে সরিয়ে দেওয়ার পর অনুষ্ঠানটি খুব দ্রুতই গোল্লায় গেল। কিন্তু এখন থেকে পাঁচ বছর পর দেশ অবশ্যই আপনারা তাদের খেপিয়ে দিতে চান পাঁচ বছর বা নয় বছর বা ১৩ বছর। অথবা ১৮ বছর! আরও ১০ বছর। নাহ। ওহ, আপনারা এটা বললে তারা পাগল হয়ে যায়। যখন আপনারা তাদের বলবেন আরও পাঁচ বছর, তার মানে এটা হলো পাঁচ, কিন্তু এরপর আপনি বলতে পারেন হয়ত নয়, হয়ত ১৩, হয়ত ১৭, হয়ত ২১, অথবা না, হয়ত ২১। চলুন এটাই করি। আমরা নিজেদের জন্য ২৫ বছরের একটি সময়সীমা ঠিক করি। ২৫ বছরের বেশি নয়। আর নয়। ঠিক আছে। তারা সেনেটে কোনো কিছু পাস করবে। টিম, লিন্ডসেকে নিয়ে সেনেটে এটি পাস করান, দয়া করে ২৫ বছরের একটি মেয়াদ নির্দিষ্ট করে দিন।
====ফেব্রুয়ারি ২০২০====
* শিশু দারিদ্র্য হ্রাসের কর্মসূচিগুলো এমনকি সেই বছরগুলোতেও সাহায্য করে যখন দরিদ্র বা প্রায়-দরিদ্র অভিভাবকদের আয় বাড়ে। এবং স্বাভাবিকভাবেই, দুঃসময়ে এই কর্মসূচিগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ কর্মসংস্থানের বাজার আজ ভালো চললেও কাল ধসে পড়তে পারে। ট্রাম্প প্রশাসন এই ধরনের কর্মসূচিগুলোর যোগ্যতার নিয়মাবলি নতুন করে লিখেছে যাতে সুবিধাপ্রাপ্ত মানুষের সংখ্যা কমানো যায়। এর পেছনের তথাকথিত লক্ষ্য হলো: সরকারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে খরচ কমানো। (ট্রাম্পের সঙ্গীরা বড় বড় কর্পোরেশন এবং অতি-ধনী ব্যক্তিদের জন্য যে ভর্তুকি আর কর ফাঁকির সুযোগ তৈরি করেছেন, সেগুলোর কথা না-ই বা বললাম, যার ফলে শত শত কোটি ডলার সরকারি খরচ এবং হারানো রাজস্ব যুক্ত হচ্ছে।)
** রাজন মেনন, ''[https://www.thenation.com/article/economy/child-poverty-trump/ ট্রাম্পের দারিদ্র্য-বিরোধী যুদ্ধে আমাদের শিশুরাও অন্তর্ভুক্ত]'' (৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০), ''দ্য নেশন''।
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচিত হওয়ার আগেও শিশুদের যত্ন বা চাইল্ডকেয়ারের জন্য সহায়তার যোগ্য পরিবারগুলোর মাত্র ছয় ভাগের এক ভাগ সহায়তা পেত এবং আবাসন ভর্তুকি পেত মাত্র পাঁচ ভাগের এক ভাগ। তা সত্ত্বেও তার প্রশাসন সেই সব কর্মসূচি বন্ধ করার প্রস্তুতি নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল, যেগুলো এই পরিবারগুলোকে আবাসন ও শিশুদের যত্নে সাহায্য করত। ভবিষ্যতে এই পরিবারগুলোর তার কাছে সাহায্যের আশা করে কোনো লাভ নেই। তিনি তাদের জন্য কোনো ট্রাম্প টাওয়ার বানাবেন না। "মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন" বলতে যাই বোঝানো হোক না কেন, আমেরিকার গরিব শিশুদের সাহায্য করা এর অন্তর্ভুক্ত নয়। ডোনাল্ড ট্রাম্প যতদিন তাদের জীবনের দৌড় নিয়ন্ত্রণ করবেন, তারা নিজেদের শুরুর লাইন থেকে আরও দূরেই খুঁজে পাবে।
** রাজন মেনন, ''[https://www.thenation.com/article/economy/child-poverty-trump/ ট্রাম্পের দারিদ্র্য-বিরোধী যুদ্ধে আমাদের শিশুরাও অন্তর্ভুক্ত]'' (৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০), ''দ্য নেশন''।
==== মার্চ ২০২০ ====
* এই সম্পদ বা অর্থ জোগাড় করার জন্য একটা অতিমারীর অপেক্ষায় থাকা ঠিক হয়নি। ২০১৯ সালের জুনে আমরা হাউস বাজেট কমিটির কাছে 'দরিদ্র মানুষের নৈতিক বাজেট' পেশ করেছিলাম। সেখানে আমরা দেখিয়েছিলাম যে কীভাবে পুরো দেশের এই প্রয়োজনগুলো মেটানো সম্ভব। '''আপনারা যদি এই নৈতিক বাজেটটি মেনে চলতেন, তবে স্বাস্থ্যসেবা, ভালো কাজ, সম্মানজনক মজুরি, আবাসন এবং বিশুদ্ধ জলের মতো খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে আমরা ইতিমধ্যেই দেশের অর্থনীতিতে ১.২ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি টাকা যোগ করার পথে এগিয়ে যেতাম।<BR>এখন ওপর থেকে নিচে সুবিধা পৌঁছানোর সমাধানের সময় নয়। আমরা জানি যে নিচের দিকের মানুষের উন্নতি হলে সবারই উন্নতি হয়। বর্তমান সংকট এবং আমরা কয়েক বছর বা দশক ধরে যেসব সমস্যার বিরুদ্ধে লড়াই করছি, সেগুলোর বাস্তব সমাধান আমাদের হাতে আছে। আপনাদের কাছে আমাদের দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা মানুষকে সংগঠিত করা এবং শক্তি বাড়ানো চালিয়ে যাব। আমাদের লক্ষ লক্ষ মানুষ অনেক দীর্ঘ সময় ধরে কষ্ট পাচ্ছে। আমরা আর চুপ করে থাকব না।''' কোভিড-১৯ অতিমারী তার ভয়াবহ বিস্তারের মাধ্যমে আমাদের এক নজিরবিহীন জরুরি অবস্থার মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। তবে এই জরুরি অবস্থা আসলে আরও গভীর এবং দীর্ঘস্থায়ী একটি সংকটের ফল, তা হলো দারিদ্র্য ও চরম বৈষম্য। আমাদের সমাজ এমন ১৪০ মিলিয়ন মানুষের প্রয়োজনকে পাত্তাই দেয় না যারা হয় গরিব, না হয় সামান্য কোনো বিপদে পড়লেই গরিব হয়ে যাবে।
** রাষ্ট্রপতি [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], উপ-রাষ্ট্রপতি [[মাইক পেন্স]] এবং ১১৬তম মার্কিন কংগ্রেসের সদস্যদের কাছে লেখা চিঠিতে রেভ উইলিয়াম বারবার দ্বিতীয়, [https://www.poorpeoplescampaign.org/poverty-amidst-pandemic/ অতিমারীর মধ্যে দারিদ্র্য: কোভিড-১৯-এর একটি নৈতিক প্রতিক্রিয়া] (১৯ মার্চ ২০২০), লিজ থিওহারিসের সাথে যৌথভাবে লেখা, পুওর পিপলস ক্যাম্পেইন: এ ন্যাশনাল কল ফর এ মোরাল রিভাইভাল।
* নিয়মিতভাবে ভবিষ্যতের ঝুঁকিগুলো যাচাই করে দেখার মতো শৃঙ্খলা বা ধীরস্থির মনোভাব বেশির ভাগ নেতারই নেই। আর অনেক আগে থেকেই প্রধান বিপদটা ঠিকভাবে চিনে নিয়ে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার মতো দূরদর্শিতা তো আরও বিরল। এক কথায় বলতে গেলে, ট্রাম্প প্রশাসন পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। তারা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দেওয়া করোনাভাইরাস ছড়ানোর বারবার সতর্কতা যেমন গায়ে মাখেনি, তেমনি বিপদের তুলনায় দেশজুড়ে যে ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া দরকার ছিল, তাও নিতে পারেনি। ভাইরাসের এই ক্ষতি সামলানোর জন্য সরকারি ও বেসরকারি সব পক্ষকে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো ক্ষমতা আর সম্পদ কেবল কেন্দ্রীয় সরকারেরই ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, ট্রাম্পের কর্মকর্তারা একের পর এক ভুল ধারণা (কোভিড-১৯-এর বিপদকে গুরুত্ব না দেওয়া) এবং ভুল সিদ্ধান্ত (জরুরি ব্যবস্থা নিতে দেরি করা) নিয়েছেন। এর ফলে আমেরিকানদের নিরাপত্তা অকারণে ঝুঁকির মুখে পড়েছে। সংক্ষেপে, ট্রাম্প প্রশাসন আমেরিকান জনগণের ওপর এক বিশাল বড় বিপর্যয় চাপিয়ে দিয়েছে। তবে পার্ল হারবার বা ৯/১১-এর মতো অতীতের বড় বড় ঘটনাগুলোর তুলনায় এবারের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে নজিরবিহীন উদাসীনতা, এমনকি ইচ্ছাকৃত অবহেলার কারণে। উদাহরণস্বরূপ, ৯/১১ কমিশন রিপোর্ট যেমন আল-কায়েদার হামলার জন্য রোনাল্ড রেগান থেকে শুরু করে জর্জ ডব্লিউ বুশ পর্যন্ত বিভিন্ন প্রশাসনকে দায়ী করেছিল, এই করোনাভাইরাস সংকটের দায়ভার কিন্তু পুরোপুরি বর্তমান হোয়াইট হাউসের ওপরই বর্তায়। [...] করোনাভাইরাস ছড়ানোর শুরুর দিকে হোয়াইট হাউসের এই গা-ছাড়া ভাব আধুনিক রাষ্ট্রপতিত্বের ইতিহাসে সবথেকে বড় ভুল হিসেবে গণ্য হবে। তাদের কাছে যথেষ্ট আগে থেকেই পরিষ্কার সতর্কবার্তা ছিল এবং তারা চাইলেই দেশটাকে আরও ভালোভাবে প্রস্তুত করতে পারত। কিন্তু যেভাবে তারা দূরদর্শিতা আর সময়ের সুযোগ নষ্ট করেছে তা কখনোই ভোলা উচিত নয়। আর এর কারণটাও মনে রাখা দরকার: ট্রাম্প শুরু থেকেই ভুল ছিলেন, আর তার সাঙ্গোপাঙ্গরা সেই ভুলটাকেই দীর্ঘ সময় ধরে বড় করে দেখানোর চেষ্টা করেছে। আমেরিকানদের এখন দশকের পর দশক ধরে এর খেসারত দিতে হবে।
** মাইকা জেঙ্কো, [https://foreignpolicy.com/2020/03/25/coronavirus-worst-intelligence-failure-us-history-covid-19/ ''করোনাভাইরাস মার্কিন ইতিহাসের সবথেকে বড় গোয়েন্দা ব্যর্থতা''], ২৫ মার্চ ২০২০, ফরেন পলিসি।
==== এপ্রিল ২০২০ ====
* এই মহামারীর প্রাদুর্ভাব অবাক করার মতো, সত্যি বলতে আঁতকে ওঠার মতো, কিন্তু এর আবির্ভাবটা মোটেই অভাবিত ছিল না। আর এই সংকটে সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রেকর্ড সবথেকে খারাপ হওয়াটাও আশ্চর্যের কিছু নয়। [...] কোভিড-১৯ সংকট থেকে আমরা একসময় মুক্তি পাব, তবে তার জন্য এক ভয়াবহ এবং বিশাল মূল্য দিতে হবে, বিশেষ করে দরিদ্র আর অসহায় মানুষদের। কিন্তু মেরু অঞ্চলের বরফের আস্তরণ গলে যাওয়া আর বিশ্ব উষ্ণায়নের অন্যান্য বিধ্বংসী পরিণাম থেকে ফেরার কোনো পথ থাকবে না। [...] বর্তমান প্রশাসনের কাছে সম্ভাব্য অতিমারী সম্পর্কে যথেষ্ট সতর্কবার্তা ছিল। আসলে, গত অক্টোবরেই একটি উচ্চপর্যায়ের মহড়া বা সিমুলেশন চালানো হয়েছিল। ট্রাম্প ক্ষমতায় থাকাকালীন ঠিক সেভাবেই কাজ করেছেন যেভাবে আমরা তাকে দেখে অভ্যস্ত: সরকারের সব প্রয়োজনীয় বিভাগগুলোর তহবিল বন্ধ করে দিয়ে বা সেগুলোকে ভেঙে দিয়ে। তিনি মন দিয়ে তার করপোরেট প্রভুদের নির্দেশ মেনে চলেছেন। মুনাফা বাড়াতে বাধা দেয় এমন সব নিয়মকানুন তুলে দেওয়ার জন্য তিনি কাজ করছেন যাতে প্রাণের বিনিময়েও ব্যবসায়িক লাভ নিশ্চিত করা যায়। পরিবেশগত বিপর্যয়ের খাদের কিনারায় পৌঁছানোর দৌড়ে তিনি নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যা এখন পর্যন্ত তার সবথেকে বড় অপরাধ—আসলে এর ফলাফল বিবেচনা করলে এটি ইতিহাসের সবথেকে বড় অপরাধ।
** [[নোম চম্স্কি]], সি.জে. পলিচ্রনিউ-এর সাথে এক সাক্ষাৎকারে, [https://truthout.org/articles/chomsky-ventilator-shortage-exposes-the-cruelty-of-neoliberal-capitalism/ ''চম্স্কি: ভেন্টিলেটরের অভাব নিওলিবারাল ক্যাপিটালিজমের নিষ্ঠুরতাকে প্রকাশ করে''] (১ এপ্রিল ২০২০), ''ট্রুথআউট''।
* ক্ষমতা নিয়ে দলাদলি বা রেষারেষি এই প্রশাসনের একটা চিরচেনা রূপ, আর এই অতিমারী মোকাবিলার ক্ষেত্রেও তার কোনো ব্যতিক্রম হয়নি। [...] এমনকি তাদের কাজকর্মের মধ্যেও কোনো অভ্যন্তরীণ মিল বা শৃঙ্খলা দেখা যাচ্ছে না।
** মিশেল গোল্ডবার্গ, [https://www.nytimes.com/2020/04/02/opinion/jared-kushner-coronavirus.html ''জ্যারেড কুশনারকে দায়িত্বে রাখাটা চরম পাগলামি''] (২ এপ্রিল ২০২০), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস''।
* জীবনে না হলেও, এই প্রশাসনে অন্তত তাই (অর্থাৎ মানুষ বড়ই একা)।
** অ্যান্ড্রু কুওমোর বক্তব্য: "ধরে নিন জীবনে আপনি একাই পথ চলছেন" প্রসঙ্গে [[মিশেল গোল্ডবার্গ]], [https://www.nytimes.com/2020/04/02/opinion/jared-kushner-coronavirus.html ''জ্যারেড কুশনারকে দায়িত্বে রাখাটা চরম পাগলামি''] (২ এপ্রিল ২০২০), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস''।
* প্রেসিডেন্ট হলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট, তাই তার কথাগুলোকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য হিসেবেই গণ্য করা হয়।
** হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি শন স্পাইসার, [https://www.cnn.com/2017/06/06/politics/trump-tweets-official-statements/index.html হোয়াইট হাউস: ট্রাম্পের টুইটগুলো 'অফিসিয়াল স্টেটমেন্ট' বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য] ৬ জুন, (প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের টুইটার বার্তার মর্যাদা প্রসঙ্গে)।
* সে ১ কোটি ৫০ লক্ষেরও বেশি কর্মসংস্থান তৈরি করেছে।
** নিজের মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্প সম্পর্কে ব্যবসায়িক নেতাদের সাথে এক ফোনালাপে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। কোনো ব্যাখ্যা বা প্রমাণ দেওয়া হয়নি। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৪-০৭ |শিরোনাম=ট্রাম্প দাবি করেছেন যে তার মেয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মোট কর্মসংস্থানের ১০ শতাংশ তৈরি করেছে |লেখক=ইয়ান মিলহিজার |সাময়িকী=Vox|ইউআরএল=https://www.vox.com/2020/4/8/21212802/trump-ivanka-10-percent-jobs-walmart-15-million}}
* যখন কেউ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হন, তখন তার ক্ষমতা হয় নিরঙ্কুশ।
** করোনাভাইরাস টাস্ক ফোর্সের প্রেস ব্রিফিংয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৪-১৩ |শিরোনাম=সিএনএন রিপোর্টার সরাসরি ট্রাম্পের মুখের ওপর প্রতিবাদ করেন যখন তিনি রাজার মতো ক্ষমতার দাবি করেন |লেখক=কোডি ফেনউইক |সাময়িকী=রস্টোরি |ইউআরএল=https://www.rawstory.com/2020/04/cnn-reporter-flat-out-contradicts-trump-to-his-face-when-he-claims-king-like-authority/}}
* এই কারণেই আপনাদের রেটিং এত খারাপ, কারণ আপনারা করুণার পাত্র। বলে যান। শুরু করুন। আপনাদের রেটিং ভয়াবহ। আপনাদের আবার আসল খবরের দিকে ফিরে যাওয়া উচিত। বলে যান।
** একজন সাংবাদিকের কথা থামিয়ে দিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যিনি "আগামী সপ্তাহে মাসের প্রথম তারিখ..." বলে প্রশ্ন শুরু করেছিলেন। হোয়াইট হাউস করোনাভাইরাস টাস্ক ফোর্স ব্রিফিং (১৯ এপ্রিল ২০২০), [https://www.rev.com/blog/transcripts/donald-trump-coronavirus-press-conference-transcript-april-19 ডোনাল্ড ট্রাম্পের করোনাভাইরাস সংবাদ সম্মেলনের প্রতিলিপি ১৯ এপ্রিল]
* আমি খুব সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করি। বাণিজ্য চুক্তি, সামরিক পুনর্গঠন ইত্যাদি দেখাশোনার জন্য আমি অনেক মাস ধরে হোয়াইট হাউস থেকে বের হইনি (কেবল হাসপাতাল জাহাজ কমফোর্ট উদ্বোধন করা ছাড়া)। আর এরপর আমি সেই লোকসান হতে থাকা নিউ ইয়র্ক টাইমসে আমার কাজের সময়সূচী আর খাদ্যাভ্যাস নিয়ে একটা ভুয়া খবর পড়লাম, যা লিখেছে একজন তৃতীয় শ্রেণির সাংবাদিক যে আমার সম্পর্কে কিছুই জানে না। আমি প্রায়ই গভীর রাত পর্যন্ত ওভাল অফিসে থাকি আর পরে পড়ি বা দেখি যে আমি নাকি আমার শোবার ঘরে বসে রাগে রাগে হ্যামবার্গার আর ডায়েট কোক খাচ্ছি। আমার সাথে যারা থাকেন তারা সবসময় অবাক হন। আমাকে ছোট করার জন্য সব কিছুই চলে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৪-২৬ |শিরোনাম='হ্যামবারগার' এবং 'নোবেল প্রাইজ': বানানে ভুল করা টুইটার বার্তায় গণমাধ্যমকে আক্রমণ ট্রাম্পের |লেখক=অ্যালেক্স উডওয়ার্ড |সাময়িকী=ইন্ডিপেন্ডেন্ট |ইউআরএল=https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-politics/donald-trump-latest-coronavirus-hamburger-nobel-prize-russia-a9485006.html}}
* রাশিয়া, রাশিয়া, রাশিয়া নিয়ে কাজ করার জন্য সেই সব 'রিপোর্টার' যারা নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন, অথচ শেষে তারা পুরোপুরি ভুল প্রমাণিত হয়েছেন (এবং আসলে অন্য পক্ষই অপরাধ করেছিল), তারা কবে তাদের প্রিয় 'নোবেল' ফিরিয়ে দেবেন যাতে সেগুলো সেই সব আসল রিপোর্টার আর সাংবাদিকদের দেওয়া যায় যারা সঠিক খবর দিয়েছিলেন?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৪-২৬ |শিরোনাম=রাশিয়া তদন্ত নিয়ে সংবাদ করা সাংবাদিকদের 'নোবেল প্রাইজ' ফিরিয়ে দিতে বললেন ট্রাম্প, পরে টুইটটি মুছে ফেলা হয় |লেখক=জেমস পাসলে |সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার |ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-deletes-tweet-calling-for-journalists-to-return-noble-prizes-2020-4?r=US&IR=T}}
* এরা খুব ভালো মানুষ, তবে তারা রাগান্বিত।
** মিশিগানে স্টেট ক্যাপিটল দখল করা সশস্ত্র বিক্ষোভকারীদের সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-০১ |শিরোনাম=বন্দুক নিয়ে সংসদ ভবন দখল করা 'খুব ভালো মানুষদের' দাবি মেনে নিতে মিশিগানের গভর্নরকে ট্রাম্পের তাগিদ |লেখক=ট্রাভিস গেটিস |সাময়িকী=রস্টোরি |ইউআরএল=https://www.rawstory.com/2020/05/trump-urges-michigan-governor-to-give-in-to-very-good-people-who-stormed-statehouse-with-guns/}}
====মে ২০২০====
* আমরা ৮ বছরের মধ্যে এইডস-মুক্ত হব। আমরা শুরু করেছি, আসলে ১০ বছর আগে শুরু করা উচিত ছিল। আগের প্রশাসনের আমলেই এটি শুরু হওয়া উচিত ছিল। তারা কিছুই করেনি। আমার প্রশাসনের সময়েই এর শুরু হয়েছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-০৩ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ফক্স নিউজের টাউন হলে করোনাভাইরাস এবং অন্যান্য বিষয়ে ট্রাম্পের একগুচ্ছ মিথ্যা দাবি |লেখক=ড্যানিয়েল ডেল |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/05/03/politics/fact-check-fox-news-townhall-trump-may-3/index.html}}
* আমাদের যে ঐক্য আছে, এক অর্থে আমাদের মধ্যে দারুণ মিল রয়েছে, আবার অন্য অর্থে আমার মনে হয় তারাও সাথে আসবে। আমি বলতে চাইছি, আমি তো অবশ্যই তেমনটাই আশা করি। তবে আমার প্রধান কাজ হলো আমাদের দেশকে আগের জায়গায় ফিরিয়ে আনা। আমি একে আগের অবস্থায় বা হয়ত তার চেয়েও ভালো অবস্থানে নিয়ে যেতে চাই। আপনারা জানেন তো, আমাদের হাতে এখন এক বিশাল প্রণোদনা রয়েছে সেই সব অর্থ যা নিয়ে আজ রাতে আমরা এ পর্যন্ত কথা বলেছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-০৪ |শিরোনাম=লিঙ্কন মেমোরিয়ালে ফক্স টাউন হলে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৪৫টি সবথেকে চমকপ্রদ উক্তি |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/05/04/politics/donald-trump-fox-lincoln-memorial/index.html}}
* তো ক্যালিফোর্নিয়াতে ডেমোক্র্যাটরা ডাকযোগে ব্যালট পাঠিয়ে ভোট নেওয়ার জন্য পাগল হয়ে লড়াই করেছিল এবং সফলও হয়েছিল। তারা এখন সেই অঙ্গরাজ্যের সবথেকে বেশি ডেমোক্র্যাট-ঘেঁষা এলাকায় ভোট দেওয়ার বুথ খুলেছে। তারা আরেকটি নির্বাচনে কারচুপি করার চেষ্টা করছে। সেখানে সবকিছুই সাজানো। এই ভোটগুলো অবশ্যই গণ্য করা যাবে না। প্রতারণা!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-০৯ |শিরোনাম=উন্মত্ত টুইটগুলোতে ট্রাম্প বলেছেন ক্যালিফোর্নিয়ার সব ভোট ‘অবশ্যই গণ্য করা যাবে না’ |লেখক=মার্ক এনসি |সাময়িকী=নিউজ করপস |ইউআরএল=https://www.newscorpse.com/ncWP/?p=45212}}
* খাস খবর: মিশিগান প্রাথমিক ও সাধারণ নির্বাচনের আগে ৭৭ লক্ষ মানুষের কাছে অ্যাবসেন্ট ব্যালট (অনুপস্থিত ভোটারদের ব্যালট) পাঠাচ্ছে। একজন উদ্ধত সেক্রেটারি অফ স্টেট কোনো অনুমতি ছাড়াই এটি বেআইনিভাবে করেছেন। মিশিগান যদি ভোটার জালিয়াতির এই পথে হাঁটতে চায়, তবে আমি তাদের অর্থ সাহায্য আটকে দেওয়ার কথা বলব!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-২০ |শিরোনাম=মিশিগানের অ্যাবসেন্ট ব্যালট আবেদন নিয়ে ট্রাম্পের মিথ্যা টুইট |লেখক=ডি'অ্যাঞ্জেলো গোর |সাময়িকী=FactCheck.org |ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/05/trumps-false-tweet-about-michigan-absentee-ballot-applications/}}
* আর জানেন তো, আপনি যখন "মাথাপিছু" বা পার ক্যাপিটা বলেন, সেখানে অনেক ধরনের পার ক্যাপিটা আছে। এটা অনেকটা এমন যে কার তুলনায় মাথাপিছু? তবে আপনি যেকোনো বিভাগই দেখুন না কেন, মাথাপিছু হিসেবেও আমরা একদম শীর্ষে অর্থাৎ ভালো অবস্থানে আছি। তারা দারুণ কাজ করেছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-২০ |শিরোনাম=কোভিড-১৯ নিয়ে আলোচনার সময় ট্রাম্প কি বলেছিলেন যে ‘অনেক ধরনের পার ক্যাপিটা’ আছে? |লেখক=কিম লাক্যাপ্রিয়া |সাময়িকী=TruthOrFiction.com |ইউআরএল=https://www.truthorfiction.com/did-president-trump-say-there-were-many-per-capitas-in-a-covid-19-discussion/}}
* আমি পাঁচ বছর আগে মিশিগানে ‘ম্যান অফ দ্য ইয়ার’ হিসেবে সম্মানিত হয়েছিলাম।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-২২ |শিরোনাম=মিশিগানে ট্রাম্পের সন্দেহজনক ‘ম্যান অফ দ্য ইয়ার’ হওয়ার বড়াই |লেখক=রবার্ট ফার্লি |সাময়িকী=actCheck.org |ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2019/08/trumps-dubious-michigan-man-of-the-year-boast/}}
* ডাকযোগে পাঠানো ব্যালট বা মেল-ইন ব্যালটে যে বড় ধরনের কারচুপি হবে না, তার কোনো সম্ভাবনাই নেই (একদম শূন্য)! ডাকবক্সগুলো চুরি হবে, ব্যালট জাল করা হবে, এমনকি সেগুলো অবৈধভাবে ছাপানো আর তাতে জালিয়াতি করে সইও করা হবে। ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে ব্যালট পাঠাচ্ছেন। ওই রাজ্যে বসবাসকারী যে কেউ, সে যে-ই হোক বা যেভাবেই সেখানে আসুক না কেন, সে একটি ব্যালট পাবে। এরপর আসবে কিছু পেশাদার লোক, যারা এই সব মানুষদের বলে দেবে কীভাবে আর কাকে ভোট দিতে হবে। এদের মধ্যে অনেকে আবার আগে কখনো ভোট দেওয়ার কথা ভাবেনি। এটি একটি সাজানো নির্বাচন হবে। অসম্ভব!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1265255835124539392 টুইটারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৬ মে ২০২০)
* ভেবে দেখুন তো, আপনার স্থানীয় ফোন কোম্পানিগুলো যদি আপনার বলা কথাগুলো এডিট করার বা সেন্সর করার চেষ্টা করত। সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোর ক্ষমতা তো তার চেয়েও অনেক বেশি।
** {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-২৮ |শিরোনাম=সোশ্যাল মিডিয়া দমনের যুক্তি দিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি হাস্যকর তুলনা ব্যবহার করেছেন |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/05/28/politics/donald-trump-twitter-facebook-social-media-executive-order/index.html}}
====জুন ২০২০====
[[File:President Trump Visits St. John's Episcopal Church (49963649028).jpg|thumb|আপনাদের আধিপত্য বিস্তার করতে হবে নতুবা আপনাদের একদল মূর্খ মনে হবে, আপনাদের লোকজনকে গ্রেফতার করতে হবে এবং তাদের বিচার করতে হবে।]]
* আপনাদের আধিপত্য বিস্তার করতে হবে নতুবা আপনাদের একদল মূর্খ মনে হবে, আপনাদের লোকজনকে গ্রেফতার করতে হবে এবং তাদের বিচার করতে হবে।
* আপনাদের খুব বেশি সাবধান হওয়ার দরকার নেই।
** জর্জ ফ্লয়েড হত্যার পর পুলিশি সহিংসতার বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারী সাধারণ মানুষের প্রতি কেমন প্রতিক্রিয়া দেখাতে হবে সে বিষয়ে মার্কিন গভর্নরদের নির্দেশ দিচ্ছেন [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-০১ |শিরোনাম=বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে গভর্নরদের আক্রমণাত্মক কৌশল ব্যবহারের উৎসাহ দিচ্ছেন উত্তেজিত ট্রাম্প |লেখক=কেভিন লিপটাক, রায়ান নোবলস, সারাহ ওয়েস্টউড |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/06/01/politics/donald-trump-race-police/index.html}}
* ওয়াশিংটন, ডি.সি. গত রাতে পৃথিবীর সবথেকে নিরাপদ জায়গা ছিল!
** [https://twitter.com/realdonaldtrump/status/1267959729361485825 ২ জুন ২০২০-এর টুইট], ৮ জুন ২০২০, [https://www.usnews.com/news/politics/articles/2020-06-07/ap-fact-check-trump-exaggerations-on-blacks-economic-gains ইউএস নিউজ]।
* এটি তার জন্য একটি দারুণ দিন। এটি সবার জন্যই একটি দারুণ দিন। গুণের বিচারে এটি খুবই চমৎকার একটি দিন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] দাবি করেছেন যে মার্কিন অর্থনীতি "আবার সঠিক পথে ফিরে এসেছে", এবং তিনি এর সাথে জর্জ ফ্লয়েডকে যুক্ত করেছেন, যাকে কয়েক দিন আগে পুলিশ হত্যা করেছিল। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-০৫ |শিরোনাম=জর্জ ফ্লয়েড ওপর থেকে নিচে তাকিয়ে দেখছেন এবং দিনটিকে ‘একটি দারুণ দিন’ বলার জন্য ট্রাম্পের সমালোচনা |লেখক=এমা রোজমার্জি |সাময়িকী=ইউনিলাড |ইউআরএল=https://www.unilad.co.uk/news/trump-criticised-for-saying-george-floyd-is-looking-down-and-calling-it-a-great-day/}}
* বাফেলোর যে বিক্ষোভকারীকে পুলিশ ধাক্কা দিয়েছিল সে একজন অ্যান্টিফা প্ররোচনাকারী হতে পারে। ৭৫ বছর বয়সী মার্টিন গুগিনোকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল কারণ মনে হচ্ছিল তিনি পুলিশের যোগাযোগের সরঞ্জামগুলো অকেজো করার জন্য স্ক্যান করছিলেন। @OANN আমি দেখেছি, তাকে যত জোরে ধাক্কা দেওয়া হয়েছিল তার চেয়েও বেশি জোরে তিনি পড়ে গিয়েছিলেন। তিনি স্ক্যানার দিয়ে লক্ষ্য করছিলেন। এটি কি কোনো সাজানো নাটক হতে পারে?
** পুলিশের হাতে নিষ্ঠুরভাবে নির্যাতিত হওয়ার পর মস্তিষ্কে আঘাত পাওয়া শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারী মার্টিন গুগিনো সম্পর্কে কোনো প্রমাণ ছাড়াই [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই সব মন্তব্য বারবার করেছেন। যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-০৯ |শিরোনাম=বাফেলো পুলিশের ধাক্কায় পড়ে যাওয়া ৭৫ বছর বয়সী বৃদ্ধের বিরুদ্ধে পড়ে যাওয়ার নাটক করার অভিযোগ ট্রাম্পের |লেখক=ক্যামেরন ফিউ |সাময়িকী=ইউনিলাড |ইউআরএল=https://www.unilad.co.uk/news/trump-accuses-75-year-old-knocked-down-by-buffalo-police-of-faking-fall/}}
* আমার মনে হয় অন্য যেকোনো রাষ্ট্রপতির চেয়ে আমি কৃষ্ণাঙ্গ সম্প্রদায়ের জন্য বেশি কাজ করেছি এবং চলুন আমরা আব্রাহাম লিংকনকে বাদ দিই কারণ তিনি ভালো কাজ করেছিলেন যদিও সেটা সবসময়ই প্রশ্নবিদ্ধ, মানে সহজ কথায় শেষ ফলাফলটা।
** জর্জ ফ্লয়েড বিক্ষোভ চলাকালীন ফক্স নিউজের সাথে এক সাক্ষাৎকারে নিজের নেতৃত্ব এবং আফ্রিকান-আমেরিকান সম্প্রদায়ের সাথে সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার সময় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন। জেরেমি স্টাহলের নিবন্ধ "[https://slate.com/news-and-politics/2020/06/what-was-trump-trying-to-say-about-abraham-lincoln.html আব্রাহাম লিংকন সম্পর্কে ট্রাম্প কী বলতে চেয়েছিলেন?]" ১২ জুন ২০২০, ''স্লেট''।
* সে একজন মিথ্যাবাদী... হোয়াইট হাউসের সবাই জন বোল্টনকে ঘৃণা করত।
** নিজের বেছে নেওয়া জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেন, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-১৫ |শিরোনাম=বোল্টনের বিস্ফোরক বই প্রকাশের পর ট্রাম্প তাকে ‘মিথ্যাবাদী’ বলে অভিহিত করেছেন এবং বলেছেন ‘হোয়াইট হাউসের সবাই তাকে ঘৃণা করত’ |লেখক=নিকোল ডারা |সাময়িকী=দ্য সান |ইউআরএল=https://www.the-sun.com/news/999925/trump-john-bolton-book-white-house-liar/}}
* এরাই সেই সব মানুষ — সবথেকে সেরা, সবথেকে স্মার্ট, সবথেকে মেধাবী, আর তারা এইডসের টিকা আবিষ্কার করেছে। তারা... আরও নানা কিছু আবিষ্কার করেছে।
** বিজ্ঞানীদের সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই দাবি করেন, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-১৬ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: অস্তিত্বহীন এইডস টিকা নিয়ে ট্রাম্পের দাবি |লেখক=ক্যালভিন উডওয়ার্ড, হোপ ইয়েন |সাময়িকী=নিউজ ১২ |ইউআরএল=https://www.kxii.com/content/news/AP-FACT-CHECK-Trump-on-an-AIDS-vaccine-that-doesnt-exist-571309161.html/}}
* আমি একটা ভালো কাজ করেছি: আমি জুনটিন্থকে খুব বিখ্যাত করে তুলেছি।<br>এটি আসলে একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান, একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। কিন্তু আগে কেউ এর নাম শোনেনি।
** বুধবার ১৭ জুন ২০২০-এ ওভাল অফিসে দেওয়া সাক্ষাৎকারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন। ১৯ জুন ২০২০-এ ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের মাইকেল বেন্ডারের [https://www.wsj.com/articles/trump-talks-juneteenth-john-bolton-economy-in-wsj-interview-11592493771 একটি নিবন্ধ] অনুযায়ী এবং ২১ জুন ২০২০-এ দ্য গার্ডিয়ানের রিচার্ড ওল্ফের[https://www.theguardian.com/commentisfree/2020/jun/20/donald-trump-tulsa-rally-crowd-empty-seats লেখায়] এটি বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
* আমি বললাম, 'জেনারেল, কোনো রেলিং ছাড়া ওই ঢালু পথ দিয়ে নিচে নামতে গিয়ে আছাড় না খেয়ে নামা আমার পক্ষে অসম্ভব, জেনারেল।'
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-২০ |শিরোনাম=১৭৯৮টি শব্দ যা প্রমাণ করে যে ওয়েস্ট পয়েন্টের ঢালু পথ নামার গল্প নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প কতটা আচ্ছন্ন |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/06/22/politics/donald-trump-tulsa-rally-west-point-ramp/index.html |ভাষা=en-US}}
* আপনাদের ৪০১(কে) (অবসরকালীন সঞ্চয়) এবং আপনাদের টাকা-পয়সা সব মূল্যহীন হয়ে পড়বে।
** জো বাইডেন যদি পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জেতেন তবে কী হবে সে সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-২০ |শিরোনাম=অতিমারী নিয়ে আবারও মিথ্যাচার, জুনের শুরু থেকে জুলাইয়ের শুরু পর্যন্ত ট্রাম্প ২০০টি মিথ্যা দাবি করেছেন |লেখক=ড্যানিয়েল ডেল, তারা সুব্রামানিয়াম |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/07/18/politics/fact-check-trump-june-july-2020/index.html |ভাষা=en-US}}
* সাজানো ২০২০ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ভিনদেশ এবং অন্যরা লক্ষ লক্ষ ডাক-ব্যালট ছাপাবে। এটি হবে আমাদের সময়ের সবথেকে বড় কেলেঙ্কারি!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]-এর দাবি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-২২ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ডাকযোগে ভোট দেওয়া নিয়ে ভিত্তিহীন দাবি ছড়াচ্ছেন ট্রাম্প |লেখক=মাইলস পার্কস |সাময়িকী=এনপিআর |ইউআরএল=https://apnews.com/1d1a98892bdc7e1df97807b3be48bb13 |ভাষা=en-US}}
* আচ্ছা, একটি বিষয় যা সত্যিই দারুণ হবে তা হলো — অভিজ্ঞতা শব্দটির কদর এখনো আছে। আমি সবসময় বলি অভিজ্ঞতার চেয়ে প্রতিভাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমি সবসময় এটাই বলেছি। কিন্তু অভিজ্ঞতা শব্দটিও খুব গুরুত্বপূর্ণ। এর একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ অর্থ আছে। আমি আগে কখনো এটা করিনি। আমি কখনো ওয়াশিংটনে রাত কাটাইনি। আমি ওয়াশিংটনে বড়জোর ১৭ বার এসেছিলাম। আর হঠাৎ করে আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হয়ে গেলাম। আপনারা তো গল্পটা জানেন। আমি ফার্স্ট লেডির সাথে পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউ দিয়ে যাচ্ছিলাম আর বলছিলাম, ‘এটা দারুণ। কিন্তু আমি ওয়াশিংটনের খুব বেশি মানুষকে চিনতাম না। এটি আমার চেনা জায়গা ছিল না। আমি ম্যানহাটন থেকে, নিউ ইয়র্ক থেকে এসেছিলাম। এখন আমি সবাইকে চিনি এবং প্রশাসনে আমার কাছে দারুণ সব মানুষ আছে। আপনি কিছু ভুল করবেনই। যেমন, ওই গাধাটার কথা ধরুন, ওই যে বোল্টন। সে সবসময় চাইত সবার ওপর বোমা ফেলতে। আপনার তো সবার ওপর বোমা ফেলার দরকার নেই। মানুষের প্রাণ নেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
** "দ্বিতীয় মেয়াদে আপনার অগ্রাধিকারগুলো কী হবে?" - এই প্রশ্নের জবাবে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন। যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৭-১৭ |শিরোনাম=দ্বিতীয় মেয়াদের পরিকল্পনা নিয়ে ট্রাম্পের আবোলতাবোল বকুনি |লেখক=অ্যাডাম কে রেমন্ড |সাময়িকী=নিউ ইয়র্ক ম্যাগাজিন |ইউআরএল=https://nymag.com/intelligencer/2020/06/trump-hannity-interview-full-of-unintelligible-rambling.html}}
* রাশিয়ানরা [[আফগানিস্তান]]ে আমাদের সেনাদের ওপর তথাকথিত যে হামলা চালিয়েছে সে সম্পর্কে আমাকে, @উপ-রাষ্ট্রপতি পেন্স অথবা চিফ অফ স্টাফ @মার্কমিডোসকে কেউ কিছুই বলেনি।
** আফগানিস্তানে মার্কিন সেনাদের হত্যার জন্য রাশিয়ান গোয়েন্দারা তালিবানদের টাকা দিচ্ছে, এমন একটি সংবাদ প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেন। যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-২৮ |শিরোনাম=মার্কিন সেনাদের হত্যার জন্য পুরস্কার বা বাউন্টি দেওয়ার খবর সম্পর্কে তাকে ব্রিফ করার বিষয়টি অস্বীকার করলেন ট্রাম্প |লেখক=কাইল বালুক |সাময়িকী=দ্য হিল |ইউআরএল=https://thehill.com/homenews/administration/504890-trump-denies-he-was-briefed-on-reported-bounties-on-us-troops |ভাষা=en-US}}
* আপনারা কি স্রেফ তাদের গুলি করতে পারেন না? স্রেফ তাদের পায়ে বা এমন কোথাও গুলি করুন না?
** জর্জ ফ্লয়েড হত্যার পর হোয়াইট হাউসের আশেপাশে রাস্তায় বিক্ষোভকারীদের সম্পর্কে জুন ২০২০-এ [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেছিলেন। প্রাক্তন প্রতিরক্ষা সচিব মার্ক এসপারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এটি [https://www.axios.com/mark-esper-book-trump-protesters-24e93272-2af5-423d-be3b-164daab7b43d.html "স্কুপ: এসপার বলেছেন ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের গুলি করতে চেয়েছিলেন"], অ্যাক্সিওস, ২ মে ২০২২।
====জুলাই ২০২০====
* সমাজ ও প্রকৃতির সকল নিয়মের বিরুদ্ধে গিয়ে আমাদের শিশুদের স্কুলে শেখানো হচ্ছে নিজেদের দেশকে ঘৃণা করতে। তাদের বিশ্বাস করানো হচ্ছে যে যারা এই দেশ গড়ে তুলেছিলেন তারা নায়ক নন বরং খলনায়ক ছিলেন। আমেরিকান ইতিহাসের এই কট্টরপন্থী দৃষ্টিভঙ্গি আসলে মিথ্যার জাল। এখানে সব প্রেক্ষিত সরিয়ে ফেলা হয়েছে, সমস্ত গুণকে আড়াল করা হয়েছে, প্রতিটি উদ্দেশ্যকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রতিটি তথ্য বিকৃত করা হয়েছে এবং প্রতিটি ত্রুটিকে এমনভাবে বড় করে দেখানো হয়েছে যাতে ইতিহাস পুরোপুরি মুছে যায় এবং সমস্ত নথিপত্র চেনা দায় হয়ে পড়ে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-০৩ |শিরোনাম=বাইডেন শিক্ষকদের বলেছেন যে তারা সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করছেন, একই দিনে ট্রাম্প বলেছেন যে শিক্ষকরা শিশুদের ‘দেশকে ঘৃণা করতে’ শেখাচ্ছেন |লেখক=ভ্যালেরি স্ট্রস |সাময়িকী=ইন্ডিপেন্ডেন্ট |ইউআরএল=https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-election/biden-trump-teachers-education-policy-2020-election-a9603156.html}}
* আমাদের বিদ্যালয়গুলোতে, আমাদের নিউজ রুমগুলোতে, এমনকি আমাদের কর্পোরেট বোর্ডরুমগুলোতেও এক নতুন কট্টর বামপন্থী ফ্যাসিবাদ এসেছে যা সবার কাছ থেকে নিঃশর্ত আনুগত্য দাবি করে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-০৩ |শিরোনাম=মাউন্ট রাশমোর ভাষণে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২৮টি সবথেকে আপত্তিকর উক্তি |লেখক=ভ্যালেরি স্ট্রস |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/07/04/politics/donald-trump-mount-rushmore-south-dakota-speech-lines/index.html}}
* আমাদের -- এপ্রিলের পর থেকে ভোক্তাদের আত্মবিশ্বাস ১২ পয়েন্ট বেড়েছে, যা সর্বকালের সর্বোচ্চ। ভেবে দেখুন একবার।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের একটি অসত্য দাবি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-০৯ |শিরোনাম=আবারও অতিরঞ্জিত কথা, ট্রাম্পের দাবি চারটি অর্থনৈতিক সূচক রেকর্ড গড়েছে যা আসলে কোনো রেকর্ড নয় |লেখক=ড্যানিয়েল ডেল |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/07/06/politics/fact-check-trump-june-jobs-exaggerations/index.html}}
* অনেক বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্কুল ব্যবস্থা এখন পড়াশোনার বদলে কট্টর বামপন্থী মতাদর্শ চাপিয়ে দেওয়ার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। তাই আমি ট্রেজারি বিভাগকে তাদের কর-মুক্ত সুবিধা এবং অর্থায়ন পুনরায় খতিয়ে দেখতে বলছি। যদি এই অপপ্রচার বা জনস্বার্থ বিরোধী কাজ চলতে থাকে, তবে সেই সব সুবিধা কেড়ে নেওয়া হবে। আমাদের শিশুদের শিক্ষা দিতে হবে, তাদের ওপর কোনো মতাদর্শ চাপিয়ে দেওয়া যাবে না!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১১ |শিরোনাম=মার্কিন স্কুলগুলো পুনরায় খোলার বিষয়ে ট্রাম্পের চাপের মুখে ডাক্তার ও শিক্ষকদের অসম্মতি |লেখক=সুসান হেভি |সাময়িকী=রয়টার্স |ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/us-health-coronavirus-uda-education/in-bid-to-reopen-u-s-schools-trump-threatens-their-tax-exempt-status-idUSKBN24B2D3?il=0}}
* আমি একটি জটিল এলাকায় একটি বেসরকারি গোষ্ঠীর দ্বারা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে টাকা তুলে দেওয়ালের এই খুব ছোট অংশটি তৈরির বিরোধী ছিলাম। এটি কেবল আমাকে ছোট করার জন্য করা হয়েছিল এবং হয়ত এখন এটি কাজও করছে না। এটি দেওয়ালের বাকি ৫০০ মাইলের মতোই তৈরি করা উচিত ছিল।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১২ |শিরোনাম=সমর্থকদের অর্থায়নে নির্মিত দেওয়ালের অস্থিতিশীল অংশটি কেবল 'আমাকে ছোট করার জন্য করা হয়েছিল' বলে দাবি ট্রাম্পের |লেখক= ক্যাথরিন গার্সিয়া | সাময়িকী=দ্য উইক |ইউআরএল=https://theweek.com/speedreads/925124/trump-says-possibly-unstable-section-border-wall-funded-by-supporters-only-done-make-look-bad}}
* আমি এমন অনেককে চিনি যারা কনফেডারেট পতাকা পছন্দ করেন এবং তারা [[দাসত্ব]]ের কথা ভাবছেন না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১৮ |শিরোনাম=ট্রাম্প একটি কনফেডারেট পতাকার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন যেখানে তার অনেক সমর্থক আগেই হার মেনে নিয়েছে |লেখক= টিনা নগুয়েন | সাময়িকী=পলিটিকো |ইউআরএল=https://www.politico.com/news/2020/07/18/trump-confederate-flag-battle-368607}}
* দেখুন, আমি সবসময় সবকিছুর জন্য দায়িত্ব নিই কারণ শেষ পর্যন্ত এটি আমারই কাজ। আমাকে সবাইকে একই সারিতে আনতে হয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১৯ |শিরোনাম=করোনাভাইরাস নিয়ে সমালোচকদের জবাব দিলেন ট্রাম্প, বিশেষ সাক্ষাৎকারে কথা বললেন নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেবেন কি না তা নিয়ে |লেখক= রন ব্লিটজার | সাময়িকী=ফক্স নিউজ |ইউআরএল=https://www.foxnews.com/politics/trump-pushes-back-against-critics-on-coronavirus-addresses-whether-he-will-accept-election-results-in-exclusive-interview}}
* আমি সত্যি বলছি, আমি ফক্স নিউজের খুব একটা ভক্ত নই।
* আমরা দুই সপ্তাহের মধ্যে একটি স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনা সই করতে যাচ্ছি, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ এবং সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনা যা করার অধিকার ডাকা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত আমাকে দিয়েছে। তাই আমরা সমাধান করতে যাচ্ছি আমরা একটি অভিবাসন পরিকল্পনা, একটি স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনা এবং অন্যান্য আরও কিছু পরিকল্পনা সই করতে যাচ্ছি। আগামী চার সপ্তাহে আমি যা করতে যাচ্ছি তা আগে কেউ করেনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১৯ |শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্প বনাম ফক্স নিউজ সানডে: একটি উত্তপ্ত সাক্ষাৎকারের কিছু বিশেষ মুহূর্ত |লেখক= আমান্ডা হোলপাচ | সাময়িকী=দ্য গার্ডিয়ান |ইউআরএল=https://www.theguardian.com/us-news/2020/jul/19/donald-trump-fox-news-sunday-chris-wallace-interview}}
* আসলে আপনি যখন ভালো কিছু দেখেন তখন সেটার কোনো তদন্ত বা যাচাই করেন না।
** মাঝেমধ্যে অদ্ভুত সব বিষয় রিটুইট করার অভ্যাস সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-২২ |শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বীকার করেছেন যে তিনি প্রায়ই নিজের টুইট নিয়ে আফসোস করেন, বলেছেন তার রিটুইটগুলো তাকে বিপদে ফেলে দেয় এবং সেই সব পুরোনো দিনের কথা মনে করেন যখন একটি চিঠি লিখে এক দিন ফেলে রাখা যেত |লেখক= এরিয়েল জিলবার | সাময়িকী=ডেইলি মেইল |ইউআরএল=https://www.dailymail.co.uk/news/article-8558493/Trump-says-regrets-Twitter-posts-admits-times-love-it.html}}
* এটি যদি আমার টেবিলে আসত তবে আমি অবশ্যই এ নিয়ে কিছু করতাম।
** আফগানিস্তানে আমেরিকানদের হত্যার জন্য রাশিয়া জঙ্গিদের পুরস্কার, এমন একটি মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের প্রেক্ষিতে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেন। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-২৮ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: ওষুধের দাম ও হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন নিয়ে ট্রাম্পের জাঁকজমকপূর্ণ কথা |লেখক=হোপ ইয়েন এবং ক্যালভিন উডওয়ার্ড | সাময়িকী=স্টার ট্রিবিউন |ইউআরএল=https://www.startribune.com/ap-fact-check-trump-hype-on-drug-costs-hydroxychloroquine/571989352/}}
* যেসব নৈরাজ্যবাদী, উস্কানিদাতা বা বিক্ষোভকারী পোর্টল্যান্ডের আমাদের ফেডারেল আদালত ভবন বা আমাদের যেকোনো শহর বা অঙ্গরাজ্যের ফেডারেল ভবন ভাঙচুর বা ক্ষতি করবে, তাদের আমাদের সম্প্রতি পুনরায় কার্যকর করা মূর্তি ও স্মৃতিস্তম্ভ আইনের আওতায় বিচার করা হবে। কমপক্ষে দশ বছরের জেল। এমনটা করবেন না!
** [https://mobile.twitter.com/Oijans/status/1346916360178302978 টুইটার] বার্তায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ২৮ জুলাই ২০২০।
* আমি মনে করি সে একটি চমৎকার প্রার্থী হতে পারে, [[কমলা হ্যারিস]]। সে একটি চমৎকার প্রার্থী হবে।
** কমলা হ্যারিস-এর উপ-রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য, যা একটি [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-marine-one-departure-072920/ হোয়াইট হাউসের প্রতিলিপি] থেকে পাওয়া।
* সার্বজনীন ডাকযোগে ভোট (অ্যাবসেন্ট ব্যালট নয়, যা আসলে ভালো) হওয়ার ফলে ২০২০ সালের নির্বাচন হবে ইতিহাসের সবথেকে ভুল এবং জালিয়াতিপূর্ণ নির্বাচন। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য চরম লজ্জার হবে। মানুষ যতক্ষণ না সঠিকভাবে এবং নিরাপদে ভোট দিতে পারে, ততক্ষণ কি নির্বাচন স্থগিত রাখা উচিত???
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট ({{উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1288818160389558273 |শিরোনাম=সার্বজনীন ডাকযোগে ভোট হওয়ার ফলে ২০২০ সালের নির্বাচন হবে ইতিহাসের সবথেকে ভুল এবং জালিয়াতিপূর্ণ নির্বাচন। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য চরম লজ্জার হবে। মানুষ যতক্ষণ না সঠিকভাবে এবং নিরাপদে ভোট দিতে পারে, ততক্ষণ কি নির্বাচন স্থগিত রাখা উচিত??? |তারিখ=২০২০-০৭-৩০ |সংগ্রহের-তারিখ=২০২০-০৭-৩০ |প্রকাশক=টুইটার |ভাষা=en-US |লেখক=ডোনাল্ড ট্রাম্প}})। এটি ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছিল এবং অনেক সংবাদ মাধ্যম এটি উদ্ধৃত করেছে, যেমন {{উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://www.bbc.co.uk/news/world-us-canada-53599363 |শিরোনাম=রিপাবলিকানদের ট্রাম্পের প্রতি বার্তা: আপনি ২০২০ সালের নির্বাচন পেছাতে পারেন না |তারিখ=২০২০-০৭-৩০ |সংগ্রহের-তারিখ=২০২০-০৭-৩০ |প্রকাশক=বিবিসি |ভাষা=en-GB}}।
* নির্বাচনের ফলাফল অবশ্যই নির্বাচনের রাতেই জানতে হবে, কয়েক দিন, মাস বা বছর পরে নয়!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-২৯ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: নির্বাচনের বিষয়ে ট্রাম্পের উত্তেজনা এবং বিকৃতি |লেখক=ক্যালভিন উডওয়ার্ড | সাময়িকী=সিয়াটেল টাইমস |ইউআরএল=https://www.seattletimes.com/nation-world/ap-fact-check-trumps-election-agitations-and-distortions/}}
* প্রথম দিকের প্রশ্নগুলো খুব সহজ। শেষের প্রশ্নগুলো অনেক বেশি কঠিন, যেমন স্মৃতিশক্তির একটি প্রশ্ন। এটি অনেকটা এমন যে আপনি বলছেন, '''"ব্যক্তি, নারী, পুরুষ, ক্যামেরা, টিভি"'''। তো তারা বলে, "আপনি কি এটি আবার বলতে পারবেন?" তো আমি বললাম, "হ্যাঁ। এটি হলো ব্যক্তি, নারী, পুরুষ, ক্যামেরা, টিভি।" ঠিক আছে। এটি খুব ভালো। আপনি যদি ধারাবাহিকভাবে বলতে পারেন, তবে আপনি অতিরিক্ত পয়েন্ট পাবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি|তারিখ=২০২০-০৭-২৩|শিরোনাম=মানসিক সক্ষমতা পরীক্ষায় রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের সাফল্য: ব্যক্তি, নারী, পুরুষ, ক্যামেরা, টিভি|লেখক=পিটার ওয়েড|সাময়িকী=রোলিং স্টোন|ইউআরএল=https://www.rollingstone.com/politics/politics-news/trump-cognitive-test-person-woman-man-camera-tv-1033002}}। মন্ট্রিয়ল কগনিটিভ অ্যাসেসমেন্ট দেওয়ার প্রসঙ্গে তিনি এই কথা বলেন।
* যখন তারা ধরা পড়ে, তারা বলে, “না, এটি তো আমার পরিবারের জন্য আনা সুপ।” তারা এতটাই নিষ্পাপ। “এটি আমার পরিবারের জন্য আনা সুপ।” এটি অবিশ্বাস্য। আর আপনারা দেখবেন মানুষ সুপের ব্যাগ নিয়ে আসছে, সুপের বিশাল বড় ব্যাগ। আর তারা সেগুলো মাটিতে রাখে, আর নৈরাজ্যবাদীরা সেগুলো নিয়ে আমাদের পুলিশদের দিকে ছুড়তে শুরু করে। আর এটি যদি আপনাকে আঘাত করে, তবে তা ইটের চেয়েও বেশি ক্ষতিকর কারণ এতে অনেক গতি থাকে। এটি একদম সঠিক মাপের। এটি যেন একদম নিখুঁতভাবে তৈরি করা হয়েছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি|তারিখ=২০২০-০৯-০২|শিরোনাম=বোঝা যাচ্ছে যে ট্রাম্প অ্যান্টিফার নতুন গোপন অস্ত্র ‘সুপ’ নিয়ে খুব আতঙ্কিত|লেখক=সারাহ মিডকিফ| সাময়িকী=রিফাইনারি২৯|ইউআরএল=https://www.refinery29.com/en-us/2020/09/10001730/trump-cans-bags-of-soup-antifa-protestors}}
====আগস্ট ২০২০====
* ওষুধ কোম্পানিগুলো যখন আমার বিরুদ্ধে বড় বড় টেলিভিশন বিজ্ঞাপন দেয়, তখন তারা যা বলে (যা মিথ্যা) তা ভুলে যান, আপনারা জানেন যে ওষুধের দাম অনেক কমছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৮-০২ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: ওষুধের দাম ও হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন নিয়ে ট্রাম্পের জাঁকজমকপূর্ণ কথা |লেখক=হোপ ইয়েন এবং ক্যালভিন উডওয়ার্ড | সাময়িকী=এপি নিউজ |ইউআরএল=https://apnews.com/d7f1d2003aeaa95466e12b875b7b4619}}
* এক অবৈধ নৈশ ক্যুর মাধ্যমে নেভাদার ক্লাবহাউস গভর্নর রিপাবলিকানদের জন্য সেই অঙ্গরাজ্যে জেতা অসম্ভব করে তুলেছেন। প্রস্তুতি ছাড়া ডাকবিভাগ কখনোই ডাকযোগে পাঠানো ভোটের চাপ সামলাতে পারবে না। কভিডকে ব্যবহার করে অঙ্গরাজ্যটি চুরি করা হচ্ছে। আদালতে দেখা হবে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=কুইন্ট ফোরজি | তারিখ=২০২০-০৮-০৩ |শিরোনাম=নেভাদায় ডাকযোগে ভোট বন্ধ করতে ট্রাম্পের মামলার হুমকি | সাময়িকী=পলিটিকো | ইউআরএল=https://www.politico.com/news/2020/08/03/trump-nevada-mail-voting-lawsuit-390878}}
* আপনি একে ডাকযোগে ভোট বলুন বা অ্যাবসেন্ট ভোটিং, ফ্লোরিডায় নির্বাচনী ব্যবস্থা নিরাপদ ও সুরক্ষিত, এটি পরীক্ষিত ও সত্য। ফ্লোরিডার ভোটদান ব্যবস্থা পরিষ্কার করা হয়েছে (আমরা ডেমোক্র্যাটদের পরিবর্তনের চেষ্টা নস্যাৎ করেছি), তাই '''ফ্লোরিডায় আমি সবাইকে ব্যালটের অনুরোধ করতে এবং ডাকযোগে ভোট দিতে উৎসাহিত করি!''' #এমএজিএ
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=বেটসি ক্লেইন | তারিখ=২০২০-০৮-০৩ |শিরোনাম=আপাত দৃষ্টিতে অবস্থান বদলে ফ্লোরিডাবাসীকে ডাকযোগে ভোট দিতে উৎসাহিত করলেন ট্রাম্প | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/04/politics/donald-trump-mail-in-voting-florida/index.html}}
* বড় ধরনের কারচুপি ছাড়া ডাকযোগে ভোট সম্পন্ন হওয়ার কোনো উপায় নেই।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | তারিখ=২০২০-০৮-০৩ |শিরোনাম=জোনাথন সোয়ান ট্রাম্পের মিথ্যা ফাঁস করার সহজ রহস্য উন্মোচন করেছেন: মৌলিক ফলো-আপ প্রশ্ন | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/04/politics/fact-check-jonathan-swan-axios-hbo-interview-trump-coronavirus/index.html}}
* আমি যখন দায়িত্ব নিই, তখন আমাদের কাছে কোনো পরীক্ষাই ছিল না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] উল্লেখ করেছেন যে ২০১৭ সালে, ২০১৯ সালে আবির্ভূত করোনাভাইরাসের জন্য কোনো পরীক্ষা ছিল না, যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি | লেখক=স্টিভ বেনেন | তারিখ=২০২০-০৮-০৩ |শিরোনাম=ভাইরাস পরীক্ষার বিরুদ্ধে যুক্তি দিতে কাল্পনিক 'ম্যানুয়াল'-এর কথা বলছেন ট্রাম্প | সাময়িকী=এমএসএনবিসি | ইউআরএল=https://www.msnbc.com/rachel-maddow-show/trump-points-imagined-manuals-argue-against-virus-tests-n1235815}}
* আমরা অবিশ্বাস্য কাজ করেছি, সবকিছু নিয়ন্ত্রণে আছে। [যুক্তরাষ্ট্রের [[কোভিড-১৯ অতিমারী]] পরিস্থিতি সামলানো প্রসঙ্গে]
** এইচবিওতে অ্যাক্সিওসের জোনাথন সোয়ানের সাথে [https://www.youtube.com/watch?v=zaaTZkqsaxY সাক্ষাৎকারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
* বিস্ফোরণের ধরণ দেখে মনে হচ্ছে এটি তেমনই ছিল। আমি আমাদের কয়েকজন বড় জেনারেলের সাথে দেখা করেছি এবং তাদের মনে হয়েছে যে এটি এমনই ছিল। এটি কোনো উৎপাদন সংক্রান্ত বা কারখানার বিস্ফোরণ জাতীয় ঘটনা ছিল না... তারা মনে করছেন এটি একটি হামলা ছিল। হ্যাঁ, এটি কোনো এক ধরনের বোমা ছিল।
** বৈরুতের বিস্ফোরণকে দুর্ঘটনা না বলে কেন তিনি হামলা বলছেন, এই প্রশ্নের জবাবে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি | লেখক=ডার্লিন সুপারভিল/এপি | তারিখ=২০২০-০৮-০৪ |শিরোনাম= বৈরুতের বিশাল বিস্ফোরণ সম্ভবত একটি 'হামলা', বললেন ট্রাম্প | সাময়িকী=টাইম |ইউআরএল=time.com/5875784/trump-explosion-beirut-attack/ }}
* '''প্রশ্ন''': যদি প্রেসিডেন্ট ওবামার সময়ে ১,৬০,০০০ মানুষ মারা যেত, আপনার কি মনে হয় আপনি তার পদত্যাগ দাবি করতেন?
: '''[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]''': না, আমি তা করতাম না। আমার মনে হয় আমরা যা করতে পেরেছি তা অবিশ্বাস্য। আমরা যদি আমাদের দেশ বন্ধ না করতাম, তবে ইতিমধ্যেই ১৫ বা ২০ লক্ষ মানুষ মারা যেত। আমরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি; এখন আমাদের এটি বন্ধ করতে হবে না। আমরা রোগটি বুঝি। কেউ এটি বোঝেনি কারণ কেউ এর আগে এমন কিছু দেখেনি। সবথেকে কাছাকাছি ঘটনা হলো ১৯১৭ সাল, তারা যেমনটা বলে, তাই তো? সেই মহান অতিমারীটি অবশ্যই একটি ভয়াবহ বিষয় ছিল, যেখানে তারা ৫ থেকে ১০ কোটি মানুষ হারিয়েছিল। সম্ভবত এটিই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ করে দিয়েছিল; সব সৈন্যরা অসুস্থ ছিল। সেটি একটি ভয়াবহ পরিস্থিতি ছিল। আর এটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে। এটি অত্যন্ত, অত্যন্ত ছোঁয়াচে। না, আমি যদি অনেকের কথা শুনতাম, তবে আমরা এটি খোলা রাখতাম। আর এখন আমরা এটি পুরো সময় খোলাই রাখছি। আমরা এটি খোলা রাখি। কিন্তু আমরা যদি এটি খোলা রাখতাম, তবে এখন ১৫ বা ২০ লক্ষ মানুষ—১৫ থেকে ২০ লক্ষ মানুষ মারা যেতে পারত। আমাদের লোকেরা চমৎকার কাজ করেছে,আমাদের পরামর্শক এবং ডাক্তাররা। আপনারা জানেন, অনেক মতভেদ আর অনেক কিছুর মাঝেই এটি হয়েছে।
:* [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-press-briefing-august-10-2020/ ''১০ আগস্ট ২০২০-এর সাংবাদিক বৈঠকে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্য''], প্রকাশিত হয়েছে: ১১ আগস্ট ২০২০, ''whitehouse.gov''।
:* দ্রষ্টব্য: অক্টোবর ২০১৪-এ ডোনাল্ড ট্রাম্প [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/525431218910027776 টুইট] করেছিলেন যে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা-র পদত্যাগ করা উচিত কারণ গিনিতে ইবোলা রোগীদের চিকিৎসা করা একজন ডাক্তার যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে এসেছিলেন, যা স্নোপসের [https://www.snopes.com/fact-check/trump-obama-ebola-tweet/ ইবোলা চিকিৎসক যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার পর ট্রাম্প কি ওবামার পদত্যাগ দাবি করেছিলেন?] শীর্ষক প্রতিবেদনে (১৫ মে ২০২০) প্রকাশিত হয়েছে। আর ১৯১৮ সালের ফ্লু অতিমারী ১৯১৮ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯২০ সালের এপ্রিল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল, যা ১৯৩৯ সালে শুরু হওয়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অনেক আগের ঘটনা।
* বাইডেন যদি জেতেন, তবে তিনি সবার কর দ্বিগুণ, তিনগুণ বাড়িয়ে দেবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল, হোমস লিব্র্যান্ড এবং তারা সুব্রামানিয়াম | তারিখ=২০২০-০৮-০৪ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ব্রিফিংগুলোতে মিথ্যা দাবি আর অতিরঞ্জিত করার অভ্যাসে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন ট্রাম্প | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/12/politics/donald-trump-press-briefing-biden-tax-plan-coronavirus-fact-check/index.html}}
* নচ্ছাড়
* ভয়াবহ
* এমন একজন যে অনেক অনেক অসত্য গল্প বলেছে
* অস্বাভাবিকভাবে নচ্ছাড়
* এমন এক পর্যায়ের নচ্ছাড় যা স্রেফ একটি জঘন্য ব্যাপার
* [[জো বাইডেন]]ের প্রতি খুবই নচ্ছাড়
* সম্ভবত পোকাহন্টাসের চেয়েও বেশি নচ্ছাড়
* মার্কিন সেনেটের যে কারো চেয়ে সবথেকে নীচ, সবথেকে ভয়াবহ এবং সবথেকে অসম্মানজনক।
** [[কমলা হ্যারিস]] সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি ফোর্বস-এ অ্যান্ড্রু সোলেন্ডার উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি | লেখক=অ্যান্ড্রু সোলেন্ডার | তারিখ=২০২০-০৮-১১ | শিরোনাম=হোয়াইট হাউসের ব্রিফিংয়ে কমলা হ্যারিসকে বারবার 'নচ্ছাড়' ও 'ভয়াবহ' বললেন ট্রাম্প | সাময়িকী=ফোর্বস | ইউআরএল=https://www.forbes.com/sites/andrewsolender/2020/08/11/trump-repeatedly-calls-kamala-harris-nasty-and-horrible-in-white-house-briefing/#440e0fb54570}}
* ইউরোপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে অতিরিক্ত মৃত্যুহার প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি।
** করোনাভাইরাস নিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি | লেখক=জেসিকা ম্যাকডোনাল্ড | তারিখ=২০২০-০৮-১১ | শিরোনাম=বিভ্রান্তিকর এবং ত্রুটিপূর্ণ অতিরিক্ত মৃত্যুর পরিসংখ্যান দিলেন ট্রাম্প | সাময়িকী= FactCheck.org | ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/08/trump-touts-misleading-and-flawed-excess-mortality-statistic/}}
* আমি যদি নির্বাচনে না জিতি, তবে চীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মালিক হয়ে যাবে আপনাদের চীনা ভাষা বলা শিখতে হবে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=জাস্টিন প্যারাগোনা | তারিখ=২০২০-০৮-১২ |শিরোনাম=ট্রাম্প: বাইডেনের কাছে হারলে চীনা ভাষা শিখতে প্রস্তুত থাকুন | সাময়িকী=ডেইলি বিস্ট | ইউআরএল=https://www.thedailybeast.com/trump-if-i-lose-to-biden-get-ready-to-have-to-learn-to-speak-chinese/}}
* এখন, ডাকবিভাগকে সচল রাখার জন্য তাদের সেই অর্থের প্রয়োজন, যাতে তারা এই লক্ষ লক্ষ ব্যালট সামলাতে পারে। এখন, আমরা যদি কোনো চুক্তিতে না আসি, তার মানে তারা সেই টাকা পাবে না। তার মানে তারা সার্বজনীন ডাকযোগে ভোট ব্যবস্থা করতে পারবে না, তারা স্রেফ পারবে না।
** (১৩ আগস্ট ২০২০) [https://abcnews.go.com/Politics/trump-opposes-funding-usps-bid-block-vote-mail/story?id=72353322 ডাকযোগে ভোট বাধা দেওয়ার লক্ষ্যে ট্রাম্প ইউএসপিএসর তহবিল দেওয়ার বিরোধিতা করার পর সুর বদলালেন] ''এবিসি নিউজএ'' প্রকাশিত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য।
* ডেমোক্র্যাট শহরগুলো ছেড়ে দিন। সেগুলোকে পচতে দিন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] একজন সমর্থকের বার্তা রিটুইট করেছেন, {{উদ্ধৃতি | লেখক=জেমস গর্ডন | তারিখ=২০২০-০৮-১৬ |শিরোনাম='তাদের পচতে দিন!': নিউ ইয়র্ক বা শিকাগোর মতো ডেমোক্র্যাট শাসিত শহর ত্যাগের আহ্বানে সমর্থকের বার্তায় ট্রাম্পের রিটুইট | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://www.dailymail.co.uk/news/article-8633677/Let-rot-Trump-retweets-supporters-message-democrat-cities.html}}
* যাই হোক, নিউজিল্যান্ডে বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছিল।
** কভিড-১৯ ভাইরাস সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন, যা সেই সময় নিউজিল্যান্ডে মোট ২২ জনের মৃত্যুর কারণ হয়েছিল। {{উদ্ধৃতি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | তারিখ=২০২০-০৮-১৮ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ট্রাম্প নিউজিল্যান্ডে 'বড় প্রাদুর্ভাব' হয়েছে বললেও দেশটিতে বৃহস্পতিবার মাত্র ৫ জন আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/20/politics/fact-check-trump-new-zealand-outbreak/index.html}}
* আমি আবার দেখছি দাবানল শুরু হচ্ছে। ক্যালিফোর্নিয়াতে এগুলো আবার শুরু হচ্ছে। আমি বলেছিলাম, আপনাদের মেঝে পরিষ্কার করতে হবে, আপনাদের জঙ্গল পরিষ্কার করতে হবে সেখানে অনেক বছরের জমে থাকা পাতা আর ভাঙা গাছ আছে এবং সেগুলো খুবই দাহ্য, আপনি ছোঁয়া দিলেই জ্বলে ওঠে। সম্ভবত আমাদের তাদের দিয়ে এর খেসারত দেওয়াতে হবে কারণ তারা আমাদের কথা শোনে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=জেরেমি বি. হোয়াইট | তারিখ=২০২০-০৮-১৯ |শিরোনাম=দাবানলের জন্য ক্যালিফোর্নিয়াকে দায়ী করে ট্রাম্প বললেন 'আপনাদের মেঝে পরিষ্কার করতে হবে' | সাময়িকী=পলিটিকো | ইউআরএল=https://www.politico.com/states/california/story/2020/08/20/trump-blames-california-for-wildfires-tells-state-you-gotta-clean-your-floors-1311059}}
* আমি এই প্রজেক্ট বা প্রকল্প সম্পর্কে কিছুই জানি না, শুধু এটুকু ছাড়া যে আমি যখন এটি সম্পর্কে পড়েছিলাম তখন এটি আমার পছন্দ হয়নি, একদমই পছন্দ হয়নি।
* মিস্টার ব্যাননের জন্য এটি খুব দুঃখজনক। আমি অন্য কাউকেও চিনতাম না।
** ব্যক্তিগতভাবে পরিচালিত ‘উই বিল্ড দ্য ওয়াল’ প্রকল্প সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=অ্যান্ড্রু কাচিনস্কি, এম স্টেক | তারিখ=২০২০-০৮-২০ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: অস্বীকার করলেও বেসরকারি সীমান্ত দেওয়াল প্রকল্পের সাথে জড়িত বেশিরভাগ মানুষকেই চেনেন ট্রাম্প | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/20/politics/fact-check-trump-private-border-wall-project/index.html}}
* তাদের জেতার একমাত্র উপায় হলো একটি সাজানো নির্বাচন। আমি সত্যিই এটা বিশ্বাস করি। আমি বাইরের ভিড় দেখেছি।
** [[ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)]] সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | তারিখ=২০২০-০৮-২০ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: বাইডেনকে আক্রমণ করে পেনসিলভানিয়ায় দেওয়া ভাষণে ট্রাম্পের একগুচ্ছ মিথ্যা দাবি | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/20/politics/trump-false-claims-pennsylvania-speech-biden-fact-check/index.html}}
* আমাদের কাছে শেরিফ থাকবে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা থাকবে, এবং আমরা আশা করছি ইউএস অ্যাটর্নি এবং অ্যাটর্নি জেনারেলসহ সবাই থাকবে।
** ভোটার জালিয়াতি পর্যবেক্ষণ ও প্রতিরোধের পরিকল্পনা সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=তারা সুব্রামানিয়াম | তারিখ=২০২০-০৮-২১ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: রাষ্ট্রপতি কি ভোটকেন্দ্রে আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের পাঠাতে পারেন? | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/21/politics/donald-trump-law-enforcement-election-polls-fact-check/index.html}}
* এফডিএ-তে থাকা ডিপ স্টেট বা অন্য যে কেউ, ওষুধ কোম্পানিগুলোর জন্য ভ্যাকসিন এবং থেরাপিউটিক পরীক্ষার লোক পাওয়া খুব কঠিন করে দিচ্ছে। স্পষ্টতই, তারা আশা করছে ৩রা নভেম্বরের পর পর্যন্ত এর ফলাফল পিছিয়ে দিতে। আমাদের অবশ্যই গতি বাড়ানো এবং জীবন বাঁচানোর দিকে মনোযোগ দিতে হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=হোপ ইয়েন, ক্যালভিন উডওয়ার্ড | তারিখ=২০২০-০৮-২৪ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: এফডিএ-তে 'ডিপ স্টেট' থাকা নিয়ে ট্রাম্পের ভিত্তিহীন দাবি | সাময়িকী=পিটসবার্গ পোস্ট-গেজেট | ইউআরএল=https://www.post-gazette.com/business/powersource/2020/08/24/AP-FACT-CHECK-Trump-s-baseless-claim-of-deep-state-at-FDA/stories/202008240037}}
==== সেপ্টেম্বর ২০২০ ====
* পুরো শহরটা সারাক্ষণ আগুনে পুড়ছে।
** পোর্টল্যান্ড সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৯-০১ |শিরোনাম=বাইডেন এবং বিক্ষোভ নিয়ে ট্রাম্পের আরও কিছু মিথ্যা দাবি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল, তারা সুব্রামানিয়াম, হোমস লিব্র্যান্ড | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/31/politics/trump-kenosha-briefing-fact-check/index.html}}
* গত এক সপ্তাহে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া আর মারা যাওয়ার হার অনেক কমে গেছে।
** কোভিড-১৯ অতিমারী সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৯-০৩ |শিরোনাম=এমনকি ফক্স নিউজও ট্রাম্পের জনসভাগুলো পুরো প্রচার করছে না, তবে তার মিথ্যাচারগুলো এখনো অবাক করার মতো |লেখক=ব্রায়ান স্টেল্টার | সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/04/media/donald-trump-pennsylvania-reliable-sources/index.html}}
* ডাউ জোনস সূচক এইমাত্র ২৯,০০০ ছাড়িয়েছে! আমাকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে পাওয়া আপনাদের অনেক বড় ভাগ্য। জো বাইডেন ক্ষমতায় থাকলে এটা ধসে পড়ত।
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1301249968091455488 [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট]
* ওর মতো মাস্ক পাগল মানুষ কি আগে কখনো দেখেছেন? মাস্কটা সারাক্ষণ ঝুলে থাকে। ও মনে করে এতেই ও নিরাপদ। আমি যদি কোনো মানসিক ডাক্তার হতাম, তবে বলতাম এই লোকের মাথায় নিশ্চয়ই বড় কোনো সমস্যা আছে। শুধু ঝুলেই থাকে।
** জো বাইডেনের মাস্ক পরা নিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের বিদ্রূপ, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-০৪ |শিরোনাম=মাস্ক পরার ধরন নিয়ে জো বাইডেনকে উপহাস করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প | সাময়িকী=ইন্ডিপেন্ডেন্ট.আইই | ইউআরএল=https://www.independent.ie/videos/donald-trump-mocks-joe-biden-for-manner-of-wearing-mask-39502878.html}}
* আপনার ভোট যদি গোনা না হয়ে থাকে, তবে আবার গিয়ে ভোট দিন এটা প্রতিটি নাগরিকের অধিকার। বোতাম টিপে ভোট দিয়ে দিন। আপনার ওই ডাকযোগে পাঠানো ব্যালট যদি পরে পৌঁছায়, তবে সেটা আর গোনা হবে না কারণ আপনি আগেই ভোট দিয়ে দিয়েছেন। এভাবে আপনার ভোট নিশ্চিতভাবে গোনা হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] দুইবার ভোট দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন, যা একটি অপরাধ। যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-০৪ | শিরোনাম=কর্তৃপক্ষের সতর্কতা উপেক্ষা করে আবারও সমর্থকদের দুইবার ভোট দেওয়ার পরামর্শ দিলেন ট্রাম্প | লেখক= ডায়ান গ্যালাঘের, ক্যারোলিন কেলি, মার্শাল কোহেন, ব্রায়ান রোকাস | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/05/politics/trump-vote-twice-north-carolina/index.html}}
* পেন্টাগনের বড় বড় কর্তারা... সারাক্ষণ শুধু যুদ্ধ করতে চায়। যাতে বোমা আর প্লেন বানানো কোম্পানিগুলো খুশি থাকে।
** হোয়াইট হাউসের সামনে এক [https://www.trtworld.com/americas/trump-pentagon-chiefs-fighting-wars-to-oblige-arms-companies-39561 সংবাদ সম্মেলনে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (৭ সেপ্টেম্বর ২০২০)।
* অপারেশন ওয়ার্প স্পিডের মাধ্যমে আমরা চিকিৎসার নতুন পথ খুঁজেছি। এতে গত এপ্রিলের তুলনায় মৃত্যুর হার ৮৫% কমে গেছে।
* পারমাণবিক শক্তির দিক থেকে আমরা অনেক এগিয়ে আছি। আমরা এর অনেক উন্নতি করেছি।
* যখন খবর আসে যে কিছু দেশ আমাকে খুব একটা পছন্দ করে না, তা সবসময় আমার ব্যক্তিত্বের জন্য নয়তবে সত্যি বলতে, সেটাও একটা কারণ হতে পারে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-০৮ | শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্পের সংবাদ সম্মেলনের ৩৭টি অদ্ভুত উক্তি | লেখক= ক্রিস সিলিঞ্জা | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/08/politics/donald-trump-labor-day-press-conference/index.html}}
* মার্কিন প্রেসিডেন্টই সব শেষ সিদ্ধান্ত নেন।
* বব উডওয়ার্ড যদি মনেই করত আমি যা বলেছি তা ভুল, তবে সাথে সাথেই ওর উচিত ছিল প্রশাসনকে জানানো যাতে তারা প্রস্তুতি নিতে পারত।
** বব উডওয়ার্ডকে দেওয়া সাক্ষাৎকার প্রসঙ্গে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১০ | শিরোনাম=কাউকে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মনে করিয়ে দেওয়া দরকার যে বব উডওয়ার্ড মার্কিন প্রেসিডেন্ট নন | লেখক= ক্রিস সিলিঞ্জা | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/10/politics/trump-bob-woodward-rage/index.html}}
* আমার মনে হয় ও বোধহয় কোনো নেশা-টেশা করে।
** জো বাইডেন সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১০ | শিরোনাম=বাইডেনের বিরুদ্ধে মাদক নেওয়ার অভিযোগ আনতে ফক্স নিউজের সাক্ষাৎকারকে ব্যবহার করলেন ট্রাম্প | লেখক= মার্টিন পেঙ্গেলি | সাময়িকী=দ্য গার্ডিয়ান | ইউআরএল=https://www.theguardian.com/us-news/2020/sep/12/trump-biden-drugs-fox-news-interview}}
* আপনার গভর্নরকে বলুন রাজ্যটা খুলে দিতে।
** ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০-এ সমর্থকদের সামনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। এ প্রসঙ্গে [https://www.usatoday.com/story/news/politics/elections/2020/09/13/donald-trump-latino-voters-las-vegas-ahead-rally/5784501002/ ''নেভাদার গভর্নর স্টিভ সিসোলাক বলেছেন যে ট্রাম্প ঘরোয়া পরিবেশে জনসভা করে নিজের স্বার্থপরতা দেখিয়েছেন''] প্রতিবেদনটি উল্লেখযোগ্য।
* বয়স্কদের যে এতো সহজে আক্রান্ত হতে পারে, তা কেউ আগে জানত না।
** করোনাভাইরাস সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১৬ | শিরোনাম=এবিসি টাউন হলে ট্রাম্প অন্তত ২২টি ভুল দাবি করেছেন | লেখক= ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/16/politics/fact-check-trump-abc-town-hall/index.html}}
* আমরা খুব দ্রুত আর নিরাপদভাবে টিকা পৌঁছে দেওয়ার জন্য কাজ করছি। আমাদের মনে হয় অক্টোবরের দিকেই শুরু করতে পারব। ঘোষণা হওয়ার সাথে সাথেই আমরা কাজ শুরু করে দেব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১৬ | শিরোনাম=টিকার গতি নিয়ে ট্রাম্প আবারও বাড়িয়ে কথা বলেছেন | লেখক= জেসিকা ম্যাকডোনাল্ড | সাময়িকী=ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি | ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/09/trump-again-overstates-speed-of-covid-19-vaccine-rollout/}}
* এফডিএ অনুমোদন দিলেই ২০২০ সালের শেষ নাগাদ আমরা ১০ কোটি ডোজ টিকা বিলি করতে পারব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি উদ্ধৃতি হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১৬ | শিরোনাম=ট্রাম্প বলেছেন ২০২০ সালের মধ্যে অন্তত ১০ কোটি টিকা দেওয়া সম্ভব হবে | লেখক= রয়টার্স কর্মী | সাময়িকী=রয়টার্স| ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/healthcoronavirus-trump-vaccine/trump-says-u-s-could-distribute-at-least-100-million-covid-vaccine-doses-by-end-of-2020-idINW1N2FG089}}
* পেনসিলভ্যানিয়ায় কী হচ্ছে দেখেছেন? ওখানকার সুপ্রিম কোর্টের জজ নাকি রায় দিয়েছেন যে ভোট গুনতে তারা যত খুশি সময় নিতে পারবে। তার মানে গতবারের মতো এবারও আমিই ওখানে জিততে যাচ্ছি। খুব সহজেই জিতব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১৬ | শিরোনাম=পেনসিলভানিয়াতে ভোট গণনা নিয়ে ট্রাম্পের ভুল বক্তব্য | লেখক= রেম রিডার | সাময়িকী=ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি| ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/09/trumps-false-statement-about-counting-ballots-in-pennsylvania/}}
* বামপন্থী দাঙ্গাবাজরা আমাদের মহান নেতাদের মূর্তি ভেঙে ফেলছে, স্মৃতিস্তম্ভ নষ্ট করছে আর বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে। ওরা বলে "আমেরিকা কোনোদিনই মহান ছিল না"। ওরা পুলিশকেও আক্রমণ করছে। তাদের লক্ষ্য একটাই সত্য গোপন করা আর আমেরিকানদের ভয় দেখিয়ে তাদের সংস্কৃতি আর ঐতিহ্য ভুলিয়ে দেওয়া।
** [https://trumpwhitehouse.archives.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-white-house-conference-american-history/ আমেরিকান ইতিহাস বিষয়ক হোয়াইট হাউস সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য] (১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০)
* যারা আমেরিকান পতাকা পোড়াচ্ছে, তারা আসলে আমাদের মূল নীতিগুলোকেও পুড়িয়ে দিতে চায়। ওরা চায় আমেরিকানরা যেন নিজেদের পরিচয় আর বিশ্বাসের ওপর ভরসা হারিয়ে ফেলে। বামপন্থীদের এই সাংস্কৃতিক বিপ্লব আসলে আমেরিকার মূল আদর্শকেই উৎখাত করার জন্য তৈরি হয়েছে।
** [https://trumpwhitehouse.archives.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-white-house-conference-american-history/ আমেরিকান ইতিহাস বিষয়ক হোয়াইট হাউস সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য] (১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০)
* বামপন্থীরা মিথ্যা দিয়ে আমেরিকার ইতিহাসকে নষ্ট করে দিয়েছে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের সেই ১৬১৯ প্রজেক্ট এর বড় প্রমাণ। ওরা শিশুদের শেখাচ্ছে যে আমেরিকা শোষণ আর অত্যাচারের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। অথচ আমেরিকা তো দাসত্ব শেষ করেছে, মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে আর এক সমৃদ্ধ জাতি গড়ে তুলেছে।
** [https://trumpwhitehouse.archives.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-white-house-conference-american-history/ আমেরিকান ইতিহাস বিষয়ক হোয়াইট হাউস সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য] (১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০)
* আমি শিনজোকে বললাম, ‘শিনজো, দয়া করে আমার একটা কথা শোনো। আমাদের দেশে আরও গাড়ি কারখানা দরকার। ওগুলো জাপানে না বানিয়ে আমাদের এখানে বানাও।’ ও প্রথমে মানতে চায়নি, কিন্তু আমি জোর দিয়ে বললাম। পরের দিনই খবর এল: ‘মিশিগানে পাঁচটা বড় বড় গাড়ি কারখানা চালু হচ্ছে।’
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-২১ | শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: ট্রাম্পের বানানো গাড়ি কারখানার গল্প | লেখক= হোপ ইয়েন, ক্যালভিন উডওয়ার্ড, টম ক্রিশার | সাময়িকী=এপি | ইউআরএল=https://apnews.com/ec85b88102464c9651d32b475c01c183}}
* আমিই এটা বাঁচিয়েছি। আমাদের কয়লা খনির শ্রমিকদের আবার কাজে ফিরিয়েছি।
** কয়লা খনি শিল্প সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-২১ | শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: কর্মসংস্থান নিয়ে ট্রাম্পের ভুল দাবি | লেখক= ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/23/politics/fact-check-trump-jobs-manufacturing-coal/index.html}}
* এখন আমরা সত্যিটা জানি। এই ভাইরাস কেবল বয়স্ক আর অসুস্থ মানুষদের ওপর প্রভাব ফেলে। তরুণদের কিছু হয় না। ওদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশি। সত্যি বলতে, এটি আসলে প্রায় কাউকেই ছুঁতে পারে না। এটি একটি আশ্চর্যজনক বিষয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-২২ | শিরোনাম=ট্রাম্প বললেন করোনাভাইরাস আসলে কারো ওপর প্রভাব ফেলে না | লেখক= কাশ্মীরা গ্যান্ডার | সাময়িকী=নিউজউইক | ইউআরএল=https://www.newsweek.com/trump-covid-virtually-nobody-rally-ohio-1533452}}
* আমরা পেনসিলভানিয়াতে এগিয়ে আছি। ফ্লোরিডায় এগিয়ে আছি। আমার মনে হয় সব জায়গাতেই আমি এগিয়ে আছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-২৮ | শিরোনাম=সপ্তাহান্তে ট্রাম্পের দাবিগুলোর ফ্যাক্ট-চেকিং | লেখক=লরি রবার্টসন | সাময়িকী=ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি | ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/09/factchecking-trumps-weekend-claims/}}
* ওষুধের দাম ৮০ বা ৯০ শতাংশ কমে যাবে।
**পুরো নির্বাচনটাই আগে থেকে সাজানো।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-৩০ | শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: বিতর্কে ট্রাম্প ও বাইডেনের ভুল দাবি | লেখক=এপি কর্মী | সাময়িকী=এমপিআর নিউজ| ইউআরএল=https://www.mprnews.org/story/2020/09/30/fact-check-false-claims-flood-trumpbiden-debate}}
* আমি আজ পড়েছি যে ২০১৬ সালেও ১% ব্যালট বাতিল করা হয়েছিল। ওরা এগুলো যেখানে সেখানে ফেলে দেয়। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় ডাকপিয়নরা নাকি ব্যালট বিক্রি করে দিচ্ছে। ময়লার ঝুড়িতেও ট্রাম্পের নাম লেখা ব্যালট পাওয়া গেছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-৩০ | শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ডাকযোগে ভোট নিয়ে ট্রাম্পের প্রায় সব দাবিই ভুল ছিল | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন| ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/30/politics/fact-check-trump-first-debate-mail-voting-fraud/index.html}}
* আমার প্রশাসন ধর্মপ্রাণ আমেরিকানদের জন্য লড়া কোনোদিন থামাবে না।
** ২০২০ সালের জনসভায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০-এর [https://www.theatlantic.com/politics/archive/2020/09/trump-secretly-mocks-his-christian-supporters/616522/ আটলান্টিক] নিবন্ধ অনুযায়ী।
==== অক্টোবর ২০২০ ====
[[File:Interfaith Health Care Vigil 6291113.jpg|thumb|ট্রাম্প আর পেন্সের উচিত মানুষকে মুক্তি দেওয়া। ওরা গরিব আর অল্প আয়ের মানুষদের জিম্মি করে রেখেছে, জরুরি পরিষেবার কর্মীদের জিম্মি করে রেখেছে। এই দেশে এখন পরিবর্তনের সময় এসেছে। ~ রেভ. উইলিয়াম বারবার ২ ]]
* আমাদের মহান যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক উদ্দীপনা চায় এবং এর প্রয়োজন আছে। সবাই মিলে কাজ করে এটা সফল করুন। ধন্যবাদ!
**[https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1312449034154504192 টুইটারের মাধ্যমে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ৩ অক্টোবর ২০২০
* আমি আমার প্রতিনিধিদের নির্দেশ দিয়েছি নির্বাচনের আগে পর্যন্ত আলোচনা বন্ধ রাখতে। আমি জেতার সাথে সাথেই আমরা একটা বড় স্টিমুলাস বিল পাস করব, যা পরিশ্রমী আমেরিকান আর ছোট ব্যবসার ওপর জোর দেবে।
** [https://www.axios.com/trump-coronavirus-stimulus-negotiations-7d464d0e-924f-46f5-90d2-9e8097c9c8f7.html ট্রাম্প বলেছেন তিনি নির্বাচনের আগে কভিড সহায়তা নিয়ে আলোচনা করবেন না] নিবন্ধ অনুযায়ী [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আফগানিস্তানে আমাদের যে অল্প সংখ্যক সাহসী নারী-পুরুষ কাজ করছেন, বড়দিনের মধ্যেই তাদের বাড়ি ফিরিয়ে আনা উচিত!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1313984510749544450 টুইটারের মাধ্যমে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ৭ অক্টোবর ২০২০
* অর্থনীতির ক্ষেত্রে আমার মনে হয় ডোনাল্ড ট্রাম্প আর [[জো বাইডেন]]ের মধ্যে এক মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। জো বাইডেন বিশ্বাস করেন যে আমেরিকান শ্রমিক আর আমেরিকান পরিবারের সুস্বাস্থ্যের ওপর ভিত্তি করে অর্থনীতির শক্তি মাপা উচিত। অন্যদিকে '''ডোনাল্ড ট্রাম্প ধনীদের অবস্থার ওপর ভিত্তি করে অর্থনীতির শক্তি মাপেন। এই কারণেই তিনি একটি কর বিল পাস করেছিলেন যা শীর্ষ ১% ধনী আর আমেরিকার বড় বড় কোম্পানিগুলোকে সুবিধা দেয়। এর ফলে ২ ট্রিলিয়ন ডলারের ঘাটতি তৈরি হয়েছে যা আমেরিকানদেরই শোধ করতে হবে। পেন্স আর ট্রাম্প কেবল পুলিশি সহিংসতার ক্ষেত্রেই বর্ণবাদ অস্বীকার করছেন না, তারা অর্থনীতি আর স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রেও বিদ্যমান বর্ণবাদকে পাত্তা দিচ্ছেন না... তারা শুধু ধনী আর লোভীদেরই সুরক্ষা দিতে চান। ট্রাম্প-পেন্স পরিকল্পনা মানেই হলো ধনীদের আরও টাকা দেওয়া। আসলে ট্রাম্প-পেন্স-ম্যাককনেল পরিকল্পনা হলো স্টিমুলাস পাস করতে না চাওয়া, কারণ তারা আরও ২০০ বিলিয়ন ডলারের কর ছাড় চান।''' তারা যুদ্ধবিমানের জন্য টাকা চান, আর কোম্পানিগুলোকে সুরক্ষা দিতে চান যাতে করোনাভাইরাস থেকে কর্মীদের সুরক্ষা না দেওয়ার জন্য তাদের কোনো দায় নিতে না হয়।
** রেভ উইলিয়াম বারবার ২, [https://www.democracynow.org/2020/10/8/mike_pence_kamala_harris_vp_debate রেভ. উইলিয়াম বারবার: লক্ষ লক্ষ মানুষ লড়াই করছে। তাহলে কেন বিতর্কে দারিদ্র্যকে উপেক্ষা করা হচ্ছে?, ''ডেমোক্র্যাসি নাউ''] (৮ অক্টোবর ২০২০)
* আমি কোনো অনলাইনে বিতর্ক করব না। ভার্চুয়াল বিতর্কে আমি আমার সময় নষ্ট করব না।
** কভিড-১৯ সংক্রমণের কারণে দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি বিতর্কে দূরবর্তী অবস্থান থেকে অংশগ্রহণের উদ্যোগ সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-০৮ |শিরোনাম=সিপিডি পরিবর্তন ঘোষণার পর ট্রাম্প বলেছেন তিনি 'ভার্চুয়াল বিতর্কে' সময় নষ্ট করবেন না | লেখক=ব্রুক সিংম্যান | সাময়িকী=ফক্স নিউজ | ইউআরএল=https://www.foxnews.com/politics/second-trump-biden-debate-will-be-virtual-organizers-say}}
* দানব... কমিউনিস্ট... ভয়াবহ... একদমই অপছন্দ করার মতো।
** উপ-রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী কমলা হ্যারিস সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-০৮ |শিরোনাম=উপ-রাষ্ট্রপতি বিতর্কের পরের সকালে ট্রাম্প হ্যারিসকে 'দানব' বলে অপমান করলেন | লেখক=এলিজাবেথ থমাস | সাময়িকী=এবিসি নিউজ | ইউআরএল=https://abcnews.go.com/Politics/trump-insults-harris-monster-morning-vice-presidential-debate/story?id=73498918}}
* আমরা ফ্লোরিডায় একটা জনসভা করতে চাই, সম্ভবত শনিবার রাতে ফ্লোরিডায়। পরের রাতে পেনসিলভ্যানিয়ায় আর একটা করতে পারি। আমি খুব ভালো বোধ করছি! আসলে কাল পরীক্ষা হবে, আসল পরীক্ষা। কারণ সারাক্ষণ পরীক্ষা করার কোনো দরকার নেই, তবে তারা খুব সামান্য সংক্রমণ বা ভাইরাস পেয়েছে, যদি আদৌ পেয়ে থাকে। আমি জানি না তারা কিছু পেয়েছে কি না, আমি ডাক্তারদের সাথে এ নিয়ে বেশি কথা বলিনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-০৮ |শিরোনাম=হানিটি সাক্ষাৎকারে কাশির মাঝেই ট্রাম্প বললেন তিনি শনিবার জনসভা করতে চান | লেখক=জাস্টিন বারগোনা | সাময়িকী=ডেইলি বিস্ট | ইউআরএল=https://www.thedailybeast.com/trump-coughing-through-hannity-interview-says-he-wants-to-do-saturday-rally}}
* শুল্ক নিয়ে আগে কেউ কখনও শোনেনি। কেউ না। আসলে আমি যখন এটি শুরু করি, তারা এর মানেও জানত না।
** চীন থেকে আমদানির ওপর শুল্ক সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-১১ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: হাসপাতাল থেকে ফেরার পর ফক্স বিজনেসে দেওয়া প্রথম সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প অন্তত ১৪টি মিথ্যা দাবি করেছেন | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/10/08/politics/fact-check-trump-interview-bartiromo-fox-business/index.html}}
* উত্তর ক্যারোলাইনায় আমি যা দেখেছি, আমরা যা সেখানে পরাজিত করেছি এবং যার বিরুদ্ধে মামলা করেছি, '''ট্রাম্প আর পেন্স এখন সেই কাজটাই জাতীয় পর্যায়ে করার কথা বলছেন: অত্যন্ত সূক্ষ্ম বর্ণবাদ... পেন্স আর ট্রাম্প ভোটাধিকার আইনে বিশ্বাস করেন না... তারা জানেন যে সবাই ভোট দিলে তারা জিততে পারবেন না। তারা কৃষ্ণাঙ্গ আর বাদামী বর্ণের গরিব মানুষদের ভোট দেওয়া নিয়ে প্রচণ্ড ভয়ে আছেন।'''<br>আর এই কথা বলা বন্ধ করুন যে গতবার ট্রাম্প জিতেছিলেন। তিনি ৮০,০০০ ভোটের ব্যবধানে ইলেক্টোরাল কলেজে নির্বাচিত হয়েছিলেন। আমাদের এই কাল্পনিক কথাগুলো বন্ধ করতে হবে যে তার কোনো জাদুকরী ক্ষমতা ছিল। আসল কথা হলো, ১০০ মিলিয়ন মানুষ ভোট দেয়নি। ... আমি যাত্রাপুস্তক-এর সেই অংশের কথা না ভেবে পারলাম না, যেখানে ঈশ্বর বলেছিলেন, "তুমি যদি আমার লোকদের যেতে না দাও, তবে আমি চিহ্ন হিসেবে মাছি পাঠাব। কিন্তু আমি মাছিগুলোকে মানুষের ওপর পড়তে দেব না, মাছিগুলো কেবল প্রতীক হবে যে তুমি ভুল করছ। তুমি মিথ্যা বলছ। আমার লোকদের মুক্তি দাও।" আর ট্রাম্প এবং পেন্সের উচিত মানুষকে মুক্তি দেওয়া। তারা গরিব আর অল্প আয়ের মানুষদের জিম্মি করে রেখেছে, জরুরি পরিষেবার কর্মীদের জিম্মি করে রেখেছে। এই দেশে এখন পরিবর্তনের সময় এসেছে।
** রেভ. উইলিয়াম বারবার ২, [https://www.democracynow.org/2020/10/8/rev_william_barber_voting_2020 ভোটার দমনের ওপর রেভ. উইলিয়াম বারবার: রিপাবলিকানরা জানে সবাই ভোট দিলে তারা জিততে পারবে না], ''ডেমোক্র্যাসি নাউ!'', (৮ অক্টোবর ২০২০)
* অনেকে যেমনটা লক্ষ্য করেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাস্তব মেনে নেওয়ার ক্ষমতা আশ্চর্যজনকভাবে কম, বিশেষ করে যখন তিনি অন্য কিছু বিশ্বাস করতে চান যা আমি ''অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ার'' বইতে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছি। নিজেকে মিথ্যা বোঝানোর জন্য তিনি অদ্ভুত সব উৎস আর চাটুকার মানুষ খুঁজবেন। তিনি চেয়েছিলেন ভাইরাসটা এমনিতে চলে যাক, তাই তিনি বিশ্বাস করেছিলেন যে এপ্রিলের গরমে এটি মারা যাবে, অথবা হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনে এর প্রতিকার হবে, অথবা ব্লিচ দিয়ে এটি ধ্বংস হবে, নতুবা অক্টোবরের মধ্যে টিকার মাধ্যমে এটি প্রতিরোধ করা যাবে। যখন তিনি শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি কতটা গুরুতর তা স্বীকার করলেন, তখনই তিনি অঙ্গরাজ্যগুলোকে আবার খুলে দেওয়ার এবং স্বাভাবিক জীবনে ফেরার জন্য চাপ দিতে শুরু করলেন। যার ফলাফল কিছু অঙ্গরাজ্যের জন্য খুব খারাপ হয়েছিল। তিনি সাধারণ নির্বাচনী জনসভা করতে জেদ ধরলেন, মাস্ক পরতে নির উৎসাহিত করলেন, শরতে স্কুল খুলতে বাধ্য করলেন আর অর্থনীতি চাঙ্গা করতে এবং জেতার সম্ভাবনা বাড়াতে জনগণের ওপর অপরীক্ষিত টিকা ব্যবহারের চাপ দিলেন।<br>চীনকে দোষারোপ করা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য বলির পাঁঠা দরকার ছিল। তিনি চীনের ওপর দোষ চাপিয়ে বললেন যে তার কাছে গোপন প্রমাণ আছে যে চীন এই ভাইরাস তৈরি করেছে এবং সারা বিশ্বে এটি ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ দিয়েছে। তিনি ব্যাখ্যা করেছিলেন যে শুরুতে চীনের প্রেসিডেন্ট সি জিনপিং তাকে ধোঁকা দিয়েছিলেন, যিনি তাকে ফোনে আশ্বস্ত করেছিলেন যে রোগটি নিয়ন্ত্রণে আছে। ট্রাম্প ৬ ফেব্রুয়ারি তাকে ফোন করে রোগ নির্মূলের জন্য সাহায্য করতে সিডিসির বিজ্ঞানীদের চীনে পাঠানোর প্রস্তাব দেন। তিনি ভেবেছিলেন সি জিনপিং এই আগে প্রত্যাখ্যান করা প্রস্তাবে রাজি হবেন কারণ তার সাথে চীনা নেতার ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল। কিন্তু সি জিনপিং আগ্রহী ছিলেন না। ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের ডেপুটি ডিরেক্টর ম্যাট পটিংগার, যিনি ফোনালাপটি শুনেছিলেন, তার মতে সি জিনপিং এমন একটা ধারণা দিয়েছিলেন যে চীনে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে আছে (''রেজ'', পৃষ্ঠা ২৪১-২৪৩)। কিন্তু চীন এই রোগ নিয়ন্ত্রণে নাটকীয় পদক্ষেপ নিয়েছিল। ৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই উহান আর সেই প্রদেশটিকে চীনের বাকি অংশ থেকে আলাদা করে ফেলা হয়েছিল এবং দুই সপ্তাহ ধরে কঠোর কোয়ারেন্টাইন চালু করা হয়েছিল। প্রায় ৪০,০০০ স্বাস্থ্যকর্মী সেই এলাকায় পাঠানো হয়েছিল, দ্রুত হাসপাতাল তৈরি করা হচ্ছিল আর সংক্রমণের হার কমে আসছিল।<br>চীনা সরকার অবশ্যই দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে রোগ ছড়ানো বন্ধ করতে কিছু করেনি। কিন্তু সারা বিশ্বের ভাইরাস বিশেষজ্ঞরা একমত যে কভিড-১৯ প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হয়েছে, গবেষণাগারে নয়। যুক্তরাষ্ট্র করোনাভাইরাস মৃত্যুতে বিশ্বে এক নম্বর হয়েছে সি জিনপিং ট্রাম্পের কাছে মিথ্যা বলেছিলেন বলে নয়, বরং ট্রাম্প নিজের দেশের বিশেষজ্ঞদের বারবার দেওয়া সবথেকে বড় সতর্কবাণীগুলো কয়েক সপ্তাহ ধরে উপেক্ষা করেছিলেন বলে। এরপর তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে আমেরিকানদের কাছে মিথ্যা বলেছিলেন যে তাদের কী করা উচিত। এই রক্তের দায় অন্য যে কারোর চেয়ে তার ওপরই বেশি, আর মনে মনে অজুহাত, অস্বীকার আর দায় চাপানোর আড়ালে তিনিও সম্ভবত তা জানেন।
** বব আলটেমেয়ার, [https://theauthoritarians.org/updating-authoritarian-nightmare/ "অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ার-এর আপডেট"], ৮ অক্টোবর ২০২০।
* আমেরিকান জনগণের স্বার্থ দেখার বদলে বার ডোনাল্ড ট্রাম্পের পোষা কুকুরের মতো কাজ করাকেই বেছে নিয়েছেন।
** ফিলিপ হালপার্ন (মার্কিন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল), [https://lawandcrime.com/high-profile/assistant-u-s-attorney-leaves-doj-after-36-years-due-to-lap-dog-bill-barrs-slavish-obedience-to-donald-trumps-will/ 'পোষা কুকুর' বিল বারের ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইচ্ছার প্রতি 'ক্রীতদাসসুলভ আনুগত্যের' কারণে ৩৬ বছর পর সহকারী মার্কিন অ্যাটর্নি বিচার বিভাগ ত্যাগ করলেন] নিবন্ধ অনুযায়ী (১৫ অক্টোবর ২০২০)
* আমার মনে হয় আমেরিকান জনগণের অধিকার আছে প্রেসিডেন্ট তার উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা বলেন তার ওপর নির্ভর করার। যখন একজন প্রেসিডেন্ট নিজের উদ্দেশ্য সম্পর্কে একদম পরিষ্কার কথা বলেন, তখন হোয়াইট হাউস কাউন্সিলের এই কথা আমি মেনে নিতে পারি না যে, 'আসলে এটা তার উদ্দেশ্য ছিল না।' হয়ত হোয়াইট হাউস কাউন্সিল প্রেসিডেন্টের সাথে কথা বলেছে, অথবা বলেনি—আমি তা জানি না।
** মার্কিন জেলা আদালতের বিচারক রেজি ওয়ালটন, যিনি [[জর্জ ডব্লিউ বুশ]]-এর আমলের নিয়োগপ্রাপ্ত, [https://www.politico.com/news/2020/10/16/judge-trump-russia-probe-declassification-429832 বিচারক জানতে চান ট্রাম্প রাশিয়া তদন্তের গোপনীয়তা উন্মোচন থেকে পিছিয়ে যাচ্ছেন কি না] নিবন্ধ অনুযায়ী (১৬ অক্টোবর ২০২০)
* আমি যখন দেখি হাজার হাজার ব্যালট ময়লার ঝুড়িতে ফেলে দেওয়া হয়েছে আর সেগুলোতে আমার নাম রয়েছে? এতে আমি একদমই খুশি নই।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-১৭ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: অতিমারীতে ট্রাম্প এমন কিছু দেখছেন যা অন্য কেউ দেখছে না | লেখক=ক্যালভিন উডওয়ার্ড, হোপ ইয়েন | সাময়িকী=এপি নিউজ| ইউআরএল=https://apnews.com/article/election-2020-virus-outbreak-ap-fact-check-donald-trump-technology-a6ddb8360fa9b1ff95acbbc1e03f437e}}
* আপনারা কি দেখেছেন যে ওরা প্রায় ৫০,০০০ ব্যালট একটা নদীর মতো জায়গায় খুঁজে পেয়েছে?<br>টিকা ছাড়াও এই অতিমারী শেষ হবে। এটি তার পথেই চলবে আর শেষ হবে। ওরা পাগল হয়ে যাবে। কালই খবর হবে যে তিনি বলেছেন ‘টিকা ছাড়াই’—দেখবেন। এই লোকগুলো পাগল। না, এটি স্বাভাবিকভাবেই চলছে। আমরা শেষ পর্যায়ে চলে এসেছি। আপনারা সংখ্যাগুলো দেখছেন, আমরা ঠিক পথেই আছি।<br>মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অন্য দেশের চেয়ে বেশি আক্রান্ত দেখা যায় কারণ এখানে অনেক বেশি (এবং ব্যয়বহুল) পরীক্ষা করা হয়—আর ভুয়া সংবাদমাধ্যমগুলো প্রতিদিন এর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।<br>চীন ভাইরাসের পর থেকে আমরা আমাদের দেশের ইতিহাসে রেকর্ড সংখ্যক কর্মসংস্থান তৈরি করেছি—মাত্র কয়েক মাসেই ১ কোটি ১৪ লক্ষ।<br>আমরা এখন কর্মসংস্থান আর বেকারত্বের নতুন রেকর্ড গড়ছি। আমরা অর্থনৈতিকভাবে নানা রকম রেকর্ড গড়ছি।<br>আমি একটা বিলে সই করেছি যার ফলে আপনি যদি কোনো সরকারি মূর্তি ভাঙেন তবে আপনার ১০ বছরের জেল হবে। মেক্সিকো দেওয়ালের খরচ দিচ্ছে। আমরা ইতিহাসের সবথেকে বড় কর ছাড় দিয়েছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২০ |শিরোনাম=ট্রাম্পের অসৎ সপ্তাহান্তের ফ্যাক্ট-চেকিং: প্রেসিডেন্ট তিন দিনে অন্তত ৬৬টি মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর দাবি করেছেন | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল| সাময়িকী= সিএনএন| ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/10/19/politics/fact-check-trump-dishonest-weekend-florida-michigan-georgia-wisconsin/index.html}}
* (''ভুয়া ব্যালট প্রসঙ্গে:'') সেই সব ব্যালটগুলোর কথা ভাবুন তো যেগুলোতে আমার নাম ছাড়াই ছাপানো হয়েছিল? সেগুলোতে সব ছিল। সেনেট থেকে শুরু করে সব পদ ছিল, শুধু আমার নাম দিতেই ওরা ভুলে গেল।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২০ |শিরোনাম=ট্রাম্প আবার ব্যালট নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন | লেখক=লরি রবার্টসন| সাময়িকী= ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি| ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/10/trump-misleads-on-ballots-again/}}
* আমাদের কোনো সমাজতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট থাকবে না। বিশেষ করে কোনো নারী সমাজতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট আমাদের থাকবে না। আমরা এটা হতে দেব না, আমরা এটা সহ্য করব না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৪ |শিরোনাম=ডেমোক্র্যাটিক উপ-রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীর বিরুদ্ধে ট্রাম্পের কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ | লেখক=সারাহ আল-আরশানি| সাময়িকী= বিজনেস ইনসাইডার| ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-targets-kamala-harris-in-sexist-rant-2020-10?r=US&IR=T}}
* আমাদের এমন কোনো প্রেসিডেন্ট থাকবে না যে স্রেফ তার সমালোচনা করার জন্য মানুষকে জেলের ভয় দেখাবে।
** জো বাইডেনের নির্বাচনী প্রচারে [https://www.wlrn.org/2020-10-25/obama-hits-campaign-trail-in-south-florida-criticizing-trumps-behavior-as-worse-than-florida-man ওবামা দক্ষিণ ফ্লোরিডায় নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্পের আচরণকে ফ্লোরিডা ম্যানের চেয়েও খারাপ বলে সমালোচনা করেছেন] নিবন্ধ অনুযায়ী [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৫ অক্টোবর ২০২০)
* ওদের সবাইকে জেলে ভরুন।
** একটি অনির্ধারিত গোষ্ঠী সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৬ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: '৬০ মিনিটস'-এ ট্রাম্প অন্তত ১৬টি মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর দাবি করেছেন | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল| সাময়িকী= সিএনএন| ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/10/25/politics/fact-check-trump-60-minutes-lesley-stahl/index.html}}
* আমার যদি সোশ্যাল মিডিয়া না থাকত, তবে আমার কথা পৌঁছানোর আর কোনো উপায় থাকত না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৬ |শিরোনাম=সিবিএস ট্রাম্পের ৬০ মিনিটস সাক্ষাৎকার থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ফুটেজ প্রকাশ করেছে | লেখক=মার্টিন মেলাম| সাময়িকী= দ্য গার্ডিয়ান| ইউআরএল=https://www.theguardian.com/us-news/2020/oct/26/cbs-releases-footage-trump-walking-out-60-minutes-interview}}
* পুরো যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে ডাকযোগে পাঠানো ব্যালট নিয়ে বড় সমস্যা আর গরমিল দেখা যাচ্ছে। ৩রা নভেম্বরের মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল থাকতে হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট, যা "বিভ্রান্তিকর" হিসেবে চিহ্নিত এবং যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৬ |শিরোনাম=টুইটার ডাকযোগে ভোট নিয়ে ট্রাম্পের আরেকটি টুইটকে 'বিভ্রান্তিকর' হিসেবে চিহ্নিত করল এবং অন্য ব্যবহারকারীদের এটি রিটুইট করা বন্ধ করে দিল | লেখক=ইসাবেল অ্যাশার হ্যামিল্টন| সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার| ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/twitter-trump-tweet-mail-voting-warning-label-minsinformation-block-retweet-2020-10?r=US&IR=T}}
* পেনসিলভ্যানিয়ায় এখন একমাত্র যা করা যায় তা হলো বিক্ষোভ। আপনি গির্জায় যেতে পারেন না। আপনি আপনার ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করতে পারেন না। আপনি আপনার যাজক বা রাবাইদের সাথে থাকতে পারেন না। এর কিছুই করা যায় না। আপনি কিচ্ছু করতে পারেন না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৭ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: পেনসিলভ্যানিয়ার মানুষ 'গির্জায় যেতে পারে না' বলে ট্রাম্প মিথ্যা দাবি করেছেন | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/10/27/politics/trump-false-claim-pennsylvania-cant-go-to-church-fact-check/index.html}}
* সে আপনাদের আইনের পাহাড় চাপিয়ে দেবে, পুলিশ বিভাগগুলো বন্ধ করে দেবে, আমাদের সীমান্ত বিলীন করে দেবে, আপনাদের বন্দুক কেড়ে নেবে, ধর্মীয় স্বাধীনতা শেষ করবে আর আপনাদের শহরতলিগুলোকে ধ্বংস করে দেবে।
* আপনারা যদি বাইডেনকে ভোট দেন, তার মানে স্কুলে কোনো বাচ্চা থাকবে না, কোনো সমাবর্তন হবে না, কোনো বিয়ে হবে না, কোনো থ্যাঙ্কসগিভিং, বড়দিন বা স্বাধীনতা দিবস পালিত হবে না।
** ডেমোক্র্যাট রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী জো বাইডেন সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৯ |শিরোনাম=স্বাভাবিক অতিরঞ্জিত কথার মাধ্যমে ট্রাম্প বাইডেনের অধীনে জীবনের এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছেন | লেখক=ডার্লিন সুপারভিল | সাময়িকী=দ্য টাইমস অফ ইসরায়েল | ইউআরএল=https://www.timesofisrael.com/with-typical-hyperbole-trump-paints-apocalyptic-portrait-of-life-under-biden/}}
==== নভেম্বর ২০২০ ====
* আমরা এই নির্বাচনে জেতার জন্য পুরোপুরি তৈরি ছিলাম। সত্যি বলতে, আমরা জিতেই গেছি। এটি আমাদের জাতির সাথে এক বিশাল জালিয়াতি। আমরা চাই আইনের সঠিক প্রয়োগ হোক। তাই আমরা মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে যাব। আমরা চাই সব ভোট গ্রহণ বন্ধ হোক।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-০৩ |শিরোনাম=মার্কিন রাষ্ট্রপতি পদের ফলাফল এখনো অমীমাংসিত; মধ্য-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রধান অঙ্গরাজ্যগুলোতে বাইডেন এগিয়ে | লেখক= ট্রেভর হানিকাট, জেফ মেসন | সাময়িকী=রয়টার্স | ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/usa-election/us-presidency-still-undecided-biden-opens-leads-in-key-midwestern-states-idUSKBN27J0FZ}}
* আমি এই নির্বাচনে জিতেছি, তাও বিশাল ব্যবধানে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1325099845045071873 ৭ নভেম্বর ২০২০]
* ২০১৬ সালে ট্রাম্পের জয়ে মানুষ এই কারণে বিচলিত ছিল যে তিনি এমন সব নীতি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রচারণা চালিয়েছিলেন, যা রাষ্ট্রীয় সহিংসতার মাধ্যমে জাতিগত ও নৃতাত্ত্বিক সংখ্যালঘুদের লক্ষ্যবস্তু করে (এবং তিনি কেবল অভদ্র বা অসভ্য ছিলেন বলেই এমনটা করেননি)। কোনোভাবেই বাইডেনের প্রচারণাকে এর সাথে তুলনা করা যায় না। দুঃখিত! বাইডেন খ্রিস্টানদের নিষিদ্ধ করবেন না, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এখানে থাকা শ্বেতাঙ্গ অভিবাসীদের মর্যাদা খেয়ালখুশিমতো বাতিল করবেন না, দেশের শ্বেতাঙ্গ অধ্যুষিত অংশগুলো বিক্রি করার চেষ্টা করবেন না বা শ্বেতাঙ্গদের বিরুদ্ধে পুলিশি সহিংসতাকে উস্কে দেবেন না। আপনাদের এই হতাশাকে কোনোভাবেই নিপীড়ন বলা যায় না।
** অ্যাডাম সারওয়ার, ৯ নভেম্বর ২০২০ টুইটারে
* রিপোর্ট: ডোমিনিয়ন সারা দেশে ট্রাম্পের ২৭ লক্ষ ভোট মুছে ফেলেছে। তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে পেনসিলভানিয়ায় ২,২১,০০০ ভোট প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের থেকে সরিয়ে বাইডেনের অ্যাকাউন্টে দেওয়া হয়েছে। ৯,৪১,০০০ ট্রাম্পের ভোট মুছে ফেলা হয়েছে। ডোমিনিয়ন ভোটিং সিস্টেম ব্যবহার করা অঙ্গরাজ্যগুলো ট্রাম্পের ৪,৩৫,০০০ ভোট বাইডেনের দিকে সরিয়ে দিয়েছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]েরে বিতর্কিত টুইট, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-১৩ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: 'মুছে ফেলা' ভোট নিয়ে ট্রাম্পের টুইটের গালগল্প | লেখক= আলী সোয়েনসন, আমান্ডা সিটজ | সাময়িকী=এপি নিউজ | ইউআরএল=https://apnews.com/article/election-2020-ap-fact-check-joe-biden-donald-trump-technology-13c104367924b8192b4fcecf334f7806}}
* ফক্স নিউজ আর ভুয়া খবরের মাধ্যমগুলো এই বিশাল জমায়েত দেখাচ্ছে না। বদলে তারা তাদের সাংবাদিকদের প্রায় জনশূন্য রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রেখেছে। এখন আমরা সংবাদমাধ্যমের দ্বারা তথ্য দমনের শিকার হচ্ছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1327724046595842049 ১৪ নভেম্বর ২০২০]
* নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের মতো জায়গাগুলো বাদে বাকি সব সাধারণ মানুষের জন্য টিকা পাওয়া যাবে। রাজনৈতিক কারণে সেখানকার গভর্নর দেরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আমার মনে হয় না এটি রাজনৈতিকভাবে ভালো, স্বাস্থ্যের দিক থেকেও এটি খুব খারাপ, তবে তিনি টিকা নিয়ে সময় নিতে চান। আমরা এমন কোনো রাজ্যে এটি পৌঁছে দিতে পারি না যারা তাদের জনগণকে অবিলম্বে এটি দেবে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-৩০ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: টিকা এবং অঙ্গরাজ্যগুলোতে এর বিতরণ নিয়ে ট্রাম্পের ভুল তথ্য | লেখক= হোপ ইয়েন, লরা নিরগার্ড, ক্যান্ডিস চই | সাময়িকী=এপি | ইউআরএল=https://apnews.com/article/ap-fact-check-joe-biden-donald-trump-politics-coronavirus-pandemic-76d1580f82b1586b207990396c1e3b5f}}
* এইমাত্র নেভাদা অঙ্গরাজ্যে এক বিশাল জয় এল। কাউন্টি কমিশনারের লড়াইয়ে ডেমোক্র্যাটদের একচ্ছত্র আধিপত্যের ওই ভোট বাতিল করা হয়েছে কারণ সেখানে বড় ধরনের ভোট জালিয়াতি ধরা পড়েছে। ক্লার্ক কাউন্টির কর্মকর্তারা তাদের নিজেদের নির্বাচনী নিরাপত্তার ওপর আস্থা রাখতে পারছেন না। বিশাল প্রভাব!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]][https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1328483862490574849 টুইটারে], ১৬ নভেম্বর ২০২০
* আমি নির্বাচনে জিতেছি!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1328334945148952576 টুইটারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেখানে টুইটার সতর্কবার্তা দিয়েছে: "একাধিক সূত্র এই নির্বাচনের ভিন্ন ফলাফল দিয়েছে",১৬ নভেম্বর ২০২০
* ২০২০ সালের নির্বাচনের নিরাপত্তা সম্পর্কে ক্রিস ক্রেবসের সাম্প্রতিক বক্তব্য অত্যন্ত ভুল ছিল... তাই অবিলম্বে ক্রিস ক্রেবসকে সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার সিকিউরিটি এজেন্সির পরিচালক পদ থেকে বরখাস্ত করা হলো।
** [https://www.usatoday.com/story/news/politics/2020/11/17/trump-ousts-homeland-security-chris-krebs-called-election-secure/6276676002/ ট্রাম্প হোমল্যান্ড সিকিউরিটির সাইবার প্রধান ক্রিস ক্রেবসকে বরখাস্ত করেছেন, যিনি নির্বাচনকে সুরক্ষিত বলেছিলেন] শীর্ষক খবর অনুযায়ী ডোনাল্ড ট্রাম্প টুইটারের মাধ্যমে তার সাইবার প্রধানকে বরখাস্ত করেছেন (১৮ নভেম্বর ২০২০)
* আমি না থাকলে আরও চার বছর আপনারা টিকা পেতেন না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-২০ |শিরোনাম=ট্রাম্পের ইঙ্গিত যে তাকে হারানোর জন্য টিকা কোম্পানিগুলো প্রতিশোধমূলক ষড়যন্ত্র করেছে | লেখক= র্যাচেল ওল্ডিং | সাময়িকী=ডেইলি বিস্ট | ইউআরএল=https://www.thedailybeast.com/trump-suggests-vaccine-companies-orchestrated-revenge-filled-conspiracy-to-make-him-lose}}
* আমার সাথে ওভাবে কথা বলবেন না, আপনার কোনো যোগ্যতাই নেই। আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতির সাথে ওভাবে কখনো কথা বলবেন না।
** থ্যাঙ্কসগিভিংয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-election-2020/trump-news-live-twitter-biden-election-b1762621.html ট্রাম্প নিউজ: শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা ছাড়ার প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসার পর পেনসিলভানিয়ার আপিলে হেরেছেন প্রেসিডেন্ট] নিবন্ধে উদ্ধৃত হয়েছে।,২৭ নভেম্বর ২০২০
* তথ্য দমনের জন্য বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো আর ভুয়া সংবাদমাধ্যম একজোট হয়েছে। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা শেষ হয়ে গেছে, এটি এখন অতীত। এই কারণেই তারা ২০২০ সালের নির্বাচনের প্রকৃত তথ্য ও পরিসংখ্যান প্রকাশ করতে অস্বীকার করছে...
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1332349861774155778?s=20 টুইট] যা টুইটার "নির্বাচনী জালিয়াতি সম্পর্কে এই দাবিটি বিতর্কিত" লেবেল দিয়ে চিহ্নিত করেছে,২৭ নভেম্বর ২০২০
* বাইডেন কেবল তখনই প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোয়াইট হাউসে ঢুকতে পারবেন, যদি তিনি প্রমাণ করতে পারেন যে তার ওই হাস্যকর '৮ কোটি ভোট' জালিয়াতি বা অবৈধভাবে পাওয়া যায়নি। ডেট্রয়েট, আটলান্টা, ফিলাডেলফিয়া আর মিলওয়াকিতে কী হয়েছে তা দেখলে বুঝবেন যে বিশাল ভোট জালিয়াতি হয়েছে। এটি তার জন্য এক বিশাল এবং সমাধান অযোগ্য সমস্যা।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-২৮ |শিরোনাম=প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মিথ্যা এবং ষড়যন্ত্র তত্ত্ব টুইট করা চালিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে ট্রাম্প আভাস দিয়েছেন যে বাইডেন 'প্রমাণ করতে না পারলে' তিনি হোয়াইট হাউস ছাড়বেন না | লেখক= গ্রেস প্যানেটা | সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার | ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-says-he-wont-leave-white-house-biden-disproves-fraud-2020-11?r=US&IR=T}}
* পেনসিলভানিয়ার ঘটনায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে এবং আমাদের কাছে এর বিশাল প্রমাণ রয়েছে। কিছু মানুষ স্রেফ তা দেখতে চায় না। আমাদের দেশকে বাঁচানোর সাথে তারা কোনো সম্পর্ক রাখতে চায় না। দুঃখজনক!!!
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1332778938121203720 টুইট],২৮ নভেম্বর ২০২০
* @FoxNews-এর দিনের বেলার অনুষ্ঠানগুলো দেখা প্রায় অসম্ভব, বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-২৯ |শিরোনাম=নির্বাচনের পর প্রথম সাক্ষাৎকারের আগে ফক্স নিউজ বাদে 'অন্য কিছু' দেখার জন্য দর্শকদের বললেন ট্রাম্প | লেখক= ইয়েলেনা জানোভা | সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার | ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-calls-fox-news-unwatchable-criticism-newsmax-2020-11?r=US&IR=T}}
* এই দেশে সংবাদপত্রের কোনো স্বাধীনতা নেই, এখানে চলছে তথ্য দমন।
** ফক্স নিউজে মারিয়া বার্টিরোমোর সাথে এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]],২৯ নভেম্বর ২০২০
* আমি এমন সব টিকা নিয়ে এসেছি যা মানুষ ভেবেছিল পেতে পাঁচ বছর সময় লাগবে।
* কিছু যান্ত্রিক গোলযোগ হয়েছিল যার ফলে আমার হাজার হাজার ভোট বাইডেনের অ্যাকাউন্টে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
* (যুক্তরাষ্ট্রের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি সামলানো প্রসঙ্গে:) আমরা বিশ্বের বাকি দেশগুলোর চেয়ে ভালো করছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-২৯ |শিরোনাম=ফক্স নিউজের মারিয়া বার্টিরোমো নির্বাচনের পর ট্রাম্পের প্রথম টিভি সাক্ষাৎকার নিয়েছেন, যা মিথ্যায় ভরা ছিল | লেখক= আলেকজিস বেনভেনেস্টে | সাময়িকী= সিএনএন বিজনেস | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/11/29/media/bartiromo-trump-interview/index.html}}
* ব্রায়ান কেম্প আর ডগ ডুসির মতো রিপাবলিকান থাকতে ডেমোক্র্যাটদের কী দরকার?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-৩০ |শিরোনাম=ট্রাম্পের আক্রমণের পর অ্যারিজোনার গভর্নর ডগ ডুসি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পক্ষে সাফাই দিয়েছেন | লেখক= ক্যারোলিন কেলি, অ্যালিসন মেইন | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/11/30/politics/doug-ducey-defends-election-arizona-trump/index.html}}
==== ডিসেম্বর ২০২০ ====
(কালানুক্রমিকভাবে)
* আসলে আমি উইসকনসিনে জিতেছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-০৫ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: সাজানো নির্বাচনের ভিত্তিহীন দাবির মধ্যে ট্রাম্প বলেছেন তিনি উইসকনসিনে জিতেছেন | লেখক= ডি.এল. ডেভিস, পলিটিফ্যাক্ট | সাময়িকী=হিউস্টন ক্রনিকল | ইউআরএল=https://www.houstonchronicle.com/local/texas-politics/politifact/article/Fact-check-Among-baseless-claims-of-rigged-15794749.php}}
* আপনাদের বোঝার সুবিধার্থে বলছি, আপনারা জানেন যে আমরা জর্জিয়াতে জিতেছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-০৫ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: জর্জিয়ায় নির্বাচনী প্রচারের সময় ট্রাম্পের ভিত্তিহীন দাবি | লেখক= ইউজিন কিয়েলি | সাময়িকী=জিএ টুডে | ইউআরএল=https://www.gpb.org/news/2020/12/09/fact-check-trump-makes-bogus-swing-state-claim-during-campaign-stop-in-georgia}}
* যদি আমি হারতাম, তবে আমি খুব উদারভাবে হার মেনে নিতাম।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-০৬ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: জনসভায় ট্রাম্পের দুঃসাহসিক মিথ্যাচার | লেখক= ক্যালভিন উডওয়ার্ড | সাময়িকী=এপি নিউজ | ইউআরএল=https://apnews.com/article/fact-check-donald-trump-rally-falsehoods-424834660f894040b55b415aecb2a443}}
* রাইনো ব্রায়ান কেম্প, জিওফ ডানকান এবং সেক্রেটারি অফ স্টেট ব্র্যাড রাফেনসপারজার জর্জিয়ার আমাদের দুজন মহান সিনেটর ডেভিড পারডু এবং কেলি লোফ্লারের সম্ভাব্য পরাজয়ের জন্য এককভাবে দায়ী থাকবেন। তারা কোনো বিশেষ অধিবেশন ডাকবে না বা সই যাচাই করবে না! মানুষ অনেক ক্ষুব্ধ!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-০৭ |শিরোনাম=ট্রাম্প বলেছেন রাইনো কেম্প এবং রাফেনসপারজারই 'এককভাবে দায়ী' যদি লোফ্লার ও পারডু নির্বাচনে হারেন | লেখক= জেফারি মার্টিন | সাময়িকী=নিউজউইক | ইউআরএল=https://www.newsweek.com/trump-says-rinos-kemp-raffensperger-solely-responsible-if-loeffler-perdue-lose-election-1553024}}
* সুপ্রিম কোর্ট আমাদের সত্যিই হতাশ করেছে। কোনো প্রজ্ঞা নেই, কোনো সাহস নেই!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-১১ |শিরোনাম='কোনো প্রজ্ঞা নেই, কোনো সাহস নেই!': টেক্সাসের নির্বাচনী ফলাফল বাতিলের আবেদন সুপ্রিম কোর্ট প্রত্যাখ্যান করার পর ট্রাম্পের ক্ষোভ | লেখক= কেলসি ভ্লামিস | সাময়িকী=এমএসএন নিউজ | ইউআরএল=https://www.msn.com/en-us/news/other/no-wisdom-no-courage-trump-lashes-out-at-the-supreme-court-after-it-rejected-a-texas-bid-to-overturn-the-election-results/ar-BB1bRIqA}}
* আমরা কেবল লড়াই শুরু করেছি!!!
** ২০২০ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে লড়াই করা প্রসঙ্গে ট্রাম্পের টুইট,{{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-১১ |শিরোনাম=ঐতিহাসিক টিকা বিতরণের আগে ট্রাম্প আত্মঘাতী লড়াইতে লিপ্ত | লেখক= মেভ রেস্টন | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/12/13/politics/donald-trump-william-barr-pfizer-vaccine/index.html}}
* এটি শেষ হয়ে যায়নি। আমরা লড়াই চালিয়ে যাব এবং সামনের দিকে এগিয়ে যাব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-১২ |শিরোনাম=ইলেক্টোরাল কলেজের ভোটের আগে ট্রাম্প 'ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস'-কে বলেছেন যে নির্বাচনী চ্যালেঞ্জ 'শেষ হয়ে যায়নি' | লেখক= রন ব্লিটজনার | সাময়িকী=ফক্স নিউজ | ইউআরএল=https://www.foxnews.com/politics/trump-fox-and-friends-election-challenges-not-over-electoral-college-vote}}
* দারুণ! স্টপ দ্য স্টিলের জন্য ওয়াশিংটন ডিসিতে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হচ্ছে। আমি এ সম্পর্কে জানতাম না, তবে আমি তাদের সাথে দেখা করতে যাব! #এমএজিএ
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, [https://en.wikinews.org/wiki/Conservative_groups_hold_rally_in_Washington_D.C._claiming_U.S._elections_were_stolen_from_President_Trump "ওয়াশিংটন ডিসিতে রক্ষণশীল গোষ্ঠীর জনসভা, মার্কিন নির্বাচন চুরি হয়েছে বলে দাবি"], ১৫ ডিসেম্বর ২০২০।
* এইমাত্র হোয়াইট হাউসে অ্যাটর্নি জেনারেল বিল বারের সাথে খুব সুন্দর একটি বৈঠক হলো। আমাদের সম্পর্ক খুব ভালো ছিল, তিনি চমৎকার কাজ করেছেন! চিঠিতে যেমনটা লেখা আছে, বিল বড়দিনের ঠিক আগেই তার পরিবারের সাথে ছুটি কাটানোর জন্য বিদায় নেবেন...
* ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ রোজেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.bbc.com/news/world-us-canada-55312016 উইলিয়াম বার: মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল বড়দিনের আগেই পদ ছাড়ছেন], ১৫ ডিসেম্বর ২০২০।
* আমরা আজ এখানে একটি ঐতিহাসিক সপ্তাহের শেষে একত্রিত হয়েছি আমেরিকান জনগণকে এটা নিশ্চিত করতে যে আশা খুব কাছেই। কেলি এবং আমি অত্যন্ত আনন্দের সাথে এই সপ্তাহ শেষ হওয়ার আগেই আমেরিকান জনগণের জন্য আমাদের সুরক্ষিত এবং প্রস্তুতকৃত এই নিরাপদ ও কার্যকর করোনাভাইরাস টিকা নিতে এগিয়ে এসেছি। এটি সত্যিই একটি অনুপ্রেরণাদায়ক দিন।
** উপ-রাষ্ট্রপতি পেন্স, [https://www.politico.com/news/2020/12/18/pence-covid-vaccine-live-television-448080 'আশা কাছেই': সরাসরি টেলিভিশনে করোনাভাইরাস টিকা নিলেন পেন্স], ১৮ ডিসেম্বর ২০২০।
* টেক্সাসের ৫ম সংসদীয় আসনের মার্কিন কংগ্রেস সদস্য হতে পেরে আমি গর্বিত। আমি ৬ই জানুয়ারি আপত্তি জানানোর মাধ্যমে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাশে দাঁড়াতে পেরেও গর্বিত। আমি কংগ্রেসের প্রতিটি সহকর্মীকে একই কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।
** [https://twitter.com/Lancegooden টুইটারে] ল্যান্স গুডেন, ২৬ ডিসেম্বর ২০২০।
===== বাইডেনের নির্বাচনী জয় বাতিলের ট্রাম্প-সমর্থিত মামলা সুপ্রিম কোর্টে খারিজ =====
* আমি বারবার যেমনটা বলেছি, আমাদের সংবিধান অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলোর মধ্যে প্রকৃত বিরোধের বিষয়গুলো শেষ পর্যন্ত কেবল সুপ্রিম কোর্টই নিষ্পত্তি করতে পারে এবং এই কারণেই বিচারপতিদের উচিত এই মামলার শুনানি করা এবং সিদ্ধান্ত দেওয়া।
** [https://www.theadvocate.com/baton_rouge/news/politics/elections/article_193de3e0-3a54-11eb-8036-07b9fff910f6.html জেফ ল্যান্ড্রি জো বাইডেনের পক্ষে যাওয়া ইলেক্টোরাল ভোট গণনা বন্ধে টেক্সাসের প্রচেষ্টাকে সমর্থন করছেন], ৯ ডিসেম্বর ২০২০-এ লুইসিয়ানার অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ ল্যান্ড্রি।
* সুপ্রিম কোর্ট যদি মহৎ প্রজ্ঞা এবং সাহস দেখায়, তবে আমেরিকান জনগণ সম্ভবত ইতিহাসের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ মামলাটিতে জিতবে এবং আমাদের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রতি আবার শ্রদ্ধা ফিরে আসবে!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1337494507756072961 রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প], ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* আমেরিকার একটি স্বচ্ছ নির্বাচন প্রাপ্য ছিল, কিন্তু তারা যা পেয়েছে তা হলো: জর্জিয়াতে গোপনে যোগ করা ব্যালট ভর্তি সুটকেস, উইসকনসিনে মৃত ব্যক্তিদের ভোট প্রদান, নেভাদাতে ভোটের বিনিময়ে অর্থের কারসাজি, পেনসিলভানিয়া-তে পোল ওয়াচারদের ঢুকতে না দেওয়া, মিশিগানে ব্যালট ড্রপবক্স খোলা অবস্থায় পাওয়া এবং মিশিগানেই ক্লার্কের মুখে ???। প্রমাণ অকাট্য। আপনাদের আইনপ্রণেতাদের ডাকুন, তাদের স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য লড়াই করতে বলুন।
** [https://twitter.com/realDonaldTrump @realDonaldTrump ভিডিওতে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* '''অন্যান্য অঙ্গরাজ্যগুলো কীভাবে তাদের নিজস্ব নির্বাচন পরিচালনা করবে তা নিয়ে মামলা করার জন্য টেক্সাসের অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী কোনো আইনি ভিত্তি নেই।'''
** [https://twitter.com/SCOTUSblog/status/1337546093102510080?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1337546093102510080%7Ctwgr%5E%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.cbc.ca%2Fnews%2Fworld%2Ftrump-lawsuit-supreme-court-defeat-1.5838403 স্কোটাসব্লগ (SCOTUSblog)], মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট, ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* সাংবিধানিক প্রশ্নটি ভোটাররা জালিয়াতি করেছে কি না তা নয়, বরং প্রশ্ন হলো অঙ্গরাজ্যের কর্মকর্তারা ব্যালটের সততা রক্ষার নিয়মগুলো পরিকল্পিতভাবে শিথিল করে আইন লঙ্ঘন করেছেন কি না যাতে জালিয়াতি ধরা না যায়।
** [https://www.salon.com/2020/12/11/republicans-want-more-than-a-coup-trumps-loyalty-test-exposes-their-hatred-for-democracy/ রিপাবলিকানরা একটি অভ্যুত্থানের চেয়েও বেশি কিছু চায়: ট্রাম্পের আনুগত্য পরীক্ষা গণতন্ত্রের প্রতি তাদের ঘৃণা প্রকাশ করে], টেক্সাসের অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটন, ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* মামলাটি গুণাগুণের ভিত্তিতে খারিজ করা হয়নি, এটি আইনি ভিত্তির অভাবে খারিজ করা হয়েছে। তাই এর সমাধান হলো রাষ্ট্রপতি বা কিছু নির্বাচক কর্তৃক জেলা আদালতে একই তথ্যগুলো উল্লেখ করে মামলা করা যেখানে তাদের আইনি ভিত্তি থাকবে।
* আমাদের জেলা আদালতে এই মামলাগুলো অবিলম্বে দায়ের করতে কোনো বাধা নেই যেখানে অবশ্যই রাষ্ট্রপতির আইনি ভিত্তি থাকবে। কিছু নির্বাচকেরও আইনি ভিত্তি থাকবে কারণ তাদের সাংবিধানিক অধিকার খর্ব করা হয়েছে।
* আমাদের কাজ শেষ হয়নি। আমাকে বিশ্বাস করুন।
** [https://thehill.com/regulation/court-battles/529928-giuliani-says-trump-team-not-finished-after-supreme-court-defeat সুপ্রিম কোর্টে পরাজয়ের পর জিলিয়ানি বলেছেন ট্রাম্পের দল 'এখনো শেষ হয়ে যায়নি'], [[রুডি জিলিয়ানি]], ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* এটি দুর্ভাগ্যজনক যে সুপ্রিম কোর্ট এই মামলাটি গ্রহণ না করার এবং এই চারটি অঙ্গরাজ্যের ফেডারেল ও স্টেট নির্বাচন আইন মানতে ব্যর্থতার সাংবিধানিকতা যাচাই না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
** [https://www.texastribune.org/2020/12/11/texas-lawsuit-supreme-court-election-results/ মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট চার অঙ্গরাজ্যের ২০২০ সালের নির্বাচনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে টেক্সাসের মামলা খারিজ করে দিয়েছে], কেন প্যাক্সটন, ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* একাধিক অঙ্গরাজ্য এবং এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির জড়িত থাকা একটি মৌলিক এক্তিয়ারভুক্ত বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট কোনো আইনি ভিত্তি খুঁজে পাবে না, এটি হাস্যকর। এটি সংবিধানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে...। তারা আসলে "ভয় পেয়ে পিছিয়ে গেছে" এবং মামলার গুণাগুণের ওপর রায় দিতে চায়নি। আমাদের দেশের জন্য এটি খুবই খারাপ!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1338246403164954629 টুইটারের মাধ্যমে] রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প, ১৩ ডিসেম্বর ২০২০।
* আমি গত সাজানো (রাষ্ট্রপতি পদের জন্য) নির্বাচনে মিচসহ অন্তত ৮ জন রিপাবলিকান সিনেটরকে পরাজয় থেকে বাঁচিয়েছি। এখন তারা (প্রায় সবাই) হাত গুটিয়ে বসে আছে এবং আমাকে কট্টর বামপন্থী ডেমোক্র্যাটদের মতো এক কুটিল ও হিংস্র শত্রুর বিরুদ্ধে একা লড়তে দেখছে। আমি কখনোই ভুলব না!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের বিতর্কিত [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1342245390540804096 টুইট], ২৫ ডিসেম্বর ২০২০।
* ২০২০ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে যে বিশাল নির্বাচনী জালিয়াতি হয়েছে সে ব্যাপারে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট সম্পূর্ণ অযোগ্যতা এবং দুর্বলতা দেখিয়েছে। আমাদের কাছে অকাট্য প্রমাণ আছে, কিন্তু তারা তা দেখতে চায় না—তারা বলছে কোনো ‘আইনি ভিত্তি’ নেই। আমাদের নির্বাচনে যদি দুর্নীতি হয়, তবে আমাদের কোনো দেশই থাকবে না!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের বিতর্কিত টুইট, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-২৬ |শিরোনাম=ক্ষমতার মেয়াদ এক মাসেরও কম থাকতে ট্রাম্প তার নির্বাচনী পরাজয় বাতিল করতে অস্বীকার করায় 'সম্পূর্ণ অযোগ্য' সুপ্রিম কোর্টের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন | লেখক= কনর পেরেট | সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার | ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-supreme-court-totally-incompetent-for-refusing-to-overturn-election-2020-12?r=US&IR=T}}
* দুর্বল এবং ক্লান্ত রিপাবলিকান "নেতৃত্ব" এই খারাপ প্রতিরক্ষা বিলটি পাস হওয়ার সুযোগ করে দেবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1342245390540804096 টুইট], ২৯ ডিসেম্বর ২০২০।
* রিপাবলিকান নেতৃত্ব কেবল সবথেকে সহজ পথটি বেছে নিতে চায়। আমাদের নেতারা (অবশ্যই আমি নই!) অত্যন্ত করুণ।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-২৯ | শিরোনাম=তার ভেটো উপেক্ষা করার পর রিপাবলিকানদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন ট্রাম্প | লেখক= জ্যাচারি বি. উলফ | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/12/29/politics/donald-trump-house-votes/index.html}}
==== জানুয়ারি ২০২১ ====
* তো দেখুন, আমি কেবল ১১,৭৮০টি ভোট খুঁজে পেতে চাই।
** ২ জানুয়ারি জর্জিয়ার নির্বাচনী কর্মকর্তাদের (জর্জিয়ার সেক্রেটারি অফ স্টেট ব্র্যাড রাফেনসপারজারসহ) সাথে কথা বলার সময় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেখানে তিনি ২০২০ সালের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট নিজের পক্ষে গণনা করার জন্য সেক্রেটারি অফ স্টেট ব্রায়ান কেম্পকে চাপ দিচ্ছিলেন। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২১-০১-০৩ |ইউআরএল=https://www.washingtonpost.com/video/politics/audio-trump-berates-ga-secretary-of-state-urges-him-to-find-votes/2021/01/03/aba64f5f-8c3c-490f-af34-618ccea732d7_video.html |শিরোনাম=অডিও: জর্জিয়ার সেক্রেটারি অফ স্টেটকে তিরস্কার করলেন ট্রাম্প, ভোট ‘খুঁজে’ বের করার তাগিদ দিলেন |প্রকাশক=''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট''}}
*** সিএনএনে [https://www.cnn.com/2021/01/03/politics/trump-brad-raffensperger-phone-call-transcript/index.html পূর্ণাঙ্গ প্রতিলিপি]
* মৃত মানুষের নামেও ভোট পড়েছে। জর্জিয়ায় আমার মনে হয় এই সংখ্যাটা প্রায় ৫,০০০-এর কাছাকাছি... এমন সব বাক্সে হাজার হাজার ব্যালট পাওয়া গেছে যেগুলো কোনো স্বীকৃত বা সিল করা বাক্স ছিল না। ওরা জল চলাচলের পাইপ ফেটে যাওয়ার বাহানা দিয়ে সবাই বেরিয়ে গিয়েছিল। অথচ বাস্তবে সেখানে কোনো পাইপই ছিল না, কিচ্ছু হয়নি। পাইপ ফাটার কোনো ঘটনাই সেখানে ঘটেনি।<br>সেখানে ৪,৯২৫ জন বহিরাগত ভোটার ছিল, ওরা অন্য রাজ্যের বাসিন্দা হয়েও জর্জিয়ায় এসে ভোট দিয়ে গেছে।<br>ওরা সব ব্যালট পেপার নষ্ট করে ফেলছে। আপনাদের এই ব্যাপারটা খুব ভালো করে খতিয়ে দেখা উচিত। কারণ এটা ঘোরতর বেআইনি। আপনাদের এই ডোমিনিয়ন মেশিনগুলো আমরা এখনো ভালো করে পরীক্ষা করিনি, তাই এগুলোর ওপর এখনই ভরসা করতে পারছি না। অন্য রাজ্যগুলোতে এই ডোমিনিয়ন মেশিনগুলো ব্যবহার করে অনেক বড় বড় কারচুপি করা হয়েছে বলে আমাদের বিশ্বাস...
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২১-০১-০৩ | লেখক = বিবিসি নিউজ রিয়েলিটি চেক টিম | ইউআরএল=https://www.bbc.com/news/election-us-2020-55529230 |শিরোনাম=জর্জিয়া নির্বাচন: ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফোনালাপের ফ্যাক্ট-চেক |প্রকাশক=বিবিসি নিউজ}}
* জেফরি রোজেন, আমরা একটা বিষয় জানি যে আপনি এই নির্বাচন উল্টে দেওয়ার জন্য কিছুই করবেন না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.npr.org/2021/10/07/1044015379/senate-report-details-trumps-efforts-to-use-doj-to-overturn-election-results "নির্বাচনের ফলাফল পাল্টাতে বিচার বিভাগকে ব্যবহার করার বিষয়ে ট্রাম্পের প্রচেষ্টার বিস্তারিত সেনেট রিপোর্ট"], ৩ জানুয়ারি ২০২১।
* রুডি, আপনি দারুণ কাজ করেছেন। ওর সাহস আছে। জানেন কী? রিপাবলিকান পার্টির অনেক মানুষের মতো ও ভীতু নয়, ওর সাহস আছে। ও লড়াই করে. <br>..<br>আমাদের উজ্জ্বল দিনগুলো সামনেই আছে, আমাদের মহান অর্জনগুলো এখনো বাকি। আমার মনে হয় আমাদের অন্যতম বড় অর্জন হবে নির্বাচনী নিরাপত্তা, কারণ আমি আসার আগে কেউ জানতই না যে আমাদের নির্বাচন কতটা দুর্নীতিগ্রস্ত। আবারও বলছি, বেশিরভাগ মানুষই রাত ৯টার সময় দাঁড়িয়ে বলবে, “আপনাদের অনেক ধন্যবাদ,” আর এরপর তারা অন্য কাজে চলে যাবে। কিন্তু আমি বললাম, “এখানে কোনো ঝামেলা আছে। বড় কোনো ঝামেলা আছে। এমনটা হতেই পারে না।” আর আমরা লড়াই করি। আমরা জানপ্রাণ দিয়ে লড়াই করি, আর আপনারা যদি এভাবে লড়াই না করেন, তবে আপনাদের আর কোনো দেশ থাকবে না।<br>..<br>এর পর আমরা সবাই একসাথে হেঁটে নিচে যাব। আমি আপনাদের সাথেই থাকব। আমরা হেঁটে যাব। আপনারা যেদিক দিয়ে চান সেদিক দিয়েই আমরা যাব, তবে আমার মনে হয় এখান দিয়েই ভালো। আমরা ক্যাপিটল ভবনের দিকে হেঁটে যাব এবং আমাদের সাহসী সিনেটর আর কংগ্রেসের নারী-পুরুষদের উৎসাহিত করব। আমরা হয়ত তাদের সবার জন্য চিৎকার করব না, কারণ দুর্বলতা দিয়ে আপনি কখনোই নিজের দেশ ফিরে পাবেন না। আপনাদের শক্তি দেখাতে হবে, আপনাদের শক্তিশালী হতে হবে। আমরা কংগ্রেসের কাছে দাবি জানাতে এসেছি যেন তারা সঠিক কাজটি করে এবং কেবল বৈধভাবে তালিকাভুক্ত নির্বাচকদের ভোটই গণনা করে। আমি জানি যে এখানে উপস্থিত সবাই শীঘ্রই ক্যাপিটল ভবনের দিকে পদযাত্রা করবেন যাতে শান্তিপূর্ণভাবে এবং দেশপ্রেমের সাথে আপনাদের কণ্ঠস্বর শোনানো যায়। আজ আমরা দেখব রিপাবলিকানরা আমাদের নির্বাচনের সততার পক্ষে শক্তভাবে দাঁড়ায় কি না, তারা আমাদের দেশের পক্ষে দাঁড়ায় কি না। আমাদের দেশ দীর্ঘ সময় ধরে অবরোধের মুখে আছে, এই চার বছরের চেয়েও অনেক বেশি সময় ধরে।<br>..<br>আমরা পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউ দিয়ে হেঁটে যাব, আমি এই রাস্তাটি খুব ভালোবাসি, আমরা ক্যাপিটল ভবনে যাব এবং...<br>আমাদের রিপাবলিকানদের সেই সব দুর্বলদের, কারণ যারা শক্তিশালী তাদের আমাদের সাহায্যের দরকার নেই—আমরা তাদের সেই গর্ব আর সাহস দেওয়ার চেষ্টা করব যা তাদের নিজের দেশ ফিরে পেতে প্রয়োজন। তাই চলুন পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউ দিয়ে হাঁটা শুরু করি।
** ৬ জানুয়ারি ২০২১-এর [https://www.rev.com/blog/transcripts/donald-trump-speech-save-america-rally-transcript-january-6 সেভ আমেরিকা র্যালির ভাষণে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
* আমাদের দেশ আর সংবিধানকে রক্ষা করার জন্য যা করা উচিত ছিল, মাইক পেন্সের সেই সাহসটুকু ছিল না। তিনি অঙ্গরাজ্যগুলোকে সত্য তথ্যগুলো যাচাই করার সুযোগ দিতে পারতেন, পরিবর্তে তাদের সেই সব জাল আর ভুল তথ্যগুলোই মেনে নিতে বলা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র সত্য জানতে চায়!
** ৬ জানুয়ারি ২০২১-এর [https://archive.is/jCmfK সকাল ১১:২৪-এর টুইটে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
* তাতে কী?
** ওভাল অফিসের পাশের ডাইনিং রুমে বসে টেলিভিশনে ২০২১ সালে মার্কিন ক্যাপিটলে হামলার খবর দেখার সময় ৬ জানুয়ারি ২০২১-এ [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেন। উপ-রাষ্ট্রপতি মাইক পেন্সকে একটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, এই খবর পাওয়ার পর তিনি এটি বলেন। ({{উদ্ধৃতি |শিরোনাম=ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ফেডারেল নির্বাচনী মামলায় নতুন প্রমাণ প্রকাশ করলেন বিচারক |সংবাদপত্র=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস |প্রথম১=অ্যালান |শেষ১=ফুয়ের |প্রথম২=চার্লি |শেষ২=স্যাভেজ |তারিখ=২ অক্টোবর ২০২৪ |ইউআরএল=https://www.nytimes.com/2024/10/02/us/politics/trump-jan-6-case-jack-smith-evidence.html}} {{উদ্ধৃতি |শিরোনাম=নির্বাচনী পরাজয় পাল্টানোর বিষয়ে ট্রাম্পের প্রচেষ্টার নতুন তথ্য দেখালেন মার্কিন প্রসিকিউটররা |প্রথম=অ্যান্ড্রু |শেষ=গুডওয়ার্ড |তারিখ=২ অক্টোবর ২০২৪ |ইউআরএল=https://www.reuters.com/world/us/us-prosecutors-detail-evidence-trump-election-subversion-case-2024-10-02/ |সংস্থা=রয়টার্স}})
* আমি মার্কিন ক্যাপিটল ভবনে উপস্থিত সবাইকে শান্ত থাকার জন্য অনুরোধ করছি। কোনো সহিংসতা নয়! মনে রাখবেন, আমরাই আইন ও শৃঙ্খলার দল, আইন এবং আমাদের নীল পোশাকের (পুলিশ) মহান নারী-পুরুষদের সম্মান করুন। ধন্যবাদ!
** ৬ জানুয়ারি ২০২১-এর [https://archive.is/IvpaU দুপুর ১২:১৩-এর টুইটে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
* আমরা আপনাদের ভালোবাসি। আপনারা খুব বিশেষ।
** মার্কিন ক্যাপিটল ভবনে ঢুকে পড়া বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে দেওয়া একটি ভিডিও বার্তায় (যা পরে মুছে ফেলা হয়েছে) [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। যা বিজনেস ইনসাইডারে উদ্ধৃত হয়েছে: {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২১-০১-০৬ | লেখক = এলিজা রেলম্যান, ওমা সেদ্দিক, জ্যাক লাহুত | ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-video-statement-capitol-rioters-we-love-you-very-special-2021-1?r=US&IR=T |শিরোনাম=ক্যাপিটলে হামলা চালানো নিজের সহিংস সমর্থকদের ট্রাম্প বললেন ‘আপনারা খুব বিশেষ’, তবে তাদের ‘বাড়ি ফিরে যেতে’ অনুরোধ করলেন |প্রকাশক=বিজনেস ইনসাইডার}}
* আমার সব চমৎকার সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলছি, আমি জানি আপনারা হতাশ, কিন্তু আমি আপনাদের এটাও জানাতে চাই যে আমাদের অবিশ্বাস্য এই যাত্রা কেবল শুরু হচ্ছে।
** ইভাঙ্কা ট্রাম্পের পোস্ট করা [https://archive.is/o4JN6 বিকাল ৪:২৮-এর টুইটের] ভিডিও বার্তায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ৭ জানুয়ারি ২০২১।
* আমি শুরুতেই মার্কিন ক্যাপিটল ভবনে ঘটে যাওয়া জঘন্য হামলার বিষয়ে কিছু বলতে চাই। অন্য সব আমেরিকানদের মতো আমিও এই সহিংসতা, আইনহীনতা আর বিশৃঙ্খলার ঘটনায় ক্ষুব্ধ। আমি ভবনটি সুরক্ষিত করতে এবং অনুপ্রবেশকারীদের বের করে দিতে অবিলম্বে ন্যাশনাল গার্ড আর ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী সংস্থা মোতায়েন করেছি। আমেরিকাকে সবসময়ই একটি আইন ও শৃঙ্খলার দেশ হয়ে থাকতে হবে। যেসব বিক্ষোভকারী ক্যাপিটলে ঢুকে পড়েছিল, তারা আমেরিকান গণতন্ত্রের পবিত্র আসনকে কলঙ্কিত করেছে। যারা এই সহিংসতা আর ধ্বংসাত্মক কাজে লিপ্ত হয়েছে, আপনারা আমাদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন না। আর যারা আইন ভেঙেছেন, আপনাদের খেসারত দিতে হবে।<br>আমরা এইমাত্র একটি তীব্র নির্বাচনের মধ্য দিয়ে এসেছি এবং আবেগ এখন অনেক উঁচুতে। কিন্তু এখন মেজাজ ঠান্ডা করতে হবে এবং শান্তি ফিরিয়ে আনতে হবে। আমাদের আমেরিকার কাজে ফিরে যেতে হবে। আমার প্রচারণা নির্বাচনী ফলাফল চ্যালেঞ্জ করতে সম্ভাব্য সব আইনি পথ ব্যবহার করেছে। আমার একমাত্র লক্ষ্য ছিল ভোটের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। এটি করার মাধ্যমে আমি আমেরিকান গণতন্ত্রকে রক্ষা করার জন্য লড়াই করছিলাম। আমি এখনো দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে সকল ভোটারের পরিচয় আর যোগ্যতা যাচাই করার জন্য আমাদের নির্বাচনী আইন সংস্কার করতে হবে যাতে ভবিষ্যতের সব নির্বাচনে মানুষের আস্থা আর বিশ্বাস অটুট থাকে।
** ক্যাপিটল হামলা পরবর্তী ভাষণে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.presidency.ucsb.edu/documents/videotaped-remarks-the-attack-the-united-states-capitol-the-certification-the-electoral মার্কিন ক্যাপিটলে হামলা, ইলেক্টোরাল কলেজের ফলাফল অনুমোদন এবং নতুন প্রশাসনের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে ভিডিও বার্তা], ৭ জানুয়ারি ২০২১।
* যারা জানতে চেয়েছেন তাদের উদ্দেশ্যে বলছি, আমি ২০ জানুয়ারির অভিষেক অনুষ্ঠানে যাব না।
** ৮ জানুয়ারি ২০২১-এর [https://archive.is/tzc2r সকাল ৭:৪৪-এর টুইটে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
* তার প্রতিভা, মেধা আর সৃজনশীলতা তাকে অঢেল সম্পদ এনে দিয়েছিল, তবে তার চরিত্র আর জনহিতৈষী উদারতা তাকে খ্যাতি এনে দিয়েছে। শেলডন আমাদের মহান বন্ধু ইসরায়েল রাষ্ট্রের একজন কট্টর সমর্থকও ছিলেন।
** [https://www.npr.org/2021/01/12/693679109/sheldon-adelson-conservative-donor-and-casino-titan-dies-at-87 রক্ষণশীল দাতা এবং ক্যাসিনো সম্রাট শেলডন অ্যাডেলসন ৮৭ বছর বয়সে মারা গেছেন] সংবাদ প্রতিবেদনে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প, ১২ জানুয়ারি ২০২১।
* আমরা কোনো না কোনোভাবে আবার ফিরে আসব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২১-০১-২০ | লেখক = কেভিন লিপটাক | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2021/01/20/politics/donald-trump-leaves-white-house/index.html |শিরোনাম=ক্ষমতার মেয়াদ শেষ হওয়ার সাথে সাথে সমাজচ্যুত হয়ে ওয়াশিংটন ত্যাগ করলেন ট্রাম্প |প্রকাশক=সিএনএন}}
=== রাষ্ট্রপতিত্ব পরবর্তী (২০ ২০২১–২০২৫) ===
* খাস খবর: কংগ্রেস যখন [[জো বাইডেন]]এর জন্য ইলেক্টোরাল কলেজের ভোট অনুমোদন শুরু করেছে, তখন ট্রাম্প-পন্থী বিক্ষোভকারীরা ভবনটিতে ঢুকে পড়ার পর ইউএস ক্যাপিটল অবরুদ্ধ।
** অ্যাক্সিওস, টুইটারের মাধ্যমে [https://twitter.com/i/events/1346454323635527680 টুইট], ৬ জানুয়ারি ২০২১।
* সুপ্রিম কোর্টের সময়কালকে প্রায়ই তাদের প্রধান বিচারপতিদের নামে চেনা যায়, যেমনটা প্রায় দুই দশক আগে রবার্টসের হাত ধরে শুরু হওয়া বর্তমান সময়ের ক্ষেত্রেও সত্যি। তবে আদালতের সক্ষমতা রাষ্ট্রপতির প্রভাব দিয়েও মাপা যায়। ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের মতো কিছু রাষ্ট্রপতি, যারা তাদের বারো বছরের ক্ষমতায় আটজন বিচারপতি নিয়োগ করেছিলেন, আদালতের ওপর তাদের এক অস্বাভাবিক প্রভাব ছিল। [[রোনাল্ড রিগ্যান]] এবং [[রিচার্ড নিক্সন]]ও তাদের ছাপ রাখার জন্য আলাদা হয়ে আছেন। ট্রাম্পের প্রভাব, বিশেষ করে বিচারক নির্বাচনের ধরণ এবং তার ফলে ক্ষমতার ভারসাম্যে যে পরিবর্তন এসেছে, তা অতুলনীয়। তিনি ক্ষমতা থেকে চলে গেছেন কিন্তু তারা সারা জীবনের জন্য এখানে থেকে গেছেন।
** জোন বিস্কুপিক, ''নাইন ব্ল্যাক রোবস: ইনসাইড দ্য সুপ্রিম কোর্ট'স ড্রাইভ টু দ্য রাইট অ্যান্ড ইটস হিস্টোরিক কনসিকুয়েন্সেস'' (২০২৩), নিউ ইয়র্ক: উইলিয়াম মরো, প্রথম সংস্করণ হার্ডকভার, পৃষ্ঠা ১০-১১।
* একদিন আমার বয়স যখন ৬ বছর, আমি আমার বাবার সাথে নিউ ইয়র্ক শহরে হাঁটছিলাম। আমরা খেয়াল করলাম যে কেউ আমাদের পাশের রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িগুলোর উইন্ডশিল্ড ওয়াইপারের নিচে ছোট ছোট ভাঁজ করা কাগজ গুঁজে দিয়েছে। আমার বাবা একটা কাগজ তুলে নিয়ে পড়লেন। দেখলাম রাগে তার মুখ অন্ধকার হয়ে গেল। “কী হয়েছে বাবা?” “এটি এমন কিছু মানুষের বার্তা যারা মনে করে সব ইহুদি ধর্মাবলম্বীদের মেরে ফেলা উচিত।”<br>এটি ১৯৫০-এর দশকের শেষের দিকের কথা, যখন [[ইউরোপ]]ে |নাৎসিদের হাতে ক্ষ লক্ষ ইহুদিদের গণহত্যার স্মৃতি আমেরিকানদের মনে টাটকা ছিল। লোয়ার ম্যানহাটনে প্রাণঘাতী ইহুদিবিদ্বেষ ছড়ানোর জন্য সেটি কোনো উপযুক্ত সময় ছিল না। একজন ইহুদি বাবা এবং অ-ইহুদি মায়ের সন্তান হওয়ায় আমি নিজেও অর্ধেক ইহুদি, তাই আমি কিছুটা চিন্তিত ছিলাম। আমি জানতাম যে এই লোকগুলো আমার বাবাকে মেরে ফেলতে চায়, কিন্তু শিশুদের মতো কেবল নিজেকে নিয়ে ভাবনায় আমি জানতে চেয়েছিলাম যে নতুন কোনো হলোকাস্ট হলে আমার মায়ের অ-ইহুদি বংশপরিচয় কি আমাকে রক্ষা করবে। “ওরা কি আমাকেও মেরে ফেলবে?” আমি জিজ্ঞেস করলাম। হ্যাঁ, তিনি আমাকে বললেন, সুযোগ পেলে তারা তাই করত। কিন্তু এরপর তিনি আমাকে আশ্বস্ত করে বললেন যে, এই ধরনের মানুষদের হাতে কখনোই তাদের মনের ইচ্ছা পূরণ করার মতো ক্ষমতা আসবে না। এটি এখানে ঘটা সম্ভব নয়।<br>আমি স্বীকার করছি যে আমি কৃতজ্ঞ কারণ ডোনাল্ড ট্রাম্প রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগেই আমার বাবা মারা গেছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে, ২০১৭ সালে শার্লটসভিলে টিকি-টর্চ হাতে নাৎসি হতে চাওয়া লোকজন “ইউনাইট দ্য রাইট” এর হয়ে মিছিল করেনি এবং “ইহুদিরা আমাদের জায়গা নিতে পারবে না!” বলে চিৎকার করেনি। ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগে তাদের কেউ পাল্টা বিক্ষোভকারীদের ওপর গাড়ি তুলে দিয়ে হেদার হেয়ারকে হত্যা করেনি এবং ট্রাম্প এই পুরো ঘটনা নিয়ে এমন মন্তব্য করেননি যে “উভয় পক্ষেই খুব ভালো মানুষ ছিল।” হয়ত নিউ ইয়র্কে সেদিন দেখা সেই তুচ্ছ ছোট দলটি আমাকে বেঁচে থাকতে দিত, আবার হয়ত দিত না। সেই সময় দেশে জন্মানো ফ্যাসিবাদীরা খুব বিরল ছিল এবং তাদের হাতে সেই ধরনের কোনো ক্ষমতা ছিল না।
** রেবেকা গর্ডন, [https://www.msn.com/en-us/news/world/the-right-s-attempted-extermination-campaign-of-queer-people-is-textbook-fascism/ar-AA1doVnf?ocid=msedgntp&cvid=0d5f12e7a48447b182bb5a96d57d9a4e&ei=7/ কুইয়ার বা সমকামী মানুষদের ওপর ডানপন্থীদের বিনাশী অভিযান হলো পাঠ্যবইয়ের ফ্যাসিবাদের মতো] (৪ জুলাই ২০২৩), ''দ্য নেশন''।
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন আন্দোলন এবং তার দখল করা রিপাবলিকান দল ফ্যাসিবাদের কোনো রূপ কি না, তা নিয়ে কেন মাথা ঘামানো উচিত? উত্তর হলো: কারণ ফ্যাসিবাদের যুক্তি অনিবার্যভাবে বিনাশের রাজনীতির দিকে নিয়ে যায়। তার এই এমএজিএ আন্দোলনকে ফ্যাসিবাদ হিসেবে বর্ণনা করলে এটি যে অস্তিত্ব রক্ষার জন্য হুমকি তা বোঝা সহজ হয়, এটি কেবল একটি গণতান্ত্রিক সমাজের জন্যই নয় বরং এর ভেতরে থাকা নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর জন্যও হুমকি।<br>আমি জানি এটি আতঙ্ক ছড়ানোর মতো শোনাতে পারে, তবে আমার মনে হয় এটি সত্য: এই দেশের প্রাক-ফ্যাসিবাদী শক্তিগুলো দেখিয়েছে যে তারা ক্ষমতা অর্জন এবং তা ধরে রাখার জন্য সমকামী মানুষদের নিশ্চিহ্ন করতে দিন দিন আরও বেশি আগ্রহী হয়ে উঠছে। যদি আমি ঠিক হয়ে থাকি, তবে এর অর্থ হলো সব আমেরিকান, সমকামী হোক বা না হোক, এখন এক অস্তিত্ব রক্ষার হুমকির মুখে আছে। এমএজিএ আন্দোলনের লক্ষ্যবস্তু নয় এমন মানুষদের উদ্দেশ্যে আমি ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথাগুলো একটু ঘুরিয়ে বলতে চাই: শেষ পর্যন্ত তারা আপনার পেছনেই আসবে। আমরা কেবল মাঝে দাঁড়িয়ে আছি।
** রেবেকা গর্ডন, [https://www.msn.com/en-us/news/world/the-right-s-attempted-extermination-campaign-of-queer-people-is-textbook-fascism/ar-AA1doVnf?ocid=msedgntp&cvid=0d5f12e7a48447b182bb5a96d57d9a4e&ei=7/ কুইয়ার বা সমকামী মানুষদের ওপর ডানপন্থীদের বিনাশী অভিযান হলো পাঠ্যবইয়ের ফ্যাসিবাদের মতো] (৪ জুলাই ২০২৩), ''দ্য নেশন''।
* ট্রাম্পের উপদেষ্টারা মনে করতেন যে তার অহংকার এবং গর্ব তাকে সঠিক এবং তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিতে বাধা দেয়। তার ব্যবস্থাপনার ধরণ ছিল অনেকটা নাগরদোলার মতো যা এদিক-সেদিক দুলত এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তার বোকা এবং মাঝেমধ্যে বেআইনি ধারণাগুলোকে ঠেকাতে বাধ্য করত। তাদের মধ্যে কেউ কেউ এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন যে, রাষ্ট্রপতি সেই দেশের জন্য এক দীর্ঘমেয়াদী এবং তাৎক্ষণিক বিপদ যাকে রক্ষা করার জন্য তিনি শপথ নিয়েছিলেন। তা সত্ত্বেও তারা এই ভেবে সান্ত্বনা পেতেন যে তাকে কোনো সংকটের মধ্য দিয়ে দেশ পরিচালনা করতে হয়নি। তবে ট্রাম্পের কাজ এবং কথাগুলোর ফলাফল ছিল বেদনাদায়ক। আইনের শাসনের ওপর তার আঘাত আমাদের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং আমেরিকানদের মনে এই ভয় জাগিয়ে দিয়েছে যে তারা আর মৌলিক নাগরিক অধিকার এবং কলঙ্কমুক্ত ন্যায়বিচারকে নিশ্চিত বলে ধরে নিতে পারবে না। বিদেশি জোটগুলোর প্রতি তার অবজ্ঞা বিশ্বে আমেরিকার নেতৃত্বকে দুর্বল করেছে এবং স্বৈরশাসকদের ক্ষমতাশালী করেছে। তার বর্বর অভিবাসন নীতি অভিবাসী শিশুদের তাদের পরিবারের কোল থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে। তার সংকীর্ণ কথাবার্তা শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীদের অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আসতে সাহসী করেছে। তবে অন্তত ২০২০ সালের আগে পর্যন্ত ট্রাম্পকে কোনো বিদেশি সামরিক হামলা, অর্থনৈতিক ধস বা জনস্বাস্থ্য সংকটের পরীক্ষা দিতে হয়নি।
** ক্যারল লিওনিগ এবং ফিলিপ রাকার, ''আই অ্যালোন ক্যান ফিক্স ইট: ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প'স ক্যাটাস্ট্রফিক ফাইনাল ইয়ার'' (২০২১), পৃষ্ঠা ১-২।
* ২০২০ সাল আমেরিকান ইতিহাসে যন্ত্রণা এবং চরম ব্যর্থতার বছর হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। করোনাভাইরাস অতিমারী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাঁচ লক্ষাধিক মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এবং কোটি কোটি মানুষকে সংক্রমিত করেছে, যা এক শতাব্দীর মধ্যে সবথেকে ভয়াবহ স্বাস্থ্য সংকট। প্রশাসনের অপারেশন ওয়ার্প স্পিড রেকর্ড সময়ে টিকা তৈরি করতে সাহায্য করলেও, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় রাষ্ট্রপতির অব্যবস্থাপনা, অযোগ্যতা আর অন্তর্কলহ স্পষ্ট ছিল। ২০২০ সালে ট্রাম্পের সামনে আসা সংকটগুলোর মধ্যে ভাইরাসটি কেবল একটি ছিল। অতিমারী অর্থনীতিকে স্থবির করে দিয়েছিল, দেশকে এক মন্দার মধ্যে ঠেলে দিয়েছিল যেখানে কম মজুরির শ্রমিকরা, যাদের মধ্যে অনেকেই সংখ্যালঘু, সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ২৫ মে শ্বেতাঙ্গ পুলিশ কর্মকর্তার হাঁটুর নিচে কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তি জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যু বর্ণবাদী বিচারের দাবি এবং পুলিশের বৈষম্য ও বর্বরতা বন্ধের আন্দোলনকে উস্কে দিয়েছিল। তবুও ট্রাম্প ব্যক্তিগত রাজনৈতিক লাভের জন্য এই বিভাজনকে কাজে লাগাতে চেয়েছিলেন। তিনি দ্রুত নিজেকে "আইন ও শৃঙ্খলার রাষ্ট্রপতি" হিসেবে ঘোষণা করেন এবং ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে সক্রিয় সেনা মোতায়েন করতে পেন্টাগন নেতাদের ওপর ক্রমাগত চাপ দিতে থাকেন। এদিকে জলবায়ু সংকট আরও খারাপ হলেও ট্রাম্প সেটিকে পুরোপুরি উপেক্ষা করেছিলেন, যিনি তার মেয়াদের শুরুতে পরিবেশগত নিয়মকানুন বাতিল করেছিলেন এবং প্যারিস চুক্তি থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নিয়েছিলেন। রাষ্ট্রপতি এর বদলে নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে সন্দেহ উস্কে দিতে ব্যস্ত ছিলেন। জো বাইডেনের কাছে হেরে যাওয়ার পর ট্রাম্প ষড়যন্ত্রের আগুন উস্কে দেন এবং অস্তিত্বহীন জালিয়াতি নিয়ে চিৎকার করতে থাকেন। সাজানো নির্বাচন নিয়ে তার মিথ্যা দাবি হাজার হাজার মানুষকে ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটলে এক সহিংস এবং শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ বিদ্রোহে উস্কে দিয়েছিল।
** ক্যারল লিওনিগ এবং ফিলিপ রাকার, ''আই অ্যালোন ক্যান ফিক্স ইট: ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প'স ক্যাটাস্ট্রফিক ফাইনাল ইয়ার'' (২০২১), পৃষ্ঠা ২।
* বিপদ থেকে বেরিয়ে আসার জন্য ট্রাম্পের সাধারণ কৌশলগুলো ভয় দেখানো, বাগাড়ম্বর এবং কারসাজি অতিমারী মোকাবিলায় অকেজো প্রমাণিত হয়েছে। তিনি সুখের কথা বলে বাস্তবতাকে ঢেকে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি এমন সব প্রতিকারের কথা বলেছিলেন যা কখনোই বাস্তবায়িত হয়নি। তিনি রোগীদের শরীরে ব্লিচ ইনজেকশন দেওয়ার মতো বিপজ্জনক এবং অপ্রমাণিত চিকিৎসার কথা বলেছিলেন। তিনি ডক্টর অ্যান্থনি ফাউসির মতো বিশেষজ্ঞদের মুখ বন্ধ করার চেষ্টা করেছিলেন, যারা তার দুর্বল দাবিগুলোকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন এবং রাষ্ট্রপতির চেয়েও বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন। তিনি নিজে মাস্ক পরে উদাহরণ তৈরি করতে অস্বীকার করেছিলেন। জরুরি পরিস্থিতি সামলাতে ব্যস্ত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং অঙ্গরাজ্যের গভর্নরদের সাথে তিনি বিবাদে জড়িয়ে পড়েছিলেন এবং যারা তার অগোছালো কাজের প্রশংসা করেনি তাদের ওপর চড়াও হয়েছিলেন। তিনি কেবল আমেরিকানদের নিরাপদ রাখতেই ব্যর্থ হননি, তিনি নিজেকেও নিরাপদ রাখতে পারেননি। ২০২০ সালের অক্টোবর মাসে ট্রাম্প কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন, যা তার অপরাজেয় হওয়ার মিথ্যা অহংকারকে ভেঙে দেয়।
** ক্যারল লিওনিগ এবং ফিলিপ রাকার, ''আই অ্যালোন ক্যান ফিক্স ইট: ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প'স ক্যাটাস্ট্রফিক ফাইনাল ইয়ার'' (২০২১), পৃষ্ঠা ৫।
* করোনাভাইরাস বিশ্বকে বদলে দিয়েছে, মানুষের কাজের ধরণ, পরিবারের জীবনযাপন এবং সমাজের রূপ পরিবর্তন করে দিয়েছে। এই গভীর পরিবর্তনগুলো মন্দার কারণে আরও ত্বরান্বিত হয়েছে এবং ফ্লয়েড হত্যার পরবর্তী উত্তেজনায় আরও তীব্র হয়েছে। তবে ট্রাম্প মূলত দেশের একটি সংখ্যালঘু অংশের জন্য তার কট্টর রাজনৈতিক সমর্থকদের জন্য শাসন পরিচালনা করেছেন। তিনি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার বা অতিমারী পরবর্তী আমেরিকার কথা ভাবার চেষ্টা করেননি। তিনি সেই সব শ্বেতাঙ্গদের ক্ষোভ আর অসন্তোষকে উস্কে দিয়েছিলেন যারা অর্থনৈতিকভাবে হুমকি এবং মানসিকভাবে কোণঠাসা বোধ করছিল। তিনি আমেরিকানদের এক পক্ষকে অন্য পক্ষের বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি বর্ণবাদী শব্দ ব্যবহার করেছিলেন এবং তার বিশাল সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোকে ঘৃণার বার্তা ছড়াতে ব্যবহার করেছিলেন। প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের আফ্রিকান আমেরিকান স্টাডিজ বিভাগের প্রধান এডি গ্লড জুনিয়র বলেন, "আমেরিকা সম্পর্কে তার দৃষ্টিভঙ্গি সংকীর্ণ, মান্ধাতা আমলের এবং কলুষিত।" তিনি আরও বলেন, "অনেক দিক থেকেই ডোনাল্ড ট্রাম্প এক পুরোনো আমেরিকার মৃত্যু যন্ত্রণার প্রতিনিধিত্ব করেন, যা অত্যন্ত উচ্চকিত এবং সহিংস।" রাষ্ট্রপতির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করা সরকারের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার বিক্ষোভ মোকাবিলায় ট্রাম্পের আচরণের সাথেনাৎসি জার্মানিতে অ্যাডলফ হিটলারের ক্ষমতায় আসার মিল খুঁজে পেয়েছেন।
** ক্যারল লিওনিগ এবং ফিলিপ রাকার, ''আই অ্যালোন ক্যান ফিক্স ইট: ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প'স ক্যাটাস্ট্রফিক ফাইনাল ইয়ার'' (২০২১), পৃষ্ঠা ৫।
* আমি এই [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|রাষ্ট্রপতি]]র হয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি। তিনি আমাদের জন্য লড়াই করেছেন এবং তাই আমরা সেটির ওপরই অবিচল থাকব।
** [[কেলি লোফ্লর]], [https://www.foxnews.com/transcript/sen-loeffler-warnocks-values-are-out-of-step-with-georgia সিনেটর লোফ্লর: ওয়ারনকের মূল্যবোধ জর্জিয়ার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়] খবর অনুযায়ী (৩ জানুয়ারি ২০২০)।
* আমরা কোনো না কোনোভাবে আবার ফিরে আসব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২১-০১-২০ | লেখক = কেভিন লিপটাক | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2021/01/20/politics/donald-trump-leaves-white-house/index.html |শিরোনাম=ক্ষমতার মেয়াদ শেষ হওয়ার সাথে সাথে সমাজচ্যুত হয়ে ওয়াশিংটন ত্যাগ করলেন ট্রাম্প |প্রকাশক=সিএনএন}}
* ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'' সোমবার একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেছে যা আমাদের [[মুক্তি]], [[গণতন্ত্র]] এবং সাংবিধানিক শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল যে কারো জন্য আতঙ্কজনক। সেই প্রতিবেদনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণার পূর্ণ সহযোগিতায় বর্ণনা করা হয়েছে যে, ২০২৪ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে তিনি কীভাবে তার ক্ষমতার ওপর থাকা নির্বাহী বিভাগের বাধাগুলো দূর করার পরিকল্পনা করছেন।<br>সেই দূর করার তালিকায় থাকা বাধাগুলোর মধ্যে রয়েছে একটি স্বাধীন বিচার বিভাগ, প্রশাসনিক সংস্থাগুলোর স্বাধীন নেতৃত্ব এবং একটি স্বাধীন সিভিল সার্ভিস। আমেরিকার রাষ্ট্রপতিত্ব নিয়ে দেশের অন্যতম পরিচিত গবেষক রিচার্ড নিউস্টাড বলেছেন যে, একটি সাংবিধানিক গণতন্ত্রে প্রধান নির্বাহী “আদেশ দেওয়ার মাধ্যমে ফলাফল পান না।<br>... তিনি বিতর্ক ছাড়া কোনো কাজ আদায় করতে পারেন না। রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা হলো মানুষকে রাজি করানোর ক্ষমতা।” ট্রাম্পের পরিকল্পনা সংবিধানের প্রতি আনুগত্যের বদলে তার নিজের প্রতি আনুগত্যের কথা বলে। এই দৃষ্টিভঙ্গি একইসাথে ভীতিকর এবং প্রত্যাশিত। ২০১৯ সালে তিনি বলেছিলেন, “রাষ্ট্রপতি হিসেবে আমার যা খুশি তাই করার অধিকার আছে।” আর ডিসেম্বরে ট্রাম্প “সংবিধান বিলুপ্তির” আহ্বান জানিয়েছিলেন।<br>আসলে তিনি ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটলে দাঙ্গার আগে ঠিক সেটিই করার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নির্বাচনী বিজয় পাল্টে দেওয়ার জন্য অঙ্গরাজ্য কর্মকর্তাদের ওপর চাপ দিয়েছিলেন, বিচার বিভাগকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছিলেন এবং নির্বাচন উল্টে দেওয়ার জন্য উপ-রাষ্ট্রপতি মাইক পেন্সকে ভয় দেখিয়েছিলেন।
** অস্টিন সারাত এবং ডেনিস আফটারগাট, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/is-america-on-the-brink-of-tyranny-trump-s-plan-if-elected-in-2024-should-frighten-us-all/ar-AA1e6K0y?ocid=msedgntp&cvid=1d908091b99b488496691c7d51ab2efe&ei=5/ আমেরিকা কি স্বৈরতন্ত্রের দ্বারপ্রান্তে? ২০২৪ সালে ট্রাম্প নির্বাচিত হলে তার পরিকল্পনা আমাদের সবার জন্য ভায়ের কারণ হওয়া উচিত।] (২০ জুলাই ২০২৩), ''ইউএসএ টুডে''।
* ''টাইমসের'' প্রতিবেদনে ওভাল অফিসে ফিরে আসলে নির্বাহী কর্তৃত্বের এই নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণের ২০২৫ সালের রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে। আসলে সেই নিবন্ধে বর্ণনা করা হয়েছে কীভাবে তার দল আমাদের সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্রের বদলে একটি কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্র তৈরি করবে। এমন একটি রাষ্ট্র সরকারি কর্মচারীদের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে চায়। আমলাতন্ত্র সম্পর্কে ভালো কথা বলা অজনপ্রিয় হতে পারে, তবে ফেডারেল কর্মীদের দক্ষতা, বিশেষজ্ঞ মতামত এবং আইনের মাধ্যমে শাসনের প্রতি দায়বদ্ধতা একটি গণতান্ত্রিক সরকারের জন্য অপরিহার্য।<br>কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্রের একটি সংজ্ঞা হলো এটি একক নেতার হাতে ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ দ্বারা চিহ্নিত করা যায়, যা নিজেকে একটি “প্রয়োজনীয় মন্দ” হিসেবে সমর্থন করে। এই ধরণের নিয়ন্ত্রণে অবশ্যই সামাজিক স্বাধীনতার ওপর কঠোর সরকারি বিধিনিষেধ থাকে, যেমন রাজনৈতিক বিরোধীদের দমন এবং শাসন-বিরোধী কার্যক্রম বন্ধ করা।
এই বৈশিষ্ট্যগুলোই ২০২৫ সালের সেই নীল নকশায় উঠে এসেছে যা ট্রাম্পের প্রচার দল টাইমসের প্রতিবেদনের মাধ্যমে জনগণকে দেখাতে চেয়েছিল। প্রতিবেদনে যেমনটি বলা হয়েছে, ট্রাম্প নির্বাচিত হলে তার হাতে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করার লক্ষ্যের জন্য তারা একটি ভিত্তি তৈরি করছে।<br>''টাইমস'' ট্রাম্পের ২০২০ সালের হোয়াইট হাউসের কর্মী পরিচালক জন ম্যাকএন্টি-র উক্তি উদ্ধৃত করেছে, যিনি রাষ্ট্রপতির ওপর ভারসাম্য রক্ষার নিয়মগুলো প্রত্যাখ্যান করার পক্ষে কথা বলেছেন: “আমাদের বর্তমান নির্বাহী বিভাগ উদারপন্থীদের দ্বারা তাদের নীতি প্রচারের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল। ... যা প্রয়োজন তা হলো পুরো ব্যবস্থার সংস্কার।”
** অস্টিন সারাত এবং ডেনিস আফটারগাট, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/is-america-on-the-brink-of-tyranny-trump-s-plan-if-elected-in-2024-should-frighten-us-all/ar-AA1e6K0y?ocid=msedgntp&cvid=1d908091b99b488496691c7d51ab2efe&ei=5/ আমেরিকা কি স্বৈরতন্ত্রের দ্বারপ্রান্তে? ২০২৪ সালে ট্রাম্প নির্বাচিত হলে তার পরিকল্পনা আমাদের সবার জন্য ভায়ের কারণ হওয়া উচিত।] (২০ জুলাই ২০২৩), ''ইউএসএ টুডে''।
* আসলে সংবিধান প্রণেতারা ক্ষমতার বিকেন্দ্রকরণের মাধ্যমেই নির্বাহী বিভাগসহ অন্য দুটি বিভাগ তৈরি করেছিলেন। এমনকি আলেকজান্ডার হ্যামিল্টন, যিনি নির্বাহী বিভাগের শক্তির পক্ষে ছিলেন, তিনিও বলেছিলেন যে স্বৈরতন্ত্রের পথ তখনই তৈরি হয় যখন সরকারি কর্মকর্তারা “একক ব্যক্তির নিরঙ্কুশ ক্ষমতার আশ্রয়ে যেতে বাধ্য হন।”<br>জেমস ম্যাডিসন এবং হ্যামিল্টন দুজনেই ''দ্য ফেডারেলিস্ট ৪৮''-এ সতর্ক করেছিলেন যে “ক্ষমতা স্বভাবতই গ্রাসকারী।” সেই কারণে ''দ্য ফেডারেলিস্ট ৫১'' অনুযায়ী, “উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে উচ্চাকাঙ্ক্ষা দিয়েই প্রতিহত করতে হবে।”<br>সেই সময় প্রণেতারা যে সংকটের মুখোমুখি হয়েছিলেন তা ছিল: একজনকে অবশ্যই “সরকারকে শাসিতদের নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম করে তুলতে হবে; এবং পরবর্তী ধাপে, সরকারকে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে বাধ্য করতে হবে।”<br>ট্রাম্পের ২০২৫ সালের রূপরেখা রাষ্ট্রপতির ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ শেষ করে দেবে যাতে তিনি শাসিতদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করতে পারেন।
** অস্টিন সারাত এবং ডেনিস আফটারগাট, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/is-america-on-the-brink-of-tyranny-trump-s-plan-if-elected-in-2024-should-frighten-us-all/ar-AA1e6K0y?ocid=msedgntp&cvid=1d908091b99b488496691c7d51ab2efe&ei=5/ আমেরিকা কি স্বৈরতন্ত্রের দ্বারপ্রান্তে? ২০২৪ সালে ট্রাম্প নির্বাচিত হলে তার পরিকল্পনা আমাদের সবার জন্য ভায়ের কারণ হওয়া উচিত।] (২০ জুলাই ২০২৩), ''ইউএসএ টুডে''।
* ক্ষমতার বিভাজনের সাথে আমাদের প্রতিষ্ঠাতা দলিলগুলো যে প্রধান বাধা তৈরি করেছে তা হলো আইনের শাসন। এই কারণেই ট্রাম্পের নির্বাহী বিভাগের আমূল পরিবর্তনের পরিকল্পনা শুরু হয়েছে “ওয়াটারগেট পরবর্তী বিচার বিভাগের ওপর হোয়াইট হাউসের রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের নিয়ম” শেষ করার মাধ্যমে।<br>প্রসেকিউটরদের ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকলে একজন রাষ্ট্রপতি তা বন্ধুদের সুবিধা দিতে, শত্রুদের ধ্বংস করতে এবং সাধারণ নাগরিকদের ভয় দেখাতে ব্যবহার করতে পারেন যারা সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন।<br>এটি আমেরিকান স্বাধীনতার মৃত্যুঘণ্টা বাজিয়ে দেবে। ১৭শ শতাব্দীর রাজনৈতিক দার্শনিক [[জন লক]], যার লেখা স্বাধীনতা ঘোষণার লেখকদের অনুপ্রাণিত করেছিল, তিনি লিখেছিলেন, “যেখানে আইনের শেষ, সেখানেই স্বৈরতন্ত্রের শুরু।” অথবা যেমন ব্লেক স্মিথ গত বছর ফরেন পলিসির একটি নিবন্ধে লিখেছিলেন, “রাষ্ট্রের কার্যকারিতা এবং ব্যক্তিগত জীবনকে একটি আলাদা, অরাজনৈতিক এবং স্বাধীন ক্ষেত্র হিসেবে টিকিয়ে রাখার জন্য আমলাতান্ত্রিক আদর্শ অপরিহার্য।”<br>আমেরিকার সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্র হিসেবে প্রথম দশকের শেষে জর্জ ওয়াশিংটন স্বেচ্ছায় তৃতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি না হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যাতে দেশকে রাষ্ট্রপতির আমৃত্যু শাসনের স্বৈরতন্ত্রের পথে না ঠেলে দেওয়া হয়। তিনি রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে বিপ্লব থেকে বুঝেছিলেন যে একজন ব্যক্তির হাতে ক্ষমতা কুক্ষিগত করাই হলো স্বৈরতন্ত্রের মূল লক্ষ্য।<br>২০২৪ সালে ভোটাররা যদি ট্রাম্পকে নির্বাচিত করেন, তবে তিনি তার দলের ফাঁস করা সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবেন। ফলাফল সহজেই অনুমান করা যায়। সংবিধানের বদলে ট্রাম্পের প্রতি অনুগত আমলাতন্ত্র অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনকে ইতিহাসের আবর্জনায় পাঠিয়ে দেবে, সাথে নাগরিক অধিকারের বিল এবং সেই স্বাধীনতাগুলোকেও যা রক্ষার জন্য এই বিল তৈরি করা হয়েছিল।
** অস্টিন সারাত এবং ডেনিস আফটারগাট, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/is-america-on-the-brink-of-tyranny-trump-s-plan-if-elected-in-2024-should-frighten-us-all/ar-AA1e6K0y?ocid=msedgntp&cvid=1d908091b99b488496691c7d51ab2efe&ei=5/ আমেরিকা কি স্বৈরতন্ত্রের দ্বারপ্রান্তে? ২০২৪ সালে ট্রাম্প নির্বাচিত হলে তার পরিকল্পনা আমাদের সবার জন্য ভায়ের কারণ হওয়া উচিত।] (২০ জুলাই ২০২৩), ''ইউএসএ টুডে''।
==আরও দেখুন==
* [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* [[বারাক ওবামা]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন]]
==External links==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী}}
[[Category:Donald Trump]]
[[Category:Politics of the United States]]
[[Category:Presidency of Donald Trump| ]]
puw7zns2m2ena7vf6qs21ezsbbx0izi
73822
73820
2026-04-05T12:41:18Z
ARI
356
/* External links */
73822
wikitext
text/x-wiki
'''ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব''' শুরু হয়েছিল ২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি দুপুর ১২টায় (ইএসটি), যখন [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি [[বারাক ওবামা]]র স্থলাভিষিক্ত হন। ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে [[জো বাইডেন]]ের কাছে পরাজিত হওয়ার পর ২০২১ সালের ২০ জানুয়ারি তাঁর এই মেয়াদ শেষ হয়। ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর, ট্রাম্প ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি থেকে বাইডেনের উত্তরসূরি হিসেবে দ্বিতীয় এবং শেষবারের মতো বিরতিহীন মেয়াদে দায়িত্ব পালন শুরু করেন।
[[File:USSupremeCourtWestFacade.JPG|thumb|পুরো ট্রাম্প প্রশাসন ছিল সুপ্রিম কোর্টের রক্ষণশীলদের জন্য একটি "মুখোশ খুলে যাওয়ার" মুহূর্ত। দেখা যাচ্ছে যে, তারা আসলে কোনো আইনি নজিরের পরোয়া করে না (সিনেটের নিশ্চিতকরণ শুনানিতে তারা যতবারই মিথ্যা বলুক বা পরোয়া করার দাবি করুক না কেন)। তারা আসলে আইনের মূল পাঠ্য বা বিচারিক সংযম নিয়ে মাথা ঘামায় না। তারা শুধু তাদের পছন্দমতো রাজনৈতিক ফলাফল চায় এবং তা করার জন্য তাদের কাছে পর্যাপ্ত ভোট আছে। তারা কোনো ঐতিহ্য, রীতিনীতি বা সাধারণ আইনি ব্যবস্থায় বিচার বিভাগীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার মূল ভিত্তি সম্পর্কে কোনো তোয়াক্কা করে না। তারা কেবল জিততে চায়। ~ এলি মিস্টাল]]
:আরও দেখুন:
::'''''[[যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড-১৯ মহামারি]]'''''
== উক্তি==
=== ২০১৭ ===
==== জানুয়ারি ২০১৭ ====
===== অভিষেক ভাষণ, (২০ জানুয়ারি, ২০১৭) =====
<small>[https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/the-inaugural-address/ প্রতিলিপি] (২০ জানুয়ারি, ২০১৭)</small>
* চিফ জাস্টিস রবার্টস, [[জিমি কার্টার|প্রেসিডেন্ট কার্টার]], প্রেসিডেন্ট ক্লিনটন, প্রেসিডেন্ট বুশ, প্রেসিডেন্ট ওবামা, সহ-আমেরিকানরা এবং বিশ্বের সকল মানুষ: আপনাদের ধন্যবাদ। আমরা, আমেরিকার নাগরিকরা, আজ আমাদের দেশ পুনর্গঠন এবং আমাদের সকল জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণের এক মহান জাতীয় উদ্যোগে একত্রিত হয়েছি। আমরা একসাথে আগামী বহু বছর ধরে আমেরিকা এবং বিশ্বের গতিপথ নির্ধারণ করব। আমরা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হব, আমরা কষ্টের মুখোমুখি হব, কিন্তু আমরা আমাদের কাজ সম্পন্ন করব। প্রতি ৪ বছর পর পর আমরা এই সিঁড়িতে একত্রিত হই নিয়মমাফিক এবং শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য, আর এই অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে তাঁদের আন্তরিক সহায়তার জন্য আমরা প্রেসিডেন্ট ওবামা এবং ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামার কাছে কৃতজ্ঞ। তাঁরা অসাধারণ ছিলেন। আপনাদের ধন্যবাদ।
* তবে আজকের এই অনুষ্ঠানের একটি বিশেষ তাৎপর্য আছে। '''কারণ আজ আমরা শুধু এক প্রশাসন থেকে অন্য প্রশাসনের হাতে বা এক দল থেকে অন্য দলের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করছি না; বরং আমরা ক্ষমতা ওয়াশিংটন ডি.সি. থেকে সরিয়ে এনে আপনাদেরকে, অর্থাৎ জনগণকে তা ফিরিয়ে দিচ্ছি। দীর্ঘ সময় ধরে আমাদের দেশের রাজধানীর একটি ছোট গোষ্ঠী সরকারের সুফল ভোগ করেছে, আর সাধারণ মানুষকে এর ভার বহন করতে হয়েছে। ওয়াশিংটন সমৃদ্ধ হয়েছে, কিন্তু জনগণ সেই সম্পদের অংশীদার হয়নি। রাজনীতিবিদরা সমৃদ্ধ হয়েছেন, কিন্তু কর্মসংস্থান হারিয়ে গেছে এবং কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। প্রভাবশালী গোষ্ঠী নিজেদের সুরক্ষিত করেছে, কিন্তু আমাদের দেশের নাগরিকদের করেনি। তাদের বিজয় আপনাদের বিজয় ছিল না; তাদের সাফল্য আপনাদের সাফল্য ছিল না। তারা যখন আমাদের দেশের রাজধানীতে উৎসবে মেতেছিল, তখন সারা দেশে ধুঁকতে থাকা পরিবারগুলোর উদযাপন করার মতো তেমন কিছু ছিল না।''' সে সব কিছু আজ থেকে এবং এখনই বদলে যাচ্ছে, কারণ এই মুহূর্তটি আপনাদের মুহূর্ত: এটি আপনাদেরই প্রাপ্য। আজ এখানে যারা সমবেত হয়েছেন এবং সারা আমেরিকা জুড়ে যারা দেখছেন, এটি সবার মুহূর্ত। এই দিনটি আপনাদের দিন। এই উৎসব আপনাদের উৎসব। আর এই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আপনাদের দেশ। আমাদের সরকার কোন দলের নিয়ন্ত্রণে আছে সেটি বড় কথা নয়, বড় কথা হলো আমাদের সরকার জনগণের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে কি না। '''২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি সেই দিন হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে, যেদিন জনগণ আবারও এই জাতির শাসক হয়েছে। আমাদের দেশের বিস্মৃত পুরুষ এবং নারীদের আর বিস্মৃত রাখা হবে না। এখন থেকে সবাই আপনাদের কথা শুনবে।'''
* '''একটি ঐতিহাসিক আন্দোলনের অংশ হতে আপনারা কোটি কোটি সংখ্যায় এগিয়ে এসেছেন, যার উদাহরণ আগে কখনো বিশ্ব দেখেনি। এই আন্দোলনের কেন্দ্রে রয়েছে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিশ্বাস: একটি রাষ্ট্র টিকে থাকে তার নাগরিকদের সেবা করার জন্য।''' আমেরিকানরা তাদের সন্তানদের জন্য ভালো স্কুল, পরিবারের জন্য নিরাপদ এলাকা এবং নিজেদের জন্য ভালো কর্মসংস্থান চায়। এগুলো ন্যায়পরায়ণ মানুষ ও জনসাধারণের অত্যন্ত সংগত ও যুক্তিসঙ্গত দাবি। কিন্তু আমাদের অনেক নাগরিকের জন্য বাস্তবতা ভিন্ন: শহরের ঘিঞ্জি এলাকাগুলোতে দারিদ্র্যের কবলে আটকে থাকা মা ও শিশু; মরিচা ধরা কলকারখানাগুলো কবরের নামফলকের মতো আমাদের দেশের চারপাশে ছড়িয়ে আছে; একটি শিক্ষা ব্যবস্থা, যা প্রচুর অর্থ পেলেও আমাদের তরুণ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জ্ঞান থেকে বঞ্চিত রাখছে; এবং অপরাধ, গ্যাং আর মাদক আমাদের অনেক প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এবং দেশের অপার সম্ভাবনাকে নষ্ট করেছে। এই আমেরিকান ধ্বংসলীলা ঠিক এখানেই থেমে যাবে এবং এখনই থেমে যাবে। আমরা এক জাতি, এবং তাদের কষ্ট আমাদের কষ্ট, তাদের স্বপ্ন আমাদের স্বপ্ন এবং তাদের সাফল্য হবে আমাদের সাফল্য। আমাদের হৃদয় এক, আমাদের ঘর এক এবং আমাদের গৌরবময় নিয়তিও এক। আজ আমি যে পদের শপথ নিচ্ছি, তা হলো সকল আমেরিকানদের প্রতি আনুগত্যের শপথ।
* কয়েক দশক ধরে আমরা আমেরিকান শিল্পের বিনিময়ে বিদেশি শিল্পকে সমৃদ্ধ করেছি, অন্য দেশের সেনাবাহিনীকে ভর্তুকি দিয়েছি, অথচ আমাদের নিজেদের সামরিক বাহিনীকে খুব দুঃখজনকভাবে ক্ষয় হতে দিয়েছি। আমরা অন্য দেশের সীমানা রক্ষা করেছি কিন্তু নিজেদের সীমানা রক্ষা করতে অস্বীকার করেছি। যখন আমেরিকার অবকাঠামো জরাজীর্ণ ও ধ্বংস হয়ে যাচ্ছিল, তখন আমরা বিদেশের মাটিতে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করেছি। আমরা অন্য দেশগুলোকে ধনী করেছি, আর আমাদের দেশের সম্পদ, শক্তি এবং আত্মবিশ্বাস দিগন্তে মিলিয়ে গেছে। একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়ে আমাদের উপকূল ছেড়ে চলে গেছে, এমনকি পেছনে ফেলে আসা লক্ষ লক্ষ আমেরিকান শ্রমিকের কথা কেউ একবারও ভাবেনি। আমাদের মধ্যবিত্তের সম্পদ তাদের ঘর থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছে এবং তারপর সারা বিশ্বে পুনর্বন্টন করা হয়েছে। কিন্তু সেটা ছিল অতীত। আর এখন আমরা কেবল ভবিষ্যতের দিকে তাকাচ্ছি। '''আজ এখানে সমবেত হয়ে আমরা একটি নতুন আদেশ জারি করছি যা প্রতিটি শহরে, প্রতিটি বিদেশি রাজধানীতে এবং ক্ষমতার প্রতিটি অলিন্দে শোনা যাবে। আজ থেকে একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের দেশকে শাসন করবে। আজ থেকে এটি হতে যাচ্ছে কেবল 'আমেরিকা ফার্স্ট' (আমেরিকা প্রথম)। আমেরিকা ফার্স্ট।''' বাণিজ্য, কর, অভিবাসন এবং বৈদেশিক বিষয় নিয়ে প্রতিটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আমেরিকান শ্রমিক এবং আমেরিকান পরিবারের সুবিধার কথা মাথায় রেখে।
* আমাদের পণ্য তৈরি করা, আমাদের কোম্পানিগুলোকে চুরি করা এবং আমাদের কর্মসংস্থান নষ্ট করার হাত থেকে আমাদের সীমান্ত রক্ষা করতে হবে। এই সুরক্ষা আমাদের ব্যাপক সমৃদ্ধি ও শক্তির দিকে নিয়ে যাবে। আমি আমার শরীরের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত আপনাদের জন্য লড়াই করব এবং আমি কখনও আপনাদের হতাশ করব না। আমেরিকা আবারও জিততে শুরু করবে, এমনভাবে জিতবে যা আগে কখনও দেখা যায়নি। আমরা আমাদের কর্মসংস্থান ফিরিয়ে আনব। আমরা আমাদের সীমান্ত ফিরিয়ে আনব। আমরা আমাদের সম্পদ ফিরিয়ে আনব। এবং আমরা আমাদের স্বপ্নগুলোকেও ফিরিয়ে আনব। আমরা আমাদের এই চমৎকার দেশজুড়ে নতুন রাস্তা, হাইওয়ে, সেতু, বিমানবন্দর, টানেল এবং রেলপথ তৈরি করব। আমরা আমাদের জনগণকে সরকারি সাহায্যের ওপর নির্ভরশীলতা থেকে মুক্ত করে কাজে ফিরিয়ে আনব এবং আমেরিকান হাতে ও আমেরিকান শ্রমে আমাদের দেশ পুনর্গঠন করব। আমরা দুটি সাধারণ নিয়ম মেনে চলব: আমেরিকান পণ্য কিনুন এবং আমেরিকানদের কাজে নিয়োগ দিন। আমরা বিশ্বের দেশগুলোর সাথে বন্ধুত্ব এবং সদিচ্ছা বজায় রাখব, তবে আমরা এই ধারণার সাথে তা করব যে প্রতিটি জাতির অধিকার আছে তাদের নিজেদের স্বার্থকে সবার আগে রাখা। আমরা আমাদের জীবনধারা কারো ওপর চাপিয়ে দিতে চাই না, বরং এটিকে উদাহরণ হিসেবে উজ্জ্বল করতে চাই—আমরা উজ্জ্বল হব—যাতে সবাই তা অনুসরণ করতে পারে। '''আমরা পুরনো মিত্রতা জোরদার করব এবং নতুন মিত্র তৈরি করব এবং উগ্র ইসলামি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সভ্য বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ করব, যা আমরা পৃথিবী থেকে পুরোপুরি নির্মূল করব।''' '''আমাদের রাজনীতির মূলে থাকবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য এবং আমাদের দেশের প্রতি আমাদের এই আনুগত্যের মাধ্যমে আমরা একে অপরের প্রতি আমাদের আনুগত্য খুঁজে পাব। আপনি যখন দেশপ্রেমের জন্য আপনার হৃদয় খুলে দেবেন, তখন সেখানে কোনো কুসংস্কারের জায়গা থাকবে না। [[বাইবেল]] আমাদের বলে, "ঈশ্বরের সন্তানরা যখন একতায় বসবাস করে তখন তা কতই না ভালো এবং আনন্দদায়ক।" আমাদের অবশ্যই খোলাখুলিভাবে মনের কথা বলতে হবে, সততার সাথে আমাদের মতবিরোধ নিয়ে বিতর্ক করতে হবে, তবে সর্বদা সংহতি বজায় রাখতে হবে। যখন আমেরিকা ঐক্যবদ্ধ থাকে, আমেরিকাকে তখন থামানো অসম্ভব।''' কোনো ভয় থাকার কথা নয়: আমরা সুরক্ষিত এবং আমরা সর্বদা সুরক্ষিত থাকব। আমাদের সামরিক বাহিনী ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মহান পুরুষ ও নারীদের দ্বারা আমরা সুরক্ষিত থাকব এবং সবচেয়ে বড় কথা হলো, আমরা ঈশ্বরের দ্বারা সুরক্ষিত থাকব।
* সবশেষে আমাদের বড় কিছু ভাবতে হবে এবং আরও বড় স্বপ্ন দেখতে হবে। আমেরিকায় আমরা বুঝি যে, একটি জাতি ততক্ষণই বেঁচে থাকে যতক্ষণ সেটি চেষ্টা করে যায়। আমরা আর সেই সব রাজনীতিবিদদের গ্রহণ করব না যারা কেবল কথাই বলেন কিন্তু কোনো কাজ করেন না, অনবরত অভিযোগ করেন কিন্তু সে বিষয়ে কিছু করেন না। ফাঁকা বুলির সময় শেষ। এখন কাজ করার সময় এসেছে। কাউকে বলতে দেবেন না যে এটি করা সম্ভব নয়। আমেরিকার সাহস, লড়াই এবং উদ্দীপনার সাথে কোনো চ্যালেঞ্জই পেরে উঠবে না। আমরা ব্যর্থ হব না। আমাদের দেশ আবারও সমৃদ্ধ ও সফল হবে। আমরা এক নতুন সহস্রাব্দের শুরুতে দাঁড়িয়ে আছি, মহাকাশের রহস্য উন্মোচন করতে, পৃথিবীকে রোগের অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে এবং আগামীর জ্বালানি, শিল্প ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে আমরা প্রস্তুত। এক নতুন জাতীয় গর্ব আমাদের আত্মাকে নাড়া দেবে, আমাদের দৃষ্টিকে উন্নত করবে এবং আমাদের বিভেদ দূর করবে।
* এখন সেই পুরনো প্রজ্ঞাটি মনে রাখার সময় যা আমাদের সৈন্যরা কখনও ভুলবে না: আমরা কালো হই বা বাদামী অথবা সাদা, আমাদের সবার শরীরেই দেশপ্রেমিকদের লাল রক্ত প্রবাহিত হয়, আমরা সবাই একই গৌরবময় স্বাধীনতা উপভোগ করি এবং আমরা সবাই একই মহান আমেরিকান পতাকাকে অভিবাদন জানাই। আর ডেট্রয়েটের জনবহুল শহরে বা নেব্রাস্কার ঝড়ো প্রান্তরে যে শিশুই জন্ম নিক না কেন, তারা একই রাতের আকাশের দিকে তাকায়, তারা একই স্বপ্নে তাদের হৃদয় পূর্ণ করে এবং তারা একই সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রাণবায়ুতে উদ্দীপ্ত হয়। তাই কাছে ও দূরের প্রতিটি শহরের, ছোট ও বড় সব আমেরিকানদের বলছি, পাহাড় থেকে পাহাড়, মহাসাগর থেকে মহাসাগর—এই কথাগুলো শুনুন: আপনাদের আর কখনও অবহেলা করা হবে না। আপনাদের কণ্ঠস্বর, আপনাদের আশা এবং আপনাদের স্বপ্ন আমাদের আমেরিকান নিয়তি নির্ধারণ করবে। আর আপনাদের সাহস, মহানুভবতা এবং ভালোবাসা চিরকাল আমাদের পথ দেখাবে। '''একসাথে আমরা আমেরিকাকে আবারও শক্তিশালী করে তুলব। আমরা আমেরিকাকে আবারও সম্পদশালী করে তুলব। আমরা আমেরিকাকে আবারও গর্বিত করে তুলব। আমরা আমেরিকাকে আবারও নিরাপদ করে তুলব। এবং, হ্যাঁ, একসাথে আমরা আমেরিকাকে আবারও মহান করে তুলব।''' আপনাদের ধন্যবাদ। ঈশ্বর আপনাদের মঙ্গল করুন এবং ঈশ্বর আমেরিকার মঙ্গল করুন। ধন্যবাদ। ঈশ্বর আমেরিকার মঙ্গল করুন।
* কোনো অপ্রত্যাশিত ফলাফলের জন্য প্রস্তুত থাকতে চেয়ে স্থানীয় ডোনাল্ড ট্রাম্প সমর্থক ৫২ বছর বয়সী ফ্রেড ম্যাকগুয়ার গত মঙ্গলবার বলেছেন যে, অভিবাসীদের লক্ষ্য করে প্রেসিডেন্টের পরিকল্পিত আক্রমণাত্মক পুলিশিং এবং নজরদারি নীতি যদি সব সমস্যার সমাধান করতে না পারে, তবে তার কাছে বিকল্প কিছু বলির পাঁঠা প্রস্তুত রাখা আছে। “আমি আশা করছি যে গণ-নির্বাসন, বাধ্যতামূলক নিবন্ধন, বিচার ছাড়াই অনির্দিষ্টকালের আটক এবং বর্ধিত নজরদারি সব সম্ভাব্য সমস্যার সমাধান করবে। কিন্তু নিরাপদ থাকতে আমি অন্য কিছু গোষ্ঠীকেও দানব হিসেবে চিহ্নিত করার জন্য প্রস্তুত রেখেছি,” ম্যাকগুয়ার বলেন। তিনি আরও যোগ করেন যে, ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি যদি অপরাধ কমাতে এবং অর্থনীতির উন্নতি করতে ব্যর্থ হয়, তবে তিনি তার ক্ষোভ কল্যাণভোগী, পরিবেশবাদী কর্মী এবং সম্ভবত উদারপন্থী কলেজ অধ্যাপকদের দিকে ঘুরিয়ে দিতে প্রস্তুত। “অবশ্যই ওবামার লিগ্যাসি তো অনেক দোষ পাবেই। আর যখন মানুষ আমাকে জিজ্ঞাসা করবে কেন শ্রমিক শ্রেণীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না, তখন আমি লেবার ইউনিয়ন এবং পলিটিক্যাল কারেক্টনেসকেও দোষারোপ করতে পারব। হ্যাঁ, আগামী চার বা আট বছর পার করার জন্য আমার কাছে যথেষ্ট বলির পাঁঠার ধারণা আছে।” ম্যাকগুয়ার আরও বলেন যে তিনি এখনই ইহুদিদের বলির পাঁঠা বানানোর কথা ভাবছেন না, তবে আগামী কয়েক বছর পরিস্থিতি কেমন যায় তা দেখার জন্য অপেক্ষা করবেন।
** ''দ্য অনিয়ন'' প্যারোডি পত্রিকা, [https://theonion.com/trump-supporter-has-few-backup-scapegoats-ready-to-go-i-1819579570/"অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা সব সমাধান না করলে ট্রাম্প সমর্থকের কাছে কিছু বিকল্প বলির পাঁঠা প্রস্তুত আছে"], ২০ জানুয়ারি ২০১৭
* এর সাথে যুক্ত হয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আধিপত্য, যিনি ২০১৬ সালের নির্বাচনে অংশত একজন নেটিভিস্ট এবং অভিবাসন বিরোধী গোষ্ঠীকে তুষ্ট করে জয়ী হয়েছিলেন। ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের শার্লটসভিলে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী বিক্ষোভকারীদের সমাবেশে যে প্রাণঘাতী সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছিল, সে বিষয়ে ট্রাম্পের সংযত নিন্দা তাঁর সবচেয়ে অনুগত সমর্থক ছাড়া সবার কাছ থেকেই সমালোচনার শিকার হয়েছিল। আর এই রাজনৈতিক সম্পর্কগুলো বিশ্লেষণ করার জরুরি প্রয়োজনটি তখনই অর্থবহ হয়ে ওঠে। ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভোট দেওয়া লক্ষ লক্ষ সাধারণ ডানপন্থী আমেরিকানদের কেউই নাৎসিদের সাথে এক কাতারে দাঁড়াতে চান না। তবে এটি একটি বাস্তব সত্য যে, সেই বিধ্বংসী শার্লটসভিলে ইভেন্টে নাৎসি-বান্ধব সংগঠন, নাৎসি প্রতীক এবং নাৎসি ভঙ্গি দেখা গিয়েছিল, যে অনুষ্ঠানটির নাম "বামদের ঐক্যবদ্ধ করুন" ছিল না, বরং ছিল "ডানদের ঐক্যবদ্ধ করুন"। যদিও আমেরিকান রাজনীতিতে ব্যবহৃত 'বাম' এবং 'ডান' শব্দগুলো কিছুটা অস্পষ্ট হতে পারে, তবে এগুলো উদারনীতিবাদ/প্রগতিশীলতা (যা মূলত ডেমোক্র্যাটিক পার্টি দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করা হয়) এবং রক্ষণশীলতা/ঐতিহ্যবাদ (যা মূলত রিপাবলিকান পার্টি দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করা হয়)-এর মধ্যে মৌলিক আদর্শগত বিভাজন চিহ্নিত করতে সহায়ক। আদর্শের একটি পটভূমি হিসেবে দেখলে, সমাজতন্ত্র/সাম্যবাদ ঐতিহ্যগতভাবে এই স্কেলের চরম বাম প্রান্তে পড়ে, আর জাতীয়তাবাদ/ফ্যাসিবাদ পড়ে অতি-ডানপন্থী প্রান্তে।
** ডেভিড এমেরি, [https://www.snopes.com/news/2017/09/05/were-nazis-socialists/ নাৎসিরা কি সমাজতন্ত্রী ছিল?] (৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭), ''স্নোপস''
[[File:Donald_Trump_delivering_inauguration_speech_01-20-17_(cropped).jpg|thumb|এই মুহূর্ত থেকে, এটি হতে যাচ্ছে আমেরিকা ফার্স্ট।]]
[[File:2017_Presidential_Inauguration_CV6A0663.jpg|thumb|আমি যখন বাইরে তাকিয়েছিলাম, সেই ময়দানটি দেখে মনে হলো যেন দশ বা পনেরো লাখ মানুষ ছিল।]]
* আমি যখন বাইরে তাকিয়েছিলাম, সেই ময়দানটি দেখে মনে হলো যেন দশ বা পনেরো লাখ মানুষ ছিল। তারা এমন একটি মাঠ দেখিয়েছিল যেখানে প্রায় কেউই দাঁড়িয়ে ছিল না। আর তারা বলেছিল, "ডোনাল্ড ট্রাম্প লোক টানতে পারেননি।" আমি বললাম, "প্রায় বৃষ্টি হচ্ছিল!" বৃষ্টির কারণে তাদের ভয় পেয়ে দূরে চলে যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু ঈশ্বর নিচপানে তাকালেন এবং বললেন যে আমরা আপনার বক্তৃতার সময় বৃষ্টি হতে দেব না।
** [https://www.youtube.com/watch?v=GMBqDN7-QLg অভিষেক অনুষ্ঠানে লোকসমাগম এবং সংবাদ মাধ্যমের কাভারেজ নিয়ে সিআইএ সদর দপ্তরে ট্রাম্পের বক্তব্য], ফক্স ১০ ফিনিক্স (২১ জানুয়ারি ২০১৭)
* সেই পুরনো প্রবাদ, ‘বিজয়ীরই সমস্ত লুণ্ঠিত দ্রব্য’—আপনাদের মনে আছে। আমি সবসময় বলতাম, তেল নিজেদের কাছে রাখো। আমি ইরাক যুদ্ধের ভক্ত ছিলাম না। আমি ইরাকে যেতে চাইনি। কিন্তু আমি আপনাদের বলব, যখন আমরা সেখানে ছিলাম, আমরা ভুলভাবে সেখান থেকে বেরিয়ে এসেছি। আর আমি সবসময় বলতাম, এর পাশাপাশি তেলটা রেখে দাও। আমি এটি অর্থনৈতিক কারণে বলেছিলাম। কিন্তু মাইক, আপনি যদি ভেবে দেখেন, আমরা যদি তেল নিজেদের কাছে রাখতাম তবে সম্ভবত আইএসআইএস তৈরি হতো না, কারণ তারা সেখান থেকেই তাদের টাকা উপার্জন করেছিল। তাই আমাদের তেলটা রাখা উচিত ছিল। তবে ঠিক আছে। হয়তো আপনি আরেকটা সুযোগ পাবেন। কিন্তু বাস্তব হলো, তেলটা রাখা উচিত ছিল।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের সিআইএতে ভাষণ, [https://www.cbsnews.com/news/trump-cia-speech-transcript/ ২৩ জানুয়ারি ২০১৭]
* কিন্তু আপনি যখন ভালোবাসার এই বিশাল সমুদ্রের দিকে তাকাবেন — আমি একে 'ভালোবাসার সমুদ্র' বলি — এটি সত্যিই বিশেষ কিছু।
** [https://www.youtube.com/watch?v=RDvoBoxv028 ডেভিড মুয়ারের সাথে এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প তাঁর অভিষেক অনুষ্ঠানের ভিড়ের একটি বাঁধাই করা ছবির বর্ণনা দিচ্ছেন], এবিসি (২৫ জানুয়ারি ২০১৭)
* [ডেভিড বেকার সম্পর্কে] সে আবারও তোষামোদ করছে। আপনারা জানেন, আমি সবসময় সেই সব সাংবাদিকদের কথা বলি যারা তোষামোদ করে যখন তারা এমন কিছু লিখতে চায় যা আপনি শুনতে চান কিন্তু লক্ষ লক্ষ মানুষ সম্ভবত শুনতে চায় না বা শোনার প্রয়োজন নেই।
** [http://www.bbc.com/news/world-us-canada-38764653/ "ভোটার জালিয়াতি নিয়ে ট্রাম্পের কথায় উদারপন্থীরা চিন্তিত"], বিবিসি (২৭ জানুয়ারি ২০১৭)
* আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে, আমাদের সৈন্যরা বিদেশে যে হুমকির বিরুদ্ধে লড়াই করছে, আমরা যেন তাদের আমাদের দেশে ঢুকতে না দিই।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://edition.cnn.com/2017/01/27/politics/trump-plans-to-sign-executive-action-on-refugees-extreme-vetting/ "উগ্র ইসলামি সন্ত্রাসীদের দূরে রাখতে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর"], সিএনএন (২৭ জানুয়ারি ২০১৭)
* আমি সবসময় প্রার্থনা করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছি... আমি বলব যে এই পদটি এতটাই শক্তিশালী যে আপনার ঈশ্বরকে আরও বেশি প্রয়োজন।
** [http://www1.cbn.com/cbnnews/entertainment/2017/january/worship-artist-credits-psalms-91-for-miraculous-cancer-healing ডেভিড ব্রডির সাথে ট্রাম্পের সাক্ষাৎকারে] উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], সিবিএন নিউজ (২৯ জানুয়ারি ২০১৭)
==== ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ====
* আমি এখন খুব গর্বিত যে ন্যাশনাল মলে আমাদের একটি জাদুঘর আছে যেখানে মানুষ [[মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]] এবং আরও অনেক কিছু সম্পর্কে জানতে পারে। আমি লক্ষ্য করছি যে, ফ্রেডরিক ডগলাস এমন একজনের উদাহরণ যিনি এক চমৎকার কাজ করেছেন এবং দিন দিন আরও বেশি পরিচিতি পাচ্ছেন। হ্যারিয়েট টুবম্যান, রোসা পার্কস এবং আরও লক্ষ লক্ষ কৃষ্ণবর্ণের আমেরিকান যারা [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]]কে আজকের এই অবস্থানে নিয়ে এসেছেন। দারুণ প্রভাব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theatlantic.com/politics/archive/2017/02/frederick-douglass-trump/515292/ ডোনাল্ড ট্রাম্প'স ন্যারেটিভ অফ দ্য লাইফ অফ ফ্রেডরিক ডগলাস] থেকে উদ্ধৃত, ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭।
* আমরা যখন ন্যাশনাল আফ্রিকান আমেরিকান হিস্ট্রি মান্থ পালন করছি, তখন আমরা আফ্রিকান আমেরিকানদের ঐতিহ্য ও অর্জনকে স্বীকৃতি দিচ্ছি। আফ্রিকান আমেরিকানরা যে অবদান রেখেছেন এবং রেখে চলেছেন তা আমাদের সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আফ্রিকান আমেরিকানদের ইতিহাস সেই সহনশীলতা এবং উদ্ভাবনী চেতনার উদাহরণ যা আমাদের জাতিকে মহান করে চলেছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/president-donald-j-trump-proclaims-february-national-african-american-history-month/ ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭] থেকে উদ্ধৃত।
* ওয়াশিংটনে আমাদের জন্য, ঈশ্বরের ইচ্ছা অনুযায়ী জনগণের সেবা করার প্রজ্ঞা পেতে আমাদের কখনোই তাঁর কাছে প্রার্থনা করা বন্ধ করা উচিত নয়। তবে ''দ্য অ্যাপ্রেন্টিস'' অনুষ্ঠানে আমরা দারুণ সফল হয়েছিলাম। যখন আমি রাষ্ট্রপতির জন্য দাঁড়ালাম, তখন আমাকে অনুষ্ঠানটি ছাড়তে হয়েছিল। তখনই আমি নিশ্চিতভাবে জানতাম যে আমি এটি করছি। তারা আমার জায়গায় এক মস্ত বড় মুভি স্টার আরনল্ড শোয়ার্জনেগারকে নিয়োগ করেছিল এবং আমরা জানি এর ফলাফল কী হয়েছে। রেটিং একদম তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে, এটি একটি চরম বিপর্যয় ছিল। মার্ক বার্নেট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আর কখনও বাজি ধরবেন না। আমি কেবল আরনল্ডের জন্য প্রার্থনা করতে চাই, যদি আমরা পারি, সেই রেটিংগুলোর জন্য, ঠিক আছে?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=cyxacu5AslI ট্রাম্পের "ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট" ভাষণ] (২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* আমাদের কঠোর হতে হবে। এখন আমাদের একটু কঠোর হওয়ার সময় এসেছে। বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশ আমাদের সুযোগ নিচ্ছে। এটা আর ঘটবে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/us-news/2017/feb/02/donald-trump-australia-refugees-malcolm-turnbull-phone-call বিরোধ সত্ত্বেও হোয়াইট হাউস বলছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়ার শরণার্থীদের গ্রহণ করতে পারে] (২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* এটি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যে এটি আর রিপোর্টও করা হচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে সেই অত্যন্ত অসৎ সংবাদমাধ্যমগুলো এটি রিপোর্ট করতে চায় না। তাদের নিজস্ব কারণ আছে এবং আপনারা সেটি বোঝেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://www.bbc.co.uk/news/world-us-canada-38890090 ম্যাকডিল এয়ার ফোর্স বেসে দেওয়া এক বক্তৃতায় সন্ত্রাসী হামলার রিপোর্টিং নিয়ে ট্রাম্পের উক্তি] (৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* সেই স্টেট সিনেটর কে? আপনি কি আমাকে তার নাম বলতে চান? আমরা তার ক্যারিয়ার ধ্বংস করে দেব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=Z1SKm1hTWq0 শেরিফ হ্যারল্ড ইভেনসনের বক্তব্যের জবাবে ট্রাম্পের উক্তি], যেখানে শেরিফ উল্লেখ করেছিলেন যে টেক্সাসের একজন স্টেট সিনেটর এমন আইন প্রস্তাব করছেন যাতে শেরিফরা বাজেয়াপ্ত অর্থ পাওয়ার আগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার প্রয়োজন পড়বে। (৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)
* আমি বিচারকদের একটি প্যানেলের কথা শুনেছি এবং আমি সে বিষয়ে মন্তব্য করব — আমি নিশ্চিতভাবে একজন বিচারকের বক্তব্যের ওপর কোনো মন্তব্য করব না — তবে আমাকে সত্যি বলতে হবে যে, এই বিচারকরা যদি আদালতের প্রতি শ্রদ্ধার খাতিরে আদালতকে সাহায্য করতে চাইতেন, তবে তাদের যা করা উচিত ছিল তারা সেটাই করতেন। মানে এটা খুব দুঃখজনক। যখন আপনি খুব সাধারণ, সুন্দরভাবে লেখা এবং নিখুঁতভাবে লেখা কোনো কিছু পড়েন — অবশ্যই সেই একটি বক্তব্য ছাড়া যেখানে "সে" (পুরুষ বা নারী) এর কথা বলা হয়েছে — কিন্তু যখন আপনি এত নিখুঁতভাবে লেখা এবং যে কারো কাছে এত স্পষ্ট কিছু পড়েন, আর তারপর যখন আপনি আইনজীবীদের দেখেন এবং আমি গত রাতে অবাক হয়ে দেখছিলাম, আমি এমন সব কথা শুনলাম যা আমি বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। এমন সব কথা যার সাথে আমি যা পড়েছি তার কোনো সম্পর্কই ছিল না। আমি কখনোই আদালতকে পক্ষপাতদুষ্ট বলতে চাই না, তাই আমি একে পক্ষপাতদুষ্ট বলব না। আমরা এখনও কোনো সিদ্ধান্ত পাইনি, তবে আদালতগুলো এখন খুব বেশি রাজনৈতিক বলে মনে হয়। আমাদের বিচার ব্যবস্থার জন্য এটি খুব ভালো হতো যদি তারা একটি বিবৃতি পড়তে পারত এবং যা সঠিক তা করতে পারত।
* আমেরিকার প্রতিটি শিশুর উচিত কোনো ভয় ছাড়াই বাইরে খেলাধুলা করা, কোনো বিপদ ছাড়াই বাড়ি ফেরা এবং মাদক, গ্যাং বা সহিংসতা সম্পর্কে চিন্তিত না হয়ে স্কুলে যাওয়া।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/02/08/remarks-president-trump-mcca-winter-conference "এমসিসিএ উইন্টার কনফারেন্সে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্য"] (৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* আমি শুধু বলতে চাই যে, আমরা আমাদের সেই জয়ে খুবই সম্মানিত বোধ করছি, ৩০৬টি ইলেক্ট্রোরাল কলেজ ভোট। আমাদের ২২০ পার হওয়ার কথা ছিল না, আপনি [[বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু|ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর]] দিকে ফিরে সেটি জানেন, তাই না? ২২১ হওয়ার কোনো পথ ছিল না, কিন্তু তারপর তারা বলল ২৭০ হওয়ার কোনো পথ নেই এবং সেখানে প্রচুর উৎসাহ ছিল। আমি বলব যে, আমরা এই দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনব, আমরা এই দেশে অপরাধ বন্ধ করব। আমরা দীর্ঘদিনের বর্ণবাদ এবং অন্যান্য যা কিছু ঘটছে তা বন্ধ করার জন্য আমাদের ক্ষমতার মধ্যে সবকিছু করব। কারণ দীর্ঘ সময় ধরে অনেক খারাপ জিনিস ঘটে আসছে। আমি মনে করি আমার নির্বাচনে জেতার অন্যতম কারণ হলো আমাদের জাতি এখন অনেক বিভক্ত, খুব বেশি বিভক্ত। আশা করি আমি সে বিষয়ে কিছু করতে পারব এবং এটি আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ইহুদি মানুষ, আমার অনেক বন্ধু, আমার এক মেয়ে যে এই মুহূর্তে এখানে আছে, এক জামাতা এবং তিন চমৎকার নাতি-নাতনির কথা বলতে গেলে, আমি মনে করি আপনারা আগামী তিন, চার বা আট বছরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনেক পরিবর্তন দেখতে পাবেন। আমি মনে করি অনেক ভালো কিছু ঘটছে এবং আপনারা অনেক ভালোবাসা দেখতে পাবেন, আপনারা অনেক ভালোবাসা দেখতে পাবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ইহুদি বিদ্বেষের ক্রমবর্ধমান ঘটনা এবং তার প্রশাসনে বিদেশি ভীতি নিয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে, [https://www.youtube.com/watch?v=SmfseeZt5fA যৌথ সংবাদ সম্মেলনে] (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)।
* সংবাদমাধ্যম এতটাই অসৎ হয়ে পড়েছে যে আমরা যদি এ বিষয়ে কথা না বলি, তবে আমরা আমেরিকান জনগণের প্রতি চরম অন্যায় করব। চরম অন্যায়। কী ঘটছে তা জানার জন্য আমাদের কথা বলতে হবে, কারণ সত্যি বলতে সংবাদমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। অসততার মাত্রা এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে।
* আমার মনে হয় রোনাল্ড রিগ্যানের পর এটিই ছিল সবচেয়ে বড় ইলেক্ট্রোরাল কলেজ জয়।
* এই প্রশাসন একটি নিখুঁত যন্ত্রের মতো চলছে।
[[চিত্র:Michael_Flynn_(30020745053).jpg|থাম্ব|মাইক ফ্লিন একজন ভালো মানুষ, আর আমি তার পদত্যাগ চেয়েছি।]]
* মাইক ফ্লিন একজন ভালো মানুষ, আর আমি তার পদত্যাগ চেয়েছি। তিনি সম্মানের সাথে তা দিয়েছেন। তিনি এমন একজন মানুষ যার সম্পর্কে আমাদের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সকে কিছু তথ্য দেওয়া হয়েছিল, যিনি আজ আমাদের সাথে আছেন। আর যেভাবে সেই তথ্যগুলো দেওয়া হয়েছে তাতে আমি খুশি ছিলাম না। তাকে এটা করতে হতো না, কারণ তিনি যা করেছেন তা ভুল ছিল না। তিনি যে তথ্য দেখেছিলেন সে দিক থেকে কোনো ভুল ছিল না। ভুল ছিল অন্যদের, যার মধ্যে এই ঘরের আপনারাও আছেন, যেভাবে তথ্যগুলো দেওয়া হয়েছিল। কারণ সেগুলো ছিল গোপন তথ্য যা অবৈধভাবে দেওয়া হয়েছিল। এটাই আসল সমস্যা।
* দেখুন, আমি যখন জনসভায় যাই, তারা ঘুরে দাঁড়ায় এবং সিএনএন এর দিকে চিৎকার করতে শুরু করে। তারা সিএনএন-এর দিকে তাদের প্ল্যাকার্ড ছুড়ে মারতে চায়। আমি মনে করি আপনারা একটু ভিন্ন হলে অনেক ভালো করতেন।
* আগামীকাল তারা বলবে, "ডোনাল্ড ট্রাম্প সংবাদমাধ্যমের ওপর চিৎকার করেছেন।" আমি চিৎকার করছি না। আমি শুধু আপনাদের বলছি। আপনারা জানেন, আপনারা অসৎ মানুষ। কিন্তু আমি চিৎকার করছি না। আমি এটি উপভোগ করছি। আমার বেশ ভালো লাগছে। কিন্তু আগামীকাল শিরোনাম হবে, "ডোনাল্ড ট্রাম্প চিৎকার করেছেন।" আমি চিৎকার করছি না।
[[চিত্র:HEUraniumC.jpg|থাম্ব|আপনারা জানেন ইউরেনিয়াম কী, তাই না? এটি পারমাণবিক অস্ত্র এবং আরও অনেক কিছুর সাথে জড়িত। ইউরেনিয়াম দিয়ে অনেক কাজ করা হয়, যার মধ্যে কিছু খারাপ জিনিসও আছে।]]
* আপনারা জানেন ইউরেনিয়াম কী, তাই না? এটি পারমাণবিক অস্ত্র এবং আরও অনেক কিছুর সাথে জড়িত। ইউরেনিয়াম দিয়ে অনেক কাজ করা হয়, যার মধ্যে কিছু খারাপ জিনিসও আছে।
* এর মধ্যে [[ইরাক]]ের পরিস্থিতি খুব, খুব কঠিন। আপনারা কি জানেন কেন? কারণ আমি সামরিক বাহিনী নিয়ে কথা বলি না এবং আরও কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলি না, যা শুনে আপনারা অবাক হবেন। আর আমার পুরো নির্বাচনী প্রচারণায় আমি সেটাই বলেছি। তাই আমার আপনাদের বলার প্রয়োজন নেই। আমি সেই লোকেদের মতো হতে চাই না যারা বলে, "হ্যাঁ, আমরা এই কাজ করতে যাচ্ছি।" আমার তা করার দরকার নেই। উত্তর কোরিয়ায় আমি কী করতে যাচ্ছি তা আমার আপনাদের বলার দরকার নেই। একটু দাঁড়ান। [[উত্তর কোরিয়া]]য় আমি কী করতে যাচ্ছি তা আমার আপনাদের বলার দরকার নেই। আর ইরানের সাথে আমি কী করতে যাচ্ছি তাও আমার আপনাদের বলার দরকার নেই। কেন জানেন? কারণ তাদের এটি জানা উচিত নয়। আর শেষ পর্যন্ত আপনারা এই প্রশ্ন করতে করতে ক্লান্ত হয়ে যাবেন।
* আপনি কোথা থেকে এসেছেন? [সাংবাদিক উত্তর দিলেন তিনি বিবিসি থেকে এসেছেন] এই তো আরেক রত্ন।
* আপনি কি সভার ব্যবস্থা করতে চান? তারা কি আপনার বন্ধু? [একজন আফ্রিকান-আমেরিকান সাংবাদিককে উদ্দেশ্য করে এবং কংগ্রেসনাল ব্ল্যাক ককাসের কথা উল্লেখ করে]
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.nytimes.com/2017/02/16/us/politics/donald-trump-press-conference-transcript.html?_r=0 হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে করা মন্তব্য] (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)।
* আপনার পুরো জীবনে দেখা মানুষের মধ্যে আমিই হলাম সবচেয়ে কম ইহুদি বিদ্বেষী ব্যক্তি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.cnbc.com/2017/02/16/donald-trump-i-am-the-least-anti-semitic-racist-person-that-youve-ever-seen.html সিএনবিসি] (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* গতকাল রাতে সুইডেনে কী ঘটেছে একবার দেখুন। সুইডেন! কে বিশ্বাস করবে, সুইডেন! তারা প্রচুর সংখ্যক মানুষকে আশ্রয় দিয়েছে এবং তারা এমন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে যা তারা কখনও কল্পনাও করেনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=AMLK15edOUY ফ্লোরিডার মেলবোর্নে সমর্থকদের এক বিশাল সমাবেশে ট্রাম্পের বক্তব্য] (১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* আর আমি চাই আপনারা সবাই জানুন যে আমরা ফেক নিউজের বিরুদ্ধে লড়ছি। এটা ভুয়া, জাল, একদম মিথ্যে। কয়েক দিন আগে আমি ফেক নিউজকে জনগণের শত্রু বলেছিলাম, আর তারা সত্যিই তাই, তারা জনগণের শত্রু।
* কারো নাম ব্যবহার না করে তাদের কোনো সূত্র ব্যবহার করতে দেওয়া উচিত নয়। তাদের নাম সামনে আসতে দিন। তাদের নাম প্রকাশ করা হোক।
* আমি [[সুইডেন]]কে ভালোবাসি, চমৎকার দেশ, চমৎকার মানুষ। কিন্তু তারা বোঝে, ওখানকার মানুষ বোঝে যে আমি ঠিক বলছি। সুইডেনে কী ঘটছে একবার দেখুন।
* আমার একজন বন্ধু আছে, সে খুব প্রতিপত্তিশালী একজন মানুষ। সে আলোর ভালোবাসে, সে [[প্যারিস]] ভালোবাসে। বছরের পর বছর ধরে প্রতি বছর গ্রীষ্মকালে সে তার স্ত্রী এবং পরিবারকে নিয়ে নিয়মিত প্যারিসে যেত। অনেকদিন তার সাথে দেখা হয়নি, তাই আমি বললাম, জিম, তোমাকে একটা প্রশ্ন করি, প্যারিসের কী অবস্থা? "প্যারিস? আমি আর সেখানে যাই না, প্যারিস আর আগের মতো প্যারিস নেই।"
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://time.com/4682023/cpac-donald-trump-speech-transcript/ বার্ষিক কনজারভেটিভ পলিটিক্যাল অ্যাকশন কনফারেন্সে ভাষণ দেওয়ার সময়] (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)।
* এটি একটি অবিশ্বাস্যরকম জটিল বিষয়। কেউ জানত না যে স্বাস্থ্যসেবা এত জটিল হতে পারে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/us-news/video/2017/feb/27/trump-healthcare-complicated-budget-video হোয়াইট হাউসে ন্যাশনাল গভর্নরস অ্যাসোসিয়েশনের বৈঠকে ভাষণ দেওয়ার সময়] (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* সারা বিশ্বের অনেক জাতি — যেমন [[কানাডা]], [[অস্ট্রেলিয়া]] এবং আরও অনেক দেশের মেধা-ভিত্তিক অভিবাসন ব্যবস্থা রয়েছে। এটি একটি মৌলিক নীতি যে যারা কোনো দেশে প্রবেশ করতে চায় তাদের নিজেদের আর্থিকভাবে স্বচ্ছল রাখার ক্ষমতা থাকতে হবে। অথচ আমেরিকায় আমরা এই নিয়ম কার্যকর করি না, যা আমাদের সবচেয়ে দরিদ্র নাগরিকরা যে জনসম্পদের ওপর নির্ভর করে তার ওপর চাপ সৃষ্টি করে।<br>..<br>প্রধানমন্ত্রী [[জাস্টিন ট্রুডো]]র সহায়তায় আমরা কানাডার সাথে একটি কাউন্সিল গঠন করেছি যাতে নারী উদ্যোক্তারা তাদের ব্যবসা শুরু করতে এবং তাদের আর্থিক স্বপ্ন পূরণ করতে প্রয়োজনীয় নেটওয়ার্ক, বাজার এবং মূলধন পেতে পারে।<br>..<br>আমেরিকা সকল জাতির নিজস্ব পথ বেছে নেওয়ার অধিকারকে শ্রদ্ধা করে। আমার কাজ বিশ্বের প্রতিনিধিত্ব করা নয়। আমার কাজ হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করা।<br>..<br>যথাযথ যাচাইকরণ করা সম্ভব নয় এমন জায়গা থেকে অনিয়ন্ত্রিত প্রবেশাধিকার দেওয়া সহানুভূতি নয়, বরং অবিবেচনা। আমরা আমেরিকার ভেতরে সন্ত্রাসবাদের কোনো ঘাঁটি তৈরি হতে দিতে পারি না — আমরা আমাদের জাতিকে চরমপন্থীদের আশ্রয়স্থল হতে দিতে পারি না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theglobeandmail.com/news/world/us-politics/donald-trump-congress-speech-immigration/article34158135/ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, গ্লোব অ্যান্ড মেইল অনুযায়ী] থেকে উদ্ধৃত।
==== মার্চ ২০১৭ ====
* আমাদের আইরিশ বন্ধুদের সাথে যখন আমরা আজ এখানে দাঁড়িয়ে আছি, আমার সেই প্রবাদের কথা মনে পড়ছে; এবং এটি খুব ভালো একটি প্রবাদ, এটি আমার খুব পছন্দ, আমি অনেক অনেক বছর ধরে এটি শুনে আসছি এবং আমি এটি ভালোবাসি: "সব সময় সেই বন্ধুদের ভুলে যাওয়ার কথা মনে রাখবেন যারা অবিশ্বস্ত প্রমাণিত হয়েছে, কিন্তু যারা আপনার পাশে থেকেছে তাদের মনে রাখার কথা কখনও ভুলবেন না।" আমরা তা জানি, রাজনৈতিকভাবে বলতে গেলে আমাদের অনেকেই তা জানি, আমরা এটি ভালোভাবেই জানি, এটি একটি চমৎকার কথা।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/us-news/2017/mar/17/trumps-irish-proverb-causes-derision-on-the-web তৎকালীন আইরিশ সরকারপ্রধান এন্ডা কেনির সফরের সময় দেওয়া বক্তব্য] (১৭ মার্চ ২০১৭)
==== এপ্রিল ২০১৭ ====
* চলো ওকে মেরেই ফেলি! চলো ভেতরে যাই। চলো ওদের সবাইকে খতম করে দিই।
** বাশার আল-আসাদ সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]-এর উক্তি, যেমনটি ফিলিপ রাকার এবং রবার্ট কস্টা লিখিত [https://www.washingtonpost.com/politics/bob-woodwards-new-book-reveals-a-nervous-breakdown-of-trumps-presidency/2018/09/04/b27a389e-ac60-11e8-a8d7-0f63ab8b1370_story.html?noredirect=on&utm_term=.f1bf8ed6690c বব উডওয়ার্ডের নতুন বই ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতিত্বের এক 'মানসিক ভেঙে পড়া'র চিত্র তুলে ধরেছে] (৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮), ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'' উদ্ধৃত।
* সিরিয়ায় আজ নারী ও শিশুসহ নিরীহ মানুষের ওপর যে রাসায়নিক হামলা হয়েছে, তা অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং সভ্য দুনিয়া এটি উপেক্ষা করতে পারে না। বাশার আল-আসাদ সরকারের এই জঘন্য কর্মকাণ্ড পূর্ববর্তী প্রশাসনের দুর্বলতা এবং দোদুল্যমানতারই ফল। রাষ্ট্রপতি ওবামা ২০১২ সালে বলেছিলেন যে তিনি রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের বিরুদ্ধে একটি "রেড লাইন" বা চূড়ান্ত সীমা নির্ধারণ করবেন, কিন্তু পরে তিনি কিছুই করেননি। এই অসহনীয় হামলার নিন্দা জানাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সারা বিশ্বের মিত্রদের পাশে দাঁড়িয়েছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.presidency.ucsb.edu/documents/statement-the-chemical-weapons-attack-khan-sheikhoun-syria সিরিয়ার খান শেখাউনে রাসায়নিক অস্ত্র হামলা সম্পর্কে বিবৃতি] থেকে উদ্ধৃত, ''আমেরিকান প্রেসিডেন্সি প্রজেক্ট'', (৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭)
* অনেকের জন্যই এটি ছিল এক ধীরগতির এবং নৃশংস মৃত্যু... এমনকি সুন্দর ছোট শিশুদেরও এই অত্যন্ত বর্বরোচিত হামলায় নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়েছে।
** সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র হামলা সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প]], [http://www.nydailynews.com/news/politics/trump-blasts-syria-murdering-civilians-u-s-strike-article-1.3027449 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিমান ঘাঁটিতে অন্তত ৫০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পর রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প নিজের দেশের মানুষকে 'নিষ্ঠুরভাবে হত্যার' জন্য সিরিয়ার সমালোচনা করেছেন], ৬ এপ্রিল ২০১৭।
* আমরা রাতের খাবার শেষ করেছিলাম। তখন আমরা মিষ্টান্ন খাচ্ছিলাম। আর আমাদের কাছে সবচেয়ে চমৎকার এক টুকরো চকোলেট কেক ছিল যা আপনি কখনও দেখেননি, এবং রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং সেটি উপভোগ করছিলেন।
* তো যা হলো, আমি বললাম যে আমরা মাত্রই ৫৯টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছি যা ইরাকের দিকে যাচ্ছে। [সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী তাকে সংশোধন করে দেন] হ্যাঁ, সিরিয়ার দিকে যাচ্ছে।
** চীনা রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের সাথে ডিনার করার সময় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প]], [http://www.cnn.com/2017/04/12/politics/donald-trump-xi-jingping-syria-chocolate-cake/ 'চমৎকার' চকোলেট কেক খেতে খেতে ট্রাম্প ও শি সিরিয়ায় হামলা নিয়ে কথা বলেছেন], ১২ এপ্রিল ২০১৭।
* তো এটি আমেরিকায় কৃষি এবং গ্রামীণ সমৃদ্ধিকে উৎসাহিত করার জন্য। আর এখন, এখানে অনেক কথা আছে, আমি সবকিছু পড়ার ঝামেলায় যাব না।
** [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/04/25/remarks-president-trump-farmers-roundtable-and-executive-order-signing আমেরিকায় কৃষি এবং গ্রামীণ সমৃদ্ধি বাড়াতে কৃষকদের গোলটেবিল বৈঠক এবং নির্বাহী আদেশে সই করার সময় রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্যে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৫ এপ্রিল ২০১৭)
[[চিত্র:Shinzō_Abe_and_Donald_Trump_in_Palm_Beach_(3).jpeg|থাম্ব|আমি ভেবেছিলাম এটি আরও সহজ হবে।]]
* আমি ভেবেছিলাম এটি আরও সহজ হবে।
** রয়টার্সের সাথে এক [http://www.reuters.com/article/us-usa-trump-100days-idUSKBN17U0CA সাক্ষাৎকারে তার প্রথম ১০০ দিন সম্পর্কে আলোচনা করার সময়] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৭ এপ্রিল ২০১৭)
* আমি মনে করি প্রথম ১০০ দিনে আমরা হয়তো যে কোনো রাষ্ট্রপতির চেয়ে বেশি কাজ করেছি... হ্যারি ট্রুম্যান-এর পর আর কেউ এত কাজ করেনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের]] সাথে সাক্ষাৎকার, [http://www.washingtonexaminer.com/full-interview-with-president-trump-on-his-first-100-days/article/2621516 তার প্রথম ১০০ দিন সম্পর্কে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের সাথে পূর্ণাঙ্গ সাক্ষাৎকার], ২৮ এপ্রিল ২০১৭।
==== মে ২০১৭ ====
* কোনো আমেরিকানকে ফেডারেল সরকারের নির্দেশ এবং তাদের বিশ্বাসের নীতির মধ্যে কোনো একটিকে বেছে নিতে বাধ্য করা উচিত নয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://www.foxnews.com/opinion/2017/05/04/what-trump-understands-about-religious-liberty-in-america.html আমেরিকায় ধর্মীয় স্বাধীনতা সম্পর্কে ট্রাম্প কী বোঝেন?] থেকে উদ্ধৃত (৪ মে ২০১৭)
[[চিত্র:James_Comey_official_portrait.jpg|থাম্ব|আমি মাত্রই এফবিআই প্রধানকে বরখাস্ত করেছি। তিনি পাগল ছিলেন, এক্কেবারে বদ্ধ পাগল।]]
* আমি মাত্রই এফবিআই প্রধানকে বরখাস্ত করেছি। তিনি পাগল ছিলেন, এক্কেবারে বদ্ধ পাগল।<br>..<br>রাশিয়া নিয়ে আমি প্রচণ্ড চাপের মুখে ছিলাম। সেটা এখন কেটে গেছে।<br>..<br>আমার বিরুদ্ধে কোনো তদন্ত চলছে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], বৈঠকের আনুষ্ঠানিক বিবরণ অনুযায়ী [https://www.nytimes.com/2017/05/19/us/politics/trump-russia-comey.html হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রিত রুশ কর্মকর্তাদের সাথে ট্রাম্পের কথোপকথনের অংশ] থেকে উদ্ধৃত (১০ মে ২০১৭)
* আপনি কি আগে কখনও এই কথাটি ব্যবহার করতে শুনেছেন? কারণ আমি শুনিনি। মানে, আমি ঠিক... কয়েক দিন আগে এটি মাথায় এল আর আমার মনে হলো এটি বেশ ভালো। এটাই আপনাদের করতে হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [[দি ইকোনমিস্ট]]ে প্রকাশিত একটি সাক্ষাৎকারে অর্থনৈতিক উদ্দীপনা প্রসঙ্গে [http://www.economist.com/Trumptranscript "প্রাইম দ্য পাম্প" শব্দটি উদ্ভাবনের দাবি করেছেন] (১১ মে ২০১৭)
* আর সত্যি বলতে, যখন আমি এটি করার সিদ্ধান্ত নিই, তখন আমি নিজেকে বলেছিলাম, "জানো তো, ট্রাম্প আর রাশিয়াকে নিয়ে এই রাশিয়ার ব্যাপারটা আসলে একটা সাজানো গল্প। নির্বাচনে হারার পর ডেমোক্র্যাটরা এটি একটি অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করছে।"
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://www.nbcnews.com/nightly-news/video/president-trump-this-russia-thing-is-a-made-up-story-941962819745 এনবিসির লেস্টার হোল্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেছেন] যে ফেডারেল তদন্তের ওপর বিরক্তিই ছিল এফবিআই পরিচালক জেমস কোমিকে বরখাস্ত করার একটি কারণ (১১ মে ২০১৭)
* সমালোচক হওয়ার চেয়ে সহজ বা করুণ আর কিছু নেই। কারণ তারা এমন লোক যারা কাজ শেষ করতে পারে না। কিন্তু ভবিষ্যৎ স্বপ্নদ্রষ্টাদের জন্য, সমালোচকদের জন্য নয়। ভবিষ্যৎ সেই সব মানুষের জন্য যারা সমালোচকরা যা-ই বলুক না কেন, নিজেদের মনের কথা শোনে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=B421uhrOV-o&feature=youtu.be&t=12m34s লিবার্টি ইউনিভার্সিটির সমাবর্তন ভাষণ] থেকে উদ্ধৃত (১৩ মে ২০১৭)
* ইদানীং আমার সাথে বিশেষ করে সংবাদমাধ্যম যেভাবে আচরণ করছে তা দেখুন। ইতিহাসের কোনো রাজনীতিবিদের সাথে, এবং আমি এটি খুব নিশ্চিতভাবেই বলছি, এর চেয়ে খারাপ বা অন্যায় আচরণ করা হয়নি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/us-news/video/2017/may/17/donald-trump-media-coast-guard-speech-video "ইউএস কোস্ট গার্ড একাডেমির সমাবর্তন অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তৃতায় সংবাদমাধ্যমের সমালোচনা করার সময়"] থেকে উদ্ধৃত (১৭ মে ২০১৭)
* ওহ আমার ঈশ্বর। এটি ভয়ংকর। '''এটিই আমার রাষ্ট্রপতিত্বের শেষ। আমি শেষ।'''
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], রাশিয়া তদন্তে একজন স্পেশাল কাউন্সিল নিয়োগের বিষয়ে। রবার্ট এস. মুলার ৩য় লিখিত [https://commons.wikimedia.org/wiki/File:Report_On_The_Investigation_Into_Russian_Interference_In_The_2016_Presidential_Election.pdf "রিপোর্ট অন দ্য ইনভেস্টিগেশন ইনটু রাশিয়ান ইন্টারফারেন্স ইন দ্য ২০১৬ প্রেসিডেন্সিয়াল ইলেকশন"], ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ৭৮-এ উদ্ধৃত।
* অনেক তরুণ, সুন্দর, নিষ্পাপ মানুষ যারা জীবনকে উপভোগ করছিল, জীবনের কিছু শয়তান লুজার তাদের হত্যা করেছে। আমি তাদের দানব বলব না কারণ তারা ওই শব্দটি পছন্দ করবে। তারা ভাববে এটি একটি চমৎকার নাম। আমি এখন থেকে তাদের লুজার বলব কারণ তারা তা-ই। তারা লুজার। আর আমরা এমন আরও অনেককে পাব। কিন্তু তারা ব্যর্থ, শুধু এটা মনে রাখবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theatlantic.com/international/archive/2017/05/trump-manchester-losers/527745/ দি আনটলান্টিক] থেকে উদ্ধৃত
==== জুন ২০১৭ ====
* আমি প্যারিসের নয়, বরং পিটসবার্গের নাগরিকদের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য নির্বাচিত হয়েছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/06/01/statement-president-trump-paris-climate-accord প্যারিস জলবায়ু চুক্তি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বিবৃতি], যেখানে তিনি প্যারিস চুক্তি থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেন (১ জুন ২০১৭)
* ইতিহাস স্বপ্নদ্রষ্টাদের দ্বারা লেখা হয়, সন্দেহবাদীদের দ্বারা নয়।
[[চিত্র:Family trump in the Easter Egg Roll (cropped).jpg|থাম্ব|আমি ধনী-দরিদ্র সব মানুষকেই ভালোবাসি, কিন্তু বিশেষ ওই পদগুলোর জন্য আমি কোনো দরিদ্র মানুষকে চাই না।]]
* আমি ধনী-দরিদ্র সব মানুষকেই ভালোবাসি, কিন্তু বিশেষ ওই পদগুলোর জন্য আমি কোনো দরিদ্র মানুষকে চাই না।
* আমরা দেওয়ালটিকে একটি সৌর দেওয়াল হিসেবে তৈরির কথা ভাবছি, যাতে এটি শক্তি উৎপাদন করে এবং নিজের খরচ নিজেই মেটাতে পারে। আর এভাবে মেক্সিকোকে অনেক কম টাকা দিতে হবে, আর সেটা ভালো, তাই না? আপনারা প্রথম দল যাদের আমি এটি বললাম। একটি সৌর দেওয়াল, এর মানে হয়। দেখা যাক, আমরা এটি নিয়ে কাজ করছি। সৌর দেওয়াল, প্যানেল, চমৎকার। মানে আসলে ভেবে দেখুন, এটি যত উঁচুতে যাবে এর মূল্য তত বাড়বে, এটি অনেকটা... বেশ ভালো কল্পনাশক্তি ''[নিজের মাথার দিকে ইশারা করে]'', তাই না, ভালো? আমার পরিকল্পনা।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://www.foxnews.com/politics/2017/06/21/president-trump-holds-iowa-rally-live-blog.html আইওয়ার সিডার র্যাপিডসে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের জনসভা] থেকে উদ্ধৃত (২১ জুন ২০১৭)
* দেখুন আমি তাকে রেকর্ড করিনি — কী ঘটছে তা আপনি কখনোই বুঝতে পারবেন না, যখন আপনি দেখবেন যে ওবামা প্রশাসন, এবং সম্ভবত তার চেয়েও বেশি সময় ধরে, এই সব মুখোশ উন্মোচন এবং নজরদারি করছিল। আর আপনি যখন চারিদিকে নজরদারি করার মতো গুরুতর এবং ভয়াবহ পরিস্থিতি সম্পর্কে সব পড়বেন, যেমনটা আমি গত কয়েক মাস ধরে পড়ছি। আর আপনারা 'মুখোশ উন্মোচন' শব্দটি শুনেছেন, এমন একটি শব্দ যা আপনারা হয়তো আগে কখনও শোনেননি। তাই সেখানে কী আছে আপনি কখনও জানবেন না — তবে আমি রেকর্ড করিনি, আর আমার কাছে কোনো টেপ নেই, আর আমি রেকর্ড করিনি।
* ভালো, এটি খুব একটা বোকামি ছিল না, আমি আপনাকে তা বলতে পারি। ''[সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী যখন ইঙ্গিত দেন যে রেকর্ড বা টেপ আছে বলে তার টুইট করা একটি চালাকি ছিল, তার জবাবে]''
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://insider.foxnews.com/2017/06/23/trump-comey-tapes-tweet-mueller-probe-fox-friends-interview "ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডসে এইন্সলি ইয়ারহার্ডের নেওয়া ট্রাম্পের সাক্ষাৎকার"] থেকে উদ্ধৃত (২৩ জুন ২০১৭)
* আমি শুনলাম কম রেটিংয়ের জো স্কারবোরো আমাকে নিয়ে খারাপ কথা বলছে (আর দেখি না)। তাহলে কম বুদ্ধির পাগল মিকা আর সাইকো জো কেন নিউ ইয়ার ইভের আশেপাশে টানা ৩ রাত মার-আ-লাগোতে এসেছিল এবং আমার সাথে যোগ দেওয়ার জন্য জোরাজুরি করেছিল? ফেস-লিফটের কারণে তার মুখ থেকে রক্ত পড়ছিল। আমি না বলে দিয়েছিলাম!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.nytimes.com/2017/06/29/business/media/trump-mika-brzezinski-facelift.html "ট্রাম্প মিকা ব্রজেজিনস্কিকে বিদ্রূপ করেছেন"] থেকে উদ্ধৃত (২৯ জুন ২০১৭)
[[চিত্র:Donald_Trump_(29273256122)_-_Cropped.jpg|থাম্ব|মানুষের আত্মা অজানাকে জানার জন্য ব্যাকুল থাকে। মহাবিশ্বের রহস্য উন্মোচনের মাধ্যমে আমরা নিজেদের ভেতরের সত্যকেও উন্মোচন করি।]]
* মানুষের আত্মা অজানাকে জানার জন্য ব্যাকুল থাকে। মহাবিশ্বের রহস্য উন্মোচনের মাধ্যমে আমরা নিজেদের ভেতরের সত্যকেও উন্মোচন করি। এটা সত্যি। আমাদের মহাকাশ যাত্রা শুধু আমাদের শক্তিশালী আর সমৃদ্ধই করবে না, বরং আমাদের বড় লক্ষ্যগুলোর পেছনে ঐক্যবদ্ধ করবে এবং সবাইকে আরও কাছাকাছি নিয়ে আসবে। এটা কি দারুণ হবে না? আপনারা কি বিশ্বাস করতে পারেন যে মহাকাশ এমনটা করবে? আমি ভেবেছিলাম রাজনীতি হয়তো এটা করবে। (হাসি)। যাই হোক, আমাদের এখন মহাকাশের ওপরই ভরসা করতে হবে।
* প্রতিবার আকাশে কোনো কিছুর উৎক্ষেপণ আমাদের এমন এক ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায় যেখানে আমাদের সাধারণ মানবিকতার বিশালতার সামনে আমাদের পার্থক্যগুলো ছোট মনে হয়। অনেক সময় সত্যকে দেখার জন্য কোনো কিছুকে দূর থেকে দেখতে হয়। জ্ঞানের চিরন্তন সন্ধানে মানবতার অগ্রভাগে থাকা এবং অজানার অভিযানে জাতিগুলোর মধ্যে নেতৃত্ব দেওয়া আমেরিকার ভাগ্য।
* মহাকাশ। বাইরে অনেক জায়গা আছে, তাই না? ''[বাজ অলড্রিন মাঝপথে বলেন: অসীমের পথে এবং তারও ঊর্ধ্বে!]'' এটা অসীম, এটা অসীম হতে পারে, আমরা ঠিক জানি না। তবে হতেও পারে, সেখানে নিশ্চয়ই কিছু আছে, তবে এটা অসীম হতে পারে, তাই তো?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/06/30/remarks-president-signing-executive-order-national-space-council "ন্যাশনাল স্পেস কাউন্সিলের একটি নির্বাহী আদেশে সই করার সময় ট্রাম্পের বক্তব্য"] থেকে উদ্ধৃত (৩০ জুন ২০১৭)
==== জুলাই ২০১৭ ====
* আমাদের সময়ের মৌলিক প্রশ্নটি হলো পশ্চিমা বিশ্বের বেঁচে থাকার ইচ্ছা আছে কি না। যেকোনো মূল্যে আমাদের মূল্যবোধ রক্ষা করার আত্মবিশ্বাস কি আমাদের আছে? আমাদের সীমান্ত রক্ষা করার জন্য নাগরিকদের প্রতি কি আমাদের যথেষ্ট সম্মান আছে? যারা আমাদের সভ্যতাকে নসাৎ বা ধ্বংস করতে চায়, তাদের মুখে দাঁড়িয়ে আমাদের সভ্যতা টিকিয়ে রাখার আকাঙ্ক্ষা ও সাহস কি আমাদের আছে?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/07/06/remarks-president-trump-people-poland-july-6-2017 "পোল্যান্ডের জনগণের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্য"] (৬ জুলাই ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত
* ...ওবামাকেয়ারকে ব্যর্থ হতে দিন, এটি অনেক সহজ হবে। এবং আমি মনে করি আমরা সম্ভবত এমন অবস্থানে আছি যেখানে আমরা ওবামাকেয়ারকে ব্যর্থ হতে দেব। আমরা এর দায় নেব না। আমি এর দায় নেব না। আমি আপনাদের বলতে পারি যে রিপাবলিকানরা এর দায় নেবে না। আমরা ওবামাকেয়ারকে ব্যর্থ হতে দেব এবং তারপর ডেমোক্র্যাটরা আমাদের কাছে আসবে।
** হোয়াইট হাউসের এক সংবাদ সম্মেলন, ১৮ জুলাই ২০১৭, থমাস কাপলান লিখিত [https://www.nytimes.com/2017/07/18/us/politics/republicans-obamacare-repeal-now-replace-later.html রিপাবলিকানদের স্বাস্থ্য বিল ভেস্তে যাওয়ার সাথে সাথে ট্রাম্প বলেছেন "ওবামাকেয়ারকে ব্যর্থ হতে দিন]" শীর্ষক নিবন্ধে উদ্ধৃত, ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৮ জুলাই ২০১৭
* আমি অ্যাটর্নি জেনারেলের ওপর হতাশ। দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় পরপরই তার নিজেকে সরিয়ে নেওয়া উচিত হয়নি। আর যদি তিনি নিজেকে সরিয়ে নিতেই চাইতেন, তবে তার উচিত ছিল দায়িত্ব নেওয়ার আগেই আমাকে তা বলা। তাহলে আমি খুব সহজেই অন্য কাউকে বেছে নিতাম। তাই আমি মনে করি এটি একটি খারাপ ব্যাপার, রাষ্ট্রপতির জন্য নয় বরং রাষ্ট্রপতিত্বের জন্য। আমি মনে করি এটি রাষ্ট্রপতিত্বের প্রতি অন্যায় হয়েছে এবং আমি ঠিক এমনটাই মনে করি।
** হোয়াইট হাউসের এক সাংবাদিক সম্মেলনে [https://www.youtube.com/watch?v=ZgImDKyPZwg জেফ সেশনস সম্পর্কে একটি প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প] (২৫ জুলাই ২০১৭)
* আমি বলেছি দয়া করে খুব বেশি ভালো হবেন না। যেমন আপনারা যখন কাউকে গাড়িতে তোলেন এবং তাদের মাথা রক্ষা করেন, আপনারা জানেন, যেভাবে হাত দিয়ে আড়াল করেন যাতে মাথায় আঘাত না লাগে অথচ তারা হয়তো মাত্রই কাউকে খুন করে এসেছে, তাদের মাথায় যাতে আঘাত না লাগে? আমি বললাম, আপনারা হাত সরিয়ে নিতে পারেন, ঠিক আছে।
** লং আইল্যান্ডের সাফোক কাউন্টি কমিউনিটি কলেজে [https://www.youtube.com/watch?v=NFgjNPiq9Cw পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের বক্তব্য (২৮ জুলাই ২০১৭)
===== ২০১৭ ন্যাশনাল স্কাউট জাম্বোরি (২৪ জুলাই ২০১৭) =====
<small>[https://www.youtube.com/watch?v=TplF26czQVE ২০১৭ ন্যাশনাল স্কাউট জাম্বোরিতে তরুণদের অনুপ্রাণিত করছেন ট্রাম্প] (২৪ জুলাই ২০১৭)</small>
* আমি বললাম, ছেলে স্কাউটদের সামনে দাঁড়িয়ে কে রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে চায়, তাই না?
* আপনারা জানেন, আমি ওয়াশিংটনে যাই এবং এই সব রাজনীতিবিদদের দেখি, আর আমি সেই সোয়াম্প দেখি। এটি কোনো ভালো জায়গা নয়। আসলে আজ আমি বলেছি যে আমাদের 'সোয়াম্প' শব্দটি বদলে 'সেসপুল' বা হয়তো 'সুয়্যার' শব্দ ব্যবহার করা উচিত। তবে এটি ভালো নয়, একদমই ভালো নয়।
* সেক্রেটারি টম প্রাইসও এখানে আছেন। আজ ডক্টর প্রাইস আমাদের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা সচিব হিসেবে লক্ষ লক্ষ আমেরিকানকে শক্তিশালী এবং সুস্থ রাখতে সাহায্য করার মাধ্যমে স্কাউট শপথ অনুযায়ী কাজ করে চলেছেন এবং তিনি চমৎকার কাজ করছেন। আর আশা করি তিনি ওবামাকেয়ার নামের এই ভয়ংকর জিনিসটিকে শেষ করার পথে আগামীকাল প্রয়োজনীয় ভোট পাবেন যা আমাদের সত্যিই ক্ষতি করছে। যাই হোক, আপনি কি ভোটগুলো পাবেন? তাকে সেগুলো পেতেই হবে। তাকে সেগুলো পেতেই হবে। ওহ, তাকে পেতেই হবে, অন্যথায় আমি বলব, "টম, তোমাকে বরখাস্ত করা হলো।"
* দয়া করে ওই ক্যামেরাগুলো পেছনের দিকে ঘোরান, ওটা অবিশ্বাস্য। যাই হোক, আপনাদের কী মনে হয় এই বিশাল এবং রেকর্ড সৃষ্টিকারী ভিড় আজ রাতে টেলিভিশনে দেখানোর সম্ভাবনা কতটুকু? ১ শতাংশ না কি শূন্য? ভুয়া মিডিয়া বলবে, "রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প", আর আপনারা জানেন এটি কী, "রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প আজ ছেলে স্কাউটদের এক ছোট ভিড়ের সামনে ভাষণ দিয়েছেন।"
* যাই হোক, শুধু একটা প্রশ্ন, রাষ্ট্রপতি ওবামা কি কখনো কোনো জাম্বোরিতে এসেছিলেন?
* আর আপনারা জানেন ইলেক্ট্রোরাল কলেজে আমাদের অনেক অসুবিধা আছে, পপুলার ভোট পাওয়া অনেক সহজ।
==== আগস্ট ২০১৭ ====
* [[উত্তর কোরিয়া]]র জন্য এটাই সবচেয়ে ভালো হবে যেন তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে আর কোনো হুমকির আঙুল না তোলে। তাদের এমন '''আগুন আর প্রচণ্ড রাগের মোকাবিলা করতে হবে যা দুনিয়া আগে কখনো দেখেনি'''। তিনি একটি সাধারণ রাষ্ট্রের সীমা ছাড়িয়ে অনেক বেশি হুমকি দিচ্ছেন। তাদের এমন '''আগুন, প্রচণ্ড রাগ আর সত্যি বলতে এমন শক্তির''' মুখে পড়তে হবে যা এই পৃথিবী আগে কখনো দেখেনি।
** ওপিওয়েড অতিমারি সংক্রান্ত এক জনসভায় উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য।
** সিএনএনেরর [http://www.cnn.com/2017/08/09/politics/trump-fire-fury-improvise-north-korea/index.html ট্রাম্পের 'আগুন ও প্রচণ্ড ক্রোধ' বিষয়ক মন্তব্যটি তাৎক্ষণিক ছিল কিন্তু ছিল বিখ্যাত], ৯ আগস্ট ২০১৭।
* আমরা অনেক পক্ষ থেকে, হ্যাঁ অনেক পক্ষ থেকেই ঘৃণা, গোঁড়ামি আর সহিংসতার এই ভয়াবহ রূপের কড়া ভাষায় নিন্দা জানাই। আমাদের দেশে এটি দীর্ঘ সময় ধরে চলে আসছে। এটি ডোনাল্ড ট্রাম্প বা বারাক ওবামার সময় থেকে নয়, বরং অনেক অনেক দিন ধরে চলছে।
** ভার্জিনিয়ার শার্লটসভিলে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী র্যালির সন্ত্রাস সম্পর্কে প্রথম বিবৃতি। [https://www.theguardian.com/us-news/2017/aug/12/charlottesville-protest-trump-condemns-violence-many-sides] দ্য গার্ডিয়ান। (১২ আগস্ট ২০১৭)
*বর্ণবাদ একটি শয়তানি। আর যারা এর নামে অশান্তি সৃষ্টি করে তারা স্রেফ অপরাধী আর গুন্ডা। কেকেকে, নব্য-নাৎসি, শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী আর অন্যান্য ঘৃণ্য গোষ্ঠীগুলো আমেরিকান হিসেবে আমাদের প্রিয় আদর্শগুলোর পরিপন্থী এবং জঘন্য। যারা গোঁড়ামির নামে অশান্তি ছড়ায় তারা আমেরিকার মূল সত্তায় আঘাত করে। প্রার্থী হিসেবে আমি দেশে আইন-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম এবং আমাদের সরকারি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো সেই কথা রাখছে। আমরা এই লড়াইয়ে কোনো কিছুর কমতি রাখব না যাতে প্রতিটি আমেরিকান শিশু ভয় আর সহিংসতা ছাড়া বড় হতে পারে। আমরা সকল আমেরিকানের পবিত্র অধিকার রক্ষা করব এবং আমরা সবাই মিলে কাজ করব যাতে এই ধন্য দেশের প্রতিটি নাগরিক তাদের মনের স্বপ্ন পূরণ করতে পারে এবং আমাদের আত্মার ভালোবাসা ও আনন্দ প্রকাশ করতে পারে।
** ১১-১২ আগস্ট ২০১৭ তারিখে ভার্জিনিয়ার শার্লটসভিলে অনুষ্ঠিত একটি চরম-ডানপন্থী র্যালিতে সহিংসতার বিষয়ে পরবর্তী বিবৃতি; [http://www.cnn.com/2017/08/14/politics/trump-condemns-charlottesville-attackers/index.html ট্রাম্প কেকেকে, নব্য-নাৎসি আর শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীদের 'জঘন্য' বলেছেন] (১৪ আগস্ট ২০১৭)
*'''হ্যাঁ, আমি মনে করি দুই পক্ষেরই দোষ আছে। আপনারা দুই পক্ষকেই ভালো করে দেখুন, আমার মনে হয় দুই পক্ষেরই দোষ আছে এবং এ নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই, আপনাদেরও থাকা উচিত নয়।''' আর আপনারা যদি এটি সঠিকভাবে তুলে ধরতেন, তবে বলতেন... [সাংবাদিক: নব্য-নাৎসিরা এটি শুরু করেছিল। তারা শার্লটসভিলে এসেছিল। তারা... (সাংবাদিকদের শোরগোল)] মাফ করবেন। শুনুন। '''তারা নিজেদের নব্য-নাৎসি হিসেবে পরিচয় দেয়নি।''' আর সেই দলে কিছু খুব খারাপ মানুষ ছিল। '''কিন্তু দুই পক্ষেই এমন কিছু মানুষ ছিল যারা খুব ভালো মানুষ ছিল।''' সেই দলে এমন কিছু লোক ছিল — মাফ করবেন — আমি আপনাদের মতোই ছবিগুলো দেখেছি। সেই দলে এমন লোক ছিল যারা তাদের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি মূর্তি সরিয়ে ফেলা এবং একটি পার্কের নাম রবার্ট ই. লি থেকে অন্য নামে বদলানোর প্রতিবাদ করতে সেখানে এসেছিল। [সাংবাদিকদের শোরগোল] জর্জ ওয়াশিংটন কি দাসের মালিক ছিলেন না? অবশ্যই ছিলেন। তাহলে কি এখন জর্জ ওয়াশিংটন তার মর্যাদা হারাবেন? আমরা কি — মাফ করবেন — আমরা কি এখন জর্জ ওয়াশিংটনের মূর্তি সরিয়ে ফেলব? থমাস জেফারসনের কথাই ধরুন। আপনারা তাকে পছন্দ করেন, তাই তো? ভালো। আমরা কি এখন তার মূর্তি সরিয়ে ফেলব কারণ তিনি একজন বড় দাসের মালিক ছিলেন? এভাবে তো আপনারা ইতিহাস আর সংস্কৃতিকেই বদলে দিচ্ছেন। সেই দলে এমন কিছু লোক ছিল — এবং '''আমি নব্য-নাৎসি আর শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদীদের কথা বলছি না, কারণ তাদের পুরোপুরি নিন্দা জানানো উচিত''' — কিন্তু সেই দলে '''নব্য-নাৎসি আর শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী ছাড়াও আরও অনেক সাধারণ মানুষ ছিল''', ঠিক আছে? আর সংবাদমাধ্যম তাদের সাথে চরম অন্যায় আচরণ করেছে। আবার অন্য দলেও কিছু ভালো মানুষ ছিল, কিন্তু সেখানে কিছু দাঙ্গাবাজও ছিল যাদের আপনারা '''কালো পোশাক, হেলমেট আর বেসবল ব্যাট''' নিয়ে আসতে দেখেছেন। অন্য দলেও অনেক খারাপ লোক ছিল।
* শনিবার আমি যে বিবৃতিটি দিয়েছিলাম, সেই প্রথম কথাগুলো একদম সঠিক ছিল।
** নিউ ইয়র্কের ট্রাম্প টাওয়ারে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে রয়টার্সের [https://www.reuters.com/article/us-virginia-protests-idUSKCN1AV0WT "ভার্জিনিয়ার প্রাণঘাতী সহিংসতার জন্য ট্রাম্প আবারও উভয় পক্ষকে দায়ী করেছেন"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৫ আগস্ট ২০১৭)। প্রতিলিপি: [https://www.cnbc.com/2017/08/15/read-the-transcript-of-donald-trumps-jaw-dropping-press-conference.html সিএনবিসি], [https://www.vox.com/2017/8/15/16154028/trump-press-conference-transcript-charlottesville ভক্স]।
==== সেপ্টেম্বর ২০১৭ ====
* এটি এমন এক রাষ্ট্রপতিত্ব যার প্রধান বৈশিষ্ট্য আদর্শ নয়, এমনকি নীতিও নয়। এটি হলো এক ধরনের স্নায়বিক সমস্যা।
** ব্রেট স্টিফেনস, [http://archive.is/bD7xJ "ট্রাম্প রক্ষণশীলদের তাদের উপযুক্ত পাওনা বুঝিয়ে দিচ্ছেন"] (১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস''
* ভেনেজুয়েলার সমস্যা এটা নয় যে সেখানে [[সমাজতন্ত্র]] ঠিকমতো বাস্তবায়ন করা হয়নি। বরং সমস্যাটা হলো সেখানে সমাজতন্ত্র ঠিকঠাকভাবেই বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭২তম অধিবেশনে দেওয়া তার প্রথম ভাষণে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। (১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭)
* আপনারা এর চেয়ে ভালো একটা কাজই করতে পারেন যদি দেখেন এমনটা হচ্ছে, এমনকি একজন খেলোয়াড়ও যদি এমন করে, তবে স্টেডিয়াম ছেড়ে চলে যান। আমি কথা দিচ্ছি, এসব বন্ধ হয়ে যাবে। এসব বন্ধ হবেই। শুধু উঠে চলে যান। উঠে চলে যান। এমনিতেও খেলাটা আর আগের মতো নেই। আপনারা কি দেখতে চাইবেন না যে এনএফএলের মালিকদের কেউ একজন, যখন কেউ আমাদের পতাকাকে অসম্মান করছে, তখন বলছেন, 'ওই কুত্তার বাচ্চাকে এখনই মাঠ থেকে বের করে দাও। বের করো! ওকে বরখাস্ত করা হলো। ওকে বরখাস্ত করা হলো!'
** অ্যালাবামার হান্টসভিলে এক জনসভায় মার্কিন পতাকার বিরুদ্ধে এনএফএল খেলোয়াড়দের প্রতিবাদ প্রসঙ্গে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
** {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৭-০৯-২২ |শিরোনাম=জাতীয় সংগীতে হাঁটু গেড়ে বসার জন্য এনএফএল খেলোয়াড়দের বরখাস্তের দাবি জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প — এবং তারা এর জবাব দিয়েছে |লেখক=অ্যারিক জেনকিন্স |সাময়িকী=ফরচুন |ইউআরএল=http://fortune.com/2017/09/23/donald-trump-nfl-players-anthem-response/}}
* হোমল্যান্ড সিকিউরিটি থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষা বিভাগ পর্যন্ত আমাদের সরকারের সব যথাযথ বিভাগ এই দুর্যোগ মোকাবিলায় পুরোপুরি নিয়োজিত আছে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে উদ্ধার ও পুনরুদ্ধারের এমন প্রচেষ্টা হয়তো আগে কখনো দেখা যায়নি। এটি একটি দ্বীপ যার চারিদিকে জল, বিশাল জলরাশি, সমুদ্রের জল।
** ঘূর্ণিঝড় মারিয়া সম্পর্কে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
** {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৭-০৯-২৯ |শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন পুয়ের্তো রিকো হলো 'বিশাল জলরাশি বেষ্টিত একটি দ্বীপ' |লেখক=এমিলি শুগারম্যান |সাময়িকী=দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট |অবস্থান=ইউকে |ইউআরএল=https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-politics/donald-trump-puerto-rico-hurricane-maria-comments-island-big-water-a7975011.html}}
==== অক্টোবর ২০১৭ ====
* আপনারা কি জানেন এটি কিসের প্রতীক? হয়তো এটি ঝড়ের আগের শান্ত মুহূর্ত। ''[সাংবাদিক: কিসের ঝড়?]'' হতে পারে ঝড়ের আগের শান্ত, একদম শান্ত একটা ভাব। [সাংবাদিক: কিসের ঝড় মিস্টার প্রেসিডেন্ট?] এই ঘরে বিশ্বের সেরা সামরিক ব্যক্তিরা আছেন, আমি শুধু আপনাদের এটাই বলব, আর আমাদের সন্ধ্যাটা খুব চমৎকার কাটবে। ''[সাংবাদিক: কিসের ঝড় মিস্টার প্রেসিডেন্ট?]'' আপনারা জানতে পারবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.washingtonpost.com/news/post-politics/wp/2017/10/06/trump-gathers-with-military-leaders-says-maybe-its-the-calm-before-the-storm/ "হোয়াইট হাউসে ছবি তোলার সময় দেওয়া বক্তব্য"] থেকে উদ্ধৃত (৬ অক্টোবর ২০১৭)
* সংবাদমাধ্যম হলো — সত্যি বলতে, আমার উদ্ভাবিত সেরা শব্দগুলোর একটি হলো "ফেক" (ভুয়া)। আমার ধারণা হয়তো অন্য মানুষও বছরের পর বছর এটি ব্যবহার করেছে, কিন্তু আমি কখনো তা খেয়াল করিনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ড্যানিয়েল ডেল লিখিত [https://www.thestar.com/news/world/2017/10/08/donald-trump-defends-paper-towels-in-puerto-rico-says-stephen-paddock-was-probably-smart-in-bizarre-tv-interview-analysis.html এক বিচিত্র টিভি সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প পুয়ের্তো রিকোর পেপার টাওয়েল নিয়ে আত্মপক্ষ সমর্থন করেছেন এবং স্টিফেন প্যাডক সম্পর্কে বলেছেন সে 'সম্ভবত বুদ্ধিমান' ছিল: একটি বিশ্লেষণ] শীর্ষক নিবন্ধে উদ্ধৃত, দ্য স্টার ডট কম, ৮ অক্টোবর ২০১৭
* চেইন মাইগ্রেশন হলো অন্যতম এক বিপর্যয়। আপনি একজনকে আসতে দিচ্ছেন আর সেই একজন ১০ বা ১২ জনকে নিয়ে আসছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ১১ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে [https://abcnews.go.com/US/times-trump-slammed-chain-migration-apparently-helped-wifes/story?id=57132429 শন হ্যানিটি]র নেওয়া সাক্ষাৎকারে
* আর আমরা এটি সেই সব বাবা-মায়েদের মধ্যে দেখি যারা ভোরবেলায় ঘুম থেকে ওঠেন; তারা দুটো চাকরি করেন, কখনো কখনো তিনটা চাকরিও করেন। তারা প্রতিদিন আসবাবপত্র এবং তাদের সন্তানদের ভবিষ্যতের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.palmerreport.com/opinion/random-words-donald-trump/5573/ ২০১৭ ভ্যালুস ভোটার সামিটে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্য] থেকে উদ্ধৃত (১৩ অক্টোবর ২০১৭)
* এইমাত্র খবর এল: "চরমপন্থী ইসলামি সন্ত্রাসের প্রসারের মাঝে যুক্তরাজ্যে বার্ষিক অপরাধের হার ১৩% বেড়েছে।" ভালো কথা নয়, আমাদের অবশ্যই আমেরিকাকে নিরাপদ রাখতে হবে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.snopes.com/trump-uk-terrorism/ @রিয়েলডোনাল্ডট্রাম্প এর টুইট] থেকে উদ্ধৃত (২০ অক্টোবর ২০১৭)
* আমাদের সম্পর্ক খুব ভালো। লোকে বলে যেকোনো রাষ্ট্রপতি-রাষ্ট্রপতির মধ্যে আমাদের সম্পর্ক সবচেয়ে সেরা, কারণ তাকেও রাষ্ট্রপতি বলা হয়। এখন কেউ কেউ তাকে চীনের রাজা বলে ডাকতে পারে, কিন্তু তাকে রাষ্ট্রপতিই বলা হয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ২৫ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে [https://www.realclearpolitics.com/video/2017/10/25/full_lou_dobbs_interview_trump_asks_what_could_be_more_fake_than_cbs_nbc_abc_and_cnn.html ফক্স বিজনেসে লু ডবসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শি জিনপিং প্রসঙ্গে] থেকে উদ্ধৃত
==== নভেম্বর ২০১৭ ====
* কিম জং-উন কেন আমাকে "বুড়ো" বলে অপমান করবেন, যেখানে আমি তাকে কখনোই "বেঁটে আর মোটা" বলি না? যা-ই হোক, আমি তার বন্ধু হওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছি — হয়তো কোনো একদিন তেমনটা হয়েও যাবে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], কোরি চার্লটন লিখিত [https://www.thesun.co.uk/news/4895959/donald-trump-calls-kim-jong-un-short-and-fat-and-says-hes-trying-hard-to-be-his-friend/ ডোনাল্ড ট্রাম্প কিম জং-উনকে 'বেঁটে আর মোটা' বলেছেন এবং বলেছেন যে তিনি 'তার বন্ধু হওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছেন'] শীর্ষক নিবন্ধে উদ্ধৃত, ''দ্য সান'', ৮ নভেম্বর ২০১৭
* [[হোয়াইট হাউস]]ে ভারতের একজন প্রকৃত বন্ধু আছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ২৮ নভেম্বর ২০১৭, [http://indianexpress.com/article/india/india-has-true-friend-at-white-house-says-ivanka-trump-at-global-entrepreneurship-summit-full-text-ivanka-trump/ গ্লোবাল এন্টারপ্রেনারশিপ সামিটে ইভানকা ট্রাম্প বলেছেন হোয়াইট হাউসে ভারতের অকৃত্রিম বন্ধু আছে], ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
==== ডিসেম্বর ২০১৭ ====
* সে অনেক মানুষকে মেরে ফেলেছে, তাদের ওপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে দিয়েছে। আর এসব হয়েছে ওই ধারাবাহিক অভিবাসনের সুযোগে। এই নিয়ম অনুযায়ী, দেখা যাচ্ছে তার সাথে হয়তো ২২ থেকে ২৪ জন লোক এ দেশে এসেছিল। তার দাদা, দাদি, মা, বাবা, ভাই আর বোনেরা। আমাদের এই ধারাবাহিক অভিবাসন ব্যবস্থা বন্ধ করতে হবে। আমাদের এটি বন্ধ করতেই হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.breitbart.com/politics/2017/12/08/trump-time-congress-adopt-pro-american-immigration-agenda/ ৮ ডিসেম্বর ২০১৭] থেকে উদ্ধৃত
=== ২০১৮ ===
==== জানুয়ারি ২০১৮ ====
* গত ১৫ বছরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বোকার মতো পাকিস্তানকে ৩৩ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি সাহায্য দিয়েছে, তারা আমাদের মিথ্যা আর প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই দেয়নি; আমাদের নেতাদের তারা বোকা ভেবেছে। আমরা আফগানিস্তানে যেসব সন্ত্রাসীদের খুঁজি, তারা তাদের নিরাপদ আশ্রয় দেয়, আর আমাদের খুব সামান্যই সাহায্য করে। আর না!
** সিএনএন: ২০১৮ সালে ট্রাম্পের প্রথম টুইট: পাকিস্তান আমাদের 'মিথ্যা আর প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই দেয়নি' [https://edition.cnn.com/2018/01/01/politics/donald-trump-2018-pakistan/index.html], দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট [https://www.independent.co.uk/news/world/americas/donald-trump-pakistan-tweet-lies-deceit-aid-us-president-terrorism-aid-a8136516.html]
* এই দেশে মানহানি আইনগুলো খুব দুর্বল। সেগুলো যদি শক্তিশালী হতো, তবে খুব কাজে দিত। আপনার মাথায় যাই আসুক তাই বলে দিলেন, এমনটা আর হতে পারত না।
** মাইকেল উলফের ''ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি'' সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উত্তর, [https://factba.se/transcript/donald-trump-remarks-questions-camp-david-gop-retreat-january-6-2018 ক্যাম্প ডেভিড ভাষণ] (৬ জানুয়ারি ২০১৮)
* আমি একজন অত্যন্ত সফল ব্যবসায়ী থেকে শীর্ষ টিভি তারকা... তারপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হয়েছি (প্রথম চেষ্টাতেই)। আমি মনে করি এটি আমাকে স্রেফ বুদ্ধিমান নয়, বরং একজন জিনিয়াস হিসেবে প্রমাণ করে... আর তাও আবার এক অত্যন্ত স্থিরবুদ্ধি সম্পন্ন জিনিয়াস!
** টুইটারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], সিএনএনের [https://www.cnn.com/2018/01/06/politics/donald-trump-white-house-fitness-very-stable-genius/index.html ট্রাম্প: আমি একজন 'অত্যন্ত স্থিরবুদ্ধি সম্পন্ন জিনিয়াস'] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (৬ জানুয়ারি ২০১৮)
* আমি ব্যায়াম করি। মানে আমি হাঁটি, এটা ওটা করি। পাশের ভবনে দৌঁড়ে যাই। মানুষ যা ভাবে তার চেয়ে বেশি ব্যায়াম আমি করি।<br>অনেকে জিমে গিয়ে দুই ঘণ্টা কসরত করে। আমি অনেককে দেখেছি... তারপর তাদের ৫৫ বছর বয়সে হাঁটু বা নিতম্ব পাল্টাতে হয়। আমার সেই সমস্যা নেই।<br>আমার মনে হয় তারা সবাই বুঝতে পেরেছে যে এমন একজন রাষ্ট্রপতির ওপরই সব ছাড়তে হবে যিনি পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি নম্বর পেয়েছেন। আমি আর কী বলব?<br>আমি অনেকদিন পর ট্রেডমিলে উঠেছিলাম, সেটির ঢাল খুব বেশি ছিল এবং আমি দীর্ঘ সময় সেখানে ছিলাম।<br>তারা অবাক হয়ে গিয়েছিল। তারা বলল, 'ঠিক আছে, আপনি এখন থামতে পারেন, এটা দারুণ।' আমি বললাম, 'আপনারা চাইলে আমি আরও অনেকক্ষণ করতে পারি।'<br>আমি সব সময় ডায়েটে বিশ্বাস করি কারণ আমি শক্তিশালী, বুঝলেন? আমি বল অনেক দূরে মারতে পারি। মানে আমি শারীরিকভাবে শক্তিশালী।<br>হোয়াইট হাউসে যারা খাবার তৈরি করেন তারা অসাধারণ, কিন্তু আমি মনে করি তারা হয়তো খাবারের পরিমাণ কিছুটা কমাতে পারেন এবং হয়তো চর্বিযুক্ত উপকরণগুলো বাদ দিতে পারেন, এতে আমার কোনো সমস্যা নেই।
** রয়টার্সের সাথে এক [https://www.reuters.com/article/us-usa-trump-fitness/exclusive-exercise-i-get-more-than-people-think-trump-says-idUSKBN1F633B সাক্ষাৎকারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৭ জানুয়ারি ২০১৮)
* বর্তমানে বেশ কিছু অঙ্গরাজ্যে আইন অনুযায়ী নবম মাসে মায়ের গর্ভ থেকে সন্তান জন্ম দেওয়ার অনুমতি আছে। এটি ভুল, এটি পরিবর্তন করা দরকার।
** র্যাচেল ক্রস লিখিত [http://mashable.com/2018/01/19/trump-march-for-life-childbirth/#NXYV1ubFzSqW "ট্রাম্প মূলত সন্তান জন্মদানের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৯ জানুয়ারি ২০১৮), ''ম্যাশাবল''
* আপনি যদি আমাকে বলেন যে তারা খুব খারাপ মানুষ, ভয়ংকর বর্ণবাদী মানুষ, তবে আপনি চাইলে আমি অবশ্যই ক্ষমা চাইব।
** গত নভেম্বরে ব্রিটিশ ফার্স্টের উস্কানিমূলক এবং যাচাই না করা ইসলাম-বিদ্বেষী ভিডিওগুলো রিটুইট করা প্রসঙ্গে [http://www.itv.com/goodmorningbritain/news/piers-morgan-donald-trump-says-sorry-to-britain গুড মর্নিং ব্রিটেনে পিয়ার্স মরগ্যানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]] (২৬ জানুয়ারি ২০১৮)
* ''[সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী: আপনি কি জলবায়ু পরিবর্তনে বিশ্বাস করেন? আপনি কি মনে করেন এর অস্তিত্ব আছে?]'' উম্ম, কখনো ঠান্ডা হয় আবার কখনো গরম হয়, আর দেখুন, আগে একে জলবায়ু পরিবর্তন বলা হতো না, বলা হতো গ্লোবাল ওয়ার্মিং। ''[সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী: ঠিক।]'' তাই না? ওটা খুব একটা কাজে দিচ্ছিল না, কারণ সব জায়গায় খুব বেশি ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছিল। বরফের আস্তরণগুলো গলে যাওয়ার কথা ছিল, এতদিনে তো সেগুলো শেষ হয়ে যাওয়ার কথা, কিন্তু এখন সেগুলো রেকর্ড গড়ছে, সেগুলো এখন রেকর্ড মাত্রায় আছে।
** ব্রিটিশ টিভিতে দেওয়া এক [https://www.itv.com/news/2018-01-29/what-we-learned-from-donald-trumps-interview-with-itv/ সাক্ষাৎকারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৮ জানুয়ারি ২০১৮)
* সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে নিউ ইয়র্কে দুটি সন্ত্রাসী হামলা এই ভিসা লটারি এবং ধারাবাহিক অভিবাসনের কারণেই সম্ভব হয়েছে।
** ব্রেইটবার্টে [https://www.breitbart.com/live/state-union-fact-check-analysis-livewire/fact-check-yes-nyc-terrorists-entered-u-s-chain-migration-visa-lottery/ ৩০ জানুয়ারি ২০১৮] তারিখে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আমরা আমাদের মহান জাতির প্রতি আফ্রিকান আমেরিকানদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানকে সম্মান জানাতে ন্যাশনাল আফ্রিকান আমেরিকান হিস্ট্রি মান্থ পালন করি।
** [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/president-donald-j-trump-proclaims-february-2018-national-african-american-history-month/ ৩১ জানুয়ারি ২০১৮] তারিখে করা ঘোষণায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
*** টুইটারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের রিটুইট, [https://twitter.com/statedept/status/959192815313080323 ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, @স্টেটডিপার্টমেন্ট] এবং [https://twitter.com/whitehouse/status/959481056373149696 ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, @হোয়াইটহাউস]
==== ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ====
[[চিত্র:State_of_the_Union_(39974380282).jpg|থাম্ব|আমরা কি একে দেশদ্রোহিতা বলতে পারি? কেন নয়?]]
* একদিকের অর্ধেক লোক একদম পাগল হয়ে যাচ্ছিল, তারা সব কিছু পছন্দ করছিল, তারা দেশের জন্য ভালো কিছু করতে চায়। আর অন্যদিকে বাকিরা, এমনকি ইতিবাচক খবরেও, সত্যিই খুব ভালো খবরেও তারা এমন মুখ করে ছিল যেন কেউ মারা গেছে। এটা তো দেশপ্রেমবিরোধী। কেউ একজন একে দেশদ্রোহিতা বলেছে, আমার মনে হয়, হ্যাঁ কেন নয়? আমরা কি এটাকে দেশদ্রোহিতা বলতে পারি? কেন নয়?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=zjwPiE1wCU0 সিনসিনাটিতে ডেমোক্র্যাটদের হাততালি না দেওয়া প্রসঙ্গে বক্তব্য], তার স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণের সময় (৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)
* একটি নিরাপদ, আধুনিক আর আইনসম্মত অভিবাসন ব্যবস্থা তৈরির জন্য আমার প্রশাসন তিনটি প্রধান লক্ষ্য স্থির করেছে: সীমান্ত পুরোপুরি সুরক্ষিত করা, ধারাবাহিক অভিবাসন বন্ধ করা আর ভিসা লটারি বাতিল করা। এই ধারাবাহিক অভিবাসন একটি বিপর্যয় এবং আমাদের দেশের জন্য খুব অন্যায্য। এই ভিসা লটারি এমন একটা বিষয় যা শুরুতেই অনুমতি দেওয়া উচিত হয়নি। মানুষ আমাদের দেশে আসার জন্য লটারি খেলে। এটা কেমন ব্যবস্থা? এখন কংগ্রেসের পদক্ষেপ নেওয়ার আর আমেরিকানদের রক্ষা করার সময় এসেছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে [https://abcnews.go.com/US/times-trump-slammed-chain-migration-apparently-helped-wifes/story?id=57132429 এবিসি নিউজ]-এ উদ্ধৃত
* ফেক নিউজ @সিএনএন আর @এনবিসি-তে যেমনটা বলা হয়েছে, আমি কখনো বলিনি যে "শিক্ষকদের হাতে বন্দুক তুলে দাও"। আমি বলেছিলাম সামরিক বা বিশেষ প্রশিক্ষণ পাওয়া দক্ষ শিক্ষকদের হাতে গোপন অস্ত্র রাখার সুযোগ দেওয়ার কথা, শুধুমাত্র সেরাদের জন্য। প্রায় ২০ শতাংশ শিক্ষক, সংখ্যাটা অনেক, তারা এখন সক্ষম হবেন...
* ...কোনো জানোয়ার বা অসুস্থ লোক যদি খারাপ উদ্দেশ্যে স্কুলে আসে, তবে তারা সাথে সাথে পাল্টা গুলি ছুড়তে পারবেন। উচ্চ প্রশিক্ষিত শিক্ষকরা ওই সব কাপুরুষদের সামনে বাধা হিসেবে কাজ করবেন যারা এমন কাজ করে। রক্ষী রাখার চেয়ে অনেক কম খরচে এটি অনেক বেশি কার্যকর হবে। "অস্ত্রহীন" স্কুলগুলো খারাপ লোকদের টানে। হামলা বন্ধ হবেই!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট (২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮), এনবিসি নিউজের [https://www.nbcnews.com/politics/politics-news/trump-defends-arming-teachers-protect-students-sicko-shooter-n850216 "শিক্ষকদের সশস্ত্র করার পক্ষে ট্রাম্পের সাফাই, এনআরএর প্রশংসা"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)
* কারণ আমেরিকার মানুষ সরকারকে পূজা করে না। তারা ঈশ্বরকে পূজা করে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=QsUZCo7hasI সিপ্যাক সম্মেলনে] উদ্ধৃত (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)
* অথবা মাইক, আগে আগ্নেয়াস্ত্রগুলো নিয়ে নাও তারপর আদালতে যাও, কারণ ওটা অন্য ব্যবস্থা। কারণ অনেক সময় আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে পৌঁছাতে অনেক দেরি হয়ে যায়। '''আগেভাগেই বন্দুক কেড়ে নেওয়া আমার পছন্দ।''' যেমন ফ্লোরিডার এই পাগল লোকটার ঘটনায় দেখা গেছে, তার কাছে অনেক অস্ত্র ছিল, সবাই তা দেখেছে, আদালতে যেতে গেলে অনেক সময় লাগত। তাই আপনি যা বলছেন ঠিক সেটাই করতে পারেন, '''তবে আগে বন্দুকগুলো নিয়ে নিন, আইনি প্রক্রিয়া পরে হবে।'''
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে বন্দুক সহিংসতা নিয়ে এক বৈঠকে উদ্ধৃত [https://eu.usatoday.com/story/news/factcheck/2021/10/14/fact-check-trump-made-comment-taking-guns-without-due-process/6070319001/] [https://www.c-span.org/video/?c4907473/user-clip-trump-pence-feb-28-2018] [https://www.factcheck.org/2020/09/trump-said-i-like-taking-the-guns-early-not-harris/]
==== মার্চ ২০১৮ ====
*ভুলে যাবেন না চীন কত শক্তিশালী, আর [[শি জিনপিং]] একজন অত্যন্ত ভদ্রলোক। তিনি এখন আজীবনের জন্য রাষ্ট্রপতি। আমৃত্যু রাষ্ট্রপতি। আর তিনি দুর্দান্ত। দেখুন, তিনি সেটি করে দেখিয়েছেন। আমি মনে করি এটি দারুণ। হয়তো কোনো একদিন আমাদেরও এটি চেষ্টা করে দেখতে হবে।
** মার-এ-লাগোতে এক তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], কেভিন লিপটাক লিখিত [https://www.cnn.com/2018/03/03/politics/trump-maralago-remarks/index.html "ক্ষমতা সুসংহত করা চীনের শি সম্পর্কে ট্রাম্প: ''হয়তো কোনো একদিন আমরাও এটি চেষ্টা করে দেখব''"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, ''সিএনএন'', ৩ মার্চ ২০১৮।
==== এপ্রিল ২০১৮ ====
* আমি হোয়াইট হাউস হিস্টোরিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন এবং সেই সব মানুষকে ধন্যবাদ জানাতে চাই যারা মেলানিয়া এবং বাকি সবার সাথে মিলে এই অবিশ্বাস্য বাড়ি বা ভবনটিকে বা আপনি একে যাই বলতে চান, কারণ আসলে এর উপযুক্ত কোনো নাম নেই; এটি অনন্য, একদম চমৎকার অবস্থায় রাখতে কঠোর পরিশ্রম করছেন। আমরা একে মাঝে মাঝে একদম ঝকঝকে তকতকে বা টিপি-টপ অবস্থা বলি। আর এটি সত্যিই দারুণ একটি জায়গা।
** ইস্টার উপলক্ষে দেওয়া এক ভাষণে [[হোয়াইট হাউস]] প্রসঙ্গে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২ এপ্রিল ২০১৮)
* আর ধারাবাহিক অভিবাসনের কথা ভাবুন একবার। ধরুন আপনি আসলেন, আর এখন আপনি আপনার পরিবারকে নিয়ে আসতে পারছেন, তারপর আপনার মা আর বাবাকে নিয়ে আসতে পারছেন। আপনি আপনার দাদিকেও নিয়ে আসতে পারেন। আপনি আপনার আত্মীয়স্বজনদের নিয়ে আসতে পারেন ম্যানহাটনের ওয়েস্ট সাইড হাইওয়েতে, যা আমি খুব ভালো করেই চিনি, এমন একজন ছিল যে গাড়ি চালিয়ে দিয়েছিল; আমার মনে হয় সে প্রায় আটজনকে মেরে ফেলেছিল।
** ৫ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে [https://abcnews.go.com/US/times-trump-slammed-chain-migration-apparently-helped-wifes/story?id=57132429 এবিসি নিউজে] উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
==== মে ২০১৮ ====
[[চিত্র:Protests after US decision to withdraw from JCPOA, around former US embassy, Tehran - 8 May 2018 25.jpg|থাম্ব|আমরা এমন কোনো [[:w:ইসলামি প্রজাতন্ত্রী ইরান সরকার|শাসনব্যবস্থাকে]] পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাণঘাতী অস্ত্রের নাগাল পেতে দেব না যারা "আমেরিকা ধ্বংস হোক" স্লোগান দেয়।]]
* আমেরিকা পারমাণবিক ব্ল্যাকমেলের কাছে জিম্মি হয়ে থাকবে না। আমরা মার্কিন শহরগুলোকে ধ্বংসের হুমকির মুখে পড়তে দেব না। আর '''আমরা এমন কোনো শাসনব্যবস্থাকে পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাণঘাতী অস্ত্রের নাগাল পেতে দেব না যারা "আমেরিকা ধ্বংস হোক" স্লোগান দেয়।'''
** ৮ মে ২০১৮ তারিখে ইরান পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দেওয়া বক্তব্য [https://www.vox.com/world/2018/5/8/17332494/read-trump-iran-nuclear-deal-speech-full-text-announcement-transcript vox.com]
==== জুন ২০১৮ ====
* অনেক আইন বিশেষজ্ঞ যেমনটা বলেছেন, নিজেকে ক্ষমা করার পূর্ণ অধিকার আমার আছে। কিন্তু আমি তা করতে যাব কেন যখন আমি কোনো ভুলই করিনি?
** ৪ জুন ২০১৮ তারিখে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের [https://www.bbc.com/news/world-us-canada-44359434 মন্তব্য]
* এই ভুয়া সংবাদমাধ্যম গুলো দেখা সত্যিই মজার, বিশেষ করে এনবিসি আর সিএনএন। উত্তর কোরিয়ার সাথে হওয়া চুক্তিটিকে খাটো করে দেখানোর জন্য তারা জানপ্রাণ দিয়ে লড়ছে। ৫০০ দিন আগেও তারা এই চুক্তির জন্য "পায়ে ধরত" তখন তো মনে হচ্ছিল যুদ্ধ লেগে যাবে। আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো এই ভুয়া সংবাদমাধ্যম, যা নির্বোধদের দ্বারা খুব সহজেই ছড়িয়ে দেওয়া হয়!
** ডোনাল্ড ট্রাম্পের করা [https://x.com/realDonaldTrump/status/1006891643985854464 পোস্ট] (১৩ জুন ২০১৮, সকাল ৬:৩০), যা মূলত টুইটারে দেওয়া হয়েছিল।
* এদিকে ডেমোক্র্যাটদের কারণে সাধারণ মানুষ কষ্ট পাচ্ছে। আমরা তৈরি করেছি, আর ওরাও তৈরি করেছে, এবং ওরাই এটা হতে দিয়েছে—একটি বিশাল শিশু পাচার শিল্প। ঠিক এটাই আজ দাঁড়িয়েছে। পাচারকারীরা—একটু ভেবে দেখুন—মানুষ পাচারকারীরা অঢেল অর্থ বানাচ্ছে। এটা লজ্জার বিষয়। এই আইনি ফাঁকফোকরগুলো যখন বিদেশী পরিবার আর অপ্রাপ্তবয়স্কদের অবৈধভাবে সীমান্ত পার হতে বাধ্য করে, তখন তাদের দেশে ছেড়ে দিতে আমরা বাধ্য হই।
** ২১ জুন ২০১৮ তারিখে মন্ত্রিসভার বৈঠকে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের]] [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-cabinet-meeting-9/ বক্তব্য]
* রাষ্ট্রপতির টুইট করা নিয়ন্ত্রণ বা কমানোর চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে, প্রিবাসের এর একটি কার্যকর সমাধান খুঁজছিলেন। যেহেতু এই টুইটগুলো প্রায়ই রাষ্ট্রপতির অত্যধিক টেলিভিশন দেখার কারণে শুরু হতো, তাই তিনি ওই টেলিভিশন বন্ধ করার পথ খুঁজছিলেন। কিন্তু টেলিভিশন দেখা ছিল ট্রাম্পের নিয়মিত কাজ। রবিবার রাতগুলো হতো সবচেয়ে খারাপ। ট্রাম্প তার গলফ রিসোর্টে সপ্তাহান্ত কাটিয়ে ঠিক এমন সময় হোয়াইট হাউসে ফিরতেন যখন তার বিরোধী নেটওয়ার্ক এমএসএনবিসি আর সিএনএনে রাজনৈতিক আলোচনা চলত। রাষ্ট্রপতি আর ফার্স্ট লেডির আলাদা শয়নকক্ষ ছিল। ট্রাম্প বেশিরভাগ সময় একাই তার ঘরে বিশাল টিভি চালিয়ে বসে থাকতেন; হাতে থাকত রিমোট, টিভো আর তার টুইটার অ্যাকাউন্ট। প্রিবাস রাষ্ট্রপতির শয়নকক্ষকে "শয়তানের কারখানা" এবং ভোরের সময় ও বিপজ্জনক রবিবার রাতগুলোকে "ডাইনিদের প্রহর" বলতেন। সকালের ব্যাপারে তার খুব একটা কিছু করার ছিল না, তবে সপ্তাহান্তের সূচির ওপর তার কিছুটা নিয়ন্ত্রণ ছিল। তিনি ট্রাম্পের রবিবার হোয়াইট হাউসে ফেরার সময়টা বিকালের দিকে পিছিয়ে দিতে শুরু করেন। ট্রাম্প রাত ৯টার ঠিক আগে হোয়াইট হাউসে পৌঁছাতেন, যখন এমএসএনবিসি আর সিএনএন সাধারণত হালকা ধরনের অনুষ্ঠান প্রচার করত যেখানে তাৎক্ষণিক রাজনৈতিক বিতর্ক বা তাতে ট্রাম্পের ভূমিকা নিয়ে কোনো আলোচনা থাকত না।
**বব উডওয়ার্ড, ''ফিয়ার: ট্রাম্প ইন দ্য হোয়াইট হাউস'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ১৯৫
* ট্রাম্প প্রশংসা পেতে পছন্দ করতেন তবে গ্রাহামকে বলতেন, "তুমি একজন মধ্যমপন্থী লোক। আমি চাই তুমি ১০০ ভাগ ট্রাম্পের পক্ষে থাকো।" এটি সেই আনুগত্যের অঙ্গীকারের মতোই ছিল যা এফবিআইয়ের তৎকালীন পরিচালক জেমস কোমি বলেছিলেন যে ট্রাম্প তার কাছে চেয়েছিলেন। কোমির মতে, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির প্রথম সপ্তাহে হোয়াইট হাউসের গ্রিন রুমে তাদের সেই বিখ্যাত একান্ত ডিনারের সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, "আমার আনুগত্য দরকার। আমি আনুগত্য আশা করি।" গ্রাহাম জিজ্ঞেস করলেন, "ঠিক আছে, সমস্যাটা কোথায়? আগে শুনি, তারপর বলব আমি ১০০ ভাগ আপনার পক্ষে কি না।" ট্রাম্প বললেন, "তুমি প্রায় ৮২ শতাংশ পক্ষে।" "আসলে কিছু দিন আমি ১০০ ভাগ থাকি, আবার কিছু দিন শূন্যও হতে পারি।" "আমি চাই তুমি সবসময় ১০০ ভাগ আমার লোক হয়ে থাকো।" গ্রাহাম পাল্টা জিজ্ঞেস করলেন, "আপনি যখন ভুল করবেন তখন আমি কেন বলব যে আপনি ঠিক? তাতে আপনার বা আমার কী লাভ? রাষ্ট্রপতির এমন মানুষ দরকার যারা সত্যিটা মুখের ওপর বলতে পারে। আমি আজেবাজে কথা বলছি কি না তা দেখার দায়িত্ব আপনার।"
** বব উডওয়ার্ড, ''ফিয়ার: ট্রাম্প ইন দ্য হোয়াইট হাউস'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ৩১৭
* কিন্তু সেই মানুষটি আর তার প্রেসিডেন্সির মধ্যে ডাউড এক করুণ ত্রুটি দেখতে পেয়েছিলেন। রাজনৈতিক বাদানুবাদ, এড়িয়ে যাওয়া, অস্বীকার করা, টুইট করা, ধোঁয়াশা তৈরি করা, "ভুয়া সংবাদ" বলে চিৎকার করা আর ক্ষোভ প্রকাশ, এই সবকিছুর মাঝে ট্রাম্পের একটি প্রধান সমস্যা ছিল যা ডাউড জানতেন কিন্তু রাষ্ট্রপতির সামনে তা বলতে পারতেন না: "আপনি একজন চরম মিথ্যাবাদী।"
** বব উডওয়ার্ড, ''ফিয়ার: ট্রাম্প ইন দ্য হোয়াইট হাউস'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ৩৫৭
==== জুলাই ২০১৮ ====
* কিন্তু আমাদের এটি খুব সাবধানে করতে হবে কারণ আমরা এখন #মিটু প্রজন্মের মধ্যে আছি, তাই আমাদের খুব সতর্ক থাকতে হবে। আমরা খুব আলতো করে সেই সরঞ্জামটি নেব এবং ধীরে করে ছুড়ে দেব, যাতে সেটি তার গায়ে লেগে হাতে চোট না পায়।
** [https://www.washingtonpost.com/politics/trump-mocks-metoo-movement-in-montana-rally/2018/07/05/fad40ce2-80b3-11e8-b660-4d0f9f0351f1_story.html?noredirect=on ৫ জুলাই ২০১৮ তারিখে ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন]
* ওসব অন্যান্য লোকেরা করে। আমি করি না। আমি খুবই সুসংগত। আমি একজন অত্যন্ত সুস্থির মেধাসম্পন্ন ব্যক্তি।
** কোনো সাংবাদিক তার বক্তব্যের স্ববিরোধিতা নিয়ে প্রশ্ন করলে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই উত্তর দেন, যা [https://www.timesofisrael.com/trump-once-again-proclaims-himself-a-very-stable-genius/ ট্রাম্প নিজেকে আবারও একজন ‘অত্যন্ত সুস্থির মেধাসম্পন্ন’ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করেছেন] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, দ্য টাইমস অফ ইসরায়েল (১২ জুলাই ২০১৮)
* [[ইউরোপ]]ে এই অভিবাসন হতে দেওয়াটা লজ্জার বিষয়। আমি মনে করি এটি ইউরোপের কাঠামো বদলে দিয়েছে এবং আপনারা যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেন, তবে এটি আর আগের মতো থাকবে না, এবং আমি সেটি ইতিবাচক অর্থে বলছি না। তাই ইউরোপে লাখ লাখ মানুষের এই অনুপ্রবেশ ঘটতে দেওয়াটা খুবই দুঃখজনক। আমার মনে হয় আপনারা আপনাদের সংস্কৃতি হারাচ্ছেন।
** [https://www.thesun.co.uk/news/6766531/trump-may-brexit-us-deal-off/ ''দ্য সান'' এর সাথে সাক্ষাৎকারে], [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], (১৩ জুলাই ২০১৮)
* সাহারা মরুভূমির সীমান্ত আমাদের [[মেক্সিকো]] সীমান্তের চেয়ে বড় হতে পারে না।
** স্পেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোসেপ বোরেলকে ফোনে বলেছিলেন [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। প্রেক্ষাপটটি ছিল স্পেনের ভূমধ্যসাগরীয় অভিবাসন সংকট মোকাবিলায় সাহারা মরুভূমি জুড়ে সীমান্ত প্রাচীর নির্মাণের জন্য ট্রাম্পের দেওয়া পরামর্শ। [https://eu.usatoday.com/story/news/politics/onpolitics/2018/09/20/trump-spain-wall-sahara-desert/1365944002/ পররাষ্ট্রমন্ত্রী: অভিবাসীদের ঠেকাতে স্পেনকে সাহারা মরুভূমি জুড়ে প্রাচীর নির্মাণের পরামর্শ দিয়েছেন ট্রাম্প]
* ইরানি রাষ্ট্রপতি রুহানির প্রতি: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আর কখনোই হুমকি দেবেন না, অন্যথায় আপনাকে এমন পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে যা ইতিহাসের খুব কম মানুষই আগে ভোগ করেছে। আমরা আর এমন কোনো দেশ নই যে আপনাদের উম্মাদনাপূর্ণ সহিংসতা ও মৃত্যুর কথা সহ্য করবে। সাবধান থাকুন!
** [https://www.theatlantic.com/politics/archive/2019/01/covfefe-trump-typo-turned-meme/579763/ দ্য আটলান্টিক: "ছয় ঘণ্টা তিন মিনিটের ইন্টারনেট বিশৃঙ্খলা"], [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আপনারা যা দেখছেন আর যা পড়ছেন, আসলে তা ঘটছে না।
** [https://time.com/5347737/trump-quote-george-orwell-vfw-speech/ 'আপনারা যা দেখছেন... তা ঘটছে না।' মানুষ ট্রাম্পের এই উক্তিটিকে জর্জ অরওয়েলের সাথে তুলনা করছে] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৪ জুলাই ২০১৮)
* আমরা ১৪৭টি নতুন এফ-৩৫ লাইটনিং যুদ্ধবিমান অর্ডার করছি। এটি একটি অবিশ্বাস্য বিমান। এটি রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম; এটি দেখা যায় না। তাই আমি যখন অপর পক্ষের লোকেদের সাথে কথা বলি, তারাও আমাদের এই বিমানটি অর্ডার করার চেষ্টা করছে। এটি যে দেখা যায় না, এই বিষয়টি তারা বেশ পছন্দ করেছে। আমি বললাম, 'আপনার বিমানের সাথে লড়াইয়ে এটি কেমন করবে?' তারা বলে, 'আমাদের একটা সমস্যা আছে: আমরা আপনার বিমানটি দেখতেই পাই না'।
** ''[https://www.popularmechanics.com/military/aviation/amp33658771/trump-keeps-saying-the-f-35-is-invisible/ ট্রাম্প বারবার বলছেন যে এফ-৩৫ অদৃশ্য]'' শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৪ জুলাই ২০১৮)
==== আগস্ট ২০১৮ ====
* আপনি জানেন, আপনি যদি বাইরে গিয়ে বাজার করতে চান, তবে কার্ডে আপনার ছবি লাগে, পরিচয়পত্র লাগে। আপনি বাইরে গিয়ে কিছু কিনতে চাইলেই পরিচয়পত্র আর আপনার ছবি লাগে। অনেক ক্ষেত্রেই একমাত্র যখন আপনি রাষ্ট্রপতি, সিনেটর, গভর্নর বা কংগ্রেস সদস্যের জন্য ভোট দিতে যান, তখন আপনার এসব কিছুর দরকার হয় না। এটা পাগলামি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://edition.cnn.com/2018/08/01/politics/trump-grocery-shopping-id/index.html "ট্রাম্প দাবি করেছেন যে বাজার করতে পরিচয়পত্র লাগে। আসলেই লাগে না।"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, ''সিএনএন'' (২১ আগস্ট, ২০১৮)
* আমাদের আইনগুলো খুব বাজে! এই ধারাবাহিক অভিবাসনের কথাই ধরুন না? একজন লোক আসে আর তার সাথে আরও ৩২ জন চলে আসে। যে ব্যক্তি ওয়েস্ট সাইড হাইওয়েতে ১৮ জনের ওপর গাড়ি চালিয়ে দিয়েছিল, এবং আমার মনে হয় আটজন মারা গিয়েছিল তাকেও সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ওই ধারাবাহিক অভিবাসনের কারণে আমেরিকার ভেতরেই তার পরিবারের ২২ জন সদস্য আছে। তাই রাশ, আমাদের এই বিষয়গুলো বদলাতে হবে।
** ১ আগস্ট, ২০১৮ তারিখে রাশ লিম্বোর সাথে সাক্ষাৎকারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* ধারাবাহিক অভিবাসনের ব্যাপারটা কেমন? ওটার কথা ভাবুন তো একবার? কেউ একজন আসলো, তারপর সে তার মা, বাবা এমনকি দূর সম্পর্কের আত্মীয়স্বজনদেরও নিয়ে আসলো। সে তাদের সবাইকেই নিয়ে আসে।
** ওহাইওতে ৮ আগস্টের এক নির্বাচনী জনসভায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://abcnews.go.com/US/times-trump-slammed-chain-migration-apparently-helped-wifes/story?id=57132429 এবিসি নিউজের] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত
==== সেপ্টেম্বর ২০১৮ ====
* গত ২৫ বা ৩০ বছরে আমাদের দিকে এমন কিছু আসতে কেউ দেখেনি। হয়তো আগে কখনোই দেখেনি। এটি ভীষণ বড় আর ভীষণ জলীয়। এতে বিপুল পরিমাণ জল আছে।
** [https://www.youtube.com/watch?v=MqHwQhZC8jQ ট্রাম্প হারিকেন ফ্লোরেন্স সম্পর্কে বলেছেন এটি 'ভীষণ বড় আর ভীষণ জলীয়'] শীর্ষক প্রতিবেদনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আমি সেই সব অসাধারণ নারী-পুরুষদের ধন্যবাদ জানাতে চাই যারা ফ্লোরেন্স মোকাবিলায় দারুণ কাজ করেছেন। এটি একটি শক্তিশালী হারিকেন। জলের পরিমাণের দিক থেকে এটি আমাদের দেখা সবচেয়ে সিক্ত হারিকেনগুলোর একটি।
** [https://youtube.com/watch?v=RiDpRVqqXfk&t=30 ট্রাম্প হারিকেন ফ্লোরেন্সকে বর্ণনা করেছেন "জলের দিক থেকে আমাদের দেখা সবচেয়ে সিক্ত"] শীর্ষক প্রতিবেদনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আর মজার ব্যাপার জানেন? যখন আমি এটি করেছিলাম, তখন আমি বেশ কঠোর ছিলাম এবং তিনিও তাই ছিলেন। আমাদের মধ্যে অনেক কথা কাটাকাটি হয়েছিল এবং তারপর আমরা একে অপরের প্রেমে পড়ে গেলাম। ঠিক আছে? না, সত্যিই। তিনি আমাকে চমৎকার সব চিঠি লিখেছিলেন। সেগুলো খুব সুন্দর চিঠি ছিল। আমরা প্রেমে পড়ে গেলাম।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-০৯-৩০ |শিরোনাম=একে অপরকে ‘চমৎকার চিঠি’ পাঠানোর পর ট্রাম্প বলেছেন তিনি আর কিম জং-উন ‘প্রেমে পড়েছিলেন’ |সাময়িকী=''দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট'' |অবস্থান=ইউকে |ইউআরএল=https://www.independent.co.uk/news/world/americas/trump-kim-jong-un-love-letters-relationship-denuclearisation-nuclear-weapons-a8561701.html}}
* একক কোনো বিদেশী সরবরাহকারীর ওপর নির্ভরতা কোনো রাষ্ট্রকে জবরদস্তি আর হুমকির মুখে ফেলতে পারে। আর এই কারণেই আমরা [[পোল্যান্ড]]ের মতো ইউরোপীয় দেশগুলোকে অভিনন্দন জানাই একটি বাল্টিক পাইপলাইন নির্মাণের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য যাতে দেশগুলো তাদের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল না থাকে। জার্মানি যদি দ্রুত তার পথ পরিবর্তন না করে তবে তারা পুরোপুরি রাশিয়ার জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]-এর ভাষণ, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-০৯-২৫ |শিরোনাম=জাতিসংঘে ট্রাম্প পোল্যান্ডের প্রশংসা করেছেন এবং রাশিয়ার জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতার কারণে জার্মানির সমালোচনা করেছেন |লেখক=রয়টার্স স্টাফ |সাময়িকী=''রয়টার্স'' |ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/us-un-assembly-usa-germany-idUSKCN1M527Y}} থেকে উদ্ধৃত
* আজ আমি আমাদের অসাধারণ অগ্রগতির কথা জানাতে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সামনে দাঁড়িয়েছি। দুই বছরেরও কম সময়ে আমার প্রশাসন আমাদের দেশের ইতিহাসে অন্য যেকোনো প্রশাসনের চেয়ে বেশি কাজ সম্পন্ন করেছে। আমেরিকার— এটি একদম সত্যি কথা। ''[পরিষদের হাস্যধ্বনি]'' আমি এমন প্রতিক্রিয়া আশা করিনি, তবে ঠিক আছে।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের ভাষণ, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-০৯-২৬ |শিরোনাম=বিশ্বায়নের বিপরীতে দেশপ্রেমকে দাঁড় করানো ট্রাম্পের জাতিসংঘের ভাষণ প্রমাণ করে যে দেশপ্রেম বলতে কী বোঝায় সে সম্পর্কে রাষ্ট্রপতির কোনো ধারণা নেই |লেখক=ড্যানিয়েল শাপিরো |সাময়িকী=''এনবিসি নিউজ'' |ইউআরএল=https://www.nbcnews.com/think/opinion/trump-s-u-n-speech-pitting-globalism-against-patriotism-proves-ncna913141}} থেকে উদ্ধৃত
* আমেরিকা আমেরিকানদের দ্বারা শাসিত হয়। আমরা বিশ্বায়নের আদর্শকে প্রত্যাখ্যান করি এবং [[দেশপ্রেম]]-এর তত্ত্বকে গ্রহণ করি।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের ভাষণ, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-০৯-২৫ |শিরোনাম=জাতিসংঘে ট্রাম্পের ভাষণ হাস্যরসের আর অবিশ্বাস্য অনুভূতির জন্ম দিয়েছে |লেখক=রবিন রাইট |সাময়িকী=''দ্য নিউ ইয়র্কার'' |ইউআরএল=https://www.newyorker.com/news/news-desk/trumps-speech-at-the-un-triggers-laughterand-disbelief}} থেকে উদ্ধৃত
==== অক্টোবর ২০১৮ ====
* আমি জানি আপনি চিন্তা করছেন না। আপনি কখনই তা করেন না।
** এক সাংবাদিক প্রশ্ন করার সময় তাকে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এ কথা বলেন। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-০২ |শিরোনাম=প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিককে বললেন: ‘আমি জানি আপনি চিন্তা করছেন না। আপনি কখনই করেন না’ |ইউআরএল=https://www.youtube.com/watch?v=ASOTct1woo8}}
* শুধুমাত্র তখনই করব যদি আমি ব্যক্তিগতভাবে তার পরীক্ষা নিতে পারি। এটি এমন কিছু হবে না যা করতে আমি খুব একটা আনন্দ পাব।
** এলিজাবেথ ওয়ারেনকে নেটিভ আমেরিকান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য।
** {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-১৫ |শিরোনাম=ওয়ারেন যদি তার নেটিভ আমেরিকান ডিএনএ প্রমাণ করতে পারেন তবে ট্রাম্প দাতব্য সংস্থায় ১০ লক্ষ ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এখন তিনি ইতস্তত করছেন। |লেখক=অ্যামি বি ওয়াং এবং ডিয়ানা পল |সাময়িকী=''ওয়াশিংটন পোস্ট'' |ইউআরএল=https://www.washingtonpost.com/politics/2018/10/15/trump-dared-elizabeth-warren-take-dna-test-prove-her-native-american-ancestry-now-what/}}
* বিজ্ঞানের প্রতি আমার এক ধরনের সহজাত বোধ আছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-১৫ |শিরোনাম=ট্রাম্প: বিজ্ঞানের প্রতি আমার ‘সহজাত প্রতিভা’ আমাকে বলছে যে জলবায়ু বিজ্ঞান ভুল |লেখক=জোনাথন চেইট |সাময়িকী=''নিউ ইয়র্ক ইনটেলিজেন্সার'' |ইউআরএল=https://nymag.com/intelligencer/2018/10/trump-i-have-a-natural-instinct-for-science.html}} থেকে উদ্ধৃত
* জানেন তো, একটা শব্দ আছে। ওটা কিছুটা সেকেলে হয়ে গিয়েছে। একে বলা হয় জাতীয়তাবাদী। আমি বলি, 'তাই নাকি? আমাদের ওই শব্দটা ব্যবহার করার কথা নয়?' জানেন আমি কী? আমি একজন জাতীয়তাবাদী।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-২৩ |শিরোনাম=টেড ক্রুজের পক্ষে প্রচার করার সময় ট্রাম্প নিজেকে ‘জাতীয়তাবাদী’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন |লেখক=জন ওয়ালশ |সাময়িকী=''বিজনেস ইনসাইডার'' |ইউআরএল=https://www.businessinsider.in/trump-declares-himself-a-nationalist-while-stumping-for-ted-cruz/articleshow/66327534.cms}} থেকে উদ্ধৃত
* এখন দেখুন কতটা হাস্যকর: আমরাই বিশ্বের একমাত্র দেশ যেখানে একজন মানুষ আসে, তার সন্তান হয়, আর সেই সন্তান মূলত ৮৫ বছরের জন্য ওই সব সুযোগ-সুবিধা সহ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হয়ে যায়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-৩০ |শিরোনাম=ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধ করতে চান |লেখক=অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস |সাময়িকী=''সিবিসি'' |ইউআরএল=https://www.cbc.ca/news/world/trump-birthright-citizenship-1.4883589}} থেকে উদ্ধৃত
* আমাকে সব সময় বলা হতো যে এর জন্য সংবিধান সংশোধন দরকার। জানেন কী? আসলে দরকার নেই। প্রথমত, আপনার ওটার প্রয়োজন নেই। দ্বিতীয়ত, আপনি অবশ্যই কংগ্রেসের কোনো আইনের মাধ্যমে এটি করতে পারেন।<br>কিন্তু এখন তারা বলছে যে আমি স্রেফ একটি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে এটি করতে পারি।<br>এটি প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে। একটি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমেই এটি ঘটবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-৩০ |শিরোনাম=ট্রাম্প কি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধ করতে পারেন? |লেখক=রবার্ট ফার্লে |সাময়িকী=''ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি'' |ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2018/10/can-trump-end-birthright-citizenship-by-executive-order/}} থেকে উদ্ধৃত
==== নভেম্বর ২০১৮ ====
* আপনাদের মেঝেগুলোর যত্ন নিতে হবে। মানে, বনের মেঝে। এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আপনি অন্যান্য দেশের দিকে তাকালে দেখবেন তারা কাজগুলো অন্যভাবে করে, আর সেটা একদম আলাদা এক গল্প। আমি ফিনল্যান্ডের রাষ্ট্রপতির সাথে ছিলাম, তিনি বলেছিলেন, "আমাদের পরিস্থিতি একদম আলাদা— আমরা একটি বনের জাতি।" তিনি এটাকে বনের জাতি বলেছিলেন। আর তারা পাতা পরিষ্কার করা, ঝাড়ু দেওয়া আর এসব কাজে প্রচুর সময় দেয়, তাই তাদের কোনো সমস্যা হয় না।
** প্যারাডাইস, ক্যালিফোর্নিয়া, ১৭ নভেম্বর ২০১৮, ''টাইম'' এর প্রতিবেদন অনুযায়ী উদ্ধৃত: [https://time.com/5458605/trump-finland-raking-reactions/ #রেকনিউজ: ট্রাম্প দেশটিকে 'বন পরিষ্কার করে' বলার পর ফিনল্যান্ডের মানুষ পাতা পরিষ্কারের ছবি দিয়ে তাকে নিয়ে উপহাস করছে], লেখক: অ্যাশলে হফম্যান; এবং ভিডিওসহ ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'' এর প্রতিবেদনে: [https://www.nytimes.com/2018/11/18/world-europe/finland-california-wildfires-trump-raking.html ট্রাম্প বলেছেন অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে ক্যালিফোর্নিয়া ফিনল্যান্ডের কাছ থেকে শিখতে পারে। তিনি কি সঠিক?], লেখক: প্যাট্রিক কিংসলি, ১৮ নভেম্বর ২০১৮।
** ফিনল্যান্ডের রাষ্ট্রপতি শউলি নিনিস্তো বলেছেন যে পাতা পরিষ্কার করা নিয়ে কোনো কথা হয়েছে বলে তার মনে পড়ছে না। [https://www.washingtonpost.com/world/the_americas/finnish-president-says-he-briefed-trump-on-forest-monitoring/2018/11/18/dd46a57e-eb32-11e8-8b47-bd0975fd6199_story.html]
* '''সংবাদদাতা''': আপনি কি জলবায়ু প্রতিবেদনটি এখনও পড়েছেন?<br />'''ট্রাম্প''': আমি দেখেছি। আমি এর কিছু অংশ পড়েছি এবং এটা ঠিক আছে।<br />'''সংবাদদাতা''': তারা বলছে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ভয়াবহ হতে পারে।<br />'''ট্রাম্প''': হ্যাঁ। আমি এটা বিশ্বাস করি না।<br />'''সংবাদদাতা''': আপনি এটা বিশ্বাস করেন না?<br />'''ট্রাম্প''': না, না। আমি এটা বিশ্বাস করি না। আর এখানে আরেকটা ব্যাপার আছে: আপনাকে চীন, জাপান এবং পুরো এশিয়া আর এই সব অন্যান্য দেশকেও হিসেবে রাখতে হবে— বুঝলেন তো, এটা আমাদের দেশ নিয়ে কথা বলছে। এই মুহূর্তে, আমরা আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিষ্কার অবস্থায় আছি এবং এটা আমার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু যদি আমরা পরিষ্কার থাকি আর পৃথিবীর অন্য সব জায়গা নোংরা থাকে, তবে সেটা খুব একটা ভালো হবে না।
** ডোনাল্ড ট্রাম্প, ২৬ নভেম্বর ২০১৮, চতুর্থ জাতীয় জলবায়ু মূল্যায়ন প্রসঙ্গে (''ওয়াশিংটন পোস্ট'': [https://www.washingtonpost.com/politics/2018/11/26/trump-responds-report-indicating-huge-cost-climate-change-i-dont-believe-it/ জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশাল ক্ষতির কথা বলা তার প্রশাসনের প্রতিবেদনের জবাবে ট্রাম্প: 'আমি এটা বিশ্বাস করি না'], লেখক: ফিলিপ বাম্প, ২৬ নভেম্বর ২০১৮, সংগৃহীত: ১ ডিসেম্বর ২০১৮; ''বিবিসি নিউজ'': [https://www.bbc.com/news/av/world-us-canada-46324405/i-don-t-believe-it-trump-on-climate-report 'আমি এটা বিশ্বাস করি না' - জলবায়ু প্রতিবেদন নিয়ে ট্রাম্প], ২৬ নভেম্বর ২০১৮, সংগৃহীত: ১ ডিসেম্বর ২০১৮; ''দ্য গার্ডিয়ান'', অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস: [https://www.theguardian.com/us-news/video/2018/nov/26/yeah-i-dont-believe-it-trump-on-administrations-own-climate-report-video] ‘হ্যাঁ, আমি এটা বিশ্বাস করি না’: তার নিজের প্রশাসনের জলবায়ু প্রতিবেদন নিয়ে ট্রাম্প)।
* আমার মতো অনেক মানুষ যাদের বুদ্ধিমত্তা অনেক উঁচু স্তরের, তাদের অন্যতম সমস্যা হলো আমরা সবকিছুতে খুব একটা বিশ্বাস করি না। আপনি আমাদের বাতাস আর জলের দিকে তাকান, এটি এখন রেকর্ড পরিমাণ পরিষ্কার। কিন্তু আপনি যখন চীন, এশিয়ার বিভিন্ন অংশ, দক্ষিণ আমেরিকা এবং রাশিয়ার মতো বিশ্বের আরও অনেক জায়গার দিকে তাকাবেন, তখন দেখবেন ওখানকার বাতাস অনেক বেশি নোংরা। আর বায়ুমণ্ডলের কথা বললে, মহাসাগরগুলো খুব ছোট এবং এসব ময়লা উড়ে বা ভেসে চলে আসে। মানে, আমরা সবসময় আমাদের সমুদ্রসৈকত থেকে হাজার হাজার টন আবর্জনা পরিষ্কার করি যা এশিয়া থেকে আসে। এটা স্রেফ প্রশান্ত মহাসাগর দিয়ে ভেসে আসে, আর আমরা বলি এগুলো কোথা থেকে আসছে। আর এটা শুরু করার জন্য অনেক মানুষের প্রয়োজন হয়।
** ডোনাল্ড ট্রাম্প, ২৮ নভেম্বর, ''ওয়াশিংটন পোস্ট''-এর সাক্ষাৎকারে, তার প্রশাসনের ১৩টি সংস্থার করা বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রতিবেদন তিনি বিশ্বাস করেন কি না সেই প্রসঙ্গে। [https://splinternews.com/man-with-very-high-level-of-intelligence-says-oceans-ar-1830699334] (অত্যন্ত বুদ্ধিমান একজন মানুষ বলছেন মহাসাগরগুলো খুব ছোট)।
==== ডিসেম্বর ২০১৮ ====
* আমি ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।<br>তিনি আপনাদের এক বিরাট সমর্থক। কারেনও তাই। তারা সেখানে যায় আর আপনাদের দেশকে ভালোবাসে। তারা আপনাদের দেশকে ভালোবাসে। আবার তারা এই দেশকেও ভালোবাসে। এটি একটি ভালো সমন্বয়, তাই না?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://forward.com/opinion/415676/trump-just-accused-jews-of-loving-israel-not-america-and-his-fans-cheered/ ৭ ডিসেম্বর, ২০১৮]।
* চাক, সীমান্ত নিরাপত্তার জন্য সরকার অচল করে দিতে পেরে আমি গর্বিত। এই দেশের মানুষ চায় না যে অপরাধী, সমস্যায় জর্জরিত লোকজন আর মাদক আমাদের দেশে ঢুকুক। আমি এর দায়িত্ব নেব। আমিই এটি বন্ধ করব। এর জন্য আমি আপনাদের দোষ দেব না। গতবার আপনারা এটি বন্ধ করেছিলেন। সেটি কাজে দেয়নি। এটি বন্ধ করার দায়ভার আমিই নিচ্ছি।
** ন্যান্সি পেলোসি এবং চাক শুমারের সাথে ওভাল অফিসের বৈঠকে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা ২০১৮-১৯ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ফেডারেল সরকার অচল অবস্থা-র দিকে নিয়ে যায়। "[https://www.upi.com/Top_News/US/2018/12/11/Trump-proud-to-shut-down-government-in-wall-talks-with-Democrats/6271544554657/ ডেমোক্র্যাটদের সাথে প্রাচীর সংক্রান্ত আলোচনায় সরকার অচল করতে পেরে ট্রাম্প 'গর্বিত']", ইউনাইটেড প্রেস ইন্টারন্যাশনাল (১২ ডিসেম্বর, ২০১৮)
* তুমি কি এখনও সান্টাতে বিশ্বাস করো? কারণ ৭ বছর বয়সে এটি অনেকটা শেষের দিকে, তাই না?
** ৭ বছরের এক শিশুকে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/australia-news/2018/dec/25/christmas-cheer-trump-tells-boy-that-believing-in-santa-at-seven-is-marginal ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৮]
* দেখুন, আমি ওভাবে দেখছি না। আমি বিবির সাথে কথা বলেছি, আমি বিবিকে বলেছি।<br>আর আপনারা জানেন, আমরা ইসরায়েলকে বছরে ৪.৫ বিলিয়ন ডলার দিই।<br>আর আপনারা যদি দেখেন, তারা নিজেদের রক্ষায় খুব ভালো করছে। তো বিষয়টি এমনই।<br>মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চিরকাল বিশ্বের পুলিশ হয়ে থাকতে পারে না।<br>আমরা সেটি করতে চাই না।
** ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৮ তারিখে [https://www.timesofisrael.com/trump-we-give-israel-billions-it-can-defend-itself-in-syria/ টাইমস অফ ইসরায়েলে] [[বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু]] প্রসঙ্গে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
=== ২০১৯ ===
* প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইদানীং ডেমোক্র্যাটদের সমাজতান্ত্রিক হওয়ার যে কথাগুলো বলছেন, আসলে বাস্তবতা হলো তিনিই হলেন বড় সরকারের রাজা। ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনেও কেন্দ্রীয় প্রশাসন বারাক ওবামার আমলের মতোই বড়, একচেটিয়া, কাণ্ডজ্ঞানহীন খরচকারী আর মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপকারী হয়ে আছে। অনেক ক্ষেত্রে এটি আগের চেয়েও বড়। ট্রাম্পের সমর্থকদের জন্য এটি একটি অপ্রীতিকর সত্য। সীমিত সরকারের প্রথাগত রক্ষণশীল চিন্তাধারায় না থেকে ট্রাম্প সরকারকে আরও ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে তুলেছেন। আমরা যখন তাকে জানাই যে তার হঠকারী পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করার জন্য সরকার কখনোই যথেষ্ট বড় বা শক্তিশালী হবে না, তখন তিনি খুব বিরক্ত হন। ওবামার আমলে আসলে মার্কিন কেন্দ্রীয় বাজেট ঘাটতি কমে আসছিল। ২০০৯ সালে ওবামা যখন দায়িত্ব নেন তখন এটি ছিল ১.৪ ট্রিলিয়ন ডলার, যা ২০১৬ সালে তিনি চলে যাওয়ার ঠিক আগে ৫৮৭ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছিল। এই উল্লেখযোগ্য সাফল্যের কৃতিত্ব কংগ্রেসের রিপাবলিকানদের পাওনা, যারা ২০১১ সালে হোয়াইট হাউসের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিলেন। তারা বাজেট নিয়ে এমন একটি চুক্তির দাবি করেছিলেন যা ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে আনবে। এটি ছিল বাজেট কন্ট্রোল অ্যাক্ট, এমন একটি আইন যা কেন্দ্রীয় খরচ কমিয়েছিল, ভবিষ্যতের ব্যয়ের ওপর কঠোর বার্ষিক সীমা আরোপ করেছিল এবং সরকারের "ক্রেডিট কার্ডের" ওপর একটি লাগাম টেনেছিল। এটি রক্ষণশীল "টি পার্টি" আন্দোলনের সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ৯৯-১০০
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের খরচ কমানোর প্রতি কোনো আগ্রহ ছিল না। তিনি হয়তো করদাতাদের অর্থ বাঁচানোর জন্য কাজ করছেন এমন একটি ভাব দেখানোর চেষ্টা করেন। আর এটা সত্যি যে কোনো বোকা পরিকল্পনা যদি অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়, তবে তাকে সেটা থেকে বিরত করা যায়। কিন্তু সেটি মানুষের টাকা বাঁচানোর জন্য নয়। তিনি আসলে সেই টাকা অন্য কিছুতে খরচ করতে চান যেখানে তার ব্যক্তিগত আগ্রহ আছে, যেমন বোমা বা সীমান্ত নিরাপত্তা। ট্রাম্প সেই সব মানুষকে ঘৃণা করেন যারা "হিসাবি" বা কিপটে। বর্তমানে তিনি সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ব্যবস্থাপনায় অঢেল টাকা ওড়াচ্ছেন। ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের টাকা ওড়ানোর দিনগুলোকে ভেগাস এর কোনো ক্যাসিনোর পাঁচ ডলারের টেবিলের মতো মনে হয়। এর ফলে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে বাজেট ঘাটতি প্রতি বছর বেড়েছে এবং বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। রাষ্ট্রপতি বার্ষিক আয়ের চেয়ে এক ট্রিলিয়ন ডলার বেশি খরচ করার পথে আছেন। শুধু ২০১৯ সালের দিকে তাকালেই তা বোঝা যায়। রাষ্ট্রপতি রেকর্ড ভঙ্গকারী ৪.৭ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজেট প্রস্তাব করেছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় সরকার এক বছরেই এত টাকা খরচ করুক। ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে আমেরিকার ঋণ, যার বড় অংশই আমরা অন্য দেশের কাছ থেকে ধার নিয়েছি, কয়েক ট্রিলিয়ন বেড়েছে এবং মোট ঋণের পরিমাণ এখন সর্বোচ্চ ২২ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এক হিসেব অনুযায়ী, আমাদের ঋণ পরিশোধ করতে হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি করদাতাকে গড়ে ৪ লক্ষ ডলার করে দিতে হবে। এটি পুরো আমেরিকার জন্য একটি ভয়াবহ সতর্ক সংকেত হওয়া উচিত। আমরা এভাবে টাকা ধার করে যেতে পারি না যা আমরা শোধ করতে পারব না। অন্যথায় আমাদের সন্তানদের এর জন্য চরম মূল্য দিতে হবে।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১০০
* ইচ্ছাকৃত অজ্ঞতা শব্দটিই আমাদের শত্রুদের প্রতি রাষ্ট্রপতির মনোভাব বর্ণনা করার সবচেয়ে সঠিক উপায়। তিনি যা দেখতে চান কেবল তা-ই দেখেন। ট্রাম্প যদি কোনো বিদেশী নেতাকে পছন্দ করেন, তবে সেই নেতার কারণে তৈরি হতে পারে এমন কোনো বিপদ বা তাদের গোপন উদ্দেশ্যগুলো তিনি মানতে রাজি হন না। এই কারণেই জাতি-রাষ্ট্রগুলোর হুমকি সম্পর্কে আমেরিকার বিস্তারিত গোয়েন্দা রিপোর্ট বা আমাদের ঘনিষ্ঠ মিত্রদের জরুরি সতর্কবার্তাকে তিনি খুব সহজে উড়িয়ে দিতে পারেন।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৬৭-১৬৮
* আমাদের শত্রুরা ঠিকই বুঝতে পেরেছে যে রাষ্ট্রপতিকে খুব সহজেই কুপোকাত করা যায়। টুইটারে দেওয়া তার যুদ্ধংদেহী হুমকিতে তারা বিচলিত হয় না কারণ তারা জানে তাকে ভুলিয়ে-ভালিয়ে কাজ হাসিল করা সম্ভব। তাদের কথায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প খুব সহজেই প্রভাবিত হন। আমরা সবাই তা দেখতে পাই। তোষামোদে তিনি খুব সহজেই গলে যান। আলোচনার সময় তিনি নতি স্বীকার করেন এবং স্রেফ ভালো চুক্তির মতো দেখতে এমন কিছুর জন্য তিনি অনেক বেশি ছাড় দিতে রাজি হয়ে যান, সেটি আসলে ভালো চুক্তি হোক বা না হোক। তারা মনে করে তিনি দুর্বল, আর এই সুযোগটাই তারা নেয়। আর যখন তা পারে না, তখন তারা স্রেফ তাকে পাত্তাই দেয় না।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৭৩
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথাগুলো কেবল তার দলকেই পাগল করে তুলছে না, বরং আমেরিকানদের মধ্যেও বিভেদ সৃষ্টি করছে। তিনি হয়তো টুইটার বা মাইকের সামনে ঝগড়া শুরু করেন, কিন্তু আমরা সেই লড়াই ঘরে ঘরে চালিয়ে যাই। গবেষণায় দেখা গেছে যে রিপাবলিকানরা আরও বেশি একরোখা হয়ে উঠছে এবং দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে চাইছে না, ডেমোক্র্যাটরাও একই কাজ করছে। দুই পক্ষ কেবল একটি বিষয়েই একমত হতে পারে, আর তা হলো এই বিভাজন সত্যিই বাড়ছে। ২০১৯ সালে প্রকাশিত পিউ রিসার্চ সেন্টার এর একটি জরিপে দেখা গেছে যে আমেরিকার প্রায় ৮৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ মনে করেন যে "দেশের রাজনৈতিক বিতর্ক এখন অনেক বেশি নেতিবাচক এবং সম্মানহীন হয়ে পড়েছে" এবং দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ বলেছেন যে এটি এখন আসল সমস্যার দিকে নজর দিচ্ছে না। তারা এর দায়ভার কার ওপর চাপিয়েছেন? অধিকাংশ মানুষই বিশ্বাস করেন যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প "রাজনৈতিক বিতর্কের ধরন ও প্রকৃতিকে আরও খারাপের দিকে নিয়ে গেছেন"। এই মৌখিক তিক্ততার ফলাফল বাস্তবেও দেখা যাচ্ছে। আমাদের এই বিভেদগুলো একে অপরের সাথে মেলামেশার সম্ভাবনা কমিয়ে দিচ্ছে, সরকারের প্রতি আস্থা কমিয়ে দিচ্ছে এবং দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমাদের আশাহত করছে। অন্য একটি জরিপ অনুযায়ী, ২০৫০ সালের কথা ভেবে আমেরিকানরা ভীষণ নিরাশ। অধিকাংশ মানুষই ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তখন পতনের মুখে থাকবে, অর্থনৈতিক বৈষম্যের ভারে জর্জরিত হবে এবং রাজনৈতিকভাবে আরও বেশি বিভক্ত হবে। শেষ পয়েন্টটিতে ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকান উভয় পক্ষই প্রায় সমানভাবে একমত হয়েছে। দেশের রাজধানীতে রাষ্ট্রপতির লাগামহীন কথাবার্তা তার নিজের পরিকল্পনাগুলোকেই বাধাগ্রস্ত করছে। আগে যেসব বিষয়ে কোনো বিতর্ক ছিল না, এখন ক্যাপিটল হিল এ সেসব বিষয়েও তিনি কারো সম্মতি পাচ্ছেন না। ডেমোক্র্যাটরা যে খুব একটা দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার চেষ্টা করছে তা নয়, কিন্তু রিপাবলিকান পার্টির প্রধান যদি তাদের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীর বদলে চিরশত্রু হিসেবে না দেখতেন তবে হয়তো কিছুটা আশা থাকত। এর পরিবর্তে, প্রতিটি বড় আইডিয়া প্রকাশের সাথে সাথেই বিষাক্ত হয়ে ওঠে। বাজেটের প্রতিটি লাইন যেন রাজনৈতিক রণক্ষেত্রের এক একটি পরিখা। আমরা সবসময় রাষ্ট্রপতির অগ্রাধিকারগুলো সফল করতে হিমশিম খাই কারণ তিনি নিজেই নিজের সবচেয়ে বড় শত্রু।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৯১-১৯২
=== ২০১৯ ===
* প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইদানীং ডেমোক্র্যাটরা আমেরিকাকে সমাজতান্ত্রিক বানানোর চেষ্টা করছে বলে যে কথাবার্তা বলছেন, তার বিপরীতে বাস্তবতা হলো তিনিই হলেন বড় সরকারের রাজা। ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে কেন্দ্রীয় প্রশাসন বারাক ওবামার আমলের মতোই বিশাল, এককেন্দ্রীক, খরচের ব্যাপারে কাণ্ডজ্ঞানহীন আর মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপকারী হয়ে আছে। অনেক ক্ষেত্রে এটি এখন আরও বড়। ট্রাম্পের সমর্থকদের জন্য এটি একটি অপ্রীতিকর সত্য। কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা সীমিত রাখার প্রথাগত রক্ষণশীল বিশ্বাসে অটল না থেকে ট্রাম্প বরং সরকারকে আরও ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে তুলেছেন। আমরা যখন তাকে জানাই যে তার হঠকারী পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করার জন্য সরকার কখনোই যথেষ্ট বড় বা শক্তিশালী হবে না, তখন তিনি খুব বিরক্ত হন। ওবামার আমলে আসলে মার্কিন কেন্দ্রীয় বাজেটের ঘাটতি কমছিল। ২০০৯ সালে ওবামা যখন দায়িত্ব নেন তখন এটি ছিল ১.৪ ট্রিলিয়ন ডলার, যা ২০১৬ সালে তিনি চলে যাওয়ার ঠিক আগে ৫৮৭ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছিল। এই উল্লেখযোগ্য সাফল্যের কৃতিত্ব কংগ্রেসের রিপাবলিকানদের পাওনা, যারা ২০১১ সালে হোয়াইট হাউসের সাথে একটি অচলাবস্থা তৈরি করেছিলেন। তারা এমন একটি বাজেট চুক্তির দাবি করেছিলেন যা ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে আনবে। এটি ছিল বাজেট কন্ট্রোল অ্যাক্ট, যা কেন্দ্রীয় খরচ কমিয়েছিল, ভবিষ্যতের ব্যয়ের ওপর কঠোর বার্ষিক সীমা আরোপ করেছিল এবং সরকারের "ক্রেডিট কার্ডের" ওপর একটি লাগাম টেনেছিল। এটি রক্ষণশীল "টি পার্টি" আন্দোলনের শ্রেষ্ঠ সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ৯৯-১০০
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের খরচ কমানোর প্রতি কোনো আগ্রহ ছিল না। তিনি হয়তো করদাতাদের অর্থ বাঁচানোর জন্য কাজ করছেন এমন একটি ভাব দেখানোর চেষ্টা করেন। আর এটা সত্যি যে কোনো বোকা পরিকল্পনা যদি অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়, তবে তাকে সেটা থেকে বিরত করা যায়। কিন্তু সেটি মানুষের টাকা বাঁচানোর জন্য নয়। তিনি আসলে সেই টাকা অন্য কিছুতে খরচ করতে চান যেখানে তার ব্যক্তিগত আগ্রহ আছে, যেমন বোমা বা সীমান্ত নিরাপত্তা। ট্রাম্প সেই সব মানুষকে অপছন্দ করেন যারা খুব হিসাব করে চলেন। বর্তমানে তিনি সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ব্যবস্থাপনায় অঢেল টাকা ওড়াচ্ছেন। ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের টাকা ওড়ানোর দিনগুলোকে লাস ভেগাস এর কোনো ক্যাসিনোর পাঁচ ডলারের টেবিলের মতো মনে হয়। এর ফলে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে বাজেট ঘাটতি প্রতি বছর বেড়েছে এবং তা বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। রাষ্ট্রপতি বার্ষিক আয়ের চেয়ে এক ট্রিলিয়ন ডলার বেশি খরচ করার পথে আছেন। শুধু ২০১৯ সালের দিকে তাকালেই তা বোঝা যায়। রাষ্ট্রপতি রেকর্ড ভঙ্গকারী ৪.৭ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজেট প্রস্তাব করেছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় সরকার এক বছরেই এত টাকা খরচ করুক। ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে আমেরিকার ঋণ, যার বড় অংশই আমরা অন্য দেশের কাছ থেকে ধার নিয়েছি, কয়েক ট্রিলিয়ন বেড়েছে এবং মোট ঋণের পরিমাণ এখন সর্বোচ্চ ২২ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এক হিসেব অনুযায়ী, আমাদের ঋণ পরিশোধ করতে হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি করদাতাকে গড়ে ৪ লক্ষ ডলার করে দিতে হবে। এটি পুরো আমেরিকার জন্য একটি ভয়াবহ সতর্ক সংকেত হওয়া উচিত। আমরা এভাবে টাকা ধার করে যেতে পারি না যা আমরা শোধ করতে পারব না। অন্যথায় আমাদের সন্তানদের এর জন্য চরম মূল্য দিতে হবে।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১০০
* ইচ্ছাকৃত অজ্ঞতা শব্দ জোড়া রাষ্ট্রপতির শত্রুদের প্রতি তার মনোভাব বর্ণনা করার সবচেয়ে সঠিক উপায়। তিনি যা দেখতে চান কেবল তা-ই দেখেন। ট্রাম্প যদি কোনো বিদেশী নেতাকে পছন্দ করেন, তবে সেই নেতার কারণে তৈরি হতে পারে এমন কোনো বিপদ বা তাদের গোপন উদ্দেশ্যগুলো তিনি মানতে রাজি হন না। এই কারণেই জাতি রাষ্ট্রগুলোর হুমকি সম্পর্কে আমেরিকার বিস্তারিত গোয়েন্দা রিপোর্ট বা আমাদের ঘনিষ্ঠ মিত্রদের জরুরি সতর্কবার্তাকে তিনি খুব সহজে উড়িয়ে দিতে পারেন।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৬৭-১৬৮
* আমাদের শত্রুরা ঠিকই বুঝতে পেরেছে যে রাষ্ট্রপতিকে খুব সহজেই ভুলিয়ে ভালিয়ে কাজ হাসিল করা যায়। টুইটারে দেওয়া তার যুদ্ধংদেহী হুমকিতে তারা বিচলিত হয় না কারণ তারা জানে তাকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তাদের কথায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প খুব সহজেই প্রভাবিত হন। আমরা সবাই তা দেখতে পাই। তোষামোদে তিনি খুব সহজেই গলে যান। আলোচনার সময় তিনি নতি স্বীকার করেন এবং স্রেফ ভালো চুক্তির মতো দেখতে এমন কিছুর জন্য তিনি অনেক কিছু ছেড়ে দিতে রাজি হয়ে যান, সেটি আসলে ভালো চুক্তি হোক বা না হোক। তারা বিশ্বাস করে যে তিনি দুর্বল, আর এই সুযোগটাই তারা নেয়। আর যখন তা পারে না, তখন তারা স্রেফ তাকে পাত্তাই দেয় না।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৭৩
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথাগুলো কেবল তার দলকেই অতিষ্ঠ করে তুলছে না, বরং আমেরিকানদের মধ্যেও বিভেদ সৃষ্টি করছে। তিনি হয়তো টুইটার বা মাইকের সামনে ঝগড়া শুরু করেন, কিন্তু আমরা সেই লড়াই ঘরে ঘরে চালিয়ে যাই। গবেষণায় দেখা গেছে যে রিপাবলিকানরা আরও বেশি একরোখা হয়ে উঠছে এবং দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে চাইছে না, ডেমোক্র্যাটরাও একই কাজ করছে। দুই পক্ষ কেবল একটি বিষয়েই একমত হতে পারে, আর তা হলো এই বিভাজন সত্যিই বাড়ছে। ২০১৯ সালে প্রকাশিত পিউ রিসার্চ সেন্টার এর একটি জরিপে দেখা গেছে যে আমেরিকার প্রায় ৮৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ মনে করেন যে "দেশের রাজনৈতিক বিতর্ক এখন অনেক বেশি নেতিবাচক এবং কম সম্মানজনক হয়ে পড়েছে" এবং দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ বলেছেন যে এটি এখন আসল সমস্যার দিকে নজর দিচ্ছে না। তারা এর দায়ভার কার ওপর চাপিয়েছেন? অধিকাংশ মানুষই বিশ্বাস করেন যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প "রাজনৈতিক বিতর্কের ধরন ও প্রকৃতিকে আরও খারাপের দিকে নিয়ে গেছেন।" এই মৌখিক তিক্ততার ফল বাস্তবেও দেখা যাচ্ছে। আমাদের এই বিভেদগুলো একে অপরের সাথে মেলামেশার সম্ভাবনা কমিয়ে দিচ্ছে, সরকারের প্রতি আস্থা কমিয়ে দিচ্ছে এবং দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমাদের নিরাশ করছে। অন্য একটি জরিপ অনুযায়ী, ২০৫০ সালের কথা ভেবে আমেরিকানরা ভীষণ চিন্তিত। অধিকাংশ মানুষই ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তখন পতনের মুখে থাকবে, অর্থনৈতিক বৈষম্যের ভারে জর্জরিত হবে এবং রাজনৈতিকভাবে আরও বেশি বিভক্ত হবে। শেষ পয়েন্টটিতে ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকান উভয় পক্ষই প্রায় সমানভাবে একমত হয়েছে। দেশের রাজধানীতে রাষ্ট্রপতির লাগামহীন কথাবার্তা তার নিজের পরিকল্পনাগুলোকেই বাধাগ্রস্ত করছে। আগে যেসব বিষয়ে কোনো বিতর্ক ছিল না, এখন ক্যাপিটল হিল এ সেসব বিষয়েও তিনি কারো সম্মতি পাচ্ছেন না। ডেমোক্র্যাটরা যে খুব একটা দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার চেষ্টা করছে তা নয়, কিন্তু রিপাবলিকান পার্টির প্রধান যদি তাদের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীর বদলে চিরশত্রু হিসেবে না দেখতেন তবে হয়তো কিছুটা আশা থাকত। এর পরিবর্তে, প্রতিটি বড় আইডিয়া প্রকাশের সাথে সাথেই বিতর্কিত হয়ে ওঠে। বাজেটের প্রতিটি লাইন যেন রাজনৈতিক রণক্ষেত্রের এক একটি পরিখা। আমরা সবসময় রাষ্ট্রপতির অগ্রাধিকারগুলো সফল করতে হিমশিম খাই কারণ তিনি নিজেই নিজের সবচেয়ে বড় শত্রু।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৯১-১৯২
==== জানুয়ারি ২০১৯ ====
* আমরা বেরিয়ে আসছি এবং খুব বুদ্ধিমত্তার সাথেই বেরিয়ে আসছি। আর আমরা জিতছি, আমরা জিতছি। ঠিক আছে। তবে আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে গেলে বলব, '''একটি নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে'''। আমি কখনোই বলিনি যে আমি কালকেই বেরিয়ে যাচ্ছি। আমি বলেছি যে আমি আমাদের সৈন্যদের ফিরিয়ে আনছি এবং তাদের সিরিয়া থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে। হ্যাঁ, একদম ঠিক। তবে আমরা খুব শক্তিশালীভাবেই বেরিয়ে আসছি।
** ২ জানুয়ারি, ২০১৯ তারিখে এপি আর্কাইভে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* ইরান এখন আর আগের মতো দেশ নেই। ইরান সিরিয়া থেকে তাদের লোক সরিয়ে নিচ্ছে। '''সত্যি বলতে, তারা সেখানে যা খুশি করতে পারে''', কিন্তু তারা লোক সরিয়ে নিচ্ছে। তারা ইয়েমেন থেকেও লোক সরিয়ে নিচ্ছে। ইরান এখন স্রেফ টিকে থাকতে চায়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০১-০২ |শিরোনাম=ট্রাম্প: ইরান সিরিয়াতে 'যা খুশি করতে পারে' |লেখক=এরিক কর্টেলেসা |সাময়িকী=''টাইমস অফ ইসরায়েল'' |ইউআরএল=https://www.timesofisrael.com/trump-iran-can-do-what-they-want-in-syria/}} শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত
* ড্রোন সম্পর্কে আমি যে কারও চেয়ে বেশি জানি। যত রকমের নিরাপত্তার ব্যবস্থা হতে পারে সে সম্পর্কে আমার ধারণা আছে। (জানুয়ারি ২০১৯)
* আমার মনে হয় নির্বাচনী প্রচারণার অর্থায়ন সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না, কারণ আমিই সবচেয়ে বড় অনুদানকারী। (১৯৯৯)
* টেলিভিশন রেটিং পায় এমন মানুষদের সম্পর্কে আমি যে কারও চেয়ে বেশি জানি। (অক্টোবর ২০১২)
* আইএসআইএস সম্পর্কে আমি জেনারেলদের চেয়েও বেশি জানি। (নভেম্বর ২০১৫)
* আমি সোশ্যাল মিডিয়া বুঝি। আমি টুইটার আর ফেসবুকের ক্ষমতা সম্ভবত যে কারও চেয়ে ভালো বুঝি, আমার সাফল্যের দিকে তাকালেই সেটা বোঝা যায়, তাই না? (নভেম্বর ২০১৫)
* আদালত সম্পর্কে আমি এই পৃথিবীর যেকোনো মানুষের চেয়ে বেশি জানি। (নভেম্বর ২০১৫)
* মামলা মোকদ্দমা সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কে জানে? আমিই তো এগুলোর রাজা। (জানুয়ারি ২০১৬)
* আমি রাজনীতিবিদদের যে কারও চেয়ে ভালো বুঝি।
* ভিসা ব্যবস্থা সম্পর্কে আমার চেয়ে ভালো কেউ জানে না। আমি এইচ ওয়ান বি বুঝি। আমি এইচ টু বি বুঝি। বিশ্বাস করুন, এই মঞ্চে আর কেউ জানে না কীভাবে এটি পরিবর্তন করতে হয়। (মার্চ ২০১৬)
* বাণিজ্য সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না। (মার্চ ২০১৬)
* মার্কিন সরকারি ব্যবস্থা সম্পর্কে আমার চেয়ে ভালো কেউ জানে না। (এপ্রিল ২০১৬)
* নবায়নযোগ্য শক্তি সম্পর্কে আমি পৃথিবীর যেকোনো মানুষের চেয়ে বেশি জানি। (এপ্রিল ২০১৬)
* আমার মনে হয় কর ব্যবস্থা সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না, সম্ভবত পৃথিবীর ইতিহাসেই কেউ জানে না। (মে ২০১৬)
* আমি ঋণের রাজা। আমি ঋণ সামলাতে দক্ষ। আমার চেয়ে ভালো ঋণ কেউ বোঝে না। (জুন ২০১৬)
* আমি টাকা পয়সার বিষয়গুলো যে কারও চেয়ে ভালো বুঝি। (জুন ২০১৬)
* দেখুন, একজন নির্মাতা হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প অবকাঠামো সম্পর্কে যতটা জানেন, এই দেশের ইতিহাসে আর কেউ তা জানেন না। (জুলাই ২০১৬)
* সিনেটর কোরি বুকার নিজের সম্পর্কে যা জানেন, আমি তার চেয়েও বেশি জানি। (জুলাই ২০১৬)
* আমার মনে হয় আমি অপর পক্ষ ডেমোক্র্যাটদের সম্পর্কে প্রায় সবার চেয়ে বেশি জানি। (নভেম্বর ২০১৬)
* নির্মাণ কাজ সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না। (মে ২০১৮)
* আমার মনে হয় আমি অর্থনীতি সম্পর্কে ফেডারেল রিজার্ভের চেয়েও ভালো জানি। (অক্টোবর ২০১৮)
* প্রযুক্তি প্রযুক্তি সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানি না। (ডিসেম্বর ২০১৮)
* ড্রোন সম্পর্কে আমি যে কারও চেয়ে বেশি জানি। যত রকমের নিরাপত্তার ব্যবস্থা হতে পারে সে সম্পর্কে আমার ধারণা আছে। (জানুয়ারি ২০১৯)
* মাথার ওপর ড্রোন ওড়া আর আমার মনে হয় এই ধরনের প্রযুক্তি সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না। (জানুয়ারি ২০১৯)
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.axios.com/2019/01/05/everything-trump-says-he-knows-more-about-than-anybody "সবকিছু যা ট্রাম্প দাবি করেন যে তিনি 'যে কারও চেয়ে বেশি জানেন'"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, ''অ্যাক্সিওস'' (৫ জানুয়ারি, ২০১৯)
* আমরা স্বাধীন হয়ে জন্মেছি আর স্বাধীনই থাকব। আজ রাতে আমরা আমাদের সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করছি যে আমেরিকা কখনোই একটি সমাজতান্ত্রিক দেশ হবে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০১-০৫ |শিরোনাম=ওকাসিও-কর্টেজের উদ্দেশ্যে ট্রাম্প: 'আমেরিকা কখনোই সমাজতান্ত্রিক দেশ হবে না' |লেখক=জোয়েল গেহরকে |সাময়িকী=''ওয়াশিংটন এক্সামিনার'' |ইউআরএল=https://www.washingtonexaminer.com/policy/defense-national-security/trump-to-ocasio-cortez-america-will-never-be-a-socialist-country}} শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত
* <p>''প্রশ্ন:'' এই সরকার অচল হওয়ার দায় কি আপনার ওপর বর্তায়?</p><p>''ডোনাল্ড ট্রাম্প:'' '''দায়ভার সবার ওপরই বর্তায়।'''</p>
** হোয়াইট হাউসের সংবাদ সম্মেলনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ১০ জানুয়ারি, ২০১৯, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০১-১০ |শিরোনাম=দায়িত্ব অস্বীকার করে ট্রাম্পের ঘোষণা, ‘দায়ভার সবার ওপরই বর্তায়’ |লেখক=স্টিভ বেনেন |সাময়িকী=এমএসএনবিসি |ইউআরএল=http://www.msnbc.com/rachel-maddow-show/rejecting-responsibility-trump-declares-the-buck-stops-everybody}} শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, এবং {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০১-১০ |শিরোনাম=ট্রাম্প: যে অচল অবস্থার দায় নিতে তিনি গর্বিত ছিলেন এখন বলছেন ‘দায়ভার সবার’ |লেখক=অলিভার উইলিস |সাময়িকী=আমেরিকান ইন্ডিপেন্ডেন্ট |ইউআরএল=https://americanindependent.com/trump-buck-stops-with-everybody-shutdown-proud/}} শীর্ষক প্রতিবেদনে ভিডিওসহ উদ্ধৃত
* আমাদের কাছে পিৎজা আছে, তিনশ হ্যামবার্গার আছে, প্রচুর ফ্রেঞ্চ ফ্রাই আছে, আমাদের সব প্রিয় খাবার। আমি দেখতে চাই আমরা যাওয়ার পর এখানে কী অবশিষ্ট থাকে, কারণ আমার মনে হয় না খুব বেশি কিছু থাকবে। যদি সেটি আমেরিকান হয়, তবে আমি এটি পছন্দ করি। এগুলো সব আমেরিকান খাবার।
** ''বিবিসি''-র একটি প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৪ জানুয়ারি, ২০১৯)
* আমি কি আপনাদের সামান্য কিছু সালাদ দেব যা ফার্স্ট লেডি আর সেকেন্ড লেডি মিলে বানাবেন? তারা কিছু সালাদ বানাবেন।<br>তখন আমি বললাম আপনারা তো সালাদ খুব একটা পছন্দ করেন না।<br>নাকি আমি বাইরে থেকে প্রায় এক হাজার হ্যামবার্ডার আনিয়ে নেব? বিগ ম্যাক।<br>তো আমরা আসলে সেটাই করলাম।<br>আমরা বার্গার কিং থেকে এক হাজার বার্গার কিনলাম।<br>সব আমেরিকান কোম্পানি।<br>বার্গার কিং, ওয়েন্ডি’স আর ম্যাকডোনাল্ডস।
** ''রোলিং স্টোনের'' একটি [https://www.rollingstone.com/politics/politics-news/trump-fast-food-white-house-779128/ প্রতিবেদনে] উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৪ জানুয়ারি, ২০১৯)
* গত রাতে হোয়াইট হাউসে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন ক্লেমসন টাইগারদের সাথে সময়টা দারুণ কেটেছে। সরকার অচল থাকার কারণে আমি তাদের প্রচুর পরিমাণে ফাস্ট ফুড খাইয়েছি (আমি নিজে টাকা দিয়েছি), ১০০০ এর বেশি হ্যামবার্ডার ইত্যাদি। এক ঘণ্টার মধ্যেই সব শেষ হয়ে গিয়েছিল। দারুণ সব ছেলে আর কী দারুণ পেটুক!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1085159285208858624 টুইট] (১৫ জানুয়ারি ২০১৯)
* জাতীয় আফ্রিকান আমেরিকান ইতিহাস মাস হলো আফ্রিকান আমেরিকানদের অমর কাহিনী এবং স্বাধীনতা, লক্ষ্য ও সুযোগের সেই উপহারগুলোকে পুনরায় জানার একটি উপলক্ষ যা তারা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রেখে গেছেন।
** [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/presidential-proclamation-national-african-american-history-month-2019/ ৩১ জানুয়ারি ২০১৯-এর ভোরের ঘোষণা WhiteHouse.gov] কৃষ্ণাঙ্গদের ইতিহাসের মাস সম্পর্কিত
*** [https://twitter.com/realdonaldtrump/status/1091427927475085312 ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ টুইটারে পুনরায় পোস্ট করা হয়েছে]
==== ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ====
* যখন আমরা ওই এলাকার খেলাফতের বাকি অংশটুকু দখল করে নেব, তখন তারা ইরাকে আমাদের ঘাঁটিতে চলে যাবে। শেষ পর্যন্ত তাদের কেউ কেউ বাড়িতে ফিরে আসবে। কিন্তু আমরা সেখানে থাকব এবং আমরা সেখানে থাকছিই--<br>আমাদের ইসরায়েলকে রক্ষা করতে হবে। আমাদের অন্যান্য জিনিসেরও সুরক্ষা দিতে হবে। তবে হ্যাঁ, তারা সময়ের ব্যবধানে ফিরে আসবে। দেখুন, আমরা বিশ্বকে রক্ষা করছি। ইতিহাসের যে কারও চেয়ে আমরা অনেক বেশি টাকা খরচ করছি। গত পাঁচ বছরে আমরা [[আফগানিস্তান]]ে বছরে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলার খরচ করেছি। হাতেগোনা কয়েকটি দেশ ছাড়া এই পরিমাণ টাকা অধিকাংশ দেশের শিক্ষা, চিকিৎসা এবং অন্য সব খাতের মোট খরচের চেয়েও বেশি।
** ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ তারিখে [https://www.cbsnews.com/news/donald-trump-interview-face-the-nation-margaret-brennan-today-2019-02-01/ ডোনাল্ড ট্রাম্পের] সাক্ষাৎকার যা ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ তারিখে [https://www.cbsnews.com/news/transcript-president-trump-on-face-the-nation-february-3-2019/ প্রচারিত] হয়, ''সিবিএস নিউজ''
* স্বাধীনতার মহৎ অন্বেষণে আমরা [[ভেনেজুয়েলা|ভেনেজুয়েলার]] জনগণের পাশে আছি। আমরা মাদুরো সরকারের নিষ্ঠুরতার নিন্দা জানাই। তাদের সমাজতান্ত্রিক নীতিগুলো ওই দেশটিকে দক্ষিণ আমেরিকার সবচেয়ে ধনী দেশ থেকে চরম [[দারিদ্র্য]] আর হতাশার দেশে পরিণত করেছে।
** [https://fair.org/home/the-media-myth-of-once-prosperous-and-democratic-venezuela-before-chavez/ "চ্যাভেজের আগে এক সময়কার সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক ভেনেজুয়েলা নিয়ে সংবাদমাধ্যমের মিথ"] শীর্ষক প্রতিবেদনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯)
* আমাদের দেশ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই আমাদের অধিকাংশ বড় অর্জনগুলো—স্বাধীনতা লাভ থেকে শুরু করে নাগরিক অধিকারের বিলোপ এবং নারীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা—এই সবকিছুতেই ধর্মপ্রাণ মানুষ নেতৃত্ব দিয়েছে।
** [https://www.huffingtonpost.com/entry/trump-civil-rights-abolition-prayer-breakfast_us_5c5e14ace4b0eec79b236874 ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯] তারিখে প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আসলে আমি মনে হয় এটি বলতে পারি, জাপানের প্রধানমন্ত্রী আবে আমাকে একটি চিঠির খুব সুন্দর অনুলিপি দিয়েছেন যা তিনি নোবেল পুরস্কার প্রদানকারী ব্যক্তিদের কাছে পাঠিয়েছেন। তিনি বলেছেন: '''"জাপানের পক্ষ থেকে আমি অত্যন্ত সম্মানের সাথে আপনার নাম প্রস্তাব করছি। আমি তাদের অনুরোধ করছি আপনাকে যেন নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়।"''' আমি বললাম, 'ধন্যবাদ।'<br>আমরা অনেক ভালো কাজ করছি। এই প্রশাসন দুর্দান্ত কাজ করছে কিন্তু আমরা তার কোনো স্বীকৃতি পাই না। '''তাই প্রধানমন্ত্রী আবে আমাকে—মানে এটি নোবেল পুরস্কারের জন্য পাঠানো একটি চমৎকার পাঁচ পৃষ্ঠার চিঠি যা তিনি তাদের কাছে পাঠিয়েছেন।''' জানেন কেন? কারণ জাপানের ওপর দিয়ে রকেট আর ক্ষেপণাস্ত্র উড়ে যাচ্ছিল এবং বিপদ সংকেত বেজে উঠছিল—আপনারা তা জানেন। এখন হঠাৎ করেই তারা ভালো বোধ করছে, তারা নিজেদের নিরাপদ মনে করছে। আমিই তা করেছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |শিরোনাম=ট্রাম্প এখনই যা বললেন তা আপনি বিশ্বাস করবেন না: চমকে দেওয়ার মতো ৬টি মুহূর্ত |লেখক=দারেহ গ্রেগরিয়ান |সাময়িকী=''এনবিসি নিউজ'' |ইউআরএল=https://www.nbcnews.com/politics/donald-trump/you-won-t-believe-what-trump-just-said-6-eye-n972166}} শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯)
====মার্চ ২০১৯====
*এই ঘরে এমন কিছু মানুষ আছেন যারা এটি পছন্দ করবেন না। আমাদের বেকারত্বের হার ৩.৭ শতাংশে নেমে এসেছে, যা দীর্ঘ সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন। কিন্তু এটা ভেবে দেখুন: আমি এই সব কোম্পানিগুলোকে দেশে ফিরিয়ে আনছি। তাদের কর্মী প্রয়োজন। চারদিকে যে চমৎকার সব কারখানাগুলো খুলছে, সেখানে কাজ করার জন্য আমাদের দেশে মানুষ নিয়ে আসতে হবে। নির্বাচনী প্রচারণার সময় আমি ঠিক এই কথাগুলো বলিনি, কারণ আমি জানতাম না যে আমরা এতটা সফল হব। কোম্পানিগুলো হুড়মুড় করে আমাদের দেশে ফিরে আসছে, আর এখন আমরা চাই মানুষ আসুক। আমাদের কর্মীদের আসা প্রয়োজন, তবে তাদের অবশ্যই আইনগতভাবে আসতে হবে এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে আসতে হবে। যোগ্যতা, যোগ্যতা, যোগ্যতা।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-2019-conservative-political-action-conference/ ৩ মার্চ ২০১৯]।
====এপ্রিল ২০১৯====
*সবাইকে হ্যালো। অর্থনীতির নতুন তথ্যগুলো এইমাত্র প্রকাশিত হয়েছে; সেগুলো খুব, খুব ভালো। অর্থনৈতিক দিক দিয়ে আমাদের দেশ অবিশ্বাস্য রকমের ভালো করছে। আপনাদের বেশিরভাগই এই খবরগুলো প্রচার করেন না, কারণ আপনাদের দৃষ্টিকোণ থেকে এটি শুনতে ভালো লাগে না। কিন্তু দেশ সত্যিই খুব, খুব ভালো চলছে। আমাদের এখানে এখন অনেক রোমাঞ্চকর কাজ হচ্ছে। অনেক কোম্পানি শীঘ্রই ঘোষণা করবে যে তারা যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসছে। তারা সবাই ফিরে আসছে। যেখানে আসল কর্মযজ্ঞ চলছে, তারা সেখানেই থাকতে চায়।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900207/html/DCPD-201900207.htm ৫ এপ্রিল ২০১৯]।
*আপনার বাড়ির আশেপাশে কোথাও যদি উইন্ডমিল (বায়ুকল) থাকে, তবে অভিনন্দন, আপনার বাড়ির দাম এক ধাক্কায় ৭৫ শতাংশ কমে গেল। '''আর তারা বলে যে এর শব্দে ক্যান্সার হয়।''' আপনিই আমাকে এটি বলেছিলেন, ঠিক আছে। ''[হাত দিয়ে গোল করে ইশারা করেন এবং মুখ দিয়ে একটি শব্দ করেন]'' আপনারা জানেন যে ওই জিনিসটা কেমন শব্দ করে... আর অবশ্যই এটি পাখিদের জন্য এক কবরস্থানের মতো।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], রিপাবলিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসনাল কমিটির এক বক্তৃতায়, ২ এপ্রিল ২০১৯, জাচারি বি. উলফের "[https://www.cnn.com/2019/04/03/politics/trumps-war-on-windmills-now-includes-wild-cancer-claim/index.html উইন্ডমিলের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের যুদ্ধে এখন ক্যান্সারের অদ্ভুত দাবিও যুক্ত হয়েছে]", সিএনএন (৩ এপ্রিল ২০১৯) এবং জন গ্রিনবার্গের "[https://www.politifact.com/truth-o-meter/statements/2019/apr/08/donald-trump/republicans-dismiss-trumps-windmill-and-cancer-cla/ ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্যান্সার ও উইন্ড টারবাইনের মধ্যকার হাস্যকর যোগসূত্র]", পলিটিফ্যাক্ট (৮ এপ্রিল ২০১৯)-এ উদ্ধৃত।
*যারা বেআইনিভাবে আমাদের দেশে ঢুকেছে, তাদের হাতে হাজার হাজার আমেরিকান নিষ্ঠুরভাবে প্রাণ হারিয়েছেন।
** রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প, ফেব্রুয়ারি মাসে তার স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণে, "[https://www.politico.com/story/2019/04/22/stephen-miller-immigration-trump-1284287 স্টিফেন মিলার যেভাবে অভিবাসন বিষয়টিকে ব্যক্তিগত জেদে পরিণত করেছেন]" প্রতিবেদন অনুযায়ী (২২ এপ্রিল ২০১৯)।
*তাদের টিকা নিতেই হবে। ভ্যাকসিন নেওয়াটা এখন ভীষণ জরুরি। অসুখটা এখন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। তাই টিকা নেওয়াটা আবশ্যিক।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], মেগান ভ্যাজকুয়েজের প্রতিবেদনে উল্লিখিত: "[https://www.cnn.com/2019/04/26/politics/donald-trump-measles-vaccines হামের প্রাদুর্ভাবের মুখে ট্রাম্প এখন বলছেন অভিভাবকদের অবশ্যই সন্তানদের টিকা দিতে হবে]", সিএনএন (২৬ এপ্রিল ২০১৯)।
[[File:Bernie Sanders.jpg|thumb|ডোনাল্ড ট্রাম্প... তার পুরো রাজনৈতিক কৌশল হলো আমেরিকান জনগণকে আড়াআড়ি ভাগ করা... তাই আপনার কাছে এমন একজন রাষ্ট্রপতি আছেন যিনি কোটিপতিদের কর ছাড় দেন... যিনি ৩ কোটি ২০ লক্ষ মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত করার ফন্দি আঁটেন... যিনি কর সুবিধার ৮৩ শতাংশই তুলে দিয়েছেন মাত্র শীর্ষ এক শতাংশ ধনকুবেরের হাতে... এখন ভাবুন, আপনি কীভাবে নির্বাচনে জিতবেন? কী বলবেন — ওই দেখুন নথিপত্রহীন মানুষগুলো, তারা সবাই আপনার শত্রু। 'আমার পাশে দাঁড়ান। তাদের ঘৃণা করুন। চলুন এই দেশটাকে ভাগ করে ফেলি।' ~ [[বার্নি স্যান্ডার্স]] ]]
[[File:Ahmed al-Sharaa in July 2025 (cropped).jpg|thumb|আমি তাকে একজন শান্তিকামী মানুষ হিসেবে দেখি। আমরা দুজনেই একই শত্রুর লক্ষ্যবস্তু হয়েছিলাম। ট্রাম্প ক্ষমতা, শক্তি এবং ফলাফল অর্জন করতে জানেন। ~ আহমেদ আল-শারা]]
*['''[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]'''] যা করছেন সেটা আসলে '''আমেরিকার মানুষকে তাদের জাতি বা জন্মপরিচয়ের ভিত্তিতে ভাগ করার একটা রাজনৈতিক চাল'''... '''আপনার কাছে এমন একজন রাষ্ট্রপতি আছেন যিনি কোটিপতিদের কর ছাড় দেন''' আর মেডিকেয়ার, মেডিকেইড ও সোশ্যাল সিকিউরিটির মতো সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পগুলো কমিয়ে দিতে চান। তিনি কিন্তু এগুলো নিয়ে নির্বাচনে প্রচার চালাবেন না। আপনার রাষ্ট্রপতি এমন একজন মানুষ '''যিনি ৩ কোটি ২০ লক্ষ মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করেছেন'''। সেটা নিয়েও তিনি প্রচার চালাবেন না। তিনি এমন এক রাষ্ট্রপতি '''যিনি কর সুবিধার ৮৩ শতাংশই দিয়েছেন শীর্ষ এক শতাংশ ধনীকে''', এই কথা বলেও তিনি প্রচার চালাবেন না। '''তাহলে আপনি কীভাবে নির্বাচনে জিতবেন? কী বলবেন — ওই যে দেখছেন নথিপত্রহীন মানুষগুলো, তারা সবাই আপনার শত্রু। 'আমার পাশে দাঁড়ান। তাদের ঘৃণা করুন। চলুন দেশটাকে ভাগ করে ফেলি।''''' আমি মনে করি এটি অত্যন্ত কুৎসিত আর বিপজ্জনক একটা পথ। আর এটা আটকানোর জন্য আমি আমার সাধ্যমতো সবকিছু করব।
**[https://www.newsweek.com/stand-me-hate-them-bernie-sanders-says-trumps-reelection-plan-based-dividing-country-1445407 ''আমার পাশে দাঁড়ান। তাদের ঘৃণা করুন: বার্নি স্যান্ডার্স বলছেন ট্রাম্পের পুনর্নির্বাচনী পরিকল্পনা দেশকে ভাগ করার ওপর ভিত্তি করে, নিউজউইক''], ক্রিস মোরান (২৩ জুন ২০১৯)।
*টাকার রহস্য খুঁজুন: এই প্রশাসন আসলে কিছু রাক্ষুসে ব্যবসায়ীদের পকেট ভরাতে ব্যস্ত, আর তার মূল্য দিতে হচ্ছে নিম্ন আয়ের সাধারণ শ্রমিক ও ক্রেতাদের। এটা সেই সরকার যারা উপভোক্তাদের স্বার্থ দেখার বদলে চড়া সুদে ঋণ দেওয়া মহাজনদের বাঁচাতে উঠেপড়ে লেগেছে এবং ছাত্রদের ঋণ মওকুফ প্রকল্পের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। এনএলআরবির নজিরবিহীন ইউনিয়ন-বিরোধী তৎপরতাও ঠিক একই ধরনের। এগুলো সাধারণ শ্রমিকদের আরও অসহায় আর অসুরক্ষিত করে তোলার ফন্দি, ঠিক যেমনটি এই প্রশাসন অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্ট এবং মেডিকেইড সম্প্রসারণ বাতিলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে—কারণ অর্থনীতির নিচের তলার মানুষগুলো যত বেশি ভয়ের মধ্যে থাকবে, তাদের শোষণ করা তত সহজ হবে।
** সাশা আব্রামস্কি, ''[https://www.thenation.com/article/archive/trump-labor-gm-strikes/ শ্রমিকদের অধিকারের ওপর ট্রাম্পের হামলা জোরদার হচ্ছে]'' (২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯), ''দ্য নেশন''।
*বেশ কিছু রাজ্যে শিক্ষকদের ধর্মঘটের পর সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে যে, সাধারণ মানুষের ৬৪ শতাংশই শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষে—যা গত ৫০ বছরের মধ্যে প্রায় সর্বোচ্চ। এগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। শ্রমিক আন্দোলন অবশেষে জেগে উঠছে। আর আমেরিকানরা এখন বুঝে গেছে যে ট্রাম্পের এই মেকি 'জনদরদী' সাজ আসলে ধনীদের আখের গুছিয়ে দেওয়ার একটা ফন্দি মাত্র।
** সাশা আব্রামস্কি, ''[https://www.thenation.com/article/archive/trump-labor-gm-strikes/ শ্রমিকদের অধিকারের ওপর ট্রাম্পের হামলা জোরদার হচ্ছে]'' (২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯), ''দ্য নেশন''।
====জুন ২০১৯====
*অভিশংসনের কোনো ভিত্তিই নেই। একেবারেই নেই। কোনো যোগসাজশ ছিল না। কোনো বাধাদান ছিল না। কোনো অপরাধ ছিল না। অপরাধ যা করার তা ডেমোক্র্যাটরা করেছে। ডেমোক্র্যাটরাই অপরাধ করেছে। অভিশংসনের কোনো আইনি ভিত্তি নেই। এটি একটি বিরাট উইচ হান্ট বা ডাইনি শিকার। ডেমোক্র্যাটসহ সবাই এটা জানে।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900366/html/DCPD-201900366.htm ২ জুন ২০১৯]।
*এই সপ্তাহে আমরা ন্যায়পরায়ণ দেশগুলোর এক বিশাল প্রচেষ্টা এবং ইতিহাসের অন্যতম মহৎ এক উদ্যোগকে স্মরণ করছি। পঁচাত্তর বছর আগে, ১ লক্ষ ৫০ হাজারের বেশি মিত্রবাহিনী এই দ্বীপে প্রস্তুতি নিচ্ছিল ফ্রান্সে প্যারাশুটে করে নামার জন্য, নরম্যান্ডির সমুদ্রসৈকত দখলে নেওয়ার জন্য এবং আমাদের সভ্যতাকে পুনরায় জয় করার জন্য। মহামান্যা যেমনটা মনে রেখেছেন, ব্রিটিশ জনগণ প্রায় ৫ বছর ধরে এই দিনটির জন্য আশা, প্রার্থনা এবং লড়াই করে আসছিলেন। ১৯৪০ ও ১৯৪১ সালের ব্লিৎজের সময় যখন ব্রিটেন একা লড়াই করছিল, তখন নাৎসি যুদ্ধযন্ত্রগুলো এই দেশে এবং এই চমৎকার শহরে হাজার হাজার বোমা ফেলেছিল। কেবল বাকিংহাম প্যালেসেই ১৬ বার বোমা হামলা চালানো হয়েছিল। সেই ঘোর দুর্দিনে এই দেশের মানুষ বিশ্বকে দেখিয়েছিল ব্রিটিশ হওয়া মানে কী। তারা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে রাস্তা পরিষ্কার করেছে, নিজেদের বিধ্বস্ত বাড়িগুলোতে ইউনিয়নের পতাকা উড়িয়েছে এবং জয়ের জন্য লড়াই চালিয়ে গেছে। তারা শুধু জয়ই চেয়েছিল। যুক্তরাজ্যের ছেলে-মেয়েদের সাহস নিশ্চিত করেছে যে আপনাদের ভাগ্য চিরকাল আপনাদের হাতেই থাকবে। এই সবকিছুর মধ্য দিয়ে রাজপরিবার ছিল কমনওয়েলথের অটল সংহতির এক অবিচল মুখ।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900368/html/DCPD-201900368.htm ৩ জুন ২০১৯]।
*আজ সন্ধ্যায় আমরা ঈশ্বরের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের সেই সাহসী সন্তানদের জন্য যারা নাৎসি এবং নাৎসি শাসনকে পরাজিত করে লক্ষ লক্ষ মানুষকে স্বৈরশাসন থেকে মুক্ত করেছিলেন। আমাদের দেশগুলোর মধ্যকার বন্ধন সেই "মহৎ ক্রুসেডের" মাধ্যমেই চিরতরে সিলমোহর হয়ে গেছে। আমাদের এই যৌথ বিজয় ও ঐতিহ্যকে সম্মান জানানোর পাশাপাশি আমরা সেই অভিন্ন মূল্যবোধগুলোকে আবারও স্বীকার করছি যা সুদূর ভবিষ্যতেও আমাদের ঐক্যবদ্ধ রাখবে: মুক্তি, সার্বভৌমত্ব, আত্মনিয়ন্ত্রণ, আইনের শাসন এবং সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের দেওয়া অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ থেকে আজ পর্যন্ত মহামান্যা এই অমূল্য ঐতিহ্যগুলোর এক অবিচল প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি সেই মর্যাদা, দায়িত্ববোধ এবং দেশপ্রেমের চেতনাকে ধারণ করেছেন যা প্রতিটি ব্রিটিশ হৃদয়ে সগৌরবে স্পন্দিত হয়। সব আমেরিকানের পক্ষ থেকে আমি আমাদের জনগণের চিরন্তন বন্ধুত্ব, আমাদের দেশগুলোর প্রাণশক্তি এবং মহামান্যা রানীর দীর্ঘ ও সত্যিই অসাধারণ রাজত্বের জন্য শুভকামনা জ্ঞাপন করছি। ধন্যবাদ।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900368/html/DCPD-201900368.htm ৩ জুন ২০১৯]।
*আপনি ভিয়েতনাম যুদ্ধের কথা বলছেন, অথচ সেই সময়ে দেশটির কথা কেউ শোনেনি।
** ১৯৬৮ সালে ভিয়েতনাম সম্পর্কে মার্কিনদের সাধারণ ধারণা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এমন মন্তব্য করেছিলেন (যখন ভিয়েতনামে প্রায় ৫ লক্ষ মার্কিন সেনা মোতায়েন ছিল); ([https://www.japantimes.co.jp/news/2019/06/06/world/politics-diplomacy-world/trump-says-never-fan-vietnam-war-claims-americans-hadnt-heard-country-1968/#.XraZ4hMzbOQ "ট্রাম্প বলেছেন তিনি 'কখনও ভক্ত ছিলেন না' ভিয়েতনাম যুদ্ধের, এবং দাবি করেছেন যে ১৯৬৮ সালে আমেরিকানরা দেশটির কথা শোনেনি"], ''জাপান টাইমস''। ২০১৯-০৬-০৫।
*আমার মনে হয় গতকাল অনেক অগ্রগতি হয়েছে, তবে আমাদের আরও অনেক দূর এগোতে হবে। মেক্সিকো বহু বছর ধরে শত শত কোটি ডলার আয় করছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর এক বিশাল ভাগ্য গড়ে তুলছে। তাদের এগিয়ে আসতে হবে, যথাযথ দায়িত্ব নিতে হবে, এবং হয়তো তারা তা করবেও। আমরা দেখব কী হয়। তারা সমস্যার সমাধান করতে পারে। ডেমোক্র্যাটরা—কংগ্রেস এক ভয়াবহ বিপর্যয়ে পরিণত হয়েছে। তারা বদলাবে না। তারা কিছুই করবে না। তারা অবাধ অভিবাসন চায়—আমাদের দেশে যেন অভিবাসনের ঢল নামে। তারা পরোয়া করে না কে ঢুকছে। তাদের কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড আছে কি না তাতেও তাদের কিছু যায় আসে না। এতে কোনো তফাত হয় না। তারা কিছুই পাল্টাবে না। আমরা তাদের কাছে গিয়ে বলি, "চলুন অভিবাসন আইনগুলো ঠিক করি।" তারা শুধু এর খারাপটা দেখতে চায়। পরিস্থিতি যত খারাপ হয়, তারা তত বেশি খুশি হয়। এটাই হলো বাস্তবতা, আর আমার মনে হয় নির্বাচন পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই থাকবে। এটি অত্যন্ত লজ্জাজনক। কারণ সত্যি বলতে কী, কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাটরা যদি কিছু পরিবর্তন করতে রাজি হতো তবে আমরা এই সমস্যার খুব সহজেই সমাধান করতে পারতাম, কিন্তু তারা রাজি নয়। আর বিষয়টি এমনই। তারা শুধু সময় পার করতে চায়। তারা খুব খারাপ পরিস্থিতি দেখতে চায়। অপরাধ নিয়ে তাদের কোনো মাথা ব্যথা নেই। আমাদের দেশে মাদকের ঢল নামছে তা নিয়েও তাদের পরোয়া নেই। তাদের কিছুই আসে যায় না। এর পুরোটাই রাজনীতি। এটি এক নৃশংস কারবার। সুতরাং পরিস্থিতি এমনই। তবে মেক্সিকোর সাথে আমাদের দারুণ কথা হচ্ছে। দেখা যাক কী হয়। তবে বেশ নাটকীয় কিছু ঘটতে পারে। আমরা মেক্সিকোকে বলেছি যে শুল্ক প্রয়োগ করা হবে। আর আমি সত্যিই তা করতে চাই। এতে আমি খুব খুশি। অনেক লোক, যাদের মধ্যে সিনেটররাও আছেন, শুল্কের কথা এলে তারা কী নিয়ে কথা বলছেন সে সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণাই নেই। একদমই কোনো ধারণা নেই। যখন আপনার কাছে টাকা থাকে, যখন আপনার কাছে পণ্য থাকে, যখন আপনার কাছে এমন কিছু থাকে যা সবাই চায়, তখন শুল্ক নিয়ে আপনি খুব সুবিধাজনক অবস্থানে থাকেন এবং আমরা এখন সেখানেই আছি। আমরা হলাম পিগিব্যাংক। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হলো সেই পিগিব্যাংক। এখানে সেই সব অর্থ আছে যা অন্যরা আমাদের কাছ থেকে কেড়ে নিতে চায়, তবে এখন আর তারা তা সহজে নিতে পারছে না। এখন পরিস্থিতি অনেক আলাদা। চীনের সাথে আমাদের আলোচনা—অনেক কৌতূহলী সব ঘটনা ঘটছে। দেখা যাক কী হয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900372/html/DCPD-201900372.htm ৬ জুন ২০১৯]।
*''রিপোর্টার:'' আপনি কি ইরানের সাথে যুদ্ধে যেতে রাজি আছেন?<br />''ট্রাম্প:'' আপনি নিজেই জানতে পারবেন। জানতে পারবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{cite news|date=২০ জুন ২০১৯|title=ইরানের সাথে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প জনগণকে বলছেন 'আপনারা জানতে পারবেন'|work=দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট|url=https://www.washingtonpost.com/video/world/trump-tells-public-youll-find-out-when-asked-about-a-war-with-iran/2019/06/20/18f8c92d-b370-4a01-a948-4144be20f730_video.html}}
* কোনো এক কারণে আমাদের মধ্যে একটা চমৎকার বোঝাপড়া বা অন্য কিছু কাজ করে। দেখা যাক কী হয়। আমাদের অনেকটা পথ পাড়ি দেওয়া বাকি। তবে আমার কোনো তাড়াহুড়ো নেই... তাই আমি শুধু এটুকুই বলতে চাই যে আমরা ডিএমজেডের দিকে যাচ্ছি। এ'''ই পরিকল্পনাটা আমার অনেক আগে থেকেই ছিল, তবে কাল হঠাৎ মাথায় এল''' যে হয়তো একবার হাই-হ্যালো করা যায়, দ্রুত হাত মেলানো যায় এবং কুশল বিনিময় করা যায়।
** দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে ব্লু হাউসে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের সংবাদ সম্মেলন, {{উদ্ধৃতি|date=2019-06-30 |title=ট্রাম্প: কিম এবং আমার মধ্যে "একটি নির্দিষ্ট রসায়ন আছে" |periodical=সিএনএন |url=https://edition.cnn.com/politics/live-news/trump-dmz-kim-live-intl-hnk/h_8b23e071903b007d8ff1934be8457d2c}} অনুযায়ী।
=====ফ্রান্সের কলভিল-সুর-মেয়ারে ডি-ডের ৭৫তম বার্ষিকীতে ভাষণ=====
<small>[https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900373/html/DCPD-201900373.htm প্রতিলিপি] (৬ জুন, ২০১৯)</small>
* এখানে আজ আপনাদের সাথে ৬০ জনেরও বেশি প্রবীণ যোদ্ধা উপস্থিত আছেন, যারা ডি-ডে’র সেই লড়াইয়ে ময়দানে নেমেছিলেন। আপনাদের কাছে আমাদের এই ঋণ কোনোদিন শোধ হওয়ার নয়। আজ আমরা আপনাদের প্রতি আমাদের চিরন্তন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আপনারা যখন বয়সে তরুণ ছিলেন, তখন এক মহৎ অভিযানে নিজেদের জীবন সঁপে দিয়েছিলেন যা ছিল ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এক উদ্যোগ। আপনাদের সেই অভিযান ছিল এক মহাকাব্যিক যুদ্ধের কাহিনী, যেখানে ন্যায় আর অন্যায়ের মধ্যকার এক প্রচণ্ড ও চিরস্থায়ী লড়াই ফুটে উঠেছিল। ১৯৪৪ সালের ৬ই জুন, আপনারা এক বিস্ময়কর ক্ষমতার অধিকারী বিশাল এক মুক্তিসেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন। মাসের পর মাস পরিকল্পনার পর মিত্রবাহিনী এই প্রাচীন সমুদ্রতীরকে বেছে নিয়েছিল নাৎসি সাম্রাজ্যের পৈশাচিক স্বৈরাচারকে পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য। যুদ্ধের শুরুটা হয়েছিল আমাদের মাথার ওপরের ওই আকাশেই। মধ্যরাতের সেই চরম উত্তেজনাকর প্রথম কয়েক ঘণ্টায় ১,০০০টি বিমান গর্জন করে উড়ে গিয়েছিল, আর ১৭,০০০ আকাশসেনা ওই অরণ্যের ওপারে ঘুটঘুটে অন্ধকারের মধ্যে ঝাঁপ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এরপর যখন ভোর হলো, তখন এই পাহাড়গুলো দখল করে রাখা শত্রুরা দেখল পৃথিবীর ইতিহাসের বৃহত্তম নৌ-রণতরীর বহর। উপকূল থেকে মাত্র কয়েক মাইল দূরে ৭,০০০ জাহাজ ১ লক্ষ ৩০ হাজার যোদ্ধা নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল।
* তারা ছিলেন মুক্ত ও স্বাধীন বিভিন্ন দেশের নাগরিক, যারা দেশমাতৃকা এবং কোটি কোটি অজাত প্রজন্মের প্রতি নিজেদের কর্তব্যে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলেন। সেখানে ছিলেন ব্রিটিশরা, যাদের আভিজাত্য আর অদম্য মানসিক শক্তি তাদের ডানকার্কের ভয়াবহ সময় আর লন্ডনের ব্লিৎজ কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করেছিল। নাৎসিদের সেই উন্মাদনার চেয়ে ব্রিটিশদের আত্মমর্যাদাবোধ ছিল অনেক বেশি শক্তিশালী। আপনাদের ধন্যবাদ। সেখানে ছিলেন কানাডিয়ানরা, যাদের প্রগাঢ় সম্মানবোধ আর আনুগত্য একদম শুরু থেকেই তাদের ব্রিটেনের পাশে দাঁড়িয়ে যুদ্ধ করতে বাধ্য করেছিল। সেখানে ছিলেন লড়াকু পোলিশরা, কঠোর নরওয়েজিয়ানরা এবং সাহসী অস্ট্রেলিয়ানরা। সেখানে ছিলেন ফরাসি কমান্ডোরা, যাদের সাথে খুব দ্রুতই যোগ দিয়েছিল তাদের হাজার হাজার সাহসী দেশবাসী যারা ফরাসি বীরত্বের দীর্ঘ ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় লিখতে প্রস্তুত ছিল। আর সবশেষে ছিলেন আমেরিকানরা। তারা এসেছিলেন সুবিশাল গ্রামাঞ্চল, ঝলমলে শহর আর শক্তিশালী শিল্প নগরীগুলো থেকে। যুদ্ধের আগে তাদের অনেকেরই নিজের এলাকার বাইরে পা দেওয়ার সুযোগ হয়নি। অথচ আজ তারা নিজেদের ঘর থেকে অর্ধ-পৃথিবী দূরে জীবন উৎসর্গ করতে এসেছেন।
* ওমাহা নামের এই সমুদ্রতীরটি নাৎসিরা ভয়াবহ মারণাস্ত্র আর বালির নিচে অসংখ্য মাইন পুঁতে রেখে সুরক্ষিত করেছিল। এখানেই হাজার হাজার আমেরিকান নেমেছিলেন। সেই সকালে যারা ল্যান্ডিং ক্রাফটে চড়েছিলেন, সেই সেনারা জানতেন যে তাদের কাঁধে কেবল একজন সৈনিকের সরঞ্জাম নেই, বরং জড়িয়ে আছে গোটা পৃথিবীর ভাগ্য। কর্নেল জর্জ টেলর, যার ১৬তম পদাতিক রেজিমেন্ট প্রথম আক্রমণকারী দলের সাথে যোগ দিয়েছিল, তাকে একবার জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: যদি জার্মানরা ঠিক ওই মুহূর্তেই আপনাদের সমুদ্রসৈকতে আটকে দিত, তবে কী হতো? এই মহান আমেরিকান জবাব দিয়েছিলেন: "কেন, আমাদের ঠিক পেছনেই ১৮তম পদাতিক বাহিনী আসছে। ২৬তম পদাতিক বাহিনীও আসবে। এরপর ২য় ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনও সমুদ্রে প্রস্তুত আছে। এছাড়া ৯ম ডিভিশন, ২য় আরমর্ড, ৩য় আরমর্ড আর বাকি সবাই তো আছেই। হয়তো ১৬তম রেজিমেন্ট সফল হবে না, কিন্তু কেউ না কেউ ঠিকই সফল হবে।"
* ৯,৩৮৮ জন তরুণ আমেরিকান এই সুন্দর ভূমিতে সাদা ক্রস আর স্টার অব ডেভিডের নিচে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন। তাদের প্রত্যেককে একেকটি ফরাসি পরিবার নিজেদের আপনজন হিসেবে গ্রহণ করেছে। তারা ফ্রান্সের সব প্রান্ত থেকে এখানে আসেন আমাদের ছেলেদের দেখাশোনা করতে। তারা হাঁটু গেড়ে বসেন, কাঁদেন, প্রার্থনা করেন এবং ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। তারা কখনও ভুলবেন না। আজ আমেরিকা ফরাসি জনগণকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছে আমাদের প্রিয় শহীদদের সম্মান জানানোর জন্য। আপনাদের অনেক অনেক ধন্যবাদ।
* আমাদের সকল বন্ধু ও অংশীদারদের প্রতি বলতে চাই: আমাদের এই প্রিয় মৈত্রী যুদ্ধের উত্তাপে গড়ে উঠেছে, যুদ্ধের অগ্নিপরীক্ষায় পরীক্ষিত হয়েছে এবং শান্তির আশীর্বাদে প্রমাণিত হয়েছে। আমাদের এই বন্ধন অবিচ্ছেদ্য।
* সারা বিশ্ব থেকে আমেরিকানরা এই জায়গার প্রতি এক টান অনুভব করে, যেন এটি আমাদের আত্মারই একটি অংশ। আমরা এখানে কেবল তারা কী করেছিলেন তার জন্য আসি না, বরং তারা কেমন মানুষ ছিলেন সেই বীরত্বের টানেই ফিরে আসি। তারা ছিলেন তরুণ, যাদের সামনে গোটা জীবন পড়ে ছিল। তারা ছিলেন স্বামী, যারা নিজেদের তরুণী স্ত্রীদের বিদায় জানিয়ে কর্তব্যকেই নিয়তি হিসেবে মেনে নিয়েছিলেন। তারা ছিলেন বাবা, যারা তাদের সন্তানদের মুখ দেখার সুযোগ পাননি কারণ তাদের একটি কাজ সম্পন্ন করার ছিল। আর ঈশ্বরকে সাক্ষী রেখে তারা সেই কাজ পূরণ করতে যাচ্ছিলেন। তারা ঢেউয়ের পর ঢেউয়ের মতো এগিয়ে গিয়েছিলেন—কোনো প্রশ্ন বা দ্বিধা ছাড়াই।
* আমেরিকান অস্ত্রের শক্তির চেয়েও বেশি শক্তিশালী ছিল আমেরিকানদের হৃদয়ের তেজ। এই মানুষগুলো এক অদম্য শক্তির জোরে নরকের আগুনের মধ্য দিয়ে ছুটে গিয়েছিলেন যা কোনো অস্ত্র ধ্বংস করতে পারত না আর তা হলো এক মুক্ত ও গর্বিত জাতির প্রগাঢ় দেশপ্রেম। তারা নিয়ন্ত্রণ বা আধিপত্য বিস্তারের জন্য লড়েননি, লড়েছিলেন স্বাধীনতা, গণতন্ত্র আর স্বশাসনের জন্য। তারা লড়াই করেছিলেন ঘর আর দেশের প্রতি ভালোবাসা, সেই চেনা রাস্তা, স্কুল মাঠ, গির্জা আর প্রতিবেশী সেই পরিবার আর সমাজের জন্য যারা আমাদের এমন মহৎ মানুষ উপহার দিয়েছে। তারা বিশ্বাস করতেন যে আমেরিকা সবকিছু করতে পারে কারণ আমরা এক মহান জাতি। এই অসাধারণ শক্তি এসেছিল এক অসাধারণ চেতনা থেকে। সাহসের উৎস ছিল অগাধ বিশ্বাস। একটি সেনাবাহিনীর মহৎ কর্মগুলো এসেছিল তাদের ভালোবাসার গভীরতা থেকে। নিজেদের ভাগ্যের মুখোমুখি হয়ে আমেরিকান আর মিত্রবাহিনী নিজেদের ঈশ্বরের হাতে সঁপে দিয়েছিলেন।
* আমার পেছনে থাকা মানুষগুলো আপনাদের বলবেন যে তারা কেবল ভাগ্যবান ছিলেন। তাদের মধ্যে একজন যেমনটা বলেছিলেন, "আসল বীররা তো এখানে মাটির নিচে শুয়ে আছেন।" কিন্তু আমরা জানি এই মানুষগুলো কী করেছিলেন। তারা কতটা সাহসী ছিলেন তা আমাদের অজানা নয়। তারা এখানে এসে স্বাধীনতা রক্ষা করেছিলেন এবং বাড়ি ফিরে গিয়ে আমাদের সবাইকে দেখিয়েছিলেন স্বাধীনতা মানে আসলে কী। বিজয়ী আমেরিকানরা শান্তিকালেও সমান উজ্জ্বল ছিলেন। তারা পরিবার গড়েছেন, শিল্পায়ন করেছেন এবং এমন এক জাতীয় সংস্কৃতি গড়ে তুলেছেন যা গোটা বিশ্বকে অনুপ্রাণিত করেছে। পরবর্তী দশকগুলোতে আমেরিকা সাম্যবাদকে পরাজিত করেছে, নাগরিক অধিকার সুরক্ষিত করেছে, বিজ্ঞানে বিপ্লব ঘটিয়েছে, চাঁদে মানুষ পাঠিয়েছে এবং প্রতিনিয়ত নতুন নতুন দিগন্তের দিকে এগিয়ে গেছে। আর আজ আমেরিকা আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।
* সাত দশক আগে, ডি-ডের যোদ্ধারা এক অশুভ শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন যারা হাজার বছরের এক সাম্রাজ্যের স্বপ্ন দেখত। সেই অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে তারা এমন এক উত্তরাধিকার রেখে গেছেন যা চিরকাল টিকে থাকবে যতদিন মানুষের মনে দায়িত্ব আর সম্মানের বোধ থাকবে; যতদিন মানুষের হৃদয়ে স্বাধীনতা অম্লান থাকবে। আমার পেছনে বসে থাকা এই মানুষগুলো এবং সামনে এই ময়দানে শুয়ে থাকা ছেলেদের উদ্দেশ্যে বলছি, আপনাদের এই দৃষ্টান্ত কখনও পুরনো হবে না। আপনাদের বীরত্বগাথা অমর হয়ে থাকবে। আপনাদের সাহসী ও অটল চেতনা কখনও মরবে না। তারা যে রক্ত ঝরিয়েছেন আর যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তা কেবল একটি যুদ্ধে জয় এনে দেয়নি বরং তা আমাদের সভ্যতার টিকে থাকা নিশ্চিত করেছে। তারা আমাদের পথ দেখিয়ে গেছেন কীভাবে আমাদের জীবনযাত্রাকে ভালোবাসতে হয় এবং রক্ষা করতে হয়। আজ এই পবিত্র ভূমিতে দাঁড়িয়ে আমরা শপথ করছি যে আমাদের জাতিগুলো চিরকাল শক্তিশালী আর ঐক্যবদ্ধ থাকবে। আমাদের মানুষেরা সাহসী হবে, আমাদের হৃদয় অনুগত থাকবে আর আমাদের পরবর্তী প্রজন্মগুলো চিরকাল মুক্ত থাকবে। ঈশ্বর আমাদের মহান প্রবীণ যোদ্ধাদের মঙ্গল করুন, ঈশ্বর আমাদের মিত্রদের মঙ্গল করুন, ঈশ্বর ডি-ডের বীরদের মঙ্গল করুন এবং ঈশ্বর আমেরিকার মঙ্গল করুন। আপনাদের অনেক ধন্যবাদ। ধন্যবাদ।
====জুলাই ২০১৯====
* "আমি বলেছিলাম, জানেন তো, আপনি আমাকে পছন্দ করেন না আর আমিও আপনাকে পছন্দ করি না। আমি আপনাকে কখনও পছন্দ করিনি আর আপনিও আমাকে পছন্দ করেননি, কিন্তু আপনি আমাকেই সমর্থন করবেন কারণ আপনি একজন ধনী মানুষ। আর আপনি যদি আমাকে সমর্থন না করেন, তবে আপনি এতটাই দরিদ্র হয়ে যাবেন যে আপনি নিজেই সেটা বিশ্বাস করতে পারবেন না।"
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] একজন নামহীন ব্যবসায়ীর কথা উল্লেখ করছিলেন, যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৭-১৭ |শিরোনাম=বিশ্লেষণ: ডোনাল্ড ট্রাম্পের নর্থ ক্যারোলাইনা জনসভার ৫১টি সবচেয়ে আপত্তিকর উক্তি |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=WLOS.com |ইউআরএল=https://wlos.com/news/local/analysis-the-51-most-outrageous-lines-from-donald-trumps-nc-rally}}
* সবাই আমাকে মিস্টার প্রেসিডেন্ট বলে ডাকে। এটা সত্যি। এটা একটা মজার ব্যাপার।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৭-১৭ |শিরোনাম=বিশ্লেষণ: ডোনাল্ড ট্রাম্পের নর্থ ক্যারোলাইনা জনসভার ৫১টি সবচেয়ে আপত্তিকর উক্তি |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=WLOS.com |ইউআরএল=https://wlos.com/news/local/analysis-the-51-most-outrageous-lines-from-donald-trumps-nc-rally}}
* তাছাড়া, আমার কাছে অনুচ্ছেদ ২ আছে, যেখানে রাষ্ট্রপতি হিসেবে আমার যা খুশি তাই করার অধিকার আছে [...] কিন্তু আমি এমনকি সেটা নিয়ে কথাও বলি না।
** ওয়াশিংটন ডিসিতে টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ টিন স্টুডেন্ট অ্যাকশন সামিটে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের ভাষণ (২৩ জুলাই ২০১৯), যা [https://www.washingtonpost.com/politics/2019/07/23/trump-falsely-tells-auditorium-full-teens-constitution-gives-him-right-do-whatever-i-want/ "মুলার তদন্ত নিয়ে আক্ষেপ করার সময়, ট্রাম্প ভুলভাবে বলেছেন যে সংবিধান তাকে 'যা খুশি করার অধিকার' দিয়েছে"] উদ্ধৃত হয়েছে, ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'' (২৩ জুলাই ২০১৯)
* বরিস জনসন, ভালো মানুষ, তিনি কঠোর কিন্তু বুদ্ধিমান। তারা তাকে ব্রিটেনের ট্রাম্প বলে ডাকে.. সেখানে তারা আমাকে পছন্দ করে।
** [https://www.youtube.com/watch?v=S0wO89TT9vI জনসন সম্পর্কে ট্রাম্প: 'তারা তাকে ব্রিটেনের ট্রাম্প বলে ডাকে' - বিবিসি নিউজ] ২৪ জুলাই ২০১৯
* এই লোকগুলো [ডেমোক্র্যাটরা] সব ভাঁড়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, যা ২৬ জুলাই হোয়াইট হাউস থেকে [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-signing-safe-third-country-agreement-guatemala/ দেওয়া বক্তব্যে (ভিডিও)] উদ্ধৃত হয়েছে।
* আমি এই পুরো বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে কম বর্ণবাদী মানুষ।
** [https://www.theguardian.com/us-news/video/2019/jul/30/trump-claims-least-racist-person-in-the-world দ্য গার্ডিয়ান অনুযায়ী] উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি (৩০ জুলাই ২০১৯)
====আগস্ট ২০১৯====
* আমার মনে হয় আমার কথাবার্তা - মানুষকে একত্র করে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৮-০৭ |শিরোনাম=সমালোচকদের তীব্র নিন্দা জানানোর পাশাপাশি ট্রাম্প বলেছেন যে তার কথাগুলো ‘মানুষকে একত্র করে’ |লেখক=স্টিভ বেনেন |সাময়িকী=এমএসএনবিসি |ইউআরএল=http://www.msnbc.com/rachel-maddow-show/while-slamming-critics-trump-says-his-words-bring-people-together}}
* আমি মনে করি যে কোনো ইহুদি ব্যক্তি যিনি ডেমোক্র্যাটদের ভোট দেন -- তা হয় জ্ঞানের চরম অভাব অথবা বড় কোনো অবিশ্বস্ততা প্রকাশ করে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৮-২১ |শিরোনাম=ইহুদিরা ডেমোক্র্যাটদের ভোট দিলে তারা অবিশ্বস্ত — ট্রাম্পের এমন উক্তিতে ইহুদি নেতারা ক্ষুব্ধ |লেখক=মেগান ভাজকুয়েজ, জিম অ্যাকোস্টা |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2019/08/20/politics/donald-trump-jewish-americans-democrat-disloyalty/index.html?no-st=9999999999}}
* আমিই সেই মনোনীত ব্যক্তি। কাউকে তো এটা করতেই হতো, তাই আমি চীনের মোকাবিলা করছি... আর আপনারা তো জানেনই যে আমরা জিতছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৮-২১ |শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্প: 'আমিই সেই মনোনীত ব্যক্তি' |লেখক=টোলা এমবাকওয়ে |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://premierchristian.news/en/news/article/donald-trump-i-am-the-chosen-one}}
====সেপ্টেম্বর ২০১৯====
* আমার প্রিয় স্বৈরশাসক কোথায়?
** মিশরের রাষ্ট্রপতি [[আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি]]কে খোঁজার সময় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই উক্তি করেন, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৯-১৩ |শিরোনাম=সম্মেলনে মিশরীয় প্রতিপক্ষের অপেক্ষায় থাকা ট্রাম্প 'আমার প্রিয় স্বৈরশাসক' বলে সম্বোধন করেছেন | লেখক=ন্যান্সি এ. ইউসেফ, ভিভিয়ান সালামা এবং মাইকেল সি. বেন্ডার | ইউআরএল=https://www.wsj.com/articles/trump-awaiting-egyptian-counterpart-at-summit-called-out-for-my-favorite-dictator-11568403645?tesla=y&mod=e2twp}}
* আমাকে সবসময় কমলা রঙের দেখায়। আর আপনাদেরও তাই দেখায়। এই আলোটা সবচেয়ে খারাপ।
** শক্তি-সাশ্রয়ী লাইট বাল্ব নিয়ে অভিযোগ করার সময় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই উক্তি করেন, যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৯-২৪ |শিরোনাম=ট্রাম্প কেন শক্তি-সাশ্রয়ী লাইট বাল্ব পছন্দ করেন না সে প্রসঙ্গে: “আমাকে সবসময় কমলা রঙের দেখায়” |লেখক=এলিয়ট হ্যানন |ইউআরএল=https://slate.com/news-and-politics/2019/09/trump-on-why-he-doesnt-like-energy-efficient-light-bulbs-i-always-look-orange.html}}
* সত্যটা একদম পরিষ্কার — আপনি যদি স্বাধীনতা চান, তবে নিজের দেশ নিয়ে গর্ব করুন; যদি [[গণতন্ত্র]] চান, তবে নিজের সার্বভৌমত্ব আঁকড়ে ধরুন; আর যদি শান্তি চান, তবে নিজের জাতিকে ভালোবাসুন। বিজ্ঞ নেতারা সবসময় তাদের নিজেদের লোক এবং নিজেদের দেশের স্বার্থকে সবার আগে স্থান দেন। ভবিষ্যৎ গ্লোবালিস্টদের নয়। ভবিষ্যৎ দেশপ্রেমিকদের। ভবিষ্যৎ সেই সার্বভৌম ও স্বাধীন দেশগুলোর যারা তাদের নাগরিকদের রক্ষা করে, প্রতিবেশীদের শ্রদ্ধা করে এবং প্রতিটি দেশ যে কারণে অনন্য, সেই পার্থক্যগুলোকে সম্মান জানায়।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের ভাষণ, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৯-১৩ |শিরোনাম=ট্রাম্পের জাতিসংঘ ভাষণে বিশ্বায়নের সমালোচনা: ভবিষ্যৎ হলো জাতীয়তাবাদের |লেখক=টিম পিয়ার্স |সাময়িকী=ওয়াশিংটন এক্সামিনার |ইউআরএল=https://www.washingtonexaminer.com/news/trump-un-speech-knocks-globalism-the-future-belongs-to-nationalism}}
====অক্টোবর ২০১৯====
=====আবু বকর আল-বাগদাদীর মৃত্যু নিয়ে বক্তব্য=====
[[File:President Trump Watches as U.S. Special Operations Forces Close in on ISIS Leader (48967991042).jpg|thumb|গত রাতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসবাদী নেতাকে ন্যায়ের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে। আবু বকর আল-বাগদাদী মৃত। তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে নির্মম ও সহিংস সন্ত্রাসী সংগঠন ইসলামিক স্টেটের প্রতিষ্ঠাতা ও নেতা।]]
:<small>[https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/statement-president-death-abu-bakr-al-baghdadi/ Whitehouse.gov-এ সরকারি বিবৃতি (২৭ অক্টোবর ২০১৯)] · [https://www.nytimes.com/2019/10/27/us/trump-transcript-isis-al-baghdadi.html দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-এ দেওয়া বক্তব্যের প্রতিলিপি (২৭ অক্টোবর ২০১৯)] · [https://www.youtube.com/watch?v=Q6YvsrGILrw "আবু বকর আল-বাগদাদীর মৃত্যু নিয়ে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের পূর্ণাঙ্গ ঘোষণা", দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট ইউটিউব চ্যানেল (২৭ অক্টোবর ২০১৯)]</small>
* গত রাতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসবাদী নেতাকে ন্যায়ের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে। আবু বকর আল-বাগদাদী মৃত। তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে নির্মম ও সহিংস সন্ত্রাসী সংগঠন ইসলামিক স্টেটের প্রতিষ্ঠাতা ও নেতা। বহু বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাগদাদীকে খুঁজছিল। তাকে ধরা বা খতম করা আমার প্রশাসনের জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ছিল। মার্কিন স্পেশাল অপারেশন বাহিনী এই অভিযান সম্পন্ন করতে উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ায় একটি বিপজ্জনক এবং দুঃসাহসী নৈশ অভিযান চালায়।
* নিরপরাধ মানুষকে যারা অত্যাচার ও হত্যা করে, সেইসব সন্ত্রাসীদের কখনোই শান্তিতে ঘুমানো উচিত নয়; কারণ তারা জানে যে আমরা তাদের পুরোপুরি ধ্বংস করে দেব। এই বন্য দানবগুলো তাদের ভাগ্য থেকে রেহাই পাবে না—আর তারা ঈশ্বরের চূড়ান্ত বিচার থেকেও বাঁচতে পারবে না।
* এই অভিযানটি ছিল নিখুঁত এবং এটি কেবল নির্দিষ্ট কিছু দেশ ও মানুষের স্বীকৃতি ও সহায়তায় সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। <br /> আমি রাশিয়া, তুরস্ক, সিরিয়া এবং ইরাককে ধন্যবাদ জানাতে চাই। সেই সাথে সিরীয় কুর্দিদেরও ধন্যবাদ জানাই আমাদের কিছু বিশেষ সহায়তা প্রদানের জন্য। চমৎকার সব গোয়েন্দা কর্মকর্তাদেরও ধন্যবাদ জানাই যারা এই সফল অভিযানটি সম্ভব করতে সাহায্য করেছেন।
* গত রাত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশ্বের জন্য একটি মহান রাত ছিল। একজন নৃশংস খুনি, যে অগণিত মানুষের কষ্ট ও মৃত্যুর কারণ হয়েছিল, তাকে কঠোরভাবে নির্মূল করা হয়েছে—সে আর কখনোই কোনো নিরপরাধ পুরুষ, নারী বা শিশুর ক্ষতি করতে পারবে না। সে একটি কুকুরের মতো মারা গেছে। সে একজন কাপুরুষের মতো মারা গেছে। পৃথিবী এখন অনেক বেশি নিরাপদ।
* আমি বলতে চাই না কীভাবে, তবে এটি ছিল একদম নিখুঁত ঠিক যেন আপনি কোনো সিনেমা দেখছেন। সেখানে ব্যবহৃত প্রযুক্তি এককথায় সত্যিই অসাধারণ।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://edition.cnn.com/2019/10/27/politics/donald-trump-baghdadi-death-isis/index.html ২৭ অক্টোবর ২০১৯]
====নভেম্বর ২০১৯====
* আমি কিছুই চাই না, আমি কিছুই চাই না, আমি কোনো কুইড প্রো কো চাই না। জেলেনস্কিকে বলুন সঠিক কাজটি করতে। এটিই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে শেষ কথা।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], রাষ্ট্রদূত গর্ডন সন্ডল্যান্ডের সাক্ষ্য প্রদানের পর [https://www.vox.com/2019/11/20/20974383/trump-big-sharpie-notes-on-impeachment-testimony ২০ নভেম্বর হোয়াইট হাউসের লনে একটি নোটপ্যাডে লেখা মন্তব্য]।
====ডিসেম্বর ২০১৯====
* এমন এক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেখানে আমরা বেসিন, ঝরনা এবং বাথরুমের অন্যান্য জিনিসগুলো নিয়ে খুব গুরুত্ব দিয়ে ভাবছি।<br>আপনি কলের মুখ খুলছেন কিন্তু কোনো জল পাচ্ছেন না...<br>লোকে ১০ বার, ১৫ বার করে টয়লেট ফ্লাশ করছে। তাদের কাছে এত জল আছে যে তা ওপর থেকে নিচে পড়ছে। একেই বলে বৃষ্টি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, {{উদ্ধৃতি |লেখক=ম্যাথিউ ক্যান্টর |শিরোনাম=ট্রাম্প বলেছেন যে মানুষ '১০ বার টয়লেট ফ্লাশ করে' এবং তিনি এর সমাধান খুঁজছেন |সাময়িকী=দ্য গার্ডিয়ান |তারিখ=২০১৯-১২-০৬ |ইউআরএল=https://www.theguardian.com/us-news/2019/dec/06/trump-says-people-flush-the-toilet-10-times-and-seeks-solution}}
* খুবই হাস্যকর। গ্রেটাকে অবশ্যই তার রাগ নিয়ন্ত্রণের সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে, তারপর কোনো বন্ধুর সাথে সেকেলে ধরনের ভালো কোনো সিনেমা দেখতে যাওয়া উচিত! শান্ত হও গ্রেটা, শান্ত হও!
** ২০১৯ সালে টাইম ম্যাগাজিনের 'পারসন অফ দ্য ইয়ার' নির্বাচিত হওয়ার পর সুইডিশ স্কুলছাত্রী এবং জলবায়ু কর্মী গ্রেটা থুনবার্গ সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেছিলেন, {{উদ্ধৃতি | লেখক=রয়টার্স কর্মী | শিরোনাম=রাগ নিয়ন্ত্রণের খোঁচা দেওয়ার পর ট্রাম্পকে পাল্টা জবাব দিলেন জলবায়ু কর্মী থুনবার্গ | সাময়িকী=রয়টার্স | তারিখ=২০১৯-১২-০৬ | ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/us-usa-election-thunberg-idUSKBN27M0TN}}
* আমি বাতাস কখনও বুঝিনি। আমি উইন্ডমিল সম্পর্কে অনেক জানি, আমি অন্য যে কারও চেয়ে এটি ভালোভাবে পড়েছি। আমি জানি এটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এগুলো বেশিরভাগই চীন আর জার্মানিতে তৈরি হয়, এখানে খুব কম তৈরি হয়, নেই বললেই চলে, কিন্তু এগুলো যখন তৈরি করা হয় তখন—আপনি যদি এর মধ্যে থাকেন তবে বুঝবেন—বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে ধোঁয়া আর গ্যাস নির্গত হয়। আপনারা জানেন তো আমাদের একটা পৃথিবী আছে, তাই না? মহাবিশ্বের তুলনায় এই পৃথিবীটা অনেক ছোট। তাই প্রচুর পরিমাণে ধোঁয়া আর সবকিছু সেখানে মেশে। আপনারা কার্বন ফুটপ্রিন্টের কথা বলেন, ধোঁয়া বাতাসে ছড়াচ্ছে, একদম ছড়াচ্ছে, সেটা চীন বা জার্মানি যেখানেই হোক, তা বাতাসে মিশছে।<br>আপনারা ওই [বায়ুকলগুলো] দেখছেন। ওগুলো সব আলাদা আলাদা রঙের। ওগুলো সাদা ধরনের, কিন্তু কোনোটি আবার কমলা-সাদা। কমলা আমার প্রিয় রঙ।
** টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ সম্মেলনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |লেখক=কনর ম্যানিয়ন |শিরোনাম=রক্ষণশীল গোষ্ঠীর সামনে ভাষণে উইন্ডমিলের সমালোচনা করলেন ট্রাম্প: ‘আমি বাতাস কখনও বুঝিনি’ |সাময়িকী=মিডিয়াআইট |তারিখ=২০১৯-১২-২২ |ইউআরএল=https://www.mediaite.com/trump/trump-attacks-windmills-in-speech-to-conservative-group-i-never-understood-wind/}}
===২০২০===
* সবাই জানে যে ডোনাল্ড ট্রাম্প হার মেনে নিতে পারেন না, আর রয় কোহনের কর্তৃত্ববাদী নির্দেশনার শেষ উপদেশটি ছিল, "যদি তুমি হেরে যাও, তবে বলো যে তুমি জিতেছ।" তাই নভেম্বরে ট্রাম্প যদি হেরে যান, তবে তিনি সম্ভবত দাবি করবেন যে নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে এবং তিনি সেটা বাতিলের চেষ্টা করবেন। কিন্তু ডেমোক্র্যাট এবং ডেমোক্র্যাট-ঘেঁষা স্বতন্ত্র ভোটারদের বিশাল উপস্থিতি তাকে বিদায় করে ২০ জানুয়ারি ২০২১-এ হোয়াইট হাউসের দক্ষিণ বারান্দায় মালপত্র সরানোর ভ্যান নিয়ে আসতে পারে। কোভিড-১৯ অতিমারী এবং জর্জ ফ্লয়েড ট্র্যাজেডিগুলো মোকাবিলায় ট্রাম্পের শোচনীয় ব্যর্থতা কিছু অনিশ্চিত ভোটারকে ডেমোক্র্যাট শিবিরে নিয়ে এসেছে, এমনকি জুনের শুরু পর্যন্ত ট্রাম্পের নিজের সমর্থকদের একাংশও এই সংকটে তার দুর্বল প্রতিক্রিয়া দেখে বিচলিত হয়ে পড়েছেন। তরুণ ভোটাররা এই বিষয়টি নিশ্চিতভাবে ঠিক করে দিতে পারেন, কারণ তারা যুক্তরাষ্ট্রে সবথেকে কম কুসংস্কারাচ্ছন্ন গোষ্ঠী এবং তারা বিভিন্ন কারণে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোর বিরোধী। ঐতিহাসিকভাবে ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সীরা ভোট কম দিলেও জর্জ ফ্লয়েডের হত্যার পর কুসংস্কারের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে তারাই সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল। ডেমোক্র্যাটরা যদি তরুণদের মধ্যে ভালো নিবন্ধন অভিযান চালাতে পারে এবং বাইডেন সমর্থকরা যদি রিপাবলিকানদের দেওয়া ভোট দমনের সব বাধা অতিক্রম করতে পারে, আর যদি বার্নি স্যান্ডার্সের সমর্থকরা ট্রাম্প জিতলে কিছুই না পাওয়ার চেয়ে ভবিষ্যতে বাকিটা পাওয়ার আশায় বর্তমানে অর্ধেক দাবিতেই সন্তুষ্ট থাকে, তবে ডেমোক্র্যাটরা নভেম্বরে হোয়াইট হাউস এবং কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই জয়লাভ করতে পারে। <br>ধরা যাক তেমনটাই হলো। নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলো, কিন্তু এমনকি ইলেক্টোরাল কলেজে ডেমোক্র্যাটরা জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যা পেল। তা সত্ত্বেও ট্রাম্প দাবি করলেন যে সেখানে বিশাল জালিয়াতি হয়েছে এবং এই নির্বাচনের কোনো গুরুত্ব নেই। তিনি বারবার যেমনটা বলেন, সেভাবেই বললেন যে "এটি একটি ধোঁকাবাজি"। তিনি বললেন, "একে ন্যায্য হতে হবে!" আর তার সমর্থকরা ট্রাম্পের সমর্থনে চিৎকার করতে করতে রাস্তায় নেমে এলো। ট্রাম্প হেরে গিয়েও ক্ষমতা ছাড়তে অস্বীকার করলে কারোরই অবাক হওয়া উচিত নয়। মাইকেল কোহেন, যিনি দীর্ঘ বছর ট্রাম্পের ব্যক্তিগত আইনজীবী হিসেবে কাজ করেছেন এবং তাকে অন্য অনেকের চেয়ে ভালো চেনেন, তিনি ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯-এ শপথ নিয়ে বলেছিলেন, "মিস্টার ট্রাম্পের সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে আমি ভয় পাচ্ছি যে তিনি যদি ২০২০ সালের নির্বাচনে হেরে যান, তবে কখনোই সেখানে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর হবে না।" ট্রাম্পের উচ্চপদস্থ কর্মী, যিনি ''নিউ ইয়র্ক টাইমসের'' সম্পাদকীয় এবং ''এ ওয়ার্নিং'' বইয়ের জন্য 'অ্যানোনিমাস' নামে পরিচিত, তিনি বলেছেন যে ট্রাম্প "চুপচাপ বা সহজে বিদায় নেবেন না," যা একটি সম্ভাব্য "গৃহযুদ্ধের" ইঙ্গিত দেয়। স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি ২০১৯ সালের মে মাসে ''নিউ ইয়র্ক টাইমস''-কে বলেছিলেন যে ২০২০ সালে ট্রাম্পের পরাজয় মেনে না নেওয়ার বিষয়টি তাকে চিন্তিত করে, তিনি আরও বলেন, "আমাদের এর বিরুদ্ধে প্রস্তুতি নিতে হবে।"
** জন ডিন এবং বব আলটেমেয়ার, ''অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ার'' (২০২০)। ব্রুকলিন: মেলভিল হাউস, পৃষ্ঠা ২৭৬-২৭৭
* ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি ২০২১ সালে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা ছাড়েনও, তার সমর্থক গোষ্ঠী অটুট থাকবে এবং তারা তার পূর্বসূরির মতো তার উত্তরসূরিকেও বাধা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকবে। অথবা যদি ট্রাম্পের প্রভাব অনিবর্য়ভাবে কমে যায়, তবে সেই সমর্থক গোষ্ঠী অন্য যে কেউ নিজেদের দখলে নিতে পারবে তার জন্যই কাজ করবে। ট্রাম্পের চেয়ে বুদ্ধিমান কেউ যদি ফক্স নিউজ এবং ডানপন্থী সংবাদমাধ্যমের সমর্থন পায়, তবে ভবিষ্যতে সে আরও বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। আপনারা নিশ্চিত থাকতে পারেন যে বিভিন্ন উচ্চাকাঙ্ক্ষী ব্যক্তিরা ইতিমধ্যেই পরবর্তী ত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার কথা ভাবতে শুরু করেছেন। আপনারা এটাও নিশ্চিত থাকতে পারেন যে "রাজা নির্মাতা" বা ক্ষমতাশালীরাও এখন এই ক্ষেত্রটি নিয়ে পড়াশোনা করছেন, যার মধ্যে ধর্মীয় রক্ষণশীল নেতাদেরও অন্তর্ভুক্ত করা যায় যারা হয়ত বুঝতে পারছেন যে তাদের বিশ্বাসীদের ওপর ট্রাম্পের নিয়ন্ত্রণ কিছুটা শিথিল হচ্ছে।
** জন ডিন এবং বব আলটেমেয়ার, ''অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ার'' (২০২০)। ব্রুকলিন: মেলভিল হাউস, পৃষ্ঠা ২৭৯
* একজন চতুর ক্ষমতা দখলকারী হওয়ার যোগ্যতা ডোনাল্ড জন ট্রাম্পের নেই বললেই চলে। যদি মনে হয় আমরা তার প্রতি কঠোর হয়েছি, তবে যারা তার সাথে চলেন তাদের কথা শুনুন। মানুষ হিসেবে তিনি একটি করুণ দৃষ্টান্ত। তার চিন্তাচেতনা অনেক দিন ধরেই বাস্তববিমুখ। তিনি নিজের জীবনই ঠিক করতে অক্ষম, যা অহংকারের ক্ষত আর অজ্ঞতা ও আত্মপ্রবঞ্চনার গর্তে ভরা, তাই তিনি যে ক্ষতি করেছেন তা মেরামত করা তার পক্ষে অসম্ভব। যদি তিনি সম্রাট হন, তবে আমরা গর্ব করে বলতে পারব যে কোনো নির্বোধ রাজা তৈরি করতে আমাদের প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে অন্তঃপ্রজনন করতে হয়নি। আমরা একজনকে দিয়েই শুরু করেছি। আরও দুঃখের বিষয় হলো, দেশের একটি সংখ্যালঘু অংশ হয়ত ট্রাম্পকে একনায়ক বানাতে পারবে না। বেশিরভাগ আমেরিকান তাকে ভোট দেবে না; তারা কেবল ভোটই দেয়নি। সংক্ষেপে বলতে গেলে, আমাদের পূর্বপুরুষরা যার জন্য লড়াই করেছেন এবং যা জয় করেছেন ও রক্ষা করেছেন, তা আমরা হারাতে পারি কারণ আমাদের বেশিরভাগ মানুষ ২০২০ সালে তা রক্ষার জন্য ভোট দিতেও যাবে না।
** জন ডিন এবং বব আলটেমেয়ার, ''অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ার'' (২০২০)। ব্রুকলিন: মেলভিল হাউস, পৃষ্ঠা ২৮২
* হোয়াইট হাউসে আসার পর ভিতরে সবকিছু কীভাবে চলে তা সুশৃঙ্খলভাবে বোঝার সুযোগ পেতে আমার প্রায় এক মাস সময় লেগেছিল। অনেকভাবেই বিশৃঙ্খলা তৈরি হতো, যা প্রায়ই নির্দিষ্ট নীতিগত বিষয়ের মাধ্যমে প্রকাশ পেত... ২০১৮ সালের শেষ মাস এবং ২০১৯ সালের শুরুর দিকে, ট্রাম্পের ক্ষমতায় থাকার দ্বিতীয় বছর যখন শেষ হচ্ছিল-আমার আসার প্রায় আট থেকে নয় মাস পরে বেশ কিছু বিচ্ছিন্ন বিষয় এবং ব্যক্তি প্রশাসনকে আরও অজানা পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিতে শুরু করে। উদাহরণস্বরূপ, ২০১৮ সালের জুনের শুরুতে জন এফ. কেলি ট্রাম্পের সময়সূচীর জন্য একটি নতুন কৌশল ব্যবহার করেন। তিনি প্রতিদিন সকাল ১১টায় ওভাল অফিসে "চিফ অফ স্টাফ" সময় দিয়ে দিন শুরু করতেন, এই আশায় যে সপ্তাহে দুবার গোয়েন্দা ব্রিফিংয়ের সময় ট্রাম্প যে এলোমেলো দীর্ঘ বক্তব্য দেন তা কমানো যাবে। অবশ্যই বেশিরভাগ মানুষ যা দেখে অবাক হতেন তা হলো, ট্রাম্পের "অফিসিয়াল" দিন শুরু হতো প্রায় দুপুরের খাবারের সময় থেকে। ট্রাম্প সকালে অলসভাবে বসে থাকতেন না। বরং তিনি বাসভবনে ফোনে কথা বলে অনেক সময় কাটাতেন। তিনি সব ধরনের মানুষের সাথে কথা বলতেন, কখনও সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে (আমি ওভাল অফিসে আসার আগে প্রায় প্রতিদিন তার সাথে ফোনে কথা বলতাম কারণ অনেক বিষয়ে তাকে জানানো বা তার নির্দেশ নেওয়ার প্রয়োজন হতো), কিন্তু তিনি সরকারের বাইরের মানুষের সাথেও দীর্ঘ সময় কথা বলতেন। যেকোনো সংজ্ঞায় এটি সমসাময়িক রাষ্ট্রপতিদের মধ্যে একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা ছিল।
** জন বোল্টন, ''দ্য রুম হোয়্যার ইট হ্যাপেন্ড: এ হোয়াইট হাউস মেমোয়ার'' (২০২০), পৃষ্ঠা ২২৩
* আসলে ট্রাম্প সাধারণত সপ্তাহে মাত্র দুবার গোয়েন্দা ব্রিফিং নিতেন এবং সেগুলোর বেশিরভাগই ব্রিফিং দেওয়া কর্মকর্তাদের চেয়ে তিনিই বেশি কথা বলতেন, যা প্রায়ই সেই বিষয়ের সাথে সম্পূর্ণ সম্পর্কহীন হতো। ট্রাম্পের সময়সূচী সামলানো ছিল সবথেকে সহজ কাজ। তার প্রতিহিংসাপরায়ণতা সামলানো ছিল সবথেকে কঠিন, যা জন ম্যাককেইনের প্রতি তার ক্রমাগত ক্ষোভের মধ্য দিয়ে ফুটে উঠত এমনকি ম্যাককেইন মারা যাওয়ার পরও যখন তিনি ট্রাম্পের কোনো ক্ষতি করতে পারতেন না। তার প্রতিহিংসার আরেকটি উদাহরণ ছিল ১৫ আগস্ট সিআইএ-এর প্রাক্তন পরিচালক জন ব্রেনানের সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত। এখন ব্রেনানও খুব একটা ভালো ছিলেন না এবং তার সময়ে সিআইএ আগের চেয়ে অনেক বেশি রাজনৈতিক হয়ে পড়েছিল। তিনি যেকোনো অন্যায়ের কথা অস্বীকার করেছিলেন, কিন্তু ট্রাম্প নিশ্চিত ছিলেন যে ব্রেনান তার ২০১৬ সালের নির্বাচনী অভিযানে নজরদারি করার জন্য ফিসা প্রক্রিয়ার অপব্যবহারের সাথে জড়িত ছিলেন। ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর ব্রেনান মিডিয়াতে তার নিয়মিত সমালোচনা করার ফলে বিষয়টি আরও জটিল হয়ে উঠেছিল।
** জন বোল্টন, ''দ্য রুম হোয়্যার ইট হ্যাপেন্ড: এ হোয়াইট হাউস মেমোয়ার'' (২০২০), পৃষ্ঠা ২২৪
* রাষ্ট্রপতির ইতিহাসে হয়ত ট্রাম্পই একমাত্র ব্যক্তি যিনি অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় উপস্থিত হওয়া নিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছিলেন। শুরুটা হয়েছিল ২০১৮ সালের এপ্রিলে বারবারা বুশের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সময়, যেখানে ট্রাম্প উপস্থিত হননি (যদিও চারজন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এবং ফার্স্ট লেডি সেখানে উপস্থিত ছিলেন)। এরপর আগস্টের শেষে ছিল জন ম্যাককেইনের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া। কেলি ২৭ আগস্ট হোয়াইট হাউসের কর্মীদের সাথে সাপ্তাহিক বৈঠক শুরু করে বলেছিলেন, "আমি আজ খুব খারাপ অবস্থায় আছি," কারণ ট্রাম্পের সাথে সরকারি পতাকা অর্ধনমিত রাখা এবং কারা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তা নিয়ে তার ক্রমাগত মতপার্থক্য চলছিল। ম্যাককেইনের পরিবারও অনুষ্ঠানে ট্রাম্পকে চায়নি, তাই অনুভূতিটা ছিল পারস্পরিক। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হলো যে ক্যাপিটল রোটুন্ডা অনুষ্ঠান এবং ওয়াশিংটন ন্যাশনাল ক্যাথেড্রালের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া উভয় অনুষ্ঠানেই পেন্স প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেতৃত্ব দেবেন। অনুষ্ঠানে প্রচুর মানুষ উপস্থিত হয়েছিলেন এবং সেখানে সেই সামাজিক মেলামেশাও ছিল যা সাধারণত বিদায় বেলায় ঘটে থাকে। আমি যাদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছি তাদের মধ্যে ছিলেন জর্জ ডব্লিউ বুশ এবং লরা বুশ। বুশ হাসি মুখে জিজ্ঞেস করলেন, "বোল্টন, এখনো চাকরিটা আছে তো?" "আপাতত আছে," আমি উত্তর দিলাম এবং আমরা সবাই হাসলাম। যখন জর্জ এইচ.ডব্লিউ. বুশ পরবর্তীতে আর্জেন্টিনা জি২০ চলাকালীন মারা গেলেন, ট্রাম্প জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করলেন, একটি যথাযথ রাষ্ট্রপতির বিবৃতি দিলেন এবং বৈঠকের সময় জর্জ ডব্লিউ. এবং জেব বুশ উভয়ের সাথেই আন্তরিকভাবে কথা বললেন। তিনি এবং ফার্স্ট লেডি ৫ ডিসেম্বর কোনো ঝামেলা ছাড়াই ন্যাশনাল ক্যাথেড্রালের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। আসলে এটা করা খুব একটা কঠিন ছিল না।
** জন বোল্টন, ''দ্য রুম হোয়্যার ইট হ্যাপেন্ড: এ হোয়াইট হাউস মেমোয়ার'' (২০২০), পৃষ্ঠা ২২৬
* আমার দাদামশাই ট্রাম্প পরিবারে বিভাজনের যে পরিবেশ তৈরি করেছিলেন, ডোনাল্ড সবসময় সেই পরিবেশেই বেড়ে উঠেছেন এবং বিভাজন তাকে অন্যদের বিনিময়ে সুবিধা দিয়ে চলেছে। এটি আমাদের দয়ালু হওয়ার বা ক্ষমাশীলতায় বিশ্বাস করার ক্ষমতাকে দুর্বল করে দিচ্ছে, যে ধারণাগুলোর কোনো মানেই তার কাছে কোনোদিন ছিল না। তার প্রশাসন এবং তার দল এখন তার অভিযোগ আর অধিকারের রাজনীতির নিচে চাপা পড়ে গেছে। আরও খারাপ বিষয় হলো ডোনাল্ড, যিনি ইতিহাস, সাংবিধানিক নীতি, কূটনীতি (বা আসলে অন্য কিছু নিয়েই) কিছুই বোঝেন না এবং যাকে কখনও এই ধরনের জ্ঞান প্রদর্শনের জন্য চাপ দেওয়া হয়নি, তিনি দেশের সব জোট এবং আমাদের সামাজিক কর্মসূচিগুলোকে কেবল টাকার চশমা দিয়ে মূল্যায়ন করেছেন, ঠিক যেমনটা তার বাবা তাকে শিখিয়েছিলেন। শাসনের ব্যয় এবং সুবিধাকে কেবল আর্থিক দিক থেকে বিবেচনা করা হয়, যেন মার্কিন ট্রেজারি তার ব্যক্তিগত মাটির ব্যাংক। তার কাছে প্রতিটি ডলার খরচ হওয়া মানে তার নিজের ক্ষতি, আর প্রতিটি ডলার বাঁচানো মানে তার নিজের লাভ।
** মেরি এল. ট্রাম্প, ''টু মাচ অ্যান্ড নেভার এনাফ: হাউ মাই ফ্যামিলি ক্রিয়েটেড দ্য ওয়ার্ল্ড'স মোস্ট ডেঞ্জারাস ম্যান'' (২০২০), পৃষ্ঠা ১৫-১৬
* যদিও আমার ফুফু এবং চাচারা অন্য কিছু ভাববেন, আমি এই বইটি অর্থ উপার্জন বা প্রতিশোধ নেওয়ার উদ্দেশ্যে লিখছি না। যদি সেগুলোর কোনো একটিও আমার উদ্দেশ্য হতো, তবে আমি অনেক বছর আগেই আমাদের পরিবার নিয়ে বই লিখতাম, যখন ডোনাল্ড তার বারবার দেউলিয়া হওয়া ব্যবসায়ী হিসেবে খ্যাতি এবং গুরুত্বহীন রিয়েলিটি শো হোস্টের পরিচয় ব্যবহার করে হোয়াইট হাউসে পৌঁছাবেন তা অনুমান করার কোনো উপায় ছিল না। তখন এটি অনেক নিরাপদও হতো কারণ আমার চাচা তখন তথ্য প্রকাশকারী বা সমালোচকদের ভয় দেখানো বা বিপদে ফেলার মতো অবস্থানে ছিলেন না। তবে গত তিন বছরের ঘটনাগুলো আমাকে বাধ্য করেছে এবং আমি আর চুপ করে থাকতে পারছি না। এই বইটি যখন প্রকাশিত হবে, ততদিনে ডোনাল্ডের অহংকার আর ইচ্ছাকৃত অজ্ঞতার বেদীতে লক্ষ লক্ষ আমেরিকান জীবন বলিদান দেওয়া হয়ে যাবে। তিনি যদি দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসেন, তবে সেটি হবে আমেরিকান গণতন্ত্রের শেষ।
** মেরি এল. ট্রাম্প, ''টু মাচ অ্যান্ড নেভার এনাফ: হাউ মাই ফ্যামিলি ক্রিয়েটেড দ্য ওয়ার্ল্ড'স মোস্ট ডেঞ্জারাস ম্যান'' (২০২০), পৃষ্ঠা ১৬-১৭
* যখন আপনি নিজেই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করেন এবং আপনাকে আপনার কথা বিস্তারিত ব্যাখ্যা করতে বা আপনি প্রকৃত তথ্য বুঝতে পারছেন কি না তা প্রমাণ করতে বাধ্য করা হয় না, তখন কথা বলা বা নিজেকে জ্ঞানী হিসেবে তুলে ধরা খুব সহজ। এটি সংবাদমাধ্যমের জন্য একটি অভিযোগ (অন্য অনেকের মধ্যে) যে নির্বাচনী প্রচারণার সময় এগুলোর কিছুই বদলায়নি, যখন ডোনাল্ডের মিথ্যা এবং অদ্ভুত দাবিগুলো প্রকাশ করলে হয়ত আমাদের তার রাষ্ট্রপতিত্ব থেকে বাঁচানো যেত। হাতেগোনা যে কয়েকবার তাকে তার অবস্থান বা নীতি (যার আসলে কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তখনও তার কাছ থেকে কোনো যৌক্তিক কথা বা গভীর জ্ঞান প্রদর্শনের আশা করা হয়নি। নির্বাচনের পর থেকে তিনি এই ধরনের প্রশ্নগুলো পুরোপুরি এড়িয়ে যাওয়ার উপায় বের করে নিয়েছেন; হোয়াইট হাউসের প্রেস ব্রিফিং এবং আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনের বদলে এখন এসেছে "চপার টক" বা হেলিকপ্টারের শব্দের মধ্যে কথা বলা, যেখানে তিনি অভিনয় করতে পারেন যে হেলিকপ্টারের শব্দের জন্য তিনি কোনো অপ্রীতিকর প্রশ্ন শুনতে পাচ্ছেন না। ২০২০ সালে তার অতিমারী বিষয়ক "প্রেস ব্রিফিং" দ্রুতই আত্মতুষ্টি, জনমোহিনী বক্তৃতা আর চাটুকারিতায় ভরা ছোটখাটো নির্বাচনী জনসভায় পরিণত হয়েছিল। সেখানে তিনি সেই অমার্জনীয় ব্যর্থতাগুলোকে অস্বীকার করেছেন যা ইতিমধ্যেই হাজার হাজার মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে, উন্নতির কথা নিয়ে মিথ্যা বলেছেন এবং সেইসব মানুষকে বলির পাঁঠা বানিয়েছেন যারা পর্যাপ্ত সুরক্ষা ও সরঞ্জাম ছাড়াই নিজেদের জীবন ঝুঁকি নিয়ে আমাদের বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। এমনকি যখন লক্ষ লক্ষ আমেরিকান অসুস্থ হয়ে মারা যাচ্ছে, তখনও তিনি একে জয় হিসেবে এবং তার অসাধারণ নেতৃত্বের প্রমাণ হিসেবে প্রচার করছেন। আর যদি কেউ মনে করে যে তিনি গম্ভীর বা গম্ভীর হতে সক্ষম, তবে তিনি মডেলদের সাথে শোয়া নিয়ে জোকস করবেন অথবা তার ফেসবুক অনুসারীর সংখ্যা নিয়ে মিথ্যা বলবেন। তবুও সংবাদ মাধ্যমগুলো তার থেকে সরে আসতে রাজি নয়। যে কয়েকজন সাংবাদিক তাকে চ্যালেঞ্জ করেন বা যারা ডোনাল্ডকে কেবল একটি আতঙ্কিত জাতির জন্য সান্ত্বনার বাণী বলতে অনুরোধ করেন, তাদের "নচ্ছাড়" বলে উপহাস ও অবজ্ঞা করা হয়। ডোনাল্ডের প্রথম দিকের সেই ধ্বংসাত্মক আচরণ যা ফ্রেড উৎসাহিত করেছিলেন, সেখান থেকে শুরু করে মিডিয়ার তাকে চ্যালেঞ্জ করতে অনিচ্ছা এবং ২০ জানুয়ারি ২০১৭ থেকে তিনি প্রতিদিন যে দুর্নীতি করছেন তার প্রতি রিপাবলিকান পার্টির চোখ বুজে থাকা সবকিছুই এই এককালের মহান জাতির অর্থনীতি, গণতন্ত্র এবং স্বাস্থ্যের আসন্ন পতনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
** মেরি এল. ট্রাম্প, ''টু মাচ অ্যান্ড নেভার এনাফ: হাউ মাই ফ্যামিলি ক্রিয়েটেড দ্য ওয়ার্ল্ড'স মোস্ট ডেঞ্জারাস ম্যান'' (২০২০), পৃষ্ঠা ২০৩
* সাত ঘণ্টা পর ট্রাম্প গত তিন মাসের মধ্যে তার প্রথম করোনাভাইরাস টাস্ক ফোর্স সংবাদ সম্মেলনে একটি দীর্ঘ বক্তব্য দেন। তিনি হোয়াইট হাউসে একাই কথা বলেন। সেখানে মাইক পেন্স, ফাউসি বা বার্কস কেউ ছিলেন না। তিনি তার বলার ধরণও পরিবর্তন করেন। ভাইরাসের পরিস্থিতি নিয়ে সবকিছু খুব একটা ভালো ছিল না। "এটি সম্ভবত দুর্ভাগ্যের বিষয় যে ভালো হওয়ার আগে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে," ট্রাম্প একটি অস্বাভাবিক বাস্তববাদী কথা বলেন। "এমন কিছু যা আমি কোনো বিষয় সম্পর্কে বলতে পছন্দ করি না, কিন্তু পরিস্থিতি এমনই।" এর আগে ট্রাম্প মাস্ক পরতে অনিচ্ছুক ছিলেন। "একটি মাস্ক নিন," তিনি বলেন। "আপনি মাস্ক পছন্দ করেন বা না করেন, এর একটি প্রভাব আছে। এর একটা ফল পাওয়া যাবে এবং আমাদের যা যা পাওয়া সম্ভব তার সবই প্রয়োজন।" তার মন্তব্যগুলো ছিল একটি পরোক্ষ স্বীকারোক্তি যে তার আগের পদ্ধতিগুলো কাজ করেনি এবং আসলে ভাইরাসের পরিস্থিতি অনেক বেশি খারাপ ছিল। দিনটি ছিল ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতিত্বের একটি ক্ষুদ্র রূপ, যা কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে "আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে" থেকে "ভালো হওয়ার আগে আরও খারাপ হবে", এই দুই মেরুতে ঘুরেছে। এটি ছিল একদম সাম্প্রতিক উদাহরণ এবং এই বইটি প্রেসে যাওয়ার আগের শেষ ঘটনা যে ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতিত্ব ছিল দ্বিধাগ্রস্ততায় ভরা, একটি অনিশ্চিত পথে চলা, যা কখনও লড়াই আবার কখনও সমঝোতা এবং একটি বক্তব্য বা পদক্ষেপ থেকে ঠিক তার বিপরীত দিকে যাওয়ার মধ্য দিয়ে চলেছে।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৮৪-৩৮৫
* রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প সম্পর্কে এই বইয়ের প্রতিবেদন শেষ করার পর আমি ক্লান্তি অনুভব করলাম। দেশটি তখন সত্যিকারের বিশৃঙ্খলার মধ্যে ছিল। ভাইরাসটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল। অর্থনীতি সংকটে ছিল এবং ৪ কোটিরও বেশি মানুষ কর্মহীন ছিল। বর্ণবাদ এবং বৈষম্য নিয়ে একটি শক্তিশালী হিসাব-নিকাশের সময় আমাদের সামনে ছিল। এর কোনো শেষ দেখা যাচ্ছিল না এবং সেখান থেকে বের হওয়ার কোনো পরিষ্কার পথও ছিল না। আমি ৭ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্পের সাথে সেই কথোপকথনের কথা ভাবলাম যখন তিনি "প্রতিটি দরজার পিছনে ডিনামাইট" বা সেই অপ্রত্যাশিত বিস্ফোরণের কথা উল্লেখ করেছিলেন যা সবকিছু বদলে দিতে পারে। তিনি সম্ভবত কোনো বাইরের ঘটনার কথা ভাবছিলেন যা ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতিত্বকে প্রভাবিত করবে। কিন্তু এখন আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে, "দরজার পিছনের ডিনামাইট" সবার সামনেই ছিল। সেটি ছিলেন ট্রাম্প নিজেই। সেই বিশাল ব্যক্তিত্ব। সুসংগঠিত হতে ব্যর্থতা। শৃঙ্খলার অভাব। তার বেছে নেওয়া মানুষ বা বিশেষজ্ঞদের ওপর বিশ্বাসের অভাব। অনেক আমেরিকান প্রতিষ্ঠানকে অবমূল্যায়ন করার চেষ্টা। একটি শান্ত ও নিরাময়কারী কণ্ঠস্বর হতে ব্যর্থতা। ভুল স্বীকার করতে অনিচ্ছা। নিজের কাজ নিজে করতে ব্যর্থতা। শান্তির প্রস্তাব দিতে ব্যর্থতা। অন্যদের কথা মন দিয়ে শোনা। একটি পরিকল্পনা তৈরি করা। ম্যাটিস, টিলারসন এবং কোটস এরা সবাই রক্ষণশীল বা অরাজনৈতিক মানুষ ছিলেন যারা তাকে এবং দেশকে সাহায্য করতে চেয়েছিলেন। তারা নিখুঁত মানুষ ছিলেন না, কিন্তু জনসেবার আহ্বানে সাড়া দিয়েছিলেন। তারা কোনো ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠী বা ডিপ স্টেট ছিলেন না। তবুও তাদের প্রত্যেকেই তাদের নেতার কাছ থেকে নিষ্ঠুর কথা শুনে বিদায় নিয়েছেন। তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন যে ট্রাম্প তাদের দেশের জন্য এক অস্থির হুমকি। একটু ভেবে দেখুন: শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা নেতারা মনে করতেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি দেশের জন্য একটি বিপদ।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৮৬-৩৮৭
* ২৮ জানুয়ারি ২০২০-এ যখন ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং তার উপ-প্রধান ট্রাম্পকে সতর্ক করেছিলেন যে এই ভাইরাসটি তার রাষ্ট্রপতিত্বের জন্য সবথেকে বড় জাতীয় নিরাপত্তা হুমকি হবে—হতে পারে এমন নয়, বরং হবে তখন নেতৃত্বের ঘড়িটি নতুন করে সেট করতে হয়েছিল। এটি ছিল একটি বিস্তারিত পূর্বাভাস, যা তথ্য এবং অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে করা হয়েছিল এবং দুর্ভাগ্যবশত যা সঠিক প্রমাণিত হয়েছিল। রাষ্ট্রপতিরা হলেন নির্বাহী বিভাগ। সেখানে সতর্ক করার একটি দায়িত্ব ছিল। শোনা, পরিকল্পনা করা এবং যত্ন নেওয়ার দায়িত্ব। দীর্ঘ সময় ধরে ট্রাম্প গড়িমসি করেছেন এবং অন্যরা যেমনটা বলেছিলেন, তিনিও বলেছিলেন যে ভাইরাসটি চিন্তার কারণ কিন্তু এখনই নয়। দুই নৌকায় পা দেওয়ার ভালো কারণ ছিল, কিন্তু সেখানে আরও সুসংগত এবং সাহসীভাবে কথা বলা উচিত ছিল। নেতৃত্ব দেওয়া মানেই প্রায় সবসময় ঝুঁকি নেওয়া। ভাইরাসটি, যাকে ট্রাম্প "মহামারী" বলেন, তা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশ্বকে এমন এক অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খলার মধ্যে ফেলেছে যা কেবল মন্দা নয়, বরং মহামন্দা হতে পারে। এটি একটি প্রকৃত আর্থিক সংকট, যা কোটি কোটি মানুষকে কর্মহীন করে দিয়েছে। ট্রাম্পের সমাধান হলো অতিমারী-পূর্ব সময়ে তিনি যে অর্থনৈতিক অলৌকিকতা সৃষ্টি করেছেন বলে বিশ্বাস করেন, তা আবার তৈরি করার চেষ্টা করা। ডেমোক্র্যাট, রিপাবলিকান এবং ট্রাম্প পুনরুদ্ধারের জন্য অন্তত ২.২ ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করতে রাজি হয়েছিলেন, যা ক্রমবর্ধমান ঘাটতির কারণে ভবিষ্যতে নিজস্ব সমস্যা তৈরি করবে। মানুষের প্রাণের ক্ষয়ক্ষতি ছিল অকল্পনীয়, জুলাইয়ের মধ্যে ভাইরাসে ১,৩০,০০০-এর বেশি আমেরিকান মারা গেছে এবং এর কোনো প্রকৃত শেষ দেখা যাচ্ছে না।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৮৯
* আমেরিকান রাজনীতির গভীরভাবে গেঁথে থাকা ঘৃণা ট্রাম্পের বছরগুলোতে আরও বিকশিত হয়েছিল। তিনি সেগুলোকে উস্কে দিয়েছিলেন এবং দেশটিকে এক করার জন্য সুসংহত কোনো প্রচেষ্টা করেননি। ডেমোক্র্যাটরাও তা করেনি। ট্রাম্প মনে করতেন ডেমোক্র্যাটরা তার সাথে খুব অন্যায় করেছে, আবার ডেমোক্র্যাটরাও মনে করত ট্রাম্প তাদের সাথে অন্যায় করেছেন। তাদের মধ্যে দেয়ালগুলো কেবল আরও উঁচুই হয়েছে। ট্রাম্পের সাথে আমার ১৭টি সাক্ষাৎকার নেওয়া একটি চ্যালেঞ্জ ছিল। তিনি তার ওপর লেখা আমার প্রথম বই ''ফিয়ার''-কে অসত্য, একটি "প্রতারণা" এবং "ঠাট্টা" বলে অভিহিত করেছিলেন এবং আমাকে "ডেমোক্র্যাটদের লোক" বলেছিলেন। তার ঘনিষ্ঠ কয়েক জন তাকে বলেছিলেন যে বইটি সত্য ছিল এবং লিন্ডসে গ্রাহাম তাকে বলেছিলেন যে আমি তার মুখে কোনো কথা বসিয়ে দেব না এবং যতটা সম্ভব নির্ভুলভাবে প্রতিবেদন করব। ট্রাম্প কোনো এক কারণে আমার সাথে সহযোগিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যা আমার কাছে পরিষ্কার নয়। তার মনে হয়েছিল তিনি একজন নির্ভরযোগ্য উৎস হয়ে উঠবেন। তিনি কখনও নির্ভরযোগ্য ছিলেন, কখনও পুরোপুরি অনির্ভরযোগ্য এবং প্রায়ই মিশ্র... কিন্তু সাক্ষাৎকারগুলো দেখায় যে তার "আমি একাই এটি ঠিক করতে পারি" এমন কথাবার্তা সত্ত্বেও তিনি অনেক সময় দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন, সত্য গোপন করেছেন এবং দেশের নেতার ভূমিকা এড়িয়ে গেছেন। আমেরিকা এবং বিশ্ব যেমনটা জানে, ট্রাম্প একজন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। তিনি জাঁকজমক পছন্দ করেন। সংকটের সময় রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত বিষয়ের চেয়ে কার্যকারিতা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কোটি কোটি মানুষের কাছে আমেরিকার আশার গল্প একটি দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৮৯-৩৯০
* প্রায় ৫০ বছর ধরে আমি নিক্সন থেকে ট্রাম্প পর্যন্ত ৯ জন রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে লিখেছি যা ৪৫ জন মার্কিন রাষ্ট্রপতির ২০ শতাংশ। একজন রাষ্ট্রপতিকে অবশ্যই জনগণের সাথে খারাপ সংবাদের পাশাপাশি ভালো সংবাদ ভাগ করে নিতে ইচ্ছুক হতে হবে। সকল রাষ্ট্রপতির তথ্য দেওয়া, সতর্ক করা, রক্ষা করা এবং লক্ষ্য ও প্রকৃত জাতীয় স্বার্থকে সংজ্ঞায়িত করার একটি বড় বাধ্যবাধকতা থাকে। ট্রাম্প এর বদলে ব্যক্তিগত আবেগকে তার শাসনের মূলনীতি বানিয়ে ফেলেছেন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার কর্মদক্ষতা সামগ্রিকভাবে বিবেচনা করলে আমি কেবল একটি সিদ্ধান্তেই পৌঁছাতে পারি: ট্রাম্প এই কাজের জন্য ভুল মানুষ।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৯১-৩৯২
====জানুয়ারি ২০২০====
=====ডোনাল্ড ট্রাম্পের চার্লসটন, সাউথ ক্যারোলাইনা জনসভা (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০)=====
:<small>সাউথ ক্যারোলাইনার চার্লসটন জনসভায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]-এর ভাষণ (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০), ''রেভ''-এ [https://www.rev.com/blog/transcripts/donald-trump-charleston-south-carolina-rally-transcript-february-28-2020 অনলাইনে থাকা প্রতিলিপি] থেকে সংগৃহীত।</small>
* ধন্যবাদ। ধন্যবাদ। আপনাদের অনেক ধন্যবাদ। আমি শুধু এটাই বলতে পারি যে, এই ভুয়া খবরের মাধ্যমগুলো আসলে কিছুই বোঝে না, তাই না? তারা এটা বুঝতেই পারে না। [অস্পষ্ট ০০:০২:৫৪] তারা একদমই বোঝে না। হ্যালো চার্লসটন! আমি সাউথ ক্যারোলাইনার মতো এই চমৎকার অঙ্গরাজ্যে হাজার হাজার পরিশ্রমী আমেরিকান দেশপ্রেমিকদের মাঝে ফিরে আসতে পেরে রোমাঞ্চিত, যারা বিশ্বাস, পরিবার, ঈশ্বর এবং নিজের দেশে আস্থা রাখেন। ধন্যবাদ। এখানে এক বিশাল ভিড় জমেছে, যা কেবল বাইরের সেই মানুষের সংখ্যার চেয়ে কম যারা ভেতরে ঢোকার সুযোগ পাননি। আপনারা যারা এখানে দাঁড়িয়ে আছেন বা বসে আছেন, তাদের মধ্যে কেউ যদি নিজের জায়গা ছেড়ে দিতে চান, তবে হাত তুলুন। ঠিক আছে। তাহলে চলুন শুরু করি, তাই তো? সবাইকে অনেক ধন্যবাদ। এটা দারুণ। না, তারা এটা বোঝে না। এই রাস্তার কিছুটা দূরেই আগামীকাল যারা নির্বাচনে লড়তে যাচ্ছেন তাদের একজনের একটা সভা চলছে। তারা ১০০ জন লোক জড়ো করার চেষ্টা করছে, কিন্তু তারা পারবে না। তাই আমার মনে হয় তারা একটা গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করবে। তারা আসলে সেটাই করে। তাই মানুষ যখন কোনো জনসভায় যেতে চায়, শেষ পর্যন্ত তারা গোলটেবিলে বসে অভিশংসন নিয়ে নিজেদের ব্যাখ্যা দেয়। পাগলামি।
* না, এটা পাগলামি। স্রেফ পাগলামি! এটা একটা অদ্ভুত ব্যাপার। না, এই ভুয়া খবরের সংবাদমাধ্যমগুলো বছরের পর বছর ধরে এটা বোঝার চেষ্টা করছে। কিন্তু তারা এখনো বুঝতে পারেনি। তারা বুঝতে পারছে না। ওই ক্যামেরাগুলোর দিকে তাকিয়ে দেখুন। ওই সব ক্যামেরা দেখুন। কত কত ক্যামেরা! লিন্ডসে এবং টিম, অনেক ক্যামেরা... তারা শুনেছে যে আপনারা এখানে আছেন। তারা শুনেছে টিম আর লিন্ডসে এখানে আছেন এবং... তারা বলেছিল, "আমরা ওই জনসভায় যাব না," কিন্তু যখন তারা শুনল যে আমাদের এই চমৎকার কংগ্রেস সদস্যদের সাথে ওই দুজনও এখানে আছেন... তবে আমাদের জাতির জন্য এটি একটি অবিশ্বাস্য সময়। আমরা যাকে ‘আমেরিকার মহিমান্বিত প্রত্যাবর্তন’ বলছি, আমরা এখন তার ঠিক মাঝখানে আছি। কর্মসংস্থান বাড়ছে, আয় বাড়ছে, কারখানাগুলো ফিরে আসছে, দারিদ্র্য কমছে, আত্মবিশ্বাস বাড়ছে এবং আমরা মার্কিন সামরিক বাহিনীর দুর্দান্ত ক্ষমতাকে সম্পূর্ণ নতুনভাবে গড়ে তুলেছি। আমাদের দেশ আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।
* আমরা আরও শক্তিশালী, আমরা আরও ভালো অবস্থানে আছি। কিন্তু যখন আমরা একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলছি, তখন ওয়াশিংটনের কট্টর বামপন্থী ডেমোক্র্যাটরা সবকিছু পুড়িয়ে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। তারা গত তিন বছর ধরে এমনকি আমি আরও আগে থেকে বলতে পারি, নির্বাচনের পর থেকে তিন বছর হয়েছে, তবে আমরা নির্বাচনের আগের কথাই ধরি তারা আপনাদের ভোট মুছে ফেলার এবং আমাদের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। কিন্তু আপনাদের সাহায্যে আমরা অতি-বামপন্থীদের দুর্নীতি ফাঁস করেছি এবং তাদের অশুভ পরিকল্পনা নস্যাৎ করেছি। দেখা যাক সামনের মাসগুলোতে কী হয়। চলুন দেখি। স্রেফ অপেক্ষা করে দেখি। খুবই অসৎ লোক তারা। এখন ডেমোক্র্যাটরা করোনাভাইরাসকে রাজনৈতিক রূপ দিচ্ছে, আপনারা সেটা জানেন তো? করোনাভাইরাস, তারা এটাকে রাজনীতিতে টেনে আনছে। আমরা চমৎকারভাবে কাজ করেছি। আপনারা যখন জিজ্ঞেস করেন, "রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প কেমন কাজ করছেন?" তখন তারা বলে, "ওহ, ভালো না, ভালো না।" তাদের কোনো ধারণা নেই। তাদের বিন্দুমাত্র ধারণা নেই। তারা এমনকি আইওয়াতে তাদের ভোটও ঠিকমতো গুনতে পারে না। তারা গুনতেও জানে না। না, তারা পারে না। তারা নিজেদের ভোট গুনতে পারে না।
* আমার এক লোক আমার কাছে এসে বলল, "মিস্টার প্রেসিডেন্ট, তারা আপনাকে রাশিয়া, রাশিয়া, রাশিয়া বলে হারানোর চেষ্টা করেছিল।" সেটা খুব একটা কাজে আসেনি। তারা সেটা করতে পারেনি। তারা অভিশংসনের ধোঁকাবাজি করার চেষ্টা করেছে। সেটা ছিল একদম নিখুঁত একটি ফোনালাপ নিয়ে। তারা যেকোনো কিছু করার চেষ্টা করেছে। বারবার চেষ্টা করেছে। আপনি আসার পর থেকেই তারা এটা করছে। সবকিছু বদলে যাচ্ছে। তারা হেরে গেছে। সবকিছু এখন পাল্টে যাচ্ছে। ভেবে দেখুন। চিন্তা করে দেখুন। '''আর এটাই হলো তাদের নতুন ধোঁকাবাজি।''' কিন্তু আমরা এমন কিছু করেছি যা বেশ আশ্চর্যজনক। এই বিশাল দেশে আমাদের মাত্র ১৫ জন আক্রান্ত ছিল এবং কারণটা হলো আমরা শুরুতেই ব্যবস্থা নিয়েছি। আমরা আগেভাগে ব্যবস্থা নিয়েছি বলেই সংখ্যাটা এর চেয়ে অনেক বেশি হয়নি। আমরা খুব ভালো করছি। আমাদের দেশ খুব ভালো চলছে। আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ। আমরা অনেক বেশি একতাবদ্ধ। রিপাবলিকান দল এখনকার মতো আগে কখনোই এতটা ঐক্যবদ্ধ ছিল না। আমাদের দেশে এখন যে গণজোয়ার চলছে, ইতিহাসে এমনটা আগে কখনোই দেখা যায়নি। কখনোই এমন আন্দোলন হয়নি। তাই একটি পরিসংখ্যান নিয়ে আমরা কথা বলতে চাই, বলুন। ইউএসএ বলুন। ঠিক আছে। ইউএসএ। তো এমন একটা সংখ্যা যা কেউ শোনেনি, কিন্তু আমি সম্প্রতি শুনেছি এবং শুনে অবাক হয়েছি যে, প্রতি বছর ফ্লু বা সাধারণ ইনফ্লুয়েঞ্জায় গড়ে ৩৫,০০০ মানুষ মারা যায়। কেউ কি সেটা জানতেন? ৩৫,০০০, এটা অনেক মানুষ। এটা ১,০০,০০০ পর্যন্ত হতে পারে, আবার ২৭,০০০ হতে পারে। তারা বলে সাধারণত কমপক্ষে ২৭,০০০ থেকে শুরু করে বছরে ১,০০,০০০ মানুষ মারা যায়। আর এখন পর্যন্ত আমরা যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসে কাউকে হারাইনি। একজনকেও না। তার মানে এই নয় যে আমরা হারাব না, আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত আছি। এর মানে এই নয় যে আমরা হারাব না, কিন্তু ভেবে দেখুন। আপনারা ৩৫ থেকে ৪০ হাজার মানুষের কথা শুনছেন আর আমরা কাউকে হারাইনি, অথচ দেখুন সংবাদমাধ্যমগুলো কীভাবে হিস্টিরিয়ায় ভুগছে। সিএনএনের ভুয়া খবর আর ওই ক্যামেরাটা এইমাত্র বন্ধ হয়ে গেল, ওই ক্যামেরাটা। ক্যামেরাটা এইমাত্র বন্ধ হলো। ওটা আবার চালু করুন। আচ্ছা, যাই হোক, শুনুন। এটা দেখুন, সত্যি বলতে সব অনুষ্ঠানই এমন হয়। এটা আমাদের নিয়ে। এটা পুরোপুরি আমাদের সম্পর্কে। আমি চাই তারা ক্যামেরা ঘুরিয়ে পুরো গ্যালারিটা দেখাক। তারা কখনোই তা করে না। কখনোই না। তারা কখনোই তা দেখায় না। তারা কখনোই পুরো গ্যালারি দেখায় না। আপনারা শব্দ শুনেই বুঝতে পারছেন কারণ যখন আপনি এই শব্দ শুনবেন, তা ২০০ মানুষের শব্দ নয়। তা ১০০ মানুষের শব্দ নয়। সেখানে হাজার হাজার মানুষ রয়েছে, এমনকি বাইরেও অনেক মানুষ আছে। আপনারা সেটা শুনতে পাচ্ছেন। তারা সবসময় আমার মুখ দেখায়। ওই মুখটা দেখতে পাচ্ছেন? তারা আমার মুখ দেখায়। আমি চাই তারা আমার মুখ না দেখিয়ে পুরো গ্যালারিটা দেখাক, তাই তো? [...] যখন চরম বামপন্থীরা এই জঘন্য ধোঁকাবাজি দিয়ে আমেরিকার সময় নষ্ট করছে, তখন আমরা সন্ত্রাসীদের খতম করছি, কর্মসংস্থান তৈরি করছি, মজুরি বাড়াচ্ছি, ন্যায্য বাণিজ্য চুক্তি করছি, আমাদের সীমান্ত সুরক্ষিত করছি এবং প্রতিটি জাতি, ধর্ম ও বর্ণের নাগরিকদের জীবন উন্নত করছি। আমরা শুধু গত মাসেই আরও ২,২৫,০০০ কর্মসংস্থান যোগ করেছি। আর নির্বাচনের পর থেকে এটি মোট ৭০ লক্ষ কর্মসংস্থান হয়েছে, ৭০ লক্ষ। সাউথ ক্যারোলাইনার মতো চমৎকার অঙ্গরাজ্যে বেকারত্বের হার। আপনারা কি সেই জায়গার নাম শুনেছেন?
* প্রায় সবাই। আপনারা কি এটা বিশ্বাস করতে পারেন? আমি নিশ্চিত আপনাদের স্বামীরা খুব রোমাঞ্চিত, তাই না? তারা দারুণ খুশি। আপনারা আজ রাতে কোথায় যাচ্ছেন? আমি ট্রাম্পের আরেকটি জনসভায় যাচ্ছি। চমৎকার। ১১৪ নম্বর সভা। আপনাদের স্বামীরা এ ব্যাপারে কী বলেন? এখানকার এই দলটি। তিনি বললেন, "আমরা পরোয়া করি না।" ধন্যবাদ। আপনাদের ধন্যবাদ। ডেমোক্র্যাটরা শুধু ভয়াবহ সব কথা বলবে, যদিও তারা জানে যে আমরা খুব ভালো কাজ করছি। আমাদের হাতে যা আছে তা দিয়েই আমরা চমৎকার কাজ করছি। এটি অবিশ্বাস্য। ডেমোক্র্যাটরা মন থেকে চায় আমরা যেন ব্যর্থ হই। এমনকি তাদের কাজ যদি আপনারা তাকিয়ে দেখুন এই দেশের মানুষের ক্ষতিও করে, তবুও তারা পিছু হটে না। তারা মানুষের ক্ষতি করবে, মানুষের সম্পদের ক্ষতি করবে, সবকিছুর ক্ষতি করবে। এমনকি তারা মিথ্যা বলছে জেনেও আমাদের দেশের ক্ষতি করতে তারা রাজি আছে শুধু খারাপ কথা বলার জন্য। আমরা [[মেক্সিকো]], [[কানাডা]], [[চীন]], দক্ষিণ কোরিয়া এবং [[জাপান]]ের সাথে অবিশ্বাস্য সব চুক্তি করেছি। আর আপনি যদি এই পেছনের লোকগুলোর সামনে একটা মাইক্রোফোন ধরেন যেমনটা আগে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস বা অস্কারে হতো, এখন আর হয় না। বছরের সেরা সিনেমা। এটি দক্ষিণ কোরিয়া-তে তৈরি। এটার মানে কী? আমি বছরের সেরা সিনেমা দেখার অপেক্ষায় আছি
* আর এটি তৈরি... তিনি বললেন, "এটি আবর্জনা।" কেবল সাউথ ক্যারোলাইনাতেই আপনি এটা বলতে পারেন। কেবল সাউথ ক্যারোলাইনায়। আপনারা আমাদের বিপদে ফেলে দেবেন। না, ভুয়া খবর প্রচারকারীদের জন্য তিনি যা বলেছেন আমি কেবল তারই পুনরাবৃত্তি করছি। না, কিন্তু গুরুত্বের সাথে বলছি যে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের রেটিং অনেক নিচে নেমে গেছে। আপনারা জানেন কেন? কারণ তারা আমাদের আক্রমণ করা শুরু করেছিল এবং আমরা এখন আর ওতে বিশ্বাস করি না। এই কারণেই। না, কিন্তু তারা বছরের সেরা সিনেমা হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ার তৈরি একটি চলচ্চিত্রকে বেছে নিয়েছে। তারা তো আমাদের জন্য যথেষ্ট জিনিসপত্র বানায়, তাই না? আর তারা ভালো। তারা আমাদের বন্ধু। আমাদের সুযোগ নেয়, ঠিক আছে। এখন আর অতটা নয়। আমরা সত্যিই, আপনারা যদি দেখেন, বিশ্বের সেরা পেশাদারদের নিয়ে চমৎকারভাবে সুসংগঠিত হয়েছি। আমরা সবথেকে খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত আছি। আপনাদের সবথেকে খারাপের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে, তবে আশা করি শেষ পর্যন্ত এটি খুব সামান্যই হবে। এই কারণেই আমি আপনাদের বলছি যখন ফ্লুতে ৩৫,০০০ মানুষ মারা যায় আর এই ভাইরাসটি সম্পর্কে আমাদের খুব খুব গুরুত্বের সাথে ভাবতে হবে। আমরা সেটাই করছি। আমরা সবথেকে খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।
* আমার প্রশাসন [[যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড-১৯ মহামারি|যুক্তরাষ্ট্রে এই রোগের বিস্তার]] রোধে আধুনিক ইতিহাসের সবথেকে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। আমরা প্রস্তুত। আমরা একদম প্রস্তুত। পুরোপুরি প্রস্তুত। গত ৩১ জানুয়ারি আমি আদেশ দিয়েছি যে যেসব বিদেশি নাগরিক সম্প্রতি চীনে ছিলেন তাদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ স্থগিত করা হবে। এই পদক্ষেপের ডেমোক্র্যাটরা তীব্র সমালোচনা ও প্রতিবাদ করেছিল আর এখন সবাই আমার প্রশংসা করে বলছে, "আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনি ১০০ শতাংশ সঠিক ছিলেন।" পরিস্থিতি একদম অন্যরকম হতে পারত। কিন্তু আমি বলছি, চলুন বিষয়টি ঠিকভাবে বুঝি। একটি ভাইরাস চীনে শুরু হলো, সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ল, আর যুক্তরাষ্ট্রে এটি তেমনভাবে ছড়িয়ে পড়ল না কারণ আমি এবং আমার প্রশাসন অনেক মতভেদের বিরুদ্ধে গিয়েও শুরুতেই কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। আর ডেমোক্র্যাটদের একমাত্র বলার বিষয় হলো আপনারা দেখছেন যে এটি ডোনাল্ড ট্রাম্পের দোষ, তাই না? এটি ডোনাল্ড ট্রাম্পের দোষ। না, এগুলো স্রেফ ঘটে যাওয়া কিছু বিষয়।
* কিন্তু আপনারা জানেন এটা কী প্রমাণ করে? বিপদ আসতেই পারে। দুই সপ্তাহ আগে কে এই কথা ভেবেছিল? চার সপ্তাহ আগে কে ভেবেছিল যে এমন কিছু চলতে পারে? আপনি ভাবেননি। কিন্তু জীবনে অনেক কিছু ঘটে আর আপনাদের প্রস্তুত থাকতে হবে, নমনীয় হতে হবে এবং এর মোকাবিলা করার ক্ষমতা থাকতে হবে। আর আমাদের কাছে বিশ্বের সেরা পেশাদাররা আছেন, বিশ্বের সেরা এবং আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত। একই সময়ে আমি ৫০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয়ভাবে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইন বা সঙ্গনিরোধ চালু করেছি। আমাদের কিছু মানুষকে আলাদা রাখতে হয়েছিল। তারা খুশি ছিলেন না, তারা এ নিয়ে মোটেও খুশি ছিলেন না। আমি আপনাদের বলতে চাই যে অনেক মানুষ আছে যারা খুব একটা খুশি ছিল না, কিন্তু দুই সপ্তাহ পর তারা খুশি হয়ে গেল। আপনারা জানেন কারা খুশি হয়েছিল? তাদের আশেপাশে যারা ছিল তারা খুশি হয়েছিল। তারাই শেষ পর্যন্ত খুশি হয়েছিল।
** দ্রষ্টব্য: ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের মেডিকেল অ্যান্ড বায়োডিফেন্স প্রিপেয়ার্ডনেস পলিসির প্রাক্তন পরিচালক লুসিয়ানা বোরিও ২০১৮ সালে আটলান্টার এমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সিম্পোজিয়ামে বলেছিলেন, যা ১৯১৮ সালের ইনফ্লুয়েঞ্জা অতিমারীর ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত হয়েছিল: "অতিমারী ফ্লুর ঝুঁকি স্বাস্থ্য নিরাপত্তার প্রধান উদ্বেগের বিষয়, আমরা কি এর মোকাবিলা করতে প্রস্তুত? আমি ভয় পাচ্ছি উত্তরটি হলো 'না'।" যা উদ্ধৃত হয়েছে factCheck.org তে রেম রিডারের লেখা [https://www.factcheck.org/2020/03/contrary-to-trumps-claim-a-pandemic-was-widely-expected-at-some-point/ ''ট্রাম্পের দাবির বিপরীতে, কোনো এক সময়ে অতিমারীর প্রত্যাশা ব্যাপকভাবে ছিল''] (২০ মার্চ ২০২০) শীর্ষক নিবন্ধে।
* আমি একটি হোয়াইট হাউস ভাইরাস টাস্ক ফোর্স গঠন করেছি। এটি অনেক বড় একটি বিষয়, একটি ভাইরাস টাস্ক ফোর্স। আমাদের প্রয়োজনীয় সংস্থান নিশ্চিত করতে আমি ২.৫ বিলিয়ন ডলারের অনুরোধ করেছিলাম। ডেমোক্র্যাটরা বলেছিল, "এটি ভয়াবহ। তিনি ভুল করছেন। তার ২.৫ বিলিয়ন নয় বরং ৮.৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন।" আমার সাথে আগে এমনটা কখনো ঘটেনি। আমি ২.৫ বিলিয়ন চাইলাম আর তারা আমাকে ৮.৫ বিলিয়ন দিতে চায়, তাই আমি বললাম, "আমি এটাই নেব।" এতে কি আমি খারাপ কিছু... আমি এটা নেব। আমি নেবই। আগে আমার সাথে এমনটা কখনো হয়নি। কখনোই না। আমরা চাই ২.৫ বিলিয়ন। ওটাই যথেষ্ট। আমরা দাবি করছি আপনি ৮.৫ বিলিয়ন নিন। তিনি জানেন না তিনি কী করছেন। আমরা ৮.৫ বিলিয়ন চাই। এই লোকগুলো পাগল। আমাদের বুঝতে হবে যে সীমান্ত নিরাপত্তা মানেই স্বাস্থ্য নিরাপত্তা। আর আপনারা সবাই দেখেছেন যে জাদুর মতো দেওয়াল উঠে গেছে। এটি জাদুর মতো তৈরি হয়েছে। আপনারা কি ভাবছেন এটি খুব সহজ ছিল? এটি একদমই সহজ ছিল না। এটি চমৎকারভাবে তৈরি হচ্ছে এবং আমরা এখন ১৩২ মাইল পর্যন্ত তৈরি করেছি এবং এটিই সেই আসল দেওয়াল যা সীমান্ত রক্ষা, জল, সবকিছুর জন্য প্রয়োজন।
* তো আমি জানি না এই অ্যারেনায় উপস্থিতির রেকর্ড কত, তবে আমাকে বলা হয়েছে যে আমরা সেটি অনেক বড় ব্যবধানে ভেঙেছি। আর বাইরেও অনেক মানুষ আছে। আমাদের কি তাদের বলে দেওয়ার অনুমতি আছে যে আমরা কাকে ভোট দিতে বলব? কারণ আপনারা তো অনেককে বাদ দিতে পারেন। ঠিক আছে, এক মিনিট দাঁড়ান, চলুন একটা জরিপ করা যাক। আমরা পেছনের ওই ভুয়া সংবাদমাধ্যমগুলোর জন্য এটি করছি। তৈরি? আমাদের জন্য সেরা প্রার্থী কে হবে? তাদের জন্য নয় কিন্তু। আমরা প্রস্তুত। তৈরি তো? তাহলে চলুন তাদের নামগুলো দ্রুত একবার দেখে নিই। আমরা স্টেয়ারকে এর মধ্যে রাখব না কারণ সে একজন পরাজিত ব্যক্তি। সে বাদ, ঠিক আছে? আমরা তাকে রাখব না। সেরা কে হবে? এটি একটি আসল জরিপ। এটি সেই সব ভুয়া জরিপগুলোর মতো নয় যা... সত্যি বলতে আমি তোমাকে ভালোবাসি, [[ফক্স নিউজ|ফক্স]], তবে ফক্সের নেওয়া সেই জরিপগুলো সবথেকে খারাপ। এই লোক... এই জরিপকারী ট্রাম্পকে মনেপ্রাণে ঘৃণা করে। গত নির্বাচনে আমি অনেক বড় ব্যবধানে হারছিলাম। তারা বলেছিল, "সে নারীদের কাছে খুব ভালো করেছে।" সবকিছু ভুল ছিল। আর তারা কখনো এই লোকটাকে বদলায়নি। কিন্তু এটা দেখুন। আপনারা তৈরি?
* গতকাল আমাদের একটি চমৎকার অনুষ্ঠান ছিল, অনুষ্ঠানটি ছিল খুব সুন্দর তরুণ আফ্রিকান আমেরিকান নেতারা সেখানে ছিলেন। আমি তাদের যে বিষয়গুলো জিজ্ঞেস করেছিলাম এবং আমি অনেক দিন ধরেই এটা নিয়ে ভাবছিলাম... এবং মহান সব মানুষ, দুর্দান্ত মানুষ। তাদের মধ্যে কয়েকজন আজ রাতে এখানে আছেন। আপনারা কি আফ্রিকান আমেরিকান নামটা পছন্দ করেন নাকি কৃষ্ণাঙ্গ? আর তারা সবাই একসাথে চিৎকার করে বলল, "কৃষ্ণাঙ্গ!" না, সত্যি। আমি আপনাদের বলছি। কারণ আপনি যখন জিজ্ঞেস করেন, "আফ্রিকান আমেরিকান নাকি কৃষ্ণাঙ্গ?" আর তারা প্রায় সাথে সাথেই বলল, "কৃষ্ণাঙ্গ।" আমাদের চমৎকার একদল মানুষ ছিল এবং যা ঘটেছিল তা হলো এনবিসি... এটি ছিল ভালোবাসার এক মিলনমেলা। এটি ছিল অবিশ্বাস্য। এটি ৪৫ মিনিট ধরে চলেছিল। এটি ভালোবাসার এক উৎসব ছিল। এটি অবিশ্বাস্য ছিল। এনবিসি প্রত্যাখ্যান করেছিল... তারা ঠিক ওখানেই আছে। তারা প্রত্যাখ্যান করেছিল... কমকাস্ট, যার মালিকানাধীন এনবিসি... আসলে এনবিসিকে আমার মনে হয় আমরা এমএসডিএনসি ডাকি, তাই না? এমএসডিএনসি। কিন্তু আমার মনে হয় এনবিসি সিএনএনের চেয়েও খারাপ। সত্যি বলছি। আর কমকাস্ট, এমন এক কোম্পানি যারা তাদের ইমেজের জন্য লক্ষ লক্ষ ডলার খরচ করে... আমি তাদের ইমেজ নষ্ট করার জন্য যা যা করা সম্ভব তার সবই করব কারণ তারা ভয়াবহ। তারা খুব বাজে লোক। তারা একদল জঘন্য মানুষ। আর তারা বহু বছর ধরে ''দ্য অ্যাপ্রেন্টিসের'' জন্য আমাকে প্রচুর অর্থ দিয়েছে। তারা আমাকে অঢেল টাকা দিয়েছে। আর আমি যখন শো-টি ছেড়েছিলাম, তখন এটি খুব ভালো চলছিল। যখন আমি শোটি ছাড়ি ১৪টি সিজন, ভেবে দেখুন তারা একজন বিখ্যাত চলচ্চিত্র তারকাকে নিয়ে আসে। আমি তার নাম বলব না। কেউ জানবে না। আসলে কেউই তার নাম জানবে না কারণ সে খুব অল্প সময়ের জন্য সেখানে ছিল। কিন্তু ট্রাম্পকে সরিয়ে দেওয়ার পর অনুষ্ঠানটি খুব দ্রুতই গোল্লায় গেল। কিন্তু এখন থেকে পাঁচ বছর পর দেশ অবশ্যই আপনারা তাদের খেপিয়ে দিতে চান পাঁচ বছর বা নয় বছর বা ১৩ বছর। অথবা ১৮ বছর! আরও ১০ বছর। নাহ। ওহ, আপনারা এটা বললে তারা পাগল হয়ে যায়। যখন আপনারা তাদের বলবেন আরও পাঁচ বছর, তার মানে এটা হলো পাঁচ, কিন্তু এরপর আপনি বলতে পারেন হয়ত নয়, হয়ত ১৩, হয়ত ১৭, হয়ত ২১, অথবা না, হয়ত ২১। চলুন এটাই করি। আমরা নিজেদের জন্য ২৫ বছরের একটি সময়সীমা ঠিক করি। ২৫ বছরের বেশি নয়। আর নয়। ঠিক আছে। তারা সেনেটে কোনো কিছু পাস করবে। টিম, লিন্ডসেকে নিয়ে সেনেটে এটি পাস করান, দয়া করে ২৫ বছরের একটি মেয়াদ নির্দিষ্ট করে দিন।
====ফেব্রুয়ারি ২০২০====
* শিশু দারিদ্র্য হ্রাসের কর্মসূচিগুলো এমনকি সেই বছরগুলোতেও সাহায্য করে যখন দরিদ্র বা প্রায়-দরিদ্র অভিভাবকদের আয় বাড়ে। এবং স্বাভাবিকভাবেই, দুঃসময়ে এই কর্মসূচিগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ কর্মসংস্থানের বাজার আজ ভালো চললেও কাল ধসে পড়তে পারে। ট্রাম্প প্রশাসন এই ধরনের কর্মসূচিগুলোর যোগ্যতার নিয়মাবলি নতুন করে লিখেছে যাতে সুবিধাপ্রাপ্ত মানুষের সংখ্যা কমানো যায়। এর পেছনের তথাকথিত লক্ষ্য হলো: সরকারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে খরচ কমানো। (ট্রাম্পের সঙ্গীরা বড় বড় কর্পোরেশন এবং অতি-ধনী ব্যক্তিদের জন্য যে ভর্তুকি আর কর ফাঁকির সুযোগ তৈরি করেছেন, সেগুলোর কথা না-ই বা বললাম, যার ফলে শত শত কোটি ডলার সরকারি খরচ এবং হারানো রাজস্ব যুক্ত হচ্ছে।)
** রাজন মেনন, ''[https://www.thenation.com/article/economy/child-poverty-trump/ ট্রাম্পের দারিদ্র্য-বিরোধী যুদ্ধে আমাদের শিশুরাও অন্তর্ভুক্ত]'' (৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০), ''দ্য নেশন''।
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচিত হওয়ার আগেও শিশুদের যত্ন বা চাইল্ডকেয়ারের জন্য সহায়তার যোগ্য পরিবারগুলোর মাত্র ছয় ভাগের এক ভাগ সহায়তা পেত এবং আবাসন ভর্তুকি পেত মাত্র পাঁচ ভাগের এক ভাগ। তা সত্ত্বেও তার প্রশাসন সেই সব কর্মসূচি বন্ধ করার প্রস্তুতি নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল, যেগুলো এই পরিবারগুলোকে আবাসন ও শিশুদের যত্নে সাহায্য করত। ভবিষ্যতে এই পরিবারগুলোর তার কাছে সাহায্যের আশা করে কোনো লাভ নেই। তিনি তাদের জন্য কোনো ট্রাম্প টাওয়ার বানাবেন না। "মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন" বলতে যাই বোঝানো হোক না কেন, আমেরিকার গরিব শিশুদের সাহায্য করা এর অন্তর্ভুক্ত নয়। ডোনাল্ড ট্রাম্প যতদিন তাদের জীবনের দৌড় নিয়ন্ত্রণ করবেন, তারা নিজেদের শুরুর লাইন থেকে আরও দূরেই খুঁজে পাবে।
** রাজন মেনন, ''[https://www.thenation.com/article/economy/child-poverty-trump/ ট্রাম্পের দারিদ্র্য-বিরোধী যুদ্ধে আমাদের শিশুরাও অন্তর্ভুক্ত]'' (৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০), ''দ্য নেশন''।
==== মার্চ ২০২০ ====
* এই সম্পদ বা অর্থ জোগাড় করার জন্য একটা অতিমারীর অপেক্ষায় থাকা ঠিক হয়নি। ২০১৯ সালের জুনে আমরা হাউস বাজেট কমিটির কাছে 'দরিদ্র মানুষের নৈতিক বাজেট' পেশ করেছিলাম। সেখানে আমরা দেখিয়েছিলাম যে কীভাবে পুরো দেশের এই প্রয়োজনগুলো মেটানো সম্ভব। '''আপনারা যদি এই নৈতিক বাজেটটি মেনে চলতেন, তবে স্বাস্থ্যসেবা, ভালো কাজ, সম্মানজনক মজুরি, আবাসন এবং বিশুদ্ধ জলের মতো খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে আমরা ইতিমধ্যেই দেশের অর্থনীতিতে ১.২ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি টাকা যোগ করার পথে এগিয়ে যেতাম।<BR>এখন ওপর থেকে নিচে সুবিধা পৌঁছানোর সমাধানের সময় নয়। আমরা জানি যে নিচের দিকের মানুষের উন্নতি হলে সবারই উন্নতি হয়। বর্তমান সংকট এবং আমরা কয়েক বছর বা দশক ধরে যেসব সমস্যার বিরুদ্ধে লড়াই করছি, সেগুলোর বাস্তব সমাধান আমাদের হাতে আছে। আপনাদের কাছে আমাদের দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা মানুষকে সংগঠিত করা এবং শক্তি বাড়ানো চালিয়ে যাব। আমাদের লক্ষ লক্ষ মানুষ অনেক দীর্ঘ সময় ধরে কষ্ট পাচ্ছে। আমরা আর চুপ করে থাকব না।''' কোভিড-১৯ অতিমারী তার ভয়াবহ বিস্তারের মাধ্যমে আমাদের এক নজিরবিহীন জরুরি অবস্থার মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। তবে এই জরুরি অবস্থা আসলে আরও গভীর এবং দীর্ঘস্থায়ী একটি সংকটের ফল, তা হলো দারিদ্র্য ও চরম বৈষম্য। আমাদের সমাজ এমন ১৪০ মিলিয়ন মানুষের প্রয়োজনকে পাত্তাই দেয় না যারা হয় গরিব, না হয় সামান্য কোনো বিপদে পড়লেই গরিব হয়ে যাবে।
** রাষ্ট্রপতি [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], উপ-রাষ্ট্রপতি [[মাইক পেন্স]] এবং ১১৬তম মার্কিন কংগ্রেসের সদস্যদের কাছে লেখা চিঠিতে রেভ উইলিয়াম বারবার দ্বিতীয়, [https://www.poorpeoplescampaign.org/poverty-amidst-pandemic/ অতিমারীর মধ্যে দারিদ্র্য: কোভিড-১৯-এর একটি নৈতিক প্রতিক্রিয়া] (১৯ মার্চ ২০২০), লিজ থিওহারিসের সাথে যৌথভাবে লেখা, পুওর পিপলস ক্যাম্পেইন: এ ন্যাশনাল কল ফর এ মোরাল রিভাইভাল।
* নিয়মিতভাবে ভবিষ্যতের ঝুঁকিগুলো যাচাই করে দেখার মতো শৃঙ্খলা বা ধীরস্থির মনোভাব বেশির ভাগ নেতারই নেই। আর অনেক আগে থেকেই প্রধান বিপদটা ঠিকভাবে চিনে নিয়ে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার মতো দূরদর্শিতা তো আরও বিরল। এক কথায় বলতে গেলে, ট্রাম্প প্রশাসন পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। তারা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দেওয়া করোনাভাইরাস ছড়ানোর বারবার সতর্কতা যেমন গায়ে মাখেনি, তেমনি বিপদের তুলনায় দেশজুড়ে যে ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া দরকার ছিল, তাও নিতে পারেনি। ভাইরাসের এই ক্ষতি সামলানোর জন্য সরকারি ও বেসরকারি সব পক্ষকে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো ক্ষমতা আর সম্পদ কেবল কেন্দ্রীয় সরকারেরই ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, ট্রাম্পের কর্মকর্তারা একের পর এক ভুল ধারণা (কোভিড-১৯-এর বিপদকে গুরুত্ব না দেওয়া) এবং ভুল সিদ্ধান্ত (জরুরি ব্যবস্থা নিতে দেরি করা) নিয়েছেন। এর ফলে আমেরিকানদের নিরাপত্তা অকারণে ঝুঁকির মুখে পড়েছে। সংক্ষেপে, ট্রাম্প প্রশাসন আমেরিকান জনগণের ওপর এক বিশাল বড় বিপর্যয় চাপিয়ে দিয়েছে। তবে পার্ল হারবার বা ৯/১১-এর মতো অতীতের বড় বড় ঘটনাগুলোর তুলনায় এবারের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে নজিরবিহীন উদাসীনতা, এমনকি ইচ্ছাকৃত অবহেলার কারণে। উদাহরণস্বরূপ, ৯/১১ কমিশন রিপোর্ট যেমন আল-কায়েদার হামলার জন্য রোনাল্ড রেগান থেকে শুরু করে জর্জ ডব্লিউ বুশ পর্যন্ত বিভিন্ন প্রশাসনকে দায়ী করেছিল, এই করোনাভাইরাস সংকটের দায়ভার কিন্তু পুরোপুরি বর্তমান হোয়াইট হাউসের ওপরই বর্তায়। [...] করোনাভাইরাস ছড়ানোর শুরুর দিকে হোয়াইট হাউসের এই গা-ছাড়া ভাব আধুনিক রাষ্ট্রপতিত্বের ইতিহাসে সবথেকে বড় ভুল হিসেবে গণ্য হবে। তাদের কাছে যথেষ্ট আগে থেকেই পরিষ্কার সতর্কবার্তা ছিল এবং তারা চাইলেই দেশটাকে আরও ভালোভাবে প্রস্তুত করতে পারত। কিন্তু যেভাবে তারা দূরদর্শিতা আর সময়ের সুযোগ নষ্ট করেছে তা কখনোই ভোলা উচিত নয়। আর এর কারণটাও মনে রাখা দরকার: ট্রাম্প শুরু থেকেই ভুল ছিলেন, আর তার সাঙ্গোপাঙ্গরা সেই ভুলটাকেই দীর্ঘ সময় ধরে বড় করে দেখানোর চেষ্টা করেছে। আমেরিকানদের এখন দশকের পর দশক ধরে এর খেসারত দিতে হবে।
** মাইকা জেঙ্কো, [https://foreignpolicy.com/2020/03/25/coronavirus-worst-intelligence-failure-us-history-covid-19/ ''করোনাভাইরাস মার্কিন ইতিহাসের সবথেকে বড় গোয়েন্দা ব্যর্থতা''], ২৫ মার্চ ২০২০, ফরেন পলিসি।
==== এপ্রিল ২০২০ ====
* এই মহামারীর প্রাদুর্ভাব অবাক করার মতো, সত্যি বলতে আঁতকে ওঠার মতো, কিন্তু এর আবির্ভাবটা মোটেই অভাবিত ছিল না। আর এই সংকটে সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রেকর্ড সবথেকে খারাপ হওয়াটাও আশ্চর্যের কিছু নয়। [...] কোভিড-১৯ সংকট থেকে আমরা একসময় মুক্তি পাব, তবে তার জন্য এক ভয়াবহ এবং বিশাল মূল্য দিতে হবে, বিশেষ করে দরিদ্র আর অসহায় মানুষদের। কিন্তু মেরু অঞ্চলের বরফের আস্তরণ গলে যাওয়া আর বিশ্ব উষ্ণায়নের অন্যান্য বিধ্বংসী পরিণাম থেকে ফেরার কোনো পথ থাকবে না। [...] বর্তমান প্রশাসনের কাছে সম্ভাব্য অতিমারী সম্পর্কে যথেষ্ট সতর্কবার্তা ছিল। আসলে, গত অক্টোবরেই একটি উচ্চপর্যায়ের মহড়া বা সিমুলেশন চালানো হয়েছিল। ট্রাম্প ক্ষমতায় থাকাকালীন ঠিক সেভাবেই কাজ করেছেন যেভাবে আমরা তাকে দেখে অভ্যস্ত: সরকারের সব প্রয়োজনীয় বিভাগগুলোর তহবিল বন্ধ করে দিয়ে বা সেগুলোকে ভেঙে দিয়ে। তিনি মন দিয়ে তার করপোরেট প্রভুদের নির্দেশ মেনে চলেছেন। মুনাফা বাড়াতে বাধা দেয় এমন সব নিয়মকানুন তুলে দেওয়ার জন্য তিনি কাজ করছেন যাতে প্রাণের বিনিময়েও ব্যবসায়িক লাভ নিশ্চিত করা যায়। পরিবেশগত বিপর্যয়ের খাদের কিনারায় পৌঁছানোর দৌড়ে তিনি নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যা এখন পর্যন্ত তার সবথেকে বড় অপরাধ—আসলে এর ফলাফল বিবেচনা করলে এটি ইতিহাসের সবথেকে বড় অপরাধ।
** [[নোম চম্স্কি]], সি.জে. পলিচ্রনিউ-এর সাথে এক সাক্ষাৎকারে, [https://truthout.org/articles/chomsky-ventilator-shortage-exposes-the-cruelty-of-neoliberal-capitalism/ ''চম্স্কি: ভেন্টিলেটরের অভাব নিওলিবারাল ক্যাপিটালিজমের নিষ্ঠুরতাকে প্রকাশ করে''] (১ এপ্রিল ২০২০), ''ট্রুথআউট''।
* ক্ষমতা নিয়ে দলাদলি বা রেষারেষি এই প্রশাসনের একটা চিরচেনা রূপ, আর এই অতিমারী মোকাবিলার ক্ষেত্রেও তার কোনো ব্যতিক্রম হয়নি। [...] এমনকি তাদের কাজকর্মের মধ্যেও কোনো অভ্যন্তরীণ মিল বা শৃঙ্খলা দেখা যাচ্ছে না।
** মিশেল গোল্ডবার্গ, [https://www.nytimes.com/2020/04/02/opinion/jared-kushner-coronavirus.html ''জ্যারেড কুশনারকে দায়িত্বে রাখাটা চরম পাগলামি''] (২ এপ্রিল ২০২০), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস''।
* জীবনে না হলেও, এই প্রশাসনে অন্তত তাই (অর্থাৎ মানুষ বড়ই একা)।
** অ্যান্ড্রু কুওমোর বক্তব্য: "ধরে নিন জীবনে আপনি একাই পথ চলছেন" প্রসঙ্গে [[মিশেল গোল্ডবার্গ]], [https://www.nytimes.com/2020/04/02/opinion/jared-kushner-coronavirus.html ''জ্যারেড কুশনারকে দায়িত্বে রাখাটা চরম পাগলামি''] (২ এপ্রিল ২০২০), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস''।
* প্রেসিডেন্ট হলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট, তাই তার কথাগুলোকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য হিসেবেই গণ্য করা হয়।
** হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি শন স্পাইসার, [https://www.cnn.com/2017/06/06/politics/trump-tweets-official-statements/index.html হোয়াইট হাউস: ট্রাম্পের টুইটগুলো 'অফিসিয়াল স্টেটমেন্ট' বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য] ৬ জুন, (প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের টুইটার বার্তার মর্যাদা প্রসঙ্গে)।
* সে ১ কোটি ৫০ লক্ষেরও বেশি কর্মসংস্থান তৈরি করেছে।
** নিজের মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্প সম্পর্কে ব্যবসায়িক নেতাদের সাথে এক ফোনালাপে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। কোনো ব্যাখ্যা বা প্রমাণ দেওয়া হয়নি। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৪-০৭ |শিরোনাম=ট্রাম্প দাবি করেছেন যে তার মেয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মোট কর্মসংস্থানের ১০ শতাংশ তৈরি করেছে |লেখক=ইয়ান মিলহিজার |সাময়িকী=Vox|ইউআরএল=https://www.vox.com/2020/4/8/21212802/trump-ivanka-10-percent-jobs-walmart-15-million}}
* যখন কেউ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হন, তখন তার ক্ষমতা হয় নিরঙ্কুশ।
** করোনাভাইরাস টাস্ক ফোর্সের প্রেস ব্রিফিংয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৪-১৩ |শিরোনাম=সিএনএন রিপোর্টার সরাসরি ট্রাম্পের মুখের ওপর প্রতিবাদ করেন যখন তিনি রাজার মতো ক্ষমতার দাবি করেন |লেখক=কোডি ফেনউইক |সাময়িকী=রস্টোরি |ইউআরএল=https://www.rawstory.com/2020/04/cnn-reporter-flat-out-contradicts-trump-to-his-face-when-he-claims-king-like-authority/}}
* এই কারণেই আপনাদের রেটিং এত খারাপ, কারণ আপনারা করুণার পাত্র। বলে যান। শুরু করুন। আপনাদের রেটিং ভয়াবহ। আপনাদের আবার আসল খবরের দিকে ফিরে যাওয়া উচিত। বলে যান।
** একজন সাংবাদিকের কথা থামিয়ে দিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যিনি "আগামী সপ্তাহে মাসের প্রথম তারিখ..." বলে প্রশ্ন শুরু করেছিলেন। হোয়াইট হাউস করোনাভাইরাস টাস্ক ফোর্স ব্রিফিং (১৯ এপ্রিল ২০২০), [https://www.rev.com/blog/transcripts/donald-trump-coronavirus-press-conference-transcript-april-19 ডোনাল্ড ট্রাম্পের করোনাভাইরাস সংবাদ সম্মেলনের প্রতিলিপি ১৯ এপ্রিল]
* আমি খুব সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করি। বাণিজ্য চুক্তি, সামরিক পুনর্গঠন ইত্যাদি দেখাশোনার জন্য আমি অনেক মাস ধরে হোয়াইট হাউস থেকে বের হইনি (কেবল হাসপাতাল জাহাজ কমফোর্ট উদ্বোধন করা ছাড়া)। আর এরপর আমি সেই লোকসান হতে থাকা নিউ ইয়র্ক টাইমসে আমার কাজের সময়সূচী আর খাদ্যাভ্যাস নিয়ে একটা ভুয়া খবর পড়লাম, যা লিখেছে একজন তৃতীয় শ্রেণির সাংবাদিক যে আমার সম্পর্কে কিছুই জানে না। আমি প্রায়ই গভীর রাত পর্যন্ত ওভাল অফিসে থাকি আর পরে পড়ি বা দেখি যে আমি নাকি আমার শোবার ঘরে বসে রাগে রাগে হ্যামবার্গার আর ডায়েট কোক খাচ্ছি। আমার সাথে যারা থাকেন তারা সবসময় অবাক হন। আমাকে ছোট করার জন্য সব কিছুই চলে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৪-২৬ |শিরোনাম='হ্যামবারগার' এবং 'নোবেল প্রাইজ': বানানে ভুল করা টুইটার বার্তায় গণমাধ্যমকে আক্রমণ ট্রাম্পের |লেখক=অ্যালেক্স উডওয়ার্ড |সাময়িকী=ইন্ডিপেন্ডেন্ট |ইউআরএল=https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-politics/donald-trump-latest-coronavirus-hamburger-nobel-prize-russia-a9485006.html}}
* রাশিয়া, রাশিয়া, রাশিয়া নিয়ে কাজ করার জন্য সেই সব 'রিপোর্টার' যারা নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন, অথচ শেষে তারা পুরোপুরি ভুল প্রমাণিত হয়েছেন (এবং আসলে অন্য পক্ষই অপরাধ করেছিল), তারা কবে তাদের প্রিয় 'নোবেল' ফিরিয়ে দেবেন যাতে সেগুলো সেই সব আসল রিপোর্টার আর সাংবাদিকদের দেওয়া যায় যারা সঠিক খবর দিয়েছিলেন?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৪-২৬ |শিরোনাম=রাশিয়া তদন্ত নিয়ে সংবাদ করা সাংবাদিকদের 'নোবেল প্রাইজ' ফিরিয়ে দিতে বললেন ট্রাম্প, পরে টুইটটি মুছে ফেলা হয় |লেখক=জেমস পাসলে |সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার |ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-deletes-tweet-calling-for-journalists-to-return-noble-prizes-2020-4?r=US&IR=T}}
* এরা খুব ভালো মানুষ, তবে তারা রাগান্বিত।
** মিশিগানে স্টেট ক্যাপিটল দখল করা সশস্ত্র বিক্ষোভকারীদের সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-০১ |শিরোনাম=বন্দুক নিয়ে সংসদ ভবন দখল করা 'খুব ভালো মানুষদের' দাবি মেনে নিতে মিশিগানের গভর্নরকে ট্রাম্পের তাগিদ |লেখক=ট্রাভিস গেটিস |সাময়িকী=রস্টোরি |ইউআরএল=https://www.rawstory.com/2020/05/trump-urges-michigan-governor-to-give-in-to-very-good-people-who-stormed-statehouse-with-guns/}}
====মে ২০২০====
* আমরা ৮ বছরের মধ্যে এইডস-মুক্ত হব। আমরা শুরু করেছি, আসলে ১০ বছর আগে শুরু করা উচিত ছিল। আগের প্রশাসনের আমলেই এটি শুরু হওয়া উচিত ছিল। তারা কিছুই করেনি। আমার প্রশাসনের সময়েই এর শুরু হয়েছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-০৩ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ফক্স নিউজের টাউন হলে করোনাভাইরাস এবং অন্যান্য বিষয়ে ট্রাম্পের একগুচ্ছ মিথ্যা দাবি |লেখক=ড্যানিয়েল ডেল |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/05/03/politics/fact-check-fox-news-townhall-trump-may-3/index.html}}
* আমাদের যে ঐক্য আছে, এক অর্থে আমাদের মধ্যে দারুণ মিল রয়েছে, আবার অন্য অর্থে আমার মনে হয় তারাও সাথে আসবে। আমি বলতে চাইছি, আমি তো অবশ্যই তেমনটাই আশা করি। তবে আমার প্রধান কাজ হলো আমাদের দেশকে আগের জায়গায় ফিরিয়ে আনা। আমি একে আগের অবস্থায় বা হয়ত তার চেয়েও ভালো অবস্থানে নিয়ে যেতে চাই। আপনারা জানেন তো, আমাদের হাতে এখন এক বিশাল প্রণোদনা রয়েছে সেই সব অর্থ যা নিয়ে আজ রাতে আমরা এ পর্যন্ত কথা বলেছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-০৪ |শিরোনাম=লিঙ্কন মেমোরিয়ালে ফক্স টাউন হলে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৪৫টি সবথেকে চমকপ্রদ উক্তি |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/05/04/politics/donald-trump-fox-lincoln-memorial/index.html}}
* তো ক্যালিফোর্নিয়াতে ডেমোক্র্যাটরা ডাকযোগে ব্যালট পাঠিয়ে ভোট নেওয়ার জন্য পাগল হয়ে লড়াই করেছিল এবং সফলও হয়েছিল। তারা এখন সেই অঙ্গরাজ্যের সবথেকে বেশি ডেমোক্র্যাট-ঘেঁষা এলাকায় ভোট দেওয়ার বুথ খুলেছে। তারা আরেকটি নির্বাচনে কারচুপি করার চেষ্টা করছে। সেখানে সবকিছুই সাজানো। এই ভোটগুলো অবশ্যই গণ্য করা যাবে না। প্রতারণা!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-০৯ |শিরোনাম=উন্মত্ত টুইটগুলোতে ট্রাম্প বলেছেন ক্যালিফোর্নিয়ার সব ভোট ‘অবশ্যই গণ্য করা যাবে না’ |লেখক=মার্ক এনসি |সাময়িকী=নিউজ করপস |ইউআরএল=https://www.newscorpse.com/ncWP/?p=45212}}
* খাস খবর: মিশিগান প্রাথমিক ও সাধারণ নির্বাচনের আগে ৭৭ লক্ষ মানুষের কাছে অ্যাবসেন্ট ব্যালট (অনুপস্থিত ভোটারদের ব্যালট) পাঠাচ্ছে। একজন উদ্ধত সেক্রেটারি অফ স্টেট কোনো অনুমতি ছাড়াই এটি বেআইনিভাবে করেছেন। মিশিগান যদি ভোটার জালিয়াতির এই পথে হাঁটতে চায়, তবে আমি তাদের অর্থ সাহায্য আটকে দেওয়ার কথা বলব!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-২০ |শিরোনাম=মিশিগানের অ্যাবসেন্ট ব্যালট আবেদন নিয়ে ট্রাম্পের মিথ্যা টুইট |লেখক=ডি'অ্যাঞ্জেলো গোর |সাময়িকী=FactCheck.org |ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/05/trumps-false-tweet-about-michigan-absentee-ballot-applications/}}
* আর জানেন তো, আপনি যখন "মাথাপিছু" বা পার ক্যাপিটা বলেন, সেখানে অনেক ধরনের পার ক্যাপিটা আছে। এটা অনেকটা এমন যে কার তুলনায় মাথাপিছু? তবে আপনি যেকোনো বিভাগই দেখুন না কেন, মাথাপিছু হিসেবেও আমরা একদম শীর্ষে অর্থাৎ ভালো অবস্থানে আছি। তারা দারুণ কাজ করেছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-২০ |শিরোনাম=কোভিড-১৯ নিয়ে আলোচনার সময় ট্রাম্প কি বলেছিলেন যে ‘অনেক ধরনের পার ক্যাপিটা’ আছে? |লেখক=কিম লাক্যাপ্রিয়া |সাময়িকী=TruthOrFiction.com |ইউআরএল=https://www.truthorfiction.com/did-president-trump-say-there-were-many-per-capitas-in-a-covid-19-discussion/}}
* আমি পাঁচ বছর আগে মিশিগানে ‘ম্যান অফ দ্য ইয়ার’ হিসেবে সম্মানিত হয়েছিলাম।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-২২ |শিরোনাম=মিশিগানে ট্রাম্পের সন্দেহজনক ‘ম্যান অফ দ্য ইয়ার’ হওয়ার বড়াই |লেখক=রবার্ট ফার্লি |সাময়িকী=actCheck.org |ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2019/08/trumps-dubious-michigan-man-of-the-year-boast/}}
* ডাকযোগে পাঠানো ব্যালট বা মেল-ইন ব্যালটে যে বড় ধরনের কারচুপি হবে না, তার কোনো সম্ভাবনাই নেই (একদম শূন্য)! ডাকবক্সগুলো চুরি হবে, ব্যালট জাল করা হবে, এমনকি সেগুলো অবৈধভাবে ছাপানো আর তাতে জালিয়াতি করে সইও করা হবে। ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে ব্যালট পাঠাচ্ছেন। ওই রাজ্যে বসবাসকারী যে কেউ, সে যে-ই হোক বা যেভাবেই সেখানে আসুক না কেন, সে একটি ব্যালট পাবে। এরপর আসবে কিছু পেশাদার লোক, যারা এই সব মানুষদের বলে দেবে কীভাবে আর কাকে ভোট দিতে হবে। এদের মধ্যে অনেকে আবার আগে কখনো ভোট দেওয়ার কথা ভাবেনি। এটি একটি সাজানো নির্বাচন হবে। অসম্ভব!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1265255835124539392 টুইটারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৬ মে ২০২০)
* ভেবে দেখুন তো, আপনার স্থানীয় ফোন কোম্পানিগুলো যদি আপনার বলা কথাগুলো এডিট করার বা সেন্সর করার চেষ্টা করত। সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোর ক্ষমতা তো তার চেয়েও অনেক বেশি।
** {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-২৮ |শিরোনাম=সোশ্যাল মিডিয়া দমনের যুক্তি দিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি হাস্যকর তুলনা ব্যবহার করেছেন |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/05/28/politics/donald-trump-twitter-facebook-social-media-executive-order/index.html}}
====জুন ২০২০====
[[File:President Trump Visits St. John's Episcopal Church (49963649028).jpg|thumb|আপনাদের আধিপত্য বিস্তার করতে হবে নতুবা আপনাদের একদল মূর্খ মনে হবে, আপনাদের লোকজনকে গ্রেফতার করতে হবে এবং তাদের বিচার করতে হবে।]]
* আপনাদের আধিপত্য বিস্তার করতে হবে নতুবা আপনাদের একদল মূর্খ মনে হবে, আপনাদের লোকজনকে গ্রেফতার করতে হবে এবং তাদের বিচার করতে হবে।
* আপনাদের খুব বেশি সাবধান হওয়ার দরকার নেই।
** জর্জ ফ্লয়েড হত্যার পর পুলিশি সহিংসতার বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারী সাধারণ মানুষের প্রতি কেমন প্রতিক্রিয়া দেখাতে হবে সে বিষয়ে মার্কিন গভর্নরদের নির্দেশ দিচ্ছেন [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-০১ |শিরোনাম=বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে গভর্নরদের আক্রমণাত্মক কৌশল ব্যবহারের উৎসাহ দিচ্ছেন উত্তেজিত ট্রাম্প |লেখক=কেভিন লিপটাক, রায়ান নোবলস, সারাহ ওয়েস্টউড |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/06/01/politics/donald-trump-race-police/index.html}}
* ওয়াশিংটন, ডি.সি. গত রাতে পৃথিবীর সবথেকে নিরাপদ জায়গা ছিল!
** [https://twitter.com/realdonaldtrump/status/1267959729361485825 ২ জুন ২০২০-এর টুইট], ৮ জুন ২০২০, [https://www.usnews.com/news/politics/articles/2020-06-07/ap-fact-check-trump-exaggerations-on-blacks-economic-gains ইউএস নিউজ]।
* এটি তার জন্য একটি দারুণ দিন। এটি সবার জন্যই একটি দারুণ দিন। গুণের বিচারে এটি খুবই চমৎকার একটি দিন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] দাবি করেছেন যে মার্কিন অর্থনীতি "আবার সঠিক পথে ফিরে এসেছে", এবং তিনি এর সাথে জর্জ ফ্লয়েডকে যুক্ত করেছেন, যাকে কয়েক দিন আগে পুলিশ হত্যা করেছিল। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-০৫ |শিরোনাম=জর্জ ফ্লয়েড ওপর থেকে নিচে তাকিয়ে দেখছেন এবং দিনটিকে ‘একটি দারুণ দিন’ বলার জন্য ট্রাম্পের সমালোচনা |লেখক=এমা রোজমার্জি |সাময়িকী=ইউনিলাড |ইউআরএল=https://www.unilad.co.uk/news/trump-criticised-for-saying-george-floyd-is-looking-down-and-calling-it-a-great-day/}}
* বাফেলোর যে বিক্ষোভকারীকে পুলিশ ধাক্কা দিয়েছিল সে একজন অ্যান্টিফা প্ররোচনাকারী হতে পারে। ৭৫ বছর বয়সী মার্টিন গুগিনোকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল কারণ মনে হচ্ছিল তিনি পুলিশের যোগাযোগের সরঞ্জামগুলো অকেজো করার জন্য স্ক্যান করছিলেন। @OANN আমি দেখেছি, তাকে যত জোরে ধাক্কা দেওয়া হয়েছিল তার চেয়েও বেশি জোরে তিনি পড়ে গিয়েছিলেন। তিনি স্ক্যানার দিয়ে লক্ষ্য করছিলেন। এটি কি কোনো সাজানো নাটক হতে পারে?
** পুলিশের হাতে নিষ্ঠুরভাবে নির্যাতিত হওয়ার পর মস্তিষ্কে আঘাত পাওয়া শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারী মার্টিন গুগিনো সম্পর্কে কোনো প্রমাণ ছাড়াই [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই সব মন্তব্য বারবার করেছেন। যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-০৯ |শিরোনাম=বাফেলো পুলিশের ধাক্কায় পড়ে যাওয়া ৭৫ বছর বয়সী বৃদ্ধের বিরুদ্ধে পড়ে যাওয়ার নাটক করার অভিযোগ ট্রাম্পের |লেখক=ক্যামেরন ফিউ |সাময়িকী=ইউনিলাড |ইউআরএল=https://www.unilad.co.uk/news/trump-accuses-75-year-old-knocked-down-by-buffalo-police-of-faking-fall/}}
* আমার মনে হয় অন্য যেকোনো রাষ্ট্রপতির চেয়ে আমি কৃষ্ণাঙ্গ সম্প্রদায়ের জন্য বেশি কাজ করেছি এবং চলুন আমরা আব্রাহাম লিংকনকে বাদ দিই কারণ তিনি ভালো কাজ করেছিলেন যদিও সেটা সবসময়ই প্রশ্নবিদ্ধ, মানে সহজ কথায় শেষ ফলাফলটা।
** জর্জ ফ্লয়েড বিক্ষোভ চলাকালীন ফক্স নিউজের সাথে এক সাক্ষাৎকারে নিজের নেতৃত্ব এবং আফ্রিকান-আমেরিকান সম্প্রদায়ের সাথে সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার সময় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন। জেরেমি স্টাহলের নিবন্ধ "[https://slate.com/news-and-politics/2020/06/what-was-trump-trying-to-say-about-abraham-lincoln.html আব্রাহাম লিংকন সম্পর্কে ট্রাম্প কী বলতে চেয়েছিলেন?]" ১২ জুন ২০২০, ''স্লেট''।
* সে একজন মিথ্যাবাদী... হোয়াইট হাউসের সবাই জন বোল্টনকে ঘৃণা করত।
** নিজের বেছে নেওয়া জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেন, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-১৫ |শিরোনাম=বোল্টনের বিস্ফোরক বই প্রকাশের পর ট্রাম্প তাকে ‘মিথ্যাবাদী’ বলে অভিহিত করেছেন এবং বলেছেন ‘হোয়াইট হাউসের সবাই তাকে ঘৃণা করত’ |লেখক=নিকোল ডারা |সাময়িকী=দ্য সান |ইউআরএল=https://www.the-sun.com/news/999925/trump-john-bolton-book-white-house-liar/}}
* এরাই সেই সব মানুষ — সবথেকে সেরা, সবথেকে স্মার্ট, সবথেকে মেধাবী, আর তারা এইডসের টিকা আবিষ্কার করেছে। তারা... আরও নানা কিছু আবিষ্কার করেছে।
** বিজ্ঞানীদের সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই দাবি করেন, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-১৬ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: অস্তিত্বহীন এইডস টিকা নিয়ে ট্রাম্পের দাবি |লেখক=ক্যালভিন উডওয়ার্ড, হোপ ইয়েন |সাময়িকী=নিউজ ১২ |ইউআরএল=https://www.kxii.com/content/news/AP-FACT-CHECK-Trump-on-an-AIDS-vaccine-that-doesnt-exist-571309161.html/}}
* আমি একটা ভালো কাজ করেছি: আমি জুনটিন্থকে খুব বিখ্যাত করে তুলেছি।<br>এটি আসলে একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান, একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। কিন্তু আগে কেউ এর নাম শোনেনি।
** বুধবার ১৭ জুন ২০২০-এ ওভাল অফিসে দেওয়া সাক্ষাৎকারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন। ১৯ জুন ২০২০-এ ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের মাইকেল বেন্ডারের [https://www.wsj.com/articles/trump-talks-juneteenth-john-bolton-economy-in-wsj-interview-11592493771 একটি নিবন্ধ] অনুযায়ী এবং ২১ জুন ২০২০-এ দ্য গার্ডিয়ানের রিচার্ড ওল্ফের[https://www.theguardian.com/commentisfree/2020/jun/20/donald-trump-tulsa-rally-crowd-empty-seats লেখায়] এটি বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
* আমি বললাম, 'জেনারেল, কোনো রেলিং ছাড়া ওই ঢালু পথ দিয়ে নিচে নামতে গিয়ে আছাড় না খেয়ে নামা আমার পক্ষে অসম্ভব, জেনারেল।'
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-২০ |শিরোনাম=১৭৯৮টি শব্দ যা প্রমাণ করে যে ওয়েস্ট পয়েন্টের ঢালু পথ নামার গল্প নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প কতটা আচ্ছন্ন |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/06/22/politics/donald-trump-tulsa-rally-west-point-ramp/index.html |ভাষা=en-US}}
* আপনাদের ৪০১(কে) (অবসরকালীন সঞ্চয়) এবং আপনাদের টাকা-পয়সা সব মূল্যহীন হয়ে পড়বে।
** জো বাইডেন যদি পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জেতেন তবে কী হবে সে সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-২০ |শিরোনাম=অতিমারী নিয়ে আবারও মিথ্যাচার, জুনের শুরু থেকে জুলাইয়ের শুরু পর্যন্ত ট্রাম্প ২০০টি মিথ্যা দাবি করেছেন |লেখক=ড্যানিয়েল ডেল, তারা সুব্রামানিয়াম |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/07/18/politics/fact-check-trump-june-july-2020/index.html |ভাষা=en-US}}
* সাজানো ২০২০ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ভিনদেশ এবং অন্যরা লক্ষ লক্ষ ডাক-ব্যালট ছাপাবে। এটি হবে আমাদের সময়ের সবথেকে বড় কেলেঙ্কারি!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]-এর দাবি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-২২ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ডাকযোগে ভোট দেওয়া নিয়ে ভিত্তিহীন দাবি ছড়াচ্ছেন ট্রাম্প |লেখক=মাইলস পার্কস |সাময়িকী=এনপিআর |ইউআরএল=https://apnews.com/1d1a98892bdc7e1df97807b3be48bb13 |ভাষা=en-US}}
* আচ্ছা, একটি বিষয় যা সত্যিই দারুণ হবে তা হলো — অভিজ্ঞতা শব্দটির কদর এখনো আছে। আমি সবসময় বলি অভিজ্ঞতার চেয়ে প্রতিভাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমি সবসময় এটাই বলেছি। কিন্তু অভিজ্ঞতা শব্দটিও খুব গুরুত্বপূর্ণ। এর একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ অর্থ আছে। আমি আগে কখনো এটা করিনি। আমি কখনো ওয়াশিংটনে রাত কাটাইনি। আমি ওয়াশিংটনে বড়জোর ১৭ বার এসেছিলাম। আর হঠাৎ করে আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হয়ে গেলাম। আপনারা তো গল্পটা জানেন। আমি ফার্স্ট লেডির সাথে পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউ দিয়ে যাচ্ছিলাম আর বলছিলাম, ‘এটা দারুণ। কিন্তু আমি ওয়াশিংটনের খুব বেশি মানুষকে চিনতাম না। এটি আমার চেনা জায়গা ছিল না। আমি ম্যানহাটন থেকে, নিউ ইয়র্ক থেকে এসেছিলাম। এখন আমি সবাইকে চিনি এবং প্রশাসনে আমার কাছে দারুণ সব মানুষ আছে। আপনি কিছু ভুল করবেনই। যেমন, ওই গাধাটার কথা ধরুন, ওই যে বোল্টন। সে সবসময় চাইত সবার ওপর বোমা ফেলতে। আপনার তো সবার ওপর বোমা ফেলার দরকার নেই। মানুষের প্রাণ নেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
** "দ্বিতীয় মেয়াদে আপনার অগ্রাধিকারগুলো কী হবে?" - এই প্রশ্নের জবাবে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন। যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৭-১৭ |শিরোনাম=দ্বিতীয় মেয়াদের পরিকল্পনা নিয়ে ট্রাম্পের আবোলতাবোল বকুনি |লেখক=অ্যাডাম কে রেমন্ড |সাময়িকী=নিউ ইয়র্ক ম্যাগাজিন |ইউআরএল=https://nymag.com/intelligencer/2020/06/trump-hannity-interview-full-of-unintelligible-rambling.html}}
* রাশিয়ানরা [[আফগানিস্তান]]ে আমাদের সেনাদের ওপর তথাকথিত যে হামলা চালিয়েছে সে সম্পর্কে আমাকে, @উপ-রাষ্ট্রপতি পেন্স অথবা চিফ অফ স্টাফ @মার্কমিডোসকে কেউ কিছুই বলেনি।
** আফগানিস্তানে মার্কিন সেনাদের হত্যার জন্য রাশিয়ান গোয়েন্দারা তালিবানদের টাকা দিচ্ছে, এমন একটি সংবাদ প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেন। যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-২৮ |শিরোনাম=মার্কিন সেনাদের হত্যার জন্য পুরস্কার বা বাউন্টি দেওয়ার খবর সম্পর্কে তাকে ব্রিফ করার বিষয়টি অস্বীকার করলেন ট্রাম্প |লেখক=কাইল বালুক |সাময়িকী=দ্য হিল |ইউআরএল=https://thehill.com/homenews/administration/504890-trump-denies-he-was-briefed-on-reported-bounties-on-us-troops |ভাষা=en-US}}
* আপনারা কি স্রেফ তাদের গুলি করতে পারেন না? স্রেফ তাদের পায়ে বা এমন কোথাও গুলি করুন না?
** জর্জ ফ্লয়েড হত্যার পর হোয়াইট হাউসের আশেপাশে রাস্তায় বিক্ষোভকারীদের সম্পর্কে জুন ২০২০-এ [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেছিলেন। প্রাক্তন প্রতিরক্ষা সচিব মার্ক এসপারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এটি [https://www.axios.com/mark-esper-book-trump-protesters-24e93272-2af5-423d-be3b-164daab7b43d.html "স্কুপ: এসপার বলেছেন ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের গুলি করতে চেয়েছিলেন"], অ্যাক্সিওস, ২ মে ২০২২।
====জুলাই ২০২০====
* সমাজ ও প্রকৃতির সকল নিয়মের বিরুদ্ধে গিয়ে আমাদের শিশুদের স্কুলে শেখানো হচ্ছে নিজেদের দেশকে ঘৃণা করতে। তাদের বিশ্বাস করানো হচ্ছে যে যারা এই দেশ গড়ে তুলেছিলেন তারা নায়ক নন বরং খলনায়ক ছিলেন। আমেরিকান ইতিহাসের এই কট্টরপন্থী দৃষ্টিভঙ্গি আসলে মিথ্যার জাল। এখানে সব প্রেক্ষিত সরিয়ে ফেলা হয়েছে, সমস্ত গুণকে আড়াল করা হয়েছে, প্রতিটি উদ্দেশ্যকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রতিটি তথ্য বিকৃত করা হয়েছে এবং প্রতিটি ত্রুটিকে এমনভাবে বড় করে দেখানো হয়েছে যাতে ইতিহাস পুরোপুরি মুছে যায় এবং সমস্ত নথিপত্র চেনা দায় হয়ে পড়ে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-০৩ |শিরোনাম=বাইডেন শিক্ষকদের বলেছেন যে তারা সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করছেন, একই দিনে ট্রাম্প বলেছেন যে শিক্ষকরা শিশুদের ‘দেশকে ঘৃণা করতে’ শেখাচ্ছেন |লেখক=ভ্যালেরি স্ট্রস |সাময়িকী=ইন্ডিপেন্ডেন্ট |ইউআরএল=https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-election/biden-trump-teachers-education-policy-2020-election-a9603156.html}}
* আমাদের বিদ্যালয়গুলোতে, আমাদের নিউজ রুমগুলোতে, এমনকি আমাদের কর্পোরেট বোর্ডরুমগুলোতেও এক নতুন কট্টর বামপন্থী ফ্যাসিবাদ এসেছে যা সবার কাছ থেকে নিঃশর্ত আনুগত্য দাবি করে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-০৩ |শিরোনাম=মাউন্ট রাশমোর ভাষণে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২৮টি সবথেকে আপত্তিকর উক্তি |লেখক=ভ্যালেরি স্ট্রস |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/07/04/politics/donald-trump-mount-rushmore-south-dakota-speech-lines/index.html}}
* আমাদের -- এপ্রিলের পর থেকে ভোক্তাদের আত্মবিশ্বাস ১২ পয়েন্ট বেড়েছে, যা সর্বকালের সর্বোচ্চ। ভেবে দেখুন একবার।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের একটি অসত্য দাবি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-০৯ |শিরোনাম=আবারও অতিরঞ্জিত কথা, ট্রাম্পের দাবি চারটি অর্থনৈতিক সূচক রেকর্ড গড়েছে যা আসলে কোনো রেকর্ড নয় |লেখক=ড্যানিয়েল ডেল |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/07/06/politics/fact-check-trump-june-jobs-exaggerations/index.html}}
* অনেক বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্কুল ব্যবস্থা এখন পড়াশোনার বদলে কট্টর বামপন্থী মতাদর্শ চাপিয়ে দেওয়ার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। তাই আমি ট্রেজারি বিভাগকে তাদের কর-মুক্ত সুবিধা এবং অর্থায়ন পুনরায় খতিয়ে দেখতে বলছি। যদি এই অপপ্রচার বা জনস্বার্থ বিরোধী কাজ চলতে থাকে, তবে সেই সব সুবিধা কেড়ে নেওয়া হবে। আমাদের শিশুদের শিক্ষা দিতে হবে, তাদের ওপর কোনো মতাদর্শ চাপিয়ে দেওয়া যাবে না!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১১ |শিরোনাম=মার্কিন স্কুলগুলো পুনরায় খোলার বিষয়ে ট্রাম্পের চাপের মুখে ডাক্তার ও শিক্ষকদের অসম্মতি |লেখক=সুসান হেভি |সাময়িকী=রয়টার্স |ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/us-health-coronavirus-uda-education/in-bid-to-reopen-u-s-schools-trump-threatens-their-tax-exempt-status-idUSKBN24B2D3?il=0}}
* আমি একটি জটিল এলাকায় একটি বেসরকারি গোষ্ঠীর দ্বারা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে টাকা তুলে দেওয়ালের এই খুব ছোট অংশটি তৈরির বিরোধী ছিলাম। এটি কেবল আমাকে ছোট করার জন্য করা হয়েছিল এবং হয়ত এখন এটি কাজও করছে না। এটি দেওয়ালের বাকি ৫০০ মাইলের মতোই তৈরি করা উচিত ছিল।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১২ |শিরোনাম=সমর্থকদের অর্থায়নে নির্মিত দেওয়ালের অস্থিতিশীল অংশটি কেবল 'আমাকে ছোট করার জন্য করা হয়েছিল' বলে দাবি ট্রাম্পের |লেখক= ক্যাথরিন গার্সিয়া | সাময়িকী=দ্য উইক |ইউআরএল=https://theweek.com/speedreads/925124/trump-says-possibly-unstable-section-border-wall-funded-by-supporters-only-done-make-look-bad}}
* আমি এমন অনেককে চিনি যারা কনফেডারেট পতাকা পছন্দ করেন এবং তারা [[দাসত্ব]]ের কথা ভাবছেন না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১৮ |শিরোনাম=ট্রাম্প একটি কনফেডারেট পতাকার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন যেখানে তার অনেক সমর্থক আগেই হার মেনে নিয়েছে |লেখক= টিনা নগুয়েন | সাময়িকী=পলিটিকো |ইউআরএল=https://www.politico.com/news/2020/07/18/trump-confederate-flag-battle-368607}}
* দেখুন, আমি সবসময় সবকিছুর জন্য দায়িত্ব নিই কারণ শেষ পর্যন্ত এটি আমারই কাজ। আমাকে সবাইকে একই সারিতে আনতে হয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১৯ |শিরোনাম=করোনাভাইরাস নিয়ে সমালোচকদের জবাব দিলেন ট্রাম্প, বিশেষ সাক্ষাৎকারে কথা বললেন নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেবেন কি না তা নিয়ে |লেখক= রন ব্লিটজার | সাময়িকী=ফক্স নিউজ |ইউআরএল=https://www.foxnews.com/politics/trump-pushes-back-against-critics-on-coronavirus-addresses-whether-he-will-accept-election-results-in-exclusive-interview}}
* আমি সত্যি বলছি, আমি ফক্স নিউজের খুব একটা ভক্ত নই।
* আমরা দুই সপ্তাহের মধ্যে একটি স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনা সই করতে যাচ্ছি, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ এবং সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনা যা করার অধিকার ডাকা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত আমাকে দিয়েছে। তাই আমরা সমাধান করতে যাচ্ছি আমরা একটি অভিবাসন পরিকল্পনা, একটি স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনা এবং অন্যান্য আরও কিছু পরিকল্পনা সই করতে যাচ্ছি। আগামী চার সপ্তাহে আমি যা করতে যাচ্ছি তা আগে কেউ করেনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১৯ |শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্প বনাম ফক্স নিউজ সানডে: একটি উত্তপ্ত সাক্ষাৎকারের কিছু বিশেষ মুহূর্ত |লেখক= আমান্ডা হোলপাচ | সাময়িকী=দ্য গার্ডিয়ান |ইউআরএল=https://www.theguardian.com/us-news/2020/jul/19/donald-trump-fox-news-sunday-chris-wallace-interview}}
* আসলে আপনি যখন ভালো কিছু দেখেন তখন সেটার কোনো তদন্ত বা যাচাই করেন না।
** মাঝেমধ্যে অদ্ভুত সব বিষয় রিটুইট করার অভ্যাস সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-২২ |শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বীকার করেছেন যে তিনি প্রায়ই নিজের টুইট নিয়ে আফসোস করেন, বলেছেন তার রিটুইটগুলো তাকে বিপদে ফেলে দেয় এবং সেই সব পুরোনো দিনের কথা মনে করেন যখন একটি চিঠি লিখে এক দিন ফেলে রাখা যেত |লেখক= এরিয়েল জিলবার | সাময়িকী=ডেইলি মেইল |ইউআরএল=https://www.dailymail.co.uk/news/article-8558493/Trump-says-regrets-Twitter-posts-admits-times-love-it.html}}
* এটি যদি আমার টেবিলে আসত তবে আমি অবশ্যই এ নিয়ে কিছু করতাম।
** আফগানিস্তানে আমেরিকানদের হত্যার জন্য রাশিয়া জঙ্গিদের পুরস্কার, এমন একটি মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের প্রেক্ষিতে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেন। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-২৮ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: ওষুধের দাম ও হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন নিয়ে ট্রাম্পের জাঁকজমকপূর্ণ কথা |লেখক=হোপ ইয়েন এবং ক্যালভিন উডওয়ার্ড | সাময়িকী=স্টার ট্রিবিউন |ইউআরএল=https://www.startribune.com/ap-fact-check-trump-hype-on-drug-costs-hydroxychloroquine/571989352/}}
* যেসব নৈরাজ্যবাদী, উস্কানিদাতা বা বিক্ষোভকারী পোর্টল্যান্ডের আমাদের ফেডারেল আদালত ভবন বা আমাদের যেকোনো শহর বা অঙ্গরাজ্যের ফেডারেল ভবন ভাঙচুর বা ক্ষতি করবে, তাদের আমাদের সম্প্রতি পুনরায় কার্যকর করা মূর্তি ও স্মৃতিস্তম্ভ আইনের আওতায় বিচার করা হবে। কমপক্ষে দশ বছরের জেল। এমনটা করবেন না!
** [https://mobile.twitter.com/Oijans/status/1346916360178302978 টুইটার] বার্তায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ২৮ জুলাই ২০২০।
* আমি মনে করি সে একটি চমৎকার প্রার্থী হতে পারে, [[কমলা হ্যারিস]]। সে একটি চমৎকার প্রার্থী হবে।
** কমলা হ্যারিস-এর উপ-রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য, যা একটি [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-marine-one-departure-072920/ হোয়াইট হাউসের প্রতিলিপি] থেকে পাওয়া।
* সার্বজনীন ডাকযোগে ভোট (অ্যাবসেন্ট ব্যালট নয়, যা আসলে ভালো) হওয়ার ফলে ২০২০ সালের নির্বাচন হবে ইতিহাসের সবথেকে ভুল এবং জালিয়াতিপূর্ণ নির্বাচন। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য চরম লজ্জার হবে। মানুষ যতক্ষণ না সঠিকভাবে এবং নিরাপদে ভোট দিতে পারে, ততক্ষণ কি নির্বাচন স্থগিত রাখা উচিত???
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট ({{উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1288818160389558273 |শিরোনাম=সার্বজনীন ডাকযোগে ভোট হওয়ার ফলে ২০২০ সালের নির্বাচন হবে ইতিহাসের সবথেকে ভুল এবং জালিয়াতিপূর্ণ নির্বাচন। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য চরম লজ্জার হবে। মানুষ যতক্ষণ না সঠিকভাবে এবং নিরাপদে ভোট দিতে পারে, ততক্ষণ কি নির্বাচন স্থগিত রাখা উচিত??? |তারিখ=২০২০-০৭-৩০ |সংগ্রহের-তারিখ=২০২০-০৭-৩০ |প্রকাশক=টুইটার |ভাষা=en-US |লেখক=ডোনাল্ড ট্রাম্প}})। এটি ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছিল এবং অনেক সংবাদ মাধ্যম এটি উদ্ধৃত করেছে, যেমন {{উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://www.bbc.co.uk/news/world-us-canada-53599363 |শিরোনাম=রিপাবলিকানদের ট্রাম্পের প্রতি বার্তা: আপনি ২০২০ সালের নির্বাচন পেছাতে পারেন না |তারিখ=২০২০-০৭-৩০ |সংগ্রহের-তারিখ=২০২০-০৭-৩০ |প্রকাশক=বিবিসি |ভাষা=en-GB}}।
* নির্বাচনের ফলাফল অবশ্যই নির্বাচনের রাতেই জানতে হবে, কয়েক দিন, মাস বা বছর পরে নয়!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-২৯ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: নির্বাচনের বিষয়ে ট্রাম্পের উত্তেজনা এবং বিকৃতি |লেখক=ক্যালভিন উডওয়ার্ড | সাময়িকী=সিয়াটেল টাইমস |ইউআরএল=https://www.seattletimes.com/nation-world/ap-fact-check-trumps-election-agitations-and-distortions/}}
* প্রথম দিকের প্রশ্নগুলো খুব সহজ। শেষের প্রশ্নগুলো অনেক বেশি কঠিন, যেমন স্মৃতিশক্তির একটি প্রশ্ন। এটি অনেকটা এমন যে আপনি বলছেন, '''"ব্যক্তি, নারী, পুরুষ, ক্যামেরা, টিভি"'''। তো তারা বলে, "আপনি কি এটি আবার বলতে পারবেন?" তো আমি বললাম, "হ্যাঁ। এটি হলো ব্যক্তি, নারী, পুরুষ, ক্যামেরা, টিভি।" ঠিক আছে। এটি খুব ভালো। আপনি যদি ধারাবাহিকভাবে বলতে পারেন, তবে আপনি অতিরিক্ত পয়েন্ট পাবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি|তারিখ=২০২০-০৭-২৩|শিরোনাম=মানসিক সক্ষমতা পরীক্ষায় রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের সাফল্য: ব্যক্তি, নারী, পুরুষ, ক্যামেরা, টিভি|লেখক=পিটার ওয়েড|সাময়িকী=রোলিং স্টোন|ইউআরএল=https://www.rollingstone.com/politics/politics-news/trump-cognitive-test-person-woman-man-camera-tv-1033002}}। মন্ট্রিয়ল কগনিটিভ অ্যাসেসমেন্ট দেওয়ার প্রসঙ্গে তিনি এই কথা বলেন।
* যখন তারা ধরা পড়ে, তারা বলে, “না, এটি তো আমার পরিবারের জন্য আনা সুপ।” তারা এতটাই নিষ্পাপ। “এটি আমার পরিবারের জন্য আনা সুপ।” এটি অবিশ্বাস্য। আর আপনারা দেখবেন মানুষ সুপের ব্যাগ নিয়ে আসছে, সুপের বিশাল বড় ব্যাগ। আর তারা সেগুলো মাটিতে রাখে, আর নৈরাজ্যবাদীরা সেগুলো নিয়ে আমাদের পুলিশদের দিকে ছুড়তে শুরু করে। আর এটি যদি আপনাকে আঘাত করে, তবে তা ইটের চেয়েও বেশি ক্ষতিকর কারণ এতে অনেক গতি থাকে। এটি একদম সঠিক মাপের। এটি যেন একদম নিখুঁতভাবে তৈরি করা হয়েছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি|তারিখ=২০২০-০৯-০২|শিরোনাম=বোঝা যাচ্ছে যে ট্রাম্প অ্যান্টিফার নতুন গোপন অস্ত্র ‘সুপ’ নিয়ে খুব আতঙ্কিত|লেখক=সারাহ মিডকিফ| সাময়িকী=রিফাইনারি২৯|ইউআরএল=https://www.refinery29.com/en-us/2020/09/10001730/trump-cans-bags-of-soup-antifa-protestors}}
====আগস্ট ২০২০====
* ওষুধ কোম্পানিগুলো যখন আমার বিরুদ্ধে বড় বড় টেলিভিশন বিজ্ঞাপন দেয়, তখন তারা যা বলে (যা মিথ্যা) তা ভুলে যান, আপনারা জানেন যে ওষুধের দাম অনেক কমছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৮-০২ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: ওষুধের দাম ও হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন নিয়ে ট্রাম্পের জাঁকজমকপূর্ণ কথা |লেখক=হোপ ইয়েন এবং ক্যালভিন উডওয়ার্ড | সাময়িকী=এপি নিউজ |ইউআরএল=https://apnews.com/d7f1d2003aeaa95466e12b875b7b4619}}
* এক অবৈধ নৈশ ক্যুর মাধ্যমে নেভাদার ক্লাবহাউস গভর্নর রিপাবলিকানদের জন্য সেই অঙ্গরাজ্যে জেতা অসম্ভব করে তুলেছেন। প্রস্তুতি ছাড়া ডাকবিভাগ কখনোই ডাকযোগে পাঠানো ভোটের চাপ সামলাতে পারবে না। কভিডকে ব্যবহার করে অঙ্গরাজ্যটি চুরি করা হচ্ছে। আদালতে দেখা হবে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=কুইন্ট ফোরজি | তারিখ=২০২০-০৮-০৩ |শিরোনাম=নেভাদায় ডাকযোগে ভোট বন্ধ করতে ট্রাম্পের মামলার হুমকি | সাময়িকী=পলিটিকো | ইউআরএল=https://www.politico.com/news/2020/08/03/trump-nevada-mail-voting-lawsuit-390878}}
* আপনি একে ডাকযোগে ভোট বলুন বা অ্যাবসেন্ট ভোটিং, ফ্লোরিডায় নির্বাচনী ব্যবস্থা নিরাপদ ও সুরক্ষিত, এটি পরীক্ষিত ও সত্য। ফ্লোরিডার ভোটদান ব্যবস্থা পরিষ্কার করা হয়েছে (আমরা ডেমোক্র্যাটদের পরিবর্তনের চেষ্টা নস্যাৎ করেছি), তাই '''ফ্লোরিডায় আমি সবাইকে ব্যালটের অনুরোধ করতে এবং ডাকযোগে ভোট দিতে উৎসাহিত করি!''' #এমএজিএ
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=বেটসি ক্লেইন | তারিখ=২০২০-০৮-০৩ |শিরোনাম=আপাত দৃষ্টিতে অবস্থান বদলে ফ্লোরিডাবাসীকে ডাকযোগে ভোট দিতে উৎসাহিত করলেন ট্রাম্প | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/04/politics/donald-trump-mail-in-voting-florida/index.html}}
* বড় ধরনের কারচুপি ছাড়া ডাকযোগে ভোট সম্পন্ন হওয়ার কোনো উপায় নেই।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | তারিখ=২০২০-০৮-০৩ |শিরোনাম=জোনাথন সোয়ান ট্রাম্পের মিথ্যা ফাঁস করার সহজ রহস্য উন্মোচন করেছেন: মৌলিক ফলো-আপ প্রশ্ন | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/04/politics/fact-check-jonathan-swan-axios-hbo-interview-trump-coronavirus/index.html}}
* আমি যখন দায়িত্ব নিই, তখন আমাদের কাছে কোনো পরীক্ষাই ছিল না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] উল্লেখ করেছেন যে ২০১৭ সালে, ২০১৯ সালে আবির্ভূত করোনাভাইরাসের জন্য কোনো পরীক্ষা ছিল না, যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি | লেখক=স্টিভ বেনেন | তারিখ=২০২০-০৮-০৩ |শিরোনাম=ভাইরাস পরীক্ষার বিরুদ্ধে যুক্তি দিতে কাল্পনিক 'ম্যানুয়াল'-এর কথা বলছেন ট্রাম্প | সাময়িকী=এমএসএনবিসি | ইউআরএল=https://www.msnbc.com/rachel-maddow-show/trump-points-imagined-manuals-argue-against-virus-tests-n1235815}}
* আমরা অবিশ্বাস্য কাজ করেছি, সবকিছু নিয়ন্ত্রণে আছে। [যুক্তরাষ্ট্রের [[কোভিড-১৯ অতিমারী]] পরিস্থিতি সামলানো প্রসঙ্গে]
** এইচবিওতে অ্যাক্সিওসের জোনাথন সোয়ানের সাথে [https://www.youtube.com/watch?v=zaaTZkqsaxY সাক্ষাৎকারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
* বিস্ফোরণের ধরণ দেখে মনে হচ্ছে এটি তেমনই ছিল। আমি আমাদের কয়েকজন বড় জেনারেলের সাথে দেখা করেছি এবং তাদের মনে হয়েছে যে এটি এমনই ছিল। এটি কোনো উৎপাদন সংক্রান্ত বা কারখানার বিস্ফোরণ জাতীয় ঘটনা ছিল না... তারা মনে করছেন এটি একটি হামলা ছিল। হ্যাঁ, এটি কোনো এক ধরনের বোমা ছিল।
** বৈরুতের বিস্ফোরণকে দুর্ঘটনা না বলে কেন তিনি হামলা বলছেন, এই প্রশ্নের জবাবে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি | লেখক=ডার্লিন সুপারভিল/এপি | তারিখ=২০২০-০৮-০৪ |শিরোনাম= বৈরুতের বিশাল বিস্ফোরণ সম্ভবত একটি 'হামলা', বললেন ট্রাম্প | সাময়িকী=টাইম |ইউআরএল=time.com/5875784/trump-explosion-beirut-attack/ }}
* '''প্রশ্ন''': যদি প্রেসিডেন্ট ওবামার সময়ে ১,৬০,০০০ মানুষ মারা যেত, আপনার কি মনে হয় আপনি তার পদত্যাগ দাবি করতেন?
: '''[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]''': না, আমি তা করতাম না। আমার মনে হয় আমরা যা করতে পেরেছি তা অবিশ্বাস্য। আমরা যদি আমাদের দেশ বন্ধ না করতাম, তবে ইতিমধ্যেই ১৫ বা ২০ লক্ষ মানুষ মারা যেত। আমরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি; এখন আমাদের এটি বন্ধ করতে হবে না। আমরা রোগটি বুঝি। কেউ এটি বোঝেনি কারণ কেউ এর আগে এমন কিছু দেখেনি। সবথেকে কাছাকাছি ঘটনা হলো ১৯১৭ সাল, তারা যেমনটা বলে, তাই তো? সেই মহান অতিমারীটি অবশ্যই একটি ভয়াবহ বিষয় ছিল, যেখানে তারা ৫ থেকে ১০ কোটি মানুষ হারিয়েছিল। সম্ভবত এটিই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ করে দিয়েছিল; সব সৈন্যরা অসুস্থ ছিল। সেটি একটি ভয়াবহ পরিস্থিতি ছিল। আর এটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে। এটি অত্যন্ত, অত্যন্ত ছোঁয়াচে। না, আমি যদি অনেকের কথা শুনতাম, তবে আমরা এটি খোলা রাখতাম। আর এখন আমরা এটি পুরো সময় খোলাই রাখছি। আমরা এটি খোলা রাখি। কিন্তু আমরা যদি এটি খোলা রাখতাম, তবে এখন ১৫ বা ২০ লক্ষ মানুষ—১৫ থেকে ২০ লক্ষ মানুষ মারা যেতে পারত। আমাদের লোকেরা চমৎকার কাজ করেছে,আমাদের পরামর্শক এবং ডাক্তাররা। আপনারা জানেন, অনেক মতভেদ আর অনেক কিছুর মাঝেই এটি হয়েছে।
:* [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-press-briefing-august-10-2020/ ''১০ আগস্ট ২০২০-এর সাংবাদিক বৈঠকে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্য''], প্রকাশিত হয়েছে: ১১ আগস্ট ২০২০, ''whitehouse.gov''।
:* দ্রষ্টব্য: অক্টোবর ২০১৪-এ ডোনাল্ড ট্রাম্প [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/525431218910027776 টুইট] করেছিলেন যে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা-র পদত্যাগ করা উচিত কারণ গিনিতে ইবোলা রোগীদের চিকিৎসা করা একজন ডাক্তার যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে এসেছিলেন, যা স্নোপসের [https://www.snopes.com/fact-check/trump-obama-ebola-tweet/ ইবোলা চিকিৎসক যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার পর ট্রাম্প কি ওবামার পদত্যাগ দাবি করেছিলেন?] শীর্ষক প্রতিবেদনে (১৫ মে ২০২০) প্রকাশিত হয়েছে। আর ১৯১৮ সালের ফ্লু অতিমারী ১৯১৮ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯২০ সালের এপ্রিল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল, যা ১৯৩৯ সালে শুরু হওয়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অনেক আগের ঘটনা।
* বাইডেন যদি জেতেন, তবে তিনি সবার কর দ্বিগুণ, তিনগুণ বাড়িয়ে দেবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল, হোমস লিব্র্যান্ড এবং তারা সুব্রামানিয়াম | তারিখ=২০২০-০৮-০৪ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ব্রিফিংগুলোতে মিথ্যা দাবি আর অতিরঞ্জিত করার অভ্যাসে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন ট্রাম্প | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/12/politics/donald-trump-press-briefing-biden-tax-plan-coronavirus-fact-check/index.html}}
* নচ্ছাড়
* ভয়াবহ
* এমন একজন যে অনেক অনেক অসত্য গল্প বলেছে
* অস্বাভাবিকভাবে নচ্ছাড়
* এমন এক পর্যায়ের নচ্ছাড় যা স্রেফ একটি জঘন্য ব্যাপার
* [[জো বাইডেন]]ের প্রতি খুবই নচ্ছাড়
* সম্ভবত পোকাহন্টাসের চেয়েও বেশি নচ্ছাড়
* মার্কিন সেনেটের যে কারো চেয়ে সবথেকে নীচ, সবথেকে ভয়াবহ এবং সবথেকে অসম্মানজনক।
** [[কমলা হ্যারিস]] সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি ফোর্বস-এ অ্যান্ড্রু সোলেন্ডার উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি | লেখক=অ্যান্ড্রু সোলেন্ডার | তারিখ=২০২০-০৮-১১ | শিরোনাম=হোয়াইট হাউসের ব্রিফিংয়ে কমলা হ্যারিসকে বারবার 'নচ্ছাড়' ও 'ভয়াবহ' বললেন ট্রাম্প | সাময়িকী=ফোর্বস | ইউআরএল=https://www.forbes.com/sites/andrewsolender/2020/08/11/trump-repeatedly-calls-kamala-harris-nasty-and-horrible-in-white-house-briefing/#440e0fb54570}}
* ইউরোপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে অতিরিক্ত মৃত্যুহার প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি।
** করোনাভাইরাস নিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি | লেখক=জেসিকা ম্যাকডোনাল্ড | তারিখ=২০২০-০৮-১১ | শিরোনাম=বিভ্রান্তিকর এবং ত্রুটিপূর্ণ অতিরিক্ত মৃত্যুর পরিসংখ্যান দিলেন ট্রাম্প | সাময়িকী= FactCheck.org | ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/08/trump-touts-misleading-and-flawed-excess-mortality-statistic/}}
* আমি যদি নির্বাচনে না জিতি, তবে চীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মালিক হয়ে যাবে আপনাদের চীনা ভাষা বলা শিখতে হবে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=জাস্টিন প্যারাগোনা | তারিখ=২০২০-০৮-১২ |শিরোনাম=ট্রাম্প: বাইডেনের কাছে হারলে চীনা ভাষা শিখতে প্রস্তুত থাকুন | সাময়িকী=ডেইলি বিস্ট | ইউআরএল=https://www.thedailybeast.com/trump-if-i-lose-to-biden-get-ready-to-have-to-learn-to-speak-chinese/}}
* এখন, ডাকবিভাগকে সচল রাখার জন্য তাদের সেই অর্থের প্রয়োজন, যাতে তারা এই লক্ষ লক্ষ ব্যালট সামলাতে পারে। এখন, আমরা যদি কোনো চুক্তিতে না আসি, তার মানে তারা সেই টাকা পাবে না। তার মানে তারা সার্বজনীন ডাকযোগে ভোট ব্যবস্থা করতে পারবে না, তারা স্রেফ পারবে না।
** (১৩ আগস্ট ২০২০) [https://abcnews.go.com/Politics/trump-opposes-funding-usps-bid-block-vote-mail/story?id=72353322 ডাকযোগে ভোট বাধা দেওয়ার লক্ষ্যে ট্রাম্প ইউএসপিএসর তহবিল দেওয়ার বিরোধিতা করার পর সুর বদলালেন] ''এবিসি নিউজএ'' প্রকাশিত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য।
* ডেমোক্র্যাট শহরগুলো ছেড়ে দিন। সেগুলোকে পচতে দিন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] একজন সমর্থকের বার্তা রিটুইট করেছেন, {{উদ্ধৃতি | লেখক=জেমস গর্ডন | তারিখ=২০২০-০৮-১৬ |শিরোনাম='তাদের পচতে দিন!': নিউ ইয়র্ক বা শিকাগোর মতো ডেমোক্র্যাট শাসিত শহর ত্যাগের আহ্বানে সমর্থকের বার্তায় ট্রাম্পের রিটুইট | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://www.dailymail.co.uk/news/article-8633677/Let-rot-Trump-retweets-supporters-message-democrat-cities.html}}
* যাই হোক, নিউজিল্যান্ডে বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছিল।
** কভিড-১৯ ভাইরাস সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন, যা সেই সময় নিউজিল্যান্ডে মোট ২২ জনের মৃত্যুর কারণ হয়েছিল। {{উদ্ধৃতি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | তারিখ=২০২০-০৮-১৮ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ট্রাম্প নিউজিল্যান্ডে 'বড় প্রাদুর্ভাব' হয়েছে বললেও দেশটিতে বৃহস্পতিবার মাত্র ৫ জন আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/20/politics/fact-check-trump-new-zealand-outbreak/index.html}}
* আমি আবার দেখছি দাবানল শুরু হচ্ছে। ক্যালিফোর্নিয়াতে এগুলো আবার শুরু হচ্ছে। আমি বলেছিলাম, আপনাদের মেঝে পরিষ্কার করতে হবে, আপনাদের জঙ্গল পরিষ্কার করতে হবে সেখানে অনেক বছরের জমে থাকা পাতা আর ভাঙা গাছ আছে এবং সেগুলো খুবই দাহ্য, আপনি ছোঁয়া দিলেই জ্বলে ওঠে। সম্ভবত আমাদের তাদের দিয়ে এর খেসারত দেওয়াতে হবে কারণ তারা আমাদের কথা শোনে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=জেরেমি বি. হোয়াইট | তারিখ=২০২০-০৮-১৯ |শিরোনাম=দাবানলের জন্য ক্যালিফোর্নিয়াকে দায়ী করে ট্রাম্প বললেন 'আপনাদের মেঝে পরিষ্কার করতে হবে' | সাময়িকী=পলিটিকো | ইউআরএল=https://www.politico.com/states/california/story/2020/08/20/trump-blames-california-for-wildfires-tells-state-you-gotta-clean-your-floors-1311059}}
* আমি এই প্রজেক্ট বা প্রকল্প সম্পর্কে কিছুই জানি না, শুধু এটুকু ছাড়া যে আমি যখন এটি সম্পর্কে পড়েছিলাম তখন এটি আমার পছন্দ হয়নি, একদমই পছন্দ হয়নি।
* মিস্টার ব্যাননের জন্য এটি খুব দুঃখজনক। আমি অন্য কাউকেও চিনতাম না।
** ব্যক্তিগতভাবে পরিচালিত ‘উই বিল্ড দ্য ওয়াল’ প্রকল্প সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=অ্যান্ড্রু কাচিনস্কি, এম স্টেক | তারিখ=২০২০-০৮-২০ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: অস্বীকার করলেও বেসরকারি সীমান্ত দেওয়াল প্রকল্পের সাথে জড়িত বেশিরভাগ মানুষকেই চেনেন ট্রাম্প | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/20/politics/fact-check-trump-private-border-wall-project/index.html}}
* তাদের জেতার একমাত্র উপায় হলো একটি সাজানো নির্বাচন। আমি সত্যিই এটা বিশ্বাস করি। আমি বাইরের ভিড় দেখেছি।
** [[ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)]] সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | তারিখ=২০২০-০৮-২০ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: বাইডেনকে আক্রমণ করে পেনসিলভানিয়ায় দেওয়া ভাষণে ট্রাম্পের একগুচ্ছ মিথ্যা দাবি | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/20/politics/trump-false-claims-pennsylvania-speech-biden-fact-check/index.html}}
* আমাদের কাছে শেরিফ থাকবে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা থাকবে, এবং আমরা আশা করছি ইউএস অ্যাটর্নি এবং অ্যাটর্নি জেনারেলসহ সবাই থাকবে।
** ভোটার জালিয়াতি পর্যবেক্ষণ ও প্রতিরোধের পরিকল্পনা সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=তারা সুব্রামানিয়াম | তারিখ=২০২০-০৮-২১ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: রাষ্ট্রপতি কি ভোটকেন্দ্রে আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের পাঠাতে পারেন? | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/21/politics/donald-trump-law-enforcement-election-polls-fact-check/index.html}}
* এফডিএ-তে থাকা ডিপ স্টেট বা অন্য যে কেউ, ওষুধ কোম্পানিগুলোর জন্য ভ্যাকসিন এবং থেরাপিউটিক পরীক্ষার লোক পাওয়া খুব কঠিন করে দিচ্ছে। স্পষ্টতই, তারা আশা করছে ৩রা নভেম্বরের পর পর্যন্ত এর ফলাফল পিছিয়ে দিতে। আমাদের অবশ্যই গতি বাড়ানো এবং জীবন বাঁচানোর দিকে মনোযোগ দিতে হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=হোপ ইয়েন, ক্যালভিন উডওয়ার্ড | তারিখ=২০২০-০৮-২৪ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: এফডিএ-তে 'ডিপ স্টেট' থাকা নিয়ে ট্রাম্পের ভিত্তিহীন দাবি | সাময়িকী=পিটসবার্গ পোস্ট-গেজেট | ইউআরএল=https://www.post-gazette.com/business/powersource/2020/08/24/AP-FACT-CHECK-Trump-s-baseless-claim-of-deep-state-at-FDA/stories/202008240037}}
==== সেপ্টেম্বর ২০২০ ====
* পুরো শহরটা সারাক্ষণ আগুনে পুড়ছে।
** পোর্টল্যান্ড সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৯-০১ |শিরোনাম=বাইডেন এবং বিক্ষোভ নিয়ে ট্রাম্পের আরও কিছু মিথ্যা দাবি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল, তারা সুব্রামানিয়াম, হোমস লিব্র্যান্ড | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/31/politics/trump-kenosha-briefing-fact-check/index.html}}
* গত এক সপ্তাহে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া আর মারা যাওয়ার হার অনেক কমে গেছে।
** কোভিড-১৯ অতিমারী সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৯-০৩ |শিরোনাম=এমনকি ফক্স নিউজও ট্রাম্পের জনসভাগুলো পুরো প্রচার করছে না, তবে তার মিথ্যাচারগুলো এখনো অবাক করার মতো |লেখক=ব্রায়ান স্টেল্টার | সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/04/media/donald-trump-pennsylvania-reliable-sources/index.html}}
* ডাউ জোনস সূচক এইমাত্র ২৯,০০০ ছাড়িয়েছে! আমাকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে পাওয়া আপনাদের অনেক বড় ভাগ্য। জো বাইডেন ক্ষমতায় থাকলে এটা ধসে পড়ত।
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1301249968091455488 [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট]
* ওর মতো মাস্ক পাগল মানুষ কি আগে কখনো দেখেছেন? মাস্কটা সারাক্ষণ ঝুলে থাকে। ও মনে করে এতেই ও নিরাপদ। আমি যদি কোনো মানসিক ডাক্তার হতাম, তবে বলতাম এই লোকের মাথায় নিশ্চয়ই বড় কোনো সমস্যা আছে। শুধু ঝুলেই থাকে।
** জো বাইডেনের মাস্ক পরা নিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের বিদ্রূপ, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-০৪ |শিরোনাম=মাস্ক পরার ধরন নিয়ে জো বাইডেনকে উপহাস করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প | সাময়িকী=ইন্ডিপেন্ডেন্ট.আইই | ইউআরএল=https://www.independent.ie/videos/donald-trump-mocks-joe-biden-for-manner-of-wearing-mask-39502878.html}}
* আপনার ভোট যদি গোনা না হয়ে থাকে, তবে আবার গিয়ে ভোট দিন এটা প্রতিটি নাগরিকের অধিকার। বোতাম টিপে ভোট দিয়ে দিন। আপনার ওই ডাকযোগে পাঠানো ব্যালট যদি পরে পৌঁছায়, তবে সেটা আর গোনা হবে না কারণ আপনি আগেই ভোট দিয়ে দিয়েছেন। এভাবে আপনার ভোট নিশ্চিতভাবে গোনা হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] দুইবার ভোট দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন, যা একটি অপরাধ। যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-০৪ | শিরোনাম=কর্তৃপক্ষের সতর্কতা উপেক্ষা করে আবারও সমর্থকদের দুইবার ভোট দেওয়ার পরামর্শ দিলেন ট্রাম্প | লেখক= ডায়ান গ্যালাঘের, ক্যারোলিন কেলি, মার্শাল কোহেন, ব্রায়ান রোকাস | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/05/politics/trump-vote-twice-north-carolina/index.html}}
* পেন্টাগনের বড় বড় কর্তারা... সারাক্ষণ শুধু যুদ্ধ করতে চায়। যাতে বোমা আর প্লেন বানানো কোম্পানিগুলো খুশি থাকে।
** হোয়াইট হাউসের সামনে এক [https://www.trtworld.com/americas/trump-pentagon-chiefs-fighting-wars-to-oblige-arms-companies-39561 সংবাদ সম্মেলনে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (৭ সেপ্টেম্বর ২০২০)।
* অপারেশন ওয়ার্প স্পিডের মাধ্যমে আমরা চিকিৎসার নতুন পথ খুঁজেছি। এতে গত এপ্রিলের তুলনায় মৃত্যুর হার ৮৫% কমে গেছে।
* পারমাণবিক শক্তির দিক থেকে আমরা অনেক এগিয়ে আছি। আমরা এর অনেক উন্নতি করেছি।
* যখন খবর আসে যে কিছু দেশ আমাকে খুব একটা পছন্দ করে না, তা সবসময় আমার ব্যক্তিত্বের জন্য নয়তবে সত্যি বলতে, সেটাও একটা কারণ হতে পারে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-০৮ | শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্পের সংবাদ সম্মেলনের ৩৭টি অদ্ভুত উক্তি | লেখক= ক্রিস সিলিঞ্জা | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/08/politics/donald-trump-labor-day-press-conference/index.html}}
* মার্কিন প্রেসিডেন্টই সব শেষ সিদ্ধান্ত নেন।
* বব উডওয়ার্ড যদি মনেই করত আমি যা বলেছি তা ভুল, তবে সাথে সাথেই ওর উচিত ছিল প্রশাসনকে জানানো যাতে তারা প্রস্তুতি নিতে পারত।
** বব উডওয়ার্ডকে দেওয়া সাক্ষাৎকার প্রসঙ্গে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১০ | শিরোনাম=কাউকে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মনে করিয়ে দেওয়া দরকার যে বব উডওয়ার্ড মার্কিন প্রেসিডেন্ট নন | লেখক= ক্রিস সিলিঞ্জা | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/10/politics/trump-bob-woodward-rage/index.html}}
* আমার মনে হয় ও বোধহয় কোনো নেশা-টেশা করে।
** জো বাইডেন সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১০ | শিরোনাম=বাইডেনের বিরুদ্ধে মাদক নেওয়ার অভিযোগ আনতে ফক্স নিউজের সাক্ষাৎকারকে ব্যবহার করলেন ট্রাম্প | লেখক= মার্টিন পেঙ্গেলি | সাময়িকী=দ্য গার্ডিয়ান | ইউআরএল=https://www.theguardian.com/us-news/2020/sep/12/trump-biden-drugs-fox-news-interview}}
* আপনার গভর্নরকে বলুন রাজ্যটা খুলে দিতে।
** ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০-এ সমর্থকদের সামনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। এ প্রসঙ্গে [https://www.usatoday.com/story/news/politics/elections/2020/09/13/donald-trump-latino-voters-las-vegas-ahead-rally/5784501002/ ''নেভাদার গভর্নর স্টিভ সিসোলাক বলেছেন যে ট্রাম্প ঘরোয়া পরিবেশে জনসভা করে নিজের স্বার্থপরতা দেখিয়েছেন''] প্রতিবেদনটি উল্লেখযোগ্য।
* বয়স্কদের যে এতো সহজে আক্রান্ত হতে পারে, তা কেউ আগে জানত না।
** করোনাভাইরাস সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১৬ | শিরোনাম=এবিসি টাউন হলে ট্রাম্প অন্তত ২২টি ভুল দাবি করেছেন | লেখক= ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/16/politics/fact-check-trump-abc-town-hall/index.html}}
* আমরা খুব দ্রুত আর নিরাপদভাবে টিকা পৌঁছে দেওয়ার জন্য কাজ করছি। আমাদের মনে হয় অক্টোবরের দিকেই শুরু করতে পারব। ঘোষণা হওয়ার সাথে সাথেই আমরা কাজ শুরু করে দেব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১৬ | শিরোনাম=টিকার গতি নিয়ে ট্রাম্প আবারও বাড়িয়ে কথা বলেছেন | লেখক= জেসিকা ম্যাকডোনাল্ড | সাময়িকী=ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি | ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/09/trump-again-overstates-speed-of-covid-19-vaccine-rollout/}}
* এফডিএ অনুমোদন দিলেই ২০২০ সালের শেষ নাগাদ আমরা ১০ কোটি ডোজ টিকা বিলি করতে পারব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি উদ্ধৃতি হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১৬ | শিরোনাম=ট্রাম্প বলেছেন ২০২০ সালের মধ্যে অন্তত ১০ কোটি টিকা দেওয়া সম্ভব হবে | লেখক= রয়টার্স কর্মী | সাময়িকী=রয়টার্স| ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/healthcoronavirus-trump-vaccine/trump-says-u-s-could-distribute-at-least-100-million-covid-vaccine-doses-by-end-of-2020-idINW1N2FG089}}
* পেনসিলভ্যানিয়ায় কী হচ্ছে দেখেছেন? ওখানকার সুপ্রিম কোর্টের জজ নাকি রায় দিয়েছেন যে ভোট গুনতে তারা যত খুশি সময় নিতে পারবে। তার মানে গতবারের মতো এবারও আমিই ওখানে জিততে যাচ্ছি। খুব সহজেই জিতব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১৬ | শিরোনাম=পেনসিলভানিয়াতে ভোট গণনা নিয়ে ট্রাম্পের ভুল বক্তব্য | লেখক= রেম রিডার | সাময়িকী=ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি| ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/09/trumps-false-statement-about-counting-ballots-in-pennsylvania/}}
* বামপন্থী দাঙ্গাবাজরা আমাদের মহান নেতাদের মূর্তি ভেঙে ফেলছে, স্মৃতিস্তম্ভ নষ্ট করছে আর বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে। ওরা বলে "আমেরিকা কোনোদিনই মহান ছিল না"। ওরা পুলিশকেও আক্রমণ করছে। তাদের লক্ষ্য একটাই সত্য গোপন করা আর আমেরিকানদের ভয় দেখিয়ে তাদের সংস্কৃতি আর ঐতিহ্য ভুলিয়ে দেওয়া।
** [https://trumpwhitehouse.archives.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-white-house-conference-american-history/ আমেরিকান ইতিহাস বিষয়ক হোয়াইট হাউস সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য] (১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০)
* যারা আমেরিকান পতাকা পোড়াচ্ছে, তারা আসলে আমাদের মূল নীতিগুলোকেও পুড়িয়ে দিতে চায়। ওরা চায় আমেরিকানরা যেন নিজেদের পরিচয় আর বিশ্বাসের ওপর ভরসা হারিয়ে ফেলে। বামপন্থীদের এই সাংস্কৃতিক বিপ্লব আসলে আমেরিকার মূল আদর্শকেই উৎখাত করার জন্য তৈরি হয়েছে।
** [https://trumpwhitehouse.archives.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-white-house-conference-american-history/ আমেরিকান ইতিহাস বিষয়ক হোয়াইট হাউস সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য] (১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০)
* বামপন্থীরা মিথ্যা দিয়ে আমেরিকার ইতিহাসকে নষ্ট করে দিয়েছে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের সেই ১৬১৯ প্রজেক্ট এর বড় প্রমাণ। ওরা শিশুদের শেখাচ্ছে যে আমেরিকা শোষণ আর অত্যাচারের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। অথচ আমেরিকা তো দাসত্ব শেষ করেছে, মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে আর এক সমৃদ্ধ জাতি গড়ে তুলেছে।
** [https://trumpwhitehouse.archives.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-white-house-conference-american-history/ আমেরিকান ইতিহাস বিষয়ক হোয়াইট হাউস সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য] (১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০)
* আমি শিনজোকে বললাম, ‘শিনজো, দয়া করে আমার একটা কথা শোনো। আমাদের দেশে আরও গাড়ি কারখানা দরকার। ওগুলো জাপানে না বানিয়ে আমাদের এখানে বানাও।’ ও প্রথমে মানতে চায়নি, কিন্তু আমি জোর দিয়ে বললাম। পরের দিনই খবর এল: ‘মিশিগানে পাঁচটা বড় বড় গাড়ি কারখানা চালু হচ্ছে।’
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-২১ | শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: ট্রাম্পের বানানো গাড়ি কারখানার গল্প | লেখক= হোপ ইয়েন, ক্যালভিন উডওয়ার্ড, টম ক্রিশার | সাময়িকী=এপি | ইউআরএল=https://apnews.com/ec85b88102464c9651d32b475c01c183}}
* আমিই এটা বাঁচিয়েছি। আমাদের কয়লা খনির শ্রমিকদের আবার কাজে ফিরিয়েছি।
** কয়লা খনি শিল্প সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-২১ | শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: কর্মসংস্থান নিয়ে ট্রাম্পের ভুল দাবি | লেখক= ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/23/politics/fact-check-trump-jobs-manufacturing-coal/index.html}}
* এখন আমরা সত্যিটা জানি। এই ভাইরাস কেবল বয়স্ক আর অসুস্থ মানুষদের ওপর প্রভাব ফেলে। তরুণদের কিছু হয় না। ওদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশি। সত্যি বলতে, এটি আসলে প্রায় কাউকেই ছুঁতে পারে না। এটি একটি আশ্চর্যজনক বিষয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-২২ | শিরোনাম=ট্রাম্প বললেন করোনাভাইরাস আসলে কারো ওপর প্রভাব ফেলে না | লেখক= কাশ্মীরা গ্যান্ডার | সাময়িকী=নিউজউইক | ইউআরএল=https://www.newsweek.com/trump-covid-virtually-nobody-rally-ohio-1533452}}
* আমরা পেনসিলভানিয়াতে এগিয়ে আছি। ফ্লোরিডায় এগিয়ে আছি। আমার মনে হয় সব জায়গাতেই আমি এগিয়ে আছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-২৮ | শিরোনাম=সপ্তাহান্তে ট্রাম্পের দাবিগুলোর ফ্যাক্ট-চেকিং | লেখক=লরি রবার্টসন | সাময়িকী=ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি | ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/09/factchecking-trumps-weekend-claims/}}
* ওষুধের দাম ৮০ বা ৯০ শতাংশ কমে যাবে।
**পুরো নির্বাচনটাই আগে থেকে সাজানো।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-৩০ | শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: বিতর্কে ট্রাম্প ও বাইডেনের ভুল দাবি | লেখক=এপি কর্মী | সাময়িকী=এমপিআর নিউজ| ইউআরএল=https://www.mprnews.org/story/2020/09/30/fact-check-false-claims-flood-trumpbiden-debate}}
* আমি আজ পড়েছি যে ২০১৬ সালেও ১% ব্যালট বাতিল করা হয়েছিল। ওরা এগুলো যেখানে সেখানে ফেলে দেয়। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় ডাকপিয়নরা নাকি ব্যালট বিক্রি করে দিচ্ছে। ময়লার ঝুড়িতেও ট্রাম্পের নাম লেখা ব্যালট পাওয়া গেছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-৩০ | শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ডাকযোগে ভোট নিয়ে ট্রাম্পের প্রায় সব দাবিই ভুল ছিল | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন| ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/30/politics/fact-check-trump-first-debate-mail-voting-fraud/index.html}}
* আমার প্রশাসন ধর্মপ্রাণ আমেরিকানদের জন্য লড়া কোনোদিন থামাবে না।
** ২০২০ সালের জনসভায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০-এর [https://www.theatlantic.com/politics/archive/2020/09/trump-secretly-mocks-his-christian-supporters/616522/ আটলান্টিক] নিবন্ধ অনুযায়ী।
==== অক্টোবর ২০২০ ====
[[File:Interfaith Health Care Vigil 6291113.jpg|thumb|ট্রাম্প আর পেন্সের উচিত মানুষকে মুক্তি দেওয়া। ওরা গরিব আর অল্প আয়ের মানুষদের জিম্মি করে রেখেছে, জরুরি পরিষেবার কর্মীদের জিম্মি করে রেখেছে। এই দেশে এখন পরিবর্তনের সময় এসেছে। ~ রেভ. উইলিয়াম বারবার ২ ]]
* আমাদের মহান যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক উদ্দীপনা চায় এবং এর প্রয়োজন আছে। সবাই মিলে কাজ করে এটা সফল করুন। ধন্যবাদ!
**[https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1312449034154504192 টুইটারের মাধ্যমে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ৩ অক্টোবর ২০২০
* আমি আমার প্রতিনিধিদের নির্দেশ দিয়েছি নির্বাচনের আগে পর্যন্ত আলোচনা বন্ধ রাখতে। আমি জেতার সাথে সাথেই আমরা একটা বড় স্টিমুলাস বিল পাস করব, যা পরিশ্রমী আমেরিকান আর ছোট ব্যবসার ওপর জোর দেবে।
** [https://www.axios.com/trump-coronavirus-stimulus-negotiations-7d464d0e-924f-46f5-90d2-9e8097c9c8f7.html ট্রাম্প বলেছেন তিনি নির্বাচনের আগে কভিড সহায়তা নিয়ে আলোচনা করবেন না] নিবন্ধ অনুযায়ী [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আফগানিস্তানে আমাদের যে অল্প সংখ্যক সাহসী নারী-পুরুষ কাজ করছেন, বড়দিনের মধ্যেই তাদের বাড়ি ফিরিয়ে আনা উচিত!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1313984510749544450 টুইটারের মাধ্যমে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ৭ অক্টোবর ২০২০
* অর্থনীতির ক্ষেত্রে আমার মনে হয় ডোনাল্ড ট্রাম্প আর [[জো বাইডেন]]ের মধ্যে এক মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। জো বাইডেন বিশ্বাস করেন যে আমেরিকান শ্রমিক আর আমেরিকান পরিবারের সুস্বাস্থ্যের ওপর ভিত্তি করে অর্থনীতির শক্তি মাপা উচিত। অন্যদিকে '''ডোনাল্ড ট্রাম্প ধনীদের অবস্থার ওপর ভিত্তি করে অর্থনীতির শক্তি মাপেন। এই কারণেই তিনি একটি কর বিল পাস করেছিলেন যা শীর্ষ ১% ধনী আর আমেরিকার বড় বড় কোম্পানিগুলোকে সুবিধা দেয়। এর ফলে ২ ট্রিলিয়ন ডলারের ঘাটতি তৈরি হয়েছে যা আমেরিকানদেরই শোধ করতে হবে। পেন্স আর ট্রাম্প কেবল পুলিশি সহিংসতার ক্ষেত্রেই বর্ণবাদ অস্বীকার করছেন না, তারা অর্থনীতি আর স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রেও বিদ্যমান বর্ণবাদকে পাত্তা দিচ্ছেন না... তারা শুধু ধনী আর লোভীদেরই সুরক্ষা দিতে চান। ট্রাম্প-পেন্স পরিকল্পনা মানেই হলো ধনীদের আরও টাকা দেওয়া। আসলে ট্রাম্প-পেন্স-ম্যাককনেল পরিকল্পনা হলো স্টিমুলাস পাস করতে না চাওয়া, কারণ তারা আরও ২০০ বিলিয়ন ডলারের কর ছাড় চান।''' তারা যুদ্ধবিমানের জন্য টাকা চান, আর কোম্পানিগুলোকে সুরক্ষা দিতে চান যাতে করোনাভাইরাস থেকে কর্মীদের সুরক্ষা না দেওয়ার জন্য তাদের কোনো দায় নিতে না হয়।
** রেভ উইলিয়াম বারবার ২, [https://www.democracynow.org/2020/10/8/mike_pence_kamala_harris_vp_debate রেভ. উইলিয়াম বারবার: লক্ষ লক্ষ মানুষ লড়াই করছে। তাহলে কেন বিতর্কে দারিদ্র্যকে উপেক্ষা করা হচ্ছে?, ''ডেমোক্র্যাসি নাউ''] (৮ অক্টোবর ২০২০)
* আমি কোনো অনলাইনে বিতর্ক করব না। ভার্চুয়াল বিতর্কে আমি আমার সময় নষ্ট করব না।
** কভিড-১৯ সংক্রমণের কারণে দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি বিতর্কে দূরবর্তী অবস্থান থেকে অংশগ্রহণের উদ্যোগ সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-০৮ |শিরোনাম=সিপিডি পরিবর্তন ঘোষণার পর ট্রাম্প বলেছেন তিনি 'ভার্চুয়াল বিতর্কে' সময় নষ্ট করবেন না | লেখক=ব্রুক সিংম্যান | সাময়িকী=ফক্স নিউজ | ইউআরএল=https://www.foxnews.com/politics/second-trump-biden-debate-will-be-virtual-organizers-say}}
* দানব... কমিউনিস্ট... ভয়াবহ... একদমই অপছন্দ করার মতো।
** উপ-রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী কমলা হ্যারিস সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-০৮ |শিরোনাম=উপ-রাষ্ট্রপতি বিতর্কের পরের সকালে ট্রাম্প হ্যারিসকে 'দানব' বলে অপমান করলেন | লেখক=এলিজাবেথ থমাস | সাময়িকী=এবিসি নিউজ | ইউআরএল=https://abcnews.go.com/Politics/trump-insults-harris-monster-morning-vice-presidential-debate/story?id=73498918}}
* আমরা ফ্লোরিডায় একটা জনসভা করতে চাই, সম্ভবত শনিবার রাতে ফ্লোরিডায়। পরের রাতে পেনসিলভ্যানিয়ায় আর একটা করতে পারি। আমি খুব ভালো বোধ করছি! আসলে কাল পরীক্ষা হবে, আসল পরীক্ষা। কারণ সারাক্ষণ পরীক্ষা করার কোনো দরকার নেই, তবে তারা খুব সামান্য সংক্রমণ বা ভাইরাস পেয়েছে, যদি আদৌ পেয়ে থাকে। আমি জানি না তারা কিছু পেয়েছে কি না, আমি ডাক্তারদের সাথে এ নিয়ে বেশি কথা বলিনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-০৮ |শিরোনাম=হানিটি সাক্ষাৎকারে কাশির মাঝেই ট্রাম্প বললেন তিনি শনিবার জনসভা করতে চান | লেখক=জাস্টিন বারগোনা | সাময়িকী=ডেইলি বিস্ট | ইউআরএল=https://www.thedailybeast.com/trump-coughing-through-hannity-interview-says-he-wants-to-do-saturday-rally}}
* শুল্ক নিয়ে আগে কেউ কখনও শোনেনি। কেউ না। আসলে আমি যখন এটি শুরু করি, তারা এর মানেও জানত না।
** চীন থেকে আমদানির ওপর শুল্ক সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-১১ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: হাসপাতাল থেকে ফেরার পর ফক্স বিজনেসে দেওয়া প্রথম সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প অন্তত ১৪টি মিথ্যা দাবি করেছেন | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/10/08/politics/fact-check-trump-interview-bartiromo-fox-business/index.html}}
* উত্তর ক্যারোলাইনায় আমি যা দেখেছি, আমরা যা সেখানে পরাজিত করেছি এবং যার বিরুদ্ধে মামলা করেছি, '''ট্রাম্প আর পেন্স এখন সেই কাজটাই জাতীয় পর্যায়ে করার কথা বলছেন: অত্যন্ত সূক্ষ্ম বর্ণবাদ... পেন্স আর ট্রাম্প ভোটাধিকার আইনে বিশ্বাস করেন না... তারা জানেন যে সবাই ভোট দিলে তারা জিততে পারবেন না। তারা কৃষ্ণাঙ্গ আর বাদামী বর্ণের গরিব মানুষদের ভোট দেওয়া নিয়ে প্রচণ্ড ভয়ে আছেন।'''<br>আর এই কথা বলা বন্ধ করুন যে গতবার ট্রাম্প জিতেছিলেন। তিনি ৮০,০০০ ভোটের ব্যবধানে ইলেক্টোরাল কলেজে নির্বাচিত হয়েছিলেন। আমাদের এই কাল্পনিক কথাগুলো বন্ধ করতে হবে যে তার কোনো জাদুকরী ক্ষমতা ছিল। আসল কথা হলো, ১০০ মিলিয়ন মানুষ ভোট দেয়নি। ... আমি যাত্রাপুস্তক-এর সেই অংশের কথা না ভেবে পারলাম না, যেখানে ঈশ্বর বলেছিলেন, "তুমি যদি আমার লোকদের যেতে না দাও, তবে আমি চিহ্ন হিসেবে মাছি পাঠাব। কিন্তু আমি মাছিগুলোকে মানুষের ওপর পড়তে দেব না, মাছিগুলো কেবল প্রতীক হবে যে তুমি ভুল করছ। তুমি মিথ্যা বলছ। আমার লোকদের মুক্তি দাও।" আর ট্রাম্প এবং পেন্সের উচিত মানুষকে মুক্তি দেওয়া। তারা গরিব আর অল্প আয়ের মানুষদের জিম্মি করে রেখেছে, জরুরি পরিষেবার কর্মীদের জিম্মি করে রেখেছে। এই দেশে এখন পরিবর্তনের সময় এসেছে।
** রেভ. উইলিয়াম বারবার ২, [https://www.democracynow.org/2020/10/8/rev_william_barber_voting_2020 ভোটার দমনের ওপর রেভ. উইলিয়াম বারবার: রিপাবলিকানরা জানে সবাই ভোট দিলে তারা জিততে পারবে না], ''ডেমোক্র্যাসি নাউ!'', (৮ অক্টোবর ২০২০)
* অনেকে যেমনটা লক্ষ্য করেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাস্তব মেনে নেওয়ার ক্ষমতা আশ্চর্যজনকভাবে কম, বিশেষ করে যখন তিনি অন্য কিছু বিশ্বাস করতে চান যা আমি ''অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ার'' বইতে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছি। নিজেকে মিথ্যা বোঝানোর জন্য তিনি অদ্ভুত সব উৎস আর চাটুকার মানুষ খুঁজবেন। তিনি চেয়েছিলেন ভাইরাসটা এমনিতে চলে যাক, তাই তিনি বিশ্বাস করেছিলেন যে এপ্রিলের গরমে এটি মারা যাবে, অথবা হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনে এর প্রতিকার হবে, অথবা ব্লিচ দিয়ে এটি ধ্বংস হবে, নতুবা অক্টোবরের মধ্যে টিকার মাধ্যমে এটি প্রতিরোধ করা যাবে। যখন তিনি শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি কতটা গুরুতর তা স্বীকার করলেন, তখনই তিনি অঙ্গরাজ্যগুলোকে আবার খুলে দেওয়ার এবং স্বাভাবিক জীবনে ফেরার জন্য চাপ দিতে শুরু করলেন। যার ফলাফল কিছু অঙ্গরাজ্যের জন্য খুব খারাপ হয়েছিল। তিনি সাধারণ নির্বাচনী জনসভা করতে জেদ ধরলেন, মাস্ক পরতে নির উৎসাহিত করলেন, শরতে স্কুল খুলতে বাধ্য করলেন আর অর্থনীতি চাঙ্গা করতে এবং জেতার সম্ভাবনা বাড়াতে জনগণের ওপর অপরীক্ষিত টিকা ব্যবহারের চাপ দিলেন।<br>চীনকে দোষারোপ করা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য বলির পাঁঠা দরকার ছিল। তিনি চীনের ওপর দোষ চাপিয়ে বললেন যে তার কাছে গোপন প্রমাণ আছে যে চীন এই ভাইরাস তৈরি করেছে এবং সারা বিশ্বে এটি ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ দিয়েছে। তিনি ব্যাখ্যা করেছিলেন যে শুরুতে চীনের প্রেসিডেন্ট সি জিনপিং তাকে ধোঁকা দিয়েছিলেন, যিনি তাকে ফোনে আশ্বস্ত করেছিলেন যে রোগটি নিয়ন্ত্রণে আছে। ট্রাম্প ৬ ফেব্রুয়ারি তাকে ফোন করে রোগ নির্মূলের জন্য সাহায্য করতে সিডিসির বিজ্ঞানীদের চীনে পাঠানোর প্রস্তাব দেন। তিনি ভেবেছিলেন সি জিনপিং এই আগে প্রত্যাখ্যান করা প্রস্তাবে রাজি হবেন কারণ তার সাথে চীনা নেতার ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল। কিন্তু সি জিনপিং আগ্রহী ছিলেন না। ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের ডেপুটি ডিরেক্টর ম্যাট পটিংগার, যিনি ফোনালাপটি শুনেছিলেন, তার মতে সি জিনপিং এমন একটা ধারণা দিয়েছিলেন যে চীনে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে আছে (''রেজ'', পৃষ্ঠা ২৪১-২৪৩)। কিন্তু চীন এই রোগ নিয়ন্ত্রণে নাটকীয় পদক্ষেপ নিয়েছিল। ৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই উহান আর সেই প্রদেশটিকে চীনের বাকি অংশ থেকে আলাদা করে ফেলা হয়েছিল এবং দুই সপ্তাহ ধরে কঠোর কোয়ারেন্টাইন চালু করা হয়েছিল। প্রায় ৪০,০০০ স্বাস্থ্যকর্মী সেই এলাকায় পাঠানো হয়েছিল, দ্রুত হাসপাতাল তৈরি করা হচ্ছিল আর সংক্রমণের হার কমে আসছিল।<br>চীনা সরকার অবশ্যই দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে রোগ ছড়ানো বন্ধ করতে কিছু করেনি। কিন্তু সারা বিশ্বের ভাইরাস বিশেষজ্ঞরা একমত যে কভিড-১৯ প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হয়েছে, গবেষণাগারে নয়। যুক্তরাষ্ট্র করোনাভাইরাস মৃত্যুতে বিশ্বে এক নম্বর হয়েছে সি জিনপিং ট্রাম্পের কাছে মিথ্যা বলেছিলেন বলে নয়, বরং ট্রাম্প নিজের দেশের বিশেষজ্ঞদের বারবার দেওয়া সবথেকে বড় সতর্কবাণীগুলো কয়েক সপ্তাহ ধরে উপেক্ষা করেছিলেন বলে। এরপর তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে আমেরিকানদের কাছে মিথ্যা বলেছিলেন যে তাদের কী করা উচিত। এই রক্তের দায় অন্য যে কারোর চেয়ে তার ওপরই বেশি, আর মনে মনে অজুহাত, অস্বীকার আর দায় চাপানোর আড়ালে তিনিও সম্ভবত তা জানেন।
** বব আলটেমেয়ার, [https://theauthoritarians.org/updating-authoritarian-nightmare/ "অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ার-এর আপডেট"], ৮ অক্টোবর ২০২০।
* আমেরিকান জনগণের স্বার্থ দেখার বদলে বার ডোনাল্ড ট্রাম্পের পোষা কুকুরের মতো কাজ করাকেই বেছে নিয়েছেন।
** ফিলিপ হালপার্ন (মার্কিন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল), [https://lawandcrime.com/high-profile/assistant-u-s-attorney-leaves-doj-after-36-years-due-to-lap-dog-bill-barrs-slavish-obedience-to-donald-trumps-will/ 'পোষা কুকুর' বিল বারের ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইচ্ছার প্রতি 'ক্রীতদাসসুলভ আনুগত্যের' কারণে ৩৬ বছর পর সহকারী মার্কিন অ্যাটর্নি বিচার বিভাগ ত্যাগ করলেন] নিবন্ধ অনুযায়ী (১৫ অক্টোবর ২০২০)
* আমার মনে হয় আমেরিকান জনগণের অধিকার আছে প্রেসিডেন্ট তার উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা বলেন তার ওপর নির্ভর করার। যখন একজন প্রেসিডেন্ট নিজের উদ্দেশ্য সম্পর্কে একদম পরিষ্কার কথা বলেন, তখন হোয়াইট হাউস কাউন্সিলের এই কথা আমি মেনে নিতে পারি না যে, 'আসলে এটা তার উদ্দেশ্য ছিল না।' হয়ত হোয়াইট হাউস কাউন্সিল প্রেসিডেন্টের সাথে কথা বলেছে, অথবা বলেনি—আমি তা জানি না।
** মার্কিন জেলা আদালতের বিচারক রেজি ওয়ালটন, যিনি [[জর্জ ডব্লিউ বুশ]]-এর আমলের নিয়োগপ্রাপ্ত, [https://www.politico.com/news/2020/10/16/judge-trump-russia-probe-declassification-429832 বিচারক জানতে চান ট্রাম্প রাশিয়া তদন্তের গোপনীয়তা উন্মোচন থেকে পিছিয়ে যাচ্ছেন কি না] নিবন্ধ অনুযায়ী (১৬ অক্টোবর ২০২০)
* আমি যখন দেখি হাজার হাজার ব্যালট ময়লার ঝুড়িতে ফেলে দেওয়া হয়েছে আর সেগুলোতে আমার নাম রয়েছে? এতে আমি একদমই খুশি নই।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-১৭ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: অতিমারীতে ট্রাম্প এমন কিছু দেখছেন যা অন্য কেউ দেখছে না | লেখক=ক্যালভিন উডওয়ার্ড, হোপ ইয়েন | সাময়িকী=এপি নিউজ| ইউআরএল=https://apnews.com/article/election-2020-virus-outbreak-ap-fact-check-donald-trump-technology-a6ddb8360fa9b1ff95acbbc1e03f437e}}
* আপনারা কি দেখেছেন যে ওরা প্রায় ৫০,০০০ ব্যালট একটা নদীর মতো জায়গায় খুঁজে পেয়েছে?<br>টিকা ছাড়াও এই অতিমারী শেষ হবে। এটি তার পথেই চলবে আর শেষ হবে। ওরা পাগল হয়ে যাবে। কালই খবর হবে যে তিনি বলেছেন ‘টিকা ছাড়াই’—দেখবেন। এই লোকগুলো পাগল। না, এটি স্বাভাবিকভাবেই চলছে। আমরা শেষ পর্যায়ে চলে এসেছি। আপনারা সংখ্যাগুলো দেখছেন, আমরা ঠিক পথেই আছি।<br>মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অন্য দেশের চেয়ে বেশি আক্রান্ত দেখা যায় কারণ এখানে অনেক বেশি (এবং ব্যয়বহুল) পরীক্ষা করা হয়—আর ভুয়া সংবাদমাধ্যমগুলো প্রতিদিন এর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।<br>চীন ভাইরাসের পর থেকে আমরা আমাদের দেশের ইতিহাসে রেকর্ড সংখ্যক কর্মসংস্থান তৈরি করেছি—মাত্র কয়েক মাসেই ১ কোটি ১৪ লক্ষ।<br>আমরা এখন কর্মসংস্থান আর বেকারত্বের নতুন রেকর্ড গড়ছি। আমরা অর্থনৈতিকভাবে নানা রকম রেকর্ড গড়ছি।<br>আমি একটা বিলে সই করেছি যার ফলে আপনি যদি কোনো সরকারি মূর্তি ভাঙেন তবে আপনার ১০ বছরের জেল হবে। মেক্সিকো দেওয়ালের খরচ দিচ্ছে। আমরা ইতিহাসের সবথেকে বড় কর ছাড় দিয়েছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২০ |শিরোনাম=ট্রাম্পের অসৎ সপ্তাহান্তের ফ্যাক্ট-চেকিং: প্রেসিডেন্ট তিন দিনে অন্তত ৬৬টি মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর দাবি করেছেন | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল| সাময়িকী= সিএনএন| ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/10/19/politics/fact-check-trump-dishonest-weekend-florida-michigan-georgia-wisconsin/index.html}}
* (''ভুয়া ব্যালট প্রসঙ্গে:'') সেই সব ব্যালটগুলোর কথা ভাবুন তো যেগুলোতে আমার নাম ছাড়াই ছাপানো হয়েছিল? সেগুলোতে সব ছিল। সেনেট থেকে শুরু করে সব পদ ছিল, শুধু আমার নাম দিতেই ওরা ভুলে গেল।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২০ |শিরোনাম=ট্রাম্প আবার ব্যালট নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন | লেখক=লরি রবার্টসন| সাময়িকী= ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি| ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/10/trump-misleads-on-ballots-again/}}
* আমাদের কোনো সমাজতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট থাকবে না। বিশেষ করে কোনো নারী সমাজতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট আমাদের থাকবে না। আমরা এটা হতে দেব না, আমরা এটা সহ্য করব না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৪ |শিরোনাম=ডেমোক্র্যাটিক উপ-রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীর বিরুদ্ধে ট্রাম্পের কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ | লেখক=সারাহ আল-আরশানি| সাময়িকী= বিজনেস ইনসাইডার| ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-targets-kamala-harris-in-sexist-rant-2020-10?r=US&IR=T}}
* আমাদের এমন কোনো প্রেসিডেন্ট থাকবে না যে স্রেফ তার সমালোচনা করার জন্য মানুষকে জেলের ভয় দেখাবে।
** জো বাইডেনের নির্বাচনী প্রচারে [https://www.wlrn.org/2020-10-25/obama-hits-campaign-trail-in-south-florida-criticizing-trumps-behavior-as-worse-than-florida-man ওবামা দক্ষিণ ফ্লোরিডায় নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্পের আচরণকে ফ্লোরিডা ম্যানের চেয়েও খারাপ বলে সমালোচনা করেছেন] নিবন্ধ অনুযায়ী [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৫ অক্টোবর ২০২০)
* ওদের সবাইকে জেলে ভরুন।
** একটি অনির্ধারিত গোষ্ঠী সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৬ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: '৬০ মিনিটস'-এ ট্রাম্প অন্তত ১৬টি মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর দাবি করেছেন | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল| সাময়িকী= সিএনএন| ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/10/25/politics/fact-check-trump-60-minutes-lesley-stahl/index.html}}
* আমার যদি সোশ্যাল মিডিয়া না থাকত, তবে আমার কথা পৌঁছানোর আর কোনো উপায় থাকত না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৬ |শিরোনাম=সিবিএস ট্রাম্পের ৬০ মিনিটস সাক্ষাৎকার থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ফুটেজ প্রকাশ করেছে | লেখক=মার্টিন মেলাম| সাময়িকী= দ্য গার্ডিয়ান| ইউআরএল=https://www.theguardian.com/us-news/2020/oct/26/cbs-releases-footage-trump-walking-out-60-minutes-interview}}
* পুরো যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে ডাকযোগে পাঠানো ব্যালট নিয়ে বড় সমস্যা আর গরমিল দেখা যাচ্ছে। ৩রা নভেম্বরের মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল থাকতে হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট, যা "বিভ্রান্তিকর" হিসেবে চিহ্নিত এবং যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৬ |শিরোনাম=টুইটার ডাকযোগে ভোট নিয়ে ট্রাম্পের আরেকটি টুইটকে 'বিভ্রান্তিকর' হিসেবে চিহ্নিত করল এবং অন্য ব্যবহারকারীদের এটি রিটুইট করা বন্ধ করে দিল | লেখক=ইসাবেল অ্যাশার হ্যামিল্টন| সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার| ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/twitter-trump-tweet-mail-voting-warning-label-minsinformation-block-retweet-2020-10?r=US&IR=T}}
* পেনসিলভ্যানিয়ায় এখন একমাত্র যা করা যায় তা হলো বিক্ষোভ। আপনি গির্জায় যেতে পারেন না। আপনি আপনার ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করতে পারেন না। আপনি আপনার যাজক বা রাবাইদের সাথে থাকতে পারেন না। এর কিছুই করা যায় না। আপনি কিচ্ছু করতে পারেন না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৭ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: পেনসিলভ্যানিয়ার মানুষ 'গির্জায় যেতে পারে না' বলে ট্রাম্প মিথ্যা দাবি করেছেন | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/10/27/politics/trump-false-claim-pennsylvania-cant-go-to-church-fact-check/index.html}}
* সে আপনাদের আইনের পাহাড় চাপিয়ে দেবে, পুলিশ বিভাগগুলো বন্ধ করে দেবে, আমাদের সীমান্ত বিলীন করে দেবে, আপনাদের বন্দুক কেড়ে নেবে, ধর্মীয় স্বাধীনতা শেষ করবে আর আপনাদের শহরতলিগুলোকে ধ্বংস করে দেবে।
* আপনারা যদি বাইডেনকে ভোট দেন, তার মানে স্কুলে কোনো বাচ্চা থাকবে না, কোনো সমাবর্তন হবে না, কোনো বিয়ে হবে না, কোনো থ্যাঙ্কসগিভিং, বড়দিন বা স্বাধীনতা দিবস পালিত হবে না।
** ডেমোক্র্যাট রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী জো বাইডেন সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৯ |শিরোনাম=স্বাভাবিক অতিরঞ্জিত কথার মাধ্যমে ট্রাম্প বাইডেনের অধীনে জীবনের এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছেন | লেখক=ডার্লিন সুপারভিল | সাময়িকী=দ্য টাইমস অফ ইসরায়েল | ইউআরএল=https://www.timesofisrael.com/with-typical-hyperbole-trump-paints-apocalyptic-portrait-of-life-under-biden/}}
==== নভেম্বর ২০২০ ====
* আমরা এই নির্বাচনে জেতার জন্য পুরোপুরি তৈরি ছিলাম। সত্যি বলতে, আমরা জিতেই গেছি। এটি আমাদের জাতির সাথে এক বিশাল জালিয়াতি। আমরা চাই আইনের সঠিক প্রয়োগ হোক। তাই আমরা মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে যাব। আমরা চাই সব ভোট গ্রহণ বন্ধ হোক।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-০৩ |শিরোনাম=মার্কিন রাষ্ট্রপতি পদের ফলাফল এখনো অমীমাংসিত; মধ্য-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রধান অঙ্গরাজ্যগুলোতে বাইডেন এগিয়ে | লেখক= ট্রেভর হানিকাট, জেফ মেসন | সাময়িকী=রয়টার্স | ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/usa-election/us-presidency-still-undecided-biden-opens-leads-in-key-midwestern-states-idUSKBN27J0FZ}}
* আমি এই নির্বাচনে জিতেছি, তাও বিশাল ব্যবধানে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1325099845045071873 ৭ নভেম্বর ২০২০]
* ২০১৬ সালে ট্রাম্পের জয়ে মানুষ এই কারণে বিচলিত ছিল যে তিনি এমন সব নীতি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রচারণা চালিয়েছিলেন, যা রাষ্ট্রীয় সহিংসতার মাধ্যমে জাতিগত ও নৃতাত্ত্বিক সংখ্যালঘুদের লক্ষ্যবস্তু করে (এবং তিনি কেবল অভদ্র বা অসভ্য ছিলেন বলেই এমনটা করেননি)। কোনোভাবেই বাইডেনের প্রচারণাকে এর সাথে তুলনা করা যায় না। দুঃখিত! বাইডেন খ্রিস্টানদের নিষিদ্ধ করবেন না, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এখানে থাকা শ্বেতাঙ্গ অভিবাসীদের মর্যাদা খেয়ালখুশিমতো বাতিল করবেন না, দেশের শ্বেতাঙ্গ অধ্যুষিত অংশগুলো বিক্রি করার চেষ্টা করবেন না বা শ্বেতাঙ্গদের বিরুদ্ধে পুলিশি সহিংসতাকে উস্কে দেবেন না। আপনাদের এই হতাশাকে কোনোভাবেই নিপীড়ন বলা যায় না।
** অ্যাডাম সারওয়ার, ৯ নভেম্বর ২০২০ টুইটারে
* রিপোর্ট: ডোমিনিয়ন সারা দেশে ট্রাম্পের ২৭ লক্ষ ভোট মুছে ফেলেছে। তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে পেনসিলভানিয়ায় ২,২১,০০০ ভোট প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের থেকে সরিয়ে বাইডেনের অ্যাকাউন্টে দেওয়া হয়েছে। ৯,৪১,০০০ ট্রাম্পের ভোট মুছে ফেলা হয়েছে। ডোমিনিয়ন ভোটিং সিস্টেম ব্যবহার করা অঙ্গরাজ্যগুলো ট্রাম্পের ৪,৩৫,০০০ ভোট বাইডেনের দিকে সরিয়ে দিয়েছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]েরে বিতর্কিত টুইট, যা উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-১৩ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: 'মুছে ফেলা' ভোট নিয়ে ট্রাম্পের টুইটের গালগল্প | লেখক= আলী সোয়েনসন, আমান্ডা সিটজ | সাময়িকী=এপি নিউজ | ইউআরএল=https://apnews.com/article/election-2020-ap-fact-check-joe-biden-donald-trump-technology-13c104367924b8192b4fcecf334f7806}}
* ফক্স নিউজ আর ভুয়া খবরের মাধ্যমগুলো এই বিশাল জমায়েত দেখাচ্ছে না। বদলে তারা তাদের সাংবাদিকদের প্রায় জনশূন্য রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রেখেছে। এখন আমরা সংবাদমাধ্যমের দ্বারা তথ্য দমনের শিকার হচ্ছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1327724046595842049 ১৪ নভেম্বর ২০২০]
* নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের মতো জায়গাগুলো বাদে বাকি সব সাধারণ মানুষের জন্য টিকা পাওয়া যাবে। রাজনৈতিক কারণে সেখানকার গভর্নর দেরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আমার মনে হয় না এটি রাজনৈতিকভাবে ভালো, স্বাস্থ্যের দিক থেকেও এটি খুব খারাপ, তবে তিনি টিকা নিয়ে সময় নিতে চান। আমরা এমন কোনো রাজ্যে এটি পৌঁছে দিতে পারি না যারা তাদের জনগণকে অবিলম্বে এটি দেবে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-৩০ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: টিকা এবং অঙ্গরাজ্যগুলোতে এর বিতরণ নিয়ে ট্রাম্পের ভুল তথ্য | লেখক= হোপ ইয়েন, লরা নিরগার্ড, ক্যান্ডিস চই | সাময়িকী=এপি | ইউআরএল=https://apnews.com/article/ap-fact-check-joe-biden-donald-trump-politics-coronavirus-pandemic-76d1580f82b1586b207990396c1e3b5f}}
* এইমাত্র নেভাদা অঙ্গরাজ্যে এক বিশাল জয় এল। কাউন্টি কমিশনারের লড়াইয়ে ডেমোক্র্যাটদের একচ্ছত্র আধিপত্যের ওই ভোট বাতিল করা হয়েছে কারণ সেখানে বড় ধরনের ভোট জালিয়াতি ধরা পড়েছে। ক্লার্ক কাউন্টির কর্মকর্তারা তাদের নিজেদের নির্বাচনী নিরাপত্তার ওপর আস্থা রাখতে পারছেন না। বিশাল প্রভাব!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]][https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1328483862490574849 টুইটারে], ১৬ নভেম্বর ২০২০
* আমি নির্বাচনে জিতেছি!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1328334945148952576 টুইটারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেখানে টুইটার সতর্কবার্তা দিয়েছে: "একাধিক সূত্র এই নির্বাচনের ভিন্ন ফলাফল দিয়েছে",১৬ নভেম্বর ২০২০
* ২০২০ সালের নির্বাচনের নিরাপত্তা সম্পর্কে ক্রিস ক্রেবসের সাম্প্রতিক বক্তব্য অত্যন্ত ভুল ছিল... তাই অবিলম্বে ক্রিস ক্রেবসকে সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার সিকিউরিটি এজেন্সির পরিচালক পদ থেকে বরখাস্ত করা হলো।
** [https://www.usatoday.com/story/news/politics/2020/11/17/trump-ousts-homeland-security-chris-krebs-called-election-secure/6276676002/ ট্রাম্প হোমল্যান্ড সিকিউরিটির সাইবার প্রধান ক্রিস ক্রেবসকে বরখাস্ত করেছেন, যিনি নির্বাচনকে সুরক্ষিত বলেছিলেন] শীর্ষক খবর অনুযায়ী ডোনাল্ড ট্রাম্প টুইটারের মাধ্যমে তার সাইবার প্রধানকে বরখাস্ত করেছেন (১৮ নভেম্বর ২০২০)
* আমি না থাকলে আরও চার বছর আপনারা টিকা পেতেন না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-২০ |শিরোনাম=ট্রাম্পের ইঙ্গিত যে তাকে হারানোর জন্য টিকা কোম্পানিগুলো প্রতিশোধমূলক ষড়যন্ত্র করেছে | লেখক= র্যাচেল ওল্ডিং | সাময়িকী=ডেইলি বিস্ট | ইউআরএল=https://www.thedailybeast.com/trump-suggests-vaccine-companies-orchestrated-revenge-filled-conspiracy-to-make-him-lose}}
* আমার সাথে ওভাবে কথা বলবেন না, আপনার কোনো যোগ্যতাই নেই। আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতির সাথে ওভাবে কখনো কথা বলবেন না।
** থ্যাঙ্কসগিভিংয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-election-2020/trump-news-live-twitter-biden-election-b1762621.html ট্রাম্প নিউজ: শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা ছাড়ার প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসার পর পেনসিলভানিয়ার আপিলে হেরেছেন প্রেসিডেন্ট] নিবন্ধে উদ্ধৃত হয়েছে।,২৭ নভেম্বর ২০২০
* তথ্য দমনের জন্য বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো আর ভুয়া সংবাদমাধ্যম একজোট হয়েছে। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা শেষ হয়ে গেছে, এটি এখন অতীত। এই কারণেই তারা ২০২০ সালের নির্বাচনের প্রকৃত তথ্য ও পরিসংখ্যান প্রকাশ করতে অস্বীকার করছে...
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1332349861774155778?s=20 টুইট] যা টুইটার "নির্বাচনী জালিয়াতি সম্পর্কে এই দাবিটি বিতর্কিত" লেবেল দিয়ে চিহ্নিত করেছে,২৭ নভেম্বর ২০২০
* বাইডেন কেবল তখনই প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোয়াইট হাউসে ঢুকতে পারবেন, যদি তিনি প্রমাণ করতে পারেন যে তার ওই হাস্যকর '৮ কোটি ভোট' জালিয়াতি বা অবৈধভাবে পাওয়া যায়নি। ডেট্রয়েট, আটলান্টা, ফিলাডেলফিয়া আর মিলওয়াকিতে কী হয়েছে তা দেখলে বুঝবেন যে বিশাল ভোট জালিয়াতি হয়েছে। এটি তার জন্য এক বিশাল এবং সমাধান অযোগ্য সমস্যা।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-২৮ |শিরোনাম=প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মিথ্যা এবং ষড়যন্ত্র তত্ত্ব টুইট করা চালিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে ট্রাম্প আভাস দিয়েছেন যে বাইডেন 'প্রমাণ করতে না পারলে' তিনি হোয়াইট হাউস ছাড়বেন না | লেখক= গ্রেস প্যানেটা | সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার | ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-says-he-wont-leave-white-house-biden-disproves-fraud-2020-11?r=US&IR=T}}
* পেনসিলভানিয়ার ঘটনায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে এবং আমাদের কাছে এর বিশাল প্রমাণ রয়েছে। কিছু মানুষ স্রেফ তা দেখতে চায় না। আমাদের দেশকে বাঁচানোর সাথে তারা কোনো সম্পর্ক রাখতে চায় না। দুঃখজনক!!!
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1332778938121203720 টুইট],২৮ নভেম্বর ২০২০
* @FoxNews-এর দিনের বেলার অনুষ্ঠানগুলো দেখা প্রায় অসম্ভব, বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-২৯ |শিরোনাম=নির্বাচনের পর প্রথম সাক্ষাৎকারের আগে ফক্স নিউজ বাদে 'অন্য কিছু' দেখার জন্য দর্শকদের বললেন ট্রাম্প | লেখক= ইয়েলেনা জানোভা | সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার | ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-calls-fox-news-unwatchable-criticism-newsmax-2020-11?r=US&IR=T}}
* এই দেশে সংবাদপত্রের কোনো স্বাধীনতা নেই, এখানে চলছে তথ্য দমন।
** ফক্স নিউজে মারিয়া বার্টিরোমোর সাথে এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]],২৯ নভেম্বর ২০২০
* আমি এমন সব টিকা নিয়ে এসেছি যা মানুষ ভেবেছিল পেতে পাঁচ বছর সময় লাগবে।
* কিছু যান্ত্রিক গোলযোগ হয়েছিল যার ফলে আমার হাজার হাজার ভোট বাইডেনের অ্যাকাউন্টে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
* (যুক্তরাষ্ট্রের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি সামলানো প্রসঙ্গে:) আমরা বিশ্বের বাকি দেশগুলোর চেয়ে ভালো করছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-২৯ |শিরোনাম=ফক্স নিউজের মারিয়া বার্টিরোমো নির্বাচনের পর ট্রাম্পের প্রথম টিভি সাক্ষাৎকার নিয়েছেন, যা মিথ্যায় ভরা ছিল | লেখক= আলেকজিস বেনভেনেস্টে | সাময়িকী= সিএনএন বিজনেস | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/11/29/media/bartiromo-trump-interview/index.html}}
* ব্রায়ান কেম্প আর ডগ ডুসির মতো রিপাবলিকান থাকতে ডেমোক্র্যাটদের কী দরকার?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-৩০ |শিরোনাম=ট্রাম্পের আক্রমণের পর অ্যারিজোনার গভর্নর ডগ ডুসি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পক্ষে সাফাই দিয়েছেন | লেখক= ক্যারোলিন কেলি, অ্যালিসন মেইন | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/11/30/politics/doug-ducey-defends-election-arizona-trump/index.html}}
==== ডিসেম্বর ২০২০ ====
(কালানুক্রমিকভাবে)
* আসলে আমি উইসকনসিনে জিতেছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-০৫ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: সাজানো নির্বাচনের ভিত্তিহীন দাবির মধ্যে ট্রাম্প বলেছেন তিনি উইসকনসিনে জিতেছেন | লেখক= ডি.এল. ডেভিস, পলিটিফ্যাক্ট | সাময়িকী=হিউস্টন ক্রনিকল | ইউআরএল=https://www.houstonchronicle.com/local/texas-politics/politifact/article/Fact-check-Among-baseless-claims-of-rigged-15794749.php}}
* আপনাদের বোঝার সুবিধার্থে বলছি, আপনারা জানেন যে আমরা জর্জিয়াতে জিতেছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-০৫ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: জর্জিয়ায় নির্বাচনী প্রচারের সময় ট্রাম্পের ভিত্তিহীন দাবি | লেখক= ইউজিন কিয়েলি | সাময়িকী=জিএ টুডে | ইউআরএল=https://www.gpb.org/news/2020/12/09/fact-check-trump-makes-bogus-swing-state-claim-during-campaign-stop-in-georgia}}
* যদি আমি হারতাম, তবে আমি খুব উদারভাবে হার মেনে নিতাম।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-০৬ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: জনসভায় ট্রাম্পের দুঃসাহসিক মিথ্যাচার | লেখক= ক্যালভিন উডওয়ার্ড | সাময়িকী=এপি নিউজ | ইউআরএল=https://apnews.com/article/fact-check-donald-trump-rally-falsehoods-424834660f894040b55b415aecb2a443}}
* রাইনো ব্রায়ান কেম্প, জিওফ ডানকান এবং সেক্রেটারি অফ স্টেট ব্র্যাড রাফেনসপারজার জর্জিয়ার আমাদের দুজন মহান সিনেটর ডেভিড পারডু এবং কেলি লোফ্লারের সম্ভাব্য পরাজয়ের জন্য এককভাবে দায়ী থাকবেন। তারা কোনো বিশেষ অধিবেশন ডাকবে না বা সই যাচাই করবে না! মানুষ অনেক ক্ষুব্ধ!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-০৭ |শিরোনাম=ট্রাম্প বলেছেন রাইনো কেম্প এবং রাফেনসপারজারই 'এককভাবে দায়ী' যদি লোফ্লার ও পারডু নির্বাচনে হারেন | লেখক= জেফারি মার্টিন | সাময়িকী=নিউজউইক | ইউআরএল=https://www.newsweek.com/trump-says-rinos-kemp-raffensperger-solely-responsible-if-loeffler-perdue-lose-election-1553024}}
* সুপ্রিম কোর্ট আমাদের সত্যিই হতাশ করেছে। কোনো প্রজ্ঞা নেই, কোনো সাহস নেই!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-১১ |শিরোনাম='কোনো প্রজ্ঞা নেই, কোনো সাহস নেই!': টেক্সাসের নির্বাচনী ফলাফল বাতিলের আবেদন সুপ্রিম কোর্ট প্রত্যাখ্যান করার পর ট্রাম্পের ক্ষোভ | লেখক= কেলসি ভ্লামিস | সাময়িকী=এমএসএন নিউজ | ইউআরএল=https://www.msn.com/en-us/news/other/no-wisdom-no-courage-trump-lashes-out-at-the-supreme-court-after-it-rejected-a-texas-bid-to-overturn-the-election-results/ar-BB1bRIqA}}
* আমরা কেবল লড়াই শুরু করেছি!!!
** ২০২০ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে লড়াই করা প্রসঙ্গে ট্রাম্পের টুইট,{{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-১১ |শিরোনাম=ঐতিহাসিক টিকা বিতরণের আগে ট্রাম্প আত্মঘাতী লড়াইতে লিপ্ত | লেখক= মেভ রেস্টন | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/12/13/politics/donald-trump-william-barr-pfizer-vaccine/index.html}}
* এটি শেষ হয়ে যায়নি। আমরা লড়াই চালিয়ে যাব এবং সামনের দিকে এগিয়ে যাব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-১২ |শিরোনাম=ইলেক্টোরাল কলেজের ভোটের আগে ট্রাম্প 'ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস'-কে বলেছেন যে নির্বাচনী চ্যালেঞ্জ 'শেষ হয়ে যায়নি' | লেখক= রন ব্লিটজনার | সাময়িকী=ফক্স নিউজ | ইউআরএল=https://www.foxnews.com/politics/trump-fox-and-friends-election-challenges-not-over-electoral-college-vote}}
* দারুণ! স্টপ দ্য স্টিলের জন্য ওয়াশিংটন ডিসিতে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হচ্ছে। আমি এ সম্পর্কে জানতাম না, তবে আমি তাদের সাথে দেখা করতে যাব! #এমএজিএ
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, [https://en.wikinews.org/wiki/Conservative_groups_hold_rally_in_Washington_D.C._claiming_U.S._elections_were_stolen_from_President_Trump "ওয়াশিংটন ডিসিতে রক্ষণশীল গোষ্ঠীর জনসভা, মার্কিন নির্বাচন চুরি হয়েছে বলে দাবি"], ১৫ ডিসেম্বর ২০২০।
* এইমাত্র হোয়াইট হাউসে অ্যাটর্নি জেনারেল বিল বারের সাথে খুব সুন্দর একটি বৈঠক হলো। আমাদের সম্পর্ক খুব ভালো ছিল, তিনি চমৎকার কাজ করেছেন! চিঠিতে যেমনটা লেখা আছে, বিল বড়দিনের ঠিক আগেই তার পরিবারের সাথে ছুটি কাটানোর জন্য বিদায় নেবেন...
* ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ রোজেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.bbc.com/news/world-us-canada-55312016 উইলিয়াম বার: মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল বড়দিনের আগেই পদ ছাড়ছেন], ১৫ ডিসেম্বর ২০২০।
* আমরা আজ এখানে একটি ঐতিহাসিক সপ্তাহের শেষে একত্রিত হয়েছি আমেরিকান জনগণকে এটা নিশ্চিত করতে যে আশা খুব কাছেই। কেলি এবং আমি অত্যন্ত আনন্দের সাথে এই সপ্তাহ শেষ হওয়ার আগেই আমেরিকান জনগণের জন্য আমাদের সুরক্ষিত এবং প্রস্তুতকৃত এই নিরাপদ ও কার্যকর করোনাভাইরাস টিকা নিতে এগিয়ে এসেছি। এটি সত্যিই একটি অনুপ্রেরণাদায়ক দিন।
** উপ-রাষ্ট্রপতি পেন্স, [https://www.politico.com/news/2020/12/18/pence-covid-vaccine-live-television-448080 'আশা কাছেই': সরাসরি টেলিভিশনে করোনাভাইরাস টিকা নিলেন পেন্স], ১৮ ডিসেম্বর ২০২০।
* টেক্সাসের ৫ম সংসদীয় আসনের মার্কিন কংগ্রেস সদস্য হতে পেরে আমি গর্বিত। আমি ৬ই জানুয়ারি আপত্তি জানানোর মাধ্যমে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাশে দাঁড়াতে পেরেও গর্বিত। আমি কংগ্রেসের প্রতিটি সহকর্মীকে একই কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।
** [https://twitter.com/Lancegooden টুইটারে] ল্যান্স গুডেন, ২৬ ডিসেম্বর ২০২০।
===== বাইডেনের নির্বাচনী জয় বাতিলের ট্রাম্প-সমর্থিত মামলা সুপ্রিম কোর্টে খারিজ =====
* আমি বারবার যেমনটা বলেছি, আমাদের সংবিধান অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলোর মধ্যে প্রকৃত বিরোধের বিষয়গুলো শেষ পর্যন্ত কেবল সুপ্রিম কোর্টই নিষ্পত্তি করতে পারে এবং এই কারণেই বিচারপতিদের উচিত এই মামলার শুনানি করা এবং সিদ্ধান্ত দেওয়া।
** [https://www.theadvocate.com/baton_rouge/news/politics/elections/article_193de3e0-3a54-11eb-8036-07b9fff910f6.html জেফ ল্যান্ড্রি জো বাইডেনের পক্ষে যাওয়া ইলেক্টোরাল ভোট গণনা বন্ধে টেক্সাসের প্রচেষ্টাকে সমর্থন করছেন], ৯ ডিসেম্বর ২০২০-এ লুইসিয়ানার অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ ল্যান্ড্রি।
* সুপ্রিম কোর্ট যদি মহৎ প্রজ্ঞা এবং সাহস দেখায়, তবে আমেরিকান জনগণ সম্ভবত ইতিহাসের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ মামলাটিতে জিতবে এবং আমাদের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রতি আবার শ্রদ্ধা ফিরে আসবে!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1337494507756072961 রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প], ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* আমেরিকার একটি স্বচ্ছ নির্বাচন প্রাপ্য ছিল, কিন্তু তারা যা পেয়েছে তা হলো: জর্জিয়াতে গোপনে যোগ করা ব্যালট ভর্তি সুটকেস, উইসকনসিনে মৃত ব্যক্তিদের ভোট প্রদান, নেভাদাতে ভোটের বিনিময়ে অর্থের কারসাজি, পেনসিলভানিয়া-তে পোল ওয়াচারদের ঢুকতে না দেওয়া, মিশিগানে ব্যালট ড্রপবক্স খোলা অবস্থায় পাওয়া এবং মিশিগানেই ক্লার্কের মুখে ???। প্রমাণ অকাট্য। আপনাদের আইনপ্রণেতাদের ডাকুন, তাদের স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য লড়াই করতে বলুন।
** [https://twitter.com/realDonaldTrump @realDonaldTrump ভিডিওতে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* '''অন্যান্য অঙ্গরাজ্যগুলো কীভাবে তাদের নিজস্ব নির্বাচন পরিচালনা করবে তা নিয়ে মামলা করার জন্য টেক্সাসের অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী কোনো আইনি ভিত্তি নেই।'''
** [https://twitter.com/SCOTUSblog/status/1337546093102510080?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1337546093102510080%7Ctwgr%5E%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.cbc.ca%2Fnews%2Fworld%2Ftrump-lawsuit-supreme-court-defeat-1.5838403 স্কোটাসব্লগ (SCOTUSblog)], মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট, ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* সাংবিধানিক প্রশ্নটি ভোটাররা জালিয়াতি করেছে কি না তা নয়, বরং প্রশ্ন হলো অঙ্গরাজ্যের কর্মকর্তারা ব্যালটের সততা রক্ষার নিয়মগুলো পরিকল্পিতভাবে শিথিল করে আইন লঙ্ঘন করেছেন কি না যাতে জালিয়াতি ধরা না যায়।
** [https://www.salon.com/2020/12/11/republicans-want-more-than-a-coup-trumps-loyalty-test-exposes-their-hatred-for-democracy/ রিপাবলিকানরা একটি অভ্যুত্থানের চেয়েও বেশি কিছু চায়: ট্রাম্পের আনুগত্য পরীক্ষা গণতন্ত্রের প্রতি তাদের ঘৃণা প্রকাশ করে], টেক্সাসের অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটন, ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* মামলাটি গুণাগুণের ভিত্তিতে খারিজ করা হয়নি, এটি আইনি ভিত্তির অভাবে খারিজ করা হয়েছে। তাই এর সমাধান হলো রাষ্ট্রপতি বা কিছু নির্বাচক কর্তৃক জেলা আদালতে একই তথ্যগুলো উল্লেখ করে মামলা করা যেখানে তাদের আইনি ভিত্তি থাকবে।
* আমাদের জেলা আদালতে এই মামলাগুলো অবিলম্বে দায়ের করতে কোনো বাধা নেই যেখানে অবশ্যই রাষ্ট্রপতির আইনি ভিত্তি থাকবে। কিছু নির্বাচকেরও আইনি ভিত্তি থাকবে কারণ তাদের সাংবিধানিক অধিকার খর্ব করা হয়েছে।
* আমাদের কাজ শেষ হয়নি। আমাকে বিশ্বাস করুন।
** [https://thehill.com/regulation/court-battles/529928-giuliani-says-trump-team-not-finished-after-supreme-court-defeat সুপ্রিম কোর্টে পরাজয়ের পর জিলিয়ানি বলেছেন ট্রাম্পের দল 'এখনো শেষ হয়ে যায়নি'], [[রুডি জিলিয়ানি]], ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* এটি দুর্ভাগ্যজনক যে সুপ্রিম কোর্ট এই মামলাটি গ্রহণ না করার এবং এই চারটি অঙ্গরাজ্যের ফেডারেল ও স্টেট নির্বাচন আইন মানতে ব্যর্থতার সাংবিধানিকতা যাচাই না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
** [https://www.texastribune.org/2020/12/11/texas-lawsuit-supreme-court-election-results/ মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট চার অঙ্গরাজ্যের ২০২০ সালের নির্বাচনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে টেক্সাসের মামলা খারিজ করে দিয়েছে], কেন প্যাক্সটন, ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* একাধিক অঙ্গরাজ্য এবং এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির জড়িত থাকা একটি মৌলিক এক্তিয়ারভুক্ত বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট কোনো আইনি ভিত্তি খুঁজে পাবে না, এটি হাস্যকর। এটি সংবিধানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে...। তারা আসলে "ভয় পেয়ে পিছিয়ে গেছে" এবং মামলার গুণাগুণের ওপর রায় দিতে চায়নি। আমাদের দেশের জন্য এটি খুবই খারাপ!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1338246403164954629 টুইটারের মাধ্যমে] রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প, ১৩ ডিসেম্বর ২০২০।
* আমি গত সাজানো (রাষ্ট্রপতি পদের জন্য) নির্বাচনে মিচসহ অন্তত ৮ জন রিপাবলিকান সিনেটরকে পরাজয় থেকে বাঁচিয়েছি। এখন তারা (প্রায় সবাই) হাত গুটিয়ে বসে আছে এবং আমাকে কট্টর বামপন্থী ডেমোক্র্যাটদের মতো এক কুটিল ও হিংস্র শত্রুর বিরুদ্ধে একা লড়তে দেখছে। আমি কখনোই ভুলব না!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের বিতর্কিত [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1342245390540804096 টুইট], ২৫ ডিসেম্বর ২০২০।
* ২০২০ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে যে বিশাল নির্বাচনী জালিয়াতি হয়েছে সে ব্যাপারে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট সম্পূর্ণ অযোগ্যতা এবং দুর্বলতা দেখিয়েছে। আমাদের কাছে অকাট্য প্রমাণ আছে, কিন্তু তারা তা দেখতে চায় না—তারা বলছে কোনো ‘আইনি ভিত্তি’ নেই। আমাদের নির্বাচনে যদি দুর্নীতি হয়, তবে আমাদের কোনো দেশই থাকবে না!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের বিতর্কিত টুইট, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-২৬ |শিরোনাম=ক্ষমতার মেয়াদ এক মাসেরও কম থাকতে ট্রাম্প তার নির্বাচনী পরাজয় বাতিল করতে অস্বীকার করায় 'সম্পূর্ণ অযোগ্য' সুপ্রিম কোর্টের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন | লেখক= কনর পেরেট | সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার | ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-supreme-court-totally-incompetent-for-refusing-to-overturn-election-2020-12?r=US&IR=T}}
* দুর্বল এবং ক্লান্ত রিপাবলিকান "নেতৃত্ব" এই খারাপ প্রতিরক্ষা বিলটি পাস হওয়ার সুযোগ করে দেবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1342245390540804096 টুইট], ২৯ ডিসেম্বর ২০২০।
* রিপাবলিকান নেতৃত্ব কেবল সবথেকে সহজ পথটি বেছে নিতে চায়। আমাদের নেতারা (অবশ্যই আমি নই!) অত্যন্ত করুণ।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-২৯ | শিরোনাম=তার ভেটো উপেক্ষা করার পর রিপাবলিকানদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন ট্রাম্প | লেখক= জ্যাচারি বি. উলফ | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/12/29/politics/donald-trump-house-votes/index.html}}
==== জানুয়ারি ২০২১ ====
* তো দেখুন, আমি কেবল ১১,৭৮০টি ভোট খুঁজে পেতে চাই।
** ২ জানুয়ারি জর্জিয়ার নির্বাচনী কর্মকর্তাদের (জর্জিয়ার সেক্রেটারি অফ স্টেট ব্র্যাড রাফেনসপারজারসহ) সাথে কথা বলার সময় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেখানে তিনি ২০২০ সালের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট নিজের পক্ষে গণনা করার জন্য সেক্রেটারি অফ স্টেট ব্রায়ান কেম্পকে চাপ দিচ্ছিলেন। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২১-০১-০৩ |ইউআরএল=https://www.washingtonpost.com/video/politics/audio-trump-berates-ga-secretary-of-state-urges-him-to-find-votes/2021/01/03/aba64f5f-8c3c-490f-af34-618ccea732d7_video.html |শিরোনাম=অডিও: জর্জিয়ার সেক্রেটারি অফ স্টেটকে তিরস্কার করলেন ট্রাম্প, ভোট ‘খুঁজে’ বের করার তাগিদ দিলেন |প্রকাশক=''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট''}}
*** সিএনএনে [https://www.cnn.com/2021/01/03/politics/trump-brad-raffensperger-phone-call-transcript/index.html পূর্ণাঙ্গ প্রতিলিপি]
* মৃত মানুষের নামেও ভোট পড়েছে। জর্জিয়ায় আমার মনে হয় এই সংখ্যাটা প্রায় ৫,০০০-এর কাছাকাছি... এমন সব বাক্সে হাজার হাজার ব্যালট পাওয়া গেছে যেগুলো কোনো স্বীকৃত বা সিল করা বাক্স ছিল না। ওরা জল চলাচলের পাইপ ফেটে যাওয়ার বাহানা দিয়ে সবাই বেরিয়ে গিয়েছিল। অথচ বাস্তবে সেখানে কোনো পাইপই ছিল না, কিচ্ছু হয়নি। পাইপ ফাটার কোনো ঘটনাই সেখানে ঘটেনি।<br>সেখানে ৪,৯২৫ জন বহিরাগত ভোটার ছিল, ওরা অন্য রাজ্যের বাসিন্দা হয়েও জর্জিয়ায় এসে ভোট দিয়ে গেছে।<br>ওরা সব ব্যালট পেপার নষ্ট করে ফেলছে। আপনাদের এই ব্যাপারটা খুব ভালো করে খতিয়ে দেখা উচিত। কারণ এটা ঘোরতর বেআইনি। আপনাদের এই ডোমিনিয়ন মেশিনগুলো আমরা এখনো ভালো করে পরীক্ষা করিনি, তাই এগুলোর ওপর এখনই ভরসা করতে পারছি না। অন্য রাজ্যগুলোতে এই ডোমিনিয়ন মেশিনগুলো ব্যবহার করে অনেক বড় বড় কারচুপি করা হয়েছে বলে আমাদের বিশ্বাস...
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২১-০১-০৩ | লেখক = বিবিসি নিউজ রিয়েলিটি চেক টিম | ইউআরএল=https://www.bbc.com/news/election-us-2020-55529230 |শিরোনাম=জর্জিয়া নির্বাচন: ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফোনালাপের ফ্যাক্ট-চেক |প্রকাশক=বিবিসি নিউজ}}
* জেফরি রোজেন, আমরা একটা বিষয় জানি যে আপনি এই নির্বাচন উল্টে দেওয়ার জন্য কিছুই করবেন না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.npr.org/2021/10/07/1044015379/senate-report-details-trumps-efforts-to-use-doj-to-overturn-election-results "নির্বাচনের ফলাফল পাল্টাতে বিচার বিভাগকে ব্যবহার করার বিষয়ে ট্রাম্পের প্রচেষ্টার বিস্তারিত সেনেট রিপোর্ট"], ৩ জানুয়ারি ২০২১।
* রুডি, আপনি দারুণ কাজ করেছেন। ওর সাহস আছে। জানেন কী? রিপাবলিকান পার্টির অনেক মানুষের মতো ও ভীতু নয়, ওর সাহস আছে। ও লড়াই করে. <br>..<br>আমাদের উজ্জ্বল দিনগুলো সামনেই আছে, আমাদের মহান অর্জনগুলো এখনো বাকি। আমার মনে হয় আমাদের অন্যতম বড় অর্জন হবে নির্বাচনী নিরাপত্তা, কারণ আমি আসার আগে কেউ জানতই না যে আমাদের নির্বাচন কতটা দুর্নীতিগ্রস্ত। আবারও বলছি, বেশিরভাগ মানুষই রাত ৯টার সময় দাঁড়িয়ে বলবে, “আপনাদের অনেক ধন্যবাদ,” আর এরপর তারা অন্য কাজে চলে যাবে। কিন্তু আমি বললাম, “এখানে কোনো ঝামেলা আছে। বড় কোনো ঝামেলা আছে। এমনটা হতেই পারে না।” আর আমরা লড়াই করি। আমরা জানপ্রাণ দিয়ে লড়াই করি, আর আপনারা যদি এভাবে লড়াই না করেন, তবে আপনাদের আর কোনো দেশ থাকবে না।<br>..<br>এর পর আমরা সবাই একসাথে হেঁটে নিচে যাব। আমি আপনাদের সাথেই থাকব। আমরা হেঁটে যাব। আপনারা যেদিক দিয়ে চান সেদিক দিয়েই আমরা যাব, তবে আমার মনে হয় এখান দিয়েই ভালো। আমরা ক্যাপিটল ভবনের দিকে হেঁটে যাব এবং আমাদের সাহসী সিনেটর আর কংগ্রেসের নারী-পুরুষদের উৎসাহিত করব। আমরা হয়ত তাদের সবার জন্য চিৎকার করব না, কারণ দুর্বলতা দিয়ে আপনি কখনোই নিজের দেশ ফিরে পাবেন না। আপনাদের শক্তি দেখাতে হবে, আপনাদের শক্তিশালী হতে হবে। আমরা কংগ্রেসের কাছে দাবি জানাতে এসেছি যেন তারা সঠিক কাজটি করে এবং কেবল বৈধভাবে তালিকাভুক্ত নির্বাচকদের ভোটই গণনা করে। আমি জানি যে এখানে উপস্থিত সবাই শীঘ্রই ক্যাপিটল ভবনের দিকে পদযাত্রা করবেন যাতে শান্তিপূর্ণভাবে এবং দেশপ্রেমের সাথে আপনাদের কণ্ঠস্বর শোনানো যায়। আজ আমরা দেখব রিপাবলিকানরা আমাদের নির্বাচনের সততার পক্ষে শক্তভাবে দাঁড়ায় কি না, তারা আমাদের দেশের পক্ষে দাঁড়ায় কি না। আমাদের দেশ দীর্ঘ সময় ধরে অবরোধের মুখে আছে, এই চার বছরের চেয়েও অনেক বেশি সময় ধরে।<br>..<br>আমরা পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউ দিয়ে হেঁটে যাব, আমি এই রাস্তাটি খুব ভালোবাসি, আমরা ক্যাপিটল ভবনে যাব এবং...<br>আমাদের রিপাবলিকানদের সেই সব দুর্বলদের, কারণ যারা শক্তিশালী তাদের আমাদের সাহায্যের দরকার নেই—আমরা তাদের সেই গর্ব আর সাহস দেওয়ার চেষ্টা করব যা তাদের নিজের দেশ ফিরে পেতে প্রয়োজন। তাই চলুন পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউ দিয়ে হাঁটা শুরু করি।
** ৬ জানুয়ারি ২০২১-এর [https://www.rev.com/blog/transcripts/donald-trump-speech-save-america-rally-transcript-january-6 সেভ আমেরিকা র্যালির ভাষণে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
* আমাদের দেশ আর সংবিধানকে রক্ষা করার জন্য যা করা উচিত ছিল, মাইক পেন্সের সেই সাহসটুকু ছিল না। তিনি অঙ্গরাজ্যগুলোকে সত্য তথ্যগুলো যাচাই করার সুযোগ দিতে পারতেন, পরিবর্তে তাদের সেই সব জাল আর ভুল তথ্যগুলোই মেনে নিতে বলা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র সত্য জানতে চায়!
** ৬ জানুয়ারি ২০২১-এর [https://archive.is/jCmfK সকাল ১১:২৪-এর টুইটে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
* তাতে কী?
** ওভাল অফিসের পাশের ডাইনিং রুমে বসে টেলিভিশনে ২০২১ সালে মার্কিন ক্যাপিটলে হামলার খবর দেখার সময় ৬ জানুয়ারি ২০২১-এ [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেন। উপ-রাষ্ট্রপতি মাইক পেন্সকে একটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, এই খবর পাওয়ার পর তিনি এটি বলেন। ({{উদ্ধৃতি |শিরোনাম=ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ফেডারেল নির্বাচনী মামলায় নতুন প্রমাণ প্রকাশ করলেন বিচারক |সংবাদপত্র=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস |প্রথম১=অ্যালান |শেষ১=ফুয়ের |প্রথম২=চার্লি |শেষ২=স্যাভেজ |তারিখ=২ অক্টোবর ২০২৪ |ইউআরএল=https://www.nytimes.com/2024/10/02/us/politics/trump-jan-6-case-jack-smith-evidence.html}} {{উদ্ধৃতি |শিরোনাম=নির্বাচনী পরাজয় পাল্টানোর বিষয়ে ট্রাম্পের প্রচেষ্টার নতুন তথ্য দেখালেন মার্কিন প্রসিকিউটররা |প্রথম=অ্যান্ড্রু |শেষ=গুডওয়ার্ড |তারিখ=২ অক্টোবর ২০২৪ |ইউআরএল=https://www.reuters.com/world/us/us-prosecutors-detail-evidence-trump-election-subversion-case-2024-10-02/ |সংস্থা=রয়টার্স}})
* আমি মার্কিন ক্যাপিটল ভবনে উপস্থিত সবাইকে শান্ত থাকার জন্য অনুরোধ করছি। কোনো সহিংসতা নয়! মনে রাখবেন, আমরাই আইন ও শৃঙ্খলার দল, আইন এবং আমাদের নীল পোশাকের (পুলিশ) মহান নারী-পুরুষদের সম্মান করুন। ধন্যবাদ!
** ৬ জানুয়ারি ২০২১-এর [https://archive.is/IvpaU দুপুর ১২:১৩-এর টুইটে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
* আমরা আপনাদের ভালোবাসি। আপনারা খুব বিশেষ।
** মার্কিন ক্যাপিটল ভবনে ঢুকে পড়া বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে দেওয়া একটি ভিডিও বার্তায় (যা পরে মুছে ফেলা হয়েছে) [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। যা বিজনেস ইনসাইডারে উদ্ধৃত হয়েছে: {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২১-০১-০৬ | লেখক = এলিজা রেলম্যান, ওমা সেদ্দিক, জ্যাক লাহুত | ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-video-statement-capitol-rioters-we-love-you-very-special-2021-1?r=US&IR=T |শিরোনাম=ক্যাপিটলে হামলা চালানো নিজের সহিংস সমর্থকদের ট্রাম্প বললেন ‘আপনারা খুব বিশেষ’, তবে তাদের ‘বাড়ি ফিরে যেতে’ অনুরোধ করলেন |প্রকাশক=বিজনেস ইনসাইডার}}
* আমার সব চমৎকার সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলছি, আমি জানি আপনারা হতাশ, কিন্তু আমি আপনাদের এটাও জানাতে চাই যে আমাদের অবিশ্বাস্য এই যাত্রা কেবল শুরু হচ্ছে।
** ইভাঙ্কা ট্রাম্পের পোস্ট করা [https://archive.is/o4JN6 বিকাল ৪:২৮-এর টুইটের] ভিডিও বার্তায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ৭ জানুয়ারি ২০২১।
* আমি শুরুতেই মার্কিন ক্যাপিটল ভবনে ঘটে যাওয়া জঘন্য হামলার বিষয়ে কিছু বলতে চাই। অন্য সব আমেরিকানদের মতো আমিও এই সহিংসতা, আইনহীনতা আর বিশৃঙ্খলার ঘটনায় ক্ষুব্ধ। আমি ভবনটি সুরক্ষিত করতে এবং অনুপ্রবেশকারীদের বের করে দিতে অবিলম্বে ন্যাশনাল গার্ড আর ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী সংস্থা মোতায়েন করেছি। আমেরিকাকে সবসময়ই একটি আইন ও শৃঙ্খলার দেশ হয়ে থাকতে হবে। যেসব বিক্ষোভকারী ক্যাপিটলে ঢুকে পড়েছিল, তারা আমেরিকান গণতন্ত্রের পবিত্র আসনকে কলঙ্কিত করেছে। যারা এই সহিংসতা আর ধ্বংসাত্মক কাজে লিপ্ত হয়েছে, আপনারা আমাদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন না। আর যারা আইন ভেঙেছেন, আপনাদের খেসারত দিতে হবে।<br>আমরা এইমাত্র একটি তীব্র নির্বাচনের মধ্য দিয়ে এসেছি এবং আবেগ এখন অনেক উঁচুতে। কিন্তু এখন মেজাজ ঠান্ডা করতে হবে এবং শান্তি ফিরিয়ে আনতে হবে। আমাদের আমেরিকার কাজে ফিরে যেতে হবে। আমার প্রচারণা নির্বাচনী ফলাফল চ্যালেঞ্জ করতে সম্ভাব্য সব আইনি পথ ব্যবহার করেছে। আমার একমাত্র লক্ষ্য ছিল ভোটের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। এটি করার মাধ্যমে আমি আমেরিকান গণতন্ত্রকে রক্ষা করার জন্য লড়াই করছিলাম। আমি এখনো দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে সকল ভোটারের পরিচয় আর যোগ্যতা যাচাই করার জন্য আমাদের নির্বাচনী আইন সংস্কার করতে হবে যাতে ভবিষ্যতের সব নির্বাচনে মানুষের আস্থা আর বিশ্বাস অটুট থাকে।
** ক্যাপিটল হামলা পরবর্তী ভাষণে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.presidency.ucsb.edu/documents/videotaped-remarks-the-attack-the-united-states-capitol-the-certification-the-electoral মার্কিন ক্যাপিটলে হামলা, ইলেক্টোরাল কলেজের ফলাফল অনুমোদন এবং নতুন প্রশাসনের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে ভিডিও বার্তা], ৭ জানুয়ারি ২০২১।
* যারা জানতে চেয়েছেন তাদের উদ্দেশ্যে বলছি, আমি ২০ জানুয়ারির অভিষেক অনুষ্ঠানে যাব না।
** ৮ জানুয়ারি ২০২১-এর [https://archive.is/tzc2r সকাল ৭:৪৪-এর টুইটে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
* তার প্রতিভা, মেধা আর সৃজনশীলতা তাকে অঢেল সম্পদ এনে দিয়েছিল, তবে তার চরিত্র আর জনহিতৈষী উদারতা তাকে খ্যাতি এনে দিয়েছে। শেলডন আমাদের মহান বন্ধু ইসরায়েল রাষ্ট্রের একজন কট্টর সমর্থকও ছিলেন।
** [https://www.npr.org/2021/01/12/693679109/sheldon-adelson-conservative-donor-and-casino-titan-dies-at-87 রক্ষণশীল দাতা এবং ক্যাসিনো সম্রাট শেলডন অ্যাডেলসন ৮৭ বছর বয়সে মারা গেছেন] সংবাদ প্রতিবেদনে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প, ১২ জানুয়ারি ২০২১।
* আমরা কোনো না কোনোভাবে আবার ফিরে আসব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২১-০১-২০ | লেখক = কেভিন লিপটাক | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2021/01/20/politics/donald-trump-leaves-white-house/index.html |শিরোনাম=ক্ষমতার মেয়াদ শেষ হওয়ার সাথে সাথে সমাজচ্যুত হয়ে ওয়াশিংটন ত্যাগ করলেন ট্রাম্প |প্রকাশক=সিএনএন}}
=== রাষ্ট্রপতিত্ব পরবর্তী (২০ ২০২১–২০২৫) ===
* খাস খবর: কংগ্রেস যখন [[জো বাইডেন]]এর জন্য ইলেক্টোরাল কলেজের ভোট অনুমোদন শুরু করেছে, তখন ট্রাম্প-পন্থী বিক্ষোভকারীরা ভবনটিতে ঢুকে পড়ার পর ইউএস ক্যাপিটল অবরুদ্ধ।
** অ্যাক্সিওস, টুইটারের মাধ্যমে [https://twitter.com/i/events/1346454323635527680 টুইট], ৬ জানুয়ারি ২০২১।
* সুপ্রিম কোর্টের সময়কালকে প্রায়ই তাদের প্রধান বিচারপতিদের নামে চেনা যায়, যেমনটা প্রায় দুই দশক আগে রবার্টসের হাত ধরে শুরু হওয়া বর্তমান সময়ের ক্ষেত্রেও সত্যি। তবে আদালতের সক্ষমতা রাষ্ট্রপতির প্রভাব দিয়েও মাপা যায়। ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের মতো কিছু রাষ্ট্রপতি, যারা তাদের বারো বছরের ক্ষমতায় আটজন বিচারপতি নিয়োগ করেছিলেন, আদালতের ওপর তাদের এক অস্বাভাবিক প্রভাব ছিল। [[রোনাল্ড রিগ্যান]] এবং [[রিচার্ড নিক্সন]]ও তাদের ছাপ রাখার জন্য আলাদা হয়ে আছেন। ট্রাম্পের প্রভাব, বিশেষ করে বিচারক নির্বাচনের ধরণ এবং তার ফলে ক্ষমতার ভারসাম্যে যে পরিবর্তন এসেছে, তা অতুলনীয়। তিনি ক্ষমতা থেকে চলে গেছেন কিন্তু তারা সারা জীবনের জন্য এখানে থেকে গেছেন।
** জোন বিস্কুপিক, ''নাইন ব্ল্যাক রোবস: ইনসাইড দ্য সুপ্রিম কোর্ট'স ড্রাইভ টু দ্য রাইট অ্যান্ড ইটস হিস্টোরিক কনসিকুয়েন্সেস'' (২০২৩), নিউ ইয়র্ক: উইলিয়াম মরো, প্রথম সংস্করণ হার্ডকভার, পৃষ্ঠা ১০-১১।
* একদিন আমার বয়স যখন ৬ বছর, আমি আমার বাবার সাথে নিউ ইয়র্ক শহরে হাঁটছিলাম। আমরা খেয়াল করলাম যে কেউ আমাদের পাশের রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িগুলোর উইন্ডশিল্ড ওয়াইপারের নিচে ছোট ছোট ভাঁজ করা কাগজ গুঁজে দিয়েছে। আমার বাবা একটা কাগজ তুলে নিয়ে পড়লেন। দেখলাম রাগে তার মুখ অন্ধকার হয়ে গেল। “কী হয়েছে বাবা?” “এটি এমন কিছু মানুষের বার্তা যারা মনে করে সব ইহুদি ধর্মাবলম্বীদের মেরে ফেলা উচিত।”<br>এটি ১৯৫০-এর দশকের শেষের দিকের কথা, যখন [[ইউরোপ]]ে |নাৎসিদের হাতে ক্ষ লক্ষ ইহুদিদের গণহত্যার স্মৃতি আমেরিকানদের মনে টাটকা ছিল। লোয়ার ম্যানহাটনে প্রাণঘাতী ইহুদিবিদ্বেষ ছড়ানোর জন্য সেটি কোনো উপযুক্ত সময় ছিল না। একজন ইহুদি বাবা এবং অ-ইহুদি মায়ের সন্তান হওয়ায় আমি নিজেও অর্ধেক ইহুদি, তাই আমি কিছুটা চিন্তিত ছিলাম। আমি জানতাম যে এই লোকগুলো আমার বাবাকে মেরে ফেলতে চায়, কিন্তু শিশুদের মতো কেবল নিজেকে নিয়ে ভাবনায় আমি জানতে চেয়েছিলাম যে নতুন কোনো হলোকাস্ট হলে আমার মায়ের অ-ইহুদি বংশপরিচয় কি আমাকে রক্ষা করবে। “ওরা কি আমাকেও মেরে ফেলবে?” আমি জিজ্ঞেস করলাম। হ্যাঁ, তিনি আমাকে বললেন, সুযোগ পেলে তারা তাই করত। কিন্তু এরপর তিনি আমাকে আশ্বস্ত করে বললেন যে, এই ধরনের মানুষদের হাতে কখনোই তাদের মনের ইচ্ছা পূরণ করার মতো ক্ষমতা আসবে না। এটি এখানে ঘটা সম্ভব নয়।<br>আমি স্বীকার করছি যে আমি কৃতজ্ঞ কারণ ডোনাল্ড ট্রাম্প রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগেই আমার বাবা মারা গেছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে, ২০১৭ সালে শার্লটসভিলে টিকি-টর্চ হাতে নাৎসি হতে চাওয়া লোকজন “ইউনাইট দ্য রাইট” এর হয়ে মিছিল করেনি এবং “ইহুদিরা আমাদের জায়গা নিতে পারবে না!” বলে চিৎকার করেনি। ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগে তাদের কেউ পাল্টা বিক্ষোভকারীদের ওপর গাড়ি তুলে দিয়ে হেদার হেয়ারকে হত্যা করেনি এবং ট্রাম্প এই পুরো ঘটনা নিয়ে এমন মন্তব্য করেননি যে “উভয় পক্ষেই খুব ভালো মানুষ ছিল।” হয়ত নিউ ইয়র্কে সেদিন দেখা সেই তুচ্ছ ছোট দলটি আমাকে বেঁচে থাকতে দিত, আবার হয়ত দিত না। সেই সময় দেশে জন্মানো ফ্যাসিবাদীরা খুব বিরল ছিল এবং তাদের হাতে সেই ধরনের কোনো ক্ষমতা ছিল না।
** রেবেকা গর্ডন, [https://www.msn.com/en-us/news/world/the-right-s-attempted-extermination-campaign-of-queer-people-is-textbook-fascism/ar-AA1doVnf?ocid=msedgntp&cvid=0d5f12e7a48447b182bb5a96d57d9a4e&ei=7/ কুইয়ার বা সমকামী মানুষদের ওপর ডানপন্থীদের বিনাশী অভিযান হলো পাঠ্যবইয়ের ফ্যাসিবাদের মতো] (৪ জুলাই ২০২৩), ''দ্য নেশন''।
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন আন্দোলন এবং তার দখল করা রিপাবলিকান দল ফ্যাসিবাদের কোনো রূপ কি না, তা নিয়ে কেন মাথা ঘামানো উচিত? উত্তর হলো: কারণ ফ্যাসিবাদের যুক্তি অনিবার্যভাবে বিনাশের রাজনীতির দিকে নিয়ে যায়। তার এই এমএজিএ আন্দোলনকে ফ্যাসিবাদ হিসেবে বর্ণনা করলে এটি যে অস্তিত্ব রক্ষার জন্য হুমকি তা বোঝা সহজ হয়, এটি কেবল একটি গণতান্ত্রিক সমাজের জন্যই নয় বরং এর ভেতরে থাকা নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর জন্যও হুমকি।<br>আমি জানি এটি আতঙ্ক ছড়ানোর মতো শোনাতে পারে, তবে আমার মনে হয় এটি সত্য: এই দেশের প্রাক-ফ্যাসিবাদী শক্তিগুলো দেখিয়েছে যে তারা ক্ষমতা অর্জন এবং তা ধরে রাখার জন্য সমকামী মানুষদের নিশ্চিহ্ন করতে দিন দিন আরও বেশি আগ্রহী হয়ে উঠছে। যদি আমি ঠিক হয়ে থাকি, তবে এর অর্থ হলো সব আমেরিকান, সমকামী হোক বা না হোক, এখন এক অস্তিত্ব রক্ষার হুমকির মুখে আছে। এমএজিএ আন্দোলনের লক্ষ্যবস্তু নয় এমন মানুষদের উদ্দেশ্যে আমি ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথাগুলো একটু ঘুরিয়ে বলতে চাই: শেষ পর্যন্ত তারা আপনার পেছনেই আসবে। আমরা কেবল মাঝে দাঁড়িয়ে আছি।
** রেবেকা গর্ডন, [https://www.msn.com/en-us/news/world/the-right-s-attempted-extermination-campaign-of-queer-people-is-textbook-fascism/ar-AA1doVnf?ocid=msedgntp&cvid=0d5f12e7a48447b182bb5a96d57d9a4e&ei=7/ কুইয়ার বা সমকামী মানুষদের ওপর ডানপন্থীদের বিনাশী অভিযান হলো পাঠ্যবইয়ের ফ্যাসিবাদের মতো] (৪ জুলাই ২০২৩), ''দ্য নেশন''।
* ট্রাম্পের উপদেষ্টারা মনে করতেন যে তার অহংকার এবং গর্ব তাকে সঠিক এবং তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিতে বাধা দেয়। তার ব্যবস্থাপনার ধরণ ছিল অনেকটা নাগরদোলার মতো যা এদিক-সেদিক দুলত এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তার বোকা এবং মাঝেমধ্যে বেআইনি ধারণাগুলোকে ঠেকাতে বাধ্য করত। তাদের মধ্যে কেউ কেউ এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন যে, রাষ্ট্রপতি সেই দেশের জন্য এক দীর্ঘমেয়াদী এবং তাৎক্ষণিক বিপদ যাকে রক্ষা করার জন্য তিনি শপথ নিয়েছিলেন। তা সত্ত্বেও তারা এই ভেবে সান্ত্বনা পেতেন যে তাকে কোনো সংকটের মধ্য দিয়ে দেশ পরিচালনা করতে হয়নি। তবে ট্রাম্পের কাজ এবং কথাগুলোর ফলাফল ছিল বেদনাদায়ক। আইনের শাসনের ওপর তার আঘাত আমাদের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং আমেরিকানদের মনে এই ভয় জাগিয়ে দিয়েছে যে তারা আর মৌলিক নাগরিক অধিকার এবং কলঙ্কমুক্ত ন্যায়বিচারকে নিশ্চিত বলে ধরে নিতে পারবে না। বিদেশি জোটগুলোর প্রতি তার অবজ্ঞা বিশ্বে আমেরিকার নেতৃত্বকে দুর্বল করেছে এবং স্বৈরশাসকদের ক্ষমতাশালী করেছে। তার বর্বর অভিবাসন নীতি অভিবাসী শিশুদের তাদের পরিবারের কোল থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে। তার সংকীর্ণ কথাবার্তা শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীদের অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আসতে সাহসী করেছে। তবে অন্তত ২০২০ সালের আগে পর্যন্ত ট্রাম্পকে কোনো বিদেশি সামরিক হামলা, অর্থনৈতিক ধস বা জনস্বাস্থ্য সংকটের পরীক্ষা দিতে হয়নি।
** ক্যারল লিওনিগ এবং ফিলিপ রাকার, ''আই অ্যালোন ক্যান ফিক্স ইট: ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প'স ক্যাটাস্ট্রফিক ফাইনাল ইয়ার'' (২০২১), পৃষ্ঠা ১-২।
* ২০২০ সাল আমেরিকান ইতিহাসে যন্ত্রণা এবং চরম ব্যর্থতার বছর হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। করোনাভাইরাস অতিমারী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাঁচ লক্ষাধিক মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এবং কোটি কোটি মানুষকে সংক্রমিত করেছে, যা এক শতাব্দীর মধ্যে সবথেকে ভয়াবহ স্বাস্থ্য সংকট। প্রশাসনের অপারেশন ওয়ার্প স্পিড রেকর্ড সময়ে টিকা তৈরি করতে সাহায্য করলেও, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় রাষ্ট্রপতির অব্যবস্থাপনা, অযোগ্যতা আর অন্তর্কলহ স্পষ্ট ছিল। ২০২০ সালে ট্রাম্পের সামনে আসা সংকটগুলোর মধ্যে ভাইরাসটি কেবল একটি ছিল। অতিমারী অর্থনীতিকে স্থবির করে দিয়েছিল, দেশকে এক মন্দার মধ্যে ঠেলে দিয়েছিল যেখানে কম মজুরির শ্রমিকরা, যাদের মধ্যে অনেকেই সংখ্যালঘু, সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ২৫ মে শ্বেতাঙ্গ পুলিশ কর্মকর্তার হাঁটুর নিচে কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তি জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যু বর্ণবাদী বিচারের দাবি এবং পুলিশের বৈষম্য ও বর্বরতা বন্ধের আন্দোলনকে উস্কে দিয়েছিল। তবুও ট্রাম্প ব্যক্তিগত রাজনৈতিক লাভের জন্য এই বিভাজনকে কাজে লাগাতে চেয়েছিলেন। তিনি দ্রুত নিজেকে "আইন ও শৃঙ্খলার রাষ্ট্রপতি" হিসেবে ঘোষণা করেন এবং ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে সক্রিয় সেনা মোতায়েন করতে পেন্টাগন নেতাদের ওপর ক্রমাগত চাপ দিতে থাকেন। এদিকে জলবায়ু সংকট আরও খারাপ হলেও ট্রাম্প সেটিকে পুরোপুরি উপেক্ষা করেছিলেন, যিনি তার মেয়াদের শুরুতে পরিবেশগত নিয়মকানুন বাতিল করেছিলেন এবং প্যারিস চুক্তি থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নিয়েছিলেন। রাষ্ট্রপতি এর বদলে নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে সন্দেহ উস্কে দিতে ব্যস্ত ছিলেন। জো বাইডেনের কাছে হেরে যাওয়ার পর ট্রাম্প ষড়যন্ত্রের আগুন উস্কে দেন এবং অস্তিত্বহীন জালিয়াতি নিয়ে চিৎকার করতে থাকেন। সাজানো নির্বাচন নিয়ে তার মিথ্যা দাবি হাজার হাজার মানুষকে ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটলে এক সহিংস এবং শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ বিদ্রোহে উস্কে দিয়েছিল।
** ক্যারল লিওনিগ এবং ফিলিপ রাকার, ''আই অ্যালোন ক্যান ফিক্স ইট: ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প'স ক্যাটাস্ট্রফিক ফাইনাল ইয়ার'' (২০২১), পৃষ্ঠা ২।
* বিপদ থেকে বেরিয়ে আসার জন্য ট্রাম্পের সাধারণ কৌশলগুলো ভয় দেখানো, বাগাড়ম্বর এবং কারসাজি অতিমারী মোকাবিলায় অকেজো প্রমাণিত হয়েছে। তিনি সুখের কথা বলে বাস্তবতাকে ঢেকে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি এমন সব প্রতিকারের কথা বলেছিলেন যা কখনোই বাস্তবায়িত হয়নি। তিনি রোগীদের শরীরে ব্লিচ ইনজেকশন দেওয়ার মতো বিপজ্জনক এবং অপ্রমাণিত চিকিৎসার কথা বলেছিলেন। তিনি ডক্টর অ্যান্থনি ফাউসির মতো বিশেষজ্ঞদের মুখ বন্ধ করার চেষ্টা করেছিলেন, যারা তার দুর্বল দাবিগুলোকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন এবং রাষ্ট্রপতির চেয়েও বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন। তিনি নিজে মাস্ক পরে উদাহরণ তৈরি করতে অস্বীকার করেছিলেন। জরুরি পরিস্থিতি সামলাতে ব্যস্ত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং অঙ্গরাজ্যের গভর্নরদের সাথে তিনি বিবাদে জড়িয়ে পড়েছিলেন এবং যারা তার অগোছালো কাজের প্রশংসা করেনি তাদের ওপর চড়াও হয়েছিলেন। তিনি কেবল আমেরিকানদের নিরাপদ রাখতেই ব্যর্থ হননি, তিনি নিজেকেও নিরাপদ রাখতে পারেননি। ২০২০ সালের অক্টোবর মাসে ট্রাম্প কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন, যা তার অপরাজেয় হওয়ার মিথ্যা অহংকারকে ভেঙে দেয়।
** ক্যারল লিওনিগ এবং ফিলিপ রাকার, ''আই অ্যালোন ক্যান ফিক্স ইট: ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প'স ক্যাটাস্ট্রফিক ফাইনাল ইয়ার'' (২০২১), পৃষ্ঠা ৫।
* করোনাভাইরাস বিশ্বকে বদলে দিয়েছে, মানুষের কাজের ধরণ, পরিবারের জীবনযাপন এবং সমাজের রূপ পরিবর্তন করে দিয়েছে। এই গভীর পরিবর্তনগুলো মন্দার কারণে আরও ত্বরান্বিত হয়েছে এবং ফ্লয়েড হত্যার পরবর্তী উত্তেজনায় আরও তীব্র হয়েছে। তবে ট্রাম্প মূলত দেশের একটি সংখ্যালঘু অংশের জন্য তার কট্টর রাজনৈতিক সমর্থকদের জন্য শাসন পরিচালনা করেছেন। তিনি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার বা অতিমারী পরবর্তী আমেরিকার কথা ভাবার চেষ্টা করেননি। তিনি সেই সব শ্বেতাঙ্গদের ক্ষোভ আর অসন্তোষকে উস্কে দিয়েছিলেন যারা অর্থনৈতিকভাবে হুমকি এবং মানসিকভাবে কোণঠাসা বোধ করছিল। তিনি আমেরিকানদের এক পক্ষকে অন্য পক্ষের বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি বর্ণবাদী শব্দ ব্যবহার করেছিলেন এবং তার বিশাল সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোকে ঘৃণার বার্তা ছড়াতে ব্যবহার করেছিলেন। প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের আফ্রিকান আমেরিকান স্টাডিজ বিভাগের প্রধান এডি গ্লড জুনিয়র বলেন, "আমেরিকা সম্পর্কে তার দৃষ্টিভঙ্গি সংকীর্ণ, মান্ধাতা আমলের এবং কলুষিত।" তিনি আরও বলেন, "অনেক দিক থেকেই ডোনাল্ড ট্রাম্প এক পুরোনো আমেরিকার মৃত্যু যন্ত্রণার প্রতিনিধিত্ব করেন, যা অত্যন্ত উচ্চকিত এবং সহিংস।" রাষ্ট্রপতির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করা সরকারের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার বিক্ষোভ মোকাবিলায় ট্রাম্পের আচরণের সাথেনাৎসি জার্মানিতে অ্যাডলফ হিটলারের ক্ষমতায় আসার মিল খুঁজে পেয়েছেন।
** ক্যারল লিওনিগ এবং ফিলিপ রাকার, ''আই অ্যালোন ক্যান ফিক্স ইট: ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প'স ক্যাটাস্ট্রফিক ফাইনাল ইয়ার'' (২০২১), পৃষ্ঠা ৫।
* আমি এই [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|রাষ্ট্রপতি]]র হয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি। তিনি আমাদের জন্য লড়াই করেছেন এবং তাই আমরা সেটির ওপরই অবিচল থাকব।
** [[কেলি লোফ্লর]], [https://www.foxnews.com/transcript/sen-loeffler-warnocks-values-are-out-of-step-with-georgia সিনেটর লোফ্লর: ওয়ারনকের মূল্যবোধ জর্জিয়ার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়] খবর অনুযায়ী (৩ জানুয়ারি ২০২০)।
* আমরা কোনো না কোনোভাবে আবার ফিরে আসব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২১-০১-২০ | লেখক = কেভিন লিপটাক | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2021/01/20/politics/donald-trump-leaves-white-house/index.html |শিরোনাম=ক্ষমতার মেয়াদ শেষ হওয়ার সাথে সাথে সমাজচ্যুত হয়ে ওয়াশিংটন ত্যাগ করলেন ট্রাম্প |প্রকাশক=সিএনএন}}
* ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'' সোমবার একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেছে যা আমাদের [[মুক্তি]], [[গণতন্ত্র]] এবং সাংবিধানিক শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল যে কারো জন্য আতঙ্কজনক। সেই প্রতিবেদনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণার পূর্ণ সহযোগিতায় বর্ণনা করা হয়েছে যে, ২০২৪ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে তিনি কীভাবে তার ক্ষমতার ওপর থাকা নির্বাহী বিভাগের বাধাগুলো দূর করার পরিকল্পনা করছেন।<br>সেই দূর করার তালিকায় থাকা বাধাগুলোর মধ্যে রয়েছে একটি স্বাধীন বিচার বিভাগ, প্রশাসনিক সংস্থাগুলোর স্বাধীন নেতৃত্ব এবং একটি স্বাধীন সিভিল সার্ভিস। আমেরিকার রাষ্ট্রপতিত্ব নিয়ে দেশের অন্যতম পরিচিত গবেষক রিচার্ড নিউস্টাড বলেছেন যে, একটি সাংবিধানিক গণতন্ত্রে প্রধান নির্বাহী “আদেশ দেওয়ার মাধ্যমে ফলাফল পান না।<br>... তিনি বিতর্ক ছাড়া কোনো কাজ আদায় করতে পারেন না। রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা হলো মানুষকে রাজি করানোর ক্ষমতা।” ট্রাম্পের পরিকল্পনা সংবিধানের প্রতি আনুগত্যের বদলে তার নিজের প্রতি আনুগত্যের কথা বলে। এই দৃষ্টিভঙ্গি একইসাথে ভীতিকর এবং প্রত্যাশিত। ২০১৯ সালে তিনি বলেছিলেন, “রাষ্ট্রপতি হিসেবে আমার যা খুশি তাই করার অধিকার আছে।” আর ডিসেম্বরে ট্রাম্প “সংবিধান বিলুপ্তির” আহ্বান জানিয়েছিলেন।<br>আসলে তিনি ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটলে দাঙ্গার আগে ঠিক সেটিই করার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নির্বাচনী বিজয় পাল্টে দেওয়ার জন্য অঙ্গরাজ্য কর্মকর্তাদের ওপর চাপ দিয়েছিলেন, বিচার বিভাগকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছিলেন এবং নির্বাচন উল্টে দেওয়ার জন্য উপ-রাষ্ট্রপতি মাইক পেন্সকে ভয় দেখিয়েছিলেন।
** অস্টিন সারাত এবং ডেনিস আফটারগাট, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/is-america-on-the-brink-of-tyranny-trump-s-plan-if-elected-in-2024-should-frighten-us-all/ar-AA1e6K0y?ocid=msedgntp&cvid=1d908091b99b488496691c7d51ab2efe&ei=5/ আমেরিকা কি স্বৈরতন্ত্রের দ্বারপ্রান্তে? ২০২৪ সালে ট্রাম্প নির্বাচিত হলে তার পরিকল্পনা আমাদের সবার জন্য ভায়ের কারণ হওয়া উচিত।] (২০ জুলাই ২০২৩), ''ইউএসএ টুডে''।
* ''টাইমসের'' প্রতিবেদনে ওভাল অফিসে ফিরে আসলে নির্বাহী কর্তৃত্বের এই নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণের ২০২৫ সালের রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে। আসলে সেই নিবন্ধে বর্ণনা করা হয়েছে কীভাবে তার দল আমাদের সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্রের বদলে একটি কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্র তৈরি করবে। এমন একটি রাষ্ট্র সরকারি কর্মচারীদের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে চায়। আমলাতন্ত্র সম্পর্কে ভালো কথা বলা অজনপ্রিয় হতে পারে, তবে ফেডারেল কর্মীদের দক্ষতা, বিশেষজ্ঞ মতামত এবং আইনের মাধ্যমে শাসনের প্রতি দায়বদ্ধতা একটি গণতান্ত্রিক সরকারের জন্য অপরিহার্য।<br>কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্রের একটি সংজ্ঞা হলো এটি একক নেতার হাতে ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ দ্বারা চিহ্নিত করা যায়, যা নিজেকে একটি “প্রয়োজনীয় মন্দ” হিসেবে সমর্থন করে। এই ধরণের নিয়ন্ত্রণে অবশ্যই সামাজিক স্বাধীনতার ওপর কঠোর সরকারি বিধিনিষেধ থাকে, যেমন রাজনৈতিক বিরোধীদের দমন এবং শাসন-বিরোধী কার্যক্রম বন্ধ করা।
এই বৈশিষ্ট্যগুলোই ২০২৫ সালের সেই নীল নকশায় উঠে এসেছে যা ট্রাম্পের প্রচার দল টাইমসের প্রতিবেদনের মাধ্যমে জনগণকে দেখাতে চেয়েছিল। প্রতিবেদনে যেমনটি বলা হয়েছে, ট্রাম্প নির্বাচিত হলে তার হাতে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করার লক্ষ্যের জন্য তারা একটি ভিত্তি তৈরি করছে।<br>''টাইমস'' ট্রাম্পের ২০২০ সালের হোয়াইট হাউসের কর্মী পরিচালক জন ম্যাকএন্টি-র উক্তি উদ্ধৃত করেছে, যিনি রাষ্ট্রপতির ওপর ভারসাম্য রক্ষার নিয়মগুলো প্রত্যাখ্যান করার পক্ষে কথা বলেছেন: “আমাদের বর্তমান নির্বাহী বিভাগ উদারপন্থীদের দ্বারা তাদের নীতি প্রচারের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল। ... যা প্রয়োজন তা হলো পুরো ব্যবস্থার সংস্কার।”
** অস্টিন সারাত এবং ডেনিস আফটারগাট, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/is-america-on-the-brink-of-tyranny-trump-s-plan-if-elected-in-2024-should-frighten-us-all/ar-AA1e6K0y?ocid=msedgntp&cvid=1d908091b99b488496691c7d51ab2efe&ei=5/ আমেরিকা কি স্বৈরতন্ত্রের দ্বারপ্রান্তে? ২০২৪ সালে ট্রাম্প নির্বাচিত হলে তার পরিকল্পনা আমাদের সবার জন্য ভায়ের কারণ হওয়া উচিত।] (২০ জুলাই ২০২৩), ''ইউএসএ টুডে''।
* আসলে সংবিধান প্রণেতারা ক্ষমতার বিকেন্দ্রকরণের মাধ্যমেই নির্বাহী বিভাগসহ অন্য দুটি বিভাগ তৈরি করেছিলেন। এমনকি আলেকজান্ডার হ্যামিল্টন, যিনি নির্বাহী বিভাগের শক্তির পক্ষে ছিলেন, তিনিও বলেছিলেন যে স্বৈরতন্ত্রের পথ তখনই তৈরি হয় যখন সরকারি কর্মকর্তারা “একক ব্যক্তির নিরঙ্কুশ ক্ষমতার আশ্রয়ে যেতে বাধ্য হন।”<br>জেমস ম্যাডিসন এবং হ্যামিল্টন দুজনেই ''দ্য ফেডারেলিস্ট ৪৮''-এ সতর্ক করেছিলেন যে “ক্ষমতা স্বভাবতই গ্রাসকারী।” সেই কারণে ''দ্য ফেডারেলিস্ট ৫১'' অনুযায়ী, “উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে উচ্চাকাঙ্ক্ষা দিয়েই প্রতিহত করতে হবে।”<br>সেই সময় প্রণেতারা যে সংকটের মুখোমুখি হয়েছিলেন তা ছিল: একজনকে অবশ্যই “সরকারকে শাসিতদের নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম করে তুলতে হবে; এবং পরবর্তী ধাপে, সরকারকে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে বাধ্য করতে হবে।”<br>ট্রাম্পের ২০২৫ সালের রূপরেখা রাষ্ট্রপতির ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ শেষ করে দেবে যাতে তিনি শাসিতদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করতে পারেন।
** অস্টিন সারাত এবং ডেনিস আফটারগাট, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/is-america-on-the-brink-of-tyranny-trump-s-plan-if-elected-in-2024-should-frighten-us-all/ar-AA1e6K0y?ocid=msedgntp&cvid=1d908091b99b488496691c7d51ab2efe&ei=5/ আমেরিকা কি স্বৈরতন্ত্রের দ্বারপ্রান্তে? ২০২৪ সালে ট্রাম্প নির্বাচিত হলে তার পরিকল্পনা আমাদের সবার জন্য ভায়ের কারণ হওয়া উচিত।] (২০ জুলাই ২০২৩), ''ইউএসএ টুডে''।
* ক্ষমতার বিভাজনের সাথে আমাদের প্রতিষ্ঠাতা দলিলগুলো যে প্রধান বাধা তৈরি করেছে তা হলো আইনের শাসন। এই কারণেই ট্রাম্পের নির্বাহী বিভাগের আমূল পরিবর্তনের পরিকল্পনা শুরু হয়েছে “ওয়াটারগেট পরবর্তী বিচার বিভাগের ওপর হোয়াইট হাউসের রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের নিয়ম” শেষ করার মাধ্যমে।<br>প্রসেকিউটরদের ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকলে একজন রাষ্ট্রপতি তা বন্ধুদের সুবিধা দিতে, শত্রুদের ধ্বংস করতে এবং সাধারণ নাগরিকদের ভয় দেখাতে ব্যবহার করতে পারেন যারা সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন।<br>এটি আমেরিকান স্বাধীনতার মৃত্যুঘণ্টা বাজিয়ে দেবে। ১৭শ শতাব্দীর রাজনৈতিক দার্শনিক [[জন লক]], যার লেখা স্বাধীনতা ঘোষণার লেখকদের অনুপ্রাণিত করেছিল, তিনি লিখেছিলেন, “যেখানে আইনের শেষ, সেখানেই স্বৈরতন্ত্রের শুরু।” অথবা যেমন ব্লেক স্মিথ গত বছর ফরেন পলিসির একটি নিবন্ধে লিখেছিলেন, “রাষ্ট্রের কার্যকারিতা এবং ব্যক্তিগত জীবনকে একটি আলাদা, অরাজনৈতিক এবং স্বাধীন ক্ষেত্র হিসেবে টিকিয়ে রাখার জন্য আমলাতান্ত্রিক আদর্শ অপরিহার্য।”<br>আমেরিকার সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্র হিসেবে প্রথম দশকের শেষে জর্জ ওয়াশিংটন স্বেচ্ছায় তৃতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি না হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যাতে দেশকে রাষ্ট্রপতির আমৃত্যু শাসনের স্বৈরতন্ত্রের পথে না ঠেলে দেওয়া হয়। তিনি রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে বিপ্লব থেকে বুঝেছিলেন যে একজন ব্যক্তির হাতে ক্ষমতা কুক্ষিগত করাই হলো স্বৈরতন্ত্রের মূল লক্ষ্য।<br>২০২৪ সালে ভোটাররা যদি ট্রাম্পকে নির্বাচিত করেন, তবে তিনি তার দলের ফাঁস করা সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবেন। ফলাফল সহজেই অনুমান করা যায়। সংবিধানের বদলে ট্রাম্পের প্রতি অনুগত আমলাতন্ত্র অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনকে ইতিহাসের আবর্জনায় পাঠিয়ে দেবে, সাথে নাগরিক অধিকারের বিল এবং সেই স্বাধীনতাগুলোকেও যা রক্ষার জন্য এই বিল তৈরি করা হয়েছিল।
** অস্টিন সারাত এবং ডেনিস আফটারগাট, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/is-america-on-the-brink-of-tyranny-trump-s-plan-if-elected-in-2024-should-frighten-us-all/ar-AA1e6K0y?ocid=msedgntp&cvid=1d908091b99b488496691c7d51ab2efe&ei=5/ আমেরিকা কি স্বৈরতন্ত্রের দ্বারপ্রান্তে? ২০২৪ সালে ট্রাম্প নির্বাচিত হলে তার পরিকল্পনা আমাদের সবার জন্য ভায়ের কারণ হওয়া উচিত।] (২০ জুলাই ২০২৩), ''ইউএসএ টুডে''।
==আরও দেখুন==
* [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* [[বারাক ওবামা]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন]]
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী}}
[[বিষয়শ্রেণী:ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতিত্ব| ]]
q88zm185c8zobf8zuth4z1nkwaz4805
73823
73822
2026-04-05T12:44:17Z
ARI
356
পরিষ্কারকরণ
73823
wikitext
text/x-wiki
'''ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব''' শুরু হয়েছিল ২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি দুপুর ১২টায় (ইএসটি), যখন [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি [[বারাক ওবামা]]র স্থলাভিষিক্ত হন। ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে [[জো বাইডেন]]ের কাছে পরাজিত হওয়ার পর ২০২১ সালের ২০ জানুয়ারি তাঁর এই মেয়াদ শেষ হয়। ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর, ট্রাম্প ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি থেকে বাইডেনের উত্তরসূরি হিসেবে দ্বিতীয় এবং শেষবারের মতো বিরতিহীন মেয়াদে দায়িত্ব পালন শুরু করেন।
[[File:USSupremeCourtWestFacade.JPG|thumb|পুরো ট্রাম্প প্রশাসন ছিল সুপ্রিম কোর্টের রক্ষণশীলদের জন্য একটি "মুখোশ খুলে যাওয়ার" মুহূর্ত। দেখা যাচ্ছে যে, তারা আসলে কোনো আইনি নজিরের পরোয়া করে না (সিনেটের নিশ্চিতকরণ শুনানিতে তারা যতবারই মিথ্যা বলুক বা পরোয়া করার দাবি করুক না কেন)। তারা আসলে আইনের মূল পাঠ্য বা বিচারিক সংযম নিয়ে মাথা ঘামায় না। তারা শুধু তাদের পছন্দমতো রাজনৈতিক ফলাফল চায় এবং তা করার জন্য তাদের কাছে পর্যাপ্ত ভোট আছে। তারা কোনো ঐতিহ্য, রীতিনীতি বা সাধারণ আইনি ব্যবস্থায় বিচার বিভাগীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার মূল ভিত্তি সম্পর্কে কোনো তোয়াক্কা করে না। তারা কেবল জিততে চায়। ~ এলি মিস্টাল]]
:আরও দেখুন:
::'''''[[যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড-১৯ মহামারি]]'''''
== উক্তি==
=== ২০১৭ ===
==== জানুয়ারি ২০১৭ ====
===== অভিষেক ভাষণ, (২০ জানুয়ারি, ২০১৭) =====
<small>[https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/the-inaugural-address/ প্রতিলিপি] (২০ জানুয়ারি, ২০১৭)</small>
* চিফ জাস্টিস রবার্টস, [[জিমি কার্টার|প্রেসিডেন্ট কার্টার]], প্রেসিডেন্ট ক্লিনটন, প্রেসিডেন্ট বুশ, প্রেসিডেন্ট ওবামা, সহ-আমেরিকানরা এবং বিশ্বের সকল মানুষ: আপনাদের ধন্যবাদ। আমরা, আমেরিকার নাগরিকরা, আজ আমাদের দেশ পুনর্গঠন এবং আমাদের সকল জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণের এক মহান জাতীয় উদ্যোগে একত্রিত হয়েছি। আমরা একসাথে আগামী বহু বছর ধরে আমেরিকা এবং বিশ্বের গতিপথ নির্ধারণ করব। আমরা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হব, আমরা কষ্টের মুখোমুখি হব, কিন্তু আমরা আমাদের কাজ সম্পন্ন করব। প্রতি ৪ বছর পর পর আমরা এই সিঁড়িতে একত্রিত হই নিয়মমাফিক এবং শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য, আর এই অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে তাঁদের আন্তরিক সহায়তার জন্য আমরা প্রেসিডেন্ট ওবামা এবং ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামার কাছে কৃতজ্ঞ। তাঁরা অসাধারণ ছিলেন। আপনাদের ধন্যবাদ।
* তবে আজকের এই অনুষ্ঠানের একটি বিশেষ তাৎপর্য আছে। '''কারণ আজ আমরা শুধু এক প্রশাসন থেকে অন্য প্রশাসনের হাতে বা এক দল থেকে অন্য দলের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করছি না; বরং আমরা ক্ষমতা ওয়াশিংটন ডি.সি. থেকে সরিয়ে এনে আপনাদেরকে, অর্থাৎ জনগণকে তা ফিরিয়ে দিচ্ছি। দীর্ঘ সময় ধরে আমাদের দেশের রাজধানীর একটি ছোট গোষ্ঠী সরকারের সুফল ভোগ করেছে, আর সাধারণ মানুষকে এর ভার বহন করতে হয়েছে। ওয়াশিংটন সমৃদ্ধ হয়েছে, কিন্তু জনগণ সেই সম্পদের অংশীদার হয়নি। রাজনীতিবিদরা সমৃদ্ধ হয়েছেন, কিন্তু কর্মসংস্থান হারিয়ে গেছে এবং কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। প্রভাবশালী গোষ্ঠী নিজেদের সুরক্ষিত করেছে, কিন্তু আমাদের দেশের নাগরিকদের করেনি। তাদের বিজয় আপনাদের বিজয় ছিল না; তাদের সাফল্য আপনাদের সাফল্য ছিল না। তারা যখন আমাদের দেশের রাজধানীতে উৎসবে মেতেছিল, তখন সারা দেশে ধুঁকতে থাকা পরিবারগুলোর উদযাপন করার মতো তেমন কিছু ছিল না।''' সে সব কিছু আজ থেকে এবং এখনই বদলে যাচ্ছে, কারণ এই মুহূর্তটি আপনাদের মুহূর্ত: এটি আপনাদেরই প্রাপ্য। আজ এখানে যারা সমবেত হয়েছেন এবং সারা আমেরিকা জুড়ে যারা দেখছেন, এটি সবার মুহূর্ত। এই দিনটি আপনাদের দিন। এই উৎসব আপনাদের উৎসব। আর এই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আপনাদের দেশ। আমাদের সরকার কোন দলের নিয়ন্ত্রণে আছে সেটি বড় কথা নয়, বড় কথা হলো আমাদের সরকার জনগণের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে কি না। '''২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি সেই দিন হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে, যেদিন জনগণ আবারও এই জাতির শাসক হয়েছে। আমাদের দেশের বিস্মৃত পুরুষ এবং নারীদের আর বিস্মৃত রাখা হবে না। এখন থেকে সবাই আপনাদের কথা শুনবে।'''
* '''একটি ঐতিহাসিক আন্দোলনের অংশ হতে আপনারা কোটি কোটি সংখ্যায় এগিয়ে এসেছেন, যার উদাহরণ আগে কখনো বিশ্ব দেখেনি। এই আন্দোলনের কেন্দ্রে রয়েছে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিশ্বাস: একটি রাষ্ট্র টিকে থাকে তার নাগরিকদের সেবা করার জন্য।''' আমেরিকানরা তাদের সন্তানদের জন্য ভালো স্কুল, পরিবারের জন্য নিরাপদ এলাকা এবং নিজেদের জন্য ভালো কর্মসংস্থান চায়। এগুলো ন্যায়পরায়ণ মানুষ ও জনসাধারণের অত্যন্ত সংগত ও যুক্তিসঙ্গত দাবি। কিন্তু আমাদের অনেক নাগরিকের জন্য বাস্তবতা ভিন্ন: শহরের ঘিঞ্জি এলাকাগুলোতে দারিদ্র্যের কবলে আটকে থাকা মা ও শিশু; মরিচা ধরা কলকারখানাগুলো কবরের নামফলকের মতো আমাদের দেশের চারপাশে ছড়িয়ে আছে; একটি শিক্ষা ব্যবস্থা, যা প্রচুর অর্থ পেলেও আমাদের তরুণ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জ্ঞান থেকে বঞ্চিত রাখছে; এবং অপরাধ, গ্যাং আর মাদক আমাদের অনেক প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এবং দেশের অপার সম্ভাবনাকে নষ্ট করেছে। এই আমেরিকান ধ্বংসলীলা ঠিক এখানেই থেমে যাবে এবং এখনই থেমে যাবে। আমরা এক জাতি, এবং তাদের কষ্ট আমাদের কষ্ট, তাদের স্বপ্ন আমাদের স্বপ্ন এবং তাদের সাফল্য হবে আমাদের সাফল্য। আমাদের হৃদয় এক, আমাদের ঘর এক এবং আমাদের গৌরবময় নিয়তিও এক। আজ আমি যে পদের শপথ নিচ্ছি, তা হলো সকল আমেরিকানদের প্রতি আনুগত্যের শপথ।
* কয়েক দশক ধরে আমরা আমেরিকান শিল্পের বিনিময়ে বিদেশি শিল্পকে সমৃদ্ধ করেছি, অন্য দেশের সেনাবাহিনীকে ভর্তুকি দিয়েছি, অথচ আমাদের নিজেদের সামরিক বাহিনীকে খুব দুঃখজনকভাবে ক্ষয় হতে দিয়েছি। আমরা অন্য দেশের সীমানা রক্ষা করেছি কিন্তু নিজেদের সীমানা রক্ষা করতে অস্বীকার করেছি। যখন আমেরিকার অবকাঠামো জরাজীর্ণ ও ধ্বংস হয়ে যাচ্ছিল, তখন আমরা বিদেশের মাটিতে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করেছি। আমরা অন্য দেশগুলোকে ধনী করেছি, আর আমাদের দেশের সম্পদ, শক্তি এবং আত্মবিশ্বাস দিগন্তে মিলিয়ে গেছে। একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়ে আমাদের উপকূল ছেড়ে চলে গেছে, এমনকি পেছনে ফেলে আসা লক্ষ লক্ষ আমেরিকান শ্রমিকের কথা কেউ একবারও ভাবেনি। আমাদের মধ্যবিত্তের সম্পদ তাদের ঘর থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছে এবং তারপর সারা বিশ্বে পুনর্বন্টন করা হয়েছে। কিন্তু সেটা ছিল অতীত। আর এখন আমরা কেবল ভবিষ্যতের দিকে তাকাচ্ছি। '''আজ এখানে সমবেত হয়ে আমরা একটি নতুন আদেশ জারি করছি যা প্রতিটি শহরে, প্রতিটি বিদেশি রাজধানীতে এবং ক্ষমতার প্রতিটি অলিন্দে শোনা যাবে। আজ থেকে একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের দেশকে শাসন করবে। আজ থেকে এটি হতে যাচ্ছে কেবল 'আমেরিকা ফার্স্ট' (আমেরিকা প্রথম)। আমেরিকা ফার্স্ট।''' বাণিজ্য, কর, অভিবাসন এবং বৈদেশিক বিষয় নিয়ে প্রতিটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আমেরিকান শ্রমিক এবং আমেরিকান পরিবারের সুবিধার কথা মাথায় রেখে।
* আমাদের পণ্য তৈরি করা, আমাদের কোম্পানিগুলোকে চুরি করা এবং আমাদের কর্মসংস্থান নষ্ট করার হাত থেকে আমাদের সীমান্ত রক্ষা করতে হবে। এই সুরক্ষা আমাদের ব্যাপক সমৃদ্ধি ও শক্তির দিকে নিয়ে যাবে। আমি আমার শরীরের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত আপনাদের জন্য লড়াই করব এবং আমি কখনও আপনাদের হতাশ করব না। আমেরিকা আবারও জিততে শুরু করবে, এমনভাবে জিতবে যা আগে কখনও দেখা যায়নি। আমরা আমাদের কর্মসংস্থান ফিরিয়ে আনব। আমরা আমাদের সীমান্ত ফিরিয়ে আনব। আমরা আমাদের সম্পদ ফিরিয়ে আনব। এবং আমরা আমাদের স্বপ্নগুলোকেও ফিরিয়ে আনব। আমরা আমাদের এই চমৎকার দেশজুড়ে নতুন রাস্তা, হাইওয়ে, সেতু, বিমানবন্দর, টানেল এবং রেলপথ তৈরি করব। আমরা আমাদের জনগণকে সরকারি সাহায্যের ওপর নির্ভরশীলতা থেকে মুক্ত করে কাজে ফিরিয়ে আনব এবং আমেরিকান হাতে ও আমেরিকান শ্রমে আমাদের দেশ পুনর্গঠন করব। আমরা দুটি সাধারণ নিয়ম মেনে চলব: আমেরিকান পণ্য কিনুন এবং আমেরিকানদের কাজে নিয়োগ দিন। আমরা বিশ্বের দেশগুলোর সাথে বন্ধুত্ব এবং সদিচ্ছা বজায় রাখব, তবে আমরা এই ধারণার সাথে তা করব যে প্রতিটি জাতির অধিকার আছে তাদের নিজেদের স্বার্থকে সবার আগে রাখা। আমরা আমাদের জীবনধারা কারো ওপর চাপিয়ে দিতে চাই না, বরং এটিকে উদাহরণ হিসেবে উজ্জ্বল করতে চাই—আমরা উজ্জ্বল হব—যাতে সবাই তা অনুসরণ করতে পারে। '''আমরা পুরনো মিত্রতা জোরদার করব এবং নতুন মিত্র তৈরি করব এবং উগ্র ইসলামি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সভ্য বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ করব, যা আমরা পৃথিবী থেকে পুরোপুরি নির্মূল করব।''' '''আমাদের রাজনীতির মূলে থাকবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য এবং আমাদের দেশের প্রতি আমাদের এই আনুগত্যের মাধ্যমে আমরা একে অপরের প্রতি আমাদের আনুগত্য খুঁজে পাব। আপনি যখন দেশপ্রেমের জন্য আপনার হৃদয় খুলে দেবেন, তখন সেখানে কোনো কুসংস্কারের জায়গা থাকবে না। [[বাইবেল]] আমাদের বলে, "ঈশ্বরের সন্তানরা যখন একতায় বসবাস করে তখন তা কতই না ভালো এবং আনন্দদায়ক।" আমাদের অবশ্যই খোলাখুলিভাবে মনের কথা বলতে হবে, সততার সাথে আমাদের মতবিরোধ নিয়ে বিতর্ক করতে হবে, তবে সর্বদা সংহতি বজায় রাখতে হবে। যখন আমেরিকা ঐক্যবদ্ধ থাকে, আমেরিকাকে তখন থামানো অসম্ভব।''' কোনো ভয় থাকার কথা নয়: আমরা সুরক্ষিত এবং আমরা সর্বদা সুরক্ষিত থাকব। আমাদের সামরিক বাহিনী ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মহান পুরুষ ও নারীদের দ্বারা আমরা সুরক্ষিত থাকব এবং সবচেয়ে বড় কথা হলো, আমরা ঈশ্বরের দ্বারা সুরক্ষিত থাকব।
* সবশেষে আমাদের বড় কিছু ভাবতে হবে এবং আরও বড় স্বপ্ন দেখতে হবে। আমেরিকায় আমরা বুঝি যে, একটি জাতি ততক্ষণই বেঁচে থাকে যতক্ষণ সেটি চেষ্টা করে যায়। আমরা আর সেই সব রাজনীতিবিদদের গ্রহণ করব না যারা কেবল কথাই বলেন কিন্তু কোনো কাজ করেন না, অনবরত অভিযোগ করেন কিন্তু সে বিষয়ে কিছু করেন না। ফাঁকা বুলির সময় শেষ। এখন কাজ করার সময় এসেছে। কাউকে বলতে দেবেন না যে এটি করা সম্ভব নয়। আমেরিকার সাহস, লড়াই এবং উদ্দীপনার সাথে কোনো চ্যালেঞ্জই পেরে উঠবে না। আমরা ব্যর্থ হব না। আমাদের দেশ আবারও সমৃদ্ধ ও সফল হবে। আমরা এক নতুন সহস্রাব্দের শুরুতে দাঁড়িয়ে আছি, মহাকাশের রহস্য উন্মোচন করতে, পৃথিবীকে রোগের অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে এবং আগামীর জ্বালানি, শিল্প ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে আমরা প্রস্তুত। এক নতুন জাতীয় গর্ব আমাদের আত্মাকে নাড়া দেবে, আমাদের দৃষ্টিকে উন্নত করবে এবং আমাদের বিভেদ দূর করবে।
* এখন সেই পুরনো প্রজ্ঞাটি মনে রাখার সময় যা আমাদের সৈন্যরা কখনও ভুলবে না: আমরা কালো হই বা বাদামী অথবা সাদা, আমাদের সবার শরীরেই দেশপ্রেমিকদের লাল রক্ত প্রবাহিত হয়, আমরা সবাই একই গৌরবময় স্বাধীনতা উপভোগ করি এবং আমরা সবাই একই মহান আমেরিকান পতাকাকে অভিবাদন জানাই। আর ডেট্রয়েটের জনবহুল শহরে বা নেব্রাস্কার ঝড়ো প্রান্তরে যে শিশুই জন্ম নিক না কেন, তারা একই রাতের আকাশের দিকে তাকায়, তারা একই স্বপ্নে তাদের হৃদয় পূর্ণ করে এবং তারা একই সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রাণবায়ুতে উদ্দীপ্ত হয়। তাই কাছে ও দূরের প্রতিটি শহরের, ছোট ও বড় সব আমেরিকানদের বলছি, পাহাড় থেকে পাহাড়, মহাসাগর থেকে মহাসাগর—এই কথাগুলো শুনুন: আপনাদের আর কখনও অবহেলা করা হবে না। আপনাদের কণ্ঠস্বর, আপনাদের আশা এবং আপনাদের স্বপ্ন আমাদের আমেরিকান নিয়তি নির্ধারণ করবে। আর আপনাদের সাহস, মহানুভবতা এবং ভালোবাসা চিরকাল আমাদের পথ দেখাবে। '''একসাথে আমরা আমেরিকাকে আবারও শক্তিশালী করে তুলব। আমরা আমেরিকাকে আবারও সম্পদশালী করে তুলব। আমরা আমেরিকাকে আবারও গর্বিত করে তুলব। আমরা আমেরিকাকে আবারও নিরাপদ করে তুলব। এবং, হ্যাঁ, একসাথে আমরা আমেরিকাকে আবারও মহান করে তুলব।''' আপনাদের ধন্যবাদ। ঈশ্বর আপনাদের মঙ্গল করুন এবং ঈশ্বর আমেরিকার মঙ্গল করুন। ধন্যবাদ। ঈশ্বর আমেরিকার মঙ্গল করুন।
* কোনো অপ্রত্যাশিত ফলাফলের জন্য প্রস্তুত থাকতে চেয়ে স্থানীয় ডোনাল্ড ট্রাম্প সমর্থক ৫২ বছর বয়সী ফ্রেড ম্যাকগুয়ার গত মঙ্গলবার বলেছেন যে, অভিবাসীদের লক্ষ্য করে প্রেসিডেন্টের পরিকল্পিত আক্রমণাত্মক পুলিশিং এবং নজরদারি নীতি যদি সব সমস্যার সমাধান করতে না পারে, তবে তার কাছে বিকল্প কিছু বলির পাঁঠা প্রস্তুত রাখা আছে। “আমি আশা করছি যে গণ-নির্বাসন, বাধ্যতামূলক নিবন্ধন, বিচার ছাড়াই অনির্দিষ্টকালের আটক এবং বর্ধিত নজরদারি সব সম্ভাব্য সমস্যার সমাধান করবে। কিন্তু নিরাপদ থাকতে আমি অন্য কিছু গোষ্ঠীকেও দানব হিসেবে চিহ্নিত করার জন্য প্রস্তুত রেখেছি,” ম্যাকগুয়ার বলেন। তিনি আরও যোগ করেন যে, ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি যদি অপরাধ কমাতে এবং অর্থনীতির উন্নতি করতে ব্যর্থ হয়, তবে তিনি তার ক্ষোভ কল্যাণভোগী, পরিবেশবাদী কর্মী এবং সম্ভবত উদারপন্থী কলেজ অধ্যাপকদের দিকে ঘুরিয়ে দিতে প্রস্তুত। “অবশ্যই ওবামার লিগ্যাসি তো অনেক দোষ পাবেই। আর যখন মানুষ আমাকে জিজ্ঞাসা করবে কেন শ্রমিক শ্রেণীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না, তখন আমি লেবার ইউনিয়ন এবং পলিটিক্যাল কারেক্টনেসকেও দোষারোপ করতে পারব। হ্যাঁ, আগামী চার বা আট বছর পার করার জন্য আমার কাছে যথেষ্ট বলির পাঁঠার ধারণা আছে।” ম্যাকগুয়ার আরও বলেন যে তিনি এখনই ইহুদিদের বলির পাঁঠা বানানোর কথা ভাবছেন না, তবে আগামী কয়েক বছর পরিস্থিতি কেমন যায় তা দেখার জন্য অপেক্ষা করবেন।
** ''দ্য অনিয়ন'' প্যারোডি পত্রিকা, [https://theonion.com/trump-supporter-has-few-backup-scapegoats-ready-to-go-i-1819579570/"অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা সব সমাধান না করলে ট্রাম্প সমর্থকের কাছে কিছু বিকল্প বলির পাঁঠা প্রস্তুত আছে"], ২০ জানুয়ারি ২০১৭
* এর সাথে যুক্ত হয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আধিপত্য, যিনি ২০১৬ সালের নির্বাচনে অংশত একজন নেটিভিস্ট এবং অভিবাসন বিরোধী গোষ্ঠীকে তুষ্ট করে জয়ী হয়েছিলেন। ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের শার্লটসভিলে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী বিক্ষোভকারীদের সমাবেশে যে প্রাণঘাতী সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছিল, সে বিষয়ে ট্রাম্পের সংযত নিন্দা তাঁর সবচেয়ে অনুগত সমর্থক ছাড়া সবার কাছ থেকেই সমালোচনার শিকার হয়েছিল। আর এই রাজনৈতিক সম্পর্কগুলো বিশ্লেষণ করার জরুরি প্রয়োজনটি তখনই অর্থবহ হয়ে ওঠে। ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভোট দেওয়া লক্ষ লক্ষ সাধারণ ডানপন্থী আমেরিকানদের কেউই নাৎসিদের সাথে এক কাতারে দাঁড়াতে চান না। তবে এটি একটি বাস্তব সত্য যে, সেই বিধ্বংসী শার্লটসভিলে ইভেন্টে নাৎসি-বান্ধব সংগঠন, নাৎসি প্রতীক এবং নাৎসি ভঙ্গি দেখা গিয়েছিল, যে অনুষ্ঠানটির নাম "বামদের ঐক্যবদ্ধ করুন" ছিল না, বরং ছিল "ডানদের ঐক্যবদ্ধ করুন"। যদিও আমেরিকান রাজনীতিতে ব্যবহৃত 'বাম' এবং 'ডান' শব্দগুলো কিছুটা অস্পষ্ট হতে পারে, তবে এগুলো উদারনীতিবাদ/প্রগতিশীলতা (যা মূলত ডেমোক্র্যাটিক পার্টি দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করা হয়) এবং রক্ষণশীলতা/ঐতিহ্যবাদ (যা মূলত রিপাবলিকান পার্টি দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করা হয়)-এর মধ্যে মৌলিক আদর্শগত বিভাজন চিহ্নিত করতে সহায়ক। আদর্শের একটি পটভূমি হিসেবে দেখলে, সমাজতন্ত্র/সাম্যবাদ ঐতিহ্যগতভাবে এই স্কেলের চরম বাম প্রান্তে পড়ে, আর জাতীয়তাবাদ/ফ্যাসিবাদ পড়ে অতি-ডানপন্থী প্রান্তে।
** ডেভিড এমেরি, [https://www.snopes.com/news/2017/09/05/were-nazis-socialists/ নাৎসিরা কি সমাজতন্ত্রী ছিল?] (৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭), ''স্নোপস''
[[File:Donald_Trump_delivering_inauguration_speech_01-20-17_(cropped).jpg|thumb|এই মুহূর্ত থেকে, এটি হতে যাচ্ছে আমেরিকা ফার্স্ট।]]
[[File:2017_Presidential_Inauguration_CV6A0663.jpg|thumb|আমি যখন বাইরে তাকিয়েছিলাম, সেই ময়দানটি দেখে মনে হলো যেন দশ বা পনেরো লাখ মানুষ ছিল।]]
* আমি যখন বাইরে তাকিয়েছিলাম, সেই ময়দানটি দেখে মনে হলো যেন দশ বা পনেরো লাখ মানুষ ছিল। তারা এমন একটি মাঠ দেখিয়েছিল যেখানে প্রায় কেউই দাঁড়িয়ে ছিল না। আর তারা বলেছিল, "ডোনাল্ড ট্রাম্প লোক টানতে পারেননি।" আমি বললাম, "প্রায় বৃষ্টি হচ্ছিল!" বৃষ্টির কারণে তাদের ভয় পেয়ে দূরে চলে যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু ঈশ্বর নিচপানে তাকালেন এবং বললেন যে আমরা আপনার বক্তৃতার সময় বৃষ্টি হতে দেব না।
** [https://www.youtube.com/watch?v=GMBqDN7-QLg অভিষেক অনুষ্ঠানে লোকসমাগম এবং সংবাদ মাধ্যমের কাভারেজ নিয়ে সিআইএ সদর দপ্তরে ট্রাম্পের বক্তব্য], ফক্স ১০ ফিনিক্স (২১ জানুয়ারি ২০১৭)
* সেই পুরনো প্রবাদ, ‘বিজয়ীরই সমস্ত লুণ্ঠিত দ্রব্য’—আপনাদের মনে আছে। আমি সবসময় বলতাম, তেল নিজেদের কাছে রাখো। আমি ইরাক যুদ্ধের ভক্ত ছিলাম না। আমি ইরাকে যেতে চাইনি। কিন্তু আমি আপনাদের বলব, যখন আমরা সেখানে ছিলাম, আমরা ভুলভাবে সেখান থেকে বেরিয়ে এসেছি। আর আমি সবসময় বলতাম, এর পাশাপাশি তেলটা রেখে দাও। আমি এটি অর্থনৈতিক কারণে বলেছিলাম। কিন্তু মাইক, আপনি যদি ভেবে দেখেন, আমরা যদি তেল নিজেদের কাছে রাখতাম তবে সম্ভবত আইএসআইএস তৈরি হতো না, কারণ তারা সেখান থেকেই তাদের টাকা উপার্জন করেছিল। তাই আমাদের তেলটা রাখা উচিত ছিল। তবে ঠিক আছে। হয়তো আপনি আরেকটা সুযোগ পাবেন। কিন্তু বাস্তব হলো, তেলটা রাখা উচিত ছিল।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের সিআইএতে ভাষণ, [https://www.cbsnews.com/news/trump-cia-speech-transcript/ ২৩ জানুয়ারি ২০১৭]
* কিন্তু আপনি যখন ভালোবাসার এই বিশাল সমুদ্রের দিকে তাকাবেন — আমি একে 'ভালোবাসার সমুদ্র' বলি — এটি সত্যিই বিশেষ কিছু।
** [https://www.youtube.com/watch?v=RDvoBoxv028 ডেভিড মুয়ারের সাথে এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প তাঁর অভিষেক অনুষ্ঠানের ভিড়ের একটি বাঁধাই করা ছবির বর্ণনা দিচ্ছেন], এবিসি (২৫ জানুয়ারি ২০১৭)
* [ডেভিড বেকার সম্পর্কে] সে আবারও তোষামোদ করছে। আপনারা জানেন, আমি সবসময় সেই সব সাংবাদিকদের কথা বলি যারা তোষামোদ করে যখন তারা এমন কিছু লিখতে চায় যা আপনি শুনতে চান কিন্তু লক্ষ লক্ষ মানুষ সম্ভবত শুনতে চায় না বা শোনার প্রয়োজন নেই।
** [http://www.bbc.com/news/world-us-canada-38764653/ "ভোটার জালিয়াতি নিয়ে ট্রাম্পের কথায় উদারপন্থীরা চিন্তিত"], বিবিসি (২৭ জানুয়ারি ২০১৭)
* আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে, আমাদের সৈন্যরা বিদেশে যে হুমকির বিরুদ্ধে লড়াই করছে, আমরা যেন তাদের আমাদের দেশে ঢুকতে না দিই।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://edition.cnn.com/2017/01/27/politics/trump-plans-to-sign-executive-action-on-refugees-extreme-vetting/ "উগ্র ইসলামি সন্ত্রাসীদের দূরে রাখতে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর"], সিএনএন (২৭ জানুয়ারি ২০১৭)
* আমি সবসময় প্রার্থনা করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছি... আমি বলব যে এই পদটি এতটাই শক্তিশালী যে আপনার ঈশ্বরকে আরও বেশি প্রয়োজন।
** [http://www1.cbn.com/cbnnews/entertainment/2017/january/worship-artist-credits-psalms-91-for-miraculous-cancer-healing ডেভিড ব্রডির সাথে ট্রাম্পের সাক্ষাৎকারে] উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], সিবিএন নিউজ (২৯ জানুয়ারি ২০১৭)
==== ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ====
* আমি এখন খুব গর্বিত যে ন্যাশনাল মলে আমাদের একটি জাদুঘর আছে যেখানে মানুষ [[মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]] এবং আরও অনেক কিছু সম্পর্কে জানতে পারে। আমি লক্ষ্য করছি যে, ফ্রেডরিক ডগলাস এমন একজনের উদাহরণ যিনি এক চমৎকার কাজ করেছেন এবং দিন দিন আরও বেশি পরিচিতি পাচ্ছেন। হ্যারিয়েট টুবম্যান, রোসা পার্কস এবং আরও লক্ষ লক্ষ কৃষ্ণবর্ণের আমেরিকান যারা [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]]কে আজকের এই অবস্থানে নিয়ে এসেছেন। দারুণ প্রভাব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theatlantic.com/politics/archive/2017/02/frederick-douglass-trump/515292/ ডোনাল্ড ট্রাম্প'স ন্যারেটিভ অফ দ্য লাইফ অফ ফ্রেডরিক ডগলাস] থেকে উদ্ধৃত, ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭।
* আমরা যখন ন্যাশনাল আফ্রিকান আমেরিকান হিস্ট্রি মান্থ পালন করছি, তখন আমরা আফ্রিকান আমেরিকানদের ঐতিহ্য ও অর্জনকে স্বীকৃতি দিচ্ছি। আফ্রিকান আমেরিকানরা যে অবদান রেখেছেন এবং রেখে চলেছেন তা আমাদের সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আফ্রিকান আমেরিকানদের ইতিহাস সেই সহনশীলতা এবং উদ্ভাবনী চেতনার উদাহরণ যা আমাদের জাতিকে মহান করে চলেছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/president-donald-j-trump-proclaims-february-national-african-american-history-month/ ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭] থেকে উদ্ধৃত।
* ওয়াশিংটনে আমাদের জন্য, ঈশ্বরের ইচ্ছা অনুযায়ী জনগণের সেবা করার প্রজ্ঞা পেতে আমাদের কখনোই তাঁর কাছে প্রার্থনা করা বন্ধ করা উচিত নয়। তবে ''দ্য অ্যাপ্রেন্টিস'' অনুষ্ঠানে আমরা দারুণ সফল হয়েছিলাম। যখন আমি রাষ্ট্রপতির জন্য দাঁড়ালাম, তখন আমাকে অনুষ্ঠানটি ছাড়তে হয়েছিল। তখনই আমি নিশ্চিতভাবে জানতাম যে আমি এটি করছি। তারা আমার জায়গায় এক মস্ত বড় মুভি স্টার আরনল্ড শোয়ার্জনেগারকে নিয়োগ করেছিল এবং আমরা জানি এর ফলাফল কী হয়েছে। রেটিং একদম তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে, এটি একটি চরম বিপর্যয় ছিল। মার্ক বার্নেট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আর কখনও বাজি ধরবেন না। আমি কেবল আরনল্ডের জন্য প্রার্থনা করতে চাই, যদি আমরা পারি, সেই রেটিংগুলোর জন্য, ঠিক আছে?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=cyxacu5AslI ট্রাম্পের "ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট" ভাষণ] (২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* আমাদের কঠোর হতে হবে। এখন আমাদের একটু কঠোর হওয়ার সময় এসেছে। বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশ আমাদের সুযোগ নিচ্ছে। এটা আর ঘটবে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/us-news/2017/feb/02/donald-trump-australia-refugees-malcolm-turnbull-phone-call বিরোধ সত্ত্বেও হোয়াইট হাউস বলছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়ার শরণার্থীদের গ্রহণ করতে পারে] (২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* এটি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যে এটি আর রিপোর্টও করা হচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে সেই অত্যন্ত অসৎ সংবাদমাধ্যমগুলো এটি রিপোর্ট করতে চায় না। তাদের নিজস্ব কারণ আছে এবং আপনারা সেটি বোঝেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://www.bbc.co.uk/news/world-us-canada-38890090 ম্যাকডিল এয়ার ফোর্স বেসে দেওয়া এক বক্তৃতায় সন্ত্রাসী হামলার রিপোর্টিং নিয়ে ট্রাম্পের উক্তি] (৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* সেই স্টেট সিনেটর কে? আপনি কি আমাকে তার নাম বলতে চান? আমরা তার ক্যারিয়ার ধ্বংস করে দেব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=Z1SKm1hTWq0 শেরিফ হ্যারল্ড ইভেনসনের বক্তব্যের জবাবে ট্রাম্পের উক্তি], যেখানে শেরিফ উল্লেখ করেছিলেন যে টেক্সাসের একজন স্টেট সিনেটর এমন আইন প্রস্তাব করছেন যাতে শেরিফরা বাজেয়াপ্ত অর্থ পাওয়ার আগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার প্রয়োজন পড়বে। (৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)
* আমি বিচারকদের একটি প্যানেলের কথা শুনেছি এবং আমি সে বিষয়ে মন্তব্য করব — আমি নিশ্চিতভাবে একজন বিচারকের বক্তব্যের ওপর কোনো মন্তব্য করব না — তবে আমাকে সত্যি বলতে হবে যে, এই বিচারকরা যদি আদালতের প্রতি শ্রদ্ধার খাতিরে আদালতকে সাহায্য করতে চাইতেন, তবে তাদের যা করা উচিত ছিল তারা সেটাই করতেন। মানে এটা খুব দুঃখজনক। যখন আপনি খুব সাধারণ, সুন্দরভাবে লেখা এবং নিখুঁতভাবে লেখা কোনো কিছু পড়েন — অবশ্যই সেই একটি বক্তব্য ছাড়া যেখানে "সে" (পুরুষ বা নারী) এর কথা বলা হয়েছে — কিন্তু যখন আপনি এত নিখুঁতভাবে লেখা এবং যে কারো কাছে এত স্পষ্ট কিছু পড়েন, আর তারপর যখন আপনি আইনজীবীদের দেখেন এবং আমি গত রাতে অবাক হয়ে দেখছিলাম, আমি এমন সব কথা শুনলাম যা আমি বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। এমন সব কথা যার সাথে আমি যা পড়েছি তার কোনো সম্পর্কই ছিল না। আমি কখনোই আদালতকে পক্ষপাতদুষ্ট বলতে চাই না, তাই আমি একে পক্ষপাতদুষ্ট বলব না। আমরা এখনও কোনো সিদ্ধান্ত পাইনি, তবে আদালতগুলো এখন খুব বেশি রাজনৈতিক বলে মনে হয়। আমাদের বিচার ব্যবস্থার জন্য এটি খুব ভালো হতো যদি তারা একটি বিবৃতি পড়তে পারত এবং যা সঠিক তা করতে পারত।
* আমেরিকার প্রতিটি শিশুর উচিত কোনো ভয় ছাড়াই বাইরে খেলাধুলা করা, কোনো বিপদ ছাড়াই বাড়ি ফেরা এবং মাদক, গ্যাং বা সহিংসতা সম্পর্কে চিন্তিত না হয়ে স্কুলে যাওয়া।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/02/08/remarks-president-trump-mcca-winter-conference "এমসিসিএ উইন্টার কনফারেন্সে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্য"] (৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* আমি শুধু বলতে চাই যে, আমরা আমাদের সেই জয়ে খুবই সম্মানিত বোধ করছি, ৩০৬টি ইলেক্ট্রোরাল কলেজ ভোট। আমাদের ২২০ পার হওয়ার কথা ছিল না, আপনি [[বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু|ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর]] দিকে ফিরে সেটি জানেন, তাই না? ২২১ হওয়ার কোনো পথ ছিল না, কিন্তু তারপর তারা বলল ২৭০ হওয়ার কোনো পথ নেই এবং সেখানে প্রচুর উৎসাহ ছিল। আমি বলব যে, আমরা এই দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনব, আমরা এই দেশে অপরাধ বন্ধ করব। আমরা দীর্ঘদিনের বর্ণবাদ এবং অন্যান্য যা কিছু ঘটছে তা বন্ধ করার জন্য আমাদের ক্ষমতার মধ্যে সবকিছু করব। কারণ দীর্ঘ সময় ধরে অনেক খারাপ জিনিস ঘটে আসছে। আমি মনে করি আমার নির্বাচনে জেতার অন্যতম কারণ হলো আমাদের জাতি এখন অনেক বিভক্ত, খুব বেশি বিভক্ত। আশা করি আমি সে বিষয়ে কিছু করতে পারব এবং এটি আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ইহুদি মানুষ, আমার অনেক বন্ধু, আমার এক মেয়ে যে এই মুহূর্তে এখানে আছে, এক জামাতা এবং তিন চমৎকার নাতি-নাতনির কথা বলতে গেলে, আমি মনে করি আপনারা আগামী তিন, চার বা আট বছরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনেক পরিবর্তন দেখতে পাবেন। আমি মনে করি অনেক ভালো কিছু ঘটছে এবং আপনারা অনেক ভালোবাসা দেখতে পাবেন, আপনারা অনেক ভালোবাসা দেখতে পাবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ইহুদি বিদ্বেষের ক্রমবর্ধমান ঘটনা এবং তার প্রশাসনে বিদেশি ভীতি নিয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে, [https://www.youtube.com/watch?v=SmfseeZt5fA যৌথ সংবাদ সম্মেলনে] (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)।
* সংবাদমাধ্যম এতটাই অসৎ হয়ে পড়েছে যে আমরা যদি এ বিষয়ে কথা না বলি, তবে আমরা আমেরিকান জনগণের প্রতি চরম অন্যায় করব। চরম অন্যায়। কী ঘটছে তা জানার জন্য আমাদের কথা বলতে হবে, কারণ সত্যি বলতে সংবাদমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। অসততার মাত্রা এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে।
* আমার মনে হয় রোনাল্ড রিগ্যানের পর এটিই ছিল সবচেয়ে বড় ইলেক্ট্রোরাল কলেজ জয়।
* এই প্রশাসন একটি নিখুঁত যন্ত্রের মতো চলছে।
[[চিত্র:Michael_Flynn_(30020745053).jpg|থাম্ব|মাইক ফ্লিন একজন ভালো মানুষ, আর আমি তার পদত্যাগ চেয়েছি।]]
* মাইক ফ্লিন একজন ভালো মানুষ, আর আমি তার পদত্যাগ চেয়েছি। তিনি সম্মানের সাথে তা দিয়েছেন। তিনি এমন একজন মানুষ যার সম্পর্কে আমাদের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সকে কিছু তথ্য দেওয়া হয়েছিল, যিনি আজ আমাদের সাথে আছেন। আর যেভাবে সেই তথ্যগুলো দেওয়া হয়েছে তাতে আমি খুশি ছিলাম না। তাকে এটা করতে হতো না, কারণ তিনি যা করেছেন তা ভুল ছিল না। তিনি যে তথ্য দেখেছিলেন সে দিক থেকে কোনো ভুল ছিল না। ভুল ছিল অন্যদের, যার মধ্যে এই ঘরের আপনারাও আছেন, যেভাবে তথ্যগুলো দেওয়া হয়েছিল। কারণ সেগুলো ছিল গোপন তথ্য যা অবৈধভাবে দেওয়া হয়েছিল। এটাই আসল সমস্যা।
* দেখুন, আমি যখন জনসভায় যাই, তারা ঘুরে দাঁড়ায় এবং সিএনএন এর দিকে চিৎকার করতে শুরু করে। তারা সিএনএন-এর দিকে তাদের প্ল্যাকার্ড ছুড়ে মারতে চায়। আমি মনে করি আপনারা একটু ভিন্ন হলে অনেক ভালো করতেন।
* আগামীকাল তারা বলবে, "ডোনাল্ড ট্রাম্প সংবাদমাধ্যমের ওপর চিৎকার করেছেন।" আমি চিৎকার করছি না। আমি শুধু আপনাদের বলছি। আপনারা জানেন, আপনারা অসৎ মানুষ। কিন্তু আমি চিৎকার করছি না। আমি এটি উপভোগ করছি। আমার বেশ ভালো লাগছে। কিন্তু আগামীকাল শিরোনাম হবে, "ডোনাল্ড ট্রাম্প চিৎকার করেছেন।" আমি চিৎকার করছি না।
[[চিত্র:HEUraniumC.jpg|থাম্ব|আপনারা জানেন ইউরেনিয়াম কী, তাই না? এটি পারমাণবিক অস্ত্র এবং আরও অনেক কিছুর সাথে জড়িত। ইউরেনিয়াম দিয়ে অনেক কাজ করা হয়, যার মধ্যে কিছু খারাপ জিনিসও আছে।]]
* আপনারা জানেন ইউরেনিয়াম কী, তাই না? এটি পারমাণবিক অস্ত্র এবং আরও অনেক কিছুর সাথে জড়িত। ইউরেনিয়াম দিয়ে অনেক কাজ করা হয়, যার মধ্যে কিছু খারাপ জিনিসও আছে।
* এর মধ্যে [[ইরাক]]ের পরিস্থিতি খুব, খুব কঠিন। আপনারা কি জানেন কেন? কারণ আমি সামরিক বাহিনী নিয়ে কথা বলি না এবং আরও কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলি না, যা শুনে আপনারা অবাক হবেন। আর আমার পুরো নির্বাচনী প্রচারণায় আমি সেটাই বলেছি। তাই আমার আপনাদের বলার প্রয়োজন নেই। আমি সেই লোকেদের মতো হতে চাই না যারা বলে, "হ্যাঁ, আমরা এই কাজ করতে যাচ্ছি।" আমার তা করার দরকার নেই। উত্তর কোরিয়ায় আমি কী করতে যাচ্ছি তা আমার আপনাদের বলার দরকার নেই। একটু দাঁড়ান। [[উত্তর কোরিয়া]]য় আমি কী করতে যাচ্ছি তা আমার আপনাদের বলার দরকার নেই। আর ইরানের সাথে আমি কী করতে যাচ্ছি তাও আমার আপনাদের বলার দরকার নেই। কেন জানেন? কারণ তাদের এটি জানা উচিত নয়। আর শেষ পর্যন্ত আপনারা এই প্রশ্ন করতে করতে ক্লান্ত হয়ে যাবেন।
* আপনি কোথা থেকে এসেছেন? [সাংবাদিক উত্তর দিলেন তিনি বিবিসি থেকে এসেছেন] এই তো আরেক রত্ন।
* আপনি কি সভার ব্যবস্থা করতে চান? তারা কি আপনার বন্ধু? [একজন আফ্রিকান-আমেরিকান সাংবাদিককে উদ্দেশ্য করে এবং কংগ্রেসনাল ব্ল্যাক ককাসের কথা উল্লেখ করে]
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.nytimes.com/2017/02/16/us/politics/donald-trump-press-conference-transcript.html?_r=0 হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে করা মন্তব্য] (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)।
* আপনার পুরো জীবনে দেখা মানুষের মধ্যে আমিই হলাম সবচেয়ে কম ইহুদি বিদ্বেষী ব্যক্তি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.cnbc.com/2017/02/16/donald-trump-i-am-the-least-anti-semitic-racist-person-that-youve-ever-seen.html সিএনবিসি] (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* গতকাল রাতে সুইডেনে কী ঘটেছে একবার দেখুন। সুইডেন! কে বিশ্বাস করবে, সুইডেন! তারা প্রচুর সংখ্যক মানুষকে আশ্রয় দিয়েছে এবং তারা এমন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে যা তারা কখনও কল্পনাও করেনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=AMLK15edOUY ফ্লোরিডার মেলবোর্নে সমর্থকদের এক বিশাল সমাবেশে ট্রাম্পের বক্তব্য] (১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* আর আমি চাই আপনারা সবাই জানুন যে আমরা ফেক নিউজের বিরুদ্ধে লড়ছি। এটা ভুয়া, জাল, একদম মিথ্যে। কয়েক দিন আগে আমি ফেক নিউজকে জনগণের শত্রু বলেছিলাম, আর তারা সত্যিই তাই, তারা জনগণের শত্রু।
* কারো নাম ব্যবহার না করে তাদের কোনো সূত্র ব্যবহার করতে দেওয়া উচিত নয়। তাদের নাম সামনে আসতে দিন। তাদের নাম প্রকাশ করা হোক।
* আমি [[সুইডেন]]কে ভালোবাসি, চমৎকার দেশ, চমৎকার মানুষ। কিন্তু তারা বোঝে, ওখানকার মানুষ বোঝে যে আমি ঠিক বলছি। সুইডেনে কী ঘটছে একবার দেখুন।
* আমার একজন বন্ধু আছে, সে খুব প্রতিপত্তিশালী একজন মানুষ। সে আলোর ভালোবাসে, সে [[প্যারিস]] ভালোবাসে। বছরের পর বছর ধরে প্রতি বছর গ্রীষ্মকালে সে তার স্ত্রী এবং পরিবারকে নিয়ে নিয়মিত প্যারিসে যেত। অনেকদিন তার সাথে দেখা হয়নি, তাই আমি বললাম, জিম, তোমাকে একটা প্রশ্ন করি, প্যারিসের কী অবস্থা? "প্যারিস? আমি আর সেখানে যাই না, প্যারিস আর আগের মতো প্যারিস নেই।"
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://time.com/4682023/cpac-donald-trump-speech-transcript/ বার্ষিক কনজারভেটিভ পলিটিক্যাল অ্যাকশন কনফারেন্সে ভাষণ দেওয়ার সময়] (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)।
* এটি একটি অবিশ্বাস্যরকম জটিল বিষয়। কেউ জানত না যে স্বাস্থ্যসেবা এত জটিল হতে পারে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/us-news/video/2017/feb/27/trump-healthcare-complicated-budget-video হোয়াইট হাউসে ন্যাশনাল গভর্নরস অ্যাসোসিয়েশনের বৈঠকে ভাষণ দেওয়ার সময়] (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* সারা বিশ্বের অনেক জাতি — যেমন [[কানাডা]], [[অস্ট্রেলিয়া]] এবং আরও অনেক দেশের মেধা-ভিত্তিক অভিবাসন ব্যবস্থা রয়েছে। এটি একটি মৌলিক নীতি যে যারা কোনো দেশে প্রবেশ করতে চায় তাদের নিজেদের আর্থিকভাবে স্বচ্ছল রাখার ক্ষমতা থাকতে হবে। অথচ আমেরিকায় আমরা এই নিয়ম কার্যকর করি না, যা আমাদের সবচেয়ে দরিদ্র নাগরিকরা যে জনসম্পদের ওপর নির্ভর করে তার ওপর চাপ সৃষ্টি করে।<br>..<br>প্রধানমন্ত্রী [[জাস্টিন ট্রুডো]]র সহায়তায় আমরা কানাডার সাথে একটি কাউন্সিল গঠন করেছি যাতে নারী উদ্যোক্তারা তাদের ব্যবসা শুরু করতে এবং তাদের আর্থিক স্বপ্ন পূরণ করতে প্রয়োজনীয় নেটওয়ার্ক, বাজার এবং মূলধন পেতে পারে।<br>..<br>আমেরিকা সকল জাতির নিজস্ব পথ বেছে নেওয়ার অধিকারকে শ্রদ্ধা করে। আমার কাজ বিশ্বের প্রতিনিধিত্ব করা নয়। আমার কাজ হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করা।<br>..<br>যথাযথ যাচাইকরণ করা সম্ভব নয় এমন জায়গা থেকে অনিয়ন্ত্রিত প্রবেশাধিকার দেওয়া সহানুভূতি নয়, বরং অবিবেচনা। আমরা আমেরিকার ভেতরে সন্ত্রাসবাদের কোনো ঘাঁটি তৈরি হতে দিতে পারি না — আমরা আমাদের জাতিকে চরমপন্থীদের আশ্রয়স্থল হতে দিতে পারি না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theglobeandmail.com/news/world/us-politics/donald-trump-congress-speech-immigration/article34158135/ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, গ্লোব অ্যান্ড মেইল অনুযায়ী] থেকে উদ্ধৃত।
==== মার্চ ২০১৭ ====
* আমাদের আইরিশ বন্ধুদের সাথে যখন আমরা আজ এখানে দাঁড়িয়ে আছি, আমার সেই প্রবাদের কথা মনে পড়ছে; এবং এটি খুব ভালো একটি প্রবাদ, এটি আমার খুব পছন্দ, আমি অনেক অনেক বছর ধরে এটি শুনে আসছি এবং আমি এটি ভালোবাসি: "সব সময় সেই বন্ধুদের ভুলে যাওয়ার কথা মনে রাখবেন যারা অবিশ্বস্ত প্রমাণিত হয়েছে, কিন্তু যারা আপনার পাশে থেকেছে তাদের মনে রাখার কথা কখনও ভুলবেন না।" আমরা তা জানি, রাজনৈতিকভাবে বলতে গেলে আমাদের অনেকেই তা জানি, আমরা এটি ভালোভাবেই জানি, এটি একটি চমৎকার কথা।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/us-news/2017/mar/17/trumps-irish-proverb-causes-derision-on-the-web তৎকালীন আইরিশ সরকারপ্রধান এন্ডা কেনির সফরের সময় দেওয়া বক্তব্য] (১৭ মার্চ ২০১৭)
==== এপ্রিল ২০১৭ ====
* চলো ওকে মেরেই ফেলি! চলো ভেতরে যাই। চলো ওদের সবাইকে খতম করে দিই।
** বাশার আল-আসাদ সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]-এর উক্তি, যেমনটি ফিলিপ রাকার এবং রবার্ট কস্টা লিখিত [https://www.washingtonpost.com/politics/bob-woodwards-new-book-reveals-a-nervous-breakdown-of-trumps-presidency/2018/09/04/b27a389e-ac60-11e8-a8d7-0f63ab8b1370_story.html?noredirect=on&utm_term=.f1bf8ed6690c বব উডওয়ার্ডের নতুন বই ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতিত্বের এক 'মানসিক ভেঙে পড়া'র চিত্র তুলে ধরেছে] (৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮), ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'' উদ্ধৃত।
* সিরিয়ায় আজ নারী ও শিশুসহ নিরীহ মানুষের ওপর যে রাসায়নিক হামলা হয়েছে, তা অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং সভ্য দুনিয়া এটি উপেক্ষা করতে পারে না। বাশার আল-আসাদ সরকারের এই জঘন্য কর্মকাণ্ড পূর্ববর্তী প্রশাসনের দুর্বলতা এবং দোদুল্যমানতারই ফল। রাষ্ট্রপতি ওবামা ২০১২ সালে বলেছিলেন যে তিনি রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের বিরুদ্ধে একটি "রেড লাইন" বা চূড়ান্ত সীমা নির্ধারণ করবেন, কিন্তু পরে তিনি কিছুই করেননি। এই অসহনীয় হামলার নিন্দা জানাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সারা বিশ্বের মিত্রদের পাশে দাঁড়িয়েছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.presidency.ucsb.edu/documents/statement-the-chemical-weapons-attack-khan-sheikhoun-syria সিরিয়ার খান শেখাউনে রাসায়নিক অস্ত্র হামলা সম্পর্কে বিবৃতি] থেকে উদ্ধৃত, ''আমেরিকান প্রেসিডেন্সি প্রজেক্ট'', (৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭)
* অনেকের জন্যই এটি ছিল এক ধীরগতির এবং নৃশংস মৃত্যু... এমনকি সুন্দর ছোট শিশুদেরও এই অত্যন্ত বর্বরোচিত হামলায় নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়েছে।
** সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র হামলা সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প]], [http://www.nydailynews.com/news/politics/trump-blasts-syria-murdering-civilians-u-s-strike-article-1.3027449 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিমান ঘাঁটিতে অন্তত ৫০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পর রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প নিজের দেশের মানুষকে 'নিষ্ঠুরভাবে হত্যার' জন্য সিরিয়ার সমালোচনা করেছেন], ৬ এপ্রিল ২০১৭।
* আমরা রাতের খাবার শেষ করেছিলাম। তখন আমরা মিষ্টান্ন খাচ্ছিলাম। আর আমাদের কাছে সবচেয়ে চমৎকার এক টুকরো চকোলেট কেক ছিল যা আপনি কখনও দেখেননি, এবং রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং সেটি উপভোগ করছিলেন।
* তো যা হলো, আমি বললাম যে আমরা মাত্রই ৫৯টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছি যা ইরাকের দিকে যাচ্ছে। [সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী তাকে সংশোধন করে দেন] হ্যাঁ, সিরিয়ার দিকে যাচ্ছে।
** চীনা রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের সাথে ডিনার করার সময় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প]], [http://www.cnn.com/2017/04/12/politics/donald-trump-xi-jingping-syria-chocolate-cake/ 'চমৎকার' চকোলেট কেক খেতে খেতে ট্রাম্প ও শি সিরিয়ায় হামলা নিয়ে কথা বলেছেন], ১২ এপ্রিল ২০১৭।
* তো এটি আমেরিকায় কৃষি এবং গ্রামীণ সমৃদ্ধিকে উৎসাহিত করার জন্য। আর এখন, এখানে অনেক কথা আছে, আমি সবকিছু পড়ার ঝামেলায় যাব না।
** [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/04/25/remarks-president-trump-farmers-roundtable-and-executive-order-signing আমেরিকায় কৃষি এবং গ্রামীণ সমৃদ্ধি বাড়াতে কৃষকদের গোলটেবিল বৈঠক এবং নির্বাহী আদেশে সই করার সময় রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্যে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৫ এপ্রিল ২০১৭)
[[চিত্র:Shinzō_Abe_and_Donald_Trump_in_Palm_Beach_(3).jpeg|থাম্ব|আমি ভেবেছিলাম এটি আরও সহজ হবে।]]
* আমি ভেবেছিলাম এটি আরও সহজ হবে।
** রয়টার্সের সাথে এক [http://www.reuters.com/article/us-usa-trump-100days-idUSKBN17U0CA সাক্ষাৎকারে তার প্রথম ১০০ দিন সম্পর্কে আলোচনা করার সময়] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৭ এপ্রিল ২০১৭)
* আমি মনে করি প্রথম ১০০ দিনে আমরা হয়তো যে কোনো রাষ্ট্রপতির চেয়ে বেশি কাজ করেছি... হ্যারি ট্রুম্যান-এর পর আর কেউ এত কাজ করেনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের]] সাথে সাক্ষাৎকার, [http://www.washingtonexaminer.com/full-interview-with-president-trump-on-his-first-100-days/article/2621516 তার প্রথম ১০০ দিন সম্পর্কে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের সাথে পূর্ণাঙ্গ সাক্ষাৎকার], ২৮ এপ্রিল ২০১৭।
==== মে ২০১৭ ====
* কোনো আমেরিকানকে ফেডারেল সরকারের নির্দেশ এবং তাদের বিশ্বাসের নীতির মধ্যে কোনো একটিকে বেছে নিতে বাধ্য করা উচিত নয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://www.foxnews.com/opinion/2017/05/04/what-trump-understands-about-religious-liberty-in-america.html আমেরিকায় ধর্মীয় স্বাধীনতা সম্পর্কে ট্রাম্প কী বোঝেন?] থেকে উদ্ধৃত (৪ মে ২০১৭)
[[চিত্র:James_Comey_official_portrait.jpg|থাম্ব|আমি মাত্রই এফবিআই প্রধানকে বরখাস্ত করেছি। তিনি পাগল ছিলেন, এক্কেবারে বদ্ধ পাগল।]]
* আমি মাত্রই এফবিআই প্রধানকে বরখাস্ত করেছি। তিনি পাগল ছিলেন, এক্কেবারে বদ্ধ পাগল।<br>..<br>রাশিয়া নিয়ে আমি প্রচণ্ড চাপের মুখে ছিলাম। সেটা এখন কেটে গেছে।<br>..<br>আমার বিরুদ্ধে কোনো তদন্ত চলছে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], বৈঠকের আনুষ্ঠানিক বিবরণ অনুযায়ী [https://www.nytimes.com/2017/05/19/us/politics/trump-russia-comey.html হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রিত রুশ কর্মকর্তাদের সাথে ট্রাম্পের কথোপকথনের অংশ] থেকে উদ্ধৃত (১০ মে ২০১৭)
* আপনি কি আগে কখনও এই কথাটি ব্যবহার করতে শুনেছেন? কারণ আমি শুনিনি। মানে, আমি ঠিক... কয়েক দিন আগে এটি মাথায় এল আর আমার মনে হলো এটি বেশ ভালো। এটাই আপনাদের করতে হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [[দি ইকোনমিস্ট]]ে প্রকাশিত একটি সাক্ষাৎকারে অর্থনৈতিক উদ্দীপনা প্রসঙ্গে [http://www.economist.com/Trumptranscript "প্রাইম দ্য পাম্প" শব্দটি উদ্ভাবনের দাবি করেছেন] (১১ মে ২০১৭)
* আর সত্যি বলতে, যখন আমি এটি করার সিদ্ধান্ত নিই, তখন আমি নিজেকে বলেছিলাম, "জানো তো, ট্রাম্প আর রাশিয়াকে নিয়ে এই রাশিয়ার ব্যাপারটা আসলে একটা সাজানো গল্প। নির্বাচনে হারার পর ডেমোক্র্যাটরা এটি একটি অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করছে।"
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://www.nbcnews.com/nightly-news/video/president-trump-this-russia-thing-is-a-made-up-story-941962819745 এনবিসির লেস্টার হোল্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেছেন] যে ফেডারেল তদন্তের ওপর বিরক্তিই ছিল এফবিআই পরিচালক জেমস কোমিকে বরখাস্ত করার একটি কারণ (১১ মে ২০১৭)
* সমালোচক হওয়ার চেয়ে সহজ বা করুণ আর কিছু নেই। কারণ তারা এমন লোক যারা কাজ শেষ করতে পারে না। কিন্তু ভবিষ্যৎ স্বপ্নদ্রষ্টাদের জন্য, সমালোচকদের জন্য নয়। ভবিষ্যৎ সেই সব মানুষের জন্য যারা সমালোচকরা যা-ই বলুক না কেন, নিজেদের মনের কথা শোনে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=B421uhrOV-o&feature=youtu.be&t=12m34s লিবার্টি ইউনিভার্সিটির সমাবর্তন ভাষণ] থেকে উদ্ধৃত (১৩ মে ২০১৭)
* ইদানীং আমার সাথে বিশেষ করে সংবাদমাধ্যম যেভাবে আচরণ করছে তা দেখুন। ইতিহাসের কোনো রাজনীতিবিদের সাথে, এবং আমি এটি খুব নিশ্চিতভাবেই বলছি, এর চেয়ে খারাপ বা অন্যায় আচরণ করা হয়নি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/us-news/video/2017/may/17/donald-trump-media-coast-guard-speech-video "ইউএস কোস্ট গার্ড একাডেমির সমাবর্তন অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তৃতায় সংবাদমাধ্যমের সমালোচনা করার সময়"] থেকে উদ্ধৃত (১৭ মে ২০১৭)
* ওহ আমার ঈশ্বর। এটি ভয়ংকর। '''এটিই আমার রাষ্ট্রপতিত্বের শেষ। আমি শেষ।'''
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], রাশিয়া তদন্তে একজন স্পেশাল কাউন্সিল নিয়োগের বিষয়ে। রবার্ট এস. মুলার ৩য় লিখিত [https://commons.wikimedia.org/wiki/File:Report_On_The_Investigation_Into_Russian_Interference_In_The_2016_Presidential_Election.pdf "রিপোর্ট অন দ্য ইনভেস্টিগেশন ইনটু রাশিয়ান ইন্টারফারেন্স ইন দ্য ২০১৬ প্রেসিডেন্সিয়াল ইলেকশন"], ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ৭৮-এ উদ্ধৃত।
* অনেক তরুণ, সুন্দর, নিষ্পাপ মানুষ যারা জীবনকে উপভোগ করছিল, জীবনের কিছু শয়তান লুজার তাদের হত্যা করেছে। আমি তাদের দানব বলব না কারণ তারা ওই শব্দটি পছন্দ করবে। তারা ভাববে এটি একটি চমৎকার নাম। আমি এখন থেকে তাদের লুজার বলব কারণ তারা তা-ই। তারা লুজার। আর আমরা এমন আরও অনেককে পাব। কিন্তু তারা ব্যর্থ, শুধু এটা মনে রাখবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theatlantic.com/international/archive/2017/05/trump-manchester-losers/527745/ দি আনটলান্টিক] থেকে উদ্ধৃত
==== জুন ২০১৭ ====
* আমি প্যারিসের নয়, বরং পিটসবার্গের নাগরিকদের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য নির্বাচিত হয়েছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/06/01/statement-president-trump-paris-climate-accord প্যারিস জলবায়ু চুক্তি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বিবৃতি], যেখানে তিনি প্যারিস চুক্তি থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেন (১ জুন ২০১৭)
* ইতিহাস স্বপ্নদ্রষ্টাদের দ্বারা লেখা হয়, সন্দেহবাদীদের দ্বারা নয়।
[[চিত্র:Family trump in the Easter Egg Roll (cropped).jpg|থাম্ব|আমি ধনী-দরিদ্র সব মানুষকেই ভালোবাসি, কিন্তু বিশেষ ওই পদগুলোর জন্য আমি কোনো দরিদ্র মানুষকে চাই না।]]
* আমি ধনী-দরিদ্র সব মানুষকেই ভালোবাসি, কিন্তু বিশেষ ওই পদগুলোর জন্য আমি কোনো দরিদ্র মানুষকে চাই না।
* আমরা দেওয়ালটিকে একটি সৌর দেওয়াল হিসেবে তৈরির কথা ভাবছি, যাতে এটি শক্তি উৎপাদন করে এবং নিজের খরচ নিজেই মেটাতে পারে। আর এভাবে মেক্সিকোকে অনেক কম টাকা দিতে হবে, আর সেটা ভালো, তাই না? আপনারা প্রথম দল যাদের আমি এটি বললাম। একটি সৌর দেওয়াল, এর মানে হয়। দেখা যাক, আমরা এটি নিয়ে কাজ করছি। সৌর দেওয়াল, প্যানেল, চমৎকার। মানে আসলে ভেবে দেখুন, এটি যত উঁচুতে যাবে এর মূল্য তত বাড়বে, এটি অনেকটা... বেশ ভালো কল্পনাশক্তি ''[নিজের মাথার দিকে ইশারা করে]'', তাই না, ভালো? আমার পরিকল্পনা।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://www.foxnews.com/politics/2017/06/21/president-trump-holds-iowa-rally-live-blog.html আইওয়ার সিডার র্যাপিডসে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের জনসভা] থেকে উদ্ধৃত (২১ জুন ২০১৭)
* দেখুন আমি তাকে রেকর্ড করিনি — কী ঘটছে তা আপনি কখনোই বুঝতে পারবেন না, যখন আপনি দেখবেন যে ওবামা প্রশাসন, এবং সম্ভবত তার চেয়েও বেশি সময় ধরে, এই সব মুখোশ উন্মোচন এবং নজরদারি করছিল। আর আপনি যখন চারিদিকে নজরদারি করার মতো গুরুতর এবং ভয়াবহ পরিস্থিতি সম্পর্কে সব পড়বেন, যেমনটা আমি গত কয়েক মাস ধরে পড়ছি। আর আপনারা 'মুখোশ উন্মোচন' শব্দটি শুনেছেন, এমন একটি শব্দ যা আপনারা হয়তো আগে কখনও শোনেননি। তাই সেখানে কী আছে আপনি কখনও জানবেন না — তবে আমি রেকর্ড করিনি, আর আমার কাছে কোনো টেপ নেই, আর আমি রেকর্ড করিনি।
* ভালো, এটি খুব একটা বোকামি ছিল না, আমি আপনাকে তা বলতে পারি। ''[সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী যখন ইঙ্গিত দেন যে রেকর্ড বা টেপ আছে বলে তার টুইট করা একটি চালাকি ছিল, তার জবাবে]''
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://insider.foxnews.com/2017/06/23/trump-comey-tapes-tweet-mueller-probe-fox-friends-interview "ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডসে এইন্সলি ইয়ারহার্ডের নেওয়া ট্রাম্পের সাক্ষাৎকার"] থেকে উদ্ধৃত (২৩ জুন ২০১৭)
* আমি শুনলাম কম রেটিংয়ের জো স্কারবোরো আমাকে নিয়ে খারাপ কথা বলছে (আর দেখি না)। তাহলে কম বুদ্ধির পাগল মিকা আর সাইকো জো কেন নিউ ইয়ার ইভের আশেপাশে টানা ৩ রাত মার-আ-লাগোতে এসেছিল এবং আমার সাথে যোগ দেওয়ার জন্য জোরাজুরি করেছিল? ফেস-লিফটের কারণে তার মুখ থেকে রক্ত পড়ছিল। আমি না বলে দিয়েছিলাম!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.nytimes.com/2017/06/29/business/media/trump-mika-brzezinski-facelift.html "ট্রাম্প মিকা ব্রজেজিনস্কিকে বিদ্রূপ করেছেন"] থেকে উদ্ধৃত (২৯ জুন ২০১৭)
[[চিত্র:Donald_Trump_(29273256122)_-_Cropped.jpg|থাম্ব|মানুষের আত্মা অজানাকে জানার জন্য ব্যাকুল থাকে। মহাবিশ্বের রহস্য উন্মোচনের মাধ্যমে আমরা নিজেদের ভেতরের সত্যকেও উন্মোচন করি।]]
* মানুষের আত্মা অজানাকে জানার জন্য ব্যাকুল থাকে। মহাবিশ্বের রহস্য উন্মোচনের মাধ্যমে আমরা নিজেদের ভেতরের সত্যকেও উন্মোচন করি। এটা সত্যি। আমাদের মহাকাশ যাত্রা শুধু আমাদের শক্তিশালী আর সমৃদ্ধই করবে না, বরং আমাদের বড় লক্ষ্যগুলোর পেছনে ঐক্যবদ্ধ করবে এবং সবাইকে আরও কাছাকাছি নিয়ে আসবে। এটা কি দারুণ হবে না? আপনারা কি বিশ্বাস করতে পারেন যে মহাকাশ এমনটা করবে? আমি ভেবেছিলাম রাজনীতি হয়তো এটা করবে। (হাসি)। যাই হোক, আমাদের এখন মহাকাশের ওপরই ভরসা করতে হবে।
* প্রতিবার আকাশে কোনো কিছুর উৎক্ষেপণ আমাদের এমন এক ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায় যেখানে আমাদের সাধারণ মানবিকতার বিশালতার সামনে আমাদের পার্থক্যগুলো ছোট মনে হয়। অনেক সময় সত্যকে দেখার জন্য কোনো কিছুকে দূর থেকে দেখতে হয়। জ্ঞানের চিরন্তন সন্ধানে মানবতার অগ্রভাগে থাকা এবং অজানার অভিযানে জাতিগুলোর মধ্যে নেতৃত্ব দেওয়া আমেরিকার ভাগ্য।
* মহাকাশ। বাইরে অনেক জায়গা আছে, তাই না? ''[বাজ অলড্রিন মাঝপথে বলেন: অসীমের পথে এবং তারও ঊর্ধ্বে!]'' এটা অসীম, এটা অসীম হতে পারে, আমরা ঠিক জানি না। তবে হতেও পারে, সেখানে নিশ্চয়ই কিছু আছে, তবে এটা অসীম হতে পারে, তাই তো?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/06/30/remarks-president-signing-executive-order-national-space-council "ন্যাশনাল স্পেস কাউন্সিলের একটি নির্বাহী আদেশে সই করার সময় ট্রাম্পের বক্তব্য"] থেকে উদ্ধৃত (৩০ জুন ২০১৭)
==== জুলাই ২০১৭ ====
* আমাদের সময়ের মৌলিক প্রশ্নটি হলো পশ্চিমা বিশ্বের বেঁচে থাকার ইচ্ছা আছে কি না। যেকোনো মূল্যে আমাদের মূল্যবোধ রক্ষা করার আত্মবিশ্বাস কি আমাদের আছে? আমাদের সীমান্ত রক্ষা করার জন্য নাগরিকদের প্রতি কি আমাদের যথেষ্ট সম্মান আছে? যারা আমাদের সভ্যতাকে নসাৎ বা ধ্বংস করতে চায়, তাদের মুখে দাঁড়িয়ে আমাদের সভ্যতা টিকিয়ে রাখার আকাঙ্ক্ষা ও সাহস কি আমাদের আছে?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/07/06/remarks-president-trump-people-poland-july-6-2017 "পোল্যান্ডের জনগণের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্য"] (৬ জুলাই ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত
* ...ওবামাকেয়ারকে ব্যর্থ হতে দিন, এটি অনেক সহজ হবে। এবং আমি মনে করি আমরা সম্ভবত এমন অবস্থানে আছি যেখানে আমরা ওবামাকেয়ারকে ব্যর্থ হতে দেব। আমরা এর দায় নেব না। আমি এর দায় নেব না। আমি আপনাদের বলতে পারি যে রিপাবলিকানরা এর দায় নেবে না। আমরা ওবামাকেয়ারকে ব্যর্থ হতে দেব এবং তারপর ডেমোক্র্যাটরা আমাদের কাছে আসবে।
** হোয়াইট হাউসের এক সংবাদ সম্মেলন, ১৮ জুলাই ২০১৭, থমাস কাপলান লিখিত [https://www.nytimes.com/2017/07/18/us/politics/republicans-obamacare-repeal-now-replace-later.html রিপাবলিকানদের স্বাস্থ্য বিল ভেস্তে যাওয়ার সাথে সাথে ট্রাম্প বলেছেন "ওবামাকেয়ারকে ব্যর্থ হতে দিন]" শীর্ষক নিবন্ধে উদ্ধৃত, ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৮ জুলাই ২০১৭
* আমি অ্যাটর্নি জেনারেলের ওপর হতাশ। দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় পরপরই তার নিজেকে সরিয়ে নেওয়া উচিত হয়নি। আর যদি তিনি নিজেকে সরিয়ে নিতেই চাইতেন, তবে তার উচিত ছিল দায়িত্ব নেওয়ার আগেই আমাকে তা বলা। তাহলে আমি খুব সহজেই অন্য কাউকে বেছে নিতাম। তাই আমি মনে করি এটি একটি খারাপ ব্যাপার, রাষ্ট্রপতির জন্য নয় বরং রাষ্ট্রপতিত্বের জন্য। আমি মনে করি এটি রাষ্ট্রপতিত্বের প্রতি অন্যায় হয়েছে এবং আমি ঠিক এমনটাই মনে করি।
** হোয়াইট হাউসের এক সাংবাদিক সম্মেলনে [https://www.youtube.com/watch?v=ZgImDKyPZwg জেফ সেশনস সম্পর্কে একটি প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প] (২৫ জুলাই ২০১৭)
* আমি বলেছি দয়া করে খুব বেশি ভালো হবেন না। যেমন আপনারা যখন কাউকে গাড়িতে তোলেন এবং তাদের মাথা রক্ষা করেন, আপনারা জানেন, যেভাবে হাত দিয়ে আড়াল করেন যাতে মাথায় আঘাত না লাগে অথচ তারা হয়তো মাত্রই কাউকে খুন করে এসেছে, তাদের মাথায় যাতে আঘাত না লাগে? আমি বললাম, আপনারা হাত সরিয়ে নিতে পারেন, ঠিক আছে।
** লং আইল্যান্ডের সাফোক কাউন্টি কমিউনিটি কলেজে [https://www.youtube.com/watch?v=NFgjNPiq9Cw পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের বক্তব্য (২৮ জুলাই ২০১৭)
===== ২০১৭ ন্যাশনাল স্কাউট জাম্বোরি (২৪ জুলাই ২০১৭) =====
<small>[https://www.youtube.com/watch?v=TplF26czQVE ২০১৭ ন্যাশনাল স্কাউট জাম্বোরিতে তরুণদের অনুপ্রাণিত করছেন ট্রাম্প] (২৪ জুলাই ২০১৭)</small>
* আমি বললাম, ছেলে স্কাউটদের সামনে দাঁড়িয়ে কে রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে চায়, তাই না?
* আপনারা জানেন, আমি ওয়াশিংটনে যাই এবং এই সব রাজনীতিবিদদের দেখি, আর আমি সেই সোয়াম্প দেখি। এটি কোনো ভালো জায়গা নয়। আসলে আজ আমি বলেছি যে আমাদের 'সোয়াম্প' শব্দটি বদলে 'সেসপুল' বা হয়তো 'সুয়্যার' শব্দ ব্যবহার করা উচিত। তবে এটি ভালো নয়, একদমই ভালো নয়।
* সেক্রেটারি টম প্রাইসও এখানে আছেন। আজ ডক্টর প্রাইস আমাদের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা সচিব হিসেবে লক্ষ লক্ষ আমেরিকানকে শক্তিশালী এবং সুস্থ রাখতে সাহায্য করার মাধ্যমে স্কাউট শপথ অনুযায়ী কাজ করে চলেছেন এবং তিনি চমৎকার কাজ করছেন। আর আশা করি তিনি ওবামাকেয়ার নামের এই ভয়ংকর জিনিসটিকে শেষ করার পথে আগামীকাল প্রয়োজনীয় ভোট পাবেন যা আমাদের সত্যিই ক্ষতি করছে। যাই হোক, আপনি কি ভোটগুলো পাবেন? তাকে সেগুলো পেতেই হবে। তাকে সেগুলো পেতেই হবে। ওহ, তাকে পেতেই হবে, অন্যথায় আমি বলব, "টম, তোমাকে বরখাস্ত করা হলো।"
* দয়া করে ওই ক্যামেরাগুলো পেছনের দিকে ঘোরান, ওটা অবিশ্বাস্য। যাই হোক, আপনাদের কী মনে হয় এই বিশাল এবং রেকর্ড সৃষ্টিকারী ভিড় আজ রাতে টেলিভিশনে দেখানোর সম্ভাবনা কতটুকু? ১ শতাংশ না কি শূন্য? ভুয়া মিডিয়া বলবে, "রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প", আর আপনারা জানেন এটি কী, "রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প আজ ছেলে স্কাউটদের এক ছোট ভিড়ের সামনে ভাষণ দিয়েছেন।"
* যাই হোক, শুধু একটা প্রশ্ন, রাষ্ট্রপতি ওবামা কি কখনো কোনো জাম্বোরিতে এসেছিলেন?
* আর আপনারা জানেন ইলেক্ট্রোরাল কলেজে আমাদের অনেক অসুবিধা আছে, পপুলার ভোট পাওয়া অনেক সহজ।
==== আগস্ট ২০১৭ ====
* [[উত্তর কোরিয়া]]র জন্য এটাই সবচেয়ে ভালো হবে যেন তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে আর কোনো হুমকির আঙুল না তোলে। তাদের এমন '''আগুন আর প্রচণ্ড রাগের মোকাবিলা করতে হবে যা দুনিয়া আগে কখনো দেখেনি'''। তিনি একটি সাধারণ রাষ্ট্রের সীমা ছাড়িয়ে অনেক বেশি হুমকি দিচ্ছেন। তাদের এমন '''আগুন, প্রচণ্ড রাগ আর সত্যি বলতে এমন শক্তির''' মুখে পড়তে হবে যা এই পৃথিবী আগে কখনো দেখেনি।
** ওপিওয়েড অতিমারি সংক্রান্ত এক জনসভায় উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য।
** সিএনএনেরর [http://www.cnn.com/2017/08/09/politics/trump-fire-fury-improvise-north-korea/index.html ট্রাম্পের 'আগুন ও প্রচণ্ড ক্রোধ' বিষয়ক মন্তব্যটি তাৎক্ষণিক ছিল কিন্তু ছিল বিখ্যাত], ৯ আগস্ট ২০১৭।
* আমরা অনেক পক্ষ থেকে, হ্যাঁ অনেক পক্ষ থেকেই ঘৃণা, গোঁড়ামি আর সহিংসতার এই ভয়াবহ রূপের কড়া ভাষায় নিন্দা জানাই। আমাদের দেশে এটি দীর্ঘ সময় ধরে চলে আসছে। এটি ডোনাল্ড ট্রাম্প বা বারাক ওবামার সময় থেকে নয়, বরং অনেক অনেক দিন ধরে চলছে।
** ভার্জিনিয়ার শার্লটসভিলে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী র্যালির সন্ত্রাস সম্পর্কে প্রথম বিবৃতি। [https://www.theguardian.com/us-news/2017/aug/12/charlottesville-protest-trump-condemns-violence-many-sides] দ্য গার্ডিয়ান। (১২ আগস্ট ২০১৭)
*বর্ণবাদ একটি শয়তানি। আর যারা এর নামে অশান্তি সৃষ্টি করে তারা স্রেফ অপরাধী আর গুন্ডা। কেকেকে, নব্য-নাৎসি, শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী আর অন্যান্য ঘৃণ্য গোষ্ঠীগুলো আমেরিকান হিসেবে আমাদের প্রিয় আদর্শগুলোর পরিপন্থী এবং জঘন্য। যারা গোঁড়ামির নামে অশান্তি ছড়ায় তারা আমেরিকার মূল সত্তায় আঘাত করে। প্রার্থী হিসেবে আমি দেশে আইন-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম এবং আমাদের সরকারি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো সেই কথা রাখছে। আমরা এই লড়াইয়ে কোনো কিছুর কমতি রাখব না যাতে প্রতিটি আমেরিকান শিশু ভয় আর সহিংসতা ছাড়া বড় হতে পারে। আমরা সকল আমেরিকানের পবিত্র অধিকার রক্ষা করব এবং আমরা সবাই মিলে কাজ করব যাতে এই ধন্য দেশের প্রতিটি নাগরিক তাদের মনের স্বপ্ন পূরণ করতে পারে এবং আমাদের আত্মার ভালোবাসা ও আনন্দ প্রকাশ করতে পারে।
** ১১-১২ আগস্ট ২০১৭ তারিখে ভার্জিনিয়ার শার্লটসভিলে অনুষ্ঠিত একটি চরম-ডানপন্থী র্যালিতে সহিংসতার বিষয়ে পরবর্তী বিবৃতি; [http://www.cnn.com/2017/08/14/politics/trump-condemns-charlottesville-attackers/index.html ট্রাম্প কেকেকে, নব্য-নাৎসি আর শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীদের 'জঘন্য' বলেছেন] (১৪ আগস্ট ২০১৭)
*'''হ্যাঁ, আমি মনে করি দুই পক্ষেরই দোষ আছে। আপনারা দুই পক্ষকেই ভালো করে দেখুন, আমার মনে হয় দুই পক্ষেরই দোষ আছে এবং এ নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই, আপনাদেরও থাকা উচিত নয়।''' আর আপনারা যদি এটি সঠিকভাবে তুলে ধরতেন, তবে বলতেন... [সাংবাদিক: নব্য-নাৎসিরা এটি শুরু করেছিল। তারা শার্লটসভিলে এসেছিল। তারা... (সাংবাদিকদের শোরগোল)] মাফ করবেন। শুনুন। '''তারা নিজেদের নব্য-নাৎসি হিসেবে পরিচয় দেয়নি।''' আর সেই দলে কিছু খুব খারাপ মানুষ ছিল। '''কিন্তু দুই পক্ষেই এমন কিছু মানুষ ছিল যারা খুব ভালো মানুষ ছিল।''' সেই দলে এমন কিছু লোক ছিল — মাফ করবেন — আমি আপনাদের মতোই ছবিগুলো দেখেছি। সেই দলে এমন লোক ছিল যারা তাদের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি মূর্তি সরিয়ে ফেলা এবং একটি পার্কের নাম রবার্ট ই. লি থেকে অন্য নামে বদলানোর প্রতিবাদ করতে সেখানে এসেছিল। [সাংবাদিকদের শোরগোল] জর্জ ওয়াশিংটন কি দাসের মালিক ছিলেন না? অবশ্যই ছিলেন। তাহলে কি এখন জর্জ ওয়াশিংটন তার মর্যাদা হারাবেন? আমরা কি — মাফ করবেন — আমরা কি এখন জর্জ ওয়াশিংটনের মূর্তি সরিয়ে ফেলব? থমাস জেফারসনের কথাই ধরুন। আপনারা তাকে পছন্দ করেন, তাই তো? ভালো। আমরা কি এখন তার মূর্তি সরিয়ে ফেলব কারণ তিনি একজন বড় দাসের মালিক ছিলেন? এভাবে তো আপনারা ইতিহাস আর সংস্কৃতিকেই বদলে দিচ্ছেন। সেই দলে এমন কিছু লোক ছিল — এবং '''আমি নব্য-নাৎসি আর শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদীদের কথা বলছি না, কারণ তাদের পুরোপুরি নিন্দা জানানো উচিত''' — কিন্তু সেই দলে '''নব্য-নাৎসি আর শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী ছাড়াও আরও অনেক সাধারণ মানুষ ছিল''', ঠিক আছে? আর সংবাদমাধ্যম তাদের সাথে চরম অন্যায় আচরণ করেছে। আবার অন্য দলেও কিছু ভালো মানুষ ছিল, কিন্তু সেখানে কিছু দাঙ্গাবাজও ছিল যাদের আপনারা '''কালো পোশাক, হেলমেট আর বেসবল ব্যাট''' নিয়ে আসতে দেখেছেন। অন্য দলেও অনেক খারাপ লোক ছিল।
* শনিবার আমি যে বিবৃতিটি দিয়েছিলাম, সেই প্রথম কথাগুলো একদম সঠিক ছিল।
** নিউ ইয়র্কের ট্রাম্প টাওয়ারে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে রয়টার্সের [https://www.reuters.com/article/us-virginia-protests-idUSKCN1AV0WT "ভার্জিনিয়ার প্রাণঘাতী সহিংসতার জন্য ট্রাম্প আবারও উভয় পক্ষকে দায়ী করেছেন"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৫ আগস্ট ২০১৭)। প্রতিলিপি: [https://www.cnbc.com/2017/08/15/read-the-transcript-of-donald-trumps-jaw-dropping-press-conference.html সিএনবিসি], [https://www.vox.com/2017/8/15/16154028/trump-press-conference-transcript-charlottesville ভক্স]।
==== সেপ্টেম্বর ২০১৭ ====
* এটি এমন এক রাষ্ট্রপতিত্ব যার প্রধান বৈশিষ্ট্য আদর্শ নয়, এমনকি নীতিও নয়। এটি হলো এক ধরনের স্নায়বিক সমস্যা।
** ব্রেট স্টিফেনস, [http://archive.is/bD7xJ "ট্রাম্প রক্ষণশীলদের তাদের উপযুক্ত পাওনা বুঝিয়ে দিচ্ছেন"] (১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস''
* ভেনেজুয়েলার সমস্যা এটা নয় যে সেখানে [[সমাজতন্ত্র]] ঠিকমতো বাস্তবায়ন করা হয়নি। বরং সমস্যাটা হলো সেখানে সমাজতন্ত্র ঠিকঠাকভাবেই বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭২তম অধিবেশনে দেওয়া তার প্রথম ভাষণে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। (১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭)
* আপনারা এর চেয়ে ভালো একটা কাজই করতে পারেন যদি দেখেন এমনটা হচ্ছে, এমনকি একজন খেলোয়াড়ও যদি এমন করে, তবে স্টেডিয়াম ছেড়ে চলে যান। আমি কথা দিচ্ছি, এসব বন্ধ হয়ে যাবে। এসব বন্ধ হবেই। শুধু উঠে চলে যান। উঠে চলে যান। এমনিতেও খেলাটা আর আগের মতো নেই। আপনারা কি দেখতে চাইবেন না যে এনএফএলের মালিকদের কেউ একজন, যখন কেউ আমাদের পতাকাকে অসম্মান করছে, তখন বলছেন, 'ওই কুত্তার বাচ্চাকে এখনই মাঠ থেকে বের করে দাও। বের করো! ওকে বরখাস্ত করা হলো। ওকে বরখাস্ত করা হলো!'
** অ্যালাবামার হান্টসভিলে এক জনসভায় মার্কিন পতাকার বিরুদ্ধে এনএফএল খেলোয়াড়দের প্রতিবাদ প্রসঙ্গে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
** {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৭-০৯-২২ |শিরোনাম=জাতীয় সংগীতে হাঁটু গেড়ে বসার জন্য এনএফএল খেলোয়াড়দের বরখাস্তের দাবি জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প — এবং তারা এর জবাব দিয়েছে |লেখক=অ্যারিক জেনকিন্স |সাময়িকী=ফরচুন |ইউআরএল=http://fortune.com/2017/09/23/donald-trump-nfl-players-anthem-response/}}
* হোমল্যান্ড সিকিউরিটি থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষা বিভাগ পর্যন্ত আমাদের সরকারের সব যথাযথ বিভাগ এই দুর্যোগ মোকাবিলায় পুরোপুরি নিয়োজিত আছে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে উদ্ধার ও পুনরুদ্ধারের এমন প্রচেষ্টা হয়তো আগে কখনো দেখা যায়নি। এটি একটি দ্বীপ যার চারিদিকে জল, বিশাল জলরাশি, সমুদ্রের জল।
** ঘূর্ণিঝড় মারিয়া সম্পর্কে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
** {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৭-০৯-২৯ |শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন পুয়ের্তো রিকো হলো 'বিশাল জলরাশি বেষ্টিত একটি দ্বীপ' |লেখক=এমিলি শুগারম্যান |সাময়িকী=দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট |অবস্থান=ইউকে |ইউআরএল=https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-politics/donald-trump-puerto-rico-hurricane-maria-comments-island-big-water-a7975011.html}}
==== অক্টোবর ২০১৭ ====
* আপনারা কি জানেন এটি কিসের প্রতীক? হয়তো এটি ঝড়ের আগের শান্ত মুহূর্ত। ''[সাংবাদিক: কিসের ঝড়?]'' হতে পারে ঝড়ের আগের শান্ত, একদম শান্ত একটা ভাব। [সাংবাদিক: কিসের ঝড় মিস্টার প্রেসিডেন্ট?] এই ঘরে বিশ্বের সেরা সামরিক ব্যক্তিরা আছেন, আমি শুধু আপনাদের এটাই বলব, আর আমাদের সন্ধ্যাটা খুব চমৎকার কাটবে। ''[সাংবাদিক: কিসের ঝড় মিস্টার প্রেসিডেন্ট?]'' আপনারা জানতে পারবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.washingtonpost.com/news/post-politics/wp/2017/10/06/trump-gathers-with-military-leaders-says-maybe-its-the-calm-before-the-storm/ "হোয়াইট হাউসে ছবি তোলার সময় দেওয়া বক্তব্য"] থেকে উদ্ধৃত (৬ অক্টোবর ২০১৭)
* সংবাদমাধ্যম হলো — সত্যি বলতে, আমার উদ্ভাবিত সেরা শব্দগুলোর একটি হলো "ফেক" (ভুয়া)। আমার ধারণা হয়তো অন্য মানুষও বছরের পর বছর এটি ব্যবহার করেছে, কিন্তু আমি কখনো তা খেয়াল করিনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ড্যানিয়েল ডেল লিখিত [https://www.thestar.com/news/world/2017/10/08/donald-trump-defends-paper-towels-in-puerto-rico-says-stephen-paddock-was-probably-smart-in-bizarre-tv-interview-analysis.html এক বিচিত্র টিভি সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প পুয়ের্তো রিকোর পেপার টাওয়েল নিয়ে আত্মপক্ষ সমর্থন করেছেন এবং স্টিফেন প্যাডক সম্পর্কে বলেছেন সে 'সম্ভবত বুদ্ধিমান' ছিল: একটি বিশ্লেষণ] শীর্ষক নিবন্ধে উদ্ধৃত, দ্য স্টার ডট কম, ৮ অক্টোবর ২০১৭
* চেইন মাইগ্রেশন হলো অন্যতম এক বিপর্যয়। আপনি একজনকে আসতে দিচ্ছেন আর সেই একজন ১০ বা ১২ জনকে নিয়ে আসছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ১১ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে [https://abcnews.go.com/US/times-trump-slammed-chain-migration-apparently-helped-wifes/story?id=57132429 শন হ্যানিটি]র নেওয়া সাক্ষাৎকারে
* আর আমরা এটি সেই সব বাবা-মায়েদের মধ্যে দেখি যারা ভোরবেলায় ঘুম থেকে ওঠেন; তারা দুটো চাকরি করেন, কখনো কখনো তিনটা চাকরিও করেন। তারা প্রতিদিন আসবাবপত্র এবং তাদের সন্তানদের ভবিষ্যতের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.palmerreport.com/opinion/random-words-donald-trump/5573/ ২০১৭ ভ্যালুস ভোটার সামিটে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্য] থেকে উদ্ধৃত (১৩ অক্টোবর ২০১৭)
* এইমাত্র খবর এল: "চরমপন্থী ইসলামি সন্ত্রাসের প্রসারের মাঝে যুক্তরাজ্যে বার্ষিক অপরাধের হার ১৩% বেড়েছে।" ভালো কথা নয়, আমাদের অবশ্যই আমেরিকাকে নিরাপদ রাখতে হবে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.snopes.com/trump-uk-terrorism/ @রিয়েলডোনাল্ডট্রাম্প এর টুইট] থেকে উদ্ধৃত (২০ অক্টোবর ২০১৭)
* আমাদের সম্পর্ক খুব ভালো। লোকে বলে যেকোনো রাষ্ট্রপতি-রাষ্ট্রপতির মধ্যে আমাদের সম্পর্ক সবচেয়ে সেরা, কারণ তাকেও রাষ্ট্রপতি বলা হয়। এখন কেউ কেউ তাকে চীনের রাজা বলে ডাকতে পারে, কিন্তু তাকে রাষ্ট্রপতিই বলা হয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ২৫ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে [https://www.realclearpolitics.com/video/2017/10/25/full_lou_dobbs_interview_trump_asks_what_could_be_more_fake_than_cbs_nbc_abc_and_cnn.html ফক্স বিজনেসে লু ডবসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শি জিনপিং প্রসঙ্গে] থেকে উদ্ধৃত
==== নভেম্বর ২০১৭ ====
* কিম জং-উন কেন আমাকে "বুড়ো" বলে অপমান করবেন, যেখানে আমি তাকে কখনোই "বেঁটে আর মোটা" বলি না? যা-ই হোক, আমি তার বন্ধু হওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছি — হয়তো কোনো একদিন তেমনটা হয়েও যাবে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], কোরি চার্লটন লিখিত [https://www.thesun.co.uk/news/4895959/donald-trump-calls-kim-jong-un-short-and-fat-and-says-hes-trying-hard-to-be-his-friend/ ডোনাল্ড ট্রাম্প কিম জং-উনকে 'বেঁটে আর মোটা' বলেছেন এবং বলেছেন যে তিনি 'তার বন্ধু হওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছেন'] শীর্ষক নিবন্ধে উদ্ধৃত, ''দ্য সান'', ৮ নভেম্বর ২০১৭
* [[হোয়াইট হাউস]]ে ভারতের একজন প্রকৃত বন্ধু আছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ২৮ নভেম্বর ২০১৭, [http://indianexpress.com/article/india/india-has-true-friend-at-white-house-says-ivanka-trump-at-global-entrepreneurship-summit-full-text-ivanka-trump/ গ্লোবাল এন্টারপ্রেনারশিপ সামিটে ইভানকা ট্রাম্প বলেছেন হোয়াইট হাউসে ভারতের অকৃত্রিম বন্ধু আছে], ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
==== ডিসেম্বর ২০১৭ ====
* সে অনেক মানুষকে মেরে ফেলেছে, তাদের ওপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে দিয়েছে। আর এসব হয়েছে ওই ধারাবাহিক অভিবাসনের সুযোগে। এই নিয়ম অনুযায়ী, দেখা যাচ্ছে তার সাথে হয়তো ২২ থেকে ২৪ জন লোক এ দেশে এসেছিল। তার দাদা, দাদি, মা, বাবা, ভাই আর বোনেরা। আমাদের এই ধারাবাহিক অভিবাসন ব্যবস্থা বন্ধ করতে হবে। আমাদের এটি বন্ধ করতেই হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.breitbart.com/politics/2017/12/08/trump-time-congress-adopt-pro-american-immigration-agenda/ ৮ ডিসেম্বর ২০১৭] থেকে উদ্ধৃত
=== ২০১৮ ===
==== জানুয়ারি ২০১৮ ====
* গত ১৫ বছরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বোকার মতো পাকিস্তানকে ৩৩ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি সাহায্য দিয়েছে, তারা আমাদের মিথ্যা আর প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই দেয়নি; আমাদের নেতাদের তারা বোকা ভেবেছে। আমরা আফগানিস্তানে যেসব সন্ত্রাসীদের খুঁজি, তারা তাদের নিরাপদ আশ্রয় দেয়, আর আমাদের খুব সামান্যই সাহায্য করে। আর না!
** সিএনএন: ২০১৮ সালে ট্রাম্পের প্রথম টুইট: পাকিস্তান আমাদের 'মিথ্যা আর প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই দেয়নি' [https://edition.cnn.com/2018/01/01/politics/donald-trump-2018-pakistan/index.html], দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট [https://www.independent.co.uk/news/world/americas/donald-trump-pakistan-tweet-lies-deceit-aid-us-president-terrorism-aid-a8136516.html]
* এই দেশে মানহানি আইনগুলো খুব দুর্বল। সেগুলো যদি শক্তিশালী হতো, তবে খুব কাজে দিত। আপনার মাথায় যাই আসুক তাই বলে দিলেন, এমনটা আর হতে পারত না।
** মাইকেল উলফের ''ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি'' সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উত্তর, [https://factba.se/transcript/donald-trump-remarks-questions-camp-david-gop-retreat-january-6-2018 ক্যাম্প ডেভিড ভাষণ] (৬ জানুয়ারি ২০১৮)
* আমি একজন অত্যন্ত সফল ব্যবসায়ী থেকে শীর্ষ টিভি তারকা... তারপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হয়েছি (প্রথম চেষ্টাতেই)। আমি মনে করি এটি আমাকে স্রেফ বুদ্ধিমান নয়, বরং একজন জিনিয়াস হিসেবে প্রমাণ করে... আর তাও আবার এক অত্যন্ত স্থিরবুদ্ধি সম্পন্ন জিনিয়াস!
** টুইটারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], সিএনএনের [https://www.cnn.com/2018/01/06/politics/donald-trump-white-house-fitness-very-stable-genius/index.html ট্রাম্প: আমি একজন 'অত্যন্ত স্থিরবুদ্ধি সম্পন্ন জিনিয়াস'] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (৬ জানুয়ারি ২০১৮)
* আমি ব্যায়াম করি। মানে আমি হাঁটি, এটা ওটা করি। পাশের ভবনে দৌঁড়ে যাই। মানুষ যা ভাবে তার চেয়ে বেশি ব্যায়াম আমি করি।<br>অনেকে জিমে গিয়ে দুই ঘণ্টা কসরত করে। আমি অনেককে দেখেছি... তারপর তাদের ৫৫ বছর বয়সে হাঁটু বা নিতম্ব পাল্টাতে হয়। আমার সেই সমস্যা নেই।<br>আমার মনে হয় তারা সবাই বুঝতে পেরেছে যে এমন একজন রাষ্ট্রপতির ওপরই সব ছাড়তে হবে যিনি পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি নম্বর পেয়েছেন। আমি আর কী বলব?<br>আমি অনেকদিন পর ট্রেডমিলে উঠেছিলাম, সেটির ঢাল খুব বেশি ছিল এবং আমি দীর্ঘ সময় সেখানে ছিলাম।<br>তারা অবাক হয়ে গিয়েছিল। তারা বলল, 'ঠিক আছে, আপনি এখন থামতে পারেন, এটা দারুণ।' আমি বললাম, 'আপনারা চাইলে আমি আরও অনেকক্ষণ করতে পারি।'<br>আমি সব সময় ডায়েটে বিশ্বাস করি কারণ আমি শক্তিশালী, বুঝলেন? আমি বল অনেক দূরে মারতে পারি। মানে আমি শারীরিকভাবে শক্তিশালী।<br>হোয়াইট হাউসে যারা খাবার তৈরি করেন তারা অসাধারণ, কিন্তু আমি মনে করি তারা হয়তো খাবারের পরিমাণ কিছুটা কমাতে পারেন এবং হয়তো চর্বিযুক্ত উপকরণগুলো বাদ দিতে পারেন, এতে আমার কোনো সমস্যা নেই।
** রয়টার্সের সাথে এক [https://www.reuters.com/article/us-usa-trump-fitness/exclusive-exercise-i-get-more-than-people-think-trump-says-idUSKBN1F633B সাক্ষাৎকারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৭ জানুয়ারি ২০১৮)
* বর্তমানে বেশ কিছু অঙ্গরাজ্যে আইন অনুযায়ী নবম মাসে মায়ের গর্ভ থেকে সন্তান জন্ম দেওয়ার অনুমতি আছে। এটি ভুল, এটি পরিবর্তন করা দরকার।
** র্যাচেল ক্রস লিখিত [http://mashable.com/2018/01/19/trump-march-for-life-childbirth/#NXYV1ubFzSqW "ট্রাম্প মূলত সন্তান জন্মদানের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৯ জানুয়ারি ২০১৮), ''ম্যাশাবল''
* আপনি যদি আমাকে বলেন যে তারা খুব খারাপ মানুষ, ভয়ংকর বর্ণবাদী মানুষ, তবে আপনি চাইলে আমি অবশ্যই ক্ষমা চাইব।
** গত নভেম্বরে ব্রিটিশ ফার্স্টের উস্কানিমূলক এবং যাচাই না করা ইসলাম-বিদ্বেষী ভিডিওগুলো রিটুইট করা প্রসঙ্গে [http://www.itv.com/goodmorningbritain/news/piers-morgan-donald-trump-says-sorry-to-britain গুড মর্নিং ব্রিটেনে পিয়ার্স মরগ্যানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]] (২৬ জানুয়ারি ২০১৮)
* ''[সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী: আপনি কি জলবায়ু পরিবর্তনে বিশ্বাস করেন? আপনি কি মনে করেন এর অস্তিত্ব আছে?]'' উম্ম, কখনো ঠান্ডা হয় আবার কখনো গরম হয়, আর দেখুন, আগে একে জলবায়ু পরিবর্তন বলা হতো না, বলা হতো গ্লোবাল ওয়ার্মিং। ''[সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী: ঠিক।]'' তাই না? ওটা খুব একটা কাজে দিচ্ছিল না, কারণ সব জায়গায় খুব বেশি ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছিল। বরফের আস্তরণগুলো গলে যাওয়ার কথা ছিল, এতদিনে তো সেগুলো শেষ হয়ে যাওয়ার কথা, কিন্তু এখন সেগুলো রেকর্ড গড়ছে, সেগুলো এখন রেকর্ড মাত্রায় আছে।
** ব্রিটিশ টিভিতে দেওয়া এক [https://www.itv.com/news/2018-01-29/what-we-learned-from-donald-trumps-interview-with-itv/ সাক্ষাৎকারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৮ জানুয়ারি ২০১৮)
* সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে নিউ ইয়র্কে দুটি সন্ত্রাসী হামলা এই ভিসা লটারি এবং ধারাবাহিক অভিবাসনের কারণেই সম্ভব হয়েছে।
** ব্রেইটবার্টে [https://www.breitbart.com/live/state-union-fact-check-analysis-livewire/fact-check-yes-nyc-terrorists-entered-u-s-chain-migration-visa-lottery/ ৩০ জানুয়ারি ২০১৮] তারিখে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আমরা আমাদের মহান জাতির প্রতি আফ্রিকান আমেরিকানদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানকে সম্মান জানাতে ন্যাশনাল আফ্রিকান আমেরিকান হিস্ট্রি মান্থ পালন করি।
** [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/president-donald-j-trump-proclaims-february-2018-national-african-american-history-month/ ৩১ জানুয়ারি ২০১৮] তারিখে করা ঘোষণায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
*** টুইটারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের রিটুইট, [https://twitter.com/statedept/status/959192815313080323 ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, @স্টেটডিপার্টমেন্ট] এবং [https://twitter.com/whitehouse/status/959481056373149696 ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, @হোয়াইটহাউস]
==== ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ====
[[চিত্র:State_of_the_Union_(39974380282).jpg|থাম্ব|আমরা কি একে দেশদ্রোহিতা বলতে পারি? কেন নয়?]]
* একদিকের অর্ধেক লোক একদম পাগল হয়ে যাচ্ছিল, তারা সব কিছু পছন্দ করছিল, তারা দেশের জন্য ভালো কিছু করতে চায়। আর অন্যদিকে বাকিরা, এমনকি ইতিবাচক খবরেও, সত্যিই খুব ভালো খবরেও তারা এমন মুখ করে ছিল যেন কেউ মারা গেছে। এটা তো দেশপ্রেমবিরোধী। কেউ একজন একে দেশদ্রোহিতা বলেছে, আমার মনে হয়, হ্যাঁ কেন নয়? আমরা কি এটাকে দেশদ্রোহিতা বলতে পারি? কেন নয়?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=zjwPiE1wCU0 সিনসিনাটিতে ডেমোক্র্যাটদের হাততালি না দেওয়া প্রসঙ্গে বক্তব্য], তার স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণের সময় (৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)
* একটি নিরাপদ, আধুনিক আর আইনসম্মত অভিবাসন ব্যবস্থা তৈরির জন্য আমার প্রশাসন তিনটি প্রধান লক্ষ্য স্থির করেছে: সীমান্ত পুরোপুরি সুরক্ষিত করা, ধারাবাহিক অভিবাসন বন্ধ করা আর ভিসা লটারি বাতিল করা। এই ধারাবাহিক অভিবাসন একটি বিপর্যয় এবং আমাদের দেশের জন্য খুব অন্যায্য। এই ভিসা লটারি এমন একটা বিষয় যা শুরুতেই অনুমতি দেওয়া উচিত হয়নি। মানুষ আমাদের দেশে আসার জন্য লটারি খেলে। এটা কেমন ব্যবস্থা? এখন কংগ্রেসের পদক্ষেপ নেওয়ার আর আমেরিকানদের রক্ষা করার সময় এসেছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে [https://abcnews.go.com/US/times-trump-slammed-chain-migration-apparently-helped-wifes/story?id=57132429 এবিসি নিউজ]-এ উদ্ধৃত
* ফেক নিউজ @সিএনএন আর @এনবিসি-তে যেমনটা বলা হয়েছে, আমি কখনো বলিনি যে "শিক্ষকদের হাতে বন্দুক তুলে দাও"। আমি বলেছিলাম সামরিক বা বিশেষ প্রশিক্ষণ পাওয়া দক্ষ শিক্ষকদের হাতে গোপন অস্ত্র রাখার সুযোগ দেওয়ার কথা, শুধুমাত্র সেরাদের জন্য। প্রায় ২০ শতাংশ শিক্ষক, সংখ্যাটা অনেক, তারা এখন সক্ষম হবেন...
* ...কোনো জানোয়ার বা অসুস্থ লোক যদি খারাপ উদ্দেশ্যে স্কুলে আসে, তবে তারা সাথে সাথে পাল্টা গুলি ছুড়তে পারবেন। উচ্চ প্রশিক্ষিত শিক্ষকরা ওই সব কাপুরুষদের সামনে বাধা হিসেবে কাজ করবেন যারা এমন কাজ করে। রক্ষী রাখার চেয়ে অনেক কম খরচে এটি অনেক বেশি কার্যকর হবে। "অস্ত্রহীন" স্কুলগুলো খারাপ লোকদের টানে। হামলা বন্ধ হবেই!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট (২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮), এনবিসি নিউজের [https://www.nbcnews.com/politics/politics-news/trump-defends-arming-teachers-protect-students-sicko-shooter-n850216 "শিক্ষকদের সশস্ত্র করার পক্ষে ট্রাম্পের সাফাই, এনআরএর প্রশংসা"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)
* কারণ আমেরিকার মানুষ সরকারকে পূজা করে না। তারা ঈশ্বরকে পূজা করে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=QsUZCo7hasI সিপ্যাক সম্মেলনে] উদ্ধৃত (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)
* অথবা মাইক, আগে আগ্নেয়াস্ত্রগুলো নিয়ে নাও তারপর আদালতে যাও, কারণ ওটা অন্য ব্যবস্থা। কারণ অনেক সময় আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে পৌঁছাতে অনেক দেরি হয়ে যায়। '''আগেভাগেই বন্দুক কেড়ে নেওয়া আমার পছন্দ।''' যেমন ফ্লোরিডার এই পাগল লোকটার ঘটনায় দেখা গেছে, তার কাছে অনেক অস্ত্র ছিল, সবাই তা দেখেছে, আদালতে যেতে গেলে অনেক সময় লাগত। তাই আপনি যা বলছেন ঠিক সেটাই করতে পারেন, '''তবে আগে বন্দুকগুলো নিয়ে নিন, আইনি প্রক্রিয়া পরে হবে।'''
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে বন্দুক সহিংসতা নিয়ে এক বৈঠকে উদ্ধৃত [https://eu.usatoday.com/story/news/factcheck/2021/10/14/fact-check-trump-made-comment-taking-guns-without-due-process/6070319001/] [https://www.c-span.org/video/?c4907473/user-clip-trump-pence-feb-28-2018] [https://www.factcheck.org/2020/09/trump-said-i-like-taking-the-guns-early-not-harris/]
==== মার্চ ২০১৮ ====
*ভুলে যাবেন না চীন কত শক্তিশালী, আর [[শি জিনপিং]] একজন অত্যন্ত ভদ্রলোক। তিনি এখন আজীবনের জন্য রাষ্ট্রপতি। আমৃত্যু রাষ্ট্রপতি। আর তিনি দুর্দান্ত। দেখুন, তিনি সেটি করে দেখিয়েছেন। আমি মনে করি এটি দারুণ। হয়তো কোনো একদিন আমাদেরও এটি চেষ্টা করে দেখতে হবে।
** মার-এ-লাগোতে এক তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], কেভিন লিপটাক লিখিত [https://www.cnn.com/2018/03/03/politics/trump-maralago-remarks/index.html "ক্ষমতা সুসংহত করা চীনের শি সম্পর্কে ট্রাম্প: ''হয়তো কোনো একদিন আমরাও এটি চেষ্টা করে দেখব''"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, ''সিএনএন'', ৩ মার্চ ২০১৮।
==== এপ্রিল ২০১৮ ====
* আমি হোয়াইট হাউস হিস্টোরিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন এবং সেই সব মানুষকে ধন্যবাদ জানাতে চাই যারা মেলানিয়া এবং বাকি সবার সাথে মিলে এই অবিশ্বাস্য বাড়ি বা ভবনটিকে বা আপনি একে যাই বলতে চান, কারণ আসলে এর উপযুক্ত কোনো নাম নেই; এটি অনন্য, একদম চমৎকার অবস্থায় রাখতে কঠোর পরিশ্রম করছেন। আমরা একে মাঝে মাঝে একদম ঝকঝকে তকতকে বা টিপি-টপ অবস্থা বলি। আর এটি সত্যিই দারুণ একটি জায়গা।
** ইস্টার উপলক্ষে দেওয়া এক ভাষণে [[হোয়াইট হাউস]] প্রসঙ্গে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২ এপ্রিল ২০১৮)
* আর ধারাবাহিক অভিবাসনের কথা ভাবুন একবার। ধরুন আপনি আসলেন, আর এখন আপনি আপনার পরিবারকে নিয়ে আসতে পারছেন, তারপর আপনার মা আর বাবাকে নিয়ে আসতে পারছেন। আপনি আপনার দাদিকেও নিয়ে আসতে পারেন। আপনি আপনার আত্মীয়স্বজনদের নিয়ে আসতে পারেন ম্যানহাটনের ওয়েস্ট সাইড হাইওয়েতে, যা আমি খুব ভালো করেই চিনি, এমন একজন ছিল যে গাড়ি চালিয়ে দিয়েছিল; আমার মনে হয় সে প্রায় আটজনকে মেরে ফেলেছিল।
** ৫ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে [https://abcnews.go.com/US/times-trump-slammed-chain-migration-apparently-helped-wifes/story?id=57132429 এবিসি নিউজে] উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
==== মে ২০১৮ ====
[[চিত্র:Protests after US decision to withdraw from JCPOA, around former US embassy, Tehran - 8 May 2018 25.jpg|থাম্ব|আমরা এমন কোনো [[:w:ইসলামি প্রজাতন্ত্রী ইরান সরকার|শাসনব্যবস্থাকে]] পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাণঘাতী অস্ত্রের নাগাল পেতে দেব না যারা "আমেরিকা ধ্বংস হোক" স্লোগান দেয়।]]
* আমেরিকা পারমাণবিক ব্ল্যাকমেলের কাছে জিম্মি হয়ে থাকবে না। আমরা মার্কিন শহরগুলোকে ধ্বংসের হুমকির মুখে পড়তে দেব না। আর '''আমরা এমন কোনো শাসনব্যবস্থাকে পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাণঘাতী অস্ত্রের নাগাল পেতে দেব না যারা "আমেরিকা ধ্বংস হোক" স্লোগান দেয়।'''
** ৮ মে ২০১৮ তারিখে ইরান পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দেওয়া বক্তব্য [https://www.vox.com/world/2018/5/8/17332494/read-trump-iran-nuclear-deal-speech-full-text-announcement-transcript vox.com]
==== জুন ২০১৮ ====
* অনেক আইন বিশেষজ্ঞ যেমনটা বলেছেন, নিজেকে ক্ষমা করার পূর্ণ অধিকার আমার আছে। কিন্তু আমি তা করতে যাব কেন যখন আমি কোনো ভুলই করিনি?
** ৪ জুন ২০১৮ তারিখে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের [https://www.bbc.com/news/world-us-canada-44359434 মন্তব্য]
* এই ভুয়া সংবাদমাধ্যম গুলো দেখা সত্যিই মজার, বিশেষ করে এনবিসি আর সিএনএন। উত্তর কোরিয়ার সাথে হওয়া চুক্তিটিকে খাটো করে দেখানোর জন্য তারা জানপ্রাণ দিয়ে লড়ছে। ৫০০ দিন আগেও তারা এই চুক্তির জন্য "পায়ে ধরত" তখন তো মনে হচ্ছিল যুদ্ধ লেগে যাবে। আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো এই ভুয়া সংবাদমাধ্যম, যা নির্বোধদের দ্বারা খুব সহজেই ছড়িয়ে দেওয়া হয়!
** ডোনাল্ড ট্রাম্পের করা [https://x.com/realDonaldTrump/status/1006891643985854464 পোস্ট] (১৩ জুন ২০১৮, সকাল ৬:৩০), যা মূলত টুইটারে দেওয়া হয়েছিল।
* এদিকে ডেমোক্র্যাটদের কারণে সাধারণ মানুষ কষ্ট পাচ্ছে। আমরা তৈরি করেছি, আর ওরাও তৈরি করেছে, এবং ওরাই এটা হতে দিয়েছে—একটি বিশাল শিশু পাচার শিল্প। ঠিক এটাই আজ দাঁড়িয়েছে। পাচারকারীরা—একটু ভেবে দেখুন—মানুষ পাচারকারীরা অঢেল অর্থ বানাচ্ছে। এটা লজ্জার বিষয়। এই আইনি ফাঁকফোকরগুলো যখন বিদেশী পরিবার আর অপ্রাপ্তবয়স্কদের অবৈধভাবে সীমান্ত পার হতে বাধ্য করে, তখন তাদের দেশে ছেড়ে দিতে আমরা বাধ্য হই।
** ২১ জুন ২০১৮ তারিখে মন্ত্রিসভার বৈঠকে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের]] [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-cabinet-meeting-9/ বক্তব্য]
* রাষ্ট্রপতির টুইট করা নিয়ন্ত্রণ বা কমানোর চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে, প্রিবাসের এর একটি কার্যকর সমাধান খুঁজছিলেন। যেহেতু এই টুইটগুলো প্রায়ই রাষ্ট্রপতির অত্যধিক টেলিভিশন দেখার কারণে শুরু হতো, তাই তিনি ওই টেলিভিশন বন্ধ করার পথ খুঁজছিলেন। কিন্তু টেলিভিশন দেখা ছিল ট্রাম্পের নিয়মিত কাজ। রবিবার রাতগুলো হতো সবচেয়ে খারাপ। ট্রাম্প তার গলফ রিসোর্টে সপ্তাহান্ত কাটিয়ে ঠিক এমন সময় হোয়াইট হাউসে ফিরতেন যখন তার বিরোধী নেটওয়ার্ক এমএসএনবিসি আর সিএনএনে রাজনৈতিক আলোচনা চলত। রাষ্ট্রপতি আর ফার্স্ট লেডির আলাদা শয়নকক্ষ ছিল। ট্রাম্প বেশিরভাগ সময় একাই তার ঘরে বিশাল টিভি চালিয়ে বসে থাকতেন; হাতে থাকত রিমোট, টিভো আর তার টুইটার অ্যাকাউন্ট। প্রিবাস রাষ্ট্রপতির শয়নকক্ষকে "শয়তানের কারখানা" এবং ভোরের সময় ও বিপজ্জনক রবিবার রাতগুলোকে "ডাইনিদের প্রহর" বলতেন। সকালের ব্যাপারে তার খুব একটা কিছু করার ছিল না, তবে সপ্তাহান্তের সূচির ওপর তার কিছুটা নিয়ন্ত্রণ ছিল। তিনি ট্রাম্পের রবিবার হোয়াইট হাউসে ফেরার সময়টা বিকালের দিকে পিছিয়ে দিতে শুরু করেন। ট্রাম্প রাত ৯টার ঠিক আগে হোয়াইট হাউসে পৌঁছাতেন, যখন এমএসএনবিসি আর সিএনএন সাধারণত হালকা ধরনের অনুষ্ঠান প্রচার করত যেখানে তাৎক্ষণিক রাজনৈতিক বিতর্ক বা তাতে ট্রাম্পের ভূমিকা নিয়ে কোনো আলোচনা থাকত না।
**বব উডওয়ার্ড, ''ফিয়ার: ট্রাম্প ইন দ্য হোয়াইট হাউস'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ১৯৫
* ট্রাম্প প্রশংসা পেতে পছন্দ করতেন তবে গ্রাহামকে বলতেন, "তুমি একজন মধ্যমপন্থী লোক। আমি চাই তুমি ১০০ ভাগ ট্রাম্পের পক্ষে থাকো।" এটি সেই আনুগত্যের অঙ্গীকারের মতোই ছিল যা এফবিআইয়ের তৎকালীন পরিচালক জেমস কোমি বলেছিলেন যে ট্রাম্প তার কাছে চেয়েছিলেন। কোমির মতে, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির প্রথম সপ্তাহে হোয়াইট হাউসের গ্রিন রুমে তাদের সেই বিখ্যাত একান্ত ডিনারের সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, "আমার আনুগত্য দরকার। আমি আনুগত্য আশা করি।" গ্রাহাম জিজ্ঞেস করলেন, "ঠিক আছে, সমস্যাটা কোথায়? আগে শুনি, তারপর বলব আমি ১০০ ভাগ আপনার পক্ষে কি না।" ট্রাম্প বললেন, "তুমি প্রায় ৮২ শতাংশ পক্ষে।" "আসলে কিছু দিন আমি ১০০ ভাগ থাকি, আবার কিছু দিন শূন্যও হতে পারি।" "আমি চাই তুমি সবসময় ১০০ ভাগ আমার লোক হয়ে থাকো।" গ্রাহাম পাল্টা জিজ্ঞেস করলেন, "আপনি যখন ভুল করবেন তখন আমি কেন বলব যে আপনি ঠিক? তাতে আপনার বা আমার কী লাভ? রাষ্ট্রপতির এমন মানুষ দরকার যারা সত্যিটা মুখের ওপর বলতে পারে। আমি আজেবাজে কথা বলছি কি না তা দেখার দায়িত্ব আপনার।"
** বব উডওয়ার্ড, ''ফিয়ার: ট্রাম্প ইন দ্য হোয়াইট হাউস'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ৩১৭
* কিন্তু সেই মানুষটি আর তার প্রেসিডেন্সির মধ্যে ডাউড এক করুণ ত্রুটি দেখতে পেয়েছিলেন। রাজনৈতিক বাদানুবাদ, এড়িয়ে যাওয়া, অস্বীকার করা, টুইট করা, ধোঁয়াশা তৈরি করা, "ভুয়া সংবাদ" বলে চিৎকার করা আর ক্ষোভ প্রকাশ, এই সবকিছুর মাঝে ট্রাম্পের একটি প্রধান সমস্যা ছিল যা ডাউড জানতেন কিন্তু রাষ্ট্রপতির সামনে তা বলতে পারতেন না: "আপনি একজন চরম মিথ্যাবাদী।"
** বব উডওয়ার্ড, ''ফিয়ার: ট্রাম্প ইন দ্য হোয়াইট হাউস'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ৩৫৭
==== জুলাই ২০১৮ ====
* কিন্তু আমাদের এটি খুব সাবধানে করতে হবে কারণ আমরা এখন #মিটু প্রজন্মের মধ্যে আছি, তাই আমাদের খুব সতর্ক থাকতে হবে। আমরা খুব আলতো করে সেই সরঞ্জামটি নেব এবং ধীরে করে ছুড়ে দেব, যাতে সেটি তার গায়ে লেগে হাতে চোট না পায়।
** [https://www.washingtonpost.com/politics/trump-mocks-metoo-movement-in-montana-rally/2018/07/05/fad40ce2-80b3-11e8-b660-4d0f9f0351f1_story.html?noredirect=on ৫ জুলাই ২০১৮ তারিখে ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন]
* ওসব অন্যান্য লোকেরা করে। আমি করি না। আমি খুবই সুসংগত। আমি একজন অত্যন্ত সুস্থির মেধাসম্পন্ন ব্যক্তি।
** কোনো সাংবাদিক তার বক্তব্যের স্ববিরোধিতা নিয়ে প্রশ্ন করলে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই উত্তর দেন, যা [https://www.timesofisrael.com/trump-once-again-proclaims-himself-a-very-stable-genius/ ট্রাম্প নিজেকে আবারও একজন ‘অত্যন্ত সুস্থির মেধাসম্পন্ন’ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করেছেন] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, দ্য টাইমস অফ ইসরায়েল (১২ জুলাই ২০১৮)
* [[ইউরোপ]]ে এই অভিবাসন হতে দেওয়াটা লজ্জার বিষয়। আমি মনে করি এটি ইউরোপের কাঠামো বদলে দিয়েছে এবং আপনারা যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেন, তবে এটি আর আগের মতো থাকবে না, এবং আমি সেটি ইতিবাচক অর্থে বলছি না। তাই ইউরোপে লাখ লাখ মানুষের এই অনুপ্রবেশ ঘটতে দেওয়াটা খুবই দুঃখজনক। আমার মনে হয় আপনারা আপনাদের সংস্কৃতি হারাচ্ছেন।
** [https://www.thesun.co.uk/news/6766531/trump-may-brexit-us-deal-off/ ''দ্য সান'' এর সাথে সাক্ষাৎকারে], [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], (১৩ জুলাই ২০১৮)
* সাহারা মরুভূমির সীমান্ত আমাদের [[মেক্সিকো]] সীমান্তের চেয়ে বড় হতে পারে না।
** স্পেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোসেপ বোরেলকে ফোনে বলেছিলেন [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। প্রেক্ষাপটটি ছিল স্পেনের ভূমধ্যসাগরীয় অভিবাসন সংকট মোকাবিলায় সাহারা মরুভূমি জুড়ে সীমান্ত প্রাচীর নির্মাণের জন্য ট্রাম্পের দেওয়া পরামর্শ। [https://eu.usatoday.com/story/news/politics/onpolitics/2018/09/20/trump-spain-wall-sahara-desert/1365944002/ পররাষ্ট্রমন্ত্রী: অভিবাসীদের ঠেকাতে স্পেনকে সাহারা মরুভূমি জুড়ে প্রাচীর নির্মাণের পরামর্শ দিয়েছেন ট্রাম্প]
* ইরানি রাষ্ট্রপতি রুহানির প্রতি: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আর কখনোই হুমকি দেবেন না, অন্যথায় আপনাকে এমন পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে যা ইতিহাসের খুব কম মানুষই আগে ভোগ করেছে। আমরা আর এমন কোনো দেশ নই যে আপনাদের উম্মাদনাপূর্ণ সহিংসতা ও মৃত্যুর কথা সহ্য করবে। সাবধান থাকুন!
** [https://www.theatlantic.com/politics/archive/2019/01/covfefe-trump-typo-turned-meme/579763/ দ্য আটলান্টিক: "ছয় ঘণ্টা তিন মিনিটের ইন্টারনেট বিশৃঙ্খলা"], [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আপনারা যা দেখছেন আর যা পড়ছেন, আসলে তা ঘটছে না।
** [https://time.com/5347737/trump-quote-george-orwell-vfw-speech/ 'আপনারা যা দেখছেন... তা ঘটছে না।' মানুষ ট্রাম্পের এই উক্তিটিকে জর্জ অরওয়েলের সাথে তুলনা করছে] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৪ জুলাই ২০১৮)
* আমরা ১৪৭টি নতুন এফ-৩৫ লাইটনিং যুদ্ধবিমান অর্ডার করছি। এটি একটি অবিশ্বাস্য বিমান। এটি রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম; এটি দেখা যায় না। তাই আমি যখন অপর পক্ষের লোকেদের সাথে কথা বলি, তারাও আমাদের এই বিমানটি অর্ডার করার চেষ্টা করছে। এটি যে দেখা যায় না, এই বিষয়টি তারা বেশ পছন্দ করেছে। আমি বললাম, 'আপনার বিমানের সাথে লড়াইয়ে এটি কেমন করবে?' তারা বলে, 'আমাদের একটা সমস্যা আছে: আমরা আপনার বিমানটি দেখতেই পাই না'।
** ''[https://www.popularmechanics.com/military/aviation/amp33658771/trump-keeps-saying-the-f-35-is-invisible/ ট্রাম্প বারবার বলছেন যে এফ-৩৫ অদৃশ্য]'' শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৪ জুলাই ২০১৮)
==== আগস্ট ২০১৮ ====
* আপনি জানেন, আপনি যদি বাইরে গিয়ে বাজার করতে চান, তবে কার্ডে আপনার ছবি লাগে, পরিচয়পত্র লাগে। আপনি বাইরে গিয়ে কিছু কিনতে চাইলেই পরিচয়পত্র আর আপনার ছবি লাগে। অনেক ক্ষেত্রেই একমাত্র যখন আপনি রাষ্ট্রপতি, সিনেটর, গভর্নর বা কংগ্রেস সদস্যের জন্য ভোট দিতে যান, তখন আপনার এসব কিছুর দরকার হয় না। এটা পাগলামি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://edition.cnn.com/2018/08/01/politics/trump-grocery-shopping-id/index.html "ট্রাম্প দাবি করেছেন যে বাজার করতে পরিচয়পত্র লাগে। আসলেই লাগে না।"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, ''সিএনএন'' (২১ আগস্ট, ২০১৮)
* আমাদের আইনগুলো খুব বাজে! এই ধারাবাহিক অভিবাসনের কথাই ধরুন না? একজন লোক আসে আর তার সাথে আরও ৩২ জন চলে আসে। যে ব্যক্তি ওয়েস্ট সাইড হাইওয়েতে ১৮ জনের ওপর গাড়ি চালিয়ে দিয়েছিল, এবং আমার মনে হয় আটজন মারা গিয়েছিল তাকেও সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ওই ধারাবাহিক অভিবাসনের কারণে আমেরিকার ভেতরেই তার পরিবারের ২২ জন সদস্য আছে। তাই রাশ, আমাদের এই বিষয়গুলো বদলাতে হবে।
** ১ আগস্ট, ২০১৮ তারিখে রাশ লিম্বোর সাথে সাক্ষাৎকারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* ধারাবাহিক অভিবাসনের ব্যাপারটা কেমন? ওটার কথা ভাবুন তো একবার? কেউ একজন আসলো, তারপর সে তার মা, বাবা এমনকি দূর সম্পর্কের আত্মীয়স্বজনদেরও নিয়ে আসলো। সে তাদের সবাইকেই নিয়ে আসে।
** ওহাইওতে ৮ আগস্টের এক নির্বাচনী জনসভায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://abcnews.go.com/US/times-trump-slammed-chain-migration-apparently-helped-wifes/story?id=57132429 এবিসি নিউজের] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত
==== সেপ্টেম্বর ২০১৮ ====
* গত ২৫ বা ৩০ বছরে আমাদের দিকে এমন কিছু আসতে কেউ দেখেনি। হয়তো আগে কখনোই দেখেনি। এটি ভীষণ বড় আর ভীষণ জলীয়। এতে বিপুল পরিমাণ জল আছে।
** [https://www.youtube.com/watch?v=MqHwQhZC8jQ ট্রাম্প হারিকেন ফ্লোরেন্স সম্পর্কে বলেছেন এটি 'ভীষণ বড় আর ভীষণ জলীয়'] শীর্ষক প্রতিবেদনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আমি সেই সব অসাধারণ নারী-পুরুষদের ধন্যবাদ জানাতে চাই যারা ফ্লোরেন্স মোকাবিলায় দারুণ কাজ করেছেন। এটি একটি শক্তিশালী হারিকেন। জলের পরিমাণের দিক থেকে এটি আমাদের দেখা সবচেয়ে সিক্ত হারিকেনগুলোর একটি।
** [https://youtube.com/watch?v=RiDpRVqqXfk&t=30 ট্রাম্প হারিকেন ফ্লোরেন্সকে বর্ণনা করেছেন "জলের দিক থেকে আমাদের দেখা সবচেয়ে সিক্ত"] শীর্ষক প্রতিবেদনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আর মজার ব্যাপার জানেন? যখন আমি এটি করেছিলাম, তখন আমি বেশ কঠোর ছিলাম এবং তিনিও তাই ছিলেন। আমাদের মধ্যে অনেক কথা কাটাকাটি হয়েছিল এবং তারপর আমরা একে অপরের প্রেমে পড়ে গেলাম। ঠিক আছে? না, সত্যিই। তিনি আমাকে চমৎকার সব চিঠি লিখেছিলেন। সেগুলো খুব সুন্দর চিঠি ছিল। আমরা প্রেমে পড়ে গেলাম।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-০৯-৩০ |শিরোনাম=একে অপরকে ‘চমৎকার চিঠি’ পাঠানোর পর ট্রাম্প বলেছেন তিনি আর কিম জং-উন ‘প্রেমে পড়েছিলেন’ |সাময়িকী=''দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট'' |অবস্থান=ইউকে |ইউআরএল=https://www.independent.co.uk/news/world/americas/trump-kim-jong-un-love-letters-relationship-denuclearisation-nuclear-weapons-a8561701.html}}
* একক কোনো বিদেশী সরবরাহকারীর ওপর নির্ভরতা কোনো রাষ্ট্রকে জবরদস্তি আর হুমকির মুখে ফেলতে পারে। আর এই কারণেই আমরা [[পোল্যান্ড]]ের মতো ইউরোপীয় দেশগুলোকে অভিনন্দন জানাই একটি বাল্টিক পাইপলাইন নির্মাণের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য যাতে দেশগুলো তাদের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল না থাকে। জার্মানি যদি দ্রুত তার পথ পরিবর্তন না করে তবে তারা পুরোপুরি রাশিয়ার জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]-এর ভাষণ, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-০৯-২৫ |শিরোনাম=জাতিসংঘে ট্রাম্প পোল্যান্ডের প্রশংসা করেছেন এবং রাশিয়ার জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতার কারণে জার্মানির সমালোচনা করেছেন |লেখক=রয়টার্স স্টাফ |সাময়িকী=''রয়টার্স'' |ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/us-un-assembly-usa-germany-idUSKCN1M527Y}} থেকে উদ্ধৃত
* আজ আমি আমাদের অসাধারণ অগ্রগতির কথা জানাতে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সামনে দাঁড়িয়েছি। দুই বছরেরও কম সময়ে আমার প্রশাসন আমাদের দেশের ইতিহাসে অন্য যেকোনো প্রশাসনের চেয়ে বেশি কাজ সম্পন্ন করেছে। আমেরিকার— এটি একদম সত্যি কথা। ''[পরিষদের হাস্যধ্বনি]'' আমি এমন প্রতিক্রিয়া আশা করিনি, তবে ঠিক আছে।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের ভাষণ, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-০৯-২৬ |শিরোনাম=বিশ্বায়নের বিপরীতে দেশপ্রেমকে দাঁড় করানো ট্রাম্পের জাতিসংঘের ভাষণ প্রমাণ করে যে দেশপ্রেম বলতে কী বোঝায় সে সম্পর্কে রাষ্ট্রপতির কোনো ধারণা নেই |লেখক=ড্যানিয়েল শাপিরো |সাময়িকী=''এনবিসি নিউজ'' |ইউআরএল=https://www.nbcnews.com/think/opinion/trump-s-u-n-speech-pitting-globalism-against-patriotism-proves-ncna913141}} থেকে উদ্ধৃত
* আমেরিকা আমেরিকানদের দ্বারা শাসিত হয়। আমরা বিশ্বায়নের আদর্শকে প্রত্যাখ্যান করি এবং [[দেশপ্রেম]]-এর তত্ত্বকে গ্রহণ করি।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের ভাষণ, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-০৯-২৫ |শিরোনাম=জাতিসংঘে ট্রাম্পের ভাষণ হাস্যরসের আর অবিশ্বাস্য অনুভূতির জন্ম দিয়েছে |লেখক=রবিন রাইট |সাময়িকী=''দ্য নিউ ইয়র্কার'' |ইউআরএল=https://www.newyorker.com/news/news-desk/trumps-speech-at-the-un-triggers-laughterand-disbelief}} থেকে উদ্ধৃত
==== অক্টোবর ২০১৮ ====
* আমি জানি আপনি চিন্তা করছেন না। আপনি কখনই তা করেন না।
** এক সাংবাদিক প্রশ্ন করার সময় তাকে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এ কথা বলেন। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-০২ |শিরোনাম=প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিককে বললেন: ‘আমি জানি আপনি চিন্তা করছেন না। আপনি কখনই করেন না’ |ইউআরএল=https://www.youtube.com/watch?v=ASOTct1woo8}}
* শুধুমাত্র তখনই করব যদি আমি ব্যক্তিগতভাবে তার পরীক্ষা নিতে পারি। এটি এমন কিছু হবে না যা করতে আমি খুব একটা আনন্দ পাব।
** এলিজাবেথ ওয়ারেনকে নেটিভ আমেরিকান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য।
** {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-১৫ |শিরোনাম=ওয়ারেন যদি তার নেটিভ আমেরিকান ডিএনএ প্রমাণ করতে পারেন তবে ট্রাম্প দাতব্য সংস্থায় ১০ লক্ষ ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এখন তিনি ইতস্তত করছেন। |লেখক=অ্যামি বি ওয়াং এবং ডিয়ানা পল |সাময়িকী=''ওয়াশিংটন পোস্ট'' |ইউআরএল=https://www.washingtonpost.com/politics/2018/10/15/trump-dared-elizabeth-warren-take-dna-test-prove-her-native-american-ancestry-now-what/}}
* বিজ্ঞানের প্রতি আমার এক ধরনের সহজাত বোধ আছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-১৫ |শিরোনাম=ট্রাম্প: বিজ্ঞানের প্রতি আমার ‘সহজাত প্রতিভা’ আমাকে বলছে যে জলবায়ু বিজ্ঞান ভুল |লেখক=জোনাথন চেইট |সাময়িকী=''নিউ ইয়র্ক ইনটেলিজেন্সার'' |ইউআরএল=https://nymag.com/intelligencer/2018/10/trump-i-have-a-natural-instinct-for-science.html}} থেকে উদ্ধৃত
* জানেন তো, একটা শব্দ আছে। ওটা কিছুটা সেকেলে হয়ে গিয়েছে। একে বলা হয় জাতীয়তাবাদী। আমি বলি, 'তাই নাকি? আমাদের ওই শব্দটা ব্যবহার করার কথা নয়?' জানেন আমি কী? আমি একজন জাতীয়তাবাদী।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-২৩ |শিরোনাম=টেড ক্রুজের পক্ষে প্রচার করার সময় ট্রাম্প নিজেকে ‘জাতীয়তাবাদী’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন |লেখক=জন ওয়ালশ |সাময়িকী=''বিজনেস ইনসাইডার'' |ইউআরএল=https://www.businessinsider.in/trump-declares-himself-a-nationalist-while-stumping-for-ted-cruz/articleshow/66327534.cms}} থেকে উদ্ধৃত
* এখন দেখুন কতটা হাস্যকর: আমরাই বিশ্বের একমাত্র দেশ যেখানে একজন মানুষ আসে, তার সন্তান হয়, আর সেই সন্তান মূলত ৮৫ বছরের জন্য ওই সব সুযোগ-সুবিধা সহ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হয়ে যায়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-৩০ |শিরোনাম=ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধ করতে চান |লেখক=অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস |সাময়িকী=''সিবিসি'' |ইউআরএল=https://www.cbc.ca/news/world/trump-birthright-citizenship-1.4883589}} থেকে উদ্ধৃত
* আমাকে সব সময় বলা হতো যে এর জন্য সংবিধান সংশোধন দরকার। জানেন কী? আসলে দরকার নেই। প্রথমত, আপনার ওটার প্রয়োজন নেই। দ্বিতীয়ত, আপনি অবশ্যই কংগ্রেসের কোনো আইনের মাধ্যমে এটি করতে পারেন।<br>কিন্তু এখন তারা বলছে যে আমি স্রেফ একটি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে এটি করতে পারি।<br>এটি প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে। একটি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমেই এটি ঘটবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-৩০ |শিরোনাম=ট্রাম্প কি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধ করতে পারেন? |লেখক=রবার্ট ফার্লে |সাময়িকী=''ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি'' |ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2018/10/can-trump-end-birthright-citizenship-by-executive-order/}} থেকে উদ্ধৃত
==== নভেম্বর ২০১৮ ====
* আপনাদের মেঝেগুলোর যত্ন নিতে হবে। মানে, বনের মেঝে। এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আপনি অন্যান্য দেশের দিকে তাকালে দেখবেন তারা কাজগুলো অন্যভাবে করে, আর সেটা একদম আলাদা এক গল্প। আমি ফিনল্যান্ডের রাষ্ট্রপতির সাথে ছিলাম, তিনি বলেছিলেন, "আমাদের পরিস্থিতি একদম আলাদা— আমরা একটি বনের জাতি।" তিনি এটাকে বনের জাতি বলেছিলেন। আর তারা পাতা পরিষ্কার করা, ঝাড়ু দেওয়া আর এসব কাজে প্রচুর সময় দেয়, তাই তাদের কোনো সমস্যা হয় না।
** প্যারাডাইস, ক্যালিফোর্নিয়া, ১৭ নভেম্বর ২০১৮, ''টাইম'' এর প্রতিবেদন অনুযায়ী উদ্ধৃত: [https://time.com/5458605/trump-finland-raking-reactions/ #রেকনিউজ: ট্রাম্প দেশটিকে 'বন পরিষ্কার করে' বলার পর ফিনল্যান্ডের মানুষ পাতা পরিষ্কারের ছবি দিয়ে তাকে নিয়ে উপহাস করছে], লেখক: অ্যাশলে হফম্যান; এবং ভিডিওসহ ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'' এর প্রতিবেদনে: [https://www.nytimes.com/2018/11/18/world-europe/finland-california-wildfires-trump-raking.html ট্রাম্প বলেছেন অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে ক্যালিফোর্নিয়া ফিনল্যান্ডের কাছ থেকে শিখতে পারে। তিনি কি সঠিক?], লেখক: প্যাট্রিক কিংসলি, ১৮ নভেম্বর ২০১৮।
** ফিনল্যান্ডের রাষ্ট্রপতি শউলি নিনিস্তো বলেছেন যে পাতা পরিষ্কার করা নিয়ে কোনো কথা হয়েছে বলে তার মনে পড়ছে না। [https://www.washingtonpost.com/world/the_americas/finnish-president-says-he-briefed-trump-on-forest-monitoring/2018/11/18/dd46a57e-eb32-11e8-8b47-bd0975fd6199_story.html]
* '''সংবাদদাতা''': আপনি কি জলবায়ু প্রতিবেদনটি এখনও পড়েছেন?<br />'''ট্রাম্প''': আমি দেখেছি। আমি এর কিছু অংশ পড়েছি এবং এটা ঠিক আছে।<br />'''সংবাদদাতা''': তারা বলছে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ভয়াবহ হতে পারে।<br />'''ট্রাম্প''': হ্যাঁ। আমি এটা বিশ্বাস করি না।<br />'''সংবাদদাতা''': আপনি এটা বিশ্বাস করেন না?<br />'''ট্রাম্প''': না, না। আমি এটা বিশ্বাস করি না। আর এখানে আরেকটা ব্যাপার আছে: আপনাকে চীন, জাপান এবং পুরো এশিয়া আর এই সব অন্যান্য দেশকেও হিসেবে রাখতে হবে— বুঝলেন তো, এটা আমাদের দেশ নিয়ে কথা বলছে। এই মুহূর্তে, আমরা আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিষ্কার অবস্থায় আছি এবং এটা আমার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু যদি আমরা পরিষ্কার থাকি আর পৃথিবীর অন্য সব জায়গা নোংরা থাকে, তবে সেটা খুব একটা ভালো হবে না।
** ডোনাল্ড ট্রাম্প, ২৬ নভেম্বর ২০১৮, চতুর্থ জাতীয় জলবায়ু মূল্যায়ন প্রসঙ্গে (''ওয়াশিংটন পোস্ট'': [https://www.washingtonpost.com/politics/2018/11/26/trump-responds-report-indicating-huge-cost-climate-change-i-dont-believe-it/ জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশাল ক্ষতির কথা বলা তার প্রশাসনের প্রতিবেদনের জবাবে ট্রাম্প: 'আমি এটা বিশ্বাস করি না'], লেখক: ফিলিপ বাম্প, ২৬ নভেম্বর ২০১৮, সংগৃহীত: ১ ডিসেম্বর ২০১৮; ''বিবিসি নিউজ'': [https://www.bbc.com/news/av/world-us-canada-46324405/i-don-t-believe-it-trump-on-climate-report 'আমি এটা বিশ্বাস করি না' - জলবায়ু প্রতিবেদন নিয়ে ট্রাম্প], ২৬ নভেম্বর ২০১৮, সংগৃহীত: ১ ডিসেম্বর ২০১৮; ''দ্য গার্ডিয়ান'', অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস: [https://www.theguardian.com/us-news/video/2018/nov/26/yeah-i-dont-believe-it-trump-on-administrations-own-climate-report-video] ‘হ্যাঁ, আমি এটা বিশ্বাস করি না’: তার নিজের প্রশাসনের জলবায়ু প্রতিবেদন নিয়ে ট্রাম্প)।
* আমার মতো অনেক মানুষ যাদের বুদ্ধিমত্তা অনেক উঁচু স্তরের, তাদের অন্যতম সমস্যা হলো আমরা সবকিছুতে খুব একটা বিশ্বাস করি না। আপনি আমাদের বাতাস আর জলের দিকে তাকান, এটি এখন রেকর্ড পরিমাণ পরিষ্কার। কিন্তু আপনি যখন চীন, এশিয়ার বিভিন্ন অংশ, দক্ষিণ আমেরিকা এবং রাশিয়ার মতো বিশ্বের আরও অনেক জায়গার দিকে তাকাবেন, তখন দেখবেন ওখানকার বাতাস অনেক বেশি নোংরা। আর বায়ুমণ্ডলের কথা বললে, মহাসাগরগুলো খুব ছোট এবং এসব ময়লা উড়ে বা ভেসে চলে আসে। মানে, আমরা সবসময় আমাদের সমুদ্রসৈকত থেকে হাজার হাজার টন আবর্জনা পরিষ্কার করি যা এশিয়া থেকে আসে। এটা স্রেফ প্রশান্ত মহাসাগর দিয়ে ভেসে আসে, আর আমরা বলি এগুলো কোথা থেকে আসছে। আর এটা শুরু করার জন্য অনেক মানুষের প্রয়োজন হয়।
** ডোনাল্ড ট্রাম্প, ২৮ নভেম্বর, ''ওয়াশিংটন পোস্ট''-এর সাক্ষাৎকারে, তার প্রশাসনের ১৩টি সংস্থার করা বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রতিবেদন তিনি বিশ্বাস করেন কি না সেই প্রসঙ্গে। [https://splinternews.com/man-with-very-high-level-of-intelligence-says-oceans-ar-1830699334] (অত্যন্ত বুদ্ধিমান একজন মানুষ বলছেন মহাসাগরগুলো খুব ছোট)।
==== ডিসেম্বর ২০১৮ ====
* আমি ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।<br>তিনি আপনাদের এক বিরাট সমর্থক। কারেনও তাই। তারা সেখানে যায় আর আপনাদের দেশকে ভালোবাসে। তারা আপনাদের দেশকে ভালোবাসে। আবার তারা এই দেশকেও ভালোবাসে। এটি একটি ভালো সমন্বয়, তাই না?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://forward.com/opinion/415676/trump-just-accused-jews-of-loving-israel-not-america-and-his-fans-cheered/ ৭ ডিসেম্বর, ২০১৮]।
* চাক, সীমান্ত নিরাপত্তার জন্য সরকার অচল করে দিতে পেরে আমি গর্বিত। এই দেশের মানুষ চায় না যে অপরাধী, সমস্যায় জর্জরিত লোকজন আর মাদক আমাদের দেশে ঢুকুক। আমি এর দায়িত্ব নেব। আমিই এটি বন্ধ করব। এর জন্য আমি আপনাদের দোষ দেব না। গতবার আপনারা এটি বন্ধ করেছিলেন। সেটি কাজে দেয়নি। এটি বন্ধ করার দায়ভার আমিই নিচ্ছি।
** ন্যান্সি পেলোসি এবং চাক শুমারের সাথে ওভাল অফিসের বৈঠকে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা ২০১৮-১৯ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ফেডারেল সরকার অচল অবস্থা-র দিকে নিয়ে যায়। "[https://www.upi.com/Top_News/US/2018/12/11/Trump-proud-to-shut-down-government-in-wall-talks-with-Democrats/6271544554657/ ডেমোক্র্যাটদের সাথে প্রাচীর সংক্রান্ত আলোচনায় সরকার অচল করতে পেরে ট্রাম্প 'গর্বিত']", ইউনাইটেড প্রেস ইন্টারন্যাশনাল (১২ ডিসেম্বর, ২০১৮)
* তুমি কি এখনও সান্টাতে বিশ্বাস করো? কারণ ৭ বছর বয়সে এটি অনেকটা শেষের দিকে, তাই না?
** ৭ বছরের এক শিশুকে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/australia-news/2018/dec/25/christmas-cheer-trump-tells-boy-that-believing-in-santa-at-seven-is-marginal ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৮]
* দেখুন, আমি ওভাবে দেখছি না। আমি বিবির সাথে কথা বলেছি, আমি বিবিকে বলেছি।<br>আর আপনারা জানেন, আমরা ইসরায়েলকে বছরে ৪.৫ বিলিয়ন ডলার দিই।<br>আর আপনারা যদি দেখেন, তারা নিজেদের রক্ষায় খুব ভালো করছে। তো বিষয়টি এমনই।<br>মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চিরকাল বিশ্বের পুলিশ হয়ে থাকতে পারে না।<br>আমরা সেটি করতে চাই না।
** ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৮ তারিখে [https://www.timesofisrael.com/trump-we-give-israel-billions-it-can-defend-itself-in-syria/ টাইমস অফ ইসরায়েলে] [[বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু]] প্রসঙ্গে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
=== ২০১৯ ===
* প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইদানীং ডেমোক্র্যাটদের সমাজতান্ত্রিক হওয়ার যে কথাগুলো বলছেন, আসলে বাস্তবতা হলো তিনিই হলেন বড় সরকারের রাজা। ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনেও কেন্দ্রীয় প্রশাসন বারাক ওবামার আমলের মতোই বড়, একচেটিয়া, কাণ্ডজ্ঞানহীন খরচকারী আর মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপকারী হয়ে আছে। অনেক ক্ষেত্রে এটি আগের চেয়েও বড়। ট্রাম্পের সমর্থকদের জন্য এটি একটি অপ্রীতিকর সত্য। সীমিত সরকারের প্রথাগত রক্ষণশীল চিন্তাধারায় না থেকে ট্রাম্প সরকারকে আরও ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে তুলেছেন। আমরা যখন তাকে জানাই যে তার হঠকারী পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করার জন্য সরকার কখনোই যথেষ্ট বড় বা শক্তিশালী হবে না, তখন তিনি খুব বিরক্ত হন। ওবামার আমলে আসলে মার্কিন কেন্দ্রীয় বাজেট ঘাটতি কমে আসছিল। ২০০৯ সালে ওবামা যখন দায়িত্ব নেন তখন এটি ছিল ১.৪ ট্রিলিয়ন ডলার, যা ২০১৬ সালে তিনি চলে যাওয়ার ঠিক আগে ৫৮৭ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছিল। এই উল্লেখযোগ্য সাফল্যের কৃতিত্ব কংগ্রেসের রিপাবলিকানদের পাওনা, যারা ২০১১ সালে হোয়াইট হাউসের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিলেন। তারা বাজেট নিয়ে এমন একটি চুক্তির দাবি করেছিলেন যা ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে আনবে। এটি ছিল বাজেট কন্ট্রোল অ্যাক্ট, এমন একটি আইন যা কেন্দ্রীয় খরচ কমিয়েছিল, ভবিষ্যতের ব্যয়ের ওপর কঠোর বার্ষিক সীমা আরোপ করেছিল এবং সরকারের "ক্রেডিট কার্ডের" ওপর একটি লাগাম টেনেছিল। এটি রক্ষণশীল "টি পার্টি" আন্দোলনের সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ৯৯-১০০
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের খরচ কমানোর প্রতি কোনো আগ্রহ ছিল না। তিনি হয়তো করদাতাদের অর্থ বাঁচানোর জন্য কাজ করছেন এমন একটি ভাব দেখানোর চেষ্টা করেন। আর এটা সত্যি যে কোনো বোকা পরিকল্পনা যদি অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়, তবে তাকে সেটা থেকে বিরত করা যায়। কিন্তু সেটি মানুষের টাকা বাঁচানোর জন্য নয়। তিনি আসলে সেই টাকা অন্য কিছুতে খরচ করতে চান যেখানে তার ব্যক্তিগত আগ্রহ আছে, যেমন বোমা বা সীমান্ত নিরাপত্তা। ট্রাম্প সেই সব মানুষকে ঘৃণা করেন যারা "হিসাবি" বা কিপটে। বর্তমানে তিনি সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ব্যবস্থাপনায় অঢেল টাকা ওড়াচ্ছেন। ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের টাকা ওড়ানোর দিনগুলোকে ভেগাস এর কোনো ক্যাসিনোর পাঁচ ডলারের টেবিলের মতো মনে হয়। এর ফলে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে বাজেট ঘাটতি প্রতি বছর বেড়েছে এবং বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। রাষ্ট্রপতি বার্ষিক আয়ের চেয়ে এক ট্রিলিয়ন ডলার বেশি খরচ করার পথে আছেন। শুধু ২০১৯ সালের দিকে তাকালেই তা বোঝা যায়। রাষ্ট্রপতি রেকর্ড ভঙ্গকারী ৪.৭ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজেট প্রস্তাব করেছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় সরকার এক বছরেই এত টাকা খরচ করুক। ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে আমেরিকার ঋণ, যার বড় অংশই আমরা অন্য দেশের কাছ থেকে ধার নিয়েছি, কয়েক ট্রিলিয়ন বেড়েছে এবং মোট ঋণের পরিমাণ এখন সর্বোচ্চ ২২ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এক হিসেব অনুযায়ী, আমাদের ঋণ পরিশোধ করতে হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি করদাতাকে গড়ে ৪ লক্ষ ডলার করে দিতে হবে। এটি পুরো আমেরিকার জন্য একটি ভয়াবহ সতর্ক সংকেত হওয়া উচিত। আমরা এভাবে টাকা ধার করে যেতে পারি না যা আমরা শোধ করতে পারব না। অন্যথায় আমাদের সন্তানদের এর জন্য চরম মূল্য দিতে হবে।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১০০
* ইচ্ছাকৃত অজ্ঞতা শব্দটিই আমাদের শত্রুদের প্রতি রাষ্ট্রপতির মনোভাব বর্ণনা করার সবচেয়ে সঠিক উপায়। তিনি যা দেখতে চান কেবল তা-ই দেখেন। ট্রাম্প যদি কোনো বিদেশী নেতাকে পছন্দ করেন, তবে সেই নেতার কারণে তৈরি হতে পারে এমন কোনো বিপদ বা তাদের গোপন উদ্দেশ্যগুলো তিনি মানতে রাজি হন না। এই কারণেই জাতি-রাষ্ট্রগুলোর হুমকি সম্পর্কে আমেরিকার বিস্তারিত গোয়েন্দা রিপোর্ট বা আমাদের ঘনিষ্ঠ মিত্রদের জরুরি সতর্কবার্তাকে তিনি খুব সহজে উড়িয়ে দিতে পারেন।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৬৭-১৬৮
* আমাদের শত্রুরা ঠিকই বুঝতে পেরেছে যে রাষ্ট্রপতিকে খুব সহজেই কুপোকাত করা যায়। টুইটারে দেওয়া তার যুদ্ধংদেহী হুমকিতে তারা বিচলিত হয় না কারণ তারা জানে তাকে ভুলিয়ে-ভালিয়ে কাজ হাসিল করা সম্ভব। তাদের কথায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প খুব সহজেই প্রভাবিত হন। আমরা সবাই তা দেখতে পাই। তোষামোদে তিনি খুব সহজেই গলে যান। আলোচনার সময় তিনি নতি স্বীকার করেন এবং স্রেফ ভালো চুক্তির মতো দেখতে এমন কিছুর জন্য তিনি অনেক বেশি ছাড় দিতে রাজি হয়ে যান, সেটি আসলে ভালো চুক্তি হোক বা না হোক। তারা মনে করে তিনি দুর্বল, আর এই সুযোগটাই তারা নেয়। আর যখন তা পারে না, তখন তারা স্রেফ তাকে পাত্তাই দেয় না।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৭৩
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথাগুলো কেবল তার দলকেই পাগল করে তুলছে না, বরং আমেরিকানদের মধ্যেও বিভেদ সৃষ্টি করছে। তিনি হয়তো টুইটার বা মাইকের সামনে ঝগড়া শুরু করেন, কিন্তু আমরা সেই লড়াই ঘরে ঘরে চালিয়ে যাই। গবেষণায় দেখা গেছে যে রিপাবলিকানরা আরও বেশি একরোখা হয়ে উঠছে এবং দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে চাইছে না, ডেমোক্র্যাটরাও একই কাজ করছে। দুই পক্ষ কেবল একটি বিষয়েই একমত হতে পারে, আর তা হলো এই বিভাজন সত্যিই বাড়ছে। ২০১৯ সালে প্রকাশিত পিউ রিসার্চ সেন্টার এর একটি জরিপে দেখা গেছে যে আমেরিকার প্রায় ৮৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ মনে করেন যে "দেশের রাজনৈতিক বিতর্ক এখন অনেক বেশি নেতিবাচক এবং সম্মানহীন হয়ে পড়েছে" এবং দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ বলেছেন যে এটি এখন আসল সমস্যার দিকে নজর দিচ্ছে না। তারা এর দায়ভার কার ওপর চাপিয়েছেন? অধিকাংশ মানুষই বিশ্বাস করেন যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প "রাজনৈতিক বিতর্কের ধরন ও প্রকৃতিকে আরও খারাপের দিকে নিয়ে গেছেন"। এই মৌখিক তিক্ততার ফলাফল বাস্তবেও দেখা যাচ্ছে। আমাদের এই বিভেদগুলো একে অপরের সাথে মেলামেশার সম্ভাবনা কমিয়ে দিচ্ছে, সরকারের প্রতি আস্থা কমিয়ে দিচ্ছে এবং দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমাদের আশাহত করছে। অন্য একটি জরিপ অনুযায়ী, ২০৫০ সালের কথা ভেবে আমেরিকানরা ভীষণ নিরাশ। অধিকাংশ মানুষই ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তখন পতনের মুখে থাকবে, অর্থনৈতিক বৈষম্যের ভারে জর্জরিত হবে এবং রাজনৈতিকভাবে আরও বেশি বিভক্ত হবে। শেষ পয়েন্টটিতে ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকান উভয় পক্ষই প্রায় সমানভাবে একমত হয়েছে। দেশের রাজধানীতে রাষ্ট্রপতির লাগামহীন কথাবার্তা তার নিজের পরিকল্পনাগুলোকেই বাধাগ্রস্ত করছে। আগে যেসব বিষয়ে কোনো বিতর্ক ছিল না, এখন ক্যাপিটল হিল এ সেসব বিষয়েও তিনি কারো সম্মতি পাচ্ছেন না। ডেমোক্র্যাটরা যে খুব একটা দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার চেষ্টা করছে তা নয়, কিন্তু রিপাবলিকান পার্টির প্রধান যদি তাদের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীর বদলে চিরশত্রু হিসেবে না দেখতেন তবে হয়তো কিছুটা আশা থাকত। এর পরিবর্তে, প্রতিটি বড় আইডিয়া প্রকাশের সাথে সাথেই বিষাক্ত হয়ে ওঠে। বাজেটের প্রতিটি লাইন যেন রাজনৈতিক রণক্ষেত্রের এক একটি পরিখা। আমরা সবসময় রাষ্ট্রপতির অগ্রাধিকারগুলো সফল করতে হিমশিম খাই কারণ তিনি নিজেই নিজের সবচেয়ে বড় শত্রু।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৯১-১৯২
=== ২০১৯ ===
* প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইদানীং ডেমোক্র্যাটরা আমেরিকাকে সমাজতান্ত্রিক বানানোর চেষ্টা করছে বলে যে কথাবার্তা বলছেন, তার বিপরীতে বাস্তবতা হলো তিনিই হলেন বড় সরকারের রাজা। ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে কেন্দ্রীয় প্রশাসন বারাক ওবামার আমলের মতোই বিশাল, এককেন্দ্রীক, খরচের ব্যাপারে কাণ্ডজ্ঞানহীন আর মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপকারী হয়ে আছে। অনেক ক্ষেত্রে এটি এখন আরও বড়। ট্রাম্পের সমর্থকদের জন্য এটি একটি অপ্রীতিকর সত্য। কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা সীমিত রাখার প্রথাগত রক্ষণশীল বিশ্বাসে অটল না থেকে ট্রাম্প বরং সরকারকে আরও ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে তুলেছেন। আমরা যখন তাকে জানাই যে তার হঠকারী পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করার জন্য সরকার কখনোই যথেষ্ট বড় বা শক্তিশালী হবে না, তখন তিনি খুব বিরক্ত হন। ওবামার আমলে আসলে মার্কিন কেন্দ্রীয় বাজেটের ঘাটতি কমছিল। ২০০৯ সালে ওবামা যখন দায়িত্ব নেন তখন এটি ছিল ১.৪ ট্রিলিয়ন ডলার, যা ২০১৬ সালে তিনি চলে যাওয়ার ঠিক আগে ৫৮৭ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছিল। এই উল্লেখযোগ্য সাফল্যের কৃতিত্ব কংগ্রেসের রিপাবলিকানদের পাওনা, যারা ২০১১ সালে হোয়াইট হাউসের সাথে একটি অচলাবস্থা তৈরি করেছিলেন। তারা এমন একটি বাজেট চুক্তির দাবি করেছিলেন যা ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে আনবে। এটি ছিল বাজেট কন্ট্রোল অ্যাক্ট, যা কেন্দ্রীয় খরচ কমিয়েছিল, ভবিষ্যতের ব্যয়ের ওপর কঠোর বার্ষিক সীমা আরোপ করেছিল এবং সরকারের "ক্রেডিট কার্ডের" ওপর একটি লাগাম টেনেছিল। এটি রক্ষণশীল "টি পার্টি" আন্দোলনের শ্রেষ্ঠ সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ৯৯-১০০
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের খরচ কমানোর প্রতি কোনো আগ্রহ ছিল না। তিনি হয়তো করদাতাদের অর্থ বাঁচানোর জন্য কাজ করছেন এমন একটি ভাব দেখানোর চেষ্টা করেন। আর এটা সত্যি যে কোনো বোকা পরিকল্পনা যদি অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়, তবে তাকে সেটা থেকে বিরত করা যায়। কিন্তু সেটি মানুষের টাকা বাঁচানোর জন্য নয়। তিনি আসলে সেই টাকা অন্য কিছুতে খরচ করতে চান যেখানে তার ব্যক্তিগত আগ্রহ আছে, যেমন বোমা বা সীমান্ত নিরাপত্তা। ট্রাম্প সেই সব মানুষকে অপছন্দ করেন যারা খুব হিসাব করে চলেন। বর্তমানে তিনি সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ব্যবস্থাপনায় অঢেল টাকা ওড়াচ্ছেন। ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের টাকা ওড়ানোর দিনগুলোকে লাস ভেগাস এর কোনো ক্যাসিনোর পাঁচ ডলারের টেবিলের মতো মনে হয়। এর ফলে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে বাজেট ঘাটতি প্রতি বছর বেড়েছে এবং তা বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। রাষ্ট্রপতি বার্ষিক আয়ের চেয়ে এক ট্রিলিয়ন ডলার বেশি খরচ করার পথে আছেন। শুধু ২০১৯ সালের দিকে তাকালেই তা বোঝা যায়। রাষ্ট্রপতি রেকর্ড ভঙ্গকারী ৪.৭ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজেট প্রস্তাব করেছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় সরকার এক বছরেই এত টাকা খরচ করুক। ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে আমেরিকার ঋণ, যার বড় অংশই আমরা অন্য দেশের কাছ থেকে ধার নিয়েছি, কয়েক ট্রিলিয়ন বেড়েছে এবং মোট ঋণের পরিমাণ এখন সর্বোচ্চ ২২ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এক হিসেব অনুযায়ী, আমাদের ঋণ পরিশোধ করতে হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি করদাতাকে গড়ে ৪ লক্ষ ডলার করে দিতে হবে। এটি পুরো আমেরিকার জন্য একটি ভয়াবহ সতর্ক সংকেত হওয়া উচিত। আমরা এভাবে টাকা ধার করে যেতে পারি না যা আমরা শোধ করতে পারব না। অন্যথায় আমাদের সন্তানদের এর জন্য চরম মূল্য দিতে হবে।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১০০
* ইচ্ছাকৃত অজ্ঞতা শব্দ জোড়া রাষ্ট্রপতির শত্রুদের প্রতি তার মনোভাব বর্ণনা করার সবচেয়ে সঠিক উপায়। তিনি যা দেখতে চান কেবল তা-ই দেখেন। ট্রাম্প যদি কোনো বিদেশী নেতাকে পছন্দ করেন, তবে সেই নেতার কারণে তৈরি হতে পারে এমন কোনো বিপদ বা তাদের গোপন উদ্দেশ্যগুলো তিনি মানতে রাজি হন না। এই কারণেই জাতি রাষ্ট্রগুলোর হুমকি সম্পর্কে আমেরিকার বিস্তারিত গোয়েন্দা রিপোর্ট বা আমাদের ঘনিষ্ঠ মিত্রদের জরুরি সতর্কবার্তাকে তিনি খুব সহজে উড়িয়ে দিতে পারেন।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৬৭-১৬৮
* আমাদের শত্রুরা ঠিকই বুঝতে পেরেছে যে রাষ্ট্রপতিকে খুব সহজেই ভুলিয়ে ভালিয়ে কাজ হাসিল করা যায়। টুইটারে দেওয়া তার যুদ্ধংদেহী হুমকিতে তারা বিচলিত হয় না কারণ তারা জানে তাকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তাদের কথায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প খুব সহজেই প্রভাবিত হন। আমরা সবাই তা দেখতে পাই। তোষামোদে তিনি খুব সহজেই গলে যান। আলোচনার সময় তিনি নতি স্বীকার করেন এবং স্রেফ ভালো চুক্তির মতো দেখতে এমন কিছুর জন্য তিনি অনেক কিছু ছেড়ে দিতে রাজি হয়ে যান, সেটি আসলে ভালো চুক্তি হোক বা না হোক। তারা বিশ্বাস করে যে তিনি দুর্বল, আর এই সুযোগটাই তারা নেয়। আর যখন তা পারে না, তখন তারা স্রেফ তাকে পাত্তাই দেয় না।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৭৩
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথাগুলো কেবল তার দলকেই অতিষ্ঠ করে তুলছে না, বরং আমেরিকানদের মধ্যেও বিভেদ সৃষ্টি করছে। তিনি হয়তো টুইটার বা মাইকের সামনে ঝগড়া শুরু করেন, কিন্তু আমরা সেই লড়াই ঘরে ঘরে চালিয়ে যাই। গবেষণায় দেখা গেছে যে রিপাবলিকানরা আরও বেশি একরোখা হয়ে উঠছে এবং দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে চাইছে না, ডেমোক্র্যাটরাও একই কাজ করছে। দুই পক্ষ কেবল একটি বিষয়েই একমত হতে পারে, আর তা হলো এই বিভাজন সত্যিই বাড়ছে। ২০১৯ সালে প্রকাশিত পিউ রিসার্চ সেন্টার এর একটি জরিপে দেখা গেছে যে আমেরিকার প্রায় ৮৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ মনে করেন যে "দেশের রাজনৈতিক বিতর্ক এখন অনেক বেশি নেতিবাচক এবং কম সম্মানজনক হয়ে পড়েছে" এবং দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ বলেছেন যে এটি এখন আসল সমস্যার দিকে নজর দিচ্ছে না। তারা এর দায়ভার কার ওপর চাপিয়েছেন? অধিকাংশ মানুষই বিশ্বাস করেন যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প "রাজনৈতিক বিতর্কের ধরন ও প্রকৃতিকে আরও খারাপের দিকে নিয়ে গেছেন।" এই মৌখিক তিক্ততার ফল বাস্তবেও দেখা যাচ্ছে। আমাদের এই বিভেদগুলো একে অপরের সাথে মেলামেশার সম্ভাবনা কমিয়ে দিচ্ছে, সরকারের প্রতি আস্থা কমিয়ে দিচ্ছে এবং দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমাদের নিরাশ করছে। অন্য একটি জরিপ অনুযায়ী, ২০৫০ সালের কথা ভেবে আমেরিকানরা ভীষণ চিন্তিত। অধিকাংশ মানুষই ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তখন পতনের মুখে থাকবে, অর্থনৈতিক বৈষম্যের ভারে জর্জরিত হবে এবং রাজনৈতিকভাবে আরও বেশি বিভক্ত হবে। শেষ পয়েন্টটিতে ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকান উভয় পক্ষই প্রায় সমানভাবে একমত হয়েছে। দেশের রাজধানীতে রাষ্ট্রপতির লাগামহীন কথাবার্তা তার নিজের পরিকল্পনাগুলোকেই বাধাগ্রস্ত করছে। আগে যেসব বিষয়ে কোনো বিতর্ক ছিল না, এখন ক্যাপিটল হিল এ সেসব বিষয়েও তিনি কারো সম্মতি পাচ্ছেন না। ডেমোক্র্যাটরা যে খুব একটা দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার চেষ্টা করছে তা নয়, কিন্তু রিপাবলিকান পার্টির প্রধান যদি তাদের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীর বদলে চিরশত্রু হিসেবে না দেখতেন তবে হয়তো কিছুটা আশা থাকত। এর পরিবর্তে, প্রতিটি বড় আইডিয়া প্রকাশের সাথে সাথেই বিতর্কিত হয়ে ওঠে। বাজেটের প্রতিটি লাইন যেন রাজনৈতিক রণক্ষেত্রের এক একটি পরিখা। আমরা সবসময় রাষ্ট্রপতির অগ্রাধিকারগুলো সফল করতে হিমশিম খাই কারণ তিনি নিজেই নিজের সবচেয়ে বড় শত্রু।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৯১-১৯২
==== জানুয়ারি ২০১৯ ====
* আমরা বেরিয়ে আসছি এবং খুব বুদ্ধিমত্তার সাথেই বেরিয়ে আসছি। আর আমরা জিতছি, আমরা জিতছি। ঠিক আছে। তবে আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে গেলে বলব, '''একটি নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে'''। আমি কখনোই বলিনি যে আমি কালকেই বেরিয়ে যাচ্ছি। আমি বলেছি যে আমি আমাদের সৈন্যদের ফিরিয়ে আনছি এবং তাদের সিরিয়া থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে। হ্যাঁ, একদম ঠিক। তবে আমরা খুব শক্তিশালীভাবেই বেরিয়ে আসছি।
** ২ জানুয়ারি, ২০১৯ তারিখে এপি আর্কাইভে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* ইরান এখন আর আগের মতো দেশ নেই। ইরান সিরিয়া থেকে তাদের লোক সরিয়ে নিচ্ছে। '''সত্যি বলতে, তারা সেখানে যা খুশি করতে পারে''', কিন্তু তারা লোক সরিয়ে নিচ্ছে। তারা ইয়েমেন থেকেও লোক সরিয়ে নিচ্ছে। ইরান এখন স্রেফ টিকে থাকতে চায়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০১-০২ |শিরোনাম=ট্রাম্প: ইরান সিরিয়াতে 'যা খুশি করতে পারে' |লেখক=এরিক কর্টেলেসা |সাময়িকী=''টাইমস অফ ইসরায়েল'' |ইউআরএল=https://www.timesofisrael.com/trump-iran-can-do-what-they-want-in-syria/}} শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত
* ড্রোন সম্পর্কে আমি যে কারও চেয়ে বেশি জানি। যত রকমের নিরাপত্তার ব্যবস্থা হতে পারে সে সম্পর্কে আমার ধারণা আছে। (জানুয়ারি ২০১৯)
* আমার মনে হয় নির্বাচনী প্রচারণার অর্থায়ন সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না, কারণ আমিই সবচেয়ে বড় অনুদানকারী। (১৯৯৯)
* টেলিভিশন রেটিং পায় এমন মানুষদের সম্পর্কে আমি যে কারও চেয়ে বেশি জানি। (অক্টোবর ২০১২)
* আইএসআইএস সম্পর্কে আমি জেনারেলদের চেয়েও বেশি জানি। (নভেম্বর ২০১৫)
* আমি সোশ্যাল মিডিয়া বুঝি। আমি টুইটার আর ফেসবুকের ক্ষমতা সম্ভবত যে কারও চেয়ে ভালো বুঝি, আমার সাফল্যের দিকে তাকালেই সেটা বোঝা যায়, তাই না? (নভেম্বর ২০১৫)
* আদালত সম্পর্কে আমি এই পৃথিবীর যেকোনো মানুষের চেয়ে বেশি জানি। (নভেম্বর ২০১৫)
* মামলা মোকদ্দমা সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কে জানে? আমিই তো এগুলোর রাজা। (জানুয়ারি ২০১৬)
* আমি রাজনীতিবিদদের যে কারও চেয়ে ভালো বুঝি।
* ভিসা ব্যবস্থা সম্পর্কে আমার চেয়ে ভালো কেউ জানে না। আমি এইচ ওয়ান বি বুঝি। আমি এইচ টু বি বুঝি। বিশ্বাস করুন, এই মঞ্চে আর কেউ জানে না কীভাবে এটি পরিবর্তন করতে হয়। (মার্চ ২০১৬)
* বাণিজ্য সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না। (মার্চ ২০১৬)
* মার্কিন সরকারি ব্যবস্থা সম্পর্কে আমার চেয়ে ভালো কেউ জানে না। (এপ্রিল ২০১৬)
* নবায়নযোগ্য শক্তি সম্পর্কে আমি পৃথিবীর যেকোনো মানুষের চেয়ে বেশি জানি। (এপ্রিল ২০১৬)
* আমার মনে হয় কর ব্যবস্থা সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না, সম্ভবত পৃথিবীর ইতিহাসেই কেউ জানে না। (মে ২০১৬)
* আমি ঋণের রাজা। আমি ঋণ সামলাতে দক্ষ। আমার চেয়ে ভালো ঋণ কেউ বোঝে না। (জুন ২০১৬)
* আমি টাকা পয়সার বিষয়গুলো যে কারও চেয়ে ভালো বুঝি। (জুন ২০১৬)
* দেখুন, একজন নির্মাতা হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প অবকাঠামো সম্পর্কে যতটা জানেন, এই দেশের ইতিহাসে আর কেউ তা জানেন না। (জুলাই ২০১৬)
* সিনেটর কোরি বুকার নিজের সম্পর্কে যা জানেন, আমি তার চেয়েও বেশি জানি। (জুলাই ২০১৬)
* আমার মনে হয় আমি অপর পক্ষ ডেমোক্র্যাটদের সম্পর্কে প্রায় সবার চেয়ে বেশি জানি। (নভেম্বর ২০১৬)
* নির্মাণ কাজ সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না। (মে ২০১৮)
* আমার মনে হয় আমি অর্থনীতি সম্পর্কে ফেডারেল রিজার্ভের চেয়েও ভালো জানি। (অক্টোবর ২০১৮)
* প্রযুক্তি প্রযুক্তি সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানি না। (ডিসেম্বর ২০১৮)
* ড্রোন সম্পর্কে আমি যে কারও চেয়ে বেশি জানি। যত রকমের নিরাপত্তার ব্যবস্থা হতে পারে সে সম্পর্কে আমার ধারণা আছে। (জানুয়ারি ২০১৯)
* মাথার ওপর ড্রোন ওড়া আর আমার মনে হয় এই ধরনের প্রযুক্তি সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না। (জানুয়ারি ২০১৯)
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.axios.com/2019/01/05/everything-trump-says-he-knows-more-about-than-anybody "সবকিছু যা ট্রাম্প দাবি করেন যে তিনি 'যে কারও চেয়ে বেশি জানেন'"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, ''অ্যাক্সিওস'' (৫ জানুয়ারি, ২০১৯)
* আমরা স্বাধীন হয়ে জন্মেছি আর স্বাধীনই থাকব। আজ রাতে আমরা আমাদের সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করছি যে আমেরিকা কখনোই একটি সমাজতান্ত্রিক দেশ হবে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০১-০৫ |শিরোনাম=ওকাসিও-কর্টেজের উদ্দেশ্যে ট্রাম্প: 'আমেরিকা কখনোই সমাজতান্ত্রিক দেশ হবে না' |লেখক=জোয়েল গেহরকে |সাময়িকী=''ওয়াশিংটন এক্সামিনার'' |ইউআরএল=https://www.washingtonexaminer.com/policy/defense-national-security/trump-to-ocasio-cortez-america-will-never-be-a-socialist-country}} শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত
* <p>''প্রশ্ন:'' এই সরকার অচল হওয়ার দায় কি আপনার ওপর বর্তায়?</p><p>''ডোনাল্ড ট্রাম্প:'' '''দায়ভার সবার ওপরই বর্তায়।'''</p>
** হোয়াইট হাউসের সংবাদ সম্মেলনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ১০ জানুয়ারি, ২০১৯, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০১-১০ |শিরোনাম=দায়িত্ব অস্বীকার করে ট্রাম্পের ঘোষণা, ‘দায়ভার সবার ওপরই বর্তায়’ |লেখক=স্টিভ বেনেন |সাময়িকী=এমএসএনবিসি |ইউআরএল=http://www.msnbc.com/rachel-maddow-show/rejecting-responsibility-trump-declares-the-buck-stops-everybody}} শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, এবং {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০১-১০ |শিরোনাম=ট্রাম্প: যে অচল অবস্থার দায় নিতে তিনি গর্বিত ছিলেন এখন বলছেন ‘দায়ভার সবার’ |লেখক=অলিভার উইলিস |সাময়িকী=আমেরিকান ইন্ডিপেন্ডেন্ট |ইউআরএল=https://americanindependent.com/trump-buck-stops-with-everybody-shutdown-proud/}} শীর্ষক প্রতিবেদনে ভিডিওসহ উদ্ধৃত
* আমাদের কাছে পিৎজা আছে, তিনশ হ্যামবার্গার আছে, প্রচুর ফ্রেঞ্চ ফ্রাই আছে, আমাদের সব প্রিয় খাবার। আমি দেখতে চাই আমরা যাওয়ার পর এখানে কী অবশিষ্ট থাকে, কারণ আমার মনে হয় না খুব বেশি কিছু থাকবে। যদি সেটি আমেরিকান হয়, তবে আমি এটি পছন্দ করি। এগুলো সব আমেরিকান খাবার।
** ''বিবিসি''-র একটি প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৪ জানুয়ারি, ২০১৯)
* আমি কি আপনাদের সামান্য কিছু সালাদ দেব যা ফার্স্ট লেডি আর সেকেন্ড লেডি মিলে বানাবেন? তারা কিছু সালাদ বানাবেন।<br>তখন আমি বললাম আপনারা তো সালাদ খুব একটা পছন্দ করেন না।<br>নাকি আমি বাইরে থেকে প্রায় এক হাজার হ্যামবার্ডার আনিয়ে নেব? বিগ ম্যাক।<br>তো আমরা আসলে সেটাই করলাম।<br>আমরা বার্গার কিং থেকে এক হাজার বার্গার কিনলাম।<br>সব আমেরিকান কোম্পানি।<br>বার্গার কিং, ওয়েন্ডি’স আর ম্যাকডোনাল্ডস।
** ''রোলিং স্টোনের'' একটি [https://www.rollingstone.com/politics/politics-news/trump-fast-food-white-house-779128/ প্রতিবেদনে] উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৪ জানুয়ারি, ২০১৯)
* গত রাতে হোয়াইট হাউসে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন ক্লেমসন টাইগারদের সাথে সময়টা দারুণ কেটেছে। সরকার অচল থাকার কারণে আমি তাদের প্রচুর পরিমাণে ফাস্ট ফুড খাইয়েছি (আমি নিজে টাকা দিয়েছি), ১০০০ এর বেশি হ্যামবার্ডার ইত্যাদি। এক ঘণ্টার মধ্যেই সব শেষ হয়ে গিয়েছিল। দারুণ সব ছেলে আর কী দারুণ পেটুক!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1085159285208858624 টুইট] (১৫ জানুয়ারি ২০১৯)
* জাতীয় আফ্রিকান আমেরিকান ইতিহাস মাস হলো আফ্রিকান আমেরিকানদের অমর কাহিনী এবং স্বাধীনতা, লক্ষ্য ও সুযোগের সেই উপহারগুলোকে পুনরায় জানার একটি উপলক্ষ যা তারা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রেখে গেছেন।
** [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/presidential-proclamation-national-african-american-history-month-2019/ ৩১ জানুয়ারি ২০১৯-এর ভোরের ঘোষণা WhiteHouse.gov] কৃষ্ণাঙ্গদের ইতিহাসের মাস সম্পর্কিত
*** [https://twitter.com/realdonaldtrump/status/1091427927475085312 ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ টুইটারে পুনরায় পোস্ট করা হয়েছে]
==== ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ====
* যখন আমরা ওই এলাকার খেলাফতের বাকি অংশটুকু দখল করে নেব, তখন তারা ইরাকে আমাদের ঘাঁটিতে চলে যাবে। শেষ পর্যন্ত তাদের কেউ কেউ বাড়িতে ফিরে আসবে। কিন্তু আমরা সেখানে থাকব এবং আমরা সেখানে থাকছিই--<br>আমাদের ইসরায়েলকে রক্ষা করতে হবে। আমাদের অন্যান্য জিনিসেরও সুরক্ষা দিতে হবে। তবে হ্যাঁ, তারা সময়ের ব্যবধানে ফিরে আসবে। দেখুন, আমরা বিশ্বকে রক্ষা করছি। ইতিহাসের যে কারও চেয়ে আমরা অনেক বেশি টাকা খরচ করছি। গত পাঁচ বছরে আমরা [[আফগানিস্তান]]ে বছরে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলার খরচ করেছি। হাতেগোনা কয়েকটি দেশ ছাড়া এই পরিমাণ টাকা অধিকাংশ দেশের শিক্ষা, চিকিৎসা এবং অন্য সব খাতের মোট খরচের চেয়েও বেশি।
** ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ তারিখে [https://www.cbsnews.com/news/donald-trump-interview-face-the-nation-margaret-brennan-today-2019-02-01/ ডোনাল্ড ট্রাম্পের] সাক্ষাৎকার যা ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ তারিখে [https://www.cbsnews.com/news/transcript-president-trump-on-face-the-nation-february-3-2019/ প্রচারিত] হয়, ''সিবিএস নিউজ''
* স্বাধীনতার মহৎ অন্বেষণে আমরা [[ভেনেজুয়েলা|ভেনেজুয়েলার]] জনগণের পাশে আছি। আমরা মাদুরো সরকারের নিষ্ঠুরতার নিন্দা জানাই। তাদের সমাজতান্ত্রিক নীতিগুলো ওই দেশটিকে দক্ষিণ আমেরিকার সবচেয়ে ধনী দেশ থেকে চরম [[দারিদ্র্য]] আর হতাশার দেশে পরিণত করেছে।
** [https://fair.org/home/the-media-myth-of-once-prosperous-and-democratic-venezuela-before-chavez/ "চ্যাভেজের আগে এক সময়কার সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক ভেনেজুয়েলা নিয়ে সংবাদমাধ্যমের মিথ"] শীর্ষক প্রতিবেদনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯)
* আমাদের দেশ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই আমাদের অধিকাংশ বড় অর্জনগুলো—স্বাধীনতা লাভ থেকে শুরু করে নাগরিক অধিকারের বিলোপ এবং নারীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা—এই সবকিছুতেই ধর্মপ্রাণ মানুষ নেতৃত্ব দিয়েছে।
** [https://www.huffingtonpost.com/entry/trump-civil-rights-abolition-prayer-breakfast_us_5c5e14ace4b0eec79b236874 ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯] তারিখে প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আসলে আমি মনে হয় এটি বলতে পারি, জাপানের প্রধানমন্ত্রী আবে আমাকে একটি চিঠির খুব সুন্দর অনুলিপি দিয়েছেন যা তিনি নোবেল পুরস্কার প্রদানকারী ব্যক্তিদের কাছে পাঠিয়েছেন। তিনি বলেছেন: '''"জাপানের পক্ষ থেকে আমি অত্যন্ত সম্মানের সাথে আপনার নাম প্রস্তাব করছি। আমি তাদের অনুরোধ করছি আপনাকে যেন নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়।"''' আমি বললাম, 'ধন্যবাদ।'<br>আমরা অনেক ভালো কাজ করছি। এই প্রশাসন দুর্দান্ত কাজ করছে কিন্তু আমরা তার কোনো স্বীকৃতি পাই না। '''তাই প্রধানমন্ত্রী আবে আমাকে—মানে এটি নোবেল পুরস্কারের জন্য পাঠানো একটি চমৎকার পাঁচ পৃষ্ঠার চিঠি যা তিনি তাদের কাছে পাঠিয়েছেন।''' জানেন কেন? কারণ জাপানের ওপর দিয়ে রকেট আর ক্ষেপণাস্ত্র উড়ে যাচ্ছিল এবং বিপদ সংকেত বেজে উঠছিল—আপনারা তা জানেন। এখন হঠাৎ করেই তারা ভালো বোধ করছে, তারা নিজেদের নিরাপদ মনে করছে। আমিই তা করেছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |শিরোনাম=ট্রাম্প এখনই যা বললেন তা আপনি বিশ্বাস করবেন না: চমকে দেওয়ার মতো ৬টি মুহূর্ত |লেখক=দারেহ গ্রেগরিয়ান |সাময়িকী=''এনবিসি নিউজ'' |ইউআরএল=https://www.nbcnews.com/politics/donald-trump/you-won-t-believe-what-trump-just-said-6-eye-n972166}} শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯)
====মার্চ ২০১৯====
*এই ঘরে এমন কিছু মানুষ আছেন যারা এটি পছন্দ করবেন না। আমাদের বেকারত্বের হার ৩.৭ শতাংশে নেমে এসেছে, যা দীর্ঘ সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন। কিন্তু এটা ভেবে দেখুন: আমি এই সব কোম্পানিগুলোকে দেশে ফিরিয়ে আনছি। তাদের কর্মী প্রয়োজন। চারদিকে যে চমৎকার সব কারখানাগুলো খুলছে, সেখানে কাজ করার জন্য আমাদের দেশে মানুষ নিয়ে আসতে হবে। নির্বাচনী প্রচারণার সময় আমি ঠিক এই কথাগুলো বলিনি, কারণ আমি জানতাম না যে আমরা এতটা সফল হব। কোম্পানিগুলো হুড়মুড় করে আমাদের দেশে ফিরে আসছে, আর এখন আমরা চাই মানুষ আসুক। আমাদের কর্মীদের আসা প্রয়োজন, তবে তাদের অবশ্যই আইনগতভাবে আসতে হবে এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে আসতে হবে। যোগ্যতা, যোগ্যতা, যোগ্যতা।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-2019-conservative-political-action-conference/ ৩ মার্চ ২০১৯]।
====এপ্রিল ২০১৯====
*সবাইকে হ্যালো। অর্থনীতির নতুন তথ্যগুলো এইমাত্র প্রকাশিত হয়েছে; সেগুলো খুব, খুব ভালো। অর্থনৈতিক দিক দিয়ে আমাদের দেশ অবিশ্বাস্য রকমের ভালো করছে। আপনাদের বেশিরভাগই এই খবরগুলো প্রচার করেন না, কারণ আপনাদের দৃষ্টিকোণ থেকে এটি শুনতে ভালো লাগে না। কিন্তু দেশ সত্যিই খুব, খুব ভালো চলছে। আমাদের এখানে এখন অনেক রোমাঞ্চকর কাজ হচ্ছে। অনেক কোম্পানি শীঘ্রই ঘোষণা করবে যে তারা যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসছে। তারা সবাই ফিরে আসছে। যেখানে আসল কর্মযজ্ঞ চলছে, তারা সেখানেই থাকতে চায়।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900207/html/DCPD-201900207.htm ৫ এপ্রিল ২০১৯]।
*আপনার বাড়ির আশেপাশে কোথাও যদি উইন্ডমিল (বায়ুকল) থাকে, তবে অভিনন্দন, আপনার বাড়ির দাম এক ধাক্কায় ৭৫ শতাংশ কমে গেল। '''আর তারা বলে যে এর শব্দে ক্যান্সার হয়।''' আপনিই আমাকে এটি বলেছিলেন, ঠিক আছে। ''[হাত দিয়ে গোল করে ইশারা করেন এবং মুখ দিয়ে একটি শব্দ করেন]'' আপনারা জানেন যে ওই জিনিসটা কেমন শব্দ করে... আর অবশ্যই এটি পাখিদের জন্য এক কবরস্থানের মতো।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], রিপাবলিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসনাল কমিটির এক বক্তৃতায়, ২ এপ্রিল ২০১৯, জাচারি বি. উলফের "[https://www.cnn.com/2019/04/03/politics/trumps-war-on-windmills-now-includes-wild-cancer-claim/index.html উইন্ডমিলের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের যুদ্ধে এখন ক্যান্সারের অদ্ভুত দাবিও যুক্ত হয়েছে]", সিএনএন (৩ এপ্রিল ২০১৯) এবং জন গ্রিনবার্গের "[https://www.politifact.com/truth-o-meter/statements/2019/apr/08/donald-trump/republicans-dismiss-trumps-windmill-and-cancer-cla/ ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্যান্সার ও উইন্ড টারবাইনের মধ্যকার হাস্যকর যোগসূত্র]", পলিটিফ্যাক্ট (৮ এপ্রিল ২০১৯)-এ উদ্ধৃত।
*যারা বেআইনিভাবে আমাদের দেশে ঢুকেছে, তাদের হাতে হাজার হাজার আমেরিকান নিষ্ঠুরভাবে প্রাণ হারিয়েছেন।
** রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প, ফেব্রুয়ারি মাসে তার স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণে, "[https://www.politico.com/story/2019/04/22/stephen-miller-immigration-trump-1284287 স্টিফেন মিলার যেভাবে অভিবাসন বিষয়টিকে ব্যক্তিগত জেদে পরিণত করেছেন]" প্রতিবেদন অনুযায়ী (২২ এপ্রিল ২০১৯)।
*তাদের টিকা নিতেই হবে। ভ্যাকসিন নেওয়াটা এখন ভীষণ জরুরি। অসুখটা এখন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। তাই টিকা নেওয়াটা আবশ্যিক।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], মেগান ভ্যাজকুয়েজের প্রতিবেদনে উল্লিখিত: "[https://www.cnn.com/2019/04/26/politics/donald-trump-measles-vaccines হামের প্রাদুর্ভাবের মুখে ট্রাম্প এখন বলছেন অভিভাবকদের অবশ্যই সন্তানদের টিকা দিতে হবে]", সিএনএন (২৬ এপ্রিল ২০১৯)।
[[File:Bernie Sanders.jpg|thumb|ডোনাল্ড ট্রাম্প... তার পুরো রাজনৈতিক কৌশল হলো আমেরিকান জনগণকে আড়াআড়ি ভাগ করা... তাই আপনার কাছে এমন একজন রাষ্ট্রপতি আছেন যিনি কোটিপতিদের কর ছাড় দেন... যিনি ৩ কোটি ২০ লক্ষ মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত করার ফন্দি আঁটেন... যিনি কর সুবিধার ৮৩ শতাংশই তুলে দিয়েছেন মাত্র শীর্ষ এক শতাংশ ধনকুবেরের হাতে... এখন ভাবুন, আপনি কীভাবে নির্বাচনে জিতবেন? কী বলবেন — ওই দেখুন নথিপত্রহীন মানুষগুলো, তারা সবাই আপনার শত্রু। 'আমার পাশে দাঁড়ান। তাদের ঘৃণা করুন। চলুন এই দেশটাকে ভাগ করে ফেলি।' ~ [[বার্নি স্যান্ডার্স]] ]]
[[File:Ahmed al-Sharaa in July 2025 (cropped).jpg|thumb|আমি তাকে একজন শান্তিকামী মানুষ হিসেবে দেখি। আমরা দুজনেই একই শত্রুর লক্ষ্যবস্তু হয়েছিলাম। ট্রাম্প ক্ষমতা, শক্তি এবং ফলাফল অর্জন করতে জানেন। ~ আহমেদ আল-শারা]]
*['''[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]'''] যা করছেন সেটা আসলে '''আমেরিকার মানুষকে তাদের জাতি বা জন্মপরিচয়ের ভিত্তিতে ভাগ করার একটা রাজনৈতিক চাল'''... '''আপনার কাছে এমন একজন রাষ্ট্রপতি আছেন যিনি কোটিপতিদের কর ছাড় দেন''' আর মেডিকেয়ার, মেডিকেইড ও সোশ্যাল সিকিউরিটির মতো সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পগুলো কমিয়ে দিতে চান। তিনি কিন্তু এগুলো নিয়ে নির্বাচনে প্রচার চালাবেন না। আপনার রাষ্ট্রপতি এমন একজন মানুষ '''যিনি ৩ কোটি ২০ লক্ষ মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করেছেন'''। সেটা নিয়েও তিনি প্রচার চালাবেন না। তিনি এমন এক রাষ্ট্রপতি '''যিনি কর সুবিধার ৮৩ শতাংশই দিয়েছেন শীর্ষ এক শতাংশ ধনীকে''', এই কথা বলেও তিনি প্রচার চালাবেন না। '''তাহলে আপনি কীভাবে নির্বাচনে জিতবেন? কী বলবেন — ওই যে দেখছেন নথিপত্রহীন মানুষগুলো, তারা সবাই আপনার শত্রু। 'আমার পাশে দাঁড়ান। তাদের ঘৃণা করুন। চলুন দেশটাকে ভাগ করে ফেলি।''''' আমি মনে করি এটি অত্যন্ত কুৎসিত আর বিপজ্জনক একটা পথ। আর এটা আটকানোর জন্য আমি আমার সাধ্যমতো সবকিছু করব।
**[https://www.newsweek.com/stand-me-hate-them-bernie-sanders-says-trumps-reelection-plan-based-dividing-country-1445407 ''আমার পাশে দাঁড়ান। তাদের ঘৃণা করুন: বার্নি স্যান্ডার্স বলছেন ট্রাম্পের পুনর্নির্বাচনী পরিকল্পনা দেশকে ভাগ করার ওপর ভিত্তি করে, নিউজউইক''], ক্রিস মোরান (২৩ জুন ২০১৯)।
*টাকার রহস্য খুঁজুন: এই প্রশাসন আসলে কিছু রাক্ষুসে ব্যবসায়ীদের পকেট ভরাতে ব্যস্ত, আর তার মূল্য দিতে হচ্ছে নিম্ন আয়ের সাধারণ শ্রমিক ও ক্রেতাদের। এটা সেই সরকার যারা উপভোক্তাদের স্বার্থ দেখার বদলে চড়া সুদে ঋণ দেওয়া মহাজনদের বাঁচাতে উঠেপড়ে লেগেছে এবং ছাত্রদের ঋণ মওকুফ প্রকল্পের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। এনএলআরবির নজিরবিহীন ইউনিয়ন-বিরোধী তৎপরতাও ঠিক একই ধরনের। এগুলো সাধারণ শ্রমিকদের আরও অসহায় আর অসুরক্ষিত করে তোলার ফন্দি, ঠিক যেমনটি এই প্রশাসন অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্ট এবং মেডিকেইড সম্প্রসারণ বাতিলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে—কারণ অর্থনীতির নিচের তলার মানুষগুলো যত বেশি ভয়ের মধ্যে থাকবে, তাদের শোষণ করা তত সহজ হবে।
** সাশা আব্রামস্কি, ''[https://www.thenation.com/article/archive/trump-labor-gm-strikes/ শ্রমিকদের অধিকারের ওপর ট্রাম্পের হামলা জোরদার হচ্ছে]'' (২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯), ''দ্য নেশন''।
*বেশ কিছু রাজ্যে শিক্ষকদের ধর্মঘটের পর সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে যে, সাধারণ মানুষের ৬৪ শতাংশই শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষে—যা গত ৫০ বছরের মধ্যে প্রায় সর্বোচ্চ। এগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। শ্রমিক আন্দোলন অবশেষে জেগে উঠছে। আর আমেরিকানরা এখন বুঝে গেছে যে ট্রাম্পের এই মেকি 'জনদরদী' সাজ আসলে ধনীদের আখের গুছিয়ে দেওয়ার একটা ফন্দি মাত্র।
** সাশা আব্রামস্কি, ''[https://www.thenation.com/article/archive/trump-labor-gm-strikes/ শ্রমিকদের অধিকারের ওপর ট্রাম্পের হামলা জোরদার হচ্ছে]'' (২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯), ''দ্য নেশন''।
====জুন ২০১৯====
*অভিশংসনের কোনো ভিত্তিই নেই। একেবারেই নেই। কোনো যোগসাজশ ছিল না। কোনো বাধাদান ছিল না। কোনো অপরাধ ছিল না। অপরাধ যা করার তা ডেমোক্র্যাটরা করেছে। ডেমোক্র্যাটরাই অপরাধ করেছে। অভিশংসনের কোনো আইনি ভিত্তি নেই। এটি একটি বিরাট উইচ হান্ট বা ডাইনি শিকার। ডেমোক্র্যাটসহ সবাই এটা জানে।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900366/html/DCPD-201900366.htm ২ জুন ২০১৯]।
*এই সপ্তাহে আমরা ন্যায়পরায়ণ দেশগুলোর এক বিশাল প্রচেষ্টা এবং ইতিহাসের অন্যতম মহৎ এক উদ্যোগকে স্মরণ করছি। পঁচাত্তর বছর আগে, ১ লক্ষ ৫০ হাজারের বেশি মিত্রবাহিনী এই দ্বীপে প্রস্তুতি নিচ্ছিল ফ্রান্সে প্যারাশুটে করে নামার জন্য, নরম্যান্ডির সমুদ্রসৈকত দখলে নেওয়ার জন্য এবং আমাদের সভ্যতাকে পুনরায় জয় করার জন্য। মহামান্যা যেমনটা মনে রেখেছেন, ব্রিটিশ জনগণ প্রায় ৫ বছর ধরে এই দিনটির জন্য আশা, প্রার্থনা এবং লড়াই করে আসছিলেন। ১৯৪০ ও ১৯৪১ সালের ব্লিৎজের সময় যখন ব্রিটেন একা লড়াই করছিল, তখন নাৎসি যুদ্ধযন্ত্রগুলো এই দেশে এবং এই চমৎকার শহরে হাজার হাজার বোমা ফেলেছিল। কেবল বাকিংহাম প্যালেসেই ১৬ বার বোমা হামলা চালানো হয়েছিল। সেই ঘোর দুর্দিনে এই দেশের মানুষ বিশ্বকে দেখিয়েছিল ব্রিটিশ হওয়া মানে কী। তারা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে রাস্তা পরিষ্কার করেছে, নিজেদের বিধ্বস্ত বাড়িগুলোতে ইউনিয়নের পতাকা উড়িয়েছে এবং জয়ের জন্য লড়াই চালিয়ে গেছে। তারা শুধু জয়ই চেয়েছিল। যুক্তরাজ্যের ছেলে-মেয়েদের সাহস নিশ্চিত করেছে যে আপনাদের ভাগ্য চিরকাল আপনাদের হাতেই থাকবে। এই সবকিছুর মধ্য দিয়ে রাজপরিবার ছিল কমনওয়েলথের অটল সংহতির এক অবিচল মুখ।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900368/html/DCPD-201900368.htm ৩ জুন ২০১৯]।
*আজ সন্ধ্যায় আমরা ঈশ্বরের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের সেই সাহসী সন্তানদের জন্য যারা নাৎসি এবং নাৎসি শাসনকে পরাজিত করে লক্ষ লক্ষ মানুষকে স্বৈরশাসন থেকে মুক্ত করেছিলেন। আমাদের দেশগুলোর মধ্যকার বন্ধন সেই "মহৎ ক্রুসেডের" মাধ্যমেই চিরতরে সিলমোহর হয়ে গেছে। আমাদের এই যৌথ বিজয় ও ঐতিহ্যকে সম্মান জানানোর পাশাপাশি আমরা সেই অভিন্ন মূল্যবোধগুলোকে আবারও স্বীকার করছি যা সুদূর ভবিষ্যতেও আমাদের ঐক্যবদ্ধ রাখবে: মুক্তি, সার্বভৌমত্ব, আত্মনিয়ন্ত্রণ, আইনের শাসন এবং সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের দেওয়া অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ থেকে আজ পর্যন্ত মহামান্যা এই অমূল্য ঐতিহ্যগুলোর এক অবিচল প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি সেই মর্যাদা, দায়িত্ববোধ এবং দেশপ্রেমের চেতনাকে ধারণ করেছেন যা প্রতিটি ব্রিটিশ হৃদয়ে সগৌরবে স্পন্দিত হয়। সব আমেরিকানের পক্ষ থেকে আমি আমাদের জনগণের চিরন্তন বন্ধুত্ব, আমাদের দেশগুলোর প্রাণশক্তি এবং মহামান্যা রানীর দীর্ঘ ও সত্যিই অসাধারণ রাজত্বের জন্য শুভকামনা জ্ঞাপন করছি। ধন্যবাদ।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900368/html/DCPD-201900368.htm ৩ জুন ২০১৯]।
*আপনি ভিয়েতনাম যুদ্ধের কথা বলছেন, অথচ সেই সময়ে দেশটির কথা কেউ শোনেনি।
** ১৯৬৮ সালে ভিয়েতনাম সম্পর্কে মার্কিনদের সাধারণ ধারণা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এমন মন্তব্য করেছিলেন (যখন ভিয়েতনামে প্রায় ৫ লক্ষ মার্কিন সেনা মোতায়েন ছিল); ([https://www.japantimes.co.jp/news/2019/06/06/world/politics-diplomacy-world/trump-says-never-fan-vietnam-war-claims-americans-hadnt-heard-country-1968/#.XraZ4hMzbOQ "ট্রাম্প বলেছেন তিনি 'কখনও ভক্ত ছিলেন না' ভিয়েতনাম যুদ্ধের, এবং দাবি করেছেন যে ১৯৬৮ সালে আমেরিকানরা দেশটির কথা শোনেনি"], ''জাপান টাইমস''। ২০১৯-০৬-০৫।
*আমার মনে হয় গতকাল অনেক অগ্রগতি হয়েছে, তবে আমাদের আরও অনেক দূর এগোতে হবে। মেক্সিকো বহু বছর ধরে শত শত কোটি ডলার আয় করছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর এক বিশাল ভাগ্য গড়ে তুলছে। তাদের এগিয়ে আসতে হবে, যথাযথ দায়িত্ব নিতে হবে, এবং হয়তো তারা তা করবেও। আমরা দেখব কী হয়। তারা সমস্যার সমাধান করতে পারে। ডেমোক্র্যাটরা—কংগ্রেস এক ভয়াবহ বিপর্যয়ে পরিণত হয়েছে। তারা বদলাবে না। তারা কিছুই করবে না। তারা অবাধ অভিবাসন চায়—আমাদের দেশে যেন অভিবাসনের ঢল নামে। তারা পরোয়া করে না কে ঢুকছে। তাদের কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড আছে কি না তাতেও তাদের কিছু যায় আসে না। এতে কোনো তফাত হয় না। তারা কিছুই পাল্টাবে না। আমরা তাদের কাছে গিয়ে বলি, "চলুন অভিবাসন আইনগুলো ঠিক করি।" তারা শুধু এর খারাপটা দেখতে চায়। পরিস্থিতি যত খারাপ হয়, তারা তত বেশি খুশি হয়। এটাই হলো বাস্তবতা, আর আমার মনে হয় নির্বাচন পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই থাকবে। এটি অত্যন্ত লজ্জাজনক। কারণ সত্যি বলতে কী, কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাটরা যদি কিছু পরিবর্তন করতে রাজি হতো তবে আমরা এই সমস্যার খুব সহজেই সমাধান করতে পারতাম, কিন্তু তারা রাজি নয়। আর বিষয়টি এমনই। তারা শুধু সময় পার করতে চায়। তারা খুব খারাপ পরিস্থিতি দেখতে চায়। অপরাধ নিয়ে তাদের কোনো মাথা ব্যথা নেই। আমাদের দেশে মাদকের ঢল নামছে তা নিয়েও তাদের পরোয়া নেই। তাদের কিছুই আসে যায় না। এর পুরোটাই রাজনীতি। এটি এক নৃশংস কারবার। সুতরাং পরিস্থিতি এমনই। তবে মেক্সিকোর সাথে আমাদের দারুণ কথা হচ্ছে। দেখা যাক কী হয়। তবে বেশ নাটকীয় কিছু ঘটতে পারে। আমরা মেক্সিকোকে বলেছি যে শুল্ক প্রয়োগ করা হবে। আর আমি সত্যিই তা করতে চাই। এতে আমি খুব খুশি। অনেক লোক, যাদের মধ্যে সিনেটররাও আছেন, শুল্কের কথা এলে তারা কী নিয়ে কথা বলছেন সে সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণাই নেই। একদমই কোনো ধারণা নেই। যখন আপনার কাছে টাকা থাকে, যখন আপনার কাছে পণ্য থাকে, যখন আপনার কাছে এমন কিছু থাকে যা সবাই চায়, তখন শুল্ক নিয়ে আপনি খুব সুবিধাজনক অবস্থানে থাকেন এবং আমরা এখন সেখানেই আছি। আমরা হলাম পিগিব্যাংক। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হলো সেই পিগিব্যাংক। এখানে সেই সব অর্থ আছে যা অন্যরা আমাদের কাছ থেকে কেড়ে নিতে চায়, তবে এখন আর তারা তা সহজে নিতে পারছে না। এখন পরিস্থিতি অনেক আলাদা। চীনের সাথে আমাদের আলোচনা—অনেক কৌতূহলী সব ঘটনা ঘটছে। দেখা যাক কী হয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900372/html/DCPD-201900372.htm ৬ জুন ২০১৯]।
*''রিপোর্টার:'' আপনি কি ইরানের সাথে যুদ্ধে যেতে রাজি আছেন?<br />''ট্রাম্প:'' আপনি নিজেই জানতে পারবেন। জানতে পারবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{cite news|date=২০ জুন ২০১৯|title=ইরানের সাথে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প জনগণকে বলছেন 'আপনারা জানতে পারবেন'|work=দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট|url=https://www.washingtonpost.com/video/world/trump-tells-public-youll-find-out-when-asked-about-a-war-with-iran/2019/06/20/18f8c92d-b370-4a01-a948-4144be20f730_video.html}}
* কোনো এক কারণে আমাদের মধ্যে একটা চমৎকার বোঝাপড়া বা অন্য কিছু কাজ করে। দেখা যাক কী হয়। আমাদের অনেকটা পথ পাড়ি দেওয়া বাকি। তবে আমার কোনো তাড়াহুড়ো নেই... তাই আমি শুধু এটুকুই বলতে চাই যে আমরা ডিএমজেডের দিকে যাচ্ছি। এ'''ই পরিকল্পনাটা আমার অনেক আগে থেকেই ছিল, তবে কাল হঠাৎ মাথায় এল''' যে হয়তো একবার হাই-হ্যালো করা যায়, দ্রুত হাত মেলানো যায় এবং কুশল বিনিময় করা যায়।
** দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে ব্লু হাউসে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের সংবাদ সম্মেলন, {{উদ্ধৃতি|date=2019-06-30 |title=ট্রাম্প: কিম এবং আমার মধ্যে "একটি নির্দিষ্ট রসায়ন আছে" |periodical=সিএনএন |url=https://edition.cnn.com/politics/live-news/trump-dmz-kim-live-intl-hnk/h_8b23e071903b007d8ff1934be8457d2c}} অনুযায়ী।
=====ফ্রান্সের কলভিল-সুর-মেয়ারে ডি-ডের ৭৫তম বার্ষিকীতে ভাষণ=====
<small>[https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900373/html/DCPD-201900373.htm প্রতিলিপি] (৬ জুন, ২০১৯)</small>
* এখানে আজ আপনাদের সাথে ৬০ জনেরও বেশি প্রবীণ যোদ্ধা উপস্থিত আছেন, যারা ডি-ডে’র সেই লড়াইয়ে ময়দানে নেমেছিলেন। আপনাদের কাছে আমাদের এই ঋণ কোনোদিন শোধ হওয়ার নয়। আজ আমরা আপনাদের প্রতি আমাদের চিরন্তন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আপনারা যখন বয়সে তরুণ ছিলেন, তখন এক মহৎ অভিযানে নিজেদের জীবন সঁপে দিয়েছিলেন যা ছিল ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এক উদ্যোগ। আপনাদের সেই অভিযান ছিল এক মহাকাব্যিক যুদ্ধের কাহিনী, যেখানে ন্যায় আর অন্যায়ের মধ্যকার এক প্রচণ্ড ও চিরস্থায়ী লড়াই ফুটে উঠেছিল। ১৯৪৪ সালের ৬ই জুন, আপনারা এক বিস্ময়কর ক্ষমতার অধিকারী বিশাল এক মুক্তিসেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন। মাসের পর মাস পরিকল্পনার পর মিত্রবাহিনী এই প্রাচীন সমুদ্রতীরকে বেছে নিয়েছিল নাৎসি সাম্রাজ্যের পৈশাচিক স্বৈরাচারকে পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য। যুদ্ধের শুরুটা হয়েছিল আমাদের মাথার ওপরের ওই আকাশেই। মধ্যরাতের সেই চরম উত্তেজনাকর প্রথম কয়েক ঘণ্টায় ১,০০০টি বিমান গর্জন করে উড়ে গিয়েছিল, আর ১৭,০০০ আকাশসেনা ওই অরণ্যের ওপারে ঘুটঘুটে অন্ধকারের মধ্যে ঝাঁপ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এরপর যখন ভোর হলো, তখন এই পাহাড়গুলো দখল করে রাখা শত্রুরা দেখল পৃথিবীর ইতিহাসের বৃহত্তম নৌ-রণতরীর বহর। উপকূল থেকে মাত্র কয়েক মাইল দূরে ৭,০০০ জাহাজ ১ লক্ষ ৩০ হাজার যোদ্ধা নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল।
* তারা ছিলেন মুক্ত ও স্বাধীন বিভিন্ন দেশের নাগরিক, যারা দেশমাতৃকা এবং কোটি কোটি অজাত প্রজন্মের প্রতি নিজেদের কর্তব্যে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলেন। সেখানে ছিলেন ব্রিটিশরা, যাদের আভিজাত্য আর অদম্য মানসিক শক্তি তাদের ডানকার্কের ভয়াবহ সময় আর লন্ডনের ব্লিৎজ কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করেছিল। নাৎসিদের সেই উন্মাদনার চেয়ে ব্রিটিশদের আত্মমর্যাদাবোধ ছিল অনেক বেশি শক্তিশালী। আপনাদের ধন্যবাদ। সেখানে ছিলেন কানাডিয়ানরা, যাদের প্রগাঢ় সম্মানবোধ আর আনুগত্য একদম শুরু থেকেই তাদের ব্রিটেনের পাশে দাঁড়িয়ে যুদ্ধ করতে বাধ্য করেছিল। সেখানে ছিলেন লড়াকু পোলিশরা, কঠোর নরওয়েজিয়ানরা এবং সাহসী অস্ট্রেলিয়ানরা। সেখানে ছিলেন ফরাসি কমান্ডোরা, যাদের সাথে খুব দ্রুতই যোগ দিয়েছিল তাদের হাজার হাজার সাহসী দেশবাসী যারা ফরাসি বীরত্বের দীর্ঘ ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় লিখতে প্রস্তুত ছিল। আর সবশেষে ছিলেন আমেরিকানরা। তারা এসেছিলেন সুবিশাল গ্রামাঞ্চল, ঝলমলে শহর আর শক্তিশালী শিল্প নগরীগুলো থেকে। যুদ্ধের আগে তাদের অনেকেরই নিজের এলাকার বাইরে পা দেওয়ার সুযোগ হয়নি। অথচ আজ তারা নিজেদের ঘর থেকে অর্ধ-পৃথিবী দূরে জীবন উৎসর্গ করতে এসেছেন।
* ওমাহা নামের এই সমুদ্রতীরটি নাৎসিরা ভয়াবহ মারণাস্ত্র আর বালির নিচে অসংখ্য মাইন পুঁতে রেখে সুরক্ষিত করেছিল। এখানেই হাজার হাজার আমেরিকান নেমেছিলেন। সেই সকালে যারা ল্যান্ডিং ক্রাফটে চড়েছিলেন, সেই সেনারা জানতেন যে তাদের কাঁধে কেবল একজন সৈনিকের সরঞ্জাম নেই, বরং জড়িয়ে আছে গোটা পৃথিবীর ভাগ্য। কর্নেল জর্জ টেলর, যার ১৬তম পদাতিক রেজিমেন্ট প্রথম আক্রমণকারী দলের সাথে যোগ দিয়েছিল, তাকে একবার জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: যদি জার্মানরা ঠিক ওই মুহূর্তেই আপনাদের সমুদ্রসৈকতে আটকে দিত, তবে কী হতো? এই মহান আমেরিকান জবাব দিয়েছিলেন: "কেন, আমাদের ঠিক পেছনেই ১৮তম পদাতিক বাহিনী আসছে। ২৬তম পদাতিক বাহিনীও আসবে। এরপর ২য় ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনও সমুদ্রে প্রস্তুত আছে। এছাড়া ৯ম ডিভিশন, ২য় আরমর্ড, ৩য় আরমর্ড আর বাকি সবাই তো আছেই। হয়তো ১৬তম রেজিমেন্ট সফল হবে না, কিন্তু কেউ না কেউ ঠিকই সফল হবে।"
* ৯,৩৮৮ জন তরুণ আমেরিকান এই সুন্দর ভূমিতে সাদা ক্রস আর স্টার অব ডেভিডের নিচে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন। তাদের প্রত্যেককে একেকটি ফরাসি পরিবার নিজেদের আপনজন হিসেবে গ্রহণ করেছে। তারা ফ্রান্সের সব প্রান্ত থেকে এখানে আসেন আমাদের ছেলেদের দেখাশোনা করতে। তারা হাঁটু গেড়ে বসেন, কাঁদেন, প্রার্থনা করেন এবং ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। তারা কখনও ভুলবেন না। আজ আমেরিকা ফরাসি জনগণকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছে আমাদের প্রিয় শহীদদের সম্মান জানানোর জন্য। আপনাদের অনেক অনেক ধন্যবাদ।
* আমাদের সকল বন্ধু ও অংশীদারদের প্রতি বলতে চাই: আমাদের এই প্রিয় মৈত্রী যুদ্ধের উত্তাপে গড়ে উঠেছে, যুদ্ধের অগ্নিপরীক্ষায় পরীক্ষিত হয়েছে এবং শান্তির আশীর্বাদে প্রমাণিত হয়েছে। আমাদের এই বন্ধন অবিচ্ছেদ্য।
* সারা বিশ্ব থেকে আমেরিকানরা এই জায়গার প্রতি এক টান অনুভব করে, যেন এটি আমাদের আত্মারই একটি অংশ। আমরা এখানে কেবল তারা কী করেছিলেন তার জন্য আসি না, বরং তারা কেমন মানুষ ছিলেন সেই বীরত্বের টানেই ফিরে আসি। তারা ছিলেন তরুণ, যাদের সামনে গোটা জীবন পড়ে ছিল। তারা ছিলেন স্বামী, যারা নিজেদের তরুণী স্ত্রীদের বিদায় জানিয়ে কর্তব্যকেই নিয়তি হিসেবে মেনে নিয়েছিলেন। তারা ছিলেন বাবা, যারা তাদের সন্তানদের মুখ দেখার সুযোগ পাননি কারণ তাদের একটি কাজ সম্পন্ন করার ছিল। আর ঈশ্বরকে সাক্ষী রেখে তারা সেই কাজ পূরণ করতে যাচ্ছিলেন। তারা ঢেউয়ের পর ঢেউয়ের মতো এগিয়ে গিয়েছিলেন—কোনো প্রশ্ন বা দ্বিধা ছাড়াই।
* আমেরিকান অস্ত্রের শক্তির চেয়েও বেশি শক্তিশালী ছিল আমেরিকানদের হৃদয়ের তেজ। এই মানুষগুলো এক অদম্য শক্তির জোরে নরকের আগুনের মধ্য দিয়ে ছুটে গিয়েছিলেন যা কোনো অস্ত্র ধ্বংস করতে পারত না আর তা হলো এক মুক্ত ও গর্বিত জাতির প্রগাঢ় দেশপ্রেম। তারা নিয়ন্ত্রণ বা আধিপত্য বিস্তারের জন্য লড়েননি, লড়েছিলেন স্বাধীনতা, গণতন্ত্র আর স্বশাসনের জন্য। তারা লড়াই করেছিলেন ঘর আর দেশের প্রতি ভালোবাসা, সেই চেনা রাস্তা, স্কুল মাঠ, গির্জা আর প্রতিবেশী সেই পরিবার আর সমাজের জন্য যারা আমাদের এমন মহৎ মানুষ উপহার দিয়েছে। তারা বিশ্বাস করতেন যে আমেরিকা সবকিছু করতে পারে কারণ আমরা এক মহান জাতি। এই অসাধারণ শক্তি এসেছিল এক অসাধারণ চেতনা থেকে। সাহসের উৎস ছিল অগাধ বিশ্বাস। একটি সেনাবাহিনীর মহৎ কর্মগুলো এসেছিল তাদের ভালোবাসার গভীরতা থেকে। নিজেদের ভাগ্যের মুখোমুখি হয়ে আমেরিকান আর মিত্রবাহিনী নিজেদের ঈশ্বরের হাতে সঁপে দিয়েছিলেন।
* আমার পেছনে থাকা মানুষগুলো আপনাদের বলবেন যে তারা কেবল ভাগ্যবান ছিলেন। তাদের মধ্যে একজন যেমনটা বলেছিলেন, "আসল বীররা তো এখানে মাটির নিচে শুয়ে আছেন।" কিন্তু আমরা জানি এই মানুষগুলো কী করেছিলেন। তারা কতটা সাহসী ছিলেন তা আমাদের অজানা নয়। তারা এখানে এসে স্বাধীনতা রক্ষা করেছিলেন এবং বাড়ি ফিরে গিয়ে আমাদের সবাইকে দেখিয়েছিলেন স্বাধীনতা মানে আসলে কী। বিজয়ী আমেরিকানরা শান্তিকালেও সমান উজ্জ্বল ছিলেন। তারা পরিবার গড়েছেন, শিল্পায়ন করেছেন এবং এমন এক জাতীয় সংস্কৃতি গড়ে তুলেছেন যা গোটা বিশ্বকে অনুপ্রাণিত করেছে। পরবর্তী দশকগুলোতে আমেরিকা সাম্যবাদকে পরাজিত করেছে, নাগরিক অধিকার সুরক্ষিত করেছে, বিজ্ঞানে বিপ্লব ঘটিয়েছে, চাঁদে মানুষ পাঠিয়েছে এবং প্রতিনিয়ত নতুন নতুন দিগন্তের দিকে এগিয়ে গেছে। আর আজ আমেরিকা আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।
* সাত দশক আগে, ডি-ডের যোদ্ধারা এক অশুভ শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন যারা হাজার বছরের এক সাম্রাজ্যের স্বপ্ন দেখত। সেই অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে তারা এমন এক উত্তরাধিকার রেখে গেছেন যা চিরকাল টিকে থাকবে যতদিন মানুষের মনে দায়িত্ব আর সম্মানের বোধ থাকবে; যতদিন মানুষের হৃদয়ে স্বাধীনতা অম্লান থাকবে। আমার পেছনে বসে থাকা এই মানুষগুলো এবং সামনে এই ময়দানে শুয়ে থাকা ছেলেদের উদ্দেশ্যে বলছি, আপনাদের এই দৃষ্টান্ত কখনও পুরনো হবে না। আপনাদের বীরত্বগাথা অমর হয়ে থাকবে। আপনাদের সাহসী ও অটল চেতনা কখনও মরবে না। তারা যে রক্ত ঝরিয়েছেন আর যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তা কেবল একটি যুদ্ধে জয় এনে দেয়নি বরং তা আমাদের সভ্যতার টিকে থাকা নিশ্চিত করেছে। তারা আমাদের পথ দেখিয়ে গেছেন কীভাবে আমাদের জীবনযাত্রাকে ভালোবাসতে হয় এবং রক্ষা করতে হয়। আজ এই পবিত্র ভূমিতে দাঁড়িয়ে আমরা শপথ করছি যে আমাদের জাতিগুলো চিরকাল শক্তিশালী আর ঐক্যবদ্ধ থাকবে। আমাদের মানুষেরা সাহসী হবে, আমাদের হৃদয় অনুগত থাকবে আর আমাদের পরবর্তী প্রজন্মগুলো চিরকাল মুক্ত থাকবে। ঈশ্বর আমাদের মহান প্রবীণ যোদ্ধাদের মঙ্গল করুন, ঈশ্বর আমাদের মিত্রদের মঙ্গল করুন, ঈশ্বর ডি-ডের বীরদের মঙ্গল করুন এবং ঈশ্বর আমেরিকার মঙ্গল করুন। আপনাদের অনেক ধন্যবাদ। ধন্যবাদ।
====জুলাই ২০১৯====
* "আমি বলেছিলাম, জানেন তো, আপনি আমাকে পছন্দ করেন না আর আমিও আপনাকে পছন্দ করি না। আমি আপনাকে কখনও পছন্দ করিনি আর আপনিও আমাকে পছন্দ করেননি, কিন্তু আপনি আমাকেই সমর্থন করবেন কারণ আপনি একজন ধনী মানুষ। আর আপনি যদি আমাকে সমর্থন না করেন, তবে আপনি এতটাই দরিদ্র হয়ে যাবেন যে আপনি নিজেই সেটা বিশ্বাস করতে পারবেন না।"
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] একজন নামহীন ব্যবসায়ীর কথা উল্লেখ করছিলেন, যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৭-১৭ |শিরোনাম=বিশ্লেষণ: ডোনাল্ড ট্রাম্পের নর্থ ক্যারোলাইনা জনসভার ৫১টি সবচেয়ে আপত্তিকর উক্তি |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=WLOS.com |ইউআরএল=https://wlos.com/news/local/analysis-the-51-most-outrageous-lines-from-donald-trumps-nc-rally}}
* সবাই আমাকে মিস্টার প্রেসিডেন্ট বলে ডাকে। এটা সত্যি। এটা একটা মজার ব্যাপার।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৭-১৭ |শিরোনাম=বিশ্লেষণ: ডোনাল্ড ট্রাম্পের নর্থ ক্যারোলাইনা জনসভার ৫১টি সবচেয়ে আপত্তিকর উক্তি |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=WLOS.com |ইউআরএল=https://wlos.com/news/local/analysis-the-51-most-outrageous-lines-from-donald-trumps-nc-rally}}
* তাছাড়া, আমার কাছে অনুচ্ছেদ ২ আছে, যেখানে রাষ্ট্রপতি হিসেবে আমার যা খুশি তাই করার অধিকার আছে [...] কিন্তু আমি এমনকি সেটা নিয়ে কথাও বলি না।
** ওয়াশিংটন ডিসিতে টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ টিন স্টুডেন্ট অ্যাকশন সামিটে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের ভাষণ (২৩ জুলাই ২০১৯), যা [https://www.washingtonpost.com/politics/2019/07/23/trump-falsely-tells-auditorium-full-teens-constitution-gives-him-right-do-whatever-i-want/ "মুলার তদন্ত নিয়ে আক্ষেপ করার সময়, ট্রাম্প ভুলভাবে বলেছেন যে সংবিধান তাকে 'যা খুশি করার অধিকার' দিয়েছে"] উদ্ধৃত হয়েছে, ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'' (২৩ জুলাই ২০১৯)
* বরিস জনসন, ভালো মানুষ, তিনি কঠোর কিন্তু বুদ্ধিমান। তারা তাকে ব্রিটেনের ট্রাম্প বলে ডাকে.. সেখানে তারা আমাকে পছন্দ করে।
** [https://www.youtube.com/watch?v=S0wO89TT9vI জনসন সম্পর্কে ট্রাম্প: 'তারা তাকে ব্রিটেনের ট্রাম্প বলে ডাকে' - বিবিসি নিউজ] ২৪ জুলাই ২০১৯
* এই লোকগুলো [ডেমোক্র্যাটরা] সব ভাঁড়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, যা ২৬ জুলাই হোয়াইট হাউস থেকে [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-signing-safe-third-country-agreement-guatemala/ দেওয়া বক্তব্যে (ভিডিও)] উদ্ধৃত হয়েছে।
* আমি এই পুরো বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে কম বর্ণবাদী মানুষ।
** [https://www.theguardian.com/us-news/video/2019/jul/30/trump-claims-least-racist-person-in-the-world দ্য গার্ডিয়ান অনুযায়ী] উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি (৩০ জুলাই ২০১৯)
====আগস্ট ২০১৯====
* আমার মনে হয় আমার কথাবার্তা - মানুষকে একত্র করে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৮-০৭ |শিরোনাম=সমালোচকদের তীব্র নিন্দা জানানোর পাশাপাশি ট্রাম্প বলেছেন যে তার কথাগুলো ‘মানুষকে একত্র করে’ |লেখক=স্টিভ বেনেন |সাময়িকী=এমএসএনবিসি |ইউআরএল=http://www.msnbc.com/rachel-maddow-show/while-slamming-critics-trump-says-his-words-bring-people-together}}
* আমি মনে করি যে কোনো ইহুদি ব্যক্তি যিনি ডেমোক্র্যাটদের ভোট দেন -- তা হয় জ্ঞানের চরম অভাব অথবা বড় কোনো অবিশ্বস্ততা প্রকাশ করে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৮-২১ |শিরোনাম=ইহুদিরা ডেমোক্র্যাটদের ভোট দিলে তারা অবিশ্বস্ত — ট্রাম্পের এমন উক্তিতে ইহুদি নেতারা ক্ষুব্ধ |লেখক=মেগান ভাজকুয়েজ, জিম অ্যাকোস্টা |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2019/08/20/politics/donald-trump-jewish-americans-democrat-disloyalty/index.html?no-st=9999999999}}
* আমিই সেই মনোনীত ব্যক্তি। কাউকে তো এটা করতেই হতো, তাই আমি চীনের মোকাবিলা করছি... আর আপনারা তো জানেনই যে আমরা জিতছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৮-২১ |শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্প: 'আমিই সেই মনোনীত ব্যক্তি' |লেখক=টোলা এমবাকওয়ে |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://premierchristian.news/en/news/article/donald-trump-i-am-the-chosen-one}}
====সেপ্টেম্বর ২০১৯====
* আমার প্রিয় স্বৈরশাসক কোথায়?
** মিশরের রাষ্ট্রপতি [[আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি]]কে খোঁজার সময় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই উক্তি করেন, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৯-১৩ |শিরোনাম=সম্মেলনে মিশরীয় প্রতিপক্ষের অপেক্ষায় থাকা ট্রাম্প 'আমার প্রিয় স্বৈরশাসক' বলে সম্বোধন করেছেন | লেখক=ন্যান্সি এ. ইউসেফ, ভিভিয়ান সালামা এবং মাইকেল সি. বেন্ডার | ইউআরএল=https://www.wsj.com/articles/trump-awaiting-egyptian-counterpart-at-summit-called-out-for-my-favorite-dictator-11568403645?tesla=y&mod=e2twp}}
* আমাকে সবসময় কমলা রঙের দেখায়। আর আপনাদেরও তাই দেখায়। এই আলোটা সবচেয়ে খারাপ।
** শক্তি-সাশ্রয়ী লাইট বাল্ব নিয়ে অভিযোগ করার সময় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই উক্তি করেন, যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৯-২৪ |শিরোনাম=ট্রাম্প কেন শক্তি-সাশ্রয়ী লাইট বাল্ব পছন্দ করেন না সে প্রসঙ্গে: “আমাকে সবসময় কমলা রঙের দেখায়” |লেখক=এলিয়ট হ্যানন |ইউআরএল=https://slate.com/news-and-politics/2019/09/trump-on-why-he-doesnt-like-energy-efficient-light-bulbs-i-always-look-orange.html}}
* সত্যটা একদম পরিষ্কার — আপনি যদি স্বাধীনতা চান, তবে নিজের দেশ নিয়ে গর্ব করুন; যদি [[গণতন্ত্র]] চান, তবে নিজের সার্বভৌমত্ব আঁকড়ে ধরুন; আর যদি শান্তি চান, তবে নিজের জাতিকে ভালোবাসুন। বিজ্ঞ নেতারা সবসময় তাদের নিজেদের লোক এবং নিজেদের দেশের স্বার্থকে সবার আগে স্থান দেন। ভবিষ্যৎ গ্লোবালিস্টদের নয়। ভবিষ্যৎ দেশপ্রেমিকদের। ভবিষ্যৎ সেই সার্বভৌম ও স্বাধীন দেশগুলোর যারা তাদের নাগরিকদের রক্ষা করে, প্রতিবেশীদের শ্রদ্ধা করে এবং প্রতিটি দেশ যে কারণে অনন্য, সেই পার্থক্যগুলোকে সম্মান জানায়।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের ভাষণ, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৯-১৩ |শিরোনাম=ট্রাম্পের জাতিসংঘ ভাষণে বিশ্বায়নের সমালোচনা: ভবিষ্যৎ হলো জাতীয়তাবাদের |লেখক=টিম পিয়ার্স |সাময়িকী=ওয়াশিংটন এক্সামিনার |ইউআরএল=https://www.washingtonexaminer.com/news/trump-un-speech-knocks-globalism-the-future-belongs-to-nationalism}}
====অক্টোবর ২০১৯====
=====আবু বকর আল-বাগদাদীর মৃত্যু নিয়ে বক্তব্য=====
[[File:President Trump Watches as U.S. Special Operations Forces Close in on ISIS Leader (48967991042).jpg|thumb|গত রাতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসবাদী নেতাকে ন্যায়ের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে। আবু বকর আল-বাগদাদী মৃত। তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে নির্মম ও সহিংস সন্ত্রাসী সংগঠন ইসলামিক স্টেটের প্রতিষ্ঠাতা ও নেতা।]]
:<small>[https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/statement-president-death-abu-bakr-al-baghdadi/ Whitehouse.gov-এ সরকারি বিবৃতি (২৭ অক্টোবর ২০১৯)] · [https://www.nytimes.com/2019/10/27/us/trump-transcript-isis-al-baghdadi.html দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-এ দেওয়া বক্তব্যের প্রতিলিপি (২৭ অক্টোবর ২০১৯)] · [https://www.youtube.com/watch?v=Q6YvsrGILrw "আবু বকর আল-বাগদাদীর মৃত্যু নিয়ে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের পূর্ণাঙ্গ ঘোষণা", দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট ইউটিউব চ্যানেল (২৭ অক্টোবর ২০১৯)]</small>
* গত রাতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসবাদী নেতাকে ন্যায়ের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে। আবু বকর আল-বাগদাদী মৃত। তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে নির্মম ও সহিংস সন্ত্রাসী সংগঠন ইসলামিক স্টেটের প্রতিষ্ঠাতা ও নেতা। বহু বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাগদাদীকে খুঁজছিল। তাকে ধরা বা খতম করা আমার প্রশাসনের জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ছিল। মার্কিন স্পেশাল অপারেশন বাহিনী এই অভিযান সম্পন্ন করতে উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ায় একটি বিপজ্জনক এবং দুঃসাহসী নৈশ অভিযান চালায়।
* নিরপরাধ মানুষকে যারা অত্যাচার ও হত্যা করে, সেইসব সন্ত্রাসীদের কখনোই শান্তিতে ঘুমানো উচিত নয়; কারণ তারা জানে যে আমরা তাদের পুরোপুরি ধ্বংস করে দেব। এই বন্য দানবগুলো তাদের ভাগ্য থেকে রেহাই পাবে না—আর তারা ঈশ্বরের চূড়ান্ত বিচার থেকেও বাঁচতে পারবে না।
* এই অভিযানটি ছিল নিখুঁত এবং এটি কেবল নির্দিষ্ট কিছু দেশ ও মানুষের স্বীকৃতি ও সহায়তায় সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। <br /> আমি রাশিয়া, তুরস্ক, সিরিয়া এবং ইরাককে ধন্যবাদ জানাতে চাই। সেই সাথে সিরীয় কুর্দিদেরও ধন্যবাদ জানাই আমাদের কিছু বিশেষ সহায়তা প্রদানের জন্য। চমৎকার সব গোয়েন্দা কর্মকর্তাদেরও ধন্যবাদ জানাই যারা এই সফল অভিযানটি সম্ভব করতে সাহায্য করেছেন।
* গত রাত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশ্বের জন্য একটি মহান রাত ছিল। একজন নৃশংস খুনি, যে অগণিত মানুষের কষ্ট ও মৃত্যুর কারণ হয়েছিল, তাকে কঠোরভাবে নির্মূল করা হয়েছে—সে আর কখনোই কোনো নিরপরাধ পুরুষ, নারী বা শিশুর ক্ষতি করতে পারবে না। সে একটি কুকুরের মতো মারা গেছে। সে একজন কাপুরুষের মতো মারা গেছে। পৃথিবী এখন অনেক বেশি নিরাপদ।
* আমি বলতে চাই না কীভাবে, তবে এটি ছিল একদম নিখুঁত ঠিক যেন আপনি কোনো সিনেমা দেখছেন। সেখানে ব্যবহৃত প্রযুক্তি এককথায় সত্যিই অসাধারণ।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://edition.cnn.com/2019/10/27/politics/donald-trump-baghdadi-death-isis/index.html ২৭ অক্টোবর ২০১৯]
====নভেম্বর ২০১৯====
* আমি কিছুই চাই না, আমি কিছুই চাই না, আমি কোনো কুইড প্রো কো চাই না। জেলেনস্কিকে বলুন সঠিক কাজটি করতে। এটিই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে শেষ কথা।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], রাষ্ট্রদূত গর্ডন সন্ডল্যান্ডের সাক্ষ্য প্রদানের পর [https://www.vox.com/2019/11/20/20974383/trump-big-sharpie-notes-on-impeachment-testimony ২০ নভেম্বর হোয়াইট হাউসের লনে একটি নোটপ্যাডে লেখা মন্তব্য]।
====ডিসেম্বর ২০১৯====
* এমন এক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেখানে আমরা বেসিন, ঝরনা এবং বাথরুমের অন্যান্য জিনিসগুলো নিয়ে খুব গুরুত্ব দিয়ে ভাবছি।<br>আপনি কলের মুখ খুলছেন কিন্তু কোনো জল পাচ্ছেন না...<br>লোকে ১০ বার, ১৫ বার করে টয়লেট ফ্লাশ করছে। তাদের কাছে এত জল আছে যে তা ওপর থেকে নিচে পড়ছে। একেই বলে বৃষ্টি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, {{উদ্ধৃতি |লেখক=ম্যাথিউ ক্যান্টর |শিরোনাম=ট্রাম্প বলেছেন যে মানুষ '১০ বার টয়লেট ফ্লাশ করে' এবং তিনি এর সমাধান খুঁজছেন |সাময়িকী=দ্য গার্ডিয়ান |তারিখ=২০১৯-১২-০৬ |ইউআরএল=https://www.theguardian.com/us-news/2019/dec/06/trump-says-people-flush-the-toilet-10-times-and-seeks-solution}}
* খুবই হাস্যকর। গ্রেটাকে অবশ্যই তার রাগ নিয়ন্ত্রণের সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে, তারপর কোনো বন্ধুর সাথে সেকেলে ধরনের ভালো কোনো সিনেমা দেখতে যাওয়া উচিত! শান্ত হও গ্রেটা, শান্ত হও!
** ২০১৯ সালে টাইম ম্যাগাজিনের 'পারসন অফ দ্য ইয়ার' নির্বাচিত হওয়ার পর সুইডিশ স্কুলছাত্রী এবং জলবায়ু কর্মী গ্রেটা থুনবার্গ সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেছিলেন, {{উদ্ধৃতি | লেখক=রয়টার্স কর্মী | শিরোনাম=রাগ নিয়ন্ত্রণের খোঁচা দেওয়ার পর ট্রাম্পকে পাল্টা জবাব দিলেন জলবায়ু কর্মী থুনবার্গ | সাময়িকী=রয়টার্স | তারিখ=২০১৯-১২-০৬ | ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/us-usa-election-thunberg-idUSKBN27M0TN}}
* আমি বাতাস কখনও বুঝিনি। আমি উইন্ডমিল সম্পর্কে অনেক জানি, আমি অন্য যে কারও চেয়ে এটি ভালোভাবে পড়েছি। আমি জানি এটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এগুলো বেশিরভাগই চীন আর জার্মানিতে তৈরি হয়, এখানে খুব কম তৈরি হয়, নেই বললেই চলে, কিন্তু এগুলো যখন তৈরি করা হয় তখন—আপনি যদি এর মধ্যে থাকেন তবে বুঝবেন—বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে ধোঁয়া আর গ্যাস নির্গত হয়। আপনারা জানেন তো আমাদের একটা পৃথিবী আছে, তাই না? মহাবিশ্বের তুলনায় এই পৃথিবীটা অনেক ছোট। তাই প্রচুর পরিমাণে ধোঁয়া আর সবকিছু সেখানে মেশে। আপনারা কার্বন ফুটপ্রিন্টের কথা বলেন, ধোঁয়া বাতাসে ছড়াচ্ছে, একদম ছড়াচ্ছে, সেটা চীন বা জার্মানি যেখানেই হোক, তা বাতাসে মিশছে।<br>আপনারা ওই [বায়ুকলগুলো] দেখছেন। ওগুলো সব আলাদা আলাদা রঙের। ওগুলো সাদা ধরনের, কিন্তু কোনোটি আবার কমলা-সাদা। কমলা আমার প্রিয় রঙ।
** টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ সম্মেলনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |লেখক=কনর ম্যানিয়ন |শিরোনাম=রক্ষণশীল গোষ্ঠীর সামনে ভাষণে উইন্ডমিলের সমালোচনা করলেন ট্রাম্প: ‘আমি বাতাস কখনও বুঝিনি’ |সাময়িকী=মিডিয়াআইট |তারিখ=২০১৯-১২-২২ |ইউআরএল=https://www.mediaite.com/trump/trump-attacks-windmills-in-speech-to-conservative-group-i-never-understood-wind/}}
===২০২০===
* সবাই জানে যে ডোনাল্ড ট্রাম্প হার মেনে নিতে পারেন না, আর রয় কোহনের কর্তৃত্ববাদী নির্দেশনার শেষ উপদেশটি ছিল, "যদি তুমি হেরে যাও, তবে বলো যে তুমি জিতেছ।" তাই নভেম্বরে ট্রাম্প যদি হেরে যান, তবে তিনি সম্ভবত দাবি করবেন যে নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে এবং তিনি সেটা বাতিলের চেষ্টা করবেন। কিন্তু ডেমোক্র্যাট এবং ডেমোক্র্যাট-ঘেঁষা স্বতন্ত্র ভোটারদের বিশাল উপস্থিতি তাকে বিদায় করে ২০ জানুয়ারি ২০২১-এ হোয়াইট হাউসের দক্ষিণ বারান্দায় মালপত্র সরানোর ভ্যান নিয়ে আসতে পারে। কোভিড-১৯ অতিমারী এবং জর্জ ফ্লয়েড ট্র্যাজেডিগুলো মোকাবিলায় ট্রাম্পের শোচনীয় ব্যর্থতা কিছু অনিশ্চিত ভোটারকে ডেমোক্র্যাট শিবিরে নিয়ে এসেছে, এমনকি জুনের শুরু পর্যন্ত ট্রাম্পের নিজের সমর্থকদের একাংশও এই সংকটে তার দুর্বল প্রতিক্রিয়া দেখে বিচলিত হয়ে পড়েছেন। তরুণ ভোটাররা এই বিষয়টি নিশ্চিতভাবে ঠিক করে দিতে পারেন, কারণ তারা যুক্তরাষ্ট্রে সবথেকে কম কুসংস্কারাচ্ছন্ন গোষ্ঠী এবং তারা বিভিন্ন কারণে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোর বিরোধী। ঐতিহাসিকভাবে ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সীরা ভোট কম দিলেও জর্জ ফ্লয়েডের হত্যার পর কুসংস্কারের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে তারাই সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল। ডেমোক্র্যাটরা যদি তরুণদের মধ্যে ভালো নিবন্ধন অভিযান চালাতে পারে এবং বাইডেন সমর্থকরা যদি রিপাবলিকানদের দেওয়া ভোট দমনের সব বাধা অতিক্রম করতে পারে, আর যদি বার্নি স্যান্ডার্সের সমর্থকরা ট্রাম্প জিতলে কিছুই না পাওয়ার চেয়ে ভবিষ্যতে বাকিটা পাওয়ার আশায় বর্তমানে অর্ধেক দাবিতেই সন্তুষ্ট থাকে, তবে ডেমোক্র্যাটরা নভেম্বরে হোয়াইট হাউস এবং কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই জয়লাভ করতে পারে। <br>ধরা যাক তেমনটাই হলো। নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলো, কিন্তু এমনকি ইলেক্টোরাল কলেজে ডেমোক্র্যাটরা জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যা পেল। তা সত্ত্বেও ট্রাম্প দাবি করলেন যে সেখানে বিশাল জালিয়াতি হয়েছে এবং এই নির্বাচনের কোনো গুরুত্ব নেই। তিনি বারবার যেমনটা বলেন, সেভাবেই বললেন যে "এটি একটি ধোঁকাবাজি"। তিনি বললেন, "একে ন্যায্য হতে হবে!" আর তার সমর্থকরা ট্রাম্পের সমর্থনে চিৎকার করতে করতে রাস্তায় নেমে এলো। ট্রাম্প হেরে গিয়েও ক্ষমতা ছাড়তে অস্বীকার করলে কারোরই অবাক হওয়া উচিত নয়। মাইকেল কোহেন, যিনি দীর্ঘ বছর ট্রাম্পের ব্যক্তিগত আইনজীবী হিসেবে কাজ করেছেন এবং তাকে অন্য অনেকের চেয়ে ভালো চেনেন, তিনি ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯-এ শপথ নিয়ে বলেছিলেন, "মিস্টার ট্রাম্পের সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে আমি ভয় পাচ্ছি যে তিনি যদি ২০২০ সালের নির্বাচনে হেরে যান, তবে কখনোই সেখানে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর হবে না।" ট্রাম্পের উচ্চপদস্থ কর্মী, যিনি ''নিউ ইয়র্ক টাইমসের'' সম্পাদকীয় এবং ''এ ওয়ার্নিং'' বইয়ের জন্য 'অ্যানোনিমাস' নামে পরিচিত, তিনি বলেছেন যে ট্রাম্প "চুপচাপ বা সহজে বিদায় নেবেন না," যা একটি সম্ভাব্য "গৃহযুদ্ধের" ইঙ্গিত দেয়। স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি ২০১৯ সালের মে মাসে ''নিউ ইয়র্ক টাইমস''-কে বলেছিলেন যে ২০২০ সালে ট্রাম্পের পরাজয় মেনে না নেওয়ার বিষয়টি তাকে চিন্তিত করে, তিনি আরও বলেন, "আমাদের এর বিরুদ্ধে প্রস্তুতি নিতে হবে।"
** জন ডিন এবং বব আলটেমেয়ার, ''অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ার'' (২০২০)। ব্রুকলিন: মেলভিল হাউস, পৃষ্ঠা ২৭৬-২৭৭
* ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি ২০২১ সালে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা ছাড়েনও, তার সমর্থক গোষ্ঠী অটুট থাকবে এবং তারা তার পূর্বসূরির মতো তার উত্তরসূরিকেও বাধা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকবে। অথবা যদি ট্রাম্পের প্রভাব অনিবর্য়ভাবে কমে যায়, তবে সেই সমর্থক গোষ্ঠী অন্য যে কেউ নিজেদের দখলে নিতে পারবে তার জন্যই কাজ করবে। ট্রাম্পের চেয়ে বুদ্ধিমান কেউ যদি ফক্স নিউজ এবং ডানপন্থী সংবাদমাধ্যমের সমর্থন পায়, তবে ভবিষ্যতে সে আরও বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। আপনারা নিশ্চিত থাকতে পারেন যে বিভিন্ন উচ্চাকাঙ্ক্ষী ব্যক্তিরা ইতিমধ্যেই পরবর্তী ত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার কথা ভাবতে শুরু করেছেন। আপনারা এটাও নিশ্চিত থাকতে পারেন যে "রাজা নির্মাতা" বা ক্ষমতাশালীরাও এখন এই ক্ষেত্রটি নিয়ে পড়াশোনা করছেন, যার মধ্যে ধর্মীয় রক্ষণশীল নেতাদেরও অন্তর্ভুক্ত করা যায় যারা হয়ত বুঝতে পারছেন যে তাদের বিশ্বাসীদের ওপর ট্রাম্পের নিয়ন্ত্রণ কিছুটা শিথিল হচ্ছে।
** জন ডিন এবং বব আলটেমেয়ার, ''অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ার'' (২০২০)। ব্রুকলিন: মেলভিল হাউস, পৃষ্ঠা ২৭৯
* একজন চতুর ক্ষমতা দখলকারী হওয়ার যোগ্যতা ডোনাল্ড জন ট্রাম্পের নেই বললেই চলে। যদি মনে হয় আমরা তার প্রতি কঠোর হয়েছি, তবে যারা তার সাথে চলেন তাদের কথা শুনুন। মানুষ হিসেবে তিনি একটি করুণ দৃষ্টান্ত। তার চিন্তাচেতনা অনেক দিন ধরেই বাস্তববিমুখ। তিনি নিজের জীবনই ঠিক করতে অক্ষম, যা অহংকারের ক্ষত আর অজ্ঞতা ও আত্মপ্রবঞ্চনার গর্তে ভরা, তাই তিনি যে ক্ষতি করেছেন তা মেরামত করা তার পক্ষে অসম্ভব। যদি তিনি সম্রাট হন, তবে আমরা গর্ব করে বলতে পারব যে কোনো নির্বোধ রাজা তৈরি করতে আমাদের প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে অন্তঃপ্রজনন করতে হয়নি। আমরা একজনকে দিয়েই শুরু করেছি। আরও দুঃখের বিষয় হলো, দেশের একটি সংখ্যালঘু অংশ হয়ত ট্রাম্পকে একনায়ক বানাতে পারবে না। বেশিরভাগ আমেরিকান তাকে ভোট দেবে না; তারা কেবল ভোটই দেয়নি। সংক্ষেপে বলতে গেলে, আমাদের পূর্বপুরুষরা যার জন্য লড়াই করেছেন এবং যা জয় করেছেন ও রক্ষা করেছেন, তা আমরা হারাতে পারি কারণ আমাদের বেশিরভাগ মানুষ ২০২০ সালে তা রক্ষার জন্য ভোট দিতেও যাবে না।
** জন ডিন এবং বব আলটেমেয়ার, ''অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ার'' (২০২০)। ব্রুকলিন: মেলভিল হাউস, পৃষ্ঠা ২৮২
* হোয়াইট হাউসে আসার পর ভিতরে সবকিছু কীভাবে চলে তা সুশৃঙ্খলভাবে বোঝার সুযোগ পেতে আমার প্রায় এক মাস সময় লেগেছিল। অনেকভাবেই বিশৃঙ্খলা তৈরি হতো, যা প্রায়ই নির্দিষ্ট নীতিগত বিষয়ের মাধ্যমে প্রকাশ পেত... ২০১৮ সালের শেষ মাস এবং ২০১৯ সালের শুরুর দিকে, ট্রাম্পের ক্ষমতায় থাকার দ্বিতীয় বছর যখন শেষ হচ্ছিল-আমার আসার প্রায় আট থেকে নয় মাস পরে বেশ কিছু বিচ্ছিন্ন বিষয় এবং ব্যক্তি প্রশাসনকে আরও অজানা পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিতে শুরু করে। উদাহরণস্বরূপ, ২০১৮ সালের জুনের শুরুতে জন এফ. কেলি ট্রাম্পের সময়সূচীর জন্য একটি নতুন কৌশল ব্যবহার করেন। তিনি প্রতিদিন সকাল ১১টায় ওভাল অফিসে "চিফ অফ স্টাফ" সময় দিয়ে দিন শুরু করতেন, এই আশায় যে সপ্তাহে দুবার গোয়েন্দা ব্রিফিংয়ের সময় ট্রাম্প যে এলোমেলো দীর্ঘ বক্তব্য দেন তা কমানো যাবে। অবশ্যই বেশিরভাগ মানুষ যা দেখে অবাক হতেন তা হলো, ট্রাম্পের "অফিসিয়াল" দিন শুরু হতো প্রায় দুপুরের খাবারের সময় থেকে। ট্রাম্প সকালে অলসভাবে বসে থাকতেন না। বরং তিনি বাসভবনে ফোনে কথা বলে অনেক সময় কাটাতেন। তিনি সব ধরনের মানুষের সাথে কথা বলতেন, কখনও সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে (আমি ওভাল অফিসে আসার আগে প্রায় প্রতিদিন তার সাথে ফোনে কথা বলতাম কারণ অনেক বিষয়ে তাকে জানানো বা তার নির্দেশ নেওয়ার প্রয়োজন হতো), কিন্তু তিনি সরকারের বাইরের মানুষের সাথেও দীর্ঘ সময় কথা বলতেন। যেকোনো সংজ্ঞায় এটি সমসাময়িক রাষ্ট্রপতিদের মধ্যে একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা ছিল।
** জন বোল্টন, ''দ্য রুম হোয়্যার ইট হ্যাপেন্ড: এ হোয়াইট হাউস মেমোয়ার'' (২০২০), পৃষ্ঠা ২২৩
* আসলে ট্রাম্প সাধারণত সপ্তাহে মাত্র দুবার গোয়েন্দা ব্রিফিং নিতেন এবং সেগুলোর বেশিরভাগই ব্রিফিং দেওয়া কর্মকর্তাদের চেয়ে তিনিই বেশি কথা বলতেন, যা প্রায়ই সেই বিষয়ের সাথে সম্পূর্ণ সম্পর্কহীন হতো। ট্রাম্পের সময়সূচী সামলানো ছিল সবথেকে সহজ কাজ। তার প্রতিহিংসাপরায়ণতা সামলানো ছিল সবথেকে কঠিন, যা জন ম্যাককেইনের প্রতি তার ক্রমাগত ক্ষোভের মধ্য দিয়ে ফুটে উঠত এমনকি ম্যাককেইন মারা যাওয়ার পরও যখন তিনি ট্রাম্পের কোনো ক্ষতি করতে পারতেন না। তার প্রতিহিংসার আরেকটি উদাহরণ ছিল ১৫ আগস্ট সিআইএ-এর প্রাক্তন পরিচালক জন ব্রেনানের সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত। এখন ব্রেনানও খুব একটা ভালো ছিলেন না এবং তার সময়ে সিআইএ আগের চেয়ে অনেক বেশি রাজনৈতিক হয়ে পড়েছিল। তিনি যেকোনো অন্যায়ের কথা অস্বীকার করেছিলেন, কিন্তু ট্রাম্প নিশ্চিত ছিলেন যে ব্রেনান তার ২০১৬ সালের নির্বাচনী অভিযানে নজরদারি করার জন্য ফিসা প্রক্রিয়ার অপব্যবহারের সাথে জড়িত ছিলেন। ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর ব্রেনান মিডিয়াতে তার নিয়মিত সমালোচনা করার ফলে বিষয়টি আরও জটিল হয়ে উঠেছিল।
** জন বোল্টন, ''দ্য রুম হোয়্যার ইট হ্যাপেন্ড: এ হোয়াইট হাউস মেমোয়ার'' (২০২০), পৃষ্ঠা ২২৪
* রাষ্ট্রপতির ইতিহাসে হয়ত ট্রাম্পই একমাত্র ব্যক্তি যিনি অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় উপস্থিত হওয়া নিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছিলেন। শুরুটা হয়েছিল ২০১৮ সালের এপ্রিলে বারবারা বুশের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সময়, যেখানে ট্রাম্প উপস্থিত হননি (যদিও চারজন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এবং ফার্স্ট লেডি সেখানে উপস্থিত ছিলেন)। এরপর আগস্টের শেষে ছিল জন ম্যাককেইনের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া। কেলি ২৭ আগস্ট হোয়াইট হাউসের কর্মীদের সাথে সাপ্তাহিক বৈঠক শুরু করে বলেছিলেন, "আমি আজ খুব খারাপ অবস্থায় আছি," কারণ ট্রাম্পের সাথে সরকারি পতাকা অর্ধনমিত রাখা এবং কারা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তা নিয়ে তার ক্রমাগত মতপার্থক্য চলছিল। ম্যাককেইনের পরিবারও অনুষ্ঠানে ট্রাম্পকে চায়নি, তাই অনুভূতিটা ছিল পারস্পরিক। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হলো যে ক্যাপিটল রোটুন্ডা অনুষ্ঠান এবং ওয়াশিংটন ন্যাশনাল ক্যাথেড্রালের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া উভয় অনুষ্ঠানেই পেন্স প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেতৃত্ব দেবেন। অনুষ্ঠানে প্রচুর মানুষ উপস্থিত হয়েছিলেন এবং সেখানে সেই সামাজিক মেলামেশাও ছিল যা সাধারণত বিদায় বেলায় ঘটে থাকে। আমি যাদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছি তাদের মধ্যে ছিলেন জর্জ ডব্লিউ বুশ এবং লরা বুশ। বুশ হাসি মুখে জিজ্ঞেস করলেন, "বোল্টন, এখনো চাকরিটা আছে তো?" "আপাতত আছে," আমি উত্তর দিলাম এবং আমরা সবাই হাসলাম। যখন জর্জ এইচ.ডব্লিউ. বুশ পরবর্তীতে আর্জেন্টিনা জি২০ চলাকালীন মারা গেলেন, ট্রাম্প জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করলেন, একটি যথাযথ রাষ্ট্রপতির বিবৃতি দিলেন এবং বৈঠকের সময় জর্জ ডব্লিউ. এবং জেব বুশ উভয়ের সাথেই আন্তরিকভাবে কথা বললেন। তিনি এবং ফার্স্ট লেডি ৫ ডিসেম্বর কোনো ঝামেলা ছাড়াই ন্যাশনাল ক্যাথেড্রালের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। আসলে এটা করা খুব একটা কঠিন ছিল না।
** জন বোল্টন, ''দ্য রুম হোয়্যার ইট হ্যাপেন্ড: এ হোয়াইট হাউস মেমোয়ার'' (২০২০), পৃষ্ঠা ২২৬
* আমার দাদামশাই ট্রাম্প পরিবারে বিভাজনের যে পরিবেশ তৈরি করেছিলেন, ডোনাল্ড সবসময় সেই পরিবেশেই বেড়ে উঠেছেন এবং বিভাজন তাকে অন্যদের বিনিময়ে সুবিধা দিয়ে চলেছে। এটি আমাদের দয়ালু হওয়ার বা ক্ষমাশীলতায় বিশ্বাস করার ক্ষমতাকে দুর্বল করে দিচ্ছে, যে ধারণাগুলোর কোনো মানেই তার কাছে কোনোদিন ছিল না। তার প্রশাসন এবং তার দল এখন তার অভিযোগ আর অধিকারের রাজনীতির নিচে চাপা পড়ে গেছে। আরও খারাপ বিষয় হলো ডোনাল্ড, যিনি ইতিহাস, সাংবিধানিক নীতি, কূটনীতি (বা আসলে অন্য কিছু নিয়েই) কিছুই বোঝেন না এবং যাকে কখনও এই ধরনের জ্ঞান প্রদর্শনের জন্য চাপ দেওয়া হয়নি, তিনি দেশের সব জোট এবং আমাদের সামাজিক কর্মসূচিগুলোকে কেবল টাকার চশমা দিয়ে মূল্যায়ন করেছেন, ঠিক যেমনটা তার বাবা তাকে শিখিয়েছিলেন। শাসনের ব্যয় এবং সুবিধাকে কেবল আর্থিক দিক থেকে বিবেচনা করা হয়, যেন মার্কিন ট্রেজারি তার ব্যক্তিগত মাটির ব্যাংক। তার কাছে প্রতিটি ডলার খরচ হওয়া মানে তার নিজের ক্ষতি, আর প্রতিটি ডলার বাঁচানো মানে তার নিজের লাভ।
** মেরি এল. ট্রাম্প, ''টু মাচ অ্যান্ড নেভার এনাফ: হাউ মাই ফ্যামিলি ক্রিয়েটেড দ্য ওয়ার্ল্ড'স মোস্ট ডেঞ্জারাস ম্যান'' (২০২০), পৃষ্ঠা ১৫-১৬
* যদিও আমার ফুফু এবং চাচারা অন্য কিছু ভাববেন, আমি এই বইটি অর্থ উপার্জন বা প্রতিশোধ নেওয়ার উদ্দেশ্যে লিখছি না। যদি সেগুলোর কোনো একটিও আমার উদ্দেশ্য হতো, তবে আমি অনেক বছর আগেই আমাদের পরিবার নিয়ে বই লিখতাম, যখন ডোনাল্ড তার বারবার দেউলিয়া হওয়া ব্যবসায়ী হিসেবে খ্যাতি এবং গুরুত্বহীন রিয়েলিটি শো হোস্টের পরিচয় ব্যবহার করে হোয়াইট হাউসে পৌঁছাবেন তা অনুমান করার কোনো উপায় ছিল না। তখন এটি অনেক নিরাপদও হতো কারণ আমার চাচা তখন তথ্য প্রকাশকারী বা সমালোচকদের ভয় দেখানো বা বিপদে ফেলার মতো অবস্থানে ছিলেন না। তবে গত তিন বছরের ঘটনাগুলো আমাকে বাধ্য করেছে এবং আমি আর চুপ করে থাকতে পারছি না। এই বইটি যখন প্রকাশিত হবে, ততদিনে ডোনাল্ডের অহংকার আর ইচ্ছাকৃত অজ্ঞতার বেদীতে লক্ষ লক্ষ আমেরিকান জীবন বলিদান দেওয়া হয়ে যাবে। তিনি যদি দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসেন, তবে সেটি হবে আমেরিকান গণতন্ত্রের শেষ।
** মেরি এল. ট্রাম্প, ''টু মাচ অ্যান্ড নেভার এনাফ: হাউ মাই ফ্যামিলি ক্রিয়েটেড দ্য ওয়ার্ল্ড'স মোস্ট ডেঞ্জারাস ম্যান'' (২০২০), পৃষ্ঠা ১৬-১৭
* যখন আপনি নিজেই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করেন এবং আপনাকে আপনার কথা বিস্তারিত ব্যাখ্যা করতে বা আপনি প্রকৃত তথ্য বুঝতে পারছেন কি না তা প্রমাণ করতে বাধ্য করা হয় না, তখন কথা বলা বা নিজেকে জ্ঞানী হিসেবে তুলে ধরা খুব সহজ। এটি সংবাদমাধ্যমের জন্য একটি অভিযোগ (অন্য অনেকের মধ্যে) যে নির্বাচনী প্রচারণার সময় এগুলোর কিছুই বদলায়নি, যখন ডোনাল্ডের মিথ্যা এবং অদ্ভুত দাবিগুলো প্রকাশ করলে হয়ত আমাদের তার রাষ্ট্রপতিত্ব থেকে বাঁচানো যেত। হাতেগোনা যে কয়েকবার তাকে তার অবস্থান বা নীতি (যার আসলে কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তখনও তার কাছ থেকে কোনো যৌক্তিক কথা বা গভীর জ্ঞান প্রদর্শনের আশা করা হয়নি। নির্বাচনের পর থেকে তিনি এই ধরনের প্রশ্নগুলো পুরোপুরি এড়িয়ে যাওয়ার উপায় বের করে নিয়েছেন; হোয়াইট হাউসের প্রেস ব্রিফিং এবং আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনের বদলে এখন এসেছে "চপার টক" বা হেলিকপ্টারের শব্দের মধ্যে কথা বলা, যেখানে তিনি অভিনয় করতে পারেন যে হেলিকপ্টারের শব্দের জন্য তিনি কোনো অপ্রীতিকর প্রশ্ন শুনতে পাচ্ছেন না। ২০২০ সালে তার অতিমারী বিষয়ক "প্রেস ব্রিফিং" দ্রুতই আত্মতুষ্টি, জনমোহিনী বক্তৃতা আর চাটুকারিতায় ভরা ছোটখাটো নির্বাচনী জনসভায় পরিণত হয়েছিল। সেখানে তিনি সেই অমার্জনীয় ব্যর্থতাগুলোকে অস্বীকার করেছেন যা ইতিমধ্যেই হাজার হাজার মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে, উন্নতির কথা নিয়ে মিথ্যা বলেছেন এবং সেইসব মানুষকে বলির পাঁঠা বানিয়েছেন যারা পর্যাপ্ত সুরক্ষা ও সরঞ্জাম ছাড়াই নিজেদের জীবন ঝুঁকি নিয়ে আমাদের বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। এমনকি যখন লক্ষ লক্ষ আমেরিকান অসুস্থ হয়ে মারা যাচ্ছে, তখনও তিনি একে জয় হিসেবে এবং তার অসাধারণ নেতৃত্বের প্রমাণ হিসেবে প্রচার করছেন। আর যদি কেউ মনে করে যে তিনি গম্ভীর বা গম্ভীর হতে সক্ষম, তবে তিনি মডেলদের সাথে শোয়া নিয়ে জোকস করবেন অথবা তার ফেসবুক অনুসারীর সংখ্যা নিয়ে মিথ্যা বলবেন। তবুও সংবাদ মাধ্যমগুলো তার থেকে সরে আসতে রাজি নয়। যে কয়েকজন সাংবাদিক তাকে চ্যালেঞ্জ করেন বা যারা ডোনাল্ডকে কেবল একটি আতঙ্কিত জাতির জন্য সান্ত্বনার বাণী বলতে অনুরোধ করেন, তাদের "নচ্ছাড়" বলে উপহাস ও অবজ্ঞা করা হয়। ডোনাল্ডের প্রথম দিকের সেই ধ্বংসাত্মক আচরণ যা ফ্রেড উৎসাহিত করেছিলেন, সেখান থেকে শুরু করে মিডিয়ার তাকে চ্যালেঞ্জ করতে অনিচ্ছা এবং ২০ জানুয়ারি ২০১৭ থেকে তিনি প্রতিদিন যে দুর্নীতি করছেন তার প্রতি রিপাবলিকান পার্টির চোখ বুজে থাকা সবকিছুই এই এককালের মহান জাতির অর্থনীতি, গণতন্ত্র এবং স্বাস্থ্যের আসন্ন পতনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
** মেরি এল. ট্রাম্প, ''টু মাচ অ্যান্ড নেভার এনাফ: হাউ মাই ফ্যামিলি ক্রিয়েটেড দ্য ওয়ার্ল্ড'স মোস্ট ডেঞ্জারাস ম্যান'' (২০২০), পৃষ্ঠা ২০৩
* সাত ঘণ্টা পর ট্রাম্প গত তিন মাসের মধ্যে তার প্রথম করোনাভাইরাস টাস্ক ফোর্স সংবাদ সম্মেলনে একটি দীর্ঘ বক্তব্য দেন। তিনি হোয়াইট হাউসে একাই কথা বলেন। সেখানে মাইক পেন্স, ফাউসি বা বার্কস কেউ ছিলেন না। তিনি তার বলার ধরণও পরিবর্তন করেন। ভাইরাসের পরিস্থিতি নিয়ে সবকিছু খুব একটা ভালো ছিল না। "এটি সম্ভবত দুর্ভাগ্যের বিষয় যে ভালো হওয়ার আগে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে," ট্রাম্প একটি অস্বাভাবিক বাস্তববাদী কথা বলেন। "এমন কিছু যা আমি কোনো বিষয় সম্পর্কে বলতে পছন্দ করি না, কিন্তু পরিস্থিতি এমনই।" এর আগে ট্রাম্প মাস্ক পরতে অনিচ্ছুক ছিলেন। "একটি মাস্ক নিন," তিনি বলেন। "আপনি মাস্ক পছন্দ করেন বা না করেন, এর একটি প্রভাব আছে। এর একটা ফল পাওয়া যাবে এবং আমাদের যা যা পাওয়া সম্ভব তার সবই প্রয়োজন।" তার মন্তব্যগুলো ছিল একটি পরোক্ষ স্বীকারোক্তি যে তার আগের পদ্ধতিগুলো কাজ করেনি এবং আসলে ভাইরাসের পরিস্থিতি অনেক বেশি খারাপ ছিল। দিনটি ছিল ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতিত্বের একটি ক্ষুদ্র রূপ, যা কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে "আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে" থেকে "ভালো হওয়ার আগে আরও খারাপ হবে", এই দুই মেরুতে ঘুরেছে। এটি ছিল একদম সাম্প্রতিক উদাহরণ এবং এই বইটি প্রেসে যাওয়ার আগের শেষ ঘটনা যে ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতিত্ব ছিল দ্বিধাগ্রস্ততায় ভরা, একটি অনিশ্চিত পথে চলা, যা কখনও লড়াই আবার কখনও সমঝোতা এবং একটি বক্তব্য বা পদক্ষেপ থেকে ঠিক তার বিপরীত দিকে যাওয়ার মধ্য দিয়ে চলেছে।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৮৪-৩৮৫
* রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প সম্পর্কে এই বইয়ের প্রতিবেদন শেষ করার পর আমি ক্লান্তি অনুভব করলাম। দেশটি তখন সত্যিকারের বিশৃঙ্খলার মধ্যে ছিল। ভাইরাসটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল। অর্থনীতি সংকটে ছিল এবং ৪ কোটিরও বেশি মানুষ কর্মহীন ছিল। বর্ণবাদ এবং বৈষম্য নিয়ে একটি শক্তিশালী হিসাব-নিকাশের সময় আমাদের সামনে ছিল। এর কোনো শেষ দেখা যাচ্ছিল না এবং সেখান থেকে বের হওয়ার কোনো পরিষ্কার পথও ছিল না। আমি ৭ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্পের সাথে সেই কথোপকথনের কথা ভাবলাম যখন তিনি "প্রতিটি দরজার পিছনে ডিনামাইট" বা সেই অপ্রত্যাশিত বিস্ফোরণের কথা উল্লেখ করেছিলেন যা সবকিছু বদলে দিতে পারে। তিনি সম্ভবত কোনো বাইরের ঘটনার কথা ভাবছিলেন যা ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতিত্বকে প্রভাবিত করবে। কিন্তু এখন আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে, "দরজার পিছনের ডিনামাইট" সবার সামনেই ছিল। সেটি ছিলেন ট্রাম্প নিজেই। সেই বিশাল ব্যক্তিত্ব। সুসংগঠিত হতে ব্যর্থতা। শৃঙ্খলার অভাব। তার বেছে নেওয়া মানুষ বা বিশেষজ্ঞদের ওপর বিশ্বাসের অভাব। অনেক আমেরিকান প্রতিষ্ঠানকে অবমূল্যায়ন করার চেষ্টা। একটি শান্ত ও নিরাময়কারী কণ্ঠস্বর হতে ব্যর্থতা। ভুল স্বীকার করতে অনিচ্ছা। নিজের কাজ নিজে করতে ব্যর্থতা। শান্তির প্রস্তাব দিতে ব্যর্থতা। অন্যদের কথা মন দিয়ে শোনা। একটি পরিকল্পনা তৈরি করা। ম্যাটিস, টিলারসন এবং কোটস এরা সবাই রক্ষণশীল বা অরাজনৈতিক মানুষ ছিলেন যারা তাকে এবং দেশকে সাহায্য করতে চেয়েছিলেন। তারা নিখুঁত মানুষ ছিলেন না, কিন্তু জনসেবার আহ্বানে সাড়া দিয়েছিলেন। তারা কোনো ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠী বা ডিপ স্টেট ছিলেন না। তবুও তাদের প্রত্যেকেই তাদের নেতার কাছ থেকে নিষ্ঠুর কথা শুনে বিদায় নিয়েছেন। তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন যে ট্রাম্প তাদের দেশের জন্য এক অস্থির হুমকি। একটু ভেবে দেখুন: শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা নেতারা মনে করতেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি দেশের জন্য একটি বিপদ।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৮৬-৩৮৭
* ২৮ জানুয়ারি ২০২০-এ যখন ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং তার উপ-প্রধান ট্রাম্পকে সতর্ক করেছিলেন যে এই ভাইরাসটি তার রাষ্ট্রপতিত্বের জন্য সবথেকে বড় জাতীয় নিরাপত্তা হুমকি হবে—হতে পারে এমন নয়, বরং হবে তখন নেতৃত্বের ঘড়িটি নতুন করে সেট করতে হয়েছিল। এটি ছিল একটি বিস্তারিত পূর্বাভাস, যা তথ্য এবং অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে করা হয়েছিল এবং দুর্ভাগ্যবশত যা সঠিক প্রমাণিত হয়েছিল। রাষ্ট্রপতিরা হলেন নির্বাহী বিভাগ। সেখানে সতর্ক করার একটি দায়িত্ব ছিল। শোনা, পরিকল্পনা করা এবং যত্ন নেওয়ার দায়িত্ব। দীর্ঘ সময় ধরে ট্রাম্প গড়িমসি করেছেন এবং অন্যরা যেমনটা বলেছিলেন, তিনিও বলেছিলেন যে ভাইরাসটি চিন্তার কারণ কিন্তু এখনই নয়। দুই নৌকায় পা দেওয়ার ভালো কারণ ছিল, কিন্তু সেখানে আরও সুসংগত এবং সাহসীভাবে কথা বলা উচিত ছিল। নেতৃত্ব দেওয়া মানেই প্রায় সবসময় ঝুঁকি নেওয়া। ভাইরাসটি, যাকে ট্রাম্প "মহামারী" বলেন, তা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশ্বকে এমন এক অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খলার মধ্যে ফেলেছে যা কেবল মন্দা নয়, বরং মহামন্দা হতে পারে। এটি একটি প্রকৃত আর্থিক সংকট, যা কোটি কোটি মানুষকে কর্মহীন করে দিয়েছে। ট্রাম্পের সমাধান হলো অতিমারী-পূর্ব সময়ে তিনি যে অর্থনৈতিক অলৌকিকতা সৃষ্টি করেছেন বলে বিশ্বাস করেন, তা আবার তৈরি করার চেষ্টা করা। ডেমোক্র্যাট, রিপাবলিকান এবং ট্রাম্প পুনরুদ্ধারের জন্য অন্তত ২.২ ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করতে রাজি হয়েছিলেন, যা ক্রমবর্ধমান ঘাটতির কারণে ভবিষ্যতে নিজস্ব সমস্যা তৈরি করবে। মানুষের প্রাণের ক্ষয়ক্ষতি ছিল অকল্পনীয়, জুলাইয়ের মধ্যে ভাইরাসে ১,৩০,০০০-এর বেশি আমেরিকান মারা গেছে এবং এর কোনো প্রকৃত শেষ দেখা যাচ্ছে না।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৮৯
* আমেরিকান রাজনীতির গভীরভাবে গেঁথে থাকা ঘৃণা ট্রাম্পের বছরগুলোতে আরও বিকশিত হয়েছিল। তিনি সেগুলোকে উস্কে দিয়েছিলেন এবং দেশটিকে এক করার জন্য সুসংহত কোনো প্রচেষ্টা করেননি। ডেমোক্র্যাটরাও তা করেনি। ট্রাম্প মনে করতেন ডেমোক্র্যাটরা তার সাথে খুব অন্যায় করেছে, আবার ডেমোক্র্যাটরাও মনে করত ট্রাম্প তাদের সাথে অন্যায় করেছেন। তাদের মধ্যে দেয়ালগুলো কেবল আরও উঁচুই হয়েছে। ট্রাম্পের সাথে আমার ১৭টি সাক্ষাৎকার নেওয়া একটি চ্যালেঞ্জ ছিল। তিনি তার ওপর লেখা আমার প্রথম বই ''ফিয়ার''-কে অসত্য, একটি "প্রতারণা" এবং "ঠাট্টা" বলে অভিহিত করেছিলেন এবং আমাকে "ডেমোক্র্যাটদের লোক" বলেছিলেন। তার ঘনিষ্ঠ কয়েক জন তাকে বলেছিলেন যে বইটি সত্য ছিল এবং লিন্ডসে গ্রাহাম তাকে বলেছিলেন যে আমি তার মুখে কোনো কথা বসিয়ে দেব না এবং যতটা সম্ভব নির্ভুলভাবে প্রতিবেদন করব। ট্রাম্প কোনো এক কারণে আমার সাথে সহযোগিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যা আমার কাছে পরিষ্কার নয়। তার মনে হয়েছিল তিনি একজন নির্ভরযোগ্য উৎস হয়ে উঠবেন। তিনি কখনও নির্ভরযোগ্য ছিলেন, কখনও পুরোপুরি অনির্ভরযোগ্য এবং প্রায়ই মিশ্র... কিন্তু সাক্ষাৎকারগুলো দেখায় যে তার "আমি একাই এটি ঠিক করতে পারি" এমন কথাবার্তা সত্ত্বেও তিনি অনেক সময় দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন, সত্য গোপন করেছেন এবং দেশের নেতার ভূমিকা এড়িয়ে গেছেন। আমেরিকা এবং বিশ্ব যেমনটা জানে, ট্রাম্প একজন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। তিনি জাঁকজমক পছন্দ করেন। সংকটের সময় রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত বিষয়ের চেয়ে কার্যকারিতা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কোটি কোটি মানুষের কাছে আমেরিকার আশার গল্প একটি দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৮৯-৩৯০
* প্রায় ৫০ বছর ধরে আমি নিক্সন থেকে ট্রাম্প পর্যন্ত ৯ জন রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে লিখেছি যা ৪৫ জন মার্কিন রাষ্ট্রপতির ২০ শতাংশ। একজন রাষ্ট্রপতিকে অবশ্যই জনগণের সাথে খারাপ সংবাদের পাশাপাশি ভালো সংবাদ ভাগ করে নিতে ইচ্ছুক হতে হবে। সকল রাষ্ট্রপতির তথ্য দেওয়া, সতর্ক করা, রক্ষা করা এবং লক্ষ্য ও প্রকৃত জাতীয় স্বার্থকে সংজ্ঞায়িত করার একটি বড় বাধ্যবাধকতা থাকে। ট্রাম্প এর বদলে ব্যক্তিগত আবেগকে তার শাসনের মূলনীতি বানিয়ে ফেলেছেন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার কর্মদক্ষতা সামগ্রিকভাবে বিবেচনা করলে আমি কেবল একটি সিদ্ধান্তেই পৌঁছাতে পারি: ট্রাম্প এই কাজের জন্য ভুল মানুষ।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৯১-৩৯২
====জানুয়ারি ২০২০====
=====ডোনাল্ড ট্রাম্পের চার্লসটন, সাউথ ক্যারোলাইনা জনসভা (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০)=====
:<small>সাউথ ক্যারোলাইনার চার্লসটন জনসভায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]-এর ভাষণ (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০), ''রেভ''-এ [https://www.rev.com/blog/transcripts/donald-trump-charleston-south-carolina-rally-transcript-february-28-2020 অনলাইনে থাকা প্রতিলিপি] থেকে সংগৃহীত।</small>
* ধন্যবাদ। ধন্যবাদ। আপনাদের অনেক ধন্যবাদ। আমি শুধু এটাই বলতে পারি যে, এই ভুয়া খবরের মাধ্যমগুলো আসলে কিছুই বোঝে না, তাই না? তারা এটা বুঝতেই পারে না। [অস্পষ্ট ০০:০২:৫৪] তারা একদমই বোঝে না। হ্যালো চার্লসটন! আমি সাউথ ক্যারোলাইনার মতো এই চমৎকার অঙ্গরাজ্যে হাজার হাজার পরিশ্রমী আমেরিকান দেশপ্রেমিকদের মাঝে ফিরে আসতে পেরে রোমাঞ্চিত, যারা বিশ্বাস, পরিবার, ঈশ্বর এবং নিজের দেশে আস্থা রাখেন। ধন্যবাদ। এখানে এক বিশাল ভিড় জমেছে, যা কেবল বাইরের সেই মানুষের সংখ্যার চেয়ে কম যারা ভেতরে ঢোকার সুযোগ পাননি। আপনারা যারা এখানে দাঁড়িয়ে আছেন বা বসে আছেন, তাদের মধ্যে কেউ যদি নিজের জায়গা ছেড়ে দিতে চান, তবে হাত তুলুন। ঠিক আছে। তাহলে চলুন শুরু করি, তাই তো? সবাইকে অনেক ধন্যবাদ। এটা দারুণ। না, তারা এটা বোঝে না। এই রাস্তার কিছুটা দূরেই আগামীকাল যারা নির্বাচনে লড়তে যাচ্ছেন তাদের একজনের একটা সভা চলছে। তারা ১০০ জন লোক জড়ো করার চেষ্টা করছে, কিন্তু তারা পারবে না। তাই আমার মনে হয় তারা একটা গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করবে। তারা আসলে সেটাই করে। তাই মানুষ যখন কোনো জনসভায় যেতে চায়, শেষ পর্যন্ত তারা গোলটেবিলে বসে অভিশংসন নিয়ে নিজেদের ব্যাখ্যা দেয়। পাগলামি।
* না, এটা পাগলামি। স্রেফ পাগলামি! এটা একটা অদ্ভুত ব্যাপার। না, এই ভুয়া খবরের সংবাদমাধ্যমগুলো বছরের পর বছর ধরে এটা বোঝার চেষ্টা করছে। কিন্তু তারা এখনো বুঝতে পারেনি। তারা বুঝতে পারছে না। ওই ক্যামেরাগুলোর দিকে তাকিয়ে দেখুন। ওই সব ক্যামেরা দেখুন। কত কত ক্যামেরা! লিন্ডসে এবং টিম, অনেক ক্যামেরা... তারা শুনেছে যে আপনারা এখানে আছেন। তারা শুনেছে টিম আর লিন্ডসে এখানে আছেন এবং... তারা বলেছিল, "আমরা ওই জনসভায় যাব না," কিন্তু যখন তারা শুনল যে আমাদের এই চমৎকার কংগ্রেস সদস্যদের সাথে ওই দুজনও এখানে আছেন... তবে আমাদের জাতির জন্য এটি একটি অবিশ্বাস্য সময়। আমরা যাকে ‘আমেরিকার মহিমান্বিত প্রত্যাবর্তন’ বলছি, আমরা এখন তার ঠিক মাঝখানে আছি। কর্মসংস্থান বাড়ছে, আয় বাড়ছে, কারখানাগুলো ফিরে আসছে, দারিদ্র্য কমছে, আত্মবিশ্বাস বাড়ছে এবং আমরা মার্কিন সামরিক বাহিনীর দুর্দান্ত ক্ষমতাকে সম্পূর্ণ নতুনভাবে গড়ে তুলেছি। আমাদের দেশ আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।
* আমরা আরও শক্তিশালী, আমরা আরও ভালো অবস্থানে আছি। কিন্তু যখন আমরা একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলছি, তখন ওয়াশিংটনের কট্টর বামপন্থী ডেমোক্র্যাটরা সবকিছু পুড়িয়ে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। তারা গত তিন বছর ধরে এমনকি আমি আরও আগে থেকে বলতে পারি, নির্বাচনের পর থেকে তিন বছর হয়েছে, তবে আমরা নির্বাচনের আগের কথাই ধরি তারা আপনাদের ভোট মুছে ফেলার এবং আমাদের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। কিন্তু আপনাদের সাহায্যে আমরা অতি-বামপন্থীদের দুর্নীতি ফাঁস করেছি এবং তাদের অশুভ পরিকল্পনা নস্যাৎ করেছি। দেখা যাক সামনের মাসগুলোতে কী হয়। চলুন দেখি। স্রেফ অপেক্ষা করে দেখি। খুবই অসৎ লোক তারা। এখন ডেমোক্র্যাটরা করোনাভাইরাসকে রাজনৈতিক রূপ দিচ্ছে, আপনারা সেটা জানেন তো? করোনাভাইরাস, তারা এটাকে রাজনীতিতে টেনে আনছে। আমরা চমৎকারভাবে কাজ করেছি। আপনারা যখন জিজ্ঞেস করেন, "রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প কেমন কাজ করছেন?" তখন তারা বলে, "ওহ, ভালো না, ভালো না।" তাদের কোনো ধারণা নেই। তাদের বিন্দুমাত্র ধারণা নেই। তারা এমনকি আইওয়াতে তাদের ভোটও ঠিকমতো গুনতে পারে না। তারা গুনতেও জানে না। না, তারা পারে না। তারা নিজেদের ভোট গুনতে পারে না।
* আমার এক লোক আমার কাছে এসে বলল, "মিস্টার প্রেসিডেন্ট, তারা আপনাকে রাশিয়া, রাশিয়া, রাশিয়া বলে হারানোর চেষ্টা করেছিল।" সেটা খুব একটা কাজে আসেনি। তারা সেটা করতে পারেনি। তারা অভিশংসনের ধোঁকাবাজি করার চেষ্টা করেছে। সেটা ছিল একদম নিখুঁত একটি ফোনালাপ নিয়ে। তারা যেকোনো কিছু করার চেষ্টা করেছে। বারবার চেষ্টা করেছে। আপনি আসার পর থেকেই তারা এটা করছে। সবকিছু বদলে যাচ্ছে। তারা হেরে গেছে। সবকিছু এখন পাল্টে যাচ্ছে। ভেবে দেখুন। চিন্তা করে দেখুন। '''আর এটাই হলো তাদের নতুন ধোঁকাবাজি।''' কিন্তু আমরা এমন কিছু করেছি যা বেশ আশ্চর্যজনক। এই বিশাল দেশে আমাদের মাত্র ১৫ জন আক্রান্ত ছিল এবং কারণটা হলো আমরা শুরুতেই ব্যবস্থা নিয়েছি। আমরা আগেভাগে ব্যবস্থা নিয়েছি বলেই সংখ্যাটা এর চেয়ে অনেক বেশি হয়নি। আমরা খুব ভালো করছি। আমাদের দেশ খুব ভালো চলছে। আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ। আমরা অনেক বেশি একতাবদ্ধ। রিপাবলিকান দল এখনকার মতো আগে কখনোই এতটা ঐক্যবদ্ধ ছিল না। আমাদের দেশে এখন যে গণজোয়ার চলছে, ইতিহাসে এমনটা আগে কখনোই দেখা যায়নি। কখনোই এমন আন্দোলন হয়নি। তাই একটি পরিসংখ্যান নিয়ে আমরা কথা বলতে চাই, বলুন। ইউএসএ বলুন। ঠিক আছে। ইউএসএ। তো এমন একটা সংখ্যা যা কেউ শোনেনি, কিন্তু আমি সম্প্রতি শুনেছি এবং শুনে অবাক হয়েছি যে, প্রতি বছর ফ্লু বা সাধারণ ইনফ্লুয়েঞ্জায় গড়ে ৩৫,০০০ মানুষ মারা যায়। কেউ কি সেটা জানতেন? ৩৫,০০০, এটা অনেক মানুষ। এটা ১,০০,০০০ পর্যন্ত হতে পারে, আবার ২৭,০০০ হতে পারে। তারা বলে সাধারণত কমপক্ষে ২৭,০০০ থেকে শুরু করে বছরে ১,০০,০০০ মানুষ মারা যায়। আর এখন পর্যন্ত আমরা যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসে কাউকে হারাইনি। একজনকেও না। তার মানে এই নয় যে আমরা হারাব না, আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত আছি। এর মানে এই নয় যে আমরা হারাব না, কিন্তু ভেবে দেখুন। আপনারা ৩৫ থেকে ৪০ হাজার মানুষের কথা শুনছেন আর আমরা কাউকে হারাইনি, অথচ দেখুন সংবাদমাধ্যমগুলো কীভাবে হিস্টিরিয়ায় ভুগছে। সিএনএনের ভুয়া খবর আর ওই ক্যামেরাটা এইমাত্র বন্ধ হয়ে গেল, ওই ক্যামেরাটা। ক্যামেরাটা এইমাত্র বন্ধ হলো। ওটা আবার চালু করুন। আচ্ছা, যাই হোক, শুনুন। এটা দেখুন, সত্যি বলতে সব অনুষ্ঠানই এমন হয়। এটা আমাদের নিয়ে। এটা পুরোপুরি আমাদের সম্পর্কে। আমি চাই তারা ক্যামেরা ঘুরিয়ে পুরো গ্যালারিটা দেখাক। তারা কখনোই তা করে না। কখনোই না। তারা কখনোই তা দেখায় না। তারা কখনোই পুরো গ্যালারি দেখায় না। আপনারা শব্দ শুনেই বুঝতে পারছেন কারণ যখন আপনি এই শব্দ শুনবেন, তা ২০০ মানুষের শব্দ নয়। তা ১০০ মানুষের শব্দ নয়। সেখানে হাজার হাজার মানুষ রয়েছে, এমনকি বাইরেও অনেক মানুষ আছে। আপনারা সেটা শুনতে পাচ্ছেন। তারা সবসময় আমার মুখ দেখায়। ওই মুখটা দেখতে পাচ্ছেন? তারা আমার মুখ দেখায়। আমি চাই তারা আমার মুখ না দেখিয়ে পুরো গ্যালারিটা দেখাক, তাই তো? [...] যখন চরম বামপন্থীরা এই জঘন্য ধোঁকাবাজি দিয়ে আমেরিকার সময় নষ্ট করছে, তখন আমরা সন্ত্রাসীদের খতম করছি, কর্মসংস্থান তৈরি করছি, মজুরি বাড়াচ্ছি, ন্যায্য বাণিজ্য চুক্তি করছি, আমাদের সীমান্ত সুরক্ষিত করছি এবং প্রতিটি জাতি, ধর্ম ও বর্ণের নাগরিকদের জীবন উন্নত করছি। আমরা শুধু গত মাসেই আরও ২,২৫,০০০ কর্মসংস্থান যোগ করেছি। আর নির্বাচনের পর থেকে এটি মোট ৭০ লক্ষ কর্মসংস্থান হয়েছে, ৭০ লক্ষ। সাউথ ক্যারোলাইনার মতো চমৎকার অঙ্গরাজ্যে বেকারত্বের হার। আপনারা কি সেই জায়গার নাম শুনেছেন?
* প্রায় সবাই। আপনারা কি এটা বিশ্বাস করতে পারেন? আমি নিশ্চিত আপনাদের স্বামীরা খুব রোমাঞ্চিত, তাই না? তারা দারুণ খুশি। আপনারা আজ রাতে কোথায় যাচ্ছেন? আমি ট্রাম্পের আরেকটি জনসভায় যাচ্ছি। চমৎকার। ১১৪ নম্বর সভা। আপনাদের স্বামীরা এ ব্যাপারে কী বলেন? এখানকার এই দলটি। তিনি বললেন, "আমরা পরোয়া করি না।" ধন্যবাদ। আপনাদের ধন্যবাদ। ডেমোক্র্যাটরা শুধু ভয়াবহ সব কথা বলবে, যদিও তারা জানে যে আমরা খুব ভালো কাজ করছি। আমাদের হাতে যা আছে তা দিয়েই আমরা চমৎকার কাজ করছি। এটি অবিশ্বাস্য। ডেমোক্র্যাটরা মন থেকে চায় আমরা যেন ব্যর্থ হই। এমনকি তাদের কাজ যদি আপনারা তাকিয়ে দেখুন এই দেশের মানুষের ক্ষতিও করে, তবুও তারা পিছু হটে না। তারা মানুষের ক্ষতি করবে, মানুষের সম্পদের ক্ষতি করবে, সবকিছুর ক্ষতি করবে। এমনকি তারা মিথ্যা বলছে জেনেও আমাদের দেশের ক্ষতি করতে তারা রাজি আছে শুধু খারাপ কথা বলার জন্য। আমরা [[মেক্সিকো]], [[কানাডা]], [[চীন]], দক্ষিণ কোরিয়া এবং [[জাপান]]ের সাথে অবিশ্বাস্য সব চুক্তি করেছি। আর আপনি যদি এই পেছনের লোকগুলোর সামনে একটা মাইক্রোফোন ধরেন যেমনটা আগে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস বা অস্কারে হতো, এখন আর হয় না। বছরের সেরা সিনেমা। এটি দক্ষিণ কোরিয়া-তে তৈরি। এটার মানে কী? আমি বছরের সেরা সিনেমা দেখার অপেক্ষায় আছি
* আর এটি তৈরি... তিনি বললেন, "এটি আবর্জনা।" কেবল সাউথ ক্যারোলাইনাতেই আপনি এটা বলতে পারেন। কেবল সাউথ ক্যারোলাইনায়। আপনারা আমাদের বিপদে ফেলে দেবেন। না, ভুয়া খবর প্রচারকারীদের জন্য তিনি যা বলেছেন আমি কেবল তারই পুনরাবৃত্তি করছি। না, কিন্তু গুরুত্বের সাথে বলছি যে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের রেটিং অনেক নিচে নেমে গেছে। আপনারা জানেন কেন? কারণ তারা আমাদের আক্রমণ করা শুরু করেছিল এবং আমরা এখন আর ওতে বিশ্বাস করি না। এই কারণেই। না, কিন্তু তারা বছরের সেরা সিনেমা হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ার তৈরি একটি চলচ্চিত্রকে বেছে নিয়েছে। তারা তো আমাদের জন্য যথেষ্ট জিনিসপত্র বানায়, তাই না? আর তারা ভালো। তারা আমাদের বন্ধু। আমাদের সুযোগ নেয়, ঠিক আছে। এখন আর অতটা নয়। আমরা সত্যিই, আপনারা যদি দেখেন, বিশ্বের সেরা পেশাদারদের নিয়ে চমৎকারভাবে সুসংগঠিত হয়েছি। আমরা সবথেকে খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত আছি। আপনাদের সবথেকে খারাপের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে, তবে আশা করি শেষ পর্যন্ত এটি খুব সামান্যই হবে। এই কারণেই আমি আপনাদের বলছি যখন ফ্লুতে ৩৫,০০০ মানুষ মারা যায় আর এই ভাইরাসটি সম্পর্কে আমাদের খুব খুব গুরুত্বের সাথে ভাবতে হবে। আমরা সেটাই করছি। আমরা সবথেকে খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।
* আমার প্রশাসন [[যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড-১৯ মহামারি|যুক্তরাষ্ট্রে এই রোগের বিস্তার]] রোধে আধুনিক ইতিহাসের সবথেকে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। আমরা প্রস্তুত। আমরা একদম প্রস্তুত। পুরোপুরি প্রস্তুত। গত ৩১ জানুয়ারি আমি আদেশ দিয়েছি যে যেসব বিদেশি নাগরিক সম্প্রতি চীনে ছিলেন তাদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ স্থগিত করা হবে। এই পদক্ষেপের ডেমোক্র্যাটরা তীব্র সমালোচনা ও প্রতিবাদ করেছিল আর এখন সবাই আমার প্রশংসা করে বলছে, "আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনি ১০০ শতাংশ সঠিক ছিলেন।" পরিস্থিতি একদম অন্যরকম হতে পারত। কিন্তু আমি বলছি, চলুন বিষয়টি ঠিকভাবে বুঝি। একটি ভাইরাস চীনে শুরু হলো, সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ল, আর যুক্তরাষ্ট্রে এটি তেমনভাবে ছড়িয়ে পড়ল না কারণ আমি এবং আমার প্রশাসন অনেক মতভেদের বিরুদ্ধে গিয়েও শুরুতেই কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। আর ডেমোক্র্যাটদের একমাত্র বলার বিষয় হলো আপনারা দেখছেন যে এটি ডোনাল্ড ট্রাম্পের দোষ, তাই না? এটি ডোনাল্ড ট্রাম্পের দোষ। না, এগুলো স্রেফ ঘটে যাওয়া কিছু বিষয়।
* কিন্তু আপনারা জানেন এটা কী প্রমাণ করে? বিপদ আসতেই পারে। দুই সপ্তাহ আগে কে এই কথা ভেবেছিল? চার সপ্তাহ আগে কে ভেবেছিল যে এমন কিছু চলতে পারে? আপনি ভাবেননি। কিন্তু জীবনে অনেক কিছু ঘটে আর আপনাদের প্রস্তুত থাকতে হবে, নমনীয় হতে হবে এবং এর মোকাবিলা করার ক্ষমতা থাকতে হবে। আর আমাদের কাছে বিশ্বের সেরা পেশাদাররা আছেন, বিশ্বের সেরা এবং আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত। একই সময়ে আমি ৫০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয়ভাবে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইন বা সঙ্গনিরোধ চালু করেছি। আমাদের কিছু মানুষকে আলাদা রাখতে হয়েছিল। তারা খুশি ছিলেন না, তারা এ নিয়ে মোটেও খুশি ছিলেন না। আমি আপনাদের বলতে চাই যে অনেক মানুষ আছে যারা খুব একটা খুশি ছিল না, কিন্তু দুই সপ্তাহ পর তারা খুশি হয়ে গেল। আপনারা জানেন কারা খুশি হয়েছিল? তাদের আশেপাশে যারা ছিল তারা খুশি হয়েছিল। তারাই শেষ পর্যন্ত খুশি হয়েছিল।
** দ্রষ্টব্য: ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের মেডিকেল অ্যান্ড বায়োডিফেন্স প্রিপেয়ার্ডনেস পলিসির প্রাক্তন পরিচালক লুসিয়ানা বোরিও ২০১৮ সালে আটলান্টার এমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সিম্পোজিয়ামে বলেছিলেন, যা ১৯১৮ সালের ইনফ্লুয়েঞ্জা অতিমারীর ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত হয়েছিল: "অতিমারী ফ্লুর ঝুঁকি স্বাস্থ্য নিরাপত্তার প্রধান উদ্বেগের বিষয়, আমরা কি এর মোকাবিলা করতে প্রস্তুত? আমি ভয় পাচ্ছি উত্তরটি হলো 'না'।" যা উদ্ধৃত হয়েছে factCheck.org তে রেম রিডারের লেখা [https://www.factcheck.org/2020/03/contrary-to-trumps-claim-a-pandemic-was-widely-expected-at-some-point/ ''ট্রাম্পের দাবির বিপরীতে, কোনো এক সময়ে অতিমারীর প্রত্যাশা ব্যাপকভাবে ছিল''] (২০ মার্চ ২০২০) শীর্ষক নিবন্ধে।
* আমি একটি হোয়াইট হাউস ভাইরাস টাস্ক ফোর্স গঠন করেছি। এটি অনেক বড় একটি বিষয়, একটি ভাইরাস টাস্ক ফোর্স। আমাদের প্রয়োজনীয় সংস্থান নিশ্চিত করতে আমি ২.৫ বিলিয়ন ডলারের অনুরোধ করেছিলাম। ডেমোক্র্যাটরা বলেছিল, "এটি ভয়াবহ। তিনি ভুল করছেন। তার ২.৫ বিলিয়ন নয় বরং ৮.৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন।" আমার সাথে আগে এমনটা কখনো ঘটেনি। আমি ২.৫ বিলিয়ন চাইলাম আর তারা আমাকে ৮.৫ বিলিয়ন দিতে চায়, তাই আমি বললাম, "আমি এটাই নেব।" এতে কি আমি খারাপ কিছু... আমি এটা নেব। আমি নেবই। আগে আমার সাথে এমনটা কখনো হয়নি। কখনোই না। আমরা চাই ২.৫ বিলিয়ন। ওটাই যথেষ্ট। আমরা দাবি করছি আপনি ৮.৫ বিলিয়ন নিন। তিনি জানেন না তিনি কী করছেন। আমরা ৮.৫ বিলিয়ন চাই। এই লোকগুলো পাগল। আমাদের বুঝতে হবে যে সীমান্ত নিরাপত্তা মানেই স্বাস্থ্য নিরাপত্তা। আর আপনারা সবাই দেখেছেন যে জাদুর মতো দেওয়াল উঠে গেছে। এটি জাদুর মতো তৈরি হয়েছে। আপনারা কি ভাবছেন এটি খুব সহজ ছিল? এটি একদমই সহজ ছিল না। এটি চমৎকারভাবে তৈরি হচ্ছে এবং আমরা এখন ১৩২ মাইল পর্যন্ত তৈরি করেছি এবং এটিই সেই আসল দেওয়াল যা সীমান্ত রক্ষা, জল, সবকিছুর জন্য প্রয়োজন।
* তো আমি জানি না এই অ্যারেনায় উপস্থিতির রেকর্ড কত, তবে আমাকে বলা হয়েছে যে আমরা সেটি অনেক বড় ব্যবধানে ভেঙেছি। আর বাইরেও অনেক মানুষ আছে। আমাদের কি তাদের বলে দেওয়ার অনুমতি আছে যে আমরা কাকে ভোট দিতে বলব? কারণ আপনারা তো অনেককে বাদ দিতে পারেন। ঠিক আছে, এক মিনিট দাঁড়ান, চলুন একটা জরিপ করা যাক। আমরা পেছনের ওই ভুয়া সংবাদমাধ্যমগুলোর জন্য এটি করছি। তৈরি? আমাদের জন্য সেরা প্রার্থী কে হবে? তাদের জন্য নয় কিন্তু। আমরা প্রস্তুত। তৈরি তো? তাহলে চলুন তাদের নামগুলো দ্রুত একবার দেখে নিই। আমরা স্টেয়ারকে এর মধ্যে রাখব না কারণ সে একজন পরাজিত ব্যক্তি। সে বাদ, ঠিক আছে? আমরা তাকে রাখব না। সেরা কে হবে? এটি একটি আসল জরিপ। এটি সেই সব ভুয়া জরিপগুলোর মতো নয় যা... সত্যি বলতে আমি তোমাকে ভালোবাসি, [[ফক্স নিউজ|ফক্স]], তবে ফক্সের নেওয়া সেই জরিপগুলো সবথেকে খারাপ। এই লোক... এই জরিপকারী ট্রাম্পকে মনেপ্রাণে ঘৃণা করে। গত নির্বাচনে আমি অনেক বড় ব্যবধানে হারছিলাম। তারা বলেছিল, "সে নারীদের কাছে খুব ভালো করেছে।" সবকিছু ভুল ছিল। আর তারা কখনো এই লোকটাকে বদলায়নি। কিন্তু এটা দেখুন। আপনারা তৈরি?
* গতকাল আমাদের একটি চমৎকার অনুষ্ঠান ছিল, অনুষ্ঠানটি ছিল খুব সুন্দর তরুণ আফ্রিকান আমেরিকান নেতারা সেখানে ছিলেন। আমি তাদের যে বিষয়গুলো জিজ্ঞেস করেছিলাম এবং আমি অনেক দিন ধরেই এটা নিয়ে ভাবছিলাম... এবং মহান সব মানুষ, দুর্দান্ত মানুষ। তাদের মধ্যে কয়েকজন আজ রাতে এখানে আছেন। আপনারা কি আফ্রিকান আমেরিকান নামটা পছন্দ করেন নাকি কৃষ্ণাঙ্গ? আর তারা সবাই একসাথে চিৎকার করে বলল, "কৃষ্ণাঙ্গ!" না, সত্যি। আমি আপনাদের বলছি। কারণ আপনি যখন জিজ্ঞেস করেন, "আফ্রিকান আমেরিকান নাকি কৃষ্ণাঙ্গ?" আর তারা প্রায় সাথে সাথেই বলল, "কৃষ্ণাঙ্গ।" আমাদের চমৎকার একদল মানুষ ছিল এবং যা ঘটেছিল তা হলো এনবিসি... এটি ছিল ভালোবাসার এক মিলনমেলা। এটি ছিল অবিশ্বাস্য। এটি ৪৫ মিনিট ধরে চলেছিল। এটি ভালোবাসার এক উৎসব ছিল। এটি অবিশ্বাস্য ছিল। এনবিসি প্রত্যাখ্যান করেছিল... তারা ঠিক ওখানেই আছে। তারা প্রত্যাখ্যান করেছিল... কমকাস্ট, যার মালিকানাধীন এনবিসি... আসলে এনবিসিকে আমার মনে হয় আমরা এমএসডিএনসি ডাকি, তাই না? এমএসডিএনসি। কিন্তু আমার মনে হয় এনবিসি সিএনএনের চেয়েও খারাপ। সত্যি বলছি। আর কমকাস্ট, এমন এক কোম্পানি যারা তাদের ইমেজের জন্য লক্ষ লক্ষ ডলার খরচ করে... আমি তাদের ইমেজ নষ্ট করার জন্য যা যা করা সম্ভব তার সবই করব কারণ তারা ভয়াবহ। তারা খুব বাজে লোক। তারা একদল জঘন্য মানুষ। আর তারা বহু বছর ধরে ''দ্য অ্যাপ্রেন্টিসের'' জন্য আমাকে প্রচুর অর্থ দিয়েছে। তারা আমাকে অঢেল টাকা দিয়েছে। আর আমি যখন শো-টি ছেড়েছিলাম, তখন এটি খুব ভালো চলছিল। যখন আমি শোটি ছাড়ি ১৪টি সিজন, ভেবে দেখুন তারা একজন বিখ্যাত চলচ্চিত্র তারকাকে নিয়ে আসে। আমি তার নাম বলব না। কেউ জানবে না। আসলে কেউই তার নাম জানবে না কারণ সে খুব অল্প সময়ের জন্য সেখানে ছিল। কিন্তু ট্রাম্পকে সরিয়ে দেওয়ার পর অনুষ্ঠানটি খুব দ্রুতই গোল্লায় গেল। কিন্তু এখন থেকে পাঁচ বছর পর দেশ অবশ্যই আপনারা তাদের খেপিয়ে দিতে চান পাঁচ বছর বা নয় বছর বা ১৩ বছর। অথবা ১৮ বছর! আরও ১০ বছর। নাহ। ওহ, আপনারা এটা বললে তারা পাগল হয়ে যায়। যখন আপনারা তাদের বলবেন আরও পাঁচ বছর, তার মানে এটা হলো পাঁচ, কিন্তু এরপর আপনি বলতে পারেন হয়ত নয়, হয়ত ১৩, হয়ত ১৭, হয়ত ২১, অথবা না, হয়ত ২১। চলুন এটাই করি। আমরা নিজেদের জন্য ২৫ বছরের একটি সময়সীমা ঠিক করি। ২৫ বছরের বেশি নয়। আর নয়। ঠিক আছে। তারা সেনেটে কোনো কিছু পাস করবে। টিম, লিন্ডসেকে নিয়ে সেনেটে এটি পাস করান, দয়া করে ২৫ বছরের একটি মেয়াদ নির্দিষ্ট করে দিন।
====ফেব্রুয়ারি ২০২০====
* শিশু দারিদ্র্য হ্রাসের কর্মসূচিগুলো এমনকি সেই বছরগুলোতেও সাহায্য করে যখন দরিদ্র বা প্রায়-দরিদ্র অভিভাবকদের আয় বাড়ে। এবং স্বাভাবিকভাবেই, দুঃসময়ে এই কর্মসূচিগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ কর্মসংস্থানের বাজার আজ ভালো চললেও কাল ধসে পড়তে পারে। ট্রাম্প প্রশাসন এই ধরনের কর্মসূচিগুলোর যোগ্যতার নিয়মাবলি নতুন করে লিখেছে যাতে সুবিধাপ্রাপ্ত মানুষের সংখ্যা কমানো যায়। এর পেছনের তথাকথিত লক্ষ্য হলো: সরকারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে খরচ কমানো। (ট্রাম্পের সঙ্গীরা বড় বড় কর্পোরেশন এবং অতি-ধনী ব্যক্তিদের জন্য যে ভর্তুকি আর কর ফাঁকির সুযোগ তৈরি করেছেন, সেগুলোর কথা না-ই বা বললাম, যার ফলে শত শত কোটি ডলার সরকারি খরচ এবং হারানো রাজস্ব যুক্ত হচ্ছে।)
** রাজন মেনন, ''[https://www.thenation.com/article/economy/child-poverty-trump/ ট্রাম্পের দারিদ্র্য-বিরোধী যুদ্ধে আমাদের শিশুরাও অন্তর্ভুক্ত]'' (৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০), ''দ্য নেশন''।
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচিত হওয়ার আগেও শিশুদের যত্ন বা চাইল্ডকেয়ারের জন্য সহায়তার যোগ্য পরিবারগুলোর মাত্র ছয় ভাগের এক ভাগ সহায়তা পেত এবং আবাসন ভর্তুকি পেত মাত্র পাঁচ ভাগের এক ভাগ। তা সত্ত্বেও তার প্রশাসন সেই সব কর্মসূচি বন্ধ করার প্রস্তুতি নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল, যেগুলো এই পরিবারগুলোকে আবাসন ও শিশুদের যত্নে সাহায্য করত। ভবিষ্যতে এই পরিবারগুলোর তার কাছে সাহায্যের আশা করে কোনো লাভ নেই। তিনি তাদের জন্য কোনো ট্রাম্প টাওয়ার বানাবেন না। "মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন" বলতে যাই বোঝানো হোক না কেন, আমেরিকার গরিব শিশুদের সাহায্য করা এর অন্তর্ভুক্ত নয়। ডোনাল্ড ট্রাম্প যতদিন তাদের জীবনের দৌড় নিয়ন্ত্রণ করবেন, তারা নিজেদের শুরুর লাইন থেকে আরও দূরেই খুঁজে পাবে।
** রাজন মেনন, ''[https://www.thenation.com/article/economy/child-poverty-trump/ ট্রাম্পের দারিদ্র্য-বিরোধী যুদ্ধে আমাদের শিশুরাও অন্তর্ভুক্ত]'' (৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০), ''দ্য নেশন''।
==== মার্চ ২০২০ ====
* এই সম্পদ বা অর্থ জোগাড় করার জন্য একটা অতিমারীর অপেক্ষায় থাকা ঠিক হয়নি। ২০১৯ সালের জুনে আমরা হাউস বাজেট কমিটির কাছে 'দরিদ্র মানুষের নৈতিক বাজেট' পেশ করেছিলাম। সেখানে আমরা দেখিয়েছিলাম যে কীভাবে পুরো দেশের এই প্রয়োজনগুলো মেটানো সম্ভব। '''আপনারা যদি এই নৈতিক বাজেটটি মেনে চলতেন, তবে স্বাস্থ্যসেবা, ভালো কাজ, সম্মানজনক মজুরি, আবাসন এবং বিশুদ্ধ জলের মতো খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে আমরা ইতিমধ্যেই দেশের অর্থনীতিতে ১.২ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি টাকা যোগ করার পথে এগিয়ে যেতাম।<BR>এখন ওপর থেকে নিচে সুবিধা পৌঁছানোর সমাধানের সময় নয়। আমরা জানি যে নিচের দিকের মানুষের উন্নতি হলে সবারই উন্নতি হয়। বর্তমান সংকট এবং আমরা কয়েক বছর বা দশক ধরে যেসব সমস্যার বিরুদ্ধে লড়াই করছি, সেগুলোর বাস্তব সমাধান আমাদের হাতে আছে। আপনাদের কাছে আমাদের দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা মানুষকে সংগঠিত করা এবং শক্তি বাড়ানো চালিয়ে যাব। আমাদের লক্ষ লক্ষ মানুষ অনেক দীর্ঘ সময় ধরে কষ্ট পাচ্ছে। আমরা আর চুপ করে থাকব না।''' কোভিড-১৯ অতিমারী তার ভয়াবহ বিস্তারের মাধ্যমে আমাদের এক নজিরবিহীন জরুরি অবস্থার মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। তবে এই জরুরি অবস্থা আসলে আরও গভীর এবং দীর্ঘস্থায়ী একটি সংকটের ফল, তা হলো দারিদ্র্য ও চরম বৈষম্য। আমাদের সমাজ এমন ১৪০ মিলিয়ন মানুষের প্রয়োজনকে পাত্তাই দেয় না যারা হয় গরিব, না হয় সামান্য কোনো বিপদে পড়লেই গরিব হয়ে যাবে।
** রাষ্ট্রপতি [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], উপ-রাষ্ট্রপতি [[মাইক পেন্স]] এবং ১১৬তম মার্কিন কংগ্রেসের সদস্যদের কাছে লেখা চিঠিতে রেভ উইলিয়াম বারবার দ্বিতীয়, [https://www.poorpeoplescampaign.org/poverty-amidst-pandemic/ অতিমারীর মধ্যে দারিদ্র্য: কোভিড-১৯-এর একটি নৈতিক প্রতিক্রিয়া] (১৯ মার্চ ২০২০), লিজ থিওহারিসের সাথে যৌথভাবে লেখা, পুওর পিপলস ক্যাম্পেইন: এ ন্যাশনাল কল ফর এ মোরাল রিভাইভাল।
* নিয়মিতভাবে ভবিষ্যতের ঝুঁকিগুলো যাচাই করে দেখার মতো শৃঙ্খলা বা ধীরস্থির মনোভাব বেশির ভাগ নেতারই নেই। আর অনেক আগে থেকেই প্রধান বিপদটা ঠিকভাবে চিনে নিয়ে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার মতো দূরদর্শিতা তো আরও বিরল। এক কথায় বলতে গেলে, ট্রাম্প প্রশাসন পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। তারা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দেওয়া করোনাভাইরাস ছড়ানোর বারবার সতর্কতা যেমন গায়ে মাখেনি, তেমনি বিপদের তুলনায় দেশজুড়ে যে ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া দরকার ছিল, তাও নিতে পারেনি। ভাইরাসের এই ক্ষতি সামলানোর জন্য সরকারি ও বেসরকারি সব পক্ষকে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো ক্ষমতা আর সম্পদ কেবল কেন্দ্রীয় সরকারেরই ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, ট্রাম্পের কর্মকর্তারা একের পর এক ভুল ধারণা (কোভিড-১৯-এর বিপদকে গুরুত্ব না দেওয়া) এবং ভুল সিদ্ধান্ত (জরুরি ব্যবস্থা নিতে দেরি করা) নিয়েছেন। এর ফলে আমেরিকানদের নিরাপত্তা অকারণে ঝুঁকির মুখে পড়েছে। সংক্ষেপে, ট্রাম্প প্রশাসন আমেরিকান জনগণের ওপর এক বিশাল বড় বিপর্যয় চাপিয়ে দিয়েছে। তবে পার্ল হারবার বা ৯/১১-এর মতো অতীতের বড় বড় ঘটনাগুলোর তুলনায় এবারের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে নজিরবিহীন উদাসীনতা, এমনকি ইচ্ছাকৃত অবহেলার কারণে। উদাহরণস্বরূপ, ৯/১১ কমিশন রিপোর্ট যেমন আল-কায়েদার হামলার জন্য রোনাল্ড রেগান থেকে শুরু করে জর্জ ডব্লিউ বুশ পর্যন্ত বিভিন্ন প্রশাসনকে দায়ী করেছিল, এই করোনাভাইরাস সংকটের দায়ভার কিন্তু পুরোপুরি বর্তমান হোয়াইট হাউসের ওপরই বর্তায়। [...] করোনাভাইরাস ছড়ানোর শুরুর দিকে হোয়াইট হাউসের এই গা-ছাড়া ভাব আধুনিক রাষ্ট্রপতিত্বের ইতিহাসে সবথেকে বড় ভুল হিসেবে গণ্য হবে। তাদের কাছে যথেষ্ট আগে থেকেই পরিষ্কার সতর্কবার্তা ছিল এবং তারা চাইলেই দেশটাকে আরও ভালোভাবে প্রস্তুত করতে পারত। কিন্তু যেভাবে তারা দূরদর্শিতা আর সময়ের সুযোগ নষ্ট করেছে তা কখনোই ভোলা উচিত নয়। আর এর কারণটাও মনে রাখা দরকার: ট্রাম্প শুরু থেকেই ভুল ছিলেন, আর তার সাঙ্গোপাঙ্গরা সেই ভুলটাকেই দীর্ঘ সময় ধরে বড় করে দেখানোর চেষ্টা করেছে। আমেরিকানদের এখন দশকের পর দশক ধরে এর খেসারত দিতে হবে।
** মাইকা জেঙ্কো, [https://foreignpolicy.com/2020/03/25/coronavirus-worst-intelligence-failure-us-history-covid-19/ ''করোনাভাইরাস মার্কিন ইতিহাসের সবথেকে বড় গোয়েন্দা ব্যর্থতা''], ২৫ মার্চ ২০২০, ফরেন পলিসি।
==== এপ্রিল ২০২০ ====
* এই মহামারীর প্রাদুর্ভাব অবাক করার মতো, সত্যি বলতে আঁতকে ওঠার মতো, কিন্তু এর আবির্ভাবটা মোটেই অভাবিত ছিল না। আর এই সংকটে সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রেকর্ড সবথেকে খারাপ হওয়াটাও আশ্চর্যের কিছু নয়। [...] কোভিড-১৯ সংকট থেকে আমরা একসময় মুক্তি পাব, তবে তার জন্য এক ভয়াবহ এবং বিশাল মূল্য দিতে হবে, বিশেষ করে দরিদ্র আর অসহায় মানুষদের। কিন্তু মেরু অঞ্চলের বরফের আস্তরণ গলে যাওয়া আর বিশ্ব উষ্ণায়নের অন্যান্য বিধ্বংসী পরিণাম থেকে ফেরার কোনো পথ থাকবে না। [...] বর্তমান প্রশাসনের কাছে সম্ভাব্য অতিমারী সম্পর্কে যথেষ্ট সতর্কবার্তা ছিল। আসলে, গত অক্টোবরেই একটি উচ্চপর্যায়ের মহড়া বা সিমুলেশন চালানো হয়েছিল। ট্রাম্প ক্ষমতায় থাকাকালীন ঠিক সেভাবেই কাজ করেছেন যেভাবে আমরা তাকে দেখে অভ্যস্ত: সরকারের সব প্রয়োজনীয় বিভাগগুলোর তহবিল বন্ধ করে দিয়ে বা সেগুলোকে ভেঙে দিয়ে। তিনি মন দিয়ে তার করপোরেট প্রভুদের নির্দেশ মেনে চলেছেন। মুনাফা বাড়াতে বাধা দেয় এমন সব নিয়মকানুন তুলে দেওয়ার জন্য তিনি কাজ করছেন যাতে প্রাণের বিনিময়েও ব্যবসায়িক লাভ নিশ্চিত করা যায়। পরিবেশগত বিপর্যয়ের খাদের কিনারায় পৌঁছানোর দৌড়ে তিনি নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যা এখন পর্যন্ত তার সবথেকে বড় অপরাধ—আসলে এর ফলাফল বিবেচনা করলে এটি ইতিহাসের সবথেকে বড় অপরাধ।
** [[নোম চম্স্কি]], সি.জে. পলিচ্রনিউ-এর সাথে এক সাক্ষাৎকারে, [https://truthout.org/articles/chomsky-ventilator-shortage-exposes-the-cruelty-of-neoliberal-capitalism/ ''চম্স্কি: ভেন্টিলেটরের অভাব নিওলিবারাল ক্যাপিটালিজমের নিষ্ঠুরতাকে প্রকাশ করে''] (১ এপ্রিল ২০২০), ''ট্রুথআউট''।
* ক্ষমতা নিয়ে দলাদলি বা রেষারেষি এই প্রশাসনের একটা চিরচেনা রূপ, আর এই অতিমারী মোকাবিলার ক্ষেত্রেও তার কোনো ব্যতিক্রম হয়নি। [...] এমনকি তাদের কাজকর্মের মধ্যেও কোনো অভ্যন্তরীণ মিল বা শৃঙ্খলা দেখা যাচ্ছে না।
** মিশেল গোল্ডবার্গ, [https://www.nytimes.com/2020/04/02/opinion/jared-kushner-coronavirus.html ''জ্যারেড কুশনারকে দায়িত্বে রাখাটা চরম পাগলামি''] (২ এপ্রিল ২০২০), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস''।
* জীবনে না হলেও, এই প্রশাসনে অন্তত তাই (অর্থাৎ মানুষ বড়ই একা)।
** অ্যান্ড্রু কুওমোর বক্তব্য: "ধরে নিন জীবনে আপনি একাই পথ চলছেন" প্রসঙ্গে [[মিশেল গোল্ডবার্গ]], [https://www.nytimes.com/2020/04/02/opinion/jared-kushner-coronavirus.html ''জ্যারেড কুশনারকে দায়িত্বে রাখাটা চরম পাগলামি''] (২ এপ্রিল ২০২০), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস''।
* প্রেসিডেন্ট হলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট, তাই তার কথাগুলোকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য হিসেবেই গণ্য করা হয়।
** হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি শন স্পাইসার, [https://www.cnn.com/2017/06/06/politics/trump-tweets-official-statements/index.html হোয়াইট হাউস: ট্রাম্পের টুইটগুলো 'অফিসিয়াল স্টেটমেন্ট' বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য] ৬ জুন, (প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের টুইটার বার্তার মর্যাদা প্রসঙ্গে)।
* সে ১ কোটি ৫০ লক্ষেরও বেশি কর্মসংস্থান তৈরি করেছে।
** নিজের মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্প সম্পর্কে ব্যবসায়িক নেতাদের সাথে এক ফোনালাপে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। কোনো ব্যাখ্যা বা প্রমাণ দেওয়া হয়নি। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৪-০৭ |শিরোনাম=ট্রাম্প দাবি করেছেন যে তার মেয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মোট কর্মসংস্থানের ১০ শতাংশ তৈরি করেছে |লেখক=ইয়ান মিলহিজার |সাময়িকী=Vox|ইউআরএল=https://www.vox.com/2020/4/8/21212802/trump-ivanka-10-percent-jobs-walmart-15-million}}
* যখন কেউ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হন, তখন তার ক্ষমতা হয় নিরঙ্কুশ।
** করোনাভাইরাস টাস্ক ফোর্সের প্রেস ব্রিফিংয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৪-১৩ |শিরোনাম=সিএনএন রিপোর্টার সরাসরি ট্রাম্পের মুখের ওপর প্রতিবাদ করেন যখন তিনি রাজার মতো ক্ষমতার দাবি করেন |লেখক=কোডি ফেনউইক |সাময়িকী=রস্টোরি |ইউআরএল=https://www.rawstory.com/2020/04/cnn-reporter-flat-out-contradicts-trump-to-his-face-when-he-claims-king-like-authority/}}
* এই কারণেই আপনাদের রেটিং এত খারাপ, কারণ আপনারা করুণার পাত্র। বলে যান। শুরু করুন। আপনাদের রেটিং ভয়াবহ। আপনাদের আবার আসল খবরের দিকে ফিরে যাওয়া উচিত। বলে যান।
** একজন সাংবাদিকের কথা থামিয়ে দিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যিনি "আগামী সপ্তাহে মাসের প্রথম তারিখ..." বলে প্রশ্ন শুরু করেছিলেন। হোয়াইট হাউস করোনাভাইরাস টাস্ক ফোর্স ব্রিফিং (১৯ এপ্রিল ২০২০), [https://www.rev.com/blog/transcripts/donald-trump-coronavirus-press-conference-transcript-april-19 ডোনাল্ড ট্রাম্পের করোনাভাইরাস সংবাদ সম্মেলনের প্রতিলিপি ১৯ এপ্রিল]
* আমি খুব সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করি। বাণিজ্য চুক্তি, সামরিক পুনর্গঠন ইত্যাদি দেখাশোনার জন্য আমি অনেক মাস ধরে হোয়াইট হাউস থেকে বের হইনি (কেবল হাসপাতাল জাহাজ কমফোর্ট উদ্বোধন করা ছাড়া)। আর এরপর আমি সেই লোকসান হতে থাকা নিউ ইয়র্ক টাইমসে আমার কাজের সময়সূচী আর খাদ্যাভ্যাস নিয়ে একটা ভুয়া খবর পড়লাম, যা লিখেছে একজন তৃতীয় শ্রেণির সাংবাদিক যে আমার সম্পর্কে কিছুই জানে না। আমি প্রায়ই গভীর রাত পর্যন্ত ওভাল অফিসে থাকি আর পরে পড়ি বা দেখি যে আমি নাকি আমার শোবার ঘরে বসে রাগে রাগে হ্যামবার্গার আর ডায়েট কোক খাচ্ছি। আমার সাথে যারা থাকেন তারা সবসময় অবাক হন। আমাকে ছোট করার জন্য সব কিছুই চলে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৪-২৬ |শিরোনাম='হ্যামবারগার' এবং 'নোবেল প্রাইজ': বানানে ভুল করা টুইটার বার্তায় গণমাধ্যমকে আক্রমণ ট্রাম্পের |লেখক=অ্যালেক্স উডওয়ার্ড |সাময়িকী=ইন্ডিপেন্ডেন্ট |ইউআরএল=https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-politics/donald-trump-latest-coronavirus-hamburger-nobel-prize-russia-a9485006.html}}
* রাশিয়া, রাশিয়া, রাশিয়া নিয়ে কাজ করার জন্য সেই সব 'রিপোর্টার' যারা নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন, অথচ শেষে তারা পুরোপুরি ভুল প্রমাণিত হয়েছেন (এবং আসলে অন্য পক্ষই অপরাধ করেছিল), তারা কবে তাদের প্রিয় 'নোবেল' ফিরিয়ে দেবেন যাতে সেগুলো সেই সব আসল রিপোর্টার আর সাংবাদিকদের দেওয়া যায় যারা সঠিক খবর দিয়েছিলেন?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৪-২৬ |শিরোনাম=রাশিয়া তদন্ত নিয়ে সংবাদ করা সাংবাদিকদের 'নোবেল প্রাইজ' ফিরিয়ে দিতে বললেন ট্রাম্প, পরে টুইটটি মুছে ফেলা হয় |লেখক=জেমস পাসলে |সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার |ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-deletes-tweet-calling-for-journalists-to-return-noble-prizes-2020-4?r=US&IR=T}}
* এরা খুব ভালো মানুষ, তবে তারা রাগান্বিত।
** মিশিগানে স্টেট ক্যাপিটল দখল করা সশস্ত্র বিক্ষোভকারীদের সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-০১ |শিরোনাম=বন্দুক নিয়ে সংসদ ভবন দখল করা 'খুব ভালো মানুষদের' দাবি মেনে নিতে মিশিগানের গভর্নরকে ট্রাম্পের তাগিদ |লেখক=ট্রাভিস গেটিস |সাময়িকী=রস্টোরি |ইউআরএল=https://www.rawstory.com/2020/05/trump-urges-michigan-governor-to-give-in-to-very-good-people-who-stormed-statehouse-with-guns/}}
====মে ২০২০====
* আমরা ৮ বছরের মধ্যে এইডস-মুক্ত হব। আমরা শুরু করেছি, আসলে ১০ বছর আগে শুরু করা উচিত ছিল। আগের প্রশাসনের আমলেই এটি শুরু হওয়া উচিত ছিল। তারা কিছুই করেনি। আমার প্রশাসনের সময়েই এর শুরু হয়েছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-০৩ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ফক্স নিউজের টাউন হলে করোনাভাইরাস এবং অন্যান্য বিষয়ে ট্রাম্পের একগুচ্ছ মিথ্যা দাবি |লেখক=ড্যানিয়েল ডেল |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/05/03/politics/fact-check-fox-news-townhall-trump-may-3/index.html}}
* আমাদের যে ঐক্য আছে, এক অর্থে আমাদের মধ্যে দারুণ মিল রয়েছে, আবার অন্য অর্থে আমার মনে হয় তারাও সাথে আসবে। আমি বলতে চাইছি, আমি তো অবশ্যই তেমনটাই আশা করি। তবে আমার প্রধান কাজ হলো আমাদের দেশকে আগের জায়গায় ফিরিয়ে আনা। আমি একে আগের অবস্থায় বা হয়ত তার চেয়েও ভালো অবস্থানে নিয়ে যেতে চাই। আপনারা জানেন তো, আমাদের হাতে এখন এক বিশাল প্রণোদনা রয়েছে সেই সব অর্থ যা নিয়ে আজ রাতে আমরা এ পর্যন্ত কথা বলেছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-০৪ |শিরোনাম=লিঙ্কন মেমোরিয়ালে ফক্স টাউন হলে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৪৫টি সবথেকে চমকপ্রদ উক্তি |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/05/04/politics/donald-trump-fox-lincoln-memorial/index.html}}
* তো ক্যালিফোর্নিয়াতে ডেমোক্র্যাটরা ডাকযোগে ব্যালট পাঠিয়ে ভোট নেওয়ার জন্য পাগল হয়ে লড়াই করেছিল এবং সফলও হয়েছিল। তারা এখন সেই অঙ্গরাজ্যের সবথেকে বেশি ডেমোক্র্যাট-ঘেঁষা এলাকায় ভোট দেওয়ার বুথ খুলেছে। তারা আরেকটি নির্বাচনে কারচুপি করার চেষ্টা করছে। সেখানে সবকিছুই সাজানো। এই ভোটগুলো অবশ্যই গণ্য করা যাবে না। প্রতারণা!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-০৯ |শিরোনাম=উন্মত্ত টুইটগুলোতে ট্রাম্প বলেছেন ক্যালিফোর্নিয়ার সব ভোট ‘অবশ্যই গণ্য করা যাবে না’ |লেখক=মার্ক এনসি |সাময়িকী=নিউজ করপস |ইউআরএল=https://www.newscorpse.com/ncWP/?p=45212}}
* খাস খবর: মিশিগান প্রাথমিক ও সাধারণ নির্বাচনের আগে ৭৭ লক্ষ মানুষের কাছে অ্যাবসেন্ট ব্যালট (অনুপস্থিত ভোটারদের ব্যালট) পাঠাচ্ছে। একজন উদ্ধত সেক্রেটারি অফ স্টেট কোনো অনুমতি ছাড়াই এটি বেআইনিভাবে করেছেন। মিশিগান যদি ভোটার জালিয়াতির এই পথে হাঁটতে চায়, তবে আমি তাদের অর্থ সাহায্য আটকে দেওয়ার কথা বলব!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-২০ |শিরোনাম=মিশিগানের অ্যাবসেন্ট ব্যালট আবেদন নিয়ে ট্রাম্পের মিথ্যা টুইট |লেখক=ডি'অ্যাঞ্জেলো গোর |সাময়িকী=FactCheck.org |ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/05/trumps-false-tweet-about-michigan-absentee-ballot-applications/}}
* আর জানেন তো, আপনি যখন "মাথাপিছু" বা পার ক্যাপিটা বলেন, সেখানে অনেক ধরনের পার ক্যাপিটা আছে। এটা অনেকটা এমন যে কার তুলনায় মাথাপিছু? তবে আপনি যেকোনো বিভাগই দেখুন না কেন, মাথাপিছু হিসেবেও আমরা একদম শীর্ষে অর্থাৎ ভালো অবস্থানে আছি। তারা দারুণ কাজ করেছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-২০ |শিরোনাম=কোভিড-১৯ নিয়ে আলোচনার সময় ট্রাম্প কি বলেছিলেন যে ‘অনেক ধরনের পার ক্যাপিটা’ আছে? |লেখক=কিম লাক্যাপ্রিয়া |সাময়িকী=TruthOrFiction.com |ইউআরএল=https://www.truthorfiction.com/did-president-trump-say-there-were-many-per-capitas-in-a-covid-19-discussion/}}
* আমি পাঁচ বছর আগে মিশিগানে ‘ম্যান অফ দ্য ইয়ার’ হিসেবে সম্মানিত হয়েছিলাম।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-২২ |শিরোনাম=মিশিগানে ট্রাম্পের সন্দেহজনক ‘ম্যান অফ দ্য ইয়ার’ হওয়ার বড়াই |লেখক=রবার্ট ফার্লি |সাময়িকী=actCheck.org |ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2019/08/trumps-dubious-michigan-man-of-the-year-boast/}}
* ডাকযোগে পাঠানো ব্যালট বা মেল-ইন ব্যালটে যে বড় ধরনের কারচুপি হবে না, তার কোনো সম্ভাবনাই নেই (একদম শূন্য)! ডাকবক্সগুলো চুরি হবে, ব্যালট জাল করা হবে, এমনকি সেগুলো অবৈধভাবে ছাপানো আর তাতে জালিয়াতি করে সইও করা হবে। ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে ব্যালট পাঠাচ্ছেন। ওই রাজ্যে বসবাসকারী যে কেউ, সে যে-ই হোক বা যেভাবেই সেখানে আসুক না কেন, সে একটি ব্যালট পাবে। এরপর আসবে কিছু পেশাদার লোক, যারা এই সব মানুষদের বলে দেবে কীভাবে আর কাকে ভোট দিতে হবে। এদের মধ্যে অনেকে আবার আগে কখনো ভোট দেওয়ার কথা ভাবেনি। এটি একটি সাজানো নির্বাচন হবে। অসম্ভব!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1265255835124539392 টুইটারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৬ মে ২০২০)
* ভেবে দেখুন তো, আপনার স্থানীয় ফোন কোম্পানিগুলো যদি আপনার বলা কথাগুলো এডিট করার বা সেন্সর করার চেষ্টা করত। সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোর ক্ষমতা তো তার চেয়েও অনেক বেশি।
** {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-২৮ |শিরোনাম=সোশ্যাল মিডিয়া দমনের যুক্তি দিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি হাস্যকর তুলনা ব্যবহার করেছেন |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/05/28/politics/donald-trump-twitter-facebook-social-media-executive-order/index.html}}
====জুন ২০২০====
[[File:President Trump Visits St. John's Episcopal Church (49963649028).jpg|thumb|আপনাদের আধিপত্য বিস্তার করতে হবে নতুবা আপনাদের একদল মূর্খ মনে হবে, আপনাদের লোকজনকে গ্রেফতার করতে হবে এবং তাদের বিচার করতে হবে।]]
* আপনাদের আধিপত্য বিস্তার করতে হবে নতুবা আপনাদের একদল মূর্খ মনে হবে, আপনাদের লোকজনকে গ্রেফতার করতে হবে এবং তাদের বিচার করতে হবে।
* আপনাদের খুব বেশি সাবধান হওয়ার দরকার নেই।
** জর্জ ফ্লয়েড হত্যার পর পুলিশি সহিংসতার বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারী সাধারণ মানুষের প্রতি কেমন প্রতিক্রিয়া দেখাতে হবে সে বিষয়ে মার্কিন গভর্নরদের নির্দেশ দিচ্ছেন [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-০১ |শিরোনাম=বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে গভর্নরদের আক্রমণাত্মক কৌশল ব্যবহারের উৎসাহ দিচ্ছেন উত্তেজিত ট্রাম্প |লেখক=কেভিন লিপটাক, রায়ান নোবলস, সারাহ ওয়েস্টউড |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/06/01/politics/donald-trump-race-police/index.html}}
* ওয়াশিংটন, ডি.সি. গত রাতে পৃথিবীর সবথেকে নিরাপদ জায়গা ছিল!
** [https://twitter.com/realdonaldtrump/status/1267959729361485825 ২ জুন ২০২০-এর টুইট], ৮ জুন ২০২০, [https://www.usnews.com/news/politics/articles/2020-06-07/ap-fact-check-trump-exaggerations-on-blacks-economic-gains ইউএস নিউজ]।
* এটি তার জন্য একটি দারুণ দিন। এটি সবার জন্যই একটি দারুণ দিন। গুণের বিচারে এটি খুবই চমৎকার একটি দিন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] দাবি করেছেন যে মার্কিন অর্থনীতি "আবার সঠিক পথে ফিরে এসেছে", এবং তিনি এর সাথে জর্জ ফ্লয়েডকে যুক্ত করেছেন, যাকে কয়েক দিন আগে পুলিশ হত্যা করেছিল। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-০৫ |শিরোনাম=জর্জ ফ্লয়েড ওপর থেকে নিচে তাকিয়ে দেখছেন এবং দিনটিকে ‘একটি দারুণ দিন’ বলার জন্য ট্রাম্পের সমালোচনা |লেখক=এমা রোজমার্জি |সাময়িকী=ইউনিলাড |ইউআরএল=https://www.unilad.co.uk/news/trump-criticised-for-saying-george-floyd-is-looking-down-and-calling-it-a-great-day/}}
* বাফেলোর যে বিক্ষোভকারীকে পুলিশ ধাক্কা দিয়েছিল সে একজন অ্যান্টিফা প্ররোচনাকারী হতে পারে। ৭৫ বছর বয়সী মার্টিন গুগিনোকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল কারণ মনে হচ্ছিল তিনি পুলিশের যোগাযোগের সরঞ্জামগুলো অকেজো করার জন্য স্ক্যান করছিলেন। @OANN আমি দেখেছি, তাকে যত জোরে ধাক্কা দেওয়া হয়েছিল তার চেয়েও বেশি জোরে তিনি পড়ে গিয়েছিলেন। তিনি স্ক্যানার দিয়ে লক্ষ্য করছিলেন। এটি কি কোনো সাজানো নাটক হতে পারে?
** পুলিশের হাতে নিষ্ঠুরভাবে নির্যাতিত হওয়ার পর মস্তিষ্কে আঘাত পাওয়া শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারী মার্টিন গুগিনো সম্পর্কে কোনো প্রমাণ ছাড়াই [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই সব মন্তব্য বারবার করেছেন। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-০৯ |শিরোনাম=বাফেলো পুলিশের ধাক্কায় পড়ে যাওয়া ৭৫ বছর বয়সী বৃদ্ধের বিরুদ্ধে পড়ে যাওয়ার নাটক করার অভিযোগ ট্রাম্পের |লেখক=ক্যামেরন ফিউ |সাময়িকী=ইউনিলাড |ইউআরএল=https://www.unilad.co.uk/news/trump-accuses-75-year-old-knocked-down-by-buffalo-police-of-faking-fall/}}
* আমার মনে হয় অন্য যেকোনো রাষ্ট্রপতির চেয়ে আমি কৃষ্ণাঙ্গ সম্প্রদায়ের জন্য বেশি কাজ করেছি এবং চলুন আমরা আব্রাহাম লিংকনকে বাদ দিই কারণ তিনি ভালো কাজ করেছিলেন যদিও সেটা সবসময়ই প্রশ্নবিদ্ধ, মানে সহজ কথায় শেষ ফলাফলটা।
** জর্জ ফ্লয়েড বিক্ষোভ চলাকালীন ফক্স নিউজের সাথে এক সাক্ষাৎকারে নিজের নেতৃত্ব এবং আফ্রিকান-আমেরিকান সম্প্রদায়ের সাথে সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার সময় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন। জেরেমি স্টাহলের নিবন্ধ "[https://slate.com/news-and-politics/2020/06/what-was-trump-trying-to-say-about-abraham-lincoln.html আব্রাহাম লিংকন সম্পর্কে ট্রাম্প কী বলতে চেয়েছিলেন?]" ১২ জুন ২০২০, ''স্লেট''।
* সে একজন মিথ্যাবাদী... হোয়াইট হাউসের সবাই জন বোল্টনকে ঘৃণা করত।
** নিজের বেছে নেওয়া জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেন, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-১৫ |শিরোনাম=বোল্টনের বিস্ফোরক বই প্রকাশের পর ট্রাম্প তাকে ‘মিথ্যাবাদী’ বলে অভিহিত করেছেন এবং বলেছেন ‘হোয়াইট হাউসের সবাই তাকে ঘৃণা করত’ |লেখক=নিকোল ডারা |সাময়িকী=দ্য সান |ইউআরএল=https://www.the-sun.com/news/999925/trump-john-bolton-book-white-house-liar/}}
* এরাই সেই সব মানুষ — সবথেকে সেরা, সবথেকে স্মার্ট, সবথেকে মেধাবী, আর তারা এইডসের টিকা আবিষ্কার করেছে। তারা... আরও নানা কিছু আবিষ্কার করেছে।
** বিজ্ঞানীদের সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই দাবি করেন, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-১৬ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: অস্তিত্বহীন এইডস টিকা নিয়ে ট্রাম্পের দাবি |লেখক=ক্যালভিন উডওয়ার্ড, হোপ ইয়েন |সাময়িকী=নিউজ ১২ |ইউআরএল=https://www.kxii.com/content/news/AP-FACT-CHECK-Trump-on-an-AIDS-vaccine-that-doesnt-exist-571309161.html/}}
* আমি একটা ভালো কাজ করেছি: আমি জুনটিন্থকে খুব বিখ্যাত করে তুলেছি।<br>এটি আসলে একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান, একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। কিন্তু আগে কেউ এর নাম শোনেনি।
** বুধবার ১৭ জুন ২০২০-এ ওভাল অফিসে দেওয়া সাক্ষাৎকারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন। ১৯ জুন ২০২০-এ ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের মাইকেল বেন্ডারের [https://www.wsj.com/articles/trump-talks-juneteenth-john-bolton-economy-in-wsj-interview-11592493771 একটি নিবন্ধ] অনুযায়ী এবং ২১ জুন ২০২০-এ দ্য গার্ডিয়ানের রিচার্ড ওল্ফের[https://www.theguardian.com/commentisfree/2020/jun/20/donald-trump-tulsa-rally-crowd-empty-seats লেখায়] এটি বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
* আমি বললাম, 'জেনারেল, কোনো রেলিং ছাড়া ওই ঢালু পথ দিয়ে নিচে নামতে গিয়ে আছাড় না খেয়ে নামা আমার পক্ষে অসম্ভব, জেনারেল।'
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-২০ |শিরোনাম=১৭৯৮টি শব্দ যা প্রমাণ করে যে ওয়েস্ট পয়েন্টের ঢালু পথ নামার গল্প নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প কতটা আচ্ছন্ন |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/06/22/politics/donald-trump-tulsa-rally-west-point-ramp/index.html |ভাষা=en-US}}
* আপনাদের ৪০১(কে) (অবসরকালীন সঞ্চয়) এবং আপনাদের টাকা-পয়সা সব মূল্যহীন হয়ে পড়বে।
** জো বাইডেন যদি পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জেতেন তবে কী হবে সে সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-২০ |শিরোনাম=অতিমারী নিয়ে আবারও মিথ্যাচার, জুনের শুরু থেকে জুলাইয়ের শুরু পর্যন্ত ট্রাম্প ২০০টি মিথ্যা দাবি করেছেন |লেখক=ড্যানিয়েল ডেল, তারা সুব্রামানিয়াম |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/07/18/politics/fact-check-trump-june-july-2020/index.html |ভাষা=en-US}}
* সাজানো ২০২০ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ভিনদেশ এবং অন্যরা লক্ষ লক্ষ ডাক-ব্যালট ছাপাবে। এটি হবে আমাদের সময়ের সবথেকে বড় কেলেঙ্কারি!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]-এর দাবি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-২২ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ডাকযোগে ভোট দেওয়া নিয়ে ভিত্তিহীন দাবি ছড়াচ্ছেন ট্রাম্প |লেখক=মাইলস পার্কস |সাময়িকী=এনপিআর |ইউআরএল=https://apnews.com/1d1a98892bdc7e1df97807b3be48bb13 |ভাষা=en-US}}
* আচ্ছা, একটি বিষয় যা সত্যিই দারুণ হবে তা হলো — অভিজ্ঞতা শব্দটির কদর এখনো আছে। আমি সবসময় বলি অভিজ্ঞতার চেয়ে প্রতিভাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমি সবসময় এটাই বলেছি। কিন্তু অভিজ্ঞতা শব্দটিও খুব গুরুত্বপূর্ণ। এর একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ অর্থ আছে। আমি আগে কখনো এটা করিনি। আমি কখনো ওয়াশিংটনে রাত কাটাইনি। আমি ওয়াশিংটনে বড়জোর ১৭ বার এসেছিলাম। আর হঠাৎ করে আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হয়ে গেলাম। আপনারা তো গল্পটা জানেন। আমি ফার্স্ট লেডির সাথে পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউ দিয়ে যাচ্ছিলাম আর বলছিলাম, ‘এটা দারুণ। কিন্তু আমি ওয়াশিংটনের খুব বেশি মানুষকে চিনতাম না। এটি আমার চেনা জায়গা ছিল না। আমি ম্যানহাটন থেকে, নিউ ইয়র্ক থেকে এসেছিলাম। এখন আমি সবাইকে চিনি এবং প্রশাসনে আমার কাছে দারুণ সব মানুষ আছে। আপনি কিছু ভুল করবেনই। যেমন, ওই গাধাটার কথা ধরুন, ওই যে বোল্টন। সে সবসময় চাইত সবার ওপর বোমা ফেলতে। আপনার তো সবার ওপর বোমা ফেলার দরকার নেই। মানুষের প্রাণ নেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
** "দ্বিতীয় মেয়াদে আপনার অগ্রাধিকারগুলো কী হবে?" - এই প্রশ্নের জবাবে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন। যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৭-১৭ |শিরোনাম=দ্বিতীয় মেয়াদের পরিকল্পনা নিয়ে ট্রাম্পের আবোলতাবোল বকুনি |লেখক=অ্যাডাম কে রেমন্ড |সাময়িকী=নিউ ইয়র্ক ম্যাগাজিন |ইউআরএল=https://nymag.com/intelligencer/2020/06/trump-hannity-interview-full-of-unintelligible-rambling.html}}
* রাশিয়ানরা [[আফগানিস্তান]]ে আমাদের সেনাদের ওপর তথাকথিত যে হামলা চালিয়েছে সে সম্পর্কে আমাকে, @উপ-রাষ্ট্রপতি পেন্স অথবা চিফ অফ স্টাফ @মার্কমিডোসকে কেউ কিছুই বলেনি।
** আফগানিস্তানে মার্কিন সেনাদের হত্যার জন্য রাশিয়ান গোয়েন্দারা তালিবানদের টাকা দিচ্ছে, এমন একটি সংবাদ প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেন। যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-২৮ |শিরোনাম=মার্কিন সেনাদের হত্যার জন্য পুরস্কার বা বাউন্টি দেওয়ার খবর সম্পর্কে তাকে ব্রিফ করার বিষয়টি অস্বীকার করলেন ট্রাম্প |লেখক=কাইল বালুক |সাময়িকী=দ্য হিল |ইউআরএল=https://thehill.com/homenews/administration/504890-trump-denies-he-was-briefed-on-reported-bounties-on-us-troops |ভাষা=en-US}}
* আপনারা কি স্রেফ তাদের গুলি করতে পারেন না? স্রেফ তাদের পায়ে বা এমন কোথাও গুলি করুন না?
** জর্জ ফ্লয়েড হত্যার পর হোয়াইট হাউসের আশেপাশে রাস্তায় বিক্ষোভকারীদের সম্পর্কে জুন ২০২০-এ [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেছিলেন। প্রাক্তন প্রতিরক্ষা সচিব মার্ক এসপারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এটি [https://www.axios.com/mark-esper-book-trump-protesters-24e93272-2af5-423d-be3b-164daab7b43d.html "স্কুপ: এসপার বলেছেন ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের গুলি করতে চেয়েছিলেন"], অ্যাক্সিওস, ২ মে ২০২২।
====জুলাই ২০২০====
* সমাজ ও প্রকৃতির সকল নিয়মের বিরুদ্ধে গিয়ে আমাদের শিশুদের স্কুলে শেখানো হচ্ছে নিজেদের দেশকে ঘৃণা করতে। তাদের বিশ্বাস করানো হচ্ছে যে যারা এই দেশ গড়ে তুলেছিলেন তারা নায়ক নন বরং খলনায়ক ছিলেন। আমেরিকান ইতিহাসের এই কট্টরপন্থী দৃষ্টিভঙ্গি আসলে মিথ্যার জাল। এখানে সব প্রেক্ষিত সরিয়ে ফেলা হয়েছে, সমস্ত গুণকে আড়াল করা হয়েছে, প্রতিটি উদ্দেশ্যকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রতিটি তথ্য বিকৃত করা হয়েছে এবং প্রতিটি ত্রুটিকে এমনভাবে বড় করে দেখানো হয়েছে যাতে ইতিহাস পুরোপুরি মুছে যায় এবং সমস্ত নথিপত্র চেনা দায় হয়ে পড়ে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-০৩ |শিরোনাম=বাইডেন শিক্ষকদের বলেছেন যে তারা সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করছেন, একই দিনে ট্রাম্প বলেছেন যে শিক্ষকরা শিশুদের ‘দেশকে ঘৃণা করতে’ শেখাচ্ছেন |লেখক=ভ্যালেরি স্ট্রস |সাময়িকী=ইন্ডিপেন্ডেন্ট |ইউআরএল=https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-election/biden-trump-teachers-education-policy-2020-election-a9603156.html}}
* আমাদের বিদ্যালয়গুলোতে, আমাদের নিউজ রুমগুলোতে, এমনকি আমাদের কর্পোরেট বোর্ডরুমগুলোতেও এক নতুন কট্টর বামপন্থী ফ্যাসিবাদ এসেছে যা সবার কাছ থেকে নিঃশর্ত আনুগত্য দাবি করে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-০৩ |শিরোনাম=মাউন্ট রাশমোর ভাষণে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২৮টি সবথেকে আপত্তিকর উক্তি |লেখক=ভ্যালেরি স্ট্রস |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/07/04/politics/donald-trump-mount-rushmore-south-dakota-speech-lines/index.html}}
* আমাদের -- এপ্রিলের পর থেকে ভোক্তাদের আত্মবিশ্বাস ১২ পয়েন্ট বেড়েছে, যা সর্বকালের সর্বোচ্চ। ভেবে দেখুন একবার।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের একটি অসত্য দাবি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-০৯ |শিরোনাম=আবারও অতিরঞ্জিত কথা, ট্রাম্পের দাবি চারটি অর্থনৈতিক সূচক রেকর্ড গড়েছে যা আসলে কোনো রেকর্ড নয় |লেখক=ড্যানিয়েল ডেল |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/07/06/politics/fact-check-trump-june-jobs-exaggerations/index.html}}
* অনেক বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্কুল ব্যবস্থা এখন পড়াশোনার বদলে কট্টর বামপন্থী মতাদর্শ চাপিয়ে দেওয়ার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। তাই আমি ট্রেজারি বিভাগকে তাদের কর-মুক্ত সুবিধা এবং অর্থায়ন পুনরায় খতিয়ে দেখতে বলছি। যদি এই অপপ্রচার বা জনস্বার্থ বিরোধী কাজ চলতে থাকে, তবে সেই সব সুবিধা কেড়ে নেওয়া হবে। আমাদের শিশুদের শিক্ষা দিতে হবে, তাদের ওপর কোনো মতাদর্শ চাপিয়ে দেওয়া যাবে না!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১১ |শিরোনাম=মার্কিন স্কুলগুলো পুনরায় খোলার বিষয়ে ট্রাম্পের চাপের মুখে ডাক্তার ও শিক্ষকদের অসম্মতি |লেখক=সুসান হেভি |সাময়িকী=রয়টার্স |ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/us-health-coronavirus-uda-education/in-bid-to-reopen-u-s-schools-trump-threatens-their-tax-exempt-status-idUSKBN24B2D3?il=0}}
* আমি একটি জটিল এলাকায় একটি বেসরকারি গোষ্ঠীর দ্বারা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে টাকা তুলে দেওয়ালের এই খুব ছোট অংশটি তৈরির বিরোধী ছিলাম। এটি কেবল আমাকে ছোট করার জন্য করা হয়েছিল এবং হয়ত এখন এটি কাজও করছে না। এটি দেওয়ালের বাকি ৫০০ মাইলের মতোই তৈরি করা উচিত ছিল।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১২ |শিরোনাম=সমর্থকদের অর্থায়নে নির্মিত দেওয়ালের অস্থিতিশীল অংশটি কেবল 'আমাকে ছোট করার জন্য করা হয়েছিল' বলে দাবি ট্রাম্পের |লেখক= ক্যাথরিন গার্সিয়া | সাময়িকী=দ্য উইক |ইউআরএল=https://theweek.com/speedreads/925124/trump-says-possibly-unstable-section-border-wall-funded-by-supporters-only-done-make-look-bad}}
* আমি এমন অনেককে চিনি যারা কনফেডারেট পতাকা পছন্দ করেন এবং তারা [[দাসত্ব]]ের কথা ভাবছেন না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১৮ |শিরোনাম=ট্রাম্প একটি কনফেডারেট পতাকার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন যেখানে তার অনেক সমর্থক আগেই হার মেনে নিয়েছে |লেখক= টিনা নগুয়েন | সাময়িকী=পলিটিকো |ইউআরএল=https://www.politico.com/news/2020/07/18/trump-confederate-flag-battle-368607}}
* দেখুন, আমি সবসময় সবকিছুর জন্য দায়িত্ব নিই কারণ শেষ পর্যন্ত এটি আমারই কাজ। আমাকে সবাইকে একই সারিতে আনতে হয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১৯ |শিরোনাম=করোনাভাইরাস নিয়ে সমালোচকদের জবাব দিলেন ট্রাম্প, বিশেষ সাক্ষাৎকারে কথা বললেন নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেবেন কি না তা নিয়ে |লেখক= রন ব্লিটজার | সাময়িকী=ফক্স নিউজ |ইউআরএল=https://www.foxnews.com/politics/trump-pushes-back-against-critics-on-coronavirus-addresses-whether-he-will-accept-election-results-in-exclusive-interview}}
* আমি সত্যি বলছি, আমি ফক্স নিউজের খুব একটা ভক্ত নই।
* আমরা দুই সপ্তাহের মধ্যে একটি স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনা সই করতে যাচ্ছি, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ এবং সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনা যা করার অধিকার ডাকা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত আমাকে দিয়েছে। তাই আমরা সমাধান করতে যাচ্ছি আমরা একটি অভিবাসন পরিকল্পনা, একটি স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনা এবং অন্যান্য আরও কিছু পরিকল্পনা সই করতে যাচ্ছি। আগামী চার সপ্তাহে আমি যা করতে যাচ্ছি তা আগে কেউ করেনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১৯ |শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্প বনাম ফক্স নিউজ সানডে: একটি উত্তপ্ত সাক্ষাৎকারের কিছু বিশেষ মুহূর্ত |লেখক= আমান্ডা হোলপাচ | সাময়িকী=দ্য গার্ডিয়ান |ইউআরএল=https://www.theguardian.com/us-news/2020/jul/19/donald-trump-fox-news-sunday-chris-wallace-interview}}
* আসলে আপনি যখন ভালো কিছু দেখেন তখন সেটার কোনো তদন্ত বা যাচাই করেন না।
** মাঝেমধ্যে অদ্ভুত সব বিষয় রিটুইট করার অভ্যাস সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-২২ |শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বীকার করেছেন যে তিনি প্রায়ই নিজের টুইট নিয়ে আফসোস করেন, বলেছেন তার রিটুইটগুলো তাকে বিপদে ফেলে দেয় এবং সেই সব পুরোনো দিনের কথা মনে করেন যখন একটি চিঠি লিখে এক দিন ফেলে রাখা যেত |লেখক= এরিয়েল জিলবার | সাময়িকী=ডেইলি মেইল |ইউআরএল=https://www.dailymail.co.uk/news/article-8558493/Trump-says-regrets-Twitter-posts-admits-times-love-it.html}}
* এটি যদি আমার টেবিলে আসত তবে আমি অবশ্যই এ নিয়ে কিছু করতাম।
** আফগানিস্তানে আমেরিকানদের হত্যার জন্য রাশিয়া জঙ্গিদের পুরস্কার, এমন একটি মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের প্রেক্ষিতে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেন। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-২৮ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: ওষুধের দাম ও হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন নিয়ে ট্রাম্পের জাঁকজমকপূর্ণ কথা |লেখক=হোপ ইয়েন এবং ক্যালভিন উডওয়ার্ড | সাময়িকী=স্টার ট্রিবিউন |ইউআরএল=https://www.startribune.com/ap-fact-check-trump-hype-on-drug-costs-hydroxychloroquine/571989352/}}
* যেসব নৈরাজ্যবাদী, উস্কানিদাতা বা বিক্ষোভকারী পোর্টল্যান্ডের আমাদের ফেডারেল আদালত ভবন বা আমাদের যেকোনো শহর বা অঙ্গরাজ্যের ফেডারেল ভবন ভাঙচুর বা ক্ষতি করবে, তাদের আমাদের সম্প্রতি পুনরায় কার্যকর করা মূর্তি ও স্মৃতিস্তম্ভ আইনের আওতায় বিচার করা হবে। কমপক্ষে দশ বছরের জেল। এমনটা করবেন না!
** [https://mobile.twitter.com/Oijans/status/1346916360178302978 টুইটার] বার্তায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ২৮ জুলাই ২০২০।
* আমি মনে করি সে একটি চমৎকার প্রার্থী হতে পারে, [[কমলা হ্যারিস]]। সে একটি চমৎকার প্রার্থী হবে।
** কমলা হ্যারিস-এর উপ-রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য, যা একটি [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-marine-one-departure-072920/ হোয়াইট হাউসের প্রতিলিপি] থেকে পাওয়া।
* সার্বজনীন ডাকযোগে ভোট (অ্যাবসেন্ট ব্যালট নয়, যা আসলে ভালো) হওয়ার ফলে ২০২০ সালের নির্বাচন হবে ইতিহাসের সবথেকে ভুল এবং জালিয়াতিপূর্ণ নির্বাচন। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য চরম লজ্জার হবে। মানুষ যতক্ষণ না সঠিকভাবে এবং নিরাপদে ভোট দিতে পারে, ততক্ষণ কি নির্বাচন স্থগিত রাখা উচিত???
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট ({{উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1288818160389558273 |শিরোনাম=সার্বজনীন ডাকযোগে ভোট হওয়ার ফলে ২০২০ সালের নির্বাচন হবে ইতিহাসের সবথেকে ভুল এবং জালিয়াতিপূর্ণ নির্বাচন। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য চরম লজ্জার হবে। মানুষ যতক্ষণ না সঠিকভাবে এবং নিরাপদে ভোট দিতে পারে, ততক্ষণ কি নির্বাচন স্থগিত রাখা উচিত??? |তারিখ=২০২০-০৭-৩০ |সংগ্রহের-তারিখ=২০২০-০৭-৩০ |প্রকাশক=টুইটার |ভাষা=en-US |লেখক=ডোনাল্ড ট্রাম্প}})। এটি ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছিল এবং অনেক সংবাদ মাধ্যম এটি উদ্ধৃত করেছে, যেমন {{উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://www.bbc.co.uk/news/world-us-canada-53599363 |শিরোনাম=রিপাবলিকানদের ট্রাম্পের প্রতি বার্তা: আপনি ২০২০ সালের নির্বাচন পেছাতে পারেন না |তারিখ=২০২০-০৭-৩০ |সংগ্রহের-তারিখ=২০২০-০৭-৩০ |প্রকাশক=বিবিসি |ভাষা=en-GB}}।
* নির্বাচনের ফলাফল অবশ্যই নির্বাচনের রাতেই জানতে হবে, কয়েক দিন, মাস বা বছর পরে নয়!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-২৯ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: নির্বাচনের বিষয়ে ট্রাম্পের উত্তেজনা এবং বিকৃতি |লেখক=ক্যালভিন উডওয়ার্ড | সাময়িকী=সিয়াটেল টাইমস |ইউআরএল=https://www.seattletimes.com/nation-world/ap-fact-check-trumps-election-agitations-and-distortions/}}
* প্রথম দিকের প্রশ্নগুলো খুব সহজ। শেষের প্রশ্নগুলো অনেক বেশি কঠিন, যেমন স্মৃতিশক্তির একটি প্রশ্ন। এটি অনেকটা এমন যে আপনি বলছেন, '''"ব্যক্তি, নারী, পুরুষ, ক্যামেরা, টিভি"'''। তো তারা বলে, "আপনি কি এটি আবার বলতে পারবেন?" তো আমি বললাম, "হ্যাঁ। এটি হলো ব্যক্তি, নারী, পুরুষ, ক্যামেরা, টিভি।" ঠিক আছে। এটি খুব ভালো। আপনি যদি ধারাবাহিকভাবে বলতে পারেন, তবে আপনি অতিরিক্ত পয়েন্ট পাবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি|তারিখ=২০২০-০৭-২৩|শিরোনাম=মানসিক সক্ষমতা পরীক্ষায় রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের সাফল্য: ব্যক্তি, নারী, পুরুষ, ক্যামেরা, টিভি|লেখক=পিটার ওয়েড|সাময়িকী=রোলিং স্টোন|ইউআরএল=https://www.rollingstone.com/politics/politics-news/trump-cognitive-test-person-woman-man-camera-tv-1033002}}। মন্ট্রিয়ল কগনিটিভ অ্যাসেসমেন্ট দেওয়ার প্রসঙ্গে তিনি এই কথা বলেন।
* যখন তারা ধরা পড়ে, তারা বলে, “না, এটি তো আমার পরিবারের জন্য আনা সুপ।” তারা এতটাই নিষ্পাপ। “এটি আমার পরিবারের জন্য আনা সুপ।” এটি অবিশ্বাস্য। আর আপনারা দেখবেন মানুষ সুপের ব্যাগ নিয়ে আসছে, সুপের বিশাল বড় ব্যাগ। আর তারা সেগুলো মাটিতে রাখে, আর নৈরাজ্যবাদীরা সেগুলো নিয়ে আমাদের পুলিশদের দিকে ছুড়তে শুরু করে। আর এটি যদি আপনাকে আঘাত করে, তবে তা ইটের চেয়েও বেশি ক্ষতিকর কারণ এতে অনেক গতি থাকে। এটি একদম সঠিক মাপের। এটি যেন একদম নিখুঁতভাবে তৈরি করা হয়েছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি|তারিখ=২০২০-০৯-০২|শিরোনাম=বোঝা যাচ্ছে যে ট্রাম্প অ্যান্টিফার নতুন গোপন অস্ত্র ‘সুপ’ নিয়ে খুব আতঙ্কিত|লেখক=সারাহ মিডকিফ| সাময়িকী=রিফাইনারি২৯|ইউআরএল=https://www.refinery29.com/en-us/2020/09/10001730/trump-cans-bags-of-soup-antifa-protestors}}
====আগস্ট ২০২০====
* ওষুধ কোম্পানিগুলো যখন আমার বিরুদ্ধে বড় বড় টেলিভিশন বিজ্ঞাপন দেয়, তখন তারা যা বলে (যা মিথ্যা) তা ভুলে যান, আপনারা জানেন যে ওষুধের দাম অনেক কমছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৮-০২ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: ওষুধের দাম ও হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন নিয়ে ট্রাম্পের জাঁকজমকপূর্ণ কথা |লেখক=হোপ ইয়েন এবং ক্যালভিন উডওয়ার্ড | সাময়িকী=এপি নিউজ |ইউআরএল=https://apnews.com/d7f1d2003aeaa95466e12b875b7b4619}}
* এক অবৈধ নৈশ ক্যুর মাধ্যমে নেভাদার ক্লাবহাউস গভর্নর রিপাবলিকানদের জন্য সেই অঙ্গরাজ্যে জেতা অসম্ভব করে তুলেছেন। প্রস্তুতি ছাড়া ডাকবিভাগ কখনোই ডাকযোগে পাঠানো ভোটের চাপ সামলাতে পারবে না। কভিডকে ব্যবহার করে অঙ্গরাজ্যটি চুরি করা হচ্ছে। আদালতে দেখা হবে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=কুইন্ট ফোরজি | তারিখ=২০২০-০৮-০৩ |শিরোনাম=নেভাদায় ডাকযোগে ভোট বন্ধ করতে ট্রাম্পের মামলার হুমকি | সাময়িকী=পলিটিকো | ইউআরএল=https://www.politico.com/news/2020/08/03/trump-nevada-mail-voting-lawsuit-390878}}
* আপনি একে ডাকযোগে ভোট বলুন বা অ্যাবসেন্ট ভোটিং, ফ্লোরিডায় নির্বাচনী ব্যবস্থা নিরাপদ ও সুরক্ষিত, এটি পরীক্ষিত ও সত্য। ফ্লোরিডার ভোটদান ব্যবস্থা পরিষ্কার করা হয়েছে (আমরা ডেমোক্র্যাটদের পরিবর্তনের চেষ্টা নস্যাৎ করেছি), তাই '''ফ্লোরিডায় আমি সবাইকে ব্যালটের অনুরোধ করতে এবং ডাকযোগে ভোট দিতে উৎসাহিত করি!''' #এমএজিএ
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=বেটসি ক্লেইন | তারিখ=২০২০-০৮-০৩ |শিরোনাম=আপাত দৃষ্টিতে অবস্থান বদলে ফ্লোরিডাবাসীকে ডাকযোগে ভোট দিতে উৎসাহিত করলেন ট্রাম্প | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/04/politics/donald-trump-mail-in-voting-florida/index.html}}
* বড় ধরনের কারচুপি ছাড়া ডাকযোগে ভোট সম্পন্ন হওয়ার কোনো উপায় নেই।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | তারিখ=২০২০-০৮-০৩ |শিরোনাম=জোনাথন সোয়ান ট্রাম্পের মিথ্যা ফাঁস করার সহজ রহস্য উন্মোচন করেছেন: মৌলিক ফলো-আপ প্রশ্ন | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/04/politics/fact-check-jonathan-swan-axios-hbo-interview-trump-coronavirus/index.html}}
* আমি যখন দায়িত্ব নিই, তখন আমাদের কাছে কোনো পরীক্ষাই ছিল না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] উল্লেখ করেছেন যে ২০১৭ সালে, ২০১৯ সালে আবির্ভূত করোনাভাইরাসের জন্য কোনো পরীক্ষা ছিল না, যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি | লেখক=স্টিভ বেনেন | তারিখ=২০২০-০৮-০৩ |শিরোনাম=ভাইরাস পরীক্ষার বিরুদ্ধে যুক্তি দিতে কাল্পনিক 'ম্যানুয়াল'-এর কথা বলছেন ট্রাম্প | সাময়িকী=এমএসএনবিসি | ইউআরএল=https://www.msnbc.com/rachel-maddow-show/trump-points-imagined-manuals-argue-against-virus-tests-n1235815}}
* আমরা অবিশ্বাস্য কাজ করেছি, সবকিছু নিয়ন্ত্রণে আছে। [যুক্তরাষ্ট্রের [[কোভিড-১৯ অতিমারী]] পরিস্থিতি সামলানো প্রসঙ্গে]
** এইচবিওতে অ্যাক্সিওসের জোনাথন সোয়ানের সাথে [https://www.youtube.com/watch?v=zaaTZkqsaxY সাক্ষাৎকারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
* বিস্ফোরণের ধরণ দেখে মনে হচ্ছে এটি তেমনই ছিল। আমি আমাদের কয়েকজন বড় জেনারেলের সাথে দেখা করেছি এবং তাদের মনে হয়েছে যে এটি এমনই ছিল। এটি কোনো উৎপাদন সংক্রান্ত বা কারখানার বিস্ফোরণ জাতীয় ঘটনা ছিল না... তারা মনে করছেন এটি একটি হামলা ছিল। হ্যাঁ, এটি কোনো এক ধরনের বোমা ছিল।
** বৈরুতের বিস্ফোরণকে দুর্ঘটনা না বলে কেন তিনি হামলা বলছেন, এই প্রশ্নের জবাবে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি | লেখক=ডার্লিন সুপারভিল/এপি | তারিখ=২০২০-০৮-০৪ |শিরোনাম= বৈরুতের বিশাল বিস্ফোরণ সম্ভবত একটি 'হামলা', বললেন ট্রাম্প | সাময়িকী=টাইম |ইউআরএল=time.com/5875784/trump-explosion-beirut-attack/ }}
* '''প্রশ্ন''': যদি প্রেসিডেন্ট ওবামার সময়ে ১,৬০,০০০ মানুষ মারা যেত, আপনার কি মনে হয় আপনি তার পদত্যাগ দাবি করতেন?
: '''[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]''': না, আমি তা করতাম না। আমার মনে হয় আমরা যা করতে পেরেছি তা অবিশ্বাস্য। আমরা যদি আমাদের দেশ বন্ধ না করতাম, তবে ইতিমধ্যেই ১৫ বা ২০ লক্ষ মানুষ মারা যেত। আমরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি; এখন আমাদের এটি বন্ধ করতে হবে না। আমরা রোগটি বুঝি। কেউ এটি বোঝেনি কারণ কেউ এর আগে এমন কিছু দেখেনি। সবথেকে কাছাকাছি ঘটনা হলো ১৯১৭ সাল, তারা যেমনটা বলে, তাই তো? সেই মহান অতিমারীটি অবশ্যই একটি ভয়াবহ বিষয় ছিল, যেখানে তারা ৫ থেকে ১০ কোটি মানুষ হারিয়েছিল। সম্ভবত এটিই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ করে দিয়েছিল; সব সৈন্যরা অসুস্থ ছিল। সেটি একটি ভয়াবহ পরিস্থিতি ছিল। আর এটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে। এটি অত্যন্ত, অত্যন্ত ছোঁয়াচে। না, আমি যদি অনেকের কথা শুনতাম, তবে আমরা এটি খোলা রাখতাম। আর এখন আমরা এটি পুরো সময় খোলাই রাখছি। আমরা এটি খোলা রাখি। কিন্তু আমরা যদি এটি খোলা রাখতাম, তবে এখন ১৫ বা ২০ লক্ষ মানুষ—১৫ থেকে ২০ লক্ষ মানুষ মারা যেতে পারত। আমাদের লোকেরা চমৎকার কাজ করেছে,আমাদের পরামর্শক এবং ডাক্তাররা। আপনারা জানেন, অনেক মতভেদ আর অনেক কিছুর মাঝেই এটি হয়েছে।
:* [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-press-briefing-august-10-2020/ ''১০ আগস্ট ২০২০-এর সাংবাদিক বৈঠকে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্য''], প্রকাশিত হয়েছে: ১১ আগস্ট ২০২০, ''whitehouse.gov''।
:* দ্রষ্টব্য: অক্টোবর ২০১৪-এ ডোনাল্ড ট্রাম্প [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/525431218910027776 টুইট] করেছিলেন যে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা-র পদত্যাগ করা উচিত কারণ গিনিতে ইবোলা রোগীদের চিকিৎসা করা একজন ডাক্তার যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে এসেছিলেন, যা স্নোপসের [https://www.snopes.com/fact-check/trump-obama-ebola-tweet/ ইবোলা চিকিৎসক যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার পর ট্রাম্প কি ওবামার পদত্যাগ দাবি করেছিলেন?] শীর্ষক প্রতিবেদনে (১৫ মে ২০২০) প্রকাশিত হয়েছে। আর ১৯১৮ সালের ফ্লু অতিমারী ১৯১৮ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯২০ সালের এপ্রিল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল, যা ১৯৩৯ সালে শুরু হওয়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অনেক আগের ঘটনা।
* বাইডেন যদি জেতেন, তবে তিনি সবার কর দ্বিগুণ, তিনগুণ বাড়িয়ে দেবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল, হোমস লিব্র্যান্ড এবং তারা সুব্রামানিয়াম | তারিখ=২০২০-০৮-০৪ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ব্রিফিংগুলোতে মিথ্যা দাবি আর অতিরঞ্জিত করার অভ্যাসে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন ট্রাম্প | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/12/politics/donald-trump-press-briefing-biden-tax-plan-coronavirus-fact-check/index.html}}
* নচ্ছাড়
* ভয়াবহ
* এমন একজন যে অনেক অনেক অসত্য গল্প বলেছে
* অস্বাভাবিকভাবে নচ্ছাড়
* এমন এক পর্যায়ের নচ্ছাড় যা স্রেফ একটি জঘন্য ব্যাপার
* [[জো বাইডেন]]ের প্রতি খুবই নচ্ছাড়
* সম্ভবত পোকাহন্টাসের চেয়েও বেশি নচ্ছাড়
* মার্কিন সেনেটের যে কারো চেয়ে সবথেকে নীচ, সবথেকে ভয়াবহ এবং সবথেকে অসম্মানজনক।
** [[কমলা হ্যারিস]] সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি ফোর্বস-এ অ্যান্ড্রু সোলেন্ডার উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি | লেখক=অ্যান্ড্রু সোলেন্ডার | তারিখ=২০২০-০৮-১১ | শিরোনাম=হোয়াইট হাউসের ব্রিফিংয়ে কমলা হ্যারিসকে বারবার 'নচ্ছাড়' ও 'ভয়াবহ' বললেন ট্রাম্প | সাময়িকী=ফোর্বস | ইউআরএল=https://www.forbes.com/sites/andrewsolender/2020/08/11/trump-repeatedly-calls-kamala-harris-nasty-and-horrible-in-white-house-briefing/#440e0fb54570}}
* ইউরোপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে অতিরিক্ত মৃত্যুহার প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি।
** করোনাভাইরাস নিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি | লেখক=জেসিকা ম্যাকডোনাল্ড | তারিখ=২০২০-০৮-১১ | শিরোনাম=বিভ্রান্তিকর এবং ত্রুটিপূর্ণ অতিরিক্ত মৃত্যুর পরিসংখ্যান দিলেন ট্রাম্প | সাময়িকী= FactCheck.org | ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/08/trump-touts-misleading-and-flawed-excess-mortality-statistic/}}
* আমি যদি নির্বাচনে না জিতি, তবে চীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মালিক হয়ে যাবে আপনাদের চীনা ভাষা বলা শিখতে হবে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=জাস্টিন প্যারাগোনা | তারিখ=২০২০-০৮-১২ |শিরোনাম=ট্রাম্প: বাইডেনের কাছে হারলে চীনা ভাষা শিখতে প্রস্তুত থাকুন | সাময়িকী=ডেইলি বিস্ট | ইউআরএল=https://www.thedailybeast.com/trump-if-i-lose-to-biden-get-ready-to-have-to-learn-to-speak-chinese/}}
* এখন, ডাকবিভাগকে সচল রাখার জন্য তাদের সেই অর্থের প্রয়োজন, যাতে তারা এই লক্ষ লক্ষ ব্যালট সামলাতে পারে। এখন, আমরা যদি কোনো চুক্তিতে না আসি, তার মানে তারা সেই টাকা পাবে না। তার মানে তারা সার্বজনীন ডাকযোগে ভোট ব্যবস্থা করতে পারবে না, তারা স্রেফ পারবে না।
** (১৩ আগস্ট ২০২০) [https://abcnews.go.com/Politics/trump-opposes-funding-usps-bid-block-vote-mail/story?id=72353322 ডাকযোগে ভোট বাধা দেওয়ার লক্ষ্যে ট্রাম্প ইউএসপিএসর তহবিল দেওয়ার বিরোধিতা করার পর সুর বদলালেন] ''এবিসি নিউজএ'' প্রকাশিত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য।
* ডেমোক্র্যাট শহরগুলো ছেড়ে দিন। সেগুলোকে পচতে দিন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] একজন সমর্থকের বার্তা রিটুইট করেছেন, {{উদ্ধৃতি | লেখক=জেমস গর্ডন | তারিখ=২০২০-০৮-১৬ |শিরোনাম='তাদের পচতে দিন!': নিউ ইয়র্ক বা শিকাগোর মতো ডেমোক্র্যাট শাসিত শহর ত্যাগের আহ্বানে সমর্থকের বার্তায় ট্রাম্পের রিটুইট | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://www.dailymail.co.uk/news/article-8633677/Let-rot-Trump-retweets-supporters-message-democrat-cities.html}}
* যাই হোক, নিউজিল্যান্ডে বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছিল।
** কভিড-১৯ ভাইরাস সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন, যা সেই সময় নিউজিল্যান্ডে মোট ২২ জনের মৃত্যুর কারণ হয়েছিল। {{উদ্ধৃতি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | তারিখ=২০২০-০৮-১৮ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ট্রাম্প নিউজিল্যান্ডে 'বড় প্রাদুর্ভাব' হয়েছে বললেও দেশটিতে বৃহস্পতিবার মাত্র ৫ জন আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/20/politics/fact-check-trump-new-zealand-outbreak/index.html}}
* আমি আবার দেখছি দাবানল শুরু হচ্ছে। ক্যালিফোর্নিয়াতে এগুলো আবার শুরু হচ্ছে। আমি বলেছিলাম, আপনাদের মেঝে পরিষ্কার করতে হবে, আপনাদের জঙ্গল পরিষ্কার করতে হবে সেখানে অনেক বছরের জমে থাকা পাতা আর ভাঙা গাছ আছে এবং সেগুলো খুবই দাহ্য, আপনি ছোঁয়া দিলেই জ্বলে ওঠে। সম্ভবত আমাদের তাদের দিয়ে এর খেসারত দেওয়াতে হবে কারণ তারা আমাদের কথা শোনে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=জেরেমি বি. হোয়াইট | তারিখ=২০২০-০৮-১৯ |শিরোনাম=দাবানলের জন্য ক্যালিফোর্নিয়াকে দায়ী করে ট্রাম্প বললেন 'আপনাদের মেঝে পরিষ্কার করতে হবে' | সাময়িকী=পলিটিকো | ইউআরএল=https://www.politico.com/states/california/story/2020/08/20/trump-blames-california-for-wildfires-tells-state-you-gotta-clean-your-floors-1311059}}
* আমি এই প্রজেক্ট বা প্রকল্প সম্পর্কে কিছুই জানি না, শুধু এটুকু ছাড়া যে আমি যখন এটি সম্পর্কে পড়েছিলাম তখন এটি আমার পছন্দ হয়নি, একদমই পছন্দ হয়নি।
* মিস্টার ব্যাননের জন্য এটি খুব দুঃখজনক। আমি অন্য কাউকেও চিনতাম না।
** ব্যক্তিগতভাবে পরিচালিত ‘উই বিল্ড দ্য ওয়াল’ প্রকল্প সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=অ্যান্ড্রু কাচিনস্কি, এম স্টেক | তারিখ=২০২০-০৮-২০ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: অস্বীকার করলেও বেসরকারি সীমান্ত দেওয়াল প্রকল্পের সাথে জড়িত বেশিরভাগ মানুষকেই চেনেন ট্রাম্প | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/20/politics/fact-check-trump-private-border-wall-project/index.html}}
* তাদের জেতার একমাত্র উপায় হলো একটি সাজানো নির্বাচন। আমি সত্যিই এটা বিশ্বাস করি। আমি বাইরের ভিড় দেখেছি।
** [[ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)]] সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | তারিখ=২০২০-০৮-২০ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: বাইডেনকে আক্রমণ করে পেনসিলভানিয়ায় দেওয়া ভাষণে ট্রাম্পের একগুচ্ছ মিথ্যা দাবি | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/20/politics/trump-false-claims-pennsylvania-speech-biden-fact-check/index.html}}
* আমাদের কাছে শেরিফ থাকবে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা থাকবে, এবং আমরা আশা করছি ইউএস অ্যাটর্নি এবং অ্যাটর্নি জেনারেলসহ সবাই থাকবে।
** ভোটার জালিয়াতি পর্যবেক্ষণ ও প্রতিরোধের পরিকল্পনা সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=তারা সুব্রামানিয়াম | তারিখ=২০২০-০৮-২১ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: রাষ্ট্রপতি কি ভোটকেন্দ্রে আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের পাঠাতে পারেন? | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/21/politics/donald-trump-law-enforcement-election-polls-fact-check/index.html}}
* এফডিএ-তে থাকা ডিপ স্টেট বা অন্য যে কেউ, ওষুধ কোম্পানিগুলোর জন্য ভ্যাকসিন এবং থেরাপিউটিক পরীক্ষার লোক পাওয়া খুব কঠিন করে দিচ্ছে। স্পষ্টতই, তারা আশা করছে ৩রা নভেম্বরের পর পর্যন্ত এর ফলাফল পিছিয়ে দিতে। আমাদের অবশ্যই গতি বাড়ানো এবং জীবন বাঁচানোর দিকে মনোযোগ দিতে হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=হোপ ইয়েন, ক্যালভিন উডওয়ার্ড | তারিখ=২০২০-০৮-২৪ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: এফডিএ-তে 'ডিপ স্টেট' থাকা নিয়ে ট্রাম্পের ভিত্তিহীন দাবি | সাময়িকী=পিটসবার্গ পোস্ট-গেজেট | ইউআরএল=https://www.post-gazette.com/business/powersource/2020/08/24/AP-FACT-CHECK-Trump-s-baseless-claim-of-deep-state-at-FDA/stories/202008240037}}
==== সেপ্টেম্বর ২০২০ ====
* পুরো শহরটা সারাক্ষণ আগুনে পুড়ছে।
** পোর্টল্যান্ড সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৯-০১ |শিরোনাম=বাইডেন এবং বিক্ষোভ নিয়ে ট্রাম্পের আরও কিছু মিথ্যা দাবি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল, তারা সুব্রামানিয়াম, হোমস লিব্র্যান্ড | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/31/politics/trump-kenosha-briefing-fact-check/index.html}}
* গত এক সপ্তাহে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া আর মারা যাওয়ার হার অনেক কমে গেছে।
** কোভিড-১৯ অতিমারী সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৯-০৩ |শিরোনাম=এমনকি ফক্স নিউজও ট্রাম্পের জনসভাগুলো পুরো প্রচার করছে না, তবে তার মিথ্যাচারগুলো এখনো অবাক করার মতো |লেখক=ব্রায়ান স্টেল্টার | সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/04/media/donald-trump-pennsylvania-reliable-sources/index.html}}
* ডাউ জোনস সূচক এইমাত্র ২৯,০০০ ছাড়িয়েছে! আমাকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে পাওয়া আপনাদের অনেক বড় ভাগ্য। জো বাইডেন ক্ষমতায় থাকলে এটা ধসে পড়ত।
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1301249968091455488 [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট]
* ওর মতো মাস্ক পাগল মানুষ কি আগে কখনো দেখেছেন? মাস্কটা সারাক্ষণ ঝুলে থাকে। ও মনে করে এতেই ও নিরাপদ। আমি যদি কোনো মানসিক ডাক্তার হতাম, তবে বলতাম এই লোকের মাথায় নিশ্চয়ই বড় কোনো সমস্যা আছে। শুধু ঝুলেই থাকে।
** জো বাইডেনের মাস্ক পরা নিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের বিদ্রূপ, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-০৪ |শিরোনাম=মাস্ক পরার ধরন নিয়ে জো বাইডেনকে উপহাস করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প | সাময়িকী=ইন্ডিপেন্ডেন্ট.আইই | ইউআরএল=https://www.independent.ie/videos/donald-trump-mocks-joe-biden-for-manner-of-wearing-mask-39502878.html}}
* আপনার ভোট যদি গোনা না হয়ে থাকে, তবে আবার গিয়ে ভোট দিন এটা প্রতিটি নাগরিকের অধিকার। বোতাম টিপে ভোট দিয়ে দিন। আপনার ওই ডাকযোগে পাঠানো ব্যালট যদি পরে পৌঁছায়, তবে সেটা আর গোনা হবে না কারণ আপনি আগেই ভোট দিয়ে দিয়েছেন। এভাবে আপনার ভোট নিশ্চিতভাবে গোনা হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] দুইবার ভোট দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন, যা একটি অপরাধ। যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-০৪ | শিরোনাম=কর্তৃপক্ষের সতর্কতা উপেক্ষা করে আবারও সমর্থকদের দুইবার ভোট দেওয়ার পরামর্শ দিলেন ট্রাম্প | লেখক= ডায়ান গ্যালাঘের, ক্যারোলিন কেলি, মার্শাল কোহেন, ব্রায়ান রোকাস | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/05/politics/trump-vote-twice-north-carolina/index.html}}
* পেন্টাগনের বড় বড় কর্তারা... সারাক্ষণ শুধু যুদ্ধ করতে চায়। যাতে বোমা আর প্লেন বানানো কোম্পানিগুলো খুশি থাকে।
** হোয়াইট হাউসের সামনে এক [https://www.trtworld.com/americas/trump-pentagon-chiefs-fighting-wars-to-oblige-arms-companies-39561 সংবাদ সম্মেলনে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (৭ সেপ্টেম্বর ২০২০)।
* অপারেশন ওয়ার্প স্পিডের মাধ্যমে আমরা চিকিৎসার নতুন পথ খুঁজেছি। এতে গত এপ্রিলের তুলনায় মৃত্যুর হার ৮৫% কমে গেছে।
* পারমাণবিক শক্তির দিক থেকে আমরা অনেক এগিয়ে আছি। আমরা এর অনেক উন্নতি করেছি।
* যখন খবর আসে যে কিছু দেশ আমাকে খুব একটা পছন্দ করে না, তা সবসময় আমার ব্যক্তিত্বের জন্য নয়তবে সত্যি বলতে, সেটাও একটা কারণ হতে পারে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-০৮ | শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্পের সংবাদ সম্মেলনের ৩৭টি অদ্ভুত উক্তি | লেখক= ক্রিস সিলিঞ্জা | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/08/politics/donald-trump-labor-day-press-conference/index.html}}
* মার্কিন প্রেসিডেন্টই সব শেষ সিদ্ধান্ত নেন।
* বব উডওয়ার্ড যদি মনেই করত আমি যা বলেছি তা ভুল, তবে সাথে সাথেই ওর উচিত ছিল প্রশাসনকে জানানো যাতে তারা প্রস্তুতি নিতে পারত।
** বব উডওয়ার্ডকে দেওয়া সাক্ষাৎকার প্রসঙ্গে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১০ | শিরোনাম=কাউকে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মনে করিয়ে দেওয়া দরকার যে বব উডওয়ার্ড মার্কিন প্রেসিডেন্ট নন | লেখক= ক্রিস সিলিঞ্জা | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/10/politics/trump-bob-woodward-rage/index.html}}
* আমার মনে হয় ও বোধহয় কোনো নেশা-টেশা করে।
** জো বাইডেন সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১০ | শিরোনাম=বাইডেনের বিরুদ্ধে মাদক নেওয়ার অভিযোগ আনতে ফক্স নিউজের সাক্ষাৎকারকে ব্যবহার করলেন ট্রাম্প | লেখক= মার্টিন পেঙ্গেলি | সাময়িকী=দ্য গার্ডিয়ান | ইউআরএল=https://www.theguardian.com/us-news/2020/sep/12/trump-biden-drugs-fox-news-interview}}
* আপনার গভর্নরকে বলুন রাজ্যটা খুলে দিতে।
** ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০-এ সমর্থকদের সামনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। এ প্রসঙ্গে [https://www.usatoday.com/story/news/politics/elections/2020/09/13/donald-trump-latino-voters-las-vegas-ahead-rally/5784501002/ ''নেভাদার গভর্নর স্টিভ সিসোলাক বলেছেন যে ট্রাম্প ঘরোয়া পরিবেশে জনসভা করে নিজের স্বার্থপরতা দেখিয়েছেন''] প্রতিবেদনটি উল্লেখযোগ্য।
* বয়স্কদের যে এতো সহজে আক্রান্ত হতে পারে, তা কেউ আগে জানত না।
** করোনাভাইরাস সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১৬ | শিরোনাম=এবিসি টাউন হলে ট্রাম্প অন্তত ২২টি ভুল দাবি করেছেন | লেখক= ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/16/politics/fact-check-trump-abc-town-hall/index.html}}
* আমরা খুব দ্রুত আর নিরাপদভাবে টিকা পৌঁছে দেওয়ার জন্য কাজ করছি। আমাদের মনে হয় অক্টোবরের দিকেই শুরু করতে পারব। ঘোষণা হওয়ার সাথে সাথেই আমরা কাজ শুরু করে দেব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১৬ | শিরোনাম=টিকার গতি নিয়ে ট্রাম্প আবারও বাড়িয়ে কথা বলেছেন | লেখক= জেসিকা ম্যাকডোনাল্ড | সাময়িকী=ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি | ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/09/trump-again-overstates-speed-of-covid-19-vaccine-rollout/}}
* এফডিএ অনুমোদন দিলেই ২০২০ সালের শেষ নাগাদ আমরা ১০ কোটি ডোজ টিকা বিলি করতে পারব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি উদ্ধৃতি হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১৬ | শিরোনাম=ট্রাম্প বলেছেন ২০২০ সালের মধ্যে অন্তত ১০ কোটি টিকা দেওয়া সম্ভব হবে | লেখক= রয়টার্স কর্মী | সাময়িকী=রয়টার্স| ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/healthcoronavirus-trump-vaccine/trump-says-u-s-could-distribute-at-least-100-million-covid-vaccine-doses-by-end-of-2020-idINW1N2FG089}}
* পেনসিলভ্যানিয়ায় কী হচ্ছে দেখেছেন? ওখানকার সুপ্রিম কোর্টের জজ নাকি রায় দিয়েছেন যে ভোট গুনতে তারা যত খুশি সময় নিতে পারবে। তার মানে গতবারের মতো এবারও আমিই ওখানে জিততে যাচ্ছি। খুব সহজেই জিতব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১৬ | শিরোনাম=পেনসিলভানিয়াতে ভোট গণনা নিয়ে ট্রাম্পের ভুল বক্তব্য | লেখক= রেম রিডার | সাময়িকী=ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি| ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/09/trumps-false-statement-about-counting-ballots-in-pennsylvania/}}
* বামপন্থী দাঙ্গাবাজরা আমাদের মহান নেতাদের মূর্তি ভেঙে ফেলছে, স্মৃতিস্তম্ভ নষ্ট করছে আর বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে। ওরা বলে "আমেরিকা কোনোদিনই মহান ছিল না"। ওরা পুলিশকেও আক্রমণ করছে। তাদের লক্ষ্য একটাই সত্য গোপন করা আর আমেরিকানদের ভয় দেখিয়ে তাদের সংস্কৃতি আর ঐতিহ্য ভুলিয়ে দেওয়া।
** [https://trumpwhitehouse.archives.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-white-house-conference-american-history/ আমেরিকান ইতিহাস বিষয়ক হোয়াইট হাউস সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য] (১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০)
* যারা আমেরিকান পতাকা পোড়াচ্ছে, তারা আসলে আমাদের মূল নীতিগুলোকেও পুড়িয়ে দিতে চায়। ওরা চায় আমেরিকানরা যেন নিজেদের পরিচয় আর বিশ্বাসের ওপর ভরসা হারিয়ে ফেলে। বামপন্থীদের এই সাংস্কৃতিক বিপ্লব আসলে আমেরিকার মূল আদর্শকেই উৎখাত করার জন্য তৈরি হয়েছে।
** [https://trumpwhitehouse.archives.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-white-house-conference-american-history/ আমেরিকান ইতিহাস বিষয়ক হোয়াইট হাউস সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য] (১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০)
* বামপন্থীরা মিথ্যা দিয়ে আমেরিকার ইতিহাসকে নষ্ট করে দিয়েছে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের সেই ১৬১৯ প্রজেক্ট এর বড় প্রমাণ। ওরা শিশুদের শেখাচ্ছে যে আমেরিকা শোষণ আর অত্যাচারের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। অথচ আমেরিকা তো দাসত্ব শেষ করেছে, মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে আর এক সমৃদ্ধ জাতি গড়ে তুলেছে।
** [https://trumpwhitehouse.archives.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-white-house-conference-american-history/ আমেরিকান ইতিহাস বিষয়ক হোয়াইট হাউস সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য] (১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০)
* আমি শিনজোকে বললাম, ‘শিনজো, দয়া করে আমার একটা কথা শোনো। আমাদের দেশে আরও গাড়ি কারখানা দরকার। ওগুলো জাপানে না বানিয়ে আমাদের এখানে বানাও।’ ও প্রথমে মানতে চায়নি, কিন্তু আমি জোর দিয়ে বললাম। পরের দিনই খবর এল: ‘মিশিগানে পাঁচটা বড় বড় গাড়ি কারখানা চালু হচ্ছে।’
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-২১ | শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: ট্রাম্পের বানানো গাড়ি কারখানার গল্প | লেখক= হোপ ইয়েন, ক্যালভিন উডওয়ার্ড, টম ক্রিশার | সাময়িকী=এপি | ইউআরএল=https://apnews.com/ec85b88102464c9651d32b475c01c183}}
* আমিই এটা বাঁচিয়েছি। আমাদের কয়লা খনির শ্রমিকদের আবার কাজে ফিরিয়েছি।
** কয়লা খনি শিল্প সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-২১ | শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: কর্মসংস্থান নিয়ে ট্রাম্পের ভুল দাবি | লেখক= ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/23/politics/fact-check-trump-jobs-manufacturing-coal/index.html}}
* এখন আমরা সত্যিটা জানি। এই ভাইরাস কেবল বয়স্ক আর অসুস্থ মানুষদের ওপর প্রভাব ফেলে। তরুণদের কিছু হয় না। ওদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশি। সত্যি বলতে, এটি আসলে প্রায় কাউকেই ছুঁতে পারে না। এটি একটি আশ্চর্যজনক বিষয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-২২ | শিরোনাম=ট্রাম্প বললেন করোনাভাইরাস আসলে কারো ওপর প্রভাব ফেলে না | লেখক= কাশ্মীরা গ্যান্ডার | সাময়িকী=নিউজউইক | ইউআরএল=https://www.newsweek.com/trump-covid-virtually-nobody-rally-ohio-1533452}}
* আমরা পেনসিলভানিয়াতে এগিয়ে আছি। ফ্লোরিডায় এগিয়ে আছি। আমার মনে হয় সব জায়গাতেই আমি এগিয়ে আছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-২৮ | শিরোনাম=সপ্তাহান্তে ট্রাম্পের দাবিগুলোর ফ্যাক্ট-চেকিং | লেখক=লরি রবার্টসন | সাময়িকী=ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি | ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/09/factchecking-trumps-weekend-claims/}}
* ওষুধের দাম ৮০ বা ৯০ শতাংশ কমে যাবে।
**পুরো নির্বাচনটাই আগে থেকে সাজানো।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-৩০ | শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: বিতর্কে ট্রাম্প ও বাইডেনের ভুল দাবি | লেখক=এপি কর্মী | সাময়িকী=এমপিআর নিউজ| ইউআরএল=https://www.mprnews.org/story/2020/09/30/fact-check-false-claims-flood-trumpbiden-debate}}
* আমি আজ পড়েছি যে ২০১৬ সালেও ১% ব্যালট বাতিল করা হয়েছিল। ওরা এগুলো যেখানে সেখানে ফেলে দেয়। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় ডাকপিয়নরা নাকি ব্যালট বিক্রি করে দিচ্ছে। ময়লার ঝুড়িতেও ট্রাম্পের নাম লেখা ব্যালট পাওয়া গেছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-৩০ | শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ডাকযোগে ভোট নিয়ে ট্রাম্পের প্রায় সব দাবিই ভুল ছিল | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন| ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/30/politics/fact-check-trump-first-debate-mail-voting-fraud/index.html}}
* আমার প্রশাসন ধর্মপ্রাণ আমেরিকানদের জন্য লড়া কোনোদিন থামাবে না।
** ২০২০ সালের জনসভায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০-এর [https://www.theatlantic.com/politics/archive/2020/09/trump-secretly-mocks-his-christian-supporters/616522/ আটলান্টিক] নিবন্ধ অনুযায়ী।
==== অক্টোবর ২০২০ ====
[[File:Interfaith Health Care Vigil 6291113.jpg|thumb|ট্রাম্প আর পেন্সের উচিত মানুষকে মুক্তি দেওয়া। ওরা গরিব আর অল্প আয়ের মানুষদের জিম্মি করে রেখেছে, জরুরি পরিষেবার কর্মীদের জিম্মি করে রেখেছে। এই দেশে এখন পরিবর্তনের সময় এসেছে। ~ রেভ. উইলিয়াম বারবার ২ ]]
* আমাদের মহান যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক উদ্দীপনা চায় এবং এর প্রয়োজন আছে। সবাই মিলে কাজ করে এটা সফল করুন। ধন্যবাদ!
**[https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1312449034154504192 টুইটারের মাধ্যমে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ৩ অক্টোবর ২০২০
* আমি আমার প্রতিনিধিদের নির্দেশ দিয়েছি নির্বাচনের আগে পর্যন্ত আলোচনা বন্ধ রাখতে। আমি জেতার সাথে সাথেই আমরা একটা বড় স্টিমুলাস বিল পাস করব, যা পরিশ্রমী আমেরিকান আর ছোট ব্যবসার ওপর জোর দেবে।
** [https://www.axios.com/trump-coronavirus-stimulus-negotiations-7d464d0e-924f-46f5-90d2-9e8097c9c8f7.html ট্রাম্প বলেছেন তিনি নির্বাচনের আগে কভিড সহায়তা নিয়ে আলোচনা করবেন না] নিবন্ধ অনুযায়ী [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আফগানিস্তানে আমাদের যে অল্প সংখ্যক সাহসী নারী-পুরুষ কাজ করছেন, বড়দিনের মধ্যেই তাদের বাড়ি ফিরিয়ে আনা উচিত!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1313984510749544450 টুইটারের মাধ্যমে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ৭ অক্টোবর ২০২০
* অর্থনীতির ক্ষেত্রে আমার মনে হয় ডোনাল্ড ট্রাম্প আর [[জো বাইডেন]]ের মধ্যে এক মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। জো বাইডেন বিশ্বাস করেন যে আমেরিকান শ্রমিক আর আমেরিকান পরিবারের সুস্বাস্থ্যের ওপর ভিত্তি করে অর্থনীতির শক্তি মাপা উচিত। অন্যদিকে '''ডোনাল্ড ট্রাম্প ধনীদের অবস্থার ওপর ভিত্তি করে অর্থনীতির শক্তি মাপেন। এই কারণেই তিনি একটি কর বিল পাস করেছিলেন যা শীর্ষ ১% ধনী আর আমেরিকার বড় বড় কোম্পানিগুলোকে সুবিধা দেয়। এর ফলে ২ ট্রিলিয়ন ডলারের ঘাটতি তৈরি হয়েছে যা আমেরিকানদেরই শোধ করতে হবে। পেন্স আর ট্রাম্প কেবল পুলিশি সহিংসতার ক্ষেত্রেই বর্ণবাদ অস্বীকার করছেন না, তারা অর্থনীতি আর স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রেও বিদ্যমান বর্ণবাদকে পাত্তা দিচ্ছেন না... তারা শুধু ধনী আর লোভীদেরই সুরক্ষা দিতে চান। ট্রাম্প-পেন্স পরিকল্পনা মানেই হলো ধনীদের আরও টাকা দেওয়া। আসলে ট্রাম্প-পেন্স-ম্যাককনেল পরিকল্পনা হলো স্টিমুলাস পাস করতে না চাওয়া, কারণ তারা আরও ২০০ বিলিয়ন ডলারের কর ছাড় চান।''' তারা যুদ্ধবিমানের জন্য টাকা চান, আর কোম্পানিগুলোকে সুরক্ষা দিতে চান যাতে করোনাভাইরাস থেকে কর্মীদের সুরক্ষা না দেওয়ার জন্য তাদের কোনো দায় নিতে না হয়।
** রেভ উইলিয়াম বারবার ২, [https://www.democracynow.org/2020/10/8/mike_pence_kamala_harris_vp_debate রেভ. উইলিয়াম বারবার: লক্ষ লক্ষ মানুষ লড়াই করছে। তাহলে কেন বিতর্কে দারিদ্র্যকে উপেক্ষা করা হচ্ছে?, ''ডেমোক্র্যাসি নাউ''] (৮ অক্টোবর ২০২০)
* আমি কোনো অনলাইনে বিতর্ক করব না। ভার্চুয়াল বিতর্কে আমি আমার সময় নষ্ট করব না।
** কভিড-১৯ সংক্রমণের কারণে দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি বিতর্কে দূরবর্তী অবস্থান থেকে অংশগ্রহণের উদ্যোগ সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-০৮ |শিরোনাম=সিপিডি পরিবর্তন ঘোষণার পর ট্রাম্প বলেছেন তিনি 'ভার্চুয়াল বিতর্কে' সময় নষ্ট করবেন না | লেখক=ব্রুক সিংম্যান | সাময়িকী=ফক্স নিউজ | ইউআরএল=https://www.foxnews.com/politics/second-trump-biden-debate-will-be-virtual-organizers-say}}
* দানব... কমিউনিস্ট... ভয়াবহ... একদমই অপছন্দ করার মতো।
** উপ-রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী কমলা হ্যারিস সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-০৮ |শিরোনাম=উপ-রাষ্ট্রপতি বিতর্কের পরের সকালে ট্রাম্প হ্যারিসকে 'দানব' বলে অপমান করলেন | লেখক=এলিজাবেথ থমাস | সাময়িকী=এবিসি নিউজ | ইউআরএল=https://abcnews.go.com/Politics/trump-insults-harris-monster-morning-vice-presidential-debate/story?id=73498918}}
* আমরা ফ্লোরিডায় একটা জনসভা করতে চাই, সম্ভবত শনিবার রাতে ফ্লোরিডায়। পরের রাতে পেনসিলভ্যানিয়ায় আর একটা করতে পারি। আমি খুব ভালো বোধ করছি! আসলে কাল পরীক্ষা হবে, আসল পরীক্ষা। কারণ সারাক্ষণ পরীক্ষা করার কোনো দরকার নেই, তবে তারা খুব সামান্য সংক্রমণ বা ভাইরাস পেয়েছে, যদি আদৌ পেয়ে থাকে। আমি জানি না তারা কিছু পেয়েছে কি না, আমি ডাক্তারদের সাথে এ নিয়ে বেশি কথা বলিনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-০৮ |শিরোনাম=হানিটি সাক্ষাৎকারে কাশির মাঝেই ট্রাম্প বললেন তিনি শনিবার জনসভা করতে চান | লেখক=জাস্টিন বারগোনা | সাময়িকী=ডেইলি বিস্ট | ইউআরএল=https://www.thedailybeast.com/trump-coughing-through-hannity-interview-says-he-wants-to-do-saturday-rally}}
* শুল্ক নিয়ে আগে কেউ কখনও শোনেনি। কেউ না। আসলে আমি যখন এটি শুরু করি, তারা এর মানেও জানত না।
** চীন থেকে আমদানির ওপর শুল্ক সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-১১ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: হাসপাতাল থেকে ফেরার পর ফক্স বিজনেসে দেওয়া প্রথম সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প অন্তত ১৪টি মিথ্যা দাবি করেছেন | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/10/08/politics/fact-check-trump-interview-bartiromo-fox-business/index.html}}
* উত্তর ক্যারোলাইনায় আমি যা দেখেছি, আমরা যা সেখানে পরাজিত করেছি এবং যার বিরুদ্ধে মামলা করেছি, '''ট্রাম্প আর পেন্স এখন সেই কাজটাই জাতীয় পর্যায়ে করার কথা বলছেন: অত্যন্ত সূক্ষ্ম বর্ণবাদ... পেন্স আর ট্রাম্প ভোটাধিকার আইনে বিশ্বাস করেন না... তারা জানেন যে সবাই ভোট দিলে তারা জিততে পারবেন না। তারা কৃষ্ণাঙ্গ আর বাদামী বর্ণের গরিব মানুষদের ভোট দেওয়া নিয়ে প্রচণ্ড ভয়ে আছেন।'''<br>আর এই কথা বলা বন্ধ করুন যে গতবার ট্রাম্প জিতেছিলেন। তিনি ৮০,০০০ ভোটের ব্যবধানে ইলেক্টোরাল কলেজে নির্বাচিত হয়েছিলেন। আমাদের এই কাল্পনিক কথাগুলো বন্ধ করতে হবে যে তার কোনো জাদুকরী ক্ষমতা ছিল। আসল কথা হলো, ১০০ মিলিয়ন মানুষ ভোট দেয়নি। ... আমি যাত্রাপুস্তক-এর সেই অংশের কথা না ভেবে পারলাম না, যেখানে ঈশ্বর বলেছিলেন, "তুমি যদি আমার লোকদের যেতে না দাও, তবে আমি চিহ্ন হিসেবে মাছি পাঠাব। কিন্তু আমি মাছিগুলোকে মানুষের ওপর পড়তে দেব না, মাছিগুলো কেবল প্রতীক হবে যে তুমি ভুল করছ। তুমি মিথ্যা বলছ। আমার লোকদের মুক্তি দাও।" আর ট্রাম্প এবং পেন্সের উচিত মানুষকে মুক্তি দেওয়া। তারা গরিব আর অল্প আয়ের মানুষদের জিম্মি করে রেখেছে, জরুরি পরিষেবার কর্মীদের জিম্মি করে রেখেছে। এই দেশে এখন পরিবর্তনের সময় এসেছে।
** রেভ. উইলিয়াম বারবার ২, [https://www.democracynow.org/2020/10/8/rev_william_barber_voting_2020 ভোটার দমনের ওপর রেভ. উইলিয়াম বারবার: রিপাবলিকানরা জানে সবাই ভোট দিলে তারা জিততে পারবে না], ''ডেমোক্র্যাসি নাউ!'', (৮ অক্টোবর ২০২০)
* অনেকে যেমনটা লক্ষ্য করেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাস্তব মেনে নেওয়ার ক্ষমতা আশ্চর্যজনকভাবে কম, বিশেষ করে যখন তিনি অন্য কিছু বিশ্বাস করতে চান যা আমি ''অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ার'' বইতে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছি। নিজেকে মিথ্যা বোঝানোর জন্য তিনি অদ্ভুত সব উৎস আর চাটুকার মানুষ খুঁজবেন। তিনি চেয়েছিলেন ভাইরাসটা এমনিতে চলে যাক, তাই তিনি বিশ্বাস করেছিলেন যে এপ্রিলের গরমে এটি মারা যাবে, অথবা হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনে এর প্রতিকার হবে, অথবা ব্লিচ দিয়ে এটি ধ্বংস হবে, নতুবা অক্টোবরের মধ্যে টিকার মাধ্যমে এটি প্রতিরোধ করা যাবে। যখন তিনি শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি কতটা গুরুতর তা স্বীকার করলেন, তখনই তিনি অঙ্গরাজ্যগুলোকে আবার খুলে দেওয়ার এবং স্বাভাবিক জীবনে ফেরার জন্য চাপ দিতে শুরু করলেন। যার ফলাফল কিছু অঙ্গরাজ্যের জন্য খুব খারাপ হয়েছিল। তিনি সাধারণ নির্বাচনী জনসভা করতে জেদ ধরলেন, মাস্ক পরতে নির উৎসাহিত করলেন, শরতে স্কুল খুলতে বাধ্য করলেন আর অর্থনীতি চাঙ্গা করতে এবং জেতার সম্ভাবনা বাড়াতে জনগণের ওপর অপরীক্ষিত টিকা ব্যবহারের চাপ দিলেন।<br>চীনকে দোষারোপ করা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য বলির পাঁঠা দরকার ছিল। তিনি চীনের ওপর দোষ চাপিয়ে বললেন যে তার কাছে গোপন প্রমাণ আছে যে চীন এই ভাইরাস তৈরি করেছে এবং সারা বিশ্বে এটি ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ দিয়েছে। তিনি ব্যাখ্যা করেছিলেন যে শুরুতে চীনের প্রেসিডেন্ট সি জিনপিং তাকে ধোঁকা দিয়েছিলেন, যিনি তাকে ফোনে আশ্বস্ত করেছিলেন যে রোগটি নিয়ন্ত্রণে আছে। ট্রাম্প ৬ ফেব্রুয়ারি তাকে ফোন করে রোগ নির্মূলের জন্য সাহায্য করতে সিডিসির বিজ্ঞানীদের চীনে পাঠানোর প্রস্তাব দেন। তিনি ভেবেছিলেন সি জিনপিং এই আগে প্রত্যাখ্যান করা প্রস্তাবে রাজি হবেন কারণ তার সাথে চীনা নেতার ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল। কিন্তু সি জিনপিং আগ্রহী ছিলেন না। ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের ডেপুটি ডিরেক্টর ম্যাট পটিংগার, যিনি ফোনালাপটি শুনেছিলেন, তার মতে সি জিনপিং এমন একটা ধারণা দিয়েছিলেন যে চীনে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে আছে (''রেজ'', পৃষ্ঠা ২৪১-২৪৩)। কিন্তু চীন এই রোগ নিয়ন্ত্রণে নাটকীয় পদক্ষেপ নিয়েছিল। ৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই উহান আর সেই প্রদেশটিকে চীনের বাকি অংশ থেকে আলাদা করে ফেলা হয়েছিল এবং দুই সপ্তাহ ধরে কঠোর কোয়ারেন্টাইন চালু করা হয়েছিল। প্রায় ৪০,০০০ স্বাস্থ্যকর্মী সেই এলাকায় পাঠানো হয়েছিল, দ্রুত হাসপাতাল তৈরি করা হচ্ছিল আর সংক্রমণের হার কমে আসছিল।<br>চীনা সরকার অবশ্যই দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে রোগ ছড়ানো বন্ধ করতে কিছু করেনি। কিন্তু সারা বিশ্বের ভাইরাস বিশেষজ্ঞরা একমত যে কভিড-১৯ প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হয়েছে, গবেষণাগারে নয়। যুক্তরাষ্ট্র করোনাভাইরাস মৃত্যুতে বিশ্বে এক নম্বর হয়েছে সি জিনপিং ট্রাম্পের কাছে মিথ্যা বলেছিলেন বলে নয়, বরং ট্রাম্প নিজের দেশের বিশেষজ্ঞদের বারবার দেওয়া সবথেকে বড় সতর্কবাণীগুলো কয়েক সপ্তাহ ধরে উপেক্ষা করেছিলেন বলে। এরপর তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে আমেরিকানদের কাছে মিথ্যা বলেছিলেন যে তাদের কী করা উচিত। এই রক্তের দায় অন্য যে কারোর চেয়ে তার ওপরই বেশি, আর মনে মনে অজুহাত, অস্বীকার আর দায় চাপানোর আড়ালে তিনিও সম্ভবত তা জানেন।
** বব আলটেমেয়ার, [https://theauthoritarians.org/updating-authoritarian-nightmare/ "অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ার-এর আপডেট"], ৮ অক্টোবর ২০২০।
* আমেরিকান জনগণের স্বার্থ দেখার বদলে বার ডোনাল্ড ট্রাম্পের পোষা কুকুরের মতো কাজ করাকেই বেছে নিয়েছেন।
** ফিলিপ হালপার্ন (মার্কিন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল), [https://lawandcrime.com/high-profile/assistant-u-s-attorney-leaves-doj-after-36-years-due-to-lap-dog-bill-barrs-slavish-obedience-to-donald-trumps-will/ 'পোষা কুকুর' বিল বারের ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইচ্ছার প্রতি 'ক্রীতদাসসুলভ আনুগত্যের' কারণে ৩৬ বছর পর সহকারী মার্কিন অ্যাটর্নি বিচার বিভাগ ত্যাগ করলেন] নিবন্ধ অনুযায়ী (১৫ অক্টোবর ২০২০)
* আমার মনে হয় আমেরিকান জনগণের অধিকার আছে প্রেসিডেন্ট তার উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা বলেন তার ওপর নির্ভর করার। যখন একজন প্রেসিডেন্ট নিজের উদ্দেশ্য সম্পর্কে একদম পরিষ্কার কথা বলেন, তখন হোয়াইট হাউস কাউন্সিলের এই কথা আমি মেনে নিতে পারি না যে, 'আসলে এটা তার উদ্দেশ্য ছিল না।' হয়ত হোয়াইট হাউস কাউন্সিল প্রেসিডেন্টের সাথে কথা বলেছে, অথবা বলেনি—আমি তা জানি না।
** মার্কিন জেলা আদালতের বিচারক রেজি ওয়ালটন, যিনি [[জর্জ ডব্লিউ বুশ]]-এর আমলের নিয়োগপ্রাপ্ত, [https://www.politico.com/news/2020/10/16/judge-trump-russia-probe-declassification-429832 বিচারক জানতে চান ট্রাম্প রাশিয়া তদন্তের গোপনীয়তা উন্মোচন থেকে পিছিয়ে যাচ্ছেন কি না] নিবন্ধ অনুযায়ী (১৬ অক্টোবর ২০২০)
* আমি যখন দেখি হাজার হাজার ব্যালট ময়লার ঝুড়িতে ফেলে দেওয়া হয়েছে আর সেগুলোতে আমার নাম রয়েছে? এতে আমি একদমই খুশি নই।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-১৭ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: অতিমারীতে ট্রাম্প এমন কিছু দেখছেন যা অন্য কেউ দেখছে না | লেখক=ক্যালভিন উডওয়ার্ড, হোপ ইয়েন | সাময়িকী=এপি নিউজ| ইউআরএল=https://apnews.com/article/election-2020-virus-outbreak-ap-fact-check-donald-trump-technology-a6ddb8360fa9b1ff95acbbc1e03f437e}}
* আপনারা কি দেখেছেন যে ওরা প্রায় ৫০,০০০ ব্যালট একটা নদীর মতো জায়গায় খুঁজে পেয়েছে?<br>টিকা ছাড়াও এই অতিমারী শেষ হবে। এটি তার পথেই চলবে আর শেষ হবে। ওরা পাগল হয়ে যাবে। কালই খবর হবে যে তিনি বলেছেন ‘টিকা ছাড়াই’—দেখবেন। এই লোকগুলো পাগল। না, এটি স্বাভাবিকভাবেই চলছে। আমরা শেষ পর্যায়ে চলে এসেছি। আপনারা সংখ্যাগুলো দেখছেন, আমরা ঠিক পথেই আছি।<br>মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অন্য দেশের চেয়ে বেশি আক্রান্ত দেখা যায় কারণ এখানে অনেক বেশি (এবং ব্যয়বহুল) পরীক্ষা করা হয়—আর ভুয়া সংবাদমাধ্যমগুলো প্রতিদিন এর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।<br>চীন ভাইরাসের পর থেকে আমরা আমাদের দেশের ইতিহাসে রেকর্ড সংখ্যক কর্মসংস্থান তৈরি করেছি—মাত্র কয়েক মাসেই ১ কোটি ১৪ লক্ষ।<br>আমরা এখন কর্মসংস্থান আর বেকারত্বের নতুন রেকর্ড গড়ছি। আমরা অর্থনৈতিকভাবে নানা রকম রেকর্ড গড়ছি।<br>আমি একটা বিলে সই করেছি যার ফলে আপনি যদি কোনো সরকারি মূর্তি ভাঙেন তবে আপনার ১০ বছরের জেল হবে। মেক্সিকো দেওয়ালের খরচ দিচ্ছে। আমরা ইতিহাসের সবথেকে বড় কর ছাড় দিয়েছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২০ |শিরোনাম=ট্রাম্পের অসৎ সপ্তাহান্তের ফ্যাক্ট-চেকিং: প্রেসিডেন্ট তিন দিনে অন্তত ৬৬টি মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর দাবি করেছেন | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল| সাময়িকী= সিএনএন| ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/10/19/politics/fact-check-trump-dishonest-weekend-florida-michigan-georgia-wisconsin/index.html}}
* (''ভুয়া ব্যালট প্রসঙ্গে:'') সেই সব ব্যালটগুলোর কথা ভাবুন তো যেগুলোতে আমার নাম ছাড়াই ছাপানো হয়েছিল? সেগুলোতে সব ছিল। সেনেট থেকে শুরু করে সব পদ ছিল, শুধু আমার নাম দিতেই ওরা ভুলে গেল।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২০ |শিরোনাম=ট্রাম্প আবার ব্যালট নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন | লেখক=লরি রবার্টসন| সাময়িকী= ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি| ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/10/trump-misleads-on-ballots-again/}}
* আমাদের কোনো সমাজতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট থাকবে না। বিশেষ করে কোনো নারী সমাজতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট আমাদের থাকবে না। আমরা এটা হতে দেব না, আমরা এটা সহ্য করব না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৪ |শিরোনাম=ডেমোক্র্যাটিক উপ-রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীর বিরুদ্ধে ট্রাম্পের কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ | লেখক=সারাহ আল-আরশানি| সাময়িকী= বিজনেস ইনসাইডার| ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-targets-kamala-harris-in-sexist-rant-2020-10?r=US&IR=T}}
* আমাদের এমন কোনো প্রেসিডেন্ট থাকবে না যে স্রেফ তার সমালোচনা করার জন্য মানুষকে জেলের ভয় দেখাবে।
** জো বাইডেনের নির্বাচনী প্রচারে [https://www.wlrn.org/2020-10-25/obama-hits-campaign-trail-in-south-florida-criticizing-trumps-behavior-as-worse-than-florida-man ওবামা দক্ষিণ ফ্লোরিডায় নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্পের আচরণকে ফ্লোরিডা ম্যানের চেয়েও খারাপ বলে সমালোচনা করেছেন] নিবন্ধ অনুযায়ী [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৫ অক্টোবর ২০২০)
* ওদের সবাইকে জেলে ভরুন।
** একটি অনির্ধারিত গোষ্ঠী সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৬ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: '৬০ মিনিটস'-এ ট্রাম্প অন্তত ১৬টি মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর দাবি করেছেন | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল| সাময়িকী= সিএনএন| ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/10/25/politics/fact-check-trump-60-minutes-lesley-stahl/index.html}}
* আমার যদি সোশ্যাল মিডিয়া না থাকত, তবে আমার কথা পৌঁছানোর আর কোনো উপায় থাকত না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৬ |শিরোনাম=সিবিএস ট্রাম্পের ৬০ মিনিটস সাক্ষাৎকার থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ফুটেজ প্রকাশ করেছে | লেখক=মার্টিন মেলাম| সাময়িকী= দ্য গার্ডিয়ান| ইউআরএল=https://www.theguardian.com/us-news/2020/oct/26/cbs-releases-footage-trump-walking-out-60-minutes-interview}}
* পুরো যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে ডাকযোগে পাঠানো ব্যালট নিয়ে বড় সমস্যা আর গরমিল দেখা যাচ্ছে। ৩রা নভেম্বরের মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল থাকতে হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট, যা "বিভ্রান্তিকর" হিসেবে চিহ্নিত এবং {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৬ |শিরোনাম=টুইটার ডাকযোগে ভোট নিয়ে ট্রাম্পের আরেকটি টুইটকে 'বিভ্রান্তিকর' হিসেবে চিহ্নিত করল এবং অন্য ব্যবহারকারীদের এটি রিটুইট করা বন্ধ করে দিল | লেখক=ইসাবেল অ্যাশার হ্যামিল্টন| সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার| ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/twitter-trump-tweet-mail-voting-warning-label-minsinformation-block-retweet-2020-10?r=US&IR=T}}
* পেনসিলভ্যানিয়ায় এখন একমাত্র যা করা যায় তা হলো বিক্ষোভ। আপনি গির্জায় যেতে পারেন না। আপনি আপনার ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করতে পারেন না। আপনি আপনার যাজক বা রাবাইদের সাথে থাকতে পারেন না। এর কিছুই করা যায় না। আপনি কিচ্ছু করতে পারেন না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৭ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: পেনসিলভ্যানিয়ার মানুষ 'গির্জায় যেতে পারে না' বলে ট্রাম্প মিথ্যা দাবি করেছেন | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/10/27/politics/trump-false-claim-pennsylvania-cant-go-to-church-fact-check/index.html}}
* সে আপনাদের আইনের পাহাড় চাপিয়ে দেবে, পুলিশ বিভাগগুলো বন্ধ করে দেবে, আমাদের সীমান্ত বিলীন করে দেবে, আপনাদের বন্দুক কেড়ে নেবে, ধর্মীয় স্বাধীনতা শেষ করবে আর আপনাদের শহরতলিগুলোকে ধ্বংস করে দেবে।
* আপনারা যদি বাইডেনকে ভোট দেন, তার মানে স্কুলে কোনো বাচ্চা থাকবে না, কোনো সমাবর্তন হবে না, কোনো বিয়ে হবে না, কোনো থ্যাঙ্কসগিভিং, বড়দিন বা স্বাধীনতা দিবস পালিত হবে না।
** ডেমোক্র্যাট রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী জো বাইডেন সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৯ |শিরোনাম=স্বাভাবিক অতিরঞ্জিত কথার মাধ্যমে ট্রাম্প বাইডেনের অধীনে জীবনের এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছেন | লেখক=ডার্লিন সুপারভিল | সাময়িকী=দ্য টাইমস অফ ইসরায়েল | ইউআরএল=https://www.timesofisrael.com/with-typical-hyperbole-trump-paints-apocalyptic-portrait-of-life-under-biden/}}
==== নভেম্বর ২০২০ ====
* আমরা এই নির্বাচনে জেতার জন্য পুরোপুরি তৈরি ছিলাম। সত্যি বলতে, আমরা জিতেই গেছি। এটি আমাদের জাতির সাথে এক বিশাল জালিয়াতি। আমরা চাই আইনের সঠিক প্রয়োগ হোক। তাই আমরা মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে যাব। আমরা চাই সব ভোট গ্রহণ বন্ধ হোক।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-০৩ |শিরোনাম=মার্কিন রাষ্ট্রপতি পদের ফলাফল এখনো অমীমাংসিত; মধ্য-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রধান অঙ্গরাজ্যগুলোতে বাইডেন এগিয়ে | লেখক= ট্রেভর হানিকাট, জেফ মেসন | সাময়িকী=রয়টার্স | ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/usa-election/us-presidency-still-undecided-biden-opens-leads-in-key-midwestern-states-idUSKBN27J0FZ}}
* আমি এই নির্বাচনে জিতেছি, তাও বিশাল ব্যবধানে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1325099845045071873 ৭ নভেম্বর ২০২০]
* ২০১৬ সালে ট্রাম্পের জয়ে মানুষ এই কারণে বিচলিত ছিল যে তিনি এমন সব নীতি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রচারণা চালিয়েছিলেন, যা রাষ্ট্রীয় সহিংসতার মাধ্যমে জাতিগত ও নৃতাত্ত্বিক সংখ্যালঘুদের লক্ষ্যবস্তু করে (এবং তিনি কেবল অভদ্র বা অসভ্য ছিলেন বলেই এমনটা করেননি)। কোনোভাবেই বাইডেনের প্রচারণাকে এর সাথে তুলনা করা যায় না। দুঃখিত! বাইডেন খ্রিস্টানদের নিষিদ্ধ করবেন না, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এখানে থাকা শ্বেতাঙ্গ অভিবাসীদের মর্যাদা খেয়ালখুশিমতো বাতিল করবেন না, দেশের শ্বেতাঙ্গ অধ্যুষিত অংশগুলো বিক্রি করার চেষ্টা করবেন না বা শ্বেতাঙ্গদের বিরুদ্ধে পুলিশি সহিংসতাকে উস্কে দেবেন না। আপনাদের এই হতাশাকে কোনোভাবেই নিপীড়ন বলা যায় না।
** অ্যাডাম সারওয়ার, ৯ নভেম্বর ২০২০ টুইটারে
* রিপোর্ট: ডোমিনিয়ন সারা দেশে ট্রাম্পের ২৭ লক্ষ ভোট মুছে ফেলেছে। তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে পেনসিলভানিয়ায় ২,২১,০০০ ভোট প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের থেকে সরিয়ে বাইডেনের অ্যাকাউন্টে দেওয়া হয়েছে। ৯,৪১,০০০ ট্রাম্পের ভোট মুছে ফেলা হয়েছে। ডোমিনিয়ন ভোটিং সিস্টেম ব্যবহার করা অঙ্গরাজ্যগুলো ট্রাম্পের ৪,৩৫,০০০ ভোট বাইডেনের দিকে সরিয়ে দিয়েছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]েরে বিতর্কিত টুইট, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-১৩ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: 'মুছে ফেলা' ভোট নিয়ে ট্রাম্পের টুইটের গালগল্প | লেখক= আলী সোয়েনসন, আমান্ডা সিটজ | সাময়িকী=এপি নিউজ | ইউআরএল=https://apnews.com/article/election-2020-ap-fact-check-joe-biden-donald-trump-technology-13c104367924b8192b4fcecf334f7806}}
* ফক্স নিউজ আর ভুয়া খবরের মাধ্যমগুলো এই বিশাল জমায়েত দেখাচ্ছে না। বদলে তারা তাদের সাংবাদিকদের প্রায় জনশূন্য রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রেখেছে। এখন আমরা সংবাদমাধ্যমের দ্বারা তথ্য দমনের শিকার হচ্ছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1327724046595842049 ১৪ নভেম্বর ২০২০]
* নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের মতো জায়গাগুলো বাদে বাকি সব সাধারণ মানুষের জন্য টিকা পাওয়া যাবে। রাজনৈতিক কারণে সেখানকার গভর্নর দেরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আমার মনে হয় না এটি রাজনৈতিকভাবে ভালো, স্বাস্থ্যের দিক থেকেও এটি খুব খারাপ, তবে তিনি টিকা নিয়ে সময় নিতে চান। আমরা এমন কোনো রাজ্যে এটি পৌঁছে দিতে পারি না যারা তাদের জনগণকে অবিলম্বে এটি দেবে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-৩০ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: টিকা এবং অঙ্গরাজ্যগুলোতে এর বিতরণ নিয়ে ট্রাম্পের ভুল তথ্য | লেখক= হোপ ইয়েন, লরা নিরগার্ড, ক্যান্ডিস চই | সাময়িকী=এপি | ইউআরএল=https://apnews.com/article/ap-fact-check-joe-biden-donald-trump-politics-coronavirus-pandemic-76d1580f82b1586b207990396c1e3b5f}}
* এইমাত্র নেভাদা অঙ্গরাজ্যে এক বিশাল জয় এল। কাউন্টি কমিশনারের লড়াইয়ে ডেমোক্র্যাটদের একচ্ছত্র আধিপত্যের ওই ভোট বাতিল করা হয়েছে কারণ সেখানে বড় ধরনের ভোট জালিয়াতি ধরা পড়েছে। ক্লার্ক কাউন্টির কর্মকর্তারা তাদের নিজেদের নির্বাচনী নিরাপত্তার ওপর আস্থা রাখতে পারছেন না। বিশাল প্রভাব!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]][https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1328483862490574849 টুইটারে], ১৬ নভেম্বর ২০২০
* আমি নির্বাচনে জিতেছি!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1328334945148952576 টুইটারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেখানে টুইটার সতর্কবার্তা দিয়েছে: "একাধিক সূত্র এই নির্বাচনের ভিন্ন ফলাফল দিয়েছে",১৬ নভেম্বর ২০২০
* ২০২০ সালের নির্বাচনের নিরাপত্তা সম্পর্কে ক্রিস ক্রেবসের সাম্প্রতিক বক্তব্য অত্যন্ত ভুল ছিল... তাই অবিলম্বে ক্রিস ক্রেবসকে সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার সিকিউরিটি এজেন্সির পরিচালক পদ থেকে বরখাস্ত করা হলো।
** [https://www.usatoday.com/story/news/politics/2020/11/17/trump-ousts-homeland-security-chris-krebs-called-election-secure/6276676002/ ট্রাম্প হোমল্যান্ড সিকিউরিটির সাইবার প্রধান ক্রিস ক্রেবসকে বরখাস্ত করেছেন, যিনি নির্বাচনকে সুরক্ষিত বলেছিলেন] শীর্ষক খবর অনুযায়ী ডোনাল্ড ট্রাম্প টুইটারের মাধ্যমে তার সাইবার প্রধানকে বরখাস্ত করেছেন (১৮ নভেম্বর ২০২০)
* আমি না থাকলে আরও চার বছর আপনারা টিকা পেতেন না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-২০ |শিরোনাম=ট্রাম্পের ইঙ্গিত যে তাকে হারানোর জন্য টিকা কোম্পানিগুলো প্রতিশোধমূলক ষড়যন্ত্র করেছে | লেখক= র্যাচেল ওল্ডিং | সাময়িকী=ডেইলি বিস্ট | ইউআরএল=https://www.thedailybeast.com/trump-suggests-vaccine-companies-orchestrated-revenge-filled-conspiracy-to-make-him-lose}}
* আমার সাথে ওভাবে কথা বলবেন না, আপনার কোনো যোগ্যতাই নেই। আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতির সাথে ওভাবে কখনো কথা বলবেন না।
** থ্যাঙ্কসগিভিংয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-election-2020/trump-news-live-twitter-biden-election-b1762621.html ট্রাম্প নিউজ: শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা ছাড়ার প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসার পর পেনসিলভানিয়ার আপিলে হেরেছেন প্রেসিডেন্ট] নিবন্ধে উদ্ধৃত হয়েছে।,২৭ নভেম্বর ২০২০
* তথ্য দমনের জন্য বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো আর ভুয়া সংবাদমাধ্যম একজোট হয়েছে। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা শেষ হয়ে গেছে, এটি এখন অতীত। এই কারণেই তারা ২০২০ সালের নির্বাচনের প্রকৃত তথ্য ও পরিসংখ্যান প্রকাশ করতে অস্বীকার করছে...
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1332349861774155778?s=20 টুইট] যা টুইটার "নির্বাচনী জালিয়াতি সম্পর্কে এই দাবিটি বিতর্কিত" লেবেল দিয়ে চিহ্নিত করেছে,২৭ নভেম্বর ২০২০
* বাইডেন কেবল তখনই প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোয়াইট হাউসে ঢুকতে পারবেন, যদি তিনি প্রমাণ করতে পারেন যে তার ওই হাস্যকর '৮ কোটি ভোট' জালিয়াতি বা অবৈধভাবে পাওয়া যায়নি। ডেট্রয়েট, আটলান্টা, ফিলাডেলফিয়া আর মিলওয়াকিতে কী হয়েছে তা দেখলে বুঝবেন যে বিশাল ভোট জালিয়াতি হয়েছে। এটি তার জন্য এক বিশাল এবং সমাধান অযোগ্য সমস্যা।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-২৮ |শিরোনাম=প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মিথ্যা এবং ষড়যন্ত্র তত্ত্ব টুইট করা চালিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে ট্রাম্প আভাস দিয়েছেন যে বাইডেন 'প্রমাণ করতে না পারলে' তিনি হোয়াইট হাউস ছাড়বেন না | লেখক= গ্রেস প্যানেটা | সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার | ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-says-he-wont-leave-white-house-biden-disproves-fraud-2020-11?r=US&IR=T}}
* পেনসিলভানিয়ার ঘটনায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে এবং আমাদের কাছে এর বিশাল প্রমাণ রয়েছে। কিছু মানুষ স্রেফ তা দেখতে চায় না। আমাদের দেশকে বাঁচানোর সাথে তারা কোনো সম্পর্ক রাখতে চায় না। দুঃখজনক!!!
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1332778938121203720 টুইট],২৮ নভেম্বর ২০২০
* @FoxNews-এর দিনের বেলার অনুষ্ঠানগুলো দেখা প্রায় অসম্ভব, বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-২৯ |শিরোনাম=নির্বাচনের পর প্রথম সাক্ষাৎকারের আগে ফক্স নিউজ বাদে 'অন্য কিছু' দেখার জন্য দর্শকদের বললেন ট্রাম্প | লেখক= ইয়েলেনা জানোভা | সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার | ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-calls-fox-news-unwatchable-criticism-newsmax-2020-11?r=US&IR=T}}
* এই দেশে সংবাদপত্রের কোনো স্বাধীনতা নেই, এখানে চলছে তথ্য দমন।
** ফক্স নিউজে মারিয়া বার্টিরোমোর সাথে এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]],২৯ নভেম্বর ২০২০
* আমি এমন সব টিকা নিয়ে এসেছি যা মানুষ ভেবেছিল পেতে পাঁচ বছর সময় লাগবে।
* কিছু যান্ত্রিক গোলযোগ হয়েছিল যার ফলে আমার হাজার হাজার ভোট বাইডেনের অ্যাকাউন্টে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
* (যুক্তরাষ্ট্রের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি সামলানো প্রসঙ্গে:) আমরা বিশ্বের বাকি দেশগুলোর চেয়ে ভালো করছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-২৯ |শিরোনাম=ফক্স নিউজের মারিয়া বার্টিরোমো নির্বাচনের পর ট্রাম্পের প্রথম টিভি সাক্ষাৎকার নিয়েছেন, যা মিথ্যায় ভরা ছিল | লেখক= আলেকজিস বেনভেনেস্টে | সাময়িকী= সিএনএন বিজনেস | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/11/29/media/bartiromo-trump-interview/index.html}}
* ব্রায়ান কেম্প আর ডগ ডুসির মতো রিপাবলিকান থাকতে ডেমোক্র্যাটদের কী দরকার?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-৩০ |শিরোনাম=ট্রাম্পের আক্রমণের পর অ্যারিজোনার গভর্নর ডগ ডুসি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পক্ষে সাফাই দিয়েছেন | লেখক= ক্যারোলিন কেলি, অ্যালিসন মেইন | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/11/30/politics/doug-ducey-defends-election-arizona-trump/index.html}}
==== ডিসেম্বর ২০২০ ====
(কালানুক্রমিকভাবে)
* আসলে আমি উইসকনসিনে জিতেছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-০৫ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: সাজানো নির্বাচনের ভিত্তিহীন দাবির মধ্যে ট্রাম্প বলেছেন তিনি উইসকনসিনে জিতেছেন | লেখক= ডি.এল. ডেভিস, পলিটিফ্যাক্ট | সাময়িকী=হিউস্টন ক্রনিকল | ইউআরএল=https://www.houstonchronicle.com/local/texas-politics/politifact/article/Fact-check-Among-baseless-claims-of-rigged-15794749.php}}
* আপনাদের বোঝার সুবিধার্থে বলছি, আপনারা জানেন যে আমরা জর্জিয়াতে জিতেছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-০৫ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: জর্জিয়ায় নির্বাচনী প্রচারের সময় ট্রাম্পের ভিত্তিহীন দাবি | লেখক= ইউজিন কিয়েলি | সাময়িকী=জিএ টুডে | ইউআরএল=https://www.gpb.org/news/2020/12/09/fact-check-trump-makes-bogus-swing-state-claim-during-campaign-stop-in-georgia}}
* যদি আমি হারতাম, তবে আমি খুব উদারভাবে হার মেনে নিতাম।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-০৬ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: জনসভায় ট্রাম্পের দুঃসাহসিক মিথ্যাচার | লেখক= ক্যালভিন উডওয়ার্ড | সাময়িকী=এপি নিউজ | ইউআরএল=https://apnews.com/article/fact-check-donald-trump-rally-falsehoods-424834660f894040b55b415aecb2a443}}
* রাইনো ব্রায়ান কেম্প, জিওফ ডানকান এবং সেক্রেটারি অফ স্টেট ব্র্যাড রাফেনসপারজার জর্জিয়ার আমাদের দুজন মহান সিনেটর ডেভিড পারডু এবং কেলি লোফ্লারের সম্ভাব্য পরাজয়ের জন্য এককভাবে দায়ী থাকবেন। তারা কোনো বিশেষ অধিবেশন ডাকবে না বা সই যাচাই করবে না! মানুষ অনেক ক্ষুব্ধ!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-০৭ |শিরোনাম=ট্রাম্প বলেছেন রাইনো কেম্প এবং রাফেনসপারজারই 'এককভাবে দায়ী' যদি লোফ্লার ও পারডু নির্বাচনে হারেন | লেখক= জেফারি মার্টিন | সাময়িকী=নিউজউইক | ইউআরএল=https://www.newsweek.com/trump-says-rinos-kemp-raffensperger-solely-responsible-if-loeffler-perdue-lose-election-1553024}}
* সুপ্রিম কোর্ট আমাদের সত্যিই হতাশ করেছে। কোনো প্রজ্ঞা নেই, কোনো সাহস নেই!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-১১ |শিরোনাম='কোনো প্রজ্ঞা নেই, কোনো সাহস নেই!': টেক্সাসের নির্বাচনী ফলাফল বাতিলের আবেদন সুপ্রিম কোর্ট প্রত্যাখ্যান করার পর ট্রাম্পের ক্ষোভ | লেখক= কেলসি ভ্লামিস | সাময়িকী=এমএসএন নিউজ | ইউআরএল=https://www.msn.com/en-us/news/other/no-wisdom-no-courage-trump-lashes-out-at-the-supreme-court-after-it-rejected-a-texas-bid-to-overturn-the-election-results/ar-BB1bRIqA}}
* আমরা কেবল লড়াই শুরু করেছি!!!
** ২০২০ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে লড়াই করা প্রসঙ্গে ট্রাম্পের টুইট,{{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-১১ |শিরোনাম=ঐতিহাসিক টিকা বিতরণের আগে ট্রাম্প আত্মঘাতী লড়াইতে লিপ্ত | লেখক= মেভ রেস্টন | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/12/13/politics/donald-trump-william-barr-pfizer-vaccine/index.html}}
* এটি শেষ হয়ে যায়নি। আমরা লড়াই চালিয়ে যাব এবং সামনের দিকে এগিয়ে যাব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-১২ |শিরোনাম=ইলেক্টোরাল কলেজের ভোটের আগে ট্রাম্প 'ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস'-কে বলেছেন যে নির্বাচনী চ্যালেঞ্জ 'শেষ হয়ে যায়নি' | লেখক= রন ব্লিটজনার | সাময়িকী=ফক্স নিউজ | ইউআরএল=https://www.foxnews.com/politics/trump-fox-and-friends-election-challenges-not-over-electoral-college-vote}}
* দারুণ! স্টপ দ্য স্টিলের জন্য ওয়াশিংটন ডিসিতে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হচ্ছে। আমি এ সম্পর্কে জানতাম না, তবে আমি তাদের সাথে দেখা করতে যাব! #এমএজিএ
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, [https://en.wikinews.org/wiki/Conservative_groups_hold_rally_in_Washington_D.C._claiming_U.S._elections_were_stolen_from_President_Trump "ওয়াশিংটন ডিসিতে রক্ষণশীল গোষ্ঠীর জনসভা, মার্কিন নির্বাচন চুরি হয়েছে বলে দাবি"], ১৫ ডিসেম্বর ২০২০।
* এইমাত্র হোয়াইট হাউসে অ্যাটর্নি জেনারেল বিল বারের সাথে খুব সুন্দর একটি বৈঠক হলো। আমাদের সম্পর্ক খুব ভালো ছিল, তিনি চমৎকার কাজ করেছেন! চিঠিতে যেমনটা লেখা আছে, বিল বড়দিনের ঠিক আগেই তার পরিবারের সাথে ছুটি কাটানোর জন্য বিদায় নেবেন...
* ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ রোজেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.bbc.com/news/world-us-canada-55312016 উইলিয়াম বার: মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল বড়দিনের আগেই পদ ছাড়ছেন], ১৫ ডিসেম্বর ২০২০।
* আমরা আজ এখানে একটি ঐতিহাসিক সপ্তাহের শেষে একত্রিত হয়েছি আমেরিকান জনগণকে এটা নিশ্চিত করতে যে আশা খুব কাছেই। কেলি এবং আমি অত্যন্ত আনন্দের সাথে এই সপ্তাহ শেষ হওয়ার আগেই আমেরিকান জনগণের জন্য আমাদের সুরক্ষিত এবং প্রস্তুতকৃত এই নিরাপদ ও কার্যকর করোনাভাইরাস টিকা নিতে এগিয়ে এসেছি। এটি সত্যিই একটি অনুপ্রেরণাদায়ক দিন।
** উপ-রাষ্ট্রপতি পেন্স, [https://www.politico.com/news/2020/12/18/pence-covid-vaccine-live-television-448080 'আশা কাছেই': সরাসরি টেলিভিশনে করোনাভাইরাস টিকা নিলেন পেন্স], ১৮ ডিসেম্বর ২০২০।
* টেক্সাসের ৫ম সংসদীয় আসনের মার্কিন কংগ্রেস সদস্য হতে পেরে আমি গর্বিত। আমি ৬ই জানুয়ারি আপত্তি জানানোর মাধ্যমে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাশে দাঁড়াতে পেরেও গর্বিত। আমি কংগ্রেসের প্রতিটি সহকর্মীকে একই কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।
** [https://twitter.com/Lancegooden টুইটারে] ল্যান্স গুডেন, ২৬ ডিসেম্বর ২০২০।
===== বাইডেনের নির্বাচনী জয় বাতিলের ট্রাম্প-সমর্থিত মামলা সুপ্রিম কোর্টে খারিজ =====
* আমি বারবার যেমনটা বলেছি, আমাদের সংবিধান অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলোর মধ্যে প্রকৃত বিরোধের বিষয়গুলো শেষ পর্যন্ত কেবল সুপ্রিম কোর্টই নিষ্পত্তি করতে পারে এবং এই কারণেই বিচারপতিদের উচিত এই মামলার শুনানি করা এবং সিদ্ধান্ত দেওয়া।
** [https://www.theadvocate.com/baton_rouge/news/politics/elections/article_193de3e0-3a54-11eb-8036-07b9fff910f6.html জেফ ল্যান্ড্রি জো বাইডেনের পক্ষে যাওয়া ইলেক্টোরাল ভোট গণনা বন্ধে টেক্সাসের প্রচেষ্টাকে সমর্থন করছেন], ৯ ডিসেম্বর ২০২০-এ লুইসিয়ানার অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ ল্যান্ড্রি।
* সুপ্রিম কোর্ট যদি মহৎ প্রজ্ঞা এবং সাহস দেখায়, তবে আমেরিকান জনগণ সম্ভবত ইতিহাসের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ মামলাটিতে জিতবে এবং আমাদের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রতি আবার শ্রদ্ধা ফিরে আসবে!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1337494507756072961 রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প], ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* আমেরিকার একটি স্বচ্ছ নির্বাচন প্রাপ্য ছিল, কিন্তু তারা যা পেয়েছে তা হলো: জর্জিয়াতে গোপনে যোগ করা ব্যালট ভর্তি সুটকেস, উইসকনসিনে মৃত ব্যক্তিদের ভোট প্রদান, নেভাদাতে ভোটের বিনিময়ে অর্থের কারসাজি, পেনসিলভানিয়া-তে পোল ওয়াচারদের ঢুকতে না দেওয়া, মিশিগানে ব্যালট ড্রপবক্স খোলা অবস্থায় পাওয়া এবং মিশিগানেই ক্লার্কের মুখে ???। প্রমাণ অকাট্য। আপনাদের আইনপ্রণেতাদের ডাকুন, তাদের স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য লড়াই করতে বলুন।
** [https://twitter.com/realDonaldTrump @realDonaldTrump ভিডিওতে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* '''অন্যান্য অঙ্গরাজ্যগুলো কীভাবে তাদের নিজস্ব নির্বাচন পরিচালনা করবে তা নিয়ে মামলা করার জন্য টেক্সাসের অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী কোনো আইনি ভিত্তি নেই।'''
** [https://twitter.com/SCOTUSblog/status/1337546093102510080?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1337546093102510080%7Ctwgr%5E%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.cbc.ca%2Fnews%2Fworld%2Ftrump-lawsuit-supreme-court-defeat-1.5838403 স্কোটাসব্লগ (SCOTUSblog)], মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট, ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* সাংবিধানিক প্রশ্নটি ভোটাররা জালিয়াতি করেছে কি না তা নয়, বরং প্রশ্ন হলো অঙ্গরাজ্যের কর্মকর্তারা ব্যালটের সততা রক্ষার নিয়মগুলো পরিকল্পিতভাবে শিথিল করে আইন লঙ্ঘন করেছেন কি না যাতে জালিয়াতি ধরা না যায়।
** [https://www.salon.com/2020/12/11/republicans-want-more-than-a-coup-trumps-loyalty-test-exposes-their-hatred-for-democracy/ রিপাবলিকানরা একটি অভ্যুত্থানের চেয়েও বেশি কিছু চায়: ট্রাম্পের আনুগত্য পরীক্ষা গণতন্ত্রের প্রতি তাদের ঘৃণা প্রকাশ করে], টেক্সাসের অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটন, ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* মামলাটি গুণাগুণের ভিত্তিতে খারিজ করা হয়নি, এটি আইনি ভিত্তির অভাবে খারিজ করা হয়েছে। তাই এর সমাধান হলো রাষ্ট্রপতি বা কিছু নির্বাচক কর্তৃক জেলা আদালতে একই তথ্যগুলো উল্লেখ করে মামলা করা যেখানে তাদের আইনি ভিত্তি থাকবে।
* আমাদের জেলা আদালতে এই মামলাগুলো অবিলম্বে দায়ের করতে কোনো বাধা নেই যেখানে অবশ্যই রাষ্ট্রপতির আইনি ভিত্তি থাকবে। কিছু নির্বাচকেরও আইনি ভিত্তি থাকবে কারণ তাদের সাংবিধানিক অধিকার খর্ব করা হয়েছে।
* আমাদের কাজ শেষ হয়নি। আমাকে বিশ্বাস করুন।
** [https://thehill.com/regulation/court-battles/529928-giuliani-says-trump-team-not-finished-after-supreme-court-defeat সুপ্রিম কোর্টে পরাজয়ের পর জিলিয়ানি বলেছেন ট্রাম্পের দল 'এখনো শেষ হয়ে যায়নি'], [[রুডি জিলিয়ানি]], ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* এটি দুর্ভাগ্যজনক যে সুপ্রিম কোর্ট এই মামলাটি গ্রহণ না করার এবং এই চারটি অঙ্গরাজ্যের ফেডারেল ও স্টেট নির্বাচন আইন মানতে ব্যর্থতার সাংবিধানিকতা যাচাই না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
** [https://www.texastribune.org/2020/12/11/texas-lawsuit-supreme-court-election-results/ মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট চার অঙ্গরাজ্যের ২০২০ সালের নির্বাচনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে টেক্সাসের মামলা খারিজ করে দিয়েছে], কেন প্যাক্সটন, ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* একাধিক অঙ্গরাজ্য এবং এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির জড়িত থাকা একটি মৌলিক এক্তিয়ারভুক্ত বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট কোনো আইনি ভিত্তি খুঁজে পাবে না, এটি হাস্যকর। এটি সংবিধানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে...। তারা আসলে "ভয় পেয়ে পিছিয়ে গেছে" এবং মামলার গুণাগুণের ওপর রায় দিতে চায়নি। আমাদের দেশের জন্য এটি খুবই খারাপ!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1338246403164954629 টুইটারের মাধ্যমে] রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প, ১৩ ডিসেম্বর ২০২০।
* আমি গত সাজানো (রাষ্ট্রপতি পদের জন্য) নির্বাচনে মিচসহ অন্তত ৮ জন রিপাবলিকান সিনেটরকে পরাজয় থেকে বাঁচিয়েছি। এখন তারা (প্রায় সবাই) হাত গুটিয়ে বসে আছে এবং আমাকে কট্টর বামপন্থী ডেমোক্র্যাটদের মতো এক কুটিল ও হিংস্র শত্রুর বিরুদ্ধে একা লড়তে দেখছে। আমি কখনোই ভুলব না!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের বিতর্কিত [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1342245390540804096 টুইট], ২৫ ডিসেম্বর ২০২০।
* ২০২০ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে যে বিশাল নির্বাচনী জালিয়াতি হয়েছে সে ব্যাপারে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট সম্পূর্ণ অযোগ্যতা এবং দুর্বলতা দেখিয়েছে। আমাদের কাছে অকাট্য প্রমাণ আছে, কিন্তু তারা তা দেখতে চায় না—তারা বলছে কোনো ‘আইনি ভিত্তি’ নেই। আমাদের নির্বাচনে যদি দুর্নীতি হয়, তবে আমাদের কোনো দেশই থাকবে না!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের বিতর্কিত টুইট, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-২৬ |শিরোনাম=ক্ষমতার মেয়াদ এক মাসেরও কম থাকতে ট্রাম্প তার নির্বাচনী পরাজয় বাতিল করতে অস্বীকার করায় 'সম্পূর্ণ অযোগ্য' সুপ্রিম কোর্টের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন | লেখক= কনর পেরেট | সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার | ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-supreme-court-totally-incompetent-for-refusing-to-overturn-election-2020-12?r=US&IR=T}}
* দুর্বল এবং ক্লান্ত রিপাবলিকান "নেতৃত্ব" এই খারাপ প্রতিরক্ষা বিলটি পাস হওয়ার সুযোগ করে দেবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1342245390540804096 টুইট], ২৯ ডিসেম্বর ২০২০।
* রিপাবলিকান নেতৃত্ব কেবল সবথেকে সহজ পথটি বেছে নিতে চায়। আমাদের নেতারা (অবশ্যই আমি নই!) অত্যন্ত করুণ।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-২৯ | শিরোনাম=তার ভেটো উপেক্ষা করার পর রিপাবলিকানদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন ট্রাম্প | লেখক= জ্যাচারি বি. উলফ | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/12/29/politics/donald-trump-house-votes/index.html}}
==== জানুয়ারি ২০২১ ====
* তো দেখুন, আমি কেবল ১১,৭৮০টি ভোট খুঁজে পেতে চাই।
** ২ জানুয়ারি জর্জিয়ার নির্বাচনী কর্মকর্তাদের (জর্জিয়ার সেক্রেটারি অফ স্টেট ব্র্যাড রাফেনসপারজারসহ) সাথে কথা বলার সময় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেখানে তিনি ২০২০ সালের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট নিজের পক্ষে গণনা করার জন্য সেক্রেটারি অফ স্টেট ব্রায়ান কেম্পকে চাপ দিচ্ছিলেন। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২১-০১-০৩ |ইউআরএল=https://www.washingtonpost.com/video/politics/audio-trump-berates-ga-secretary-of-state-urges-him-to-find-votes/2021/01/03/aba64f5f-8c3c-490f-af34-618ccea732d7_video.html |শিরোনাম=অডিও: জর্জিয়ার সেক্রেটারি অফ স্টেটকে তিরস্কার করলেন ট্রাম্প, ভোট ‘খুঁজে’ বের করার তাগিদ দিলেন |প্রকাশক=''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট''}}
*** সিএনএনে [https://www.cnn.com/2021/01/03/politics/trump-brad-raffensperger-phone-call-transcript/index.html পূর্ণাঙ্গ প্রতিলিপি]
* মৃত মানুষের নামেও ভোট পড়েছে। জর্জিয়ায় আমার মনে হয় এই সংখ্যাটা প্রায় ৫,০০০-এর কাছাকাছি... এমন সব বাক্সে হাজার হাজার ব্যালট পাওয়া গেছে যেগুলো কোনো স্বীকৃত বা সিল করা বাক্স ছিল না। ওরা জল চলাচলের পাইপ ফেটে যাওয়ার বাহানা দিয়ে সবাই বেরিয়ে গিয়েছিল। অথচ বাস্তবে সেখানে কোনো পাইপই ছিল না, কিচ্ছু হয়নি। পাইপ ফাটার কোনো ঘটনাই সেখানে ঘটেনি।<br>সেখানে ৪,৯২৫ জন বহিরাগত ভোটার ছিল, ওরা অন্য রাজ্যের বাসিন্দা হয়েও জর্জিয়ায় এসে ভোট দিয়ে গেছে।<br>ওরা সব ব্যালট পেপার নষ্ট করে ফেলছে। আপনাদের এই ব্যাপারটা খুব ভালো করে খতিয়ে দেখা উচিত। কারণ এটা ঘোরতর বেআইনি। আপনাদের এই ডোমিনিয়ন মেশিনগুলো আমরা এখনো ভালো করে পরীক্ষা করিনি, তাই এগুলোর ওপর এখনই ভরসা করতে পারছি না। অন্য রাজ্যগুলোতে এই ডোমিনিয়ন মেশিনগুলো ব্যবহার করে অনেক বড় বড় কারচুপি করা হয়েছে বলে আমাদের বিশ্বাস...
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২১-০১-০৩ | লেখক = বিবিসি নিউজ রিয়েলিটি চেক টিম | ইউআরএল=https://www.bbc.com/news/election-us-2020-55529230 |শিরোনাম=জর্জিয়া নির্বাচন: ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফোনালাপের ফ্যাক্ট-চেক |প্রকাশক=বিবিসি নিউজ}}
* জেফরি রোজেন, আমরা একটা বিষয় জানি যে আপনি এই নির্বাচন উল্টে দেওয়ার জন্য কিছুই করবেন না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.npr.org/2021/10/07/1044015379/senate-report-details-trumps-efforts-to-use-doj-to-overturn-election-results "নির্বাচনের ফলাফল পাল্টাতে বিচার বিভাগকে ব্যবহার করার বিষয়ে ট্রাম্পের প্রচেষ্টার বিস্তারিত সেনেট রিপোর্ট"], ৩ জানুয়ারি ২০২১।
* রুডি, আপনি দারুণ কাজ করেছেন। ওর সাহস আছে। জানেন কী? রিপাবলিকান পার্টির অনেক মানুষের মতো ও ভীতু নয়, ওর সাহস আছে। ও লড়াই করে. <br>..<br>আমাদের উজ্জ্বল দিনগুলো সামনেই আছে, আমাদের মহান অর্জনগুলো এখনো বাকি। আমার মনে হয় আমাদের অন্যতম বড় অর্জন হবে নির্বাচনী নিরাপত্তা, কারণ আমি আসার আগে কেউ জানতই না যে আমাদের নির্বাচন কতটা দুর্নীতিগ্রস্ত। আবারও বলছি, বেশিরভাগ মানুষই রাত ৯টার সময় দাঁড়িয়ে বলবে, “আপনাদের অনেক ধন্যবাদ,” আর এরপর তারা অন্য কাজে চলে যাবে। কিন্তু আমি বললাম, “এখানে কোনো ঝামেলা আছে। বড় কোনো ঝামেলা আছে। এমনটা হতেই পারে না।” আর আমরা লড়াই করি। আমরা জানপ্রাণ দিয়ে লড়াই করি, আর আপনারা যদি এভাবে লড়াই না করেন, তবে আপনাদের আর কোনো দেশ থাকবে না।<br>..<br>এর পর আমরা সবাই একসাথে হেঁটে নিচে যাব। আমি আপনাদের সাথেই থাকব। আমরা হেঁটে যাব। আপনারা যেদিক দিয়ে চান সেদিক দিয়েই আমরা যাব, তবে আমার মনে হয় এখান দিয়েই ভালো। আমরা ক্যাপিটল ভবনের দিকে হেঁটে যাব এবং আমাদের সাহসী সিনেটর আর কংগ্রেসের নারী-পুরুষদের উৎসাহিত করব। আমরা হয়ত তাদের সবার জন্য চিৎকার করব না, কারণ দুর্বলতা দিয়ে আপনি কখনোই নিজের দেশ ফিরে পাবেন না। আপনাদের শক্তি দেখাতে হবে, আপনাদের শক্তিশালী হতে হবে। আমরা কংগ্রেসের কাছে দাবি জানাতে এসেছি যেন তারা সঠিক কাজটি করে এবং কেবল বৈধভাবে তালিকাভুক্ত নির্বাচকদের ভোটই গণনা করে। আমি জানি যে এখানে উপস্থিত সবাই শীঘ্রই ক্যাপিটল ভবনের দিকে পদযাত্রা করবেন যাতে শান্তিপূর্ণভাবে এবং দেশপ্রেমের সাথে আপনাদের কণ্ঠস্বর শোনানো যায়। আজ আমরা দেখব রিপাবলিকানরা আমাদের নির্বাচনের সততার পক্ষে শক্তভাবে দাঁড়ায় কি না, তারা আমাদের দেশের পক্ষে দাঁড়ায় কি না। আমাদের দেশ দীর্ঘ সময় ধরে অবরোধের মুখে আছে, এই চার বছরের চেয়েও অনেক বেশি সময় ধরে।<br>..<br>আমরা পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউ দিয়ে হেঁটে যাব, আমি এই রাস্তাটি খুব ভালোবাসি, আমরা ক্যাপিটল ভবনে যাব এবং...<br>আমাদের রিপাবলিকানদের সেই সব দুর্বলদের, কারণ যারা শক্তিশালী তাদের আমাদের সাহায্যের দরকার নেই—আমরা তাদের সেই গর্ব আর সাহস দেওয়ার চেষ্টা করব যা তাদের নিজের দেশ ফিরে পেতে প্রয়োজন। তাই চলুন পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউ দিয়ে হাঁটা শুরু করি।
** ৬ জানুয়ারি ২০২১-এর [https://www.rev.com/blog/transcripts/donald-trump-speech-save-america-rally-transcript-january-6 সেভ আমেরিকা র্যালির ভাষণে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
* আমাদের দেশ আর সংবিধানকে রক্ষা করার জন্য যা করা উচিত ছিল, মাইক পেন্সের সেই সাহসটুকু ছিল না। তিনি অঙ্গরাজ্যগুলোকে সত্য তথ্যগুলো যাচাই করার সুযোগ দিতে পারতেন, পরিবর্তে তাদের সেই সব জাল আর ভুল তথ্যগুলোই মেনে নিতে বলা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র সত্য জানতে চায়!
** ৬ জানুয়ারি ২০২১-এর [https://archive.is/jCmfK সকাল ১১:২৪-এর টুইটে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
* তাতে কী?
** ওভাল অফিসের পাশের ডাইনিং রুমে বসে টেলিভিশনে ২০২১ সালে মার্কিন ক্যাপিটলে হামলার খবর দেখার সময় ৬ জানুয়ারি ২০২১-এ [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেন। উপ-রাষ্ট্রপতি মাইক পেন্সকে একটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, এই খবর পাওয়ার পর তিনি এটি বলেন। ({{উদ্ধৃতি |শিরোনাম=ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ফেডারেল নির্বাচনী মামলায় নতুন প্রমাণ প্রকাশ করলেন বিচারক |সংবাদপত্র=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস |প্রথম১=অ্যালান |শেষ১=ফুয়ের |প্রথম২=চার্লি |শেষ২=স্যাভেজ |তারিখ=২ অক্টোবর ২০২৪ |ইউআরএল=https://www.nytimes.com/2024/10/02/us/politics/trump-jan-6-case-jack-smith-evidence.html}} {{উদ্ধৃতি |শিরোনাম=নির্বাচনী পরাজয় পাল্টানোর বিষয়ে ট্রাম্পের প্রচেষ্টার নতুন তথ্য দেখালেন মার্কিন প্রসিকিউটররা |প্রথম=অ্যান্ড্রু |শেষ=গুডওয়ার্ড |তারিখ=২ অক্টোবর ২০২৪ |ইউআরএল=https://www.reuters.com/world/us/us-prosecutors-detail-evidence-trump-election-subversion-case-2024-10-02/ |সংস্থা=রয়টার্স}})
* আমি মার্কিন ক্যাপিটল ভবনে উপস্থিত সবাইকে শান্ত থাকার জন্য অনুরোধ করছি। কোনো সহিংসতা নয়! মনে রাখবেন, আমরাই আইন ও শৃঙ্খলার দল, আইন এবং আমাদের নীল পোশাকের (পুলিশ) মহান নারী-পুরুষদের সম্মান করুন। ধন্যবাদ!
** ৬ জানুয়ারি ২০২১-এর [https://archive.is/IvpaU দুপুর ১২:১৩-এর টুইটে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
* আমরা আপনাদের ভালোবাসি। আপনারা খুব বিশেষ।
** মার্কিন ক্যাপিটল ভবনে ঢুকে পড়া বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে দেওয়া একটি ভিডিও বার্তায় (যা পরে মুছে ফেলা হয়েছে) [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। যা বিজনেস ইনসাইডারে উদ্ধৃত হয়েছে: {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২১-০১-০৬ | লেখক = এলিজা রেলম্যান, ওমা সেদ্দিক, জ্যাক লাহুত | ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-video-statement-capitol-rioters-we-love-you-very-special-2021-1?r=US&IR=T |শিরোনাম=ক্যাপিটলে হামলা চালানো নিজের সহিংস সমর্থকদের ট্রাম্প বললেন ‘আপনারা খুব বিশেষ’, তবে তাদের ‘বাড়ি ফিরে যেতে’ অনুরোধ করলেন |প্রকাশক=বিজনেস ইনসাইডার}}
* আমার সব চমৎকার সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলছি, আমি জানি আপনারা হতাশ, কিন্তু আমি আপনাদের এটাও জানাতে চাই যে আমাদের অবিশ্বাস্য এই যাত্রা কেবল শুরু হচ্ছে।
** ইভাঙ্কা ট্রাম্পের পোস্ট করা [https://archive.is/o4JN6 বিকাল ৪:২৮-এর টুইটের] ভিডিও বার্তায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ৭ জানুয়ারি ২০২১।
* আমি শুরুতেই মার্কিন ক্যাপিটল ভবনে ঘটে যাওয়া জঘন্য হামলার বিষয়ে কিছু বলতে চাই। অন্য সব আমেরিকানদের মতো আমিও এই সহিংসতা, আইনহীনতা আর বিশৃঙ্খলার ঘটনায় ক্ষুব্ধ। আমি ভবনটি সুরক্ষিত করতে এবং অনুপ্রবেশকারীদের বের করে দিতে অবিলম্বে ন্যাশনাল গার্ড আর ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী সংস্থা মোতায়েন করেছি। আমেরিকাকে সবসময়ই একটি আইন ও শৃঙ্খলার দেশ হয়ে থাকতে হবে। যেসব বিক্ষোভকারী ক্যাপিটলে ঢুকে পড়েছিল, তারা আমেরিকান গণতন্ত্রের পবিত্র আসনকে কলঙ্কিত করেছে। যারা এই সহিংসতা আর ধ্বংসাত্মক কাজে লিপ্ত হয়েছে, আপনারা আমাদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন না। আর যারা আইন ভেঙেছেন, আপনাদের খেসারত দিতে হবে।<br>আমরা এইমাত্র একটি তীব্র নির্বাচনের মধ্য দিয়ে এসেছি এবং আবেগ এখন অনেক উঁচুতে। কিন্তু এখন মেজাজ ঠান্ডা করতে হবে এবং শান্তি ফিরিয়ে আনতে হবে। আমাদের আমেরিকার কাজে ফিরে যেতে হবে। আমার প্রচারণা নির্বাচনী ফলাফল চ্যালেঞ্জ করতে সম্ভাব্য সব আইনি পথ ব্যবহার করেছে। আমার একমাত্র লক্ষ্য ছিল ভোটের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। এটি করার মাধ্যমে আমি আমেরিকান গণতন্ত্রকে রক্ষা করার জন্য লড়াই করছিলাম। আমি এখনো দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে সকল ভোটারের পরিচয় আর যোগ্যতা যাচাই করার জন্য আমাদের নির্বাচনী আইন সংস্কার করতে হবে যাতে ভবিষ্যতের সব নির্বাচনে মানুষের আস্থা আর বিশ্বাস অটুট থাকে।
** ক্যাপিটল হামলা পরবর্তী ভাষণে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.presidency.ucsb.edu/documents/videotaped-remarks-the-attack-the-united-states-capitol-the-certification-the-electoral মার্কিন ক্যাপিটলে হামলা, ইলেক্টোরাল কলেজের ফলাফল অনুমোদন এবং নতুন প্রশাসনের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে ভিডিও বার্তা], ৭ জানুয়ারি ২০২১।
* যারা জানতে চেয়েছেন তাদের উদ্দেশ্যে বলছি, আমি ২০ জানুয়ারির অভিষেক অনুষ্ঠানে যাব না।
** ৮ জানুয়ারি ২০২১-এর [https://archive.is/tzc2r সকাল ৭:৪৪-এর টুইটে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
* তার প্রতিভা, মেধা আর সৃজনশীলতা তাকে অঢেল সম্পদ এনে দিয়েছিল, তবে তার চরিত্র আর জনহিতৈষী উদারতা তাকে খ্যাতি এনে দিয়েছে। শেলডন আমাদের মহান বন্ধু ইসরায়েল রাষ্ট্রের একজন কট্টর সমর্থকও ছিলেন।
** [https://www.npr.org/2021/01/12/693679109/sheldon-adelson-conservative-donor-and-casino-titan-dies-at-87 রক্ষণশীল দাতা এবং ক্যাসিনো সম্রাট শেলডন অ্যাডেলসন ৮৭ বছর বয়সে মারা গেছেন] সংবাদ প্রতিবেদনে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প, ১২ জানুয়ারি ২০২১।
* আমরা কোনো না কোনোভাবে আবার ফিরে আসব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২১-০১-২০ | লেখক = কেভিন লিপটাক | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2021/01/20/politics/donald-trump-leaves-white-house/index.html |শিরোনাম=ক্ষমতার মেয়াদ শেষ হওয়ার সাথে সাথে সমাজচ্যুত হয়ে ওয়াশিংটন ত্যাগ করলেন ট্রাম্প |প্রকাশক=সিএনএন}}
=== রাষ্ট্রপতিত্ব পরবর্তী (২০ ২০২১–২০২৫) ===
* খাস খবর: কংগ্রেস যখন [[জো বাইডেন]]এর জন্য ইলেক্টোরাল কলেজের ভোট অনুমোদন শুরু করেছে, তখন ট্রাম্প-পন্থী বিক্ষোভকারীরা ভবনটিতে ঢুকে পড়ার পর ইউএস ক্যাপিটল অবরুদ্ধ।
** অ্যাক্সিওস, টুইটারের মাধ্যমে [https://twitter.com/i/events/1346454323635527680 টুইট], ৬ জানুয়ারি ২০২১।
* সুপ্রিম কোর্টের সময়কালকে প্রায়ই তাদের প্রধান বিচারপতিদের নামে চেনা যায়, যেমনটা প্রায় দুই দশক আগে রবার্টসের হাত ধরে শুরু হওয়া বর্তমান সময়ের ক্ষেত্রেও সত্যি। তবে আদালতের সক্ষমতা রাষ্ট্রপতির প্রভাব দিয়েও মাপা যায়। ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের মতো কিছু রাষ্ট্রপতি, যারা তাদের বারো বছরের ক্ষমতায় আটজন বিচারপতি নিয়োগ করেছিলেন, আদালতের ওপর তাদের এক অস্বাভাবিক প্রভাব ছিল। [[রোনাল্ড রিগ্যান]] এবং [[রিচার্ড নিক্সন]]ও তাদের ছাপ রাখার জন্য আলাদা হয়ে আছেন। ট্রাম্পের প্রভাব, বিশেষ করে বিচারক নির্বাচনের ধরণ এবং তার ফলে ক্ষমতার ভারসাম্যে যে পরিবর্তন এসেছে, তা অতুলনীয়। তিনি ক্ষমতা থেকে চলে গেছেন কিন্তু তারা সারা জীবনের জন্য এখানে থেকে গেছেন।
** জোন বিস্কুপিক, ''নাইন ব্ল্যাক রোবস: ইনসাইড দ্য সুপ্রিম কোর্ট'স ড্রাইভ টু দ্য রাইট অ্যান্ড ইটস হিস্টোরিক কনসিকুয়েন্সেস'' (২০২৩), নিউ ইয়র্ক: উইলিয়াম মরো, প্রথম সংস্করণ হার্ডকভার, পৃষ্ঠা ১০-১১।
* একদিন আমার বয়স যখন ৬ বছর, আমি আমার বাবার সাথে নিউ ইয়র্ক শহরে হাঁটছিলাম। আমরা খেয়াল করলাম যে কেউ আমাদের পাশের রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িগুলোর উইন্ডশিল্ড ওয়াইপারের নিচে ছোট ছোট ভাঁজ করা কাগজ গুঁজে দিয়েছে। আমার বাবা একটা কাগজ তুলে নিয়ে পড়লেন। দেখলাম রাগে তার মুখ অন্ধকার হয়ে গেল। “কী হয়েছে বাবা?” “এটি এমন কিছু মানুষের বার্তা যারা মনে করে সব ইহুদি ধর্মাবলম্বীদের মেরে ফেলা উচিত।”<br>এটি ১৯৫০-এর দশকের শেষের দিকের কথা, যখন [[ইউরোপ]]ে |নাৎসিদের হাতে ক্ষ লক্ষ ইহুদিদের গণহত্যার স্মৃতি আমেরিকানদের মনে টাটকা ছিল। লোয়ার ম্যানহাটনে প্রাণঘাতী ইহুদিবিদ্বেষ ছড়ানোর জন্য সেটি কোনো উপযুক্ত সময় ছিল না। একজন ইহুদি বাবা এবং অ-ইহুদি মায়ের সন্তান হওয়ায় আমি নিজেও অর্ধেক ইহুদি, তাই আমি কিছুটা চিন্তিত ছিলাম। আমি জানতাম যে এই লোকগুলো আমার বাবাকে মেরে ফেলতে চায়, কিন্তু শিশুদের মতো কেবল নিজেকে নিয়ে ভাবনায় আমি জানতে চেয়েছিলাম যে নতুন কোনো হলোকাস্ট হলে আমার মায়ের অ-ইহুদি বংশপরিচয় কি আমাকে রক্ষা করবে। “ওরা কি আমাকেও মেরে ফেলবে?” আমি জিজ্ঞেস করলাম। হ্যাঁ, তিনি আমাকে বললেন, সুযোগ পেলে তারা তাই করত। কিন্তু এরপর তিনি আমাকে আশ্বস্ত করে বললেন যে, এই ধরনের মানুষদের হাতে কখনোই তাদের মনের ইচ্ছা পূরণ করার মতো ক্ষমতা আসবে না। এটি এখানে ঘটা সম্ভব নয়।<br>আমি স্বীকার করছি যে আমি কৃতজ্ঞ কারণ ডোনাল্ড ট্রাম্প রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগেই আমার বাবা মারা গেছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে, ২০১৭ সালে শার্লটসভিলে টিকি-টর্চ হাতে নাৎসি হতে চাওয়া লোকজন “ইউনাইট দ্য রাইট” এর হয়ে মিছিল করেনি এবং “ইহুদিরা আমাদের জায়গা নিতে পারবে না!” বলে চিৎকার করেনি। ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগে তাদের কেউ পাল্টা বিক্ষোভকারীদের ওপর গাড়ি তুলে দিয়ে হেদার হেয়ারকে হত্যা করেনি এবং ট্রাম্প এই পুরো ঘটনা নিয়ে এমন মন্তব্য করেননি যে “উভয় পক্ষেই খুব ভালো মানুষ ছিল।” হয়ত নিউ ইয়র্কে সেদিন দেখা সেই তুচ্ছ ছোট দলটি আমাকে বেঁচে থাকতে দিত, আবার হয়ত দিত না। সেই সময় দেশে জন্মানো ফ্যাসিবাদীরা খুব বিরল ছিল এবং তাদের হাতে সেই ধরনের কোনো ক্ষমতা ছিল না।
** রেবেকা গর্ডন, [https://www.msn.com/en-us/news/world/the-right-s-attempted-extermination-campaign-of-queer-people-is-textbook-fascism/ar-AA1doVnf?ocid=msedgntp&cvid=0d5f12e7a48447b182bb5a96d57d9a4e&ei=7/ কুইয়ার বা সমকামী মানুষদের ওপর ডানপন্থীদের বিনাশী অভিযান হলো পাঠ্যবইয়ের ফ্যাসিবাদের মতো] (৪ জুলাই ২০২৩), ''দ্য নেশন''।
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন আন্দোলন এবং তার দখল করা রিপাবলিকান দল ফ্যাসিবাদের কোনো রূপ কি না, তা নিয়ে কেন মাথা ঘামানো উচিত? উত্তর হলো: কারণ ফ্যাসিবাদের যুক্তি অনিবার্যভাবে বিনাশের রাজনীতির দিকে নিয়ে যায়। তার এই এমএজিএ আন্দোলনকে ফ্যাসিবাদ হিসেবে বর্ণনা করলে এটি যে অস্তিত্ব রক্ষার জন্য হুমকি তা বোঝা সহজ হয়, এটি কেবল একটি গণতান্ত্রিক সমাজের জন্যই নয় বরং এর ভেতরে থাকা নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর জন্যও হুমকি।<br>আমি জানি এটি আতঙ্ক ছড়ানোর মতো শোনাতে পারে, তবে আমার মনে হয় এটি সত্য: এই দেশের প্রাক-ফ্যাসিবাদী শক্তিগুলো দেখিয়েছে যে তারা ক্ষমতা অর্জন এবং তা ধরে রাখার জন্য সমকামী মানুষদের নিশ্চিহ্ন করতে দিন দিন আরও বেশি আগ্রহী হয়ে উঠছে। যদি আমি ঠিক হয়ে থাকি, তবে এর অর্থ হলো সব আমেরিকান, সমকামী হোক বা না হোক, এখন এক অস্তিত্ব রক্ষার হুমকির মুখে আছে। এমএজিএ আন্দোলনের লক্ষ্যবস্তু নয় এমন মানুষদের উদ্দেশ্যে আমি ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথাগুলো একটু ঘুরিয়ে বলতে চাই: শেষ পর্যন্ত তারা আপনার পেছনেই আসবে। আমরা কেবল মাঝে দাঁড়িয়ে আছি।
** রেবেকা গর্ডন, [https://www.msn.com/en-us/news/world/the-right-s-attempted-extermination-campaign-of-queer-people-is-textbook-fascism/ar-AA1doVnf?ocid=msedgntp&cvid=0d5f12e7a48447b182bb5a96d57d9a4e&ei=7/ কুইয়ার বা সমকামী মানুষদের ওপর ডানপন্থীদের বিনাশী অভিযান হলো পাঠ্যবইয়ের ফ্যাসিবাদের মতো] (৪ জুলাই ২০২৩), ''দ্য নেশন''।
* ট্রাম্পের উপদেষ্টারা মনে করতেন যে তার অহংকার এবং গর্ব তাকে সঠিক এবং তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিতে বাধা দেয়। তার ব্যবস্থাপনার ধরণ ছিল অনেকটা নাগরদোলার মতো যা এদিক-সেদিক দুলত এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তার বোকা এবং মাঝেমধ্যে বেআইনি ধারণাগুলোকে ঠেকাতে বাধ্য করত। তাদের মধ্যে কেউ কেউ এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন যে, রাষ্ট্রপতি সেই দেশের জন্য এক দীর্ঘমেয়াদী এবং তাৎক্ষণিক বিপদ যাকে রক্ষা করার জন্য তিনি শপথ নিয়েছিলেন। তা সত্ত্বেও তারা এই ভেবে সান্ত্বনা পেতেন যে তাকে কোনো সংকটের মধ্য দিয়ে দেশ পরিচালনা করতে হয়নি। তবে ট্রাম্পের কাজ এবং কথাগুলোর ফলাফল ছিল বেদনাদায়ক। আইনের শাসনের ওপর তার আঘাত আমাদের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং আমেরিকানদের মনে এই ভয় জাগিয়ে দিয়েছে যে তারা আর মৌলিক নাগরিক অধিকার এবং কলঙ্কমুক্ত ন্যায়বিচারকে নিশ্চিত বলে ধরে নিতে পারবে না। বিদেশি জোটগুলোর প্রতি তার অবজ্ঞা বিশ্বে আমেরিকার নেতৃত্বকে দুর্বল করেছে এবং স্বৈরশাসকদের ক্ষমতাশালী করেছে। তার বর্বর অভিবাসন নীতি অভিবাসী শিশুদের তাদের পরিবারের কোল থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে। তার সংকীর্ণ কথাবার্তা শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীদের অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আসতে সাহসী করেছে। তবে অন্তত ২০২০ সালের আগে পর্যন্ত ট্রাম্পকে কোনো বিদেশি সামরিক হামলা, অর্থনৈতিক ধস বা জনস্বাস্থ্য সংকটের পরীক্ষা দিতে হয়নি।
** ক্যারল লিওনিগ এবং ফিলিপ রাকার, ''আই অ্যালোন ক্যান ফিক্স ইট: ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প'স ক্যাটাস্ট্রফিক ফাইনাল ইয়ার'' (২০২১), পৃষ্ঠা ১-২।
* ২০২০ সাল আমেরিকান ইতিহাসে যন্ত্রণা এবং চরম ব্যর্থতার বছর হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। করোনাভাইরাস অতিমারী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাঁচ লক্ষাধিক মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এবং কোটি কোটি মানুষকে সংক্রমিত করেছে, যা এক শতাব্দীর মধ্যে সবথেকে ভয়াবহ স্বাস্থ্য সংকট। প্রশাসনের অপারেশন ওয়ার্প স্পিড রেকর্ড সময়ে টিকা তৈরি করতে সাহায্য করলেও, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় রাষ্ট্রপতির অব্যবস্থাপনা, অযোগ্যতা আর অন্তর্কলহ স্পষ্ট ছিল। ২০২০ সালে ট্রাম্পের সামনে আসা সংকটগুলোর মধ্যে ভাইরাসটি কেবল একটি ছিল। অতিমারী অর্থনীতিকে স্থবির করে দিয়েছিল, দেশকে এক মন্দার মধ্যে ঠেলে দিয়েছিল যেখানে কম মজুরির শ্রমিকরা, যাদের মধ্যে অনেকেই সংখ্যালঘু, সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ২৫ মে শ্বেতাঙ্গ পুলিশ কর্মকর্তার হাঁটুর নিচে কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তি জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যু বর্ণবাদী বিচারের দাবি এবং পুলিশের বৈষম্য ও বর্বরতা বন্ধের আন্দোলনকে উস্কে দিয়েছিল। তবুও ট্রাম্প ব্যক্তিগত রাজনৈতিক লাভের জন্য এই বিভাজনকে কাজে লাগাতে চেয়েছিলেন। তিনি দ্রুত নিজেকে "আইন ও শৃঙ্খলার রাষ্ট্রপতি" হিসেবে ঘোষণা করেন এবং ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে সক্রিয় সেনা মোতায়েন করতে পেন্টাগন নেতাদের ওপর ক্রমাগত চাপ দিতে থাকেন। এদিকে জলবায়ু সংকট আরও খারাপ হলেও ট্রাম্প সেটিকে পুরোপুরি উপেক্ষা করেছিলেন, যিনি তার মেয়াদের শুরুতে পরিবেশগত নিয়মকানুন বাতিল করেছিলেন এবং প্যারিস চুক্তি থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নিয়েছিলেন। রাষ্ট্রপতি এর বদলে নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে সন্দেহ উস্কে দিতে ব্যস্ত ছিলেন। জো বাইডেনের কাছে হেরে যাওয়ার পর ট্রাম্প ষড়যন্ত্রের আগুন উস্কে দেন এবং অস্তিত্বহীন জালিয়াতি নিয়ে চিৎকার করতে থাকেন। সাজানো নির্বাচন নিয়ে তার মিথ্যা দাবি হাজার হাজার মানুষকে ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটলে এক সহিংস এবং শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ বিদ্রোহে উস্কে দিয়েছিল।
** ক্যারল লিওনিগ এবং ফিলিপ রাকার, ''আই অ্যালোন ক্যান ফিক্স ইট: ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প'স ক্যাটাস্ট্রফিক ফাইনাল ইয়ার'' (২০২১), পৃষ্ঠা ২।
* বিপদ থেকে বেরিয়ে আসার জন্য ট্রাম্পের সাধারণ কৌশলগুলো ভয় দেখানো, বাগাড়ম্বর এবং কারসাজি অতিমারী মোকাবিলায় অকেজো প্রমাণিত হয়েছে। তিনি সুখের কথা বলে বাস্তবতাকে ঢেকে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি এমন সব প্রতিকারের কথা বলেছিলেন যা কখনোই বাস্তবায়িত হয়নি। তিনি রোগীদের শরীরে ব্লিচ ইনজেকশন দেওয়ার মতো বিপজ্জনক এবং অপ্রমাণিত চিকিৎসার কথা বলেছিলেন। তিনি ডক্টর অ্যান্থনি ফাউসির মতো বিশেষজ্ঞদের মুখ বন্ধ করার চেষ্টা করেছিলেন, যারা তার দুর্বল দাবিগুলোকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন এবং রাষ্ট্রপতির চেয়েও বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন। তিনি নিজে মাস্ক পরে উদাহরণ তৈরি করতে অস্বীকার করেছিলেন। জরুরি পরিস্থিতি সামলাতে ব্যস্ত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং অঙ্গরাজ্যের গভর্নরদের সাথে তিনি বিবাদে জড়িয়ে পড়েছিলেন এবং যারা তার অগোছালো কাজের প্রশংসা করেনি তাদের ওপর চড়াও হয়েছিলেন। তিনি কেবল আমেরিকানদের নিরাপদ রাখতেই ব্যর্থ হননি, তিনি নিজেকেও নিরাপদ রাখতে পারেননি। ২০২০ সালের অক্টোবর মাসে ট্রাম্প কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন, যা তার অপরাজেয় হওয়ার মিথ্যা অহংকারকে ভেঙে দেয়।
** ক্যারল লিওনিগ এবং ফিলিপ রাকার, ''আই অ্যালোন ক্যান ফিক্স ইট: ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প'স ক্যাটাস্ট্রফিক ফাইনাল ইয়ার'' (২০২১), পৃষ্ঠা ৫।
* করোনাভাইরাস বিশ্বকে বদলে দিয়েছে, মানুষের কাজের ধরণ, পরিবারের জীবনযাপন এবং সমাজের রূপ পরিবর্তন করে দিয়েছে। এই গভীর পরিবর্তনগুলো মন্দার কারণে আরও ত্বরান্বিত হয়েছে এবং ফ্লয়েড হত্যার পরবর্তী উত্তেজনায় আরও তীব্র হয়েছে। তবে ট্রাম্প মূলত দেশের একটি সংখ্যালঘু অংশের জন্য তার কট্টর রাজনৈতিক সমর্থকদের জন্য শাসন পরিচালনা করেছেন। তিনি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার বা অতিমারী পরবর্তী আমেরিকার কথা ভাবার চেষ্টা করেননি। তিনি সেই সব শ্বেতাঙ্গদের ক্ষোভ আর অসন্তোষকে উস্কে দিয়েছিলেন যারা অর্থনৈতিকভাবে হুমকি এবং মানসিকভাবে কোণঠাসা বোধ করছিল। তিনি আমেরিকানদের এক পক্ষকে অন্য পক্ষের বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি বর্ণবাদী শব্দ ব্যবহার করেছিলেন এবং তার বিশাল সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোকে ঘৃণার বার্তা ছড়াতে ব্যবহার করেছিলেন। প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের আফ্রিকান আমেরিকান স্টাডিজ বিভাগের প্রধান এডি গ্লড জুনিয়র বলেন, "আমেরিকা সম্পর্কে তার দৃষ্টিভঙ্গি সংকীর্ণ, মান্ধাতা আমলের এবং কলুষিত।" তিনি আরও বলেন, "অনেক দিক থেকেই ডোনাল্ড ট্রাম্প এক পুরোনো আমেরিকার মৃত্যু যন্ত্রণার প্রতিনিধিত্ব করেন, যা অত্যন্ত উচ্চকিত এবং সহিংস।" রাষ্ট্রপতির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করা সরকারের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার বিক্ষোভ মোকাবিলায় ট্রাম্পের আচরণের সাথেনাৎসি জার্মানিতে অ্যাডলফ হিটলারের ক্ষমতায় আসার মিল খুঁজে পেয়েছেন।
** ক্যারল লিওনিগ এবং ফিলিপ রাকার, ''আই অ্যালোন ক্যান ফিক্স ইট: ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প'স ক্যাটাস্ট্রফিক ফাইনাল ইয়ার'' (২০২১), পৃষ্ঠা ৫।
* আমি এই [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|রাষ্ট্রপতি]]র হয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি। তিনি আমাদের জন্য লড়াই করেছেন এবং তাই আমরা সেটির ওপরই অবিচল থাকব।
** [[কেলি লোফ্লর]], [https://www.foxnews.com/transcript/sen-loeffler-warnocks-values-are-out-of-step-with-georgia সিনেটর লোফ্লর: ওয়ারনকের মূল্যবোধ জর্জিয়ার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়] খবর অনুযায়ী (৩ জানুয়ারি ২০২০)।
* আমরা কোনো না কোনোভাবে আবার ফিরে আসব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২১-০১-২০ | লেখক = কেভিন লিপটাক | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2021/01/20/politics/donald-trump-leaves-white-house/index.html |শিরোনাম=ক্ষমতার মেয়াদ শেষ হওয়ার সাথে সাথে সমাজচ্যুত হয়ে ওয়াশিংটন ত্যাগ করলেন ট্রাম্প |প্রকাশক=সিএনএন}}
* ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'' সোমবার একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেছে যা আমাদের [[মুক্তি]], [[গণতন্ত্র]] এবং সাংবিধানিক শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল যে কারো জন্য আতঙ্কজনক। সেই প্রতিবেদনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণার পূর্ণ সহযোগিতায় বর্ণনা করা হয়েছে যে, ২০২৪ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে তিনি কীভাবে তার ক্ষমতার ওপর থাকা নির্বাহী বিভাগের বাধাগুলো দূর করার পরিকল্পনা করছেন।<br>সেই দূর করার তালিকায় থাকা বাধাগুলোর মধ্যে রয়েছে একটি স্বাধীন বিচার বিভাগ, প্রশাসনিক সংস্থাগুলোর স্বাধীন নেতৃত্ব এবং একটি স্বাধীন সিভিল সার্ভিস। আমেরিকার রাষ্ট্রপতিত্ব নিয়ে দেশের অন্যতম পরিচিত গবেষক রিচার্ড নিউস্টাড বলেছেন যে, একটি সাংবিধানিক গণতন্ত্রে প্রধান নির্বাহী “আদেশ দেওয়ার মাধ্যমে ফলাফল পান না।<br>... তিনি বিতর্ক ছাড়া কোনো কাজ আদায় করতে পারেন না। রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা হলো মানুষকে রাজি করানোর ক্ষমতা।” ট্রাম্পের পরিকল্পনা সংবিধানের প্রতি আনুগত্যের বদলে তার নিজের প্রতি আনুগত্যের কথা বলে। এই দৃষ্টিভঙ্গি একইসাথে ভীতিকর এবং প্রত্যাশিত। ২০১৯ সালে তিনি বলেছিলেন, “রাষ্ট্রপতি হিসেবে আমার যা খুশি তাই করার অধিকার আছে।” আর ডিসেম্বরে ট্রাম্প “সংবিধান বিলুপ্তির” আহ্বান জানিয়েছিলেন।<br>আসলে তিনি ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটলে দাঙ্গার আগে ঠিক সেটিই করার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নির্বাচনী বিজয় পাল্টে দেওয়ার জন্য অঙ্গরাজ্য কর্মকর্তাদের ওপর চাপ দিয়েছিলেন, বিচার বিভাগকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছিলেন এবং নির্বাচন উল্টে দেওয়ার জন্য উপ-রাষ্ট্রপতি মাইক পেন্সকে ভয় দেখিয়েছিলেন।
** অস্টিন সারাত এবং ডেনিস আফটারগাট, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/is-america-on-the-brink-of-tyranny-trump-s-plan-if-elected-in-2024-should-frighten-us-all/ar-AA1e6K0y?ocid=msedgntp&cvid=1d908091b99b488496691c7d51ab2efe&ei=5/ আমেরিকা কি স্বৈরতন্ত্রের দ্বারপ্রান্তে? ২০২৪ সালে ট্রাম্প নির্বাচিত হলে তার পরিকল্পনা আমাদের সবার জন্য ভায়ের কারণ হওয়া উচিত।] (২০ জুলাই ২০২৩), ''ইউএসএ টুডে''।
* ''টাইমসের'' প্রতিবেদনে ওভাল অফিসে ফিরে আসলে নির্বাহী কর্তৃত্বের এই নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণের ২০২৫ সালের রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে। আসলে সেই নিবন্ধে বর্ণনা করা হয়েছে কীভাবে তার দল আমাদের সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্রের বদলে একটি কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্র তৈরি করবে। এমন একটি রাষ্ট্র সরকারি কর্মচারীদের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে চায়। আমলাতন্ত্র সম্পর্কে ভালো কথা বলা অজনপ্রিয় হতে পারে, তবে ফেডারেল কর্মীদের দক্ষতা, বিশেষজ্ঞ মতামত এবং আইনের মাধ্যমে শাসনের প্রতি দায়বদ্ধতা একটি গণতান্ত্রিক সরকারের জন্য অপরিহার্য।<br>কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্রের একটি সংজ্ঞা হলো এটি একক নেতার হাতে ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ দ্বারা চিহ্নিত করা যায়, যা নিজেকে একটি “প্রয়োজনীয় মন্দ” হিসেবে সমর্থন করে। এই ধরণের নিয়ন্ত্রণে অবশ্যই সামাজিক স্বাধীনতার ওপর কঠোর সরকারি বিধিনিষেধ থাকে, যেমন রাজনৈতিক বিরোধীদের দমন এবং শাসন-বিরোধী কার্যক্রম বন্ধ করা।
এই বৈশিষ্ট্যগুলোই ২০২৫ সালের সেই নীল নকশায় উঠে এসেছে যা ট্রাম্পের প্রচার দল টাইমসের প্রতিবেদনের মাধ্যমে জনগণকে দেখাতে চেয়েছিল। প্রতিবেদনে যেমনটি বলা হয়েছে, ট্রাম্প নির্বাচিত হলে তার হাতে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করার লক্ষ্যের জন্য তারা একটি ভিত্তি তৈরি করছে।<br>''টাইমস'' ট্রাম্পের ২০২০ সালের হোয়াইট হাউসের কর্মী পরিচালক জন ম্যাকএন্টি-র উক্তি উদ্ধৃত করেছে, যিনি রাষ্ট্রপতির ওপর ভারসাম্য রক্ষার নিয়মগুলো প্রত্যাখ্যান করার পক্ষে কথা বলেছেন: “আমাদের বর্তমান নির্বাহী বিভাগ উদারপন্থীদের দ্বারা তাদের নীতি প্রচারের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল। ... যা প্রয়োজন তা হলো পুরো ব্যবস্থার সংস্কার।”
** অস্টিন সারাত এবং ডেনিস আফটারগাট, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/is-america-on-the-brink-of-tyranny-trump-s-plan-if-elected-in-2024-should-frighten-us-all/ar-AA1e6K0y?ocid=msedgntp&cvid=1d908091b99b488496691c7d51ab2efe&ei=5/ আমেরিকা কি স্বৈরতন্ত্রের দ্বারপ্রান্তে? ২০২৪ সালে ট্রাম্প নির্বাচিত হলে তার পরিকল্পনা আমাদের সবার জন্য ভায়ের কারণ হওয়া উচিত।] (২০ জুলাই ২০২৩), ''ইউএসএ টুডে''।
* আসলে সংবিধান প্রণেতারা ক্ষমতার বিকেন্দ্রকরণের মাধ্যমেই নির্বাহী বিভাগসহ অন্য দুটি বিভাগ তৈরি করেছিলেন। এমনকি আলেকজান্ডার হ্যামিল্টন, যিনি নির্বাহী বিভাগের শক্তির পক্ষে ছিলেন, তিনিও বলেছিলেন যে স্বৈরতন্ত্রের পথ তখনই তৈরি হয় যখন সরকারি কর্মকর্তারা “একক ব্যক্তির নিরঙ্কুশ ক্ষমতার আশ্রয়ে যেতে বাধ্য হন।”<br>জেমস ম্যাডিসন এবং হ্যামিল্টন দুজনেই ''দ্য ফেডারেলিস্ট ৪৮''-এ সতর্ক করেছিলেন যে “ক্ষমতা স্বভাবতই গ্রাসকারী।” সেই কারণে ''দ্য ফেডারেলিস্ট ৫১'' অনুযায়ী, “উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে উচ্চাকাঙ্ক্ষা দিয়েই প্রতিহত করতে হবে।”<br>সেই সময় প্রণেতারা যে সংকটের মুখোমুখি হয়েছিলেন তা ছিল: একজনকে অবশ্যই “সরকারকে শাসিতদের নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম করে তুলতে হবে; এবং পরবর্তী ধাপে, সরকারকে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে বাধ্য করতে হবে।”<br>ট্রাম্পের ২০২৫ সালের রূপরেখা রাষ্ট্রপতির ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ শেষ করে দেবে যাতে তিনি শাসিতদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করতে পারেন।
** অস্টিন সারাত এবং ডেনিস আফটারগাট, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/is-america-on-the-brink-of-tyranny-trump-s-plan-if-elected-in-2024-should-frighten-us-all/ar-AA1e6K0y?ocid=msedgntp&cvid=1d908091b99b488496691c7d51ab2efe&ei=5/ আমেরিকা কি স্বৈরতন্ত্রের দ্বারপ্রান্তে? ২০২৪ সালে ট্রাম্প নির্বাচিত হলে তার পরিকল্পনা আমাদের সবার জন্য ভায়ের কারণ হওয়া উচিত।] (২০ জুলাই ২০২৩), ''ইউএসএ টুডে''।
* ক্ষমতার বিভাজনের সাথে আমাদের প্রতিষ্ঠাতা দলিলগুলো যে প্রধান বাধা তৈরি করেছে তা হলো আইনের শাসন। এই কারণেই ট্রাম্পের নির্বাহী বিভাগের আমূল পরিবর্তনের পরিকল্পনা শুরু হয়েছে “ওয়াটারগেট পরবর্তী বিচার বিভাগের ওপর হোয়াইট হাউসের রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের নিয়ম” শেষ করার মাধ্যমে।<br>প্রসেকিউটরদের ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকলে একজন রাষ্ট্রপতি তা বন্ধুদের সুবিধা দিতে, শত্রুদের ধ্বংস করতে এবং সাধারণ নাগরিকদের ভয় দেখাতে ব্যবহার করতে পারেন যারা সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন।<br>এটি আমেরিকান স্বাধীনতার মৃত্যুঘণ্টা বাজিয়ে দেবে। ১৭শ শতাব্দীর রাজনৈতিক দার্শনিক [[জন লক]], যার লেখা স্বাধীনতা ঘোষণার লেখকদের অনুপ্রাণিত করেছিল, তিনি লিখেছিলেন, “যেখানে আইনের শেষ, সেখানেই স্বৈরতন্ত্রের শুরু।” অথবা যেমন ব্লেক স্মিথ গত বছর ফরেন পলিসির একটি নিবন্ধে লিখেছিলেন, “রাষ্ট্রের কার্যকারিতা এবং ব্যক্তিগত জীবনকে একটি আলাদা, অরাজনৈতিক এবং স্বাধীন ক্ষেত্র হিসেবে টিকিয়ে রাখার জন্য আমলাতান্ত্রিক আদর্শ অপরিহার্য।”<br>আমেরিকার সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্র হিসেবে প্রথম দশকের শেষে জর্জ ওয়াশিংটন স্বেচ্ছায় তৃতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি না হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যাতে দেশকে রাষ্ট্রপতির আমৃত্যু শাসনের স্বৈরতন্ত্রের পথে না ঠেলে দেওয়া হয়। তিনি রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে বিপ্লব থেকে বুঝেছিলেন যে একজন ব্যক্তির হাতে ক্ষমতা কুক্ষিগত করাই হলো স্বৈরতন্ত্রের মূল লক্ষ্য।<br>২০২৪ সালে ভোটাররা যদি ট্রাম্পকে নির্বাচিত করেন, তবে তিনি তার দলের ফাঁস করা সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবেন। ফলাফল সহজেই অনুমান করা যায়। সংবিধানের বদলে ট্রাম্পের প্রতি অনুগত আমলাতন্ত্র অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনকে ইতিহাসের আবর্জনায় পাঠিয়ে দেবে, সাথে নাগরিক অধিকারের বিল এবং সেই স্বাধীনতাগুলোকেও যা রক্ষার জন্য এই বিল তৈরি করা হয়েছিল।
** অস্টিন সারাত এবং ডেনিস আফটারগাট, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/is-america-on-the-brink-of-tyranny-trump-s-plan-if-elected-in-2024-should-frighten-us-all/ar-AA1e6K0y?ocid=msedgntp&cvid=1d908091b99b488496691c7d51ab2efe&ei=5/ আমেরিকা কি স্বৈরতন্ত্রের দ্বারপ্রান্তে? ২০২৪ সালে ট্রাম্প নির্বাচিত হলে তার পরিকল্পনা আমাদের সবার জন্য ভায়ের কারণ হওয়া উচিত।] (২০ জুলাই ২০২৩), ''ইউএসএ টুডে''।
==আরও দেখুন==
* [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* [[বারাক ওবামা]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন]]
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী}}
[[বিষয়শ্রেণী:ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতিত্ব| ]]
ozr2se28dz9bggs6jgvr6emeg1jg6v9
ডাব্লিউডাব্লিউই র
0
11980
73906
73465
2026-04-05T16:43:02Z
R1F4T
1240
73906
wikitext
text/x-wiki
== ১৯৯৩ ==
=== ১৪ জুন ===
:'''মিন জিন ওকারলান্ড''': আমরা এখানে এইমাত্র শেষ হওয়া [[w:কিং অফ দ্য রিং|কিং অফ দ্য রিং]] অনুষ্ঠানে আছি। আমার সাথে আছেন নতুন ওয়ার্ল্ড রেসলিং ফেডারেশন চ্যাম্পিয়ন ইয়োকোজুনা এবং তার ম্যানেজার মিস্টার ফুজি। এর আগে এক সাক্ষাৎকারে আপনি বলেছিলেন যে আপনি এখানে আমেরিকায় একটি উদযাপন করবেন। কিন্তু কেন?
:'''মিস্টার ফুজি''': কেন? সহজ ব্যাপার। কারণ আমার ইয়োকোজুনা এই সুন্দর আমেরিকাতেই ডাব্লিউডাব্লিউএফ হেভিওয়েট বেল্ট জিতেছে। তাই ইয়োকোজুনা আর আমি আমেরিকাতেই আনন্দ করব।
:'''মিন জিন''': এই উদযাপন ঠিক কবে হবে?
:'''মিস্টার ফুজি''': সম্ভবত ৪ জুলাই।
:'''মিন জিন''': আরে এক মিনিট দাঁড়ান। ৪ জুলাই তো একটা বড় ছুটির দিন। আসলে ৪ জুলাই হলো আমেরিকার জন্মদিন। আপনি ৪ জুলাই কেন উদযাপন করতে চাইছেন?
:'''মিস্টার ফুজি''': কেন? কারণ আমেরিকা যখন স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করবে তখন ইয়োকোজুনা আর মিস্টার ফুজি আমেরিকার সাথেই আনন্দ করবে।
:'''মিন জিন''': এই উদযাপন কোথায় হবে?
:'''মিস্টার ফুজি''': আঃ... হয়তো আমেরিকার কোনো সুন্দর ঐতিহাসিক জায়গায়। কোনো এক ঐতিহাসিক স্থানে!
:'''মিন জিন''': এক মিনিট মিস্টার ফুজি আপনি নিশ্চয়ই মজা করছেন। এটা তো জঘন্য ব্যাপার!
:'''মিস্টার ফুজি''': কী?
:'''মিন জিন''': আমার মনে হয় আপনি আসলে আমেরিকার একটি ছুটির দিনকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা করছেন তাই না?!
:'''মিস্টার ফুজি''': না না না না...
:'''মিন জিন''': আপনি আর ইয়োকোজুনা মিলে... আমরা কি আপনাদের কাছ থেকে এটাই আশা করব?! যা হোক!
:'''ইয়োকোজুনা''': ইয়োশ নে। হাল্কাম্যানিয়া শেষ!
=== ২ আগস্ট ===
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': ১-২-৩ কিড আর রেজর র্যামোনের জন্য কী চমৎকার এক জয়। রিংয়ের পাশে থেকে রেজর র্যামোন যেন কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিয়ে সামারস্ল্যামের লড়াইকে আরও জমিয়ে তুললেন। আমি আপনাদের বলছি এটা অসাধারণ কিছু হতে যাচ্ছে। টেড ডিবিয়াসি খুব খুব আপসেট।
:'''ববি "দ্য ব্রেইন" হিনান''': ম্যাকম্যান আপনি এখন টেড ডিবিয়াসি, মিলিয়ন ডলার ম্যান এবং মানি ইনকর্পোরেটেডের মতো শত্রুদের খেপিয়ে দিয়েছেন। আপনি রিংয়ের ভেতর কী করবেন সেটা আপনার ব্যাপার। কিন্তু যখন আপনি লড়াইয়ে নামবেন...
:''[ভিন্স এবং ববি লক্ষ্য করলেন কেউ একজন রিংয়ে ঢুকেছেন]''
:'''ভিন্স''': ব্যবসার কথা তো হলো কিন্তু এই লোক এখানে কী করছেন?
:'''ববি''': আরে এক মিনিট দাঁড়ান!!
:'''ভিন্স''': এখানে তার কোনো কাজ নেই।
:'''ববি''': আপনি কি জানেন? আপনি কি জানেন উনি কে?! আপনার কি কোনো ধারণা আছে যে... আপনি কি জানেন উনি কে?! জিমি! জিমি!
:'''ভিন্স''': জিম করনেট। বেশি উত্তেজিত হবেন না। ববি হিনানকে আমি কখনও এত খুশি হতে দেখিনি। এটা কী হচ্ছে?! ''[ববি এবং জিম করনেট রিংয়ের মাঝে একে অপরকে জড়িয়ে ধরলেন]'' আরে দেখুন! স্মোকি মাউন্টেন রেসলিংয়ের সেই পুরনো জুটির পুনর্মিলন হলো!
:'''ববি''': ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ আমি এটা বিশ্বাস করতে পারছি না! আমি একদমই বিশ্বাস করতে পারছি না! আপনারা কি জানেন উনি কে?! আপনাদের কি কোনো ধারণা আছে যে এই লোকটা কে?! ''[জিমকে]'' না এখন আমি কথা বলব। তুমি শোনো! শান্ত হও। আমি তোমার হয়ে কথা বলছি। ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ ইনি হচ্ছেন কুস্তি খেলার ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ ম্যানেজার! হ্যাঁ! আমি নিজে যা করেছি তাও এই লোকের সাফল্যের ধারেকাছে নেই। জিম করনেট আপনি ডাব্লিউডাব্লিউএফএ কী করছেন?
:'''জিম করনেট''': প্রথমত ববি আমি একটা কথা বলতে চাই। আমি রেসলিংয়ের সেরা ম্যানেজার শুধুমাত্র এই কারণে যে তুমি এখন আর ম্যানেজারি করছ না। আমাকে বলতেই হবে... আর হ্যাঁ তুমি যে ফুলের তোড়াটা পাঠিয়েছিলে তা আমার মায়ের খুব পছন্দ হয়েছে। তবে জানো তো? সবাই ভাবছে "জিম করনেট..."। আমি জানি এখানকার মানুষগুলো অবাক হয়ে হাঁ করে আছে। তারা ভাবছে জিম করনেট ডাব্লিউডাব্লিউএফএ!
:'''ববি''': জিম আমাকে বলো স্মোকি মাউন্টেন রেসলিংয়ের খবর কী?
:'''জিম''': আমি এই সব বুদ্ধিহীন মানুষদের একটু বুঝিয়ে বলি। জিম করনেট তার ক্যারিয়ারে সবকিছু করেছে। আমি পেশাদার কুস্তিতে সব অর্জন করেছি। আমি এক প্রান্তর থেকে অন্য প্রান্তরে ঘুরেছি। রেসলিংয়ের সেরা ট্যাগ টিমগুলোকে ম্যানেজ করেছি। শুধু একটা কাজ করা বাকি ছিল সেটা হলো ওয়ার্ল্ড রেসলিং ফেডারেশনে আসা। আমি এখন সেটা করতে এসেছি কারণ আমার কাছে তুরুপের তাস আছে।
:দেড় বছর আগে আমি টেনেসি অঙ্গরাজ্যের নক্সভিলের সেই সুন্দর স্মোকি মাউন্টেনে থাকতে শুরু করি এবং দক্ষিণের সবচেয়ে জনপ্রিয় রেসলিং প্রমোশন স্মোকি মাউন্টেন রেসলিংয়ের সাথে যুক্ত হই। সেখানে আমি নিজেই বেছে নিয়ে এক ট্যাগ টিম তৈরি করেছি যারা সেরাদের সেরা এবং আমার ম্যানেজ করা ট্যাগ টিমগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠ। তারা আর কেউ নয় দ্য হেভেনলি বডিজ: ডক্টর অফ ডিজায়ার টম প্রিচার্ড এবং জিগোলো জিমি ডেল রে। তারা নিঃসন্দেহে আমেরিকার প্রতিটি নারীর আকাঙ্ক্ষার পাত্র।
:'''ববি''': কী এক সারপ্রাইজ! জিম তুমি আমাকে অবাক করা বন্ধ করো না!
:'''জিম''': ঠিক তাই আর আমার কাছে আরও সারপ্রাইজ আছে। আমি এখানে একটা কারণেই এসেছি। কারণ আমি রেসলিংয়ের সেরা ট্যাগ টিম হেভেনলি বডিজকে ম্যানেজ করি। তারা দেড় বছর ধরে স্মোকি মাউন্টেন রেসলিং শাসন করেছে। আর এখন আমি শুনছি এখানে রিক আর স্কট স্টাইনার নামের কিছু রাঘব বোয়াল আছে... ''[দর্শকদের উল্লাস দেখে]'' হ্যাঁ।
:'''ভিন্স''': ওহ ভাই করনেট মোটেও সময় নষ্ট করছেন না।
:'''ববি''': ওরা তো ডাব্লিউডাব্লিউএফ ট্যাগ টিম চ্যাম্পিয়ন।
:'''জিম''': ঠিক তাই। ওরা ডাব্লিউডাব্লিউএফ ট্যাগ টিম চ্যাম্পিয়ন ঠিকই কিন্তু ওরা বিশ্বের সেরা নয়। বিশ্বের সেরা হলো হেভেনলি বডিজ। তাই রিক আর স্কট স্টাইনার আমি এখন আমার শেষ চাল চালার জন্য তৈরি। স্টাইনার ব্রাদার্স তোমাদের সামনে চ্যালেঞ্জ রাখা হলো। হয় তোমরা হেভেনলি বডিজের বিরুদ্ধে রিংয়ে নামো বেল্ট বাঁচানোর লড়াই করো এবং হেরে যাও। অন্তত লোকে জানবে যে তোমাদের সাহস ছিল। সেরাদের কাছে হারা লজ্জার কিছু নয়। আর যদি আমার চ্যালেঞ্জ এড়িয়ে যাও তবে সবাই জানবে যে তোমরা আসলে হীন নোংরা কুত্তার মতো ভিতু কাপুরুষ। আর আমি জানি যে তোমরা ঠিক তাই।
:'''ববি''': ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ এই লোকটা ডাব্লিউডাব্লিউএফ কাঁপিয়ে দেবে! আর জিমি তুমিই সেটা করতে পারো! তুমি এসেছ! তুমি সত্যিই এসেছ!
== ১৯৯৪ ==
=== ৭ নভেম্বর ===
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': এই মুহূর্তে মাচো ম্যান র্যান্ডি স্যাভেজ এখানে নেই। আমাকে দুঃখের সাথে জানাতে হচ্ছে যে র্যান্ডি স্যাভেজ ওয়ার্ল্ড রেসলিং ফেডারেশনের সাথে নতুন কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেননি। র্যান্ডি আমি জানি তুমি হয়তো শুনছ। ওয়ার্ল্ড রেসলিং ফেডারেশনের পক্ষ থেকে তোমার সব ভক্তদের পক্ষ থেকে এবং অবশ্যই তোমার এক নম্বর ভক্ত হিসেবে আমি তোমাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। এত বছর ধরে আমাদের সাথে থাকার জন্য এবং চমৎকার সব স্মৃতি উপহার দেওয়ার জন্য তোমাকে অনেক ধন্যবাদ। আমরা তোমার মঙ্গল কামনা করি। ভালো থেকো এবং তোমার ভবিষ্যৎ যাত্রা শুভ হোক।
=== ২৮ নভেম্বর ===
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': ঠিক আছে চলুন আপনাদের [[w:সারভাইভার সিরিজ|সারভাইভার সিরিজ]] থেকে ঘুরিয়ে আনি। এক অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্স! শন মাইকেলস রিংয়ে ঢোকার আগ পর্যন্ত ডিজেল একাই অন্য দলের সবাইকে প্রায় শেষ করে দিয়েছিলেন। আমার মনে হয় সেটাই ছিল সহ্যের শেষ সীমা।
:'''ডিজেল''': দেখুন আমাদের পরিকল্পনা ছিল আমরা টিমস্টার হিসেবে এক হয়ে লড়ব। আমরা দেখাতে চেয়েছিলাম আমরা দল হিসেবে কত শক্তিশালী। কিন্তু আমি রিংয়ে ঢোকার পর শন ঠিক করল যে আমিই রিংয়ে থাকব। যখন আমার দম ফুরিয়ে আসছিল শন ভাবল আমাকে আরও কিছুক্ষণ রিংয়ে রাখা দরকার। আমি রেজর র্যামোনকে জ্যকনাইফ পাওয়ারবম্ব দিলাম আর ঠিক তখনই শন মাইকেলস ট্যাগ করতে চাইল। কারণ আমরা সবাই জানি শন কতটা প্রচারের আলোয় থাকতে ভালোবাসে তাই না?
:'''ভিন্স''': ওহ হ্যাঁ সেটা আমরা খুব ভালো করেই জানি। তবে সে যা চেয়েছিল তা ঠিক পায়নি। সত্যি বলতে আমরা তাকে শেষবার তার গাড়িতে করে শহর ছেড়ে পালিয়ে যেতে দেখেছি।
:'''ডিজেল''': শন মাইকেলস তুমি যেখানেই থাকো না কেন তোমার জন্য আমার একটা বার্তা আছে। সারভাইভার সিরিজে হয়তো তুমি পালিয়ে গেছ। কিন্তু আমি বলছি সেদিন রাতে যদি তোমাকে হাতে পেতাম তবে তুমি আর বেঁচে ফিরতে পারতে না।
:'''ভিন্স''': তবে আপনি টিকে আছেন। সত্যি বলতে শন মাইকেলস যখন ট্যাগ টিম চ্যাম্পিয়নশিপ বেল্ট ময়লার ঝুড়িতে ফেলে দিল তখনই আপনাদের জুটিতে ভাঙন ধরল। তাই জ্যাক টুনিকে একটা সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল। ব্রেট হার্ট সাময়িকভাবে লড়াইয়ের বাইরে থাকায় ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে আপনাকে এক নম্বর দাবিদার হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। সেদিন আপনার কেমন লেগেছিল? সেই দিনের কথা কি আমাদের একটু বলবেন?
:'''ডিজেল''': সেদিন আমি রাত ৪টায় ঘুম থেকে উঠে পড়ি কারণ আমার ঘুম আসছিল না। সকাল ৮টায় পিটসবার্গ থেকে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু আমি তার আগেই রওনা দিই যাতে শহরে জলদি পৌঁছাতে পারি। এয়ারপোর্ট থেকে ট্যাক্সি নিয়ে শহরে এলাম এবং রাস্তায় হাঁটতে লাগলাম। নিউ ইয়র্ক সিটির রাস্তায় হাঁটার সময় মানুষজন আমাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছিল। একেক জন যখন শুভেচ্ছা জানাচ্ছিল আমার আত্মবিশ্বাস বাড়ছিল। কয়েকশো মানুষ যখন আমাকে বলল "হেই বিগ ড্যাডি গার্ডেনে আজ বাজিমাত করে দাও। আমাদের জন্য সোনা নিয়ে এসো" তখন আমার মনে হলো সত্যিই জেতা সম্ভব। আর আজ বিগ ড্যাডির কাছেই সেই চ্যাম্পিয়নশিপ বেল্ট আছে!
:'''ভিন্স''': হ্যাঁ তবে আমার মনে হয় ক্রস-ফেস চিকেনউইঙের ওস্তাদ বব ব্যাকলান্ড আপনাকে এত সহজে ছেড়ে দেবেন না।
:'''ডিজেল''': হেই বব তোমার ওই বো-টাইগুলো বেশ নজরকাড়া। তবে তুমি একজন সত্যিকারের কুস্তিগীর এবং ভালো মানুষ আমি তোমাকে শ্রদ্ধা করি। যদি তুমি আমাকে ওই প্যাঁচে ফেলতে পারো তবে আমার জন্য বিপদ হবে। কিন্তু বব আগে তো আমাকে ধরতে হবে!
:'''ভিন্স''': সেটা হবে কি না তা সময়ই বলে দেবে। ব্রেট হার্ট আজ আমাদের দেখছেন উনি আপাতত বিশ্রামে আছেন। কিছুক্ষণ আগে ওনার সাথে ফোনে কথা হয়েছিল। ব্রেটের জন্য আপনার কি কোনো বার্তা আছে?
:'''ডিজেল''': আমি ব্রেটকে খুব ভালো করে চিনি না। জুনে [[w:কিং অফ দ্য রিং|কিং অফ দ্য রিং]] অনুষ্ঠানে ওর সাথে আমার ৩০ মিনিটের এক তুখোড় লড়াই হয়েছিল। ও একজন দারুণ লড়াকু এবং সত্যিকারের চ্যাম্পিয়ন। ব্রেট হার্টের কাছ থেকে যেভাবে বেল্ট কেড়ে নেওয়া হয়েছে তা আমার একদম পছন্দ হয়নি। কারণ আমি জানি এবং সবাই জানে যে ব্রেট যদি নিজে হার না মানত তবে সারভাইভার সিরিজ এখনও চলত।
:'''ভিন্স''': আমি আপনার সাথে একমত।
:'''ডিজেল''': আমি এখন চ্যাম্পিয়ন হয়েছি মাত্র কয়েক ঘণ্টা হলো। এটা আমার কাছে নতুন। তবে আমি ব্রেট হার্টের মতো একজন লড়াকু চ্যাম্পিয়ন হতে চাই। ব্রেট কখনও... ''[দর্শকদের উল্লাসে কথা থেমে গেল]''
:'''ভিন্স''': হ্যাঁ সর্বকালের সেরা লড়াকু চ্যাম্পিয়ন।
:'''ডিজেল''': ব্রেট কখনও চ্যালেঞ্জ ফিরিয়ে দেয়নি। আমি যেভাবে সুযোগ পেয়েছি তা নিয়ে হয়তো খুব গর্ব নেই কিন্তু ব্রেট সময়মতো লড়াই করেছে। ব্রেট এখন পরিবারের সাথে সময় কাটাও বিশ্রাম নাও। তোমার চোটের জন্য আমি দুঃখিত। তবে আমি কথা দিচ্ছি ব্রেট হার্ট যখন যেখানে চাইবে তুমি এই বেল্টের জন্য লড়াই করার সুযোগ পাবে। এটা বিগ ডির ওয়াদা।
:'''ভিন্স''': ঠিক আছে। শেষ কিছু বলবেন?
:'''ডিজেল''': ওয়ার্ল্ড রেসলিং ফেডারেশনে নতুন প্রজন্মের জয় হোক! ইয়েহ!
:'''ভিন্স''': এই তো আমাদের বিগ ড্যাডি কুল নতুন ডাব্লিউডাব্লিউএফ চ্যাম্পিয়ন!
== ১৯৯৫ ==
=== ২০ নভেম্বর ===
:''[ডিজেল রিংয়ে এসে সাভিও ভেগা এবং স্কিপের ম্যাচ থামিয়ে দিলেন]''
:'''ডিজেল:''' অনেকেই ভাবছে বিগ ড্যাডি কুলের মাথায় এখন কী চলছে। আমি ভাবলাম হয়তো ব্রেটের সাথে যা করেছি বা ভক্তদের সাথে যা করেছি তার জন্য ক্ষমা চাইব। কিন্তু একদম না! জানেন গত রাতে হোটেলে ফিরে আমি ভাবছিলাম ঘুম আসবে কি না। কিন্তু এক বছরের মধ্যে এই প্রথম আমি বাচ্চার মতো শান্তিতে ঘুমিয়েছি! আজ সকালে আয়নায় নিজেকে দেখে আমার মুখে হাসি ফুটে উঠল। এক বছর পর নিজেকে হাসতে দেখলাম। আমি কোনো কর্পোরেট পুতুল নই ভিন্স যা তুমি বানাতে চেয়েছিলে! না। তুমি এবার ভুল করে ফেলেছ! চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পরই আমাকে টাইটান টাওয়ারে মার্কেটিং আর মার্চেন্ডাইজিংয়ের লোকদের সাথে বসিয়ে দেওয়া হলো। ওরা বলল "হেই ডিজেল তোমাকে একটু হাসতে হবে। একটু নম্র আর কর্পোরেট হতে হবে।" শোনো ভিন্স গত রাতে যা দেখেছ তা তো কেবল শুরু! বিগ ড্যাডি কুল ফিরে এসেছে! সেই একই লোক যাকে কয়েক বছর আগে রয়্যাল রাম্বলে দেখেছিলে। ''[চশমা পরে নিলেন]'' এখন আমার কাছে শুধু আমার পরিবার আর বন্ধুরা গুরুত্বপূর্ণ যার মধ্যে শন মাইকেলসও আছে! আমি বলছি না যে আমি হাত মেলাব না তবে হাতে কালো দস্তানা থাকতে হবে যাতে বুঝি তুমি আমার সাথে আছো। তোমরা আমাকে পছন্দ করো বা ঘৃণা করো আমি এমনই থাকব। আমি ফিরে এসেছি!
== ১৯৯৬ ==
=== ১৯ ফেব্রুয়ারি ===
:''[ইন্টারকন্টিনেন্টাল চ্যাম্পিয়নশিপ ম্যাচে গোল্ডাস্ট রিং ছেড়ে চলে যাওয়ায় কাউন্ট আউটে হেরেও বেল্ট নিজের কাছে রাখলেন]''
:'''রেজর র্যামোন''' ''[মাইক হাতে]'': হেই বন্ধু! গান বন্ধ করো! ''[গান থেমে গেল]'' সবাই শোনো... গোল্ডাস্ট... আমার তোমার বেল্ট চাই না। আমি স্রেফ তোকে পিটিয়ে তক্তা করে দিতে চাই!
:''[দর্শকদের উল্লাস]''
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': এটা সত্যিই র!
:'''জেরি "দ্য কিং" ললার''': কী?!
:'''রেজর''': জানেন... আমি অনেকদিন ধরে শুনছি সেই "সেরা" লোকটা ফিরছে। পুরনো সোনালী দিনের সেই কিংবদন্তি ফিরে এসেছে। সে আমাদের নতুন প্রেসিডেন্ট রডি "রাউডি" পাইপার।
:'''জেরি''': ওর মাথা খারাপ হয়ে গেছে ম্যাকম্যান।
:'''রেজর''': পাইপার আমি তোমাকে একবার বলতে শুনেছিলাম যে তোমার ছয়টা বাচ্চা আছে। আর সেজন্যই তুমি "হট রড"। শোনো রেজর বাচ্চাদের অনেক ভালোবাসে। আর পাইপার তুমি আর আমি একই পথের মানুষ। আমি চাই না আমার বাচ্চারা টিভিতে এই সব জঘন্য জিনিস দেখুক!
:''[দর্শকদের আবার উল্লাস]''
:'''জেরি''': ও কী বলছে ম্যাকম্যান??
:'''রেজর''': তাই পাইপার বন্ধু... এখন শুধু একটা কাজ বাকি একটা ম্যাচের আয়োজন করো! আমি গোল্ডাস্টকে চাই যখন যেখানে খুশি! আর গোল্ডাস্ট! সবাই জানে যে তুমি আমাকে চাও! তুমি কি ভাবো আমি আকর্ষণীয়? তুমি কি ভাবো আমি হট? তুমি একদম ঠিক ভাবো! তাই পাইপার রাউডি পাইপার... তুমি তো ম্যাচমেকার একটা ম্যাচের ব্যবস্থা করো। গোল্ডাস্ট চলো একদিন হয়ে যাক। ইয়েহ!!
:'''ভিন্স''': রেজর র্যামোন গোল্ডাস্টের সাথে আবার লড়তে চায় এবং আমার মনে হয় টাইটেল বেল্ট নিয়ে সে খুব একটা চিন্তিত নয়!
=== ২৭ মে ===
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': ঠিক আছে আমাদের সাথে আছেন খুব অসন্তুষ্ট টেড ডিবিয়াসি। মিস্টার ডিবিয়াসি সাম্প্রতিক ঘটনায় আপনি একদমই খুশি নন তাই তো?
:'''[[w:টেড ডিবিয়াসি|টেড ডিবিয়াসি]]''': ''[স্টোন কোল্ড স্টিভ অস্টিনের সাথে]'' না ম্যাকম্যান আমি একদমই খুশি নই। গত রাতে সাভিও ভেগার জয়টা স্রেফ কপাল জোরে হয়েছে। আলো বন্ধ ছিল কে জানে সাভিও কতবার কর্নারে হাত দিয়েছে। আমি বলছি সাভিও ভেগা কোনোভাবেই স্টোন কোল্ড স্টিভ অস্টিনকে হারাতে পারে না...
:'''ভিন্স''': আপনি চেয়েছিলেন সাভিও আপনার ড্রাইভার হবে কিন্তু তা হয়নি এবং সাভিও জিতে গেছে। এখন কালকের জন্য আবার ম্যাচ ঠিক হয়েছে এবং সেটা হবে ক্যারিবিয়ান স্ট্র্যাপ ম্যাচ। আপনি কি এখনও সাভিওকে সেই চ্যালেঞ্জ দিতে চান?
:'''টেড''': আমি বাজিটা আরও বাড়াতে চাই ম্যাকম্যান।
:'''ভিন্স''': বাজি বাড়াতে চান?
:'''টেড''': সাভিও ভেগা শর্তটা আগের মতোই থাকবে কারণ তুমি আমার ড্রাইভার হতে যাচ্ছ। আর আমি এতটাই আত্মবিশ্বাসী যে এই লোকটা তোমাকে কাল হারাবেই। যদি স্টোন কোল্ড স্টিভ অস্টিন তোমাকে কাল না হারাতে পারে সাভিও ভেগা তবে মিলিয়ন ডলার ম্যান টেড ডিবিয়াসি তার ক্যারিয়ার ছেড়ে দেবে! আমি ডাব্লিউডাব্লিউএফ ছেড়ে চলে যাব! শুনতে পেয়েছ ম্যাকম্যান?! শুনতে পেয়েছ ভেগা?! আমি ডাব্লিউডাব্লিউএফ ছেড়ে দেব!
=== ২৩ সেপ্টেম্বর ===
:'''[[w:জিম রস|জিম রস]]:''' আর মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে আমি বিগ ড্যাডি কুল কেন এবং রেজর র্যামোনকে এখানে নিয়ে আসব। তবে তার আগে আমি আপনাদের কাছ থেকে এক মিনিট সময় চেয়ে নিচ্ছি কিছু কথা বলার জন্য। অনেকদিন ধরে আমার মনে কিছু কথা জমে আছে। কথাগুলো শোনার পর অনেকেই হয়তো ডাব্লিউডাব্লিউএফের প্রতি আমার আনুগত্য নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন। তাই শুরুতেই পরিষ্কার করে দিই ডাব্লিউডাব্লিউএফের প্রতি আমার কোনো টান নেই আমি শুধু নিজের কথাই ভাবি এবং কেন তা বলছি শুনুন। ১৯৯৩ সালে আমি আটলান্টার একটা ভালো চাকরি ছেড়ে ডাব্লিউডাব্লিউএফএ এসেছিলাম। আমি ভেবেছিলাম আমি এখানে প্রধান ধারাভাষ্যকার হব। রেসলিং দুনিয়ায় আমার চেয়ে ভালো ধারাভাষ্যকার কেউ নেই এটা সবাই জানে! লাস ভেগাসে রেসলম্যানিয়ার প্রথম দিন আমি কাজে যোগ দিলাম এবং আমাকে একটা চাদর পরিয়ে দেওয়া হলো। ওরা বলল "এটা একটা টোগা তোমাকে দেখতে ভালো লাগবে।" আমি একটা চাদর পরার জন্য ভালো চাকরি ছেড়ে এলাম! এটা জঘন্য! তারপর কিং অফ দ্য রিং অনুষ্ঠানে আমি একাই পুরো ব্রডকাস্ট সামলালাম। তারপর কি আপনারা কখনও ভেবেছেন জেআর কোথায় গেল? কেন জেআর আর ধারাভাষ্য দিচ্ছে না? আমি বলছি কেন। কারণ ডাব্লিউডাব্লিউএফের অহংকারী মালিক ভিন্স ম্যাকম্যান কোনো প্রতিযোগিতা সহ্য করতে পারে না। তাই জেআরকে সরিয়ে দেওয়া হলো। তারপর ১৯৯৪ সালের এক রবিবারে আমার মুখের বাঁ দিক অবশ হয়ে গেল যাকে বেলস পালসি বলে... ''[অংশবিশেষ বাদ দেওয়া হয়েছে]''
=== ১১ নভেম্বর ===
:''[ব্রায়ান পিলম্যানের বাড়িতে ভিন্স ম্যাকম্যান এবং কেভিন কেলি তার সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন অন্যদিকে স্টোন কোল্ড তাকে খুঁজতে বেরিয়েছে]''
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': এত সাহসের কথা বলছেন ঠিকই কিন্তু আপনার কি মনে হচ্ছে আপনি নিজের বাড়িতেই বন্দী হয়ে আছেন?
:'''ব্রায়ান পিলম্যান''': হাঃ। স্টিভ এখন একটা জ্যান্ত লাশ। কারণ যখন অস্টিন ৩:১৬ পিলম্যানের সামনে আসবে ''[হঠাৎ ক্যামেরার সামনে একটি পিস্তল বের করলেন]'' এই ৯ এমএম গ্লক...
:'''কেভিন কেলি''': ওহ খোদা ওহ খোদা!
:'''পিলম্যান''': ...আমি ওর শরীর গুলিতে ঝাঁঝরা করে সোজা নরকে পাঠিয়ে দেব!!
== ১৯৯৭ ==
=== ২০ জানুয়ারি ===
:''[অনুষ্ঠানের শুরুতে ব্রেট হার্ট রিংয়ে এলেন]''
:'''[[w:ব্রেট হার্ট|ব্রেট হার্ট]]''': আমার কিছু বলার আছে!
:'''[[w:জেরি ললার|ললার]]''': ও এখানে কী করছে?
:'''ব্রেট হার্ট''': ভিন্স আমি তোমার কাছে কিছু বলতে চাই! তুমি জানো আমি যখন ডাব্লিউডাব্লিউএফএ ফিরতে রাজি হলাম তুমি কথা দিয়েছিলে যে আমি চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য লড়ার সুযোগ পাব। তুমি আমাকে স্টোন কোল্ড স্টিভ অস্টিনের সাথে লড়তে দিলে এবং বললে আমি যদি ওকে হারাই তবে আমি এক নম্বর দাবিদার হব। এখন কি তোমার মনে হয় না যে শন মাইকেলসের হঠাৎ করে আমার আর সাইকো সিডের ম্যাচের সময় রিংয়ের পাশে আসাটা একটু বেশিই কাকতালীয় ছিল? আমি একদমই এটাকে কাকতালীয় মনে করি না। শন মাইকেলস আমার কাজে নাক গলিয়ে আমার চ্যাম্পিয়নশিপ কেড়ে নিল। আর তোমরা বললে "আরে ঠিক আছে চিন্তার কিছু নেই এখন তুমি রয়্যাল রাম্বলে আরও ২৯ জনের সাথে লড়াই করো তাহলেই সুযোগ পাবে।" আমি রিংয়ে গেলাম এবং এটা পরিষ্কার যে আমিই রয়্যাল রাম্বল জিতেছি। তাহলে আমার চ্যাম্পিয়নশিপের সুযোগ কোথায়? এখন আমার মনে হচ্ছে আমাকে শন মাইকেলস ঠকিয়েছে স্টোন কোল্ড ঠকিয়েছে এবং ডাব্লিউডাব্লিউএফ আর তুমি মিলে আমাকে ঠকিয়েছ! আমি ফাঁকা হুমকি দিতে পছন্দ করি না তবে আমার মনে হচ্ছে আমি আর সুযোগ পাব না। তাই আমি কাজ ছেড়ে দিচ্ছি! ''[মাইকটা আছাড় দিয়ে ফেলে দিলেন]''
<hr width=50%>
:'''স্টিভ অস্টিন''': ঠিকমতো কাজ করে এমন কোনো জিনিস আমাকে কি দেবে নাকি তোমাকে ধরে পেটাতে হবে? ব্রেট হার্ট তুমি কান্নাকাটি আর অভিযোগ করায় ওস্তাদ। ফেরার পর থেকে তুমি শুধু কেঁদেই যাচ্ছ! তুমি বলছ ভিন্স তোমাকে ঠকিয়েছে সবাই তোমাকে ঠকিয়েছে। আসল কথা হলো বন্ধু যখন অবস্থা কঠিন হয় তখন হার্টরা ভয়ে বাড়িতে পালিয়ে যায়! এটা বন্ধ করো! কানাডায় ফিরে যাও কারণ তুমি শুধু তোমার বুড়ো বাবাকেই হারাতে পারবে। তুমি বলছ তোমাকে নাজেহাল করা হয়েছে আমাকে সাত বছর ধরে নাজেহাল করা হয়েছে। আজ আমার সাইকো সিডের সাথে লড়ার কথা ছিল কিন্তু গরিলা মনসুন এসে বলল যে সিডের মাথায় চোট লেগেছে। সিড হয়তো মাথায় বরফ দিয়ে শুয়ে আছে কিন্তু ওর মেরুদণ্ড বলে কিছু নেই ও আসলে একটা ভিতু। আর গরিলা মনসুনকে বলছি ওই কলাগুলো তুমি নিজের কাছেই রাখো। তোমরা যদি চাও আমি আন্ডারটেকারের সাথে লড়ি তবে ওকে এখানে নিয়ে এসো। গত রাতে আমি ওকে রিং থেকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিলাম আর এখনও তাই করব। নিয়ে এসো ওকে!
=== ১৩ ফেব্রুয়ারি ===
:''[ভিন্স ম্যাকম্যান শন মাইকেলসকে নিয়ে এলেন এবং শন তার সমস্যার কথা বলছেন]''
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': আমি জানি তুমি কতটা হতাশ যে তুমি সাইকো সিডের বিরুদ্ধে টাইটেল বাঁচাতে পারছ না। আর ইতিহাসের অন্য যে কোনো চ্যাম্পিয়নের চেয়ে তুমি অনেক বেশি চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছ এবং কঠোর পরিশ্রম করেছ।
:'''শন মাইকেলস''': দেখুন আমি কোনো কাজ অর্ধেক করতে পারি না। আমি এখানে এসে মানুষের চিৎকার শুনি ওরা সিড বা ব্রেটের নাম ধরে ডাকে। তবে একটা কথা নিশ্চিত যে ভবিষ্যতে আপনারা ওদের খেলা দেখতে পাবেন আর আমি সেটাই চাই। লোকে আমার সম্পর্কে যা-ই ভাবুক না কেন আমি সবসময় চেয়েছি দর্শকরা যেন আনন্দ পায়।
:আমি সবসময় দর্শকদের আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা করেছি চাই আমি ভালো মানুষের দলে থাকি বা ভিলেনের দলে। আমার কাছে পারফরম্যান্সটাই আসল ছিল যাতে দর্শকরা টিকিট কেটে আফসোস না করে। ওরা জানত আমার নাম থাকলে ওরা মন ভরে চিৎকার করতে পারবে এবং ভালো সময় কাটাতে পারবে।
:গত কয়েক মাস ধরে অনেক কথা হচ্ছে যে অনেক কুস্তিগীরের ব্যবহার খারাপ এবং সবকিছু এই বেল্টকে ঘিরেই। আমি শুধু জানি যে অনেকদিন ধরে এই বেল্টের আশেপাশে শন মাইকেলসকে দেখা যাবে না। আমি এখন ঠিক কোথায় দাঁড়িয়ে আছি আমি জানি না। আমাকে সবকিছু পরীক্ষা করাতে হবে। হয়তো আমার বড় ধরনের অপারেশন লাগবে। আমি আর আগের মতো পারফর্ম করতে পারব কি না জানি না। কিন্তু আমি যদি আমার সেরাটা দিতে না পারি তবে আমি রিংয়ে নামব না। আমি আধখেঁচড়া কাজ করতে পারি না। রিংয়ে নামলে আমাকে দাপিয়ে বেড়াতে হবে এদিক ওদিক আছাড় খেতে হবে। আমাকে মজা পেতে হবে।
:গত এক বছরে আমি কোনো চ্যালেঞ্জ ফেরাতে পারিনি। আমি ডাব্লিউডাব্লিউএফ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে জীবনটা উপভোগ করতে চেয়েছিলাম। আমি লিমুজিন আর প্রাইভেট জেটে চড়তে চেয়েছিলাম টিভিতে আসতে চেয়েছিলাম আর আমি তা করেছিও। আমার কাছে এখন শুধু এই স্মৃতিগুলোই আছে। আমি জানি এখন লড়াইয়ের খুব কদর কিন্তু দুঃখের সাথে জানাতে হচ্ছে আমার কাছে এখন শুধু চোখের জল আর আবেগ আছে। আমার মধ্যে এখন আর সেই জোর নেই তাই ভিন্স এই নাও তোমার বেল্ট। ''[চ্যাম্পিয়নশিপ বেল্ট ফিরিয়ে দিলেন]''
:আমি এখন বাড়ি ফিরে যাব এবং দেখব আমার জন্য আর কী বাকি আছে; চাই সেটা এই রিংয়ে হোক বা রিংয়ের বাইরে। গত কয়েক মাসে আমি অনেক কিছু হারিয়েছি এবং তার মধ্যে একটা হলো আমার হাসি। এটা হয়তো সবার কাছে বড় কিছু নয় কিন্তু আমার কাছে অনেক বড়। আমাকে নিজেকে ঠিক করতে হবে এবং আমার হাসিটা খুঁজে বের করতে হবে কারণ কোথাও যেন আমি সেটা হারিয়ে ফেলেছি। মানুষ আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করুক বা না করুক আমি পরোয়া করি না। আমি একটু আবেগপ্রবণ মানুষ। আমি যা করতে চেয়েছিলাম তা গত এক বছর ধরে করেছি এবং গত বছরটি ছিল আমার জীবনের সেরা সময়। আপনাদের সবাইকে অনেক ধন্যবাদ আমি এখন বাড়ি যাচ্ছি। ঠিক আছে?
:'''ম্যাকম্যান''': ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ শন মাইকেলস!
=== ৩ মার্চ ===
:''[ভিন্স কিছু ভিডিও দেখাচ্ছেন যেখানে স্টোন কোল্ড ভুলবশত ব্রেট হার্টকে চ্যাম্পিয়ন হতে সাহায্য করেছিলেন এবং পরে ব্রেটকে চেয়ার দিয়ে মেরেছিলেন]''
:'''ভিন্স''': আপনার উত্তর কী? আপনার কাজের জন্য কি আপনার কোনো অনুশোচনা হয়?
:'''স্টিভ অস্টিন''': আমার শুধু একটাই আফসোস যে আমি কেন ওকে আরও জোরে চেয়ার দিয়ে মারলাম না! ব্রেট হার্ট সব জায়গায় বলে বেড়াচ্ছে ওকে ঠকানো হচ্ছে। গত সাত বছর ধরে আমাকে ঠকানো হচ্ছে আর সেটা নিয়ে কেউ কিছু বলছে না! শন মাইকেলসের হাঁটুতে চোট লাগলে তোমরা ওকে নিয়ে ভিডিও বানাও ওর ফ্লু হলে সারা দুনিয়াকে জানাও! আমি যখন ফাইন্যাল ফোরে লড়ছিলাম তখন আমি খুব অসুস্থ ছিলাম এবং আমার হাঁটুতেও চোট ছিল। তবুও আমি বিশ্বের সেরা তিন কুস্তিগীরের সাথে ২৫ মিনিট লড়েছি! স্টোন কোল্ড স্টিভ অস্টিন সেটা করে দেখিয়েছে! আমি কারও শারীরিক অক্ষমতা নিয়ে ঠাট্টা করছি না শুধু সত্যিটা বলছি। আমার মতে আমিই আসল ডাব্লিউডাব্লিউএফ চ্যাম্পিয়ন এবং কেউ আমাকে অন্য কিছু বোঝাতে পারবে না! এই সাবমিশন ম্যাচ নিয়ে যা বলা হচ্ছে সব আজেবাজে কথা! ব্রেট হার্ট নাকি বড় টেকনিশিয়ান ওর প্যাঁচ নাকি খুব মারাত্মক! তাতে আমার কিছু যায় আসে না কারণ আমি ব্রেট হার্টকে পিটিয়ে তক্তা করে দেব! আর কেন শ্যামরক যা বলছে যে ব্রেট ভালো টেকনিশিয়ান হলেও স্টোন কোল্ড সহজে হার মানে না সেটা একদম ঠিক। স্টোন কোল্ডের অভিধানে হার মানা বলে কিছু নেই! আমি কোনোদিন রেফারিকে বলব না যে আমি হার মেনেছি। কুস্তি দুনিয়ায় এমন কেউ নেই যে আমাকে হার মানাতে পারে! আর এটাই শেষ কথা কারণ স্টোন কোল্ড তাই বলেছে!
:'''ভিন্স''': আপনি এত তেতো কেন? আপনার মনে এত তিক্ততা কেন?!
:'''স্টিভ অস্টিন''': তুমি আমার সাথে কুকুরের মতো ব্যবহার করবে আর আশা করবে আমি হাসব? তোমাকে তো একটা গাধার মতো লাগছে!
=== ১৭ মার্চ ===
:''[ব্রেট হার্ট সাইকো সিডের কাছে খাঁচার ভেতরে ম্যাচ হেরে গেছেন]''
:'''জিম রস''': আমরা ফিরে এসেছি এবং ভিন্স ম্যাকম্যান হতাশ ব্রেট হার্টের সাথে কথা বলবেন।
:'''ভিন্স''': ব্রেট হার্ট আপনি নিশ্চয়ই খুব হতাশ। যা হয়েছে তাতে আপনার খুব খারাপ লাগছে।
:''[ব্রেট ভিন্সকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলেন এবং মাইক নিলেন]''
:'''ললার''': ওরে বাবা!!
:'''ব্রেট হার্ট''': হতাশ তো ছোট কথা!! এটা একটা জঘন্য ফালতু ব্যাপার!!!
:'''জিম রস''': আমরা ক্ষমা চাইছি দর্শকদের কাছে।
:'''ব্রেট হার্ট''': আমাকে ঠকানো হয়েছে সবাই আমাকে ঠকিয়েছে আর কেউ কিচ্ছু করছে না! এখানকার কারও কোনো মাথাব্যথা নেই পেছনের ঘরের কারও কিছু যায় আসে না! এত অবিচার আমি আর সহ্য করতে পারছি না!!
:'''জিম রস''': আমরা ক্ষমা চাইছি দর্শকদের কাছে।
:'''ব্রেট হার্ট''': সবাই এটা জানে! আমিও জানি! আমিই ডাব্লিউডাব্লিউএফ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার যোগ্য!
:'''ললার''': ওকে রিং থেকে বের করো!
:'''ব্রেট হার্ট''': সবাই শুধু চোখ বুজে আছে! তোমরা সবাই জেনেও না জানার ভান করছ! গরিলা মনসুনও তাই করছে! পেছনের ঘরে সবাই জানে যে আমিই সেরা ছিলাম সেরা আছি এবং সেরা থাকব!
:'''ললার''': ওকে থামাও!
:'''ব্রেট হার্ট''': আর তোমাদের যদি এটা পছন্দ না হয় তবে আমার কিছু করার নেই!!
<hr width=50%>
:'''স্টিভ অস্টিন''': ষড়যন্ত্রের নিকুচি করি ব্রেট! তুমি রিংয়ে নামলেই বাচ্চার মতো কাঁদতে শুরু করো! আমি তোমাকে সাহায্য করতে চেয়েছিলাম আর তুমি সব নষ্ট করলে কারণ তুমি একজন লুজার! রেসলম্যানিয়ায় আমাদের মধ্যে চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াই হতে পারত কিন্তু তুমি সব মাটি করলে! রেসলম্যানিয়ায় তুমি হার মানবে আর একদিন যখন আমাদের মধ্যে টাইটেল ম্যাচ হবে তখন দেখবে কে আসল চ্যাম্পিয়ন। আর তুমি কিচ্ছু করতে পারবে না!
:'''ব্রেট হার্ট''': তোমাকে কেন স্টোন কোল্ড বলে জানো? কারণ তোমার সাহস নেই আমার সামনে রিংয়ে নামার! তুমি সবসময় পেছন থেকে আক্রমণ করো! সামনে আসার হিম্মত নেই তোমার! আসো দেখি!! সবাই জানে সাইকো সিড ''[সিড রিংয়ে এলেন]'' তুমি যদি ভাবো ওই বেল্ট তোমার তবে তুমি ভুল করছ! ওটা আমার বেল্ট। তুমি জানো আমি জানি আর এখানে উপস্থিত সবাই জানে!
:'''সিড''': আমি কিচ্ছু জানি না কান্নাকাটি বন্ধ করো!
:'''ব্রেট হার্ট''': আসো দেখি!
<hr width=50%>
:''[ব্রেট হার্ট স্টোন কোল্ডের সাথে আর আন্ডারটেকার সিডের সাথে মারামারি করছেন]''
:'''ভিন্স''': ব্রেট হার্ট পাগল হয়ে গেছে! ও ভেবেছিল ও চ্যাম্পিয়ন হবে কিন্তু কোনো ষড়যন্ত্র হয়নি! ব্রেট হার্ট ষড়যন্ত্রের গল্প ফেঁদেছে। কোনো ষড়যন্ত্র নেই সব ওর মাথায়! ব্রেট হার্টের মতো একজন বড় মাপের মানুষের কাছ থেকে এটা আশা করা যায় না! আমরা ব্রেট হার্টের যে ঐতিহ্যের কথা বলি এটা তা নয়! এই ঘ্যানঘ্যানানি এই কান্নাকাটি ব্রেট হার্টকে মানায় না!
:''[কর্মকর্তারা ব্রেটকে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন]''
:'''ললার''': তুমি ঠিক বলেছ! ও পাগল হয়ে গেছে! ওকে টেনে বের করে নিয়ে যাও!
:''[ব্রেট প্যাট প্যাটারসনকে মারলেন এবং আবার অস্টিনের দিকে গেলেন]''
:'''ভিন্স''': ওহ! ও হল অফ ফেমার প্যাট প্যাটারসনকে মারল!! কী জঘন্য লোক রে বাবা!!
=== ২৪ মার্চ ===
:'''ভিন্স''': ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ আল্টিমেট ফাইটিং ওয়ার্ল্ড থেকে আমাদের সাথে যোগ দিচ্ছেন কেন শ্যামরক। মিস্টার শ্যামরক গত রাতে আপনার রেফারিগিরি নিয়ে প্রথম প্রশ্ন হলো আপনি ম্যাচটা থামিয়ে দিলেন কেন?
:'''কেন শ্যামরক''': দেখুন আমি ম্যাচের ভেতরেই ছিলাম এবং স্টিভ অস্টিন পুরো ম্যাচ জুড়েই প্রচণ্ড ব্যথার মধ্যে ছিল। আমি ওকে কয়েকবার জিজ্ঞাসা করেছি কিন্তু ও কোনো উত্তর দেয়নি। আমার কাছে মনে হয়েছে ও জ্ঞান হারিয়েছে। ওর শরীরকে বড় কোনো চোট থেকে বাঁচাতে আমাকে ম্যাচটা থামাতে হয়েছে। সেই কারণেই আমি লড়াইটা বন্ধ করি।
:'''ভিন্স''': ঠিক আছে কিন্তু আপনি কি ওকে "আমি হার মানলাম" বলতে শুনেছেন? ও কি একবারও হার মেনেছিল?
:'''কেন''': না ও মুখে বলেনি যে ও হার মেনেছে। কিন্তু যখন একজন মানুষ জ্ঞান হারায় এবং নিজেকে বাঁচাতে পারে না তখন ম্যাচ থামানোই রেফারির কাজ। আমি নিশ্চিত করতে চেয়েছিলাম একজন যেন পরিষ্কারভাবে জেতে। তাই স্টিভ অস্টিন যখন জ্ঞান হারাল আমি ম্যাচটা থামিয়ে দিই।
:'''ভিন্স''': আচ্ছা কিন্তু স্টিভ যখন নিজেকে বাঁচাতে পারছিল না তখন ম্যাচ শেষ হওয়ার পর ব্রেট হার্ট আবার ওর ওপর আক্রমণ করল।
:'''কেন''': হ্যাঁ ও তা-ই করেছে। ম্যাচে দুজনেই একে অপরকে অনেক কষ্ট দিয়েছে। কিন্তু স্টিভ যখন জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে পড়ে ছিল এবং নিজেকে বাঁচানোর ক্ষমতা হারিয়েছিল তখনই ব্রেট হার্ট আবার ওর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। আমার মনে হয়েছে ও স্টোন কোল্ড স্টিভ অস্টিনের ক্যারিয়ার শেষ করে দিতে চেয়েছিল। তাই আমাকে বাধ্য হয়ে ওকে থামাতে হয়েছে।
:'''ভিন্স''': একদম ঠিক। ব্রেট হার্ট আপনাকে দেখে পিছিয়ে গিয়েছিল। স্টোন কোল্ড স্টিভ অস্টিন সম্পর্কে আপনার ব্যক্তিগত মতামত কী?
:'''কেন''': দেখুন স্টিভের সাথে অতীতে আমার অনেক কথা কাটাকাটি হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে ওকে খুব একটা পছন্দ করি না। কিন্তু এই লোকটার একটা গুণের প্রশংসা করতেই হবে। ও প্রচণ্ড ব্যথার মধ্যেও হার মানেনি। ও লড়াই চালিয়ে গেছে। ও অনেক শক্ত মনের মানুষ। আমি আমার জীবনে অনেক শক্ত লড়াকু দেখেছি কিন্তু এই লোকটা নিঃসন্দেহে তাদের মধ্যে অন্যতম।
:'''ভিন্স''': আমাদের সাথে যোগ দেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
<hr width=50%>
:'''ব্রেট হার্ট''': প্রথমত আমি ক্ষমা চাইতে চাই। জার্মানি গ্রেট ব্রিটেন এবং পুরো ইউরোপের ভক্তদের কাছে আমি ক্ষমা চাইছি। জাপান এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকার ভক্তদের কাছেও আমি ক্ষমা চাইছি। বিশেষ করে কানাডার ভক্তদের কাছে আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাচ্ছি।
:আর আমেরিকার ভক্তদের বলছি... তোমাদের কাছে আমি কোনো কিছুর জন্যই ক্ষমা চাইব না! এটা আমার কাছে খুব অদ্ভুত লাগে যে আমি যখন স্টোন কোল্ড স্টিভ অস্টিনকে পিটিয়ে রক্তারক্তি করে দিলাম তখন ড্রেসিংরুমে ফেরার সময় তোমরা আমাকে ধিক্কার জানালে। আমি অস্টিনের মতো একজন নিচু মনের মানুষকে হারিয়েছি ও যে হেরেছে সেটা তোমরাও জানো অথচ ফেরার পথে তোমরা ওকে এমনভাবে স্বাগত জানালে যেন ও-ই জিতেছে!
:এটা শুধু আজ থেকে শুরু হয়নি। গত বছরের রেসলম্যানিয়ার কথা ভাবুন যখন আমি চ্যাম্পিয়ন ছিলাম। তোমরা শন মাইকেলসের মতো এক ছোকরাকে সমর্থন করলে এবং ওকে সুযোগ দিলে আমাকে ঠকিয়ে চ্যাম্পিয়নশিপ বেল্ট নিয়ে যাওয়ার। আমি কানাডায় বসে টিভিতে খেলা দেখতাম আর ভাবতাম ডাব্লিউডাব্লিউএফের একজন সত্যিকারের হিরো দরকার। কান ছিদ্র করা বা ট্যাটুওয়ালা কোনো লোক নয় এমন কাউকে দরকার যাকে সবাই শ্রদ্ধা করবে। যে কি না মেয়েদের ম্যাগাজিনে পোজ দেয়! আসলে ওটা মেয়েদের নয় সমকামীদের ম্যাগাজিন ছিল! তাই আমি ফিরে এলাম ডাব্লিউডাব্লিউএফকে পরিষ্কার করতে। সারভাইভার সিরিজে আমি স্টোন কোল্ডকে হারিয়েছি। তারপর সাইকো সিডের সাথে লড়াইয়ের সময় তোমাদের প্রিয় শন মাইকেলস আমার চ্যাম্পিয়নশিপ কেড়ে নিল। কেউ কিছু বলল না! তোমরাও চুপ ছিলে।
:ওরা বলল "চিন্তা করো না তুমি আরও ২৯ জনের সাথে রয়্যাল রাম্বলে লড়ো।" আমি লড়লাম এবং আমিই শেষ পর্যন্ত রিংয়ে টিকে ছিলাম। কিন্তু সবাই না জানার ভান করল। তোমরা কোনোভাবে নিজেদের মনে বিশ্বাস করিয়ে নিলে যে স্টোন কোল্ড জিতেছে। একজন সাধারণ মানুষ হলে হয়তো কাজ ছেড়ে চলে যেত।
:'''ভিন্স''': তুমি তো কাজ ছাড়ার হুমকি দিয়েছিলে ব্রেট।
:'''ব্রেট হার্ট''': গরিলা মনসুন আর ভিন্স ম্যাকম্যান আমার পায়ে ধরে অনুরোধ করেছে যেন আমি ফিরে আসি। আমি ফিরে এলাম এবং ওরা ফাইন্যাল ফোরের আইডিয়া আনল। আমি রাজি হলাম। তারপর হঠাৎ তোমাদের হিরো শন মাইকেলস হাঁটুর চোটের দোহাই দিয়ে বেল্ট ফিরিয়ে দিয়ে বাড়ি চলে গেল। তোমরা সেটা হাসিমুখে মেনে নিলে। ফাইন্যাল ফোরে আমি চ্যাম্পিয়ন হলাম। আমি ভাইডার স্টোন কোল্ড এবং আন্ডারটেকারকে হারিয়ে চতুর্থবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হলাম। তারপরই আমাকে বলা হলো কোনো বিশ্রাম ছাড়াই সাইকো সিডের বিরুদ্ধে লড়তে হবে। আমি কি পালিয়ে গিয়েছিলাম? না! আমি সিডকে রিংয়ের মাঝখানে কুপোকাত করে দিয়েছিলাম। অথচ আমেরিকান ভক্তরা আমাকে গালি দিচ্ছিল আর স্টোন কোল্ড যখন পেছন থেকে এসে আমার মাথায় চেয়ার দিয়ে মারল তোমরা সেটাকে সমর্থন করলে!
:আমি গরিলা মনসুনকে বললাম আমাকে স্টোন কোল্ডের সাথে একটা ম্যাচ দাও। আমি সাবমিশন ম্যাচে রাজি হলাম। তারপর আমাকে বলা হলো ১৫ ফুট উঁচু খাঁচার ভেতরে সিডের সাথে লড়তে হবে। সেখানে আন্ডারটেকার এসে আমার মাথায় দরজা দিয়ে আঘাত করল এবং আমার চ্যাম্পিয়নশিপ কেড়ে নিল।
:সবাই আমাকে ঠকিয়েছে আমেরিকার ভক্তরা আমাকে ছেড়ে চলে গেছে। তাই আমি ঠিক করেছি সাবমিশন ম্যাচে স্টোন কোল্ডকে এমন শিক্ষা দেব যা ও সারাজীবন মনে রাখবে। আর যখন আমি ওকে মারছি তখন তোমরা আমাকে ছেড়ে ওর জন্য চিৎকার করছ।
:আমি অনেকবার নিজেকে প্রমাণ করেছি কিন্তু তোমরা বুঝলে না। তোমরা আভিজাত্য বা মর্যাদার দাম দিতে জানো না। তোমরা চার্লস ম্যানসন বা ও জে সিম্পসনের মতো অপরাধীদের হিরো বানাতে পছন্দ করো। একমাত্র আমেরিকানরাই অপরাধমূলক কাজকে মহিমান্বিত করে। বিশ্বের অন্য দেশগুলো এখনও জানে ঠিক আর ভুলের পার্থক্য কী। সম্মান জিনিসটা তোমরা বোঝো না। তাই আজ থেকে আমেরিকার রেসলিং ভক্তদের আমি পাত্তাই দেব না!!
<hr width=50%>
:''[শন মাইকেলস রিংয়ে এলেন]''
:'''শন মাইকেলস''': হেই হিটম্যান! একটা কথা পরিষ্কার করে দিই। তুমি আমার সম্পর্কে যা খুশি বলতে পারো সবাই তা-ই করে। আর ডাব্লিউডাব্লিউএফ জানে যে তোমার কাছ থেকে বেল্ট কেড়ে নেওয়া কতটা কঠিন। কিন্তু ব্রেট তুমি যেটা বোঝো না তা হলো আমি আমার জীবনটা খোলাখুলিভাবে কাটাই। তোমার মতো ভণ্ডামির মুখোশ পরি না। আমি জানি আমার অনেক ভুল আছে এবং আমি সেগুলো স্বীকার করি। আর স্টিভ অস্টিনের কথা যদি বলো ও গত রাতে হার মানেনি। আমি ওর ভক্ত নই কিন্তু ও জ্ঞান হারিয়েছিল। তুমিও মনে মনে জানো যে ও অনেক শক্ত মনের একজন মানুষ। ব্রেট আমি সবসময় মার্জিত থাকার চেষ্টা করেছি কিন্তু এখন আমি লড়াই করার অবস্থায় নেই। আমি জানি তুমি আমার চেয়ে বেশি শক্তিশালী সেটা আমি স্বীকার করি। আমাকে এক নম্বর হতে হবে এমন কোনো কথা নেই। তোমার মতো আমার কোনো জেদ নেই। আমি এটা করি কারণ আমি কুস্তি ভালোবাসি। তুমি এটা করো কারণ তুমি ভাবো এই সবকিছু শুধু তোমার! এখন তোমাকে বুঝতে হবে যে দর্শকরা টিকিট কেটে খেলা দেখতে আসে এবং তাদের অধিকার আছে কাকে সমর্থন করবে আর কাকে গালি দেবে। ওরা আমাকেও আগে গালি দিয়েছে কিন্তু আমি তোমার মতো কান্নাকাটি করিনি। কারণ এই দেশে আমাদের বাকস্বাধীনতা আছে। ওই ছেলেটা যদি নাভিতে ছিদ্র করতে চায় তবে সেটা ওর ব্যাপার তোমার ভালো লাগুক আর না লাগুক! ওই মেয়েটা যদি... ''[অংশবিশেষ বাদ দেওয়া হয়েছে]''
:'''ভিন্স''': ব্রেট হার্ট আর শন মাইকেলস। শন এখন লড়াই করার মতো অবস্থায় নেই।
:'''ললার''': তাহলে ও ওখানে কী করছে?
:'''ভিন্স''': কারণ ওর বুদ্ধির চেয়ে সাহস বেশি।
:'''ললার''': ঠিক বলেছ।
:'''শন মাইকেলস''': ব্রেট আমাদের আমেরিকায় একটা কথা আছে "আমেরিকাকে ভালোবাসো নাহলে চলে যাও!"
:'''ব্রেট হার্ট''': শন মাইকেলস তুমি এখন এখান থেকে বিদায় হও আমার সামনে থেকে যাও।
:'''শন মাইকেলস''': তুমি জানো ব্রেট আমি হুকুম মানতে পছন্দ করি না। আর হ্যাঁ তুমি কী করে জানলে আমি সমকামীদের ম্যাগাজিনে ছিলাম? তুমি নিশ্চয়ই লুকিয়ে লুকিয়ে পাতা উল্টে দেখেছ!
:''[ব্রেট শনের চোট পাওয়া হাঁটুতে আক্রমণ করলেন]''
<hr width=50%>
:''[ব্রেট ধারাভাষ্য দিতে এলেন]''
:'''ভিন্স''': ব্রেট হার্ট আপনার কী হয়েছে? আপনি কেন এমন করছেন?
:'''ব্রেট হার্ট''': আমি পাগল হইনি আমি শুধু সত্যিটা দেখতে পাচ্ছি।
:'''ভিন্স''': কী?!
:'''ব্রেট হার্ট''': আমি বলছি আমার চোখ খুলে গেছে! আপনিও কেন চোখ খুলছেন না? সবাই স্টোন কোল্ডের জন্য চিৎকার করছে যে কি না কারোর জন্যই ভালো উদাহরণ নয়। আন্ডারটেকার কি ভালো হিরো হতে পারে? আমি সবসময় ভালো মানুষ হওয়ার চেষ্টা করেছি যাতে সবাই আমাকে শ্রদ্ধা করে।
:'''ভিন্স''': শন মাইকেলসকে দেখুন। আপনি ওর সাথে কী করলেন!
:'''ব্রেট হার্ট''': আমি ওকে রিংয়ে আসতে বলিনি! আমি শুধু বলতে চাই যে আমেরিকানরা আমায় শ্রদ্ধা করে না কিন্তু জার্মানি বা কানাডায় আমি অনেক সম্মান পাই। এখানকার বাচ্চারা আমাকে বলে আমি নাকি অপদার্থ। আমি নই ওরাই অপদার্থ!
:'''ভিন্স''': মনে হচ্ছে আপনি নিজের সাথেই যুদ্ধে লড়ছেন।
:'''ব্রেট হার্ট''': না আমি কোনো যুদ্ধে নেই। আমি এখন নিজেকে খুব হালকা অনুভব করছি। আপনি খারাপ কিছু দেখতে চান? আমি আপনাকে দেখাব খারাপ কাকে বলে! ''[রিংয়ে গিয়ে রকি মাইভিয়াকে আক্রমণ করলেন]''
=== ১৯ মে ===
:'''জিম রস''': ম্যানকাইন্ড সম্পর্কে ডাব্লিউডাব্লিউএফ ভক্তদের সবচেয়ে বড় ভুল ধারণাগুলো কী বলে আপনার মনে হয়?
:'''ম্যানকাইন্ড''': যে আমি... একজন খারাপ মানুষ। জিম আমাকে ঘৃণা করার অনেক ভালো কারণ আছে। আমি শুধু চাই না মানুষ আমাকে মিথ্যা বা অর্ধেক সত্যের ওপর ভিত্তি করে ঘৃণা করুক। দেখুন যখন আমি ছোট ছিলাম আমি কাউবয় আর ইন্ডিয়ান খেলতাম। তখন ভালো মানুষ কারা ছিল? ওই কাউবয়রা যারা পাহাড় থেকে নেমে এসে নিরীহ নারী আর শিশুদের ওপর অত্যাচার চালাত। আমি সবসময় ইন্ডিয়ানদের দলে ছিলাম জিম। আমি সবসময় অবহেলিতদের পাশে দাঁড়িয়েছি। যদি নিজের বিশ্বাসের ওপর অটল থাকা আমাকে খারাপ মানুষ বানায় তবে হ্যাঁ আমি একজন খারাপ মানুষ।
<hr width=50%>
:'''ম্যানকাইন্ড''': আমার বয়স তখন আট বছর এলিমেন্টারি স্কুলে একটা খেলা খেলছিলাম। একজনকে তাড়া করতে গিয়ে আমি ঝাঁপ দিলাম আর ওর পায়ের পেছনের অংশ আমার ঠোঁটে এসে লাগল। আমি বুঝতে পারিনি কী হয়েছে। আমি শুধু জানতাম আমার প্রচণ্ড লাগছিল জিম। হঠাৎ দেখলাম সবাই আমার দিকে অদ্ভুতভাবে তাকাচ্ছে যেন আমার কিছু একটা হয়েছে। আমি নিচে তাকিয়ে দেখলাম আমার প্রিয় সাদা সোয়েটশার্টটা রক্তে লাল হয়ে গেছে। বাচ্চারা ভয়ে আমার কাছ থেকে দূরে পালাচ্ছিল। আমার রক্ত ঝরছিল আমি যন্ত্রণায় ছিলাম... কিন্তু আমার খুব ভালো লাগছিল। কারণ আমার মনে হলো আমি এমন কিছু একটা খুঁজে পেয়েছি যা আমি সবার চেয়ে ভালো পারি আর তা হলো সহ্য ক্ষমতা।
:কেউ একজন বলল "আরে ওটা তো ভ্যাম্পায়ারের রক্ত" আর তখনই সবাই ক্ষতটা দেখতে পেল যেখান থেকে গলগল করে রক্ত বেরোচ্ছিল। আমার কাছে আজও ওই শার্টটা আছে জিম। আমি সেদিন ভেবেছিলাম "আমার জীবনে যদি এমন কিছু করতে পারতাম যেখানে আমি সবসময় এটা করতে পারব?" প্রতি রাতে মানুষের মনোযোগ পাওয়া... স্টকব্রোকাররা তা পারে না শিক্ষকরা পারে না এমনকি আমেরিকার প্রেসিডেন্টও রক্ত ঝরিয়ে জীবন চালাতে পারে না... কিন্তু প্রফেশনাল রেসলাররা পারে। সেই প্রথম আমি বুঝতে পারলাম আমার জীবনের লক্ষ্য কী। সেটাই আমি সারাজীবন চেয়েছি। আমার ভাই আর আমি টিভিতে সবাইকে দেখতাম। চিফ জয় স্ট্রংবো ব্রুনো সামারটিনো... আমরা তাদের মতো হতে চেয়েছিলাম। তারপর একদিন আমি আমার ভাইয়ের নাক ভেঙে দিলাম ওকে আছাড় মেরে আর মা বলল "আর কুস্তি খেলা বন্ধ"। মা খেলা বন্ধ করতে বলেছিল কিন্তু স্বপ্ন দেখতে নয়।
<hr width=50%>
:'''ম্যানকাইন্ড''': জানেন আমার ছেলের বয়স যখন পনেরো হবে তখন আমি ওকে বলব যেন ও অদ্ভুত সব জিনিস খেয়ে বেড়ানো ছেলেটা না হয়। আমি স্বেচ্ছায় এমনটা করিনি। অন্য ছেলেরা বা তাদের দলগুলো আমাকে একা পেয়ে জ্বালাতন করত কারণ আমি একটু আলাদা ছিলাম। ওরা আমার দিকে কেঁচো ছুড়ে মারত জিম। জ্যান্ত কেঁচো ছুড়ে মারত ওরা আমার দিকে। আমি যখন ক্লাসে ব্যায়াম করতাম তখন আমার ওপর কেঁচো বৃষ্টি হতো। আপনি হলে কী করতেন? আপনি কি ওই কেঁচোটা আবার সাত আট জনের দিকে ছুড়ে মারতেন? আসল কথা হলো ওরা আমাকে মারছিল না ওরা আমার আত্মসম্মানে আঘাত করছিল। ওরা আমাকে আবর্জনার মতো দেখত। তাই আমি সবচেয়ে বড় কেঁচোটা তুলে নিলাম জিম আর ওটা গিলে ফেললাম! ওদের দেখাতে চেয়েছিলাম যে ওরা আমাকে ছোট করতে পারবে না... আমি ভেবেছিলাম আমি ওদের মোক্ষম জবাব দিয়েছি। কিন্তু গল্পটা ডালপালা মেলে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে বলা হতে থাকল। মানুষ বলতে শুরু করল মিকি ফোলি নাকি প্রতিদিন এক প্লেট করে কেঁচো খায়। আপনি কি ভাবেন এরপর আমি কোনো মেয়ের সাথে ডেটে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছি জিম?
:'''জিম রস''': সম্ভবত না।
:'''ম্যানকাইন্ড''': আপনি কি ভাবেন কোনো মেয়ে এমন কোনো ছেলেকে চুমু খেতে চাইবে যার মুখে কেঁচোর গন্ধ? আমি চুমু খেতে খুব ভালো পারি কিন্তু কখনও সুযোগ পাইনি! আমি কি নিজের ওপর প্র্যাকটিস করব জিম?! আমি কখনও দুনিয়াকে ভালোবাসার সুযোগ পাইনি কারণ আমি অদ্ভুত জিনিস খেতাম বলে ওরা আমাকে বাদ দিয়ে দিয়েছিল! আমি বলছি না যে আমি টাকা নিয়ে অন্য অদ্ভুত জিনিস খাইনি কিন্তু ততক্ষণে যা হওয়ার হয়ে গেছে। পুরো হাইস্কুলে আমি একটাও ডেটে যেতে পারিনি! আপনি কি ভাবেন এটা আমার মনে দাগ কাটেনি?! হয়তো আপনি যথেষ্ট গভীরে গিয়ে দেখেননি!
=== ২৬ মে ===
:'''ম্যানকাইন্ড''': সেটা ১৯৮৩ সাল ছিল। নিউ ইয়র্কের সুন্দর মাঠগুলো অনেক ছেলের কাছে খুব প্রিয় হতে পারে। কিন্তু যখন ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে জিমি স্নুকা আর ডন মুরাকো খাঁচার লড়াইয়ে মেতেছিল আমি শুধু সেখানেই থাকতে চেয়েছিলাম! আমি ঘোড়ায় চড়তে চাইনি বা মাছ ধরতে চাইনি আমি শুধু সেই রক্তারক্তি লড়াই দেখতে চেয়েছিলাম জিম। তাই আমি হাত বাড়িয়ে লিফট চেয়ে ১৬-১৭ ঘণ্টা যাত্রা করে গার্ডেনে পৌঁছালাম। আমার জমানো সব টাকা দিয়ে আমি একদম সামনের সারির একটা টিকিট কিনলাম। আর আমি সেই দৃশ্য দেখলাম যা আমার জীবন বদলে দিল। জিমি স্নুকা যখন খাঁচার ওপর থেকে ঝাঁপ দিল আর মানুষজন চিৎকার করে উঠল আমি জানতাম আমি একা নই যার জীবন ওই মুহূর্তে বদলে গেছে। আমি বুঝতে পারলাম জিম... আমিও ঠিক সেটাই করতে চাই। আমিও মানুষের উল্লাস শুনতে চাই। আমি চাই মানুষ আমাকে ভালোবেসে কাঁদুক। ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে সেটা আমার প্রথমবার ছিল এবং আমার বাবা-মা সেখানে ছিল না। আমি সবসময় নিজের কাজ নিজেই করেছি একাই লড়েছি।
<hr width=50%>
:'''ম্যানকাইন্ড''': আঠারো বছর বয়সে আমি নিজের ওপর একটা মুভি বানিয়েছিলাম যেখানে আমি একজন কুস্তিগীর ছিলাম। অদ্ভুত ব্যাপার হলো শন মাইকেলসের সাথে যখন আমার প্রথম দেখা হলো... আপনি চেনেন ওকে?
:'''জিম রস''': ওহ হ্যাঁ। খুব ভালো করেই চিনি।
:'''ম্যানকাইন্ড''': ও আমার ক্ষতবিক্ষত শরীরের দিকে তাকাল। ও আমাকে চিনত না কিন্তু আমার পুরনো দিনের গল্প জানত। ও আমাকে একটু তাচ্ছিল্য করে বলল "তুমি কি সবসময় নিজেকে এভাবেই দেখতে চেয়েছিলে?" আমি বললাম "না। মজার ব্যাপার হলো আমি সবসময় তোমার মতো হতে চেয়েছিলাম।" ও বলল "চ্যাম্পিয়ন হতে চেয়েছিলে?" আমি বললাম "না। আমি চেয়েছিলাম ওই সুন্দর মেয়েগুলো গয়না ট্যাটু আর মানুষের ভালোবাসা।" তাই আমার মুভিতে আমি মিক ফোলি ছিলাম না ম্যানকাইন্ডও ছিলাম না আমি ছিলাম ডুড লাভ।
:''[ডিউড লাভের কিছু ভিডিও দেখানো হলো]''
:'''ডুড লাভ''': আমরা এই পচা আপেলটাকে একদম ভেতর থেকে ভেঙে দেব! আমরা এখানে শুধু একটা কারণেই এসেছি! খ্যাতি সম্মান আর ডাব্লিউডাব্লিউএফ চ্যাম্পিয়নশিপ বেল্ট জিততে...
:'''ম্যানকাইন্ড''': আর ওই মুভির শুটিংয়ের সময় আমি বীরত্ব দেখাতে চেয়েছিলাম। আমি চেয়েছিলাম মানুষ আমার জন্য চিৎকার করুক। তাই আমি আমার বন্ধুর বাড়ির ছাদে উঠে নিচে ঝাঁপ দিলাম।
<hr width=50%>
:'''ম্যানকাইন্ড''': আমি জানতাম আমি তখনও ডুড লাভ হওয়ার জন্য তৈরি নই। আমি কখনও ক্যাকটাস জ্যাক হতে চাইনি। আমি ভেবেছিলাম এটা একটা জঘন্য কুস্তিগীরের জঘন্য নাম। ভেবেছিলাম যখন আমি সামর্থ্য পাব তখন বুকে হার্ট ট্যাটু করাব কানে দুল পরব আর মেয়েদের মন জয় করব। কিন্তু সবকিছু তো আর মনের মতো হয় না তাই না জিম?
:'''জিম রস''': একদমই না।
:'''ম্যানকাইন্ড''': ভাগ্য আমার সহায় ছিল না। ক্যাকটাস জ্যাক নামটা মাত্র তিন মাসের জন্য থাকার কথা ছিল... কিন্তু সেটা এগারো বছর থেকে গেল।
=== ৩০ জুন ===
:'''পল বেয়ারার''': "আমাদের একটু পেছনের দিকে তাকাতে হবে মিস্টার ম্যাকম্যান। প্রায় ২০ বছর আগে। আমরা একটা ছোট ফিউনারেল হোমের কথা বলছি যা পাহাড়ের ওপরে ছিল—পাশে চমৎকার পুরনো গাছপালা—এক দারুণ পারিবারিক ব্যবসা। পরিবারটি ওপর তলায় থাকত। বাবা ছিলেন ফিউনারেল ডিরেক্টর। মা সেক্রেটারি ছিলেন। সেখানে দুটি বাচ্চা ছিল। একজন ছিল লাল চুলো এক শয়তান। আর দ্বিতীয়টি ছিল এক মিষ্টি বাচ্চা যার নাম কেন। আমি সেখানে শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করতাম। আমি ওই লাল চুলো শয়তানের বাবার নিচে কাজ করতাম যাকে আপনারা আন্ডারটেকার নামে চেনেন। আন্ডারটেকারের বাবা কুস্তি শেখানোর ওস্তাদ ছিলেন। তিনি আমাকে সবকিছু শিখিয়েছেন। কিন্তু ওখানে কাজ করার সময় আমি এমন কিছু দেখেছিলাম যা ঘটা উচিত ছিল না।
:এই লাল চুলো বাচ্চার চোখে দয়া মায়া বলে কিছু ছিল না। ওর চোখের চাহনি ছিল শয়তানের মতো! সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হলো বেচারা কেন সবসময় ওর বড় ভাই আন্ডারটেকারকে হিরো মানত। আন্ডারটেকার যা করত কেন সেটাই ঠিক মনে করত। আমার কাজ প্রায় দুই বছর ধরে চলেছিল। আমি তখন কলেজে মর্তুয়ারি সায়েন্স নিয়ে পড়াশোনা করতাম। আন্ডারটেকার আর কেন সারা বাড়িময় দাপিয়ে বেড়াত। আমি ওদের লক্ষ্য করতাম। ওদের বাবা-মা জানত না কিন্তু আমি জানতাম ওরা কী করত। আমি দেখতাম ওরা ল্যাব থেকে কেমিক্যাল চুরি করত। আমি দেখতাম ওরা গ্যারেজের পেছনে গিয়ে সিগারেট খেত—যখন ওরা একেবারেই ছোট ছিল।
:একদিন দুপুরে আমি কলেজে যাওয়ার জন্য বের হচ্ছিলাম। আমি গাড়ি নিয়ে বের হওয়ার সময় দেখলাম আন্ডারটেকার ওর ছোট ভাইয়ের সাথে ওখানে দাঁড়িয়ে আছে। কিছু একটা ঠিক মনে হচ্ছিল না। তবুও আমি কলেজে চলে গেলাম। রাত ১০টার দিকে ফিরে এসে দেখি ফিউনারেল হোমটা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। চারদিকে ফায়ার সার্ভিস আর অ্যাম্বুলেন্স। কেউ একজন আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল। ওই পরিবারের সবাই যারা আমার খেয়াল রাখত তারা মারা গেছে। আমি ঝোপের আড়ালে তাকাতেই দেখলাম আন্ডারটেকার ওখানে দাঁড়িয়ে আছে। আন্ডারটেকার তুমিই আগুন লাগিয়েছিলে। আর আগুনের সাথে তুমি তোমার বাবা-মাকে মেরে ফেলেছ। তুমি তোমার পরিবারকে খুন করেছ আন্ডারটেকার! আমি জানি এটা। ২০ বছর ধরে আমি এই সত্যিটা নিজের ভেতরে চেপে রেখেছি। তুমি খুনি আন্ডারটেকার! তুমি একজন খুনি! তুমি একজন জঘন্য খুনি!
=== ৭ জুলাই ===
:'''ব্রেট হার্ট''': কয়েক সপ্তাহ আগে আমাকে বলা হয়েছিল "আমেরিকাকে ভালোবাসো নাহলে চলে যাও"। দেখুন আমি সারাবিশ্ব ঘুরেছি আমেরিকার প্রতিটি প্রান্তে গেছি আর আমি যে জিনিসটার জন্য সবচেয়ে বেশি অপেক্ষা করি তা হলো এই দেশ ছেড়ে চলে যাওয়া!
<hr width=50%>
:''[স্টোন কোল্ড ম্যানকাইন্ডের সাহায্যে হান্টার হার্স্ট হেলমসলিকে হারানোর পর মাইক নিলেন]''
:'''জিম রস''': এটা বিপজ্জনক হতে পারে।
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': আশা করি ও কানাডিয়ানদের কিছু বলবে না।
:'''অস্টিন''': উঠে দাঁড়া লম্বা চুলের পাগল!
:'''ম্যাকম্যান''': ও ম্যানকাইন্ডের সাথে কথা বলছে।
:'''অস্টিন''': একটা চেয়ারের আঘাতে তোর মতো লোক হার মানতে পারে না রিংয়ে আয়! ''[ম্যানকাইন্ড রিংয়ে এল]'' তুই প্রতি সপ্তাহে আসিস আর বলিস "আমাকে নাও স্টিভ! আমাকে নাও স্টিভ!"। আমি তোকে সোজাসুজি বলছি আমি তোকে একদমই পছন্দ করি না! কিন্তু তুই যদি চাস তবে আমি তোর সাথে যুদ্ধে যেতে রাজি আছি। শুধু হাত মেলা আর আমরা একটা ট্যাগ টিম হয়ে যাব।
:'''জেরি ললার''': ওরে বাবা!
:'''রস''': মনে হচ্ছে সাপের মতো মেজাজি মানুষটাও একটু নরম হয়েছে।
:'''ললার''': অবশেষে ম্যানকাইন্ড যা চেয়েছিল তা পেল!
:'''রস''': ম্যানকাইন্ড শুধু সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হতে চেয়েছিল।
:''[ম্যানকাইন্ড হাত বাড়িয়ে দিল]''
:'''ললার''': ও হাত মেলাতে চায় না ও জড়িয়ে ধরতে চায়!
:''[ম্যানকাইন্ড আর অস্টিন একে অপরকে জড়িয়ে ধরল]''
:'''ম্যাকম্যান''': আমি বিশ্বাস করতে পারছি না। ম্যানকাইন্ড এখন অস্টিনের পার্টনার— ''[হঠাৎ অস্টিন ম্যানকাইন্ডকে স্টোন কোল্ড স্টানার দিলেন]'' — ওহ!
:'''রস''': না না! স্টানার দিও না! ধিক্কার জানাই ওকে!
:'''অস্টিন''': ডিটিএ তুই একটা আস্ত গাধা! কখনও কাউকে বিশ্বাস করবি না! তুই কখনও আমার পার্টনার হবি না কারণ তুই একটা অপদার্থ! ''[মাইক ফেলে দিয়ে হাত তুললেন]''
:'''ম্যাকম্যান''': কী এক কাণ্ড!
:''[অস্টিন রিং ছেড়ে চলে যাচ্ছেন]''
:'''রস''': আপনার যদি কোনো পোষা সাপ লাগে তবে অস্টিনকে ফোন দিতে পারেন!
:'''ম্যানকাইন্ড''' ''[মাইক নিয়ে]'': অস্টিন! অস্টিন!! আমি শুধু একটু সম্মান চেয়েছিলাম। আমি একটা বন্ধু চেয়েছিলাম আর তুমি সবকিছু শেষ করে দিলে!!
:'''অস্টিন''' ''[হাসিমুখে]'': একদম ঠিক!
:'''ম্যানকাইন্ড''': সো এটা খুব স্পষ্ট যে এখন চরম পদক্ষেপ নিতে হবে! কারণ আগামী সপ্তাহে আমি এমন কিছু করব যা আমি আগে কখনও করিনি! আগামী সপ্তাহে ডাব্লিউডাব্লিউএফ আর আগের মতো থাকবে না! স্টিভ অস্টিন তুমিও আর আগের মতো থাকবে না! ম্যানকাইন্ড আর কখনও আগের মতো থাকবে না!!! ''[ফুঁপিয়ে কাঁদছেন]''
loc04e1z3e6t99geetjbr23a8d8rh5l
73909
73906
2026-04-05T17:38:55Z
R1F4T
1240
73909
wikitext
text/x-wiki
== ১৯৯৩ ==
=== ১৪ জুন ===
:'''মিন জিন ওকারলান্ড''': আমরা এখানে এইমাত্র শেষ হওয়া [[w:কিং অফ দ্য রিং|কিং অফ দ্য রিং]] অনুষ্ঠানে আছি। আমার সাথে আছেন নতুন ওয়ার্ল্ড রেসলিং ফেডারেশন চ্যাম্পিয়ন ইয়োকোজুনা এবং তার ম্যানেজার মিস্টার ফুজি। এর আগে এক সাক্ষাৎকারে আপনি বলেছিলেন যে আপনি এখানে আমেরিকায় একটি উদযাপন করবেন। কিন্তু কেন?
:'''মিস্টার ফুজি''': কেন? সহজ ব্যাপার। কারণ আমার ইয়োকোজুনা এই সুন্দর আমেরিকাতেই ডাব্লিউডাব্লিউএফ হেভিওয়েট বেল্ট জিতেছে। তাই ইয়োকোজুনা আর আমি আমেরিকাতেই আনন্দ করব।
:'''মিন জিন''': এই উদযাপন ঠিক কবে হবে?
:'''মিস্টার ফুজি''': সম্ভবত ৪ জুলাই।
:'''মিন জিন''': আরে এক মিনিট দাঁড়ান। ৪ জুলাই তো একটা বড় ছুটির দিন। আসলে ৪ জুলাই হলো আমেরিকার জন্মদিন। আপনি ৪ জুলাই কেন উদযাপন করতে চাইছেন?
:'''মিস্টার ফুজি''': কেন? কারণ আমেরিকা যখন স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করবে তখন ইয়োকোজুনা আর মিস্টার ফুজি আমেরিকার সাথেই আনন্দ করবে।
:'''মিন জিন''': এই উদযাপন কোথায় হবে?
:'''মিস্টার ফুজি''': আঃ... হয়তো আমেরিকার কোনো সুন্দর ঐতিহাসিক জায়গায়। কোনো এক ঐতিহাসিক স্থানে!
:'''মিন জিন''': এক মিনিট মিস্টার ফুজি আপনি নিশ্চয়ই মজা করছেন। এটা তো জঘন্য ব্যাপার!
:'''মিস্টার ফুজি''': কী?
:'''মিন জিন''': আমার মনে হয় আপনি আসলে আমেরিকার একটি ছুটির দিনকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা করছেন তাই না?!
:'''মিস্টার ফুজি''': না না না না...
:'''মিন জিন''': আপনি আর ইয়োকোজুনা মিলে... আমরা কি আপনাদের কাছ থেকে এটাই আশা করব?! যা হোক!
:'''ইয়োকোজুনা''': ইয়োশ নে। হাল্কাম্যানিয়া শেষ!
=== ২ আগস্ট ===
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': ১-২-৩ কিড আর রেজর র্যামোনের জন্য কী চমৎকার এক জয়। রিংয়ের পাশে থেকে রেজর র্যামোন যেন কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিয়ে সামারস্ল্যামের লড়াইকে আরও জমিয়ে তুললেন। আমি আপনাদের বলছি এটা অসাধারণ কিছু হতে যাচ্ছে। টেড ডিবিয়াসি খুব খুব আপসেট।
:'''ববি "দ্য ব্রেইন" হিনান''': ম্যাকম্যান আপনি এখন টেড ডিবিয়াসি, মিলিয়ন ডলার ম্যান এবং মানি ইনকর্পোরেটেডের মতো শত্রুদের খেপিয়ে দিয়েছেন। আপনি রিংয়ের ভেতর কী করবেন সেটা আপনার ব্যাপার। কিন্তু যখন আপনি লড়াইয়ে নামবেন...
:''[ভিন্স এবং ববি লক্ষ্য করলেন কেউ একজন রিংয়ে ঢুকেছেন]''
:'''ভিন্স''': ব্যবসার কথা তো হলো কিন্তু এই লোক এখানে কী করছেন?
:'''ববি''': আরে এক মিনিট দাঁড়ান!!
:'''ভিন্স''': এখানে তার কোনো কাজ নেই।
:'''ববি''': আপনি কি জানেন? আপনি কি জানেন উনি কে?! আপনার কি কোনো ধারণা আছে যে... আপনি কি জানেন উনি কে?! জিমি! জিমি!
:'''ভিন্স''': জিম করনেট। বেশি উত্তেজিত হবেন না। ববি হিনানকে আমি কখনও এত খুশি হতে দেখিনি। এটা কী হচ্ছে?! ''[ববি এবং জিম করনেট রিংয়ের মাঝে একে অপরকে জড়িয়ে ধরলেন]'' আরে দেখুন! স্মোকি মাউন্টেন রেসলিংয়ের সেই পুরনো জুটির পুনর্মিলন হলো!
:'''ববি''': ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ আমি এটা বিশ্বাস করতে পারছি না! আমি একদমই বিশ্বাস করতে পারছি না! আপনারা কি জানেন উনি কে?! আপনাদের কি কোনো ধারণা আছে যে এই লোকটা কে?! ''[জিমকে]'' না এখন আমি কথা বলব। তুমি শোনো! শান্ত হও। আমি তোমার হয়ে কথা বলছি। ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ ইনি হচ্ছেন কুস্তি খেলার ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ ম্যানেজার! হ্যাঁ! আমি নিজে যা করেছি তাও এই লোকের সাফল্যের ধারেকাছে নেই। জিম করনেট আপনি ডাব্লিউডাব্লিউএফএ কী করছেন?
:'''জিম করনেট''': প্রথমত ববি আমি একটা কথা বলতে চাই। আমি রেসলিংয়ের সেরা ম্যানেজার শুধুমাত্র এই কারণে যে তুমি এখন আর ম্যানেজারি করছ না। আমাকে বলতেই হবে... আর হ্যাঁ তুমি যে ফুলের তোড়াটা পাঠিয়েছিলে তা আমার মায়ের খুব পছন্দ হয়েছে। তবে জানো তো? সবাই ভাবছে "জিম করনেট..."। আমি জানি এখানকার মানুষগুলো অবাক হয়ে হাঁ করে আছে। তারা ভাবছে জিম করনেট ডাব্লিউডাব্লিউএফএ!
:'''ববি''': জিম আমাকে বলো স্মোকি মাউন্টেন রেসলিংয়ের খবর কী?
:'''জিম''': আমি এই সব বুদ্ধিহীন মানুষদের একটু বুঝিয়ে বলি। জিম করনেট তার ক্যারিয়ারে সবকিছু করেছে। আমি পেশাদার কুস্তিতে সব অর্জন করেছি। আমি এক প্রান্তর থেকে অন্য প্রান্তরে ঘুরেছি। রেসলিংয়ের সেরা ট্যাগ টিমগুলোকে ম্যানেজ করেছি। শুধু একটা কাজ করা বাকি ছিল সেটা হলো ওয়ার্ল্ড রেসলিং ফেডারেশনে আসা। আমি এখন সেটা করতে এসেছি কারণ আমার কাছে তুরুপের তাস আছে।
:দেড় বছর আগে আমি টেনেসি অঙ্গরাজ্যের নক্সভিলের সেই সুন্দর স্মোকি মাউন্টেনে থাকতে শুরু করি এবং দক্ষিণের সবচেয়ে জনপ্রিয় রেসলিং প্রমোশন স্মোকি মাউন্টেন রেসলিংয়ের সাথে যুক্ত হই। সেখানে আমি নিজেই বেছে নিয়ে এক ট্যাগ টিম তৈরি করেছি যারা সেরাদের সেরা এবং আমার ম্যানেজ করা ট্যাগ টিমগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠ। তারা আর কেউ নয় দ্য হেভেনলি বডিজ: ডক্টর অফ ডিজায়ার টম প্রিচার্ড এবং জিগোলো জিমি ডেল রে। তারা নিঃসন্দেহে আমেরিকার প্রতিটি নারীর আকাঙ্ক্ষার পাত্র।
:'''ববি''': কী এক সারপ্রাইজ! জিম তুমি আমাকে অবাক করা বন্ধ করো না!
:'''জিম''': ঠিক তাই আর আমার কাছে আরও সারপ্রাইজ আছে। আমি এখানে একটা কারণেই এসেছি। কারণ আমি রেসলিংয়ের সেরা ট্যাগ টিম হেভেনলি বডিজকে ম্যানেজ করি। তারা দেড় বছর ধরে স্মোকি মাউন্টেন রেসলিং শাসন করেছে। আর এখন আমি শুনছি এখানে রিক আর স্কট স্টাইনার নামের কিছু রাঘব বোয়াল আছে... ''[দর্শকদের উল্লাস দেখে]'' হ্যাঁ।
:'''ভিন্স''': ওহ ভাই করনেট মোটেও সময় নষ্ট করছেন না।
:'''ববি''': ওরা তো ডাব্লিউডাব্লিউএফ ট্যাগ টিম চ্যাম্পিয়ন।
:'''জিম''': ঠিক তাই। ওরা ডাব্লিউডাব্লিউএফ ট্যাগ টিম চ্যাম্পিয়ন ঠিকই কিন্তু ওরা বিশ্বের সেরা নয়। বিশ্বের সেরা হলো হেভেনলি বডিজ। তাই রিক আর স্কট স্টাইনার আমি এখন আমার শেষ চাল চালার জন্য তৈরি। স্টাইনার ব্রাদার্স তোমাদের সামনে চ্যালেঞ্জ রাখা হলো। হয় তোমরা হেভেনলি বডিজের বিরুদ্ধে রিংয়ে নামো বেল্ট বাঁচানোর লড়াই করো এবং হেরে যাও। অন্তত লোকে জানবে যে তোমাদের সাহস ছিল। সেরাদের কাছে হারা লজ্জার কিছু নয়। আর যদি আমার চ্যালেঞ্জ এড়িয়ে যাও তবে সবাই জানবে যে তোমরা আসলে হীন নোংরা কুত্তার মতো ভিতু কাপুরুষ। আর আমি জানি যে তোমরা ঠিক তাই।
:'''ববি''': ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ এই লোকটা ডাব্লিউডাব্লিউএফ কাঁপিয়ে দেবে! আর জিমি তুমিই সেটা করতে পারো! তুমি এসেছ! তুমি সত্যিই এসেছ!
== ১৯৯৪ ==
=== ৭ নভেম্বর ===
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': এই মুহূর্তে মাচো ম্যান র্যান্ডি স্যাভেজ এখানে নেই। আমাকে দুঃখের সাথে জানাতে হচ্ছে যে র্যান্ডি স্যাভেজ ওয়ার্ল্ড রেসলিং ফেডারেশনের সাথে নতুন কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেননি। র্যান্ডি আমি জানি তুমি হয়তো শুনছ। ওয়ার্ল্ড রেসলিং ফেডারেশনের পক্ষ থেকে তোমার সব ভক্তদের পক্ষ থেকে এবং অবশ্যই তোমার এক নম্বর ভক্ত হিসেবে আমি তোমাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। এত বছর ধরে আমাদের সাথে থাকার জন্য এবং চমৎকার সব স্মৃতি উপহার দেওয়ার জন্য তোমাকে অনেক ধন্যবাদ। আমরা তোমার মঙ্গল কামনা করি। ভালো থেকো এবং তোমার ভবিষ্যৎ যাত্রা শুভ হোক।
=== ২৮ নভেম্বর ===
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': ঠিক আছে চলুন আপনাদের [[w:সারভাইভার সিরিজ|সারভাইভার সিরিজ]] থেকে ঘুরিয়ে আনি। এক অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্স! শন মাইকেলস রিংয়ে ঢোকার আগ পর্যন্ত ডিজেল একাই অন্য দলের সবাইকে প্রায় শেষ করে দিয়েছিলেন। আমার মনে হয় সেটাই ছিল সহ্যের শেষ সীমা।
:'''ডিজেল''': দেখুন আমাদের পরিকল্পনা ছিল আমরা টিমস্টার হিসেবে এক হয়ে লড়ব। আমরা দেখাতে চেয়েছিলাম আমরা দল হিসেবে কত শক্তিশালী। কিন্তু আমি রিংয়ে ঢোকার পর শন ঠিক করল যে আমিই রিংয়ে থাকব। যখন আমার দম ফুরিয়ে আসছিল শন ভাবল আমাকে আরও কিছুক্ষণ রিংয়ে রাখা দরকার। আমি রেজর র্যামোনকে জ্যকনাইফ পাওয়ারবম্ব দিলাম আর ঠিক তখনই শন মাইকেলস ট্যাগ করতে চাইল। কারণ আমরা সবাই জানি শন কতটা প্রচারের আলোয় থাকতে ভালোবাসে তাই না?
:'''ভিন্স''': ওহ হ্যাঁ সেটা আমরা খুব ভালো করেই জানি। তবে সে যা চেয়েছিল তা ঠিক পায়নি। সত্যি বলতে আমরা তাকে শেষবার তার গাড়িতে করে শহর ছেড়ে পালিয়ে যেতে দেখেছি।
:'''ডিজেল''': শন মাইকেলস তুমি যেখানেই থাকো না কেন তোমার জন্য আমার একটা বার্তা আছে। সারভাইভার সিরিজে হয়তো তুমি পালিয়ে গেছ। কিন্তু আমি বলছি সেদিন রাতে যদি তোমাকে হাতে পেতাম তবে তুমি আর বেঁচে ফিরতে পারতে না।
:'''ভিন্স''': তবে আপনি টিকে আছেন। সত্যি বলতে শন মাইকেলস যখন ট্যাগ টিম চ্যাম্পিয়নশিপ বেল্ট ময়লার ঝুড়িতে ফেলে দিল তখনই আপনাদের জুটিতে ভাঙন ধরল। তাই জ্যাক টুনিকে একটা সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল। ব্রেট হার্ট সাময়িকভাবে লড়াইয়ের বাইরে থাকায় ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে আপনাকে এক নম্বর দাবিদার হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। সেদিন আপনার কেমন লেগেছিল? সেই দিনের কথা কি আমাদের একটু বলবেন?
:'''ডিজেল''': সেদিন আমি রাত ৪টায় ঘুম থেকে উঠে পড়ি কারণ আমার ঘুম আসছিল না। সকাল ৮টায় পিটসবার্গ থেকে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু আমি তার আগেই রওনা দিই যাতে শহরে জলদি পৌঁছাতে পারি। এয়ারপোর্ট থেকে ট্যাক্সি নিয়ে শহরে এলাম এবং রাস্তায় হাঁটতে লাগলাম। নিউ ইয়র্ক সিটির রাস্তায় হাঁটার সময় মানুষজন আমাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছিল। একেক জন যখন শুভেচ্ছা জানাচ্ছিল আমার আত্মবিশ্বাস বাড়ছিল। কয়েকশো মানুষ যখন আমাকে বলল "হেই বিগ ড্যাডি গার্ডেনে আজ বাজিমাত করে দাও। আমাদের জন্য সোনা নিয়ে এসো" তখন আমার মনে হলো সত্যিই জেতা সম্ভব। আর আজ বিগ ড্যাডির কাছেই সেই চ্যাম্পিয়নশিপ বেল্ট আছে!
:'''ভিন্স''': হ্যাঁ তবে আমার মনে হয় ক্রস-ফেস চিকেনউইঙের ওস্তাদ বব ব্যাকলান্ড আপনাকে এত সহজে ছেড়ে দেবেন না।
:'''ডিজেল''': হেই বব তোমার ওই বো-টাইগুলো বেশ নজরকাড়া। তবে তুমি একজন সত্যিকারের কুস্তিগীর এবং ভালো মানুষ আমি তোমাকে শ্রদ্ধা করি। যদি তুমি আমাকে ওই প্যাঁচে ফেলতে পারো তবে আমার জন্য বিপদ হবে। কিন্তু বব আগে তো আমাকে ধরতে হবে!
:'''ভিন্স''': সেটা হবে কি না তা সময়ই বলে দেবে। ব্রেট হার্ট আজ আমাদের দেখছেন উনি আপাতত বিশ্রামে আছেন। কিছুক্ষণ আগে ওনার সাথে ফোনে কথা হয়েছিল। ব্রেটের জন্য আপনার কি কোনো বার্তা আছে?
:'''ডিজেল''': আমি ব্রেটকে খুব ভালো করে চিনি না। জুনে [[w:কিং অফ দ্য রিং|কিং অফ দ্য রিং]] অনুষ্ঠানে ওর সাথে আমার ৩০ মিনিটের এক তুখোড় লড়াই হয়েছিল। ও একজন দারুণ লড়াকু এবং সত্যিকারের চ্যাম্পিয়ন। ব্রেট হার্টের কাছ থেকে যেভাবে বেল্ট কেড়ে নেওয়া হয়েছে তা আমার একদম পছন্দ হয়নি। কারণ আমি জানি এবং সবাই জানে যে ব্রেট যদি নিজে হার না মানত তবে সারভাইভার সিরিজ এখনও চলত।
:'''ভিন্স''': আমি আপনার সাথে একমত।
:'''ডিজেল''': আমি এখন চ্যাম্পিয়ন হয়েছি মাত্র কয়েক ঘণ্টা হলো। এটা আমার কাছে নতুন। তবে আমি ব্রেট হার্টের মতো একজন লড়াকু চ্যাম্পিয়ন হতে চাই। ব্রেট কখনও... ''[দর্শকদের উল্লাসে কথা থেমে গেল]''
:'''ভিন্স''': হ্যাঁ সর্বকালের সেরা লড়াকু চ্যাম্পিয়ন।
:'''ডিজেল''': ব্রেট কখনও চ্যালেঞ্জ ফিরিয়ে দেয়নি। আমি যেভাবে সুযোগ পেয়েছি তা নিয়ে হয়তো খুব গর্ব নেই কিন্তু ব্রেট সময়মতো লড়াই করেছে। ব্রেট এখন পরিবারের সাথে সময় কাটাও বিশ্রাম নাও। তোমার চোটের জন্য আমি দুঃখিত। তবে আমি কথা দিচ্ছি ব্রেট হার্ট যখন যেখানে চাইবে তুমি এই বেল্টের জন্য লড়াই করার সুযোগ পাবে। এটা বিগ ডির ওয়াদা।
:'''ভিন্স''': ঠিক আছে। শেষ কিছু বলবেন?
:'''ডিজেল''': ওয়ার্ল্ড রেসলিং ফেডারেশনে নতুন প্রজন্মের জয় হোক! ইয়েহ!
:'''ভিন্স''': এই তো আমাদের বিগ ড্যাডি কুল নতুন ডাব্লিউডাব্লিউএফ চ্যাম্পিয়ন!
== ১৯৯৫ ==
=== ২০ নভেম্বর ===
:''[ডিজেল রিংয়ে এসে সাভিও ভেগা এবং স্কিপের ম্যাচ থামিয়ে দিলেন]''
:'''ডিজেল:''' অনেকেই ভাবছে বিগ ড্যাডি কুলের মাথায় এখন কী চলছে। আমি ভাবলাম হয়তো ব্রেটের সাথে যা করেছি বা ভক্তদের সাথে যা করেছি তার জন্য ক্ষমা চাইব। কিন্তু একদম না! জানেন গত রাতে হোটেলে ফিরে আমি ভাবছিলাম ঘুম আসবে কি না। কিন্তু এক বছরের মধ্যে এই প্রথম আমি বাচ্চার মতো শান্তিতে ঘুমিয়েছি! আজ সকালে আয়নায় নিজেকে দেখে আমার মুখে হাসি ফুটে উঠল। এক বছর পর নিজেকে হাসতে দেখলাম। আমি কোনো কর্পোরেট পুতুল নই ভিন্স যা তুমি বানাতে চেয়েছিলে! না। তুমি এবার ভুল করে ফেলেছ! চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পরই আমাকে টাইটান টাওয়ারে মার্কেটিং আর মার্চেন্ডাইজিংয়ের লোকদের সাথে বসিয়ে দেওয়া হলো। ওরা বলল "হেই ডিজেল তোমাকে একটু হাসতে হবে। একটু নম্র আর কর্পোরেট হতে হবে।" শোনো ভিন্স গত রাতে যা দেখেছ তা তো কেবল শুরু! বিগ ড্যাডি কুল ফিরে এসেছে! সেই একই লোক যাকে কয়েক বছর আগে রয়্যাল রাম্বলে দেখেছিলে। ''[চশমা পরে নিলেন]'' এখন আমার কাছে শুধু আমার পরিবার আর বন্ধুরা গুরুত্বপূর্ণ যার মধ্যে শন মাইকেলসও আছে! আমি বলছি না যে আমি হাত মেলাব না তবে হাতে কালো দস্তানা থাকতে হবে যাতে বুঝি তুমি আমার সাথে আছো। তোমরা আমাকে পছন্দ করো বা ঘৃণা করো আমি এমনই থাকব। আমি ফিরে এসেছি!
== ১৯৯৬ ==
=== ১৯ ফেব্রুয়ারি ===
:''[ইন্টারকন্টিনেন্টাল চ্যাম্পিয়নশিপ ম্যাচে গোল্ডাস্ট রিং ছেড়ে চলে যাওয়ায় কাউন্ট আউটে হেরেও বেল্ট নিজের কাছে রাখলেন]''
:'''রেজর র্যামোন''' ''[মাইক হাতে]'': হেই বন্ধু! গান বন্ধ করো! ''[গান থেমে গেল]'' সবাই শোনো... গোল্ডাস্ট... আমার তোমার বেল্ট চাই না। আমি স্রেফ তোকে পিটিয়ে তক্তা করে দিতে চাই!
:''[দর্শকদের উল্লাস]''
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': এটা সত্যিই র!
:'''জেরি "দ্য কিং" ললার''': কী?!
:'''রেজর''': জানেন... আমি অনেকদিন ধরে শুনছি সেই "সেরা" লোকটা ফিরছে। পুরনো সোনালী দিনের সেই কিংবদন্তি ফিরে এসেছে। সে আমাদের নতুন প্রেসিডেন্ট রডি "রাউডি" পাইপার।
:'''জেরি''': ওর মাথা খারাপ হয়ে গেছে ম্যাকম্যান।
:'''রেজর''': পাইপার আমি তোমাকে একবার বলতে শুনেছিলাম যে তোমার ছয়টা বাচ্চা আছে। আর সেজন্যই তুমি "হট রড"। শোনো রেজর বাচ্চাদের অনেক ভালোবাসে। আর পাইপার তুমি আর আমি একই পথের মানুষ। আমি চাই না আমার বাচ্চারা টিভিতে এই সব জঘন্য জিনিস দেখুক!
:''[দর্শকদের আবার উল্লাস]''
:'''জেরি''': ও কী বলছে ম্যাকম্যান??
:'''রেজর''': তাই পাইপার বন্ধু... এখন শুধু একটা কাজ বাকি একটা ম্যাচের আয়োজন করো! আমি গোল্ডাস্টকে চাই যখন যেখানে খুশি! আর গোল্ডাস্ট! সবাই জানে যে তুমি আমাকে চাও! তুমি কি ভাবো আমি আকর্ষণীয়? তুমি কি ভাবো আমি হট? তুমি একদম ঠিক ভাবো! তাই পাইপার রাউডি পাইপার... তুমি তো ম্যাচমেকার একটা ম্যাচের ব্যবস্থা করো। গোল্ডাস্ট চলো একদিন হয়ে যাক। ইয়েহ!!
:'''ভিন্স''': রেজর র্যামোন গোল্ডাস্টের সাথে আবার লড়তে চায় এবং আমার মনে হয় টাইটেল বেল্ট নিয়ে সে খুব একটা চিন্তিত নয়!
=== ২৭ মে ===
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': ঠিক আছে আমাদের সাথে আছেন খুব অসন্তুষ্ট টেড ডিবিয়াসি। মিস্টার ডিবিয়াসি সাম্প্রতিক ঘটনায় আপনি একদমই খুশি নন তাই তো?
:'''[[w:টেড ডিবিয়াসি|টেড ডিবিয়াসি]]''': ''[স্টোন কোল্ড স্টিভ অস্টিনের সাথে]'' না ম্যাকম্যান আমি একদমই খুশি নই। গত রাতে সাভিও ভেগার জয়টা স্রেফ কপাল জোরে হয়েছে। আলো বন্ধ ছিল কে জানে সাভিও কতবার কর্নারে হাত দিয়েছে। আমি বলছি সাভিও ভেগা কোনোভাবেই স্টোন কোল্ড স্টিভ অস্টিনকে হারাতে পারে না...
:'''ভিন্স''': আপনি চেয়েছিলেন সাভিও আপনার ড্রাইভার হবে কিন্তু তা হয়নি এবং সাভিও জিতে গেছে। এখন কালকের জন্য আবার ম্যাচ ঠিক হয়েছে এবং সেটা হবে ক্যারিবিয়ান স্ট্র্যাপ ম্যাচ। আপনি কি এখনও সাভিওকে সেই চ্যালেঞ্জ দিতে চান?
:'''টেড''': আমি বাজিটা আরও বাড়াতে চাই ম্যাকম্যান।
:'''ভিন্স''': বাজি বাড়াতে চান?
:'''টেড''': সাভিও ভেগা শর্তটা আগের মতোই থাকবে কারণ তুমি আমার ড্রাইভার হতে যাচ্ছ। আর আমি এতটাই আত্মবিশ্বাসী যে এই লোকটা তোমাকে কাল হারাবেই। যদি স্টোন কোল্ড স্টিভ অস্টিন তোমাকে কাল না হারাতে পারে সাভিও ভেগা তবে মিলিয়ন ডলার ম্যান টেড ডিবিয়াসি তার ক্যারিয়ার ছেড়ে দেবে! আমি ডাব্লিউডাব্লিউএফ ছেড়ে চলে যাব! শুনতে পেয়েছ ম্যাকম্যান?! শুনতে পেয়েছ ভেগা?! আমি ডাব্লিউডাব্লিউএফ ছেড়ে দেব!
=== ২৩ সেপ্টেম্বর ===
:'''[[w:জিম রস|জিম রস]]:''' আর মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে আমি বিগ ড্যাডি কুল কেন এবং রেজর র্যামোনকে এখানে নিয়ে আসব। তবে তার আগে আমি আপনাদের কাছ থেকে এক মিনিট সময় চেয়ে নিচ্ছি কিছু কথা বলার জন্য। অনেকদিন ধরে আমার মনে কিছু কথা জমে আছে। কথাগুলো শোনার পর অনেকেই হয়তো ডাব্লিউডাব্লিউএফের প্রতি আমার আনুগত্য নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন। তাই শুরুতেই পরিষ্কার করে দিই ডাব্লিউডাব্লিউএফের প্রতি আমার কোনো টান নেই আমি শুধু নিজের কথাই ভাবি এবং কেন তা বলছি শুনুন। ১৯৯৩ সালে আমি আটলান্টার একটা ভালো চাকরি ছেড়ে ডাব্লিউডাব্লিউএফএ এসেছিলাম। আমি ভেবেছিলাম আমি এখানে প্রধান ধারাভাষ্যকার হব। রেসলিং দুনিয়ায় আমার চেয়ে ভালো ধারাভাষ্যকার কেউ নেই এটা সবাই জানে! লাস ভেগাসে রেসলম্যানিয়ার প্রথম দিন আমি কাজে যোগ দিলাম এবং আমাকে একটা চাদর পরিয়ে দেওয়া হলো। ওরা বলল "এটা একটা টোগা তোমাকে দেখতে ভালো লাগবে।" আমি একটা চাদর পরার জন্য ভালো চাকরি ছেড়ে এলাম! এটা জঘন্য! তারপর কিং অফ দ্য রিং অনুষ্ঠানে আমি একাই পুরো ব্রডকাস্ট সামলালাম। তারপর কি আপনারা কখনও ভেবেছেন জেআর কোথায় গেল? কেন জেআর আর ধারাভাষ্য দিচ্ছে না? আমি বলছি কেন। কারণ ডাব্লিউডাব্লিউএফের অহংকারী মালিক ভিন্স ম্যাকম্যান কোনো প্রতিযোগিতা সহ্য করতে পারে না। তাই জেআরকে সরিয়ে দেওয়া হলো। তারপর ১৯৯৪ সালের এক রবিবারে আমার মুখের বাঁ দিক অবশ হয়ে গেল যাকে বেলস পালসি বলে... ''[অংশবিশেষ বাদ দেওয়া হয়েছে]''
=== ১১ নভেম্বর ===
:''[ব্রায়ান পিলম্যানের বাড়িতে ভিন্স ম্যাকম্যান এবং কেভিন কেলি তার সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন অন্যদিকে স্টোন কোল্ড তাকে খুঁজতে বেরিয়েছে]''
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': এত সাহসের কথা বলছেন ঠিকই কিন্তু আপনার কি মনে হচ্ছে আপনি নিজের বাড়িতেই বন্দী হয়ে আছেন?
:'''ব্রায়ান পিলম্যান''': হাঃ। স্টিভ এখন একটা জ্যান্ত লাশ। কারণ যখন অস্টিন ৩:১৬ পিলম্যানের সামনে আসবে ''[হঠাৎ ক্যামেরার সামনে একটি পিস্তল বের করলেন]'' এই ৯ এমএম গ্লক...
:'''কেভিন কেলি''': ওহ খোদা ওহ খোদা!
:'''পিলম্যান''': ...আমি ওর শরীর গুলিতে ঝাঁঝরা করে সোজা নরকে পাঠিয়ে দেব!!
== ১৯৯৭ ==
=== ২০ জানুয়ারি ===
:''[অনুষ্ঠানের শুরুতে ব্রেট হার্ট রিংয়ে এলেন]''
:'''[[w:ব্রেট হার্ট|ব্রেট হার্ট]]''': আমার কিছু বলার আছে!
:'''[[w:জেরি ললার|ললার]]''': ও এখানে কী করছে?
:'''ব্রেট হার্ট''': ভিন্স আমি তোমার কাছে কিছু বলতে চাই! তুমি জানো আমি যখন ডাব্লিউডাব্লিউএফএ ফিরতে রাজি হলাম তুমি কথা দিয়েছিলে যে আমি চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য লড়ার সুযোগ পাব। তুমি আমাকে স্টোন কোল্ড স্টিভ অস্টিনের সাথে লড়তে দিলে এবং বললে আমি যদি ওকে হারাই তবে আমি এক নম্বর দাবিদার হব। এখন কি তোমার মনে হয় না যে শন মাইকেলসের হঠাৎ করে আমার আর সাইকো সিডের ম্যাচের সময় রিংয়ের পাশে আসাটা একটু বেশিই কাকতালীয় ছিল? আমি একদমই এটাকে কাকতালীয় মনে করি না। শন মাইকেলস আমার কাজে নাক গলিয়ে আমার চ্যাম্পিয়নশিপ কেড়ে নিল। আর তোমরা বললে "আরে ঠিক আছে চিন্তার কিছু নেই এখন তুমি রয়্যাল রাম্বলে আরও ২৯ জনের সাথে লড়াই করো তাহলেই সুযোগ পাবে।" আমি রিংয়ে গেলাম এবং এটা পরিষ্কার যে আমিই রয়্যাল রাম্বল জিতেছি। তাহলে আমার চ্যাম্পিয়নশিপের সুযোগ কোথায়? এখন আমার মনে হচ্ছে আমাকে শন মাইকেলস ঠকিয়েছে স্টোন কোল্ড ঠকিয়েছে এবং ডাব্লিউডাব্লিউএফ আর তুমি মিলে আমাকে ঠকিয়েছ! আমি ফাঁকা হুমকি দিতে পছন্দ করি না তবে আমার মনে হচ্ছে আমি আর সুযোগ পাব না। তাই আমি কাজ ছেড়ে দিচ্ছি! ''[মাইকটা আছাড় দিয়ে ফেলে দিলেন]''
<hr width=50%>
:'''স্টিভ অস্টিন''': ঠিকমতো কাজ করে এমন কোনো জিনিস আমাকে কি দেবে নাকি তোমাকে ধরে পেটাতে হবে? ব্রেট হার্ট তুমি কান্নাকাটি আর অভিযোগ করায় ওস্তাদ। ফেরার পর থেকে তুমি শুধু কেঁদেই যাচ্ছ! তুমি বলছ ভিন্স তোমাকে ঠকিয়েছে সবাই তোমাকে ঠকিয়েছে। আসল কথা হলো বন্ধু যখন অবস্থা কঠিন হয় তখন হার্টরা ভয়ে বাড়িতে পালিয়ে যায়! এটা বন্ধ করো! কানাডায় ফিরে যাও কারণ তুমি শুধু তোমার বুড়ো বাবাকেই হারাতে পারবে। তুমি বলছ তোমাকে নাজেহাল করা হয়েছে আমাকে সাত বছর ধরে নাজেহাল করা হয়েছে। আজ আমার সাইকো সিডের সাথে লড়ার কথা ছিল কিন্তু গরিলা মনসুন এসে বলল যে সিডের মাথায় চোট লেগেছে। সিড হয়তো মাথায় বরফ দিয়ে শুয়ে আছে কিন্তু ওর মেরুদণ্ড বলে কিছু নেই ও আসলে একটা ভিতু। আর গরিলা মনসুনকে বলছি ওই কলাগুলো তুমি নিজের কাছেই রাখো। তোমরা যদি চাও আমি আন্ডারটেকারের সাথে লড়ি তবে ওকে এখানে নিয়ে এসো। গত রাতে আমি ওকে রিং থেকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিলাম আর এখনও তাই করব। নিয়ে এসো ওকে!
=== ১৩ ফেব্রুয়ারি ===
:''[ভিন্স ম্যাকম্যান শন মাইকেলসকে নিয়ে এলেন এবং শন তার সমস্যার কথা বলছেন]''
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': আমি জানি তুমি কতটা হতাশ যে তুমি সাইকো সিডের বিরুদ্ধে টাইটেল বাঁচাতে পারছ না। আর ইতিহাসের অন্য যে কোনো চ্যাম্পিয়নের চেয়ে তুমি অনেক বেশি চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছ এবং কঠোর পরিশ্রম করেছ।
:'''শন মাইকেলস''': দেখুন আমি কোনো কাজ অর্ধেক করতে পারি না। আমি এখানে এসে মানুষের চিৎকার শুনি ওরা সিড বা ব্রেটের নাম ধরে ডাকে। তবে একটা কথা নিশ্চিত যে ভবিষ্যতে আপনারা ওদের খেলা দেখতে পাবেন আর আমি সেটাই চাই। লোকে আমার সম্পর্কে যা-ই ভাবুক না কেন আমি সবসময় চেয়েছি দর্শকরা যেন আনন্দ পায়।
:আমি সবসময় দর্শকদের আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা করেছি চাই আমি ভালো মানুষের দলে থাকি বা ভিলেনের দলে। আমার কাছে পারফরম্যান্সটাই আসল ছিল যাতে দর্শকরা টিকিট কেটে আফসোস না করে। ওরা জানত আমার নাম থাকলে ওরা মন ভরে চিৎকার করতে পারবে এবং ভালো সময় কাটাতে পারবে।
:গত কয়েক মাস ধরে অনেক কথা হচ্ছে যে অনেক কুস্তিগীরের ব্যবহার খারাপ এবং সবকিছু এই বেল্টকে ঘিরেই। আমি শুধু জানি যে অনেকদিন ধরে এই বেল্টের আশেপাশে শন মাইকেলসকে দেখা যাবে না। আমি এখন ঠিক কোথায় দাঁড়িয়ে আছি আমি জানি না। আমাকে সবকিছু পরীক্ষা করাতে হবে। হয়তো আমার বড় ধরনের অপারেশন লাগবে। আমি আর আগের মতো পারফর্ম করতে পারব কি না জানি না। কিন্তু আমি যদি আমার সেরাটা দিতে না পারি তবে আমি রিংয়ে নামব না। আমি আধখেঁচড়া কাজ করতে পারি না। রিংয়ে নামলে আমাকে দাপিয়ে বেড়াতে হবে এদিক ওদিক আছাড় খেতে হবে। আমাকে মজা পেতে হবে।
:গত এক বছরে আমি কোনো চ্যালেঞ্জ ফেরাতে পারিনি। আমি ডাব্লিউডাব্লিউএফ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে জীবনটা উপভোগ করতে চেয়েছিলাম। আমি লিমুজিন আর প্রাইভেট জেটে চড়তে চেয়েছিলাম টিভিতে আসতে চেয়েছিলাম আর আমি তা করেছিও। আমার কাছে এখন শুধু এই স্মৃতিগুলোই আছে। আমি জানি এখন লড়াইয়ের খুব কদর কিন্তু দুঃখের সাথে জানাতে হচ্ছে আমার কাছে এখন শুধু চোখের জল আর আবেগ আছে। আমার মধ্যে এখন আর সেই জোর নেই তাই ভিন্স এই নাও তোমার বেল্ট। ''[চ্যাম্পিয়নশিপ বেল্ট ফিরিয়ে দিলেন]''
:আমি এখন বাড়ি ফিরে যাব এবং দেখব আমার জন্য আর কী বাকি আছে; চাই সেটা এই রিংয়ে হোক বা রিংয়ের বাইরে। গত কয়েক মাসে আমি অনেক কিছু হারিয়েছি এবং তার মধ্যে একটা হলো আমার হাসি। এটা হয়তো সবার কাছে বড় কিছু নয় কিন্তু আমার কাছে অনেক বড়। আমাকে নিজেকে ঠিক করতে হবে এবং আমার হাসিটা খুঁজে বের করতে হবে কারণ কোথাও যেন আমি সেটা হারিয়ে ফেলেছি। মানুষ আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করুক বা না করুক আমি পরোয়া করি না। আমি একটু আবেগপ্রবণ মানুষ। আমি যা করতে চেয়েছিলাম তা গত এক বছর ধরে করেছি এবং গত বছরটি ছিল আমার জীবনের সেরা সময়। আপনাদের সবাইকে অনেক ধন্যবাদ আমি এখন বাড়ি যাচ্ছি। ঠিক আছে?
:'''ম্যাকম্যান''': ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ শন মাইকেলস!
=== ৩ মার্চ ===
:''[ভিন্স কিছু ভিডিও দেখাচ্ছেন যেখানে স্টোন কোল্ড ভুলবশত ব্রেট হার্টকে চ্যাম্পিয়ন হতে সাহায্য করেছিলেন এবং পরে ব্রেটকে চেয়ার দিয়ে মেরেছিলেন]''
:'''ভিন্স''': আপনার উত্তর কী? আপনার কাজের জন্য কি আপনার কোনো অনুশোচনা হয়?
:'''স্টিভ অস্টিন''': আমার শুধু একটাই আফসোস যে আমি কেন ওকে আরও জোরে চেয়ার দিয়ে মারলাম না! ব্রেট হার্ট সব জায়গায় বলে বেড়াচ্ছে ওকে ঠকানো হচ্ছে। গত সাত বছর ধরে আমাকে ঠকানো হচ্ছে আর সেটা নিয়ে কেউ কিছু বলছে না! শন মাইকেলসের হাঁটুতে চোট লাগলে তোমরা ওকে নিয়ে ভিডিও বানাও ওর ফ্লু হলে সারা দুনিয়াকে জানাও! আমি যখন ফাইন্যাল ফোরে লড়ছিলাম তখন আমি খুব অসুস্থ ছিলাম এবং আমার হাঁটুতেও চোট ছিল। তবুও আমি বিশ্বের সেরা তিন কুস্তিগীরের সাথে ২৫ মিনিট লড়েছি! স্টোন কোল্ড স্টিভ অস্টিন সেটা করে দেখিয়েছে! আমি কারও শারীরিক অক্ষমতা নিয়ে ঠাট্টা করছি না শুধু সত্যিটা বলছি। আমার মতে আমিই আসল ডাব্লিউডাব্লিউএফ চ্যাম্পিয়ন এবং কেউ আমাকে অন্য কিছু বোঝাতে পারবে না! এই সাবমিশন ম্যাচ নিয়ে যা বলা হচ্ছে সব আজেবাজে কথা! ব্রেট হার্ট নাকি বড় টেকনিশিয়ান ওর প্যাঁচ নাকি খুব মারাত্মক! তাতে আমার কিছু যায় আসে না কারণ আমি ব্রেট হার্টকে পিটিয়ে তক্তা করে দেব! আর কেন শ্যামরক যা বলছে যে ব্রেট ভালো টেকনিশিয়ান হলেও স্টোন কোল্ড সহজে হার মানে না সেটা একদম ঠিক। স্টোন কোল্ডের অভিধানে হার মানা বলে কিছু নেই! আমি কোনোদিন রেফারিকে বলব না যে আমি হার মেনেছি। কুস্তি দুনিয়ায় এমন কেউ নেই যে আমাকে হার মানাতে পারে! আর এটাই শেষ কথা কারণ স্টোন কোল্ড তাই বলেছে!
:'''ভিন্স''': আপনি এত তেতো কেন? আপনার মনে এত তিক্ততা কেন?!
:'''স্টিভ অস্টিন''': তুমি আমার সাথে কুকুরের মতো ব্যবহার করবে আর আশা করবে আমি হাসব? তোমাকে তো একটা গাধার মতো লাগছে!
=== ১৭ মার্চ ===
:''[ব্রেট হার্ট সাইকো সিডের কাছে খাঁচার ভেতরে ম্যাচ হেরে গেছেন]''
:'''জিম রস''': আমরা ফিরে এসেছি এবং ভিন্স ম্যাকম্যান হতাশ ব্রেট হার্টের সাথে কথা বলবেন।
:'''ভিন্স''': ব্রেট হার্ট আপনি নিশ্চয়ই খুব হতাশ। যা হয়েছে তাতে আপনার খুব খারাপ লাগছে।
:''[ব্রেট ভিন্সকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলেন এবং মাইক নিলেন]''
:'''ললার''': ওরে বাবা!!
:'''ব্রেট হার্ট''': হতাশ তো ছোট কথা!! এটা একটা জঘন্য ফালতু ব্যাপার!!!
:'''জিম রস''': আমরা ক্ষমা চাইছি দর্শকদের কাছে।
:'''ব্রেট হার্ট''': আমাকে ঠকানো হয়েছে সবাই আমাকে ঠকিয়েছে আর কেউ কিচ্ছু করছে না! এখানকার কারও কোনো মাথাব্যথা নেই পেছনের ঘরের কারও কিছু যায় আসে না! এত অবিচার আমি আর সহ্য করতে পারছি না!!
:'''জিম রস''': আমরা ক্ষমা চাইছি দর্শকদের কাছে।
:'''ব্রেট হার্ট''': সবাই এটা জানে! আমিও জানি! আমিই ডাব্লিউডাব্লিউএফ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার যোগ্য!
:'''ললার''': ওকে রিং থেকে বের করো!
:'''ব্রেট হার্ট''': সবাই শুধু চোখ বুজে আছে! তোমরা সবাই জেনেও না জানার ভান করছ! গরিলা মনসুনও তাই করছে! পেছনের ঘরে সবাই জানে যে আমিই সেরা ছিলাম সেরা আছি এবং সেরা থাকব!
:'''ললার''': ওকে থামাও!
:'''ব্রেট হার্ট''': আর তোমাদের যদি এটা পছন্দ না হয় তবে আমার কিছু করার নেই!!
<hr width=50%>
:'''স্টিভ অস্টিন''': ষড়যন্ত্রের নিকুচি করি ব্রেট! তুমি রিংয়ে নামলেই বাচ্চার মতো কাঁদতে শুরু করো! আমি তোমাকে সাহায্য করতে চেয়েছিলাম আর তুমি সব নষ্ট করলে কারণ তুমি একজন লুজার! রেসলম্যানিয়ায় আমাদের মধ্যে চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াই হতে পারত কিন্তু তুমি সব মাটি করলে! রেসলম্যানিয়ায় তুমি হার মানবে আর একদিন যখন আমাদের মধ্যে টাইটেল ম্যাচ হবে তখন দেখবে কে আসল চ্যাম্পিয়ন। আর তুমি কিচ্ছু করতে পারবে না!
:'''ব্রেট হার্ট''': তোমাকে কেন স্টোন কোল্ড বলে জানো? কারণ তোমার সাহস নেই আমার সামনে রিংয়ে নামার! তুমি সবসময় পেছন থেকে আক্রমণ করো! সামনে আসার হিম্মত নেই তোমার! আসো দেখি!! সবাই জানে সাইকো সিড ''[সিড রিংয়ে এলেন]'' তুমি যদি ভাবো ওই বেল্ট তোমার তবে তুমি ভুল করছ! ওটা আমার বেল্ট। তুমি জানো আমি জানি আর এখানে উপস্থিত সবাই জানে!
:'''সিড''': আমি কিচ্ছু জানি না কান্নাকাটি বন্ধ করো!
:'''ব্রেট হার্ট''': আসো দেখি!
<hr width=50%>
:''[ব্রেট হার্ট স্টোন কোল্ডের সাথে আর আন্ডারটেকার সিডের সাথে মারামারি করছেন]''
:'''ভিন্স''': ব্রেট হার্ট পাগল হয়ে গেছে! ও ভেবেছিল ও চ্যাম্পিয়ন হবে কিন্তু কোনো ষড়যন্ত্র হয়নি! ব্রেট হার্ট ষড়যন্ত্রের গল্প ফেঁদেছে। কোনো ষড়যন্ত্র নেই সব ওর মাথায়! ব্রেট হার্টের মতো একজন বড় মাপের মানুষের কাছ থেকে এটা আশা করা যায় না! আমরা ব্রেট হার্টের যে ঐতিহ্যের কথা বলি এটা তা নয়! এই ঘ্যানঘ্যানানি এই কান্নাকাটি ব্রেট হার্টকে মানায় না!
:''[কর্মকর্তারা ব্রেটকে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন]''
:'''ললার''': তুমি ঠিক বলেছ! ও পাগল হয়ে গেছে! ওকে টেনে বের করে নিয়ে যাও!
:''[ব্রেট প্যাট প্যাটারসনকে মারলেন এবং আবার অস্টিনের দিকে গেলেন]''
:'''ভিন্স''': ওহ! ও হল অফ ফেমার প্যাট প্যাটারসনকে মারল!! কী জঘন্য লোক রে বাবা!!
=== ২৪ মার্চ ===
:'''ভিন্স''': ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ আল্টিমেট ফাইটিং ওয়ার্ল্ড থেকে আমাদের সাথে যোগ দিচ্ছেন কেন শ্যামরক। মিস্টার শ্যামরক গত রাতে আপনার রেফারিগিরি নিয়ে প্রথম প্রশ্ন হলো আপনি ম্যাচটা থামিয়ে দিলেন কেন?
:'''কেন শ্যামরক''': দেখুন আমি ম্যাচের ভেতরেই ছিলাম এবং স্টিভ অস্টিন পুরো ম্যাচ জুড়েই প্রচণ্ড ব্যথার মধ্যে ছিল। আমি ওকে কয়েকবার জিজ্ঞাসা করেছি কিন্তু ও কোনো উত্তর দেয়নি। আমার কাছে মনে হয়েছে ও জ্ঞান হারিয়েছে। ওর শরীরকে বড় কোনো চোট থেকে বাঁচাতে আমাকে ম্যাচটা থামাতে হয়েছে। সেই কারণেই আমি লড়াইটা বন্ধ করি।
:'''ভিন্স''': ঠিক আছে কিন্তু আপনি কি ওকে "আমি হার মানলাম" বলতে শুনেছেন? ও কি একবারও হার মেনেছিল?
:'''কেন''': না ও মুখে বলেনি যে ও হার মেনেছে। কিন্তু যখন একজন মানুষ জ্ঞান হারায় এবং নিজেকে বাঁচাতে পারে না তখন ম্যাচ থামানোই রেফারির কাজ। আমি নিশ্চিত করতে চেয়েছিলাম একজন যেন পরিষ্কারভাবে জেতে। তাই স্টিভ অস্টিন যখন জ্ঞান হারাল আমি ম্যাচটা থামিয়ে দিই।
:'''ভিন্স''': আচ্ছা কিন্তু স্টিভ যখন নিজেকে বাঁচাতে পারছিল না তখন ম্যাচ শেষ হওয়ার পর ব্রেট হার্ট আবার ওর ওপর আক্রমণ করল।
:'''কেন''': হ্যাঁ ও তা-ই করেছে। ম্যাচে দুজনেই একে অপরকে অনেক কষ্ট দিয়েছে। কিন্তু স্টিভ যখন জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে পড়ে ছিল এবং নিজেকে বাঁচানোর ক্ষমতা হারিয়েছিল তখনই ব্রেট হার্ট আবার ওর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। আমার মনে হয়েছে ও স্টোন কোল্ড স্টিভ অস্টিনের ক্যারিয়ার শেষ করে দিতে চেয়েছিল। তাই আমাকে বাধ্য হয়ে ওকে থামাতে হয়েছে।
:'''ভিন্স''': একদম ঠিক। ব্রেট হার্ট আপনাকে দেখে পিছিয়ে গিয়েছিল। স্টোন কোল্ড স্টিভ অস্টিন সম্পর্কে আপনার ব্যক্তিগত মতামত কী?
:'''কেন''': দেখুন স্টিভের সাথে অতীতে আমার অনেক কথা কাটাকাটি হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে ওকে খুব একটা পছন্দ করি না। কিন্তু এই লোকটার একটা গুণের প্রশংসা করতেই হবে। ও প্রচণ্ড ব্যথার মধ্যেও হার মানেনি। ও লড়াই চালিয়ে গেছে। ও অনেক শক্ত মনের মানুষ। আমি আমার জীবনে অনেক শক্ত লড়াকু দেখেছি কিন্তু এই লোকটা নিঃসন্দেহে তাদের মধ্যে অন্যতম।
:'''ভিন্স''': আমাদের সাথে যোগ দেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
<hr width=50%>
:'''ব্রেট হার্ট''': প্রথমত আমি ক্ষমা চাইতে চাই। জার্মানি গ্রেট ব্রিটেন এবং পুরো ইউরোপের ভক্তদের কাছে আমি ক্ষমা চাইছি। জাপান এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকার ভক্তদের কাছেও আমি ক্ষমা চাইছি। বিশেষ করে কানাডার ভক্তদের কাছে আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাচ্ছি।
:আর আমেরিকার ভক্তদের বলছি... তোমাদের কাছে আমি কোনো কিছুর জন্যই ক্ষমা চাইব না! এটা আমার কাছে খুব অদ্ভুত লাগে যে আমি যখন স্টোন কোল্ড স্টিভ অস্টিনকে পিটিয়ে রক্তারক্তি করে দিলাম তখন ড্রেসিংরুমে ফেরার সময় তোমরা আমাকে ধিক্কার জানালে। আমি অস্টিনের মতো একজন নিচু মনের মানুষকে হারিয়েছি ও যে হেরেছে সেটা তোমরাও জানো অথচ ফেরার পথে তোমরা ওকে এমনভাবে স্বাগত জানালে যেন ও-ই জিতেছে!
:এটা শুধু আজ থেকে শুরু হয়নি। গত বছরের রেসলম্যানিয়ার কথা ভাবুন যখন আমি চ্যাম্পিয়ন ছিলাম। তোমরা শন মাইকেলসের মতো এক ছোকরাকে সমর্থন করলে এবং ওকে সুযোগ দিলে আমাকে ঠকিয়ে চ্যাম্পিয়নশিপ বেল্ট নিয়ে যাওয়ার। আমি কানাডায় বসে টিভিতে খেলা দেখতাম আর ভাবতাম ডাব্লিউডাব্লিউএফের একজন সত্যিকারের হিরো দরকার। কান ছিদ্র করা বা ট্যাটুওয়ালা কোনো লোক নয় এমন কাউকে দরকার যাকে সবাই শ্রদ্ধা করবে। যে কি না মেয়েদের ম্যাগাজিনে পোজ দেয়! আসলে ওটা মেয়েদের নয় সমকামীদের ম্যাগাজিন ছিল! তাই আমি ফিরে এলাম ডাব্লিউডাব্লিউএফকে পরিষ্কার করতে। সারভাইভার সিরিজে আমি স্টোন কোল্ডকে হারিয়েছি। তারপর সাইকো সিডের সাথে লড়াইয়ের সময় তোমাদের প্রিয় শন মাইকেলস আমার চ্যাম্পিয়নশিপ কেড়ে নিল। কেউ কিছু বলল না! তোমরাও চুপ ছিলে।
:ওরা বলল "চিন্তা করো না তুমি আরও ২৯ জনের সাথে রয়্যাল রাম্বলে লড়ো।" আমি লড়লাম এবং আমিই শেষ পর্যন্ত রিংয়ে টিকে ছিলাম। কিন্তু সবাই না জানার ভান করল। তোমরা কোনোভাবে নিজেদের মনে বিশ্বাস করিয়ে নিলে যে স্টোন কোল্ড জিতেছে। একজন সাধারণ মানুষ হলে হয়তো কাজ ছেড়ে চলে যেত।
:'''ভিন্স''': তুমি তো কাজ ছাড়ার হুমকি দিয়েছিলে ব্রেট।
:'''ব্রেট হার্ট''': গরিলা মনসুন আর ভিন্স ম্যাকম্যান আমার পায়ে ধরে অনুরোধ করেছে যেন আমি ফিরে আসি। আমি ফিরে এলাম এবং ওরা ফাইন্যাল ফোরের আইডিয়া আনল। আমি রাজি হলাম। তারপর হঠাৎ তোমাদের হিরো শন মাইকেলস হাঁটুর চোটের দোহাই দিয়ে বেল্ট ফিরিয়ে দিয়ে বাড়ি চলে গেল। তোমরা সেটা হাসিমুখে মেনে নিলে। ফাইন্যাল ফোরে আমি চ্যাম্পিয়ন হলাম। আমি ভাইডার স্টোন কোল্ড এবং আন্ডারটেকারকে হারিয়ে চতুর্থবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হলাম। তারপরই আমাকে বলা হলো কোনো বিশ্রাম ছাড়াই সাইকো সিডের বিরুদ্ধে লড়তে হবে। আমি কি পালিয়ে গিয়েছিলাম? না! আমি সিডকে রিংয়ের মাঝখানে কুপোকাত করে দিয়েছিলাম। অথচ আমেরিকান ভক্তরা আমাকে গালি দিচ্ছিল আর স্টোন কোল্ড যখন পেছন থেকে এসে আমার মাথায় চেয়ার দিয়ে মারল তোমরা সেটাকে সমর্থন করলে!
:আমি গরিলা মনসুনকে বললাম আমাকে স্টোন কোল্ডের সাথে একটা ম্যাচ দাও। আমি সাবমিশন ম্যাচে রাজি হলাম। তারপর আমাকে বলা হলো ১৫ ফুট উঁচু খাঁচার ভেতরে সিডের সাথে লড়তে হবে। সেখানে আন্ডারটেকার এসে আমার মাথায় দরজা দিয়ে আঘাত করল এবং আমার চ্যাম্পিয়নশিপ কেড়ে নিল।
:সবাই আমাকে ঠকিয়েছে আমেরিকার ভক্তরা আমাকে ছেড়ে চলে গেছে। তাই আমি ঠিক করেছি সাবমিশন ম্যাচে স্টোন কোল্ডকে এমন শিক্ষা দেব যা ও সারাজীবন মনে রাখবে। আর যখন আমি ওকে মারছি তখন তোমরা আমাকে ছেড়ে ওর জন্য চিৎকার করছ।
:আমি অনেকবার নিজেকে প্রমাণ করেছি কিন্তু তোমরা বুঝলে না। তোমরা আভিজাত্য বা মর্যাদার দাম দিতে জানো না। তোমরা চার্লস ম্যানসন বা ও জে সিম্পসনের মতো অপরাধীদের হিরো বানাতে পছন্দ করো। একমাত্র আমেরিকানরাই অপরাধমূলক কাজকে মহিমান্বিত করে। বিশ্বের অন্য দেশগুলো এখনও জানে ঠিক আর ভুলের পার্থক্য কী। সম্মান জিনিসটা তোমরা বোঝো না। তাই আজ থেকে আমেরিকার রেসলিং ভক্তদের আমি পাত্তাই দেব না!!
<hr width=50%>
:''[শন মাইকেলস রিংয়ে এলেন]''
:'''শন মাইকেলস''': হেই হিটম্যান! একটা কথা পরিষ্কার করে দিই। তুমি আমার সম্পর্কে যা খুশি বলতে পারো সবাই তা-ই করে। আর ডাব্লিউডাব্লিউএফ জানে যে তোমার কাছ থেকে বেল্ট কেড়ে নেওয়া কতটা কঠিন। কিন্তু ব্রেট তুমি যেটা বোঝো না তা হলো আমি আমার জীবনটা খোলাখুলিভাবে কাটাই। তোমার মতো ভণ্ডামির মুখোশ পরি না। আমি জানি আমার অনেক ভুল আছে এবং আমি সেগুলো স্বীকার করি। আর স্টিভ অস্টিনের কথা যদি বলো ও গত রাতে হার মানেনি। আমি ওর ভক্ত নই কিন্তু ও জ্ঞান হারিয়েছিল। তুমিও মনে মনে জানো যে ও অনেক শক্ত মনের একজন মানুষ। ব্রেট আমি সবসময় মার্জিত থাকার চেষ্টা করেছি কিন্তু এখন আমি লড়াই করার অবস্থায় নেই। আমি জানি তুমি আমার চেয়ে বেশি শক্তিশালী সেটা আমি স্বীকার করি। আমাকে এক নম্বর হতে হবে এমন কোনো কথা নেই। তোমার মতো আমার কোনো জেদ নেই। আমি এটা করি কারণ আমি কুস্তি ভালোবাসি। তুমি এটা করো কারণ তুমি ভাবো এই সবকিছু শুধু তোমার! এখন তোমাকে বুঝতে হবে যে দর্শকরা টিকিট কেটে খেলা দেখতে আসে এবং তাদের অধিকার আছে কাকে সমর্থন করবে আর কাকে গালি দেবে। ওরা আমাকেও আগে গালি দিয়েছে কিন্তু আমি তোমার মতো কান্নাকাটি করিনি। কারণ এই দেশে আমাদের বাকস্বাধীনতা আছে। ওই ছেলেটা যদি নাভিতে ছিদ্র করতে চায় তবে সেটা ওর ব্যাপার তোমার ভালো লাগুক আর না লাগুক! ওই মেয়েটা যদি... ''[অংশবিশেষ বাদ দেওয়া হয়েছে]''
:'''ভিন্স''': ব্রেট হার্ট আর শন মাইকেলস। শন এখন লড়াই করার মতো অবস্থায় নেই।
:'''ললার''': তাহলে ও ওখানে কী করছে?
:'''ভিন্স''': কারণ ওর বুদ্ধির চেয়ে সাহস বেশি।
:'''ললার''': ঠিক বলেছ।
:'''শন মাইকেলস''': ব্রেট আমাদের আমেরিকায় একটা কথা আছে "আমেরিকাকে ভালোবাসো নাহলে চলে যাও!"
:'''ব্রেট হার্ট''': শন মাইকেলস তুমি এখন এখান থেকে বিদায় হও আমার সামনে থেকে যাও।
:'''শন মাইকেলস''': তুমি জানো ব্রেট আমি হুকুম মানতে পছন্দ করি না। আর হ্যাঁ তুমি কী করে জানলে আমি সমকামীদের ম্যাগাজিনে ছিলাম? তুমি নিশ্চয়ই লুকিয়ে লুকিয়ে পাতা উল্টে দেখেছ!
:''[ব্রেট শনের চোট পাওয়া হাঁটুতে আক্রমণ করলেন]''
<hr width=50%>
:''[ব্রেট ধারাভাষ্য দিতে এলেন]''
:'''ভিন্স''': ব্রেট হার্ট আপনার কী হয়েছে? আপনি কেন এমন করছেন?
:'''ব্রেট হার্ট''': আমি পাগল হইনি আমি শুধু সত্যিটা দেখতে পাচ্ছি।
:'''ভিন্স''': কী?!
:'''ব্রেট হার্ট''': আমি বলছি আমার চোখ খুলে গেছে! আপনিও কেন চোখ খুলছেন না? সবাই স্টোন কোল্ডের জন্য চিৎকার করছে যে কি না কারোর জন্যই ভালো উদাহরণ নয়। আন্ডারটেকার কি ভালো হিরো হতে পারে? আমি সবসময় ভালো মানুষ হওয়ার চেষ্টা করেছি যাতে সবাই আমাকে শ্রদ্ধা করে।
:'''ভিন্স''': শন মাইকেলসকে দেখুন। আপনি ওর সাথে কী করলেন!
:'''ব্রেট হার্ট''': আমি ওকে রিংয়ে আসতে বলিনি! আমি শুধু বলতে চাই যে আমেরিকানরা আমায় শ্রদ্ধা করে না কিন্তু জার্মানি বা কানাডায় আমি অনেক সম্মান পাই। এখানকার বাচ্চারা আমাকে বলে আমি নাকি অপদার্থ। আমি নই ওরাই অপদার্থ!
:'''ভিন্স''': মনে হচ্ছে আপনি নিজের সাথেই যুদ্ধে লড়ছেন।
:'''ব্রেট হার্ট''': না আমি কোনো যুদ্ধে নেই। আমি এখন নিজেকে খুব হালকা অনুভব করছি। আপনি খারাপ কিছু দেখতে চান? আমি আপনাকে দেখাব খারাপ কাকে বলে! ''[রিংয়ে গিয়ে রকি মাইভিয়াকে আক্রমণ করলেন]''
=== ১৯ মে ===
:'''জিম রস''': ম্যানকাইন্ড সম্পর্কে ডাব্লিউডাব্লিউএফ ভক্তদের সবচেয়ে বড় ভুল ধারণাগুলো কী বলে আপনার মনে হয়?
:'''ম্যানকাইন্ড''': যে আমি... একজন খারাপ মানুষ। জিম আমাকে ঘৃণা করার অনেক ভালো কারণ আছে। আমি শুধু চাই না মানুষ আমাকে মিথ্যা বা অর্ধেক সত্যের ওপর ভিত্তি করে ঘৃণা করুক। দেখুন যখন আমি ছোট ছিলাম আমি কাউবয় আর ইন্ডিয়ান খেলতাম। তখন ভালো মানুষ কারা ছিল? ওই কাউবয়রা যারা পাহাড় থেকে নেমে এসে নিরীহ নারী আর শিশুদের ওপর অত্যাচার চালাত। আমি সবসময় ইন্ডিয়ানদের দলে ছিলাম জিম। আমি সবসময় অবহেলিতদের পাশে দাঁড়িয়েছি। যদি নিজের বিশ্বাসের ওপর অটল থাকা আমাকে খারাপ মানুষ বানায় তবে হ্যাঁ আমি একজন খারাপ মানুষ।
<hr width=50%>
:'''ম্যানকাইন্ড''': আমার বয়স তখন আট বছর এলিমেন্টারি স্কুলে একটা খেলা খেলছিলাম। একজনকে তাড়া করতে গিয়ে আমি ঝাঁপ দিলাম আর ওর পায়ের পেছনের অংশ আমার ঠোঁটে এসে লাগল। আমি বুঝতে পারিনি কী হয়েছে। আমি শুধু জানতাম আমার প্রচণ্ড লাগছিল জিম। হঠাৎ দেখলাম সবাই আমার দিকে অদ্ভুতভাবে তাকাচ্ছে যেন আমার কিছু একটা হয়েছে। আমি নিচে তাকিয়ে দেখলাম আমার প্রিয় সাদা সোয়েটশার্টটা রক্তে লাল হয়ে গেছে। বাচ্চারা ভয়ে আমার কাছ থেকে দূরে পালাচ্ছিল। আমার রক্ত ঝরছিল আমি যন্ত্রণায় ছিলাম... কিন্তু আমার খুব ভালো লাগছিল। কারণ আমার মনে হলো আমি এমন কিছু একটা খুঁজে পেয়েছি যা আমি সবার চেয়ে ভালো পারি আর তা হলো সহ্য ক্ষমতা।
:কেউ একজন বলল "আরে ওটা তো ভ্যাম্পায়ারের রক্ত" আর তখনই সবাই ক্ষতটা দেখতে পেল যেখান থেকে গলগল করে রক্ত বেরোচ্ছিল। আমার কাছে আজও ওই শার্টটা আছে জিম। আমি সেদিন ভেবেছিলাম "আমার জীবনে যদি এমন কিছু করতে পারতাম যেখানে আমি সবসময় এটা করতে পারব?" প্রতি রাতে মানুষের মনোযোগ পাওয়া... স্টকব্রোকাররা তা পারে না শিক্ষকরা পারে না এমনকি আমেরিকার প্রেসিডেন্টও রক্ত ঝরিয়ে জীবন চালাতে পারে না... কিন্তু প্রফেশনাল রেসলাররা পারে। সেই প্রথম আমি বুঝতে পারলাম আমার জীবনের লক্ষ্য কী। সেটাই আমি সারাজীবন চেয়েছি। আমার ভাই আর আমি টিভিতে সবাইকে দেখতাম। চিফ জয় স্ট্রংবো ব্রুনো সামারটিনো... আমরা তাদের মতো হতে চেয়েছিলাম। তারপর একদিন আমি আমার ভাইয়ের নাক ভেঙে দিলাম ওকে আছাড় মেরে আর মা বলল "আর কুস্তি খেলা বন্ধ"। মা খেলা বন্ধ করতে বলেছিল কিন্তু স্বপ্ন দেখতে নয়।
<hr width=50%>
:'''ম্যানকাইন্ড''': জানেন আমার ছেলের বয়স যখন পনেরো হবে তখন আমি ওকে বলব যেন ও অদ্ভুত সব জিনিস খেয়ে বেড়ানো ছেলেটা না হয়। আমি স্বেচ্ছায় এমনটা করিনি। অন্য ছেলেরা বা তাদের দলগুলো আমাকে একা পেয়ে জ্বালাতন করত কারণ আমি একটু আলাদা ছিলাম। ওরা আমার দিকে কেঁচো ছুড়ে মারত জিম। জ্যান্ত কেঁচো ছুড়ে মারত ওরা আমার দিকে। আমি যখন ক্লাসে ব্যায়াম করতাম তখন আমার ওপর কেঁচো বৃষ্টি হতো। আপনি হলে কী করতেন? আপনি কি ওই কেঁচোটা আবার সাত আট জনের দিকে ছুড়ে মারতেন? আসল কথা হলো ওরা আমাকে মারছিল না ওরা আমার আত্মসম্মানে আঘাত করছিল। ওরা আমাকে আবর্জনার মতো দেখত। তাই আমি সবচেয়ে বড় কেঁচোটা তুলে নিলাম জিম আর ওটা গিলে ফেললাম! ওদের দেখাতে চেয়েছিলাম যে ওরা আমাকে ছোট করতে পারবে না... আমি ভেবেছিলাম আমি ওদের মোক্ষম জবাব দিয়েছি। কিন্তু গল্পটা ডালপালা মেলে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে বলা হতে থাকল। মানুষ বলতে শুরু করল মিকি ফোলি নাকি প্রতিদিন এক প্লেট করে কেঁচো খায়। আপনি কি ভাবেন এরপর আমি কোনো মেয়ের সাথে ডেটে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছি জিম?
:'''জিম রস''': সম্ভবত না।
:'''ম্যানকাইন্ড''': আপনি কি ভাবেন কোনো মেয়ে এমন কোনো ছেলেকে চুমু খেতে চাইবে যার মুখে কেঁচোর গন্ধ? আমি চুমু খেতে খুব ভালো পারি কিন্তু কখনও সুযোগ পাইনি! আমি কি নিজের ওপর প্র্যাকটিস করব জিম?! আমি কখনও দুনিয়াকে ভালোবাসার সুযোগ পাইনি কারণ আমি অদ্ভুত জিনিস খেতাম বলে ওরা আমাকে বাদ দিয়ে দিয়েছিল! আমি বলছি না যে আমি টাকা নিয়ে অন্য অদ্ভুত জিনিস খাইনি কিন্তু ততক্ষণে যা হওয়ার হয়ে গেছে। পুরো হাইস্কুলে আমি একটাও ডেটে যেতে পারিনি! আপনি কি ভাবেন এটা আমার মনে দাগ কাটেনি?! হয়তো আপনি যথেষ্ট গভীরে গিয়ে দেখেননি!
=== ২৬ মে ===
:'''ম্যানকাইন্ড''': সেটা ১৯৮৩ সাল ছিল। নিউ ইয়র্কের সুন্দর মাঠগুলো অনেক ছেলের কাছে খুব প্রিয় হতে পারে। কিন্তু যখন ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে জিমি স্নুকা আর ডন মুরাকো খাঁচার লড়াইয়ে মেতেছিল আমি শুধু সেখানেই থাকতে চেয়েছিলাম! আমি ঘোড়ায় চড়তে চাইনি বা মাছ ধরতে চাইনি আমি শুধু সেই রক্তারক্তি লড়াই দেখতে চেয়েছিলাম জিম। তাই আমি হাত বাড়িয়ে লিফট চেয়ে ১৬-১৭ ঘণ্টা যাত্রা করে গার্ডেনে পৌঁছালাম। আমার জমানো সব টাকা দিয়ে আমি একদম সামনের সারির একটা টিকিট কিনলাম। আর আমি সেই দৃশ্য দেখলাম যা আমার জীবন বদলে দিল। জিমি স্নুকা যখন খাঁচার ওপর থেকে ঝাঁপ দিল আর মানুষজন চিৎকার করে উঠল আমি জানতাম আমি একা নই যার জীবন ওই মুহূর্তে বদলে গেছে। আমি বুঝতে পারলাম জিম... আমিও ঠিক সেটাই করতে চাই। আমিও মানুষের উল্লাস শুনতে চাই। আমি চাই মানুষ আমাকে ভালোবেসে কাঁদুক। ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে সেটা আমার প্রথমবার ছিল এবং আমার বাবা-মা সেখানে ছিল না। আমি সবসময় নিজের কাজ নিজেই করেছি একাই লড়েছি।
<hr width=50%>
:'''ম্যানকাইন্ড''': আঠারো বছর বয়সে আমি নিজের ওপর একটা মুভি বানিয়েছিলাম যেখানে আমি একজন কুস্তিগীর ছিলাম। অদ্ভুত ব্যাপার হলো শন মাইকেলসের সাথে যখন আমার প্রথম দেখা হলো... আপনি চেনেন ওকে?
:'''জিম রস''': ওহ হ্যাঁ। খুব ভালো করেই চিনি।
:'''ম্যানকাইন্ড''': ও আমার ক্ষতবিক্ষত শরীরের দিকে তাকাল। ও আমাকে চিনত না কিন্তু আমার পুরনো দিনের গল্প জানত। ও আমাকে একটু তাচ্ছিল্য করে বলল "তুমি কি সবসময় নিজেকে এভাবেই দেখতে চেয়েছিলে?" আমি বললাম "না। মজার ব্যাপার হলো আমি সবসময় তোমার মতো হতে চেয়েছিলাম।" ও বলল "চ্যাম্পিয়ন হতে চেয়েছিলে?" আমি বললাম "না। আমি চেয়েছিলাম ওই সুন্দর মেয়েগুলো গয়না ট্যাটু আর মানুষের ভালোবাসা।" তাই আমার মুভিতে আমি মিক ফোলি ছিলাম না ম্যানকাইন্ডও ছিলাম না আমি ছিলাম ডুড লাভ।
:''[ডিউড লাভের কিছু ভিডিও দেখানো হলো]''
:'''ডুড লাভ''': আমরা এই পচা আপেলটাকে একদম ভেতর থেকে ভেঙে দেব! আমরা এখানে শুধু একটা কারণেই এসেছি! খ্যাতি সম্মান আর ডাব্লিউডাব্লিউএফ চ্যাম্পিয়নশিপ বেল্ট জিততে...
:'''ম্যানকাইন্ড''': আর ওই মুভির শুটিংয়ের সময় আমি বীরত্ব দেখাতে চেয়েছিলাম। আমি চেয়েছিলাম মানুষ আমার জন্য চিৎকার করুক। তাই আমি আমার বন্ধুর বাড়ির ছাদে উঠে নিচে ঝাঁপ দিলাম।
<hr width=50%>
:'''ম্যানকাইন্ড''': আমি জানতাম আমি তখনও ডুড লাভ হওয়ার জন্য তৈরি নই। আমি কখনও ক্যাকটাস জ্যাক হতে চাইনি। আমি ভেবেছিলাম এটা একটা জঘন্য কুস্তিগীরের জঘন্য নাম। ভেবেছিলাম যখন আমি সামর্থ্য পাব তখন বুকে হার্ট ট্যাটু করাব কানে দুল পরব আর মেয়েদের মন জয় করব। কিন্তু সবকিছু তো আর মনের মতো হয় না তাই না জিম?
:'''জিম রস''': একদমই না।
:'''ম্যানকাইন্ড''': ভাগ্য আমার সহায় ছিল না। ক্যাকটাস জ্যাক নামটা মাত্র তিন মাসের জন্য থাকার কথা ছিল... কিন্তু সেটা এগারো বছর থেকে গেল।
=== ৩০ জুন ===
:'''পল বেয়ারার''': "আমাদের একটু পেছনের দিকে তাকাতে হবে মিস্টার ম্যাকম্যান। প্রায় ২০ বছর আগে। আমরা একটা ছোট ফিউনারেল হোমের কথা বলছি যা পাহাড়ের ওপরে ছিল—পাশে চমৎকার পুরনো গাছপালা—এক দারুণ পারিবারিক ব্যবসা। পরিবারটি ওপর তলায় থাকত। বাবা ছিলেন ফিউনারেল ডিরেক্টর। মা সেক্রেটারি ছিলেন। সেখানে দুটি বাচ্চা ছিল। একজন ছিল লাল চুলো এক শয়তান। আর দ্বিতীয়টি ছিল এক মিষ্টি বাচ্চা যার নাম কেন। আমি সেখানে শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করতাম। আমি ওই লাল চুলো শয়তানের বাবার নিচে কাজ করতাম যাকে আপনারা আন্ডারটেকার নামে চেনেন। আন্ডারটেকারের বাবা কুস্তি শেখানোর ওস্তাদ ছিলেন। তিনি আমাকে সবকিছু শিখিয়েছেন। কিন্তু ওখানে কাজ করার সময় আমি এমন কিছু দেখেছিলাম যা ঘটা উচিত ছিল না।
:এই লাল চুলো বাচ্চার চোখে দয়া মায়া বলে কিছু ছিল না। ওর চোখের চাহনি ছিল শয়তানের মতো! সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হলো বেচারা কেন সবসময় ওর বড় ভাই আন্ডারটেকারকে হিরো মানত। আন্ডারটেকার যা করত কেন সেটাই ঠিক মনে করত। আমার কাজ প্রায় দুই বছর ধরে চলেছিল। আমি তখন কলেজে মর্তুয়ারি সায়েন্স নিয়ে পড়াশোনা করতাম। আন্ডারটেকার আর কেন সারা বাড়িময় দাপিয়ে বেড়াত। আমি ওদের লক্ষ্য করতাম। ওদের বাবা-মা জানত না কিন্তু আমি জানতাম ওরা কী করত। আমি দেখতাম ওরা ল্যাব থেকে কেমিক্যাল চুরি করত। আমি দেখতাম ওরা গ্যারেজের পেছনে গিয়ে সিগারেট খেত—যখন ওরা একেবারেই ছোট ছিল।
:একদিন দুপুরে আমি কলেজে যাওয়ার জন্য বের হচ্ছিলাম। আমি গাড়ি নিয়ে বের হওয়ার সময় দেখলাম আন্ডারটেকার ওর ছোট ভাইয়ের সাথে ওখানে দাঁড়িয়ে আছে। কিছু একটা ঠিক মনে হচ্ছিল না। তবুও আমি কলেজে চলে গেলাম। রাত ১০টার দিকে ফিরে এসে দেখি ফিউনারেল হোমটা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। চারদিকে ফায়ার সার্ভিস আর অ্যাম্বুলেন্স। কেউ একজন আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল। ওই পরিবারের সবাই যারা আমার খেয়াল রাখত তারা মারা গেছে। আমি ঝোপের আড়ালে তাকাতেই দেখলাম আন্ডারটেকার ওখানে দাঁড়িয়ে আছে। আন্ডারটেকার তুমিই আগুন লাগিয়েছিলে। আর আগুনের সাথে তুমি তোমার বাবা-মাকে মেরে ফেলেছ। তুমি তোমার পরিবারকে খুন করেছ আন্ডারটেকার! আমি জানি এটা। ২০ বছর ধরে আমি এই সত্যিটা নিজের ভেতরে চেপে রেখেছি। তুমি খুনি আন্ডারটেকার! তুমি একজন খুনি! তুমি একজন জঘন্য খুনি!
=== ৭ জুলাই ===
:'''ব্রেট হার্ট''': কয়েক সপ্তাহ আগে আমাকে বলা হয়েছিল "আমেরিকাকে ভালোবাসো নাহলে চলে যাও"। দেখুন আমি সারাবিশ্ব ঘুরেছি আমেরিকার প্রতিটি প্রান্তে গেছি আর আমি যে জিনিসটার জন্য সবচেয়ে বেশি অপেক্ষা করি তা হলো এই দেশ ছেড়ে চলে যাওয়া!
<hr width=50%>
:''[স্টোন কোল্ড ম্যানকাইন্ডের সাহায্যে হান্টার হার্স্ট হেলমসলিকে হারানোর পর মাইক নিলেন]''
:'''জিম রস''': এটা বিপজ্জনক হতে পারে।
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': আশা করি ও কানাডিয়ানদের কিছু বলবে না।
:'''অস্টিন''': উঠে দাঁড়া লম্বা চুলের পাগল!
:'''ম্যাকম্যান''': ও ম্যানকাইন্ডের সাথে কথা বলছে।
:'''অস্টিন''': একটা চেয়ারের আঘাতে তোর মতো লোক হার মানতে পারে না রিংয়ে আয়! ''[ম্যানকাইন্ড রিংয়ে এল]'' তুই প্রতি সপ্তাহে আসিস আর বলিস "আমাকে নাও স্টিভ! আমাকে নাও স্টিভ!"। আমি তোকে সোজাসুজি বলছি আমি তোকে একদমই পছন্দ করি না! কিন্তু তুই যদি চাস তবে আমি তোর সাথে যুদ্ধে যেতে রাজি আছি। শুধু হাত মেলা আর আমরা একটা ট্যাগ টিম হয়ে যাব।
:'''জেরি ললার''': ওরে বাবা!
:'''রস''': মনে হচ্ছে সাপের মতো মেজাজি মানুষটাও একটু নরম হয়েছে।
:'''ললার''': অবশেষে ম্যানকাইন্ড যা চেয়েছিল তা পেল!
:'''রস''': ম্যানকাইন্ড শুধু সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হতে চেয়েছিল।
:''[ম্যানকাইন্ড হাত বাড়িয়ে দিল]''
:'''ললার''': ও হাত মেলাতে চায় না ও জড়িয়ে ধরতে চায়!
:''[ম্যানকাইন্ড আর অস্টিন একে অপরকে জড়িয়ে ধরল]''
:'''ম্যাকম্যান''': আমি বিশ্বাস করতে পারছি না। ম্যানকাইন্ড এখন অস্টিনের পার্টনার— ''[হঠাৎ অস্টিন ম্যানকাইন্ডকে স্টোন কোল্ড স্টানার দিলেন]'' — ওহ!
:'''রস''': না না! স্টানার দিও না! ধিক্কার জানাই ওকে!
:'''অস্টিন''': ডিটিএ তুই একটা আস্ত গাধা! কখনও কাউকে বিশ্বাস করবি না! তুই কখনও আমার পার্টনার হবি না কারণ তুই একটা অপদার্থ! ''[মাইক ফেলে দিয়ে হাত তুললেন]''
:'''ম্যাকম্যান''': কী এক কাণ্ড!
:''[অস্টিন রিং ছেড়ে চলে যাচ্ছেন]''
:'''রস''': আপনার যদি কোনো পোষা সাপ লাগে তবে অস্টিনকে ফোন দিতে পারেন!
:'''ম্যানকাইন্ড''' ''[মাইক নিয়ে]'': অস্টিন! অস্টিন!! আমি শুধু একটু সম্মান চেয়েছিলাম। আমি একটা বন্ধু চেয়েছিলাম আর তুমি সবকিছু শেষ করে দিলে!!
:'''অস্টিন''' ''[হাসিমুখে]'': একদম ঠিক!
:'''ম্যানকাইন্ড''': সো এটা খুব স্পষ্ট যে এখন চরম পদক্ষেপ নিতে হবে! কারণ আগামী সপ্তাহে আমি এমন কিছু করব যা আমি আগে কখনও করিনি! আগামী সপ্তাহে ডাব্লিউডাব্লিউএফ আর আগের মতো থাকবে না! স্টিভ অস্টিন তুমিও আর আগের মতো থাকবে না! ম্যানকাইন্ড আর কখনও আগের মতো থাকবে না!!! ''[ফুঁপিয়ে কাঁদছেন]''
=== ৪ আগস্ট ===
:'''ভিন্স''': আমার মনে হয় এই পরিবেশ দেখলেই অনেক কিছু বোঝা যায়— দর্শকদের মধ্যে একটা মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। আর এতে কোনো সন্দেহ নেই যে আপনি আপনার কাজ ঠিকঠাক করেছেন কি না। তবে আপনি যদি সেদিন না থাকতেন তবে হয়তো আন্ডারটেকার এখনও ওয়ার্ল্ড রেসলিং ফেডারেশন চ্যাম্পিয়ন থাকত।
:'''শন''': আমি কি ব্যাপারটা পরিষ্কার করে বুঝে নেব? আপনি আন্ডারটেকার ব্রেট "দ্য হিটম্যান" হার্ট এবং ডাব্লিউডাব্লিউএফের সব ভক্ত মিলে এই পুরো দোষটা আমার ঘাড়ে চাপাচ্ছেন!
:'''ভিন্স''': আমি ঠিক জানি না এটা কতটা ঠিক হবে...
:'''শন''': চুপ করুন! কারণ জানেন তো? আপনি আর ব্রেট হার্ট ঠিক যেমন— আর এখানকার কেউ পছন্দ করুক বা না করুক— ডাব্লিউডাব্লিউএফের সব ভক্তরা ঠিক তেমনই। আপনারা কেউ নিজেদের দায় নিতে জানেন না আর সব দোষ ওই হার্টব্রেক কিডের ওপর চাপিয়ে দেন। কারণ সবাই জানে যে কেউ আমার সম্পর্কে কী ভাবল তা নিয়ে আমার কিছু যায় আসে না! মুখ বন্ধ রাখুন!
:গত রাতে আমি আমার ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো রেফারির শার্ট পরে রিংয়ে নেমেছিলাম এবং চমৎকার কাজ করেছি। আমি একদম নিরপেক্ষ থেকে বিচার করেছি। ঠিক কি না?
:'''ভিন্স''': হ্যাঁ আপনি করেছিলেন।
:'''শন''': একদম ঠিক।
:'''ভিন্স''': আমি কি আপনাকে একটা জরুরি প্রশ্ন করতে পারি?
:'''শন''': হ্যাঁ বলে ফেলুন!
:'''ভিন্স''': অনেকের মনেই একটা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। এটা একটু বিতর্কমূলক হলেও বলতে হচ্ছে: আপনার সাথে কি ব্রেট হার্টের কোনো গোপন যোগসাজশ আছে? শুনতে অদ্ভুত লাগলেও অনেকে এটাই ভাবছে।
:'''শন''': আমি সবসময় জানতাম আপনি একজন গাধা কিন্তু এখন আমি নিশ্চিত যে আপনি আমার দেখা সবচেয়ে বড় নির্বোধ।
:'''ভিন্স''': প্রথমত আপনার এই কথাগুলো আমার একদম ভালো লাগছে না। এটা পরিষ্কার করে দিই ঠিক আছে?
:'''শন''': ওহ আপনি তো ভয়ে কাঁপছেন ম্যাকম্যান!
:'''ভিন্স''': ৭ সেপ্টেম্বর যখন আপনি আন্ডারটেকারের সাথে এই রিংয়ে নামবেন তখন আপনি সত্যিই ভয়ে কাঁপবেন! এটা মনে রাখবেন।
:'''শন''': এখান থেকে বিদায় হোন! আপনি এখন মানে মানে কেটে পড়তে পারেন ম্যাকম্যান! সবাইকে সত্যিটা বলে দিই। ব্রেট হার্টের সাথে আমার কোনো ধরনের কোনো সম্পর্ক নেই। এটা কোনো গোপন ব্যাপার নয় যে ব্রেট হার্ট আমায় পছন্দ করে না বা শ্রদ্ধা করে না। কিন্তু একটা কথা নিশ্চিত যে ব্রেট হার্টের আমায় দরকার! কারণ ডাব্লিউডাব্লিউএফএ আমিই একমাত্র মানুষ যে ওকে পিটিয়ে তক্তা করেছে! আর এটাই সত্যি!
:আর আন্ডারটেকার... আন্ডারটেকার আপনি আর আমি এতদিন ডাব্লিউডাব্লিউএফএ থাকলেও আমাদের কখনও সামনাসামনি দেখা হয়নি। কিন্তু এবার হবে!
:'''দর্শক''': শন মাইকেলস অপদার্থ!
:'''শন''': ওহ আমি আপনাদের একটা কথা বলে দিই। আন্ডারটেকার এই শন মাইকেলস কারোর কাছে মাথা নত করে না! আমি ব্রেট হার্টের জন্য তা করি না আপনাদের জন্যও না আর ডাব্লিউডাব্লিউএফের কোনো ভক্তের জন্যও না। আন্ডারটেকার পরের বার যখন শন মাইকেলসকে দেখবেন তখন আমার সুপার কিক...
:'''দর্শক''': আপনি অপদার্থ!
:'''শন''': দশ বছর! দশ বছর আমি আপনাদের জন্য লড়েছি আর আপনারা আমাকে এই সম্মান দিচ্ছেন। আপনারা সবাই চুলোয় যান! আন্ডারটেকার পরের বার যখন আমার দেখা পাবেন তখন আমার সুপার কিক আপনার গলা দিয়ে ভেতরে ঢুকে যাবে!
=== ১৮ আগস্ট ===
:'''জিম রস''': স্টিভ আমাদের আপনার এই হোটেলের রুমে আসার সুযোগ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আমি জানি ফিলাডেলফিয়ায় আপনার আগামী ২৪ ঘণ্টা খুব ব্যস্ততায় কাটবে। কাল আপনার ঘাড়ের সমস্যা নিয়ে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখানোর কথা আছে। তবুও আমাদের সময় দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
:'''স্টিভ অস্টিন''': সময়ের জন্য ধন্যবাদ দিয়ে লাভ নেই। আপনার যদি প্রশ্ন করার থাকে তবে জলদি করুন নাহলে আপনাকে জানলা দিয়ে বাইরে ছুড়ে ফেলে দেব। আর এই হোটেলের রুমের কথা বলছেন? আমি এমন রুমে কক্ষনো থাকতাম না! জানেন সামারস্ল্যামে যখন আমার মাথায় আঘাত লাগল তখন কেউ আমায় একটা ফোন করে জিজ্ঞাসা পর্যন্ত করেনি যে স্টিভ তুমি কেমন আছো? কেউ একটা কার্ড পর্যন্ত পাঠায়নি। আমি তো আর হিরো সাজতে চাইনি কিন্তু অন্তত দুনিয়ার এই সেরা রেসলারের খবরটা তো কেউ নিতে পারত! কিন্তু আমি কিচ্ছু পাইনি! আর ডাব্লিউডাব্লিউএফ আমাকে এমন একটা রুমে রেখেছে যেখানে এই সব পচা ফল আর আবর্জনা রাখা আছে। আপনি কি একটা নাশপাতি চান? ''[জিম রসের দিকে ফল ছুড়ে মারতে শুরু করলেন]'' আপেল খাবেন? নাকি কলা খাবেন? নিজের ঘর মনে করে যা খুশি নিন! ''[পুরো ফলের ঝুড়িটাই রসের দিকে ছুড়ে মারলেন]'' আপনার যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তবে করে ফেলুন কারণ আমি আপনার ওপর খুব বিরক্ত হয়ে আছি!
:'''জিম রস''': আপনার কাছে আমি তিনটি বিষয় জানতে চাই যদি আপনি কিছু মনে না করেন।
:'''স্টিভ অস্টিন''': অবশ্যই।
:'''জিম রস''': প্রথমত সামারস্ল্যামে ওওয়েন হার্টের আঘাতে আপনার যে শারীরিক অবস্থা হয়েছিল সেই সম্পর্কে কিছু বলুন। দ্বিতীয়ত ডাক্তাররা আপনাকে কী বলেছে? আর সবশেষে ডাব্লিউডাব্লিউএফএ আপনার ভবিষ্যৎ কী বলে আপনি মনে করেন?
:'''স্টিভ অস্টিন''': চলুন সামারস্ল্যাম দিয়েই শুরু করি। আসল কথা হলো আমি এখনও ইন্টারকন্টিনেন্টাল চ্যাম্পিয়ন। ঠিক তো?
:'''জিম রস''': ঠিক।
:'''স্টিভ অস্টিন''': তাহলে ওটাই শেষ কথা। তবে ওই ম্যাচের শেষে যখন ওওয়েন হার্ট আমার মাথায় আঘাত করল— আমার ওজন প্রায় ২৫০ পাউন্ড সেটা মাথায় নিয়ে মাটিতে আছাড় খেলে যা হওয়ার তা-ই হয়েছিল! প্রায় ৫০ সেকেন্ড আমি আমার হাত পা নাড়াতে পারছিলাম না। আমি জানতাম না যে আমি আর কোনোদিন নড়াচড়া করতে পারব কি না! মুহূর্তটা খুব ভয়ানক ছিল। তবে আমি ওটা কাটিয়ে উঠেছি। আমি ওই ভিডিওটা অন্তত ৩০-৪০ বার দেখেছি আর প্রতিবারই দেখে খুব খারাপ লেগেছে! কিন্তু আমি এখন ঠিক আছি নড়াচড়া করতে পারছি আর সেটাই বড় কথা! তবে ওওয়েন হার্টকে এর মাসুল দিতে হবে! মাথায় আঘাত পেয়ে আমার যে অবস্থা হয়েছিল তার বদলা আমি নেবই। আমি এখন খুব রেগে আছি। না আমি শুধু রেগে নেই আমি প্রচণ্ড ক্ষিপ্ত হয়ে আছি। তবে লোকে বলে রেগে যাওয়ার চেয়ে নিজেকে শান্ত রাখা ভালো। কিন্তু ওওয়েন হার্ট যখন আমার সামনে আসবে তখন ও বুঝবে কত ধানে কত চাল। আর কী প্রশ্ন ছিল আপনার?
:'''জিম রস''': ডাক্তাররা... আপনি তো বেশ কয়েকজন ডাক্তার দেখিয়েছেন...
:'''স্টিভ অস্টিন''': আমি কয়েকজন ডাক্তার দেখিয়েছি। একজন তো বলল যে "হয়তো আপনার অন্য কিছু করা উচিত।" শোনো স্টিভ অস্টিন অন্য কিছু করতে জানে না। আমি কুস্তি লড়তে জানি আর আমিই বিশ্বের সেরা রেসলার। কেউ আমায় অন্য কিছু বোঝাতে পারবে না! কাল আমি দেশের সেরা মেরুদণ্ড বিশেষজ্ঞকে দেখাতে যাচ্ছি। উনি কী বলবেন তা দিয়ে আমার কিছু যায় আসে না। শেষ সিদ্ধান্ত আমারই হবে! উনি হয়তো বলবেন এটা করবেন না ওটা করবেন না। কিন্তু আমি যা চাই তা-ই করব। তবে একটা কথা নিশ্চিত যে ওওয়েন হার্টকে আমি ছাড়ব না! ও আমার সাথে যা করেছে তার ফল ও পাবেই। আমার জীবনের যদি শেষ পদক্ষেপও হয় তবে আমি ওকে পিটিয়ে তক্তা করে দেব। আমি জানি না কবে কোথায় বা কীভাবে হবে কিন্তু এটা হবেই।
:আর আমার ভবিষ্যতের কথা যদি বলেন— আমি যখন কথা বলছি তখন মাঝখানে নাক গলাবেন না ঠিক আছে? আমার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আমি এটাই বলব যে স্টিভ অস্টিন আবার সেই কালো প্যান্ট আর কালো বুট পরে রিংয়ে ফিরবে। আমি কয়েক দিন বা কয়েক সপ্তাহ বিশ্রাম নেব কারণ বাড়িতে বসে নিজের প্যারালাইজড হওয়ার ভিডিও বারবার দেখলে যে কেউ হতাশ হয়ে পড়বে! আমি প্রচুর বিয়ার খেয়েছি আর নিজের গাড়িতে ঘুরে ঘুরে এই সব নিয়ে ভেবেছি। তবে আমি কাল ডাক্তার দেখাব। তবে আমার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আমি এটাই জানি যে আমি স্টোন কোল্ড স্টিভ অস্টিন হয়েই থাকব এবং ডাব্লিউডাব্লিউএফের শীর্ষে পৌঁছাব ঠিক যেমনটা এতদিন করে এসেছি! এই সব সরকারি নিয়ম আর আজেবাজে জিনিসের পরোয়া আমি করি না। এখানে পৌঁছাতে আমার আট বছর সময় লেগেছে! আপনি যদি ভাবেন একটা আছাড় খেয়ে আমি থেমে যাব তবে আপনি ভুল ভাবছেন। হয়তো এতে আমার গতি একটু কমেছে কিন্তু আমি থামব না। যে কোনো জায়গায় যে কোনো সময় আমি থাকব! হয়তো বেল্টটা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য অথবা যদি আমি অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই তার জন্য। তবে আমার মনে হয় না অবসর নেওয়ার সময় হয়েছে। আমি আবার সেই কালো প্যান্ট আর বুট পরে আসব আর কাউকে ধরে আচ্ছা মতো পিটাব! আমি জানি না কী ম্যাচ হবে কোনো ট্যাগ টিম ম্যাচ বা ওই জাতীয় কিছু। ঠিক বলছি তো?
:'''জিম রস''': ঠিক তাই।
:'''স্টিভ অস্টিন''': ঠিক আছে আমি সেখানে থাকব! আর স্টিভ অস্টিন এখন আগের চেয়েও বেশি বিপজ্জনক হয়ে ফিরে আসবে। আমি এখন অনেক বেশি ক্ষিপ্ত আর সেটাই আমাকে আরও ভয়ংকর করে তুলেছে। আর কিছু বলার আছে আপনার?
:'''জিম রস''': না স্যার।
:'''স্টিভ অস্টিন''': তবে এখান থেকে বিদায় হোন।
=== ২২ সেপ্টেম্বর ===
:''[পুলিশ অস্টিনকে গ্রেফতার করার আগে ভিন্স রিংয়ে এলেন]''
:'''ভিন্স''': তোমার হয়েছেটা কী?! নিজেকে একটু সামলাও!
:'''ললার''': ওকে গ্রেফতার করুন!
:'''ভিন্স''': ''[পুলিশদের]'' আমায় এক মিনিট সময় দিন। শুধু এক মিনিট! ''[অস্টিনকে]'' তোমার সমস্যা কী? তোমাকে চ্যাম্পিয়নশিপ বেল্টগুলো ফিরিয়ে দিতে হয়েছে তাই সবাই তোমার ওপর বিরক্ত। আমি বুঝতে পারছি তুমি কেন রেগে আছো। কিন্তু আইন হাতে তুলে নিও না!
:'''ললার''': ও তো অলরেডি আইন ভেঙেছে... দেখুন কাণ্ড!
:'''জিম রস''': স্টোন কোল্ড নিউ ইয়র্কের পুলিশদের সাথে লড়াই করে জিততে পারবেন না।
:'''ভিন্স''': তুমি কি বুঝতে পারছ না? তুমি কেন লড়তে পারবে না তা কি তোমার মাথায় ঢুকছে না? তুমি কি জানো না কেন? তুমি এখন শারীরিকভাবে লড়ার মতো অবস্থায় নেই। ডাক্তাররা বলেছে তুমি তৈরি নও। যদি তুমি লড়তে যাও তবে তুমি সারাজীবনের মতো পঙ্গু হয়ে যেতে পারো! ডাব্লিউডাব্লিউএফ তোমাকে তা করতে দেবে না। এখানকার মানুষ তোমাকে হুইলচেয়ারে দেখতে চায় না! সবাই তোমাকে লড়তে দেখতে চায়। কিন্তু তার জন্য সময়ের দরকার স্টিভ। সঠিক সময়ের অপেক্ষা করো। ''[অস্টিন নিজের ঘড়ির দিকে তাকালেন]''
:'''ললার''': ম্যাকম্যানের নাটক শুরু হয়ে গেছে।
:'''ভিন্স''': নিজেকে সামলাও।
:'''জিম রস''': উনি সত্যি কথাই বলছেন। কথাগুলোর যুক্তি আছে।
:'''ললার''': ওই পুলিশদের সাথে কথা বলাই ভালো। আমি তো বলব ওকে সোজা জেলে ভরে দিন!
:'''ভিন্স''': শোনো তুমি কি জানো মানুষ তোমাকে কতটা ভালোবাসে? ডাব্লিউডাব্লিউএফ তোমাকে গুরুত্ব দেয়। সবাই তোমার কথা ভাবে। তোমাকে শুধু নিয়ম মেনে চলতে হবে। সহজ কথা হলো তোমাকে সিস্টেমের মধ্যে থাকতে হবে।
:'''স্টিভ অস্টিন''': আপনি খুব ভালো করেই জানেন যে এটাই আমার রুটি রুজি। আমি এটাই করতে জানি আর আমিই যে সেরা তা সবাই জানে। কিছু বলবেন না একদম চুপ! আপনি আমাকে সিস্টেম শেখাচ্ছেন? আপনি তো আমার মতো বাড়িতে হাত পা গুটিয়ে বসে নেই। তবে আপনি বা ডাব্লিউডাব্লিউএফ যদি এতেই খুশি হন তবে ঠিক আছে। আমি আপনাদের এই ফালতু সিস্টেম মেনেই চলব।
:'''ভিন্স''': এখানকার মানুষ তো এটাই চ—
:'''স্টিভ অস্টিন''': আপনারা আমার কথা ভাবছেন তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আর আমি এটাও বলতে চাই যে... আপনি আমার পা চাটতে পারেন!
:''[অস্টিন ম্যাকম্যানকে লাথি মেরে স্টোন কোল্ড স্টানার দিলেন]''
:'''জিম রস''': ওহ খোদা! এ কী হলো!
:'''ললার''': ওকে জেলে ভরে দিন! এখনই ওকে জেলে নিয়ে যান!
<hr width=50%/>
:''[হান্টার হার্স্ট হেলমসলি রিংয়ে ডুড লাভের জন্য অপেক্ষা করছেন কিন্তু ডুড লাভ পর্দায় ভেসে উঠলেন]''
:'''ডুড লাভ''': ওহ হো হো! দয়া করো বন্ধু! হান্টার আর তোমার সঙ্গী চায়না তোমরা নিশ্চয়ই ভাবছো যে ডুড লাভ এখানে কী করছে? হান্টার বন্ধু আমার মনে হয় আমাদের একটু আড্ডা দেওয়া দরকার। কারণ তুমি যে লড়াইয়ের কথা বলছো— যেখানে সেখানে মারপিট করাটা ঠিক আমার ধাতে নেই। রাস্তায় বা হট ডগের দোকানে আছাড় খাওয়াটা আমার সাজে না। তবে আমি একজনকে চিনি যে এই সব কাজে ওস্তাদ। সে আমার খুব কাছের মানুষ। তাকে আমরা একটু দয়ালু মানুষও বলতে পারি। চলুন ওকে ডেকে নিই।
:''[ম্যানকাইন্ডের গান বাজতে শুরু করল এবং ম্যানকাইন্ড সামনে এলেন]''
:'''ডুড লাভ''': হো হো ম্যানকাইন্ড বন্ধু এসেছো তবে! তোমাকে এই আড্ডায় পেয়ে খুব ভালো লাগল।
:'''ম্যানকাইন্ড''': হাই ডুড। আমায় এখানে ডাকার জন্য ধন্যবাদ।
:'''ডুড লাভ''': আরে সব আনন্দ তো আমার।
:'''ম্যানকাইন্ড''': তুমি সত্যিই মেয়েদের খুব প্রিয় ডুড।
:'''ডুড লাভ''': সেটা তো আমি জানিই। কিন্তু এই আজব ম্যাচটার কথা বলো।
:'''ম্যানকাইন্ড''': ডুড আমি হান্টার হার্স্ট হেলমসলিকে ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়ার স্বপ্ন দেখি ঠিকই...
:'''ডুড লাভ''': আমি জানি তুমি তা পারো।
:'''ম্যানকাইন্ড''': ...আমি ওর সাথে অনেক খারাপ কিছু করতে চাই...
:'''ডুড লাভ''': আমি জানি তুমি তা করবে।
:'''ম্যানকাইন্ড''': তবে আমি একজনকে চিনি যে আমার চেয়েও বেশি ক্ষিপ্ত হয়ে আছে।
:'''ডুড লাভ''': সে কে ম্যানি?
:'''ম্যানকাইন্ড''': এমন একজন যে আমার চেয়েও ভয়ংকর সব কাজ করতে রাজি।
:'''ডুড লাভ''': ওহ না তুমি কি তার কথাই ভাবছো যা আমি ভাবছি?
:'''ম্যানকাইন্ড''': হ্যাঁ আমি ঠিক সেটাই ভাবছি যা তুমি ভাবছো।
:'''ডুড লাভ''': ওকে কি ডেকে আনা যায়?
:'''ম্যানকাইন্ড''': এই তো ও আসছে।
:'''ডুড লাভ''': ও কোথায়?
:'''ম্যানকাইন্ড''': ক্যাকটাস জ্যাক ফিরে এসেছে!
:''[ক্যাকটাস জ্যাক ময়লার ঝুড়ি নিয়ে সামনে এলেন এবং হান্টার ঘাবড়ে গেলেন]''
:'''ডুড লাভ''': আমায় একটা চিমটি কাটো কেউ আমি তো ভেবেছিলাম ও শেষ!
:'''ম্যানকাইন্ড''': ও বেঁচে আছে। ও ফিরে এসেছে!
:'''ক্যাকটাস জ্যাক''': হেলমসলি আজ তোমার জীবনের সবচেয়ে অন্ধকার দিন হতে যাচ্ছে। কারণ এটা ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেন আর মিক ফোলির সেই হারানো রূপ আজ ঘরে ফিরে এসেছে। ব্যাং ব্যাং!
:'''ডুড লাভ''': বিদায় হান্টার! ভালো থেকো বন্ধু!
:'''ললার''': এ কী হচ্ছে দুনিয়ায়!?
:'''জিম রস''': ওহ খোদা! কঠিন সময়ের জন্য কঠিন সিদ্ধান্তই দরকার!
:''[রিংয়ে ময়লার ঝুড়ি আর ঝাড়ু ছুড়ে ফেলে ক্যাকটাস জ্যাক রিংয়ে ঢুকলেন]''
:'''জিম রস''': যে মানুষ পেরেক আর কাঁটাতারের ওপর লড়েছে এবং নিজের গায়ে আগুন লাগিয়েছে তার জন্য এটা তো ছেলেখেলা!
=== ৬ অক্টোবর ===
:''[পল বেয়ারার এবং কেন রিংয়ে দাঁড়িয়ে আছেন]''
:'''পল বেয়ারার''': এখন যখন সবার নজর আমার দিকে— হ্যাঁ এই মোটা মানুষটাকে দেখে হাসুন। হাসুন মন ভরে। আমায় যা খুশি বলে গালি দিন। কিন্তু আসল হাসিটা হওয়া উচিত আপনাদের ওই হিরো আন্ডারটেকারকে নিয়ে। প্রমাণ এখানেই আছে। আমি আন্ডারটেকারের কাছে ফিরে যেতে চেয়েছিলাম কিন্তু ও আমায় তাড়িয়ে দিল। ও আমায় মেরেছে আমায় মিথ্যেবাদী বলেছে। ও আমায় পুড়িয়ে দিয়েছে!
:ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ আমি আপনাদের সামনে আন্ডারটেকারের ছোট ভাই কেনকে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি! ভালো করে দেখো আন্ডারটেকার। গত রাতে সারা দুনিয়া তোমার মুখ দেখেছিল যখন তুমি বিশ বছর পর নিজের ভাইয়ের মুখোমুখি হয়েছিলে। তোমার চোখ দেখেই বোঝা যাচ্ছিল যে তুমি ওকে চিনতে পেরেছো। হ্যাঁ ও বেঁচে আছে। ওর চোখের দিকে তাকাও আন্ডারটেকার। ওর একটা চোখ নেই। আর এর জন্য তুমিই দায়ী! বিশ বছরের সেই যন্ত্রণা আর পালিয়ে বেড়ানোর দিন শেষ। এর জন্য আন্ডারটেকার তোমাকেই ধন্যবাদ জানাতে হয়।
:আন্ডারটেকার এটা তোমার শেষ রাস্তা। আজ এই ছেলেদের দিয়ে শুরু করে আমরা পুরো ডাব্লিউডাব্লিউএফ শেষ করে দেব। একে একে সব কুস্তিগীরকে ধ্বংস করব যতক্ষণ না আমরা তোমার কাছে পৌঁছাই! কেন এখানে শুধু তোমার জন্যই এসেছে। তুমি যেখানেই তাকাও দেখবে তোমার ভাই তোমার পেছনে দাঁড়িয়ে আছে। তুমি যখনই ঘুমাতে যাবে তোমার সেই ভয়ংকর রাতের কথা মনে পড়বে। সেই আগুন! আন্ডারটেকার তোমার দুঃস্বপ্ন শুরু হলো মাত্র।
<hr width=50%/>
:'''শন''': আমি জানি ওই ট্রাকে কোনো বুদ্ধিমান মানুষ নেই। কিন্তু এটা তো একটা টেলিভিশন স্টুডিও। ভিন্স ম্যাকম্যান আপনি কি আপনার ওই গর্দভ কর্মীদের দিয়ে আমার গত রাতের পারফরম্যান্সটা একটু দেখাতে পারেন? ''[পর্দায় ভিডিও শুরু হলো কিন্তু সেটা গত রাতের নয় বরং পুরনো দিনের এক ভিডিও]'' আরে দাঁড়ান এক মিনিট!
:'''[[w:ট্রিপল এইচ|হান্টার হার্স্ট হেলমসলি]]''': ওহ খোদা এটা কী?
:'''শন''': এটা তো গত রাতের খেলা নয় এটা...
:'''হান্টার''': এটা তো ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেন!
:'''শন''': এটা ১৯৯৬ সালের ১৯ মে!
:'''হান্টার''': এটা তো তুমি শন!
:'''শন''': আর এটা... এটা তো রেজর!
:'''হান্টার''': আর ওটা তো ডিজেল!
:'''শন''': কিন্তু ওটা কে... ওটা তো আপনি ট্রিপল এইচ! এক মিনিট দাঁড়ান! আপনি তো ভিলেন ছিলেন আর আমি ছিলাম হিরো!
:'''ভিন্স''': এটা কী হচ্ছে?
:'''হান্টার''': তুমি ভালো মানুষ ছিলে আর আমি ছিলাম খারাপ মানুষ!
:'''শন''': আপনারা ওখানে কী করছিলেন? এটা তো ভিন্স ম্যাকম্যানের সবচেয়ে বড় দিন হওয়ার কথা ছিল— ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেন প্রথমবার হাউসফুল হয়েছিল... ওহ ভিডিও বন্ধ হয়ে গেল। ভিন-ম্যান আপনার কি খুব লাগছে? এই বিষয়টা কি আপনার জন্য খুব সংবেদনশীল বড় বাবু? ''[রিং থেকে নেমে ভিন্সের কাছে গেলেন]'' ভিন্নি ম্যাক কী হয়েছে আপনার? বলুন না কী হয়েছে? আপনার বাবা কি কবরে শুয়ে ছটফট করছেন? ম্যাকম্যান বংশের ঐতিহ্য কি শেষ হয়ে গেল কারণ আমি আর আমার বন্ধুরা আপনার বারোটা বাজিয়ে দিয়েছি? আরে আপনি তো আগে থেকেই অপদার্থ ছিলেন আমি শুধু সেটা প্রমাণ করে দিয়েছি!
<hr width=50%/>
:'''জিম করনেট''': আমি জিম করনেট আর আমি এখন যা বলতে যাচ্ছি তা হয়তো শুধু আমারই মত। তবে সবার এমনই ভাবা উচিত।
:আজকাল রেসলিং দুনিয়ার অনেক কিছু দেখে আমার মেজাজ খারাপ হয়। বিশেষ করে যেভাবে প্রতিভাগুলোকে অবহেলা করা হয়। যেমন আর্ন অ্যান্ডারসন যে কি না চোটের কারণে অবসর নিতে বাধ্য হলো। রিক ফ্লেয়ারের মতো একজন মানুষ যে কি না এই ব্যবসার ইতিহাসের অন্যতম সেরা প্রতিভা। ম্যানকাইন্ড বা ক্যাকটাস জ্যাকের মতো কুস্তিগীররা যারা অনেক প্রতিভাবান।
:কিন্তু ভক্তরা কাদের দিকে নজর দেয়? এনডাব্লিউও (NWO) বা নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার। ভক্তরা ভাবে এই ছেলেরা খুব স্মার্ট আর খুব মজার। কিন্তু আমার কাছে এরা হলো বাচ্চাদের মতো যারা পেছনের বাগানে গাছের ওপর ঘর বানিয়ে খেলে। এরা স্রেফ যা তা করে বেড়ায়। এদের কাজটা খুব সহজ। এদের শুধু অসভ্য আর বেয়াদবের মতো আচরণ করতে হয়।
:কেভিন ন্যাশের কথা ধরুন যার বয়স ৪০ বছর কিন্তু বাচ্চার মতো আচরণ করে। আমার মনে হয় রেসলিং দুনিয়ায় ওর মতো অপদার্থ আর কেউ নেই। ও স্রেফ কয়েকটা প্যাঁচ জানে আর নড়াচড়া করতে পারে না। কিন্তু ও শুধু মানুষের কান ভাঙাতে ওস্তাদ। ডাব্লিউডাব্লিউএফ ওকে তারকা বানানোর জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করেছে আর ও কী করল? ও কথা দিয়েও পালিয়ে গিয়ে অন্য কোম্পানিতে যোগ দিল। কেন? সেটা পরে বলছি।
:স্কট হলের কথা ধরুন যে একজন মোটামুটি মানের রেসলার। ডাব্লিউডাব্লিউএফ ওকেও তারকা বানিয়েছে কিন্তু ও-ও সুযোগ বুঝে অন্য জায়গায় পালাল।
:আর শন ওয়াল্টম্যানের কথা তো না বললেই নয়। ওর একমাত্র যোগ্যতা হলো ও যখন মাতাল হয়ে বমি করে তখন বাকিরা সেটা দেখে মজা পায়। ও-ই একমাত্র রেসলার যাকে এক কোম্পানি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল যাতে ও অন্য দিকে যেতে পারে।
:আপনারা জানেন এরা কেন এখনও চাকরি করছে? কারণ এরিক বিশফ। ও ডাব্লিউসিডাব্লিউর বস। ও কোটি কোটি টাকা নষ্ট করছে যাতে ও এই লম্বা চুলো আর চুরুট খাওয়া ছেলেদের সাথে আড্ডা দিতে পারে। ও আসলে নিজেকে বড় প্রমাণ করার জন্য এই সব করছে। আর এটাই একমাত্র কারণ যে এনডাব্লিউওর ছেলেরা এখনও টিকে আছে।
:আমার মনে হয় এখন সময় এসেছে ভক্তদের আর মালিকদের রিক ফ্লেয়ার বা ক্যাকটাস জ্যাকের মতো মানুষদের দাম দেওয়ার। যারা কঠোর পরিশ্রম করে নিজেদের জায়গা তৈরি করেছে। চাটুকারিতা করে নয়। আমি জিম করনেট আর এটাই আমার মত।
=== ১৩ অক্টোবর ===
:'''ব্রেট''': ''[শন আর হান্টারকে]'' তোমরা দুজন কেন নিচে নেমে আমার সাথে রিংয়ে লড়ছো না? তোমাদের যে কেউ আসো আমার কিছু যায় আসে না! এখনই আসো!
:'''শন''': ও কি আমাকে চ্যালেঞ্জ করছে?
:'''হান্টার''': ও কি আমাদের চ্যালেঞ্জ করছে?
:'''শন''': সাধারণত আমি এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতাম। কিন্তু আমি করব না। কেন জানেন? কারণ শেষবার যখন আমি ওর চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলাম তখন রেসলম্যানিয়ায় আমি ওকে আচ্ছা মতো পিটিয়ে ওর কাঁধের ওই বেল্টটা নিয়ে নিয়েছিলাম। সারভাইভার সিরিজেও আমি তোমার ওই খেলনা বেল্টটা আবার নিয়ে নেব। আমি তোমাকে হারিয়েছি তোমার ভাইকে হারিয়েছি আর তুমি যদি বেশি বাড়াবাড়ি করো তবে তোমার পুরো গোষ্ঠীকেই আমি পিটিয়ে ঠান্ডা করে দেব।
:'''হান্টার''': আর ব্রেট হার্ট তুমি আমার সাথে লড়তে চাও? আসো দেখি! আমি তোমাকে সারাজীবনের মতো শিক্ষা দিয়ে দেব! ওহ দাঁড়ান এক মিনিট। আমি তো গত সপ্তাহেই তোমাকে পিটিয়েছি! তাই আর দুবার মারার দরকার নেই! একবারই যথেষ্ট ছিল!
:'''শন''': আমার মাথায় এত আঘাত লেগেছে যে আমি ভুলেই গিয়েছিলাম গত সপ্তাহে আমরা ওকে কত মেরেছি। হিটম্যান শোনো। এই অনুষ্ঠানের মাঝেই আমাদের আবার দেখা হবে। আর তুমি আমাদের অসভ্য বলছো? জেনারেশন এক্স নিয়ে সবার খুব ভুল ধারণা আছে।
:'''হান্টার''': তুমি কি মনে করো তুমি অসভ্য?
:'''শন''': তুমি কি মনে করো তুমি নও?
:'''হান্টার''': মানে আমি বলতে চাইছি...
:'''শন''': আমি নিশ্চিত যে আমি একজন অসভ্য।
:'''হান্টার''': তবে আমার মনে হয় আমিও তাই।
:'''শন''': জেনারেশন এক্স সবসময় বদনাম পায় সবাই আমাদের অসভ্য বলে। আমরাই ডিজেনারেশন এক্স— ট্রিপল এইচ শন মাইকেলস চায়না আর রিক। আমরাই ডিজেনারেশন এক্স— আপনারা নিয়ম বানাবেন আর আমরা সেগুলো ভাঙব!
<hr width=50%/>
:'''জিম করনেট''': আমি জিম করনেট আর আমি এখন যা বলতে যাচ্ছি তা হয়তো আপনাদেরও মনের কথা।
:ফিল মুশনিক নামের একজন লোক আছে যে নিউ ইয়র্ক পোস্ট আর টিভি গাইডের জন্য লেখে। আপনারা হয়তো ওনার নাম শোনেননি কিন্তু ওনার সম্পর্কে জানা উচিত। কারণ উনি আপনাদের সম্পর্কে অনেক খারাপ কথা বলেছেন। এই লোকটা রেসলিং ঘৃণা করে আর ও শুধু চ্যানেল পাল্টাতে চায় না ও চায় যেন আপনারা কোনোভাবেই রেসলিং দেখতে না পারেন।
:গত কয়েক বছর ধরে ও রেসলিং বন্ধ করার জন্য একাই প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। যখন টেড টার্নার অনেক টাকা দান করলেন তখন মুশনিক বললেন যে রেসলিং কোম্পানিগুলো বন্ধ করে দেওয়াই ভালো। ভিন্স ম্যাকম্যান আর ডাব্লিউডাব্লিউএফের বিরুদ্ধে যখন মামলা হয়েছিল তখন এই লোকটাই সবচেয়ে বেশি চেঁচিয়েছিল। যদিও আদালতে ডাব্লিউডাব্লিউএফ নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছে কিন্তু মুশনিক এখনও লিখে যাচ্ছেন যেন ওরাই অপরাধী।
:মুশনিক শুধু রেসলিং ঘৃণা করে না ও রেসলিং ভক্তদেরও ঘৃণা করে। ও আপনাদের সম্পর্কে কী বলেছে শুনুন:
:"যদি পাগল আর বখাটে মানুষ না থাকতো তবে এই সব রেসলিং কোম্পানি অনেক আগেই বন্ধ হয়ে যেত। আপনারা যদি আপনাদের বাচ্চাদের রেসলিং দেখাতে নিয়ে যান তবে বুঝতে হবে আপনাদের ঠিক ভুলের জ্ঞান নেই। বেশিরভাগ রেসলিং ভক্তরাই অসভ্য আর অশিক্ষিত।"
:শুনুন মিস্টার মুশনিক আমিও একজন রেসলিং ভক্ত আর যারা পত্রিকা পড়ে তারাও তাই। আমরা টাকা দিয়ে পত্রিকা কিনি আপনাদের অপমান শোনার জন্য নয়! আমাদের বাচ্চার মানুষ করার জ্ঞান আপনার কাছ থেকে নিতে হবে না! আমরা সংবিধানে দেওয়া বাকস্বাধীনতা আর বিনোদনের অধিকার ভোগ করি। এগুলো হলো সত্যি কথা মিস্টার মুশনিক আপনার এই সব মনগড়া কথা নয়। আমার মনে হয় এখন সময় এসেছে মানুষ আপনাকে বুঝিয়ে দেবে তারা আপনার সম্পর্কে কী ভাবে।
:কিন্তু আমি এখন কেন রেগে আছি? কারণ সম্প্রতি ফিল মুশনিক ব্রায়ান পিলম্যানের মৃত্যুকে ব্যবহার করে রেসলিংয়ের বিরুদ্ধে আবার সরব হয়েছেন। উনি বলেছেন:
:"আসল সমস্যা হলো মিডিয়া রেসলিংয়ের দিকে নজর দেয় না। যদি বেসবল খেলোয়াড়রা এভাবে হঠাৎ মারা যেত তবে সারা দেশে হইচই পড়ে যেত।"
:''[করনেট এখন প্রচণ্ড রেগে আছেন]''
:ব্রায়ান পিলম্যান আমার বন্ধু ছিল। জন্মের পর থেকেই ও গলায় ক্যান্সারের সাথে লড়াই করেছে ৩৬ বার অপারেশন করিয়েছে। ফুটবল আর রেসলিংয়ের যন্ত্রণাও ও সহ্য করেছে। একটা বড় গাড়ি দুর্ঘটনা থেকে ও ফিরে এসেছিল। আর এক রাতে ও ঘুমের মাঝেই মারা গেল। আর আপনি ফিল মুশনিক ওর মৃত্যুকে নিজের ফায়দা লুটতে ব্যবহার করছেন! এটা আপনার রেসলিংয়ের বিরুদ্ধে যে কোনো মিথ্যা অভিযোগের চেয়েও বেশি জঘন্য আর নোংরা! তাই রেসলিং ভক্তদের পক্ষ থেকে ব্রায়ানের পরিবার আর বন্ধুদের পক্ষ থেকে এবং এই দেশের সব স্বাধীন মানুষের পক্ষ থেকে আমি বলছি— মিস্টার মুশনিক আপনি নরকে যান! আমরা আপনাকে ছাড়াই বেশ ভালো আছি।
:আমি জিম করনেট আর এটাই আমার মত।
=== ২৭ অক্টোবর ===
:'''জিম করনেট''': আমি জিম করনেট। আমি অবাক হয়ে ভাবি যে আমার মতো আরও মানুষ কি এই তথাকথিত হিরোদের দেখে বিরক্ত? হাল্ক হোগান আর রডি পাইপার নিজেদের বড় তারকা মনে করে শন মাইকেলসও তাই ভাবে। ব্রেট হার্টও তাই ভাবত যদি ও সারাদিন কান্নাকাটি না করত। শন মাইকেলস রিংয়ের ভেতরে অনেক প্রতিভাবান ঠিকই কিন্তু রিংয়ের বাইরে ও একটা অসভ্য ছোকরা যে নিজের ইচ্ছেমতো না চললে বাড়ি চলে যায়। ব্রেট হার্ট ইতিহাসের অন্যতম সেরা রেসলার ঠিকই কিন্তু ও যতবার নিজেকে ঠকানো হয়েছে বলে দাবি করে ততক্ষণে ও হয়তো অনেক উন্নতি করতে পারত। আর র্যান্ডি স্যাভেজ তো একজন কিংবদন্তি কিন্তু গত বছর ওর কয়টা রেকর্ড বিক্রি হয়েছে? কিন্তু গত রাতের খাঁচার লড়াইটা ছিল সবচেয়ে জঘন্য। কোম্পানি দাবি করছে এটা নাকি ইতিহাসের সেরা ম্যাচ ছিল অথচ ওটা ছিল স্রেফ সময়ের অপচয়। একদিকে এক ৪৬ বছরের টাক মাথা অভিনেতা হওয়ার চেষ্টা করছে আর অন্যদিকে এমন একজন যার কোমরে অপারেশন হয়েছে আর গত দশ বছর ধরে ঠিকমতো লড়তেই পারে না। এটা স্রেফ ওদের অহংকারের লড়াই ছিল। দশ মিনিট যেতে না যেতেই ওরা এমনভাবে হাঁপাচ্ছিল যেন দম ফুরিয়ে গেছে। দৃশ্যটা করুণ না হলে হাসিরই হতো। আমি এই সব হিরোদের গল্প শুনতে শুনতে ক্লান্ত। রডি পাইপার আমার ছোটবেলার আদর্শ ছিল কিন্তু সেটা ২০ বছর আগের কথা। হাল্ক হোগানের সোনালী দিনও অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। ... [অংশবিশেষ বাদ দেওয়া হয়েছে]
=== ১৭ নভেম্বর ===
:'''জিম রস''': চলুন কাজের কথায় আসি। সাত দিন আগে সারভাইভার সিরিজে আপনি কি ব্রেট হার্টের সাথে বেইমানি করেছিলেন?
:'''ভিন্স''': অনেকে বলবে আমি ব্রেটকে ঠকিয়েছি আর ব্রেট তো এটাই বলবে। কিন্তু আমি অন্যভাবে দেখি। আমার মনে হয় রেফারি ব্রেটকে ঠকায়নি শন মাইকেলসও ঠকায়নি আর ভিন্স ম্যাকম্যানও ঠকায়নি। আমি বিশ্বাস করি ব্রেট হার্ট নিজেই নিজের বারোটা বাজিয়েছে আর ও আয়নায় তাকালে সেটা বুঝতে পারবে।
:'''জিম রস''': আমি নিশ্চিত সারা দেশের মানুষ আপনার এই কথা মেনে নেবে না। মানুষ বুঝবে না যে আপনি "ব্রেটই ব্রেটকে ঠকিয়েছে" বলতে কী বোঝাচ্ছেন।
:'''ভিন্স''': দেখুন আমি আমার যে কোনো সিদ্ধান্তের দায় নিতে রাজি আছি। আমার সব সিদ্ধান্ত সঠিক হয় না আমি সেটা স্বীকার করি। ভুল করলে আমি ক্ষমা চাইতেও জানি। আশা করি আমার বেশিরভাগ সিদ্ধান্তই সঠিক ছিল। আর ব্রেট হার্টের কথা যদি বলি রেসলিং দুনিয়ায় একটা ঐতিহ্য আছে যে কেউ যখন কোম্পানি ছেড়ে যায় তখন সে অন্যদের প্রতি শ্রদ্ধা দেখায়। আপনি যে কোম্পানির মাধ্যমে তারকা হয়েছেন তাদের প্রতি সম্মান দেখানো উচিত। ব্রেট সেই সম্মান দেখাতে চায়নি অথচ ও নিজেকে খুব ঐতিহ্যবাদী মনে করে। আমি কল্পনাও করতে পারিনি যে ও এমনটা করবে। তাই বলছি ব্রেট নিজেই নিজের ক্ষতি করেছে।
:'''জিম রস''': অনেকে জানে যে ১৯৯৬ সালে ব্রেট ডাব্লিউডাব্লিউএফের সাথে ২০ বছরের চুক্তি করেছিল। তাহলে এখনও ১৮ বছর বাকি থাকতেই ও কীভাবে চলে গেল? ব্রেট কি চলে যেতে চেয়েছিল নাকি আপনি ওকে চলে যেতে বলেছিলেন?
:'''ভিন্স''': এটা আমাদের দুজনেরই সিদ্ধান্ত ছিল। আমি অনুভব করেছিলাম যে ব্রেটকে আমরা যে টাকা দিচ্ছি তা এখন আর যুক্তিযুক্ত নয়। আর ব্রেটের মনে হয়েছিল যে শন মাইকেলস ওর জায়গা নিয়ে নিয়েছে। তাই আর্থিক আর সৃজনশীল কারণে আমরা ঠিক করলাম ব্রেট অন্য কোথাও চলে যাক। আমরা ওর জন্য টার্নারের কোম্পানির সাথে কথা বলে এক বড় চুক্তির ব্যবস্থা করে দিই যেখানে ও বছরে ৩০ লক্ষ ডলার পাবে। আমি চেয়েছিলাম ব্রেট নিজের ভালোটা বুঝুক। আমি ওকে বলেছিলাম ও যদি ওই চুক্তি পায় তবে আমিই প্রথম ওকে অভিনন্দন জানাব। আমি ব্রেটকে হারাতে চাইনি কিন্তু ব্যবসার দিক থেকে সেটাই ঠিক ছিল।
:'''জিম রস''': সারভাইভার সিরিজের হারের তিক্ততা তো সবাই দেখেছে। ও রিংয়ে দাঁড়িয়ে আপনার মুখে থুতু দিয়েছে আর ডাব্লিউডাব্লিউএফের দামী সব যন্ত্রপাতি ভেঙেছে। আপনি কি জানতেন এমন কিছু হবে?
:'''ভিন্স''': ব্রেট যখন আমায় মারল আমি খুব হতাশ হয়েছিলাম। আমার মাথায় চোট লেগেছিল যার সমস্যা আজও আছে। ও আমায় মেরে খুব গর্ব বোধ করছে কিন্তু ওটা কোনো লড়াই ছিল না। আমি ওকে মারার সুযোগ দিয়েছিলাম কারণ আমি চেয়েছিলাম আমরা ভদ্রভাবে আলাপ করি। কিন্তু ও তা করেনি।
:'''জিম রস''': আপনি কি এই জন্য ওর বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভেবেছেন?
:'''ভিন্স''': আমি ভেবেছি। সেই সুযোগ এখনও আছে। তবে আমি এখন সেটা করছি না। এটা ব্রেটের আচরণের ওপর নির্ভর করছে।
:'''জিম রস''': আপনি যদি কোনো লেখক হতেন তবে ব্রেট হার্টের ডাব্লিউডাব্লিউএফ ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়টা কীভাবে লিখতেন?
:'''ভিন্স''': আমি একজন গল্পকার হিসেবে চেয়েছিলাম ওর শেষটা হোক মর্যাদার সাথে। ও যেন বীরের মতো বিদায় নেয়। বিদায় নেওয়ার সময় ও যদি পিন হয়ে হেরেও যেত তবুও ও যেন হাসিমুখে ওর প্রতিদ্বন্দ্বীর সাথে হাত মেলাত এবং সবাইকে দেখাত যে একজন সত্যিকারের চ্যাম্পিয়ন কীভাবে বিদায় নেয়। আমি চাইলে ও ড্রেসিংরুমের সবাইকে নিয়ে ওর ম্যাচটা দেখত যাতে পরের প্রজন্ম বুঝতে পারে কুস্তি দুনিয়ার ঐতিহ্য কী। ও বীরের মতোই বিদায় নিতে পারত।
:'''জিম রস''': আপনি কি এখনও ব্রেট হার্টকে নিজের বন্ধু মনে করেন? ওর প্রতি কি আপনার কোনো সহানুভূতি আছে?
:'''ভিন্স''': সহানুভূতি? ব্রেটের প্রতি আমার কোনো সহানুভূতি নেই। একদম না। যে মানুষ নিজের ব্যবসার প্রতি সম্মান দেখাতে জানে না তার জন্য আমার মনে কোনো জায়গা নেই। ব্রেট স্রেফ একটা স্বার্থপর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ওকে সারাজীবন এই গ্লানি নিয়ে থাকতে হবে। ব্রেটই ব্রেটকে ঠকিয়েছে।
<hr width=50%/>
:'''জিম রস''': এটা হয়তো পাগলামি শোনাবে কিন্তু ব্রেট হার্ট যদি কোনোদিন ফিরতে চায় তবে আপনি কি ওকে সুযোগ দেবেন? ও আপনার মুখে থুতু দিয়েছে আপনার অফিসের জিনিস ভেঙেছে আপনাকে মেরেছে তবুও কি আপনি ওকে ফিরতে দেবেন?
:'''ভিন্স''': এই ব্যবসাটা খুব অদ্ভুত তাই হ্যাঁ আমি ওকে ফিরতে দেব। তবে তার আগে আমাদের মধ্যে একটা পরিষ্কার কথা হতে হবে। আমি চাই ব্রেট বলুক যে "ভিন্স আমি দুঃখিত আমি স্বার্থপরের মতো কাজ করেছি।" আর আমিও বলব যে "ব্রেট আমারও খারাপ লাগছে যে আমায় ওই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল।" তবে আমি ওকে একটা কথা বলে দেব যে আর কোনো আড়ালে আবডালে আক্রমণ করা চলবে না। যদি ভবিষ্যতে কোনো সমস্যা হয় তবে সামনাসামনি মোকাবিলা করতে হবে। ও যদি এখন ওর চুক্তি ছিঁড়ে ফিরে আসতে চায় তবে আমি ওকে স্বাগত জানাব।
:'''জিম রস''': ওর চলে যাওয়ার আসল কারণ কী ছিল? ও তো বলেছে টাকার জন্য যায়নি।
:'''ভিন্স''': মাঠে অনেক দর্শক লিখে এনেছিল যে "ব্রেট নিজেকে বিক্রি করে দিয়েছে।" ব্রেট এই কথাটা শুনতে পছন্দ করে না। কিন্তু আমি গর্বিত যে আমি ওকে নিজেকে বিক্রি করতে সাহায্য করেছি। ও যা করেছে তা স্রেফ টাকার জন্যই করেছে আর এতে লজ্জার কিছু নেই। বছরে ৩০ লক্ষ ডলারের জন্য যে কেউ নিজেকে বিক্রি করবে। তাই ও যখন বলে টাকার জন্য যায়নি তখন ও নিজের বিশ্বাসযোগ্যতা হারায়।
:'''জিম রস''': ব্রেট হার্টের সাথে এই পুরো ঘটনা আপনাকে ব্যক্তিগতভাবে বেশি আঘাত করেছে নাকি ব্যবসার দিক থেকে?
:'''ভিন্স''': ব্যবসার দিক থেকে ডাব্লিউডাব্লিউএফ ব্রেট হার্টকে ছাড়াও এগিয়ে যাবে। কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে আমি খুব আঘাত পেয়েছি। আমাদের ১৪ বছরের সম্পর্ক এভাবে শেষ হওয়াটা খুব কষ্টের। আমাকে বাধ্য হয়ে ওই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল। আমার খারাপ লাগছে ওর ভক্তদের জন্য আর ওর পরিবারের জন্য যাদের এই সব সহ্য করতে হচ্ছে। আমার ছেলেও লকার রুমে এই সব নোংরামি দেখেছে যার জন্য আমি লজ্জিত। তবুও আমি মনে করি আমার সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল।
:'''জিম রস''': আপনি যদি এখন ব্রেটের সাথে কথা বলার সুযোগ পেতেন তবে কী বলতেন?
:'''ভিন্স''': লকার রুমে যা বলেছিলাম তা-ই বলতাম— ও একটা বড় ভুল করেছে যার জন্য ও সারাজীবন আফসোস করবে। আমি আমার কোম্পানি আর ভক্তদের জন্য যা করার করেছি। ও হয়তো ওর সিদ্ধান্তে অটল কিন্তু আমি আমার জায়গায় ঠিক আছি। হয়তো কোনোদিন আমাদের দেখা হবে। খুব খারাপ লাগছে যে একটা ১৪ বছরের সম্পর্ক নষ্ট হয়ে গেল কারণ একজন মানুষ ভুলে গিয়েছিল যে এটা বিনোদনের জায়গা। ও ভুলে গিয়েছিল ও কোথা থেকে এসেছে।
:'''জিম রস''': আপনি কবে নাগাদ এই সব ভুলে স্বাভাবিক হবেন?
:'''ভিন্স''': আমি এখনই স্বাভাবিক আছি। তবে ব্রেট ডাব্লিউডাব্লিউএফের একটা বড় অংশ ছিল। আমি আমাদের ভালো দিনগুলোর কথা মনে রাখব। আমি ওকে "এক্সেলেন্স অফ এক্সিকিউশন" হিসেবেই মনে রাখব। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ও এটা প্রমাণ করতে পারল না যে ওই সেরা ছিল। ওর কাছে সুযোগ ছিল বীরের মতো বিদায় নেওয়ার কিন্তু ও ব্যর্থ হয়েছে।
=== ১৫ ডিসেম্বর ===
:'''জিম রস''': স্টিভ অস্টিন যেভাবে বেরিয়ে গেল তা দেখে মনে হচ্ছে পরিস্থিতি খুব একটা ভালো নয়।
:'''জিম করনেট''': কার কথা বলছেন?
<hr width=50%>
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': ওওয়েন হার্ট আমি জানি তুমি এখানে আছো। তোমাকে দেখা গেছে। ওওয়েন আমি জানি তুমি আমার কথা শুনতে পাচ্ছো। ইদানীং তুমি রিংয়ের আশেপাশে দর্শকদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করছো যা মোটেও সহ্য করা হবে না।
:'''জিম করনেট''': ম্যাকম্যান এখন হঠাৎ নিরাপত্তারক্ষী হয়ে গেল!
:'''ভিন্স''': তুমি রিংয়ের ভেতরে এসে শন মাইকেলসের ম্যাচে ঝামেলা করছো। আমি শন মাইকেলসের পরোয়া করি না কিন্তু তুমি দর্শকদের বিপদে ফেলছো। আমি তোমাকে মনে করিয়ে দিই ওওয়েন যে তুমি এখনও ডাব্লিউডাব্লিউএফের চুক্তিতে আছো। তাই আমি তোমাকে নির্দেশ দিচ্ছি এখনই রিংয়ে এসো। ''[ওওয়েন হার্ট দর্শকদের মাঝখান থেকে রিংয়ে এলেন]'' এসব কী হচ্ছে আর তুমি নিজেকে কী মনে করো?
:'''ওওয়েন হার্ট''': নিজেকে কী মনে করি? ''[ভিন্সকে খোঁচা দিয়ে]'' আপনি নিজেকে কী মনে করেন?! আপনি কি ভাবছেন আমি আপনার কাছে ক্ষমা চাইব? আমি আপনাকে একটা কানাকড়িও দেব না! আমি সবাইকে খুশি করতে করতে ক্লান্ত আর আজ থেকে এই সব ফালতু কথা বন্ধ!
:'''জিম করনেট''': ম্যাকম্যানকে তো বেশ ভালোই সম্মান দিচ্ছে ওওয়েন!
:'''জিম রস''': পরিস্থিতি যে কোনো সময় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।
:'''ওওয়েন''': আমার ভাই ব্রেট আর বাকিরা যা করার করেছে এখন আমার পালা। আমি ডাব্লিউডাব্লিউএফএই থাকব! আমি ৯ বছর ধরে এই কোম্পানির জন্য নিজের হাড় ভাঙা খাটুনি খেটেছি। কেউ আমাকে এখান থেকে বের করতে পারবে না আর আমি কার কথা বলছি আপনি খুব ভালো করেই জানেন!
:'''ভিন্স''': হ্যাঁ আমি জানি তুমি কার কথা বলছো। তুমি ডাব্লিউডাব্লিউএফ চ্যাম্পিয়ন শন মাইকেলসের কথা বলছো। আর ওওয়েন আসল কথা তো এটাই যে তুমি ওই বেল্টটা জিততে চাও যা তুমি কোনোদিন পাওনি। সব এই চ্যাম্পিয়নশিপ নিয়েই তো তাই না?
:'''ওওয়েন''': আপনি কতটা নির্বোধ? আপনি কি ভাবছেন আমি একটা খেলনা বেল্টের জন্য এত কিছু করছি?! এটা আমার জীবন ভিন্স— আমার সম্মান আমার মর্যাদা! আমি আপনাকে অনুরোধ করছি না আমি আপনাকে সোজাসুজি বলে দিচ্ছি যে আমি শন মাইকেলসের জীবন নরক বানিয়ে দেব!
:'''জিম রস''': আজকাল সবাই এই কথাই বলছে।
:'''জিম করনেট''': আমি বুঝতে পারছি ও কী বলতে চাইছে!
:'''ভিন্স''': আমায় বলতে দিন—
:'''ওওয়েন''': এক মিনিট শুনুন। আপনারা আমায় যে নামেই ডাকুন না কেন আমার কিচ্ছু যায় আসে না!
:'''জিম রস''': এটা মোটেও ভালো লক্ষণ নয়।
:'''ওওয়েন''': শন মাইকেলস এটা কোনো খেলা নয় এটা বাস্তব জীবন। তুমি এটা শুরু করেছিলে আর এখন আমি এটা শেষ করব!
:'''জিম রস''': শন মাইকেলস আর হান্টারের জন্য বিপদ ঘনিয়ে আসছে!
:'''ভিন্স''': ঠিক আছে ওওয়েন এবার আমি কী করব তা শোনো। আমি নিরাপত্তারক্ষীদের রিংয়ে আসতে বলছি। আমি চাই না কোনো দর্শক চোট পাক। ওওয়েন আগামী সপ্তাহে তুমি সবার মতো নিয়ম মেনে রিংয়ে আসবে আর লড়বে। দর্শকদের ওপর দিয়ে লাফালাফি করা চলবে না— বুঝেছো?!
:'''জিম করনেট''': মনে হচ্ছে শহরের সব পুলিশ চলে এসেছে!
:'''জিম রস''': ওওয়েনের চোখের দিকে তাকালে ভয় লাগে। ও অনেক চাপের মধ্যে আছে।
:'''জিম করনেট''': মনে হচ্ছে একটা ক্ষুধার্ত কুকুর মাংসের দিকে তাকিয়ে আছে!
:'''জিম রস''': ও যে কোনো সময় খেপে যেতে পারে—
:''[ওওয়েন ভিন্সকে ধরে ওর চোখের দিকে তাকিয়ে থাকলেন]''
:'''জিম করনেট''': হেই!
:'''জিম রস''': ওহ একী!
:'''জিম করনেট''': ও স্রেফ দেখিয়ে দিল যে ও কী করতে পারে! শন মাইকেলস যা-ই বলুক না কেন ওওয়েন হার্ট সত্যিই সাহসী মানুষ! ''[ওওয়েন দর্শকদের মাঝখান দিয়ে বেরিয়ে গেলেন আর সবাই ওর নাম ধরে চিৎকার করছে]''
<hr width=50%>
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': বলা হয় যে ডাব্লিউডাব্লিউএফএ যে কোনো কিছু হতে পারে আর আজ তা সত্যিই প্রমাণিত। আমরা এখন দর্শকদের আরও উন্নত উপায়ে বিনোদন দেওয়ার চেষ্টা করছি। আমরা নিজেদের "স্পোর্টস এন্টারটেইনমেন্ট" বলি কারণ এতে খেলা আর বিনোদন দুই-ই আছে। ডাব্লিউডাব্লিউএফ এখন স্রেফ কুস্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই আমরা এখন সোপ অপেরা মিউজিক ভিডিও বা কার্টুনের মতো বিভিন্ন মাধ্যম থেকে আইডিয়া নিচ্ছি। আমাদের মনে হয় দর্শকরা এখন পুরনো দিনের হিরো ভিলেনের গল্প দেখে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। হাল্ক হোগানের সেই দিন এখন আর নেই। তাই আমরা এখন আরও আধুনিক আর বৈচিত্র্যময় অনুষ্ঠান নিয়ে আসছি। তবে আমাদের অনুষ্ঠানগুলো সরাসরি সম্প্রচার করা হয় বলে ছোটদের দেখার সময় বড়দের সাথে থাকা ভালো। আমরা দায়িত্বশীল প্রচারক হিসেবে আপনাদের জন্য এই অনুষ্ঠানগুলো নিয়ে আসছি... [অংশবিশেষ বাদ দেওয়া হয়েছে]
:'''জিম রস''': মনে রাখবেন ইউরোপিয়ান টাইটেল আজ ঝুঁকির মুখে। শন মাইকেলস এখানে ইউরোপিয়ান টাইটেলটি বাজি ধরছেন ঠিক যেমনটা তিনি রয়্যাল রাম্বলে আন্ডারটেকারের সাথে সেই বহুল প্রতীক্ষিত ক্যাসকেট ম্যাচে ডাব্লিউডাব্লিউএফ টাইটেলটি বাজি ধরবেন। ''[শন আর হান্টার একে অপরকে ধরলেন এবং হান্টার সাথে সাথে শনকে নিচে ধাক্কা দিলেন]'' দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হলো।
:''[হান্টার অতিরঞ্জিতভাবে রিংয়ের দড়িতে ঝুলে শনের ওপর দিয়ে প্রায় ১৪ সেকেন্ড ধরে লাফালাফি করলেন]''
:'''জিম করনেট''': দুজনের কেউই আসলে এই লড়াইটা মন থেকে চাইছে না। ও (শন) টাইটেলটা বাজি ধরতেই চায়নি।
:'''জিম রস''': এক মিনিট দাঁড়ান। শন ওখানে ওভাবে শুয়ে আছে কেন?
:'''জিম করনেট''': আর হেলমসলি কেন ওভাবে থেমে থেমে লাফাচ্ছে? এসব কী হচ্ছে?
:'''জিম রস''': এটা তো একটা তামাশা। ''[হান্টার শনের ওপর হালকাভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে ওর পা চেপে ধরলেন]'' আমরা ভেবেছিলাম... এই তো হয়ে গেল।
:''[রেফারি তিন গুনলেন। হান্টার উদযাপন করছেন আর শন কান্নার অভিনয় করছেন]''
:'''জিম করনেট''': এটা একটা চাল ছিল!
:'''টনি চিমেল''': বিজয়ী এবং নতুন ডাব্লিউডাব্লিউএফ ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন: ট্রিপল এইচ হান্টার হার্স্ট হেলমসলি!
:'''জিম করনেট''': এক বিশাল ষড়যন্ত্র! আমাদের সবাইকে বোকা বানানো হয়েছে! আমাদের চোখের সামনে ওরা নাটক সাজিয়ে আমাদের ঠকালো!
:'''জিম রস''': সার্জেন্ট স্লটার মনিটরে এসব দেখছিলেন আর উনি এখন রিংয়ের দিকে আসছেন। হেলমসলি এখন ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন। আমরা ভেবেছিলাম স্লটার হয়তো বদলা নেবেন।
:'''জিম করনেট''': এই দুই গাধার দিকে তাকান! শন যখনই এই শহরে আসে তখনই ও কান্নাকাটি শুরু করে!
=== ২৯ ডিসেম্বর ===
:'''জিম করনেট''': ডাব্লিউডাব্লিউএফ আমাকে ১৯৯৮ সালের কুস্তি দুনিয়ার হালচাল নিয়ে ধারাভাষ্য দিতে বলেছে। ওরা হয়তো ভেবেছে করনেটকে দিয়ে দু-চারটে হাসির কথা বলানো যাবে। কিন্তু আজ রাতে আমি মোটেও মজার কিছু বলব না। কারণ আমার মতে ১৯৯৮ সালের এই কুস্তি দুনিয়াটা একদম পচে গেছে! ডাব্লিউসিডাব্লিউ পচে গেছে এনডাব্লিউও পচে গেছে ইসিডাব্লিউ খুব লজ্জাজনক আর ডাব্লিউডাব্লিউএফ তো আরও জঘন্য! আর কেন এমনটা বলছি তা শোনো। গত সপ্তাহের র (Raw) এর কথা ধরুন। কেউ একজন বড়দিনের গাছের মতো সেজে এসেছে কেউ হরিণ সেজেছে আর দুজন অসভ্য ছোকরা টিভিতে নিজেদের শরীর দেখিয়ে বেড়াচ্ছে আর টাইটেলের নামে একটা ফালতু নাটক করছে! এটা জঘন্য! এটা খুবই বিরক্তিকর! কুস্তির প্রতি এখন আর কারোর কোনো সম্মান নেই! আসল কুস্তি কোথায় গেল? এখন শুধু বিনোদনের নামে নাটক চলছে! কয়েক বছর আগে আমি টেনেসির ঘরবাড়ি ছেড়ে কানেকটিকাটে এসেছিলাম ডাব্লিউডাব্লিউএফের হয়ে কাজ করতে। আমি ভেবেছিলাম এটাই বিশ্বের সবচেয়ে বড় রেসলিং কোম্পানি! কিন্তু এখানে আসার পর আমি শুধু তুষারপাত আর আকাশছোঁয়া দামের বাড়িঘরই দেখলাম। এখানকার মানুষগুলো অসম্ভব অভদ্র আর যানজট তো লেগেই আছে! আমি ডাব্লিউডাব্লিউএফের সাথে আছি বলে ভেবেছিলাম ঠিক আছে কিন্তু গত কয়েক বছরে আমি এখানে কোনো কুস্তিই দেখলাম না! এখানে অনেক ভালো রেসলার আছে কিন্তু এই সব ফালতু জিনিসের ভিড়ে তারা লড়ার সময় পায় না! আসল সমস্যা হলো যারা এই সব প্রমোশন চালাচ্ছে তারা অপদার্থ! একদিকের বস হলো মিনিয়াপোলিসের এক লোক যার দাঁত চুল আর গায়ের রঙ সবই নকল! আর ডাব্লিউডাব্লিউএফ চালাচ্ছে নিউ ইয়র্কের একদল মানুষ যারা কুস্তির কিছুই বোঝে না... [অংশবিশেষ বাদ দেওয়া হয়েছে]
== ১৯৯৮ ==
=== ৫ জানুয়ারি ===
:''[শন মাইকেলস আন্ডারটেকারকে আবার ডাকলেন আর কর্মীরা একটা ক্যাসকেট নিয়ে এল]''
:'''শন মাইকেলস''': এই ক্যাসকেটটা খুব চেনা লাগছে। ''[ক্যাসকেটের ওপর ডিজেনারেশন এক্সের গ্রাফিতি দেখে]'' আরে একটু নতুন কিছু করার চেষ্টা করো। দুঃখিত বন্ধুরা আমি ভেবেছিলাম ট্রিপল এইচ আর চায়না হয়তো এর চেয়ে ভালো কিছু করতে পারবে। এটা তো আমি গত সপ্তাহেই করেছি। ঠিক আছে হান্টার চায়না তোমরা খুব মজা করলে। ওহ আমি তো খুব ভয় পাচ্ছি! এবার বেরিয়ে এসো তোমরা। পাসওয়ার্ডটা কী ছিল? ওহ আমি ভুলে গেছি। গত সপ্তাহের সেই পাসওয়ার্ডটা— ব্রেক ইট ডাউন! ঠিক আছে তোমরা আসো। হ্যালো? ''[হান্টার আর চায়নাকে মঞ্চে দেখে শন ঘাবড়ে গেলেন]'' তোমরা যদি ওখানে থাকো তবে এই ক্যাসকেটের ভেতরে কে? ''[ক্যাসকেটের সামনে যেতেই আন্ডারটেকার বেরিয়ে এসে ওকে ভেতরে টেনে নিলেন]''
=== ১২ জানুয়ারি ===
:''[ম্যানকাইন্ড আর গোল্ডাস্টকে কুপোকাত করার পর স্টিভ অস্টিন জিম রসের হেডসেট পরে নিলেন]''
:'''স্টিভ অস্টিন''': ওহ হ্যাঁ! এই রাম্বল শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি আর কারোর সাথে ভালো ব্যবহার করছি না! জিম এয়ারপোর্টে একজন আমায় বলেছিল যে "স্টিভ তুমি যদি মনে করো তুমি রাম্বল জিতবে তবে একবার বলো ওহ হেল ইয়েহ!" আর আমি চিৎকার করে বলেছিলাম "ওহ হেল ইয়েহ!"
=== ১৯ জানুয়ারি ===
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': আমি এখন এমন একজনের সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি যে এই দুনিয়ার সবচেয়ে ভয়ংকর মানুষ! ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ— মাইক টাইসন! মাইক ডাব্লিউডাব্লিউএফের রিংয়ে আপনাকে পাওয়া আমাদের জন্য এক বিশাল সম্মানের বিষয়।
:'''মাইক টাইসন''': এখানে আসতে পেরে আমার খুব ভালো লাগছে। আমি সেই আট-নয় বছর বয়স থেকে রেসলিংয়ের ভক্ত আর আজ এখানে থাকতে পেরে আমি খুশি।
:'''ভিন্স''': ডাব্লিউডাব্লিউএফএ আপনার প্রিয় কারা ছিল?
:'''মাইক টাইসন''': ব্রুনো সামারটিনো আর নিকোলাই ভলকফ। আমি অনেক আগে থেকেই খেলা দেখি। আমি সত্যিই এখানে আসতে পেরে গর্বিত।
:'''ভিন্স''': ঠিক আছে এবার সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। আমি ঘোষণা করছি যে ২৯ মার্চ রেসলম্যানিয়ার রিংয়ে মাইক টাইসন... ''[স্টিভ অস্টিনের গানে ভিন্সের কথা থেমে গেল আর অস্টিন রিংয়ে ঢুকলেন]'' হেই! স্টিভ অস্টিন আপনি এখানে কেন?
:'''স্টিভ অস্টিন''': কারণ আমি মাইক টাইসনকে দেখে দেখে ক্লান্ত। ও এখানে এসে সবার সাথে হাত মেলাচ্ছে সবার সাথে বন্ধুত্ব করছে আর এসব দেখে আমার বমি পাচ্ছে। ''[টাইসন হাত বাড়িয়ে দিলেন]'' আমি তোমার সাথে হাত মেলাব না কারণ আমি এখানে বন্ধুত্ব করতে আসিনি। মাইক... চুপ করো। বক্সিংয়ে তুমি যা করেছো তার জন্য আমি তোমাকে শ্রদ্ধা করি। কিন্তু যখন তুমি এই রিংয়ে পা রেখেছো তখন তুমি স্টিভ অস্টিনের সাথে ঝামেলা করছো আর সেটা তোমার করা উচিত হচ্ছে না। আমি সোজাসুজি বলছি মাইক আমি তোমাকে আচ্ছা মতো পিটাতে চাই। ''[ভিন্সকে]'' আপনি চুপ করুন ভিন্স একটা কথাও বলবেন না নাহলে আপনার বাতি আমি নিভিয়ে দেব। আমি তোমাকে শ্রদ্ধা করি মাইক কিন্তু তুমি নিজেকে দুনিয়ার সবচেয়ে ভয়ংকর লোক বলছো। এখন তুমি দুনিয়ার সবচেয়ে শক্ত মনের মানুষের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছো! আমি তোমাকে যখন তখন হারিয়ে দিতে পারি। তুমি কি ভাবো তুমি আমায় হারাতে পারবে? কক্ষনো না! আমি তোমাকে হারাতে পারব? ওহ অবশ্যই পারব! তোমার কান যদি ঠিক থাকে তবে আমার কথা শোনো আর যদি বুঝতে না পারো তবে আমার ইশারাই যথেষ্ট! ''[অস্টিন টাইসনকে মাঝখানের আঙুল দেখালেন আর টাইসন রেগে গিয়ে ওকে ধাক্কা দিলেন। এরপর দুজনের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হলো আর কর্মীরা তাদের আলাদা করার চেষ্টা করল]''
:'''ভিন্স''': এখান থেকে বিদায় হোন! আপনি সবকিছু নষ্ট করে দিলেন! ''[অস্টিনের দিকে তাকিয়ে]'' আপনি সবকিছু শেষ করে দিলেন অস্টিন! সবকিছু নষ্ট করলেন!
=== ২ ফেব্রুয়ারি ===
:'''শন মাইকেলস''': শুভ সন্ধ্যা আমার প্রিয় আমেরিকান ভাইয়েরা। গত সপ্তাহে ডিজেনারেশন এক্সকে জানানো হয়েছে যে আমাদের অনুষ্ঠানগুলোর ওপর কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে আমাদের সাবধান হতে হবে। আমরা যখনই কোনো ভালো কাজ করতে যাই তখনই ঝামেলায় পড়ি। তাই ডিজেনারেশন এক্স এখন থেকে কিছু নিয়ম মেনে চলার কথা দিচ্ছে।
:'''ট্রিপল এইচ''': রাত ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত আমরা শুধু সাধারণ কিছু গালি ব্যবহার করব। আমরা কোনো খারাপ শব্দ বা বর্ণবাদী মন্তব্য করব না। রাত ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত আমরা আরও সাবধান থাকব। আর ভিডিওর ক্ষেত্রেও আমরা আপত্তিকর দৃশ্য কম দেখাব।
:'''শন মাইকেলস''': ওহ একী!
:'''হান্টার''': নিজের মুখ সামলে কথা বলো শন!
:'''শন''': ওহ যা হোক।
:'''হান্টার''': যা হোক আমরা আর আপত্তিকর কোনো ইঙ্গিত দেব না।
:'''শন''': সবশেষে আমি একটা কথা বলতে চাই। অনেকে মনে করে আমরা আড়ালে আবডালে খারাপ কাজ করি। আমি আবারও বলছি— আমি কোনো অন্যায় কাজ করিনি। আসলে আমি সারা রাত জেগে আনন্দ করেছি! ''[হান্টারের সাথে হাসছেন]''
=== ২ মার্চ ===
:'''আন্ডারটেকার''': নরকে স্বাগত! আমিই সেই শয়তান যে তোমাদের অনন্ত অন্ধকারের দিকে নিয়ে যাব। কেন তুমি আমায় হতাশ করেছো। রয়্যাল রাম্বলে এটাই কি তোমার সেরা চেষ্টা ছিল? তুমি কি ভেবেছিলে আমায় ধ্বংস করতে পারবে? তুমি কি জানো না যে তুমি এমন কাউকে ধ্বংস করতে পারো না যে শেষ হতে চায় না? আর পল বেয়ারার তোমার এত সাহস যে তুমি প্রতি সপ্তাহে এসে দাবি করো আমার নিখোঁজ হওয়ার পেছনে তুমি আছো! আসল কথা হলো আমি যখনই অন্ধকারের জগতে ফিরে যাই সেটা আমার নিজের ইচ্ছেতেই হয়। ওটা আমার মনের শান্তির জন্য দরকার ছিল। আমি এবার আমার বাবা-মায়ের আত্মার শান্তি কামনায় গিয়েছিলাম কারণ আমায় এমন একটা কাজ করতে হবে যা আমি কখনও করতে চাইনি। কেন...
:'''পল বেয়ারার''': তুমি আর আগের মতো শক্তিশালী নও! এখন আসল হিরো আমার পাশেই দাঁড়িয়ে আছে!
:''[কেন রিংয়ে আগুন জ্বালালেন কিন্তু আন্ডারটেকার আগুনের মাঝখান দিয়েই হেঁটে এলেন]''
:'''আন্ডারটেকার''': কেন আমি নরকের আগুনের মাঝখান দিয়ে হেঁটে আসব তোমার মুখোমুখি হতে! তুমি যখন তোমার বড় ভাইয়ের চোখের দিকে তাকাবে তখন বুঝবে কেন ডাব্লিউডাব্লিউএফএ সবাই আমায় ভয় পায়। তুমি বুঝবে কেন আমায় "লর্ড অফ ডার্কনেস" বলা হয়। কেন একটা কথা মনে রেখো। যখন আমরা ছোট ছিলাম আর আমাদের মধ্যে মারামারি হতো তখন মা আর বাবা এসে আমায় তোমার ওপর থেকে সরিয়ে নিত। কিন্তু এবার তোমাকে বাঁচানোর জন্য কেউ থাকবে না। তোমার পচা আত্মা নরকের কুকুরদের খাবার হবে আর তুমি শান্তিতে ঘুমাও!
=== ১৬ মার্চ ===
:'''ফ্রেডি ব্লাসি''': আমি এখনও সেই দর্শকদের চিৎকার শুনতে পাই যারা আমার নাম ধরে ডাকতো।
:'''কিলার কোয়ালস্কি''': সময় সেই গর্জন থামিয়ে দিতে পারেনি।
:'''আর্নি ল্যাড''': আমি কখনও শূন্যে ভেসে কুস্তি লড়িনি।
:'''গরিলা মনসুন''': বা রিংয়ের দড়ির ওপর দিয়ে হাঁটিনি।
:'''প্যাট প্যাটারসন''': তখন কোনো আধুনিক বাজি বা আলোর রোশনাই ছিল না।
:'''গরিলা মনসুন''': কোনো ঝলমলে আলো ছিল না।
:'''ফ্রেডি ব্লাসি''': আমরা কখনও আকাশ দিয়ে উড়তাম না।
:'''প্যাট প্যাটারসন''': আমরা ছিলাম সাহসী মানুষ।
:'''কিলার কোয়ালস্কি''': ইস্পাতের মতো শক্ত মানুষ।
:'''ফ্রেডি ব্লাসি''': আমরা কারোর পরোয়া করতাম না।
:'''আর্নি ল্যাড''': আমি আজও সেই দর্শকদের চিৎকার শুনতে পাই।
:'''গরিলা মনসুন''': কিন্তু আজ...
:'''ফ্রেডি ব্লাসি''': আজ আমি তাদের জন্য উল্লাস করি।
<hr width=50%>
:''[রিংয়ের আলো নিভে গেল এবং আন্ডারটেকার স্ক্রিনে ভেসে উঠলেন]''
:'''আন্ডারটেকার''': কেন রেসলম্যানিয়া ১৪ এ আমি তোমার ওপর প্রচণ্ড ক্রোধ নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ব!!! আমি তোমাকে নরকের সেই অগ্নিগহ্বরে পাঠিয়ে দেব। তুমি আমায় "লর্ড অফ ডার্কনেস" হিসেবেই চিনবে! ছোট ভাই তুমি আমার ক্রোধ অনুভব করেছো এখন আমি দেখাব আমি কী করতে পারি। এখন আর ফেরার পথ নেই। এখন শুধু তোমার শান্তিতে ঘুমানোর পালা!!! ''[বিদ্যুতের ঝলকানিতে একটি ক্যাসকেট খুলে গেল আর তার ভেতরের পুতুলটি জ্বলে উঠল]''
=== ২৩ মার্চ ===
:''[আন্ডারটেকার তার বাবা-মায়ের কবরের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন]''
:'''আন্ডারটেকার''': বাবা আর মা আমি জীবনে অনেক কিছু করেছি যার জন্য আমি গর্বিত নই। হয়তো আমি আপনাদের আশানুযায়ী চলতে পারিনি। আমি আশা করি আজ আপনারা আমায় বুঝবেন যে আমি এখন এক কঠিন সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি। শয়তান নিজে আমার সামনে এসে দাঁড়িয়েছে আমার নিজের ভাইয়ের রূপ ধরে। মা আমায় ক্ষমা করো আমি এক ভয়ংকর পাপ করতে যাচ্ছি কিন্তু এটা আমায় করতেই হবে। সবশেষে আমি চাই আমরা এক হয়ে শান্তিতে থাকি। কিন্তু যেহেতু তা সম্ভব নয় তাই আমি একাই এই শাস্তি ভোগ করতে রাজি আছি। আমি নরকের আগুনে পুড়তেও রাজি। আমায় যেতেই হবে কারণ আমার কাছে আর কোনো পথ খোলা নেই। আমায় লড়তেই হবে। শুধু জানবেন যে আমি আপনাদের ভালোবাসি।
=== ৩০ মার্চ ===
:''[রেসলম্যানিয়া ১৪ এর পর ট্রিপল এইচ আর চায়না রিংয়ে এলেন]''
:'''ট্রিপল এইচ''': জানেন ২৪ ঘণ্টায় অনেক কিছু বদলে যেতে পারে। মাইক টাইসনের কথা দিয়েই শুরু করি। আমি হাজার বার জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে ও কি আমাদের সাথে আছে? ও কি আমাদের দলের অংশ? আমাকে বলা হয়েছিল "চিন্তা করো না আমি সব সামলে নেব পাসওয়ার্ড মনে রেখো সব ঠিক হয়ে যাবে।"
:কিন্তু শন মাইকেলস তুমি সুযোগ হারিয়েছো। তবে চিন্তা করো না কারণ ট্রিপল এইচ সব সামলে নিয়েছে আর এখন সব ক্ষমতা আমার হাতে! আমিই সব সমস্যার সমাধান করব আর আমিই সিদ্ধান্ত নেব। আজ থেকে ডিজেনারেশন এক্সে নতুন যুগের সূচনা হলো। আজ আমি ডিএক্স আর্মি গঠন করছি যা শুরু থেকেই হওয়া উচিত ছিল। আর যখন আপনি একটা সেনাবাহিনী গঠন করবেন তখন আপনি আপনার নিজের লোক আর বন্ধুদের দিকেই তাকাবেন। ''[মঞ্চের দিকে ইশারা করলেন আর শন ওয়াল্টম্যান রিংয়ে এলেন]'' দুই বছর দাসত্ব করার পর মনের ভেতরে অনেক ক্ষোভ জমে থাকে। বলো ওদের বন্ধু।
:'''শন ওয়াল্টম্যান''': আলবানি নিউ ইয়র্ক সবাই চিৎকার করো! প্রথমত আমি একটা কথা পরিষ্কার করে দিই। আমি হাল্ক হোগানকে টিভিতে বলতে শুনেছি যে আমি নাকি কুস্তির কিছুই বুঝি না। শোনো হাল্ক হোগান তুমি একদম বাজে বকছো! তোমার মতো লোকের কুস্তি নিয়ে জ্ঞান দেওয়ার কোনো যোগ্যতাই নেই। আর হাল্ক তোমার জন্য আমার একটা পরামর্শ আছে। তুমি এরিক বিশফকে যতটা তোয়াজ করছো তাতে ও কোনোদিন তোমার পেটের ভেতরে ঢুকে যাবে!
:আর এখন কাজের কথায় আসি। আমি নিজের মতোই ছিলাম কিন্তু হঠাৎ আমার প্রিয় বন্ধু ট্রিপল এইচ আমায় ফোন করে বলল যে ডিজেনারেশন এক্সের সাহায্য দরকার। শোনো ট্রিপল এইচ তোমার জন্য আমি যে কোনো কিছু করতে রাজি। আর একটা কথা— কেভিন ন্যাশ আর স্কট হল আজ আমাদের সাথেই থাকতো যদি না ডাব্লিউসিডাব্লিউ ওদের বন্দী করে রাখতো। এটা সত্যি আর এরিক বিশফ তুমি এটা হজম করো! আজ থেকে ডিজেনারেশন এক্সের নতুন যাত্রা শুরু হলো আর আমরা ডাব্লিউডাব্লিউএফ কাঁপিয়ে দেব... আজ থেকেই তার শুরু!!!!
:'''ট্রিপল এইচ''': আর হ্যাঁ তোমাদের জন্য আমার দুটো শব্দ আছে...
:'''শন ওয়াল্টম্যান''': সাক ইট!
:'''ট্রিপল এইচ''': হ্যাঁ!
<hr width=50%>
:''[পল বেয়ারার আন্ডারটেকারকে নিয়ে বিদ্রূপ করছেন]''
:'''পল বেয়ারার''': আন্ডারটেকার! দেখো তোমার ভাইকে। তুমি কি ভেবেছিলে গত রাতের লড়াইয়ের পর সব শেষ হয়ে গেছে? তুমি কি সত্যিই তাই ভেবেছিলে!? তুমি তোমার নিজের ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে আছো যে তোমার সেই বিখ্যাত মার খাওয়ার পরও উঠে দাঁড়িয়েছে। একবার নয় দুবার! ও চাইলে তিনবারও উঠতে পারতো! আন্ডারটেকার তুমি কি জানো না? আমি জানি তোমার মনের ভেতরে এখন কী চলছে!
:তুমি তোমার নিজের ভাইয়ের মুখোমুখি হয়েছিলে। ও তোমাকে গত রাতে আচ্ছা মতো পিটিয়েছে। সারা দুনিয়া তা দেখেছে! তুমি কোণায় ভয়ে লুকিয়ে ছিলে যখন তোমার ভাই তোমার মাথায় আঘাত করছিল। গত রাতে আমি যখন হোটেলে ফিরে ঘুমাচ্ছিলাম তখন আমি এক আজব স্বপ্ন দেখলাম! কেন আমি একটা স্বপ্ন দেখেছি! সেই স্বপ্নে আমি দেখলাম একটা কুস্তির রিং চারদিকে আগুন দিয়ে ঘেরা। আর সেই রিংয়ের মাঝখানে কেন একলা দাঁড়িয়ে আছে। আন্ডারটেকার আমি তোমাকে চ্যালেঞ্জ করছি আমার সেই স্বপ্নে পা রাখার জন্য। আগুনের রিংয়ে ঢোকার সাহস দেখাও আর তোমার ভাইয়ের মুখোমুখি হও! তবে স্বপ্নের শেষটা আরও ভয়ংকর... এই ম্যাচে জিততে হলে আন্ডারটেকার হয় তোমাকে অথবা তোমার ভাইকে আগুনে পুড়তে হবে! যে হারবে তাকেই আগুনে জ্বলতে হবে!
<hr width=50%>
:''[স্টিভ অস্টিন গ্রেফতার হওয়ার পর জেল থেকে ফোন করেছেন]''
:'''স্টিভ অস্টিন''': ওহ খোদা আমি স্টিভ অস্টিন বলছি। জেল থেকে ফোন করার পর ভিন্স ম্যাকম্যান নিশ্চয়ই ভেবেছিলেন আমি কোনো উকিলকে ফোন করব? হা হা! সেটা হচ্ছে না! আমি চাই আপনি ভিন্স ম্যাকম্যানকে সরাসরি গিয়ে বলেন যে ও একটা আস্ত জঘন্য লোক। আর আমি যতদূর জানি কাউকে স্টোন কোল্ড স্টানার দেওয়া কোনো মৃত্যুদণ্ড পাওয়ার মতো অপরাধ নয়। তার মানে ভিন্স ম্যাকম্যানের এখন বারোটা বাজতে চলেছে। আগামী সপ্তাহে র (RAW) অনুষ্ঠানে ও বুঝতে পারবে স্টিভ অস্টিন কতটা ক্ষিপ্ত হয়ে আছে। ওর রাতটা মোটেও সুখকর হবে না আর আমি ওর বাড়িতে গিয়েও ওকে শিক্ষা দিয়ে আসতে পারি। ভিন্স ম্যাকম্যান মনে রেখো স্টিভ অস্টিন বলেছে যে ও তোমার দফারফা করে দেবে আর সেটাই হবে!
=== ৬ এপ্রিল ===
:''[ক্যাকটাস জ্যাক রিংয়ে এলেন]''
:'''ক্যাকটাস জ্যাক''': আমি রিংয়ে সবসময় জীবনের ঝুঁকি নিয়েছি আর এই কয়েক বছরে আমার সাথে অনেক খারাপ কিছু ঘটেছে। কিন্তু আমি সবসময় একটা শান্তিতে ছিলাম যে আমি যা কিছু অর্জন করেছি বা যা চেয়েছি তা এই যন্ত্রণার চেয়েও দামী ছিল। মানুষ আমায় জিজ্ঞাসা করে "ক্যাকটাস তোমার ঘাড়ের কী অবস্থা?" আমি বলি যে ডিজেনারেশন এক্সের মতো কিছু বখাটে ছেলে আমায় থামিয়ে দেবে তা ভাবাই ভুল।
:টেরি ফাঙ্ক এখানে নেই ওর সাথে আমার কথা হয়নি কিন্তু আমি ওর ফোনে মেসেজ দিয়েছি। আমি এটা বীরত্ব দেখানোর জন্য বলছি না কিন্তু ক্যাকটাস জ্যাক আর টেরি ফাঙ্ক কখনও কুস্তি লড়াই মিস করে না! তাই ফাঙ্ক যদি চোট পেয়ে বাড়ি ফিরে যায় তবে বুঝতে হবে চোটটা বেশ গুরুতর। আমি চাই মানুষ টেরি ফাঙ্ককে আরও ভালোভাবে চিনুক কারণ কুস্তি দুনিয়ায় কে সেরা তা নিয়ে অনেক বিতর্ক হতে পারে কিন্তু যে কাউকে জিজ্ঞাসা করলে সে বলবে যে টেরি ফাঙ্ক হলো সবচেয়ে সাহসী মানুষ।
:আপনারা হয়তো টেরির চোটের কথা জানেন আর আমি আশা করি আপনারা রেসলম্যানিয়ার সেই চমৎকার লড়াইটা দেখেছিলেন। টেরি ওর চ্যাম্পিয়নশিপ বেল্টটা নিয়ে শুয়ে ছিল আর বলেছিল "ক্যাকটাস আমি ঠিক আছি কারণ এটাই আমার ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ।" টেরি সবসময় চ্যাম্পিয়ন হিসেবে অবসর নিতে চেয়েছিল কিন্তু ও বলেছিল "ক্যাকটাস আমাদের কাছে তো এখন ওই বেল্টগুলো নেই তাই না?" আমি তার কারণ বলতে চাই না কিন্তু একটা কথা বলব। যখন আমি আর টেরি রিংয়ে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিলাম তখন আমি কানে একটা ঘোষণা শুনতে পেলাম। ওরা ডাব্লিউডাব্লিউএফ অনুষ্ঠানে আসার জন্য দর্শকদের ধন্যবাদ দিচ্ছিল আর স্টিভ অস্টিনের নাম নিচ্ছিল। তখন দেখলাম মানুষ অস্টিনের নাম ধরে চিৎকার করছে। মজার ব্যাপার হলো আমি যখন দুই বছর আগে ম্যানকাইন্ড হিসেবে এখানে এলাম তখন মানুষ বলতো "তুমি ক্যাকটাস জ্যাক হও না কেন?" তারপর আমি যখন রঙচঙে পোশাক পরে এলাম তখন মানুষ আবার সেই একই কথা বলতো। আমি তোমাদের ক্যাকটাস জ্যাক দিয়েছিলাম। আমি আমার শরীরের সব শক্তি নিংড়ে দিয়ে লড়েছিলাম আর যখন আমি যন্ত্রণায় পড়ে আছি তখন তোমরা অন্য কারোর নাম ধরে চিৎকার করছিলে...
:আমি স্টিভ অস্টিনকে নিয়ে খারাপ কিছু বলছি না! ও চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বলে আমি খুশি আর ও আমার বন্ধু। কিন্তু আমি আর টেরি রিংয়ে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছি আর তোমরা যা করলে তা মোটেও শোভন নয়। এটা ছিল চরম অসম্মানজনক আর জঘন্য... আমি তোমাদের ক্ষমা চাওয়ার একটা সুযোগ দিচ্ছি। ''[দর্শকদের গালি শুনে]'' ঠিক আছে। ১৩ বছরের রক্ত আর ঘাম ঝরানোর পর আমার মনে হচ্ছে এগুলোর কোনো দাম নেই। আর কখনও ক্যাকটাস জ্যাককে রিংয়ে দেখা যাবে না। ''[মাইক ফেলে চলে গেলেন]''
=== ১৩ এপ্রিল ===
:''[শেন ম্যাকম্যান আর জিম রস ভিন্সকে অনুরোধ করছেন যেন ও অস্টিনের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ না করে]''
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': তুমি গাড়িতে যাও ঠিক আছে? আমার ব্যাগটা নিয়ে আসো।
:'''শেন ম্যাকম্যান''': এটা আপনার জীবনের সবচেয়ে ভুল সিদ্ধান্ত।
:'''ভিন্স''': হতে পারে।
:'''জেরাল্ড ব্রিসকো''': না এটা ভুল সিদ্ধান্ত নয়।
:'''শেন''': এটা আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় বোকামি!
:'''জেরাল্ড''': একদম না!
:'''ভিন্স''': আর আপনি জিম রস আপনি গিয়ে আপনার কাজ করুন ধন্যবাদ।
=== ২৭ এপ্রিল ===
:''[ডিজেনারেশন এক্সের সদস্যরা একটি সামরিক জিপের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন]''
:'''ট্রিপল এইচ''': সাবধান! ''[সবাই সাবধান হয়ে দাঁড়ালেন]'' বিশ্রাম! আমি বলেছি বিশ্রাম! ভালো। সোজা হয়ে দাঁড়াও সেনা। আজ আমরা এক অভিযানে বের হচ্ছি। আমরা শত্রুকে দেখতে পেয়েছি আর শত্রু খুব কাছেই আছে। তাই আজ আমরা ওখানে যাব।
:'''অন্যান্যরা''': কোথায় স্যার?
:'''ট্রিপল এইচ''': ওখানে! আর আমরা ওদের উড়িয়ে দেব। আমাদের অভিযান শুরু হবে ডাব্লিউসিডাব্লিউর আস্তানা থেকে আর শেষ হবে আজ রাতে আমাদের র (RAW) এর রিংয়ে। তোমরা যদি এই অভিযানে আমার সাথে থাকো তবে সবাই এক হয়ে বলো ডিজেনারেশন এক্স— সাক ইট! ''[সবাই জিপে উঠে বসলেন]''
:'''ট্রিপল এইচ''': আক্রমণ করো!!!
<hr width=50%>
:''[পল বেয়ারার কেনকে নিয়ে এক গোপন তথ্য ফাঁস করলেন]''
:'''জিম রস''': আন্ডারটেকার তো শুনে অবাক হয়ে গেছে। আমরা জানতে পারলাম যে পল বেয়ারারই হলো কেনের আসল বাবা।
:'''জেরি ললার''': আর এর মানে কী তা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন? এর মানে হলো পল বেয়ারারকে আন্ডারটেকারের মায়ের সাথে রাত কাটাতে হয়েছিল!
:'''জিম রস''': ওহ খোদা...
:'''জেরি ললার''': ওরে বাবা!! ''[শুনে হাসতে শুরু করলেন]''
=== ৪ মে ===
:'''মিক ফোলি''': এই গান বন্ধ করো... কেউ কি এখানে আমার নাম জানে? সত্যি বলতে আমি নিজেই জানি না আমি কে। আমি স্টিভ অস্টিনকে হারিয়েছিলাম— আমার কাছে চ্যাম্পিয়নশিপ বেল্ট নেই ঠিকই কিন্তু আমি জেতার খুব কাছে ছিলাম। আর যারা স্টিভ অস্টিনের মার খায়নি তারা বুঝবে না সেটা কতটা যন্ত্রণার। অস্টিনকেও যদি জিজ্ঞাসা করেন তবে ও-ও বলবে ও মোটেও ভালো নেই।
:এত কিছুর পর আমি কী পেলাম? আমি কি চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য আবার লড়াই করার সুযোগ পেলাম? না! সেই সুযোগ দেওয়া হলো গোল্ডাস্টকে। আমি চ্যাম্পিয়নের সাথে চোখে চোখ রেখে লড়েছি আর গোল্ডাস্ট কী করেছে? ও মেয়েদের অন্তর্বাস পরে ঘুরে বেরিয়েছে। আর এখন ডাব্লিউডাব্লিউএফ আমায় বলছে যে টেরি ফাঙ্কের সাথে আমায় লড়তে হবে। আমি জানি ভিন্স ম্যাকম্যান কী ভাবছেন— "ওরা দুজন একে অপরকে মেরে শেষ করে ফেলুক তাহলে আর আমায় ঝামেলা পোয়াতে হবে না।"
:দেখুন আমার কাছে সব প্রশ্নের উত্তর নেই কিন্তু আমি কয়েকটা বিষয় পরিষ্কার করে দিতে চাই। প্রথমত আমি ১৩ বছরের হাড়ভাঙা খাটুনি ভিন্স ম্যাকম্যানের মতো একটা নিচু লোকের জন্য বিসর্জন দেব না। দ্বিতীয়ত আমি চাই না আমার স্ত্রী আর বাচ্চারা আমায় টিভিতে উল্টোপাল্টা নাচানাচি করতে দেখুক। আর তৃতীয়ত আমি এই জোকারের পোশাক আর কোনোদিন পরব না। আমি ভিন্স ম্যাকম্যানকে এখানে চাই কারণ আমি ক্যাকটাস জ্যাক এখন কিছু উত্তর চাই! আমি আপনার উত্তরের অপেক্ষায় আছি! ভিন্স ম্যাকম্যান আপনি যদি পুরুষ মানুষ হন তবে সামনে এসে কথা বলুন। ''[ভিন্স রিংয়ে এলেন]'' ভিন্স আপনি এই পোশাকটা পুড়িয়ে ফেলুন বা নিজে পরুন আমার কিছু যায় আসে না কিন্তু আপনি আমায় আর গাধা সাজাতে পারবেন না... বুঝেছেন?
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': তোমার এত সাহস যে তুমি আমাকে ডাকছো? আমি ডাব্লিউডাব্লিউএফের মালিক! তুমি নিজেকে কী মনে করো? শোনো তুমি অস্টিনকে হারিয়েছো ঠিকই কিন্তু শেষ পর্যন্ত কাজটা করে দেখাতে পারোনি কারণ স্টিভ অস্টিনই এখনও চ্যাম্পিয়ন!
:আর গোল্ডাস্ট সুযোগ পেয়েছে বলে তুমি কান্নাকাটি করছো? তুমি স্রেফ অজুহাত খুঁজছো ঠিক যেমন বাকি সাধারণ মানুষরা পদোন্নতি না পেলে অজুহাত দেয়। আমি তোমার কাছ থেকে আরও ভালো কিছু আশা করেছিলাম। আর তুমি ভাবছো তোমার প্রিয় বন্ধু টেরি ফাঙ্কের সাথে ম্যাচ দিয়ে আমি তোমাকে শাস্তি দিচ্ছি?
:'''মিক ফোলি''': হ্যাঁ আমি তাই মনে করি!
:'''ভিন্স''': এটা কোনো শাস্তি নয় এটা তোমার জন্য একটা বড় পুরস্কার!
:'''মিক''': কীভাবে?
:'''ভিন্স''': কারণ আমি বিশ্বাস করি তুমি আর আমি একই রকম। আমি যে কোনো বিপদকে সুযোগে পরিণত করতে জানি। তোমার বন্ধুর সাথে এই ম্যাচটা তোমার জন্য এক বিশাল সুযোগ। আমি এই সুযোগটা তোমাকে ছাড়া আর কাউকেই দিতাম না... তুমি কি দেখতে পাচ্ছো না?
:কারণ তুমি যদি এই সুযোগটা কাজে লাগাও তোমার বন্ধুকে যদি তুমি রিংয়ে আচ্ছা মতো পিটিয়ে ওর বুক থেকে কলিজা ছিঁড়ে বের করে আনতে পারো আর সেই রক্তে যদি তোমার গা ভিজে যায়... তবেই তুমি প্রমাণ করতে পারবে যে তুমি চ্যাম্পিয়ন হওয়ার যোগ্য! তুমি স্টিভ অস্টিনকে হারানোর ক্ষমতা রাখো!
:আমার তোমার ওপর বিশ্বাস আছে! আমি জানি তোমার ওই পাগলাটে মাথার ভেতরে অনেক বুদ্ধি আছে। তুমি এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আবার এক নম্বর দাবিদার হতে পারবে। তুমি ডুড লাভের পোশাক আমায় দেখালে... এখন সত্যিটা শুনে কেমন লাগছে?
1qjthw26x9n7j6jzdjy0qe0307hizdv
73912
73909
2026-04-05T17:47:59Z
R1F4T
1240
73912
wikitext
text/x-wiki
== ১৯৯৩ ==
=== ১৪ জুন ===
:'''মিন জিন ওকারলান্ড''': আমরা এখানে এইমাত্র শেষ হওয়া [[w:কিং অফ দ্য রিং|কিং অফ দ্য রিং]] অনুষ্ঠানে আছি। আমার সাথে আছেন নতুন ওয়ার্ল্ড রেসলিং ফেডারেশন চ্যাম্পিয়ন ইয়োকোজুনা এবং তার ম্যানেজার মিস্টার ফুজি। এর আগে এক সাক্ষাৎকারে আপনি বলেছিলেন যে আপনি এখানে আমেরিকায় একটি উদযাপন করবেন। কিন্তু কেন?
:'''মিস্টার ফুজি''': কেন? সহজ ব্যাপার। কারণ আমার ইয়োকোজুনা এই সুন্দর আমেরিকাতেই ডাব্লিউডাব্লিউএফ হেভিওয়েট বেল্ট জিতেছে। তাই ইয়োকোজুনা আর আমি আমেরিকাতেই আনন্দ করব।
:'''মিন জিন''': এই উদযাপন ঠিক কবে হবে?
:'''মিস্টার ফুজি''': সম্ভবত ৪ জুলাই।
:'''মিন জিন''': আরে এক মিনিট দাঁড়ান। ৪ জুলাই তো একটা বড় ছুটির দিন। আসলে ৪ জুলাই হলো আমেরিকার জন্মদিন। আপনি ৪ জুলাই কেন উদযাপন করতে চাইছেন?
:'''মিস্টার ফুজি''': কেন? কারণ আমেরিকা যখন স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করবে তখন ইয়োকোজুনা আর মিস্টার ফুজি আমেরিকার সাথেই আনন্দ করবে।
:'''মিন জিন''': এই উদযাপন কোথায় হবে?
:'''মিস্টার ফুজি''': আঃ... হয়তো আমেরিকার কোনো সুন্দর ঐতিহাসিক জায়গায়। কোনো এক ঐতিহাসিক স্থানে!
:'''মিন জিন''': এক মিনিট মিস্টার ফুজি আপনি নিশ্চয়ই মজা করছেন। এটা তো জঘন্য ব্যাপার!
:'''মিস্টার ফুজি''': কী?
:'''মিন জিন''': আমার মনে হয় আপনি আসলে আমেরিকার একটি ছুটির দিনকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা করছেন তাই না?!
:'''মিস্টার ফুজি''': না না না না...
:'''মিন জিন''': আপনি আর ইয়োকোজুনা মিলে... আমরা কি আপনাদের কাছ থেকে এটাই আশা করব?! যা হোক!
:'''ইয়োকোজুনা''': ইয়োশ নে। হাল্কাম্যানিয়া শেষ!
=== ২ আগস্ট ===
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': ১-২-৩ কিড আর রেজর র্যামোনের জন্য কী চমৎকার এক জয়। রিংয়ের পাশে থেকে রেজর র্যামোন যেন কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিয়ে সামারস্ল্যামের লড়াইকে আরও জমিয়ে তুললেন। আমি আপনাদের বলছি এটা অসাধারণ কিছু হতে যাচ্ছে। টেড ডিবিয়াসি খুব খুব আপসেট।
:'''ববি "দ্য ব্রেইন" হিনান''': ম্যাকম্যান আপনি এখন টেড ডিবিয়াসি, মিলিয়ন ডলার ম্যান এবং মানি ইনকর্পোরেটেডের মতো শত্রুদের খেপিয়ে দিয়েছেন। আপনি রিংয়ের ভেতর কী করবেন সেটা আপনার ব্যাপার। কিন্তু যখন আপনি লড়াইয়ে নামবেন...
:''[ভিন্স এবং ববি লক্ষ্য করলেন কেউ একজন রিংয়ে ঢুকেছেন]''
:'''ভিন্স''': ব্যবসার কথা তো হলো কিন্তু এই লোক এখানে কী করছেন?
:'''ববি''': আরে এক মিনিট দাঁড়ান!!
:'''ভিন্স''': এখানে তার কোনো কাজ নেই।
:'''ববি''': আপনি কি জানেন? আপনি কি জানেন উনি কে?! আপনার কি কোনো ধারণা আছে যে... আপনি কি জানেন উনি কে?! জিমি! জিমি!
:'''ভিন্স''': জিম করনেট। বেশি উত্তেজিত হবেন না। ববি হিনানকে আমি কখনও এত খুশি হতে দেখিনি। এটা কী হচ্ছে?! ''[ববি এবং জিম করনেট রিংয়ের মাঝে একে অপরকে জড়িয়ে ধরলেন]'' আরে দেখুন! স্মোকি মাউন্টেন রেসলিংয়ের সেই পুরনো জুটির পুনর্মিলন হলো!
:'''ববি''': ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ আমি এটা বিশ্বাস করতে পারছি না! আমি একদমই বিশ্বাস করতে পারছি না! আপনারা কি জানেন উনি কে?! আপনাদের কি কোনো ধারণা আছে যে এই লোকটা কে?! ''[জিমকে]'' না এখন আমি কথা বলব। তুমি শোনো! শান্ত হও। আমি তোমার হয়ে কথা বলছি। ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ ইনি হচ্ছেন কুস্তি খেলার ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ ম্যানেজার! হ্যাঁ! আমি নিজে যা করেছি তাও এই লোকের সাফল্যের ধারেকাছে নেই। জিম করনেট আপনি ডাব্লিউডাব্লিউএফএ কী করছেন?
:'''জিম করনেট''': প্রথমত ববি আমি একটা কথা বলতে চাই। আমি রেসলিংয়ের সেরা ম্যানেজার শুধুমাত্র এই কারণে যে তুমি এখন আর ম্যানেজারি করছ না। আমাকে বলতেই হবে... আর হ্যাঁ তুমি যে ফুলের তোড়াটা পাঠিয়েছিলে তা আমার মায়ের খুব পছন্দ হয়েছে। তবে জানো তো? সবাই ভাবছে "জিম করনেট..."। আমি জানি এখানকার মানুষগুলো অবাক হয়ে হাঁ করে আছে। তারা ভাবছে জিম করনেট ডাব্লিউডাব্লিউএফএ!
:'''ববি''': জিম আমাকে বলো স্মোকি মাউন্টেন রেসলিংয়ের খবর কী?
:'''জিম''': আমি এই সব বুদ্ধিহীন মানুষদের একটু বুঝিয়ে বলি। জিম করনেট তার ক্যারিয়ারে সবকিছু করেছে। আমি পেশাদার কুস্তিতে সব অর্জন করেছি। আমি এক প্রান্তর থেকে অন্য প্রান্তরে ঘুরেছি। রেসলিংয়ের সেরা ট্যাগ টিমগুলোকে ম্যানেজ করেছি। শুধু একটা কাজ করা বাকি ছিল সেটা হলো ওয়ার্ল্ড রেসলিং ফেডারেশনে আসা। আমি এখন সেটা করতে এসেছি কারণ আমার কাছে তুরুপের তাস আছে।
:দেড় বছর আগে আমি টেনেসি অঙ্গরাজ্যের নক্সভিলের সেই সুন্দর স্মোকি মাউন্টেনে থাকতে শুরু করি এবং দক্ষিণের সবচেয়ে জনপ্রিয় রেসলিং প্রমোশন স্মোকি মাউন্টেন রেসলিংয়ের সাথে যুক্ত হই। সেখানে আমি নিজেই বেছে নিয়ে এক ট্যাগ টিম তৈরি করেছি যারা সেরাদের সেরা এবং আমার ম্যানেজ করা ট্যাগ টিমগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠ। তারা আর কেউ নয় দ্য হেভেনলি বডিজ: ডক্টর অফ ডিজায়ার টম প্রিচার্ড এবং জিগোলো জিমি ডেল রে। তারা নিঃসন্দেহে আমেরিকার প্রতিটি নারীর আকাঙ্ক্ষার পাত্র।
:'''ববি''': কী এক সারপ্রাইজ! জিম তুমি আমাকে অবাক করা বন্ধ করো না!
:'''জিম''': ঠিক তাই আর আমার কাছে আরও সারপ্রাইজ আছে। আমি এখানে একটা কারণেই এসেছি। কারণ আমি রেসলিংয়ের সেরা ট্যাগ টিম হেভেনলি বডিজকে ম্যানেজ করি। তারা দেড় বছর ধরে স্মোকি মাউন্টেন রেসলিং শাসন করেছে। আর এখন আমি শুনছি এখানে রিক আর স্কট স্টাইনার নামের কিছু রাঘব বোয়াল আছে... ''[দর্শকদের উল্লাস দেখে]'' হ্যাঁ।
:'''ভিন্স''': ওহ ভাই করনেট মোটেও সময় নষ্ট করছেন না।
:'''ববি''': ওরা তো ডাব্লিউডাব্লিউএফ ট্যাগ টিম চ্যাম্পিয়ন।
:'''জিম''': ঠিক তাই। ওরা ডাব্লিউডাব্লিউএফ ট্যাগ টিম চ্যাম্পিয়ন ঠিকই কিন্তু ওরা বিশ্বের সেরা নয়। বিশ্বের সেরা হলো হেভেনলি বডিজ। তাই রিক আর স্কট স্টাইনার আমি এখন আমার শেষ চাল চালার জন্য তৈরি। স্টাইনার ব্রাদার্স তোমাদের সামনে চ্যালেঞ্জ রাখা হলো। হয় তোমরা হেভেনলি বডিজের বিরুদ্ধে রিংয়ে নামো বেল্ট বাঁচানোর লড়াই করো এবং হেরে যাও। অন্তত লোকে জানবে যে তোমাদের সাহস ছিল। সেরাদের কাছে হারা লজ্জার কিছু নয়। আর যদি আমার চ্যালেঞ্জ এড়িয়ে যাও তবে সবাই জানবে যে তোমরা আসলে হীন নোংরা কুত্তার মতো ভিতু কাপুরুষ। আর আমি জানি যে তোমরা ঠিক তাই।
:'''ববি''': ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ এই লোকটা ডাব্লিউডাব্লিউএফ কাঁপিয়ে দেবে! আর জিমি তুমিই সেটা করতে পারো! তুমি এসেছ! তুমি সত্যিই এসেছ!
== ১৯৯৪ ==
=== ৭ নভেম্বর ===
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': এই মুহূর্তে মাচো ম্যান র্যান্ডি স্যাভেজ এখানে নেই। আমাকে দুঃখের সাথে জানাতে হচ্ছে যে র্যান্ডি স্যাভেজ ওয়ার্ল্ড রেসলিং ফেডারেশনের সাথে নতুন কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেননি। র্যান্ডি আমি জানি তুমি হয়তো শুনছ। ওয়ার্ল্ড রেসলিং ফেডারেশনের পক্ষ থেকে তোমার সব ভক্তদের পক্ষ থেকে এবং অবশ্যই তোমার এক নম্বর ভক্ত হিসেবে আমি তোমাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। এত বছর ধরে আমাদের সাথে থাকার জন্য এবং চমৎকার সব স্মৃতি উপহার দেওয়ার জন্য তোমাকে অনেক ধন্যবাদ। আমরা তোমার মঙ্গল কামনা করি। ভালো থেকো এবং তোমার ভবিষ্যৎ যাত্রা শুভ হোক।
=== ২৮ নভেম্বর ===
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': ঠিক আছে চলুন আপনাদের [[w:সারভাইভার সিরিজ|সারভাইভার সিরিজ]] থেকে ঘুরিয়ে আনি। এক অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্স! শন মাইকেলস রিংয়ে ঢোকার আগ পর্যন্ত ডিজেল একাই অন্য দলের সবাইকে প্রায় শেষ করে দিয়েছিলেন। আমার মনে হয় সেটাই ছিল সহ্যের শেষ সীমা।
:'''ডিজেল''': দেখুন আমাদের পরিকল্পনা ছিল আমরা টিমস্টার হিসেবে এক হয়ে লড়ব। আমরা দেখাতে চেয়েছিলাম আমরা দল হিসেবে কত শক্তিশালী। কিন্তু আমি রিংয়ে ঢোকার পর শন ঠিক করল যে আমিই রিংয়ে থাকব। যখন আমার দম ফুরিয়ে আসছিল শন ভাবল আমাকে আরও কিছুক্ষণ রিংয়ে রাখা দরকার। আমি রেজর র্যামোনকে জ্যকনাইফ পাওয়ারবম্ব দিলাম আর ঠিক তখনই শন মাইকেলস ট্যাগ করতে চাইল। কারণ আমরা সবাই জানি শন কতটা প্রচারের আলোয় থাকতে ভালোবাসে তাই না?
:'''ভিন্স''': ওহ হ্যাঁ সেটা আমরা খুব ভালো করেই জানি। তবে সে যা চেয়েছিল তা ঠিক পায়নি। সত্যি বলতে আমরা তাকে শেষবার তার গাড়িতে করে শহর ছেড়ে পালিয়ে যেতে দেখেছি।
:'''ডিজেল''': শন মাইকেলস তুমি যেখানেই থাকো না কেন তোমার জন্য আমার একটা বার্তা আছে। সারভাইভার সিরিজে হয়তো তুমি পালিয়ে গেছ। কিন্তু আমি বলছি সেদিন রাতে যদি তোমাকে হাতে পেতাম তবে তুমি আর বেঁচে ফিরতে পারতে না।
:'''ভিন্স''': তবে আপনি টিকে আছেন। সত্যি বলতে শন মাইকেলস যখন ট্যাগ টিম চ্যাম্পিয়নশিপ বেল্ট ময়লার ঝুড়িতে ফেলে দিল তখনই আপনাদের জুটিতে ভাঙন ধরল। তাই জ্যাক টুনিকে একটা সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল। ব্রেট হার্ট সাময়িকভাবে লড়াইয়ের বাইরে থাকায় ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে আপনাকে এক নম্বর দাবিদার হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। সেদিন আপনার কেমন লেগেছিল? সেই দিনের কথা কি আমাদের একটু বলবেন?
:'''ডিজেল''': সেদিন আমি রাত ৪টায় ঘুম থেকে উঠে পড়ি কারণ আমার ঘুম আসছিল না। সকাল ৮টায় পিটসবার্গ থেকে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু আমি তার আগেই রওনা দিই যাতে শহরে জলদি পৌঁছাতে পারি। এয়ারপোর্ট থেকে ট্যাক্সি নিয়ে শহরে এলাম এবং রাস্তায় হাঁটতে লাগলাম। নিউ ইয়র্ক সিটির রাস্তায় হাঁটার সময় মানুষজন আমাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছিল। একেক জন যখন শুভেচ্ছা জানাচ্ছিল আমার আত্মবিশ্বাস বাড়ছিল। কয়েকশো মানুষ যখন আমাকে বলল "হেই বিগ ড্যাডি গার্ডেনে আজ বাজিমাত করে দাও। আমাদের জন্য সোনা নিয়ে এসো" তখন আমার মনে হলো সত্যিই জেতা সম্ভব। আর আজ বিগ ড্যাডির কাছেই সেই চ্যাম্পিয়নশিপ বেল্ট আছে!
:'''ভিন্স''': হ্যাঁ তবে আমার মনে হয় ক্রস-ফেস চিকেনউইঙের ওস্তাদ বব ব্যাকলান্ড আপনাকে এত সহজে ছেড়ে দেবেন না।
:'''ডিজেল''': হেই বব তোমার ওই বো-টাইগুলো বেশ নজরকাড়া। তবে তুমি একজন সত্যিকারের কুস্তিগীর এবং ভালো মানুষ আমি তোমাকে শ্রদ্ধা করি। যদি তুমি আমাকে ওই প্যাঁচে ফেলতে পারো তবে আমার জন্য বিপদ হবে। কিন্তু বব আগে তো আমাকে ধরতে হবে!
:'''ভিন্স''': সেটা হবে কি না তা সময়ই বলে দেবে। ব্রেট হার্ট আজ আমাদের দেখছেন উনি আপাতত বিশ্রামে আছেন। কিছুক্ষণ আগে ওনার সাথে ফোনে কথা হয়েছিল। ব্রেটের জন্য আপনার কি কোনো বার্তা আছে?
:'''ডিজেল''': আমি ব্রেটকে খুব ভালো করে চিনি না। জুনে [[w:কিং অফ দ্য রিং|কিং অফ দ্য রিং]] অনুষ্ঠানে ওর সাথে আমার ৩০ মিনিটের এক তুখোড় লড়াই হয়েছিল। ও একজন দারুণ লড়াকু এবং সত্যিকারের চ্যাম্পিয়ন। ব্রেট হার্টের কাছ থেকে যেভাবে বেল্ট কেড়ে নেওয়া হয়েছে তা আমার একদম পছন্দ হয়নি। কারণ আমি জানি এবং সবাই জানে যে ব্রেট যদি নিজে হার না মানত তবে সারভাইভার সিরিজ এখনও চলত।
:'''ভিন্স''': আমি আপনার সাথে একমত।
:'''ডিজেল''': আমি এখন চ্যাম্পিয়ন হয়েছি মাত্র কয়েক ঘণ্টা হলো। এটা আমার কাছে নতুন। তবে আমি ব্রেট হার্টের মতো একজন লড়াকু চ্যাম্পিয়ন হতে চাই। ব্রেট কখনও... ''[দর্শকদের উল্লাসে কথা থেমে গেল]''
:'''ভিন্স''': হ্যাঁ সর্বকালের সেরা লড়াকু চ্যাম্পিয়ন।
:'''ডিজেল''': ব্রেট কখনও চ্যালেঞ্জ ফিরিয়ে দেয়নি। আমি যেভাবে সুযোগ পেয়েছি তা নিয়ে হয়তো খুব গর্ব নেই কিন্তু ব্রেট সময়মতো লড়াই করেছে। ব্রেট এখন পরিবারের সাথে সময় কাটাও বিশ্রাম নাও। তোমার চোটের জন্য আমি দুঃখিত। তবে আমি কথা দিচ্ছি ব্রেট হার্ট যখন যেখানে চাইবে তুমি এই বেল্টের জন্য লড়াই করার সুযোগ পাবে। এটা বিগ ডির ওয়াদা।
:'''ভিন্স''': ঠিক আছে। শেষ কিছু বলবেন?
:'''ডিজেল''': ওয়ার্ল্ড রেসলিং ফেডারেশনে নতুন প্রজন্মের জয় হোক! ইয়েহ!
:'''ভিন্স''': এই তো আমাদের বিগ ড্যাডি কুল নতুন ডাব্লিউডাব্লিউএফ চ্যাম্পিয়ন!
== ১৯৯৫ ==
=== ২০ নভেম্বর ===
:''[ডিজেল রিংয়ে এসে সাভিও ভেগা এবং স্কিপের ম্যাচ থামিয়ে দিলেন]''
:'''ডিজেল:''' অনেকেই ভাবছে বিগ ড্যাডি কুলের মাথায় এখন কী চলছে। আমি ভাবলাম হয়তো ব্রেটের সাথে যা করেছি বা ভক্তদের সাথে যা করেছি তার জন্য ক্ষমা চাইব। কিন্তু একদম না! জানেন গত রাতে হোটেলে ফিরে আমি ভাবছিলাম ঘুম আসবে কি না। কিন্তু এক বছরের মধ্যে এই প্রথম আমি বাচ্চার মতো শান্তিতে ঘুমিয়েছি! আজ সকালে আয়নায় নিজেকে দেখে আমার মুখে হাসি ফুটে উঠল। এক বছর পর নিজেকে হাসতে দেখলাম। আমি কোনো কর্পোরেট পুতুল নই ভিন্স যা তুমি বানাতে চেয়েছিলে! না। তুমি এবার ভুল করে ফেলেছ! চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পরই আমাকে টাইটান টাওয়ারে মার্কেটিং আর মার্চেন্ডাইজিংয়ের লোকদের সাথে বসিয়ে দেওয়া হলো। ওরা বলল "হেই ডিজেল তোমাকে একটু হাসতে হবে। একটু নম্র আর কর্পোরেট হতে হবে।" শোনো ভিন্স গত রাতে যা দেখেছ তা তো কেবল শুরু! বিগ ড্যাডি কুল ফিরে এসেছে! সেই একই লোক যাকে কয়েক বছর আগে রয়্যাল রাম্বলে দেখেছিলে। ''[চশমা পরে নিলেন]'' এখন আমার কাছে শুধু আমার পরিবার আর বন্ধুরা গুরুত্বপূর্ণ যার মধ্যে শন মাইকেলসও আছে! আমি বলছি না যে আমি হাত মেলাব না তবে হাতে কালো দস্তানা থাকতে হবে যাতে বুঝি তুমি আমার সাথে আছো। তোমরা আমাকে পছন্দ করো বা ঘৃণা করো আমি এমনই থাকব। আমি ফিরে এসেছি!
== ১৯৯৬ ==
=== ১৯ ফেব্রুয়ারি ===
:''[ইন্টারকন্টিনেন্টাল চ্যাম্পিয়নশিপ ম্যাচে গোল্ডাস্ট রিং ছেড়ে চলে যাওয়ায় কাউন্ট আউটে হেরেও বেল্ট নিজের কাছে রাখলেন]''
:'''রেজর র্যামোন''' ''[মাইক হাতে]'': হেই বন্ধু! গান বন্ধ করো! ''[গান থেমে গেল]'' সবাই শোনো... গোল্ডাস্ট... আমার তোমার বেল্ট চাই না। আমি স্রেফ তোকে পিটিয়ে তক্তা করে দিতে চাই!
:''[দর্শকদের উল্লাস]''
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': এটা সত্যিই র!
:'''জেরি "দ্য কিং" ললার''': কী?!
:'''রেজর''': জানেন... আমি অনেকদিন ধরে শুনছি সেই "সেরা" লোকটা ফিরছে। পুরনো সোনালী দিনের সেই কিংবদন্তি ফিরে এসেছে। সে আমাদের নতুন প্রেসিডেন্ট রডি "রাউডি" পাইপার।
:'''জেরি''': ওর মাথা খারাপ হয়ে গেছে ম্যাকম্যান।
:'''রেজর''': পাইপার আমি তোমাকে একবার বলতে শুনেছিলাম যে তোমার ছয়টা বাচ্চা আছে। আর সেজন্যই তুমি "হট রড"। শোনো রেজর বাচ্চাদের অনেক ভালোবাসে। আর পাইপার তুমি আর আমি একই পথের মানুষ। আমি চাই না আমার বাচ্চারা টিভিতে এই সব জঘন্য জিনিস দেখুক!
:''[দর্শকদের আবার উল্লাস]''
:'''জেরি''': ও কী বলছে ম্যাকম্যান??
:'''রেজর''': তাই পাইপার বন্ধু... এখন শুধু একটা কাজ বাকি একটা ম্যাচের আয়োজন করো! আমি গোল্ডাস্টকে চাই যখন যেখানে খুশি! আর গোল্ডাস্ট! সবাই জানে যে তুমি আমাকে চাও! তুমি কি ভাবো আমি আকর্ষণীয়? তুমি কি ভাবো আমি হট? তুমি একদম ঠিক ভাবো! তাই পাইপার রাউডি পাইপার... তুমি তো ম্যাচমেকার একটা ম্যাচের ব্যবস্থা করো। গোল্ডাস্ট চলো একদিন হয়ে যাক। ইয়েহ!!
:'''ভিন্স''': রেজর র্যামোন গোল্ডাস্টের সাথে আবার লড়তে চায় এবং আমার মনে হয় টাইটেল বেল্ট নিয়ে সে খুব একটা চিন্তিত নয়!
=== ২৭ মে ===
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': ঠিক আছে আমাদের সাথে আছেন খুব অসন্তুষ্ট টেড ডিবিয়াসি। মিস্টার ডিবিয়াসি সাম্প্রতিক ঘটনায় আপনি একদমই খুশি নন তাই তো?
:'''[[w:টেড ডিবিয়াসি|টেড ডিবিয়াসি]]''': ''[স্টোন কোল্ড স্টিভ অস্টিনের সাথে]'' না ম্যাকম্যান আমি একদমই খুশি নই। গত রাতে সাভিও ভেগার জয়টা স্রেফ কপাল জোরে হয়েছে। আলো বন্ধ ছিল কে জানে সাভিও কতবার কর্নারে হাত দিয়েছে। আমি বলছি সাভিও ভেগা কোনোভাবেই স্টোন কোল্ড স্টিভ অস্টিনকে হারাতে পারে না...
:'''ভিন্স''': আপনি চেয়েছিলেন সাভিও আপনার ড্রাইভার হবে কিন্তু তা হয়নি এবং সাভিও জিতে গেছে। এখন কালকের জন্য আবার ম্যাচ ঠিক হয়েছে এবং সেটা হবে ক্যারিবিয়ান স্ট্র্যাপ ম্যাচ। আপনি কি এখনও সাভিওকে সেই চ্যালেঞ্জ দিতে চান?
:'''টেড''': আমি বাজিটা আরও বাড়াতে চাই ম্যাকম্যান।
:'''ভিন্স''': বাজি বাড়াতে চান?
:'''টেড''': সাভিও ভেগা শর্তটা আগের মতোই থাকবে কারণ তুমি আমার ড্রাইভার হতে যাচ্ছ। আর আমি এতটাই আত্মবিশ্বাসী যে এই লোকটা তোমাকে কাল হারাবেই। যদি স্টোন কোল্ড স্টিভ অস্টিন তোমাকে কাল না হারাতে পারে সাভিও ভেগা তবে মিলিয়ন ডলার ম্যান টেড ডিবিয়াসি তার ক্যারিয়ার ছেড়ে দেবে! আমি ডাব্লিউডাব্লিউএফ ছেড়ে চলে যাব! শুনতে পেয়েছ ম্যাকম্যান?! শুনতে পেয়েছ ভেগা?! আমি ডাব্লিউডাব্লিউএফ ছেড়ে দেব!
=== ২৩ সেপ্টেম্বর ===
:'''[[w:জিম রস|জিম রস]]:''' আর মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে আমি বিগ ড্যাডি কুল কেন এবং রেজর র্যামোনকে এখানে নিয়ে আসব। তবে তার আগে আমি আপনাদের কাছ থেকে এক মিনিট সময় চেয়ে নিচ্ছি কিছু কথা বলার জন্য। অনেকদিন ধরে আমার মনে কিছু কথা জমে আছে। কথাগুলো শোনার পর অনেকেই হয়তো ডাব্লিউডাব্লিউএফের প্রতি আমার আনুগত্য নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন। তাই শুরুতেই পরিষ্কার করে দিই ডাব্লিউডাব্লিউএফের প্রতি আমার কোনো টান নেই আমি শুধু নিজের কথাই ভাবি এবং কেন তা বলছি শুনুন। ১৯৯৩ সালে আমি আটলান্টার একটা ভালো চাকরি ছেড়ে ডাব্লিউডাব্লিউএফএ এসেছিলাম। আমি ভেবেছিলাম আমি এখানে প্রধান ধারাভাষ্যকার হব। রেসলিং দুনিয়ায় আমার চেয়ে ভালো ধারাভাষ্যকার কেউ নেই এটা সবাই জানে! লাস ভেগাসে রেসলম্যানিয়ার প্রথম দিন আমি কাজে যোগ দিলাম এবং আমাকে একটা চাদর পরিয়ে দেওয়া হলো। ওরা বলল "এটা একটা টোগা তোমাকে দেখতে ভালো লাগবে।" আমি একটা চাদর পরার জন্য ভালো চাকরি ছেড়ে এলাম! এটা জঘন্য! তারপর কিং অফ দ্য রিং অনুষ্ঠানে আমি একাই পুরো ব্রডকাস্ট সামলালাম। তারপর কি আপনারা কখনও ভেবেছেন জেআর কোথায় গেল? কেন জেআর আর ধারাভাষ্য দিচ্ছে না? আমি বলছি কেন। কারণ ডাব্লিউডাব্লিউএফের অহংকারী মালিক ভিন্স ম্যাকম্যান কোনো প্রতিযোগিতা সহ্য করতে পারে না। তাই জেআরকে সরিয়ে দেওয়া হলো। তারপর ১৯৯৪ সালের এক রবিবারে আমার মুখের বাঁ দিক অবশ হয়ে গেল যাকে বেলস পালসি বলে... ''[অংশবিশেষ বাদ দেওয়া হয়েছে]''
=== ১১ নভেম্বর ===
:''[ব্রায়ান পিলম্যানের বাড়িতে ভিন্স ম্যাকম্যান এবং কেভিন কেলি তার সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন অন্যদিকে স্টোন কোল্ড তাকে খুঁজতে বেরিয়েছে]''
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': এত সাহসের কথা বলছেন ঠিকই কিন্তু আপনার কি মনে হচ্ছে আপনি নিজের বাড়িতেই বন্দী হয়ে আছেন?
:'''ব্রায়ান পিলম্যান''': হাঃ। স্টিভ এখন একটা জ্যান্ত লাশ। কারণ যখন অস্টিন ৩:১৬ পিলম্যানের সামনে আসবে ''[হঠাৎ ক্যামেরার সামনে একটি পিস্তল বের করলেন]'' এই ৯ এমএম গ্লক...
:'''কেভিন কেলি''': ওহ খোদা ওহ খোদা!
:'''পিলম্যান''': ...আমি ওর শরীর গুলিতে ঝাঁঝরা করে সোজা নরকে পাঠিয়ে দেব!!
== ১৯৯৭ ==
=== ২০ জানুয়ারি ===
:''[অনুষ্ঠানের শুরুতে ব্রেট হার্ট রিংয়ে এলেন]''
:'''[[w:ব্রেট হার্ট|ব্রেট হার্ট]]''': আমার কিছু বলার আছে!
:'''[[w:জেরি ললার|ললার]]''': ও এখানে কী করছে?
:'''ব্রেট হার্ট''': ভিন্স আমি তোমার কাছে কিছু বলতে চাই! তুমি জানো আমি যখন ডাব্লিউডাব্লিউএফএ ফিরতে রাজি হলাম তুমি কথা দিয়েছিলে যে আমি চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য লড়ার সুযোগ পাব। তুমি আমাকে স্টোন কোল্ড স্টিভ অস্টিনের সাথে লড়তে দিলে এবং বললে আমি যদি ওকে হারাই তবে আমি এক নম্বর দাবিদার হব। এখন কি তোমার মনে হয় না যে শন মাইকেলসের হঠাৎ করে আমার আর সাইকো সিডের ম্যাচের সময় রিংয়ের পাশে আসাটা একটু বেশিই কাকতালীয় ছিল? আমি একদমই এটাকে কাকতালীয় মনে করি না। শন মাইকেলস আমার কাজে নাক গলিয়ে আমার চ্যাম্পিয়নশিপ কেড়ে নিল। আর তোমরা বললে "আরে ঠিক আছে চিন্তার কিছু নেই এখন তুমি রয়্যাল রাম্বলে আরও ২৯ জনের সাথে লড়াই করো তাহলেই সুযোগ পাবে।" আমি রিংয়ে গেলাম এবং এটা পরিষ্কার যে আমিই রয়্যাল রাম্বল জিতেছি। তাহলে আমার চ্যাম্পিয়নশিপের সুযোগ কোথায়? এখন আমার মনে হচ্ছে আমাকে শন মাইকেলস ঠকিয়েছে স্টোন কোল্ড ঠকিয়েছে এবং ডাব্লিউডাব্লিউএফ আর তুমি মিলে আমাকে ঠকিয়েছ! আমি ফাঁকা হুমকি দিতে পছন্দ করি না তবে আমার মনে হচ্ছে আমি আর সুযোগ পাব না। তাই আমি কাজ ছেড়ে দিচ্ছি! ''[মাইকটা আছাড় দিয়ে ফেলে দিলেন]''
<hr width=50%>
:'''স্টিভ অস্টিন''': ঠিকমতো কাজ করে এমন কোনো জিনিস আমাকে কি দেবে নাকি তোমাকে ধরে পেটাতে হবে? ব্রেট হার্ট তুমি কান্নাকাটি আর অভিযোগ করায় ওস্তাদ। ফেরার পর থেকে তুমি শুধু কেঁদেই যাচ্ছ! তুমি বলছ ভিন্স তোমাকে ঠকিয়েছে সবাই তোমাকে ঠকিয়েছে। আসল কথা হলো বন্ধু যখন অবস্থা কঠিন হয় তখন হার্টরা ভয়ে বাড়িতে পালিয়ে যায়! এটা বন্ধ করো! কানাডায় ফিরে যাও কারণ তুমি শুধু তোমার বুড়ো বাবাকেই হারাতে পারবে। তুমি বলছ তোমাকে নাজেহাল করা হয়েছে আমাকে সাত বছর ধরে নাজেহাল করা হয়েছে। আজ আমার সাইকো সিডের সাথে লড়ার কথা ছিল কিন্তু গরিলা মনসুন এসে বলল যে সিডের মাথায় চোট লেগেছে। সিড হয়তো মাথায় বরফ দিয়ে শুয়ে আছে কিন্তু ওর মেরুদণ্ড বলে কিছু নেই ও আসলে একটা ভিতু। আর গরিলা মনসুনকে বলছি ওই কলাগুলো তুমি নিজের কাছেই রাখো। তোমরা যদি চাও আমি আন্ডারটেকারের সাথে লড়ি তবে ওকে এখানে নিয়ে এসো। গত রাতে আমি ওকে রিং থেকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিলাম আর এখনও তাই করব। নিয়ে এসো ওকে!
=== ১৩ ফেব্রুয়ারি ===
:''[ভিন্স ম্যাকম্যান শন মাইকেলসকে নিয়ে এলেন এবং শন তার সমস্যার কথা বলছেন]''
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': আমি জানি তুমি কতটা হতাশ যে তুমি সাইকো সিডের বিরুদ্ধে টাইটেল বাঁচাতে পারছ না। আর ইতিহাসের অন্য যে কোনো চ্যাম্পিয়নের চেয়ে তুমি অনেক বেশি চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছ এবং কঠোর পরিশ্রম করেছ।
:'''শন মাইকেলস''': দেখুন আমি কোনো কাজ অর্ধেক করতে পারি না। আমি এখানে এসে মানুষের চিৎকার শুনি ওরা সিড বা ব্রেটের নাম ধরে ডাকে। তবে একটা কথা নিশ্চিত যে ভবিষ্যতে আপনারা ওদের খেলা দেখতে পাবেন আর আমি সেটাই চাই। লোকে আমার সম্পর্কে যা-ই ভাবুক না কেন আমি সবসময় চেয়েছি দর্শকরা যেন আনন্দ পায়।
:আমি সবসময় দর্শকদের আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা করেছি চাই আমি ভালো মানুষের দলে থাকি বা ভিলেনের দলে। আমার কাছে পারফরম্যান্সটাই আসল ছিল যাতে দর্শকরা টিকিট কেটে আফসোস না করে। ওরা জানত আমার নাম থাকলে ওরা মন ভরে চিৎকার করতে পারবে এবং ভালো সময় কাটাতে পারবে।
:গত কয়েক মাস ধরে অনেক কথা হচ্ছে যে অনেক কুস্তিগীরের ব্যবহার খারাপ এবং সবকিছু এই বেল্টকে ঘিরেই। আমি শুধু জানি যে অনেকদিন ধরে এই বেল্টের আশেপাশে শন মাইকেলসকে দেখা যাবে না। আমি এখন ঠিক কোথায় দাঁড়িয়ে আছি আমি জানি না। আমাকে সবকিছু পরীক্ষা করাতে হবে। হয়তো আমার বড় ধরনের অপারেশন লাগবে। আমি আর আগের মতো পারফর্ম করতে পারব কি না জানি না। কিন্তু আমি যদি আমার সেরাটা দিতে না পারি তবে আমি রিংয়ে নামব না। আমি আধখেঁচড়া কাজ করতে পারি না। রিংয়ে নামলে আমাকে দাপিয়ে বেড়াতে হবে এদিক ওদিক আছাড় খেতে হবে। আমাকে মজা পেতে হবে।
:গত এক বছরে আমি কোনো চ্যালেঞ্জ ফেরাতে পারিনি। আমি ডাব্লিউডাব্লিউএফ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে জীবনটা উপভোগ করতে চেয়েছিলাম। আমি লিমুজিন আর প্রাইভেট জেটে চড়তে চেয়েছিলাম টিভিতে আসতে চেয়েছিলাম আর আমি তা করেছিও। আমার কাছে এখন শুধু এই স্মৃতিগুলোই আছে। আমি জানি এখন লড়াইয়ের খুব কদর কিন্তু দুঃখের সাথে জানাতে হচ্ছে আমার কাছে এখন শুধু চোখের জল আর আবেগ আছে। আমার মধ্যে এখন আর সেই জোর নেই তাই ভিন্স এই নাও তোমার বেল্ট। ''[চ্যাম্পিয়নশিপ বেল্ট ফিরিয়ে দিলেন]''
:আমি এখন বাড়ি ফিরে যাব এবং দেখব আমার জন্য আর কী বাকি আছে; চাই সেটা এই রিংয়ে হোক বা রিংয়ের বাইরে। গত কয়েক মাসে আমি অনেক কিছু হারিয়েছি এবং তার মধ্যে একটা হলো আমার হাসি। এটা হয়তো সবার কাছে বড় কিছু নয় কিন্তু আমার কাছে অনেক বড়। আমাকে নিজেকে ঠিক করতে হবে এবং আমার হাসিটা খুঁজে বের করতে হবে কারণ কোথাও যেন আমি সেটা হারিয়ে ফেলেছি। মানুষ আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করুক বা না করুক আমি পরোয়া করি না। আমি একটু আবেগপ্রবণ মানুষ। আমি যা করতে চেয়েছিলাম তা গত এক বছর ধরে করেছি এবং গত বছরটি ছিল আমার জীবনের সেরা সময়। আপনাদের সবাইকে অনেক ধন্যবাদ আমি এখন বাড়ি যাচ্ছি। ঠিক আছে?
:'''ম্যাকম্যান''': ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ শন মাইকেলস!
=== ৩ মার্চ ===
:''[ভিন্স কিছু ভিডিও দেখাচ্ছেন যেখানে স্টোন কোল্ড ভুলবশত ব্রেট হার্টকে চ্যাম্পিয়ন হতে সাহায্য করেছিলেন এবং পরে ব্রেটকে চেয়ার দিয়ে মেরেছিলেন]''
:'''ভিন্স''': আপনার উত্তর কী? আপনার কাজের জন্য কি আপনার কোনো অনুশোচনা হয়?
:'''স্টিভ অস্টিন''': আমার শুধু একটাই আফসোস যে আমি কেন ওকে আরও জোরে চেয়ার দিয়ে মারলাম না! ব্রেট হার্ট সব জায়গায় বলে বেড়াচ্ছে ওকে ঠকানো হচ্ছে। গত সাত বছর ধরে আমাকে ঠকানো হচ্ছে আর সেটা নিয়ে কেউ কিছু বলছে না! শন মাইকেলসের হাঁটুতে চোট লাগলে তোমরা ওকে নিয়ে ভিডিও বানাও ওর ফ্লু হলে সারা দুনিয়াকে জানাও! আমি যখন ফাইন্যাল ফোরে লড়ছিলাম তখন আমি খুব অসুস্থ ছিলাম এবং আমার হাঁটুতেও চোট ছিল। তবুও আমি বিশ্বের সেরা তিন কুস্তিগীরের সাথে ২৫ মিনিট লড়েছি! স্টোন কোল্ড স্টিভ অস্টিন সেটা করে দেখিয়েছে! আমি কারও শারীরিক অক্ষমতা নিয়ে ঠাট্টা করছি না শুধু সত্যিটা বলছি। আমার মতে আমিই আসল ডাব্লিউডাব্লিউএফ চ্যাম্পিয়ন এবং কেউ আমাকে অন্য কিছু বোঝাতে পারবে না! এই সাবমিশন ম্যাচ নিয়ে যা বলা হচ্ছে সব আজেবাজে কথা! ব্রেট হার্ট নাকি বড় টেকনিশিয়ান ওর প্যাঁচ নাকি খুব মারাত্মক! তাতে আমার কিছু যায় আসে না কারণ আমি ব্রেট হার্টকে পিটিয়ে তক্তা করে দেব! আর কেন শ্যামরক যা বলছে যে ব্রেট ভালো টেকনিশিয়ান হলেও স্টোন কোল্ড সহজে হার মানে না সেটা একদম ঠিক। স্টোন কোল্ডের অভিধানে হার মানা বলে কিছু নেই! আমি কোনোদিন রেফারিকে বলব না যে আমি হার মেনেছি। কুস্তি দুনিয়ায় এমন কেউ নেই যে আমাকে হার মানাতে পারে! আর এটাই শেষ কথা কারণ স্টোন কোল্ড তাই বলেছে!
:'''ভিন্স''': আপনি এত তেতো কেন? আপনার মনে এত তিক্ততা কেন?!
:'''স্টিভ অস্টিন''': তুমি আমার সাথে কুকুরের মতো ব্যবহার করবে আর আশা করবে আমি হাসব? তোমাকে তো একটা গাধার মতো লাগছে!
=== ১৭ মার্চ ===
:''[ব্রেট হার্ট সাইকো সিডের কাছে খাঁচার ভেতরে ম্যাচ হেরে গেছেন]''
:'''জিম রস''': আমরা ফিরে এসেছি এবং ভিন্স ম্যাকম্যান হতাশ ব্রেট হার্টের সাথে কথা বলবেন।
:'''ভিন্স''': ব্রেট হার্ট আপনি নিশ্চয়ই খুব হতাশ। যা হয়েছে তাতে আপনার খুব খারাপ লাগছে।
:''[ব্রেট ভিন্সকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলেন এবং মাইক নিলেন]''
:'''ললার''': ওরে বাবা!!
:'''ব্রেট হার্ট''': হতাশ তো ছোট কথা!! এটা একটা জঘন্য ফালতু ব্যাপার!!!
:'''জিম রস''': আমরা ক্ষমা চাইছি দর্শকদের কাছে।
:'''ব্রেট হার্ট''': আমাকে ঠকানো হয়েছে সবাই আমাকে ঠকিয়েছে আর কেউ কিচ্ছু করছে না! এখানকার কারও কোনো মাথাব্যথা নেই পেছনের ঘরের কারও কিছু যায় আসে না! এত অবিচার আমি আর সহ্য করতে পারছি না!!
:'''জিম রস''': আমরা ক্ষমা চাইছি দর্শকদের কাছে।
:'''ব্রেট হার্ট''': সবাই এটা জানে! আমিও জানি! আমিই ডাব্লিউডাব্লিউএফ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার যোগ্য!
:'''ললার''': ওকে রিং থেকে বের করো!
:'''ব্রেট হার্ট''': সবাই শুধু চোখ বুজে আছে! তোমরা সবাই জেনেও না জানার ভান করছ! গরিলা মনসুনও তাই করছে! পেছনের ঘরে সবাই জানে যে আমিই সেরা ছিলাম সেরা আছি এবং সেরা থাকব!
:'''ললার''': ওকে থামাও!
:'''ব্রেট হার্ট''': আর তোমাদের যদি এটা পছন্দ না হয় তবে আমার কিছু করার নেই!!
<hr width=50%>
:'''স্টিভ অস্টিন''': ষড়যন্ত্রের নিকুচি করি ব্রেট! তুমি রিংয়ে নামলেই বাচ্চার মতো কাঁদতে শুরু করো! আমি তোমাকে সাহায্য করতে চেয়েছিলাম আর তুমি সব নষ্ট করলে কারণ তুমি একজন লুজার! রেসলম্যানিয়ায় আমাদের মধ্যে চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াই হতে পারত কিন্তু তুমি সব মাটি করলে! রেসলম্যানিয়ায় তুমি হার মানবে আর একদিন যখন আমাদের মধ্যে টাইটেল ম্যাচ হবে তখন দেখবে কে আসল চ্যাম্পিয়ন। আর তুমি কিচ্ছু করতে পারবে না!
:'''ব্রেট হার্ট''': তোমাকে কেন স্টোন কোল্ড বলে জানো? কারণ তোমার সাহস নেই আমার সামনে রিংয়ে নামার! তুমি সবসময় পেছন থেকে আক্রমণ করো! সামনে আসার হিম্মত নেই তোমার! আসো দেখি!! সবাই জানে সাইকো সিড ''[সিড রিংয়ে এলেন]'' তুমি যদি ভাবো ওই বেল্ট তোমার তবে তুমি ভুল করছ! ওটা আমার বেল্ট। তুমি জানো আমি জানি আর এখানে উপস্থিত সবাই জানে!
:'''সিড''': আমি কিচ্ছু জানি না কান্নাকাটি বন্ধ করো!
:'''ব্রেট হার্ট''': আসো দেখি!
<hr width=50%>
:''[ব্রেট হার্ট স্টোন কোল্ডের সাথে আর আন্ডারটেকার সিডের সাথে মারামারি করছেন]''
:'''ভিন্স''': ব্রেট হার্ট পাগল হয়ে গেছে! ও ভেবেছিল ও চ্যাম্পিয়ন হবে কিন্তু কোনো ষড়যন্ত্র হয়নি! ব্রেট হার্ট ষড়যন্ত্রের গল্প ফেঁদেছে। কোনো ষড়যন্ত্র নেই সব ওর মাথায়! ব্রেট হার্টের মতো একজন বড় মাপের মানুষের কাছ থেকে এটা আশা করা যায় না! আমরা ব্রেট হার্টের যে ঐতিহ্যের কথা বলি এটা তা নয়! এই ঘ্যানঘ্যানানি এই কান্নাকাটি ব্রেট হার্টকে মানায় না!
:''[কর্মকর্তারা ব্রেটকে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন]''
:'''ললার''': তুমি ঠিক বলেছ! ও পাগল হয়ে গেছে! ওকে টেনে বের করে নিয়ে যাও!
:''[ব্রেট প্যাট প্যাটারসনকে মারলেন এবং আবার অস্টিনের দিকে গেলেন]''
:'''ভিন্স''': ওহ! ও হল অফ ফেমার প্যাট প্যাটারসনকে মারল!! কী জঘন্য লোক রে বাবা!!
=== ২৪ মার্চ ===
:'''ভিন্স''': ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ আল্টিমেট ফাইটিং ওয়ার্ল্ড থেকে আমাদের সাথে যোগ দিচ্ছেন কেন শ্যামরক। মিস্টার শ্যামরক গত রাতে আপনার রেফারিগিরি নিয়ে প্রথম প্রশ্ন হলো আপনি ম্যাচটা থামিয়ে দিলেন কেন?
:'''কেন শ্যামরক''': দেখুন আমি ম্যাচের ভেতরেই ছিলাম এবং স্টিভ অস্টিন পুরো ম্যাচ জুড়েই প্রচণ্ড ব্যথার মধ্যে ছিল। আমি ওকে কয়েকবার জিজ্ঞাসা করেছি কিন্তু ও কোনো উত্তর দেয়নি। আমার কাছে মনে হয়েছে ও জ্ঞান হারিয়েছে। ওর শরীরকে বড় কোনো চোট থেকে বাঁচাতে আমাকে ম্যাচটা থামাতে হয়েছে। সেই কারণেই আমি লড়াইটা বন্ধ করি।
:'''ভিন্স''': ঠিক আছে কিন্তু আপনি কি ওকে "আমি হার মানলাম" বলতে শুনেছেন? ও কি একবারও হার মেনেছিল?
:'''কেন''': না ও মুখে বলেনি যে ও হার মেনেছে। কিন্তু যখন একজন মানুষ জ্ঞান হারায় এবং নিজেকে বাঁচাতে পারে না তখন ম্যাচ থামানোই রেফারির কাজ। আমি নিশ্চিত করতে চেয়েছিলাম একজন যেন পরিষ্কারভাবে জেতে। তাই স্টিভ অস্টিন যখন জ্ঞান হারাল আমি ম্যাচটা থামিয়ে দিই।
:'''ভিন্স''': আচ্ছা কিন্তু স্টিভ যখন নিজেকে বাঁচাতে পারছিল না তখন ম্যাচ শেষ হওয়ার পর ব্রেট হার্ট আবার ওর ওপর আক্রমণ করল।
:'''কেন''': হ্যাঁ ও তা-ই করেছে। ম্যাচে দুজনেই একে অপরকে অনেক কষ্ট দিয়েছে। কিন্তু স্টিভ যখন জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে পড়ে ছিল এবং নিজেকে বাঁচানোর ক্ষমতা হারিয়েছিল তখনই ব্রেট হার্ট আবার ওর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। আমার মনে হয়েছে ও স্টোন কোল্ড স্টিভ অস্টিনের ক্যারিয়ার শেষ করে দিতে চেয়েছিল। তাই আমাকে বাধ্য হয়ে ওকে থামাতে হয়েছে।
:'''ভিন্স''': একদম ঠিক। ব্রেট হার্ট আপনাকে দেখে পিছিয়ে গিয়েছিল। স্টোন কোল্ড স্টিভ অস্টিন সম্পর্কে আপনার ব্যক্তিগত মতামত কী?
:'''কেন''': দেখুন স্টিভের সাথে অতীতে আমার অনেক কথা কাটাকাটি হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে ওকে খুব একটা পছন্দ করি না। কিন্তু এই লোকটার একটা গুণের প্রশংসা করতেই হবে। ও প্রচণ্ড ব্যথার মধ্যেও হার মানেনি। ও লড়াই চালিয়ে গেছে। ও অনেক শক্ত মনের মানুষ। আমি আমার জীবনে অনেক শক্ত লড়াকু দেখেছি কিন্তু এই লোকটা নিঃসন্দেহে তাদের মধ্যে অন্যতম।
:'''ভিন্স''': আমাদের সাথে যোগ দেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
<hr width=50%>
:'''ব্রেট হার্ট''': প্রথমত আমি ক্ষমা চাইতে চাই। জার্মানি গ্রেট ব্রিটেন এবং পুরো ইউরোপের ভক্তদের কাছে আমি ক্ষমা চাইছি। জাপান এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকার ভক্তদের কাছেও আমি ক্ষমা চাইছি। বিশেষ করে কানাডার ভক্তদের কাছে আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাচ্ছি।
:আর আমেরিকার ভক্তদের বলছি... তোমাদের কাছে আমি কোনো কিছুর জন্যই ক্ষমা চাইব না! এটা আমার কাছে খুব অদ্ভুত লাগে যে আমি যখন স্টোন কোল্ড স্টিভ অস্টিনকে পিটিয়ে রক্তারক্তি করে দিলাম তখন ড্রেসিংরুমে ফেরার সময় তোমরা আমাকে ধিক্কার জানালে। আমি অস্টিনের মতো একজন নিচু মনের মানুষকে হারিয়েছি ও যে হেরেছে সেটা তোমরাও জানো অথচ ফেরার পথে তোমরা ওকে এমনভাবে স্বাগত জানালে যেন ও-ই জিতেছে!
:এটা শুধু আজ থেকে শুরু হয়নি। গত বছরের রেসলম্যানিয়ার কথা ভাবুন যখন আমি চ্যাম্পিয়ন ছিলাম। তোমরা শন মাইকেলসের মতো এক ছোকরাকে সমর্থন করলে এবং ওকে সুযোগ দিলে আমাকে ঠকিয়ে চ্যাম্পিয়নশিপ বেল্ট নিয়ে যাওয়ার। আমি কানাডায় বসে টিভিতে খেলা দেখতাম আর ভাবতাম ডাব্লিউডাব্লিউএফের একজন সত্যিকারের হিরো দরকার। কান ছিদ্র করা বা ট্যাটুওয়ালা কোনো লোক নয় এমন কাউকে দরকার যাকে সবাই শ্রদ্ধা করবে। যে কি না মেয়েদের ম্যাগাজিনে পোজ দেয়! আসলে ওটা মেয়েদের নয় সমকামীদের ম্যাগাজিন ছিল! তাই আমি ফিরে এলাম ডাব্লিউডাব্লিউএফকে পরিষ্কার করতে। সারভাইভার সিরিজে আমি স্টোন কোল্ডকে হারিয়েছি। তারপর সাইকো সিডের সাথে লড়াইয়ের সময় তোমাদের প্রিয় শন মাইকেলস আমার চ্যাম্পিয়নশিপ কেড়ে নিল। কেউ কিছু বলল না! তোমরাও চুপ ছিলে।
:ওরা বলল "চিন্তা করো না তুমি আরও ২৯ জনের সাথে রয়্যাল রাম্বলে লড়ো।" আমি লড়লাম এবং আমিই শেষ পর্যন্ত রিংয়ে টিকে ছিলাম। কিন্তু সবাই না জানার ভান করল। তোমরা কোনোভাবে নিজেদের মনে বিশ্বাস করিয়ে নিলে যে স্টোন কোল্ড জিতেছে। একজন সাধারণ মানুষ হলে হয়তো কাজ ছেড়ে চলে যেত।
:'''ভিন্স''': তুমি তো কাজ ছাড়ার হুমকি দিয়েছিলে ব্রেট।
:'''ব্রেট হার্ট''': গরিলা মনসুন আর ভিন্স ম্যাকম্যান আমার পায়ে ধরে অনুরোধ করেছে যেন আমি ফিরে আসি। আমি ফিরে এলাম এবং ওরা ফাইন্যাল ফোরের আইডিয়া আনল। আমি রাজি হলাম। তারপর হঠাৎ তোমাদের হিরো শন মাইকেলস হাঁটুর চোটের দোহাই দিয়ে বেল্ট ফিরিয়ে দিয়ে বাড়ি চলে গেল। তোমরা সেটা হাসিমুখে মেনে নিলে। ফাইন্যাল ফোরে আমি চ্যাম্পিয়ন হলাম। আমি ভাইডার স্টোন কোল্ড এবং আন্ডারটেকারকে হারিয়ে চতুর্থবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হলাম। তারপরই আমাকে বলা হলো কোনো বিশ্রাম ছাড়াই সাইকো সিডের বিরুদ্ধে লড়তে হবে। আমি কি পালিয়ে গিয়েছিলাম? না! আমি সিডকে রিংয়ের মাঝখানে কুপোকাত করে দিয়েছিলাম। অথচ আমেরিকান ভক্তরা আমাকে গালি দিচ্ছিল আর স্টোন কোল্ড যখন পেছন থেকে এসে আমার মাথায় চেয়ার দিয়ে মারল তোমরা সেটাকে সমর্থন করলে!
:আমি গরিলা মনসুনকে বললাম আমাকে স্টোন কোল্ডের সাথে একটা ম্যাচ দাও। আমি সাবমিশন ম্যাচে রাজি হলাম। তারপর আমাকে বলা হলো ১৫ ফুট উঁচু খাঁচার ভেতরে সিডের সাথে লড়তে হবে। সেখানে আন্ডারটেকার এসে আমার মাথায় দরজা দিয়ে আঘাত করল এবং আমার চ্যাম্পিয়নশিপ কেড়ে নিল।
:সবাই আমাকে ঠকিয়েছে আমেরিকার ভক্তরা আমাকে ছেড়ে চলে গেছে। তাই আমি ঠিক করেছি সাবমিশন ম্যাচে স্টোন কোল্ডকে এমন শিক্ষা দেব যা ও সারাজীবন মনে রাখবে। আর যখন আমি ওকে মারছি তখন তোমরা আমাকে ছেড়ে ওর জন্য চিৎকার করছ।
:আমি অনেকবার নিজেকে প্রমাণ করেছি কিন্তু তোমরা বুঝলে না। তোমরা আভিজাত্য বা মর্যাদার দাম দিতে জানো না। তোমরা চার্লস ম্যানসন বা ও জে সিম্পসনের মতো অপরাধীদের হিরো বানাতে পছন্দ করো। একমাত্র আমেরিকানরাই অপরাধমূলক কাজকে মহিমান্বিত করে। বিশ্বের অন্য দেশগুলো এখনও জানে ঠিক আর ভুলের পার্থক্য কী। সম্মান জিনিসটা তোমরা বোঝো না। তাই আজ থেকে আমেরিকার রেসলিং ভক্তদের আমি পাত্তাই দেব না!!
<hr width=50%>
:''[শন মাইকেলস রিংয়ে এলেন]''
:'''শন মাইকেলস''': হেই হিটম্যান! একটা কথা পরিষ্কার করে দিই। তুমি আমার সম্পর্কে যা খুশি বলতে পারো সবাই তা-ই করে। আর ডাব্লিউডাব্লিউএফ জানে যে তোমার কাছ থেকে বেল্ট কেড়ে নেওয়া কতটা কঠিন। কিন্তু ব্রেট তুমি যেটা বোঝো না তা হলো আমি আমার জীবনটা খোলাখুলিভাবে কাটাই। তোমার মতো ভণ্ডামির মুখোশ পরি না। আমি জানি আমার অনেক ভুল আছে এবং আমি সেগুলো স্বীকার করি। আর স্টিভ অস্টিনের কথা যদি বলো ও গত রাতে হার মানেনি। আমি ওর ভক্ত নই কিন্তু ও জ্ঞান হারিয়েছিল। তুমিও মনে মনে জানো যে ও অনেক শক্ত মনের একজন মানুষ। ব্রেট আমি সবসময় মার্জিত থাকার চেষ্টা করেছি কিন্তু এখন আমি লড়াই করার অবস্থায় নেই। আমি জানি তুমি আমার চেয়ে বেশি শক্তিশালী সেটা আমি স্বীকার করি। আমাকে এক নম্বর হতে হবে এমন কোনো কথা নেই। তোমার মতো আমার কোনো জেদ নেই। আমি এটা করি কারণ আমি কুস্তি ভালোবাসি। তুমি এটা করো কারণ তুমি ভাবো এই সবকিছু শুধু তোমার! এখন তোমাকে বুঝতে হবে যে দর্শকরা টিকিট কেটে খেলা দেখতে আসে এবং তাদের অধিকার আছে কাকে সমর্থন করবে আর কাকে গালি দেবে। ওরা আমাকেও আগে গালি দিয়েছে কিন্তু আমি তোমার মতো কান্নাকাটি করিনি। কারণ এই দেশে আমাদের বাকস্বাধীনতা আছে। ওই ছেলেটা যদি নাভিতে ছিদ্র করতে চায় তবে সেটা ওর ব্যাপার তোমার ভালো লাগুক আর না লাগুক! ওই মেয়েটা যদি... ''[অংশবিশেষ বাদ দেওয়া হয়েছে]''
:'''ভিন্স''': ব্রেট হার্ট আর শন মাইকেলস। শন এখন লড়াই করার মতো অবস্থায় নেই।
:'''ললার''': তাহলে ও ওখানে কী করছে?
:'''ভিন্স''': কারণ ওর বুদ্ধির চেয়ে সাহস বেশি।
:'''ললার''': ঠিক বলেছ।
:'''শন মাইকেলস''': ব্রেট আমাদের আমেরিকায় একটা কথা আছে "আমেরিকাকে ভালোবাসো নাহলে চলে যাও!"
:'''ব্রেট হার্ট''': শন মাইকেলস তুমি এখন এখান থেকে বিদায় হও আমার সামনে থেকে যাও।
:'''শন মাইকেলস''': তুমি জানো ব্রেট আমি হুকুম মানতে পছন্দ করি না। আর হ্যাঁ তুমি কী করে জানলে আমি সমকামীদের ম্যাগাজিনে ছিলাম? তুমি নিশ্চয়ই লুকিয়ে লুকিয়ে পাতা উল্টে দেখেছ!
:''[ব্রেট শনের চোট পাওয়া হাঁটুতে আক্রমণ করলেন]''
<hr width=50%>
:''[ব্রেট ধারাভাষ্য দিতে এলেন]''
:'''ভিন্স''': ব্রেট হার্ট আপনার কী হয়েছে? আপনি কেন এমন করছেন?
:'''ব্রেট হার্ট''': আমি পাগল হইনি আমি শুধু সত্যিটা দেখতে পাচ্ছি।
:'''ভিন্স''': কী?!
:'''ব্রেট হার্ট''': আমি বলছি আমার চোখ খুলে গেছে! আপনিও কেন চোখ খুলছেন না? সবাই স্টোন কোল্ডের জন্য চিৎকার করছে যে কি না কারোর জন্যই ভালো উদাহরণ নয়। আন্ডারটেকার কি ভালো হিরো হতে পারে? আমি সবসময় ভালো মানুষ হওয়ার চেষ্টা করেছি যাতে সবাই আমাকে শ্রদ্ধা করে।
:'''ভিন্স''': শন মাইকেলসকে দেখুন। আপনি ওর সাথে কী করলেন!
:'''ব্রেট হার্ট''': আমি ওকে রিংয়ে আসতে বলিনি! আমি শুধু বলতে চাই যে আমেরিকানরা আমায় শ্রদ্ধা করে না কিন্তু জার্মানি বা কানাডায় আমি অনেক সম্মান পাই। এখানকার বাচ্চারা আমাকে বলে আমি নাকি অপদার্থ। আমি নই ওরাই অপদার্থ!
:'''ভিন্স''': মনে হচ্ছে আপনি নিজের সাথেই যুদ্ধে লড়ছেন।
:'''ব্রেট হার্ট''': না আমি কোনো যুদ্ধে নেই। আমি এখন নিজেকে খুব হালকা অনুভব করছি। আপনি খারাপ কিছু দেখতে চান? আমি আপনাকে দেখাব খারাপ কাকে বলে! ''[রিংয়ে গিয়ে রকি মাইভিয়াকে আক্রমণ করলেন]''
=== ১৯ মে ===
:'''জিম রস''': ম্যানকাইন্ড সম্পর্কে ডাব্লিউডাব্লিউএফ ভক্তদের সবচেয়ে বড় ভুল ধারণাগুলো কী বলে আপনার মনে হয়?
:'''ম্যানকাইন্ড''': যে আমি... একজন খারাপ মানুষ। জিম আমাকে ঘৃণা করার অনেক ভালো কারণ আছে। আমি শুধু চাই না মানুষ আমাকে মিথ্যা বা অর্ধেক সত্যের ওপর ভিত্তি করে ঘৃণা করুক। দেখুন যখন আমি ছোট ছিলাম আমি কাউবয় আর ইন্ডিয়ান খেলতাম। তখন ভালো মানুষ কারা ছিল? ওই কাউবয়রা যারা পাহাড় থেকে নেমে এসে নিরীহ নারী আর শিশুদের ওপর অত্যাচার চালাত। আমি সবসময় ইন্ডিয়ানদের দলে ছিলাম জিম। আমি সবসময় অবহেলিতদের পাশে দাঁড়িয়েছি। যদি নিজের বিশ্বাসের ওপর অটল থাকা আমাকে খারাপ মানুষ বানায় তবে হ্যাঁ আমি একজন খারাপ মানুষ।
<hr width=50%>
:'''ম্যানকাইন্ড''': আমার বয়স তখন আট বছর এলিমেন্টারি স্কুলে একটা খেলা খেলছিলাম। একজনকে তাড়া করতে গিয়ে আমি ঝাঁপ দিলাম আর ওর পায়ের পেছনের অংশ আমার ঠোঁটে এসে লাগল। আমি বুঝতে পারিনি কী হয়েছে। আমি শুধু জানতাম আমার প্রচণ্ড লাগছিল জিম। হঠাৎ দেখলাম সবাই আমার দিকে অদ্ভুতভাবে তাকাচ্ছে যেন আমার কিছু একটা হয়েছে। আমি নিচে তাকিয়ে দেখলাম আমার প্রিয় সাদা সোয়েটশার্টটা রক্তে লাল হয়ে গেছে। বাচ্চারা ভয়ে আমার কাছ থেকে দূরে পালাচ্ছিল। আমার রক্ত ঝরছিল আমি যন্ত্রণায় ছিলাম... কিন্তু আমার খুব ভালো লাগছিল। কারণ আমার মনে হলো আমি এমন কিছু একটা খুঁজে পেয়েছি যা আমি সবার চেয়ে ভালো পারি আর তা হলো সহ্য ক্ষমতা।
:কেউ একজন বলল "আরে ওটা তো ভ্যাম্পায়ারের রক্ত" আর তখনই সবাই ক্ষতটা দেখতে পেল যেখান থেকে গলগল করে রক্ত বেরোচ্ছিল। আমার কাছে আজও ওই শার্টটা আছে জিম। আমি সেদিন ভেবেছিলাম "আমার জীবনে যদি এমন কিছু করতে পারতাম যেখানে আমি সবসময় এটা করতে পারব?" প্রতি রাতে মানুষের মনোযোগ পাওয়া... স্টকব্রোকাররা তা পারে না শিক্ষকরা পারে না এমনকি আমেরিকার প্রেসিডেন্টও রক্ত ঝরিয়ে জীবন চালাতে পারে না... কিন্তু প্রফেশনাল রেসলাররা পারে। সেই প্রথম আমি বুঝতে পারলাম আমার জীবনের লক্ষ্য কী। সেটাই আমি সারাজীবন চেয়েছি। আমার ভাই আর আমি টিভিতে সবাইকে দেখতাম। চিফ জয় স্ট্রংবো ব্রুনো সামারটিনো... আমরা তাদের মতো হতে চেয়েছিলাম। তারপর একদিন আমি আমার ভাইয়ের নাক ভেঙে দিলাম ওকে আছাড় মেরে আর মা বলল "আর কুস্তি খেলা বন্ধ"। মা খেলা বন্ধ করতে বলেছিল কিন্তু স্বপ্ন দেখতে নয়।
<hr width=50%>
:'''ম্যানকাইন্ড''': জানেন আমার ছেলের বয়স যখন পনেরো হবে তখন আমি ওকে বলব যেন ও অদ্ভুত সব জিনিস খেয়ে বেড়ানো ছেলেটা না হয়। আমি স্বেচ্ছায় এমনটা করিনি। অন্য ছেলেরা বা তাদের দলগুলো আমাকে একা পেয়ে জ্বালাতন করত কারণ আমি একটু আলাদা ছিলাম। ওরা আমার দিকে কেঁচো ছুড়ে মারত জিম। জ্যান্ত কেঁচো ছুড়ে মারত ওরা আমার দিকে। আমি যখন ক্লাসে ব্যায়াম করতাম তখন আমার ওপর কেঁচো বৃষ্টি হতো। আপনি হলে কী করতেন? আপনি কি ওই কেঁচোটা আবার সাত আট জনের দিকে ছুড়ে মারতেন? আসল কথা হলো ওরা আমাকে মারছিল না ওরা আমার আত্মসম্মানে আঘাত করছিল। ওরা আমাকে আবর্জনার মতো দেখত। তাই আমি সবচেয়ে বড় কেঁচোটা তুলে নিলাম জিম আর ওটা গিলে ফেললাম! ওদের দেখাতে চেয়েছিলাম যে ওরা আমাকে ছোট করতে পারবে না... আমি ভেবেছিলাম আমি ওদের মোক্ষম জবাব দিয়েছি। কিন্তু গল্পটা ডালপালা মেলে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে বলা হতে থাকল। মানুষ বলতে শুরু করল মিকি ফোলি নাকি প্রতিদিন এক প্লেট করে কেঁচো খায়। আপনি কি ভাবেন এরপর আমি কোনো মেয়ের সাথে ডেটে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছি জিম?
:'''জিম রস''': সম্ভবত না।
:'''ম্যানকাইন্ড''': আপনি কি ভাবেন কোনো মেয়ে এমন কোনো ছেলেকে চুমু খেতে চাইবে যার মুখে কেঁচোর গন্ধ? আমি চুমু খেতে খুব ভালো পারি কিন্তু কখনও সুযোগ পাইনি! আমি কি নিজের ওপর প্র্যাকটিস করব জিম?! আমি কখনও দুনিয়াকে ভালোবাসার সুযোগ পাইনি কারণ আমি অদ্ভুত জিনিস খেতাম বলে ওরা আমাকে বাদ দিয়ে দিয়েছিল! আমি বলছি না যে আমি টাকা নিয়ে অন্য অদ্ভুত জিনিস খাইনি কিন্তু ততক্ষণে যা হওয়ার হয়ে গেছে। পুরো হাইস্কুলে আমি একটাও ডেটে যেতে পারিনি! আপনি কি ভাবেন এটা আমার মনে দাগ কাটেনি?! হয়তো আপনি যথেষ্ট গভীরে গিয়ে দেখেননি!
=== ২৬ মে ===
:'''ম্যানকাইন্ড''': সেটা ১৯৮৩ সাল ছিল। নিউ ইয়র্কের সুন্দর মাঠগুলো অনেক ছেলের কাছে খুব প্রিয় হতে পারে। কিন্তু যখন ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে জিমি স্নুকা আর ডন মুরাকো খাঁচার লড়াইয়ে মেতেছিল আমি শুধু সেখানেই থাকতে চেয়েছিলাম! আমি ঘোড়ায় চড়তে চাইনি বা মাছ ধরতে চাইনি আমি শুধু সেই রক্তারক্তি লড়াই দেখতে চেয়েছিলাম জিম। তাই আমি হাত বাড়িয়ে লিফট চেয়ে ১৬-১৭ ঘণ্টা যাত্রা করে গার্ডেনে পৌঁছালাম। আমার জমানো সব টাকা দিয়ে আমি একদম সামনের সারির একটা টিকিট কিনলাম। আর আমি সেই দৃশ্য দেখলাম যা আমার জীবন বদলে দিল। জিমি স্নুকা যখন খাঁচার ওপর থেকে ঝাঁপ দিল আর মানুষজন চিৎকার করে উঠল আমি জানতাম আমি একা নই যার জীবন ওই মুহূর্তে বদলে গেছে। আমি বুঝতে পারলাম জিম... আমিও ঠিক সেটাই করতে চাই। আমিও মানুষের উল্লাস শুনতে চাই। আমি চাই মানুষ আমাকে ভালোবেসে কাঁদুক। ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে সেটা আমার প্রথমবার ছিল এবং আমার বাবা-মা সেখানে ছিল না। আমি সবসময় নিজের কাজ নিজেই করেছি একাই লড়েছি।
<hr width=50%>
:'''ম্যানকাইন্ড''': আঠারো বছর বয়সে আমি নিজের ওপর একটা মুভি বানিয়েছিলাম যেখানে আমি একজন কুস্তিগীর ছিলাম। অদ্ভুত ব্যাপার হলো শন মাইকেলসের সাথে যখন আমার প্রথম দেখা হলো... আপনি চেনেন ওকে?
:'''জিম রস''': ওহ হ্যাঁ। খুব ভালো করেই চিনি।
:'''ম্যানকাইন্ড''': ও আমার ক্ষতবিক্ষত শরীরের দিকে তাকাল। ও আমাকে চিনত না কিন্তু আমার পুরনো দিনের গল্প জানত। ও আমাকে একটু তাচ্ছিল্য করে বলল "তুমি কি সবসময় নিজেকে এভাবেই দেখতে চেয়েছিলে?" আমি বললাম "না। মজার ব্যাপার হলো আমি সবসময় তোমার মতো হতে চেয়েছিলাম।" ও বলল "চ্যাম্পিয়ন হতে চেয়েছিলে?" আমি বললাম "না। আমি চেয়েছিলাম ওই সুন্দর মেয়েগুলো গয়না ট্যাটু আর মানুষের ভালোবাসা।" তাই আমার মুভিতে আমি মিক ফোলি ছিলাম না ম্যানকাইন্ডও ছিলাম না আমি ছিলাম ডুড লাভ।
:''[ডিউড লাভের কিছু ভিডিও দেখানো হলো]''
:'''ডুড লাভ''': আমরা এই পচা আপেলটাকে একদম ভেতর থেকে ভেঙে দেব! আমরা এখানে শুধু একটা কারণেই এসেছি! খ্যাতি সম্মান আর ডাব্লিউডাব্লিউএফ চ্যাম্পিয়নশিপ বেল্ট জিততে...
:'''ম্যানকাইন্ড''': আর ওই মুভির শুটিংয়ের সময় আমি বীরত্ব দেখাতে চেয়েছিলাম। আমি চেয়েছিলাম মানুষ আমার জন্য চিৎকার করুক। তাই আমি আমার বন্ধুর বাড়ির ছাদে উঠে নিচে ঝাঁপ দিলাম।
<hr width=50%>
:'''ম্যানকাইন্ড''': আমি জানতাম আমি তখনও ডুড লাভ হওয়ার জন্য তৈরি নই। আমি কখনও ক্যাকটাস জ্যাক হতে চাইনি। আমি ভেবেছিলাম এটা একটা জঘন্য কুস্তিগীরের জঘন্য নাম। ভেবেছিলাম যখন আমি সামর্থ্য পাব তখন বুকে হার্ট ট্যাটু করাব কানে দুল পরব আর মেয়েদের মন জয় করব। কিন্তু সবকিছু তো আর মনের মতো হয় না তাই না জিম?
:'''জিম রস''': একদমই না।
:'''ম্যানকাইন্ড''': ভাগ্য আমার সহায় ছিল না। ক্যাকটাস জ্যাক নামটা মাত্র তিন মাসের জন্য থাকার কথা ছিল... কিন্তু সেটা এগারো বছর থেকে গেল।
=== ৩০ জুন ===
:'''পল বেয়ারার''': "আমাদের একটু পেছনের দিকে তাকাতে হবে মিস্টার ম্যাকম্যান। প্রায় ২০ বছর আগে। আমরা একটা ছোট ফিউনারেল হোমের কথা বলছি যা পাহাড়ের ওপরে ছিল—পাশে চমৎকার পুরনো গাছপালা—এক দারুণ পারিবারিক ব্যবসা। পরিবারটি ওপর তলায় থাকত। বাবা ছিলেন ফিউনারেল ডিরেক্টর। মা সেক্রেটারি ছিলেন। সেখানে দুটি বাচ্চা ছিল। একজন ছিল লাল চুলো এক শয়তান। আর দ্বিতীয়টি ছিল এক মিষ্টি বাচ্চা যার নাম কেন। আমি সেখানে শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করতাম। আমি ওই লাল চুলো শয়তানের বাবার নিচে কাজ করতাম যাকে আপনারা আন্ডারটেকার নামে চেনেন। আন্ডারটেকারের বাবা কুস্তি শেখানোর ওস্তাদ ছিলেন। তিনি আমাকে সবকিছু শিখিয়েছেন। কিন্তু ওখানে কাজ করার সময় আমি এমন কিছু দেখেছিলাম যা ঘটা উচিত ছিল না।
:এই লাল চুলো বাচ্চার চোখে দয়া মায়া বলে কিছু ছিল না। ওর চোখের চাহনি ছিল শয়তানের মতো! সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হলো বেচারা কেন সবসময় ওর বড় ভাই আন্ডারটেকারকে হিরো মানত। আন্ডারটেকার যা করত কেন সেটাই ঠিক মনে করত। আমার কাজ প্রায় দুই বছর ধরে চলেছিল। আমি তখন কলেজে মর্তুয়ারি সায়েন্স নিয়ে পড়াশোনা করতাম। আন্ডারটেকার আর কেন সারা বাড়িময় দাপিয়ে বেড়াত। আমি ওদের লক্ষ্য করতাম। ওদের বাবা-মা জানত না কিন্তু আমি জানতাম ওরা কী করত। আমি দেখতাম ওরা ল্যাব থেকে কেমিক্যাল চুরি করত। আমি দেখতাম ওরা গ্যারেজের পেছনে গিয়ে সিগারেট খেত—যখন ওরা একেবারেই ছোট ছিল।
:একদিন দুপুরে আমি কলেজে যাওয়ার জন্য বের হচ্ছিলাম। আমি গাড়ি নিয়ে বের হওয়ার সময় দেখলাম আন্ডারটেকার ওর ছোট ভাইয়ের সাথে ওখানে দাঁড়িয়ে আছে। কিছু একটা ঠিক মনে হচ্ছিল না। তবুও আমি কলেজে চলে গেলাম। রাত ১০টার দিকে ফিরে এসে দেখি ফিউনারেল হোমটা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। চারদিকে ফায়ার সার্ভিস আর অ্যাম্বুলেন্স। কেউ একজন আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল। ওই পরিবারের সবাই যারা আমার খেয়াল রাখত তারা মারা গেছে। আমি ঝোপের আড়ালে তাকাতেই দেখলাম আন্ডারটেকার ওখানে দাঁড়িয়ে আছে। আন্ডারটেকার তুমিই আগুন লাগিয়েছিলে। আর আগুনের সাথে তুমি তোমার বাবা-মাকে মেরে ফেলেছ। তুমি তোমার পরিবারকে খুন করেছ আন্ডারটেকার! আমি জানি এটা। ২০ বছর ধরে আমি এই সত্যিটা নিজের ভেতরে চেপে রেখেছি। তুমি খুনি আন্ডারটেকার! তুমি একজন খুনি! তুমি একজন জঘন্য খুনি!
=== ৭ জুলাই ===
:'''ব্রেট হার্ট''': কয়েক সপ্তাহ আগে আমাকে বলা হয়েছিল "আমেরিকাকে ভালোবাসো নাহলে চলে যাও"। দেখুন আমি সারাবিশ্ব ঘুরেছি আমেরিকার প্রতিটি প্রান্তে গেছি আর আমি যে জিনিসটার জন্য সবচেয়ে বেশি অপেক্ষা করি তা হলো এই দেশ ছেড়ে চলে যাওয়া!
<hr width=50%>
:''[স্টোন কোল্ড ম্যানকাইন্ডের সাহায্যে হান্টার হার্স্ট হেলমসলিকে হারানোর পর মাইক নিলেন]''
:'''জিম রস''': এটা বিপজ্জনক হতে পারে।
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': আশা করি ও কানাডিয়ানদের কিছু বলবে না।
:'''অস্টিন''': উঠে দাঁড়া লম্বা চুলের পাগল!
:'''ম্যাকম্যান''': ও ম্যানকাইন্ডের সাথে কথা বলছে।
:'''অস্টিন''': একটা চেয়ারের আঘাতে তোর মতো লোক হার মানতে পারে না রিংয়ে আয়! ''[ম্যানকাইন্ড রিংয়ে এল]'' তুই প্রতি সপ্তাহে আসিস আর বলিস "আমাকে নাও স্টিভ! আমাকে নাও স্টিভ!"। আমি তোকে সোজাসুজি বলছি আমি তোকে একদমই পছন্দ করি না! কিন্তু তুই যদি চাস তবে আমি তোর সাথে যুদ্ধে যেতে রাজি আছি। শুধু হাত মেলা আর আমরা একটা ট্যাগ টিম হয়ে যাব।
:'''জেরি ললার''': ওরে বাবা!
:'''রস''': মনে হচ্ছে সাপের মতো মেজাজি মানুষটাও একটু নরম হয়েছে।
:'''ললার''': অবশেষে ম্যানকাইন্ড যা চেয়েছিল তা পেল!
:'''রস''': ম্যানকাইন্ড শুধু সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হতে চেয়েছিল।
:''[ম্যানকাইন্ড হাত বাড়িয়ে দিল]''
:'''ললার''': ও হাত মেলাতে চায় না ও জড়িয়ে ধরতে চায়!
:''[ম্যানকাইন্ড আর অস্টিন একে অপরকে জড়িয়ে ধরল]''
:'''ম্যাকম্যান''': আমি বিশ্বাস করতে পারছি না। ম্যানকাইন্ড এখন অস্টিনের পার্টনার— ''[হঠাৎ অস্টিন ম্যানকাইন্ডকে স্টোন কোল্ড স্টানার দিলেন]'' — ওহ!
:'''রস''': না না! স্টানার দিও না! ধিক্কার জানাই ওকে!
:'''অস্টিন''': ডিটিএ তুই একটা আস্ত গাধা! কখনও কাউকে বিশ্বাস করবি না! তুই কখনও আমার পার্টনার হবি না কারণ তুই একটা অপদার্থ! ''[মাইক ফেলে দিয়ে হাত তুললেন]''
:'''ম্যাকম্যান''': কী এক কাণ্ড!
:''[অস্টিন রিং ছেড়ে চলে যাচ্ছেন]''
:'''রস''': আপনার যদি কোনো পোষা সাপ লাগে তবে অস্টিনকে ফোন দিতে পারেন!
:'''ম্যানকাইন্ড''' ''[মাইক নিয়ে]'': অস্টিন! অস্টিন!! আমি শুধু একটু সম্মান চেয়েছিলাম। আমি একটা বন্ধু চেয়েছিলাম আর তুমি সবকিছু শেষ করে দিলে!!
:'''অস্টিন''' ''[হাসিমুখে]'': একদম ঠিক!
:'''ম্যানকাইন্ড''': সো এটা খুব স্পষ্ট যে এখন চরম পদক্ষেপ নিতে হবে! কারণ আগামী সপ্তাহে আমি এমন কিছু করব যা আমি আগে কখনও করিনি! আগামী সপ্তাহে ডাব্লিউডাব্লিউএফ আর আগের মতো থাকবে না! স্টিভ অস্টিন তুমিও আর আগের মতো থাকবে না! ম্যানকাইন্ড আর কখনও আগের মতো থাকবে না!!! ''[ফুঁপিয়ে কাঁদছেন]''
=== ৪ আগস্ট ===
:'''ভিন্স''': আমার মনে হয় এই পরিবেশ দেখলেই অনেক কিছু বোঝা যায়— দর্শকদের মধ্যে একটা মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। আর এতে কোনো সন্দেহ নেই যে আপনি আপনার কাজ ঠিকঠাক করেছেন কি না। তবে আপনি যদি সেদিন না থাকতেন তবে হয়তো আন্ডারটেকার এখনও ওয়ার্ল্ড রেসলিং ফেডারেশন চ্যাম্পিয়ন থাকত।
:'''শন''': আমি কি ব্যাপারটা পরিষ্কার করে বুঝে নেব? আপনি আন্ডারটেকার ব্রেট "দ্য হিটম্যান" হার্ট এবং ডাব্লিউডাব্লিউএফের সব ভক্ত মিলে এই পুরো দোষটা আমার ঘাড়ে চাপাচ্ছেন!
:'''ভিন্স''': আমি ঠিক জানি না এটা কতটা ঠিক হবে...
:'''শন''': চুপ করুন! কারণ জানেন তো? আপনি আর ব্রেট হার্ট ঠিক যেমন— আর এখানকার কেউ পছন্দ করুক বা না করুক— ডাব্লিউডাব্লিউএফের সব ভক্তরা ঠিক তেমনই। আপনারা কেউ নিজেদের দায় নিতে জানেন না আর সব দোষ ওই হার্টব্রেক কিডের ওপর চাপিয়ে দেন। কারণ সবাই জানে যে কেউ আমার সম্পর্কে কী ভাবল তা নিয়ে আমার কিছু যায় আসে না! মুখ বন্ধ রাখুন!
:গত রাতে আমি আমার ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো রেফারির শার্ট পরে রিংয়ে নেমেছিলাম এবং চমৎকার কাজ করেছি। আমি একদম নিরপেক্ষ থেকে বিচার করেছি। ঠিক কি না?
:'''ভিন্স''': হ্যাঁ আপনি করেছিলেন।
:'''শন''': একদম ঠিক।
:'''ভিন্স''': আমি কি আপনাকে একটা জরুরি প্রশ্ন করতে পারি?
:'''শন''': হ্যাঁ বলে ফেলুন!
:'''ভিন্স''': অনেকের মনেই একটা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। এটা একটু বিতর্কমূলক হলেও বলতে হচ্ছে: আপনার সাথে কি ব্রেট হার্টের কোনো গোপন যোগসাজশ আছে? শুনতে অদ্ভুত লাগলেও অনেকে এটাই ভাবছে।
:'''শন''': আমি সবসময় জানতাম আপনি একজন গাধা কিন্তু এখন আমি নিশ্চিত যে আপনি আমার দেখা সবচেয়ে বড় নির্বোধ।
:'''ভিন্স''': প্রথমত আপনার এই কথাগুলো আমার একদম ভালো লাগছে না। এটা পরিষ্কার করে দিই ঠিক আছে?
:'''শন''': ওহ আপনি তো ভয়ে কাঁপছেন ম্যাকম্যান!
:'''ভিন্স''': ৭ সেপ্টেম্বর যখন আপনি আন্ডারটেকারের সাথে এই রিংয়ে নামবেন তখন আপনি সত্যিই ভয়ে কাঁপবেন! এটা মনে রাখবেন।
:'''শন''': এখান থেকে বিদায় হোন! আপনি এখন মানে মানে কেটে পড়তে পারেন ম্যাকম্যান! সবাইকে সত্যিটা বলে দিই। ব্রেট হার্টের সাথে আমার কোনো ধরনের কোনো সম্পর্ক নেই। এটা কোনো গোপন ব্যাপার নয় যে ব্রেট হার্ট আমায় পছন্দ করে না বা শ্রদ্ধা করে না। কিন্তু একটা কথা নিশ্চিত যে ব্রেট হার্টের আমায় দরকার! কারণ ডাব্লিউডাব্লিউএফএ আমিই একমাত্র মানুষ যে ওকে পিটিয়ে তক্তা করেছে! আর এটাই সত্যি!
:আর আন্ডারটেকার... আন্ডারটেকার আপনি আর আমি এতদিন ডাব্লিউডাব্লিউএফএ থাকলেও আমাদের কখনও সামনাসামনি দেখা হয়নি। কিন্তু এবার হবে!
:'''দর্শক''': শন মাইকেলস অপদার্থ!
:'''শন''': ওহ আমি আপনাদের একটা কথা বলে দিই। আন্ডারটেকার এই শন মাইকেলস কারোর কাছে মাথা নত করে না! আমি ব্রেট হার্টের জন্য তা করি না আপনাদের জন্যও না আর ডাব্লিউডাব্লিউএফের কোনো ভক্তের জন্যও না। আন্ডারটেকার পরের বার যখন শন মাইকেলসকে দেখবেন তখন আমার সুপার কিক...
:'''দর্শক''': আপনি অপদার্থ!
:'''শন''': দশ বছর! দশ বছর আমি আপনাদের জন্য লড়েছি আর আপনারা আমাকে এই সম্মান দিচ্ছেন। আপনারা সবাই চুলোয় যান! আন্ডারটেকার পরের বার যখন আমার দেখা পাবেন তখন আমার সুপার কিক আপনার গলা দিয়ে ভেতরে ঢুকে যাবে!
=== ১৮ আগস্ট ===
:'''জিম রস''': স্টিভ আমাদের আপনার এই হোটেলের রুমে আসার সুযোগ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আমি জানি ফিলাডেলফিয়ায় আপনার আগামী ২৪ ঘণ্টা খুব ব্যস্ততায় কাটবে। কাল আপনার ঘাড়ের সমস্যা নিয়ে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখানোর কথা আছে। তবুও আমাদের সময় দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
:'''স্টিভ অস্টিন''': সময়ের জন্য ধন্যবাদ দিয়ে লাভ নেই। আপনার যদি প্রশ্ন করার থাকে তবে জলদি করুন নাহলে আপনাকে জানলা দিয়ে বাইরে ছুড়ে ফেলে দেব। আর এই হোটেলের রুমের কথা বলছেন? আমি এমন রুমে কক্ষনো থাকতাম না! জানেন সামারস্ল্যামে যখন আমার মাথায় আঘাত লাগল তখন কেউ আমায় একটা ফোন করে জিজ্ঞাসা পর্যন্ত করেনি যে স্টিভ তুমি কেমন আছো? কেউ একটা কার্ড পর্যন্ত পাঠায়নি। আমি তো আর হিরো সাজতে চাইনি কিন্তু অন্তত দুনিয়ার এই সেরা রেসলারের খবরটা তো কেউ নিতে পারত! কিন্তু আমি কিচ্ছু পাইনি! আর ডাব্লিউডাব্লিউএফ আমাকে এমন একটা রুমে রেখেছে যেখানে এই সব পচা ফল আর আবর্জনা রাখা আছে। আপনি কি একটা নাশপাতি চান? ''[জিম রসের দিকে ফল ছুড়ে মারতে শুরু করলেন]'' আপেল খাবেন? নাকি কলা খাবেন? নিজের ঘর মনে করে যা খুশি নিন! ''[পুরো ফলের ঝুড়িটাই রসের দিকে ছুড়ে মারলেন]'' আপনার যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তবে করে ফেলুন কারণ আমি আপনার ওপর খুব বিরক্ত হয়ে আছি!
:'''জিম রস''': আপনার কাছে আমি তিনটি বিষয় জানতে চাই যদি আপনি কিছু মনে না করেন।
:'''স্টিভ অস্টিন''': অবশ্যই।
:'''জিম রস''': প্রথমত সামারস্ল্যামে ওওয়েন হার্টের আঘাতে আপনার যে শারীরিক অবস্থা হয়েছিল সেই সম্পর্কে কিছু বলুন। দ্বিতীয়ত ডাক্তাররা আপনাকে কী বলেছে? আর সবশেষে ডাব্লিউডাব্লিউএফএ আপনার ভবিষ্যৎ কী বলে আপনি মনে করেন?
:'''স্টিভ অস্টিন''': চলুন সামারস্ল্যাম দিয়েই শুরু করি। আসল কথা হলো আমি এখনও ইন্টারকন্টিনেন্টাল চ্যাম্পিয়ন। ঠিক তো?
:'''জিম রস''': ঠিক।
:'''স্টিভ অস্টিন''': তাহলে ওটাই শেষ কথা। তবে ওই ম্যাচের শেষে যখন ওওয়েন হার্ট আমার মাথায় আঘাত করল— আমার ওজন প্রায় ২৫০ পাউন্ড সেটা মাথায় নিয়ে মাটিতে আছাড় খেলে যা হওয়ার তা-ই হয়েছিল! প্রায় ৫০ সেকেন্ড আমি আমার হাত পা নাড়াতে পারছিলাম না। আমি জানতাম না যে আমি আর কোনোদিন নড়াচড়া করতে পারব কি না! মুহূর্তটা খুব ভয়ানক ছিল। তবে আমি ওটা কাটিয়ে উঠেছি। আমি ওই ভিডিওটা অন্তত ৩০-৪০ বার দেখেছি আর প্রতিবারই দেখে খুব খারাপ লেগেছে! কিন্তু আমি এখন ঠিক আছি নড়াচড়া করতে পারছি আর সেটাই বড় কথা! তবে ওওয়েন হার্টকে এর মাসুল দিতে হবে! মাথায় আঘাত পেয়ে আমার যে অবস্থা হয়েছিল তার বদলা আমি নেবই। আমি এখন খুব রেগে আছি। না আমি শুধু রেগে নেই আমি প্রচণ্ড ক্ষিপ্ত হয়ে আছি। তবে লোকে বলে রেগে যাওয়ার চেয়ে নিজেকে শান্ত রাখা ভালো। কিন্তু ওওয়েন হার্ট যখন আমার সামনে আসবে তখন ও বুঝবে কত ধানে কত চাল। আর কী প্রশ্ন ছিল আপনার?
:'''জিম রস''': ডাক্তাররা... আপনি তো বেশ কয়েকজন ডাক্তার দেখিয়েছেন...
:'''স্টিভ অস্টিন''': আমি কয়েকজন ডাক্তার দেখিয়েছি। একজন তো বলল যে "হয়তো আপনার অন্য কিছু করা উচিত।" শোনো স্টিভ অস্টিন অন্য কিছু করতে জানে না। আমি কুস্তি লড়তে জানি আর আমিই বিশ্বের সেরা রেসলার। কেউ আমায় অন্য কিছু বোঝাতে পারবে না! কাল আমি দেশের সেরা মেরুদণ্ড বিশেষজ্ঞকে দেখাতে যাচ্ছি। উনি কী বলবেন তা দিয়ে আমার কিছু যায় আসে না। শেষ সিদ্ধান্ত আমারই হবে! উনি হয়তো বলবেন এটা করবেন না ওটা করবেন না। কিন্তু আমি যা চাই তা-ই করব। তবে একটা কথা নিশ্চিত যে ওওয়েন হার্টকে আমি ছাড়ব না! ও আমার সাথে যা করেছে তার ফল ও পাবেই। আমার জীবনের যদি শেষ পদক্ষেপও হয় তবে আমি ওকে পিটিয়ে তক্তা করে দেব। আমি জানি না কবে কোথায় বা কীভাবে হবে কিন্তু এটা হবেই।
:আর আমার ভবিষ্যতের কথা যদি বলেন— আমি যখন কথা বলছি তখন মাঝখানে নাক গলাবেন না ঠিক আছে? আমার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আমি এটাই বলব যে স্টিভ অস্টিন আবার সেই কালো প্যান্ট আর কালো বুট পরে রিংয়ে ফিরবে। আমি কয়েক দিন বা কয়েক সপ্তাহ বিশ্রাম নেব কারণ বাড়িতে বসে নিজের প্যারালাইজড হওয়ার ভিডিও বারবার দেখলে যে কেউ হতাশ হয়ে পড়বে! আমি প্রচুর বিয়ার খেয়েছি আর নিজের গাড়িতে ঘুরে ঘুরে এই সব নিয়ে ভেবেছি। তবে আমি কাল ডাক্তার দেখাব। তবে আমার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আমি এটাই জানি যে আমি স্টোন কোল্ড স্টিভ অস্টিন হয়েই থাকব এবং ডাব্লিউডাব্লিউএফের শীর্ষে পৌঁছাব ঠিক যেমনটা এতদিন করে এসেছি! এই সব সরকারি নিয়ম আর আজেবাজে জিনিসের পরোয়া আমি করি না। এখানে পৌঁছাতে আমার আট বছর সময় লেগেছে! আপনি যদি ভাবেন একটা আছাড় খেয়ে আমি থেমে যাব তবে আপনি ভুল ভাবছেন। হয়তো এতে আমার গতি একটু কমেছে কিন্তু আমি থামব না। যে কোনো জায়গায় যে কোনো সময় আমি থাকব! হয়তো বেল্টটা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য অথবা যদি আমি অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই তার জন্য। তবে আমার মনে হয় না অবসর নেওয়ার সময় হয়েছে। আমি আবার সেই কালো প্যান্ট আর বুট পরে আসব আর কাউকে ধরে আচ্ছা মতো পিটাব! আমি জানি না কী ম্যাচ হবে কোনো ট্যাগ টিম ম্যাচ বা ওই জাতীয় কিছু। ঠিক বলছি তো?
:'''জিম রস''': ঠিক তাই।
:'''স্টিভ অস্টিন''': ঠিক আছে আমি সেখানে থাকব! আর স্টিভ অস্টিন এখন আগের চেয়েও বেশি বিপজ্জনক হয়ে ফিরে আসবে। আমি এখন অনেক বেশি ক্ষিপ্ত আর সেটাই আমাকে আরও ভয়ংকর করে তুলেছে। আর কিছু বলার আছে আপনার?
:'''জিম রস''': না স্যার।
:'''স্টিভ অস্টিন''': তবে এখান থেকে বিদায় হোন।
=== ২২ সেপ্টেম্বর ===
:''[পুলিশ অস্টিনকে গ্রেফতার করার আগে ভিন্স রিংয়ে এলেন]''
:'''ভিন্স''': তোমার হয়েছেটা কী?! নিজেকে একটু সামলাও!
:'''ললার''': ওকে গ্রেফতার করুন!
:'''ভিন্স''': ''[পুলিশদের]'' আমায় এক মিনিট সময় দিন। শুধু এক মিনিট! ''[অস্টিনকে]'' তোমার সমস্যা কী? তোমাকে চ্যাম্পিয়নশিপ বেল্টগুলো ফিরিয়ে দিতে হয়েছে তাই সবাই তোমার ওপর বিরক্ত। আমি বুঝতে পারছি তুমি কেন রেগে আছো। কিন্তু আইন হাতে তুলে নিও না!
:'''ললার''': ও তো অলরেডি আইন ভেঙেছে... দেখুন কাণ্ড!
:'''জিম রস''': স্টোন কোল্ড নিউ ইয়র্কের পুলিশদের সাথে লড়াই করে জিততে পারবেন না।
:'''ভিন্স''': তুমি কি বুঝতে পারছ না? তুমি কেন লড়তে পারবে না তা কি তোমার মাথায় ঢুকছে না? তুমি কি জানো না কেন? তুমি এখন শারীরিকভাবে লড়ার মতো অবস্থায় নেই। ডাক্তাররা বলেছে তুমি তৈরি নও। যদি তুমি লড়তে যাও তবে তুমি সারাজীবনের মতো পঙ্গু হয়ে যেতে পারো! ডাব্লিউডাব্লিউএফ তোমাকে তা করতে দেবে না। এখানকার মানুষ তোমাকে হুইলচেয়ারে দেখতে চায় না! সবাই তোমাকে লড়তে দেখতে চায়। কিন্তু তার জন্য সময়ের দরকার স্টিভ। সঠিক সময়ের অপেক্ষা করো। ''[অস্টিন নিজের ঘড়ির দিকে তাকালেন]''
:'''ললার''': ম্যাকম্যানের নাটক শুরু হয়ে গেছে।
:'''ভিন্স''': নিজেকে সামলাও।
:'''জিম রস''': উনি সত্যি কথাই বলছেন। কথাগুলোর যুক্তি আছে।
:'''ললার''': ওই পুলিশদের সাথে কথা বলাই ভালো। আমি তো বলব ওকে সোজা জেলে ভরে দিন!
:'''ভিন্স''': শোনো তুমি কি জানো মানুষ তোমাকে কতটা ভালোবাসে? ডাব্লিউডাব্লিউএফ তোমাকে গুরুত্ব দেয়। সবাই তোমার কথা ভাবে। তোমাকে শুধু নিয়ম মেনে চলতে হবে। সহজ কথা হলো তোমাকে সিস্টেমের মধ্যে থাকতে হবে।
:'''স্টিভ অস্টিন''': আপনি খুব ভালো করেই জানেন যে এটাই আমার রুটি রুজি। আমি এটাই করতে জানি আর আমিই যে সেরা তা সবাই জানে। কিছু বলবেন না একদম চুপ! আপনি আমাকে সিস্টেম শেখাচ্ছেন? আপনি তো আমার মতো বাড়িতে হাত পা গুটিয়ে বসে নেই। তবে আপনি বা ডাব্লিউডাব্লিউএফ যদি এতেই খুশি হন তবে ঠিক আছে। আমি আপনাদের এই ফালতু সিস্টেম মেনেই চলব।
:'''ভিন্স''': এখানকার মানুষ তো এটাই চ—
:'''স্টিভ অস্টিন''': আপনারা আমার কথা ভাবছেন তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আর আমি এটাও বলতে চাই যে... আপনি আমার পা চাটতে পারেন!
:''[অস্টিন ম্যাকম্যানকে লাথি মেরে স্টোন কোল্ড স্টানার দিলেন]''
:'''জিম রস''': ওহ খোদা! এ কী হলো!
:'''ললার''': ওকে জেলে ভরে দিন! এখনই ওকে জেলে নিয়ে যান!
<hr width=50%/>
:''[হান্টার হার্স্ট হেলমসলি রিংয়ে ডুড লাভের জন্য অপেক্ষা করছেন কিন্তু ডুড লাভ পর্দায় ভেসে উঠলেন]''
:'''ডুড লাভ''': ওহ হো হো! দয়া করো বন্ধু! হান্টার আর তোমার সঙ্গী চায়না তোমরা নিশ্চয়ই ভাবছো যে ডুড লাভ এখানে কী করছে? হান্টার বন্ধু আমার মনে হয় আমাদের একটু আড্ডা দেওয়া দরকার। কারণ তুমি যে লড়াইয়ের কথা বলছো— যেখানে সেখানে মারপিট করাটা ঠিক আমার ধাতে নেই। রাস্তায় বা হট ডগের দোকানে আছাড় খাওয়াটা আমার সাজে না। তবে আমি একজনকে চিনি যে এই সব কাজে ওস্তাদ। সে আমার খুব কাছের মানুষ। তাকে আমরা একটু দয়ালু মানুষও বলতে পারি। চলুন ওকে ডেকে নিই।
:''[ম্যানকাইন্ডের গান বাজতে শুরু করল এবং ম্যানকাইন্ড সামনে এলেন]''
:'''ডুড লাভ''': হো হো ম্যানকাইন্ড বন্ধু এসেছো তবে! তোমাকে এই আড্ডায় পেয়ে খুব ভালো লাগল।
:'''ম্যানকাইন্ড''': হাই ডুড। আমায় এখানে ডাকার জন্য ধন্যবাদ।
:'''ডুড লাভ''': আরে সব আনন্দ তো আমার।
:'''ম্যানকাইন্ড''': তুমি সত্যিই মেয়েদের খুব প্রিয় ডুড।
:'''ডুড লাভ''': সেটা তো আমি জানিই। কিন্তু এই আজব ম্যাচটার কথা বলো।
:'''ম্যানকাইন্ড''': ডুড আমি হান্টার হার্স্ট হেলমসলিকে ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়ার স্বপ্ন দেখি ঠিকই...
:'''ডুড লাভ''': আমি জানি তুমি তা পারো।
:'''ম্যানকাইন্ড''': ...আমি ওর সাথে অনেক খারাপ কিছু করতে চাই...
:'''ডুড লাভ''': আমি জানি তুমি তা করবে।
:'''ম্যানকাইন্ড''': তবে আমি একজনকে চিনি যে আমার চেয়েও বেশি ক্ষিপ্ত হয়ে আছে।
:'''ডুড লাভ''': সে কে ম্যানি?
:'''ম্যানকাইন্ড''': এমন একজন যে আমার চেয়েও ভয়ংকর সব কাজ করতে রাজি।
:'''ডুড লাভ''': ওহ না তুমি কি তার কথাই ভাবছো যা আমি ভাবছি?
:'''ম্যানকাইন্ড''': হ্যাঁ আমি ঠিক সেটাই ভাবছি যা তুমি ভাবছো।
:'''ডুড লাভ''': ওকে কি ডেকে আনা যায়?
:'''ম্যানকাইন্ড''': এই তো ও আসছে।
:'''ডুড লাভ''': ও কোথায়?
:'''ম্যানকাইন্ড''': ক্যাকটাস জ্যাক ফিরে এসেছে!
:''[ক্যাকটাস জ্যাক ময়লার ঝুড়ি নিয়ে সামনে এলেন এবং হান্টার ঘাবড়ে গেলেন]''
:'''ডুড লাভ''': আমায় একটা চিমটি কাটো কেউ আমি তো ভেবেছিলাম ও শেষ!
:'''ম্যানকাইন্ড''': ও বেঁচে আছে। ও ফিরে এসেছে!
:'''ক্যাকটাস জ্যাক''': হেলমসলি আজ তোমার জীবনের সবচেয়ে অন্ধকার দিন হতে যাচ্ছে। কারণ এটা ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেন আর মিক ফোলির সেই হারানো রূপ আজ ঘরে ফিরে এসেছে। ব্যাং ব্যাং!
:'''ডুড লাভ''': বিদায় হান্টার! ভালো থেকো বন্ধু!
:'''ললার''': এ কী হচ্ছে দুনিয়ায়!?
:'''জিম রস''': ওহ খোদা! কঠিন সময়ের জন্য কঠিন সিদ্ধান্তই দরকার!
:''[রিংয়ে ময়লার ঝুড়ি আর ঝাড়ু ছুড়ে ফেলে ক্যাকটাস জ্যাক রিংয়ে ঢুকলেন]''
:'''জিম রস''': যে মানুষ পেরেক আর কাঁটাতারের ওপর লড়েছে এবং নিজের গায়ে আগুন লাগিয়েছে তার জন্য এটা তো ছেলেখেলা!
=== ৬ অক্টোবর ===
:''[পল বেয়ারার এবং কেন রিংয়ে দাঁড়িয়ে আছেন]''
:'''পল বেয়ারার''': এখন যখন সবার নজর আমার দিকে— হ্যাঁ এই মোটা মানুষটাকে দেখে হাসুন। হাসুন মন ভরে। আমায় যা খুশি বলে গালি দিন। কিন্তু আসল হাসিটা হওয়া উচিত আপনাদের ওই হিরো আন্ডারটেকারকে নিয়ে। প্রমাণ এখানেই আছে। আমি আন্ডারটেকারের কাছে ফিরে যেতে চেয়েছিলাম কিন্তু ও আমায় তাড়িয়ে দিল। ও আমায় মেরেছে আমায় মিথ্যেবাদী বলেছে। ও আমায় পুড়িয়ে দিয়েছে!
:ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ আমি আপনাদের সামনে আন্ডারটেকারের ছোট ভাই কেনকে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি! ভালো করে দেখো আন্ডারটেকার। গত রাতে সারা দুনিয়া তোমার মুখ দেখেছিল যখন তুমি বিশ বছর পর নিজের ভাইয়ের মুখোমুখি হয়েছিলে। তোমার চোখ দেখেই বোঝা যাচ্ছিল যে তুমি ওকে চিনতে পেরেছো। হ্যাঁ ও বেঁচে আছে। ওর চোখের দিকে তাকাও আন্ডারটেকার। ওর একটা চোখ নেই। আর এর জন্য তুমিই দায়ী! বিশ বছরের সেই যন্ত্রণা আর পালিয়ে বেড়ানোর দিন শেষ। এর জন্য আন্ডারটেকার তোমাকেই ধন্যবাদ জানাতে হয়।
:আন্ডারটেকার এটা তোমার শেষ রাস্তা। আজ এই ছেলেদের দিয়ে শুরু করে আমরা পুরো ডাব্লিউডাব্লিউএফ শেষ করে দেব। একে একে সব কুস্তিগীরকে ধ্বংস করব যতক্ষণ না আমরা তোমার কাছে পৌঁছাই! কেন এখানে শুধু তোমার জন্যই এসেছে। তুমি যেখানেই তাকাও দেখবে তোমার ভাই তোমার পেছনে দাঁড়িয়ে আছে। তুমি যখনই ঘুমাতে যাবে তোমার সেই ভয়ংকর রাতের কথা মনে পড়বে। সেই আগুন! আন্ডারটেকার তোমার দুঃস্বপ্ন শুরু হলো মাত্র।
<hr width=50%/>
:'''শন''': আমি জানি ওই ট্রাকে কোনো বুদ্ধিমান মানুষ নেই। কিন্তু এটা তো একটা টেলিভিশন স্টুডিও। ভিন্স ম্যাকম্যান আপনি কি আপনার ওই গর্দভ কর্মীদের দিয়ে আমার গত রাতের পারফরম্যান্সটা একটু দেখাতে পারেন? ''[পর্দায় ভিডিও শুরু হলো কিন্তু সেটা গত রাতের নয় বরং পুরনো দিনের এক ভিডিও]'' আরে দাঁড়ান এক মিনিট!
:'''[[w:ট্রিপল এইচ|হান্টার হার্স্ট হেলমসলি]]''': ওহ খোদা এটা কী?
:'''শন''': এটা তো গত রাতের খেলা নয় এটা...
:'''হান্টার''': এটা তো ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেন!
:'''শন''': এটা ১৯৯৬ সালের ১৯ মে!
:'''হান্টার''': এটা তো তুমি শন!
:'''শন''': আর এটা... এটা তো রেজর!
:'''হান্টার''': আর ওটা তো ডিজেল!
:'''শন''': কিন্তু ওটা কে... ওটা তো আপনি ট্রিপল এইচ! এক মিনিট দাঁড়ান! আপনি তো ভিলেন ছিলেন আর আমি ছিলাম হিরো!
:'''ভিন্স''': এটা কী হচ্ছে?
:'''হান্টার''': তুমি ভালো মানুষ ছিলে আর আমি ছিলাম খারাপ মানুষ!
:'''শন''': আপনারা ওখানে কী করছিলেন? এটা তো ভিন্স ম্যাকম্যানের সবচেয়ে বড় দিন হওয়ার কথা ছিল— ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেন প্রথমবার হাউসফুল হয়েছিল... ওহ ভিডিও বন্ধ হয়ে গেল। ভিন-ম্যান আপনার কি খুব লাগছে? এই বিষয়টা কি আপনার জন্য খুব সংবেদনশীল বড় বাবু? ''[রিং থেকে নেমে ভিন্সের কাছে গেলেন]'' ভিন্নি ম্যাক কী হয়েছে আপনার? বলুন না কী হয়েছে? আপনার বাবা কি কবরে শুয়ে ছটফট করছেন? ম্যাকম্যান বংশের ঐতিহ্য কি শেষ হয়ে গেল কারণ আমি আর আমার বন্ধুরা আপনার বারোটা বাজিয়ে দিয়েছি? আরে আপনি তো আগে থেকেই অপদার্থ ছিলেন আমি শুধু সেটা প্রমাণ করে দিয়েছি!
<hr width=50%/>
:'''জিম করনেট''': আমি জিম করনেট আর আমি এখন যা বলতে যাচ্ছি তা হয়তো শুধু আমারই মত। তবে সবার এমনই ভাবা উচিত।
:আজকাল রেসলিং দুনিয়ার অনেক কিছু দেখে আমার মেজাজ খারাপ হয়। বিশেষ করে যেভাবে প্রতিভাগুলোকে অবহেলা করা হয়। যেমন আর্ন অ্যান্ডারসন যে কি না চোটের কারণে অবসর নিতে বাধ্য হলো। রিক ফ্লেয়ারের মতো একজন মানুষ যে কি না এই ব্যবসার ইতিহাসের অন্যতম সেরা প্রতিভা। ম্যানকাইন্ড বা ক্যাকটাস জ্যাকের মতো কুস্তিগীররা যারা অনেক প্রতিভাবান।
:কিন্তু ভক্তরা কাদের দিকে নজর দেয়? এনডাব্লিউও (NWO) বা নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার। ভক্তরা ভাবে এই ছেলেরা খুব স্মার্ট আর খুব মজার। কিন্তু আমার কাছে এরা হলো বাচ্চাদের মতো যারা পেছনের বাগানে গাছের ওপর ঘর বানিয়ে খেলে। এরা স্রেফ যা তা করে বেড়ায়। এদের কাজটা খুব সহজ। এদের শুধু অসভ্য আর বেয়াদবের মতো আচরণ করতে হয়।
:কেভিন ন্যাশের কথা ধরুন যার বয়স ৪০ বছর কিন্তু বাচ্চার মতো আচরণ করে। আমার মনে হয় রেসলিং দুনিয়ায় ওর মতো অপদার্থ আর কেউ নেই। ও স্রেফ কয়েকটা প্যাঁচ জানে আর নড়াচড়া করতে পারে না। কিন্তু ও শুধু মানুষের কান ভাঙাতে ওস্তাদ। ডাব্লিউডাব্লিউএফ ওকে তারকা বানানোর জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করেছে আর ও কী করল? ও কথা দিয়েও পালিয়ে গিয়ে অন্য কোম্পানিতে যোগ দিল। কেন? সেটা পরে বলছি।
:স্কট হলের কথা ধরুন যে একজন মোটামুটি মানের রেসলার। ডাব্লিউডাব্লিউএফ ওকেও তারকা বানিয়েছে কিন্তু ও-ও সুযোগ বুঝে অন্য জায়গায় পালাল।
:আর শন ওয়াল্টম্যানের কথা তো না বললেই নয়। ওর একমাত্র যোগ্যতা হলো ও যখন মাতাল হয়ে বমি করে তখন বাকিরা সেটা দেখে মজা পায়। ও-ই একমাত্র রেসলার যাকে এক কোম্পানি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল যাতে ও অন্য দিকে যেতে পারে।
:আপনারা জানেন এরা কেন এখনও চাকরি করছে? কারণ এরিক বিশফ। ও ডাব্লিউসিডাব্লিউর বস। ও কোটি কোটি টাকা নষ্ট করছে যাতে ও এই লম্বা চুলো আর চুরুট খাওয়া ছেলেদের সাথে আড্ডা দিতে পারে। ও আসলে নিজেকে বড় প্রমাণ করার জন্য এই সব করছে। আর এটাই একমাত্র কারণ যে এনডাব্লিউওর ছেলেরা এখনও টিকে আছে।
:আমার মনে হয় এখন সময় এসেছে ভক্তদের আর মালিকদের রিক ফ্লেয়ার বা ক্যাকটাস জ্যাকের মতো মানুষদের দাম দেওয়ার। যারা কঠোর পরিশ্রম করে নিজেদের জায়গা তৈরি করেছে। চাটুকারিতা করে নয়। আমি জিম করনেট আর এটাই আমার মত।
=== ১৩ অক্টোবর ===
:'''ব্রেট''': ''[শন আর হান্টারকে]'' তোমরা দুজন কেন নিচে নেমে আমার সাথে রিংয়ে লড়ছো না? তোমাদের যে কেউ আসো আমার কিছু যায় আসে না! এখনই আসো!
:'''শন''': ও কি আমাকে চ্যালেঞ্জ করছে?
:'''হান্টার''': ও কি আমাদের চ্যালেঞ্জ করছে?
:'''শন''': সাধারণত আমি এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতাম। কিন্তু আমি করব না। কেন জানেন? কারণ শেষবার যখন আমি ওর চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলাম তখন রেসলম্যানিয়ায় আমি ওকে আচ্ছা মতো পিটিয়ে ওর কাঁধের ওই বেল্টটা নিয়ে নিয়েছিলাম। সারভাইভার সিরিজেও আমি তোমার ওই খেলনা বেল্টটা আবার নিয়ে নেব। আমি তোমাকে হারিয়েছি তোমার ভাইকে হারিয়েছি আর তুমি যদি বেশি বাড়াবাড়ি করো তবে তোমার পুরো গোষ্ঠীকেই আমি পিটিয়ে ঠান্ডা করে দেব।
:'''হান্টার''': আর ব্রেট হার্ট তুমি আমার সাথে লড়তে চাও? আসো দেখি! আমি তোমাকে সারাজীবনের মতো শিক্ষা দিয়ে দেব! ওহ দাঁড়ান এক মিনিট। আমি তো গত সপ্তাহেই তোমাকে পিটিয়েছি! তাই আর দুবার মারার দরকার নেই! একবারই যথেষ্ট ছিল!
:'''শন''': আমার মাথায় এত আঘাত লেগেছে যে আমি ভুলেই গিয়েছিলাম গত সপ্তাহে আমরা ওকে কত মেরেছি। হিটম্যান শোনো। এই অনুষ্ঠানের মাঝেই আমাদের আবার দেখা হবে। আর তুমি আমাদের অসভ্য বলছো? জেনারেশন এক্স নিয়ে সবার খুব ভুল ধারণা আছে।
:'''হান্টার''': তুমি কি মনে করো তুমি অসভ্য?
:'''শন''': তুমি কি মনে করো তুমি নও?
:'''হান্টার''': মানে আমি বলতে চাইছি...
:'''শন''': আমি নিশ্চিত যে আমি একজন অসভ্য।
:'''হান্টার''': তবে আমার মনে হয় আমিও তাই।
:'''শন''': জেনারেশন এক্স সবসময় বদনাম পায় সবাই আমাদের অসভ্য বলে। আমরাই ডিজেনারেশন এক্স— ট্রিপল এইচ শন মাইকেলস চায়না আর রিক। আমরাই ডিজেনারেশন এক্স— আপনারা নিয়ম বানাবেন আর আমরা সেগুলো ভাঙব!
<hr width=50%/>
:'''জিম করনেট''': আমি জিম করনেট আর আমি এখন যা বলতে যাচ্ছি তা হয়তো আপনাদেরও মনের কথা।
:ফিল মুশনিক নামের একজন লোক আছে যে নিউ ইয়র্ক পোস্ট আর টিভি গাইডের জন্য লেখে। আপনারা হয়তো ওনার নাম শোনেননি কিন্তু ওনার সম্পর্কে জানা উচিত। কারণ উনি আপনাদের সম্পর্কে অনেক খারাপ কথা বলেছেন। এই লোকটা রেসলিং ঘৃণা করে আর ও শুধু চ্যানেল পাল্টাতে চায় না ও চায় যেন আপনারা কোনোভাবেই রেসলিং দেখতে না পারেন।
:গত কয়েক বছর ধরে ও রেসলিং বন্ধ করার জন্য একাই প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। যখন টেড টার্নার অনেক টাকা দান করলেন তখন মুশনিক বললেন যে রেসলিং কোম্পানিগুলো বন্ধ করে দেওয়াই ভালো। ভিন্স ম্যাকম্যান আর ডাব্লিউডাব্লিউএফের বিরুদ্ধে যখন মামলা হয়েছিল তখন এই লোকটাই সবচেয়ে বেশি চেঁচিয়েছিল। যদিও আদালতে ডাব্লিউডাব্লিউএফ নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছে কিন্তু মুশনিক এখনও লিখে যাচ্ছেন যেন ওরাই অপরাধী।
:মুশনিক শুধু রেসলিং ঘৃণা করে না ও রেসলিং ভক্তদেরও ঘৃণা করে। ও আপনাদের সম্পর্কে কী বলেছে শুনুন:
:"যদি পাগল আর বখাটে মানুষ না থাকতো তবে এই সব রেসলিং কোম্পানি অনেক আগেই বন্ধ হয়ে যেত। আপনারা যদি আপনাদের বাচ্চাদের রেসলিং দেখাতে নিয়ে যান তবে বুঝতে হবে আপনাদের ঠিক ভুলের জ্ঞান নেই। বেশিরভাগ রেসলিং ভক্তরাই অসভ্য আর অশিক্ষিত।"
:শুনুন মিস্টার মুশনিক আমিও একজন রেসলিং ভক্ত আর যারা পত্রিকা পড়ে তারাও তাই। আমরা টাকা দিয়ে পত্রিকা কিনি আপনাদের অপমান শোনার জন্য নয়! আমাদের বাচ্চার মানুষ করার জ্ঞান আপনার কাছ থেকে নিতে হবে না! আমরা সংবিধানে দেওয়া বাকস্বাধীনতা আর বিনোদনের অধিকার ভোগ করি। এগুলো হলো সত্যি কথা মিস্টার মুশনিক আপনার এই সব মনগড়া কথা নয়। আমার মনে হয় এখন সময় এসেছে মানুষ আপনাকে বুঝিয়ে দেবে তারা আপনার সম্পর্কে কী ভাবে।
:কিন্তু আমি এখন কেন রেগে আছি? কারণ সম্প্রতি ফিল মুশনিক ব্রায়ান পিলম্যানের মৃত্যুকে ব্যবহার করে রেসলিংয়ের বিরুদ্ধে আবার সরব হয়েছেন। উনি বলেছেন:
:"আসল সমস্যা হলো মিডিয়া রেসলিংয়ের দিকে নজর দেয় না। যদি বেসবল খেলোয়াড়রা এভাবে হঠাৎ মারা যেত তবে সারা দেশে হইচই পড়ে যেত।"
:''[করনেট এখন প্রচণ্ড রেগে আছেন]''
:ব্রায়ান পিলম্যান আমার বন্ধু ছিল। জন্মের পর থেকেই ও গলায় ক্যান্সারের সাথে লড়াই করেছে ৩৬ বার অপারেশন করিয়েছে। ফুটবল আর রেসলিংয়ের যন্ত্রণাও ও সহ্য করেছে। একটা বড় গাড়ি দুর্ঘটনা থেকে ও ফিরে এসেছিল। আর এক রাতে ও ঘুমের মাঝেই মারা গেল। আর আপনি ফিল মুশনিক ওর মৃত্যুকে নিজের ফায়দা লুটতে ব্যবহার করছেন! এটা আপনার রেসলিংয়ের বিরুদ্ধে যে কোনো মিথ্যা অভিযোগের চেয়েও বেশি জঘন্য আর নোংরা! তাই রেসলিং ভক্তদের পক্ষ থেকে ব্রায়ানের পরিবার আর বন্ধুদের পক্ষ থেকে এবং এই দেশের সব স্বাধীন মানুষের পক্ষ থেকে আমি বলছি— মিস্টার মুশনিক আপনি নরকে যান! আমরা আপনাকে ছাড়াই বেশ ভালো আছি।
:আমি জিম করনেট আর এটাই আমার মত।
=== ২৭ অক্টোবর ===
:'''জিম করনেট''': আমি জিম করনেট। আমি অবাক হয়ে ভাবি যে আমার মতো আরও মানুষ কি এই তথাকথিত হিরোদের দেখে বিরক্ত? হাল্ক হোগান আর রডি পাইপার নিজেদের বড় তারকা মনে করে শন মাইকেলসও তাই ভাবে। ব্রেট হার্টও তাই ভাবত যদি ও সারাদিন কান্নাকাটি না করত। শন মাইকেলস রিংয়ের ভেতরে অনেক প্রতিভাবান ঠিকই কিন্তু রিংয়ের বাইরে ও একটা অসভ্য ছোকরা যে নিজের ইচ্ছেমতো না চললে বাড়ি চলে যায়। ব্রেট হার্ট ইতিহাসের অন্যতম সেরা রেসলার ঠিকই কিন্তু ও যতবার নিজেকে ঠকানো হয়েছে বলে দাবি করে ততক্ষণে ও হয়তো অনেক উন্নতি করতে পারত। আর র্যান্ডি স্যাভেজ তো একজন কিংবদন্তি কিন্তু গত বছর ওর কয়টা রেকর্ড বিক্রি হয়েছে? কিন্তু গত রাতের খাঁচার লড়াইটা ছিল সবচেয়ে জঘন্য। কোম্পানি দাবি করছে এটা নাকি ইতিহাসের সেরা ম্যাচ ছিল অথচ ওটা ছিল স্রেফ সময়ের অপচয়। একদিকে এক ৪৬ বছরের টাক মাথা অভিনেতা হওয়ার চেষ্টা করছে আর অন্যদিকে এমন একজন যার কোমরে অপারেশন হয়েছে আর গত দশ বছর ধরে ঠিকমতো লড়তেই পারে না। এটা স্রেফ ওদের অহংকারের লড়াই ছিল। দশ মিনিট যেতে না যেতেই ওরা এমনভাবে হাঁপাচ্ছিল যেন দম ফুরিয়ে গেছে। দৃশ্যটা করুণ না হলে হাসিরই হতো। আমি এই সব হিরোদের গল্প শুনতে শুনতে ক্লান্ত। রডি পাইপার আমার ছোটবেলার আদর্শ ছিল কিন্তু সেটা ২০ বছর আগের কথা। হাল্ক হোগানের সোনালী দিনও অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। ... [অংশবিশেষ বাদ দেওয়া হয়েছে]
=== ১৭ নভেম্বর ===
:'''জিম রস''': চলুন কাজের কথায় আসি। সাত দিন আগে সারভাইভার সিরিজে আপনি কি ব্রেট হার্টের সাথে বেইমানি করেছিলেন?
:'''ভিন্স''': অনেকে বলবে আমি ব্রেটকে ঠকিয়েছি আর ব্রেট তো এটাই বলবে। কিন্তু আমি অন্যভাবে দেখি। আমার মনে হয় রেফারি ব্রেটকে ঠকায়নি শন মাইকেলসও ঠকায়নি আর ভিন্স ম্যাকম্যানও ঠকায়নি। আমি বিশ্বাস করি ব্রেট হার্ট নিজেই নিজের বারোটা বাজিয়েছে আর ও আয়নায় তাকালে সেটা বুঝতে পারবে।
:'''জিম রস''': আমি নিশ্চিত সারা দেশের মানুষ আপনার এই কথা মেনে নেবে না। মানুষ বুঝবে না যে আপনি "ব্রেটই ব্রেটকে ঠকিয়েছে" বলতে কী বোঝাচ্ছেন।
:'''ভিন্স''': দেখুন আমি আমার যে কোনো সিদ্ধান্তের দায় নিতে রাজি আছি। আমার সব সিদ্ধান্ত সঠিক হয় না আমি সেটা স্বীকার করি। ভুল করলে আমি ক্ষমা চাইতেও জানি। আশা করি আমার বেশিরভাগ সিদ্ধান্তই সঠিক ছিল। আর ব্রেট হার্টের কথা যদি বলি রেসলিং দুনিয়ায় একটা ঐতিহ্য আছে যে কেউ যখন কোম্পানি ছেড়ে যায় তখন সে অন্যদের প্রতি শ্রদ্ধা দেখায়। আপনি যে কোম্পানির মাধ্যমে তারকা হয়েছেন তাদের প্রতি সম্মান দেখানো উচিত। ব্রেট সেই সম্মান দেখাতে চায়নি অথচ ও নিজেকে খুব ঐতিহ্যবাদী মনে করে। আমি কল্পনাও করতে পারিনি যে ও এমনটা করবে। তাই বলছি ব্রেট নিজেই নিজের ক্ষতি করেছে।
:'''জিম রস''': অনেকে জানে যে ১৯৯৬ সালে ব্রেট ডাব্লিউডাব্লিউএফের সাথে ২০ বছরের চুক্তি করেছিল। তাহলে এখনও ১৮ বছর বাকি থাকতেই ও কীভাবে চলে গেল? ব্রেট কি চলে যেতে চেয়েছিল নাকি আপনি ওকে চলে যেতে বলেছিলেন?
:'''ভিন্স''': এটা আমাদের দুজনেরই সিদ্ধান্ত ছিল। আমি অনুভব করেছিলাম যে ব্রেটকে আমরা যে টাকা দিচ্ছি তা এখন আর যুক্তিযুক্ত নয়। আর ব্রেটের মনে হয়েছিল যে শন মাইকেলস ওর জায়গা নিয়ে নিয়েছে। তাই আর্থিক আর সৃজনশীল কারণে আমরা ঠিক করলাম ব্রেট অন্য কোথাও চলে যাক। আমরা ওর জন্য টার্নারের কোম্পানির সাথে কথা বলে এক বড় চুক্তির ব্যবস্থা করে দিই যেখানে ও বছরে ৩০ লক্ষ ডলার পাবে। আমি চেয়েছিলাম ব্রেট নিজের ভালোটা বুঝুক। আমি ওকে বলেছিলাম ও যদি ওই চুক্তি পায় তবে আমিই প্রথম ওকে অভিনন্দন জানাব। আমি ব্রেটকে হারাতে চাইনি কিন্তু ব্যবসার দিক থেকে সেটাই ঠিক ছিল।
:'''জিম রস''': সারভাইভার সিরিজের হারের তিক্ততা তো সবাই দেখেছে। ও রিংয়ে দাঁড়িয়ে আপনার মুখে থুতু দিয়েছে আর ডাব্লিউডাব্লিউএফের দামী সব যন্ত্রপাতি ভেঙেছে। আপনি কি জানতেন এমন কিছু হবে?
:'''ভিন্স''': ব্রেট যখন আমায় মারল আমি খুব হতাশ হয়েছিলাম। আমার মাথায় চোট লেগেছিল যার সমস্যা আজও আছে। ও আমায় মেরে খুব গর্ব বোধ করছে কিন্তু ওটা কোনো লড়াই ছিল না। আমি ওকে মারার সুযোগ দিয়েছিলাম কারণ আমি চেয়েছিলাম আমরা ভদ্রভাবে আলাপ করি। কিন্তু ও তা করেনি।
:'''জিম রস''': আপনি কি এই জন্য ওর বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভেবেছেন?
:'''ভিন্স''': আমি ভেবেছি। সেই সুযোগ এখনও আছে। তবে আমি এখন সেটা করছি না। এটা ব্রেটের আচরণের ওপর নির্ভর করছে।
:'''জিম রস''': আপনি যদি কোনো লেখক হতেন তবে ব্রেট হার্টের ডাব্লিউডাব্লিউএফ ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়টা কীভাবে লিখতেন?
:'''ভিন্স''': আমি একজন গল্পকার হিসেবে চেয়েছিলাম ওর শেষটা হোক মর্যাদার সাথে। ও যেন বীরের মতো বিদায় নেয়। বিদায় নেওয়ার সময় ও যদি পিন হয়ে হেরেও যেত তবুও ও যেন হাসিমুখে ওর প্রতিদ্বন্দ্বীর সাথে হাত মেলাত এবং সবাইকে দেখাত যে একজন সত্যিকারের চ্যাম্পিয়ন কীভাবে বিদায় নেয়। আমি চাইলে ও ড্রেসিংরুমের সবাইকে নিয়ে ওর ম্যাচটা দেখত যাতে পরের প্রজন্ম বুঝতে পারে কুস্তি দুনিয়ার ঐতিহ্য কী। ও বীরের মতোই বিদায় নিতে পারত।
:'''জিম রস''': আপনি কি এখনও ব্রেট হার্টকে নিজের বন্ধু মনে করেন? ওর প্রতি কি আপনার কোনো সহানুভূতি আছে?
:'''ভিন্স''': সহানুভূতি? ব্রেটের প্রতি আমার কোনো সহানুভূতি নেই। একদম না। যে মানুষ নিজের ব্যবসার প্রতি সম্মান দেখাতে জানে না তার জন্য আমার মনে কোনো জায়গা নেই। ব্রেট স্রেফ একটা স্বার্থপর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ওকে সারাজীবন এই গ্লানি নিয়ে থাকতে হবে। ব্রেটই ব্রেটকে ঠকিয়েছে।
<hr width=50%/>
:'''জিম রস''': এটা হয়তো পাগলামি শোনাবে কিন্তু ব্রেট হার্ট যদি কোনোদিন ফিরতে চায় তবে আপনি কি ওকে সুযোগ দেবেন? ও আপনার মুখে থুতু দিয়েছে আপনার অফিসের জিনিস ভেঙেছে আপনাকে মেরেছে তবুও কি আপনি ওকে ফিরতে দেবেন?
:'''ভিন্স''': এই ব্যবসাটা খুব অদ্ভুত তাই হ্যাঁ আমি ওকে ফিরতে দেব। তবে তার আগে আমাদের মধ্যে একটা পরিষ্কার কথা হতে হবে। আমি চাই ব্রেট বলুক যে "ভিন্স আমি দুঃখিত আমি স্বার্থপরের মতো কাজ করেছি।" আর আমিও বলব যে "ব্রেট আমারও খারাপ লাগছে যে আমায় ওই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল।" তবে আমি ওকে একটা কথা বলে দেব যে আর কোনো আড়ালে আবডালে আক্রমণ করা চলবে না। যদি ভবিষ্যতে কোনো সমস্যা হয় তবে সামনাসামনি মোকাবিলা করতে হবে। ও যদি এখন ওর চুক্তি ছিঁড়ে ফিরে আসতে চায় তবে আমি ওকে স্বাগত জানাব।
:'''জিম রস''': ওর চলে যাওয়ার আসল কারণ কী ছিল? ও তো বলেছে টাকার জন্য যায়নি।
:'''ভিন্স''': মাঠে অনেক দর্শক লিখে এনেছিল যে "ব্রেট নিজেকে বিক্রি করে দিয়েছে।" ব্রেট এই কথাটা শুনতে পছন্দ করে না। কিন্তু আমি গর্বিত যে আমি ওকে নিজেকে বিক্রি করতে সাহায্য করেছি। ও যা করেছে তা স্রেফ টাকার জন্যই করেছে আর এতে লজ্জার কিছু নেই। বছরে ৩০ লক্ষ ডলারের জন্য যে কেউ নিজেকে বিক্রি করবে। তাই ও যখন বলে টাকার জন্য যায়নি তখন ও নিজের বিশ্বাসযোগ্যতা হারায়।
:'''জিম রস''': ব্রেট হার্টের সাথে এই পুরো ঘটনা আপনাকে ব্যক্তিগতভাবে বেশি আঘাত করেছে নাকি ব্যবসার দিক থেকে?
:'''ভিন্স''': ব্যবসার দিক থেকে ডাব্লিউডাব্লিউএফ ব্রেট হার্টকে ছাড়াও এগিয়ে যাবে। কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে আমি খুব আঘাত পেয়েছি। আমাদের ১৪ বছরের সম্পর্ক এভাবে শেষ হওয়াটা খুব কষ্টের। আমাকে বাধ্য হয়ে ওই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল। আমার খারাপ লাগছে ওর ভক্তদের জন্য আর ওর পরিবারের জন্য যাদের এই সব সহ্য করতে হচ্ছে। আমার ছেলেও লকার রুমে এই সব নোংরামি দেখেছে যার জন্য আমি লজ্জিত। তবুও আমি মনে করি আমার সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল।
:'''জিম রস''': আপনি যদি এখন ব্রেটের সাথে কথা বলার সুযোগ পেতেন তবে কী বলতেন?
:'''ভিন্স''': লকার রুমে যা বলেছিলাম তা-ই বলতাম— ও একটা বড় ভুল করেছে যার জন্য ও সারাজীবন আফসোস করবে। আমি আমার কোম্পানি আর ভক্তদের জন্য যা করার করেছি। ও হয়তো ওর সিদ্ধান্তে অটল কিন্তু আমি আমার জায়গায় ঠিক আছি। হয়তো কোনোদিন আমাদের দেখা হবে। খুব খারাপ লাগছে যে একটা ১৪ বছরের সম্পর্ক নষ্ট হয়ে গেল কারণ একজন মানুষ ভুলে গিয়েছিল যে এটা বিনোদনের জায়গা। ও ভুলে গিয়েছিল ও কোথা থেকে এসেছে।
:'''জিম রস''': আপনি কবে নাগাদ এই সব ভুলে স্বাভাবিক হবেন?
:'''ভিন্স''': আমি এখনই স্বাভাবিক আছি। তবে ব্রেট ডাব্লিউডাব্লিউএফের একটা বড় অংশ ছিল। আমি আমাদের ভালো দিনগুলোর কথা মনে রাখব। আমি ওকে "এক্সেলেন্স অফ এক্সিকিউশন" হিসেবেই মনে রাখব। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ও এটা প্রমাণ করতে পারল না যে ওই সেরা ছিল। ওর কাছে সুযোগ ছিল বীরের মতো বিদায় নেওয়ার কিন্তু ও ব্যর্থ হয়েছে।
=== ১৫ ডিসেম্বর ===
:'''জিম রস''': স্টিভ অস্টিন যেভাবে বেরিয়ে গেল তা দেখে মনে হচ্ছে পরিস্থিতি খুব একটা ভালো নয়।
:'''জিম করনেট''': কার কথা বলছেন?
<hr width=50%>
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': ওওয়েন হার্ট আমি জানি তুমি এখানে আছো। তোমাকে দেখা গেছে। ওওয়েন আমি জানি তুমি আমার কথা শুনতে পাচ্ছো। ইদানীং তুমি রিংয়ের আশেপাশে দর্শকদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করছো যা মোটেও সহ্য করা হবে না।
:'''জিম করনেট''': ম্যাকম্যান এখন হঠাৎ নিরাপত্তারক্ষী হয়ে গেল!
:'''ভিন্স''': তুমি রিংয়ের ভেতরে এসে শন মাইকেলসের ম্যাচে ঝামেলা করছো। আমি শন মাইকেলসের পরোয়া করি না কিন্তু তুমি দর্শকদের বিপদে ফেলছো। আমি তোমাকে মনে করিয়ে দিই ওওয়েন যে তুমি এখনও ডাব্লিউডাব্লিউএফের চুক্তিতে আছো। তাই আমি তোমাকে নির্দেশ দিচ্ছি এখনই রিংয়ে এসো। ''[ওওয়েন হার্ট দর্শকদের মাঝখান থেকে রিংয়ে এলেন]'' এসব কী হচ্ছে আর তুমি নিজেকে কী মনে করো?
:'''ওওয়েন হার্ট''': নিজেকে কী মনে করি? ''[ভিন্সকে খোঁচা দিয়ে]'' আপনি নিজেকে কী মনে করেন?! আপনি কি ভাবছেন আমি আপনার কাছে ক্ষমা চাইব? আমি আপনাকে একটা কানাকড়িও দেব না! আমি সবাইকে খুশি করতে করতে ক্লান্ত আর আজ থেকে এই সব ফালতু কথা বন্ধ!
:'''জিম করনেট''': ম্যাকম্যানকে তো বেশ ভালোই সম্মান দিচ্ছে ওওয়েন!
:'''জিম রস''': পরিস্থিতি যে কোনো সময় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।
:'''ওওয়েন''': আমার ভাই ব্রেট আর বাকিরা যা করার করেছে এখন আমার পালা। আমি ডাব্লিউডাব্লিউএফএই থাকব! আমি ৯ বছর ধরে এই কোম্পানির জন্য নিজের হাড় ভাঙা খাটুনি খেটেছি। কেউ আমাকে এখান থেকে বের করতে পারবে না আর আমি কার কথা বলছি আপনি খুব ভালো করেই জানেন!
:'''ভিন্স''': হ্যাঁ আমি জানি তুমি কার কথা বলছো। তুমি ডাব্লিউডাব্লিউএফ চ্যাম্পিয়ন শন মাইকেলসের কথা বলছো। আর ওওয়েন আসল কথা তো এটাই যে তুমি ওই বেল্টটা জিততে চাও যা তুমি কোনোদিন পাওনি। সব এই চ্যাম্পিয়নশিপ নিয়েই তো তাই না?
:'''ওওয়েন''': আপনি কতটা নির্বোধ? আপনি কি ভাবছেন আমি একটা খেলনা বেল্টের জন্য এত কিছু করছি?! এটা আমার জীবন ভিন্স— আমার সম্মান আমার মর্যাদা! আমি আপনাকে অনুরোধ করছি না আমি আপনাকে সোজাসুজি বলে দিচ্ছি যে আমি শন মাইকেলসের জীবন নরক বানিয়ে দেব!
:'''জিম রস''': আজকাল সবাই এই কথাই বলছে।
:'''জিম করনেট''': আমি বুঝতে পারছি ও কী বলতে চাইছে!
:'''ভিন্স''': আমায় বলতে দিন—
:'''ওওয়েন''': এক মিনিট শুনুন। আপনারা আমায় যে নামেই ডাকুন না কেন আমার কিচ্ছু যায় আসে না!
:'''জিম রস''': এটা মোটেও ভালো লক্ষণ নয়।
:'''ওওয়েন''': শন মাইকেলস এটা কোনো খেলা নয় এটা বাস্তব জীবন। তুমি এটা শুরু করেছিলে আর এখন আমি এটা শেষ করব!
:'''জিম রস''': শন মাইকেলস আর হান্টারের জন্য বিপদ ঘনিয়ে আসছে!
:'''ভিন্স''': ঠিক আছে ওওয়েন এবার আমি কী করব তা শোনো। আমি নিরাপত্তারক্ষীদের রিংয়ে আসতে বলছি। আমি চাই না কোনো দর্শক চোট পাক। ওওয়েন আগামী সপ্তাহে তুমি সবার মতো নিয়ম মেনে রিংয়ে আসবে আর লড়বে। দর্শকদের ওপর দিয়ে লাফালাফি করা চলবে না— বুঝেছো?!
:'''জিম করনেট''': মনে হচ্ছে শহরের সব পুলিশ চলে এসেছে!
:'''জিম রস''': ওওয়েনের চোখের দিকে তাকালে ভয় লাগে। ও অনেক চাপের মধ্যে আছে।
:'''জিম করনেট''': মনে হচ্ছে একটা ক্ষুধার্ত কুকুর মাংসের দিকে তাকিয়ে আছে!
:'''জিম রস''': ও যে কোনো সময় খেপে যেতে পারে—
:''[ওওয়েন ভিন্সকে ধরে ওর চোখের দিকে তাকিয়ে থাকলেন]''
:'''জিম করনেট''': হেই!
:'''জিম রস''': ওহ একী!
:'''জিম করনেট''': ও স্রেফ দেখিয়ে দিল যে ও কী করতে পারে! শন মাইকেলস যা-ই বলুক না কেন ওওয়েন হার্ট সত্যিই সাহসী মানুষ! ''[ওওয়েন দর্শকদের মাঝখান দিয়ে বেরিয়ে গেলেন আর সবাই ওর নাম ধরে চিৎকার করছে]''
<hr width=50%>
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': বলা হয় যে ডাব্লিউডাব্লিউএফএ যে কোনো কিছু হতে পারে আর আজ তা সত্যিই প্রমাণিত। আমরা এখন দর্শকদের আরও উন্নত উপায়ে বিনোদন দেওয়ার চেষ্টা করছি। আমরা নিজেদের "স্পোর্টস এন্টারটেইনমেন্ট" বলি কারণ এতে খেলা আর বিনোদন দুই-ই আছে। ডাব্লিউডাব্লিউএফ এখন স্রেফ কুস্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই আমরা এখন সোপ অপেরা মিউজিক ভিডিও বা কার্টুনের মতো বিভিন্ন মাধ্যম থেকে আইডিয়া নিচ্ছি। আমাদের মনে হয় দর্শকরা এখন পুরনো দিনের হিরো ভিলেনের গল্প দেখে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। হাল্ক হোগানের সেই দিন এখন আর নেই। তাই আমরা এখন আরও আধুনিক আর বৈচিত্র্যময় অনুষ্ঠান নিয়ে আসছি। তবে আমাদের অনুষ্ঠানগুলো সরাসরি সম্প্রচার করা হয় বলে ছোটদের দেখার সময় বড়দের সাথে থাকা ভালো। আমরা দায়িত্বশীল প্রচারক হিসেবে আপনাদের জন্য এই অনুষ্ঠানগুলো নিয়ে আসছি... [অংশবিশেষ বাদ দেওয়া হয়েছে]
:'''জিম রস''': মনে রাখবেন ইউরোপিয়ান টাইটেল আজ ঝুঁকির মুখে। শন মাইকেলস এখানে ইউরোপিয়ান টাইটেলটি বাজি ধরছেন ঠিক যেমনটা তিনি রয়্যাল রাম্বলে আন্ডারটেকারের সাথে সেই বহুল প্রতীক্ষিত ক্যাসকেট ম্যাচে ডাব্লিউডাব্লিউএফ টাইটেলটি বাজি ধরবেন। ''[শন আর হান্টার একে অপরকে ধরলেন এবং হান্টার সাথে সাথে শনকে নিচে ধাক্কা দিলেন]'' দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হলো।
:''[হান্টার অতিরঞ্জিতভাবে রিংয়ের দড়িতে ঝুলে শনের ওপর দিয়ে প্রায় ১৪ সেকেন্ড ধরে লাফালাফি করলেন]''
:'''জিম করনেট''': দুজনের কেউই আসলে এই লড়াইটা মন থেকে চাইছে না। ও (শন) টাইটেলটা বাজি ধরতেই চায়নি।
:'''জিম রস''': এক মিনিট দাঁড়ান। শন ওখানে ওভাবে শুয়ে আছে কেন?
:'''জিম করনেট''': আর হেলমসলি কেন ওভাবে থেমে থেমে লাফাচ্ছে? এসব কী হচ্ছে?
:'''জিম রস''': এটা তো একটা তামাশা। ''[হান্টার শনের ওপর হালকাভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে ওর পা চেপে ধরলেন]'' আমরা ভেবেছিলাম... এই তো হয়ে গেল।
:''[রেফারি তিন গুনলেন। হান্টার উদযাপন করছেন আর শন কান্নার অভিনয় করছেন]''
:'''জিম করনেট''': এটা একটা চাল ছিল!
:'''টনি চিমেল''': বিজয়ী এবং নতুন ডাব্লিউডাব্লিউএফ ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন: ট্রিপল এইচ হান্টার হার্স্ট হেলমসলি!
:'''জিম করনেট''': এক বিশাল ষড়যন্ত্র! আমাদের সবাইকে বোকা বানানো হয়েছে! আমাদের চোখের সামনে ওরা নাটক সাজিয়ে আমাদের ঠকালো!
:'''জিম রস''': সার্জেন্ট স্লটার মনিটরে এসব দেখছিলেন আর উনি এখন রিংয়ের দিকে আসছেন। হেলমসলি এখন ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন। আমরা ভেবেছিলাম স্লটার হয়তো বদলা নেবেন।
:'''জিম করনেট''': এই দুই গাধার দিকে তাকান! শন যখনই এই শহরে আসে তখনই ও কান্নাকাটি শুরু করে!
=== ২৯ ডিসেম্বর ===
:'''জিম করনেট''': ডাব্লিউডাব্লিউএফ আমাকে ১৯৯৮ সালের কুস্তি দুনিয়ার হালচাল নিয়ে ধারাভাষ্য দিতে বলেছে। ওরা হয়তো ভেবেছে করনেটকে দিয়ে দু-চারটে হাসির কথা বলানো যাবে। কিন্তু আজ রাতে আমি মোটেও মজার কিছু বলব না। কারণ আমার মতে ১৯৯৮ সালের এই কুস্তি দুনিয়াটা একদম পচে গেছে! ডাব্লিউসিডাব্লিউ পচে গেছে এনডাব্লিউও পচে গেছে ইসিডাব্লিউ খুব লজ্জাজনক আর ডাব্লিউডাব্লিউএফ তো আরও জঘন্য! আর কেন এমনটা বলছি তা শোনো। গত সপ্তাহের র (Raw) এর কথা ধরুন। কেউ একজন বড়দিনের গাছের মতো সেজে এসেছে কেউ হরিণ সেজেছে আর দুজন অসভ্য ছোকরা টিভিতে নিজেদের শরীর দেখিয়ে বেড়াচ্ছে আর টাইটেলের নামে একটা ফালতু নাটক করছে! এটা জঘন্য! এটা খুবই বিরক্তিকর! কুস্তির প্রতি এখন আর কারোর কোনো সম্মান নেই! আসল কুস্তি কোথায় গেল? এখন শুধু বিনোদনের নামে নাটক চলছে! কয়েক বছর আগে আমি টেনেসির ঘরবাড়ি ছেড়ে কানেকটিকাটে এসেছিলাম ডাব্লিউডাব্লিউএফের হয়ে কাজ করতে। আমি ভেবেছিলাম এটাই বিশ্বের সবচেয়ে বড় রেসলিং কোম্পানি! কিন্তু এখানে আসার পর আমি শুধু তুষারপাত আর আকাশছোঁয়া দামের বাড়িঘরই দেখলাম। এখানকার মানুষগুলো অসম্ভব অভদ্র আর যানজট তো লেগেই আছে! আমি ডাব্লিউডাব্লিউএফের সাথে আছি বলে ভেবেছিলাম ঠিক আছে কিন্তু গত কয়েক বছরে আমি এখানে কোনো কুস্তিই দেখলাম না! এখানে অনেক ভালো রেসলার আছে কিন্তু এই সব ফালতু জিনিসের ভিড়ে তারা লড়ার সময় পায় না! আসল সমস্যা হলো যারা এই সব প্রমোশন চালাচ্ছে তারা অপদার্থ! একদিকের বস হলো মিনিয়াপোলিসের এক লোক যার দাঁত চুল আর গায়ের রঙ সবই নকল! আর ডাব্লিউডাব্লিউএফ চালাচ্ছে নিউ ইয়র্কের একদল মানুষ যারা কুস্তির কিছুই বোঝে না... [অংশবিশেষ বাদ দেওয়া হয়েছে]
== ১৯৯৮ ==
=== ৫ জানুয়ারি ===
:''[শন মাইকেলস আন্ডারটেকারকে আবার ডাকলেন আর কর্মীরা একটা ক্যাসকেট নিয়ে এল]''
:'''শন মাইকেলস''': এই ক্যাসকেটটা খুব চেনা লাগছে। ''[ক্যাসকেটের ওপর ডিজেনারেশন এক্সের গ্রাফিতি দেখে]'' আরে একটু নতুন কিছু করার চেষ্টা করো। দুঃখিত বন্ধুরা আমি ভেবেছিলাম ট্রিপল এইচ আর চায়না হয়তো এর চেয়ে ভালো কিছু করতে পারবে। এটা তো আমি গত সপ্তাহেই করেছি। ঠিক আছে হান্টার চায়না তোমরা খুব মজা করলে। ওহ আমি তো খুব ভয় পাচ্ছি! এবার বেরিয়ে এসো তোমরা। পাসওয়ার্ডটা কী ছিল? ওহ আমি ভুলে গেছি। গত সপ্তাহের সেই পাসওয়ার্ডটা— ব্রেক ইট ডাউন! ঠিক আছে তোমরা আসো। হ্যালো? ''[হান্টার আর চায়নাকে মঞ্চে দেখে শন ঘাবড়ে গেলেন]'' তোমরা যদি ওখানে থাকো তবে এই ক্যাসকেটের ভেতরে কে? ''[ক্যাসকেটের সামনে যেতেই আন্ডারটেকার বেরিয়ে এসে ওকে ভেতরে টেনে নিলেন]''
=== ১২ জানুয়ারি ===
:''[ম্যানকাইন্ড আর গোল্ডাস্টকে কুপোকাত করার পর স্টিভ অস্টিন জিম রসের হেডসেট পরে নিলেন]''
:'''স্টিভ অস্টিন''': ওহ হ্যাঁ! এই রাম্বল শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি আর কারোর সাথে ভালো ব্যবহার করছি না! জিম এয়ারপোর্টে একজন আমায় বলেছিল যে "স্টিভ তুমি যদি মনে করো তুমি রাম্বল জিতবে তবে একবার বলো ওহ হেল ইয়েহ!" আর আমি চিৎকার করে বলেছিলাম "ওহ হেল ইয়েহ!"
=== ১৯ জানুয়ারি ===
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': আমি এখন এমন একজনের সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি যে এই দুনিয়ার সবচেয়ে ভয়ংকর মানুষ! ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ— মাইক টাইসন! মাইক ডাব্লিউডাব্লিউএফের রিংয়ে আপনাকে পাওয়া আমাদের জন্য এক বিশাল সম্মানের বিষয়।
:'''মাইক টাইসন''': এখানে আসতে পেরে আমার খুব ভালো লাগছে। আমি সেই আট-নয় বছর বয়স থেকে রেসলিংয়ের ভক্ত আর আজ এখানে থাকতে পেরে আমি খুশি।
:'''ভিন্স''': ডাব্লিউডাব্লিউএফএ আপনার প্রিয় কারা ছিল?
:'''মাইক টাইসন''': ব্রুনো সামারটিনো আর নিকোলাই ভলকফ। আমি অনেক আগে থেকেই খেলা দেখি। আমি সত্যিই এখানে আসতে পেরে গর্বিত।
:'''ভিন্স''': ঠিক আছে এবার সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। আমি ঘোষণা করছি যে ২৯ মার্চ রেসলম্যানিয়ার রিংয়ে মাইক টাইসন... ''[স্টিভ অস্টিনের গানে ভিন্সের কথা থেমে গেল আর অস্টিন রিংয়ে ঢুকলেন]'' হেই! স্টিভ অস্টিন আপনি এখানে কেন?
:'''স্টিভ অস্টিন''': কারণ আমি মাইক টাইসনকে দেখে দেখে ক্লান্ত। ও এখানে এসে সবার সাথে হাত মেলাচ্ছে সবার সাথে বন্ধুত্ব করছে আর এসব দেখে আমার বমি পাচ্ছে। ''[টাইসন হাত বাড়িয়ে দিলেন]'' আমি তোমার সাথে হাত মেলাব না কারণ আমি এখানে বন্ধুত্ব করতে আসিনি। মাইক... চুপ করো। বক্সিংয়ে তুমি যা করেছো তার জন্য আমি তোমাকে শ্রদ্ধা করি। কিন্তু যখন তুমি এই রিংয়ে পা রেখেছো তখন তুমি স্টিভ অস্টিনের সাথে ঝামেলা করছো আর সেটা তোমার করা উচিত হচ্ছে না। আমি সোজাসুজি বলছি মাইক আমি তোমাকে আচ্ছা মতো পিটাতে চাই। ''[ভিন্সকে]'' আপনি চুপ করুন ভিন্স একটা কথাও বলবেন না নাহলে আপনার বাতি আমি নিভিয়ে দেব। আমি তোমাকে শ্রদ্ধা করি মাইক কিন্তু তুমি নিজেকে দুনিয়ার সবচেয়ে ভয়ংকর লোক বলছো। এখন তুমি দুনিয়ার সবচেয়ে শক্ত মনের মানুষের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছো! আমি তোমাকে যখন তখন হারিয়ে দিতে পারি। তুমি কি ভাবো তুমি আমায় হারাতে পারবে? কক্ষনো না! আমি তোমাকে হারাতে পারব? ওহ অবশ্যই পারব! তোমার কান যদি ঠিক থাকে তবে আমার কথা শোনো আর যদি বুঝতে না পারো তবে আমার ইশারাই যথেষ্ট! ''[অস্টিন টাইসনকে মাঝখানের আঙুল দেখালেন আর টাইসন রেগে গিয়ে ওকে ধাক্কা দিলেন। এরপর দুজনের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হলো আর কর্মীরা তাদের আলাদা করার চেষ্টা করল]''
:'''ভিন্স''': এখান থেকে বিদায় হোন! আপনি সবকিছু নষ্ট করে দিলেন! ''[অস্টিনের দিকে তাকিয়ে]'' আপনি সবকিছু শেষ করে দিলেন অস্টিন! সবকিছু নষ্ট করলেন!
=== ২ ফেব্রুয়ারি ===
:'''শন মাইকেলস''': শুভ সন্ধ্যা আমার প্রিয় আমেরিকান ভাইয়েরা। গত সপ্তাহে ডিজেনারেশন এক্সকে জানানো হয়েছে যে আমাদের অনুষ্ঠানগুলোর ওপর কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে আমাদের সাবধান হতে হবে। আমরা যখনই কোনো ভালো কাজ করতে যাই তখনই ঝামেলায় পড়ি। তাই ডিজেনারেশন এক্স এখন থেকে কিছু নিয়ম মেনে চলার কথা দিচ্ছে।
:'''ট্রিপল এইচ''': রাত ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত আমরা শুধু সাধারণ কিছু গালি ব্যবহার করব। আমরা কোনো খারাপ শব্দ বা বর্ণবাদী মন্তব্য করব না। রাত ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত আমরা আরও সাবধান থাকব। আর ভিডিওর ক্ষেত্রেও আমরা আপত্তিকর দৃশ্য কম দেখাব।
:'''শন মাইকেলস''': ওহ একী!
:'''হান্টার''': নিজের মুখ সামলে কথা বলো শন!
:'''শন''': ওহ যা হোক।
:'''হান্টার''': যা হোক আমরা আর আপত্তিকর কোনো ইঙ্গিত দেব না।
:'''শন''': সবশেষে আমি একটা কথা বলতে চাই। অনেকে মনে করে আমরা আড়ালে আবডালে খারাপ কাজ করি। আমি আবারও বলছি— আমি কোনো অন্যায় কাজ করিনি। আসলে আমি সারা রাত জেগে আনন্দ করেছি! ''[হান্টারের সাথে হাসছেন]''
=== ২ মার্চ ===
:'''আন্ডারটেকার''': নরকে স্বাগত! আমিই সেই শয়তান যে তোমাদের অনন্ত অন্ধকারের দিকে নিয়ে যাব। কেন তুমি আমায় হতাশ করেছো। রয়্যাল রাম্বলে এটাই কি তোমার সেরা চেষ্টা ছিল? তুমি কি ভেবেছিলে আমায় ধ্বংস করতে পারবে? তুমি কি জানো না যে তুমি এমন কাউকে ধ্বংস করতে পারো না যে শেষ হতে চায় না? আর পল বেয়ারার তোমার এত সাহস যে তুমি প্রতি সপ্তাহে এসে দাবি করো আমার নিখোঁজ হওয়ার পেছনে তুমি আছো! আসল কথা হলো আমি যখনই অন্ধকারের জগতে ফিরে যাই সেটা আমার নিজের ইচ্ছেতেই হয়। ওটা আমার মনের শান্তির জন্য দরকার ছিল। আমি এবার আমার বাবা-মায়ের আত্মার শান্তি কামনায় গিয়েছিলাম কারণ আমায় এমন একটা কাজ করতে হবে যা আমি কখনও করতে চাইনি। কেন...
:'''পল বেয়ারার''': তুমি আর আগের মতো শক্তিশালী নও! এখন আসল হিরো আমার পাশেই দাঁড়িয়ে আছে!
:''[কেন রিংয়ে আগুন জ্বালালেন কিন্তু আন্ডারটেকার আগুনের মাঝখান দিয়েই হেঁটে এলেন]''
:'''আন্ডারটেকার''': কেন আমি নরকের আগুনের মাঝখান দিয়ে হেঁটে আসব তোমার মুখোমুখি হতে! তুমি যখন তোমার বড় ভাইয়ের চোখের দিকে তাকাবে তখন বুঝবে কেন ডাব্লিউডাব্লিউএফএ সবাই আমায় ভয় পায়। তুমি বুঝবে কেন আমায় "লর্ড অফ ডার্কনেস" বলা হয়। কেন একটা কথা মনে রেখো। যখন আমরা ছোট ছিলাম আর আমাদের মধ্যে মারামারি হতো তখন মা আর বাবা এসে আমায় তোমার ওপর থেকে সরিয়ে নিত। কিন্তু এবার তোমাকে বাঁচানোর জন্য কেউ থাকবে না। তোমার পচা আত্মা নরকের কুকুরদের খাবার হবে আর তুমি শান্তিতে ঘুমাও!
=== ১৬ মার্চ ===
:'''ফ্রেডি ব্লাসি''': আমি এখনও সেই দর্শকদের চিৎকার শুনতে পাই যারা আমার নাম ধরে ডাকতো।
:'''কিলার কোয়ালস্কি''': সময় সেই গর্জন থামিয়ে দিতে পারেনি।
:'''আর্নি ল্যাড''': আমি কখনও শূন্যে ভেসে কুস্তি লড়িনি।
:'''গরিলা মনসুন''': বা রিংয়ের দড়ির ওপর দিয়ে হাঁটিনি।
:'''প্যাট প্যাটারসন''': তখন কোনো আধুনিক বাজি বা আলোর রোশনাই ছিল না।
:'''গরিলা মনসুন''': কোনো ঝলমলে আলো ছিল না।
:'''ফ্রেডি ব্লাসি''': আমরা কখনও আকাশ দিয়ে উড়তাম না।
:'''প্যাট প্যাটারসন''': আমরা ছিলাম সাহসী মানুষ।
:'''কিলার কোয়ালস্কি''': ইস্পাতের মতো শক্ত মানুষ।
:'''ফ্রেডি ব্লাসি''': আমরা কারোর পরোয়া করতাম না।
:'''আর্নি ল্যাড''': আমি আজও সেই দর্শকদের চিৎকার শুনতে পাই।
:'''গরিলা মনসুন''': কিন্তু আজ...
:'''ফ্রেডি ব্লাসি''': আজ আমি তাদের জন্য উল্লাস করি।
<hr width=50%>
:''[রিংয়ের আলো নিভে গেল এবং আন্ডারটেকার স্ক্রিনে ভেসে উঠলেন]''
:'''আন্ডারটেকার''': কেন রেসলম্যানিয়া ১৪ এ আমি তোমার ওপর প্রচণ্ড ক্রোধ নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ব!!! আমি তোমাকে নরকের সেই অগ্নিগহ্বরে পাঠিয়ে দেব। তুমি আমায় "লর্ড অফ ডার্কনেস" হিসেবেই চিনবে! ছোট ভাই তুমি আমার ক্রোধ অনুভব করেছো এখন আমি দেখাব আমি কী করতে পারি। এখন আর ফেরার পথ নেই। এখন শুধু তোমার শান্তিতে ঘুমানোর পালা!!! ''[বিদ্যুতের ঝলকানিতে একটি ক্যাসকেট খুলে গেল আর তার ভেতরের পুতুলটি জ্বলে উঠল]''
=== ২৩ মার্চ ===
:''[আন্ডারটেকার তার বাবা-মায়ের কবরের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন]''
:'''আন্ডারটেকার''': বাবা আর মা আমি জীবনে অনেক কিছু করেছি যার জন্য আমি গর্বিত নই। হয়তো আমি আপনাদের আশানুযায়ী চলতে পারিনি। আমি আশা করি আজ আপনারা আমায় বুঝবেন যে আমি এখন এক কঠিন সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি। শয়তান নিজে আমার সামনে এসে দাঁড়িয়েছে আমার নিজের ভাইয়ের রূপ ধরে। মা আমায় ক্ষমা করো আমি এক ভয়ংকর পাপ করতে যাচ্ছি কিন্তু এটা আমায় করতেই হবে। সবশেষে আমি চাই আমরা এক হয়ে শান্তিতে থাকি। কিন্তু যেহেতু তা সম্ভব নয় তাই আমি একাই এই শাস্তি ভোগ করতে রাজি আছি। আমি নরকের আগুনে পুড়তেও রাজি। আমায় যেতেই হবে কারণ আমার কাছে আর কোনো পথ খোলা নেই। আমায় লড়তেই হবে। শুধু জানবেন যে আমি আপনাদের ভালোবাসি।
=== ৩০ মার্চ ===
:''[রেসলম্যানিয়া ১৪ এর পর ট্রিপল এইচ আর চায়না রিংয়ে এলেন]''
:'''ট্রিপল এইচ''': জানেন ২৪ ঘণ্টায় অনেক কিছু বদলে যেতে পারে। মাইক টাইসনের কথা দিয়েই শুরু করি। আমি হাজার বার জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে ও কি আমাদের সাথে আছে? ও কি আমাদের দলের অংশ? আমাকে বলা হয়েছিল "চিন্তা করো না আমি সব সামলে নেব পাসওয়ার্ড মনে রেখো সব ঠিক হয়ে যাবে।"
:কিন্তু শন মাইকেলস তুমি সুযোগ হারিয়েছো। তবে চিন্তা করো না কারণ ট্রিপল এইচ সব সামলে নিয়েছে আর এখন সব ক্ষমতা আমার হাতে! আমিই সব সমস্যার সমাধান করব আর আমিই সিদ্ধান্ত নেব। আজ থেকে ডিজেনারেশন এক্সে নতুন যুগের সূচনা হলো। আজ আমি ডিএক্স আর্মি গঠন করছি যা শুরু থেকেই হওয়া উচিত ছিল। আর যখন আপনি একটা সেনাবাহিনী গঠন করবেন তখন আপনি আপনার নিজের লোক আর বন্ধুদের দিকেই তাকাবেন। ''[মঞ্চের দিকে ইশারা করলেন আর শন ওয়াল্টম্যান রিংয়ে এলেন]'' দুই বছর দাসত্ব করার পর মনের ভেতরে অনেক ক্ষোভ জমে থাকে। বলো ওদের বন্ধু।
:'''শন ওয়াল্টম্যান''': আলবানি নিউ ইয়র্ক সবাই চিৎকার করো! প্রথমত আমি একটা কথা পরিষ্কার করে দিই। আমি হাল্ক হোগানকে টিভিতে বলতে শুনেছি যে আমি নাকি কুস্তির কিছুই বুঝি না। শোনো হাল্ক হোগান তুমি একদম বাজে বকছো! তোমার মতো লোকের কুস্তি নিয়ে জ্ঞান দেওয়ার কোনো যোগ্যতাই নেই। আর হাল্ক তোমার জন্য আমার একটা পরামর্শ আছে। তুমি এরিক বিশফকে যতটা তোয়াজ করছো তাতে ও কোনোদিন তোমার পেটের ভেতরে ঢুকে যাবে!
:আর এখন কাজের কথায় আসি। আমি নিজের মতোই ছিলাম কিন্তু হঠাৎ আমার প্রিয় বন্ধু ট্রিপল এইচ আমায় ফোন করে বলল যে ডিজেনারেশন এক্সের সাহায্য দরকার। শোনো ট্রিপল এইচ তোমার জন্য আমি যে কোনো কিছু করতে রাজি। আর একটা কথা— কেভিন ন্যাশ আর স্কট হল আজ আমাদের সাথেই থাকতো যদি না ডাব্লিউসিডাব্লিউ ওদের বন্দী করে রাখতো। এটা সত্যি আর এরিক বিশফ তুমি এটা হজম করো! আজ থেকে ডিজেনারেশন এক্সের নতুন যাত্রা শুরু হলো আর আমরা ডাব্লিউডাব্লিউএফ কাঁপিয়ে দেব... আজ থেকেই তার শুরু!!!!
:'''ট্রিপল এইচ''': আর হ্যাঁ তোমাদের জন্য আমার দুটো শব্দ আছে...
:'''শন ওয়াল্টম্যান''': সাক ইট!
:'''ট্রিপল এইচ''': হ্যাঁ!
<hr width=50%>
:''[পল বেয়ারার আন্ডারটেকারকে নিয়ে বিদ্রূপ করছেন]''
:'''পল বেয়ারার''': আন্ডারটেকার! দেখো তোমার ভাইকে। তুমি কি ভেবেছিলে গত রাতের লড়াইয়ের পর সব শেষ হয়ে গেছে? তুমি কি সত্যিই তাই ভেবেছিলে!? তুমি তোমার নিজের ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে আছো যে তোমার সেই বিখ্যাত মার খাওয়ার পরও উঠে দাঁড়িয়েছে। একবার নয় দুবার! ও চাইলে তিনবারও উঠতে পারতো! আন্ডারটেকার তুমি কি জানো না? আমি জানি তোমার মনের ভেতরে এখন কী চলছে!
:তুমি তোমার নিজের ভাইয়ের মুখোমুখি হয়েছিলে। ও তোমাকে গত রাতে আচ্ছা মতো পিটিয়েছে। সারা দুনিয়া তা দেখেছে! তুমি কোণায় ভয়ে লুকিয়ে ছিলে যখন তোমার ভাই তোমার মাথায় আঘাত করছিল। গত রাতে আমি যখন হোটেলে ফিরে ঘুমাচ্ছিলাম তখন আমি এক আজব স্বপ্ন দেখলাম! কেন আমি একটা স্বপ্ন দেখেছি! সেই স্বপ্নে আমি দেখলাম একটা কুস্তির রিং চারদিকে আগুন দিয়ে ঘেরা। আর সেই রিংয়ের মাঝখানে কেন একলা দাঁড়িয়ে আছে। আন্ডারটেকার আমি তোমাকে চ্যালেঞ্জ করছি আমার সেই স্বপ্নে পা রাখার জন্য। আগুনের রিংয়ে ঢোকার সাহস দেখাও আর তোমার ভাইয়ের মুখোমুখি হও! তবে স্বপ্নের শেষটা আরও ভয়ংকর... এই ম্যাচে জিততে হলে আন্ডারটেকার হয় তোমাকে অথবা তোমার ভাইকে আগুনে পুড়তে হবে! যে হারবে তাকেই আগুনে জ্বলতে হবে!
<hr width=50%>
:''[স্টিভ অস্টিন গ্রেফতার হওয়ার পর জেল থেকে ফোন করেছেন]''
:'''স্টিভ অস্টিন''': ওহ খোদা আমি স্টিভ অস্টিন বলছি। জেল থেকে ফোন করার পর ভিন্স ম্যাকম্যান নিশ্চয়ই ভেবেছিলেন আমি কোনো উকিলকে ফোন করব? হা হা! সেটা হচ্ছে না! আমি চাই আপনি ভিন্স ম্যাকম্যানকে সরাসরি গিয়ে বলেন যে ও একটা আস্ত জঘন্য লোক। আর আমি যতদূর জানি কাউকে স্টোন কোল্ড স্টানার দেওয়া কোনো মৃত্যুদণ্ড পাওয়ার মতো অপরাধ নয়। তার মানে ভিন্স ম্যাকম্যানের এখন বারোটা বাজতে চলেছে। আগামী সপ্তাহে র (RAW) অনুষ্ঠানে ও বুঝতে পারবে স্টিভ অস্টিন কতটা ক্ষিপ্ত হয়ে আছে। ওর রাতটা মোটেও সুখকর হবে না আর আমি ওর বাড়িতে গিয়েও ওকে শিক্ষা দিয়ে আসতে পারি। ভিন্স ম্যাকম্যান মনে রেখো স্টিভ অস্টিন বলেছে যে ও তোমার দফারফা করে দেবে আর সেটাই হবে!
=== ৬ এপ্রিল ===
:''[ক্যাকটাস জ্যাক রিংয়ে এলেন]''
:'''ক্যাকটাস জ্যাক''': আমি রিংয়ে সবসময় জীবনের ঝুঁকি নিয়েছি আর এই কয়েক বছরে আমার সাথে অনেক খারাপ কিছু ঘটেছে। কিন্তু আমি সবসময় একটা শান্তিতে ছিলাম যে আমি যা কিছু অর্জন করেছি বা যা চেয়েছি তা এই যন্ত্রণার চেয়েও দামী ছিল। মানুষ আমায় জিজ্ঞাসা করে "ক্যাকটাস তোমার ঘাড়ের কী অবস্থা?" আমি বলি যে ডিজেনারেশন এক্সের মতো কিছু বখাটে ছেলে আমায় থামিয়ে দেবে তা ভাবাই ভুল।
:টেরি ফাঙ্ক এখানে নেই ওর সাথে আমার কথা হয়নি কিন্তু আমি ওর ফোনে মেসেজ দিয়েছি। আমি এটা বীরত্ব দেখানোর জন্য বলছি না কিন্তু ক্যাকটাস জ্যাক আর টেরি ফাঙ্ক কখনও কুস্তি লড়াই মিস করে না! তাই ফাঙ্ক যদি চোট পেয়ে বাড়ি ফিরে যায় তবে বুঝতে হবে চোটটা বেশ গুরুতর। আমি চাই মানুষ টেরি ফাঙ্ককে আরও ভালোভাবে চিনুক কারণ কুস্তি দুনিয়ায় কে সেরা তা নিয়ে অনেক বিতর্ক হতে পারে কিন্তু যে কাউকে জিজ্ঞাসা করলে সে বলবে যে টেরি ফাঙ্ক হলো সবচেয়ে সাহসী মানুষ।
:আপনারা হয়তো টেরির চোটের কথা জানেন আর আমি আশা করি আপনারা রেসলম্যানিয়ার সেই চমৎকার লড়াইটা দেখেছিলেন। টেরি ওর চ্যাম্পিয়নশিপ বেল্টটা নিয়ে শুয়ে ছিল আর বলেছিল "ক্যাকটাস আমি ঠিক আছি কারণ এটাই আমার ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ।" টেরি সবসময় চ্যাম্পিয়ন হিসেবে অবসর নিতে চেয়েছিল কিন্তু ও বলেছিল "ক্যাকটাস আমাদের কাছে তো এখন ওই বেল্টগুলো নেই তাই না?" আমি তার কারণ বলতে চাই না কিন্তু একটা কথা বলব। যখন আমি আর টেরি রিংয়ে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিলাম তখন আমি কানে একটা ঘোষণা শুনতে পেলাম। ওরা ডাব্লিউডাব্লিউএফ অনুষ্ঠানে আসার জন্য দর্শকদের ধন্যবাদ দিচ্ছিল আর স্টিভ অস্টিনের নাম নিচ্ছিল। তখন দেখলাম মানুষ অস্টিনের নাম ধরে চিৎকার করছে। মজার ব্যাপার হলো আমি যখন দুই বছর আগে ম্যানকাইন্ড হিসেবে এখানে এলাম তখন মানুষ বলতো "তুমি ক্যাকটাস জ্যাক হও না কেন?" তারপর আমি যখন রঙচঙে পোশাক পরে এলাম তখন মানুষ আবার সেই একই কথা বলতো। আমি তোমাদের ক্যাকটাস জ্যাক দিয়েছিলাম। আমি আমার শরীরের সব শক্তি নিংড়ে দিয়ে লড়েছিলাম আর যখন আমি যন্ত্রণায় পড়ে আছি তখন তোমরা অন্য কারোর নাম ধরে চিৎকার করছিলে...
:আমি স্টিভ অস্টিনকে নিয়ে খারাপ কিছু বলছি না! ও চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বলে আমি খুশি আর ও আমার বন্ধু। কিন্তু আমি আর টেরি রিংয়ে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছি আর তোমরা যা করলে তা মোটেও শোভন নয়। এটা ছিল চরম অসম্মানজনক আর জঘন্য... আমি তোমাদের ক্ষমা চাওয়ার একটা সুযোগ দিচ্ছি। ''[দর্শকদের গালি শুনে]'' ঠিক আছে। ১৩ বছরের রক্ত আর ঘাম ঝরানোর পর আমার মনে হচ্ছে এগুলোর কোনো দাম নেই। আর কখনও ক্যাকটাস জ্যাককে রিংয়ে দেখা যাবে না। ''[মাইক ফেলে চলে গেলেন]''
=== ১৩ এপ্রিল ===
:''[শেন ম্যাকম্যান আর জিম রস ভিন্সকে অনুরোধ করছেন যেন ও অস্টিনের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ না করে]''
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': তুমি গাড়িতে যাও ঠিক আছে? আমার ব্যাগটা নিয়ে আসো।
:'''শেন ম্যাকম্যান''': এটা আপনার জীবনের সবচেয়ে ভুল সিদ্ধান্ত।
:'''ভিন্স''': হতে পারে।
:'''জেরাল্ড ব্রিসকো''': না এটা ভুল সিদ্ধান্ত নয়।
:'''শেন''': এটা আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় বোকামি!
:'''জেরাল্ড''': একদম না!
:'''ভিন্স''': আর আপনি জিম রস আপনি গিয়ে আপনার কাজ করুন ধন্যবাদ।
=== ২৭ এপ্রিল ===
:''[ডিজেনারেশন এক্সের সদস্যরা একটি সামরিক জিপের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন]''
:'''ট্রিপল এইচ''': সাবধান! ''[সবাই সাবধান হয়ে দাঁড়ালেন]'' বিশ্রাম! আমি বলেছি বিশ্রাম! ভালো। সোজা হয়ে দাঁড়াও সেনা। আজ আমরা এক অভিযানে বের হচ্ছি। আমরা শত্রুকে দেখতে পেয়েছি আর শত্রু খুব কাছেই আছে। তাই আজ আমরা ওখানে যাব।
:'''অন্যান্যরা''': কোথায় স্যার?
:'''ট্রিপল এইচ''': ওখানে! আর আমরা ওদের উড়িয়ে দেব। আমাদের অভিযান শুরু হবে ডাব্লিউসিডাব্লিউর আস্তানা থেকে আর শেষ হবে আজ রাতে আমাদের র (RAW) এর রিংয়ে। তোমরা যদি এই অভিযানে আমার সাথে থাকো তবে সবাই এক হয়ে বলো ডিজেনারেশন এক্স— সাক ইট! ''[সবাই জিপে উঠে বসলেন]''
:'''ট্রিপল এইচ''': আক্রমণ করো!!!
<hr width=50%>
:''[পল বেয়ারার কেনকে নিয়ে এক গোপন তথ্য ফাঁস করলেন]''
:'''জিম রস''': আন্ডারটেকার তো শুনে অবাক হয়ে গেছে। আমরা জানতে পারলাম যে পল বেয়ারারই হলো কেনের আসল বাবা।
:'''জেরি ললার''': আর এর মানে কী তা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন? এর মানে হলো পল বেয়ারারকে আন্ডারটেকারের মায়ের সাথে রাত কাটাতে হয়েছিল!
:'''জিম রস''': ওহ খোদা...
:'''জেরি ললার''': ওরে বাবা!! ''[শুনে হাসতে শুরু করলেন]''
=== ৪ মে ===
:'''মিক ফোলি''': এই গান বন্ধ করো... কেউ কি এখানে আমার নাম জানে? সত্যি বলতে আমি নিজেই জানি না আমি কে। আমি স্টিভ অস্টিনকে হারিয়েছিলাম— আমার কাছে চ্যাম্পিয়নশিপ বেল্ট নেই ঠিকই কিন্তু আমি জেতার খুব কাছে ছিলাম। আর যারা স্টিভ অস্টিনের মার খায়নি তারা বুঝবে না সেটা কতটা যন্ত্রণার। অস্টিনকেও যদি জিজ্ঞাসা করেন তবে ও-ও বলবে ও মোটেও ভালো নেই।
:এত কিছুর পর আমি কী পেলাম? আমি কি চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য আবার লড়াই করার সুযোগ পেলাম? না! সেই সুযোগ দেওয়া হলো গোল্ডাস্টকে। আমি চ্যাম্পিয়নের সাথে চোখে চোখ রেখে লড়েছি আর গোল্ডাস্ট কী করেছে? ও মেয়েদের অন্তর্বাস পরে ঘুরে বেরিয়েছে। আর এখন ডাব্লিউডাব্লিউএফ আমায় বলছে যে টেরি ফাঙ্কের সাথে আমায় লড়তে হবে। আমি জানি ভিন্স ম্যাকম্যান কী ভাবছেন— "ওরা দুজন একে অপরকে মেরে শেষ করে ফেলুক তাহলে আর আমায় ঝামেলা পোয়াতে হবে না।"
:দেখুন আমার কাছে সব প্রশ্নের উত্তর নেই কিন্তু আমি কয়েকটা বিষয় পরিষ্কার করে দিতে চাই। প্রথমত আমি ১৩ বছরের হাড়ভাঙা খাটুনি ভিন্স ম্যাকম্যানের মতো একটা নিচু লোকের জন্য বিসর্জন দেব না। দ্বিতীয়ত আমি চাই না আমার স্ত্রী আর বাচ্চারা আমায় টিভিতে উল্টোপাল্টা নাচানাচি করতে দেখুক। আর তৃতীয়ত আমি এই জোকারের পোশাক আর কোনোদিন পরব না। আমি ভিন্স ম্যাকম্যানকে এখানে চাই কারণ আমি ক্যাকটাস জ্যাক এখন কিছু উত্তর চাই! আমি আপনার উত্তরের অপেক্ষায় আছি! ভিন্স ম্যাকম্যান আপনি যদি পুরুষ মানুষ হন তবে সামনে এসে কথা বলুন। ''[ভিন্স রিংয়ে এলেন]'' ভিন্স আপনি এই পোশাকটা পুড়িয়ে ফেলুন বা নিজে পরুন আমার কিছু যায় আসে না কিন্তু আপনি আমায় আর গাধা সাজাতে পারবেন না... বুঝেছেন?
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': তোমার এত সাহস যে তুমি আমাকে ডাকছো? আমি ডাব্লিউডাব্লিউএফের মালিক! তুমি নিজেকে কী মনে করো? শোনো তুমি অস্টিনকে হারিয়েছো ঠিকই কিন্তু শেষ পর্যন্ত কাজটা করে দেখাতে পারোনি কারণ স্টিভ অস্টিনই এখনও চ্যাম্পিয়ন!
:আর গোল্ডাস্ট সুযোগ পেয়েছে বলে তুমি কান্নাকাটি করছো? তুমি স্রেফ অজুহাত খুঁজছো ঠিক যেমন বাকি সাধারণ মানুষরা পদোন্নতি না পেলে অজুহাত দেয়। আমি তোমার কাছ থেকে আরও ভালো কিছু আশা করেছিলাম। আর তুমি ভাবছো তোমার প্রিয় বন্ধু টেরি ফাঙ্কের সাথে ম্যাচ দিয়ে আমি তোমাকে শাস্তি দিচ্ছি?
:'''মিক ফোলি''': হ্যাঁ আমি তাই মনে করি!
:'''ভিন্স''': এটা কোনো শাস্তি নয় এটা তোমার জন্য একটা বড় পুরস্কার!
:'''মিক''': কীভাবে?
:'''ভিন্স''': কারণ আমি বিশ্বাস করি তুমি আর আমি একই রকম। আমি যে কোনো বিপদকে সুযোগে পরিণত করতে জানি। তোমার বন্ধুর সাথে এই ম্যাচটা তোমার জন্য এক বিশাল সুযোগ। আমি এই সুযোগটা তোমাকে ছাড়া আর কাউকেই দিতাম না... তুমি কি দেখতে পাচ্ছো না?
:কারণ তুমি যদি এই সুযোগটা কাজে লাগাও তোমার বন্ধুকে যদি তুমি রিংয়ে আচ্ছা মতো পিটিয়ে ওর বুক থেকে কলিজা ছিঁড়ে বের করে আনতে পারো আর সেই রক্তে যদি তোমার গা ভিজে যায়... তবেই তুমি প্রমাণ করতে পারবে যে তুমি চ্যাম্পিয়ন হওয়ার যোগ্য! তুমি স্টিভ অস্টিনকে হারানোর ক্ষমতা রাখো!
:আমার তোমার ওপর বিশ্বাস আছে! আমি জানি তোমার ওই পাগলাটে মাথার ভেতরে অনেক বুদ্ধি আছে। তুমি এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আবার এক নম্বর দাবিদার হতে পারবে। তুমি ডুড লাভের পোশাক আমায় দেখালে... এখন সত্যিটা শুনে কেমন লাগছে?
:আমার তোমার ওপর বিশ্বাস আছে! আমি জানি তোমার ওই পাগলাটে মাথার ভেতরে অনেক বুদ্ধি আছে। তুমি এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আবার এক নম্বর দাবিদার হতে পারবে। তুমি ডুড লাভের পোশাক আমায় দেখালে... এখন সত্যিটা শুনে কেমন লাগছে?
<hr width=50%>
:''[জেরি ললার যখন পল বেয়ারারের সাক্ষাৎকার নিচ্ছিলেন তখন ক্যামেরা যে চালু আছে তা কেউ খেয়াল করেনি আর জেরি কেনকে নিয়ে অনেক প্রশ্ন করছিলেন]''
:'''পল বেয়ারার''': আমি তো আগেই বলেছি। আমি সারা দুনিয়াকে জানিয়ে দিয়েছি যে ও আমার ছেলে। ও আমারই ছেলে জেরি ব্যাস এটুকুই।
:'''জেরি দ্য কিং ললার''': ধুর কি যে বলেন— আপনি আমায় বলছেন—
:'''পল বেয়ারার''': ও আমার ছেলে!
:'''ললার''': আপনি বলছেন—
:'''পল বেয়ারার''': তুমি কি আমায় বিশ্বাস করছো না?
:'''ললার''': আপনি বলতে চাইছেন আপনি আন্ডারটেকারের মায়ের সাথে রাত কাটিয়েছিলেন?
:'''পল বেয়ারার''': হ্যাঁ আমি কাটিয়েছিলাম। ঠিক আছে।
:'''ললার''': আমায় একটু খুলে বলুন তো...
:'''পল বেয়ারার''': জেরি আমি কি তোমাকে বিশ্বাস করতে পারি?
:'''ললার''': আমি কাউকে বলব না।
:'''পল বেয়ারার''': আমার বয়স তখন ১৯ বছর আর আমি সেই ফিউনারেল হোমেই ছিলাম। মঙ্গলবার রাতে আমি বন্ধুদের সাথে কুস্তি দেখতে যেতাম আর বিয়ার খেতাম। একদিন ফিউনারেল হোমে ফিরে দেখি ও (আন্ডারটেকারের মা) খুব সুন্দর একটা পোশাক পরে দাঁড়িয়ে আছে। আমি এর আগে কোনোদিন কোনো মেয়ের সাথে রাত কাটাইনি। আমি তখন এখনকার মতো এত মোটা ছিলাম না জেরি তখন আমি বেশ দেখতে ছিলাম।
:'''ললার''': ওহ তাই নাকি?
:'''পল বেয়ারার''': হ্যাঁ! যা হোক আমি দরজায় পা রাখতেই ও আমায় ওখানেই জাপটে ধরল! একদম ওখানেই!
:'''ললার''': কোথায় রিংয়ের ভেতর না অন্য কোথাও?
:'''পল বেয়ারার''': না না রান্নাঘরের মেঝেতে।
:'''ললার''': ওহ না!
:'''পল বেয়ারার''': হ্যাঁ ফিউনারেল হোমের রান্নাঘরের মেঝেতে।
:'''ললার''': ''[হাসতে হাসতে]'' পল বেয়ারার তবে আন্ডারটেকারের মায়ের সাথে রান্নাঘরের মেঝেতেই প্রেম করছিলেন!
:'''পল বেয়ারার''': ফিউনারেল হোমের ওপরের ঘরের রান্নাঘরে।
:'''ললার''': কসম করে বলেন।
:'''পল বেয়ারার''': কসম করে বলছি এটাই সত্যি। এভাবেই সবকিছু হয়েছিল। আমি তখন ১৯ বছরের এক নিষ্পাপ ছেলে ছিলাম আর ওর কাছেই আমার সব সঁপে দিয়েছিলাম। এটা সত্যি!
:'''ললার''': পল বেয়ারার তবে আন্ডারটেকারের মায়ের সাথে বেশ ভালোই সময় কাটিয়েছেন।
:'''পল বেয়ারার''': চারদিকে তখন শুধু আমাদের চিৎকারের শব্দ ছিল... আর তখনই আমি সিঁড়ি দিয়ে কারও নেমে আসার শব্দ পেলাম। ভাগ্যিস আমি সাথে সাথে উঠে পড়েছিলাম কারণ ওটা ছিল পিচ্চি আন্ডারটেকার। ও একদম ঠিক সময়ে চলে এসেছিল। ও যদি আর দু পা এগোত তবে দেখত ওর মায়ের এক পা নিউ ইয়র্কে আর অন্য পা লস অ্যাঞ্জেলেসে!!! ''[দুজনেই হাসতে শুরু করলেন]''
:'''ললার''': ভাবুন তো আন্ডারটেকার যদি ওর মাকে আর পল বেয়ারারকে ওভাবে দেখে ফেলত তবে কী হতো?
=== ২৫ মে ===
:''[স্টিভ অস্টিন ক্ষমা প্রার্থনা গ্রহণ করার পর ভিন্স ম্যাকম্যান রিংয়ে ফিরে এলেন]''
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': অস্টিন আশা করি আজ রাতে তুমি বেশ আনন্দ করেছো। নিজের কাজের জন্য নিশ্চয়ই খুব গর্ববোধ করছো। তোমার সাহস কত বড় যে তুমি আমায় সবার সামনে অপরাধীর মতো গ্রেফতার করালে! আমার ঘাড়ের ওপর বিয়ার ঢেলে দিলে আর তারপর আমায় ক্ষমা চাইতে বাধ্য করলে যা আমি মোটেও মন থেকে চাইনি!!! আর হ্যাঁ তুমি শর্ত দিয়েছো যে এই রবিবার ম্যাচের সময় আমায় পাহারা দিতে হবে যাতে আমি ঠিকঠাক বিচার করি। আমি সেই শর্তও মেনে নিলাম কারণ ইদানীং মুক্তি পাওয়া গডজিলার মুভি ছাড়া এই ডাব্লিউডাব্লিউএফএ এমন কেউ নেই যে আমায় ভয় দেখাতে পারে!
=== ১ জুন ===
:''[স্টিভ অস্টিনকে হারাতে ব্যর্থ হওয়ার পর মিক ফোলি ভিন্স ম্যাকম্যানকে চ্যালেঞ্জ করলেন]''
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': তুমি কি এটা আবার করতে চাও? এখনই করো ''[চেয়ারের দিকে ইশারা করে]'' ওই তো চেয়ারটা ওখানে। আসো দেখি মিক আসো... আমায় মারো! চেয়ারটা নিয়ে আমায় মারো— আর ভাবো তোমার বাচ্চাদের কলেজের পড়াশোনার কথা যা ওই এক আঘাতেই শেষ হয়ে যাবে! আসো বন্ধু আমায় মারো! তোমার ওই নতুন বাড়িটার কথা ভাবো যার কিস্তি তোমাকে আরও ২০ বছর টানতে হবে! বিশ বছর!! আমায় মারো চেয়ার দিয়ে মারো! তোমার বাবা-মায়ের জন্য জমানো টাকার কথা ভাবো এক মুহূর্তেই সব শেষ হয়ে যাবে। আসো মিক... আমায় মারো। ''[ভিন্সের কথায় মিক ফোলি রিংয়ে বসে পড়লেন]'' তোমার যদি একটুও সাহস থাকে তবে আমায় এই চেয়ার দিয়ে মারো!! আসো! শোনো আমি স্টিভ অস্টিনকে এখনও তাড়াইনি কারণ ওর জন্য আমার পকেট ভারি হচ্ছে। কিন্তু তুমি জানো তুমি আমার জন্য কী? তুমি স্রেফ এক দলা নোংরা! তাই আজ থেকে ডাব্লিউডাব্লিউএফএ তোমার আর কোনো দরকার নেই। তোমাকে কাজ থেকে বের করে দেওয়া হলো।
<hr width=50%>
:''[আন্ডারটেকার সাধারণ পোশাকে রিংয়ে এলেন]''
:'''আন্ডারটেকার''': একদম শুরু থেকে শুরু করি যখন আমি দশ বছর আগে ডাব্লিউডাব্লিউএফএ প্রথম পা রেখেছিলাম। ভিন্স ম্যাকম্যান তখন প্রতিভাবানদের সুযোগ দেওয়ার জন্য পরিচিত ছিলেন। তিনি আমায় আন্ডারটেকার হওয়ার সুযোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানেই শুরু আর ওখানেই সব শেষ। এখানে আসার পর আমিই ছিলাম সবার ত্রাস। ভিন্স জানতেন যে আমি ওনার প্রতি অনুগত থাকব তাই ওনার যত শত্রু ছিল সবাইকে ওনার রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য আমায় ব্যবহার করতেন। আমি ওদের ধ্বংস করতাম আর সামনে এগিয়ে যেতাম। আমি ওনার সাম্রাজ্য রক্ষা করেছি যাতে ওনার পছন্দের চ্যাম্পিয়নরা শান্তিতে থাকতে পারে। আমি জানতাম একদিন আমারও সময় আসবে। আমি চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম ঠিকই কিন্তু সেই সময়টা খুব একটা লম্বা ছিল না। কারণ ভিন্স ম্যাকম্যান কখনও চাননি যে আন্ডারটেকারের মতো কেউ ডাব্লিউডাব্লিউএফের মুখ হোক। তবুও আমি অনুগত ছিলাম এমনকি অনেকে যখন টাকার জন্য অন্য কোম্পানিতে চলে গেল তখনও আমি যাইনি। আমি ওনার পাশেই ছিলাম। আর এর বদলে আমি কী পেলাম? উনি আমায় আমার নিজের ভাইয়ের সাথে লড়তে বাধ্য করলেন। পল বেয়ারারকে সুযোগ দিলেন আমার জীবনের সব ট্র্যাজেডি নিয়ে সবার সামনে কথা বলার। কেন জানেন? কারণ উনি রেটিং চেয়েছিলেন! আমার জীবনের দুঃখ বেঁচে উনি ব্যবসা করতে চেয়েছিলেন। তবুও আমি হাল ছাড়িনি লড়াই চালিয়ে গেছি আর এরই মধ্যে স্টিভ অস্টিন সবার ওপরে উঠে এল। অস্টিনের বিরুদ্ধে আমার কোনো অভিযোগ নেই কিন্তু— [অংশবিশেষ বাদ দেওয়া হয়েছে]
:''[ভিন্স ম্যাকম্যান রিংয়ে এসে আন্ডারটেকারের হাত থেকে মাইক নিয়ে নিলেন]''
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': আমি তোমার সব প্রশ্নের উত্তর দেব কিন্তু আগে আমার কথা শোনো! আমি তোমার জন্য এত কিছু করেছি আর তুমি গত সপ্তাহে আমায় আচ্ছা মতো আছাড় দিলে! গত রাতে তুমি আমার মাথার ওপর শকুনের মতো ঘুরে বেড়ালে— কেন? আমার নজর পাওয়ার জন্য? এই তো পেলে! তুমি তোমার আনুগত্য আর সম্মানের কথা বলছো— আমি তার প্রশংসা করি কিন্তু আসল কথা হলো তুমি ইদানীং আমার জন্য কী করেছো?
:আর তোমার পরিবারের কথা যদি বলো— আমার একটা প্রশ্ন আছে। পল বেয়ারার কি সত্যি বলেছিল যে তোমার মা একজন চরিত্রহীন মহিলা ছিলেন? তুমি কি উত্তর চাও? তুমি এক নম্বর দাবিদার হতে চাও তাই তো? ঠিক আছে তুমি সুযোগ পাবে। আজ রাতে যদি তুমি তোমার প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারাতে পারো তবে তুমিই হবে এক নম্বর দাবিদার। তবে দেখি আন্ডারটেকার তুমি কী করো যখন তোমাকে তোমার নিজের ভাই কেনের মুখোমুখি হতে হবে!!!
=== ৬ জুলাই ===
:''[কেন অস্টিনের এক নম্বর দাবিদার হওয়ার জন্য ম্যানকাইন্ডকে হারালেন আর ভিন্স আর অস্টিন তা মনিটরে দেখছেন]''
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': অস্টিন এখন কী হবে? কেন তো তৈরি...
:'''জেরি ললার''': দেখুন দেখুন... ''[কেন ওর মুখোশ খুললেন আর দেখা গেল ওটা আসলে আন্ডারটেকার]''
:'''জিম রস''': ওটা কেন নয়! ওটা আন্ডারটেকার... আন্ডারটেকার অস্টিনকে ইশারা করে বুঝিয়ে দিচ্ছেন যে ও-ই এখন এক নম্বর দাবিদার!!!
=== ২৭ জুলাই ===
:'''ইয়ামাগুচি-সান''': ভাল ভেনিস আমার দিকে তাকাও! শোনো! কাইয়েনতাই তোমাকে আগামী সপ্তাহে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। ভাল ভেনিস শোনো— আমরা ওই ম্যাচ জেতার পর তোমাকে একটা বড় সারপ্রাইজ দেব! ''[ইয়ামাগুচি একটি তলোয়ার দিয়ে রান্নাঘরের বড় একটা সসেজ দুই টুকরো করে দিলেন]''
:'''জিম রস''': এটা তো একটা ভয়ংকর ইঙ্গিত...
:'''ইয়ামাগুচি-সান''': আমি তোমার অঙ্গ কেটে টুকরো টুকরো করে দেব!! হা হা হা!!!
=== ৩ আগস্ট ===
:''[তাকা মিচিনোকু ভাল ভেনিসের সাথে বেইমানি করলেন]''
:'''জিম রস''': এসব কী হচ্ছে? তাকা কেন এমন করল?
:'''তাকা মিচিনোকু''': ও আমার বোন! আমার বোন!!!
:'''জেরি ললার''': ও কী বলল? ওনার বোন?
:'''জিম রস''': ইয়ামাগুচির স্ত্রী কি তাকা মিচিনোকুর বোন?
:'''ললার''': ও তো তাই বলছে। এখন সবকিছু পরিষ্কার হলো জেআর। ভাল ভেনিস শুধু ইয়ামাগুচিকে নয় তাকার পুরো পরিবারকে অপমান করেছে!
=== ১০ আগস্ট ===
:'''জেরি ললার''': ভেনিস আপনি কি এখনও টিকে আছেন?
:'''ভাল ভেনিস''': হ্যালো লেডিস। আজ আমি আপনাদের সামনে এক অন্য মানুষ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছি— আগের অর্ধেক হয়ে গেছি ঠিকই কিন্তু লোকে বলে যে তলোয়ার দিয়ে আঘাত করে তাকে সেই আঘাতই পেতে হয়। কিন্তু আজ আমি আপনাদের একটা কথা বলব— ভাল ভেনিস এখনও বেঁচে আছে আর ও লড়াই করার জন্য তৈরি! আমার বন্ধু জন ওয়েন ববিটের সাহায্যে আমি ঠিক সময়ে রক্ষা পেয়েছি আর এখন আমি আগের চেয়েও বেশি শক্তিশালী।
:'''জন ওয়েন ববিট''': আমরা একদম খাদের কিনারায় ছিলাম কিন্তু শেষ পর্যন্ত রক্ষা পেয়েছি।
:'''ললার''': জন আমি কথা বাড়াতে চাই না— তবে আমি জানি আপনার প্রাক্তন স্ত্রী আপনার সাথে যা করেছিল তা সবাই জানে।
:'''ভাল ভেনিস''': সোনামণি অনেক লম্বা পথ পাড়ি দিয়েছি কিন্তু আজই তার শেষ! শোনো কোনো মেয়েই আমার জন্য এত ঝামেলার যোগ্য নয়— কেউ না! আশা করি তুমি আনন্দ পেয়েছো কারণ এখন তোমার বিদায় হওয়ার সময়! তোমার ব্যাগ গুছিয়ে এখনই এখান থেকে বিদায় হও। বিদায় বিবি!
=== ১৪ সেপ্টেম্বর ===
:'''ভাল ভেনিস''': ক্ষমা চাইব? কেন ডাস্টিন? কারণ আমি কঠোর পরিশ্রম করি? নাকি আমি জীবনটা উপভোগ করি বলে? আর শোনো ডাস্টিন কাজের কথা যখন উঠলই তখন তোমাকে আমার নতুন ভিডিওটা দেখাই— যার নাম "দ্য প্রিচার্স ওয়াইফ"। ''[পর্দায় একটি ভিডিও চালু হলো যেখানে ভাল ভেনিস আর ডাস্টিনের স্ত্রী টেরি রানেলসকে একসাথে দেখা যাচ্ছে]''
:'''ভাল ভেনিস''': হ্যালো ডাস্টিন। গত রাতে তুমি আমায় পেছন থেকে আক্রমণ করেছিলে তাই আমার একটু আরামের দরকার ছিল। হোটেলে ফেরার পর আমি এমন একজনকে ফোন করলাম যে আমার সব ক্লান্তি দূর করে দিতে পারে। ''[কম্বলের ভেতর থেকে টেরি রানেলস বেরিয়ে এল]''
:'''টেরি রানেলস''': হাই ডাস্টিন।
:'''ভাল ভেনিস''': বারবার বারবার হবে...
:'''ডাস্টিন রানেলস''': ওহ খোদা... ''[হাঁটু গেড়ে বসে পড়লেন]''
:'''ভাল ভেনিস''': হাঁটু গেড়ে বসাটা তো তোমাদের বংশগত স্বভাব ডাস্টিন!!!
=== ২৮ সেপ্টেম্বর ===
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': আমার কথা শেষ করার আগেই আন্ডারটেকার আর কেন তোমরা ডাব্লিউডাব্লিউএফ চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য তৈরি হয়েছিলে। আমাদের মধ্যে শর্ত ছিল যে তোমরা যদি স্টিভ অস্টিনকে আমার থেকে দূরে রাখতে পারো তবেই তোমরা টাইটেল ম্যাচ পাবে। কিন্তু এক সপ্তাহে অস্টিন তিন তিনবার আমায় আক্রমণ করেছে!!
:'''জেরি ললার''': একদম ঠিক।
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': তাই শোনো তোমরা তোমাদের কথা রাখোনি আমিও আমার কথা রাখব না! তোমরা চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য লড়বে ১৮ অক্টোবর জাজমেন্ট ডে অনুষ্ঠানে একে অপরের বিরুদ্ধে...
:'''জিম রস''': তিন সপ্তাহ পর জাজমেন্ট ডে-তে ওদের ম্যাচ হবে।
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': আর যেহেতু তোমরা অস্টিনকে সামলাতে পারোনি তাই আমি অস্টিনকেই ওই ম্যাচের স্পেশাল রেফারি বানিয়ে দিচ্ছি।
:'''জিম রস''': ওহ খোদা একী কাণ্ড!
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': অস্টিন আমি শুধু দেখতে চাই যে তুমি যখন নিজের হাতে এই দুই দানবের একজনকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করবে তখন তোমার কেমন লাগে।
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': আর দর্শকদের জন্য আমি আজ রাতে এক বিশেষ ম্যাচের ব্যবস্থা করেছি। আজ রাতে আন্ডারটেকার আর কেন একসাথে লড়বে তিনজনের বিরুদ্ধে...
:'''জিম রস''': তিনজন?
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': কেন শ্যামরক ম্যানকাইন্ড আর দ্য রক!
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': শুভকামনা রইল তোমাদের জন্য। আমার তো মনে হয় তোমাদের সাহায্য দরকার কারণ তোমাদের একজন শারীরিকভাবে অক্ষম আর অন্যজন মানসিকভাবে। ভালো থেকো দুজনে।
:''[আন্ডারটেকার ভিন্সকে ধরলেন]''
:'''আন্ডারটেকার''': নিজের মুখ সামলে কথা বলবেন ম্যাকম্যান নাহলে পরের বার আপনি নিজেই পঙ্গু হয়ে যাবেন— এটা আমার কথা রইল।
<hr width=50%>
:''[কেন আর আন্ডারটেকার মিলে ভিন্স ম্যাকম্যানের পা ভেঙে দিলেন]''
:'''জিম রস''': ওহ না ভিন্সের পা সিঁড়ির ওপর রাখা আর আন্ডারটেকার সিঁড়িটা তুলছে— না না না!! ওহ খোদা ভিন্স ম্যাকম্যানের পা বোধহয় চুরমার হয়ে গেছে!!
:'''জেরি ললার''': নাড়াচাড়া করবেন না একদম নাড়াবেন না!
:'''জিম রস''': ভিন্স যন্ত্রণায় ছটফট করছেন। জাজমেন্ট ডে-র দুই প্রতিদ্বন্দ্বী মিলে ওনার এই অবস্থা করল!
:'''ললার''': জেআর এটা কীভাবে হলো? ওনার জন্য ডাক্তার ডাকুন!!!!
:'''প্যাট প্যাটারসন''': ওরা ওনার পা ভেঙে দিয়েছে! কাউকে ডাকুন জলদি!
:'''জিম রস''': ভিন্সের জন্য অ্যাম্বুলেন্স দরকার। ওহ খোদা আর কী কী দেখতে হবে আজ!
=== ৫ অক্টোবর ===
:'''নার্স''': আমার তো মনে হয় সব ঠিক আছে। ডাক্তার আপনার কী মনে হয়?
:'''স্টিভ অস্টিন''': নার্স আমি এখান থেকে সামলে নিচ্ছি আপনি যান।
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': না!
:''[অস্টিন ভিন্সকে আক্রমণ করলেন]''
:'''ভিন্স''': ওকে সরাও আমার ওপর থেকে!
:'''স্টিভ অস্টিন''': তোমার পায়ের কী খবর? ''[অস্টিন ভিন্সের ভাঙা পায়ে আঘাত করলেন আর ভিন্স যন্ত্রণায় চিৎকার করে উঠলেন]'' এখন কেমন লাগছে?
:''[অস্টিন একটা পাত্র দিয়ে ভিন্সের মাথায় মারলেন আর ভিন্স খাট থেকে পড়ে গেলেন]''
:'''স্টিভ অস্টিন''': উঠে দাঁড়া আবর্জনা কোথাকার! উঠে দাঁড়া বলছি! ডাক্তার অস্টিন চলে এসেছে এখন এমারজেন্সি!
:'''ভিন্স''': না না না!!
:'''স্টিভ অস্টিন''': সবাই দূরে সরো শক্ দেব এখন! ''[অস্টিন ভিন্সকে ইলেকট্রিক শক্ দিলেন]''
:'''ভিন্স''': না প্লিজ দয়া করো! আমায় বাঁচান কেউ!
:'''স্টিভ অস্টিন''': আমি সবসময় জানতাম তোমার ভেতরে শুধু নোংরা ভর্তি। আজ আমি সব পরিষ্কার করে দেব! এতে আমার চেয়ে তোমার বেশি লাগবে! ''[অস্টিন ভিন্সের সাথে এক জঘন্য আচরণ করলেন আর ভিন্স চিৎকার করতে লাগলেন]''
=== ১২ অক্টোবর ===
:''[রিংয়ের পাশে একটা সিমেন্ট বোঝাই ট্রাক এল]''
:'''জিম রস''': ওটা আবার কী?
:'''জেরি ললার''': ওটা কী জেআর?
:'''জিম রস''': ওটা কি...?
:'''জেরি ললার''': ওটা একটা সিমেন্টের ট্রাক আর ওটা স্টিভ অস্টিন চালাচ্ছে।
:'''জিম রস''': ওহ খোদা অস্টিন চলে এসেছে।
:'''জেরি ললার''': ওই পাগলটা এবার কী করতে চায়? আগে জ্যাম্বোনি চালিয়েছে আর এখন সিমেন্টের ট্রাক?
:'''জিম রস''': বন্ধুরা এবার এক ভয়ংকর কিছু হতে যাচ্ছে। সাপ চলে এসেছে এবার ম্যাকম্যানের কপালে দুঃখ আছে।
<hr width=50%>
:'''মাইকেল কোল''': স্টিভ অস্টিন আপনি একী করছেন? সিমেন্টের ট্রাক কেন?
:'''স্টিভ অস্টিন''': তুমি তো শুনতেই পেয়েছো। আমায় এখানে নেমন্তন্ন করা হয়েছে তাই আমি এসেছি। তবে ওই এক পা কাটা ভিন্স ম্যাকম্যানকে বাইরে আসতে বলো কারণ আমি এখন যা করতে যাচ্ছি তা ওনার পরিবারের সবার খুব পছন্দ হবে। বাইরে আসো ভিন্স আমি আমার যন্ত্রপাতিগুলো একটু পরীক্ষা করে দেখতে চাই।
<hr width=50%>
:''[স্টিভ অস্টিন ট্রাক চালিয়ে ভিন্সের প্রিয় গাড়ির দিকে এগোচ্ছেন]''
:'''জিম রস''': দাঁড়ান এক মিনিট।
:'''জেরি ললার''': আমি জানতাম জেআর ও গাড়িটা চাপা দেবে। আমাদের ওপর দিয়ে চালিয়ে দেবে ও!
:'''জিম রস''': এক মিনিট ও বোধহয়... ও গাড়িটা চাপা দিচ্ছে না।
:'''ললার''': আরে দাঁড়ান!
:'''জিম রস''': ওহ খোদা আমি বিশ্বাস করতে পারছি না।
:'''ললার''': আপনি এটা করতে পারেন না!
:'''জিম রস''': আমি নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছি না।
:'''ললার''': মিস্টার ম্যাকম্যান! দেখুন একী হচ্ছে!
:'''জিম রস''': ওটা ভিন্সের সংগ্রহের অন্যতম দামী গাড়ি।
:'''ললার''': ওটা ৫০ হাজার ডলারের গাড়ি! না জেআর! ''[গাড়ির ভেতর সিমেন্ট ঢেলে দেওয়া হলো]'' না না না!
:'''জিম রস''': ওহ খোদা অস্টিন ভিন্সের গাড়ির ভেতর সিমেন্ট ভরে দিচ্ছে।
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': ''[মনিটরে দেখে চিৎকার করছেন]'' ওটা আমার গাড়ি!!!!
:'''জিম রস''': সিমেন্টের চাপে গাড়ির জানলা আর কাঁচ সব ভেঙে চুরমার হয়ে যাচ্ছে।
:'''ললার''': ওহ না!
:'''জিম রস''': ভিন্সের প্রিয় গাড়িটা অস্টিন একদম নষ্ট করে দিল।
:'''ললার''': না না না!
:'''জিম রস''': অস্টিন এবার ট্রাক থেকে নামছে আর আমাদের দিকেই আসছে।
:'''ললার''': পুলিশ ডাকুন কেউ জলদি!!!
:'''জিম রস''': ৯১১ এ ফোন দিন কেউ!
<hr width=50%>
:'''স্টিভ অস্টিন''': প্রথমত আমায় এখানে ডাকার জন্য ভিন্সকে ধন্যবাদ। তবে আমি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি কারণ বোধহয় ঠিকানায় একটু ভুল হয়েছিল তাই অস্টিন কনস্ট্রাকশন কোম্পানি এখানে চলে এসেছে। শোনো ভিন্স তুমি আমায় ঠকিয়েছো আর এখন তুমি নিজের ভাগ্য নিজেই লিখে ফেলেছো। যতক্ষণ স্টিভ অস্টিন এখানে আছে আর তুমিও আছো ততক্ষণ আমি তোমার জীবন নরক বানিয়ে দেব আর এটাই শেষ কথা! আর এই রবিবার আমি স্পেশাল রেফারি হচ্ছি— আমি রেফারি হিসেবে বেশ ভালো কাজ করব। তোমরা কি চাও আমি রেফারি হই? ''[দর্শকরা চিৎকার করে সম্মতি জানাল]'' আমি তোমাদের বলে দিচ্ছি ওই দুই দানব একে অপরকে পিটিয়ে তক্তা করার পর স্টিভ অস্টিন শুধু নিজের হাতটাই ওপরে তুলবে।
:'''জেরি ললার''': কী বলল ও?
:'''স্티브 অস্টিন''': আর ভিন্স তুমি এর কিছুই করতে পারবে না। ''[ভিন্স হুইলচেয়ারে করে সামনে এলেন সাথে পুলিশ আর কুকুর]'' ওহ আমাদের বড় বাবু চলে এসেছেন!
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': তুমি কী বলছিলে যেন? অস্টিন ওকে ধরো! ধরো ওকে!!! ''[কুকুর দেখে অস্টিন থেমে গেলেন আর ওকে আঙুল দেখালেন]'' হ্যাঁ অস্টিন সাহস থাকলে সামনে আসো! নিজের কাজের জন্য খুব গর্ব হচ্ছে তাই না? অন্যের সম্পত্তি নষ্ট করার অধিকার তোমাকে কে দিয়েছে? আমার সংগ্রহ করা একটা দামী গাড়ি তুমি শেষ করে দিলে! আশা করি তোমার ওই কোম্পানি তোমাকে ভালো বুট দিয়েছে কারণ আজ রাতে তোমার ওটা লাগবেই! আজ রাতে তুমি এই রিংয়ে লড়বে। তবে তুমি একা নও— আমি তোমার জন্য এক পার্টনার খুঁজেছি যাকে সবাই রকি বা দ্য রক বলে চেনে!
:'''জিম রস''': অস্টিন আর দ্য রক একসাথে?
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': হ্যাঁ ওটাই ভালো খবর— যদি কোনো ভালো খবর থেকে থাকে। আর খারাপ খবর হলো তোমরা আজ লড়বে আন্ডারটেকার আর কেনের বিরুদ্ধে! আমি চাই ওরা রবিবার একে অপরকে শেষ করে দেওয়ার আগে আজ তোমাদের শেষ করে দিক।
:'''জিম রস''': আজ রাতে অস্টিন আর দ্য রক বনাম আন্ডারটেকার আর কেন!
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': অস্টিন আমি তোমাকে বলে দিচ্ছি এই রবিবার যদি তুমি নতুন চ্যাম্পিয়নের হাত ওপরে না তোলো আর আমার কাছে মাথা নত না করো— তবে আমি তোমাকে সোজাসুজি বলে দিচ্ছি যে আমি তোমাকে কাজ থেকে বের করে দেব! আমি তোমাকে আজই সবার সামনে বলে দিচ্ছি— আমি তোমাকে রবিবারই বরখাস্ত করব!
:'''জিম রস''': ওহ খোদা!
:'''জেরি ললার''': ওরে বাবা ও তো চ্যালেঞ্জ করে দিল।
:'''স্টিভ অস্টিন''': তুমি একটা আস্ত গাধা তোমার সাহস নেই স্টিভ অস্টিনকে তাড়ানোর!
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': আমার সাহস নেই? রবিবারে তুমি নিজের হাড়গোড় গুনবে অস্টিন। আমি তোমাকে চ্যালেঞ্জ করে বলছি— হয় তুমি চ্যাম্পিয়নের হাত ওপরে তুলবে নাহলে এই রবিবারই আমি তোমাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেব! গান বাজাও!
:'''জেরি ললার''': জেআর ও একদম সিরিয়াস। ও চ্যালেঞ্জ করে দিয়েছে।
:'''জিম রস''': একটা কথা আমি জানি— ভিন্স যখন চ্যালেঞ্জ করে যে অস্টিন টাইটেল হারাবে তখন সেটাই হয়েছিল। আর এখন ও চ্যালেঞ্জ করেছে যে অস্টিনকে ও কাজ থেকে বের করে দেবে যদি ও চ্যাম্পিয়নের হাত ওপরে না তোলে।
=== ১৯ অক্টোবর ===
:''[সব কুস্তিগীররা রিংয়ের চারপাশে দাঁড়িয়ে আছেন আর ভিন্স ম্যাকম্যান কথা বলছেন]''
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': সবাই আমার কথা মন দিয়ে শোনেন! ইদানীং আমাদের কোনো চ্যাম্পিয়ন নেই কারণ একজন লোক এখন আর আমাদের কোম্পানিতে চাকরি করে না। তবে আমি কথা দিচ্ছি ১৫ নভেম্বর সারভাইভার সিরিজে আমরা এক নতুন চ্যাম্পিয়ন পাব। আমি কথা দিচ্ছি সেদিন এক টুর্নামেন্ট হবে যেখানে ১৬ জন লড়বে আর আমরা এক নতুন চ্যাম্পিয়ন খুঁজে পাব।
:আর গত রাতের কথা যদি বলেন— অনেকে হয়তো অবাক হয়েছেন যে ভিন্স ম্যাকম্যান কি সত্যিই অস্টিনকে বের করে দিল? যারা গত রাতে আমাদের সাথে ছিলেন না তাদের জন্য বলছি— আমি অস্টিনকে বলে দিয়েছি "অস্টিন তুমি শেষ! তোমাকে তাড়িয়ে দেওয়া হলো!" অস্টিন যখন এটা শুনল ওর মুখটা দেখার মতো ছিল। আমি সেই ছবিটা আপনাদের দেখাতে চাই। ''[পর্দায় অস্টিনের অবাক হওয়ার ছবি দেখানো হলো]'' ও বিশ্বাসই করতে পারছিল না যে ওকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ও বলছিল ও নাকি শিকারে যাবে— আমি পরে বুঝলাম ও আসলে নতুন চাকরির সন্ধানে বেরিয়েছে!
:অস্টিন তুমি যদি কোনোদিন এই রিংয়ে আসতে চাও তবে তোমাকে দর্শকদের মতো টিকিট কেটেই আসতে হবে! আপনারা নিশ্চয়ই ভাবছেন অস্টিনকে তাড়ানোর পর আমার কেমন লাগছে? গত রাতে আমি নিজের ভেতরে এক শান্তি পেয়েছি। আর আজ সকালে আয়নায় নিজেকে দেখে আমার মনে হলো— এই আনন্দটা কোনো কিছুর সাথেই তুলনা করা যায় না!
:আপনারা যারা কুস্তিগীর এখানে দাঁড়িয়ে আছেন তারা অস্টিনের কাছ থেকে শিক্ষা নিন। মালিকের অবাধ্য হলে কী হয় তা আপনারা দেখলেন। ভিন্স ম্যাকম্যানের চেয়ে বড় কেউ নয়! অস্টিন ৩:১৬ এখন পুরনো কথা— এখন নতুন কথা হলো ম্যাকম্যান ৩:১৬ আর এর মানে হলো আমার সাহস আছে তোমাদের ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়ার। ধন্যবাদ সবাইকে!
<hr width=50%>
:'''আন্ডারটেকার''': আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন আমাদের মধ্যে আবার পুনর্মিলন হয়েছে। পল বেয়ারার আমার অন্ধকারের সাম্রাজ্যের হাল ধরার জন্য ফিরে এসেছে। অনেকে হয়তো বুঝবে না আমরা কেন এক হলাম কিন্তু আমাদের কাছে এক বিশাল লক্ষ্য আছে। আমরা এই ডাব্লিউডাব্লিউএফএ এক নতুন ত্রাসের রাজত্ব শুরু করব যা আগে কেউ দেখেনি। যারা আমাদের সাথে নেই তাদের ধ্বংস অনিবার্য।
:'''পল বেয়ারার''': কেন আমি তোমাকে স্রেফ ব্যবহার করেছি। ছোটবেলা থেকে তোমাকে একটা পোষা কুকুরের মতো বড় করেছি যাতে দরকারে তোমায় কাজে লাগানো যায়। তুমি একটা আস্ত বোকা আর দুর্বল! তুমি আমায় দুবার ধোকা দিয়েছো— তাই এখন থেকে তোমার আর কোনো দরকার নেই আমার কাছে।
:'''আন্ডারটেকার''': কেন তুমি সারাজীবন জানতে চেয়েছো যে সেদিন আগুনটা কে লাগিয়েছিল? তবে শোনো— ওই আগুনটা আমিই লাগিয়েছিলাম! আমি ওটা করেছিলাম কারণ তুমি ছোটবেলায় দুর্বল ছিলে আর এখনও তাই আছো। আমাদের এই সাম্রাজ্যে দুর্বলদের কোনো জায়গা নেই।
:''[কেন একটা ক্যাসকেট নিয়ে এলেন আর আন্ডারটেকারকে চ্যালেঞ্জ করলেন]''
:'''কেন''': তুমি আর আমি... আজ রাতে... ক্যাসকেট ম্যাচ! আর ভাই... এবার তোমার শান্তিতে ঘুমানোর পালা!
<hr width=50%>
:''[ভিন্সকে সারারাত বন্দী করে রাখার পর অস্টিন একটা খেলনা বন্দুক বের করলেন]''
:'''স্টিভ অস্টিন''': মনে রেখো ভিন্স অস্টিন তোমাকে ঠকায়নি তুমি নিজেই নিজেকে ঠকিয়েছো। ''[ভিন্সের প্যান্টের দিকে তাকিয়ে]'' আমার মনে হয় তোমার একটা সমস্যা হয়েছে। নতুন একটা টিশার্ট বাজারে আসবে যার নাম হবে— "ম্যাকম্যান ৩:১৬ বলে যে আমি ভয়ে প্যান্ট নষ্ট করে ফেলেছি।"
=== ২৬ অক্টোবর ===
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': আমার ইচ্ছে না থাকলেও স্টিভ অস্টিন আজ এখানে এসেছে। অস্টিন আমার সাথে যা যা করেছে তার জন্য আমি শুধু ওকেই নয় আপনাদের সবাইকেও দায়ী করি! আপনাদের কি কোনো কাণ্ডজ্ঞান নেই? আপনাদের মূল্যবোধ কোথায় গেল? বিপদে মানুষকে সাহায্য করতে হয় তা কি আপনারা ভুলে গেছেন? অস্টিন যখন আমায় অপমান করছিল আপনারা তখন হাততালি দিচ্ছিলেন! ও যখন আমায় হাঁটুর ওপর বসিয়ে ক্ষমা চাইতে বলছিল আপনারা তখন আনন্দ পাচ্ছিলেন! ও আমায় কাঁদিয়েছে আমায় সবার সামনে বেইজ্জত করেছে! আর আপনারা কেউ এগিয়ে আসেননি। কেউ না! আমার পা আবার ভেঙেছে আমার দামী স্যুট নষ্ট হয়েছে। আমি প্রচণ্ড যন্ত্রণায় আছি। কিন্তু সবচেয়ে বেশি আঘাত পেয়েছি মনে। অস্টিন আমি তোমাকে কক্ষনো ক্ষমা করব না! আমার পকেটে তুমি যা গুঁজে দিয়েছিলে তা কোনো সাধারণ কাগজ ছিল না ওটা একটা আইনি কাগজ ছিল আর আমার সাথে এখন দেশের সেরা উকিলরা আছে। আমি তোমার সাথে আদালতে লড়ব দরকার হলে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত যাব! অস্টিন কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে আমার এই কথাগুলো মনে রেখো।
:'''স্টিভ অস্টিন''': আমি তো এখন প্যাম্পার্স ডায়েরি মজুত করছি যদি বুড়ো বাবু আবার ভয়ে প্যান্ট নষ্ট করে ফেলে! আপনারা বুঝতে পারছেন তো আমি কী বলছি!
<hr width=50%>
:''[শেন ম্যাকম্যান ভিন্সের ওপর ক্ষিপ্ত কারণ অস্টিন নতুন চুক্তি পেয়েছে]''
:'''শেন ম্যাকম্যান''': আমি আর আপনার কথা শুনব না। আমি এই কোম্পানির একজন বড় অংশীদার আর আপনি অস্টিনের সাথে যা করেছেন তা একদম ভুল ছিল বাবা। আপনি ভুল করেছেন।
:'''শেন''': আমিই অস্টিনকে নতুন করে নিয়োগ দিয়েছি। হ্যাঁ বাবা ওটা আমিই করেছি!... এখন বোধহয় আমি আপনার নজর পেয়েছি তাই না? ২৮ বছর পর অবশেষে আপনি আমায় লক্ষ্য করলেন। আমি অনেক রেসলারকে আসতে আর যেতে দেখেছি আর তার কারণ হলো আপনার এই বিশাল অহংকার! আপনি তো বলেন যে ভিন্স ম্যাকম্যানের চেয়ে বড় কেউ নয়! সারা জীবন মানুষ আমায় জিজ্ঞাসা করেছে— ভিন্সের ছেলে হওয়াটা কি খুব আনন্দের? আর আমি বছরের পর বছর মিথ্যে বলে গেছি আমাদের বংশের মর্যাদা বাঁচাতে। কিন্তু আজ আর না! আমি ক্লান্ত!... আপনি কোনোদিন আমার পরোয়া করেননি! আমি আপনার জন্য কোনো কিছুই ঠিকঠাক করতে পারিনি। পড়াশোনায় আমি আপনার মনের মতো নম্বর পাইনি। ব্যবসায় আমি আপনার জন্য কোটি কোটি টাকা আয় করেছি তবুও আপনি খুশি হননি! আমি শুধু চেয়েছিলাম আপনি আমার জন্য একটু গর্ব বোধ করুন। কিন্তু আমি বুঝে গেছি তা কোনোদিন হবে না কারণ আপনি শুধু নিজেকে নিয়েই ভাবেন।
:'''ভিন্স''': তুমি আমার ছেলে—
:'''শেন''': হ্যাঁ আমি আপনার ছেলে কিন্তু আমি এখন আর আপনার সেই ছোট্ট খোকাটি নেই। আমি এখন একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষ। আমি আর আপনার সেই ছেলে নই বাবা। আমি কে তা নিয়ে আমি গর্বিত। আমার নাম শেন ম্যাকম্যান আর এই ২৮ বছরে আজ আমি প্রথম আপনার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলার সাহস পেয়েছি! অবশেষে আপনি আমার জন্য গর্ব করতে পারেন কারণ আমি আপনার মুখের ওপর কথা বলার সাহস দেখিয়েছি!... কী অদ্ভুত তাই না? শেষ পর্যন্ত আমি আপনার মতোই সাহসী হয়েছি বাবা!
:'''স্টিভ অস্টিন''': যদি মনে করেন ভিন্স ম্যাকম্যান ওর উপযুক্ত পাওনা পেয়েছে তবে একবার বলুন— ওহ হেল ইয়েহ!
:'''দর্শক''': ওহ হেল ইয়েহ!!
=== ২ নভেম্বর ===
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': ম্যানকাইন্ড আমি তোমাকে এই হার্ডকোর চ্যাম্পিয়নশিপ বেল্টটা দিচ্ছি কারণ তুমি এটার যোগ্য।
:'''ম্যানকাইন্ড''': ''[বেল্টটা নিয়ে হাসতে শুরু করলেন]'' আমি এটা খুব পছন্দ করেছি! সত্যি বলছি আমি খুব খুশি হয়েছি!
:'''ভিন্স''': একটা কথা বলব— আজ রাতে আমি হয়তো এক ছেলেকে হারিয়েছি কিন্তু বোধহয় অন্য এক ছেলেকে খুঁজে পেয়েছি।
:'''ম্যানকাইন্ড''': তাই নাকি? ধন্যবাদ বাবা। ''[ভিন্স রেগে গিয়ে ওখান থেকে চলে গেলেন]''
=== ১৬ নভেম্বর ===
:'''ভিন্স ম্যাকম্যান''': গত রাতে সারভাইভার সিরিজে শেন আর আমি প্রমাণ করে দিয়েছি যে যারা ভাবে সবাইকে বোকা বানানো যায় না তারা আসলে নিজেরাই বোকা। বোকা হলো তারা যারা সবকিছু কঠিনভাবে করতে চায়। আর বোকা হলো তারা যারা মালিকের পা চাটতে জানে না। এখন আমায় বলবেন না যে আপনারা পা চাটেন না আমি জানি আপনারা সবাই তাই করেন! এখন আমি এমন একজনকে ডাকছি যে মোটেও বোকা নয় ও কোনোদিন সাধারণ মানুষের হিরো ছিল না ও সবসময় আমার হিরো ছিল। ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ— ওয়ার্ল্ড রেসলিং ফেডারেশন চ্যাম্পিয়ন দ্য রক!
:'''দ্য রক''': মিস্টার ম্যাকম্যান সারাদিন ধরে আমার ফোন বেজেই চলেছে আর সবাই জানতে চাইছে আমি কেন নিজেকে বিক্রি করে দিলাম? শোনো আমি নিজেকে বিক্রি করিনি আমি শুধু সবার চেয়ে এগিয়ে গেছি। তোমরা আমায় চাটুকার বলতে পারো কারণ তোমরা সবাই গাধা আর অপদার্থ! তোমরা প্রতিদিন ৯টা ৫টা কাজ করো সামান্য কিছু টাকার জন্য। আর দ্য রক আজ দুনিয়ার শীর্ষে দাঁড়িয়ে আছে!
:তোমরা যমুনায় ঘাম ঝরিয়ে লড়ো কিন্তু স্টিভ অস্টিন আর তোমাদের মধ্যে কোনো তফাৎ নেই। তোমরা তোমাদের সততা আর মেহনত নিজেদের কাছেই রাখো ওগুলো দিয়ে এক কাপ চাও কেনা যাবে না। তোমরা এক সময় আমায় গালি দিতে তাই না?
:দ্য রক সেটা কোনোদিন ভোলেনি আর তোমাদেরও ভুলতে দেবে না। দ্য রক এখন থেকে ওনার মতো করে চলবে ওনার কথামতো রিংয়ে দাপিয়ে বেড়াবে আর আপনাদের আচ্ছা মতো পিটাবে। দ্য রক এক সময় বলেছিল ও সাধারণ মানুষের পাশে থাকবে কিন্তু এখন ও বলছে ও মিস্টার ম্যাকম্যানের সাথেই থাকবে কারণ ওনার পা চাটা তোমাদের চেয়ে অনেক বেশি সম্মানের! যদি বুঝতে পারো দ্য রক কী বলতে চাইছে!
tq3hcvb0mb5iy2ftnq4cotx20wt23b5
ডেভিড হিউম
0
11982
73827
73608
2026-04-05T13:45:01Z
Oindrojalik Watch
4169
উক্তি যোগ
73827
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:David Hume Ramsay.jpg|thumb|right|250px|ডেভিড হিউম (১৭৬৬)]]
[[w:ডেভিড হিউম|ডেভিড হিউম]] (৭ মে ১৭১১ – ২৫ আগস্ট ১৭৭৬) ছিলেন আঠারো শতকের একজন প্রখ্যাত স্কটিশ দার্শনিক, ইতিহাসবিদ, অর্থনীতিবিদ এবং প্রাবন্ধিক। পাশ্চাত্য দর্শনের ইতিহাসে তাকে অন্যতম প্রভাবশালী অভিজ্ঞতাবাদী ও সংশয়বাদী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। হিউমের মূল দর্শন ছিল এই যে, মানুষের সমস্ত জ্ঞান ও ধারণার একমাত্র উৎস হলো বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ইন্দ্রিয়লব্ধ সংবেদন। হিউম মূলত তাঁর 'কার্যকারণ-তত্ত্ব' এবং নৈতিক দর্শনের সূক্ষ্ম বিশ্লেষণের জন্যই বিশ্বজুড়ে বিশেষভাবে পরিচিত হয়ে আছেন।
== উক্তি ==
[[চিত্র:Painting of David Hume.jpg|থাম্ব|একজন প্রাজ্ঞ মানুষের আসল জগৎ হলো তাঁর নিজের মন। আর তিনি যদি কখনো বাইরের স্বীকৃতির প্রয়োজন বোধ করেন, তবে তিনি কেবল সেই সামান্য কয়েকজন নিরপেক্ষ ও যোগ্য মানুষের বিচারকেই গুরুত্ব দেবেন—যাঁরা সংকীর্ণতামুক্ত হয়ে তাঁর কাজকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে পারেন।]]
* এখানেই আমরা সেই ভ্রান্ত ধারণার অসারতা বুঝতে পারি... যেখানে মনে করা হয় কোনো রাষ্ট্রের উর্বর ভূমি, বিপুল জনসংখ্যা আর উন্নত কৃষি ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও কেবল 'অর্থের' অভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রকৃতপক্ষে, এই আর্থিক স্বল্পতা কোনো রাষ্ট্রকে অভ্যন্তরীণভাবে কখনোই ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে না; কারণ একটি জাতির প্রকৃত শক্তির উৎস হলো — 'তার জনগণ ও সম্পদ'। মানুষের অতি সাধারণ ও মিতব্যয়ী জীবনযাত্রাই বরং জনস্বার্থের অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়, যা সোনা আর রূপা তথা সম্পদকে কেবল মুষ্টিমেয় কিছু হাতে বন্দি করে রাখে এবং এর সার্বজনীন সঞ্চালনকে স্তব্ধ করে দেয়। পক্ষান্তরে, শিল্পায়ন এবং নানাবিধ আধুনিক রুচিবোধ সেই অর্থকে গোটা রাষ্ট্রের অঙ্গে বিলীন করে দেয়, তার পরিমাণ যত সামান্যই হোক না কেন; এটি যেন রাষ্ট্রের প্রতিটি শিরা-উপশিরায় মিশে যায় এবং প্রতিটি বিনিময়-চুক্তিতে প্রাণ সঞ্চার করে।
** 'অফ মানি' (১৭৫২); ইউজিন রোটউইন সম্পাদিত ''''ডেভিড হিউম: রাইটিংস অন ইকোনমিকস''''-এ উদ্ধৃত (১৯৫৫, ১৯৭০), [https://archive.org/details/writingsoneconom0000hume/page/45/mode/1up পৃষ্ঠা ৪৫।]
* "কুসংস্কারের অন্ধকার জাল থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় হলো প্রকৃত দর্শন। কারণ কুসংস্কার মানুষকে ভীরু করে তোলে, আর দর্শন মানুষকে দেয় চিন্তার স্বাধীনতা।"
** সূত্র: The Natural History of Religion, ১৭৫৭।
* যুক্তি হলো আমাদের আবেগ ও তাড়নার একান্ত দাস এবং এর বাইরে যুক্তির আর কোনো বিশেষ ভূমিকা থাকা উচিত নয়। যুক্তি কখনোই একা কোনো কাজের অনুপ্রেরণা হতে পারে না কিংবা কোনো ইচ্ছাকে বাধা দেওয়ার ক্ষমতা রাখে না। আমাদের প্রবৃত্তি বা আবেগ আমাদের যা করতে প্ররোচিত করে, যুক্তি কেবল সেই লক্ষ্য পূরণের উপায়গুলো আমাদের সামনে উপস্থাপন করে এবং সেই কাজটিকে সফল করার কৌশল বাতলে দেয়। তাই যুক্তিকে আবেগের অনুগামী হওয়াই মানায়।
** সূত্র: A Treatise of Human Nature (Book 2, Part 3, Section 3), ১৭৩৯।
* "কার্যকারণ সম্পর্কের ধারণা যুক্তি থেকে আসে না, বরং এটি আমাদের অভ্যাসের ফসল। আমরা যখন বারবার একটি ঘটনার পর অন্য একটি ঘটনা ঘটতে দেখি, তখন আমাদের মন স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটির সাথে অন্যটিকে মিলিয়ে নেয়। এটি যুক্তির চেয়ে অনেক বেশি আমাদের স্বভাবজাত বিশ্বাসের বিষয়।"
** সূত্র: An Enquiry Concerning Human Understanding (Section 4, Part 2), ১৭৪৮।
* "অভ্যাস বা নিরন্তর সংস্কারই হলো মানুষের জীবনের প্রকৃত চালিকাশক্তি। আমরা যদি কঠোর যুক্তির মানদণ্ডে বিচার করি, তবে দেখা যাবে যে অতীতের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যৎ নিয়ে আমাদের কোনো নিশ্চিত গ্যারান্টি নেই। কিন্তু আমাদের মন অভ্যাসের বশবর্তী হয়েই বিশ্বাস করে যে কাল সূর্য উঠবে বা অতীতে যা ঘটেছে তার পুনরাবৃত্তি ঘটবে। যুক্তি আমাদের জগতের গূঢ় রহস্য উন্মোচন করতে না পারলেও আমাদের দীর্ঘদিনের অভ্যাস আমাদের জীবনকে একটি সুশৃঙ্খল ধারায় পরিচালিত করতে সাহায্য করে।"
** সূত্র: An Enquiry Concerning Human Understanding,Section 5 (Sceptical Solution of these Doubts), ১৭৪৮।
* মানুষের নিজস্ব স্বভাব বা প্রকৃতিই হলো বিজ্ঞানের একমাত্র অটল ও শক্তিশালী ভিত্তি। আমরা যদি মানুষের মনের অভ্যন্তরীণ কার্যপ্রণালী, তার চিন্তার গভীর সীমাবদ্ধতা এবং তার বিচিত্র আবেগের গতিপ্রকৃতি সঠিকভাবে অনুধাবন করতে না পারি, তবে গণিত, ধর্মতত্ত্ব বা প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের মতো বিষয়গুলোতে আমাদের সব উন্নতিই একদম মূল্যহীন হয়ে পড়বে। কারণ সব বিজ্ঞানের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো মানুষের প্রয়োজন মেটানো এবং সেই মানুষের মনকেই সবার আগে বুঝতে হবে।"
** সূত্র: An Enquiry Concerning Human Understanding, Role, ১৭৪৮
*"যখন কোনো অলৌকিক বা অতিপ্রাকৃত ঘটনার বর্ণনা আমাদের সামনে আসে, তখন আমাদের বিচারবুদ্ধি দিয়ে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত। আমাদের ভেবে দেখা দরকার যে—বর্ণনাকারীর ভুল করা, মিথ্যা বলা বা অতিরঞ্জিত কিছু করার সম্ভাবনা কি সেই অলৌকিক ঘটনাটি সত্যি ঘটার চেয়েও বেশি অস্বাভাবিক? মানুষের ভুল করার সম্ভাবনাই যেখানে বেশি স্বাভাবিক, তবে সেই অলৌকিক দাবিকে প্রত্যাখ্যান করাই হলো একজন বুদ্ধিমান মানুষের প্রধান কাজ।"
** সূত্র: An Inquiry Concerning Human Understanding, Part 1, Section 10 (Of Miracles), ১৭৪৮।
== বহিঃসংযোগ ==
* [https://plato.stanford.edu/entries/hume/ স্ট্যানফোর্ড এনসাইক্লোপিডিয়া অব ফিলোসফি: ডেভিড হিউম]
* [https://www.britannica.com/biography/David-Hume এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকায় ডেভিড হিউমের জীবনী]
* [https://www.gutenberg.org/ebooks/author/1440 প্রজেক্ট গুটেনবার্গে ডেভিড হিউমের রচনাবলী]
[[বিষয়শ্রেণী:স্কটিশ দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৭১১-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৭৭৬-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:দার্শনিক]]
hkrp34cizm8ninuxeggbivuidtj2rce
73976
73827
2026-04-06T04:03:12Z
Oindrojalik Watch
4169
উক্তি যোগ, সম্প্রসারণ, বিষয়শ্রেণী, চিত্র
73976
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:David Hume Ramsay.jpg|thumb|right|250px|ডেভিড হিউম (১৭৬৬)]]
[[w:ডেভিড হিউম|ডেভিড হিউম]] (৭ মে ১৭১১ – ২৫ আগস্ট ১৭৭৬) ছিলেন আঠারো শতকের একজন প্রখ্যাত স্কটিশ দার্শনিক, ইতিহাসবিদ, অর্থনীতিবিদ এবং প্রাবন্ধিক। পাশ্চাত্য দর্শনের ইতিহাসে তাকে অন্যতম প্রভাবশালী অভিজ্ঞতাবাদী ও সংশয়বাদী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। হিউমের মূল দর্শন ছিল এই যে, মানুষের সমস্ত জ্ঞান ও ধারণার একমাত্র উৎস হলো বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ইন্দ্রিয়লব্ধ সংবেদন। হিউম মূলত তাঁর 'কার্যকারণ-তত্ত্ব' এবং নৈতিক দর্শনের সূক্ষ্ম বিশ্লেষণের জন্যই বিশ্বজুড়ে বিশেষভাবে পরিচিত হয়ে আছেন।
== উক্তি ==
[[চিত্র:Painting of David Hume.jpg|থাম্ব|একজন প্রাজ্ঞ মানুষের আসল জগৎ হলো তাঁর নিজের মন। আর তিনি যদি কখনো বাইরের স্বীকৃতির প্রয়োজন বোধ করেন, তবে তিনি কেবল সেই সামান্য কয়েকজন নিরপেক্ষ ও যোগ্য মানুষের বিচারকেই গুরুত্ব দেবেন—যাঁরা সংকীর্ণতামুক্ত হয়ে তাঁর কাজকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে পারেন।]]
* এখানেই আমরা সেই ভ্রান্ত ধারণার অসারতা বুঝতে পারি... যেখানে মনে করা হয় কোনো রাষ্ট্রের উর্বর ভূমি, বিপুল জনসংখ্যা আর উন্নত কৃষি ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও কেবল 'অর্থের' অভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রকৃতপক্ষে, এই আর্থিক স্বল্পতা কোনো রাষ্ট্রকে অভ্যন্তরীণভাবে কখনোই ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে না; কারণ একটি জাতির প্রকৃত শক্তির উৎস হলো — 'তার জনগণ ও সম্পদ'। মানুষের অতি সাধারণ ও মিতব্যয়ী জীবনযাত্রাই বরং জনস্বার্থের অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়, যা সোনা আর রূপা তথা সম্পদকে কেবল মুষ্টিমেয় কিছু হাতে বন্দি করে রাখে এবং এর সার্বজনীন সঞ্চালনকে স্তব্ধ করে দেয়। পক্ষান্তরে, শিল্পায়ন এবং নানাবিধ আধুনিক রুচিবোধ সেই অর্থকে গোটা রাষ্ট্রের অঙ্গে বিলীন করে দেয়, তার পরিমাণ যত সামান্যই হোক না কেন; এটি যেন রাষ্ট্রের প্রতিটি শিরা-উপশিরায় মিশে যায় এবং প্রতিটি বিনিময়-চুক্তিতে প্রাণ সঞ্চার করে।
** 'অফ মানি' (১৭৫২); ইউজিন রোটউইন সম্পাদিত ''''ডেভিড হিউম: রাইটিংস অন ইকোনমিকস''''-এ উদ্ধৃত (১৯৫৫, ১৯৭০), [https://archive.org/details/writingsoneconom0000hume/page/45/mode/1up পৃষ্ঠা ৪৫।]
* '''একজন প্রাজ্ঞ মানুষের প্রকৃত সাম্রাজ্য হলো তাঁর নিজের অন্তঃকরণ; আর তিনি যদি কখনো বাইরের স্বীকৃতির প্রয়োজন বোধ করেন, তবে তিনি কেবল সেই সামান্য কয়েকজন নিরপেক্ষ ও যোগ্য মানুষের বিচারকেই গুরুত্ব দেবেন—যাঁরা সংকীর্ণতামুক্ত হয়ে তাঁর কাজকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করার ক্ষমতা রাখেন।''' প্রকৃতপক্ষে, সাধারণ মানুষের অতি প্রশংসার চেয়ে কোনো তথ্যের অসত্য হওয়ার বড় প্রমাণ আর কিছু হতে পারে না; আপনি তো জানেনই, ফোকিয়ন যখনই জনসভার করতালি শুনতেন, তখনই শঙ্কিত হতেন এই ভেবে যে—তিনি নিশ্চয়ই বড় কোনো ভুল করে ফেলেছেন!
** "দ্য থিওরি অফ মোরাল সেন্টিমেন্টস"-এর ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ার প্রেক্ষিতে অ্যাডাম স্মিথকে লেখা একটি পরিহাসপূর্ণ পত্র।
* একজন কাণ্ডজ্ঞানসম্পন্ন মানুষ কি ভূত-প্রেত বা রূপকথার আষাঢ়ে গল্পের পেছনে হন্যে হয়ে ছোটে এবং সেগুলোর সত্যতা খুব গুরুত্বের সাথে যাচাই করতে বসে? আমার অভিজ্ঞতায় আজ অবধি এমন কাউকে দেখিনি, যে আজেবাজে বা অর্থহীন বিষয় নিয়ে দীর্ঘক্ষণ বিচার-বিশ্লেষণ করার পর তদন্তের শেষ প্রান্তে এসে নিজেই সেই প্রলাপে বিশ্বাস স্থাপন করেনি।
** ''লেটারস'' (পত্রাবলি)।
* মহাবিশ্বের কাছে একজন মানুষের জীবনের গুরুত্ব একটি নগণ্য ঝিনুকের চেয়ে বেশি কিছু নয়।
** ''অন সুইসাইড'' (আত্মহত্যা প্রসঙ্গে)।
* সেই সব নির্বোধদের প্রশংসা বা সম্মানের প্রতি আমার তীব্র ঘৃণা রয়েছে যারা নিজেদের 'জনসাধারণ' বলে পরিচয় দেয়; যাদেরকে একজন বই বিক্রেতা, কোনো লর্ড, পুরোহিত কিংবা কোনো রাজনৈতিক দল চাইলেই নিজের ইচ্ছেমতো পরিচালনা করতে পারে।
** গিলবার্ট এলিয়ট অফ মিন্টোকে লেখা পত্র ১৩৮; ৯ আগস্ট, ১৭৫৭।
* '''স্বর্গ এবং নরকের ধারণা যেন মানুষকে ভালো আর মন্দ—এই দুই স্বতন্ত্র শ্রেণিতে বিভক্ত করে ফেলে; কিন্তু মানবজাতির সিংহভাগই আসলে পুণ্য আর পাপের মাঝখানে কোনো এক অনিশ্চিত স্থানে ভাসছে।''' -- কেউ যদি সৎ মানুষকে ভালো নৈশভোজ করানো আর পাপাচারীকে উত্তম-মধ্যম প্রহার করার সংকল্প নিয়ে বিশ্ব ভ্রমণে বের হয়, তবে সে নিজের পছন্দ নিয়ে বারবার বিপাকে পড়বে; কারণ অধিকাংশ নর-নারীর গুণ বা দোষের পাল্লা এতটাই হালকা যে তা কোনোটিরই যোগ্য নয়।
** ''এসে অন দ্য ইমর্টালিটি অফ দ্য সোল'' (আত্মার অমরত্ব বিষয়ক প্রবন্ধ)।
* 'অফ দ্য প্রোটেস্ট্যান্ট সাকসেশন' প্রবন্ধের উপসংহার আমাকে একজন 'হুইগ' হিসেবে প্রকাশ করে, তবে আমি একজন চরম সংশয়বাদী হুইগ।
** হেনরি হোমকে লেখা পত্র (৯ ফেব্রুয়ারি ১৭৪৮); জে. ওয়াই. টি. গ্রেইগ সম্পাদিত ''দ্য লেটারস অফ ডেভিড হিউম: ভলিউম ১'' (অক্সফোর্ড: ক্ল্যারেন্ডন প্রেস, ১৯৩২), পৃষ্ঠা ১১১।
* রাজনীতি এবং রাজপুত্র বা মহৎ ব্যক্তিদের চরিত্রের ব্যাপারে আমি মনে করি আমি অত্যন্ত মডারেট বা ভারসাম্যপূর্ণ। জাগতিক 'বিষয়বস্তু'র (Things) ক্ষেত্রে আমার দৃষ্টিভঙ্গি হুইগ (Whig) আদর্শের অনুসারী; কিন্তু 'ব্যক্তি'র (Persons) বর্ণনায় আমি টোরি (Tory) ঘরানার পক্ষপাতকে ধারণ করি। মানুষ যে আদর্শের চেয়ে ব্যক্তির ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়, তার বড় প্রমাণ হলো আমাকে সাধারণত টোরিদের দলেই গণ্য করা হয়।
** ই. সি. মসনার, ''লাইফ অফ ডেভিড হিউম'' (ক্ল্যারেন্ডন প্রেস, ২০০১), পৃষ্ঠা ৩১১।
* আমি ভেবেছিলাম আমিই একমাত্র ইতিহাসবিদ যে সমসাময়িক ক্ষমতা, স্বার্থ, কর্তৃত্ব এবং গণমানুষের কুসংস্কারের তোয়াক্কা না করে ইতিহাস লিখেছি; তাই যেহেতু বিষয়টি সবার বোধগম্য ছিল, আমি সেই অনুপাতে প্রশংসাও আশা করেছিলাম। কিন্তু আমার সেই আশা চরম হতাশায় পর্যবসিত হলো: আমি চারপাশ থেকে কেবল তিরস্কার, অসম্মতি এবং ঘৃণার শিকার হলাম; ইংরেজ, স্কটিশ, আইরিশ—হুইগ থেকে টোরি, গির্জার যাজক থেকে শুরু করে মুক্তচিন্তক আর ধর্মতাত্ত্বিক, দেশপ্রেমিক থেকে রাজদরবারের পারিষদ—সবাই সেই লোকটির ওপর ক্ষোভে ফেটে পড়ল, যে প্রথমবার প্রথম চার্লস এবং আর্ল অফ স্ট্র্যাফোর্ডের পরিণতির জন্য এক ফোঁটা সহানুভূতি প্রকাশের সাহস দেখিয়েছিল।
** 'মাই ওন লাইফ' (১৭৭৬); ইউজিন মিলার সম্পাদিত ডেভিড হিউমের ''এসেস: মোরাল, পলিটিক্যাল, অ্যান্ড লিটারারি (১৭৪১–১৭৭৭)'' (১৯৮৫), পৃষ্ঠা ৩৭।
* '''আমি এমন একজন মানুষ যে শত্রুতা উসকে দেওয়ার মতো সব ধরণের বিষয়ে লিখেছি—তা সে নৈতিক, রাজনৈতিক কিংবা ধর্মীয় যাই হোক না কেন; তবুও আমার কোনো শত্রু নেই—অবশ্যই সমস্ত হুইগ (Whigs), সমস্ত টোরি (Tories) এবং সমস্ত খ্রিষ্টান ছাড়া।'''
** মৃত্যুর কিছুদিন আগে একজন বন্ধুর কাছে দেওয়া বক্তব্য; লর্ড হেনরি ব্রোঘাম-এর ''মেন অফ লেটারস''-এ বর্ণিত।
* আলকোরানের (কুরআন) অনুসারীরা এর ভেতরে ছড়িয়ে থাকা চমৎকার সব নৈতিক উপদেশের প্রশংসা করেন। কিন্তু ধারণা করা হয় যে, আরবি ভাষায় সাম্য, ন্যায়বিচার, মিতব্যয়িতা বা দয়া বোঝাতে যে শব্দগুলো ব্যবহৃত হয়েছে, সেগুলো ভাষার দীর্ঘ ব্যবহারের কারণে সবসময়ই ইতিবাচক অর্থেই গৃহীত হয়। তাই এগুলোকে প্রশংসা বা সাধুবাদ ছাড়া অন্য কোনো বিশেষণে ভূষিত করা নৈতিকতার অভাব নয়, বরং ভাষার অজ্ঞতা হিসেবেই গণ্য হবে।
** ডেভিড হিউম, ''অফ দ্য স্ট্যান্ডার্ড অফ টেস্ট'' (১৭৬০)।
* '''যারা দর্শন বা বিজ্ঞানের জগতে নতুন কিছু আবিষ্কারের দাবি করেন, তাদের জন্য নিজেদের পূর্বসূরিদের ব্যবস্থার সমালোচনা করে নিজেদের মতবাদের প্রশংসা করা অত্যন্ত সাধারণ এবং স্বাভাবিক একটি বিষয়।''' প্রকৃতপক্ষে, মানবীয় যুক্তির দরবারে আসা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে আমাদের অজ্ঞতার জন্য যদি তাঁরা কেবল আক্ষেপ করতেন, তবে বিজ্ঞান সচেতন খুব কম মানুষই তাঁদের সাথে দ্বিমত পোষণ করতেন। একজন প্রাজ্ঞ ও শিক্ষিত মানুষের পক্ষে সেই সব ব্যবস্থার দুর্বল ভিত্তিগুলো খুঁজে বের করা খুবই সহজ, যেগুলো একসময় অত্যন্ত নির্ভুল এবং গভীর যুক্তি হিসেবে সমাদৃত ছিল। '''অন্ধভাবে গ্রহণ করা মূলনীতি, সেগুলো থেকে দুর্বলভাবে টেনে আনা সিদ্ধান্ত, উপাদানের মধ্যে সামঞ্জস্যের অভাব এবং সামগ্রিকভাবে প্রমাণের অনুপস্থিতি—বিখ্যাত সব দার্শনিকদের তত্ত্বে এগুলো সবখানেই দেখা যায়; যা খোদ দর্শন শাস্ত্রকেই যেন কলঙ্কিত করেছে।'''
** ভূমিকা।
* সুতরাং, আমাদের এই বিজ্ঞানের পরীক্ষাগুলো সংগ্রহ করতে হবে মানবজীবনের সতর্ক পর্যবেক্ষণ থেকে; জগত যে স্বাভাবিক নিয়মে চলে—মানুষের আচরণ, তাদের কাজকর্ম এবং বিনোদনের মাঝে সেগুলোকে খুঁজে নিতে হবে। যেখানে এই ধরণের পরীক্ষাগুলো বিচারবুদ্ধি দিয়ে সংগ্রহ ও তুলনা করা হয়, সেখানে আমরা এমন একটি বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠার আশা করতে পারি যা নিশ্চিতের দিক থেকে কোনো অংশে কম নয় এবং উপযোগিতার দিক থেকে মানুষের বোধগম্য অন্য যেকোনো কিছুর চেয়ে অনেক উন্নত।
** ভূমিকা।
==== ১ম খণ্ড: বোধশক্তি প্রসঙ্গে (Of the understanding) ====
* যেহেতু আমরা সেই সবকিছুকেই '''অভ্যাস''' (Custom) বলি যা কোনো নতুন যুক্তি বা সিদ্ধান্ত ছাড়াই অতীত পুনরাবৃত্তি থেকে উদ্ভূত হয়; তাই আমরা এটি একটি ধ্রুব সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারি যে—বর্তমান কোনো ছাপ (Impression) থেকে তৈরি হওয়া আমাদের প্রতিটি বিশ্বাসই কেবল সেই উৎস (অভ্যাস) থেকে উদ্ভূত।
** ৩য় অংশ, ৮ম পরিচ্ছেদ।
* কোনো বস্তুর নিজের ভেতরে এমন কিছুই নেই যা আমাদের সেই বস্তুর সীমানা ছাড়িয়ে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সাহায্য করতে পারে; [...] এমনকি কোনো বস্তুর বারবার বা নিরন্তর সংযোগ পর্যবেক্ষণের পরেও, অভিজ্ঞতার বাইরের কোনো বস্তু সম্পর্কে কোনো অনুমান করার মতো যৌক্তিক কারণ আমাদের কাছে নেই।
** ৩য় অংশ, ১২শ পরিচ্ছেদ।
* একটি স্পষ্ট সত্যকে অস্বীকার করা যেমন হাস্যাস্পদ, তেমনি হাস্যাস্পদ হলো তাকে রক্ষা করার জন্য মাত্রাতিরিক্ত পরিশ্রম করা; আর আমার কাছে এর চেয়ে স্পষ্ট সত্য আর কিছু নেই যে—মানুষের মতো পশুরাও চিন্তা ও যুক্তিবোধের অধিকারী। এই ক্ষেত্রে যুক্তিগুলো এতটাই প্রতীয়মান যে তা অত্যন্ত স্থূল এবং অজ্ঞ মানুষের নজরও এড়ায় না।
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* পশুপাখির বাহ্যিক আচরণের সাথে আমাদের নিজেদের আচরণের যে সাদৃশ্য রয়েছে, তা থেকেই আমরা বিচার করি যে তাদের অভ্যন্তরীণ জগতও আমাদের মতোই; এবং যুক্তির এই একই নীতিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেলে আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাব যে—যেহেতু আমাদের অভ্যন্তরীণ ক্রিয়াগুলো পরস্পর সদৃশ, তাই সেগুলো যে উৎস থেকে এসেছে, সেই কারণগুলোও অবশ্যই সদৃশ হবে।
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* মানুষ তাদের নিজেদের যুক্তির ক্রিয়া দেখে বিস্মিত হয় না, অথচ পশুপাখির '''সহজাত প্রবৃত্তি''' (Instinct) দেখে বিস্ময় প্রকাশ করে এবং এটি ব্যাখ্যা করতে হিমশিম খায়; কেবল এই কারণে যে একে সেই একই মূলনীতিতে ফেলা যায় না। [...] '''প্রকৃতপক্ষে যুক্তি আমাদের আত্মার ভেতরে এক বিস্ময়কর এবং অবোধ্য সহজাত প্রবৃত্তি ছাড়া আর কিছুই নয়।'''
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* অভ্যাস থেকে যা কিছু সৃষ্টি হতে পারে, প্রকৃতি অবশ্যই তা উৎপাদন করতে পারে: প্রকৃতপক্ষে, অভ্যাস প্রকৃতিরই অন্যতম মূলনীতি এবং এটি তার সমস্ত শক্তি সেই উৎস থেকেই লাভ করে।
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* এভাবে সমস্ত জ্ঞান শেষ পর্যন্ত 'সম্ভাব্যতা'তে (Probability) পর্যবসিত হয়; এবং এই সম্ভাব্যতা আমাদের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে কম বা বেশি হতে পারে।
** ৪র্থ অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ।
* বর্তমানে দার্শনিকদের অবস্থা অত্যন্ত করুণ বলে মনে হচ্ছে; সিজিফাস (Sisyphus) এবং ট্যান্টালাস (Tantalus)-এর শাস্তির বর্ণনায় কবিরা আমাদের যে ধারণা দিয়েছেন, তা বাস্তব যন্ত্রণার তুলনায় সামান্য। কারণ এর চেয়ে যন্ত্রণাদায়ক আর কী হতে পারে যে—ব্যকুল হয়ে এমন কিছুকে খোঁজা যা চিরকাল আমাদের ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়; এবং এমন এক জায়গায় তাকে খোঁজা যেখানে তার অস্তিত্ব থাকা অসম্ভব?
** ৪র্থ অংশ, ৩য় পরিচ্ছেদ।
* আমি যখন সবচেয়ে নিবিড়ভাবে নিজেকে 'আমি' বলে অনুসন্ধান করি, তখন আমি সবসময়ই তাপ বা শৈত্য, আলো বা ছায়া, প্রেম বা ঘৃণা, দুঃখ বা সুখের মতো কোনো না কোনো বিশেষ উপলব্ধির (Perception) ওপর আছাড় খেয়ে পড়ি। আমি কখনোই কোনো উপলব্ধি ছাড়া 'নিজেকে' ধরতে পারি না, এবং উপলব্ধি ছাড়া আর কিছুই পর্যবেক্ষণ করতে পারি না। যখন কিছু সময়ের জন্য আমার উপলব্ধিগুলো অপসারিত হয় (যেমন গভীর ঘুমে), ততক্ষণ আমি নিজের সম্পর্কে অচেতন থাকি এবং সত্যই বলা যেতে পারে যে তখন আমার কোনো অস্তিত্ব নেই। আর যদি মৃত্যুর মাধ্যমে আমার সব উপলব্ধি চিরতরে মুছে যায়—তবে আমি সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে যাব। যদি কেউ নিরপেক্ষ চিন্তার পর মনে করেন যে তাঁর 'নিজের' সম্পর্কে ভিন্ন কোনো ধারণা আছে, তবে আমি স্বীকার করছি যে তাঁর সাথে আমি আর তর্কে যেতে পারছি না। তিনি হয়তো নিজের ভেতর সরল এবং অবিচ্ছিন্ন কিছু অনুভব করেন যাকে তিনি 'নিজে' বা 'স্বয়ং' বলেন; কিন্তু আমি নিশ্চিত যে আমার ভেতর এমন কোনো মূলনীতি নেই... তবে এই ধরণের কিছু অধিবিদ্যক ব্যক্তিদের বাদ দিলে, আমি বাকি মানবজাতি সম্পর্কে জোর দিয়ে বলতে পারি যে—তারা অসংখ্য উপলব্ধির একটি সমষ্টি বা সংগ্রহ (Bundle of perceptions) ছাড়া আর কিছুই নয়, যা অচিন্তনীয় দ্রুততায় একে অপরকে অনুসরণ করে এবং এক নিরন্তর প্রবাহ ও গতির মধ্যে থাকে।
** ৪র্থ অংশ, ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ।
* '''আমার নিজেকে এমন একজন মানুষের মতো মনে হয়, যে বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে এবং এক ছোট প্রণালী পার হতে গিয়ে অল্পের জন্য জাহাজডুবি থেকে রক্ষা পেয়েছে; তবুও তার ধৃষ্টতা এতটাই যে সে সেই একই জীর্ণ, লোনা ধরা জাহাজে করে সমুদ্রে পাড়ি দিতে চায় এবং এমনকি এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বিশ্ব ভ্রমণের উচ্চাকাঙ্ক্ষা পোষণ করে।'''
** ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ।
* আমার দর্শনে আমি নিজেকে যে জনশূন্য একাকীত্বের মধ্যে আবিষ্কার করি, তা দেখে আমি প্রথমে আতঙ্কিত এবং বিভ্রান্ত হই; নিজেকে এক অদ্ভুত বিদঘুটে দানব মনে হয়, যে সমাজে মিশতে অক্ষম হয়ে মানুষের সান্নিধ্য থেকে বিতাড়িত এবং পরিত্যক্ত ও শোচনীয় অবস্থায় পড়ে আছে। '''ইচ্ছে হয় আশ্রয় আর উষ্ণতার জন্য ভিড়ের মধ্যে ছুটে যাই; কিন্তু সেই কদর্যতার সাথে নিজেকে মেশাতে পারি না। আমি অন্যদের ডাকি আমার সাথে যোগ দিতে যাতে আমরা আলাদা একটি সঙ্গ গড়ে তুলতে পারি; কিন্তু কেউ আমার কথা শোনে না। সবাই দূরে থাকে এবং সেই ঝড়কে ভয় পায় যা আমার ওপর চারপাশ থেকে আঘাত হানছে। আমি সমস্ত অধিবিদ্যক, যুক্তিবিদ, গণিতবিদ এমনকি ধর্মতাত্ত্বিকদের শত্রুতার মুখে নিজেকে সঁপে দিয়েছি; তবে আমার ওপর যে অপমান নেমে আসবে তাতে কি আমি অবাক হতে পারি?''' আমি তাদের ব্যবস্থার প্রতি আমার অসম্মতি প্রকাশ করেছি; তবে তারা যদি আমার এবং আমার মতবাদের প্রতি ঘৃণা পোষণ করে তবে কি আমি বিস্মিত হতে পারি? আমি যখন বাইরের দিকে তাকাই, আমি সবদিকে কেবল বিতর্ক, বিরোধিতা, ক্রোধ আর কুৎসা দেখি। যখন আমি নিজের ভেতরে তাকাই, আমি কেবল সন্দেহ আর অজ্ঞতা ছাড়া আর কিছুই খুঁজে পাই না। সারা বিশ্ব আমার বিরোধিতা করার জন্য ষড়যন্ত্র করছে; যদিও আমার দুর্বলতা এমনই যে অপরের সমর্থন ছাড়া আমার নিজের মতামতগুলোই আলগা হয়ে ঝরে পড়ে। আমার নেওয়া প্রতিটি পদক্ষেপ দ্বিধাগ্রস্ত, আর প্রতিটি নতুন চিন্তা আমাকে ভুলের আশঙ্কায় ভীত করে তোলে।
** ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ।
* '''কেননা এত সাহস নিয়ে আমি কীভাবে এগোব, যখন নিজের অসংখ্য দুর্বলতা ছাড়াও আমি মানুষের সহজাত সাধারণ দুর্বলতাগুলোও নিজের ভেতর খুঁজে পাই? আমি কি নিশ্চিত হতে পারি যে প্রতিষ্ঠিত সমস্ত মতামত ত্যাগ করে আমি সত্যকেই অনুসরণ করছি? আর কিসের ভিত্তিতেই বা আমি সত্যকে চিনব, যদি ভাগ্য শেষ পর্যন্ত আমাকে তাঁর পায়ের ছাপে পৌঁছেও দেয়?''' আমার সবচেয়ে নির্ভুল যুক্তির পরেও আমি কেন তা মেনে নেব—তার কোনো কারণ খুঁজে পাই না; আমি কেবল সেই দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি এক তীব্র টান অনুভব করি যার অধীনে বস্তুগুলো আমার কাছে প্রকাশিত হয়। স্মৃতি, ইন্দ্রিয় এবং বোধশক্তি—এই সবকিছুই তাই শেষ পর্যন্ত কল্পনা (Imagination) বা আমাদের ধারণার প্রাণবন্ততার ওপর ভিত্তি করেই দাঁড়িয়ে আছে।
** ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ।
== ''এ ট্রিটিজ অফ হিউম্যান নেচার'' (১৭৩৯-৪০): ২য় ও ৩য় খণ্ড ==
* কার্যকারণের (Cause and Effect) সাধারণ সংযোগের অন্তরালে যে মূলনীতিটি তাদের বেঁধে রেখেছে, সে সম্পর্কে আমরা সাধারণ ঘটনায় যতটা অজ্ঞ, অসাধারণ কোনো ঘটনায় ঠিক ততটাই অজ্ঞ; কিন্তু দৈনন্দিন জীবনে আমরা এই ঘাটতি বুঝতে পারি না। এটি আসলে কল্পনার একটি বিভ্রম ছাড়া আর কিছুই নয়। কল্পনার এই উড্ডয়ন দর্শনের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং দার্শনিকদের অধিকাংশ ভুলের মূল কারণ। উজ্জ্বল কল্পনাশক্তির অধিকারীদের সেই দেবদূতদের সাথে তুলনা করা যেতে পারে, যারা নিজেদের ডানা দিয়ে নিজেদের চোখ ঢেকে রাখে।
** ১ম খণ্ড: বোধশক্তি প্রসঙ্গে, ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ২৬৭-২৬৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''সাধারণভাবে বলতে গেলে, ধর্মের ভুলগুলো বিপজ্জনক; আর দর্শনের ভুলগুলো কেবল হাস্যকর।''' (Generally speaking, the errors in religion are dangerous; those in philosophy only ridiculous.)
** ১ম খণ্ড: বোধশক্তি প্রসঙ্গে, ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ২৭২, লিবার্টি ফান্ড)।
==== ২য় খণ্ড: আবেগ বা প্রবৃত্তি প্রসঙ্গে (Of the passions) ====
* দুঃখ আর হতাশা থেকে জন্ম নেয় ক্রোধ, ক্রোধ থেকে ঈর্ষা, ঈর্ষা থেকে বিদ্বেষ, আর সেই বিদ্বেষ থেকে পুনরায় দুঃখ—এভাবেই চক্রটি পূর্ণতা পায়।
** ১ম অংশ, ৪র্থ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ২৮৩, লিবার্টি ফান্ড)।
* মানবপ্রকৃতির কোনো গুণই সহমর্মিতার (Sympathy) মতো এত বেশি লক্ষণীয় নয়; যার মাধ্যমে আমরা অন্যের রুচি আর অনুভূতি গ্রহণ করি, এমনকি সেগুলো আমাদের নিজস্ব মতের বিরোধী হলেও। আমরা লক্ষ্য করি যে, একই জাতির মানুষের চিন্তা আর মেজাজের মধ্যে এক অদ্ভুত সামঞ্জস্য থাকে; আর এই সাদৃশ্য মাটি বা জলবায়ুর চেয়ে সহমর্মিতার কারণেই বেশি ঘটে। একজন অমায়িক মানুষ মুহূর্তের মধ্যেই তাঁর সঙ্গীদের মেজাজে মিশে যান; এমনকি সবচেয়ে অহংকারী ব্যক্তিও তাঁর পরিচিতদের প্রভাবে প্রভাবিত হন।
** ১ম অংশ, ১১শ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৩১৬-৩১৭, লিবার্টি ফান্ড)।
* হাঁস, তুরস্কের মুরগি কিংবা ময়ূরের চলন-বলন দেখলেই বোঝা যায় তারা নিজেদের সম্পর্কে কত উঁচু ধারণা পোষণ করে এবং অন্যদের কতটা অবজ্ঞা করে। পুরুষ নাইটিঙ্গেল পাখির গান গাওয়ার প্রতিযোগিতা আর এই ধরণের আরও অনেক প্রমাণ থেকে এটি স্পষ্ট যে—অহংকার (Pride) আর বিনয় (Humility) কেবল মানুষের আবেগ নয়, বরং তা সমগ্র প্রাণীজগতে বিস্তৃত।
** ১ম অংশ, ১২শ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৩২৬, লিবার্টি ফান্ড)।
* পশুদের ক্ষেত্রেও সহমর্মিতা বা আবেগের আদান-প্রদান মানুষের মতোই ঘটে। ভয়, ক্রোধ, সাহস—সবই এক পশু থেকে অন্য পশুতে সঞ্চারিত হয়। লক্ষ্যণীয় যে, সিংহ, বাঘ বা বিড়াল খেলার ছলে যখন আক্রমণ করে, তখন তারা নখর বা দাঁত ব্যবহার করলেও সঙ্গীকে আঘাত করা থেকে সতর্কভাবে বিরত থাকে; যা প্রমাণ করে যে ইতর প্রাণীদেরও একে অপরের ব্যথা আর আনন্দের বোধ রয়েছে।
** ২য় অংশ, ১২শ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৩৯৭-৩৯৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* দার্শনিক বিতর্কে কোনো হাইপোথিসিস বা মতবাদকে ধর্ম ও নৈতিকতার জন্য 'বিপজ্জনক' বলে প্রমাণ করার মাধ্যমে তা নাকচ করে দেওয়া—সবচেয়ে প্রচলিত অথচ সবচেয়ে নিন্দনীয় একটি পদ্ধতি। কোনো মতবাদ যদি অযৌক্তিকতার দিকে নিয়ে যায়, তবেই তা মিথ্যে হতে পারে; কিন্তু তার ফলাফল বিপজ্জনক বলেই যে তা মিথ্যে হবে—এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।
** ৩য় অংশ, ২য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪০৯, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''যখন আমরা আবেগ আর যুক্তির লড়াই নিয়ে কথা বলি, তখন আমরা দার্শনিক এবং পারিভাষিক দিক থেকে সঠিক কথা বলি না। যুক্তি হলো আবেগের দাস, এবং এর একমাত্র কাজ হলো আবেগের সেবা ও আনুগত্য করা।''' (Reason is, and ought only to be the slave of the passions.)
** ৩য় অংশ, ৩য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪১৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* আমার আঙুলের সামান্য আঁচড় রোধ করার চেয়ে পুরো পৃথিবীর ধ্বংসকে অগ্রাধিকার দেওয়া যুক্তিবিরোধী কিছু নয়। আমার সামান্যতম অস্বস্তি এড়াতে একজন সম্পূর্ণ অচেনা মানুষের বা কোনো দূর দেশের বাসিন্দার চূড়ান্ত ধ্বংস বেছে নেওয়াও যুক্তিবিরোধী নয়। এমনকি আমার বড় কোনো কল্যাণের চেয়ে ছোট কোনো কল্যাণকে বেশি গুরুত্ব দেওয়াও অযৌক্তিক নয়। সংক্ষেপে বলতে গেলে, একটি আবেগ বা প্রবৃত্তিকে কেবল তখনই অযৌক্তিক বলা যেতে পারে যখন তা কোনো ভুল বিচারবুদ্ধি বা মিথ্যে ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়।
** ৩য় অংশ, ৩য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪১৬, লিবার্টি ফান্ড)।
==== ৩য় খণ্ড: নৈতিকতা প্রসঙ্গে (Of morals) ====
* সূক্ষ্ম এবং জটিল যুক্তির একটি অসুবিধা হলো—এটি প্রতিপক্ষকে স্তব্ধ করতে পারে কিন্তু সব সময় আশ্বস্ত করতে পারে না। পড়ার ঘর থেকে বেরিয়ে যখন আমরা দৈনন্দিন জীবনের কাজে যুক্ত হই, তখন সেই সূক্ষ্ম যুক্তিগুলো রাতের অন্ধকারের মতো মিলিয়ে যায় এবং আমরা যে সিদ্ধান্তগুলো অনেক কষ্টে অর্জন করেছিলাম, সেগুলো ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।
** ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৫৫, লিবার্টি ফান্ড)।
== ''এ ট্রিটিজ অফ হিউম্যান নেচার'' ও ''এ্যান এনকোয়ারি'' (১৭৩৯-১৭৪৮) ==
* '''নৈতিকতা এমন একটি বিষয় যা অন্য সবকিছুর চেয়ে আমাদের বেশি আলোড়িত করে: আমরা মনে করি সমাজ ও রাষ্ট্রের শান্তি এর প্রতিটি সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে; আর এই গুরুত্বই আমাদের অনুসন্ধানকে অন্য যেকোনো বিষয়ের চেয়ে বেশি বাস্তব ও দৃঢ় করে তোলে।''' এই সুবিধাটুকু না থাকলে আমি কখনোই এই ধরণের দুর্ভেদ্য দর্শনের তৃতীয় খণ্ডটি লেখার দুঃসাহস দেখাতাম না—বিশেষ করে এমন এক যুগে, যেখানে অধিকাংশ মানুষ পড়াকে কেবল বিনোদন হিসেবে গ্রহণ করেছে এবং যা কিছু বোঝার জন্য গভীর মনোযোগ প্রয়োজন, তাকেই প্রত্যাখ্যান করতে শিখেছে।
** ''এ ট্রিটিজ অফ হিউম্যান নেচার'', ৩য় খণ্ড: নৈতিকতা প্রসঙ্গে, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৫৫-৪৫৬, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''নীতিবোধ আমাদের আবেগ জাগিয়ে তোলে এবং কোনো কাজ করতে বা তা থেকে বিরত থাকতে উদ্বুদ্ধ করে। যুক্তি এই বিশেষ ক্ষেত্রে একেবারেই অক্ষম। সুতরাং, নৈতিকতার নিয়মগুলো আমাদের যুক্তির কোনো সিদ্ধান্ত নয়।'''
** ৩য় খণ্ড, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৫৭, লিবার্টি ফান্ড)।
* কোনো কাজ প্রশংসনীয় বা নিন্দনীয় হতে পারে; কিন্তু তা 'যুক্তিসঙ্গত' বা 'অযৌক্তিক' হতে পারে না। প্রশংসা আর নিন্দা যুক্তির সীমানার বাইরের বিষয়। যুক্তি অলস ও নিষ্ক্রিয়, এটি কখনোই বিবেকের মতো সক্রিয় নীতির উৎস হতে পারে না।
** ৩য় খণ্ড, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৫৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* যেকোনো জঘন্য কাজকে লক্ষ্য করুন—ধরুন একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। একে সব দিক থেকে পরীক্ষা করে দেখুন, সেখানে কি বাস্তব কোনো অস্তিত্ব বা তথ্য পাবেন যাকে আপনি 'পাপ' (Vice) বলতে পারেন? সেখানে আপনি কেবল কিছু আবেগ, উদ্দেশ্য, ইচ্ছা আর চিন্তা খুঁজে পাবেন। পাপ বিষয়টি বস্তু বা ঘটনার মধ্যে থাকে না; যতক্ষণ আপনি বাইরের ঘটনার দিকে তাকাবেন, পাপ আপনার নাগালের বাইরে থাকবে। এটি কেবল তখনই খুঁজে পাবেন যখন আপনি আপনার দৃষ্টি নিজের অন্তরের দিকে ফেরাবেন এবং সেই কাজের প্রতি নিজের ভেতর একটি ঘৃণার অনুভূতি লক্ষ্য করবেন। সুতরাং, গুণ এবং পাপ অনেকটা শব্দ, বর্ণ, তাপ বা শৈত্যের মতো; যা বস্তুর নিজস্ব কোনো গুণ নয়, বরং মনের ভেতরের এক একটি অনুভূতি বা উপলব্ধি মাত্র।
** ৩য় খণ্ড, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৬৮-৪৬৯, লিবার্টি ফান্ড)।
* আমি একটি পর্যবেক্ষণ যোগ না করে পারছি না যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি এ পর্যন্ত যত নৈতিক ব্যবস্থা দেখেছি, সেখানে লক্ষ্য করেছি যে লেখক প্রথমে সাধারণ যুক্তিতে কথা বলেন—ঈশ্বরের অস্তিত্ব বা মানুষের স্বভাব নিয়ে আলোচনা করেন; কিন্তু হঠাৎ আমি অবাক হয়ে দেখি যে, সেখানে 'হয়' (Is) বা 'নয়' (Is Not) জাতীয় বাক্যের পরিবর্তে এমন কোনো বাক্য নেই যা 'উচিত' (Ought) বা 'উচিত নয়' (Ought Not)-এর সাথে যুক্ত নয়। এই পরিবর্তনটি অলক্ষ্যেই ঘটে যায়, কিন্তু এর ফলাফল সুদূরপ্রসারী। কেননা এই 'উচিত' বা 'উচিত নয়' একটি নতুন সম্পর্ক প্রকাশ করে, যা আগের বর্ণনামূলক তথ্য থেকে কীভাবে বিবর্তিত হলো—তা ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন। লেখকের এই অসাবধানতা পাঠককে খেয়াল করার অনুরোধ জানাব; কারণ এই সামান্য সতর্কতাটুকু প্রচলিত সমস্ত নৈতিক ব্যবস্থাকে ধূলিসাৎ করে দিতে যথেষ্ট।
** ৩য় খণ্ড, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৬৯-৪৭০, লিবার্টি ফান্ড)।
* ন্যায় এবং অন্যায়ের বোধ প্রকৃতি থেকে উদ্ভূত হয়নি, বরং এটি কৃত্রিমভাবে... শিক্ষা এবং মানবিক প্রথা (Convention) থেকে তৈরি হয়েছে।
** ৩য় খণ্ড, ২য় অংশ, ১৭শ পরিচ্ছেদ।
* মানুষের স্বার্থপরতা, সীমিত উদারতা এবং তাদের চাহিদার তুলনায় প্রকৃতির কৃপণতার কারণেই মূলত 'ন্যায়বিচার' (Justice)-এর উৎপত্তি হয়েছে।
** ৩য় খণ্ড, ২য় অংশ, ২য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৯৪-৪৯৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* নিজের এবং নিকটজনদের জন্য সম্পদ ও প্রতিপত্তি অর্জনের এই যে লালসা—এটি অতৃপ্ত, চিরন্তন, সর্বজনীন এবং সরাসরি সমাজের জন্য ধ্বংসাত্মক।
** ৩য় খণ্ড, ২য় অংশ, ২য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৯১-৪৯২, লিবার্টি ফান্ড)।
=== ''এ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং হিউম্যান আন্ডারস্ট্যান্ডিং'' (১৭৪৮) ===
* '''প্রকৃতপক্ষে, অভ্যাসই হলো মানবজীবনের প্রধান নির্দেশক।''' এটিই একমাত্র নীতি যা আমাদের অভিজ্ঞতাকে কার্যকর করে তোলে এবং অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে প্রত্যাশা তৈরি করে। অভ্যাসের প্রভাব ছাড়া আমরা বর্তমান স্মৃতি আর ইন্দ্রিয়ের বাইরের জগত সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ থাকতাম।
** ৫ম পরিচ্ছেদ: স্কেপটিক্যাল সলিউশন; ১ম খণ্ড, অনুচ্ছেদ ৩৬ (পৃষ্ঠা ৪৪, অক্সফোর্ড)।
* '''প্রকৃতি আমাদের জন্য এক মিশ্র জীবনকেই সবচেয়ে উপযোগী হিসেবে চিহ্নিত করেছে। [...] বিজ্ঞানের প্রতি তোমার আগ্রহকে লালন করো, তবে তোমার বিজ্ঞান যেন হয় মানবিক এবং সমাজ ও কর্মের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত। দার্শনিক হও; কিন্তু তোমার সমস্ত দর্শনের মাঝেও ভুলে যেও না যে তুমি একজন মানুষ।'''
** ১ম পরিচ্ছেদ: অফ দ্য ডিফারেন্ট স্পিসিস অফ ফিলোসফি (পৃষ্ঠা ৭, লিবার্টি ফান্ড)।
* দার্শনিক বিতর্কে কোনো মতবাদকে কেবল ধর্ম বা নৈতিকতার জন্য 'বিপজ্জনক' তকমা দিয়ে নাকচ করে দেওয়ার চেষ্টার চেয়ে সাধারণ এবং একইসাথে নিন্দনীয় পদ্ধতি আর নেই। এটি সত্য আবিষ্কারে কোনো সাহায্য করে না, কেবল প্রতিপক্ষকে ঘৃণা করতে শেখায়।
** ৮ম পরিচ্ছেদ: অফ লিবার্টি অ্যান্ড নেসেসিটি; ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ৯৬, লিবার্টি ফান্ড)।
* বাস্তব তথ্য বা অস্তিত্ব সম্পর্কিত আমাদের যুক্তিতে সব ধরণের নিশ্চয়তা থাকতে পারে; সবচেয়ে উচ্চপর্যায়ের ধ্রুব সত্য থেকে শুরু করে সবচেয়ে নিম্নপর্যায়ের নৈতিক প্রমাণ। '''তাই একজন প্রাজ্ঞ মানুষ সবসময় প্রাপ্ত প্রমাণের অনুপাতে তাঁর বিশ্বাসকে নিয়ন্ত্রণ করেন।'''
** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস (অলৌকিক ঘটনা প্রসঙ্গে); ১ম অংশ, অনুচ্ছেদ ৮৭ (পৃষ্ঠা ১১০, লিবার্টি ফান্ড)।
* কোনো অলৌকিক ঘটনা প্রতিষ্ঠিত করার জন্য কোনো সাক্ষ্যই যথেষ্ট নয়, যতক্ষণ না সেই সাক্ষ্যটি এমন পর্যায়ের হয় যে—তার মিথ্যা হওয়াটা সেই অলৌকিক ঘটনার চেয়েও বেশি বিস্ময়কর বা অলৌকিক বলে মনে হবে।
** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস; ১ম অংশ, অনুচ্ছেদ ৯১ (পৃষ্ঠা ১১৫, অক্সফোর্ড)।
* '''বাগ্মিতা যখন চূড়ান্ত শিখরে পৌঁছায়, তখন তা যুক্তি বা চিন্তার জন্য খুব সামান্যই অবকাশ রাখে; এটি সরাসরি মানুষের কল্পনা আর আবেগকে নাড়া দেয় এবং শ্রোতাদের বিচারবুদ্ধিকে পরাভূত করে ফেলে।'''
** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস; ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ১১৮, লিবার্টি ফান্ড)।
== ধর্ম, নৈতিকতা ও সংশয়বাদ (১৭৪৮-১৭৫৭) ==
* খ্রিষ্টধর্ম কেবল শুরুর দিকেই অলৌকিক ঘটনার ওপর নির্ভরশীল ছিল না; বরং আজও কোনো যুক্তিবাদী মানুষ অলৌকিক কোনো শক্তি ছাড়া এতে বিশ্বাস স্থাপন করতে পারে না। কেবল যুক্তি এর সত্যতা প্রমাণে যথেষ্ট নয়। যে ব্যক্তি বিশ্বাসের (Faith) দ্বারা এতে সায় দেন, তিনি নিজের ভেতরেই এক নিরন্তর অলৌকিকত্ব অনুভব করেন—যা তাঁর বোধশক্তির সমস্ত মূলনীতিকে উল্টে দেয় এবং তাঁকে এমন কিছু বিশ্বাস করতে বাধ্য করে যা মানুষের সাধারণ অভিজ্ঞতা ও অভ্যাসের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
** ''এ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং হিউম্যান আন্ডারস্ট্যান্ডিং'' (১৭৪৮), ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস, ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ১২০, লিবার্টি ফান্ড)।
* যখন আমরা এই মূলনীতিগুলোতে বিশ্বাস রেখে কোনো লাইব্রেরিতে ঘুরে বেড়াই, তখন আমাদের কী পরিমাণ ধ্বংসযজ্ঞই না চালাতে হবে! আমরা যদি হাতে কোনো ধর্মতত্ত্ব বা স্কুল-মেটাফিজিক্সের বই পাই, তবে আমাদের প্রশ্ন করা উচিত—"এতে কি পরিমাণ বা সংখ্যা সংক্রান্ত কোনো বিমূর্ত যুক্তি আছে?" না। "এতে কি বাস্তব তথ্য ও অস্তিত্ব সম্পর্কে কোনো পরীক্ষামূলক যুক্তি আছে?" না। তবে একে অগ্নিশিখায় সমর্পণ করো; কারণ এতে ভ্রান্ত কুযুক্তি আর মায়া ছাড়া আর কিছুই নেই।
** ''এ্যান এনকোয়ারি'', ১২শ পরিচ্ছেদ: অফ দ্য অ্যাকাডেমিক্যাল অর স্কেপটিক্যাল ফিলোসফি, ৩য় অংশ (পৃষ্ঠা ১৬৫, অক্সফোর্ড)।
=== ''এ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং দ্য প্রিন্সিপলস অফ মোরালস'' (১৭৫১) ===
* নৈতিকতার প্রতিটি সিদ্ধান্তে 'জনকল্যাণ' (Public Utility) বিষয়টিই প্রধানত বিবেচনায় থাকে। যেখানেই দর্শনে বা সাধারণ জীবনে কর্তব্যের সীমা নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়, সেখানে মানবজাতির প্রকৃত স্বার্থের বিচার ছাড়া আর কোনোভাবেই অধিকতর নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়।
** ২য় পরিচ্ছেদ: অফ বেনোভোলেন্স, ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ১৮০, অক্সফোর্ড)।
* সেই ব্যক্তি সুখী, যার পরিস্থিতি তার স্বভাবের সাথে খাপ খায়; কিন্তু সেই ব্যক্তি অধিকতর শ্রেষ্ঠ, যে যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজের স্বভাবকে মানিয়ে নিতে পারে।
** ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ: অফ কোয়ালিটিজ ইউজফুল টু আওয়ারসেলভস, ১ম অংশ (পৃষ্ঠা ২৪৩, অক্সফোর্ড)।
* যেখানে মানুষ সবচেয়ে বেশি নিশ্চিত এবং অহংকারী, তারা সাধারণত সেখানেই সবচেয়ে বড় ভুলটি করে থাকে; কারণ সেখানে তারা সঠিক বিচার-বিশ্লেষণ ছাড়াই আবেগের হাতে লাগাম ছেড়ে দেয়।
** ৯ম পরিচ্ছেদ: কনক্লুশন (উপসংহার), ১ম অংশ (পৃষ্ঠা ২৮১, অক্সফোর্ড)।
=== ''দ্য ন্যাচারাল হিস্ট্রি অফ রিলিজিয়ন'' (১৭৫৭) ===
* ধর্মের উৎস নিয়ে অনুসন্ধান করলে দেখা যায়—প্রকৃতির এই বিশাল কাঠামো একজন বুদ্ধিমান স্রষ্টার কথা ঘোষণা করে; কোনো যুক্তিবাদী অনুসন্ধিৎসু মানুষই এক মুহূর্তের জন্য এই সত্য অস্বীকার করতে পারেন না। কিন্তু মানবপ্রকৃতিতে ধর্মের উৎপত্তি নিয়ে যথেষ্ট জটিলতা আছে। অদৃশ্য শক্তির ওপর বিশ্বাস পৃথিবীর সব অঞ্চলেই ছড়িয়ে আছে, কিন্তু ইতিহাসবিদদের বিশ্বাস করলে দেখা যায়—এমন অনেক জাতির সন্ধান মিলেছে যাদের মধ্যে ধর্মের কোনো বালাই নেই।
** ভূমিকা (পৃষ্ঠা ২৫, কলিন্স এডিশন)।
* মূর্তিপূজা এবং একেশ্বরবাদের তুলনা করলে আমরা সেই সাধারণ পর্যবেক্ষণটির সত্যতা খুঁজে পাই যে—'''সবচেয়ে ভালো জিনিসের বিকৃতি থেকেই সবচেয়ে জঘন্য জিনিসের জন্ম হয়।''' (The corruption of the best things gives rise to the worst.)
** ১০ম অংশ: উইথ রিগার্ড টু কারেজ অর অ্যাবেসমেন্ট (পৃষ্ঠা ৫০, এ. ডব্লিউ. কলিন্স)।
* একেশ্বরবাদী ধর্মগুলোর গোঁড়ামি এবং পাণ্ডিত্যপূর্ণ যুক্তির প্রবল স্রোতকে "দুই আর তিনে পাঁচ হয়" বা "সমগ্র অংশ তার খণ্ডাংশের চেয়ে বড়"—এই জাতীয় সাধারণ যুক্তি দিয়ে আটকানোর চেষ্টা করা মানে হলো একটা নলখাগড়া দিয়ে সমুদ্র ঠেকানোর চেষ্টা করা। পবিত্র রহস্যের সামনে আপনি কি অপবিত্র যুক্তি খাড়া করবেন? আপনার এই ধর্মদ্রোহিতার জন্য কোনো শাস্তিই যথেষ্ট নয়। আর যে আগুন ধর্মদ্রোহীদের পোড়ানোর জন্য জ্বালানো হয়, তা দার্শনিকদের বিনাশের জন্যও যথেষ্ট।
** ১১শ অংশ: উইথ রিগার্ড টু রিজন অর অ্যাবসারডিটি (পৃষ্ঠা ৬০, লিবার্টি ফান্ড)।
* জগতের অধিকাংশ ধর্মের মানুষের দিকে তাকালে আপনি খুব কমই নিশ্চিত হবেন যে তারা সুস্থ মানুষের কথা বলছে; বরং তাদের বিশ্বাসগুলোকে দেখে অসুস্থ মানুষের স্বপ্ন অথবা মানুষের রূপ ধারণ করা বানরের খামখেয়ালি প্রলাপ বলে মনে হতে পারে।
** ১৫শ অংশ: জেনারেল করোলারি (পৃষ্ঠা ৭৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''অজ্ঞতাই হলো ভক্তির জননী—এই প্রবাদটি সাধারণ অভিজ্ঞতা দ্বারা বারবার প্রমাণিত। এমন কোনো জাতিকে খুঁজে দেখুন যাদের কোনো ধর্ম নেই; যদি পানও তবে নিশ্চিত থাকবেন যে তারা পশুদের থেকে খুব সামান্যই আলাদা।'''
** ১৫শ অংশ: জেনারেল করোলারি (পৃষ্ঠা ৭৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''সমগ্র বিষয়টিই একটি ধাঁধা, এক রহস্যময় সংকেত এবং ব্যাখ্যাতীত জটিলতা। সন্দেহ, অনিশ্চয়তা আর বিচারের দোদুল্যমানতা—এটাই আমাদের অনুসন্ধানের একমাত্র ফলাফল।''' তবে মানুষের যুক্তিবোধের দুর্বলতা এমন যে এই সংশয় ধরে রাখা কঠিন; তাই আমরা এক ধরণের কুসংস্কারের বিপরীতে অন্যটিকে লেলিয়ে দিয়ে তাদের ঝগড়া দেখতে দেখতে নিজেরা দর্শনের শান্ত ও নির্জন অঞ্চলে পালিয়ে যাই।
** ১৫শ অংশ: জেনারেল করোলারি (পৃষ্ঠা ৭৯, লিবার্টি ফান্ড)।
=== ''এসেস, মোরাল, পলিটিক্যাল, অ্যান্ড লিটারারি'' (১৭৪১-২;১৭৪৮) ===
* স্বাধীনতার প্রেমীদের জন্য এটি একটি স্বস্তিদায়ক চিন্তা যে—ব্রিটেনের এই বিশেষ সুবিধা (সংবাদপত্রের স্বাধীনতা) ততদিনই থাকবে যতদিন আমাদের সরকার স্বাধীন থাকবে। '''যেকোনো ধরণের স্বাধীনতা খুব কম ক্ষেত্রেই একেবারে হারিয়ে যায়।''' যারা স্বাধীনতায় অভ্যস্ত, তাদের কাছে দাসত্বের চেহারা এতটাই বীভৎস যে এটি ধীরে ধীরে এবং হাজারো ছদ্মবেশে মানুষের ভেতর ঢুকে পড়ে। কিন্তু যদি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কখনো লুপ্ত হয়, তবে তা একসাথেই হারিয়ে যাবে।
** ১ম খণ্ড, ২য় প্রবন্ধ: অফ দ্য লিবার্টি অফ দ্য প্রেস (পৃষ্ঠা ১৩, লিবার্টি ফান্ড)।
== রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রবন্ধাবলি ==
* যারা দার্শনিক দৃষ্টিতে মানবীয় বিষয়াবলি পর্যবেক্ষণ করেন, তাদের কাছে এর চেয়ে বিস্ময়কর আর কিছু নেই যে—কত সহজে সংখ্যাগুরু সাধারণ মানুষ মুষ্টিমেয় কয়েকজনের দ্বারা শাসিত হয়; এবং মানুষ কত অবলীলায় নিজের আবেগ আর অনুভূতিকে শাসকদের হাতে সঁপে দেয়। যখন আমরা এই বিস্ময়ের কারণ খুঁজি, তখন দেখি যে শক্তি সব সময় শাসিতদের পক্ষেই থাকে, তাই শাসকদের টিকে থাকার একমাত্র অবলম্বন হলো জনমত। সুতরাং, কেবল জনমতের ওপর ভিত্তি করেই শাসনব্যবস্থা গড়ে ওঠে; এবং এই নীতিটি যেমন স্বাধীন ও জনপ্রিয় সরকারের ক্ষেত্রে সত্য, তেমনি চরম স্বৈরাচারী ও সামরিক সরকারের ক্ষেত্রেও সত্য।
** ১ম খণ্ড, ৪র্থ প্রবন্ধ: অফ দ্য ফার্স্ট প্রিন্সিপলস অফ গভর্নমেন্ট (পৃষ্ঠা ৩২, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''এটি একটি সঠিক রাজনৈতিক নীতি যে—প্রতিটি মানুষকে 'প্রতারক' হিসেবে ধরে নিতে হবে; যদিও এটি শুনতে অদ্ভুত লাগে যে একটি নীতি রাজনীতিতে সত্য হলেও বাস্তব জীবনে মিথ্যে।''' মানুষ সাধারণত তার ব্যক্তিগত জীবনের চেয়ে জনসমক্ষে বা সামাজিক পরিচয়ে বেশি অসৎ হয়ে থাকে; এবং নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে দলের স্বার্থ রক্ষায় তারা অনেক বেশি দূর পর্যন্ত যেতে পারে। লোকলজ্জা বা সম্মানবোধ মানুষের জন্য একটি বড় প্রতিবন্ধক; কিন্তু যখন একদল মানুষ একসাথে কাজ করে, তখন এই বাধাটি অনেকাংশেই দূর হয়ে যায়; কারণ একজন মানুষ যখন দলের স্বার্থে কাজ করে, তখন সে জানে যে তার নিজের দল তাকে সমর্থন করবেই এবং খুব দ্রুতই সে প্রতিপক্ষের সমালোচনাকে তুচ্ছ জ্ঞান করতে শেখে।
** ১ম খণ্ড, ৬ষ্ঠ প্রবন্ধ: অফ দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্সি অফ পার্লামেন্ট (পৃষ্ঠা ৪২-৪৩, লিবার্টি ফান্ড)।
* মানুষের মনের প্রকৃতিই এমন যে, এটি তার সান্নিধ্যে আসা অন্য সব মনকে আঁকড়ে ধরে; এবং যেমন মতের মিল বা ঐক্য একে ভীষণভাবে শক্তিশালী করে, তেমনি মতের অমিল বা বৈপরীত্য একে সমানভাবে বিচলিত ও বিমর্ষ করে তোলে। এ কারণেই বিতর্কের সময় অধিকাংশ মানুষের মধ্যে এক ধরণের ব্যকুলতা দেখা যায় এবং অতি সাধারণ বা তুচ্ছ বিষয়েও তারা বিরোধিতাকে সহ্য করতে পারে না।
** ১ম খণ্ড, ৮ম প্রবন্ধ: অফ পার্টিজ ইন জেনারেল (পৃষ্ঠা ৫৪, লিবার্টি ফান্ড)।
* জনপ্রিয়তা আর দেশপ্রেমের চূড়ান্ত শিখর আজও ক্ষমতা আর স্বৈরাচারের দিকে যাওয়ার চেনা রাস্তা; তোষামোদ যেমন বিশ্বাসঘাতকতার পথ দেখায়, স্থায়ী সেনাবাহিনী যেমন স্বৈরাচারী শাসনের পথ প্রশস্ত করে, ঠিক তেমনি ঈশ্বরের মহিমা প্রচার অনেক সময় যাজকশ্রেণীর বৈষয়িক স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হয়ে দাঁড়ায়।
** ১ম খণ্ড, ৮ম প্রবন্ধ: অফ পাবলিক ক্রেডিট (পৃষ্ঠা ৩৬১, লিবার্টি ফান্ড)।
* সকল যুগে এবং পৃথিবীর সব প্রান্তেই যাজকশ্রেণী স্বাধীনতার শত্রু ছিল; এবং এটি নিশ্চিত যে তাদের এই অবিচল আচরণ তাদের স্বার্থ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষার ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে। চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা যাজকীয় ক্ষমতা এবং সেই সব 'পবিত্র প্রতারণার' জন্য সব সময় কাল হয়ে দাঁড়ায়, যার ওপর ভিত্তি করে তাদের ক্ষমতা টিকে থাকে।
** ১ম খণ্ড, ৯শ প্রবন্ধ: অফ দ্য পার্টিজ অফ গ্রেট ব্রিটেন (পৃষ্ঠা ৬৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* কর্মজীবী দরিদ্র শ্রেণীর মানুষের কোনো নীতি নেই; ভদ্রলোকদের সময় এবং অভিজ্ঞতার মাধ্যমে সঠিক নীতিতে আনা সম্ভব। আর মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষের নীতি গঠনের মতো কৌতূহল ও জ্ঞান থাকলেও, তা সঠিক নীতি গঠনের জন্য বা নিজেদের সংস্কারগুলো কাটানোর জন্য যথেষ্ট নয়।
** ১ম খণ্ড, ৯শ প্রবন্ধ: অফ দ্য পার্টিজ অফ গ্রেট ব্রিটেন (১৭৪১ ও ১৭৪২ সংস্করণ)।
* লোভ, যা শিল্পের চালিকাশক্তি—এটি এমন এক একগুঁয়ে আবেগ এবং এটি এত বেশি বাস্তব বিপদ ও প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে পথ করে নেয় যে, কোনো কাল্পনিক ভয়ের কারণে এর থেমে যাওয়ার সম্ভাবনা কম। সুতরাং, আমার মতে—স্বৈরাচারী শাসনে বাণিজ্য যে ধ্বংস হয়ে যায়, তা নিরাপত্তার অভাবে নয়, বরং সেখানে বাণিজ্যকে কম সম্মানজনক মনে করা হয় বলে।
** ১ম খণ্ড, ১২শ প্রবন্ধ: অফ সিভিল লিবার্টি (পৃষ্ঠা ৯৩, লিবার্টি ফান্ড)।
* মানুষের অহংকারের জন্য এর চেয়ে বড় অপমান আর কিছু হতে পারে না যে—তার সর্বোচ্চ শিল্প ও শ্রম দিয়েও সে প্রকৃতির ক্ষুদ্রতম সৃষ্টিগুলোর সৌন্দর্য বা মূল্যের সমান হতে পারে না। শিল্প কেবল একজন সহকারী কারিগরের মতো, যে মূল মাস্টারের (প্রকৃতি) কাজগুলোতে সামান্য কিছু অলঙ্করণ যোগ করে মাত্র।
** ১ম খণ্ড, ১৫শ প্রবন্ধ: দ্য এপিকিউরিয়ান (পৃষ্ঠা ১৩৯, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''শিল্প বা কারিগরি জ্ঞান হয়তো এক জোড়া পোশাক তৈরি করতে পারে; কিন্তু মানুষকে তৈরি করতে পারে কেবল প্রকৃতিই।'''
** ১ম খণ্ড, ১৫শ প্রবন্ধ: দ্য এপিকিউরিয়ান (পৃষ্ঠা ১৪০, লিবার্টি ফান্ড)।
* প্রকৃতির দান যদি সামান্য হয়, তবে সেই খামতি পূরণ করতে শিল্পের প্রয়োজন আরও বেশি পড়ে। আর প্রকৃতি যদি উদার ও মুক্তহস্ত হয়, তবে জেনে রাখুন সে আমাদের পক্ষ থেকেও কঠোর শ্রম ও মনোযোগ আশা করে। সবচেয়ে উর্বর মস্তিষ্কের মেধাও যদি চর্চা না করা হয়, তবে তা উর্বর মাটির মতোই আগাছায় ভরে যায়; আর মানুষের আনন্দ ও ব্যবহারের উপযোগী দ্রাক্ষা বা জলপাইয়ের বদলে তা অলস মালিকের জন্য কেবল বিষাক্ত ফসলের জন্ম দেয়।
** ১ম খণ্ড, ১৬শ প্রবন্ধ: দ্য স্টোইক (পৃষ্ঠা ১৪৬, লিবার্টি ফান্ড)।
* মানুষের সমস্ত পরিশ্রমের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো সুখ অর্জন। এই সুখের জন্যই শিল্পের উদ্ভাবন, বিজ্ঞানের চর্চা, আইনের শাসন এবং সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।
** ১ম খণ্ড, ১৬শ প্রবন্ধ: দ্য স্টোইক (পৃষ্ঠা ১৪৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* আশা ও আনন্দের প্রতি প্রবণতা হলো প্রকৃত ঐশ্বর্য; আর ভয় ও দুঃখের প্রতি আসক্তি হলো প্রকৃত দারিদ্র্য।
** ১ম খণ্ড, ১৮শ প্রবন্ধ: দ্য স্কেপটিক (পৃষ্ঠা ১৬৭, লিবার্টি ফান্ড)।
[[File:DavidHume.jpg|thumbnail|হিউম বিশ্বাস করতেন সৌন্দর্য কোনো বস্তুনিষ্ঠ বিষয় নয়, বরং এটি পুরোপুরি ব্যক্তিনিষ্ঠ। নিচের ডায়াগ্রামটি আপনাকে বুঝতে সাহায্য করবে কেন তিনি বলেছিলেন—"সৌন্দর্য বস্তুর নিজস্ব কোনো গুণ নয়: এটি কেবল মনেই বিরাজ করে যা একে অবলোকন করে এবং প্রতিটি মন ভিন্ন ভিন্ন সৌন্দর্য দেখতে পায়!"]]
== ডায়ালগস কনসার্নিং ন্যাচারাল রিলিজিয়ন (১৭৭৯) ==
* খ্রিস্টধর্মের প্রসারের শুরুর দিকে ধর্মীয় শিক্ষকদের মধ্যে যুক্তি, ইন্দ্রিয় এবং মানুষের গবেষণালব্ধ সমস্ত মূলনীতির বিরুদ্ধে কথা বলাটা ছিল অত্যন্ত সাধারণ একটি বিষয়।
** ১ম অংশ (ক্লিয়ান্থেস থেকে ডেমিয়া)।
* এই বিশ্বের দিকে তাকান এবং এর প্রতিটি অংশ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করুন: আপনি দেখবেন এটি একটি বিশাল যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়, যা অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র যন্ত্রে বিভক্ত। এই সমস্ত যন্ত্র এবং তাদের অতি ক্ষুদ্র অংশগুলোও একে অপরের সাথে এমন নিখুঁতভাবে মানিয়ে নেওয়া হয়েছে যা যেকোনো পর্যবেক্ষককে বিস্ময়ে অভিভূত করে। প্রকৃতির এই উপায় ও লক্ষ্যের (Means to ends) চমৎকার সমন্বয় মানুষের তৈরি নকশা, চিন্তা এবং বুদ্ধিমত্তার মতোই, যদিও এটি মানুষের তৈরি যেকোনো কিছুর চেয়ে অনেক বেশি উন্নত।
** ২য় অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* '''মস্তিষ্কের এই সামান্য আলোড়ন, যাকে আমরা 'চিন্তা' বলি—তার এমন কী বিশেষ অধিকার আছে যে আমাদের একেই পুরো মহাবিশ্বের মডেল বা আদর্শ হিসেবে ধরে নিতে হবে?''' নিজের প্রতি পক্ষপাতিত্ব আমাদের সব সময় এই পথে পরিচালিত করে; কিন্তু প্রকৃত দর্শনের উচিত এই ধরণের স্বাভাবিক বিভ্রম থেকে সাবধান থাকা।
** ২য় অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* যদি একটি জড় জগত (Material world) কোনো আদর্শ জগত বা ভাব জগতের (Ideal world) ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে থাকে, তবে সেই ভাব জগতকে নিশ্চয়ই অন্য কোনো জগতের ওপর নির্ভর করতে হবে; এবং এভাবে এটি অনন্তকাল চলতে থাকবে। তাই বর্তমান এই জড় জগতের বাইরে আর কিছু না খোঁজাটাই শ্রেয়। একে নিজের মধ্যেই নিজের শৃঙ্খলার কারণ হিসেবে ধরে নেওয়া মানেই আসলে একে 'ঈশ্বর' বলা।
** ৪র্থ অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* '''আমরা যদি একটি জাহাজ দেখি, তবে এর জটিল ও সুন্দর নির্মাণ দেখে আমরা সূত্রধরের বুদ্ধিমত্তা দেখে বিস্মিত হই। কিন্তু যদি আমরা জানতে পারি যে তিনি একজন সাধারণ কারিগর মাত্র, যিনি অন্যদের অনুকরণ করেছেন এবং দীর্ঘকাল ধরে অসংখ্য ভুল, সংশোধন ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে অর্জিত একটি কৌশলকে কপি করেছেন—তবে আমাদের বিস্ময় আরও বেড়ে যায়। এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড তৈরি হওয়ার আগে হয়তো অনন্তকাল ধরে অনেকগুলো বিশ্ব অদক্ষভাবে তৈরি ও ধ্বংস করা হয়েছে; অনেক শ্রম পণ্ড হয়েছে এবং অনন্তকাল ধরে বিশ্ব-নির্মাণ কৌশলের ধীর কিন্তু নিরন্তর উন্নতির ফলেই হয়তো আজকের এই ব্যবস্থাটি গড়ে উঠেছে।'''
** ৫ম অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* এই জগতটি কোনো উচ্চতর মানের তুলনায় অনেক বেশি ত্রুটিপূর্ণ হতে পারে; এটি হয়তো কোনো শিশু-দেবতার প্রথম অগোছালো প্রচেষ্টা, যা তৈরি করার পর নিজের ব্যর্থতায় লজ্জিত হয়ে তিনি এটি ফেলে চলে গেছেন। অথবা এটি কোনো পরনির্ভরশীল নিম্নস্তরের দেবতার কাজ; অথবা এটি কোনো অতিবৃদ্ধ দেবতার জরাগ্রস্ত সময়ের সৃষ্টি, যিনি মারা যাওয়ার পর থেকে এটি কেবল তাঁর দেওয়া প্রাথমিক গতির ওপর ভর করে লক্ষ্যহীনভাবে চলছে।
** ৫ম অংশ (ফিলো থেকে ডেমিয়া)।
* একটি গাছ থেকে যখন অন্য একটি চারা জন্মায়, তখন গাছটি সেই চারাকে একটি সুশৃঙ্খল গঠন দান করে, যদিও গাছটি নিজে সেই শৃঙ্খলা সম্পর্কে জানে না। একটি প্রাণী বা পাখিও ঠিক একইভাবে তাদের বংশধর বা বাসার ক্ষেত্রে এটি করে। জগতের এই শৃঙ্খলা যে বুদ্ধি বা পরিকল্পনা থেকেই আসতে হবে—তা ধরে নেওয়াটা যুক্তির ভুল।
** ৭ম অংশ (ফিলো থেকে ডেমিয়া)।
* '''আমি যদি আপনাকে ২০টি কণার একটি সংগ্রহের প্রতিটি কণার পৃথক পৃথক কারণ ব্যাখ্যা করি, তবে এরপর আপনি যদি আবার জিজ্ঞেস করেন যে—পুরো ২০টি কণার সমষ্টির কারণ কী, তবে সেটি হবে একেবারেই অযৌক্তিক। প্রতিটি অংশের কারণ ব্যাখ্যা করার মাধ্যমেই পুরো সমষ্টির কারণ ব্যাখ্যা করা হয়ে যায়।'''
** ৯ম অংশ (ক্লিয়ান্থেস থেকে ডেমিয়া)।
* পুরো পৃথিবীটাই যেন অভিশপ্ত এবং কলুষিত। সমস্ত জীবন্ত প্রাণীর মধ্যে এক নিরন্তর যুদ্ধ চলছে। অভাব আর ক্ষুধা শক্তিমানদের উত্তেজিত করে, আর ভয় ও আতঙ্ক দুর্বলদের বিচলিত করে। জন্মের সময় নবজাতক আর তার দুর্ভাগা মা—উভয়েই যন্ত্রণায় চিৎকার করে; জীবনের প্রতিটি ধাপে থাকে দুর্বলতা আর কষ্ট; আর সব শেষে এটি সমাপ্ত হয় চরম যন্ত্রণা আর বিভীষিকার মধ্য দিয়ে।
** ১০ম অংশ (ডেমিয়া থেকে ফিলো)।
* হিউম্যান অ্যানথ্রোপোমরফিজম বা ঈশ্বরকে মানুষের গুনাগুণ দিয়ে বিচার করার পদ্ধতি কি সঠিক? তাঁর ক্ষমতা যদি অসীম হয় তবে তিনি যা চান তাই হওয়ার কথা। কিন্তু মানুষ বা অন্য কোনো প্রাণীই সুখী নয়; সুতরাং তিনি তাদের সুখ চান না। তাঁর জ্ঞান যদি অসীম হয় তবে উপায় নির্বাচনে তাঁর ভুল হওয়ার কথা নয়। কিন্তু প্রকৃতির গতিধারা মানুষের সুখের দিকে ধাবিত নয়। তবে তাঁর দয়া ও করুণা মানুষের দয়া ও করুণার সাথে মিলবে কীভাবে? '''এপিকিউরাসের সেই পুরনো প্রশ্নগুলোর উত্তর আজও মেলেনি: তিনি কি অশুভকে রোধ করতে চান কিন্তু পারছেন না? তবে তিনি অক্ষম। তিনি কি পারেন কিন্তু করতে চান না? তবে তিনি বিদ্বেষপরায়ণ। তিনি কি সক্ষম এবং ইচ্ছুক—উভয়ই? তবে অশুভ আসছে কোত্থেকে?'''
** ১০ম অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
== মহাজাগতিক সংশয়বাদ ও হিউম সম্পর্কে মূল্যায়ন ==
* এই মহাবিশ্বের দিকে তাকিয়ে দেখুন। কত বিশাল প্রাণের সমারোহ! কিন্তু এই জীবন্ত সত্তাগুলোকে একটু গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করুন—দেখবেন এরা একে অপরের প্রতি কতটা হিংস্র আর ধ্বংসাত্মক! এদের কেউই নিজের সুখের জন্য পর্যাপ্ত নয়। সমগ্ৰ বিষয়টি একটি "অন্ধ প্রকৃতি" ছাড়া আর কিছুই নয়; যে প্রকৃতি কোনো বিচার-বিবেচনা বা পিতৃসুলভ যত্ন ছাড়াই তার কোল থেকে পঙ্গু আর গর্ভপাত হওয়া সন্তানদের জন্ম দিয়ে চলেছে।
** ''ডায়ালগস কনসার্নিং ন্যাচারাল রিলিজিয়ন'' (১৭৭৯), ১১শ অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* যদি প্রাকৃতিক ধর্মতত্ত্বের সারকথা কেবল এই একটি অস্পষ্ট বাক্যে সীমাবদ্ধ থাকে যে—"মহাবিশ্বের শৃঙ্খলার কারণ বা কারণগুলো সম্ভবত মানুষের বুদ্ধিমত্তার সাথে কোনো দূরবর্তী সাদৃশ্য বহন করে", এবং যদি এই ধারণা মানুষের জীবনে কোনো প্রভাব না ফেলে বা কোনো কাজের উৎস হতে না পারে; তবে একজন অনুসন্ধিৎসু ও ধার্মিক মানুষ এই সাধারণ সত্যটুকু মেনে নেওয়া ছাড়া আর কী-ই বা করতে পারেন?
** ১২শ অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
== ভুলভাবে আরোপিত ==
* "চরিত্র হলো বদ্ধমূল কিছু নীতির সমষ্টি।" (Character is the result of a system of stereotyped principles.)
** হিউম কখনো 'Stereotype' শব্দটি ব্যবহার করেননি; কারণ ১৭৯৮ সালের আগে এই শব্দের উদ্ভাবনই হয়নি।
* "তর্কের মাধ্যমেই সত্যের জন্ম হয়।"
* "যুক্তির ভূমিকা আমাদের জ্ঞানী করা নয়, বরং আমাদের অজ্ঞতাকে প্রকাশ করা।"
** এগুলো হিউমের নামে প্রচলিত হলেও তাঁর কোনো লেখায় এর ভিত্তি পাওয়া যায়নি।
* "যিনি আবেগ দিয়ে চালিত হন তিনি দাস, আর যিনি যুক্তি দিয়ে চলেন তিনি স্বাধীন।"
** এটি আসলে স্পিনোজার উক্তি, যা প্রায়ই হিউমের নামে চালানো হয়। (Ethics part IV)
== ডেভিড হিউম সম্পর্কে বিশিষ্টজনদের উক্তি ==
* হিউম নৈতিকতা ও ন্যায়বিচারের মানদণ্ডকে বলেছেন "আর্টিফ্যাক্ট" বা কৃত্রিম সৃষ্টি; এগুলো ঈশ্বরপ্রদত্ত নয় বা বিশুদ্ধ যুক্তি দিয়েও পাওয়া যায় না। এগুলো মানুষের ব্যবহারিক অভিজ্ঞতার ফল। হিউমকে নীতিশাস্ত্রের ক্ষেত্রে ডারউইনের পূর্বসূরি বলা যেতে পারে। তিনি মূলত মানুষের প্রথাগুলোর মধ্যে "যোগ্যতমের টিকে থাকা" বা "Survival of the fittest" মতবাদটি প্রচার করেছিলেন—যেখানে যোগ্যতা বিচার করা হতো সামাজিক উপযোগিতা দিয়ে।
** খ্রিষ্টান বে, ''দ্য স্ট্রাকচার অফ ফ্রিডম'' (১৯৫৮)।
* আপনি যদি ডেভিড হিউমের কাছে যান, যিনি আমাদের বিশ্বাসের কারণগুলো নিয়ে সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ করেছেন, তবে দেখবেন—সূর্য কাল সকালে উঠবেই এমন কোনো অকাট্য কারণ নেই। এটি কেবল আমাদের একটি অভ্যাস), যে আমরা বিশ্বাস করি জিনিসগুলো আগের মতোই চলবে। হিউমের এই বিশ্লেষণ অত্যন্ত সঠিক।
** জন এস বেল, ''দ্য ঘোস্ট ইন দ্য অ্যাটম'' (১৯৮৬)।
* বার্কলে, হিউম, কান্ট, হেগেল—তাঁরা সবাই একটি মহৎ প্রচেষ্টায় ঐক্যবদ্ধ ছিলেন; আর তা হলো মহাজাগতিক ব্যবস্থায় মানুষকে তার উচ্চতর আধ্যাত্মিক দাবি সহ একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করা।
** এডুইন আর্থার বার্ট, ''দ্য মেটাফিজিক্যাল ফাউন্ডেশনস অফ মডার্ন ফিজিক্যাল সায়েন্স'' (১৯২৫)।
* বার্কের কাছে 'প্রেসক্রিপশন' (প্রথাগত অধিকার) হলো সেই অটল পাহাড় যার ওপর জাগতিক অধিকারগুলো দাঁড়িয়ে থাকে। হিউম এই তত্ত্বটি কিছুটা ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেছিলেন। হিউম লিখেছিলেন—"সময় এবং প্রথা (Time and custom) সব ধরণের সরকার এবং রাজবংশকে বৈধতা দান করে; যে ক্ষমতা শুরুতে কেবল অন্যায় আর সহিংসতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল, সময়ের সাথে সাথে তা আইনি এবং বাধ্যতামূলক হয়ে ওঠে।" বার্কও বিশ্বাস করতেন যে, সম্পত্তি এবং শাসনের ক্ষেত্রে প্রথাগত অধিকারই হলো রাষ্ট্রের সবচেয়ে শক্তিশালী ভিত্তি।
** আলফ্রেড কোবান, ''এডমন্ড বার্ক অ্যান্ড দ্য রিভল্ট এগেইনস্ট দ্য এইটিনথ সেঞ্চুরি'' (১৯২৯)।
* হিউম সম্ভবত আইনি এবং রাজনৈতিক দর্শনের একমাত্র পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা দিয়েছিলেন যা পরবর্তীকালে 'লিবারেলিজম' (উদারতাবাদ) হিসেবে পরিচিতি পায়। হিউমের ''হিস্ট্রি'' (ইতিহাস) ১৮শ শতাব্দীতে ইউরোপজুড়ে 'উইগ লিবারেলিজম' ছড়িয়ে দিতে ঠিক তেমনই ভূমিকা রেখেছিল, যেমনটি ১৯শ শতাব্দীতে মেকলের ''হিস্ট্রি'' রেখেছিল।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'দ্য লিগ্যাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল ফিলোসফি অফ ডেভিড হিউম' (১৯৬৩)।
* আধুনিক সমাজের এমন কিছু বৈশিষ্ট্য যা আমরা আজ মূল্যবান মনে করি, সেগুলো এমন সব পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল যা আগে থেকে কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৈরি করা হয়নি। হিউম দেখিয়েছেন যে, একটি সুশৃঙ্খল সমাজ কেবল তখনই গড়ে উঠতে পারে যখন মানুষ আচরণের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চলতে শেখে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো জনসাধারণের জন্য সুবিধাজনক হলেও—উদ্ভাবকরা ঠিক সেই উদ্দেশ্যে এগুলো তৈরি করেননি।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'দ্য লিগ্যাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল ফিলোসফি অফ ডেভিড হিউম' (১৯৬৩)।
* মানুষের বুদ্ধি আর জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে এই মহান সংশয়বাদীর প্রবল বিশ্বাস ছিল। তিনি জানতেন যে—শান্তি, স্বাধীনতা এবং ন্যায়বিচারের মতো সর্বশ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক কল্যাণগুলো মূলত নেতিবাচক (Negative); অর্থাৎ এগুলো ইতিবাচক কোনো উপহার নয়, বরং ক্ষতির হাত থেকে সুরক্ষা মাত্র। তিনি মানুষের মহত্ত্বের চেয়ে এমন সব 'প্রতিষ্ঠান' বা কাঠামোর ওপর ভরসা করতেন যা "এমনকি খারাপ মানুষদেরও জনকল্যাণে কাজ করতে বাধ্য করে"। তিনি জানতেন যে—"রাজনীতিতে প্রতিটি মানুষকে প্রতারক হিসেবে ধরে নিতে হবে"।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'দ্য লিগ্যাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল ফিলোসফি অফ ডেভিড হিউম' (১৯৬৩)।
* হিউম তাঁর দার্শনিক কাজের মাধ্যমে লিবারেল আইনি তত্ত্বের ভিত্তি স্থাপন করার পাশাপাশি তাঁর ''হিস্ট্রি অফ ইংল্যান্ড'' (১৭৫৪-৬২)-এ ইংরেজ ইতিহাসকে 'আইনের শাসন' এর ক্রমবিকাশ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'লিবারেলিজম' (১৯৭৩)।
* যুক্তিবাদ বা র্যাশনালিজমের সমালোচনায় হিউম অন্য যেকোনো লেখকের চেয়ে অনেক বেশি গভীরে যেতে পেরেছেন। আমি বারবার হিউমের লেখায় এমন সব ধারণার সন্ধান পেয়েছি যা আমি নিজে স্বাধীনভাবে চিন্তা করেছিলাম। বিশেষ করে সব ধরণের সামাজিক প্রতিষ্ঠানের গঠন সম্পর্কে হিউমের ব্যাখ্যা আমাকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করেছে।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'ইকোনমিক্স, পলিটিক্স অ্যান্ড ফ্রিডম' (১৯৭৫)।
* হিউম স্পষ্টভাবে স্বাধীনতা এবং এই নীতিগুলোর মধ্যে সম্পর্ক লক্ষ্য করেছিলেন। তিনি দেখেছিলেন যে, সবার সর্বোচ্চ স্বাধীনতার জন্য প্রত্যেকের স্বাধীনতার ওপর সমান সীমাবদ্ধতা প্রয়োজন। একে তিনি প্রকৃতির তিনটি 'মৌলিক আইন' বলেছেন: ১. অধিকারে স্থায়িত্ব, ২. সম্মতির মাধ্যমে হস্তান্তর এবং ৩. প্রতিশ্রুতি রক্ষা । হিউম সম্ভবত প্রথম ব্যক্তি যিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে, সাধারণ স্বাধীনতা কেবল তখনই সম্ভব হয় যখন মানুষের সহজাত প্রবৃত্তিগুলো 'ন্যায়বিচার' অনুযায়ী পরবর্তী কোনো বিচারবোধ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। তিনি সেই ভুলটি করেননি যা পরবর্তীতে অনেকেই করেছেন—ব্যক্তির বিচ্ছিন্ন স্বাধীনতা এবং মানুষের পারস্পরিক সহযোগিতার ফলে সৃষ্ট স্বাধীনতার মধ্যে পার্থক্য গুলিয়ে ফেলা।
** [[ফ্রিডরিখ হায়েক]], ''দ্য ফ্যাটাল কনসিট'' (১৯৮৮), ২য় অধ্যায়: দ্য অরিজিনস অফ লিবার্টি, প্রপার্টি অ্যান্ড জাস্টিস।
* হিউম একটি বিবর্তনমূলক ব্যাখ্যার খুব কাছাকাছি চলে এসেছিলেন। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে—'কোনো সত্তাই টিকে থাকতে পারে না যদি না তার অস্তিত্ব রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বা শক্তি থাকে; কোনো একটি সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত নিরন্তর নতুন কোনো ব্যবস্থা বা অর্থনীতি চেষ্টা করে যেতে হবে'। মানুষ নিজেকে অন্য সব প্রাণীর ভাগ্যের অতীত কোনো কিছু মনে করতে পারে না কারণ সব প্রাণীর মধ্যে সেই 'নিরন্তর যুদ্ধ' চলতেই থাকবে। হিউম মূলত স্বীকার করেছিলেন যে, 'প্রাকৃতিক' এবং 'কৃত্রিম'—এই দুইয়ের মাঝামাঝি একটি তৃতীয় বিভাগ রয়েছে যার মধ্যে উভয়েরই বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান।
** [[ফ্রিডরিখ হায়েক]], ''দ্য ফ্যাটাল কনসিট'' (১৯৮৮), পরিশিষ্ট এ: 'ন্যাচারাল' ভার্সেস 'আর্টিফিশিয়াল'।
* হিউমের সংশয়বাদকে গ্রিক সংশয়বাদ থেকে স্পষ্টভাবে আলাদা করা উচিত। হিউম ইন্দ্রিয়লব্ধ অভিজ্ঞতা, অনুভূতি এবং অন্তর্দৃষ্টির সত্যতাকে ভিত্তি হিসেবে ধরে নেন এবং সেই ভিত্তি থেকেই সাধারণ আইন বা নির্ধারণগুলোকে চ্যালেঞ্জ করেন—কারণ সেগুলোর ইন্দ্রিয়লব্ধ অভিজ্ঞতার কোনো প্রমাণ নেই। অন্যদিকে প্রাচীন সংশয়বাদ ইন্দ্রিয়লব্ধ অনুভূতির ওপর সত্যের ভিত্তি স্থাপন করা তো দূরের কথা, বরং তারা শুরুতেই ইন্দ্রিয়ের বিরুদ্ধেই অবস্থান নিত।
** [[জি. ডব্লিউ. এফ. হেগেল]], ''এনসাইক্লোপিডিয়া অফ ফিলোসফি'' (১৮২৭), ডব্লিউ. কফম্যানের ''হেগেল'' (১৯৬৬) গ্রন্থে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ৬৯-৭০)।
* হিউমের ইতিহাসের চমৎকার বিষয়বস্তু এবং শৈলী একে প্রতিটি শিক্ষার্থীর পাঠ্যপুস্তকে পরিণত করেছে। আমি মনে করতে পারি, তরুণ বয়সে কত উৎসাহ নিয়ে আমি এটি পড়েছিলাম; এবং আমার মন থেকে এই বইটির বিষাক্ত প্রভাব দূর করতে কতটা সময়, গবেষণা আর চিন্তার প্রয়োজন হয়েছিল। এটি দুর্ভাগ্যজনক যে তিনি প্রথমে স্টুয়ার্ট রাজবংশের ইতিহাস লিখেছিলেন এবং তাদের অত্যাচারের পক্ষে ওকালতি করেছিলেন। এটিই সেই বই যা ইংরেজ সরকারের মুক্ত নীতিগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং পাঠকদের বিশ্বাস করিয়েছে যে রাজতন্ত্রের অধিকারই আসল; এটি সারা দেশে 'টরিজম' (একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক মতবাদ) ছড়িয়ে দিয়েছে।
** [[টমাস জেফারসন]] থেকে উইলিয়াম ডুয়েন (১২ আগস্ট ১৮১০), টমাস জেফারসনের ''রাইটিংস'' (১৯৮৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ১২২৮-১২২৯)।
* আমার কাছে সব সময় মনে হয়েছে যে, ব্রিটেনের 'উইগ' এবং 'টরি'দের মধ্যে পার্থক্য হলো—উইগরা তাদের অধিকারের উৎস খোঁজে অ্যাংলো-স্যাক্সন উৎস থেকে, আর টরিরা খোঁজে নরম্যান উৎস থেকে। হিউম ছিলেন সেই টরিবাদের মহান প্রচারক। তিনি দাবি করেছিলেন যে স্টুয়ার্টদের রাজত্বকালে জনগণই রাজাকে আক্রমণ করেছিল, রাজা জনগণকে নয়। তিনি আরও বলেছিলেন—'জনগণই সকল ন্যায়সঙ্গত ক্ষমতার উৎস'—এই মহান নীতিটি ইতিহাস এবং অভিজ্ঞতা দ্বারা সমর্থিত নয়। বিজ্ঞানের এই বিপথগামী সন্তান, তার সহমানুষদের সাথে বিশ্বাসঘতকতা করে যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মধ্যে ক্ষমতার উৎস খুঁজে না পান, তবে কি তিনি তা সংখ্যালঘুর মধ্যে খুঁজবেন?
** [[টমাস জেফারসন]] থেকে জন কার্টরাইট (৫ জুন ১৮২৪), টমাস জেফারসনের ''রাইটিংস'' (১৯৮৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ১৪৯১)।
* হিউম দৈবক্রমে একজন টরি, কারণ তিনি স্কটিশ ছিলেন; কিন্তু তিনি কোনো আদর্শের কারণে টরি ছিলেন না, কারণ তাঁর কোনো আদর্শই ছিল না। যদি তিনি কিছু হয়ে থাকেন, তবে তিনি ছিলেন একজন 'হবিস্ট' (টমাস হবসের অনুসারী)।
** [[স্যামুয়েল জনসন]], ''লেটারস অফ ডেভিড হিউম টু উইলিয়াম স্ট্রাহান'' (১৮৮৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত।
* আমি মুক্তকণ্ঠে স্বীকার করি যে, ডেভিড হিউমের স্মৃতিই বহু বছর আগে প্রথম আমার 'মতবাদগত ঘুম' (Dogmatic Slumber) ভাঙিয়ে দিয়েছিল এবং অনুমানমূলক দর্শনের ক্ষেত্রে আমার গবেষণাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক দিকনির্দেশনা দিয়েছিল।
** [[ইমানুয়েল কান্ট]], ''প্রোলেগোমেনা টু এনি ফিউচার মেটাফিজিক্স'' (১৭৮৩), ভূমিকা।
* হিউম ধর্মকে এতটাই ঘৃণা করতেন যে, তিনি স্বাধীনতাকেও ঘৃণা করতেন—কারণ স্বাধীনতা ধর্মের সাথে যুক্ত ছিল। তিনি একজন নিরপেক্ষ বিচারকের ভান করে একজন কুশলী উকিলের মতো স্বৈরাচারের পক্ষে ওকালতি করেছেন।
** [[টমাস বাবিংটন মেকলে]], 'মিলটন', দ্য এডিনবরা রিভিউ (আগস্ট ১৮২৫), ১৮৪৩ সালে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ৩১)।
* হিউমের দর্শন সত্য হোক বা মিথ্যা, এটি ১৮শ শতাব্দীর যুক্তিবাদ বা কাণ্ডজ্ঞানের দেউলিয়া দশা প্রকাশ করে। তিনি লকের মতো অভিজ্ঞতা দিয়ে শুরু করেছিলেন, কিন্তু প্রখর বুদ্ধিমত্তার কারণে তিনি এই ধ্বংসাত্মক সিদ্ধান্তে পৌঁছান যে—অভিজ্ঞতা থেকে শেখার মতো আসলে কিছুই নেই। কোনো কাজই অন্য কাজের চেয়ে বেশি যৌক্তিক হতে পারে না, কারণ সবই অযৌক্তিক বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে চলে। রুশো ছিলেন উন্মাদ কিন্তু প্রভাবশালী; হিউম ছিলেন সুস্থ মস্তিস্কের মানুষ কিন্তু তাঁর কোনো অনুসারী ছিল না।
** [[বার্ট্রান্ড রাসেল]], ''এ হিস্ট্রি অফ ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি'', ৩য় খণ্ড, ১৭শ অধ্যায়: হিউম।
* হিউমের সংশয়বাদের কোনো উত্তর আছে কি না তা খুঁজে বের করা জরুরি। যদি না থাকে, তবে একজন সুস্থ মানুষ আর একজন উন্মাদের মধ্যে কোনো বুদ্ধিবৃত্তিক পার্থক্য থাকে না। যে উন্মাদ নিজেকে একটি 'সেদ্ধ ডিম' মনে করে, তাকে কেবল এই যুক্তিতেই বাতিল করা হবে যে সে সংখ্যায় সংখ্যালঘু অথবা সরকার তার সাথে একমত নয়। এটি একটি ভয়াবহ এবং হতাশাজনক দৃষ্টিভঙ্গি।
** [[বার্ট্রান্ড রাসেল]], ''এ হিস্ট্রি অফ ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি'', ৩য় খণ্ড, ১৭শ অধ্যায়: হিউম।
* হিউমের ন্যায়ের ধারণা মূলত নৈতিক ও রাজনৈতিক গুণাবলির একটি বৃহত্তর ব্যাখ্যার অংশ। হিউম একজন 'দার্শনিক নৃবিজ্ঞানী' (Philosophical Anthropologist) হিসেবে লিখেছেন, কোনো সংস্কারক (Reformer) হিসেবে নয়। তিনি বেনথাম বা মিলের মতো আমাদের নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে সংস্কার করতে চাননি, বরং কেবল তা ব্যাখ্যা করতে চেয়েছিলেন।
** [[অ্যালান রায়ান]], ''জাস্টিস'' (১৯৯৩) গ্রন্থের ভূমিকা।
* হেগেল, হার্বার্ট এবং শ্লেয়ারমাচারের সমগ্র দার্শনিক কাজের চেয়ে ডেভিড হিউমের প্রতিটি পৃষ্ঠা থেকে অনেক বেশি কিছু শেখার আছে।
** [[আর্থার শোপেনহাওয়ার]], ''দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাজ উইল অ্যান্ড আইডিয়া'' (২০১৬), পৃষ্ঠা ৭২১।
* সব মিলিয়ে, তাঁর জীবদ্দশায় এবং মৃত্যুর পর—আমি সব সময় তাঁকে একজন আদর্শ জ্ঞানী ও সচ্চরিত্র মানুষের নিকটতম রূপ হিসেবে বিবেচনা করেছি, মানুষের সীমাবদ্ধতা যতদূর পর্যন্ত অনুমতি দেয়।
** [[অ্যাডাম স্মিথ]] (হিউমের মৃত্যুর পর তাঁর বন্ধু অ্যাডাম স্মিথের করা বিখ্যাত মন্তব্য)।
* আজ আমেরিকার কোনো প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়ে কান্ট—যিনি ঈশ্বর, স্বাধীনতা আর অমরত্ব নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন—কিংবা হিউমের মতো কেউ গ্র্যাজুয়েট স্কুলে এক বছরও টিকতে পারতেন না, ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে নিয়োগ পাওয়া তো দূরের কথা।
** [[টম উলফ]], 'ইন দ্য ল্যান্ড অফ দ্য রোকোকো মার্কসিস্টস', হার্পার্স (জুন ২০০০)।
== বহিঃসংযোগ ==
* [https://www.iep.utm.edu/hume/ ইন্টারনেট এনসাইক্লোপিডিয়া অফ ফিলোসফিতে হিউম]
* [http://cepa.newschool.edu/het/profiles/hume.htm হিউমের প্রোফাইল এবং গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্কসমূহ]
* [http://onlinebooks.library.upenn.edu/webbin/book/search?amode=start&author=Hume%2c%20David অনলাইনে হিউমের ই-টেক্সটসমূহ]
* [http://oll.libertyfund.org/Intros/Hume.php অনলাইন লাইব্রেরি অফ লিবার্টিতে হিউমের ডাউনলোডযোগ্য কাজসমূহ]
* [http://utilitarian.net/hume ডেভিড হিউম: বই, নিবন্ধ এবং বিশ্বকোষের এন্ট্রি সহ লিঙ্কের বিশাল সংগ্রহ]
* [http://www.webcitation.org/query?id=1256456620452337&url=www.geocities.com/Athens/3067/hume/h_index.html হিউম ট্রিব্যুট সাইট]
* [http://humesociety.org হিউম সোসাইটি: একটি আন্তর্জাতিক বুদ্ধিজীবী ও পণ্ডিত সমাজ]
{{clear}}
{{Social and political philosophers}}
{{DEFAULTSORT:হিউম, ডেভিড}}
[[Category:নাস্তিক্যবাদ সক্রিয়কর্মী]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের শিক্ষাবিদ]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের দার্শনিক]]
[[Category:১৭১১-এ জন্ম]]
[[Category:১৭৭৬-এ মৃত্যু]]
[[Category:এডিনবার্গের ব্যক্তি]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের ইতিহাসবিদ]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের অর্থনীতিবিদ]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের প্রবন্ধকার]]
[[Category:উদারপন্থী অর্থনীতিবিদ]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের গ্রন্থাগারিক]]
[[Category:নাস্তিক]]
[[Category:ধর্মের সমালোচক]]
[[Category:সামাজিক সমালোচক]]
[[Category:সংশয়বাদী]]
[[Category:মানিবতাবাদী]]
[[Category:অভিজ্ঞতাবাদী]]
[[Category:আলোকিত যুগ (Enlightenment)]]
[[Category:ধ্রুপদী অর্থনীতিবিদ]]
[[Category:এডিনবার্গা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]]
8rxkct9o0dc1bbb2572bqkpv8r0vmit
73977
73976
2026-04-06T04:04:38Z
Oindrojalik Watch
4169
/* এ ট্রিটিজ অফ হিউম্যান নেচার (১৭৩৯-৪০): ২য় ও ৩য় খণ্ড */ উদ্ধৃতি যোগ/সংশোধন
73977
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:David Hume Ramsay.jpg|thumb|right|250px|ডেভিড হিউম (১৭৬৬)]]
[[w:ডেভিড হিউম|ডেভিড হিউম]] (৭ মে ১৭১১ – ২৫ আগস্ট ১৭৭৬) ছিলেন আঠারো শতকের একজন প্রখ্যাত স্কটিশ দার্শনিক, ইতিহাসবিদ, অর্থনীতিবিদ এবং প্রাবন্ধিক। পাশ্চাত্য দর্শনের ইতিহাসে তাকে অন্যতম প্রভাবশালী অভিজ্ঞতাবাদী ও সংশয়বাদী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। হিউমের মূল দর্শন ছিল এই যে, মানুষের সমস্ত জ্ঞান ও ধারণার একমাত্র উৎস হলো বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ইন্দ্রিয়লব্ধ সংবেদন। হিউম মূলত তাঁর 'কার্যকারণ-তত্ত্ব' এবং নৈতিক দর্শনের সূক্ষ্ম বিশ্লেষণের জন্যই বিশ্বজুড়ে বিশেষভাবে পরিচিত হয়ে আছেন।
== উক্তি ==
[[চিত্র:Painting of David Hume.jpg|থাম্ব|একজন প্রাজ্ঞ মানুষের আসল জগৎ হলো তাঁর নিজের মন। আর তিনি যদি কখনো বাইরের স্বীকৃতির প্রয়োজন বোধ করেন, তবে তিনি কেবল সেই সামান্য কয়েকজন নিরপেক্ষ ও যোগ্য মানুষের বিচারকেই গুরুত্ব দেবেন—যাঁরা সংকীর্ণতামুক্ত হয়ে তাঁর কাজকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে পারেন।]]
* এখানেই আমরা সেই ভ্রান্ত ধারণার অসারতা বুঝতে পারি... যেখানে মনে করা হয় কোনো রাষ্ট্রের উর্বর ভূমি, বিপুল জনসংখ্যা আর উন্নত কৃষি ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও কেবল 'অর্থের' অভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রকৃতপক্ষে, এই আর্থিক স্বল্পতা কোনো রাষ্ট্রকে অভ্যন্তরীণভাবে কখনোই ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে না; কারণ একটি জাতির প্রকৃত শক্তির উৎস হলো — 'তার জনগণ ও সম্পদ'। মানুষের অতি সাধারণ ও মিতব্যয়ী জীবনযাত্রাই বরং জনস্বার্থের অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়, যা সোনা আর রূপা তথা সম্পদকে কেবল মুষ্টিমেয় কিছু হাতে বন্দি করে রাখে এবং এর সার্বজনীন সঞ্চালনকে স্তব্ধ করে দেয়। পক্ষান্তরে, শিল্পায়ন এবং নানাবিধ আধুনিক রুচিবোধ সেই অর্থকে গোটা রাষ্ট্রের অঙ্গে বিলীন করে দেয়, তার পরিমাণ যত সামান্যই হোক না কেন; এটি যেন রাষ্ট্রের প্রতিটি শিরা-উপশিরায় মিশে যায় এবং প্রতিটি বিনিময়-চুক্তিতে প্রাণ সঞ্চার করে।
** 'অফ মানি' (১৭৫২); ইউজিন রোটউইন সম্পাদিত ''''ডেভিড হিউম: রাইটিংস অন ইকোনমিকস''''-এ উদ্ধৃত (১৯৫৫, ১৯৭০), [https://archive.org/details/writingsoneconom0000hume/page/45/mode/1up পৃষ্ঠা ৪৫।]
* '''একজন প্রাজ্ঞ মানুষের প্রকৃত সাম্রাজ্য হলো তাঁর নিজের অন্তঃকরণ; আর তিনি যদি কখনো বাইরের স্বীকৃতির প্রয়োজন বোধ করেন, তবে তিনি কেবল সেই সামান্য কয়েকজন নিরপেক্ষ ও যোগ্য মানুষের বিচারকেই গুরুত্ব দেবেন—যাঁরা সংকীর্ণতামুক্ত হয়ে তাঁর কাজকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করার ক্ষমতা রাখেন।''' প্রকৃতপক্ষে, সাধারণ মানুষের অতি প্রশংসার চেয়ে কোনো তথ্যের অসত্য হওয়ার বড় প্রমাণ আর কিছু হতে পারে না; আপনি তো জানেনই, ফোকিয়ন যখনই জনসভার করতালি শুনতেন, তখনই শঙ্কিত হতেন এই ভেবে যে—তিনি নিশ্চয়ই বড় কোনো ভুল করে ফেলেছেন!
** "দ্য থিওরি অফ মোরাল সেন্টিমেন্টস"-এর ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ার প্রেক্ষিতে অ্যাডাম স্মিথকে লেখা একটি পরিহাসপূর্ণ পত্র।
* একজন কাণ্ডজ্ঞানসম্পন্ন মানুষ কি ভূত-প্রেত বা রূপকথার আষাঢ়ে গল্পের পেছনে হন্যে হয়ে ছোটে এবং সেগুলোর সত্যতা খুব গুরুত্বের সাথে যাচাই করতে বসে? আমার অভিজ্ঞতায় আজ অবধি এমন কাউকে দেখিনি, যে আজেবাজে বা অর্থহীন বিষয় নিয়ে দীর্ঘক্ষণ বিচার-বিশ্লেষণ করার পর তদন্তের শেষ প্রান্তে এসে নিজেই সেই প্রলাপে বিশ্বাস স্থাপন করেনি।
** ''লেটারস'' (পত্রাবলি)।
* মহাবিশ্বের কাছে একজন মানুষের জীবনের গুরুত্ব একটি নগণ্য ঝিনুকের চেয়ে বেশি কিছু নয়।
** ''অন সুইসাইড'' (আত্মহত্যা প্রসঙ্গে)।
* সেই সব নির্বোধদের প্রশংসা বা সম্মানের প্রতি আমার তীব্র ঘৃণা রয়েছে যারা নিজেদের 'জনসাধারণ' বলে পরিচয় দেয়; যাদেরকে একজন বই বিক্রেতা, কোনো লর্ড, পুরোহিত কিংবা কোনো রাজনৈতিক দল চাইলেই নিজের ইচ্ছেমতো পরিচালনা করতে পারে।
** গিলবার্ট এলিয়ট অফ মিন্টোকে লেখা পত্র ১৩৮; ৯ আগস্ট, ১৭৫৭।
* '''স্বর্গ এবং নরকের ধারণা যেন মানুষকে ভালো আর মন্দ—এই দুই স্বতন্ত্র শ্রেণিতে বিভক্ত করে ফেলে; কিন্তু মানবজাতির সিংহভাগই আসলে পুণ্য আর পাপের মাঝখানে কোনো এক অনিশ্চিত স্থানে ভাসছে।''' -- কেউ যদি সৎ মানুষকে ভালো নৈশভোজ করানো আর পাপাচারীকে উত্তম-মধ্যম প্রহার করার সংকল্প নিয়ে বিশ্ব ভ্রমণে বের হয়, তবে সে নিজের পছন্দ নিয়ে বারবার বিপাকে পড়বে; কারণ অধিকাংশ নর-নারীর গুণ বা দোষের পাল্লা এতটাই হালকা যে তা কোনোটিরই যোগ্য নয়।
** ''এসে অন দ্য ইমর্টালিটি অফ দ্য সোল'' (আত্মার অমরত্ব বিষয়ক প্রবন্ধ)।
* 'অফ দ্য প্রোটেস্ট্যান্ট সাকসেশন' প্রবন্ধের উপসংহার আমাকে একজন 'হুইগ' হিসেবে প্রকাশ করে, তবে আমি একজন চরম সংশয়বাদী হুইগ।
** হেনরি হোমকে লেখা পত্র (৯ ফেব্রুয়ারি ১৭৪৮); জে. ওয়াই. টি. গ্রেইগ সম্পাদিত ''দ্য লেটারস অফ ডেভিড হিউম: ভলিউম ১'' (অক্সফোর্ড: ক্ল্যারেন্ডন প্রেস, ১৯৩২), পৃষ্ঠা ১১১।
* রাজনীতি এবং রাজপুত্র বা মহৎ ব্যক্তিদের চরিত্রের ব্যাপারে আমি মনে করি আমি অত্যন্ত মডারেট বা ভারসাম্যপূর্ণ। জাগতিক 'বিষয়বস্তু'র (Things) ক্ষেত্রে আমার দৃষ্টিভঙ্গি হুইগ (Whig) আদর্শের অনুসারী; কিন্তু 'ব্যক্তি'র (Persons) বর্ণনায় আমি টোরি (Tory) ঘরানার পক্ষপাতকে ধারণ করি। মানুষ যে আদর্শের চেয়ে ব্যক্তির ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়, তার বড় প্রমাণ হলো আমাকে সাধারণত টোরিদের দলেই গণ্য করা হয়।
** ই. সি. মসনার, ''লাইফ অফ ডেভিড হিউম'' (ক্ল্যারেন্ডন প্রেস, ২০০১), পৃষ্ঠা ৩১১।
* আমি ভেবেছিলাম আমিই একমাত্র ইতিহাসবিদ যে সমসাময়িক ক্ষমতা, স্বার্থ, কর্তৃত্ব এবং গণমানুষের কুসংস্কারের তোয়াক্কা না করে ইতিহাস লিখেছি; তাই যেহেতু বিষয়টি সবার বোধগম্য ছিল, আমি সেই অনুপাতে প্রশংসাও আশা করেছিলাম। কিন্তু আমার সেই আশা চরম হতাশায় পর্যবসিত হলো: আমি চারপাশ থেকে কেবল তিরস্কার, অসম্মতি এবং ঘৃণার শিকার হলাম; ইংরেজ, স্কটিশ, আইরিশ—হুইগ থেকে টোরি, গির্জার যাজক থেকে শুরু করে মুক্তচিন্তক আর ধর্মতাত্ত্বিক, দেশপ্রেমিক থেকে রাজদরবারের পারিষদ—সবাই সেই লোকটির ওপর ক্ষোভে ফেটে পড়ল, যে প্রথমবার প্রথম চার্লস এবং আর্ল অফ স্ট্র্যাফোর্ডের পরিণতির জন্য এক ফোঁটা সহানুভূতি প্রকাশের সাহস দেখিয়েছিল।
** 'মাই ওন লাইফ' (১৭৭৬); ইউজিন মিলার সম্পাদিত ডেভিড হিউমের ''এসেস: মোরাল, পলিটিক্যাল, অ্যান্ড লিটারারি (১৭৪১–১৭৭৭)'' (১৯৮৫), পৃষ্ঠা ৩৭।
* '''আমি এমন একজন মানুষ যে শত্রুতা উসকে দেওয়ার মতো সব ধরণের বিষয়ে লিখেছি—তা সে নৈতিক, রাজনৈতিক কিংবা ধর্মীয় যাই হোক না কেন; তবুও আমার কোনো শত্রু নেই—অবশ্যই সমস্ত হুইগ (Whigs), সমস্ত টোরি (Tories) এবং সমস্ত খ্রিষ্টান ছাড়া।'''
** মৃত্যুর কিছুদিন আগে একজন বন্ধুর কাছে দেওয়া বক্তব্য; লর্ড হেনরি ব্রোঘাম-এর ''মেন অফ লেটারস''-এ বর্ণিত।
* আলকোরানের (কুরআন) অনুসারীরা এর ভেতরে ছড়িয়ে থাকা চমৎকার সব নৈতিক উপদেশের প্রশংসা করেন। কিন্তু ধারণা করা হয় যে, আরবি ভাষায় সাম্য, ন্যায়বিচার, মিতব্যয়িতা বা দয়া বোঝাতে যে শব্দগুলো ব্যবহৃত হয়েছে, সেগুলো ভাষার দীর্ঘ ব্যবহারের কারণে সবসময়ই ইতিবাচক অর্থেই গৃহীত হয়। তাই এগুলোকে প্রশংসা বা সাধুবাদ ছাড়া অন্য কোনো বিশেষণে ভূষিত করা নৈতিকতার অভাব নয়, বরং ভাষার অজ্ঞতা হিসেবেই গণ্য হবে।
** ডেভিড হিউম, ''অফ দ্য স্ট্যান্ডার্ড অফ টেস্ট'' (১৭৬০)।
* '''যারা দর্শন বা বিজ্ঞানের জগতে নতুন কিছু আবিষ্কারের দাবি করেন, তাদের জন্য নিজেদের পূর্বসূরিদের ব্যবস্থার সমালোচনা করে নিজেদের মতবাদের প্রশংসা করা অত্যন্ত সাধারণ এবং স্বাভাবিক একটি বিষয়।''' প্রকৃতপক্ষে, মানবীয় যুক্তির দরবারে আসা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে আমাদের অজ্ঞতার জন্য যদি তাঁরা কেবল আক্ষেপ করতেন, তবে বিজ্ঞান সচেতন খুব কম মানুষই তাঁদের সাথে দ্বিমত পোষণ করতেন। একজন প্রাজ্ঞ ও শিক্ষিত মানুষের পক্ষে সেই সব ব্যবস্থার দুর্বল ভিত্তিগুলো খুঁজে বের করা খুবই সহজ, যেগুলো একসময় অত্যন্ত নির্ভুল এবং গভীর যুক্তি হিসেবে সমাদৃত ছিল। '''অন্ধভাবে গ্রহণ করা মূলনীতি, সেগুলো থেকে দুর্বলভাবে টেনে আনা সিদ্ধান্ত, উপাদানের মধ্যে সামঞ্জস্যের অভাব এবং সামগ্রিকভাবে প্রমাণের অনুপস্থিতি—বিখ্যাত সব দার্শনিকদের তত্ত্বে এগুলো সবখানেই দেখা যায়; যা খোদ দর্শন শাস্ত্রকেই যেন কলঙ্কিত করেছে।'''
** ভূমিকা।
* সুতরাং, আমাদের এই বিজ্ঞানের পরীক্ষাগুলো সংগ্রহ করতে হবে মানবজীবনের সতর্ক পর্যবেক্ষণ থেকে; জগত যে স্বাভাবিক নিয়মে চলে—মানুষের আচরণ, তাদের কাজকর্ম এবং বিনোদনের মাঝে সেগুলোকে খুঁজে নিতে হবে। যেখানে এই ধরণের পরীক্ষাগুলো বিচারবুদ্ধি দিয়ে সংগ্রহ ও তুলনা করা হয়, সেখানে আমরা এমন একটি বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠার আশা করতে পারি যা নিশ্চিতের দিক থেকে কোনো অংশে কম নয় এবং উপযোগিতার দিক থেকে মানুষের বোধগম্য অন্য যেকোনো কিছুর চেয়ে অনেক উন্নত।
** ভূমিকা।
==== ১ম খণ্ড: বোধশক্তি প্রসঙ্গে (Of the understanding) ====
* যেহেতু আমরা সেই সবকিছুকেই '''অভ্যাস''' (Custom) বলি যা কোনো নতুন যুক্তি বা সিদ্ধান্ত ছাড়াই অতীত পুনরাবৃত্তি থেকে উদ্ভূত হয়; তাই আমরা এটি একটি ধ্রুব সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারি যে—বর্তমান কোনো ছাপ (Impression) থেকে তৈরি হওয়া আমাদের প্রতিটি বিশ্বাসই কেবল সেই উৎস (অভ্যাস) থেকে উদ্ভূত।
** ৩য় অংশ, ৮ম পরিচ্ছেদ।
* কোনো বস্তুর নিজের ভেতরে এমন কিছুই নেই যা আমাদের সেই বস্তুর সীমানা ছাড়িয়ে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সাহায্য করতে পারে; [...] এমনকি কোনো বস্তুর বারবার বা নিরন্তর সংযোগ পর্যবেক্ষণের পরেও, অভিজ্ঞতার বাইরের কোনো বস্তু সম্পর্কে কোনো অনুমান করার মতো যৌক্তিক কারণ আমাদের কাছে নেই।
** ৩য় অংশ, ১২শ পরিচ্ছেদ।
* একটি স্পষ্ট সত্যকে অস্বীকার করা যেমন হাস্যাস্পদ, তেমনি হাস্যাস্পদ হলো তাকে রক্ষা করার জন্য মাত্রাতিরিক্ত পরিশ্রম করা; আর আমার কাছে এর চেয়ে স্পষ্ট সত্য আর কিছু নেই যে—মানুষের মতো পশুরাও চিন্তা ও যুক্তিবোধের অধিকারী। এই ক্ষেত্রে যুক্তিগুলো এতটাই প্রতীয়মান যে তা অত্যন্ত স্থূল এবং অজ্ঞ মানুষের নজরও এড়ায় না।
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* পশুপাখির বাহ্যিক আচরণের সাথে আমাদের নিজেদের আচরণের যে সাদৃশ্য রয়েছে, তা থেকেই আমরা বিচার করি যে তাদের অভ্যন্তরীণ জগতও আমাদের মতোই; এবং যুক্তির এই একই নীতিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেলে আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাব যে—যেহেতু আমাদের অভ্যন্তরীণ ক্রিয়াগুলো পরস্পর সদৃশ, তাই সেগুলো যে উৎস থেকে এসেছে, সেই কারণগুলোও অবশ্যই সদৃশ হবে।
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* মানুষ তাদের নিজেদের যুক্তির ক্রিয়া দেখে বিস্মিত হয় না, অথচ পশুপাখির '''সহজাত প্রবৃত্তি''' (Instinct) দেখে বিস্ময় প্রকাশ করে এবং এটি ব্যাখ্যা করতে হিমশিম খায়; কেবল এই কারণে যে একে সেই একই মূলনীতিতে ফেলা যায় না। [...] '''প্রকৃতপক্ষে যুক্তি আমাদের আত্মার ভেতরে এক বিস্ময়কর এবং অবোধ্য সহজাত প্রবৃত্তি ছাড়া আর কিছুই নয়।'''
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* অভ্যাস থেকে যা কিছু সৃষ্টি হতে পারে, প্রকৃতি অবশ্যই তা উৎপাদন করতে পারে: প্রকৃতপক্ষে, অভ্যাস প্রকৃতিরই অন্যতম মূলনীতি এবং এটি তার সমস্ত শক্তি সেই উৎস থেকেই লাভ করে।
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* এভাবে সমস্ত জ্ঞান শেষ পর্যন্ত 'সম্ভাব্যতা'তে (Probability) পর্যবসিত হয়; এবং এই সম্ভাব্যতা আমাদের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে কম বা বেশি হতে পারে।
** ৪র্থ অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ।
* বর্তমানে দার্শনিকদের অবস্থা অত্যন্ত করুণ বলে মনে হচ্ছে; সিজিফাস (Sisyphus) এবং ট্যান্টালাস (Tantalus)-এর শাস্তির বর্ণনায় কবিরা আমাদের যে ধারণা দিয়েছেন, তা বাস্তব যন্ত্রণার তুলনায় সামান্য। কারণ এর চেয়ে যন্ত্রণাদায়ক আর কী হতে পারে যে—ব্যকুল হয়ে এমন কিছুকে খোঁজা যা চিরকাল আমাদের ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়; এবং এমন এক জায়গায় তাকে খোঁজা যেখানে তার অস্তিত্ব থাকা অসম্ভব?
** ৪র্থ অংশ, ৩য় পরিচ্ছেদ।
* আমি যখন সবচেয়ে নিবিড়ভাবে নিজেকে 'আমি' বলে অনুসন্ধান করি, তখন আমি সবসময়ই তাপ বা শৈত্য, আলো বা ছায়া, প্রেম বা ঘৃণা, দুঃখ বা সুখের মতো কোনো না কোনো বিশেষ উপলব্ধির (Perception) ওপর আছাড় খেয়ে পড়ি। আমি কখনোই কোনো উপলব্ধি ছাড়া 'নিজেকে' ধরতে পারি না, এবং উপলব্ধি ছাড়া আর কিছুই পর্যবেক্ষণ করতে পারি না। যখন কিছু সময়ের জন্য আমার উপলব্ধিগুলো অপসারিত হয় (যেমন গভীর ঘুমে), ততক্ষণ আমি নিজের সম্পর্কে অচেতন থাকি এবং সত্যই বলা যেতে পারে যে তখন আমার কোনো অস্তিত্ব নেই। আর যদি মৃত্যুর মাধ্যমে আমার সব উপলব্ধি চিরতরে মুছে যায়—তবে আমি সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে যাব। যদি কেউ নিরপেক্ষ চিন্তার পর মনে করেন যে তাঁর 'নিজের' সম্পর্কে ভিন্ন কোনো ধারণা আছে, তবে আমি স্বীকার করছি যে তাঁর সাথে আমি আর তর্কে যেতে পারছি না। তিনি হয়তো নিজের ভেতর সরল এবং অবিচ্ছিন্ন কিছু অনুভব করেন যাকে তিনি 'নিজে' বা 'স্বয়ং' বলেন; কিন্তু আমি নিশ্চিত যে আমার ভেতর এমন কোনো মূলনীতি নেই... তবে এই ধরণের কিছু অধিবিদ্যক ব্যক্তিদের বাদ দিলে, আমি বাকি মানবজাতি সম্পর্কে জোর দিয়ে বলতে পারি যে—তারা অসংখ্য উপলব্ধির একটি সমষ্টি বা সংগ্রহ (Bundle of perceptions) ছাড়া আর কিছুই নয়, যা অচিন্তনীয় দ্রুততায় একে অপরকে অনুসরণ করে এবং এক নিরন্তর প্রবাহ ও গতির মধ্যে থাকে।
** ৪র্থ অংশ, ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ।
* '''আমার নিজেকে এমন একজন মানুষের মতো মনে হয়, যে বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে এবং এক ছোট প্রণালী পার হতে গিয়ে অল্পের জন্য জাহাজডুবি থেকে রক্ষা পেয়েছে; তবুও তার ধৃষ্টতা এতটাই যে সে সেই একই জীর্ণ, লোনা ধরা জাহাজে করে সমুদ্রে পাড়ি দিতে চায় এবং এমনকি এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বিশ্ব ভ্রমণের উচ্চাকাঙ্ক্ষা পোষণ করে।'''
** ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ।
* আমার দর্শনে আমি নিজেকে যে জনশূন্য একাকীত্বের মধ্যে আবিষ্কার করি, তা দেখে আমি প্রথমে আতঙ্কিত এবং বিভ্রান্ত হই; নিজেকে এক অদ্ভুত বিদঘুটে দানব মনে হয়, যে সমাজে মিশতে অক্ষম হয়ে মানুষের সান্নিধ্য থেকে বিতাড়িত এবং পরিত্যক্ত ও শোচনীয় অবস্থায় পড়ে আছে। '''ইচ্ছে হয় আশ্রয় আর উষ্ণতার জন্য ভিড়ের মধ্যে ছুটে যাই; কিন্তু সেই কদর্যতার সাথে নিজেকে মেশাতে পারি না। আমি অন্যদের ডাকি আমার সাথে যোগ দিতে যাতে আমরা আলাদা একটি সঙ্গ গড়ে তুলতে পারি; কিন্তু কেউ আমার কথা শোনে না। সবাই দূরে থাকে এবং সেই ঝড়কে ভয় পায় যা আমার ওপর চারপাশ থেকে আঘাত হানছে। আমি সমস্ত অধিবিদ্যক, যুক্তিবিদ, গণিতবিদ এমনকি ধর্মতাত্ত্বিকদের শত্রুতার মুখে নিজেকে সঁপে দিয়েছি; তবে আমার ওপর যে অপমান নেমে আসবে তাতে কি আমি অবাক হতে পারি?''' আমি তাদের ব্যবস্থার প্রতি আমার অসম্মতি প্রকাশ করেছি; তবে তারা যদি আমার এবং আমার মতবাদের প্রতি ঘৃণা পোষণ করে তবে কি আমি বিস্মিত হতে পারি? আমি যখন বাইরের দিকে তাকাই, আমি সবদিকে কেবল বিতর্ক, বিরোধিতা, ক্রোধ আর কুৎসা দেখি। যখন আমি নিজের ভেতরে তাকাই, আমি কেবল সন্দেহ আর অজ্ঞতা ছাড়া আর কিছুই খুঁজে পাই না। সারা বিশ্ব আমার বিরোধিতা করার জন্য ষড়যন্ত্র করছে; যদিও আমার দুর্বলতা এমনই যে অপরের সমর্থন ছাড়া আমার নিজের মতামতগুলোই আলগা হয়ে ঝরে পড়ে। আমার নেওয়া প্রতিটি পদক্ষেপ দ্বিধাগ্রস্ত, আর প্রতিটি নতুন চিন্তা আমাকে ভুলের আশঙ্কায় ভীত করে তোলে।
** ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ।
* '''কেননা এত সাহস নিয়ে আমি কীভাবে এগোব, যখন নিজের অসংখ্য দুর্বলতা ছাড়াও আমি মানুষের সহজাত সাধারণ দুর্বলতাগুলোও নিজের ভেতর খুঁজে পাই? আমি কি নিশ্চিত হতে পারি যে প্রতিষ্ঠিত সমস্ত মতামত ত্যাগ করে আমি সত্যকেই অনুসরণ করছি? আর কিসের ভিত্তিতেই বা আমি সত্যকে চিনব, যদি ভাগ্য শেষ পর্যন্ত আমাকে তাঁর পায়ের ছাপে পৌঁছেও দেয়?''' আমার সবচেয়ে নির্ভুল যুক্তির পরেও আমি কেন তা মেনে নেব—তার কোনো কারণ খুঁজে পাই না; আমি কেবল সেই দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি এক তীব্র টান অনুভব করি যার অধীনে বস্তুগুলো আমার কাছে প্রকাশিত হয়। স্মৃতি, ইন্দ্রিয় এবং বোধশক্তি—এই সবকিছুই তাই শেষ পর্যন্ত কল্পনা (Imagination) বা আমাদের ধারণার প্রাণবন্ততার ওপর ভিত্তি করেই দাঁড়িয়ে আছে।
** ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ।
== ''এ ট্রিটিজ অফ হিউম্যান নেচার'' (১৭৩৯-৪০): ২য় ও ৩য় খণ্ড ==
* কার্যকারণের সাধারণ সংযোগের অন্তরালে যে মূলনীতিটি তাদের বেঁধে রেখেছে, সে সম্পর্কে আমরা সাধারণ ঘটনায় যতটা অজ্ঞ, অসাধারণ কোনো ঘটনায় ঠিক ততটাই অজ্ঞ; কিন্তু দৈনন্দিন জীবনে আমরা এই ঘাটতি বুঝতে পারি না। এটি আসলে কল্পনার একটি বিভ্রম ছাড়া আর কিছুই নয়। কল্পনার এই উড্ডয়ন দর্শনের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং দার্শনিকদের অধিকাংশ ভুলের মূল কারণ। উজ্জ্বল কল্পনাশক্তির অধিকারীদের সেই দেবদূতদের সাথে তুলনা করা যেতে পারে, যারা নিজেদের ডানা দিয়ে নিজেদের চোখ ঢেকে রাখে।
** ১ম খণ্ড: বোধশক্তি প্রসঙ্গে, ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ২৬৭-২৬৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''সাধারণভাবে বলতে গেলে, ধর্মের ভুলগুলো বিপজ্জনক; আর দর্শনের ভুলগুলো কেবল হাস্যকর।'''
** ১ম খণ্ড: বোধশক্তি প্রসঙ্গে, ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ২৭২, লিবার্টি ফান্ড)।
==== ২য় খণ্ড: আবেগ বা প্রবৃত্তি প্রসঙ্গে ====
* দুঃখ আর হতাশা থেকে জন্ম নেয় ক্রোধ, ক্রোধ থেকে ঈর্ষা, ঈর্ষা থেকে বিদ্বেষ, আর সেই বিদ্বেষ থেকে পুনরায় দুঃখ—এভাবেই চক্রটি পূর্ণতা পায়।
** ১ম অংশ, ৪র্থ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ২৮৩, লিবার্টি ফান্ড)।
* মানবপ্রকৃতির কোনো গুণই সহমর্মিতার মতো এত বেশি লক্ষণীয় নয়; যার মাধ্যমে আমরা অন্যের রুচি আর অনুভূতি গ্রহণ করি, এমনকি সেগুলো আমাদের নিজস্ব মতের বিরোধী হলেও। আমরা লক্ষ্য করি যে, একই জাতির মানুষের চিন্তা আর মেজাজের মধ্যে এক অদ্ভুত সামঞ্জস্য থাকে; আর এই সাদৃশ্য মাটি বা জলবায়ুর চেয়ে সহমর্মিতার কারণেই বেশি ঘটে। একজন অমায়িক মানুষ মুহূর্তের মধ্যেই তাঁর সঙ্গীদের মেজাজে মিশে যান; এমনকি সবচেয়ে অহংকারী ব্যক্তিও তাঁর পরিচিতদের প্রভাবে প্রভাবিত হন।
** ১ম অংশ, ১১শ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৩১৬-৩১৭, লিবার্টি ফান্ড)।
* হাঁস, তুরস্কের মুরগি কিংবা ময়ূরের চলন-বলন দেখলেই বোঝা যায় তারা নিজেদের সম্পর্কে কত উঁচু ধারণা পোষণ করে এবং অন্যদের কতটা অবজ্ঞা করে। পুরুষ নাইটিঙ্গেল পাখির গান গাওয়ার প্রতিযোগিতা আর এই ধরণের আরও অনেক প্রমাণ থেকে এটি স্পষ্ট যে—অহংকার আর বিনয় কেবল মানুষের আবেগ নয়, বরং তা সমগ্র প্রাণীজগতে বিস্তৃত।
** ১ম অংশ, ১২শ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৩২৬, লিবার্টি ফান্ড)।
* পশুদের ক্ষেত্রেও সহমর্মিতা বা আবেগের আদান-প্রদান মানুষের মতোই ঘটে। ভয়, ক্রোধ, সাহস—সবই এক পশু থেকে অন্য পশুতে সঞ্চারিত হয়। লক্ষ্যণীয় যে, সিংহ, বাঘ বা বিড়াল খেলার ছলে যখন আক্রমণ করে, তখন তারা নখর বা দাঁত ব্যবহার করলেও সঙ্গীকে আঘাত করা থেকে সতর্কভাবে বিরত থাকে; যা প্রমাণ করে যে ইতর প্রাণীদেরও একে অপরের ব্যথা আর আনন্দের বোধ রয়েছে।
** ২য় অংশ, ১২শ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৩৯৭-৩৯৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* দার্শনিক বিতর্কে কোনো হাইপোথিসিস বা মতবাদকে ধর্ম ও নৈতিকতার জন্য 'বিপজ্জনক' বলে প্রমাণ করার মাধ্যমে তা নাকচ করে দেওয়া—সবচেয়ে প্রচলিত অথচ সবচেয়ে নিন্দনীয় একটি পদ্ধতি। কোনো মতবাদ যদি অযৌক্তিকতার দিকে নিয়ে যায়, তবেই তা মিথ্যে হতে পারে; কিন্তু তার ফলাফল বিপজ্জনক বলেই যে তা মিথ্যে হবে—এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।
** ৩য় অংশ, ২য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪০৯, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''যখন আমরা আবেগ আর যুক্তির লড়াই নিয়ে কথা বলি, তখন আমরা দার্শনিক এবং পারিভাষিক দিক থেকে সঠিক কথা বলি না। যুক্তি হলো আবেগের দাস, এবং এর একমাত্র কাজ হলো আবেগের সেবা ও আনুগত্য করা।'''
** ৩য় অংশ, ৩য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪১৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* আমার আঙুলের সামান্য আঁচড় রোধ করার চেয়ে পুরো পৃথিবীর ধ্বংসকে অগ্রাধিকার দেওয়া যুক্তিবিরোধী কিছু নয়। আমার সামান্যতম অস্বস্তি এড়াতে একজন সম্পূর্ণ অচেনা মানুষের বা কোনো দূর দেশের বাসিন্দার চূড়ান্ত ধ্বংস বেছে নেওয়াও যুক্তিবিরোধী নয়। এমনকি আমার বড় কোনো কল্যাণের চেয়ে ছোট কোনো কল্যাণকে বেশি গুরুত্ব দেওয়াও অযৌক্তিক নয়। সংক্ষেপে বলতে গেলে, একটি আবেগ বা প্রবৃত্তিকে কেবল তখনই অযৌক্তিক বলা যেতে পারে যখন তা কোনো ভুল বিচারবুদ্ধি বা মিথ্যে ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়।
** ৩য় অংশ, ৩য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪১৬, লিবার্টি ফান্ড)।
==== ৩য় খণ্ড: নৈতিকতা প্রসঙ্গে ====
* সূক্ষ্ম এবং জটিল যুক্তির একটি অসুবিধা হলো—এটি প্রতিপক্ষকে স্তব্ধ করতে পারে কিন্তু সব সময় আশ্বস্ত করতে পারে না। পড়ার ঘর থেকে বেরিয়ে যখন আমরা দৈনন্দিন জীবনের কাজে যুক্ত হই, তখন সেই সূক্ষ্ম যুক্তিগুলো রাতের অন্ধকারের মতো মিলিয়ে যায় এবং আমরা যে সিদ্ধান্তগুলো অনেক কষ্টে অর্জন করেছিলাম, সেগুলো ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।
** ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৫৫, লিবার্টি ফান্ড)।
== ''এ ট্রিটিজ অফ হিউম্যান নেচার'' ও ''এ্যান এনকোয়ারি'' (১৭৩৯-১৭৪৮) ==
* '''নৈতিকতা এমন একটি বিষয় যা অন্য সবকিছুর চেয়ে আমাদের বেশি আলোড়িত করে: আমরা মনে করি সমাজ ও রাষ্ট্রের শান্তি এর প্রতিটি সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে; আর এই গুরুত্বই আমাদের অনুসন্ধানকে অন্য যেকোনো বিষয়ের চেয়ে বেশি বাস্তব ও দৃঢ় করে তোলে।''' এই সুবিধাটুকু না থাকলে আমি কখনোই এই ধরণের দুর্ভেদ্য দর্শনের তৃতীয় খণ্ডটি লেখার দুঃসাহস দেখাতাম না—বিশেষ করে এমন এক যুগে, যেখানে অধিকাংশ মানুষ পড়াকে কেবল বিনোদন হিসেবে গ্রহণ করেছে এবং যা কিছু বোঝার জন্য গভীর মনোযোগ প্রয়োজন, তাকেই প্রত্যাখ্যান করতে শিখেছে।
** ''এ ট্রিটিজ অফ হিউম্যান নেচার'', ৩য় খণ্ড: নৈতিকতা প্রসঙ্গে, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৫৫-৪৫৬, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''নীতিবোধ আমাদের আবেগ জাগিয়ে তোলে এবং কোনো কাজ করতে বা তা থেকে বিরত থাকতে উদ্বুদ্ধ করে। যুক্তি এই বিশেষ ক্ষেত্রে একেবারেই অক্ষম। সুতরাং, নৈতিকতার নিয়মগুলো আমাদের যুক্তির কোনো সিদ্ধান্ত নয়।'''
** ৩য় খণ্ড, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৫৭, লিবার্টি ফান্ড)।
* কোনো কাজ প্রশংসনীয় বা নিন্দনীয় হতে পারে; কিন্তু তা 'যুক্তিসঙ্গত' বা 'অযৌক্তিক' হতে পারে না। প্রশংসা আর নিন্দা যুক্তির সীমানার বাইরের বিষয়। যুক্তি অলস ও নিষ্ক্রিয়, এটি কখনোই বিবেকের মতো সক্রিয় নীতির উৎস হতে পারে না।
** ৩য় খণ্ড, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৫৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* যেকোনো জঘন্য কাজকে লক্ষ্য করুন—ধরুন একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। একে সব দিক থেকে পরীক্ষা করে দেখুন, সেখানে কি বাস্তব কোনো অস্তিত্ব বা তথ্য পাবেন যাকে আপনি 'পাপ' (Vice) বলতে পারেন? সেখানে আপনি কেবল কিছু আবেগ, উদ্দেশ্য, ইচ্ছা আর চিন্তা খুঁজে পাবেন। পাপ বিষয়টি বস্তু বা ঘটনার মধ্যে থাকে না; যতক্ষণ আপনি বাইরের ঘটনার দিকে তাকাবেন, পাপ আপনার নাগালের বাইরে থাকবে। এটি কেবল তখনই খুঁজে পাবেন যখন আপনি আপনার দৃষ্টি নিজের অন্তরের দিকে ফেরাবেন এবং সেই কাজের প্রতি নিজের ভেতর একটি ঘৃণার অনুভূতি লক্ষ্য করবেন। সুতরাং, গুণ এবং পাপ অনেকটা শব্দ, বর্ণ, তাপ বা শৈত্যের মতো; যা বস্তুর নিজস্ব কোনো গুণ নয়, বরং মনের ভেতরের এক একটি অনুভূতি বা উপলব্ধি মাত্র।
** ৩য় খণ্ড, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৬৮-৪৬৯, লিবার্টি ফান্ড)।
* আমি একটি পর্যবেক্ষণ যোগ না করে পারছি না যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি এ পর্যন্ত যত নৈতিক ব্যবস্থা দেখেছি, সেখানে লক্ষ্য করেছি যে লেখক প্রথমে সাধারণ যুক্তিতে কথা বলেন—ঈশ্বরের অস্তিত্ব বা মানুষের স্বভাব নিয়ে আলোচনা করেন; কিন্তু হঠাৎ আমি অবাক হয়ে দেখি যে, সেখানে 'হয়' (Is) বা 'নয়' (Is Not) জাতীয় বাক্যের পরিবর্তে এমন কোনো বাক্য নেই যা 'উচিত' (Ought) বা 'উচিত নয়' (Ought Not)-এর সাথে যুক্ত নয়। এই পরিবর্তনটি অলক্ষ্যেই ঘটে যায়, কিন্তু এর ফলাফল সুদূরপ্রসারী। কেননা এই 'উচিত' বা 'উচিত নয়' একটি নতুন সম্পর্ক প্রকাশ করে, যা আগের বর্ণনামূলক তথ্য থেকে কীভাবে বিবর্তিত হলো—তা ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন। লেখকের এই অসাবধানতা পাঠককে খেয়াল করার অনুরোধ জানাব; কারণ এই সামান্য সতর্কতাটুকু প্রচলিত সমস্ত নৈতিক ব্যবস্থাকে ধূলিসাৎ করে দিতে যথেষ্ট।
** ৩য় খণ্ড, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৬৯-৪৭০, লিবার্টি ফান্ড)।
* ন্যায় এবং অন্যায়ের বোধ প্রকৃতি থেকে উদ্ভূত হয়নি, বরং এটি কৃত্রিমভাবে... শিক্ষা এবং মানবিক প্রথা (Convention) থেকে তৈরি হয়েছে।
** ৩য় খণ্ড, ২য় অংশ, ১৭শ পরিচ্ছেদ।
* মানুষের স্বার্থপরতা, সীমিত উদারতা এবং তাদের চাহিদার তুলনায় প্রকৃতির কৃপণতার কারণেই মূলত 'ন্যায়বিচার' (Justice)-এর উৎপত্তি হয়েছে।
** ৩য় খণ্ড, ২য় অংশ, ২য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৯৪-৪৯৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* নিজের এবং নিকটজনদের জন্য সম্পদ ও প্রতিপত্তি অর্জনের এই যে লালসা—এটি অতৃপ্ত, চিরন্তন, সর্বজনীন এবং সরাসরি সমাজের জন্য ধ্বংসাত্মক।
** ৩য় খণ্ড, ২য় অংশ, ২য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৯১-৪৯২, লিবার্টি ফান্ড)।
=== ''এ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং হিউম্যান আন্ডারস্ট্যান্ডিং'' (১৭৪৮) ===
* '''প্রকৃতপক্ষে, অভ্যাসই হলো মানবজীবনের প্রধান নির্দেশক।''' এটিই একমাত্র নীতি যা আমাদের অভিজ্ঞতাকে কার্যকর করে তোলে এবং অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে প্রত্যাশা তৈরি করে। অভ্যাসের প্রভাব ছাড়া আমরা বর্তমান স্মৃতি আর ইন্দ্রিয়ের বাইরের জগত সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ থাকতাম।
** ৫ম পরিচ্ছেদ: স্কেপটিক্যাল সলিউশন; ১ম খণ্ড, অনুচ্ছেদ ৩৬ (পৃষ্ঠা ৪৪, অক্সফোর্ড)।
* '''প্রকৃতি আমাদের জন্য এক মিশ্র জীবনকেই সবচেয়ে উপযোগী হিসেবে চিহ্নিত করেছে। [...] বিজ্ঞানের প্রতি তোমার আগ্রহকে লালন করো, তবে তোমার বিজ্ঞান যেন হয় মানবিক এবং সমাজ ও কর্মের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত। দার্শনিক হও; কিন্তু তোমার সমস্ত দর্শনের মাঝেও ভুলে যেও না যে তুমি একজন মানুষ।'''
** ১ম পরিচ্ছেদ: অফ দ্য ডিফারেন্ট স্পিসিস অফ ফিলোসফি (পৃষ্ঠা ৭, লিবার্টি ফান্ড)।
* দার্শনিক বিতর্কে কোনো মতবাদকে কেবল ধর্ম বা নৈতিকতার জন্য 'বিপজ্জনক' তকমা দিয়ে নাকচ করে দেওয়ার চেষ্টার চেয়ে সাধারণ এবং একইসাথে নিন্দনীয় পদ্ধতি আর নেই। এটি সত্য আবিষ্কারে কোনো সাহায্য করে না, কেবল প্রতিপক্ষকে ঘৃণা করতে শেখায়।
** ৮ম পরিচ্ছেদ: অফ লিবার্টি অ্যান্ড নেসেসিটি; ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ৯৬, লিবার্টি ফান্ড)।
* বাস্তব তথ্য বা অস্তিত্ব সম্পর্কিত আমাদের যুক্তিতে সব ধরণের নিশ্চয়তা থাকতে পারে; সবচেয়ে উচ্চপর্যায়ের ধ্রুব সত্য থেকে শুরু করে সবচেয়ে নিম্নপর্যায়ের নৈতিক প্রমাণ। '''তাই একজন প্রাজ্ঞ মানুষ সবসময় প্রাপ্ত প্রমাণের অনুপাতে তাঁর বিশ্বাসকে নিয়ন্ত্রণ করেন।'''
** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস (অলৌকিক ঘটনা প্রসঙ্গে); ১ম অংশ, অনুচ্ছেদ ৮৭ (পৃষ্ঠা ১১০, লিবার্টি ফান্ড)।
* কোনো অলৌকিক ঘটনা প্রতিষ্ঠিত করার জন্য কোনো সাক্ষ্যই যথেষ্ট নয়, যতক্ষণ না সেই সাক্ষ্যটি এমন পর্যায়ের হয় যে—তার মিথ্যা হওয়াটা সেই অলৌকিক ঘটনার চেয়েও বেশি বিস্ময়কর বা অলৌকিক বলে মনে হবে।
** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস; ১ম অংশ, অনুচ্ছেদ ৯১ (পৃষ্ঠা ১১৫, অক্সফোর্ড)।
* '''বাগ্মিতা যখন চূড়ান্ত শিখরে পৌঁছায়, তখন তা যুক্তি বা চিন্তার জন্য খুব সামান্যই অবকাশ রাখে; এটি সরাসরি মানুষের কল্পনা আর আবেগকে নাড়া দেয় এবং শ্রোতাদের বিচারবুদ্ধিকে পরাভূত করে ফেলে।'''
** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস; ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ১১৮, লিবার্টি ফান্ড)।
== ধর্ম, নৈতিকতা ও সংশয়বাদ (১৭৪৮-১৭৫৭) ==
* খ্রিষ্টধর্ম কেবল শুরুর দিকেই অলৌকিক ঘটনার ওপর নির্ভরশীল ছিল না; বরং আজও কোনো যুক্তিবাদী মানুষ অলৌকিক কোনো শক্তি ছাড়া এতে বিশ্বাস স্থাপন করতে পারে না। কেবল যুক্তি এর সত্যতা প্রমাণে যথেষ্ট নয়। যে ব্যক্তি বিশ্বাসের (Faith) দ্বারা এতে সায় দেন, তিনি নিজের ভেতরেই এক নিরন্তর অলৌকিকত্ব অনুভব করেন—যা তাঁর বোধশক্তির সমস্ত মূলনীতিকে উল্টে দেয় এবং তাঁকে এমন কিছু বিশ্বাস করতে বাধ্য করে যা মানুষের সাধারণ অভিজ্ঞতা ও অভ্যাসের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
** ''এ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং হিউম্যান আন্ডারস্ট্যান্ডিং'' (১৭৪৮), ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস, ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ১২০, লিবার্টি ফান্ড)।
* যখন আমরা এই মূলনীতিগুলোতে বিশ্বাস রেখে কোনো লাইব্রেরিতে ঘুরে বেড়াই, তখন আমাদের কী পরিমাণ ধ্বংসযজ্ঞই না চালাতে হবে! আমরা যদি হাতে কোনো ধর্মতত্ত্ব বা স্কুল-মেটাফিজিক্সের বই পাই, তবে আমাদের প্রশ্ন করা উচিত—"এতে কি পরিমাণ বা সংখ্যা সংক্রান্ত কোনো বিমূর্ত যুক্তি আছে?" না। "এতে কি বাস্তব তথ্য ও অস্তিত্ব সম্পর্কে কোনো পরীক্ষামূলক যুক্তি আছে?" না। তবে একে অগ্নিশিখায় সমর্পণ করো; কারণ এতে ভ্রান্ত কুযুক্তি আর মায়া ছাড়া আর কিছুই নেই।
** ''এ্যান এনকোয়ারি'', ১২শ পরিচ্ছেদ: অফ দ্য অ্যাকাডেমিক্যাল অর স্কেপটিক্যাল ফিলোসফি, ৩য় অংশ (পৃষ্ঠা ১৬৫, অক্সফোর্ড)।
=== ''এ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং দ্য প্রিন্সিপলস অফ মোরালস'' (১৭৫১) ===
* নৈতিকতার প্রতিটি সিদ্ধান্তে 'জনকল্যাণ' (Public Utility) বিষয়টিই প্রধানত বিবেচনায় থাকে। যেখানেই দর্শনে বা সাধারণ জীবনে কর্তব্যের সীমা নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়, সেখানে মানবজাতির প্রকৃত স্বার্থের বিচার ছাড়া আর কোনোভাবেই অধিকতর নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়।
** ২য় পরিচ্ছেদ: অফ বেনোভোলেন্স, ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ১৮০, অক্সফোর্ড)।
* সেই ব্যক্তি সুখী, যার পরিস্থিতি তার স্বভাবের সাথে খাপ খায়; কিন্তু সেই ব্যক্তি অধিকতর শ্রেষ্ঠ, যে যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজের স্বভাবকে মানিয়ে নিতে পারে।
** ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ: অফ কোয়ালিটিজ ইউজফুল টু আওয়ারসেলভস, ১ম অংশ (পৃষ্ঠা ২৪৩, অক্সফোর্ড)।
* যেখানে মানুষ সবচেয়ে বেশি নিশ্চিত এবং অহংকারী, তারা সাধারণত সেখানেই সবচেয়ে বড় ভুলটি করে থাকে; কারণ সেখানে তারা সঠিক বিচার-বিশ্লেষণ ছাড়াই আবেগের হাতে লাগাম ছেড়ে দেয়।
** ৯ম পরিচ্ছেদ: কনক্লুশন (উপসংহার), ১ম অংশ (পৃষ্ঠা ২৮১, অক্সফোর্ড)।
=== ''দ্য ন্যাচারাল হিস্ট্রি অফ রিলিজিয়ন'' (১৭৫৭) ===
* ধর্মের উৎস নিয়ে অনুসন্ধান করলে দেখা যায়—প্রকৃতির এই বিশাল কাঠামো একজন বুদ্ধিমান স্রষ্টার কথা ঘোষণা করে; কোনো যুক্তিবাদী অনুসন্ধিৎসু মানুষই এক মুহূর্তের জন্য এই সত্য অস্বীকার করতে পারেন না। কিন্তু মানবপ্রকৃতিতে ধর্মের উৎপত্তি নিয়ে যথেষ্ট জটিলতা আছে। অদৃশ্য শক্তির ওপর বিশ্বাস পৃথিবীর সব অঞ্চলেই ছড়িয়ে আছে, কিন্তু ইতিহাসবিদদের বিশ্বাস করলে দেখা যায়—এমন অনেক জাতির সন্ধান মিলেছে যাদের মধ্যে ধর্মের কোনো বালাই নেই।
** ভূমিকা (পৃষ্ঠা ২৫, কলিন্স এডিশন)।
* মূর্তিপূজা এবং একেশ্বরবাদের তুলনা করলে আমরা সেই সাধারণ পর্যবেক্ষণটির সত্যতা খুঁজে পাই যে—'''সবচেয়ে ভালো জিনিসের বিকৃতি থেকেই সবচেয়ে জঘন্য জিনিসের জন্ম হয়।''' (The corruption of the best things gives rise to the worst.)
** ১০ম অংশ: উইথ রিগার্ড টু কারেজ অর অ্যাবেসমেন্ট (পৃষ্ঠা ৫০, এ. ডব্লিউ. কলিন্স)।
* একেশ্বরবাদী ধর্মগুলোর গোঁড়ামি এবং পাণ্ডিত্যপূর্ণ যুক্তির প্রবল স্রোতকে "দুই আর তিনে পাঁচ হয়" বা "সমগ্র অংশ তার খণ্ডাংশের চেয়ে বড়"—এই জাতীয় সাধারণ যুক্তি দিয়ে আটকানোর চেষ্টা করা মানে হলো একটা নলখাগড়া দিয়ে সমুদ্র ঠেকানোর চেষ্টা করা। পবিত্র রহস্যের সামনে আপনি কি অপবিত্র যুক্তি খাড়া করবেন? আপনার এই ধর্মদ্রোহিতার জন্য কোনো শাস্তিই যথেষ্ট নয়। আর যে আগুন ধর্মদ্রোহীদের পোড়ানোর জন্য জ্বালানো হয়, তা দার্শনিকদের বিনাশের জন্যও যথেষ্ট।
** ১১শ অংশ: উইথ রিগার্ড টু রিজন অর অ্যাবসারডিটি (পৃষ্ঠা ৬০, লিবার্টি ফান্ড)।
* জগতের অধিকাংশ ধর্মের মানুষের দিকে তাকালে আপনি খুব কমই নিশ্চিত হবেন যে তারা সুস্থ মানুষের কথা বলছে; বরং তাদের বিশ্বাসগুলোকে দেখে অসুস্থ মানুষের স্বপ্ন অথবা মানুষের রূপ ধারণ করা বানরের খামখেয়ালি প্রলাপ বলে মনে হতে পারে।
** ১৫শ অংশ: জেনারেল করোলারি (পৃষ্ঠা ৭৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''অজ্ঞতাই হলো ভক্তির জননী—এই প্রবাদটি সাধারণ অভিজ্ঞতা দ্বারা বারবার প্রমাণিত। এমন কোনো জাতিকে খুঁজে দেখুন যাদের কোনো ধর্ম নেই; যদি পানও তবে নিশ্চিত থাকবেন যে তারা পশুদের থেকে খুব সামান্যই আলাদা।'''
** ১৫শ অংশ: জেনারেল করোলারি (পৃষ্ঠা ৭৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''সমগ্র বিষয়টিই একটি ধাঁধা, এক রহস্যময় সংকেত এবং ব্যাখ্যাতীত জটিলতা। সন্দেহ, অনিশ্চয়তা আর বিচারের দোদুল্যমানতা—এটাই আমাদের অনুসন্ধানের একমাত্র ফলাফল।''' তবে মানুষের যুক্তিবোধের দুর্বলতা এমন যে এই সংশয় ধরে রাখা কঠিন; তাই আমরা এক ধরণের কুসংস্কারের বিপরীতে অন্যটিকে লেলিয়ে দিয়ে তাদের ঝগড়া দেখতে দেখতে নিজেরা দর্শনের শান্ত ও নির্জন অঞ্চলে পালিয়ে যাই।
** ১৫শ অংশ: জেনারেল করোলারি (পৃষ্ঠা ৭৯, লিবার্টি ফান্ড)।
=== ''এসেস, মোরাল, পলিটিক্যাল, অ্যান্ড লিটারারি'' (১৭৪১-২;১৭৪৮) ===
* স্বাধীনতার প্রেমীদের জন্য এটি একটি স্বস্তিদায়ক চিন্তা যে—ব্রিটেনের এই বিশেষ সুবিধা (সংবাদপত্রের স্বাধীনতা) ততদিনই থাকবে যতদিন আমাদের সরকার স্বাধীন থাকবে। '''যেকোনো ধরণের স্বাধীনতা খুব কম ক্ষেত্রেই একেবারে হারিয়ে যায়।''' যারা স্বাধীনতায় অভ্যস্ত, তাদের কাছে দাসত্বের চেহারা এতটাই বীভৎস যে এটি ধীরে ধীরে এবং হাজারো ছদ্মবেশে মানুষের ভেতর ঢুকে পড়ে। কিন্তু যদি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কখনো লুপ্ত হয়, তবে তা একসাথেই হারিয়ে যাবে।
** ১ম খণ্ড, ২য় প্রবন্ধ: অফ দ্য লিবার্টি অফ দ্য প্রেস (পৃষ্ঠা ১৩, লিবার্টি ফান্ড)।
== রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রবন্ধাবলি ==
* যারা দার্শনিক দৃষ্টিতে মানবীয় বিষয়াবলি পর্যবেক্ষণ করেন, তাদের কাছে এর চেয়ে বিস্ময়কর আর কিছু নেই যে—কত সহজে সংখ্যাগুরু সাধারণ মানুষ মুষ্টিমেয় কয়েকজনের দ্বারা শাসিত হয়; এবং মানুষ কত অবলীলায় নিজের আবেগ আর অনুভূতিকে শাসকদের হাতে সঁপে দেয়। যখন আমরা এই বিস্ময়ের কারণ খুঁজি, তখন দেখি যে শক্তি সব সময় শাসিতদের পক্ষেই থাকে, তাই শাসকদের টিকে থাকার একমাত্র অবলম্বন হলো জনমত। সুতরাং, কেবল জনমতের ওপর ভিত্তি করেই শাসনব্যবস্থা গড়ে ওঠে; এবং এই নীতিটি যেমন স্বাধীন ও জনপ্রিয় সরকারের ক্ষেত্রে সত্য, তেমনি চরম স্বৈরাচারী ও সামরিক সরকারের ক্ষেত্রেও সত্য।
** ১ম খণ্ড, ৪র্থ প্রবন্ধ: অফ দ্য ফার্স্ট প্রিন্সিপলস অফ গভর্নমেন্ট (পৃষ্ঠা ৩২, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''এটি একটি সঠিক রাজনৈতিক নীতি যে—প্রতিটি মানুষকে 'প্রতারক' হিসেবে ধরে নিতে হবে; যদিও এটি শুনতে অদ্ভুত লাগে যে একটি নীতি রাজনীতিতে সত্য হলেও বাস্তব জীবনে মিথ্যে।''' মানুষ সাধারণত তার ব্যক্তিগত জীবনের চেয়ে জনসমক্ষে বা সামাজিক পরিচয়ে বেশি অসৎ হয়ে থাকে; এবং নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে দলের স্বার্থ রক্ষায় তারা অনেক বেশি দূর পর্যন্ত যেতে পারে। লোকলজ্জা বা সম্মানবোধ মানুষের জন্য একটি বড় প্রতিবন্ধক; কিন্তু যখন একদল মানুষ একসাথে কাজ করে, তখন এই বাধাটি অনেকাংশেই দূর হয়ে যায়; কারণ একজন মানুষ যখন দলের স্বার্থে কাজ করে, তখন সে জানে যে তার নিজের দল তাকে সমর্থন করবেই এবং খুব দ্রুতই সে প্রতিপক্ষের সমালোচনাকে তুচ্ছ জ্ঞান করতে শেখে।
** ১ম খণ্ড, ৬ষ্ঠ প্রবন্ধ: অফ দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্সি অফ পার্লামেন্ট (পৃষ্ঠা ৪২-৪৩, লিবার্টি ফান্ড)।
* মানুষের মনের প্রকৃতিই এমন যে, এটি তার সান্নিধ্যে আসা অন্য সব মনকে আঁকড়ে ধরে; এবং যেমন মতের মিল বা ঐক্য একে ভীষণভাবে শক্তিশালী করে, তেমনি মতের অমিল বা বৈপরীত্য একে সমানভাবে বিচলিত ও বিমর্ষ করে তোলে। এ কারণেই বিতর্কের সময় অধিকাংশ মানুষের মধ্যে এক ধরণের ব্যকুলতা দেখা যায় এবং অতি সাধারণ বা তুচ্ছ বিষয়েও তারা বিরোধিতাকে সহ্য করতে পারে না।
** ১ম খণ্ড, ৮ম প্রবন্ধ: অফ পার্টিজ ইন জেনারেল (পৃষ্ঠা ৫৪, লিবার্টি ফান্ড)।
* জনপ্রিয়তা আর দেশপ্রেমের চূড়ান্ত শিখর আজও ক্ষমতা আর স্বৈরাচারের দিকে যাওয়ার চেনা রাস্তা; তোষামোদ যেমন বিশ্বাসঘাতকতার পথ দেখায়, স্থায়ী সেনাবাহিনী যেমন স্বৈরাচারী শাসনের পথ প্রশস্ত করে, ঠিক তেমনি ঈশ্বরের মহিমা প্রচার অনেক সময় যাজকশ্রেণীর বৈষয়িক স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হয়ে দাঁড়ায়।
** ১ম খণ্ড, ৮ম প্রবন্ধ: অফ পাবলিক ক্রেডিট (পৃষ্ঠা ৩৬১, লিবার্টি ফান্ড)।
* সকল যুগে এবং পৃথিবীর সব প্রান্তেই যাজকশ্রেণী স্বাধীনতার শত্রু ছিল; এবং এটি নিশ্চিত যে তাদের এই অবিচল আচরণ তাদের স্বার্থ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষার ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে। চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা যাজকীয় ক্ষমতা এবং সেই সব 'পবিত্র প্রতারণার' জন্য সব সময় কাল হয়ে দাঁড়ায়, যার ওপর ভিত্তি করে তাদের ক্ষমতা টিকে থাকে।
** ১ম খণ্ড, ৯শ প্রবন্ধ: অফ দ্য পার্টিজ অফ গ্রেট ব্রিটেন (পৃষ্ঠা ৬৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* কর্মজীবী দরিদ্র শ্রেণীর মানুষের কোনো নীতি নেই; ভদ্রলোকদের সময় এবং অভিজ্ঞতার মাধ্যমে সঠিক নীতিতে আনা সম্ভব। আর মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষের নীতি গঠনের মতো কৌতূহল ও জ্ঞান থাকলেও, তা সঠিক নীতি গঠনের জন্য বা নিজেদের সংস্কারগুলো কাটানোর জন্য যথেষ্ট নয়।
** ১ম খণ্ড, ৯শ প্রবন্ধ: অফ দ্য পার্টিজ অফ গ্রেট ব্রিটেন (১৭৪১ ও ১৭৪২ সংস্করণ)।
* লোভ, যা শিল্পের চালিকাশক্তি—এটি এমন এক একগুঁয়ে আবেগ এবং এটি এত বেশি বাস্তব বিপদ ও প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে পথ করে নেয় যে, কোনো কাল্পনিক ভয়ের কারণে এর থেমে যাওয়ার সম্ভাবনা কম। সুতরাং, আমার মতে—স্বৈরাচারী শাসনে বাণিজ্য যে ধ্বংস হয়ে যায়, তা নিরাপত্তার অভাবে নয়, বরং সেখানে বাণিজ্যকে কম সম্মানজনক মনে করা হয় বলে।
** ১ম খণ্ড, ১২শ প্রবন্ধ: অফ সিভিল লিবার্টি (পৃষ্ঠা ৯৩, লিবার্টি ফান্ড)।
* মানুষের অহংকারের জন্য এর চেয়ে বড় অপমান আর কিছু হতে পারে না যে—তার সর্বোচ্চ শিল্প ও শ্রম দিয়েও সে প্রকৃতির ক্ষুদ্রতম সৃষ্টিগুলোর সৌন্দর্য বা মূল্যের সমান হতে পারে না। শিল্প কেবল একজন সহকারী কারিগরের মতো, যে মূল মাস্টারের (প্রকৃতি) কাজগুলোতে সামান্য কিছু অলঙ্করণ যোগ করে মাত্র।
** ১ম খণ্ড, ১৫শ প্রবন্ধ: দ্য এপিকিউরিয়ান (পৃষ্ঠা ১৩৯, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''শিল্প বা কারিগরি জ্ঞান হয়তো এক জোড়া পোশাক তৈরি করতে পারে; কিন্তু মানুষকে তৈরি করতে পারে কেবল প্রকৃতিই।'''
** ১ম খণ্ড, ১৫শ প্রবন্ধ: দ্য এপিকিউরিয়ান (পৃষ্ঠা ১৪০, লিবার্টি ফান্ড)।
* প্রকৃতির দান যদি সামান্য হয়, তবে সেই খামতি পূরণ করতে শিল্পের প্রয়োজন আরও বেশি পড়ে। আর প্রকৃতি যদি উদার ও মুক্তহস্ত হয়, তবে জেনে রাখুন সে আমাদের পক্ষ থেকেও কঠোর শ্রম ও মনোযোগ আশা করে। সবচেয়ে উর্বর মস্তিষ্কের মেধাও যদি চর্চা না করা হয়, তবে তা উর্বর মাটির মতোই আগাছায় ভরে যায়; আর মানুষের আনন্দ ও ব্যবহারের উপযোগী দ্রাক্ষা বা জলপাইয়ের বদলে তা অলস মালিকের জন্য কেবল বিষাক্ত ফসলের জন্ম দেয়।
** ১ম খণ্ড, ১৬শ প্রবন্ধ: দ্য স্টোইক (পৃষ্ঠা ১৪৬, লিবার্টি ফান্ড)।
* মানুষের সমস্ত পরিশ্রমের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো সুখ অর্জন। এই সুখের জন্যই শিল্পের উদ্ভাবন, বিজ্ঞানের চর্চা, আইনের শাসন এবং সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।
** ১ম খণ্ড, ১৬শ প্রবন্ধ: দ্য স্টোইক (পৃষ্ঠা ১৪৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* আশা ও আনন্দের প্রতি প্রবণতা হলো প্রকৃত ঐশ্বর্য; আর ভয় ও দুঃখের প্রতি আসক্তি হলো প্রকৃত দারিদ্র্য।
** ১ম খণ্ড, ১৮শ প্রবন্ধ: দ্য স্কেপটিক (পৃষ্ঠা ১৬৭, লিবার্টি ফান্ড)।
[[File:DavidHume.jpg|thumbnail|হিউম বিশ্বাস করতেন সৌন্দর্য কোনো বস্তুনিষ্ঠ বিষয় নয়, বরং এটি পুরোপুরি ব্যক্তিনিষ্ঠ। নিচের ডায়াগ্রামটি আপনাকে বুঝতে সাহায্য করবে কেন তিনি বলেছিলেন—"সৌন্দর্য বস্তুর নিজস্ব কোনো গুণ নয়: এটি কেবল মনেই বিরাজ করে যা একে অবলোকন করে এবং প্রতিটি মন ভিন্ন ভিন্ন সৌন্দর্য দেখতে পায়!"]]
== ডায়ালগস কনসার্নিং ন্যাচারাল রিলিজিয়ন (১৭৭৯) ==
* খ্রিস্টধর্মের প্রসারের শুরুর দিকে ধর্মীয় শিক্ষকদের মধ্যে যুক্তি, ইন্দ্রিয় এবং মানুষের গবেষণালব্ধ সমস্ত মূলনীতির বিরুদ্ধে কথা বলাটা ছিল অত্যন্ত সাধারণ একটি বিষয়।
** ১ম অংশ (ক্লিয়ান্থেস থেকে ডেমিয়া)।
* এই বিশ্বের দিকে তাকান এবং এর প্রতিটি অংশ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করুন: আপনি দেখবেন এটি একটি বিশাল যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়, যা অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র যন্ত্রে বিভক্ত। এই সমস্ত যন্ত্র এবং তাদের অতি ক্ষুদ্র অংশগুলোও একে অপরের সাথে এমন নিখুঁতভাবে মানিয়ে নেওয়া হয়েছে যা যেকোনো পর্যবেক্ষককে বিস্ময়ে অভিভূত করে। প্রকৃতির এই উপায় ও লক্ষ্যের (Means to ends) চমৎকার সমন্বয় মানুষের তৈরি নকশা, চিন্তা এবং বুদ্ধিমত্তার মতোই, যদিও এটি মানুষের তৈরি যেকোনো কিছুর চেয়ে অনেক বেশি উন্নত।
** ২য় অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* '''মস্তিষ্কের এই সামান্য আলোড়ন, যাকে আমরা 'চিন্তা' বলি—তার এমন কী বিশেষ অধিকার আছে যে আমাদের একেই পুরো মহাবিশ্বের মডেল বা আদর্শ হিসেবে ধরে নিতে হবে?''' নিজের প্রতি পক্ষপাতিত্ব আমাদের সব সময় এই পথে পরিচালিত করে; কিন্তু প্রকৃত দর্শনের উচিত এই ধরণের স্বাভাবিক বিভ্রম থেকে সাবধান থাকা।
** ২য় অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* যদি একটি জড় জগত (Material world) কোনো আদর্শ জগত বা ভাব জগতের (Ideal world) ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে থাকে, তবে সেই ভাব জগতকে নিশ্চয়ই অন্য কোনো জগতের ওপর নির্ভর করতে হবে; এবং এভাবে এটি অনন্তকাল চলতে থাকবে। তাই বর্তমান এই জড় জগতের বাইরে আর কিছু না খোঁজাটাই শ্রেয়। একে নিজের মধ্যেই নিজের শৃঙ্খলার কারণ হিসেবে ধরে নেওয়া মানেই আসলে একে 'ঈশ্বর' বলা।
** ৪র্থ অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* '''আমরা যদি একটি জাহাজ দেখি, তবে এর জটিল ও সুন্দর নির্মাণ দেখে আমরা সূত্রধরের বুদ্ধিমত্তা দেখে বিস্মিত হই। কিন্তু যদি আমরা জানতে পারি যে তিনি একজন সাধারণ কারিগর মাত্র, যিনি অন্যদের অনুকরণ করেছেন এবং দীর্ঘকাল ধরে অসংখ্য ভুল, সংশোধন ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে অর্জিত একটি কৌশলকে কপি করেছেন—তবে আমাদের বিস্ময় আরও বেড়ে যায়। এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড তৈরি হওয়ার আগে হয়তো অনন্তকাল ধরে অনেকগুলো বিশ্ব অদক্ষভাবে তৈরি ও ধ্বংস করা হয়েছে; অনেক শ্রম পণ্ড হয়েছে এবং অনন্তকাল ধরে বিশ্ব-নির্মাণ কৌশলের ধীর কিন্তু নিরন্তর উন্নতির ফলেই হয়তো আজকের এই ব্যবস্থাটি গড়ে উঠেছে।'''
** ৫ম অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* এই জগতটি কোনো উচ্চতর মানের তুলনায় অনেক বেশি ত্রুটিপূর্ণ হতে পারে; এটি হয়তো কোনো শিশু-দেবতার প্রথম অগোছালো প্রচেষ্টা, যা তৈরি করার পর নিজের ব্যর্থতায় লজ্জিত হয়ে তিনি এটি ফেলে চলে গেছেন। অথবা এটি কোনো পরনির্ভরশীল নিম্নস্তরের দেবতার কাজ; অথবা এটি কোনো অতিবৃদ্ধ দেবতার জরাগ্রস্ত সময়ের সৃষ্টি, যিনি মারা যাওয়ার পর থেকে এটি কেবল তাঁর দেওয়া প্রাথমিক গতির ওপর ভর করে লক্ষ্যহীনভাবে চলছে।
** ৫ম অংশ (ফিলো থেকে ডেমিয়া)।
* একটি গাছ থেকে যখন অন্য একটি চারা জন্মায়, তখন গাছটি সেই চারাকে একটি সুশৃঙ্খল গঠন দান করে, যদিও গাছটি নিজে সেই শৃঙ্খলা সম্পর্কে জানে না। একটি প্রাণী বা পাখিও ঠিক একইভাবে তাদের বংশধর বা বাসার ক্ষেত্রে এটি করে। জগতের এই শৃঙ্খলা যে বুদ্ধি বা পরিকল্পনা থেকেই আসতে হবে—তা ধরে নেওয়াটা যুক্তির ভুল।
** ৭ম অংশ (ফিলো থেকে ডেমিয়া)।
* '''আমি যদি আপনাকে ২০টি কণার একটি সংগ্রহের প্রতিটি কণার পৃথক পৃথক কারণ ব্যাখ্যা করি, তবে এরপর আপনি যদি আবার জিজ্ঞেস করেন যে—পুরো ২০টি কণার সমষ্টির কারণ কী, তবে সেটি হবে একেবারেই অযৌক্তিক। প্রতিটি অংশের কারণ ব্যাখ্যা করার মাধ্যমেই পুরো সমষ্টির কারণ ব্যাখ্যা করা হয়ে যায়।'''
** ৯ম অংশ (ক্লিয়ান্থেস থেকে ডেমিয়া)।
* পুরো পৃথিবীটাই যেন অভিশপ্ত এবং কলুষিত। সমস্ত জীবন্ত প্রাণীর মধ্যে এক নিরন্তর যুদ্ধ চলছে। অভাব আর ক্ষুধা শক্তিমানদের উত্তেজিত করে, আর ভয় ও আতঙ্ক দুর্বলদের বিচলিত করে। জন্মের সময় নবজাতক আর তার দুর্ভাগা মা—উভয়েই যন্ত্রণায় চিৎকার করে; জীবনের প্রতিটি ধাপে থাকে দুর্বলতা আর কষ্ট; আর সব শেষে এটি সমাপ্ত হয় চরম যন্ত্রণা আর বিভীষিকার মধ্য দিয়ে।
** ১০ম অংশ (ডেমিয়া থেকে ফিলো)।
* হিউম্যান অ্যানথ্রোপোমরফিজম বা ঈশ্বরকে মানুষের গুনাগুণ দিয়ে বিচার করার পদ্ধতি কি সঠিক? তাঁর ক্ষমতা যদি অসীম হয় তবে তিনি যা চান তাই হওয়ার কথা। কিন্তু মানুষ বা অন্য কোনো প্রাণীই সুখী নয়; সুতরাং তিনি তাদের সুখ চান না। তাঁর জ্ঞান যদি অসীম হয় তবে উপায় নির্বাচনে তাঁর ভুল হওয়ার কথা নয়। কিন্তু প্রকৃতির গতিধারা মানুষের সুখের দিকে ধাবিত নয়। তবে তাঁর দয়া ও করুণা মানুষের দয়া ও করুণার সাথে মিলবে কীভাবে? '''এপিকিউরাসের সেই পুরনো প্রশ্নগুলোর উত্তর আজও মেলেনি: তিনি কি অশুভকে রোধ করতে চান কিন্তু পারছেন না? তবে তিনি অক্ষম। তিনি কি পারেন কিন্তু করতে চান না? তবে তিনি বিদ্বেষপরায়ণ। তিনি কি সক্ষম এবং ইচ্ছুক—উভয়ই? তবে অশুভ আসছে কোত্থেকে?'''
** ১০ম অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
== মহাজাগতিক সংশয়বাদ ও হিউম সম্পর্কে মূল্যায়ন ==
* এই মহাবিশ্বের দিকে তাকিয়ে দেখুন। কত বিশাল প্রাণের সমারোহ! কিন্তু এই জীবন্ত সত্তাগুলোকে একটু গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করুন—দেখবেন এরা একে অপরের প্রতি কতটা হিংস্র আর ধ্বংসাত্মক! এদের কেউই নিজের সুখের জন্য পর্যাপ্ত নয়। সমগ্ৰ বিষয়টি একটি "অন্ধ প্রকৃতি" ছাড়া আর কিছুই নয়; যে প্রকৃতি কোনো বিচার-বিবেচনা বা পিতৃসুলভ যত্ন ছাড়াই তার কোল থেকে পঙ্গু আর গর্ভপাত হওয়া সন্তানদের জন্ম দিয়ে চলেছে।
** ''ডায়ালগস কনসার্নিং ন্যাচারাল রিলিজিয়ন'' (১৭৭৯), ১১শ অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* যদি প্রাকৃতিক ধর্মতত্ত্বের সারকথা কেবল এই একটি অস্পষ্ট বাক্যে সীমাবদ্ধ থাকে যে—"মহাবিশ্বের শৃঙ্খলার কারণ বা কারণগুলো সম্ভবত মানুষের বুদ্ধিমত্তার সাথে কোনো দূরবর্তী সাদৃশ্য বহন করে", এবং যদি এই ধারণা মানুষের জীবনে কোনো প্রভাব না ফেলে বা কোনো কাজের উৎস হতে না পারে; তবে একজন অনুসন্ধিৎসু ও ধার্মিক মানুষ এই সাধারণ সত্যটুকু মেনে নেওয়া ছাড়া আর কী-ই বা করতে পারেন?
** ১২শ অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
== ভুলভাবে আরোপিত ==
* "চরিত্র হলো বদ্ধমূল কিছু নীতির সমষ্টি।" (Character is the result of a system of stereotyped principles.)
** হিউম কখনো 'Stereotype' শব্দটি ব্যবহার করেননি; কারণ ১৭৯৮ সালের আগে এই শব্দের উদ্ভাবনই হয়নি।
* "তর্কের মাধ্যমেই সত্যের জন্ম হয়।"
* "যুক্তির ভূমিকা আমাদের জ্ঞানী করা নয়, বরং আমাদের অজ্ঞতাকে প্রকাশ করা।"
** এগুলো হিউমের নামে প্রচলিত হলেও তাঁর কোনো লেখায় এর ভিত্তি পাওয়া যায়নি।
* "যিনি আবেগ দিয়ে চালিত হন তিনি দাস, আর যিনি যুক্তি দিয়ে চলেন তিনি স্বাধীন।"
** এটি আসলে স্পিনোজার উক্তি, যা প্রায়ই হিউমের নামে চালানো হয়। (Ethics part IV)
== ডেভিড হিউম সম্পর্কে বিশিষ্টজনদের উক্তি ==
* হিউম নৈতিকতা ও ন্যায়বিচারের মানদণ্ডকে বলেছেন "আর্টিফ্যাক্ট" বা কৃত্রিম সৃষ্টি; এগুলো ঈশ্বরপ্রদত্ত নয় বা বিশুদ্ধ যুক্তি দিয়েও পাওয়া যায় না। এগুলো মানুষের ব্যবহারিক অভিজ্ঞতার ফল। হিউমকে নীতিশাস্ত্রের ক্ষেত্রে ডারউইনের পূর্বসূরি বলা যেতে পারে। তিনি মূলত মানুষের প্রথাগুলোর মধ্যে "যোগ্যতমের টিকে থাকা" বা "Survival of the fittest" মতবাদটি প্রচার করেছিলেন—যেখানে যোগ্যতা বিচার করা হতো সামাজিক উপযোগিতা দিয়ে।
** খ্রিষ্টান বে, ''দ্য স্ট্রাকচার অফ ফ্রিডম'' (১৯৫৮)।
* আপনি যদি ডেভিড হিউমের কাছে যান, যিনি আমাদের বিশ্বাসের কারণগুলো নিয়ে সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ করেছেন, তবে দেখবেন—সূর্য কাল সকালে উঠবেই এমন কোনো অকাট্য কারণ নেই। এটি কেবল আমাদের একটি অভ্যাস), যে আমরা বিশ্বাস করি জিনিসগুলো আগের মতোই চলবে। হিউমের এই বিশ্লেষণ অত্যন্ত সঠিক।
** জন এস বেল, ''দ্য ঘোস্ট ইন দ্য অ্যাটম'' (১৯৮৬)।
* বার্কলে, হিউম, কান্ট, হেগেল—তাঁরা সবাই একটি মহৎ প্রচেষ্টায় ঐক্যবদ্ধ ছিলেন; আর তা হলো মহাজাগতিক ব্যবস্থায় মানুষকে তার উচ্চতর আধ্যাত্মিক দাবি সহ একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করা।
** এডুইন আর্থার বার্ট, ''দ্য মেটাফিজিক্যাল ফাউন্ডেশনস অফ মডার্ন ফিজিক্যাল সায়েন্স'' (১৯২৫)।
* বার্কের কাছে 'প্রেসক্রিপশন' (প্রথাগত অধিকার) হলো সেই অটল পাহাড় যার ওপর জাগতিক অধিকারগুলো দাঁড়িয়ে থাকে। হিউম এই তত্ত্বটি কিছুটা ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেছিলেন। হিউম লিখেছিলেন—"সময় এবং প্রথা (Time and custom) সব ধরণের সরকার এবং রাজবংশকে বৈধতা দান করে; যে ক্ষমতা শুরুতে কেবল অন্যায় আর সহিংসতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল, সময়ের সাথে সাথে তা আইনি এবং বাধ্যতামূলক হয়ে ওঠে।" বার্কও বিশ্বাস করতেন যে, সম্পত্তি এবং শাসনের ক্ষেত্রে প্রথাগত অধিকারই হলো রাষ্ট্রের সবচেয়ে শক্তিশালী ভিত্তি।
** আলফ্রেড কোবান, ''এডমন্ড বার্ক অ্যান্ড দ্য রিভল্ট এগেইনস্ট দ্য এইটিনথ সেঞ্চুরি'' (১৯২৯)।
* হিউম সম্ভবত আইনি এবং রাজনৈতিক দর্শনের একমাত্র পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা দিয়েছিলেন যা পরবর্তীকালে 'লিবারেলিজম' (উদারতাবাদ) হিসেবে পরিচিতি পায়। হিউমের ''হিস্ট্রি'' (ইতিহাস) ১৮শ শতাব্দীতে ইউরোপজুড়ে 'উইগ লিবারেলিজম' ছড়িয়ে দিতে ঠিক তেমনই ভূমিকা রেখেছিল, যেমনটি ১৯শ শতাব্দীতে মেকলের ''হিস্ট্রি'' রেখেছিল।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'দ্য লিগ্যাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল ফিলোসফি অফ ডেভিড হিউম' (১৯৬৩)।
* আধুনিক সমাজের এমন কিছু বৈশিষ্ট্য যা আমরা আজ মূল্যবান মনে করি, সেগুলো এমন সব পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল যা আগে থেকে কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৈরি করা হয়নি। হিউম দেখিয়েছেন যে, একটি সুশৃঙ্খল সমাজ কেবল তখনই গড়ে উঠতে পারে যখন মানুষ আচরণের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চলতে শেখে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো জনসাধারণের জন্য সুবিধাজনক হলেও—উদ্ভাবকরা ঠিক সেই উদ্দেশ্যে এগুলো তৈরি করেননি।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'দ্য লিগ্যাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল ফিলোসফি অফ ডেভিড হিউম' (১৯৬৩)।
* মানুষের বুদ্ধি আর জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে এই মহান সংশয়বাদীর প্রবল বিশ্বাস ছিল। তিনি জানতেন যে—শান্তি, স্বাধীনতা এবং ন্যায়বিচারের মতো সর্বশ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক কল্যাণগুলো মূলত নেতিবাচক (Negative); অর্থাৎ এগুলো ইতিবাচক কোনো উপহার নয়, বরং ক্ষতির হাত থেকে সুরক্ষা মাত্র। তিনি মানুষের মহত্ত্বের চেয়ে এমন সব 'প্রতিষ্ঠান' বা কাঠামোর ওপর ভরসা করতেন যা "এমনকি খারাপ মানুষদেরও জনকল্যাণে কাজ করতে বাধ্য করে"। তিনি জানতেন যে—"রাজনীতিতে প্রতিটি মানুষকে প্রতারক হিসেবে ধরে নিতে হবে"।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'দ্য লিগ্যাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল ফিলোসফি অফ ডেভিড হিউম' (১৯৬৩)।
* হিউম তাঁর দার্শনিক কাজের মাধ্যমে লিবারেল আইনি তত্ত্বের ভিত্তি স্থাপন করার পাশাপাশি তাঁর ''হিস্ট্রি অফ ইংল্যান্ড'' (১৭৫৪-৬২)-এ ইংরেজ ইতিহাসকে 'আইনের শাসন' এর ক্রমবিকাশ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'লিবারেলিজম' (১৯৭৩)।
* যুক্তিবাদ বা র্যাশনালিজমের সমালোচনায় হিউম অন্য যেকোনো লেখকের চেয়ে অনেক বেশি গভীরে যেতে পেরেছেন। আমি বারবার হিউমের লেখায় এমন সব ধারণার সন্ধান পেয়েছি যা আমি নিজে স্বাধীনভাবে চিন্তা করেছিলাম। বিশেষ করে সব ধরণের সামাজিক প্রতিষ্ঠানের গঠন সম্পর্কে হিউমের ব্যাখ্যা আমাকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করেছে।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'ইকোনমিক্স, পলিটিক্স অ্যান্ড ফ্রিডম' (১৯৭৫)।
* হিউম স্পষ্টভাবে স্বাধীনতা এবং এই নীতিগুলোর মধ্যে সম্পর্ক লক্ষ্য করেছিলেন। তিনি দেখেছিলেন যে, সবার সর্বোচ্চ স্বাধীনতার জন্য প্রত্যেকের স্বাধীনতার ওপর সমান সীমাবদ্ধতা প্রয়োজন। একে তিনি প্রকৃতির তিনটি 'মৌলিক আইন' বলেছেন: ১. অধিকারে স্থায়িত্ব, ২. সম্মতির মাধ্যমে হস্তান্তর এবং ৩. প্রতিশ্রুতি রক্ষা । হিউম সম্ভবত প্রথম ব্যক্তি যিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে, সাধারণ স্বাধীনতা কেবল তখনই সম্ভব হয় যখন মানুষের সহজাত প্রবৃত্তিগুলো 'ন্যায়বিচার' অনুযায়ী পরবর্তী কোনো বিচারবোধ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। তিনি সেই ভুলটি করেননি যা পরবর্তীতে অনেকেই করেছেন—ব্যক্তির বিচ্ছিন্ন স্বাধীনতা এবং মানুষের পারস্পরিক সহযোগিতার ফলে সৃষ্ট স্বাধীনতার মধ্যে পার্থক্য গুলিয়ে ফেলা।
** [[ফ্রিডরিখ হায়েক]], ''দ্য ফ্যাটাল কনসিট'' (১৯৮৮), ২য় অধ্যায়: দ্য অরিজিনস অফ লিবার্টি, প্রপার্টি অ্যান্ড জাস্টিস।
* হিউম একটি বিবর্তনমূলক ব্যাখ্যার খুব কাছাকাছি চলে এসেছিলেন। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে—'কোনো সত্তাই টিকে থাকতে পারে না যদি না তার অস্তিত্ব রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বা শক্তি থাকে; কোনো একটি সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত নিরন্তর নতুন কোনো ব্যবস্থা বা অর্থনীতি চেষ্টা করে যেতে হবে'। মানুষ নিজেকে অন্য সব প্রাণীর ভাগ্যের অতীত কোনো কিছু মনে করতে পারে না কারণ সব প্রাণীর মধ্যে সেই 'নিরন্তর যুদ্ধ' চলতেই থাকবে। হিউম মূলত স্বীকার করেছিলেন যে, 'প্রাকৃতিক' এবং 'কৃত্রিম'—এই দুইয়ের মাঝামাঝি একটি তৃতীয় বিভাগ রয়েছে যার মধ্যে উভয়েরই বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান।
** [[ফ্রিডরিখ হায়েক]], ''দ্য ফ্যাটাল কনসিট'' (১৯৮৮), পরিশিষ্ট এ: 'ন্যাচারাল' ভার্সেস 'আর্টিফিশিয়াল'।
* হিউমের সংশয়বাদকে গ্রিক সংশয়বাদ থেকে স্পষ্টভাবে আলাদা করা উচিত। হিউম ইন্দ্রিয়লব্ধ অভিজ্ঞতা, অনুভূতি এবং অন্তর্দৃষ্টির সত্যতাকে ভিত্তি হিসেবে ধরে নেন এবং সেই ভিত্তি থেকেই সাধারণ আইন বা নির্ধারণগুলোকে চ্যালেঞ্জ করেন—কারণ সেগুলোর ইন্দ্রিয়লব্ধ অভিজ্ঞতার কোনো প্রমাণ নেই। অন্যদিকে প্রাচীন সংশয়বাদ ইন্দ্রিয়লব্ধ অনুভূতির ওপর সত্যের ভিত্তি স্থাপন করা তো দূরের কথা, বরং তারা শুরুতেই ইন্দ্রিয়ের বিরুদ্ধেই অবস্থান নিত।
** [[জি. ডব্লিউ. এফ. হেগেল]], ''এনসাইক্লোপিডিয়া অফ ফিলোসফি'' (১৮২৭), ডব্লিউ. কফম্যানের ''হেগেল'' (১৯৬৬) গ্রন্থে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ৬৯-৭০)।
* হিউমের ইতিহাসের চমৎকার বিষয়বস্তু এবং শৈলী একে প্রতিটি শিক্ষার্থীর পাঠ্যপুস্তকে পরিণত করেছে। আমি মনে করতে পারি, তরুণ বয়সে কত উৎসাহ নিয়ে আমি এটি পড়েছিলাম; এবং আমার মন থেকে এই বইটির বিষাক্ত প্রভাব দূর করতে কতটা সময়, গবেষণা আর চিন্তার প্রয়োজন হয়েছিল। এটি দুর্ভাগ্যজনক যে তিনি প্রথমে স্টুয়ার্ট রাজবংশের ইতিহাস লিখেছিলেন এবং তাদের অত্যাচারের পক্ষে ওকালতি করেছিলেন। এটিই সেই বই যা ইংরেজ সরকারের মুক্ত নীতিগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং পাঠকদের বিশ্বাস করিয়েছে যে রাজতন্ত্রের অধিকারই আসল; এটি সারা দেশে 'টরিজম' (একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক মতবাদ) ছড়িয়ে দিয়েছে।
** [[টমাস জেফারসন]] থেকে উইলিয়াম ডুয়েন (১২ আগস্ট ১৮১০), টমাস জেফারসনের ''রাইটিংস'' (১৯৮৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ১২২৮-১২২৯)।
* আমার কাছে সব সময় মনে হয়েছে যে, ব্রিটেনের 'উইগ' এবং 'টরি'দের মধ্যে পার্থক্য হলো—উইগরা তাদের অধিকারের উৎস খোঁজে অ্যাংলো-স্যাক্সন উৎস থেকে, আর টরিরা খোঁজে নরম্যান উৎস থেকে। হিউম ছিলেন সেই টরিবাদের মহান প্রচারক। তিনি দাবি করেছিলেন যে স্টুয়ার্টদের রাজত্বকালে জনগণই রাজাকে আক্রমণ করেছিল, রাজা জনগণকে নয়। তিনি আরও বলেছিলেন—'জনগণই সকল ন্যায়সঙ্গত ক্ষমতার উৎস'—এই মহান নীতিটি ইতিহাস এবং অভিজ্ঞতা দ্বারা সমর্থিত নয়। বিজ্ঞানের এই বিপথগামী সন্তান, তার সহমানুষদের সাথে বিশ্বাসঘতকতা করে যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মধ্যে ক্ষমতার উৎস খুঁজে না পান, তবে কি তিনি তা সংখ্যালঘুর মধ্যে খুঁজবেন?
** [[টমাস জেফারসন]] থেকে জন কার্টরাইট (৫ জুন ১৮২৪), টমাস জেফারসনের ''রাইটিংস'' (১৯৮৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ১৪৯১)।
* হিউম দৈবক্রমে একজন টরি, কারণ তিনি স্কটিশ ছিলেন; কিন্তু তিনি কোনো আদর্শের কারণে টরি ছিলেন না, কারণ তাঁর কোনো আদর্শই ছিল না। যদি তিনি কিছু হয়ে থাকেন, তবে তিনি ছিলেন একজন 'হবিস্ট' (টমাস হবসের অনুসারী)।
** [[স্যামুয়েল জনসন]], ''লেটারস অফ ডেভিড হিউম টু উইলিয়াম স্ট্রাহান'' (১৮৮৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত।
* আমি মুক্তকণ্ঠে স্বীকার করি যে, ডেভিড হিউমের স্মৃতিই বহু বছর আগে প্রথম আমার 'মতবাদগত ঘুম' (Dogmatic Slumber) ভাঙিয়ে দিয়েছিল এবং অনুমানমূলক দর্শনের ক্ষেত্রে আমার গবেষণাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক দিকনির্দেশনা দিয়েছিল।
** [[ইমানুয়েল কান্ট]], ''প্রোলেগোমেনা টু এনি ফিউচার মেটাফিজিক্স'' (১৭৮৩), ভূমিকা।
* হিউম ধর্মকে এতটাই ঘৃণা করতেন যে, তিনি স্বাধীনতাকেও ঘৃণা করতেন—কারণ স্বাধীনতা ধর্মের সাথে যুক্ত ছিল। তিনি একজন নিরপেক্ষ বিচারকের ভান করে একজন কুশলী উকিলের মতো স্বৈরাচারের পক্ষে ওকালতি করেছেন।
** [[টমাস বাবিংটন মেকলে]], 'মিলটন', দ্য এডিনবরা রিভিউ (আগস্ট ১৮২৫), ১৮৪৩ সালে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ৩১)।
* হিউমের দর্শন সত্য হোক বা মিথ্যা, এটি ১৮শ শতাব্দীর যুক্তিবাদ বা কাণ্ডজ্ঞানের দেউলিয়া দশা প্রকাশ করে। তিনি লকের মতো অভিজ্ঞতা দিয়ে শুরু করেছিলেন, কিন্তু প্রখর বুদ্ধিমত্তার কারণে তিনি এই ধ্বংসাত্মক সিদ্ধান্তে পৌঁছান যে—অভিজ্ঞতা থেকে শেখার মতো আসলে কিছুই নেই। কোনো কাজই অন্য কাজের চেয়ে বেশি যৌক্তিক হতে পারে না, কারণ সবই অযৌক্তিক বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে চলে। রুশো ছিলেন উন্মাদ কিন্তু প্রভাবশালী; হিউম ছিলেন সুস্থ মস্তিস্কের মানুষ কিন্তু তাঁর কোনো অনুসারী ছিল না।
** [[বার্ট্রান্ড রাসেল]], ''এ হিস্ট্রি অফ ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি'', ৩য় খণ্ড, ১৭শ অধ্যায়: হিউম।
* হিউমের সংশয়বাদের কোনো উত্তর আছে কি না তা খুঁজে বের করা জরুরি। যদি না থাকে, তবে একজন সুস্থ মানুষ আর একজন উন্মাদের মধ্যে কোনো বুদ্ধিবৃত্তিক পার্থক্য থাকে না। যে উন্মাদ নিজেকে একটি 'সেদ্ধ ডিম' মনে করে, তাকে কেবল এই যুক্তিতেই বাতিল করা হবে যে সে সংখ্যায় সংখ্যালঘু অথবা সরকার তার সাথে একমত নয়। এটি একটি ভয়াবহ এবং হতাশাজনক দৃষ্টিভঙ্গি।
** [[বার্ট্রান্ড রাসেল]], ''এ হিস্ট্রি অফ ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি'', ৩য় খণ্ড, ১৭শ অধ্যায়: হিউম।
* হিউমের ন্যায়ের ধারণা মূলত নৈতিক ও রাজনৈতিক গুণাবলির একটি বৃহত্তর ব্যাখ্যার অংশ। হিউম একজন 'দার্শনিক নৃবিজ্ঞানী' (Philosophical Anthropologist) হিসেবে লিখেছেন, কোনো সংস্কারক (Reformer) হিসেবে নয়। তিনি বেনথাম বা মিলের মতো আমাদের নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে সংস্কার করতে চাননি, বরং কেবল তা ব্যাখ্যা করতে চেয়েছিলেন।
** [[অ্যালান রায়ান]], ''জাস্টিস'' (১৯৯৩) গ্রন্থের ভূমিকা।
* হেগেল, হার্বার্ট এবং শ্লেয়ারমাচারের সমগ্র দার্শনিক কাজের চেয়ে ডেভিড হিউমের প্রতিটি পৃষ্ঠা থেকে অনেক বেশি কিছু শেখার আছে।
** [[আর্থার শোপেনহাওয়ার]], ''দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাজ উইল অ্যান্ড আইডিয়া'' (২০১৬), পৃষ্ঠা ৭২১।
* সব মিলিয়ে, তাঁর জীবদ্দশায় এবং মৃত্যুর পর—আমি সব সময় তাঁকে একজন আদর্শ জ্ঞানী ও সচ্চরিত্র মানুষের নিকটতম রূপ হিসেবে বিবেচনা করেছি, মানুষের সীমাবদ্ধতা যতদূর পর্যন্ত অনুমতি দেয়।
** [[অ্যাডাম স্মিথ]] (হিউমের মৃত্যুর পর তাঁর বন্ধু অ্যাডাম স্মিথের করা বিখ্যাত মন্তব্য)।
* আজ আমেরিকার কোনো প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়ে কান্ট—যিনি ঈশ্বর, স্বাধীনতা আর অমরত্ব নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন—কিংবা হিউমের মতো কেউ গ্র্যাজুয়েট স্কুলে এক বছরও টিকতে পারতেন না, ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে নিয়োগ পাওয়া তো দূরের কথা।
** [[টম উলফ]], 'ইন দ্য ল্যান্ড অফ দ্য রোকোকো মার্কসিস্টস', হার্পার্স (জুন ২০০০)।
== বহিঃসংযোগ ==
* [https://www.iep.utm.edu/hume/ ইন্টারনেট এনসাইক্লোপিডিয়া অফ ফিলোসফিতে হিউম]
* [http://cepa.newschool.edu/het/profiles/hume.htm হিউমের প্রোফাইল এবং গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্কসমূহ]
* [http://onlinebooks.library.upenn.edu/webbin/book/search?amode=start&author=Hume%2c%20David অনলাইনে হিউমের ই-টেক্সটসমূহ]
* [http://oll.libertyfund.org/Intros/Hume.php অনলাইন লাইব্রেরি অফ লিবার্টিতে হিউমের ডাউনলোডযোগ্য কাজসমূহ]
* [http://utilitarian.net/hume ডেভিড হিউম: বই, নিবন্ধ এবং বিশ্বকোষের এন্ট্রি সহ লিঙ্কের বিশাল সংগ্রহ]
* [http://www.webcitation.org/query?id=1256456620452337&url=www.geocities.com/Athens/3067/hume/h_index.html হিউম ট্রিব্যুট সাইট]
* [http://humesociety.org হিউম সোসাইটি: একটি আন্তর্জাতিক বুদ্ধিজীবী ও পণ্ডিত সমাজ]
{{clear}}
{{Social and political philosophers}}
{{DEFAULTSORT:হিউম, ডেভিড}}
[[Category:নাস্তিক্যবাদ সক্রিয়কর্মী]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের শিক্ষাবিদ]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের দার্শনিক]]
[[Category:১৭১১-এ জন্ম]]
[[Category:১৭৭৬-এ মৃত্যু]]
[[Category:এডিনবার্গের ব্যক্তি]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের ইতিহাসবিদ]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের অর্থনীতিবিদ]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের প্রবন্ধকার]]
[[Category:উদারপন্থী অর্থনীতিবিদ]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের গ্রন্থাগারিক]]
[[Category:নাস্তিক]]
[[Category:ধর্মের সমালোচক]]
[[Category:সামাজিক সমালোচক]]
[[Category:সংশয়বাদী]]
[[Category:মানিবতাবাদী]]
[[Category:অভিজ্ঞতাবাদী]]
[[Category:আলোকিত যুগ (Enlightenment)]]
[[Category:ধ্রুপদী অর্থনীতিবিদ]]
[[Category:এডিনবার্গা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]]
n8w6i1go1s5ql2o5fe6e4vg6c7tiepd
73978
73977
2026-04-06T04:05:47Z
Oindrojalik Watch
4169
/* এ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং দ্য প্রিন্সিপলস অফ মোরালস (১৭৫১) */
73978
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:David Hume Ramsay.jpg|thumb|right|250px|ডেভিড হিউম (১৭৬৬)]]
[[w:ডেভিড হিউম|ডেভিড হিউম]] (৭ মে ১৭১১ – ২৫ আগস্ট ১৭৭৬) ছিলেন আঠারো শতকের একজন প্রখ্যাত স্কটিশ দার্শনিক, ইতিহাসবিদ, অর্থনীতিবিদ এবং প্রাবন্ধিক। পাশ্চাত্য দর্শনের ইতিহাসে তাকে অন্যতম প্রভাবশালী অভিজ্ঞতাবাদী ও সংশয়বাদী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। হিউমের মূল দর্শন ছিল এই যে, মানুষের সমস্ত জ্ঞান ও ধারণার একমাত্র উৎস হলো বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ইন্দ্রিয়লব্ধ সংবেদন। হিউম মূলত তাঁর 'কার্যকারণ-তত্ত্ব' এবং নৈতিক দর্শনের সূক্ষ্ম বিশ্লেষণের জন্যই বিশ্বজুড়ে বিশেষভাবে পরিচিত হয়ে আছেন।
== উক্তি ==
[[চিত্র:Painting of David Hume.jpg|থাম্ব|একজন প্রাজ্ঞ মানুষের আসল জগৎ হলো তাঁর নিজের মন। আর তিনি যদি কখনো বাইরের স্বীকৃতির প্রয়োজন বোধ করেন, তবে তিনি কেবল সেই সামান্য কয়েকজন নিরপেক্ষ ও যোগ্য মানুষের বিচারকেই গুরুত্ব দেবেন—যাঁরা সংকীর্ণতামুক্ত হয়ে তাঁর কাজকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে পারেন।]]
* এখানেই আমরা সেই ভ্রান্ত ধারণার অসারতা বুঝতে পারি... যেখানে মনে করা হয় কোনো রাষ্ট্রের উর্বর ভূমি, বিপুল জনসংখ্যা আর উন্নত কৃষি ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও কেবল 'অর্থের' অভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রকৃতপক্ষে, এই আর্থিক স্বল্পতা কোনো রাষ্ট্রকে অভ্যন্তরীণভাবে কখনোই ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে না; কারণ একটি জাতির প্রকৃত শক্তির উৎস হলো — 'তার জনগণ ও সম্পদ'। মানুষের অতি সাধারণ ও মিতব্যয়ী জীবনযাত্রাই বরং জনস্বার্থের অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়, যা সোনা আর রূপা তথা সম্পদকে কেবল মুষ্টিমেয় কিছু হাতে বন্দি করে রাখে এবং এর সার্বজনীন সঞ্চালনকে স্তব্ধ করে দেয়। পক্ষান্তরে, শিল্পায়ন এবং নানাবিধ আধুনিক রুচিবোধ সেই অর্থকে গোটা রাষ্ট্রের অঙ্গে বিলীন করে দেয়, তার পরিমাণ যত সামান্যই হোক না কেন; এটি যেন রাষ্ট্রের প্রতিটি শিরা-উপশিরায় মিশে যায় এবং প্রতিটি বিনিময়-চুক্তিতে প্রাণ সঞ্চার করে।
** 'অফ মানি' (১৭৫২); ইউজিন রোটউইন সম্পাদিত ''''ডেভিড হিউম: রাইটিংস অন ইকোনমিকস''''-এ উদ্ধৃত (১৯৫৫, ১৯৭০), [https://archive.org/details/writingsoneconom0000hume/page/45/mode/1up পৃষ্ঠা ৪৫।]
* '''একজন প্রাজ্ঞ মানুষের প্রকৃত সাম্রাজ্য হলো তাঁর নিজের অন্তঃকরণ; আর তিনি যদি কখনো বাইরের স্বীকৃতির প্রয়োজন বোধ করেন, তবে তিনি কেবল সেই সামান্য কয়েকজন নিরপেক্ষ ও যোগ্য মানুষের বিচারকেই গুরুত্ব দেবেন—যাঁরা সংকীর্ণতামুক্ত হয়ে তাঁর কাজকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করার ক্ষমতা রাখেন।''' প্রকৃতপক্ষে, সাধারণ মানুষের অতি প্রশংসার চেয়ে কোনো তথ্যের অসত্য হওয়ার বড় প্রমাণ আর কিছু হতে পারে না; আপনি তো জানেনই, ফোকিয়ন যখনই জনসভার করতালি শুনতেন, তখনই শঙ্কিত হতেন এই ভেবে যে—তিনি নিশ্চয়ই বড় কোনো ভুল করে ফেলেছেন!
** "দ্য থিওরি অফ মোরাল সেন্টিমেন্টস"-এর ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ার প্রেক্ষিতে অ্যাডাম স্মিথকে লেখা একটি পরিহাসপূর্ণ পত্র।
* একজন কাণ্ডজ্ঞানসম্পন্ন মানুষ কি ভূত-প্রেত বা রূপকথার আষাঢ়ে গল্পের পেছনে হন্যে হয়ে ছোটে এবং সেগুলোর সত্যতা খুব গুরুত্বের সাথে যাচাই করতে বসে? আমার অভিজ্ঞতায় আজ অবধি এমন কাউকে দেখিনি, যে আজেবাজে বা অর্থহীন বিষয় নিয়ে দীর্ঘক্ষণ বিচার-বিশ্লেষণ করার পর তদন্তের শেষ প্রান্তে এসে নিজেই সেই প্রলাপে বিশ্বাস স্থাপন করেনি।
** ''লেটারস'' (পত্রাবলি)।
* মহাবিশ্বের কাছে একজন মানুষের জীবনের গুরুত্ব একটি নগণ্য ঝিনুকের চেয়ে বেশি কিছু নয়।
** ''অন সুইসাইড'' (আত্মহত্যা প্রসঙ্গে)।
* সেই সব নির্বোধদের প্রশংসা বা সম্মানের প্রতি আমার তীব্র ঘৃণা রয়েছে যারা নিজেদের 'জনসাধারণ' বলে পরিচয় দেয়; যাদেরকে একজন বই বিক্রেতা, কোনো লর্ড, পুরোহিত কিংবা কোনো রাজনৈতিক দল চাইলেই নিজের ইচ্ছেমতো পরিচালনা করতে পারে।
** গিলবার্ট এলিয়ট অফ মিন্টোকে লেখা পত্র ১৩৮; ৯ আগস্ট, ১৭৫৭।
* '''স্বর্গ এবং নরকের ধারণা যেন মানুষকে ভালো আর মন্দ—এই দুই স্বতন্ত্র শ্রেণিতে বিভক্ত করে ফেলে; কিন্তু মানবজাতির সিংহভাগই আসলে পুণ্য আর পাপের মাঝখানে কোনো এক অনিশ্চিত স্থানে ভাসছে।''' -- কেউ যদি সৎ মানুষকে ভালো নৈশভোজ করানো আর পাপাচারীকে উত্তম-মধ্যম প্রহার করার সংকল্প নিয়ে বিশ্ব ভ্রমণে বের হয়, তবে সে নিজের পছন্দ নিয়ে বারবার বিপাকে পড়বে; কারণ অধিকাংশ নর-নারীর গুণ বা দোষের পাল্লা এতটাই হালকা যে তা কোনোটিরই যোগ্য নয়।
** ''এসে অন দ্য ইমর্টালিটি অফ দ্য সোল'' (আত্মার অমরত্ব বিষয়ক প্রবন্ধ)।
* 'অফ দ্য প্রোটেস্ট্যান্ট সাকসেশন' প্রবন্ধের উপসংহার আমাকে একজন 'হুইগ' হিসেবে প্রকাশ করে, তবে আমি একজন চরম সংশয়বাদী হুইগ।
** হেনরি হোমকে লেখা পত্র (৯ ফেব্রুয়ারি ১৭৪৮); জে. ওয়াই. টি. গ্রেইগ সম্পাদিত ''দ্য লেটারস অফ ডেভিড হিউম: ভলিউম ১'' (অক্সফোর্ড: ক্ল্যারেন্ডন প্রেস, ১৯৩২), পৃষ্ঠা ১১১।
* রাজনীতি এবং রাজপুত্র বা মহৎ ব্যক্তিদের চরিত্রের ব্যাপারে আমি মনে করি আমি অত্যন্ত মডারেট বা ভারসাম্যপূর্ণ। জাগতিক 'বিষয়বস্তু'র (Things) ক্ষেত্রে আমার দৃষ্টিভঙ্গি হুইগ (Whig) আদর্শের অনুসারী; কিন্তু 'ব্যক্তি'র (Persons) বর্ণনায় আমি টোরি (Tory) ঘরানার পক্ষপাতকে ধারণ করি। মানুষ যে আদর্শের চেয়ে ব্যক্তির ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়, তার বড় প্রমাণ হলো আমাকে সাধারণত টোরিদের দলেই গণ্য করা হয়।
** ই. সি. মসনার, ''লাইফ অফ ডেভিড হিউম'' (ক্ল্যারেন্ডন প্রেস, ২০০১), পৃষ্ঠা ৩১১।
* আমি ভেবেছিলাম আমিই একমাত্র ইতিহাসবিদ যে সমসাময়িক ক্ষমতা, স্বার্থ, কর্তৃত্ব এবং গণমানুষের কুসংস্কারের তোয়াক্কা না করে ইতিহাস লিখেছি; তাই যেহেতু বিষয়টি সবার বোধগম্য ছিল, আমি সেই অনুপাতে প্রশংসাও আশা করেছিলাম। কিন্তু আমার সেই আশা চরম হতাশায় পর্যবসিত হলো: আমি চারপাশ থেকে কেবল তিরস্কার, অসম্মতি এবং ঘৃণার শিকার হলাম; ইংরেজ, স্কটিশ, আইরিশ—হুইগ থেকে টোরি, গির্জার যাজক থেকে শুরু করে মুক্তচিন্তক আর ধর্মতাত্ত্বিক, দেশপ্রেমিক থেকে রাজদরবারের পারিষদ—সবাই সেই লোকটির ওপর ক্ষোভে ফেটে পড়ল, যে প্রথমবার প্রথম চার্লস এবং আর্ল অফ স্ট্র্যাফোর্ডের পরিণতির জন্য এক ফোঁটা সহানুভূতি প্রকাশের সাহস দেখিয়েছিল।
** 'মাই ওন লাইফ' (১৭৭৬); ইউজিন মিলার সম্পাদিত ডেভিড হিউমের ''এসেস: মোরাল, পলিটিক্যাল, অ্যান্ড লিটারারি (১৭৪১–১৭৭৭)'' (১৯৮৫), পৃষ্ঠা ৩৭।
* '''আমি এমন একজন মানুষ যে শত্রুতা উসকে দেওয়ার মতো সব ধরণের বিষয়ে লিখেছি—তা সে নৈতিক, রাজনৈতিক কিংবা ধর্মীয় যাই হোক না কেন; তবুও আমার কোনো শত্রু নেই—অবশ্যই সমস্ত হুইগ (Whigs), সমস্ত টোরি (Tories) এবং সমস্ত খ্রিষ্টান ছাড়া।'''
** মৃত্যুর কিছুদিন আগে একজন বন্ধুর কাছে দেওয়া বক্তব্য; লর্ড হেনরি ব্রোঘাম-এর ''মেন অফ লেটারস''-এ বর্ণিত।
* আলকোরানের (কুরআন) অনুসারীরা এর ভেতরে ছড়িয়ে থাকা চমৎকার সব নৈতিক উপদেশের প্রশংসা করেন। কিন্তু ধারণা করা হয় যে, আরবি ভাষায় সাম্য, ন্যায়বিচার, মিতব্যয়িতা বা দয়া বোঝাতে যে শব্দগুলো ব্যবহৃত হয়েছে, সেগুলো ভাষার দীর্ঘ ব্যবহারের কারণে সবসময়ই ইতিবাচক অর্থেই গৃহীত হয়। তাই এগুলোকে প্রশংসা বা সাধুবাদ ছাড়া অন্য কোনো বিশেষণে ভূষিত করা নৈতিকতার অভাব নয়, বরং ভাষার অজ্ঞতা হিসেবেই গণ্য হবে।
** ডেভিড হিউম, ''অফ দ্য স্ট্যান্ডার্ড অফ টেস্ট'' (১৭৬০)।
* '''যারা দর্শন বা বিজ্ঞানের জগতে নতুন কিছু আবিষ্কারের দাবি করেন, তাদের জন্য নিজেদের পূর্বসূরিদের ব্যবস্থার সমালোচনা করে নিজেদের মতবাদের প্রশংসা করা অত্যন্ত সাধারণ এবং স্বাভাবিক একটি বিষয়।''' প্রকৃতপক্ষে, মানবীয় যুক্তির দরবারে আসা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে আমাদের অজ্ঞতার জন্য যদি তাঁরা কেবল আক্ষেপ করতেন, তবে বিজ্ঞান সচেতন খুব কম মানুষই তাঁদের সাথে দ্বিমত পোষণ করতেন। একজন প্রাজ্ঞ ও শিক্ষিত মানুষের পক্ষে সেই সব ব্যবস্থার দুর্বল ভিত্তিগুলো খুঁজে বের করা খুবই সহজ, যেগুলো একসময় অত্যন্ত নির্ভুল এবং গভীর যুক্তি হিসেবে সমাদৃত ছিল। '''অন্ধভাবে গ্রহণ করা মূলনীতি, সেগুলো থেকে দুর্বলভাবে টেনে আনা সিদ্ধান্ত, উপাদানের মধ্যে সামঞ্জস্যের অভাব এবং সামগ্রিকভাবে প্রমাণের অনুপস্থিতি—বিখ্যাত সব দার্শনিকদের তত্ত্বে এগুলো সবখানেই দেখা যায়; যা খোদ দর্শন শাস্ত্রকেই যেন কলঙ্কিত করেছে।'''
** ভূমিকা।
* সুতরাং, আমাদের এই বিজ্ঞানের পরীক্ষাগুলো সংগ্রহ করতে হবে মানবজীবনের সতর্ক পর্যবেক্ষণ থেকে; জগত যে স্বাভাবিক নিয়মে চলে—মানুষের আচরণ, তাদের কাজকর্ম এবং বিনোদনের মাঝে সেগুলোকে খুঁজে নিতে হবে। যেখানে এই ধরণের পরীক্ষাগুলো বিচারবুদ্ধি দিয়ে সংগ্রহ ও তুলনা করা হয়, সেখানে আমরা এমন একটি বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠার আশা করতে পারি যা নিশ্চিতের দিক থেকে কোনো অংশে কম নয় এবং উপযোগিতার দিক থেকে মানুষের বোধগম্য অন্য যেকোনো কিছুর চেয়ে অনেক উন্নত।
** ভূমিকা।
==== ১ম খণ্ড: বোধশক্তি প্রসঙ্গে (Of the understanding) ====
* যেহেতু আমরা সেই সবকিছুকেই '''অভ্যাস''' (Custom) বলি যা কোনো নতুন যুক্তি বা সিদ্ধান্ত ছাড়াই অতীত পুনরাবৃত্তি থেকে উদ্ভূত হয়; তাই আমরা এটি একটি ধ্রুব সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারি যে—বর্তমান কোনো ছাপ (Impression) থেকে তৈরি হওয়া আমাদের প্রতিটি বিশ্বাসই কেবল সেই উৎস (অভ্যাস) থেকে উদ্ভূত।
** ৩য় অংশ, ৮ম পরিচ্ছেদ।
* কোনো বস্তুর নিজের ভেতরে এমন কিছুই নেই যা আমাদের সেই বস্তুর সীমানা ছাড়িয়ে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সাহায্য করতে পারে; [...] এমনকি কোনো বস্তুর বারবার বা নিরন্তর সংযোগ পর্যবেক্ষণের পরেও, অভিজ্ঞতার বাইরের কোনো বস্তু সম্পর্কে কোনো অনুমান করার মতো যৌক্তিক কারণ আমাদের কাছে নেই।
** ৩য় অংশ, ১২শ পরিচ্ছেদ।
* একটি স্পষ্ট সত্যকে অস্বীকার করা যেমন হাস্যাস্পদ, তেমনি হাস্যাস্পদ হলো তাকে রক্ষা করার জন্য মাত্রাতিরিক্ত পরিশ্রম করা; আর আমার কাছে এর চেয়ে স্পষ্ট সত্য আর কিছু নেই যে—মানুষের মতো পশুরাও চিন্তা ও যুক্তিবোধের অধিকারী। এই ক্ষেত্রে যুক্তিগুলো এতটাই প্রতীয়মান যে তা অত্যন্ত স্থূল এবং অজ্ঞ মানুষের নজরও এড়ায় না।
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* পশুপাখির বাহ্যিক আচরণের সাথে আমাদের নিজেদের আচরণের যে সাদৃশ্য রয়েছে, তা থেকেই আমরা বিচার করি যে তাদের অভ্যন্তরীণ জগতও আমাদের মতোই; এবং যুক্তির এই একই নীতিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেলে আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাব যে—যেহেতু আমাদের অভ্যন্তরীণ ক্রিয়াগুলো পরস্পর সদৃশ, তাই সেগুলো যে উৎস থেকে এসেছে, সেই কারণগুলোও অবশ্যই সদৃশ হবে।
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* মানুষ তাদের নিজেদের যুক্তির ক্রিয়া দেখে বিস্মিত হয় না, অথচ পশুপাখির '''সহজাত প্রবৃত্তি''' (Instinct) দেখে বিস্ময় প্রকাশ করে এবং এটি ব্যাখ্যা করতে হিমশিম খায়; কেবল এই কারণে যে একে সেই একই মূলনীতিতে ফেলা যায় না। [...] '''প্রকৃতপক্ষে যুক্তি আমাদের আত্মার ভেতরে এক বিস্ময়কর এবং অবোধ্য সহজাত প্রবৃত্তি ছাড়া আর কিছুই নয়।'''
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* অভ্যাস থেকে যা কিছু সৃষ্টি হতে পারে, প্রকৃতি অবশ্যই তা উৎপাদন করতে পারে: প্রকৃতপক্ষে, অভ্যাস প্রকৃতিরই অন্যতম মূলনীতি এবং এটি তার সমস্ত শক্তি সেই উৎস থেকেই লাভ করে।
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* এভাবে সমস্ত জ্ঞান শেষ পর্যন্ত 'সম্ভাব্যতা'তে (Probability) পর্যবসিত হয়; এবং এই সম্ভাব্যতা আমাদের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে কম বা বেশি হতে পারে।
** ৪র্থ অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ।
* বর্তমানে দার্শনিকদের অবস্থা অত্যন্ত করুণ বলে মনে হচ্ছে; সিজিফাস (Sisyphus) এবং ট্যান্টালাস (Tantalus)-এর শাস্তির বর্ণনায় কবিরা আমাদের যে ধারণা দিয়েছেন, তা বাস্তব যন্ত্রণার তুলনায় সামান্য। কারণ এর চেয়ে যন্ত্রণাদায়ক আর কী হতে পারে যে—ব্যকুল হয়ে এমন কিছুকে খোঁজা যা চিরকাল আমাদের ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়; এবং এমন এক জায়গায় তাকে খোঁজা যেখানে তার অস্তিত্ব থাকা অসম্ভব?
** ৪র্থ অংশ, ৩য় পরিচ্ছেদ।
* আমি যখন সবচেয়ে নিবিড়ভাবে নিজেকে 'আমি' বলে অনুসন্ধান করি, তখন আমি সবসময়ই তাপ বা শৈত্য, আলো বা ছায়া, প্রেম বা ঘৃণা, দুঃখ বা সুখের মতো কোনো না কোনো বিশেষ উপলব্ধির (Perception) ওপর আছাড় খেয়ে পড়ি। আমি কখনোই কোনো উপলব্ধি ছাড়া 'নিজেকে' ধরতে পারি না, এবং উপলব্ধি ছাড়া আর কিছুই পর্যবেক্ষণ করতে পারি না। যখন কিছু সময়ের জন্য আমার উপলব্ধিগুলো অপসারিত হয় (যেমন গভীর ঘুমে), ততক্ষণ আমি নিজের সম্পর্কে অচেতন থাকি এবং সত্যই বলা যেতে পারে যে তখন আমার কোনো অস্তিত্ব নেই। আর যদি মৃত্যুর মাধ্যমে আমার সব উপলব্ধি চিরতরে মুছে যায়—তবে আমি সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে যাব। যদি কেউ নিরপেক্ষ চিন্তার পর মনে করেন যে তাঁর 'নিজের' সম্পর্কে ভিন্ন কোনো ধারণা আছে, তবে আমি স্বীকার করছি যে তাঁর সাথে আমি আর তর্কে যেতে পারছি না। তিনি হয়তো নিজের ভেতর সরল এবং অবিচ্ছিন্ন কিছু অনুভব করেন যাকে তিনি 'নিজে' বা 'স্বয়ং' বলেন; কিন্তু আমি নিশ্চিত যে আমার ভেতর এমন কোনো মূলনীতি নেই... তবে এই ধরণের কিছু অধিবিদ্যক ব্যক্তিদের বাদ দিলে, আমি বাকি মানবজাতি সম্পর্কে জোর দিয়ে বলতে পারি যে—তারা অসংখ্য উপলব্ধির একটি সমষ্টি বা সংগ্রহ (Bundle of perceptions) ছাড়া আর কিছুই নয়, যা অচিন্তনীয় দ্রুততায় একে অপরকে অনুসরণ করে এবং এক নিরন্তর প্রবাহ ও গতির মধ্যে থাকে।
** ৪র্থ অংশ, ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ।
* '''আমার নিজেকে এমন একজন মানুষের মতো মনে হয়, যে বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে এবং এক ছোট প্রণালী পার হতে গিয়ে অল্পের জন্য জাহাজডুবি থেকে রক্ষা পেয়েছে; তবুও তার ধৃষ্টতা এতটাই যে সে সেই একই জীর্ণ, লোনা ধরা জাহাজে করে সমুদ্রে পাড়ি দিতে চায় এবং এমনকি এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বিশ্ব ভ্রমণের উচ্চাকাঙ্ক্ষা পোষণ করে।'''
** ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ।
* আমার দর্শনে আমি নিজেকে যে জনশূন্য একাকীত্বের মধ্যে আবিষ্কার করি, তা দেখে আমি প্রথমে আতঙ্কিত এবং বিভ্রান্ত হই; নিজেকে এক অদ্ভুত বিদঘুটে দানব মনে হয়, যে সমাজে মিশতে অক্ষম হয়ে মানুষের সান্নিধ্য থেকে বিতাড়িত এবং পরিত্যক্ত ও শোচনীয় অবস্থায় পড়ে আছে। '''ইচ্ছে হয় আশ্রয় আর উষ্ণতার জন্য ভিড়ের মধ্যে ছুটে যাই; কিন্তু সেই কদর্যতার সাথে নিজেকে মেশাতে পারি না। আমি অন্যদের ডাকি আমার সাথে যোগ দিতে যাতে আমরা আলাদা একটি সঙ্গ গড়ে তুলতে পারি; কিন্তু কেউ আমার কথা শোনে না। সবাই দূরে থাকে এবং সেই ঝড়কে ভয় পায় যা আমার ওপর চারপাশ থেকে আঘাত হানছে। আমি সমস্ত অধিবিদ্যক, যুক্তিবিদ, গণিতবিদ এমনকি ধর্মতাত্ত্বিকদের শত্রুতার মুখে নিজেকে সঁপে দিয়েছি; তবে আমার ওপর যে অপমান নেমে আসবে তাতে কি আমি অবাক হতে পারি?''' আমি তাদের ব্যবস্থার প্রতি আমার অসম্মতি প্রকাশ করেছি; তবে তারা যদি আমার এবং আমার মতবাদের প্রতি ঘৃণা পোষণ করে তবে কি আমি বিস্মিত হতে পারি? আমি যখন বাইরের দিকে তাকাই, আমি সবদিকে কেবল বিতর্ক, বিরোধিতা, ক্রোধ আর কুৎসা দেখি। যখন আমি নিজের ভেতরে তাকাই, আমি কেবল সন্দেহ আর অজ্ঞতা ছাড়া আর কিছুই খুঁজে পাই না। সারা বিশ্ব আমার বিরোধিতা করার জন্য ষড়যন্ত্র করছে; যদিও আমার দুর্বলতা এমনই যে অপরের সমর্থন ছাড়া আমার নিজের মতামতগুলোই আলগা হয়ে ঝরে পড়ে। আমার নেওয়া প্রতিটি পদক্ষেপ দ্বিধাগ্রস্ত, আর প্রতিটি নতুন চিন্তা আমাকে ভুলের আশঙ্কায় ভীত করে তোলে।
** ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ।
* '''কেননা এত সাহস নিয়ে আমি কীভাবে এগোব, যখন নিজের অসংখ্য দুর্বলতা ছাড়াও আমি মানুষের সহজাত সাধারণ দুর্বলতাগুলোও নিজের ভেতর খুঁজে পাই? আমি কি নিশ্চিত হতে পারি যে প্রতিষ্ঠিত সমস্ত মতামত ত্যাগ করে আমি সত্যকেই অনুসরণ করছি? আর কিসের ভিত্তিতেই বা আমি সত্যকে চিনব, যদি ভাগ্য শেষ পর্যন্ত আমাকে তাঁর পায়ের ছাপে পৌঁছেও দেয়?''' আমার সবচেয়ে নির্ভুল যুক্তির পরেও আমি কেন তা মেনে নেব—তার কোনো কারণ খুঁজে পাই না; আমি কেবল সেই দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি এক তীব্র টান অনুভব করি যার অধীনে বস্তুগুলো আমার কাছে প্রকাশিত হয়। স্মৃতি, ইন্দ্রিয় এবং বোধশক্তি—এই সবকিছুই তাই শেষ পর্যন্ত কল্পনা (Imagination) বা আমাদের ধারণার প্রাণবন্ততার ওপর ভিত্তি করেই দাঁড়িয়ে আছে।
** ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ।
== ''এ ট্রিটিজ অফ হিউম্যান নেচার'' (১৭৩৯-৪০): ২য় ও ৩য় খণ্ড ==
* কার্যকারণের সাধারণ সংযোগের অন্তরালে যে মূলনীতিটি তাদের বেঁধে রেখেছে, সে সম্পর্কে আমরা সাধারণ ঘটনায় যতটা অজ্ঞ, অসাধারণ কোনো ঘটনায় ঠিক ততটাই অজ্ঞ; কিন্তু দৈনন্দিন জীবনে আমরা এই ঘাটতি বুঝতে পারি না। এটি আসলে কল্পনার একটি বিভ্রম ছাড়া আর কিছুই নয়। কল্পনার এই উড্ডয়ন দর্শনের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং দার্শনিকদের অধিকাংশ ভুলের মূল কারণ। উজ্জ্বল কল্পনাশক্তির অধিকারীদের সেই দেবদূতদের সাথে তুলনা করা যেতে পারে, যারা নিজেদের ডানা দিয়ে নিজেদের চোখ ঢেকে রাখে।
** ১ম খণ্ড: বোধশক্তি প্রসঙ্গে, ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ২৬৭-২৬৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''সাধারণভাবে বলতে গেলে, ধর্মের ভুলগুলো বিপজ্জনক; আর দর্শনের ভুলগুলো কেবল হাস্যকর।'''
** ১ম খণ্ড: বোধশক্তি প্রসঙ্গে, ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ২৭২, লিবার্টি ফান্ড)।
==== ২য় খণ্ড: আবেগ বা প্রবৃত্তি প্রসঙ্গে ====
* দুঃখ আর হতাশা থেকে জন্ম নেয় ক্রোধ, ক্রোধ থেকে ঈর্ষা, ঈর্ষা থেকে বিদ্বেষ, আর সেই বিদ্বেষ থেকে পুনরায় দুঃখ—এভাবেই চক্রটি পূর্ণতা পায়।
** ১ম অংশ, ৪র্থ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ২৮৩, লিবার্টি ফান্ড)।
* মানবপ্রকৃতির কোনো গুণই সহমর্মিতার মতো এত বেশি লক্ষণীয় নয়; যার মাধ্যমে আমরা অন্যের রুচি আর অনুভূতি গ্রহণ করি, এমনকি সেগুলো আমাদের নিজস্ব মতের বিরোধী হলেও। আমরা লক্ষ্য করি যে, একই জাতির মানুষের চিন্তা আর মেজাজের মধ্যে এক অদ্ভুত সামঞ্জস্য থাকে; আর এই সাদৃশ্য মাটি বা জলবায়ুর চেয়ে সহমর্মিতার কারণেই বেশি ঘটে। একজন অমায়িক মানুষ মুহূর্তের মধ্যেই তাঁর সঙ্গীদের মেজাজে মিশে যান; এমনকি সবচেয়ে অহংকারী ব্যক্তিও তাঁর পরিচিতদের প্রভাবে প্রভাবিত হন।
** ১ম অংশ, ১১শ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৩১৬-৩১৭, লিবার্টি ফান্ড)।
* হাঁস, তুরস্কের মুরগি কিংবা ময়ূরের চলন-বলন দেখলেই বোঝা যায় তারা নিজেদের সম্পর্কে কত উঁচু ধারণা পোষণ করে এবং অন্যদের কতটা অবজ্ঞা করে। পুরুষ নাইটিঙ্গেল পাখির গান গাওয়ার প্রতিযোগিতা আর এই ধরণের আরও অনেক প্রমাণ থেকে এটি স্পষ্ট যে—অহংকার আর বিনয় কেবল মানুষের আবেগ নয়, বরং তা সমগ্র প্রাণীজগতে বিস্তৃত।
** ১ম অংশ, ১২শ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৩২৬, লিবার্টি ফান্ড)।
* পশুদের ক্ষেত্রেও সহমর্মিতা বা আবেগের আদান-প্রদান মানুষের মতোই ঘটে। ভয়, ক্রোধ, সাহস—সবই এক পশু থেকে অন্য পশুতে সঞ্চারিত হয়। লক্ষ্যণীয় যে, সিংহ, বাঘ বা বিড়াল খেলার ছলে যখন আক্রমণ করে, তখন তারা নখর বা দাঁত ব্যবহার করলেও সঙ্গীকে আঘাত করা থেকে সতর্কভাবে বিরত থাকে; যা প্রমাণ করে যে ইতর প্রাণীদেরও একে অপরের ব্যথা আর আনন্দের বোধ রয়েছে।
** ২য় অংশ, ১২শ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৩৯৭-৩৯৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* দার্শনিক বিতর্কে কোনো হাইপোথিসিস বা মতবাদকে ধর্ম ও নৈতিকতার জন্য 'বিপজ্জনক' বলে প্রমাণ করার মাধ্যমে তা নাকচ করে দেওয়া—সবচেয়ে প্রচলিত অথচ সবচেয়ে নিন্দনীয় একটি পদ্ধতি। কোনো মতবাদ যদি অযৌক্তিকতার দিকে নিয়ে যায়, তবেই তা মিথ্যে হতে পারে; কিন্তু তার ফলাফল বিপজ্জনক বলেই যে তা মিথ্যে হবে—এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।
** ৩য় অংশ, ২য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪০৯, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''যখন আমরা আবেগ আর যুক্তির লড়াই নিয়ে কথা বলি, তখন আমরা দার্শনিক এবং পারিভাষিক দিক থেকে সঠিক কথা বলি না। যুক্তি হলো আবেগের দাস, এবং এর একমাত্র কাজ হলো আবেগের সেবা ও আনুগত্য করা।'''
** ৩য় অংশ, ৩য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪১৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* আমার আঙুলের সামান্য আঁচড় রোধ করার চেয়ে পুরো পৃথিবীর ধ্বংসকে অগ্রাধিকার দেওয়া যুক্তিবিরোধী কিছু নয়। আমার সামান্যতম অস্বস্তি এড়াতে একজন সম্পূর্ণ অচেনা মানুষের বা কোনো দূর দেশের বাসিন্দার চূড়ান্ত ধ্বংস বেছে নেওয়াও যুক্তিবিরোধী নয়। এমনকি আমার বড় কোনো কল্যাণের চেয়ে ছোট কোনো কল্যাণকে বেশি গুরুত্ব দেওয়াও অযৌক্তিক নয়। সংক্ষেপে বলতে গেলে, একটি আবেগ বা প্রবৃত্তিকে কেবল তখনই অযৌক্তিক বলা যেতে পারে যখন তা কোনো ভুল বিচারবুদ্ধি বা মিথ্যে ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়।
** ৩য় অংশ, ৩য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪১৬, লিবার্টি ফান্ড)।
==== ৩য় খণ্ড: নৈতিকতা প্রসঙ্গে ====
* সূক্ষ্ম এবং জটিল যুক্তির একটি অসুবিধা হলো—এটি প্রতিপক্ষকে স্তব্ধ করতে পারে কিন্তু সব সময় আশ্বস্ত করতে পারে না। পড়ার ঘর থেকে বেরিয়ে যখন আমরা দৈনন্দিন জীবনের কাজে যুক্ত হই, তখন সেই সূক্ষ্ম যুক্তিগুলো রাতের অন্ধকারের মতো মিলিয়ে যায় এবং আমরা যে সিদ্ধান্তগুলো অনেক কষ্টে অর্জন করেছিলাম, সেগুলো ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।
** ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৫৫, লিবার্টি ফান্ড)।
== ''এ ট্রিটিজ অফ হিউম্যান নেচার'' ও ''এ্যান এনকোয়ারি'' (১৭৩৯-১৭৪৮) ==
* '''নৈতিকতা এমন একটি বিষয় যা অন্য সবকিছুর চেয়ে আমাদের বেশি আলোড়িত করে: আমরা মনে করি সমাজ ও রাষ্ট্রের শান্তি এর প্রতিটি সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে; আর এই গুরুত্বই আমাদের অনুসন্ধানকে অন্য যেকোনো বিষয়ের চেয়ে বেশি বাস্তব ও দৃঢ় করে তোলে।''' এই সুবিধাটুকু না থাকলে আমি কখনোই এই ধরণের দুর্ভেদ্য দর্শনের তৃতীয় খণ্ডটি লেখার দুঃসাহস দেখাতাম না—বিশেষ করে এমন এক যুগে, যেখানে অধিকাংশ মানুষ পড়াকে কেবল বিনোদন হিসেবে গ্রহণ করেছে এবং যা কিছু বোঝার জন্য গভীর মনোযোগ প্রয়োজন, তাকেই প্রত্যাখ্যান করতে শিখেছে।
** ''এ ট্রিটিজ অফ হিউম্যান নেচার'', ৩য় খণ্ড: নৈতিকতা প্রসঙ্গে, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৫৫-৪৫৬, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''নীতিবোধ আমাদের আবেগ জাগিয়ে তোলে এবং কোনো কাজ করতে বা তা থেকে বিরত থাকতে উদ্বুদ্ধ করে। যুক্তি এই বিশেষ ক্ষেত্রে একেবারেই অক্ষম। সুতরাং, নৈতিকতার নিয়মগুলো আমাদের যুক্তির কোনো সিদ্ধান্ত নয়।'''
** ৩য় খণ্ড, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৫৭, লিবার্টি ফান্ড)।
* কোনো কাজ প্রশংসনীয় বা নিন্দনীয় হতে পারে; কিন্তু তা 'যুক্তিসঙ্গত' বা 'অযৌক্তিক' হতে পারে না। প্রশংসা আর নিন্দা যুক্তির সীমানার বাইরের বিষয়। যুক্তি অলস ও নিষ্ক্রিয়, এটি কখনোই বিবেকের মতো সক্রিয় নীতির উৎস হতে পারে না।
** ৩য় খণ্ড, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৫৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* যেকোনো জঘন্য কাজকে লক্ষ্য করুন—ধরুন একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। একে সব দিক থেকে পরীক্ষা করে দেখুন, সেখানে কি বাস্তব কোনো অস্তিত্ব বা তথ্য পাবেন যাকে আপনি 'পাপ' (Vice) বলতে পারেন? সেখানে আপনি কেবল কিছু আবেগ, উদ্দেশ্য, ইচ্ছা আর চিন্তা খুঁজে পাবেন। পাপ বিষয়টি বস্তু বা ঘটনার মধ্যে থাকে না; যতক্ষণ আপনি বাইরের ঘটনার দিকে তাকাবেন, পাপ আপনার নাগালের বাইরে থাকবে। এটি কেবল তখনই খুঁজে পাবেন যখন আপনি আপনার দৃষ্টি নিজের অন্তরের দিকে ফেরাবেন এবং সেই কাজের প্রতি নিজের ভেতর একটি ঘৃণার অনুভূতি লক্ষ্য করবেন। সুতরাং, গুণ এবং পাপ অনেকটা শব্দ, বর্ণ, তাপ বা শৈত্যের মতো; যা বস্তুর নিজস্ব কোনো গুণ নয়, বরং মনের ভেতরের এক একটি অনুভূতি বা উপলব্ধি মাত্র।
** ৩য় খণ্ড, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৬৮-৪৬৯, লিবার্টি ফান্ড)।
* আমি একটি পর্যবেক্ষণ যোগ না করে পারছি না যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি এ পর্যন্ত যত নৈতিক ব্যবস্থা দেখেছি, সেখানে লক্ষ্য করেছি যে লেখক প্রথমে সাধারণ যুক্তিতে কথা বলেন—ঈশ্বরের অস্তিত্ব বা মানুষের স্বভাব নিয়ে আলোচনা করেন; কিন্তু হঠাৎ আমি অবাক হয়ে দেখি যে, সেখানে 'হয়' (Is) বা 'নয়' (Is Not) জাতীয় বাক্যের পরিবর্তে এমন কোনো বাক্য নেই যা 'উচিত' (Ought) বা 'উচিত নয়' (Ought Not)-এর সাথে যুক্ত নয়। এই পরিবর্তনটি অলক্ষ্যেই ঘটে যায়, কিন্তু এর ফলাফল সুদূরপ্রসারী। কেননা এই 'উচিত' বা 'উচিত নয়' একটি নতুন সম্পর্ক প্রকাশ করে, যা আগের বর্ণনামূলক তথ্য থেকে কীভাবে বিবর্তিত হলো—তা ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন। লেখকের এই অসাবধানতা পাঠককে খেয়াল করার অনুরোধ জানাব; কারণ এই সামান্য সতর্কতাটুকু প্রচলিত সমস্ত নৈতিক ব্যবস্থাকে ধূলিসাৎ করে দিতে যথেষ্ট।
** ৩য় খণ্ড, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৬৯-৪৭০, লিবার্টি ফান্ড)।
* ন্যায় এবং অন্যায়ের বোধ প্রকৃতি থেকে উদ্ভূত হয়নি, বরং এটি কৃত্রিমভাবে... শিক্ষা এবং মানবিক প্রথা (Convention) থেকে তৈরি হয়েছে।
** ৩য় খণ্ড, ২য় অংশ, ১৭শ পরিচ্ছেদ।
* মানুষের স্বার্থপরতা, সীমিত উদারতা এবং তাদের চাহিদার তুলনায় প্রকৃতির কৃপণতার কারণেই মূলত 'ন্যায়বিচার' (Justice)-এর উৎপত্তি হয়েছে।
** ৩য় খণ্ড, ২য় অংশ, ২য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৯৪-৪৯৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* নিজের এবং নিকটজনদের জন্য সম্পদ ও প্রতিপত্তি অর্জনের এই যে লালসা—এটি অতৃপ্ত, চিরন্তন, সর্বজনীন এবং সরাসরি সমাজের জন্য ধ্বংসাত্মক।
** ৩য় খণ্ড, ২য় অংশ, ২য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৯১-৪৯২, লিবার্টি ফান্ড)।
=== ''এ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং হিউম্যান আন্ডারস্ট্যান্ডিং'' (১৭৪৮) ===
* '''প্রকৃতপক্ষে, অভ্যাসই হলো মানবজীবনের প্রধান নির্দেশক।''' এটিই একমাত্র নীতি যা আমাদের অভিজ্ঞতাকে কার্যকর করে তোলে এবং অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে প্রত্যাশা তৈরি করে। অভ্যাসের প্রভাব ছাড়া আমরা বর্তমান স্মৃতি আর ইন্দ্রিয়ের বাইরের জগত সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ থাকতাম।
** ৫ম পরিচ্ছেদ: স্কেপটিক্যাল সলিউশন; ১ম খণ্ড, অনুচ্ছেদ ৩৬ (পৃষ্ঠা ৪৪, অক্সফোর্ড)।
* '''প্রকৃতি আমাদের জন্য এক মিশ্র জীবনকেই সবচেয়ে উপযোগী হিসেবে চিহ্নিত করেছে। [...] বিজ্ঞানের প্রতি তোমার আগ্রহকে লালন করো, তবে তোমার বিজ্ঞান যেন হয় মানবিক এবং সমাজ ও কর্মের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত। দার্শনিক হও; কিন্তু তোমার সমস্ত দর্শনের মাঝেও ভুলে যেও না যে তুমি একজন মানুষ।'''
** ১ম পরিচ্ছেদ: অফ দ্য ডিফারেন্ট স্পিসিস অফ ফিলোসফি (পৃষ্ঠা ৭, লিবার্টি ফান্ড)।
* দার্শনিক বিতর্কে কোনো মতবাদকে কেবল ধর্ম বা নৈতিকতার জন্য 'বিপজ্জনক' তকমা দিয়ে নাকচ করে দেওয়ার চেষ্টার চেয়ে সাধারণ এবং একইসাথে নিন্দনীয় পদ্ধতি আর নেই। এটি সত্য আবিষ্কারে কোনো সাহায্য করে না, কেবল প্রতিপক্ষকে ঘৃণা করতে শেখায়।
** ৮ম পরিচ্ছেদ: অফ লিবার্টি অ্যান্ড নেসেসিটি; ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ৯৬, লিবার্টি ফান্ড)।
* বাস্তব তথ্য বা অস্তিত্ব সম্পর্কিত আমাদের যুক্তিতে সব ধরণের নিশ্চয়তা থাকতে পারে; সবচেয়ে উচ্চপর্যায়ের ধ্রুব সত্য থেকে শুরু করে সবচেয়ে নিম্নপর্যায়ের নৈতিক প্রমাণ। '''তাই একজন প্রাজ্ঞ মানুষ সবসময় প্রাপ্ত প্রমাণের অনুপাতে তাঁর বিশ্বাসকে নিয়ন্ত্রণ করেন।'''
** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস (অলৌকিক ঘটনা প্রসঙ্গে); ১ম অংশ, অনুচ্ছেদ ৮৭ (পৃষ্ঠা ১১০, লিবার্টি ফান্ড)।
* কোনো অলৌকিক ঘটনা প্রতিষ্ঠিত করার জন্য কোনো সাক্ষ্যই যথেষ্ট নয়, যতক্ষণ না সেই সাক্ষ্যটি এমন পর্যায়ের হয় যে—তার মিথ্যা হওয়াটা সেই অলৌকিক ঘটনার চেয়েও বেশি বিস্ময়কর বা অলৌকিক বলে মনে হবে।
** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস; ১ম অংশ, অনুচ্ছেদ ৯১ (পৃষ্ঠা ১১৫, অক্সফোর্ড)।
* '''বাগ্মিতা যখন চূড়ান্ত শিখরে পৌঁছায়, তখন তা যুক্তি বা চিন্তার জন্য খুব সামান্যই অবকাশ রাখে; এটি সরাসরি মানুষের কল্পনা আর আবেগকে নাড়া দেয় এবং শ্রোতাদের বিচারবুদ্ধিকে পরাভূত করে ফেলে।'''
** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস; ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ১১৮, লিবার্টি ফান্ড)।
== ধর্ম, নৈতিকতা ও সংশয়বাদ (১৭৪৮-১৭৫৭) ==
* খ্রিষ্টধর্ম কেবল শুরুর দিকেই অলৌকিক ঘটনার ওপর নির্ভরশীল ছিল না; বরং আজও কোনো যুক্তিবাদী মানুষ অলৌকিক কোনো শক্তি ছাড়া এতে বিশ্বাস স্থাপন করতে পারে না। কেবল যুক্তি এর সত্যতা প্রমাণে যথেষ্ট নয়। যে ব্যক্তি বিশ্বাসের (Faith) দ্বারা এতে সায় দেন, তিনি নিজের ভেতরেই এক নিরন্তর অলৌকিকত্ব অনুভব করেন—যা তাঁর বোধশক্তির সমস্ত মূলনীতিকে উল্টে দেয় এবং তাঁকে এমন কিছু বিশ্বাস করতে বাধ্য করে যা মানুষের সাধারণ অভিজ্ঞতা ও অভ্যাসের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
** ''এ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং হিউম্যান আন্ডারস্ট্যান্ডিং'' (১৭৪৮), ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস, ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ১২০, লিবার্টি ফান্ড)।
* যখন আমরা এই মূলনীতিগুলোতে বিশ্বাস রেখে কোনো লাইব্রেরিতে ঘুরে বেড়াই, তখন আমাদের কী পরিমাণ ধ্বংসযজ্ঞই না চালাতে হবে! আমরা যদি হাতে কোনো ধর্মতত্ত্ব বা স্কুল-মেটাফিজিক্সের বই পাই, তবে আমাদের প্রশ্ন করা উচিত—"এতে কি পরিমাণ বা সংখ্যা সংক্রান্ত কোনো বিমূর্ত যুক্তি আছে?" না। "এতে কি বাস্তব তথ্য ও অস্তিত্ব সম্পর্কে কোনো পরীক্ষামূলক যুক্তি আছে?" না। তবে একে অগ্নিশিখায় সমর্পণ করো; কারণ এতে ভ্রান্ত কুযুক্তি আর মায়া ছাড়া আর কিছুই নেই।
** ''এ্যান এনকোয়ারি'', ১২শ পরিচ্ছেদ: অফ দ্য অ্যাকাডেমিক্যাল অর স্কেপটিক্যাল ফিলোসফি, ৩য় অংশ (পৃষ্ঠা ১৬৫, অক্সফোর্ড)।
=== ''এ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং দ্য প্রিন্সিপলস অফ মোরালস'' (১৭৫১) ===
* নৈতিকতার প্রতিটি সিদ্ধান্তে 'জনকল্যাণ'-ই প্রধানত বিবেচনায় থাকে। যেখানেই দর্শনে বা সাধারণ জীবনে কর্তব্যের সীমা নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়, সেখানে মানবজাতির প্রকৃত স্বার্থের বিচার ছাড়া আর কোনোভাবেই অধিকতর নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়।
** ২য় পরিচ্ছেদ: অফ বেনোভোলেন্স, ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ১৮০, অক্সফোর্ড)।
* সেই ব্যক্তি সুখী, যার পরিস্থিতি তার স্বভাবের সাথে খাপ খায়; কিন্তু সেই ব্যক্তি অধিকতর শ্রেষ্ঠ, যে যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজের স্বভাবকে মানিয়ে নিতে পারে।
** ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ: অফ কোয়ালিটিজ ইউজফুল টু আওয়ারসেলভস, ১ম অংশ (পৃষ্ঠা ২৪৩, অক্সফোর্ড)।
* যেখানে মানুষ সবচেয়ে বেশি নিশ্চিত এবং অহংকারী, তারা সাধারণত সেখানেই সবচেয়ে বড় ভুলটি করে থাকে; কারণ সেখানে তারা সঠিক বিচার-বিশ্লেষণ ছাড়াই আবেগের হাতে লাগাম ছেড়ে দেয়।
** ৯ম পরিচ্ছেদ: কনক্লুশন (উপসংহার), ১ম অংশ (পৃষ্ঠা ২৮১, অক্সফোর্ড)।
=== ''দ্য ন্যাচারাল হিস্ট্রি অফ রিলিজিয়ন'' (১৭৫৭) ===
* ধর্মের উৎস নিয়ে অনুসন্ধান করলে দেখা যায়—প্রকৃতির এই বিশাল কাঠামো একজন বুদ্ধিমান স্রষ্টার কথা ঘোষণা করে; কোনো যুক্তিবাদী অনুসন্ধিৎসু মানুষই এক মুহূর্তের জন্য এই সত্য অস্বীকার করতে পারেন না। কিন্তু মানবপ্রকৃতিতে ধর্মের উৎপত্তি নিয়ে যথেষ্ট জটিলতা আছে। অদৃশ্য শক্তির ওপর বিশ্বাস পৃথিবীর সব অঞ্চলেই ছড়িয়ে আছে, কিন্তু ইতিহাসবিদদের বিশ্বাস করলে দেখা যায়—এমন অনেক জাতির সন্ধান মিলেছে যাদের মধ্যে ধর্মের কোনো বালাই নেই।
** ভূমিকা (পৃষ্ঠা ২৫, কলিন্স এডিশন)।
* মূর্তিপূজা এবং একেশ্বরবাদের তুলনা করলে আমরা সেই সাধারণ পর্যবেক্ষণটির সত্যতা খুঁজে পাই যে—'''সবচেয়ে ভালো জিনিসের বিকৃতি থেকেই সবচেয়ে জঘন্য জিনিসের জন্ম হয়।''' (The corruption of the best things gives rise to the worst.)
** ১০ম অংশ: উইথ রিগার্ড টু কারেজ অর অ্যাবেসমেন্ট (পৃষ্ঠা ৫০, এ. ডব্লিউ. কলিন্স)।
* একেশ্বরবাদী ধর্মগুলোর গোঁড়ামি এবং পাণ্ডিত্যপূর্ণ যুক্তির প্রবল স্রোতকে "দুই আর তিনে পাঁচ হয়" বা "সমগ্র অংশ তার খণ্ডাংশের চেয়ে বড়"—এই জাতীয় সাধারণ যুক্তি দিয়ে আটকানোর চেষ্টা করা মানে হলো একটা নলখাগড়া দিয়ে সমুদ্র ঠেকানোর চেষ্টা করা। পবিত্র রহস্যের সামনে আপনি কি অপবিত্র যুক্তি খাড়া করবেন? আপনার এই ধর্মদ্রোহিতার জন্য কোনো শাস্তিই যথেষ্ট নয়। আর যে আগুন ধর্মদ্রোহীদের পোড়ানোর জন্য জ্বালানো হয়, তা দার্শনিকদের বিনাশের জন্যও যথেষ্ট।
** ১১শ অংশ: উইথ রিগার্ড টু রিজন অর অ্যাবসারডিটি (পৃষ্ঠা ৬০, লিবার্টি ফান্ড)।
* জগতের অধিকাংশ ধর্মের মানুষের দিকে তাকালে আপনি খুব কমই নিশ্চিত হবেন যে তারা সুস্থ মানুষের কথা বলছে; বরং তাদের বিশ্বাসগুলোকে দেখে অসুস্থ মানুষের স্বপ্ন অথবা মানুষের রূপ ধারণ করা বানরের খামখেয়ালি প্রলাপ বলে মনে হতে পারে।
** ১৫শ অংশ: জেনারেল করোলারি (পৃষ্ঠা ৭৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''অজ্ঞতাই হলো ভক্তির জননী—এই প্রবাদটি সাধারণ অভিজ্ঞতা দ্বারা বারবার প্রমাণিত। এমন কোনো জাতিকে খুঁজে দেখুন যাদের কোনো ধর্ম নেই; যদি পানও তবে নিশ্চিত থাকবেন যে তারা পশুদের থেকে খুব সামান্যই আলাদা।'''
** ১৫শ অংশ: জেনারেল করোলারি (পৃষ্ঠা ৭৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''সমগ্র বিষয়টিই একটি ধাঁধা, এক রহস্যময় সংকেত এবং ব্যাখ্যাতীত জটিলতা। সন্দেহ, অনিশ্চয়তা আর বিচারের দোদুল্যমানতা—এটাই আমাদের অনুসন্ধানের একমাত্র ফলাফল।''' তবে মানুষের যুক্তিবোধের দুর্বলতা এমন যে এই সংশয় ধরে রাখা কঠিন; তাই আমরা এক ধরণের কুসংস্কারের বিপরীতে অন্যটিকে লেলিয়ে দিয়ে তাদের ঝগড়া দেখতে দেখতে নিজেরা দর্শনের শান্ত ও নির্জন অঞ্চলে পালিয়ে যাই।
** ১৫শ অংশ: জেনারেল করোলারি (পৃষ্ঠা ৭৯, লিবার্টি ফান্ড)।
=== ''এসেস, মোরাল, পলিটিক্যাল, অ্যান্ড লিটারারি'' (১৭৪১-২;১৭৪৮) ===
* স্বাধীনতার প্রেমীদের জন্য এটি একটি স্বস্তিদায়ক চিন্তা যে—ব্রিটেনের এই বিশেষ সুবিধা (সংবাদপত্রের স্বাধীনতা) ততদিনই থাকবে যতদিন আমাদের সরকার স্বাধীন থাকবে। '''যেকোনো ধরণের স্বাধীনতা খুব কম ক্ষেত্রেই একেবারে হারিয়ে যায়।''' যারা স্বাধীনতায় অভ্যস্ত, তাদের কাছে দাসত্বের চেহারা এতটাই বীভৎস যে এটি ধীরে ধীরে এবং হাজারো ছদ্মবেশে মানুষের ভেতর ঢুকে পড়ে। কিন্তু যদি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কখনো লুপ্ত হয়, তবে তা একসাথেই হারিয়ে যাবে।
** ১ম খণ্ড, ২য় প্রবন্ধ: অফ দ্য লিবার্টি অফ দ্য প্রেস (পৃষ্ঠা ১৩, লিবার্টি ফান্ড)।
== রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রবন্ধাবলি ==
* যারা দার্শনিক দৃষ্টিতে মানবীয় বিষয়াবলি পর্যবেক্ষণ করেন, তাদের কাছে এর চেয়ে বিস্ময়কর আর কিছু নেই যে—কত সহজে সংখ্যাগুরু সাধারণ মানুষ মুষ্টিমেয় কয়েকজনের দ্বারা শাসিত হয়; এবং মানুষ কত অবলীলায় নিজের আবেগ আর অনুভূতিকে শাসকদের হাতে সঁপে দেয়। যখন আমরা এই বিস্ময়ের কারণ খুঁজি, তখন দেখি যে শক্তি সব সময় শাসিতদের পক্ষেই থাকে, তাই শাসকদের টিকে থাকার একমাত্র অবলম্বন হলো জনমত। সুতরাং, কেবল জনমতের ওপর ভিত্তি করেই শাসনব্যবস্থা গড়ে ওঠে; এবং এই নীতিটি যেমন স্বাধীন ও জনপ্রিয় সরকারের ক্ষেত্রে সত্য, তেমনি চরম স্বৈরাচারী ও সামরিক সরকারের ক্ষেত্রেও সত্য।
** ১ম খণ্ড, ৪র্থ প্রবন্ধ: অফ দ্য ফার্স্ট প্রিন্সিপলস অফ গভর্নমেন্ট (পৃষ্ঠা ৩২, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''এটি একটি সঠিক রাজনৈতিক নীতি যে—প্রতিটি মানুষকে 'প্রতারক' হিসেবে ধরে নিতে হবে; যদিও এটি শুনতে অদ্ভুত লাগে যে একটি নীতি রাজনীতিতে সত্য হলেও বাস্তব জীবনে মিথ্যে।''' মানুষ সাধারণত তার ব্যক্তিগত জীবনের চেয়ে জনসমক্ষে বা সামাজিক পরিচয়ে বেশি অসৎ হয়ে থাকে; এবং নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে দলের স্বার্থ রক্ষায় তারা অনেক বেশি দূর পর্যন্ত যেতে পারে। লোকলজ্জা বা সম্মানবোধ মানুষের জন্য একটি বড় প্রতিবন্ধক; কিন্তু যখন একদল মানুষ একসাথে কাজ করে, তখন এই বাধাটি অনেকাংশেই দূর হয়ে যায়; কারণ একজন মানুষ যখন দলের স্বার্থে কাজ করে, তখন সে জানে যে তার নিজের দল তাকে সমর্থন করবেই এবং খুব দ্রুতই সে প্রতিপক্ষের সমালোচনাকে তুচ্ছ জ্ঞান করতে শেখে।
** ১ম খণ্ড, ৬ষ্ঠ প্রবন্ধ: অফ দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্সি অফ পার্লামেন্ট (পৃষ্ঠা ৪২-৪৩, লিবার্টি ফান্ড)।
* মানুষের মনের প্রকৃতিই এমন যে, এটি তার সান্নিধ্যে আসা অন্য সব মনকে আঁকড়ে ধরে; এবং যেমন মতের মিল বা ঐক্য একে ভীষণভাবে শক্তিশালী করে, তেমনি মতের অমিল বা বৈপরীত্য একে সমানভাবে বিচলিত ও বিমর্ষ করে তোলে। এ কারণেই বিতর্কের সময় অধিকাংশ মানুষের মধ্যে এক ধরণের ব্যকুলতা দেখা যায় এবং অতি সাধারণ বা তুচ্ছ বিষয়েও তারা বিরোধিতাকে সহ্য করতে পারে না।
** ১ম খণ্ড, ৮ম প্রবন্ধ: অফ পার্টিজ ইন জেনারেল (পৃষ্ঠা ৫৪, লিবার্টি ফান্ড)।
* জনপ্রিয়তা আর দেশপ্রেমের চূড়ান্ত শিখর আজও ক্ষমতা আর স্বৈরাচারের দিকে যাওয়ার চেনা রাস্তা; তোষামোদ যেমন বিশ্বাসঘাতকতার পথ দেখায়, স্থায়ী সেনাবাহিনী যেমন স্বৈরাচারী শাসনের পথ প্রশস্ত করে, ঠিক তেমনি ঈশ্বরের মহিমা প্রচার অনেক সময় যাজকশ্রেণীর বৈষয়িক স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হয়ে দাঁড়ায়।
** ১ম খণ্ড, ৮ম প্রবন্ধ: অফ পাবলিক ক্রেডিট (পৃষ্ঠা ৩৬১, লিবার্টি ফান্ড)।
* সকল যুগে এবং পৃথিবীর সব প্রান্তেই যাজকশ্রেণী স্বাধীনতার শত্রু ছিল; এবং এটি নিশ্চিত যে তাদের এই অবিচল আচরণ তাদের স্বার্থ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষার ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে। চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা যাজকীয় ক্ষমতা এবং সেই সব 'পবিত্র প্রতারণার' জন্য সব সময় কাল হয়ে দাঁড়ায়, যার ওপর ভিত্তি করে তাদের ক্ষমতা টিকে থাকে।
** ১ম খণ্ড, ৯শ প্রবন্ধ: অফ দ্য পার্টিজ অফ গ্রেট ব্রিটেন (পৃষ্ঠা ৬৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* কর্মজীবী দরিদ্র শ্রেণীর মানুষের কোনো নীতি নেই; ভদ্রলোকদের সময় এবং অভিজ্ঞতার মাধ্যমে সঠিক নীতিতে আনা সম্ভব। আর মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষের নীতি গঠনের মতো কৌতূহল ও জ্ঞান থাকলেও, তা সঠিক নীতি গঠনের জন্য বা নিজেদের সংস্কারগুলো কাটানোর জন্য যথেষ্ট নয়।
** ১ম খণ্ড, ৯শ প্রবন্ধ: অফ দ্য পার্টিজ অফ গ্রেট ব্রিটেন (১৭৪১ ও ১৭৪২ সংস্করণ)।
* লোভ, যা শিল্পের চালিকাশক্তি—এটি এমন এক একগুঁয়ে আবেগ এবং এটি এত বেশি বাস্তব বিপদ ও প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে পথ করে নেয় যে, কোনো কাল্পনিক ভয়ের কারণে এর থেমে যাওয়ার সম্ভাবনা কম। সুতরাং, আমার মতে—স্বৈরাচারী শাসনে বাণিজ্য যে ধ্বংস হয়ে যায়, তা নিরাপত্তার অভাবে নয়, বরং সেখানে বাণিজ্যকে কম সম্মানজনক মনে করা হয় বলে।
** ১ম খণ্ড, ১২শ প্রবন্ধ: অফ সিভিল লিবার্টি (পৃষ্ঠা ৯৩, লিবার্টি ফান্ড)।
* মানুষের অহংকারের জন্য এর চেয়ে বড় অপমান আর কিছু হতে পারে না যে—তার সর্বোচ্চ শিল্প ও শ্রম দিয়েও সে প্রকৃতির ক্ষুদ্রতম সৃষ্টিগুলোর সৌন্দর্য বা মূল্যের সমান হতে পারে না। শিল্প কেবল একজন সহকারী কারিগরের মতো, যে মূল মাস্টারের (প্রকৃতি) কাজগুলোতে সামান্য কিছু অলঙ্করণ যোগ করে মাত্র।
** ১ম খণ্ড, ১৫শ প্রবন্ধ: দ্য এপিকিউরিয়ান (পৃষ্ঠা ১৩৯, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''শিল্প বা কারিগরি জ্ঞান হয়তো এক জোড়া পোশাক তৈরি করতে পারে; কিন্তু মানুষকে তৈরি করতে পারে কেবল প্রকৃতিই।'''
** ১ম খণ্ড, ১৫শ প্রবন্ধ: দ্য এপিকিউরিয়ান (পৃষ্ঠা ১৪০, লিবার্টি ফান্ড)।
* প্রকৃতির দান যদি সামান্য হয়, তবে সেই খামতি পূরণ করতে শিল্পের প্রয়োজন আরও বেশি পড়ে। আর প্রকৃতি যদি উদার ও মুক্তহস্ত হয়, তবে জেনে রাখুন সে আমাদের পক্ষ থেকেও কঠোর শ্রম ও মনোযোগ আশা করে। সবচেয়ে উর্বর মস্তিষ্কের মেধাও যদি চর্চা না করা হয়, তবে তা উর্বর মাটির মতোই আগাছায় ভরে যায়; আর মানুষের আনন্দ ও ব্যবহারের উপযোগী দ্রাক্ষা বা জলপাইয়ের বদলে তা অলস মালিকের জন্য কেবল বিষাক্ত ফসলের জন্ম দেয়।
** ১ম খণ্ড, ১৬শ প্রবন্ধ: দ্য স্টোইক (পৃষ্ঠা ১৪৬, লিবার্টি ফান্ড)।
* মানুষের সমস্ত পরিশ্রমের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো সুখ অর্জন। এই সুখের জন্যই শিল্পের উদ্ভাবন, বিজ্ঞানের চর্চা, আইনের শাসন এবং সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।
** ১ম খণ্ড, ১৬শ প্রবন্ধ: দ্য স্টোইক (পৃষ্ঠা ১৪৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* আশা ও আনন্দের প্রতি প্রবণতা হলো প্রকৃত ঐশ্বর্য; আর ভয় ও দুঃখের প্রতি আসক্তি হলো প্রকৃত দারিদ্র্য।
** ১ম খণ্ড, ১৮শ প্রবন্ধ: দ্য স্কেপটিক (পৃষ্ঠা ১৬৭, লিবার্টি ফান্ড)।
[[File:DavidHume.jpg|thumbnail|হিউম বিশ্বাস করতেন সৌন্দর্য কোনো বস্তুনিষ্ঠ বিষয় নয়, বরং এটি পুরোপুরি ব্যক্তিনিষ্ঠ। নিচের ডায়াগ্রামটি আপনাকে বুঝতে সাহায্য করবে কেন তিনি বলেছিলেন—"সৌন্দর্য বস্তুর নিজস্ব কোনো গুণ নয়: এটি কেবল মনেই বিরাজ করে যা একে অবলোকন করে এবং প্রতিটি মন ভিন্ন ভিন্ন সৌন্দর্য দেখতে পায়!"]]
== ডায়ালগস কনসার্নিং ন্যাচারাল রিলিজিয়ন (১৭৭৯) ==
* খ্রিস্টধর্মের প্রসারের শুরুর দিকে ধর্মীয় শিক্ষকদের মধ্যে যুক্তি, ইন্দ্রিয় এবং মানুষের গবেষণালব্ধ সমস্ত মূলনীতির বিরুদ্ধে কথা বলাটা ছিল অত্যন্ত সাধারণ একটি বিষয়।
** ১ম অংশ (ক্লিয়ান্থেস থেকে ডেমিয়া)।
* এই বিশ্বের দিকে তাকান এবং এর প্রতিটি অংশ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করুন: আপনি দেখবেন এটি একটি বিশাল যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়, যা অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র যন্ত্রে বিভক্ত। এই সমস্ত যন্ত্র এবং তাদের অতি ক্ষুদ্র অংশগুলোও একে অপরের সাথে এমন নিখুঁতভাবে মানিয়ে নেওয়া হয়েছে যা যেকোনো পর্যবেক্ষককে বিস্ময়ে অভিভূত করে। প্রকৃতির এই উপায় ও লক্ষ্যের (Means to ends) চমৎকার সমন্বয় মানুষের তৈরি নকশা, চিন্তা এবং বুদ্ধিমত্তার মতোই, যদিও এটি মানুষের তৈরি যেকোনো কিছুর চেয়ে অনেক বেশি উন্নত।
** ২য় অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* '''মস্তিষ্কের এই সামান্য আলোড়ন, যাকে আমরা 'চিন্তা' বলি—তার এমন কী বিশেষ অধিকার আছে যে আমাদের একেই পুরো মহাবিশ্বের মডেল বা আদর্শ হিসেবে ধরে নিতে হবে?''' নিজের প্রতি পক্ষপাতিত্ব আমাদের সব সময় এই পথে পরিচালিত করে; কিন্তু প্রকৃত দর্শনের উচিত এই ধরণের স্বাভাবিক বিভ্রম থেকে সাবধান থাকা।
** ২য় অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* যদি একটি জড় জগত (Material world) কোনো আদর্শ জগত বা ভাব জগতের (Ideal world) ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে থাকে, তবে সেই ভাব জগতকে নিশ্চয়ই অন্য কোনো জগতের ওপর নির্ভর করতে হবে; এবং এভাবে এটি অনন্তকাল চলতে থাকবে। তাই বর্তমান এই জড় জগতের বাইরে আর কিছু না খোঁজাটাই শ্রেয়। একে নিজের মধ্যেই নিজের শৃঙ্খলার কারণ হিসেবে ধরে নেওয়া মানেই আসলে একে 'ঈশ্বর' বলা।
** ৪র্থ অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* '''আমরা যদি একটি জাহাজ দেখি, তবে এর জটিল ও সুন্দর নির্মাণ দেখে আমরা সূত্রধরের বুদ্ধিমত্তা দেখে বিস্মিত হই। কিন্তু যদি আমরা জানতে পারি যে তিনি একজন সাধারণ কারিগর মাত্র, যিনি অন্যদের অনুকরণ করেছেন এবং দীর্ঘকাল ধরে অসংখ্য ভুল, সংশোধন ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে অর্জিত একটি কৌশলকে কপি করেছেন—তবে আমাদের বিস্ময় আরও বেড়ে যায়। এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড তৈরি হওয়ার আগে হয়তো অনন্তকাল ধরে অনেকগুলো বিশ্ব অদক্ষভাবে তৈরি ও ধ্বংস করা হয়েছে; অনেক শ্রম পণ্ড হয়েছে এবং অনন্তকাল ধরে বিশ্ব-নির্মাণ কৌশলের ধীর কিন্তু নিরন্তর উন্নতির ফলেই হয়তো আজকের এই ব্যবস্থাটি গড়ে উঠেছে।'''
** ৫ম অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* এই জগতটি কোনো উচ্চতর মানের তুলনায় অনেক বেশি ত্রুটিপূর্ণ হতে পারে; এটি হয়তো কোনো শিশু-দেবতার প্রথম অগোছালো প্রচেষ্টা, যা তৈরি করার পর নিজের ব্যর্থতায় লজ্জিত হয়ে তিনি এটি ফেলে চলে গেছেন। অথবা এটি কোনো পরনির্ভরশীল নিম্নস্তরের দেবতার কাজ; অথবা এটি কোনো অতিবৃদ্ধ দেবতার জরাগ্রস্ত সময়ের সৃষ্টি, যিনি মারা যাওয়ার পর থেকে এটি কেবল তাঁর দেওয়া প্রাথমিক গতির ওপর ভর করে লক্ষ্যহীনভাবে চলছে।
** ৫ম অংশ (ফিলো থেকে ডেমিয়া)।
* একটি গাছ থেকে যখন অন্য একটি চারা জন্মায়, তখন গাছটি সেই চারাকে একটি সুশৃঙ্খল গঠন দান করে, যদিও গাছটি নিজে সেই শৃঙ্খলা সম্পর্কে জানে না। একটি প্রাণী বা পাখিও ঠিক একইভাবে তাদের বংশধর বা বাসার ক্ষেত্রে এটি করে। জগতের এই শৃঙ্খলা যে বুদ্ধি বা পরিকল্পনা থেকেই আসতে হবে—তা ধরে নেওয়াটা যুক্তির ভুল।
** ৭ম অংশ (ফিলো থেকে ডেমিয়া)।
* '''আমি যদি আপনাকে ২০টি কণার একটি সংগ্রহের প্রতিটি কণার পৃথক পৃথক কারণ ব্যাখ্যা করি, তবে এরপর আপনি যদি আবার জিজ্ঞেস করেন যে—পুরো ২০টি কণার সমষ্টির কারণ কী, তবে সেটি হবে একেবারেই অযৌক্তিক। প্রতিটি অংশের কারণ ব্যাখ্যা করার মাধ্যমেই পুরো সমষ্টির কারণ ব্যাখ্যা করা হয়ে যায়।'''
** ৯ম অংশ (ক্লিয়ান্থেস থেকে ডেমিয়া)।
* পুরো পৃথিবীটাই যেন অভিশপ্ত এবং কলুষিত। সমস্ত জীবন্ত প্রাণীর মধ্যে এক নিরন্তর যুদ্ধ চলছে। অভাব আর ক্ষুধা শক্তিমানদের উত্তেজিত করে, আর ভয় ও আতঙ্ক দুর্বলদের বিচলিত করে। জন্মের সময় নবজাতক আর তার দুর্ভাগা মা—উভয়েই যন্ত্রণায় চিৎকার করে; জীবনের প্রতিটি ধাপে থাকে দুর্বলতা আর কষ্ট; আর সব শেষে এটি সমাপ্ত হয় চরম যন্ত্রণা আর বিভীষিকার মধ্য দিয়ে।
** ১০ম অংশ (ডেমিয়া থেকে ফিলো)।
* হিউম্যান অ্যানথ্রোপোমরফিজম বা ঈশ্বরকে মানুষের গুনাগুণ দিয়ে বিচার করার পদ্ধতি কি সঠিক? তাঁর ক্ষমতা যদি অসীম হয় তবে তিনি যা চান তাই হওয়ার কথা। কিন্তু মানুষ বা অন্য কোনো প্রাণীই সুখী নয়; সুতরাং তিনি তাদের সুখ চান না। তাঁর জ্ঞান যদি অসীম হয় তবে উপায় নির্বাচনে তাঁর ভুল হওয়ার কথা নয়। কিন্তু প্রকৃতির গতিধারা মানুষের সুখের দিকে ধাবিত নয়। তবে তাঁর দয়া ও করুণা মানুষের দয়া ও করুণার সাথে মিলবে কীভাবে? '''এপিকিউরাসের সেই পুরনো প্রশ্নগুলোর উত্তর আজও মেলেনি: তিনি কি অশুভকে রোধ করতে চান কিন্তু পারছেন না? তবে তিনি অক্ষম। তিনি কি পারেন কিন্তু করতে চান না? তবে তিনি বিদ্বেষপরায়ণ। তিনি কি সক্ষম এবং ইচ্ছুক—উভয়ই? তবে অশুভ আসছে কোত্থেকে?'''
** ১০ম অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
== মহাজাগতিক সংশয়বাদ ও হিউম সম্পর্কে মূল্যায়ন ==
* এই মহাবিশ্বের দিকে তাকিয়ে দেখুন। কত বিশাল প্রাণের সমারোহ! কিন্তু এই জীবন্ত সত্তাগুলোকে একটু গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করুন—দেখবেন এরা একে অপরের প্রতি কতটা হিংস্র আর ধ্বংসাত্মক! এদের কেউই নিজের সুখের জন্য পর্যাপ্ত নয়। সমগ্ৰ বিষয়টি একটি "অন্ধ প্রকৃতি" ছাড়া আর কিছুই নয়; যে প্রকৃতি কোনো বিচার-বিবেচনা বা পিতৃসুলভ যত্ন ছাড়াই তার কোল থেকে পঙ্গু আর গর্ভপাত হওয়া সন্তানদের জন্ম দিয়ে চলেছে।
** ''ডায়ালগস কনসার্নিং ন্যাচারাল রিলিজিয়ন'' (১৭৭৯), ১১শ অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* যদি প্রাকৃতিক ধর্মতত্ত্বের সারকথা কেবল এই একটি অস্পষ্ট বাক্যে সীমাবদ্ধ থাকে যে—"মহাবিশ্বের শৃঙ্খলার কারণ বা কারণগুলো সম্ভবত মানুষের বুদ্ধিমত্তার সাথে কোনো দূরবর্তী সাদৃশ্য বহন করে", এবং যদি এই ধারণা মানুষের জীবনে কোনো প্রভাব না ফেলে বা কোনো কাজের উৎস হতে না পারে; তবে একজন অনুসন্ধিৎসু ও ধার্মিক মানুষ এই সাধারণ সত্যটুকু মেনে নেওয়া ছাড়া আর কী-ই বা করতে পারেন?
** ১২শ অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
== ভুলভাবে আরোপিত ==
* "চরিত্র হলো বদ্ধমূল কিছু নীতির সমষ্টি।" (Character is the result of a system of stereotyped principles.)
** হিউম কখনো 'Stereotype' শব্দটি ব্যবহার করেননি; কারণ ১৭৯৮ সালের আগে এই শব্দের উদ্ভাবনই হয়নি।
* "তর্কের মাধ্যমেই সত্যের জন্ম হয়।"
* "যুক্তির ভূমিকা আমাদের জ্ঞানী করা নয়, বরং আমাদের অজ্ঞতাকে প্রকাশ করা।"
** এগুলো হিউমের নামে প্রচলিত হলেও তাঁর কোনো লেখায় এর ভিত্তি পাওয়া যায়নি।
* "যিনি আবেগ দিয়ে চালিত হন তিনি দাস, আর যিনি যুক্তি দিয়ে চলেন তিনি স্বাধীন।"
** এটি আসলে স্পিনোজার উক্তি, যা প্রায়ই হিউমের নামে চালানো হয়। (Ethics part IV)
== ডেভিড হিউম সম্পর্কে বিশিষ্টজনদের উক্তি ==
* হিউম নৈতিকতা ও ন্যায়বিচারের মানদণ্ডকে বলেছেন "আর্টিফ্যাক্ট" বা কৃত্রিম সৃষ্টি; এগুলো ঈশ্বরপ্রদত্ত নয় বা বিশুদ্ধ যুক্তি দিয়েও পাওয়া যায় না। এগুলো মানুষের ব্যবহারিক অভিজ্ঞতার ফল। হিউমকে নীতিশাস্ত্রের ক্ষেত্রে ডারউইনের পূর্বসূরি বলা যেতে পারে। তিনি মূলত মানুষের প্রথাগুলোর মধ্যে "যোগ্যতমের টিকে থাকা" বা "Survival of the fittest" মতবাদটি প্রচার করেছিলেন—যেখানে যোগ্যতা বিচার করা হতো সামাজিক উপযোগিতা দিয়ে।
** খ্রিষ্টান বে, ''দ্য স্ট্রাকচার অফ ফ্রিডম'' (১৯৫৮)।
* আপনি যদি ডেভিড হিউমের কাছে যান, যিনি আমাদের বিশ্বাসের কারণগুলো নিয়ে সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ করেছেন, তবে দেখবেন—সূর্য কাল সকালে উঠবেই এমন কোনো অকাট্য কারণ নেই। এটি কেবল আমাদের একটি অভ্যাস), যে আমরা বিশ্বাস করি জিনিসগুলো আগের মতোই চলবে। হিউমের এই বিশ্লেষণ অত্যন্ত সঠিক।
** জন এস বেল, ''দ্য ঘোস্ট ইন দ্য অ্যাটম'' (১৯৮৬)।
* বার্কলে, হিউম, কান্ট, হেগেল—তাঁরা সবাই একটি মহৎ প্রচেষ্টায় ঐক্যবদ্ধ ছিলেন; আর তা হলো মহাজাগতিক ব্যবস্থায় মানুষকে তার উচ্চতর আধ্যাত্মিক দাবি সহ একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করা।
** এডুইন আর্থার বার্ট, ''দ্য মেটাফিজিক্যাল ফাউন্ডেশনস অফ মডার্ন ফিজিক্যাল সায়েন্স'' (১৯২৫)।
* বার্কের কাছে 'প্রেসক্রিপশন' (প্রথাগত অধিকার) হলো সেই অটল পাহাড় যার ওপর জাগতিক অধিকারগুলো দাঁড়িয়ে থাকে। হিউম এই তত্ত্বটি কিছুটা ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেছিলেন। হিউম লিখেছিলেন—"সময় এবং প্রথা (Time and custom) সব ধরণের সরকার এবং রাজবংশকে বৈধতা দান করে; যে ক্ষমতা শুরুতে কেবল অন্যায় আর সহিংসতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল, সময়ের সাথে সাথে তা আইনি এবং বাধ্যতামূলক হয়ে ওঠে।" বার্কও বিশ্বাস করতেন যে, সম্পত্তি এবং শাসনের ক্ষেত্রে প্রথাগত অধিকারই হলো রাষ্ট্রের সবচেয়ে শক্তিশালী ভিত্তি।
** আলফ্রেড কোবান, ''এডমন্ড বার্ক অ্যান্ড দ্য রিভল্ট এগেইনস্ট দ্য এইটিনথ সেঞ্চুরি'' (১৯২৯)।
* হিউম সম্ভবত আইনি এবং রাজনৈতিক দর্শনের একমাত্র পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা দিয়েছিলেন যা পরবর্তীকালে 'লিবারেলিজম' (উদারতাবাদ) হিসেবে পরিচিতি পায়। হিউমের ''হিস্ট্রি'' (ইতিহাস) ১৮শ শতাব্দীতে ইউরোপজুড়ে 'উইগ লিবারেলিজম' ছড়িয়ে দিতে ঠিক তেমনই ভূমিকা রেখেছিল, যেমনটি ১৯শ শতাব্দীতে মেকলের ''হিস্ট্রি'' রেখেছিল।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'দ্য লিগ্যাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল ফিলোসফি অফ ডেভিড হিউম' (১৯৬৩)।
* আধুনিক সমাজের এমন কিছু বৈশিষ্ট্য যা আমরা আজ মূল্যবান মনে করি, সেগুলো এমন সব পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল যা আগে থেকে কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৈরি করা হয়নি। হিউম দেখিয়েছেন যে, একটি সুশৃঙ্খল সমাজ কেবল তখনই গড়ে উঠতে পারে যখন মানুষ আচরণের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চলতে শেখে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো জনসাধারণের জন্য সুবিধাজনক হলেও—উদ্ভাবকরা ঠিক সেই উদ্দেশ্যে এগুলো তৈরি করেননি।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'দ্য লিগ্যাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল ফিলোসফি অফ ডেভিড হিউম' (১৯৬৩)।
* মানুষের বুদ্ধি আর জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে এই মহান সংশয়বাদীর প্রবল বিশ্বাস ছিল। তিনি জানতেন যে—শান্তি, স্বাধীনতা এবং ন্যায়বিচারের মতো সর্বশ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক কল্যাণগুলো মূলত নেতিবাচক (Negative); অর্থাৎ এগুলো ইতিবাচক কোনো উপহার নয়, বরং ক্ষতির হাত থেকে সুরক্ষা মাত্র। তিনি মানুষের মহত্ত্বের চেয়ে এমন সব 'প্রতিষ্ঠান' বা কাঠামোর ওপর ভরসা করতেন যা "এমনকি খারাপ মানুষদেরও জনকল্যাণে কাজ করতে বাধ্য করে"। তিনি জানতেন যে—"রাজনীতিতে প্রতিটি মানুষকে প্রতারক হিসেবে ধরে নিতে হবে"।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'দ্য লিগ্যাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল ফিলোসফি অফ ডেভিড হিউম' (১৯৬৩)।
* হিউম তাঁর দার্শনিক কাজের মাধ্যমে লিবারেল আইনি তত্ত্বের ভিত্তি স্থাপন করার পাশাপাশি তাঁর ''হিস্ট্রি অফ ইংল্যান্ড'' (১৭৫৪-৬২)-এ ইংরেজ ইতিহাসকে 'আইনের শাসন' এর ক্রমবিকাশ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'লিবারেলিজম' (১৯৭৩)।
* যুক্তিবাদ বা র্যাশনালিজমের সমালোচনায় হিউম অন্য যেকোনো লেখকের চেয়ে অনেক বেশি গভীরে যেতে পেরেছেন। আমি বারবার হিউমের লেখায় এমন সব ধারণার সন্ধান পেয়েছি যা আমি নিজে স্বাধীনভাবে চিন্তা করেছিলাম। বিশেষ করে সব ধরণের সামাজিক প্রতিষ্ঠানের গঠন সম্পর্কে হিউমের ব্যাখ্যা আমাকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করেছে।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'ইকোনমিক্স, পলিটিক্স অ্যান্ড ফ্রিডম' (১৯৭৫)।
* হিউম স্পষ্টভাবে স্বাধীনতা এবং এই নীতিগুলোর মধ্যে সম্পর্ক লক্ষ্য করেছিলেন। তিনি দেখেছিলেন যে, সবার সর্বোচ্চ স্বাধীনতার জন্য প্রত্যেকের স্বাধীনতার ওপর সমান সীমাবদ্ধতা প্রয়োজন। একে তিনি প্রকৃতির তিনটি 'মৌলিক আইন' বলেছেন: ১. অধিকারে স্থায়িত্ব, ২. সম্মতির মাধ্যমে হস্তান্তর এবং ৩. প্রতিশ্রুতি রক্ষা । হিউম সম্ভবত প্রথম ব্যক্তি যিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে, সাধারণ স্বাধীনতা কেবল তখনই সম্ভব হয় যখন মানুষের সহজাত প্রবৃত্তিগুলো 'ন্যায়বিচার' অনুযায়ী পরবর্তী কোনো বিচারবোধ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। তিনি সেই ভুলটি করেননি যা পরবর্তীতে অনেকেই করেছেন—ব্যক্তির বিচ্ছিন্ন স্বাধীনতা এবং মানুষের পারস্পরিক সহযোগিতার ফলে সৃষ্ট স্বাধীনতার মধ্যে পার্থক্য গুলিয়ে ফেলা।
** [[ফ্রিডরিখ হায়েক]], ''দ্য ফ্যাটাল কনসিট'' (১৯৮৮), ২য় অধ্যায়: দ্য অরিজিনস অফ লিবার্টি, প্রপার্টি অ্যান্ড জাস্টিস।
* হিউম একটি বিবর্তনমূলক ব্যাখ্যার খুব কাছাকাছি চলে এসেছিলেন। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে—'কোনো সত্তাই টিকে থাকতে পারে না যদি না তার অস্তিত্ব রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বা শক্তি থাকে; কোনো একটি সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত নিরন্তর নতুন কোনো ব্যবস্থা বা অর্থনীতি চেষ্টা করে যেতে হবে'। মানুষ নিজেকে অন্য সব প্রাণীর ভাগ্যের অতীত কোনো কিছু মনে করতে পারে না কারণ সব প্রাণীর মধ্যে সেই 'নিরন্তর যুদ্ধ' চলতেই থাকবে। হিউম মূলত স্বীকার করেছিলেন যে, 'প্রাকৃতিক' এবং 'কৃত্রিম'—এই দুইয়ের মাঝামাঝি একটি তৃতীয় বিভাগ রয়েছে যার মধ্যে উভয়েরই বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান।
** [[ফ্রিডরিখ হায়েক]], ''দ্য ফ্যাটাল কনসিট'' (১৯৮৮), পরিশিষ্ট এ: 'ন্যাচারাল' ভার্সেস 'আর্টিফিশিয়াল'।
* হিউমের সংশয়বাদকে গ্রিক সংশয়বাদ থেকে স্পষ্টভাবে আলাদা করা উচিত। হিউম ইন্দ্রিয়লব্ধ অভিজ্ঞতা, অনুভূতি এবং অন্তর্দৃষ্টির সত্যতাকে ভিত্তি হিসেবে ধরে নেন এবং সেই ভিত্তি থেকেই সাধারণ আইন বা নির্ধারণগুলোকে চ্যালেঞ্জ করেন—কারণ সেগুলোর ইন্দ্রিয়লব্ধ অভিজ্ঞতার কোনো প্রমাণ নেই। অন্যদিকে প্রাচীন সংশয়বাদ ইন্দ্রিয়লব্ধ অনুভূতির ওপর সত্যের ভিত্তি স্থাপন করা তো দূরের কথা, বরং তারা শুরুতেই ইন্দ্রিয়ের বিরুদ্ধেই অবস্থান নিত।
** [[জি. ডব্লিউ. এফ. হেগেল]], ''এনসাইক্লোপিডিয়া অফ ফিলোসফি'' (১৮২৭), ডব্লিউ. কফম্যানের ''হেগেল'' (১৯৬৬) গ্রন্থে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ৬৯-৭০)।
* হিউমের ইতিহাসের চমৎকার বিষয়বস্তু এবং শৈলী একে প্রতিটি শিক্ষার্থীর পাঠ্যপুস্তকে পরিণত করেছে। আমি মনে করতে পারি, তরুণ বয়সে কত উৎসাহ নিয়ে আমি এটি পড়েছিলাম; এবং আমার মন থেকে এই বইটির বিষাক্ত প্রভাব দূর করতে কতটা সময়, গবেষণা আর চিন্তার প্রয়োজন হয়েছিল। এটি দুর্ভাগ্যজনক যে তিনি প্রথমে স্টুয়ার্ট রাজবংশের ইতিহাস লিখেছিলেন এবং তাদের অত্যাচারের পক্ষে ওকালতি করেছিলেন। এটিই সেই বই যা ইংরেজ সরকারের মুক্ত নীতিগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং পাঠকদের বিশ্বাস করিয়েছে যে রাজতন্ত্রের অধিকারই আসল; এটি সারা দেশে 'টরিজম' (একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক মতবাদ) ছড়িয়ে দিয়েছে।
** [[টমাস জেফারসন]] থেকে উইলিয়াম ডুয়েন (১২ আগস্ট ১৮১০), টমাস জেফারসনের ''রাইটিংস'' (১৯৮৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ১২২৮-১২২৯)।
* আমার কাছে সব সময় মনে হয়েছে যে, ব্রিটেনের 'উইগ' এবং 'টরি'দের মধ্যে পার্থক্য হলো—উইগরা তাদের অধিকারের উৎস খোঁজে অ্যাংলো-স্যাক্সন উৎস থেকে, আর টরিরা খোঁজে নরম্যান উৎস থেকে। হিউম ছিলেন সেই টরিবাদের মহান প্রচারক। তিনি দাবি করেছিলেন যে স্টুয়ার্টদের রাজত্বকালে জনগণই রাজাকে আক্রমণ করেছিল, রাজা জনগণকে নয়। তিনি আরও বলেছিলেন—'জনগণই সকল ন্যায়সঙ্গত ক্ষমতার উৎস'—এই মহান নীতিটি ইতিহাস এবং অভিজ্ঞতা দ্বারা সমর্থিত নয়। বিজ্ঞানের এই বিপথগামী সন্তান, তার সহমানুষদের সাথে বিশ্বাসঘতকতা করে যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মধ্যে ক্ষমতার উৎস খুঁজে না পান, তবে কি তিনি তা সংখ্যালঘুর মধ্যে খুঁজবেন?
** [[টমাস জেফারসন]] থেকে জন কার্টরাইট (৫ জুন ১৮২৪), টমাস জেফারসনের ''রাইটিংস'' (১৯৮৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ১৪৯১)।
* হিউম দৈবক্রমে একজন টরি, কারণ তিনি স্কটিশ ছিলেন; কিন্তু তিনি কোনো আদর্শের কারণে টরি ছিলেন না, কারণ তাঁর কোনো আদর্শই ছিল না। যদি তিনি কিছু হয়ে থাকেন, তবে তিনি ছিলেন একজন 'হবিস্ট' (টমাস হবসের অনুসারী)।
** [[স্যামুয়েল জনসন]], ''লেটারস অফ ডেভিড হিউম টু উইলিয়াম স্ট্রাহান'' (১৮৮৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত।
* আমি মুক্তকণ্ঠে স্বীকার করি যে, ডেভিড হিউমের স্মৃতিই বহু বছর আগে প্রথম আমার 'মতবাদগত ঘুম' (Dogmatic Slumber) ভাঙিয়ে দিয়েছিল এবং অনুমানমূলক দর্শনের ক্ষেত্রে আমার গবেষণাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক দিকনির্দেশনা দিয়েছিল।
** [[ইমানুয়েল কান্ট]], ''প্রোলেগোমেনা টু এনি ফিউচার মেটাফিজিক্স'' (১৭৮৩), ভূমিকা।
* হিউম ধর্মকে এতটাই ঘৃণা করতেন যে, তিনি স্বাধীনতাকেও ঘৃণা করতেন—কারণ স্বাধীনতা ধর্মের সাথে যুক্ত ছিল। তিনি একজন নিরপেক্ষ বিচারকের ভান করে একজন কুশলী উকিলের মতো স্বৈরাচারের পক্ষে ওকালতি করেছেন।
** [[টমাস বাবিংটন মেকলে]], 'মিলটন', দ্য এডিনবরা রিভিউ (আগস্ট ১৮২৫), ১৮৪৩ সালে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ৩১)।
* হিউমের দর্শন সত্য হোক বা মিথ্যা, এটি ১৮শ শতাব্দীর যুক্তিবাদ বা কাণ্ডজ্ঞানের দেউলিয়া দশা প্রকাশ করে। তিনি লকের মতো অভিজ্ঞতা দিয়ে শুরু করেছিলেন, কিন্তু প্রখর বুদ্ধিমত্তার কারণে তিনি এই ধ্বংসাত্মক সিদ্ধান্তে পৌঁছান যে—অভিজ্ঞতা থেকে শেখার মতো আসলে কিছুই নেই। কোনো কাজই অন্য কাজের চেয়ে বেশি যৌক্তিক হতে পারে না, কারণ সবই অযৌক্তিক বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে চলে। রুশো ছিলেন উন্মাদ কিন্তু প্রভাবশালী; হিউম ছিলেন সুস্থ মস্তিস্কের মানুষ কিন্তু তাঁর কোনো অনুসারী ছিল না।
** [[বার্ট্রান্ড রাসেল]], ''এ হিস্ট্রি অফ ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি'', ৩য় খণ্ড, ১৭শ অধ্যায়: হিউম।
* হিউমের সংশয়বাদের কোনো উত্তর আছে কি না তা খুঁজে বের করা জরুরি। যদি না থাকে, তবে একজন সুস্থ মানুষ আর একজন উন্মাদের মধ্যে কোনো বুদ্ধিবৃত্তিক পার্থক্য থাকে না। যে উন্মাদ নিজেকে একটি 'সেদ্ধ ডিম' মনে করে, তাকে কেবল এই যুক্তিতেই বাতিল করা হবে যে সে সংখ্যায় সংখ্যালঘু অথবা সরকার তার সাথে একমত নয়। এটি একটি ভয়াবহ এবং হতাশাজনক দৃষ্টিভঙ্গি।
** [[বার্ট্রান্ড রাসেল]], ''এ হিস্ট্রি অফ ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি'', ৩য় খণ্ড, ১৭শ অধ্যায়: হিউম।
* হিউমের ন্যায়ের ধারণা মূলত নৈতিক ও রাজনৈতিক গুণাবলির একটি বৃহত্তর ব্যাখ্যার অংশ। হিউম একজন 'দার্শনিক নৃবিজ্ঞানী' (Philosophical Anthropologist) হিসেবে লিখেছেন, কোনো সংস্কারক (Reformer) হিসেবে নয়। তিনি বেনথাম বা মিলের মতো আমাদের নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে সংস্কার করতে চাননি, বরং কেবল তা ব্যাখ্যা করতে চেয়েছিলেন।
** [[অ্যালান রায়ান]], ''জাস্টিস'' (১৯৯৩) গ্রন্থের ভূমিকা।
* হেগেল, হার্বার্ট এবং শ্লেয়ারমাচারের সমগ্র দার্শনিক কাজের চেয়ে ডেভিড হিউমের প্রতিটি পৃষ্ঠা থেকে অনেক বেশি কিছু শেখার আছে।
** [[আর্থার শোপেনহাওয়ার]], ''দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাজ উইল অ্যান্ড আইডিয়া'' (২০১৬), পৃষ্ঠা ৭২১।
* সব মিলিয়ে, তাঁর জীবদ্দশায় এবং মৃত্যুর পর—আমি সব সময় তাঁকে একজন আদর্শ জ্ঞানী ও সচ্চরিত্র মানুষের নিকটতম রূপ হিসেবে বিবেচনা করেছি, মানুষের সীমাবদ্ধতা যতদূর পর্যন্ত অনুমতি দেয়।
** [[অ্যাডাম স্মিথ]] (হিউমের মৃত্যুর পর তাঁর বন্ধু অ্যাডাম স্মিথের করা বিখ্যাত মন্তব্য)।
* আজ আমেরিকার কোনো প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়ে কান্ট—যিনি ঈশ্বর, স্বাধীনতা আর অমরত্ব নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন—কিংবা হিউমের মতো কেউ গ্র্যাজুয়েট স্কুলে এক বছরও টিকতে পারতেন না, ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে নিয়োগ পাওয়া তো দূরের কথা।
** [[টম উলফ]], 'ইন দ্য ল্যান্ড অফ দ্য রোকোকো মার্কসিস্টস', হার্পার্স (জুন ২০০০)।
== বহিঃসংযোগ ==
* [https://www.iep.utm.edu/hume/ ইন্টারনেট এনসাইক্লোপিডিয়া অফ ফিলোসফিতে হিউম]
* [http://cepa.newschool.edu/het/profiles/hume.htm হিউমের প্রোফাইল এবং গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্কসমূহ]
* [http://onlinebooks.library.upenn.edu/webbin/book/search?amode=start&author=Hume%2c%20David অনলাইনে হিউমের ই-টেক্সটসমূহ]
* [http://oll.libertyfund.org/Intros/Hume.php অনলাইন লাইব্রেরি অফ লিবার্টিতে হিউমের ডাউনলোডযোগ্য কাজসমূহ]
* [http://utilitarian.net/hume ডেভিড হিউম: বই, নিবন্ধ এবং বিশ্বকোষের এন্ট্রি সহ লিঙ্কের বিশাল সংগ্রহ]
* [http://www.webcitation.org/query?id=1256456620452337&url=www.geocities.com/Athens/3067/hume/h_index.html হিউম ট্রিব্যুট সাইট]
* [http://humesociety.org হিউম সোসাইটি: একটি আন্তর্জাতিক বুদ্ধিজীবী ও পণ্ডিত সমাজ]
{{clear}}
{{Social and political philosophers}}
{{DEFAULTSORT:হিউম, ডেভিড}}
[[Category:নাস্তিক্যবাদ সক্রিয়কর্মী]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের শিক্ষাবিদ]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের দার্শনিক]]
[[Category:১৭১১-এ জন্ম]]
[[Category:১৭৭৬-এ মৃত্যু]]
[[Category:এডিনবার্গের ব্যক্তি]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের ইতিহাসবিদ]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের অর্থনীতিবিদ]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের প্রবন্ধকার]]
[[Category:উদারপন্থী অর্থনীতিবিদ]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের গ্রন্থাগারিক]]
[[Category:নাস্তিক]]
[[Category:ধর্মের সমালোচক]]
[[Category:সামাজিক সমালোচক]]
[[Category:সংশয়বাদী]]
[[Category:মানিবতাবাদী]]
[[Category:অভিজ্ঞতাবাদী]]
[[Category:আলোকিত যুগ (Enlightenment)]]
[[Category:ধ্রুপদী অর্থনীতিবিদ]]
[[Category:এডিনবার্গা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]]
acmadhhr2ycsmkdfgey6flgkuq5s26i
73979
73978
2026-04-06T04:06:33Z
Oindrojalik Watch
4169
/* ডায়ালগস কনসার্নিং ন্যাচারাল রিলিজিয়ন (১৭৭৯) */ নতুন পাতা তৈরি
73979
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:David Hume Ramsay.jpg|thumb|right|250px|ডেভিড হিউম (১৭৬৬)]]
[[w:ডেভিড হিউম|ডেভিড হিউম]] (৭ মে ১৭১১ – ২৫ আগস্ট ১৭৭৬) ছিলেন আঠারো শতকের একজন প্রখ্যাত স্কটিশ দার্শনিক, ইতিহাসবিদ, অর্থনীতিবিদ এবং প্রাবন্ধিক। পাশ্চাত্য দর্শনের ইতিহাসে তাকে অন্যতম প্রভাবশালী অভিজ্ঞতাবাদী ও সংশয়বাদী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। হিউমের মূল দর্শন ছিল এই যে, মানুষের সমস্ত জ্ঞান ও ধারণার একমাত্র উৎস হলো বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ইন্দ্রিয়লব্ধ সংবেদন। হিউম মূলত তাঁর 'কার্যকারণ-তত্ত্ব' এবং নৈতিক দর্শনের সূক্ষ্ম বিশ্লেষণের জন্যই বিশ্বজুড়ে বিশেষভাবে পরিচিত হয়ে আছেন।
== উক্তি ==
[[চিত্র:Painting of David Hume.jpg|থাম্ব|একজন প্রাজ্ঞ মানুষের আসল জগৎ হলো তাঁর নিজের মন। আর তিনি যদি কখনো বাইরের স্বীকৃতির প্রয়োজন বোধ করেন, তবে তিনি কেবল সেই সামান্য কয়েকজন নিরপেক্ষ ও যোগ্য মানুষের বিচারকেই গুরুত্ব দেবেন—যাঁরা সংকীর্ণতামুক্ত হয়ে তাঁর কাজকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে পারেন।]]
* এখানেই আমরা সেই ভ্রান্ত ধারণার অসারতা বুঝতে পারি... যেখানে মনে করা হয় কোনো রাষ্ট্রের উর্বর ভূমি, বিপুল জনসংখ্যা আর উন্নত কৃষি ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও কেবল 'অর্থের' অভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রকৃতপক্ষে, এই আর্থিক স্বল্পতা কোনো রাষ্ট্রকে অভ্যন্তরীণভাবে কখনোই ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে না; কারণ একটি জাতির প্রকৃত শক্তির উৎস হলো — 'তার জনগণ ও সম্পদ'। মানুষের অতি সাধারণ ও মিতব্যয়ী জীবনযাত্রাই বরং জনস্বার্থের অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়, যা সোনা আর রূপা তথা সম্পদকে কেবল মুষ্টিমেয় কিছু হাতে বন্দি করে রাখে এবং এর সার্বজনীন সঞ্চালনকে স্তব্ধ করে দেয়। পক্ষান্তরে, শিল্পায়ন এবং নানাবিধ আধুনিক রুচিবোধ সেই অর্থকে গোটা রাষ্ট্রের অঙ্গে বিলীন করে দেয়, তার পরিমাণ যত সামান্যই হোক না কেন; এটি যেন রাষ্ট্রের প্রতিটি শিরা-উপশিরায় মিশে যায় এবং প্রতিটি বিনিময়-চুক্তিতে প্রাণ সঞ্চার করে।
** 'অফ মানি' (১৭৫২); ইউজিন রোটউইন সম্পাদিত ''''ডেভিড হিউম: রাইটিংস অন ইকোনমিকস''''-এ উদ্ধৃত (১৯৫৫, ১৯৭০), [https://archive.org/details/writingsoneconom0000hume/page/45/mode/1up পৃষ্ঠা ৪৫।]
* '''একজন প্রাজ্ঞ মানুষের প্রকৃত সাম্রাজ্য হলো তাঁর নিজের অন্তঃকরণ; আর তিনি যদি কখনো বাইরের স্বীকৃতির প্রয়োজন বোধ করেন, তবে তিনি কেবল সেই সামান্য কয়েকজন নিরপেক্ষ ও যোগ্য মানুষের বিচারকেই গুরুত্ব দেবেন—যাঁরা সংকীর্ণতামুক্ত হয়ে তাঁর কাজকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করার ক্ষমতা রাখেন।''' প্রকৃতপক্ষে, সাধারণ মানুষের অতি প্রশংসার চেয়ে কোনো তথ্যের অসত্য হওয়ার বড় প্রমাণ আর কিছু হতে পারে না; আপনি তো জানেনই, ফোকিয়ন যখনই জনসভার করতালি শুনতেন, তখনই শঙ্কিত হতেন এই ভেবে যে—তিনি নিশ্চয়ই বড় কোনো ভুল করে ফেলেছেন!
** "দ্য থিওরি অফ মোরাল সেন্টিমেন্টস"-এর ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ার প্রেক্ষিতে অ্যাডাম স্মিথকে লেখা একটি পরিহাসপূর্ণ পত্র।
* একজন কাণ্ডজ্ঞানসম্পন্ন মানুষ কি ভূত-প্রেত বা রূপকথার আষাঢ়ে গল্পের পেছনে হন্যে হয়ে ছোটে এবং সেগুলোর সত্যতা খুব গুরুত্বের সাথে যাচাই করতে বসে? আমার অভিজ্ঞতায় আজ অবধি এমন কাউকে দেখিনি, যে আজেবাজে বা অর্থহীন বিষয় নিয়ে দীর্ঘক্ষণ বিচার-বিশ্লেষণ করার পর তদন্তের শেষ প্রান্তে এসে নিজেই সেই প্রলাপে বিশ্বাস স্থাপন করেনি।
** ''লেটারস'' (পত্রাবলি)।
* মহাবিশ্বের কাছে একজন মানুষের জীবনের গুরুত্ব একটি নগণ্য ঝিনুকের চেয়ে বেশি কিছু নয়।
** ''অন সুইসাইড'' (আত্মহত্যা প্রসঙ্গে)।
* সেই সব নির্বোধদের প্রশংসা বা সম্মানের প্রতি আমার তীব্র ঘৃণা রয়েছে যারা নিজেদের 'জনসাধারণ' বলে পরিচয় দেয়; যাদেরকে একজন বই বিক্রেতা, কোনো লর্ড, পুরোহিত কিংবা কোনো রাজনৈতিক দল চাইলেই নিজের ইচ্ছেমতো পরিচালনা করতে পারে।
** গিলবার্ট এলিয়ট অফ মিন্টোকে লেখা পত্র ১৩৮; ৯ আগস্ট, ১৭৫৭।
* '''স্বর্গ এবং নরকের ধারণা যেন মানুষকে ভালো আর মন্দ—এই দুই স্বতন্ত্র শ্রেণিতে বিভক্ত করে ফেলে; কিন্তু মানবজাতির সিংহভাগই আসলে পুণ্য আর পাপের মাঝখানে কোনো এক অনিশ্চিত স্থানে ভাসছে।''' -- কেউ যদি সৎ মানুষকে ভালো নৈশভোজ করানো আর পাপাচারীকে উত্তম-মধ্যম প্রহার করার সংকল্প নিয়ে বিশ্ব ভ্রমণে বের হয়, তবে সে নিজের পছন্দ নিয়ে বারবার বিপাকে পড়বে; কারণ অধিকাংশ নর-নারীর গুণ বা দোষের পাল্লা এতটাই হালকা যে তা কোনোটিরই যোগ্য নয়।
** ''এসে অন দ্য ইমর্টালিটি অফ দ্য সোল'' (আত্মার অমরত্ব বিষয়ক প্রবন্ধ)।
* 'অফ দ্য প্রোটেস্ট্যান্ট সাকসেশন' প্রবন্ধের উপসংহার আমাকে একজন 'হুইগ' হিসেবে প্রকাশ করে, তবে আমি একজন চরম সংশয়বাদী হুইগ।
** হেনরি হোমকে লেখা পত্র (৯ ফেব্রুয়ারি ১৭৪৮); জে. ওয়াই. টি. গ্রেইগ সম্পাদিত ''দ্য লেটারস অফ ডেভিড হিউম: ভলিউম ১'' (অক্সফোর্ড: ক্ল্যারেন্ডন প্রেস, ১৯৩২), পৃষ্ঠা ১১১।
* রাজনীতি এবং রাজপুত্র বা মহৎ ব্যক্তিদের চরিত্রের ব্যাপারে আমি মনে করি আমি অত্যন্ত মডারেট বা ভারসাম্যপূর্ণ। জাগতিক 'বিষয়বস্তু'র (Things) ক্ষেত্রে আমার দৃষ্টিভঙ্গি হুইগ (Whig) আদর্শের অনুসারী; কিন্তু 'ব্যক্তি'র (Persons) বর্ণনায় আমি টোরি (Tory) ঘরানার পক্ষপাতকে ধারণ করি। মানুষ যে আদর্শের চেয়ে ব্যক্তির ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়, তার বড় প্রমাণ হলো আমাকে সাধারণত টোরিদের দলেই গণ্য করা হয়।
** ই. সি. মসনার, ''লাইফ অফ ডেভিড হিউম'' (ক্ল্যারেন্ডন প্রেস, ২০০১), পৃষ্ঠা ৩১১।
* আমি ভেবেছিলাম আমিই একমাত্র ইতিহাসবিদ যে সমসাময়িক ক্ষমতা, স্বার্থ, কর্তৃত্ব এবং গণমানুষের কুসংস্কারের তোয়াক্কা না করে ইতিহাস লিখেছি; তাই যেহেতু বিষয়টি সবার বোধগম্য ছিল, আমি সেই অনুপাতে প্রশংসাও আশা করেছিলাম। কিন্তু আমার সেই আশা চরম হতাশায় পর্যবসিত হলো: আমি চারপাশ থেকে কেবল তিরস্কার, অসম্মতি এবং ঘৃণার শিকার হলাম; ইংরেজ, স্কটিশ, আইরিশ—হুইগ থেকে টোরি, গির্জার যাজক থেকে শুরু করে মুক্তচিন্তক আর ধর্মতাত্ত্বিক, দেশপ্রেমিক থেকে রাজদরবারের পারিষদ—সবাই সেই লোকটির ওপর ক্ষোভে ফেটে পড়ল, যে প্রথমবার প্রথম চার্লস এবং আর্ল অফ স্ট্র্যাফোর্ডের পরিণতির জন্য এক ফোঁটা সহানুভূতি প্রকাশের সাহস দেখিয়েছিল।
** 'মাই ওন লাইফ' (১৭৭৬); ইউজিন মিলার সম্পাদিত ডেভিড হিউমের ''এসেস: মোরাল, পলিটিক্যাল, অ্যান্ড লিটারারি (১৭৪১–১৭৭৭)'' (১৯৮৫), পৃষ্ঠা ৩৭।
* '''আমি এমন একজন মানুষ যে শত্রুতা উসকে দেওয়ার মতো সব ধরণের বিষয়ে লিখেছি—তা সে নৈতিক, রাজনৈতিক কিংবা ধর্মীয় যাই হোক না কেন; তবুও আমার কোনো শত্রু নেই—অবশ্যই সমস্ত হুইগ (Whigs), সমস্ত টোরি (Tories) এবং সমস্ত খ্রিষ্টান ছাড়া।'''
** মৃত্যুর কিছুদিন আগে একজন বন্ধুর কাছে দেওয়া বক্তব্য; লর্ড হেনরি ব্রোঘাম-এর ''মেন অফ লেটারস''-এ বর্ণিত।
* আলকোরানের (কুরআন) অনুসারীরা এর ভেতরে ছড়িয়ে থাকা চমৎকার সব নৈতিক উপদেশের প্রশংসা করেন। কিন্তু ধারণা করা হয় যে, আরবি ভাষায় সাম্য, ন্যায়বিচার, মিতব্যয়িতা বা দয়া বোঝাতে যে শব্দগুলো ব্যবহৃত হয়েছে, সেগুলো ভাষার দীর্ঘ ব্যবহারের কারণে সবসময়ই ইতিবাচক অর্থেই গৃহীত হয়। তাই এগুলোকে প্রশংসা বা সাধুবাদ ছাড়া অন্য কোনো বিশেষণে ভূষিত করা নৈতিকতার অভাব নয়, বরং ভাষার অজ্ঞতা হিসেবেই গণ্য হবে।
** ডেভিড হিউম, ''অফ দ্য স্ট্যান্ডার্ড অফ টেস্ট'' (১৭৬০)।
* '''যারা দর্শন বা বিজ্ঞানের জগতে নতুন কিছু আবিষ্কারের দাবি করেন, তাদের জন্য নিজেদের পূর্বসূরিদের ব্যবস্থার সমালোচনা করে নিজেদের মতবাদের প্রশংসা করা অত্যন্ত সাধারণ এবং স্বাভাবিক একটি বিষয়।''' প্রকৃতপক্ষে, মানবীয় যুক্তির দরবারে আসা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে আমাদের অজ্ঞতার জন্য যদি তাঁরা কেবল আক্ষেপ করতেন, তবে বিজ্ঞান সচেতন খুব কম মানুষই তাঁদের সাথে দ্বিমত পোষণ করতেন। একজন প্রাজ্ঞ ও শিক্ষিত মানুষের পক্ষে সেই সব ব্যবস্থার দুর্বল ভিত্তিগুলো খুঁজে বের করা খুবই সহজ, যেগুলো একসময় অত্যন্ত নির্ভুল এবং গভীর যুক্তি হিসেবে সমাদৃত ছিল। '''অন্ধভাবে গ্রহণ করা মূলনীতি, সেগুলো থেকে দুর্বলভাবে টেনে আনা সিদ্ধান্ত, উপাদানের মধ্যে সামঞ্জস্যের অভাব এবং সামগ্রিকভাবে প্রমাণের অনুপস্থিতি—বিখ্যাত সব দার্শনিকদের তত্ত্বে এগুলো সবখানেই দেখা যায়; যা খোদ দর্শন শাস্ত্রকেই যেন কলঙ্কিত করেছে।'''
** ভূমিকা।
* সুতরাং, আমাদের এই বিজ্ঞানের পরীক্ষাগুলো সংগ্রহ করতে হবে মানবজীবনের সতর্ক পর্যবেক্ষণ থেকে; জগত যে স্বাভাবিক নিয়মে চলে—মানুষের আচরণ, তাদের কাজকর্ম এবং বিনোদনের মাঝে সেগুলোকে খুঁজে নিতে হবে। যেখানে এই ধরণের পরীক্ষাগুলো বিচারবুদ্ধি দিয়ে সংগ্রহ ও তুলনা করা হয়, সেখানে আমরা এমন একটি বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠার আশা করতে পারি যা নিশ্চিতের দিক থেকে কোনো অংশে কম নয় এবং উপযোগিতার দিক থেকে মানুষের বোধগম্য অন্য যেকোনো কিছুর চেয়ে অনেক উন্নত।
** ভূমিকা।
==== ১ম খণ্ড: বোধশক্তি প্রসঙ্গে (Of the understanding) ====
* যেহেতু আমরা সেই সবকিছুকেই '''অভ্যাস''' (Custom) বলি যা কোনো নতুন যুক্তি বা সিদ্ধান্ত ছাড়াই অতীত পুনরাবৃত্তি থেকে উদ্ভূত হয়; তাই আমরা এটি একটি ধ্রুব সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারি যে—বর্তমান কোনো ছাপ (Impression) থেকে তৈরি হওয়া আমাদের প্রতিটি বিশ্বাসই কেবল সেই উৎস (অভ্যাস) থেকে উদ্ভূত।
** ৩য় অংশ, ৮ম পরিচ্ছেদ।
* কোনো বস্তুর নিজের ভেতরে এমন কিছুই নেই যা আমাদের সেই বস্তুর সীমানা ছাড়িয়ে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সাহায্য করতে পারে; [...] এমনকি কোনো বস্তুর বারবার বা নিরন্তর সংযোগ পর্যবেক্ষণের পরেও, অভিজ্ঞতার বাইরের কোনো বস্তু সম্পর্কে কোনো অনুমান করার মতো যৌক্তিক কারণ আমাদের কাছে নেই।
** ৩য় অংশ, ১২শ পরিচ্ছেদ।
* একটি স্পষ্ট সত্যকে অস্বীকার করা যেমন হাস্যাস্পদ, তেমনি হাস্যাস্পদ হলো তাকে রক্ষা করার জন্য মাত্রাতিরিক্ত পরিশ্রম করা; আর আমার কাছে এর চেয়ে স্পষ্ট সত্য আর কিছু নেই যে—মানুষের মতো পশুরাও চিন্তা ও যুক্তিবোধের অধিকারী। এই ক্ষেত্রে যুক্তিগুলো এতটাই প্রতীয়মান যে তা অত্যন্ত স্থূল এবং অজ্ঞ মানুষের নজরও এড়ায় না।
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* পশুপাখির বাহ্যিক আচরণের সাথে আমাদের নিজেদের আচরণের যে সাদৃশ্য রয়েছে, তা থেকেই আমরা বিচার করি যে তাদের অভ্যন্তরীণ জগতও আমাদের মতোই; এবং যুক্তির এই একই নীতিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেলে আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাব যে—যেহেতু আমাদের অভ্যন্তরীণ ক্রিয়াগুলো পরস্পর সদৃশ, তাই সেগুলো যে উৎস থেকে এসেছে, সেই কারণগুলোও অবশ্যই সদৃশ হবে।
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* মানুষ তাদের নিজেদের যুক্তির ক্রিয়া দেখে বিস্মিত হয় না, অথচ পশুপাখির '''সহজাত প্রবৃত্তি''' (Instinct) দেখে বিস্ময় প্রকাশ করে এবং এটি ব্যাখ্যা করতে হিমশিম খায়; কেবল এই কারণে যে একে সেই একই মূলনীতিতে ফেলা যায় না। [...] '''প্রকৃতপক্ষে যুক্তি আমাদের আত্মার ভেতরে এক বিস্ময়কর এবং অবোধ্য সহজাত প্রবৃত্তি ছাড়া আর কিছুই নয়।'''
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* অভ্যাস থেকে যা কিছু সৃষ্টি হতে পারে, প্রকৃতি অবশ্যই তা উৎপাদন করতে পারে: প্রকৃতপক্ষে, অভ্যাস প্রকৃতিরই অন্যতম মূলনীতি এবং এটি তার সমস্ত শক্তি সেই উৎস থেকেই লাভ করে।
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* এভাবে সমস্ত জ্ঞান শেষ পর্যন্ত 'সম্ভাব্যতা'তে (Probability) পর্যবসিত হয়; এবং এই সম্ভাব্যতা আমাদের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে কম বা বেশি হতে পারে।
** ৪র্থ অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ।
* বর্তমানে দার্শনিকদের অবস্থা অত্যন্ত করুণ বলে মনে হচ্ছে; সিজিফাস (Sisyphus) এবং ট্যান্টালাস (Tantalus)-এর শাস্তির বর্ণনায় কবিরা আমাদের যে ধারণা দিয়েছেন, তা বাস্তব যন্ত্রণার তুলনায় সামান্য। কারণ এর চেয়ে যন্ত্রণাদায়ক আর কী হতে পারে যে—ব্যকুল হয়ে এমন কিছুকে খোঁজা যা চিরকাল আমাদের ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়; এবং এমন এক জায়গায় তাকে খোঁজা যেখানে তার অস্তিত্ব থাকা অসম্ভব?
** ৪র্থ অংশ, ৩য় পরিচ্ছেদ।
* আমি যখন সবচেয়ে নিবিড়ভাবে নিজেকে 'আমি' বলে অনুসন্ধান করি, তখন আমি সবসময়ই তাপ বা শৈত্য, আলো বা ছায়া, প্রেম বা ঘৃণা, দুঃখ বা সুখের মতো কোনো না কোনো বিশেষ উপলব্ধির (Perception) ওপর আছাড় খেয়ে পড়ি। আমি কখনোই কোনো উপলব্ধি ছাড়া 'নিজেকে' ধরতে পারি না, এবং উপলব্ধি ছাড়া আর কিছুই পর্যবেক্ষণ করতে পারি না। যখন কিছু সময়ের জন্য আমার উপলব্ধিগুলো অপসারিত হয় (যেমন গভীর ঘুমে), ততক্ষণ আমি নিজের সম্পর্কে অচেতন থাকি এবং সত্যই বলা যেতে পারে যে তখন আমার কোনো অস্তিত্ব নেই। আর যদি মৃত্যুর মাধ্যমে আমার সব উপলব্ধি চিরতরে মুছে যায়—তবে আমি সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে যাব। যদি কেউ নিরপেক্ষ চিন্তার পর মনে করেন যে তাঁর 'নিজের' সম্পর্কে ভিন্ন কোনো ধারণা আছে, তবে আমি স্বীকার করছি যে তাঁর সাথে আমি আর তর্কে যেতে পারছি না। তিনি হয়তো নিজের ভেতর সরল এবং অবিচ্ছিন্ন কিছু অনুভব করেন যাকে তিনি 'নিজে' বা 'স্বয়ং' বলেন; কিন্তু আমি নিশ্চিত যে আমার ভেতর এমন কোনো মূলনীতি নেই... তবে এই ধরণের কিছু অধিবিদ্যক ব্যক্তিদের বাদ দিলে, আমি বাকি মানবজাতি সম্পর্কে জোর দিয়ে বলতে পারি যে—তারা অসংখ্য উপলব্ধির একটি সমষ্টি বা সংগ্রহ (Bundle of perceptions) ছাড়া আর কিছুই নয়, যা অচিন্তনীয় দ্রুততায় একে অপরকে অনুসরণ করে এবং এক নিরন্তর প্রবাহ ও গতির মধ্যে থাকে।
** ৪র্থ অংশ, ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ।
* '''আমার নিজেকে এমন একজন মানুষের মতো মনে হয়, যে বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে এবং এক ছোট প্রণালী পার হতে গিয়ে অল্পের জন্য জাহাজডুবি থেকে রক্ষা পেয়েছে; তবুও তার ধৃষ্টতা এতটাই যে সে সেই একই জীর্ণ, লোনা ধরা জাহাজে করে সমুদ্রে পাড়ি দিতে চায় এবং এমনকি এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বিশ্ব ভ্রমণের উচ্চাকাঙ্ক্ষা পোষণ করে।'''
** ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ।
* আমার দর্শনে আমি নিজেকে যে জনশূন্য একাকীত্বের মধ্যে আবিষ্কার করি, তা দেখে আমি প্রথমে আতঙ্কিত এবং বিভ্রান্ত হই; নিজেকে এক অদ্ভুত বিদঘুটে দানব মনে হয়, যে সমাজে মিশতে অক্ষম হয়ে মানুষের সান্নিধ্য থেকে বিতাড়িত এবং পরিত্যক্ত ও শোচনীয় অবস্থায় পড়ে আছে। '''ইচ্ছে হয় আশ্রয় আর উষ্ণতার জন্য ভিড়ের মধ্যে ছুটে যাই; কিন্তু সেই কদর্যতার সাথে নিজেকে মেশাতে পারি না। আমি অন্যদের ডাকি আমার সাথে যোগ দিতে যাতে আমরা আলাদা একটি সঙ্গ গড়ে তুলতে পারি; কিন্তু কেউ আমার কথা শোনে না। সবাই দূরে থাকে এবং সেই ঝড়কে ভয় পায় যা আমার ওপর চারপাশ থেকে আঘাত হানছে। আমি সমস্ত অধিবিদ্যক, যুক্তিবিদ, গণিতবিদ এমনকি ধর্মতাত্ত্বিকদের শত্রুতার মুখে নিজেকে সঁপে দিয়েছি; তবে আমার ওপর যে অপমান নেমে আসবে তাতে কি আমি অবাক হতে পারি?''' আমি তাদের ব্যবস্থার প্রতি আমার অসম্মতি প্রকাশ করেছি; তবে তারা যদি আমার এবং আমার মতবাদের প্রতি ঘৃণা পোষণ করে তবে কি আমি বিস্মিত হতে পারি? আমি যখন বাইরের দিকে তাকাই, আমি সবদিকে কেবল বিতর্ক, বিরোধিতা, ক্রোধ আর কুৎসা দেখি। যখন আমি নিজের ভেতরে তাকাই, আমি কেবল সন্দেহ আর অজ্ঞতা ছাড়া আর কিছুই খুঁজে পাই না। সারা বিশ্ব আমার বিরোধিতা করার জন্য ষড়যন্ত্র করছে; যদিও আমার দুর্বলতা এমনই যে অপরের সমর্থন ছাড়া আমার নিজের মতামতগুলোই আলগা হয়ে ঝরে পড়ে। আমার নেওয়া প্রতিটি পদক্ষেপ দ্বিধাগ্রস্ত, আর প্রতিটি নতুন চিন্তা আমাকে ভুলের আশঙ্কায় ভীত করে তোলে।
** ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ।
* '''কেননা এত সাহস নিয়ে আমি কীভাবে এগোব, যখন নিজের অসংখ্য দুর্বলতা ছাড়াও আমি মানুষের সহজাত সাধারণ দুর্বলতাগুলোও নিজের ভেতর খুঁজে পাই? আমি কি নিশ্চিত হতে পারি যে প্রতিষ্ঠিত সমস্ত মতামত ত্যাগ করে আমি সত্যকেই অনুসরণ করছি? আর কিসের ভিত্তিতেই বা আমি সত্যকে চিনব, যদি ভাগ্য শেষ পর্যন্ত আমাকে তাঁর পায়ের ছাপে পৌঁছেও দেয়?''' আমার সবচেয়ে নির্ভুল যুক্তির পরেও আমি কেন তা মেনে নেব—তার কোনো কারণ খুঁজে পাই না; আমি কেবল সেই দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি এক তীব্র টান অনুভব করি যার অধীনে বস্তুগুলো আমার কাছে প্রকাশিত হয়। স্মৃতি, ইন্দ্রিয় এবং বোধশক্তি—এই সবকিছুই তাই শেষ পর্যন্ত কল্পনা (Imagination) বা আমাদের ধারণার প্রাণবন্ততার ওপর ভিত্তি করেই দাঁড়িয়ে আছে।
** ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ।
== ''এ ট্রিটিজ অফ হিউম্যান নেচার'' (১৭৩৯-৪০): ২য় ও ৩য় খণ্ড ==
* কার্যকারণের সাধারণ সংযোগের অন্তরালে যে মূলনীতিটি তাদের বেঁধে রেখেছে, সে সম্পর্কে আমরা সাধারণ ঘটনায় যতটা অজ্ঞ, অসাধারণ কোনো ঘটনায় ঠিক ততটাই অজ্ঞ; কিন্তু দৈনন্দিন জীবনে আমরা এই ঘাটতি বুঝতে পারি না। এটি আসলে কল্পনার একটি বিভ্রম ছাড়া আর কিছুই নয়। কল্পনার এই উড্ডয়ন দর্শনের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং দার্শনিকদের অধিকাংশ ভুলের মূল কারণ। উজ্জ্বল কল্পনাশক্তির অধিকারীদের সেই দেবদূতদের সাথে তুলনা করা যেতে পারে, যারা নিজেদের ডানা দিয়ে নিজেদের চোখ ঢেকে রাখে।
** ১ম খণ্ড: বোধশক্তি প্রসঙ্গে, ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ২৬৭-২৬৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''সাধারণভাবে বলতে গেলে, ধর্মের ভুলগুলো বিপজ্জনক; আর দর্শনের ভুলগুলো কেবল হাস্যকর।'''
** ১ম খণ্ড: বোধশক্তি প্রসঙ্গে, ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ২৭২, লিবার্টি ফান্ড)।
==== ২য় খণ্ড: আবেগ বা প্রবৃত্তি প্রসঙ্গে ====
* দুঃখ আর হতাশা থেকে জন্ম নেয় ক্রোধ, ক্রোধ থেকে ঈর্ষা, ঈর্ষা থেকে বিদ্বেষ, আর সেই বিদ্বেষ থেকে পুনরায় দুঃখ—এভাবেই চক্রটি পূর্ণতা পায়।
** ১ম অংশ, ৪র্থ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ২৮৩, লিবার্টি ফান্ড)।
* মানবপ্রকৃতির কোনো গুণই সহমর্মিতার মতো এত বেশি লক্ষণীয় নয়; যার মাধ্যমে আমরা অন্যের রুচি আর অনুভূতি গ্রহণ করি, এমনকি সেগুলো আমাদের নিজস্ব মতের বিরোধী হলেও। আমরা লক্ষ্য করি যে, একই জাতির মানুষের চিন্তা আর মেজাজের মধ্যে এক অদ্ভুত সামঞ্জস্য থাকে; আর এই সাদৃশ্য মাটি বা জলবায়ুর চেয়ে সহমর্মিতার কারণেই বেশি ঘটে। একজন অমায়িক মানুষ মুহূর্তের মধ্যেই তাঁর সঙ্গীদের মেজাজে মিশে যান; এমনকি সবচেয়ে অহংকারী ব্যক্তিও তাঁর পরিচিতদের প্রভাবে প্রভাবিত হন।
** ১ম অংশ, ১১শ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৩১৬-৩১৭, লিবার্টি ফান্ড)।
* হাঁস, তুরস্কের মুরগি কিংবা ময়ূরের চলন-বলন দেখলেই বোঝা যায় তারা নিজেদের সম্পর্কে কত উঁচু ধারণা পোষণ করে এবং অন্যদের কতটা অবজ্ঞা করে। পুরুষ নাইটিঙ্গেল পাখির গান গাওয়ার প্রতিযোগিতা আর এই ধরণের আরও অনেক প্রমাণ থেকে এটি স্পষ্ট যে—অহংকার আর বিনয় কেবল মানুষের আবেগ নয়, বরং তা সমগ্র প্রাণীজগতে বিস্তৃত।
** ১ম অংশ, ১২শ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৩২৬, লিবার্টি ফান্ড)।
* পশুদের ক্ষেত্রেও সহমর্মিতা বা আবেগের আদান-প্রদান মানুষের মতোই ঘটে। ভয়, ক্রোধ, সাহস—সবই এক পশু থেকে অন্য পশুতে সঞ্চারিত হয়। লক্ষ্যণীয় যে, সিংহ, বাঘ বা বিড়াল খেলার ছলে যখন আক্রমণ করে, তখন তারা নখর বা দাঁত ব্যবহার করলেও সঙ্গীকে আঘাত করা থেকে সতর্কভাবে বিরত থাকে; যা প্রমাণ করে যে ইতর প্রাণীদেরও একে অপরের ব্যথা আর আনন্দের বোধ রয়েছে।
** ২য় অংশ, ১২শ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৩৯৭-৩৯৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* দার্শনিক বিতর্কে কোনো হাইপোথিসিস বা মতবাদকে ধর্ম ও নৈতিকতার জন্য 'বিপজ্জনক' বলে প্রমাণ করার মাধ্যমে তা নাকচ করে দেওয়া—সবচেয়ে প্রচলিত অথচ সবচেয়ে নিন্দনীয় একটি পদ্ধতি। কোনো মতবাদ যদি অযৌক্তিকতার দিকে নিয়ে যায়, তবেই তা মিথ্যে হতে পারে; কিন্তু তার ফলাফল বিপজ্জনক বলেই যে তা মিথ্যে হবে—এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।
** ৩য় অংশ, ২য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪০৯, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''যখন আমরা আবেগ আর যুক্তির লড়াই নিয়ে কথা বলি, তখন আমরা দার্শনিক এবং পারিভাষিক দিক থেকে সঠিক কথা বলি না। যুক্তি হলো আবেগের দাস, এবং এর একমাত্র কাজ হলো আবেগের সেবা ও আনুগত্য করা।'''
** ৩য় অংশ, ৩য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪১৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* আমার আঙুলের সামান্য আঁচড় রোধ করার চেয়ে পুরো পৃথিবীর ধ্বংসকে অগ্রাধিকার দেওয়া যুক্তিবিরোধী কিছু নয়। আমার সামান্যতম অস্বস্তি এড়াতে একজন সম্পূর্ণ অচেনা মানুষের বা কোনো দূর দেশের বাসিন্দার চূড়ান্ত ধ্বংস বেছে নেওয়াও যুক্তিবিরোধী নয়। এমনকি আমার বড় কোনো কল্যাণের চেয়ে ছোট কোনো কল্যাণকে বেশি গুরুত্ব দেওয়াও অযৌক্তিক নয়। সংক্ষেপে বলতে গেলে, একটি আবেগ বা প্রবৃত্তিকে কেবল তখনই অযৌক্তিক বলা যেতে পারে যখন তা কোনো ভুল বিচারবুদ্ধি বা মিথ্যে ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়।
** ৩য় অংশ, ৩য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪১৬, লিবার্টি ফান্ড)।
==== ৩য় খণ্ড: নৈতিকতা প্রসঙ্গে ====
* সূক্ষ্ম এবং জটিল যুক্তির একটি অসুবিধা হলো—এটি প্রতিপক্ষকে স্তব্ধ করতে পারে কিন্তু সব সময় আশ্বস্ত করতে পারে না। পড়ার ঘর থেকে বেরিয়ে যখন আমরা দৈনন্দিন জীবনের কাজে যুক্ত হই, তখন সেই সূক্ষ্ম যুক্তিগুলো রাতের অন্ধকারের মতো মিলিয়ে যায় এবং আমরা যে সিদ্ধান্তগুলো অনেক কষ্টে অর্জন করেছিলাম, সেগুলো ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।
** ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৫৫, লিবার্টি ফান্ড)।
== ''এ ট্রিটিজ অফ হিউম্যান নেচার'' ও ''এ্যান এনকোয়ারি'' (১৭৩৯-১৭৪৮) ==
* '''নৈতিকতা এমন একটি বিষয় যা অন্য সবকিছুর চেয়ে আমাদের বেশি আলোড়িত করে: আমরা মনে করি সমাজ ও রাষ্ট্রের শান্তি এর প্রতিটি সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে; আর এই গুরুত্বই আমাদের অনুসন্ধানকে অন্য যেকোনো বিষয়ের চেয়ে বেশি বাস্তব ও দৃঢ় করে তোলে।''' এই সুবিধাটুকু না থাকলে আমি কখনোই এই ধরণের দুর্ভেদ্য দর্শনের তৃতীয় খণ্ডটি লেখার দুঃসাহস দেখাতাম না—বিশেষ করে এমন এক যুগে, যেখানে অধিকাংশ মানুষ পড়াকে কেবল বিনোদন হিসেবে গ্রহণ করেছে এবং যা কিছু বোঝার জন্য গভীর মনোযোগ প্রয়োজন, তাকেই প্রত্যাখ্যান করতে শিখেছে।
** ''এ ট্রিটিজ অফ হিউম্যান নেচার'', ৩য় খণ্ড: নৈতিকতা প্রসঙ্গে, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৫৫-৪৫৬, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''নীতিবোধ আমাদের আবেগ জাগিয়ে তোলে এবং কোনো কাজ করতে বা তা থেকে বিরত থাকতে উদ্বুদ্ধ করে। যুক্তি এই বিশেষ ক্ষেত্রে একেবারেই অক্ষম। সুতরাং, নৈতিকতার নিয়মগুলো আমাদের যুক্তির কোনো সিদ্ধান্ত নয়।'''
** ৩য় খণ্ড, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৫৭, লিবার্টি ফান্ড)।
* কোনো কাজ প্রশংসনীয় বা নিন্দনীয় হতে পারে; কিন্তু তা 'যুক্তিসঙ্গত' বা 'অযৌক্তিক' হতে পারে না। প্রশংসা আর নিন্দা যুক্তির সীমানার বাইরের বিষয়। যুক্তি অলস ও নিষ্ক্রিয়, এটি কখনোই বিবেকের মতো সক্রিয় নীতির উৎস হতে পারে না।
** ৩য় খণ্ড, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৫৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* যেকোনো জঘন্য কাজকে লক্ষ্য করুন—ধরুন একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। একে সব দিক থেকে পরীক্ষা করে দেখুন, সেখানে কি বাস্তব কোনো অস্তিত্ব বা তথ্য পাবেন যাকে আপনি 'পাপ' (Vice) বলতে পারেন? সেখানে আপনি কেবল কিছু আবেগ, উদ্দেশ্য, ইচ্ছা আর চিন্তা খুঁজে পাবেন। পাপ বিষয়টি বস্তু বা ঘটনার মধ্যে থাকে না; যতক্ষণ আপনি বাইরের ঘটনার দিকে তাকাবেন, পাপ আপনার নাগালের বাইরে থাকবে। এটি কেবল তখনই খুঁজে পাবেন যখন আপনি আপনার দৃষ্টি নিজের অন্তরের দিকে ফেরাবেন এবং সেই কাজের প্রতি নিজের ভেতর একটি ঘৃণার অনুভূতি লক্ষ্য করবেন। সুতরাং, গুণ এবং পাপ অনেকটা শব্দ, বর্ণ, তাপ বা শৈত্যের মতো; যা বস্তুর নিজস্ব কোনো গুণ নয়, বরং মনের ভেতরের এক একটি অনুভূতি বা উপলব্ধি মাত্র।
** ৩য় খণ্ড, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৬৮-৪৬৯, লিবার্টি ফান্ড)।
* আমি একটি পর্যবেক্ষণ যোগ না করে পারছি না যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি এ পর্যন্ত যত নৈতিক ব্যবস্থা দেখেছি, সেখানে লক্ষ্য করেছি যে লেখক প্রথমে সাধারণ যুক্তিতে কথা বলেন—ঈশ্বরের অস্তিত্ব বা মানুষের স্বভাব নিয়ে আলোচনা করেন; কিন্তু হঠাৎ আমি অবাক হয়ে দেখি যে, সেখানে 'হয়' (Is) বা 'নয়' (Is Not) জাতীয় বাক্যের পরিবর্তে এমন কোনো বাক্য নেই যা 'উচিত' (Ought) বা 'উচিত নয়' (Ought Not)-এর সাথে যুক্ত নয়। এই পরিবর্তনটি অলক্ষ্যেই ঘটে যায়, কিন্তু এর ফলাফল সুদূরপ্রসারী। কেননা এই 'উচিত' বা 'উচিত নয়' একটি নতুন সম্পর্ক প্রকাশ করে, যা আগের বর্ণনামূলক তথ্য থেকে কীভাবে বিবর্তিত হলো—তা ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন। লেখকের এই অসাবধানতা পাঠককে খেয়াল করার অনুরোধ জানাব; কারণ এই সামান্য সতর্কতাটুকু প্রচলিত সমস্ত নৈতিক ব্যবস্থাকে ধূলিসাৎ করে দিতে যথেষ্ট।
** ৩য় খণ্ড, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৬৯-৪৭০, লিবার্টি ফান্ড)।
* ন্যায় এবং অন্যায়ের বোধ প্রকৃতি থেকে উদ্ভূত হয়নি, বরং এটি কৃত্রিমভাবে... শিক্ষা এবং মানবিক প্রথা (Convention) থেকে তৈরি হয়েছে।
** ৩য় খণ্ড, ২য় অংশ, ১৭শ পরিচ্ছেদ।
* মানুষের স্বার্থপরতা, সীমিত উদারতা এবং তাদের চাহিদার তুলনায় প্রকৃতির কৃপণতার কারণেই মূলত 'ন্যায়বিচার' (Justice)-এর উৎপত্তি হয়েছে।
** ৩য় খণ্ড, ২য় অংশ, ২য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৯৪-৪৯৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* নিজের এবং নিকটজনদের জন্য সম্পদ ও প্রতিপত্তি অর্জনের এই যে লালসা—এটি অতৃপ্ত, চিরন্তন, সর্বজনীন এবং সরাসরি সমাজের জন্য ধ্বংসাত্মক।
** ৩য় খণ্ড, ২য় অংশ, ২য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৯১-৪৯২, লিবার্টি ফান্ড)।
=== ''এ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং হিউম্যান আন্ডারস্ট্যান্ডিং'' (১৭৪৮) ===
* '''প্রকৃতপক্ষে, অভ্যাসই হলো মানবজীবনের প্রধান নির্দেশক।''' এটিই একমাত্র নীতি যা আমাদের অভিজ্ঞতাকে কার্যকর করে তোলে এবং অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে প্রত্যাশা তৈরি করে। অভ্যাসের প্রভাব ছাড়া আমরা বর্তমান স্মৃতি আর ইন্দ্রিয়ের বাইরের জগত সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ থাকতাম।
** ৫ম পরিচ্ছেদ: স্কেপটিক্যাল সলিউশন; ১ম খণ্ড, অনুচ্ছেদ ৩৬ (পৃষ্ঠা ৪৪, অক্সফোর্ড)।
* '''প্রকৃতি আমাদের জন্য এক মিশ্র জীবনকেই সবচেয়ে উপযোগী হিসেবে চিহ্নিত করেছে। [...] বিজ্ঞানের প্রতি তোমার আগ্রহকে লালন করো, তবে তোমার বিজ্ঞান যেন হয় মানবিক এবং সমাজ ও কর্মের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত। দার্শনিক হও; কিন্তু তোমার সমস্ত দর্শনের মাঝেও ভুলে যেও না যে তুমি একজন মানুষ।'''
** ১ম পরিচ্ছেদ: অফ দ্য ডিফারেন্ট স্পিসিস অফ ফিলোসফি (পৃষ্ঠা ৭, লিবার্টি ফান্ড)।
* দার্শনিক বিতর্কে কোনো মতবাদকে কেবল ধর্ম বা নৈতিকতার জন্য 'বিপজ্জনক' তকমা দিয়ে নাকচ করে দেওয়ার চেষ্টার চেয়ে সাধারণ এবং একইসাথে নিন্দনীয় পদ্ধতি আর নেই। এটি সত্য আবিষ্কারে কোনো সাহায্য করে না, কেবল প্রতিপক্ষকে ঘৃণা করতে শেখায়।
** ৮ম পরিচ্ছেদ: অফ লিবার্টি অ্যান্ড নেসেসিটি; ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ৯৬, লিবার্টি ফান্ড)।
* বাস্তব তথ্য বা অস্তিত্ব সম্পর্কিত আমাদের যুক্তিতে সব ধরণের নিশ্চয়তা থাকতে পারে; সবচেয়ে উচ্চপর্যায়ের ধ্রুব সত্য থেকে শুরু করে সবচেয়ে নিম্নপর্যায়ের নৈতিক প্রমাণ। '''তাই একজন প্রাজ্ঞ মানুষ সবসময় প্রাপ্ত প্রমাণের অনুপাতে তাঁর বিশ্বাসকে নিয়ন্ত্রণ করেন।'''
** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস (অলৌকিক ঘটনা প্রসঙ্গে); ১ম অংশ, অনুচ্ছেদ ৮৭ (পৃষ্ঠা ১১০, লিবার্টি ফান্ড)।
* কোনো অলৌকিক ঘটনা প্রতিষ্ঠিত করার জন্য কোনো সাক্ষ্যই যথেষ্ট নয়, যতক্ষণ না সেই সাক্ষ্যটি এমন পর্যায়ের হয় যে—তার মিথ্যা হওয়াটা সেই অলৌকিক ঘটনার চেয়েও বেশি বিস্ময়কর বা অলৌকিক বলে মনে হবে।
** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস; ১ম অংশ, অনুচ্ছেদ ৯১ (পৃষ্ঠা ১১৫, অক্সফোর্ড)।
* '''বাগ্মিতা যখন চূড়ান্ত শিখরে পৌঁছায়, তখন তা যুক্তি বা চিন্তার জন্য খুব সামান্যই অবকাশ রাখে; এটি সরাসরি মানুষের কল্পনা আর আবেগকে নাড়া দেয় এবং শ্রোতাদের বিচারবুদ্ধিকে পরাভূত করে ফেলে।'''
** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস; ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ১১৮, লিবার্টি ফান্ড)।
== ধর্ম, নৈতিকতা ও সংশয়বাদ (১৭৪৮-১৭৫৭) ==
* খ্রিষ্টধর্ম কেবল শুরুর দিকেই অলৌকিক ঘটনার ওপর নির্ভরশীল ছিল না; বরং আজও কোনো যুক্তিবাদী মানুষ অলৌকিক কোনো শক্তি ছাড়া এতে বিশ্বাস স্থাপন করতে পারে না। কেবল যুক্তি এর সত্যতা প্রমাণে যথেষ্ট নয়। যে ব্যক্তি বিশ্বাসের (Faith) দ্বারা এতে সায় দেন, তিনি নিজের ভেতরেই এক নিরন্তর অলৌকিকত্ব অনুভব করেন—যা তাঁর বোধশক্তির সমস্ত মূলনীতিকে উল্টে দেয় এবং তাঁকে এমন কিছু বিশ্বাস করতে বাধ্য করে যা মানুষের সাধারণ অভিজ্ঞতা ও অভ্যাসের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
** ''এ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং হিউম্যান আন্ডারস্ট্যান্ডিং'' (১৭৪৮), ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস, ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ১২০, লিবার্টি ফান্ড)।
* যখন আমরা এই মূলনীতিগুলোতে বিশ্বাস রেখে কোনো লাইব্রেরিতে ঘুরে বেড়াই, তখন আমাদের কী পরিমাণ ধ্বংসযজ্ঞই না চালাতে হবে! আমরা যদি হাতে কোনো ধর্মতত্ত্ব বা স্কুল-মেটাফিজিক্সের বই পাই, তবে আমাদের প্রশ্ন করা উচিত—"এতে কি পরিমাণ বা সংখ্যা সংক্রান্ত কোনো বিমূর্ত যুক্তি আছে?" না। "এতে কি বাস্তব তথ্য ও অস্তিত্ব সম্পর্কে কোনো পরীক্ষামূলক যুক্তি আছে?" না। তবে একে অগ্নিশিখায় সমর্পণ করো; কারণ এতে ভ্রান্ত কুযুক্তি আর মায়া ছাড়া আর কিছুই নেই।
** ''এ্যান এনকোয়ারি'', ১২শ পরিচ্ছেদ: অফ দ্য অ্যাকাডেমিক্যাল অর স্কেপটিক্যাল ফিলোসফি, ৩য় অংশ (পৃষ্ঠা ১৬৫, অক্সফোর্ড)।
=== ''এ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং দ্য প্রিন্সিপলস অফ মোরালস'' (১৭৫১) ===
* নৈতিকতার প্রতিটি সিদ্ধান্তে 'জনকল্যাণ'-ই প্রধানত বিবেচনায় থাকে। যেখানেই দর্শনে বা সাধারণ জীবনে কর্তব্যের সীমা নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়, সেখানে মানবজাতির প্রকৃত স্বার্থের বিচার ছাড়া আর কোনোভাবেই অধিকতর নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়।
** ২য় পরিচ্ছেদ: অফ বেনোভোলেন্স, ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ১৮০, অক্সফোর্ড)।
* সেই ব্যক্তি সুখী, যার পরিস্থিতি তার স্বভাবের সাথে খাপ খায়; কিন্তু সেই ব্যক্তি অধিকতর শ্রেষ্ঠ, যে যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজের স্বভাবকে মানিয়ে নিতে পারে।
** ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ: অফ কোয়ালিটিজ ইউজফুল টু আওয়ারসেলভস, ১ম অংশ (পৃষ্ঠা ২৪৩, অক্সফোর্ড)।
* যেখানে মানুষ সবচেয়ে বেশি নিশ্চিত এবং অহংকারী, তারা সাধারণত সেখানেই সবচেয়ে বড় ভুলটি করে থাকে; কারণ সেখানে তারা সঠিক বিচার-বিশ্লেষণ ছাড়াই আবেগের হাতে লাগাম ছেড়ে দেয়।
** ৯ম পরিচ্ছেদ: কনক্লুশন (উপসংহার), ১ম অংশ (পৃষ্ঠা ২৮১, অক্সফোর্ড)।
=== ''দ্য ন্যাচারাল হিস্ট্রি অফ রিলিজিয়ন'' (১৭৫৭) ===
* ধর্মের উৎস নিয়ে অনুসন্ধান করলে দেখা যায়—প্রকৃতির এই বিশাল কাঠামো একজন বুদ্ধিমান স্রষ্টার কথা ঘোষণা করে; কোনো যুক্তিবাদী অনুসন্ধিৎসু মানুষই এক মুহূর্তের জন্য এই সত্য অস্বীকার করতে পারেন না। কিন্তু মানবপ্রকৃতিতে ধর্মের উৎপত্তি নিয়ে যথেষ্ট জটিলতা আছে। অদৃশ্য শক্তির ওপর বিশ্বাস পৃথিবীর সব অঞ্চলেই ছড়িয়ে আছে, কিন্তু ইতিহাসবিদদের বিশ্বাস করলে দেখা যায়—এমন অনেক জাতির সন্ধান মিলেছে যাদের মধ্যে ধর্মের কোনো বালাই নেই।
** ভূমিকা (পৃষ্ঠা ২৫, কলিন্স এডিশন)।
* মূর্তিপূজা এবং একেশ্বরবাদের তুলনা করলে আমরা সেই সাধারণ পর্যবেক্ষণটির সত্যতা খুঁজে পাই যে—'''সবচেয়ে ভালো জিনিসের বিকৃতি থেকেই সবচেয়ে জঘন্য জিনিসের জন্ম হয়।''' (The corruption of the best things gives rise to the worst.)
** ১০ম অংশ: উইথ রিগার্ড টু কারেজ অর অ্যাবেসমেন্ট (পৃষ্ঠা ৫০, এ. ডব্লিউ. কলিন্স)।
* একেশ্বরবাদী ধর্মগুলোর গোঁড়ামি এবং পাণ্ডিত্যপূর্ণ যুক্তির প্রবল স্রোতকে "দুই আর তিনে পাঁচ হয়" বা "সমগ্র অংশ তার খণ্ডাংশের চেয়ে বড়"—এই জাতীয় সাধারণ যুক্তি দিয়ে আটকানোর চেষ্টা করা মানে হলো একটা নলখাগড়া দিয়ে সমুদ্র ঠেকানোর চেষ্টা করা। পবিত্র রহস্যের সামনে আপনি কি অপবিত্র যুক্তি খাড়া করবেন? আপনার এই ধর্মদ্রোহিতার জন্য কোনো শাস্তিই যথেষ্ট নয়। আর যে আগুন ধর্মদ্রোহীদের পোড়ানোর জন্য জ্বালানো হয়, তা দার্শনিকদের বিনাশের জন্যও যথেষ্ট।
** ১১শ অংশ: উইথ রিগার্ড টু রিজন অর অ্যাবসারডিটি (পৃষ্ঠা ৬০, লিবার্টি ফান্ড)।
* জগতের অধিকাংশ ধর্মের মানুষের দিকে তাকালে আপনি খুব কমই নিশ্চিত হবেন যে তারা সুস্থ মানুষের কথা বলছে; বরং তাদের বিশ্বাসগুলোকে দেখে অসুস্থ মানুষের স্বপ্ন অথবা মানুষের রূপ ধারণ করা বানরের খামখেয়ালি প্রলাপ বলে মনে হতে পারে।
** ১৫শ অংশ: জেনারেল করোলারি (পৃষ্ঠা ৭৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''অজ্ঞতাই হলো ভক্তির জননী—এই প্রবাদটি সাধারণ অভিজ্ঞতা দ্বারা বারবার প্রমাণিত। এমন কোনো জাতিকে খুঁজে দেখুন যাদের কোনো ধর্ম নেই; যদি পানও তবে নিশ্চিত থাকবেন যে তারা পশুদের থেকে খুব সামান্যই আলাদা।'''
** ১৫শ অংশ: জেনারেল করোলারি (পৃষ্ঠা ৭৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''সমগ্র বিষয়টিই একটি ধাঁধা, এক রহস্যময় সংকেত এবং ব্যাখ্যাতীত জটিলতা। সন্দেহ, অনিশ্চয়তা আর বিচারের দোদুল্যমানতা—এটাই আমাদের অনুসন্ধানের একমাত্র ফলাফল।''' তবে মানুষের যুক্তিবোধের দুর্বলতা এমন যে এই সংশয় ধরে রাখা কঠিন; তাই আমরা এক ধরণের কুসংস্কারের বিপরীতে অন্যটিকে লেলিয়ে দিয়ে তাদের ঝগড়া দেখতে দেখতে নিজেরা দর্শনের শান্ত ও নির্জন অঞ্চলে পালিয়ে যাই।
** ১৫শ অংশ: জেনারেল করোলারি (পৃষ্ঠা ৭৯, লিবার্টি ফান্ড)।
=== ''এসেস, মোরাল, পলিটিক্যাল, অ্যান্ড লিটারারি'' (১৭৪১-২;১৭৪৮) ===
* স্বাধীনতার প্রেমীদের জন্য এটি একটি স্বস্তিদায়ক চিন্তা যে—ব্রিটেনের এই বিশেষ সুবিধা (সংবাদপত্রের স্বাধীনতা) ততদিনই থাকবে যতদিন আমাদের সরকার স্বাধীন থাকবে। '''যেকোনো ধরণের স্বাধীনতা খুব কম ক্ষেত্রেই একেবারে হারিয়ে যায়।''' যারা স্বাধীনতায় অভ্যস্ত, তাদের কাছে দাসত্বের চেহারা এতটাই বীভৎস যে এটি ধীরে ধীরে এবং হাজারো ছদ্মবেশে মানুষের ভেতর ঢুকে পড়ে। কিন্তু যদি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কখনো লুপ্ত হয়, তবে তা একসাথেই হারিয়ে যাবে।
** ১ম খণ্ড, ২য় প্রবন্ধ: অফ দ্য লিবার্টি অফ দ্য প্রেস (পৃষ্ঠা ১৩, লিবার্টি ফান্ড)।
== রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রবন্ধাবলি ==
* যারা দার্শনিক দৃষ্টিতে মানবীয় বিষয়াবলি পর্যবেক্ষণ করেন, তাদের কাছে এর চেয়ে বিস্ময়কর আর কিছু নেই যে—কত সহজে সংখ্যাগুরু সাধারণ মানুষ মুষ্টিমেয় কয়েকজনের দ্বারা শাসিত হয়; এবং মানুষ কত অবলীলায় নিজের আবেগ আর অনুভূতিকে শাসকদের হাতে সঁপে দেয়। যখন আমরা এই বিস্ময়ের কারণ খুঁজি, তখন দেখি যে শক্তি সব সময় শাসিতদের পক্ষেই থাকে, তাই শাসকদের টিকে থাকার একমাত্র অবলম্বন হলো জনমত। সুতরাং, কেবল জনমতের ওপর ভিত্তি করেই শাসনব্যবস্থা গড়ে ওঠে; এবং এই নীতিটি যেমন স্বাধীন ও জনপ্রিয় সরকারের ক্ষেত্রে সত্য, তেমনি চরম স্বৈরাচারী ও সামরিক সরকারের ক্ষেত্রেও সত্য।
** ১ম খণ্ড, ৪র্থ প্রবন্ধ: অফ দ্য ফার্স্ট প্রিন্সিপলস অফ গভর্নমেন্ট (পৃষ্ঠা ৩২, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''এটি একটি সঠিক রাজনৈতিক নীতি যে—প্রতিটি মানুষকে 'প্রতারক' হিসেবে ধরে নিতে হবে; যদিও এটি শুনতে অদ্ভুত লাগে যে একটি নীতি রাজনীতিতে সত্য হলেও বাস্তব জীবনে মিথ্যে।''' মানুষ সাধারণত তার ব্যক্তিগত জীবনের চেয়ে জনসমক্ষে বা সামাজিক পরিচয়ে বেশি অসৎ হয়ে থাকে; এবং নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে দলের স্বার্থ রক্ষায় তারা অনেক বেশি দূর পর্যন্ত যেতে পারে। লোকলজ্জা বা সম্মানবোধ মানুষের জন্য একটি বড় প্রতিবন্ধক; কিন্তু যখন একদল মানুষ একসাথে কাজ করে, তখন এই বাধাটি অনেকাংশেই দূর হয়ে যায়; কারণ একজন মানুষ যখন দলের স্বার্থে কাজ করে, তখন সে জানে যে তার নিজের দল তাকে সমর্থন করবেই এবং খুব দ্রুতই সে প্রতিপক্ষের সমালোচনাকে তুচ্ছ জ্ঞান করতে শেখে।
** ১ম খণ্ড, ৬ষ্ঠ প্রবন্ধ: অফ দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্সি অফ পার্লামেন্ট (পৃষ্ঠা ৪২-৪৩, লিবার্টি ফান্ড)।
* মানুষের মনের প্রকৃতিই এমন যে, এটি তার সান্নিধ্যে আসা অন্য সব মনকে আঁকড়ে ধরে; এবং যেমন মতের মিল বা ঐক্য একে ভীষণভাবে শক্তিশালী করে, তেমনি মতের অমিল বা বৈপরীত্য একে সমানভাবে বিচলিত ও বিমর্ষ করে তোলে। এ কারণেই বিতর্কের সময় অধিকাংশ মানুষের মধ্যে এক ধরণের ব্যকুলতা দেখা যায় এবং অতি সাধারণ বা তুচ্ছ বিষয়েও তারা বিরোধিতাকে সহ্য করতে পারে না।
** ১ম খণ্ড, ৮ম প্রবন্ধ: অফ পার্টিজ ইন জেনারেল (পৃষ্ঠা ৫৪, লিবার্টি ফান্ড)।
* জনপ্রিয়তা আর দেশপ্রেমের চূড়ান্ত শিখর আজও ক্ষমতা আর স্বৈরাচারের দিকে যাওয়ার চেনা রাস্তা; তোষামোদ যেমন বিশ্বাসঘাতকতার পথ দেখায়, স্থায়ী সেনাবাহিনী যেমন স্বৈরাচারী শাসনের পথ প্রশস্ত করে, ঠিক তেমনি ঈশ্বরের মহিমা প্রচার অনেক সময় যাজকশ্রেণীর বৈষয়িক স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হয়ে দাঁড়ায়।
** ১ম খণ্ড, ৮ম প্রবন্ধ: অফ পাবলিক ক্রেডিট (পৃষ্ঠা ৩৬১, লিবার্টি ফান্ড)।
* সকল যুগে এবং পৃথিবীর সব প্রান্তেই যাজকশ্রেণী স্বাধীনতার শত্রু ছিল; এবং এটি নিশ্চিত যে তাদের এই অবিচল আচরণ তাদের স্বার্থ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষার ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে। চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা যাজকীয় ক্ষমতা এবং সেই সব 'পবিত্র প্রতারণার' জন্য সব সময় কাল হয়ে দাঁড়ায়, যার ওপর ভিত্তি করে তাদের ক্ষমতা টিকে থাকে।
** ১ম খণ্ড, ৯শ প্রবন্ধ: অফ দ্য পার্টিজ অফ গ্রেট ব্রিটেন (পৃষ্ঠা ৬৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* কর্মজীবী দরিদ্র শ্রেণীর মানুষের কোনো নীতি নেই; ভদ্রলোকদের সময় এবং অভিজ্ঞতার মাধ্যমে সঠিক নীতিতে আনা সম্ভব। আর মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষের নীতি গঠনের মতো কৌতূহল ও জ্ঞান থাকলেও, তা সঠিক নীতি গঠনের জন্য বা নিজেদের সংস্কারগুলো কাটানোর জন্য যথেষ্ট নয়।
** ১ম খণ্ড, ৯শ প্রবন্ধ: অফ দ্য পার্টিজ অফ গ্রেট ব্রিটেন (১৭৪১ ও ১৭৪২ সংস্করণ)।
* লোভ, যা শিল্পের চালিকাশক্তি—এটি এমন এক একগুঁয়ে আবেগ এবং এটি এত বেশি বাস্তব বিপদ ও প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে পথ করে নেয় যে, কোনো কাল্পনিক ভয়ের কারণে এর থেমে যাওয়ার সম্ভাবনা কম। সুতরাং, আমার মতে—স্বৈরাচারী শাসনে বাণিজ্য যে ধ্বংস হয়ে যায়, তা নিরাপত্তার অভাবে নয়, বরং সেখানে বাণিজ্যকে কম সম্মানজনক মনে করা হয় বলে।
** ১ম খণ্ড, ১২শ প্রবন্ধ: অফ সিভিল লিবার্টি (পৃষ্ঠা ৯৩, লিবার্টি ফান্ড)।
* মানুষের অহংকারের জন্য এর চেয়ে বড় অপমান আর কিছু হতে পারে না যে—তার সর্বোচ্চ শিল্প ও শ্রম দিয়েও সে প্রকৃতির ক্ষুদ্রতম সৃষ্টিগুলোর সৌন্দর্য বা মূল্যের সমান হতে পারে না। শিল্প কেবল একজন সহকারী কারিগরের মতো, যে মূল মাস্টারের (প্রকৃতি) কাজগুলোতে সামান্য কিছু অলঙ্করণ যোগ করে মাত্র।
** ১ম খণ্ড, ১৫শ প্রবন্ধ: দ্য এপিকিউরিয়ান (পৃষ্ঠা ১৩৯, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''শিল্প বা কারিগরি জ্ঞান হয়তো এক জোড়া পোশাক তৈরি করতে পারে; কিন্তু মানুষকে তৈরি করতে পারে কেবল প্রকৃতিই।'''
** ১ম খণ্ড, ১৫শ প্রবন্ধ: দ্য এপিকিউরিয়ান (পৃষ্ঠা ১৪০, লিবার্টি ফান্ড)।
* প্রকৃতির দান যদি সামান্য হয়, তবে সেই খামতি পূরণ করতে শিল্পের প্রয়োজন আরও বেশি পড়ে। আর প্রকৃতি যদি উদার ও মুক্তহস্ত হয়, তবে জেনে রাখুন সে আমাদের পক্ষ থেকেও কঠোর শ্রম ও মনোযোগ আশা করে। সবচেয়ে উর্বর মস্তিষ্কের মেধাও যদি চর্চা না করা হয়, তবে তা উর্বর মাটির মতোই আগাছায় ভরে যায়; আর মানুষের আনন্দ ও ব্যবহারের উপযোগী দ্রাক্ষা বা জলপাইয়ের বদলে তা অলস মালিকের জন্য কেবল বিষাক্ত ফসলের জন্ম দেয়।
** ১ম খণ্ড, ১৬শ প্রবন্ধ: দ্য স্টোইক (পৃষ্ঠা ১৪৬, লিবার্টি ফান্ড)।
* মানুষের সমস্ত পরিশ্রমের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো সুখ অর্জন। এই সুখের জন্যই শিল্পের উদ্ভাবন, বিজ্ঞানের চর্চা, আইনের শাসন এবং সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।
** ১ম খণ্ড, ১৬শ প্রবন্ধ: দ্য স্টোইক (পৃষ্ঠা ১৪৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* আশা ও আনন্দের প্রতি প্রবণতা হলো প্রকৃত ঐশ্বর্য; আর ভয় ও দুঃখের প্রতি আসক্তি হলো প্রকৃত দারিদ্র্য।
** ১ম খণ্ড, ১৮শ প্রবন্ধ: দ্য স্কেপটিক (পৃষ্ঠা ১৬৭, লিবার্টি ফান্ড)।
[[File:DavidHume.jpg|thumbnail|হিউম বিশ্বাস করতেন সৌন্দর্য কোনো বস্তুনিষ্ঠ বিষয় নয়, বরং এটি পুরোপুরি ব্যক্তিনিষ্ঠ। নিচের ডায়াগ্রামটি আপনাকে বুঝতে সাহায্য করবে কেন তিনি বলেছিলেন—"সৌন্দর্য বস্তুর নিজস্ব কোনো গুণ নয়: এটি কেবল মনেই বিরাজ করে যা একে অবলোকন করে এবং প্রতিটি মন ভিন্ন ভিন্ন সৌন্দর্য দেখতে পায়!"]]
== ডায়ালগস কনসার্নিং ন্যাচারাল রিলিজিয়ন (১৭৭৯) ==
* খ্রিস্টধর্মের প্রসারের শুরুর দিকে ধর্মীয় শিক্ষকদের মধ্যে যুক্তি, ইন্দ্রিয় এবং মানুষের গবেষণালব্ধ সমস্ত মূলনীতির বিরুদ্ধে কথা বলাটা ছিল অত্যন্ত সাধারণ একটি বিষয়।
** ১ম অংশ (ক্লিয়ান্থেস থেকে ডেমিয়া)।
* এই বিশ্বের দিকে তাকান এবং এর প্রতিটি অংশ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করুন: আপনি দেখবেন এটি একটি বিশাল যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়, যা অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র যন্ত্রে বিভক্ত। এই সমস্ত যন্ত্র এবং তাদের অতি ক্ষুদ্র অংশগুলোও একে অপরের সাথে এমন নিখুঁতভাবে মানিয়ে নেওয়া হয়েছে যা যেকোনো পর্যবেক্ষককে বিস্ময়ে অভিভূত করে। প্রকৃতির এই উপায় ও লক্ষ্যের চমৎকার সমন্বয় মানুষের তৈরি নকশা, চিন্তা এবং বুদ্ধিমত্তার মতোই, যদিও এটি মানুষের তৈরি যেকোনো কিছুর চেয়ে অনেক বেশি উন্নত।
** ২য় অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* '''মস্তিষ্কের এই সামান্য আলোড়ন, যাকে আমরা 'চিন্তা' বলি—তার এমন কী বিশেষ অধিকার আছে যে আমাদের একেই পুরো মহাবিশ্বের মডেল বা আদর্শ হিসেবে ধরে নিতে হবে?''' নিজের প্রতি পক্ষপাতিত্ব আমাদের সব সময় এই পথে পরিচালিত করে; কিন্তু প্রকৃত দর্শনের উচিত এই ধরণের স্বাভাবিক বিভ্রম থেকে সাবধান থাকা।
** ২য় অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* যদি একটি জড় জগত কোনো আদর্শ জগত বা ভাব জগতের ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে থাকে, তবে সেই ভাব জগতকে নিশ্চয়ই অন্য কোনো জগতের ওপর নির্ভর করতে হবে; এবং এভাবে এটি অনন্তকাল চলতে থাকবে। তাই বর্তমান এই জড় জগতের বাইরে আর কিছু না খোঁজাটাই শ্রেয়। একে নিজের মধ্যেই নিজের শৃঙ্খলার কারণ হিসেবে ধরে নেওয়া মানেই আসলে একে 'ঈশ্বর' বলা।
** ৪র্থ অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* '''আমরা যদি একটি জাহাজ দেখি, তবে এর জটিল ও সুন্দর নির্মাণ দেখে আমরা সূত্রধরের বুদ্ধিমত্তা দেখে বিস্মিত হই। কিন্তু যদি আমরা জানতে পারি যে তিনি একজন সাধারণ কারিগর মাত্র, যিনি অন্যদের অনুকরণ করেছেন এবং দীর্ঘকাল ধরে অসংখ্য ভুল, সংশোধন ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে অর্জিত একটি কৌশলকে কপি করেছেন—তবে আমাদের বিস্ময় আরও বেড়ে যায়। এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড তৈরি হওয়ার আগে হয়তো অনন্তকাল ধরে অনেকগুলো বিশ্ব অদক্ষভাবে তৈরি ও ধ্বংস করা হয়েছে; অনেক শ্রম পণ্ড হয়েছে এবং অনন্তকাল ধরে বিশ্ব-নির্মাণ কৌশলের ধীর কিন্তু নিরন্তর উন্নতির ফলেই হয়তো আজকের এই ব্যবস্থাটি গড়ে উঠেছে।'''
** ৫ম অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* এই জগতটি কোনো উচ্চতর মানের তুলনায় অনেক বেশি ত্রুটিপূর্ণ হতে পারে; এটি হয়তো কোনো শিশু-দেবতার প্রথম অগোছালো প্রচেষ্টা, যা তৈরি করার পর নিজের ব্যর্থতায় লজ্জিত হয়ে তিনি এটি ফেলে চলে গেছেন। অথবা এটি কোনো পরনির্ভরশীল নিম্নস্তরের দেবতার কাজ; অথবা এটি কোনো অতিবৃদ্ধ দেবতার জরাগ্রস্ত সময়ের সৃষ্টি, যিনি মারা যাওয়ার পর থেকে এটি কেবল তাঁর দেওয়া প্রাথমিক গতির ওপর ভর করে লক্ষ্যহীনভাবে চলছে।
** ৫ম অংশ (ফিলো থেকে ডেমিয়া)।
* একটি গাছ থেকে যখন অন্য একটি চারা জন্মায়, তখন গাছটি সেই চারাকে একটি সুশৃঙ্খল গঠন দান করে, যদিও গাছটি নিজে সেই শৃঙ্খলা সম্পর্কে জানে না। একটি প্রাণী বা পাখিও ঠিক একইভাবে তাদের বংশধর বা বাসার ক্ষেত্রে এটি করে। জগতের এই শৃঙ্খলা যে বুদ্ধি বা পরিকল্পনা থেকেই আসতে হবে—তা ধরে নেওয়াটা যুক্তির ভুল।
** ৭ম অংশ (ফিলো থেকে ডেমিয়া)।
* '''আমি যদি আপনাকে ২০টি কণার একটি সংগ্রহের প্রতিটি কণার পৃথক পৃথক কারণ ব্যাখ্যা করি, তবে এরপর আপনি যদি আবার জিজ্ঞেস করেন যে—পুরো ২০টি কণার সমষ্টির কারণ কী, তবে সেটি হবে একেবারেই অযৌক্তিক। প্রতিটি অংশের কারণ ব্যাখ্যা করার মাধ্যমেই পুরো সমষ্টির কারণ ব্যাখ্যা করা হয়ে যায়।'''
** ৯ম অংশ (ক্লিয়ান্থেস থেকে ডেমিয়া)।
* পুরো পৃথিবীটাই যেন অভিশপ্ত এবং কলুষিত। সমস্ত জীবন্ত প্রাণীর মধ্যে এক নিরন্তর যুদ্ধ চলছে। অভাব আর ক্ষুধা শক্তিমানদের উত্তেজিত করে, আর ভয় ও আতঙ্ক দুর্বলদের বিচলিত করে। জন্মের সময় নবজাতক আর তার দুর্ভাগা মা—উভয়েই যন্ত্রণায় চিৎকার করে; জীবনের প্রতিটি ধাপে থাকে দুর্বলতা আর কষ্ট; আর সব শেষে এটি সমাপ্ত হয় চরম যন্ত্রণা আর বিভীষিকার মধ্য দিয়ে।
** ১০ম অংশ (ডেমিয়া থেকে ফিলো)।
* হিউম্যান অ্যানথ্রোপোমরফিজম বা ঈশ্বরকে মানুষের গুনাগুণ দিয়ে বিচার করার পদ্ধতি কি সঠিক? তাঁর ক্ষমতা যদি অসীম হয় তবে তিনি যা চান তাই হওয়ার কথা। কিন্তু মানুষ বা অন্য কোনো প্রাণীই সুখী নয়; সুতরাং তিনি তাদের সুখ চান না। তাঁর জ্ঞান যদি অসীম হয় তবে উপায় নির্বাচনে তাঁর ভুল হওয়ার কথা নয়। কিন্তু প্রকৃতির গতিধারা মানুষের সুখের দিকে ধাবিত নয়। তবে তাঁর দয়া ও করুণা মানুষের দয়া ও করুণার সাথে মিলবে কীভাবে? '''এপিকিউরাসের সেই পুরনো প্রশ্নগুলোর উত্তর আজও মেলেনি: তিনি কি অশুভকে রোধ করতে চান কিন্তু পারছেন না? তবে তিনি অক্ষম। তিনি কি পারেন কিন্তু করতে চান না? তবে তিনি বিদ্বেষপরায়ণ। তিনি কি সক্ষম এবং ইচ্ছুক—উভয়ই? তবে অশুভ আসছে কোত্থেকে?'''
** ১০ম অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
== মহাজাগতিক সংশয়বাদ ও হিউম সম্পর্কে মূল্যায়ন ==
* এই মহাবিশ্বের দিকে তাকিয়ে দেখুন। কত বিশাল প্রাণের সমারোহ! কিন্তু এই জীবন্ত সত্তাগুলোকে একটু গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করুন—দেখবেন এরা একে অপরের প্রতি কতটা হিংস্র আর ধ্বংসাত্মক! এদের কেউই নিজের সুখের জন্য পর্যাপ্ত নয়। সমগ্ৰ বিষয়টি একটি "অন্ধ প্রকৃতি" ছাড়া আর কিছুই নয়; যে প্রকৃতি কোনো বিচার-বিবেচনা বা পিতৃসুলভ যত্ন ছাড়াই তার কোল থেকে পঙ্গু আর গর্ভপাত হওয়া সন্তানদের জন্ম দিয়ে চলেছে।
** ''ডায়ালগস কনসার্নিং ন্যাচারাল রিলিজিয়ন'' (১৭৭৯), ১১শ অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* যদি প্রাকৃতিক ধর্মতত্ত্বের সারকথা কেবল এই একটি অস্পষ্ট বাক্যে সীমাবদ্ধ থাকে যে—"মহাবিশ্বের শৃঙ্খলার কারণ বা কারণগুলো সম্ভবত মানুষের বুদ্ধিমত্তার সাথে কোনো দূরবর্তী সাদৃশ্য বহন করে", এবং যদি এই ধারণা মানুষের জীবনে কোনো প্রভাব না ফেলে বা কোনো কাজের উৎস হতে না পারে; তবে একজন অনুসন্ধিৎসু ও ধার্মিক মানুষ এই সাধারণ সত্যটুকু মেনে নেওয়া ছাড়া আর কী-ই বা করতে পারেন?
** ১২শ অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
== ভুলভাবে আরোপিত ==
* "চরিত্র হলো বদ্ধমূল কিছু নীতির সমষ্টি।" (Character is the result of a system of stereotyped principles.)
** হিউম কখনো 'Stereotype' শব্দটি ব্যবহার করেননি; কারণ ১৭৯৮ সালের আগে এই শব্দের উদ্ভাবনই হয়নি।
* "তর্কের মাধ্যমেই সত্যের জন্ম হয়।"
* "যুক্তির ভূমিকা আমাদের জ্ঞানী করা নয়, বরং আমাদের অজ্ঞতাকে প্রকাশ করা।"
** এগুলো হিউমের নামে প্রচলিত হলেও তাঁর কোনো লেখায় এর ভিত্তি পাওয়া যায়নি।
* "যিনি আবেগ দিয়ে চালিত হন তিনি দাস, আর যিনি যুক্তি দিয়ে চলেন তিনি স্বাধীন।"
** এটি আসলে স্পিনোজার উক্তি, যা প্রায়ই হিউমের নামে চালানো হয়। (Ethics part IV)
== ডেভিড হিউম সম্পর্কে বিশিষ্টজনদের উক্তি ==
* হিউম নৈতিকতা ও ন্যায়বিচারের মানদণ্ডকে বলেছেন "আর্টিফ্যাক্ট" বা কৃত্রিম সৃষ্টি; এগুলো ঈশ্বরপ্রদত্ত নয় বা বিশুদ্ধ যুক্তি দিয়েও পাওয়া যায় না। এগুলো মানুষের ব্যবহারিক অভিজ্ঞতার ফল। হিউমকে নীতিশাস্ত্রের ক্ষেত্রে ডারউইনের পূর্বসূরি বলা যেতে পারে। তিনি মূলত মানুষের প্রথাগুলোর মধ্যে "যোগ্যতমের টিকে থাকা" বা "Survival of the fittest" মতবাদটি প্রচার করেছিলেন—যেখানে যোগ্যতা বিচার করা হতো সামাজিক উপযোগিতা দিয়ে।
** খ্রিষ্টান বে, ''দ্য স্ট্রাকচার অফ ফ্রিডম'' (১৯৫৮)।
* আপনি যদি ডেভিড হিউমের কাছে যান, যিনি আমাদের বিশ্বাসের কারণগুলো নিয়ে সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ করেছেন, তবে দেখবেন—সূর্য কাল সকালে উঠবেই এমন কোনো অকাট্য কারণ নেই। এটি কেবল আমাদের একটি অভ্যাস), যে আমরা বিশ্বাস করি জিনিসগুলো আগের মতোই চলবে। হিউমের এই বিশ্লেষণ অত্যন্ত সঠিক।
** জন এস বেল, ''দ্য ঘোস্ট ইন দ্য অ্যাটম'' (১৯৮৬)।
* বার্কলে, হিউম, কান্ট, হেগেল—তাঁরা সবাই একটি মহৎ প্রচেষ্টায় ঐক্যবদ্ধ ছিলেন; আর তা হলো মহাজাগতিক ব্যবস্থায় মানুষকে তার উচ্চতর আধ্যাত্মিক দাবি সহ একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করা।
** এডুইন আর্থার বার্ট, ''দ্য মেটাফিজিক্যাল ফাউন্ডেশনস অফ মডার্ন ফিজিক্যাল সায়েন্স'' (১৯২৫)।
* বার্কের কাছে 'প্রেসক্রিপশন' (প্রথাগত অধিকার) হলো সেই অটল পাহাড় যার ওপর জাগতিক অধিকারগুলো দাঁড়িয়ে থাকে। হিউম এই তত্ত্বটি কিছুটা ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেছিলেন। হিউম লিখেছিলেন—"সময় এবং প্রথা (Time and custom) সব ধরণের সরকার এবং রাজবংশকে বৈধতা দান করে; যে ক্ষমতা শুরুতে কেবল অন্যায় আর সহিংসতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল, সময়ের সাথে সাথে তা আইনি এবং বাধ্যতামূলক হয়ে ওঠে।" বার্কও বিশ্বাস করতেন যে, সম্পত্তি এবং শাসনের ক্ষেত্রে প্রথাগত অধিকারই হলো রাষ্ট্রের সবচেয়ে শক্তিশালী ভিত্তি।
** আলফ্রেড কোবান, ''এডমন্ড বার্ক অ্যান্ড দ্য রিভল্ট এগেইনস্ট দ্য এইটিনথ সেঞ্চুরি'' (১৯২৯)।
* হিউম সম্ভবত আইনি এবং রাজনৈতিক দর্শনের একমাত্র পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা দিয়েছিলেন যা পরবর্তীকালে 'লিবারেলিজম' (উদারতাবাদ) হিসেবে পরিচিতি পায়। হিউমের ''হিস্ট্রি'' (ইতিহাস) ১৮শ শতাব্দীতে ইউরোপজুড়ে 'উইগ লিবারেলিজম' ছড়িয়ে দিতে ঠিক তেমনই ভূমিকা রেখেছিল, যেমনটি ১৯শ শতাব্দীতে মেকলের ''হিস্ট্রি'' রেখেছিল।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'দ্য লিগ্যাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল ফিলোসফি অফ ডেভিড হিউম' (১৯৬৩)।
* আধুনিক সমাজের এমন কিছু বৈশিষ্ট্য যা আমরা আজ মূল্যবান মনে করি, সেগুলো এমন সব পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল যা আগে থেকে কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৈরি করা হয়নি। হিউম দেখিয়েছেন যে, একটি সুশৃঙ্খল সমাজ কেবল তখনই গড়ে উঠতে পারে যখন মানুষ আচরণের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চলতে শেখে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো জনসাধারণের জন্য সুবিধাজনক হলেও—উদ্ভাবকরা ঠিক সেই উদ্দেশ্যে এগুলো তৈরি করেননি।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'দ্য লিগ্যাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল ফিলোসফি অফ ডেভিড হিউম' (১৯৬৩)।
* মানুষের বুদ্ধি আর জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে এই মহান সংশয়বাদীর প্রবল বিশ্বাস ছিল। তিনি জানতেন যে—শান্তি, স্বাধীনতা এবং ন্যায়বিচারের মতো সর্বশ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক কল্যাণগুলো মূলত নেতিবাচক (Negative); অর্থাৎ এগুলো ইতিবাচক কোনো উপহার নয়, বরং ক্ষতির হাত থেকে সুরক্ষা মাত্র। তিনি মানুষের মহত্ত্বের চেয়ে এমন সব 'প্রতিষ্ঠান' বা কাঠামোর ওপর ভরসা করতেন যা "এমনকি খারাপ মানুষদেরও জনকল্যাণে কাজ করতে বাধ্য করে"। তিনি জানতেন যে—"রাজনীতিতে প্রতিটি মানুষকে প্রতারক হিসেবে ধরে নিতে হবে"।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'দ্য লিগ্যাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল ফিলোসফি অফ ডেভিড হিউম' (১৯৬৩)।
* হিউম তাঁর দার্শনিক কাজের মাধ্যমে লিবারেল আইনি তত্ত্বের ভিত্তি স্থাপন করার পাশাপাশি তাঁর ''হিস্ট্রি অফ ইংল্যান্ড'' (১৭৫৪-৬২)-এ ইংরেজ ইতিহাসকে 'আইনের শাসন' এর ক্রমবিকাশ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'লিবারেলিজম' (১৯৭৩)।
* যুক্তিবাদ বা র্যাশনালিজমের সমালোচনায় হিউম অন্য যেকোনো লেখকের চেয়ে অনেক বেশি গভীরে যেতে পেরেছেন। আমি বারবার হিউমের লেখায় এমন সব ধারণার সন্ধান পেয়েছি যা আমি নিজে স্বাধীনভাবে চিন্তা করেছিলাম। বিশেষ করে সব ধরণের সামাজিক প্রতিষ্ঠানের গঠন সম্পর্কে হিউমের ব্যাখ্যা আমাকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করেছে।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'ইকোনমিক্স, পলিটিক্স অ্যান্ড ফ্রিডম' (১৯৭৫)।
* হিউম স্পষ্টভাবে স্বাধীনতা এবং এই নীতিগুলোর মধ্যে সম্পর্ক লক্ষ্য করেছিলেন। তিনি দেখেছিলেন যে, সবার সর্বোচ্চ স্বাধীনতার জন্য প্রত্যেকের স্বাধীনতার ওপর সমান সীমাবদ্ধতা প্রয়োজন। একে তিনি প্রকৃতির তিনটি 'মৌলিক আইন' বলেছেন: ১. অধিকারে স্থায়িত্ব, ২. সম্মতির মাধ্যমে হস্তান্তর এবং ৩. প্রতিশ্রুতি রক্ষা । হিউম সম্ভবত প্রথম ব্যক্তি যিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে, সাধারণ স্বাধীনতা কেবল তখনই সম্ভব হয় যখন মানুষের সহজাত প্রবৃত্তিগুলো 'ন্যায়বিচার' অনুযায়ী পরবর্তী কোনো বিচারবোধ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। তিনি সেই ভুলটি করেননি যা পরবর্তীতে অনেকেই করেছেন—ব্যক্তির বিচ্ছিন্ন স্বাধীনতা এবং মানুষের পারস্পরিক সহযোগিতার ফলে সৃষ্ট স্বাধীনতার মধ্যে পার্থক্য গুলিয়ে ফেলা।
** [[ফ্রিডরিখ হায়েক]], ''দ্য ফ্যাটাল কনসিট'' (১৯৮৮), ২য় অধ্যায়: দ্য অরিজিনস অফ লিবার্টি, প্রপার্টি অ্যান্ড জাস্টিস।
* হিউম একটি বিবর্তনমূলক ব্যাখ্যার খুব কাছাকাছি চলে এসেছিলেন। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে—'কোনো সত্তাই টিকে থাকতে পারে না যদি না তার অস্তিত্ব রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বা শক্তি থাকে; কোনো একটি সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত নিরন্তর নতুন কোনো ব্যবস্থা বা অর্থনীতি চেষ্টা করে যেতে হবে'। মানুষ নিজেকে অন্য সব প্রাণীর ভাগ্যের অতীত কোনো কিছু মনে করতে পারে না কারণ সব প্রাণীর মধ্যে সেই 'নিরন্তর যুদ্ধ' চলতেই থাকবে। হিউম মূলত স্বীকার করেছিলেন যে, 'প্রাকৃতিক' এবং 'কৃত্রিম'—এই দুইয়ের মাঝামাঝি একটি তৃতীয় বিভাগ রয়েছে যার মধ্যে উভয়েরই বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান।
** [[ফ্রিডরিখ হায়েক]], ''দ্য ফ্যাটাল কনসিট'' (১৯৮৮), পরিশিষ্ট এ: 'ন্যাচারাল' ভার্সেস 'আর্টিফিশিয়াল'।
* হিউমের সংশয়বাদকে গ্রিক সংশয়বাদ থেকে স্পষ্টভাবে আলাদা করা উচিত। হিউম ইন্দ্রিয়লব্ধ অভিজ্ঞতা, অনুভূতি এবং অন্তর্দৃষ্টির সত্যতাকে ভিত্তি হিসেবে ধরে নেন এবং সেই ভিত্তি থেকেই সাধারণ আইন বা নির্ধারণগুলোকে চ্যালেঞ্জ করেন—কারণ সেগুলোর ইন্দ্রিয়লব্ধ অভিজ্ঞতার কোনো প্রমাণ নেই। অন্যদিকে প্রাচীন সংশয়বাদ ইন্দ্রিয়লব্ধ অনুভূতির ওপর সত্যের ভিত্তি স্থাপন করা তো দূরের কথা, বরং তারা শুরুতেই ইন্দ্রিয়ের বিরুদ্ধেই অবস্থান নিত।
** [[জি. ডব্লিউ. এফ. হেগেল]], ''এনসাইক্লোপিডিয়া অফ ফিলোসফি'' (১৮২৭), ডব্লিউ. কফম্যানের ''হেগেল'' (১৯৬৬) গ্রন্থে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ৬৯-৭০)।
* হিউমের ইতিহাসের চমৎকার বিষয়বস্তু এবং শৈলী একে প্রতিটি শিক্ষার্থীর পাঠ্যপুস্তকে পরিণত করেছে। আমি মনে করতে পারি, তরুণ বয়সে কত উৎসাহ নিয়ে আমি এটি পড়েছিলাম; এবং আমার মন থেকে এই বইটির বিষাক্ত প্রভাব দূর করতে কতটা সময়, গবেষণা আর চিন্তার প্রয়োজন হয়েছিল। এটি দুর্ভাগ্যজনক যে তিনি প্রথমে স্টুয়ার্ট রাজবংশের ইতিহাস লিখেছিলেন এবং তাদের অত্যাচারের পক্ষে ওকালতি করেছিলেন। এটিই সেই বই যা ইংরেজ সরকারের মুক্ত নীতিগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং পাঠকদের বিশ্বাস করিয়েছে যে রাজতন্ত্রের অধিকারই আসল; এটি সারা দেশে 'টরিজম' (একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক মতবাদ) ছড়িয়ে দিয়েছে।
** [[টমাস জেফারসন]] থেকে উইলিয়াম ডুয়েন (১২ আগস্ট ১৮১০), টমাস জেফারসনের ''রাইটিংস'' (১৯৮৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ১২২৮-১২২৯)।
* আমার কাছে সব সময় মনে হয়েছে যে, ব্রিটেনের 'উইগ' এবং 'টরি'দের মধ্যে পার্থক্য হলো—উইগরা তাদের অধিকারের উৎস খোঁজে অ্যাংলো-স্যাক্সন উৎস থেকে, আর টরিরা খোঁজে নরম্যান উৎস থেকে। হিউম ছিলেন সেই টরিবাদের মহান প্রচারক। তিনি দাবি করেছিলেন যে স্টুয়ার্টদের রাজত্বকালে জনগণই রাজাকে আক্রমণ করেছিল, রাজা জনগণকে নয়। তিনি আরও বলেছিলেন—'জনগণই সকল ন্যায়সঙ্গত ক্ষমতার উৎস'—এই মহান নীতিটি ইতিহাস এবং অভিজ্ঞতা দ্বারা সমর্থিত নয়। বিজ্ঞানের এই বিপথগামী সন্তান, তার সহমানুষদের সাথে বিশ্বাসঘতকতা করে যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মধ্যে ক্ষমতার উৎস খুঁজে না পান, তবে কি তিনি তা সংখ্যালঘুর মধ্যে খুঁজবেন?
** [[টমাস জেফারসন]] থেকে জন কার্টরাইট (৫ জুন ১৮২৪), টমাস জেফারসনের ''রাইটিংস'' (১৯৮৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ১৪৯১)।
* হিউম দৈবক্রমে একজন টরি, কারণ তিনি স্কটিশ ছিলেন; কিন্তু তিনি কোনো আদর্শের কারণে টরি ছিলেন না, কারণ তাঁর কোনো আদর্শই ছিল না। যদি তিনি কিছু হয়ে থাকেন, তবে তিনি ছিলেন একজন 'হবিস্ট' (টমাস হবসের অনুসারী)।
** [[স্যামুয়েল জনসন]], ''লেটারস অফ ডেভিড হিউম টু উইলিয়াম স্ট্রাহান'' (১৮৮৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত।
* আমি মুক্তকণ্ঠে স্বীকার করি যে, ডেভিড হিউমের স্মৃতিই বহু বছর আগে প্রথম আমার 'মতবাদগত ঘুম' (Dogmatic Slumber) ভাঙিয়ে দিয়েছিল এবং অনুমানমূলক দর্শনের ক্ষেত্রে আমার গবেষণাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক দিকনির্দেশনা দিয়েছিল।
** [[ইমানুয়েল কান্ট]], ''প্রোলেগোমেনা টু এনি ফিউচার মেটাফিজিক্স'' (১৭৮৩), ভূমিকা।
* হিউম ধর্মকে এতটাই ঘৃণা করতেন যে, তিনি স্বাধীনতাকেও ঘৃণা করতেন—কারণ স্বাধীনতা ধর্মের সাথে যুক্ত ছিল। তিনি একজন নিরপেক্ষ বিচারকের ভান করে একজন কুশলী উকিলের মতো স্বৈরাচারের পক্ষে ওকালতি করেছেন।
** [[টমাস বাবিংটন মেকলে]], 'মিলটন', দ্য এডিনবরা রিভিউ (আগস্ট ১৮২৫), ১৮৪৩ সালে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ৩১)।
* হিউমের দর্শন সত্য হোক বা মিথ্যা, এটি ১৮শ শতাব্দীর যুক্তিবাদ বা কাণ্ডজ্ঞানের দেউলিয়া দশা প্রকাশ করে। তিনি লকের মতো অভিজ্ঞতা দিয়ে শুরু করেছিলেন, কিন্তু প্রখর বুদ্ধিমত্তার কারণে তিনি এই ধ্বংসাত্মক সিদ্ধান্তে পৌঁছান যে—অভিজ্ঞতা থেকে শেখার মতো আসলে কিছুই নেই। কোনো কাজই অন্য কাজের চেয়ে বেশি যৌক্তিক হতে পারে না, কারণ সবই অযৌক্তিক বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে চলে। রুশো ছিলেন উন্মাদ কিন্তু প্রভাবশালী; হিউম ছিলেন সুস্থ মস্তিস্কের মানুষ কিন্তু তাঁর কোনো অনুসারী ছিল না।
** [[বার্ট্রান্ড রাসেল]], ''এ হিস্ট্রি অফ ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি'', ৩য় খণ্ড, ১৭শ অধ্যায়: হিউম।
* হিউমের সংশয়বাদের কোনো উত্তর আছে কি না তা খুঁজে বের করা জরুরি। যদি না থাকে, তবে একজন সুস্থ মানুষ আর একজন উন্মাদের মধ্যে কোনো বুদ্ধিবৃত্তিক পার্থক্য থাকে না। যে উন্মাদ নিজেকে একটি 'সেদ্ধ ডিম' মনে করে, তাকে কেবল এই যুক্তিতেই বাতিল করা হবে যে সে সংখ্যায় সংখ্যালঘু অথবা সরকার তার সাথে একমত নয়। এটি একটি ভয়াবহ এবং হতাশাজনক দৃষ্টিভঙ্গি।
** [[বার্ট্রান্ড রাসেল]], ''এ হিস্ট্রি অফ ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি'', ৩য় খণ্ড, ১৭শ অধ্যায়: হিউম।
* হিউমের ন্যায়ের ধারণা মূলত নৈতিক ও রাজনৈতিক গুণাবলির একটি বৃহত্তর ব্যাখ্যার অংশ। হিউম একজন 'দার্শনিক নৃবিজ্ঞানী' (Philosophical Anthropologist) হিসেবে লিখেছেন, কোনো সংস্কারক (Reformer) হিসেবে নয়। তিনি বেনথাম বা মিলের মতো আমাদের নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে সংস্কার করতে চাননি, বরং কেবল তা ব্যাখ্যা করতে চেয়েছিলেন।
** [[অ্যালান রায়ান]], ''জাস্টিস'' (১৯৯৩) গ্রন্থের ভূমিকা।
* হেগেল, হার্বার্ট এবং শ্লেয়ারমাচারের সমগ্র দার্শনিক কাজের চেয়ে ডেভিড হিউমের প্রতিটি পৃষ্ঠা থেকে অনেক বেশি কিছু শেখার আছে।
** [[আর্থার শোপেনহাওয়ার]], ''দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাজ উইল অ্যান্ড আইডিয়া'' (২০১৬), পৃষ্ঠা ৭২১।
* সব মিলিয়ে, তাঁর জীবদ্দশায় এবং মৃত্যুর পর—আমি সব সময় তাঁকে একজন আদর্শ জ্ঞানী ও সচ্চরিত্র মানুষের নিকটতম রূপ হিসেবে বিবেচনা করেছি, মানুষের সীমাবদ্ধতা যতদূর পর্যন্ত অনুমতি দেয়।
** [[অ্যাডাম স্মিথ]] (হিউমের মৃত্যুর পর তাঁর বন্ধু অ্যাডাম স্মিথের করা বিখ্যাত মন্তব্য)।
* আজ আমেরিকার কোনো প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়ে কান্ট—যিনি ঈশ্বর, স্বাধীনতা আর অমরত্ব নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন—কিংবা হিউমের মতো কেউ গ্র্যাজুয়েট স্কুলে এক বছরও টিকতে পারতেন না, ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে নিয়োগ পাওয়া তো দূরের কথা।
** [[টম উলফ]], 'ইন দ্য ল্যান্ড অফ দ্য রোকোকো মার্কসিস্টস', হার্পার্স (জুন ২০০০)।
== বহিঃসংযোগ ==
* [https://www.iep.utm.edu/hume/ ইন্টারনেট এনসাইক্লোপিডিয়া অফ ফিলোসফিতে হিউম]
* [http://cepa.newschool.edu/het/profiles/hume.htm হিউমের প্রোফাইল এবং গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্কসমূহ]
* [http://onlinebooks.library.upenn.edu/webbin/book/search?amode=start&author=Hume%2c%20David অনলাইনে হিউমের ই-টেক্সটসমূহ]
* [http://oll.libertyfund.org/Intros/Hume.php অনলাইন লাইব্রেরি অফ লিবার্টিতে হিউমের ডাউনলোডযোগ্য কাজসমূহ]
* [http://utilitarian.net/hume ডেভিড হিউম: বই, নিবন্ধ এবং বিশ্বকোষের এন্ট্রি সহ লিঙ্কের বিশাল সংগ্রহ]
* [http://www.webcitation.org/query?id=1256456620452337&url=www.geocities.com/Athens/3067/hume/h_index.html হিউম ট্রিব্যুট সাইট]
* [http://humesociety.org হিউম সোসাইটি: একটি আন্তর্জাতিক বুদ্ধিজীবী ও পণ্ডিত সমাজ]
{{clear}}
{{Social and political philosophers}}
{{DEFAULTSORT:হিউম, ডেভিড}}
[[Category:নাস্তিক্যবাদ সক্রিয়কর্মী]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের শিক্ষাবিদ]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের দার্শনিক]]
[[Category:১৭১১-এ জন্ম]]
[[Category:১৭৭৬-এ মৃত্যু]]
[[Category:এডিনবার্গের ব্যক্তি]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের ইতিহাসবিদ]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের অর্থনীতিবিদ]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের প্রবন্ধকার]]
[[Category:উদারপন্থী অর্থনীতিবিদ]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের গ্রন্থাগারিক]]
[[Category:নাস্তিক]]
[[Category:ধর্মের সমালোচক]]
[[Category:সামাজিক সমালোচক]]
[[Category:সংশয়বাদী]]
[[Category:মানিবতাবাদী]]
[[Category:অভিজ্ঞতাবাদী]]
[[Category:আলোকিত যুগ (Enlightenment)]]
[[Category:ধ্রুপদী অর্থনীতিবিদ]]
[[Category:এডিনবার্গা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]]
kw7hqudk6f8cigk0xrivkjudshbr4yv
73980
73979
2026-04-06T04:08:33Z
Oindrojalik Watch
4169
/* ভুলভাবে আরোপিত */ সংশোধন
73980
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:David Hume Ramsay.jpg|thumb|right|250px|ডেভিড হিউম (১৭৬৬)]]
[[w:ডেভিড হিউম|ডেভিড হিউম]] (৭ মে ১৭১১ – ২৫ আগস্ট ১৭৭৬) ছিলেন আঠারো শতকের একজন প্রখ্যাত স্কটিশ দার্শনিক, ইতিহাসবিদ, অর্থনীতিবিদ এবং প্রাবন্ধিক। পাশ্চাত্য দর্শনের ইতিহাসে তাকে অন্যতম প্রভাবশালী অভিজ্ঞতাবাদী ও সংশয়বাদী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। হিউমের মূল দর্শন ছিল এই যে, মানুষের সমস্ত জ্ঞান ও ধারণার একমাত্র উৎস হলো বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ইন্দ্রিয়লব্ধ সংবেদন। হিউম মূলত তাঁর 'কার্যকারণ-তত্ত্ব' এবং নৈতিক দর্শনের সূক্ষ্ম বিশ্লেষণের জন্যই বিশ্বজুড়ে বিশেষভাবে পরিচিত হয়ে আছেন।
== উক্তি ==
[[চিত্র:Painting of David Hume.jpg|থাম্ব|একজন প্রাজ্ঞ মানুষের আসল জগৎ হলো তাঁর নিজের মন। আর তিনি যদি কখনো বাইরের স্বীকৃতির প্রয়োজন বোধ করেন, তবে তিনি কেবল সেই সামান্য কয়েকজন নিরপেক্ষ ও যোগ্য মানুষের বিচারকেই গুরুত্ব দেবেন—যাঁরা সংকীর্ণতামুক্ত হয়ে তাঁর কাজকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে পারেন।]]
* এখানেই আমরা সেই ভ্রান্ত ধারণার অসারতা বুঝতে পারি... যেখানে মনে করা হয় কোনো রাষ্ট্রের উর্বর ভূমি, বিপুল জনসংখ্যা আর উন্নত কৃষি ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও কেবল 'অর্থের' অভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রকৃতপক্ষে, এই আর্থিক স্বল্পতা কোনো রাষ্ট্রকে অভ্যন্তরীণভাবে কখনোই ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে না; কারণ একটি জাতির প্রকৃত শক্তির উৎস হলো — 'তার জনগণ ও সম্পদ'। মানুষের অতি সাধারণ ও মিতব্যয়ী জীবনযাত্রাই বরং জনস্বার্থের অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়, যা সোনা আর রূপা তথা সম্পদকে কেবল মুষ্টিমেয় কিছু হাতে বন্দি করে রাখে এবং এর সার্বজনীন সঞ্চালনকে স্তব্ধ করে দেয়। পক্ষান্তরে, শিল্পায়ন এবং নানাবিধ আধুনিক রুচিবোধ সেই অর্থকে গোটা রাষ্ট্রের অঙ্গে বিলীন করে দেয়, তার পরিমাণ যত সামান্যই হোক না কেন; এটি যেন রাষ্ট্রের প্রতিটি শিরা-উপশিরায় মিশে যায় এবং প্রতিটি বিনিময়-চুক্তিতে প্রাণ সঞ্চার করে।
** 'অফ মানি' (১৭৫২); ইউজিন রোটউইন সম্পাদিত ''''ডেভিড হিউম: রাইটিংস অন ইকোনমিকস''''-এ উদ্ধৃত (১৯৫৫, ১৯৭০), [https://archive.org/details/writingsoneconom0000hume/page/45/mode/1up পৃষ্ঠা ৪৫।]
* '''একজন প্রাজ্ঞ মানুষের প্রকৃত সাম্রাজ্য হলো তাঁর নিজের অন্তঃকরণ; আর তিনি যদি কখনো বাইরের স্বীকৃতির প্রয়োজন বোধ করেন, তবে তিনি কেবল সেই সামান্য কয়েকজন নিরপেক্ষ ও যোগ্য মানুষের বিচারকেই গুরুত্ব দেবেন—যাঁরা সংকীর্ণতামুক্ত হয়ে তাঁর কাজকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করার ক্ষমতা রাখেন।''' প্রকৃতপক্ষে, সাধারণ মানুষের অতি প্রশংসার চেয়ে কোনো তথ্যের অসত্য হওয়ার বড় প্রমাণ আর কিছু হতে পারে না; আপনি তো জানেনই, ফোকিয়ন যখনই জনসভার করতালি শুনতেন, তখনই শঙ্কিত হতেন এই ভেবে যে—তিনি নিশ্চয়ই বড় কোনো ভুল করে ফেলেছেন!
** "দ্য থিওরি অফ মোরাল সেন্টিমেন্টস"-এর ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ার প্রেক্ষিতে অ্যাডাম স্মিথকে লেখা একটি পরিহাসপূর্ণ পত্র।
* একজন কাণ্ডজ্ঞানসম্পন্ন মানুষ কি ভূত-প্রেত বা রূপকথার আষাঢ়ে গল্পের পেছনে হন্যে হয়ে ছোটে এবং সেগুলোর সত্যতা খুব গুরুত্বের সাথে যাচাই করতে বসে? আমার অভিজ্ঞতায় আজ অবধি এমন কাউকে দেখিনি, যে আজেবাজে বা অর্থহীন বিষয় নিয়ে দীর্ঘক্ষণ বিচার-বিশ্লেষণ করার পর তদন্তের শেষ প্রান্তে এসে নিজেই সেই প্রলাপে বিশ্বাস স্থাপন করেনি।
** ''লেটারস'' (পত্রাবলি)।
* মহাবিশ্বের কাছে একজন মানুষের জীবনের গুরুত্ব একটি নগণ্য ঝিনুকের চেয়ে বেশি কিছু নয়।
** ''অন সুইসাইড'' (আত্মহত্যা প্রসঙ্গে)।
* সেই সব নির্বোধদের প্রশংসা বা সম্মানের প্রতি আমার তীব্র ঘৃণা রয়েছে যারা নিজেদের 'জনসাধারণ' বলে পরিচয় দেয়; যাদেরকে একজন বই বিক্রেতা, কোনো লর্ড, পুরোহিত কিংবা কোনো রাজনৈতিক দল চাইলেই নিজের ইচ্ছেমতো পরিচালনা করতে পারে।
** গিলবার্ট এলিয়ট অফ মিন্টোকে লেখা পত্র ১৩৮; ৯ আগস্ট, ১৭৫৭।
* '''স্বর্গ এবং নরকের ধারণা যেন মানুষকে ভালো আর মন্দ—এই দুই স্বতন্ত্র শ্রেণিতে বিভক্ত করে ফেলে; কিন্তু মানবজাতির সিংহভাগই আসলে পুণ্য আর পাপের মাঝখানে কোনো এক অনিশ্চিত স্থানে ভাসছে।''' -- কেউ যদি সৎ মানুষকে ভালো নৈশভোজ করানো আর পাপাচারীকে উত্তম-মধ্যম প্রহার করার সংকল্প নিয়ে বিশ্ব ভ্রমণে বের হয়, তবে সে নিজের পছন্দ নিয়ে বারবার বিপাকে পড়বে; কারণ অধিকাংশ নর-নারীর গুণ বা দোষের পাল্লা এতটাই হালকা যে তা কোনোটিরই যোগ্য নয়।
** ''এসে অন দ্য ইমর্টালিটি অফ দ্য সোল'' (আত্মার অমরত্ব বিষয়ক প্রবন্ধ)।
* 'অফ দ্য প্রোটেস্ট্যান্ট সাকসেশন' প্রবন্ধের উপসংহার আমাকে একজন 'হুইগ' হিসেবে প্রকাশ করে, তবে আমি একজন চরম সংশয়বাদী হুইগ।
** হেনরি হোমকে লেখা পত্র (৯ ফেব্রুয়ারি ১৭৪৮); জে. ওয়াই. টি. গ্রেইগ সম্পাদিত ''দ্য লেটারস অফ ডেভিড হিউম: ভলিউম ১'' (অক্সফোর্ড: ক্ল্যারেন্ডন প্রেস, ১৯৩২), পৃষ্ঠা ১১১।
* রাজনীতি এবং রাজপুত্র বা মহৎ ব্যক্তিদের চরিত্রের ব্যাপারে আমি মনে করি আমি অত্যন্ত মডারেট বা ভারসাম্যপূর্ণ। জাগতিক 'বিষয়বস্তু'র (Things) ক্ষেত্রে আমার দৃষ্টিভঙ্গি হুইগ (Whig) আদর্শের অনুসারী; কিন্তু 'ব্যক্তি'র (Persons) বর্ণনায় আমি টোরি (Tory) ঘরানার পক্ষপাতকে ধারণ করি। মানুষ যে আদর্শের চেয়ে ব্যক্তির ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়, তার বড় প্রমাণ হলো আমাকে সাধারণত টোরিদের দলেই গণ্য করা হয়।
** ই. সি. মসনার, ''লাইফ অফ ডেভিড হিউম'' (ক্ল্যারেন্ডন প্রেস, ২০০১), পৃষ্ঠা ৩১১।
* আমি ভেবেছিলাম আমিই একমাত্র ইতিহাসবিদ যে সমসাময়িক ক্ষমতা, স্বার্থ, কর্তৃত্ব এবং গণমানুষের কুসংস্কারের তোয়াক্কা না করে ইতিহাস লিখেছি; তাই যেহেতু বিষয়টি সবার বোধগম্য ছিল, আমি সেই অনুপাতে প্রশংসাও আশা করেছিলাম। কিন্তু আমার সেই আশা চরম হতাশায় পর্যবসিত হলো: আমি চারপাশ থেকে কেবল তিরস্কার, অসম্মতি এবং ঘৃণার শিকার হলাম; ইংরেজ, স্কটিশ, আইরিশ—হুইগ থেকে টোরি, গির্জার যাজক থেকে শুরু করে মুক্তচিন্তক আর ধর্মতাত্ত্বিক, দেশপ্রেমিক থেকে রাজদরবারের পারিষদ—সবাই সেই লোকটির ওপর ক্ষোভে ফেটে পড়ল, যে প্রথমবার প্রথম চার্লস এবং আর্ল অফ স্ট্র্যাফোর্ডের পরিণতির জন্য এক ফোঁটা সহানুভূতি প্রকাশের সাহস দেখিয়েছিল।
** 'মাই ওন লাইফ' (১৭৭৬); ইউজিন মিলার সম্পাদিত ডেভিড হিউমের ''এসেস: মোরাল, পলিটিক্যাল, অ্যান্ড লিটারারি (১৭৪১–১৭৭৭)'' (১৯৮৫), পৃষ্ঠা ৩৭।
* '''আমি এমন একজন মানুষ যে শত্রুতা উসকে দেওয়ার মতো সব ধরণের বিষয়ে লিখেছি—তা সে নৈতিক, রাজনৈতিক কিংবা ধর্মীয় যাই হোক না কেন; তবুও আমার কোনো শত্রু নেই—অবশ্যই সমস্ত হুইগ (Whigs), সমস্ত টোরি (Tories) এবং সমস্ত খ্রিষ্টান ছাড়া।'''
** মৃত্যুর কিছুদিন আগে একজন বন্ধুর কাছে দেওয়া বক্তব্য; লর্ড হেনরি ব্রোঘাম-এর ''মেন অফ লেটারস''-এ বর্ণিত।
* আলকোরানের (কুরআন) অনুসারীরা এর ভেতরে ছড়িয়ে থাকা চমৎকার সব নৈতিক উপদেশের প্রশংসা করেন। কিন্তু ধারণা করা হয় যে, আরবি ভাষায় সাম্য, ন্যায়বিচার, মিতব্যয়িতা বা দয়া বোঝাতে যে শব্দগুলো ব্যবহৃত হয়েছে, সেগুলো ভাষার দীর্ঘ ব্যবহারের কারণে সবসময়ই ইতিবাচক অর্থেই গৃহীত হয়। তাই এগুলোকে প্রশংসা বা সাধুবাদ ছাড়া অন্য কোনো বিশেষণে ভূষিত করা নৈতিকতার অভাব নয়, বরং ভাষার অজ্ঞতা হিসেবেই গণ্য হবে।
** ডেভিড হিউম, ''অফ দ্য স্ট্যান্ডার্ড অফ টেস্ট'' (১৭৬০)।
* '''যারা দর্শন বা বিজ্ঞানের জগতে নতুন কিছু আবিষ্কারের দাবি করেন, তাদের জন্য নিজেদের পূর্বসূরিদের ব্যবস্থার সমালোচনা করে নিজেদের মতবাদের প্রশংসা করা অত্যন্ত সাধারণ এবং স্বাভাবিক একটি বিষয়।''' প্রকৃতপক্ষে, মানবীয় যুক্তির দরবারে আসা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে আমাদের অজ্ঞতার জন্য যদি তাঁরা কেবল আক্ষেপ করতেন, তবে বিজ্ঞান সচেতন খুব কম মানুষই তাঁদের সাথে দ্বিমত পোষণ করতেন। একজন প্রাজ্ঞ ও শিক্ষিত মানুষের পক্ষে সেই সব ব্যবস্থার দুর্বল ভিত্তিগুলো খুঁজে বের করা খুবই সহজ, যেগুলো একসময় অত্যন্ত নির্ভুল এবং গভীর যুক্তি হিসেবে সমাদৃত ছিল। '''অন্ধভাবে গ্রহণ করা মূলনীতি, সেগুলো থেকে দুর্বলভাবে টেনে আনা সিদ্ধান্ত, উপাদানের মধ্যে সামঞ্জস্যের অভাব এবং সামগ্রিকভাবে প্রমাণের অনুপস্থিতি—বিখ্যাত সব দার্শনিকদের তত্ত্বে এগুলো সবখানেই দেখা যায়; যা খোদ দর্শন শাস্ত্রকেই যেন কলঙ্কিত করেছে।'''
** ভূমিকা।
* সুতরাং, আমাদের এই বিজ্ঞানের পরীক্ষাগুলো সংগ্রহ করতে হবে মানবজীবনের সতর্ক পর্যবেক্ষণ থেকে; জগত যে স্বাভাবিক নিয়মে চলে—মানুষের আচরণ, তাদের কাজকর্ম এবং বিনোদনের মাঝে সেগুলোকে খুঁজে নিতে হবে। যেখানে এই ধরণের পরীক্ষাগুলো বিচারবুদ্ধি দিয়ে সংগ্রহ ও তুলনা করা হয়, সেখানে আমরা এমন একটি বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠার আশা করতে পারি যা নিশ্চিতের দিক থেকে কোনো অংশে কম নয় এবং উপযোগিতার দিক থেকে মানুষের বোধগম্য অন্য যেকোনো কিছুর চেয়ে অনেক উন্নত।
** ভূমিকা।
==== ১ম খণ্ড: বোধশক্তি প্রসঙ্গে (Of the understanding) ====
* যেহেতু আমরা সেই সবকিছুকেই '''অভ্যাস''' (Custom) বলি যা কোনো নতুন যুক্তি বা সিদ্ধান্ত ছাড়াই অতীত পুনরাবৃত্তি থেকে উদ্ভূত হয়; তাই আমরা এটি একটি ধ্রুব সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারি যে—বর্তমান কোনো ছাপ (Impression) থেকে তৈরি হওয়া আমাদের প্রতিটি বিশ্বাসই কেবল সেই উৎস (অভ্যাস) থেকে উদ্ভূত।
** ৩য় অংশ, ৮ম পরিচ্ছেদ।
* কোনো বস্তুর নিজের ভেতরে এমন কিছুই নেই যা আমাদের সেই বস্তুর সীমানা ছাড়িয়ে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সাহায্য করতে পারে; [...] এমনকি কোনো বস্তুর বারবার বা নিরন্তর সংযোগ পর্যবেক্ষণের পরেও, অভিজ্ঞতার বাইরের কোনো বস্তু সম্পর্কে কোনো অনুমান করার মতো যৌক্তিক কারণ আমাদের কাছে নেই।
** ৩য় অংশ, ১২শ পরিচ্ছেদ।
* একটি স্পষ্ট সত্যকে অস্বীকার করা যেমন হাস্যাস্পদ, তেমনি হাস্যাস্পদ হলো তাকে রক্ষা করার জন্য মাত্রাতিরিক্ত পরিশ্রম করা; আর আমার কাছে এর চেয়ে স্পষ্ট সত্য আর কিছু নেই যে—মানুষের মতো পশুরাও চিন্তা ও যুক্তিবোধের অধিকারী। এই ক্ষেত্রে যুক্তিগুলো এতটাই প্রতীয়মান যে তা অত্যন্ত স্থূল এবং অজ্ঞ মানুষের নজরও এড়ায় না।
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* পশুপাখির বাহ্যিক আচরণের সাথে আমাদের নিজেদের আচরণের যে সাদৃশ্য রয়েছে, তা থেকেই আমরা বিচার করি যে তাদের অভ্যন্তরীণ জগতও আমাদের মতোই; এবং যুক্তির এই একই নীতিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেলে আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাব যে—যেহেতু আমাদের অভ্যন্তরীণ ক্রিয়াগুলো পরস্পর সদৃশ, তাই সেগুলো যে উৎস থেকে এসেছে, সেই কারণগুলোও অবশ্যই সদৃশ হবে।
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* মানুষ তাদের নিজেদের যুক্তির ক্রিয়া দেখে বিস্মিত হয় না, অথচ পশুপাখির '''সহজাত প্রবৃত্তি''' (Instinct) দেখে বিস্ময় প্রকাশ করে এবং এটি ব্যাখ্যা করতে হিমশিম খায়; কেবল এই কারণে যে একে সেই একই মূলনীতিতে ফেলা যায় না। [...] '''প্রকৃতপক্ষে যুক্তি আমাদের আত্মার ভেতরে এক বিস্ময়কর এবং অবোধ্য সহজাত প্রবৃত্তি ছাড়া আর কিছুই নয়।'''
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* অভ্যাস থেকে যা কিছু সৃষ্টি হতে পারে, প্রকৃতি অবশ্যই তা উৎপাদন করতে পারে: প্রকৃতপক্ষে, অভ্যাস প্রকৃতিরই অন্যতম মূলনীতি এবং এটি তার সমস্ত শক্তি সেই উৎস থেকেই লাভ করে।
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* এভাবে সমস্ত জ্ঞান শেষ পর্যন্ত 'সম্ভাব্যতা'তে (Probability) পর্যবসিত হয়; এবং এই সম্ভাব্যতা আমাদের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে কম বা বেশি হতে পারে।
** ৪র্থ অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ।
* বর্তমানে দার্শনিকদের অবস্থা অত্যন্ত করুণ বলে মনে হচ্ছে; সিজিফাস (Sisyphus) এবং ট্যান্টালাস (Tantalus)-এর শাস্তির বর্ণনায় কবিরা আমাদের যে ধারণা দিয়েছেন, তা বাস্তব যন্ত্রণার তুলনায় সামান্য। কারণ এর চেয়ে যন্ত্রণাদায়ক আর কী হতে পারে যে—ব্যকুল হয়ে এমন কিছুকে খোঁজা যা চিরকাল আমাদের ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়; এবং এমন এক জায়গায় তাকে খোঁজা যেখানে তার অস্তিত্ব থাকা অসম্ভব?
** ৪র্থ অংশ, ৩য় পরিচ্ছেদ।
* আমি যখন সবচেয়ে নিবিড়ভাবে নিজেকে 'আমি' বলে অনুসন্ধান করি, তখন আমি সবসময়ই তাপ বা শৈত্য, আলো বা ছায়া, প্রেম বা ঘৃণা, দুঃখ বা সুখের মতো কোনো না কোনো বিশেষ উপলব্ধির (Perception) ওপর আছাড় খেয়ে পড়ি। আমি কখনোই কোনো উপলব্ধি ছাড়া 'নিজেকে' ধরতে পারি না, এবং উপলব্ধি ছাড়া আর কিছুই পর্যবেক্ষণ করতে পারি না। যখন কিছু সময়ের জন্য আমার উপলব্ধিগুলো অপসারিত হয় (যেমন গভীর ঘুমে), ততক্ষণ আমি নিজের সম্পর্কে অচেতন থাকি এবং সত্যই বলা যেতে পারে যে তখন আমার কোনো অস্তিত্ব নেই। আর যদি মৃত্যুর মাধ্যমে আমার সব উপলব্ধি চিরতরে মুছে যায়—তবে আমি সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে যাব। যদি কেউ নিরপেক্ষ চিন্তার পর মনে করেন যে তাঁর 'নিজের' সম্পর্কে ভিন্ন কোনো ধারণা আছে, তবে আমি স্বীকার করছি যে তাঁর সাথে আমি আর তর্কে যেতে পারছি না। তিনি হয়তো নিজের ভেতর সরল এবং অবিচ্ছিন্ন কিছু অনুভব করেন যাকে তিনি 'নিজে' বা 'স্বয়ং' বলেন; কিন্তু আমি নিশ্চিত যে আমার ভেতর এমন কোনো মূলনীতি নেই... তবে এই ধরণের কিছু অধিবিদ্যক ব্যক্তিদের বাদ দিলে, আমি বাকি মানবজাতি সম্পর্কে জোর দিয়ে বলতে পারি যে—তারা অসংখ্য উপলব্ধির একটি সমষ্টি বা সংগ্রহ (Bundle of perceptions) ছাড়া আর কিছুই নয়, যা অচিন্তনীয় দ্রুততায় একে অপরকে অনুসরণ করে এবং এক নিরন্তর প্রবাহ ও গতির মধ্যে থাকে।
** ৪র্থ অংশ, ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ।
* '''আমার নিজেকে এমন একজন মানুষের মতো মনে হয়, যে বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে এবং এক ছোট প্রণালী পার হতে গিয়ে অল্পের জন্য জাহাজডুবি থেকে রক্ষা পেয়েছে; তবুও তার ধৃষ্টতা এতটাই যে সে সেই একই জীর্ণ, লোনা ধরা জাহাজে করে সমুদ্রে পাড়ি দিতে চায় এবং এমনকি এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বিশ্ব ভ্রমণের উচ্চাকাঙ্ক্ষা পোষণ করে।'''
** ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ।
* আমার দর্শনে আমি নিজেকে যে জনশূন্য একাকীত্বের মধ্যে আবিষ্কার করি, তা দেখে আমি প্রথমে আতঙ্কিত এবং বিভ্রান্ত হই; নিজেকে এক অদ্ভুত বিদঘুটে দানব মনে হয়, যে সমাজে মিশতে অক্ষম হয়ে মানুষের সান্নিধ্য থেকে বিতাড়িত এবং পরিত্যক্ত ও শোচনীয় অবস্থায় পড়ে আছে। '''ইচ্ছে হয় আশ্রয় আর উষ্ণতার জন্য ভিড়ের মধ্যে ছুটে যাই; কিন্তু সেই কদর্যতার সাথে নিজেকে মেশাতে পারি না। আমি অন্যদের ডাকি আমার সাথে যোগ দিতে যাতে আমরা আলাদা একটি সঙ্গ গড়ে তুলতে পারি; কিন্তু কেউ আমার কথা শোনে না। সবাই দূরে থাকে এবং সেই ঝড়কে ভয় পায় যা আমার ওপর চারপাশ থেকে আঘাত হানছে। আমি সমস্ত অধিবিদ্যক, যুক্তিবিদ, গণিতবিদ এমনকি ধর্মতাত্ত্বিকদের শত্রুতার মুখে নিজেকে সঁপে দিয়েছি; তবে আমার ওপর যে অপমান নেমে আসবে তাতে কি আমি অবাক হতে পারি?''' আমি তাদের ব্যবস্থার প্রতি আমার অসম্মতি প্রকাশ করেছি; তবে তারা যদি আমার এবং আমার মতবাদের প্রতি ঘৃণা পোষণ করে তবে কি আমি বিস্মিত হতে পারি? আমি যখন বাইরের দিকে তাকাই, আমি সবদিকে কেবল বিতর্ক, বিরোধিতা, ক্রোধ আর কুৎসা দেখি। যখন আমি নিজের ভেতরে তাকাই, আমি কেবল সন্দেহ আর অজ্ঞতা ছাড়া আর কিছুই খুঁজে পাই না। সারা বিশ্ব আমার বিরোধিতা করার জন্য ষড়যন্ত্র করছে; যদিও আমার দুর্বলতা এমনই যে অপরের সমর্থন ছাড়া আমার নিজের মতামতগুলোই আলগা হয়ে ঝরে পড়ে। আমার নেওয়া প্রতিটি পদক্ষেপ দ্বিধাগ্রস্ত, আর প্রতিটি নতুন চিন্তা আমাকে ভুলের আশঙ্কায় ভীত করে তোলে।
** ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ।
* '''কেননা এত সাহস নিয়ে আমি কীভাবে এগোব, যখন নিজের অসংখ্য দুর্বলতা ছাড়াও আমি মানুষের সহজাত সাধারণ দুর্বলতাগুলোও নিজের ভেতর খুঁজে পাই? আমি কি নিশ্চিত হতে পারি যে প্রতিষ্ঠিত সমস্ত মতামত ত্যাগ করে আমি সত্যকেই অনুসরণ করছি? আর কিসের ভিত্তিতেই বা আমি সত্যকে চিনব, যদি ভাগ্য শেষ পর্যন্ত আমাকে তাঁর পায়ের ছাপে পৌঁছেও দেয়?''' আমার সবচেয়ে নির্ভুল যুক্তির পরেও আমি কেন তা মেনে নেব—তার কোনো কারণ খুঁজে পাই না; আমি কেবল সেই দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি এক তীব্র টান অনুভব করি যার অধীনে বস্তুগুলো আমার কাছে প্রকাশিত হয়। স্মৃতি, ইন্দ্রিয় এবং বোধশক্তি—এই সবকিছুই তাই শেষ পর্যন্ত কল্পনা (Imagination) বা আমাদের ধারণার প্রাণবন্ততার ওপর ভিত্তি করেই দাঁড়িয়ে আছে।
** ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ।
== ''এ ট্রিটিজ অফ হিউম্যান নেচার'' (১৭৩৯-৪০): ২য় ও ৩য় খণ্ড ==
* কার্যকারণের সাধারণ সংযোগের অন্তরালে যে মূলনীতিটি তাদের বেঁধে রেখেছে, সে সম্পর্কে আমরা সাধারণ ঘটনায় যতটা অজ্ঞ, অসাধারণ কোনো ঘটনায় ঠিক ততটাই অজ্ঞ; কিন্তু দৈনন্দিন জীবনে আমরা এই ঘাটতি বুঝতে পারি না। এটি আসলে কল্পনার একটি বিভ্রম ছাড়া আর কিছুই নয়। কল্পনার এই উড্ডয়ন দর্শনের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং দার্শনিকদের অধিকাংশ ভুলের মূল কারণ। উজ্জ্বল কল্পনাশক্তির অধিকারীদের সেই দেবদূতদের সাথে তুলনা করা যেতে পারে, যারা নিজেদের ডানা দিয়ে নিজেদের চোখ ঢেকে রাখে।
** ১ম খণ্ড: বোধশক্তি প্রসঙ্গে, ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ২৬৭-২৬৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''সাধারণভাবে বলতে গেলে, ধর্মের ভুলগুলো বিপজ্জনক; আর দর্শনের ভুলগুলো কেবল হাস্যকর।'''
** ১ম খণ্ড: বোধশক্তি প্রসঙ্গে, ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ২৭২, লিবার্টি ফান্ড)।
==== ২য় খণ্ড: আবেগ বা প্রবৃত্তি প্রসঙ্গে ====
* দুঃখ আর হতাশা থেকে জন্ম নেয় ক্রোধ, ক্রোধ থেকে ঈর্ষা, ঈর্ষা থেকে বিদ্বেষ, আর সেই বিদ্বেষ থেকে পুনরায় দুঃখ—এভাবেই চক্রটি পূর্ণতা পায়।
** ১ম অংশ, ৪র্থ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ২৮৩, লিবার্টি ফান্ড)।
* মানবপ্রকৃতির কোনো গুণই সহমর্মিতার মতো এত বেশি লক্ষণীয় নয়; যার মাধ্যমে আমরা অন্যের রুচি আর অনুভূতি গ্রহণ করি, এমনকি সেগুলো আমাদের নিজস্ব মতের বিরোধী হলেও। আমরা লক্ষ্য করি যে, একই জাতির মানুষের চিন্তা আর মেজাজের মধ্যে এক অদ্ভুত সামঞ্জস্য থাকে; আর এই সাদৃশ্য মাটি বা জলবায়ুর চেয়ে সহমর্মিতার কারণেই বেশি ঘটে। একজন অমায়িক মানুষ মুহূর্তের মধ্যেই তাঁর সঙ্গীদের মেজাজে মিশে যান; এমনকি সবচেয়ে অহংকারী ব্যক্তিও তাঁর পরিচিতদের প্রভাবে প্রভাবিত হন।
** ১ম অংশ, ১১শ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৩১৬-৩১৭, লিবার্টি ফান্ড)।
* হাঁস, তুরস্কের মুরগি কিংবা ময়ূরের চলন-বলন দেখলেই বোঝা যায় তারা নিজেদের সম্পর্কে কত উঁচু ধারণা পোষণ করে এবং অন্যদের কতটা অবজ্ঞা করে। পুরুষ নাইটিঙ্গেল পাখির গান গাওয়ার প্রতিযোগিতা আর এই ধরণের আরও অনেক প্রমাণ থেকে এটি স্পষ্ট যে—অহংকার আর বিনয় কেবল মানুষের আবেগ নয়, বরং তা সমগ্র প্রাণীজগতে বিস্তৃত।
** ১ম অংশ, ১২শ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৩২৬, লিবার্টি ফান্ড)।
* পশুদের ক্ষেত্রেও সহমর্মিতা বা আবেগের আদান-প্রদান মানুষের মতোই ঘটে। ভয়, ক্রোধ, সাহস—সবই এক পশু থেকে অন্য পশুতে সঞ্চারিত হয়। লক্ষ্যণীয় যে, সিংহ, বাঘ বা বিড়াল খেলার ছলে যখন আক্রমণ করে, তখন তারা নখর বা দাঁত ব্যবহার করলেও সঙ্গীকে আঘাত করা থেকে সতর্কভাবে বিরত থাকে; যা প্রমাণ করে যে ইতর প্রাণীদেরও একে অপরের ব্যথা আর আনন্দের বোধ রয়েছে।
** ২য় অংশ, ১২শ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৩৯৭-৩৯৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* দার্শনিক বিতর্কে কোনো হাইপোথিসিস বা মতবাদকে ধর্ম ও নৈতিকতার জন্য 'বিপজ্জনক' বলে প্রমাণ করার মাধ্যমে তা নাকচ করে দেওয়া—সবচেয়ে প্রচলিত অথচ সবচেয়ে নিন্দনীয় একটি পদ্ধতি। কোনো মতবাদ যদি অযৌক্তিকতার দিকে নিয়ে যায়, তবেই তা মিথ্যে হতে পারে; কিন্তু তার ফলাফল বিপজ্জনক বলেই যে তা মিথ্যে হবে—এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।
** ৩য় অংশ, ২য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪০৯, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''যখন আমরা আবেগ আর যুক্তির লড়াই নিয়ে কথা বলি, তখন আমরা দার্শনিক এবং পারিভাষিক দিক থেকে সঠিক কথা বলি না। যুক্তি হলো আবেগের দাস, এবং এর একমাত্র কাজ হলো আবেগের সেবা ও আনুগত্য করা।'''
** ৩য় অংশ, ৩য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪১৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* আমার আঙুলের সামান্য আঁচড় রোধ করার চেয়ে পুরো পৃথিবীর ধ্বংসকে অগ্রাধিকার দেওয়া যুক্তিবিরোধী কিছু নয়। আমার সামান্যতম অস্বস্তি এড়াতে একজন সম্পূর্ণ অচেনা মানুষের বা কোনো দূর দেশের বাসিন্দার চূড়ান্ত ধ্বংস বেছে নেওয়াও যুক্তিবিরোধী নয়। এমনকি আমার বড় কোনো কল্যাণের চেয়ে ছোট কোনো কল্যাণকে বেশি গুরুত্ব দেওয়াও অযৌক্তিক নয়। সংক্ষেপে বলতে গেলে, একটি আবেগ বা প্রবৃত্তিকে কেবল তখনই অযৌক্তিক বলা যেতে পারে যখন তা কোনো ভুল বিচারবুদ্ধি বা মিথ্যে ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়।
** ৩য় অংশ, ৩য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪১৬, লিবার্টি ফান্ড)।
==== ৩য় খণ্ড: নৈতিকতা প্রসঙ্গে ====
* সূক্ষ্ম এবং জটিল যুক্তির একটি অসুবিধা হলো—এটি প্রতিপক্ষকে স্তব্ধ করতে পারে কিন্তু সব সময় আশ্বস্ত করতে পারে না। পড়ার ঘর থেকে বেরিয়ে যখন আমরা দৈনন্দিন জীবনের কাজে যুক্ত হই, তখন সেই সূক্ষ্ম যুক্তিগুলো রাতের অন্ধকারের মতো মিলিয়ে যায় এবং আমরা যে সিদ্ধান্তগুলো অনেক কষ্টে অর্জন করেছিলাম, সেগুলো ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।
** ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৫৫, লিবার্টি ফান্ড)।
== ''এ ট্রিটিজ অফ হিউম্যান নেচার'' ও ''এ্যান এনকোয়ারি'' (১৭৩৯-১৭৪৮) ==
* '''নৈতিকতা এমন একটি বিষয় যা অন্য সবকিছুর চেয়ে আমাদের বেশি আলোড়িত করে: আমরা মনে করি সমাজ ও রাষ্ট্রের শান্তি এর প্রতিটি সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে; আর এই গুরুত্বই আমাদের অনুসন্ধানকে অন্য যেকোনো বিষয়ের চেয়ে বেশি বাস্তব ও দৃঢ় করে তোলে।''' এই সুবিধাটুকু না থাকলে আমি কখনোই এই ধরণের দুর্ভেদ্য দর্শনের তৃতীয় খণ্ডটি লেখার দুঃসাহস দেখাতাম না—বিশেষ করে এমন এক যুগে, যেখানে অধিকাংশ মানুষ পড়াকে কেবল বিনোদন হিসেবে গ্রহণ করেছে এবং যা কিছু বোঝার জন্য গভীর মনোযোগ প্রয়োজন, তাকেই প্রত্যাখ্যান করতে শিখেছে।
** ''এ ট্রিটিজ অফ হিউম্যান নেচার'', ৩য় খণ্ড: নৈতিকতা প্রসঙ্গে, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৫৫-৪৫৬, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''নীতিবোধ আমাদের আবেগ জাগিয়ে তোলে এবং কোনো কাজ করতে বা তা থেকে বিরত থাকতে উদ্বুদ্ধ করে। যুক্তি এই বিশেষ ক্ষেত্রে একেবারেই অক্ষম। সুতরাং, নৈতিকতার নিয়মগুলো আমাদের যুক্তির কোনো সিদ্ধান্ত নয়।'''
** ৩য় খণ্ড, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৫৭, লিবার্টি ফান্ড)।
* কোনো কাজ প্রশংসনীয় বা নিন্দনীয় হতে পারে; কিন্তু তা 'যুক্তিসঙ্গত' বা 'অযৌক্তিক' হতে পারে না। প্রশংসা আর নিন্দা যুক্তির সীমানার বাইরের বিষয়। যুক্তি অলস ও নিষ্ক্রিয়, এটি কখনোই বিবেকের মতো সক্রিয় নীতির উৎস হতে পারে না।
** ৩য় খণ্ড, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৫৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* যেকোনো জঘন্য কাজকে লক্ষ্য করুন—ধরুন একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। একে সব দিক থেকে পরীক্ষা করে দেখুন, সেখানে কি বাস্তব কোনো অস্তিত্ব বা তথ্য পাবেন যাকে আপনি 'পাপ' (Vice) বলতে পারেন? সেখানে আপনি কেবল কিছু আবেগ, উদ্দেশ্য, ইচ্ছা আর চিন্তা খুঁজে পাবেন। পাপ বিষয়টি বস্তু বা ঘটনার মধ্যে থাকে না; যতক্ষণ আপনি বাইরের ঘটনার দিকে তাকাবেন, পাপ আপনার নাগালের বাইরে থাকবে। এটি কেবল তখনই খুঁজে পাবেন যখন আপনি আপনার দৃষ্টি নিজের অন্তরের দিকে ফেরাবেন এবং সেই কাজের প্রতি নিজের ভেতর একটি ঘৃণার অনুভূতি লক্ষ্য করবেন। সুতরাং, গুণ এবং পাপ অনেকটা শব্দ, বর্ণ, তাপ বা শৈত্যের মতো; যা বস্তুর নিজস্ব কোনো গুণ নয়, বরং মনের ভেতরের এক একটি অনুভূতি বা উপলব্ধি মাত্র।
** ৩য় খণ্ড, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৬৮-৪৬৯, লিবার্টি ফান্ড)।
* আমি একটি পর্যবেক্ষণ যোগ না করে পারছি না যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি এ পর্যন্ত যত নৈতিক ব্যবস্থা দেখেছি, সেখানে লক্ষ্য করেছি যে লেখক প্রথমে সাধারণ যুক্তিতে কথা বলেন—ঈশ্বরের অস্তিত্ব বা মানুষের স্বভাব নিয়ে আলোচনা করেন; কিন্তু হঠাৎ আমি অবাক হয়ে দেখি যে, সেখানে 'হয়' (Is) বা 'নয়' (Is Not) জাতীয় বাক্যের পরিবর্তে এমন কোনো বাক্য নেই যা 'উচিত' (Ought) বা 'উচিত নয়' (Ought Not)-এর সাথে যুক্ত নয়। এই পরিবর্তনটি অলক্ষ্যেই ঘটে যায়, কিন্তু এর ফলাফল সুদূরপ্রসারী। কেননা এই 'উচিত' বা 'উচিত নয়' একটি নতুন সম্পর্ক প্রকাশ করে, যা আগের বর্ণনামূলক তথ্য থেকে কীভাবে বিবর্তিত হলো—তা ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন। লেখকের এই অসাবধানতা পাঠককে খেয়াল করার অনুরোধ জানাব; কারণ এই সামান্য সতর্কতাটুকু প্রচলিত সমস্ত নৈতিক ব্যবস্থাকে ধূলিসাৎ করে দিতে যথেষ্ট।
** ৩য় খণ্ড, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৬৯-৪৭০, লিবার্টি ফান্ড)।
* ন্যায় এবং অন্যায়ের বোধ প্রকৃতি থেকে উদ্ভূত হয়নি, বরং এটি কৃত্রিমভাবে... শিক্ষা এবং মানবিক প্রথা (Convention) থেকে তৈরি হয়েছে।
** ৩য় খণ্ড, ২য় অংশ, ১৭শ পরিচ্ছেদ।
* মানুষের স্বার্থপরতা, সীমিত উদারতা এবং তাদের চাহিদার তুলনায় প্রকৃতির কৃপণতার কারণেই মূলত 'ন্যায়বিচার' (Justice)-এর উৎপত্তি হয়েছে।
** ৩য় খণ্ড, ২য় অংশ, ২য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৯৪-৪৯৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* নিজের এবং নিকটজনদের জন্য সম্পদ ও প্রতিপত্তি অর্জনের এই যে লালসা—এটি অতৃপ্ত, চিরন্তন, সর্বজনীন এবং সরাসরি সমাজের জন্য ধ্বংসাত্মক।
** ৩য় খণ্ড, ২য় অংশ, ২য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৯১-৪৯২, লিবার্টি ফান্ড)।
=== ''এ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং হিউম্যান আন্ডারস্ট্যান্ডিং'' (১৭৪৮) ===
* '''প্রকৃতপক্ষে, অভ্যাসই হলো মানবজীবনের প্রধান নির্দেশক।''' এটিই একমাত্র নীতি যা আমাদের অভিজ্ঞতাকে কার্যকর করে তোলে এবং অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে প্রত্যাশা তৈরি করে। অভ্যাসের প্রভাব ছাড়া আমরা বর্তমান স্মৃতি আর ইন্দ্রিয়ের বাইরের জগত সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ থাকতাম।
** ৫ম পরিচ্ছেদ: স্কেপটিক্যাল সলিউশন; ১ম খণ্ড, অনুচ্ছেদ ৩৬ (পৃষ্ঠা ৪৪, অক্সফোর্ড)।
* '''প্রকৃতি আমাদের জন্য এক মিশ্র জীবনকেই সবচেয়ে উপযোগী হিসেবে চিহ্নিত করেছে। [...] বিজ্ঞানের প্রতি তোমার আগ্রহকে লালন করো, তবে তোমার বিজ্ঞান যেন হয় মানবিক এবং সমাজ ও কর্মের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত। দার্শনিক হও; কিন্তু তোমার সমস্ত দর্শনের মাঝেও ভুলে যেও না যে তুমি একজন মানুষ।'''
** ১ম পরিচ্ছেদ: অফ দ্য ডিফারেন্ট স্পিসিস অফ ফিলোসফি (পৃষ্ঠা ৭, লিবার্টি ফান্ড)।
* দার্শনিক বিতর্কে কোনো মতবাদকে কেবল ধর্ম বা নৈতিকতার জন্য 'বিপজ্জনক' তকমা দিয়ে নাকচ করে দেওয়ার চেষ্টার চেয়ে সাধারণ এবং একইসাথে নিন্দনীয় পদ্ধতি আর নেই। এটি সত্য আবিষ্কারে কোনো সাহায্য করে না, কেবল প্রতিপক্ষকে ঘৃণা করতে শেখায়।
** ৮ম পরিচ্ছেদ: অফ লিবার্টি অ্যান্ড নেসেসিটি; ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ৯৬, লিবার্টি ফান্ড)।
* বাস্তব তথ্য বা অস্তিত্ব সম্পর্কিত আমাদের যুক্তিতে সব ধরণের নিশ্চয়তা থাকতে পারে; সবচেয়ে উচ্চপর্যায়ের ধ্রুব সত্য থেকে শুরু করে সবচেয়ে নিম্নপর্যায়ের নৈতিক প্রমাণ। '''তাই একজন প্রাজ্ঞ মানুষ সবসময় প্রাপ্ত প্রমাণের অনুপাতে তাঁর বিশ্বাসকে নিয়ন্ত্রণ করেন।'''
** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস (অলৌকিক ঘটনা প্রসঙ্গে); ১ম অংশ, অনুচ্ছেদ ৮৭ (পৃষ্ঠা ১১০, লিবার্টি ফান্ড)।
* কোনো অলৌকিক ঘটনা প্রতিষ্ঠিত করার জন্য কোনো সাক্ষ্যই যথেষ্ট নয়, যতক্ষণ না সেই সাক্ষ্যটি এমন পর্যায়ের হয় যে—তার মিথ্যা হওয়াটা সেই অলৌকিক ঘটনার চেয়েও বেশি বিস্ময়কর বা অলৌকিক বলে মনে হবে।
** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস; ১ম অংশ, অনুচ্ছেদ ৯১ (পৃষ্ঠা ১১৫, অক্সফোর্ড)।
* '''বাগ্মিতা যখন চূড়ান্ত শিখরে পৌঁছায়, তখন তা যুক্তি বা চিন্তার জন্য খুব সামান্যই অবকাশ রাখে; এটি সরাসরি মানুষের কল্পনা আর আবেগকে নাড়া দেয় এবং শ্রোতাদের বিচারবুদ্ধিকে পরাভূত করে ফেলে।'''
** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস; ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ১১৮, লিবার্টি ফান্ড)।
== ধর্ম, নৈতিকতা ও সংশয়বাদ (১৭৪৮-১৭৫৭) ==
* খ্রিষ্টধর্ম কেবল শুরুর দিকেই অলৌকিক ঘটনার ওপর নির্ভরশীল ছিল না; বরং আজও কোনো যুক্তিবাদী মানুষ অলৌকিক কোনো শক্তি ছাড়া এতে বিশ্বাস স্থাপন করতে পারে না। কেবল যুক্তি এর সত্যতা প্রমাণে যথেষ্ট নয়। যে ব্যক্তি বিশ্বাসের (Faith) দ্বারা এতে সায় দেন, তিনি নিজের ভেতরেই এক নিরন্তর অলৌকিকত্ব অনুভব করেন—যা তাঁর বোধশক্তির সমস্ত মূলনীতিকে উল্টে দেয় এবং তাঁকে এমন কিছু বিশ্বাস করতে বাধ্য করে যা মানুষের সাধারণ অভিজ্ঞতা ও অভ্যাসের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
** ''এ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং হিউম্যান আন্ডারস্ট্যান্ডিং'' (১৭৪৮), ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস, ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ১২০, লিবার্টি ফান্ড)।
* যখন আমরা এই মূলনীতিগুলোতে বিশ্বাস রেখে কোনো লাইব্রেরিতে ঘুরে বেড়াই, তখন আমাদের কী পরিমাণ ধ্বংসযজ্ঞই না চালাতে হবে! আমরা যদি হাতে কোনো ধর্মতত্ত্ব বা স্কুল-মেটাফিজিক্সের বই পাই, তবে আমাদের প্রশ্ন করা উচিত—"এতে কি পরিমাণ বা সংখ্যা সংক্রান্ত কোনো বিমূর্ত যুক্তি আছে?" না। "এতে কি বাস্তব তথ্য ও অস্তিত্ব সম্পর্কে কোনো পরীক্ষামূলক যুক্তি আছে?" না। তবে একে অগ্নিশিখায় সমর্পণ করো; কারণ এতে ভ্রান্ত কুযুক্তি আর মায়া ছাড়া আর কিছুই নেই।
** ''এ্যান এনকোয়ারি'', ১২শ পরিচ্ছেদ: অফ দ্য অ্যাকাডেমিক্যাল অর স্কেপটিক্যাল ফিলোসফি, ৩য় অংশ (পৃষ্ঠা ১৬৫, অক্সফোর্ড)।
=== ''এ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং দ্য প্রিন্সিপলস অফ মোরালস'' (১৭৫১) ===
* নৈতিকতার প্রতিটি সিদ্ধান্তে 'জনকল্যাণ'-ই প্রধানত বিবেচনায় থাকে। যেখানেই দর্শনে বা সাধারণ জীবনে কর্তব্যের সীমা নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়, সেখানে মানবজাতির প্রকৃত স্বার্থের বিচার ছাড়া আর কোনোভাবেই অধিকতর নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়।
** ২য় পরিচ্ছেদ: অফ বেনোভোলেন্স, ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ১৮০, অক্সফোর্ড)।
* সেই ব্যক্তি সুখী, যার পরিস্থিতি তার স্বভাবের সাথে খাপ খায়; কিন্তু সেই ব্যক্তি অধিকতর শ্রেষ্ঠ, যে যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজের স্বভাবকে মানিয়ে নিতে পারে।
** ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ: অফ কোয়ালিটিজ ইউজফুল টু আওয়ারসেলভস, ১ম অংশ (পৃষ্ঠা ২৪৩, অক্সফোর্ড)।
* যেখানে মানুষ সবচেয়ে বেশি নিশ্চিত এবং অহংকারী, তারা সাধারণত সেখানেই সবচেয়ে বড় ভুলটি করে থাকে; কারণ সেখানে তারা সঠিক বিচার-বিশ্লেষণ ছাড়াই আবেগের হাতে লাগাম ছেড়ে দেয়।
** ৯ম পরিচ্ছেদ: কনক্লুশন (উপসংহার), ১ম অংশ (পৃষ্ঠা ২৮১, অক্সফোর্ড)।
=== ''দ্য ন্যাচারাল হিস্ট্রি অফ রিলিজিয়ন'' (১৭৫৭) ===
* ধর্মের উৎস নিয়ে অনুসন্ধান করলে দেখা যায়—প্রকৃতির এই বিশাল কাঠামো একজন বুদ্ধিমান স্রষ্টার কথা ঘোষণা করে; কোনো যুক্তিবাদী অনুসন্ধিৎসু মানুষই এক মুহূর্তের জন্য এই সত্য অস্বীকার করতে পারেন না। কিন্তু মানবপ্রকৃতিতে ধর্মের উৎপত্তি নিয়ে যথেষ্ট জটিলতা আছে। অদৃশ্য শক্তির ওপর বিশ্বাস পৃথিবীর সব অঞ্চলেই ছড়িয়ে আছে, কিন্তু ইতিহাসবিদদের বিশ্বাস করলে দেখা যায়—এমন অনেক জাতির সন্ধান মিলেছে যাদের মধ্যে ধর্মের কোনো বালাই নেই।
** ভূমিকা (পৃষ্ঠা ২৫, কলিন্স এডিশন)।
* মূর্তিপূজা এবং একেশ্বরবাদের তুলনা করলে আমরা সেই সাধারণ পর্যবেক্ষণটির সত্যতা খুঁজে পাই যে—'''সবচেয়ে ভালো জিনিসের বিকৃতি থেকেই সবচেয়ে জঘন্য জিনিসের জন্ম হয়।''' (The corruption of the best things gives rise to the worst.)
** ১০ম অংশ: উইথ রিগার্ড টু কারেজ অর অ্যাবেসমেন্ট (পৃষ্ঠা ৫০, এ. ডব্লিউ. কলিন্স)।
* একেশ্বরবাদী ধর্মগুলোর গোঁড়ামি এবং পাণ্ডিত্যপূর্ণ যুক্তির প্রবল স্রোতকে "দুই আর তিনে পাঁচ হয়" বা "সমগ্র অংশ তার খণ্ডাংশের চেয়ে বড়"—এই জাতীয় সাধারণ যুক্তি দিয়ে আটকানোর চেষ্টা করা মানে হলো একটা নলখাগড়া দিয়ে সমুদ্র ঠেকানোর চেষ্টা করা। পবিত্র রহস্যের সামনে আপনি কি অপবিত্র যুক্তি খাড়া করবেন? আপনার এই ধর্মদ্রোহিতার জন্য কোনো শাস্তিই যথেষ্ট নয়। আর যে আগুন ধর্মদ্রোহীদের পোড়ানোর জন্য জ্বালানো হয়, তা দার্শনিকদের বিনাশের জন্যও যথেষ্ট।
** ১১শ অংশ: উইথ রিগার্ড টু রিজন অর অ্যাবসারডিটি (পৃষ্ঠা ৬০, লিবার্টি ফান্ড)।
* জগতের অধিকাংশ ধর্মের মানুষের দিকে তাকালে আপনি খুব কমই নিশ্চিত হবেন যে তারা সুস্থ মানুষের কথা বলছে; বরং তাদের বিশ্বাসগুলোকে দেখে অসুস্থ মানুষের স্বপ্ন অথবা মানুষের রূপ ধারণ করা বানরের খামখেয়ালি প্রলাপ বলে মনে হতে পারে।
** ১৫শ অংশ: জেনারেল করোলারি (পৃষ্ঠা ৭৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''অজ্ঞতাই হলো ভক্তির জননী—এই প্রবাদটি সাধারণ অভিজ্ঞতা দ্বারা বারবার প্রমাণিত। এমন কোনো জাতিকে খুঁজে দেখুন যাদের কোনো ধর্ম নেই; যদি পানও তবে নিশ্চিত থাকবেন যে তারা পশুদের থেকে খুব সামান্যই আলাদা।'''
** ১৫শ অংশ: জেনারেল করোলারি (পৃষ্ঠা ৭৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''সমগ্র বিষয়টিই একটি ধাঁধা, এক রহস্যময় সংকেত এবং ব্যাখ্যাতীত জটিলতা। সন্দেহ, অনিশ্চয়তা আর বিচারের দোদুল্যমানতা—এটাই আমাদের অনুসন্ধানের একমাত্র ফলাফল।''' তবে মানুষের যুক্তিবোধের দুর্বলতা এমন যে এই সংশয় ধরে রাখা কঠিন; তাই আমরা এক ধরণের কুসংস্কারের বিপরীতে অন্যটিকে লেলিয়ে দিয়ে তাদের ঝগড়া দেখতে দেখতে নিজেরা দর্শনের শান্ত ও নির্জন অঞ্চলে পালিয়ে যাই।
** ১৫শ অংশ: জেনারেল করোলারি (পৃষ্ঠা ৭৯, লিবার্টি ফান্ড)।
=== ''এসেস, মোরাল, পলিটিক্যাল, অ্যান্ড লিটারারি'' (১৭৪১-২;১৭৪৮) ===
* স্বাধীনতার প্রেমীদের জন্য এটি একটি স্বস্তিদায়ক চিন্তা যে—ব্রিটেনের এই বিশেষ সুবিধা (সংবাদপত্রের স্বাধীনতা) ততদিনই থাকবে যতদিন আমাদের সরকার স্বাধীন থাকবে। '''যেকোনো ধরণের স্বাধীনতা খুব কম ক্ষেত্রেই একেবারে হারিয়ে যায়।''' যারা স্বাধীনতায় অভ্যস্ত, তাদের কাছে দাসত্বের চেহারা এতটাই বীভৎস যে এটি ধীরে ধীরে এবং হাজারো ছদ্মবেশে মানুষের ভেতর ঢুকে পড়ে। কিন্তু যদি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কখনো লুপ্ত হয়, তবে তা একসাথেই হারিয়ে যাবে।
** ১ম খণ্ড, ২য় প্রবন্ধ: অফ দ্য লিবার্টি অফ দ্য প্রেস (পৃষ্ঠা ১৩, লিবার্টি ফান্ড)।
== রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রবন্ধাবলি ==
* যারা দার্শনিক দৃষ্টিতে মানবীয় বিষয়াবলি পর্যবেক্ষণ করেন, তাদের কাছে এর চেয়ে বিস্ময়কর আর কিছু নেই যে—কত সহজে সংখ্যাগুরু সাধারণ মানুষ মুষ্টিমেয় কয়েকজনের দ্বারা শাসিত হয়; এবং মানুষ কত অবলীলায় নিজের আবেগ আর অনুভূতিকে শাসকদের হাতে সঁপে দেয়। যখন আমরা এই বিস্ময়ের কারণ খুঁজি, তখন দেখি যে শক্তি সব সময় শাসিতদের পক্ষেই থাকে, তাই শাসকদের টিকে থাকার একমাত্র অবলম্বন হলো জনমত। সুতরাং, কেবল জনমতের ওপর ভিত্তি করেই শাসনব্যবস্থা গড়ে ওঠে; এবং এই নীতিটি যেমন স্বাধীন ও জনপ্রিয় সরকারের ক্ষেত্রে সত্য, তেমনি চরম স্বৈরাচারী ও সামরিক সরকারের ক্ষেত্রেও সত্য।
** ১ম খণ্ড, ৪র্থ প্রবন্ধ: অফ দ্য ফার্স্ট প্রিন্সিপলস অফ গভর্নমেন্ট (পৃষ্ঠা ৩২, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''এটি একটি সঠিক রাজনৈতিক নীতি যে—প্রতিটি মানুষকে 'প্রতারক' হিসেবে ধরে নিতে হবে; যদিও এটি শুনতে অদ্ভুত লাগে যে একটি নীতি রাজনীতিতে সত্য হলেও বাস্তব জীবনে মিথ্যে।''' মানুষ সাধারণত তার ব্যক্তিগত জীবনের চেয়ে জনসমক্ষে বা সামাজিক পরিচয়ে বেশি অসৎ হয়ে থাকে; এবং নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে দলের স্বার্থ রক্ষায় তারা অনেক বেশি দূর পর্যন্ত যেতে পারে। লোকলজ্জা বা সম্মানবোধ মানুষের জন্য একটি বড় প্রতিবন্ধক; কিন্তু যখন একদল মানুষ একসাথে কাজ করে, তখন এই বাধাটি অনেকাংশেই দূর হয়ে যায়; কারণ একজন মানুষ যখন দলের স্বার্থে কাজ করে, তখন সে জানে যে তার নিজের দল তাকে সমর্থন করবেই এবং খুব দ্রুতই সে প্রতিপক্ষের সমালোচনাকে তুচ্ছ জ্ঞান করতে শেখে।
** ১ম খণ্ড, ৬ষ্ঠ প্রবন্ধ: অফ দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্সি অফ পার্লামেন্ট (পৃষ্ঠা ৪২-৪৩, লিবার্টি ফান্ড)।
* মানুষের মনের প্রকৃতিই এমন যে, এটি তার সান্নিধ্যে আসা অন্য সব মনকে আঁকড়ে ধরে; এবং যেমন মতের মিল বা ঐক্য একে ভীষণভাবে শক্তিশালী করে, তেমনি মতের অমিল বা বৈপরীত্য একে সমানভাবে বিচলিত ও বিমর্ষ করে তোলে। এ কারণেই বিতর্কের সময় অধিকাংশ মানুষের মধ্যে এক ধরণের ব্যকুলতা দেখা যায় এবং অতি সাধারণ বা তুচ্ছ বিষয়েও তারা বিরোধিতাকে সহ্য করতে পারে না।
** ১ম খণ্ড, ৮ম প্রবন্ধ: অফ পার্টিজ ইন জেনারেল (পৃষ্ঠা ৫৪, লিবার্টি ফান্ড)।
* জনপ্রিয়তা আর দেশপ্রেমের চূড়ান্ত শিখর আজও ক্ষমতা আর স্বৈরাচারের দিকে যাওয়ার চেনা রাস্তা; তোষামোদ যেমন বিশ্বাসঘাতকতার পথ দেখায়, স্থায়ী সেনাবাহিনী যেমন স্বৈরাচারী শাসনের পথ প্রশস্ত করে, ঠিক তেমনি ঈশ্বরের মহিমা প্রচার অনেক সময় যাজকশ্রেণীর বৈষয়িক স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হয়ে দাঁড়ায়।
** ১ম খণ্ড, ৮ম প্রবন্ধ: অফ পাবলিক ক্রেডিট (পৃষ্ঠা ৩৬১, লিবার্টি ফান্ড)।
* সকল যুগে এবং পৃথিবীর সব প্রান্তেই যাজকশ্রেণী স্বাধীনতার শত্রু ছিল; এবং এটি নিশ্চিত যে তাদের এই অবিচল আচরণ তাদের স্বার্থ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষার ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে। চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা যাজকীয় ক্ষমতা এবং সেই সব 'পবিত্র প্রতারণার' জন্য সব সময় কাল হয়ে দাঁড়ায়, যার ওপর ভিত্তি করে তাদের ক্ষমতা টিকে থাকে।
** ১ম খণ্ড, ৯শ প্রবন্ধ: অফ দ্য পার্টিজ অফ গ্রেট ব্রিটেন (পৃষ্ঠা ৬৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* কর্মজীবী দরিদ্র শ্রেণীর মানুষের কোনো নীতি নেই; ভদ্রলোকদের সময় এবং অভিজ্ঞতার মাধ্যমে সঠিক নীতিতে আনা সম্ভব। আর মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষের নীতি গঠনের মতো কৌতূহল ও জ্ঞান থাকলেও, তা সঠিক নীতি গঠনের জন্য বা নিজেদের সংস্কারগুলো কাটানোর জন্য যথেষ্ট নয়।
** ১ম খণ্ড, ৯শ প্রবন্ধ: অফ দ্য পার্টিজ অফ গ্রেট ব্রিটেন (১৭৪১ ও ১৭৪২ সংস্করণ)।
* লোভ, যা শিল্পের চালিকাশক্তি—এটি এমন এক একগুঁয়ে আবেগ এবং এটি এত বেশি বাস্তব বিপদ ও প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে পথ করে নেয় যে, কোনো কাল্পনিক ভয়ের কারণে এর থেমে যাওয়ার সম্ভাবনা কম। সুতরাং, আমার মতে—স্বৈরাচারী শাসনে বাণিজ্য যে ধ্বংস হয়ে যায়, তা নিরাপত্তার অভাবে নয়, বরং সেখানে বাণিজ্যকে কম সম্মানজনক মনে করা হয় বলে।
** ১ম খণ্ড, ১২শ প্রবন্ধ: অফ সিভিল লিবার্টি (পৃষ্ঠা ৯৩, লিবার্টি ফান্ড)।
* মানুষের অহংকারের জন্য এর চেয়ে বড় অপমান আর কিছু হতে পারে না যে—তার সর্বোচ্চ শিল্প ও শ্রম দিয়েও সে প্রকৃতির ক্ষুদ্রতম সৃষ্টিগুলোর সৌন্দর্য বা মূল্যের সমান হতে পারে না। শিল্প কেবল একজন সহকারী কারিগরের মতো, যে মূল মাস্টারের (প্রকৃতি) কাজগুলোতে সামান্য কিছু অলঙ্করণ যোগ করে মাত্র।
** ১ম খণ্ড, ১৫শ প্রবন্ধ: দ্য এপিকিউরিয়ান (পৃষ্ঠা ১৩৯, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''শিল্প বা কারিগরি জ্ঞান হয়তো এক জোড়া পোশাক তৈরি করতে পারে; কিন্তু মানুষকে তৈরি করতে পারে কেবল প্রকৃতিই।'''
** ১ম খণ্ড, ১৫শ প্রবন্ধ: দ্য এপিকিউরিয়ান (পৃষ্ঠা ১৪০, লিবার্টি ফান্ড)।
* প্রকৃতির দান যদি সামান্য হয়, তবে সেই খামতি পূরণ করতে শিল্পের প্রয়োজন আরও বেশি পড়ে। আর প্রকৃতি যদি উদার ও মুক্তহস্ত হয়, তবে জেনে রাখুন সে আমাদের পক্ষ থেকেও কঠোর শ্রম ও মনোযোগ আশা করে। সবচেয়ে উর্বর মস্তিষ্কের মেধাও যদি চর্চা না করা হয়, তবে তা উর্বর মাটির মতোই আগাছায় ভরে যায়; আর মানুষের আনন্দ ও ব্যবহারের উপযোগী দ্রাক্ষা বা জলপাইয়ের বদলে তা অলস মালিকের জন্য কেবল বিষাক্ত ফসলের জন্ম দেয়।
** ১ম খণ্ড, ১৬শ প্রবন্ধ: দ্য স্টোইক (পৃষ্ঠা ১৪৬, লিবার্টি ফান্ড)।
* মানুষের সমস্ত পরিশ্রমের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো সুখ অর্জন। এই সুখের জন্যই শিল্পের উদ্ভাবন, বিজ্ঞানের চর্চা, আইনের শাসন এবং সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।
** ১ম খণ্ড, ১৬শ প্রবন্ধ: দ্য স্টোইক (পৃষ্ঠা ১৪৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* আশা ও আনন্দের প্রতি প্রবণতা হলো প্রকৃত ঐশ্বর্য; আর ভয় ও দুঃখের প্রতি আসক্তি হলো প্রকৃত দারিদ্র্য।
** ১ম খণ্ড, ১৮শ প্রবন্ধ: দ্য স্কেপটিক (পৃষ্ঠা ১৬৭, লিবার্টি ফান্ড)।
[[File:DavidHume.jpg|thumbnail|হিউম বিশ্বাস করতেন সৌন্দর্য কোনো বস্তুনিষ্ঠ বিষয় নয়, বরং এটি পুরোপুরি ব্যক্তিনিষ্ঠ। নিচের ডায়াগ্রামটি আপনাকে বুঝতে সাহায্য করবে কেন তিনি বলেছিলেন—"সৌন্দর্য বস্তুর নিজস্ব কোনো গুণ নয়: এটি কেবল মনেই বিরাজ করে যা একে অবলোকন করে এবং প্রতিটি মন ভিন্ন ভিন্ন সৌন্দর্য দেখতে পায়!"]]
== ডায়ালগস কনসার্নিং ন্যাচারাল রিলিজিয়ন (১৭৭৯) ==
* খ্রিস্টধর্মের প্রসারের শুরুর দিকে ধর্মীয় শিক্ষকদের মধ্যে যুক্তি, ইন্দ্রিয় এবং মানুষের গবেষণালব্ধ সমস্ত মূলনীতির বিরুদ্ধে কথা বলাটা ছিল অত্যন্ত সাধারণ একটি বিষয়।
** ১ম অংশ (ক্লিয়ান্থেস থেকে ডেমিয়া)।
* এই বিশ্বের দিকে তাকান এবং এর প্রতিটি অংশ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করুন: আপনি দেখবেন এটি একটি বিশাল যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়, যা অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র যন্ত্রে বিভক্ত। এই সমস্ত যন্ত্র এবং তাদের অতি ক্ষুদ্র অংশগুলোও একে অপরের সাথে এমন নিখুঁতভাবে মানিয়ে নেওয়া হয়েছে যা যেকোনো পর্যবেক্ষককে বিস্ময়ে অভিভূত করে। প্রকৃতির এই উপায় ও লক্ষ্যের চমৎকার সমন্বয় মানুষের তৈরি নকশা, চিন্তা এবং বুদ্ধিমত্তার মতোই, যদিও এটি মানুষের তৈরি যেকোনো কিছুর চেয়ে অনেক বেশি উন্নত।
** ২য় অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* '''মস্তিষ্কের এই সামান্য আলোড়ন, যাকে আমরা 'চিন্তা' বলি—তার এমন কী বিশেষ অধিকার আছে যে আমাদের একেই পুরো মহাবিশ্বের মডেল বা আদর্শ হিসেবে ধরে নিতে হবে?''' নিজের প্রতি পক্ষপাতিত্ব আমাদের সব সময় এই পথে পরিচালিত করে; কিন্তু প্রকৃত দর্শনের উচিত এই ধরণের স্বাভাবিক বিভ্রম থেকে সাবধান থাকা।
** ২য় অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* যদি একটি জড় জগত কোনো আদর্শ জগত বা ভাব জগতের ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে থাকে, তবে সেই ভাব জগতকে নিশ্চয়ই অন্য কোনো জগতের ওপর নির্ভর করতে হবে; এবং এভাবে এটি অনন্তকাল চলতে থাকবে। তাই বর্তমান এই জড় জগতের বাইরে আর কিছু না খোঁজাটাই শ্রেয়। একে নিজের মধ্যেই নিজের শৃঙ্খলার কারণ হিসেবে ধরে নেওয়া মানেই আসলে একে 'ঈশ্বর' বলা।
** ৪র্থ অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* '''আমরা যদি একটি জাহাজ দেখি, তবে এর জটিল ও সুন্দর নির্মাণ দেখে আমরা সূত্রধরের বুদ্ধিমত্তা দেখে বিস্মিত হই। কিন্তু যদি আমরা জানতে পারি যে তিনি একজন সাধারণ কারিগর মাত্র, যিনি অন্যদের অনুকরণ করেছেন এবং দীর্ঘকাল ধরে অসংখ্য ভুল, সংশোধন ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে অর্জিত একটি কৌশলকে কপি করেছেন—তবে আমাদের বিস্ময় আরও বেড়ে যায়। এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড তৈরি হওয়ার আগে হয়তো অনন্তকাল ধরে অনেকগুলো বিশ্ব অদক্ষভাবে তৈরি ও ধ্বংস করা হয়েছে; অনেক শ্রম পণ্ড হয়েছে এবং অনন্তকাল ধরে বিশ্ব-নির্মাণ কৌশলের ধীর কিন্তু নিরন্তর উন্নতির ফলেই হয়তো আজকের এই ব্যবস্থাটি গড়ে উঠেছে।'''
** ৫ম অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* এই জগতটি কোনো উচ্চতর মানের তুলনায় অনেক বেশি ত্রুটিপূর্ণ হতে পারে; এটি হয়তো কোনো শিশু-দেবতার প্রথম অগোছালো প্রচেষ্টা, যা তৈরি করার পর নিজের ব্যর্থতায় লজ্জিত হয়ে তিনি এটি ফেলে চলে গেছেন। অথবা এটি কোনো পরনির্ভরশীল নিম্নস্তরের দেবতার কাজ; অথবা এটি কোনো অতিবৃদ্ধ দেবতার জরাগ্রস্ত সময়ের সৃষ্টি, যিনি মারা যাওয়ার পর থেকে এটি কেবল তাঁর দেওয়া প্রাথমিক গতির ওপর ভর করে লক্ষ্যহীনভাবে চলছে।
** ৫ম অংশ (ফিলো থেকে ডেমিয়া)।
* একটি গাছ থেকে যখন অন্য একটি চারা জন্মায়, তখন গাছটি সেই চারাকে একটি সুশৃঙ্খল গঠন দান করে, যদিও গাছটি নিজে সেই শৃঙ্খলা সম্পর্কে জানে না। একটি প্রাণী বা পাখিও ঠিক একইভাবে তাদের বংশধর বা বাসার ক্ষেত্রে এটি করে। জগতের এই শৃঙ্খলা যে বুদ্ধি বা পরিকল্পনা থেকেই আসতে হবে—তা ধরে নেওয়াটা যুক্তির ভুল।
** ৭ম অংশ (ফিলো থেকে ডেমিয়া)।
* '''আমি যদি আপনাকে ২০টি কণার একটি সংগ্রহের প্রতিটি কণার পৃথক পৃথক কারণ ব্যাখ্যা করি, তবে এরপর আপনি যদি আবার জিজ্ঞেস করেন যে—পুরো ২০টি কণার সমষ্টির কারণ কী, তবে সেটি হবে একেবারেই অযৌক্তিক। প্রতিটি অংশের কারণ ব্যাখ্যা করার মাধ্যমেই পুরো সমষ্টির কারণ ব্যাখ্যা করা হয়ে যায়।'''
** ৯ম অংশ (ক্লিয়ান্থেস থেকে ডেমিয়া)।
* পুরো পৃথিবীটাই যেন অভিশপ্ত এবং কলুষিত। সমস্ত জীবন্ত প্রাণীর মধ্যে এক নিরন্তর যুদ্ধ চলছে। অভাব আর ক্ষুধা শক্তিমানদের উত্তেজিত করে, আর ভয় ও আতঙ্ক দুর্বলদের বিচলিত করে। জন্মের সময় নবজাতক আর তার দুর্ভাগা মা—উভয়েই যন্ত্রণায় চিৎকার করে; জীবনের প্রতিটি ধাপে থাকে দুর্বলতা আর কষ্ট; আর সব শেষে এটি সমাপ্ত হয় চরম যন্ত্রণা আর বিভীষিকার মধ্য দিয়ে।
** ১০ম অংশ (ডেমিয়া থেকে ফিলো)।
* হিউম্যান অ্যানথ্রোপোমরফিজম বা ঈশ্বরকে মানুষের গুনাগুণ দিয়ে বিচার করার পদ্ধতি কি সঠিক? তাঁর ক্ষমতা যদি অসীম হয় তবে তিনি যা চান তাই হওয়ার কথা। কিন্তু মানুষ বা অন্য কোনো প্রাণীই সুখী নয়; সুতরাং তিনি তাদের সুখ চান না। তাঁর জ্ঞান যদি অসীম হয় তবে উপায় নির্বাচনে তাঁর ভুল হওয়ার কথা নয়। কিন্তু প্রকৃতির গতিধারা মানুষের সুখের দিকে ধাবিত নয়। তবে তাঁর দয়া ও করুণা মানুষের দয়া ও করুণার সাথে মিলবে কীভাবে? '''এপিকিউরাসের সেই পুরনো প্রশ্নগুলোর উত্তর আজও মেলেনি: তিনি কি অশুভকে রোধ করতে চান কিন্তু পারছেন না? তবে তিনি অক্ষম। তিনি কি পারেন কিন্তু করতে চান না? তবে তিনি বিদ্বেষপরায়ণ। তিনি কি সক্ষম এবং ইচ্ছুক—উভয়ই? তবে অশুভ আসছে কোত্থেকে?'''
** ১০ম অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
== মহাজাগতিক সংশয়বাদ ও হিউম সম্পর্কে মূল্যায়ন ==
* এই মহাবিশ্বের দিকে তাকিয়ে দেখুন। কত বিশাল প্রাণের সমারোহ! কিন্তু এই জীবন্ত সত্তাগুলোকে একটু গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করুন—দেখবেন এরা একে অপরের প্রতি কতটা হিংস্র আর ধ্বংসাত্মক! এদের কেউই নিজের সুখের জন্য পর্যাপ্ত নয়। সমগ্ৰ বিষয়টি একটি "অন্ধ প্রকৃতি" ছাড়া আর কিছুই নয়; যে প্রকৃতি কোনো বিচার-বিবেচনা বা পিতৃসুলভ যত্ন ছাড়াই তার কোল থেকে পঙ্গু আর গর্ভপাত হওয়া সন্তানদের জন্ম দিয়ে চলেছে।
** ''ডায়ালগস কনসার্নিং ন্যাচারাল রিলিজিয়ন'' (১৭৭৯), ১১শ অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* যদি প্রাকৃতিক ধর্মতত্ত্বের সারকথা কেবল এই একটি অস্পষ্ট বাক্যে সীমাবদ্ধ থাকে যে—"মহাবিশ্বের শৃঙ্খলার কারণ বা কারণগুলো সম্ভবত মানুষের বুদ্ধিমত্তার সাথে কোনো দূরবর্তী সাদৃশ্য বহন করে", এবং যদি এই ধারণা মানুষের জীবনে কোনো প্রভাব না ফেলে বা কোনো কাজের উৎস হতে না পারে; তবে একজন অনুসন্ধিৎসু ও ধার্মিক মানুষ এই সাধারণ সত্যটুকু মেনে নেওয়া ছাড়া আর কী-ই বা করতে পারেন?
** ১২শ অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
== ভুলভাবে আরোপিত ==
* "Character is the result of a system of stereotyped principles" অর্থাৎ "চরিত্র হলো বদ্ধমূল কিছু নীতির সমষ্টি"
** হিউম কখনো 'Stereotype' শব্দটি ব্যবহার করেননি; কারণ ১৭৯৮ সালের আগে এই শব্দের উদ্ভাবনই হয়নি!
* "তর্কের মাধ্যমেই সত্যের জন্ম হয়।"
* "যুক্তির ভূমিকা আমাদের জ্ঞানী করা নয়, বরং আমাদের অজ্ঞতাকে প্রকাশ করা।"
** এগুলো হিউমের নামে প্রচলিত হলেও তাঁর কোনো লেখায় এর ভিত্তি পাওয়া যায়নি।
* "যিনি আবেগ দিয়ে চালিত হন তিনি দাস, আর যিনি যুক্তি দিয়ে চলেন তিনি স্বাধীন।"
** এটি আসলে স্পিনোজার উক্তি, যা প্রায়ই হিউমের নামে চালানো হয়। (Ethics part IV)
== ডেভিড হিউম সম্পর্কে বিশিষ্টজনদের উক্তি ==
* হিউম নৈতিকতা ও ন্যায়বিচারের মানদণ্ডকে বলেছেন "আর্টিফ্যাক্ট" বা কৃত্রিম সৃষ্টি; এগুলো ঈশ্বরপ্রদত্ত নয় বা বিশুদ্ধ যুক্তি দিয়েও পাওয়া যায় না। এগুলো মানুষের ব্যবহারিক অভিজ্ঞতার ফল। হিউমকে নীতিশাস্ত্রের ক্ষেত্রে ডারউইনের পূর্বসূরি বলা যেতে পারে। তিনি মূলত মানুষের প্রথাগুলোর মধ্যে "যোগ্যতমের টিকে থাকা" বা "Survival of the fittest" মতবাদটি প্রচার করেছিলেন—যেখানে যোগ্যতা বিচার করা হতো সামাজিক উপযোগিতা দিয়ে।
** খ্রিষ্টান বে, ''দ্য স্ট্রাকচার অফ ফ্রিডম'' (১৯৫৮)।
* আপনি যদি ডেভিড হিউমের কাছে যান, যিনি আমাদের বিশ্বাসের কারণগুলো নিয়ে সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ করেছেন, তবে দেখবেন—সূর্য কাল সকালে উঠবেই এমন কোনো অকাট্য কারণ নেই। এটি কেবল আমাদের একটি অভ্যাস), যে আমরা বিশ্বাস করি জিনিসগুলো আগের মতোই চলবে। হিউমের এই বিশ্লেষণ অত্যন্ত সঠিক।
** জন এস বেল, ''দ্য ঘোস্ট ইন দ্য অ্যাটম'' (১৯৮৬)।
* বার্কলে, হিউম, কান্ট, হেগেল—তাঁরা সবাই একটি মহৎ প্রচেষ্টায় ঐক্যবদ্ধ ছিলেন; আর তা হলো মহাজাগতিক ব্যবস্থায় মানুষকে তার উচ্চতর আধ্যাত্মিক দাবি সহ একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করা।
** এডুইন আর্থার বার্ট, ''দ্য মেটাফিজিক্যাল ফাউন্ডেশনস অফ মডার্ন ফিজিক্যাল সায়েন্স'' (১৯২৫)।
* বার্কের কাছে 'প্রেসক্রিপশন' (প্রথাগত অধিকার) হলো সেই অটল পাহাড় যার ওপর জাগতিক অধিকারগুলো দাঁড়িয়ে থাকে। হিউম এই তত্ত্বটি কিছুটা ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেছিলেন। হিউম লিখেছিলেন—"সময় এবং প্রথা (Time and custom) সব ধরণের সরকার এবং রাজবংশকে বৈধতা দান করে; যে ক্ষমতা শুরুতে কেবল অন্যায় আর সহিংসতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল, সময়ের সাথে সাথে তা আইনি এবং বাধ্যতামূলক হয়ে ওঠে।" বার্কও বিশ্বাস করতেন যে, সম্পত্তি এবং শাসনের ক্ষেত্রে প্রথাগত অধিকারই হলো রাষ্ট্রের সবচেয়ে শক্তিশালী ভিত্তি।
** আলফ্রেড কোবান, ''এডমন্ড বার্ক অ্যান্ড দ্য রিভল্ট এগেইনস্ট দ্য এইটিনথ সেঞ্চুরি'' (১৯২৯)।
* হিউম সম্ভবত আইনি এবং রাজনৈতিক দর্শনের একমাত্র পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা দিয়েছিলেন যা পরবর্তীকালে 'লিবারেলিজম' (উদারতাবাদ) হিসেবে পরিচিতি পায়। হিউমের ''হিস্ট্রি'' (ইতিহাস) ১৮শ শতাব্দীতে ইউরোপজুড়ে 'উইগ লিবারেলিজম' ছড়িয়ে দিতে ঠিক তেমনই ভূমিকা রেখেছিল, যেমনটি ১৯শ শতাব্দীতে মেকলের ''হিস্ট্রি'' রেখেছিল।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'দ্য লিগ্যাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল ফিলোসফি অফ ডেভিড হিউম' (১৯৬৩)।
* আধুনিক সমাজের এমন কিছু বৈশিষ্ট্য যা আমরা আজ মূল্যবান মনে করি, সেগুলো এমন সব পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল যা আগে থেকে কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৈরি করা হয়নি। হিউম দেখিয়েছেন যে, একটি সুশৃঙ্খল সমাজ কেবল তখনই গড়ে উঠতে পারে যখন মানুষ আচরণের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চলতে শেখে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো জনসাধারণের জন্য সুবিধাজনক হলেও—উদ্ভাবকরা ঠিক সেই উদ্দেশ্যে এগুলো তৈরি করেননি।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'দ্য লিগ্যাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল ফিলোসফি অফ ডেভিড হিউম' (১৯৬৩)।
* মানুষের বুদ্ধি আর জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে এই মহান সংশয়বাদীর প্রবল বিশ্বাস ছিল। তিনি জানতেন যে—শান্তি, স্বাধীনতা এবং ন্যায়বিচারের মতো সর্বশ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক কল্যাণগুলো মূলত নেতিবাচক (Negative); অর্থাৎ এগুলো ইতিবাচক কোনো উপহার নয়, বরং ক্ষতির হাত থেকে সুরক্ষা মাত্র। তিনি মানুষের মহত্ত্বের চেয়ে এমন সব 'প্রতিষ্ঠান' বা কাঠামোর ওপর ভরসা করতেন যা "এমনকি খারাপ মানুষদেরও জনকল্যাণে কাজ করতে বাধ্য করে"। তিনি জানতেন যে—"রাজনীতিতে প্রতিটি মানুষকে প্রতারক হিসেবে ধরে নিতে হবে"।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'দ্য লিগ্যাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল ফিলোসফি অফ ডেভিড হিউম' (১৯৬৩)।
* হিউম তাঁর দার্শনিক কাজের মাধ্যমে লিবারেল আইনি তত্ত্বের ভিত্তি স্থাপন করার পাশাপাশি তাঁর ''হিস্ট্রি অফ ইংল্যান্ড'' (১৭৫৪-৬২)-এ ইংরেজ ইতিহাসকে 'আইনের শাসন' এর ক্রমবিকাশ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'লিবারেলিজম' (১৯৭৩)।
* যুক্তিবাদ বা র্যাশনালিজমের সমালোচনায় হিউম অন্য যেকোনো লেখকের চেয়ে অনেক বেশি গভীরে যেতে পেরেছেন। আমি বারবার হিউমের লেখায় এমন সব ধারণার সন্ধান পেয়েছি যা আমি নিজে স্বাধীনভাবে চিন্তা করেছিলাম। বিশেষ করে সব ধরণের সামাজিক প্রতিষ্ঠানের গঠন সম্পর্কে হিউমের ব্যাখ্যা আমাকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করেছে।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'ইকোনমিক্স, পলিটিক্স অ্যান্ড ফ্রিডম' (১৯৭৫)।
* হিউম স্পষ্টভাবে স্বাধীনতা এবং এই নীতিগুলোর মধ্যে সম্পর্ক লক্ষ্য করেছিলেন। তিনি দেখেছিলেন যে, সবার সর্বোচ্চ স্বাধীনতার জন্য প্রত্যেকের স্বাধীনতার ওপর সমান সীমাবদ্ধতা প্রয়োজন। একে তিনি প্রকৃতির তিনটি 'মৌলিক আইন' বলেছেন: ১. অধিকারে স্থায়িত্ব, ২. সম্মতির মাধ্যমে হস্তান্তর এবং ৩. প্রতিশ্রুতি রক্ষা । হিউম সম্ভবত প্রথম ব্যক্তি যিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে, সাধারণ স্বাধীনতা কেবল তখনই সম্ভব হয় যখন মানুষের সহজাত প্রবৃত্তিগুলো 'ন্যায়বিচার' অনুযায়ী পরবর্তী কোনো বিচারবোধ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। তিনি সেই ভুলটি করেননি যা পরবর্তীতে অনেকেই করেছেন—ব্যক্তির বিচ্ছিন্ন স্বাধীনতা এবং মানুষের পারস্পরিক সহযোগিতার ফলে সৃষ্ট স্বাধীনতার মধ্যে পার্থক্য গুলিয়ে ফেলা।
** [[ফ্রিডরিখ হায়েক]], ''দ্য ফ্যাটাল কনসিট'' (১৯৮৮), ২য় অধ্যায়: দ্য অরিজিনস অফ লিবার্টি, প্রপার্টি অ্যান্ড জাস্টিস।
* হিউম একটি বিবর্তনমূলক ব্যাখ্যার খুব কাছাকাছি চলে এসেছিলেন। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে—'কোনো সত্তাই টিকে থাকতে পারে না যদি না তার অস্তিত্ব রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বা শক্তি থাকে; কোনো একটি সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত নিরন্তর নতুন কোনো ব্যবস্থা বা অর্থনীতি চেষ্টা করে যেতে হবে'। মানুষ নিজেকে অন্য সব প্রাণীর ভাগ্যের অতীত কোনো কিছু মনে করতে পারে না কারণ সব প্রাণীর মধ্যে সেই 'নিরন্তর যুদ্ধ' চলতেই থাকবে। হিউম মূলত স্বীকার করেছিলেন যে, 'প্রাকৃতিক' এবং 'কৃত্রিম'—এই দুইয়ের মাঝামাঝি একটি তৃতীয় বিভাগ রয়েছে যার মধ্যে উভয়েরই বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান।
** [[ফ্রিডরিখ হায়েক]], ''দ্য ফ্যাটাল কনসিট'' (১৯৮৮), পরিশিষ্ট এ: 'ন্যাচারাল' ভার্সেস 'আর্টিফিশিয়াল'।
* হিউমের সংশয়বাদকে গ্রিক সংশয়বাদ থেকে স্পষ্টভাবে আলাদা করা উচিত। হিউম ইন্দ্রিয়লব্ধ অভিজ্ঞতা, অনুভূতি এবং অন্তর্দৃষ্টির সত্যতাকে ভিত্তি হিসেবে ধরে নেন এবং সেই ভিত্তি থেকেই সাধারণ আইন বা নির্ধারণগুলোকে চ্যালেঞ্জ করেন—কারণ সেগুলোর ইন্দ্রিয়লব্ধ অভিজ্ঞতার কোনো প্রমাণ নেই। অন্যদিকে প্রাচীন সংশয়বাদ ইন্দ্রিয়লব্ধ অনুভূতির ওপর সত্যের ভিত্তি স্থাপন করা তো দূরের কথা, বরং তারা শুরুতেই ইন্দ্রিয়ের বিরুদ্ধেই অবস্থান নিত।
** [[জি. ডব্লিউ. এফ. হেগেল]], ''এনসাইক্লোপিডিয়া অফ ফিলোসফি'' (১৮২৭), ডব্লিউ. কফম্যানের ''হেগেল'' (১৯৬৬) গ্রন্থে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ৬৯-৭০)।
* হিউমের ইতিহাসের চমৎকার বিষয়বস্তু এবং শৈলী একে প্রতিটি শিক্ষার্থীর পাঠ্যপুস্তকে পরিণত করেছে। আমি মনে করতে পারি, তরুণ বয়সে কত উৎসাহ নিয়ে আমি এটি পড়েছিলাম; এবং আমার মন থেকে এই বইটির বিষাক্ত প্রভাব দূর করতে কতটা সময়, গবেষণা আর চিন্তার প্রয়োজন হয়েছিল। এটি দুর্ভাগ্যজনক যে তিনি প্রথমে স্টুয়ার্ট রাজবংশের ইতিহাস লিখেছিলেন এবং তাদের অত্যাচারের পক্ষে ওকালতি করেছিলেন। এটিই সেই বই যা ইংরেজ সরকারের মুক্ত নীতিগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং পাঠকদের বিশ্বাস করিয়েছে যে রাজতন্ত্রের অধিকারই আসল; এটি সারা দেশে 'টরিজম' (একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক মতবাদ) ছড়িয়ে দিয়েছে।
** [[টমাস জেফারসন]] থেকে উইলিয়াম ডুয়েন (১২ আগস্ট ১৮১০), টমাস জেফারসনের ''রাইটিংস'' (১৯৮৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ১২২৮-১২২৯)।
* আমার কাছে সব সময় মনে হয়েছে যে, ব্রিটেনের 'উইগ' এবং 'টরি'দের মধ্যে পার্থক্য হলো—উইগরা তাদের অধিকারের উৎস খোঁজে অ্যাংলো-স্যাক্সন উৎস থেকে, আর টরিরা খোঁজে নরম্যান উৎস থেকে। হিউম ছিলেন সেই টরিবাদের মহান প্রচারক। তিনি দাবি করেছিলেন যে স্টুয়ার্টদের রাজত্বকালে জনগণই রাজাকে আক্রমণ করেছিল, রাজা জনগণকে নয়। তিনি আরও বলেছিলেন—'জনগণই সকল ন্যায়সঙ্গত ক্ষমতার উৎস'—এই মহান নীতিটি ইতিহাস এবং অভিজ্ঞতা দ্বারা সমর্থিত নয়। বিজ্ঞানের এই বিপথগামী সন্তান, তার সহমানুষদের সাথে বিশ্বাসঘতকতা করে যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মধ্যে ক্ষমতার উৎস খুঁজে না পান, তবে কি তিনি তা সংখ্যালঘুর মধ্যে খুঁজবেন?
** [[টমাস জেফারসন]] থেকে জন কার্টরাইট (৫ জুন ১৮২৪), টমাস জেফারসনের ''রাইটিংস'' (১৯৮৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ১৪৯১)।
* হিউম দৈবক্রমে একজন টরি, কারণ তিনি স্কটিশ ছিলেন; কিন্তু তিনি কোনো আদর্শের কারণে টরি ছিলেন না, কারণ তাঁর কোনো আদর্শই ছিল না। যদি তিনি কিছু হয়ে থাকেন, তবে তিনি ছিলেন একজন 'হবিস্ট' (টমাস হবসের অনুসারী)।
** [[স্যামুয়েল জনসন]], ''লেটারস অফ ডেভিড হিউম টু উইলিয়াম স্ট্রাহান'' (১৮৮৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত।
* আমি মুক্তকণ্ঠে স্বীকার করি যে, ডেভিড হিউমের স্মৃতিই বহু বছর আগে প্রথম আমার 'মতবাদগত ঘুম' (Dogmatic Slumber) ভাঙিয়ে দিয়েছিল এবং অনুমানমূলক দর্শনের ক্ষেত্রে আমার গবেষণাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক দিকনির্দেশনা দিয়েছিল।
** [[ইমানুয়েল কান্ট]], ''প্রোলেগোমেনা টু এনি ফিউচার মেটাফিজিক্স'' (১৭৮৩), ভূমিকা।
* হিউম ধর্মকে এতটাই ঘৃণা করতেন যে, তিনি স্বাধীনতাকেও ঘৃণা করতেন—কারণ স্বাধীনতা ধর্মের সাথে যুক্ত ছিল। তিনি একজন নিরপেক্ষ বিচারকের ভান করে একজন কুশলী উকিলের মতো স্বৈরাচারের পক্ষে ওকালতি করেছেন।
** [[টমাস বাবিংটন মেকলে]], 'মিলটন', দ্য এডিনবরা রিভিউ (আগস্ট ১৮২৫), ১৮৪৩ সালে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ৩১)।
* হিউমের দর্শন সত্য হোক বা মিথ্যা, এটি ১৮শ শতাব্দীর যুক্তিবাদ বা কাণ্ডজ্ঞানের দেউলিয়া দশা প্রকাশ করে। তিনি লকের মতো অভিজ্ঞতা দিয়ে শুরু করেছিলেন, কিন্তু প্রখর বুদ্ধিমত্তার কারণে তিনি এই ধ্বংসাত্মক সিদ্ধান্তে পৌঁছান যে—অভিজ্ঞতা থেকে শেখার মতো আসলে কিছুই নেই। কোনো কাজই অন্য কাজের চেয়ে বেশি যৌক্তিক হতে পারে না, কারণ সবই অযৌক্তিক বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে চলে। রুশো ছিলেন উন্মাদ কিন্তু প্রভাবশালী; হিউম ছিলেন সুস্থ মস্তিস্কের মানুষ কিন্তু তাঁর কোনো অনুসারী ছিল না।
** [[বার্ট্রান্ড রাসেল]], ''এ হিস্ট্রি অফ ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি'', ৩য় খণ্ড, ১৭শ অধ্যায়: হিউম।
* হিউমের সংশয়বাদের কোনো উত্তর আছে কি না তা খুঁজে বের করা জরুরি। যদি না থাকে, তবে একজন সুস্থ মানুষ আর একজন উন্মাদের মধ্যে কোনো বুদ্ধিবৃত্তিক পার্থক্য থাকে না। যে উন্মাদ নিজেকে একটি 'সেদ্ধ ডিম' মনে করে, তাকে কেবল এই যুক্তিতেই বাতিল করা হবে যে সে সংখ্যায় সংখ্যালঘু অথবা সরকার তার সাথে একমত নয়। এটি একটি ভয়াবহ এবং হতাশাজনক দৃষ্টিভঙ্গি।
** [[বার্ট্রান্ড রাসেল]], ''এ হিস্ট্রি অফ ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি'', ৩য় খণ্ড, ১৭শ অধ্যায়: হিউম।
* হিউমের ন্যায়ের ধারণা মূলত নৈতিক ও রাজনৈতিক গুণাবলির একটি বৃহত্তর ব্যাখ্যার অংশ। হিউম একজন 'দার্শনিক নৃবিজ্ঞানী' (Philosophical Anthropologist) হিসেবে লিখেছেন, কোনো সংস্কারক (Reformer) হিসেবে নয়। তিনি বেনথাম বা মিলের মতো আমাদের নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে সংস্কার করতে চাননি, বরং কেবল তা ব্যাখ্যা করতে চেয়েছিলেন।
** [[অ্যালান রায়ান]], ''জাস্টিস'' (১৯৯৩) গ্রন্থের ভূমিকা।
* হেগেল, হার্বার্ট এবং শ্লেয়ারমাচারের সমগ্র দার্শনিক কাজের চেয়ে ডেভিড হিউমের প্রতিটি পৃষ্ঠা থেকে অনেক বেশি কিছু শেখার আছে।
** [[আর্থার শোপেনহাওয়ার]], ''দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাজ উইল অ্যান্ড আইডিয়া'' (২০১৬), পৃষ্ঠা ৭২১।
* সব মিলিয়ে, তাঁর জীবদ্দশায় এবং মৃত্যুর পর—আমি সব সময় তাঁকে একজন আদর্শ জ্ঞানী ও সচ্চরিত্র মানুষের নিকটতম রূপ হিসেবে বিবেচনা করেছি, মানুষের সীমাবদ্ধতা যতদূর পর্যন্ত অনুমতি দেয়।
** [[অ্যাডাম স্মিথ]] (হিউমের মৃত্যুর পর তাঁর বন্ধু অ্যাডাম স্মিথের করা বিখ্যাত মন্তব্য)।
* আজ আমেরিকার কোনো প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়ে কান্ট—যিনি ঈশ্বর, স্বাধীনতা আর অমরত্ব নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন—কিংবা হিউমের মতো কেউ গ্র্যাজুয়েট স্কুলে এক বছরও টিকতে পারতেন না, ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে নিয়োগ পাওয়া তো দূরের কথা।
** [[টম উলফ]], 'ইন দ্য ল্যান্ড অফ দ্য রোকোকো মার্কসিস্টস', হার্পার্স (জুন ২০০০)।
== বহিঃসংযোগ ==
* [https://www.iep.utm.edu/hume/ ইন্টারনেট এনসাইক্লোপিডিয়া অফ ফিলোসফিতে হিউম]
* [http://cepa.newschool.edu/het/profiles/hume.htm হিউমের প্রোফাইল এবং গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্কসমূহ]
* [http://onlinebooks.library.upenn.edu/webbin/book/search?amode=start&author=Hume%2c%20David অনলাইনে হিউমের ই-টেক্সটসমূহ]
* [http://oll.libertyfund.org/Intros/Hume.php অনলাইন লাইব্রেরি অফ লিবার্টিতে হিউমের ডাউনলোডযোগ্য কাজসমূহ]
* [http://utilitarian.net/hume ডেভিড হিউম: বই, নিবন্ধ এবং বিশ্বকোষের এন্ট্রি সহ লিঙ্কের বিশাল সংগ্রহ]
* [http://www.webcitation.org/query?id=1256456620452337&url=www.geocities.com/Athens/3067/hume/h_index.html হিউম ট্রিব্যুট সাইট]
* [http://humesociety.org হিউম সোসাইটি: একটি আন্তর্জাতিক বুদ্ধিজীবী ও পণ্ডিত সমাজ]
{{clear}}
{{Social and political philosophers}}
{{DEFAULTSORT:হিউম, ডেভিড}}
[[Category:নাস্তিক্যবাদ সক্রিয়কর্মী]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের শিক্ষাবিদ]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের দার্শনিক]]
[[Category:১৭১১-এ জন্ম]]
[[Category:১৭৭৬-এ মৃত্যু]]
[[Category:এডিনবার্গের ব্যক্তি]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের ইতিহাসবিদ]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের অর্থনীতিবিদ]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের প্রবন্ধকার]]
[[Category:উদারপন্থী অর্থনীতিবিদ]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের গ্রন্থাগারিক]]
[[Category:নাস্তিক]]
[[Category:ধর্মের সমালোচক]]
[[Category:সামাজিক সমালোচক]]
[[Category:সংশয়বাদী]]
[[Category:মানিবতাবাদী]]
[[Category:অভিজ্ঞতাবাদী]]
[[Category:আলোকিত যুগ (Enlightenment)]]
[[Category:ধ্রুপদী অর্থনীতিবিদ]]
[[Category:এডিনবার্গা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]]
dyud9nqb948bcuej67m4hqxmzwu3p13
74087
73980
2026-04-06T11:02:48Z
Oindrojalik Watch
4169
সংশোধন
74087
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:David Hume Ramsay.jpg|thumb|right|250px|ডেভিড হিউম (১৭৬৬)]]
[[w:ডেভিড হিউম|ডেভিড হিউম]] (৭ মে ১৭১১ – ২৫ আগস্ট ১৭৭৬) ছিলেন আঠারো শতকের একজন প্রখ্যাত স্কটিশ দার্শনিক, ইতিহাসবিদ, অর্থনীতিবিদ এবং প্রাবন্ধিক। পাশ্চাত্য দর্শনের ইতিহাসে তাকে অন্যতম প্রভাবশালী অভিজ্ঞতাবাদী ও সংশয়বাদী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। হিউমের মূল দর্শন ছিল এই যে, মানুষের সমস্ত জ্ঞান ও ধারণার একমাত্র উৎস হলো বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ইন্দ্রিয়লব্ধ সংবেদন। হিউম মূলত তাঁর 'কার্যকারণ-তত্ত্ব' এবং নৈতিক দর্শনের সূক্ষ্ম বিশ্লেষণের জন্যই বিশ্বজুড়ে বিশেষভাবে পরিচিত হয়ে আছেন।
== উক্তি ==
[[চিত্র:Painting of David Hume.jpg|থাম্ব|একজন প্রাজ্ঞ মানুষের আসল জগৎ হলো তাঁর নিজের মন। আর তিনি যদি কখনো বাইরের স্বীকৃতির প্রয়োজন বোধ করেন, তবে তিনি কেবল সেই সামান্য কয়েকজন নিরপেক্ষ ও যোগ্য মানুষের বিচারকেই গুরুত্ব দেবেন—যাঁরা সংকীর্ণতামুক্ত হয়ে তাঁর কাজকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে পারেন।]]
* এখানেই আমরা সেই ভ্রান্ত ধারণার অসারতা বুঝতে পারি... যেখানে মনে করা হয় কোনো রাষ্ট্রের উর্বর ভূমি, বিপুল জনসংখ্যা আর উন্নত কৃষি ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও কেবল 'অর্থের' অভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রকৃতপক্ষে, এই আর্থিক স্বল্পতা কোনো রাষ্ট্রকে অভ্যন্তরীণভাবে কখনোই ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে না; কারণ একটি জাতির প্রকৃত শক্তির উৎস হলো — 'তার জনগণ ও সম্পদ'। মানুষের অতি সাধারণ ও মিতব্যয়ী জীবনযাত্রাই বরং জনস্বার্থের অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়, যা সোনা আর রূপা তথা সম্পদকে কেবল মুষ্টিমেয় কিছু হাতে বন্দি করে রাখে এবং এর সার্বজনীন সঞ্চালনকে স্তব্ধ করে দেয়। পক্ষান্তরে, শিল্পায়ন এবং নানাবিধ আধুনিক রুচিবোধ সেই অর্থকে গোটা রাষ্ট্রের অঙ্গে বিলীন করে দেয়, তার পরিমাণ যত সামান্যই হোক না কেন; এটি যেন রাষ্ট্রের প্রতিটি শিরা-উপশিরায় মিশে যায় এবং প্রতিটি বিনিময়-চুক্তিতে প্রাণ সঞ্চার করে।
** 'অফ মানি' (১৭৫২); ইউজিন রোটউইন সম্পাদিত ''''ডেভিড হিউম: রাইটিংস অন ইকোনমিকস''''-এ উদ্ধৃত (১৯৫৫, ১৯৭০), [https://archive.org/details/writingsoneconom0000hume/page/45/mode/1up পৃষ্ঠা ৪৫।]
* '''একজন প্রাজ্ঞ মানুষের প্রকৃত সাম্রাজ্য হলো তাঁর নিজের অন্তঃকরণ; আর তিনি যদি কখনো বাইরের স্বীকৃতির প্রয়োজন বোধ করেন, তবে তিনি কেবল সেই সামান্য কয়েকজন নিরপেক্ষ ও যোগ্য মানুষের বিচারকেই গুরুত্ব দেবেন—যাঁরা সংকীর্ণতামুক্ত হয়ে তাঁর কাজকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করার ক্ষমতা রাখেন।''' প্রকৃতপক্ষে, সাধারণ মানুষের অতি প্রশংসার চেয়ে কোনো তথ্যের অসত্য হওয়ার বড় প্রমাণ আর কিছু হতে পারে না; আপনি তো জানেনই, ফোকিয়ন যখনই জনসভার করতালি শুনতেন, তখনই শঙ্কিত হতেন এই ভেবে যে—তিনি নিশ্চয়ই বড় কোনো ভুল করে ফেলেছেন!
** "দ্য থিওরি অফ মোরাল সেন্টিমেন্টস"-এর ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ার প্রেক্ষিতে অ্যাডাম স্মিথকে লেখা একটি পরিহাসপূর্ণ পত্র।
* একজন কাণ্ডজ্ঞানসম্পন্ন মানুষ কি ভূত-প্রেত বা রূপকথার আষাঢ়ে গল্পের পেছনে হন্যে হয়ে ছোটে এবং সেগুলোর সত্যতা খুব গুরুত্বের সাথে যাচাই করতে বসে? আমার অভিজ্ঞতায় আজ অবধি এমন কাউকে দেখিনি, যে আজেবাজে বা অর্থহীন বিষয় নিয়ে দীর্ঘক্ষণ বিচার-বিশ্লেষণ করার পর তদন্তের শেষ প্রান্তে এসে নিজেই সেই প্রলাপে বিশ্বাস স্থাপন করেনি।
** ''লেটারস'' (পত্রাবলি)।
* মহাবিশ্বের কাছে একজন মানুষের জীবনের গুরুত্ব একটি নগণ্য ঝিনুকের চেয়ে বেশি কিছু নয়।
** ''অন সুইসাইড'' (আত্মহত্যা প্রসঙ্গে)।
* সেই সব নির্বোধদের প্রশংসা বা সম্মানের প্রতি আমার তীব্র ঘৃণা রয়েছে যারা নিজেদের 'জনসাধারণ' বলে পরিচয় দেয়; যাদেরকে একজন বই বিক্রেতা, কোনো লর্ড, পুরোহিত কিংবা কোনো রাজনৈতিক দল চাইলেই নিজের ইচ্ছেমতো পরিচালনা করতে পারে।
** গিলবার্ট এলিয়ট অফ মিন্টোকে লেখা পত্র ১৩৮; ৯ আগস্ট, ১৭৫৭।
* '''স্বর্গ এবং নরকের ধারণা যেন মানুষকে ভালো আর মন্দ—এই দুই স্বতন্ত্র শ্রেণিতে বিভক্ত করে ফেলে; কিন্তু মানবজাতির সিংহভাগই আসলে পুণ্য আর পাপের মাঝখানে কোনো এক অনিশ্চিত স্থানে ভাসছে।''' -- কেউ যদি সৎ মানুষকে ভালো নৈশভোজ করানো আর পাপাচারীকে উত্তম-মধ্যম প্রহার করার সংকল্প নিয়ে বিশ্ব ভ্রমণে বের হয়, তবে সে নিজের পছন্দ নিয়ে বারবার বিপাকে পড়বে; কারণ অধিকাংশ নর-নারীর গুণ বা দোষের পাল্লা এতটাই হালকা যে তা কোনোটিরই যোগ্য নয়।
** ''এসে অন দ্য ইমর্টালিটি অফ দ্য সোল'' (আত্মার অমরত্ব বিষয়ক প্রবন্ধ)।
* 'অফ দ্য প্রোটেস্ট্যান্ট সাকসেশন' প্রবন্ধের উপসংহার আমাকে একজন 'হুইগ' হিসেবে প্রকাশ করে, তবে আমি একজন চরম সংশয়বাদী হুইগ।
** হেনরি হোমকে লেখা পত্র (৯ ফেব্রুয়ারি ১৭৪৮); জে. ওয়াই. টি. গ্রেইগ সম্পাদিত ''দ্য লেটারস অফ ডেভিড হিউম: ভলিউম ১'' (অক্সফোর্ড: ক্ল্যারেন্ডন প্রেস, ১৯৩২), পৃষ্ঠা ১১১।
* রাজনীতি এবং রাজপুত্র বা মহৎ ব্যক্তিদের চরিত্রের ব্যাপারে আমি মনে করি আমি অত্যন্ত মডারেট বা ভারসাম্যপূর্ণ। জাগতিক 'বিষয়বস্তু'র (Things) ক্ষেত্রে আমার দৃষ্টিভঙ্গি হুইগ (Whig) আদর্শের অনুসারী; কিন্তু 'ব্যক্তি'র (Persons) বর্ণনায় আমি টোরি (Tory) ঘরানার পক্ষপাতকে ধারণ করি। মানুষ যে আদর্শের চেয়ে ব্যক্তির ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়, তার বড় প্রমাণ হলো আমাকে সাধারণত টোরিদের দলেই গণ্য করা হয়।
** ই. সি. মসনার, ''লাইফ অফ ডেভিড হিউম'' (ক্ল্যারেন্ডন প্রেস, ২০০১), পৃষ্ঠা ৩১১।
* আমি ভেবেছিলাম আমিই একমাত্র ইতিহাসবিদ যে সমসাময়িক ক্ষমতা, স্বার্থ, কর্তৃত্ব এবং গণমানুষের কুসংস্কারের তোয়াক্কা না করে ইতিহাস লিখেছি; তাই যেহেতু বিষয়টি সবার বোধগম্য ছিল, আমি সেই অনুপাতে প্রশংসাও আশা করেছিলাম। কিন্তু আমার সেই আশা চরম হতাশায় পর্যবসিত হলো: আমি চারপাশ থেকে কেবল তিরস্কার, অসম্মতি এবং ঘৃণার শিকার হলাম; ইংরেজ, স্কটিশ, আইরিশ—হুইগ থেকে টোরি, গির্জার যাজক থেকে শুরু করে মুক্তচিন্তক আর ধর্মতাত্ত্বিক, দেশপ্রেমিক থেকে রাজদরবারের পারিষদ—সবাই সেই লোকটির ওপর ক্ষোভে ফেটে পড়ল, যে প্রথমবার প্রথম চার্লস এবং আর্ল অফ স্ট্র্যাফোর্ডের পরিণতির জন্য এক ফোঁটা সহানুভূতি প্রকাশের সাহস দেখিয়েছিল।
** 'মাই ওন লাইফ' (১৭৭৬); ইউজিন মিলার সম্পাদিত ডেভিড হিউমের ''এসেস: মোরাল, পলিটিক্যাল, অ্যান্ড লিটারারি (১৭৪১–১৭৭৭)'' (১৯৮৫), পৃষ্ঠা ৩৭।
* '''আমি এমন একজন মানুষ যে শত্রুতা উসকে দেওয়ার মতো সব ধরণের বিষয়ে লিখেছি—তা সে নৈতিক, রাজনৈতিক কিংবা ধর্মীয় যাই হোক না কেন; তবুও আমার কোনো শত্রু নেই—অবশ্য সমস্ত হুইগ, টোরি (তৎকালীন ব্রিটেনের প্রধান দুটি রাজনৈতিক আদর্শ বা দল) এবং সমস্ত খ্রিষ্টান ছাড়া।'''
** মৃত্যুর কিছুদিন আগে এক বন্ধুর কাছে দেওয়া কিছু কথা; লর্ড হেনরি ব্রোঘাম-এর ''মেন অফ লেটারস''-এ বর্ণিত।
* আল-কুরআনের অনুসারীরা এর অভ্যন্তরে ছড়িয়ে থাকা চমৎকার সব নৈতিক উপদেশের প্রশংসা করেন। কিন্তু ধারণা করা হয় যে, আরবি ভাষায় সাম্য, ন্যায়বিচার, মিতব্যয়িতা বা দয়া বোঝাতে যে সকল শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে, সেগুলো ভাষার দীর্ঘ ব্যবহারের কারণে সবসময়ই ইতিবাচক অর্থেই গৃহীত হয়। তাই এগুলোকে প্রশংসা বা সাধুবাদ ছাড়া অন্য কোনো বিশেষণে ভূষিত করা নৈতিকতার অভাব নয়, বরং ভাষার অজ্ঞতা হিসেবেই গণ্য হবে।
** ডেভিড হিউম, ''অফ দ্য স্ট্যান্ডার্ড অফ টেস্ট'' (১৭৬০)।
* '''যারা দর্শন বা বিজ্ঞানের জগতে নতুন কিছু আবিষ্কারের দাবি করেন, তাদের জন্য নিজেদের পূর্বসূরিদের ব্যবস্থার সমালোচনা করে নিজেদের মতবাদের প্রশংসা করা অত্যন্ত সাধারণ এবং স্বাভাবিক একটি বিষয়।''' প্রকৃতপক্ষে, মানবীয় যুক্তির দরবারে আসা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে আমাদের অজ্ঞতার জন্য যদি তাঁরা কেবল আক্ষেপ করতেন, তবে বিজ্ঞান সচেতন খুব কম মানুষই তাঁদের সাথে দ্বিমত পোষণ করতেন। একজন প্রাজ্ঞ ও শিক্ষিত মানুষের পক্ষে সেই সব ব্যবস্থার দুর্বল ভিত্তিগুলো খুঁজে বের করা খুবই সহজ, যেগুলো একসময় অত্যন্ত নির্ভুল এবং গভীর যুক্তি হিসেবে সমাদৃত ছিল। '''অন্ধভাবে গ্রহণ করা মূলনীতি, সেগুলো থেকে দুর্বলভাবে টেনে আনা সিদ্ধান্ত, উপাদানের মধ্যে সামঞ্জস্যের অভাব এবং সামগ্রিকভাবে প্রমাণের অনুপস্থিতি—বিখ্যাত সব দার্শনিকদের তত্ত্বে এগুলো সবখানেই দেখা যায়; যা খোদ দর্শন শাস্ত্রকেই যেন কলঙ্কিত করেছে।'''
** ভূমিকা।
* সুতরাং, আমাদের এই বিজ্ঞানের পরীক্ষাগুলো সংগ্রহ করতে হবে মানবজীবনের সতর্ক পর্যবেক্ষণ থেকে; জগত যে স্বাভাবিক নিয়মে চলে—মানুষের আচরণ, তাদের কাজকর্ম এবং বিনোদনের মাঝে সেগুলোকে খুঁজে নিতে হবে। যেখানে এই ধরণের পরীক্ষাগুলো বিচারবুদ্ধি দিয়ে সংগ্রহ ও তুলনা করা হয়, সেখানে আমরা এমন একটি বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠার আশা করতে পারি যা নিশ্চিতের দিক থেকে কোনো অংশে কম নয় এবং উপযোগিতার দিক থেকে মানুষের বোধগম্য অন্য যেকোনো কিছুর চেয়ে অনেক উন্নত।
** ভূমিকা।
==== ১ম খণ্ড: বোধশক্তি প্রসঙ্গে ====
* যেহেতু আমরা সবকিছুকেই '''অভ্যাস''' বলি যা কোনো নতুন যুক্তি বা সিদ্ধান্ত ছাড়াই অতীত পুনরাবৃত্তি থেকে উদ্ভূত হয়; তাই আমরা এটি একটি ধ্রুব সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারি যে—বর্তমান কোনো ছাপ থেকে তৈরি হওয়া আমাদের প্রতিটি বিশ্বাসই কেবল সেই উৎস (অভ্যাস) থেকে উদ্ভূত।
** ৩য় অংশ, ৮ম পরিচ্ছেদ।
* কোনো বস্তুর নিজের ভেতরে এমন কিছুই নেই যা আমাদের সেই বস্তুর সীমানা ছাড়িয়ে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সাহায্য করতে পারে; [...] এমনকি কোনো বস্তুর বারবার বা নিরন্তর সংযোগ পর্যবেক্ষণের পরেও, অভিজ্ঞতার বাইরের কোনো বস্তু সম্পর্কে কোনো অনুমান করার মতো যৌক্তিক কারণ আমাদের কাছে নেই।
** ৩য় অংশ, ১২শ পরিচ্ছেদ।
* একটি স্পষ্ট সত্যকে অস্বীকার করা যেমন হাস্যাস্পদ, তেমনি হাস্যাস্পদ হলো তাকে রক্ষা করার জন্য মাত্রাতিরিক্ত পরিশ্রম করা; আর আমার কাছে এর চেয়ে স্পষ্ট সত্য আর কিছু নেই যে—মানুষের মতো পশুরাও চিন্তা ও যুক্তিবোধের অধিকারী। এই ক্ষেত্রে যুক্তিগুলো এতটাই প্রতীয়মান যে তা অত্যন্ত স্থূল এবং অজ্ঞ মানুষের নজরও এড়ায় না।
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* পশুপাখির বাহ্যিক আচরণের সাথে আমাদের নিজেদের আচরণের যে সাদৃশ্য রয়েছে, তা থেকেই আমরা বিচার করি যে তাদের অভ্যন্তরীণ জগতও আমাদের মতোই; এবং যুক্তির এই একই নীতিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেলে আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাব যে—যেহেতু আমাদের অভ্যন্তরীণ ক্রিয়াগুলো পরস্পর সদৃশ, তাই সেগুলো যে উৎস থেকে এসেছে, সেই কারণগুলোও অবশ্যই সদৃশ হবে।
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* মানুষ তাদের নিজেদের যুক্তির ক্রিয়া দেখে বিস্মিত হয় না, অথচ পশুপাখির '''সহজাত প্রবৃত্তি''' দেখে বিস্ময় প্রকাশ করে এবং এটি ব্যাখ্যা করতে হিমশিম খায়; কেবল এই কারণে যে একে সেই একই মূলনীতিতে ফেলা যায় না। [...] '''প্রকৃতপক্ষে যুক্তি আমাদের আত্মার ভেতরে এক বিস্ময়কর এবং অবোধ্য সহজাত প্রবৃত্তি ছাড়া আর কিছুই নয়।'''
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* অভ্যাস থেকে যা কিছু সৃষ্টি হতে পারে, প্রকৃতি অবশ্যই তা উৎপাদন করতে পারে: প্রকৃতপক্ষে, অভ্যাস প্রকৃতিরই অন্যতম মূলনীতি এবং এটি তার সমস্ত শক্তি সেই উৎস থেকেই লাভ করে।
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* এভাবে সমস্ত জ্ঞান শেষ পর্যন্ত 'সম্ভাব্যতা'তে পর্যবসিত হয়; এবং এই সম্ভাব্যতা আমাদের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে কম বা বেশি হতে পারে।
** ৪র্থ অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ।
* বর্তমানে দার্শনিকদের অবস্থা অত্যন্ত করুণ বলে মনে হচ্ছে; সিজিফাস এবং ট্যান্টালাস এর শাস্তির বর্ণনায় কবিরা আমাদের যে ধারণা দিয়েছেন, তা বাস্তব যন্ত্রণার তুলনায় সামান্য। কারণ এর চেয়ে যন্ত্রণাদায়ক আর কী হতে পারে যে—ব্যকুল হয়ে এমন কিছুকে খোঁজা যা চিরকাল আমাদের ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়; এবং এমন এক জায়গায় তাকে খোঁজা যেখানে তার অস্তিত্ব থাকা অসম্ভব?
** ৪র্থ অংশ, ৩য় পরিচ্ছেদ।
* আমি যখন সবচেয়ে নিবিড়ভাবে নিজেকে 'আমি' বলে অনুসন্ধান করি, তখন আমি সবসময়ই তাপ বা শৈত্য, আলো বা ছায়া, প্রেম বা ঘৃণা, দুঃখ বা সুখের মতো কোনো না কোনো বিশেষ উপলব্ধির ওপর আছাড় খেয়ে পড়ি। আমি কখনোই কোনো উপলব্ধি ছাড়া 'নিজেকে' ধরতে পারি না, এবং উপলব্ধি ছাড়া আর কিছুই পর্যবেক্ষণ করতে পারি না। যখন কিছু সময়ের জন্য আমার উপলব্ধিগুলো অপসারিত হয় (যেমন গভীর ঘুমে), ততক্ষণ আমি নিজের সম্পর্কে অচেতন থাকি এবং সত্যই বলা যেতে পারে যে তখন আমার কোনো অস্তিত্ব নেই। আর যদি মৃত্যুর মাধ্যমে আমার সব উপলব্ধি চিরতরে মুছে যায়—তবে আমি সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে যাব। যদি কেউ নিরপেক্ষ চিন্তার পর মনে করেন যে তাঁর 'নিজের' সম্পর্কে ভিন্ন কোনো ধারণা আছে, তবে আমি স্বীকার করছি যে তাঁর সাথে আমি আর তর্কে যেতে পারছি না। তিনি হয়তো নিজের ভেতর সরল এবং অবিচ্ছিন্ন কিছু অনুভব করেন যাকে তিনি 'নিজে' বা 'স্বয়ং' বলেন; কিন্তু আমি নিশ্চিত যে আমার ভেতর এমন কোনো মূলনীতি নেই... তবে এই ধরণের কিছু অধিবিদ্যক ব্যক্তিদের বাদ দিলে, আমি বাকি মানবজাতি সম্পর্কে জোর দিয়ে বলতে পারি যে—তারা অসংখ্য উপলব্ধির একটি সমষ্টি বা সংগ্রহ ছাড়া আর কিছুই নয়, যা অচিন্তনীয় দ্রুততায় একে অপরকে অনুসরণ করে এবং এক নিরন্তর প্রবাহ ও গতির মধ্যে থাকে।
** ৪র্থ অংশ, ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ।
* '''আমার নিজেকে এমন একজন মানুষের মতো মনে হয়, যে বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে এবং এক ছোট প্রণালী পার হতে গিয়ে অল্পের জন্য জাহাজডুবি থেকে রক্ষা পেয়েছে; তবুও তার ধৃষ্টতা এতটাই যে সে সেই একই জীর্ণ, লোনা ধরা জাহাজে করে সমুদ্রে পাড়ি দিতে চায় এবং এমনকি এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বিশ্ব ভ্রমণের উচ্চাকাঙ্ক্ষা পোষণ করে।'''
** ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ।
* আমার দর্শনে আমি নিজেকে যে জনশূন্য একাকীত্বের মধ্যে আবিষ্কার করি, তা দেখে আমি প্রথমে আতঙ্কিত এবং বিভ্রান্ত হই; নিজেকে এক অদ্ভুত বিদঘুটে দানব মনে হয়, যে সমাজে মিশতে অক্ষম হয়ে মানুষের সান্নিধ্য থেকে বিতাড়িত এবং পরিত্যক্ত ও শোচনীয় অবস্থায় পড়ে আছে। '''ইচ্ছে হয় আশ্রয় আর উষ্ণতার জন্য ভিড়ের মধ্যে ছুটে যাই; কিন্তু সেই কদর্যতার সাথে নিজেকে মেশাতে পারি না। আমি অন্যদের ডাকি আমার সাথে যোগ দিতে যাতে আমরা আলাদা একটি সঙ্গ গড়ে তুলতে পারি; কিন্তু কেউ আমার কথা শোনে না। সবাই দূরে থাকে এবং সেই ঝড়কে ভয় পায় যা আমার ওপর চারপাশ থেকে আঘাত হানছে। আমি সমস্ত অধিবিদ্যক, যুক্তিবিদ, গণিতবিদ এমনকি ধর্মতাত্ত্বিকদের শত্রুতার মুখে নিজেকে সঁপে দিয়েছি; তবে আমার ওপর যে অপমান নেমে আসবে তাতে কি আমি অবাক হতে পারি?''' আমি তাদের ব্যবস্থার প্রতি আমার অসম্মতি প্রকাশ করেছি; তবে তারা যদি আমার এবং আমার মতবাদের প্রতি ঘৃণা পোষণ করে তবে কি আমি বিস্মিত হতে পারি? আমি যখন বাইরের দিকে তাকাই, আমি সবদিকে কেবল বিতর্ক, বিরোধিতা, ক্রোধ আর কুৎসা দেখি। যখন আমি নিজের ভেতরে তাকাই, আমি কেবল সন্দেহ আর অজ্ঞতা ছাড়া আর কিছুই খুঁজে পাই না। সারা বিশ্ব আমার বিরোধিতা করার জন্য ষড়যন্ত্র করছে; যদিও আমার দুর্বলতা এমনই যে অপরের সমর্থন ছাড়া আমার নিজের মতামতগুলোই আলগা হয়ে ঝরে পড়ে। আমার নেওয়া প্রতিটি পদক্ষেপ দ্বিধাগ্রস্ত, আর প্রতিটি নতুন চিন্তা আমাকে ভুলের আশঙ্কায় ভীত করে তোলে।
** ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ।
* '''কেননা এত সাহস নিয়ে আমি কীভাবে এগোব, যখন নিজের অসংখ্য দুর্বলতা ছাড়াও আমি মানুষের সহজাত সাধারণ দুর্বলতাগুলোও নিজের ভেতর খুঁজে পাই? আমি কি নিশ্চিত হতে পারি যে প্রতিষ্ঠিত সমস্ত মতামত ত্যাগ করে আমি সত্যকেই অনুসরণ করছি? আর কিসের ভিত্তিতেই বা আমি সত্যকে চিনব, যদি ভাগ্য শেষ পর্যন্ত আমাকে তাঁর পায়ের ছাপে পৌঁছেও দেয়?''' আমার সবচেয়ে নির্ভুল যুক্তির পরেও আমি কেন তা মেনে নেব—তার কোনো কারণ খুঁজে পাই না; আমি কেবল সেই দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি এক তীব্র টান অনুভব করি যার অধীনে বস্তুগুলো আমার কাছে প্রকাশিত হয়। স্মৃতি, ইন্দ্রিয় এবং বোধশক্তি—এই সবকিছুই তাই শেষ পর্যন্ত কল্পনা বা আমাদের ধারণার প্রাণবন্ততার ওপর ভিত্তি করেই দাঁড়িয়ে আছে।
** ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ।
== ''এ ট্রিটিজ অফ হিউম্যান নেচার'' (১৭৩৯-৪০): ২য় ও ৩য় খণ্ড ==
* কার্যকারণের সাধারণ সংযোগের অন্তরালে যে মূলনীতিটি তাদের বেঁধে রেখেছে, সে সম্পর্কে আমরা সাধারণ ঘটনায় যতটা অজ্ঞ, অসাধারণ কোনো ঘটনায় ঠিক ততটাই অজ্ঞ; কিন্তু দৈনন্দিন জীবনে আমরা এই ঘাটতি বুঝতে পারি না। এটি আসলে কল্পনার একটি বিভ্রম ছাড়া আর কিছুই নয়। কল্পনার এই উড্ডয়ন দর্শনের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং দার্শনিকদের অধিকাংশ ভুলের মূল কারণ। উজ্জ্বল কল্পনাশক্তির অধিকারীদের সেই দেবদূতদের সাথে তুলনা করা যেতে পারে, যারা নিজেদের ডানা দিয়ে নিজেদের চোখ ঢেকে রাখে।
** ১ম খণ্ড: বোধশক্তি প্রসঙ্গে, ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ২৬৭-২৬৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''সাধারণভাবে বলতে গেলে, ধর্মের ভুলগুলো বিপজ্জনক; আর দর্শনের ভুলগুলো কেবল হাস্যকর।'''
** ১ম খণ্ড: বোধশক্তি প্রসঙ্গে, ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ২৭২, লিবার্টি ফান্ড)।
==== ২য় খণ্ড: আবেগ বা প্রবৃত্তি প্রসঙ্গে ====
* দুঃখ আর হতাশা থেকে জন্ম নেয় ক্রোধ, ক্রোধ থেকে ঈর্ষা, ঈর্ষা থেকে বিদ্বেষ, আর সেই বিদ্বেষ থেকে পুনরায় দুঃখ—এভাবেই চক্রটি পূর্ণতা পায়।
** ১ম অংশ, ৪র্থ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ২৮৩, লিবার্টি ফান্ড)।
* মানবপ্রকৃতির কোনো গুণই সহমর্মিতার মতো এত বেশি লক্ষণীয় নয়; যার মাধ্যমে আমরা অন্যের রুচি আর অনুভূতি গ্রহণ করি, এমনকি সেগুলো আমাদের নিজস্ব মতের বিরোধী হলেও। আমরা লক্ষ্য করি যে, একই জাতির মানুষের চিন্তা আর মেজাজের মধ্যে এক অদ্ভুত সামঞ্জস্য থাকে; আর এই সাদৃশ্য মাটি বা জলবায়ুর চেয়ে সহমর্মিতার কারণেই বেশি ঘটে। একজন অমায়িক মানুষ মুহূর্তের মধ্যেই তাঁর সঙ্গীদের মেজাজে মিশে যান; এমনকি সবচেয়ে অহংকারী ব্যক্তিও তাঁর পরিচিতদের প্রভাবে প্রভাবিত হন।
** ১ম অংশ, ১১শ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৩১৬-৩১৭, লিবার্টি ফান্ড)।
* হাঁস, তুরস্কের মুরগি কিংবা ময়ূরের চলন-বলন দেখলেই বোঝা যায় তারা নিজেদের সম্পর্কে কত উঁচু ধারণা পোষণ করে এবং অন্যদের কতটা অবজ্ঞা করে। যেমন পুরুষ নাইটিঙ্গেল পাখির গান গাওয়ার প্রতিযোগিতা আর এই ধরণের আরও অনেক প্রমাণ থেকে এটি স্পষ্ট যে—অহংকার আর বিনয় কেবল মানুষের আবেগ নয়, বরং তা সমগ্র প্রাণীজগতে বিস্তৃত।
** ১ম অংশ, ১২শ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৩২৬, লিবার্টি ফান্ড)।
* পশুদের ক্ষেত্রেও সহমর্মিতা বা আবেগের আদান-প্রদান মানুষের মতোই ঘটে। ভয়, ক্রোধ, সাহস—সবই এক পশু থেকে অন্য পশুতে সঞ্চারিত হয়। লক্ষ্যণীয় যে, সিংহ, বাঘ বা বিড়াল খেলার ছলে যখন আক্রমণ করে, তখন তারা নখর বা দাঁত ব্যবহার করলেও সঙ্গীকে আঘাত করা থেকে সতর্কভাবে বিরত থাকে; যা প্রমাণ করে যে ইতর প্রাণীদেরও একে অপরের ব্যথা আর আনন্দের বোধ রয়েছে।
** ২য় অংশ, ১২শ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৩৯৭-৩৯৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* দার্শনিক বিতর্কে কোনো হাইপোথিসিস বা মতবাদকে ধর্ম ও নৈতিকতার জন্য 'বিপজ্জনক' বলে প্রমাণ করার মাধ্যমে তা নাকচ করে দেওয়া—সবচেয়ে প্রচলিত অথচ সবচেয়ে নিন্দনীয় একটি পদ্ধতি। কোনো মতবাদ যদি অযৌক্তিকতার দিকে নিয়ে যায়, তবেই তা মিথ্যে হতে পারে; কিন্তু তার ফলাফল বিপজ্জনক বলেই যে তা মিথ্যে হবে—এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।
** ৩য় অংশ, ২য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪০৯, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''যখন আমরা আবেগ আর যুক্তির লড়াই নিয়ে কথা বলি, তখন আমরা দার্শনিক এবং পারিভাষিক দিক থেকে সঠিক কথা বলি না। যুক্তি হলো আবেগের দাস, এবং এর একমাত্র কাজ হলো আবেগের সেবা ও আনুগত্য করা।'''
** ৩য় অংশ, ৩য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪১৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* আমার আঙুলের সামান্য আঁচড় রোধ করার চেয়ে পুরো পৃথিবীর ধ্বংসকে অগ্রাধিকার দেওয়া যুক্তিবিরোধী কিছু নয়। আমার সামান্যতম অস্বস্তি এড়াতে একজন সম্পূর্ণ অচেনা মানুষের বা কোনো দূর দেশের বাসিন্দার চূড়ান্ত ধ্বংস বেছে নেওয়াও যুক্তিবিরোধী নয়। এমনকি আমার বড় কোনো কল্যাণের চেয়ে ছোট কোনো কল্যাণকে বেশি গুরুত্ব দেওয়াও অযৌক্তিক নয়। সংক্ষেপে বলতে গেলে, একটি আবেগ বা প্রবৃত্তিকে কেবল তখনই অযৌক্তিক বলা যেতে পারে যখন তা কোনো ভুল বিচারবুদ্ধি বা মিথ্যে ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়।
** ৩য় অংশ, ৩য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪১৬, লিবার্টি ফান্ড)।
==== ৩য় খণ্ড: নৈতিকতা প্রসঙ্গে ====
* সূক্ষ্ম এবং জটিল যুক্তির একটি অসুবিধা হলো—এটি প্রতিপক্ষকে স্তব্ধ করতে পারে কিন্তু সব সময় আশ্বস্ত করতে পারে না। পড়ার ঘর থেকে বেরিয়ে যখন আমরা দৈনন্দিন জীবনের কাজে যুক্ত হই, তখন সেই সূক্ষ্ম যুক্তিগুলো রাতের অন্ধকারের মতো মিলিয়ে যায় এবং আমরা যে সিদ্ধান্তগুলো অনেক কষ্টে অর্জন করেছিলাম, সেগুলো ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।
** ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৫৫, লিবার্টি ফান্ড)।
== ''এ ট্রিটিজ অফ হিউম্যান নেচার'' ও ''এ্যান এনকোয়ারি'' (১৭৩৯-১৭৪৮) ==
* '''নৈতিকতা এমন একটি বিষয় যা অন্য সবকিছুর চেয়ে আমাদের বেশি আলোড়িত করে: আমরা মনে করি সমাজ ও রাষ্ট্রের শান্তি এর প্রতিটি সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে; আর এই গুরুত্বই আমাদের অনুসন্ধানকে অন্য যেকোনো বিষয়ের চেয়ে বেশি বাস্তব ও দৃঢ় করে তোলে।''' এই সুবিধাটুকু না থাকলে আমি কখনোই এই ধরণের দুর্ভেদ্য দর্শনের তৃতীয় খণ্ডটি লেখার দুঃসাহস দেখাতাম না—বিশেষ করে এমন এক যুগে, যেখানে অধিকাংশ মানুষ পড়াকে কেবল বিনোদন হিসেবে গ্রহণ করেছে এবং যা কিছু বোঝার জন্য গভীর মনোযোগ প্রয়োজন, তাকেই প্রত্যাখ্যান করতে শিখেছে।
** ''এ ট্রিটিজ অফ হিউম্যান নেচার'', ৩য় খণ্ড: নৈতিকতা প্রসঙ্গে, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৫৫-৪৫৬, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''নীতিবোধ আমাদের আবেগ জাগিয়ে তোলে এবং কোনো কাজ করতে বা তা থেকে বিরত থাকতে উদ্বুদ্ধ করে। যুক্তি এই বিশেষ ক্ষেত্রে একেবারেই অক্ষম। সুতরাং, নৈতিকতার নিয়মগুলো আমাদের যুক্তির কোনো সিদ্ধান্ত নয়।'''
** ৩য় খণ্ড, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৫৭, লিবার্টি ফান্ড)।
* কোনো কাজ প্রশংসনীয় বা নিন্দনীয় হতে পারে; কিন্তু তা 'যুক্তিসঙ্গত' বা 'অযৌক্তিক' হতে পারে না। প্রশংসা আর নিন্দা যুক্তির সীমানার বাইরের বিষয়। যুক্তি অলস ও নিষ্ক্রিয়, এটি কখনোই বিবেকের মতো সক্রিয় নীতির উৎস হতে পারে না।
** ৩য় খণ্ড, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৫৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* যেকোনো জঘন্য কাজকে লক্ষ্য করুন—ধরুন একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। একে সব দিক থেকে পরীক্ষা করে দেখুন, সেখানে কি বাস্তব কোনো অস্তিত্ব বা তথ্য পাবেন যাকে আপনি 'পাপ' বলতে পারেন? সেখানে আপনি কেবল কিছু আবেগ, উদ্দেশ্য, ইচ্ছা আর চিন্তা খুঁজে পাবেন। পাপ বিষয়টি বস্তু বা ঘটনার মধ্যে থাকে না; যতক্ষণ আপনি বাইরের ঘটনার দিকে তাকাবেন, পাপ আপনার নাগালের বাইরে থাকবে। এটি কেবল তখনই খুঁজে পাবেন যখন আপনি আপনার দৃষ্টি নিজের অন্তরের দিকে ফেরাবেন এবং সেই কাজের প্রতি নিজের ভেতর একটি ঘৃণার অনুভূতি লক্ষ্য করবেন। সুতরাং, গুণ এবং পাপ অনেকটা শব্দ, বর্ণ, তাপ বা শৈত্যের মতো; যা বস্তুর নিজস্ব কোনো গুণ নয়, বরং মনের ভেতরের এক একটি অনুভূতি বা উপলব্ধি মাত্র।
** ৩য় খণ্ড, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৬৮-৪৬৯, লিবার্টি ফান্ড)।
* আমি একটি বিষয় উল্লেখ্য না করে পারছি না, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি এ পর্যন্ত নৈতিকতা নিয়ে যত আলোচনা দেখেছি, সেখানে লেখক প্রথমে সাধারণ যুক্তি দিয়ে শুরু করেন—হয়তো ঈশ্বরের অস্তিত্ব বা মানুষের স্বভাব নিয়ে কথা বলেন। কিন্তু হঠাৎ আমি অবাক হয়ে দেখি, সেখানে বাস্তব পরিস্থিতি বর্ণনা করার পরিবর্তে (অর্থাৎ কোনো কিছু কেমন 'হয়' বা 'নয়' বলার বদলে), লেখক সরাসরি আদেশ দিতে শুরু করেন যে আমাদের কী করা 'উচিত' বা 'উচিত নয়'! এই পরিবর্তনটি অলক্ষ্যেই ঘটে যায়, কিন্তু এর ফলাফল সুদূরপ্রসারী। কেননা এই 'উচিত' বা 'উচিত নয়' একটি নতুন সম্পর্ক প্রকাশ করে, যা আগের বর্ণনামূলক তথ্য থেকে কীভাবে বিবর্তিত হলো—তা ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন। লেখকের এই অসাবধানতা পাঠককে খেয়াল করার অনুরোধ জানাব; কারণ এই সামান্য সতর্কতাটুকু প্রচলিত সমস্ত নৈতিক ব্যবস্থাকে ধূলিসাৎ করে দিতে যথেষ্ট।
** ৩য় খণ্ড, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৬৯-৪৭০, লিবার্টি ফান্ড)।
* ন্যায় এবং অন্যায়ের বোধ প্রকৃতি থেকে উদ্ভূত হয়নি, বরং এটি কৃত্রিমভাবে... শিক্ষা এবং মানবিক প্রথা থেকে তৈরি হয়েছে।
** ৩য় খণ্ড, ২য় অংশ, ১৭শ পরিচ্ছেদ।
* মানুষের স্বার্থপরতা, সীমিত উদারতা এবং তাদের চাহিদার তুলনায় প্রকৃতির কৃপণতার কারণেই মূলত 'ন্যায়বিচার' এর উৎপত্তি হয়েছে।
** ৩য় খণ্ড, ২য় অংশ, ২য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৯৪-৪৯৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* নিজের এবং নিকটজনদের জন্য সম্পদ ও প্রতিপত্তি অর্জনের এই যে লালসা—এটি অতৃপ্ত, চিরন্তন, সর্বজনীন এবং সরাসরি সমাজের জন্য ধ্বংসাত্মক।
** ৩য় খণ্ড, ২য় অংশ, ২য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৯১-৪৯২, লিবার্টি ফান্ড)।
=== ''এ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং হিউম্যান আন্ডারস্ট্যান্ডিং'' (১৭৪৮) ===
* '''প্রকৃতপক্ষে, অভ্যাসই হলো মানবজীবনের প্রধান নির্দেশক।''' এটিই একমাত্র নীতি যা আমাদের অভিজ্ঞতাকে কার্যকর করে তোলে এবং অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে প্রত্যাশা তৈরি করে। অভ্যাসের প্রভাব ছাড়া আমরা বর্তমান স্মৃতি আর ইন্দ্রিয়ের বাইরের জগত সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ থাকতাম।
** ৫ম পরিচ্ছেদ: স্কেপটিক্যাল সলিউশন; ১ম খণ্ড, অনুচ্ছেদ ৩৬ (পৃষ্ঠা ৪৪, অক্সফোর্ড)।
* '''প্রকৃতি আমাদের জন্য এক মিশ্র জীবনকেই সবচেয়ে উপযোগী হিসেবে চিহ্নিত করেছে। [...] বিজ্ঞানের প্রতি তোমার আগ্রহকে লালন করো, তবে তোমার বিজ্ঞান যেন হয় মানবিক এবং সমাজ ও কর্মের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত। দার্শনিক হও; কিন্তু তোমার সমস্ত দর্শনের মাঝেও ভুলে যেও না যে তুমি একজন মানুষ।'''
** ১ম পরিচ্ছেদ: অফ দ্য ডিফারেন্ট স্পিসিস অফ ফিলোসফি (পৃষ্ঠা ৭, লিবার্টি ফান্ড)।
* দার্শনিক বিতর্কে কোনো মতবাদকে কেবল ধর্ম বা নৈতিকতার জন্য 'বিপজ্জনক' তকমা দিয়ে নাকচ করে দেওয়ার চেষ্টার চেয়ে সাধারণ এবং একইসাথে নিন্দনীয় পদ্ধতি আর নেই। এটি সত্য আবিষ্কারে কোনো সাহায্য করে না, কেবল প্রতিপক্ষকে ঘৃণা করতে শেখায়।
** ৮ম পরিচ্ছেদ: অফ লিবার্টি অ্যান্ড নেসেসিটি; ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ৯৬, লিবার্টি ফান্ড)।
* বাস্তব তথ্য বা অস্তিত্ব সম্পর্কিত আমাদের যুক্তিতে সব ধরণের নিশ্চয়তা থাকতে পারে; সবচেয়ে উচ্চপর্যায়ের ধ্রুব সত্য থেকে শুরু করে সবচেয়ে নিম্নপর্যায়ের নৈতিক প্রমাণ। '''তাই একজন প্রাজ্ঞ মানুষ সবসময় প্রাপ্ত প্রমাণের অনুপাতে তাঁর বিশ্বাসকে নিয়ন্ত্রণ করেন।'''
** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস (অলৌকিক ঘটনা প্রসঙ্গে); ১ম অংশ, অনুচ্ছেদ ৮৭ (পৃষ্ঠা ১১০, লিবার্টি ফান্ড)।
* কোনো অলৌকিক ঘটনা প্রতিষ্ঠিত করার জন্য কোনো সাক্ষ্যই যথেষ্ট নয়, যতক্ষণ না সেই সাক্ষ্যটি এমন পর্যায়ের হয় যে—তার মিথ্যা হওয়াটা সেই অলৌকিক ঘটনার চেয়েও বেশি বিস্ময়কর বা অলৌকিক বলে মনে হবে।
** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস; ১ম অংশ, অনুচ্ছেদ ৯১ (পৃষ্ঠা ১১৫, অক্সফোর্ড)।
* '''বাগ্মিতা যখন চূড়ান্ত শিখরে পৌঁছায়, তখন তা যুক্তি বা চিন্তার জন্য খুব সামান্যই অবকাশ রাখে; এটি সরাসরি মানুষের কল্পনা আর আবেগকে নাড়া দেয় এবং শ্রোতাদের বিচারবুদ্ধিকে পরাভূত করে ফেলে।'''
** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস; ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ১১৮, লিবার্টি ফান্ড)।
== ধর্ম, নৈতিকতা ও সংশয়বাদ (১৭৪৮-১৭৫৭) ==
* খ্রিষ্টধর্ম কেবল শুরুর দিকেই অলৌকিক ঘটনার ওপর নির্ভরশীল ছিল না; বরং আজও কোনো যুক্তিবাদী মানুষ অলৌকিক কোনো শক্তি ছাড়া এতে বিশ্বাস স্থাপন করতে পারে না। কেবল যুক্তি এর সত্যতা প্রমাণে যথেষ্ট নয়। যে ব্যক্তি বিশ্বাসের দ্বারা এতে সায় দেন, তিনি নিজের ভেতরেই এক নিরন্তর অলৌকিকত্ব অনুভব করেন—যা তাঁর বোধশক্তির সমস্ত মূলনীতিকে উল্টে দেয় এবং তাঁকে এমন কিছু বিশ্বাস করতে বাধ্য করে যা মানুষের সাধারণ অভিজ্ঞতা ও অভ্যাসের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
** ''এ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং হিউম্যান আন্ডারস্ট্যান্ডিং'' (১৭৪৮), ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস, ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ১২০, লিবার্টি ফান্ড)।
* যখন আমরা এই মূলনীতিগুলোতে বিশ্বাস রেখে কোনো লাইব্রেরিতে ঘুরে বেড়াই, তখন আমাদের কী পরিমাণ ধ্বংসযজ্ঞই না চালাতে হবে! আমরা যদি হাতে কোনো ধর্মতত্ত্ব বা স্কুল-মেটাফিজিক্সের বই পাই, তবে আমাদের প্রশ্ন করা উচিত—"এতে কি পরিমাণ বা সংখ্যা সংক্রান্ত কোনো বিমূর্ত যুক্তি আছে?" না। "এতে কি বাস্তব তথ্য ও অস্তিত্ব সম্পর্কে কোনো পরীক্ষামূলক যুক্তি আছে?" না। তবে একে অগ্নিশিখায় সমর্পণ করো; কারণ এতে ভ্রান্ত কুযুক্তি আর মায়া ছাড়া আর কিছুই নেই।
** ''এ্যান এনকোয়ারি'', ১২শ পরিচ্ছেদ: অফ দ্য অ্যাকাডেমিক্যাল অর স্কেপটিক্যাল ফিলোসফি, ৩য় অংশ (পৃষ্ঠা ১৬৫, অক্সফোর্ড)।
=== ''এ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং দ্য প্রিন্সিপলস অফ মোরালস'' (১৭৫১) ===
* নৈতিকতার প্রতিটি সিদ্ধান্তে 'জনকল্যাণ'-ই প্রধানত বিবেচনায় থাকে। যেখানেই দর্শনে বা সাধারণ জীবনে কর্তব্যের সীমা নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়, সেখানে মানবজাতির প্রকৃত স্বার্থের বিচার ছাড়া আর কোনোভাবেই অধিকতর নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়।
** ২য় পরিচ্ছেদ: অফ বেনোভোলেন্স, ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ১৮০, অক্সফোর্ড)।
* সেই ব্যক্তি সুখী, যার পরিস্থিতি তার স্বভাবের সাথে খাপ খায়; কিন্তু সেই ব্যক্তি অধিকতর শ্রেষ্ঠ, যে যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজের স্বভাবকে মানিয়ে নিতে পারে।
** ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ: অফ কোয়ালিটিজ ইউজফুল টু আওয়ারসেলভস, ১ম অংশ (পৃষ্ঠা ২৪৩, অক্সফোর্ড)।
* যেখানে মানুষ সবচেয়ে বেশি নিশ্চিত এবং অহংকারী, তারা সাধারণত সেখানেই সবচেয়ে বড় ভুলটি করে থাকে; কারণ সেখানে তারা সঠিক বিচার-বিশ্লেষণ ছাড়াই আবেগের হাতে লাগাম ছেড়ে দেয়।
** ৯ম পরিচ্ছেদ: কনক্লুশন (উপসংহার), ১ম অংশ (পৃষ্ঠা ২৮১, অক্সফোর্ড)।
=== ''দ্য ন্যাচারাল হিস্ট্রি অফ রিলিজিয়ন'' (১৭৫৭) ===
* ধর্মের উৎস নিয়ে অনুসন্ধান করলে দেখা যায়—প্রকৃতির এই বিশাল কাঠামো একজন বুদ্ধিমান স্রষ্টার কথা ঘোষণা করে; কোনো যুক্তিবাদী অনুসন্ধিৎসু মানুষই এক মুহূর্তের জন্য এই সত্য অস্বীকার করতে পারেন না। কিন্তু মানবপ্রকৃতিতে ধর্মের উৎপত্তি নিয়ে যথেষ্ট জটিলতা আছে। অদৃশ্য শক্তির ওপর বিশ্বাস পৃথিবীর সব অঞ্চলেই ছড়িয়ে আছে, কিন্তু ইতিহাসবিদদের বিশ্বাস করলে দেখা যায়—এমন অনেক জাতির সন্ধান মিলেছে যাদের মধ্যে ধর্মের কোনো বালাই নেই।
** ভূমিকা (পৃষ্ঠা ২৫, কলিন্স এডিশন)।
* মূর্তিপূজা এবং একেশ্বরবাদের তুলনা করলে আমরা সেই সাধারণ পর্যবেক্ষণটির সত্যতা খুঁজে পাই যে—'''সবচেয়ে ভালো জিনিসের বিকৃতি থেকেই সবচেয়ে জঘন্য জিনিসের জন্ম হয়।'''
** ১০ম অংশ: উইথ রিগার্ড টু কারেজ অর অ্যাবেসমেন্ট (পৃষ্ঠা ৫০, এ. ডব্লিউ. কলিন্স)।
* একেশ্বরবাদী ধর্মগুলোর গোঁড়ামি এবং পাণ্ডিত্যপূর্ণ যুক্তির প্রবল স্রোতকে "দুই আর তিনে পাঁচ হয়" বা "সমগ্র অংশ তার খণ্ডাংশের চেয়ে বড়"—এই জাতীয় সাধারণ যুক্তি দিয়ে আটকানোর চেষ্টা করা মানে হলো একটা নলখাগড়া দিয়ে সমুদ্র ঠেকানোর চেষ্টা করা। পবিত্র রহস্যের সামনে আপনি কি অপবিত্র যুক্তি খাড়া করবেন? আপনার এই ধর্মদ্রোহিতার জন্য কোনো শাস্তিই যথেষ্ট নয়। আর যে আগুন ধর্মদ্রোহীদের পোড়ানোর জন্য জ্বালানো হয়, তা দার্শনিকদের বিনাশের জন্যও যথেষ্ট।
** ১১শ অংশ: উইথ রিগার্ড টু রিজন অর অ্যাবসারডিটি (পৃষ্ঠা ৬০, লিবার্টি ফান্ড)।
* জগতের অধিকাংশ ধর্মের মানুষের দিকে তাকালে আপনি খুব কমই নিশ্চিত হবেন যে তারা সুস্থ মানুষের কথা বলছে; বরং তাদের বিশ্বাসগুলোকে দেখে অসুস্থ মানুষের স্বপ্ন অথবা মানুষের রূপ ধারণ করা বানরের খামখেয়ালি প্রলাপ বলে মনে হতে পারে।
** ১৫শ অংশ: জেনারেল করোলারি (পৃষ্ঠা ৭৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''অজ্ঞতাই হলো ভক্তির জননী—এই প্রবাদটি সাধারণ অভিজ্ঞতা দ্বারা বারবার প্রমাণিত। এমন কোনো জাতিকে খুঁজে দেখুন যাদের কোনো ধর্ম নেই; যদি পানও তবে নিশ্চিত থাকবেন যে তারা পশুদের থেকে খুব সামান্যই আলাদা।'''
** ১৫শ অংশ: জেনারেল করোলারি (পৃষ্ঠা ৭৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''সমগ্র বিষয়টিই একটি ধাঁধা, এক রহস্যময় সংকেত এবং ব্যাখ্যাতীত জটিলতা। সন্দেহ, অনিশ্চয়তা আর বিচারের দোদুল্যমানতা—এটাই আমাদের অনুসন্ধানের একমাত্র ফলাফল।''' তবে মানুষের যুক্তিবোধের দুর্বলতা এমন যে এই সংশয় ধরে রাখা কঠিন; তাই আমরা এক ধরণের কুসংস্কারের বিপরীতে অন্যটিকে লেলিয়ে দিয়ে তাদের ঝগড়া দেখতে দেখতে নিজেরা দর্শনের শান্ত ও নির্জন অঞ্চলে পালিয়ে যাই।
** ১৫শ অংশ: জেনারেল করোলারি (পৃষ্ঠা ৭৯, লিবার্টি ফান্ড)।
=== ''এসেস, মোরাল, পলিটিক্যাল, অ্যান্ড লিটারারি'' (১৭৪১-২;১৭৪৮) ===
* স্বাধীনতার প্রেমীদের জন্য এটি একটি স্বস্তিদায়ক চিন্তা যে—ব্রিটেনের এই বিশেষ সুবিধা (সংবাদপত্রের স্বাধীনতা) ততদিনই থাকবে যতদিন আমাদের সরকার স্বাধীন থাকবে। '''যেকোনো ধরণের স্বাধীনতা খুব কম ক্ষেত্রেই একেবারে হারিয়ে যায়।''' যারা স্বাধীনতায় অভ্যস্ত, তাদের কাছে দাসত্বের চেহারা এতটাই বীভৎস যে এটি ধীরে ধীরে এবং হাজারো ছদ্মবেশে মানুষের ভেতর ঢুকে পড়ে। কিন্তু যদি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কখনো লুপ্ত হয়, তবে তা একসাথেই হারিয়ে যাবে।
** ১ম খণ্ড, ২য় প্রবন্ধ: অফ দ্য লিবার্টি অফ দ্য প্রেস (পৃষ্ঠা ১৩, লিবার্টি ফান্ড)।
== রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রবন্ধাবলি ==
* যারা দার্শনিক দৃষ্টিতে মানবীয় বিষয়াবলি পর্যবেক্ষণ করেন, তাদের কাছে এর চেয়ে বিস্ময়কর আর কিছু নেই যে—কত সহজে সংখ্যাগুরু সাধারণ মানুষ মুষ্টিমেয় কয়েকজনের দ্বারা শাসিত হয়; এবং মানুষ কত অবলীলায় নিজের আবেগ আর অনুভূতিকে শাসকদের হাতে সঁপে দেয়। যখন আমরা এই বিস্ময়ের কারণ খুঁজি, তখন দেখি যে শক্তি সব সময় শাসিতদের পক্ষেই থাকে, তাই শাসকদের টিকে থাকার একমাত্র অবলম্বন হলো জনমত। সুতরাং, কেবল জনমতের ওপর ভিত্তি করেই শাসনব্যবস্থা গড়ে ওঠে; এবং এই নীতিটি যেমন স্বাধীন ও জনপ্রিয় সরকারের ক্ষেত্রে সত্য, তেমনি চরম স্বৈরাচারী ও সামরিক সরকারের ক্ষেত্রেও সত্য।
** ১ম খণ্ড, ৪র্থ প্রবন্ধ: অফ দ্য ফার্স্ট প্রিন্সিপলস অফ গভর্নমেন্ট (পৃষ্ঠা ৩২, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''এটি একটি সঠিক রাজনৈতিক নীতি যে—প্রতিটি মানুষকে 'প্রতারক' হিসেবে ধরে নিতে হবে; যদিও এটি শুনতে অদ্ভুত লাগে যে একটি নীতি রাজনীতিতে সত্য হলেও বাস্তব জীবনে মিথ্যে।''' মানুষ সাধারণত তার ব্যক্তিগত জীবনের চেয়ে জনসমক্ষে বা সামাজিক পরিচয়ে বেশি অসৎ হয়ে থাকে; এবং নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে দলের স্বার্থ রক্ষায় তারা অনেক বেশি দূর পর্যন্ত যেতে পারে। লোকলজ্জা বা সম্মানবোধ মানুষের জন্য একটি বড় প্রতিবন্ধক; কিন্তু যখন একদল মানুষ একসাথে কাজ করে, তখন এই বাধাটি অনেকাংশেই দূর হয়ে যায়; কারণ একজন মানুষ যখন দলের স্বার্থে কাজ করে, তখন সে জানে যে তার নিজের দল তাকে সমর্থন করবেই এবং খুব দ্রুতই সে প্রতিপক্ষের সমালোচনাকে তুচ্ছ জ্ঞান করতে শেখে।
** ১ম খণ্ড, ৬ষ্ঠ প্রবন্ধ: অফ দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্সি অফ পার্লামেন্ট (পৃষ্ঠা ৪২-৪৩, লিবার্টি ফান্ড)।
* মানুষের মনের প্রকৃতিই এমন যে, এটি তার সান্নিধ্যে আসা অন্য সব মনকে আঁকড়ে ধরে; এবং যেমন মতের মিল বা ঐক্য একে ভীষণভাবে শক্তিশালী করে, তেমনি মতের অমিল বা বৈপরীত্য একে সমানভাবে বিচলিত ও বিমর্ষ করে তোলে। এ কারণেই বিতর্কের সময় অধিকাংশ মানুষের মধ্যে এক ধরণের ব্যকুলতা দেখা যায় এবং অতি সাধারণ বা তুচ্ছ বিষয়েও তারা বিরোধিতাকে সহ্য করতে পারে না।
** ১ম খণ্ড, ৮ম প্রবন্ধ: অফ পার্টিজ ইন জেনারেল (পৃষ্ঠা ৫৪, লিবার্টি ফান্ড)।
* জনপ্রিয়তা আর দেশপ্রেমের চূড়ান্ত শিখর আজও ক্ষমতা আর স্বৈরাচারের দিকে যাওয়ার চেনা রাস্তা; তোষামোদ যেমন বিশ্বাসঘাতকতার পথ দেখায়, স্থায়ী সেনাবাহিনী যেমন স্বৈরাচারী শাসনের পথ প্রশস্ত করে, ঠিক তেমনি ঈশ্বরের মহিমা প্রচার অনেক সময় যাজকশ্রেণীর বৈষয়িক স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হয়ে দাঁড়ায়।
** ১ম খণ্ড, ৮ম প্রবন্ধ: অফ পাবলিক ক্রেডিট (পৃষ্ঠা ৩৬১, লিবার্টি ফান্ড)।
* সকল যুগে এবং পৃথিবীর সব প্রান্তেই যাজকশ্রেণী স্বাধীনতার শত্রু ছিল; এবং এটি নিশ্চিত যে তাদের এই অবিচল আচরণ তাদের স্বার্থ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষার ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে। চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা যাজকীয় ক্ষমতা এবং সেই সব 'পবিত্র প্রতারণার' জন্য সব সময় কাল হয়ে দাঁড়ায়, যার ওপর ভিত্তি করে তাদের ক্ষমতা টিকে থাকে।
** ১ম খণ্ড, ৯শ প্রবন্ধ: অফ দ্য পার্টিজ অফ গ্রেট ব্রিটেন (পৃষ্ঠা ৬৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* কর্মজীবী দরিদ্র শ্রেণীর মানুষের কোনো নীতি নেই; ভদ্রলোকদের সময় এবং অভিজ্ঞতার মাধ্যমে সঠিক নীতিতে আনা সম্ভব। আর মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষের নীতি গঠনের মতো কৌতূহল ও জ্ঞান থাকলেও, তা সঠিক নীতি গঠনের জন্য বা নিজেদের সংস্কারগুলো কাটানোর জন্য যথেষ্ট নয়।
** ১ম খণ্ড, ৯শ প্রবন্ধ: অফ দ্য পার্টিজ অফ গ্রেট ব্রিটেন (১৭৪১ ও ১৭৪২ সংস্করণ)।
* লোভ, যা শিল্পের চালিকাশক্তি—এটি এমন এক একগুঁয়ে আবেগ এবং এটি এত বেশি বাস্তব বিপদ ও প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে পথ করে নেয় যে, কোনো কাল্পনিক ভয়ের কারণে এর থেমে যাওয়ার সম্ভাবনা কম। সুতরাং, আমার মতে—স্বৈরাচারী শাসনে বাণিজ্য যে ধ্বংস হয়ে যায়, তা নিরাপত্তার অভাবে নয়, বরং সেখানে বাণিজ্যকে কম সম্মানজনক মনে করা হয় বলে।
** ১ম খণ্ড, ১২শ প্রবন্ধ: অফ সিভিল লিবার্টি (পৃষ্ঠা ৯৩, লিবার্টি ফান্ড)।
* মানুষের অহংকারের জন্য এর চেয়ে বড় অপমান আর কিছু হতে পারে না যে—তার সর্বোচ্চ শিল্প ও শ্রম দিয়েও সে প্রকৃতির ক্ষুদ্রতম সৃষ্টিগুলোর সৌন্দর্য বা মূল্যের সমান হতে পারে না। শিল্প কেবল একজন সহকারী কারিগরের মতো, যে মূল মাস্টারের (প্রকৃতি) কাজগুলোতে সামান্য কিছু অলঙ্করণ যোগ করে মাত্র।
** ১ম খণ্ড, ১৫শ প্রবন্ধ: দ্য এপিকিউরিয়ান (পৃষ্ঠা ১৩৯, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''শিল্প বা কারিগরি জ্ঞান হয়তো এক জোড়া পোশাক তৈরি করতে পারে; কিন্তু মানুষকে তৈরি করতে পারে কেবল প্রকৃতিই।'''
** ১ম খণ্ড, ১৫শ প্রবন্ধ: দ্য এপিকিউরিয়ান (পৃষ্ঠা ১৪০, লিবার্টি ফান্ড)।
* প্রকৃতির দান যদি সামান্য হয়, তবে সেই খামতি পূরণ করতে শিল্পের প্রয়োজন আরও বেশি পড়ে। আর প্রকৃতি যদি উদার ও মুক্তহস্ত হয়, তবে জেনে রাখুন সে আমাদের পক্ষ থেকেও কঠোর শ্রম ও মনোযোগ আশা করে। সবচেয়ে উর্বর মস্তিষ্কের মেধাও যদি চর্চা না করা হয়, তবে তা উর্বর মাটির মতোই আগাছায় ভরে যায়; আর মানুষের আনন্দ ও ব্যবহারের উপযোগী দ্রাক্ষা বা জলপাইয়ের বদলে তা অলস মালিকের জন্য কেবল বিষাক্ত ফসলের জন্ম দেয়।
** ১ম খণ্ড, ১৬শ প্রবন্ধ: দ্য স্টোইক (পৃষ্ঠা ১৪৬, লিবার্টি ফান্ড)।
* মানুষের সমস্ত পরিশ্রমের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো সুখ অর্জন। এই সুখের জন্যই শিল্পের উদ্ভাবন, বিজ্ঞানের চর্চা, আইনের শাসন এবং সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।
** ১ম খণ্ড, ১৬শ প্রবন্ধ: দ্য স্টোইক (পৃষ্ঠা ১৪৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* আশা ও আনন্দের প্রতি প্রবণতা হলো প্রকৃত ঐশ্বর্য; আর ভয় ও দুঃখের প্রতি আসক্তি হলো প্রকৃত দারিদ্র্য।
** ১ম খণ্ড, ১৮শ প্রবন্ধ: দ্য স্কেপটিক (পৃষ্ঠা ১৬৭, লিবার্টি ফান্ড)।
[[File:DavidHume.jpg|thumbnail|হিউম বিশ্বাস করতেন সৌন্দর্য কোনো বস্তুনিষ্ঠ বিষয় নয়, বরং এটি পুরোপুরি ব্যক্তিনিষ্ঠ। নিচের ডায়াগ্রামটি আপনাকে বুঝতে সাহায্য করবে কেন তিনি বলেছিলেন—"সৌন্দর্য বস্তুর নিজস্ব কোনো গুণ নয়: এটি কেবল মনেই বিরাজ করে যা একে অবলোকন করে এবং প্রতিটি মন ভিন্ন ভিন্ন সৌন্দর্য দেখতে পায়!"]]
== ডায়ালগস কনসার্নিং ন্যাচারাল রিলিজিয়ন (১৭৭৯) ==
* খ্রিস্টধর্মের প্রসারের শুরুর দিকে ধর্মীয় শিক্ষকদের মধ্যে যুক্তি, ইন্দ্রিয় এবং মানুষের গবেষণালব্ধ সমস্ত মূলনীতির বিরুদ্ধে কথা বলাটা ছিল অত্যন্ত সাধারণ একটি বিষয়।
** ১ম অংশ (ক্লিয়ান্থেস থেকে ডেমিয়া)।
* এই বিশ্বের দিকে তাকান এবং এর প্রতিটি অংশ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করুন: আপনি দেখবেন এটি একটি বিশাল যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়, যা অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র যন্ত্রে বিভক্ত। এই সমস্ত যন্ত্র এবং তাদের অতি ক্ষুদ্র অংশগুলোও একে অপরের সাথে এমন নিখুঁতভাবে মানিয়ে নেওয়া হয়েছে যা যেকোনো পর্যবেক্ষককে বিস্ময়ে অভিভূত করে। প্রকৃতির এই উপায় ও লক্ষ্যের চমৎকার সমন্বয় মানুষের তৈরি নকশা, চিন্তা এবং বুদ্ধিমত্তার মতোই, যদিও এটি মানুষের তৈরি যেকোনো কিছুর চেয়ে অনেক বেশি উন্নত।
** ২য় অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* '''মস্তিষ্কের এই সামান্য আলোড়ন, যাকে আমরা 'চিন্তা' বলি—তার এমন কী বিশেষ অধিকার আছে যে আমাদের একেই পুরো মহাবিশ্বের মডেল বা আদর্শ হিসেবে ধরে নিতে হবে?''' নিজের প্রতি পক্ষপাতিত্ব আমাদের সব সময় এই পথে পরিচালিত করে; কিন্তু প্রকৃত দর্শনের উচিত এই ধরণের স্বাভাবিক বিভ্রম থেকে সাবধান থাকা।
** ২য় অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* যদি একটি জড় জগত কোনো আদর্শ জগত বা ভাব জগতের ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে থাকে, তবে সেই ভাব জগতকে নিশ্চয়ই অন্য কোনো জগতের ওপর নির্ভর করতে হবে; এবং এভাবে এটি অনন্তকাল চলতে থাকবে। তাই বর্তমান এই জড় জগতের বাইরে আর কিছু না খোঁজাটাই শ্রেয়। একে নিজের মধ্যেই নিজের শৃঙ্খলার কারণ হিসেবে ধরে নেওয়া মানেই আসলে একে 'ঈশ্বর' বলা।
** ৪র্থ অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* '''আমরা যদি একটি জাহাজ দেখি, তবে এর জটিল ও সুন্দর নির্মাণ দেখে আমরা সূত্রধরের বুদ্ধিমত্তা দেখে বিস্মিত হই। কিন্তু যদি আমরা জানতে পারি যে তিনি একজন সাধারণ কারিগর মাত্র, যিনি অন্যদের অনুকরণ করেছেন এবং দীর্ঘকাল ধরে অসংখ্য ভুল, সংশোধন ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে অর্জিত একটি কৌশলকে কপি করেছেন—তবে আমাদের বিস্ময় আরও বেড়ে যায়। এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড তৈরি হওয়ার আগে হয়তো অনন্তকাল ধরে অনেকগুলো বিশ্ব অদক্ষভাবে তৈরি ও ধ্বংস করা হয়েছে; অনেক শ্রম পণ্ড হয়েছে এবং অনন্তকাল ধরে বিশ্ব-নির্মাণ কৌশলের ধীর কিন্তু নিরন্তর উন্নতির ফলেই হয়তো আজকের এই ব্যবস্থাটি গড়ে উঠেছে।'''
** ৫ম অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* এই জগতটি কোনো উচ্চতর মানের তুলনায় অনেক বেশি ত্রুটিপূর্ণ হতে পারে; এটি হয়তো কোনো শিশু-দেবতার প্রথম অগোছালো প্রচেষ্টা, যা তৈরি করার পর নিজের ব্যর্থতায় লজ্জিত হয়ে তিনি এটি ফেলে চলে গেছেন। অথবা এটি কোনো পরনির্ভরশীল নিম্নস্তরের দেবতার কাজ; অথবা এটি কোনো অতিবৃদ্ধ দেবতার জরাগ্রস্ত সময়ের সৃষ্টি, যিনি মারা যাওয়ার পর থেকে এটি কেবল তাঁর দেওয়া প্রাথমিক গতির ওপর ভর করে লক্ষ্যহীনভাবে চলছে।
** ৫ম অংশ (ফিলো থেকে ডেমিয়া)।
* একটি গাছ থেকে যখন অন্য একটি চারা জন্মায়, তখন গাছটি সেই চারাকে একটি সুশৃঙ্খল গঠন দান করে, যদিও গাছটি নিজে সেই শৃঙ্খলা সম্পর্কে জানে না। একটি প্রাণী বা পাখিও ঠিক একইভাবে তাদের বংশধর বা বাসার ক্ষেত্রে এটি করে। জগতের এই শৃঙ্খলা যে বুদ্ধি বা পরিকল্পনা থেকেই আসতে হবে—তা ধরে নেওয়াটা যুক্তির ভুল।
** ৭ম অংশ (ফিলো থেকে ডেমিয়া)।
* '''আমি যদি আপনাকে ২০টি কণার একটি সংগ্রহের প্রতিটি কণার পৃথক পৃথক কারণ ব্যাখ্যা করি, তবে এরপর আপনি যদি আবার জিজ্ঞেস করেন যে—পুরো ২০টি কণার সমষ্টির কারণ কী, তবে সেটি হবে একেবারেই অযৌক্তিক। প্রতিটি অংশের কারণ ব্যাখ্যা করার মাধ্যমেই পুরো সমষ্টির কারণ ব্যাখ্যা করা হয়ে যায়।'''
** ৯ম অংশ (ক্লিয়ান্থেস থেকে ডেমিয়া)।
* পুরো পৃথিবীটাই যেন অভিশপ্ত এবং কলুষিত। সমস্ত জীবন্ত প্রাণীর মধ্যে এক নিরন্তর যুদ্ধ চলছে। অভাব আর ক্ষুধা শক্তিমানদের উত্তেজিত করে, আর ভয় ও আতঙ্ক দুর্বলদের বিচলিত করে। জন্মের সময় নবজাতক আর তার দুর্ভাগা মা—উভয়েই যন্ত্রণায় চিৎকার করে; জীবনের প্রতিটি ধাপে থাকে দুর্বলতা আর কষ্ট; আর সব শেষে এটি সমাপ্ত হয় চরম যন্ত্রণা আর বিভীষিকার মধ্য দিয়ে।
** ১০ম অংশ (ডেমিয়া থেকে ফিলো)।
* হিউম্যান অ্যানথ্রোপোমরফিজম বা ঈশ্বরকে মানুষের গুনাগুণ দিয়ে বিচার করার পদ্ধতি কি সঠিক? তাঁর ক্ষমতা যদি অসীম হয় তবে তিনি যা চান তাই হওয়ার কথা। কিন্তু মানুষ বা অন্য কোনো প্রাণীই সুখী নয়; সুতরাং তিনি তাদের সুখ চান না। তাঁর জ্ঞান যদি অসীম হয় তবে উপায় নির্বাচনে তাঁর ভুল হওয়ার কথা নয়। কিন্তু প্রকৃতির গতিধারা মানুষের সুখের দিকে ধাবিত নয়। তবে তাঁর দয়া ও করুণা মানুষের দয়া ও করুণার সাথে মিলবে কীভাবে? '''এপিকিউরাসের সেই পুরনো প্রশ্নগুলোর উত্তর আজও মেলেনি: তিনি কি অশুভকে রোধ করতে চান কিন্তু পারছেন না? তবে তিনি অক্ষম। তিনি কি পারেন কিন্তু করতে চান না? তবে তিনি বিদ্বেষপরায়ণ। তিনি কি সক্ষম এবং ইচ্ছুক—উভয়ই? তবে অশুভ আসছে কোত্থেকে?'''
** ১০ম অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
== মহাজাগতিক সংশয়বাদ ও হিউম সম্পর্কে মূল্যায়ন ==
* এই মহাবিশ্বের দিকে তাকিয়ে দেখুন। কত বিশাল প্রাণের সমারোহ! কিন্তু এই জীবন্ত সত্তাগুলোকে একটু গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করুন—দেখবেন এরা একে অপরের প্রতি কতটা হিংস্র আর ধ্বংসাত্মক! এদের কেউই নিজের সুখের জন্য পর্যাপ্ত নয়। সমগ্ৰ বিষয়টি একটি "অন্ধ প্রকৃতি" ছাড়া আর কিছুই নয়; যে প্রকৃতি কোনো বিচার-বিবেচনা বা পিতৃসুলভ যত্ন ছাড়াই তার কোল থেকে পঙ্গু আর গর্ভপাত হওয়া সন্তানদের জন্ম দিয়ে চলেছে।
** ''ডায়ালগস কনসার্নিং ন্যাচারাল রিলিজিয়ন'' (১৭৭৯), ১১শ অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* যদি প্রাকৃতিক ধর্মতত্ত্বের সারকথা কেবল এই একটি অস্পষ্ট বাক্যে সীমাবদ্ধ থাকে যে—"মহাবিশ্বের শৃঙ্খলার কারণ বা কারণগুলো সম্ভবত মানুষের বুদ্ধিমত্তার সাথে কোনো দূরবর্তী সাদৃশ্য বহন করে", এবং যদি এই ধারণা মানুষের জীবনে কোনো প্রভাব না ফেলে বা কোনো কাজের উৎস হতে না পারে; তবে একজন অনুসন্ধিৎসু ও ধার্মিক মানুষ এই সাধারণ সত্যটুকু মেনে নেওয়া ছাড়া আর কী-ই বা করতে পারেন?
** ১২শ অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
== ভুলভাবে আরোপিত ==
* "Character is the result of a system of stereotyped principles" অর্থাৎ "চরিত্র হলো বদ্ধমূল কিছু নীতির সমষ্টি"
** হিউম কখনো 'Stereotype' শব্দটি ব্যবহার করেননি; কারণ ১৭৯৮ সালের আগে এই শব্দের উদ্ভাবনই হয়নি!
* "তর্কের মাধ্যমেই সত্যের জন্ম হয়।"
* "যুক্তির ভূমিকা আমাদের জ্ঞানী করা নয়, বরং আমাদের অজ্ঞতাকে প্রকাশ করা।"
** এগুলো হিউমের নামে প্রচলিত হলেও তাঁর কোনো লেখায় এর ভিত্তি পাওয়া যায়নি।
* "যিনি আবেগ দিয়ে চালিত হন তিনি দাস, আর যিনি যুক্তি দিয়ে চলেন তিনি স্বাধীন।"
** এটি আসলে স্পিনোজার উক্তি, যা প্রায়ই হিউমের নামে চালানো হয়। ''এথিক্স (চতুর্থ অংশ)''।
== ডেভিড হিউম সম্পর্কে বিশিষ্টজনদের উক্তি ==
* হিউম নৈতিকতা ও ন্যায়বিচারের মানদণ্ডকে বলেছেন "আর্টিফ্যাক্ট" বা কৃত্রিম সৃষ্টি; এগুলো ঈশ্বরপ্রদত্ত নয় বা বিশুদ্ধ যুক্তি দিয়েও পাওয়া যায় না। এগুলো মানুষের ব্যবহারিক অভিজ্ঞতার ফল। হিউমকে নীতিশাস্ত্রের ক্ষেত্রে ডারউইনের পূর্বসূরি বলা যেতে পারে। তিনি মূলত মানুষের প্রথাগুলোর মধ্যে "যোগ্যতমের টিকে থাকা" বা "Survival of the fittest" মতবাদটি প্রচার করেছিলেন—যেখানে যোগ্যতা বিচার করা হতো সামাজিক উপযোগিতা দিয়ে।
** খ্রিষ্টান বে, ''দ্য স্ট্রাকচার অফ ফ্রিডম'' (১৯৫৮)।
* আপনি যদি ডেভিড হিউমের কাছে যান, যিনি আমাদের বিশ্বাসের কারণগুলো নিয়ে সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ করেছেন, তবে দেখবেন—সূর্য কাল সকালে উঠবেই এমন কোনো অকাট্য কারণ নেই। এটি কেবল আমাদের একটি অভ্যাস), যে আমরা বিশ্বাস করি জিনিসগুলো আগের মতোই চলবে। হিউমের এই বিশ্লেষণ অত্যন্ত সঠিক।
** জন এস বেল, ''দ্য ঘোস্ট ইন দ্য অ্যাটম'' (১৯৮৬)।
* বার্কলে, হিউম, কান্ট, হেগেল—তাঁরা সবাই একটি মহৎ প্রচেষ্টায় ঐক্যবদ্ধ ছিলেন; আর তা হলো মহাজাগতিক ব্যবস্থায় মানুষকে তার উচ্চতর আধ্যাত্মিক দাবি সহ একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করা।
** এডুইন আর্থার বার্ট, ''দ্য মেটাফিজিক্যাল ফাউন্ডেশনস অফ মডার্ন ফিজিক্যাল সায়েন্স'' (১৯২৫)।
* বার্কের কাছে 'প্রেসক্রিপশন' (প্রথাগত অধিকার) হলো সেই অটল পাহাড় যার ওপর জাগতিক অধিকারগুলো দাঁড়িয়ে থাকে। হিউম এই তত্ত্বটি কিছুটা ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেছিলেন। হিউম লিখেছিলেন—"সময় এবং প্রথা সব ধরণের সরকার এবং রাজবংশকে বৈধতা দান করে; যে ক্ষমতা শুরুতে কেবল অন্যায় আর সহিংসতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল, সময়ের সাথে সাথে তা আইনি এবং বাধ্যতামূলক হয়ে ওঠে।" বার্কও বিশ্বাস করতেন যে, সম্পত্তি এবং শাসনের ক্ষেত্রে প্রথাগত অধিকারই হলো রাষ্ট্রের সবচেয়ে শক্তিশালী ভিত্তি।
** আলফ্রেড কোবান, ''এডমন্ড বার্ক অ্যান্ড দ্য রিভল্ট এগেইনস্ট দ্য এইটিনথ সেঞ্চুরি'' (১৯২৯)।
* হিউম সম্ভবত আইনি এবং রাজনৈতিক দর্শনের একমাত্র পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা দিয়েছিলেন যা পরবর্তীকালে 'লিবারেলিজম' (উদারতাবাদ) হিসেবে পরিচিতি পায়। হিউমের জনপ্রিয় গ্রন্থ ''হিস্ট্রি''(দ্য হিস্ট্রি অফ ইংল্যান্ড) ১৮শ শতাব্দীতে ইউরোপজুড়ে 'উইগ লিবারেলিজম' ছড়িয়ে দিতে ঠিক তেমনই ভূমিকা রেখেছিল, যেমনটি ১৯শ শতাব্দীতে মেকলের ''হিস্ট্রি'' রেখেছিল।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'দ্য লিগ্যাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল ফিলোসফি অফ ডেভিড হিউম' (১৯৬৩)।
* আধুনিক সমাজের এমন কিছু বৈশিষ্ট্য যা আমরা আজ মূল্যবান মনে করি, সেগুলো এমন সব পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল যা আগে থেকে কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৈরি করা হয়নি। হিউম দেখিয়েছেন যে, একটি সুশৃঙ্খল সমাজ কেবল তখনই গড়ে উঠতে পারে যখন মানুষ আচরণের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চলতে শেখে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো জনসাধারণের জন্য সুবিধাজনক হলেও—উদ্ভাবকরা ঠিক সেই উদ্দেশ্যে এগুলো তৈরি করেননি।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'দ্য লিগ্যাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল ফিলোসফি অফ ডেভিড হিউম' (১৯৬৩)।
* মানুষের বুদ্ধি আর জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে এই মহান সংশয়বাদীর প্রবল বিশ্বাস ছিল। তিনি জানতেন যে—শান্তি, স্বাধীনতা এবং ন্যায়বিচারের মতো সর্বশ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক কল্যাণগুলো মূলত নেতিবাচক; অর্থাৎ এগুলো ইতিবাচক কোনো উপহার নয়, বরং ক্ষতির হাত থেকে সুরক্ষা মাত্র। তিনি মানুষের মহত্ত্বের চেয়ে এমন সব 'প্রতিষ্ঠান' বা কাঠামোর ওপর ভরসা করতেন যা "এমনকি খারাপ মানুষদেরও জনকল্যাণে কাজ করতে বাধ্য করে"। তিনি জানতেন যে—"রাজনীতিতে প্রতিটি মানুষকে প্রতারক হিসেবে ধরে নিতে হবে"।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'দ্য লিগ্যাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল ফিলোসফি অফ ডেভিড হিউম' (১৯৬৩)।
* হিউম তাঁর দার্শনিক কাজের মাধ্যমে লিবারেল আইনি তত্ত্বের ভিত্তি স্থাপন করার পাশাপাশি তাঁর ''হিস্ট্রি অফ ইংল্যান্ড'' (১৭৫৪-৬২)-এ ইংরেজ ইতিহাসকে 'আইনের শাসন' এর ক্রমবিকাশ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'লিবারেলিজম' (১৯৭৩)।
* যুক্তিবাদ বা র্যাশনালিজমের সমালোচনায় হিউম অন্য যেকোনো লেখকের চেয়ে অনেক বেশি গভীরে যেতে পেরেছেন। আমি বারবার হিউমের লেখায় এমন সব ধারণার সন্ধান পেয়েছি যা আমি নিজে স্বাধীনভাবে চিন্তা করেছিলাম। বিশেষ করে সব ধরণের সামাজিক প্রতিষ্ঠানের গঠন সম্পর্কে হিউমের ব্যাখ্যা আমাকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করেছে।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'ইকোনমিক্স, পলিটিক্স অ্যান্ড ফ্রিডম' (১৯৭৫)।
* হিউম স্পষ্টভাবে স্বাধীনতা এবং এই নীতিগুলোর মধ্যে সম্পর্ক লক্ষ্য করেছিলেন। তিনি দেখেছিলেন যে, সবার সর্বোচ্চ স্বাধীনতার জন্য প্রত্যেকের স্বাধীনতার ওপর সমান সীমাবদ্ধতা প্রয়োজন। একে তিনি প্রকৃতির তিনটি 'মৌলিক আইন' বলেছেন: ১. অধিকারে স্থায়িত্ব, ২. সম্মতির মাধ্যমে হস্তান্তর এবং ৩. প্রতিশ্রুতি রক্ষা । হিউম সম্ভবত প্রথম ব্যক্তি যিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে, সাধারণ স্বাধীনতা কেবল তখনই সম্ভব হয় যখন মানুষের সহজাত প্রবৃত্তিগুলো 'ন্যায়বিচার' অনুযায়ী পরবর্তী কোনো বিচারবোধ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। তিনি সেই ভুলটি করেননি যা পরবর্তীতে অনেকেই করেছেন—ব্যক্তির বিচ্ছিন্ন স্বাধীনতা এবং মানুষের পারস্পরিক সহযোগিতার ফলে সৃষ্ট স্বাধীনতার মধ্যে পার্থক্য গুলিয়ে ফেলা।
** [[ফ্রিডরিখ হায়েক]], ''দ্য ফ্যাটাল কনসিট'' (১৯৮৮), ২য় অধ্যায়: দ্য অরিজিনস অফ লিবার্টি, প্রপার্টি অ্যান্ড জাস্টিস।
* হিউম একটি বিবর্তনমূলক ব্যাখ্যার খুব কাছাকাছি চলে এসেছিলেন। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে—'কোনো সত্তাই টিকে থাকতে পারে না যদি না তার অস্তিত্ব রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বা শক্তি থাকে; কোনো একটি সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত নিরন্তর নতুন কোনো ব্যবস্থা বা অর্থনীতি চেষ্টা করে যেতে হবে'। মানুষ নিজেকে অন্য সব প্রাণীর ভাগ্যের অতীত কোনো কিছু মনে করতে পারে না কারণ সব প্রাণীর মধ্যে সেই 'নিরন্তর যুদ্ধ' চলতেই থাকবে। হিউম মূলত স্বীকার করেছিলেন যে, 'প্রাকৃতিক' এবং 'কৃত্রিম'—এই দুইয়ের মাঝামাঝি একটি তৃতীয় বিভাগ রয়েছে যার মধ্যে উভয়েরই বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান।
** [[ফ্রিডরিখ হায়েক]], ''দ্য ফ্যাটাল কনসিট'' (১৯৮৮), পরিশিষ্ট এ: 'ন্যাচারাল' ভার্সেস 'আর্টিফিশিয়াল'।
* হিউমের সংশয়বাদকে গ্রিক সংশয়বাদ থেকে স্পষ্টভাবে আলাদা করা উচিত। হিউম ইন্দ্রিয়লব্ধ অভিজ্ঞতা, অনুভূতি এবং অন্তর্দৃষ্টির সত্যতাকে ভিত্তি হিসেবে ধরে নেন এবং সেই ভিত্তি থেকেই সাধারণ আইন বা নির্ধারণগুলোকে চ্যালেঞ্জ করেন—কারণ সেগুলোর ইন্দ্রিয়লব্ধ অভিজ্ঞতার কোনো প্রমাণ নেই। অন্যদিকে প্রাচীন সংশয়বাদ ইন্দ্রিয়লব্ধ অনুভূতির ওপর সত্যের ভিত্তি স্থাপন করা তো দূরের কথা, বরং তারা শুরুতেই ইন্দ্রিয়ের বিরুদ্ধেই অবস্থান নিত।
** [[জি. ডব্লিউ. এফ. হেগেল]], ''এনসাইক্লোপিডিয়া অফ ফিলোসফি'' (১৮২৭), ডব্লিউ. কফম্যানের ''হেগেল'' (১৯৬৬) গ্রন্থে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ৬৯-৭০)।
* হিউমের ইতিহাসের চমৎকার বিষয়বস্তু এবং শৈলী একে প্রতিটি শিক্ষার্থীর পাঠ্যপুস্তকে পরিণত করেছে। আমি মনে করতে পারি, তরুণ বয়সে কত উৎসাহ নিয়ে আমি এটি পড়েছিলাম; এবং আমার মন থেকে এই বইটির বিষাক্ত প্রভাব দূর করতে কতটা সময়, গবেষণা আর চিন্তার প্রয়োজন হয়েছিল। এটি দুর্ভাগ্যজনক যে তিনি প্রথমে স্টুয়ার্ট রাজবংশের ইতিহাস লিখেছিলেন এবং তাদের অত্যাচারের পক্ষে ওকালতি করেছিলেন। এটিই সেই বই যা ইংরেজ সরকারের মুক্ত নীতিগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং পাঠকদের বিশ্বাস করিয়েছে যে রাজতন্ত্রের অধিকারই আসল; এটি সারা দেশে 'টরিজম' (একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক মতবাদ) ছড়িয়ে দিয়েছে।
** [[টমাস জেফারসন]] থেকে উইলিয়াম ডুয়েন (১২ আগস্ট ১৮১০), টমাস জেফারসনের ''রাইটিংস'' (১৯৮৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ১২২৮-১২২৯)।
* আমার কাছে সব সময় মনে হয়েছে যে, ব্রিটেনের 'উইগ' এবং 'টরি'দের (তখনকার প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল) মধ্যে পার্থক্য হলো—উইগরা তাদের অধিকারের উৎস খোঁজে অ্যাংলো-স্যাক্সন উৎস থেকে, আর টরিরা খোঁজে নরম্যান উৎস থেকে। হিউম ছিলেন সেই টরিবাদের মহান প্রচারক। তিনি দাবি করেছিলেন যে স্টুয়ার্টদের রাজত্বকালে জনগণই রাজাকে আক্রমণ করেছিল, রাজা জনগণকে নয়। তিনি আরও বলেছিলেন—'জনগণই সকল ন্যায়সঙ্গত ক্ষমতার উৎস'—এই মহান নীতিটি ইতিহাস এবং অভিজ্ঞতা দ্বারা সমর্থিত নয়। বিজ্ঞানের এই বিপথগামী সন্তান, তার সহমানুষদের সাথে বিশ্বাসঘতকতা করে যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মধ্যে ক্ষমতার উৎস খুঁজে না পান, তবে কি তিনি তা সংখ্যালঘুর মধ্যে খুঁজবেন?
** [[টমাস জেফারসন]] থেকে জন কার্টরাইট (৫ জুন ১৮২৪), টমাস জেফারসনের ''রাইটিংস'' (১৯৮৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ১৪৯১)।
* হিউম দৈবক্রমে একজন টরি (তৎকালীন সময়ের একটি রাজনৈতিক আদর্শ), কারণ তিনি স্কটিশ ছিলেন; কিন্তু তিনি কোনো আদর্শের কারণে টরি ছিলেন না, কারণ তাঁর কোনো আদর্শই ছিল না। যদি তিনি কিছু হয়ে থাকেন, তবে তিনি ছিলেন একজন 'হবিস্ট' (টমাস হবসের অনুসারী)।
** [[স্যামুয়েল জনসন]], ''লেটারস অফ ডেভিড হিউম টু উইলিয়াম স্ট্রাহান'' (১৮৮৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত।
* আমি মুক্তকণ্ঠে স্বীকার করি যে, ডেভিড হিউমের স্মৃতিই বহু বছর আগে প্রথম আমার "মতবাদগত ঘুম" বা "Dogmatic Slumber" ভাঙিয়ে দিয়েছিল এবং অনুমানমূলক দর্শনের ক্ষেত্রে আমার গবেষণাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক দিকনির্দেশনা দিয়েছিল।
** [[ইমানুয়েল কান্ট]], ''প্রোলেগোমেনা টু এনি ফিউচার মেটাফিজিক্স'' (১৭৮৩), ভূমিকা।
* হিউম ধর্মকে এতটাই ঘৃণা করতেন যে, তিনি স্বাধীনতাকেও ঘৃণা করতেন—কারণ স্বাধীনতা ধর্মের সাথে যুক্ত ছিল। তিনি একজন নিরপেক্ষ বিচারকের ভান করে একজন কুশলী উকিলের মতো স্বৈরাচারের পক্ষে ওকালতি করেছেন।
** [[টমাস বাবিংটন মেকলে]], 'মিলটন', দ্য এডিনবরা রিভিউ (আগস্ট ১৮২৫), ১৮৪৩ সালে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ৩১)।
* হিউমের দর্শন সত্য হোক বা মিথ্যা, এটি ১৮শ শতাব্দীর যুক্তিবাদ বা কাণ্ডজ্ঞানের দেউলিয়া দশা প্রকাশ করে। তিনি লকের মতো অভিজ্ঞতা দিয়ে শুরু করেছিলেন, কিন্তু প্রখর বুদ্ধিমত্তার কারণে তিনি এই ধ্বংসাত্মক সিদ্ধান্তে পৌঁছান যে—অভিজ্ঞতা থেকে শেখার মতো আসলে কিছুই নেই। কোনো কাজই অন্য কাজের চেয়ে বেশি যৌক্তিক হতে পারে না, কারণ সবই অযৌক্তিক বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে চলে। রুশো ছিলেন উন্মাদ কিন্তু প্রভাবশালী; হিউম ছিলেন সুস্থ মস্তিস্কের মানুষ কিন্তু তাঁর কোনো অনুসারী ছিল না।
** [[বার্ট্রান্ড রাসেল]], ''এ হিস্ট্রি অফ ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি'', ৩য় খণ্ড, ১৭শ অধ্যায়: হিউম।
* হিউমের সংশয়বাদের কোনো উত্তর আছে কি না তা খুঁজে বের করা জরুরি। যদি না থাকে, তবে একজন সুস্থ মানুষ আর একজন উন্মাদের মধ্যে কোনো বুদ্ধিবৃত্তিক পার্থক্য থাকে না। যে উন্মাদ নিজেকে একটি 'সেদ্ধ ডিম' মনে করে, তাকে কেবল এই যুক্তিতেই বাতিল করা হবে যে সে সংখ্যায় সংখ্যালঘু অথবা সরকার তার সাথে একমত নয়। এটি একটি ভয়াবহ এবং হতাশাজনক দৃষ্টিভঙ্গি।
** [[বার্ট্রান্ড রাসেল]], ''এ হিস্ট্রি অফ ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি'', ৩য় খণ্ড, ১৭শ অধ্যায়: হিউম।
* হিউমের ন্যায়ের ধারণা মূলত নৈতিক ও রাজনৈতিক গুণাবলির একটি বৃহত্তর ব্যাখ্যার অংশ। হিউম একজন 'দার্শনিক নৃবিজ্ঞানী' হিসেবে লিখেছেন, কোনো সংস্কারক হিসেবে নয়। তিনি বেনথাম বা মিলের মতো আমাদের নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে সংস্কার করতে চাননি, বরং কেবল তা ব্যাখ্যা করতে চেয়েছিলেন।
** [[অ্যালান রায়ান]], ''জাস্টিস'' (১৯৯৩) গ্রন্থের ভূমিকা।
* হেগেল, হার্বার্ট এবং শ্লেয়ারমাচারের সমগ্র দার্শনিক কাজের চেয়ে ডেভিড হিউমের প্রতিটি পৃষ্ঠা থেকে অনেক বেশি কিছু শেখার আছে।
** [[আর্থার শোপেনহাওয়ার]], ''দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাজ উইল অ্যান্ড আইডিয়া'' (২০১৬), পৃষ্ঠা ৭২১।
* সব মিলিয়ে, তাঁর জীবদ্দশায় এবং মৃত্যুর পর—আমি সব সময় তাঁকে একজন আদর্শ জ্ঞানী ও সচ্চরিত্র মানুষের নিকটতম রূপ হিসেবে বিবেচনা করেছি, মানুষের সীমাবদ্ধতা যতদূর পর্যন্ত অনুমতি দেয়।
** [[অ্যাডাম স্মিথ]] (হিউমের মৃত্যুর পর তাঁর বন্ধু অ্যাডাম স্মিথের করা বিখ্যাত মন্তব্য)।
* আজ আমেরিকার কোনো প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়ে কান্ট—যিনি ঈশ্বর, স্বাধীনতা আর অমরত্ব নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন—কিংবা হিউমের মতো কেউ গ্র্যাজুয়েট স্কুলে এক বছরও টিকতে পারতেন না, ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে নিয়োগ পাওয়া তো দূরের কথা।
** [[টম উলফ]], 'ইন দ্য ল্যান্ড অফ দ্য রোকোকো মার্কসিস্টস', হার্পার্স (জুন ২০০০)।
== বহিঃসংযোগ ==
* [https://www.iep.utm.edu/hume/ ইন্টারনেট এনসাইক্লোপিডিয়া অফ ফিলোসফিতে হিউম]
* [http://cepa.newschool.edu/het/profiles/hume.htm হিউমের প্রোফাইল এবং গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্কসমূহ]
* [http://onlinebooks.library.upenn.edu/webbin/book/search?amode=start&author=Hume%2c%20David অনলাইনে হিউমের ই-টেক্সটসমূহ]
* [http://oll.libertyfund.org/Intros/Hume.php অনলাইন লাইব্রেরি অফ লিবার্টিতে হিউমের ডাউনলোডযোগ্য কাজসমূহ]
* [http://utilitarian.net/hume ডেভিড হিউম: বই, নিবন্ধ এবং বিশ্বকোষের এন্ট্রি সহ লিঙ্কের বিশাল সংগ্রহ]
* [http://www.webcitation.org/query?id=1256456620452337&url=www.geocities.com/Athens/3067/hume/h_index.html হিউম ট্রিব্যুট সাইট]
* [http://humesociety.org হিউম সোসাইটি: একটি আন্তর্জাতিক বুদ্ধিজীবী ও পণ্ডিত সমাজ]
{{clear}}
{{Social and political philosophers}}
{{DEFAULTSORT:হিউম, ডেভিড}}
[[Category:নাস্তিক্যবাদ সক্রিয়কর্মী]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের শিক্ষাবিদ]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের দার্শনিক]]
[[Category:১৭১১-এ জন্ম]]
[[Category:১৭৭৬-এ মৃত্যু]]
[[Category:এডিনবার্গের ব্যক্তি]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের ইতিহাসবিদ]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের অর্থনীতিবিদ]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের প্রবন্ধকার]]
[[Category:উদারপন্থী অর্থনীতিবিদ]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের গ্রন্থাগারিক]]
[[Category:নাস্তিক]]
[[Category:ধর্মের সমালোচক]]
[[Category:সামাজিক সমালোচক]]
[[Category:সংশয়বাদী]]
[[Category:মানিবতাবাদী]]
[[Category:অভিজ্ঞতাবাদী]]
[[Category:আলোকিত যুগ (Enlightenment)]]
[[Category:ধ্রুপদী অর্থনীতিবিদ]]
[[Category:এডিনবার্গা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]]
ogjq7xis8abj8te6d9ljclm5q4qzbtc
74090
74087
2026-04-06T11:26:36Z
Oindrojalik Watch
4169
বানান সংশোধন
74090
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:David Hume Ramsay.jpg|thumb|right|250px|মানুষ যেখানে সবচেয়ে বেশি সুনিশ্চিত আর অহঙ্কারী, সাধারণত সেখানেই সে মস্ত বড় ভুলটি করে বসে। কারণ, সে তখন যুক্তির লাগাম ছেড়ে দেয় আবেগে পড়ে আর ভুলে যায় সেই গভীর চিন্তামগ্নতা আর দ্বিধাবোধের কথা—যা তাকে অজ্ঞতা থেকে বাঁচাত।<br>~ ''অ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং দ্য প্রিন্সিপালস অব মোরালস'' (নৈতিকতার মূলনীতি নিয়ে একটি গবেষণা); অনুচ্ছেদ ৯.১৩: উপসংহার, ১ম খণ্ড (১৭৫১)]]
[[চিত্র:Painting of David Hume.jpg|থাম্ব|একজন প্রাজ্ঞ মানুষের আসল জগৎ হলো তাঁর নিজের মন। আর তিনি যদি কখনো বাইরের স্বীকৃতির প্রয়োজন বোধ করেন, তবে তিনি কেবল সেই সামান্য কয়েকজন নিরপেক্ষ ও যোগ্য মানুষের বিচারকেই গুরুত্ব দেবেন—যাঁরা সংকীর্ণতামুক্ত হয়ে তাঁর কাজকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে পারেন।]]
[[w:ডেভিড হিউম|ডেভিড হিউম]] (৭ মে ১৭১১ – ২৫ আগস্ট ১৭৭৬) ছিলেন আঠারো শতকের একজন প্রখ্যাত স্কটিশ দার্শনিক, ইতিহাসবিদ, অর্থনীতিবিদ এবং প্রাবন্ধিক। পাশ্চাত্য দর্শনের ইতিহাসে তাকে অন্যতম প্রভাবশালী অভিজ্ঞতাবাদী ও সংশয়বাদী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। হিউমের মূল দর্শন ছিল এই যে, মানুষের সমস্ত জ্ঞান ও ধারণার একমাত্র উৎস হলো বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ইন্দ্রিয়লব্ধ সংবেদন। হিউম মূলত তাঁর 'কার্যকারণ-তত্ত্ব' এবং নৈতিক দর্শনের সূক্ষ্ম বিশ্লেষণের জন্যই বিশ্বজুড়ে বিশেষভাবে পরিচিত হয়ে আছেন।
== উক্তি ==
* এখানেই আমরা সেই ভ্রান্ত ধারণার অসারতা বুঝতে পারি... যেখানে মনে করা হয় কোনো রাষ্ট্রের উর্বর ভূমি, বিপুল জনসংখ্যা আর উন্নত কৃষি ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও কেবল 'অর্থের' অভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রকৃতপক্ষে, এই আর্থিক স্বল্পতা কোনো রাষ্ট্রকে অভ্যন্তরীণভাবে কখনোই ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে না; কারণ একটি জাতির প্রকৃত শক্তির উৎস হলো — 'তার জনগণ ও সম্পদ'। মানুষের অতি সাধারণ ও মিতব্যয়ী জীবনযাত্রাই বরং জনস্বার্থের অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়, যা সোনা আর রূপা তথা সম্পদকে কেবল মুষ্টিমেয় কিছু হাতে বন্দি করে রাখে এবং এর সার্বজনীন সঞ্চালনকে স্তব্ধ করে দেয়। পক্ষান্তরে, শিল্পায়ন এবং নানাবিধ আধুনিক রুচিবোধ সেই অর্থকে গোটা রাষ্ট্রের অঙ্গে বিলীন করে দেয়, তার পরিমাণ যত সামান্যই হোক না কেন; এটি যেন রাষ্ট্রের প্রতিটি শিরা-উপশিরায় মিশে যায় এবং প্রতিটি বিনিময়-চুক্তিতে প্রাণ সঞ্চার করে।
** 'অফ মানি' (১৭৫২); ইউজিন রোটউইন সম্পাদিত ''''ডেভিড হিউম: রাইটিংস অন ইকোনমিকস''''-এ উদ্ধৃত (১৯৫৫, ১৯৭০), [https://archive.org/details/writingsoneconom0000hume/page/45/mode/1up পৃষ্ঠা ৪৫।]
* '''একজন প্রাজ্ঞ মানুষের প্রকৃত সাম্রাজ্য হলো তাঁর নিজের অন্তঃকরণ; আর তিনি যদি কখনো বাইরের স্বীকৃতির প্রয়োজন বোধ করেন, তবে তিনি কেবল সেই সামান্য কয়েকজন নিরপেক্ষ ও যোগ্য মানুষের বিচারকেই গুরুত্ব দেবেন—যাঁরা সংকীর্ণতামুক্ত হয়ে তাঁর কাজকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করার ক্ষমতা রাখেন।''' প্রকৃতপক্ষে, সাধারণ মানুষের অতি প্রশংসার চেয়ে কোনো তথ্যের অসত্য হওয়ার বড় প্রমাণ আর কিছু হতে পারে না; আপনি তো জানেনই, ফোকিয়ন যখনই জনসভার করতালি শুনতেন, তখনই শঙ্কিত হতেন এই ভেবে যে—তিনি নিশ্চয়ই বড় কোনো ভুল করে ফেলেছেন!
** "দ্য থিওরি অফ মোরাল সেন্টিমেন্টস"-এর ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ার প্রেক্ষিতে অ্যাডাম স্মিথকে লেখা একটি পরিহাসপূর্ণ পত্র।
* একজন কাণ্ডজ্ঞানসম্পন্ন মানুষ কি ভূত-প্রেত বা রূপকথার আষাঢ়ে গল্পের পেছনে হন্যে হয়ে ছোটে এবং সেগুলোর সত্যতা খুব গুরুত্বের সাথে যাচাই করতে বসে? আমার অভিজ্ঞতায় আজ অবধি এমন কাউকে দেখিনি, যে আজেবাজে বা অর্থহীন বিষয় নিয়ে দীর্ঘক্ষণ বিচার-বিশ্লেষণ করার পর তদন্তের শেষ প্রান্তে এসে নিজেই সেই প্রলাপে বিশ্বাস স্থাপন করেনি।
** ''লেটারস'' (পত্রাবলি)।
* মহাবিশ্বের কাছে একজন মানুষের জীবনের গুরুত্ব একটি নগণ্য ঝিনুকের চেয়ে বেশি কিছু নয়।
** ''অন সুইসাইড'' (আত্মহত্যা প্রসঙ্গে)।
* সেই সব নির্বোধদের প্রশংসা বা সম্মানের প্রতি আমার তীব্র ঘৃণা রয়েছে যারা নিজেদের 'জনসাধারণ' বলে পরিচয় দেয়; যাদেরকে একজন বই বিক্রেতা, কোনো লর্ড, পুরোহিত কিংবা কোনো রাজনৈতিক দল চাইলেই নিজের ইচ্ছেমতো পরিচালনা করতে পারে।
** গিলবার্ট এলিয়ট অফ মিন্টোকে লেখা পত্র ১৩৮; ৯ আগস্ট, ১৭৫৭।
* '''স্বর্গ এবং নরকের ধারণা যেন মানুষকে ভালো আর মন্দ—এই দুই স্বতন্ত্র শ্রেণিতে বিভক্ত করে ফেলে; কিন্তু মানবজাতির সিংহভাগই আসলে পুণ্য আর পাপের মাঝখানে কোনো এক অনিশ্চিত স্থানে ভাসছে।''' -- কেউ যদি সৎ মানুষকে ভালো নৈশভোজ করানো আর পাপাচারীকে উত্তম-মধ্যম প্রহার করার সংকল্প নিয়ে বিশ্ব ভ্রমণে বের হয়, তবে সে নিজের পছন্দ নিয়ে বারবার বিপাকে পড়বে; কারণ অধিকাংশ নর-নারীর গুণ বা দোষের পাল্লা এতটাই হালকা যে তা কোনোটিরই যোগ্য নয়।
** ''এসে অন দ্য ইমর্টালিটি অফ দ্য সোল'' (আত্মার অমরত্ব বিষয়ক প্রবন্ধ)।
* 'অফ দ্য প্রোটেস্ট্যান্ট সাকসেশন' প্রবন্ধের উপসংহার আমাকে একজন 'হুইগ' হিসেবে প্রকাশ করে, তবে আমি একজন চরম সংশয়বাদী হুইগ।
** হেনরি হোমকে লেখা পত্র (৯ ফেব্রুয়ারি ১৭৪৮); জে. ওয়াই. টি. গ্রেইগ সম্পাদিত ''দ্য লেটারস অফ ডেভিড হিউম: ভলিউম ১'' (অক্সফোর্ড: ক্ল্যারেন্ডন প্রেস, ১৯৩২), পৃষ্ঠা ১১১।
* রাজনীতি এবং রাজপুত্র বা মহৎ ব্যক্তিদের চরিত্রের ব্যাপারে আমি মনে করি আমি অত্যন্ত মডারেট বা ভারসাম্যপূর্ণ। জাগতিক 'বিষয়বস্তু'র (Things) ক্ষেত্রে আমার দৃষ্টিভঙ্গি হুইগ (Whig) আদর্শের অনুসারী; কিন্তু 'ব্যক্তি'র (Persons) বর্ণনায় আমি টোরি (Tory) ঘরানার পক্ষপাতকে ধারণ করি। মানুষ যে আদর্শের চেয়ে ব্যক্তির ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়, তার বড় প্রমাণ হলো আমাকে সাধারণত টোরিদের দলেই গণ্য করা হয়।
** ই. সি. মসনার, ''লাইফ অফ ডেভিড হিউম'' (ক্ল্যারেন্ডন প্রেস, ২০০১), পৃষ্ঠা ৩১১।
* আমি ভেবেছিলাম আমিই একমাত্র ইতিহাসবিদ যে সমসাময়িক ক্ষমতা, স্বার্থ, কর্তৃত্ব এবং গণমানুষের কুসংস্কারের তোয়াক্কা না করে ইতিহাস লিখেছি; তাই যেহেতু বিষয়টি সবার বোধগম্য ছিল, আমি সেই অনুপাতে প্রশংসাও আশা করেছিলাম। কিন্তু আমার সেই আশা চরম হতাশায় পর্যবসিত হলো: আমি চারপাশ থেকে কেবল তিরস্কার, অসম্মতি এবং ঘৃণার শিকার হলাম; ইংরেজ, স্কটিশ, আইরিশ—হুইগ থেকে টোরি, গির্জার যাজক থেকে শুরু করে মুক্তচিন্তক আর ধর্মতাত্ত্বিক, দেশপ্রেমিক থেকে রাজদরবারের পারিষদ—সবাই সেই লোকটির ওপর ক্ষোভে ফেটে পড়ল, যে প্রথমবার প্রথম চার্লস এবং আর্ল অফ স্ট্র্যাফোর্ডের পরিণতির জন্য এক ফোঁটা সহানুভূতি প্রকাশের সাহস দেখিয়েছিল।
** 'মাই ওন লাইফ' (১৭৭৬); ইউজিন মিলার সম্পাদিত ডেভিড হিউমের ''এসেস: মোরাল, পলিটিক্যাল, অ্যান্ড লিটারারি (১৭৪১–১৭৭৭)'' (১৯৮৫), পৃষ্ঠা ৩৭।
* '''আমি এমন একজন মানুষ যে শত্রুতা উসকে দেওয়ার মতো সব ধরণের বিষয়ে লিখেছি—তা সে নৈতিক, রাজনৈতিক কিংবা ধর্মীয় যাই হোক না কেন; তবুও আমার কোনো শত্রু নেই—অবশ্য সমস্ত হুইগ, টোরি (তৎকালীন ব্রিটেনের প্রধান দুটি রাজনৈতিক আদর্শ বা দল) এবং সমস্ত খ্রিষ্টান ছাড়া।'''
** মৃত্যুর কিছুদিন আগে এক বন্ধুর কাছে দেওয়া কিছু কথা; লর্ড হেনরি ব্রোঘাম-এর ''মেন অফ লেটারস''-এ বর্ণিত।
* আল-কুরআনের অনুসারীরা এর অভ্যন্তরে ছড়িয়ে থাকা চমৎকার সব নৈতিক উপদেশের প্রশংসা করেন। কিন্তু ধারণা করা হয় যে, আরবি ভাষায় সাম্য, ন্যায়বিচার, মিতব্যয়িতা বা দয়া বোঝাতে যে সকল শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে, সেগুলো ভাষার দীর্ঘ ব্যবহারের কারণে সবসময়ই ইতিবাচক অর্থেই গৃহীত হয়। তাই এগুলোকে প্রশংসা বা সাধুবাদ ছাড়া অন্য কোনো বিশেষণে ভূষিত করা নৈতিকতার অভাব নয়, বরং ভাষার অজ্ঞতা হিসেবেই গণ্য হবে।
** ডেভিড হিউম, ''অফ দ্য স্ট্যান্ডার্ড অফ টেস্ট'' (১৭৬০)।
* '''যারা দর্শন বা বিজ্ঞানের জগতে নতুন কিছু আবিষ্কারের দাবি করেন, তাদের জন্য নিজেদের পূর্বসূরিদের ব্যবস্থার সমালোচনা করে নিজেদের মতবাদের প্রশংসা করা অত্যন্ত সাধারণ এবং স্বাভাবিক একটি বিষয়।''' প্রকৃতপক্ষে, মানবীয় যুক্তির দরবারে আসা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে আমাদের অজ্ঞতার জন্য যদি তাঁরা কেবল আক্ষেপ করতেন, তবে বিজ্ঞান সচেতন খুব কম মানুষই তাঁদের সাথে দ্বিমত পোষণ করতেন। একজন প্রাজ্ঞ ও শিক্ষিত মানুষের পক্ষে সেই সব ব্যবস্থার দুর্বল ভিত্তিগুলো খুঁজে বের করা খুবই সহজ, যেগুলো একসময় অত্যন্ত নির্ভুল এবং গভীর যুক্তি হিসেবে সমাদৃত ছিল। '''অন্ধভাবে গ্রহণ করা মূলনীতি, সেগুলো থেকে দুর্বলভাবে টেনে আনা সিদ্ধান্ত, উপাদানের মধ্যে সামঞ্জস্যের অভাব এবং সামগ্রিকভাবে প্রমাণের অনুপস্থিতি—বিখ্যাত সব দার্শনিকদের তত্ত্বে এগুলো সবখানেই দেখা যায়; যা খোদ দর্শন শাস্ত্রকেই যেন কলঙ্কিত করেছে।'''
** ভূমিকা।
* সুতরাং, আমাদের এই বিজ্ঞানের পরীক্ষাগুলো সংগ্রহ করতে হবে মানবজীবনের সতর্ক পর্যবেক্ষণ থেকে; জগত যে স্বাভাবিক নিয়মে চলে—মানুষের আচরণ, তাদের কাজকর্ম এবং বিনোদনের মাঝে সেগুলোকে খুঁজে নিতে হবে। যেখানে এই ধরণের পরীক্ষাগুলো বিচারবুদ্ধি দিয়ে সংগ্রহ ও তুলনা করা হয়, সেখানে আমরা এমন একটি বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠার আশা করতে পারি যা নিশ্চিতের দিক থেকে কোনো অংশে কম নয় এবং উপযোগিতার দিক থেকে মানুষের বোধগম্য অন্য যেকোনো কিছুর চেয়ে অনেক উন্নত।
** ভূমিকা।
==== ১ম খণ্ড: বোধশক্তি প্রসঙ্গে ====
* যেহেতু আমরা সবকিছুকেই '''অভ্যাস''' বলি যা কোনো নতুন যুক্তি বা সিদ্ধান্ত ছাড়াই অতীত পুনরাবৃত্তি থেকে উদ্ভূত হয়; তাই আমরা এটি একটি ধ্রুব সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারি যে—বর্তমান কোনো ছাপ থেকে তৈরি হওয়া আমাদের প্রতিটি বিশ্বাসই কেবল সেই উৎস (অভ্যাস) থেকে উদ্ভূত।
** ৩য় অংশ, ৮ম পরিচ্ছেদ।
* কোনো বস্তুর নিজের ভেতরে এমন কিছুই নেই যা আমাদের সেই বস্তুর সীমানা ছাড়িয়ে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সাহায্য করতে পারে; [...] এমনকি কোনো বস্তুর বারবার বা নিরন্তর সংযোগ পর্যবেক্ষণের পরেও, অভিজ্ঞতার বাইরের কোনো বস্তু সম্পর্কে কোনো অনুমান করার মতো যৌক্তিক কারণ আমাদের কাছে নেই।
** ৩য় অংশ, ১২শ পরিচ্ছেদ।
* একটি স্পষ্ট সত্যকে অস্বীকার করা যেমন হাস্যাস্পদ, তেমনি হাস্যাস্পদ হলো তাকে রক্ষা করার জন্য মাত্রাতিরিক্ত পরিশ্রম করা; আর আমার কাছে এর চেয়ে স্পষ্ট সত্য আর কিছু নেই যে—মানুষের মতো পশুরাও চিন্তা ও যুক্তিবোধের অধিকারী। এই ক্ষেত্রে যুক্তিগুলো এতটাই প্রতীয়মান যে তা অত্যন্ত স্থূল এবং অজ্ঞ মানুষের নজরও এড়ায় না।
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* পশুপাখির বাহ্যিক আচরণের সাথে আমাদের নিজেদের আচরণের যে সাদৃশ্য রয়েছে, তা থেকেই আমরা বিচার করি যে তাদের অভ্যন্তরীণ জগতও আমাদের মতোই; এবং যুক্তির এই একই নীতিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেলে আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাব যে—যেহেতু আমাদের অভ্যন্তরীণ ক্রিয়াগুলো পরস্পর সদৃশ, তাই সেগুলো যে উৎস থেকে এসেছে, সেই কারণগুলোও অবশ্যই সদৃশ হবে।
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* মানুষ তাদের নিজেদের যুক্তির ক্রিয়া দেখে বিস্মিত হয় না, অথচ পশুপাখির '''সহজাত প্রবৃত্তি''' দেখে বিস্ময় প্রকাশ করে এবং এটি ব্যাখ্যা করতে হিমশিম খায়; কেবল এই কারণে যে একে সেই একই মূলনীতিতে ফেলা যায় না। [...] '''প্রকৃতপক্ষে যুক্তি আমাদের আত্মার ভেতরে এক বিস্ময়কর এবং অবোধ্য সহজাত প্রবৃত্তি ছাড়া আর কিছুই নয়।'''
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* অভ্যাস থেকে যা কিছু সৃষ্টি হতে পারে, প্রকৃতি অবশ্যই তা উৎপাদন করতে পারে: প্রকৃতপক্ষে, অভ্যাস প্রকৃতিরই অন্যতম মূলনীতি এবং এটি তার সমস্ত শক্তি সেই উৎস থেকেই লাভ করে।
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* এভাবে সমস্ত জ্ঞান শেষ পর্যন্ত 'সম্ভাব্যতা'তে পর্যবসিত হয়; এবং এই সম্ভাব্যতা আমাদের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে কম বা বেশি হতে পারে।
** ৪র্থ অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ।
* বর্তমানে দার্শনিকদের অবস্থা অত্যন্ত করুণ বলে মনে হচ্ছে; সিজিফাস এবং ট্যান্টালাস এর শাস্তির বর্ণনায় কবিরা আমাদের যে ধারণা দিয়েছেন, তা বাস্তব যন্ত্রণার তুলনায় সামান্য। কারণ এর চেয়ে যন্ত্রণাদায়ক আর কী হতে পারে যে—ব্যকুল হয়ে এমন কিছুকে খোঁজা যা চিরকাল আমাদের ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়; এবং এমন এক জায়গায় তাকে খোঁজা যেখানে তার অস্তিত্ব থাকা অসম্ভব?
** ৪র্থ অংশ, ৩য় পরিচ্ছেদ।
* আমি যখন সবচেয়ে নিবিড়ভাবে নিজেকে 'আমি' বলে অনুসন্ধান করি, তখন আমি সবসময়ই তাপ বা শৈত্য, আলো বা ছায়া, প্রেম বা ঘৃণা, দুঃখ বা সুখের মতো কোনো না কোনো বিশেষ উপলব্ধির ওপর আছাড় খেয়ে পড়ি। আমি কখনোই কোনো উপলব্ধি ছাড়া 'নিজেকে' ধরতে পারি না, এবং উপলব্ধি ছাড়া আর কিছুই পর্যবেক্ষণ করতে পারি না। যখন কিছু সময়ের জন্য আমার উপলব্ধিগুলো অপসারিত হয় (যেমন গভীর ঘুমে), ততক্ষণ আমি নিজের সম্পর্কে অচেতন থাকি এবং সত্যই বলা যেতে পারে যে তখন আমার কোনো অস্তিত্ব নেই। আর যদি মৃত্যুর মাধ্যমে আমার সব উপলব্ধি চিরতরে মুছে যায়—তবে আমি সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে যাব। যদি কেউ নিরপেক্ষ চিন্তার পর মনে করেন যে তাঁর 'নিজের' সম্পর্কে ভিন্ন কোনো ধারণা আছে, তবে আমি স্বীকার করছি যে তাঁর সাথে আমি আর তর্কে যেতে পারছি না। তিনি হয়তো নিজের ভেতর সরল এবং অবিচ্ছিন্ন কিছু অনুভব করেন যাকে তিনি 'নিজে' বা 'স্বয়ং' বলেন; কিন্তু আমি নিশ্চিত যে আমার ভেতর এমন কোনো মূলনীতি নেই... তবে এই ধরণের কিছু অধিবিদ্যক ব্যক্তিদের বাদ দিলে, আমি বাকি মানবজাতি সম্পর্কে জোর দিয়ে বলতে পারি যে—তারা অসংখ্য উপলব্ধির একটি সমষ্টি বা সংগ্রহ ছাড়া আর কিছুই নয়, যা অচিন্তনীয় দ্রুততায় একে অপরকে অনুসরণ করে এবং এক নিরন্তর প্রবাহ ও গতির মধ্যে থাকে।
** ৪র্থ অংশ, ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ।
* '''আমার নিজেকে এমন একজন মানুষের মতো মনে হয়, যে বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে এবং এক ছোট প্রণালী পার হতে গিয়ে অল্পের জন্য জাহাজডুবি থেকে রক্ষা পেয়েছে; তবুও তার ধৃষ্টতা এতটাই যে সে সেই একই জীর্ণ, লোনা ধরা জাহাজে করে সমুদ্রে পাড়ি দিতে চায় এবং এমনকি এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বিশ্ব ভ্রমণের উচ্চাকাঙ্ক্ষা পোষণ করে।'''
** ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ।
* আমার দর্শনে আমি নিজেকে যে জনশূন্য একাকীত্বের মধ্যে আবিষ্কার করি, তা দেখে আমি প্রথমে আতঙ্কিত এবং বিভ্রান্ত হই; নিজেকে এক অদ্ভুত বিদঘুটে দানব মনে হয়, যে সমাজে মিশতে অক্ষম হয়ে মানুষের সান্নিধ্য থেকে বিতাড়িত এবং পরিত্যক্ত ও শোচনীয় অবস্থায় পড়ে আছে। '''ইচ্ছে হয় আশ্রয় আর উষ্ণতার জন্য ভিড়ের মধ্যে ছুটে যাই; কিন্তু সেই কদর্যতার সাথে নিজেকে মেশাতে পারি না। আমি অন্যদের ডাকি আমার সাথে যোগ দিতে যাতে আমরা আলাদা একটি সঙ্গ গড়ে তুলতে পারি; কিন্তু কেউ আমার কথা শোনে না। সবাই দূরে থাকে এবং সেই ঝড়কে ভয় পায় যা আমার ওপর চারপাশ থেকে আঘাত হানছে। আমি সমস্ত অধিবিদ্যক, যুক্তিবিদ, গণিতবিদ এমনকি ধর্মতাত্ত্বিকদের শত্রুতার মুখে নিজেকে সঁপে দিয়েছি; তবে আমার ওপর যে অপমান নেমে আসবে তাতে কি আমি অবাক হতে পারি?''' আমি তাদের ব্যবস্থার প্রতি আমার অসম্মতি প্রকাশ করেছি; তবে তারা যদি আমার এবং আমার মতবাদের প্রতি ঘৃণা পোষণ করে তবে কি আমি বিস্মিত হতে পারি? আমি যখন বাইরের দিকে তাকাই, আমি সবদিকে কেবল বিতর্ক, বিরোধিতা, ক্রোধ আর কুৎসা দেখি। যখন আমি নিজের ভেতরে তাকাই, আমি কেবল সন্দেহ আর অজ্ঞতা ছাড়া আর কিছুই খুঁজে পাই না। সারা বিশ্ব আমার বিরোধিতা করার জন্য ষড়যন্ত্র করছে; যদিও আমার দুর্বলতা এমনই যে অপরের সমর্থন ছাড়া আমার নিজের মতামতগুলোই আলগা হয়ে ঝরে পড়ে। আমার নেওয়া প্রতিটি পদক্ষেপ দ্বিধাগ্রস্ত, আর প্রতিটি নতুন চিন্তা আমাকে ভুলের আশঙ্কায় ভীত করে তোলে।
** ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ।
* '''কেননা এত সাহস নিয়ে আমি কীভাবে এগোব, যখন নিজের অসংখ্য দুর্বলতা ছাড়াও আমি মানুষের সহজাত সাধারণ দুর্বলতাগুলোও নিজের ভেতর খুঁজে পাই? আমি কি নিশ্চিত হতে পারি যে প্রতিষ্ঠিত সমস্ত মতামত ত্যাগ করে আমি সত্যকেই অনুসরণ করছি? আর কিসের ভিত্তিতেই বা আমি সত্যকে চিনব, যদি ভাগ্য শেষ পর্যন্ত আমাকে তাঁর পায়ের ছাপে পৌঁছেও দেয়?''' আমার সবচেয়ে নির্ভুল যুক্তির পরেও আমি কেন তা মেনে নেব—তার কোনো কারণ খুঁজে পাই না; আমি কেবল সেই দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি এক তীব্র টান অনুভব করি যার অধীনে বস্তুগুলো আমার কাছে প্রকাশিত হয়। স্মৃতি, ইন্দ্রিয় এবং বোধশক্তি—এই সবকিছুই তাই শেষ পর্যন্ত কল্পনা বা আমাদের ধারণার প্রাণবন্ততার ওপর ভিত্তি করেই দাঁড়িয়ে আছে।
** ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ।
== ''এ ট্রিটিজ অফ হিউম্যান নেচার'' (১৭৩৯-৪০): ২য় ও ৩য় খণ্ড ==
* কার্যকারণের সাধারণ সংযোগের অন্তরালে যে মূলনীতিটি তাদের বেঁধে রেখেছে, সে সম্পর্কে আমরা সাধারণ ঘটনায় যতটা অজ্ঞ, অসাধারণ কোনো ঘটনায় ঠিক ততটাই অজ্ঞ; কিন্তু দৈনন্দিন জীবনে আমরা এই ঘাটতি বুঝতে পারি না। এটি আসলে কল্পনার একটি বিভ্রম ছাড়া আর কিছুই নয়। কল্পনার এই উড্ডয়ন দর্শনের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং দার্শনিকদের অধিকাংশ ভুলের মূল কারণ। উজ্জ্বল কল্পনাশক্তির অধিকারীদের সেই দেবদূতদের সাথে তুলনা করা যেতে পারে, যারা নিজেদের ডানা দিয়ে নিজেদের চোখ ঢেকে রাখে।
** ১ম খণ্ড: বোধশক্তি প্রসঙ্গে, ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ২৬৭-২৬৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''সাধারণভাবে বলতে গেলে, ধর্মের ভুলগুলো বিপজ্জনক; আর দর্শনের ভুলগুলো কেবল হাস্যকর।'''
** ১ম খণ্ড: বোধশক্তি প্রসঙ্গে, ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ২৭২, লিবার্টি ফান্ড)।
==== ২য় খণ্ড: আবেগ বা প্রবৃত্তি প্রসঙ্গে ====
* দুঃখ আর হতাশা থেকে জন্ম নেয় ক্রোধ, ক্রোধ থেকে ঈর্ষা, ঈর্ষা থেকে বিদ্বেষ, আর সেই বিদ্বেষ থেকে পুনরায় দুঃখ—এভাবেই চক্রটি পূর্ণতা পায়।
** ১ম অংশ, ৪র্থ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ২৮৩, লিবার্টি ফান্ড)।
* মানবপ্রকৃতির কোনো গুণই সহমর্মিতার মতো এত বেশি লক্ষণীয় নয়; যার মাধ্যমে আমরা অন্যের রুচি আর অনুভূতি গ্রহণ করি, এমনকি সেগুলো আমাদের নিজস্ব মতের বিরোধী হলেও। আমরা লক্ষ্য করি যে, একই জাতির মানুষের চিন্তা আর মেজাজের মধ্যে এক অদ্ভুত সামঞ্জস্য থাকে; আর এই সাদৃশ্য মাটি বা জলবায়ুর চেয়ে সহমর্মিতার কারণেই বেশি ঘটে। একজন অমায়িক মানুষ মুহূর্তের মধ্যেই তাঁর সঙ্গীদের মেজাজে মিশে যান; এমনকি সবচেয়ে অহংকারী ব্যক্তিও তাঁর পরিচিতদের প্রভাবে প্রভাবিত হন।
** ১ম অংশ, ১১শ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৩১৬-৩১৭, লিবার্টি ফান্ড)।
* হাঁস, তুরস্কের মুরগি কিংবা ময়ূরের চলন-বলন দেখলেই বোঝা যায় তারা নিজেদের সম্পর্কে কত উঁচু ধারণা পোষণ করে এবং অন্যদের কতটা অবজ্ঞা করে। যেমন পুরুষ নাইটিঙ্গেল পাখির গান গাওয়ার প্রতিযোগিতা আর এই ধরণের আরও অনেক প্রমাণ থেকে এটি স্পষ্ট যে—অহংকার আর বিনয় কেবল মানুষের আবেগ নয়, বরং তা সমগ্র প্রাণীজগতে বিস্তৃত।
** ১ম অংশ, ১২শ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৩২৬, লিবার্টি ফান্ড)।
* পশুদের ক্ষেত্রেও সহমর্মিতা বা আবেগের আদান-প্রদান মানুষের মতোই ঘটে। ভয়, ক্রোধ, সাহস—সবই এক পশু থেকে অন্য পশুতে সঞ্চারিত হয়। লক্ষ্যণীয় যে, সিংহ, বাঘ বা বিড়াল খেলার ছলে যখন আক্রমণ করে, তখন তারা নখর বা দাঁত ব্যবহার করলেও সঙ্গীকে আঘাত করা থেকে সতর্কভাবে বিরত থাকে; যা প্রমাণ করে যে ইতর প্রাণীদেরও একে অপরের ব্যথা আর আনন্দের বোধ রয়েছে।
** ২য় অংশ, ১২শ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৩৯৭-৩৯৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* দার্শনিক বিতর্কে কোনো হাইপোথিসিস বা মতবাদকে ধর্ম ও নৈতিকতার জন্য 'বিপজ্জনক' বলে প্রমাণ করার মাধ্যমে তা নাকচ করে দেওয়া—সবচেয়ে প্রচলিত অথচ সবচেয়ে নিন্দনীয় একটি পদ্ধতি। কোনো মতবাদ যদি অযৌক্তিকতার দিকে নিয়ে যায়, তবেই তা মিথ্যে হতে পারে; কিন্তু তার ফলাফল বিপজ্জনক বলেই যে তা মিথ্যে হবে—এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।
** ৩য় অংশ, ২য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪০৯, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''যখন আমরা আবেগ আর যুক্তির লড়াই নিয়ে কথা বলি, তখন আমরা দার্শনিক এবং পারিভাষিক দিক থেকে সঠিক কথা বলি না। যুক্তি হলো আবেগের দাস, এবং এর একমাত্র কাজ হলো আবেগের সেবা ও আনুগত্য করা।'''
** ৩য় অংশ, ৩য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪১৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* আমার আঙুলের সামান্য আঁচড় রোধ করার চেয়ে পুরো পৃথিবীর ধ্বংসকে অগ্রাধিকার দেওয়া যুক্তিবিরোধী কিছু নয়। আমার সামান্যতম অস্বস্তি এড়াতে একজন সম্পূর্ণ অচেনা মানুষের বা কোনো দূর দেশের বাসিন্দার চূড়ান্ত ধ্বংস বেছে নেওয়াও যুক্তিবিরোধী নয়। এমনকি আমার বড় কোনো কল্যাণের চেয়ে ছোট কোনো কল্যাণকে বেশি গুরুত্ব দেওয়াও অযৌক্তিক নয়। সংক্ষেপে বলতে গেলে, একটি আবেগ বা প্রবৃত্তিকে কেবল তখনই অযৌক্তিক বলা যেতে পারে যখন তা কোনো ভুল বিচারবুদ্ধি বা মিথ্যে ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়।
** ৩য় অংশ, ৩য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪১৬, লিবার্টি ফান্ড)।
==== ৩য় খণ্ড: নৈতিকতা প্রসঙ্গে ====
* সূক্ষ্ম এবং জটিল যুক্তির একটি অসুবিধা হলো—এটি প্রতিপক্ষকে স্তব্ধ করতে পারে কিন্তু সব সময় আশ্বস্ত করতে পারে না। পড়ার ঘর থেকে বেরিয়ে যখন আমরা দৈনন্দিন জীবনের কাজে যুক্ত হই, তখন সেই সূক্ষ্ম যুক্তিগুলো রাতের অন্ধকারের মতো মিলিয়ে যায় এবং আমরা যে সিদ্ধান্তগুলো অনেক কষ্টে অর্জন করেছিলাম, সেগুলো ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।
** ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৫৫, লিবার্টি ফান্ড)।
== ''এ ট্রিটিজ অফ হিউম্যান নেচার'' ও ''এ্যান এনকোয়ারি'' (১৭৩৯-১৭৪৮) ==
* '''নৈতিকতা এমন একটি বিষয় যা অন্য সবকিছুর চেয়ে আমাদের বেশি আলোড়িত করে: আমরা মনে করি সমাজ ও রাষ্ট্রের শান্তি এর প্রতিটি সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে; আর এই গুরুত্বই আমাদের অনুসন্ধানকে অন্য যেকোনো বিষয়ের চেয়ে বেশি বাস্তব ও দৃঢ় করে তোলে।''' এই সুবিধাটুকু না থাকলে আমি কখনোই এই ধরণের দুর্ভেদ্য দর্শনের তৃতীয় খণ্ডটি লেখার দুঃসাহস দেখাতাম না—বিশেষ করে এমন এক যুগে, যেখানে অধিকাংশ মানুষ পড়াকে কেবল বিনোদন হিসেবে গ্রহণ করেছে এবং যা কিছু বোঝার জন্য গভীর মনোযোগ প্রয়োজন, তাকেই প্রত্যাখ্যান করতে শিখেছে।
** ''এ ট্রিটিজ অফ হিউম্যান নেচার'', ৩য় খণ্ড: নৈতিকতা প্রসঙ্গে, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৫৫-৪৫৬, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''নীতিবোধ আমাদের আবেগ জাগিয়ে তোলে এবং কোনো কাজ করতে বা তা থেকে বিরত থাকতে উদ্বুদ্ধ করে। যুক্তি এই বিশেষ ক্ষেত্রে একেবারেই অক্ষম। সুতরাং, নৈতিকতার নিয়মগুলো আমাদের যুক্তির কোনো সিদ্ধান্ত নয়।'''
** ৩য় খণ্ড, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৫৭, লিবার্টি ফান্ড)।
* কোনো কাজ প্রশংসনীয় বা নিন্দনীয় হতে পারে; কিন্তু তা 'যুক্তিসঙ্গত' বা 'অযৌক্তিক' হতে পারে না। প্রশংসা আর নিন্দা যুক্তির সীমানার বাইরের বিষয়। যুক্তি অলস ও নিষ্ক্রিয়, এটি কখনোই বিবেকের মতো সক্রিয় নীতির উৎস হতে পারে না।
** ৩য় খণ্ড, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৫৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* যেকোনো জঘন্য কাজকে লক্ষ্য করুন—ধরুন একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। একে সব দিক থেকে পরীক্ষা করে দেখুন, সেখানে কি বাস্তব কোনো অস্তিত্ব বা তথ্য পাবেন যাকে আপনি 'পাপ' বলতে পারেন? সেখানে আপনি কেবল কিছু আবেগ, উদ্দেশ্য, ইচ্ছা আর চিন্তা খুঁজে পাবেন। পাপ বিষয়টি বস্তু বা ঘটনার মধ্যে থাকে না; যতক্ষণ আপনি বাইরের ঘটনার দিকে তাকাবেন, পাপ আপনার নাগালের বাইরে থাকবে। এটি কেবল তখনই খুঁজে পাবেন যখন আপনি আপনার দৃষ্টি নিজের অন্তরের দিকে ফেরাবেন এবং সেই কাজের প্রতি নিজের ভেতর একটি ঘৃণার অনুভূতি লক্ষ্য করবেন। সুতরাং, গুণ এবং পাপ অনেকটা শব্দ, বর্ণ, তাপ বা শৈত্যের মতো; যা বস্তুর নিজস্ব কোনো গুণ নয়, বরং মনের ভেতরের এক একটি অনুভূতি বা উপলব্ধি মাত্র।
** ৩য় খণ্ড, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৬৮-৪৬৯, লিবার্টি ফান্ড)।
* আমি একটি বিষয় উল্লেখ্য না করে পারছি না, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি এ পর্যন্ত নৈতিকতা নিয়ে যত আলোচনা দেখেছি, সেখানে লেখক প্রথমে সাধারণ যুক্তি দিয়ে শুরু করেন—হয়তো ঈশ্বরের অস্তিত্ব বা মানুষের স্বভাব নিয়ে কথা বলেন। কিন্তু হঠাৎ আমি অবাক হয়ে দেখি, সেখানে বাস্তব পরিস্থিতি বর্ণনা করার পরিবর্তে (অর্থাৎ কোনো কিছু কেমন 'হয়' বা 'নয়' বলার বদলে), লেখক সরাসরি আদেশ দিতে শুরু করেন যে আমাদের কী করা 'উচিত' বা 'উচিত নয়'! এই পরিবর্তনটি অলক্ষ্যেই ঘটে যায়, কিন্তু এর ফলাফল সুদূরপ্রসারী। কেননা এই 'উচিত' বা 'উচিত নয়' একটি নতুন সম্পর্ক প্রকাশ করে, যা আগের বর্ণনামূলক তথ্য থেকে কীভাবে বিবর্তিত হলো—তা ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন। লেখকের এই অসাবধানতা পাঠককে খেয়াল করার অনুরোধ জানাব; কারণ এই সামান্য সতর্কতাটুকু প্রচলিত সমস্ত নৈতিক ব্যবস্থাকে ধূলিসাৎ করে দিতে যথেষ্ট।
** ৩য় খণ্ড, ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৬৯-৪৭০, লিবার্টি ফান্ড)।
* ন্যায় এবং অন্যায়ের বোধ প্রকৃতি থেকে উদ্ভূত হয়নি, বরং এটি কৃত্রিমভাবে... শিক্ষা এবং মানবিক প্রথা থেকে তৈরি হয়েছে।
** ৩য় খণ্ড, ২য় অংশ, ১৭শ পরিচ্ছেদ।
* মানুষের স্বার্থপরতা, সীমিত উদারতা এবং তাদের চাহিদার তুলনায় প্রকৃতির কৃপণতার কারণেই মূলত 'ন্যায়বিচার' এর উৎপত্তি হয়েছে।
** ৩য় খণ্ড, ২য় অংশ, ২য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৯৪-৪৯৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* নিজের এবং নিকটজনদের জন্য সম্পদ ও প্রতিপত্তি অর্জনের এই যে লালসা—এটি অতৃপ্ত, চিরন্তন, সর্বজনীন এবং সরাসরি সমাজের জন্য ধ্বংসাত্মক।
** ৩য় খণ্ড, ২য় অংশ, ২য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৯১-৪৯২, লিবার্টি ফান্ড)।
=== ''এ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং হিউম্যান আন্ডারস্ট্যান্ডিং'' (১৭৪৮) ===
* '''প্রকৃতপক্ষে, অভ্যাসই হলো মানবজীবনের প্রধান নির্দেশক।''' এটিই একমাত্র নীতি যা আমাদের অভিজ্ঞতাকে কার্যকর করে তোলে এবং অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে প্রত্যাশা তৈরি করে। অভ্যাসের প্রভাব ছাড়া আমরা বর্তমান স্মৃতি আর ইন্দ্রিয়ের বাইরের জগত সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ থাকতাম।
** ৫ম পরিচ্ছেদ: স্কেপটিক্যাল সলিউশন; ১ম খণ্ড, অনুচ্ছেদ ৩৬ (পৃষ্ঠা ৪৪, অক্সফোর্ড)।
* '''প্রকৃতি আমাদের জন্য এক মিশ্র জীবনকেই সবচেয়ে উপযোগী হিসেবে চিহ্নিত করেছে। [...] বিজ্ঞানের প্রতি তোমার আগ্রহকে লালন করো, তবে তোমার বিজ্ঞান যেন হয় মানবিক এবং সমাজ ও কর্মের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত। দার্শনিক হও; কিন্তু তোমার সমস্ত দর্শনের মাঝেও ভুলে যেও না যে তুমি একজন মানুষ।'''
** ১ম পরিচ্ছেদ: অফ দ্য ডিফারেন্ট স্পিসিস অফ ফিলোসফি (পৃষ্ঠা ৭, লিবার্টি ফান্ড)।
* দার্শনিক বিতর্কে কোনো মতবাদকে কেবল ধর্ম বা নৈতিকতার জন্য 'বিপজ্জনক' তকমা দিয়ে নাকচ করে দেওয়ার চেষ্টার চেয়ে সাধারণ এবং একইসাথে নিন্দনীয় পদ্ধতি আর নেই। এটি সত্য আবিষ্কারে কোনো সাহায্য করে না, কেবল প্রতিপক্ষকে ঘৃণা করতে শেখায়।
** ৮ম পরিচ্ছেদ: অফ লিবার্টি অ্যান্ড নেসেসিটি; ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ৯৬, লিবার্টি ফান্ড)।
* বাস্তব তথ্য বা অস্তিত্ব সম্পর্কিত আমাদের যুক্তিতে সব ধরণের নিশ্চয়তা থাকতে পারে; সবচেয়ে উচ্চপর্যায়ের ধ্রুব সত্য থেকে শুরু করে সবচেয়ে নিম্নপর্যায়ের নৈতিক প্রমাণ। '''তাই একজন প্রাজ্ঞ মানুষ সবসময় প্রাপ্ত প্রমাণের অনুপাতে তাঁর বিশ্বাসকে নিয়ন্ত্রণ করেন।'''
** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস (অলৌকিক ঘটনা প্রসঙ্গে); ১ম অংশ, অনুচ্ছেদ ৮৭ (পৃষ্ঠা ১১০, লিবার্টি ফান্ড)।
* কোনো অলৌকিক ঘটনা প্রতিষ্ঠিত করার জন্য কোনো সাক্ষ্যই যথেষ্ট নয়, যতক্ষণ না সেই সাক্ষ্যটি এমন পর্যায়ের হয় যে—তার মিথ্যা হওয়াটা সেই অলৌকিক ঘটনার চেয়েও বেশি বিস্ময়কর বা অলৌকিক বলে মনে হবে।
** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস; ১ম অংশ, অনুচ্ছেদ ৯১ (পৃষ্ঠা ১১৫, অক্সফোর্ড)।
* '''বাগ্মিতা যখন চূড়ান্ত শিখরে পৌঁছায়, তখন তা যুক্তি বা চিন্তার জন্য খুব সামান্যই অবকাশ রাখে; এটি সরাসরি মানুষের কল্পনা আর আবেগকে নাড়া দেয় এবং শ্রোতাদের বিচারবুদ্ধিকে পরাভূত করে ফেলে।'''
** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস; ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ১১৮, লিবার্টি ফান্ড)।
== ধর্ম, নৈতিকতা ও সংশয়বাদ (১৭৪৮-১৭৫৭) ==
* খ্রিষ্টধর্ম কেবল শুরুর দিকেই অলৌকিক ঘটনার ওপর নির্ভরশীল ছিল না; বরং আজও কোনো যুক্তিবাদী মানুষ অলৌকিক কোনো শক্তি ছাড়া এতে বিশ্বাস স্থাপন করতে পারে না। কেবল যুক্তি এর সত্যতা প্রমাণে যথেষ্ট নয়। যে ব্যক্তি বিশ্বাসের দ্বারা এতে সায় দেন, তিনি নিজের ভেতরেই এক নিরন্তর অলৌকিকত্ব অনুভব করেন—যা তাঁর বোধশক্তির সমস্ত মূলনীতিকে উল্টে দেয় এবং তাঁকে এমন কিছু বিশ্বাস করতে বাধ্য করে যা মানুষের সাধারণ অভিজ্ঞতা ও অভ্যাসের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
** ''এ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং হিউম্যান আন্ডারস্ট্যান্ডিং'' (১৭৪৮), ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস, ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ১২০, লিবার্টি ফান্ড)।
* যখন আমরা এই মূলনীতিগুলোতে বিশ্বাস রেখে কোনো লাইব্রেরিতে ঘুরে বেড়াই, তখন আমাদের কী পরিমাণ ধ্বংসযজ্ঞই না চালাতে হবে! আমরা যদি হাতে কোনো ধর্মতত্ত্ব বা স্কুল-মেটাফিজিক্সের বই পাই, তবে আমাদের প্রশ্ন করা উচিত—"এতে কি পরিমাণ বা সংখ্যা সংক্রান্ত কোনো বিমূর্ত যুক্তি আছে?" না। "এতে কি বাস্তব তথ্য ও অস্তিত্ব সম্পর্কে কোনো পরীক্ষামূলক যুক্তি আছে?" না। তবে একে অগ্নিশিখায় সমর্পণ করো; কারণ এতে ভ্রান্ত কুযুক্তি আর মায়া ছাড়া আর কিছুই নেই।
** ''এ্যান এনকোয়ারি'', ১২শ পরিচ্ছেদ: অফ দ্য অ্যাকাডেমিক্যাল অর স্কেপটিক্যাল ফিলোসফি, ৩য় অংশ (পৃষ্ঠা ১৬৫, অক্সফোর্ড)।
=== ''এ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং দ্য প্রিন্সিপলস অফ মোরালস'' (১৭৫১) ===
* নৈতিকতার প্রতিটি সিদ্ধান্তে 'জনকল্যাণ'-ই প্রধানত বিবেচনায় থাকে। যেখানেই দর্শনে বা সাধারণ জীবনে কর্তব্যের সীমা নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়, সেখানে মানবজাতির প্রকৃত স্বার্থের বিচার ছাড়া আর কোনোভাবেই অধিকতর নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়।
** ২য় পরিচ্ছেদ: অফ বেনোভোলেন্স, ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ১৮০, অক্সফোর্ড)।
* সেই ব্যক্তি সুখী, যার পরিস্থিতি তার স্বভাবের সাথে খাপ খায়; কিন্তু সেই ব্যক্তি অধিকতর শ্রেষ্ঠ, যে যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজের স্বভাবকে মানিয়ে নিতে পারে।
** ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ: অফ কোয়ালিটিজ ইউজফুল টু আওয়ারসেলভস, ১ম অংশ (পৃষ্ঠা ২৪৩, অক্সফোর্ড)।
* যেখানে মানুষ সবচেয়ে বেশি নিশ্চিত এবং অহংকারী, তারা সাধারণত সেখানেই সবচেয়ে বড় ভুলটি করে থাকে; কারণ সেখানে তারা সঠিক বিচার-বিশ্লেষণ ছাড়াই আবেগের হাতে লাগাম ছেড়ে দেয়।
** ৯ম পরিচ্ছেদ: কনক্লুশন (উপসংহার), ১ম অংশ (পৃষ্ঠা ২৮১, অক্সফোর্ড)।
=== ''দ্য ন্যাচারাল হিস্ট্রি অফ রিলিজিয়ন'' (১৭৫৭) ===
* ধর্মের উৎস নিয়ে অনুসন্ধান করলে দেখা যায়—প্রকৃতির এই বিশাল কাঠামো একজন বুদ্ধিমান স্রষ্টার কথা ঘোষণা করে; কোনো যুক্তিবাদী অনুসন্ধিৎসু মানুষই এক মুহূর্তের জন্য এই সত্য অস্বীকার করতে পারেন না। কিন্তু মানবপ্রকৃতিতে ধর্মের উৎপত্তি নিয়ে যথেষ্ট জটিলতা আছে। অদৃশ্য শক্তির ওপর বিশ্বাস পৃথিবীর সব অঞ্চলেই ছড়িয়ে আছে, কিন্তু ইতিহাসবিদদের বিশ্বাস করলে দেখা যায়—এমন অনেক জাতির সন্ধান মিলেছে যাদের মধ্যে ধর্মের কোনো বালাই নেই।
** ভূমিকা (পৃষ্ঠা ২৫, কলিন্স এডিশন)।
* মূর্তিপূজা এবং একেশ্বরবাদের তুলনা করলে আমরা সেই সাধারণ পর্যবেক্ষণটির সত্যতা খুঁজে পাই যে—'''সবচেয়ে ভালো জিনিসের বিকৃতি থেকেই সবচেয়ে জঘন্য জিনিসের জন্ম হয়।'''
** ১০ম অংশ: উইথ রিগার্ড টু কারেজ অর অ্যাবেসমেন্ট (পৃষ্ঠা ৫০, এ. ডব্লিউ. কলিন্স)।
* একেশ্বরবাদী ধর্মগুলোর গোঁড়ামি এবং পাণ্ডিত্যপূর্ণ যুক্তির প্রবল স্রোতকে "দুই আর তিনে পাঁচ হয়" বা "সমগ্র অংশ তার খণ্ডাংশের চেয়ে বড়"—এই জাতীয় সাধারণ যুক্তি দিয়ে আটকানোর চেষ্টা করা মানে হলো একটা নলখাগড়া দিয়ে সমুদ্র ঠেকানোর চেষ্টা করা। পবিত্র রহস্যের সামনে আপনি কি অপবিত্র যুক্তি খাড়া করবেন? আপনার এই ধর্মদ্রোহিতার জন্য কোনো শাস্তিই যথেষ্ট নয়। আর যে আগুন ধর্মদ্রোহীদের পোড়ানোর জন্য জ্বালানো হয়, তা দার্শনিকদের বিনাশের জন্যও যথেষ্ট।
** ১১শ অংশ: উইথ রিগার্ড টু রিজন অর অ্যাবসারডিটি (পৃষ্ঠা ৬০, লিবার্টি ফান্ড)।
* জগতের অধিকাংশ ধর্মের মানুষের দিকে তাকালে আপনি খুব কমই নিশ্চিত হবেন যে তারা সুস্থ মানুষের কথা বলছে; বরং তাদের বিশ্বাসগুলোকে দেখে অসুস্থ মানুষের স্বপ্ন অথবা মানুষের রূপ ধারণ করা বানরের খামখেয়ালি প্রলাপ বলে মনে হতে পারে।
** ১৫শ অংশ: জেনারেল করোলারি (পৃষ্ঠা ৭৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''অজ্ঞতাই হলো ভক্তির জননী—এই প্রবাদটি সাধারণ অভিজ্ঞতা দ্বারা বারবার প্রমাণিত। এমন কোনো জাতিকে খুঁজে দেখুন যাদের কোনো ধর্ম নেই; যদি পানও তবে নিশ্চিত থাকবেন যে তারা পশুদের থেকে খুব সামান্যই আলাদা।'''
** ১৫শ অংশ: জেনারেল করোলারি (পৃষ্ঠা ৭৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''সমগ্র বিষয়টিই একটি ধাঁধা, এক রহস্যময় সংকেত এবং ব্যাখ্যাতীত জটিলতা। সন্দেহ, অনিশ্চয়তা আর বিচারের দোদুল্যমানতা—এটাই আমাদের অনুসন্ধানের একমাত্র ফলাফল।''' তবে মানুষের যুক্তিবোধের দুর্বলতা এমন যে এই সংশয় ধরে রাখা কঠিন; তাই আমরা এক ধরণের কুসংস্কারের বিপরীতে অন্যটিকে লেলিয়ে দিয়ে তাদের ঝগড়া দেখতে দেখতে নিজেরা দর্শনের শান্ত ও নির্জন অঞ্চলে পালিয়ে যাই।
** ১৫শ অংশ: জেনারেল করোলারি (পৃষ্ঠা ৭৯, লিবার্টি ফান্ড)।
=== ''এসেস, মোরাল, পলিটিক্যাল, অ্যান্ড লিটারারি'' (১৭৪১-২;১৭৪৮) ===
* স্বাধীনতার প্রেমীদের জন্য এটি একটি স্বস্তিদায়ক চিন্তা যে—ব্রিটেনের এই বিশেষ সুবিধা (সংবাদপত্রের স্বাধীনতা) ততদিনই থাকবে যতদিন আমাদের সরকার স্বাধীন থাকবে। '''যেকোনো ধরণের স্বাধীনতা খুব কম ক্ষেত্রেই একেবারে হারিয়ে যায়।''' যারা স্বাধীনতায় অভ্যস্ত, তাদের কাছে দাসত্বের চেহারা এতটাই বীভৎস যে এটি ধীরে ধীরে এবং হাজারো ছদ্মবেশে মানুষের ভেতর ঢুকে পড়ে। কিন্তু যদি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কখনো লুপ্ত হয়, তবে তা একসাথেই হারিয়ে যাবে।
** ১ম খণ্ড, ২য় প্রবন্ধ: অফ দ্য লিবার্টি অফ দ্য প্রেস (পৃষ্ঠা ১৩, লিবার্টি ফান্ড)।
== রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রবন্ধাবলি ==
* যারা দার্শনিক দৃষ্টিতে মানবীয় বিষয়াবলি পর্যবেক্ষণ করেন, তাদের কাছে এর চেয়ে বিস্ময়কর আর কিছু নেই যে—কত সহজে সংখ্যাগুরু সাধারণ মানুষ মুষ্টিমেয় কয়েকজনের দ্বারা শাসিত হয়; এবং মানুষ কত অবলীলায় নিজের আবেগ আর অনুভূতিকে শাসকদের হাতে সঁপে দেয়। যখন আমরা এই বিস্ময়ের কারণ খুঁজি, তখন দেখি যে শক্তি সব সময় শাসিতদের পক্ষেই থাকে, তাই শাসকদের টিকে থাকার একমাত্র অবলম্বন হলো জনমত। সুতরাং, কেবল জনমতের ওপর ভিত্তি করেই শাসনব্যবস্থা গড়ে ওঠে; এবং এই নীতিটি যেমন স্বাধীন ও জনপ্রিয় সরকারের ক্ষেত্রে সত্য, তেমনি চরম স্বৈরাচারী ও সামরিক সরকারের ক্ষেত্রেও সত্য।
** ১ম খণ্ড, ৪র্থ প্রবন্ধ: অফ দ্য ফার্স্ট প্রিন্সিপলস অফ গভর্নমেন্ট (পৃষ্ঠা ৩২, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''এটি একটি সঠিক রাজনৈতিক নীতি যে—প্রতিটি মানুষকে 'প্রতারক' হিসেবে ধরে নিতে হবে; যদিও এটি শুনতে অদ্ভুত লাগে যে একটি নীতি রাজনীতিতে সত্য হলেও বাস্তব জীবনে মিথ্যে।''' মানুষ সাধারণত তার ব্যক্তিগত জীবনের চেয়ে জনসমক্ষে বা সামাজিক পরিচয়ে বেশি অসৎ হয়ে থাকে; এবং নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে দলের স্বার্থ রক্ষায় তারা অনেক বেশি দূর পর্যন্ত যেতে পারে। লোকলজ্জা বা সম্মানবোধ মানুষের জন্য একটি বড় প্রতিবন্ধক; কিন্তু যখন একদল মানুষ একসাথে কাজ করে, তখন এই বাধাটি অনেকাংশেই দূর হয়ে যায়; কারণ একজন মানুষ যখন দলের স্বার্থে কাজ করে, তখন সে জানে যে তার নিজের দল তাকে সমর্থন করবেই এবং খুব দ্রুতই সে প্রতিপক্ষের সমালোচনাকে তুচ্ছ জ্ঞান করতে শেখে।
** ১ম খণ্ড, ৬ষ্ঠ প্রবন্ধ: অফ দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্সি অফ পার্লামেন্ট (পৃষ্ঠা ৪২-৪৩, লিবার্টি ফান্ড)।
* মানুষের মনের প্রকৃতিই এমন যে, এটি তার সান্নিধ্যে আসা অন্য সব মনকে আঁকড়ে ধরে; এবং যেমন মতের মিল বা ঐক্য একে ভীষণভাবে শক্তিশালী করে, তেমনি মতের অমিল বা বৈপরীত্য একে সমানভাবে বিচলিত ও বিমর্ষ করে তোলে। এ কারণেই বিতর্কের সময় অধিকাংশ মানুষের মধ্যে এক ধরণের ব্যকুলতা দেখা যায় এবং অতি সাধারণ বা তুচ্ছ বিষয়েও তারা বিরোধিতাকে সহ্য করতে পারে না।
** ১ম খণ্ড, ৮ম প্রবন্ধ: অফ পার্টিজ ইন জেনারেল (পৃষ্ঠা ৫৪, লিবার্টি ফান্ড)।
* জনপ্রিয়তা আর দেশপ্রেমের চূড়ান্ত শিখর আজও ক্ষমতা আর স্বৈরাচারের দিকে যাওয়ার চেনা রাস্তা; তোষামোদ যেমন বিশ্বাসঘাতকতার পথ দেখায়, স্থায়ী সেনাবাহিনী যেমন স্বৈরাচারী শাসনের পথ প্রশস্ত করে, ঠিক তেমনি ঈশ্বরের মহিমা প্রচার অনেক সময় যাজকশ্রেণীর বৈষয়িক স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হয়ে দাঁড়ায়।
** ১ম খণ্ড, ৮ম প্রবন্ধ: অফ পাবলিক ক্রেডিট (পৃষ্ঠা ৩৬১, লিবার্টি ফান্ড)।
* সকল যুগে এবং পৃথিবীর সব প্রান্তেই যাজকশ্রেণী স্বাধীনতার শত্রু ছিল; এবং এটি নিশ্চিত যে তাদের এই অবিচল আচরণ তাদের স্বার্থ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষার ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে। চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা যাজকীয় ক্ষমতা এবং সেই সব 'পবিত্র প্রতারণার' জন্য সব সময় কাল হয়ে দাঁড়ায়, যার ওপর ভিত্তি করে তাদের ক্ষমতা টিকে থাকে।
** ১ম খণ্ড, ৯শ প্রবন্ধ: অফ দ্য পার্টিজ অফ গ্রেট ব্রিটেন (পৃষ্ঠা ৬৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* কর্মজীবী দরিদ্র শ্রেণীর মানুষের কোনো নীতি নেই; ভদ্রলোকদের সময় এবং অভিজ্ঞতার মাধ্যমে সঠিক নীতিতে আনা সম্ভব। আর মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষের নীতি গঠনের মতো কৌতূহল ও জ্ঞান থাকলেও, তা সঠিক নীতি গঠনের জন্য বা নিজেদের সংস্কারগুলো কাটানোর জন্য যথেষ্ট নয়।
** ১ম খণ্ড, ৯শ প্রবন্ধ: অফ দ্য পার্টিজ অফ গ্রেট ব্রিটেন (১৭৪১ ও ১৭৪২ সংস্করণ)।
* লোভ, যা শিল্পের চালিকাশক্তি—এটি এমন এক একগুঁয়ে আবেগ এবং এটি এত বেশি বাস্তব বিপদ ও প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে পথ করে নেয় যে, কোনো কাল্পনিক ভয়ের কারণে এর থেমে যাওয়ার সম্ভাবনা কম। সুতরাং, আমার মতে—স্বৈরাচারী শাসনে বাণিজ্য যে ধ্বংস হয়ে যায়, তা নিরাপত্তার অভাবে নয়, বরং সেখানে বাণিজ্যকে কম সম্মানজনক মনে করা হয় বলে।
** ১ম খণ্ড, ১২শ প্রবন্ধ: অফ সিভিল লিবার্টি (পৃষ্ঠা ৯৩, লিবার্টি ফান্ড)।
* মানুষের অহংকারের জন্য এর চেয়ে বড় অপমান আর কিছু হতে পারে না যে—তার সর্বোচ্চ শিল্প ও শ্রম দিয়েও সে প্রকৃতির ক্ষুদ্রতম সৃষ্টিগুলোর সৌন্দর্য বা মূল্যের সমান হতে পারে না। শিল্প কেবল একজন সহকারী কারিগরের মতো, যে মূল মাস্টারের (প্রকৃতি) কাজগুলোতে সামান্য কিছু অলঙ্করণ যোগ করে মাত্র।
** ১ম খণ্ড, ১৫শ প্রবন্ধ: দ্য এপিকিউরিয়ান (পৃষ্ঠা ১৩৯, লিবার্টি ফান্ড)।
* '''শিল্প বা কারিগরি জ্ঞান হয়তো এক জোড়া পোশাক তৈরি করতে পারে; কিন্তু মানুষকে তৈরি করতে পারে কেবল প্রকৃতিই।'''
** ১ম খণ্ড, ১৫শ প্রবন্ধ: দ্য এপিকিউরিয়ান (পৃষ্ঠা ১৪০, লিবার্টি ফান্ড)।
* প্রকৃতির দান যদি সামান্য হয়, তবে সেই খামতি পূরণ করতে শিল্পের প্রয়োজন আরও বেশি পড়ে। আর প্রকৃতি যদি উদার ও মুক্তহস্ত হয়, তবে জেনে রাখুন সে আমাদের পক্ষ থেকেও কঠোর শ্রম ও মনোযোগ আশা করে। সবচেয়ে উর্বর মস্তিষ্কের মেধাও যদি চর্চা না করা হয়, তবে তা উর্বর মাটির মতোই আগাছায় ভরে যায়; আর মানুষের আনন্দ ও ব্যবহারের উপযোগী দ্রাক্ষা বা জলপাইয়ের বদলে তা অলস মালিকের জন্য কেবল বিষাক্ত ফসলের জন্ম দেয়।
** ১ম খণ্ড, ১৬শ প্রবন্ধ: দ্য স্টোইক (পৃষ্ঠা ১৪৬, লিবার্টি ফান্ড)।
* মানুষের সমস্ত পরিশ্রমের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো সুখ অর্জন। এই সুখের জন্যই শিল্পের উদ্ভাবন, বিজ্ঞানের চর্চা, আইনের শাসন এবং সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।
** ১ম খণ্ড, ১৬শ প্রবন্ধ: দ্য স্টোইক (পৃষ্ঠা ১৪৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* আশা ও আনন্দের প্রতি প্রবণতা হলো প্রকৃত ঐশ্বর্য; আর ভয় ও দুঃখের প্রতি আসক্তি হলো প্রকৃত দারিদ্র্য।
** ১ম খণ্ড, ১৮শ প্রবন্ধ: দ্য স্কেপটিক (পৃষ্ঠা ১৬৭, লিবার্টি ফান্ড)।
[[File:DavidHume.jpg|thumbnail|হিউম বিশ্বাস করতেন সৌন্দর্য কোনো বস্তুনিষ্ঠ বিষয় নয়, বরং এটি পুরোপুরি ব্যক্তিনিষ্ঠ। নিচের ডায়াগ্রামটি আপনাকে বুঝতে সাহায্য করবে কেন তিনি বলেছিলেন—"সৌন্দর্য বস্তুর নিজস্ব কোনো গুণ নয়: এটি কেবল মনেই বিরাজ করে যা একে অবলোকন করে এবং প্রতিটি মন ভিন্ন ভিন্ন সৌন্দর্য দেখতে পায়!"]]
== ডায়ালগস কনসার্নিং ন্যাচারাল রিলিজিয়ন (১৭৭৯) ==
* খ্রিস্টধর্মের প্রসারের শুরুর দিকে ধর্মীয় শিক্ষকদের মধ্যে যুক্তি, ইন্দ্রিয় এবং মানুষের গবেষণালব্ধ সমস্ত মূলনীতির বিরুদ্ধে কথা বলাটা ছিল অত্যন্ত সাধারণ একটি বিষয়।
** ১ম অংশ (ক্লিয়ান্থেস থেকে ডেমিয়া)।
* এই বিশ্বের দিকে তাকান এবং এর প্রতিটি অংশ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করুন: আপনি দেখবেন এটি একটি বিশাল যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়, যা অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র যন্ত্রে বিভক্ত। এই সমস্ত যন্ত্র এবং তাদের অতি ক্ষুদ্র অংশগুলোও একে অপরের সাথে এমন নিখুঁতভাবে মানিয়ে নেওয়া হয়েছে যা যেকোনো পর্যবেক্ষককে বিস্ময়ে অভিভূত করে। প্রকৃতির এই উপায় ও লক্ষ্যের চমৎকার সমন্বয় মানুষের তৈরি নকশা, চিন্তা এবং বুদ্ধিমত্তার মতোই, যদিও এটি মানুষের তৈরি যেকোনো কিছুর চেয়ে অনেক বেশি উন্নত।
** ২য় অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* '''মস্তিষ্কের এই সামান্য আলোড়ন, যাকে আমরা 'চিন্তা' বলি—তার এমন কী বিশেষ অধিকার আছে যে আমাদের একেই পুরো মহাবিশ্বের মডেল বা আদর্শ হিসেবে ধরে নিতে হবে?''' নিজের প্রতি পক্ষপাতিত্ব আমাদের সব সময় এই পথে পরিচালিত করে; কিন্তু প্রকৃত দর্শনের উচিত এই ধরণের স্বাভাবিক বিভ্রম থেকে সাবধান থাকা।
** ২য় অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* যদি একটি জড় জগত কোনো আদর্শ জগত বা ভাব জগতের ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে থাকে, তবে সেই ভাব জগতকে নিশ্চয়ই অন্য কোনো জগতের ওপর নির্ভর করতে হবে; এবং এভাবে এটি অনন্তকাল চলতে থাকবে। তাই বর্তমান এই জড় জগতের বাইরে আর কিছু না খোঁজাটাই শ্রেয়। একে নিজের মধ্যেই নিজের শৃঙ্খলার কারণ হিসেবে ধরে নেওয়া মানেই আসলে একে 'ঈশ্বর' বলা।
** ৪র্থ অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* '''আমরা যদি একটি জাহাজ দেখি, তবে এর জটিল ও সুন্দর নির্মাণ দেখে আমরা সূত্রধরের বুদ্ধিমত্তা দেখে বিস্মিত হই। কিন্তু যদি আমরা জানতে পারি যে তিনি একজন সাধারণ কারিগর মাত্র, যিনি অন্যদের অনুকরণ করেছেন এবং দীর্ঘকাল ধরে অসংখ্য ভুল, সংশোধন ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে অর্জিত একটি কৌশলকে কপি করেছেন—তবে আমাদের বিস্ময় আরও বেড়ে যায়। এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড তৈরি হওয়ার আগে হয়তো অনন্তকাল ধরে অনেকগুলো বিশ্ব অদক্ষভাবে তৈরি ও ধ্বংস করা হয়েছে; অনেক শ্রম পণ্ড হয়েছে এবং অনন্তকাল ধরে বিশ্ব-নির্মাণ কৌশলের ধীর কিন্তু নিরন্তর উন্নতির ফলেই হয়তো আজকের এই ব্যবস্থাটি গড়ে উঠেছে।'''
** ৫ম অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* এই জগতটি কোনো উচ্চতর মানের তুলনায় অনেক বেশি ত্রুটিপূর্ণ হতে পারে; এটি হয়তো কোনো শিশু-দেবতার প্রথম অগোছালো প্রচেষ্টা, যা তৈরি করার পর নিজের ব্যর্থতায় লজ্জিত হয়ে তিনি এটি ফেলে চলে গেছেন। অথবা এটি কোনো পরনির্ভরশীল নিম্নস্তরের দেবতার কাজ; অথবা এটি কোনো অতিবৃদ্ধ দেবতার জরাগ্রস্ত সময়ের সৃষ্টি, যিনি মারা যাওয়ার পর থেকে এটি কেবল তাঁর দেওয়া প্রাথমিক গতির ওপর ভর করে লক্ষ্যহীনভাবে চলছে।
** ৫ম অংশ (ফিলো থেকে ডেমিয়া)।
* একটি গাছ থেকে যখন অন্য একটি চারা জন্মায়, তখন গাছটি সেই চারাকে একটি সুশৃঙ্খল গঠন দান করে, যদিও গাছটি নিজে সেই শৃঙ্খলা সম্পর্কে জানে না। একটি প্রাণী বা পাখিও ঠিক একইভাবে তাদের বংশধর বা বাসার ক্ষেত্রে এটি করে। জগতের এই শৃঙ্খলা যে বুদ্ধি বা পরিকল্পনা থেকেই আসতে হবে—তা ধরে নেওয়াটা যুক্তির ভুল।
** ৭ম অংশ (ফিলো থেকে ডেমিয়া)।
* '''আমি যদি আপনাকে ২০টি কণার একটি সংগ্রহের প্রতিটি কণার পৃথক পৃথক কারণ ব্যাখ্যা করি, তবে এরপর আপনি যদি আবার জিজ্ঞেস করেন যে—পুরো ২০টি কণার সমষ্টির কারণ কী, তবে সেটি হবে একেবারেই অযৌক্তিক। প্রতিটি অংশের কারণ ব্যাখ্যা করার মাধ্যমেই পুরো সমষ্টির কারণ ব্যাখ্যা করা হয়ে যায়।'''
** ৯ম অংশ (ক্লিয়ান্থেস থেকে ডেমিয়া)।
* পুরো পৃথিবীটাই যেন অভিশপ্ত এবং কলুষিত। সমস্ত জীবন্ত প্রাণীর মধ্যে এক নিরন্তর যুদ্ধ চলছে। অভাব আর ক্ষুধা শক্তিমানদের উত্তেজিত করে, আর ভয় ও আতঙ্ক দুর্বলদের বিচলিত করে। জন্মের সময় নবজাতক আর তার দুর্ভাগা মা—উভয়েই যন্ত্রণায় চিৎকার করে; জীবনের প্রতিটি ধাপে থাকে দুর্বলতা আর কষ্ট; আর সব শেষে এটি সমাপ্ত হয় চরম যন্ত্রণা আর বিভীষিকার মধ্য দিয়ে।
** ১০ম অংশ (ডেমিয়া থেকে ফিলো)।
* হিউম্যান অ্যানথ্রোপোমরফিজম বা ঈশ্বরকে মানুষের গুনাগুণ দিয়ে বিচার করার পদ্ধতি কি সঠিক? তাঁর ক্ষমতা যদি অসীম হয় তবে তিনি যা চান তাই হওয়ার কথা। কিন্তু মানুষ বা অন্য কোনো প্রাণীই সুখী নয়; সুতরাং তিনি তাদের সুখ চান না। তাঁর জ্ঞান যদি অসীম হয় তবে উপায় নির্বাচনে তাঁর ভুল হওয়ার কথা নয়। কিন্তু প্রকৃতির গতিধারা মানুষের সুখের দিকে ধাবিত নয়। তবে তাঁর দয়া ও করুণা মানুষের দয়া ও করুণার সাথে মিলবে কীভাবে? '''এপিকিউরাসের সেই পুরনো প্রশ্নগুলোর উত্তর আজও মেলেনি: তিনি কি অশুভকে রোধ করতে চান কিন্তু পারছেন না? তবে তিনি অক্ষম। তিনি কি পারেন কিন্তু করতে চান না? তবে তিনি বিদ্বেষপরায়ণ। তিনি কি সক্ষম এবং ইচ্ছুক—উভয়ই? তবে অশুভ আসছে কোত্থেকে?'''
** ১০ম অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
== মহাজাগতিক সংশয়বাদ ও হিউম সম্পর্কে মূল্যায়ন ==
* এই মহাবিশ্বের দিকে তাকিয়ে দেখুন। কত বিশাল প্রাণের সমারোহ! কিন্তু এই জীবন্ত সত্তাগুলোকে একটু গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করুন—দেখবেন এরা একে অপরের প্রতি কতটা হিংস্র আর ধ্বংসাত্মক! এদের কেউই নিজের সুখের জন্য পর্যাপ্ত নয়। সমগ্ৰ বিষয়টি একটি "অন্ধ প্রকৃতি" ছাড়া আর কিছুই নয়; যে প্রকৃতি কোনো বিচার-বিবেচনা বা পিতৃসুলভ যত্ন ছাড়াই তার কোল থেকে পঙ্গু আর গর্ভপাত হওয়া সন্তানদের জন্ম দিয়ে চলেছে।
** ''ডায়ালগস কনসার্নিং ন্যাচারাল রিলিজিয়ন'' (১৭৭৯), ১১শ অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
* যদি প্রাকৃতিক ধর্মতত্ত্বের সারকথা কেবল এই একটি অস্পষ্ট বাক্যে সীমাবদ্ধ থাকে যে—"মহাবিশ্বের শৃঙ্খলার কারণ বা কারণগুলো সম্ভবত মানুষের বুদ্ধিমত্তার সাথে কোনো দূরবর্তী সাদৃশ্য বহন করে", এবং যদি এই ধারণা মানুষের জীবনে কোনো প্রভাব না ফেলে বা কোনো কাজের উৎস হতে না পারে; তবে একজন অনুসন্ধিৎসু ও ধার্মিক মানুষ এই সাধারণ সত্যটুকু মেনে নেওয়া ছাড়া আর কী-ই বা করতে পারেন?
** ১২শ অংশ (ফিলো থেকে ক্লিয়ান্থেস)।
== ভুলভাবে আরোপিত ==
* "Character is the result of a system of stereotyped principles" অর্থাৎ "চরিত্র হলো বদ্ধমূল কিছু নীতির সমষ্টি"
** হিউম কখনো 'Stereotype' শব্দটি ব্যবহার করেননি; কারণ ১৭৯৮ সালের আগে এই শব্দের উদ্ভাবনই হয়নি!
* "তর্কের মাধ্যমেই সত্যের জন্ম হয়।"
* "যুক্তির ভূমিকা আমাদের জ্ঞানী করা নয়, বরং আমাদের অজ্ঞতাকে প্রকাশ করা।"
** এগুলো হিউমের নামে প্রচলিত হলেও তাঁর কোনো লেখায় এর ভিত্তি পাওয়া যায়নি।
* "যিনি আবেগ দিয়ে চালিত হন তিনি দাস, আর যিনি যুক্তি দিয়ে চলেন তিনি স্বাধীন।"
** এটি আসলে স্পিনোজার উক্তি, যা প্রায়ই হিউমের নামে চালানো হয়। ''এথিক্স (চতুর্থ অংশ)''।
== ডেভিড হিউম সম্পর্কে বিশিষ্টজনদের উক্তি ==
* হিউম নৈতিকতা ও ন্যায়বিচারের মানদণ্ডকে বলেছেন "আর্টিফ্যাক্ট" বা কৃত্রিম সৃষ্টি; এগুলো ঈশ্বরপ্রদত্ত নয় বা বিশুদ্ধ যুক্তি দিয়েও পাওয়া যায় না। এগুলো মানুষের ব্যবহারিক অভিজ্ঞতার ফল। হিউমকে নীতিশাস্ত্রের ক্ষেত্রে ডারউইনের পূর্বসূরি বলা যেতে পারে। তিনি মূলত মানুষের প্রথাগুলোর মধ্যে "যোগ্যতমের টিকে থাকা" বা "Survival of the fittest" মতবাদটি প্রচার করেছিলেন—যেখানে যোগ্যতা বিচার করা হতো সামাজিক উপযোগিতা দিয়ে।
** খ্রিষ্টান বে, ''দ্য স্ট্রাকচার অফ ফ্রিডম'' (১৯৫৮)।
* আপনি যদি ডেভিড হিউমের কাছে যান, যিনি আমাদের বিশ্বাসের কারণগুলো নিয়ে সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ করেছেন, তবে দেখবেন—সূর্য কাল সকালে উঠবেই এমন কোনো অকাট্য কারণ নেই। এটি কেবল আমাদের একটি অভ্যাস), যে আমরা বিশ্বাস করি জিনিসগুলো আগের মতোই চলবে। হিউমের এই বিশ্লেষণ অত্যন্ত সঠিক।
** জন এস বেল, ''দ্য ঘোস্ট ইন দ্য অ্যাটম'' (১৯৮৬)।
* বার্কলে, হিউম, কান্ট, হেগেল—তাঁরা সবাই একটি মহৎ প্রচেষ্টায় ঐক্যবদ্ধ ছিলেন; আর তা হলো মহাজাগতিক ব্যবস্থায় মানুষকে তার উচ্চতর আধ্যাত্মিক দাবি সহ একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করা।
** এডুইন আর্থার বার্ট, ''দ্য মেটাফিজিক্যাল ফাউন্ডেশনস অফ মডার্ন ফিজিক্যাল সায়েন্স'' (১৯২৫)।
* বার্কের কাছে 'প্রেসক্রিপশন' (প্রথাগত অধিকার) হলো সেই অটল পাহাড় যার ওপর জাগতিক অধিকারগুলো দাঁড়িয়ে থাকে। হিউম এই তত্ত্বটি কিছুটা ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেছিলেন। হিউম লিখেছিলেন—"সময় এবং প্রথা সব ধরণের সরকার এবং রাজবংশকে বৈধতা দান করে; যে ক্ষমতা শুরুতে কেবল অন্যায় আর সহিংসতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল, সময়ের সাথে সাথে তা আইনি এবং বাধ্যতামূলক হয়ে ওঠে।" বার্কও বিশ্বাস করতেন যে, সম্পত্তি এবং শাসনের ক্ষেত্রে প্রথাগত অধিকারই হলো রাষ্ট্রের সবচেয়ে শক্তিশালী ভিত্তি।
** আলফ্রেড কোবান, ''এডমন্ড বার্ক অ্যান্ড দ্য রিভল্ট এগেইনস্ট দ্য এইটিনথ সেঞ্চুরি'' (১৯২৯)।
* হিউম সম্ভবত আইনি এবং রাজনৈতিক দর্শনের একমাত্র পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা দিয়েছিলেন যা পরবর্তীকালে 'লিবারেলিজম' (উদারতাবাদ) হিসেবে পরিচিতি পায়। হিউমের জনপ্রিয় গ্রন্থ ''হিস্ট্রি''(দ্য হিস্ট্রি অফ ইংল্যান্ড) ১৮শ শতাব্দীতে ইউরোপজুড়ে 'উইগ লিবারেলিজম' ছড়িয়ে দিতে ঠিক তেমনই ভূমিকা রেখেছিল, যেমনটি ১৯শ শতাব্দীতে মেকলের ''হিস্ট্রি'' রেখেছিল।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'দ্য লিগ্যাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল ফিলোসফি অফ ডেভিড হিউম' (১৯৬৩)।
* আধুনিক সমাজের এমন কিছু বৈশিষ্ট্য যা আমরা আজ মূল্যবান মনে করি, সেগুলো এমন সব পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল যা আগে থেকে কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৈরি করা হয়নি। হিউম দেখিয়েছেন যে, একটি সুশৃঙ্খল সমাজ কেবল তখনই গড়ে উঠতে পারে যখন মানুষ আচরণের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চলতে শেখে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো জনসাধারণের জন্য সুবিধাজনক হলেও—উদ্ভাবকরা ঠিক সেই উদ্দেশ্যে এগুলো তৈরি করেননি।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'দ্য লিগ্যাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল ফিলোসফি অফ ডেভিড হিউম' (১৯৬৩)।
* মানুষের বুদ্ধি আর জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে এই মহান সংশয়বাদীর প্রবল বিশ্বাস ছিল। তিনি জানতেন যে—শান্তি, স্বাধীনতা এবং ন্যায়বিচারের মতো সর্বশ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক কল্যাণগুলো মূলত নেতিবাচক; অর্থাৎ এগুলো ইতিবাচক কোনো উপহার নয়, বরং ক্ষতির হাত থেকে সুরক্ষা মাত্র। তিনি মানুষের মহত্ত্বের চেয়ে এমন সব 'প্রতিষ্ঠান' বা কাঠামোর ওপর ভরসা করতেন যা "এমনকি খারাপ মানুষদেরও জনকল্যাণে কাজ করতে বাধ্য করে"। তিনি জানতেন যে—"রাজনীতিতে প্রতিটি মানুষকে প্রতারক হিসেবে ধরে নিতে হবে"।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'দ্য লিগ্যাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল ফিলোসফি অফ ডেভিড হিউম' (১৯৬৩)।
* হিউম তাঁর দার্শনিক কাজের মাধ্যমে লিবারেল আইনি তত্ত্বের ভিত্তি স্থাপন করার পাশাপাশি তাঁর ''হিস্ট্রি অফ ইংল্যান্ড'' (১৭৫৪-৬২)-এ ইংরেজ ইতিহাসকে 'আইনের শাসন' এর ক্রমবিকাশ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'লিবারেলিজম' (১৯৭৩)।
* যুক্তিবাদ বা র্যাশনালিজমের সমালোচনায় হিউম অন্য যেকোনো লেখকের চেয়ে অনেক বেশি গভীরে যেতে পেরেছেন। আমি বারবার হিউমের লেখায় এমন সব ধারণার সন্ধান পেয়েছি যা আমি নিজে স্বাধীনভাবে চিন্তা করেছিলাম। বিশেষ করে সব ধরণের সামাজিক প্রতিষ্ঠানের গঠন সম্পর্কে হিউমের ব্যাখ্যা আমাকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করেছে।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, 'ইকোনমিক্স, পলিটিক্স অ্যান্ড ফ্রিডম' (১৯৭৫)।
* হিউম স্পষ্টভাবে স্বাধীনতা এবং এই নীতিগুলোর মধ্যে সম্পর্ক লক্ষ্য করেছিলেন। তিনি দেখেছিলেন যে, সবার সর্বোচ্চ স্বাধীনতার জন্য প্রত্যেকের স্বাধীনতার ওপর সমান সীমাবদ্ধতা প্রয়োজন। একে তিনি প্রকৃতির তিনটি 'মৌলিক আইন' বলেছেন: ১. অধিকারে স্থায়িত্ব, ২. সম্মতির মাধ্যমে হস্তান্তর এবং ৩. প্রতিশ্রুতি রক্ষা । হিউম সম্ভবত প্রথম ব্যক্তি যিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে, সাধারণ স্বাধীনতা কেবল তখনই সম্ভব হয় যখন মানুষের সহজাত প্রবৃত্তিগুলো 'ন্যায়বিচার' অনুযায়ী পরবর্তী কোনো বিচারবোধ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। তিনি সেই ভুলটি করেননি যা পরবর্তীতে অনেকেই করেছেন—ব্যক্তির বিচ্ছিন্ন স্বাধীনতা এবং মানুষের পারস্পরিক সহযোগিতার ফলে সৃষ্ট স্বাধীনতার মধ্যে পার্থক্য গুলিয়ে ফেলা।
** [[ফ্রিডরিখ হায়েক]], ''দ্য ফ্যাটাল কনসিট'' (১৯৮৮), ২য় অধ্যায়: দ্য অরিজিনস অফ লিবার্টি, প্রপার্টি অ্যান্ড জাস্টিস।
* হিউম একটি বিবর্তনমূলক ব্যাখ্যার খুব কাছাকাছি চলে এসেছিলেন। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে—'কোনো সত্তাই টিকে থাকতে পারে না যদি না তার অস্তিত্ব রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বা শক্তি থাকে; কোনো একটি সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত নিরন্তর নতুন কোনো ব্যবস্থা বা অর্থনীতি চেষ্টা করে যেতে হবে'। মানুষ নিজেকে অন্য সব প্রাণীর ভাগ্যের অতীত কোনো কিছু মনে করতে পারে না কারণ সব প্রাণীর মধ্যে সেই 'নিরন্তর যুদ্ধ' চলতেই থাকবে। হিউম মূলত স্বীকার করেছিলেন যে, 'প্রাকৃতিক' এবং 'কৃত্রিম'—এই দুইয়ের মাঝামাঝি একটি তৃতীয় বিভাগ রয়েছে যার মধ্যে উভয়েরই বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান।
** [[ফ্রিডরিখ হায়েক]], ''দ্য ফ্যাটাল কনসিট'' (১৯৮৮), পরিশিষ্ট এ: 'ন্যাচারাল' ভার্সেস 'আর্টিফিশিয়াল'।
* হিউমের সংশয়বাদকে গ্রিক সংশয়বাদ থেকে স্পষ্টভাবে আলাদা করা উচিত। হিউম ইন্দ্রিয়লব্ধ অভিজ্ঞতা, অনুভূতি এবং অন্তর্দৃষ্টির সত্যতাকে ভিত্তি হিসেবে ধরে নেন এবং সেই ভিত্তি থেকেই সাধারণ আইন বা নির্ধারণগুলোকে চ্যালেঞ্জ করেন—কারণ সেগুলোর ইন্দ্রিয়লব্ধ অভিজ্ঞতার কোনো প্রমাণ নেই। অন্যদিকে প্রাচীন সংশয়বাদ ইন্দ্রিয়লব্ধ অনুভূতির ওপর সত্যের ভিত্তি স্থাপন করা তো দূরের কথা, বরং তারা শুরুতেই ইন্দ্রিয়ের বিরুদ্ধেই অবস্থান নিত।
** [[জি. ডব্লিউ. এফ. হেগেল]], ''এনসাইক্লোপিডিয়া অফ ফিলোসফি'' (১৮২৭), ডব্লিউ. কফম্যানের ''হেগেল'' (১৯৬৬) গ্রন্থে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ৬৯-৭০)।
* হিউমের ইতিহাসের চমৎকার বিষয়বস্তু এবং শৈলী একে প্রতিটি শিক্ষার্থীর পাঠ্যপুস্তকে পরিণত করেছে। আমি মনে করতে পারি, তরুণ বয়সে কত উৎসাহ নিয়ে আমি এটি পড়েছিলাম; এবং আমার মন থেকে এই বইটির বিষাক্ত প্রভাব দূর করতে কতটা সময়, গবেষণা আর চিন্তার প্রয়োজন হয়েছিল। এটি দুর্ভাগ্যজনক যে তিনি প্রথমে স্টুয়ার্ট রাজবংশের ইতিহাস লিখেছিলেন এবং তাদের অত্যাচারের পক্ষে ওকালতি করেছিলেন। এটিই সেই বই যা ইংরেজ সরকারের মুক্ত নীতিগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং পাঠকদের বিশ্বাস করিয়েছে যে রাজতন্ত্রের অধিকারই আসল; এটি সারা দেশে 'টরিজম' (একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক মতবাদ) ছড়িয়ে দিয়েছে।
** [[টমাস জেফারসন]] থেকে উইলিয়াম ডুয়েন (১২ আগস্ট ১৮১০), টমাস জেফারসনের ''রাইটিংস'' (১৯৮৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ১২২৮-১২২৯)।
* আমার কাছে সব সময় মনে হয়েছে যে, ব্রিটেনের 'উইগ' এবং 'টরি'দের (তখনকার প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল) মধ্যে পার্থক্য হলো—উইগরা তাদের অধিকারের উৎস খোঁজে অ্যাংলো-স্যাক্সন উৎস থেকে, আর টরিরা খোঁজে নরম্যান উৎস থেকে। হিউম ছিলেন সেই টরিবাদের মহান প্রচারক। তিনি দাবি করেছিলেন যে স্টুয়ার্টদের রাজত্বকালে জনগণই রাজাকে আক্রমণ করেছিল, রাজা জনগণকে নয়। তিনি আরও বলেছিলেন—'জনগণই সকল ন্যায়সঙ্গত ক্ষমতার উৎস'—এই মহান নীতিটি ইতিহাস এবং অভিজ্ঞতা দ্বারা সমর্থিত নয়। বিজ্ঞানের এই বিপথগামী সন্তান, তার সহমানুষদের সাথে বিশ্বাসঘতকতা করে যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মধ্যে ক্ষমতার উৎস খুঁজে না পান, তবে কি তিনি তা সংখ্যালঘুর মধ্যে খুঁজবেন?
** [[টমাস জেফারসন]] থেকে জন কার্টরাইট (৫ জুন ১৮২৪), টমাস জেফারসনের ''রাইটিংস'' (১৯৮৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ১৪৯১)।
* হিউম দৈবক্রমে একজন টরি (তৎকালীন সময়ের একটি রাজনৈতিক আদর্শ), কারণ তিনি স্কটিশ ছিলেন; কিন্তু তিনি কোনো আদর্শের কারণে টরি ছিলেন না, কারণ তাঁর কোনো আদর্শই ছিল না। যদি তিনি কিছু হয়ে থাকেন, তবে তিনি ছিলেন একজন 'হবিস্ট' (টমাস হবসের অনুসারী)।
** [[স্যামুয়েল জনসন]], ''লেটারস অফ ডেভিড হিউম টু উইলিয়াম স্ট্রাহান'' (১৮৮৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত।
* আমি মুক্তকণ্ঠে স্বীকার করি যে, ডেভিড হিউমের স্মৃতিই বহু বছর আগে প্রথম আমার "মতবাদগত ঘুম" বা "Dogmatic Slumber" ভাঙিয়ে দিয়েছিল এবং অনুমানমূলক দর্শনের ক্ষেত্রে আমার গবেষণাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক দিকনির্দেশনা দিয়েছিল।
** [[ইমানুয়েল কান্ট]], ''প্রোলেগোমেনা টু এনি ফিউচার মেটাফিজিক্স'' (১৭৮৩), ভূমিকা।
* হিউম ধর্মকে এতটাই ঘৃণা করতেন যে, তিনি স্বাধীনতাকেও ঘৃণা করতেন—কারণ স্বাধীনতা ধর্মের সাথে যুক্ত ছিল। তিনি একজন নিরপেক্ষ বিচারকের ভান করে একজন কুশলী উকিলের মতো স্বৈরাচারের পক্ষে ওকালতি করেছেন।
** [[টমাস বাবিংটন মেকলে]], 'মিলটন', দ্য এডিনবরা রিভিউ (আগস্ট ১৮২৫), ১৮৪৩ সালে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ৩১)।
* হিউমের দর্শন সত্য হোক বা মিথ্যা, এটি ১৮শ শতাব্দীর যুক্তিবাদ বা কাণ্ডজ্ঞানের দেউলিয়া দশা প্রকাশ করে। তিনি লকের মতো অভিজ্ঞতা দিয়ে শুরু করেছিলেন, কিন্তু প্রখর বুদ্ধিমত্তার কারণে তিনি এই ধ্বংসাত্মক সিদ্ধান্তে পৌঁছান যে—অভিজ্ঞতা থেকে শেখার মতো আসলে কিছুই নেই। কোনো কাজই অন্য কাজের চেয়ে বেশি যৌক্তিক হতে পারে না, কারণ সবই অযৌক্তিক বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে চলে। রুশো ছিলেন উন্মাদ কিন্তু প্রভাবশালী; হিউম ছিলেন সুস্থ মস্তিস্কের মানুষ কিন্তু তাঁর কোনো অনুসারী ছিল না।
** [[বার্ট্রান্ড রাসেল]], ''এ হিস্ট্রি অফ ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি'', ৩য় খণ্ড, ১৭শ অধ্যায়: হিউম।
* হিউমের সংশয়বাদের কোনো উত্তর আছে কি না তা খুঁজে বের করা জরুরি। যদি না থাকে, তবে একজন সুস্থ মানুষ আর একজন উন্মাদের মধ্যে কোনো বুদ্ধিবৃত্তিক পার্থক্য থাকে না। যে উন্মাদ নিজেকে একটি 'সেদ্ধ ডিম' মনে করে, তাকে কেবল এই যুক্তিতেই বাতিল করা হবে যে সে সংখ্যায় সংখ্যালঘু অথবা সরকার তার সাথে একমত নয়। এটি একটি ভয়াবহ এবং হতাশাজনক দৃষ্টিভঙ্গি।
** [[বার্ট্রান্ড রাসেল]], ''এ হিস্ট্রি অফ ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি'', ৩য় খণ্ড, ১৭শ অধ্যায়: হিউম।
* হিউমের ন্যায়ের ধারণা মূলত নৈতিক ও রাজনৈতিক গুণাবলির একটি বৃহত্তর ব্যাখ্যার অংশ। হিউম একজন 'দার্শনিক নৃবিজ্ঞানী' হিসেবে লিখেছেন, কোনো সংস্কারক হিসেবে নয়। তিনি বেনথাম বা মিলের মতো আমাদের নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে সংস্কার করতে চাননি, বরং কেবল তা ব্যাখ্যা করতে চেয়েছিলেন।
** [[অ্যালান রায়ান]], ''জাস্টিস'' (১৯৯৩) গ্রন্থের ভূমিকা।
* হেগেল, হার্বার্ট এবং শ্লেয়ারমাচারের সমগ্র দার্শনিক কাজের চেয়ে ডেভিড হিউমের প্রতিটি পৃষ্ঠা থেকে অনেক বেশি কিছু শেখার আছে।
** [[আর্থার শোপেনহাওয়ার]], ''দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাজ উইল অ্যান্ড আইডিয়া'' (২০১৬), পৃষ্ঠা ৭২১।
* সব মিলিয়ে, তাঁর জীবদ্দশায় এবং মৃত্যুর পর—আমি সব সময় তাঁকে একজন আদর্শ জ্ঞানী ও সচ্চরিত্র মানুষের নিকটতম রূপ হিসেবে বিবেচনা করেছি, মানুষের সীমাবদ্ধতা যতদূর পর্যন্ত অনুমতি দেয়।
** [[অ্যাডাম স্মিথ]] (হিউমের মৃত্যুর পর তাঁর বন্ধু অ্যাডাম স্মিথের করা বিখ্যাত মন্তব্য)।
* আজ আমেরিকার কোনো প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়ে কান্ট—যিনি ঈশ্বর, স্বাধীনতা আর অমরত্ব নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন—কিংবা হিউমের মতো কেউ গ্র্যাজুয়েট স্কুলে এক বছরও টিকতে পারতেন না, ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে নিয়োগ পাওয়া তো দূরের কথা।
** [[টম উলফ]], 'ইন দ্য ল্যান্ড অফ দ্য রোকোকো মার্কসিস্টস', হার্পার্স (জুন ২০০০)।
== বহিঃসংযোগ ==
* [https://www.iep.utm.edu/hume/ ইন্টারনেট এনসাইক্লোপিডিয়া অফ ফিলোসফিতে হিউম]
* [http://cepa.newschool.edu/het/profiles/hume.htm হিউমের প্রোফাইল এবং গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্কসমূহ]
* [http://onlinebooks.library.upenn.edu/webbin/book/search?amode=start&author=Hume%2c%20David অনলাইনে হিউমের ই-টেক্সটসমূহ]
* [http://oll.libertyfund.org/Intros/Hume.php অনলাইন লাইব্রেরি অফ লিবার্টিতে হিউমের ডাউনলোডযোগ্য কাজসমূহ]
* [http://utilitarian.net/hume ডেভিড হিউম: বই, নিবন্ধ এবং বিশ্বকোষের এন্ট্রি সহ লিঙ্কের বিশাল সংগ্রহ]
* [http://www.webcitation.org/query?id=1256456620452337&url=www.geocities.com/Athens/3067/hume/h_index.html হিউম ট্রিব্যুট সাইট]
* [http://humesociety.org হিউম সোসাইটি: একটি আন্তর্জাতিক বুদ্ধিজীবী ও পণ্ডিত সমাজ]
{{clear}}
{{Social and political philosophers}}
{{DEFAULTSORT:হিউম, ডেভিড}}
[[Category:নাস্তিক্যবাদ সক্রিয়কর্মী]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের শিক্ষাবিদ]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের দার্শনিক]]
[[Category:১৭১১-এ জন্ম]]
[[Category:১৭৭৬-এ মৃত্যু]]
[[Category:এডিনবার্গের ব্যক্তি]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের ইতিহাসবিদ]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের অর্থনীতিবিদ]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের প্রবন্ধকার]]
[[Category:উদারপন্থী অর্থনীতিবিদ]]
[[Category:স্কটল্যান্ডের গ্রন্থাগারিক]]
[[Category:নাস্তিক]]
[[Category:ধর্মের সমালোচক]]
[[Category:সামাজিক সমালোচক]]
[[Category:সংশয়বাদী]]
[[Category:মানিবতাবাদী]]
[[Category:অভিজ্ঞতাবাদী]]
[[Category:আলোকিত যুগ (Enlightenment)]]
[[Category:ধ্রুপদী অর্থনীতিবিদ]]
[[Category:এডিনবার্গা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]]
0cfe5d4lbdlf9wmgce24b6yvhbe7xtn
কোরীয় যুদ্ধ
0
11992
74009
73556
2026-04-06T06:02:38Z
MD.AL-AMIN MONDAL
4521
74009
wikitext
text/x-wiki
[[File:1950-1953 Koreako Gerra.jpg|thumb|[[w:bn:কমিউনিজম|কমিউনিস্ট]] [[w:bn:উত্তর কোরিয়া|উত্তর কোরিয়া]] যখন [[w:bn:দক্ষিণ কোরিয়া|দক্ষিণ কোরিয়া]] আক্রমণ করে, তখনই [[w:bn:যুদ্ধ|যুদ্ধ]] শুরু হয়। এর প্রতিবাদে [[w:bn:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]]সহ [[w:bn:জাতিসংঘ|জাতিসংঘের]] ১৬টি সদস্য দেশ স্বাধীনতা রক্ষায় দক্ষিণ কোরিয়ার পাশে দাঁড়ায়। ~ [[w:bn:লি মিউং-বাক|লি মিউং-বাক]]]]
[[File:Korean_War_Montage_2.png|thumb|[[w:bn:উত্তর কোরীয়রা|উত্তর কোরীয়রা]] [[w:bn:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|আমেরিকান]] [[w:bn:বোমাবর্ষণ|বোমাবর্ষণকে]] একটি [[w:bn:হলোকাস্ট|হলোকাস্ট]] বা মহাধ্বংসযজ্ঞ হিসেবে দেখে এবং প্রতিটি [[w:bn:শিশু|শিশুকে]] এ সম্পর্কে [[w:bn:শিক্ষা|শিক্ষা]] দেওয়া হয়। ~ ব্রুস কামিংস]]
[[File:Korea_DMZ.svg|thumb|বিভক্ত কোরিয়া ছিল এক নজিরবিহীন ঘটনা। মূলত এটি ছিল একটি গৃহযুদ্ধ, যার মূল কারণগুলো কোরিয়ার ঔপনিবেশিক অভিজ্ঞতার ইতিহাসের গভীরে প্রোথিত ছিল। ~ ব্রুস কামিংস]]
[[File:U.S._Marines_in_the_Korean_War_003.jpg|thumb|বিপদ অত্যন্ত প্রকট, এ বিষয়ে কোনো ভুল করবেন না। উত্তর কোরীয় এবং চীনা কমিউনিস্টদের পেছনে সম্মুখ সমরে রয়েছে আরও লক্ষ লক্ষ চীনা সৈন্য। আর এই চীনাদের পেছনে রয়েছে [[w:bn:সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত ইউনিয়নের]] [[w:bn:ট্যাংক|ট্যাংক]], [[w:bn:বিমান|বিমান]], [[w:bn:সাবমেরিন|সাবমেরিন]], [[w:bn:সৈন্য|সৈন্য]] এবং তাদের [[w:bn:ষড়যন্ত্রকারী|ষড়যন্ত্রকারী]] [[w:bn:শাসক|শাসকগোষ্ঠী]]। ~ [[w:bn:হ্যারী এস. ট্রুম্যান|হ্যারি এস. ট্রুম্যান]]]]
[[File:WarKorea_B-29-korea.jpg|thumb|১৯৫৩ সালের ২৭ জুলাই যখন যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, ততদিনে বি-২৯ বোমারু বিমানগুলো তাদের লক্ষ্য পূরণ করে ফেলেছে। এই পুরনো বিমানগুলো ২১,০০০ বার উড্ডয়ন করেছিল এবং ১৬৭,০০০ টন বোমা নিক্ষেপ করেছিল। অ্যালানের ভাষ্যমতে: “আমরা যখন চলে আসি, তখন উত্তর কোরিয়ায় কোনো [[w:bn:বিদ্যুৎ|বিদ্যুৎ]] অবশিষ্ট ছিল না।” ~ ডিন অ্যালান]]
[[File:HA-SC-98-06983-Crew_of_M24_along_Naktong_River_front-Korean_war-17_Aug_1950.JPEG|thumb|কোরিয়ায় হস্তক্ষেপের পেছনে একটি প্রধান বাধা ছিল এই আশঙ্কা যে, [[w:bn:জোসেফ স্টালিন|স্টালিন]] হয়তো আমেরিকার মনোযোগ কম গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকায় সরিয়ে নিয়ে সেই সুযোগে রুশরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো দ্রুত দখল করে নেবে। ট্রুম্যান সহজাতভাবেই বিশ্বাস করতেন যে সোভিয়েতরা [[w:bn:ইরান|ইরান]] দখল করতে চায়, যাতে তারা [[w:bn:মধ্যপ্রাচ্য|মধ্যপ্রাচ্যের]] [[w:bn:খনিজ তেল|তেল]] এবং [[w:bn:পারস্য উপসাগর|পারস্য উপসাগর]] ও [[w:bn:পূর্ব ভূমধ্যসাগর|পূর্ব ভূমধ্যসাগরের]] উষ্ণ পানির বন্দরগুলোতে প্রবেশাধিকার পায়। <br> উত্তর কোরিয়া যে কোরীয় জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য নিজের ইচ্ছায় কাজ করতে পারে—এই ধারণাটি মার্কিন কর্মকর্তাদের বোঝার বাইরে ছিল। ~ মেলভিন পি. লেফলার]]
[[File:Usaf-korea-map.jpg|thumb|যুদ্ধের ঠিক পরেই স্যাব্রের শ্রেষ্ঠত্বের দাবিগুলো বাড়িয়ে বলা হয়েছিল। ৭৯২টি মিগ বিমান ধ্বংসের দাবির বিপরীতে [[w:bn:মার্কিন বিমানবাহিনী|মার্কিন বিমানবাহিনী]] আনুষ্ঠানিকভাবে মাত্র ৫৮টি স্যাব্রে বিমান হারানোর কথা স্বীকার করে। অন্যদিকে সোভিয়েতরা প্রায় ৩৫০টি মিগ হারানোর কথা স্বীকার করলেও, তারা সব সময় অবিশ্বাস্য ৬৪০টি এফ-৮৬ বিমান ভূপাতিত করার দাবি করে এসেছে—যা কোরিয়ায় মোতায়েন করা মোট স্যাব্রে বিমানের অর্ধেকেরও বেশি। স্যাব্রে পাইলট ক্লিভল্যান্ড বলেন, “আমি শুধু এটুকুই বলতে পারি যে রুশরা চরম মিথ্যুক; অন্তত এই ঘটনার ক্ষেত্রে তারা অবশ্যই তাই।” ~ স্টিফেন জয়নার]]
[[File:MiG-15bis_in_hangar_at_Kimpo_AB_21_Sept_1953.jpg|thumb|১৯৫৩ সালের বসন্ত নাগাদ কোরিয়ায় অবশিষ্ট সোভিয়েত মিগ-১৫ পাইলটরা মার্কিন বিমানের সাথে সংঘর্ষ এড়িয়ে চলতে শুরু করেন। স্টালিন মারা গিয়েছিলেন, [[w:bn:পানমুনজম|পানমুনজমে]] যুদ্ধবিরতি অনিবার্য মনে হচ্ছিল এবং কেউ শেষ মুহূর্তে প্রাণ হারাতে চায়নি। ~ স্টিফেন জয়নার]]
[[File:Seoul Battle- Korean War.jpg|thumb|কোরিয়ার [[w:bn:ট্র্যাজেডি|ট্র্যাজেডি]] আরও তীব্রতর হয়েছে এই কারণে যে, এর [[w:bn:সামরিক|সামরিক]] তৎপরতা কেবল তার আঞ্চলিক সীমানার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। এটি সেই জাতিকে ধ্বংসাত্মক নৌ ও বিমান বোমাবর্ষণের শিকার হতে বাধ্য করে যাকে রক্ষা করা আমাদের উদ্দেশ্য ছিল; অন্যদিকে শত্রুদের নিরাপদ আস্তানাগুলো এ ধরনের আক্রমণ ও ধ্বংসযজ্ঞ থেকে পুরোপুরি সুরক্ষিত থাকে। ~ [[w:bn:ডগলাস ম্যাকার্থার|ডগলাস ম্যাকার্থার]]]]
[[File:57mm-AT-gun-Korea-1950.JPG|thumb|বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে কোরিয়াই এখন পর্যন্ত একমাত্র জাতি যারা কমিউনিজমের বিরুদ্ধে নিজের সবকিছু বাজি রেখেছে। কোরীয় জনগণের সাহস ও ধৈর্যের মহিমা বর্ণনাতীত। তারা [[w:bn:দাসত্ব|দাসত্বের]] চেয়ে [[w:bn:মৃত্যু|মৃত্যুকে]] বেছে নিয়েছে। আমাকে বলা তাদের শেষ কথা ছিল: 'প্রশান্ত মহাসাগরকে ডুবিয়ে দেবেন না!' ~ ডগলাস ম্যাকার্থার]]
[[File:M46_tiger_paint.png|thumb|[[w:bn:আমেরিকান|আমেরিকান]] এবং [[w:bn:চীনা|চীনা]] বাহিনীর মধ্যে যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যাপক সংঘাত হয়েছিল। এক অর্থে এটিই ছিল চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এখন পর্যন্ত হওয়া প্রথম এবং একমাত্র যুদ্ধ। ~ চার্লস কে. আর্মস্ট্রং]]
[[File:Sikorsky_HRS-1_of_HMR-161_in_flight_over_USS_Sicily_(CVE-118)_off_Inchon_on_1_September_1952_(80-G-477573).jpg|thumb|কোরিয়া যুদ্ধের পর থেকেই বিশ্বজুড়ে একটি স্থায়ী আমেরিকান সামরিক উপস্থিতি তৈরি হয়, যা আগে কখনো ছিল না। এটি আমেরিকার বৈশ্বিক ভূমিকার জন্য একটি প্রকৃত মোড় পরিবর্তনকারী মুহূর্ত ছিল। ~ চার্লস কে. আর্মস্ট্রং]]
[[File:UN_troops_offload.jpg|thumb|আমরা যদি কোরিয়াকে অসহায় অবস্থায় ছেড়ে দিই, তবে সোভিয়েতরা একের পর এক সব এলাকা গ্রাস করতে থাকবে। ....আমরা যদি [[w:bn:এশিয়া|এশিয়াকে]] হাতছাড়া হতে দিই, তবে [[w:bn:নিকট প্রাচ্য|নিকট প্রাচ্য]] ধসে পড়বে এবং [[w:bn:ইউরোপ|ইউরোপে]] কী ঘটবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। ~ মেলভিন পি. লেফলার]]
'''[[w:bn:কোরীয় যুদ্ধ|কোরীয় যুদ্ধ]]''' (দক্ষিণ কোরীয় ভাষায়: 한국전쟁, হানজা: 韓國戰爭, ''হানগুক জনজেং''; উত্তর কোরীয় ভাষায়: 조국해방전쟁, ''জোগুক হেবাং জনজেং'', অর্থাৎ "পিতৃভূমি মুক্তি যুদ্ধ"; (২৫ জুন ১৯৫০ – ২৭ জুলাই ১৯৫৩) ছিল উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সংগঠিত একটি যুদ্ধ। এই যুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে জাতিসংঘের একটি বাহিনী দক্ষিণের পক্ষে এবং চীন উত্তরের পক্ষে লড়াই করেছিল, যাদেরকে সোভিয়েত ইউনিয়নও সহায়তা করেছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে কোরিয়ার বিভাজন এবং এর পরপরই শুরু হওয়া স্নায়ুযুদ্ধের বৈশ্বিক উত্তেজনা থেকে এই যুদ্ধের উৎপত্তি হয়েছিল।
== উক্তি ==
* ৫৭ লক্ষেরও বেশি মার্কিন সৈন্য এই যুদ্ধে নিয়োজিত ছিল, যার ফলে ৩৩,০০০-এর বেশি যুদ্ধকালীন মৃত্যু এবং আরও ৯২,০০০ জন আহত হয়েছিল। এটি স্নায়ুযুদ্ধ নামে পরিচিত গণতন্ত্র ও কমিউনিজমের মধ্যে প্রথম সশস্ত্র বৈশ্বিক সংঘাত হিসেবে চিহ্নিত। প্রযুক্তিগতভাবে এই যুদ্ধ কখনোই শেষ হয়নি, কারণ উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া উপদ্বীপের ৩৮তম সমান্তরাল রেখা বরাবর এক অস্বস্তিকর যুদ্ধবিরতি বজায় রেখেছে। তবুও আমেরিকার পপ সংস্কৃতিতে এই সংঘাত অনেকাংশেই উপেক্ষিত রয়ে গেছে। ম্যাশ (M*A*S*H) টেলিভিশন সিরিজ এবং হাতেগোনা কিছু বই ও চলচ্চিত্র বাদ দিলে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, ভিয়েতনাম যুদ্ধ এবং ইরাক ও আফগানিস্তানে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী যুদ্ধের গল্পের তুলনায় এই যুদ্ধটি একটি অস্পষ্ট আখ্যানের মধ্যে রয়ে গেছে। ফোর্ট লডারডেলের নোভা সাউথইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির মানবিক বিভাগের অধ্যাপক স্টিভেন অ্যালফোর্ড বলেন, "আশ্চর্যের বিষয় হলো, আমেরিকান বীরত্ব পুনর্নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে হলিউড কোরীয় যুদ্ধকে খুব একটা কাজে লাগায়নি।"
** স্কট বোলস এবং বব মিনজেসহাইমার, ইউএসএ টুডে, (২৯ জুন ২০১৩)।
* তিনি ১৯৫২ সালের "জাপানিজ ওয়ার ব্রাইড" এবং ১৯৫৩ সালের "ব্যাটল সার্কাস" শিরোনামের কিছু বিস্মৃত চলচ্চিত্রের কথা উল্লেখ করে বলেন, "প্রথমত, এই যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসা চলচ্চিত্রগুলো খুব একটা উন্নত মানের ছিল না। হলিউড চল্লিশের দশকের বেশিরভাগ সময় কাটিয়েছে যুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মাণে; তাই কোরীয় যুদ্ধের চলচ্চিত্রগুলোতে কল্পনা ও উদ্ভাবনী শক্তির অভাব সম্ভবত মানসিক ক্লান্তিরই ফল।" ওকলাহোমা ইউনিভার্সিটির ইতিহাসের অধ্যাপক স্টিভেন গিলন বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের তুলনায় এই যুদ্ধের গুরুত্বও কিছুটা ম্লান ছিল। তিনি বলেন, "দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে লড়াই করা প্রজন্মই কোরিয়াতেও লড়াই করেছিল। এটি ছিল পারমাণবিক যুগের প্রথম "সীমিত যুদ্ধ"। এটি অমীমাংসিতভাবে শেষ হয়েছিল এবং আমেরিকানদের বিভক্ত করে দিয়েছিল। সেখানে কোনো বিজয় মিছিল ছিল না, মন্দের ওপর ভালো"র জয়ের কোনো উদযাপন ছিল না। সেই প্রজন্মের বেশিরভাগ আমেরিকান আগের যুদ্ধটিকেই মনে রাখতে পছন্দ করতেন।"
** স্কট বোলস এবং বব মিনজেসহাইমার, ইউএসএ টুডে, (২৯ জুন ২০১৩)।
* ডেভিড হালবারস্টাম লিখেছেন যে, টেলিভিশনে সংবাদ প্রচার পূর্ণাঙ্গ রূপ পাওয়ার আগেই কোরিয়া যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। তিনি বলেন, "তৎকালীন প্রযুক্তির কথা বিবেচনা করলে, কোরিয়া যুদ্ধের ফুটেজগুলো জাতিকে খুব একটা আলোড়িত করতে পারেনি।"
** স্কট বোলস এবং বব মিনজেসহাইমার, ইউএসএ টুডে, (২৯ জুন ২০১৩)।
* '''কোরীয় যুদ্ধ একটি ন্যায়সঙ্গত কারণে লড়াকু হয়েছিল।''' ১৯৫০ সালের ২৫ জুন উত্তর কোরিয়া দক্ষিণ কোরিয়া আক্রমণ করার পর, মার্কিন বাহিনীকে জাপান থেকে দ্রুত রণক্ষেত্রে পাঠানো হয়েছিল; পরে তাদের সাথে যোগ দিয়েছিল হাজার হাজার আমেরিকান, যাদের মধ্যে ৩৬,০০০ জন স্বাধীনতা রক্ষায় প্রাণ দিয়েছিলেন। যুদ্ধের প্রথম সপ্তাহগুলোতে মার্কিন সৈন্যরা যুবক ছিল, তারা ঠিকমতো প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ছিল না এবং উত্তর কোরীয় বাহিনীর যুদ্ধকৌশল সম্পর্কে তাদের কোনো প্রস্তুতি ছিল না। কোরীয় উপদ্বীপে স্বাধীনতার এই লড়াইয়ে প্রাণ হারানো মার্কিন ও দক্ষিণ কোরীয় সৈন্যদের ত্যাগ কখনোই ভোলা যাবে না।
** উইলিয়াম এস. কোহেন, পেন্টাগন সংবাদ সম্মেলন (১১ জানুয়ারি ২০০১)।
* মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই সেই শক্তি যারা কোরিয়ায় পারমাণবিক অস্ত্রের প্রবর্তন করেছিল এবং তারা এই চরম পদক্ষেপ নিয়েছিল মূলত উত্তর-দক্ষিণের অস্থিতিশীল সম্পর্ককে স্থিতিশীল করার জন্য। উত্তর কোরিয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে সব সময় সন্দিহান থাকায়, ১৯৫০-এর দশকের মাঝামাঝি আইজেনহাওয়ার প্রশাসনও চিন্তিত ছিল যে দক্ষিণ কোরীয় প্রেসিডেন্ট সিনম্যান রি হয়তো আবার যুদ্ধ শুরু করতে পারেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন ফস্টার ডালস পারমাণবিক অস্ত্রের মাধ্যমে উভয় পক্ষকে নিয়ন্ত্রণ করতে চেয়েছিলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, এমনকি রি এবং কিম ইল সুং-এর মতো উত্তেজিত মেজাজের লোকেরাও এমন যুদ্ধ শুরু করার আগে দুবার ভাববেন যা উপদ্বীপে পারমাণবিক ধ্বংসযজ্ঞ বয়ে আনতে পারে। ১৯৫৮ সালের জানুয়ারিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ কোরিয়ায় ২৮০ মিলিমিটার পারমাণবিক কামান এবং "অনেস্ট জন" পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করে; এক বছর পরে এর সাথে যুক্ত হয় "ম্যাটাডোর" ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। দ্রুতই আমেরিকান ও দক্ষিণ কোরীয় প্রতিরক্ষা কৌশলগুলো নতুন কোনো যুদ্ধের একেবারে শুরুতেই পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের নিয়মিত পরিকল্পনার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়। বার্ষিক "টিম স্পিরিট" সামরিক মহড়াগুলোতে যুদ্ধক্ষেত্রে পারমাণবিক যুদ্ধের মহড়া অন্তর্ভুক্ত ছিল। উত্তর কোরিয়া এর প্রতিক্রিয়া জানায় ভূগর্ভস্থ বা পাহাড়ি দুর্গের ভেতর বিশাল স্থাপনা তৈরির মাধ্যমে, যার মধ্যে সৈন্য ও সরঞ্জাম ডিপো থেকে শুরু করে অস্ত্র কারখানা এবং যুদ্ধবিমানের হ্যাঙ্গার পর্যন্ত ছিল। এটি আমেরিকান নজরদারির জন্য একটি বড় সমস্যা ছিল, কারণ এটি পারমাণবিক বোমা লুকিয়ে রাখার জন্য অনেকগুলো গোপন জায়গা তৈরি করে দিয়েছিল।
** ব্রুস কামিংস, দ্য আটলান্টিক মান্থলি (ফেব্রুয়ারি ১৯৯৭)।
* প্রায় ১,০০,০০০ থেকে ২,০০,০০০ কোরীয় নারীকে এই [[w:bn:দাসত্ব|দাসত্বের]] দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল; সেই সাথে অল্প সংখ্যক ফিলিপিনো, চীনা এবং কিছু সংখ্যক পশ্চিমা নারীও এর শিকার হন। পে পং গি ছিলেন প্রথম কোরীয় নারী যিনি নিজের পরিচয় গোপন না করে সামনে এগিয়ে আসেন এবং তাঁর জীবনের গল্প বলেন। ১৯৭৯ সালে তামাথানি তেতসুও-র চলচ্চিত্র "অ্যান ওল্ড লেডি ইন ওকিনাওয়া"-তে তিনি এটি করেছিলেন। জর্জ হিকস লিখেছেন যে, অন্যান্য অনেক "কমফোর্ট উইমেন"-এর মতো তিনিও ওকিনাওয়ায় আমেরিকান দখলদার বাহিনীর কাছে একই ভূমিকায় রয়ে গিয়েছিলেন। ইউন চং মো-র উপন্যাস "মাই মাদার ওয়াজ আ মিলিটারি কমফোর্ট ওম্যান" মূলত সিউলের রাস্তায় একজন মদ্যপ আমেরিকান সৈন্যের এক কোরীয় মেয়েকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে লেখা।
** ব্রুস কামিংস, "কোরিয়াস প্লেস ইন দ্য সান: আ মডার্ন হিস্ট্রি", পৃষ্ঠা ১৭৯।
* ১৯৫৬ সালের জানুয়ারিতে "লাইফ" ম্যাগাজিনে একটি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়, যা আইজেনহাওয়ার প্রশাসন কীভাবে কোরীয় যুদ্ধ শেষ করেছিল তার একটি ব্যাখ্যা দেওয়ার দাবি করে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন ফস্টার ডালস প্রকাশ করেন যে, তিনি [[w:bn:বেজিং|বেজিংকে]] একটি "সুস্পষ্ট সতর্কবার্তা" পাঠিয়েছিলেন যে—যদি আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত নিষ্পত্তির পথে তারা না আসে, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চীনের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবে। তিনি দাবি করেন যে এটি একটি "যথেষ্ট ন্যায্য অনুমান" যে এই পারমাণবিক হুমকি কাজ করেছিল। ডালস এই দাবিটি করেছিলেন মূলত পারমাণবিক অস্ত্র যে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য একটি কার্যকর এবং অপরিহার্য হাতিয়ার—সেই ধারণাটিকে প্রতিষ্ঠিত করতে। তাঁর মতে, যখন পারমাণবিক সক্ষমতার সাথে প্রয়োজনে সেটি ব্যবহারের ইচ্ছার কথা জানিয়ে দেওয়া হয়, তখন তা অন্য পক্ষকে নিবৃত্ত করতে (ডিটারেন্স) বা বাধ্য করতে (কম্পেলেন্স) কাজ করে। ১৯৫৬ সালের নির্বাচনের শুরুতে ডালস তাঁর সমালোচকদের জবাবে এসব কথা বললেও, তাঁর এই বক্তব্য ১৯৫৬ সালের লড়াই শেষ হওয়ার অনেক পরেও নীতি নির্ধারণ এবং ইতিহাসে প্রভাব ফেলেছিল। এই কথাগুলোই মূলত পারমাণবিক অস্ত্রের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উপযোগিতা এবং বিশেষ করে কোরীয় যুদ্ধের ফলাফল নিয়ে বিতর্কের রূপরেখা তৈরি করে দেয়। তবে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই দাবিটি ছিল দ্বিমুখী প্রতারণাপূর্ণ। এটি বিশ্লেষকদের মনোযোগ কেবল রিপাবলিকানদের ছয় মাসের সংঘাত ব্যবস্থাপনার দিকে সীমাবদ্ধ করে ফেলেছিল এবং এর আগের আড়াই বছরের ডেমোক্র্যাটদের শাসনকালকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেছিল।
** রজার ডিংম্যান, "অ্যাটমিক ডিপ্লোম্যাসি ডিউরিং দ্য কোরিয়ান ওয়ার", ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি (১৯৮৮-১৯৮৯)।
* কোরিয়া মার্কিন স্বার্থের জন্য খুব একটা অত্যাবশ্যক ছিল না, কিন্তু [[w:bn:হ্যারী এস. ট্রুম্যান|ট্রুম্যান]] এবং তাঁর সহযোগীরা সোভিয়েতদের প্ররোচনায় করা এই আগ্রাসনের জবাব দিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন। ইউরোপ বা মধ্যপ্রাচ্যে সোভিয়েতদের পাল্টা পদক্ষেপের কথা চিন্তা করে তারা একে একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ না বলে "পুলিশি ব্যবস্থা" (পুলিশ অ্যাকশন) হিসেবে অনুমোদন দিয়েছিলেন। যুদ্ধের উদ্যোগ নিজেদের হাতে নিতে ১৯৫০ সালের সেপ্টেম্বরে ম্যাকার্থার শত্রুশিবিরের পেছনে ইনচনে এক দুঃসাহসিক নৌ-অভিযান (অ্যাম্ফিবিয়াস ল্যান্ডিং) পরিচালনা করেন। এক মাস পরে মার্কিন সেনারা উত্তরের রাজধানী পিয়ংইয়ং দখল করে এবং ওয়াশিংটনের নির্দেশ অমান্য করে উত্তর দিকে চীন সীমান্ত পর্যন্ত অগ্রসর হয়। জেনারেল কথা দিয়েছিলেন যে সৈন্যরা বড়দিনের আগেই বাড়ি ফিরবে। কিন্তু এর বদলে সেই ডিসেম্বরে চীনারা আক্রমণ শুরু করে এবং আমেরিকান সৈন্যদের কোণঠাসা করে ফেলে। ম্যাকার্থার আবারও দাবি করেন যে তিনি অবাক হয়েছেন; অথচ ব্র্যান্ডস বিস্ময়করভাবে সেই গবেষণাগুলোকে উপেক্ষা করেছেন যা দেখায় যে ম্যাকার্থার ও তাঁর সহযোগীরা ওই এলাকায় চীনা সামরিক শক্তি বৃদ্ধির একাধিক রিপোর্টকে গুরুত্ব দেননি বা খারিজ করে দিয়েছিলেন। নিজের কোনো ভুল স্বীকার করতে রাজি না হয়ে ম্যাকার্থার ওয়াশিংটনকে চাপ দেন যেন তাকে চীনের ভেতরে বোমাবর্ষণের অনুমতি দেওয়া হয়। তাঁর হুমকিগুলোর মধ্যে তেজস্ক্রিয় বর্জ্য (রেডিওঅ্যাক্টিভ ওয়েস্ট) দিয়ে মাইনফিল্ড তৈরির পরিকল্পনাও ছিল—যা মিত্র দেশগুলোকে চিন্তিত করে ফেলেছিল এবং ট্রুম্যানকে চরম বিরক্ত করেছিল। চূড়ান্ত উত্তেজনা তখন তৈরি হয় যখন ট্রুম্যান চীনাদের শান্তি আলোচনায় রাজি করানোর চেষ্টা করছিলেন, ঠিক সেই সময়েই ম্যাকার্থার জনসম্মুখে চীনের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধের ডাক দেন। ট্রুম্যান রাগে তাঁর ডায়েরিতে লিখেছিলেন এটি ছিল "চরম অবাধ্যতা"। তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন যে এই জেনারেলকে সরিয়ে দিতেই হবে। দেশে ফেরার পর ম্যাকার্থারের প্রভাব দ্রুত ম্লান হয়ে যায়। জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের প্রধান জেনারেল ওমর ব্র্যাডলি কংগ্রেসে এক বক্তব্যের মাধ্যমে ম্যাকার্থারের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেন। তিনি বলেছিলেন, জেনারেলের কৌশল আমাদের ভুল সময়ে, ভুল জায়গায় এবং ভুল শত্রুর বিরুদ্ধে এক ভুল যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলত।
** বব ড্রগিন, "দ্য জেনারেল ভার্সেস দ্য প্রেসিডেন্ট: ম্যাকার্থার অ্যান্ড ট্রুম্যান অ্যাট দ্য ব্রিঙ্ক অফ নিউক্লিয়ার ওয়ার", লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস (২০১৬)।
* এটি শুরু হবে এর প্রেসিডেন্টের একটি সহজ ও দৃঢ় সংকল্পের মাধ্যমে। সংকল্পটি হবে: রাজনীতির মোড় পরিবর্তন করা এবং কোরীয় যুদ্ধ শেষ করার কাজে মনোনিবেশ করা—যতক্ষণ না সেই কাজ সম্মানজনকভাবে সম্পন্ন হয়। এই কাজের জন্য ব্যক্তিগতভাবে কোরিয়া সফর করা প্রয়োজন। আমি সেই সফরে যাব। কেবল এভাবেই আমি শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমেরিকান জনগণের সেবা করার সেরা উপায়টি শিখতে পারব। আমি কোরিয়ায় যাব।
** [[w:bn:ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার|ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]], "আই শ্যাল গো টু কোরিয়া", ২৫ অক্টোবর ১৯৫২।
* ১৬ বছর আগে কোরিয়ায় একটি ঘটনা ঘটেছিল যা এশিয়া এবং বিশ্বের রূপ বদলে দিয়েছিল। ১৯৫০ সালের এক জুনের সকালে আমরা জানতে পারি যে একটি কমিউনিস্ট বাহিনী কোনো সতর্কবার্তা বা উস্কানি ছাড়াই দক্ষিণ কোরিয়া প্রজাতন্ত্রে আক্রমণ চালিয়েছে। সেই সময়ে অনেক আমেরিকান মানচিত্রে কোরিয়া কোথায় তা খুঁজে পেতেন না। আমরা প্রধানত ইউরোপে কমিউনিস্ট হুমকি এবং সেই মহাদেশের পুনর্গঠন নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। এশিয়া আমাদের স্বার্থের বাইরে এবং অনেক দূরের বিষয় মনে হতো। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যান দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। আমেরিকান বাহিনী আমাদের কোরীয় বন্ধুদের সাহায্যে এগিয়ে গিয়েছিল। জাতিসংঘের জরুরি অধিবেশন ডাকা হয়েছিল এবং সংখ্যাগরিষ্ঠরা এই আগ্রাসনের মোকাবিলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কেউ কেউ আমাদেরকে "বিশ্বের পুলিশ" হওয়ার চেষ্টার জন্য নিন্দা জানিয়েছিলেন। আমাদের বলা হয়েছিল এশিয়ার এই "নোংরা ছোট যুদ্ধে"র কোনো সফল পরিণতি আসবে না। তবুও আমরা এই নীতির পক্ষে অটল ছিলাম যে—ফ্রান্স বা ইতালির মানুষের মতো কোরিয়ার মানুষেরও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার রয়েছে।
** [[w:bn:লিন্ডন বি. জনসন|লিন্ডন বি. জনসন]], সিউল ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে প্রদত্ত বক্তব্য (২৪ জানুয়ারি ১৯৬৬)।
* আমরা পদক্ষেপ নিয়েছিলাম কারণ এশিয়ায় কমিউনিস্ট আগ্রাসনের সাফল্য বিশ্বশান্তি এবং আমাদের নিজস্ব জাতীয় স্বার্থের জন্য ঠিক ততটাই ক্ষতিকর হতো যতটা ক্ষতিকর ইউরোপে তাদের সাফল্য হতো। এবং আমরা পদক্ষেপ নিয়েছিলাম কারণ আমরা জানতাম যে এ ধরনের আগ্রাসন নিজে থেকেই বিস্তার লাভ করে। আমরা দেখেছি ১৯৩০-এর দশকে ইউরোপে নাৎসি আগ্রাসন এবং এশিয়ায় সামরিক সাম্রাজ্যবাদের হাতে একে একে অনেক দেশ ধসে পড়তে। চেকোস্লোভাকিয়া থেকে পোল্যান্ড, কোরিয়া থেকে জাভা সাগর পর্যন্ত শক্তির দাপট চলেছে। আমি সব সময় বিশ্বাস করেছি যে পঞ্চাশের দশকের কমিউনিস্ট কৌশলবিদরা সেই উদাসীনতা, ভয় এবং দুর্বলতা থেকে উৎসাহিত হয়েছিলেন যা তিরিশের দশকের আগ্রাসনকে এতো দ্রুত এতোদূর এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছিল। কিন্তু ১৯৫০ সালে কোরিয়ায়—যেমনটা আজ ভিয়েতনামে—আমরা আগ্রাসন থামাতে পদক্ষেপ নিয়েছি। আপনাদের সার্বভৌম ও স্বাধীন থাকার লড়াইকে রক্ষা করতে আমরা আপনাদের পাশে থেকে লড়াই করেছি। আমাদের মোট ১,৫৭,০০০ জন হতাহত হয়েছে—যার মধ্যে ৩৩,০০০ জন সরাসরি যুদ্ধে নিহত, ২০,০০০-এর বেশি যুদ্ধ বহির্ভূত কারণে নিহত এবং সব মিলিয়ে মৃত সৈন্যের সংখ্যা ৫৩,৬২৫ জন। যখন আমাদের হতাহতের সংখ্যা ১,৫৭,০০০, তখন কোরীয় জনগণের প্রায় ২০ লক্ষ বেসামরিক মানুষ হতাহত হয়েছে। অনাহারে কত শিশু মারা গেছে তা কে জানে? দক্ষিণের রাস্তাগুলোর ধারের অচিহ্নিত কবরে কত শরণার্থী শুয়ে আছে? এমন কোনো কোরীয় পরিবার নেই যারা উত্তর থেকে আসা আক্রমণে তাদের প্রিয়জনকে হারায়নি। উত্তর থেকে আসা কমিউনিস্ট আগ্রাসন থেকে দক্ষিণ কোরিয়া প্রজাতন্ত্রকে রক্ষা করার এটিই ছিল মূল্য—ভয়াবহ এক মূল্য। এবং আজ যখন আমি প্রেসিডেন্ট পার্কের সাথে দেখা করি, আপনাদের গ্রাম ও মানুষগুলোকে দেখি এবং এই অ্যাসেম্বলিতে আপনাদের মুখের দিকে তাকাই, আমি জানি যে এই মানুষগুলো বৃথা মারা যায়নি।
** [[w:bn:লিন্ডন বি. জনসন|লিন্ডন বি. জনসন]], সিউল ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে প্রদত্ত বক্তব্য (২৪ জানুয়ারি ১৯৬৬)।
* কোরিয়া যুদ্ধে বিমানবাহিনীর ভূমিকার প্রেক্ষাপটে পারমাণবিক বোমার তাৎক্ষণিক প্রভাবটি বোঝা সবচেয়ে জরুরি। যুদ্ধের ওপর পারমাণবিক অস্ত্রের প্রভাব হয়তো আশ্চর্যজনকভাবে খুবই সামান্য হতো। মার্কিন বোমারু বিমান বহরের বিরুদ্ধে [[w:bn:মিগ-১৫|মিগ-১৫]]-এর সাফল্য সত্ত্বেও, কোরিয় উপদ্বীপের আকাশপথ মূলত যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণেই ছিল এবং বি-২৯ বিমানগুলো তাদের পছন্দমতো সময়ে ও স্থানে বিধ্বংসী হামলা চালাচ্ছিল। ১৯৫০ সালের পারমাণবিক বোমাগুলোর শক্তি সেই দশকের শেষের দিকে তৈরি হওয়া [[w:bn:তাপ-পারমাণবিক অস্ত্র|তাপ-পারমাণবিক অস্ত্রের]] মতো ছিল না। কৌশলগত উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হলে এই বোমাগুলো খুব বড় মাপের বিষ্ফোরকের চেয়ে বেশি কিছু হতো না। চীন ও উত্তর কোরিয়ার ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হলে, মার্কিন বিমানবাহিনীর কাছে থাকা সীমিত সংখ্যক বোমা (যার অনেকগুলো আবার সোভিয়েতদের বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করতে হতো) চীনের সৈন্য সমাবেশ ও সম্মুখ সমরে পাঠানোর ক্ষমতার ওপর খুব সামান্যই প্রভাব ফেলত। তদুপরি, উত্তর কোরিয়া এবং [[w:bn:মাঞ্চুরিয়া|মাঞ্চুরিয়ার]] আদিম অবকাঠামো এই বোমাগুলোর কার্যকারিতার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াত। <br> কিন্তু বেইজিং বা [[w:bn:সাংহাই|সাংহাইয়ের]] মতো বড় লক্ষ্যবস্তুগুলোর ক্ষেত্রে কী ঘটত? ১৯৫০ সালে মার্কিন বিমানবাহিনী বিশ্বাস করত যে বেসামরিক শিল্প ও অবকাঠামো ধ্বংস করেই যুদ্ধে জেতা সম্ভব, আর এমন লক্ষ্যবস্তু কেবল শহরগুলোতেই পাওয়া যায়। পিয়ং ইয়ংকে একের পর এক প্রথাগত বিমান হামলায় মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়ে তারা অচিরেই তাদের এই বিশ্বাসের প্রমাণ দেয়। তবে এটিও যুদ্ধের ওপর কোনো চূড়ান্ত প্রভাব ফেলতে পারত না। পারমাণবিক উত্তেজনার প্রথম আভাস পাওয়ামাত্রই চীনা কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষ নেতারা রাজধানী এবং বড় শহরগুলো ছেড়ে ছড়িয়ে পড়তেন। লাখ লাখ চীনা বেসামরিক নাগরিকের সমূলে বিনাশের যে নেতিবাচক প্রচারণা তৈরি হতো, তা সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রের অর্জিত যেকোনো সামরিক সুবিধার চেয়ে অনেক বেশি ভারী হয়ে দাঁড়াত।
** রবার্ট ফার্লি, "হোয়াট ইফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস হ্যাড ইউজড দ্য বোম্ব ইন কোরিয়া?", দ্য ডিপ্লোম্যাট (জানুয়ারি ২০১৬)।
* পণ্ডিতরা দীর্ঘদিন ধরে "পারমাণবিক নিষেধাজ্ঞা" (নিউক্লিয়ার ট্যাবু)-র অস্তিত্ব নিয়ে বিতর্ক করেছেন। রাষ্ট্রগুলো কি অবাস্তবতার কারণে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার থেকে বিরত থাকে, নাকি তারা একে মৌলিকভাবেই অনৈতিক মনে করে? কোরিয়া যুদ্ধ ছিল এর একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা, কারণ তখন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র ছিল কিন্তু উত্তর কোরিয়া বা চীনের কাছে তা ছিল না। তদুপরি, খুব কম মার্কিন নীতি-নির্ধারকই বিশ্বাস করতেন যে সোভিয়েতরা পিয়ং ইয়ং বা বেইজিংয়ের হয়ে তাদের হাতে থাকা সামান্য কিছু আদিম পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবে। যুক্তরাষ্ট্র উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে কৌশলগত অস্ত্র (বি-২৯) ব্যবহার করতে দ্বিধা করেনি; কিন্তু পারমাণবিক বোমা ব্যবহার করলে তা কী বার্তা দিত? আমরা জানি যে ট্রুম্যান দুটি (বা লক্ষ্যবস্তু ভেদে তিনটি) ভিন্ন এশীয় দেশের বিরুদ্ধে এই অস্ত্র ব্যবহারের ফলে বৈশ্বিক ভাবমূর্তি কেমন হবে তা নিয়ে চিন্তিত ছিলেন। আমরা এও জানি যে ইউরোপে মার্কিন মিত্ররা চীনের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে সমর্থন করার প্রশ্নে খুবই নার্ভাস ছিল। এই দ্বিধাগুলোকে "নৈতিকতা" বা "বাস্তবতা"—যেকোনো কাতারেই ফেলা হোক না কেন, এটি নিশ্চিত যে চীনের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করা হলে ভবিষ্যতে পারমাণবিক শক্তিহীন দেশগুলোর বিরুদ্ধেও এগুলো ব্যবহারের মানসিক ও প্রশাসনিক বাধা অনেক কমে যেত।
** রবার্ট ফার্লি, "হোয়াট ইফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস হ্যাড ইউজড দ্য বোম্ব ইন কোরিয়া?", দ্য ডিপ্লোম্যাট (জানুয়ারি ২০১৬)।
* কোরিয়া যুদ্ধ ছিল দুই পরাশক্তির সাত বছরের একে অপরের শক্তি, সক্ষমতা এবং সংকল্প পরীক্ষার এক রক্তক্ষয়ী চূড়ান্ত পর্যায়। প্রতিটি নতুন পরীক্ষা পুরনো মৈত্রীকে টিকিয়ে রাখার মতো কোনো সমঝোতা তৈরি করেনি; বরং এর ফলে পারস্পরিক সন্দেহ গভীর হয়েছে, শত্রুভাবাপন্ন বক্তব্য বেড়েছে এবং নিজ নিজ শিবিরকে শক্তিশালী করার সংকল্প আরও সুদৃঢ় হয়েছে। বার্লিন এবং কোরিয়া যুদ্ধের নিকট-সংঘর্ষগুলো এতে একটি সামরিক মাত্রা যোগ করেছিল এবং ক্রমবর্ধমান পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা মার্কিন-সোভিয়েত মোলাকাতগুলোতে এক ধরনের কঠোরতা ও আতঙ্ক তৈরি করেছিল। তদুপরি, কোরিয়া যুদ্ধ সম্পদ, সামরিক শক্তি বা আদর্শগত সত্য—সব ক্ষেত্রেই একচ্ছত্র ক্ষমতা অর্জনের বিষয়ে উভয় পক্ষের আশা ধূলিসাৎ করে দিয়েছিল। চীনে দ্বিতীয় একটি কমিউনিস্ট রাষ্ট্রের জন্ম বিশ্বকে ভাগ করার ক্ষেত্রে তাদের লক্ষ্যের প্রতি একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। এশিয়া, আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যে রাজনৈতিক ও সামাজিক উত্থানের ব্যাপকতা বিবেচনায় নিলে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা সোভিয়েত ইউনিয়ন—কেউই একা সব জায়গায় নিজের ইচ্ছা চাপিয়ে দেওয়ার আশা করতে পারত না। ১৯৫৩ সালে পারমাণবিক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্ত থেকে ফিরে এসে মস্কো এবং ওয়াশিংটনের নতুন নেতারা একটি কম বিপজ্জনক এবং সুশৃঙ্খল "শীতল যুদ্ধ" বা কোল্ড ওয়ার গড়ে তোলার চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন, যা এখন ইউরোপের সীমানা ছাড়িয়ে বহুদূরে বিস্তৃত হয়েছে।
** ক্যারল সি. ফিঙ্ক, "দ্য কোল্ড ওয়ার: অ্যান ইন্টারন্যাশনাল হিস্ট্রি" (২০০৪)।
* মার্কিন গৃহযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় সামরিক বিপর্যয়ের ধাক্কা সত্ত্বেও, যুক্তরাষ্ট্র কোরিয়া যুদ্ধকে সীমিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, যদিও তার অর্থ ছিল এক অনির্দিষ্ট অচলাবস্থা। ১৯৫১ সালের এপ্রিলে যখন পরিষ্কার হয়ে গেল যে ম্যাকার্থার এই নীতির সাথে একমত নন, তখন ট্রুম্যান তাকে দ্রুত বরখাস্ত করেন। কোরিয়ার লড়াই আরও দুই বছর ধরে চলে, যা ছিল অনেকটা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরিখা যুদ্ধের (ট্রেঞ্চ ওয়ারফেয়ার) মতো। ১৯৫৩ সালের জুলাই মাসে যখন চীনা, আমেরিকান এবং তাদের কোরীয় মিত্ররা শেষ পর্যন্ত একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছাতে সক্ষম হয়, ততদিনে এই যুদ্ধ উপদ্বীপটিকে বিধ্বস্ত করে দিয়েছে; কোনো পক্ষই স্পষ্ট জয় পায়নি। দুই কোরিয়ার সীমানা ১৯৫০ সালের জায়গা থেকে খুব একটা সরেনি। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৩৬,৫৬৮ জন আমেরিকান এই যুদ্ধে নিহত হয়েছেন। অন্যান্য ক্ষতির ক্ষেত্রে এমন সুনির্দিষ্ট হিসাব দেওয়া সম্ভব নয়, তবে ধারণা করা হয় যে লড়াইয়ের তিন বছরে প্রায় ৬,০০,০০০ চীনা সৈন্য এবং ২০ লক্ষাধিক কোরীয় (বেসামরিক ও সামরিক মিলিয়ে) প্রাণ হারিয়েছেন। এই যুদ্ধের একমাত্র নির্ণায়ক ফলাফল ছিল এটি যে একটি নজির তৈরি হয়েছিল: পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশগুলোর মধ্যে একটি রক্তক্ষয়ী ও দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত হতে পারে এবং তারা চাইলে সেই অস্ত্র ব্যবহার না করার সিদ্ধান্তও নিতে পারে।
** জন লুইস গ্যাডিস, "দ্য কোল্ড ওয়ার: আ নিউ হিস্ট্রি" (২০০৫), পৃষ্ঠা ৫০।
* শীতল যুদ্ধের সময় নিয়তিবাদ (ডিটারমিনিজম) থেকে সবচেয়ে বড় বিচ্যুতি ছিল সরাসরি যুদ্ধের ক্ষেত্রে। ১৯৪৫ সালের আগে পরাশক্তিগুলো এতো ঘনঘন বড় বড় যুদ্ধে জড়াত যে সেগুলোকে আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির স্থায়ী বৈশিষ্ট্য মনে করা হতো; এমনকি লেনিন বিশ্বাস করতেন যে এই যুদ্ধগুলোর মাধ্যমেই পুঁজিবাদ ধ্বংস হবে। তবে ১৯৪৫ সালের পর যুদ্ধগুলো হয় পরাশক্তি ও ছোট শক্তিগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল (যেমন: কোরিয়া, ভিয়েতনাম এবং আফগানিস্তান), অথবা কেবল ছোট শক্তিগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল (যেমন: ১৯৪৮ থেকে ১৯৭৩ সালের মধ্যে ইসরায়েল ও তার আরব প্রতিবেশীদের চারটি যুদ্ধ, ১৯৪৭-৪৮, ১৯৬৫ এবং ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ তিনটি, অথবা ১৯৮০-এর দশকে ইরান ও ইরাকের মধ্যে চলা দীর্ঘ ও অনিষ্পন্ন লড়াই)।
** জন লুইস গ্যাডিস, "দ্য কোল্ড ওয়ার: আ নিউ হিস্ট্রি" (২০০৫), পৃষ্ঠা ২৬১।
* ১৯৫০ সালের ৩০ নভেম্বর সকালে কোরিয়া সংঘাতের বয়স যখন ছয় মাসেরও কম, তখন উত্তর কোরিয়ার একটি বিমান ঘাঁটিতে হামলা চালানোর সময় মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি বি-২৯ সুপারফোর্ট্রেস বোমারু বিমান একটি ফাইটারের আঘাতে সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই ফাইটারটি এতো দ্রুত বোমারু বিমানটিকে অতিক্রম করে গিয়েছিল যে তাকে শনাক্ত করা বা লক্ষ্যভেদ করাও সম্ভব হয়নি। বোমারু বিমানটিকে পাহারা দেওয়া এফ-৮০ জেটগুলো ধাওয়া করার চেষ্টা করলেও গতিশীল ফাইটারটি চোখের পলকে একটি বিন্দুতে পরিণত হয়ে অদৃশ্য হয়ে যায়। বোমারু বিমানের ক্রুদের রিপোর্ট মার্কিন কমান্ডের মধ্যে এক আতঙ্ক তৈরি করে। যদিও সেই হামলাকারী বিমানের বর্ণনা থিয়েটারে থাকা কোনো পরিচিত বিমানের সাথে মেলেনি, মার্কিন গোয়েন্দারা দ্রুতই একটি শিক্ষিত অনুমান করে নেন। আক্রমণকারী বিমানটি ছিল একটি মিগ-১৫, যা সম্ভবত মাঞ্চুরিয়ার কোনো ঘাঁটি থেকে উড়ে এসেছিল। এর আগে বিশ্লেষকরা বিশ্বাস করতেন যে স্টালিন কেবল সাংহাইকে তাইওয়ানের বোমারু বিমান থেকে রক্ষা করার জন্যই চীনের বিমানবাহিনীকে মিগ ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন। মিগ-এর উপস্থিতি ছিল এক অশুভ সংকেত: কোরিয়ায় চীনের সম্পৃক্ততা বাড়ছে এবং সোভিয়েত প্রযুক্তি ছড়িয়ে পড়ছে।
** স্টিফেন জয়নার, "দ্য জেট দ্যাট শকড দ্য ওয়েস্ট", এয়ার অ্যান্ড স্পেস ম্যাগাজিন (ডিসেম্বর ২০১৩)।
* যুদ্ধের পরপরই স্যাব্রে বিমানের শ্রেষ্ঠত্বের দাবিগুলো বাড়িয়ে বলা হয়েছিল। ৭৯২টি মিগ বিমান ধ্বংসের দাবির বিপরীতে মার্কিন বিমানবাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে মাত্র ৫৮টি স্যাব্রে বিমান হারানোর কথা স্বীকার করে। অন্যদিকে সোভিয়েতরা প্রায় ৩৫০টি মিগ হারানোর কথা স্বীকার করলেও, তারা সব সময় দাবি করে এসেছে যে তারা ৬৪০টি এফ-৮৬ বিমান ভূপাতিত করেছে—যা কোরিয়ায় মোতায়েন করা মোট স্যাব্রে বিমানের অর্ধেকেরও বেশি। স্যাব্রে পাইলট ক্লিভল্যান্ড বলেন, "আমি কেবল বলতে পারি যে রুশরা চরম মিথ্যুক; অন্তত এই ক্ষেত্রে তারা অবশ্যই তাই।" ১৯৭০-এর দশকে "স্যাব্রে মেজারস চার্লি" নামক এক গবেষণায় মিগ-এর সাথে লড়াইয়ে স্যাব্রে হারানোর সংখ্যা বাড়িয়ে ৯২-এ উন্নীত করা হয়, যা এফ-৮৬-এর সফলতার হার ৭:১-এ নামিয়ে আনে। পরবর্তীতে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর রুশ আর্কাইভ উন্মুক্ত হলে জানা যায় যে কোরিয়ায় সোভিয়েত মিগ-১৫ হারানোর সংখ্যা ছিল ৩১৫।
** স্টিফেন জয়নার, "দ্য জেট দ্যাট শকড দ্য ওয়েস্ট", এয়ার অ্যান্ড স্পেস ম্যাগাজিন (ডিসেম্বর ২০১৩)।
* ১৯৫৩ সালের বসন্ত নাগাদ কোরিয়ায় অবশিষ্ট সোভিয়েত মিগ-১৫ পাইলটরা মার্কিন বিমানের সাথে সংঘর্ষ এড়িয়ে চলতে শুরু করেন। স্টালিন মারা গিয়েছিলেন, পানমুনজমে যুদ্ধবিরতি অনিবার্য মনে হচ্ছিল এবং কেউ শেষ মুহূর্তের হতাহত হতে চায়নি। ইলিয়া গ্রিনবার্গ সেই দক্ষ ফাইটার পাইলটদের মনোভাব ব্যাখ্যা করে বলেন: "সোভিয়েত মিগ-১৫ পাইলটরা কোরিয়ার আকাশ যুদ্ধকে স্রেফ একটি দায়িত্ব হিসেবে দেখতেন। দিনশেষে তারা তো আর মাতৃভূমি রক্ষার জন্য লড়াই করছিলেন না। তারা আমেরিকানদের প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখলেও শত্রু হিসেবে দেখেননি।"
** স্টিফেন জয়নার, "দ্য জেট দ্যাট শকড দ্য ওয়েস্ট", এয়ার অ্যান্ড স্পেস ম্যাগাজিন (ডিসেম্বর ২০১৩)।
* গত বছর দুই কোরিয়ার মধ্যে কূটনীতি মাইন অপসারণের পথ প্রশস্ত করেছিল। কিন্তু এরপর থেকে দক্ষিণ কোরিয়ায় ছড়িয়ে থাকা প্রায় ১০ লক্ষ মাইনর মধ্যে মাত্র কয়েকশ মাইন অপসারণ করা হয়েছে। মার্কিন ও দক্ষিণ কোরিয়া সরকার উত্তর কোরিয়ার আক্রমণের আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে ল্যান্ডমাইন নিষিদ্ধকরণ সংক্রান্ত "অটোয়া চুক্তি"-তে স্বাক্ষর করেনি। কিন্তু "কোরিয়া ক্যাম্পেইন টু ব্যান ল্যান্ডমাইনস"-এর প্রধান ডক্টর চো জাই-কুক যুক্তি দেন যে তাদের স্বাক্ষর করা উচিত। তিনি অনুমান করেন যে ৮০% মাইন যুদ্ধের পরে ডিএমজেড-এর বাইরে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো পাহারা দেওয়ার জন্য বসানো হয়েছিল, যা অনেক আগেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
** অ্যান্থনি কুন, "হান্ড্রেডস অফ থাউজেন্ডস অফ ল্যান্ডমাইনস রিমেইন ফ্রম কোরিয়ান ওয়ার বাট সার্ভ নো পারপাস", এনপিআর (২৭ আগস্ট ২০১৯)।
* সংকটের শুরু থেকেই [[w:bn:হ্যারী এস. ট্রুম্যান|হ্যারি ট্রুম্যানের]] উদ্বেগ ছিল বিশ্বব্যাপী। একের পর এক বৈঠকে তিনি তাঁর অধীনস্থদের চাপ দিতেন এটা বোঝার জন্য যে সোভিয়েতদের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে পারে। প্রকৃতপক্ষে, কোরিয়ায় হস্তক্ষেপের ক্ষেত্রে একটি প্রধান বাধা ছিল এই চিন্তা যে, [[w:bn:জোসেফ স্টালিন|স্টালিন]] হয়তো আমেরিকার মনোযোগ কম গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকায় সরিয়ে নিয়ে সেই সুযোগে রুশরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো দ্রুত দখল করে নেবে। ট্রুম্যান সহজাতভাবেই বিশ্বাস করতেন যে সোভিয়েতরা [[w:bn:ইরান|ইরান]] দখল করতে চায়, যাতে তারা [[w:bn:মধ্যপ্রাচ্য|মধ্যপ্রাচ্যের]] [[w:bn:খনিজ তেল|তেল]] এবং [[w:bn:পারস্য উপসাগর|পারস্য উপসাগর]] ও [[w:bn:পূর্ব ভূমধ্যসাগর|পূর্ব ভূমধ্যসাগরের]] উষ্ণ পানির বন্দরগুলোতে প্রবেশাধিকার পায়। <br> উত্তর কোরিয়া যে কোরীয় জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য নিজের ইচ্ছায় কাজ করতে পারে—এই ধারণাটি মার্কিন কর্মকর্তাদের বোঝার বাইরে ছিল।
** মেলভিন পি. লেফলার, "এ প্রিপন্ডারেন্স অফ পাওয়ার" (১৯৯২), পৃষ্ঠা ৩৬৬।
* আমরা সেখানে গিয়েছিলাম এবং যুদ্ধ করেছি; শেষ পর্যন্ত কোনো না কোনোভাবে উত্তর কোরিয়ার প্রতিটি শহর আমরা জ্বালিয়ে দিয়েছিলাম, এমনকি দক্ষিণ কোরিয়ারও কিছু শহর।
** কার্টিস লেমে, "স্ট্র্যাটেজিক এয়ার ওয়ারফেয়ার: অ্যান ইন্টারভিউ উইথ জেনারেলস" (১৯৮৮)।
* প্রায় তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধে আমরা কোরিয়ার মোট জনসংখ্যার কত শতাংশ—হয়তো ২০ শতাংশ মানুষকে খতম করে দিয়েছিলাম; যারা হয় সরাসরি যুদ্ধের শিকার হয়েছিল, নয়তো অনাহার ও অবহেলায় মারা গিয়েছিল।
** কার্টিস লেমে, "স্ট্র্যাটেজিক এয়ার ওয়ারফেয়ার: অ্যান ইন্টারভিউ উইথ জেনারেলস" (১৯৮৮)।
* চীনের ইতিহাসের পাঠ্যবইগুলোতে বলা হয়েছে যে, কোরীয় যুদ্ধ শুরু হয়েছিল যখন "মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৫টি দেশের একটি জাতিসংঘ সেনাবাহিনী গঠন করে এবং উদ্ধতভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে উত্তর কোরিয়া আক্রমণ করে, যা যুদ্ধের আগুন আমাদের ইয়ালু নদী পর্যন্ত ছড়িয়ে দিয়েছিল।"
** ম্যালকম মুর, "চায়না রিরাইটস হিস্ট্রি অফ কোরিয়ান ওয়ার", দ্য টেলিগ্রাফ (২৫ জুন ২০১০)।
* চীনের সরকারি সংবাদমাধ্যম প্রথমবারের মতো উল্লেখ করেছে যে উত্তর কোরিয়াই প্রথম আঘাতটি হেনেছিল। একটি বিশেষ প্রতিবেদনে সিনহুয়া"র আন্তর্জাতিক বিষয়ক জার্নাল বলেছে: "১৯৫০ সালের ২৫ জুন উত্তর কোরিয় সেনাবাহিনী ৩৮তম সমান্তরাল রেখা অতিক্রম করে আক্রমণ শুরু করে। তিন দিন পর সিউলের পতন ঘটে।" <br> মাও সে তুং বলেছিলেন, চীন ও উত্তর কোরিয়া ছিল "ঠোঁট ও দাঁতের মতো ঘনিষ্ঠ"। <br> বেইজিংয়ের কমিউনিস্ট সেন্ট্রাল পার্টি স্কুলের কোরীয় বিষয়ক শীর্ষস্থানীয় অধ্যাপক ঝাং লিয়াংগুই বলেন, "এ বিষয়ে মন্তব্য করা আমার জন্য সুবিধাজনক নয়। আমি সিনহুয়ার নিবন্ধে উল্লিখিত এই সময়ক্রম সম্পর্কে জানতাম না। আমার জানামতে, এই যুদ্ধ সম্পর্কে সরকারি দৃষ্টিভঙ্গির কোনো পরিবর্তন হয়নি।" <br> এদিকে সরকারি সংবাদপত্র "গ্লোবাল টাইমস" বলেছে, "চীনা পণ্ডিতদের জন্য কোরীয় যুদ্ধের সত্য উদ্ঘাটনের প্রচেষ্টা জোরদার করার এখনই উপযুক্ত সময়।" <br> সিউলে দক্ষিণ কোরিয়া যুদ্ধের স্মরণে একটি সরকারি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এবং প্রেসিডেন্ট লি মিউং-বাক নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, "ষাট বছর আগে উত্তর কোরিয়ার কমিউনিস্টরা এক ছুটির দিনের ভোরে গুলি চালিয়েছিল যখন সমস্ত মানুষ শান্তিতে ঘুমাচ্ছিল।" <br> অন্যদিকে সীমান্তের ওপারে উত্তর কোরিয়া এই সংঘাত নিয়ে তাদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে। "মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কোরীয় যুদ্ধের উস্কানিদাতা" শিরোনামে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ওয়াশিংটনকে আকস্মিক আক্রমণের মাধ্যমে যুদ্ধ শুরুর জন্য অভিযুক্ত করে। <br> কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি বলেছে, "সমস্ত ঐতিহাসিক তথ্য প্রমাণ করে যে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদীরাই কোরিয়ায় যুদ্ধ শুরু করেছে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কখনোই এই দায় থেকে মুক্তি পাবে না।"
** ম্যালকম মুর, "চায়না রিরাইটস হিস্ট্রি অফ কোরিয়ান ওয়ার", দ্য টেলিগ্রাফ (২৫ জুন ২০১০)।
* ষাট বছর আগে ২৫ জুন ভোরে কমিউনিস্ট উত্তর কোরিয়া যখন দক্ষিণ কোরিয়া আক্রমণ করে, তখনই কোরীয় যুদ্ধ শুরু হয়। এর প্রতিবাদে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ জাতিসংঘের ১৬টি সদস্য দেশ স্বাধীনতা রক্ষায় দক্ষিণ কোরিয়ার পাশে দাঁড়ায়। পরবর্তী তিন বছরের লড়াইয়ে প্রায় ৩৭,০০০ আমেরিকান প্রাণ হারান। তাঁরা এমন এক কোরীয় জাতির স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছিলেন যাদের তাঁরা চিনতেনও না; আর তাঁদের এই আত্মত্যাগের কারণেই দক্ষিণ কোরিয়ার শান্তি ও গণতন্ত্র রক্ষা পেয়েছে... কোরীয় যুদ্ধের ৬০তম বার্ষিকীতে আমি এই যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য আমেরিকার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সেই সময়ে দক্ষিণ কোরিয়া ছিল বিশ্বের অন্যতম দরিদ্র দেশ, যার বার্ষিক মাথাপিছু আয় ছিল ৪০ ডলারের কম। ২০০৯ সালে আমার দেশ ওইসিডি (OECD)-র উন্নয়ন সহায়তা কমিটির সদস্য হয়েছে—যা কোনো সাহায্য গ্রহণকারী দেশ থেকে দাতা দেশে পরিণত হওয়ার প্রথম নজির, এবং সেটি সম্ভব হয়েছে মাত্র এক প্রজন্মের ব্যবধানে।
** লি মিউং-বাক, "এ নোট অফ থ্যাঙ্কস", লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস (২৫ জুন ২০১০)।
* কোরিয়ার যুদ্ধক্ষেত্রে সাহসী ৬৫তম পদাতিক বাহিনীর র্যাঙ্ক গঠনকারী পুয়ের্তো রিকানরা যুদ্ধে অর্জনের এক উজ্জ্বল ইতিহাস লিখছে... এবং এই কমান্ডে তাদের পেয়ে আমি সত্যিই গর্বিত। আমি চাই আমাদের আরও অনেক সৈন্য যদি তাদের মতো হতো।
** ডগলাস ম্যাকার্থার, টোকিও, জাপান (১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫১)।
* কোরিয়ার ট্র্যাজেডি আরও তীব্রতর হয়েছে এই কারণে যে, এর সামরিক তৎপরতা কেবল তার আঞ্চলিক সীমানার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। এটি সেই জাতিকে ধ্বংসাত্মক নৌ ও বিমান বোমাবর্ষণের শিকার হতে বাধ্য করে যাকে রক্ষা করা আমাদের উদ্দেশ্য ছিল; অন্যদিকে শত্রুদের নিরাপদ আস্তানাগুলো এ ধরনের আক্রমণ ও ধ্বংসযজ্ঞ থেকে পুরোপুরি সুরক্ষিত থাকে। বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে কোরিয়াই এখন পর্যন্ত একমাত্র জাতি যারা কমিউনিজমের বিরুদ্ধে নিজের সবকিছু বাজি রেখেছে। কোরীয় জনগণের সাহস ও ধৈর্যের মহিমা বর্ণনাতীত। তারা দাসত্বের চেয়ে মৃত্যুকে বেছে নিয়েছে। আমাকে বলা তাদের শেষ কথা ছিল: 'প্রশান্ত মহাসাগরকে ডুবিয়ে দেবেন না!'
** ডগলাস ম্যাকার্থার, কংগ্রেসে বিদায়ী ভাষণ (১৯ এপ্রিল ১৯৫১)।
* প্রশিক্ষকরা উত্তর কোরিয়ার অবরুদ্ধ সীমানার বাইরের জগত সম্পর্কে আমাদের শেখানোর জন্য অনেক সময় ব্যয় করতেন। সেটিই ছিল প্রথমবার যখন আমরা জানতে পারি যে বিশ্বজুড়ে সমৃদ্ধ গণতন্ত্র বিদ্যমান এবং উত্তর কোরিয়া এই গ্রহের অন্যতম দরিদ্র ও নিপীড়িত দেশ। প্রতিদিন প্রশিক্ষকরা আমাদের জন্ম থেকে মগজে গেঁথে দেওয়া মৌলিক বিশ্বাসগুলোকে চ্যালেঞ্জ করতেন। কিছু সংশোধনী মেনে নেওয়া সহজ ছিল। আমি বিশ্বাস করতে পেরেছিলাম যে কিম জং ইল বিলাসপূর্ণ প্রাসাদে থাকতেন যখন তাঁর জনগণ না খেয়ে থাকত। কিন্তু আমি এটা মেনে নিতে পারছিলাম না যে ১৯৫০ সালে কোরিয়া যুদ্ধ শুরু করেছিলেন তাঁর বাবা "গ্রেট লিডার" কিম ইল সুং—ভয়াবহ আমেরিকান বা দক্ষিণ কোরীয় আক্রমণকারীরা নয়। দীর্ঘ সময় ধরে আমি এটি বিশ্বাস করতে স্রেফ অস্বীকার করেছিলাম। উত্তর কোরিয়া যে সব সময় সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের শিকার—এই ধারণাটি আমার পরিচয়ের অংশ ছিল। নিজের হাড়ের মজ্জায় মিশে যাওয়া বা বাবার কণ্ঠস্বরের মতো মগজে গেঁথে যাওয়া কোনো বিশ্ববীক্ষাকে ত্যাগ করা মোটেও সহজ নয়। তদুপরি, আমাকে যা শেখানো হয়েছিল তার সবই যদি মিথ্যা হয়ে থাকে, তবে আমি কীভাবে জানব যে এই মানুষগুলোও মিথ্যা বলছে না? কর্তৃপক্ষের কাউকে বিশ্বাস করা তখন অসম্ভব ছিল।
** ইয়নমি পার্ক, "ইন অর্ডার টু লিভ: এ নর্থ কোরিয়ান গার্লস জার্নি টু ফ্রিডম" (২০১৫), পৃষ্ঠা ২১৫।
* জেনারেল [[w:bn:ডগলাস ম্যাকার্থার|ডগলাস ম্যাকার্থার]] জাপানে পারমাণবিক বোমা ফেলার বিরোধী ছিলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন যে জাপানীরা আত্মসমর্পণ করার জন্য প্রস্তুত ছিল এবং তাদের সম্রাটকে বজায় রাখার নিশ্চয়তা দেওয়া হলে তারা তা করত। কিন্তু কোরিয়ার ক্ষেত্রে চিত্রটি ছিল ভিন্ন। যুদ্ধের মাত্র দুই সপ্তাহ পরেই ম্যাকার্থার জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের (JCS) কাছে পারমাণবিক বোমা ব্যবহারের অনুরোধ জানান, যা প্রত্যাখ্যাত হয়। যদি চীন এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন যুদ্ধে যোগ দেয়, তবে উত্তর কোরিয়ার সাথে মাঞ্চুরিয়া ও ভ্লাদিভোস্তককে সংযুক্তকারী টানেল এবং সেতুগুলোতে পারমাণবিক বোমা ফেলার প্রস্তাব দিয়েছিলেন ম্যাকার্থার। ১৯৫০ সালের ৯ ডিসেম্বর, তিনি নিজের বিবেচনামতো পারমাণবিক বোমা ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছিলেন। এর ধারাবাহিকতায় ২৪ ডিসেম্বর তিনি "প্রতিরোধমূলক লক্ষ্যবস্তু"র একটি তালিকা দেন যার জন্য ২৬টি পারমাণবিক বোমা প্রয়োজন ছিল। এছাড়া তিনি আক্রমণকারী বাহিনীর ওপর ৪টি এবং শত্রুর বিমান শক্তির গুরুত্বপূর্ণ সমাবেশের ওপর আরও ৪টি বোমা ফেলতে চেয়েছিলেন। তাঁর এই অনুরোধগুলো প্রত্যাখ্যান করা হয়।
** চার্লস পিয়ারসন, "দ্য অ্যাটমিক বোম্ব অ্যান্ড দ্য ফার্স্ট কোরিয়ান ওয়ার", কাউন্টার পাঞ্চ (৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭)।
* ১৯৫০ সালের জুলাই মাসে প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যান স্ট্র্যাটেজিক এয়ার কমান্ডের প্রধান কার্টিস লেমেকে বি-২৯ বিমানগুলো ব্রিটেনে পাঠানোর নির্দেশ দেন, যাতে সেগুলো পশ্চিম সোভিয়েত ইউনিয়নের নাগালের মধ্যে থাকে। ১৯৮৮ সালের "ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি"র একটি সংখ্যায় ডিংম্যান লিখেছেন, "আমেরিকান বোমারু বিমানগুলো কোরিয়ায় খুব একটা কার্যকর ফলাফল দেখাতে না পারায় যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছিল, তা মোকাবিলা করার জন্যই জেনারেল ভ্যানডেনবার্গের নির্দেশে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল।" তিনি উল্লেখ করেন যে এটিই প্রথমবার ছিল না; ১৯৪৮ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন বার্লিন অবরোধ করার সময়ও দুই স্কোয়াড্রন বি-২৯ পশ্চিম ইউরোপে মোতায়েন করা হয়েছিল। তবে বার্লিন সংকটের সময় সেটি ছিল একটি নিছক ধোঁকা বা 'ব্লাফ', কারণ ওই বিমানগুলো পারমাণবিক অস্ত্র বহনের উপযোগী ছিল না।
** কার্ল এ. পোসি, "হাউ দ্য কোরিয়ান ওয়ার অলমোস্ট ওয়েন্ট নিউক্লিয়ার", এয়ার অ্যান্ড স্পেস ম্যাগাজিন (জুলাই ২০১৫)।
* ১৯৯৯ সালের পিবিএস প্রামাণ্যচিত্র "আমেরিকান এক্সপেরিয়েন্স: রেস ফর দ্য সুপারবোম্ব"-এ শীতল যুদ্ধের ইতিহাসবিদ জন লুইস গ্যাডিস বলেন যে, এই যুদ্ধে পারমাণবিক বোমার ভূমিকা ছিল অনির্ধারিত। গ্যাডিস বলেন, "এটি শীতল যুদ্ধের ইতিহাসের সেই কুকুরটির মতো যা সব থাকলেও কখনো ডাকেনি। এই সীমিত যুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্রের ভূমিকা কী হবে সে সম্পর্কে আগে থেকে কোনো স্পষ্ট কৌশল ছিল না। আপনি এমন একটি যুদ্ধের কথা বলছেন, যেখানে বিশেষ করে চীনাদের হস্তক্ষেপের পর দেখা গেছে কৃষকরা পাহাড়ি পথে পিঠে করে সব মালামাল বহন করে নিয়ে আসছে। পারমাণবিক বোমা এ ধরনের যুদ্ধের জন্য তৈরি করা হয়নি। পারমাণবিক বোমার গ্রহণযোগ্যতা বা গুরুত্ব বজায় রাখার একমাত্র উপায় ছিল এটিকে ব্যবহার না করা—একে এক রহস্যময় এবং ভীতিকর শক্তি হিসেবে বাঁচিয়ে রাখা। এটি ব্যবহার করার অর্থ হতো এর গুরুত্বকে কমিয়ে ফেলা।" <br> তবে প্রথাগত বোমাবর্ষণ উত্তর কোরিয়ার বেসামরিক জনসংখ্যার ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল। ইতিহাসবিদ রবার্ট এফ. ফাট্রেল তাঁর "দ্য ইউনাইটেড স্টেটস এয়ার ফোর্স ইন কোরিয়া ১৯৫০-১৯৫৩" বইয়ে হুইচন শহরের একটি বর্ণনা অন্তর্ভুক্ত করেছেন যা জেনারেল উইলিয়াম এফ. ডিন লিখেছিলেন: "আমি আগে যে শহরটি দেখেছিলাম—দোতলা দালান, একটি প্রধান সড়ক—সেটি আর সেখানে নেই। আমার মনে হয় পিয়ংইয়ং এবং কাংগিয়ের মধ্যবর্তী কোনো গুরুত্বপূর্ণ সেতুই বোমাবর্ষণ থেকে রক্ষা পায়নি; বেশিরভাগ শহরই এখন স্রেফ ধ্বংসস্তূপ বা বরফে ঢাকা খোলা মাঠ যেখানে আগে দালান ছিল। ছোট শহরগুলো, যেগুলো একসময় লোকে লোকারণ্য ছিল, সেগুলো এখন জনমানবহীন কঙ্কাল। গ্রামবাসীরা এখন ক্যানিয়ন বা পাহাড়ের খাঁজে লুকিয়ে অস্থায়ী গ্রাম তৈরি করে বসবাস করছে।"
** কার্ল এ. পোসি, "হাউ দ্য কোরিয়ান ওয়ার অলমোস্ট ওয়েন্ট নিউক্লিয়ার", এয়ার অ্যান্ড স্পেস ম্যাগাজিন (জুলাই ২০১৫)।
* ১৯৫৩ সালের ২৭ জুলাই যখন যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, ততদিনে বি-২৯ বিমানগুলো তাদের লক্ষ্য পূরণ করে ফেলেছে। এই পুরনো বোমারু বিমানগুলো ২১,০০০ বার উড্ডয়ন করেছিল এবং ১৬৭,০০০ টন বোমা নিক্ষেপ করেছিল। অ্যালান বলেন: "আমরা যখন চলে আসি, তখন উত্তর কোরিয়ায় কোনো বিদ্যুৎ অবশিষ্ট ছিল না।"
** কার্ল এ. পোসি, "হাউ দ্য কোরিয়ান ওয়ার অলমোস্ট ওয়েন্ট নিউক্লিয়ার", এয়ার অ্যান্ড স্পেস ম্যাগাজিন (জুলাই ২০১৫)।
* তাদের নিজ দেশে রুজভেল্ট এবং চার্চিলকে বিজ্ঞ রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে গণ্য করা হয়। কিন্তু জেলখানায় আমাদের কথোপকথনের সময় আমরা তাঁদের অদূরদর্শিতা এবং এমনকি বোকামি দেখে বিস্মিত হয়েছিলাম। ১৯৪১ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত ধীরে ধীরে পিছু হটে তাঁরা কীভাবে স্বাধীনতার কোনো গ্যারান্টি ছাড়াই পূর্ব ইউরোপকে ছেড়ে দিলেন? বার্লিনের মতো একটি হাস্যকর খেলনা চার-অঞ্চলে ভাগ করার বিনিময়ে স্যাক্সনি এবং থুরিনজিয়ার মতো বিশাল অঞ্চল তাঁরা কীভাবে ছেড়ে দিলেন, যা পরবর্তীতে তাঁদের জন্যই গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছিল? আর কোন সামরিক বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাঁরা হাজার হাজার সশস্ত্র সোভিয়েত নাগরিককে (যারা আত্মসমর্পণ করতে চায়নি) স্টালিনের হাতে তুলে দিলেন তাকে হত্যা করার জন্য? বলা হয় যে এটি করে তাঁরা জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে স্টালিনের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছিলেন। পারমাণবিক বোমায় সজ্জিত থাকা সত্ত্বেও তাঁরা স্টালিনকে সুযোগ করে দিয়েছিলেন মাঞ্চুরিয়া দখল করতে, যাতে মাও সে তুং চীনে ক্ষমতা দখল করতে পারেন এবং কিম ইল সুং কোরিয়ার অর্ধেকটা পেয়ে যান! ওহ, কী শোচনীয় রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ! পরবর্তীতে যখন মিকোলাজিককে বহিষ্কার করা হলো, যখন বেনে এবং মাসারিকের শেষ সময় এলো, বার্লিন অবরুদ্ধ হলো, বুদাপেস্ট যখন জ্বলছিল—তখন যাদের স্মৃতিশক্তি প্রখর ছিল তারা কি কসাকদের বিলিয়ে দেওয়ার সেই ঘটনার কথা মনে করেননি?
** [[w:bn:আলেকজান্ডার সোলঝেনিৎসিন|আলেকজান্ডার সোলঝেনিৎসিন]], "দ্য গুলাগ দ্বীপপুঞ্জ" (প্রথম খণ্ড, ৬ষ্ঠ অধ্যায়)।
* ১৯১০ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত জাপানি উপনিবেশ থাকা কোরিয়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন দ্বারা অধিকৃত হয়েছিল। কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির কোরীয় ইতিহাসের অধ্যাপক চার্লস কে. আর্মস্ট্রং বলেন, রাশিয়া সীমান্তবর্তী এই উপদ্বীপে নিজেদের প্রভাব বজায় রাখার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দেশটিকে ৩৮তম সমান্তরাল রেখা বরাবর সাময়িকভাবে বিভক্ত করার প্রস্তাব দেয়। তিনি বলেন, "একটি বিভক্ত কোরিয়া ছিল এক অভূতপূর্ব ঘটনা।" তবে এই বিভাজন স্থায়ী হয়েছিল মূলত কোরিয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে কোরীয়দের নিজেদের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির কারণে। শিকাগো ইউনিভার্সিটির ইতিহাসের অধ্যাপক ব্রুস কামিংস বলেন, "মৌলিকভাবে এটি ছিল একটি গৃহযুদ্ধ, যার কারণগুলো কোরিয়ার ঔপনিবেশিক অভিজ্ঞতার ইতিহাসের গভীরে প্রোথিত ছিল।"
** লিয়াম স্ট্যাক, "কোরিয়ান ওয়ার, এ "ফরগটেন" কনফ্লিক্ট দ্যাট শেপড দ্য মডার্ন ওয়ার্ল্ড", দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস (১ জানুয়ারি ২০১৮)।
* এই যুদ্ধে দক্ষিণ কোরিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের পতাকাতলে উত্তর কোরিয়া এবং চীনের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল। অন্যান্য দেশও সৈন্য পাঠিয়েছিল, তবে মূল লড়াইটা আমেরিকান বাহিনীই করেছিল। অধ্যাপক কামিংস বলেন, "যুদ্ধের শুরুতে দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী কার্যত ভেঙে পড়েছিল।"
** লিয়াম স্ট্যাক, "কোরিয়ান ওয়ার, এ "ফরগটেন" কনফ্লিক্ট দ্যাট শেপড দ্য মডার্ন ওয়ার্ল্ড", দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস (১ জানুয়ারি ২০১৮)।
* অধ্যাপক আর্মস্ট্রং বলেন, "আমেরিকান এবং চীনা বাহিনীর মধ্যে যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যাপক সংঘাত হয়েছিল। এক অর্থে এটিই ছিল চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এখন পর্যন্ত হওয়া প্রথম এবং একমাত্র যুদ্ধ।"
** লিয়াম স্ট্যাক, "কোরিয়ান ওয়ার, এ "ফরগটেন" কনফ্লিক্ট দ্যাট শেপড দ্য মডার্ন ওয়ার্ল্ড", দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস (১ জানুয়ারি ২০১৮)।
* উত্তর কোরিয়ায় ধ্বংসযজ্ঞ ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ, যেখানে বছরের পর বছর ধরে ন্যাপামসহ আমেরিকান বোমাবর্ষণ চলেছিল। অধ্যাপক কামিংস বলেন, যুদ্ধের আগের জনসংখ্যার প্রায় ২৫ শতাংশ নিহত হয়েছিল এবং যুদ্ধের শেষ দিকে বেঁচে থাকা অনেক মানুষই মাটির নিচে বসবাস করত। তিনি বলেন, "উত্তর কোরিয়া মাটির সাথে মিশে গিয়েছিল। উত্তর কোরীয়রা আমেরিকান বোমাবর্ষণকে একটি 'হলোকাস্ট' বা মহাধ্বংসযজ্ঞ হিসেবে দেখে এবং প্রতিটি শিশুকে এ সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়া হয়।" দক্ষিণ কোরিয়াতেও ক্ষয়ক্ষতি ছিল ব্যাপক, যেখানে সিউল চারবার হাতবদল হয়েছিল। তবে বেশিরভাগ লড়াই উপদ্বীপের উত্তর বা মধ্য অংশে বর্তমান বিসামরিক অঞ্চল (DMZ)-এর আশেপাশে সংঘটিত হয়েছিল, যা দেশ দুটিকে বিভক্ত করে রেখেছে।
** লিয়াম স্ট্যাক, "কোরিয়ান ওয়ার, এ "ফরগটেন" কনফ্লিক্ট দ্যাট শেপড দ্য মডার্ন ওয়ার্ল্ড", দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস (১ জানুয়ারি ২০১৮)।
* ১৯৫৩ সাল থেকে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে এক অস্বস্তিকর সহাবস্থান বজায় রয়েছে, যেখানে ২০,০০০-এরও বেশি আমেরিকান সৈন্য মোতায়েন আছে। এক সময় সেখানে শত শত আমেরিকান পারমাণবিক অস্ত্রও রাখা হয়েছিল। অধ্যাপক আর্মস্ট্রং বলেন, "কোরিয়া যুদ্ধের পর থেকেই বিশ্বজুড়ে একটি স্থায়ী আমেরিকান সামরিক উপস্থিতি তৈরি হয়, যা আগে কখনো ছিল না। কাতার, জাপান, ইতালি এবং জার্মানির মতো দেশগুলোতেও এখন আমেরিকান সৈন্য রয়েছে। এটি আমেরিকার বৈশ্বিক ভূমিকার জন্য একটি প্রকৃত মোড় পরিবর্তনকারী মুহূর্ত ছিল।" যুদ্ধের পরবর্তী দশকগুলোতে দক্ষিণ কোরিয়া একটি অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে। অধ্যাপক কামিংস বলেন, সেদেশের অনেক নাগরিকই এখন এই সংঘাত সম্পর্কে খুব কম জানে এবং অর্থনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন উত্তর কোরিয়ার প্রতি তাদের একটি "নিয়তিবাদী দৃষ্টিভঙ্গি" তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, উত্তর কোরিয়া বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম সেনাবাহিনী নিয়ে একটি বিস্ময়কর "গ্যারিসন স্টেট" বা সামরিক রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। কামিংস বলেন, "তাদের জেনারেলরা এখনও যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁদের কাছে এই যুদ্ধ কখনোই শেষ হয়নি।"
** লিয়াম স্ট্যাক, "কোরিয়ান ওয়ার, এ "ফরগটেন" কনফ্লিক্ট দ্যাট শেপড দ্য মডার্ন ওয়ার্ল্ড", দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস (১ জানুয়ারি ২০১৮)।
* ১৯৫০ সালের জুনে কোরিয়ায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পেছনে সোভিয়েত ইউনিয়নের সুনির্দিষ্ট ভূমিকা পণ্ডিতদের কাছে সব সময় একটি রহস্য হয়ে ছিল। যদিও বেশিরভাগ পশ্চিমা পর্যবেক্ষকের কাছে এটি সম্ভাব্য মনে হয়েছিল যে রাশিয়া উত্তর কোরিয়ার আক্রমণের কথা জানত এবং তাতে সম্মতি দিয়েছিল, তবে সেই দৃষ্টিভঙ্গিকে সমর্থন করার মতো তথ্য বহু বছর ধরে অপ্রতুল ছিল। প্রকৃতপক্ষে, ইতিহাসবিদদের মধ্যে এ নিয়ে অনিশ্চয়তা খুঁজে পাওয়া কঠিন কিছু নয়। আজও এ নিয়ে বিতর্কের অবকাশ রয়ে গেছে। যদিও অ্যাডাম উলামের মতে এটি "অকল্পনীয়" যে উত্তর কোরীয়রা "নিজেদের ইচ্ছায় এগিয়েছে", অন্যদের কাছে এটি কল্পনাযোগ্য এবং সম্ভাব্য মনে হয়। ক্রেমলিনের আক্রমণ পরিকল্পনায় গভীর সম্পৃক্ততার প্রথাগত দৃষ্টিভঙ্গিটি মূলত জোসেফ স্টালিনের অধীনে সোভিয়েত ইউনিয়নকে একটি সম্প্রসারণবাদী শক্তি হিসেবে দেখার বৃহত্তর ধারণার অংশ, যারা সাধারণত বিদেশি কমিউনিস্ট সরকারগুলোর ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখত।
** উইলিয়াম স্টুয়েক, "রিভিউ: দ্য সোভিয়েত ইউনিয়ন অ্যান্ড দ্য অরিজিনস অফ দ্য কোরিয়ান ওয়ার", ওয়ার্ল্ড পলিটিক্স (জুলাই ১৯৭৬)।
* এমন কিছু জায়গা আছে যেখানে সাফল্যের যুক্তিসঙ্গত সম্ভাবনা থাকলে স্থল সৈন্য পাঠানো বুদ্ধিমানের কাজ হতে পারে। কোরিয়া তেমন একটি এলাকা বলে মনে হয় না; তবে আফ্রিকার পুরো মহাদেশটি এশিয়ার সাথে যুক্ত এবং সমুদ্রপথের যোগাযোগ বজায় রাখার জন্য আমাদের সুয়েজ খাল এবং উত্তর আফ্রিকা রক্ষায় সহায়তা করা উচিত যেখানে আমাদের মূল্যবান বিমান ঘাঁটি রয়েছে। স্পেনের ক্ষেত্রেও সহায়তা করা সম্ভব হতে পারে। আমি মনে করি সিঙ্গাপুর এবং মালয় উপদ্বীপকে স্থল সৈন্য দিয়ে রক্ষা করা সম্ভব যদি উপদ্বীপের উভয় পাশে সমুদ্র ও আকাশপথের ক্ষমতা বজায় থাকে। তবে স্থল সৈন্য পাঠিয়ে এ ধরনের সহায়তা দেওয়া একটি বিপজ্জনক পরীক্ষা, যা আমরা কোরিয়ায় দেখেছি। আমি সন্দেহ করি যে আমাদের আগে থেকে কোনো প্রতিশ্রুতি দেওয়া উচিত কি না, অথবা সফলতার বিষয়ে নিশ্চিত না হয়ে এই কাজ হাতে নেওয়া ঠিক হবে কি না।
** রবার্ট এ. টাফট, ৫ জানুয়ারি ১৯৫১।
* আমরা যদি কোরিয়াকে অসহায় অবস্থায় ছেড়ে দিই, তবে সোভিয়েতরা একের পর এক সব এলাকা গ্রাস করতে থাকবে। ....আমরা যদি এশিয়াকে হাতছাড়া হতে দিই, তবে নিকট প্রাচ্য ধসে পড়বে এবং ইউরোপে কী ঘটবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই।
** হ্যারি এস. ট্রুম্যান, ২৫ জুন ১৯৫০; মেলভিন পি. লেফলারের "এ প্রিপন্ডারেন্স অফ পাওয়ার"-এ উদ্ধৃত।
* আমাদের সেরা প্রচেষ্টা সত্ত্বেও এটি হতে পারে যে কমিউনিস্টরা যুদ্ধ ছড়িয়ে দেবে। কিন্তু আমাদের জন্য যুদ্ধের বিস্তৃতি ঘটানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে একটি ভুল—এক চরম ট্র্যাজিক ভুল। বিপদ অত্যন্ত প্রকট, এ বিষয়ে কোনো ভুল করবেন না। উত্তর কোরীয় এবং চীনা কমিউনিস্টদের পেছনে সম্মুখ সমরে রয়েছে আরও লক্ষ লক্ষ চীনা সৈন্য। আর এই চীনাদের পেছনে রয়েছে সোভিয়েত ইউনিয়নের ট্যাংক, বিমান, সাবমেরিন, সৈন্য এবং তাদের ষড়যন্ত্রকারী শাসকগোষ্ঠী। আমাদের লক্ষ্য হলো সংঘাতের বিস্তার রোধ করা।
** হ্যারি এস. ট্রুম্যান, ১১ এপ্রিল ১৯৫১ (হোয়াইট হাউস থেকে রেডিও ভাষণ)।
* এই পুরো সফরের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের মধ্যে এক দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব উদযাপন করা আমাদের জন্য আনন্দ ও সম্মানের বিষয় ছিল। আমাদের দেশগুলোর মধ্যে এই মৈত্রী যুদ্ধের কঠিন অগ্নিপরীক্ষায় তৈরি হয়েছে এবং ইতিহাসের চড়াই-উতরাইয়ের মাধ্যমে শক্তিশালী হয়েছে। ইনচন ল্যান্ডিং থেকে শুরু করে পর্ক চপ হিল পর্যন্ত আমেরিকান এবং দক্ষিণ কোরীয় সৈন্যরা একসাথে লড়াই করেছে, ত্যাগ স্বীকার করেছে এবং বিজয়ী হয়েছে। প্রায় ৬৭ বছর আগে ১৯৫১ সালের বসন্তে তাঁরা এই শহরের যা কিছু অবশিষ্ট ছিল তা পুনরুদ্ধার করেছিলেন, যেখানে আজ আমরা গর্বের সাথে সমবেত হয়েছি। কমিউনিস্টদের কাছ থেকে এই রাজধানী পুনরুদ্ধারের জন্য এক বছরের মধ্যে দ্বিতীয়বার আমাদের সম্মিলিত বাহিনী ব্যাপক হতাহতের শিকার হয়েছিল। পরবর্তী সপ্তাহ এবং মাসগুলোতে সেই সৈন্যরা উঁচু পাহাড় এবং রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে এগিয়ে গিয়েছিলেন। মাঝে মাঝে পিছিয়ে গেলেও তাঁরা উত্তরের দিকে অগ্রসর হওয়ার সংকল্প বজায় রেখেছিলেন এবং সেই রেখা তৈরি করেছিলেন যা আজ শোষিত ও স্বাধীনদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করে রেখেছে। এবং সেখানে আমেরিকান ও দক্ষিণ কোরীয় সৈন্যরা প্রায় সাত দশক ধরে সেই রেখাটি একসাথে ধরে রেখেছে।
** ডোনাল্ড ট্রাম্প, সিউল ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে প্রদত্ত বক্তব্য (৮ নভেম্বর ২০১৭)।
* ১৯৫৩ সালে যখন যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, ততদিনে কোরিয়া যুদ্ধে ৩৬,০০০-এর বেশি আমেরিকান মারা গিয়েছিলেন এবং ১,০০,০০০-এর বেশি গুরুতর আহত হয়েছিলেন। তাঁরা বীর এবং আমরা তাঁদের সম্মান জানাই। আপনাদের দেশের মানুষ তাঁদের স্বাধীনতার জন্য যে ভয়াবহ মূল্য দিয়েছেন তাও আমরা মনে রাখি এবং সম্মান জানাই। সেই নৃশংস যুদ্ধে আপনারা লক্ষ লক্ষ সাহসী সৈন্য এবং অসংখ্য নিরপরাধ বেসামরিক মানুষকে হারিয়েছেন। এই সিউল শহরের বেশিরভাগ অংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল। দেশের বড় একটি অংশ এই ভয়াবহ যুদ্ধের ক্ষত বহন করছিল। এই জাতির অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু পুরো বিশ্ব জানে যে পরবর্তী দুই প্রজন্মের মধ্যে এই উপদ্বীপের দক্ষিণ অংশে অলৌকিক কিছু ঘটেছে। পরিবারে পরিবারে, শহরে শহরে দক্ষিণ কোরিয়ার মানুষ এই দেশটিকে আজকের বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ জাতি হিসেবে গড়ে তুলেছে। এবং আমি আপনাদের অভিনন্দন জানাই। এক জীবনেরও কম সময়ের মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়া সম্পূর্ণ ধ্বংসাবস্থা থেকে পৃথিবীর অন্যতম ধনী দেশে পরিণত হয়েছে। আজ আপনাদের অর্থনীতি ১৯৬০ সালের তুলনায় ৩৫০ গুণেরও বেশি বড়। বাণিজ্য বেড়েছে ১৯০০ গুণ। গড় আয়ু মাত্র ৫৩ বছর থেকে বেড়ে আজ ৮২ বছরেরও বেশি হয়েছে।
** ডোনাল্ড ট্রাম্প, সিউল ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে প্রদত্ত বক্তব্য (৮ নভেম্বর ২০১৭)।
* স্টালিনের শেষ "তৃতীয় বিশ্ব" অভিযান অর্থাৎ কোরিয়া যুদ্ধ প্রমাণ করে যে তিনি তাঁর শেষ বছরগুলোতে তাত্ত্বিকভাবে কতটা কঠোর হয়ে উঠেছিলেন। উত্তর কোরিয়া সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে সংযুক্ত থাকা এবং সহায়তা পাওয়া সত্ত্বেও কিম ইল সুং-এর অধীনে থাকা সমাজতন্ত্র দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হবে না ভেবে স্টালিন ১৯৫০ সালের শুরুর দিকে দাবি করেন যে—"দক্ষিণ আজ হোক বা কাল উত্তরের ওপর আক্রমণ চালানোর বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং এই আগ্রাসন রোধ করা অত্যন্ত জরুরি ছিল।" কিমকে দক্ষিণ কোরিয়ার মার্কিন সমর্থিত শাসনের ওপর আক্রমণের সবুজ সংকেত দেওয়ার সময় স্টালিন পূর্বে সমাজতান্ত্রিক শিবিরের উল্লেখযোগ্য শক্তির কথা উল্লেখ করেন: চীনা বিপ্লবের বিজয়, সোভিয়েত ও চীনের মধ্যে মৈত্রী চুক্তি এবং সোভিয়েতের পারমাণবিক বোমা অর্জন। সেই সাথে তিনি প্রতিক্রিয়াশীল শিবিরের দুর্বলতার দিকেও ইঙ্গিত করেন: চীনা বিষয়ে আমেরিকার হস্তক্ষেপের লজ্জাজনক পরাজয়, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় পশ্চিমা সমস্যা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নয়নে সেদেশের শাসক ও তাদের আমেরিকান প্রভুদের ব্যর্থতা। স্টালিনের কাছে কিমের যুদ্ধকে পরোক্ষ সমর্থন দেওয়া ছিল ইউরোপ, বলকান ও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের "অসাধু, বিশ্বাসঘাতক এবং অহংকারী আচরণ" এবং বিশেষ করে ন্যাটো গঠনের সিদ্ধান্তের প্রতিশোধ নেওয়ার একটি উপায়। কোরিয়া বিপ্লবের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ নয়, বরং হতাশা থেকেই স্টালিন সামরিক শক্তির মাধ্যমে কিমের পুনর্মিলন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। সোভিয়েত পররাষ্ট্রনীতির দায়িত্বে থাকা অনেক কমিউনিস্ট বুঝতে পেরেছিলেন যে কোরিয়া যুদ্ধ প্রমাণ করেছে স্টালিন এই আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন যে তৃতীয় বিশ্বের সামাজিক প্রক্রিয়াগুলো নিজে থেকেই সমাজতন্ত্রের দিকে নিয়ে যাবে। এমনকি উত্তর কোরিয়ার মতো সেরা ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও তৃতীয় বিশ্বের কমিউনিজমের প্রাথমিক উদ্দেশ্য হওয়া উচিত ছিল বিশ্বব্যাপী শীতল যুদ্ধে সোভিয়েতের স্বার্থ রক্ষা করা। কারণ যে সুনির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তাঁরা নিজেরা একটি সফল সামাজিক পরিবর্তন ঘটাতে পারতেন, তা ছিল অত্যন্ত সংকীর্ণ। এটি ছিল এমন যে স্টালিন নিজে এক দেশে সমাজতন্ত্রের সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠে অন্যদের জন্য সেই সিঁড়িটি লাথি মেরে সরিয়ে দিচ্ছেন।
** ওড আর্ন ওয়েস্টাড, "দ্য গ্লোবাল কোল্ড ওয়ার" (২০১২), পৃষ্ঠা ৬৬।
* কোরিয়া যুদ্ধ এবং এর প্রভাব ছিল সম্ভবত শীতল যুদ্ধের সবচেয়ে বড় বিপর্যয়। এটি একটি দেশকে ধ্বংস করে দিয়েছিল এবং একটি জাতিকে শৃঙ্খলিত করেছিল। এর প্রত্যক্ষ ফলাফল আজও আমাদের মাঝে বিদ্যমান এবং ভবিষ্যতেও দীর্ঘকাল বজায় থাকবে। আর সবচেয়ে বড় কথা হলো, এটি ছিল সম্পূর্ণ পরিহারযোগ্য একটি যুদ্ধ—যা কোরীয়দের মধ্যে তীব্র আদর্শিক সংঘাত এবং একটি শীতল যুদ্ধের কাঠামোর কারণে সৃষ্টি হয়েছিল, যা পরাশক্তিগুলোর হস্তক্ষেপকে সম্ভব করে তুলেছিল। কোরিয়া যুদ্ধ ছিল শীতল যুদ্ধের সংঘাতের সবচেয়ে ভয়াবহ প্রতীক। চরম, বর্বর এবং আপাতদৃষ্টিতে অন্তহীন এই যুদ্ধ কোরিয়াকে এক জনশূন্য প্রান্তরে পরিণত করেছিল এবং সারা বিশ্বের মানুষকে ভাবিয়ে তুলেছিল যে তাদের দেশও কি পরবর্তী এমন কোনো বিপর্যয়ের শিকার হতে যাচ্ছে কি না। ফলে এটি বিশ্বজুড়ে শীতল যুদ্ধকে আরও তীব্র ও সামরিকায়িত করে তুলেছিল।
** ওড আর্ন ওয়েস্টাড, "দ্য কোল্ড ওয়ার: আ ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রি" (২০১৭)।
* উত্তর কোরিয়ার (DPRK) পক্ষে কোরিয়া যুদ্ধে হস্তক্ষেপ করার চীনের সিদ্ধান্তের ঐতিহাসিক শিকড় ছিল। এটি ছিল চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (CCP) সাথে বিদেশী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর (বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) প্রতি গড়ে ওঠা দীর্ঘদিনের শত্রুতা এবং তাদের পক্ষ থেকে আসা হুমকির আশঙ্কার এক স্বাভাবিক পরিণতি। গত এক শতাব্দী বা তারও বেশি সময় ধরে, একটি শান্ত, আত্মনির্ভরশীল এবং সন্তুষ্ট "মিডল কিংডম" বা মধ্য-রাজ্য বিদেশী আগ্রাসনের ফলে আধা-উপনিবেশে পরিণত হয়েছিল। এর জনগণ বারবার নিগৃহীত হয়েছে এবং এর জাতীয় মর্যাদা—যা নিয়ে কনফুসীয় বুদ্ধিজীবীরা হাজার হাজার বছর ধরে গর্ব করে এসেছেন—তা অপমানজনকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছিল।
** হাও ইউফান এবং ঝাই ঝিহাই, "চায়নাস ডিসিশন টু এন্টার দ্য কোরিয়ান ওয়ার: হিস্ট্রি রিভিজিটেড", দ্য চায়না কোয়ার্টারলি (মার্চ ১৯৯০)।
== ১৯৫৪ সালে ম্যাকার্থারের সাক্ষাৎকারের বিবরণ (নিউ ইয়র্ক টাইমস, ৯ এপ্রিল ১৯৬৪) ==
* আমার জীবনের সমস্ত অভিযানের মধ্যে (সুনির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে ২০টি বড় অভিযান), যেটির বিষয়ে আমি সবচেয়ে বেশি নিশ্চিত ছিলাম সেটি থেকেই আমাকে বঞ্চিত করা হয়েছিল। আমি সর্বোচ্চ ১০ দিনের মধ্যে কোরিয়া যুদ্ধে জয়লাভ করতে পারতাম, যেখানে তথাকথিত যুদ্ধবিরতি চলাকালীন সময়ের চেয়েও অনেক কম হতাহত হতো; এবং এটি ইতিহাসের গতিপথ বদলে দিত।
* প্রথমেই শত্রুর বিমান শক্তি ধ্বংস করা হতো। ইয়ালু নদীর ওপার থেকে মাঞ্চুরিয়ার গলার মতো সরু অংশে—আন্তুন (কোরিয়ার উত্তর-পশ্চিম প্রান্ত) থেকে হুনচুন (সোভিয়েত সীমান্তের কাছে কোরিয়ার উত্তর-পূর্ব প্রান্ত) পর্যন্ত ছড়িয়ে থাকা শত্রুর বিমান ঘাঁটি ও অন্যান্য ডিপোগুলোর ওপর আমি ৩০ থেকে ৫০টি পারমাণবিক বোমা ফেলতাম। অন্ধকারে এই বোমাগুলো ফেললে মাটিতেই শত্রুর বিমান বাহিনী ধ্বংস হয়ে যেত এবং তাদের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা ও বৈমানিকদের নিশ্চিহ্ন করে দিত। তাদের পুনরায় সংগঠিত হওয়ার একমাত্র উপায় হতো একমুখী ট্রান্স-সাইবেরিয়ান রেলপথ। এটি একটি চমৎকার রেলপথ হলেও, শত্রুর বিমান বাহিনীকে পর্যাপ্ত সময়ের মধ্যে পুনর্গঠন করার মতো প্রয়োজনীয় মালামাল বহন করার ক্ষমতা এর ছিল না।
* শত্রুর বিমান শক্তি ধ্বংস করার পর আমি চিয়াং কাই-শেকের ৫,০০,০০০ সৈন্য তলব করতাম, যাদের সাথে মার্কিন মেরিনদের দুটি ডিভিশন যুক্ত থাকত। এদের নিয়ে দুটি নৌ-অভিযান বাহিনী গঠন করা হতো। একটি বাহিনী আন্তুনে অবতরণ করে ইয়ালু নদীর সমান্তরাল রাস্তা দিয়ে পূর্ব দিকে অগ্রসর হতো। অন্য বাহিনীটি একই সাথে উঙ্গি বা নাজিনে অবতরণ করে খুব দ্রুত পশ্চিম দিকে এগোত। দুই দিনের মধ্যে এই বাহিনীগুলো একত্রিত হয়ে কোরিয়ার উত্তর সীমান্ত জুড়ে জনবল ও অগ্নিনির্বাপক শক্তির এক দেয়াল তৈরি করে ফেলত।
* ইয়ালু নদী পার হয়ে কোনো রসদ বা সৈন্য আসতে পারত না। উত্তর কোরিয়া, যেখানে শত্রুর ১০ থেকে ১৫ লক্ষ সৈন্য ছিল, তারা টিকে থাকতে পারত না। কারণ ততদিনে সেখান থেকে সব রসদ সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। অবতরণের ১০ দিনের মধ্যেই শত্রুপক্ষ অনাহারে মারা যেত। আমার ধারণা, তাদের বিমান শক্তি ধ্বংস হওয়ার পর এবং আমরা তাদের রসদ সরবরাহের পথ দখল করে নেওয়ার খবর পাওয়ার পরপরই তারা শান্তির জন্য আবেদন করত।
* আপনারা প্রশ্ন করতে পারেন যে, শত্রুর বিশাল বাহিনী যাতে ইয়ালু পার হয়ে আসতে না পারে সেজন্য কী ব্যবস্থা ছিল। আমার পরিকল্পনা ছিল—আমাদের বাহিনীগুলো দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় আমাদের পেছনে জাপান সাগর থেকে পীত সাগর পর্যন্ত তেজস্ক্রিয় কোবাল্টের একটি বলয় বা বেল্ট ছড়িয়ে দেওয়া। এটি ওয়াগন, ঠেলাগাড়ি, ট্রাক এবং বিমান থেকে ছড়ানো যেত। এটি খুব ব্যয়বহুল কোনো উপাদান নয়। এর সক্রিয় আয়ুষ্কাল ৬০ থেকে ১২০ বছরের মধ্যে। ফলে অন্তত ৬০ বছর উত্তর দিক থেকে কোরিয়ায় কোনো স্থল আক্রমণ হতে পারত না। শত্রু সেই তেজস্ক্রিয় বলয় অতিক্রম করে আসতে পারত না।
== "দ্য জেনারেল বনাম দ্য প্রেসিডেন্ট" (২০১৬) ==
* ভার্জিনিয়ার ডেমোক্র্যাট হ্যারি বার্ড ওমার ব্র্যাডলিকে মাঞ্চুরিয়া এবং উত্তর কোরিয়ার কাছাকাছি রুশ শক্তির বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেন। ব্র্যাডলি স্পষ্টভাবে উত্তর দেন, "দূরপ্রাচ্যে ৩৫টি রুশ ডিভিশন রয়েছে। এর মধ্যে ৯টি ভ্লাদিভোস্তক এলাকায়; ৪টি পোর্ট আর্থার-ডাইরেন এলাকায়; ৩টি সাখালিনে; ২টি কুরিল দ্বীপপুঞ্জে; ১টি কামচাটকার কাছে; এবং বাকি ১৬টি বৈকাল হ্রদ থেকে পূর্ব দিকে রেলপথের পাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।"
* "সব মিলিয়ে প্রায় ৫,০০,০০০?" বার্ড জিজ্ঞাসা করলেন। ব্র্যাডলি উত্তর দিলেন, "৩৫টি ডিভিশন এবং সহযোগী সৈন্য মিলিয়ে সম্ভবত ৫,০০,০০০ বা তার বেশি।" (ব্র্যাডলির এই মন্তব্যগুলো ট্রান্সক্রিপ্ট প্রকাশের সময় মুছে ফেলা হয়েছিল)।
* বার্ড জিজ্ঞাসা করেছিলেন, যদি এই ৫,০০,০০০ সৈন্য যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং শত্রুর সাবমেরিনগুলো আমাদের সৈন্যদের সরিয়ে নেওয়ার পথে আক্রমণ চালায়, তবে কী হবে? ব্র্যাডলি উত্তর দিয়েছিলেন: "রাশিয়া যদি তার এই বিশাল সেনাবাহিনী, শক্তিশালী নৌবাহিনী (বিশেষ করে সাবমেরিন) এবং বিমান বাহিনী নিয়ে যুদ্ধে নামে—তবে কোরিয়ায় আমাদের সৈন্যদের রসদ সরবরাহ করা কঠিন হয়ে পড়বে এবং এমনকি নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তাদের সরিয়ে নেওয়াও দুষ্কর হবে।"
* রাশিয়ার কতগুলো সাবমেরিন কোরিয়ার কাছাকাছি ছিল? ব্র্যাডলি বলেছিলেন, "প্রায় ৮৫টি।" যদি তারা সক্রিয় হয়, তবে কি সৈন্যদের সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হতো? ব্র্যাডলি নিশ্চিত করেছিলেন যে পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ হতো। রুশ হস্তক্ষেপের বৃহত্তর পরিণতি সম্পর্কে তিনি বলেছিলেন, "চীনাদের ব্যবহারের মাধ্যমে তাদের পক্ষে ইন্দোচীন, সিয়াম (থাইল্যান্ড), বার্মা এবং সম্ভবত ভারত দখল করে নেওয়ার ক্ষমতা বা সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া তারা হংকং এবং মালয় উপদ্বীপও দখল করে নিতে পারত।"
** এইচ.ডব্লিউ. ব্র্যান্ডস, "দ্য জেনারেল ভার্সেস দ্য প্রেসিডেন্ট" (২০১৬)।
* হ্যারি ট্রুম্যান প্রশাসনের উত্তর-পূর্ব এশিয়ায় যুদ্ধ বাড়িয়ে না দেওয়ার পেছনের একটি মৌলিক কারণ ছিল—প্রকৃতপক্ষে যুদ্ধের পরিধি বাড়ানোর মতো পর্যাপ্ত শক্তি তখন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে ছিল না। বিশেষ করে মার্কিন বিমানবাহিনী তখন চরম সংকটে ছিল। বিমানবাহিনীর চিফ অফ স্টাফ হোয়াইট ভ্যানডেনবার্গ কমিটিকে জানিয়েছিলেন যে, কোরিয়া যুদ্ধ ইতিমধ্যে আমেরিকার উপলব্ধ বিমান শক্তির একটি বিশাল অংশ গ্রাস করে ফেলেছে। তিনি বলেন, "কোরিয়ায় নিয়োজিত বিমানবাহিনীর অংশটি যুক্তরাষ্ট্রের মোট ট্যাকটিক্যাল ক্ষমতার প্রায় ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ। স্ট্র্যাটেজিক অংশের প্রায় চার-ভাগের এক-ভাগ বা পাঁচ-ভাগের এক-ভাগ অংশ ট্যাকটিক্যাল কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।"
* ভ্যানডেনবার্গ সিনেটরদের রুদ্ধদ্বার বৈঠকে জানিয়েছিলেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনী আসলে একটি "শু স্ট্রিং" (Shoestring) বা অত্যন্ত সীমিত সামর্থ্যের বাহিনী। তিনি বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, কোরিয়ার মতো একটি ছোট এবং তুলনামূলক গুরুত্বহীন দেশ আমেরিকার বিমান সম্পদের এক আশঙ্কাজনক অংশ শুষে নিচ্ছে। তাঁর মতে, চীনের বিশাল বিস্তৃতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ বাড়ানো হবে চরম হঠকারিতা, কারণ কোরিয়ায় নিয়োজিত বিশাল শক্তিও চীনের প্রেক্ষাপটে হবে "সাগরে এক ফোঁটা শিশিরের মতো"।
** এইচ.ডব্লিউ. ব্র্যান্ডস, "দ্য জেনারেল ভার্সেস দ্য প্রেসিডেন্ট" (২০১৬)।
* জর্জিয়া থেকে নির্বাচিত ডেমোক্র্যাট হ্যারি বার্ড এবং ওয়াল্টার জর্জ ম্যাকার্থারের দাবির প্রতিধ্বনি করে বলেছিলেন যে, চীন আমাদের বিরুদ্ধে তাদের সর্বোচ্চ শক্তি ব্যবহার করছে, অথচ ম্যাকার্থারকে একটি "সীমিত যুদ্ধ" করতে হচ্ছে—এটি অন্যায়। ওমার ব্র্যাডলি এর জবাবে জানান যে, ধারণাটি ভুল এবং ম্যাকার্থারের দাবি বিভ্রান্তিকর। চীনারা মোটেও তাদের পূর্ণ শক্তি দিয়ে লড়ছে না। ব্র্যাডলি বলেন, "তারা আমাদের সম্মুখ সারির সৈন্য, যোগাযোগ ব্যবস্থা বা কোরিয়ার বন্দরগুলোর বিরুদ্ধে বিমান শক্তি ব্যবহার করেনি; এমনকি জাপানে আমাদের ঘাঁটি বা নৌবাহিনীর ওপরও কোনো বিমান হামলা চালায়নি।" চীনের এই সংযমই কোরিয়ায় আমেরিকান এবং জাতিসংঘের বাহিনীর টিকে থাকার প্রধান কারণ ছিল। ব্র্যাডলি স্পষ্ট করেন যে, যুদ্ধের এই "সীমিত" প্রকৃতি চীনের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জন্যই বেশি সুবিধাজনক ছিল।
** এইচ.ডব্লিউ. ব্র্যান্ডস, "দ্য জেনারেল ভার্সেস দ্য প্রেসিডেন্ট" (২০১৬)।
== রবার্ট জার্ভিস, "শীতল যুদ্ধের ওপর কোরিয়া যুদ্ধের প্রভাব" (১৯৮০) ==
* ১৯৪০-এর দশকের শেষের দিকে বেশিরভাগ কর্মকর্তার কাছে যুদ্ধের বিপদ সম্পর্কে একটি মিশ্র বা অসংলগ্ন ধারণা ছিল। রাশিয়াকে তারা একই সাথে হুমকি মনে করত আবার দুর্বলও ভাবত; তারা সম্প্রসারণবাদী কিন্তু সতর্ক। কোরিয়া যুদ্ধ এই ধারণাকে বদলে দেয়। তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জনসন কংগ্রেসের শুনানিতে বলেছিলেন: "এই আগ্রাসনই অকাট্য প্রমাণ যে আন্তর্জাতিক কমিউনিজমের কেবল ইচ্ছাই নয়, বরং যেকোনো মুক্ত জাতিকে আক্রমণ করার সংকল্পও রয়েছে। তারা মনে করে যে তারা পার পেয়ে যাবে। কোরিয়া যুদ্ধের প্রকৃত তাৎপর্য হলো—এমনকি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর ঝুঁকি নিয়ে হলেও কমিউনিজম সশস্ত্র আগ্রাসনের আশ্রয় নিতে পিছপা হবে না।"
** পি. ৫৭৯।
* কমিউনিস্ট হুমকি আরও প্রকট হয়ে দেখা দিয়েছিল এবং কোরিয়ায় যুদ্ধরত সৈন্যদের বজায় রাখার জন্য বিশাল অংকের অর্থের প্রয়োজন ছিল। তদুপরি, প্রতিরক্ষা বাজেট যখন একবার পুরনো সীমা ছাড়িয়ে আকাশচুম্বী হলো এবং তাতেও অর্থনীতি ভেঙে পড়ল না, তখন এই বাজেট বৃদ্ধির প্রতি থাকা বেশিরভাগ বাধাই অপসারিত হলো। ফলে বর্ধিত হুমকির বোধ থেকে পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়েছিল। দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনটি ছিল ন্যাটোর সামরিকায়ন; এটি কেবল আমেরিকার একটি প্রতীকী প্রতিশ্রুতি সংবলিত কাগুজে সংগঠন থেকে সোভিয়েত আক্রমণ প্রতিহত করতে সক্ষম একটি বাহিনীতে রূপান্তরিত হলো। এখানেও কোরিয়া যুদ্ধ অনেক নীতি-নির্ধারকের দ্বিধা দূর করে দিয়েছিল এবং এমন একটি নীতি গ্রহণে সহায়তা করেছিল যা তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ আগেই পছন্দ করতেন। এনএসসি-৬৮ যুক্তি দিয়েছিল যে, যেহেতু রুশরা সম্প্রসারণের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি নিতে ইচ্ছুক এবং অচিরেই তাদের কাছে উল্লেখযোগ্য পারমাণবিক মজুত থাকবে, তাই পশ্চিমের প্রচলিত প্রতিরক্ষা সক্ষমতা প্রয়োজন। কোরিয়া এই পয়েন্টটি প্রমাণ করেছিল—আমেরিকার পারমাণবিক অস্ত্র এবং সামরিক ভিত্তি থাকা সত্ত্বেও রুশরা একটি ছোট পুরস্কার পাওয়ার চেষ্টা করেছিল; যদি স্থানীয় এই ভারসাম্যহীনতা সংশোধন করা না হতো, তবে তারা কি আরও বড় কিছু পাওয়ার প্রলোভনে পড়ত না? তদুপরি, কোরিয়া যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সৈন্য সমাবেশের যে ঘাটতি দেখা গিয়েছিল, তা ছিল এক তিক্ত শিক্ষা। পর্যাপ্ত জনবল পৌঁছানোর আগেই মিত্রবাহিনীকে প্রায় উপদ্বীপ থেকে হঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল, আর একই ঘটনা ইউরোপেও ঘটতে পারত।
** পৃষ্ঠা ৫৮০।
* কোরিয়া যুদ্ধ দেখিয়েছিল যে "সীমিত যুদ্ধ" সম্ভব। যদি অনুরূপ ঘটনা আবারও ঘটে, তবে আমেরিকান বা স্থানীয় প্রচলিত বাহিনীর প্রয়োজন হবে। অবশ্যই, সীমিত যুদ্ধ করার চেয়ে তা এড়িয়ে চলা ভালো এবং কোরিয়া এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দিয়েছিল। কোরিয়াকে রক্ষা করবে না—এমন একটি শক্তিশালী ইঙ্গিত দিয়ে (মূলত নীতি-নির্ধারকরা মনে করেছিলেন সেখানে আক্রমণ কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা হবে না) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজেই আক্রমণকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। ভবিষ্যতে তারা আর এই একই ভুল করতে চায়নি; তারা হুমকির মুখে থাকা এলাকাগুলোতে নিজেদের প্রতিশ্রুতি বাড়িয়ে দেয়, শক্তির মোকাবিলা শক্তিতে করার মাধ্যমে নিজেদের সুনাম বাজি রাখে এবং এভাবে হঠকারিতা রোধ করার চেষ্টা করে। সিয়াটো, সেন্টো এবং গ্রিস ও তুরস্ককে ন্যাটোর সদস্যপদ দেওয়া মূলত এই নীতিরই অনুসারী ছিল।
** পৃষ্ঠা ৫৮১।
* কোরিয়ায় আক্রমণের প্রথম সন্ধ্যায়, ট্রুম্যান চীনা কমিউনিস্টরা কেমন প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে সেদিকে বিশেষ নজর না দিয়েই সপ্তম নৌবহরকে ফরমোসা (তাইওয়ান) এবং মূল ভূখণ্ডের মাঝে মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেন। দীর্ঘ সময় পর এখন এটি অবাক হওয়ার মতো কিছু নয় যে, চীনারা একটি বিকল্প শাসনের অনির্দিষ্টকাল টিকে থাকার সম্ভাবনায় ক্ষুব্ধ হয়েছিল যা তাদের ক্ষমতা ও বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করছিল। কিন্তু মার্কিন নেতারা তখন বুঝতে ব্যর্থ হয়েছিলেন যে তাঁদের এই পদক্ষেপ চীনের জন্য কতটা ক্ষতিকর ও হুমকিস্বরূপ ছিল। তাঁরা চীনের ক্রমবর্ধমান বৈরিতাকে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকাণ্ডের প্রতি একটি স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে না দেখে বরং একে মার্কিন স্বার্থের ক্ষতি করার জন্য চীনের অন্তর্নিহিত শত্রুতার প্রমাণ হিসেবে দেখেছিলেন। এটি লক্ষ্য করা গুরুত্বপূর্ণ যে, এই বিচারটি ভুল হলেও এটি অনুরূপ পরিস্থিতিতে অন্যান্য নীতি-নির্ধারকদের নেওয়া সিদ্ধান্তের মতোই ছিল।
** পৃষ্ঠা ৫৮২-৫৮৩।
* যুদ্ধে চীনের প্রবেশ জুনে শুরু হওয়া প্রক্রিয়াটিকে পূর্ণতা দেয়। আবারও, মার্কিন নেতারা বুঝতে পারেননি যে তাঁদের ইয়ালু নদীর দিকে অগ্রসর হওয়া চীনা নিরাপত্তাকে কতটা হুমকির মুখে ফেলছে, কারণ তাঁরা ভেবেছিলেন চীন জানে যে যুক্তরাষ্ট্র কোনো হুমকি নয়। যেমনটা অ্যাচেসন বলেছিলেন: "জাতিসংঘ বাহিনীর কোনো হুমকিমূলক উদ্দেশ্য নেই—এ বিষয়ে চীনা কমিউনিস্টদের মনে সন্দেহের কোনো অবকাশ থাকতে পারে না।" যেহেতু চীনের পাল্টা আক্রমণকে আত্মরক্ষা হিসেবে দেখা হয়নি, তাই এর ব্যাখ্যা হিসেবে চীনের অযাচিত শত্রুতাকেই সামনে আনা হয়েছিল। তদুপরি, ডিন রাস্ক, জন ডেভিস এবং এডমন্ড ক্লাবের মতে, চীনের এই হস্তক্ষেপ কেবল সোভিয়েত স্বার্থ রক্ষা করেছিল এবং এটি প্রমাণ করেছিল যে দেশটি রাশিয়া দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এমনকি সোভিয়েত ইউনিয়ন যদি চীনকে লড়াই করার আদেশ নাও দিয়ে থাকত, তবুও দুই দেশের উদ্দেশ্য ছিল সমান্তরাল এবং ভবিষ্যতে তারা একসাথে কাজ করবে। তারা ছিল একটি ব্লক, আর তাদের একজনের শক্তি বৃদ্ধি মানেই অন্যজনের লাভ। এর মানে এই নয় যে, কোরিয়া যুদ্ধ না হলে চীনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সুসম্পর্ক থাকত। ১৯৫০ সালের শুরুর দিকেই মার্কিন সরকার চীনকে একটি হুমকি হিসেবে দেখছিল এবং তাদের অবস্থান কঠোর করছিল। অনেকেই ফরমোসার পতন রোধ করতে চেয়েছিলেন এবং প্রায় সবাই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় কমিউনিস্ট সম্প্রসারণ ঠেকাতে চেয়েছিলেন। প্রশাসন তখন আত্মরক্ষামূলক অবস্থানে ছিল এবং জনমতের একটি বড় অংশ তাদের বিরুদ্ধে ছিল, যারা "চীনকে হারানো"র জন্য প্রশাসনকে দায়ী করছিল এবং নতুন শাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে চাচ্ছিল।
** পৃষ্ঠা ৫৮৩।
* সবশেষে আমাদের লক্ষ্য করা উচিত যে, শীতল যুদ্ধের প্রথাগত ব্যাখ্যা—যা ট্রুম্যানের এই দৃষ্টিভঙ্গিকে সমর্থন করে যে কোরিয়া ছিল আমেরিকার সংকল্প পরীক্ষার জন্য সোভিয়েতের একটি নকশা—তা ইঙ্গিত দেয় যে কোরিয়ার পরিবর্তে অন্য অনেক বিকল্পও থাকতে পারত। এই যুদ্ধের অনুপস্থিতিতে সোভিয়েতরা অন্য কোনো যুদ্ধক্ষেত্র বেছে নিত। রুশদের বিশ্ব আধিপত্য বিস্তার রোধ করতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকে লড়াই করতে হতো এবং কোরিয়ার মতোই নিজের অবস্থান পুনর্গঠন করতে হতো। যদিও এই তত্ত্বের পূর্ণ পরীক্ষা এই নিবন্ধের পরিধির বাইরে, তবে আমাদের লক্ষ্য করা উচিত যে খুব কম ইতিহাসবিদই এখন এটি সমর্থন করেন। এমনকি যুদ্ধটি যদি রাশিয়ার পরিকল্পনাতেও হয়ে থাকে—যা নিয়ে তীব্র বিতর্ক রয়েছে—তবুও এর কারণ ছিল স্থানীয় প্রেক্ষাপটের সাথে যুক্ত। যদি এটি না ঘটত, তবে সোভিয়েতরা অন্য কোথাও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এভাবে সশস্ত্র চ্যালেঞ্জ জানাত বলে মনে হয় না।
** পৃষ্ঠা ৫৮৮।
* যদি কোরিয়া যুদ্ধ উচ্চ প্রতিরক্ষা বাজেট, ন্যাটোর সামরিকায়ন এবং আমেরিকার প্রতিশ্রুতির বিস্তারের মতো শীতল যুদ্ধের চূড়ান্ত দিকগুলো তৈরি করে থাকে, এবং যদি কোরিয়া যুদ্ধ একটি "দুর্ঘটনা" হয়ে থাকে, তবে শীতল যুদ্ধের বেশিরভাগ ঘটনার জন্য দ্বিমেরু বিশ্ব ব্যবস্থা বা যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থা যথেষ্ট ব্যাখ্যা নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন হয়তো "অবস্থানগত শত্রু" ছিল, কিন্তু এর জন্য বিশ্বব্যাপী প্রতিশ্রুতির বিস্তার বা প্রতিটি স্থানীয় সংঘাতকে পরাশক্তিদের শক্তির পরীক্ষা হিসেবে দেখার প্রয়োজন ছিল না। একই ধরনের সমস্যা সেই তত্ত্বগুলোর ক্ষেত্রেও দেখা দেয় যা আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার চেয়ে আমেরিকার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেয়। যেমন অ্যামব্রোসের মতে, ১৯৫০ সালের জুনের মধ্যে একগুচ্ছ জরুরি প্রয়োজন একসাথে জড়ো হয়েছিল। এনএসসি-৬৮ কর্মসূচি সফল করতে ট্রুম্যানের একটি সংকট দরকার ছিল; আমেরিকার প্রতিশ্রুতি ছাড়া চিয়াং কাই-শেক ফরমোসায় বা রি দক্ষিণ কোরিয়ায় টিকে থাকতে পারতেন না; জাপানে নিজেদের ঘাঁটি বজায় রাখার যৌক্তিকতা প্রমাণের জন্য মার্কিন বিমান ও নৌবাহিনীর একটি কারণ প্রয়োজন ছিল; আর ডেমোক্র্যাটদের ম্যাকার্থিবাদীদের কাছে প্রমাণ করতে হতো যে তারা ইউরোপের মতো এশিয়াতেও কমিউনিস্টদের মোকাবিলা করতে সক্ষম। এই সমস্ত প্রয়োজন ১৯৫০ সালের ২৫ জুন পূরণ হয়েছিল।
** পৃষ্ঠা ৫৮৯।
* একইভাবে কোলকো এবং কোলকো যুক্তি দেন যে, "শেষ বিচারে একটি সমাজের লক্ষ্য তার বস্তুগত প্রয়োজনের প্রতিফলন ঘটায়।" যেহেতু আমেরিকা একটি পুঁজিবাদী দেশ, তাই এই লক্ষ্যগুলো "সর্বদাই তার শ্রেণি কাঠামো এবং শ্রেণিগত প্রয়োজনের প্রতিফলন ঘটিয়েছে।" ১৯৫০ সালের বসন্তের মধ্যে আমেরিকার অর্থনীতি টালমাটাল হয়ে পড়ছিল এবং পশ্চিম ইউরোপের ওপর আমেরিকার নিয়ন্ত্রণ হুমকির মুখে ছিল। "অন্যান্য উপায় ব্যর্থ হওয়ায়, একজন রক্ষণশীল পুঁজিবাদী অর্থনীতিবিদ—এবং রাজনৈতিকভাবে কংগ্রেসের জন্য—একমাত্র গ্রহণযোগ্য ধারাবাহিক সরকারি ব্যয় ছিল সমরাস্ত্রের পেছনে।" ওয়াশিংটন যদি তার দ্বিধা দূর করতে চাইত, তবে "পুনরায় অস্ত্রসজ্জিত হওয়ার এই কৃত্রিম উদ্দীপনার জন্য বিশ্বের কোথাও না কোথাও একটি সংকটের যৌক্তিকতা প্রয়োজন ছিল।" আমরা যেমন দেখেছি, লাফেবার শুরুতে যুক্তি দিয়েছিলেন যে কোরিয়া যুদ্ধ যখন শুরু হয়, তখন এনএসসি-৬৮ "বাস্তবায়ন করা হচ্ছিল"। যদি বিষয়টি তেমন হতো, তবে সংশোধনবাদ বা দ্বিমেরু বিশ্ব ব্যবস্থার বাধ্যতামূলক প্রকৃতির পক্ষে যুক্তি আরও শক্তিশালী হতো। তবে বাস্তবে তা ছিল না; আর কোরিয়া যুদ্ধ ছাড়া এই ধরনের বাস্তবায়ন ঘটার সম্ভাবনাও ছিল না বললেই চলে।
** পৃষ্ঠা ৫৮৯-৫৯০।
== আরও দেখুন ==
* [[w:bn:উত্তর কোরিয়া|উত্তর কোরিয়া]]
* [[w:bn:দক্ষিণ কোরিয়া|দক্ষিণ কোরিয়া]]
* [[w:bn:জাতিসংঘ|জাতিসংঘ]]
* [[w:bn:নো গুন রি হত্যাকাণ্ড|নো গুন রি হত্যাকাণ্ড]]
* [[w:bn:শীতল যুদ্ধ|শীতল যুদ্ধ]]
== বহিঃসংযোগ ==
* {{wikipedia-inline|কোরীয় যুদ্ধ}}
[[Category:কোরীয় যুদ্ধ| ]]
dyk0r3hefydjdjo2okyyhaabrdzqe0a
আরিফ আজাদ
0
12000
74083
73649
2026-04-06T10:18:14Z
Oindrojalik Watch
4169
/* তাঁর সম্পর্কে উক্তি */ সংশোধন
74083
wikitext
text/x-wiki
'''আরিফ আজাদ''' (জন্ম: ৭ জানুয়ারি ১৯৯০) একজন সমকালীন বাংলাদেশী মুসলিম লেখক ও সাহিত্যিক। তিনি মূলত ধর্মতত্ত্ব, ইসলামি জীবনবোধ এবং আত্মউন্নয়নমূলক প্রবন্ধ ও উপন্যাস লিখে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। তার প্রকাশিত প্রথম বই [[w:প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ|প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ]] ২০১৭ সালে প্রকাশের পর তিনি দেশব্যাপী খ্যাতি লাভ করেন। তার বইসমূহ টানা বেশ কয়েক বছর অমর একুশে বইমেলায় বেস্টসেলার হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।
== উক্তি ==
* "বস্তুবাদী দুনিয়া সুখ বলতে আমাদের যা চেনায় তা যে আদতে মরীচিকা, সেটা বুঝতেই আস্ত একটা জীবন পার হয়ে যায়।"
** হায়াতের দিন ফুরালে, ৮ পৃষ্ঠা (ভূমিকা)।
* আমি ভীষণভাবে বিশ্বাস করি – আত্মিকভাবে নিজেকে পরিশুদ্ধ করা না গেলে কখনোই পরম পবিত্রতার সন্ধান লাভ সম্ভব নয়। আত্মার সেই শুদ্ধতার দিকে যুবক-যুবতীদের ধাবমান করতে আমি আত্মউন্নয়ন মূলক লেখায় হাত দিয়েছিলাম। যেহেতু যৌবনের সমস্যাগুলোর সাথে আমি পরিচিত, তাই এগুলোকে চিহ্নিত করা কঠিন কিছু নয়। আমি শুধু বিলিয়ে দিতে চাই সেসব সমস্যার সম্ভাব্য সঠিক চিকিৎসায়।
** এবার ভিন্ন কিছু হোক, ১৩ পৃষ্ঠা (লেখকের কথা)।
* যে আপনার শত্রুতা করে তথা আপনার ভালো চায় না এবং ক্ষতি করতে চায়, তার উপকার করা মানে এই নয় যে তাকে প্রশ্রয় দেওয়া বা তার কাছে হেরে যাওয়া, তা কিন্তু নয়। এতে বরং আপনার লাভের পরিমাণই বেশি। একটি শাশ্বত মানব জীবনের উদাহরণ আপনি তার সামনে এবং সমাজের সামনে স্থাপন করতে পারবেন।
** এবার ভিন্ন কিছু হোক, ১৬৩ পৃষ্ঠা (হৃদয়ের জানালাটা খুলে দাও না)।
* জীবনের প্রতিটি অর্জন আর ব্যর্থতাকে যদি আমরা নিক্তিতে মেপে বিশ্লেষণ করি, তবে দেখা যাবে সবকিছুর মূলে এক ধ্রুব সত্য হিসেবে জড়িয়ে আছে সময়। সময় যেমন মানুষকে তিলে তিলে গড়ে তুলতে পারে, তেমনি মুহূর্তেই সব ভেঙে চুরমার করে দিতেও সক্ষম। মূলত আমরা প্রতিনিয়ত এক অদৃশ্য ক্ষতির গহ্বরে নিমজ্জিত আছি—যা কেবল সময়ের সঠিক মূল্যায়নের মাধ্যমেই উপলব্ধি করা সম্ভব। সময় এমন এক অলৌকিক স্পর্শ, যা হয় আমাদের জীবনকে পূর্ণতায় ভরিয়ে দেয়, নয়তো অপূর্ণতার গ্লানিতে পর্যবসিত করে।
** এবার ভিন্ন কিছু হোক, ১৬৯ পৃষ্ঠা (জীবনের কম্পাস)।
* “সত্যিকারের বীরপুরুষ তো তারাই, যারা ক্ষমতা হাতে পেয়ে বিনয়ী হয়, প্রতিশোধের সমস্ত সুযোগ থাকা সত্ত্বেও যারা ক্ষমতার চাদরে মুড়িয়ে নেয় জীবন – তারাই শক্তিশালী। কদর্যতার বিপরীতে, হিংসা আর বিদ্বেষের দুনিয়ায় আপনার এহেন মহানুভবতা সমাজের অনেকের জন্য হয়ে উঠবে অনুপ্রেরণা!”
** এবার ভিন্ন কিছু হোক, ১৬৩ পৃষ্ঠা (হৃদয়ের জানালা টা খুলে দাও না)।
* সালাত হলো জীবনের এক অভেদ্য বর্ম। যতক্ষণ এই আধ্যাত্মিক সুরক্ষা-বলয় আমাদের অস্তিত্বের সাথে মিশে থাকে, ততক্ষণ বাইরের কোনো অশুভ শক্তি আমাদের আত্মাকে আহত করতে পারে না। রিপুর যাবতীয় প্ররোচনা এই বর্মে লেগে ধূলিসাৎ হয়ে যায়। সালাত যখন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়ায়, তখন কোনো মন্দ চিন্তা বা নেতিবাচক ভাবনা হৃদয়ে দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না। যদি কখনো মনের অজান্তে কোনো অশুভ চিন্তা উঁকিও দেয়, তবে সালাতের প্রভাবে সৃষ্ট অনুশোচনা তৎক্ষণাৎ সেই ভাবনাকে চেতনার জগত থেকে সমূলে মুছে ফেলার প্রবল শক্তি জোগায়।
** এবার ভিন্ন কিছু হোক, ২০ পৃষ্ঠা (আপনারে আমি খুঁজিয়া বেড়াই)।
* আত্মমুগ্ধতার মোহে পড়ে স্বয়ং ইবলিসও তার শ্রেষ্ঠত্ব হারিয়েছিল। নিজের গাঠনিক উপাদানের বড়াই করে সে মাটির তৈরি আদমকে তুচ্ছ ভেবেছিল; অথচ শ্রেষ্ঠত্বের প্রকৃত মাপকাঠি নির্ধারণের একক ক্ষমতা কেবল মহান আল্লাহর। কে শ্রেষ্ঠ হবে—আদম না ইবলিস—তা বিচারের চূড়ান্ত অধিকার অন্য কারো নয়, বরং একমাত্র স্রষ্টার হাতেই ন্যস্ত।
** এবার ভিন্ন কিছু হোক, ৬৫পৃষ্ঠা (পতনের আওয়াজ পাওয়া যায়)।
* জীবন কারো জন্য থেমে থাকে না—এই প্রচলিত ধারণাটি পুরোপুরি সত্য নয়। সময়ের স্রোত বহমান এবং একে রুদ্ধ করা অসম্ভব বলে হয়তো একজনের অনুপস্থিতিতে অন্যজনের দিনগুলো কেটে যায়; তবে সেই টিকে থাকাকে ঠিক কতটুকু 'জীবন' বলা যায়, তা বড় এক প্রশ্নসাপেক্ষ বিষয়।
** হায়াতের দিন ফুরোলে, ১২৩ পৃষ্ঠা (চাঁদের জীবন)।
* আমি জানি — জান্নাত লাভ এবং প্রিয় নবীজির সাহচর্য পাওয়া প্রতিটি বিশ্বাসী হৃদয়ের পরম আকাঙ্ক্ষা। যারা অন্তরে জান্নাতের স্বপ্ন লালন করেন এবং নবীজির সুপারিশ লাভের তীব্র বাসনায় প্রার্থনা করেন, তাদের স্মরণে রাখা উচিত রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সেই অমিয় উপদেশ—'অধিক সিজদাহর মাধ্যমে আমাকে সহায়তা করো।' অর্থাৎ, নবীজির একান্ত সান্নিধ্য পেতে হলে সিজদাহর মাধ্যমে আল্লাহর আনুগত্যে নিজেকে নিমজ্জিত করা অপরিহার্য।
** হায়াতের দিন ফুরোলে, ১৪৬ পৃষ্ঠা (বাড়তি দুটো সিজদাহ)।
* একবার ভাবুন তো—ফুলের মতো পবিত্র ও নিষ্পাপ হওয়া সত্ত্বেও শেষ রাতের আকুতিতে যদি প্রিয় নবীজি (সা.)-এর চরণে ক্লান্তি নামে, তবে পাপে জর্জরিত আমাদের এই অবাধ্য কেন প্রভুর সামনে দাঁড়াতে কুণ্ঠা পায়? আমরা জীবনের অমূল্য প্রহরগুলো অবহেলা আর ঘুমের ঘোরে বিলীন করছি, অথচ শেষ রজনীর সেই অমিয় সুধাকে আপন করে নিতে পারছি না। ইবাদতবিমুখ এই মরীচিকা-তুল্য জীবনের চূড়ান্ত গন্তব্য তবে কোন শূন্যতায়—সেটিই আজ বিশাল এক হাহাকার।
** হায়াতের দিন ফুরোলে, ১৭৫ পৃষ্ঠা (চোখ ঘুম ঘুম রাত্রি নিঝুম নিঝুম নিরালায়)।
* আমাদের জীবন এক সংক্ষিপ্ত সফরের নাম। এই সফরের প্রতিটি মুহূর্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর কোনো অংশ যদি অনাদর পায় তবে জীবনভর আফসোস করতে হয়! অল্পসংখ্যক মানুষই সুযোগ পায় পুনরায় সেটাকে কাজে লাগাতে।
** হায়াতের দিন ফুরোলে, ৪০ পৃষ্ঠা (জীবনের ৫ সুতো)।
* "দুনিয়ার দুঃখ কষ্ট আর যন্ত্রণাগুলো জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এগুলোকে পাশ কাটানো যায় না। ধৈর্য, তাওয়াক্কুল আর ইমানের শক্তি দিয়ে এগুলো মোকাবিলা করতে হয়।"
ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগত—দুঃখের ধরণ যেমনই হোক না কেন, আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস রাখতে হবে যে কেবল আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলাই এই যাতনা থেকে মুক্তির একমাত্র উৎস। যেকোনো শোক বা কষ্ট উপশমের চূড়ান্ত ক্ষমতা কেবল তাঁরই হাতে ন্যস্ত।
** হায়াতের দিন ফুরোলে, ১৯ পৃষ্ঠা (দুঃখ - প্লাবন দিনে)।
* জীবনে এমন কিছু মায়াবী মুহূর্ত আসে, যার প্রতিটি পলক সযতনে অনুভব করতে হয়। রাসূল আরাবির (সা.) পুণ্যভূমিতে পৌঁছে আমি এক ঘোরলাগা আবেশে থমকে গেলাম। সম্পূর্ণ নতুন দেশ হওয়া সত্ত্বেও এই পবিত্র মাটি যেন আমায় পরম মমতায় আহ্বান জানাচ্ছিল। চারদিকে আযানের সুমধুর সুর আর আসমানের তারাদের ঝলমলে উপস্থিতি মিলে এক স্বর্গীয় আমেজ তৈরি করেছিল।
** উমরা সফরের গল্প, ২৫ পৃষ্ঠা (রাসুল আরাবির দেশে)।
* "উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুকে কে আমার অতি-মানব মনে হয়! কী দুর্দান্ত তাঁর প্রত্যাবর্তন! খোলা তলোয়ার হাতে বের হয়েছিলেন নবীজিকে হত্যা করবেন বলে। কিন্তু দিনশেষে হত্যা করে আসলেন নিজের অহংকার, অহমিকা এবং শিরকের অমার্জনীয় অপরাধকে!"
** উমরাহ সফরের গল্প, ১৩ পৃষ্ঠা (আমি যদি আরব হতাম)।
* "পরিচিতজনদের কাছে আমি প্রায়ই বলি, সেই রামাদান মাসটা (যে রামাদানে আরিফ আজাদ উমরাহ সফর করেছিলেন) পেয়ে আমার মনে হয়েছিল— 'এই বুঝি আমার জীবনে প্রথম রামাদান এসেছে!' তার আগে, এত গভীরভাবে, এত অনুরাগ আর আবেগের সাথে রামাদান আমাকে স্পর্শ করে যায়নি।"
** উমরাহ সফরের গল্প, ১০ পৃষ্ঠা (ভূমিকা)।
* "এক কদম, দুই কদম, তিন কদম—বাবুস সালামের সম্মুখভাগে এসে দাঁড়াতেই চোখে পড়ল সেটা। সেই অতিআশ্চর্য, সেই অতি কাঙ্ক্ষিত, স্বপ্নের প্রতিটা প্রহরে, প্রতিটা আকুল মুনাজাতে যাকে দেখার বাসনা জপে গিয়েছে আমার তনুমন। কালো গিলাফে ঢেকে থাকা বাইতুল্লাহ। আহা, আমার দু'চোখ যেন ধন্য হলো। কোন উজানের ঢল যে আছড়ে পড়ল চোখের তারায় বলতে পারিনা, বুকফাটা কান্নায় ভেঙে পড়লাম মুহূর্তেই। হৃদপিণ্ডের এত তড়িৎ চঞ্চলতা, এত দ্রুতবেগে নিঃশ্বাসের ওঠানামা আগে কখনো বুঝতে পারিনি। এত সৌভাগ্য সত্যিই আমার কপালে ছিল! আমি কী করে এই মুহূর্তকে আটকে রাখব? কী উপায়ে থমকে দেব ঘড়ির কাঁটা? মনে হচ্ছিল—যদি স্থির হয়ে যেত সময়, যদি আর না ঘুরত ঘড়ির কাঁটা, বাকি জীবন যদি আমি এভাবেই তাকিয়ে থাকতে পারতাম আল্লাহর ঘরের দিকে, আহা, সে কী মহা-সৌভাগ্য হতো!"
** উমরাহ সফরের গল্প, ১২৭ পৃষ্ঠা (স্বপ্ন যখন পৌঁছে গেল মঞ্জিলে)।
== তাঁর সম্পর্কে উক্তি ==
* ‘আরিফ আজাদের বই এতো চলে কেন? আত্ন-উন্নয়নমূলক বই এতো বিক্রি হচ্ছে কেন? এসব নিয়ে বেশ ক্ষুদ্ধ কিছু মানুষ। আমার কথা হচ্ছে, আপনার সমস্যা কি? আপনার টাকা দিয়ে কিনে তারা এসব বই? আর আপনার রুচি সেরা রুচি এ সনদ আপনাকে কে দিল? আপনার বই কেউ কিনেনা বা আপনার পছন্দমতো বই কেনা হয়না এর দায় আরিফ আজাদদের ওপর কেন? স্টপ দিস ননসেন্স!’
*:— আসিফ নজরুল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা। [https://www.jugantor.com/social-media/281508 আসিফ নজরুলের ফেসবুক স্ট্যাটাস নিয়ে যুগান্তরের প্রতিবেদন]
== বহিঃসংযোগ ==
* [https://arifazad.com/ দাপ্তরিক ওয়েবসাইট]
* [https://www.facebook.com/arifazad.bd/ ফেসবুকে আরিফ আজাদ]
ommr1oxodqk5uzrzvybowhcoow3ws8d
74086
74083
2026-04-06T10:26:27Z
Oindrojalik Watch
4169
/* উক্তি */ হালনাগাদ
74086
wikitext
text/x-wiki
'''আরিফ আজাদ''' (জন্ম: ৭ জানুয়ারি ১৯৯০) একজন সমকালীন বাংলাদেশী মুসলিম লেখক ও সাহিত্যিক। তিনি মূলত ধর্মতত্ত্ব, ইসলামি জীবনবোধ এবং আত্মউন্নয়নমূলক প্রবন্ধ ও উপন্যাস লিখে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। তার প্রকাশিত প্রথম বই [[w:প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ|প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ]] ২০১৭ সালে প্রকাশের পর তিনি দেশব্যাপী খ্যাতি লাভ করেন। তার বইসমূহ টানা বেশ কয়েক বছর অমর একুশে বইমেলায় বেস্টসেলার হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।
== উক্তি ==
* "বস্তুবাদী দুনিয়া সুখ বলতে আমাদের যা চেনায় তা যে আদতে মরীচিকা, সেটা বুঝতেই আস্ত একটা জীবন পার হয়ে যায়।"
** হায়াতের দিন ফুরালে, ৮ পৃষ্ঠা (লেখকের কথা)।
* আমি ভীষণভাবে বিশ্বাস করি – আত্মিকভাবে নিজেকে পরিশুদ্ধ করা না গেলে কখনোই পরম পবিত্রতার সন্ধান লাভ সম্ভব নয়। আত্মার সেই শুদ্ধতার দিকে যুবক-যুবতীদের ধাবমান করতে আমি আত্মউন্নয়ন মূলক লেখায় হাত দিয়েছিলাম। যেহেতু যৌবনের সমস্যাগুলোর সাথে আমি পরিচিত, তাই এগুলোকে চিহ্নিত করা কঠিন কিছু নয়। আমি শুধু বিলিয়ে দিতে চাই সেসব সমস্যার সম্ভাব্য সঠিক চিকিৎসায়।
** এবার ভিন্ন কিছু হোক, ১৩ পৃষ্ঠা (লেখকের কথা)।
* যে আপনার শত্রুতা করে তথা আপনার ভালো চায় না এবং ক্ষতি করতে চায়, তার উপকার করা মানে এই নয় যে তাকে প্রশ্রয় দেওয়া বা তার কাছে হেরে যাওয়া, তা কিন্তু নয়। এতে বরং আপনার লাভের পরিমাণই বেশি। একটি শাশ্বত মানব জীবনের উদাহরণ আপনি তার সামনে এবং সমাজের সামনে স্থাপন করতে পারবেন।
** এবার ভিন্ন কিছু হোক, ১৬৩ পৃষ্ঠা (হৃদয়ের জানালাটা খুলে দাও না)।
* জীবনের প্রতিটি অর্জন আর ব্যর্থতাকে যদি আমরা নিক্তিতে মেপে বিশ্লেষণ করি, তবে দেখা যাবে সবকিছুর মূলে এক ধ্রুব সত্য হিসেবে জড়িয়ে আছে সময়। সময় যেমন মানুষকে তিলে তিলে গড়ে তুলতে পারে, তেমনি মুহূর্তেই সব ভেঙে চুরমার করে দিতেও সক্ষম। মূলত আমরা প্রতিনিয়ত এক অদৃশ্য ক্ষতির গহ্বরে নিমজ্জিত আছি—যা কেবল সময়ের সঠিক মূল্যায়নের মাধ্যমেই উপলব্ধি করা সম্ভব। সময় এমন এক অলৌকিক স্পর্শ, যা হয় আমাদের জীবনকে পূর্ণতায় ভরিয়ে দেয়, নয়তো অপূর্ণতার গ্লানিতে পর্যবসিত করে।
** এবার ভিন্ন কিছু হোক, ১৬৯ পৃষ্ঠা (জীবনের কম্পাস)।
* “সত্যিকারের বীরপুরুষ তো তারাই, যারা ক্ষমতা হাতে পেয়ে বিনয়ী হয়, প্রতিশোধের সমস্ত সুযোগ থাকা সত্ত্বেও যারা ক্ষমতার চাদরে মুড়িয়ে নেয় জীবন – তারাই শক্তিশালী। কদর্যতার বিপরীতে, হিংসা আর বিদ্বেষের দুনিয়ায় আপনার এহেন মহানুভবতা সমাজের অনেকের জন্য হয়ে উঠবে অনুপ্রেরণা!”
** এবার ভিন্ন কিছু হোক, ১৬৩ পৃষ্ঠা (হৃদয়ের জানালা টা খুলে দাও না)।
* সালাত হলো জীবনের এক অভেদ্য বর্ম। যতক্ষণ এই আধ্যাত্মিক সুরক্ষা-বলয় আমাদের অস্তিত্বের সাথে মিশে থাকে, ততক্ষণ বাইরের কোনো অশুভ শক্তি আমাদের আত্মাকে আহত করতে পারে না। রিপুর যাবতীয় প্ররোচনা এই বর্মে লেগে ধূলিসাৎ হয়ে যায়। সালাত যখন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়ায়, তখন কোনো মন্দ চিন্তা বা নেতিবাচক ভাবনা হৃদয়ে দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না। যদি কখনো মনের অজান্তে কোনো অশুভ চিন্তা উঁকিও দেয়, তবে সালাতের প্রভাবে সৃষ্ট অনুশোচনা তৎক্ষণাৎ সেই ভাবনাকে চেতনার জগত থেকে সমূলে মুছে ফেলার প্রবল শক্তি জোগায়।
** এবার ভিন্ন কিছু হোক, ২০ পৃষ্ঠা (আপনারে আমি খুঁজিয়া বেড়াই)।
* আত্মমুগ্ধতার মোহে পড়ে স্বয়ং ইবলিসও তার শ্রেষ্ঠত্ব হারিয়েছিল। নিজের গাঠনিক উপাদানের বড়াই করে সে মাটির তৈরি আদমকে তুচ্ছ ভেবেছিল; অথচ শ্রেষ্ঠত্বের প্রকৃত মাপকাঠি নির্ধারণের একক ক্ষমতা কেবল মহান আল্লাহর। কে শ্রেষ্ঠ হবে—আদম না ইবলিস—তা বিচারের চূড়ান্ত অধিকার অন্য কারো নয়, বরং একমাত্র স্রষ্টার হাতেই ন্যস্ত।
** এবার ভিন্ন কিছু হোক, ৬৫পৃষ্ঠা (পতনের আওয়াজ পাওয়া যায়)।
* জীবন কারো জন্য থেমে থাকে না—এই প্রচলিত ধারণাটি পুরোপুরি সত্য নয়। সময়ের স্রোত বহমান এবং একে রুদ্ধ করা অসম্ভব বলে হয়তো একজনের অনুপস্থিতিতে অন্যজনের দিনগুলো কেটে যায়; তবে সেই টিকে থাকাকে ঠিক কতটুকু 'জীবন' বলা যায়, তা বড় এক প্রশ্নসাপেক্ষ বিষয়।
** হায়াতের দিন ফুরোলে, ১২৩ পৃষ্ঠা (চাঁদের জীবন)।
* আমি জানি — জান্নাত লাভ এবং প্রিয় নবীজির সাহচর্য পাওয়া প্রতিটি বিশ্বাসী হৃদয়ের পরম আকাঙ্ক্ষা। যারা অন্তরে জান্নাতের স্বপ্ন লালন করেন এবং নবীজির সুপারিশ লাভের তীব্র বাসনায় প্রার্থনা করেন, তাদের স্মরণে রাখা উচিত রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সেই অমিয় উপদেশ—'অধিক সিজদাহর মাধ্যমে আমাকে সহায়তা করো।' অর্থাৎ, নবীজির একান্ত সান্নিধ্য পেতে হলে সিজদাহর মাধ্যমে আল্লাহর আনুগত্যে নিজেকে নিমজ্জিত করা অপরিহার্য।
** হায়াতের দিন ফুরোলে, ১৪৬ পৃষ্ঠা (বাড়তি দুটো সিজদাহ)।
* একবার ভাবুন তো—ফুলের মতো পবিত্র ও নিষ্পাপ হওয়া সত্ত্বেও শেষ রাতের আকুতিতে যদি প্রিয় নবীজি (সা.)-এর চরণে ক্লান্তি নামে, তবে পাপে জর্জরিত আমাদের এই অবাধ্য কেন প্রভুর সামনে দাঁড়াতে কুণ্ঠা পায়? আমরা জীবনের অমূল্য প্রহরগুলো অবহেলা আর ঘুমের ঘোরে বিলীন করছি, অথচ শেষ রজনীর সেই অমিয় সুধাকে আপন করে নিতে পারছি না। ইবাদতবিমুখ এই মরীচিকা-তুল্য জীবনের চূড়ান্ত গন্তব্য তবে কোন শূন্যতায়—সেটিই আজ বিশাল এক হাহাকার।
** হায়াতের দিন ফুরোলে, ১৭৫ পৃষ্ঠা (চোখ ঘুম ঘুম রাত্রি নিঝুম নিঝুম নিরালায়)।
* আমাদের জীবন এক সংক্ষিপ্ত সফরের নাম। এই সফরের প্রতিটি মুহূর্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর কোনো অংশ যদি অনাদর পায় তবে জীবনভর আফসোস করতে হয়! অল্পসংখ্যক মানুষই সুযোগ পায় পুনরায় সেটাকে কাজে লাগাতে।
** হায়াতের দিন ফুরোলে, ৪০ পৃষ্ঠা (জীবনের ৫ সুতো)।
* "দুনিয়ার দুঃখ কষ্ট আর যন্ত্রণাগুলো জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এগুলোকে পাশ কাটানো যায় না। ধৈর্য, তাওয়াক্কুল আর ইমানের শক্তি দিয়ে এগুলো মোকাবিলা করতে হয়। ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগত—দুঃখের ধরণ যেমনই হোক না কেন, আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস রাখতে হবে যে কেবল আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলাই এই যাতনা থেকে মুক্তির একমাত্র উৎস। যেকোনো শোক বা কষ্ট উপশমের চূড়ান্ত ক্ষমতা কেবল তাঁরই হাতে ন্যস্ত।"
** হায়াতের দিন ফুরোলে, ১৯ পৃষ্ঠা (দুঃখ - প্লাবন দিনে)।
* জীবনে এমন কিছু মায়াবী মুহূর্ত আসে, যার প্রতিটি পলক সযতনে অনুভব করতে হয়। রাসূল আরাবির (সা.) পুণ্যভূমিতে পৌঁছে আমি এক ঘোরলাগা আবেশে থমকে গেলাম। সম্পূর্ণ নতুন দেশ হওয়া সত্ত্বেও এই পবিত্র মাটি যেন আমায় পরম মমতায় আহ্বান জানাচ্ছিল। চারদিকে আযানের সুমধুর সুর আর আসমানের তারাদের ঝলমলে উপস্থিতি মিলে এক স্বর্গীয় আমেজ তৈরি করেছিল।
** উমরা সফরের গল্প, ২৫ পৃষ্ঠা (রাসুল আরাবির দেশে)।
* "উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুকে কে আমার অতি-মানব মনে হয়! কী দুর্দান্ত তাঁর প্রত্যাবর্তন! খোলা তলোয়ার হাতে বের হয়েছিলেন নবীজিকে হত্যা করবেন বলে। কিন্তু দিনশেষে হত্যা করে আসলেন নিজের অহংকার, অহমিকা এবং শিরকের অমার্জনীয় অপরাধকে!"
** উমরাহ সফরের গল্প, ১৩ পৃষ্ঠা (আমি যদি আরব হতাম)।
* "পরিচিতজনদের কাছে আমি প্রায়ই বলি, সেই রামাদান মাসটা (যে রামাদানে আরিফ আজাদ উমরাহ সফর করেছিলেন) পেয়ে আমার মনে হয়েছিল— 'এই বুঝি আমার জীবনে প্রথম রামাদান এসেছে!' তার আগে, এত গভীরভাবে, এত অনুরাগ আর আবেগের সাথে রামাদান আমাকে স্পর্শ করে যায়নি।"
** উমরাহ সফরের গল্প, ১০ পৃষ্ঠা (লেখকের কথা)।
* "এক কদম, দুই কদম, তিন কদম—বাবুস সালামের সম্মুখভাগে এসে দাঁড়াতেই চোখে পড়ল সেটা। সেই অতিআশ্চর্য, সেই অতি কাঙ্ক্ষিত, স্বপ্নের প্রতিটা প্রহরে, প্রতিটা আকুল মুনাজাতে যাকে দেখার বাসনা জপে গিয়েছে আমার তনুমন। কালো গিলাফে ঢেকে থাকা বাইতুল্লাহ। আহা, আমার দু'চোখ যেন ধন্য হলো। কোন উজানের ঢল যে আছড়ে পড়ল চোখের তারায় বলতে পারিনা, বুকফাটা কান্নায় ভেঙে পড়লাম মুহূর্তেই। হৃদপিণ্ডের এত তড়িৎ চঞ্চলতা, এত দ্রুতবেগে নিঃশ্বাসের ওঠানামা আগে কখনো বুঝতে পারিনি। এত সৌভাগ্য সত্যিই আমার কপালে ছিল! আমি কী করে এই মুহূর্তকে আটকে রাখব? কী উপায়ে থমকে দেব ঘড়ির কাঁটা? মনে হচ্ছিল—যদি স্থির হয়ে যেত সময়, যদি আর না ঘুরত ঘড়ির কাঁটা, বাকি জীবন যদি আমি এভাবেই তাকিয়ে থাকতে পারতাম আল্লাহর ঘরের দিকে, আহা, সে কী মহা-সৌভাগ্য হতো!"
** উমরাহ সফরের গল্প, ১২৭ পৃষ্ঠা (স্বপ্ন যখন পৌঁছে গেল মঞ্জিলে)।
== তাঁর সম্পর্কে উক্তি ==
* ‘আরিফ আজাদের বই এতো চলে কেন? আত্ন-উন্নয়নমূলক বই এতো বিক্রি হচ্ছে কেন? এসব নিয়ে বেশ ক্ষুদ্ধ কিছু মানুষ। আমার কথা হচ্ছে, আপনার সমস্যা কি? আপনার টাকা দিয়ে কিনে তারা এসব বই? আর আপনার রুচি সেরা রুচি এ সনদ আপনাকে কে দিল? আপনার বই কেউ কিনেনা বা আপনার পছন্দমতো বই কেনা হয়না এর দায় আরিফ আজাদদের ওপর কেন? স্টপ দিস ননসেন্স!’
*:— আসিফ নজরুল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা। [https://www.jugantor.com/social-media/281508 আসিফ নজরুলের ফেসবুক স্ট্যাটাস নিয়ে যুগান্তরের প্রতিবেদন]
== বহিঃসংযোগ ==
* [https://arifazad.com/ দাপ্তরিক ওয়েবসাইট]
* [https://www.facebook.com/arifazad.bd/ ফেসবুকে আরিফ আজাদ]
44a5v6in5cgn9owkhsnw9qiauyo53sr
আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
0
12012
73817
73796
2026-04-05T12:15:17Z
ARI
356
/* উক্তি */ সংশোধন
73817
wikitext
text/x-wiki
[[File:Alexander Fleming2.jpg|thumb| একাকী গবেষকই কোনো বিষয়ে প্রথম অগ্রগতি ঘটান: বিস্তারিত কাজ হয়তো একটি দল করতে পারে, কিন্তু মূল ধারণাটি আসে একজন ব্যক্তির উদ্যোগ, চিন্তা এবং অন্তর্দৃষ্টি থেকে। </br> ~ '''আলেকজান্ডার ফ্লেমিং''' ]]
'''আলেকজান্ডার ফ্লেমিং''' (৬ আগস্ট ১৮৮১ – ১১ মার্চ ১৯৫৫) ছিলেন একজন স্কটিশ জীববিজ্ঞানী, ফার্মাকোলজিস্ট এবং উদ্ভিদবিদ। তিনি ব্যাকটিরিওলজি, ইমিউনোলজি এবং কেমোথেরাপির ওপর অসংখ্য প্রবন্ধ লিখেছেন। তার সবচেয়ে পরিচিত আবিষ্কারগুলো হলো ১৯২৩ সালে এনজাইম 'লাইসোজাইম' এবং ১৯২৮ সালে পেনিসিলিয়াম নোটাটাম নামক ছত্রাক থেকে অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান '[[পেনিসিলিন]]'। এই আবিষ্কারের জন্য ১৯৪৫ সালে তিনি হাওয়ার্ড ফ্লোরি এবং [[এর্নস্ট বরিস কাইন|এর্নস্ট কাইনের]] সাথে যৌথভাবে চিকিৎসাবিজ্ঞানে [[নোবেল পুরস্কার]] লাভ করেন।
== উক্তি ==
* আমরা কতটা ভাগ্যবান যে ১৯৪০-এর দশকে এই প্রাণী পরীক্ষাগুলো ছিল না। কারণ তাহলে পেনিসিলিন হয়তো কখনোই লাইসেন্স পেত না এবং সম্ভবত অ্যান্টিবায়োটিকের পুরো ক্ষেত্রটিই কখনো বাস্তবায়িত হতো না।
** ডেনিস ভি. পার্কের "ওষুধ নিরাপত্তা মূল্যায়নে ক্লিনিকাল ফার্মাকোকিনেটিক্স" শীর্ষক প্রতিবেদনে, ''[https://books.google.it/books?id=WMZNAQAAIAAJ এটিএলএ: অল্টারনেটিভস টু ল্যাবরেটরি অ্যানিমেলস]'', খণ্ড ২২, সংখ্যা ৩, মে/জুন ১৯৯৪, পৃষ্ঠা ২০৮।
** প্রেক্ষাপট: "প্রাণী গবেষণার ওপর ভিত্তি করে ওষুধের সুরক্ষা মূল্যায়নের বর্তমান পদ্ধতিটির বৈজ্ঞানিক সত্যতা প্রশ্নবিদ্ধ। আমার প্রাক্তন শিক্ষক স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং তার শেষ জীবনে আমাকে উপহাস করে বলেছিলেন..."
===''[http://www.biographyonline.net/scientists/alex-fleming.html বায়োগ্রাফিঅনলাইন.নেট]''===
* ১৯২৮ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর ভোরে যখন আমার ঘুম ভাঙলো, তখন আমি মোটেও পরিকল্পনা করিনি যে বিশ্বের প্রথম অ্যান্টিবায়োটিক বা ব্যাকটেরিয়ানাশক আবিষ্কার করে চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিপ্লব ঘটিয়ে দেব। ...কিন্তু আমার ধারণা, আমি ঠিক সেটাই করেছিলাম।
* আমি বোঝাতে চাইছি যে আমাদের জীবনে ভাগ্যের একটি বিস্ময়কর প্রভাব থাকতে পারে। আর যদি আমি তরুণ ল্যাবরেটরি কর্মীদের কোনো পরামর্শ দিতে চাই, তবে তা হলো—কখনো কোনো অসাধারণ দৃশ্য বা ঘটনাকে অবহেলা করো না। এটি হয়তো একটি ভুয়া সংকেত হতে পারে যা থেকে কিছুই পাওয়া যাবে না, কিন্তু অন্যদিকে এটি ভাগ্যের দেওয়া এমন একটি সূত্র হতে পারে যা তোমাকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির দিকে নিয়ে যাবে।
** হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে দেওয়া বক্তৃতা। জোসেফ স্যামব্রুক ও ডেভিড ডব্লিউ রাসেলের 'আণবিক ক্লোনিং' (২০০১) বইয়ে উদ্ধৃত।
* একাকী গবেষকই কোনো বিষয়ে প্রথম অগ্রগতি ঘটান: বিস্তারিত কাজ হয়তো একটি দল মিলে সম্পন্ন করতে পারে, কিন্তু মূল ধারণাটি আসে একজন ব্যক্তির উদ্যোগ, চিন্তা এবং অন্তর্দৃষ্টি থেকে।
* মানুষ মাঝে মাঝে এমন কিছু খুঁজে পায় যা সে খুঁজছিল না।
== বহিঃসংযোগ ==
{{Wikipedia}}
[[বিষয়শ্রেণী:উদ্ভাবক]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৫-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৮১-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:রয়েল সোসাইটির সভ্য]]
a2uz1ncpap7c2jtv19ez8alhf9ootzm
আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক
0
12014
73904
73670
2026-04-05T16:30:25Z
SMontaha32
3112
/* বহিঃসংযোগ */
73904
wikitext
text/x-wiki
[[File:Alexander Grothendieck.jpg|thumb|আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক, ১৯৭০]]
'''আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক''' (২৮ মার্চ ১৯২৮ – ১৩ নভেম্বর ২০১৪) ছিলেন একজন জার্মান-বংশোদ্ভূত ফরাসি গণিতবিদ, যিনি আধুনিক বীজগণিতীয় জ্যামিতি সৃষ্টির প্রধান কারিগর হিসেবে পরিচিত। তার গবেষণা এই ক্ষেত্রের পরিধিকে ব্যাপকভাবে বিস্তৃত করেছে এবং এর ভিত্তিতে বিনিময়ী বীজগণিত, হোমোলজিক্যাল বীজগণিত, শিফ তত্ত্ব এবং ক্যাটাগরি তত্ত্বের উপাদান যোগ করেছে। তার তথাকথিত "আপেক্ষিক" দৃষ্টিভঙ্গি বিশুদ্ধ গণিতের অনেক ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক অগ্রগতি এনেছে।
==গ্রোথেনডিকের উক্তি==
*সের-এর মৌলিক প্রবন্ধের<sup>[১১]</sup> মাধ্যমে বীজগণিতীয় জ্যামিতিতে কোহোমোলজিক্যাল পদ্ধতি (অর্থাৎ হোমোলজিক্যাল বীজগণিতের পদ্ধতি) প্রবর্তিত হওয়ার পর এখনও চার বছরও পার হয়নি, তবে এটি নিশ্চিত যে আগত বছরগুলোতে গণিতের এই অংশটি ভিত্তি থেকে শুরু করে সবচেয়ে উন্নত পর্যায় পর্যন্ত প্লাবিত হতে যাচ্ছে। ... [১১] গ্রিনহাউস, জে.পি. সামঞ্জস্যপূর্ণ বীজগণিত ফ্যাসেলস অ্যান গণিত (২), ৬, ১৯৭–২৭৮ (১৯৫৫)।
** {{cite book|year=1960|publisher=কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস|chapter=বিমূর্ত বীজগণিত বৈচিত্র্যের সমসঙ্গীত তত্ত্ব|title=আন্তর্জাতিক গণিত কংগ্রেসের কার্যবিবরণী (এডিনবার্গ, ১৯৫৮) | পৃষ্ঠা = ১০৩–১১৮}} (পৃষ্ঠা ১০৩)
*'''সংখ্যা '০''' (শুন্য) বা '''গ্রুপ কনসেপ্ট''' (গোষ্ঠী ধারণা) প্রবর্তন করাও একসময় সাধারণ অর্থহীনতা বলে মনে করা হতো; কিন্তু গণিত হাজার হাজার বছর ধরে স্থবির ছিল কারণ এমন 'শিশুসুলভ' পদক্ষেপ নেওয়ার মতো কেউ ছিল না...
**
[https://agrothendieck.github.io/divers/GBCorr.pdf রোনাল্ড ব্রাউনকে লেখা চিঠি, ৫ মে ১৯৮২]
*আপনার তোলা প্রশ্ন— "এমন সূত্র কীভাবে গণনার দিকে নিয়ে যেতে পারে"—আমাকে বিন্দুমাত্র বিচলিত করে না! একজন গণিতবিদ হিসেবে আমার সারা জীবনে, স্পষ্ট ও চমৎকার গণনার সম্ভাবনা সর্বদা নিজে থেকেই উঠে এসেছে। যা ঘটছে তার একটি গভীর ধারণাগত বোঝার উপজাত হিসেবেই এটি এসেছে। তাই আমি কখনোই ভাবিনি যে যা বেরিয়ে আসবে তা অমুক বা তমুক কাজের জন্য উপযুক্ত হবে কি না, বরং শুধু বোঝার চেষ্টা করেছি—এবং সর্বদা দেখা গেছে যে 'বোঝা' বা 'উপলব্ধি' করাই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
**[https://agrothendieck.github.io/divers/GBCorr.pdf রোনাল্ড ব্রাউনকে লেখা চিঠি, ১২ এপ্রিল ১৯৮৩]
*আমি আমার পদ্ধতিকে একটি আখরোট খোলার ছবির সাথে তুলনা করতে পারি। প্রথমে আমার মাথায় যে উপমাটি এসেছিল তা হলো আখরোটটিকে কোনো নরম করার তরল পদার্থে ডুবিয়ে রাখা, আর সাধারণ পানিই বা নয় কেন? মাঝেমধ্যে আপনি একটু ঘষবেন যাতে তরলটি ভালোভাবে ভেতরে ঢোকে, নতুবা শুধু সময় যেতে দেবেন। সপ্তাহ এবং মাস পার হতে হতে খোলসটি আরও নমনীয় হয়ে ওঠে—যখন সময় উপযুক্ত হয়, হাতের চাপই যথেষ্ট, খোলসটি একদম পাকা অ্যাভোকাডোর মতো খুলে যায়! কয়েক সপ্তাহ আগে আমার মাথায় অন্য একটি ছবি এসেছিল। অজানাকে জানার বিষয়টি আমার কাছে শক্ত মাটি বা মার্ল পাথরের স্তরের মতো মনে হয়েছিল যা ভেদ করা কঠিন... সমুদ্র নিঃশব্দে অলক্ষ্যে অগ্রসর হয়, দেখে মনে হয় কিছুই ঘটছে না, কিছুই নড়ছে না, পানি এত দূরে যে আপনি তার শব্দও শুনতে পাচ্ছেন না... তবুও শেষ পর্যন্ত এটি সেই প্রতিরোধকারী পদার্থটিকে ঘিরে ফেলে।
**গ. ম্যাকলার্টি, দ্য রাইজিং সি: সরলতা এবং সাধারণতার উপর গ্রোথেনডিক (২০০৭)।
==গ্রোথেনডিক সম্পর্কে উক্তি==
*আমাদের পদার্থবিদ বন্ধুদের উচিত 'অ্যান্টি-ইন্টারফারেন্স' (ব্যতিচার-বিরোধী) নামক একটি নীতি উদ্ভাবন করা, যা দুটি অন্ধকার (লেরে এবং গ্রোথেনডিক) থেকে আলো বের করে আনবে।
** আন্দ্রে ওয়েল, ১৯৫৮।
*আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক গণিতের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির দিক থেকে ওয়েল-এর চেয়ে খুব আলাদা ছিলেন: গ্রোথেনডিক কেবল এমন একজন গণিতবিদ ছিলেন না যিনি শাস্ত্রটি বুঝতেন এবং গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল প্রমাণ করতে পারতেন—তিনি ছিলেন এমন একজন মানুষ যিনি গণিত 'সৃষ্টি' করতে পারতেন। এবং তিনি এটি একাই করেছিলেন।
** {{cite book|author=আমির ডি. অ্যাসেল|শিরোনাম=শিল্পী এবং গণিতবিদ|তারিখ=২৯ এপ্রিল ২০০৯|পৃষ্ঠা=৫৪}}
*গ্রোথেনডিক যে পূর্ণ ব্যাপকতা গ্রহণ করেছিলেন, তা তিনি ছাড়া আর কেউ বীজগণিতীয় জ্যামিতিতে প্রয়োগ করে সফল হতে পারতেন না। এর জন্য প্রয়োজন ছিল সাহস, এমনকি দুঃসাহস, পূর্ণ আত্মবিশ্বাস এবং একাগ্রতা ও কঠোর পরিশ্রমের বিশাল ক্ষমতা। গ্রোথেনডিক ছিলেন একটি বিস্ময়।
** {{cite book|author=মাইকেল আতিয়াহ|শিরোনাম=মাইকেল আটিয়াহ সংগৃহীত কাজ: ভলিউম ৭|বছর=২০১৪|পৃষ্ঠা=৫২৯}}
*আই.এইচ.ই.এস.-এ থাকার সময় যারা গ্রোথেনডিককে চিনতেন, তারা তার দয়া, যেকোনো প্রশ্নের প্রতি তার উদারতা এবং মৃদু হাস্যরসের কথা বলেন। তিনি প্রায়ই খালি পায়ে থাকতেন। ভিয়েতনাম যুদ্ধের প্রতিবাদে তিনি সপ্তাহে একবার উপবাস করতেন। মাজুর স্মরণ করেন যে, গ্রোথেনডিক স্থানীয় ট্রেন স্টেশনে এক গৃহহীন পরিবারের দেখা পেয়েছিলেন এবং তাদের নিজের বাড়ির নিচতলার ফ্ল্যাটে থাকার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন।
** রিভকা গ্যালচেন, দ্য নিউ ইয়র্কার, মে ১৬, ২০২২।
*তিনি আসলে কখনোই উদাহরণের ওপর কাজ করতেন না। আমি কোনো কিছু কেবল উদাহরণের মাধ্যমেই বুঝতে পারি এবং তারপর ধীরে ধীরে সেগুলোকে আরও বিমূর্ত করি। কিন্তু আমার মনে হয় না যে কোনো উদাহরণের দিকে তাকানো গ্রোথেনডিককে বিন্দুমাত্র সাহায্য করত। তিনি পরিস্থিতিকে সম্পূর্ণ বিমূর্ততম উপায়ে চিন্তা করে তার ওপর নিয়ন্ত্রণ অর্জন করতেন। এটি খুবই অদ্ভুত। তার মস্তিষ্ক এভাবেই কাজ করত।
** ডেভিড মামফোর্ড।
== বহিঃসংযোগ ==
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী}}
{{উইকিপিডিয়া}}
{{গণিত উক্তি}}
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:গ্রোথেনডিক, আলেকজান্ডার}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯২৮-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০১৪-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের গণিতবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:জার্মানির গণিতবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:শান্তিবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:বার্লিনের ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফিল্ডস পদক বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ক্রাফোর্ড পুরস্কার বিজয়ী]]
sb65yl2e9b7zb7w1cdoccj2rwexhhdc
74029
73904
2026-04-06T06:31:33Z
SMontaha32
3112
74029
wikitext
text/x-wiki
[[File:Alexander Grothendieck.jpg|thumb|আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক, ১৯৭০]]
'''আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক''' (২৮ মার্চ ১৯২৮ – ১৩ নভেম্বর ২০১৪) ছিলেন একজন জার্মান-বংশোদ্ভূত ফরাসি গণিতবিদ, যিনি আধুনিক বীজগণিতীয় জ্যামিতি সৃষ্টির প্রধান কারিগর হিসেবে পরিচিত। তার গবেষণা এই ক্ষেত্রের পরিধিকে ব্যাপকভাবে বিস্তৃত করেছে এবং এর ভিত্তিতে বিনিময়ী বীজগণিত, হোমোলজিক্যাল বীজগণিত, শিফ তত্ত্ব এবং ক্যাটাগরি তত্ত্বের উপাদান যোগ করেছে। তার তথাকথিত "[[আপেক্ষিক]]" দৃষ্টিভঙ্গি বিশুদ্ধ গণিতের অনেক ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক অগ্রগতি এনেছে।
==গ্রোথেনডিকের উক্তি==
*সের-এর মৌলিক প্রবন্ধের<sup>[১১]</sup> মাধ্যমে বীজগণিতীয় জ্যামিতিতে কোহোমোলজিক্যাল পদ্ধতি (অর্থাৎ হোমোলজিক্যাল বীজগণিতের পদ্ধতি) প্রবর্তিত হওয়ার পর এখনও চার বছরও পার হয়নি, তবে এটি নিশ্চিত যে আগত বছরগুলোতে গণিতের এই অংশটি ভিত্তি থেকে শুরু করে সবচেয়ে উন্নত পর্যায় পর্যন্ত প্লাবিত হতে যাচ্ছে। ... [১১] গ্রিনহাউস, জে.পি. সামঞ্জস্যপূর্ণ বীজগণিত ফ্যাসেলস অ্যান গণিত (২), ৬, ১৯৭–২৭৮ (১৯৫৫)।
** {{cite book|year=1960|publisher=কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস|chapter=বিমূর্ত বীজগণিত বৈচিত্র্যের সমসঙ্গীত তত্ত্ব|title=আন্তর্জাতিক গণিত কংগ্রেসের কার্যবিবরণী (এডিনবার্গ, ১৯৫৮) | পৃষ্ঠা = ১০৩–১১৮}} (পৃষ্ঠা ১০৩)
*'''সংখ্যা '০''' (শুন্য) বা '''গ্রুপ কনসেপ্ট''' (গোষ্ঠী ধারণা) প্রবর্তন করাও একসময় সাধারণ অর্থহীনতা বলে মনে করা হতো; কিন্তু গণিত হাজার হাজার বছর ধরে স্থবির ছিল কারণ এমন 'শিশুসুলভ' পদক্ষেপ নেওয়ার মতো কেউ ছিল না...
**
[https://agrothendieck.github.io/divers/GBCorr.pdf রোনাল্ড ব্রাউনকে লেখা চিঠি, ৫ মে ১৯৮২]
*আপনার তোলা প্রশ্ন— "এমন সূত্র কীভাবে গণনার দিকে নিয়ে যেতে পারে"—আমাকে বিন্দুমাত্র বিচলিত করে না! একজন গণিতবিদ হিসেবে আমার সারা জীবনে, স্পষ্ট ও চমৎকার গণনার সম্ভাবনা সর্বদা নিজে থেকেই উঠে এসেছে। যা ঘটছে তার একটি গভীর ধারণাগত বোঝার উপজাত হিসেবেই এটি এসেছে। তাই আমি কখনোই ভাবিনি যে যা বেরিয়ে আসবে তা অমুক বা তমুক কাজের জন্য উপযুক্ত হবে কি না, বরং শুধু বোঝার চেষ্টা করেছি—এবং সর্বদা দেখা গেছে যে 'বোঝা' বা 'উপলব্ধি' করাই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
**[https://agrothendieck.github.io/divers/GBCorr.pdf রোনাল্ড ব্রাউনকে লেখা চিঠি, ১২ এপ্রিল ১৯৮৩]
*আমি আমার পদ্ধতিকে একটি আখরোট খোলার ছবির সাথে তুলনা করতে পারি। প্রথমে আমার মাথায় যে উপমাটি এসেছিল তা হলো আখরোটটিকে কোনো নরম করার তরল পদার্থে ডুবিয়ে রাখা, আর সাধারণ পানিই বা নয় কেন? মাঝেমধ্যে আপনি একটু ঘষবেন যাতে তরলটি ভালোভাবে ভেতরে ঢোকে, নতুবা শুধু সময় যেতে দেবেন। সপ্তাহ এবং মাস পার হতে হতে খোলসটি আরও নমনীয় হয়ে ওঠে—যখন সময় উপযুক্ত হয়, হাতের চাপই যথেষ্ট, খোলসটি একদম পাকা অ্যাভোকাডোর মতো খুলে যায়! কয়েক সপ্তাহ আগে আমার মাথায় অন্য একটি ছবি এসেছিল। অজানাকে জানার বিষয়টি আমার কাছে শক্ত মাটি বা মার্ল পাথরের স্তরের মতো মনে হয়েছিল যা ভেদ করা কঠিন... সমুদ্র নিঃশব্দে অলক্ষ্যে অগ্রসর হয়, দেখে মনে হয় কিছুই ঘটছে না, কিছুই নড়ছে না, পানি এত দূরে যে আপনি তার শব্দও শুনতে পাচ্ছেন না... তবুও শেষ পর্যন্ত এটি সেই প্রতিরোধকারী পদার্থটিকে ঘিরে ফেলে।
**গ. ম্যাকলার্টি, দ্য রাইজিং সি: সরলতা এবং সাধারণতার উপর গ্রোথেনডিক (২০০৭)।
==গ্রোথেনডিক সম্পর্কে উক্তি==
*আমাদের পদার্থবিদ বন্ধুদের উচিত 'অ্যান্টি-ইন্টারফারেন্স' (ব্যতিচার-বিরোধী) নামক একটি নীতি উদ্ভাবন করা, যা দুটি অন্ধকার (লেরে এবং গ্রোথেনডিক) থেকে আলো বের করে আনবে।
** আন্দ্রে ওয়েল, ১৯৫৮।
*আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক গণিতের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির দিক থেকে ওয়েল-এর চেয়ে খুব আলাদা ছিলেন: গ্রোথেনডিক কেবল এমন একজন গণিতবিদ ছিলেন না যিনি শাস্ত্রটি বুঝতেন এবং গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল প্রমাণ করতে পারতেন—তিনি ছিলেন এমন একজন মানুষ যিনি গণিত 'সৃষ্টি' করতে পারতেন। এবং তিনি এটি একাই করেছিলেন।
** {{cite book|author=আমির ডি. অ্যাসেল|শিরোনাম=শিল্পী এবং গণিতবিদ|তারিখ=২৯ এপ্রিল ২০০৯|পৃষ্ঠা=৫৪}}
*গ্রোথেনডিক যে পূর্ণ ব্যাপকতা গ্রহণ করেছিলেন, তা তিনি ছাড়া আর কেউ বীজগণিতীয় জ্যামিতিতে প্রয়োগ করে সফল হতে পারতেন না। এর জন্য প্রয়োজন ছিল সাহস, এমনকি দুঃসাহস, পূর্ণ আত্মবিশ্বাস এবং একাগ্রতা ও কঠোর পরিশ্রমের বিশাল ক্ষমতা। গ্রোথেনডিক ছিলেন একটি বিস্ময়।
** {{cite book|author=মাইকেল আতিয়াহ|শিরোনাম=মাইকেল আটিয়াহ সংগৃহীত কাজ: ভলিউম ৭|বছর=২০১৪|পৃষ্ঠা=৫২৯}}
*আই.এইচ.ই.এস.-এ থাকার সময় যারা গ্রোথেনডিককে চিনতেন, তারা তার দয়া, যেকোনো প্রশ্নের প্রতি তার উদারতা এবং মৃদু হাস্যরসের কথা বলেন। তিনি প্রায়ই খালি পায়ে থাকতেন। ভিয়েতনাম যুদ্ধের প্রতিবাদে তিনি সপ্তাহে একবার উপবাস করতেন। মাজুর স্মরণ করেন যে, গ্রোথেনডিক স্থানীয় ট্রেন স্টেশনে এক গৃহহীন পরিবারের দেখা পেয়েছিলেন এবং তাদের নিজের বাড়ির নিচতলার ফ্ল্যাটে থাকার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন।
** রিভকা গ্যালচেন, দ্য নিউ ইয়র্কার, মে ১৬, ২০২২।
*তিনি আসলে কখনোই উদাহরণের ওপর কাজ করতেন না। আমি কোনো কিছু কেবল উদাহরণের মাধ্যমেই বুঝতে পারি এবং তারপর ধীরে ধীরে সেগুলোকে আরও বিমূর্ত করি। কিন্তু আমার মনে হয় না যে কোনো উদাহরণের দিকে তাকানো গ্রোথেনডিককে বিন্দুমাত্র সাহায্য করত। তিনি পরিস্থিতিকে সম্পূর্ণ বিমূর্ততম উপায়ে চিন্তা করে তার ওপর নিয়ন্ত্রণ অর্জন করতেন। এটি খুবই অদ্ভুত। তার মস্তিষ্ক এভাবেই কাজ করত।
** ডেভিড মামফোর্ড।
== বহিঃসংযোগ ==
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী}}
{{উইকিপিডিয়া}}
{{গণিত উক্তি}}
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:গ্রোথেনডিক, আলেকজান্ডার}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯২৮-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০১৪-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের গণিতবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:জার্মানির গণিতবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:শান্তিবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:বার্লিনের ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফিল্ডস পদক বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ক্রাফোর্ড পুরস্কার বিজয়ী]]
tgd3k3psl89m3cey1cuuw51391q6jh2
আলাপ:ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব
1
12042
73821
2026-04-05T12:40:59Z
ARI
356
https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026
73821
wikitext
text/x-wiki
{{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}}
s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm
জিরো পাংচুয়েশন
0
12043
73828
2026-04-05T13:47:46Z
ARI
356
"'''''জিরো পাংচুয়েশন''''' হলো ভিডিও গেম পর্যালোচনার একটি সিরিজ যা বেন "ইয়াতজি" ক্রোশ তৈরি করেছেন। এটি মূলত ইউটিউবে এবং পরে দ্য এসক্যাপিস্ট ম্যাগাজিনের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। =..." দিয়ে পাতা তৈরি
73828
wikitext
text/x-wiki
'''''জিরো পাংচুয়েশন''''' হলো ভিডিও গেম পর্যালোচনার একটি সিরিজ যা বেন "ইয়াতজি" ক্রোশ তৈরি করেছেন। এটি মূলত ইউটিউবে এবং পরে দ্য এসক্যাপিস্ট ম্যাগাজিনের জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
== ২০০৭ ==
=== দ্য ডার্কনেস ডেমো ===
* ''দ্য ডার্কনেস'' হলো একটি হরর থিমযুক্ত ফার্স্ট-পারসন শুটার গেম। এটি এমন এক কমিক বইয়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি যার নাম আমি আগে শুনিনি। গেমটি তৈরি করেছে চমৎকার নামের স্টারব্রিজ স্টুডিওস। তাদের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আগের গেমটি ছিল ''দ্য ক্রনিকলস অফ রিডিক: এস্কেপ ফ্রম বুচার বে''। সেখানে খেলোয়াড়েরা ক্লেমেশন ভিন ডিজেলকে নিয়ন্ত্রণ করত, যে কি না বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মুখের সামনে নিজেকে নিয়ে নির্লজ্জ আদিখ্যেতা করার এক অবিরাম প্রচেষ্টায় লিপ্ত ছিল।
* ...আমাকে যা করতে হয়েছিল তা হলো, মাটিতে থাকা সহজেই চোখ এড়িয়ে যায় এমন একটি সাদা দাগের কাছে ফিরে যাওয়া। সেটি ব্যবহার করে একটি শয়তান ইম্পকে ডেকে আনা এবং তাকে নির্দেশ দেওয়া যাতে সে কবরস্থানের একটি প্রবেশপথের সামনে আড়াআড়িভাবে রাখা একটি গাড়ি সরিয়ে দেয়। আমি বিষয়টা আবার বলি: গেমটি আমাকে দিয়ে নরকের গভীর থেকে অনেকগুলো দাঁত আর নখরওয়ালা এক দানবকে ডেকে আনালো। কিন্তু সেটি নিরপরাধ মানুষকে দাসে পরিণত করার জন্য বা দুনিয়ার সব দেশ ধ্বংস করার জন্য নয়, বরং তাকে আমার ব্যক্তিগত গাড়ি সরানোর কাজে ব্যবহার করার জন্য!
* ব্যক্তিগতভাবে, এই মুহূর্তে আমি ''দ্য ডার্কনেস''-এর পূর্ণ সংস্করণ কেনার কথা তখনই ভাবব, যদি এর দাম অনেক কমে যায় এবং তারা এর সাথে অন্য কোনো ভালো গেমও দিয়ে দেয়। সাথে কিছুটা কেক আর বেলজিয়াম দেশটাকেও দিতে হবে। [https://www.youtube.com/watch?v=eWS9_nrKOPA]
ajf46xklq410olp13ljrylw06r4eqvs
73831
73828
2026-04-05T14:07:01Z
ARI
356
/* ২০০৭ */
73831
wikitext
text/x-wiki
'''''জিরো পাংচুয়েশন''''' হলো ভিডিও গেম পর্যালোচনার একটি সিরিজ যা বেন "ইয়াতজি" ক্রোশ তৈরি করেছেন। এটি মূলত ইউটিউবে এবং পরে দ্য এসক্যাপিস্ট ম্যাগাজিনের জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
== ২০০৭ ==
=== দ্য ডার্কনেস ডেমো ===
* ''দ্য ডার্কনেস'' হলো একটি হরর থিমযুক্ত ফার্স্ট-পারসন শুটার গেম। এটি এমন এক কমিক বইয়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি যার নাম আমি আগে শুনিনি। গেমটি তৈরি করেছে চমৎকার নামের স্টারব্রিজ স্টুডিওস। তাদের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আগের গেমটি ছিল ''দ্য ক্রনিকলস অফ রিডিক: এস্কেপ ফ্রম বুচার বে''। সেখানে খেলোয়াড়েরা ক্লেমেশন ভিন ডিজেলকে নিয়ন্ত্রণ করত, যে কি না বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মুখের সামনে নিজেকে নিয়ে নির্লজ্জ আদিখ্যেতা করার এক অবিরাম প্রচেষ্টায় লিপ্ত ছিল।
* ...আমাকে যা করতে হয়েছিল তা হলো, মাটিতে থাকা সহজেই চোখ এড়িয়ে যায় এমন একটি সাদা দাগের কাছে ফিরে যাওয়া। সেটি ব্যবহার করে একটি শয়তান ইম্পকে ডেকে আনা এবং তাকে নির্দেশ দেওয়া যাতে সে কবরস্থানের একটি প্রবেশপথের সামনে আড়াআড়িভাবে রাখা একটি গাড়ি সরিয়ে দেয়। আমি বিষয়টা আবার বলি: গেমটি আমাকে দিয়ে নরকের গভীর থেকে অনেকগুলো দাঁত আর নখরওয়ালা এক দানবকে ডেকে আনালো। কিন্তু সেটি নিরপরাধ মানুষকে দাসে পরিণত করার জন্য বা দুনিয়ার সব দেশ ধ্বংস করার জন্য নয়, বরং তাকে আমার ব্যক্তিগত গাড়ি সরানোর কাজে ব্যবহার করার জন্য!
* ব্যক্তিগতভাবে, এই মুহূর্তে আমি ''দ্য ডার্কনেস''-এর পূর্ণ সংস্করণ কেনার কথা তখনই ভাবব, যদি এর দাম অনেক কমে যায় এবং তারা এর সাথে অন্য কোনো ভালো গেমও দিয়ে দেয়। সাথে কিছুটা কেক আর বেলজিয়াম দেশটাকেও দিতে হবে। [https://www.youtube.com/watch?v=eWS9_nrKOPA]
=== ফেবল: দ্য লস্ট চ্যাপ্টারস ===
* ''ফেবল'' গেমটি লায়নহেড স্টুডিওসের তৈরি, যারা অনেকদিন ধরে বিখ্যাত গেম ডিজাইনার পিটার মোলিনেক্সের আস্তানা হিসেবে পরিচিত। পিটারের একটি স্বভাব হলো বিশাল সব প্রতিশ্রুতি দেওয়া এবং শেষ পর্যন্ত নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষার চাপে নিজেই পঙ্গু হয়ে যাওয়া (এর উদাহরণ হিসেবে তার অগোছালো গেম ''ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট''-এর কথা বলা যায়)। উদাহরণস্বরূপ, ''ফেবল'' তৈরির সময় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যে এতে প্রতিদ্বন্দ্বী এনপিসি চরিত্র থাকবে, গাছপালা বাস্তব সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বড় হবে এবং আপনার প্রতিটি ছোটখাটো সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে আপনার চেহারা ও চারপাশের পৃথিবী বদলে যাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা যা পেলাম তা হলো ত্রুটিপূর্ণ একটি অ্যাকশন-আরপিজি গেম, যেটি নিজেকে নিয়ে বড্ড বেশি গর্বিত।
* এই গেমের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো আপনি একজন ভালো চরিত্র অথবা একজন মন্দ চরিত্র হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই আমি এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় শয়তান হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। গেমটির মতে শয়তান হওয়ার সেরা উপায় হলো কালো পোশাক পরা, বিশাল গোঁফ রাখা, সারা মুখে উল্কি আঁকা আর মাঝেমধ্যে পথচারীদের চড়-থাপ্পড় মারা। আমি নিজেকে একজন জাদুকর হিসেবেও তৈরি করতে চেয়েছিলাম কারণ আমি চেয়েছিলাম আমাকে দেখতে মিং দ্য মার্সেলেসের মতো লাগুক। কিন্তু শুরুর দিকের জাদুমন্ত্রগুলো এতোটাই দুর্বল ছিল যে শেষ পর্যন্ত আমাকে অর্ধেকটা সময় তলোয়ারই ব্যবহার করতে হতো। গেমটি শেষ পর্যন্ত আমার উপাধি দিল "স্পেলওয়ারিয়র", যা শুনে আমার মনে হলো তারা আমাকে একজন সিদ্ধান্তহীন বোকা মানুষ বলছে।
* শেষ পর্যন্ত আমি যখন ফাইনাল বসের মুখোমুখি হলাম, সে এক জায়গায় স্থির হয়ে দাঁড়াচ্ছিল না যাতে আমার শক্তিশালী কালো জাদুমন্ত্রটি কাজ করে। তাই আমার একমাত্র উপায় ছিল তলোয়ার দিয়ে বারবার তার মাথায় আঘাত করা, যখন সে অনবরত আমার শরীরের নিচের অংশ কামড়ে খাচ্ছিল। কিন্তু সেই সময় আমার কাছে এতো বেশি হেলথ পোরশন (জীবনদায়ী পানীয়) ছিল যে আমি অনায়াসেই সেগুলো ব্যবহার করে বেঁচে থাকতে পারছিলাম। বসটি মারা যাওয়ার পর আমার কাছে এতো বেশি পানীয় বেঁচে ছিল যে আমি চাইলে সেগুলো দিয়ে একটা বড়সড় হেলথ পোরশন পার্টি দিতে পারতাম। [https://www.youtube.com/watch?v=jYQLR7dE5k4]
=== হেভেনলি সোর্ড এবং অন্যান্য ===
* নারিকো তখন পাশে বসে থাকা বিড়ালের মতো কান আর মেকআপ পরা এক... অদ্ভুত জিনিসের দিকে ফিরে তাকালো। দেখে মনে হচ্ছিল মেকআপটি কিস ব্যান্ডের এমন কোনো ভক্ত লাগিয়েছে যার পার্কিনসন রোগ আছে। নারিকো তাকে জানালো যে সে সব দুষ্ট লোকদের শেষ করে দিতে চায়। তারপর খুব গম্ভীর মুখে সে বলল, "আমাদের হয়তো তোমার 'টুইং-টোয়াং' বাজানোর প্রয়োজন হতে পারে।" এটি শোনার পর আমার প্রথম চিন্তা ছিল, "আমি নিশ্চিতভাবে এই কথাটি প্রসঙ্গের বাইরে ব্যবহার করব।" কিন্তু পরে ভেবে দেখলাম, এটি মূল প্রসঙ্গের ভেতরেও খুব একটা অর্থ বহন করে না। ডেভেলপাররা যদি ভেবে থাকেন যে শুধুমাত্র এই "টুইং-টোয়াং" জিনিসটা কী তা জানার জন্য আমি পুরো গেমটি কিনব, তবে তারা তাদের মিশনে সফল হয়েছেন। তবে এটি যদি লেসবিয়ান যৌনাচারের কোনো সুন্দর ছদ্মনাম না হয়, তবে আমি খুব হতাশ হব (হ্যাঁ, আমি এ পর্যন্তই বলে ফেললাম)।
* আমার মনের এক অংশ বলছে যে শিল্পের বিচারে ''আরই ৫''-এর কিছু সার্থকতা থাকতে পারে। কারণ একটি হরর গেমের কাজই হলো মানুষকে অস্থির করে তোলা; আর খেলোয়াড়কে এমন কিছু করতে বাধ্য করা যা ভীতিকর হওয়ার পাশাপাশি রুচিহীন, তা আসলেই একটি নতুন পদ্ধতি। কিন্তু আবারও মনে পড়ে এটি ''রেসিডেন্ট ইভিল'' সিরিজ, যারা আমাদের "তীক্ষ্ণ কণ্ঠের বামন নেপোলিয়ন" উপহার দিয়েছিল। তাই তাদের কোনো আইডিয়ার পেছনে যদি সূক্ষ্ম কোনো অর্থ থেকেও থাকে, তবে সেটি সম্ভবত নিছক একটি দুর্ঘটনা। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/1-Heavenly-Sword-and-Other-Stuff]
9jo9arn1on7frebvcm4i931fu5rmgpj
73833
73831
2026-04-05T14:10:55Z
ARI
356
/* হেভেনলি সোর্ড এবং অন্যান্য */
73833
wikitext
text/x-wiki
'''''জিরো পাংচুয়েশন''''' হলো ভিডিও গেম পর্যালোচনার একটি সিরিজ যা বেন "ইয়াতজি" ক্রোশ তৈরি করেছেন। এটি মূলত ইউটিউবে এবং পরে দ্য এসক্যাপিস্ট ম্যাগাজিনের জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
== ২০০৭ ==
=== দ্য ডার্কনেস ডেমো ===
* ''দ্য ডার্কনেস'' হলো একটি হরর থিমযুক্ত ফার্স্ট-পারসন শুটার গেম। এটি এমন এক কমিক বইয়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি যার নাম আমি আগে শুনিনি। গেমটি তৈরি করেছে চমৎকার নামের স্টারব্রিজ স্টুডিওস। তাদের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আগের গেমটি ছিল ''দ্য ক্রনিকলস অফ রিডিক: এস্কেপ ফ্রম বুচার বে''। সেখানে খেলোয়াড়েরা ক্লেমেশন ভিন ডিজেলকে নিয়ন্ত্রণ করত, যে কি না বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মুখের সামনে নিজেকে নিয়ে নির্লজ্জ আদিখ্যেতা করার এক অবিরাম প্রচেষ্টায় লিপ্ত ছিল।
* ...আমাকে যা করতে হয়েছিল তা হলো, মাটিতে থাকা সহজেই চোখ এড়িয়ে যায় এমন একটি সাদা দাগের কাছে ফিরে যাওয়া। সেটি ব্যবহার করে একটি শয়তান ইম্পকে ডেকে আনা এবং তাকে নির্দেশ দেওয়া যাতে সে কবরস্থানের একটি প্রবেশপথের সামনে আড়াআড়িভাবে রাখা একটি গাড়ি সরিয়ে দেয়। আমি বিষয়টা আবার বলি: গেমটি আমাকে দিয়ে নরকের গভীর থেকে অনেকগুলো দাঁত আর নখরওয়ালা এক দানবকে ডেকে আনালো। কিন্তু সেটি নিরপরাধ মানুষকে দাসে পরিণত করার জন্য বা দুনিয়ার সব দেশ ধ্বংস করার জন্য নয়, বরং তাকে আমার ব্যক্তিগত গাড়ি সরানোর কাজে ব্যবহার করার জন্য!
* ব্যক্তিগতভাবে, এই মুহূর্তে আমি ''দ্য ডার্কনেস''-এর পূর্ণ সংস্করণ কেনার কথা তখনই ভাবব, যদি এর দাম অনেক কমে যায় এবং তারা এর সাথে অন্য কোনো ভালো গেমও দিয়ে দেয়। সাথে কিছুটা কেক আর বেলজিয়াম দেশটাকেও দিতে হবে। [https://www.youtube.com/watch?v=eWS9_nrKOPA]
=== ফেবল: দ্য লস্ট চ্যাপ্টারস ===
* ''ফেবল'' গেমটি লায়নহেড স্টুডিওসের তৈরি, যারা অনেকদিন ধরে বিখ্যাত গেম ডিজাইনার পিটার মোলিনেক্সের আস্তানা হিসেবে পরিচিত। পিটারের একটি স্বভাব হলো বিশাল সব প্রতিশ্রুতি দেওয়া এবং শেষ পর্যন্ত নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষার চাপে নিজেই পঙ্গু হয়ে যাওয়া (এর উদাহরণ হিসেবে তার অগোছালো গেম ''ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট''-এর কথা বলা যায়)। উদাহরণস্বরূপ, ''ফেবল'' তৈরির সময় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যে এতে প্রতিদ্বন্দ্বী এনপিসি চরিত্র থাকবে, গাছপালা বাস্তব সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বড় হবে এবং আপনার প্রতিটি ছোটখাটো সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে আপনার চেহারা ও চারপাশের পৃথিবী বদলে যাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা যা পেলাম তা হলো ত্রুটিপূর্ণ একটি অ্যাকশন-আরপিজি গেম, যেটি নিজেকে নিয়ে বড্ড বেশি গর্বিত।
* এই গেমের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো আপনি একজন ভালো চরিত্র অথবা একজন মন্দ চরিত্র হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই আমি এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় শয়তান হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। গেমটির মতে শয়তান হওয়ার সেরা উপায় হলো কালো পোশাক পরা, বিশাল গোঁফ রাখা, সারা মুখে উল্কি আঁকা আর মাঝেমধ্যে পথচারীদের চড়-থাপ্পড় মারা। আমি নিজেকে একজন জাদুকর হিসেবেও তৈরি করতে চেয়েছিলাম কারণ আমি চেয়েছিলাম আমাকে দেখতে মিং দ্য মার্সেলেসের মতো লাগুক। কিন্তু শুরুর দিকের জাদুমন্ত্রগুলো এতোটাই দুর্বল ছিল যে শেষ পর্যন্ত আমাকে অর্ধেকটা সময় তলোয়ারই ব্যবহার করতে হতো। গেমটি শেষ পর্যন্ত আমার উপাধি দিল "স্পেলওয়ারিয়র", যা শুনে আমার মনে হলো তারা আমাকে একজন সিদ্ধান্তহীন বোকা মানুষ বলছে।
* শেষ পর্যন্ত আমি যখন ফাইনাল বসের মুখোমুখি হলাম, সে এক জায়গায় স্থির হয়ে দাঁড়াচ্ছিল না যাতে আমার শক্তিশালী কালো জাদুমন্ত্রটি কাজ করে। তাই আমার একমাত্র উপায় ছিল তলোয়ার দিয়ে বারবার তার মাথায় আঘাত করা, যখন সে অনবরত আমার শরীরের নিচের অংশ কামড়ে খাচ্ছিল। কিন্তু সেই সময় আমার কাছে এতো বেশি হেলথ পোরশন (জীবনদায়ী পানীয়) ছিল যে আমি অনায়াসেই সেগুলো ব্যবহার করে বেঁচে থাকতে পারছিলাম। বসটি মারা যাওয়ার পর আমার কাছে এতো বেশি পানীয় বেঁচে ছিল যে আমি চাইলে সেগুলো দিয়ে একটা বড়সড় হেলথ পোরশন পার্টি দিতে পারতাম। [https://www.youtube.com/watch?v=jYQLR7dE5k4]
=== হেভেনলি সোর্ড এবং অন্যান্য ===
* নারিকো তখন পাশে বসে থাকা বিড়ালের মতো কান আর মেকআপ পরা এক... অদ্ভুত জিনিসের দিকে ফিরে তাকালো। দেখে মনে হচ্ছিল মেকআপটি কিস ব্যান্ডের এমন কোনো ভক্ত লাগিয়েছে যার পার্কিনসন রোগ আছে। নারিকো তাকে জানালো যে সে সব দুষ্ট লোকদের শেষ করে দিতে চায়। তারপর খুব গম্ভীর মুখে সে বলল, "আমাদের হয়তো তোমার 'টুইং-টোয়াং' বাজানোর প্রয়োজন হতে পারে।" এটি শোনার পর আমার প্রথম চিন্তা ছিল, "আমি নিশ্চিতভাবে এই কথাটি প্রসঙ্গের বাইরে ব্যবহার করব।" কিন্তু পরে ভেবে দেখলাম, এটি মূল প্রসঙ্গের ভেতরেও খুব একটা অর্থ বহন করে না। ডেভেলপাররা যদি ভেবে থাকেন যে শুধুমাত্র এই "টুইং-টোয়াং" জিনিসটা কী তা জানার জন্য আমি পুরো গেমটি কিনব, তবে তারা তাদের মিশনে সফল হয়েছেন। তবে এটি যদি লেসবিয়ান যৌনাচারের কোনো সুন্দর ছদ্মনাম না হয়, তবে আমি খুব হতাশ হব (হ্যাঁ, আমি এ পর্যন্তই বলে ফেললাম)।
* আমার মনের এক অংশ বলছে যে শিল্পের বিচারে ''আরই ৫''-এর কিছু সার্থকতা থাকতে পারে। কারণ একটি হরর গেমের কাজই হলো মানুষকে অস্থির করে তোলা; আর খেলোয়াড়কে এমন কিছু করতে বাধ্য করা যা ভীতিকর হওয়ার পাশাপাশি রুচিহীন, তা আসলেই একটি নতুন পদ্ধতি। কিন্তু আবারও মনে পড়ে এটি ''রেসিডেন্ট ইভিল'' সিরিজ, যারা আমাদের "তীক্ষ্ণ কণ্ঠের বামন নেপোলিয়ন" উপহার দিয়েছিল। তাই তাদের কোনো আইডিয়ার পেছনে যদি সূক্ষ্ম কোনো অর্থ থেকেও থাকে, তবে সেটি সম্ভবত নিছক একটি দুর্ঘটনা। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/1-Heavenly-Sword-and-Other-Stuff]
===সাইকোনটস===
* শেফারের হাস্যরসের একটি অন্যতম প্রধান দিক হলো অদ্ভুত বা কাল্পনিক কোনো পরিবেশে খুব সাধারণ বা জাগতিক পরিস্থিতির সহাবস্থান দেখানো (দেখুন: ''গ্রিম ফ্যানড্যাঙ্গো'')। ''সাইকোনটস'' এই ধারা বজায় রেখেছে, কারণ এর পটভূমি হলো অতীন্দ্রিয় ক্ষমতা সম্পন্নদের জন্য একটি সামার ক্যাম্প। গল্পটি র্যাজ নামের এক শিশু ব্যায়ামবিদের রোমাঞ্চকর অভিযান নিয়ে। সে সার্কাসে যোগ দেওয়ার বদলে প্রথা ভেঙে সেখান থেকে পালানোর জন্য ঘর ছাড়ে। তার জন্মগত অতীন্দ্রিয় ক্ষমতার জোরে সে কোনো টিউশন ফি না দিয়েই ক্যাম্পে ঢুকে পড়ে। তবে দ্রুতই কর্মফল তাকে ভোগাতে শুরু করে যখন সে এক অশুভ চক্রান্তে জড়িয়ে পড়ে। তাকে তখন তার চারপাশের মানুষের অবচেতন মনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হওয়া অদ্ভুত সব অপার্থিব জগত ঘুরে দেখতে হয়। পুরো ব্যাপারটা অনেকটা এমন, উইলি ওঙ্কার চকলেট ফ্যাক্টরির ভেতরে টিম বার্টন যদি ডেভিড লিঞ্চকে গর্ভবতী করে ফেলতেন এবং বাচ্চা জন্মানোর আগ পর্যন্ত মেথ খেয়ে যেতেন।
* ''[গেমটির ভালো দিকগুলোর তালিকা]'' প্রথমত, এই ইন্ডাস্ট্রির প্রায় সবকিছুই যেখানে অন্যকে নকল করার ওপর ভিত্তি করে তৈরি, সেখানে এটি বেশ মৌলিক কিছু। দ্বিতীয়ত, এটি সত্যিই হাস্যরসাত্মক; অথচ হাস্যরসের চেষ্টা করা বেশিরভাগ ভিডিও গেম যেন অ্যানেস্থেসিয়া ছাড়া অন্ত্রের অস্ত্রোপচারের মতো যন্ত্রণাদায়ক। তৃতীয়ত, প্রতিটি চরিত্রকেই তাদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও ব্যক্তিত্ব দিয়ে খুব স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এমনকি সেই ছোটখাটো গুরুত্বহীন চরিত্রগুলোর ক্ষেত্রেও এটি সত্যি, যারা শেষ ''দ্য লর্ড অফ দ্য রিংস'' সিনেমায় ক্রিস্টোফার লি-র চেয়েও কম সময় পর্দায় ছিল। আর সবশেষে, এটি ''মজাদার''। মনে আছে? আনন্দ বা মজা? গেমিং যখন দ্বিতীয় কোনো চাকরির মতো মনে হতো না, তার আগে আমরা যে আনন্দ পেতাম? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/2-Psychonauts]
47q8bals0w0egcn9qztl3vjqw44os9q
73838
73833
2026-04-05T14:21:51Z
ARI
356
/* সাইকোনটস */
73838
wikitext
text/x-wiki
'''''জিরো পাংচুয়েশন''''' হলো ভিডিও গেম পর্যালোচনার একটি সিরিজ যা বেন "ইয়াতজি" ক্রোশ তৈরি করেছেন। এটি মূলত ইউটিউবে এবং পরে দ্য এসক্যাপিস্ট ম্যাগাজিনের জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
== ২০০৭ ==
=== দ্য ডার্কনেস ডেমো ===
* ''দ্য ডার্কনেস'' হলো একটি হরর থিমযুক্ত ফার্স্ট-পারসন শুটার গেম। এটি এমন এক কমিক বইয়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি যার নাম আমি আগে শুনিনি। গেমটি তৈরি করেছে চমৎকার নামের স্টারব্রিজ স্টুডিওস। তাদের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আগের গেমটি ছিল ''দ্য ক্রনিকলস অফ রিডিক: এস্কেপ ফ্রম বুচার বে''। সেখানে খেলোয়াড়েরা ক্লেমেশন ভিন ডিজেলকে নিয়ন্ত্রণ করত, যে কি না বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মুখের সামনে নিজেকে নিয়ে নির্লজ্জ আদিখ্যেতা করার এক অবিরাম প্রচেষ্টায় লিপ্ত ছিল।
* ...আমাকে যা করতে হয়েছিল তা হলো, মাটিতে থাকা সহজেই চোখ এড়িয়ে যায় এমন একটি সাদা দাগের কাছে ফিরে যাওয়া। সেটি ব্যবহার করে একটি শয়তান ইম্পকে ডেকে আনা এবং তাকে নির্দেশ দেওয়া যাতে সে কবরস্থানের একটি প্রবেশপথের সামনে আড়াআড়িভাবে রাখা একটি গাড়ি সরিয়ে দেয়। আমি বিষয়টা আবার বলি: গেমটি আমাকে দিয়ে নরকের গভীর থেকে অনেকগুলো দাঁত আর নখরওয়ালা এক দানবকে ডেকে আনালো। কিন্তু সেটি নিরপরাধ মানুষকে দাসে পরিণত করার জন্য বা দুনিয়ার সব দেশ ধ্বংস করার জন্য নয়, বরং তাকে আমার ব্যক্তিগত গাড়ি সরানোর কাজে ব্যবহার করার জন্য!
* ব্যক্তিগতভাবে, এই মুহূর্তে আমি ''দ্য ডার্কনেস''-এর পূর্ণ সংস্করণ কেনার কথা তখনই ভাবব, যদি এর দাম অনেক কমে যায় এবং তারা এর সাথে অন্য কোনো ভালো গেমও দিয়ে দেয়। সাথে কিছুটা কেক আর বেলজিয়াম দেশটাকেও দিতে হবে। [https://www.youtube.com/watch?v=eWS9_nrKOPA]
=== ফেবল: দ্য লস্ট চ্যাপ্টারস ===
* ''ফেবল'' গেমটি লায়নহেড স্টুডিওসের তৈরি, যারা অনেকদিন ধরে বিখ্যাত গেম ডিজাইনার পিটার মোলিনেক্সের আস্তানা হিসেবে পরিচিত। পিটারের একটি স্বভাব হলো বিশাল সব প্রতিশ্রুতি দেওয়া এবং শেষ পর্যন্ত নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষার চাপে নিজেই পঙ্গু হয়ে যাওয়া (এর উদাহরণ হিসেবে তার অগোছালো গেম ''ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট''-এর কথা বলা যায়)। উদাহরণস্বরূপ, ''ফেবল'' তৈরির সময় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যে এতে প্রতিদ্বন্দ্বী এনপিসি চরিত্র থাকবে, গাছপালা বাস্তব সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বড় হবে এবং আপনার প্রতিটি ছোটখাটো সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে আপনার চেহারা ও চারপাশের পৃথিবী বদলে যাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা যা পেলাম তা হলো ত্রুটিপূর্ণ একটি অ্যাকশন-আরপিজি গেম, যেটি নিজেকে নিয়ে বড্ড বেশি গর্বিত।
* এই গেমের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো আপনি একজন ভালো চরিত্র অথবা একজন মন্দ চরিত্র হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই আমি এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় শয়তান হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। গেমটির মতে শয়তান হওয়ার সেরা উপায় হলো কালো পোশাক পরা, বিশাল গোঁফ রাখা, সারা মুখে উল্কি আঁকা আর মাঝেমধ্যে পথচারীদের চড়-থাপ্পড় মারা। আমি নিজেকে একজন জাদুকর হিসেবেও তৈরি করতে চেয়েছিলাম কারণ আমি চেয়েছিলাম আমাকে দেখতে মিং দ্য মার্সেলেসের মতো লাগুক। কিন্তু শুরুর দিকের জাদুমন্ত্রগুলো এতোটাই দুর্বল ছিল যে শেষ পর্যন্ত আমাকে অর্ধেকটা সময় তলোয়ারই ব্যবহার করতে হতো। গেমটি শেষ পর্যন্ত আমার উপাধি দিল "স্পেলওয়ারিয়র", যা শুনে আমার মনে হলো তারা আমাকে একজন সিদ্ধান্তহীন বোকা মানুষ বলছে।
* শেষ পর্যন্ত আমি যখন ফাইনাল বসের মুখোমুখি হলাম, সে এক জায়গায় স্থির হয়ে দাঁড়াচ্ছিল না যাতে আমার শক্তিশালী কালো জাদুমন্ত্রটি কাজ করে। তাই আমার একমাত্র উপায় ছিল তলোয়ার দিয়ে বারবার তার মাথায় আঘাত করা, যখন সে অনবরত আমার শরীরের নিচের অংশ কামড়ে খাচ্ছিল। কিন্তু সেই সময় আমার কাছে এতো বেশি হেলথ পোরশন (জীবনদায়ী পানীয়) ছিল যে আমি অনায়াসেই সেগুলো ব্যবহার করে বেঁচে থাকতে পারছিলাম। বসটি মারা যাওয়ার পর আমার কাছে এতো বেশি পানীয় বেঁচে ছিল যে আমি চাইলে সেগুলো দিয়ে একটা বড়সড় হেলথ পোরশন পার্টি দিতে পারতাম। [https://www.youtube.com/watch?v=jYQLR7dE5k4]
=== হেভেনলি সোর্ড এবং অন্যান্য ===
* নারিকো তখন পাশে বসে থাকা বিড়ালের মতো কান আর মেকআপ পরা এক... অদ্ভুত জিনিসের দিকে ফিরে তাকালো। দেখে মনে হচ্ছিল মেকআপটি কিস ব্যান্ডের এমন কোনো ভক্ত লাগিয়েছে যার পার্কিনসন রোগ আছে। নারিকো তাকে জানালো যে সে সব দুষ্ট লোকদের শেষ করে দিতে চায়। তারপর খুব গম্ভীর মুখে সে বলল, "আমাদের হয়তো তোমার 'টুইং-টোয়াং' বাজানোর প্রয়োজন হতে পারে।" এটি শোনার পর আমার প্রথম চিন্তা ছিল, "আমি নিশ্চিতভাবে এই কথাটি প্রসঙ্গের বাইরে ব্যবহার করব।" কিন্তু পরে ভেবে দেখলাম, এটি মূল প্রসঙ্গের ভেতরেও খুব একটা অর্থ বহন করে না। ডেভেলপাররা যদি ভেবে থাকেন যে শুধুমাত্র এই "টুইং-টোয়াং" জিনিসটা কী তা জানার জন্য আমি পুরো গেমটি কিনব, তবে তারা তাদের মিশনে সফল হয়েছেন। তবে এটি যদি লেসবিয়ান যৌনাচারের কোনো সুন্দর ছদ্মনাম না হয়, তবে আমি খুব হতাশ হব (হ্যাঁ, আমি এ পর্যন্তই বলে ফেললাম)।
* আমার মনের এক অংশ বলছে যে শিল্পের বিচারে ''আরই ৫''-এর কিছু সার্থকতা থাকতে পারে। কারণ একটি হরর গেমের কাজই হলো মানুষকে অস্থির করে তোলা; আর খেলোয়াড়কে এমন কিছু করতে বাধ্য করা যা ভীতিকর হওয়ার পাশাপাশি রুচিহীন, তা আসলেই একটি নতুন পদ্ধতি। কিন্তু আবারও মনে পড়ে এটি ''রেসিডেন্ট ইভিল'' সিরিজ, যারা আমাদের "তীক্ষ্ণ কণ্ঠের বামন নেপোলিয়ন" উপহার দিয়েছিল। তাই তাদের কোনো আইডিয়ার পেছনে যদি সূক্ষ্ম কোনো অর্থ থেকেও থাকে, তবে সেটি সম্ভবত নিছক একটি দুর্ঘটনা। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/1-Heavenly-Sword-and-Other-Stuff]
===সাইকোনটস===
* শেফারের হাস্যরসের একটি অন্যতম প্রধান দিক হলো অদ্ভুত বা কাল্পনিক কোনো পরিবেশে খুব সাধারণ বা জাগতিক পরিস্থিতির সহাবস্থান দেখানো (দেখুন: ''গ্রিম ফ্যানড্যাঙ্গো'')। ''সাইকোনটস'' এই ধারা বজায় রেখেছে, কারণ এর পটভূমি হলো অতীন্দ্রিয় ক্ষমতা সম্পন্নদের জন্য একটি সামার ক্যাম্প। গল্পটি র্যাজ নামের এক শিশু ব্যায়ামবিদের রোমাঞ্চকর অভিযান নিয়ে। সে সার্কাসে যোগ দেওয়ার বদলে প্রথা ভেঙে সেখান থেকে পালানোর জন্য ঘর ছাড়ে। তার জন্মগত অতীন্দ্রিয় ক্ষমতার জোরে সে কোনো টিউশন ফি না দিয়েই ক্যাম্পে ঢুকে পড়ে। তবে দ্রুতই কর্মফল তাকে ভোগাতে শুরু করে যখন সে এক অশুভ চক্রান্তে জড়িয়ে পড়ে। তাকে তখন তার চারপাশের মানুষের অবচেতন মনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হওয়া অদ্ভুত সব অপার্থিব জগত ঘুরে দেখতে হয়। পুরো ব্যাপারটা অনেকটা এমন, উইলি ওঙ্কার চকলেট ফ্যাক্টরির ভেতরে টিম বার্টন যদি ডেভিড লিঞ্চকে গর্ভবতী করে ফেলতেন এবং বাচ্চা জন্মানোর আগ পর্যন্ত মেথ খেয়ে যেতেন।
* ''[গেমটির ভালো দিকগুলোর তালিকা]'' প্রথমত, এই ইন্ডাস্ট্রির প্রায় সবকিছুই যেখানে অন্যকে নকল করার ওপর ভিত্তি করে তৈরি, সেখানে এটি বেশ মৌলিক কিছু। দ্বিতীয়ত, এটি সত্যিই হাস্যরসাত্মক; অথচ হাস্যরসের চেষ্টা করা বেশিরভাগ ভিডিও গেম যেন অ্যানেস্থেসিয়া ছাড়া অন্ত্রের অস্ত্রোপচারের মতো যন্ত্রণাদায়ক। তৃতীয়ত, প্রতিটি চরিত্রকেই তাদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও ব্যক্তিত্ব দিয়ে খুব স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এমনকি সেই ছোটখাটো গুরুত্বহীন চরিত্রগুলোর ক্ষেত্রেও এটি সত্যি, যারা শেষ ''দ্য লর্ড অফ দ্য রিংস'' সিনেমায় ক্রিস্টোফার লি-র চেয়েও কম সময় পর্দায় ছিল। আর সবশেষে, এটি ''মজাদার''। মনে আছে? আনন্দ বা মজা? গেমিং যখন দ্বিতীয় কোনো চাকরির মতো মনে হতো না, তার আগে আমরা যে আনন্দ পেতাম? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/2-Psychonauts]
=== কনসোল রানডাউন ===
* বর্তমান প্রজন্মের কনসোলগুলোর মাধ্যমে আমরা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছি বা প্রায় পৌঁছে গেছি, যেখানে গ্রাফিক্স আর খুব বেশি উন্নত হবে না। তাই এখন আমাদের গত প্রজন্মের প্রযুক্তির পেছনে ছোটা বন্ধ করা উচিত এবং সাইলেন্ট হিল ২-এর মতো প্রকৃত গভীরতা সম্পন্ন কিছু গেম তৈরিতে মনোযোগ দেওয়া উচিত। তবে কনসোল যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত একেবারেই নিরর্থক, কারণ ইতিহাসের সেরা গেম কমোডোর ৬৪-এর জন্য ফ্যান্টাসি ওয়ার্ল্ড ডিজি ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গেছে। অথবা হয়তো পুরো গেমিং জগতটাই অর্থহীন—জীবনের বিশাল রাস্তার ধারে পড়ে থাকা নুড়ি পাথর নিয়ে খেলার মতো। তবে যাই হোক, অন্তত এখানে সহিংসতা আর স্তন তো আছে! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/3-Console-Rundown]
=== বায়োশক ===
* ''বায়োশক'' গেমটিকে সিস্টেম শক ২-এর আধ্যাত্মিক উত্তরসূরি হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। আমি নিশ্চিত সিস্টেম শক ২ তার এই নরমাল-ম্যাপড, ফং-শেডেড জারজ সন্তানটিকে নিয়ে খুব গর্বিত হবে, কারণ সে প্রায় জর্জ বুশের মতোই তার বাবার আদর্শ অনুসরণ করে চলেছে। আমি জানি আপনারা এখন কী বলবেন: "ইয়াটজি, আপনি একজন দারুণ মানুষ: এটা কেমন ধরনের অভিযোগ? সিস্টেম শক ২ চমৎকার ছিল, আর তার মতো যেকোনো গেমই সমান ভালো হওয়া উচিত।" কিন্তু সমস্যা এখানেই: এটি সিস্টেম শক ২-এর মতো নয়, এটিই হলো সিস্টেম শক ২। হ্যাঁ, দেখতে হয়তো আলাদা, খুঁটিনাটি বিবরণে পার্থক্য আছে আর চরিত্রের নামগুলো বদলে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এসব সরিয়ে ফেললে এর ভিলেন চরিত্রটি শেষ পর্যন্ত কোট পরা আর 'অ্যাটলাস শ্রাগড' বই হাতে রাখা সেই শোডান-ই হতে পারতো।
* কিন্তু গেমটিতে মাত্র দুটি সমাপ্তি আছে—একটি ভালো আর একটি খারাপ। এদের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য হজম করা বেশ কঠিন। ভালো সমাপ্তিতে আপনি হলেন একজন পুণ্যবান পুষ্পশিশু যে বিধাতার রাজ্যের সব প্রাণীর দিকে তাকিয়ে হাসে। আর খারাপ সমাপ্তিতে আপনি হলেন হিটলার আর স্কেলেটরের এক সংকর রূপ, যার মূত্রও যেন বিশুদ্ধ শয়তানি। আমি সেইসব গেম দেখে ক্লান্ত যেগুলো পছন্দের সুযোগ দেওয়ার দাবি করে কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয় আপনাকে মাদার তেরেসা হতে হবে নয়তো বাচ্চা-খাউকা শয়তান। আমি শুধু এটাই বলতে চাই যে, মাঝেমধ্যে একটু মধ্যপন্থা অবলম্বন করলে ভালোই হতো। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/4-BioShock]
=== টুম্ব রেইডার অ্যানিভার্সারি ===
* গেমটির লড়াই করার পদ্ধতি আধুনিক করা হয়েছে। এর মানে হলো তারা এখানে সেই পুরোনো গড অফ ওয়ার বা সাইমন সেজ-এর মতো বারবার বাটন টেপার বিরক্তিকর দৃশ্যগুলো ঢুকিয়ে দিয়েছে, যা আজকাল নিয়ম মেনে প্রতিটি অ্যাকশন গেমেই থাকতে হয়। আর ডিজাইন টিমের কেউ একজন (আপনি জানেন আপনি কে) ভেবেছিলেন যে ফায়ার করার জন্য বাটন চেপে ধরে রাখার বদলে বারবার আর১ বাটন টেপার আইডিয়াটি খুব চমৎকার হবে। কিন্তু আর১ বাটনটি অনবরত টেপার জন্য আরামদায়ক অবস্থানে নেই। আর আপনি যখন এমন সব শত্রুর মুখোমুখি হন যারা মরার আগে এক কোটি গুলি খেতে পারে (যেমন ধরুন, গেমের প্রায় সব শত্রুই), তখন আপনার আঙুলে খিঁচুনি ধরে যাবে। আপনার মনে হবে আপনি গিটার হিরো খেলছেন কিন্তু রক স্টার হওয়ার সেই কল্পনাটা আপনার সাথে নেই।
* ''[গেম প্রকাশকদের আইডিয়া খুঁজে পেতে সাহায্য করছেন]'' এখানে একটি আইডিয়া আছে: একজন জিন-প্রকৌশলী তাইওয়ানিজ বাবুর্চি তার বড় স্তনবিশিষ্ট প্রেমিকাকে মামিদের হাত থেকে বাঁচাতে ফেজ টুপি পরা একটি গুইসালাপের সাথে দল পাকিয়েছে। দেখলেন তো? এটা খুব সহজ। বড় স্তনবিশিষ্ট একজন ব্রেস্ট ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ নিজের স্তন আরও বড় করার খরচ জোগাতে সময়ের অতীতে ভ্রমণ করছেন। একদল বড় স্তনধারী মানুষ তাদের বিশাল স্তন বহর নিয়ে নতুন এক স্তন-গ্রহের খোঁজে বেরিয়ে পড়েছে। স্তন, তরমুজ, দুধের কারখানা, আবক্ষ, মজার ব্যাগ, টোকা, ব্যালিস্টিকস, বুবস, জগস, নিপলস, জবলিস... বিশাল... বিশাল... বুক। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/5-Tomb-Raider-Anniversary]
=== ম্যানহান্ট ===
* থার্ড-পারসন অ্যাকশন গেম ডেভেলপাররা, একটা কথা পরিষ্কার করে বুঝে নিন, ঠিক আছে? বাম অ্যানালগ স্টিক নড়াচড়া করার জন্য; ডান অ্যানালগ স্টিক খেলোয়াড়ের চারপাশে ক্যামেরা ঘোরানোর জন্য। এটা কীভাবে সম্ভব যে, যখন আপনারা দেখেন কোনো কিছু নিখুঁতভাবে কাজ করছে, তখনই আপনারা সেটিকে উন্নত করার নামে জগািখচুড়ি পাকিয়ে ফেলেন? ম্যানহান্ট-এ ডান অ্যানালগ স্টিকটি ফার্স্ট-পারসন ক্যামেরায় বদলে যায়। তাত্ত্বিকভাবে এটি যুক্তিযুক্ত মনে হতে পারে, কিন্তু এর মানে হলো আপনি যখন লুকিয়ে থেকে আপনার পেছনে পাহারারত কোনো গার্ডকে দেখার চেষ্টা করেন, তখন স্টিকটিতে একটু ছোঁয়া লাগলেই আপনি দেয়ালের দিকে তাকিয়ে থাকেন। আর অর্ধেক সময় যখন আপনি ক্যামেরাটিকে ঠিকঠাক পজিশনে আনেন, তখন দেখবেন গার্ডটি আপনার একদম সামনে চলে এসেছে এবং আপনার অণ্ডকোষে ছুরি বসিয়ে দিয়েছে।
* তবে ম্যানহান্ট-এর মতো গেমগুলো কম বয়সী বা অপরিণত মস্তিষ্কের মানুষদের মাথা নষ্ট করে কি না, সেই তর্কে আমি কার পক্ষ নেব তা জানি না। গেমটিতে খুব স্পষ্টভাবে সতর্কবাণী দেওয়া আছে যে বারো বছর বয়সীদের এটি খেলার কথা নয়। কিন্তু এতে কোনো সন্দেহ নেই যে তারাই এটি খেলে, কারণ বারো বছর বয়সী ছাড়া আর কারো এসব জিনিসে রুচি নেই। গ্যারোট তার দিয়ে মাথা কাটা বা বেসবল ব্যাট দিয়ে মাথার খুলি উড়িয়ে দেওয়া নিয়ে হাঁপাতে হাঁপাতে গল্প করা মিডল স্কুলে বন্ধু পাওয়ার ভালো উপায় হতে পারে; কিন্তু অফিসের আড্ডায় এটি বন্ধু হারানোরই একটা ভালো উপায়। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/6-Manhunt]
=== পেগল ===
* এই গেমটি সম্পর্কে আমি যা বলতে পারি তা হলো—আমি দুপুর নাগাদ এটি খেলতে শুরু করেছিলাম এবং অনেক পরে যখন রুম থেকে বের হলাম তখন দেখলাম কর্তৃপক্ষ আমাকে আইনত মৃত ঘোষণা করেছে। যদি এই "ক্যাজুয়াল গেমিং" বিষয়টি আপনার মাথা এড়িয়ে গিয়ে থাকে, তবে আমাকে আপনার মুখ জ্ঞানের সেই পচা পানির নিচে ডুবিয়ে ধরতে দিন। সাম্প্রতিক অতীতে কেউ একজন খেয়াল করেছিলেন যে বিজুয়েলড-এর মতো সাধারণ ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক রঙ মেলানোর গেমগুলো লজ্জাজনক পরিমাণ টাকা কামাচ্ছে। এর কারণ হলো, সময় গড়ানোর সাথে সাথে বাড়িতে একা থাকা বিরক্ত গৃহিণীরা নিজেরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে টিভি মেকানিকের সাথে প্রেম করা আর শোভন নয়, তাই তারা আমোদ-প্রমোদের জন্য ভিডিও গেমের দিকে ঝুঁকেছেন।
* সংক্ষেপে বলতে গেলে এটি মন্দ নয়। আমি বুকওয়ার্ম অ্যাডভেঞ্চারস বেশি পছন্দ করেছি, কিন্তু আমি সেইসব অপদার্থ মিউট্যান্টদের একজন যারা সত্যিই স্ক্র্যাবল খেলতে পছন্দ করে। ব্যস এটুকুই। পেগল নিয়ে আমি এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারব না কারণ গেমটি এটুকুই। পপ ক্যাপ-এর লক্ষ্য কী আমি জানি না, তবে আমি বাজি ধরে বলতে পারি তাদের মূলমন্ত্র হলো—"সুন্দর ঝলমলে আলো, উৎসাহব্যঞ্জক শব্দ আর যতটা সম্ভব কম গেমপ্লে ব্যবহার করে প্রিমিয়াম মানের কোকেন সদৃশ গেমিং অভিজ্ঞতা তৈরি করা।" আর এটি তাদের জন্য বেশ ভালোই কাজ করছে কারণ তারা এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। কোটি কোটি! তারা শুধুমাত্র সস্তা টু-ডি গেম বানায়! এতো টাকা তারা কিসে খরচ করে? আইসক্রিম কিনতে? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/7-Peggle]
p1wm84rg9cpa2eb2c5gh3u4ikfacn0w
73839
73838
2026-04-05T14:22:40Z
ARI
356
/* কনসোল রানডাউন */
73839
wikitext
text/x-wiki
'''''জিরো পাংচুয়েশন''''' হলো ভিডিও গেম পর্যালোচনার একটি সিরিজ যা বেন "ইয়াতজি" ক্রোশ তৈরি করেছেন। এটি মূলত ইউটিউবে এবং পরে দ্য এসক্যাপিস্ট ম্যাগাজিনের জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
== ২০০৭ ==
=== দ্য ডার্কনেস ডেমো ===
* ''দ্য ডার্কনেস'' হলো একটি হরর থিমযুক্ত ফার্স্ট-পারসন শুটার গেম। এটি এমন এক কমিক বইয়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি যার নাম আমি আগে শুনিনি। গেমটি তৈরি করেছে চমৎকার নামের স্টারব্রিজ স্টুডিওস। তাদের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আগের গেমটি ছিল ''দ্য ক্রনিকলস অফ রিডিক: এস্কেপ ফ্রম বুচার বে''। সেখানে খেলোয়াড়েরা ক্লেমেশন ভিন ডিজেলকে নিয়ন্ত্রণ করত, যে কি না বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মুখের সামনে নিজেকে নিয়ে নির্লজ্জ আদিখ্যেতা করার এক অবিরাম প্রচেষ্টায় লিপ্ত ছিল।
* ...আমাকে যা করতে হয়েছিল তা হলো, মাটিতে থাকা সহজেই চোখ এড়িয়ে যায় এমন একটি সাদা দাগের কাছে ফিরে যাওয়া। সেটি ব্যবহার করে একটি শয়তান ইম্পকে ডেকে আনা এবং তাকে নির্দেশ দেওয়া যাতে সে কবরস্থানের একটি প্রবেশপথের সামনে আড়াআড়িভাবে রাখা একটি গাড়ি সরিয়ে দেয়। আমি বিষয়টা আবার বলি: গেমটি আমাকে দিয়ে নরকের গভীর থেকে অনেকগুলো দাঁত আর নখরওয়ালা এক দানবকে ডেকে আনালো। কিন্তু সেটি নিরপরাধ মানুষকে দাসে পরিণত করার জন্য বা দুনিয়ার সব দেশ ধ্বংস করার জন্য নয়, বরং তাকে আমার ব্যক্তিগত গাড়ি সরানোর কাজে ব্যবহার করার জন্য!
* ব্যক্তিগতভাবে, এই মুহূর্তে আমি ''দ্য ডার্কনেস''-এর পূর্ণ সংস্করণ কেনার কথা তখনই ভাবব, যদি এর দাম অনেক কমে যায় এবং তারা এর সাথে অন্য কোনো ভালো গেমও দিয়ে দেয়। সাথে কিছুটা কেক আর বেলজিয়াম দেশটাকেও দিতে হবে। [https://www.youtube.com/watch?v=eWS9_nrKOPA]
=== ফেবল: দ্য লস্ট চ্যাপ্টারস ===
* ''ফেবল'' গেমটি লায়নহেড স্টুডিওসের তৈরি, যারা অনেকদিন ধরে বিখ্যাত গেম ডিজাইনার পিটার মোলিনেক্সের আস্তানা হিসেবে পরিচিত। পিটারের একটি স্বভাব হলো বিশাল সব প্রতিশ্রুতি দেওয়া এবং শেষ পর্যন্ত নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষার চাপে নিজেই পঙ্গু হয়ে যাওয়া (এর উদাহরণ হিসেবে তার অগোছালো গেম ''ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট''-এর কথা বলা যায়)। উদাহরণস্বরূপ, ''ফেবল'' তৈরির সময় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যে এতে প্রতিদ্বন্দ্বী এনপিসি চরিত্র থাকবে, গাছপালা বাস্তব সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বড় হবে এবং আপনার প্রতিটি ছোটখাটো সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে আপনার চেহারা ও চারপাশের পৃথিবী বদলে যাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা যা পেলাম তা হলো ত্রুটিপূর্ণ একটি অ্যাকশন-আরপিজি গেম, যেটি নিজেকে নিয়ে বড্ড বেশি গর্বিত।
* এই গেমের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো আপনি একজন ভালো চরিত্র অথবা একজন মন্দ চরিত্র হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই আমি এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় শয়তান হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। গেমটির মতে শয়তান হওয়ার সেরা উপায় হলো কালো পোশাক পরা, বিশাল গোঁফ রাখা, সারা মুখে উল্কি আঁকা আর মাঝেমধ্যে পথচারীদের চড়-থাপ্পড় মারা। আমি নিজেকে একজন জাদুকর হিসেবেও তৈরি করতে চেয়েছিলাম কারণ আমি চেয়েছিলাম আমাকে দেখতে মিং দ্য মার্সেলেসের মতো লাগুক। কিন্তু শুরুর দিকের জাদুমন্ত্রগুলো এতোটাই দুর্বল ছিল যে শেষ পর্যন্ত আমাকে অর্ধেকটা সময় তলোয়ারই ব্যবহার করতে হতো। গেমটি শেষ পর্যন্ত আমার উপাধি দিল "স্পেলওয়ারিয়র", যা শুনে আমার মনে হলো তারা আমাকে একজন সিদ্ধান্তহীন বোকা মানুষ বলছে।
* শেষ পর্যন্ত আমি যখন ফাইনাল বসের মুখোমুখি হলাম, সে এক জায়গায় স্থির হয়ে দাঁড়াচ্ছিল না যাতে আমার শক্তিশালী কালো জাদুমন্ত্রটি কাজ করে। তাই আমার একমাত্র উপায় ছিল তলোয়ার দিয়ে বারবার তার মাথায় আঘাত করা, যখন সে অনবরত আমার শরীরের নিচের অংশ কামড়ে খাচ্ছিল। কিন্তু সেই সময় আমার কাছে এতো বেশি হেলথ পোরশন (জীবনদায়ী পানীয়) ছিল যে আমি অনায়াসেই সেগুলো ব্যবহার করে বেঁচে থাকতে পারছিলাম। বসটি মারা যাওয়ার পর আমার কাছে এতো বেশি পানীয় বেঁচে ছিল যে আমি চাইলে সেগুলো দিয়ে একটা বড়সড় হেলথ পোরশন পার্টি দিতে পারতাম। [https://www.youtube.com/watch?v=jYQLR7dE5k4]
=== হেভেনলি সোর্ড এবং অন্যান্য ===
* নারিকো তখন পাশে বসে থাকা বিড়ালের মতো কান আর মেকআপ পরা এক... অদ্ভুত জিনিসের দিকে ফিরে তাকালো। দেখে মনে হচ্ছিল মেকআপটি কিস ব্যান্ডের এমন কোনো ভক্ত লাগিয়েছে যার পার্কিনসন রোগ আছে। নারিকো তাকে জানালো যে সে সব দুষ্ট লোকদের শেষ করে দিতে চায়। তারপর খুব গম্ভীর মুখে সে বলল, "আমাদের হয়তো তোমার 'টুইং-টোয়াং' বাজানোর প্রয়োজন হতে পারে।" এটি শোনার পর আমার প্রথম চিন্তা ছিল, "আমি নিশ্চিতভাবে এই কথাটি প্রসঙ্গের বাইরে ব্যবহার করব।" কিন্তু পরে ভেবে দেখলাম, এটি মূল প্রসঙ্গের ভেতরেও খুব একটা অর্থ বহন করে না। ডেভেলপাররা যদি ভেবে থাকেন যে শুধুমাত্র এই "টুইং-টোয়াং" জিনিসটা কী তা জানার জন্য আমি পুরো গেমটি কিনব, তবে তারা তাদের মিশনে সফল হয়েছেন। তবে এটি যদি লেসবিয়ান যৌনাচারের কোনো সুন্দর ছদ্মনাম না হয়, তবে আমি খুব হতাশ হব (হ্যাঁ, আমি এ পর্যন্তই বলে ফেললাম)।
* আমার মনের এক অংশ বলছে যে শিল্পের বিচারে ''আরই ৫''-এর কিছু সার্থকতা থাকতে পারে। কারণ একটি হরর গেমের কাজই হলো মানুষকে অস্থির করে তোলা; আর খেলোয়াড়কে এমন কিছু করতে বাধ্য করা যা ভীতিকর হওয়ার পাশাপাশি রুচিহীন, তা আসলেই একটি নতুন পদ্ধতি। কিন্তু আবারও মনে পড়ে এটি ''রেসিডেন্ট ইভিল'' সিরিজ, যারা আমাদের "তীক্ষ্ণ কণ্ঠের বামন নেপোলিয়ন" উপহার দিয়েছিল। তাই তাদের কোনো আইডিয়ার পেছনে যদি সূক্ষ্ম কোনো অর্থ থেকেও থাকে, তবে সেটি সম্ভবত নিছক একটি দুর্ঘটনা। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/1-Heavenly-Sword-and-Other-Stuff]
===সাইকোনটস===
* শেফারের হাস্যরসের একটি অন্যতম প্রধান দিক হলো অদ্ভুত বা কাল্পনিক কোনো পরিবেশে খুব সাধারণ বা জাগতিক পরিস্থিতির সহাবস্থান দেখানো (দেখুন: ''গ্রিম ফ্যানড্যাঙ্গো'')। ''সাইকোনটস'' এই ধারা বজায় রেখেছে, কারণ এর পটভূমি হলো অতীন্দ্রিয় ক্ষমতা সম্পন্নদের জন্য একটি সামার ক্যাম্প। গল্পটি র্যাজ নামের এক শিশু ব্যায়ামবিদের রোমাঞ্চকর অভিযান নিয়ে। সে সার্কাসে যোগ দেওয়ার বদলে প্রথা ভেঙে সেখান থেকে পালানোর জন্য ঘর ছাড়ে। তার জন্মগত অতীন্দ্রিয় ক্ষমতার জোরে সে কোনো টিউশন ফি না দিয়েই ক্যাম্পে ঢুকে পড়ে। তবে দ্রুতই কর্মফল তাকে ভোগাতে শুরু করে যখন সে এক অশুভ চক্রান্তে জড়িয়ে পড়ে। তাকে তখন তার চারপাশের মানুষের অবচেতন মনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হওয়া অদ্ভুত সব অপার্থিব জগত ঘুরে দেখতে হয়। পুরো ব্যাপারটা অনেকটা এমন, উইলি ওঙ্কার চকলেট ফ্যাক্টরির ভেতরে টিম বার্টন যদি ডেভিড লিঞ্চকে গর্ভবতী করে ফেলতেন এবং বাচ্চা জন্মানোর আগ পর্যন্ত মেথ খেয়ে যেতেন।
* ''[গেমটির ভালো দিকগুলোর তালিকা]'' প্রথমত, এই ইন্ডাস্ট্রির প্রায় সবকিছুই যেখানে অন্যকে নকল করার ওপর ভিত্তি করে তৈরি, সেখানে এটি বেশ মৌলিক কিছু। দ্বিতীয়ত, এটি সত্যিই হাস্যরসাত্মক; অথচ হাস্যরসের চেষ্টা করা বেশিরভাগ ভিডিও গেম যেন অ্যানেস্থেসিয়া ছাড়া অন্ত্রের অস্ত্রোপচারের মতো যন্ত্রণাদায়ক। তৃতীয়ত, প্রতিটি চরিত্রকেই তাদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও ব্যক্তিত্ব দিয়ে খুব স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এমনকি সেই ছোটখাটো গুরুত্বহীন চরিত্রগুলোর ক্ষেত্রেও এটি সত্যি, যারা শেষ ''দ্য লর্ড অফ দ্য রিংস'' সিনেমায় ক্রিস্টোফার লি-র চেয়েও কম সময় পর্দায় ছিল। আর সবশেষে, এটি ''মজাদার''। মনে আছে? আনন্দ বা মজা? গেমিং যখন দ্বিতীয় কোনো চাকরির মতো মনে হতো না, তার আগে আমরা যে আনন্দ পেতাম? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/2-Psychonauts]
=== কনসোল রানডাউন ===
* বর্তমান প্রজন্মের কনসোলগুলোর মাধ্যমে আমরা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছি বা প্রায় পৌঁছে গেছি, যেখানে গ্রাফিক্স আর খুব বেশি উন্নত হবে না। তাই এখন আমাদের গত প্রজন্মের প্রযুক্তির পেছনে ছোটা বন্ধ করা উচিত এবং সাইলেন্ট হিল ২-এর মতো প্রকৃত গভীরতা সম্পন্ন কিছু গেম তৈরিতে মনোযোগ দেওয়া উচিত। তবে কনসোল যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত একেবারেই নিরর্থক, কারণ ইতিহাসের সেরা গেম কমোডোর ৬৪-এর জন্য ''ফ্যান্টাসি ওয়ার্ল্ড ডিজি'' ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গেছে। অথবা হয়তো পুরো গেমিং জগতটাই অর্থহীন জীবনের বিশাল রাস্তার ধারে পড়ে থাকা নুড়ি পাথর নিয়ে খেলার মতো। তবে যাই হোক, অন্তত এখানে সহিংসতা আর স্তন তো আছে! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/3-Console-Rundown]
=== বায়োশক ===
* ''বায়োশক'' গেমটিকে সিস্টেম শক ২-এর আধ্যাত্মিক উত্তরসূরি হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। আমি নিশ্চিত সিস্টেম শক ২ তার এই নরমাল-ম্যাপড, ফং-শেডেড জারজ সন্তানটিকে নিয়ে খুব গর্বিত হবে, কারণ সে প্রায় জর্জ বুশের মতোই তার বাবার আদর্শ অনুসরণ করে চলেছে। আমি জানি আপনারা এখন কী বলবেন: "ইয়াটজি, আপনি একজন দারুণ মানুষ: এটা কেমন ধরনের অভিযোগ? সিস্টেম শক ২ চমৎকার ছিল, আর তার মতো যেকোনো গেমই সমান ভালো হওয়া উচিত।" কিন্তু সমস্যা এখানেই: এটি সিস্টেম শক ২-এর মতো নয়, এটিই হলো সিস্টেম শক ২। হ্যাঁ, দেখতে হয়তো আলাদা, খুঁটিনাটি বিবরণে পার্থক্য আছে আর চরিত্রের নামগুলো বদলে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এসব সরিয়ে ফেললে এর ভিলেন চরিত্রটি শেষ পর্যন্ত কোট পরা আর 'অ্যাটলাস শ্রাগড' বই হাতে রাখা সেই শোডান-ই হতে পারতো।
* কিন্তু গেমটিতে মাত্র দুটি সমাপ্তি আছে—একটি ভালো আর একটি খারাপ। এদের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য হজম করা বেশ কঠিন। ভালো সমাপ্তিতে আপনি হলেন একজন পুণ্যবান পুষ্পশিশু যে বিধাতার রাজ্যের সব প্রাণীর দিকে তাকিয়ে হাসে। আর খারাপ সমাপ্তিতে আপনি হলেন হিটলার আর স্কেলেটরের এক সংকর রূপ, যার মূত্রও যেন বিশুদ্ধ শয়তানি। আমি সেইসব গেম দেখে ক্লান্ত যেগুলো পছন্দের সুযোগ দেওয়ার দাবি করে কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয় আপনাকে মাদার তেরেসা হতে হবে নয়তো বাচ্চা-খাউকা শয়তান। আমি শুধু এটাই বলতে চাই যে, মাঝেমধ্যে একটু মধ্যপন্থা অবলম্বন করলে ভালোই হতো। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/4-BioShock]
=== টুম্ব রেইডার অ্যানিভার্সারি ===
* গেমটির লড়াই করার পদ্ধতি আধুনিক করা হয়েছে। এর মানে হলো তারা এখানে সেই পুরোনো গড অফ ওয়ার বা সাইমন সেজ-এর মতো বারবার বাটন টেপার বিরক্তিকর দৃশ্যগুলো ঢুকিয়ে দিয়েছে, যা আজকাল নিয়ম মেনে প্রতিটি অ্যাকশন গেমেই থাকতে হয়। আর ডিজাইন টিমের কেউ একজন (আপনি জানেন আপনি কে) ভেবেছিলেন যে ফায়ার করার জন্য বাটন চেপে ধরে রাখার বদলে বারবার আর১ বাটন টেপার আইডিয়াটি খুব চমৎকার হবে। কিন্তু আর১ বাটনটি অনবরত টেপার জন্য আরামদায়ক অবস্থানে নেই। আর আপনি যখন এমন সব শত্রুর মুখোমুখি হন যারা মরার আগে এক কোটি গুলি খেতে পারে (যেমন ধরুন, গেমের প্রায় সব শত্রুই), তখন আপনার আঙুলে খিঁচুনি ধরে যাবে। আপনার মনে হবে আপনি গিটার হিরো খেলছেন কিন্তু রক স্টার হওয়ার সেই কল্পনাটা আপনার সাথে নেই।
* ''[গেম প্রকাশকদের আইডিয়া খুঁজে পেতে সাহায্য করছেন]'' এখানে একটি আইডিয়া আছে: একজন জিন-প্রকৌশলী তাইওয়ানিজ বাবুর্চি তার বড় স্তনবিশিষ্ট প্রেমিকাকে মামিদের হাত থেকে বাঁচাতে ফেজ টুপি পরা একটি গুইসালাপের সাথে দল পাকিয়েছে। দেখলেন তো? এটা খুব সহজ। বড় স্তনবিশিষ্ট একজন ব্রেস্ট ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ নিজের স্তন আরও বড় করার খরচ জোগাতে সময়ের অতীতে ভ্রমণ করছেন। একদল বড় স্তনধারী মানুষ তাদের বিশাল স্তন বহর নিয়ে নতুন এক স্তন-গ্রহের খোঁজে বেরিয়ে পড়েছে। স্তন, তরমুজ, দুধের কারখানা, আবক্ষ, মজার ব্যাগ, টোকা, ব্যালিস্টিকস, বুবস, জগস, নিপলস, জবলিস... বিশাল... বিশাল... বুক। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/5-Tomb-Raider-Anniversary]
=== ম্যানহান্ট ===
* থার্ড-পারসন অ্যাকশন গেম ডেভেলপাররা, একটা কথা পরিষ্কার করে বুঝে নিন, ঠিক আছে? বাম অ্যানালগ স্টিক নড়াচড়া করার জন্য; ডান অ্যানালগ স্টিক খেলোয়াড়ের চারপাশে ক্যামেরা ঘোরানোর জন্য। এটা কীভাবে সম্ভব যে, যখন আপনারা দেখেন কোনো কিছু নিখুঁতভাবে কাজ করছে, তখনই আপনারা সেটিকে উন্নত করার নামে জগািখচুড়ি পাকিয়ে ফেলেন? ম্যানহান্ট-এ ডান অ্যানালগ স্টিকটি ফার্স্ট-পারসন ক্যামেরায় বদলে যায়। তাত্ত্বিকভাবে এটি যুক্তিযুক্ত মনে হতে পারে, কিন্তু এর মানে হলো আপনি যখন লুকিয়ে থেকে আপনার পেছনে পাহারারত কোনো গার্ডকে দেখার চেষ্টা করেন, তখন স্টিকটিতে একটু ছোঁয়া লাগলেই আপনি দেয়ালের দিকে তাকিয়ে থাকেন। আর অর্ধেক সময় যখন আপনি ক্যামেরাটিকে ঠিকঠাক পজিশনে আনেন, তখন দেখবেন গার্ডটি আপনার একদম সামনে চলে এসেছে এবং আপনার অণ্ডকোষে ছুরি বসিয়ে দিয়েছে।
* তবে ম্যানহান্ট-এর মতো গেমগুলো কম বয়সী বা অপরিণত মস্তিষ্কের মানুষদের মাথা নষ্ট করে কি না, সেই তর্কে আমি কার পক্ষ নেব তা জানি না। গেমটিতে খুব স্পষ্টভাবে সতর্কবাণী দেওয়া আছে যে বারো বছর বয়সীদের এটি খেলার কথা নয়। কিন্তু এতে কোনো সন্দেহ নেই যে তারাই এটি খেলে, কারণ বারো বছর বয়সী ছাড়া আর কারো এসব জিনিসে রুচি নেই। গ্যারোট তার দিয়ে মাথা কাটা বা বেসবল ব্যাট দিয়ে মাথার খুলি উড়িয়ে দেওয়া নিয়ে হাঁপাতে হাঁপাতে গল্প করা মিডল স্কুলে বন্ধু পাওয়ার ভালো উপায় হতে পারে; কিন্তু অফিসের আড্ডায় এটি বন্ধু হারানোরই একটা ভালো উপায়। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/6-Manhunt]
=== পেগল ===
* এই গেমটি সম্পর্কে আমি যা বলতে পারি তা হলো—আমি দুপুর নাগাদ এটি খেলতে শুরু করেছিলাম এবং অনেক পরে যখন রুম থেকে বের হলাম তখন দেখলাম কর্তৃপক্ষ আমাকে আইনত মৃত ঘোষণা করেছে। যদি এই "ক্যাজুয়াল গেমিং" বিষয়টি আপনার মাথা এড়িয়ে গিয়ে থাকে, তবে আমাকে আপনার মুখ জ্ঞানের সেই পচা পানির নিচে ডুবিয়ে ধরতে দিন। সাম্প্রতিক অতীতে কেউ একজন খেয়াল করেছিলেন যে বিজুয়েলড-এর মতো সাধারণ ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক রঙ মেলানোর গেমগুলো লজ্জাজনক পরিমাণ টাকা কামাচ্ছে। এর কারণ হলো, সময় গড়ানোর সাথে সাথে বাড়িতে একা থাকা বিরক্ত গৃহিণীরা নিজেরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে টিভি মেকানিকের সাথে প্রেম করা আর শোভন নয়, তাই তারা আমোদ-প্রমোদের জন্য ভিডিও গেমের দিকে ঝুঁকেছেন।
* সংক্ষেপে বলতে গেলে এটি মন্দ নয়। আমি বুকওয়ার্ম অ্যাডভেঞ্চারস বেশি পছন্দ করেছি, কিন্তু আমি সেইসব অপদার্থ মিউট্যান্টদের একজন যারা সত্যিই স্ক্র্যাবল খেলতে পছন্দ করে। ব্যস এটুকুই। পেগল নিয়ে আমি এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারব না কারণ গেমটি এটুকুই। পপ ক্যাপ-এর লক্ষ্য কী আমি জানি না, তবে আমি বাজি ধরে বলতে পারি তাদের মূলমন্ত্র হলো—"সুন্দর ঝলমলে আলো, উৎসাহব্যঞ্জক শব্দ আর যতটা সম্ভব কম গেমপ্লে ব্যবহার করে প্রিমিয়াম মানের কোকেন সদৃশ গেমিং অভিজ্ঞতা তৈরি করা।" আর এটি তাদের জন্য বেশ ভালোই কাজ করছে কারণ তারা এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। কোটি কোটি! তারা শুধুমাত্র সস্তা টু-ডি গেম বানায়! এতো টাকা তারা কিসে খরচ করে? আইসক্রিম কিনতে? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/7-Peggle]
cordln6eg4nnj2c0am0hbriveo6ch5r
73840
73839
2026-04-05T14:25:10Z
ARI
356
/* বায়োশক */
73840
wikitext
text/x-wiki
'''''জিরো পাংচুয়েশন''''' হলো ভিডিও গেম পর্যালোচনার একটি সিরিজ যা বেন "ইয়াতজি" ক্রোশ তৈরি করেছেন। এটি মূলত ইউটিউবে এবং পরে দ্য এসক্যাপিস্ট ম্যাগাজিনের জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
== ২০০৭ ==
=== দ্য ডার্কনেস ডেমো ===
* ''দ্য ডার্কনেস'' হলো একটি হরর থিমযুক্ত ফার্স্ট-পারসন শুটার গেম। এটি এমন এক কমিক বইয়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি যার নাম আমি আগে শুনিনি। গেমটি তৈরি করেছে চমৎকার নামের স্টারব্রিজ স্টুডিওস। তাদের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আগের গেমটি ছিল ''দ্য ক্রনিকলস অফ রিডিক: এস্কেপ ফ্রম বুচার বে''। সেখানে খেলোয়াড়েরা ক্লেমেশন ভিন ডিজেলকে নিয়ন্ত্রণ করত, যে কি না বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মুখের সামনে নিজেকে নিয়ে নির্লজ্জ আদিখ্যেতা করার এক অবিরাম প্রচেষ্টায় লিপ্ত ছিল।
* ...আমাকে যা করতে হয়েছিল তা হলো, মাটিতে থাকা সহজেই চোখ এড়িয়ে যায় এমন একটি সাদা দাগের কাছে ফিরে যাওয়া। সেটি ব্যবহার করে একটি শয়তান ইম্পকে ডেকে আনা এবং তাকে নির্দেশ দেওয়া যাতে সে কবরস্থানের একটি প্রবেশপথের সামনে আড়াআড়িভাবে রাখা একটি গাড়ি সরিয়ে দেয়। আমি বিষয়টা আবার বলি: গেমটি আমাকে দিয়ে নরকের গভীর থেকে অনেকগুলো দাঁত আর নখরওয়ালা এক দানবকে ডেকে আনালো। কিন্তু সেটি নিরপরাধ মানুষকে দাসে পরিণত করার জন্য বা দুনিয়ার সব দেশ ধ্বংস করার জন্য নয়, বরং তাকে আমার ব্যক্তিগত গাড়ি সরানোর কাজে ব্যবহার করার জন্য!
* ব্যক্তিগতভাবে, এই মুহূর্তে আমি ''দ্য ডার্কনেস''-এর পূর্ণ সংস্করণ কেনার কথা তখনই ভাবব, যদি এর দাম অনেক কমে যায় এবং তারা এর সাথে অন্য কোনো ভালো গেমও দিয়ে দেয়। সাথে কিছুটা কেক আর বেলজিয়াম দেশটাকেও দিতে হবে। [https://www.youtube.com/watch?v=eWS9_nrKOPA]
=== ফেবল: দ্য লস্ট চ্যাপ্টারস ===
* ''ফেবল'' গেমটি লায়নহেড স্টুডিওসের তৈরি, যারা অনেকদিন ধরে বিখ্যাত গেম ডিজাইনার পিটার মোলিনেক্সের আস্তানা হিসেবে পরিচিত। পিটারের একটি স্বভাব হলো বিশাল সব প্রতিশ্রুতি দেওয়া এবং শেষ পর্যন্ত নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষার চাপে নিজেই পঙ্গু হয়ে যাওয়া (এর উদাহরণ হিসেবে তার অগোছালো গেম ''ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট''-এর কথা বলা যায়)। উদাহরণস্বরূপ, ''ফেবল'' তৈরির সময় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যে এতে প্রতিদ্বন্দ্বী এনপিসি চরিত্র থাকবে, গাছপালা বাস্তব সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বড় হবে এবং আপনার প্রতিটি ছোটখাটো সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে আপনার চেহারা ও চারপাশের পৃথিবী বদলে যাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা যা পেলাম তা হলো ত্রুটিপূর্ণ একটি অ্যাকশন-আরপিজি গেম, যেটি নিজেকে নিয়ে বড্ড বেশি গর্বিত।
* এই গেমের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো আপনি একজন ভালো চরিত্র অথবা একজন মন্দ চরিত্র হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই আমি এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় শয়তান হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। গেমটির মতে শয়তান হওয়ার সেরা উপায় হলো কালো পোশাক পরা, বিশাল গোঁফ রাখা, সারা মুখে উল্কি আঁকা আর মাঝেমধ্যে পথচারীদের চড়-থাপ্পড় মারা। আমি নিজেকে একজন জাদুকর হিসেবেও তৈরি করতে চেয়েছিলাম কারণ আমি চেয়েছিলাম আমাকে দেখতে মিং দ্য মার্সেলেসের মতো লাগুক। কিন্তু শুরুর দিকের জাদুমন্ত্রগুলো এতোটাই দুর্বল ছিল যে শেষ পর্যন্ত আমাকে অর্ধেকটা সময় তলোয়ারই ব্যবহার করতে হতো। গেমটি শেষ পর্যন্ত আমার উপাধি দিল "স্পেলওয়ারিয়র", যা শুনে আমার মনে হলো তারা আমাকে একজন সিদ্ধান্তহীন বোকা মানুষ বলছে।
* শেষ পর্যন্ত আমি যখন ফাইনাল বসের মুখোমুখি হলাম, সে এক জায়গায় স্থির হয়ে দাঁড়াচ্ছিল না যাতে আমার শক্তিশালী কালো জাদুমন্ত্রটি কাজ করে। তাই আমার একমাত্র উপায় ছিল তলোয়ার দিয়ে বারবার তার মাথায় আঘাত করা, যখন সে অনবরত আমার শরীরের নিচের অংশ কামড়ে খাচ্ছিল। কিন্তু সেই সময় আমার কাছে এতো বেশি হেলথ পোরশন (জীবনদায়ী পানীয়) ছিল যে আমি অনায়াসেই সেগুলো ব্যবহার করে বেঁচে থাকতে পারছিলাম। বসটি মারা যাওয়ার পর আমার কাছে এতো বেশি পানীয় বেঁচে ছিল যে আমি চাইলে সেগুলো দিয়ে একটা বড়সড় হেলথ পোরশন পার্টি দিতে পারতাম। [https://www.youtube.com/watch?v=jYQLR7dE5k4]
=== হেভেনলি সোর্ড এবং অন্যান্য ===
* নারিকো তখন পাশে বসে থাকা বিড়ালের মতো কান আর মেকআপ পরা এক... অদ্ভুত জিনিসের দিকে ফিরে তাকালো। দেখে মনে হচ্ছিল মেকআপটি কিস ব্যান্ডের এমন কোনো ভক্ত লাগিয়েছে যার পার্কিনসন রোগ আছে। নারিকো তাকে জানালো যে সে সব দুষ্ট লোকদের শেষ করে দিতে চায়। তারপর খুব গম্ভীর মুখে সে বলল, "আমাদের হয়তো তোমার 'টুইং-টোয়াং' বাজানোর প্রয়োজন হতে পারে।" এটি শোনার পর আমার প্রথম চিন্তা ছিল, "আমি নিশ্চিতভাবে এই কথাটি প্রসঙ্গের বাইরে ব্যবহার করব।" কিন্তু পরে ভেবে দেখলাম, এটি মূল প্রসঙ্গের ভেতরেও খুব একটা অর্থ বহন করে না। ডেভেলপাররা যদি ভেবে থাকেন যে শুধুমাত্র এই "টুইং-টোয়াং" জিনিসটা কী তা জানার জন্য আমি পুরো গেমটি কিনব, তবে তারা তাদের মিশনে সফল হয়েছেন। তবে এটি যদি লেসবিয়ান যৌনাচারের কোনো সুন্দর ছদ্মনাম না হয়, তবে আমি খুব হতাশ হব (হ্যাঁ, আমি এ পর্যন্তই বলে ফেললাম)।
* আমার মনের এক অংশ বলছে যে শিল্পের বিচারে ''আরই ৫''-এর কিছু সার্থকতা থাকতে পারে। কারণ একটি হরর গেমের কাজই হলো মানুষকে অস্থির করে তোলা; আর খেলোয়াড়কে এমন কিছু করতে বাধ্য করা যা ভীতিকর হওয়ার পাশাপাশি রুচিহীন, তা আসলেই একটি নতুন পদ্ধতি। কিন্তু আবারও মনে পড়ে এটি ''রেসিডেন্ট ইভিল'' সিরিজ, যারা আমাদের "তীক্ষ্ণ কণ্ঠের বামন নেপোলিয়ন" উপহার দিয়েছিল। তাই তাদের কোনো আইডিয়ার পেছনে যদি সূক্ষ্ম কোনো অর্থ থেকেও থাকে, তবে সেটি সম্ভবত নিছক একটি দুর্ঘটনা। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/1-Heavenly-Sword-and-Other-Stuff]
===সাইকোনটস===
* শেফারের হাস্যরসের একটি অন্যতম প্রধান দিক হলো অদ্ভুত বা কাল্পনিক কোনো পরিবেশে খুব সাধারণ বা জাগতিক পরিস্থিতির সহাবস্থান দেখানো (দেখুন: ''গ্রিম ফ্যানড্যাঙ্গো'')। ''সাইকোনটস'' এই ধারা বজায় রেখেছে, কারণ এর পটভূমি হলো অতীন্দ্রিয় ক্ষমতা সম্পন্নদের জন্য একটি সামার ক্যাম্প। গল্পটি র্যাজ নামের এক শিশু ব্যায়ামবিদের রোমাঞ্চকর অভিযান নিয়ে। সে সার্কাসে যোগ দেওয়ার বদলে প্রথা ভেঙে সেখান থেকে পালানোর জন্য ঘর ছাড়ে। তার জন্মগত অতীন্দ্রিয় ক্ষমতার জোরে সে কোনো টিউশন ফি না দিয়েই ক্যাম্পে ঢুকে পড়ে। তবে দ্রুতই কর্মফল তাকে ভোগাতে শুরু করে যখন সে এক অশুভ চক্রান্তে জড়িয়ে পড়ে। তাকে তখন তার চারপাশের মানুষের অবচেতন মনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হওয়া অদ্ভুত সব অপার্থিব জগত ঘুরে দেখতে হয়। পুরো ব্যাপারটা অনেকটা এমন, উইলি ওঙ্কার চকলেট ফ্যাক্টরির ভেতরে টিম বার্টন যদি ডেভিড লিঞ্চকে গর্ভবতী করে ফেলতেন এবং বাচ্চা জন্মানোর আগ পর্যন্ত মেথ খেয়ে যেতেন।
* ''[গেমটির ভালো দিকগুলোর তালিকা]'' প্রথমত, এই ইন্ডাস্ট্রির প্রায় সবকিছুই যেখানে অন্যকে নকল করার ওপর ভিত্তি করে তৈরি, সেখানে এটি বেশ মৌলিক কিছু। দ্বিতীয়ত, এটি সত্যিই হাস্যরসাত্মক; অথচ হাস্যরসের চেষ্টা করা বেশিরভাগ ভিডিও গেম যেন অ্যানেস্থেসিয়া ছাড়া অন্ত্রের অস্ত্রোপচারের মতো যন্ত্রণাদায়ক। তৃতীয়ত, প্রতিটি চরিত্রকেই তাদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও ব্যক্তিত্ব দিয়ে খুব স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এমনকি সেই ছোটখাটো গুরুত্বহীন চরিত্রগুলোর ক্ষেত্রেও এটি সত্যি, যারা শেষ ''দ্য লর্ড অফ দ্য রিংস'' সিনেমায় ক্রিস্টোফার লি-র চেয়েও কম সময় পর্দায় ছিল। আর সবশেষে, এটি ''মজাদার''। মনে আছে? আনন্দ বা মজা? গেমিং যখন দ্বিতীয় কোনো চাকরির মতো মনে হতো না, তার আগে আমরা যে আনন্দ পেতাম? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/2-Psychonauts]
=== কনসোল রানডাউন ===
* বর্তমান প্রজন্মের কনসোলগুলোর মাধ্যমে আমরা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছি বা প্রায় পৌঁছে গেছি, যেখানে গ্রাফিক্স আর খুব বেশি উন্নত হবে না। তাই এখন আমাদের গত প্রজন্মের প্রযুক্তির পেছনে ছোটা বন্ধ করা উচিত এবং সাইলেন্ট হিল ২-এর মতো প্রকৃত গভীরতা সম্পন্ন কিছু গেম তৈরিতে মনোযোগ দেওয়া উচিত। তবে কনসোল যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত একেবারেই নিরর্থক, কারণ ইতিহাসের সেরা গেম কমোডোর ৬৪-এর জন্য ''ফ্যান্টাসি ওয়ার্ল্ড ডিজি'' ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গেছে। অথবা হয়তো পুরো গেমিং জগতটাই অর্থহীন জীবনের বিশাল রাস্তার ধারে পড়ে থাকা নুড়ি পাথর নিয়ে খেলার মতো। তবে যাই হোক, অন্তত এখানে সহিংসতা আর স্তন তো আছে! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/3-Console-Rundown]
===বায়োশক===
* ''বায়োশক''কে ''সিস্টেম শক ২''-এর যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। আমি নিশ্চিত ''সিস্টেম শক ২'' তার এই নরমাল-ম্যাপ করা এবং ফং-শেডেড জারজ সন্তানকে নিয়ে খুব গর্বিত হবে, কারণ এটি তার বাবার ওপর ঠিক ততটাই গেছে যতটা জর্জ বুশ তার বাবার ওপর গেছেন। আর আমি জানি আপনারা কী বলবেন: "ইয়াটজি, ওহে আমার চটকদার তেজী ঘোড়া, এটা কেমন ধরনের অভিযোগ? ''সিস্টেম শক ২'' তো দুর্দান্ত ছিল, আর এর মতো যেকোনো গেমই তো সমান ভালো হওয়া উচিত।" কিন্তু আসল কথা হলো: এটা ''সিস্টেম শক ২''-এর মতো নয়, এটা আসলে ''সিস্টেম শক ২''-ই। ও হ্যাঁ, এটা দেখতে আলাদা, এর সূক্ষ্ম খুঁটিনাটিতে পার্থক্য আছে, আর চরিত্রের নামগুলো পাল্টে দেওয়া হয়েছে,এমনি সব ফালতু ব্যাপার। কিন্তু যখন আপনি এই উপরের আবরণগুলো সরিয়ে ফেলবেন, তখন দেখবেন ভিলেনটা আসলে কোট পরা এবং হাতে ''অ্যাটলাস শ্রাগড'' বই নিয়ে থাকা খোদ শোডানই।
*কিন্তু গেমটিতে মাত্র দুটি সমাপ্তি আছে-একটি ভালো আর একটি খারাপ। এদের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য হজম করা বেশ কঠিন। ভালো সমাপ্তিতে আপনি হলেন একজন পুণ্যবান পুষ্পশিশু যে বিধাতার রাজ্যের সব প্রাণীর দিকে তাকিয়ে হাসে। আর খারাপ সমাপ্তিতে আপনি হলেন হিটলার আর স্কেলেটরের এক সংকর রূপ, যার মূত্রও যেন বিশুদ্ধ শয়তানি। আমি সেইসব গেম দেখে ক্লান্ত যেগুলো পছন্দের সুযোগ দেওয়ার দাবি করে কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয় আপনাকে মাদার তেরেসা হতে হবে নয়তো বাচ্চা-খাউকা শয়তান। আমি শুধু এটাই বলতে চাই যে, মাঝেমধ্যে একটু মধ্যপন্থা অবলম্বন করলে ভালোই হতো। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/4-BioShock]
=== টুম্ব রেইডার অ্যানিভার্সারি ===
* গেমটির লড়াই করার পদ্ধতি আধুনিক করা হয়েছে। এর মানে হলো তারা এখানে সেই পুরোনো গড অফ ওয়ার বা সাইমন সেজ-এর মতো বারবার বাটন টেপার বিরক্তিকর দৃশ্যগুলো ঢুকিয়ে দিয়েছে, যা আজকাল নিয়ম মেনে প্রতিটি অ্যাকশন গেমেই থাকতে হয়। আর ডিজাইন টিমের কেউ একজন (আপনি জানেন আপনি কে) ভেবেছিলেন যে ফায়ার করার জন্য বাটন চেপে ধরে রাখার বদলে বারবার আর১ বাটন টেপার আইডিয়াটি খুব চমৎকার হবে। কিন্তু আর১ বাটনটি অনবরত টেপার জন্য আরামদায়ক অবস্থানে নেই। আর আপনি যখন এমন সব শত্রুর মুখোমুখি হন যারা মরার আগে এক কোটি গুলি খেতে পারে (যেমন ধরুন, গেমের প্রায় সব শত্রুই), তখন আপনার আঙুলে খিঁচুনি ধরে যাবে। আপনার মনে হবে আপনি গিটার হিরো খেলছেন কিন্তু রক স্টার হওয়ার সেই কল্পনাটা আপনার সাথে নেই।
* ''[গেম প্রকাশকদের আইডিয়া খুঁজে পেতে সাহায্য করছেন]'' এখানে একটি আইডিয়া আছে: একজন জিন-প্রকৌশলী তাইওয়ানিজ বাবুর্চি তার বড় স্তনবিশিষ্ট প্রেমিকাকে মামিদের হাত থেকে বাঁচাতে ফেজ টুপি পরা একটি গুইসালাপের সাথে দল পাকিয়েছে। দেখলেন তো? এটা খুব সহজ। বড় স্তনবিশিষ্ট একজন ব্রেস্ট ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ নিজের স্তন আরও বড় করার খরচ জোগাতে সময়ের অতীতে ভ্রমণ করছেন। একদল বড় স্তনধারী মানুষ তাদের বিশাল স্তন বহর নিয়ে নতুন এক স্তন-গ্রহের খোঁজে বেরিয়ে পড়েছে। স্তন, তরমুজ, দুধের কারখানা, আবক্ষ, মজার ব্যাগ, টোকা, ব্যালিস্টিকস, বুবস, জগস, নিপলস, জবলিস... বিশাল... বিশাল... বুক। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/5-Tomb-Raider-Anniversary]
=== ম্যানহান্ট ===
* থার্ড-পারসন অ্যাকশন গেম ডেভেলপাররা, একটা কথা পরিষ্কার করে বুঝে নিন, ঠিক আছে? বাম অ্যানালগ স্টিক নড়াচড়া করার জন্য; ডান অ্যানালগ স্টিক খেলোয়াড়ের চারপাশে ক্যামেরা ঘোরানোর জন্য। এটা কীভাবে সম্ভব যে, যখন আপনারা দেখেন কোনো কিছু নিখুঁতভাবে কাজ করছে, তখনই আপনারা সেটিকে উন্নত করার নামে জগািখচুড়ি পাকিয়ে ফেলেন? ম্যানহান্ট-এ ডান অ্যানালগ স্টিকটি ফার্স্ট-পারসন ক্যামেরায় বদলে যায়। তাত্ত্বিকভাবে এটি যুক্তিযুক্ত মনে হতে পারে, কিন্তু এর মানে হলো আপনি যখন লুকিয়ে থেকে আপনার পেছনে পাহারারত কোনো গার্ডকে দেখার চেষ্টা করেন, তখন স্টিকটিতে একটু ছোঁয়া লাগলেই আপনি দেয়ালের দিকে তাকিয়ে থাকেন। আর অর্ধেক সময় যখন আপনি ক্যামেরাটিকে ঠিকঠাক পজিশনে আনেন, তখন দেখবেন গার্ডটি আপনার একদম সামনে চলে এসেছে এবং আপনার অণ্ডকোষে ছুরি বসিয়ে দিয়েছে।
* তবে ম্যানহান্ট-এর মতো গেমগুলো কম বয়সী বা অপরিণত মস্তিষ্কের মানুষদের মাথা নষ্ট করে কি না, সেই তর্কে আমি কার পক্ষ নেব তা জানি না। গেমটিতে খুব স্পষ্টভাবে সতর্কবাণী দেওয়া আছে যে বারো বছর বয়সীদের এটি খেলার কথা নয়। কিন্তু এতে কোনো সন্দেহ নেই যে তারাই এটি খেলে, কারণ বারো বছর বয়সী ছাড়া আর কারো এসব জিনিসে রুচি নেই। গ্যারোট তার দিয়ে মাথা কাটা বা বেসবল ব্যাট দিয়ে মাথার খুলি উড়িয়ে দেওয়া নিয়ে হাঁপাতে হাঁপাতে গল্প করা মিডল স্কুলে বন্ধু পাওয়ার ভালো উপায় হতে পারে; কিন্তু অফিসের আড্ডায় এটি বন্ধু হারানোরই একটা ভালো উপায়। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/6-Manhunt]
=== পেগল ===
* এই গেমটি সম্পর্কে আমি যা বলতে পারি তা হলো—আমি দুপুর নাগাদ এটি খেলতে শুরু করেছিলাম এবং অনেক পরে যখন রুম থেকে বের হলাম তখন দেখলাম কর্তৃপক্ষ আমাকে আইনত মৃত ঘোষণা করেছে। যদি এই "ক্যাজুয়াল গেমিং" বিষয়টি আপনার মাথা এড়িয়ে গিয়ে থাকে, তবে আমাকে আপনার মুখ জ্ঞানের সেই পচা পানির নিচে ডুবিয়ে ধরতে দিন। সাম্প্রতিক অতীতে কেউ একজন খেয়াল করেছিলেন যে বিজুয়েলড-এর মতো সাধারণ ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক রঙ মেলানোর গেমগুলো লজ্জাজনক পরিমাণ টাকা কামাচ্ছে। এর কারণ হলো, সময় গড়ানোর সাথে সাথে বাড়িতে একা থাকা বিরক্ত গৃহিণীরা নিজেরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে টিভি মেকানিকের সাথে প্রেম করা আর শোভন নয়, তাই তারা আমোদ-প্রমোদের জন্য ভিডিও গেমের দিকে ঝুঁকেছেন।
* সংক্ষেপে বলতে গেলে এটি মন্দ নয়। আমি বুকওয়ার্ম অ্যাডভেঞ্চারস বেশি পছন্দ করেছি, কিন্তু আমি সেইসব অপদার্থ মিউট্যান্টদের একজন যারা সত্যিই স্ক্র্যাবল খেলতে পছন্দ করে। ব্যস এটুকুই। পেগল নিয়ে আমি এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারব না কারণ গেমটি এটুকুই। পপ ক্যাপ-এর লক্ষ্য কী আমি জানি না, তবে আমি বাজি ধরে বলতে পারি তাদের মূলমন্ত্র হলো—"সুন্দর ঝলমলে আলো, উৎসাহব্যঞ্জক শব্দ আর যতটা সম্ভব কম গেমপ্লে ব্যবহার করে প্রিমিয়াম মানের কোকেন সদৃশ গেমিং অভিজ্ঞতা তৈরি করা।" আর এটি তাদের জন্য বেশ ভালোই কাজ করছে কারণ তারা এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। কোটি কোটি! তারা শুধুমাত্র সস্তা টু-ডি গেম বানায়! এতো টাকা তারা কিসে খরচ করে? আইসক্রিম কিনতে? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/7-Peggle]
9mfq9onhfa8r51qzo0dk5jwc7q6q9gm
73841
73840
2026-04-05T14:25:46Z
ARI
356
/* বায়োশক */
73841
wikitext
text/x-wiki
'''''জিরো পাংচুয়েশন''''' হলো ভিডিও গেম পর্যালোচনার একটি সিরিজ যা বেন "ইয়াতজি" ক্রোশ তৈরি করেছেন। এটি মূলত ইউটিউবে এবং পরে দ্য এসক্যাপিস্ট ম্যাগাজিনের জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
== ২০০৭ ==
=== দ্য ডার্কনেস ডেমো ===
* ''দ্য ডার্কনেস'' হলো একটি হরর থিমযুক্ত ফার্স্ট-পারসন শুটার গেম। এটি এমন এক কমিক বইয়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি যার নাম আমি আগে শুনিনি। গেমটি তৈরি করেছে চমৎকার নামের স্টারব্রিজ স্টুডিওস। তাদের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আগের গেমটি ছিল ''দ্য ক্রনিকলস অফ রিডিক: এস্কেপ ফ্রম বুচার বে''। সেখানে খেলোয়াড়েরা ক্লেমেশন ভিন ডিজেলকে নিয়ন্ত্রণ করত, যে কি না বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মুখের সামনে নিজেকে নিয়ে নির্লজ্জ আদিখ্যেতা করার এক অবিরাম প্রচেষ্টায় লিপ্ত ছিল।
* ...আমাকে যা করতে হয়েছিল তা হলো, মাটিতে থাকা সহজেই চোখ এড়িয়ে যায় এমন একটি সাদা দাগের কাছে ফিরে যাওয়া। সেটি ব্যবহার করে একটি শয়তান ইম্পকে ডেকে আনা এবং তাকে নির্দেশ দেওয়া যাতে সে কবরস্থানের একটি প্রবেশপথের সামনে আড়াআড়িভাবে রাখা একটি গাড়ি সরিয়ে দেয়। আমি বিষয়টা আবার বলি: গেমটি আমাকে দিয়ে নরকের গভীর থেকে অনেকগুলো দাঁত আর নখরওয়ালা এক দানবকে ডেকে আনালো। কিন্তু সেটি নিরপরাধ মানুষকে দাসে পরিণত করার জন্য বা দুনিয়ার সব দেশ ধ্বংস করার জন্য নয়, বরং তাকে আমার ব্যক্তিগত গাড়ি সরানোর কাজে ব্যবহার করার জন্য!
* ব্যক্তিগতভাবে, এই মুহূর্তে আমি ''দ্য ডার্কনেস''-এর পূর্ণ সংস্করণ কেনার কথা তখনই ভাবব, যদি এর দাম অনেক কমে যায় এবং তারা এর সাথে অন্য কোনো ভালো গেমও দিয়ে দেয়। সাথে কিছুটা কেক আর বেলজিয়াম দেশটাকেও দিতে হবে। [https://www.youtube.com/watch?v=eWS9_nrKOPA]
=== ফেবল: দ্য লস্ট চ্যাপ্টারস ===
* ''ফেবল'' গেমটি লায়নহেড স্টুডিওসের তৈরি, যারা অনেকদিন ধরে বিখ্যাত গেম ডিজাইনার পিটার মোলিনেক্সের আস্তানা হিসেবে পরিচিত। পিটারের একটি স্বভাব হলো বিশাল সব প্রতিশ্রুতি দেওয়া এবং শেষ পর্যন্ত নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষার চাপে নিজেই পঙ্গু হয়ে যাওয়া (এর উদাহরণ হিসেবে তার অগোছালো গেম ''ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট''-এর কথা বলা যায়)। উদাহরণস্বরূপ, ''ফেবল'' তৈরির সময় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যে এতে প্রতিদ্বন্দ্বী এনপিসি চরিত্র থাকবে, গাছপালা বাস্তব সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বড় হবে এবং আপনার প্রতিটি ছোটখাটো সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে আপনার চেহারা ও চারপাশের পৃথিবী বদলে যাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা যা পেলাম তা হলো ত্রুটিপূর্ণ একটি অ্যাকশন-আরপিজি গেম, যেটি নিজেকে নিয়ে বড্ড বেশি গর্বিত।
* এই গেমের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো আপনি একজন ভালো চরিত্র অথবা একজন মন্দ চরিত্র হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই আমি এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় শয়তান হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। গেমটির মতে শয়তান হওয়ার সেরা উপায় হলো কালো পোশাক পরা, বিশাল গোঁফ রাখা, সারা মুখে উল্কি আঁকা আর মাঝেমধ্যে পথচারীদের চড়-থাপ্পড় মারা। আমি নিজেকে একজন জাদুকর হিসেবেও তৈরি করতে চেয়েছিলাম কারণ আমি চেয়েছিলাম আমাকে দেখতে মিং দ্য মার্সেলেসের মতো লাগুক। কিন্তু শুরুর দিকের জাদুমন্ত্রগুলো এতোটাই দুর্বল ছিল যে শেষ পর্যন্ত আমাকে অর্ধেকটা সময় তলোয়ারই ব্যবহার করতে হতো। গেমটি শেষ পর্যন্ত আমার উপাধি দিল "স্পেলওয়ারিয়র", যা শুনে আমার মনে হলো তারা আমাকে একজন সিদ্ধান্তহীন বোকা মানুষ বলছে।
* শেষ পর্যন্ত আমি যখন ফাইনাল বসের মুখোমুখি হলাম, সে এক জায়গায় স্থির হয়ে দাঁড়াচ্ছিল না যাতে আমার শক্তিশালী কালো জাদুমন্ত্রটি কাজ করে। তাই আমার একমাত্র উপায় ছিল তলোয়ার দিয়ে বারবার তার মাথায় আঘাত করা, যখন সে অনবরত আমার শরীরের নিচের অংশ কামড়ে খাচ্ছিল। কিন্তু সেই সময় আমার কাছে এতো বেশি হেলথ পোরশন (জীবনদায়ী পানীয়) ছিল যে আমি অনায়াসেই সেগুলো ব্যবহার করে বেঁচে থাকতে পারছিলাম। বসটি মারা যাওয়ার পর আমার কাছে এতো বেশি পানীয় বেঁচে ছিল যে আমি চাইলে সেগুলো দিয়ে একটা বড়সড় হেলথ পোরশন পার্টি দিতে পারতাম। [https://www.youtube.com/watch?v=jYQLR7dE5k4]
=== হেভেনলি সোর্ড এবং অন্যান্য ===
* নারিকো তখন পাশে বসে থাকা বিড়ালের মতো কান আর মেকআপ পরা এক... অদ্ভুত জিনিসের দিকে ফিরে তাকালো। দেখে মনে হচ্ছিল মেকআপটি কিস ব্যান্ডের এমন কোনো ভক্ত লাগিয়েছে যার পার্কিনসন রোগ আছে। নারিকো তাকে জানালো যে সে সব দুষ্ট লোকদের শেষ করে দিতে চায়। তারপর খুব গম্ভীর মুখে সে বলল, "আমাদের হয়তো তোমার 'টুইং-টোয়াং' বাজানোর প্রয়োজন হতে পারে।" এটি শোনার পর আমার প্রথম চিন্তা ছিল, "আমি নিশ্চিতভাবে এই কথাটি প্রসঙ্গের বাইরে ব্যবহার করব।" কিন্তু পরে ভেবে দেখলাম, এটি মূল প্রসঙ্গের ভেতরেও খুব একটা অর্থ বহন করে না। ডেভেলপাররা যদি ভেবে থাকেন যে শুধুমাত্র এই "টুইং-টোয়াং" জিনিসটা কী তা জানার জন্য আমি পুরো গেমটি কিনব, তবে তারা তাদের মিশনে সফল হয়েছেন। তবে এটি যদি লেসবিয়ান যৌনাচারের কোনো সুন্দর ছদ্মনাম না হয়, তবে আমি খুব হতাশ হব (হ্যাঁ, আমি এ পর্যন্তই বলে ফেললাম)।
* আমার মনের এক অংশ বলছে যে শিল্পের বিচারে ''আরই ৫''-এর কিছু সার্থকতা থাকতে পারে। কারণ একটি হরর গেমের কাজই হলো মানুষকে অস্থির করে তোলা; আর খেলোয়াড়কে এমন কিছু করতে বাধ্য করা যা ভীতিকর হওয়ার পাশাপাশি রুচিহীন, তা আসলেই একটি নতুন পদ্ধতি। কিন্তু আবারও মনে পড়ে এটি ''রেসিডেন্ট ইভিল'' সিরিজ, যারা আমাদের "তীক্ষ্ণ কণ্ঠের বামন নেপোলিয়ন" উপহার দিয়েছিল। তাই তাদের কোনো আইডিয়ার পেছনে যদি সূক্ষ্ম কোনো অর্থ থেকেও থাকে, তবে সেটি সম্ভবত নিছক একটি দুর্ঘটনা। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/1-Heavenly-Sword-and-Other-Stuff]
===সাইকোনটস===
* শেফারের হাস্যরসের একটি অন্যতম প্রধান দিক হলো অদ্ভুত বা কাল্পনিক কোনো পরিবেশে খুব সাধারণ বা জাগতিক পরিস্থিতির সহাবস্থান দেখানো (দেখুন: ''গ্রিম ফ্যানড্যাঙ্গো'')। ''সাইকোনটস'' এই ধারা বজায় রেখেছে, কারণ এর পটভূমি হলো অতীন্দ্রিয় ক্ষমতা সম্পন্নদের জন্য একটি সামার ক্যাম্প। গল্পটি র্যাজ নামের এক শিশু ব্যায়ামবিদের রোমাঞ্চকর অভিযান নিয়ে। সে সার্কাসে যোগ দেওয়ার বদলে প্রথা ভেঙে সেখান থেকে পালানোর জন্য ঘর ছাড়ে। তার জন্মগত অতীন্দ্রিয় ক্ষমতার জোরে সে কোনো টিউশন ফি না দিয়েই ক্যাম্পে ঢুকে পড়ে। তবে দ্রুতই কর্মফল তাকে ভোগাতে শুরু করে যখন সে এক অশুভ চক্রান্তে জড়িয়ে পড়ে। তাকে তখন তার চারপাশের মানুষের অবচেতন মনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হওয়া অদ্ভুত সব অপার্থিব জগত ঘুরে দেখতে হয়। পুরো ব্যাপারটা অনেকটা এমন, উইলি ওঙ্কার চকলেট ফ্যাক্টরির ভেতরে টিম বার্টন যদি ডেভিড লিঞ্চকে গর্ভবতী করে ফেলতেন এবং বাচ্চা জন্মানোর আগ পর্যন্ত মেথ খেয়ে যেতেন।
* ''[গেমটির ভালো দিকগুলোর তালিকা]'' প্রথমত, এই ইন্ডাস্ট্রির প্রায় সবকিছুই যেখানে অন্যকে নকল করার ওপর ভিত্তি করে তৈরি, সেখানে এটি বেশ মৌলিক কিছু। দ্বিতীয়ত, এটি সত্যিই হাস্যরসাত্মক; অথচ হাস্যরসের চেষ্টা করা বেশিরভাগ ভিডিও গেম যেন অ্যানেস্থেসিয়া ছাড়া অন্ত্রের অস্ত্রোপচারের মতো যন্ত্রণাদায়ক। তৃতীয়ত, প্রতিটি চরিত্রকেই তাদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও ব্যক্তিত্ব দিয়ে খুব স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এমনকি সেই ছোটখাটো গুরুত্বহীন চরিত্রগুলোর ক্ষেত্রেও এটি সত্যি, যারা শেষ ''দ্য লর্ড অফ দ্য রিংস'' সিনেমায় ক্রিস্টোফার লি-র চেয়েও কম সময় পর্দায় ছিল। আর সবশেষে, এটি ''মজাদার''। মনে আছে? আনন্দ বা মজা? গেমিং যখন দ্বিতীয় কোনো চাকরির মতো মনে হতো না, তার আগে আমরা যে আনন্দ পেতাম? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/2-Psychonauts]
=== কনসোল রানডাউন ===
* বর্তমান প্রজন্মের কনসোলগুলোর মাধ্যমে আমরা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছি বা প্রায় পৌঁছে গেছি, যেখানে গ্রাফিক্স আর খুব বেশি উন্নত হবে না। তাই এখন আমাদের গত প্রজন্মের প্রযুক্তির পেছনে ছোটা বন্ধ করা উচিত এবং সাইলেন্ট হিল ২-এর মতো প্রকৃত গভীরতা সম্পন্ন কিছু গেম তৈরিতে মনোযোগ দেওয়া উচিত। তবে কনসোল যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত একেবারেই নিরর্থক, কারণ ইতিহাসের সেরা গেম কমোডোর ৬৪-এর জন্য ''ফ্যান্টাসি ওয়ার্ল্ড ডিজি'' ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গেছে। অথবা হয়তো পুরো গেমিং জগতটাই অর্থহীন জীবনের বিশাল রাস্তার ধারে পড়ে থাকা নুড়ি পাথর নিয়ে খেলার মতো। তবে যাই হোক, অন্তত এখানে সহিংসতা আর স্তন তো আছে! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/3-Console-Rundown]
===বায়োশক===
* ''বায়োশক''কে ''সিস্টেম শক ২''-এর যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। আমি নিশ্চিত ''সিস্টেম শক ২'' তার এই নরমাল-ম্যাপ করা এবং ফং-শেডেড জারজ সন্তানকে নিয়ে খুব গর্বিত হবে, কারণ এটি তার বাবার ওপর ঠিক ততটাই গেছে যতটা জর্জ বুশ তার বাবার ওপর গেছেন। আর আমি জানি আপনারা কী বলবেন: "ইয়াটজি, ওহে আমার চটকদার তেজী ঘোড়া, এটা কেমন ধরনের অভিযোগ? ''সিস্টেম শক ২'' তো দুর্দান্ত ছিল, আর এর মতো যেকোনো গেমই তো সমান ভালো হওয়া উচিত।" কিন্তু আসল কথা হলো: এটা ''সিস্টেম শক ২''-এর '''মতো''' নয়, এটা আসলে ''সিস্টেম শক ২''-ই। ও হ্যাঁ, এটা দেখতে আলাদা, এর সূক্ষ্ম খুঁটিনাটিতে পার্থক্য আছে, আর চরিত্রের নামগুলো পাল্টে দেওয়া হয়েছে,এমনি সব ফালতু ব্যাপার। কিন্তু যখন আপনি এই উপরের আবরণগুলো সরিয়ে ফেলবেন, তখন দেখবেন ভিলেনটা আসলে কোট পরা এবং হাতে ''অ্যাটলাস শ্রাগড'' বই নিয়ে থাকা খোদ শোডানই।
*কিন্তু গেমটিতে মাত্র দুটি সমাপ্তি আছে-একটি ভালো আর একটি খারাপ। এদের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য হজম করা বেশ কঠিন। ভালো সমাপ্তিতে আপনি হলেন একজন পুণ্যবান পুষ্পশিশু যে বিধাতার রাজ্যের সব প্রাণীর দিকে তাকিয়ে হাসে। আর খারাপ সমাপ্তিতে আপনি হলেন হিটলার আর স্কেলেটরের এক সংকর রূপ, যার মূত্রও যেন বিশুদ্ধ শয়তানি। আমি সেইসব গেম দেখে ক্লান্ত যেগুলো পছন্দের সুযোগ দেওয়ার দাবি করে কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয় আপনাকে মাদার তেরেসা হতে হবে নয়তো বাচ্চা-খাউকা শয়তান। আমি শুধু এটাই বলতে চাই যে, মাঝেমধ্যে একটু মধ্যপন্থা অবলম্বন করলে ভালোই হতো। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/4-BioShock]
=== টুম্ব রেইডার অ্যানিভার্সারি ===
* গেমটির লড়াই করার পদ্ধতি আধুনিক করা হয়েছে। এর মানে হলো তারা এখানে সেই পুরোনো গড অফ ওয়ার বা সাইমন সেজ-এর মতো বারবার বাটন টেপার বিরক্তিকর দৃশ্যগুলো ঢুকিয়ে দিয়েছে, যা আজকাল নিয়ম মেনে প্রতিটি অ্যাকশন গেমেই থাকতে হয়। আর ডিজাইন টিমের কেউ একজন (আপনি জানেন আপনি কে) ভেবেছিলেন যে ফায়ার করার জন্য বাটন চেপে ধরে রাখার বদলে বারবার আর১ বাটন টেপার আইডিয়াটি খুব চমৎকার হবে। কিন্তু আর১ বাটনটি অনবরত টেপার জন্য আরামদায়ক অবস্থানে নেই। আর আপনি যখন এমন সব শত্রুর মুখোমুখি হন যারা মরার আগে এক কোটি গুলি খেতে পারে (যেমন ধরুন, গেমের প্রায় সব শত্রুই), তখন আপনার আঙুলে খিঁচুনি ধরে যাবে। আপনার মনে হবে আপনি গিটার হিরো খেলছেন কিন্তু রক স্টার হওয়ার সেই কল্পনাটা আপনার সাথে নেই।
* ''[গেম প্রকাশকদের আইডিয়া খুঁজে পেতে সাহায্য করছেন]'' এখানে একটি আইডিয়া আছে: একজন জিন-প্রকৌশলী তাইওয়ানিজ বাবুর্চি তার বড় স্তনবিশিষ্ট প্রেমিকাকে মামিদের হাত থেকে বাঁচাতে ফেজ টুপি পরা একটি গুইসালাপের সাথে দল পাকিয়েছে। দেখলেন তো? এটা খুব সহজ। বড় স্তনবিশিষ্ট একজন ব্রেস্ট ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ নিজের স্তন আরও বড় করার খরচ জোগাতে সময়ের অতীতে ভ্রমণ করছেন। একদল বড় স্তনধারী মানুষ তাদের বিশাল স্তন বহর নিয়ে নতুন এক স্তন-গ্রহের খোঁজে বেরিয়ে পড়েছে। স্তন, তরমুজ, দুধের কারখানা, আবক্ষ, মজার ব্যাগ, টোকা, ব্যালিস্টিকস, বুবস, জগস, নিপলস, জবলিস... বিশাল... বিশাল... বুক। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/5-Tomb-Raider-Anniversary]
=== ম্যানহান্ট ===
* থার্ড-পারসন অ্যাকশন গেম ডেভেলপাররা, একটা কথা পরিষ্কার করে বুঝে নিন, ঠিক আছে? বাম অ্যানালগ স্টিক নড়াচড়া করার জন্য; ডান অ্যানালগ স্টিক খেলোয়াড়ের চারপাশে ক্যামেরা ঘোরানোর জন্য। এটা কীভাবে সম্ভব যে, যখন আপনারা দেখেন কোনো কিছু নিখুঁতভাবে কাজ করছে, তখনই আপনারা সেটিকে উন্নত করার নামে জগািখচুড়ি পাকিয়ে ফেলেন? ম্যানহান্ট-এ ডান অ্যানালগ স্টিকটি ফার্স্ট-পারসন ক্যামেরায় বদলে যায়। তাত্ত্বিকভাবে এটি যুক্তিযুক্ত মনে হতে পারে, কিন্তু এর মানে হলো আপনি যখন লুকিয়ে থেকে আপনার পেছনে পাহারারত কোনো গার্ডকে দেখার চেষ্টা করেন, তখন স্টিকটিতে একটু ছোঁয়া লাগলেই আপনি দেয়ালের দিকে তাকিয়ে থাকেন। আর অর্ধেক সময় যখন আপনি ক্যামেরাটিকে ঠিকঠাক পজিশনে আনেন, তখন দেখবেন গার্ডটি আপনার একদম সামনে চলে এসেছে এবং আপনার অণ্ডকোষে ছুরি বসিয়ে দিয়েছে।
* তবে ম্যানহান্ট-এর মতো গেমগুলো কম বয়সী বা অপরিণত মস্তিষ্কের মানুষদের মাথা নষ্ট করে কি না, সেই তর্কে আমি কার পক্ষ নেব তা জানি না। গেমটিতে খুব স্পষ্টভাবে সতর্কবাণী দেওয়া আছে যে বারো বছর বয়সীদের এটি খেলার কথা নয়। কিন্তু এতে কোনো সন্দেহ নেই যে তারাই এটি খেলে, কারণ বারো বছর বয়সী ছাড়া আর কারো এসব জিনিসে রুচি নেই। গ্যারোট তার দিয়ে মাথা কাটা বা বেসবল ব্যাট দিয়ে মাথার খুলি উড়িয়ে দেওয়া নিয়ে হাঁপাতে হাঁপাতে গল্প করা মিডল স্কুলে বন্ধু পাওয়ার ভালো উপায় হতে পারে; কিন্তু অফিসের আড্ডায় এটি বন্ধু হারানোরই একটা ভালো উপায়। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/6-Manhunt]
=== পেগল ===
* এই গেমটি সম্পর্কে আমি যা বলতে পারি তা হলো—আমি দুপুর নাগাদ এটি খেলতে শুরু করেছিলাম এবং অনেক পরে যখন রুম থেকে বের হলাম তখন দেখলাম কর্তৃপক্ষ আমাকে আইনত মৃত ঘোষণা করেছে। যদি এই "ক্যাজুয়াল গেমিং" বিষয়টি আপনার মাথা এড়িয়ে গিয়ে থাকে, তবে আমাকে আপনার মুখ জ্ঞানের সেই পচা পানির নিচে ডুবিয়ে ধরতে দিন। সাম্প্রতিক অতীতে কেউ একজন খেয়াল করেছিলেন যে বিজুয়েলড-এর মতো সাধারণ ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক রঙ মেলানোর গেমগুলো লজ্জাজনক পরিমাণ টাকা কামাচ্ছে। এর কারণ হলো, সময় গড়ানোর সাথে সাথে বাড়িতে একা থাকা বিরক্ত গৃহিণীরা নিজেরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে টিভি মেকানিকের সাথে প্রেম করা আর শোভন নয়, তাই তারা আমোদ-প্রমোদের জন্য ভিডিও গেমের দিকে ঝুঁকেছেন।
* সংক্ষেপে বলতে গেলে এটি মন্দ নয়। আমি বুকওয়ার্ম অ্যাডভেঞ্চারস বেশি পছন্দ করেছি, কিন্তু আমি সেইসব অপদার্থ মিউট্যান্টদের একজন যারা সত্যিই স্ক্র্যাবল খেলতে পছন্দ করে। ব্যস এটুকুই। পেগল নিয়ে আমি এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারব না কারণ গেমটি এটুকুই। পপ ক্যাপ-এর লক্ষ্য কী আমি জানি না, তবে আমি বাজি ধরে বলতে পারি তাদের মূলমন্ত্র হলো—"সুন্দর ঝলমলে আলো, উৎসাহব্যঞ্জক শব্দ আর যতটা সম্ভব কম গেমপ্লে ব্যবহার করে প্রিমিয়াম মানের কোকেন সদৃশ গেমিং অভিজ্ঞতা তৈরি করা।" আর এটি তাদের জন্য বেশ ভালোই কাজ করছে কারণ তারা এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। কোটি কোটি! তারা শুধুমাত্র সস্তা টু-ডি গেম বানায়! এতো টাকা তারা কিসে খরচ করে? আইসক্রিম কিনতে? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/7-Peggle]
84hinrb98ot6l3gbmqnjnkdhofy51ui
73842
73841
2026-04-05T14:27:34Z
ARI
356
/* টুম্ব রেইডার অ্যানিভার্সারি */
73842
wikitext
text/x-wiki
'''''জিরো পাংচুয়েশন''''' হলো ভিডিও গেম পর্যালোচনার একটি সিরিজ যা বেন "ইয়াতজি" ক্রোশ তৈরি করেছেন। এটি মূলত ইউটিউবে এবং পরে দ্য এসক্যাপিস্ট ম্যাগাজিনের জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
== ২০০৭ ==
=== দ্য ডার্কনেস ডেমো ===
* ''দ্য ডার্কনেস'' হলো একটি হরর থিমযুক্ত ফার্স্ট-পারসন শুটার গেম। এটি এমন এক কমিক বইয়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি যার নাম আমি আগে শুনিনি। গেমটি তৈরি করেছে চমৎকার নামের স্টারব্রিজ স্টুডিওস। তাদের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আগের গেমটি ছিল ''দ্য ক্রনিকলস অফ রিডিক: এস্কেপ ফ্রম বুচার বে''। সেখানে খেলোয়াড়েরা ক্লেমেশন ভিন ডিজেলকে নিয়ন্ত্রণ করত, যে কি না বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মুখের সামনে নিজেকে নিয়ে নির্লজ্জ আদিখ্যেতা করার এক অবিরাম প্রচেষ্টায় লিপ্ত ছিল।
* ...আমাকে যা করতে হয়েছিল তা হলো, মাটিতে থাকা সহজেই চোখ এড়িয়ে যায় এমন একটি সাদা দাগের কাছে ফিরে যাওয়া। সেটি ব্যবহার করে একটি শয়তান ইম্পকে ডেকে আনা এবং তাকে নির্দেশ দেওয়া যাতে সে কবরস্থানের একটি প্রবেশপথের সামনে আড়াআড়িভাবে রাখা একটি গাড়ি সরিয়ে দেয়। আমি বিষয়টা আবার বলি: গেমটি আমাকে দিয়ে নরকের গভীর থেকে অনেকগুলো দাঁত আর নখরওয়ালা এক দানবকে ডেকে আনালো। কিন্তু সেটি নিরপরাধ মানুষকে দাসে পরিণত করার জন্য বা দুনিয়ার সব দেশ ধ্বংস করার জন্য নয়, বরং তাকে আমার ব্যক্তিগত গাড়ি সরানোর কাজে ব্যবহার করার জন্য!
* ব্যক্তিগতভাবে, এই মুহূর্তে আমি ''দ্য ডার্কনেস''-এর পূর্ণ সংস্করণ কেনার কথা তখনই ভাবব, যদি এর দাম অনেক কমে যায় এবং তারা এর সাথে অন্য কোনো ভালো গেমও দিয়ে দেয়। সাথে কিছুটা কেক আর বেলজিয়াম দেশটাকেও দিতে হবে। [https://www.youtube.com/watch?v=eWS9_nrKOPA]
=== ফেবল: দ্য লস্ট চ্যাপ্টারস ===
* ''ফেবল'' গেমটি লায়নহেড স্টুডিওসের তৈরি, যারা অনেকদিন ধরে বিখ্যাত গেম ডিজাইনার পিটার মোলিনেক্সের আস্তানা হিসেবে পরিচিত। পিটারের একটি স্বভাব হলো বিশাল সব প্রতিশ্রুতি দেওয়া এবং শেষ পর্যন্ত নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষার চাপে নিজেই পঙ্গু হয়ে যাওয়া (এর উদাহরণ হিসেবে তার অগোছালো গেম ''ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট''-এর কথা বলা যায়)। উদাহরণস্বরূপ, ''ফেবল'' তৈরির সময় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যে এতে প্রতিদ্বন্দ্বী এনপিসি চরিত্র থাকবে, গাছপালা বাস্তব সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বড় হবে এবং আপনার প্রতিটি ছোটখাটো সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে আপনার চেহারা ও চারপাশের পৃথিবী বদলে যাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা যা পেলাম তা হলো ত্রুটিপূর্ণ একটি অ্যাকশন-আরপিজি গেম, যেটি নিজেকে নিয়ে বড্ড বেশি গর্বিত।
* এই গেমের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো আপনি একজন ভালো চরিত্র অথবা একজন মন্দ চরিত্র হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই আমি এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় শয়তান হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। গেমটির মতে শয়তান হওয়ার সেরা উপায় হলো কালো পোশাক পরা, বিশাল গোঁফ রাখা, সারা মুখে উল্কি আঁকা আর মাঝেমধ্যে পথচারীদের চড়-থাপ্পড় মারা। আমি নিজেকে একজন জাদুকর হিসেবেও তৈরি করতে চেয়েছিলাম কারণ আমি চেয়েছিলাম আমাকে দেখতে মিং দ্য মার্সেলেসের মতো লাগুক। কিন্তু শুরুর দিকের জাদুমন্ত্রগুলো এতোটাই দুর্বল ছিল যে শেষ পর্যন্ত আমাকে অর্ধেকটা সময় তলোয়ারই ব্যবহার করতে হতো। গেমটি শেষ পর্যন্ত আমার উপাধি দিল "স্পেলওয়ারিয়র", যা শুনে আমার মনে হলো তারা আমাকে একজন সিদ্ধান্তহীন বোকা মানুষ বলছে।
* শেষ পর্যন্ত আমি যখন ফাইনাল বসের মুখোমুখি হলাম, সে এক জায়গায় স্থির হয়ে দাঁড়াচ্ছিল না যাতে আমার শক্তিশালী কালো জাদুমন্ত্রটি কাজ করে। তাই আমার একমাত্র উপায় ছিল তলোয়ার দিয়ে বারবার তার মাথায় আঘাত করা, যখন সে অনবরত আমার শরীরের নিচের অংশ কামড়ে খাচ্ছিল। কিন্তু সেই সময় আমার কাছে এতো বেশি হেলথ পোরশন (জীবনদায়ী পানীয়) ছিল যে আমি অনায়াসেই সেগুলো ব্যবহার করে বেঁচে থাকতে পারছিলাম। বসটি মারা যাওয়ার পর আমার কাছে এতো বেশি পানীয় বেঁচে ছিল যে আমি চাইলে সেগুলো দিয়ে একটা বড়সড় হেলথ পোরশন পার্টি দিতে পারতাম। [https://www.youtube.com/watch?v=jYQLR7dE5k4]
=== হেভেনলি সোর্ড এবং অন্যান্য ===
* নারিকো তখন পাশে বসে থাকা বিড়ালের মতো কান আর মেকআপ পরা এক... অদ্ভুত জিনিসের দিকে ফিরে তাকালো। দেখে মনে হচ্ছিল মেকআপটি কিস ব্যান্ডের এমন কোনো ভক্ত লাগিয়েছে যার পার্কিনসন রোগ আছে। নারিকো তাকে জানালো যে সে সব দুষ্ট লোকদের শেষ করে দিতে চায়। তারপর খুব গম্ভীর মুখে সে বলল, "আমাদের হয়তো তোমার 'টুইং-টোয়াং' বাজানোর প্রয়োজন হতে পারে।" এটি শোনার পর আমার প্রথম চিন্তা ছিল, "আমি নিশ্চিতভাবে এই কথাটি প্রসঙ্গের বাইরে ব্যবহার করব।" কিন্তু পরে ভেবে দেখলাম, এটি মূল প্রসঙ্গের ভেতরেও খুব একটা অর্থ বহন করে না। ডেভেলপাররা যদি ভেবে থাকেন যে শুধুমাত্র এই "টুইং-টোয়াং" জিনিসটা কী তা জানার জন্য আমি পুরো গেমটি কিনব, তবে তারা তাদের মিশনে সফল হয়েছেন। তবে এটি যদি লেসবিয়ান যৌনাচারের কোনো সুন্দর ছদ্মনাম না হয়, তবে আমি খুব হতাশ হব (হ্যাঁ, আমি এ পর্যন্তই বলে ফেললাম)।
* আমার মনের এক অংশ বলছে যে শিল্পের বিচারে ''আরই ৫''-এর কিছু সার্থকতা থাকতে পারে। কারণ একটি হরর গেমের কাজই হলো মানুষকে অস্থির করে তোলা; আর খেলোয়াড়কে এমন কিছু করতে বাধ্য করা যা ভীতিকর হওয়ার পাশাপাশি রুচিহীন, তা আসলেই একটি নতুন পদ্ধতি। কিন্তু আবারও মনে পড়ে এটি ''রেসিডেন্ট ইভিল'' সিরিজ, যারা আমাদের "তীক্ষ্ণ কণ্ঠের বামন নেপোলিয়ন" উপহার দিয়েছিল। তাই তাদের কোনো আইডিয়ার পেছনে যদি সূক্ষ্ম কোনো অর্থ থেকেও থাকে, তবে সেটি সম্ভবত নিছক একটি দুর্ঘটনা। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/1-Heavenly-Sword-and-Other-Stuff]
===সাইকোনটস===
* শেফারের হাস্যরসের একটি অন্যতম প্রধান দিক হলো অদ্ভুত বা কাল্পনিক কোনো পরিবেশে খুব সাধারণ বা জাগতিক পরিস্থিতির সহাবস্থান দেখানো (দেখুন: ''গ্রিম ফ্যানড্যাঙ্গো'')। ''সাইকোনটস'' এই ধারা বজায় রেখেছে, কারণ এর পটভূমি হলো অতীন্দ্রিয় ক্ষমতা সম্পন্নদের জন্য একটি সামার ক্যাম্প। গল্পটি র্যাজ নামের এক শিশু ব্যায়ামবিদের রোমাঞ্চকর অভিযান নিয়ে। সে সার্কাসে যোগ দেওয়ার বদলে প্রথা ভেঙে সেখান থেকে পালানোর জন্য ঘর ছাড়ে। তার জন্মগত অতীন্দ্রিয় ক্ষমতার জোরে সে কোনো টিউশন ফি না দিয়েই ক্যাম্পে ঢুকে পড়ে। তবে দ্রুতই কর্মফল তাকে ভোগাতে শুরু করে যখন সে এক অশুভ চক্রান্তে জড়িয়ে পড়ে। তাকে তখন তার চারপাশের মানুষের অবচেতন মনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হওয়া অদ্ভুত সব অপার্থিব জগত ঘুরে দেখতে হয়। পুরো ব্যাপারটা অনেকটা এমন, উইলি ওঙ্কার চকলেট ফ্যাক্টরির ভেতরে টিম বার্টন যদি ডেভিড লিঞ্চকে গর্ভবতী করে ফেলতেন এবং বাচ্চা জন্মানোর আগ পর্যন্ত মেথ খেয়ে যেতেন।
* ''[গেমটির ভালো দিকগুলোর তালিকা]'' প্রথমত, এই ইন্ডাস্ট্রির প্রায় সবকিছুই যেখানে অন্যকে নকল করার ওপর ভিত্তি করে তৈরি, সেখানে এটি বেশ মৌলিক কিছু। দ্বিতীয়ত, এটি সত্যিই হাস্যরসাত্মক; অথচ হাস্যরসের চেষ্টা করা বেশিরভাগ ভিডিও গেম যেন অ্যানেস্থেসিয়া ছাড়া অন্ত্রের অস্ত্রোপচারের মতো যন্ত্রণাদায়ক। তৃতীয়ত, প্রতিটি চরিত্রকেই তাদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও ব্যক্তিত্ব দিয়ে খুব স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এমনকি সেই ছোটখাটো গুরুত্বহীন চরিত্রগুলোর ক্ষেত্রেও এটি সত্যি, যারা শেষ ''দ্য লর্ড অফ দ্য রিংস'' সিনেমায় ক্রিস্টোফার লি-র চেয়েও কম সময় পর্দায় ছিল। আর সবশেষে, এটি ''মজাদার''। মনে আছে? আনন্দ বা মজা? গেমিং যখন দ্বিতীয় কোনো চাকরির মতো মনে হতো না, তার আগে আমরা যে আনন্দ পেতাম? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/2-Psychonauts]
=== কনসোল রানডাউন ===
* বর্তমান প্রজন্মের কনসোলগুলোর মাধ্যমে আমরা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছি বা প্রায় পৌঁছে গেছি, যেখানে গ্রাফিক্স আর খুব বেশি উন্নত হবে না। তাই এখন আমাদের গত প্রজন্মের প্রযুক্তির পেছনে ছোটা বন্ধ করা উচিত এবং সাইলেন্ট হিল ২-এর মতো প্রকৃত গভীরতা সম্পন্ন কিছু গেম তৈরিতে মনোযোগ দেওয়া উচিত। তবে কনসোল যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত একেবারেই নিরর্থক, কারণ ইতিহাসের সেরা গেম কমোডোর ৬৪-এর জন্য ''ফ্যান্টাসি ওয়ার্ল্ড ডিজি'' ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গেছে। অথবা হয়তো পুরো গেমিং জগতটাই অর্থহীন জীবনের বিশাল রাস্তার ধারে পড়ে থাকা নুড়ি পাথর নিয়ে খেলার মতো। তবে যাই হোক, অন্তত এখানে সহিংসতা আর স্তন তো আছে! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/3-Console-Rundown]
===বায়োশক===
* ''বায়োশক''কে ''সিস্টেম শক ২''-এর যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। আমি নিশ্চিত ''সিস্টেম শক ২'' তার এই নরমাল-ম্যাপ করা এবং ফং-শেডেড জারজ সন্তানকে নিয়ে খুব গর্বিত হবে, কারণ এটি তার বাবার ওপর ঠিক ততটাই গেছে যতটা জর্জ বুশ তার বাবার ওপর গেছেন। আর আমি জানি আপনারা কী বলবেন: "ইয়াটজি, ওহে আমার চটকদার তেজী ঘোড়া, এটা কেমন ধরনের অভিযোগ? ''সিস্টেম শক ২'' তো দুর্দান্ত ছিল, আর এর মতো যেকোনো গেমই তো সমান ভালো হওয়া উচিত।" কিন্তু আসল কথা হলো: এটা ''সিস্টেম শক ২''-এর '''মতো''' নয়, এটা আসলে ''সিস্টেম শক ২''-ই। ও হ্যাঁ, এটা দেখতে আলাদা, এর সূক্ষ্ম খুঁটিনাটিতে পার্থক্য আছে, আর চরিত্রের নামগুলো পাল্টে দেওয়া হয়েছে,এমনি সব ফালতু ব্যাপার। কিন্তু যখন আপনি এই উপরের আবরণগুলো সরিয়ে ফেলবেন, তখন দেখবেন ভিলেনটা আসলে কোট পরা এবং হাতে ''অ্যাটলাস শ্রাগড'' বই নিয়ে থাকা খোদ শোডানই।
*কিন্তু গেমটিতে মাত্র দুটি সমাপ্তি আছে-একটি ভালো আর একটি খারাপ। এদের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য হজম করা বেশ কঠিন। ভালো সমাপ্তিতে আপনি হলেন একজন পুণ্যবান পুষ্পশিশু যে বিধাতার রাজ্যের সব প্রাণীর দিকে তাকিয়ে হাসে। আর খারাপ সমাপ্তিতে আপনি হলেন হিটলার আর স্কেলেটরের এক সংকর রূপ, যার মূত্রও যেন বিশুদ্ধ শয়তানি। আমি সেইসব গেম দেখে ক্লান্ত যেগুলো পছন্দের সুযোগ দেওয়ার দাবি করে কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয় আপনাকে মাদার তেরেসা হতে হবে নয়তো বাচ্চা-খাউকা শয়তান। আমি শুধু এটাই বলতে চাই যে, মাঝেমধ্যে একটু মধ্যপন্থা অবলম্বন করলে ভালোই হতো। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/4-BioShock]
=== টুম্ব রেইডার অ্যানিভার্সারি ===
* গেমটির লড়াই করার পদ্ধতি আধুনিক করা হয়েছে। এর মানে হলো তারা এখানে সেই পুরোনো গড অফ ওয়ার বা সাইমন সেজের মতো বারবার বাটন টেপার বিরক্তিকর দৃশ্যগুলো ঢুকিয়ে দিয়েছে, যা আজকাল নিয়ম মেনে প্রতিটি অ্যাকশন গেমেই থাকতে হয়। আর ডিজাইন টিমের কেউ একজন (আপনি জানেন আপনি কে) ভেবেছিলেন যে ফায়ার করার জন্য বাটন চেপে ধরে রাখার বদলে বারবার আর১ বাটন টেপার আইডিয়াটি খুব চমৎকার হবে। কিন্তু আর১ বাটনটি অনবরত টেপার জন্য আরামদায়ক অবস্থানে নেই। আর আপনি যখন এমন সব শত্রুর মুখোমুখি হন যারা মরার আগে এক কোটি গুলি খেতে পারে (যেমন ধরুন, গেমের প্রায় সব শত্রুই), তখন আপনার আঙুলে খিঁচুনি ধরে যাবে। আপনার মনে হবে আপনি গিটার হিরো খেলছেন কিন্তু রক স্টার হওয়ার সেই কল্পনাটা আপনার সাথে নেই।
* ''[গেম প্রকাশকদের আইডিয়া খুঁজে পেতে সাহায্য করছেন]'' এখানে একটি আইডিয়া আছে: একজন জিন-প্রকৌশলী তাইওয়ানিজ বাবুর্চি তার বড় স্তনবিশিষ্ট প্রেমিকাকে মামিদের হাত থেকে বাঁচাতে ফেজ টুপি পরা একটি গুইসালাপের সাথে দল পাকিয়েছে। দেখলেন তো? এটা খুব সহজ। বড় স্তনবিশিষ্ট একজন ব্রেস্ট ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ নিজের স্তন আরও বড় করার খরচ জোগাতে সময়ের অতীতে ভ্রমণ করছেন। একদল বড় স্তনধারী মানুষ তাদের বিশাল স্তন বহর নিয়ে নতুন এক স্তন-গ্রহের খোঁজে বেরিয়ে পড়েছে। স্তন, তরমুজ, দুধের কারখানা, আবক্ষ, মজার ব্যাগ, টোকা, ব্যালিস্টিকস, বুবস, জগস, নিপলস, জবলিস... বিশাল... বিশাল... বুক। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/5-Tomb-Raider-Anniversary]
=== ম্যানহান্ট ===
* থার্ড-পারসন অ্যাকশন গেম ডেভেলপাররা, একটা কথা পরিষ্কার করে বুঝে নিন, ঠিক আছে? বাম অ্যানালগ স্টিক নড়াচড়া করার জন্য; ডান অ্যানালগ স্টিক খেলোয়াড়ের চারপাশে ক্যামেরা ঘোরানোর জন্য। এটা কীভাবে সম্ভব যে, যখন আপনারা দেখেন কোনো কিছু নিখুঁতভাবে কাজ করছে, তখনই আপনারা সেটিকে উন্নত করার নামে জগািখচুড়ি পাকিয়ে ফেলেন? ম্যানহান্ট-এ ডান অ্যানালগ স্টিকটি ফার্স্ট-পারসন ক্যামেরায় বদলে যায়। তাত্ত্বিকভাবে এটি যুক্তিযুক্ত মনে হতে পারে, কিন্তু এর মানে হলো আপনি যখন লুকিয়ে থেকে আপনার পেছনে পাহারারত কোনো গার্ডকে দেখার চেষ্টা করেন, তখন স্টিকটিতে একটু ছোঁয়া লাগলেই আপনি দেয়ালের দিকে তাকিয়ে থাকেন। আর অর্ধেক সময় যখন আপনি ক্যামেরাটিকে ঠিকঠাক পজিশনে আনেন, তখন দেখবেন গার্ডটি আপনার একদম সামনে চলে এসেছে এবং আপনার অণ্ডকোষে ছুরি বসিয়ে দিয়েছে।
* তবে ম্যানহান্ট-এর মতো গেমগুলো কম বয়সী বা অপরিণত মস্তিষ্কের মানুষদের মাথা নষ্ট করে কি না, সেই তর্কে আমি কার পক্ষ নেব তা জানি না। গেমটিতে খুব স্পষ্টভাবে সতর্কবাণী দেওয়া আছে যে বারো বছর বয়সীদের এটি খেলার কথা নয়। কিন্তু এতে কোনো সন্দেহ নেই যে তারাই এটি খেলে, কারণ বারো বছর বয়সী ছাড়া আর কারো এসব জিনিসে রুচি নেই। গ্যারোট তার দিয়ে মাথা কাটা বা বেসবল ব্যাট দিয়ে মাথার খুলি উড়িয়ে দেওয়া নিয়ে হাঁপাতে হাঁপাতে গল্প করা মিডল স্কুলে বন্ধু পাওয়ার ভালো উপায় হতে পারে; কিন্তু অফিসের আড্ডায় এটি বন্ধু হারানোরই একটা ভালো উপায়। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/6-Manhunt]
=== পেগল ===
* এই গেমটি সম্পর্কে আমি যা বলতে পারি তা হলো—আমি দুপুর নাগাদ এটি খেলতে শুরু করেছিলাম এবং অনেক পরে যখন রুম থেকে বের হলাম তখন দেখলাম কর্তৃপক্ষ আমাকে আইনত মৃত ঘোষণা করেছে। যদি এই "ক্যাজুয়াল গেমিং" বিষয়টি আপনার মাথা এড়িয়ে গিয়ে থাকে, তবে আমাকে আপনার মুখ জ্ঞানের সেই পচা পানির নিচে ডুবিয়ে ধরতে দিন। সাম্প্রতিক অতীতে কেউ একজন খেয়াল করেছিলেন যে বিজুয়েলড-এর মতো সাধারণ ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক রঙ মেলানোর গেমগুলো লজ্জাজনক পরিমাণ টাকা কামাচ্ছে। এর কারণ হলো, সময় গড়ানোর সাথে সাথে বাড়িতে একা থাকা বিরক্ত গৃহিণীরা নিজেরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে টিভি মেকানিকের সাথে প্রেম করা আর শোভন নয়, তাই তারা আমোদ-প্রমোদের জন্য ভিডিও গেমের দিকে ঝুঁকেছেন।
* সংক্ষেপে বলতে গেলে এটি মন্দ নয়। আমি বুকওয়ার্ম অ্যাডভেঞ্চারস বেশি পছন্দ করেছি, কিন্তু আমি সেইসব অপদার্থ মিউট্যান্টদের একজন যারা সত্যিই স্ক্র্যাবল খেলতে পছন্দ করে। ব্যস এটুকুই। পেগল নিয়ে আমি এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারব না কারণ গেমটি এটুকুই। পপ ক্যাপ-এর লক্ষ্য কী আমি জানি না, তবে আমি বাজি ধরে বলতে পারি তাদের মূলমন্ত্র হলো—"সুন্দর ঝলমলে আলো, উৎসাহব্যঞ্জক শব্দ আর যতটা সম্ভব কম গেমপ্লে ব্যবহার করে প্রিমিয়াম মানের কোকেন সদৃশ গেমিং অভিজ্ঞতা তৈরি করা।" আর এটি তাদের জন্য বেশ ভালোই কাজ করছে কারণ তারা এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। কোটি কোটি! তারা শুধুমাত্র সস্তা টু-ডি গেম বানায়! এতো টাকা তারা কিসে খরচ করে? আইসক্রিম কিনতে? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/7-Peggle]
fwvk7d8717vxd6h5m5066c7opgjttqh
73843
73842
2026-04-05T14:29:46Z
ARI
356
/* ম্যানহান্ট */
73843
wikitext
text/x-wiki
'''''জিরো পাংচুয়েশন''''' হলো ভিডিও গেম পর্যালোচনার একটি সিরিজ যা বেন "ইয়াতজি" ক্রোশ তৈরি করেছেন। এটি মূলত ইউটিউবে এবং পরে দ্য এসক্যাপিস্ট ম্যাগাজিনের জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
== ২০০৭ ==
=== দ্য ডার্কনেস ডেমো ===
* ''দ্য ডার্কনেস'' হলো একটি হরর থিমযুক্ত ফার্স্ট-পারসন শুটার গেম। এটি এমন এক কমিক বইয়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি যার নাম আমি আগে শুনিনি। গেমটি তৈরি করেছে চমৎকার নামের স্টারব্রিজ স্টুডিওস। তাদের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আগের গেমটি ছিল ''দ্য ক্রনিকলস অফ রিডিক: এস্কেপ ফ্রম বুচার বে''। সেখানে খেলোয়াড়েরা ক্লেমেশন ভিন ডিজেলকে নিয়ন্ত্রণ করত, যে কি না বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মুখের সামনে নিজেকে নিয়ে নির্লজ্জ আদিখ্যেতা করার এক অবিরাম প্রচেষ্টায় লিপ্ত ছিল।
* ...আমাকে যা করতে হয়েছিল তা হলো, মাটিতে থাকা সহজেই চোখ এড়িয়ে যায় এমন একটি সাদা দাগের কাছে ফিরে যাওয়া। সেটি ব্যবহার করে একটি শয়তান ইম্পকে ডেকে আনা এবং তাকে নির্দেশ দেওয়া যাতে সে কবরস্থানের একটি প্রবেশপথের সামনে আড়াআড়িভাবে রাখা একটি গাড়ি সরিয়ে দেয়। আমি বিষয়টা আবার বলি: গেমটি আমাকে দিয়ে নরকের গভীর থেকে অনেকগুলো দাঁত আর নখরওয়ালা এক দানবকে ডেকে আনালো। কিন্তু সেটি নিরপরাধ মানুষকে দাসে পরিণত করার জন্য বা দুনিয়ার সব দেশ ধ্বংস করার জন্য নয়, বরং তাকে আমার ব্যক্তিগত গাড়ি সরানোর কাজে ব্যবহার করার জন্য!
* ব্যক্তিগতভাবে, এই মুহূর্তে আমি ''দ্য ডার্কনেস''-এর পূর্ণ সংস্করণ কেনার কথা তখনই ভাবব, যদি এর দাম অনেক কমে যায় এবং তারা এর সাথে অন্য কোনো ভালো গেমও দিয়ে দেয়। সাথে কিছুটা কেক আর বেলজিয়াম দেশটাকেও দিতে হবে। [https://www.youtube.com/watch?v=eWS9_nrKOPA]
=== ফেবল: দ্য লস্ট চ্যাপ্টারস ===
* ''ফেবল'' গেমটি লায়নহেড স্টুডিওসের তৈরি, যারা অনেকদিন ধরে বিখ্যাত গেম ডিজাইনার পিটার মোলিনেক্সের আস্তানা হিসেবে পরিচিত। পিটারের একটি স্বভাব হলো বিশাল সব প্রতিশ্রুতি দেওয়া এবং শেষ পর্যন্ত নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষার চাপে নিজেই পঙ্গু হয়ে যাওয়া (এর উদাহরণ হিসেবে তার অগোছালো গেম ''ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট''-এর কথা বলা যায়)। উদাহরণস্বরূপ, ''ফেবল'' তৈরির সময় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যে এতে প্রতিদ্বন্দ্বী এনপিসি চরিত্র থাকবে, গাছপালা বাস্তব সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বড় হবে এবং আপনার প্রতিটি ছোটখাটো সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে আপনার চেহারা ও চারপাশের পৃথিবী বদলে যাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা যা পেলাম তা হলো ত্রুটিপূর্ণ একটি অ্যাকশন-আরপিজি গেম, যেটি নিজেকে নিয়ে বড্ড বেশি গর্বিত।
* এই গেমের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো আপনি একজন ভালো চরিত্র অথবা একজন মন্দ চরিত্র হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই আমি এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় শয়তান হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। গেমটির মতে শয়তান হওয়ার সেরা উপায় হলো কালো পোশাক পরা, বিশাল গোঁফ রাখা, সারা মুখে উল্কি আঁকা আর মাঝেমধ্যে পথচারীদের চড়-থাপ্পড় মারা। আমি নিজেকে একজন জাদুকর হিসেবেও তৈরি করতে চেয়েছিলাম কারণ আমি চেয়েছিলাম আমাকে দেখতে মিং দ্য মার্সেলেসের মতো লাগুক। কিন্তু শুরুর দিকের জাদুমন্ত্রগুলো এতোটাই দুর্বল ছিল যে শেষ পর্যন্ত আমাকে অর্ধেকটা সময় তলোয়ারই ব্যবহার করতে হতো। গেমটি শেষ পর্যন্ত আমার উপাধি দিল "স্পেলওয়ারিয়র", যা শুনে আমার মনে হলো তারা আমাকে একজন সিদ্ধান্তহীন বোকা মানুষ বলছে।
* শেষ পর্যন্ত আমি যখন ফাইনাল বসের মুখোমুখি হলাম, সে এক জায়গায় স্থির হয়ে দাঁড়াচ্ছিল না যাতে আমার শক্তিশালী কালো জাদুমন্ত্রটি কাজ করে। তাই আমার একমাত্র উপায় ছিল তলোয়ার দিয়ে বারবার তার মাথায় আঘাত করা, যখন সে অনবরত আমার শরীরের নিচের অংশ কামড়ে খাচ্ছিল। কিন্তু সেই সময় আমার কাছে এতো বেশি হেলথ পোরশন (জীবনদায়ী পানীয়) ছিল যে আমি অনায়াসেই সেগুলো ব্যবহার করে বেঁচে থাকতে পারছিলাম। বসটি মারা যাওয়ার পর আমার কাছে এতো বেশি পানীয় বেঁচে ছিল যে আমি চাইলে সেগুলো দিয়ে একটা বড়সড় হেলথ পোরশন পার্টি দিতে পারতাম। [https://www.youtube.com/watch?v=jYQLR7dE5k4]
=== হেভেনলি সোর্ড এবং অন্যান্য ===
* নারিকো তখন পাশে বসে থাকা বিড়ালের মতো কান আর মেকআপ পরা এক... অদ্ভুত জিনিসের দিকে ফিরে তাকালো। দেখে মনে হচ্ছিল মেকআপটি কিস ব্যান্ডের এমন কোনো ভক্ত লাগিয়েছে যার পার্কিনসন রোগ আছে। নারিকো তাকে জানালো যে সে সব দুষ্ট লোকদের শেষ করে দিতে চায়। তারপর খুব গম্ভীর মুখে সে বলল, "আমাদের হয়তো তোমার 'টুইং-টোয়াং' বাজানোর প্রয়োজন হতে পারে।" এটি শোনার পর আমার প্রথম চিন্তা ছিল, "আমি নিশ্চিতভাবে এই কথাটি প্রসঙ্গের বাইরে ব্যবহার করব।" কিন্তু পরে ভেবে দেখলাম, এটি মূল প্রসঙ্গের ভেতরেও খুব একটা অর্থ বহন করে না। ডেভেলপাররা যদি ভেবে থাকেন যে শুধুমাত্র এই "টুইং-টোয়াং" জিনিসটা কী তা জানার জন্য আমি পুরো গেমটি কিনব, তবে তারা তাদের মিশনে সফল হয়েছেন। তবে এটি যদি লেসবিয়ান যৌনাচারের কোনো সুন্দর ছদ্মনাম না হয়, তবে আমি খুব হতাশ হব (হ্যাঁ, আমি এ পর্যন্তই বলে ফেললাম)।
* আমার মনের এক অংশ বলছে যে শিল্পের বিচারে ''আরই ৫''-এর কিছু সার্থকতা থাকতে পারে। কারণ একটি হরর গেমের কাজই হলো মানুষকে অস্থির করে তোলা; আর খেলোয়াড়কে এমন কিছু করতে বাধ্য করা যা ভীতিকর হওয়ার পাশাপাশি রুচিহীন, তা আসলেই একটি নতুন পদ্ধতি। কিন্তু আবারও মনে পড়ে এটি ''রেসিডেন্ট ইভিল'' সিরিজ, যারা আমাদের "তীক্ষ্ণ কণ্ঠের বামন নেপোলিয়ন" উপহার দিয়েছিল। তাই তাদের কোনো আইডিয়ার পেছনে যদি সূক্ষ্ম কোনো অর্থ থেকেও থাকে, তবে সেটি সম্ভবত নিছক একটি দুর্ঘটনা। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/1-Heavenly-Sword-and-Other-Stuff]
===সাইকোনটস===
* শেফারের হাস্যরসের একটি অন্যতম প্রধান দিক হলো অদ্ভুত বা কাল্পনিক কোনো পরিবেশে খুব সাধারণ বা জাগতিক পরিস্থিতির সহাবস্থান দেখানো (দেখুন: ''গ্রিম ফ্যানড্যাঙ্গো'')। ''সাইকোনটস'' এই ধারা বজায় রেখেছে, কারণ এর পটভূমি হলো অতীন্দ্রিয় ক্ষমতা সম্পন্নদের জন্য একটি সামার ক্যাম্প। গল্পটি র্যাজ নামের এক শিশু ব্যায়ামবিদের রোমাঞ্চকর অভিযান নিয়ে। সে সার্কাসে যোগ দেওয়ার বদলে প্রথা ভেঙে সেখান থেকে পালানোর জন্য ঘর ছাড়ে। তার জন্মগত অতীন্দ্রিয় ক্ষমতার জোরে সে কোনো টিউশন ফি না দিয়েই ক্যাম্পে ঢুকে পড়ে। তবে দ্রুতই কর্মফল তাকে ভোগাতে শুরু করে যখন সে এক অশুভ চক্রান্তে জড়িয়ে পড়ে। তাকে তখন তার চারপাশের মানুষের অবচেতন মনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হওয়া অদ্ভুত সব অপার্থিব জগত ঘুরে দেখতে হয়। পুরো ব্যাপারটা অনেকটা এমন, উইলি ওঙ্কার চকলেট ফ্যাক্টরির ভেতরে টিম বার্টন যদি ডেভিড লিঞ্চকে গর্ভবতী করে ফেলতেন এবং বাচ্চা জন্মানোর আগ পর্যন্ত মেথ খেয়ে যেতেন।
* ''[গেমটির ভালো দিকগুলোর তালিকা]'' প্রথমত, এই ইন্ডাস্ট্রির প্রায় সবকিছুই যেখানে অন্যকে নকল করার ওপর ভিত্তি করে তৈরি, সেখানে এটি বেশ মৌলিক কিছু। দ্বিতীয়ত, এটি সত্যিই হাস্যরসাত্মক; অথচ হাস্যরসের চেষ্টা করা বেশিরভাগ ভিডিও গেম যেন অ্যানেস্থেসিয়া ছাড়া অন্ত্রের অস্ত্রোপচারের মতো যন্ত্রণাদায়ক। তৃতীয়ত, প্রতিটি চরিত্রকেই তাদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও ব্যক্তিত্ব দিয়ে খুব স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এমনকি সেই ছোটখাটো গুরুত্বহীন চরিত্রগুলোর ক্ষেত্রেও এটি সত্যি, যারা শেষ ''দ্য লর্ড অফ দ্য রিংস'' সিনেমায় ক্রিস্টোফার লি-র চেয়েও কম সময় পর্দায় ছিল। আর সবশেষে, এটি ''মজাদার''। মনে আছে? আনন্দ বা মজা? গেমিং যখন দ্বিতীয় কোনো চাকরির মতো মনে হতো না, তার আগে আমরা যে আনন্দ পেতাম? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/2-Psychonauts]
=== কনসোল রানডাউন ===
* বর্তমান প্রজন্মের কনসোলগুলোর মাধ্যমে আমরা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছি বা প্রায় পৌঁছে গেছি, যেখানে গ্রাফিক্স আর খুব বেশি উন্নত হবে না। তাই এখন আমাদের গত প্রজন্মের প্রযুক্তির পেছনে ছোটা বন্ধ করা উচিত এবং সাইলেন্ট হিল ২-এর মতো প্রকৃত গভীরতা সম্পন্ন কিছু গেম তৈরিতে মনোযোগ দেওয়া উচিত। তবে কনসোল যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত একেবারেই নিরর্থক, কারণ ইতিহাসের সেরা গেম কমোডোর ৬৪-এর জন্য ''ফ্যান্টাসি ওয়ার্ল্ড ডিজি'' ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গেছে। অথবা হয়তো পুরো গেমিং জগতটাই অর্থহীন জীবনের বিশাল রাস্তার ধারে পড়ে থাকা নুড়ি পাথর নিয়ে খেলার মতো। তবে যাই হোক, অন্তত এখানে সহিংসতা আর স্তন তো আছে! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/3-Console-Rundown]
===বায়োশক===
* ''বায়োশক''কে ''সিস্টেম শক ২''-এর যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। আমি নিশ্চিত ''সিস্টেম শক ২'' তার এই নরমাল-ম্যাপ করা এবং ফং-শেডেড জারজ সন্তানকে নিয়ে খুব গর্বিত হবে, কারণ এটি তার বাবার ওপর ঠিক ততটাই গেছে যতটা জর্জ বুশ তার বাবার ওপর গেছেন। আর আমি জানি আপনারা কী বলবেন: "ইয়াটজি, ওহে আমার চটকদার তেজী ঘোড়া, এটা কেমন ধরনের অভিযোগ? ''সিস্টেম শক ২'' তো দুর্দান্ত ছিল, আর এর মতো যেকোনো গেমই তো সমান ভালো হওয়া উচিত।" কিন্তু আসল কথা হলো: এটা ''সিস্টেম শক ২''-এর '''মতো''' নয়, এটা আসলে ''সিস্টেম শক ২''-ই। ও হ্যাঁ, এটা দেখতে আলাদা, এর সূক্ষ্ম খুঁটিনাটিতে পার্থক্য আছে, আর চরিত্রের নামগুলো পাল্টে দেওয়া হয়েছে,এমনি সব ফালতু ব্যাপার। কিন্তু যখন আপনি এই উপরের আবরণগুলো সরিয়ে ফেলবেন, তখন দেখবেন ভিলেনটা আসলে কোট পরা এবং হাতে ''অ্যাটলাস শ্রাগড'' বই নিয়ে থাকা খোদ শোডানই।
*কিন্তু গেমটিতে মাত্র দুটি সমাপ্তি আছে-একটি ভালো আর একটি খারাপ। এদের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য হজম করা বেশ কঠিন। ভালো সমাপ্তিতে আপনি হলেন একজন পুণ্যবান পুষ্পশিশু যে বিধাতার রাজ্যের সব প্রাণীর দিকে তাকিয়ে হাসে। আর খারাপ সমাপ্তিতে আপনি হলেন হিটলার আর স্কেলেটরের এক সংকর রূপ, যার মূত্রও যেন বিশুদ্ধ শয়তানি। আমি সেইসব গেম দেখে ক্লান্ত যেগুলো পছন্দের সুযোগ দেওয়ার দাবি করে কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয় আপনাকে মাদার তেরেসা হতে হবে নয়তো বাচ্চা-খাউকা শয়তান। আমি শুধু এটাই বলতে চাই যে, মাঝেমধ্যে একটু মধ্যপন্থা অবলম্বন করলে ভালোই হতো। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/4-BioShock]
=== টুম্ব রেইডার অ্যানিভার্সারি ===
* গেমটির লড়াই করার পদ্ধতি আধুনিক করা হয়েছে। এর মানে হলো তারা এখানে সেই পুরোনো গড অফ ওয়ার বা সাইমন সেজের মতো বারবার বাটন টেপার বিরক্তিকর দৃশ্যগুলো ঢুকিয়ে দিয়েছে, যা আজকাল নিয়ম মেনে প্রতিটি অ্যাকশন গেমেই থাকতে হয়। আর ডিজাইন টিমের কেউ একজন (আপনি জানেন আপনি কে) ভেবেছিলেন যে ফায়ার করার জন্য বাটন চেপে ধরে রাখার বদলে বারবার আর১ বাটন টেপার আইডিয়াটি খুব চমৎকার হবে। কিন্তু আর১ বাটনটি অনবরত টেপার জন্য আরামদায়ক অবস্থানে নেই। আর আপনি যখন এমন সব শত্রুর মুখোমুখি হন যারা মরার আগে এক কোটি গুলি খেতে পারে (যেমন ধরুন, গেমের প্রায় সব শত্রুই), তখন আপনার আঙুলে খিঁচুনি ধরে যাবে। আপনার মনে হবে আপনি গিটার হিরো খেলছেন কিন্তু রক স্টার হওয়ার সেই কল্পনাটা আপনার সাথে নেই।
* ''[গেম প্রকাশকদের আইডিয়া খুঁজে পেতে সাহায্য করছেন]'' এখানে একটি আইডিয়া আছে: একজন জিন-প্রকৌশলী তাইওয়ানিজ বাবুর্চি তার বড় স্তনবিশিষ্ট প্রেমিকাকে মামিদের হাত থেকে বাঁচাতে ফেজ টুপি পরা একটি গুইসালাপের সাথে দল পাকিয়েছে। দেখলেন তো? এটা খুব সহজ। বড় স্তনবিশিষ্ট একজন ব্রেস্ট ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ নিজের স্তন আরও বড় করার খরচ জোগাতে সময়ের অতীতে ভ্রমণ করছেন। একদল বড় স্তনধারী মানুষ তাদের বিশাল স্তন বহর নিয়ে নতুন এক স্তন-গ্রহের খোঁজে বেরিয়ে পড়েছে। স্তন, তরমুজ, দুধের কারখানা, আবক্ষ, মজার ব্যাগ, টোকা, ব্যালিস্টিকস, বুবস, জগস, নিপলস, জবলিস... বিশাল... বিশাল... বুক। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/5-Tomb-Raider-Anniversary]
=== ম্যানহান্ট ===
* থার্ড-পারসন অ্যাকশন গেম ডেভেলপাররা, একটা কথা পরিষ্কার করে বুঝে নিন, ঠিক আছে? বাম অ্যানালগ স্টিক নড়াচড়া করার জন্য; ডান অ্যানালগ স্টিক খেলোয়াড়ের চারপাশে ক্যামেরা ঘোরানোর জন্য। এটা কীভাবে সম্ভব যে, যখন আপনারা দেখেন কোনো কিছু নিখুঁতভাবে কাজ করছে, তখনই আপনারা সেটিকে উন্নত করার নামে জগািখচুড়ি পাকিয়ে ফেলেন? ''ম্যানহান্টে'' ডান অ্যানালগ স্টিকটি ফার্স্ট-পারসন ক্যামেরায় বদলে যায়। তাত্ত্বিকভাবে এটি যুক্তিযুক্ত মনে হতে পারে, কিন্তু এর মানে হলো আপনি যখন লুকিয়ে থেকে আপনার পেছনে পাহারারত কোনো গার্ডকে দেখার চেষ্টা করেন, তখন স্টিকটিতে একটু ছোঁয়া লাগলেই আপনি দেয়ালের দিকে তাকিয়ে থাকেন। আর অর্ধেক সময় যখন আপনি ক্যামেরাটিকে ঠিকঠাক পজিশনে আনেন, তখন দেখবেন গার্ডটি আপনার একদম সামনে চলে এসেছে এবং আপনার অণ্ডকোষে ছুরি বসিয়ে দিয়েছে।
* তবে ''ম্যানহান্টের'' মতো গেমগুলো কম বয়সী বা অপরিণত মস্তিষ্কের মানুষদের মাথা নষ্ট করে কি না, সেই তর্কে আমি কার পক্ষ নেব তা জানি না। গেমটিতে খুব স্পষ্টভাবে সতর্কবার্তা দেওয়া আছে যে বারো বছর বয়সীদের এটি খেলার কথা নয়। কিন্তু এতে কোনো সন্দেহ নেই যে তারাই এটি খেলে, কারণ বারো বছর বয়সী ছাড়া আর কারো এসব জিনিসে রুচি নেই। গ্যারোট তার দিয়ে মাথা কাটা বা বেসবল ব্যাট দিয়ে মাথার খুলি উড়িয়ে দেওয়া নিয়ে হাঁপাতে হাঁপাতে গল্প করা মিডল স্কুলে বন্ধু পাওয়ার ভালো উপায় হতে পারে; কিন্তু অফিসের আড্ডায় এটি বন্ধু হারানোরই একটা ভালো উপায়। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/6-Manhunt]
=== পেগল ===
* এই গেমটি সম্পর্কে আমি যা বলতে পারি তা হলো—আমি দুপুর নাগাদ এটি খেলতে শুরু করেছিলাম এবং অনেক পরে যখন রুম থেকে বের হলাম তখন দেখলাম কর্তৃপক্ষ আমাকে আইনত মৃত ঘোষণা করেছে। যদি এই "ক্যাজুয়াল গেমিং" বিষয়টি আপনার মাথা এড়িয়ে গিয়ে থাকে, তবে আমাকে আপনার মুখ জ্ঞানের সেই পচা পানির নিচে ডুবিয়ে ধরতে দিন। সাম্প্রতিক অতীতে কেউ একজন খেয়াল করেছিলেন যে বিজুয়েলড-এর মতো সাধারণ ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক রঙ মেলানোর গেমগুলো লজ্জাজনক পরিমাণ টাকা কামাচ্ছে। এর কারণ হলো, সময় গড়ানোর সাথে সাথে বাড়িতে একা থাকা বিরক্ত গৃহিণীরা নিজেরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে টিভি মেকানিকের সাথে প্রেম করা আর শোভন নয়, তাই তারা আমোদ-প্রমোদের জন্য ভিডিও গেমের দিকে ঝুঁকেছেন।
* সংক্ষেপে বলতে গেলে এটি মন্দ নয়। আমি বুকওয়ার্ম অ্যাডভেঞ্চারস বেশি পছন্দ করেছি, কিন্তু আমি সেইসব অপদার্থ মিউট্যান্টদের একজন যারা সত্যিই স্ক্র্যাবল খেলতে পছন্দ করে। ব্যস এটুকুই। পেগল নিয়ে আমি এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারব না কারণ গেমটি এটুকুই। পপ ক্যাপ-এর লক্ষ্য কী আমি জানি না, তবে আমি বাজি ধরে বলতে পারি তাদের মূলমন্ত্র হলো—"সুন্দর ঝলমলে আলো, উৎসাহব্যঞ্জক শব্দ আর যতটা সম্ভব কম গেমপ্লে ব্যবহার করে প্রিমিয়াম মানের কোকেন সদৃশ গেমিং অভিজ্ঞতা তৈরি করা।" আর এটি তাদের জন্য বেশ ভালোই কাজ করছে কারণ তারা এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। কোটি কোটি! তারা শুধুমাত্র সস্তা টু-ডি গেম বানায়! এতো টাকা তারা কিসে খরচ করে? আইসক্রিম কিনতে? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/7-Peggle]
kntrkxd9rqjn97470b9w363p4t5dq9a
73844
73843
2026-04-05T14:31:14Z
ARI
356
/* পেগল */
73844
wikitext
text/x-wiki
'''''জিরো পাংচুয়েশন''''' হলো ভিডিও গেম পর্যালোচনার একটি সিরিজ যা বেন "ইয়াতজি" ক্রোশ তৈরি করেছেন। এটি মূলত ইউটিউবে এবং পরে দ্য এসক্যাপিস্ট ম্যাগাজিনের জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
== ২০০৭ ==
=== দ্য ডার্কনেস ডেমো ===
* ''দ্য ডার্কনেস'' হলো একটি হরর থিমযুক্ত ফার্স্ট-পারসন শুটার গেম। এটি এমন এক কমিক বইয়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি যার নাম আমি আগে শুনিনি। গেমটি তৈরি করেছে চমৎকার নামের স্টারব্রিজ স্টুডিওস। তাদের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আগের গেমটি ছিল ''দ্য ক্রনিকলস অফ রিডিক: এস্কেপ ফ্রম বুচার বে''। সেখানে খেলোয়াড়েরা ক্লেমেশন ভিন ডিজেলকে নিয়ন্ত্রণ করত, যে কি না বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মুখের সামনে নিজেকে নিয়ে নির্লজ্জ আদিখ্যেতা করার এক অবিরাম প্রচেষ্টায় লিপ্ত ছিল।
* ...আমাকে যা করতে হয়েছিল তা হলো, মাটিতে থাকা সহজেই চোখ এড়িয়ে যায় এমন একটি সাদা দাগের কাছে ফিরে যাওয়া। সেটি ব্যবহার করে একটি শয়তান ইম্পকে ডেকে আনা এবং তাকে নির্দেশ দেওয়া যাতে সে কবরস্থানের একটি প্রবেশপথের সামনে আড়াআড়িভাবে রাখা একটি গাড়ি সরিয়ে দেয়। আমি বিষয়টা আবার বলি: গেমটি আমাকে দিয়ে নরকের গভীর থেকে অনেকগুলো দাঁত আর নখরওয়ালা এক দানবকে ডেকে আনালো। কিন্তু সেটি নিরপরাধ মানুষকে দাসে পরিণত করার জন্য বা দুনিয়ার সব দেশ ধ্বংস করার জন্য নয়, বরং তাকে আমার ব্যক্তিগত গাড়ি সরানোর কাজে ব্যবহার করার জন্য!
* ব্যক্তিগতভাবে, এই মুহূর্তে আমি ''দ্য ডার্কনেস''-এর পূর্ণ সংস্করণ কেনার কথা তখনই ভাবব, যদি এর দাম অনেক কমে যায় এবং তারা এর সাথে অন্য কোনো ভালো গেমও দিয়ে দেয়। সাথে কিছুটা কেক আর বেলজিয়াম দেশটাকেও দিতে হবে। [https://www.youtube.com/watch?v=eWS9_nrKOPA]
=== ফেবল: দ্য লস্ট চ্যাপ্টারস ===
* ''ফেবল'' গেমটি লায়নহেড স্টুডিওসের তৈরি, যারা অনেকদিন ধরে বিখ্যাত গেম ডিজাইনার পিটার মোলিনেক্সের আস্তানা হিসেবে পরিচিত। পিটারের একটি স্বভাব হলো বিশাল সব প্রতিশ্রুতি দেওয়া এবং শেষ পর্যন্ত নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষার চাপে নিজেই পঙ্গু হয়ে যাওয়া (এর উদাহরণ হিসেবে তার অগোছালো গেম ''ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট''-এর কথা বলা যায়)। উদাহরণস্বরূপ, ''ফেবল'' তৈরির সময় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যে এতে প্রতিদ্বন্দ্বী এনপিসি চরিত্র থাকবে, গাছপালা বাস্তব সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বড় হবে এবং আপনার প্রতিটি ছোটখাটো সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে আপনার চেহারা ও চারপাশের পৃথিবী বদলে যাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা যা পেলাম তা হলো ত্রুটিপূর্ণ একটি অ্যাকশন-আরপিজি গেম, যেটি নিজেকে নিয়ে বড্ড বেশি গর্বিত।
* এই গেমের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো আপনি একজন ভালো চরিত্র অথবা একজন মন্দ চরিত্র হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই আমি এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় শয়তান হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। গেমটির মতে শয়তান হওয়ার সেরা উপায় হলো কালো পোশাক পরা, বিশাল গোঁফ রাখা, সারা মুখে উল্কি আঁকা আর মাঝেমধ্যে পথচারীদের চড়-থাপ্পড় মারা। আমি নিজেকে একজন জাদুকর হিসেবেও তৈরি করতে চেয়েছিলাম কারণ আমি চেয়েছিলাম আমাকে দেখতে মিং দ্য মার্সেলেসের মতো লাগুক। কিন্তু শুরুর দিকের জাদুমন্ত্রগুলো এতোটাই দুর্বল ছিল যে শেষ পর্যন্ত আমাকে অর্ধেকটা সময় তলোয়ারই ব্যবহার করতে হতো। গেমটি শেষ পর্যন্ত আমার উপাধি দিল "স্পেলওয়ারিয়র", যা শুনে আমার মনে হলো তারা আমাকে একজন সিদ্ধান্তহীন বোকা মানুষ বলছে।
* শেষ পর্যন্ত আমি যখন ফাইনাল বসের মুখোমুখি হলাম, সে এক জায়গায় স্থির হয়ে দাঁড়াচ্ছিল না যাতে আমার শক্তিশালী কালো জাদুমন্ত্রটি কাজ করে। তাই আমার একমাত্র উপায় ছিল তলোয়ার দিয়ে বারবার তার মাথায় আঘাত করা, যখন সে অনবরত আমার শরীরের নিচের অংশ কামড়ে খাচ্ছিল। কিন্তু সেই সময় আমার কাছে এতো বেশি হেলথ পোরশন (জীবনদায়ী পানীয়) ছিল যে আমি অনায়াসেই সেগুলো ব্যবহার করে বেঁচে থাকতে পারছিলাম। বসটি মারা যাওয়ার পর আমার কাছে এতো বেশি পানীয় বেঁচে ছিল যে আমি চাইলে সেগুলো দিয়ে একটা বড়সড় হেলথ পোরশন পার্টি দিতে পারতাম। [https://www.youtube.com/watch?v=jYQLR7dE5k4]
=== হেভেনলি সোর্ড এবং অন্যান্য ===
* নারিকো তখন পাশে বসে থাকা বিড়ালের মতো কান আর মেকআপ পরা এক... অদ্ভুত জিনিসের দিকে ফিরে তাকালো। দেখে মনে হচ্ছিল মেকআপটি কিস ব্যান্ডের এমন কোনো ভক্ত লাগিয়েছে যার পার্কিনসন রোগ আছে। নারিকো তাকে জানালো যে সে সব দুষ্ট লোকদের শেষ করে দিতে চায়। তারপর খুব গম্ভীর মুখে সে বলল, "আমাদের হয়তো তোমার 'টুইং-টোয়াং' বাজানোর প্রয়োজন হতে পারে।" এটি শোনার পর আমার প্রথম চিন্তা ছিল, "আমি নিশ্চিতভাবে এই কথাটি প্রসঙ্গের বাইরে ব্যবহার করব।" কিন্তু পরে ভেবে দেখলাম, এটি মূল প্রসঙ্গের ভেতরেও খুব একটা অর্থ বহন করে না। ডেভেলপাররা যদি ভেবে থাকেন যে শুধুমাত্র এই "টুইং-টোয়াং" জিনিসটা কী তা জানার জন্য আমি পুরো গেমটি কিনব, তবে তারা তাদের মিশনে সফল হয়েছেন। তবে এটি যদি লেসবিয়ান যৌনাচারের কোনো সুন্দর ছদ্মনাম না হয়, তবে আমি খুব হতাশ হব (হ্যাঁ, আমি এ পর্যন্তই বলে ফেললাম)।
* আমার মনের এক অংশ বলছে যে শিল্পের বিচারে ''আরই ৫''-এর কিছু সার্থকতা থাকতে পারে। কারণ একটি হরর গেমের কাজই হলো মানুষকে অস্থির করে তোলা; আর খেলোয়াড়কে এমন কিছু করতে বাধ্য করা যা ভীতিকর হওয়ার পাশাপাশি রুচিহীন, তা আসলেই একটি নতুন পদ্ধতি। কিন্তু আবারও মনে পড়ে এটি ''রেসিডেন্ট ইভিল'' সিরিজ, যারা আমাদের "তীক্ষ্ণ কণ্ঠের বামন নেপোলিয়ন" উপহার দিয়েছিল। তাই তাদের কোনো আইডিয়ার পেছনে যদি সূক্ষ্ম কোনো অর্থ থেকেও থাকে, তবে সেটি সম্ভবত নিছক একটি দুর্ঘটনা। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/1-Heavenly-Sword-and-Other-Stuff]
===সাইকোনটস===
* শেফারের হাস্যরসের একটি অন্যতম প্রধান দিক হলো অদ্ভুত বা কাল্পনিক কোনো পরিবেশে খুব সাধারণ বা জাগতিক পরিস্থিতির সহাবস্থান দেখানো (দেখুন: ''গ্রিম ফ্যানড্যাঙ্গো'')। ''সাইকোনটস'' এই ধারা বজায় রেখেছে, কারণ এর পটভূমি হলো অতীন্দ্রিয় ক্ষমতা সম্পন্নদের জন্য একটি সামার ক্যাম্প। গল্পটি র্যাজ নামের এক শিশু ব্যায়ামবিদের রোমাঞ্চকর অভিযান নিয়ে। সে সার্কাসে যোগ দেওয়ার বদলে প্রথা ভেঙে সেখান থেকে পালানোর জন্য ঘর ছাড়ে। তার জন্মগত অতীন্দ্রিয় ক্ষমতার জোরে সে কোনো টিউশন ফি না দিয়েই ক্যাম্পে ঢুকে পড়ে। তবে দ্রুতই কর্মফল তাকে ভোগাতে শুরু করে যখন সে এক অশুভ চক্রান্তে জড়িয়ে পড়ে। তাকে তখন তার চারপাশের মানুষের অবচেতন মনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হওয়া অদ্ভুত সব অপার্থিব জগত ঘুরে দেখতে হয়। পুরো ব্যাপারটা অনেকটা এমন, উইলি ওঙ্কার চকলেট ফ্যাক্টরির ভেতরে টিম বার্টন যদি ডেভিড লিঞ্চকে গর্ভবতী করে ফেলতেন এবং বাচ্চা জন্মানোর আগ পর্যন্ত মেথ খেয়ে যেতেন।
* ''[গেমটির ভালো দিকগুলোর তালিকা]'' প্রথমত, এই ইন্ডাস্ট্রির প্রায় সবকিছুই যেখানে অন্যকে নকল করার ওপর ভিত্তি করে তৈরি, সেখানে এটি বেশ মৌলিক কিছু। দ্বিতীয়ত, এটি সত্যিই হাস্যরসাত্মক; অথচ হাস্যরসের চেষ্টা করা বেশিরভাগ ভিডিও গেম যেন অ্যানেস্থেসিয়া ছাড়া অন্ত্রের অস্ত্রোপচারের মতো যন্ত্রণাদায়ক। তৃতীয়ত, প্রতিটি চরিত্রকেই তাদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও ব্যক্তিত্ব দিয়ে খুব স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এমনকি সেই ছোটখাটো গুরুত্বহীন চরিত্রগুলোর ক্ষেত্রেও এটি সত্যি, যারা শেষ ''দ্য লর্ড অফ দ্য রিংস'' সিনেমায় ক্রিস্টোফার লি-র চেয়েও কম সময় পর্দায় ছিল। আর সবশেষে, এটি ''মজাদার''। মনে আছে? আনন্দ বা মজা? গেমিং যখন দ্বিতীয় কোনো চাকরির মতো মনে হতো না, তার আগে আমরা যে আনন্দ পেতাম? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/2-Psychonauts]
=== কনসোল রানডাউন ===
* বর্তমান প্রজন্মের কনসোলগুলোর মাধ্যমে আমরা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছি বা প্রায় পৌঁছে গেছি, যেখানে গ্রাফিক্স আর খুব বেশি উন্নত হবে না। তাই এখন আমাদের গত প্রজন্মের প্রযুক্তির পেছনে ছোটা বন্ধ করা উচিত এবং সাইলেন্ট হিল ২-এর মতো প্রকৃত গভীরতা সম্পন্ন কিছু গেম তৈরিতে মনোযোগ দেওয়া উচিত। তবে কনসোল যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত একেবারেই নিরর্থক, কারণ ইতিহাসের সেরা গেম কমোডোর ৬৪-এর জন্য ''ফ্যান্টাসি ওয়ার্ল্ড ডিজি'' ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গেছে। অথবা হয়তো পুরো গেমিং জগতটাই অর্থহীন জীবনের বিশাল রাস্তার ধারে পড়ে থাকা নুড়ি পাথর নিয়ে খেলার মতো। তবে যাই হোক, অন্তত এখানে সহিংসতা আর স্তন তো আছে! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/3-Console-Rundown]
===বায়োশক===
* ''বায়োশক''কে ''সিস্টেম শক ২''-এর যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। আমি নিশ্চিত ''সিস্টেম শক ২'' তার এই নরমাল-ম্যাপ করা এবং ফং-শেডেড জারজ সন্তানকে নিয়ে খুব গর্বিত হবে, কারণ এটি তার বাবার ওপর ঠিক ততটাই গেছে যতটা জর্জ বুশ তার বাবার ওপর গেছেন। আর আমি জানি আপনারা কী বলবেন: "ইয়াটজি, ওহে আমার চটকদার তেজী ঘোড়া, এটা কেমন ধরনের অভিযোগ? ''সিস্টেম শক ২'' তো দুর্দান্ত ছিল, আর এর মতো যেকোনো গেমই তো সমান ভালো হওয়া উচিত।" কিন্তু আসল কথা হলো: এটা ''সিস্টেম শক ২''-এর '''মতো''' নয়, এটা আসলে ''সিস্টেম শক ২''-ই। ও হ্যাঁ, এটা দেখতে আলাদা, এর সূক্ষ্ম খুঁটিনাটিতে পার্থক্য আছে, আর চরিত্রের নামগুলো পাল্টে দেওয়া হয়েছে,এমনি সব ফালতু ব্যাপার। কিন্তু যখন আপনি এই উপরের আবরণগুলো সরিয়ে ফেলবেন, তখন দেখবেন ভিলেনটা আসলে কোট পরা এবং হাতে ''অ্যাটলাস শ্রাগড'' বই নিয়ে থাকা খোদ শোডানই।
*কিন্তু গেমটিতে মাত্র দুটি সমাপ্তি আছে-একটি ভালো আর একটি খারাপ। এদের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য হজম করা বেশ কঠিন। ভালো সমাপ্তিতে আপনি হলেন একজন পুণ্যবান পুষ্পশিশু যে বিধাতার রাজ্যের সব প্রাণীর দিকে তাকিয়ে হাসে। আর খারাপ সমাপ্তিতে আপনি হলেন হিটলার আর স্কেলেটরের এক সংকর রূপ, যার মূত্রও যেন বিশুদ্ধ শয়তানি। আমি সেইসব গেম দেখে ক্লান্ত যেগুলো পছন্দের সুযোগ দেওয়ার দাবি করে কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয় আপনাকে মাদার তেরেসা হতে হবে নয়তো বাচ্চা-খাউকা শয়তান। আমি শুধু এটাই বলতে চাই যে, মাঝেমধ্যে একটু মধ্যপন্থা অবলম্বন করলে ভালোই হতো। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/4-BioShock]
=== টুম্ব রেইডার অ্যানিভার্সারি ===
* গেমটির লড়াই করার পদ্ধতি আধুনিক করা হয়েছে। এর মানে হলো তারা এখানে সেই পুরোনো গড অফ ওয়ার বা সাইমন সেজের মতো বারবার বাটন টেপার বিরক্তিকর দৃশ্যগুলো ঢুকিয়ে দিয়েছে, যা আজকাল নিয়ম মেনে প্রতিটি অ্যাকশন গেমেই থাকতে হয়। আর ডিজাইন টিমের কেউ একজন (আপনি জানেন আপনি কে) ভেবেছিলেন যে ফায়ার করার জন্য বাটন চেপে ধরে রাখার বদলে বারবার আর১ বাটন টেপার আইডিয়াটি খুব চমৎকার হবে। কিন্তু আর১ বাটনটি অনবরত টেপার জন্য আরামদায়ক অবস্থানে নেই। আর আপনি যখন এমন সব শত্রুর মুখোমুখি হন যারা মরার আগে এক কোটি গুলি খেতে পারে (যেমন ধরুন, গেমের প্রায় সব শত্রুই), তখন আপনার আঙুলে খিঁচুনি ধরে যাবে। আপনার মনে হবে আপনি গিটার হিরো খেলছেন কিন্তু রক স্টার হওয়ার সেই কল্পনাটা আপনার সাথে নেই।
* ''[গেম প্রকাশকদের আইডিয়া খুঁজে পেতে সাহায্য করছেন]'' এখানে একটি আইডিয়া আছে: একজন জিন-প্রকৌশলী তাইওয়ানিজ বাবুর্চি তার বড় স্তনবিশিষ্ট প্রেমিকাকে মামিদের হাত থেকে বাঁচাতে ফেজ টুপি পরা একটি গুইসালাপের সাথে দল পাকিয়েছে। দেখলেন তো? এটা খুব সহজ। বড় স্তনবিশিষ্ট একজন ব্রেস্ট ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ নিজের স্তন আরও বড় করার খরচ জোগাতে সময়ের অতীতে ভ্রমণ করছেন। একদল বড় স্তনধারী মানুষ তাদের বিশাল স্তন বহর নিয়ে নতুন এক স্তন-গ্রহের খোঁজে বেরিয়ে পড়েছে। স্তন, তরমুজ, দুধের কারখানা, আবক্ষ, মজার ব্যাগ, টোকা, ব্যালিস্টিকস, বুবস, জগস, নিপলস, জবলিস... বিশাল... বিশাল... বুক। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/5-Tomb-Raider-Anniversary]
=== ম্যানহান্ট ===
* থার্ড-পারসন অ্যাকশন গেম ডেভেলপাররা, একটা কথা পরিষ্কার করে বুঝে নিন, ঠিক আছে? বাম অ্যানালগ স্টিক নড়াচড়া করার জন্য; ডান অ্যানালগ স্টিক খেলোয়াড়ের চারপাশে ক্যামেরা ঘোরানোর জন্য। এটা কীভাবে সম্ভব যে, যখন আপনারা দেখেন কোনো কিছু নিখুঁতভাবে কাজ করছে, তখনই আপনারা সেটিকে উন্নত করার নামে জগািখচুড়ি পাকিয়ে ফেলেন? ''ম্যানহান্টে'' ডান অ্যানালগ স্টিকটি ফার্স্ট-পারসন ক্যামেরায় বদলে যায়। তাত্ত্বিকভাবে এটি যুক্তিযুক্ত মনে হতে পারে, কিন্তু এর মানে হলো আপনি যখন লুকিয়ে থেকে আপনার পেছনে পাহারারত কোনো গার্ডকে দেখার চেষ্টা করেন, তখন স্টিকটিতে একটু ছোঁয়া লাগলেই আপনি দেয়ালের দিকে তাকিয়ে থাকেন। আর অর্ধেক সময় যখন আপনি ক্যামেরাটিকে ঠিকঠাক পজিশনে আনেন, তখন দেখবেন গার্ডটি আপনার একদম সামনে চলে এসেছে এবং আপনার অণ্ডকোষে ছুরি বসিয়ে দিয়েছে।
* তবে ''ম্যানহান্টের'' মতো গেমগুলো কম বয়সী বা অপরিণত মস্তিষ্কের মানুষদের মাথা নষ্ট করে কি না, সেই তর্কে আমি কার পক্ষ নেব তা জানি না। গেমটিতে খুব স্পষ্টভাবে সতর্কবার্তা দেওয়া আছে যে বারো বছর বয়সীদের এটি খেলার কথা নয়। কিন্তু এতে কোনো সন্দেহ নেই যে তারাই এটি খেলে, কারণ বারো বছর বয়সী ছাড়া আর কারো এসব জিনিসে রুচি নেই। গ্যারোট তার দিয়ে মাথা কাটা বা বেসবল ব্যাট দিয়ে মাথার খুলি উড়িয়ে দেওয়া নিয়ে হাঁপাতে হাঁপাতে গল্প করা মিডল স্কুলে বন্ধু পাওয়ার ভালো উপায় হতে পারে; কিন্তু অফিসের আড্ডায় এটি বন্ধু হারানোরই একটা ভালো উপায়। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/6-Manhunt]
=== পেগল ===
* এই গেমটি সম্পর্কে আমি যা বলতে পারি তা হলো, আমি দুপুর নাগাদ এটি খেলতে শুরু করেছিলাম এবং অনেক পরে যখন রুম থেকে বের হলাম তখন দেখলাম কর্তৃপক্ষ আমাকে আইনত মৃত ঘোষণা করেছে। যদি এই "ক্যাজুয়াল গেমিং" বিষয়টি আপনার মাথা এড়িয়ে গিয়ে থাকে, তবে আমাকে আপনার মুখ জ্ঞানের সেই পচা পানির নিচে ডুবিয়ে ধরতে দিন। সাম্প্রতিক অতীতে কেউ একজন খেয়াল করেছিলেন যে ''বিজুয়েলডের'' মতো সাধারণ ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক রঙ মেলানোর গেমগুলো লজ্জাজনক পরিমাণ টাকা কামাচ্ছে। এর কারণ হলো, সময় গড়ানোর সাথে সাথে বাড়িতে একা থাকা বিরক্ত গৃহিণীরা নিজেরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে টিভি মেকানিকের সাথে প্রেম করা আর শোভন নয়, তাই তারা আমোদ-প্রমোদের জন্য ভিডিও গেমের দিকে ঝুঁকেছেন।
* সংক্ষেপে বলতে গেলে এটি মন্দ নয়। আমি ''বুকওয়ার্ম অ্যাডভেঞ্চারস'' বেশি পছন্দ করেছি, কিন্তু আমি সেইসব অপদার্থ মিউট্যান্টদের একজন যারা সত্যিই স্ক্র্যাবল খেলতে পছন্দ করে। ব্যস এটুকুই। ''পেগল'' নিয়ে আমি এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারব না কারণ গেমটি এটুকুই। পপ ক্যাপ-এর লক্ষ্য কী আমি জানি না, তবে আমি বাজি ধরে বলতে পারি তাদের মূলমন্ত্র হলো—"সুন্দর ঝলমলে আলো, উৎসাহব্যঞ্জক শব্দ আর যতটা সম্ভব কম গেমপ্লে ব্যবহার করে প্রিমিয়াম মানের কোকেন সদৃশ গেমিং অভিজ্ঞতা তৈরি করা।" আর এটি তাদের জন্য বেশ ভালোই কাজ করছে কারণ তারা এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। '''কোটি কোটি!''' তারা শুধুমাত্র সস্তা টু-ডি গেম বানায়! এতো টাকা তারা কিসে খরচ করে? আইসক্রিম কিনতে? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/7-Peggle]
rus7i4wjauh5iqcynxfcpl1fbsc8uyp
73845
73844
2026-04-05T14:32:26Z
ARI
356
/* পেগল */
73845
wikitext
text/x-wiki
'''''জিরো পাংচুয়েশন''''' হলো ভিডিও গেম পর্যালোচনার একটি সিরিজ যা বেন "ইয়াতজি" ক্রোশ তৈরি করেছেন। এটি মূলত ইউটিউবে এবং পরে দ্য এসক্যাপিস্ট ম্যাগাজিনের জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
== ২০০৭ ==
=== দ্য ডার্কনেস ডেমো ===
* ''দ্য ডার্কনেস'' হলো একটি হরর থিমযুক্ত ফার্স্ট-পারসন শুটার গেম। এটি এমন এক কমিক বইয়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি যার নাম আমি আগে শুনিনি। গেমটি তৈরি করেছে চমৎকার নামের স্টারব্রিজ স্টুডিওস। তাদের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আগের গেমটি ছিল ''দ্য ক্রনিকলস অফ রিডিক: এস্কেপ ফ্রম বুচার বে''। সেখানে খেলোয়াড়েরা ক্লেমেশন ভিন ডিজেলকে নিয়ন্ত্রণ করত, যে কি না বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মুখের সামনে নিজেকে নিয়ে নির্লজ্জ আদিখ্যেতা করার এক অবিরাম প্রচেষ্টায় লিপ্ত ছিল।
* ...আমাকে যা করতে হয়েছিল তা হলো, মাটিতে থাকা সহজেই চোখ এড়িয়ে যায় এমন একটি সাদা দাগের কাছে ফিরে যাওয়া। সেটি ব্যবহার করে একটি শয়তান ইম্পকে ডেকে আনা এবং তাকে নির্দেশ দেওয়া যাতে সে কবরস্থানের একটি প্রবেশপথের সামনে আড়াআড়িভাবে রাখা একটি গাড়ি সরিয়ে দেয়। আমি বিষয়টা আবার বলি: গেমটি আমাকে দিয়ে নরকের গভীর থেকে অনেকগুলো দাঁত আর নখরওয়ালা এক দানবকে ডেকে আনালো। কিন্তু সেটি নিরপরাধ মানুষকে দাসে পরিণত করার জন্য বা দুনিয়ার সব দেশ ধ্বংস করার জন্য নয়, বরং তাকে আমার ব্যক্তিগত গাড়ি সরানোর কাজে ব্যবহার করার জন্য!
* ব্যক্তিগতভাবে, এই মুহূর্তে আমি ''দ্য ডার্কনেস''-এর পূর্ণ সংস্করণ কেনার কথা তখনই ভাবব, যদি এর দাম অনেক কমে যায় এবং তারা এর সাথে অন্য কোনো ভালো গেমও দিয়ে দেয়। সাথে কিছুটা কেক আর বেলজিয়াম দেশটাকেও দিতে হবে। [https://www.youtube.com/watch?v=eWS9_nrKOPA]
=== ফেবল: দ্য লস্ট চ্যাপ্টারস ===
* ''ফেবল'' গেমটি লায়নহেড স্টুডিওসের তৈরি, যারা অনেকদিন ধরে বিখ্যাত গেম ডিজাইনার পিটার মোলিনেক্সের আস্তানা হিসেবে পরিচিত। পিটারের একটি স্বভাব হলো বিশাল সব প্রতিশ্রুতি দেওয়া এবং শেষ পর্যন্ত নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষার চাপে নিজেই পঙ্গু হয়ে যাওয়া (এর উদাহরণ হিসেবে তার অগোছালো গেম ''ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট''-এর কথা বলা যায়)। উদাহরণস্বরূপ, ''ফেবল'' তৈরির সময় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যে এতে প্রতিদ্বন্দ্বী এনপিসি চরিত্র থাকবে, গাছপালা বাস্তব সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বড় হবে এবং আপনার প্রতিটি ছোটখাটো সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে আপনার চেহারা ও চারপাশের পৃথিবী বদলে যাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা যা পেলাম তা হলো ত্রুটিপূর্ণ একটি অ্যাকশন-আরপিজি গেম, যেটি নিজেকে নিয়ে বড্ড বেশি গর্বিত।
* এই গেমের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো আপনি একজন ভালো চরিত্র অথবা একজন মন্দ চরিত্র হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই আমি এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় শয়তান হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। গেমটির মতে শয়তান হওয়ার সেরা উপায় হলো কালো পোশাক পরা, বিশাল গোঁফ রাখা, সারা মুখে উল্কি আঁকা আর মাঝেমধ্যে পথচারীদের চড়-থাপ্পড় মারা। আমি নিজেকে একজন জাদুকর হিসেবেও তৈরি করতে চেয়েছিলাম কারণ আমি চেয়েছিলাম আমাকে দেখতে মিং দ্য মার্সেলেসের মতো লাগুক। কিন্তু শুরুর দিকের জাদুমন্ত্রগুলো এতোটাই দুর্বল ছিল যে শেষ পর্যন্ত আমাকে অর্ধেকটা সময় তলোয়ারই ব্যবহার করতে হতো। গেমটি শেষ পর্যন্ত আমার উপাধি দিল "স্পেলওয়ারিয়র", যা শুনে আমার মনে হলো তারা আমাকে একজন সিদ্ধান্তহীন বোকা মানুষ বলছে।
* শেষ পর্যন্ত আমি যখন ফাইনাল বসের মুখোমুখি হলাম, সে এক জায়গায় স্থির হয়ে দাঁড়াচ্ছিল না যাতে আমার শক্তিশালী কালো জাদুমন্ত্রটি কাজ করে। তাই আমার একমাত্র উপায় ছিল তলোয়ার দিয়ে বারবার তার মাথায় আঘাত করা, যখন সে অনবরত আমার শরীরের নিচের অংশ কামড়ে খাচ্ছিল। কিন্তু সেই সময় আমার কাছে এতো বেশি হেলথ পোরশন (জীবনদায়ী পানীয়) ছিল যে আমি অনায়াসেই সেগুলো ব্যবহার করে বেঁচে থাকতে পারছিলাম। বসটি মারা যাওয়ার পর আমার কাছে এতো বেশি পানীয় বেঁচে ছিল যে আমি চাইলে সেগুলো দিয়ে একটা বড়সড় হেলথ পোরশন পার্টি দিতে পারতাম। [https://www.youtube.com/watch?v=jYQLR7dE5k4]
=== হেভেনলি সোর্ড এবং অন্যান্য ===
* নারিকো তখন পাশে বসে থাকা বিড়ালের মতো কান আর মেকআপ পরা এক... অদ্ভুত জিনিসের দিকে ফিরে তাকালো। দেখে মনে হচ্ছিল মেকআপটি কিস ব্যান্ডের এমন কোনো ভক্ত লাগিয়েছে যার পার্কিনসন রোগ আছে। নারিকো তাকে জানালো যে সে সব দুষ্ট লোকদের শেষ করে দিতে চায়। তারপর খুব গম্ভীর মুখে সে বলল, "আমাদের হয়তো তোমার 'টুইং-টোয়াং' বাজানোর প্রয়োজন হতে পারে।" এটি শোনার পর আমার প্রথম চিন্তা ছিল, "আমি নিশ্চিতভাবে এই কথাটি প্রসঙ্গের বাইরে ব্যবহার করব।" কিন্তু পরে ভেবে দেখলাম, এটি মূল প্রসঙ্গের ভেতরেও খুব একটা অর্থ বহন করে না। ডেভেলপাররা যদি ভেবে থাকেন যে শুধুমাত্র এই "টুইং-টোয়াং" জিনিসটা কী তা জানার জন্য আমি পুরো গেমটি কিনব, তবে তারা তাদের মিশনে সফল হয়েছেন। তবে এটি যদি লেসবিয়ান যৌনাচারের কোনো সুন্দর ছদ্মনাম না হয়, তবে আমি খুব হতাশ হব (হ্যাঁ, আমি এ পর্যন্তই বলে ফেললাম)।
* আমার মনের এক অংশ বলছে যে শিল্পের বিচারে ''আরই ৫''-এর কিছু সার্থকতা থাকতে পারে। কারণ একটি হরর গেমের কাজই হলো মানুষকে অস্থির করে তোলা; আর খেলোয়াড়কে এমন কিছু করতে বাধ্য করা যা ভীতিকর হওয়ার পাশাপাশি রুচিহীন, তা আসলেই একটি নতুন পদ্ধতি। কিন্তু আবারও মনে পড়ে এটি ''রেসিডেন্ট ইভিল'' সিরিজ, যারা আমাদের "তীক্ষ্ণ কণ্ঠের বামন নেপোলিয়ন" উপহার দিয়েছিল। তাই তাদের কোনো আইডিয়ার পেছনে যদি সূক্ষ্ম কোনো অর্থ থেকেও থাকে, তবে সেটি সম্ভবত নিছক একটি দুর্ঘটনা। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/1-Heavenly-Sword-and-Other-Stuff]
===সাইকোনটস===
* শেফারের হাস্যরসের একটি অন্যতম প্রধান দিক হলো অদ্ভুত বা কাল্পনিক কোনো পরিবেশে খুব সাধারণ বা জাগতিক পরিস্থিতির সহাবস্থান দেখানো (দেখুন: ''গ্রিম ফ্যানড্যাঙ্গো'')। ''সাইকোনটস'' এই ধারা বজায় রেখেছে, কারণ এর পটভূমি হলো অতীন্দ্রিয় ক্ষমতা সম্পন্নদের জন্য একটি সামার ক্যাম্প। গল্পটি র্যাজ নামের এক শিশু ব্যায়ামবিদের রোমাঞ্চকর অভিযান নিয়ে। সে সার্কাসে যোগ দেওয়ার বদলে প্রথা ভেঙে সেখান থেকে পালানোর জন্য ঘর ছাড়ে। তার জন্মগত অতীন্দ্রিয় ক্ষমতার জোরে সে কোনো টিউশন ফি না দিয়েই ক্যাম্পে ঢুকে পড়ে। তবে দ্রুতই কর্মফল তাকে ভোগাতে শুরু করে যখন সে এক অশুভ চক্রান্তে জড়িয়ে পড়ে। তাকে তখন তার চারপাশের মানুষের অবচেতন মনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হওয়া অদ্ভুত সব অপার্থিব জগত ঘুরে দেখতে হয়। পুরো ব্যাপারটা অনেকটা এমন, উইলি ওঙ্কার চকলেট ফ্যাক্টরির ভেতরে টিম বার্টন যদি ডেভিড লিঞ্চকে গর্ভবতী করে ফেলতেন এবং বাচ্চা জন্মানোর আগ পর্যন্ত মেথ খেয়ে যেতেন।
* ''[গেমটির ভালো দিকগুলোর তালিকা]'' প্রথমত, এই ইন্ডাস্ট্রির প্রায় সবকিছুই যেখানে অন্যকে নকল করার ওপর ভিত্তি করে তৈরি, সেখানে এটি বেশ মৌলিক কিছু। দ্বিতীয়ত, এটি সত্যিই হাস্যরসাত্মক; অথচ হাস্যরসের চেষ্টা করা বেশিরভাগ ভিডিও গেম যেন অ্যানেস্থেসিয়া ছাড়া অন্ত্রের অস্ত্রোপচারের মতো যন্ত্রণাদায়ক। তৃতীয়ত, প্রতিটি চরিত্রকেই তাদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও ব্যক্তিত্ব দিয়ে খুব স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এমনকি সেই ছোটখাটো গুরুত্বহীন চরিত্রগুলোর ক্ষেত্রেও এটি সত্যি, যারা শেষ ''দ্য লর্ড অফ দ্য রিংস'' সিনেমায় ক্রিস্টোফার লি-র চেয়েও কম সময় পর্দায় ছিল। আর সবশেষে, এটি ''মজাদার''। মনে আছে? আনন্দ বা মজা? গেমিং যখন দ্বিতীয় কোনো চাকরির মতো মনে হতো না, তার আগে আমরা যে আনন্দ পেতাম? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/2-Psychonauts]
=== কনসোল রানডাউন ===
* বর্তমান প্রজন্মের কনসোলগুলোর মাধ্যমে আমরা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছি বা প্রায় পৌঁছে গেছি, যেখানে গ্রাফিক্স আর খুব বেশি উন্নত হবে না। তাই এখন আমাদের গত প্রজন্মের প্রযুক্তির পেছনে ছোটা বন্ধ করা উচিত এবং সাইলেন্ট হিল ২-এর মতো প্রকৃত গভীরতা সম্পন্ন কিছু গেম তৈরিতে মনোযোগ দেওয়া উচিত। তবে কনসোল যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত একেবারেই নিরর্থক, কারণ ইতিহাসের সেরা গেম কমোডোর ৬৪-এর জন্য ''ফ্যান্টাসি ওয়ার্ল্ড ডিজি'' ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গেছে। অথবা হয়তো পুরো গেমিং জগতটাই অর্থহীন জীবনের বিশাল রাস্তার ধারে পড়ে থাকা নুড়ি পাথর নিয়ে খেলার মতো। তবে যাই হোক, অন্তত এখানে সহিংসতা আর স্তন তো আছে! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/3-Console-Rundown]
===বায়োশক===
* ''বায়োশক''কে ''সিস্টেম শক ২''-এর যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। আমি নিশ্চিত ''সিস্টেম শক ২'' তার এই নরমাল-ম্যাপ করা এবং ফং-শেডেড জারজ সন্তানকে নিয়ে খুব গর্বিত হবে, কারণ এটি তার বাবার ওপর ঠিক ততটাই গেছে যতটা জর্জ বুশ তার বাবার ওপর গেছেন। আর আমি জানি আপনারা কী বলবেন: "ইয়াটজি, ওহে আমার চটকদার তেজী ঘোড়া, এটা কেমন ধরনের অভিযোগ? ''সিস্টেম শক ২'' তো দুর্দান্ত ছিল, আর এর মতো যেকোনো গেমই তো সমান ভালো হওয়া উচিত।" কিন্তু আসল কথা হলো: এটা ''সিস্টেম শক ২''-এর '''মতো''' নয়, এটা আসলে ''সিস্টেম শক ২''-ই। ও হ্যাঁ, এটা দেখতে আলাদা, এর সূক্ষ্ম খুঁটিনাটিতে পার্থক্য আছে, আর চরিত্রের নামগুলো পাল্টে দেওয়া হয়েছে,এমনি সব ফালতু ব্যাপার। কিন্তু যখন আপনি এই উপরের আবরণগুলো সরিয়ে ফেলবেন, তখন দেখবেন ভিলেনটা আসলে কোট পরা এবং হাতে ''অ্যাটলাস শ্রাগড'' বই নিয়ে থাকা খোদ শোডানই।
*কিন্তু গেমটিতে মাত্র দুটি সমাপ্তি আছে-একটি ভালো আর একটি খারাপ। এদের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য হজম করা বেশ কঠিন। ভালো সমাপ্তিতে আপনি হলেন একজন পুণ্যবান পুষ্পশিশু যে বিধাতার রাজ্যের সব প্রাণীর দিকে তাকিয়ে হাসে। আর খারাপ সমাপ্তিতে আপনি হলেন হিটলার আর স্কেলেটরের এক সংকর রূপ, যার মূত্রও যেন বিশুদ্ধ শয়তানি। আমি সেইসব গেম দেখে ক্লান্ত যেগুলো পছন্দের সুযোগ দেওয়ার দাবি করে কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয় আপনাকে মাদার তেরেসা হতে হবে নয়তো বাচ্চা-খাউকা শয়তান। আমি শুধু এটাই বলতে চাই যে, মাঝেমধ্যে একটু মধ্যপন্থা অবলম্বন করলে ভালোই হতো। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/4-BioShock]
=== টুম্ব রেইডার অ্যানিভার্সারি ===
* গেমটির লড়াই করার পদ্ধতি আধুনিক করা হয়েছে। এর মানে হলো তারা এখানে সেই পুরোনো গড অফ ওয়ার বা সাইমন সেজের মতো বারবার বাটন টেপার বিরক্তিকর দৃশ্যগুলো ঢুকিয়ে দিয়েছে, যা আজকাল নিয়ম মেনে প্রতিটি অ্যাকশন গেমেই থাকতে হয়। আর ডিজাইন টিমের কেউ একজন (আপনি জানেন আপনি কে) ভেবেছিলেন যে ফায়ার করার জন্য বাটন চেপে ধরে রাখার বদলে বারবার আর১ বাটন টেপার আইডিয়াটি খুব চমৎকার হবে। কিন্তু আর১ বাটনটি অনবরত টেপার জন্য আরামদায়ক অবস্থানে নেই। আর আপনি যখন এমন সব শত্রুর মুখোমুখি হন যারা মরার আগে এক কোটি গুলি খেতে পারে (যেমন ধরুন, গেমের প্রায় সব শত্রুই), তখন আপনার আঙুলে খিঁচুনি ধরে যাবে। আপনার মনে হবে আপনি গিটার হিরো খেলছেন কিন্তু রক স্টার হওয়ার সেই কল্পনাটা আপনার সাথে নেই।
* ''[গেম প্রকাশকদের আইডিয়া খুঁজে পেতে সাহায্য করছেন]'' এখানে একটি আইডিয়া আছে: একজন জিন-প্রকৌশলী তাইওয়ানিজ বাবুর্চি তার বড় স্তনবিশিষ্ট প্রেমিকাকে মামিদের হাত থেকে বাঁচাতে ফেজ টুপি পরা একটি গুইসালাপের সাথে দল পাকিয়েছে। দেখলেন তো? এটা খুব সহজ। বড় স্তনবিশিষ্ট একজন ব্রেস্ট ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ নিজের স্তন আরও বড় করার খরচ জোগাতে সময়ের অতীতে ভ্রমণ করছেন। একদল বড় স্তনধারী মানুষ তাদের বিশাল স্তন বহর নিয়ে নতুন এক স্তন-গ্রহের খোঁজে বেরিয়ে পড়েছে। স্তন, তরমুজ, দুধের কারখানা, আবক্ষ, মজার ব্যাগ, টোকা, ব্যালিস্টিকস, বুবস, জগস, নিপলস, জবলিস... বিশাল... বিশাল... বুক। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/5-Tomb-Raider-Anniversary]
=== ম্যানহান্ট ===
* থার্ড-পারসন অ্যাকশন গেম ডেভেলপাররা, একটা কথা পরিষ্কার করে বুঝে নিন, ঠিক আছে? বাম অ্যানালগ স্টিক নড়াচড়া করার জন্য; ডান অ্যানালগ স্টিক খেলোয়াড়ের চারপাশে ক্যামেরা ঘোরানোর জন্য। এটা কীভাবে সম্ভব যে, যখন আপনারা দেখেন কোনো কিছু নিখুঁতভাবে কাজ করছে, তখনই আপনারা সেটিকে উন্নত করার নামে জগািখচুড়ি পাকিয়ে ফেলেন? ''ম্যানহান্টে'' ডান অ্যানালগ স্টিকটি ফার্স্ট-পারসন ক্যামেরায় বদলে যায়। তাত্ত্বিকভাবে এটি যুক্তিযুক্ত মনে হতে পারে, কিন্তু এর মানে হলো আপনি যখন লুকিয়ে থেকে আপনার পেছনে পাহারারত কোনো গার্ডকে দেখার চেষ্টা করেন, তখন স্টিকটিতে একটু ছোঁয়া লাগলেই আপনি দেয়ালের দিকে তাকিয়ে থাকেন। আর অর্ধেক সময় যখন আপনি ক্যামেরাটিকে ঠিকঠাক পজিশনে আনেন, তখন দেখবেন গার্ডটি আপনার একদম সামনে চলে এসেছে এবং আপনার অণ্ডকোষে ছুরি বসিয়ে দিয়েছে।
* তবে ''ম্যানহান্টের'' মতো গেমগুলো কম বয়সী বা অপরিণত মস্তিষ্কের মানুষদের মাথা নষ্ট করে কি না, সেই তর্কে আমি কার পক্ষ নেব তা জানি না। গেমটিতে খুব স্পষ্টভাবে সতর্কবার্তা দেওয়া আছে যে বারো বছর বয়সীদের এটি খেলার কথা নয়। কিন্তু এতে কোনো সন্দেহ নেই যে তারাই এটি খেলে, কারণ বারো বছর বয়সী ছাড়া আর কারো এসব জিনিসে রুচি নেই। গ্যারোট তার দিয়ে মাথা কাটা বা বেসবল ব্যাট দিয়ে মাথার খুলি উড়িয়ে দেওয়া নিয়ে হাঁপাতে হাঁপাতে গল্প করা মিডল স্কুলে বন্ধু পাওয়ার ভালো উপায় হতে পারে; কিন্তু অফিসের আড্ডায় এটি বন্ধু হারানোরই একটা ভালো উপায়। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/6-Manhunt]
=== পেগল ===
* এই গেমটি সম্পর্কে আমি যা বলতে পারি তা হলো, আমি দুপুর নাগাদ এটি খেলতে শুরু করেছিলাম এবং অনেক পরে যখন রুম থেকে বের হলাম তখন দেখলাম কর্তৃপক্ষ আমাকে আইনত মৃত ঘোষণা করেছে। যদি এই "ক্যাজুয়াল গেমিং" বিষয়টি আপনার মাথা এড়িয়ে গিয়ে থাকে, তবে আমাকে আপনার মুখ জ্ঞানের সেই পচা পানির নিচে ডুবিয়ে ধরতে দিন। সাম্প্রতিক অতীতে কেউ একজন খেয়াল করেছিলেন যে ''বিজুয়েলডের'' মতো সাধারণ ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক রঙ মেলানোর গেমগুলো লজ্জাজনক পরিমাণ টাকা কামাচ্ছে। এর কারণ হলো, সময় গড়ানোর সাথে সাথে বাড়িতে একা থাকা বিরক্ত গৃহিণীরা নিজেরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে টিভি মেকানিকের সাথে প্রেম করা আর শোভন নয়, তাই তারা আমোদ-প্রমোদের জন্য ভিডিও গেমের দিকে ঝুঁকেছেন।
* সংক্ষেপে বলতে গেলে এটি মন্দ নয়। আমি ''বুকওয়ার্ম অ্যাডভেঞ্চারস'' বেশি পছন্দ করেছি, কিন্তু আমি সেইসব অপদার্থ মিউট্যান্টদের একজন যারা সত্যিই স্ক্র্যাবল খেলতে পছন্দ করে। ব্যস এটুকুই। ''পেগল'' নিয়ে আমি এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারব না কারণ গেমটি এটুকুই। পপ ক্যাপ-এর লক্ষ্য কী আমি জানি না, তবে আমি বাজি ধরে বলতে পারি তাদের মূলমন্ত্র হলো—"সুন্দর ঝলমলে আলো, উৎসাহব্যঞ্জক শব্দ আর যতটা সম্ভব কম গেমপ্লে ব্যবহার করে প্রিমিয়াম মানের কোকেন সদৃশ গেমিং অভিজ্ঞতা তৈরি করা।" আর এটি তাদের জন্য বেশ ভালোই কাজ করছে কারণ তারা এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। '''কোটি কোটি!''' তারা শুধুমাত্র সস্তা টু-ডি গেম বানায়! এতো টাকা তারা কিসে খরচ করে? আইসক্রিম কিনতে? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/7-Peggle]
===হ্যালো ৩===
* এর ডিফিকাল্টি কার্ভ বা গেমের কঠিন হওয়ার ধারাটা একজন দ্বিধাগ্রস্ত বেশ্যার অন্তর্বাসের মতো ওঠানামা করে। এরপর শেষ এক ঘণ্টার মতো সময়ে এটি হুট করে খুব সহজ হয়ে যায়। গেমের শুরুর দিকে এমন কিছু অংশ ছিল যেগুলো আমাকে একেবারে নাস্তানাবুদ করে ছেড়েছে, অথচ ফাইনাল বস ফাইট বলতে যা আছে তা হলো মূলত হুইলচেয়ারে বসা এক ট্যারা হববিটের বিরুদ্ধে আপনার লড়াই, যেখানে আপনার হাতে আছে বিএফজি ৯০০০।
* কিন্তু আসলে আমি এসব বলে কী অর্জন করতে চাইছি তা জানি না। ''হ্যালো ৩'' ইতোমধ্যেই ঈশ্বরের চেয়েও বেশি জনপ্রিয় হয়ে গেছে। আমি এমন কিছু বলতে পারব না যা মাইক্রোসফটকে এত টাকা কামানো থেকে আটকাতে পারবে যা দিয়ে তারা সুইজারল্যান্ড কিনে নিতে পারে। তারা স্রেফ এই ধারণাটাকেই আরও পোক্ত করছে যে গেমাররা আসলে চামচের গভীরতা বিশিষ্ট উজ্জ্বল রঙের আবর্জনাই চায়। তাই ভবিষ্যতে যদি আমরা মাইক্রোসফট ওভারমাইন্ডের ভিনগ্রহের খনিতে হাড়ভাঙা খাটুনির ফাঁকে কোনোমতে সময় বের করে "ক্যাপ্টেন ব্ল্যান্ডস মনোটোনাস অ্যাডভেঞ্চার" খেলতে বসি, তবে জেনে রাখবেন যে আমি আগেই এই ল্যাজেগোবরে অবস্থার কথা বলেছিলাম। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/8-Halo-3]
===তাবুলা রাসা===
* ''তাবুলা রাসা'' একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ "খালি স্লেট" এবং এটি সাধারণত সেই মতবাদকে বোঝায় যেখানে বলা হয় যে মানুষ জন্মগতভাবে কোনো বিশেষ প্রোগ্রামিং ছাড়াই জন্মায়। উদাহরণস্বরূপ, রিচার্ড গ্যারিয়ট একজন সম্পূর্ণ উন্মাদ গেম ডিজাইনার যিনি মুকুট পরেন এবং চান যে মানুষ তাকে লর্ড ব্রিটিশ বলে ডাকুক। কিন্তু তিনি কি জন্ম থেকেই এমন পাগল ছিলেন, নাকি উপযুক্ত সামাজিক যোগাযোগের অভাবে তিনি চিরতরে এক পাগলাটে কাল্পনিক জগতে হারিয়ে গেছেন?
* এমএমও গেমগুলো থেকে 'গ্রাইন্ড' বা একঘেয়ে খাটুনি সরিয়ে দেওয়ার কথা ভাবাটা বেশ ভালোই মনে হয়, যতক্ষণ না আপনি এর গভীরে ভাববেন। কারণ এই গ্রাইন্ডের কারণেই মানুষ এত দীর্ঘ সময় ধরে এমএমও খেলে। আর এটা সরিয়ে ফেলা মানে হবে রিচার্ড গ্যারিয়ট থেকে তার পাগলামিটুকু কেড়ে নেওয়া। তা ছাড়া এ পর্যন্ত সব এমএমও গেমেই প্রচুর গ্রাইন্ড আছে এবং তা মানুষকে খেলা থেকে আটকাতে পারছে বলে মনে হয় না। আমার ধারণা কিছু মানুষ এই ধরণের জিনিস পছন্দ করে। কিছু মানুষ আবার মোটা মানুষকেও যৌন আবেদনময়ী মনে করে। আমি নিজেও তাদের বুঝি না, যেমনটা বেশিরভাগ মানুষ বোঝে না যে কেন আমি লেটুস পাতা দিয়ে আমার লিঙ্গ মুড়িয়ে অন্য মানুষের সালাদে লুকিয়ে রাখতে পছন্দ করি। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/9-Tabula-Rasa]
===দ্য অরেঞ্জ বক্স===
* আমার কেন জানি মনে হয় ভালভ এপিসোডিক গেমিংয়ের মূল উদ্দেশ্যটা কিছুটা হারিয়ে ফেলেছে। এর মূল ধারণাটা ছিল সস্তায় ছোট গেম ঘন ঘন বাজারে ছেড়ে গেম পাবলিশিংয়ের প্রথাগত ঝক্কি ঝামেলা কমিয়ে আনা। তারা প্রথম ও দ্বিতীয় দিকগুলো ঠিকঠাক করলেও তৃতীয়টির সাথে এখনও লড়ছে।
* (হাফ-লাইফ ২: এপিসোড টু-এর ওপর) এপিসোড ২ মেজো সন্তানের মতো কিছুটা অবহেলার শিকার হয়েছে। এর কোনো প্রকৃত শুরু বা শেষ নেই, তাই গল্পটা শুধু এদিক-ওদিক ঘোরে। এই অনুভূতিটা দূর করা কঠিন যে আমরা পরবর্তী এপিসোডের জন্য স্রেফ সময় কাটাচ্ছি। কোনো সতর্কবার্তা ছাড়াই হুট করে একটি নতুন চরিত্র নিয়ে আসা হয় এবং সবাই এমন আচরণ করে যেন আমরা তাকে আগে থেকেই চিনি। এটা আসলে বেশ বিভ্রান্তিকর। ভালভ এ পর্যন্ত সব প্রধান এনপিসি চরিত্রের প্রতি আমাদের সহানুভূতি জাগাতে দারুণ কাজ করেছে। তাই একদম শেষের দিকে এসে এমন নতুন কারো সাথে পরিচয় হওয়াটা অনেকটা এমন—স্কুল থেকে ফিরে দেখলেন ডাইনিং টেবিলে একটি সিন্ধুঘোটক বসে আছে আর আপনি ছাড়া আর কারো চোখে সেটা পড়ছে না।
* (টিম ফোর্ট্রেস ২-এর ওপর) ...সব সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও এটি এখন অবিশ্বাস্যভাবে ভারসাম্যপূর্ণ। আপনি যে ধরণের গেমই পছন্দ করেন না কেন, এখানে সবার জন্যই কিছু না কিছু আছে। সজাসাপ্টা মার খাওয়ার জন্য আছে হেভি; পেছন থেকে ছুরি মারার মতো চোরচোট্টা চরিত্রের জন্য আছে স্পাই; আর যারা পয়েন্ট-অ্যান্ড-ক্লিক অ্যাডভেঞ্চার গেম পছন্দ করেন তাদের জন্য আছে স্নাইপার। যদিও এখানে একমাত্র ধাঁধাটি হলো—"মানুষের ওপর বন্দুক ব্যবহার করা।"
* (পোর্টাল-এর ওপর) ...আপনি যদি নিয়মিত এই শো দেখেন তবে বুঝবেন যে আমার মুখ থেকে এই কথাগুলো বের হওয়া কতটা পাগলামি মনে হতে পারে, কিন্তু আমি এর কোনো খুঁত খুঁজে পাচ্ছি না। আমি সিরিয়াস! যতক্ষণ না তারা ফোর্স-ফিডব্যাক আছে এমন কোনো অন্তর্বাস আবিষ্কার করছে, পিসিতে এর চেয়ে বেশি মজা আপনি আর পাবেন না। আমি অনেকগুলো আকর্ষণীয় পোর্টাল ধাঁধার আশা নিয়ে খেলা শুরু করেছিলাম এবং ঠিক সেটাই পেয়েছি। কিন্তু আমি একদমই আশা করিনি যে কোনো গেমে আমি এত চমৎকার ডার্ক হিউমার শুনতে পাব। ঠিক আছে, এটা মাত্র ২ থেকে ৩ ঘণ্টার গেম, তবে এই দৈর্ঘ্যে গেমটি বেশ মানানসই—এর মানে হলো এটি অকারণে লম্বা হয়নি এবং আপনাকে দ্রুত সেই রোমহর্ষক ও দুর্দান্ত সমাপ্তির কাছে পৌঁছে দেয়। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একেবারে অ-তুল-নীয়, আর ভবিষ্যতে আমি যদি অন্য কোনো কিছুর বর্ণনা দিতে এই শব্দগুলো ব্যবহার করি তবে আমি নিজের চোখে কাঁটাচামচ ঢুকিয়ে দেব! হ্যাঁ, আমি জানি কোনো গেমকে ভালোবাসাটা খুব একটা মজার বিষয় নয়, কিন্তু আপনার যা খুশি ভাবুন! ''পোর্টাল'' দুর্দান্ত, আর আপনি যদি তা মনে না করেন তবে আপনি নিশ্চয়ই নির্বোধ! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/10-The-Orange-Box]
===সুপার পেপার মারিও===
* দ্বিতীয় চ্যাপ্টারে মারিওকে কাজ করে টাকা কামাতে হয় যাতে সে সেই সব নির্বোধ ধ্বংসযজ্ঞের ক্ষতিপূরণ দিতে পারে যা অ্যাকশন আরপিজি খেলোয়াড়দের কাছে খুব স্বাভাবিক একটা বিষয়। আর এটা করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো কন্ট্রোলারের "ডান" বাটন চেপে একটি বিশালাকার হ্যামস্টার হুইলে দৌড়ানো। আর এটা করতে হবে প্রায় পনেরো মিনিট ধরে—আমি ইয়ার্কি করছি না। আপনি যদি বুদ্ধিমান না হন তবেই এমনটা করবেন। আপনি যদি আমার মতো বুদ্ধিমান হন, তবে আপনি ডি-প্যাডের ওপর আপনার রুমমেটের কোনো খেলনা দিয়ে সেটা চেপে রাখবেন এবং নিজে অন্য কোথাও গিয়ে আনন্দ করবেন। ঠিকই শুনেছেন। একটা '''গেম''' খেলার সময় আপনাকে আনন্দ খুঁজে নিতে হচ্ছে—অথচ একটি '''গেমের''' মূল উদ্দেশ্যই হওয়ার কথা বিনোদন দেওয়া। আর খেলোয়াড়কে যদি এটি করতে হয়, তবে বুঝতে হবে গেমটিতে নিশ্চিতভাবেই বড় কোনো সমস্যা আছে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/11-Super-Paper-Mario [১১]]
hd9ic1tre5exg4orhtkdmesu17e8bgo
73846
73845
2026-04-05T14:33:25Z
ARI
356
/* হ্যালো ৩ */
73846
wikitext
text/x-wiki
'''''জিরো পাংচুয়েশন''''' হলো ভিডিও গেম পর্যালোচনার একটি সিরিজ যা বেন "ইয়াতজি" ক্রোশ তৈরি করেছেন। এটি মূলত ইউটিউবে এবং পরে দ্য এসক্যাপিস্ট ম্যাগাজিনের জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
== ২০০৭ ==
=== দ্য ডার্কনেস ডেমো ===
* ''দ্য ডার্কনেস'' হলো একটি হরর থিমযুক্ত ফার্স্ট-পারসন শুটার গেম। এটি এমন এক কমিক বইয়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি যার নাম আমি আগে শুনিনি। গেমটি তৈরি করেছে চমৎকার নামের স্টারব্রিজ স্টুডিওস। তাদের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আগের গেমটি ছিল ''দ্য ক্রনিকলস অফ রিডিক: এস্কেপ ফ্রম বুচার বে''। সেখানে খেলোয়াড়েরা ক্লেমেশন ভিন ডিজেলকে নিয়ন্ত্রণ করত, যে কি না বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মুখের সামনে নিজেকে নিয়ে নির্লজ্জ আদিখ্যেতা করার এক অবিরাম প্রচেষ্টায় লিপ্ত ছিল।
* ...আমাকে যা করতে হয়েছিল তা হলো, মাটিতে থাকা সহজেই চোখ এড়িয়ে যায় এমন একটি সাদা দাগের কাছে ফিরে যাওয়া। সেটি ব্যবহার করে একটি শয়তান ইম্পকে ডেকে আনা এবং তাকে নির্দেশ দেওয়া যাতে সে কবরস্থানের একটি প্রবেশপথের সামনে আড়াআড়িভাবে রাখা একটি গাড়ি সরিয়ে দেয়। আমি বিষয়টা আবার বলি: গেমটি আমাকে দিয়ে নরকের গভীর থেকে অনেকগুলো দাঁত আর নখরওয়ালা এক দানবকে ডেকে আনালো। কিন্তু সেটি নিরপরাধ মানুষকে দাসে পরিণত করার জন্য বা দুনিয়ার সব দেশ ধ্বংস করার জন্য নয়, বরং তাকে আমার ব্যক্তিগত গাড়ি সরানোর কাজে ব্যবহার করার জন্য!
* ব্যক্তিগতভাবে, এই মুহূর্তে আমি ''দ্য ডার্কনেস''-এর পূর্ণ সংস্করণ কেনার কথা তখনই ভাবব, যদি এর দাম অনেক কমে যায় এবং তারা এর সাথে অন্য কোনো ভালো গেমও দিয়ে দেয়। সাথে কিছুটা কেক আর বেলজিয়াম দেশটাকেও দিতে হবে। [https://www.youtube.com/watch?v=eWS9_nrKOPA]
=== ফেবল: দ্য লস্ট চ্যাপ্টারস ===
* ''ফেবল'' গেমটি লায়নহেড স্টুডিওসের তৈরি, যারা অনেকদিন ধরে বিখ্যাত গেম ডিজাইনার পিটার মোলিনেক্সের আস্তানা হিসেবে পরিচিত। পিটারের একটি স্বভাব হলো বিশাল সব প্রতিশ্রুতি দেওয়া এবং শেষ পর্যন্ত নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষার চাপে নিজেই পঙ্গু হয়ে যাওয়া (এর উদাহরণ হিসেবে তার অগোছালো গেম ''ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট''-এর কথা বলা যায়)। উদাহরণস্বরূপ, ''ফেবল'' তৈরির সময় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যে এতে প্রতিদ্বন্দ্বী এনপিসি চরিত্র থাকবে, গাছপালা বাস্তব সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বড় হবে এবং আপনার প্রতিটি ছোটখাটো সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে আপনার চেহারা ও চারপাশের পৃথিবী বদলে যাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা যা পেলাম তা হলো ত্রুটিপূর্ণ একটি অ্যাকশন-আরপিজি গেম, যেটি নিজেকে নিয়ে বড্ড বেশি গর্বিত।
* এই গেমের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো আপনি একজন ভালো চরিত্র অথবা একজন মন্দ চরিত্র হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই আমি এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় শয়তান হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। গেমটির মতে শয়তান হওয়ার সেরা উপায় হলো কালো পোশাক পরা, বিশাল গোঁফ রাখা, সারা মুখে উল্কি আঁকা আর মাঝেমধ্যে পথচারীদের চড়-থাপ্পড় মারা। আমি নিজেকে একজন জাদুকর হিসেবেও তৈরি করতে চেয়েছিলাম কারণ আমি চেয়েছিলাম আমাকে দেখতে মিং দ্য মার্সেলেসের মতো লাগুক। কিন্তু শুরুর দিকের জাদুমন্ত্রগুলো এতোটাই দুর্বল ছিল যে শেষ পর্যন্ত আমাকে অর্ধেকটা সময় তলোয়ারই ব্যবহার করতে হতো। গেমটি শেষ পর্যন্ত আমার উপাধি দিল "স্পেলওয়ারিয়র", যা শুনে আমার মনে হলো তারা আমাকে একজন সিদ্ধান্তহীন বোকা মানুষ বলছে।
* শেষ পর্যন্ত আমি যখন ফাইনাল বসের মুখোমুখি হলাম, সে এক জায়গায় স্থির হয়ে দাঁড়াচ্ছিল না যাতে আমার শক্তিশালী কালো জাদুমন্ত্রটি কাজ করে। তাই আমার একমাত্র উপায় ছিল তলোয়ার দিয়ে বারবার তার মাথায় আঘাত করা, যখন সে অনবরত আমার শরীরের নিচের অংশ কামড়ে খাচ্ছিল। কিন্তু সেই সময় আমার কাছে এতো বেশি হেলথ পোরশন (জীবনদায়ী পানীয়) ছিল যে আমি অনায়াসেই সেগুলো ব্যবহার করে বেঁচে থাকতে পারছিলাম। বসটি মারা যাওয়ার পর আমার কাছে এতো বেশি পানীয় বেঁচে ছিল যে আমি চাইলে সেগুলো দিয়ে একটা বড়সড় হেলথ পোরশন পার্টি দিতে পারতাম। [https://www.youtube.com/watch?v=jYQLR7dE5k4]
=== হেভেনলি সোর্ড এবং অন্যান্য ===
* নারিকো তখন পাশে বসে থাকা বিড়ালের মতো কান আর মেকআপ পরা এক... অদ্ভুত জিনিসের দিকে ফিরে তাকালো। দেখে মনে হচ্ছিল মেকআপটি কিস ব্যান্ডের এমন কোনো ভক্ত লাগিয়েছে যার পার্কিনসন রোগ আছে। নারিকো তাকে জানালো যে সে সব দুষ্ট লোকদের শেষ করে দিতে চায়। তারপর খুব গম্ভীর মুখে সে বলল, "আমাদের হয়তো তোমার 'টুইং-টোয়াং' বাজানোর প্রয়োজন হতে পারে।" এটি শোনার পর আমার প্রথম চিন্তা ছিল, "আমি নিশ্চিতভাবে এই কথাটি প্রসঙ্গের বাইরে ব্যবহার করব।" কিন্তু পরে ভেবে দেখলাম, এটি মূল প্রসঙ্গের ভেতরেও খুব একটা অর্থ বহন করে না। ডেভেলপাররা যদি ভেবে থাকেন যে শুধুমাত্র এই "টুইং-টোয়াং" জিনিসটা কী তা জানার জন্য আমি পুরো গেমটি কিনব, তবে তারা তাদের মিশনে সফল হয়েছেন। তবে এটি যদি লেসবিয়ান যৌনাচারের কোনো সুন্দর ছদ্মনাম না হয়, তবে আমি খুব হতাশ হব (হ্যাঁ, আমি এ পর্যন্তই বলে ফেললাম)।
* আমার মনের এক অংশ বলছে যে শিল্পের বিচারে ''আরই ৫''-এর কিছু সার্থকতা থাকতে পারে। কারণ একটি হরর গেমের কাজই হলো মানুষকে অস্থির করে তোলা; আর খেলোয়াড়কে এমন কিছু করতে বাধ্য করা যা ভীতিকর হওয়ার পাশাপাশি রুচিহীন, তা আসলেই একটি নতুন পদ্ধতি। কিন্তু আবারও মনে পড়ে এটি ''রেসিডেন্ট ইভিল'' সিরিজ, যারা আমাদের "তীক্ষ্ণ কণ্ঠের বামন নেপোলিয়ন" উপহার দিয়েছিল। তাই তাদের কোনো আইডিয়ার পেছনে যদি সূক্ষ্ম কোনো অর্থ থেকেও থাকে, তবে সেটি সম্ভবত নিছক একটি দুর্ঘটনা। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/1-Heavenly-Sword-and-Other-Stuff]
===সাইকোনটস===
* শেফারের হাস্যরসের একটি অন্যতম প্রধান দিক হলো অদ্ভুত বা কাল্পনিক কোনো পরিবেশে খুব সাধারণ বা জাগতিক পরিস্থিতির সহাবস্থান দেখানো (দেখুন: ''গ্রিম ফ্যানড্যাঙ্গো'')। ''সাইকোনটস'' এই ধারা বজায় রেখেছে, কারণ এর পটভূমি হলো অতীন্দ্রিয় ক্ষমতা সম্পন্নদের জন্য একটি সামার ক্যাম্প। গল্পটি র্যাজ নামের এক শিশু ব্যায়ামবিদের রোমাঞ্চকর অভিযান নিয়ে। সে সার্কাসে যোগ দেওয়ার বদলে প্রথা ভেঙে সেখান থেকে পালানোর জন্য ঘর ছাড়ে। তার জন্মগত অতীন্দ্রিয় ক্ষমতার জোরে সে কোনো টিউশন ফি না দিয়েই ক্যাম্পে ঢুকে পড়ে। তবে দ্রুতই কর্মফল তাকে ভোগাতে শুরু করে যখন সে এক অশুভ চক্রান্তে জড়িয়ে পড়ে। তাকে তখন তার চারপাশের মানুষের অবচেতন মনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হওয়া অদ্ভুত সব অপার্থিব জগত ঘুরে দেখতে হয়। পুরো ব্যাপারটা অনেকটা এমন, উইলি ওঙ্কার চকলেট ফ্যাক্টরির ভেতরে টিম বার্টন যদি ডেভিড লিঞ্চকে গর্ভবতী করে ফেলতেন এবং বাচ্চা জন্মানোর আগ পর্যন্ত মেথ খেয়ে যেতেন।
* ''[গেমটির ভালো দিকগুলোর তালিকা]'' প্রথমত, এই ইন্ডাস্ট্রির প্রায় সবকিছুই যেখানে অন্যকে নকল করার ওপর ভিত্তি করে তৈরি, সেখানে এটি বেশ মৌলিক কিছু। দ্বিতীয়ত, এটি সত্যিই হাস্যরসাত্মক; অথচ হাস্যরসের চেষ্টা করা বেশিরভাগ ভিডিও গেম যেন অ্যানেস্থেসিয়া ছাড়া অন্ত্রের অস্ত্রোপচারের মতো যন্ত্রণাদায়ক। তৃতীয়ত, প্রতিটি চরিত্রকেই তাদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও ব্যক্তিত্ব দিয়ে খুব স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এমনকি সেই ছোটখাটো গুরুত্বহীন চরিত্রগুলোর ক্ষেত্রেও এটি সত্যি, যারা শেষ ''দ্য লর্ড অফ দ্য রিংস'' সিনেমায় ক্রিস্টোফার লি-র চেয়েও কম সময় পর্দায় ছিল। আর সবশেষে, এটি ''মজাদার''। মনে আছে? আনন্দ বা মজা? গেমিং যখন দ্বিতীয় কোনো চাকরির মতো মনে হতো না, তার আগে আমরা যে আনন্দ পেতাম? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/2-Psychonauts]
=== কনসোল রানডাউন ===
* বর্তমান প্রজন্মের কনসোলগুলোর মাধ্যমে আমরা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছি বা প্রায় পৌঁছে গেছি, যেখানে গ্রাফিক্স আর খুব বেশি উন্নত হবে না। তাই এখন আমাদের গত প্রজন্মের প্রযুক্তির পেছনে ছোটা বন্ধ করা উচিত এবং সাইলেন্ট হিল ২-এর মতো প্রকৃত গভীরতা সম্পন্ন কিছু গেম তৈরিতে মনোযোগ দেওয়া উচিত। তবে কনসোল যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত একেবারেই নিরর্থক, কারণ ইতিহাসের সেরা গেম কমোডোর ৬৪-এর জন্য ''ফ্যান্টাসি ওয়ার্ল্ড ডিজি'' ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গেছে। অথবা হয়তো পুরো গেমিং জগতটাই অর্থহীন জীবনের বিশাল রাস্তার ধারে পড়ে থাকা নুড়ি পাথর নিয়ে খেলার মতো। তবে যাই হোক, অন্তত এখানে সহিংসতা আর স্তন তো আছে! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/3-Console-Rundown]
===বায়োশক===
* ''বায়োশক''কে ''সিস্টেম শক ২''-এর যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। আমি নিশ্চিত ''সিস্টেম শক ২'' তার এই নরমাল-ম্যাপ করা এবং ফং-শেডেড জারজ সন্তানকে নিয়ে খুব গর্বিত হবে, কারণ এটি তার বাবার ওপর ঠিক ততটাই গেছে যতটা জর্জ বুশ তার বাবার ওপর গেছেন। আর আমি জানি আপনারা কী বলবেন: "ইয়াটজি, ওহে আমার চটকদার তেজী ঘোড়া, এটা কেমন ধরনের অভিযোগ? ''সিস্টেম শক ২'' তো দুর্দান্ত ছিল, আর এর মতো যেকোনো গেমই তো সমান ভালো হওয়া উচিত।" কিন্তু আসল কথা হলো: এটা ''সিস্টেম শক ২''-এর '''মতো''' নয়, এটা আসলে ''সিস্টেম শক ২''-ই। ও হ্যাঁ, এটা দেখতে আলাদা, এর সূক্ষ্ম খুঁটিনাটিতে পার্থক্য আছে, আর চরিত্রের নামগুলো পাল্টে দেওয়া হয়েছে,এমনি সব ফালতু ব্যাপার। কিন্তু যখন আপনি এই উপরের আবরণগুলো সরিয়ে ফেলবেন, তখন দেখবেন ভিলেনটা আসলে কোট পরা এবং হাতে ''অ্যাটলাস শ্রাগড'' বই নিয়ে থাকা খোদ শোডানই।
*কিন্তু গেমটিতে মাত্র দুটি সমাপ্তি আছে-একটি ভালো আর একটি খারাপ। এদের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য হজম করা বেশ কঠিন। ভালো সমাপ্তিতে আপনি হলেন একজন পুণ্যবান পুষ্পশিশু যে বিধাতার রাজ্যের সব প্রাণীর দিকে তাকিয়ে হাসে। আর খারাপ সমাপ্তিতে আপনি হলেন হিটলার আর স্কেলেটরের এক সংকর রূপ, যার মূত্রও যেন বিশুদ্ধ শয়তানি। আমি সেইসব গেম দেখে ক্লান্ত যেগুলো পছন্দের সুযোগ দেওয়ার দাবি করে কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয় আপনাকে মাদার তেরেসা হতে হবে নয়তো বাচ্চা-খাউকা শয়তান। আমি শুধু এটাই বলতে চাই যে, মাঝেমধ্যে একটু মধ্যপন্থা অবলম্বন করলে ভালোই হতো। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/4-BioShock]
=== টুম্ব রেইডার অ্যানিভার্সারি ===
* গেমটির লড়াই করার পদ্ধতি আধুনিক করা হয়েছে। এর মানে হলো তারা এখানে সেই পুরোনো গড অফ ওয়ার বা সাইমন সেজের মতো বারবার বাটন টেপার বিরক্তিকর দৃশ্যগুলো ঢুকিয়ে দিয়েছে, যা আজকাল নিয়ম মেনে প্রতিটি অ্যাকশন গেমেই থাকতে হয়। আর ডিজাইন টিমের কেউ একজন (আপনি জানেন আপনি কে) ভেবেছিলেন যে ফায়ার করার জন্য বাটন চেপে ধরে রাখার বদলে বারবার আর১ বাটন টেপার আইডিয়াটি খুব চমৎকার হবে। কিন্তু আর১ বাটনটি অনবরত টেপার জন্য আরামদায়ক অবস্থানে নেই। আর আপনি যখন এমন সব শত্রুর মুখোমুখি হন যারা মরার আগে এক কোটি গুলি খেতে পারে (যেমন ধরুন, গেমের প্রায় সব শত্রুই), তখন আপনার আঙুলে খিঁচুনি ধরে যাবে। আপনার মনে হবে আপনি গিটার হিরো খেলছেন কিন্তু রক স্টার হওয়ার সেই কল্পনাটা আপনার সাথে নেই।
* ''[গেম প্রকাশকদের আইডিয়া খুঁজে পেতে সাহায্য করছেন]'' এখানে একটি আইডিয়া আছে: একজন জিন-প্রকৌশলী তাইওয়ানিজ বাবুর্চি তার বড় স্তনবিশিষ্ট প্রেমিকাকে মামিদের হাত থেকে বাঁচাতে ফেজ টুপি পরা একটি গুইসালাপের সাথে দল পাকিয়েছে। দেখলেন তো? এটা খুব সহজ। বড় স্তনবিশিষ্ট একজন ব্রেস্ট ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ নিজের স্তন আরও বড় করার খরচ জোগাতে সময়ের অতীতে ভ্রমণ করছেন। একদল বড় স্তনধারী মানুষ তাদের বিশাল স্তন বহর নিয়ে নতুন এক স্তন-গ্রহের খোঁজে বেরিয়ে পড়েছে। স্তন, তরমুজ, দুধের কারখানা, আবক্ষ, মজার ব্যাগ, টোকা, ব্যালিস্টিকস, বুবস, জগস, নিপলস, জবলিস... বিশাল... বিশাল... বুক। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/5-Tomb-Raider-Anniversary]
=== ম্যানহান্ট ===
* থার্ড-পারসন অ্যাকশন গেম ডেভেলপাররা, একটা কথা পরিষ্কার করে বুঝে নিন, ঠিক আছে? বাম অ্যানালগ স্টিক নড়াচড়া করার জন্য; ডান অ্যানালগ স্টিক খেলোয়াড়ের চারপাশে ক্যামেরা ঘোরানোর জন্য। এটা কীভাবে সম্ভব যে, যখন আপনারা দেখেন কোনো কিছু নিখুঁতভাবে কাজ করছে, তখনই আপনারা সেটিকে উন্নত করার নামে জগািখচুড়ি পাকিয়ে ফেলেন? ''ম্যানহান্টে'' ডান অ্যানালগ স্টিকটি ফার্স্ট-পারসন ক্যামেরায় বদলে যায়। তাত্ত্বিকভাবে এটি যুক্তিযুক্ত মনে হতে পারে, কিন্তু এর মানে হলো আপনি যখন লুকিয়ে থেকে আপনার পেছনে পাহারারত কোনো গার্ডকে দেখার চেষ্টা করেন, তখন স্টিকটিতে একটু ছোঁয়া লাগলেই আপনি দেয়ালের দিকে তাকিয়ে থাকেন। আর অর্ধেক সময় যখন আপনি ক্যামেরাটিকে ঠিকঠাক পজিশনে আনেন, তখন দেখবেন গার্ডটি আপনার একদম সামনে চলে এসেছে এবং আপনার অণ্ডকোষে ছুরি বসিয়ে দিয়েছে।
* তবে ''ম্যানহান্টের'' মতো গেমগুলো কম বয়সী বা অপরিণত মস্তিষ্কের মানুষদের মাথা নষ্ট করে কি না, সেই তর্কে আমি কার পক্ষ নেব তা জানি না। গেমটিতে খুব স্পষ্টভাবে সতর্কবার্তা দেওয়া আছে যে বারো বছর বয়সীদের এটি খেলার কথা নয়। কিন্তু এতে কোনো সন্দেহ নেই যে তারাই এটি খেলে, কারণ বারো বছর বয়সী ছাড়া আর কারো এসব জিনিসে রুচি নেই। গ্যারোট তার দিয়ে মাথা কাটা বা বেসবল ব্যাট দিয়ে মাথার খুলি উড়িয়ে দেওয়া নিয়ে হাঁপাতে হাঁপাতে গল্প করা মিডল স্কুলে বন্ধু পাওয়ার ভালো উপায় হতে পারে; কিন্তু অফিসের আড্ডায় এটি বন্ধু হারানোরই একটা ভালো উপায়। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/6-Manhunt]
=== পেগল ===
* এই গেমটি সম্পর্কে আমি যা বলতে পারি তা হলো, আমি দুপুর নাগাদ এটি খেলতে শুরু করেছিলাম এবং অনেক পরে যখন রুম থেকে বের হলাম তখন দেখলাম কর্তৃপক্ষ আমাকে আইনত মৃত ঘোষণা করেছে। যদি এই "ক্যাজুয়াল গেমিং" বিষয়টি আপনার মাথা এড়িয়ে গিয়ে থাকে, তবে আমাকে আপনার মুখ জ্ঞানের সেই পচা পানির নিচে ডুবিয়ে ধরতে দিন। সাম্প্রতিক অতীতে কেউ একজন খেয়াল করেছিলেন যে ''বিজুয়েলডের'' মতো সাধারণ ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক রঙ মেলানোর গেমগুলো লজ্জাজনক পরিমাণ টাকা কামাচ্ছে। এর কারণ হলো, সময় গড়ানোর সাথে সাথে বাড়িতে একা থাকা বিরক্ত গৃহিণীরা নিজেরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে টিভি মেকানিকের সাথে প্রেম করা আর শোভন নয়, তাই তারা আমোদ-প্রমোদের জন্য ভিডিও গেমের দিকে ঝুঁকেছেন।
* সংক্ষেপে বলতে গেলে এটি মন্দ নয়। আমি ''বুকওয়ার্ম অ্যাডভেঞ্চারস'' বেশি পছন্দ করেছি, কিন্তু আমি সেইসব অপদার্থ মিউট্যান্টদের একজন যারা সত্যিই স্ক্র্যাবল খেলতে পছন্দ করে। ব্যস এটুকুই। ''পেগল'' নিয়ে আমি এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারব না কারণ গেমটি এটুকুই। পপ ক্যাপ-এর লক্ষ্য কী আমি জানি না, তবে আমি বাজি ধরে বলতে পারি তাদের মূলমন্ত্র হলো—"সুন্দর ঝলমলে আলো, উৎসাহব্যঞ্জক শব্দ আর যতটা সম্ভব কম গেমপ্লে ব্যবহার করে প্রিমিয়াম মানের কোকেন সদৃশ গেমিং অভিজ্ঞতা তৈরি করা।" আর এটি তাদের জন্য বেশ ভালোই কাজ করছে কারণ তারা এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। '''কোটি কোটি!''' তারা শুধুমাত্র সস্তা টু-ডি গেম বানায়! এতো টাকা তারা কিসে খরচ করে? আইসক্রিম কিনতে? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/7-Peggle]
===হ্যালো ৩===
* এর কঠিন হওয়ার ধারাটা একজন দ্বিধাগ্রস্ত বেশ্যার অন্তর্বাসের মতো ওঠানামা করে। এরপর শেষ এক ঘণ্টার মতো সময়ে এটি হুট করে খুব সহজ হয়ে যায়। গেমের শুরুর দিকে এমন কিছু অংশ ছিল যেগুলো আমাকে একেবারে নাস্তানাবুদ করে ছেড়েছে, অথচ ফাইনাল বস ফাইট বলতে যা আছে তা হলো মূলত হুইলচেয়ারে বসা এক ট্যারা হববিটের বিরুদ্ধে আপনার লড়াই, যেখানে আপনার হাতে আছে বিএফজি ৯০০০।
* কিন্তু আসলে আমি এসব বলে কী অর্জন করতে চাইছি তা জানি না। ''হ্যালো ৩'' ইতোমধ্যেই ঈশ্বরের চেয়েও বেশি জনপ্রিয় হয়ে গেছে। আমি এমন কিছু বলতে পারব না যা মাইক্রোসফটকে এত টাকা কামানো থেকে আটকাতে পারবে যা দিয়ে তারা সুইজারল্যান্ড কিনে নিতে পারে। তারা স্রেফ এই ধারণাটাকেই আরও পোক্ত করছে যে গেমাররা আসলে চামচের গভীরতা বিশিষ্ট উজ্জ্বল রঙের আবর্জনাই চায়। তাই ভবিষ্যতে যদি আমরা মাইক্রোসফট ওভারমাইন্ডের ভিনগ্রহের খনিতে হাড়ভাঙা খাটুনির ফাঁকে কোনোমতে সময় বের করে "ক্যাপ্টেন ব্ল্যান্ডস মনোটোনাস অ্যাডভেঞ্চার" খেলতে বসি, তবে জেনে রাখবেন যে আমি আগেই এই ল্যাজেগোবরে অবস্থার কথা বলেছিলাম। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/8-Halo-3]
===তাবুলা রাসা===
* ''তাবুলা রাসা'' একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ "খালি স্লেট" এবং এটি সাধারণত সেই মতবাদকে বোঝায় যেখানে বলা হয় যে মানুষ জন্মগতভাবে কোনো বিশেষ প্রোগ্রামিং ছাড়াই জন্মায়। উদাহরণস্বরূপ, রিচার্ড গ্যারিয়ট একজন সম্পূর্ণ উন্মাদ গেম ডিজাইনার যিনি মুকুট পরেন এবং চান যে মানুষ তাকে লর্ড ব্রিটিশ বলে ডাকুক। কিন্তু তিনি কি জন্ম থেকেই এমন পাগল ছিলেন, নাকি উপযুক্ত সামাজিক যোগাযোগের অভাবে তিনি চিরতরে এক পাগলাটে কাল্পনিক জগতে হারিয়ে গেছেন?
* এমএমও গেমগুলো থেকে 'গ্রাইন্ড' বা একঘেয়ে খাটুনি সরিয়ে দেওয়ার কথা ভাবাটা বেশ ভালোই মনে হয়, যতক্ষণ না আপনি এর গভীরে ভাববেন। কারণ এই গ্রাইন্ডের কারণেই মানুষ এত দীর্ঘ সময় ধরে এমএমও খেলে। আর এটা সরিয়ে ফেলা মানে হবে রিচার্ড গ্যারিয়ট থেকে তার পাগলামিটুকু কেড়ে নেওয়া। তা ছাড়া এ পর্যন্ত সব এমএমও গেমেই প্রচুর গ্রাইন্ড আছে এবং তা মানুষকে খেলা থেকে আটকাতে পারছে বলে মনে হয় না। আমার ধারণা কিছু মানুষ এই ধরণের জিনিস পছন্দ করে। কিছু মানুষ আবার মোটা মানুষকেও যৌন আবেদনময়ী মনে করে। আমি নিজেও তাদের বুঝি না, যেমনটা বেশিরভাগ মানুষ বোঝে না যে কেন আমি লেটুস পাতা দিয়ে আমার লিঙ্গ মুড়িয়ে অন্য মানুষের সালাদে লুকিয়ে রাখতে পছন্দ করি। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/9-Tabula-Rasa]
===দ্য অরেঞ্জ বক্স===
* আমার কেন জানি মনে হয় ভালভ এপিসোডিক গেমিংয়ের মূল উদ্দেশ্যটা কিছুটা হারিয়ে ফেলেছে। এর মূল ধারণাটা ছিল সস্তায় ছোট গেম ঘন ঘন বাজারে ছেড়ে গেম পাবলিশিংয়ের প্রথাগত ঝক্কি ঝামেলা কমিয়ে আনা। তারা প্রথম ও দ্বিতীয় দিকগুলো ঠিকঠাক করলেও তৃতীয়টির সাথে এখনও লড়ছে।
* (হাফ-লাইফ ২: এপিসোড টু-এর ওপর) এপিসোড ২ মেজো সন্তানের মতো কিছুটা অবহেলার শিকার হয়েছে। এর কোনো প্রকৃত শুরু বা শেষ নেই, তাই গল্পটা শুধু এদিক-ওদিক ঘোরে। এই অনুভূতিটা দূর করা কঠিন যে আমরা পরবর্তী এপিসোডের জন্য স্রেফ সময় কাটাচ্ছি। কোনো সতর্কবার্তা ছাড়াই হুট করে একটি নতুন চরিত্র নিয়ে আসা হয় এবং সবাই এমন আচরণ করে যেন আমরা তাকে আগে থেকেই চিনি। এটা আসলে বেশ বিভ্রান্তিকর। ভালভ এ পর্যন্ত সব প্রধান এনপিসি চরিত্রের প্রতি আমাদের সহানুভূতি জাগাতে দারুণ কাজ করেছে। তাই একদম শেষের দিকে এসে এমন নতুন কারো সাথে পরিচয় হওয়াটা অনেকটা এমন—স্কুল থেকে ফিরে দেখলেন ডাইনিং টেবিলে একটি সিন্ধুঘোটক বসে আছে আর আপনি ছাড়া আর কারো চোখে সেটা পড়ছে না।
* (টিম ফোর্ট্রেস ২-এর ওপর) ...সব সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও এটি এখন অবিশ্বাস্যভাবে ভারসাম্যপূর্ণ। আপনি যে ধরণের গেমই পছন্দ করেন না কেন, এখানে সবার জন্যই কিছু না কিছু আছে। সজাসাপ্টা মার খাওয়ার জন্য আছে হেভি; পেছন থেকে ছুরি মারার মতো চোরচোট্টা চরিত্রের জন্য আছে স্পাই; আর যারা পয়েন্ট-অ্যান্ড-ক্লিক অ্যাডভেঞ্চার গেম পছন্দ করেন তাদের জন্য আছে স্নাইপার। যদিও এখানে একমাত্র ধাঁধাটি হলো—"মানুষের ওপর বন্দুক ব্যবহার করা।"
* (পোর্টাল-এর ওপর) ...আপনি যদি নিয়মিত এই শো দেখেন তবে বুঝবেন যে আমার মুখ থেকে এই কথাগুলো বের হওয়া কতটা পাগলামি মনে হতে পারে, কিন্তু আমি এর কোনো খুঁত খুঁজে পাচ্ছি না। আমি সিরিয়াস! যতক্ষণ না তারা ফোর্স-ফিডব্যাক আছে এমন কোনো অন্তর্বাস আবিষ্কার করছে, পিসিতে এর চেয়ে বেশি মজা আপনি আর পাবেন না। আমি অনেকগুলো আকর্ষণীয় পোর্টাল ধাঁধার আশা নিয়ে খেলা শুরু করেছিলাম এবং ঠিক সেটাই পেয়েছি। কিন্তু আমি একদমই আশা করিনি যে কোনো গেমে আমি এত চমৎকার ডার্ক হিউমার শুনতে পাব। ঠিক আছে, এটা মাত্র ২ থেকে ৩ ঘণ্টার গেম, তবে এই দৈর্ঘ্যে গেমটি বেশ মানানসই—এর মানে হলো এটি অকারণে লম্বা হয়নি এবং আপনাকে দ্রুত সেই রোমহর্ষক ও দুর্দান্ত সমাপ্তির কাছে পৌঁছে দেয়। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একেবারে অ-তুল-নীয়, আর ভবিষ্যতে আমি যদি অন্য কোনো কিছুর বর্ণনা দিতে এই শব্দগুলো ব্যবহার করি তবে আমি নিজের চোখে কাঁটাচামচ ঢুকিয়ে দেব! হ্যাঁ, আমি জানি কোনো গেমকে ভালোবাসাটা খুব একটা মজার বিষয় নয়, কিন্তু আপনার যা খুশি ভাবুন! ''পোর্টাল'' দুর্দান্ত, আর আপনি যদি তা মনে না করেন তবে আপনি নিশ্চয়ই নির্বোধ! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/10-The-Orange-Box]
===সুপার পেপার মারিও===
* দ্বিতীয় চ্যাপ্টারে মারিওকে কাজ করে টাকা কামাতে হয় যাতে সে সেই সব নির্বোধ ধ্বংসযজ্ঞের ক্ষতিপূরণ দিতে পারে যা অ্যাকশন আরপিজি খেলোয়াড়দের কাছে খুব স্বাভাবিক একটা বিষয়। আর এটা করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো কন্ট্রোলারের "ডান" বাটন চেপে একটি বিশালাকার হ্যামস্টার হুইলে দৌড়ানো। আর এটা করতে হবে প্রায় পনেরো মিনিট ধরে—আমি ইয়ার্কি করছি না। আপনি যদি বুদ্ধিমান না হন তবেই এমনটা করবেন। আপনি যদি আমার মতো বুদ্ধিমান হন, তবে আপনি ডি-প্যাডের ওপর আপনার রুমমেটের কোনো খেলনা দিয়ে সেটা চেপে রাখবেন এবং নিজে অন্য কোথাও গিয়ে আনন্দ করবেন। ঠিকই শুনেছেন। একটা '''গেম''' খেলার সময় আপনাকে আনন্দ খুঁজে নিতে হচ্ছে—অথচ একটি '''গেমের''' মূল উদ্দেশ্যই হওয়ার কথা বিনোদন দেওয়া। আর খেলোয়াড়কে যদি এটি করতে হয়, তবে বুঝতে হবে গেমটিতে নিশ্চিতভাবেই বড় কোনো সমস্যা আছে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/11-Super-Paper-Mario [১১]]
ber9ax934giveapvrs4msi3t511hgj5
73848
73846
2026-04-05T14:35:51Z
ARI
356
/* দ্য অরেঞ্জ বক্স */
73848
wikitext
text/x-wiki
'''''জিরো পাংচুয়েশন''''' হলো ভিডিও গেম পর্যালোচনার একটি সিরিজ যা বেন "ইয়াতজি" ক্রোশ তৈরি করেছেন। এটি মূলত ইউটিউবে এবং পরে দ্য এসক্যাপিস্ট ম্যাগাজিনের জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
== ২০০৭ ==
=== দ্য ডার্কনেস ডেমো ===
* ''দ্য ডার্কনেস'' হলো একটি হরর থিমযুক্ত ফার্স্ট-পারসন শুটার গেম। এটি এমন এক কমিক বইয়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি যার নাম আমি আগে শুনিনি। গেমটি তৈরি করেছে চমৎকার নামের স্টারব্রিজ স্টুডিওস। তাদের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আগের গেমটি ছিল ''দ্য ক্রনিকলস অফ রিডিক: এস্কেপ ফ্রম বুচার বে''। সেখানে খেলোয়াড়েরা ক্লেমেশন ভিন ডিজেলকে নিয়ন্ত্রণ করত, যে কি না বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মুখের সামনে নিজেকে নিয়ে নির্লজ্জ আদিখ্যেতা করার এক অবিরাম প্রচেষ্টায় লিপ্ত ছিল।
* ...আমাকে যা করতে হয়েছিল তা হলো, মাটিতে থাকা সহজেই চোখ এড়িয়ে যায় এমন একটি সাদা দাগের কাছে ফিরে যাওয়া। সেটি ব্যবহার করে একটি শয়তান ইম্পকে ডেকে আনা এবং তাকে নির্দেশ দেওয়া যাতে সে কবরস্থানের একটি প্রবেশপথের সামনে আড়াআড়িভাবে রাখা একটি গাড়ি সরিয়ে দেয়। আমি বিষয়টা আবার বলি: গেমটি আমাকে দিয়ে নরকের গভীর থেকে অনেকগুলো দাঁত আর নখরওয়ালা এক দানবকে ডেকে আনালো। কিন্তু সেটি নিরপরাধ মানুষকে দাসে পরিণত করার জন্য বা দুনিয়ার সব দেশ ধ্বংস করার জন্য নয়, বরং তাকে আমার ব্যক্তিগত গাড়ি সরানোর কাজে ব্যবহার করার জন্য!
* ব্যক্তিগতভাবে, এই মুহূর্তে আমি ''দ্য ডার্কনেস''-এর পূর্ণ সংস্করণ কেনার কথা তখনই ভাবব, যদি এর দাম অনেক কমে যায় এবং তারা এর সাথে অন্য কোনো ভালো গেমও দিয়ে দেয়। সাথে কিছুটা কেক আর বেলজিয়াম দেশটাকেও দিতে হবে। [https://www.youtube.com/watch?v=eWS9_nrKOPA]
=== ফেবল: দ্য লস্ট চ্যাপ্টারস ===
* ''ফেবল'' গেমটি লায়নহেড স্টুডিওসের তৈরি, যারা অনেকদিন ধরে বিখ্যাত গেম ডিজাইনার পিটার মোলিনেক্সের আস্তানা হিসেবে পরিচিত। পিটারের একটি স্বভাব হলো বিশাল সব প্রতিশ্রুতি দেওয়া এবং শেষ পর্যন্ত নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষার চাপে নিজেই পঙ্গু হয়ে যাওয়া (এর উদাহরণ হিসেবে তার অগোছালো গেম ''ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট''-এর কথা বলা যায়)। উদাহরণস্বরূপ, ''ফেবল'' তৈরির সময় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যে এতে প্রতিদ্বন্দ্বী এনপিসি চরিত্র থাকবে, গাছপালা বাস্তব সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বড় হবে এবং আপনার প্রতিটি ছোটখাটো সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে আপনার চেহারা ও চারপাশের পৃথিবী বদলে যাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা যা পেলাম তা হলো ত্রুটিপূর্ণ একটি অ্যাকশন-আরপিজি গেম, যেটি নিজেকে নিয়ে বড্ড বেশি গর্বিত।
* এই গেমের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো আপনি একজন ভালো চরিত্র অথবা একজন মন্দ চরিত্র হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই আমি এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় শয়তান হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। গেমটির মতে শয়তান হওয়ার সেরা উপায় হলো কালো পোশাক পরা, বিশাল গোঁফ রাখা, সারা মুখে উল্কি আঁকা আর মাঝেমধ্যে পথচারীদের চড়-থাপ্পড় মারা। আমি নিজেকে একজন জাদুকর হিসেবেও তৈরি করতে চেয়েছিলাম কারণ আমি চেয়েছিলাম আমাকে দেখতে মিং দ্য মার্সেলেসের মতো লাগুক। কিন্তু শুরুর দিকের জাদুমন্ত্রগুলো এতোটাই দুর্বল ছিল যে শেষ পর্যন্ত আমাকে অর্ধেকটা সময় তলোয়ারই ব্যবহার করতে হতো। গেমটি শেষ পর্যন্ত আমার উপাধি দিল "স্পেলওয়ারিয়র", যা শুনে আমার মনে হলো তারা আমাকে একজন সিদ্ধান্তহীন বোকা মানুষ বলছে।
* শেষ পর্যন্ত আমি যখন ফাইনাল বসের মুখোমুখি হলাম, সে এক জায়গায় স্থির হয়ে দাঁড়াচ্ছিল না যাতে আমার শক্তিশালী কালো জাদুমন্ত্রটি কাজ করে। তাই আমার একমাত্র উপায় ছিল তলোয়ার দিয়ে বারবার তার মাথায় আঘাত করা, যখন সে অনবরত আমার শরীরের নিচের অংশ কামড়ে খাচ্ছিল। কিন্তু সেই সময় আমার কাছে এতো বেশি হেলথ পোরশন (জীবনদায়ী পানীয়) ছিল যে আমি অনায়াসেই সেগুলো ব্যবহার করে বেঁচে থাকতে পারছিলাম। বসটি মারা যাওয়ার পর আমার কাছে এতো বেশি পানীয় বেঁচে ছিল যে আমি চাইলে সেগুলো দিয়ে একটা বড়সড় হেলথ পোরশন পার্টি দিতে পারতাম। [https://www.youtube.com/watch?v=jYQLR7dE5k4]
=== হেভেনলি সোর্ড এবং অন্যান্য ===
* নারিকো তখন পাশে বসে থাকা বিড়ালের মতো কান আর মেকআপ পরা এক... অদ্ভুত জিনিসের দিকে ফিরে তাকালো। দেখে মনে হচ্ছিল মেকআপটি কিস ব্যান্ডের এমন কোনো ভক্ত লাগিয়েছে যার পার্কিনসন রোগ আছে। নারিকো তাকে জানালো যে সে সব দুষ্ট লোকদের শেষ করে দিতে চায়। তারপর খুব গম্ভীর মুখে সে বলল, "আমাদের হয়তো তোমার 'টুইং-টোয়াং' বাজানোর প্রয়োজন হতে পারে।" এটি শোনার পর আমার প্রথম চিন্তা ছিল, "আমি নিশ্চিতভাবে এই কথাটি প্রসঙ্গের বাইরে ব্যবহার করব।" কিন্তু পরে ভেবে দেখলাম, এটি মূল প্রসঙ্গের ভেতরেও খুব একটা অর্থ বহন করে না। ডেভেলপাররা যদি ভেবে থাকেন যে শুধুমাত্র এই "টুইং-টোয়াং" জিনিসটা কী তা জানার জন্য আমি পুরো গেমটি কিনব, তবে তারা তাদের মিশনে সফল হয়েছেন। তবে এটি যদি লেসবিয়ান যৌনাচারের কোনো সুন্দর ছদ্মনাম না হয়, তবে আমি খুব হতাশ হব (হ্যাঁ, আমি এ পর্যন্তই বলে ফেললাম)।
* আমার মনের এক অংশ বলছে যে শিল্পের বিচারে ''আরই ৫''-এর কিছু সার্থকতা থাকতে পারে। কারণ একটি হরর গেমের কাজই হলো মানুষকে অস্থির করে তোলা; আর খেলোয়াড়কে এমন কিছু করতে বাধ্য করা যা ভীতিকর হওয়ার পাশাপাশি রুচিহীন, তা আসলেই একটি নতুন পদ্ধতি। কিন্তু আবারও মনে পড়ে এটি ''রেসিডেন্ট ইভিল'' সিরিজ, যারা আমাদের "তীক্ষ্ণ কণ্ঠের বামন নেপোলিয়ন" উপহার দিয়েছিল। তাই তাদের কোনো আইডিয়ার পেছনে যদি সূক্ষ্ম কোনো অর্থ থেকেও থাকে, তবে সেটি সম্ভবত নিছক একটি দুর্ঘটনা। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/1-Heavenly-Sword-and-Other-Stuff]
===সাইকোনটস===
* শেফারের হাস্যরসের একটি অন্যতম প্রধান দিক হলো অদ্ভুত বা কাল্পনিক কোনো পরিবেশে খুব সাধারণ বা জাগতিক পরিস্থিতির সহাবস্থান দেখানো (দেখুন: ''গ্রিম ফ্যানড্যাঙ্গো'')। ''সাইকোনটস'' এই ধারা বজায় রেখেছে, কারণ এর পটভূমি হলো অতীন্দ্রিয় ক্ষমতা সম্পন্নদের জন্য একটি সামার ক্যাম্প। গল্পটি র্যাজ নামের এক শিশু ব্যায়ামবিদের রোমাঞ্চকর অভিযান নিয়ে। সে সার্কাসে যোগ দেওয়ার বদলে প্রথা ভেঙে সেখান থেকে পালানোর জন্য ঘর ছাড়ে। তার জন্মগত অতীন্দ্রিয় ক্ষমতার জোরে সে কোনো টিউশন ফি না দিয়েই ক্যাম্পে ঢুকে পড়ে। তবে দ্রুতই কর্মফল তাকে ভোগাতে শুরু করে যখন সে এক অশুভ চক্রান্তে জড়িয়ে পড়ে। তাকে তখন তার চারপাশের মানুষের অবচেতন মনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হওয়া অদ্ভুত সব অপার্থিব জগত ঘুরে দেখতে হয়। পুরো ব্যাপারটা অনেকটা এমন, উইলি ওঙ্কার চকলেট ফ্যাক্টরির ভেতরে টিম বার্টন যদি ডেভিড লিঞ্চকে গর্ভবতী করে ফেলতেন এবং বাচ্চা জন্মানোর আগ পর্যন্ত মেথ খেয়ে যেতেন।
* ''[গেমটির ভালো দিকগুলোর তালিকা]'' প্রথমত, এই ইন্ডাস্ট্রির প্রায় সবকিছুই যেখানে অন্যকে নকল করার ওপর ভিত্তি করে তৈরি, সেখানে এটি বেশ মৌলিক কিছু। দ্বিতীয়ত, এটি সত্যিই হাস্যরসাত্মক; অথচ হাস্যরসের চেষ্টা করা বেশিরভাগ ভিডিও গেম যেন অ্যানেস্থেসিয়া ছাড়া অন্ত্রের অস্ত্রোপচারের মতো যন্ত্রণাদায়ক। তৃতীয়ত, প্রতিটি চরিত্রকেই তাদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও ব্যক্তিত্ব দিয়ে খুব স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এমনকি সেই ছোটখাটো গুরুত্বহীন চরিত্রগুলোর ক্ষেত্রেও এটি সত্যি, যারা শেষ ''দ্য লর্ড অফ দ্য রিংস'' সিনেমায় ক্রিস্টোফার লি-র চেয়েও কম সময় পর্দায় ছিল। আর সবশেষে, এটি ''মজাদার''। মনে আছে? আনন্দ বা মজা? গেমিং যখন দ্বিতীয় কোনো চাকরির মতো মনে হতো না, তার আগে আমরা যে আনন্দ পেতাম? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/2-Psychonauts]
=== কনসোল রানডাউন ===
* বর্তমান প্রজন্মের কনসোলগুলোর মাধ্যমে আমরা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছি বা প্রায় পৌঁছে গেছি, যেখানে গ্রাফিক্স আর খুব বেশি উন্নত হবে না। তাই এখন আমাদের গত প্রজন্মের প্রযুক্তির পেছনে ছোটা বন্ধ করা উচিত এবং সাইলেন্ট হিল ২-এর মতো প্রকৃত গভীরতা সম্পন্ন কিছু গেম তৈরিতে মনোযোগ দেওয়া উচিত। তবে কনসোল যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত একেবারেই নিরর্থক, কারণ ইতিহাসের সেরা গেম কমোডোর ৬৪-এর জন্য ''ফ্যান্টাসি ওয়ার্ল্ড ডিজি'' ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গেছে। অথবা হয়তো পুরো গেমিং জগতটাই অর্থহীন জীবনের বিশাল রাস্তার ধারে পড়ে থাকা নুড়ি পাথর নিয়ে খেলার মতো। তবে যাই হোক, অন্তত এখানে সহিংসতা আর স্তন তো আছে! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/3-Console-Rundown]
===বায়োশক===
* ''বায়োশক''কে ''সিস্টেম শক ২''-এর যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। আমি নিশ্চিত ''সিস্টেম শক ২'' তার এই নরমাল-ম্যাপ করা এবং ফং-শেডেড জারজ সন্তানকে নিয়ে খুব গর্বিত হবে, কারণ এটি তার বাবার ওপর ঠিক ততটাই গেছে যতটা জর্জ বুশ তার বাবার ওপর গেছেন। আর আমি জানি আপনারা কী বলবেন: "ইয়াটজি, ওহে আমার চটকদার তেজী ঘোড়া, এটা কেমন ধরনের অভিযোগ? ''সিস্টেম শক ২'' তো দুর্দান্ত ছিল, আর এর মতো যেকোনো গেমই তো সমান ভালো হওয়া উচিত।" কিন্তু আসল কথা হলো: এটা ''সিস্টেম শক ২''-এর '''মতো''' নয়, এটা আসলে ''সিস্টেম শক ২''-ই। ও হ্যাঁ, এটা দেখতে আলাদা, এর সূক্ষ্ম খুঁটিনাটিতে পার্থক্য আছে, আর চরিত্রের নামগুলো পাল্টে দেওয়া হয়েছে,এমনি সব ফালতু ব্যাপার। কিন্তু যখন আপনি এই উপরের আবরণগুলো সরিয়ে ফেলবেন, তখন দেখবেন ভিলেনটা আসলে কোট পরা এবং হাতে ''অ্যাটলাস শ্রাগড'' বই নিয়ে থাকা খোদ শোডানই।
*কিন্তু গেমটিতে মাত্র দুটি সমাপ্তি আছে-একটি ভালো আর একটি খারাপ। এদের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য হজম করা বেশ কঠিন। ভালো সমাপ্তিতে আপনি হলেন একজন পুণ্যবান পুষ্পশিশু যে বিধাতার রাজ্যের সব প্রাণীর দিকে তাকিয়ে হাসে। আর খারাপ সমাপ্তিতে আপনি হলেন হিটলার আর স্কেলেটরের এক সংকর রূপ, যার মূত্রও যেন বিশুদ্ধ শয়তানি। আমি সেইসব গেম দেখে ক্লান্ত যেগুলো পছন্দের সুযোগ দেওয়ার দাবি করে কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয় আপনাকে মাদার তেরেসা হতে হবে নয়তো বাচ্চা-খাউকা শয়তান। আমি শুধু এটাই বলতে চাই যে, মাঝেমধ্যে একটু মধ্যপন্থা অবলম্বন করলে ভালোই হতো। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/4-BioShock]
=== টুম্ব রেইডার অ্যানিভার্সারি ===
* গেমটির লড়াই করার পদ্ধতি আধুনিক করা হয়েছে। এর মানে হলো তারা এখানে সেই পুরোনো গড অফ ওয়ার বা সাইমন সেজের মতো বারবার বাটন টেপার বিরক্তিকর দৃশ্যগুলো ঢুকিয়ে দিয়েছে, যা আজকাল নিয়ম মেনে প্রতিটি অ্যাকশন গেমেই থাকতে হয়। আর ডিজাইন টিমের কেউ একজন (আপনি জানেন আপনি কে) ভেবেছিলেন যে ফায়ার করার জন্য বাটন চেপে ধরে রাখার বদলে বারবার আর১ বাটন টেপার আইডিয়াটি খুব চমৎকার হবে। কিন্তু আর১ বাটনটি অনবরত টেপার জন্য আরামদায়ক অবস্থানে নেই। আর আপনি যখন এমন সব শত্রুর মুখোমুখি হন যারা মরার আগে এক কোটি গুলি খেতে পারে (যেমন ধরুন, গেমের প্রায় সব শত্রুই), তখন আপনার আঙুলে খিঁচুনি ধরে যাবে। আপনার মনে হবে আপনি গিটার হিরো খেলছেন কিন্তু রক স্টার হওয়ার সেই কল্পনাটা আপনার সাথে নেই।
* ''[গেম প্রকাশকদের আইডিয়া খুঁজে পেতে সাহায্য করছেন]'' এখানে একটি আইডিয়া আছে: একজন জিন-প্রকৌশলী তাইওয়ানিজ বাবুর্চি তার বড় স্তনবিশিষ্ট প্রেমিকাকে মামিদের হাত থেকে বাঁচাতে ফেজ টুপি পরা একটি গুইসালাপের সাথে দল পাকিয়েছে। দেখলেন তো? এটা খুব সহজ। বড় স্তনবিশিষ্ট একজন ব্রেস্ট ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ নিজের স্তন আরও বড় করার খরচ জোগাতে সময়ের অতীতে ভ্রমণ করছেন। একদল বড় স্তনধারী মানুষ তাদের বিশাল স্তন বহর নিয়ে নতুন এক স্তন-গ্রহের খোঁজে বেরিয়ে পড়েছে। স্তন, তরমুজ, দুধের কারখানা, আবক্ষ, মজার ব্যাগ, টোকা, ব্যালিস্টিকস, বুবস, জগস, নিপলস, জবলিস... বিশাল... বিশাল... বুক। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/5-Tomb-Raider-Anniversary]
=== ম্যানহান্ট ===
* থার্ড-পারসন অ্যাকশন গেম ডেভেলপাররা, একটা কথা পরিষ্কার করে বুঝে নিন, ঠিক আছে? বাম অ্যানালগ স্টিক নড়াচড়া করার জন্য; ডান অ্যানালগ স্টিক খেলোয়াড়ের চারপাশে ক্যামেরা ঘোরানোর জন্য। এটা কীভাবে সম্ভব যে, যখন আপনারা দেখেন কোনো কিছু নিখুঁতভাবে কাজ করছে, তখনই আপনারা সেটিকে উন্নত করার নামে জগািখচুড়ি পাকিয়ে ফেলেন? ''ম্যানহান্টে'' ডান অ্যানালগ স্টিকটি ফার্স্ট-পারসন ক্যামেরায় বদলে যায়। তাত্ত্বিকভাবে এটি যুক্তিযুক্ত মনে হতে পারে, কিন্তু এর মানে হলো আপনি যখন লুকিয়ে থেকে আপনার পেছনে পাহারারত কোনো গার্ডকে দেখার চেষ্টা করেন, তখন স্টিকটিতে একটু ছোঁয়া লাগলেই আপনি দেয়ালের দিকে তাকিয়ে থাকেন। আর অর্ধেক সময় যখন আপনি ক্যামেরাটিকে ঠিকঠাক পজিশনে আনেন, তখন দেখবেন গার্ডটি আপনার একদম সামনে চলে এসেছে এবং আপনার অণ্ডকোষে ছুরি বসিয়ে দিয়েছে।
* তবে ''ম্যানহান্টের'' মতো গেমগুলো কম বয়সী বা অপরিণত মস্তিষ্কের মানুষদের মাথা নষ্ট করে কি না, সেই তর্কে আমি কার পক্ষ নেব তা জানি না। গেমটিতে খুব স্পষ্টভাবে সতর্কবার্তা দেওয়া আছে যে বারো বছর বয়সীদের এটি খেলার কথা নয়। কিন্তু এতে কোনো সন্দেহ নেই যে তারাই এটি খেলে, কারণ বারো বছর বয়সী ছাড়া আর কারো এসব জিনিসে রুচি নেই। গ্যারোট তার দিয়ে মাথা কাটা বা বেসবল ব্যাট দিয়ে মাথার খুলি উড়িয়ে দেওয়া নিয়ে হাঁপাতে হাঁপাতে গল্প করা মিডল স্কুলে বন্ধু পাওয়ার ভালো উপায় হতে পারে; কিন্তু অফিসের আড্ডায় এটি বন্ধু হারানোরই একটা ভালো উপায়। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/6-Manhunt]
=== পেগল ===
* এই গেমটি সম্পর্কে আমি যা বলতে পারি তা হলো, আমি দুপুর নাগাদ এটি খেলতে শুরু করেছিলাম এবং অনেক পরে যখন রুম থেকে বের হলাম তখন দেখলাম কর্তৃপক্ষ আমাকে আইনত মৃত ঘোষণা করেছে। যদি এই "ক্যাজুয়াল গেমিং" বিষয়টি আপনার মাথা এড়িয়ে গিয়ে থাকে, তবে আমাকে আপনার মুখ জ্ঞানের সেই পচা পানির নিচে ডুবিয়ে ধরতে দিন। সাম্প্রতিক অতীতে কেউ একজন খেয়াল করেছিলেন যে ''বিজুয়েলডের'' মতো সাধারণ ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক রঙ মেলানোর গেমগুলো লজ্জাজনক পরিমাণ টাকা কামাচ্ছে। এর কারণ হলো, সময় গড়ানোর সাথে সাথে বাড়িতে একা থাকা বিরক্ত গৃহিণীরা নিজেরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে টিভি মেকানিকের সাথে প্রেম করা আর শোভন নয়, তাই তারা আমোদ-প্রমোদের জন্য ভিডিও গেমের দিকে ঝুঁকেছেন।
* সংক্ষেপে বলতে গেলে এটি মন্দ নয়। আমি ''বুকওয়ার্ম অ্যাডভেঞ্চারস'' বেশি পছন্দ করেছি, কিন্তু আমি সেইসব অপদার্থ মিউট্যান্টদের একজন যারা সত্যিই স্ক্র্যাবল খেলতে পছন্দ করে। ব্যস এটুকুই। ''পেগল'' নিয়ে আমি এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারব না কারণ গেমটি এটুকুই। পপ ক্যাপ-এর লক্ষ্য কী আমি জানি না, তবে আমি বাজি ধরে বলতে পারি তাদের মূলমন্ত্র হলো—"সুন্দর ঝলমলে আলো, উৎসাহব্যঞ্জক শব্দ আর যতটা সম্ভব কম গেমপ্লে ব্যবহার করে প্রিমিয়াম মানের কোকেন সদৃশ গেমিং অভিজ্ঞতা তৈরি করা।" আর এটি তাদের জন্য বেশ ভালোই কাজ করছে কারণ তারা এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। '''কোটি কোটি!''' তারা শুধুমাত্র সস্তা টু-ডি গেম বানায়! এতো টাকা তারা কিসে খরচ করে? আইসক্রিম কিনতে? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/7-Peggle]
===হ্যালো ৩===
* এর কঠিন হওয়ার ধারাটা একজন দ্বিধাগ্রস্ত বেশ্যার অন্তর্বাসের মতো ওঠানামা করে। এরপর শেষ এক ঘণ্টার মতো সময়ে এটি হুট করে খুব সহজ হয়ে যায়। গেমের শুরুর দিকে এমন কিছু অংশ ছিল যেগুলো আমাকে একেবারে নাস্তানাবুদ করে ছেড়েছে, অথচ ফাইনাল বস ফাইট বলতে যা আছে তা হলো মূলত হুইলচেয়ারে বসা এক ট্যারা হববিটের বিরুদ্ধে আপনার লড়াই, যেখানে আপনার হাতে আছে বিএফজি ৯০০০।
* কিন্তু আসলে আমি এসব বলে কী অর্জন করতে চাইছি তা জানি না। ''হ্যালো ৩'' ইতোমধ্যেই ঈশ্বরের চেয়েও বেশি জনপ্রিয় হয়ে গেছে। আমি এমন কিছু বলতে পারব না যা মাইক্রোসফটকে এত টাকা কামানো থেকে আটকাতে পারবে যা দিয়ে তারা সুইজারল্যান্ড কিনে নিতে পারে। তারা স্রেফ এই ধারণাটাকেই আরও পোক্ত করছে যে গেমাররা আসলে চামচের গভীরতা বিশিষ্ট উজ্জ্বল রঙের আবর্জনাই চায়। তাই ভবিষ্যতে যদি আমরা মাইক্রোসফট ওভারমাইন্ডের ভিনগ্রহের খনিতে হাড়ভাঙা খাটুনির ফাঁকে কোনোমতে সময় বের করে "ক্যাপ্টেন ব্ল্যান্ডস মনোটোনাস অ্যাডভেঞ্চার" খেলতে বসি, তবে জেনে রাখবেন যে আমি আগেই এই ল্যাজেগোবরে অবস্থার কথা বলেছিলাম। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/8-Halo-3]
===তাবুলা রাসা===
* ''তাবুলা রাসা'' একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ "খালি স্লেট" এবং এটি সাধারণত সেই মতবাদকে বোঝায় যেখানে বলা হয় যে মানুষ জন্মগতভাবে কোনো বিশেষ প্রোগ্রামিং ছাড়াই জন্মায়। উদাহরণস্বরূপ, রিচার্ড গ্যারিয়ট একজন সম্পূর্ণ উন্মাদ গেম ডিজাইনার যিনি মুকুট পরেন এবং চান যে মানুষ তাকে লর্ড ব্রিটিশ বলে ডাকুক। কিন্তু তিনি কি জন্ম থেকেই এমন পাগল ছিলেন, নাকি উপযুক্ত সামাজিক যোগাযোগের অভাবে তিনি চিরতরে এক পাগলাটে কাল্পনিক জগতে হারিয়ে গেছেন?
* এমএমও গেমগুলো থেকে 'গ্রাইন্ড' বা একঘেয়ে খাটুনি সরিয়ে দেওয়ার কথা ভাবাটা বেশ ভালোই মনে হয়, যতক্ষণ না আপনি এর গভীরে ভাববেন। কারণ এই গ্রাইন্ডের কারণেই মানুষ এত দীর্ঘ সময় ধরে এমএমও খেলে। আর এটা সরিয়ে ফেলা মানে হবে রিচার্ড গ্যারিয়ট থেকে তার পাগলামিটুকু কেড়ে নেওয়া। তা ছাড়া এ পর্যন্ত সব এমএমও গেমেই প্রচুর গ্রাইন্ড আছে এবং তা মানুষকে খেলা থেকে আটকাতে পারছে বলে মনে হয় না। আমার ধারণা কিছু মানুষ এই ধরণের জিনিস পছন্দ করে। কিছু মানুষ আবার মোটা মানুষকেও যৌন আবেদনময়ী মনে করে। আমি নিজেও তাদের বুঝি না, যেমনটা বেশিরভাগ মানুষ বোঝে না যে কেন আমি লেটুস পাতা দিয়ে আমার লিঙ্গ মুড়িয়ে অন্য মানুষের সালাদে লুকিয়ে রাখতে পছন্দ করি। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/9-Tabula-Rasa]
===দ্য অরেঞ্জ বক্স===
* আমার কেন জানি মনে হয় ভালভ এপিসোডিক গেমিংয়ের মূল উদ্দেশ্যটা কিছুটা হারিয়ে ফেলেছে। এর মূল ধারণাটা ছিল সস্তায় ছোট গেম ঘন ঘন বাজারে ছেড়ে গেম পাবলিশিংয়ের প্রথাগত ঝক্কি ঝামেলা কমিয়ে আনা। তারা প্রথম ও দ্বিতীয় দিকগুলো ঠিকঠাক করলেও তৃতীয়টির সাথে এখনও লড়ছে।
* (''হাফ-লাইফ ২: এপিসোড টু''র ওপর) এপিসোড ২ মেজো সন্তানের মতো কিছুটা অবহেলার শিকার হয়েছে। এর কোনো প্রকৃত শুরু বা শেষ নেই, তাই গল্পটা শুধু এদিক-ওদিক ঘোরে। এই অনুভূতিটা দূর করা কঠিন যে আমরা পরবর্তী এপিসোডের জন্য স্রেফ সময় কাটাচ্ছি। কোনো সতর্কবার্তা ছাড়াই হুট করে একটি নতুন চরিত্র নিয়ে আসা হয় এবং সবাই এমন আচরণ করে যেন আমরা তাকে আগে থেকেই চিনি। এটা আসলে বেশ বিভ্রান্তিকর। ভালভ এ পর্যন্ত সব প্রধান এনপিসি চরিত্রের প্রতি আমাদের সহানুভূতি জাগাতে দারুণ কাজ করেছে। তাই একদম শেষের দিকে এসে এমন নতুন কারো সাথে পরিচয় হওয়াটা অনেকটা এমন—স্কুল থেকে ফিরে দেখলেন ডাইনিং টেবিলে একটি সিন্ধুঘোটক বসে আছে আর আপনি ছাড়া আর কারো চোখে সেটা পড়ছে না।
* (''টিম ফোর্ট্রেস ২''র ওপর) ...সব সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও এটি এখন অবিশ্বাস্যভাবে ভারসাম্যপূর্ণ। আপনি যে ধরণের গেমই পছন্দ করেন না কেন, এখানে সবার জন্যই কিছু না কিছু আছে। সজাসাপ্টা মার খাওয়ার জন্য আছে হেভি; পেছন থেকে ছুরি মারার মতো চোরচোট্টা চরিত্রের জন্য আছে স্পাই; আর যারা পয়েন্ট-অ্যান্ড-ক্লিক অ্যাডভেঞ্চার গেম পছন্দ করেন তাদের জন্য আছে স্নাইপার। যদিও এখানে একমাত্র ধাঁধাটি হলো, "মানুষের ওপর বন্দুক ব্যবহার করা।"
* (''পোর্টাল''-এর ওপর) ...আপনি যদি নিয়মিত এই শো দেখেন তবে বুঝবেন যে আমার মুখ থেকে এই কথাগুলো বের হওয়া কতটা পাগলামি মনে হতে পারে, কিন্তু আমি এর কোনো খুঁত খুঁজে পাচ্ছি না। আমি সিরিয়াস! যতক্ষণ না তারা ফোর্স-ফিডব্যাক আছে এমন কোনো অন্তর্বাস আবিষ্কার করছে, পিসিতে এর চেয়ে বেশি মজা আপনি আর পাবেন না। আমি অনেকগুলো আকর্ষণীয় পোর্টাল ধাঁধার আশা নিয়ে খেলা শুরু করেছিলাম এবং ঠিক সেটাই পেয়েছি। কিন্তু আমি একদমই আশা করিনি যে কোনো গেমে আমি এত চমৎকার হাস্যরস শুনতে পাব। ঠিক আছে, এটা মাত্র ২ থেকে ৩ ঘণ্টার গেম, তবে এই দৈর্ঘ্যে গেমটি বেশ মানানসই, এর মানে হলো এটি অকারণে লম্বা হয়নি এবং আপনাকে দ্রুত সেই রোমহর্ষক ও দুর্দান্ত সমাপ্তির কাছে পৌঁছে দেয়। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একেবারে অ-তুল-নীয়, আর ভবিষ্যতে আমি যদি অন্য কোনো কিছুর বর্ণনা দিতে এই শব্দগুলো ব্যবহার করি তবে আমি নিজের চোখে কাঁটাচামচ ঢুকিয়ে দেব! হ্যাঁ, আমি জানি কোনো গেমকে ভালোবাসাটা খুব একটা মজার বিষয় নয়, কিন্তু আপনার যা খুশি ভাবুন! ''পোর্টাল'' দুর্দান্ত, আর আপনি যদি তা মনে না করেন তবে আপনি নিশ্চয়ই নির্বোধ! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/10-The-Orange-Box]
===সুপার পেপার মারিও===
* দ্বিতীয় চ্যাপ্টারে মারিওকে কাজ করে টাকা কামাতে হয় যাতে সে সেই সব নির্বোধ ধ্বংসযজ্ঞের ক্ষতিপূরণ দিতে পারে যা অ্যাকশন আরপিজি খেলোয়াড়দের কাছে খুব স্বাভাবিক একটা বিষয়। আর এটা করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো কন্ট্রোলারের "ডান" বাটন চেপে একটি বিশালাকার হ্যামস্টার হুইলে দৌড়ানো। আর এটা করতে হবে প্রায় পনেরো মিনিট ধরে—আমি ইয়ার্কি করছি না। আপনি যদি বুদ্ধিমান না হন তবেই এমনটা করবেন। আপনি যদি আমার মতো বুদ্ধিমান হন, তবে আপনি ডি-প্যাডের ওপর আপনার রুমমেটের কোনো খেলনা দিয়ে সেটা চেপে রাখবেন এবং নিজে অন্য কোথাও গিয়ে আনন্দ করবেন। ঠিকই শুনেছেন। একটা '''গেম''' খেলার সময় আপনাকে আনন্দ খুঁজে নিতে হচ্ছে—অথচ একটি '''গেমের''' মূল উদ্দেশ্যই হওয়ার কথা বিনোদন দেওয়া। আর খেলোয়াড়কে যদি এটি করতে হয়, তবে বুঝতে হবে গেমটিতে নিশ্চিতভাবেই বড় কোনো সমস্যা আছে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/11-Super-Paper-Mario [১১]]
6rhbonp7scfrp303419ddrk0x4gs5mv
73850
73848
2026-04-05T14:36:46Z
ARI
356
/* সুপার পেপার মারিও */
73850
wikitext
text/x-wiki
'''''জিরো পাংচুয়েশন''''' হলো ভিডিও গেম পর্যালোচনার একটি সিরিজ যা বেন "ইয়াতজি" ক্রোশ তৈরি করেছেন। এটি মূলত ইউটিউবে এবং পরে দ্য এসক্যাপিস্ট ম্যাগাজিনের জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
== ২০০৭ ==
=== দ্য ডার্কনেস ডেমো ===
* ''দ্য ডার্কনেস'' হলো একটি হরর থিমযুক্ত ফার্স্ট-পারসন শুটার গেম। এটি এমন এক কমিক বইয়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি যার নাম আমি আগে শুনিনি। গেমটি তৈরি করেছে চমৎকার নামের স্টারব্রিজ স্টুডিওস। তাদের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আগের গেমটি ছিল ''দ্য ক্রনিকলস অফ রিডিক: এস্কেপ ফ্রম বুচার বে''। সেখানে খেলোয়াড়েরা ক্লেমেশন ভিন ডিজেলকে নিয়ন্ত্রণ করত, যে কি না বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মুখের সামনে নিজেকে নিয়ে নির্লজ্জ আদিখ্যেতা করার এক অবিরাম প্রচেষ্টায় লিপ্ত ছিল।
* ...আমাকে যা করতে হয়েছিল তা হলো, মাটিতে থাকা সহজেই চোখ এড়িয়ে যায় এমন একটি সাদা দাগের কাছে ফিরে যাওয়া। সেটি ব্যবহার করে একটি শয়তান ইম্পকে ডেকে আনা এবং তাকে নির্দেশ দেওয়া যাতে সে কবরস্থানের একটি প্রবেশপথের সামনে আড়াআড়িভাবে রাখা একটি গাড়ি সরিয়ে দেয়। আমি বিষয়টা আবার বলি: গেমটি আমাকে দিয়ে নরকের গভীর থেকে অনেকগুলো দাঁত আর নখরওয়ালা এক দানবকে ডেকে আনালো। কিন্তু সেটি নিরপরাধ মানুষকে দাসে পরিণত করার জন্য বা দুনিয়ার সব দেশ ধ্বংস করার জন্য নয়, বরং তাকে আমার ব্যক্তিগত গাড়ি সরানোর কাজে ব্যবহার করার জন্য!
* ব্যক্তিগতভাবে, এই মুহূর্তে আমি ''দ্য ডার্কনেস''-এর পূর্ণ সংস্করণ কেনার কথা তখনই ভাবব, যদি এর দাম অনেক কমে যায় এবং তারা এর সাথে অন্য কোনো ভালো গেমও দিয়ে দেয়। সাথে কিছুটা কেক আর বেলজিয়াম দেশটাকেও দিতে হবে। [https://www.youtube.com/watch?v=eWS9_nrKOPA]
=== ফেবল: দ্য লস্ট চ্যাপ্টারস ===
* ''ফেবল'' গেমটি লায়নহেড স্টুডিওসের তৈরি, যারা অনেকদিন ধরে বিখ্যাত গেম ডিজাইনার পিটার মোলিনেক্সের আস্তানা হিসেবে পরিচিত। পিটারের একটি স্বভাব হলো বিশাল সব প্রতিশ্রুতি দেওয়া এবং শেষ পর্যন্ত নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষার চাপে নিজেই পঙ্গু হয়ে যাওয়া (এর উদাহরণ হিসেবে তার অগোছালো গেম ''ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট''-এর কথা বলা যায়)। উদাহরণস্বরূপ, ''ফেবল'' তৈরির সময় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যে এতে প্রতিদ্বন্দ্বী এনপিসি চরিত্র থাকবে, গাছপালা বাস্তব সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বড় হবে এবং আপনার প্রতিটি ছোটখাটো সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে আপনার চেহারা ও চারপাশের পৃথিবী বদলে যাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা যা পেলাম তা হলো ত্রুটিপূর্ণ একটি অ্যাকশন-আরপিজি গেম, যেটি নিজেকে নিয়ে বড্ড বেশি গর্বিত।
* এই গেমের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো আপনি একজন ভালো চরিত্র অথবা একজন মন্দ চরিত্র হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই আমি এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় শয়তান হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। গেমটির মতে শয়তান হওয়ার সেরা উপায় হলো কালো পোশাক পরা, বিশাল গোঁফ রাখা, সারা মুখে উল্কি আঁকা আর মাঝেমধ্যে পথচারীদের চড়-থাপ্পড় মারা। আমি নিজেকে একজন জাদুকর হিসেবেও তৈরি করতে চেয়েছিলাম কারণ আমি চেয়েছিলাম আমাকে দেখতে মিং দ্য মার্সেলেসের মতো লাগুক। কিন্তু শুরুর দিকের জাদুমন্ত্রগুলো এতোটাই দুর্বল ছিল যে শেষ পর্যন্ত আমাকে অর্ধেকটা সময় তলোয়ারই ব্যবহার করতে হতো। গেমটি শেষ পর্যন্ত আমার উপাধি দিল "স্পেলওয়ারিয়র", যা শুনে আমার মনে হলো তারা আমাকে একজন সিদ্ধান্তহীন বোকা মানুষ বলছে।
* শেষ পর্যন্ত আমি যখন ফাইনাল বসের মুখোমুখি হলাম, সে এক জায়গায় স্থির হয়ে দাঁড়াচ্ছিল না যাতে আমার শক্তিশালী কালো জাদুমন্ত্রটি কাজ করে। তাই আমার একমাত্র উপায় ছিল তলোয়ার দিয়ে বারবার তার মাথায় আঘাত করা, যখন সে অনবরত আমার শরীরের নিচের অংশ কামড়ে খাচ্ছিল। কিন্তু সেই সময় আমার কাছে এতো বেশি হেলথ পোরশন (জীবনদায়ী পানীয়) ছিল যে আমি অনায়াসেই সেগুলো ব্যবহার করে বেঁচে থাকতে পারছিলাম। বসটি মারা যাওয়ার পর আমার কাছে এতো বেশি পানীয় বেঁচে ছিল যে আমি চাইলে সেগুলো দিয়ে একটা বড়সড় হেলথ পোরশন পার্টি দিতে পারতাম। [https://www.youtube.com/watch?v=jYQLR7dE5k4]
=== হেভেনলি সোর্ড এবং অন্যান্য ===
* নারিকো তখন পাশে বসে থাকা বিড়ালের মতো কান আর মেকআপ পরা এক... অদ্ভুত জিনিসের দিকে ফিরে তাকালো। দেখে মনে হচ্ছিল মেকআপটি কিস ব্যান্ডের এমন কোনো ভক্ত লাগিয়েছে যার পার্কিনসন রোগ আছে। নারিকো তাকে জানালো যে সে সব দুষ্ট লোকদের শেষ করে দিতে চায়। তারপর খুব গম্ভীর মুখে সে বলল, "আমাদের হয়তো তোমার 'টুইং-টোয়াং' বাজানোর প্রয়োজন হতে পারে।" এটি শোনার পর আমার প্রথম চিন্তা ছিল, "আমি নিশ্চিতভাবে এই কথাটি প্রসঙ্গের বাইরে ব্যবহার করব।" কিন্তু পরে ভেবে দেখলাম, এটি মূল প্রসঙ্গের ভেতরেও খুব একটা অর্থ বহন করে না। ডেভেলপাররা যদি ভেবে থাকেন যে শুধুমাত্র এই "টুইং-টোয়াং" জিনিসটা কী তা জানার জন্য আমি পুরো গেমটি কিনব, তবে তারা তাদের মিশনে সফল হয়েছেন। তবে এটি যদি লেসবিয়ান যৌনাচারের কোনো সুন্দর ছদ্মনাম না হয়, তবে আমি খুব হতাশ হব (হ্যাঁ, আমি এ পর্যন্তই বলে ফেললাম)।
* আমার মনের এক অংশ বলছে যে শিল্পের বিচারে ''আরই ৫''-এর কিছু সার্থকতা থাকতে পারে। কারণ একটি হরর গেমের কাজই হলো মানুষকে অস্থির করে তোলা; আর খেলোয়াড়কে এমন কিছু করতে বাধ্য করা যা ভীতিকর হওয়ার পাশাপাশি রুচিহীন, তা আসলেই একটি নতুন পদ্ধতি। কিন্তু আবারও মনে পড়ে এটি ''রেসিডেন্ট ইভিল'' সিরিজ, যারা আমাদের "তীক্ষ্ণ কণ্ঠের বামন নেপোলিয়ন" উপহার দিয়েছিল। তাই তাদের কোনো আইডিয়ার পেছনে যদি সূক্ষ্ম কোনো অর্থ থেকেও থাকে, তবে সেটি সম্ভবত নিছক একটি দুর্ঘটনা। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/1-Heavenly-Sword-and-Other-Stuff]
===সাইকোনটস===
* শেফারের হাস্যরসের একটি অন্যতম প্রধান দিক হলো অদ্ভুত বা কাল্পনিক কোনো পরিবেশে খুব সাধারণ বা জাগতিক পরিস্থিতির সহাবস্থান দেখানো (দেখুন: ''গ্রিম ফ্যানড্যাঙ্গো'')। ''সাইকোনটস'' এই ধারা বজায় রেখেছে, কারণ এর পটভূমি হলো অতীন্দ্রিয় ক্ষমতা সম্পন্নদের জন্য একটি সামার ক্যাম্প। গল্পটি র্যাজ নামের এক শিশু ব্যায়ামবিদের রোমাঞ্চকর অভিযান নিয়ে। সে সার্কাসে যোগ দেওয়ার বদলে প্রথা ভেঙে সেখান থেকে পালানোর জন্য ঘর ছাড়ে। তার জন্মগত অতীন্দ্রিয় ক্ষমতার জোরে সে কোনো টিউশন ফি না দিয়েই ক্যাম্পে ঢুকে পড়ে। তবে দ্রুতই কর্মফল তাকে ভোগাতে শুরু করে যখন সে এক অশুভ চক্রান্তে জড়িয়ে পড়ে। তাকে তখন তার চারপাশের মানুষের অবচেতন মনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হওয়া অদ্ভুত সব অপার্থিব জগত ঘুরে দেখতে হয়। পুরো ব্যাপারটা অনেকটা এমন, উইলি ওঙ্কার চকলেট ফ্যাক্টরির ভেতরে টিম বার্টন যদি ডেভিড লিঞ্চকে গর্ভবতী করে ফেলতেন এবং বাচ্চা জন্মানোর আগ পর্যন্ত মেথ খেয়ে যেতেন।
* ''[গেমটির ভালো দিকগুলোর তালিকা]'' প্রথমত, এই ইন্ডাস্ট্রির প্রায় সবকিছুই যেখানে অন্যকে নকল করার ওপর ভিত্তি করে তৈরি, সেখানে এটি বেশ মৌলিক কিছু। দ্বিতীয়ত, এটি সত্যিই হাস্যরসাত্মক; অথচ হাস্যরসের চেষ্টা করা বেশিরভাগ ভিডিও গেম যেন অ্যানেস্থেসিয়া ছাড়া অন্ত্রের অস্ত্রোপচারের মতো যন্ত্রণাদায়ক। তৃতীয়ত, প্রতিটি চরিত্রকেই তাদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও ব্যক্তিত্ব দিয়ে খুব স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এমনকি সেই ছোটখাটো গুরুত্বহীন চরিত্রগুলোর ক্ষেত্রেও এটি সত্যি, যারা শেষ ''দ্য লর্ড অফ দ্য রিংস'' সিনেমায় ক্রিস্টোফার লি-র চেয়েও কম সময় পর্দায় ছিল। আর সবশেষে, এটি ''মজাদার''। মনে আছে? আনন্দ বা মজা? গেমিং যখন দ্বিতীয় কোনো চাকরির মতো মনে হতো না, তার আগে আমরা যে আনন্দ পেতাম? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/2-Psychonauts]
=== কনসোল রানডাউন ===
* বর্তমান প্রজন্মের কনসোলগুলোর মাধ্যমে আমরা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছি বা প্রায় পৌঁছে গেছি, যেখানে গ্রাফিক্স আর খুব বেশি উন্নত হবে না। তাই এখন আমাদের গত প্রজন্মের প্রযুক্তির পেছনে ছোটা বন্ধ করা উচিত এবং সাইলেন্ট হিল ২-এর মতো প্রকৃত গভীরতা সম্পন্ন কিছু গেম তৈরিতে মনোযোগ দেওয়া উচিত। তবে কনসোল যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত একেবারেই নিরর্থক, কারণ ইতিহাসের সেরা গেম কমোডোর ৬৪-এর জন্য ''ফ্যান্টাসি ওয়ার্ল্ড ডিজি'' ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গেছে। অথবা হয়তো পুরো গেমিং জগতটাই অর্থহীন জীবনের বিশাল রাস্তার ধারে পড়ে থাকা নুড়ি পাথর নিয়ে খেলার মতো। তবে যাই হোক, অন্তত এখানে সহিংসতা আর স্তন তো আছে! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/3-Console-Rundown]
===বায়োশক===
* ''বায়োশক''কে ''সিস্টেম শক ২''-এর যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। আমি নিশ্চিত ''সিস্টেম শক ২'' তার এই নরমাল-ম্যাপ করা এবং ফং-শেডেড জারজ সন্তানকে নিয়ে খুব গর্বিত হবে, কারণ এটি তার বাবার ওপর ঠিক ততটাই গেছে যতটা জর্জ বুশ তার বাবার ওপর গেছেন। আর আমি জানি আপনারা কী বলবেন: "ইয়াটজি, ওহে আমার চটকদার তেজী ঘোড়া, এটা কেমন ধরনের অভিযোগ? ''সিস্টেম শক ২'' তো দুর্দান্ত ছিল, আর এর মতো যেকোনো গেমই তো সমান ভালো হওয়া উচিত।" কিন্তু আসল কথা হলো: এটা ''সিস্টেম শক ২''-এর '''মতো''' নয়, এটা আসলে ''সিস্টেম শক ২''-ই। ও হ্যাঁ, এটা দেখতে আলাদা, এর সূক্ষ্ম খুঁটিনাটিতে পার্থক্য আছে, আর চরিত্রের নামগুলো পাল্টে দেওয়া হয়েছে,এমনি সব ফালতু ব্যাপার। কিন্তু যখন আপনি এই উপরের আবরণগুলো সরিয়ে ফেলবেন, তখন দেখবেন ভিলেনটা আসলে কোট পরা এবং হাতে ''অ্যাটলাস শ্রাগড'' বই নিয়ে থাকা খোদ শোডানই।
*কিন্তু গেমটিতে মাত্র দুটি সমাপ্তি আছে-একটি ভালো আর একটি খারাপ। এদের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য হজম করা বেশ কঠিন। ভালো সমাপ্তিতে আপনি হলেন একজন পুণ্যবান পুষ্পশিশু যে বিধাতার রাজ্যের সব প্রাণীর দিকে তাকিয়ে হাসে। আর খারাপ সমাপ্তিতে আপনি হলেন হিটলার আর স্কেলেটরের এক সংকর রূপ, যার মূত্রও যেন বিশুদ্ধ শয়তানি। আমি সেইসব গেম দেখে ক্লান্ত যেগুলো পছন্দের সুযোগ দেওয়ার দাবি করে কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয় আপনাকে মাদার তেরেসা হতে হবে নয়তো বাচ্চা-খাউকা শয়তান। আমি শুধু এটাই বলতে চাই যে, মাঝেমধ্যে একটু মধ্যপন্থা অবলম্বন করলে ভালোই হতো। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/4-BioShock]
=== টুম্ব রেইডার অ্যানিভার্সারি ===
* গেমটির লড়াই করার পদ্ধতি আধুনিক করা হয়েছে। এর মানে হলো তারা এখানে সেই পুরোনো গড অফ ওয়ার বা সাইমন সেজের মতো বারবার বাটন টেপার বিরক্তিকর দৃশ্যগুলো ঢুকিয়ে দিয়েছে, যা আজকাল নিয়ম মেনে প্রতিটি অ্যাকশন গেমেই থাকতে হয়। আর ডিজাইন টিমের কেউ একজন (আপনি জানেন আপনি কে) ভেবেছিলেন যে ফায়ার করার জন্য বাটন চেপে ধরে রাখার বদলে বারবার আর১ বাটন টেপার আইডিয়াটি খুব চমৎকার হবে। কিন্তু আর১ বাটনটি অনবরত টেপার জন্য আরামদায়ক অবস্থানে নেই। আর আপনি যখন এমন সব শত্রুর মুখোমুখি হন যারা মরার আগে এক কোটি গুলি খেতে পারে (যেমন ধরুন, গেমের প্রায় সব শত্রুই), তখন আপনার আঙুলে খিঁচুনি ধরে যাবে। আপনার মনে হবে আপনি গিটার হিরো খেলছেন কিন্তু রক স্টার হওয়ার সেই কল্পনাটা আপনার সাথে নেই।
* ''[গেম প্রকাশকদের আইডিয়া খুঁজে পেতে সাহায্য করছেন]'' এখানে একটি আইডিয়া আছে: একজন জিন-প্রকৌশলী তাইওয়ানিজ বাবুর্চি তার বড় স্তনবিশিষ্ট প্রেমিকাকে মামিদের হাত থেকে বাঁচাতে ফেজ টুপি পরা একটি গুইসালাপের সাথে দল পাকিয়েছে। দেখলেন তো? এটা খুব সহজ। বড় স্তনবিশিষ্ট একজন ব্রেস্ট ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ নিজের স্তন আরও বড় করার খরচ জোগাতে সময়ের অতীতে ভ্রমণ করছেন। একদল বড় স্তনধারী মানুষ তাদের বিশাল স্তন বহর নিয়ে নতুন এক স্তন-গ্রহের খোঁজে বেরিয়ে পড়েছে। স্তন, তরমুজ, দুধের কারখানা, আবক্ষ, মজার ব্যাগ, টোকা, ব্যালিস্টিকস, বুবস, জগস, নিপলস, জবলিস... বিশাল... বিশাল... বুক। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/5-Tomb-Raider-Anniversary]
=== ম্যানহান্ট ===
* থার্ড-পারসন অ্যাকশন গেম ডেভেলপাররা, একটা কথা পরিষ্কার করে বুঝে নিন, ঠিক আছে? বাম অ্যানালগ স্টিক নড়াচড়া করার জন্য; ডান অ্যানালগ স্টিক খেলোয়াড়ের চারপাশে ক্যামেরা ঘোরানোর জন্য। এটা কীভাবে সম্ভব যে, যখন আপনারা দেখেন কোনো কিছু নিখুঁতভাবে কাজ করছে, তখনই আপনারা সেটিকে উন্নত করার নামে জগািখচুড়ি পাকিয়ে ফেলেন? ''ম্যানহান্টে'' ডান অ্যানালগ স্টিকটি ফার্স্ট-পারসন ক্যামেরায় বদলে যায়। তাত্ত্বিকভাবে এটি যুক্তিযুক্ত মনে হতে পারে, কিন্তু এর মানে হলো আপনি যখন লুকিয়ে থেকে আপনার পেছনে পাহারারত কোনো গার্ডকে দেখার চেষ্টা করেন, তখন স্টিকটিতে একটু ছোঁয়া লাগলেই আপনি দেয়ালের দিকে তাকিয়ে থাকেন। আর অর্ধেক সময় যখন আপনি ক্যামেরাটিকে ঠিকঠাক পজিশনে আনেন, তখন দেখবেন গার্ডটি আপনার একদম সামনে চলে এসেছে এবং আপনার অণ্ডকোষে ছুরি বসিয়ে দিয়েছে।
* তবে ''ম্যানহান্টের'' মতো গেমগুলো কম বয়সী বা অপরিণত মস্তিষ্কের মানুষদের মাথা নষ্ট করে কি না, সেই তর্কে আমি কার পক্ষ নেব তা জানি না। গেমটিতে খুব স্পষ্টভাবে সতর্কবার্তা দেওয়া আছে যে বারো বছর বয়সীদের এটি খেলার কথা নয়। কিন্তু এতে কোনো সন্দেহ নেই যে তারাই এটি খেলে, কারণ বারো বছর বয়সী ছাড়া আর কারো এসব জিনিসে রুচি নেই। গ্যারোট তার দিয়ে মাথা কাটা বা বেসবল ব্যাট দিয়ে মাথার খুলি উড়িয়ে দেওয়া নিয়ে হাঁপাতে হাঁপাতে গল্প করা মিডল স্কুলে বন্ধু পাওয়ার ভালো উপায় হতে পারে; কিন্তু অফিসের আড্ডায় এটি বন্ধু হারানোরই একটা ভালো উপায়। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/6-Manhunt]
=== পেগল ===
* এই গেমটি সম্পর্কে আমি যা বলতে পারি তা হলো, আমি দুপুর নাগাদ এটি খেলতে শুরু করেছিলাম এবং অনেক পরে যখন রুম থেকে বের হলাম তখন দেখলাম কর্তৃপক্ষ আমাকে আইনত মৃত ঘোষণা করেছে। যদি এই "ক্যাজুয়াল গেমিং" বিষয়টি আপনার মাথা এড়িয়ে গিয়ে থাকে, তবে আমাকে আপনার মুখ জ্ঞানের সেই পচা পানির নিচে ডুবিয়ে ধরতে দিন। সাম্প্রতিক অতীতে কেউ একজন খেয়াল করেছিলেন যে ''বিজুয়েলডের'' মতো সাধারণ ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক রঙ মেলানোর গেমগুলো লজ্জাজনক পরিমাণ টাকা কামাচ্ছে। এর কারণ হলো, সময় গড়ানোর সাথে সাথে বাড়িতে একা থাকা বিরক্ত গৃহিণীরা নিজেরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে টিভি মেকানিকের সাথে প্রেম করা আর শোভন নয়, তাই তারা আমোদ-প্রমোদের জন্য ভিডিও গেমের দিকে ঝুঁকেছেন।
* সংক্ষেপে বলতে গেলে এটি মন্দ নয়। আমি ''বুকওয়ার্ম অ্যাডভেঞ্চারস'' বেশি পছন্দ করেছি, কিন্তু আমি সেইসব অপদার্থ মিউট্যান্টদের একজন যারা সত্যিই স্ক্র্যাবল খেলতে পছন্দ করে। ব্যস এটুকুই। ''পেগল'' নিয়ে আমি এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারব না কারণ গেমটি এটুকুই। পপ ক্যাপ-এর লক্ষ্য কী আমি জানি না, তবে আমি বাজি ধরে বলতে পারি তাদের মূলমন্ত্র হলো—"সুন্দর ঝলমলে আলো, উৎসাহব্যঞ্জক শব্দ আর যতটা সম্ভব কম গেমপ্লে ব্যবহার করে প্রিমিয়াম মানের কোকেন সদৃশ গেমিং অভিজ্ঞতা তৈরি করা।" আর এটি তাদের জন্য বেশ ভালোই কাজ করছে কারণ তারা এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। '''কোটি কোটি!''' তারা শুধুমাত্র সস্তা টু-ডি গেম বানায়! এতো টাকা তারা কিসে খরচ করে? আইসক্রিম কিনতে? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/7-Peggle]
===হ্যালো ৩===
* এর কঠিন হওয়ার ধারাটা একজন দ্বিধাগ্রস্ত বেশ্যার অন্তর্বাসের মতো ওঠানামা করে। এরপর শেষ এক ঘণ্টার মতো সময়ে এটি হুট করে খুব সহজ হয়ে যায়। গেমের শুরুর দিকে এমন কিছু অংশ ছিল যেগুলো আমাকে একেবারে নাস্তানাবুদ করে ছেড়েছে, অথচ ফাইনাল বস ফাইট বলতে যা আছে তা হলো মূলত হুইলচেয়ারে বসা এক ট্যারা হববিটের বিরুদ্ধে আপনার লড়াই, যেখানে আপনার হাতে আছে বিএফজি ৯০০০।
* কিন্তু আসলে আমি এসব বলে কী অর্জন করতে চাইছি তা জানি না। ''হ্যালো ৩'' ইতোমধ্যেই ঈশ্বরের চেয়েও বেশি জনপ্রিয় হয়ে গেছে। আমি এমন কিছু বলতে পারব না যা মাইক্রোসফটকে এত টাকা কামানো থেকে আটকাতে পারবে যা দিয়ে তারা সুইজারল্যান্ড কিনে নিতে পারে। তারা স্রেফ এই ধারণাটাকেই আরও পোক্ত করছে যে গেমাররা আসলে চামচের গভীরতা বিশিষ্ট উজ্জ্বল রঙের আবর্জনাই চায়। তাই ভবিষ্যতে যদি আমরা মাইক্রোসফট ওভারমাইন্ডের ভিনগ্রহের খনিতে হাড়ভাঙা খাটুনির ফাঁকে কোনোমতে সময় বের করে "ক্যাপ্টেন ব্ল্যান্ডস মনোটোনাস অ্যাডভেঞ্চার" খেলতে বসি, তবে জেনে রাখবেন যে আমি আগেই এই ল্যাজেগোবরে অবস্থার কথা বলেছিলাম। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/8-Halo-3]
===তাবুলা রাসা===
* ''তাবুলা রাসা'' একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ "খালি স্লেট" এবং এটি সাধারণত সেই মতবাদকে বোঝায় যেখানে বলা হয় যে মানুষ জন্মগতভাবে কোনো বিশেষ প্রোগ্রামিং ছাড়াই জন্মায়। উদাহরণস্বরূপ, রিচার্ড গ্যারিয়ট একজন সম্পূর্ণ উন্মাদ গেম ডিজাইনার যিনি মুকুট পরেন এবং চান যে মানুষ তাকে লর্ড ব্রিটিশ বলে ডাকুক। কিন্তু তিনি কি জন্ম থেকেই এমন পাগল ছিলেন, নাকি উপযুক্ত সামাজিক যোগাযোগের অভাবে তিনি চিরতরে এক পাগলাটে কাল্পনিক জগতে হারিয়ে গেছেন?
* এমএমও গেমগুলো থেকে 'গ্রাইন্ড' বা একঘেয়ে খাটুনি সরিয়ে দেওয়ার কথা ভাবাটা বেশ ভালোই মনে হয়, যতক্ষণ না আপনি এর গভীরে ভাববেন। কারণ এই গ্রাইন্ডের কারণেই মানুষ এত দীর্ঘ সময় ধরে এমএমও খেলে। আর এটা সরিয়ে ফেলা মানে হবে রিচার্ড গ্যারিয়ট থেকে তার পাগলামিটুকু কেড়ে নেওয়া। তা ছাড়া এ পর্যন্ত সব এমএমও গেমেই প্রচুর গ্রাইন্ড আছে এবং তা মানুষকে খেলা থেকে আটকাতে পারছে বলে মনে হয় না। আমার ধারণা কিছু মানুষ এই ধরণের জিনিস পছন্দ করে। কিছু মানুষ আবার মোটা মানুষকেও যৌন আবেদনময়ী মনে করে। আমি নিজেও তাদের বুঝি না, যেমনটা বেশিরভাগ মানুষ বোঝে না যে কেন আমি লেটুস পাতা দিয়ে আমার লিঙ্গ মুড়িয়ে অন্য মানুষের সালাদে লুকিয়ে রাখতে পছন্দ করি। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/9-Tabula-Rasa]
===দ্য অরেঞ্জ বক্স===
* আমার কেন জানি মনে হয় ভালভ এপিসোডিক গেমিংয়ের মূল উদ্দেশ্যটা কিছুটা হারিয়ে ফেলেছে। এর মূল ধারণাটা ছিল সস্তায় ছোট গেম ঘন ঘন বাজারে ছেড়ে গেম পাবলিশিংয়ের প্রথাগত ঝক্কি ঝামেলা কমিয়ে আনা। তারা প্রথম ও দ্বিতীয় দিকগুলো ঠিকঠাক করলেও তৃতীয়টির সাথে এখনও লড়ছে।
* (''হাফ-লাইফ ২: এপিসোড টু''র ওপর) এপিসোড ২ মেজো সন্তানের মতো কিছুটা অবহেলার শিকার হয়েছে। এর কোনো প্রকৃত শুরু বা শেষ নেই, তাই গল্পটা শুধু এদিক-ওদিক ঘোরে। এই অনুভূতিটা দূর করা কঠিন যে আমরা পরবর্তী এপিসোডের জন্য স্রেফ সময় কাটাচ্ছি। কোনো সতর্কবার্তা ছাড়াই হুট করে একটি নতুন চরিত্র নিয়ে আসা হয় এবং সবাই এমন আচরণ করে যেন আমরা তাকে আগে থেকেই চিনি। এটা আসলে বেশ বিভ্রান্তিকর। ভালভ এ পর্যন্ত সব প্রধান এনপিসি চরিত্রের প্রতি আমাদের সহানুভূতি জাগাতে দারুণ কাজ করেছে। তাই একদম শেষের দিকে এসে এমন নতুন কারো সাথে পরিচয় হওয়াটা অনেকটা এমন—স্কুল থেকে ফিরে দেখলেন ডাইনিং টেবিলে একটি সিন্ধুঘোটক বসে আছে আর আপনি ছাড়া আর কারো চোখে সেটা পড়ছে না।
* (''টিম ফোর্ট্রেস ২''র ওপর) ...সব সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও এটি এখন অবিশ্বাস্যভাবে ভারসাম্যপূর্ণ। আপনি যে ধরণের গেমই পছন্দ করেন না কেন, এখানে সবার জন্যই কিছু না কিছু আছে। সজাসাপ্টা মার খাওয়ার জন্য আছে হেভি; পেছন থেকে ছুরি মারার মতো চোরচোট্টা চরিত্রের জন্য আছে স্পাই; আর যারা পয়েন্ট-অ্যান্ড-ক্লিক অ্যাডভেঞ্চার গেম পছন্দ করেন তাদের জন্য আছে স্নাইপার। যদিও এখানে একমাত্র ধাঁধাটি হলো, "মানুষের ওপর বন্দুক ব্যবহার করা।"
* (''পোর্টাল''-এর ওপর) ...আপনি যদি নিয়মিত এই শো দেখেন তবে বুঝবেন যে আমার মুখ থেকে এই কথাগুলো বের হওয়া কতটা পাগলামি মনে হতে পারে, কিন্তু আমি এর কোনো খুঁত খুঁজে পাচ্ছি না। আমি সিরিয়াস! যতক্ষণ না তারা ফোর্স-ফিডব্যাক আছে এমন কোনো অন্তর্বাস আবিষ্কার করছে, পিসিতে এর চেয়ে বেশি মজা আপনি আর পাবেন না। আমি অনেকগুলো আকর্ষণীয় পোর্টাল ধাঁধার আশা নিয়ে খেলা শুরু করেছিলাম এবং ঠিক সেটাই পেয়েছি। কিন্তু আমি একদমই আশা করিনি যে কোনো গেমে আমি এত চমৎকার হাস্যরস শুনতে পাব। ঠিক আছে, এটা মাত্র ২ থেকে ৩ ঘণ্টার গেম, তবে এই দৈর্ঘ্যে গেমটি বেশ মানানসই, এর মানে হলো এটি অকারণে লম্বা হয়নি এবং আপনাকে দ্রুত সেই রোমহর্ষক ও দুর্দান্ত সমাপ্তির কাছে পৌঁছে দেয়। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একেবারে অ-তুল-নীয়, আর ভবিষ্যতে আমি যদি অন্য কোনো কিছুর বর্ণনা দিতে এই শব্দগুলো ব্যবহার করি তবে আমি নিজের চোখে কাঁটাচামচ ঢুকিয়ে দেব! হ্যাঁ, আমি জানি কোনো গেমকে ভালোবাসাটা খুব একটা মজার বিষয় নয়, কিন্তু আপনার যা খুশি ভাবুন! ''পোর্টাল'' দুর্দান্ত, আর আপনি যদি তা মনে না করেন তবে আপনি নিশ্চয়ই নির্বোধ! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/10-The-Orange-Box]
===সুপার পেপার মারিও===
* দ্বিতীয় অধ্যায়ে মারিওকে কাজ করে টাকা কামাতে হয় যাতে সে সেই সব নির্বোধ ধ্বংসযজ্ঞের ক্ষতিপূরণ দিতে পারে যা অ্যাকশন আরপিজি খেলোয়াড়দের কাছে খুব স্বাভাবিক একটা বিষয়। আর এটা করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো কন্ট্রোলারের "ডান" বাটন চেপে একটি বিশালাকার হ্যামস্টার হুইলে দৌড়ানো। আর এটা করতে হবে প্রায় পনেরো মিনিট ধরে -- আমি ইয়ার্কি করছি না। -- আপনি যদি বুদ্ধিমান না হন তবেই এমনটা করবেন। আপনি যদি আমার মতো বুদ্ধিমান হন, তবে আপনি ডি-প্যাডের ওপর আপনার রুমমেটের কোনো খেলনা দিয়ে সেটা চেপে রাখবেন এবং নিজে অন্য কোথাও গিয়ে আনন্দ করবেন। ঠিকই শুনেছেন। একটা '''গেম''' খেলার সময় আপনাকে আনন্দ খুঁজে নিতে হচ্ছে -- অথচ একটি '''গেমের''' মূল উদ্দেশ্যই হওয়ার কথা বিনোদন দেওয়া। আর খেলোয়াড়কে যদি এটি করতে হয়, তবে বুঝতে হবে গেমটিতে নিশ্চিতভাবেই বড় কোনো সমস্যা আছে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/11-Super-Paper-Mario [১১]]
kxeb5cls4142cmd1qgs1e214hinv8b1
73851
73850
2026-04-05T14:46:06Z
ARI
356
/* সুপার পেপার মারিও */
73851
wikitext
text/x-wiki
'''''জিরো পাংচুয়েশন''''' হলো ভিডিও গেম পর্যালোচনার একটি সিরিজ যা বেন "ইয়াতজি" ক্রোশ তৈরি করেছেন। এটি মূলত ইউটিউবে এবং পরে দ্য এসক্যাপিস্ট ম্যাগাজিনের জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
== ২০০৭ ==
=== দ্য ডার্কনেস ডেমো ===
* ''দ্য ডার্কনেস'' হলো একটি হরর থিমযুক্ত ফার্স্ট-পারসন শুটার গেম। এটি এমন এক কমিক বইয়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি যার নাম আমি আগে শুনিনি। গেমটি তৈরি করেছে চমৎকার নামের স্টারব্রিজ স্টুডিওস। তাদের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আগের গেমটি ছিল ''দ্য ক্রনিকলস অফ রিডিক: এস্কেপ ফ্রম বুচার বে''। সেখানে খেলোয়াড়েরা ক্লেমেশন ভিন ডিজেলকে নিয়ন্ত্রণ করত, যে কি না বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মুখের সামনে নিজেকে নিয়ে নির্লজ্জ আদিখ্যেতা করার এক অবিরাম প্রচেষ্টায় লিপ্ত ছিল।
* ...আমাকে যা করতে হয়েছিল তা হলো, মাটিতে থাকা সহজেই চোখ এড়িয়ে যায় এমন একটি সাদা দাগের কাছে ফিরে যাওয়া। সেটি ব্যবহার করে একটি শয়তান ইম্পকে ডেকে আনা এবং তাকে নির্দেশ দেওয়া যাতে সে কবরস্থানের একটি প্রবেশপথের সামনে আড়াআড়িভাবে রাখা একটি গাড়ি সরিয়ে দেয়। আমি বিষয়টা আবার বলি: গেমটি আমাকে দিয়ে নরকের গভীর থেকে অনেকগুলো দাঁত আর নখরওয়ালা এক দানবকে ডেকে আনালো। কিন্তু সেটি নিরপরাধ মানুষকে দাসে পরিণত করার জন্য বা দুনিয়ার সব দেশ ধ্বংস করার জন্য নয়, বরং তাকে আমার ব্যক্তিগত গাড়ি সরানোর কাজে ব্যবহার করার জন্য!
* ব্যক্তিগতভাবে, এই মুহূর্তে আমি ''দ্য ডার্কনেস''-এর পূর্ণ সংস্করণ কেনার কথা তখনই ভাবব, যদি এর দাম অনেক কমে যায় এবং তারা এর সাথে অন্য কোনো ভালো গেমও দিয়ে দেয়। সাথে কিছুটা কেক আর বেলজিয়াম দেশটাকেও দিতে হবে। [https://www.youtube.com/watch?v=eWS9_nrKOPA]
=== ফেবল: দ্য লস্ট চ্যাপ্টারস ===
* ''ফেবল'' গেমটি লায়নহেড স্টুডিওসের তৈরি, যারা অনেকদিন ধরে বিখ্যাত গেম ডিজাইনার পিটার মোলিনেক্সের আস্তানা হিসেবে পরিচিত। পিটারের একটি স্বভাব হলো বিশাল সব প্রতিশ্রুতি দেওয়া এবং শেষ পর্যন্ত নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষার চাপে নিজেই পঙ্গু হয়ে যাওয়া (এর উদাহরণ হিসেবে তার অগোছালো গেম ''ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট''-এর কথা বলা যায়)। উদাহরণস্বরূপ, ''ফেবল'' তৈরির সময় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যে এতে প্রতিদ্বন্দ্বী এনপিসি চরিত্র থাকবে, গাছপালা বাস্তব সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বড় হবে এবং আপনার প্রতিটি ছোটখাটো সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে আপনার চেহারা ও চারপাশের পৃথিবী বদলে যাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা যা পেলাম তা হলো ত্রুটিপূর্ণ একটি অ্যাকশন-আরপিজি গেম, যেটি নিজেকে নিয়ে বড্ড বেশি গর্বিত।
* এই গেমের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো আপনি একজন ভালো চরিত্র অথবা একজন মন্দ চরিত্র হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই আমি এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় শয়তান হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। গেমটির মতে শয়তান হওয়ার সেরা উপায় হলো কালো পোশাক পরা, বিশাল গোঁফ রাখা, সারা মুখে উল্কি আঁকা আর মাঝেমধ্যে পথচারীদের চড়-থাপ্পড় মারা। আমি নিজেকে একজন জাদুকর হিসেবেও তৈরি করতে চেয়েছিলাম কারণ আমি চেয়েছিলাম আমাকে দেখতে মিং দ্য মার্সেলেসের মতো লাগুক। কিন্তু শুরুর দিকের জাদুমন্ত্রগুলো এতোটাই দুর্বল ছিল যে শেষ পর্যন্ত আমাকে অর্ধেকটা সময় তলোয়ারই ব্যবহার করতে হতো। গেমটি শেষ পর্যন্ত আমার উপাধি দিল "স্পেলওয়ারিয়র", যা শুনে আমার মনে হলো তারা আমাকে একজন সিদ্ধান্তহীন বোকা মানুষ বলছে।
* শেষ পর্যন্ত আমি যখন ফাইনাল বসের মুখোমুখি হলাম, সে এক জায়গায় স্থির হয়ে দাঁড়াচ্ছিল না যাতে আমার শক্তিশালী কালো জাদুমন্ত্রটি কাজ করে। তাই আমার একমাত্র উপায় ছিল তলোয়ার দিয়ে বারবার তার মাথায় আঘাত করা, যখন সে অনবরত আমার শরীরের নিচের অংশ কামড়ে খাচ্ছিল। কিন্তু সেই সময় আমার কাছে এতো বেশি হেলথ পোরশন (জীবনদায়ী পানীয়) ছিল যে আমি অনায়াসেই সেগুলো ব্যবহার করে বেঁচে থাকতে পারছিলাম। বসটি মারা যাওয়ার পর আমার কাছে এতো বেশি পানীয় বেঁচে ছিল যে আমি চাইলে সেগুলো দিয়ে একটা বড়সড় হেলথ পোরশন পার্টি দিতে পারতাম। [https://www.youtube.com/watch?v=jYQLR7dE5k4]
=== হেভেনলি সোর্ড এবং অন্যান্য ===
* নারিকো তখন পাশে বসে থাকা বিড়ালের মতো কান আর মেকআপ পরা এক... অদ্ভুত জিনিসের দিকে ফিরে তাকালো। দেখে মনে হচ্ছিল মেকআপটি কিস ব্যান্ডের এমন কোনো ভক্ত লাগিয়েছে যার পার্কিনসন রোগ আছে। নারিকো তাকে জানালো যে সে সব দুষ্ট লোকদের শেষ করে দিতে চায়। তারপর খুব গম্ভীর মুখে সে বলল, "আমাদের হয়তো তোমার 'টুইং-টোয়াং' বাজানোর প্রয়োজন হতে পারে।" এটি শোনার পর আমার প্রথম চিন্তা ছিল, "আমি নিশ্চিতভাবে এই কথাটি প্রসঙ্গের বাইরে ব্যবহার করব।" কিন্তু পরে ভেবে দেখলাম, এটি মূল প্রসঙ্গের ভেতরেও খুব একটা অর্থ বহন করে না। ডেভেলপাররা যদি ভেবে থাকেন যে শুধুমাত্র এই "টুইং-টোয়াং" জিনিসটা কী তা জানার জন্য আমি পুরো গেমটি কিনব, তবে তারা তাদের মিশনে সফল হয়েছেন। তবে এটি যদি লেসবিয়ান যৌনাচারের কোনো সুন্দর ছদ্মনাম না হয়, তবে আমি খুব হতাশ হব (হ্যাঁ, আমি এ পর্যন্তই বলে ফেললাম)।
* আমার মনের এক অংশ বলছে যে শিল্পের বিচারে ''আরই ৫''-এর কিছু সার্থকতা থাকতে পারে। কারণ একটি হরর গেমের কাজই হলো মানুষকে অস্থির করে তোলা; আর খেলোয়াড়কে এমন কিছু করতে বাধ্য করা যা ভীতিকর হওয়ার পাশাপাশি রুচিহীন, তা আসলেই একটি নতুন পদ্ধতি। কিন্তু আবারও মনে পড়ে এটি ''রেসিডেন্ট ইভিল'' সিরিজ, যারা আমাদের "তীক্ষ্ণ কণ্ঠের বামন নেপোলিয়ন" উপহার দিয়েছিল। তাই তাদের কোনো আইডিয়ার পেছনে যদি সূক্ষ্ম কোনো অর্থ থেকেও থাকে, তবে সেটি সম্ভবত নিছক একটি দুর্ঘটনা। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/1-Heavenly-Sword-and-Other-Stuff]
===সাইকোনটস===
* শেফারের হাস্যরসের একটি অন্যতম প্রধান দিক হলো অদ্ভুত বা কাল্পনিক কোনো পরিবেশে খুব সাধারণ বা জাগতিক পরিস্থিতির সহাবস্থান দেখানো (দেখুন: ''গ্রিম ফ্যানড্যাঙ্গো'')। ''সাইকোনটস'' এই ধারা বজায় রেখেছে, কারণ এর পটভূমি হলো অতীন্দ্রিয় ক্ষমতা সম্পন্নদের জন্য একটি সামার ক্যাম্প। গল্পটি র্যাজ নামের এক শিশু ব্যায়ামবিদের রোমাঞ্চকর অভিযান নিয়ে। সে সার্কাসে যোগ দেওয়ার বদলে প্রথা ভেঙে সেখান থেকে পালানোর জন্য ঘর ছাড়ে। তার জন্মগত অতীন্দ্রিয় ক্ষমতার জোরে সে কোনো টিউশন ফি না দিয়েই ক্যাম্পে ঢুকে পড়ে। তবে দ্রুতই কর্মফল তাকে ভোগাতে শুরু করে যখন সে এক অশুভ চক্রান্তে জড়িয়ে পড়ে। তাকে তখন তার চারপাশের মানুষের অবচেতন মনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হওয়া অদ্ভুত সব অপার্থিব জগত ঘুরে দেখতে হয়। পুরো ব্যাপারটা অনেকটা এমন, উইলি ওঙ্কার চকলেট ফ্যাক্টরির ভেতরে টিম বার্টন যদি ডেভিড লিঞ্চকে গর্ভবতী করে ফেলতেন এবং বাচ্চা জন্মানোর আগ পর্যন্ত মেথ খেয়ে যেতেন।
* ''[গেমটির ভালো দিকগুলোর তালিকা]'' প্রথমত, এই ইন্ডাস্ট্রির প্রায় সবকিছুই যেখানে অন্যকে নকল করার ওপর ভিত্তি করে তৈরি, সেখানে এটি বেশ মৌলিক কিছু। দ্বিতীয়ত, এটি সত্যিই হাস্যরসাত্মক; অথচ হাস্যরসের চেষ্টা করা বেশিরভাগ ভিডিও গেম যেন অ্যানেস্থেসিয়া ছাড়া অন্ত্রের অস্ত্রোপচারের মতো যন্ত্রণাদায়ক। তৃতীয়ত, প্রতিটি চরিত্রকেই তাদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও ব্যক্তিত্ব দিয়ে খুব স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এমনকি সেই ছোটখাটো গুরুত্বহীন চরিত্রগুলোর ক্ষেত্রেও এটি সত্যি, যারা শেষ ''দ্য লর্ড অফ দ্য রিংস'' সিনেমায় ক্রিস্টোফার লি-র চেয়েও কম সময় পর্দায় ছিল। আর সবশেষে, এটি ''মজাদার''। মনে আছে? আনন্দ বা মজা? গেমিং যখন দ্বিতীয় কোনো চাকরির মতো মনে হতো না, তার আগে আমরা যে আনন্দ পেতাম? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/2-Psychonauts]
=== কনসোল রানডাউন ===
* বর্তমান প্রজন্মের কনসোলগুলোর মাধ্যমে আমরা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছি বা প্রায় পৌঁছে গেছি, যেখানে গ্রাফিক্স আর খুব বেশি উন্নত হবে না। তাই এখন আমাদের গত প্রজন্মের প্রযুক্তির পেছনে ছোটা বন্ধ করা উচিত এবং সাইলেন্ট হিল ২-এর মতো প্রকৃত গভীরতা সম্পন্ন কিছু গেম তৈরিতে মনোযোগ দেওয়া উচিত। তবে কনসোল যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত একেবারেই নিরর্থক, কারণ ইতিহাসের সেরা গেম কমোডোর ৬৪-এর জন্য ''ফ্যান্টাসি ওয়ার্ল্ড ডিজি'' ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গেছে। অথবা হয়তো পুরো গেমিং জগতটাই অর্থহীন জীবনের বিশাল রাস্তার ধারে পড়ে থাকা নুড়ি পাথর নিয়ে খেলার মতো। তবে যাই হোক, অন্তত এখানে সহিংসতা আর স্তন তো আছে! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/3-Console-Rundown]
===বায়োশক===
* ''বায়োশক''কে ''সিস্টেম শক ২''-এর যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। আমি নিশ্চিত ''সিস্টেম শক ২'' তার এই নরমাল-ম্যাপ করা এবং ফং-শেডেড জারজ সন্তানকে নিয়ে খুব গর্বিত হবে, কারণ এটি তার বাবার ওপর ঠিক ততটাই গেছে যতটা জর্জ বুশ তার বাবার ওপর গেছেন। আর আমি জানি আপনারা কী বলবেন: "ইয়াটজি, ওহে আমার চটকদার তেজী ঘোড়া, এটা কেমন ধরনের অভিযোগ? ''সিস্টেম শক ২'' তো দুর্দান্ত ছিল, আর এর মতো যেকোনো গেমই তো সমান ভালো হওয়া উচিত।" কিন্তু আসল কথা হলো: এটা ''সিস্টেম শক ২''-এর '''মতো''' নয়, এটা আসলে ''সিস্টেম শক ২''-ই। ও হ্যাঁ, এটা দেখতে আলাদা, এর সূক্ষ্ম খুঁটিনাটিতে পার্থক্য আছে, আর চরিত্রের নামগুলো পাল্টে দেওয়া হয়েছে,এমনি সব ফালতু ব্যাপার। কিন্তু যখন আপনি এই উপরের আবরণগুলো সরিয়ে ফেলবেন, তখন দেখবেন ভিলেনটা আসলে কোট পরা এবং হাতে ''অ্যাটলাস শ্রাগড'' বই নিয়ে থাকা খোদ শোডানই।
*কিন্তু গেমটিতে মাত্র দুটি সমাপ্তি আছে-একটি ভালো আর একটি খারাপ। এদের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য হজম করা বেশ কঠিন। ভালো সমাপ্তিতে আপনি হলেন একজন পুণ্যবান পুষ্পশিশু যে বিধাতার রাজ্যের সব প্রাণীর দিকে তাকিয়ে হাসে। আর খারাপ সমাপ্তিতে আপনি হলেন হিটলার আর স্কেলেটরের এক সংকর রূপ, যার মূত্রও যেন বিশুদ্ধ শয়তানি। আমি সেইসব গেম দেখে ক্লান্ত যেগুলো পছন্দের সুযোগ দেওয়ার দাবি করে কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয় আপনাকে মাদার তেরেসা হতে হবে নয়তো বাচ্চা-খাউকা শয়তান। আমি শুধু এটাই বলতে চাই যে, মাঝেমধ্যে একটু মধ্যপন্থা অবলম্বন করলে ভালোই হতো। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/4-BioShock]
=== টুম্ব রেইডার অ্যানিভার্সারি ===
* গেমটির লড়াই করার পদ্ধতি আধুনিক করা হয়েছে। এর মানে হলো তারা এখানে সেই পুরোনো গড অফ ওয়ার বা সাইমন সেজের মতো বারবার বাটন টেপার বিরক্তিকর দৃশ্যগুলো ঢুকিয়ে দিয়েছে, যা আজকাল নিয়ম মেনে প্রতিটি অ্যাকশন গেমেই থাকতে হয়। আর ডিজাইন টিমের কেউ একজন (আপনি জানেন আপনি কে) ভেবেছিলেন যে ফায়ার করার জন্য বাটন চেপে ধরে রাখার বদলে বারবার আর১ বাটন টেপার আইডিয়াটি খুব চমৎকার হবে। কিন্তু আর১ বাটনটি অনবরত টেপার জন্য আরামদায়ক অবস্থানে নেই। আর আপনি যখন এমন সব শত্রুর মুখোমুখি হন যারা মরার আগে এক কোটি গুলি খেতে পারে (যেমন ধরুন, গেমের প্রায় সব শত্রুই), তখন আপনার আঙুলে খিঁচুনি ধরে যাবে। আপনার মনে হবে আপনি গিটার হিরো খেলছেন কিন্তু রক স্টার হওয়ার সেই কল্পনাটা আপনার সাথে নেই।
* ''[গেম প্রকাশকদের আইডিয়া খুঁজে পেতে সাহায্য করছেন]'' এখানে একটি আইডিয়া আছে: একজন জিন-প্রকৌশলী তাইওয়ানিজ বাবুর্চি তার বড় স্তনবিশিষ্ট প্রেমিকাকে মামিদের হাত থেকে বাঁচাতে ফেজ টুপি পরা একটি গুইসালাপের সাথে দল পাকিয়েছে। দেখলেন তো? এটা খুব সহজ। বড় স্তনবিশিষ্ট একজন ব্রেস্ট ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ নিজের স্তন আরও বড় করার খরচ জোগাতে সময়ের অতীতে ভ্রমণ করছেন। একদল বড় স্তনধারী মানুষ তাদের বিশাল স্তন বহর নিয়ে নতুন এক স্তন-গ্রহের খোঁজে বেরিয়ে পড়েছে। স্তন, তরমুজ, দুধের কারখানা, আবক্ষ, মজার ব্যাগ, টোকা, ব্যালিস্টিকস, বুবস, জগস, নিপলস, জবলিস... বিশাল... বিশাল... বুক। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/5-Tomb-Raider-Anniversary]
=== ম্যানহান্ট ===
* থার্ড-পারসন অ্যাকশন গেম ডেভেলপাররা, একটা কথা পরিষ্কার করে বুঝে নিন, ঠিক আছে? বাম অ্যানালগ স্টিক নড়াচড়া করার জন্য; ডান অ্যানালগ স্টিক খেলোয়াড়ের চারপাশে ক্যামেরা ঘোরানোর জন্য। এটা কীভাবে সম্ভব যে, যখন আপনারা দেখেন কোনো কিছু নিখুঁতভাবে কাজ করছে, তখনই আপনারা সেটিকে উন্নত করার নামে জগািখচুড়ি পাকিয়ে ফেলেন? ''ম্যানহান্টে'' ডান অ্যানালগ স্টিকটি ফার্স্ট-পারসন ক্যামেরায় বদলে যায়। তাত্ত্বিকভাবে এটি যুক্তিযুক্ত মনে হতে পারে, কিন্তু এর মানে হলো আপনি যখন লুকিয়ে থেকে আপনার পেছনে পাহারারত কোনো গার্ডকে দেখার চেষ্টা করেন, তখন স্টিকটিতে একটু ছোঁয়া লাগলেই আপনি দেয়ালের দিকে তাকিয়ে থাকেন। আর অর্ধেক সময় যখন আপনি ক্যামেরাটিকে ঠিকঠাক পজিশনে আনেন, তখন দেখবেন গার্ডটি আপনার একদম সামনে চলে এসেছে এবং আপনার অণ্ডকোষে ছুরি বসিয়ে দিয়েছে।
* তবে ''ম্যানহান্টের'' মতো গেমগুলো কম বয়সী বা অপরিণত মস্তিষ্কের মানুষদের মাথা নষ্ট করে কি না, সেই তর্কে আমি কার পক্ষ নেব তা জানি না। গেমটিতে খুব স্পষ্টভাবে সতর্কবার্তা দেওয়া আছে যে বারো বছর বয়সীদের এটি খেলার কথা নয়। কিন্তু এতে কোনো সন্দেহ নেই যে তারাই এটি খেলে, কারণ বারো বছর বয়সী ছাড়া আর কারো এসব জিনিসে রুচি নেই। গ্যারোট তার দিয়ে মাথা কাটা বা বেসবল ব্যাট দিয়ে মাথার খুলি উড়িয়ে দেওয়া নিয়ে হাঁপাতে হাঁপাতে গল্প করা মিডল স্কুলে বন্ধু পাওয়ার ভালো উপায় হতে পারে; কিন্তু অফিসের আড্ডায় এটি বন্ধু হারানোরই একটা ভালো উপায়। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/6-Manhunt]
=== পেগল ===
* এই গেমটি সম্পর্কে আমি যা বলতে পারি তা হলো, আমি দুপুর নাগাদ এটি খেলতে শুরু করেছিলাম এবং অনেক পরে যখন রুম থেকে বের হলাম তখন দেখলাম কর্তৃপক্ষ আমাকে আইনত মৃত ঘোষণা করেছে। যদি এই "ক্যাজুয়াল গেমিং" বিষয়টি আপনার মাথা এড়িয়ে গিয়ে থাকে, তবে আমাকে আপনার মুখ জ্ঞানের সেই পচা পানির নিচে ডুবিয়ে ধরতে দিন। সাম্প্রতিক অতীতে কেউ একজন খেয়াল করেছিলেন যে ''বিজুয়েলডের'' মতো সাধারণ ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক রঙ মেলানোর গেমগুলো লজ্জাজনক পরিমাণ টাকা কামাচ্ছে। এর কারণ হলো, সময় গড়ানোর সাথে সাথে বাড়িতে একা থাকা বিরক্ত গৃহিণীরা নিজেরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে টিভি মেকানিকের সাথে প্রেম করা আর শোভন নয়, তাই তারা আমোদ-প্রমোদের জন্য ভিডিও গেমের দিকে ঝুঁকেছেন।
* সংক্ষেপে বলতে গেলে এটি মন্দ নয়। আমি ''বুকওয়ার্ম অ্যাডভেঞ্চারস'' বেশি পছন্দ করেছি, কিন্তু আমি সেইসব অপদার্থ মিউট্যান্টদের একজন যারা সত্যিই স্ক্র্যাবল খেলতে পছন্দ করে। ব্যস এটুকুই। ''পেগল'' নিয়ে আমি এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারব না কারণ গেমটি এটুকুই। পপ ক্যাপ-এর লক্ষ্য কী আমি জানি না, তবে আমি বাজি ধরে বলতে পারি তাদের মূলমন্ত্র হলো—"সুন্দর ঝলমলে আলো, উৎসাহব্যঞ্জক শব্দ আর যতটা সম্ভব কম গেমপ্লে ব্যবহার করে প্রিমিয়াম মানের কোকেন সদৃশ গেমিং অভিজ্ঞতা তৈরি করা।" আর এটি তাদের জন্য বেশ ভালোই কাজ করছে কারণ তারা এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। '''কোটি কোটি!''' তারা শুধুমাত্র সস্তা টু-ডি গেম বানায়! এতো টাকা তারা কিসে খরচ করে? আইসক্রিম কিনতে? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/7-Peggle]
===হ্যালো ৩===
* এর কঠিন হওয়ার ধারাটা একজন দ্বিধাগ্রস্ত বেশ্যার অন্তর্বাসের মতো ওঠানামা করে। এরপর শেষ এক ঘণ্টার মতো সময়ে এটি হুট করে খুব সহজ হয়ে যায়। গেমের শুরুর দিকে এমন কিছু অংশ ছিল যেগুলো আমাকে একেবারে নাস্তানাবুদ করে ছেড়েছে, অথচ ফাইনাল বস ফাইট বলতে যা আছে তা হলো মূলত হুইলচেয়ারে বসা এক ট্যারা হববিটের বিরুদ্ধে আপনার লড়াই, যেখানে আপনার হাতে আছে বিএফজি ৯০০০।
* কিন্তু আসলে আমি এসব বলে কী অর্জন করতে চাইছি তা জানি না। ''হ্যালো ৩'' ইতোমধ্যেই ঈশ্বরের চেয়েও বেশি জনপ্রিয় হয়ে গেছে। আমি এমন কিছু বলতে পারব না যা মাইক্রোসফটকে এত টাকা কামানো থেকে আটকাতে পারবে যা দিয়ে তারা সুইজারল্যান্ড কিনে নিতে পারে। তারা স্রেফ এই ধারণাটাকেই আরও পোক্ত করছে যে গেমাররা আসলে চামচের গভীরতা বিশিষ্ট উজ্জ্বল রঙের আবর্জনাই চায়। তাই ভবিষ্যতে যদি আমরা মাইক্রোসফট ওভারমাইন্ডের ভিনগ্রহের খনিতে হাড়ভাঙা খাটুনির ফাঁকে কোনোমতে সময় বের করে "ক্যাপ্টেন ব্ল্যান্ডস মনোটোনাস অ্যাডভেঞ্চার" খেলতে বসি, তবে জেনে রাখবেন যে আমি আগেই এই ল্যাজেগোবরে অবস্থার কথা বলেছিলাম। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/8-Halo-3]
===তাবুলা রাসা===
* ''তাবুলা রাসা'' একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ "খালি স্লেট" এবং এটি সাধারণত সেই মতবাদকে বোঝায় যেখানে বলা হয় যে মানুষ জন্মগতভাবে কোনো বিশেষ প্রোগ্রামিং ছাড়াই জন্মায়। উদাহরণস্বরূপ, রিচার্ড গ্যারিয়ট একজন সম্পূর্ণ উন্মাদ গেম ডিজাইনার যিনি মুকুট পরেন এবং চান যে মানুষ তাকে লর্ড ব্রিটিশ বলে ডাকুক। কিন্তু তিনি কি জন্ম থেকেই এমন পাগল ছিলেন, নাকি উপযুক্ত সামাজিক যোগাযোগের অভাবে তিনি চিরতরে এক পাগলাটে কাল্পনিক জগতে হারিয়ে গেছেন?
* এমএমও গেমগুলো থেকে 'গ্রাইন্ড' বা একঘেয়ে খাটুনি সরিয়ে দেওয়ার কথা ভাবাটা বেশ ভালোই মনে হয়, যতক্ষণ না আপনি এর গভীরে ভাববেন। কারণ এই গ্রাইন্ডের কারণেই মানুষ এত দীর্ঘ সময় ধরে এমএমও খেলে। আর এটা সরিয়ে ফেলা মানে হবে রিচার্ড গ্যারিয়ট থেকে তার পাগলামিটুকু কেড়ে নেওয়া। তা ছাড়া এ পর্যন্ত সব এমএমও গেমেই প্রচুর গ্রাইন্ড আছে এবং তা মানুষকে খেলা থেকে আটকাতে পারছে বলে মনে হয় না। আমার ধারণা কিছু মানুষ এই ধরণের জিনিস পছন্দ করে। কিছু মানুষ আবার মোটা মানুষকেও যৌন আবেদনময়ী মনে করে। আমি নিজেও তাদের বুঝি না, যেমনটা বেশিরভাগ মানুষ বোঝে না যে কেন আমি লেটুস পাতা দিয়ে আমার লিঙ্গ মুড়িয়ে অন্য মানুষের সালাদে লুকিয়ে রাখতে পছন্দ করি। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/9-Tabula-Rasa]
===দ্য অরেঞ্জ বক্স===
* আমার কেন জানি মনে হয় ভালভ এপিসোডিক গেমিংয়ের মূল উদ্দেশ্যটা কিছুটা হারিয়ে ফেলেছে। এর মূল ধারণাটা ছিল সস্তায় ছোট গেম ঘন ঘন বাজারে ছেড়ে গেম পাবলিশিংয়ের প্রথাগত ঝক্কি ঝামেলা কমিয়ে আনা। তারা প্রথম ও দ্বিতীয় দিকগুলো ঠিকঠাক করলেও তৃতীয়টির সাথে এখনও লড়ছে।
* (''হাফ-লাইফ ২: এপিসোড টু''র ওপর) এপিসোড ২ মেজো সন্তানের মতো কিছুটা অবহেলার শিকার হয়েছে। এর কোনো প্রকৃত শুরু বা শেষ নেই, তাই গল্পটা শুধু এদিক-ওদিক ঘোরে। এই অনুভূতিটা দূর করা কঠিন যে আমরা পরবর্তী এপিসোডের জন্য স্রেফ সময় কাটাচ্ছি। কোনো সতর্কবার্তা ছাড়াই হুট করে একটি নতুন চরিত্র নিয়ে আসা হয় এবং সবাই এমন আচরণ করে যেন আমরা তাকে আগে থেকেই চিনি। এটা আসলে বেশ বিভ্রান্তিকর। ভালভ এ পর্যন্ত সব প্রধান এনপিসি চরিত্রের প্রতি আমাদের সহানুভূতি জাগাতে দারুণ কাজ করেছে। তাই একদম শেষের দিকে এসে এমন নতুন কারো সাথে পরিচয় হওয়াটা অনেকটা এমন—স্কুল থেকে ফিরে দেখলেন ডাইনিং টেবিলে একটি সিন্ধুঘোটক বসে আছে আর আপনি ছাড়া আর কারো চোখে সেটা পড়ছে না।
* (''টিম ফোর্ট্রেস ২''র ওপর) ...সব সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও এটি এখন অবিশ্বাস্যভাবে ভারসাম্যপূর্ণ। আপনি যে ধরণের গেমই পছন্দ করেন না কেন, এখানে সবার জন্যই কিছু না কিছু আছে। সজাসাপ্টা মার খাওয়ার জন্য আছে হেভি; পেছন থেকে ছুরি মারার মতো চোরচোট্টা চরিত্রের জন্য আছে স্পাই; আর যারা পয়েন্ট-অ্যান্ড-ক্লিক অ্যাডভেঞ্চার গেম পছন্দ করেন তাদের জন্য আছে স্নাইপার। যদিও এখানে একমাত্র ধাঁধাটি হলো, "মানুষের ওপর বন্দুক ব্যবহার করা।"
* (''পোর্টাল''-এর ওপর) ...আপনি যদি নিয়মিত এই শো দেখেন তবে বুঝবেন যে আমার মুখ থেকে এই কথাগুলো বের হওয়া কতটা পাগলামি মনে হতে পারে, কিন্তু আমি এর কোনো খুঁত খুঁজে পাচ্ছি না। আমি সিরিয়াস! যতক্ষণ না তারা ফোর্স-ফিডব্যাক আছে এমন কোনো অন্তর্বাস আবিষ্কার করছে, পিসিতে এর চেয়ে বেশি মজা আপনি আর পাবেন না। আমি অনেকগুলো আকর্ষণীয় পোর্টাল ধাঁধার আশা নিয়ে খেলা শুরু করেছিলাম এবং ঠিক সেটাই পেয়েছি। কিন্তু আমি একদমই আশা করিনি যে কোনো গেমে আমি এত চমৎকার হাস্যরস শুনতে পাব। ঠিক আছে, এটা মাত্র ২ থেকে ৩ ঘণ্টার গেম, তবে এই দৈর্ঘ্যে গেমটি বেশ মানানসই, এর মানে হলো এটি অকারণে লম্বা হয়নি এবং আপনাকে দ্রুত সেই রোমহর্ষক ও দুর্দান্ত সমাপ্তির কাছে পৌঁছে দেয়। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একেবারে অ-তুল-নীয়, আর ভবিষ্যতে আমি যদি অন্য কোনো কিছুর বর্ণনা দিতে এই শব্দগুলো ব্যবহার করি তবে আমি নিজের চোখে কাঁটাচামচ ঢুকিয়ে দেব! হ্যাঁ, আমি জানি কোনো গেমকে ভালোবাসাটা খুব একটা মজার বিষয় নয়, কিন্তু আপনার যা খুশি ভাবুন! ''পোর্টাল'' দুর্দান্ত, আর আপনি যদি তা মনে না করেন তবে আপনি নিশ্চয়ই নির্বোধ! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/10-The-Orange-Box]
===সুপার পেপার মারিও===
* দ্বিতীয় অধ্যায়ে মারিওকে কাজ করে টাকা কামাতে হয় যাতে সে সেই সব নির্বোধ ধ্বংসযজ্ঞের ক্ষতিপূরণ দিতে পারে যা অ্যাকশন আরপিজি খেলোয়াড়দের কাছে খুব স্বাভাবিক একটা বিষয়। আর এটা করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো কন্ট্রোলারের "ডান" বাটন চেপে একটি বিশালাকার হ্যামস্টার হুইলে দৌড়ানো। আর এটা করতে হবে প্রায় পনেরো মিনিট ধরে -- আমি ইয়ার্কি করছি না। -- আপনি যদি বুদ্ধিমান না হন তবেই এমনটা করবেন। আপনি যদি আমার মতো বুদ্ধিমান হন, তবে আপনি ডি-প্যাডের ওপর আপনার রুমমেটের কোনো খেলনা দিয়ে সেটা চেপে রাখবেন এবং নিজে অন্য কোথাও গিয়ে আনন্দ করবেন। ঠিকই শুনেছেন। একটা '''গেম''' খেলার সময় আপনাকে আনন্দ খুঁজে নিতে হচ্ছে -- অথচ একটি '''গেমের''' মূল উদ্দেশ্যই হওয়ার কথা বিনোদন দেওয়া। আর খেলোয়াড়কে যদি এটি করতে হয়, তবে বুঝতে হবে গেমটিতে নিশ্চিতভাবেই বড় কোনো সমস্যা আছে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/11-Super-Paper-Mario [১১]]
===এমওএইচ এয়ারবোর্ন===
* ''মেডেল অফ অনার'' সিরিজ ১৯৯৯ সাল থেকে চলছে। এর মানে হলো এটি আনুষ্ঠানিকভাবে আসল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের চেয়েও দীর্ঘ সময় ধরে চলছে। আর এ পর্যন্ত যত গেম, সিনেমা এবং টিভি শোতে এই যুদ্ধকে দেখানো হয়েছে, সেগুলোকে একত্রিত করলে মনে হবে শুধু নরম্যান্ডি ল্যান্ডিং বা উপকূলে অবতরণ করতেই সম্ভবত ৬ মাসের মতো সময় লেগেছিল। তবে কেন আমেরিকানদের সেই সময়টা নিয়ে এত মোহ, যেখানে বাকি বিশ্ব সেই স্মৃতি ভুলে সামনে এগিয়ে যেতে চায়? এর কারণ সম্ভবত এটাই ছিল তাদের শেষ যুদ্ধ যেখানে তারা সত্যিই ভালো কিছু করেছিল। সেখানে তারা একজন স্পষ্টতই খলনায়কের বিরুদ্ধে পরিষ্কার জয় পেয়েছিল যে কি না সত্যিকারের হুমকি ছিল -- সাম্প্রতিক সেই সব দোদুল্যমান যুদ্ধের মতো নয় যেখানে তারা কোনো উন্নয়নশীল দেশে হুট করে ঢুকে পড়ে, সবকিছু তছনছ করে দেয়, আর ওখানকার মানুষ যখন নিজের স্বজনদের খেতে শুরু করে তখন নিজেদের বিজয়ী ঘোষণা করে বেরিয়ে আসে।
* বাস্তবের নাৎসিরা যতটা নিষ্ঠুর ছিল, গেম নির্মাতাদের কাছে তা যথেষ্ট মনে হয়নি। তাই গেমটিতে ঐতিহাসিক নির্ভুলতাকে তাদের বিপক্ষে একটু বাঁকিয়ে চুরমার করা হয়েছে। আমি কোনো ঐতিহাসিক নই, তবে আমি নিশ্চিত যে নাৎসিদের এমন কোনো এলিট বাহিনী ছিল না যারা গ্যাস মাস্ক পরত, মিনিগান চালাত এবং কপালে তিনবার স্নাইপারের গুলি খাওয়ার পরও বেঁচে থাকত। আর আমি এটাও নিশ্চিত যে নাৎসিদের কাছে বিশাল এক সাঁজোয়া কংক্রিট টাওয়ার ছিল না যাকে কেবল একটি ''সর্বনাশা দুর্গ'' হিসেবেই বর্ণনা করা যায়। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/12-MOH-Airborne]
===জেল্ডা ফ্যান্টম আওয়ারগ্লাস===
* নিনটেনডো ছাড়া পৃথিবীটা বর্তমানের চেয়ে অনেক বেশি নিরানন্দ হতো। তবুও তাদের ব্যাপারে এমন কিছু আছে যা আমাকে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ করে। পুরো পৃথিবী আর স্বর্গ কিনে নেওয়ার মতো যথেষ্ট টাকা তাদের আছে। আর তাদের ভক্তরা এতটাই অন্ধ যে তারা যদি নর্দমার ময়লায় মাখা কোনো ধর্ষককে নিয়েও গেম বানায়, তবে সেটিও তড়তড় করে হুহু করে বিক্রি হবে। সারা বিশ্বের অনেক গেম নির্মাতার কাছেই গেমের নতুন এবং আকর্ষণীয় সব আইডিয়া আছে। নিনটেনডোর এই জায়গায় বসার জন্য তারা হয়তো খুশিমনে তাদের সবকিছু বিসর্জন দেবে। অথচ নিনটেনডো স্রেফ একই গেম বারবার রিমেক করে যাচ্ছে! ঠিক আছে, মাঝে মাঝে আপনার কাছে একটা অকারিনা থাকে, কখনো আপনি নৌকায় চড়েন, আবার কখনো আপনি নেকড়ে-মানবে পরিণত হন যাকে নিয়ে ডেভিয়েন্টআর্টের লোকজন কুরুচিপূর্ণ ছবি আঁকে। তবে এ পর্যন্ত হওয়া ৯০ বিলিয়ন জেল্ডা গেমের মধ্যে আপনি যেকোনোটি বেছে নিন, দেখবেন আপনি সেই একই লোক হয়ে একই মেয়েকে সেই একই বুমেরাং দিয়ে উদ্ধার করছেন।
* বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গেমের মুভমেন্ট বা নড়াচড়া বেশ স্বাভাবিক মনে হয়। আর ম্যাপের ওপর মনের সুখে আঁকিবুঁকি করার বিষয়টি আমার কাছে বেশ স্বস্তিদায়ক লেগেছে। তবে ডিএস-এর অন্যান্য বিচিত্র ফাংশনগুলো জোর করে গেমে ঢুকিয়ে দেওয়ার ফলে এর উল্টো প্রতিক্রিয়াও হয়। যেমন ধরুন, যখন আপনাকে মাইক্রোফোনের সামনে গলা ফাটিয়ে চিৎকার করতে হয়। বাইরে কোথাও থাকা অবস্থায় (যা হ্যান্ডহেল্ড কনসোলের মূল উদ্দেশ্য) এমন কাণ্ড করলে অপমানের চোটে আপনার নিজের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ শরীর থেকে ছিঁড়ে বেরিয়ে আসতে চাইবে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/13-Zelda-Phantom-Hourglass]
===ক্লাইভ বার্কার্স জেরিকো===
* গেমটি স্রেফ বাজে ডিজাইনে ঠাসা, ঠিক যেমন গ্লাস্টনবারি উৎসবের পর ওর্থি ফার্মের আবর্জনা থাকে। উদাহরণস্বরূপ, দ্বিতীয় লেভেলে আমাকে অনেকগুলো যুদ্ধকালীন পিলবক্সের মুখোমুখি হতে হয়েছিল যেগুলো ৫০ গজের মধ্যে আসা মাত্রই পুরো টিমকে উৎসবের রঙিন কাগজের কুচির মতো টুকরো টুকরো করে দিচ্ছিল। শেষে গেমটি যখন বুঝতে পারল যে আমি স্পষ্টতই একজন গর্দভ, তখন তারা একটি ইঙ্গিত বা টিপস দেখাল। সেখানে বলা হলো যে একটি নির্দিষ্ট অবস্থানে গিয়ে নির্দিষ্ট বাটন টিপলে মেয়েদের একজন পিলবক্সের পেছনে গিয়ে গ্রেনেড ফেলে আসবে। আমাকে মাফ করবেন জেরিকো, কারণ আমার কাছে এমন কোনো ভবিষ্যৎবক্তা মহাজাগতিক মগজ নেই যা দিয়ে আমি এমন কিছু সহজাতভাবে বুঝে নেব যা এর আগে কখনো বলা হয়নি এবং পরবর্তীতে আর কখনো ব্যবহারও করা হবে না!
* হয়তো এর কিছু ক্ষমা করা যেত যদি প্রধান সাতটি চরিত্রের সবাই পুরোপুরি অপছন্দনীয় না হতো। এখানে কালো চামড়ার পোশাকের এত ছড়াছড়ি যে দেখে মনে হয় কেউ একজন কোনো ছোট শহরের হাই স্কুলের গথিক দলটাকে ধরে এনেছে। তারপর তাদের সামনে ২৪ ঘণ্টা ধরে ''র্যাম্বো'' সিনেমা চালিয়েছে এবং শেষে জমাটবদ্ধ ''মূর্খতা'' দিয়ে তৈরি বেসবল ব্যাট দিয়ে তাদের মাথায় সজোরে আঘাত করেছে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/14-Clive-Barkers-Jericho]
===এফ.ই.এ.আর. পারসিয়াস ম্যান্ডেট===
* মাঝে মাঝেই ''এফ.ই.এ.আর.'' মনে করার চেষ্টা করে যে এটি একটি হরর গেমও বটে। তখন এটি আলো নিভিয়ে দেয় বা যত্রতত্র রক্তের দাগ ফেলে রাখে, যেন আপনার ৫০ গজ সামনে কেউ একজন দাঁড়িয়ে প্রচণ্ড নাক দিয়ে রক্ত ঝরাচ্ছে। তবে আমাকে স্বীকার করতে হবে, যখন গেমটি কয়েক মিনিটের জন্য সত্যিকারের পাগলামিতে মেতে ওঠে, কেবল তখনই আমার কাছে অভিজ্ঞতাটা সজীব মনে হয়। আমি একটি করিডোর দিয়ে দৌড়াচ্ছি এমন সময় আলো নিভে গেল এবং পরক্ষণেই আমি অন্য এক করিডোরে নিজেকে আবিষ্কার করলাম। সেখানে আমার দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে গেল এবং মনে হতে লাগল যেন টিনের বালতির ভেতর কোনো এলক হরিণের গলা টিপে ধরা হচ্ছে। দারুণ! আমি একটি দরজা খুললাম আর সেটি শূন্যে মিলিয়ে গেল এবং সিলিংয়ে আরেকটি দরজা দেখা দিল। চমৎকার! হলের শেষে একটি লাশ পড়ে আছে কিন্তু আমি কাছে যেতেই সেটি লাফিয়ে উঠে আমার ওপর চিৎকার করতে লাগল যেন সব আমার দোষ। অবশেষে আমার ভালো সময় কাটছিল! কিন্তু এরপর সবকিছু থিতিয়ে যায় এবং আপনি আবার সেই একঘেয়ে পুরনো স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসেন। তখন আপনার মনে হবে যে যদি আবার সেই দুঃস্বপ্নে ফিরে যাওয়া যেত।
* আমার মনে হয় আপনি যদি ''এফ.ই.এ.আর.''-এর একজন বিশাল ভক্ত হন, আমি বলতে চাইছি সত্যিই বিশাল ভক্ত, যেমন ধরুন আপনি দিনে দুবার এটি খেলেন এবং আপনার টয়লেটের সিটে জেসন হলের ছবি আঁকা আছে; আর যদি একই ধরণের কৌশলগত লড়াইয়ের প্রতি আপনার চরম আসক্তি থাকে; এবং আপনি যদি এই গল্পের নামহীন ও বৈশিষ্ট্যহীন প্রধান চরিত্রের পরবর্তী পরিণতি জানার জন্য পাগল হয়ে থাকেন, তবেই আমি আপনাকে ''পারসিয়াস ম্যান্ডেট'' খেলার পরামর্শ দেব। হয়তো আপনি থিসিউসের সাথে গোলকধাঁধায় ঘুরে বেড়ানোর সময় এটি খেলতে পারেন, কারণ আপনি স্পষ্টতই পুরাণের কোনো কাল্পনিক প্রাণী। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/15-F-E-A-R-Perseus-Mandate]
===অ্যাসাসিন্স ক্রিড===
* আপনার পরিচয় ফাঁস হওয়ার আরেকটি ভালো উপায় হলো নিরীহ সাধারণ মানুষকে অকারণে ছুরিকাঘাত করা। আর বিশ্বাস করুন, নিজেকে এটি করা থেকে বিরত রাখা যতটা সহজ মনে হয় আসলে ততটা নয়। সেই আমুদে কুষ্ঠরোগীদের একটি অদ্ভুত প্রবণতা আছে, তারা তাদের সব শক্তি দিয়ে আপনাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেয়। তখন আমার মনে হয় তাদের কয়েকটা ঘা দেওয়া আমার অধিকারের মধ্যেই পড়ে; কিন্তু তখন সবাই আপনার বিরুদ্ধে চলে যায় কারণ আপনি যখন এটা করেন তখন আর সেটা মজার থাকে না। আর এরপর আছে সেই সব ভিখারি নারী যারা আপনার সাথে জেঁকের মতো লেগে থাকে এবং ক্রমাগত আপনার সামনে এসে পয়সার জন্য ঘ্যানঘ্যান করে। এটি বৈজ্ঞানিকভাবেই আমাকে বিরক্ত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এরপর যখন আমি তাদের হালকা করে একটি ঘুষির স্বাদ দিই, তখন তারা চিৎকার করতে করতে পালায় যেন আমিই বড় অপরাধী। বিষয়টি আমার হৃদয়ে বেশ আঘাত করে কারণ আমার সব সম্পর্কের পরিণতিই অনেকটা এমন হয়।
* প্রতিটি মিশনের শুরুতে আপনাকে সেই পাহাড়ের চুড়ায় থাকা আপনার ডেরা থেকে অনেকটা পথ হেঁটে নিচে নামতে হয়। এরপর আপনাকে গন্তব্য শহরের ভেতর দিয়ে পথ করে নিতে হয় (মাঝে মাঝে কুষ্ঠরোগীদের গ্লাসগো শহরের গুণ্ডাদের মতো মারধর করে)। এরপর আপনাকে শহরের আশেপাশে কিছু ছোটখাটো ফরমাশ খাটতে বাধ্য করা হয় যা মূলত একই ধরণের তিনটি সাইড কোয়েস্টের পুনরাবৃত্তি। আর শেষে যখন আপনি কাউকে ছুরিকাঘাত করার সুযোগ পান, তখন শুরু ও শেষে দীর্ঘ এবং এড়ানো যায় না এমন সব কাটসিন বা কথোপকথন দেখতে হয়। এমনকি কাউকে মারার পরও আপনাকে সেই মরো মরো ভিকটিমের সাথে লম্বা আলাপ শুনতে হয়। আপনি হয়তো ভাববেন যে গলার ভেতর তলোয়ার ঢুকিয়ে দিলে মানুষের বক্তৃতা দেওয়ার ক্ষমতা কমে যায়, কিন্তু এই বাচালগুলোর মুখ কোনোভাবেই বন্ধ করা যায় না! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/16-Assassins-Creed]
===গিটার হিরো ৩===
* ''গিটার হিরো ৩''-এর মিথ্যে কথা বিশ্বাস করবেন না। এটি আসলে সিরিজের চতুর্থ গেম। তৃতীয়টি ছিল ''রক দ্য ৮০স'', যা আমি খেলিনি। তবে যেদিন আমি একটি এক্সপেনশন প্যাকের জন্য ৭০ ডলার খরচ করব, সেদিন আমি ধারালো তার গিলে ফেলব এবং সেটি পেছন দিয়ে বের করে ঘষে ঘষে নিজেকে মেরে ফেলব।
* এরপর হার্ড মোডে আমি একদম শেষ ধাপে পৌঁছালাম এবং হঠাৎ থমকে গেলাম কারণ সেগুলো শেষ করা অসম্ভব। '''না। থামুন।''' এখনই ইমেইল করতে বসবেন না; আমি শুনতে চাই না যে আপনি কীভাবে এক্সপার্ট লেভেলে "ব্লাড রেইন" গেমে ফাইভ স্টার পেয়েছেন। কারণ আপনি যদি তা পেয়ে থাকেন তবে আপনি একজন আস্ত ''অদ্ভুত মানুষ''। এমন এক অদ্ভুত মানুষ যার হয় তিনটি হাত আছে অথবা কোনো পোষা মাকড়সা আছে যে আপনার হয়ে বাটনগুলো টিপে দেয়! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/17-Guitar-Hero-III]
===মাস ইফেক্ট===
* মানুষ প্রায়ই আমাকে বলে, "ইয়াটজি, ওহে সুশ্রী নিতম্বের অধিকারী সুপারম্যান: আপনি নিজে একজন গেম রাইটার হয়েও কীভাবে একটি গেমে এত বেশি সংলাপ থাকা নিয়ে অভিযোগ করেন?" আমি উত্তর দেব, "ঠিক সেই কারণেই একজন হেয়ারড্রেসার অভিযোগ করার অধিকার রাখেন যখন কেউ তার গাড়ি শ্যাম্পু দিয়ে ভরে ফেলে।"
* ''মাস ইফেক্ট'' হলো এমন এক অসংযমী ব্যক্তির মতো যে কি না এইমাত্র ৬ বোতল মাউন্টেন ডিউ গিলেছে; এটি সংলাপে এতটাই ঠাসা যে প্রতি পদক্ষেপে তা উপচে পড়ে। চরিত্রগুলো সামান্য উসকানিতেই তাদের জীবনের পুরো ইতিহাস আপনার সামনে উগরে দেবে, যেন আপনার সাথে কোনো তথ্যচিত্র তৈরির টিম আছে। কম্পিউটার স্ক্রিন বা মহাকাশযানের কোনো যন্ত্রের দিকে একবার তাকালেই আপনার জার্নালে একগাদা লেখা জমা হবে। গেমটির কৃতিত্ব এই যে আপনাকে আসলে এগুলো কখনোই পড়তে বাধ্য করা হয় না, তবে না পড়লে আপনার মনে হবে যে গেমটি আপনার ওপর কোনো কারণে নাখোশ হয়েছে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/18-Mass-Effect]
4i7f86ck78ctq9x7o6wla3993fzb6xl
73937
73851
2026-04-05T21:51:41Z
ARI
356
/* মাস ইফেক্ট */
73937
wikitext
text/x-wiki
'''''জিরো পাংচুয়েশন''''' হলো ভিডিও গেম পর্যালোচনার একটি সিরিজ যা বেন "ইয়াতজি" ক্রোশ তৈরি করেছেন। এটি মূলত ইউটিউবে এবং পরে দ্য এসক্যাপিস্ট ম্যাগাজিনের জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
== ২০০৭ ==
=== দ্য ডার্কনেস ডেমো ===
* ''দ্য ডার্কনেস'' হলো একটি হরর থিমযুক্ত ফার্স্ট-পারসন শুটার গেম। এটি এমন এক কমিক বইয়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি যার নাম আমি আগে শুনিনি। গেমটি তৈরি করেছে চমৎকার নামের স্টারব্রিজ স্টুডিওস। তাদের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আগের গেমটি ছিল ''দ্য ক্রনিকলস অফ রিডিক: এস্কেপ ফ্রম বুচার বে''। সেখানে খেলোয়াড়েরা ক্লেমেশন ভিন ডিজেলকে নিয়ন্ত্রণ করত, যে কি না বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মুখের সামনে নিজেকে নিয়ে নির্লজ্জ আদিখ্যেতা করার এক অবিরাম প্রচেষ্টায় লিপ্ত ছিল।
* ...আমাকে যা করতে হয়েছিল তা হলো, মাটিতে থাকা সহজেই চোখ এড়িয়ে যায় এমন একটি সাদা দাগের কাছে ফিরে যাওয়া। সেটি ব্যবহার করে একটি শয়তান ইম্পকে ডেকে আনা এবং তাকে নির্দেশ দেওয়া যাতে সে কবরস্থানের একটি প্রবেশপথের সামনে আড়াআড়িভাবে রাখা একটি গাড়ি সরিয়ে দেয়। আমি বিষয়টা আবার বলি: গেমটি আমাকে দিয়ে নরকের গভীর থেকে অনেকগুলো দাঁত আর নখরওয়ালা এক দানবকে ডেকে আনালো। কিন্তু সেটি নিরপরাধ মানুষকে দাসে পরিণত করার জন্য বা দুনিয়ার সব দেশ ধ্বংস করার জন্য নয়, বরং তাকে আমার ব্যক্তিগত গাড়ি সরানোর কাজে ব্যবহার করার জন্য!
* ব্যক্তিগতভাবে, এই মুহূর্তে আমি ''দ্য ডার্কনেস''-এর পূর্ণ সংস্করণ কেনার কথা তখনই ভাবব, যদি এর দাম অনেক কমে যায় এবং তারা এর সাথে অন্য কোনো ভালো গেমও দিয়ে দেয়। সাথে কিছুটা কেক আর বেলজিয়াম দেশটাকেও দিতে হবে। [https://www.youtube.com/watch?v=eWS9_nrKOPA]
=== ফেবল: দ্য লস্ট চ্যাপ্টারস ===
* ''ফেবল'' গেমটি লায়নহেড স্টুডিওসের তৈরি, যারা অনেকদিন ধরে বিখ্যাত গেম ডিজাইনার পিটার মোলিনেক্সের আস্তানা হিসেবে পরিচিত। পিটারের একটি স্বভাব হলো বিশাল সব প্রতিশ্রুতি দেওয়া এবং শেষ পর্যন্ত নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষার চাপে নিজেই পঙ্গু হয়ে যাওয়া (এর উদাহরণ হিসেবে তার অগোছালো গেম ''ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট''-এর কথা বলা যায়)। উদাহরণস্বরূপ, ''ফেবল'' তৈরির সময় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যে এতে প্রতিদ্বন্দ্বী এনপিসি চরিত্র থাকবে, গাছপালা বাস্তব সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বড় হবে এবং আপনার প্রতিটি ছোটখাটো সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে আপনার চেহারা ও চারপাশের পৃথিবী বদলে যাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা যা পেলাম তা হলো ত্রুটিপূর্ণ একটি অ্যাকশন-আরপিজি গেম, যেটি নিজেকে নিয়ে বড্ড বেশি গর্বিত।
* এই গেমের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো আপনি একজন ভালো চরিত্র অথবা একজন মন্দ চরিত্র হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই আমি এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় শয়তান হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। গেমটির মতে শয়তান হওয়ার সেরা উপায় হলো কালো পোশাক পরা, বিশাল গোঁফ রাখা, সারা মুখে উল্কি আঁকা আর মাঝেমধ্যে পথচারীদের চড়-থাপ্পড় মারা। আমি নিজেকে একজন জাদুকর হিসেবেও তৈরি করতে চেয়েছিলাম কারণ আমি চেয়েছিলাম আমাকে দেখতে মিং দ্য মার্সেলেসের মতো লাগুক। কিন্তু শুরুর দিকের জাদুমন্ত্রগুলো এতোটাই দুর্বল ছিল যে শেষ পর্যন্ত আমাকে অর্ধেকটা সময় তলোয়ারই ব্যবহার করতে হতো। গেমটি শেষ পর্যন্ত আমার উপাধি দিল "স্পেলওয়ারিয়র", যা শুনে আমার মনে হলো তারা আমাকে একজন সিদ্ধান্তহীন বোকা মানুষ বলছে।
* শেষ পর্যন্ত আমি যখন ফাইনাল বসের মুখোমুখি হলাম, সে এক জায়গায় স্থির হয়ে দাঁড়াচ্ছিল না যাতে আমার শক্তিশালী কালো জাদুমন্ত্রটি কাজ করে। তাই আমার একমাত্র উপায় ছিল তলোয়ার দিয়ে বারবার তার মাথায় আঘাত করা, যখন সে অনবরত আমার শরীরের নিচের অংশ কামড়ে খাচ্ছিল। কিন্তু সেই সময় আমার কাছে এতো বেশি হেলথ পোরশন (জীবনদায়ী পানীয়) ছিল যে আমি অনায়াসেই সেগুলো ব্যবহার করে বেঁচে থাকতে পারছিলাম। বসটি মারা যাওয়ার পর আমার কাছে এতো বেশি পানীয় বেঁচে ছিল যে আমি চাইলে সেগুলো দিয়ে একটা বড়সড় হেলথ পোরশন পার্টি দিতে পারতাম। [https://www.youtube.com/watch?v=jYQLR7dE5k4]
=== হেভেনলি সোর্ড এবং অন্যান্য ===
* নারিকো তখন পাশে বসে থাকা বিড়ালের মতো কান আর মেকআপ পরা এক... অদ্ভুত জিনিসের দিকে ফিরে তাকালো। দেখে মনে হচ্ছিল মেকআপটি কিস ব্যান্ডের এমন কোনো ভক্ত লাগিয়েছে যার পার্কিনসন রোগ আছে। নারিকো তাকে জানালো যে সে সব দুষ্ট লোকদের শেষ করে দিতে চায়। তারপর খুব গম্ভীর মুখে সে বলল, "আমাদের হয়তো তোমার 'টুইং-টোয়াং' বাজানোর প্রয়োজন হতে পারে।" এটি শোনার পর আমার প্রথম চিন্তা ছিল, "আমি নিশ্চিতভাবে এই কথাটি প্রসঙ্গের বাইরে ব্যবহার করব।" কিন্তু পরে ভেবে দেখলাম, এটি মূল প্রসঙ্গের ভেতরেও খুব একটা অর্থ বহন করে না। ডেভেলপাররা যদি ভেবে থাকেন যে শুধুমাত্র এই "টুইং-টোয়াং" জিনিসটা কী তা জানার জন্য আমি পুরো গেমটি কিনব, তবে তারা তাদের মিশনে সফল হয়েছেন। তবে এটি যদি লেসবিয়ান যৌনাচারের কোনো সুন্দর ছদ্মনাম না হয়, তবে আমি খুব হতাশ হব (হ্যাঁ, আমি এ পর্যন্তই বলে ফেললাম)।
* আমার মনের এক অংশ বলছে যে শিল্পের বিচারে ''আরই ৫''-এর কিছু সার্থকতা থাকতে পারে। কারণ একটি হরর গেমের কাজই হলো মানুষকে অস্থির করে তোলা; আর খেলোয়াড়কে এমন কিছু করতে বাধ্য করা যা ভীতিকর হওয়ার পাশাপাশি রুচিহীন, তা আসলেই একটি নতুন পদ্ধতি। কিন্তু আবারও মনে পড়ে এটি ''রেসিডেন্ট ইভিল'' সিরিজ, যারা আমাদের "তীক্ষ্ণ কণ্ঠের বামন নেপোলিয়ন" উপহার দিয়েছিল। তাই তাদের কোনো আইডিয়ার পেছনে যদি সূক্ষ্ম কোনো অর্থ থেকেও থাকে, তবে সেটি সম্ভবত নিছক একটি দুর্ঘটনা। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/1-Heavenly-Sword-and-Other-Stuff]
===সাইকোনটস===
* শেফারের হাস্যরসের একটি অন্যতম প্রধান দিক হলো অদ্ভুত বা কাল্পনিক কোনো পরিবেশে খুব সাধারণ বা জাগতিক পরিস্থিতির সহাবস্থান দেখানো (দেখুন: ''গ্রিম ফ্যানড্যাঙ্গো'')। ''সাইকোনটস'' এই ধারা বজায় রেখেছে, কারণ এর পটভূমি হলো অতীন্দ্রিয় ক্ষমতা সম্পন্নদের জন্য একটি সামার ক্যাম্প। গল্পটি র্যাজ নামের এক শিশু ব্যায়ামবিদের রোমাঞ্চকর অভিযান নিয়ে। সে সার্কাসে যোগ দেওয়ার বদলে প্রথা ভেঙে সেখান থেকে পালানোর জন্য ঘর ছাড়ে। তার জন্মগত অতীন্দ্রিয় ক্ষমতার জোরে সে কোনো টিউশন ফি না দিয়েই ক্যাম্পে ঢুকে পড়ে। তবে দ্রুতই কর্মফল তাকে ভোগাতে শুরু করে যখন সে এক অশুভ চক্রান্তে জড়িয়ে পড়ে। তাকে তখন তার চারপাশের মানুষের অবচেতন মনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হওয়া অদ্ভুত সব অপার্থিব জগত ঘুরে দেখতে হয়। পুরো ব্যাপারটা অনেকটা এমন, উইলি ওঙ্কার চকলেট ফ্যাক্টরির ভেতরে টিম বার্টন যদি ডেভিড লিঞ্চকে গর্ভবতী করে ফেলতেন এবং বাচ্চা জন্মানোর আগ পর্যন্ত মেথ খেয়ে যেতেন।
* ''[গেমটির ভালো দিকগুলোর তালিকা]'' প্রথমত, এই ইন্ডাস্ট্রির প্রায় সবকিছুই যেখানে অন্যকে নকল করার ওপর ভিত্তি করে তৈরি, সেখানে এটি বেশ মৌলিক কিছু। দ্বিতীয়ত, এটি সত্যিই হাস্যরসাত্মক; অথচ হাস্যরসের চেষ্টা করা বেশিরভাগ ভিডিও গেম যেন অ্যানেস্থেসিয়া ছাড়া অন্ত্রের অস্ত্রোপচারের মতো যন্ত্রণাদায়ক। তৃতীয়ত, প্রতিটি চরিত্রকেই তাদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও ব্যক্তিত্ব দিয়ে খুব স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এমনকি সেই ছোটখাটো গুরুত্বহীন চরিত্রগুলোর ক্ষেত্রেও এটি সত্যি, যারা শেষ ''দ্য লর্ড অফ দ্য রিংস'' সিনেমায় ক্রিস্টোফার লি-র চেয়েও কম সময় পর্দায় ছিল। আর সবশেষে, এটি ''মজাদার''। মনে আছে? আনন্দ বা মজা? গেমিং যখন দ্বিতীয় কোনো চাকরির মতো মনে হতো না, তার আগে আমরা যে আনন্দ পেতাম? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/2-Psychonauts]
=== কনসোল রানডাউন ===
* বর্তমান প্রজন্মের কনসোলগুলোর মাধ্যমে আমরা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছি বা প্রায় পৌঁছে গেছি, যেখানে গ্রাফিক্স আর খুব বেশি উন্নত হবে না। তাই এখন আমাদের গত প্রজন্মের প্রযুক্তির পেছনে ছোটা বন্ধ করা উচিত এবং সাইলেন্ট হিল ২-এর মতো প্রকৃত গভীরতা সম্পন্ন কিছু গেম তৈরিতে মনোযোগ দেওয়া উচিত। তবে কনসোল যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত একেবারেই নিরর্থক, কারণ ইতিহাসের সেরা গেম কমোডোর ৬৪-এর জন্য ''ফ্যান্টাসি ওয়ার্ল্ড ডিজি'' ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গেছে। অথবা হয়তো পুরো গেমিং জগতটাই অর্থহীন জীবনের বিশাল রাস্তার ধারে পড়ে থাকা নুড়ি পাথর নিয়ে খেলার মতো। তবে যাই হোক, অন্তত এখানে সহিংসতা আর স্তন তো আছে! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/3-Console-Rundown]
===বায়োশক===
* ''বায়োশক''কে ''সিস্টেম শক ২''-এর যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। আমি নিশ্চিত ''সিস্টেম শক ২'' তার এই নরমাল-ম্যাপ করা এবং ফং-শেডেড জারজ সন্তানকে নিয়ে খুব গর্বিত হবে, কারণ এটি তার বাবার ওপর ঠিক ততটাই গেছে যতটা জর্জ বুশ তার বাবার ওপর গেছেন। আর আমি জানি আপনারা কী বলবেন: "ইয়াটজি, ওহে আমার চটকদার তেজী ঘোড়া, এটা কেমন ধরনের অভিযোগ? ''সিস্টেম শক ২'' তো দুর্দান্ত ছিল, আর এর মতো যেকোনো গেমই তো সমান ভালো হওয়া উচিত।" কিন্তু আসল কথা হলো: এটা ''সিস্টেম শক ২''-এর '''মতো''' নয়, এটা আসলে ''সিস্টেম শক ২''-ই। ও হ্যাঁ, এটা দেখতে আলাদা, এর সূক্ষ্ম খুঁটিনাটিতে পার্থক্য আছে, আর চরিত্রের নামগুলো পাল্টে দেওয়া হয়েছে,এমনি সব ফালতু ব্যাপার। কিন্তু যখন আপনি এই উপরের আবরণগুলো সরিয়ে ফেলবেন, তখন দেখবেন ভিলেনটা আসলে কোট পরা এবং হাতে ''অ্যাটলাস শ্রাগড'' বই নিয়ে থাকা খোদ শোডানই।
*কিন্তু গেমটিতে মাত্র দুটি সমাপ্তি আছে-একটি ভালো আর একটি খারাপ। এদের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য হজম করা বেশ কঠিন। ভালো সমাপ্তিতে আপনি হলেন একজন পুণ্যবান পুষ্পশিশু যে বিধাতার রাজ্যের সব প্রাণীর দিকে তাকিয়ে হাসে। আর খারাপ সমাপ্তিতে আপনি হলেন হিটলার আর স্কেলেটরের এক সংকর রূপ, যার মূত্রও যেন বিশুদ্ধ শয়তানি। আমি সেইসব গেম দেখে ক্লান্ত যেগুলো পছন্দের সুযোগ দেওয়ার দাবি করে কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয় আপনাকে মাদার তেরেসা হতে হবে নয়তো বাচ্চা-খাউকা শয়তান। আমি শুধু এটাই বলতে চাই যে, মাঝেমধ্যে একটু মধ্যপন্থা অবলম্বন করলে ভালোই হতো। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/4-BioShock]
=== টুম্ব রেইডার অ্যানিভার্সারি ===
* গেমটির লড়াই করার পদ্ধতি আধুনিক করা হয়েছে। এর মানে হলো তারা এখানে সেই পুরোনো গড অফ ওয়ার বা সাইমন সেজের মতো বারবার বাটন টেপার বিরক্তিকর দৃশ্যগুলো ঢুকিয়ে দিয়েছে, যা আজকাল নিয়ম মেনে প্রতিটি অ্যাকশন গেমেই থাকতে হয়। আর ডিজাইন টিমের কেউ একজন (আপনি জানেন আপনি কে) ভেবেছিলেন যে ফায়ার করার জন্য বাটন চেপে ধরে রাখার বদলে বারবার আর১ বাটন টেপার আইডিয়াটি খুব চমৎকার হবে। কিন্তু আর১ বাটনটি অনবরত টেপার জন্য আরামদায়ক অবস্থানে নেই। আর আপনি যখন এমন সব শত্রুর মুখোমুখি হন যারা মরার আগে এক কোটি গুলি খেতে পারে (যেমন ধরুন, গেমের প্রায় সব শত্রুই), তখন আপনার আঙুলে খিঁচুনি ধরে যাবে। আপনার মনে হবে আপনি গিটার হিরো খেলছেন কিন্তু রক স্টার হওয়ার সেই কল্পনাটা আপনার সাথে নেই।
* ''[গেম প্রকাশকদের আইডিয়া খুঁজে পেতে সাহায্য করছেন]'' এখানে একটি আইডিয়া আছে: একজন জিন-প্রকৌশলী তাইওয়ানিজ বাবুর্চি তার বড় স্তনবিশিষ্ট প্রেমিকাকে মামিদের হাত থেকে বাঁচাতে ফেজ টুপি পরা একটি গুইসালাপের সাথে দল পাকিয়েছে। দেখলেন তো? এটা খুব সহজ। বড় স্তনবিশিষ্ট একজন ব্রেস্ট ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ নিজের স্তন আরও বড় করার খরচ জোগাতে সময়ের অতীতে ভ্রমণ করছেন। একদল বড় স্তনধারী মানুষ তাদের বিশাল স্তন বহর নিয়ে নতুন এক স্তন-গ্রহের খোঁজে বেরিয়ে পড়েছে। স্তন, তরমুজ, দুধের কারখানা, আবক্ষ, মজার ব্যাগ, টোকা, ব্যালিস্টিকস, বুবস, জগস, নিপলস, জবলিস... বিশাল... বিশাল... বুক। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/5-Tomb-Raider-Anniversary]
=== ম্যানহান্ট ===
* থার্ড-পারসন অ্যাকশন গেম ডেভেলপাররা, একটা কথা পরিষ্কার করে বুঝে নিন, ঠিক আছে? বাম অ্যানালগ স্টিক নড়াচড়া করার জন্য; ডান অ্যানালগ স্টিক খেলোয়াড়ের চারপাশে ক্যামেরা ঘোরানোর জন্য। এটা কীভাবে সম্ভব যে, যখন আপনারা দেখেন কোনো কিছু নিখুঁতভাবে কাজ করছে, তখনই আপনারা সেটিকে উন্নত করার নামে জগািখচুড়ি পাকিয়ে ফেলেন? ''ম্যানহান্টে'' ডান অ্যানালগ স্টিকটি ফার্স্ট-পারসন ক্যামেরায় বদলে যায়। তাত্ত্বিকভাবে এটি যুক্তিযুক্ত মনে হতে পারে, কিন্তু এর মানে হলো আপনি যখন লুকিয়ে থেকে আপনার পেছনে পাহারারত কোনো গার্ডকে দেখার চেষ্টা করেন, তখন স্টিকটিতে একটু ছোঁয়া লাগলেই আপনি দেয়ালের দিকে তাকিয়ে থাকেন। আর অর্ধেক সময় যখন আপনি ক্যামেরাটিকে ঠিকঠাক পজিশনে আনেন, তখন দেখবেন গার্ডটি আপনার একদম সামনে চলে এসেছে এবং আপনার অণ্ডকোষে ছুরি বসিয়ে দিয়েছে।
* তবে ''ম্যানহান্টের'' মতো গেমগুলো কম বয়সী বা অপরিণত মস্তিষ্কের মানুষদের মাথা নষ্ট করে কি না, সেই তর্কে আমি কার পক্ষ নেব তা জানি না। গেমটিতে খুব স্পষ্টভাবে সতর্কবার্তা দেওয়া আছে যে বারো বছর বয়সীদের এটি খেলার কথা নয়। কিন্তু এতে কোনো সন্দেহ নেই যে তারাই এটি খেলে, কারণ বারো বছর বয়সী ছাড়া আর কারো এসব জিনিসে রুচি নেই। গ্যারোট তার দিয়ে মাথা কাটা বা বেসবল ব্যাট দিয়ে মাথার খুলি উড়িয়ে দেওয়া নিয়ে হাঁপাতে হাঁপাতে গল্প করা মিডল স্কুলে বন্ধু পাওয়ার ভালো উপায় হতে পারে; কিন্তু অফিসের আড্ডায় এটি বন্ধু হারানোরই একটা ভালো উপায়। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/6-Manhunt]
=== পেগল ===
* এই গেমটি সম্পর্কে আমি যা বলতে পারি তা হলো, আমি দুপুর নাগাদ এটি খেলতে শুরু করেছিলাম এবং অনেক পরে যখন রুম থেকে বের হলাম তখন দেখলাম কর্তৃপক্ষ আমাকে আইনত মৃত ঘোষণা করেছে। যদি এই "ক্যাজুয়াল গেমিং" বিষয়টি আপনার মাথা এড়িয়ে গিয়ে থাকে, তবে আমাকে আপনার মুখ জ্ঞানের সেই পচা পানির নিচে ডুবিয়ে ধরতে দিন। সাম্প্রতিক অতীতে কেউ একজন খেয়াল করেছিলেন যে ''বিজুয়েলডের'' মতো সাধারণ ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক রঙ মেলানোর গেমগুলো লজ্জাজনক পরিমাণ টাকা কামাচ্ছে। এর কারণ হলো, সময় গড়ানোর সাথে সাথে বাড়িতে একা থাকা বিরক্ত গৃহিণীরা নিজেরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে টিভি মেকানিকের সাথে প্রেম করা আর শোভন নয়, তাই তারা আমোদ-প্রমোদের জন্য ভিডিও গেমের দিকে ঝুঁকেছেন।
* সংক্ষেপে বলতে গেলে এটি মন্দ নয়। আমি ''বুকওয়ার্ম অ্যাডভেঞ্চারস'' বেশি পছন্দ করেছি, কিন্তু আমি সেইসব অপদার্থ মিউট্যান্টদের একজন যারা সত্যিই স্ক্র্যাবল খেলতে পছন্দ করে। ব্যস এটুকুই। ''পেগল'' নিয়ে আমি এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারব না কারণ গেমটি এটুকুই। পপ ক্যাপ-এর লক্ষ্য কী আমি জানি না, তবে আমি বাজি ধরে বলতে পারি তাদের মূলমন্ত্র হলো—"সুন্দর ঝলমলে আলো, উৎসাহব্যঞ্জক শব্দ আর যতটা সম্ভব কম গেমপ্লে ব্যবহার করে প্রিমিয়াম মানের কোকেন সদৃশ গেমিং অভিজ্ঞতা তৈরি করা।" আর এটি তাদের জন্য বেশ ভালোই কাজ করছে কারণ তারা এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। '''কোটি কোটি!''' তারা শুধুমাত্র সস্তা টু-ডি গেম বানায়! এতো টাকা তারা কিসে খরচ করে? আইসক্রিম কিনতে? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/7-Peggle]
===হ্যালো ৩===
* এর কঠিন হওয়ার ধারাটা একজন দ্বিধাগ্রস্ত বেশ্যার অন্তর্বাসের মতো ওঠানামা করে। এরপর শেষ এক ঘণ্টার মতো সময়ে এটি হুট করে খুব সহজ হয়ে যায়। গেমের শুরুর দিকে এমন কিছু অংশ ছিল যেগুলো আমাকে একেবারে নাস্তানাবুদ করে ছেড়েছে, অথচ ফাইনাল বস ফাইট বলতে যা আছে তা হলো মূলত হুইলচেয়ারে বসা এক ট্যারা হববিটের বিরুদ্ধে আপনার লড়াই, যেখানে আপনার হাতে আছে বিএফজি ৯০০০।
* কিন্তু আসলে আমি এসব বলে কী অর্জন করতে চাইছি তা জানি না। ''হ্যালো ৩'' ইতোমধ্যেই ঈশ্বরের চেয়েও বেশি জনপ্রিয় হয়ে গেছে। আমি এমন কিছু বলতে পারব না যা মাইক্রোসফটকে এত টাকা কামানো থেকে আটকাতে পারবে যা দিয়ে তারা সুইজারল্যান্ড কিনে নিতে পারে। তারা স্রেফ এই ধারণাটাকেই আরও পোক্ত করছে যে গেমাররা আসলে চামচের গভীরতা বিশিষ্ট উজ্জ্বল রঙের আবর্জনাই চায়। তাই ভবিষ্যতে যদি আমরা মাইক্রোসফট ওভারমাইন্ডের ভিনগ্রহের খনিতে হাড়ভাঙা খাটুনির ফাঁকে কোনোমতে সময় বের করে "ক্যাপ্টেন ব্ল্যান্ডস মনোটোনাস অ্যাডভেঞ্চার" খেলতে বসি, তবে জেনে রাখবেন যে আমি আগেই এই ল্যাজেগোবরে অবস্থার কথা বলেছিলাম। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/8-Halo-3]
===তাবুলা রাসা===
* ''তাবুলা রাসা'' একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ "খালি স্লেট" এবং এটি সাধারণত সেই মতবাদকে বোঝায় যেখানে বলা হয় যে মানুষ জন্মগতভাবে কোনো বিশেষ প্রোগ্রামিং ছাড়াই জন্মায়। উদাহরণস্বরূপ, রিচার্ড গ্যারিয়ট একজন সম্পূর্ণ উন্মাদ গেম ডিজাইনার যিনি মুকুট পরেন এবং চান যে মানুষ তাকে লর্ড ব্রিটিশ বলে ডাকুক। কিন্তু তিনি কি জন্ম থেকেই এমন পাগল ছিলেন, নাকি উপযুক্ত সামাজিক যোগাযোগের অভাবে তিনি চিরতরে এক পাগলাটে কাল্পনিক জগতে হারিয়ে গেছেন?
* এমএমও গেমগুলো থেকে 'গ্রাইন্ড' বা একঘেয়ে খাটুনি সরিয়ে দেওয়ার কথা ভাবাটা বেশ ভালোই মনে হয়, যতক্ষণ না আপনি এর গভীরে ভাববেন। কারণ এই গ্রাইন্ডের কারণেই মানুষ এত দীর্ঘ সময় ধরে এমএমও খেলে। আর এটা সরিয়ে ফেলা মানে হবে রিচার্ড গ্যারিয়ট থেকে তার পাগলামিটুকু কেড়ে নেওয়া। তা ছাড়া এ পর্যন্ত সব এমএমও গেমেই প্রচুর গ্রাইন্ড আছে এবং তা মানুষকে খেলা থেকে আটকাতে পারছে বলে মনে হয় না। আমার ধারণা কিছু মানুষ এই ধরণের জিনিস পছন্দ করে। কিছু মানুষ আবার মোটা মানুষকেও যৌন আবেদনময়ী মনে করে। আমি নিজেও তাদের বুঝি না, যেমনটা বেশিরভাগ মানুষ বোঝে না যে কেন আমি লেটুস পাতা দিয়ে আমার লিঙ্গ মুড়িয়ে অন্য মানুষের সালাদে লুকিয়ে রাখতে পছন্দ করি। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/9-Tabula-Rasa]
===দ্য অরেঞ্জ বক্স===
* আমার কেন জানি মনে হয় ভালভ এপিসোডিক গেমিংয়ের মূল উদ্দেশ্যটা কিছুটা হারিয়ে ফেলেছে। এর মূল ধারণাটা ছিল সস্তায় ছোট গেম ঘন ঘন বাজারে ছেড়ে গেম পাবলিশিংয়ের প্রথাগত ঝক্কি ঝামেলা কমিয়ে আনা। তারা প্রথম ও দ্বিতীয় দিকগুলো ঠিকঠাক করলেও তৃতীয়টির সাথে এখনও লড়ছে।
* (''হাফ-লাইফ ২: এপিসোড টু''র ওপর) এপিসোড ২ মেজো সন্তানের মতো কিছুটা অবহেলার শিকার হয়েছে। এর কোনো প্রকৃত শুরু বা শেষ নেই, তাই গল্পটা শুধু এদিক-ওদিক ঘোরে। এই অনুভূতিটা দূর করা কঠিন যে আমরা পরবর্তী এপিসোডের জন্য স্রেফ সময় কাটাচ্ছি। কোনো সতর্কবার্তা ছাড়াই হুট করে একটি নতুন চরিত্র নিয়ে আসা হয় এবং সবাই এমন আচরণ করে যেন আমরা তাকে আগে থেকেই চিনি। এটা আসলে বেশ বিভ্রান্তিকর। ভালভ এ পর্যন্ত সব প্রধান এনপিসি চরিত্রের প্রতি আমাদের সহানুভূতি জাগাতে দারুণ কাজ করেছে। তাই একদম শেষের দিকে এসে এমন নতুন কারো সাথে পরিচয় হওয়াটা অনেকটা এমন—স্কুল থেকে ফিরে দেখলেন ডাইনিং টেবিলে একটি সিন্ধুঘোটক বসে আছে আর আপনি ছাড়া আর কারো চোখে সেটা পড়ছে না।
* (''টিম ফোর্ট্রেস ২''র ওপর) ...সব সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও এটি এখন অবিশ্বাস্যভাবে ভারসাম্যপূর্ণ। আপনি যে ধরণের গেমই পছন্দ করেন না কেন, এখানে সবার জন্যই কিছু না কিছু আছে। সজাসাপ্টা মার খাওয়ার জন্য আছে হেভি; পেছন থেকে ছুরি মারার মতো চোরচোট্টা চরিত্রের জন্য আছে স্পাই; আর যারা পয়েন্ট-অ্যান্ড-ক্লিক অ্যাডভেঞ্চার গেম পছন্দ করেন তাদের জন্য আছে স্নাইপার। যদিও এখানে একমাত্র ধাঁধাটি হলো, "মানুষের ওপর বন্দুক ব্যবহার করা।"
* (''পোর্টাল''-এর ওপর) ...আপনি যদি নিয়মিত এই শো দেখেন তবে বুঝবেন যে আমার মুখ থেকে এই কথাগুলো বের হওয়া কতটা পাগলামি মনে হতে পারে, কিন্তু আমি এর কোনো খুঁত খুঁজে পাচ্ছি না। আমি সিরিয়াস! যতক্ষণ না তারা ফোর্স-ফিডব্যাক আছে এমন কোনো অন্তর্বাস আবিষ্কার করছে, পিসিতে এর চেয়ে বেশি মজা আপনি আর পাবেন না। আমি অনেকগুলো আকর্ষণীয় পোর্টাল ধাঁধার আশা নিয়ে খেলা শুরু করেছিলাম এবং ঠিক সেটাই পেয়েছি। কিন্তু আমি একদমই আশা করিনি যে কোনো গেমে আমি এত চমৎকার হাস্যরস শুনতে পাব। ঠিক আছে, এটা মাত্র ২ থেকে ৩ ঘণ্টার গেম, তবে এই দৈর্ঘ্যে গেমটি বেশ মানানসই, এর মানে হলো এটি অকারণে লম্বা হয়নি এবং আপনাকে দ্রুত সেই রোমহর্ষক ও দুর্দান্ত সমাপ্তির কাছে পৌঁছে দেয়। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একেবারে অ-তুল-নীয়, আর ভবিষ্যতে আমি যদি অন্য কোনো কিছুর বর্ণনা দিতে এই শব্দগুলো ব্যবহার করি তবে আমি নিজের চোখে কাঁটাচামচ ঢুকিয়ে দেব! হ্যাঁ, আমি জানি কোনো গেমকে ভালোবাসাটা খুব একটা মজার বিষয় নয়, কিন্তু আপনার যা খুশি ভাবুন! ''পোর্টাল'' দুর্দান্ত, আর আপনি যদি তা মনে না করেন তবে আপনি নিশ্চয়ই নির্বোধ! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/10-The-Orange-Box]
===সুপার পেপার মারিও===
* দ্বিতীয় অধ্যায়ে মারিওকে কাজ করে টাকা কামাতে হয় যাতে সে সেই সব নির্বোধ ধ্বংসযজ্ঞের ক্ষতিপূরণ দিতে পারে যা অ্যাকশন আরপিজি খেলোয়াড়দের কাছে খুব স্বাভাবিক একটা বিষয়। আর এটা করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো কন্ট্রোলারের "ডান" বাটন চেপে একটি বিশালাকার হ্যামস্টার হুইলে দৌড়ানো। আর এটা করতে হবে প্রায় পনেরো মিনিট ধরে -- আমি ইয়ার্কি করছি না। -- আপনি যদি বুদ্ধিমান না হন তবেই এমনটা করবেন। আপনি যদি আমার মতো বুদ্ধিমান হন, তবে আপনি ডি-প্যাডের ওপর আপনার রুমমেটের কোনো খেলনা দিয়ে সেটা চেপে রাখবেন এবং নিজে অন্য কোথাও গিয়ে আনন্দ করবেন। ঠিকই শুনেছেন। একটা '''গেম''' খেলার সময় আপনাকে আনন্দ খুঁজে নিতে হচ্ছে -- অথচ একটি '''গেমের''' মূল উদ্দেশ্যই হওয়ার কথা বিনোদন দেওয়া। আর খেলোয়াড়কে যদি এটি করতে হয়, তবে বুঝতে হবে গেমটিতে নিশ্চিতভাবেই বড় কোনো সমস্যা আছে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/11-Super-Paper-Mario [১১]]
===এমওএইচ এয়ারবোর্ন===
* ''মেডেল অফ অনার'' সিরিজ ১৯৯৯ সাল থেকে চলছে। এর মানে হলো এটি আনুষ্ঠানিকভাবে আসল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের চেয়েও দীর্ঘ সময় ধরে চলছে। আর এ পর্যন্ত যত গেম, সিনেমা এবং টিভি শোতে এই যুদ্ধকে দেখানো হয়েছে, সেগুলোকে একত্রিত করলে মনে হবে শুধু নরম্যান্ডি ল্যান্ডিং বা উপকূলে অবতরণ করতেই সম্ভবত ৬ মাসের মতো সময় লেগেছিল। তবে কেন আমেরিকানদের সেই সময়টা নিয়ে এত মোহ, যেখানে বাকি বিশ্ব সেই স্মৃতি ভুলে সামনে এগিয়ে যেতে চায়? এর কারণ সম্ভবত এটাই ছিল তাদের শেষ যুদ্ধ যেখানে তারা সত্যিই ভালো কিছু করেছিল। সেখানে তারা একজন স্পষ্টতই খলনায়কের বিরুদ্ধে পরিষ্কার জয় পেয়েছিল যে কি না সত্যিকারের হুমকি ছিল -- সাম্প্রতিক সেই সব দোদুল্যমান যুদ্ধের মতো নয় যেখানে তারা কোনো উন্নয়নশীল দেশে হুট করে ঢুকে পড়ে, সবকিছু তছনছ করে দেয়, আর ওখানকার মানুষ যখন নিজের স্বজনদের খেতে শুরু করে তখন নিজেদের বিজয়ী ঘোষণা করে বেরিয়ে আসে।
* বাস্তবের নাৎসিরা যতটা নিষ্ঠুর ছিল, গেম নির্মাতাদের কাছে তা যথেষ্ট মনে হয়নি। তাই গেমটিতে ঐতিহাসিক নির্ভুলতাকে তাদের বিপক্ষে একটু বাঁকিয়ে চুরমার করা হয়েছে। আমি কোনো ঐতিহাসিক নই, তবে আমি নিশ্চিত যে নাৎসিদের এমন কোনো এলিট বাহিনী ছিল না যারা গ্যাস মাস্ক পরত, মিনিগান চালাত এবং কপালে তিনবার স্নাইপারের গুলি খাওয়ার পরও বেঁচে থাকত। আর আমি এটাও নিশ্চিত যে নাৎসিদের কাছে বিশাল এক সাঁজোয়া কংক্রিট টাওয়ার ছিল না যাকে কেবল একটি ''সর্বনাশা দুর্গ'' হিসেবেই বর্ণনা করা যায়। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/12-MOH-Airborne]
===জেল্ডা ফ্যান্টম আওয়ারগ্লাস===
* নিনটেনডো ছাড়া পৃথিবীটা বর্তমানের চেয়ে অনেক বেশি নিরানন্দ হতো। তবুও তাদের ব্যাপারে এমন কিছু আছে যা আমাকে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ করে। পুরো পৃথিবী আর স্বর্গ কিনে নেওয়ার মতো যথেষ্ট টাকা তাদের আছে। আর তাদের ভক্তরা এতটাই অন্ধ যে তারা যদি নর্দমার ময়লায় মাখা কোনো ধর্ষককে নিয়েও গেম বানায়, তবে সেটিও তড়তড় করে হুহু করে বিক্রি হবে। সারা বিশ্বের অনেক গেম নির্মাতার কাছেই গেমের নতুন এবং আকর্ষণীয় সব আইডিয়া আছে। নিনটেনডোর এই জায়গায় বসার জন্য তারা হয়তো খুশিমনে তাদের সবকিছু বিসর্জন দেবে। অথচ নিনটেনডো স্রেফ একই গেম বারবার রিমেক করে যাচ্ছে! ঠিক আছে, মাঝে মাঝে আপনার কাছে একটা অকারিনা থাকে, কখনো আপনি নৌকায় চড়েন, আবার কখনো আপনি নেকড়ে-মানবে পরিণত হন যাকে নিয়ে ডেভিয়েন্টআর্টের লোকজন কুরুচিপূর্ণ ছবি আঁকে। তবে এ পর্যন্ত হওয়া ৯০ বিলিয়ন জেল্ডা গেমের মধ্যে আপনি যেকোনোটি বেছে নিন, দেখবেন আপনি সেই একই লোক হয়ে একই মেয়েকে সেই একই বুমেরাং দিয়ে উদ্ধার করছেন।
* বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গেমের মুভমেন্ট বা নড়াচড়া বেশ স্বাভাবিক মনে হয়। আর ম্যাপের ওপর মনের সুখে আঁকিবুঁকি করার বিষয়টি আমার কাছে বেশ স্বস্তিদায়ক লেগেছে। তবে ডিএস-এর অন্যান্য বিচিত্র ফাংশনগুলো জোর করে গেমে ঢুকিয়ে দেওয়ার ফলে এর উল্টো প্রতিক্রিয়াও হয়। যেমন ধরুন, যখন আপনাকে মাইক্রোফোনের সামনে গলা ফাটিয়ে চিৎকার করতে হয়। বাইরে কোথাও থাকা অবস্থায় (যা হ্যান্ডহেল্ড কনসোলের মূল উদ্দেশ্য) এমন কাণ্ড করলে অপমানের চোটে আপনার নিজের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ শরীর থেকে ছিঁড়ে বেরিয়ে আসতে চাইবে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/13-Zelda-Phantom-Hourglass]
===ক্লাইভ বার্কার্স জেরিকো===
* গেমটি স্রেফ বাজে ডিজাইনে ঠাসা, ঠিক যেমন গ্লাস্টনবারি উৎসবের পর ওর্থি ফার্মের আবর্জনা থাকে। উদাহরণস্বরূপ, দ্বিতীয় লেভেলে আমাকে অনেকগুলো যুদ্ধকালীন পিলবক্সের মুখোমুখি হতে হয়েছিল যেগুলো ৫০ গজের মধ্যে আসা মাত্রই পুরো টিমকে উৎসবের রঙিন কাগজের কুচির মতো টুকরো টুকরো করে দিচ্ছিল। শেষে গেমটি যখন বুঝতে পারল যে আমি স্পষ্টতই একজন গর্দভ, তখন তারা একটি ইঙ্গিত বা টিপস দেখাল। সেখানে বলা হলো যে একটি নির্দিষ্ট অবস্থানে গিয়ে নির্দিষ্ট বাটন টিপলে মেয়েদের একজন পিলবক্সের পেছনে গিয়ে গ্রেনেড ফেলে আসবে। আমাকে মাফ করবেন জেরিকো, কারণ আমার কাছে এমন কোনো ভবিষ্যৎবক্তা মহাজাগতিক মগজ নেই যা দিয়ে আমি এমন কিছু সহজাতভাবে বুঝে নেব যা এর আগে কখনো বলা হয়নি এবং পরবর্তীতে আর কখনো ব্যবহারও করা হবে না!
* হয়তো এর কিছু ক্ষমা করা যেত যদি প্রধান সাতটি চরিত্রের সবাই পুরোপুরি অপছন্দনীয় না হতো। এখানে কালো চামড়ার পোশাকের এত ছড়াছড়ি যে দেখে মনে হয় কেউ একজন কোনো ছোট শহরের হাই স্কুলের গথিক দলটাকে ধরে এনেছে। তারপর তাদের সামনে ২৪ ঘণ্টা ধরে ''র্যাম্বো'' সিনেমা চালিয়েছে এবং শেষে জমাটবদ্ধ ''মূর্খতা'' দিয়ে তৈরি বেসবল ব্যাট দিয়ে তাদের মাথায় সজোরে আঘাত করেছে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/14-Clive-Barkers-Jericho]
===এফ.ই.এ.আর. পারসিয়াস ম্যান্ডেট===
* মাঝে মাঝেই ''এফ.ই.এ.আর.'' মনে করার চেষ্টা করে যে এটি একটি হরর গেমও বটে। তখন এটি আলো নিভিয়ে দেয় বা যত্রতত্র রক্তের দাগ ফেলে রাখে, যেন আপনার ৫০ গজ সামনে কেউ একজন দাঁড়িয়ে প্রচণ্ড নাক দিয়ে রক্ত ঝরাচ্ছে। তবে আমাকে স্বীকার করতে হবে, যখন গেমটি কয়েক মিনিটের জন্য সত্যিকারের পাগলামিতে মেতে ওঠে, কেবল তখনই আমার কাছে অভিজ্ঞতাটা সজীব মনে হয়। আমি একটি করিডোর দিয়ে দৌড়াচ্ছি এমন সময় আলো নিভে গেল এবং পরক্ষণেই আমি অন্য এক করিডোরে নিজেকে আবিষ্কার করলাম। সেখানে আমার দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে গেল এবং মনে হতে লাগল যেন টিনের বালতির ভেতর কোনো এলক হরিণের গলা টিপে ধরা হচ্ছে। দারুণ! আমি একটি দরজা খুললাম আর সেটি শূন্যে মিলিয়ে গেল এবং সিলিংয়ে আরেকটি দরজা দেখা দিল। চমৎকার! হলের শেষে একটি লাশ পড়ে আছে কিন্তু আমি কাছে যেতেই সেটি লাফিয়ে উঠে আমার ওপর চিৎকার করতে লাগল যেন সব আমার দোষ। অবশেষে আমার ভালো সময় কাটছিল! কিন্তু এরপর সবকিছু থিতিয়ে যায় এবং আপনি আবার সেই একঘেয়ে পুরনো স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসেন। তখন আপনার মনে হবে যে যদি আবার সেই দুঃস্বপ্নে ফিরে যাওয়া যেত।
* আমার মনে হয় আপনি যদি ''এফ.ই.এ.আর.''-এর একজন বিশাল ভক্ত হন, আমি বলতে চাইছি সত্যিই বিশাল ভক্ত, যেমন ধরুন আপনি দিনে দুবার এটি খেলেন এবং আপনার টয়লেটের সিটে জেসন হলের ছবি আঁকা আছে; আর যদি একই ধরণের কৌশলগত লড়াইয়ের প্রতি আপনার চরম আসক্তি থাকে; এবং আপনি যদি এই গল্পের নামহীন ও বৈশিষ্ট্যহীন প্রধান চরিত্রের পরবর্তী পরিণতি জানার জন্য পাগল হয়ে থাকেন, তবেই আমি আপনাকে ''পারসিয়াস ম্যান্ডেট'' খেলার পরামর্শ দেব। হয়তো আপনি থিসিউসের সাথে গোলকধাঁধায় ঘুরে বেড়ানোর সময় এটি খেলতে পারেন, কারণ আপনি স্পষ্টতই পুরাণের কোনো কাল্পনিক প্রাণী। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/15-F-E-A-R-Perseus-Mandate]
===অ্যাসাসিন্স ক্রিড===
* আপনার পরিচয় ফাঁস হওয়ার আরেকটি ভালো উপায় হলো নিরীহ সাধারণ মানুষকে অকারণে ছুরিকাঘাত করা। আর বিশ্বাস করুন, নিজেকে এটি করা থেকে বিরত রাখা যতটা সহজ মনে হয় আসলে ততটা নয়। সেই আমুদে কুষ্ঠরোগীদের একটি অদ্ভুত প্রবণতা আছে, তারা তাদের সব শক্তি দিয়ে আপনাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেয়। তখন আমার মনে হয় তাদের কয়েকটা ঘা দেওয়া আমার অধিকারের মধ্যেই পড়ে; কিন্তু তখন সবাই আপনার বিরুদ্ধে চলে যায় কারণ আপনি যখন এটা করেন তখন আর সেটা মজার থাকে না। আর এরপর আছে সেই সব ভিখারি নারী যারা আপনার সাথে জেঁকের মতো লেগে থাকে এবং ক্রমাগত আপনার সামনে এসে পয়সার জন্য ঘ্যানঘ্যান করে। এটি বৈজ্ঞানিকভাবেই আমাকে বিরক্ত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এরপর যখন আমি তাদের হালকা করে একটি ঘুষির স্বাদ দিই, তখন তারা চিৎকার করতে করতে পালায় যেন আমিই বড় অপরাধী। বিষয়টি আমার হৃদয়ে বেশ আঘাত করে কারণ আমার সব সম্পর্কের পরিণতিই অনেকটা এমন হয়।
* প্রতিটি মিশনের শুরুতে আপনাকে সেই পাহাড়ের চুড়ায় থাকা আপনার ডেরা থেকে অনেকটা পথ হেঁটে নিচে নামতে হয়। এরপর আপনাকে গন্তব্য শহরের ভেতর দিয়ে পথ করে নিতে হয় (মাঝে মাঝে কুষ্ঠরোগীদের গ্লাসগো শহরের গুণ্ডাদের মতো মারধর করে)। এরপর আপনাকে শহরের আশেপাশে কিছু ছোটখাটো ফরমাশ খাটতে বাধ্য করা হয় যা মূলত একই ধরণের তিনটি সাইড কোয়েস্টের পুনরাবৃত্তি। আর শেষে যখন আপনি কাউকে ছুরিকাঘাত করার সুযোগ পান, তখন শুরু ও শেষে দীর্ঘ এবং এড়ানো যায় না এমন সব কাটসিন বা কথোপকথন দেখতে হয়। এমনকি কাউকে মারার পরও আপনাকে সেই মরো মরো ভিকটিমের সাথে লম্বা আলাপ শুনতে হয়। আপনি হয়তো ভাববেন যে গলার ভেতর তলোয়ার ঢুকিয়ে দিলে মানুষের বক্তৃতা দেওয়ার ক্ষমতা কমে যায়, কিন্তু এই বাচালগুলোর মুখ কোনোভাবেই বন্ধ করা যায় না! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/16-Assassins-Creed]
===গিটার হিরো ৩===
* ''গিটার হিরো ৩''-এর মিথ্যে কথা বিশ্বাস করবেন না। এটি আসলে সিরিজের চতুর্থ গেম। তৃতীয়টি ছিল ''রক দ্য ৮০স'', যা আমি খেলিনি। তবে যেদিন আমি একটি এক্সপেনশন প্যাকের জন্য ৭০ ডলার খরচ করব, সেদিন আমি ধারালো তার গিলে ফেলব এবং সেটি পেছন দিয়ে বের করে ঘষে ঘষে নিজেকে মেরে ফেলব।
* এরপর হার্ড মোডে আমি একদম শেষ ধাপে পৌঁছালাম এবং হঠাৎ থমকে গেলাম কারণ সেগুলো শেষ করা অসম্ভব। '''না। থামুন।''' এখনই ইমেইল করতে বসবেন না; আমি শুনতে চাই না যে আপনি কীভাবে এক্সপার্ট লেভেলে "ব্লাড রেইন" গেমে ফাইভ স্টার পেয়েছেন। কারণ আপনি যদি তা পেয়ে থাকেন তবে আপনি একজন আস্ত ''অদ্ভুত মানুষ''। এমন এক অদ্ভুত মানুষ যার হয় তিনটি হাত আছে অথবা কোনো পোষা মাকড়সা আছে যে আপনার হয়ে বাটনগুলো টিপে দেয়! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/17-Guitar-Hero-III]
===মাস ইফেক্ট===
* মানুষ প্রায়ই আমাকে বলে, "ইয়াটজি, ওহে সুশ্রী নিতম্বের অধিকারী সুপারম্যান: আপনি নিজে একজন গেম রাইটার হয়েও কীভাবে একটি গেমে এত বেশি সংলাপ থাকা নিয়ে অভিযোগ করেন?" আমি উত্তর দেব, "ঠিক সেই কারণেই একজন হেয়ারড্রেসার অভিযোগ করার অধিকার রাখেন যখন কেউ তার গাড়ি শ্যাম্পু দিয়ে ভরে ফেলে।"
* ''মাস ইফেক্ট'' হলো এমন এক অসংযমী ব্যক্তির মতো যে কি না এইমাত্র ৬ বোতল মাউন্টেন ডিউ গিলেছে; এটি সংলাপে এতটাই ঠাসা যে প্রতি পদক্ষেপে তা উপচে পড়ে। চরিত্রগুলো সামান্য উসকানিতেই তাদের জীবনের পুরো ইতিহাস আপনার সামনে উগরে দেবে, যেন আপনার সাথে কোনো তথ্যচিত্র তৈরির টিম আছে। কম্পিউটার স্ক্রিন বা মহাকাশযানের কোনো যন্ত্রের দিকে একবার তাকালেই আপনার জার্নালে একগাদা লেখা জমা হবে। গেমটির কৃতিত্ব এই যে আপনাকে আসলে এগুলো কখনোই পড়তে বাধ্য করা হয় না, তবে না পড়লে আপনার মনে হবে যে গেমটি আপনার ওপর কোনো কারণে নাখোশ হয়েছে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/18-Mass-Effect]
==২০০৮==
===সুপার মারিও গ্যালাক্সি===
* তবে ভুল করবেন না; এটি স্রেফ একটি ছকে বাঁধা গেম। মারিও-র সেই বিরক্তিকর আবেগহীন বোঝা প্রিন্সেস পিচ আবারও অপহৃত হয়েছে। কিন্তু তাকে উদ্ধার করার আগে আপনাকে একগাদা তারা সংগ্রহ করতে হবে—আর কোনো এক অদ্ভুত খেয়ালি কারণে তা সবসময়ই তারা হতে হয়। শেষ পর্যন্ত মারিও সেই অভাবী মেয়েটিকে উদ্ধার করতে সফল হয়, যে আবারও তাকে প্রতিদান দিতে ব্যর্থ হয়। সত্যি বলতে, ওই বুদ্ধিহীন মেয়েটির কাছ থেকে কোনো মানুষের মতো বুদ্ধিদীপ্ত প্রতিক্রিয়া পাওয়ার আশা আমি অনেক আগেই ছেড়ে দিয়েছি।
* শুরুতেই মারিও গ্যালাক্সি বেশ সহজে পার পেয়ে যায় কারণ এটিকে অনিবার্যভাবেই আগের "আসল" মারিও গেম মারিও সানশাইনের সাথে তুলনা করা হয় (অন্যান্য সব আজগুবি স্পিন-অফ গেমের কথা বাদ দিন)। আসলে আপনি যদি জোসেফ গোয়েবলসের মাথা একটা ম্যান্টিস পোকার শরীরে লাগিয়ে দেন, তবে সেটিকেও মারিও সানশাইনের চেয়ে ভালো মনে হবে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/19-Super-Mario-Galaxy সুপার মারিও গ্যালাক্সি]
===সাইলেন্ট হিল অরিজিনস===
* ...আপনাকে এক সেকেন্ড সময় দেওয়া হলো এমন কোনো গেমের নাম বলতে যেখানে অস্ত্রের স্থায়িত্ব কমে যাওয়া বা ক্ষয় হওয়া একটি ভালো আইডিয়া ছিল। সময় শেষ। আমি যা ভেবেছিলাম তা-ই। পাঁচ বা ছয়বার আঘাত করার পরই একটি কাটানা ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যাওয়ার বিষয়টি খুবই অদ্ভুত, বিশেষ করে যখন সেটি কাঁচ বা চকোলেটের তৈরি নয়।
* আমার কাছে সাইলেন্ট হিল সিরিজটি সেখানেই শেষ। আর সাইলেন্ট হিল ৫ যদি আমাকে এর বিপরীত কোনো বিশ্বাস করাতে পারে, তবে আমি নিজের শিরদাঁড়ার তিনটি কশেরুকা সরিয়ে ফেলব, মেরুদণ্ড পেছনের দিকে বাঁকাব এবং নিজের পেছন নিজেই খাব। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/20-Silent-Hill-Origins সাইলেন্ট হিল অরিজিনস]
===ক্রাইসিস===
* অবশ্যই, চমৎকার গ্রাফিক্সের সাথে প্রসেসরের ওপর এক অমানবিক অত্যাচার নেমে আসে। ক্রাইসিস দৃশ্যত মহাকাশ থেকে আসা কোনো এক কাল্পনিক ভবিষ্যতের কম্পিউটারের জন্য তৈরি করা হয়েছে। আমি এটি একটি নতুন গেমিং পিসিতে খেলেছি যা দেখতে ২০০১-এর সেই মনোলিথের মতো এবং যা মিডল আর্থের গর্বিত বামনরা জাদুকরী অবসিডিয়ান পাথর দিয়ে তৈরি করেছে। তা সত্ত্বেও গেমের ভেতর যখন অনেক কিছু একসাথে ঘটতে শুরু করত, তখন এটিও ধুঁকতে লাগত।
* ...গেমের শেষের দিকে একটি অংশ আছে যেখানে আপনাকে একটি অত্যাধুনিক হেলিকপ্টার চালাতে বাধ্য করা হবে এবং... ভেবে দেখুন আপনি ২০ বছরের কোমা থেকে এইমাত্র জেগে উঠেছেন, ছয় বোতল ম্যাড ডগ ২০/২০ খেয়ে উৎসব পালন করেছেন এবং এরপর আপনাকে জলহস্তী বোঝাই একটি হালকা উড়োজাহাজ চালাতে বলা হয়েছে। গেমের এই অংশটি নিয়ন্ত্রণ করা ঠিক তেমনই। আর তারা আশা করে যে আপনি এই জিনিসটি দিয়ে ডগফাইট করবেন। এটা অনেকটা কনুই দিয়ে রুবিকস কিউব মেলানোর চেষ্টার মতো। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/21-Crysis ক্রাইসিস]
===দ্য উইচার===
* খুব দ্রুতই যা স্পষ্ট হয়ে ওঠে তা হলো উইচার মূলত একটি পিসি-এক্সক্লুসিভ গেম। এই ধরণের গেমগুলো সাধারণত যতটা সম্ভব জটিল এবং অবোধ্যভাবে তৈরি করা হয় যাতে সেই গেঁয়ো কনসোল খেলোয়াড়রা মহান পিসি গেমিং মাস্টার রেসের স্বাদ নষ্ট করতে না পারে। প্রথম বিপদের সংকেত হলো গেমের ম্যানুয়ালটি এতই মোটা যে এটি দিয়ে পিটিয়ে ছাগল মেরে ফেলা যাবে। আর একবার গেমের ভেতরে ঢুকলে এর ইন্টারফেস বা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বন্ধুসুলভ হওয়ার দিক থেকে মাইক্রোসফট অ্যাক্সেসের চেয়ে মাত্র কয়েক ধাপ পিছিয়ে আছে। এখানে ইনভেন্টরি স্ক্রিন, ক্যারেক্টার স্ক্রিন, অ্যালকেমি স্ক্রিন, শব্দকোষ, কোয়েস্ট, ম্যাপ—সব আলাদা। আপনাকে কমব্যাট মোড এবং অলসভাবে দাঁড়িয়ে থাকা মোডের মধ্যে বারবার পরিবর্তন করতে হবে, আর আপনি দাঁড়িয়ে থাকলে শত্রুরা আপনাকে টারডকেনের মতো কুচি কুচি করে কাটবে। আর একবার লড়াই শুরু করলে আপনি কি শক্তিশালী, দ্রুত না কি দলবদ্ধ ভঙ্গিতে লড়বেন? আর যদি আপনি বিভিন্ন পানীয় বা পোশন মেশাতে চান, তবে আমি আশা করি আপনি এর জন্য প্রয়োজনীয় আট সপ্তাহের কোনো কোর্স করে এসেছেন। এই ধরণের ফালতু জিনিস অপছন্দ করার কারণে যদি আমি নির্বোধ হই, তবে আমাকে "রিটার্ড ম্যাকস্প্যাকিপ্যান্টস" নামে ডাকুন। তবে আমি অসীম প্রতিভাশালী হয়ে বিরক্ত হওয়ার চেয়ে নির্বোধ হয়ে মজা করাটাই বেশি পছন্দ করব।
* আমি যখন শুরুর গ্রামটি পার হচ্ছিলাম, তখন কিছু বিষয় আমাকে এক অশুভ সত্যের মুখোমুখি করল। এক-ক্লিক লড়াই? এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়ার অন্তহীন খাটুনি? অলস একগুঁয়েদের জন্য এক গাদা দানব মারার কোয়েস্ট? এটি একটি মিউ-মোর-পিউ-জার! ওয়ার্ল্ড অফ ওয়ারক্রাফটের সেই সব গাধাদের ছাড়াই এটি একটি সিঙ্গেল প্লেয়ার মিউ-মোর-পিউ-জার। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/22-The-Witcher দ্য উইচার]
===রেসিডেন্ট ইভিল: আমব্রেলা ক্রনিকলস===
* রেসিডেন্ট ইভিলের একটি বড় আকর্ষণ হলো এটি এখনও নিজেকে সিরিয়াসভাবে উপস্থাপন করে। অথচ হাল্ক হোগান তার মাথায় অতিরিক্ত আঘাত পেয়ে যখন নিজেকে একজন অভিনেতা ভাবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তারপর থেকে মানুষের তৈরি যেকোনো পণ্যের চেয়ে এই গেমের গল্প এবং সংলাপগুলো সবচেয়ে জঘন্যভাবে লেখা হয়েছে।
* ক্যাপকমের অনিচ্ছাকৃত হাস্যকর সংলাপের গর্বিত ঐতিহ্য বজায় থাকতে দেখাটা বেশ তৃপ্তিদায়ক। জিল ভ্যালেন্টাইন যখন জম্বিদের হাতে বারবার আক্রান্ত হওয়ার পর ঘোষণা করেন, "আমার এই জায়গাটা নিয়ে খারাপ ধারণা হচ্ছে," তখন সেটি তার অশুভ কিছু বুঝতে পারার সেই সহজাত ক্ষমতারই প্রমাণ দেয় যা বিপদ শুরু হওয়ার প্রায় এক ঘণ্টা পর জাগ্রত হয়। ক্রিস রেডফিল্ড একটি বিশাল মাকড়সার দিকে সরাসরি তাকিয়ে অবাক হয়ে ভাবেন, "এতসব মাকড়সার জাল কোত্থেকে এল?" আর এরপর আছেন এই সিরিজের ভিলেন এবং পেছন থেকে ছুরি মারায় ওস্তাদ অ্যালবার্ট ওয়েস্কার, যার প্রতিটি সংলাপই অমূল্য কারণ তার কণ্ঠস্বর শুনতে অনেকটা গলা ক্যান্সারে আক্রান্ত লয়েড গ্রম্যানের মতো লাগে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/23-Resident-Evil-Umbrella-Chronicles রেসিডেন্ট ইভিল: আমব্রেলা ক্রনিকলস]
===কল অফ ডিউটি ৪===
* কখনোই এমনটা বলবেন না যে আমি গেমিং মিডিয়ার সেই বিশ-বাইশ বছরের হুজুগে গর্দভদের মতো। মানুষ যদি আমাকে যে কোনো গেম রিভিউ করতে বলে আর আমি যদি তা-ই করি, তবে নিজের ওপর গুলি চালানো ঠেকানোর জন্য হেরোইন নেওয়ার মতোও সময় আমার থাকবে না। তাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আমি এই সব অনুরোধকে পাত্তা দিই না। আমি কেবল তখনই কারো সুপারিশ করা গেম রিভিউ করি যখন একসাথে প্রায় চার হাজার মানুষ পালের ভেড়ার মতো একই কথা বলতে থাকে (কল অফ ডিউটি ৪-এর ক্ষেত্রেও তা-ই হয়েছিল)। এই গেমটি এমনভাবে সুপারিশ করা হয়েছিল যেন এটি তিন-যোনি বিশিষ্ট এক পতিতা, আর এখন আপনারা ধাক্কা খাওয়ার জন্য প্রস্তুত হোন কারণ এটি সত্যিই সব প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য।
* ...অধিকাংশ ক্ষেত্রে।
* আমি অবাক হয়েছিলাম কারণ কল অফ ডিউটি এবং মেডেল অফ অনারের মতো সিরিজের গেমগুলোর ব্যাপারে আমার ধারণা ছিল এগুলো একই ধরণের শুটার। এগুলোতে বাস্তবতার এক বৃথা ভান থাকে এবং এগুলো ১৯৪১ থেকে ১৯৪৫ সালের কোনো এক সময়ের মধ্যে আটকে থাকে। তারা আমেরিকার সেই একমাত্র গৌরবের মুহূর্তটিকে বারবার দেখায় যেখানে এক হাতে নাৎসিদের পেটানো হয় আর অন্য হাতে আপেল পাই খাওয়া হয়।
* অন্যদিকে কল অফ ডিউটি ৪ বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে তৈরি। এর মানে অনিবার্যভাবেই শত্রু হবে আরব বিদ্রোহী, রাশিয়ান অথবা উভয়ই এবং গল্প হবে পারমাণবিক অস্ত্র চুরি নিয়ে। যদিও এটি একদম চেনা ছক, তবুও এটি বেশ আকর্ষণীয়ভাবে তৈরি করা হয়েছে।
* গল্পটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশকে কেন্দ্র করে যেখানে একটি যুদ্ধ চলছে, যার নাম সুকৌশলে গোপন রাখা হয়েছে। যুদ্ধের বিভিন্ন পক্ষের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে আপনাকে গেমটি খেলতে হবে যা আপনাকে বিভিন্ন পরিবেশ এবং যুদ্ধের অভিজ্ঞতার স্বাদ দেবে। "আনস্পেসিফাইডিস্থানে" মোতায়েন করা মার্কিন মেরিনরা তাদের প্রবল উত্তেজনায় যুদ্ধক্ষেত্রে হুংকার দিচ্ছে, আর ব্রিটিশ এসএএস সদস্যরা ঝোপঝাড়ের মধ্যে চোরচোট্টা বেজির মতো গুঁড়ি মেরে ঘুরছে। গেমপ্লেতে এই ধরণের পরিবর্তনের কারণে একঘেয়েমি আসার কোনো সুযোগ নেই। গেমের কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ বেশ আঁটসাঁট এবং সহজাত। আর এই বাক্যটির গুরুগম্ভীর ভাব কমাতে আমি বলতে চাই: "বোয়িংগো বোয়িংগো হুপসি নাইকার্স।"
* কল অফ ডিউটি ৪-এর যে বিষয়টি আমার ভালো লেগেছে তা হলো এতে সেই অতি উগ্র দেশপ্রেম বা জিংগোইজম নেই যা আমাকে বেশিরভাগ যুদ্ধের গেম থেকে দূরে সরিয়ে রাখে। মার্কিন মেরিনরা নিজেদের ব্যক্তিগত যুদ্ধের মুভিতে নায়ক ভেবে কাজ করতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত এমন লেজেগোবরে অবস্থা করে ফেলে যে বলার মতো নয়। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/24-Call-of-Duty-4 কল অফ ডিউটি ৪]
* আপনাদের যা জানা প্রয়োজন তা হলো এই। গেম দুই ধরণের হয়: এক ধরণের গেম আমি খেলা ছেড়ে দিই কারণ আমি বিরক্ত বা হতাশ হয়ে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ি, আর অন্য ধরণের গেমগুলো আমি তখন বন্ধ করি যখন খেয়াল করি যে আমার দুই ঘণ্টা আগেই রাতের খাবার খাওয়া উচিত ছিল। কল অফ ডিউটি ৪ দ্বিতীয় ক্যাটাগরির গেম। এটি এই জনরার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত যা আমাকে সেই তিন-যোনি বিশিষ্ট পতিতার মতো আকর্ষণ করেছে। আর এখন যেহেতু এই রিভিউয়ের পর আমার পেটে অনেক তিক্ততা জমে আছে, তাই বলে রাখি—আপনারা যদি আমাকে আবারও আমার কাজ শেখাতে আসেন, তবে প্লেন থেকে নিক্ষিপ্ত হয়ে উইনচেস্টার ক্যাথেড্রালের চূড়ায় গিয়ে সোজা পাছা দিয়ে বিদ্ধ হোন! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/24-Call-of-Duty-4 কল অফ ডিউটি ৪]
===সিমসিটি সোসাইটিস===
* অনেক মানুষের মনেই এই ধারণা গেঁথে আছে যে যদি কোনো ঈশ্বর আমাদের সৃষ্টি করে থাকেন, তবে নিশ্চয়ই তিনি আমাদের খুব ভালোবাসেন বলেই তা করেছেন। গড গেমগুলো খেলার সময় এই থিওরির ভুলগুলো সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে। কারণ যখন আপনি বেশিরভাগ মানুষকে ঈশ্বরের অবস্থানে বসিয়ে দেবেন এবং তাদের হাতে ছোট ছোট প্রাণীদের দায়িত্ব দেবেন, তখন তাদের মনোভাব ভালোবাসার চেয়ে লক্ষ্যভেদের নিশানার দিকেই বেশি ঝুঁকে থাকে।
* আমি একটি নৃশংস স্বৈরাচারী একনায়কতন্ত্র তৈরি করতে বসেছিলাম কারণ এতে আমার খুব ক্ষমতাশালী মনে হয়। তাই আমার সব কাজের জায়গা ছিল থট পুলিশ হেডকোয়ার্টার এবং বিনোদনের জায়গাগুলো ছিল প্রোপাগান্ডা থিয়েটার। তবুও সেই নির্বোধ মানুষগুলোর বেশিরভাগই সন্তুষ্ট বা উল্লসিত ছিল। ঈশ্বর রক্ষা করুন, এভাবেই বোধহয় নাৎসি জার্মানির শুরু হয়েছিল! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/25-Sim-City-Societies সিমসিটি সোসাইটিস]
===ইয়াটজি জিডিসি-তে যাচ্ছেন===
* সব গেমই আসলে কোনো একটি কল্পনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়, তা সে কোনো সাহসী যুদ্ধজয়ী নায়ক হওয়ার কল্পনা হোক, বা ভবিষ্যতের মহাকাশ অভিযাত্রী হওয়ার কল্পনা হোক, অথবা কিছু জাপানি গেমের ক্ষেত্রে আটটি প্রাক-প্রসারিত লিঙ্গের অধিকারী হওয়ার কল্পনা হোক। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/26-Yahtzee-Goes-to-GDC ইয়াটজি জিডিসি-তে যাচ্ছেন]
===আনচার্টেড: ড্রেকস ফরচুন===
* ঠিক আছে, হয়তো আমি বিষয়টিকে একটু বেশিই গুরুত্ব দিচ্ছি, কিন্তু আমি মজা করছি না যখন বলছি যে পৃথিবীর প্রতিটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠীই আনচার্টেডের ভিলেনদের মধ্যে প্রতিনিধিত্ব করছে। সেখানে কৃষ্ণাঙ্গ, এশিয়ান এবং ল্যাটিনোদের একটি স্রোত বয়ে যাচ্ছে যাদের সবার একটাই লক্ষ্য—শ্বেতাঙ্গদের হত্যা করা। তবে প্রধান ভিলেন ব্রিটিশ, কিন্তু তাকেও গেমের শেষ হওয়ার ১০ মিনিট আগে হুট করে মেরে ফেলা হয় যাতে জাতিগত কোনো ফাইনাল বস আনা যায়। আপনাদের জন্য এটি ফাঁস করে দেওয়ার কারণে দুঃখিত, তবে আমি ধরে নিয়েছিলাম যে "ভিলেন মারা যায়"—এমন সাধারণ একটি গল্প আপনারা আগে থেকেই অনুমান করতে পারবেন।
* আপনি নাথান ড্রেকের চরিত্রে অভিনয় করছেন, যাকে দেখে মনে হয় জস হোয়েডনের লেখা ইন্ডিয়ানা জোন্স। সে সেই চেনা পরিচিত বিচিত্র সব জায়গায় হারিয়ে যাওয়া স্বর্ণের গুপ্তধন খুঁজে বেড়াচ্ছে। আর তাকে সাহায্য করছে এক স্বর্ণকেশী প্রেমিকা যে শুরুতে শত্রুভাবাপন্ন ছিল এবং একজন বয়স্ক মেন্টর যাকে দেখে মনে হয় তিনি এমন টি-শার্ট পরে আছেন যেখানে লেখা আছে "আমি হয় মারা যাব অথবা ভিলেন হয়ে যাব।"
* আমি হয়তো একটু বেশিই কঠোর হচ্ছি। গেমপ্লে বেশ ভালোই। অবশ্যই তা হওয়ার কথা কারণ এটি ঢালাওভাবে নকল করা হয়েছে। এর একটি উপাদানও এমন নেই যা আগের অন্তত তিনটি জনপ্রিয় গেমে পরখ করা হয়নি। এমনকি গল্পটিও আমি চিনি এমন অন্তত পাঁচটি অ্যাডভেঞ্চার মুভি থেকে পুরোপুরি চুরি করা হয়েছে—আর আপনি যদি আমাকে সব ইন্ডিয়ানা জোন্স সিনেমা গুনতে দেন তবে তা সাতটি হবে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/27-Uncharted-Drakes-Fortune আনচার্টেড: ড্রেকস ফরচুন]
===ডেভিল মে ক্রাই ৪===
* ...এটা বলা যুক্তিযুক্ত হবে যে অ্যানিমের কিছু নির্দিষ্ট জনপ্রিয় ধারা আছে যা আমার মনে সন্দেহের সৃষ্টি করে। আমি সেগুলোর তালিকা করতে পারতাম, কিন্তু ক্যাপকমের কল্যাণে এখন আর তা করতে হবে না—এখন আমি স্রেফ ডেভিল মে ক্রাই ৪-এর দিকে আঙুল তুলে বলতে পারি, "মূলত এটিই।" আমাকে ভুল বুঝবেন না, আমি কোনো চশমা পরা খুঁতখুঁতে মানুষ নই যে সবসময় সবকিছুতে চরম বাস্তবতা খুঁজে বেড়ায়। নিজের উচ্চতার চেয়ে আট গুণ বেশি লাফানো, ছোট কারের সমান তলোয়ার ঘোরানো এবং বুলেট দিয়ে বুলেট ঠেকানো আমার কাছে ঠিকই আছে যতক্ষণ তা বিনোদন দেয়। আমি এমনকি এটাও মেনে নেব যে বুকের মাঝখান দিয়ে সাত ফুটের কাটানা ঢুকে যাওয়ার পরও বেঁচে থাকা সম্ভব, যদিও বিষয়টি কিছুটা সমকামীসুলভ। তবে একটি গেম তখনই আমাকে বিরক্ত করতে শুরু করে যখন সেটি আত্মতৃপ্তিতে ভোগা দাম্ভিক চরিত্রে ভরে ওঠে এবং গেমপ্লের দিকে নজর দেওয়া বাদ দেয়। কারণ তারা ওই সব উভলিঙ্গ চেহারার মানুষগুলোকে দাপিয়ে বেড়ানো দেখাতে এতই ব্যস্ত থাকে যে আমার মন চায় কায়াক নৌকার বৈঠা দিয়ে তাদের মুখ থেঁতলে দিই!
* তবে লড়াইয়ের জন্য যে একটি উজ্জ্বল সোনার তারা আমি একে দিই, তা মুহূর্তেই ছিঁড়ে যায় এর বিরক্তিকর লেভেল ডিজাইনের কারণে। লাফানোর ধাঁধা? ঠিক আছে। সময় নির্দিষ্ট করে দেওয়া লাফানোর ধাঁধা? তাও মানা যায়। স্থির ক্যামেরার সামনে সময় নির্দিষ্ট করে দেওয়া লাফানোর ধাঁধা? এখন আমরা বিষ্ঠার মহাসাগরে হাবুডুবু খাচ্ছি। কিন্তু এরপর তারা আমাদের সামনে এমন এক ধাঁধা আনল যেখানে প্রতিবার ব্যর্থ হলে নতুন শত্রু জন্ম নেয়। আর এখন বিষ্ঠার মহাসাগর আমাদের মাথার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে এবং উদ্ধারের কোনো নৌকাও দেখা যাচ্ছে না। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/28-Devil-May-Cry-4 ডেভিল মে ক্রাই ৪]
===বার্নআউট প্যারাডাইস===
* মানুষ প্রায়ই আমাকে জিজ্ঞাসা করে, "ইয়াটজি, ওহে বীরপুরুষ: একটি খারাপ গেম কী দিয়ে তৈরি হয় সে নিয়ে আপনার অনেক কিছু বলার আছে, কিন্তু একটি ভালো গেমের পরিমাপ কী?" আসলে আজ পর্যন্ত কেউ আমাকে এটি জিজ্ঞাসা করেনি। তারা মূলত সেই সব গর্দভ মার্কা প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করে যে আমি কবে ২০ বছরের পুরনো নিনটেনডো গেমগুলো রিভিউ করব। কিন্তু এটি এমন এক প্রশ্ন যা আমি আশা করি কেউ আমাকে করুক, তাই আমি নিজেই এর উত্তর দিচ্ছি। ভালো গেমের একটি পরিমাপ হলো যা আমাকে কিছু শেখায়। যেমন বার্নআউট প্যারাডাইস আমাকে শিখিয়েছে যে প্রিন্সেস ডায়ানা যদি সামান্য একটি গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা যান, তবে সেই মেয়েটি নিশ্চয়ই ওয়েফার বিস্কুট দিয়ে তৈরি ছিল।
* আমার কথা হলো রেসিং গেমগুলোতে কেন সাধারণত বন্ধ ট্র্যাক থাকে। কারণ রাস্তার রেসিং গেমের আসল মজা হলো দ্রুত গাড়ি চালানো এবং জিনিসপত্র ভাঙচুর করা। এটি একটি জেতার সূত্র। কিন্তু এরপর আপনি যখন এতে ম্যাপ পড়ার দক্ষতা যোগ করেন, তখন সেটি বেইলিসের শটের মতো অন্য সব স্বাদকে দমিয়ে দেয়। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/29-Burnout-Paradise বার্নআউট প্যারাডাইস]
===টুর্ক===
* আমি আসলে বরং খুশিই যে একটি নিঃসন্দেহে জঘন্য এফপিএস আমার সামনে হাগা হয়েছে। কারণ আজকাল ফার্স্ট-পারসন শুটারগুলোতে অনেক সমস্যা দেখা যায় এবং টুর্ক যেন সেই সমস্যাগুলোরই একটি তালিকা। তাই আমি সাধারণত যা করি (অর্থাৎ লিঙ্গাকৃতির বড় মরচে ধরা পেরেক দিয়ে গেমটিকে ক্রুশবিদ্ধ করা) তা না করে বরং টুর্ককে উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করে সেই ভুলগুলো নিয়ে কথা বলি যা এফপিএস গেমগুলো বারবার করে যাচ্ছে। সম্ভবত আমি ডেভেলপারদের এগুলো করা থেকে বিরত থাকতে রাজি করাতে পারব। এরপর হয়তো আমি জোয়ারের গতিপথ বদলে দিতে পারব এবং ডানাওয়ালা মার্শম্যালোতে চড়ে শারবেতের রাজ্যে চলে যাব।
* যখন আপনি ভাববেন যে আসল টুর্ক গেমগুলো ছিল সময় ভ্রমণকারী এক রেড ইন্ডিয়ানকে নিয়ে, তখন এই নতুন কিস্তিকে এলিয়েনস মুভিকে নকল করতে অনেক কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে। তাদের সেই চেনা পরিবেশ আর কাহিনীকে আলমারিতে বন্দি করে পাহাড় থেকে ফেলে দিতে হয়েছে। তারা এলিয়েনসকে নকল করার পেছনে ঠিক ততটাই শ্রম দিয়েছে যতটা শ্রম দিলে একটি গেম আসলে ভালো হয়। আর সেই গর্দভ মার্কা পরিশ্রমের জন্য আমি তাদের কিছুটা শ্রদ্ধা করতে পারি।
* আধুনিক এফপিএস গেমগুলোর এই সব সমস্যার পেছনে চারটি শব্দ দায়ী: "চলো হ্যালো-র মতো হই।" কিন্তু আমার মনে আছে সেই সময়ের কথা যখন সব এফপিএস গেম সেই অকারণে জনপ্রিয় মধ্যমেধার উৎসবের পেছনে পালের ভেড়ার মতো ছুটত না। যখন এফপিএস মানেই শুধু সৈনিক বা মহাকাশ যোদ্ধা ছিল না; সেগুলো হতে পারত জম্বি কাউবয়, বা গ্রামের শুয়োর-ধর্ষক, অথবা দম্ভোক্তি করা নারীবিদ্বেষী লম্পটদের নিয়ে। আমার মনে আছে সেই সময়ের কথা যখন এফপিএস গেমগুলোর হাস্যরসবোধ ছিল এবং বন্দুকের ধাতব ধূসর আর কুকুরের বিষ্ঠার মতো খয়েরি রঙ ছাড়াও অন্য কোনো রঙ থাকত। আমার এক্সহিউমড, চজম এবং উইচহ্যাভেন ২-এর মতো গেমগুলোর কথা মনে আছে—যদিও এখন ভাবলে মনে হয় সেগুলো ভুলে যাওয়াই ভালো। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/30-Turok টুর্ক]
===জ্যাক অ্যান্ড উইকি===
* সুদূর অতীতে যখন প্রধান চরিত্রের বাইসেপগুলো তাদের মুখের চেয়ে বড় হওয়ার প্রয়োজন ছিল না এবং যখন বাম্প ম্যাপিং মানে ছিল মানচিত্রকাররা তাদের স্ত্রীদের সাথে যা করত, তখন অ্যাডভেঞ্চার গেমগুলো বেঁচে ছিল। এই লাজুক ও চিন্তাশীল সম্প্রদায় তাদের চমৎকার গল্প বলার ঐতিহ্যের জন্য পরিচিত ছিল এবং কোয়াক যুগের আবির্ভাবের আগে বহু বছর ধরে তারা পিসি গেমিং জগতে রাজত্ব করেছে। কেউ কেউ প্রতিবেশী ফার্স্ট-পারসন শুটারদের আগ্রাসনকে দায়ী করেন, কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি এর মূল কারণ হলো ওই গেমগুলোর বেশিরভাগই ছিল জঘন্য। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/31-Zack-Wiki জ্যাক অ্যান্ড উইকি]
===আর্মি অফ টু===
* আমাদের দ্রুত এবং বারবার মনে করিয়ে দেওয়া হয় যে সেনাবাহিনী খুব ফালতু জিনিস এবং এর সবাই খুব বাজে। অন্যদিকে মার্সেনারিরা হলো অপরাজেয় ও অমর বীরপুরুষ যারা প্রচুর টাকা কামায় এবং লোমশ পাছাওয়ালা পুরুষদের কাছ থেকে কড়া ব্যবহার পছন্দ করে—না! ইয়াটজি থামো! আমি বলতে চেয়েছি: আপনি চমৎকার সব খুলি আকৃতির মাস্ক পরতে পারবেন যেন প্রতিদিন হ্যালোইন চলছে। পার্থক্য হলো এখানে আপনি মানুষকে ক্যান্ডি বিলি করবেন আর সেই ক্যান্ডি হলো বুলেট।
* আমার এআই সঙ্গীর পোকাভর্তি মগজ নিয়ে ক্লান্ত হয়ে আমি এক বন্ধুর সাথে স্প্লিট-স্ক্রিনে গেমটি খেলার চেষ্টা করলাম। একটি গোলাগুলির সময় আমি তাকে একটি উঁচু জায়গায় সাহায্য করে উপরে তুলে দিলাম যাতে সে সেখান থেকে লড়াই করতে পারে। কিন্তু আমার বন্ধুর এটা বুঝতে সমস্যা হচ্ছিল যে শত্রুর বুলেট এড়িয়ে চলতে হয়, তাই সে গুলি খেল। যখন এমনটা হয়, তখন আপনার সঙ্গী এসে আপনার পেছনে লাথি দিয়ে সুস্থ না করা পর্যন্ত আপনি নড়তে বা উঠতে পারবেন না। কিন্তু যেহেতু আমাকে উপরে তোলার মতো কেউ ছিল না, আমি খুলি-মুখো খরগোশের মতো অসহায়ভাবে নিচে লাফাচ্ছিলাম যতক্ষণ না সে মারা গেল।
* এটি বারবার একই জিনিসের পুনরাবৃত্তি এবং ভাঙাচোরা একটি গেম। আপনি যদি এক হাতে গিয়ারস অফ ওয়ার এবং অন্য হাতে স্প্লিন্টার সেল খেলতে পারেন, তবে আপনার আর্মি অফ টু খেলার দরকার নেই। আর এটা করার সময় অবশ্যই ভিডিও করবেন কারণ তা হবে একটি দেখার মতো প্রতিভা। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/32-Army-of-Two আর্মি অফ টু]
===নো মোর হিরোস===
* সুদা ৫১-এর শেষ গেম ছিল কিলার ৭ এবং একটি বিষয় পরিষ্কার করা যাক: আমি কিলার ৭ প্রচণ্ড পছন্দ করেছিলাম! আমরা যখন আমাদের একঘেয়ে চেনা জীবন কাটাচ্ছিলাম এবং একঘেয়ে গেম খেলছিলাম, তখন কিলার ৭ এক জাদুকরী রূপ নিয়ে হাজির হলো। এটি প্রথাগত সব নিয়ম ভেঙে গেমিংকে শিল্প হিসেবে দেখার এক নতুন পথ দেখাল। আমি এখনও জানি না এটিকে কোন বিভাগে ফেলব: ধাঁধা, অ্যাকশন-অ্যাডভেঞ্চার নাকি রেইল শুটার। যাই হোক না কেন, এটি ছিল সস্তা বিনোদনের মহাসাগরে এক অমূল্য অনন্য কার্টুন তিমি। এখন আমাদের কাছে আছে নো মোর হিরোস, যা একটি গ্র্যান্ড থেফট অটোর নকল। "চলো পাগল হীরা, জ্বলে ওঠো," ইয়াটজি ব্যঙ্গাত্মক স্বরে বললেন।
* আমি নো মোর হিরোস সম্পর্কে সেই একই কথা বলব যা আমি কিলার ৭, আর্থবাউন্ড এবং ব্র্যানস্টন আচার সম্পর্কে বলি: এতে যতই খুঁত থাকুক না কেন, এটি সংগ্রহ করুন কারণ আপনি এর মতো অন্য কিছুর অভিজ্ঞতা আর কখনো পাবেন না। ঈশ্বর জানেন নো মোর হিরোসের ওপর ব্র্যানস্টন আচার মেখে দিলে কী হবে, সম্ভবত মহাবিশ্ব শেষ হয়ে যাবে। আর সেটা হবে দারুণ! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/33-No-More-Heroes নো মোর হিরোস]
===কনডেমড ২: ব্লাডশট===
* কনডেমড ১-এ একটি ফাইনাল বস ফাইট ছিল যেখানে আপনি এক সিরিয়াল কিলারের তাড়া খেয়ে একটি অন্ধকার গোলকধাঁধায় দৌড়াচ্ছিলেন। এটি ছিল সত্যিই রোমহর্ষক এবং ভীতিজনক। আর এটি কেন এত কার্যকর ছিল কারণ এটি ঘটেছিল একটি সাধারণ বাড়িতে, ঠিক আপনার বাড়ির মতো! ঠিক সেই মানসিক বিকারগ্রস্ত সিরিয়াল কিলারের মতো যে আপনার বিছানার নিচে থাকে এবং ঠিক এই মুহূর্তে আপনার পেছনে দাঁড়িয়ে আছে। কিন্তু পেছনের দিকে তাকাবেন না কারণ এতে সে ক্ষেপে যাবে! বিপরীতে কনডেমড ২ শেষ হয় এক অদ্ভুত সায়েন্স ফিকশন টাওয়ারে যাকে দেখতে কমবাইনদের মদ্যপ অবস্থায় তৈরি করা কোনো কিছুর মতো লাগে। আর ফাইনাল বস ফাইটটি এতটাই সহজ যে আপনি তার ওপর এত জোরে চিৎকার করেন যে তার মস্তিষ্ক বিস্ফোরিত হয়। আমি সত্যিই মজা করছি না। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/34-Condemned-2-Bloodshot কনডেমড ২: ব্লাডশট]
===সুপার স্ম্যাশ ব্রোস ব্রল===
* আমি বারবার বলেছি যে নিনটেনডো এমন এক কোম্পানি যারা তাদের পুরনো ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো নিয়ে অতিরিক্ত মাতামাতি করে। উই কনসোল হিট হওয়া পর্যন্ত এটি হয়তো ঠিক আছে, কিন্তু আরও কয়েকটি ভার্চুয়াল বয়েজ কনসোল এলেই তারা পুরো কোম্পানিটাকেই ডুবিয়ে ছাড়বে! কিছু চরিত্র তো একেবারেই অপরিচিত। মার্থ আসলে কে, আর তাকে আনলক করাকে কেন পুরস্কার হিসেবে ধরা হয়? আর ধন্যবাদ নিনটেনডো, মাদার ৩ গেমের একটি চরিত্র এখানে দেওয়ার জন্য; যে গেমটি আপনি জাপানের বাইরে কখনোই রিলিজ করবেন না! অথচ আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি যে মারিও কার্টের এগারো শো কোটিতম কিস্তির চেয়েও বেশি মানুষ ওই গেমটি খেলত!
* তবে আসলে স্ম্যাশ ব্রোস ব্রল রিভিউ করাটাই অর্থহীন। সম্ভাবনা আছে যে আপনি এটি পছন্দ করবেন কি না তা আপনি আগে থেকেই জানেন। একটি সহজ পরীক্ষা আছে: যখন "নিনটেনডো উই" নামটি প্রথম সামনে এসেছিল, তখন কি আপনি কোনো ইন্টারনেট ফোরামে একে নিয়ে সাফাই গেয়েছিলেন? উত্তর যদি হ্যাঁ হয়, তবে গেমটিতে হাজারটা খুঁত থাকলেও আপনি এটি উপভোগ করবেন। আর আপনি এখনই চাইলে আমার ইমেইলে ঘৃণা ভরা মেসেজ পাঠাতে পারেন, ওহে হতভাগা ফ্যানবয় গর্দভ। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/35-Super-Smash-Bros-Brawl সুপার স্ম্যাশ ব্রোস ব্রল]
===মেইলব্যাগ শোডাউন===
* এটা সত্যি যে খেলা শুরু করার আগেই আমি ব্রল পছন্দ করিনি; তবে আজকাল আমি যে কোনো গেম, বস্তু, প্রাণী বা মানুষের মুখোমুখি হই না কেন, সবার ক্ষেত্রেই এটি সত্যি। যেহেতু ইন্টারনেটে মান নিয়ন্ত্রণের কোনো বালাই নেই, তাই ইদানীং আমি সবকিছুকেই জঘন্য বলে ধরে নিই যতক্ষণ না সেটি নিজেকে ভালো প্রমাণ করতে পারছে। আমি একে রিভিউ করার "গুয়ান্তানামো বে" পদ্ধতি বলতে পছন্দ করি।
* "আমি কোনো ফ্যানবয় নই—(হ্যাঁ, আপনি তা-ই!)—কিন্তু আপনি হয়তো ব্রল গেমটিকে একটু বেশিই কঠোরভাবে বিচার করেছেন। নিনটেনডো এটি তৈরি করেছে যাতে খেলোয়াড়রা একে অপরকে নির্দয়ভাবে পিটিয়ে মজা পায়।" কেন আমাকে সেই সব আস্তিকদের যুক্তির কথা মনে করিয়ে দেওয়া হচ্ছে যে "ঈশ্বরের পথ রহস্যময়"? নিনটেনডো এখন বড় হয়েছে, তার আত্মপক্ষ সমর্থনের প্রয়োজন নেই। আমার মতো অল্পবয়সী খুঁতখুঁতে মানুষরা ওখানে কাজ করা কাউকে কাঁদিয়ে দেবে না এবং তারা আপনার পরোয়াও করে না। আমি কখনোই বুঝিনি যে কনসোলগুলো কেন মানুষের মধ্যে এমন উন্মাদনা তৈরি করে। বেশিরভাগ মানুষ বলবে এর কারণ হলো আপনার মা হয়তো আপনাকে কেবল একটি কনসোলই কিনে দেবেন, আর আপনি যদি ভুল কনসোলটি বেছে নেন তবে আপনি সত্য অস্বীকার করে অন্য জগতে বাস করতে শুরু করেন। কারণ দোষ স্বীকার করার চেয়ে বাস্তবতা বদলে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/37-Mailbag-Showdown মেইলব্যাগ শোডাউন]
===গ্র্যান্ড থেফট অটো ৪===
* প্রায় দশ লক্ষ বছর আগে ডিএমএ ডিজাইন নামের একটি কোম্পানি গ্র্যান্ড থেফট অটো তৈরি করেছিল এবং আবিষ্কার করেছিল যে বিতর্ক, অদ্ভুত হাস্যরস আর গাড়ি নিয়ে হত্যাকাণ্ডের মিশ্রণটি বেশ লাভজনক। তাই তারা একগাদা সিক্যুয়াল বানালো, হোটেলের জানালা দিয়ে টিভি ছুড়ে ফেলল এবং নিজেদের নাম বদলে "রকস্টার" রাখল। এটি ছিল এক ধরণের চেষ্টা যাতে আমরা ভুলে যাই যে তারা এক সময় লেমিংস গেমটি বানিয়েছিল। লেমিংস গেমটিতে কোনো সমস্যা ছিল না, অন্তত যতক্ষণ না সিরিজটিকে নিংড়ে শেষ করে ফেলা হয়েছিল।
* একবার আপনি যখন এই মুক্ত জগতে ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে চালাতে ক্লান্ত হয়ে পড়বেন এবং মূল মিশনে হাত দেবেন, তখন দেখবেন যে জিটিএ ৪-এর শুরুর দিকটা জেকব ব্রোনোউস্কির কোনো তথ্যচিত্রের চেয়েও ধীর গতির। শুরুর অনেকগুলো মিশন আসলে টিউটোরিয়াল বা গেম শেখার ধাপ। এটি প্রমাণ করে যে গেমে যখন আপনি অতিরিক্ত উপাদান যোগ করবেন তখন সেটি ব্যাখ্যা করতেই অর্ধেক সময় চলে যাবে! আপনাকে শিখতে হবে কীভাবে গাড়ি চালাতে হয়, ট্রাক চালাতে হয়, হাঁস চালাতে হয়, ফোন, টিভি বা ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হয়। এমনকি কীভাবে মারামারি করতে হয় বা কাভার থেকে গুলি করতে হয়—সবই শিখতে হয়। এমনকি কীভাবে এক বিশাল টাইরানোসোরাসের পিঠ থেকে গুলি করতে হয় তাও হয়তো শেখানো হবে... [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/48-Grand-Theft-Auto-IV গ্র্যান্ড থেফট অটো ৪]
===পেইনকিলার===
* গেমের অস্ত্রগুলো একঘেয়ে পুরনো অস্ত্র যেমন পিস্তল, শটগান বা রকেট লঞ্চার থেকে আলাদা হওয়ার এক সাহসী চেষ্টা করেছে। এর ডিফল্ট অস্ত্র হলো পেইনকিলার, যা একটি ঘূর্ণায়মান ব্লেড যা শরীরের অংশগুলো বিচ্ছিন্ন করার জন্য উপযুক্ত। আর বন্দুকের কথা বলতে গেলে আমি সেই অসাধারণ বন্দুকটির কথা বলতে পারি যা শত্রুদের দেয়ালের সাথে বড় গাছের গুড়ি দিয়ে গেঁথে দেয়। তবে আপনার যা জানা দরকার তা হলো এখানে এমন একটি বন্দুক আছে যা শুরিকেন আর বিদ্যুৎ ছোড়ে। আমি চাইলেই এমন কিছু বানিয়ে বলতে পারতাম না; এটি সত্যি সত্যি শুরিকেন আর বিদ্যুৎ ছোড়ে! এটি আরও চমৎকার হতো যদি এর বুক থাকত আর এতে আগুন জ্বলত।
* তো এটিই হলো পেইনকিলার, যা প্রমাণ করে যে মানসিক চাপ দূর করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো কারো ঘাড় মটকে দেওয়া। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/57-Painkiller পেইনকিলার]
===দ্য ওয়ার্ল্ড এন্ডস উইথ ইউ===
* জেআরপিজি এবং সাধারণভাবে অনেক গেমের যে বিষয়টি আমাকে দূরে সরিয়ে দেয় তা হলো যখন আমার মনে হয় যে একজন খেলোয়াড় হিসেবে গল্পের ওপর আমার কোনো হাত নেই। আমার কাজ শুধু চরিত্রগুলোকে এক বিরক্তিকর সংলাপ থেকে অন্য সংলাপে নিয়ে যাওয়া। সবকিছু তাদের কাজ অনুযায়ী ঘটে, আমার নয়। আমি স্রেফ এক রাগী সত্তা যে কেবল লড়াইয়ের সময় নিয়ন্ত্রণ হাতে নেয় এবং বাকি সময় প্রধান চরিত্রের মনের পেছনে লাফালাফি করে যাতে সে গর্দভের মতো আচরণ করা বন্ধ করে।
* আমি বলতে চাইছি যে আমি এমন গেম পছন্দ করি যেখানে গল্প আর গেমপ্লে হাতে হাত রেখে চলে। অন্যদিকে বেশিরভাগ জেআরপিজিতে গল্প আর গেমপ্লেকে বাঘ দিয়ে তৈরি এক পেটা লোহার বেড়ার দুই পাশে আলাদা করে রাখা হয়।
* টিডব্লিউইডব্লিউওয়াই কি একটি ভালো জেআরপিজি? আমার কোনো ধারণা নেই। আমার মনে হচ্ছে আমি এক ভয়ঙ্কর জগতের কিনারে দাঁড়িয়ে আছি যা আমি বুঝি না। আমি এক গভীর হ্রদের ওপর ভাসছি যা অদ্ভুত গন্ধযুক্ত প্রাণীতে ভরা এবং যাদের বিনোদনের ধারণা আমার কাছে একেবারেই ভিনগ্রহের মনে হয়। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/67-The-World-Ends-With-You দ্য ওয়ার্ল্ড এন্ডস উইথ ইউ]
===অবলিভিয়ন===
* আপনারা আমাকে চেনেন; আমি একটু অস্থির এবং তাৎক্ষণিক বিনোদন পছন্দ করা গেমার। যার হাতে মোটরবাইকের সমান বন্দুক আর স্পেস হেলমেটে ভিনগ্রহের প্রাণীর কাটা অংশ না লাগলে শান্তি হয় না। কিন্তু মাঝে মাঝে গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান বদলে যায় এবং মহাজাগতিক রশ্মির প্রভাবে হুট করে আমার মনে হয় একটি চমৎকার ফ্যান্টাসি আরপিজি খেলি। জেআরপিজি নয়, ঈশ্বর রক্ষা করুন; এটি স্রেফ মহাজাগতিক বিকিরণ, খ্রিস্টের অসীম শক্তি নয়। একটি পশ্চিমা আরপিজি যেখানে গবলিন, তলোয়ার আর নেংটি পরা পুরুষরা থাকবে।
* অবলিভিয়নে আপনি রাজপ্রাসাদের এক অন্ধকূপ থেকে শুরু করেন। আপনি কী অপরাধ করেছেন তা কখনোই বলা হয় না; আমার ধারণা আপনাকে নিজেই সেটি ধরে নিতে হবে। তাই আমি বিশ্বাস করতে চাই যে আমি সম্রাটের স্ত্রী এবং মেয়ের সাথে একই সময়ে ফুর্তি করার অপরাধে সেখানে ছিলাম। যাই হোক, এরপর সম্রাট হাজির হলেন (ক্যাপ্টেন পিকার্ডের কণ্ঠস্বর) এবং আমি তাকে বেশ পছন্দ করেছি। তিনিই একমাত্র চরিত্র ছিলেন যিনি জানতেন যে তারা একটি ফ্যান্টাসি আরপিজিতে আছেন। তিনি আমার দিকে একবার তাকালেন, আমার মাথার পেছনে ক্যামেরা ভাসতে দেখে বললেন, "ওহ সর্বনাশ। তুমিই তো নায়ক; তার মানে এখন আমাকে মরতে হবে।" আর তিনি মারা গেলেন।
* এত চেষ্টা করা সত্ত্বেও অবলিভিয়ন আমার খেলা অন্যতম কম আকর্ষণীয় আরপিজি। এর ওয়ার্ল্ড ম্যাপ বিশাল, তা মানছি। আপনি যদি এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে হাঁটতে চান তবে সাথে কিছু খাবার দাবার নিয়ে বের হওয়া ভালো। কিন্তু সত্যি বলতে, একবার খোলা আকাশের নিচে দাঁড়ালে আপনি যা দেখবেন, পুরো গেমেই মূলত তা-ই আছে। মনে হয় তারা মধ্যযুগীয় ইংল্যান্ডের গ্রাম্য এলাকার ২০০ বর্গগজ জমি নিয়েছে, তাতে কিছু নেকড়ে ছেড়ে দিয়েছে এবং এরপর পুরো ম্যাপে সেটি কপি-পেস্ট করে দিয়েছে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/75-Oblivion অবলিভিয়ন]
===হেইজ===
* আমি মনে করি এটা বলা নিরাপদ হবে যে খুব কম মানুষই হেইজ কেনার জন্য লঞ্চের দিন লাইন দিয়েছিল। আমি যখন বক্সের পেছনে তাকালাম এবং দেখলাম এটি স্পেস মেরিনদের নিয়ে একটি আউটডোর ফার্স্ট-পারসন শুটার, তখন আমার সব আগ্রহ ধূলিসাৎ হয়ে গেল। আমি ভাবলাম, "খুব ভালো কথা। আমি সেই সব গাড়ি চালানোর অংশ আর টেবিলের নিচে লুকিয়ে থেকে রক্ত বা হেলথ ফিরে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করার দিনগুলোর অপেক্ষায় রইলাম।" কিন্তু তখনই আমার কাঁধের ওপর থাকা সেই রাগী দেবদূত হাজির হলো। সে বলল, "লজ্জা পাওয়া উচিত বেঞ্জামিন ইয়াটজি সেবাস্তিয়ান গডজিলা ক্রোশাও! তুমি কি কল অফ ডিউটি ৪-এর কথা ভুলে গেলে? তোমার উচিত প্রতিটি গেমকে নিজেকে ভালো প্রমাণ করার একটি সুযোগ দেওয়া।"
* হেইজ গেমের গল্পের মূল বার্তা হলো যুদ্ধ খারাপ! এবং মৃত্যুর মুখে কোনো সত্যিকারের নায়ক নেই। কিন্তু এর সাথে "ধুমধাড়াক্কা গুলির মজা" যোগ করা আমার কাছে মনে হয়েছে নিজের কাছে কেক রাখা এবং একই সাথে সেটি খাওয়ার চেষ্টার মতো।
* আপনার যদি হ্যালো পছন্দ হয়, নতুন কিছু করার ভয় থাকে এবং খুব দ্রুত টাকা খরচ করার ইচ্ছা থাকে, তবে আপনার মানসিক চিকিৎসার প্রয়োজন। কিন্তু তা করার আগে আপনি হেইজ কিনতে পারেন, ওহে পাগল মানুষ। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/93-Haze হেইজ]
===মেটাল গিয়ার সলিড ৪===
* আমার মস্তিষ্ক ব্যথা শুরু করার আগে আমি গল্পের যতটা পারি বলার চেষ্টা করছি: সলিড স্নেক একজন ক্লোন করা মার্সেনারি যে সময়ের আগেই বুড়ো হয়ে যাচ্ছে। সে তার বন্ধু ওটাকনের সাথে থাকে এবং তারা দুজন মিলে একটি সন্তান দত্তক নিয়েছে। (ওই যে অদ্ভুত শব্দটা শুনলেন তা হলো সারা বিশ্বের ফ্যান ফিকশন লেখকদের দীর্ঘশ্বাস)। যাই হোক, সলিড স্নেককে তার অশুভ ক্লোন ভাইকে হত্যার দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেই ভাইটি মারা গেছে, কিন্তু সে তার হাতের মাধ্যমে বেঁচে আছে যা অন্য কারো শরীরে লাগানো হয়েছে—ওহ ঈশ্বর, আমি আর বলতে পারছি না; এ তো পাগল করা কাহিনী! কী ঘটছে তা বুঝতে গেমটি নিজেই খেলুন, যদিও আমি গ্যারান্টি দিতে পারছি না যে তাতেও আপনি সব বুঝবেন। হিদেও কোজিমার মানসিকতা বুঝতে হলে আপনাকে বেশ কিছু ভয়ঙ্কর কাজ করতে হবে।
* কেউ একজন বলেছিলেন যে একজন রাজনীতিবিদ হলেন এমন ব্যক্তি যিনি ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা বলতে পারেন কিন্তু কাজের কিছু বলেন না। এটি যদি সত্যি হয়, তবে হিদেও কোজিমা নির্বাচনে দাঁড়ালে দুপুরের মধ্যেই মহাবিশ্বের সম্রাট হয়ে যাবেন। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/99-Metal-Gear-Solid-4 মেটাল গিয়ার সলিড ৪]
===ওয়েবকমিক্স===
* নাটকীয়তা হলো এমন এক আঠা যা ওয়েবকমিক সম্প্রদায়কে ধরে রাখে এবং এটি তৈরি করার অনেক চমৎকার উপায় আছে। আপনার জঘন্য আঁকার স্টাইল উন্নত করার কোনো চেষ্টা করবেন না, কনভেনশনে গিয়ে বাজে ব্যবহার করুন, গঠনমূলক সমালোচনাকে শত্রুতা হিসেবে নিন এবং সাধারণভাবে একজন অহংকারী মানুষের মতো আচরণ করুন যারা ইন্টারনেটের অন্ধকার জগতে মাশরুমের মতো জন্মায়। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/108-Webcomics ওয়েবকমিক্স]
===লেগো ইন্ডিয়ানা জোন্স===
* আমি এ পর্যন্ত লেগো-লুকাসআর্টস জোটকে এড়িয়ে গেছি। এর প্রধান কারণ হলো এটি শুনতে একেবারেই অদ্ভুত লাগে। একবার আপনি যদি লেগো স্টার ওয়ারস মেনে নেন, তবে এর শেষ কোথায়? প্লেমোবিল ব্যাটলস্টার গ্যালাকটিকা? ডুপলো ফায়ারফ্লাই? মেকানো ডুন? হ্যাঁ, আমার এই কৌতুক করা শেষ। দাঁড়ান! আমার কাছে আরও একটা আছে! স্টিকল ব্রিকস ব্যাবিলন ৫?... দুঃখিত।
* পুরো অভিজ্ঞতার মধ্যেই প্যারোডি বা ব্যঙ্গ করার একটি বিষয় আছে যা আমার বেশ ভালো লেগেছে। আমার ধারণা এর কারণ হলো আমরা এমন একটি ফিল্ম সিরিজ নিয়ে কাজ করছি যা ছোটবেলায় আমাকে আতঙ্কিত করত, আর এখন সেটিকে পুরোপুরি খেলনা বানিয়ে ফেলা হয়েছে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/123-LEGO-Indy লেগো ইন্ডিয়ানা জোন্স]
===অ্যালোন ইন দ্য ডার্ক===
* আমি নিয়ম করে অন্যের রিভিউ পড়ি না কারণ তা গেম নিয়ে আমার নিজস্ব ধারণাকে বদলে দিতে পারে এবং আমি নিশ্চিত যে আমিই এই পৃথিবীতে একমাত্র ব্যক্তি যার মগজ ঠিকঠাক কাজ করে। কিন্তু অ্যালোন ইন দ্য ডার্ক সম্পর্কে সাধারণ মানুষের ধারণা এড়িয়ে যাওয়া বেশ কঠিন ছিল। সবাই একে "সর্বকালের নিকৃষ্টতম গেম" বলছিল। আমি ভাবলাম, "ঠিক আছে, আমি নিজেই এই গেমটি খেলব এবং একে পছন্দ করার চেষ্টা করব।" কয়েক দিন পার হয়েছে এবং আপনি শুনে অবাক হতে পারেন যে মাঝে মাঝে সংখ্যাগরিষ্ঠের ধারণা একদম সঠিক হয়।
* দুঃখের বিষয় হলো অ্যালোন ইন দ্য ডার্ক গেমটি একটি ভালো গেম হওয়ার খুব কাছাকাছি ছিল, কিন্তু তারা এতটাই তাড়াহুড়ো করেছে যে শেষ পর্যন্ত সবকিছু ভন্ডুল করে ফেলেছে। এটি অনেক ভালো আইডিয়াতে ভরা ছিল কিন্তু সেগুলোর প্রয়োগ ছিল ভয়াবহ। আমি টেরি আর গোনাড নামের দুজন কাল্পনিক ডিজাইনার দিয়ে এটি ব্যাখ্যা করছি। টেরি বলল, "চলো এমন একটি ক্ষত সিস্টেম রাখি যেখানে খেলোয়াড়ের শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা যাবে।" গোনাড উত্তর দিল, "ঠিক আছে! কিন্তু চলো সেগুলো জামার ওপর দিয়ে দিই যাতে মনে হয় কেউ তার সোয়েটারে হ্যামের টুকরো আঠা দিয়ে লাগিয়ে দিয়েছে!" টেরি আবার বলল, "চলো এমন এক অন্ধকার মেঝে রাখি যা উজ্জ্বল আলোতে স্বাভাবিক হয়ে যাবে।" গোনাড বলল, "ঠিক আছে! এখন চলো ফ্ল্যাশলাইটটিকে অকেজো বানিয়ে দিই এবং ওই মেঝেতে পা রাখা মানেই অবধারিত মৃত্যু এমনটা করি!" এরপর টেরি হাল ছেড়ে দিল আর গোনাড নিজে নিজেই হাসতে লাগল।
* একটি সিরিজ হিসেবে অ্যালোন ইন দ্য ডার্ক সবসময়ই সূক্ষ্ম এবং রুদ্ধশ্বাস ভয়ের বিষয় ছিল, যা এর নামেই বোঝা যায়। এখন এর কোনো মানে হয় না, কারণ আপনি একা নন এবং এটি অন্ধকারও নয় কারণ সবখানে আগুন জ্বলছে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/130-Alone-in-the-Dark অ্যালোন ইন দ্য ডার্ক]
===এজ অফ কোনান===
* সাধারণ বিশ্বাসের বিপরীতে আমি মিউ-মোর-পিউ-জার বা এমএমও গেম অপছন্দ করি না। আমি ঘৃণা করি এগুলো মানুষের সাথে যা করে তাকে। মানুষ এগুলো খেলে সূর্যের আলো না দেখা মাংসের দলায় পরিণত হয় যারা শুধু বড় বড় শ্বাস নেওয়ার মাধ্যমে যোগাযোগ করে। আর আমার রাগ হয় যখন আমি পিছে ফিরে তাকাই এবং দেখি যে আমি আমার জীবনের অনেকগুলো মাস নষ্ট করেছি যা আমি একটি বই লিখতে বা সন্তান লালন-পালন করতে ব্যয় করতে পারতাম। তবে ওয়ার্ল্ড অফ ওয়ারক্রাফট খেলে আমি মজা পেয়েছিলাম। তুলনা যেহেতু অনিবার্য তাই বলেই ফেলি: এজ অফ কোনান কিন্তু ওয়ার্ল্ড অফ ওয়ারক্রাফট নয়। অনেকে বলতে পারেন এটি হয়তো তেমন হতেও চায়নি, কিন্তু তারা মিথ্যে বলছেন কারণ সব এমএমও-ই ওয়ার্ল্ড অফ ওয়ারক্রাফট হতে চায়: একই নিয়ন্ত্রণ, একই পরিভাষা এবং একই একঘেয়ে খাটুনি। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/138-Age-of-Conan এজ অফ কোনান]
===ই৩ ট্রেলার পার্ক===
* আমি পরিষ্কার করতে চাই যে আমার এই পাথরের মতো হৃদয়ের কোথাও হয়তো এই গেমগুলো মজাদার হওয়ার সম্ভাবনা আছে (অবশ্যই ফাইনাল ফ্যান্টাসি ১৩ বাদে)। কিন্তু আমার উদ্দেশ্য হলো এটি যুক্তি দিয়ে বোঝানো যে হতাশাবাদী হওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ যদি গেমটি ভালো হয় তবে তো ভালোই! কিন্তু যদি খারাপ হয় তবে আপনার কোনো ক্ষতি নেই। তা ছাড়া আপনি এই ভেবে তৃপ্তি পাবেন যে আপনি ওই ফ্যানবয়দের চেয়ে বুদ্ধিমান। একটি সাধারণ নিয়ম হলো: ট্রেলার দেখে কখনো উত্তেজিত হবেন না, যদি না সেটি নতুন ওয়াচমেন মুভির ট্রেলার হয়। ওহ হ্যাঁ, আমি সেই বড় নীল উজ্জ্বল মানুষদের দেখে কখনো ক্লান্ত হই না! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/157-The-E3-Trailer-Park ই৩ ট্রেলার পার্ক]
===নিনজা গাইডেন ২===
* সত্যি বলতে, আপনি যদি গল্প চান তবে আপনার জন্য গল্প হলো এই: ওখানে দানব আছে, গিয়ে তাদের খতম করো। জাপানি গেমগুলোর মধ্যে নিনজা গাইডেন ২ এর সরাসরি অ্যাকশনের জন্য অনন্য। এতে মেটাল গিয়ার সলিডের মতো কাটসিন বা সংলাপের কোনো ঝক্কি নেই যা দিয়ে একটি আস্ত বই লেখা যাবে। ডেভিল মে ক্রাইয়ের মতো সিনেমাটিক দৃশ্যগুলো সব মজা কেড়ে নেয় না। এমনকি জেল্ডার মতো আপনাকে শুরুতে কয়েক ঘণ্টা শুধু লাঠি ঘোরানো শিখতে হয় না। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/175-Ninja-Gaiden-2 নিনজা গাইডেন ২]
===প্রিন্স অফ পারসিয়া রেট্রোস্পেক্টিভ===
* স্যান্ডস অফ টাইমের যে বিষয়টি আমি অপছন্দ করি তা হলো এর লড়াইগুলো বারবার একই রকম এবং একঘেয়ে। এই সিরিজের একটি অদ্ভুত দিক হলো এটি সবসময়ই নিখুঁত হওয়ার কাছাকাছি পৌঁছায় কিন্তু প্রতিবার এক ধাপ এগোলে আবার এক ধাপ পিছিয়ে যায়। এর পরের কিস্তি ওয়ারিয়র উইদিনের লড়াই অনেক উন্নত ছিল কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত অন্য সবকিছু ইমো সংস্কৃতির কবলে পড়েছিল। মনে হয় ইউবিসফট সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে ইমো সংস্কৃতি এখন জনপ্রিয়, তাই তারা একদিন সকালে অফিসে গিয়ে যারা হাসছিল তাদের সবাইকে বরখাস্ত করে দিয়েছিল। প্রিন্স হুট করে রাগী হয়ে গেল এবং হুমকি দিতে শুরু করল। এই পরিবর্তন এতটাই অপ্রয়োজনীয় এবং ঘৃণ্য ছিল যে এর অনেক সমালোচনা হয়েছিল। এটি ছিল দুঃখজনক কারণ গেমের পরিবেশ তখনও সুন্দর ছিল এবং গেমপ্লে আগের চেয়ে ভালো ছিল। এটি স্রেফ এটাই প্রমাণ করে যে কখনোই কোনো পুডিংয়ের ভেতর নিজের লিঙ্গ ঢোকাবেন না। সেটি হয়তো ভালো পুডিং হতে পারে কিন্তু আপনি সারাদিন ব্যাখ্যা করলেও কেউ সেটি খাবে না কারণ আপনি ওতে নিজের লিঙ্গ ঢুকিয়েছিলেন!
* স্যান্ডস অফ টাইমের তিনটি গেমের মধ্যে সম্ভবত সর্বকালের সেরা গেম হওয়ার সব উপাদান ছিল এবং আমি এটি হালকাভাবে বলছি না। প্রথম গেমটি এখনও আমার পছন্দের সেরা পাঁচটি গেমের একটি হয়ে আছে, কিন্তু এটি আরও ভালো হতে পারত। আনক্যানি ভ্যালি ইফেক্টের মতো একটি গেম যত বেশি নিখুঁত হওয়ার কাছাকাছি পৌঁছায়, এর খুঁতগুলো তত বেশি চোখে পড়ে। আর সিক্যুয়ালগুলোতে তারা সেই খুঁতগুলো ঠিক করার যে চেষ্টা করেছে তা ছিল অনেকটা বার্থডে কেক থেকে ধুলোবালি সরানোর জন্য বেলচা ব্যবহারের মতো। তবে আমরা ভুল থেকে শিখি, তাই আশা করি নতুন প্রিন্স অফ পারসিয়া স্যান্ডস অফ টাইমের মতোই ভালো হবে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/183-Prince-of-Persia-Retrospective প্রিন্স অফ পারসিয়া রেট্রোস্পেক্টিভ]
===সোল ক্যালিবুর ৪===
* আমি আসলে ফাইটিং গেমগুলো বুঝি না। আমি এগুলো ঘৃণা করি না, কিন্তু এগুলো আমাকে খুব একটা উত্তেজিতও করে না। আমি স্রেফ এগুলো বুঝি না। আর আমি যখনই এ কথা বলি, মানুষ একই কথা বলে: "বোঝার কী আছে? মারামারি করলে মন হালকা হয়। এটা অনেকটা স্ট্রেস বল চাপার মতো, পার্থক্য হলো এখানে আপনি একটি জাপানি স্কুলছাত্রীর মুখে লাথি মারছেন।" কিন্তু আপনি যদি মানসিক চাপ কমাতে চান তবে ভেষজ স্নান করতে পারেন বা দেয়ালে মাথা ঠুকতে পারেন, যার কোনোটির জন্যই ইলেকট্রনিক্স দোকানে গিয়ে ৯০ ডলার খরচ করতে হয় না। এর নিশ্চয়ই আরও কোনো বড় কারণ আছে।
* সত্যি বলতে, এই গেমের সাথে ম্যানুয়াল কেন দেয় তা ভেবে আমি অবাক হই। আপনার শুধু "থ্রো" বাটনের একটি ছবি আর সেদিকে নির্দেশ করা একটি বড় তীরের প্রয়োজন। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/189-Soul-Calibur-IV সোল ক্যালিবুর ৪]
===ব্রেইড===
* আর জানেন আমি এসবের জন্য কাকে দায়ী করি? আপনাকে! হ্যাঁ, আপনাদের মতো সাধারণ মানুষকে। আপনারা নিশ্চিত করেন যে সেই একই পুরনো সিক্যুয়ালগুলো যেন প্রচুর মুনাফা অর্জন করে। কারণ যা কিছুই নিরাপদ এবং পরিচিত নয় তা দেখলেই আপনারা ভয় পান! আর যেহেতু আপনি আপনার বাবার সব টাকা দিয়ে একটি নেক্সট-জেনারেশন কনসোল কিনেছেন, তাই আপনি চকচকে গ্রাফিক্স ছাড়া অন্য কিছুকে পাত্তাই দেবেন না। আপনারা নতুন উদ্ভাবনী গেমপ্লে খোঁজার চেয়ে মাস্টার চিফ ব্র্যান্ডের কনডম কিনতেই বেশি আগ্রহী! আসলে আমি কেন আপনাদের সাথে কথা বলছি তা-ই জানি না। বিদায় হোন! ব্রাউজার বন্ধ করে আবার গিয়ারস অফ ওয়ার খেলতে চলে যান! সে কি গেছে? ভালো, আমি ওই লোকটাকে ঘৃণা করি! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/203-Braid ব্রেইড]
===ইভ অনলাইন===
* মহাকাশ অভিযানের না বলা লক্ষ্য হলো পুরো গ্রহটিকে বিরক্তিকর করে তোলা। জীবন তখন সবচেয়ে বেশি রোমাঞ্চকর ছিল যখন আমরা ঘাসের কুঁড়েঘরকে খুব আধুনিক মনে করতাম এবং যখন আমরা জানতাম না যে পরবর্তী পাহাড়ের ওপারে কি কিশমিশ পাউরুটির তৈরি ড্রাগন থাকতে পারে কি না। আজকাল সবকিছু ম্যাপে আঁকা আছে। এমনকি আমরা চাঁদে এবং সমুদ্রের তলদেশেও যথেষ্ট সময় কাটিয়েছি এটা জানতে যে সেখানেও কোনো ড্রাগন নেই। এখন কেবল মহাকাশের গভীরতা অনাবিষ্কৃত এবং আকর্ষণীয় হয়ে আছে। ইভ অনলাইন মহাকাশের গভীরতাকে বিরক্তিকর বানিয়ে অসম্ভবকে সম্ভব করেছে এবং প্রমাণ করেছে যে এর সবচেয়ে ভালো উপায় হলো পণ্ডিতদের সেখানে বসতি স্থাপন করতে দেওয়া। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/208-Eve-Online ইভ অনলাইন]
===টু হিউম্যান===
* আমাকে স্বীকার করতেই হবে যে এই গেমের গল্পটি নরওয়েজিয়ান দেবতাদের সেই তেজস্বী ব্যক্তিত্ব নিয়ে সেটিকে একগুচ্ছ বিরক্তিকর, রোবোটিক আর আবেগহীন চরিত্রে পরিণত করার জন্য পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য।
* তো আপনি মারা যাবেন। আপনি অনেকবার মারা যাবেন। আর গেমটি আপনাকে সেটি বারবার মনে করিয়ে দিতে চায়। একজন ভ্যালকিরি ধীরগতিতে নিচে নেমে আসবে, আপনার লাশ তুলে নেবে এবং স্বর্গের দিকে উড়ে যাবে যেন সে বলতে চাইছে, "ঠিক আছে সোনা, তুমি যে লড়াই করতে পারো না তাতে কিছু যায় আসে না; চলো তোমাকে ঘুম পাড়িয়ে দিই।" এরপর আপনি কোনো শাস্তি ছাড়াই ৫০ ফুট দূরে আবার জন্ম নেবেন। আর এটি প্রতিবার মারা যাওয়ার সময় ঘটে! আপনি এটি এড়াতে পারবেন না! সিলিকন নাইটস-এর কেউ কি এটি দেখে ভাবেনি যে মানুষ এতে বিরক্ত হবে? একমাত্র কারণ হতে পারে এটি এক ধরণের পরীক্ষা—যদি কেউ ফোরামে এর সাফাই গায় তবে তাকে সরকারের কালো তালিকায় রাখা উচিত কারণ তাদের মগজ ঠিকঠাক কাজ করছে না! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/213-Too-Human টু হিউম্যান]
===স্পোর===
* ইতিহাস যদি আমাদের একটি জিনিস শিখিয়ে থাকে (চেঙ্গিস নামের কাউকে চটানো যাবে না বা পাইপে সীসা রাখা যাবে না এ ছাড়াও), তবে তা হলো আপনি যদি খুব জনপ্রিয় কোনো ভালো জিনিস তৈরি করেন, তবে নিশ্চিত করুন যে সেটিই যেন আপনার জীবনের শেষ কাজ হয়। কারণ অন্যথায় আপনাকে আপনার বাকি জীবন উচ্চ আকাঙ্ক্ষা আর চাপের নিচে কাটাতে হবে।
* আপনি নিজের বিল্ডিং এবং গাড়িও ডিজাইন করতে পারবেন; তাই আপনি যদি আট বছর বয়সীদের জন্য কোনো থ্রিডি আর্ট প্রোগ্রাম খুঁজে থাকেন তবে স্পোর আপনার জন্য। আর আপনি যদি একটি আসল গেমের অপেক্ষায় থাকেন তবে আপনাকে হতাশ হতে হবে। তবে কিছু মনে করবেন না; আপনি চাইলে এমন একটি প্রাণী ডিজাইন করতে পারেন যাকে দেখতে লিঙ্গের মতো লাগে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/218-Spore স্পোর]
===এক্সবিএলএ ডাবল বিল===
* (বায়োনিক কমান্ডো রিআর্মড-এর ওপর) তবে প্রশ্ন হলো একটি রিমেক গেম কি আগের গেমের নিয়মগুলোই অন্ধভাবে অনুসরণ করবে, নাকি আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে সেগুলোকে উন্নত করবে? অবশ্যই দ্বিতীয়টি। পুরনো গেম ডিজাইনের মধ্যে পবিত্র হওয়ার মতো কিছু নেই। সেগুলো স্রেফ পুরনো আর বলিরেখাযুক্ত।
* (ক্যাসেল ক্র্যাশার্স-এর ওপর) বড় মাথাওয়ালা ছোট চরিত্রগুলোকে দেখতে মজা লাগলেও অনেক শত্রু যখন একসাথে থাকে তখন নিজের চরিত্রটি খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে যায়। আর বড় বড় বস ফাইটগুলোর সময় এটি আরও কঠিন হয়ে ওঠে যখন বস আপনার চরিত্রকে তার শরীরের নিচে লুকিয়ে ফেলে। অন্তত গোল্ডেন এক্সে আপনি আমাজন নারী হিসেবে খেলতে পারতেন এবং তাকে সহজেই চিনে নেওয়া যেত। এটি যেন যমজ বামনদের লড়াই দেখার মতো যেখানে আপনি ভুলে গেছেন কার ওপর বাজি ধরেছিলেন।
* নস্টালজিয়া বা পুরনো স্মৃতি স্রেফ ধোঁকা। শিশুরা সবকিছুই পছন্দ করবে—সেই ছোট গর্দভগুলো—আর আপনিও আলাদা ছিলেন না। প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সাথে গেমের সম্ভাবনা বেড়েছে। আজকের গেমিং শিশুরা যখন বড় হবে, তখন তারা বলবে যে হ্যালো ৩ তাদের সময়ের গেমগুলোর চেয়ে অনেক ভালো ছিল। তারা তখন ঠিক ততটাই ভুল হবে যতটা ভুল আপনি এখন। আমি ওকারিনা অফ টাইম এবং মারিও ৬৪ খেলার আগেই জেল্ডা: টুয়াইলাইট প্রিন্সেস এবং সুপার মারিও সানশাইন খেলেছিলাম এবং আমার মনে হয়েছে প্রথম দুটি সব দিক থেকেই ভালো ছিল! আর আমি মনে করি হিটলার ঠিকই ছিল! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/222-XBLA-Double-Bill এক্সবিএলএ ডাবল বিল]
===মার্সেনারিস ২===
* গেমারদের মাথায় প্রায়ই একটি কুচিন্তা ঘোরে। আমি সোল ক্যালিবুরের আইভি-র প্যান্ট নিয়ে কোনো চিন্তার কথা বলছি না যা তরুণদের জন্য স্বাভাবিক। আমি সেই চিন্তার কথা বলছি যা হলো, "কিন্তু পরে হয়তো আমার এটি লাগবে"—সেই ছোট সন্দেহ যা আপনাকে শক্তিশালী অস্ত্রগুলো ব্যবহার করতে বাধা দেয় এই ভেবে যে শেষে হয়তো কোনো বোনাস পাওয়া যাবে। তাই দেখা যায় আপনি উত্তর কোরিয়াকে লজ্জা দেওয়ার মতো পারমাণবিক অস্ত্রের ওপর বসে আছেন আর এক বিশাল রোবট কাঁকড়াকে মটরশুঁটি ছুড়ে মারছেন এই ভয়ে যে সামনে হয়তো আরও বড় কোনো রোবট কাঁকড়া আসতে পারে। মার্সেনারিস ২-এর চেয়ে ভালো আর কোনো গেম এই বিষয়টি ফুটিয়ে তুলতে পারে না।
* কেন আমাদের প্রাইভেট মিলিটারি কোম্পানির সিইও-কে সব মিশন ব্যক্তিগতভাবে করতে হয় কোনো ব্যাকআপ ছাড়াই? শুধু একজন আইরিশ হেলিকপ্টার পাইলট থাকে যে শত্রু সামান্য কিছু ছুড়ে মারলেই মিশন ছেড়ে পালিয়ে যায়। আসলে একাই কাজ করা ভালো। এই গেমের এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এতটাই নির্বোধ যে মনে হয় তারা গুহায় বাস করে। একবার আমি একটি বন্ধু দল থেকে এক প্লাটুন সৈনিক ডাকলাম একটি শত্রু ঘাঁটি দখল করতে সাহায্য করার জন্য। তাদের প্রত্যেকেই হেলিপ্যাডের কিনারে পা দিল, ছয় ফুট নিচে পড়ে মারা গেল। সাহায্য তো হলোই না বরং দেখতে খুব হাস্যকর ছিল! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/231-Mercenaries-2 মার্সেনারিস ২]
===স্টার ওয়ারস: দ্য ফোর্স আনলিশড===
* দৃশ্যত এই গেমের কাহিনী স্টার ওয়ারসের প্রিক্যুয়েল ট্রিলজিকে মূল সিরিজের সাথে যুক্ত করার কথা, যা একটি প্রশ্ন জাগায়: আমরা কেন এই ভয়ঙ্কর কাজটি করতে চাইব? এটি অনেকটা আপনার ব্রেকফাস্টকে একটি প্লেগ আক্রান্ত ইঁদুরের সাথে বাঁধার মতো। জর্জ লুকাস এই গল্পের প্রতিটি জায়গায় তার ছাপ রেখে গেছেন কারণ এর একটি চরিত্রও মানুষের কাছে আপন মনে হয় না। তবে সেটি উই কনসোলের গ্রাফিক্সের সীমাবদ্ধতার কারণেও হতে পারে যা তাদের সবাইকে জেরি অ্যান্ডারসনের পুতুলের মতো দেখাচ্ছিল।
* উই কনসোলে দ্য ফোর্স আনলিশড আমার মন জয় করতে পারেনি। আমি গেম ডেভেলপারদের দোষ দিই না, আর আমি এটি শুধু এ জন্য বলছি না যে তারা এই শহরেই থাকে এবং আমাকে মেরে ফেলতে পারে। আমি উই কনসোলকে দোষ দিই এর হার্ডওয়্যার আপগ্রেডের কৃপণতার জন্য; নিজেকে দোষ দিই বিভিন্ন ভার্সন নিয়ে গবেষণা না করার জন্য; মাইকেল অ্যাটকিনসনকেও দোষ দিই অনেক কিছুর জন্য; কিন্তু সবচেয়ে বেশি দোষ দিই জর্জ লুকাসকে, সেই দাড়িওয়ালা মানুষটিকে যে নিজের ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে এমনভাবে ধ্বংস করছে যা বলার বাইরে! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/251-Star-Wars-The-Force-Unleashed স্টার ওয়ারস: দ্য ফোর্স আনলিশড]
===স্টকার: ক্লিয়ার স্কাই===
* আমার মনে হয় না আমি বাস্তব যুদ্ধের কোনো পরিস্থিতিতে ভালো করতে পারব। আমি কারো চিৎকার সহ্য করতে পারি না এবং পিঠে গরুর সমান ব্যাগ নিয়ে আমি খুব দ্রুত দৌড়াতেও পারি না। আমি স্বেচ্ছায় কোনো লড়াইয়ে যাওয়ার আগে চাইব শত্রুরা যেন তাদের মাথায় বড় লাল তীরের চিহ্ন লাগিয়ে রাখে এবং জানালার পাশে দাঁড়িয়ে থাকে। আর আমার সঙ্গীরা যখন তাদের এটি করতে রাজি করাবে, তখন আমি মনে করব যে আমি এক বিশাল কাপুরুষ এবং সেখান থেকে পালিয়ে যাব।
* বেশিরভাগ এফপিএস গেমে আপনি মানুষ আর রেফ্রিজারেটরের এক সংকর জাত যে মুখে একগাদা গোলাবারুদ নিলেও কিছু হয় না, আর শত্রুদের বর্ম যেন হুইপড ক্রিম দিয়ে তৈরি। কিন্তু এই গেমে মনে হয় সবার চরিত্র পাল্টে গেছে। প্লেয়ারের শরীরে কয়েকটি বুলেট লাগলেই সে মারা যায়, অন্যদিকে শত্রুরা এত গুলি খাওয়ার পরও বেঁচে থাকে যে আপনি অবাক হয়ে ভাববেন তারা কি সকালে কর্নফ্লেক্সের বদলে লোহার টুকরো খেয়েছিল। তারা ঘুটঘুটে অন্ধকারেও আপনাকে চিনে ফেলতে পারে এবং অনেক দূর থেকেও আপনাকে নিখুঁতভাবে গুলি করতে পারে যা সত্যিই অসম্ভব। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/271-S-T-A-L-K-E-R-Clear-Sky স্টকার: ক্লিয়ার স্কাই]
===সাইলেন্ট হিল হোমকামিং===
* সাইলেন্ট হিলের সেই বিশেষ একাকীত্বের বিষয়টি এই গেমে একেবারেই নেই যখন আপনার সাথে এক চটপটে নারী সঙ্গিনী থাকে। এটি আরেকটি অদ্ভুত আমেরিকান অভ্যাস যা সবসময় প্রশ্নাতীত থেকে যায়: কেন প্রতিটি গেমে জোর করে একটি প্রেমকাহিনী ঢুকিয়ে দিতে হবে? ভেবে দেখুন যদি এমন কোনো জগত থাকত যেখানে প্রতিটি গেম বা মুভিতে একটি নাচ প্রতিযোগিতার দৃশ্য রাখা বাধ্যতামূলক হতো। আমরা ভাবতাম তারা সবাই পাগল! অথচ এখানে আমরা এক অপ্রাসঙ্গিক সস্তা প্রেমের দৃশ্য দেখতে বাধ্য হচ্ছি যা গেমের ভয়ের চেয়েও বেশি যন্ত্রণাদায়ক।
* মনে হয় তাদের কাছে একটি হলিউড মুভির চেকলিস্ট ছিল যা তাদের পূরণ করতে হতো। গেমটি সাইলেন্ট হিল মুভি থেকে অনেক কিছু ধার করেছে, এমনকি এক পর্যায়ে আমার মনে হয়েছিল শন বিনের কোনো চরিত্র এখানে চলে আসবে যা পুরোপুরি অপ্রাসঙ্গিক হবে।
* সম্ভবত কোনো কিছুর মূল স্রষ্টা যদি সেটি আর এগিয়ে নিতে না চান, তবে আপনার উচিত তাদের কথা শোনা। অন্যথায় আপনি এটি স্রেফ ভক্তদের খুশি করার জন্য বানাচ্ছেন। আর ভক্তদের জন্য কিছু কেন করতে চাইবেন? ভক্তরা হলো ঘ্যানঘ্যান করা একগুচ্ছ মানুষ যারা কখনোই আপনার কোনো কাজে কৃতজ্ঞ হবে না। আপনি যেদিন তাদের চিৎকার উপেক্ষা করতে পারবেন, সেদিনই আপনি সুখী হবেন। যাই হোক, কেন একটি জিরো পাংচুয়েশন টি-শার্ট কিনছেন না? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/284-Silent-Hill-Homecoming সাইলেন্ট হিল হোমকামিং]
===সেন্টস রো ২===
* আমার মাথায় একটি আইডিয়া এল যে যখনই কোনো অপরাধের গেম তৈরি হয়, তখন সবসময়ই একই ধরণের গ্যাং থাকে: ইতালীয়, ইয়াকুজা বা রাস্তার গুণ্ডা। আপনি সবসময় সম্মান বা আপনার প্যান্ট নিয়ে পড়ে থাকেন। জানেন কীসের প্রয়োজন? এমন একটি গেম যেখানে আপনি ব্যাটম্যানের ভিলেন হিসেবে খেলবেন! আপনি হিমায়িত রশ্মি আর জেটপ্যাক নিয়ে ঘুরে বেড়াবেন এবং বড় বড় সব ধ্বংসাত্মক যন্ত্র বানাবেন। এরপর ব্যাটম্যান আসবে আর আপনাকে মারধর করবে কারণ আপনি তাকে আপনার সেই ধীরগতির ফাঁদে আটকাতে ভুলে গেছেন। এরপর আপনি রহস্যজনকভাবে পালিয়ে যাবেন যাতে পরের সপ্তাহে আবার ফিরে আসতে পারেন। দুর্ভাগ্যবশত মানুষ এখনও আমার প্রতিভা চিনতে পারেনি।
* সেন্টস রো ২ তার দর্শকদের বেশ ভালো বোঝে: এটি জানে যে বেশিরভাগ গেমার হলো বদমাশ এবং তাদের স্বাধীনতা দিলে তারা তার অপব্যবহার করবে। তাদের বন্দুক দিলে তারা বৃদ্ধাদের গুলি করবে। গাড়ি দিলে বৃদ্ধাদের চাপা দেবে। বিমান দিলে অনেক উপরে উঠে বৃদ্ধাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়বে। আর যদি পোশাক বদলানোর সুযোগ দেন, তবে তাদের প্রথম কাজ হবে কাপড় খুলে রাস্তায় উলঙ্গ হয়ে দৌড়ানো। আপনি যদি তাদের এই সব করতে বাধা দেন, তবে তারা আপনাকে ঘৃণা করবে। সেন্টস রো ২ শুধু আপনাকে বাধা দেয় না বরং আপনি কত বেশি বদমাশি করছেন তার স্কোর রাখে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/312-Saints-Row-2 সেন্টস রো ২]
===ডেড স্পেস===
* অন্তত একবারের জন্য আমি কোনো হরর গেমে এমন মহাকাশযান দেখতে চাই যা থাকার জন্য আরামদায়ক মনে হয়। সুন্দর আলো, সুন্দর কাঠের প্যানেল বা অন্তত মাঝে মাঝে একটা কার্পেট তো থাকতে পারে। তাহলে অন্তত যখন দানবরা আক্রমণ করবে তখন সেটি একটি সারপ্রাইজ বা চমক হবে। সত্যি বলতে, আপনি যদি আপনার মহাকাশযানটিকে বন্দুকের মতো ধূসর রঙ করেন আর মিটমিটে আলো জ্বালিয়ে রাখেন, তবে এর নাম রাখা উচিত "দানবদের ভোজের জায়গা"!
* আমি শুনেছি অনেকে এর ভয়ের প্রশংসা করে, কিন্তু এটি আসলে শুধু আপনাকে চমকে দেয়, আর তা করা খুব একটা কঠিন নয়। আমার জানালার ওপর একটি তক্ষক লাফিয়ে পড়লে আমি চমকে গিয়েছিলাম; তার মানে এই নয় যে সেটি স্ট্যানলি কুবরিকের মতো কোনো ভয়ের সিনেমা তৈরি করেছে! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/333-Dead-Space ডেড স্পেস]
===ফেবল ২===
* প্রথমেই আপনার টাকার প্রয়োজন হবে। কোয়েস্ট বা মিশন করে আগের মতো আর বেশি টাকা পাওয়া যায় না, তাই আপনাকে চাকরি করতে হবে। হয়তো আমি সেই গল্পটা পড়িনি যেখানে কোনান দ্য বারবেরিয়ান বারে কাজ শুরু করেছিল—না! ইয়াটজি থামো! এটি একটি লাইফ সিমুলেটর গেম! নিজের প্রত্যাশা বদলাও! ঠিক আছে। দ্য সিমস গেমে যেমন আপনি কেরানির চাকরি করতে পারতেন এবং আপনাকে প্রতিদিন অফিসে গিয়ে খাম গুছানোর মতো কাজ করতে হতো। আপনার কি মনে আছে সেটি কতটা বিরক্তিকর ছিল? অবশ্যই না! কারণ সেটি সত্যিই প্রচণ্ড বিরক্তিকর হতো!
* এরপর আপনার কাউকে বিয়ে করার সুযোগ আছে, যদিও আপনি কেন তা করতে চাইবেন সেই প্রশ্নের উত্তর গেমটি সুকৌশলে এড়িয়ে যায়। সবার কণ্ঠস্বর একই এবং সংলাপগুলোও বারবার ফিরে আসে। আপনি রাস্তায় আপনার প্রিয়তমার মতো দেখতে নয়জন ক্লোন দেখতে পাবেন এবং মিলনের সময় তারা কোনো কাপড়ও খুলবে না। এই সব চমৎকার কারণে আমি মাত্র ১২ মিনিটের মাথায় বিয়ে নিয়ে বিরক্ত হয়ে গেলাম এবং নিজের পুরো পরিবারকে মেরে ফেলার সিদ্ধান্ত নিলাম। তখনই আমি আবিষ্কার করলাম যে আপনি বাচ্চাদের মারতে পারবেন না। কিসের "পুরোপুরি স্বাধীনতা", তাই না? অন্য কেউ আমাকে ছোটবেলায় মুখে গুলি করে বিল্ডিং থেকে ফেলে দিতে পারে; কিন্তু আমি যখন ভালোবাসা বিলিয়ে দিতে চাই তখন তা সম্ভব নয়? আর এ প্রসঙ্গে বলে রাখি, আমি কেন আমার কুকুরকে বিয়ে করতে পারব না? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/346-Fable-2 ফেবল ২]
===ফলআউট ৩===
* আমার কাছে যদি লিয়াম নিসনের ফোন নম্বর থাকত, তবে আমি জানি আমি কী করতাম: আমি ভয়ে ভয়ে তাকে কল করে বলতাম যে "ডার্কম্যান" সিনেমাটি ঠিকঠাক ছিল আর এরপর ফোন রেখে পালিয়ে যেতাম। কিন্তু যদি আমি গাধা না হতাম এবং তাকে দিয়ে আমার ভিডিও গেমে ভয়েস রেকর্ড করাতাম, তবে তার চরিত্রের নাম দিতাম ক্যাপ্টেন ডায়নামাইট, যার মুখ হবে ফ্র্যাঙ্ক জাপার মতো আর পায়ের বদলে থাকবে পারমাণবিক মিসাইল। সে সারা গেম জুড়ে খেলোয়াড়ের চারপাশে উড়ে বেড়াত এবং বন্ধুত্ব বিলিয়ে দিত। আমি বলতে চাইছি আমি তার প্রতিভার পুরোটা ব্যবহার করতাম। বেথেসডা মনে হয় বড় বড় অভিনেতাদের ভাড়া করে আর তাদের চরিত্রগুলো গেমের মাঝখানেই হারিয়ে যায়। তারা অবলিভিয়নে ক্যাপ্টেন পিকার্ডের সাথে এমনটা করেছিল আর এখন ফলআউট ৩-এ অস্কার শিন্ডলারের সাথে তা-ই করল।
* গেমগুলো গত ২০ বছর ধরে আমার মধ্যে এই প্রবৃত্তি গেঁথে দিয়েছে যে দেশের বীর হওয়া মানেই সমাজের ছোটখাটো মালিকানা আইনগুলো লঙ্ঘন করা। এটি একটি অবজেক্টিভিস্ট দর্শন হতে পারে, কিন্তু আমি স্রেফ একটি গেমের জন্য এই শিক্ষা ভুলে যেতে পারব না! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/420-Fallout-3 ফলআউট ৩]
===গিটার হিরো ওয়ার্ল্ড ট্যুর===
* প্রথম যে সমস্যায় আমরা পড়লাম তা হলো কেউ গান গাইতে চাইল না! এটি শুধু এই গেমের সমস্যা নয় বরং এর মূল ধারণারই সমস্যা। আসলে যারা গিটার বাজানো পছন্দ করে তারা হলো একটু লাজুক ধরণের মানুষ যারা নিজেদের কল্পনা করে সেই দক্ষ গিটারিস্ট হিসেবে যার হাত গিটারের তারের ওপর দ্রুত নড়ে আর সে উদাস হয়ে তাকিয়ে থাকে। অন্যদিকে যারা গান গাইতে পছন্দ করে তারা হয় সবার আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হতে চায় অথবা এমন এক সাধারণ মানুষ যে প্রচণ্ড মদ্যপ অবস্থায় কোনো জুকবক্সের সামনে দাঁড়িয়ে ৮০-র দশকের গান গাইছে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/452-Guitar-Hero-World-Tour গিটার হিরো ওয়ার্ল্ড ট্যুর]
===মিররস এজ===
* মিররস এজ-এর ডেমো দেখে বেশিরভাগ মানুষের প্রত্যাশা আকাশচুম্বী হয়েছিল, কিন্তু পুরো গেম কেনার পর তারা বুঝতে পারল যে তারা আসলে ভুল কিছু দেখেছিল।
* আর হ্যাঁ, সাদা দৃশ্যের ওপর কড়া সূর্যালোক পড়াটা হয়তো বাস্তবসম্মত হতে পারে, কিন্তু বারবার বিল্ডিং থেকে পড়ে যাওয়া ঠেকাতে তা সাহায্য করে না। গেমটির ধারণাটি ভুলে ভরা, ডিটেকশন পদ্ধতি ত্রুটিপূর্ণ, ডিজাইন দ্বিধাগ্রস্ত, গল্প ঘোলাটে এবং চরিত্রগুলো অপছন্দনীয়। সব মিলিয়ে মিররস এজ একটি অসম্পূর্ণ অভিজ্ঞতা। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/457-Mirrors-Edge মিররস এজ]
===লেফট ৪ ডেড===
* আমি খেয়াল করেছি যে জম্বিরা নিনজা, জলদস্যু আর বানরদের পরেই সেই সব জিনিসের তালিকায় আছে যা নিয়ে পণ্ডিতে মাতামাতি করে। তারা জম্বি নিয়ে সিনেমা দেখে, তাদের মতো পোশাক পরে ঘুরে বেড়ায়। আমার মনে হয় যখনই কোনো নতুন গেম ইঞ্জিন আসে, তখনই কেউ না কেউ তাতে জম্বি মোড যোগ করার চেষ্টা করে। আসলে সমাজের এই পতন সেই সব মানুষের কাছে আকর্ষণীয় যাদের কোনো সামাজিক দক্ষতা নেই। জম্বিদের হাত থেকে হয়তো সারাজীবন পালিয়ে বেড়াতে হবে, কিন্তু অন্তত বড় ছেলেরা আপনাকে আর ডাস্টবিনে আটকে সিঁড়ি দিয়ে গড়িয়ে ফেলে দেবে না।
* ...এআই ডিরেকটর নামক একটি চরিত্র বারবার একই জিনিস ঘটার একঘেয়েমি দূর করে। সে অন্ধকার থেকে সবকিছু লক্ষ্য করে এবং নাটকীয়তা তৈরির জন্য যখন প্রয়োজন তখন হেলথ আর বুলেট পাঠিয়ে দেয়, আর যখন সে বিরক্ত হয় (যা সবসময়ই হয়) তখন একগাদা জম্বি পাঠিয়ে দেয়। সিস্টেমটিকে মানুষের রূপ দেওয়া একটি ভালো আইডিয়া ছিল, কারণ যখন সবকিছু খারাপের দিকে যায় তখন কাউকে দোষ দেওয়াটা সহজ হয়। আমি কাউকে একবার এআই ডিরেকটরের কাছে প্রার্থনা করতে দেখেছি; এভাবেই মনে হয় কোনো ধর্মের শুরু হয়! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/459-Left-4-Dead লেফট ৪ ডেড]
===সনিক আনলিশড===
* সনিক দ্য হেজহগ হলো গেমিং ইন্ডাস্ট্রির রক স্টারের মতো। সে অনেকগুলো জনপ্রিয় গেম উপহার দিয়েছে, প্রচুর টাকা কামিয়েছে, বিচিত্র সব ছেলেদের সাথে মিশেছে, নিষিদ্ধ জিনিসের নেশা করেছে এবং শেষে আল-কায়েদা এয়ারওয়েজের মতো পতন হয়েছে। এখন তার শোগুলোতে শুধু মানুষের বাবারা যায় যারা স্রেফ হতাশ হয়ে মাথা নাড়ে। সনিক টিমের যে কারো যদি কোনো প্রতিভা থেকে থাকে তবে তারা অনেক আগেই কোম্পানি ছেড়ে চলে গেছে এবং এখন সেখানে শুধু একগুচ্ছ নির্বোধ মানুষ আছে।
* আপনি যদি দ্রুত গেমের অ্যাকশন শুরু করতে চান তবে এটি আপনার জন্য নয়। আসলে এটি কারো জন্যই নয়! আমি জানি না কে এই গেমটি পছন্দ করতে পারে, সম্ভবত তারা গুহায় বাস করে আর কাঁচা মাছ খেয়ে বেঁচে থাকে! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/472-Sonic-Unleashed সনিক আনলিশড]
===প্রিন্স অফ পারসিয়া===
* প্রিন্স অফ পারসিয়া সিরিজটিকে এমন একজন মানুষের সাথে তুলনা করা যায় যার কাছে একটি হাঁস ছিল যা এক সময় সোনার ডিম পেড়েছিল (স্যান্ডস অফ টাইম)। সে এরপর অনেক বছর ধরে হাঁসটির থাকার জায়গা আর খাবারের ওপর পরীক্ষা করল যাতে আবার সোনার ডিম পাওয়া যায়, কিন্তু ব্রোঞ্জ আর সিলভারের ডিম (ওয়ারিয়র উইদিন এবং টু থ্রোনস) ছাড়া আর কিছুই পেল না। শেষে সে হাঁসটিকে কেটে দেখার সিদ্ধান্ত নিল। যখন তা কাজ করল না, সে তড়িঘড়ি করে সেটিকে আবার জোড়া দিল আর চকচকে কাপড় পরিয়ে দিল। আর সেটিই হলো নতুন প্রিন্স অফ পারসিয়া, যার বাইরের রূপটি সুন্দর হলেও ভেতরের সেই আগের প্রাণটি মৃত।
* বেঞ্জামিন ফ্র্যাঙ্কলিনকে ভুলভাবে উদ্ধৃত করে বলতে চাই, "যে ব্যক্তি গেমের গতির বদলে একটি ওপেন-ওয়ার্ল্ড স্বাধীনতার বিনিময় করে, সে আসলে কোনোটিরই যোগ্য নয়।" [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/482-Prince-of-Persia প্রিন্স অফ পারসিয়া]
===২০০৮ সালের পুরস্কার===
* <p>'''চকোলেট বক্সের ভেতর বিষ্ঠা পাওয়ার মতো অবাক করা খারাপ গুণমানের পুরস্কার: গ্র্যান্ড থেফট অটো ৪'''</p><p>মিররস এজ এই পুরস্কারের জন্য বড় দাবিদার ছিল, যতক্ষণ না আমার মনে পড়ল যে ইএ-র গেম খারাপ হওয়াটা আমার জন্য কোনো অবাক হওয়ার মতো বিষয় নয়। তাই পুরস্কারটি যাচ্ছে গ্র্যান্ড থেফট অটো ৪-এর কাছে। তারা ভেবেছিল নতুন জেনারেশনের কনসোলে মজা করার সেরা উপায় হলো গ্রাফিক্সগুলোকে নোংরা পানির ভেতর ডুবিয়ে দেওয়া, সব গাড়িকে ইউরেনিয়াম দিয়ে তৈরি করা এবং প্রতি পাঁচ মিনিট পরপর গেম থামিয়ে আপনার মোটা কাজিনকে এখানে সেখানে ঘুরতে নিয়ে যাওয়া আর তাকে বার্গার খাওয়ানো। রকস্টারের সবাইকে অভিনন্দন, কেউ তাদের ঘুম থেকে জাগানো মাত্রই পুরস্কারটি পৌঁছে যাবে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/486-Awards-for-2008 ২০০৮ সালের পুরস্কার]</p>
phjhtvk9l3mjyoc10l69urex41jugdk
73938
73937
2026-04-05T22:14:14Z
ARI
356
/* ২০০৮ */
73938
wikitext
text/x-wiki
'''''জিরো পাংচুয়েশন''''' হলো ভিডিও গেম পর্যালোচনার একটি সিরিজ যা বেন "ইয়াতজি" ক্রোশ তৈরি করেছেন। এটি মূলত ইউটিউবে এবং পরে দ্য এসক্যাপিস্ট ম্যাগাজিনের জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
== ২০০৭ ==
=== দ্য ডার্কনেস ডেমো ===
* ''দ্য ডার্কনেস'' হলো একটি হরর থিমযুক্ত ফার্স্ট-পারসন শুটার গেম। এটি এমন এক কমিক বইয়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি যার নাম আমি আগে শুনিনি। গেমটি তৈরি করেছে চমৎকার নামের স্টারব্রিজ স্টুডিওস। তাদের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আগের গেমটি ছিল ''দ্য ক্রনিকলস অফ রিডিক: এস্কেপ ফ্রম বুচার বে''। সেখানে খেলোয়াড়েরা ক্লেমেশন ভিন ডিজেলকে নিয়ন্ত্রণ করত, যে কি না বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মুখের সামনে নিজেকে নিয়ে নির্লজ্জ আদিখ্যেতা করার এক অবিরাম প্রচেষ্টায় লিপ্ত ছিল।
* ...আমাকে যা করতে হয়েছিল তা হলো, মাটিতে থাকা সহজেই চোখ এড়িয়ে যায় এমন একটি সাদা দাগের কাছে ফিরে যাওয়া। সেটি ব্যবহার করে একটি শয়তান ইম্পকে ডেকে আনা এবং তাকে নির্দেশ দেওয়া যাতে সে কবরস্থানের একটি প্রবেশপথের সামনে আড়াআড়িভাবে রাখা একটি গাড়ি সরিয়ে দেয়। আমি বিষয়টা আবার বলি: গেমটি আমাকে দিয়ে নরকের গভীর থেকে অনেকগুলো দাঁত আর নখরওয়ালা এক দানবকে ডেকে আনালো। কিন্তু সেটি নিরপরাধ মানুষকে দাসে পরিণত করার জন্য বা দুনিয়ার সব দেশ ধ্বংস করার জন্য নয়, বরং তাকে আমার ব্যক্তিগত গাড়ি সরানোর কাজে ব্যবহার করার জন্য!
* ব্যক্তিগতভাবে, এই মুহূর্তে আমি ''দ্য ডার্কনেস''-এর পূর্ণ সংস্করণ কেনার কথা তখনই ভাবব, যদি এর দাম অনেক কমে যায় এবং তারা এর সাথে অন্য কোনো ভালো গেমও দিয়ে দেয়। সাথে কিছুটা কেক আর বেলজিয়াম দেশটাকেও দিতে হবে। [https://www.youtube.com/watch?v=eWS9_nrKOPA]
=== ফেবল: দ্য লস্ট চ্যাপ্টারস ===
* ''ফেবল'' গেমটি লায়নহেড স্টুডিওসের তৈরি, যারা অনেকদিন ধরে বিখ্যাত গেম ডিজাইনার পিটার মোলিনেক্সের আস্তানা হিসেবে পরিচিত। পিটারের একটি স্বভাব হলো বিশাল সব প্রতিশ্রুতি দেওয়া এবং শেষ পর্যন্ত নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষার চাপে নিজেই পঙ্গু হয়ে যাওয়া (এর উদাহরণ হিসেবে তার অগোছালো গেম ''ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট''-এর কথা বলা যায়)। উদাহরণস্বরূপ, ''ফেবল'' তৈরির সময় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যে এতে প্রতিদ্বন্দ্বী এনপিসি চরিত্র থাকবে, গাছপালা বাস্তব সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বড় হবে এবং আপনার প্রতিটি ছোটখাটো সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে আপনার চেহারা ও চারপাশের পৃথিবী বদলে যাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা যা পেলাম তা হলো ত্রুটিপূর্ণ একটি অ্যাকশন-আরপিজি গেম, যেটি নিজেকে নিয়ে বড্ড বেশি গর্বিত।
* এই গেমের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো আপনি একজন ভালো চরিত্র অথবা একজন মন্দ চরিত্র হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই আমি এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় শয়তান হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। গেমটির মতে শয়তান হওয়ার সেরা উপায় হলো কালো পোশাক পরা, বিশাল গোঁফ রাখা, সারা মুখে উল্কি আঁকা আর মাঝেমধ্যে পথচারীদের চড়-থাপ্পড় মারা। আমি নিজেকে একজন জাদুকর হিসেবেও তৈরি করতে চেয়েছিলাম কারণ আমি চেয়েছিলাম আমাকে দেখতে মিং দ্য মার্সেলেসের মতো লাগুক। কিন্তু শুরুর দিকের জাদুমন্ত্রগুলো এতোটাই দুর্বল ছিল যে শেষ পর্যন্ত আমাকে অর্ধেকটা সময় তলোয়ারই ব্যবহার করতে হতো। গেমটি শেষ পর্যন্ত আমার উপাধি দিল "স্পেলওয়ারিয়র", যা শুনে আমার মনে হলো তারা আমাকে একজন সিদ্ধান্তহীন বোকা মানুষ বলছে।
* শেষ পর্যন্ত আমি যখন ফাইনাল বসের মুখোমুখি হলাম, সে এক জায়গায় স্থির হয়ে দাঁড়াচ্ছিল না যাতে আমার শক্তিশালী কালো জাদুমন্ত্রটি কাজ করে। তাই আমার একমাত্র উপায় ছিল তলোয়ার দিয়ে বারবার তার মাথায় আঘাত করা, যখন সে অনবরত আমার শরীরের নিচের অংশ কামড়ে খাচ্ছিল। কিন্তু সেই সময় আমার কাছে এতো বেশি হেলথ পোরশন (জীবনদায়ী পানীয়) ছিল যে আমি অনায়াসেই সেগুলো ব্যবহার করে বেঁচে থাকতে পারছিলাম। বসটি মারা যাওয়ার পর আমার কাছে এতো বেশি পানীয় বেঁচে ছিল যে আমি চাইলে সেগুলো দিয়ে একটা বড়সড় হেলথ পোরশন পার্টি দিতে পারতাম। [https://www.youtube.com/watch?v=jYQLR7dE5k4]
=== হেভেনলি সোর্ড এবং অন্যান্য ===
* নারিকো তখন পাশে বসে থাকা বিড়ালের মতো কান আর মেকআপ পরা এক... অদ্ভুত জিনিসের দিকে ফিরে তাকালো। দেখে মনে হচ্ছিল মেকআপটি কিস ব্যান্ডের এমন কোনো ভক্ত লাগিয়েছে যার পার্কিনসন রোগ আছে। নারিকো তাকে জানালো যে সে সব দুষ্ট লোকদের শেষ করে দিতে চায়। তারপর খুব গম্ভীর মুখে সে বলল, "আমাদের হয়তো তোমার 'টুইং-টোয়াং' বাজানোর প্রয়োজন হতে পারে।" এটি শোনার পর আমার প্রথম চিন্তা ছিল, "আমি নিশ্চিতভাবে এই কথাটি প্রসঙ্গের বাইরে ব্যবহার করব।" কিন্তু পরে ভেবে দেখলাম, এটি মূল প্রসঙ্গের ভেতরেও খুব একটা অর্থ বহন করে না। ডেভেলপাররা যদি ভেবে থাকেন যে শুধুমাত্র এই "টুইং-টোয়াং" জিনিসটা কী তা জানার জন্য আমি পুরো গেমটি কিনব, তবে তারা তাদের মিশনে সফল হয়েছেন। তবে এটি যদি লেসবিয়ান যৌনাচারের কোনো সুন্দর ছদ্মনাম না হয়, তবে আমি খুব হতাশ হব (হ্যাঁ, আমি এ পর্যন্তই বলে ফেললাম)।
* আমার মনের এক অংশ বলছে যে শিল্পের বিচারে ''আরই ৫''-এর কিছু সার্থকতা থাকতে পারে। কারণ একটি হরর গেমের কাজই হলো মানুষকে অস্থির করে তোলা; আর খেলোয়াড়কে এমন কিছু করতে বাধ্য করা যা ভীতিকর হওয়ার পাশাপাশি রুচিহীন, তা আসলেই একটি নতুন পদ্ধতি। কিন্তু আবারও মনে পড়ে এটি ''রেসিডেন্ট ইভিল'' সিরিজ, যারা আমাদের "তীক্ষ্ণ কণ্ঠের বামন নেপোলিয়ন" উপহার দিয়েছিল। তাই তাদের কোনো আইডিয়ার পেছনে যদি সূক্ষ্ম কোনো অর্থ থেকেও থাকে, তবে সেটি সম্ভবত নিছক একটি দুর্ঘটনা। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/1-Heavenly-Sword-and-Other-Stuff]
===সাইকোনটস===
* শেফারের হাস্যরসের একটি অন্যতম প্রধান দিক হলো অদ্ভুত বা কাল্পনিক কোনো পরিবেশে খুব সাধারণ বা জাগতিক পরিস্থিতির সহাবস্থান দেখানো (দেখুন: ''গ্রিম ফ্যানড্যাঙ্গো'')। ''সাইকোনটস'' এই ধারা বজায় রেখেছে, কারণ এর পটভূমি হলো অতীন্দ্রিয় ক্ষমতা সম্পন্নদের জন্য একটি সামার ক্যাম্প। গল্পটি র্যাজ নামের এক শিশু ব্যায়ামবিদের রোমাঞ্চকর অভিযান নিয়ে। সে সার্কাসে যোগ দেওয়ার বদলে প্রথা ভেঙে সেখান থেকে পালানোর জন্য ঘর ছাড়ে। তার জন্মগত অতীন্দ্রিয় ক্ষমতার জোরে সে কোনো টিউশন ফি না দিয়েই ক্যাম্পে ঢুকে পড়ে। তবে দ্রুতই কর্মফল তাকে ভোগাতে শুরু করে যখন সে এক অশুভ চক্রান্তে জড়িয়ে পড়ে। তাকে তখন তার চারপাশের মানুষের অবচেতন মনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হওয়া অদ্ভুত সব অপার্থিব জগত ঘুরে দেখতে হয়। পুরো ব্যাপারটা অনেকটা এমন, উইলি ওঙ্কার চকলেট ফ্যাক্টরির ভেতরে টিম বার্টন যদি ডেভিড লিঞ্চকে গর্ভবতী করে ফেলতেন এবং বাচ্চা জন্মানোর আগ পর্যন্ত মেথ খেয়ে যেতেন।
* ''[গেমটির ভালো দিকগুলোর তালিকা]'' প্রথমত, এই ইন্ডাস্ট্রির প্রায় সবকিছুই যেখানে অন্যকে নকল করার ওপর ভিত্তি করে তৈরি, সেখানে এটি বেশ মৌলিক কিছু। দ্বিতীয়ত, এটি সত্যিই হাস্যরসাত্মক; অথচ হাস্যরসের চেষ্টা করা বেশিরভাগ ভিডিও গেম যেন অ্যানেস্থেসিয়া ছাড়া অন্ত্রের অস্ত্রোপচারের মতো যন্ত্রণাদায়ক। তৃতীয়ত, প্রতিটি চরিত্রকেই তাদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও ব্যক্তিত্ব দিয়ে খুব স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এমনকি সেই ছোটখাটো গুরুত্বহীন চরিত্রগুলোর ক্ষেত্রেও এটি সত্যি, যারা শেষ ''দ্য লর্ড অফ দ্য রিংস'' সিনেমায় ক্রিস্টোফার লি-র চেয়েও কম সময় পর্দায় ছিল। আর সবশেষে, এটি ''মজাদার''। মনে আছে? আনন্দ বা মজা? গেমিং যখন দ্বিতীয় কোনো চাকরির মতো মনে হতো না, তার আগে আমরা যে আনন্দ পেতাম? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/2-Psychonauts]
=== কনসোল রানডাউন ===
* বর্তমান প্রজন্মের কনসোলগুলোর মাধ্যমে আমরা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছি বা প্রায় পৌঁছে গেছি, যেখানে গ্রাফিক্স আর খুব বেশি উন্নত হবে না। তাই এখন আমাদের গত প্রজন্মের প্রযুক্তির পেছনে ছোটা বন্ধ করা উচিত এবং সাইলেন্ট হিল ২-এর মতো প্রকৃত গভীরতা সম্পন্ন কিছু গেম তৈরিতে মনোযোগ দেওয়া উচিত। তবে কনসোল যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত একেবারেই নিরর্থক, কারণ ইতিহাসের সেরা গেম কমোডোর ৬৪-এর জন্য ''ফ্যান্টাসি ওয়ার্ল্ড ডিজি'' ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গেছে। অথবা হয়তো পুরো গেমিং জগতটাই অর্থহীন জীবনের বিশাল রাস্তার ধারে পড়ে থাকা নুড়ি পাথর নিয়ে খেলার মতো। তবে যাই হোক, অন্তত এখানে সহিংসতা আর স্তন তো আছে! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/3-Console-Rundown]
===বায়োশক===
* ''বায়োশক''কে ''সিস্টেম শক ২''-এর যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। আমি নিশ্চিত ''সিস্টেম শক ২'' তার এই নরমাল-ম্যাপ করা এবং ফং-শেডেড জারজ সন্তানকে নিয়ে খুব গর্বিত হবে, কারণ এটি তার বাবার ওপর ঠিক ততটাই গেছে যতটা জর্জ বুশ তার বাবার ওপর গেছেন। আর আমি জানি আপনারা কী বলবেন: "ইয়াটজি, ওহে আমার চটকদার তেজী ঘোড়া, এটা কেমন ধরনের অভিযোগ? ''সিস্টেম শক ২'' তো দুর্দান্ত ছিল, আর এর মতো যেকোনো গেমই তো সমান ভালো হওয়া উচিত।" কিন্তু আসল কথা হলো: এটা ''সিস্টেম শক ২''-এর '''মতো''' নয়, এটা আসলে ''সিস্টেম শক ২''-ই। ও হ্যাঁ, এটা দেখতে আলাদা, এর সূক্ষ্ম খুঁটিনাটিতে পার্থক্য আছে, আর চরিত্রের নামগুলো পাল্টে দেওয়া হয়েছে,এমনি সব ফালতু ব্যাপার। কিন্তু যখন আপনি এই উপরের আবরণগুলো সরিয়ে ফেলবেন, তখন দেখবেন ভিলেনটা আসলে কোট পরা এবং হাতে ''অ্যাটলাস শ্রাগড'' বই নিয়ে থাকা খোদ শোডানই।
*কিন্তু গেমটিতে মাত্র দুটি সমাপ্তি আছে-একটি ভালো আর একটি খারাপ। এদের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য হজম করা বেশ কঠিন। ভালো সমাপ্তিতে আপনি হলেন একজন পুণ্যবান পুষ্পশিশু যে বিধাতার রাজ্যের সব প্রাণীর দিকে তাকিয়ে হাসে। আর খারাপ সমাপ্তিতে আপনি হলেন হিটলার আর স্কেলেটরের এক সংকর রূপ, যার মূত্রও যেন বিশুদ্ধ শয়তানি। আমি সেইসব গেম দেখে ক্লান্ত যেগুলো পছন্দের সুযোগ দেওয়ার দাবি করে কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয় আপনাকে মাদার তেরেসা হতে হবে নয়তো বাচ্চা-খাউকা শয়তান। আমি শুধু এটাই বলতে চাই যে, মাঝেমধ্যে একটু মধ্যপন্থা অবলম্বন করলে ভালোই হতো। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/4-BioShock]
=== টুম্ব রেইডার অ্যানিভার্সারি ===
* গেমটির লড়াই করার পদ্ধতি আধুনিক করা হয়েছে। এর মানে হলো তারা এখানে সেই পুরোনো গড অফ ওয়ার বা সাইমন সেজের মতো বারবার বাটন টেপার বিরক্তিকর দৃশ্যগুলো ঢুকিয়ে দিয়েছে, যা আজকাল নিয়ম মেনে প্রতিটি অ্যাকশন গেমেই থাকতে হয়। আর ডিজাইন টিমের কেউ একজন (আপনি জানেন আপনি কে) ভেবেছিলেন যে ফায়ার করার জন্য বাটন চেপে ধরে রাখার বদলে বারবার আর১ বাটন টেপার আইডিয়াটি খুব চমৎকার হবে। কিন্তু আর১ বাটনটি অনবরত টেপার জন্য আরামদায়ক অবস্থানে নেই। আর আপনি যখন এমন সব শত্রুর মুখোমুখি হন যারা মরার আগে এক কোটি গুলি খেতে পারে (যেমন ধরুন, গেমের প্রায় সব শত্রুই), তখন আপনার আঙুলে খিঁচুনি ধরে যাবে। আপনার মনে হবে আপনি গিটার হিরো খেলছেন কিন্তু রক স্টার হওয়ার সেই কল্পনাটা আপনার সাথে নেই।
* ''[গেম প্রকাশকদের আইডিয়া খুঁজে পেতে সাহায্য করছেন]'' এখানে একটি আইডিয়া আছে: একজন জিন-প্রকৌশলী তাইওয়ানিজ বাবুর্চি তার বড় স্তনবিশিষ্ট প্রেমিকাকে মামিদের হাত থেকে বাঁচাতে ফেজ টুপি পরা একটি গুইসালাপের সাথে দল পাকিয়েছে। দেখলেন তো? এটা খুব সহজ। বড় স্তনবিশিষ্ট একজন ব্রেস্ট ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ নিজের স্তন আরও বড় করার খরচ জোগাতে সময়ের অতীতে ভ্রমণ করছেন। একদল বড় স্তনধারী মানুষ তাদের বিশাল স্তন বহর নিয়ে নতুন এক স্তন-গ্রহের খোঁজে বেরিয়ে পড়েছে। স্তন, তরমুজ, দুধের কারখানা, আবক্ষ, মজার ব্যাগ, টোকা, ব্যালিস্টিকস, বুবস, জগস, নিপলস, জবলিস... বিশাল... বিশাল... বুক। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/5-Tomb-Raider-Anniversary]
=== ম্যানহান্ট ===
* থার্ড-পারসন অ্যাকশন গেম ডেভেলপাররা, একটা কথা পরিষ্কার করে বুঝে নিন, ঠিক আছে? বাম অ্যানালগ স্টিক নড়াচড়া করার জন্য; ডান অ্যানালগ স্টিক খেলোয়াড়ের চারপাশে ক্যামেরা ঘোরানোর জন্য। এটা কীভাবে সম্ভব যে, যখন আপনারা দেখেন কোনো কিছু নিখুঁতভাবে কাজ করছে, তখনই আপনারা সেটিকে উন্নত করার নামে জগািখচুড়ি পাকিয়ে ফেলেন? ''ম্যানহান্টে'' ডান অ্যানালগ স্টিকটি ফার্স্ট-পারসন ক্যামেরায় বদলে যায়। তাত্ত্বিকভাবে এটি যুক্তিযুক্ত মনে হতে পারে, কিন্তু এর মানে হলো আপনি যখন লুকিয়ে থেকে আপনার পেছনে পাহারারত কোনো গার্ডকে দেখার চেষ্টা করেন, তখন স্টিকটিতে একটু ছোঁয়া লাগলেই আপনি দেয়ালের দিকে তাকিয়ে থাকেন। আর অর্ধেক সময় যখন আপনি ক্যামেরাটিকে ঠিকঠাক পজিশনে আনেন, তখন দেখবেন গার্ডটি আপনার একদম সামনে চলে এসেছে এবং আপনার অণ্ডকোষে ছুরি বসিয়ে দিয়েছে।
* তবে ''ম্যানহান্টের'' মতো গেমগুলো কম বয়সী বা অপরিণত মস্তিষ্কের মানুষদের মাথা নষ্ট করে কি না, সেই তর্কে আমি কার পক্ষ নেব তা জানি না। গেমটিতে খুব স্পষ্টভাবে সতর্কবার্তা দেওয়া আছে যে বারো বছর বয়সীদের এটি খেলার কথা নয়। কিন্তু এতে কোনো সন্দেহ নেই যে তারাই এটি খেলে, কারণ বারো বছর বয়সী ছাড়া আর কারো এসব জিনিসে রুচি নেই। গ্যারোট তার দিয়ে মাথা কাটা বা বেসবল ব্যাট দিয়ে মাথার খুলি উড়িয়ে দেওয়া নিয়ে হাঁপাতে হাঁপাতে গল্প করা মিডল স্কুলে বন্ধু পাওয়ার ভালো উপায় হতে পারে; কিন্তু অফিসের আড্ডায় এটি বন্ধু হারানোরই একটা ভালো উপায়। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/6-Manhunt]
=== পেগল ===
* এই গেমটি সম্পর্কে আমি যা বলতে পারি তা হলো, আমি দুপুর নাগাদ এটি খেলতে শুরু করেছিলাম এবং অনেক পরে যখন রুম থেকে বের হলাম তখন দেখলাম কর্তৃপক্ষ আমাকে আইনত মৃত ঘোষণা করেছে। যদি এই "ক্যাজুয়াল গেমিং" বিষয়টি আপনার মাথা এড়িয়ে গিয়ে থাকে, তবে আমাকে আপনার মুখ জ্ঞানের সেই পচা পানির নিচে ডুবিয়ে ধরতে দিন। সাম্প্রতিক অতীতে কেউ একজন খেয়াল করেছিলেন যে ''বিজুয়েলডের'' মতো সাধারণ ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক রঙ মেলানোর গেমগুলো লজ্জাজনক পরিমাণ টাকা কামাচ্ছে। এর কারণ হলো, সময় গড়ানোর সাথে সাথে বাড়িতে একা থাকা বিরক্ত গৃহিণীরা নিজেরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে টিভি মেকানিকের সাথে প্রেম করা আর শোভন নয়, তাই তারা আমোদ-প্রমোদের জন্য ভিডিও গেমের দিকে ঝুঁকেছেন।
* সংক্ষেপে বলতে গেলে এটি মন্দ নয়। আমি ''বুকওয়ার্ম অ্যাডভেঞ্চারস'' বেশি পছন্দ করেছি, কিন্তু আমি সেইসব অপদার্থ মিউট্যান্টদের একজন যারা সত্যিই স্ক্র্যাবল খেলতে পছন্দ করে। ব্যস এটুকুই। ''পেগল'' নিয়ে আমি এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারব না কারণ গেমটি এটুকুই। পপ ক্যাপ-এর লক্ষ্য কী আমি জানি না, তবে আমি বাজি ধরে বলতে পারি তাদের মূলমন্ত্র হলো—"সুন্দর ঝলমলে আলো, উৎসাহব্যঞ্জক শব্দ আর যতটা সম্ভব কম গেমপ্লে ব্যবহার করে প্রিমিয়াম মানের কোকেন সদৃশ গেমিং অভিজ্ঞতা তৈরি করা।" আর এটি তাদের জন্য বেশ ভালোই কাজ করছে কারণ তারা এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। '''কোটি কোটি!''' তারা শুধুমাত্র সস্তা টু-ডি গেম বানায়! এতো টাকা তারা কিসে খরচ করে? আইসক্রিম কিনতে? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/7-Peggle]
===হ্যালো ৩===
* এর কঠিন হওয়ার ধারাটা একজন দ্বিধাগ্রস্ত বেশ্যার অন্তর্বাসের মতো ওঠানামা করে। এরপর শেষ এক ঘণ্টার মতো সময়ে এটি হুট করে খুব সহজ হয়ে যায়। গেমের শুরুর দিকে এমন কিছু অংশ ছিল যেগুলো আমাকে একেবারে নাস্তানাবুদ করে ছেড়েছে, অথচ ফাইনাল বস ফাইট বলতে যা আছে তা হলো মূলত হুইলচেয়ারে বসা এক ট্যারা হববিটের বিরুদ্ধে আপনার লড়াই, যেখানে আপনার হাতে আছে বিএফজি ৯০০০।
* কিন্তু আসলে আমি এসব বলে কী অর্জন করতে চাইছি তা জানি না। ''হ্যালো ৩'' ইতোমধ্যেই ঈশ্বরের চেয়েও বেশি জনপ্রিয় হয়ে গেছে। আমি এমন কিছু বলতে পারব না যা মাইক্রোসফটকে এত টাকা কামানো থেকে আটকাতে পারবে যা দিয়ে তারা সুইজারল্যান্ড কিনে নিতে পারে। তারা স্রেফ এই ধারণাটাকেই আরও পোক্ত করছে যে গেমাররা আসলে চামচের গভীরতা বিশিষ্ট উজ্জ্বল রঙের আবর্জনাই চায়। তাই ভবিষ্যতে যদি আমরা মাইক্রোসফট ওভারমাইন্ডের ভিনগ্রহের খনিতে হাড়ভাঙা খাটুনির ফাঁকে কোনোমতে সময় বের করে "ক্যাপ্টেন ব্ল্যান্ডস মনোটোনাস অ্যাডভেঞ্চার" খেলতে বসি, তবে জেনে রাখবেন যে আমি আগেই এই ল্যাজেগোবরে অবস্থার কথা বলেছিলাম। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/8-Halo-3]
===তাবুলা রাসা===
* ''তাবুলা রাসা'' একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ "খালি স্লেট" এবং এটি সাধারণত সেই মতবাদকে বোঝায় যেখানে বলা হয় যে মানুষ জন্মগতভাবে কোনো বিশেষ প্রোগ্রামিং ছাড়াই জন্মায়। উদাহরণস্বরূপ, রিচার্ড গ্যারিয়ট একজন সম্পূর্ণ উন্মাদ গেম ডিজাইনার যিনি মুকুট পরেন এবং চান যে মানুষ তাকে লর্ড ব্রিটিশ বলে ডাকুক। কিন্তু তিনি কি জন্ম থেকেই এমন পাগল ছিলেন, নাকি উপযুক্ত সামাজিক যোগাযোগের অভাবে তিনি চিরতরে এক পাগলাটে কাল্পনিক জগতে হারিয়ে গেছেন?
* এমএমও গেমগুলো থেকে 'গ্রাইন্ড' বা একঘেয়ে খাটুনি সরিয়ে দেওয়ার কথা ভাবাটা বেশ ভালোই মনে হয়, যতক্ষণ না আপনি এর গভীরে ভাববেন। কারণ এই গ্রাইন্ডের কারণেই মানুষ এত দীর্ঘ সময় ধরে এমএমও খেলে। আর এটা সরিয়ে ফেলা মানে হবে রিচার্ড গ্যারিয়ট থেকে তার পাগলামিটুকু কেড়ে নেওয়া। তা ছাড়া এ পর্যন্ত সব এমএমও গেমেই প্রচুর গ্রাইন্ড আছে এবং তা মানুষকে খেলা থেকে আটকাতে পারছে বলে মনে হয় না। আমার ধারণা কিছু মানুষ এই ধরণের জিনিস পছন্দ করে। কিছু মানুষ আবার মোটা মানুষকেও যৌন আবেদনময়ী মনে করে। আমি নিজেও তাদের বুঝি না, যেমনটা বেশিরভাগ মানুষ বোঝে না যে কেন আমি লেটুস পাতা দিয়ে আমার লিঙ্গ মুড়িয়ে অন্য মানুষের সালাদে লুকিয়ে রাখতে পছন্দ করি। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/9-Tabula-Rasa]
===দ্য অরেঞ্জ বক্স===
* আমার কেন জানি মনে হয় ভালভ এপিসোডিক গেমিংয়ের মূল উদ্দেশ্যটা কিছুটা হারিয়ে ফেলেছে। এর মূল ধারণাটা ছিল সস্তায় ছোট গেম ঘন ঘন বাজারে ছেড়ে গেম পাবলিশিংয়ের প্রথাগত ঝক্কি ঝামেলা কমিয়ে আনা। তারা প্রথম ও দ্বিতীয় দিকগুলো ঠিকঠাক করলেও তৃতীয়টির সাথে এখনও লড়ছে।
* (''হাফ-লাইফ ২: এপিসোড টু''র ওপর) এপিসোড ২ মেজো সন্তানের মতো কিছুটা অবহেলার শিকার হয়েছে। এর কোনো প্রকৃত শুরু বা শেষ নেই, তাই গল্পটা শুধু এদিক-ওদিক ঘোরে। এই অনুভূতিটা দূর করা কঠিন যে আমরা পরবর্তী এপিসোডের জন্য স্রেফ সময় কাটাচ্ছি। কোনো সতর্কবার্তা ছাড়াই হুট করে একটি নতুন চরিত্র নিয়ে আসা হয় এবং সবাই এমন আচরণ করে যেন আমরা তাকে আগে থেকেই চিনি। এটা আসলে বেশ বিভ্রান্তিকর। ভালভ এ পর্যন্ত সব প্রধান এনপিসি চরিত্রের প্রতি আমাদের সহানুভূতি জাগাতে দারুণ কাজ করেছে। তাই একদম শেষের দিকে এসে এমন নতুন কারো সাথে পরিচয় হওয়াটা অনেকটা এমন—স্কুল থেকে ফিরে দেখলেন ডাইনিং টেবিলে একটি সিন্ধুঘোটক বসে আছে আর আপনি ছাড়া আর কারো চোখে সেটা পড়ছে না।
* (''টিম ফোর্ট্রেস ২''র ওপর) ...সব সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও এটি এখন অবিশ্বাস্যভাবে ভারসাম্যপূর্ণ। আপনি যে ধরণের গেমই পছন্দ করেন না কেন, এখানে সবার জন্যই কিছু না কিছু আছে। সজাসাপ্টা মার খাওয়ার জন্য আছে হেভি; পেছন থেকে ছুরি মারার মতো চোরচোট্টা চরিত্রের জন্য আছে স্পাই; আর যারা পয়েন্ট-অ্যান্ড-ক্লিক অ্যাডভেঞ্চার গেম পছন্দ করেন তাদের জন্য আছে স্নাইপার। যদিও এখানে একমাত্র ধাঁধাটি হলো, "মানুষের ওপর বন্দুক ব্যবহার করা।"
* (''পোর্টাল''-এর ওপর) ...আপনি যদি নিয়মিত এই শো দেখেন তবে বুঝবেন যে আমার মুখ থেকে এই কথাগুলো বের হওয়া কতটা পাগলামি মনে হতে পারে, কিন্তু আমি এর কোনো খুঁত খুঁজে পাচ্ছি না। আমি সিরিয়াস! যতক্ষণ না তারা ফোর্স-ফিডব্যাক আছে এমন কোনো অন্তর্বাস আবিষ্কার করছে, পিসিতে এর চেয়ে বেশি মজা আপনি আর পাবেন না। আমি অনেকগুলো আকর্ষণীয় পোর্টাল ধাঁধার আশা নিয়ে খেলা শুরু করেছিলাম এবং ঠিক সেটাই পেয়েছি। কিন্তু আমি একদমই আশা করিনি যে কোনো গেমে আমি এত চমৎকার হাস্যরস শুনতে পাব। ঠিক আছে, এটা মাত্র ২ থেকে ৩ ঘণ্টার গেম, তবে এই দৈর্ঘ্যে গেমটি বেশ মানানসই, এর মানে হলো এটি অকারণে লম্বা হয়নি এবং আপনাকে দ্রুত সেই রোমহর্ষক ও দুর্দান্ত সমাপ্তির কাছে পৌঁছে দেয়। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একেবারে অ-তুল-নীয়, আর ভবিষ্যতে আমি যদি অন্য কোনো কিছুর বর্ণনা দিতে এই শব্দগুলো ব্যবহার করি তবে আমি নিজের চোখে কাঁটাচামচ ঢুকিয়ে দেব! হ্যাঁ, আমি জানি কোনো গেমকে ভালোবাসাটা খুব একটা মজার বিষয় নয়, কিন্তু আপনার যা খুশি ভাবুন! ''পোর্টাল'' দুর্দান্ত, আর আপনি যদি তা মনে না করেন তবে আপনি নিশ্চয়ই নির্বোধ! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/10-The-Orange-Box]
===সুপার পেপার মারিও===
* দ্বিতীয় অধ্যায়ে মারিওকে কাজ করে টাকা কামাতে হয় যাতে সে সেই সব নির্বোধ ধ্বংসযজ্ঞের ক্ষতিপূরণ দিতে পারে যা অ্যাকশন আরপিজি খেলোয়াড়দের কাছে খুব স্বাভাবিক একটা বিষয়। আর এটা করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো কন্ট্রোলারের "ডান" বাটন চেপে একটি বিশালাকার হ্যামস্টার হুইলে দৌড়ানো। আর এটা করতে হবে প্রায় পনেরো মিনিট ধরে -- আমি ইয়ার্কি করছি না। -- আপনি যদি বুদ্ধিমান না হন তবেই এমনটা করবেন। আপনি যদি আমার মতো বুদ্ধিমান হন, তবে আপনি ডি-প্যাডের ওপর আপনার রুমমেটের কোনো খেলনা দিয়ে সেটা চেপে রাখবেন এবং নিজে অন্য কোথাও গিয়ে আনন্দ করবেন। ঠিকই শুনেছেন। একটা '''গেম''' খেলার সময় আপনাকে আনন্দ খুঁজে নিতে হচ্ছে -- অথচ একটি '''গেমের''' মূল উদ্দেশ্যই হওয়ার কথা বিনোদন দেওয়া। আর খেলোয়াড়কে যদি এটি করতে হয়, তবে বুঝতে হবে গেমটিতে নিশ্চিতভাবেই বড় কোনো সমস্যা আছে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/11-Super-Paper-Mario [১১]]
===এমওএইচ এয়ারবোর্ন===
* ''মেডেল অফ অনার'' সিরিজ ১৯৯৯ সাল থেকে চলছে। এর মানে হলো এটি আনুষ্ঠানিকভাবে আসল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের চেয়েও দীর্ঘ সময় ধরে চলছে। আর এ পর্যন্ত যত গেম, সিনেমা এবং টিভি শোতে এই যুদ্ধকে দেখানো হয়েছে, সেগুলোকে একত্রিত করলে মনে হবে শুধু নরম্যান্ডি ল্যান্ডিং বা উপকূলে অবতরণ করতেই সম্ভবত ৬ মাসের মতো সময় লেগেছিল। তবে কেন আমেরিকানদের সেই সময়টা নিয়ে এত মোহ, যেখানে বাকি বিশ্ব সেই স্মৃতি ভুলে সামনে এগিয়ে যেতে চায়? এর কারণ সম্ভবত এটাই ছিল তাদের শেষ যুদ্ধ যেখানে তারা সত্যিই ভালো কিছু করেছিল। সেখানে তারা একজন স্পষ্টতই খলনায়কের বিরুদ্ধে পরিষ্কার জয় পেয়েছিল যে কি না সত্যিকারের হুমকি ছিল -- সাম্প্রতিক সেই সব দোদুল্যমান যুদ্ধের মতো নয় যেখানে তারা কোনো উন্নয়নশীল দেশে হুট করে ঢুকে পড়ে, সবকিছু তছনছ করে দেয়, আর ওখানকার মানুষ যখন নিজের স্বজনদের খেতে শুরু করে তখন নিজেদের বিজয়ী ঘোষণা করে বেরিয়ে আসে।
* বাস্তবের নাৎসিরা যতটা নিষ্ঠুর ছিল, গেম নির্মাতাদের কাছে তা যথেষ্ট মনে হয়নি। তাই গেমটিতে ঐতিহাসিক নির্ভুলতাকে তাদের বিপক্ষে একটু বাঁকিয়ে চুরমার করা হয়েছে। আমি কোনো ঐতিহাসিক নই, তবে আমি নিশ্চিত যে নাৎসিদের এমন কোনো এলিট বাহিনী ছিল না যারা গ্যাস মাস্ক পরত, মিনিগান চালাত এবং কপালে তিনবার স্নাইপারের গুলি খাওয়ার পরও বেঁচে থাকত। আর আমি এটাও নিশ্চিত যে নাৎসিদের কাছে বিশাল এক সাঁজোয়া কংক্রিট টাওয়ার ছিল না যাকে কেবল একটি ''সর্বনাশা দুর্গ'' হিসেবেই বর্ণনা করা যায়। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/12-MOH-Airborne]
===জেল্ডা ফ্যান্টম আওয়ারগ্লাস===
* নিনটেনডো ছাড়া পৃথিবীটা বর্তমানের চেয়ে অনেক বেশি নিরানন্দ হতো। তবুও তাদের ব্যাপারে এমন কিছু আছে যা আমাকে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ করে। পুরো পৃথিবী আর স্বর্গ কিনে নেওয়ার মতো যথেষ্ট টাকা তাদের আছে। আর তাদের ভক্তরা এতটাই অন্ধ যে তারা যদি নর্দমার ময়লায় মাখা কোনো ধর্ষককে নিয়েও গেম বানায়, তবে সেটিও তড়তড় করে হুহু করে বিক্রি হবে। সারা বিশ্বের অনেক গেম নির্মাতার কাছেই গেমের নতুন এবং আকর্ষণীয় সব আইডিয়া আছে। নিনটেনডোর এই জায়গায় বসার জন্য তারা হয়তো খুশিমনে তাদের সবকিছু বিসর্জন দেবে। অথচ নিনটেনডো স্রেফ একই গেম বারবার রিমেক করে যাচ্ছে! ঠিক আছে, মাঝে মাঝে আপনার কাছে একটা অকারিনা থাকে, কখনো আপনি নৌকায় চড়েন, আবার কখনো আপনি নেকড়ে-মানবে পরিণত হন যাকে নিয়ে ডেভিয়েন্টআর্টের লোকজন কুরুচিপূর্ণ ছবি আঁকে। তবে এ পর্যন্ত হওয়া ৯০ বিলিয়ন জেল্ডা গেমের মধ্যে আপনি যেকোনোটি বেছে নিন, দেখবেন আপনি সেই একই লোক হয়ে একই মেয়েকে সেই একই বুমেরাং দিয়ে উদ্ধার করছেন।
* বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গেমের মুভমেন্ট বা নড়াচড়া বেশ স্বাভাবিক মনে হয়। আর ম্যাপের ওপর মনের সুখে আঁকিবুঁকি করার বিষয়টি আমার কাছে বেশ স্বস্তিদায়ক লেগেছে। তবে ডিএস-এর অন্যান্য বিচিত্র ফাংশনগুলো জোর করে গেমে ঢুকিয়ে দেওয়ার ফলে এর উল্টো প্রতিক্রিয়াও হয়। যেমন ধরুন, যখন আপনাকে মাইক্রোফোনের সামনে গলা ফাটিয়ে চিৎকার করতে হয়। বাইরে কোথাও থাকা অবস্থায় (যা হ্যান্ডহেল্ড কনসোলের মূল উদ্দেশ্য) এমন কাণ্ড করলে অপমানের চোটে আপনার নিজের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ শরীর থেকে ছিঁড়ে বেরিয়ে আসতে চাইবে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/13-Zelda-Phantom-Hourglass]
===ক্লাইভ বার্কার্স জেরিকো===
* গেমটি স্রেফ বাজে ডিজাইনে ঠাসা, ঠিক যেমন গ্লাস্টনবারি উৎসবের পর ওর্থি ফার্মের আবর্জনা থাকে। উদাহরণস্বরূপ, দ্বিতীয় লেভেলে আমাকে অনেকগুলো যুদ্ধকালীন পিলবক্সের মুখোমুখি হতে হয়েছিল যেগুলো ৫০ গজের মধ্যে আসা মাত্রই পুরো টিমকে উৎসবের রঙিন কাগজের কুচির মতো টুকরো টুকরো করে দিচ্ছিল। শেষে গেমটি যখন বুঝতে পারল যে আমি স্পষ্টতই একজন গর্দভ, তখন তারা একটি ইঙ্গিত বা টিপস দেখাল। সেখানে বলা হলো যে একটি নির্দিষ্ট অবস্থানে গিয়ে নির্দিষ্ট বাটন টিপলে মেয়েদের একজন পিলবক্সের পেছনে গিয়ে গ্রেনেড ফেলে আসবে। আমাকে মাফ করবেন জেরিকো, কারণ আমার কাছে এমন কোনো ভবিষ্যৎবক্তা মহাজাগতিক মগজ নেই যা দিয়ে আমি এমন কিছু সহজাতভাবে বুঝে নেব যা এর আগে কখনো বলা হয়নি এবং পরবর্তীতে আর কখনো ব্যবহারও করা হবে না!
* হয়তো এর কিছু ক্ষমা করা যেত যদি প্রধান সাতটি চরিত্রের সবাই পুরোপুরি অপছন্দনীয় না হতো। এখানে কালো চামড়ার পোশাকের এত ছড়াছড়ি যে দেখে মনে হয় কেউ একজন কোনো ছোট শহরের হাই স্কুলের গথিক দলটাকে ধরে এনেছে। তারপর তাদের সামনে ২৪ ঘণ্টা ধরে ''র্যাম্বো'' সিনেমা চালিয়েছে এবং শেষে জমাটবদ্ধ ''মূর্খতা'' দিয়ে তৈরি বেসবল ব্যাট দিয়ে তাদের মাথায় সজোরে আঘাত করেছে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/14-Clive-Barkers-Jericho]
===এফ.ই.এ.আর. পারসিয়াস ম্যান্ডেট===
* মাঝে মাঝেই ''এফ.ই.এ.আর.'' মনে করার চেষ্টা করে যে এটি একটি হরর গেমও বটে। তখন এটি আলো নিভিয়ে দেয় বা যত্রতত্র রক্তের দাগ ফেলে রাখে, যেন আপনার ৫০ গজ সামনে কেউ একজন দাঁড়িয়ে প্রচণ্ড নাক দিয়ে রক্ত ঝরাচ্ছে। তবে আমাকে স্বীকার করতে হবে, যখন গেমটি কয়েক মিনিটের জন্য সত্যিকারের পাগলামিতে মেতে ওঠে, কেবল তখনই আমার কাছে অভিজ্ঞতাটা সজীব মনে হয়। আমি একটি করিডোর দিয়ে দৌড়াচ্ছি এমন সময় আলো নিভে গেল এবং পরক্ষণেই আমি অন্য এক করিডোরে নিজেকে আবিষ্কার করলাম। সেখানে আমার দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে গেল এবং মনে হতে লাগল যেন টিনের বালতির ভেতর কোনো এলক হরিণের গলা টিপে ধরা হচ্ছে। দারুণ! আমি একটি দরজা খুললাম আর সেটি শূন্যে মিলিয়ে গেল এবং সিলিংয়ে আরেকটি দরজা দেখা দিল। চমৎকার! হলের শেষে একটি লাশ পড়ে আছে কিন্তু আমি কাছে যেতেই সেটি লাফিয়ে উঠে আমার ওপর চিৎকার করতে লাগল যেন সব আমার দোষ। অবশেষে আমার ভালো সময় কাটছিল! কিন্তু এরপর সবকিছু থিতিয়ে যায় এবং আপনি আবার সেই একঘেয়ে পুরনো স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসেন। তখন আপনার মনে হবে যে যদি আবার সেই দুঃস্বপ্নে ফিরে যাওয়া যেত।
* আমার মনে হয় আপনি যদি ''এফ.ই.এ.আর.''-এর একজন বিশাল ভক্ত হন, আমি বলতে চাইছি সত্যিই বিশাল ভক্ত, যেমন ধরুন আপনি দিনে দুবার এটি খেলেন এবং আপনার টয়লেটের সিটে জেসন হলের ছবি আঁকা আছে; আর যদি একই ধরণের কৌশলগত লড়াইয়ের প্রতি আপনার চরম আসক্তি থাকে; এবং আপনি যদি এই গল্পের নামহীন ও বৈশিষ্ট্যহীন প্রধান চরিত্রের পরবর্তী পরিণতি জানার জন্য পাগল হয়ে থাকেন, তবেই আমি আপনাকে ''পারসিয়াস ম্যান্ডেট'' খেলার পরামর্শ দেব। হয়তো আপনি থিসিউসের সাথে গোলকধাঁধায় ঘুরে বেড়ানোর সময় এটি খেলতে পারেন, কারণ আপনি স্পষ্টতই পুরাণের কোনো কাল্পনিক প্রাণী। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/15-F-E-A-R-Perseus-Mandate]
===অ্যাসাসিন্স ক্রিড===
* আপনার পরিচয় ফাঁস হওয়ার আরেকটি ভালো উপায় হলো নিরীহ সাধারণ মানুষকে অকারণে ছুরিকাঘাত করা। আর বিশ্বাস করুন, নিজেকে এটি করা থেকে বিরত রাখা যতটা সহজ মনে হয় আসলে ততটা নয়। সেই আমুদে কুষ্ঠরোগীদের একটি অদ্ভুত প্রবণতা আছে, তারা তাদের সব শক্তি দিয়ে আপনাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেয়। তখন আমার মনে হয় তাদের কয়েকটা ঘা দেওয়া আমার অধিকারের মধ্যেই পড়ে; কিন্তু তখন সবাই আপনার বিরুদ্ধে চলে যায় কারণ আপনি যখন এটা করেন তখন আর সেটা মজার থাকে না। আর এরপর আছে সেই সব ভিখারি নারী যারা আপনার সাথে জেঁকের মতো লেগে থাকে এবং ক্রমাগত আপনার সামনে এসে পয়সার জন্য ঘ্যানঘ্যান করে। এটি বৈজ্ঞানিকভাবেই আমাকে বিরক্ত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এরপর যখন আমি তাদের হালকা করে একটি ঘুষির স্বাদ দিই, তখন তারা চিৎকার করতে করতে পালায় যেন আমিই বড় অপরাধী। বিষয়টি আমার হৃদয়ে বেশ আঘাত করে কারণ আমার সব সম্পর্কের পরিণতিই অনেকটা এমন হয়।
* প্রতিটি মিশনের শুরুতে আপনাকে সেই পাহাড়ের চুড়ায় থাকা আপনার ডেরা থেকে অনেকটা পথ হেঁটে নিচে নামতে হয়। এরপর আপনাকে গন্তব্য শহরের ভেতর দিয়ে পথ করে নিতে হয় (মাঝে মাঝে কুষ্ঠরোগীদের গ্লাসগো শহরের গুণ্ডাদের মতো মারধর করে)। এরপর আপনাকে শহরের আশেপাশে কিছু ছোটখাটো ফরমাশ খাটতে বাধ্য করা হয় যা মূলত একই ধরণের তিনটি সাইড কোয়েস্টের পুনরাবৃত্তি। আর শেষে যখন আপনি কাউকে ছুরিকাঘাত করার সুযোগ পান, তখন শুরু ও শেষে দীর্ঘ এবং এড়ানো যায় না এমন সব কাটসিন বা কথোপকথন দেখতে হয়। এমনকি কাউকে মারার পরও আপনাকে সেই মরো মরো ভিকটিমের সাথে লম্বা আলাপ শুনতে হয়। আপনি হয়তো ভাববেন যে গলার ভেতর তলোয়ার ঢুকিয়ে দিলে মানুষের বক্তৃতা দেওয়ার ক্ষমতা কমে যায়, কিন্তু এই বাচালগুলোর মুখ কোনোভাবেই বন্ধ করা যায় না! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/16-Assassins-Creed]
===গিটার হিরো ৩===
* ''গিটার হিরো ৩''-এর মিথ্যে কথা বিশ্বাস করবেন না। এটি আসলে সিরিজের চতুর্থ গেম। তৃতীয়টি ছিল ''রক দ্য ৮০স'', যা আমি খেলিনি। তবে যেদিন আমি একটি এক্সপেনশন প্যাকের জন্য ৭০ ডলার খরচ করব, সেদিন আমি ধারালো তার গিলে ফেলব এবং সেটি পেছন দিয়ে বের করে ঘষে ঘষে নিজেকে মেরে ফেলব।
* এরপর হার্ড মোডে আমি একদম শেষ ধাপে পৌঁছালাম এবং হঠাৎ থমকে গেলাম কারণ সেগুলো শেষ করা অসম্ভব। '''না। থামুন।''' এখনই ইমেইল করতে বসবেন না; আমি শুনতে চাই না যে আপনি কীভাবে এক্সপার্ট লেভেলে "ব্লাড রেইন" গেমে ফাইভ স্টার পেয়েছেন। কারণ আপনি যদি তা পেয়ে থাকেন তবে আপনি একজন আস্ত ''অদ্ভুত মানুষ''। এমন এক অদ্ভুত মানুষ যার হয় তিনটি হাত আছে অথবা কোনো পোষা মাকড়সা আছে যে আপনার হয়ে বাটনগুলো টিপে দেয়! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/17-Guitar-Hero-III]
===মাস ইফেক্ট===
* মানুষ প্রায়ই আমাকে বলে, "ইয়াটজি, ওহে সুশ্রী নিতম্বের অধিকারী সুপারম্যান: আপনি নিজে একজন গেম রাইটার হয়েও কীভাবে একটি গেমে এত বেশি সংলাপ থাকা নিয়ে অভিযোগ করেন?" আমি উত্তর দেব, "ঠিক সেই কারণেই একজন হেয়ারড্রেসার অভিযোগ করার অধিকার রাখেন যখন কেউ তার গাড়ি শ্যাম্পু দিয়ে ভরে ফেলে।"
* ''মাস ইফেক্ট'' হলো এমন এক অসংযমী ব্যক্তির মতো যে কি না এইমাত্র ৬ বোতল মাউন্টেন ডিউ গিলেছে; এটি সংলাপে এতটাই ঠাসা যে প্রতি পদক্ষেপে তা উপচে পড়ে। চরিত্রগুলো সামান্য উসকানিতেই তাদের জীবনের পুরো ইতিহাস আপনার সামনে উগরে দেবে, যেন আপনার সাথে কোনো তথ্যচিত্র তৈরির টিম আছে। কম্পিউটার স্ক্রিন বা মহাকাশযানের কোনো যন্ত্রের দিকে একবার তাকালেই আপনার জার্নালে একগাদা লেখা জমা হবে। গেমটির কৃতিত্ব এই যে আপনাকে আসলে এগুলো কখনোই পড়তে বাধ্য করা হয় না, তবে না পড়লে আপনার মনে হবে যে গেমটি আপনার ওপর কোনো কারণে নাখোশ হয়েছে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/18-Mass-Effect]
== ২০০৮ ==
=== সুপার মারিও গ্যালাক্সি ===
* কিন্তু ভুল করবেন না; এটি আপনার সাধারণ ছকেবাঁধা কাঠামো। মারিও-র সেই বিরক্তিকর আবেগহীন আপদটিকে ''আবারও'' অপহরণ করা হয়েছে, কিন্তু তাকে উদ্ধার করার আগে আপনাকে এক গাদা তারা সংগ্রহ করতে হবে - এবং কোনো এক অজানা কারণে এটি ''সবসময় তারকাই'' হয়ে থাকে। আর শেষ পর্যন্ত, মারিও সেই অভাবী মেয়েটিকে উদ্ধার করতে সফল হয় যে আবারও তাকে কিছুই দেয় না, যদিও সত্যি বলতে আমি ওই কাণ্ডজ্ঞানহীন মেয়েটার কাছ থেকে কোনো প্রকৃত মানবিক বুদ্ধিসম্পন্ন প্রতিক্রিয়ার আশা করা ছেড়ে দিয়েছি।
* শুরুতে, ''মারিও গ্যালাক্সি'' কিছুটা ছাড় পায় কারণ একে অনিবার্যভাবে ''মারিও সানশাইনের'' সাথে তুলনা করতে হয়, যেটি ছিল শেষ "যথাযথ" মারিও গেম (বাকি সব আজেবাজে স্পিন-অফ বাদ দিলে)। আর আপনি যদি একটি ঘাসফড়িংয়ের শরীরে জোসেফ গোয়েবলসের মাথাও বসিয়ে দেন, তবুও সেটি ''মারিও সানশাইনের'' তুলনায় ভালো মনে হবে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/19-Super-Mario-Galaxy]
=== সাইলেন্ট হিল অরিজিনস ===
* ...অস্ত্রের মান কমে যাওয়া বা নষ্ট হয়ে যাওয়া কোনো গেমে ভালো ভাবনা ছিল এমন একটি গেমের নাম বলার জন্য আপনার কাছে এক সেকেন্ড সময় আছে। সময় শেষ। আমি যেমনটা ভেবেছিলাম ঠিক তাই। একটি কাতানা তলোয়ার যা পাঁচ-ছয়বার আঘাত করার পরই চুরমার হয়ে যায়, সেটির মধ্যে বড় ধরনের কোনো সমস্যা আছে; বিশেষ করে যখন সেটি কাঁচ বা টুইক্স চকোলেট দিয়ে তৈরি নয়।
* আমার কাছে ''সাইলেন্ট হিল'' সিরিজ শেষ। আর যদি ''সাইলেন্ট হিল ৫'' আমাকে এর উল্টোটা বিশ্বাস করাতে পারে, তবে আমি আমার নিজের মেরুদণ্ডের তিনটি কশেরুকা সরিয়ে ফেলব, কোমর বাঁকিয়ে নিজের পশ্চাৎদেশ নিজেই খাব। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/20-Silent-Hill-Origins]
=== ক্রাইসিস ===
* অবশ্যই, অসাধারণ গ্রাফিক্সের সাথে প্রসেসরের ওপর অমানবিক অত্যাচারও আসে। ''ক্রাইসিস'' গেমটি দৃশ্যত মহাকাশ থেকে আসা কোনো কাল্পনিক ভবিষ্যৎ কম্পিউটারের জন্য তৈরি করা হয়েছে। আমি এটি একটি একদম নতুন গেমিং পিসিতে খেলেছি যা দেখতে ''২০০১: এ স্পেস ওডিসি'' সিনেমার মনোলিথের মতো ছিল, যা মিডল আর্থের গর্বিত বামনরা জাদুকরী অবসিডিয়ান দিয়ে তৈরি করেছিল। তা সত্ত্বেও গেমের ভেতর যখন অনেক কিছু একসাথে হতে শুরু করত, তখন এটিও ধুঁকতে শুরু করত।
* ...শেষের দিকে এমন একটি অংশ আছে যেখানে আপনাকে একটি ভবিষ্যৎ হ্যালিকপ্টারের মতো জিনিস চালাতে বাধ্য করা হয় এবং... ধরুন, আপনি ২০ বছরের কোমা থেকে জেগে উঠেছেন, সেই খুশিতে ছয় বোতল ম্যাড ডগ ২০/২০ মদ খেয়েছেন, তারপর আপনাকে এক গাদা জলহস্তী বোঝাই একটি হালকা বিমান চালাতে বলা হয়েছে। এই অংশটি নিয়ন্ত্রণ করা ঠিক তেমনই। আর তারা আশা করে যে আপনি এই জিনিসটি নিয়ে ''আকাশ যুদ্ধে'' নামবেন। এটি অনেকটা কনুই দিয়ে রুবিকস কিউব মেলানোর চেষ্টার মতো। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/21-Crysis]
=== দ্য উইচার ===
* যে জিনিসটি দ্রুত স্পষ্ট হয়ে ওঠে তা হলো উইচার মূলত পিসির জন্য একটি গেম, যেগুলি সাধারণত যতটা সম্ভব জটিল এবং অবোধ্য করে ডিজাইন করা হয় যাতে সেই নোংরা কনসোল-খেলোয়াড় চাষীরা গৌরবময় পিসি-গেমিং শ্রেষ্ঠ জাতির জন্য এটি নষ্ট করতে না পারে। প্রথম সতর্কবার্তা হলো এর ম্যানুয়ালটি এতোটাই মোটা যে এটি দিয়ে ছাগল পিটিয়ে মেরে ফেলা সম্ভব। আর একবার গেমে ঢোকার পর এর ইন্টারফেসটি ব্যবহারের সহজলভ্যতার দিক থেকে মাইক্রোসফট অ্যাক্সেসের চেয়ে সামান্য একটু উন্নত। এখানে আপনার ইনভেন্টরি স্ক্রিন, ক্যারেক্টার স্ক্রিন, অ্যালকেমি স্ক্রিন, শব্দকোষ, কোয়েস্ট, ম্যাপ—সব আলাদা; আপনাকে লড়াই করার মোড এবং শত্রুরা যখন আপনাকে মুরগির মতো কাটছে তখন দাঁড়িয়ে নাক চুলকানোর মোডের মধ্যে বারবার পরিবর্তন করতে হয়। আর একবার লড়াইয়ের মোডে গেলে, আপনি কি শক্তিশালী, দ্রুত, নাকি গ্রুপ স্টাইলে লড়াই করবেন? আর যদি আপনি ওষুধ মেশাতে চান, তবে আমি আশা করি আপনি এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় আট সপ্তাহের চিঠিপত্র কোর্সটি সম্পন্ন করেছেন। এই ধরনের আবর্জনা অপছন্দ করা যদি আমাকে নির্বোধ বানায়, তবে আমাকে "রিটার্ড ম্যাকস্প্যাকিপ্যান্টস" ডাকুন। কিন্তু আমি আমার বিশাল প্রতিভাবান মস্তিষ্ক নিয়ে বিরক্ত হওয়ার চেয়ে বরং নির্বোধ হয়ে আনন্দ পাওয়াকেই বেছে নেব।
* শুরুর দিকের গ্রামটি পার হওয়ার সময় বেশ কিছু সংকেত আমার নজরে এল যা আমাকে এক ভয়ানক সত্য উপলব্ধি করতে বাধ্য করল। এক ক্লিকে লড়াই? এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বিরামহীন ক্লান্তিকর পদযাত্রা? অলস কোনো এক ব্যক্তির হয়ে নির্দিষ্ট সংখ্যক দানব মারার মিশন? এটি আসলে একটি ''মুমোপার্জার!'' কোনো ওয়ার্ল্ড অফ ওয়ারক্রাফটের সেইসব গাধা ছাড়াই এটি একটি সিঙ্গেল-প্লেয়ার মুমোপার্জার। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/22-The-Witcher]
=== রেসিডেন্ট ইভিল: আমব্রেলা ক্রনিকলস ===
* ''রেসিডেন্ট ইভিলের'' আকর্ষণের একটি অংশ হলো এটি এখনও নিজেকে গুরুত্ব সহকারে নেয়, যদিও এর গল্প এবং সংলাপ মানুষের তৈরি যেকোনো জিনিসের মধ্যে সবচেয়ে জঘন্যভাবে লেখা। হাল্ক হোগান তার মাথায় অতিরিক্ত আঘাত পেয়ে যখন ভেবেছিলেন তিনি অভিনয় করতে পারবেন, তার চেয়েও খারাপ এর লেখা।
* ক্যাপকম তাদের অনিচ্ছাকৃত হাস্যকর সংলাপের গর্বিত ঐতিহ্য বজায় রাখছে দেখে ভালো লাগছে। মৃতদেহদের দ্বারা বারবার আক্রান্ত হওয়ার পর জিল ভ্যালেন্টাইন ঘোষণা করেন, "আমার এ নিয়ে খারাপ অনুভূতি হচ্ছে।" বিপদ শুরু হওয়ার প্রায় এক ঘণ্টা পর সেটি টের পাওয়ার মাধ্যমে তিনি তার প্রখর অনুধাবন ক্ষমতার পরিচয় দেন। ক্রিস রেডফিল্ড একটি বিশাল মাকড়সার দিকে 'সরাসরি' তাকিয়ে উচ্চস্বরে ভাবছেন, "এতো জাল কোথা থেকে এল?" আর তারপর আছে সিরিজের নিয়মিত ভিলেন এবং বিশ্বাস ঘাতকতায় পারদর্শী অ্যালবার্ট ওয়েস্কার, যার প্রতিটি সংলাপ বিশুদ্ধ সোনার মতো কারণ তাকে শুনতে গলার ক্যান্সারে আক্রান্ত লয়েড গ্রসম্যানের মতো লাগে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/23-Resident-Evil-Umbrella-Chronicles]
=== কল অফ ডিউটি ৪: মডার্ন ওয়ারফেয়ার ===
* ''[পুরোটা জুড়ে তাচ্ছিল্যপূর্ণ ব্যঙ্গসহ]''<br />আমাকে কখনোই গেমিং মিডিয়ার কোনো প্ররোচিত বিশ-ত্রিশ বছরের যুবক ভাববেন না। লোকজন আমাকে যে প্রতিটি অভিশপ্ত গেমের কথা বলে আমি যদি তার সবগুলোর রিভিউ করতাম, তবে বন্দুক মুখে দিয়ে আত্মহত্যা করার চিন্তা থেকে বাঁচার জন্য প্রয়োজনীয় ড্রাগ নেওয়ার মতো অবসরও আমার থাকতো না। তাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আমি অনুরোধগুলোকে পাত্তাই দিই না। আমি কেবল তখনই কোনো গেমের রিভিউ করি যখন প্রায় চার হাজার ভেড়ার পাল সেটি করার জন্য চিৎকার করতে থাকে (''কল অফ ডিউটি ৪''-এর ক্ষেত্রে যেমনটা হয়েছে)। এই গেমটির জন্য তিন স্তনের যৌনকর্মীর চেয়েও বেশি সুপারিশ এসেছে এবং বড় ধাক্কার জন্য প্রস্তুত হন—কারণ এটি যে প্রশংসা পায় তার যোগ্য এটি।<br />...কমবেশি।<br />আমি অবাক হয়েছিলাম কারণ ''কল অফ ডিউটি'' বা ''মেডেল অফ অনারের'' মতো সিরিজগুলো নিয়ে আমার ধারণা ছিল যে এগুলি বাস্তবতার বৃথা ভান করা একই ধরণের শ্যুটার গেম। এগুলি যেন ১৯৪১ থেকে ১৯৪৫ সালের মধ্যে বিল মারে-র স্টাইলে আটকে আছে, যেখানে এক হাত দিয়ে সমানে হাসি মুখে নাৎসিদের মারছে আর অন্য হাতে আপেল পাই খাচ্ছে—এভাবেই তারা আমেরিকার সেই গৌরবোজ্জ্বল সময়কে বারবার ফুটিয়ে তোলে।<br />বিপরীত দিকে, ''কল অফ ডিউটি ৪'' বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে তৈরি। এর মানে হলো শত্রুরা হয় আরব বিদ্রোহী হবে, না হয় রাশিয়ান, অথবা উভয়ই। আর গল্পের মূলে থাকবে পারমাণবিক অস্ত্র চুরি। যদিও এটিই ঘটে থাকে, তবুও তা খুব আকর্ষণীয়ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।<br />গল্পটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশকে নিয়ে আবর্তিত হয় যার নাম সচেতনভাবে উহ্য রাখা হয়েছে (নিশ্চয়ই কারণ ওই অঞ্চলের অবস্থা এতো দ্রুত পরিবর্তন হয় যে এটি মুক্তি পাওয়ার সময় সেটি হয়তো কোনো ওয়াটার স্লাইড পার্ক হয়ে যাবে)। যুদ্ধের বিভিন্ন চরিত্রের দৃষ্টিকোণ থেকে আপনি গেমটি খেলবেন, যা আপনাকে বিভিন্ন পরিবেশ এবং লড়াইয়ের ধরণ উপভোগ করার সুযোগ দেবে। "অনির্দিষ্টস্থান"-এ মোতায়েন থাকা মার্কিন মেরিন সেনারা যুদ্ধের সময় উত্তেজনায় উল্লাস করতে থাকে, অন্যদিকে ব্রিটিশ এসএএস জঙ্গল বা ঝোপঝাড়ে ককনি উইজেলদের মতো লুকিয়ে থাকে। গেমপ্লের এই পরিবর্তনগুলো নিশ্চিত করে যে আপনি কোনোভাবেই বিরক্ত হবেন না। এর কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা খুব ভালো এবং সাবলীল। আর এই বাক্যের গাম্ভীর্য কমাতে বলছি: "বুইংগো বুইংগো হুপসি প্যান্টি।"<br />''কল অফ ডিউটি ৪''-এ আমার যা ভালো লেগেছে তা হলো এতে দেশাত্মবোধের সেই উগ্র প্রচার কম ছিল যা আমাকে বেশিরভাগ যুদ্ধের গেম থেকে দূরে সরিয়ে রাখে। মার্কিন মেরিন সেনারা যখন নিজেদের ছোট চিন্তা নিয়ে মনে করে তারাই তাদের ব্যক্তিগত যুদ্ধ সিনেমার নায়ক (ঠিক বাস্তব জীবনের মতো), তখন তাদের এই মনোভাব শেষ পর্যন্ত তাদের এমন এক জঘন্য অবস্থায় নিয়ে যায় যে তাদের এক ঘণ্টা বাথরুমে লুকিয়ে থাকতে হয়। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/24-Call-of-Duty-4]
*আপনাদের যা জানা দরকার তা হলো এটি। গেম সাধারণত দুই প্রকারের হয়: এক ধরণের গেম যা আমি খেলতে খেলতে বিরক্ত বা হতাশ হয়ে মাঝপথে বন্ধ করে দিই, আর অন্য ধরণের গেম যা খেলার সময় আমি হঠাৎ খেয়াল করি যে আমার রাতের খাবারের সময় দুই ঘণ্টা আগে পেরিয়ে গেছে। ''কল অফ ডিউটি ৪'' দ্বিতীয় ধরনের অন্তর্ভুক্ত। এটি এই ঘরানার গেমের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত যা আমাকে একদম নিজের ভেতরে টেনে নিয়েছে-ঠিক সেই তিন স্তনের যৌনকর্মীর মতো। আর এখন যেহেতু এই রিভিউয়ের পর আমার ভেতরে অনেক তিক্ততা জমে আছে, তাই বলে রাখি যদি আপনাদের মধ্যে আরও কেউ আমাকে আমার কাজ শেখাতে চান, তবে দয়া করে প্লেন থেকে নিচে কোনো গির্জার চূড়ার ওপর পাছায় ভর দিয়ে আছড়ে পড়ুন! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/24-Call-of-Duty-4]
=== সিমসিটি সোসাইটিস ===
* অনেক মানুষের ধারণা যে আমাদের যদি কোনো ঈশ্বর সৃষ্টি করে থাকেন, তবে নিশ্চিতভাবে তিনি আমাদের খুব বেশি ভালোবাসেন বলেই তা করেছেন। এই তত্ত্বের ভুলগুলো গড গেম খেলার সময় সবচেয়ে বেশি স্পষ্ট হয়ে ওঠে: কারণ দেখা যায় যে যখন বেশিরভাগ মানুষকে ঈশ্বরের অবস্থানে বসানো হয় এবং অনেক ছোট ছোট জীবের দায়িত্ব দেওয়া হয়, তখন তাদের প্রতি মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি ভালোবাসার চেয়ে বরং তাদের লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ব্যবহার করার দিকেই বেশি থাকে।
* আমি একটি নৃশংস স্বৈরাচারী একনায়কতন্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করেছিলাম যাতে আমার নিজেকে খুব শক্তিশালী মনে হয়। তাই আমার সব কর্মক্ষেত্র ছিল থট পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের মতো, আর সব জায়গা ছিল প্রচারণার থিয়েটার। কিন্তু তারপরও বেশিরভাগ নির্বোধ মানুষেরা সেখানে সন্তুষ্ট বা আনন্দিত ছিল। ঈশ্বর জানেন, নাৎসি জার্মানি হয়তো এভাবেই শুরু হয়েছিল! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/25-Sim-City-Societies]
=== ইয়াটজি গোজ টু জিডিসি===
* সব গেমই আসলে কোনো না কোনো কল্পনাকে বাস্তবায়িত করার বিষয়; সেটি সাহসী যুদ্ধ বীর হওয়ার কল্পনা হোক, বা ভবিষ্যতের মহাকাশ অভিযাত্রী হওয়ার কল্পনা, অথবা কিছু জাপানি গেমের ক্ষেত্রে আটটি বিশেষ অঙ্গ থাকার কল্পনা। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/26-Yahtzee-Goes-to-GDC]
=== আনচার্টেড: ড্রেক'স ফরচুন ===
* ঠিক আছে, হয়তো আমি এই বিষয়টি নিয়ে একটু বেশি বাড়াবাড়ি করছি, কিন্তু আমি মজা করছি না যখন বলছি যে আনচার্টেডের ভিলেনদের দলে পৃথিবীর প্রতিটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব রয়েছে: একদল কৃষ্ণাঙ্গ, এশিয়ান এবং ল্যাটিনো যাদের সবার সাধারণ লক্ষ্য হলো শ্বেতাঙ্গদের মেরে ফেলা। তবে এর মধ্যে ব্যতিক্রম হলো প্রধান ব্রিটিশ ভিলেন, কিন্তু তাকে গেম শেষ হওয়ার দশ মিনিট আগে অকারণে মেরে ফেলা হয় যাতে জাতিগতভাবে ভিন্ন কোনো ভিলেনকে ফাইনাল বস হিসেবে রাখা যায়। এই তথ্যটি ফাঁস করে দেওয়ার জন্য আমি দুঃখিত, তবে আমি ধরে নিয়েছিলাম যে "ভিলেন মারা যাবে", এমন সাধারণ গল্প আপনি আগেই অনুমান করতে পেরেছিলেন।
* আপনি নাথান ড্রেক চরিত্রে খেলবেন, যাকে দেখে মনে হয় জস হুইডনের লেখা ইন্ডিয়ানা জোনস। সে চিরাচরিত অদ্ভুত সব জায়গায় হারিয়ে যাওয়া সোনার গুপ্তধন খুঁজে বেড়ায়। তার সাথে থাকে এক স্বর্ণকেশী প্রেমিকা যার সাথে শুরুতে বিবাদ থাকে এবং একজন বৃদ্ধ পরামর্শদাতা যাকে দেখে মনে হয় তিনি এমন একটি টি-শার্ট পরে আছেন যাতে লেখা আছে, "আমি হয়তো মারা যাব অথবা ভিলেন হয়ে যাব।"
* আমি হয়তো একটু বেশি রূঢ় হচ্ছি। এর গেমপ্লে বেশ ভালো। অবশ্যই ভালো হবে; কারণ এটি পুরোপুরি অন্যদের থেকে চুরি করা। এর এমন কোনো উপাদান নেই যা আগের অন্তত তিনটি জনপ্রিয় গেমে ব্যবহার করা হয়নি। এমনকি গল্পটিও আমি মনে করতে পারি এমন অন্তত পাঁচটি রহস্য চলচ্চিত্র থেকে হুবহু নকল করা -- ইন্ডিয়ানা জোনস চলচ্চিত্র গুলো ধরলে তো সংখ্যাটা সাত ছাড়িয়ে যাবে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/27-Uncharted-Drakes-Fortune]
=== ডেভিল মে ক্রাই ৪ ===
* ...এটা বলা উচিত যে জাপানি কার্টুনের কিছু জনপ্রিয় ধারা আছে যা দেখলে আমার সন্দেহ জাগে। আমি সেগুলোর তালিকা করতে পারতাম, কিন্তু ক্যাপকম-এর সৌজন্যে আমার তা করার প্রয়োজন নেই—এখন আমি শুধু ডেভিল মে ক্রাই ৪-এর দিকে আঙুল তুলে বলতে পারি, "মূলত এটিই।" আমাকে ভুল বুঝবেন না, আমি এমন কোনো চশমা পরা মানুষ নই যে সবসময় সবকিছুতে পূর্ণ বাস্তবতা খুঁজে বেড়ায়। নিজের উচ্চতার চেয়ে আট গুণ বেশি লাফানো, ছোট গাড়ির সমান তলোয়ার ঘোরানো এবং বুলেট দিয়ে বুলেট ঠেকানো—এসবই আমার কাছে ঠিক আছে যদি তা বিনোদনমূলক হয়। কিন্তু একটি গেম তখনই আমার বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায় যখন এটি নিজেকে নিয়ে গর্বিত কিছু বিরক্তিকর চরিত্রে ভরে যায় এবং খেলার কৌশলের দিকে নজর না দিয়ে শুধুমাত্র তাদের বীরত্ব দেখানোর পেছনে সময় নষ্ট করে। তখন আমার মনে হয় এক বৈঠা দিয়ে তাদের মুখ থেঁতলে দিই!
* লড়াইয়ের জন্য যেটুকু প্রশংসা আমি করতে চেয়েছিলাম তা এর অত্যন্ত বাজে স্তরের কারুকার্যের কারণে সাথে সাথেই ধুলোয় মিশে যায়। লাফানোর ধাঁধা? ঠিক আছে। সময় নির্দিষ্ট করে দেওয়া লাফানোর ধাঁধা? তাও মানা যায়। স্থির ক্যামেরার সামনে সময় নির্দিষ্ট করা লাফানোর ধাঁধা? এখন আমরা একদম জঘন্য খেলার সাগরে ডুবে গেছি। কিন্তু তারপর তারা আমাদের সামনে এমন এক ধাঁধা নিয়ে আসে যেখানে প্রতিবার ব্যর্থ হলে নতুন শত্রু জন্মায়। আর এখন আমরা সেই জঘন্য সাগরের এতোটাই গভীরে যে আমাদের বাঁচানোর জন্য কোনো নৌকাও আশেপাশে নেই। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/28-Devil-May-Cry-4]
=== বার্নআউট প্যারাডাইস ===
* মানুষ আমাকে প্রায়ই জিজ্ঞেস করে, "ইয়াটজি, আপনি একটি খারাপ গেম কী দিয়ে বিচার করেন সে সম্পর্কে তো অনেক কিছু বলেন, কিন্তু একটি ভালো খেলার মাপকাঠি কী?" আসলে আমাকে কোনোদিন কেউ এই প্রশ্ন করেনি। বেশিরভাগই আমাকে গর্দভের মতো প্রশ্ন করে যে আমি কবে ২০ বছরের পুরোনো গেমের পর্যালোচনা করব। কিন্তু এটি এমন এক প্রশ্ন যা আমি আশা করি আমাকে কেউ করুক, তাই আমি নিজেই এর উত্তর দিচ্ছি। ভালো গেমের অন্যতম একটি মাপকাঠি হলো যা আমাকে কিছু শেখায়। যেমন বার্নআউট প্যারাডাইস আমাকে শেখায় যে প্রিন্সেস ডায়ানা যদি সত্যিই ওমন এক ছোটখাটো দুর্ঘটনায় মারা গিয়ে থাকেন, তবে তার শরীর নিশ্চয়ই পাতলা বিস্কুট দিয়ে তৈরি ছিল।
* (গেমটির উন্মুক্ত জগত নিয়ে আলোচনা করছেন:) আমার পয়েন্ট হলো, রেসিং গেমগুলোতে সাধারণত কেন একটি নির্দিষ্ট পথ থাকে তার কারণ হলো রাস্তার দৌড়ে আসল মজা হলো দ্রুত গাড়ি চালানো এবং জিনিসপত্র ভেঙে ফেলা। এটিই হলো সাফল্যের সূত্র। কিন্তু আপনি যখন এর মধ্যে মানচিত্র দেখার ঝামেলা ঢুকিয়ে দেন, তখন এটি অন্যান্য সব মজাকে নষ্ট করে দেয়। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/29-Burnout-Paradise]
=== টারক ===
* আমি আসলে কিছুটা খুশি যে আমার সামনে একটি অত্যন্ত বাজে বন্দুকযুদ্ধের গেম এসেছে কারণ আজকাল এই ধরণের গেমগুলোতে অনেক সমস্যা দেখা যায় এবং টারক গেমটি যেন সেই সব সমস্যার একটি তালিকা। তাই আমি সাধারণত যা করি (অর্থাৎ গেমটিকে বাজেভাবে আক্রমণ করা) তা না করে বরং টারক-কে উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করে আমরা দেখতে পারি যে এই ধরণের গেমগুলো বারবার কী ধরণের ভুল করে চলেছে। হয়তো আমি নির্মাতাদের সেসব করা থেকে বিরত থাকতে বোঝাতে পারব। হয়তো আমি জোয়ারের গতিপথ বদলে দিতে পারব আর কোনো ডানাওয়ালা কাল্পনিক ঘোড়ায় চড়ে সুখের রাজ্যে চলে যেতে পারব।
* যখন আপনি চিন্তা করবেন যে আদি টারক গেমগুলো ছিল সময় ভ্রমণকারী এক আদিবাসীকে নিয়ে, তখন এই নতুন সংস্করণটিকে এলিয়েনস চলচ্চিত্রটিকে নকল করার জন্য অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। তাদের আগের সব পটভূমি আর গল্প আলমারিতে বন্দি করে পাহাড় থেকে ফেলে দিতে হয়েছে। তারা এলিয়েনস সিনেমাটিকে নকল করার পেছনে যে পরিমাণ নিষ্ঠা দেখিয়েছে, বেশিরভাগ নির্মাতা একটি ভালো গেম বানানোর ক্ষেত্রেও তেমনটা দেখায় না। এটি এক ধরণের নির্বোধের মতো হলেও প্রশংসনীয়।
* আধুনিক লড়াইয়ের গেমগুলোর এই সমস্যাগুলো চারটি শব্দ দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায়: "চলো হ্যালো-র মতো হই।" কিন্তু আমার মনে আছে এমন এক সময় যখন সব গেম এই জনপ্রিয়তার পেছনে অন্ধের মতো ছুটত না। তখন সব গেম শুধু সৈনিকদের নিয়ে ছিল না, তখন গেম হতে পারত কোনো জ্যান্ত মৃত রাখালকে নিয়ে, বা রসিক কোনো নারীবিদ্বেষীকে নিয়ে। আমার মনে আছে যখন গেমগুলোর নিজের সম্পর্কে হাস্যরসবোধ ছিল এবং এতে কালচে ধূসর বা মলের মতো বাদামী রঙ ছাড়াও অন্যান্য রঙ থাকত। আমার পুরোনো দিনের কিছু গেমের কথা মনে আছে—যদিও এখন মনে হচ্ছে সেগুলি ভুলে গেলেই ভালো হতো। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/30-Turok]
=== জ্যাক অ্যান্ড উইকি ===
* অনেক আগে যখন প্রধান চরিত্রদের পেশিগুলো তাদের মুখের চেয়ে বড় হওয়ার প্রয়োজন ছিল না, তখন অভিযানের গেমগুলো বেঁচে ছিল। এই শান্ত এবং বুদ্ধিমান গেমগুলো তাদের চমৎকার গল্পের ঐতিহ্যের জন্য পরিচিত ছিল এবং নতুন যুগ শুরু হওয়ার আগে তারা পিসি গেমিংয়ের রাজত্ব করত। কেউ কেউ প্রতিবেশী লড়াইয়ের গেমগুলোর আক্রমণাত্মক বিস্তারকে এর কারণ হিসেবে দায়ি করেন; কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি এর কারণ হলো তাদের বেশিরভাগই ছিল জঘন্য। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/31-Zack-Wiki]
=== আর্মি অফ টু ===
* আমাদের দ্রুত এবং বারবার মনে করিয়ে দেওয়া হয় যে সামরিক বাহিনী হলো জঘন্য এবং এর সাথে জড়িত সবাইও তাই। অন্যদিকে ভাড়াটে সৈন্যরা হলো অপরাজেয় বীর যারা প্রচুর টাকা কামায় এবং পেশিবহুল পুরুষদের পছন্দ করে—না! ইয়াটজি শান্ত হও! আমি বলতে চেয়েছিলাম: আপনি বিচিত্র সব মুখোশ পরতে পারবেন, পার্থক্য শুধু এই যে এখানে আপনি মানুষের হাতে মিষ্টি দেবেন না, উপহার হিসেবে আপনি দেবেন 'বুলেট'।
* আমার কম্পিউটারের পোকাভরা মস্তিষ্কের ওপর বিরক্ত হয়ে আমি আমার এক বন্ধুর সাথে গেমটি পর্দা ভাগ করে খেলার চেষ্টা করলাম। লড়াইয়ের এক পর্যায়ে আমি তাকে একটি উঁচু জায়গায় ওঠার জন্য সাহায্য করলাম যাতে আমরা উঁচু জায়গা থেকে আক্রমণ করতে পারি। কিন্তু যেহেতু আমার বন্ধু এটি বুঝতে পারছিল ছিল না যে শত্রুর গুলি থেকে বাঁচতে হয়, তাই সে গুলি খেল। যখন এমনটা ঘটে, আপনি নড়াচড়া করতে পারবেন না যতক্ষণ না আপনার সঙ্গী এসে আপনাকে সুস্থ করে তোলে। কিন্তু যেহেতু সেখানে আমাকে সাহায্য করার মতো আর কেউ ছিল না, আমি শুধু অসহায়ের মতো লাফাচ্ছিলাম যতক্ষণ না তার নির্বুদ্ধিতার শেষ পরিণতি হিসেবে সে মারা গেল।
* এটি বারবার করা একই ধরণের গেম যা আপনি আগেও দেখেছেন। আপনি যদি এক হাত দিয়ে গিয়ার্স অফ ওয়ার আর অন্য হাত দিয়ে স্প্লিন্টার সেল খেলতে পারেন, তবে আপনার আর্মি অফ টু খেলার কোনো প্রয়োজন নেই। আর যদি পারেন তবে অবশ্যই সেটি স্মৃতি হিসেবে ধরে রাখবেন কারণ এটি একটি অসাধারণ প্রতিভা হবে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/32-Army-of-Two]
=== নো মোর হিরোস ===
* সুদা ৫১-এর শেষ গেম ছিল কিলার সেভেন, এবং একটা কথা পরিষ্কার করে বলি: আমি ওই গেমটিকে খুব ভালোবাসতাম! আমরা যখন আমাদের ধূসর এবং একঘেয়ে গেমিং জীবন কাটাচ্ছিলাম, তখন কিলার সেভেন এক রঙিন রূপ নিয়ে এল। এটি সব প্রচলিত প্রথা ভেঙে গেমিং যে একটি শিল্প হতে পারে তা দেখিয়ে দিয়েছিল। আমি এখনও জানি না এটি কোন ধরণের গেম ছিল: ধাঁধা, লড়াই নাকি অভিযান... যাই হোক না কেন, এটি ছিল সত্যিই অসাধারণ। এখন আমাদের কাছে আছে নো মোর হিরোস, যা মূলত একটি গ্র্যান্ড থেফট অটো-র নকল। ইয়াটজি ব্যঙ্গ করে বললেন, "জলজ্যান্ত হীরা হয়ে জ্বলতে থাকো।"
* তাই আমি নো মোর হিরোস সম্পর্কেও একই কথা বলব যা আমি কিলার সেভেন এবং অন্যান্য ব্যতিক্রমী গেম সম্পর্কে বলেছিলাম: এটি ত্রুটিপূর্ণ হলেও এটি সংগ্রহ করুন কারণ আপনি এরকম আর কিছুর অভিজ্ঞতা পাবেন না। ঈশ্বর জানেন নো মোর হিরোস-এর ওপর আচার মাখলে কী ঘটবে, হয়তো মহাবিশ্ব ধ্বংস হয়ে যাবে। আর তা হবে দেখার মতো! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/33-No-More-Heroes]
=== কনডেমড ২: ব্লাডশট ===
* কনডেমড ১-এ একটি বড় শত্রুর সাথে লড়াইয়ের অংশ ছিল যেখানে আপনি একটি অন্ধকার এবং সংকীর্ণ জায়গায় দৌড়াচ্ছেন আর একজন খুনি আপনার পেছনে লেগে আছে। এটি সত্যিই খুব ভয়ানক ছিল এবং এর কার্যকারিতার একটি কারণ হলো এটি আপনার নিজের বাড়ির মতো সাধারণ একটি বাড়িতে ঘটেছিল। ঠিক যেমন আপনার খাটের নিচে থাকা সেই পাগল খুনি যে এখনই আপনার পেছনে দাঁড়িয়ে আছে—কিন্তু পেছনে তাকাবেন না কারণ তাতে সে আরও রেগে যাবে! অন্যদিকে, কনডেমড ২ শেষ হয় এক অদ্ভুত যান্ত্রিক মিনার বা টাওয়ারের ওপর, যা দেখতে অনেকটা মাতালদের তৈরি কিছুর মতো। আর শেষ লড়াইটি এতোটাই সহজ যে আপনি শুধু তার ওপর এতো জোরে চিৎকার করবেন যে তার মাথা ফেটে যাবে। আমি সত্যিই মজা করছি না। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/34-Condemned-2-Bloodshot]
=== সুপার স্ম্যাশ ব্রস ব্রল ===
* আমি বারবার বলেছি যে নিন্টেন্ডো এমন একটি কোম্পানি যারা তাদের পুরোনো গেমগুলো নিয়ে একটু বেশিই মেতে থাকে। উই কনসোলটি জনপ্রিয় থাকা অবস্থায় এটি হয়তো ঠিক আছে, কিন্তু আরও কয়েকবার ব্যর্থ হলে তারা পুরো কোম্পানিটিই হারিয়ে ফেলবে। এর মধ্যে কিছু বিষয় খুব রহস্যময়। 'মার্থ' আবার কে, আর তাকে বিজয়ী করা কেন একটি পুরস্কার হিসেবে ধরা হয়? আর ধন্যবাদ নিন্টেন্ডো, এমন একটি গেমের চরিত্র এখানে রাখার জন্য যা আপনারা জাপানের বাইরে কোনোদিন মুক্তি দেবেন না। অথচ আমি নিশ্চিত যে মারিও কার্ট-এর চেয়ে বেশি মানুষ ওই গেমটি খেলত!
* কিন্তু সত্যি বলতে, স্ম্যাশ ব্রস ব্রল পর্যালোচনা করা নিরর্থক। আপনি হয়তো আগে থেকেই জানেন আপনি এটি পছন্দ করেন কি না। একটি সহজ পরীক্ষা আছে: যখন "নিন্টেন্ডো উই" নাম প্রকাশ করা হয়েছিল, তখন কি আপনি ইন্টারনেটে এটি নিয়ে সিরিয়াসলি কোনো পক্ষ নিয়েছিলেন? যদি উত্তর হ্যাঁ হয়, তবে গেমের যতোই ত্রুটি থাকুক না কেন আপনি এটি পছন্দ করবেন। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/35-Super-Smash-Bros-Brawl]
=== মেইলব্যাগ শোডাউন ===
* এটি সত্য যে আমি গেমটি খেলার আগেই ব্রল পছন্দ করিনি; কিন্তু আজকাল আমি যেসব জিনিসের মুখোমুখি হই তাদের সবার ক্ষেত্রেই এটি সত্য। যেহেতু ইন্টারনেটে মান নিয়ন্ত্রণের বালাই নেই, তাই গত কয়েক বছর ধরে আমি সবকিছুকেই ফালতু বলে ধরে নিই যতক্ষণ না তা নিজেকে প্রমাণ করতে পারে। আমি একে পর্যালোচনার ক্ষেত্রে "কঠোর" পদ্ধতি বলতে পছন্দ করি।
* "আমি কোনো অন্ধ ভক্ত নই—(হ্যাঁ আপনি তাই!)—কিন্তু আপনি হয়তো ব্রল-এর একটু বেশি সমালোচনা করেছেন। নিন্টেন্ডো এটি বানিয়েছে যাতে খেলোয়াড়রা আনন্দ পায়।" আমাকে কেন এটি সেই আস্তিকদের যুক্তির কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে যে "ঈশ্বরের মহিমা বোঝা বড় দায়?" নিন্টেন্ডো এখন বড় হয়ে গেছে, তাকে রক্ষা করার প্রয়োজন নেই। আমার মতো ছোটখাটো সমালোচকদের কথায় সেখানকার কেউ কাঁদবে না এবং তারা আপনাদের তো পাত্তাই দেয় না। আমি কোনোদিন বুঝলাম না খেলার যন্ত্র নিয়ে মানুষের মধ্যে কেন এতো উন্মাদনা কাজ করে। বেশিরভাগ মানুষ বলবে এর কারণ হলো আপনার মা হয়তো আপনাকে একটিই যন্ত্র কিনে দিয়েছেন, আর যদি সেটি সেরা না হয় তবে আপনি নিজেকে সান্ত্বনা দিতেই পক্ষ নিতে শুরু করেন। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/37-Mailbag-Showdown]
=== গ্র্যান্ড থেফট অটো ৪ ===
* প্রায় দশ লাখ বছর আগে, ডিএমএ ডিজাইন নামের একটি কোম্পানি গ্র্যান্ড থেফট অটো তৈরি করেছিল এবং আবিষ্কার করেছিল যে বিতর্ক, অদ্ভুত হাস্যরস এবং গাড়ি নিয়ে তাণ্ডবের সংমিশ্রণটি খুব লাভজনক। তাই তারা অনেকগুলো পরবর্তী অংশ বানাল এবং তাদের নাম বদলে রাখল "রকস্টার", যাতে মানুষ ভুলে যায় যে তারা আগে অন্য ধরণের গেম বানিয়েছিল।
* আপনি যখন এই জগতের উন্মাদনায় বিরক্ত হয়ে মূল কাজে ফিরবেন, তখন দেখবেন জিটিএ ৪ শুরুর দিকে খুব ধীরগতির। প্রথম দিকের প্রায় সব কাজই হলো শেখার অংশ। গেমের মধ্যে এতো সব উপাদান ঢোকানো হয়েছে যে সেগুলো বোঝাতেই অর্ধেক গেম শেষ হয়ে যায়! আপনাকে শিখতে হবে কীভাবে গাড়ি চালাতে হয়, কীভাবে ট্রাক চালাতে হয়, কীভাবে রাজহাঁস চালাতে হয়, কীভাবে ফোন বা ইন্টারনেটের ব্যবহার করতে হয়, কীভাবে মারামারি করতে হয় এবং কীভাবে গুলির লড়াই করতে হয়... [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/48-Grand-Theft-Auto-IV]
=== পেইনকিলার ===
* গেমের অস্ত্রগুলো প্রচলিত অস্ত্রের তালিকা থেকে বের হওয়ার একটি সাহসী প্রচেষ্টা। এখানে পেইনকিলার নামের একটি অস্ত্র আছে যা ব্লেডের মতো ঘোরে এবং শরীরের অংশ উড়িয়ে দেওয়ার জন্য উপযুক্ত। অস্ত্রের কথা বলতে গেলে আমি সেই শক্তিশালী বন্দুকের কথা বলতে পারি যা শত্রুদের গাছের মতো দেয়ালের সাথে গেঁথে ফেলে। তবে আপনার যা জানা প্রয়োজন তা হলো এখানে একটি বন্দুক আছে যা বিশেষ অস্ত্র এবং বিদ্যুৎ ছুড়তে পারে। এটি এতোটাই অসাধারণ যে যদি এতে বুক থাকত আর এটি আগুনে জ্বলত তবে এর চেয়ে বেশি আর কিছু হতে পারত না।
* এই হলো পেইনকিলার, যা প্রমাণ করে যে মনের ঝাল মেটানোর সেরা উপায় হলো কারো মাথা উড়িয়ে দেওয়া। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/57-Painkiller]
=== দ্য ওয়ার্ল্ড এন্ডস উইথ ইউ ===
* জাপানি গল্পের গেম এবং সাধারণভাবে অনেক গেমের ক্ষেত্রে আমার যা বিরক্তির কারণ হয় তা হলো যখন আমার মনে হয় একজন খেলোয়াড় হিসেবে আমি গল্পের জন্য কিছুই করছি না। আমার কাজ শুধু চরিত্রগুলোকে এক বিরক্তিকর সংলাপ থেকে অন্য সংলাপে নিয়ে যাওয়া। সবকিছু তাদের কাজে ঘটে, আমার কাজে নয়। আমি শুধু একজন রাগী ব্যক্তি যে লড়াইয়ের সময় নিয়ন্ত্রণ নেয়, আর বাকি সময় প্রধান চরিত্রের মাথার ভেতর লাফালাফি করি যাতে সে বোকার মতো কাজ করা বন্ধ করে।
* আমি বলতে চাইছি যে আমি সেই সব গেম পছন্দ করি যেখানে গল্প এবং খেলার ধরন হাতে হাত মিলিয়ে চলে, অন্যদিকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গল্প আর খেলার ধরনকে দুই পাশে আলাদা করে রাখা হয়।
* এটি কি ভালো খেলা? আমার কোনো ধারণা নেই। আমার মনে হচ্ছে আমি এক ভয়ানক জগতের প্রান্তে দাঁড়িয়ে আছি যা আমি বুঝি না। আমি যেন এক গভীর হ্রদের ওপর ভাসছি যেখানে অদ্ভুত সব প্রাণী বাস করে যাদের বিনোদনের ধারণা আমার কাছে একেবারেই অপরিচিত। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/67-The-World-Ends-With-You]
=== অবলিভিয়ন ===
* আপনারা আমাকে চেনেন; আমি দ্রুত উত্তেজনার খোঁজে থাকা একজন গেমার। যার হাতে মোটরবাইকের সমান বন্দুক আর হেলমেটের সামনে ভিনগ্রহী প্রাণীর শরীরের অংশ না থাকলে ভালো লাগে না। কিন্তু মাঝেমধ্যে গ্রহের অবস্থান ঠিক হলে আমার কাল্পনিক গল্পের গেম খেলতে ইচ্ছে করে। জাপানি ধাঁচের নয়, ঈশ্বর রক্ষা করুন; এটি কেবল এক ধরণের মানসিক পরিবর্তন। আমি পশ্চিমা ধাঁচের গেমের কথা বলছি যাতে দানব, তলোয়ার আর সাহসী পুরুষ থাকবে।
* অবলিভিয়ন-এ আপনি রাজকীয় প্রাসাদের এক অন্ধকূপ থেকে শুরু করবেন। আপনাকে কখনোই বলা হবে না যে আপনি কী অপরাধ করেছেন; আমি ধরে নিলাম আপনি এটি নিজেই ভেবে নেবেন। তাই আমি বিশ্বাস করতে পছন্দ করি যে আমি সম্রাটের পরিবার নিয়ে কোনো ঝামেলার জন্য এবং ঈশ্বরের মৃতদেহের ওপর গিটার বাজানোর জন্য সেখানে বন্দি ছিলাম। যাই হোক, সম্রাট যখন আসলেন, আমি তাকে বেশ পছন্দ করলাম। তিনিই একমাত্র চরিত্র ছিলেন যিনি জানতেন তারা একটি কাল্পনিক গল্পের গেমে আছেন। তিনি আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, "আরে সর্বনাশ! তুমিই তো প্রধান চরিত্র; মনে হচ্ছে আমাকে এখন মরতে হবে।" এবং তিনি মারাই গেলেন।
* অবলিভিয়ন গেমটি চেষ্টা অনেক করলেও এটি আমার খেলা অন্যতম কম আকর্ষণীয় খেলা। এর মানচিত্র অনেক বড় ঠিকই। আপনি যদি এক মাথা থেকে অন্য মাথায় হেঁটে যেতে চান, তবে সাথে কিছু খাবার নিয়ে বের হওয়াই ভালো। কিন্তু সত্যি বলতে, আপনি যখন প্রথম দিনের আলোতে বের হবেন, তখনই আপনি যা দেখার তা দেখে ফেলেছেন। মনে হয় তারা সামান্য কিছু জায়গা নিয়ে তাতে বন্য প্রাণী ঢুকিয়ে সেটিকেই বারবার ব্যবহার করে বিশাল বড় বানিয়েছে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/75-Oblivion]
=== হেইজ ===
* আমি নিশ্চিত যে খুব কম মানুষই হেইজ কেনার জন্য লাইন দিয়েছিল। যখন আমি বাক্সের পেছনে দেখলাম এটি সৈনিকদের নিয়ে একটি মহাকাশ যুদ্ধের গেম, তখন আমার উৎসাহ ধুলোয় মিশে গেল। আমি ভাবলাম, "আবারও সেই একই জিনিস।" আমি জানি এখানেও খুব বাজেভাবে গাড়ি চালাতে হবে আর অর্ধেক গেম টেবিলের নিচে লুকিয়ে থেকে সুস্থ হওয়ার অপেক্ষা করতে হবে। কিন্তু তখনই আমার ভেতরের বিবেক আমাকে মনে করিয়ে দিল, "তুমি কি কল অফ ডিউটি ৪-এর কথা ভুলে গেলে? তোমার প্রতিটি গেমকেই নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ দেওয়া উচিত।"
* হেইজ-এর গল্পের মূল বার্তা হলো—যুদ্ধ খারাপ! এবং যখন মৃত্যু নিশ্চিত তখন সেখানে কোনো প্রকৃত নায়ক থাকে না। কিন্তু এই বার্তার সাথে "মজাদার মারামারি" যোগ করা মানে হলো একইসাথে সুবিধা নেওয়া এবং ভালো সাজা। কেক নিয়ে আমার একটা কথা মনে পড়ল; আপনার কাছে কেক থাকলে সেটি খাওয়া ছাড়া আর কী-ই বা করার আছে, যদি না আপনি খুব বিচিত্র কেউ হন। যাই হোক, কথা হারিয়ে ফেললাম।
* আপনার যদি পরিচিত ধারার লড়াই পছন্দ হয় এবং নতুন কিছু করার ভয় থাকে, তবে আপনার হয়তো হেইজ কেনা উচিত। কিন্তু তার আগে নিজের মানসিক চিকিৎসা করানো ভালো। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/93-Haze]
=== মেটাল গিয়ার সলিড ৪: গানস অফ দ্য প্যাট্রিয়টস ===
* আমার মস্তিষ্ক ব্যথা করার আগেই আমি গল্পটি যতটুকু পারি বলার চেষ্টা করছি: সলিড স্নেক হলো একজন ক্লোন করা ভাড়াটে সৈন্য যে অকাল বার্ধক্যে ভুগছে। সে তার সহযোগী এবং সেরা বন্ধু ওটাকনের সাথে থাকে এবং তারা দুজনে মিলে একটি সন্তান দত্তক নিয়েছে। যাই হোক, সলিড স্নেককে তার দুষ্ট ক্লোন ভাইকে হত্যা করার দায়িত্ব দেওয়া হয়, যে কি না মারা গেছে কিন্তু তার হাতের মাধ্যমে বেঁচে আছে যা অন্য কারো শরীরে লাগানো—ওহ ঈশ্বর, আমি আর বলতে পারছি না; এটি পুরোপুরি পাগলামি! গল্প জানতে চাইলে গেমটি খেলুন, যদিও আমি নিশ্চিত করে বলতে পারছি না যে তাতেও আপনি সব বুঝতে পারবেন। নির্মাতার মানসিকতা বোঝার জন্য আপনাকে হয়তো মাথায় জটিল অস্ত্রোপচার করাতে হবে।
* কেউ একজন বলেছিলেন যে একজন রাজনীতিবিদ হলেন সেই ব্যক্তি যিনি ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা বলতে পারেন কিন্তু কাজের কিছু বলেন না। এটি যদি সত্যি হয়, তবে গেমের নির্মাতা নির্বাচনে দাঁড়ালে বিকেলের মধ্যেই মহাবিশ্বের সম্রাট হয়ে যাবেন। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/99-Metal-Gear-Solid-4]
=== ওয়েবকমিকস ===
* নাটকীয়তা হলো এমন একটি বিষয় যা এই জগতকে টিকিয়ে রাখে। নিজের বাজে আঁকার ভঙ্গি উন্নত করার কোনো চেষ্টা করবেন না, অনুষ্ঠানে অভদ্রের মতো আচরণ করুন এবং গঠনমূলক সমালোচনাকে ঘৃণা করুন। ইন্টারনেটের এই জঘন্য জগতে নিজেকে একজন বিশাল অহংকারী হিসেবে তুলে ধরুন। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/108-Webcomics]
=== লেগো ইন্ডিয়ানা জোন্স ===
* আমি এতোদিন এই জোটকে এড়িয়ে গিয়েছিলাম কারণ আমার আগের পর্যালোচনা থেকে আপনারা জানবেন যে এর পেছনে যারা আছে তারা খুব একটা সুবিধার নয়। এছাড়া এটি শুনতে খুব অদ্ভুত লাগে। আমি বলতে চাইছি, একবার যদি আপনি এটি মেনে নেন, তবে এর শেষ কোথায়? এই মজা আর না টানাই ভালো।
* পুরো অভিজ্ঞতার মধ্যে ব্যঙ্গ বা বিদ্রূপের একটি বিষয় আছে যা আমার বেশ ভালো লেগেছে। আমরা এমন একটি চলচ্চিত্র সিরিজকে নিচ্ছি যা ছোটবেলায় আমাকে ভয় দেখাত এবং সেটিকে এখন পুতুল নাচের মতো হাস্যকর কিছুতে পরিণত করছি। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/123-LEGO-Indy]
=== অ্যালোন ইন দ্য ডার্ক ===
* আমি অন্য কারো পর্যালোচনা না পড়ার নীতি মেনে চলি কারণ এটি আমার নিজের অভিজ্ঞতাকে প্রভাবিত করতে পারে এবং আমি নিশ্চিত যে আমিই একমাত্র ব্যক্তি যার মস্তিষ্ক ঠিকমতো কাজ করে। কিন্তু অ্যালোন ইন দ্য ডার্ক সম্পর্কে মানুষের নেতিবাচক ধারণা এড়িয়ে যাওয়া কঠিন ছিল। অনেকে ইমেইল করে আমাকে বলেছে এটি যেন ধুয়ে ফেলি। আমি ভাবলাম, "সবাই যা বলছে তার বিরুদ্ধে গিয়ে আমি বরং এটি পছন্দ করার চেষ্টা করব।" কয়েক দিন পার হয়ে গেল এবং আপনারা অবাক হবেন জেনে যে মাঝেমধ্যে সংখ্যাগুরুরাও একদম ঠিক কথা বলে।
* দুঃখজনক হলো যে অ্যালোন ইন দ্য ডার্ক একটি ভালো গেম হওয়ার খুব কাছাকাছি ছিল কিন্তু তারা এতো তাড়াহুড়ো করেছে যে সবকিছু নষ্ট করে ফেলেছে। এতে অনেক ভালো বুদ্ধি ছিল কিন্তু সেগুলোর প্রয়োগ ছিল জঘন্য। যেমন দুজন নকশাকারীর কথা ভাবুন। একজন বলল, "চলুন ক্যারেক্টারের শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা যায় এমন ব্যবস্থা রাখি।" অন্যজন বলল, "ঠিক আছে! কিন্তু চলুন সেগুলো পোশাকের ওপর এমনভাবে রাখি যাতে মনে হয় কেউ তার গায়ে মাংসের টুকরো আঠা দিয়ে লাগিয়ে দিয়েছে!" প্রথমজন আবার বলল, "এমন এক মেঝের কথা ভাবুন যেখানে আলো পড়লে বিপদ কেটে যায়।" অন্যজন বলল, "চমৎকার! কিন্তু চলুন টর্চলাইটটিকে একদম অকেজো করে দিই আর এক আঘাতেই মৃত্যু নিশ্চিত করি!" তারপর একজন হতাশ হয়ে আঠা শুঁকতে শুরু করল আর অন্যজন কোণঠাসা হয়ে হাসতে লাগল।
* নাম থেকেই বোঝা যায় সিরিজটি ছিল একাকীত্বের ভয়ংকর এক অনুভূতি নিয়ে। এখন এর কোনো অর্থ হয় না, কারণ আপনি একা নন এবং অন্ধকারও নেই, কারণ চারদিকে আগুন জ্বলছে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/130-Alone-in-the-Dark]
=== এজ অফ কোনান ===
* প্রচলিত ধারণার বিপরীতে আমি দলবদ্ধ লড়াইয়ের গেম ঘৃণা করি না। আমি ঘৃণা করি এটি মানুষের সাথে যা করে—মানুষকে অলস এক মাংসেপিণ্ডে পরিণত করে যে শুধু মুখ দিয়ে নিশ্বাস ফেলে; আর আমি ঘৃণা করি যখন ফিরে দেখি আমি আমার জীবনের মূল্যবান কয়েক মাস নষ্ট করেছি যা আমি বই লিখে বা সন্তান লালন-পালন করে কাটাতে পারতাম। তবে আমি ভালো গেম খেলে মজা পেয়েছি। এজ অফ কোনান মোটেও ওয়ার্ল্ড অফ ওয়ারক্রাফট নয়। কেউ বলতে পারেন, "হয়তো এটি সেরকম হতে চায় না," কিন্তু তারা মিথ্যে বলছেন কারণ সব নির্মাতাই সেরকম হতে চায়: একই নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং একই ধরণের কাজের ধরন।
* নিজের চেয়ে বড় কিছুর অংশ হওয়াতে কোনো ভুল নেই। এই ধরণের গেম এভাবেই কাজ করা উচিত—একতা, দলগত কাজ আর বন্ধুদের নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করা। এজ অফ কোনান বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার মতো সবাইকে বলে যে তারা বিশেষ, যার ফলে তারা অভদ্র হয়ে ওঠে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/138-Age-of-Conan]
=== ই৩ প্রদর্শনী ===
* আমি এটা পরিষ্কার করতে চাই যে আমার পাথর হয়ে যাওয়া হৃদয়ের কোথাও হয়তো এই গেমগুলো মজাদার হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে আমি নেতিবাচক হওয়ার যুক্তি দিচ্ছি কারণ গেমটি যদি ভালো হয় তবে তা চমৎকার! কিন্তু যদি খারাপ হয় তবে আপনি কিছুই হারাননি। এছাড়া অন্ধ ভক্তদের চেয়ে নিজেকে বুদ্ধিমান ভাবার মধ্যে এক ধরণের তৃপ্তি আছে। প্রচারণামূলক ভিডিও দেখে কখনোই উত্তেজিত হবেন না, যদি না সেটি নতুন কোনো সিনেমার ভিডিও হয়। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/157-The-E3-Trailer-Park]
=== নিনজা গাইডেন ২ ===
* সত্যি বলতে, আপনি যদি গল্প চান তবে আপনার জন্য গল্প হলো: ওদিকে দানব আছে, গিয়ে তাদের শেষ করুন। জাপানি গেমগুলোর মধ্যে নিনজা গাইডেন ২ অনন্য। এতে মেটাল গিয়ার সলিড-এর মতো দীর্ঘ সংলাপ নেই। এতে ডেভিল মে ক্রাই-এর মতো দৃশ্য নেই যা সব মজা কেড়ে নেয়। এতে অন্যান্য গেমের মতো প্রথম কয়েক ঘণ্টা শুধু লাঠি ঘোরানো শেখার বিরক্তিকর অংশও নেই। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/175-Ninja-Gaiden-2]
=== প্রিন্স অফ পারসিয়া রেট্রোস্পেক্টিভ ===
* স্যান্ডস অফ টাইম-এ আমার যা অপছন্দ তা হলো এর লড়াই করার পদ্ধতিটি বারবার একই এবং বিরক্তিকর। এই সিরিজের সমস্যা হলো এটি পারফেকশনের খুব কাছে যায় কিন্তু আবার এক ধাপ পিছিয়ে আসে। এর পরবর্তী অংশে লড়াই করার পদ্ধতি অনেক উন্নত করা হয়েছিল কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত অন্য সবকিছুকে খুব বিষণ্ণ করে তোলা হয়েছিল। মনে হয় নির্মাতারা ভেবেছিলেন দুঃখী ভাবই এখন চলবে, তাই তারা অফিসে যারা হাসিখুশি ছিল তাদের সবাইকে বের করে দিয়েছিলেন। রাজপুত্র হঠাৎ করেই কালো চুল আর রাগী চেহারা নিয়ে হাজির হলো। এই পরিবর্তনটি এতোটাই অপ্রয়োজনীয় ছিল যে সবাই এর সমালোচনা করেছিল। এটি একটি ভালো মিষ্টির ওপর নোংরা কিছু রাখার মতো—মিষ্টিটি ভালো হলেও কেউ তা খাবে না কারণ আপনি এটি নষ্ট করে ফেলেছেন!
* স্যান্ডস অফ টাইম-এর তিনটি গেম মিলালে সম্ভবত ইতিহাসের সেরা গেম হওয়ার সব উপাদান ছিল। প্রথম গেমটি এখনও আমার জীবনের সেরা পাঁচটি গেমের একটি, কিন্তু এটি আরও ভালো হতে পারত। একটি গেম যখন নিখুঁত হওয়ার চেষ্টা করে, তখন এর ভুলগুলো আরও বেশি চোখে পড়ে। তবে আশা করি নতুন প্রিন্স অফ পারসিয়া আগের মতোই ভালো হবে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/183-Prince-of-Persia-Retrospective]
=== সোল ক্যালিবুর ৪ ===
* আমি লড়াই করার গেমগুলো ঠিক বুঝি না। আমি তাদের ঘৃণা করি না, তবে আমি তাদের নিয়ে খুব বেশি উত্তেজিতও নই। আমি যখনই এটি বলি, মানুষ বলে, "এতে বোঝার কী আছে? মারপিট করলে মনের ভার কমে।" কিন্তু যদি আপনি মানসিক চাপ কমাতে চান, তবে স্নান করুন বা দেয়ালে মাথা ঠুকুন, যার জন্য আপনার অতো টাকা খরচ করতে হবে না। নিশ্চয়ই এর চেয়ে বেশি কিছু এতে আছে।
* সত্যি বলতে, আমি অবাক হই যে এই গেমের সাথে একটি নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। আপনার শুধু বাটন টেপার একটি ছবি আর সেদিকে নির্দেশ করা একটি তীরের প্রয়োজন ছিল। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/189-Soul-Calibur-IV]
=== ব্রেইড ===
* আর এই সবকিছুর জন্য আমি কাকে দোষ দিই জানেন? আপনাদের! হ্যাঁ, আপনি সাধারণ জনগণ! আপনারা সেই সব মানুষ যারা একই ধরণের গেমগুলো কিনে বড় বড় কোম্পানির লাভ নিশ্চিত করেন কারণ পরিচিত গেম ছাড়া অন্য কিছুতে আপনাদের ভয় লাগে! আপনারা যখন গেমিংয়ের জন্য এতো টাকা খরচ করেন, তখন নতুন কিছু উদ্ভাবনের চেয়ে পরিচিত চরিত্র খুঁজে বেড়ান। সত্যি বলতে, আপনাদের সাথে কথা বলাই বৃথা। ব্রাউজার বন্ধ করুন আর নিজের কাজে ফিরে যান! সে কি চলে গেছে? ভালো, আমি ওই লোকটাকে ঘৃণা করি! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/203-Braid]
=== ইভ অনলাইন ===
* অন্বেষণের অঘোষিত লক্ষ্য হলো পুরো পৃথিবীটাকে একদম বিরক্তিকর বানিয়ে ফেলা। জীবন তখন অনেক বেশি আকর্ষণীয় ছিল যখন আমরা মনে করতাম পাহাড়ের ওপারে হয়তো ড্রাগন আছে। আজকাল সবকিছু মানচিত্রে আঁকা আছে। আমরা এমনকি চাঁদে আর সমুদ্রের তলদেশেও গিয়েছি এটা জানতে যে সেখানেও কোনো ড্রাগন নেই। এখন কেবল মহাকাশের গভীর অংশটিই অন্বেষণ করা বাকি। ইভ অনলাইন মহাকাশের সেই গভীর অংশটিকেও বিরক্তিকর বানিয়ে অসম্ভবকে সম্ভব করেছে এবং প্রমাণ করেছে যে এর সেরা উপায় হলো সেখানে পণ্ডিতদের বসতি স্থাপন করতে দেওয়া। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/208-Eve-Online]
=== টু হিউম্যান ===
* আমাকে স্বীকার করতেই হবে যে, দেবতাদের শক্তিশালী ব্যক্তিত্বকে একগুচ্ছ বিরক্তিকর, অহংকারী এবং যান্ত্রিক চরিত্রে রূপান্তর করার জন্য গেমের গল্পটিকে অভিনন্দন জানানো উচিত।
* আপনি মারা যাবেন। আপনি অনেকবার মারা যাবেন। এবং গেমটি আপনাকে তা বারবার মনে করিয়ে দেবে। এক কাল্পনিক চরিত্র খুব ধীরে ধীরে উড়ে এসে আপনার মৃতদেহ নিয়ে স্বর্গে যাবে যেন সে বলতে চাইছে, "কোনো ব্যাপার না বাবু, তুমি লড়াই করতে পারো না তো কী হয়েছে; চলো তোমাকে ঘুম পাড়িয়ে দিই।" তারপর আপনি কোনো শাস্তি ছাড়াই আবার বেঁচে উঠবেন। এবং প্রতিবার মারা যাওয়ার সময় এটি ঘটে! আপনি এটি এড়িয়ে যেতে পারবেন না! নির্মাতাদের কেউ কি এটি দেখে ভেবেছিলেন, "হ্যাঁ, এটি কখনোই পুরনো হবে না"? এর একমাত্র ব্যাখ্যা হতে পারে যে এটি কোনো এক ধরণের পরীক্ষা—যদি কেউ ইন্টারনেটে এই ব্যবস্থার পক্ষ নেয়, তবে তাদের নাম সরকারের তালিকায় তুলে দেওয়া উচিত কারণ তাদের মস্তিষ্ক বিকৃত! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/213-Too-Human]
=== স্পোর ===
* ইতিহাস আমাদের শিখিয়েছে যে আপনি যদি খুব জনপ্রিয় এবং ভালো কিছু তৈরি করেন, তবে নিশ্চিত করুন যে সেটিই যেন আপনার জীবনের শেষ কাজ হয়। কারণ অন্যথায় আপনাকে আপনার সৃজনশীল জীবনের বাকি সময় পাহাড় সমান প্রত্যাশার নিচে চাপা পড়ে থাকতে হবে।
* আপনি নিজের বাড়ি এবং গাড়ি তৈরি করতে পারবেন; তাই যদি আপনি আট বছর বয়সীদের জন্য কোনো সৃজনশীল প্রোগ্রাম খুঁজছেন তবে স্পোর আপনার জন্য। কিন্তু আপনি যদি প্রকৃত কোনো গেম খুঁজছেন, তবে আপনাকে হতাশ হতে হবে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/218-Spore]
=== এক্সবিএলএ দ্বৈত পর্যালোচনা ===
* (বায়োনিক কমান্ডো রিয়ার্মড সম্পর্কে) প্রশ্ন হলো একটি রিমেক কি মূল গেমের ধরন হুবহু নকল করবে নাকি আমাদের বর্তমান প্রযুক্তির মাধ্যমে সেটিকে আরও উন্নত করবে? অবশ্যই দ্বিতীয়টি। পুরনো দিনের গেম ডিজাইনের মধ্যে পবিত্র হওয়ার মতো কিছু নেই। সেগুলো শুধু পুরনো।
* (ক্যাসেল ক্র্যাশার্স সম্পর্কে) ছোট মাথার চরিত্রগুলো দেখতে মজাদার হলেও বড় লড়াইয়ের সময় নিজের চরিত্রটিকে খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। আর এটি বড় শত্রুর লড়াইয়ের সময় আরও বেশি অন্যায় মনে হয় যখন শত্রুটি তার শরীরের নিচে আপনার চরিত্রটিকে লুকিয়ে ফেলে। নস্টালজিয়া বা পুরনো দিনের স্মৃতি আসলে এক ধরণের বিভ্রম। শিশুরা যা পায় তা-ই পছন্দ করে—আপনিও তার ব্যতিক্রম ছিলেন না। প্রযুক্তি যতো উন্নত হয়েছে গেম খেলার সম্ভাবনাও ততো বেড়েছে। আজকের শিশুরা যখন বড় হবে তারা হয়তো বলবে তাদের সময়কার গেম সেরা ছিল, এবং তারা তখন ততোটাই ভুল হবে যতোটা আপনি এখন। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/222-XBLA-Double-Bill]
=== মার্সেনারি ২: ওয়ার্ল্ড ইন ফ্লেমস ===
* গেমারদের মাথায় প্রায়ই একটি চিন্তা আসে: "হয়তো এটি পরে আমার কাজে লাগবে"—এমন এক সংশয় যা আপনাকে আপনার সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রগুলো ব্যবহার করতে বাধা দেয় এই ভেবে যে গেমের শেষে হয়তো এর জন্য কোনো প্রাপ্তি আছে। তাই এমন পরিস্থিতি হয় যেখানে আপনি পারমাণবিক অস্ত্রের ভাণ্ডার নিয়ে বসে আছেন কিন্তু একটি রোবটকে মারার জন্য সামান্য অস্ত্র ছুড়ছেন এই ভয়ে যে হয়তো সামনে আরও বড় কোনো বিপদ আসতে পারে। মার্সেনারি ২ গেমটি এই বিষয়টি খুব ভালো ফুটিয়ে তোলে।
* আসলে এটি আমি জিজ্ঞেস করতে চাচ্ছি: আমাদের কোম্পানির প্রধানকে কেন সব কাজ ব্যক্তিগতভাবে করতে হয় এবং তার সাহায্যকারী হিসেবে থাকে একজন চালক যে শত্রু সামান্য কিছু ছুড়লে তাকে মাঝপথে ফেলে পালিয়ে যায়? আসলে একা কাজ করাই ভালো। গেমের কম্পিউটার চালিত চরিত্রগুলো এতোটাই গাধা যে তাদের গুহায় থাকা উচিত। একবার আমি এক দল সৈন্য ডাকলাম আমাকে সাহায্য করার জন্য। তাদের সবাই বিমান থেকে পা পিছলে পড়ে মারা গেল। সাহায্য হলো না ঠিকই, কিন্তু দৃশ্যটা খুব হাসিখুশি ছিল! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/231-Mercenaries-2]
=== স্টার ওয়ার্স: দ্য ফোর্স আনল্যাশড ===
* দৃশ্যত এর গল্প স্টার ওয়ার্স-এর নতুন অংশকে মূল সিরিজের সাথে যুক্ত করার কথা, যা এক স্বাভাবিক প্রশ্ন তোলে: আমরা কেন এই ভয়াবহ কাজটি করতে চাইব? এটি আপনার সকালের নাস্তাকে ইঁদুরের সাথে বাঁধার মতো। নির্মাতার ছাপ পুরো গল্পের ওপর এমনভাবে আছে যে কোনো চরিত্রের সাথেই আপনি নিজেকে মেলাতে পারবেন না।
* এই গেমটি আমাকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি। আমি নির্মাতাদের দোষ দিই না, এবং আমি এটা শুধু এই জন্য বলছি না যে তারা এই শহরেই থাকে এবং আমাকে মেরে ফেলতে পারে। আমি যন্ত্রপাতির সীমাবদ্ধতার জন্য একে দোষ দিই; আমি নিজেকে দোষ দিই বিভিন্ন সংস্করণ সম্পর্কে না জানার জন্য; কিন্তু সবচেয়ে বেশি দোষ দিই এর মূল কারিগরকে! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/251-Star-Wars-The-Force-Unleashed]
=== এস.টি.এ.এল.কে.ই.আর.: ক্লিয়ার স্কাই ===
* আমি মনে করি না যে আমি বাস্তব যুদ্ধের পরিস্থিতিতে খুব ভালো করতে পারব। আমি চিৎকার পছন্দ করি না এবং বড় ব্যাগ নিয়ে আমি খুব দ্রুত দৌড়াতে পারি না। আমি যুদ্ধে যাওয়ার আগে চাইব শত্রুরা যেন তাদের মাথায় লাল রঙের চিহ্ন লাগিয়ে জানালার পাশে দাঁড়িয়ে থাকে এবং তাদের সব চিন্তা উচ্চস্বরে প্রকাশ করে। আর ততোক্ষণে আমি আমার সাহসের অভাব অনুভব করে পালিয়ে যাব।
* আপনারা জানেন যে বেশিরভাগ লড়াইয়ের গেমে আপনি হলেন এক ধরণের শক্তিশালী মানুষ যার ওপর আক্রমণ করলেও কিছু হয় না আর শত্রুরা খুব সহজেই মারা যায়? এই গেমে মনে হয় সব উল্টে গেছে। খেলোয়াড় কয়েকটা গুলিতেই মারা যায় কিন্তু শত্রুরা এতো আক্রমণ সহ্য করার পরও বেঁচে থাকে যে আপনার মনে হবে তারা বিশেষ কিছু খেয়ে এসেছে। তারা একদম অন্ধকারেও আপনাকে দেখতে পায় এবং অনেক দূর থেকেও নিখুঁতভাবে আপনাকে গুলি করতে পারে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/271-S-T-A-L-K-E-R-Clear-Sky]
=== সাইলেন্ট হিল হোমকামিং ===
* গেমটিতে একাকীত্বের সেই অনুভূতি একেবারেই নেই যখন আপনাকে একজন নারী সঙ্গী দেওয়া হয়। এটি আমেরিকানদের এক অদ্ভুত অভ্যাস যা নিয়ে কেউ প্রশ্ন তোলে না: কেন সবকিছুর মধ্যে জোর করে প্রেমের গল্প ঢোকাতে হবে? ভাবুন তো যদি এমন এক জগত থাকতো যেখানে প্রতিটি সিনেমা বা গেমে নাচের প্রতিযোগিতা থাকা বাধ্যতামূলক হতো? আমরা তাদের পাগল বলতাম! আর এখানে আমরা এক অপ্রাসঙ্গিক প্রেমের দৃশ্য দেখতে বাধ্য হচ্ছি যা গেমের যেকোনো ভয়ানক দৃশ্যের চেয়েও বেশি বেদনাদায়ক।
* মনে হয় তারা চলচ্চিত্রের কোনো তালিকা মেলাচ্ছিল। যা যুক্তিসঙ্গত মনে হয় কারণ গেমটি সাইলেন্ট হিল চলচ্চিত্র থেকে অনেক কিছু ধার করেছে।
* হয়তো যদি কোনো কিছুর মূল নির্মাতারা সেটি আর এগিয়ে নিতে না চান, তবে আপনার তাদের কথা শোনা উচিত। কারণ অন্যথায় আপনি কেবল ভক্তদের খুশি করার জন্যই এটি বানাচ্ছেন। আর ভক্তদের জন্য কিছু করার কী প্রয়োজন? আমি নিজেও সাইলেন্ট হিল-এর ভক্ত এবং আমি পুরো পর্যালোচনা জুড়ে অভিযোগ করে গেছি। ভক্তরা কখনোই কৃতজ্ঞ হবে না। তাদের চিৎকার যতো তাড়াতাড়ি বন্ধ করবেন, ততোই শান্তিতে থাকবেন। যাই হোক, জিরো পাংচুয়েশন টি-শার্ট কিনবেন নাকি? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/284-Silent-Hill-Homecoming]
=== সেয়েন্টস রো ২ ===
* আমার প্রায়ই মনে হয় যখনই কোনো অপরাধমূলক গেম আসে, তখন সেখানে একই দল থাকে: ইতালিয়ান বা জাপানি অপরাধী গোষ্ঠী। আপনাকে সবসময় সম্মান বা ঐতিহ্যের কথা বলতে হয়। জানেন কিসের অভাব আছে? একটি গেম যেখানে আপনি কোনো কাল্পনিক ভিলেন হিসেবে খেলবেন! আপনি বিচিত্র সব যন্ত্র নিয়ে ঘুরে বেড়াবেন এবং বড় কোনো ধ্বংসাত্মক যন্ত্র বানাবেন। তারপর গল্পের নায়ক আসবে এবং আপনাকে মারবে কারণ আপনি তাকে মারার জন্য খুব ধীরগতির কোনো ফাঁদ পেতেছিলেন। তারপর আপনি রহস্যময়ভাবে পালিয়ে যাবেন এবং পরের সপ্তাহে আবার একই কাজ করবেন। দুর্ভাগ্যবশত মানুষ এখনও আমার প্রতিভা চিনতে পারেনি।
* সেয়েন্টস রো ২ তার দর্শকদের খুব ভালো বোঝে: এটি জানে যে বেশিরভাগ খেলোয়াড় হলো অভদ্র এবং আপনি তাদের স্বাধীনতা দিলে তারা প্রথমেই তার অপব্যবহার করবে। আপনি তাদের বন্দুক দিলে তারা বৃদ্ধাদের গুলি করবে। গাড়ি দিলে বৃদ্ধাদের ওপর দিয়ে চালিয়ে দেবে। আর যদি পোশাক বদলানোর সুযোগ দেন তবে তারা প্রথমেই কাপড় খুলে রাস্তায় দৌড়াবে। যদি আপনি তাদের এই সব করতে বাধা দেন তবে তারা আপনাকে ঘৃণা করবে। সেয়েন্টস রো ২ আপনাকে শুধু বাধাই দেয় না, বরং এই সবের হিসাবও রাখে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/312-Saints-Row-2]
=== ডেড স্পেস ===
* জীবনে অন্তত একবার আমি কোনো ভয়ংকর গেমে এমন এক মহাকাশযান দেখতে চাই যা বসবাসের জন্য চমৎকার জায়গা হতে পারত। মার্জিত আলো, সুন্দর কাঠের কাজ অথবা অন্তত মাঝেমধ্যে একটা কার্পেট থাকা উচিত ছিল। অন্তত তাতে দানবদের আক্রমণ দেখে একটু অবাক হওয়া যেত। সত্যি বলতে, আপনি যদি আপনার মহাকাশযানকে ধূসর রঙের বানান আর তাতে টিমটিমে আলো লাগান, তবে আপনি এর নাম দিতে পারেন "দানবদের আপ্যায়নের জায়গা"!
* আমি শুনেছি অনেকে এর প্রশংসায় পঞ্চমুখ যে এটি কতোটা ভয়ংকর, কিন্তু আসলে এটি শুধু আপনাকে চমকে দেয়। আমার জানালার ওপর একটা কাঠবিড়ালি লাফ দিলেও আমি চমকে যেতাম; কিন্তু তাই বলে সেটি বিশ্ববিখ্যাত সিনেমার সমতুল্য হয়ে যায় না! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/333-Dead-Space]
=== ফেবল ২ ===
* আপনার প্রথমে যা লাগবে তা হলো টাকা। কাজ করে এখন আর আগের মতো টাকা পাওয়া যায় না, তাই আপনাকে চাকরি করতে হবে। কোনো এক যোদ্ধা কবে থেকে বারের কাজ শুরু করল জানি না—না! ইয়াটজি! নিজের প্রত্যাশা ঠিক করো! ঠিক আছে। আপনারা জানেন কীভাবে সাধারণ জীবনের গেমে আপনারা চাকরি করতে পারতেন? আপনার কি মনে আছে যে প্রতিদিন অফিসে গিয়ে ছোট ছোট কাজ করতে হতো? অবশ্যই না! কারণ সেটি ছিল অত্যন্ত বিরক্তিকর!
* এরপর আপনার কাছে কাউকে বিয়ে করার সুযোগ আছে, যদিও কেন কেউ তা করবে সেই প্রশ্নের উত্তর গেমটি সুকৌশলে এড়িয়ে গেছে। সবার একই কণ্ঠস্বর এবং একই ধরণের সংলাপ। তাই আপনি রাস্তায় আপনার প্রিয়তমার অনেক প্রতিলিপি দেখতে পাবেন। এগুলিই ছিল কারণ যার জন্য বিয়ের কয়েক মিনিট পরেই আমি আমার পুরো পরিবারকে শেষ করার সিদ্ধান্ত নিলাম। ঠিক তখনি আমি আবিষ্কার করলাম যে আপনি শিশুদের মারতে পারবেন না। তাহলে 'পুরো স্বাধীনতা' কোথায় গেল? অন্য কেউ আমাকে ছোটবেলায় গুলি করে ভবন থেকে ফেলে দিলে সমস্যা নেই, কিন্তু আমি কিছু করতে গেলেই সমস্যা? আর এই সুযোগে জিজ্ঞেস করি, আমি আমার পোষা প্রাণীকে কেন বিয়ে করতে পারব না? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/346-Fable-2]
=== ফলআউট ৩ ===
* আমার কাছে যদি লিয়াম নিসন-এর ফোন নম্বর থাকতো তবে আমি তাকে কল করে বলতাম যে তার চলচ্চিত্রটি ঠিকঠাক ছিল এবং তারপর ফোন রেখে পালিয়ে যেতাম। কিন্তু ধরুন আমি তাকে দিয়ে আমার গেমের ডাবিং করাতাম, তবে আমি তাকে শক্তিশালী এক চরিত্রের কণ্ঠ দিতাম যার পা নেই কিন্তু ক্ষেপণাস্ত্র আছে। সে পুরো গেম জুড়ে মহাকাশ যানে করে খেলোয়াড়ের চারপাশে ঘুরে বেড়াত আর বন্ধুত্ব ছড়িয়ে দিত। আমি বলতে চাইছি যে আমি প্রতিভার সঠিক ব্যবহার করতাম। নির্মাতারা বড় বড় অভিনেতা ভাড়া করে কিন্তু গেমের শুরুতে তাদের বিদায় করে দেয়। তারা অবলিভিয়ন-এ এটি করেছিল আর এখন ফলআউট ৩-এ তাই করল।
* গেমগুলো গত বিশ বছর ধরে আমার মধ্যে এই ধারণা ঢুকিয়ে দিয়েছে যে দেশের নায়ক হওয়া মানে সমাজের ছোটখাটো নিয়ম না মানা। আমি একটি গেমের জন্য এতো বছরের শিক্ষা ভুলতে পারব না! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/420-Fallout-3]
=== গিটার হিরো ওয়ার্ল্ড ট্যুর ===
* প্রথম যে সমস্যার সম্মুখীন আমরা হলাম তা হলো—কেউ গান গাইতে চায় না! এটি এই গেমের একার সমস্যা নয়, বরং এটি এই ধারণারই সমস্যা এবং সম্ভবত আমি যাদের সাথে চলাফেরা করি তাদেরও সমস্যা। যারা গিটার বাজানোর ভান করা পছন্দ করে তারা মূলত অন্তর্মুখী মানুষ যারা নিজেদের দক্ষ গিটারিস্ট হিসেবে কল্পনা করে। অন্যদিকে যারা গান গাওয়ার ভান করা পছন্দ করে তারা হয় সবার মনোযোগ আকর্ষণ করতে চায় অথবা তারা সাধারণ মানুষ যারা প্রচুর নেশা করে আশি দশকের গান গাওয়ার চেষ্টা করছে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/452-Guitar-Hero-World-Tour]
=== মিরর'স এজ ===
* বেশিরভাগ মানুষের জন্য মিরর'স এজ-এর প্রথম ঝলক তাদের প্রত্যাশাকে বাড়িয়ে দিয়েছিল, কিন্তু পূর্ণ গেমটি কেনার পর তারা বুঝতে পারল যে তারা আসলে ভুল কিছু দেখেছিল।
* এবং হ্যাঁ, উজ্জ্বল সূর্যের আলোতে সাদা রঙের দৃশ্যগুলো মিলেমিশে একাকার হয়ে যাওয়াটা হয়তো বাস্তবসম্মত হতে পারে, কিন্তু সেটি আপনাকে ভবন থেকে পড়ে যাওয়া আটকাতে কোনো সাহায্য করবে না। মিরর'স এজ যেন একজন নকশাকারী যার মাথায় পাম্প ঢোকানো। সে বলছে, "যেহেতু সেটি আপনার সমস্যা, তাই আমি অর্ধেক গেম সংকীর্ণ টানেলের মধ্যে রাখব যা দৌড়ানোর আনন্দ কেড়ে নেবে!" এবং সে তাই করল। সংক্ষেপে বলতে গেলে—ত্রুটিপূর্ণ ধারণা, বাজে কাজ, দ্বিধাগ্রস্ত নকশা, অস্পষ্ট গল্প এবং বিরক্তিকর চরিত্র। এই সবকিছু মিলালেই পাওয়া যায় মিরর'স এজ। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/457-Mirrors-Edge]
=== লেফট ৪ ডেড ===
* আমার পর্যবেক্ষণ হলো—জম্বিরা হলো সেই সব জিনিসের তালিকায় আছে যাদের নিয়ে মানুষের চুপ থাকা উচিত। তারা জম্বি নিয়ে চলচ্চিত্র দেখে, তাদের মতো পোশাক পরে ঘুরে বেড়ায়; এবং মনে হয় প্রতিবার নতুন কোনো প্রযুক্তি বাজারে আসলে কেউ না কেউ তা দিয়ে জম্বি গেম বানানোর চেষ্টা করে। সমাজের পতন সেই সব মানুষের কাছে আকর্ষণীয় যাদের কোনো সামাজিক দক্ষতা নেই; কারণ যদিও আপনাকে সারাজীবন দানবদের থেকে লুকিয়ে থাকতে হতে পারে, অন্তত বড়রা আপনাকে আর ডাস্টবিনে আটকে রেখে সিঁড়ি দিয়ে লাথি মেরে নিচে ফেলে দেবে না।
* ...একই কাজের পুনরাবৃত্তি "এআই ডিরেক্টর" দ্বারা সহজ করা হয়েছে—এক সর্বশক্তিমান চরিত্র যে ছায়া থেকে সব লক্ষ্য করে। সে উত্তেজনার তৈরির জন্য আপনার প্রয়োজনে সাহায্য জোগায়, আর যখন সে বিরক্ত হয় তখন কোটি কোটি জম্বি আপনার সামনে পাঠায়। এই ব্যবস্থাটিকে মানুষের রূপ দেওয়া সম্ভবত একটি বুদ্ধিদীপ্ত কাজ ছিল, কারণ যখন সবকিছু খারাপের দিকে যায়, তখন সবাই কাউকে দোষ দিতে পছন্দ করে যে নিজেকে রক্ষা করতে পারবে না। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/459-Left-4-Dead]
=== সোনিক আনলিশড ===
* সোনিক দ্য হেজহগ গেমিং জগতের এক বড় তারকার মতো। সে পর পর অনেকগুলো জনপ্রিয় গেম উপহার দিয়েছে, প্রচুর টাকা কামিয়েছে, বিচিত্র সব মানুষের সাথে ঘুরে বেড়িয়েছে এবং সময়ের সাথে সাথে তার পতন ঘটেছে। এখন তার প্রদর্শনীতে কেবল বড়রাই উপস্থিত হয় যারা হতাশায় মাথা নাড়তে থাকে। তার এখন কেবল একটি কাজই বাকি আছে—সব ছেড়ে বিদায় নেওয়া!
* এটি ধরে নেওয়া নিরাপদ যে সোনিক দলের প্রকৃত প্রতিভাবানরা অনেক আগেই কোম্পানি ছেড়ে চলে গেছেন এবং এখন সেখানে একদল অকেজো মানুষ কাজ করছে যারা শুধু আজেবাজে আইডিয়া বানায়।
* আপনি যদি দ্রুত কাজে ঝাঁপিয়ে পড়তে পছন্দ করেন তবে এটি আপনার জন্য নয়। আর সত্যি বলতে, আপনি যদি পছন্দ না করেন তবুও এটি আপনার জন্য নয়! আমি জানি না কোন ধরণের মানুষ এটিকে নিজের পছন্দের গেম বলবে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/472-Sonic-Unleashed]
=== প্রিন্স অফ পারসিয়া ===
* প্রিন্স অফ পারসিয়া সিরিজটিকে এমন একজনের সাথে তুলনা করা যায় যার একটি রাজহাঁস ছিল যা এক সময় সোনার ডিম পেড়েছিল। এরপর সে বছরের পর বছর হাঁসটির খাবার এবং থাকার জায়গা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে থাকল এই আশায় যে সেটি আবার সোনার ডিম পাড়বে। যখন কিছুই হলো না তখন সে হাঁসটিকে কেটে রহস্য খুঁজল। তাতেও কাজ না হলে সে তাড়াহুড়ো করে হাঁসটিকে জোড়া দিল এবং তার গায়ে চুমকি লাগিয়ে দিল। আর এই নতুন প্রিন্স অফ পারসিয়া হলো সেই হাঁসটিই—যা দেখতে সুন্দর হলেও ভেতর থেকে মরে গেছে।
* বেঞ্জামিন ফ্র্যাঙ্কলিন-এর একটি উক্তিকে ভুলভাবে উদ্ধৃত করে বলি, "যে ব্যক্তি গতির বদলে স্বাধীনতার সুযোগ পাওয়ার জন্য ব্যবসা করে, সে দুটোর কোনোটিরই যোগ্য নয়।" [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/482-Prince-of-Persia]
=== ২০০৮ সালের পুরস্কার ===
* <p>'''অপ্রত্যাশিত খারাপ মানের জন্য 'বিশেষ' পুরস্কার: গ্র্যান্ড থেফট অটো ৪'''</p><p>মিরর'স এজ এই পুরস্কারের জন্য বড় দাবিদার ছিল, কিন্তু আমি মনে করলাম যে বড় কোম্পানির গেম খারাপ হওয়াটা আমার জন্য কোনো অবাক হওয়ার বিষয় ছিল না। তাই পুরস্কারটি পায় গ্র্যান্ড থেফট অটো ৪। তারা ভেবেছিল নতুন প্রজন্মের যন্ত্রে মজা দেওয়ার সেরা উপায় হলো দৃশ্যপটকে নোংরা করা এবং প্রতি পাঁচ মিনিট পরপর খেলা বন্ধ করে আপনার মোটা আত্মীয়কে এখানে-ওখানে নিয়ে গিয়ে খাবার খাওয়ানো। রকস্টার-এর সবাইকে অভিনন্দন, যদি না তারা ঘুমিয়ে থাকেন। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/486-Awards-for-2008]</p>
m2qw65yuzmqok7sbzahihd223lkr7b7
73942
73938
2026-04-05T22:35:26Z
ARI
356
/* ২০০৮ */
73942
wikitext
text/x-wiki
'''''জিরো পাংচুয়েশন''''' হলো ভিডিও গেম পর্যালোচনার একটি সিরিজ যা বেন "ইয়াতজি" ক্রোশ তৈরি করেছেন। এটি মূলত ইউটিউবে এবং পরে দ্য এসক্যাপিস্ট ম্যাগাজিনের জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
== ২০০৭ ==
=== দ্য ডার্কনেস ডেমো ===
* ''দ্য ডার্কনেস'' হলো একটি হরর থিমযুক্ত ফার্স্ট-পারসন শুটার গেম। এটি এমন এক কমিক বইয়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি যার নাম আমি আগে শুনিনি। গেমটি তৈরি করেছে চমৎকার নামের স্টারব্রিজ স্টুডিওস। তাদের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আগের গেমটি ছিল ''দ্য ক্রনিকলস অফ রিডিক: এস্কেপ ফ্রম বুচার বে''। সেখানে খেলোয়াড়েরা ক্লেমেশন ভিন ডিজেলকে নিয়ন্ত্রণ করত, যে কি না বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মুখের সামনে নিজেকে নিয়ে নির্লজ্জ আদিখ্যেতা করার এক অবিরাম প্রচেষ্টায় লিপ্ত ছিল।
* ...আমাকে যা করতে হয়েছিল তা হলো, মাটিতে থাকা সহজেই চোখ এড়িয়ে যায় এমন একটি সাদা দাগের কাছে ফিরে যাওয়া। সেটি ব্যবহার করে একটি শয়তান ইম্পকে ডেকে আনা এবং তাকে নির্দেশ দেওয়া যাতে সে কবরস্থানের একটি প্রবেশপথের সামনে আড়াআড়িভাবে রাখা একটি গাড়ি সরিয়ে দেয়। আমি বিষয়টা আবার বলি: গেমটি আমাকে দিয়ে নরকের গভীর থেকে অনেকগুলো দাঁত আর নখরওয়ালা এক দানবকে ডেকে আনালো। কিন্তু সেটি নিরপরাধ মানুষকে দাসে পরিণত করার জন্য বা দুনিয়ার সব দেশ ধ্বংস করার জন্য নয়, বরং তাকে আমার ব্যক্তিগত গাড়ি সরানোর কাজে ব্যবহার করার জন্য!
* ব্যক্তিগতভাবে, এই মুহূর্তে আমি ''দ্য ডার্কনেস''-এর পূর্ণ সংস্করণ কেনার কথা তখনই ভাবব, যদি এর দাম অনেক কমে যায় এবং তারা এর সাথে অন্য কোনো ভালো গেমও দিয়ে দেয়। সাথে কিছুটা কেক আর বেলজিয়াম দেশটাকেও দিতে হবে। [https://www.youtube.com/watch?v=eWS9_nrKOPA]
=== ফেবল: দ্য লস্ট চ্যাপ্টারস ===
* ''ফেবল'' গেমটি লায়নহেড স্টুডিওসের তৈরি, যারা অনেকদিন ধরে বিখ্যাত গেম ডিজাইনার পিটার মোলিনেক্সের আস্তানা হিসেবে পরিচিত। পিটারের একটি স্বভাব হলো বিশাল সব প্রতিশ্রুতি দেওয়া এবং শেষ পর্যন্ত নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষার চাপে নিজেই পঙ্গু হয়ে যাওয়া (এর উদাহরণ হিসেবে তার অগোছালো গেম ''ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট''-এর কথা বলা যায়)। উদাহরণস্বরূপ, ''ফেবল'' তৈরির সময় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যে এতে প্রতিদ্বন্দ্বী এনপিসি চরিত্র থাকবে, গাছপালা বাস্তব সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বড় হবে এবং আপনার প্রতিটি ছোটখাটো সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে আপনার চেহারা ও চারপাশের পৃথিবী বদলে যাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা যা পেলাম তা হলো ত্রুটিপূর্ণ একটি অ্যাকশন-আরপিজি গেম, যেটি নিজেকে নিয়ে বড্ড বেশি গর্বিত।
* এই গেমের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো আপনি একজন ভালো চরিত্র অথবা একজন মন্দ চরিত্র হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই আমি এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় শয়তান হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। গেমটির মতে শয়তান হওয়ার সেরা উপায় হলো কালো পোশাক পরা, বিশাল গোঁফ রাখা, সারা মুখে উল্কি আঁকা আর মাঝেমধ্যে পথচারীদের চড়-থাপ্পড় মারা। আমি নিজেকে একজন জাদুকর হিসেবেও তৈরি করতে চেয়েছিলাম কারণ আমি চেয়েছিলাম আমাকে দেখতে মিং দ্য মার্সেলেসের মতো লাগুক। কিন্তু শুরুর দিকের জাদুমন্ত্রগুলো এতোটাই দুর্বল ছিল যে শেষ পর্যন্ত আমাকে অর্ধেকটা সময় তলোয়ারই ব্যবহার করতে হতো। গেমটি শেষ পর্যন্ত আমার উপাধি দিল "স্পেলওয়ারিয়র", যা শুনে আমার মনে হলো তারা আমাকে একজন সিদ্ধান্তহীন বোকা মানুষ বলছে।
* শেষ পর্যন্ত আমি যখন ফাইনাল বসের মুখোমুখি হলাম, সে এক জায়গায় স্থির হয়ে দাঁড়াচ্ছিল না যাতে আমার শক্তিশালী কালো জাদুমন্ত্রটি কাজ করে। তাই আমার একমাত্র উপায় ছিল তলোয়ার দিয়ে বারবার তার মাথায় আঘাত করা, যখন সে অনবরত আমার শরীরের নিচের অংশ কামড়ে খাচ্ছিল। কিন্তু সেই সময় আমার কাছে এতো বেশি হেলথ পোরশন (জীবনদায়ী পানীয়) ছিল যে আমি অনায়াসেই সেগুলো ব্যবহার করে বেঁচে থাকতে পারছিলাম। বসটি মারা যাওয়ার পর আমার কাছে এতো বেশি পানীয় বেঁচে ছিল যে আমি চাইলে সেগুলো দিয়ে একটা বড়সড় হেলথ পোরশন পার্টি দিতে পারতাম। [https://www.youtube.com/watch?v=jYQLR7dE5k4]
=== হেভেনলি সোর্ড এবং অন্যান্য ===
* নারিকো তখন পাশে বসে থাকা বিড়ালের মতো কান আর মেকআপ পরা এক... অদ্ভুত জিনিসের দিকে ফিরে তাকালো। দেখে মনে হচ্ছিল মেকআপটি কিস ব্যান্ডের এমন কোনো ভক্ত লাগিয়েছে যার পার্কিনসন রোগ আছে। নারিকো তাকে জানালো যে সে সব দুষ্ট লোকদের শেষ করে দিতে চায়। তারপর খুব গম্ভীর মুখে সে বলল, "আমাদের হয়তো তোমার 'টুইং-টোয়াং' বাজানোর প্রয়োজন হতে পারে।" এটি শোনার পর আমার প্রথম চিন্তা ছিল, "আমি নিশ্চিতভাবে এই কথাটি প্রসঙ্গের বাইরে ব্যবহার করব।" কিন্তু পরে ভেবে দেখলাম, এটি মূল প্রসঙ্গের ভেতরেও খুব একটা অর্থ বহন করে না। ডেভেলপাররা যদি ভেবে থাকেন যে শুধুমাত্র এই "টুইং-টোয়াং" জিনিসটা কী তা জানার জন্য আমি পুরো গেমটি কিনব, তবে তারা তাদের মিশনে সফল হয়েছেন। তবে এটি যদি লেসবিয়ান যৌনাচারের কোনো সুন্দর ছদ্মনাম না হয়, তবে আমি খুব হতাশ হব (হ্যাঁ, আমি এ পর্যন্তই বলে ফেললাম)।
* আমার মনের এক অংশ বলছে যে শিল্পের বিচারে ''আরই ৫''-এর কিছু সার্থকতা থাকতে পারে। কারণ একটি হরর গেমের কাজই হলো মানুষকে অস্থির করে তোলা; আর খেলোয়াড়কে এমন কিছু করতে বাধ্য করা যা ভীতিকর হওয়ার পাশাপাশি রুচিহীন, তা আসলেই একটি নতুন পদ্ধতি। কিন্তু আবারও মনে পড়ে এটি ''রেসিডেন্ট ইভিল'' সিরিজ, যারা আমাদের "তীক্ষ্ণ কণ্ঠের বামন নেপোলিয়ন" উপহার দিয়েছিল। তাই তাদের কোনো আইডিয়ার পেছনে যদি সূক্ষ্ম কোনো অর্থ থেকেও থাকে, তবে সেটি সম্ভবত নিছক একটি দুর্ঘটনা। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/1-Heavenly-Sword-and-Other-Stuff]
===সাইকোনটস===
* শেফারের হাস্যরসের একটি অন্যতম প্রধান দিক হলো অদ্ভুত বা কাল্পনিক কোনো পরিবেশে খুব সাধারণ বা জাগতিক পরিস্থিতির সহাবস্থান দেখানো (দেখুন: ''গ্রিম ফ্যানড্যাঙ্গো'')। ''সাইকোনটস'' এই ধারা বজায় রেখেছে, কারণ এর পটভূমি হলো অতীন্দ্রিয় ক্ষমতা সম্পন্নদের জন্য একটি সামার ক্যাম্প। গল্পটি র্যাজ নামের এক শিশু ব্যায়ামবিদের রোমাঞ্চকর অভিযান নিয়ে। সে সার্কাসে যোগ দেওয়ার বদলে প্রথা ভেঙে সেখান থেকে পালানোর জন্য ঘর ছাড়ে। তার জন্মগত অতীন্দ্রিয় ক্ষমতার জোরে সে কোনো টিউশন ফি না দিয়েই ক্যাম্পে ঢুকে পড়ে। তবে দ্রুতই কর্মফল তাকে ভোগাতে শুরু করে যখন সে এক অশুভ চক্রান্তে জড়িয়ে পড়ে। তাকে তখন তার চারপাশের মানুষের অবচেতন মনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হওয়া অদ্ভুত সব অপার্থিব জগত ঘুরে দেখতে হয়। পুরো ব্যাপারটা অনেকটা এমন, উইলি ওঙ্কার চকলেট ফ্যাক্টরির ভেতরে টিম বার্টন যদি ডেভিড লিঞ্চকে গর্ভবতী করে ফেলতেন এবং বাচ্চা জন্মানোর আগ পর্যন্ত মেথ খেয়ে যেতেন।
* ''[গেমটির ভালো দিকগুলোর তালিকা]'' প্রথমত, এই ইন্ডাস্ট্রির প্রায় সবকিছুই যেখানে অন্যকে নকল করার ওপর ভিত্তি করে তৈরি, সেখানে এটি বেশ মৌলিক কিছু। দ্বিতীয়ত, এটি সত্যিই হাস্যরসাত্মক; অথচ হাস্যরসের চেষ্টা করা বেশিরভাগ ভিডিও গেম যেন অ্যানেস্থেসিয়া ছাড়া অন্ত্রের অস্ত্রোপচারের মতো যন্ত্রণাদায়ক। তৃতীয়ত, প্রতিটি চরিত্রকেই তাদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও ব্যক্তিত্ব দিয়ে খুব স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এমনকি সেই ছোটখাটো গুরুত্বহীন চরিত্রগুলোর ক্ষেত্রেও এটি সত্যি, যারা শেষ ''দ্য লর্ড অফ দ্য রিংস'' সিনেমায় ক্রিস্টোফার লি-র চেয়েও কম সময় পর্দায় ছিল। আর সবশেষে, এটি ''মজাদার''। মনে আছে? আনন্দ বা মজা? গেমিং যখন দ্বিতীয় কোনো চাকরির মতো মনে হতো না, তার আগে আমরা যে আনন্দ পেতাম? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/2-Psychonauts]
=== কনসোল রানডাউন ===
* বর্তমান প্রজন্মের কনসোলগুলোর মাধ্যমে আমরা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছি বা প্রায় পৌঁছে গেছি, যেখানে গ্রাফিক্স আর খুব বেশি উন্নত হবে না। তাই এখন আমাদের গত প্রজন্মের প্রযুক্তির পেছনে ছোটা বন্ধ করা উচিত এবং সাইলেন্ট হিল ২-এর মতো প্রকৃত গভীরতা সম্পন্ন কিছু গেম তৈরিতে মনোযোগ দেওয়া উচিত। তবে কনসোল যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত একেবারেই নিরর্থক, কারণ ইতিহাসের সেরা গেম কমোডোর ৬৪-এর জন্য ''ফ্যান্টাসি ওয়ার্ল্ড ডিজি'' ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গেছে। অথবা হয়তো পুরো গেমিং জগতটাই অর্থহীন জীবনের বিশাল রাস্তার ধারে পড়ে থাকা নুড়ি পাথর নিয়ে খেলার মতো। তবে যাই হোক, অন্তত এখানে সহিংসতা আর স্তন তো আছে! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/3-Console-Rundown]
===বায়োশক===
* ''বায়োশক''কে ''সিস্টেম শক ২''-এর যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। আমি নিশ্চিত ''সিস্টেম শক ২'' তার এই নরমাল-ম্যাপ করা এবং ফং-শেডেড জারজ সন্তানকে নিয়ে খুব গর্বিত হবে, কারণ এটি তার বাবার ওপর ঠিক ততটাই গেছে যতটা জর্জ বুশ তার বাবার ওপর গেছেন। আর আমি জানি আপনারা কী বলবেন: "ইয়াটজি, ওহে আমার চটকদার তেজী ঘোড়া, এটা কেমন ধরনের অভিযোগ? ''সিস্টেম শক ২'' তো দুর্দান্ত ছিল, আর এর মতো যেকোনো গেমই তো সমান ভালো হওয়া উচিত।" কিন্তু আসল কথা হলো: এটা ''সিস্টেম শক ২''-এর '''মতো''' নয়, এটা আসলে ''সিস্টেম শক ২''-ই। ও হ্যাঁ, এটা দেখতে আলাদা, এর সূক্ষ্ম খুঁটিনাটিতে পার্থক্য আছে, আর চরিত্রের নামগুলো পাল্টে দেওয়া হয়েছে,এমনি সব ফালতু ব্যাপার। কিন্তু যখন আপনি এই উপরের আবরণগুলো সরিয়ে ফেলবেন, তখন দেখবেন ভিলেনটা আসলে কোট পরা এবং হাতে ''অ্যাটলাস শ্রাগড'' বই নিয়ে থাকা খোদ শোডানই।
*কিন্তু গেমটিতে মাত্র দুটি সমাপ্তি আছে-একটি ভালো আর একটি খারাপ। এদের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য হজম করা বেশ কঠিন। ভালো সমাপ্তিতে আপনি হলেন একজন পুণ্যবান পুষ্পশিশু যে বিধাতার রাজ্যের সব প্রাণীর দিকে তাকিয়ে হাসে। আর খারাপ সমাপ্তিতে আপনি হলেন হিটলার আর স্কেলেটরের এক সংকর রূপ, যার মূত্রও যেন বিশুদ্ধ শয়তানি। আমি সেইসব গেম দেখে ক্লান্ত যেগুলো পছন্দের সুযোগ দেওয়ার দাবি করে কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয় আপনাকে মাদার তেরেসা হতে হবে নয়তো বাচ্চা-খাউকা শয়তান। আমি শুধু এটাই বলতে চাই যে, মাঝেমধ্যে একটু মধ্যপন্থা অবলম্বন করলে ভালোই হতো। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/4-BioShock]
=== টুম্ব রেইডার অ্যানিভার্সারি ===
* গেমটির লড়াই করার পদ্ধতি আধুনিক করা হয়েছে। এর মানে হলো তারা এখানে সেই পুরোনো গড অফ ওয়ার বা সাইমন সেজের মতো বারবার বাটন টেপার বিরক্তিকর দৃশ্যগুলো ঢুকিয়ে দিয়েছে, যা আজকাল নিয়ম মেনে প্রতিটি অ্যাকশন গেমেই থাকতে হয়। আর ডিজাইন টিমের কেউ একজন (আপনি জানেন আপনি কে) ভেবেছিলেন যে ফায়ার করার জন্য বাটন চেপে ধরে রাখার বদলে বারবার আর১ বাটন টেপার আইডিয়াটি খুব চমৎকার হবে। কিন্তু আর১ বাটনটি অনবরত টেপার জন্য আরামদায়ক অবস্থানে নেই। আর আপনি যখন এমন সব শত্রুর মুখোমুখি হন যারা মরার আগে এক কোটি গুলি খেতে পারে (যেমন ধরুন, গেমের প্রায় সব শত্রুই), তখন আপনার আঙুলে খিঁচুনি ধরে যাবে। আপনার মনে হবে আপনি গিটার হিরো খেলছেন কিন্তু রক স্টার হওয়ার সেই কল্পনাটা আপনার সাথে নেই।
* ''[গেম প্রকাশকদের আইডিয়া খুঁজে পেতে সাহায্য করছেন]'' এখানে একটি আইডিয়া আছে: একজন জিন-প্রকৌশলী তাইওয়ানিজ বাবুর্চি তার বড় স্তনবিশিষ্ট প্রেমিকাকে মামিদের হাত থেকে বাঁচাতে ফেজ টুপি পরা একটি গুইসালাপের সাথে দল পাকিয়েছে। দেখলেন তো? এটা খুব সহজ। বড় স্তনবিশিষ্ট একজন ব্রেস্ট ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ নিজের স্তন আরও বড় করার খরচ জোগাতে সময়ের অতীতে ভ্রমণ করছেন। একদল বড় স্তনধারী মানুষ তাদের বিশাল স্তন বহর নিয়ে নতুন এক স্তন-গ্রহের খোঁজে বেরিয়ে পড়েছে। স্তন, তরমুজ, দুধের কারখানা, আবক্ষ, মজার ব্যাগ, টোকা, ব্যালিস্টিকস, বুবস, জগস, নিপলস, জবলিস... বিশাল... বিশাল... বুক। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/5-Tomb-Raider-Anniversary]
=== ম্যানহান্ট ===
* থার্ড-পারসন অ্যাকশন গেম ডেভেলপাররা, একটা কথা পরিষ্কার করে বুঝে নিন, ঠিক আছে? বাম অ্যানালগ স্টিক নড়াচড়া করার জন্য; ডান অ্যানালগ স্টিক খেলোয়াড়ের চারপাশে ক্যামেরা ঘোরানোর জন্য। এটা কীভাবে সম্ভব যে, যখন আপনারা দেখেন কোনো কিছু নিখুঁতভাবে কাজ করছে, তখনই আপনারা সেটিকে উন্নত করার নামে জগািখচুড়ি পাকিয়ে ফেলেন? ''ম্যানহান্টে'' ডান অ্যানালগ স্টিকটি ফার্স্ট-পারসন ক্যামেরায় বদলে যায়। তাত্ত্বিকভাবে এটি যুক্তিযুক্ত মনে হতে পারে, কিন্তু এর মানে হলো আপনি যখন লুকিয়ে থেকে আপনার পেছনে পাহারারত কোনো গার্ডকে দেখার চেষ্টা করেন, তখন স্টিকটিতে একটু ছোঁয়া লাগলেই আপনি দেয়ালের দিকে তাকিয়ে থাকেন। আর অর্ধেক সময় যখন আপনি ক্যামেরাটিকে ঠিকঠাক পজিশনে আনেন, তখন দেখবেন গার্ডটি আপনার একদম সামনে চলে এসেছে এবং আপনার অণ্ডকোষে ছুরি বসিয়ে দিয়েছে।
* তবে ''ম্যানহান্টের'' মতো গেমগুলো কম বয়সী বা অপরিণত মস্তিষ্কের মানুষদের মাথা নষ্ট করে কি না, সেই তর্কে আমি কার পক্ষ নেব তা জানি না। গেমটিতে খুব স্পষ্টভাবে সতর্কবার্তা দেওয়া আছে যে বারো বছর বয়সীদের এটি খেলার কথা নয়। কিন্তু এতে কোনো সন্দেহ নেই যে তারাই এটি খেলে, কারণ বারো বছর বয়সী ছাড়া আর কারো এসব জিনিসে রুচি নেই। গ্যারোট তার দিয়ে মাথা কাটা বা বেসবল ব্যাট দিয়ে মাথার খুলি উড়িয়ে দেওয়া নিয়ে হাঁপাতে হাঁপাতে গল্প করা মিডল স্কুলে বন্ধু পাওয়ার ভালো উপায় হতে পারে; কিন্তু অফিসের আড্ডায় এটি বন্ধু হারানোরই একটা ভালো উপায়। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/6-Manhunt]
=== পেগল ===
* এই গেমটি সম্পর্কে আমি যা বলতে পারি তা হলো, আমি দুপুর নাগাদ এটি খেলতে শুরু করেছিলাম এবং অনেক পরে যখন রুম থেকে বের হলাম তখন দেখলাম কর্তৃপক্ষ আমাকে আইনত মৃত ঘোষণা করেছে। যদি এই "ক্যাজুয়াল গেমিং" বিষয়টি আপনার মাথা এড়িয়ে গিয়ে থাকে, তবে আমাকে আপনার মুখ জ্ঞানের সেই পচা পানির নিচে ডুবিয়ে ধরতে দিন। সাম্প্রতিক অতীতে কেউ একজন খেয়াল করেছিলেন যে ''বিজুয়েলডের'' মতো সাধারণ ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক রঙ মেলানোর গেমগুলো লজ্জাজনক পরিমাণ টাকা কামাচ্ছে। এর কারণ হলো, সময় গড়ানোর সাথে সাথে বাড়িতে একা থাকা বিরক্ত গৃহিণীরা নিজেরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে টিভি মেকানিকের সাথে প্রেম করা আর শোভন নয়, তাই তারা আমোদ-প্রমোদের জন্য ভিডিও গেমের দিকে ঝুঁকেছেন।
* সংক্ষেপে বলতে গেলে এটি মন্দ নয়। আমি ''বুকওয়ার্ম অ্যাডভেঞ্চারস'' বেশি পছন্দ করেছি, কিন্তু আমি সেইসব অপদার্থ মিউট্যান্টদের একজন যারা সত্যিই স্ক্র্যাবল খেলতে পছন্দ করে। ব্যস এটুকুই। ''পেগল'' নিয়ে আমি এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারব না কারণ গেমটি এটুকুই। পপ ক্যাপ-এর লক্ষ্য কী আমি জানি না, তবে আমি বাজি ধরে বলতে পারি তাদের মূলমন্ত্র হলো—"সুন্দর ঝলমলে আলো, উৎসাহব্যঞ্জক শব্দ আর যতটা সম্ভব কম গেমপ্লে ব্যবহার করে প্রিমিয়াম মানের কোকেন সদৃশ গেমিং অভিজ্ঞতা তৈরি করা।" আর এটি তাদের জন্য বেশ ভালোই কাজ করছে কারণ তারা এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। '''কোটি কোটি!''' তারা শুধুমাত্র সস্তা টু-ডি গেম বানায়! এতো টাকা তারা কিসে খরচ করে? আইসক্রিম কিনতে? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/7-Peggle]
===হ্যালো ৩===
* এর কঠিন হওয়ার ধারাটা একজন দ্বিধাগ্রস্ত বেশ্যার অন্তর্বাসের মতো ওঠানামা করে। এরপর শেষ এক ঘণ্টার মতো সময়ে এটি হুট করে খুব সহজ হয়ে যায়। গেমের শুরুর দিকে এমন কিছু অংশ ছিল যেগুলো আমাকে একেবারে নাস্তানাবুদ করে ছেড়েছে, অথচ ফাইনাল বস ফাইট বলতে যা আছে তা হলো মূলত হুইলচেয়ারে বসা এক ট্যারা হববিটের বিরুদ্ধে আপনার লড়াই, যেখানে আপনার হাতে আছে বিএফজি ৯০০০।
* কিন্তু আসলে আমি এসব বলে কী অর্জন করতে চাইছি তা জানি না। ''হ্যালো ৩'' ইতোমধ্যেই ঈশ্বরের চেয়েও বেশি জনপ্রিয় হয়ে গেছে। আমি এমন কিছু বলতে পারব না যা মাইক্রোসফটকে এত টাকা কামানো থেকে আটকাতে পারবে যা দিয়ে তারা সুইজারল্যান্ড কিনে নিতে পারে। তারা স্রেফ এই ধারণাটাকেই আরও পোক্ত করছে যে গেমাররা আসলে চামচের গভীরতা বিশিষ্ট উজ্জ্বল রঙের আবর্জনাই চায়। তাই ভবিষ্যতে যদি আমরা মাইক্রোসফট ওভারমাইন্ডের ভিনগ্রহের খনিতে হাড়ভাঙা খাটুনির ফাঁকে কোনোমতে সময় বের করে "ক্যাপ্টেন ব্ল্যান্ডস মনোটোনাস অ্যাডভেঞ্চার" খেলতে বসি, তবে জেনে রাখবেন যে আমি আগেই এই ল্যাজেগোবরে অবস্থার কথা বলেছিলাম। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/8-Halo-3]
===তাবুলা রাসা===
* ''তাবুলা রাসা'' একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ "খালি স্লেট" এবং এটি সাধারণত সেই মতবাদকে বোঝায় যেখানে বলা হয় যে মানুষ জন্মগতভাবে কোনো বিশেষ প্রোগ্রামিং ছাড়াই জন্মায়। উদাহরণস্বরূপ, রিচার্ড গ্যারিয়ট একজন সম্পূর্ণ উন্মাদ গেম ডিজাইনার যিনি মুকুট পরেন এবং চান যে মানুষ তাকে লর্ড ব্রিটিশ বলে ডাকুক। কিন্তু তিনি কি জন্ম থেকেই এমন পাগল ছিলেন, নাকি উপযুক্ত সামাজিক যোগাযোগের অভাবে তিনি চিরতরে এক পাগলাটে কাল্পনিক জগতে হারিয়ে গেছেন?
* এমএমও গেমগুলো থেকে 'গ্রাইন্ড' বা একঘেয়ে খাটুনি সরিয়ে দেওয়ার কথা ভাবাটা বেশ ভালোই মনে হয়, যতক্ষণ না আপনি এর গভীরে ভাববেন। কারণ এই গ্রাইন্ডের কারণেই মানুষ এত দীর্ঘ সময় ধরে এমএমও খেলে। আর এটা সরিয়ে ফেলা মানে হবে রিচার্ড গ্যারিয়ট থেকে তার পাগলামিটুকু কেড়ে নেওয়া। তা ছাড়া এ পর্যন্ত সব এমএমও গেমেই প্রচুর গ্রাইন্ড আছে এবং তা মানুষকে খেলা থেকে আটকাতে পারছে বলে মনে হয় না। আমার ধারণা কিছু মানুষ এই ধরণের জিনিস পছন্দ করে। কিছু মানুষ আবার মোটা মানুষকেও যৌন আবেদনময়ী মনে করে। আমি নিজেও তাদের বুঝি না, যেমনটা বেশিরভাগ মানুষ বোঝে না যে কেন আমি লেটুস পাতা দিয়ে আমার লিঙ্গ মুড়িয়ে অন্য মানুষের সালাদে লুকিয়ে রাখতে পছন্দ করি। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/9-Tabula-Rasa]
===দ্য অরেঞ্জ বক্স===
* আমার কেন জানি মনে হয় ভালভ এপিসোডিক গেমিংয়ের মূল উদ্দেশ্যটা কিছুটা হারিয়ে ফেলেছে। এর মূল ধারণাটা ছিল সস্তায় ছোট গেম ঘন ঘন বাজারে ছেড়ে গেম পাবলিশিংয়ের প্রথাগত ঝক্কি ঝামেলা কমিয়ে আনা। তারা প্রথম ও দ্বিতীয় দিকগুলো ঠিকঠাক করলেও তৃতীয়টির সাথে এখনও লড়ছে।
* (''হাফ-লাইফ ২: এপিসোড টু''র ওপর) এপিসোড ২ মেজো সন্তানের মতো কিছুটা অবহেলার শিকার হয়েছে। এর কোনো প্রকৃত শুরু বা শেষ নেই, তাই গল্পটা শুধু এদিক-ওদিক ঘোরে। এই অনুভূতিটা দূর করা কঠিন যে আমরা পরবর্তী এপিসোডের জন্য স্রেফ সময় কাটাচ্ছি। কোনো সতর্কবার্তা ছাড়াই হুট করে একটি নতুন চরিত্র নিয়ে আসা হয় এবং সবাই এমন আচরণ করে যেন আমরা তাকে আগে থেকেই চিনি। এটা আসলে বেশ বিভ্রান্তিকর। ভালভ এ পর্যন্ত সব প্রধান এনপিসি চরিত্রের প্রতি আমাদের সহানুভূতি জাগাতে দারুণ কাজ করেছে। তাই একদম শেষের দিকে এসে এমন নতুন কারো সাথে পরিচয় হওয়াটা অনেকটা এমন—স্কুল থেকে ফিরে দেখলেন ডাইনিং টেবিলে একটি সিন্ধুঘোটক বসে আছে আর আপনি ছাড়া আর কারো চোখে সেটা পড়ছে না।
* (''টিম ফোর্ট্রেস ২''র ওপর) ...সব সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও এটি এখন অবিশ্বাস্যভাবে ভারসাম্যপূর্ণ। আপনি যে ধরণের গেমই পছন্দ করেন না কেন, এখানে সবার জন্যই কিছু না কিছু আছে। সজাসাপ্টা মার খাওয়ার জন্য আছে হেভি; পেছন থেকে ছুরি মারার মতো চোরচোট্টা চরিত্রের জন্য আছে স্পাই; আর যারা পয়েন্ট-অ্যান্ড-ক্লিক অ্যাডভেঞ্চার গেম পছন্দ করেন তাদের জন্য আছে স্নাইপার। যদিও এখানে একমাত্র ধাঁধাটি হলো, "মানুষের ওপর বন্দুক ব্যবহার করা।"
* (''পোর্টাল''-এর ওপর) ...আপনি যদি নিয়মিত এই শো দেখেন তবে বুঝবেন যে আমার মুখ থেকে এই কথাগুলো বের হওয়া কতটা পাগলামি মনে হতে পারে, কিন্তু আমি এর কোনো খুঁত খুঁজে পাচ্ছি না। আমি সিরিয়াস! যতক্ষণ না তারা ফোর্স-ফিডব্যাক আছে এমন কোনো অন্তর্বাস আবিষ্কার করছে, পিসিতে এর চেয়ে বেশি মজা আপনি আর পাবেন না। আমি অনেকগুলো আকর্ষণীয় পোর্টাল ধাঁধার আশা নিয়ে খেলা শুরু করেছিলাম এবং ঠিক সেটাই পেয়েছি। কিন্তু আমি একদমই আশা করিনি যে কোনো গেমে আমি এত চমৎকার হাস্যরস শুনতে পাব। ঠিক আছে, এটা মাত্র ২ থেকে ৩ ঘণ্টার গেম, তবে এই দৈর্ঘ্যে গেমটি বেশ মানানসই, এর মানে হলো এটি অকারণে লম্বা হয়নি এবং আপনাকে দ্রুত সেই রোমহর্ষক ও দুর্দান্ত সমাপ্তির কাছে পৌঁছে দেয়। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একেবারে অ-তুল-নীয়, আর ভবিষ্যতে আমি যদি অন্য কোনো কিছুর বর্ণনা দিতে এই শব্দগুলো ব্যবহার করি তবে আমি নিজের চোখে কাঁটাচামচ ঢুকিয়ে দেব! হ্যাঁ, আমি জানি কোনো গেমকে ভালোবাসাটা খুব একটা মজার বিষয় নয়, কিন্তু আপনার যা খুশি ভাবুন! ''পোর্টাল'' দুর্দান্ত, আর আপনি যদি তা মনে না করেন তবে আপনি নিশ্চয়ই নির্বোধ! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/10-The-Orange-Box]
===সুপার পেপার মারিও===
* দ্বিতীয় অধ্যায়ে মারিওকে কাজ করে টাকা কামাতে হয় যাতে সে সেই সব নির্বোধ ধ্বংসযজ্ঞের ক্ষতিপূরণ দিতে পারে যা অ্যাকশন আরপিজি খেলোয়াড়দের কাছে খুব স্বাভাবিক একটা বিষয়। আর এটা করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো কন্ট্রোলারের "ডান" বাটন চেপে একটি বিশালাকার হ্যামস্টার হুইলে দৌড়ানো। আর এটা করতে হবে প্রায় পনেরো মিনিট ধরে -- আমি ইয়ার্কি করছি না। -- আপনি যদি বুদ্ধিমান না হন তবেই এমনটা করবেন। আপনি যদি আমার মতো বুদ্ধিমান হন, তবে আপনি ডি-প্যাডের ওপর আপনার রুমমেটের কোনো খেলনা দিয়ে সেটা চেপে রাখবেন এবং নিজে অন্য কোথাও গিয়ে আনন্দ করবেন। ঠিকই শুনেছেন। একটা '''গেম''' খেলার সময় আপনাকে আনন্দ খুঁজে নিতে হচ্ছে -- অথচ একটি '''গেমের''' মূল উদ্দেশ্যই হওয়ার কথা বিনোদন দেওয়া। আর খেলোয়াড়কে যদি এটি করতে হয়, তবে বুঝতে হবে গেমটিতে নিশ্চিতভাবেই বড় কোনো সমস্যা আছে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/11-Super-Paper-Mario [১১]]
===এমওএইচ এয়ারবোর্ন===
* ''মেডেল অফ অনার'' সিরিজ ১৯৯৯ সাল থেকে চলছে। এর মানে হলো এটি আনুষ্ঠানিকভাবে আসল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের চেয়েও দীর্ঘ সময় ধরে চলছে। আর এ পর্যন্ত যত গেম, সিনেমা এবং টিভি শোতে এই যুদ্ধকে দেখানো হয়েছে, সেগুলোকে একত্রিত করলে মনে হবে শুধু নরম্যান্ডি ল্যান্ডিং বা উপকূলে অবতরণ করতেই সম্ভবত ৬ মাসের মতো সময় লেগেছিল। তবে কেন আমেরিকানদের সেই সময়টা নিয়ে এত মোহ, যেখানে বাকি বিশ্ব সেই স্মৃতি ভুলে সামনে এগিয়ে যেতে চায়? এর কারণ সম্ভবত এটাই ছিল তাদের শেষ যুদ্ধ যেখানে তারা সত্যিই ভালো কিছু করেছিল। সেখানে তারা একজন স্পষ্টতই খলনায়কের বিরুদ্ধে পরিষ্কার জয় পেয়েছিল যে কি না সত্যিকারের হুমকি ছিল -- সাম্প্রতিক সেই সব দোদুল্যমান যুদ্ধের মতো নয় যেখানে তারা কোনো উন্নয়নশীল দেশে হুট করে ঢুকে পড়ে, সবকিছু তছনছ করে দেয়, আর ওখানকার মানুষ যখন নিজের স্বজনদের খেতে শুরু করে তখন নিজেদের বিজয়ী ঘোষণা করে বেরিয়ে আসে।
* বাস্তবের নাৎসিরা যতটা নিষ্ঠুর ছিল, গেম নির্মাতাদের কাছে তা যথেষ্ট মনে হয়নি। তাই গেমটিতে ঐতিহাসিক নির্ভুলতাকে তাদের বিপক্ষে একটু বাঁকিয়ে চুরমার করা হয়েছে। আমি কোনো ঐতিহাসিক নই, তবে আমি নিশ্চিত যে নাৎসিদের এমন কোনো এলিট বাহিনী ছিল না যারা গ্যাস মাস্ক পরত, মিনিগান চালাত এবং কপালে তিনবার স্নাইপারের গুলি খাওয়ার পরও বেঁচে থাকত। আর আমি এটাও নিশ্চিত যে নাৎসিদের কাছে বিশাল এক সাঁজোয়া কংক্রিট টাওয়ার ছিল না যাকে কেবল একটি ''সর্বনাশা দুর্গ'' হিসেবেই বর্ণনা করা যায়। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/12-MOH-Airborne]
===জেল্ডা ফ্যান্টম আওয়ারগ্লাস===
* নিনটেনডো ছাড়া পৃথিবীটা বর্তমানের চেয়ে অনেক বেশি নিরানন্দ হতো। তবুও তাদের ব্যাপারে এমন কিছু আছে যা আমাকে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ করে। পুরো পৃথিবী আর স্বর্গ কিনে নেওয়ার মতো যথেষ্ট টাকা তাদের আছে। আর তাদের ভক্তরা এতটাই অন্ধ যে তারা যদি নর্দমার ময়লায় মাখা কোনো ধর্ষককে নিয়েও গেম বানায়, তবে সেটিও তড়তড় করে হুহু করে বিক্রি হবে। সারা বিশ্বের অনেক গেম নির্মাতার কাছেই গেমের নতুন এবং আকর্ষণীয় সব আইডিয়া আছে। নিনটেনডোর এই জায়গায় বসার জন্য তারা হয়তো খুশিমনে তাদের সবকিছু বিসর্জন দেবে। অথচ নিনটেনডো স্রেফ একই গেম বারবার রিমেক করে যাচ্ছে! ঠিক আছে, মাঝে মাঝে আপনার কাছে একটা অকারিনা থাকে, কখনো আপনি নৌকায় চড়েন, আবার কখনো আপনি নেকড়ে-মানবে পরিণত হন যাকে নিয়ে ডেভিয়েন্টআর্টের লোকজন কুরুচিপূর্ণ ছবি আঁকে। তবে এ পর্যন্ত হওয়া ৯০ বিলিয়ন জেল্ডা গেমের মধ্যে আপনি যেকোনোটি বেছে নিন, দেখবেন আপনি সেই একই লোক হয়ে একই মেয়েকে সেই একই বুমেরাং দিয়ে উদ্ধার করছেন।
* বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গেমের মুভমেন্ট বা নড়াচড়া বেশ স্বাভাবিক মনে হয়। আর ম্যাপের ওপর মনের সুখে আঁকিবুঁকি করার বিষয়টি আমার কাছে বেশ স্বস্তিদায়ক লেগেছে। তবে ডিএস-এর অন্যান্য বিচিত্র ফাংশনগুলো জোর করে গেমে ঢুকিয়ে দেওয়ার ফলে এর উল্টো প্রতিক্রিয়াও হয়। যেমন ধরুন, যখন আপনাকে মাইক্রোফোনের সামনে গলা ফাটিয়ে চিৎকার করতে হয়। বাইরে কোথাও থাকা অবস্থায় (যা হ্যান্ডহেল্ড কনসোলের মূল উদ্দেশ্য) এমন কাণ্ড করলে অপমানের চোটে আপনার নিজের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ শরীর থেকে ছিঁড়ে বেরিয়ে আসতে চাইবে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/13-Zelda-Phantom-Hourglass]
===ক্লাইভ বার্কার্স জেরিকো===
* গেমটি স্রেফ বাজে ডিজাইনে ঠাসা, ঠিক যেমন গ্লাস্টনবারি উৎসবের পর ওর্থি ফার্মের আবর্জনা থাকে। উদাহরণস্বরূপ, দ্বিতীয় লেভেলে আমাকে অনেকগুলো যুদ্ধকালীন পিলবক্সের মুখোমুখি হতে হয়েছিল যেগুলো ৫০ গজের মধ্যে আসা মাত্রই পুরো টিমকে উৎসবের রঙিন কাগজের কুচির মতো টুকরো টুকরো করে দিচ্ছিল। শেষে গেমটি যখন বুঝতে পারল যে আমি স্পষ্টতই একজন গর্দভ, তখন তারা একটি ইঙ্গিত বা টিপস দেখাল। সেখানে বলা হলো যে একটি নির্দিষ্ট অবস্থানে গিয়ে নির্দিষ্ট বাটন টিপলে মেয়েদের একজন পিলবক্সের পেছনে গিয়ে গ্রেনেড ফেলে আসবে। আমাকে মাফ করবেন জেরিকো, কারণ আমার কাছে এমন কোনো ভবিষ্যৎবক্তা মহাজাগতিক মগজ নেই যা দিয়ে আমি এমন কিছু সহজাতভাবে বুঝে নেব যা এর আগে কখনো বলা হয়নি এবং পরবর্তীতে আর কখনো ব্যবহারও করা হবে না!
* হয়তো এর কিছু ক্ষমা করা যেত যদি প্রধান সাতটি চরিত্রের সবাই পুরোপুরি অপছন্দনীয় না হতো। এখানে কালো চামড়ার পোশাকের এত ছড়াছড়ি যে দেখে মনে হয় কেউ একজন কোনো ছোট শহরের হাই স্কুলের গথিক দলটাকে ধরে এনেছে। তারপর তাদের সামনে ২৪ ঘণ্টা ধরে ''র্যাম্বো'' সিনেমা চালিয়েছে এবং শেষে জমাটবদ্ধ ''মূর্খতা'' দিয়ে তৈরি বেসবল ব্যাট দিয়ে তাদের মাথায় সজোরে আঘাত করেছে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/14-Clive-Barkers-Jericho]
===এফ.ই.এ.আর. পারসিয়াস ম্যান্ডেট===
* মাঝে মাঝেই ''এফ.ই.এ.আর.'' মনে করার চেষ্টা করে যে এটি একটি হরর গেমও বটে। তখন এটি আলো নিভিয়ে দেয় বা যত্রতত্র রক্তের দাগ ফেলে রাখে, যেন আপনার ৫০ গজ সামনে কেউ একজন দাঁড়িয়ে প্রচণ্ড নাক দিয়ে রক্ত ঝরাচ্ছে। তবে আমাকে স্বীকার করতে হবে, যখন গেমটি কয়েক মিনিটের জন্য সত্যিকারের পাগলামিতে মেতে ওঠে, কেবল তখনই আমার কাছে অভিজ্ঞতাটা সজীব মনে হয়। আমি একটি করিডোর দিয়ে দৌড়াচ্ছি এমন সময় আলো নিভে গেল এবং পরক্ষণেই আমি অন্য এক করিডোরে নিজেকে আবিষ্কার করলাম। সেখানে আমার দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে গেল এবং মনে হতে লাগল যেন টিনের বালতির ভেতর কোনো এলক হরিণের গলা টিপে ধরা হচ্ছে। দারুণ! আমি একটি দরজা খুললাম আর সেটি শূন্যে মিলিয়ে গেল এবং সিলিংয়ে আরেকটি দরজা দেখা দিল। চমৎকার! হলের শেষে একটি লাশ পড়ে আছে কিন্তু আমি কাছে যেতেই সেটি লাফিয়ে উঠে আমার ওপর চিৎকার করতে লাগল যেন সব আমার দোষ। অবশেষে আমার ভালো সময় কাটছিল! কিন্তু এরপর সবকিছু থিতিয়ে যায় এবং আপনি আবার সেই একঘেয়ে পুরনো স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসেন। তখন আপনার মনে হবে যে যদি আবার সেই দুঃস্বপ্নে ফিরে যাওয়া যেত।
* আমার মনে হয় আপনি যদি ''এফ.ই.এ.আর.''-এর একজন বিশাল ভক্ত হন, আমি বলতে চাইছি সত্যিই বিশাল ভক্ত, যেমন ধরুন আপনি দিনে দুবার এটি খেলেন এবং আপনার টয়লেটের সিটে জেসন হলের ছবি আঁকা আছে; আর যদি একই ধরণের কৌশলগত লড়াইয়ের প্রতি আপনার চরম আসক্তি থাকে; এবং আপনি যদি এই গল্পের নামহীন ও বৈশিষ্ট্যহীন প্রধান চরিত্রের পরবর্তী পরিণতি জানার জন্য পাগল হয়ে থাকেন, তবেই আমি আপনাকে ''পারসিয়াস ম্যান্ডেট'' খেলার পরামর্শ দেব। হয়তো আপনি থিসিউসের সাথে গোলকধাঁধায় ঘুরে বেড়ানোর সময় এটি খেলতে পারেন, কারণ আপনি স্পষ্টতই পুরাণের কোনো কাল্পনিক প্রাণী। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/15-F-E-A-R-Perseus-Mandate]
===অ্যাসাসিন্স ক্রিড===
* আপনার পরিচয় ফাঁস হওয়ার আরেকটি ভালো উপায় হলো নিরীহ সাধারণ মানুষকে অকারণে ছুরিকাঘাত করা। আর বিশ্বাস করুন, নিজেকে এটি করা থেকে বিরত রাখা যতটা সহজ মনে হয় আসলে ততটা নয়। সেই আমুদে কুষ্ঠরোগীদের একটি অদ্ভুত প্রবণতা আছে, তারা তাদের সব শক্তি দিয়ে আপনাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেয়। তখন আমার মনে হয় তাদের কয়েকটা ঘা দেওয়া আমার অধিকারের মধ্যেই পড়ে; কিন্তু তখন সবাই আপনার বিরুদ্ধে চলে যায় কারণ আপনি যখন এটা করেন তখন আর সেটা মজার থাকে না। আর এরপর আছে সেই সব ভিখারি নারী যারা আপনার সাথে জেঁকের মতো লেগে থাকে এবং ক্রমাগত আপনার সামনে এসে পয়সার জন্য ঘ্যানঘ্যান করে। এটি বৈজ্ঞানিকভাবেই আমাকে বিরক্ত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এরপর যখন আমি তাদের হালকা করে একটি ঘুষির স্বাদ দিই, তখন তারা চিৎকার করতে করতে পালায় যেন আমিই বড় অপরাধী। বিষয়টি আমার হৃদয়ে বেশ আঘাত করে কারণ আমার সব সম্পর্কের পরিণতিই অনেকটা এমন হয়।
* প্রতিটি মিশনের শুরুতে আপনাকে সেই পাহাড়ের চুড়ায় থাকা আপনার ডেরা থেকে অনেকটা পথ হেঁটে নিচে নামতে হয়। এরপর আপনাকে গন্তব্য শহরের ভেতর দিয়ে পথ করে নিতে হয় (মাঝে মাঝে কুষ্ঠরোগীদের গ্লাসগো শহরের গুণ্ডাদের মতো মারধর করে)। এরপর আপনাকে শহরের আশেপাশে কিছু ছোটখাটো ফরমাশ খাটতে বাধ্য করা হয় যা মূলত একই ধরণের তিনটি সাইড কোয়েস্টের পুনরাবৃত্তি। আর শেষে যখন আপনি কাউকে ছুরিকাঘাত করার সুযোগ পান, তখন শুরু ও শেষে দীর্ঘ এবং এড়ানো যায় না এমন সব কাটসিন বা কথোপকথন দেখতে হয়। এমনকি কাউকে মারার পরও আপনাকে সেই মরো মরো ভিকটিমের সাথে লম্বা আলাপ শুনতে হয়। আপনি হয়তো ভাববেন যে গলার ভেতর তলোয়ার ঢুকিয়ে দিলে মানুষের বক্তৃতা দেওয়ার ক্ষমতা কমে যায়, কিন্তু এই বাচালগুলোর মুখ কোনোভাবেই বন্ধ করা যায় না! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/16-Assassins-Creed]
===গিটার হিরো ৩===
* ''গিটার হিরো ৩''-এর মিথ্যে কথা বিশ্বাস করবেন না। এটি আসলে সিরিজের চতুর্থ গেম। তৃতীয়টি ছিল ''রক দ্য ৮০স'', যা আমি খেলিনি। তবে যেদিন আমি একটি এক্সপেনশন প্যাকের জন্য ৭০ ডলার খরচ করব, সেদিন আমি ধারালো তার গিলে ফেলব এবং সেটি পেছন দিয়ে বের করে ঘষে ঘষে নিজেকে মেরে ফেলব।
* এরপর হার্ড মোডে আমি একদম শেষ ধাপে পৌঁছালাম এবং হঠাৎ থমকে গেলাম কারণ সেগুলো শেষ করা অসম্ভব। '''না। থামুন।''' এখনই ইমেইল করতে বসবেন না; আমি শুনতে চাই না যে আপনি কীভাবে এক্সপার্ট লেভেলে "ব্লাড রেইন" গেমে ফাইভ স্টার পেয়েছেন। কারণ আপনি যদি তা পেয়ে থাকেন তবে আপনি একজন আস্ত ''অদ্ভুত মানুষ''। এমন এক অদ্ভুত মানুষ যার হয় তিনটি হাত আছে অথবা কোনো পোষা মাকড়সা আছে যে আপনার হয়ে বাটনগুলো টিপে দেয়! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/17-Guitar-Hero-III]
===মাস ইফেক্ট===
* মানুষ প্রায়ই আমাকে বলে, "ইয়াটজি, ওহে সুশ্রী নিতম্বের অধিকারী সুপারম্যান: আপনি নিজে একজন গেম রাইটার হয়েও কীভাবে একটি গেমে এত বেশি সংলাপ থাকা নিয়ে অভিযোগ করেন?" আমি উত্তর দেব, "ঠিক সেই কারণেই একজন হেয়ারড্রেসার অভিযোগ করার অধিকার রাখেন যখন কেউ তার গাড়ি শ্যাম্পু দিয়ে ভরে ফেলে।"
* ''মাস ইফেক্ট'' হলো এমন এক অসংযমী ব্যক্তির মতো যে কি না এইমাত্র ৬ বোতল মাউন্টেন ডিউ গিলেছে; এটি সংলাপে এতটাই ঠাসা যে প্রতি পদক্ষেপে তা উপচে পড়ে। চরিত্রগুলো সামান্য উসকানিতেই তাদের জীবনের পুরো ইতিহাস আপনার সামনে উগরে দেবে, যেন আপনার সাথে কোনো তথ্যচিত্র তৈরির টিম আছে। কম্পিউটার স্ক্রিন বা মহাকাশযানের কোনো যন্ত্রের দিকে একবার তাকালেই আপনার জার্নালে একগাদা লেখা জমা হবে। গেমটির কৃতিত্ব এই যে আপনাকে আসলে এগুলো কখনোই পড়তে বাধ্য করা হয় না, তবে না পড়লে আপনার মনে হবে যে গেমটি আপনার ওপর কোনো কারণে নাখোশ হয়েছে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/18-Mass-Effect]
== ২০০৮ ==
=== সুপার মারিও গ্যালাক্সি ===
* কিন্তু ভুল করবেন না; এটি আপনার সাধারণ ছকেবাঁধা কাঠামো। মারিওর সেই বিরক্তিকর আবেগহীন আপদটিকে ''আবারও'' অপহরণ করা হয়েছে, কিন্তু তাকে উদ্ধার করার আগে আপনাকে এক গাদা তারা সংগ্রহ করতে হবে - এবং কোনো এক অজানা কারণে এটি ''সবসময় তারকাই'' হয়ে থাকে। আর শেষ পর্যন্ত, মারিও সেই অভাবী মেয়েটিকে উদ্ধার করতে সফল হয় যে আবারও তাকে কিছুই দেয় না, যদিও সত্যি বলতে আমি ওই কাণ্ডজ্ঞানহীন মেয়েটার কাছ থেকে কোনো প্রকৃত মানবিক বুদ্ধিসম্পন্ন প্রতিক্রিয়ার আশা করা ছেড়ে দিয়েছি।
* শুরুতে, ''মারিও গ্যালাক্সি'' কিছুটা ছাড় পায় কারণ একে অনিবার্যভাবে ''মারিও সানশাইনের'' সাথে তুলনা করতে হয়, যেটি ছিল শেষ "যথাযথ" মারিও গেম (বাকি সব আজেবাজে স্পিন-অফ বাদ দিলে)। আর আপনি যদি একটি ঘাসফড়িংয়ের শরীরে জোসেফ গোয়েবলসের মাথাও বসিয়ে দেন, তবুও সেটি ''মারিও সানশাইনের'' তুলনায় ভালো মনে হবে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/19-Super-Mario-Galaxy]
=== সাইলেন্ট হিল অরিজিনস ===
* ...অস্ত্রের মান কমে যাওয়া বা নষ্ট হয়ে যাওয়া কোনো গেমে ভালো ভাবনা ছিল এমন একটি গেমের নাম বলার জন্য আপনার কাছে এক সেকেন্ড সময় আছে। সময় শেষ। আমি যেমনটা ভেবেছিলাম ঠিক তাই। একটি কাতানা তলোয়ার যা পাঁচ-ছয়বার আঘাত করার পরই চুরমার হয়ে যায়, সেটির মধ্যে বড় ধরনের কোনো সমস্যা আছে; বিশেষ করে যখন সেটি কাঁচ বা টুইক্স চকোলেট দিয়ে তৈরি নয়।
* আমার কাছে ''সাইলেন্ট হিল'' সিরিজ শেষ। আর যদি ''সাইলেন্ট হিল ৫'' আমাকে এর উল্টোটা বিশ্বাস করাতে পারে, তবে আমি আমার নিজের মেরুদণ্ডের তিনটি কশেরুকা সরিয়ে ফেলব, কোমর বাঁকিয়ে নিজের পশ্চাৎদেশ নিজেই খাব। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/20-Silent-Hill-Origins]
=== ক্রাইসিস ===
* অবশ্যই, অসাধারণ গ্রাফিক্সের সাথে প্রসেসরের ওপর অমানবিক অত্যাচারও আসে। ''ক্রাইসিস'' গেমটি দৃশ্যত মহাকাশ থেকে আসা কোনো কাল্পনিক ভবিষ্যৎ কম্পিউটারের জন্য তৈরি করা হয়েছে। আমি এটি একটি একদম নতুন গেমিং পিসিতে খেলেছি যা দেখতে ''২০০১: এ স্পেস ওডিসি'' সিনেমার মনোলিথের মতো ছিল, যা মিডল আর্থের গর্বিত বামনরা জাদুকরী অবসিডিয়ান দিয়ে তৈরি করেছিল। তা সত্ত্বেও গেমের ভেতর যখন অনেক কিছু একসাথে হতে শুরু করত, তখন এটিও ধুঁকতে শুরু করত।
* ...শেষের দিকে এমন একটি অংশ আছে যেখানে আপনাকে একটি ভবিষ্যৎ হ্যালিকপ্টারের মতো জিনিস চালাতে বাধ্য করা হয় এবং... ধরুন, আপনি ২০ বছরের কোমা থেকে জেগে উঠেছেন, সেই খুশিতে ছয় বোতল ম্যাড ডগ ২০/২০ মদ খেয়েছেন, তারপর আপনাকে এক গাদা জলহস্তী বোঝাই একটি হালকা বিমান চালাতে বলা হয়েছে। এই অংশটি নিয়ন্ত্রণ করা ঠিক তেমনই। আর তারা আশা করে যে আপনি এই জিনিসটি নিয়ে ''আকাশ যুদ্ধে'' নামবেন। এটি অনেকটা কনুই দিয়ে রুবিকস কিউব মেলানোর চেষ্টার মতো। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/21-Crysis]
=== দ্য উইচার ===
* যে জিনিসটি দ্রুত স্পষ্ট হয়ে ওঠে তা হলো উইচার মূলত পিসির জন্য একটি গেম, যেগুলি সাধারণত যতটা সম্ভব জটিল এবং অবোধ্য করে ডিজাইন করা হয় যাতে সেই নোংরা কনসোল-খেলোয়াড় চাষীরা গৌরবময় পিসি-গেমিং শ্রেষ্ঠ জাতির জন্য এটি নষ্ট করতে না পারে। প্রথম সতর্কবার্তা হলো এর ম্যানুয়ালটি এতোটাই মোটা যে এটি দিয়ে ছাগল পিটিয়ে মেরে ফেলা সম্ভব। আর একবার গেমে ঢোকার পর এর ইন্টারফেসটি ব্যবহারের সহজলভ্যতার দিক থেকে মাইক্রোসফট অ্যাক্সেসের চেয়ে সামান্য একটু উন্নত। এখানে আপনার ইনভেন্টরি স্ক্রিন, ক্যারেক্টার স্ক্রিন, অ্যালকেমি স্ক্রিন, শব্দকোষ, কোয়েস্ট, ম্যাপ—সব আলাদা; আপনাকে লড়াই করার মোড এবং শত্রুরা যখন আপনাকে মুরগির মতো কাটছে তখন দাঁড়িয়ে নাক চুলকানোর মোডের মধ্যে বারবার পরিবর্তন করতে হয়। আর একবার লড়াইয়ের মোডে গেলে, আপনি কি শক্তিশালী, দ্রুত, নাকি গ্রুপ স্টাইলে লড়াই করবেন? আর যদি আপনি ওষুধ মেশাতে চান, তবে আমি আশা করি আপনি এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় আট সপ্তাহের চিঠিপত্র কোর্সটি সম্পন্ন করেছেন। এই ধরনের আবর্জনা অপছন্দ করা যদি আমাকে নির্বোধ বানায়, তবে আমাকে "রিটার্ড ম্যাকস্প্যাকিপ্যান্টস" ডাকুন। কিন্তু আমি আমার বিশাল প্রতিভাবান মস্তিষ্ক নিয়ে বিরক্ত হওয়ার চেয়ে বরং নির্বোধ হয়ে আনন্দ পাওয়াকেই বেছে নেব।
* শুরুর দিকের গ্রামটি পার হওয়ার সময় বেশ কিছু সংকেত আমার নজরে এল যা আমাকে এক ভয়ানক সত্য উপলব্ধি করতে বাধ্য করল। এক ক্লিকে লড়াই? এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বিরামহীন ক্লান্তিকর পদযাত্রা? অলস কোনো এক ব্যক্তির হয়ে নির্দিষ্ট সংখ্যক দানব মারার মিশন? এটি আসলে একটি ''মুমোপার্জার!'' কোনো ওয়ার্ল্ড অফ ওয়ারক্রাফটের সেইসব গাধা ছাড়াই এটি একটি সিঙ্গেল-প্লেয়ার মুমোপার্জার। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/22-The-Witcher]
=== রেসিডেন্ট ইভিল: আমব্রেলা ক্রনিকলস ===
* ''রেসিডেন্ট ইভিলের'' আকর্ষণের একটি অংশ হলো এটি এখনও নিজেকে গুরুত্ব সহকারে নেয়, যদিও এর গল্প এবং সংলাপ মানুষের তৈরি যেকোনো জিনিসের মধ্যে সবচেয়ে জঘন্যভাবে লেখা। হাল্ক হোগান তার মাথায় অতিরিক্ত আঘাত পেয়ে যখন ভেবেছিলেন তিনি অভিনয় করতে পারবেন, তার চেয়েও খারাপ এর লেখা।
* ক্যাপকম তাদের অনিচ্ছাকৃত হাস্যকর সংলাপের গর্বিত ঐতিহ্য বজায় রাখছে দেখে ভালো লাগছে। মৃতদেহদের দ্বারা বারবার আক্রান্ত হওয়ার পর জিল ভ্যালেন্টাইন ঘোষণা করেন, "আমার এ নিয়ে খারাপ অনুভূতি হচ্ছে।" বিপদ শুরু হওয়ার প্রায় এক ঘণ্টা পর সেটি টের পাওয়ার মাধ্যমে তিনি তার প্রখর অনুধাবন ক্ষমতার পরিচয় দেন। ক্রিস রেডফিল্ড একটি বিশাল মাকড়সার দিকে ''সরাসরি'' তাকিয়ে উচ্চস্বরে ভাবছেন, "এতো জাল কোথা থেকে এল?" আর তারপর আছে সিরিজের নিয়মিত ভিলেন এবং বিশ্বাস ঘাতকতায় পারদর্শী অ্যালবার্ট ওয়েস্কার, যার প্রতিটি সংলাপ বিশুদ্ধ সোনার মতো কারণ তাকে শুনতে গলার ক্যান্সারে আক্রান্ত লয়েড গ্রসম্যানের মতো লাগে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/23-Resident-Evil-Umbrella-Chronicles]
=== কল অফ ডিউটি ৪: মডার্ন ওয়ারফেয়ার ===
* ''[পুরোটা জুড়ে তাচ্ছিল্যপূর্ণ ব্যঙ্গসহ]''<br />আমাকে কখনোই গেমিং মিডিয়ার কোনো প্ররোচিত বিশ-ত্রিশ বছরের যুবক ভাববেন না। লোকজন আমাকে যে প্রতিটি অভিশপ্ত গেমের কথা বলে আমি যদি তার সবগুলোর রিভিউ করতাম, তবে বন্দুক মুখে দিয়ে আত্মহত্যা করার চিন্তা থেকে বাঁচার জন্য প্রয়োজনীয় ড্রাগ নেওয়ার মতো অবসরও আমার থাকতো না। তাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আমি অনুরোধগুলোকে পাত্তাই দিই না। আমি কেবল তখনই কোনো গেমের রিভিউ করি যখন প্রায় চার হাজার ভেড়ার পাল সেটি করার জন্য চিৎকার করতে থাকে (''কল অফ ডিউটি ৪''-এর ক্ষেত্রে যেমনটা হয়েছে)। এই গেমটির জন্য তিন স্তনের যৌনকর্মীর চেয়েও বেশি সুপারিশ এসেছে এবং বড় ধাক্কার জন্য প্রস্তুত হন—কারণ এটি যে প্রশংসা পায় তার যোগ্য এটি।<br />...কমবেশি।<br />আমি অবাক হয়েছিলাম কারণ ''কল অফ ডিউটি'' বা ''মেডেল অফ অনারের'' মতো সিরিজগুলো নিয়ে আমার ধারণা ছিল যে এগুলি বাস্তবতার বৃথা ভান করা একই ধরণের শ্যুটার গেম। এগুলি যেন ১৯৪১ থেকে ১৯৪৫ সালের মধ্যে বিল মারে-র স্টাইলে আটকে আছে, যেখানে এক হাত দিয়ে সমানে হাসি মুখে নাৎসিদের মারছে আর অন্য হাতে আপেল পাই খাচ্ছে, এভাবেই তারা আমেরিকার সেই গৌরবোজ্জ্বল সময়কে বারবার ফুটিয়ে তোলে।<br />বিপরীত দিকে, ''কল অফ ডিউটি ৪'' বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে তৈরি। এর মানে হলো শত্রুরা হয় আরব বিদ্রোহী হবে, না হয় রাশিয়ান, অথবা উভয়ই। আর গল্পের মূলে থাকবে পারমাণবিক অস্ত্র চুরি। যদিও এটিই ঘটে থাকে, তবুও তা খুব আকর্ষণীয়ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।<br />গল্পটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশকে নিয়ে আবর্তিত হয় যার নাম সচেতনভাবে উহ্য রাখা হয়েছে (নিশ্চয়ই কারণ ওই অঞ্চলের অবস্থা এতো দ্রুত পরিবর্তন হয় যে এটি মুক্তি পাওয়ার সময় সেটি হয়তো কোনো ওয়াটার স্লাইড পার্ক হয়ে যাবে)। যুদ্ধের বিভিন্ন চরিত্রের দৃষ্টিকোণ থেকে আপনি গেমটি খেলবেন, যা আপনাকে বিভিন্ন পরিবেশ এবং লড়াইয়ের ধরণ উপভোগ করার সুযোগ দেবে। "অনির্দিষ্টস্থানে" মোতায়েন থাকা মার্কিন মেরিন সেনারা যুদ্ধের সময় উত্তেজনায় উল্লাস করতে থাকে, অন্যদিকে ব্রিটিশ এসএএস জঙ্গল বা ঝোপঝাড়ে ককনি উইজেলদের মতো লুকিয়ে থাকে। গেমপ্লের এই পরিবর্তনগুলো নিশ্চিত করে যে আপনি কোনোভাবেই বিরক্ত হবেন না। এর কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা খুব ভালো এবং সাবলীল। আর এই বাক্যের গাম্ভীর্য কমাতে বলছি: "বুইংগো বুইংগো হুপসি প্যান্টি।"<br />''কল অফ ডিউটি ৪''-এ আমার যা ভালো লেগেছে তা হলো এতে দেশাত্মবোধের সেই উগ্র প্রচার কম ছিল যা আমাকে বেশিরভাগ যুদ্ধের গেম থেকে দূরে সরিয়ে রাখে। মার্কিন মেরিন সেনারা যখন নিজেদের ছোট চিন্তা নিয়ে মনে করে তারাই তাদের ব্যক্তিগত যুদ্ধ সিনেমার নায়ক (ঠিক বাস্তব জীবনের মতো), তখন তাদের এই মনোভাব শেষ পর্যন্ত তাদের এমন এক জঘন্য অবস্থায় নিয়ে যায় যে তাদের এক ঘণ্টা বাথরুমে লুকিয়ে থাকতে হয়। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/24-Call-of-Duty-4]
*আপনাদের যা জানা দরকার তা হলো এটি। গেম সাধারণত দুই প্রকারের হয়: এক ধরণের গেম যা আমি খেলতে খেলতে বিরক্ত বা হতাশ হয়ে মাঝপথে বন্ধ করে দিই, আর অন্য ধরণের গেম যা খেলার সময় আমি হঠাৎ খেয়াল করি যে আমার রাতের খাবারের সময় দুই ঘণ্টা আগে পেরিয়ে গেছে। ''কল অফ ডিউটি ৪'' দ্বিতীয় ধরনের অন্তর্ভুক্ত। এটি এই ঘরানার গেমের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত যা আমাকে একদম নিজের ভেতরে টেনে নিয়েছে-ঠিক সেই তিন স্তনের যৌনকর্মীর মতো। আর এখন যেহেতু এই রিভিউয়ের পর আমার ভেতরে অনেক তিক্ততা জমে আছে, তাই বলে রাখি যদি আপনাদের মধ্যে আরও কেউ আমাকে আমার কাজ শেখাতে চান, তবে দয়া করে প্লেন থেকে নিচে কোনো গির্জার চূড়ার ওপর পাছায় ভর দিয়ে আছড়ে পড়ুন! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/24-Call-of-Duty-4]
=== সিমসিটি সোসাইটিস ===
* অনেক মানুষের ধারণা যে আমাদের যদি কোনো ঈশ্বর সৃষ্টি করে থাকেন, তবে নিশ্চিতভাবে তিনি আমাদের খুব বেশি ভালোবাসেন বলেই তা করেছেন। এই তত্ত্বের ভুলগুলো গড গেম খেলার সময় সবচেয়ে বেশি স্পষ্ট হয়ে ওঠে: কারণ দেখা যায় যে যখন বেশিরভাগ মানুষকে ঈশ্বরের অবস্থানে বসানো হয় এবং অনেক ছোট ছোট জীবের দায়িত্ব দেওয়া হয়, তখন তাদের প্রতি মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি ভালোবাসার চেয়ে বরং তাদের লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ব্যবহার করার দিকেই বেশি থাকে।
* আমি একটি নৃশংস স্বৈরাচারী একনায়কতন্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করেছিলাম যাতে আমার নিজেকে খুব শক্তিশালী মনে হয়। তাই আমার সব কর্মক্ষেত্র ছিল থট পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের মতো, আর সব জায়গা ছিল প্রচারণার থিয়েটার। কিন্তু তারপরও বেশিরভাগ নির্বোধ মানুষেরা সেখানে সন্তুষ্ট বা আনন্দিত ছিল। ঈশ্বর জানেন, নাৎসি জার্মানি হয়তো এভাবেই শুরু হয়েছিল! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/25-Sim-City-Societies]
=== ইয়াটজি গোজ টু জিডিসি===
* সব গেমই আসলে কোনো না কোনো কল্পনাকে বাস্তবায়িত করার বিষয়; সেটি সাহসী যুদ্ধ বীর হওয়ার কল্পনা হোক, বা ভবিষ্যতের মহাকাশ অভিযাত্রী হওয়ার কল্পনা, অথবা কিছু জাপানি গেমের ক্ষেত্রে আটটি বিশেষ অঙ্গ থাকার কল্পনা। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/26-Yahtzee-Goes-to-GDC]
=== আনচার্টেড: ড্রেক'স ফরচুন ===
* ঠিক আছে, হয়তো আমি এই বিষয়টি নিয়ে একটু বেশি বাড়াবাড়ি করছি, কিন্তু আমি মজা করছি না যখন বলছি যে আনচার্টেডের ভিলেনদের দলে পৃথিবীর প্রতিটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব রয়েছে: একদল কৃষ্ণাঙ্গ, এশিয়ান এবং ল্যাটিনো যাদের সবার সাধারণ লক্ষ্য হলো শ্বেতাঙ্গদের মেরে ফেলা। তবে এর মধ্যে ব্যতিক্রম হলো প্রধান ব্রিটিশ ভিলেন, কিন্তু তাকে গেম শেষ হওয়ার দশ মিনিট আগে অকারণে মেরে ফেলা হয় যাতে জাতিগতভাবে ভিন্ন কোনো ভিলেনকে ফাইনাল বস হিসেবে রাখা যায়। এই তথ্যটি ফাঁস করে দেওয়ার জন্য আমি দুঃখিত, তবে আমি ধরে নিয়েছিলাম যে "ভিলেন মারা যাবে", এমন সাধারণ গল্প আপনি আগেই অনুমান করতে পেরেছিলেন।
* আপনি নাথান ড্রেক চরিত্রে খেলবেন, যাকে দেখে মনে হয় জস হুইডনের লেখা ইন্ডিয়ানা জোনস। সে চিরাচরিত অদ্ভুত সব জায়গায় হারিয়ে যাওয়া সোনার গুপ্তধন খুঁজে বেড়ায়। তার সাথে থাকে এক স্বর্ণকেশী প্রেমিকা যার সাথে শুরুতে বিবাদ থাকে এবং একজন বৃদ্ধ পরামর্শদাতা যাকে দেখে মনে হয় তিনি এমন একটি টি-শার্ট পরে আছেন যাতে লেখা আছে, "আমি হয়তো মারা যাব অথবা ভিলেন হয়ে যাব।"
* আমি হয়তো একটু বেশি রূঢ় হচ্ছি। এর গেমপ্লে বেশ ভালো। অবশ্যই ভালো হবে; কারণ এটি পুরোপুরি অন্যদের থেকে চুরি করা। এর এমন কোনো উপাদান নেই যা আগের অন্তত তিনটি জনপ্রিয় গেমে ব্যবহার করা হয়নি। এমনকি গল্পটিও আমি মনে করতে পারি এমন অন্তত পাঁচটি রহস্য চলচ্চিত্র থেকে হুবহু নকল করা -- ইন্ডিয়ানা জোনস চলচ্চিত্র গুলো ধরলে তো সংখ্যাটা সাত ছাড়িয়ে যাবে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/27-Uncharted-Drakes-Fortune]
=== ডেভিল মে ক্রাই ৪ ===
* ...এটা বলা উচিত যে জাপানি কার্টুনের কিছু জনপ্রিয় ধারা আছে যা দেখলে আমার সন্দেহ জাগে। আমি সেগুলোর তালিকা করতে পারতাম, কিন্তু ক্যাপকম-এর সৌজন্যে আমার তা করার প্রয়োজন নেই—এখন আমি ''শুধু ডেভিল মে ক্রাই ৪'' এর দিকে আঙুল তুলে বলতে পারি, "মূলত এটিই।" আমাকে ভুল বুঝবেন না, আমি এমন কোনো চশমা পরা মানুষ নই যে সবসময় সবকিছুতে পূর্ণ বাস্তবতা খুঁজে বেড়ায়। নিজের উচ্চতার চেয়ে আট গুণ বেশি লাফানো, ছোট গাড়ির সমান তলোয়ার ঘোরানো এবং বুলেট দিয়ে বুলেট ঠেকানো, এসবই আমার কাছে ঠিক আছে যদি তা বিনোদনমূলক হয়। কিন্তু একটি গেম তখনই আমার বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায় যখন এটি নিজেকে নিয়ে গর্বিত কিছু বিরক্তিকর চরিত্রে ভরে যায় এবং খেলার কৌশলের দিকে নজর না দিয়ে শুধুমাত্র তাদের বীরত্ব দেখানোর পেছনে সময় নষ্ট করে। তখন আমার মনে হয় এক বৈঠা দিয়ে তাদের মুখ থেঁতলে দিই!
* লড়াইয়ের জন্য যেটুকু প্রশংসা আমি করতে চেয়েছিলাম তা এর অত্যন্ত বাজে স্তরের কারুকার্যের কারণে সাথে সাথেই ধুলোয় মিশে যায়। লাফানোর ধাঁধা? ঠিক আছে। সময় নির্দিষ্ট করে দেওয়া লাফানোর ধাঁধা? তাও মানা যায়। স্থির ক্যামেরার সামনে সময় নির্দিষ্ট করা লাফানোর ধাঁধা? এখন আমরা একদম জঘন্য খেলার সাগরে ডুবে গেছি। কিন্তু তারপর তারা আমাদের সামনে এমন এক ধাঁধা নিয়ে আসে যেখানে প্রতিবার ব্যর্থ হলে নতুন শত্রু জন্মায়। আর এখন আমরা সেই জঘন্য সাগরের এতোটাই গভীরে যে আমাদের বাঁচানোর জন্য কোনো নৌকাও আশেপাশে নেই। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/28-Devil-May-Cry-4]
=== বার্নআউট প্যারাডাইস ===
* মানুষ আমাকে প্রায়ই জিজ্ঞেস করে, "ইয়াটজি, আপনি একটি খারাপ গেম কী দিয়ে বিচার করেন সে সম্পর্কে তো অনেক কিছু বলেন, কিন্তু একটি ভালো খেলার মাপকাঠি কী?" আসলে আমাকে কোনোদিন কেউ এই প্রশ্ন করেনি। বেশিরভাগই আমাকে গর্দভের মতো প্রশ্ন করে যে আমি কবে ২০ বছরের পুরোনো গেমের পর্যালোচনা করব। কিন্তু এটি এমন এক প্রশ্ন যা আমি আশা করি আমাকে কেউ করুক, তাই আমি নিজেই এর উত্তর দিচ্ছি। ভালো গেমের অন্যতম একটি মাপকাঠি হলো যা আমাকে কিছু শেখায়। যেমন ''বার্নআউট প্যারাডাইস'' আমাকে শেখায় যে প্রিন্সেস ডায়ানা যদি সত্যিই ওমন এক ছোটখাটো দুর্ঘটনায় মারা গিয়ে থাকেন, তবে তার শরীর নিশ্চয়ই পাতলা বিস্কুট দিয়ে তৈরি ছিল।
* (''গেমটির উন্মুক্ত জগত নিয়ে আলোচনা করছেন:)'' আমার কথা হলো, রেসিং গেমগুলোতে সাধারণত কেন একটি নির্দিষ্ট পথ থাকে তার কারণ হলো রাস্তার দৌড়ে আসল মজা হলো দ্রুত গাড়ি চালানো এবং জিনিসপত্র ভেঙে ফেলা। এটিই হলো সাফল্যের সূত্র। কিন্তু আপনি যখন এর মধ্যে মানচিত্র দেখার ঝামেলা ঢুকিয়ে দেন, তখন এটি অন্যান্য সব মজাকে নষ্ট করে দেয়। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/29-Burnout-Paradise]
=== টারক ===
* আমি আসলে কিছুটা খুশি যে আমার সামনে একটি অত্যন্ত বাজে বন্দুকযুদ্ধের গেম এসেছে কারণ আজকাল এই ধরণের গেমগুলোতে অনেক সমস্যা দেখা যায় এবং টারক গেমটি যেন সেই সব সমস্যার একটি তালিকা। তাই আমি সাধারণত যা করি (অর্থাৎ গেমটিকে বাজেভাবে আক্রমণ করা) তা না করে বরং ''টারক''কে উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করে আমরা দেখতে পারি যে এই ধরণের গেমগুলো বারবার কী ধরণের ভুল করে চলেছে। হয়তো আমি নির্মাতাদের সেসব করা থেকে বিরত থাকতে বোঝাতে পারব। হয়তো আমি জোয়ারের গতিপথ বদলে দিতে পারব আর কোনো ডানাওয়ালা কাল্পনিক ঘোড়ায় চড়ে সুখের রাজ্যে চলে যেতে পারব।
* যখন আপনি চিন্তা করবেন যে আদি ''টারক'' গেমগুলো ছিল সময় ভ্রমণকারী এক আদিবাসীকে নিয়ে, তখন এই নতুন সংস্করণটিকে ''এলিয়েনস'' চলচ্চিত্রটিকে নকল করার জন্য অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। তাদের আগের সব পটভূমি আর গল্প আলমারিতে বন্দি করে পাহাড় থেকে ফেলে দিতে হয়েছে। তারা এলিয়েনস সিনেমাটিকে নকল করার পেছনে যে পরিমাণ নিষ্ঠা দেখিয়েছে, বেশিরভাগ নির্মাতা একটি ভালো গেম বানানোর ক্ষেত্রেও তেমনটা দেখায় না। এটি এক ধরণের নির্বোধের মতো হলেও প্রশংসনীয়।
* আধুনিক লড়াইয়ের গেমগুলোর এই সমস্যাগুলো চারটি শব্দ দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায়: "চলো ''হ্যালো''র মতো হই।" কিন্তু আমার মনে আছে এমন এক সময় যখন সব গেম এই জনপ্রিয়তার পেছনে অন্ধের মতো ছুটত না। তখন সব গেম শুধু সৈনিকদের নিয়ে ছিল না, তখন গেম হতে পারত কোনো জ্যান্ত মৃত রাখালকে নিয়ে, বা রসিক কোনো নারীবিদ্বেষীকে নিয়ে। আমার মনে আছে যখন গেমগুলোর নিজের সম্পর্কে হাস্যরসবোধ ছিল এবং এতে কালচে ধূসর বা মলের মতো বাদামী রঙ ছাড়াও অন্যান্য রঙ থাকত। আমার পুরোনো দিনের কিছু গেমের কথা মনে আছে যেমন — এক্সহিউমড, ক্যাজম এবং উইচহ্যাভেন ২। যদিও এখন মনে হচ্ছে সেগুলি ভুলে গেলেই ভালো হতো। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/30-Turok]
=== জ্যাক অ্যান্ড উইকি ===
* অনেক আগে যখন প্রধান চরিত্রদের পেশিগুলো তাদের মুখের চেয়ে বড় হওয়ার প্রয়োজন ছিল না, তখন অভিযানের গেমগুলো বেঁচে ছিল। এই শান্ত এবং বুদ্ধিমান গেমগুলো তাদের চমৎকার গল্পের ঐতিহ্যের জন্য পরিচিত ছিল এবং নতুন যুগ শুরু হওয়ার আগে তারা পিসি গেমিংয়ের রাজত্ব করত। কেউ কেউ প্রতিবেশী লড়াইয়ের গেমগুলোর আক্রমণাত্মক বিস্তারকে এর কারণ হিসেবে দায়ি করেন; কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি এর কারণ হলো তাদের বেশিরভাগই ছিল জঘন্য। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/31-Zack-Wiki]
=== আর্মি অফ টু ===
* আমাদের দ্রুত এবং বারবার মনে করিয়ে দেওয়া হয় যে সামরিক বাহিনী হলো জঘন্য এবং এর সাথে জড়িত সবাইও তাই। অন্যদিকে ভাড়াটে সৈন্যরা হলো অপরাজেয় বীর যারা প্রচুর টাকা কামায় এবং পেশিবহুল পুরুষদের পছন্দ করে—''না! ইয়াটজি শান্ত হও!'' আমি বলতে চেয়েছিলাম: আপনি বিচিত্র সব মুখোশ পরতে পারবেন, পার্থক্য শুধু এই যে এখানে আপনি মানুষের হাতে মিষ্টি দেবেন না, উপহার হিসেবে আপনি দেবেন ''বুলেট''।
* আমার কম্পিউটারের পোকাভরা মস্তিষ্কের ওপর বিরক্ত হয়ে আমি আমার এক বন্ধুর সাথে গেমটি পর্দা ভাগ করে খেলার চেষ্টা করলাম। লড়াইয়ের এক পর্যায়ে আমি তাকে একটি উঁচু জায়গায় ওঠার জন্য সাহায্য করলাম যাতে আমরা উঁচু জায়গা থেকে আক্রমণ করতে পারি। কিন্তু যেহেতু আমার বন্ধু এটি বুঝতে পারছিল ছিল না যে শত্রুর গুলি থেকে বাঁচতে হয়, তাই সে গুলি খেল। যখন এমনটা ঘটে, আপনি নড়াচড়া করতে পারবেন না যতক্ষণ না আপনার সঙ্গী এসে আপনাকে সুস্থ করে তোলে। কিন্তু যেহেতু সেখানে আমাকে সাহায্য করার মতো আর কেউ ছিল না, আমি শুধু অসহায়ের মতো লাফাচ্ছিলাম যতক্ষণ না তার নির্বুদ্ধিতার শেষ পরিণতি হিসেবে সে মারা গেল।
* এটি বারবার করা একই ধরণের গেম যা আপনি আগেও দেখেছেন। আপনি যদি এক হাত দিয়ে গিয়ার্স অফ ওয়ার আর অন্য হাত দিয়ে স্প্লিন্টার সেল খেলতে পারেন, তবে আপনার ''আর্মি অফ টু'' খেলার কোনো প্রয়োজন নেই। আর যদি পারেন তবে অবশ্যই সেটি স্মৃতি হিসেবে ধরে রাখবেন কারণ এটি একটি অসাধারণ প্রতিভা হবে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/32-Army-of-Two]
=== নো মোর হিরোস ===
* সু''দা ৫১''র শেষ গেম ছিল কিলার সেভেন, এবং একটা কথা পরিষ্কার করে বলি: আমি ওই গেমটিকে '''খুব ভালোবাসতাম'''! আমরা যখন আমাদের ধূসর এবং একঘেয়ে গেমিং জীবন কাটাচ্ছিলাম, তখন ''কিলার সেভেন'' এক রঙিন রূপ নিয়ে এল। এটি সব প্রচলিত প্রথা ভেঙে গেমিং যে একটি শিল্প হতে পারে তা দেখিয়ে দিয়েছিল। আমি এখনও জানি না এটি কোন ধরণের গেম ছিল: ধাঁধা, লড়াই নাকি অভিযান... যাই হোক না কেন, এটি ছিল সত্যিই অসাধারণ। এখন আমাদের কাছে আছে ''নো মোর হিরোস'', যা মূলত একটি ''গ্র্যান্ড থেফট অটোর'' নকল। ইয়াটজি ব্যঙ্গ করে বললেন, "জলজ্যান্ত হীরা হয়ে জ্বলতে থাকো।"
* তাই আমি ''নো মোর হিরোস'' সম্পর্কেও একই কথা বলব যা আমি ''কিলার সেভেন'' এবং অন্যান্য ব্যতিক্রমী গেম সম্পর্কে বলেছিলাম: এটি ত্রুটিপূর্ণ হলেও এটি সংগ্রহ করুন কারণ আপনি এরকম আর কিছুর অভিজ্ঞতা পাবেন না। ঈশ্বর জানেন ''নো মোর হিরোস'' এর '''ওপর''' আচার মাখলে কী ঘটবে, হয়তো মহাবিশ্ব ধ্বংস হয়ে যাবে। আর তা হবে দেখার মতো! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/33-No-More-Heroes]
=== কনডেমড ২: ব্লাডশট ===
* ''কনডেমড ১''-এ একটি বড় শত্রুর সাথে লড়াইয়ের অংশ ছিল যেখানে আপনি একটি অন্ধকার এবং সংকীর্ণ জায়গায় দৌড়াচ্ছেন আর একজন খুনি আপনার পেছনে লেগে আছে। এটি সত্যিই খুব ভয়ানক ছিল এবং এর কার্যকারিতার একটি কারণ হলো এটি আপনার নিজের বাড়ির মতো সাধারণ একটি বাড়িতে ঘটেছিল। ঠিক যেমন '''আপনার''' খাটের নিচে থাকা সেই পাগল খুনি যে এখনই আপনার পেছনে দাঁড়িয়ে আছে—কিন্তু পেছনে তাকাবেন না কারণ তাতে সে আরও রেগে যাবে! অন্যদিকে, কনডেমড ২ শেষ হয় এক অদ্ভুত যান্ত্রিক মিনার বা টাওয়ারের ওপর, যা দেখতে অনেকটা মাতালদের তৈরি কিছুর মতো। আর শেষ লড়াইটি এতোটাই সহজ যে আপনি শুধু তার ওপর এতো জোরে চিৎকার করবেন যে তার মাথা ফেটে যাবে। ''আমি '''সত্যিই''' মজা করছি না''। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/34-Condemned-2-Bloodshot]
===সুপার স্ম্যাশ ব্রোস ব্রল===
* আমি বারবার বলেছি যে নিনটেনডো এমন এক কোম্পানি যারা তাদের পুরনো ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো নিয়ে অতিরিক্ত মাতামাতি করে। উই কনসোল হিট হওয়া পর্যন্ত এটি হয়তো ঠিক আছে, কিন্তু আরও কয়েকটি ফ্লপ কনসোল এলেই তারা পুরো কোম্পানিটাকেই ডুবিয়ে ছাড়বে! কিছু চরিত্র তো একেবারেই অপরিচিত। মার্থ ''আসলে'' কে, আর তাকে আনলক করাকে কেন পুরস্কার হিসেবে ধরা হয়? আর ধন্যবাদ নিনটেনডো, ''মাদার ৩'' গেমের একটি চরিত্র এখানে দেওয়ার জন্য; যে খেলাটি আপনি জাপানের বাইরে কখনোই রিলিজ করবেন না! অথচ আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি যে ''মারিও কার্ট''-এর এগারো শো কোটিতম কিস্তির চেয়েও বেশি মানুষ ওই গেমটি খেলত!
* তবে আসলে ''স্ম্যাশ ব্রোস ব্রল'' পর্যালোচনা করাটাই অর্থহীন। সম্ভাবনা আছে যে আপনি এটি পছন্দ করবেন কি না তা আপনি আগে থেকেই জানেন। একটি সহজ পরীক্ষা আছে: যখন "নিনটেনডো উই" নামটি প্রথম সামনে এসেছিল, তখন কি আপনি কোনো ইন্টারনেট ফোরামে একে নিয়ে সাফাই গেয়েছিলেন? উত্তর যদি হ্যাঁ হয়, তবে খেলাটিতে হাজারটা খুঁত থাকলেও আপনি এটি উপভোগ করবেন। আর আপনি এখনই চাইলে আমার ইমেইলে ঘৃণা ভরা মেসেজ পাঠাতে পারেন, ওহে হতভাগা অন্ধ ভক্ত গর্দভ। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/35-Super-Smash-Bros-Brawl সুপার স্ম্যাশ ব্রোস ব্রল]
=== মেইলব্যাগ শোডাউন ===
* এটি সত্য যে আমি গেমটি খেলার আগেই ব্রল পছন্দ করিনি; কিন্তু আজকাল আমি যেসব জিনিসের মুখোমুখি হই তাদের সবার ক্ষেত্রেই এটি সত্য। যেহেতু ইন্টারনেটে মান নিয়ন্ত্রণের বালাই নেই, তাই গত কয়েক বছর ধরে আমি সবকিছুকেই ফালতু বলে ধরে নিই যতক্ষণ না তা নিজেকে প্রমাণ করতে পারে। আমি একে পর্যালোচনার ক্ষেত্রে "কঠোর" পদ্ধতি বলতে পছন্দ করি।
* "আমি কোনো অন্ধ ভক্ত নই—(হ্যাঁ আপনি তাই!)—কিন্তু আপনি হয়তো ব্রল-এর একটু বেশি সমালোচনা করেছেন। নিন্টেন্ডো এটি বানিয়েছে যাতে খেলোয়াড়রা আনন্দ পায়।" আমাকে কেন এটি সেই আস্তিকদের যুক্তির কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে যে "ঈশ্বরের মহিমা বোঝা বড় দায়?" নিন্টেন্ডো এখন বড় হয়ে গেছে, তাকে রক্ষা করার প্রয়োজন নেই। আমার মতো ছোটখাটো সমালোচকদের কথায় সেখানকার কেউ কাঁদবে না এবং তারা আপনাদের তো পাত্তাই দেয় না। আমি কোনোদিন বুঝলাম না খেলার যন্ত্র নিয়ে মানুষের মধ্যে কেন এতো উন্মাদনা কাজ করে। বেশিরভাগ মানুষ বলবে এর কারণ হলো আপনার মা হয়তো আপনাকে একটিই যন্ত্র কিনে দিয়েছেন, আর যদি সেটি সেরা না হয় তবে আপনি নিজেকে সান্ত্বনা দিতেই পক্ষ নিতে শুরু করেন। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/37-Mailbag-Showdown]
=== গ্র্যান্ড থেফট অটো ৪ ===
* প্রায় দশ লাখ বছর আগে, ডিএমএ ডিজাইন নামের একটি কোম্পানি গ্র্যান্ড থেফট অটো তৈরি করেছিল এবং আবিষ্কার করেছিল যে বিতর্ক, অদ্ভুত হাস্যরস এবং গাড়ি নিয়ে তাণ্ডবের সংমিশ্রণটি খুব লাভজনক। তাই তারা অনেকগুলো পরবর্তী অংশ বানাল এবং তাদের নাম বদলে রাখল "রকস্টার", যাতে মানুষ ভুলে যায় যে তারা আগে অন্য ধরণের গেম বানিয়েছিল।
* আপনি যখন এই জগতের উন্মাদনায় বিরক্ত হয়ে মূল কাজে ফিরবেন, তখন দেখবেন জিটিএ ৪ শুরুর দিকে খুব ধীরগতির। প্রথম দিকের প্রায় সব কাজই হলো শেখার অংশ। গেমের মধ্যে এতো সব উপাদান ঢোকানো হয়েছে যে সেগুলো বোঝাতেই অর্ধেক গেম শেষ হয়ে যায়! আপনাকে শিখতে হবে কীভাবে গাড়ি চালাতে হয়, কীভাবে ট্রাক চালাতে হয়, কীভাবে রাজহাঁস চালাতে হয়, কীভাবে ফোন বা ইন্টারনেটের ব্যবহার করতে হয়, কীভাবে মারামারি করতে হয় এবং কীভাবে গুলির লড়াই করতে হয়... [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/48-Grand-Theft-Auto-IV]
=== পেইনকিলার ===
* গেমের অস্ত্রগুলো প্রচলিত অস্ত্রের তালিকা থেকে বের হওয়ার একটি সাহসী প্রচেষ্টা। এখানে পেইনকিলার নামের একটি অস্ত্র আছে যা ব্লেডের মতো ঘোরে এবং শরীরের অংশ উড়িয়ে দেওয়ার জন্য উপযুক্ত। অস্ত্রের কথা বলতে গেলে আমি সেই শক্তিশালী বন্দুকের কথা বলতে পারি যা শত্রুদের গাছের মতো দেয়ালের সাথে গেঁথে ফেলে। তবে আপনার যা জানা প্রয়োজন তা হলো এখানে একটি বন্দুক আছে যা বিশেষ অস্ত্র এবং বিদ্যুৎ ছুড়তে পারে। এটি এতোটাই অসাধারণ যে যদি এতে বুক থাকত আর এটি আগুনে জ্বলত তবে এর চেয়ে বেশি আর কিছু হতে পারত না।
* এই হলো পেইনকিলার, যা প্রমাণ করে যে মনের ঝাল মেটানোর সেরা উপায় হলো কারো মাথা উড়িয়ে দেওয়া। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/57-Painkiller]
=== দ্য ওয়ার্ল্ড এন্ডস উইথ ইউ ===
* জাপানি গল্পের গেম এবং সাধারণভাবে অনেক গেমের ক্ষেত্রে আমার যা বিরক্তির কারণ হয় তা হলো যখন আমার মনে হয় একজন খেলোয়াড় হিসেবে আমি গল্পের জন্য কিছুই করছি না। আমার কাজ শুধু চরিত্রগুলোকে এক বিরক্তিকর সংলাপ থেকে অন্য সংলাপে নিয়ে যাওয়া। সবকিছু তাদের কাজে ঘটে, আমার কাজে নয়। আমি শুধু একজন রাগী ব্যক্তি যে লড়াইয়ের সময় নিয়ন্ত্রণ নেয়, আর বাকি সময় প্রধান চরিত্রের মাথার ভেতর লাফালাফি করি যাতে সে বোকার মতো কাজ করা বন্ধ করে।
* আমি বলতে চাইছি যে আমি সেই সব গেম পছন্দ করি যেখানে গল্প এবং খেলার ধরন হাতে হাত মিলিয়ে চলে, অন্যদিকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গল্প আর খেলার ধরনকে দুই পাশে আলাদা করে রাখা হয়।
* এটি কি ভালো খেলা? আমার কোনো ধারণা নেই। আমার মনে হচ্ছে আমি এক ভয়ানক জগতের প্রান্তে দাঁড়িয়ে আছি যা আমি বুঝি না। আমি যেন এক গভীর হ্রদের ওপর ভাসছি যেখানে অদ্ভুত সব প্রাণী বাস করে যাদের বিনোদনের ধারণা আমার কাছে একেবারেই অপরিচিত। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/67-The-World-Ends-With-You]
=== অবলিভিয়ন ===
* আপনারা আমাকে চেনেন; আমি দ্রুত উত্তেজনার খোঁজে থাকা একজন গেমার। যার হাতে মোটরবাইকের সমান বন্দুক আর হেলমেটের সামনে ভিনগ্রহী প্রাণীর শরীরের অংশ না থাকলে ভালো লাগে না। কিন্তু মাঝেমধ্যে গ্রহের অবস্থান ঠিক হলে আমার কাল্পনিক গল্পের গেম খেলতে ইচ্ছে করে। জাপানি ধাঁচের নয়, ঈশ্বর রক্ষা করুন; এটি কেবল এক ধরণের মানসিক পরিবর্তন। আমি পশ্চিমা ধাঁচের গেমের কথা বলছি যাতে দানব, তলোয়ার আর সাহসী পুরুষ থাকবে।
* অবলিভিয়ন-এ আপনি রাজকীয় প্রাসাদের এক অন্ধকূপ থেকে শুরু করবেন। আপনাকে কখনোই বলা হবে না যে আপনি কী অপরাধ করেছেন; আমি ধরে নিলাম আপনি এটি নিজেই ভেবে নেবেন। তাই আমি বিশ্বাস করতে পছন্দ করি যে আমি সম্রাটের পরিবার নিয়ে কোনো ঝামেলার জন্য এবং ঈশ্বরের মৃতদেহের ওপর গিটার বাজানোর জন্য সেখানে বন্দি ছিলাম। যাই হোক, সম্রাট যখন আসলেন, আমি তাকে বেশ পছন্দ করলাম। তিনিই একমাত্র চরিত্র ছিলেন যিনি জানতেন তারা একটি কাল্পনিক গল্পের গেমে আছেন। তিনি আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, "আরে সর্বনাশ! তুমিই তো প্রধান চরিত্র; মনে হচ্ছে আমাকে এখন মরতে হবে।" এবং তিনি মারাই গেলেন।
* অবলিভিয়ন গেমটি চেষ্টা অনেক করলেও এটি আমার খেলা অন্যতম কম আকর্ষণীয় খেলা। এর মানচিত্র অনেক বড় ঠিকই। আপনি যদি এক মাথা থেকে অন্য মাথায় হেঁটে যেতে চান, তবে সাথে কিছু খাবার নিয়ে বের হওয়াই ভালো। কিন্তু সত্যি বলতে, আপনি যখন প্রথম দিনের আলোতে বের হবেন, তখনই আপনি যা দেখার তা দেখে ফেলেছেন। মনে হয় তারা সামান্য কিছু জায়গা নিয়ে তাতে বন্য প্রাণী ঢুকিয়ে সেটিকেই বারবার ব্যবহার করে বিশাল বড় বানিয়েছে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/75-Oblivion]
=== হেইজ ===
* আমি নিশ্চিত যে খুব কম মানুষই হেইজ কেনার জন্য লাইন দিয়েছিল। যখন আমি বাক্সের পেছনে দেখলাম এটি সৈনিকদের নিয়ে একটি মহাকাশ যুদ্ধের গেম, তখন আমার উৎসাহ ধুলোয় মিশে গেল। আমি ভাবলাম, "আবারও সেই একই জিনিস।" আমি জানি এখানেও খুব বাজেভাবে গাড়ি চালাতে হবে আর অর্ধেক গেম টেবিলের নিচে লুকিয়ে থেকে সুস্থ হওয়ার অপেক্ষা করতে হবে। কিন্তু তখনই আমার ভেতরের বিবেক আমাকে মনে করিয়ে দিল, "তুমি কি কল অফ ডিউটি ৪-এর কথা ভুলে গেলে? তোমার প্রতিটি গেমকেই নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ দেওয়া উচিত।"
* হেইজ-এর গল্পের মূল বার্তা হলো—যুদ্ধ খারাপ! এবং যখন মৃত্যু নিশ্চিত তখন সেখানে কোনো প্রকৃত নায়ক থাকে না। কিন্তু এই বার্তার সাথে "মজাদার মারামারি" যোগ করা মানে হলো একইসাথে সুবিধা নেওয়া এবং ভালো সাজা। কেক নিয়ে আমার একটা কথা মনে পড়ল; আপনার কাছে কেক থাকলে সেটি খাওয়া ছাড়া আর কী-ই বা করার আছে, যদি না আপনি খুব বিচিত্র কেউ হন। যাই হোক, কথা হারিয়ে ফেললাম।
* আপনার যদি পরিচিত ধারার লড়াই পছন্দ হয় এবং নতুন কিছু করার ভয় থাকে, তবে আপনার হয়তো হেইজ কেনা উচিত। কিন্তু তার আগে নিজের মানসিক চিকিৎসা করানো ভালো। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/93-Haze]
=== মেটাল গিয়ার সলিড ৪: গানস অফ দ্য প্যাট্রিয়টস ===
* আমার মস্তিষ্ক ব্যথা করার আগেই আমি গল্পটি যতটুকু পারি বলার চেষ্টা করছি: সলিড স্নেক হলো একজন ক্লোন করা ভাড়াটে সৈন্য যে অকাল বার্ধক্যে ভুগছে। সে তার সহযোগী এবং সেরা বন্ধু ওটাকনের সাথে থাকে এবং তারা দুজনে মিলে একটি সন্তান দত্তক নিয়েছে। যাই হোক, সলিড স্নেককে তার দুষ্ট ক্লোন ভাইকে হত্যা করার দায়িত্ব দেওয়া হয়, যে কি না মারা গেছে কিন্তু তার হাতের মাধ্যমে বেঁচে আছে যা অন্য কারো শরীরে লাগানো—ওহ ঈশ্বর, আমি আর বলতে পারছি না; এটি পুরোপুরি পাগলামি! গল্প জানতে চাইলে গেমটি খেলুন, যদিও আমি নিশ্চিত করে বলতে পারছি না যে তাতেও আপনি সব বুঝতে পারবেন। নির্মাতার মানসিকতা বোঝার জন্য আপনাকে হয়তো মাথায় জটিল অস্ত্রোপচার করাতে হবে।
* কেউ একজন বলেছিলেন যে একজন রাজনীতিবিদ হলেন সেই ব্যক্তি যিনি ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা বলতে পারেন কিন্তু কাজের কিছু বলেন না। এটি যদি সত্যি হয়, তবে গেমের নির্মাতা নির্বাচনে দাঁড়ালে বিকেলের মধ্যেই মহাবিশ্বের সম্রাট হয়ে যাবেন। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/99-Metal-Gear-Solid-4]
=== ওয়েবকমিকস ===
* নাটকীয়তা হলো এমন একটি বিষয় যা এই জগতকে টিকিয়ে রাখে। নিজের বাজে আঁকার ভঙ্গি উন্নত করার কোনো চেষ্টা করবেন না, অনুষ্ঠানে অভদ্রের মতো আচরণ করুন এবং গঠনমূলক সমালোচনাকে ঘৃণা করুন। ইন্টারনেটের এই জঘন্য জগতে নিজেকে একজন বিশাল অহংকারী হিসেবে তুলে ধরুন। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/108-Webcomics]
=== লেগো ইন্ডিয়ানা জোন্স ===
* আমি এতোদিন এই জোটকে এড়িয়ে গিয়েছিলাম কারণ আমার আগের পর্যালোচনা থেকে আপনারা জানবেন যে এর পেছনে যারা আছে তারা খুব একটা সুবিধার নয়। এছাড়া এটি শুনতে খুব অদ্ভুত লাগে। আমি বলতে চাইছি, একবার যদি আপনি এটি মেনে নেন, তবে এর শেষ কোথায়? এই মজা আর না টানাই ভালো।
* পুরো অভিজ্ঞতার মধ্যে ব্যঙ্গ বা বিদ্রূপের একটি বিষয় আছে যা আমার বেশ ভালো লেগেছে। আমরা এমন একটি চলচ্চিত্র সিরিজকে নিচ্ছি যা ছোটবেলায় আমাকে ভয় দেখাত এবং সেটিকে এখন পুতুল নাচের মতো হাস্যকর কিছুতে পরিণত করছি। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/123-LEGO-Indy]
=== অ্যালোন ইন দ্য ডার্ক ===
* আমি অন্য কারো পর্যালোচনা না পড়ার নীতি মেনে চলি কারণ এটি আমার নিজের অভিজ্ঞতাকে প্রভাবিত করতে পারে এবং আমি নিশ্চিত যে আমিই একমাত্র ব্যক্তি যার মস্তিষ্ক ঠিকমতো কাজ করে। কিন্তু অ্যালোন ইন দ্য ডার্ক সম্পর্কে মানুষের নেতিবাচক ধারণা এড়িয়ে যাওয়া কঠিন ছিল। অনেকে ইমেইল করে আমাকে বলেছে এটি যেন ধুয়ে ফেলি। আমি ভাবলাম, "সবাই যা বলছে তার বিরুদ্ধে গিয়ে আমি বরং এটি পছন্দ করার চেষ্টা করব।" কয়েক দিন পার হয়ে গেল এবং আপনারা অবাক হবেন জেনে যে মাঝেমধ্যে সংখ্যাগুরুরাও একদম ঠিক কথা বলে।
* দুঃখজনক হলো যে অ্যালোন ইন দ্য ডার্ক একটি ভালো গেম হওয়ার খুব কাছাকাছি ছিল কিন্তু তারা এতো তাড়াহুড়ো করেছে যে সবকিছু নষ্ট করে ফেলেছে। এতে অনেক ভালো বুদ্ধি ছিল কিন্তু সেগুলোর প্রয়োগ ছিল জঘন্য। যেমন দুজন নকশাকারীর কথা ভাবুন। একজন বলল, "চলুন ক্যারেক্টারের শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা যায় এমন ব্যবস্থা রাখি।" অন্যজন বলল, "ঠিক আছে! কিন্তু চলুন সেগুলো পোশাকের ওপর এমনভাবে রাখি যাতে মনে হয় কেউ তার গায়ে মাংসের টুকরো আঠা দিয়ে লাগিয়ে দিয়েছে!" প্রথমজন আবার বলল, "এমন এক মেঝের কথা ভাবুন যেখানে আলো পড়লে বিপদ কেটে যায়।" অন্যজন বলল, "চমৎকার! কিন্তু চলুন টর্চলাইটটিকে একদম অকেজো করে দিই আর এক আঘাতেই মৃত্যু নিশ্চিত করি!" তারপর একজন হতাশ হয়ে আঠা শুঁকতে শুরু করল আর অন্যজন কোণঠাসা হয়ে হাসতে লাগল।
* নাম থেকেই বোঝা যায় সিরিজটি ছিল একাকীত্বের ভয়ংকর এক অনুভূতি নিয়ে। এখন এর কোনো অর্থ হয় না, কারণ আপনি একা নন এবং অন্ধকারও নেই, কারণ চারদিকে আগুন জ্বলছে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/130-Alone-in-the-Dark]
=== এজ অফ কোনান ===
* প্রচলিত ধারণার বিপরীতে আমি দলবদ্ধ লড়াইয়ের গেম ঘৃণা করি না। আমি ঘৃণা করি এটি মানুষের সাথে যা করে—মানুষকে অলস এক মাংসেপিণ্ডে পরিণত করে যে শুধু মুখ দিয়ে নিশ্বাস ফেলে; আর আমি ঘৃণা করি যখন ফিরে দেখি আমি আমার জীবনের মূল্যবান কয়েক মাস নষ্ট করেছি যা আমি বই লিখে বা সন্তান লালন-পালন করে কাটাতে পারতাম। তবে আমি ভালো গেম খেলে মজা পেয়েছি। এজ অফ কোনান মোটেও ওয়ার্ল্ড অফ ওয়ারক্রাফট নয়। কেউ বলতে পারেন, "হয়তো এটি সেরকম হতে চায় না," কিন্তু তারা মিথ্যে বলছেন কারণ সব নির্মাতাই সেরকম হতে চায়: একই নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং একই ধরণের কাজের ধরন।
* নিজের চেয়ে বড় কিছুর অংশ হওয়াতে কোনো ভুল নেই। এই ধরণের গেম এভাবেই কাজ করা উচিত—একতা, দলগত কাজ আর বন্ধুদের নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করা। এজ অফ কোনান বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার মতো সবাইকে বলে যে তারা বিশেষ, যার ফলে তারা অভদ্র হয়ে ওঠে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/138-Age-of-Conan]
=== ই৩ প্রদর্শনী ===
* আমি এটা পরিষ্কার করতে চাই যে আমার পাথর হয়ে যাওয়া হৃদয়ের কোথাও হয়তো এই গেমগুলো মজাদার হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে আমি নেতিবাচক হওয়ার যুক্তি দিচ্ছি কারণ গেমটি যদি ভালো হয় তবে তা চমৎকার! কিন্তু যদি খারাপ হয় তবে আপনি কিছুই হারাননি। এছাড়া অন্ধ ভক্তদের চেয়ে নিজেকে বুদ্ধিমান ভাবার মধ্যে এক ধরণের তৃপ্তি আছে। প্রচারণামূলক ভিডিও দেখে কখনোই উত্তেজিত হবেন না, যদি না সেটি নতুন কোনো সিনেমার ভিডিও হয়। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/157-The-E3-Trailer-Park]
=== নিনজা গাইডেন ২ ===
* সত্যি বলতে, আপনি যদি গল্প চান তবে আপনার জন্য গল্প হলো: ওদিকে দানব আছে, গিয়ে তাদের শেষ করুন। জাপানি গেমগুলোর মধ্যে নিনজা গাইডেন ২ অনন্য। এতে মেটাল গিয়ার সলিড-এর মতো দীর্ঘ সংলাপ নেই। এতে ডেভিল মে ক্রাই-এর মতো দৃশ্য নেই যা সব মজা কেড়ে নেয়। এতে অন্যান্য গেমের মতো প্রথম কয়েক ঘণ্টা শুধু লাঠি ঘোরানো শেখার বিরক্তিকর অংশও নেই। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/175-Ninja-Gaiden-2]
=== প্রিন্স অফ পারসিয়া রেট্রোস্পেক্টিভ ===
* স্যান্ডস অফ টাইম-এ আমার যা অপছন্দ তা হলো এর লড়াই করার পদ্ধতিটি বারবার একই এবং বিরক্তিকর। এই সিরিজের সমস্যা হলো এটি পারফেকশনের খুব কাছে যায় কিন্তু আবার এক ধাপ পিছিয়ে আসে। এর পরবর্তী অংশে লড়াই করার পদ্ধতি অনেক উন্নত করা হয়েছিল কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত অন্য সবকিছুকে খুব বিষণ্ণ করে তোলা হয়েছিল। মনে হয় নির্মাতারা ভেবেছিলেন দুঃখী ভাবই এখন চলবে, তাই তারা অফিসে যারা হাসিখুশি ছিল তাদের সবাইকে বের করে দিয়েছিলেন। রাজপুত্র হঠাৎ করেই কালো চুল আর রাগী চেহারা নিয়ে হাজির হলো। এই পরিবর্তনটি এতোটাই অপ্রয়োজনীয় ছিল যে সবাই এর সমালোচনা করেছিল। এটি একটি ভালো মিষ্টির ওপর নোংরা কিছু রাখার মতো—মিষ্টিটি ভালো হলেও কেউ তা খাবে না কারণ আপনি এটি নষ্ট করে ফেলেছেন!
* স্যান্ডস অফ টাইম-এর তিনটি গেম মিলালে সম্ভবত ইতিহাসের সেরা গেম হওয়ার সব উপাদান ছিল। প্রথম গেমটি এখনও আমার জীবনের সেরা পাঁচটি গেমের একটি, কিন্তু এটি আরও ভালো হতে পারত। একটি গেম যখন নিখুঁত হওয়ার চেষ্টা করে, তখন এর ভুলগুলো আরও বেশি চোখে পড়ে। তবে আশা করি নতুন প্রিন্স অফ পারসিয়া আগের মতোই ভালো হবে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/183-Prince-of-Persia-Retrospective]
=== সোল ক্যালিবুর ৪ ===
* আমি লড়াই করার গেমগুলো ঠিক বুঝি না। আমি তাদের ঘৃণা করি না, তবে আমি তাদের নিয়ে খুব বেশি উত্তেজিতও নই। আমি যখনই এটি বলি, মানুষ বলে, "এতে বোঝার কী আছে? মারপিট করলে মনের ভার কমে।" কিন্তু যদি আপনি মানসিক চাপ কমাতে চান, তবে স্নান করুন বা দেয়ালে মাথা ঠুকুন, যার জন্য আপনার অতো টাকা খরচ করতে হবে না। নিশ্চয়ই এর চেয়ে বেশি কিছু এতে আছে।
* সত্যি বলতে, আমি অবাক হই যে এই গেমের সাথে একটি নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। আপনার শুধু বাটন টেপার একটি ছবি আর সেদিকে নির্দেশ করা একটি তীরের প্রয়োজন ছিল। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/189-Soul-Calibur-IV]
=== ব্রেইড ===
* আর এই সবকিছুর জন্য আমি কাকে দোষ দিই জানেন? আপনাদের! হ্যাঁ, আপনি সাধারণ জনগণ! আপনারা সেই সব মানুষ যারা একই ধরণের গেমগুলো কিনে বড় বড় কোম্পানির লাভ নিশ্চিত করেন কারণ পরিচিত গেম ছাড়া অন্য কিছুতে আপনাদের ভয় লাগে! আপনারা যখন গেমিংয়ের জন্য এতো টাকা খরচ করেন, তখন নতুন কিছু উদ্ভাবনের চেয়ে পরিচিত চরিত্র খুঁজে বেড়ান। সত্যি বলতে, আপনাদের সাথে কথা বলাই বৃথা। ব্রাউজার বন্ধ করুন আর নিজের কাজে ফিরে যান! সে কি চলে গেছে? ভালো, আমি ওই লোকটাকে ঘৃণা করি! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/203-Braid]
=== ইভ অনলাইন ===
* অন্বেষণের অঘোষিত লক্ষ্য হলো পুরো পৃথিবীটাকে একদম বিরক্তিকর বানিয়ে ফেলা। জীবন তখন অনেক বেশি আকর্ষণীয় ছিল যখন আমরা মনে করতাম পাহাড়ের ওপারে হয়তো ড্রাগন আছে। আজকাল সবকিছু মানচিত্রে আঁকা আছে। আমরা এমনকি চাঁদে আর সমুদ্রের তলদেশেও গিয়েছি এটা জানতে যে সেখানেও কোনো ড্রাগন নেই। এখন কেবল মহাকাশের গভীর অংশটিই অন্বেষণ করা বাকি। ইভ অনলাইন মহাকাশের সেই গভীর অংশটিকেও বিরক্তিকর বানিয়ে অসম্ভবকে সম্ভব করেছে এবং প্রমাণ করেছে যে এর সেরা উপায় হলো সেখানে পণ্ডিতদের বসতি স্থাপন করতে দেওয়া। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/208-Eve-Online]
=== টু হিউম্যান ===
* আমাকে স্বীকার করতেই হবে যে, দেবতাদের শক্তিশালী ব্যক্তিত্বকে একগুচ্ছ বিরক্তিকর, অহংকারী এবং যান্ত্রিক চরিত্রে রূপান্তর করার জন্য গেমের গল্পটিকে অভিনন্দন জানানো উচিত।
* আপনি মারা যাবেন। আপনি অনেকবার মারা যাবেন। এবং গেমটি আপনাকে তা বারবার মনে করিয়ে দেবে। এক কাল্পনিক চরিত্র খুব ধীরে ধীরে উড়ে এসে আপনার মৃতদেহ নিয়ে স্বর্গে যাবে যেন সে বলতে চাইছে, "কোনো ব্যাপার না বাবু, তুমি লড়াই করতে পারো না তো কী হয়েছে; চলো তোমাকে ঘুম পাড়িয়ে দিই।" তারপর আপনি কোনো শাস্তি ছাড়াই আবার বেঁচে উঠবেন। এবং প্রতিবার মারা যাওয়ার সময় এটি ঘটে! আপনি এটি এড়িয়ে যেতে পারবেন না! নির্মাতাদের কেউ কি এটি দেখে ভেবেছিলেন, "হ্যাঁ, এটি কখনোই পুরনো হবে না"? এর একমাত্র ব্যাখ্যা হতে পারে যে এটি কোনো এক ধরণের পরীক্ষা—যদি কেউ ইন্টারনেটে এই ব্যবস্থার পক্ষ নেয়, তবে তাদের নাম সরকারের তালিকায় তুলে দেওয়া উচিত কারণ তাদের মস্তিষ্ক বিকৃত! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/213-Too-Human]
=== স্পোর ===
* ইতিহাস আমাদের শিখিয়েছে যে আপনি যদি খুব জনপ্রিয় এবং ভালো কিছু তৈরি করেন, তবে নিশ্চিত করুন যে সেটিই যেন আপনার জীবনের শেষ কাজ হয়। কারণ অন্যথায় আপনাকে আপনার সৃজনশীল জীবনের বাকি সময় পাহাড় সমান প্রত্যাশার নিচে চাপা পড়ে থাকতে হবে।
* আপনি নিজের বাড়ি এবং গাড়ি তৈরি করতে পারবেন; তাই যদি আপনি আট বছর বয়সীদের জন্য কোনো সৃজনশীল প্রোগ্রাম খুঁজছেন তবে স্পোর আপনার জন্য। কিন্তু আপনি যদি প্রকৃত কোনো গেম খুঁজছেন, তবে আপনাকে হতাশ হতে হবে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/218-Spore]
=== এক্সবিএলএ দ্বৈত পর্যালোচনা ===
* (বায়োনিক কমান্ডো রিয়ার্মড সম্পর্কে) প্রশ্ন হলো একটি রিমেক কি মূল গেমের ধরন হুবহু নকল করবে নাকি আমাদের বর্তমান প্রযুক্তির মাধ্যমে সেটিকে আরও উন্নত করবে? অবশ্যই দ্বিতীয়টি। পুরনো দিনের গেম ডিজাইনের মধ্যে পবিত্র হওয়ার মতো কিছু নেই। সেগুলো শুধু পুরনো।
* (ক্যাসেল ক্র্যাশার্স সম্পর্কে) ছোট মাথার চরিত্রগুলো দেখতে মজাদার হলেও বড় লড়াইয়ের সময় নিজের চরিত্রটিকে খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। আর এটি বড় শত্রুর লড়াইয়ের সময় আরও বেশি অন্যায় মনে হয় যখন শত্রুটি তার শরীরের নিচে আপনার চরিত্রটিকে লুকিয়ে ফেলে। নস্টালজিয়া বা পুরনো দিনের স্মৃতি আসলে এক ধরণের বিভ্রম। শিশুরা যা পায় তা-ই পছন্দ করে—আপনিও তার ব্যতিক্রম ছিলেন না। প্রযুক্তি যতো উন্নত হয়েছে গেম খেলার সম্ভাবনাও ততো বেড়েছে। আজকের শিশুরা যখন বড় হবে তারা হয়তো বলবে তাদের সময়কার গেম সেরা ছিল, এবং তারা তখন ততোটাই ভুল হবে যতোটা আপনি এখন। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/222-XBLA-Double-Bill]
=== মার্সেনারি ২: ওয়ার্ল্ড ইন ফ্লেমস ===
* গেমারদের মাথায় প্রায়ই একটি চিন্তা আসে: "হয়তো এটি পরে আমার কাজে লাগবে"—এমন এক সংশয় যা আপনাকে আপনার সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রগুলো ব্যবহার করতে বাধা দেয় এই ভেবে যে গেমের শেষে হয়তো এর জন্য কোনো প্রাপ্তি আছে। তাই এমন পরিস্থিতি হয় যেখানে আপনি পারমাণবিক অস্ত্রের ভাণ্ডার নিয়ে বসে আছেন কিন্তু একটি রোবটকে মারার জন্য সামান্য অস্ত্র ছুড়ছেন এই ভয়ে যে হয়তো সামনে আরও বড় কোনো বিপদ আসতে পারে। মার্সেনারি ২ গেমটি এই বিষয়টি খুব ভালো ফুটিয়ে তোলে।
* আসলে এটি আমি জিজ্ঞেস করতে চাচ্ছি: আমাদের কোম্পানির প্রধানকে কেন সব কাজ ব্যক্তিগতভাবে করতে হয় এবং তার সাহায্যকারী হিসেবে থাকে একজন চালক যে শত্রু সামান্য কিছু ছুড়লে তাকে মাঝপথে ফেলে পালিয়ে যায়? আসলে একা কাজ করাই ভালো। গেমের কম্পিউটার চালিত চরিত্রগুলো এতোটাই গাধা যে তাদের গুহায় থাকা উচিত। একবার আমি এক দল সৈন্য ডাকলাম আমাকে সাহায্য করার জন্য। তাদের সবাই বিমান থেকে পা পিছলে পড়ে মারা গেল। সাহায্য হলো না ঠিকই, কিন্তু দৃশ্যটা খুব হাসিখুশি ছিল! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/231-Mercenaries-2]
=== স্টার ওয়ার্স: দ্য ফোর্স আনল্যাশড ===
* দৃশ্যত এর গল্প স্টার ওয়ার্স-এর নতুন অংশকে মূল সিরিজের সাথে যুক্ত করার কথা, যা এক স্বাভাবিক প্রশ্ন তোলে: আমরা কেন এই ভয়াবহ কাজটি করতে চাইব? এটি আপনার সকালের নাস্তাকে ইঁদুরের সাথে বাঁধার মতো। নির্মাতার ছাপ পুরো গল্পের ওপর এমনভাবে আছে যে কোনো চরিত্রের সাথেই আপনি নিজেকে মেলাতে পারবেন না।
* এই গেমটি আমাকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি। আমি নির্মাতাদের দোষ দিই না, এবং আমি এটা শুধু এই জন্য বলছি না যে তারা এই শহরেই থাকে এবং আমাকে মেরে ফেলতে পারে। আমি যন্ত্রপাতির সীমাবদ্ধতার জন্য একে দোষ দিই; আমি নিজেকে দোষ দিই বিভিন্ন সংস্করণ সম্পর্কে না জানার জন্য; কিন্তু সবচেয়ে বেশি দোষ দিই এর মূল কারিগরকে! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/251-Star-Wars-The-Force-Unleashed]
=== এস.টি.এ.এল.কে.ই.আর.: ক্লিয়ার স্কাই ===
* আমি মনে করি না যে আমি বাস্তব যুদ্ধের পরিস্থিতিতে খুব ভালো করতে পারব। আমি চিৎকার পছন্দ করি না এবং বড় ব্যাগ নিয়ে আমি খুব দ্রুত দৌড়াতে পারি না। আমি যুদ্ধে যাওয়ার আগে চাইব শত্রুরা যেন তাদের মাথায় লাল রঙের চিহ্ন লাগিয়ে জানালার পাশে দাঁড়িয়ে থাকে এবং তাদের সব চিন্তা উচ্চস্বরে প্রকাশ করে। আর ততোক্ষণে আমি আমার সাহসের অভাব অনুভব করে পালিয়ে যাব।
* আপনারা জানেন যে বেশিরভাগ লড়াইয়ের গেমে আপনি হলেন এক ধরণের শক্তিশালী মানুষ যার ওপর আক্রমণ করলেও কিছু হয় না আর শত্রুরা খুব সহজেই মারা যায়? এই গেমে মনে হয় সব উল্টে গেছে। খেলোয়াড় কয়েকটা গুলিতেই মারা যায় কিন্তু শত্রুরা এতো আক্রমণ সহ্য করার পরও বেঁচে থাকে যে আপনার মনে হবে তারা বিশেষ কিছু খেয়ে এসেছে। তারা একদম অন্ধকারেও আপনাকে দেখতে পায় এবং অনেক দূর থেকেও নিখুঁতভাবে আপনাকে গুলি করতে পারে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/271-S-T-A-L-K-E-R-Clear-Sky]
=== সাইলেন্ট হিল হোমকামিং ===
* গেমটিতে একাকীত্বের সেই অনুভূতি একেবারেই নেই যখন আপনাকে একজন নারী সঙ্গী দেওয়া হয়। এটি আমেরিকানদের এক অদ্ভুত অভ্যাস যা নিয়ে কেউ প্রশ্ন তোলে না: কেন সবকিছুর মধ্যে জোর করে প্রেমের গল্প ঢোকাতে হবে? ভাবুন তো যদি এমন এক জগত থাকতো যেখানে প্রতিটি সিনেমা বা গেমে নাচের প্রতিযোগিতা থাকা বাধ্যতামূলক হতো? আমরা তাদের পাগল বলতাম! আর এখানে আমরা এক অপ্রাসঙ্গিক প্রেমের দৃশ্য দেখতে বাধ্য হচ্ছি যা গেমের যেকোনো ভয়ানক দৃশ্যের চেয়েও বেশি বেদনাদায়ক।
* মনে হয় তারা চলচ্চিত্রের কোনো তালিকা মেলাচ্ছিল। যা যুক্তিসঙ্গত মনে হয় কারণ গেমটি সাইলেন্ট হিল চলচ্চিত্র থেকে অনেক কিছু ধার করেছে।
* হয়তো যদি কোনো কিছুর মূল নির্মাতারা সেটি আর এগিয়ে নিতে না চান, তবে আপনার তাদের কথা শোনা উচিত। কারণ অন্যথায় আপনি কেবল ভক্তদের খুশি করার জন্যই এটি বানাচ্ছেন। আর ভক্তদের জন্য কিছু করার কী প্রয়োজন? আমি নিজেও সাইলেন্ট হিল-এর ভক্ত এবং আমি পুরো পর্যালোচনা জুড়ে অভিযোগ করে গেছি। ভক্তরা কখনোই কৃতজ্ঞ হবে না। তাদের চিৎকার যতো তাড়াতাড়ি বন্ধ করবেন, ততোই শান্তিতে থাকবেন। যাই হোক, জিরো পাংচুয়েশন টি-শার্ট কিনবেন নাকি? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/284-Silent-Hill-Homecoming]
=== সেয়েন্টস রো ২ ===
* আমার প্রায়ই মনে হয় যখনই কোনো অপরাধমূলক গেম আসে, তখন সেখানে একই দল থাকে: ইতালিয়ান বা জাপানি অপরাধী গোষ্ঠী। আপনাকে সবসময় সম্মান বা ঐতিহ্যের কথা বলতে হয়। জানেন কিসের অভাব আছে? একটি গেম যেখানে আপনি কোনো কাল্পনিক ভিলেন হিসেবে খেলবেন! আপনি বিচিত্র সব যন্ত্র নিয়ে ঘুরে বেড়াবেন এবং বড় কোনো ধ্বংসাত্মক যন্ত্র বানাবেন। তারপর গল্পের নায়ক আসবে এবং আপনাকে মারবে কারণ আপনি তাকে মারার জন্য খুব ধীরগতির কোনো ফাঁদ পেতেছিলেন। তারপর আপনি রহস্যময়ভাবে পালিয়ে যাবেন এবং পরের সপ্তাহে আবার একই কাজ করবেন। দুর্ভাগ্যবশত মানুষ এখনও আমার প্রতিভা চিনতে পারেনি।
* সেয়েন্টস রো ২ তার দর্শকদের খুব ভালো বোঝে: এটি জানে যে বেশিরভাগ খেলোয়াড় হলো অভদ্র এবং আপনি তাদের স্বাধীনতা দিলে তারা প্রথমেই তার অপব্যবহার করবে। আপনি তাদের বন্দুক দিলে তারা বৃদ্ধাদের গুলি করবে। গাড়ি দিলে বৃদ্ধাদের ওপর দিয়ে চালিয়ে দেবে। আর যদি পোশাক বদলানোর সুযোগ দেন তবে তারা প্রথমেই কাপড় খুলে রাস্তায় দৌড়াবে। যদি আপনি তাদের এই সব করতে বাধা দেন তবে তারা আপনাকে ঘৃণা করবে। সেয়েন্টস রো ২ আপনাকে শুধু বাধাই দেয় না, বরং এই সবের হিসাবও রাখে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/312-Saints-Row-2]
=== ডেড স্পেস ===
* জীবনে অন্তত একবার আমি কোনো ভয়ংকর গেমে এমন এক মহাকাশযান দেখতে চাই যা বসবাসের জন্য চমৎকার জায়গা হতে পারত। মার্জিত আলো, সুন্দর কাঠের কাজ অথবা অন্তত মাঝেমধ্যে একটা কার্পেট থাকা উচিত ছিল। অন্তত তাতে দানবদের আক্রমণ দেখে একটু অবাক হওয়া যেত। সত্যি বলতে, আপনি যদি আপনার মহাকাশযানকে ধূসর রঙের বানান আর তাতে টিমটিমে আলো লাগান, তবে আপনি এর নাম দিতে পারেন "দানবদের আপ্যায়নের জায়গা"!
* আমি শুনেছি অনেকে এর প্রশংসায় পঞ্চমুখ যে এটি কতোটা ভয়ংকর, কিন্তু আসলে এটি শুধু আপনাকে চমকে দেয়। আমার জানালার ওপর একটা কাঠবিড়ালি লাফ দিলেও আমি চমকে যেতাম; কিন্তু তাই বলে সেটি বিশ্ববিখ্যাত সিনেমার সমতুল্য হয়ে যায় না! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/333-Dead-Space]
=== ফেবল ২ ===
* আপনার প্রথমে যা লাগবে তা হলো টাকা। কাজ করে এখন আর আগের মতো টাকা পাওয়া যায় না, তাই আপনাকে চাকরি করতে হবে। কোনো এক যোদ্ধা কবে থেকে বারের কাজ শুরু করল জানি না—না! ইয়াটজি! নিজের প্রত্যাশা ঠিক করো! ঠিক আছে। আপনারা জানেন কীভাবে সাধারণ জীবনের গেমে আপনারা চাকরি করতে পারতেন? আপনার কি মনে আছে যে প্রতিদিন অফিসে গিয়ে ছোট ছোট কাজ করতে হতো? অবশ্যই না! কারণ সেটি ছিল অত্যন্ত বিরক্তিকর!
* এরপর আপনার কাছে কাউকে বিয়ে করার সুযোগ আছে, যদিও কেন কেউ তা করবে সেই প্রশ্নের উত্তর গেমটি সুকৌশলে এড়িয়ে গেছে। সবার একই কণ্ঠস্বর এবং একই ধরণের সংলাপ। তাই আপনি রাস্তায় আপনার প্রিয়তমার অনেক প্রতিলিপি দেখতে পাবেন। এগুলিই ছিল কারণ যার জন্য বিয়ের কয়েক মিনিট পরেই আমি আমার পুরো পরিবারকে শেষ করার সিদ্ধান্ত নিলাম। ঠিক তখনি আমি আবিষ্কার করলাম যে আপনি শিশুদের মারতে পারবেন না। তাহলে 'পুরো স্বাধীনতা' কোথায় গেল? অন্য কেউ আমাকে ছোটবেলায় গুলি করে ভবন থেকে ফেলে দিলে সমস্যা নেই, কিন্তু আমি কিছু করতে গেলেই সমস্যা? আর এই সুযোগে জিজ্ঞেস করি, আমি আমার পোষা প্রাণীকে কেন বিয়ে করতে পারব না? [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/346-Fable-2]
=== ফলআউট ৩ ===
* আমার কাছে যদি লিয়াম নিসন-এর ফোন নম্বর থাকতো তবে আমি তাকে কল করে বলতাম যে তার চলচ্চিত্রটি ঠিকঠাক ছিল এবং তারপর ফোন রেখে পালিয়ে যেতাম। কিন্তু ধরুন আমি তাকে দিয়ে আমার গেমের ডাবিং করাতাম, তবে আমি তাকে শক্তিশালী এক চরিত্রের কণ্ঠ দিতাম যার পা নেই কিন্তু ক্ষেপণাস্ত্র আছে। সে পুরো গেম জুড়ে মহাকাশ যানে করে খেলোয়াড়ের চারপাশে ঘুরে বেড়াত আর বন্ধুত্ব ছড়িয়ে দিত। আমি বলতে চাইছি যে আমি প্রতিভার সঠিক ব্যবহার করতাম। নির্মাতারা বড় বড় অভিনেতা ভাড়া করে কিন্তু গেমের শুরুতে তাদের বিদায় করে দেয়। তারা অবলিভিয়ন-এ এটি করেছিল আর এখন ফলআউট ৩-এ তাই করল।
* গেমগুলো গত বিশ বছর ধরে আমার মধ্যে এই ধারণা ঢুকিয়ে দিয়েছে যে দেশের নায়ক হওয়া মানে সমাজের ছোটখাটো নিয়ম না মানা। আমি একটি গেমের জন্য এতো বছরের শিক্ষা ভুলতে পারব না! [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/420-Fallout-3]
=== গিটার হিরো ওয়ার্ল্ড ট্যুর ===
* প্রথম যে সমস্যার সম্মুখীন আমরা হলাম তা হলো—কেউ গান গাইতে চায় না! এটি এই গেমের একার সমস্যা নয়, বরং এটি এই ধারণারই সমস্যা এবং সম্ভবত আমি যাদের সাথে চলাফেরা করি তাদেরও সমস্যা। যারা গিটার বাজানোর ভান করা পছন্দ করে তারা মূলত অন্তর্মুখী মানুষ যারা নিজেদের দক্ষ গিটারিস্ট হিসেবে কল্পনা করে। অন্যদিকে যারা গান গাওয়ার ভান করা পছন্দ করে তারা হয় সবার মনোযোগ আকর্ষণ করতে চায় অথবা তারা সাধারণ মানুষ যারা প্রচুর নেশা করে আশি দশকের গান গাওয়ার চেষ্টা করছে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/452-Guitar-Hero-World-Tour]
=== মিরর'স এজ ===
* বেশিরভাগ মানুষের জন্য মিরর'স এজ-এর প্রথম ঝলক তাদের প্রত্যাশাকে বাড়িয়ে দিয়েছিল, কিন্তু পূর্ণ গেমটি কেনার পর তারা বুঝতে পারল যে তারা আসলে ভুল কিছু দেখেছিল।
* এবং হ্যাঁ, উজ্জ্বল সূর্যের আলোতে সাদা রঙের দৃশ্যগুলো মিলেমিশে একাকার হয়ে যাওয়াটা হয়তো বাস্তবসম্মত হতে পারে, কিন্তু সেটি আপনাকে ভবন থেকে পড়ে যাওয়া আটকাতে কোনো সাহায্য করবে না। মিরর'স এজ যেন একজন নকশাকারী যার মাথায় পাম্প ঢোকানো। সে বলছে, "যেহেতু সেটি আপনার সমস্যা, তাই আমি অর্ধেক গেম সংকীর্ণ টানেলের মধ্যে রাখব যা দৌড়ানোর আনন্দ কেড়ে নেবে!" এবং সে তাই করল। সংক্ষেপে বলতে গেলে—ত্রুটিপূর্ণ ধারণা, বাজে কাজ, দ্বিধাগ্রস্ত নকশা, অস্পষ্ট গল্প এবং বিরক্তিকর চরিত্র। এই সবকিছু মিলালেই পাওয়া যায় মিরর'স এজ। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/457-Mirrors-Edge]
=== লেফট ৪ ডেড ===
* আমার পর্যবেক্ষণ হলো—জম্বিরা হলো সেই সব জিনিসের তালিকায় আছে যাদের নিয়ে মানুষের চুপ থাকা উচিত। তারা জম্বি নিয়ে চলচ্চিত্র দেখে, তাদের মতো পোশাক পরে ঘুরে বেড়ায়; এবং মনে হয় প্রতিবার নতুন কোনো প্রযুক্তি বাজারে আসলে কেউ না কেউ তা দিয়ে জম্বি গেম বানানোর চেষ্টা করে। সমাজের পতন সেই সব মানুষের কাছে আকর্ষণীয় যাদের কোনো সামাজিক দক্ষতা নেই; কারণ যদিও আপনাকে সারাজীবন দানবদের থেকে লুকিয়ে থাকতে হতে পারে, অন্তত বড়রা আপনাকে আর ডাস্টবিনে আটকে রেখে সিঁড়ি দিয়ে লাথি মেরে নিচে ফেলে দেবে না।
* ...একই কাজের পুনরাবৃত্তি "এআই ডিরেক্টর" দ্বারা সহজ করা হয়েছে—এক সর্বশক্তিমান চরিত্র যে ছায়া থেকে সব লক্ষ্য করে। সে উত্তেজনার তৈরির জন্য আপনার প্রয়োজনে সাহায্য জোগায়, আর যখন সে বিরক্ত হয় তখন কোটি কোটি জম্বি আপনার সামনে পাঠায়। এই ব্যবস্থাটিকে মানুষের রূপ দেওয়া সম্ভবত একটি বুদ্ধিদীপ্ত কাজ ছিল, কারণ যখন সবকিছু খারাপের দিকে যায়, তখন সবাই কাউকে দোষ দিতে পছন্দ করে যে নিজেকে রক্ষা করতে পারবে না। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/459-Left-4-Dead]
=== সোনিক আনলিশড ===
* সোনিক দ্য হেজহগ গেমিং জগতের এক বড় তারকার মতো। সে পর পর অনেকগুলো জনপ্রিয় গেম উপহার দিয়েছে, প্রচুর টাকা কামিয়েছে, বিচিত্র সব মানুষের সাথে ঘুরে বেড়িয়েছে এবং সময়ের সাথে সাথে তার পতন ঘটেছে। এখন তার প্রদর্শনীতে কেবল বড়রাই উপস্থিত হয় যারা হতাশায় মাথা নাড়তে থাকে। তার এখন কেবল একটি কাজই বাকি আছে—সব ছেড়ে বিদায় নেওয়া!
* এটি ধরে নেওয়া নিরাপদ যে সোনিক দলের প্রকৃত প্রতিভাবানরা অনেক আগেই কোম্পানি ছেড়ে চলে গেছেন এবং এখন সেখানে একদল অকেজো মানুষ কাজ করছে যারা শুধু আজেবাজে আইডিয়া বানায়।
* আপনি যদি দ্রুত কাজে ঝাঁপিয়ে পড়তে পছন্দ করেন তবে এটি আপনার জন্য নয়। আর সত্যি বলতে, আপনি যদি পছন্দ না করেন তবুও এটি আপনার জন্য নয়! আমি জানি না কোন ধরণের মানুষ এটিকে নিজের পছন্দের গেম বলবে। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/472-Sonic-Unleashed]
=== প্রিন্স অফ পারসিয়া ===
* প্রিন্স অফ পারসিয়া সিরিজটিকে এমন একজনের সাথে তুলনা করা যায় যার একটি রাজহাঁস ছিল যা এক সময় সোনার ডিম পেড়েছিল। এরপর সে বছরের পর বছর হাঁসটির খাবার এবং থাকার জায়গা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে থাকল এই আশায় যে সেটি আবার সোনার ডিম পাড়বে। যখন কিছুই হলো না তখন সে হাঁসটিকে কেটে রহস্য খুঁজল। তাতেও কাজ না হলে সে তাড়াহুড়ো করে হাঁসটিকে জোড়া দিল এবং তার গায়ে চুমকি লাগিয়ে দিল। আর এই নতুন প্রিন্স অফ পারসিয়া হলো সেই হাঁসটিই—যা দেখতে সুন্দর হলেও ভেতর থেকে মরে গেছে।
* বেঞ্জামিন ফ্র্যাঙ্কলিন-এর একটি উক্তিকে ভুলভাবে উদ্ধৃত করে বলি, "যে ব্যক্তি গতির বদলে স্বাধীনতার সুযোগ পাওয়ার জন্য ব্যবসা করে, সে দুটোর কোনোটিরই যোগ্য নয়।" [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/482-Prince-of-Persia]
=== ২০০৮ সালের পুরস্কার ===
* <p>'''অপ্রত্যাশিত খারাপ মানের জন্য 'বিশেষ' পুরস্কার: গ্র্যান্ড থেফট অটো ৪'''</p><p>মিরর'স এজ এই পুরস্কারের জন্য বড় দাবিদার ছিল, কিন্তু আমি মনে করলাম যে বড় কোম্পানির গেম খারাপ হওয়াটা আমার জন্য কোনো অবাক হওয়ার বিষয় ছিল না। তাই পুরস্কারটি পায় গ্র্যান্ড থেফট অটো ৪। তারা ভেবেছিল নতুন প্রজন্মের যন্ত্রে মজা দেওয়ার সেরা উপায় হলো দৃশ্যপটকে নোংরা করা এবং প্রতি পাঁচ মিনিট পরপর খেলা বন্ধ করে আপনার মোটা আত্মীয়কে এখানে-ওখানে নিয়ে গিয়ে খাবার খাওয়ানো। রকস্টার-এর সবাইকে অভিনন্দন, যদি না তারা ঘুমিয়ে থাকেন। [http://www.escapistmagazine.com/videos/view/zero-punctuation/486-Awards-for-2008]</p>
s4o5eknu0svayt54mhe00pldauxq2v4
হরিশ-চন্দ্র
0
12044
73829
2026-04-05T14:02:33Z
Sumanta3023
4175
"'''[[w:হরিশ-চন্দ্র|হরিশ-চন্দ্র মেহরোত্রা]]''' (১১ অক্টোবর ১৯২৩ – ১৬ অক্টোবর ১৯৮৩) ছিলেন একজন ভারতীয় আমেরিকান [[গণিতবিদ|গণিতবিদ]] এবং [[পদার্থবিজ্ঞানী|পদার্থবিজ্ঞানী]] যিনি রিপ্রে..." দিয়ে পাতা তৈরি
73829
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:হরিশ-চন্দ্র|হরিশ-চন্দ্র মেহরোত্রা]]''' (১১ অক্টোবর ১৯২৩ – ১৬ অক্টোবর ১৯৮৩) ছিলেন একজন ভারতীয় আমেরিকান [[গণিতবিদ|গণিতবিদ]] এবং [[পদার্থবিজ্ঞানী|পদার্থবিজ্ঞানী]] যিনি [[রিপ্রেজেন্টেশন থিওরি|রিপ্রেজেন্টেশন থিওরি]], বিশেষ করে সেমিসিম্পল লি গ্রুপগুলোর ওপর [[হারমোনিক অ্যানালাইসিস|হারমোনিক অ্যানালাইসিসে]] মৌলিক কাজ করেছেন।
{{scientist-stub}}
iv9nbpwwow0pgdazgt6a3g999o6jhrc
73830
73829
2026-04-05T14:04:06Z
Sumanta3023
4175
73830
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:হরিশ-চন্দ্র|হরিশ-চন্দ্র মেহরোত্রা]]''' (১১ অক্টোবর ১৯২৩ – ১৬ অক্টোবর ১৯৮৩) ছিলেন একজন ভারতীয় আমেরিকান [[গণিতবিদ|গণিতবিদ]] এবং [[পদার্থবিজ্ঞানী|পদার্থবিজ্ঞানী]] যিনি [[উপস্থাপনা তত্ত্ব|উপস্থাপনা তত্ত্ব]], বিশেষ করে সেমিসিম্পল লি গ্রুপগুলোর ওপর [[হারমোনিক বিশ্লেষণ|হারমোনিক বিশ্লেষণে]] মৌলিক কাজ করেছেন।
{{scientist-stub}}
0ak89um04c450oq5wx74m7bijyq39gz
73832
73830
2026-04-05T14:08:12Z
Sumanta3023
4175
73832
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:হরিশ-চন্দ্র|হরিশ-চন্দ্র মেহরোত্রা]]''' (১১ অক্টোবর ১৯২৩ – ১৬ অক্টোবর ১৯৮৩) ছিলেন একজন ভারতীয় আমেরিকান [[গণিতবিদ|গণিতবিদ]] এবং [[পদার্থবিজ্ঞানী|পদার্থবিজ্ঞানী]] যিনি [[উপস্থাপনা তত্ত্ব|উপস্থাপনা তত্ত্ব]], বিশেষ করে সেমিসিম্পল লি গ্রুপগুলোর ওপর [[হারমোনিক বিশ্লেষণ|হারমোনিক বিশ্লেষণে]] মৌলিক কাজ করেছেন।
{{scientist-stub}}
== উক্তি ==
* আমি প্রায়ই আবিষ্কারের প্রক্রিয়ায় একদিকে [[জ্ঞান|জ্ঞান]] বা [[অভিজ্ঞতা|অভিজ্ঞতা]] এবং অন্যদিকে [[কল্পনা|কল্পনা]] বা [[অন্তর্দৃষ্টি|অন্তর্দৃষ্টির]] ভূমিকা নিয়ে গভীরভাবে ভেবেছি। আমি বিশ্বাস করি যে এই দুটির মধ্যে এক ধরণের মৌলিক দ্বন্দ্ব রয়েছে এবং জ্ঞান, সতর্কতা অবলম্বনের কথা বলে অনেক সময় কল্পনার উড়ানকে বাধাগ্রস্ত করে। তাই প্রচলিত প্রজ্ঞা বা জ্ঞানের বোঝা মুক্ত এক ধরণের সারল্য কখনও কখনও ইতিবাচক সম্পদ হতে পারে।
** হরিশ-চন্দ্র, [[রবার্ট ল্যাঙ্গল্যান্ডস|রবার্ট ল্যাঙ্গল্যান্ডস]] কর্তৃক উদ্ধৃত: [https://royalsocietypublishing.org/doi/10.1098/rsbm.1985.0008 "হরিশ-চন্দ্র। ১১ অক্টোবর ১৯২৩ - ১৬ অক্টোবর ১৯৮৩।"], ''বায়োগ্রাফিক্যাল মেমোয়ার্স অফ ফেলোস অফ দ্য রয়্যাল সোসাইটি অফ লন্ডন,'' ৩১ (১৯৮৫), ১৯৯-২২৫।
* গণিতে আমরা একমত যে স্বচ্ছ চিন্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু অস্পষ্ট চিন্তাও ঠিক ততটাই গুরুত্বপূর্ণ।
** হরিশ-চন্দ্র, [[রবার্ট ল্যাঙ্গল্যান্ডস|রবার্ট ল্যাঙ্গল্যান্ডস]] কর্তৃক উদ্ধৃত: [https://royalsocietypublishing.org/doi/10.1098/rsbm.1985.0008 "হরিশ-চন্দ্র। ১১ অক্টোবর ১৯২৩ - ১৬ অক্টোবর ১৯৮৩।"], ''বায়োগ্রাফিক্যাল মেমোয়ার্স অফ ফেলোস অফ দ্য রয়্যাল সোসাইটি অফ লন্ডন,'' ৩১ (১৯৮৫), ১৯৯-২২৫। (উদ্ধৃতি পৃষ্ঠা ২১১ থেকে)।
8nr08u7pyfxjef3obo7hh4lwyhsmgyu
73834
73832
2026-04-05T14:12:16Z
Sumanta3023
4175
/* উক্তি */
73834
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:হরিশ-চন্দ্র|হরিশ-চন্দ্র মেহরোত্রা]]''' (১১ অক্টোবর ১৯২৩ – ১৬ অক্টোবর ১৯৮৩) ছিলেন একজন ভারতীয় আমেরিকান [[গণিতবিদ|গণিতবিদ]] এবং [[পদার্থবিজ্ঞানী|পদার্থবিজ্ঞানী]] যিনি [[উপস্থাপনা তত্ত্ব|উপস্থাপনা তত্ত্ব]], বিশেষ করে সেমিসিম্পল লি গ্রুপগুলোর ওপর [[হারমোনিক বিশ্লেষণ|হারমোনিক বিশ্লেষণে]] মৌলিক কাজ করেছেন।
{{scientist-stub}}
== উক্তি ==
* আমি প্রায়ই আবিষ্কারের প্রক্রিয়ায় একদিকে [[জ্ঞান|জ্ঞান]] বা [[অভিজ্ঞতা|অভিজ্ঞতা]] এবং অন্যদিকে [[কল্পনা|কল্পনা]] বা [[অন্তর্দৃষ্টি|অন্তর্দৃষ্টির]] ভূমিকা নিয়ে গভীরভাবে ভেবেছি। আমি বিশ্বাস করি যে এই দুটির মধ্যে এক ধরণের মৌলিক দ্বন্দ্ব রয়েছে এবং জ্ঞান, সতর্কতা অবলম্বনের কথা বলে অনেক সময় কল্পনার উড়ানকে বাধাগ্রস্ত করে। তাই প্রচলিত প্রজ্ঞা বা জ্ঞানের বোঝা মুক্ত এক ধরণের সারল্য কখনও কখনও ইতিবাচক সম্পদ হতে পারে।
** হরিশ-চন্দ্র, [[রবার্ট ল্যাঙ্গল্যান্ডস|রবার্ট ল্যাঙ্গল্যান্ডস]] কর্তৃক উদ্ধৃত: [https://royalsocietypublishing.org/doi/10.1098/rsbm.1985.0008 "হরিশ-চন্দ্র। ১১ অক্টোবর ১৯২৩ - ১৬ অক্টোবর ১৯৮৩।"], ''বায়োগ্রাফিক্যাল মেমোয়ার্স অফ ফেলোস অফ দ্য রয়্যাল সোসাইটি অফ লন্ডন,'' ৩১ (১৯৮৫), ১৯৯-২২৫।
* গণিতে আমরা একমত যে স্বচ্ছ চিন্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু অস্পষ্ট চিন্তাও ঠিক ততটাই গুরুত্বপূর্ণ।
** হরিশ-চন্দ্র, [[রবার্ট ল্যাঙ্গল্যান্ডস|রবার্ট ল্যাঙ্গল্যান্ডস]] কর্তৃক উদ্ধৃত: [https://royalsocietypublishing.org/doi/10.1098/rsbm.1985.0008 "হরিশ-চন্দ্র। ১১ অক্টোবর ১৯২৩ - ১৬ অক্টোবর ১৯৮৩।"], ''বায়োগ্রাফিক্যাল মেমোয়ার্স অফ ফেলোস অফ দ্য রয়্যাল সোসাইটি অফ লন্ডন,'' ৩১ (১৯৮৫), ১৯৯-২২৫। (উদ্ধৃতি পৃষ্ঠা ২১১ থেকে)।
== হরিশ-চন্দ্র সম্পর্কে উক্তি ==
* বুরবাকি নামটি টিকিয়ে রাখার আরেকটি প্রকল্প হলো ''সেমিনেয়ার নিকোলাস বুরবাকি'' (Seminaire Nicolas Bourbaki), যা ১৯৪৮ সালে শুরু হওয়া সমসাময়িক গণিতের ওপর প্রতি বছর প্রায় ১২-২০টি সেমিনারের একটি সিরিজ। এই সিরিজে সেমিনার দেওয়ার জন্য আমন্ত্রিত হওয়া একটি সম্মানের বিষয় বলে বিবেচিত হয়; এখন পর্যন্ত এই সেমিনারে স্থান পাওয়া একমাত্র ভারতীয় হলেন হরিশ-চন্দ্র, যিনি ১৯৫৭-৫৮ সিরিজে একটি বক্তব্য দিয়েছিলেন এবং ধারণা করা হয় যে, এর ফলে তিনি ১৯৫৮ সালে ফিল্ডস মেডেল জেতার সুযোগ হারিয়েছিলেন! (১৯৫৮ সালের আইসিএম-এ ফিল্ডস মেডেল কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন [[w:কার্ল লুডভিগ সিগেল|কার্ল লুডভিগ সিগেল]]!)
** {{cite journal|author=সি. এস. যোগানন্দ|title=Life and Times of Bourbaki|date=জুন ২০১৫|journal=Resonance|pages=৫৫৬–৫৫৯|url=http://www.ias.ac.in/article/fulltext/reso/020/06/0556-0559}} (উদ্ধৃতি পৃষ্ঠা ৫৫৮–৫৫৯ থেকে) হিসেবে উদ্ধৃত।
2yuw0rj6tfrs7hp18q3e0r75lbkeyeo
73835
73834
2026-04-05T14:12:43Z
Sumanta3023
4175
/* হরিশ-চন্দ্র সম্পর্কে উক্তি */
73835
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:হরিশ-চন্দ্র|হরিশ-চন্দ্র মেহরোত্রা]]''' (১১ অক্টোবর ১৯২৩ – ১৬ অক্টোবর ১৯৮৩) ছিলেন একজন ভারতীয় আমেরিকান [[গণিতবিদ|গণিতবিদ]] এবং [[পদার্থবিজ্ঞানী|পদার্থবিজ্ঞানী]] যিনি [[উপস্থাপনা তত্ত্ব|উপস্থাপনা তত্ত্ব]], বিশেষ করে সেমিসিম্পল লি গ্রুপগুলোর ওপর [[হারমোনিক বিশ্লেষণ|হারমোনিক বিশ্লেষণে]] মৌলিক কাজ করেছেন।
{{scientist-stub}}
== উক্তি ==
* আমি প্রায়ই আবিষ্কারের প্রক্রিয়ায় একদিকে [[জ্ঞান|জ্ঞান]] বা [[অভিজ্ঞতা|অভিজ্ঞতা]] এবং অন্যদিকে [[কল্পনা|কল্পনা]] বা [[অন্তর্দৃষ্টি|অন্তর্দৃষ্টির]] ভূমিকা নিয়ে গভীরভাবে ভেবেছি। আমি বিশ্বাস করি যে এই দুটির মধ্যে এক ধরণের মৌলিক দ্বন্দ্ব রয়েছে এবং জ্ঞান, সতর্কতা অবলম্বনের কথা বলে অনেক সময় কল্পনার উড়ানকে বাধাগ্রস্ত করে। তাই প্রচলিত প্রজ্ঞা বা জ্ঞানের বোঝা মুক্ত এক ধরণের সারল্য কখনও কখনও ইতিবাচক সম্পদ হতে পারে।
** হরিশ-চন্দ্র, [[রবার্ট ল্যাঙ্গল্যান্ডস|রবার্ট ল্যাঙ্গল্যান্ডস]] কর্তৃক উদ্ধৃত: [https://royalsocietypublishing.org/doi/10.1098/rsbm.1985.0008 "হরিশ-চন্দ্র। ১১ অক্টোবর ১৯২৩ - ১৬ অক্টোবর ১৯৮৩।"], ''বায়োগ্রাফিক্যাল মেমোয়ার্স অফ ফেলোস অফ দ্য রয়্যাল সোসাইটি অফ লন্ডন,'' ৩১ (১৯৮৫), ১৯৯-২২৫।
* গণিতে আমরা একমত যে স্বচ্ছ চিন্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু অস্পষ্ট চিন্তাও ঠিক ততটাই গুরুত্বপূর্ণ।
** হরিশ-চন্দ্র, [[রবার্ট ল্যাঙ্গল্যান্ডস|রবার্ট ল্যাঙ্গল্যান্ডস]] কর্তৃক উদ্ধৃত: [https://royalsocietypublishing.org/doi/10.1098/rsbm.1985.0008 "হরিশ-চন্দ্র। ১১ অক্টোবর ১৯২৩ - ১৬ অক্টোবর ১৯৮৩।"], ''বায়োগ্রাফিক্যাল মেমোয়ার্স অফ ফেলোস অফ দ্য রয়্যাল সোসাইটি অফ লন্ডন,'' ৩১ (১৯৮৫), ১৯৯-২২৫। (উদ্ধৃতি পৃষ্ঠা ২১১ থেকে)।
== হরিশ-চন্দ্র সম্পর্কে উক্তি ==
* বুরবাকি নামটি টিকিয়ে রাখার আরেকটি প্রকল্প হলো ''সেমিনেয়ার নিকোলাস বুরবাকি'', যা ১৯৪৮ সালে শুরু হওয়া সমসাময়িক গণিতের ওপর প্রতি বছর প্রায় ১২-২০টি সেমিনারের একটি সিরিজ। এই সিরিজে সেমিনার দেওয়ার জন্য আমন্ত্রিত হওয়া একটি সম্মানের বিষয় বলে বিবেচিত হয়; এখন পর্যন্ত এই সেমিনারে স্থান পাওয়া একমাত্র ভারতীয় হলেন হরিশ-চন্দ্র, যিনি ১৯৫৭-৫৮ সিরিজে একটি বক্তব্য দিয়েছিলেন এবং ধারণা করা হয় যে, এর ফলে তিনি ১৯৫৮ সালে ফিল্ডস মেডেল জেতার সুযোগ হারিয়েছিলেন! (১৯৫৮ সালের আইসিএম-এ ফিল্ডস মেডেল কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন [[w:কার্ল লুডভিগ সিগেল|কার্ল লুডভিগ সিগেল]]!)
** {{cite journal|author=সি. এস. যোগানন্দ|title=লাইফ অ্যান্ড টাইমস অফ বুরবাকি|date=জুন ২০১৫|journal=রেজোন্যান্স|pages=৫৫৬–৫৫৯|url=http://www.ias.ac.in/article/fulltext/reso/020/06/0556-0559}} (উদ্ধৃতি পৃষ্ঠা ৫৫৮–৫৫৯ থেকে) হিসেবে উদ্ধৃত।
gpl4rf6sl2nurv5kinjbht0bpn2tj77
73836
73835
2026-04-05T14:13:24Z
Sumanta3023
4175
/* হরিশ-চন্দ্র সম্পর্কে উক্তি */
73836
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:হরিশ-চন্দ্র|হরিশ-চন্দ্র মেহরোত্রা]]''' (১১ অক্টোবর ১৯২৩ – ১৬ অক্টোবর ১৯৮৩) ছিলেন একজন ভারতীয় আমেরিকান [[গণিতবিদ|গণিতবিদ]] এবং [[পদার্থবিজ্ঞানী|পদার্থবিজ্ঞানী]] যিনি [[উপস্থাপনা তত্ত্ব|উপস্থাপনা তত্ত্ব]], বিশেষ করে সেমিসিম্পল লি গ্রুপগুলোর ওপর [[হারমোনিক বিশ্লেষণ|হারমোনিক বিশ্লেষণে]] মৌলিক কাজ করেছেন।
{{scientist-stub}}
== উক্তি ==
* আমি প্রায়ই আবিষ্কারের প্রক্রিয়ায় একদিকে [[জ্ঞান|জ্ঞান]] বা [[অভিজ্ঞতা|অভিজ্ঞতা]] এবং অন্যদিকে [[কল্পনা|কল্পনা]] বা [[অন্তর্দৃষ্টি|অন্তর্দৃষ্টির]] ভূমিকা নিয়ে গভীরভাবে ভেবেছি। আমি বিশ্বাস করি যে এই দুটির মধ্যে এক ধরণের মৌলিক দ্বন্দ্ব রয়েছে এবং জ্ঞান, সতর্কতা অবলম্বনের কথা বলে অনেক সময় কল্পনার উড়ানকে বাধাগ্রস্ত করে। তাই প্রচলিত প্রজ্ঞা বা জ্ঞানের বোঝা মুক্ত এক ধরণের সারল্য কখনও কখনও ইতিবাচক সম্পদ হতে পারে।
** হরিশ-চন্দ্র, [[রবার্ট ল্যাঙ্গল্যান্ডস|রবার্ট ল্যাঙ্গল্যান্ডস]] কর্তৃক উদ্ধৃত: [https://royalsocietypublishing.org/doi/10.1098/rsbm.1985.0008 "হরিশ-চন্দ্র। ১১ অক্টোবর ১৯২৩ - ১৬ অক্টোবর ১৯৮৩।"], ''বায়োগ্রাফিক্যাল মেমোয়ার্স অফ ফেলোস অফ দ্য রয়্যাল সোসাইটি অফ লন্ডন,'' ৩১ (১৯৮৫), ১৯৯-২২৫।
* গণিতে আমরা একমত যে স্বচ্ছ চিন্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু অস্পষ্ট চিন্তাও ঠিক ততটাই গুরুত্বপূর্ণ।
** হরিশ-চন্দ্র, [[রবার্ট ল্যাঙ্গল্যান্ডস|রবার্ট ল্যাঙ্গল্যান্ডস]] কর্তৃক উদ্ধৃত: [https://royalsocietypublishing.org/doi/10.1098/rsbm.1985.0008 "হরিশ-চন্দ্র। ১১ অক্টোবর ১৯২৩ - ১৬ অক্টোবর ১৯৮৩।"], ''বায়োগ্রাফিক্যাল মেমোয়ার্স অফ ফেলোস অফ দ্য রয়্যাল সোসাইটি অফ লন্ডন,'' ৩১ (১৯৮৫), ১৯৯-২২৫। (উদ্ধৃতি পৃষ্ঠা ২১১ থেকে)।
== হরিশ-চন্দ্র সম্পর্কে উক্তি ==
* বুরবাকি নামটি টিকিয়ে রাখার আরেকটি প্রকল্প হলো ''সেমিনেয়ার নিকোলাস বুরবাকি'', যা ১৯৪৮ সালে শুরু হওয়া সমসাময়িক গণিতের ওপর প্রতি বছর প্রায় ১২-২০টি সেমিনারের একটি সিরিজ। এই সিরিজে সেমিনার দেওয়ার জন্য আমন্ত্রিত হওয়া একটি সম্মানের বিষয় বলে বিবেচিত হয়; এখন পর্যন্ত এই সেমিনারে স্থান পাওয়া একমাত্র ভারতীয় হলেন হরিশ-চন্দ্র, যিনি ১৯৫৭-৫৮ সিরিজে একটি বক্তব্য দিয়েছিলেন এবং ধারণা করা হয় যে, এর ফলে তিনি ১৯৫৮ সালে ফিল্ডস মেডেল জেতার সুযোগ হারিয়েছিলেন! (১৯৫৮ সালের আইসিএম-এ ফিল্ডস মেডেল কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন [[w:কার্ল লুডভিগ সিগেল|কার্ল লুডভিগ সিগেল]]!)
** {{cite journal|author=সি. এস. যোগানন্দ|title=লাইফ অ্যান্ড টাইমস অফ বুরবাকি|date=জুন ২০১৫|journal=রেজোন্যান্স|pages=৫৫৬–৫৫৯|url=http://www.ias.ac.in/article/fulltext/reso/020/06/0556-0559}} (উদ্ধৃতি পৃষ্ঠা ৫৫৮–৫৫৯ থেকে) হিসেবে উদ্ধৃত।
== বহিঃসংযোগ ==
{{wikipedia}}
{{DEFAULTSORT:মেহরোত্রা, হরিশ-চন্দ্র}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গণিতবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পদার্থবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের পদার্থবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৮৩-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের গণিতবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]]
[[বিষয়শ্রেণী:রয়্যাল সোসাইটির ফেলো]]
f596uk58li0gyjnck3bdu16fw7v9yno
আলাপ:হরিশ-চন্দ্র
1
12045
73837
2026-04-05T14:14:04Z
Sumanta3023
4175
https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026
73837
wikitext
text/x-wiki
{{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}}
s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm
চা
0
12046
73847
2026-04-05T14:34:12Z
Salil Kumar Mukherjee
39
নুতন পাতা
73847
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চা|চা]]''' হলো একটি সুগন্ধি পানীয় যা ক্যামেলিয়া সিনেনসিস গাছের প্রক্রিয়াজাত পাতা গরম জলে মিশিয়ে তৈরি করা হয়। জলের পর, চা হলো বিশ্বের সবচেয়ে বেশি উপভোগ্য পানীয়। এর একটি শীতল, সামান্য তিক্ত ও কষাটে স্বাদ রয়েছে যা অনেকেই পছন্দ করেন। ১৬৫০ খ্রিষ্টাব্দে চীনে বাণিজ্যিকভাবে চায়ের উৎপাদন শুরু হয়। আর ভারতবর্ষে এর চাষ শুরু হয় ১৮১৮ খ্রিষ্টাব্দে। চা গাছ হতে পাতা সংগ্রহ করতে ব্যক্তিকে যথেষ্ট নৈপুণ্য ও দক্ষতা অর্জন করতে হয়। কারণ দু'টি পাতা ও একটি কুঁড়ি একসঙ্গে তুলতে না পারলে চায়ের উৎকর্ষ ও আমেজ অনেকাংশেই নষ্ট হয়ে যায়।
== উক্তি ==
* আফগানিস্থানে দু রকমের চা-এর প্রচলন আছে, যথা—ইংলিশ চা এবং “চায়”। দার্জিলিং, সিংহল এবং আসাম হতে আফগানিস্থানে যে চা যায় তাকে ইংলিশ চা বলা হয়। ইংলিশ চা-তে দুধ এবং চিনির দরকার হয়। “চায়” আসে [[চীন]] দেশ থেকে। সেই পাতা গরম জলে ভিজিয়ে দিলেই ক্বাথ বের হয়। সেই ক্বাথকেই বলে “চায়”।
** আফগানিস্থান ভ্রমণ - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- অশোক পুস্তকালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৭
* পাংখাবাড়ি থেকে কারসিয়ং দুধারে ঝরনা আর চা বাগান সবজী-খেত, থাকে-থাকে পাহাড়ের গায়ে পাহাড়ি বস্তি, সাহেবদের কুঠি, কার্সিয়ং শহরটা যেন আর একটা ঝরনার মতো দেখা যাচ্ছে—পাহাড়ি গোলাপ গেঁদা গাছা-আগাছার কুঁড়ি ধরেছে।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], টুং-সোন্নাটা-ঘুম, বুড়ো আংলা- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৭
* বাণ গৌড়ী রীতির লক্ষণ বলেছেন, অক্ষরডম্বর। এই আড়ম্বরের প্রবৃত্তি এখনও আছে। অনেক বাক্যে অকারণে শব্দবাহুল্য এসে পড়েছে, লেখকরা গতানুগতিক ভাবে এই সব সাড়ম্বর বাক্য প্রয়োগ করেন। ‘সন্দেহ নাই’—এই সরল প্রয়োগ প্রায় উঠে গেছে, তার বদলে চলছে—‘সন্দেহের অবকাশ নাই’। ‘চা পান’ বা ‘চা খাওয়া’ চলে না, ‘চা পর্ব’ লেখা হয়। ‘মিষ্টান্ন খাইলাম’ স্থানে ‘মিষ্টান্নের সদ্ব্যবহার করা গেল’। মাঝে মাঝে অলংকার হিসাবে এরকন প্রয়োগ সার্থক হতে পারে, কিন্তু যদি বার বার দেখা যায় তবে তা মুদ্রাদোষ।
** [[রাজশেখর বসু]], ভাষার মুদ্রাদোষ ও বিকার, বিচিন্তা - রাজশেখর বসু, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৬-৩৭
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
== আরও দেখুন ==
* [[কফি]]
[[বিষয়শ্রেণী:খাদ্য ও পানীয়]]
3ngup8viyt6ycnjcmhq30mvfga5x7jf
73849
73847
2026-04-05T14:36:44Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
73849
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চা|চা]]''' হলো একটি সুগন্ধি পানীয় যা ক্যামেলিয়া সিনেনসিস গাছের প্রক্রিয়াজাত পাতা গরম জলে মিশিয়ে তৈরি করা হয়। জলের পর, চা হলো বিশ্বের সবচেয়ে বেশি উপভোগ্য পানীয়। এর একটি শীতল, সামান্য তিক্ত ও কষাটে স্বাদ রয়েছে যা অনেকেই পছন্দ করেন। ১৬৫০ খ্রিষ্টাব্দে চীনে বাণিজ্যিকভাবে চায়ের উৎপাদন শুরু হয়। আর ভারতবর্ষে এর চাষ শুরু হয় ১৮১৮ খ্রিষ্টাব্দে। চা গাছ হতে পাতা সংগ্রহ করতে ব্যক্তিকে যথেষ্ট নৈপুণ্য ও দক্ষতা অর্জন করতে হয়। কারণ দু'টি পাতা ও একটি কুঁড়ি একসঙ্গে তুলতে না পারলে চায়ের উৎকর্ষ ও আমেজ অনেকাংশেই নষ্ট হয়ে যায়।
== উক্তি ==
* আফগানিস্থানে দু রকমের চা-এর প্রচলন আছে, যথা—ইংলিশ চা এবং “চায়”। দার্জিলিং, সিংহল এবং আসাম হতে আফগানিস্থানে যে চা যায় তাকে ইংলিশ চা বলা হয়। ইংলিশ চা-তে দুধ এবং চিনির দরকার হয়। “চায়” আসে [[চীন]] দেশ থেকে। সেই পাতা গরম জলে ভিজিয়ে দিলেই ক্বাথ বের হয়। সেই ক্বাথকেই বলে “চায়”।
** আফগানিস্থান ভ্রমণ - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- অশোক পুস্তকালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৭
* পাংখাবাড়ি থেকে কারসিয়ং দুধারে ঝরনা আর চা বাগান সবজী-খেত, থাকে-থাকে পাহাড়ের গায়ে পাহাড়ি বস্তি, সাহেবদের কুঠি, কার্সিয়ং শহরটা যেন আর একটা ঝরনার মতো দেখা যাচ্ছে—পাহাড়ি গোলাপ গেঁদা গাছা-আগাছার কুঁড়ি ধরেছে।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], টুং-সোন্নাটা-ঘুম, বুড়ো আংলা- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৭
* টোকিও নগরে কাগজের প্রকাণ্ড কারখানা আছে। তথায় মিৎসুমাতো, কোজো ও গাম্পি নামক বৃক্ষ হইতে কাগজ প্রস্তুত হইয়া থাকে। কাঠে কাগজ হয়, কাগজে গৃহ নির্ম্মিত হয়, কড়ি, বরগা প্রস্তুত হয়, রেল প্রস্তুত হয়, জলের নৌকা হয় এবং চা তৈয়ারির কেটলি প্রস্তুত হয়।
** উমাকান্ত হাজারী, জাপানের বাণিজ্য, নব্য জাপান ও রুষ জাপান যুদ্ধের ইতিহাস - উমাকান্ত হাজারী, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭০
* বাণ গৌড়ী রীতির লক্ষণ বলেছেন, অক্ষরডম্বর। এই আড়ম্বরের প্রবৃত্তি এখনও আছে। অনেক বাক্যে অকারণে শব্দবাহুল্য এসে পড়েছে, লেখকরা গতানুগতিক ভাবে এই সব সাড়ম্বর বাক্য প্রয়োগ করেন। ‘সন্দেহ নাই’—এই সরল প্রয়োগ প্রায় উঠে গেছে, তার বদলে চলছে—‘সন্দেহের অবকাশ নাই’। ‘চা পান’ বা ‘চা খাওয়া’ চলে না, ‘চা পর্ব’ লেখা হয়। ‘মিষ্টান্ন খাইলাম’ স্থানে ‘মিষ্টান্নের সদ্ব্যবহার করা গেল’। মাঝে মাঝে অলংকার হিসাবে এরকন প্রয়োগ সার্থক হতে পারে, কিন্তু যদি বার বার দেখা যায় তবে তা মুদ্রাদোষ।
** [[রাজশেখর বসু]], ভাষার মুদ্রাদোষ ও বিকার, বিচিন্তা - রাজশেখর বসু, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৬-৩৭
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
== আরও দেখুন ==
* [[কফি]]
[[বিষয়শ্রেণী:খাদ্য ও পানীয়]]
luoe6xdnq4ta2o1xvm4cyty1ttfig1r
73852
73849
2026-04-05T14:50:55Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
73852
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চা|চা]]''' হলো একটি সুগন্ধি পানীয় যা ক্যামেলিয়া সিনেনসিস গাছের প্রক্রিয়াজাত পাতা গরম জলে মিশিয়ে তৈরি করা হয়। জলের পর, চা হলো বিশ্বের সবচেয়ে বেশি উপভোগ্য পানীয়। এর একটি শীতল, সামান্য তিক্ত ও কষাটে স্বাদ রয়েছে যা অনেকেই পছন্দ করেন। ১৬৫০ খ্রিষ্টাব্দে চীনে বাণিজ্যিকভাবে চায়ের উৎপাদন শুরু হয়। আর ভারতবর্ষে এর চাষ শুরু হয় ১৮১৮ খ্রিষ্টাব্দে। চা গাছ হতে পাতা সংগ্রহ করতে ব্যক্তিকে যথেষ্ট নৈপুণ্য ও দক্ষতা অর্জন করতে হয়। কারণ দু'টি পাতা ও একটি কুঁড়ি একসঙ্গে তুলতে না পারলে চায়ের উৎকর্ষ ও আমেজ অনেকাংশেই নষ্ট হয়ে যায়।
== উক্তি ==
* আফগানিস্থানে দু রকমের চা-এর প্রচলন আছে, যথা—ইংলিশ চা এবং “চায়”। দার্জিলিং, সিংহল এবং আসাম হতে আফগানিস্থানে যে চা যায় তাকে ইংলিশ চা বলা হয়। ইংলিশ চা-তে দুধ এবং চিনির দরকার হয়। “চায়” আসে [[চীন]] দেশ থেকে। সেই পাতা গরম জলে ভিজিয়ে দিলেই ক্বাথ বের হয়। সেই ক্বাথকেই বলে “চায়”।
** আফগানিস্থান ভ্রমণ - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- অশোক পুস্তকালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৭
* পাংখাবাড়ি থেকে কারসিয়ং দুধারে ঝরনা আর চা বাগান সবজী-খেত, থাকে-থাকে পাহাড়ের গায়ে পাহাড়ি বস্তি, সাহেবদের কুঠি, কার্সিয়ং শহরটা যেন আর একটা ঝরনার মতো দেখা যাচ্ছে—পাহাড়ি গোলাপ গেঁদা গাছা-আগাছার কুঁড়ি ধরেছে।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], টুং-সোন্নাটা-ঘুম, বুড়ো আংলা- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৭
* টোকিও নগরে কাগজের প্রকাণ্ড কারখানা আছে। তথায় মিৎসুমাতো, কোজো ও গাম্পি নামক বৃক্ষ হইতে কাগজ প্রস্তুত হইয়া থাকে। কাঠে কাগজ হয়, কাগজে গৃহ নির্ম্মিত হয়, কড়ি, বরগা প্রস্তুত হয়, রেল প্রস্তুত হয়, জলের নৌকা হয় এবং চা তৈয়ারির কেটলি প্রস্তুত হয়।
** উমাকান্ত হাজারী, জাপানের বাণিজ্য, নব্য জাপান ও রুষ জাপান যুদ্ধের ইতিহাস - উমাকান্ত হাজারী, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭০
* বাণ গৌড়ী রীতির লক্ষণ বলেছেন, অক্ষরডম্বর। এই আড়ম্বরের প্রবৃত্তি এখনও আছে। অনেক বাক্যে অকারণে শব্দবাহুল্য এসে পড়েছে, লেখকরা গতানুগতিক ভাবে এই সব সাড়ম্বর বাক্য প্রয়োগ করেন। ‘সন্দেহ নাই’—এই সরল প্রয়োগ প্রায় উঠে গেছে, তার বদলে চলছে—‘সন্দেহের অবকাশ নাই’। ‘চা পান’ বা ‘চা খাওয়া’ চলে না, ‘চা পর্ব’ লেখা হয়। ‘মিষ্টান্ন খাইলাম’ স্থানে ‘মিষ্টান্নের সদ্ব্যবহার করা গেল’। মাঝে মাঝে অলংকার হিসাবে এরকন প্রয়োগ সার্থক হতে পারে, কিন্তু যদি বার বার দেখা যায় তবে তা মুদ্রাদোষ।
** [[রাজশেখর বসু]], ভাষার মুদ্রাদোষ ও বিকার, বিচিন্তা - রাজশেখর বসু, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৬-৩৭
* ...কেননা এমনও দুচার জন রয়েছেন যারা সর্বস্ব ত্যাগ করেও একটুখানি লোভ বাঁচিয়ে রাখেন জীবনে। সে লোভটা হল ধূমায়িত এক পেয়ালা চা আর জ্বলন্ত একটা বিড়ি।
** [[শহীদুল্লা কায়সার]], রাজবন্দীর রোজনামচা- শহীদুল্লা কায়সার, জোনাকী প্রকাশনী, প্রকাশসাল- ২০০০, পৃষ্ঠা ৩৪
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
== আরও দেখুন ==
* [[কফি]]
[[বিষয়শ্রেণী:খাদ্য ও পানীয়]]
9hqd15o65jepmnc9a22vixra4zbafch
73853
73852
2026-04-05T14:53:03Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
73853
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চা|চা]]''' হলো একটি সুগন্ধি পানীয় যা ক্যামেলিয়া সিনেনসিস গাছের প্রক্রিয়াজাত পাতা গরম জলে মিশিয়ে তৈরি করা হয়। জলের পর, চা হলো বিশ্বের সবচেয়ে বেশি উপভোগ্য পানীয়। এর একটি শীতল, সামান্য তিক্ত ও কষাটে স্বাদ রয়েছে যা অনেকেই পছন্দ করেন। ১৬৫০ খ্রিষ্টাব্দে চীনে বাণিজ্যিকভাবে চায়ের উৎপাদন শুরু হয়। আর ভারতবর্ষে এর চাষ শুরু হয় ১৮১৮ খ্রিষ্টাব্দে। চা গাছ হতে পাতা সংগ্রহ করতে ব্যক্তিকে যথেষ্ট নৈপুণ্য ও দক্ষতা অর্জন করতে হয়। কারণ দু'টি পাতা ও একটি কুঁড়ি একসঙ্গে তুলতে না পারলে চায়ের উৎকর্ষ ও আমেজ অনেকাংশেই নষ্ট হয়ে যায়।
== উক্তি ==
* আফগানিস্থানে দু রকমের চা-এর প্রচলন আছে, যথা—ইংলিশ চা এবং “চায়”। দার্জিলিং, সিংহল এবং আসাম হতে আফগানিস্থানে যে চা যায় তাকে ইংলিশ চা বলা হয়। ইংলিশ চা-তে দুধ এবং চিনির দরকার হয়। “চায়” আসে [[চীন]] দেশ থেকে। সেই পাতা গরম জলে ভিজিয়ে দিলেই ক্বাথ বের হয়। সেই ক্বাথকেই বলে “চায়”।
** আফগানিস্থান ভ্রমণ - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- অশোক পুস্তকালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৭
* পাংখাবাড়ি থেকে কারসিয়ং দুধারে ঝরনা আর চা বাগান সবজী-খেত, থাকে-থাকে পাহাড়ের গায়ে পাহাড়ি বস্তি, সাহেবদের কুঠি, কার্সিয়ং শহরটা যেন আর একটা ঝরনার মতো দেখা যাচ্ছে—পাহাড়ি গোলাপ গেঁদা গাছা-আগাছার কুঁড়ি ধরেছে।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], টুং-সোন্নাটা-ঘুম, বুড়ো আংলা- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৭
* চিঠি প’ড়ে পরেশবাবু বললেন, তুমি তো আচ্ছা বোকা হে! হিন্দোলা নিজেই স’রে পড়ছে, এ তো অতি সুখবর, এতে দুঃখ কিসের? তোমার আবার কালীঘাটে পূজো দেওয়া চলবে না, না হয় গির্জেয় দুটো মোমবাতি জ্বেলে দিও। নাও, এখন ওঠ, চোখে মুখে জল দাও, চা আর খানকতক লুচি খাবে এস।
** [[রাজশেখর বসু]], গল্পকল্প - পরশুরাম, পরশ পাথর, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এণ্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৫
* টোকিও নগরে কাগজের প্রকাণ্ড কারখানা আছে। তথায় মিৎসুমাতো, কোজো ও গাম্পি নামক বৃক্ষ হইতে কাগজ প্রস্তুত হইয়া থাকে। কাঠে কাগজ হয়, কাগজে গৃহ নির্ম্মিত হয়, কড়ি, বরগা প্রস্তুত হয়, রেল প্রস্তুত হয়, জলের নৌকা হয় এবং চা তৈয়ারির কেটলি প্রস্তুত হয়।
** উমাকান্ত হাজারী, জাপানের বাণিজ্য, নব্য জাপান ও রুষ জাপান যুদ্ধের ইতিহাস - উমাকান্ত হাজারী, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭০
* বাণ গৌড়ী রীতির লক্ষণ বলেছেন, অক্ষরডম্বর। এই আড়ম্বরের প্রবৃত্তি এখনও আছে। অনেক বাক্যে অকারণে শব্দবাহুল্য এসে পড়েছে, লেখকরা গতানুগতিক ভাবে এই সব সাড়ম্বর বাক্য প্রয়োগ করেন। ‘সন্দেহ নাই’—এই সরল প্রয়োগ প্রায় উঠে গেছে, তার বদলে চলছে—‘সন্দেহের অবকাশ নাই’। ‘চা পান’ বা ‘চা খাওয়া’ চলে না, ‘চা পর্ব’ লেখা হয়। ‘মিষ্টান্ন খাইলাম’ স্থানে ‘মিষ্টান্নের সদ্ব্যবহার করা গেল’। মাঝে মাঝে অলংকার হিসাবে এরকন প্রয়োগ সার্থক হতে পারে, কিন্তু যদি বার বার দেখা যায় তবে তা মুদ্রাদোষ।
** [[রাজশেখর বসু]], ভাষার মুদ্রাদোষ ও বিকার, বিচিন্তা - রাজশেখর বসু, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৬-৩৭
* ...কেননা এমনও দুচার জন রয়েছেন যারা সর্বস্ব ত্যাগ করেও একটুখানি লোভ বাঁচিয়ে রাখেন জীবনে। সে লোভটা হল ধূমায়িত এক পেয়ালা চা আর জ্বলন্ত একটা বিড়ি।
** [[শহীদুল্লা কায়সার]], রাজবন্দীর রোজনামচা- শহীদুল্লা কায়সার, জোনাকী প্রকাশনী, প্রকাশসাল- ২০০০, পৃষ্ঠা ৩৪
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
== আরও দেখুন ==
* [[কফি]]
[[বিষয়শ্রেণী:খাদ্য ও পানীয়]]
g27wb529k047gkessp0qawsemdd49ea
73854
73853
2026-04-05T14:56:00Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
73854
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চা|চা]]''' হলো একটি সুগন্ধি পানীয় যা ক্যামেলিয়া সিনেনসিস গাছের প্রক্রিয়াজাত পাতা গরম জলে মিশিয়ে তৈরি করা হয়। জলের পর, চা হলো বিশ্বের সবচেয়ে বেশি উপভোগ্য পানীয়। এর একটি শীতল, সামান্য তিক্ত ও কষাটে স্বাদ রয়েছে যা অনেকেই পছন্দ করেন। ১৬৫০ খ্রিষ্টাব্দে চীনে বাণিজ্যিকভাবে চায়ের উৎপাদন শুরু হয়। আর ভারতবর্ষে এর চাষ শুরু হয় ১৮১৮ খ্রিষ্টাব্দে। চা গাছ হতে পাতা সংগ্রহ করতে ব্যক্তিকে যথেষ্ট নৈপুণ্য ও দক্ষতা অর্জন করতে হয়। কারণ দু'টি পাতা ও একটি কুঁড়ি একসঙ্গে তুলতে না পারলে চায়ের উৎকর্ষ ও আমেজ অনেকাংশেই নষ্ট হয়ে যায়।
== উক্তি ==
* আফগানিস্থানে দু রকমের চা-এর প্রচলন আছে, যথা—ইংলিশ চা এবং “চায়”। দার্জিলিং, সিংহল এবং আসাম হতে আফগানিস্থানে যে চা যায় তাকে ইংলিশ চা বলা হয়। ইংলিশ চা-তে দুধ এবং চিনির দরকার হয়। “চায়” আসে [[চীন]] দেশ থেকে। সেই পাতা গরম জলে ভিজিয়ে দিলেই ক্বাথ বের হয়। সেই ক্বাথকেই বলে “চায়”।
** আফগানিস্থান ভ্রমণ - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- অশোক পুস্তকালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৭
* পাংখাবাড়ি থেকে কারসিয়ং দুধারে ঝরনা আর চা বাগান সবজী-খেত, থাকে-থাকে পাহাড়ের গায়ে পাহাড়ি বস্তি, সাহেবদের কুঠি, কার্সিয়ং শহরটা যেন আর একটা ঝরনার মতো দেখা যাচ্ছে—পাহাড়ি গোলাপ গেঁদা গাছা-আগাছার কুঁড়ি ধরেছে।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], টুং-সোন্নাটা-ঘুম, বুড়ো আংলা- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৭
* চিঠি প’ড়ে পরেশবাবু বললেন, তুমি তো আচ্ছা বোকা হে! হিন্দোলা নিজেই স’রে পড়ছে, এ তো অতি সুখবর, এতে দুঃখ কিসের? তোমার আবার কালীঘাটে পূজো দেওয়া চলবে না, না হয় গির্জেয় দুটো মোমবাতি জ্বেলে দিও। নাও, এখন ওঠ, চোখে মুখে জল দাও, চা আর খানকতক লুচি খাবে এস।
** [[রাজশেখর বসু]], গল্পকল্প - পরশুরাম, পরশ পাথর, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এণ্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৫
* টোকিও নগরে কাগজের প্রকাণ্ড কারখানা আছে। তথায় মিৎসুমাতো, কোজো ও গাম্পি নামক বৃক্ষ হইতে কাগজ প্রস্তুত হইয়া থাকে। কাঠে কাগজ হয়, কাগজে গৃহ নির্ম্মিত হয়, কড়ি, বরগা প্রস্তুত হয়, রেল প্রস্তুত হয়, জলের নৌকা হয় এবং চা তৈয়ারির কেটলি প্রস্তুত হয়।
** উমাকান্ত হাজারী, জাপানের বাণিজ্য, নব্য জাপান ও রুষ জাপান যুদ্ধের ইতিহাস - উমাকান্ত হাজারী, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭০
* বাণ গৌড়ী রীতির লক্ষণ বলেছেন, অক্ষরডম্বর। এই আড়ম্বরের প্রবৃত্তি এখনও আছে। অনেক বাক্যে অকারণে শব্দবাহুল্য এসে পড়েছে, লেখকরা গতানুগতিক ভাবে এই সব সাড়ম্বর বাক্য প্রয়োগ করেন। ‘সন্দেহ নাই’—এই সরল প্রয়োগ প্রায় উঠে গেছে, তার বদলে চলছে—‘সন্দেহের অবকাশ নাই’। ‘চা পান’ বা ‘চা খাওয়া’ চলে না, ‘চা পর্ব’ লেখা হয়। ‘মিষ্টান্ন খাইলাম’ স্থানে ‘মিষ্টান্নের সদ্ব্যবহার করা গেল’। মাঝে মাঝে অলংকার হিসাবে এরকন প্রয়োগ সার্থক হতে পারে, কিন্তু যদি বার বার দেখা যায় তবে তা মুদ্রাদোষ।
** [[রাজশেখর বসু]], ভাষার মুদ্রাদোষ ও বিকার, বিচিন্তা - রাজশেখর বসু, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৬-৩৭
* ...কেননা এমনও দুচার জন রয়েছেন যারা সর্বস্ব ত্যাগ করেও একটুখানি লোভ বাঁচিয়ে রাখেন জীবনে। সে লোভটা হল ধূমায়িত এক পেয়ালা চা আর জ্বলন্ত একটা বিড়ি।
** [[শহীদুল্লা কায়সার]], রাজবন্দীর রোজনামচা- শহীদুল্লা কায়সার, জোনাকী প্রকাশনী, প্রকাশসাল- ২০০০, পৃষ্ঠা ৩৪
* মানুষ যখন নিজেই একটি ব্যক্তি তখন এই ব্যক্তিগত রুচি অরুচি লোপ করে’ সম্পূর্ণ নিরাসক্ত ও নিরপেক্ষভাবে কিছু রচনা করা তার পক্ষে অসম্ভব। রচনার বিষয় নির্বাচন সেও রুচি অনুসারে করে’ চলে মানুষ; যে চা নিজের জন্য প্রস্তুত করা গেল সে আমার রুচি অনুসারে চিনি দুধ না দিয়ে যেমন তেমন পাত্রে খেলেও কারো কিছু বলবার নেই, কিন্তু পরকে যেখানে নিমন্ত্রণ দিচ্ছি সেখানে পরের মুখ অনেকখানি চেয়ে কার্যটি নিষ্পন্ন করতে হয়, না হ’লে ব্যাপার পণ্ড হতেও পারে।
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
== আরও দেখুন ==
* [[কফি]]
[[বিষয়শ্রেণী:খাদ্য ও পানীয়]]
mfrfq3gjgotko6nrvu6eudn7rik71w7
73855
73854
2026-04-05T14:56:32Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উদ্ধৃতি যোগ
73855
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চা|চা]]''' হলো একটি সুগন্ধি পানীয় যা ক্যামেলিয়া সিনেনসিস গাছের প্রক্রিয়াজাত পাতা গরম জলে মিশিয়ে তৈরি করা হয়। জলের পর, চা হলো বিশ্বের সবচেয়ে বেশি উপভোগ্য পানীয়। এর একটি শীতল, সামান্য তিক্ত ও কষাটে স্বাদ রয়েছে যা অনেকেই পছন্দ করেন। ১৬৫০ খ্রিষ্টাব্দে চীনে বাণিজ্যিকভাবে চায়ের উৎপাদন শুরু হয়। আর ভারতবর্ষে এর চাষ শুরু হয় ১৮১৮ খ্রিষ্টাব্দে। চা গাছ হতে পাতা সংগ্রহ করতে ব্যক্তিকে যথেষ্ট নৈপুণ্য ও দক্ষতা অর্জন করতে হয়। কারণ দু'টি পাতা ও একটি কুঁড়ি একসঙ্গে তুলতে না পারলে চায়ের উৎকর্ষ ও আমেজ অনেকাংশেই নষ্ট হয়ে যায়।
== উক্তি ==
* আফগানিস্থানে দু রকমের চা-এর প্রচলন আছে, যথা—ইংলিশ চা এবং “চায়”। দার্জিলিং, সিংহল এবং আসাম হতে আফগানিস্থানে যে চা যায় তাকে ইংলিশ চা বলা হয়। ইংলিশ চা-তে দুধ এবং চিনির দরকার হয়। “চায়” আসে [[চীন]] দেশ থেকে। সেই পাতা গরম জলে ভিজিয়ে দিলেই ক্বাথ বের হয়। সেই ক্বাথকেই বলে “চায়”।
** আফগানিস্থান ভ্রমণ - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- অশোক পুস্তকালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৭
* পাংখাবাড়ি থেকে কারসিয়ং দুধারে ঝরনা আর চা বাগান সবজী-খেত, থাকে-থাকে পাহাড়ের গায়ে পাহাড়ি বস্তি, সাহেবদের কুঠি, কার্সিয়ং শহরটা যেন আর একটা ঝরনার মতো দেখা যাচ্ছে—পাহাড়ি গোলাপ গেঁদা গাছা-আগাছার কুঁড়ি ধরেছে।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], টুং-সোন্নাটা-ঘুম, বুড়ো আংলা- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৭
* চিঠি প’ড়ে পরেশবাবু বললেন, তুমি তো আচ্ছা বোকা হে! হিন্দোলা নিজেই স’রে পড়ছে, এ তো অতি সুখবর, এতে দুঃখ কিসের? তোমার আবার কালীঘাটে পূজো দেওয়া চলবে না, না হয় গির্জেয় দুটো মোমবাতি জ্বেলে দিও। নাও, এখন ওঠ, চোখে মুখে জল দাও, চা আর খানকতক লুচি খাবে এস।
** [[রাজশেখর বসু]], গল্পকল্প - পরশুরাম, পরশ পাথর, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এণ্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৫
* টোকিও নগরে কাগজের প্রকাণ্ড কারখানা আছে। তথায় মিৎসুমাতো, কোজো ও গাম্পি নামক বৃক্ষ হইতে কাগজ প্রস্তুত হইয়া থাকে। কাঠে কাগজ হয়, কাগজে গৃহ নির্ম্মিত হয়, কড়ি, বরগা প্রস্তুত হয়, রেল প্রস্তুত হয়, জলের নৌকা হয় এবং চা তৈয়ারির কেটলি প্রস্তুত হয়।
** উমাকান্ত হাজারী, জাপানের বাণিজ্য, নব্য জাপান ও রুষ জাপান যুদ্ধের ইতিহাস - উমাকান্ত হাজারী, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭০
* বাণ গৌড়ী রীতির লক্ষণ বলেছেন, অক্ষরডম্বর। এই আড়ম্বরের প্রবৃত্তি এখনও আছে। অনেক বাক্যে অকারণে শব্দবাহুল্য এসে পড়েছে, লেখকরা গতানুগতিক ভাবে এই সব সাড়ম্বর বাক্য প্রয়োগ করেন। ‘সন্দেহ নাই’—এই সরল প্রয়োগ প্রায় উঠে গেছে, তার বদলে চলছে—‘সন্দেহের অবকাশ নাই’। ‘চা পান’ বা ‘চা খাওয়া’ চলে না, ‘চা পর্ব’ লেখা হয়। ‘মিষ্টান্ন খাইলাম’ স্থানে ‘মিষ্টান্নের সদ্ব্যবহার করা গেল’। মাঝে মাঝে অলংকার হিসাবে এরকন প্রয়োগ সার্থক হতে পারে, কিন্তু যদি বার বার দেখা যায় তবে তা মুদ্রাদোষ।
** [[রাজশেখর বসু]], ভাষার মুদ্রাদোষ ও বিকার, বিচিন্তা - রাজশেখর বসু, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৬-৩৭
* ...কেননা এমনও দুচার জন রয়েছেন যারা সর্বস্ব ত্যাগ করেও একটুখানি লোভ বাঁচিয়ে রাখেন জীবনে। সে লোভটা হল ধূমায়িত এক পেয়ালা চা আর জ্বলন্ত একটা বিড়ি।
** [[শহীদুল্লা কায়সার]], রাজবন্দীর রোজনামচা- শহীদুল্লা কায়সার, জোনাকী প্রকাশনী, প্রকাশসাল- ২০০০, পৃষ্ঠা ৩৪
* মানুষ যখন নিজেই একটি ব্যক্তি তখন এই ব্যক্তিগত রুচি অরুচি লোপ করে’ সম্পূর্ণ নিরাসক্ত ও নিরপেক্ষভাবে কিছু রচনা করা তার পক্ষে অসম্ভব। রচনার বিষয় নির্বাচন সেও রুচি অনুসারে করে’ চলে মানুষ; যে চা নিজের জন্য প্রস্তুত করা গেল সে আমার রুচি অনুসারে চিনি দুধ না দিয়ে যেমন তেমন পাত্রে খেলেও কারো কিছু বলবার নেই, কিন্তু পরকে যেখানে নিমন্ত্রণ দিচ্ছি সেখানে পরের মুখ অনেকখানি চেয়ে কার্যটি নিষ্পন্ন করতে হয়, না হ’লে ব্যাপার পণ্ড হতেও পারে।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অসুন্দর, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২১৮
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
== আরও দেখুন ==
* [[কফি]]
[[বিষয়শ্রেণী:খাদ্য ও পানীয়]]
l0i56q8h0tex9dsr5safvs2dy77gg8s
73872
73855
2026-04-05T15:43:48Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
73872
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চা|চা]]''' হলো একটি সুগন্ধি পানীয় যা ক্যামেলিয়া সিনেনসিস গাছের প্রক্রিয়াজাত পাতা গরম জলে মিশিয়ে তৈরি করা হয়। জলের পর, চা হলো বিশ্বের সবচেয়ে বেশি উপভোগ্য পানীয়। এর একটি শীতল, সামান্য তিক্ত ও কষাটে স্বাদ রয়েছে যা অনেকেই পছন্দ করেন। ১৬৫০ খ্রিষ্টাব্দে চীনে বাণিজ্যিকভাবে চায়ের উৎপাদন শুরু হয়। আর ভারতবর্ষে এর চাষ শুরু হয় ১৮১৮ খ্রিষ্টাব্দে। চা গাছ হতে পাতা সংগ্রহ করতে ব্যক্তিকে যথেষ্ট নৈপুণ্য ও দক্ষতা অর্জন করতে হয়। কারণ দু'টি পাতা ও একটি কুঁড়ি একসঙ্গে তুলতে না পারলে চায়ের উৎকর্ষ ও আমেজ অনেকাংশেই নষ্ট হয়ে যায়।
== উক্তি ==
* আফগানিস্থানে দু রকমের চা-এর প্রচলন আছে, যথা—ইংলিশ চা এবং “চায়”। দার্জিলিং, সিংহল এবং আসাম হতে আফগানিস্থানে যে চা যায় তাকে ইংলিশ চা বলা হয়। ইংলিশ চা-তে দুধ এবং চিনির দরকার হয়। “চায়” আসে [[চীন]] দেশ থেকে। সেই পাতা গরম জলে ভিজিয়ে দিলেই ক্বাথ বের হয়। সেই ক্বাথকেই বলে “চায়”।
** আফগানিস্থান ভ্রমণ - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- অশোক পুস্তকালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৭
* পাংখাবাড়ি থেকে কারসিয়ং দুধারে ঝরনা আর চা বাগান সবজী-খেত, থাকে-থাকে পাহাড়ের গায়ে পাহাড়ি বস্তি, সাহেবদের কুঠি, কার্সিয়ং শহরটা যেন আর একটা ঝরনার মতো দেখা যাচ্ছে—পাহাড়ি গোলাপ গেঁদা গাছা-আগাছার কুঁড়ি ধরেছে।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], টুং-সোন্নাটা-ঘুম, বুড়ো আংলা- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৭
* চিঠি প’ড়ে পরেশবাবু বললেন, তুমি তো আচ্ছা বোকা হে! হিন্দোলা নিজেই স’রে পড়ছে, এ তো অতি সুখবর, এতে দুঃখ কিসের? তোমার আবার কালীঘাটে পূজো দেওয়া চলবে না, না হয় গির্জেয় দুটো মোমবাতি জ্বেলে দিও। নাও, এখন ওঠ, চোখে মুখে জল দাও, চা আর খানকতক লুচি খাবে এস।
** [[রাজশেখর বসু]], গল্পকল্প - পরশুরাম, পরশ পাথর, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এণ্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৫
* টোকিও নগরে কাগজের প্রকাণ্ড কারখানা আছে। তথায় মিৎসুমাতো, কোজো ও গাম্পি নামক বৃক্ষ হইতে কাগজ প্রস্তুত হইয়া থাকে। কাঠে কাগজ হয়, কাগজে গৃহ নির্ম্মিত হয়, কড়ি, বরগা প্রস্তুত হয়, রেল প্রস্তুত হয়, জলের নৌকা হয় এবং চা তৈয়ারির কেটলি প্রস্তুত হয়।
** উমাকান্ত হাজারী, জাপানের বাণিজ্য, নব্য জাপান ও রুষ জাপান যুদ্ধের ইতিহাস - উমাকান্ত হাজারী, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭০
* বাণ গৌড়ী রীতির লক্ষণ বলেছেন, অক্ষরডম্বর। এই আড়ম্বরের প্রবৃত্তি এখনও আছে। অনেক বাক্যে অকারণে শব্দবাহুল্য এসে পড়েছে, লেখকরা গতানুগতিক ভাবে এই সব সাড়ম্বর বাক্য প্রয়োগ করেন। ‘সন্দেহ নাই’—এই সরল প্রয়োগ প্রায় উঠে গেছে, তার বদলে চলছে—‘সন্দেহের অবকাশ নাই’। ‘চা পান’ বা ‘চা খাওয়া’ চলে না, ‘চা পর্ব’ লেখা হয়। ‘মিষ্টান্ন খাইলাম’ স্থানে ‘মিষ্টান্নের সদ্ব্যবহার করা গেল’। মাঝে মাঝে অলংকার হিসাবে এরকন প্রয়োগ সার্থক হতে পারে, কিন্তু যদি বার বার দেখা যায় তবে তা মুদ্রাদোষ।
** [[রাজশেখর বসু]], ভাষার মুদ্রাদোষ ও বিকার, বিচিন্তা - রাজশেখর বসু, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৬-৩৭
* ...কেননা এমনও দুচার জন রয়েছেন যারা সর্বস্ব ত্যাগ করেও একটুখানি লোভ বাঁচিয়ে রাখেন জীবনে। সে লোভটা হল ধূমায়িত এক পেয়ালা চা আর জ্বলন্ত একটা বিড়ি।
** [[শহীদুল্লা কায়সার]], রাজবন্দীর রোজনামচা- শহীদুল্লা কায়সার, জোনাকী প্রকাশনী, প্রকাশসাল- ২০০০, পৃষ্ঠা ৩৪
* মানুষ যখন নিজেই একটি ব্যক্তি তখন এই ব্যক্তিগত রুচি অরুচি লোপ করে’ সম্পূর্ণ নিরাসক্ত ও নিরপেক্ষভাবে কিছু রচনা করা তার পক্ষে অসম্ভব। রচনার বিষয় নির্বাচন সেও রুচি অনুসারে করে’ চলে মানুষ; যে চা নিজের জন্য প্রস্তুত করা গেল সে আমার রুচি অনুসারে চিনি দুধ না দিয়ে যেমন তেমন পাত্রে খেলেও কারো কিছু বলবার নেই, কিন্তু পরকে যেখানে নিমন্ত্রণ দিচ্ছি সেখানে পরের মুখ অনেকখানি চেয়ে কার্যটি নিষ্পন্ন করতে হয়, না হ’লে ব্যাপার পণ্ড হতেও পারে।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অসুন্দর, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২১৮
* বিজয়াদশমী, সন্ধ্যা সাতটা। পেনশনভোগী বৃদ্ধ রামতারণ মুখুজ্যে, স্কুল মাষ্টার কপিল গুপ্ত, ব্যাংকের কেরানী বীরেশ্বর সিংগি, কাগজের রিপোর্টার অতুল হালদার প্রভৃতি নিয়মিত আড্ডাধারীরা সকলেই সমবেত হয়েছেন। বিজয়ার নমস্কার আর আলিঙ্গন যথারীতি সম্পন্ন হয়েছে, এখন জলযোগ চলছে। কালীবাবু আজ বিশেষ ব্যবস্থা করেছেন—চায়ের সঙ্গে চিঁড়ে ভাজা ফুলুরি নিমকি আর গজা।
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
== আরও দেখুন ==
* [[কফি]]
[[বিষয়শ্রেণী:খাদ্য ও পানীয়]]
b43sratbu7voytjdfzhpdvnx6wgznvx
73874
73872
2026-04-05T15:44:22Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উদ্ধৃতি যোগ
73874
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চা|চা]]''' হলো একটি সুগন্ধি পানীয় যা ক্যামেলিয়া সিনেনসিস গাছের প্রক্রিয়াজাত পাতা গরম জলে মিশিয়ে তৈরি করা হয়। জলের পর, চা হলো বিশ্বের সবচেয়ে বেশি উপভোগ্য পানীয়। এর একটি শীতল, সামান্য তিক্ত ও কষাটে স্বাদ রয়েছে যা অনেকেই পছন্দ করেন। ১৬৫০ খ্রিষ্টাব্দে চীনে বাণিজ্যিকভাবে চায়ের উৎপাদন শুরু হয়। আর ভারতবর্ষে এর চাষ শুরু হয় ১৮১৮ খ্রিষ্টাব্দে। চা গাছ হতে পাতা সংগ্রহ করতে ব্যক্তিকে যথেষ্ট নৈপুণ্য ও দক্ষতা অর্জন করতে হয়। কারণ দু'টি পাতা ও একটি কুঁড়ি একসঙ্গে তুলতে না পারলে চায়ের উৎকর্ষ ও আমেজ অনেকাংশেই নষ্ট হয়ে যায়।
== উক্তি ==
* আফগানিস্থানে দু রকমের চা-এর প্রচলন আছে, যথা—ইংলিশ চা এবং “চায়”। দার্জিলিং, সিংহল এবং আসাম হতে আফগানিস্থানে যে চা যায় তাকে ইংলিশ চা বলা হয়। ইংলিশ চা-তে দুধ এবং চিনির দরকার হয়। “চায়” আসে [[চীন]] দেশ থেকে। সেই পাতা গরম জলে ভিজিয়ে দিলেই ক্বাথ বের হয়। সেই ক্বাথকেই বলে “চায়”।
** আফগানিস্থান ভ্রমণ - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- অশোক পুস্তকালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৭
* পাংখাবাড়ি থেকে কারসিয়ং দুধারে ঝরনা আর চা বাগান সবজী-খেত, থাকে-থাকে পাহাড়ের গায়ে পাহাড়ি বস্তি, সাহেবদের কুঠি, কার্সিয়ং শহরটা যেন আর একটা ঝরনার মতো দেখা যাচ্ছে—পাহাড়ি গোলাপ গেঁদা গাছা-আগাছার কুঁড়ি ধরেছে।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], টুং-সোন্নাটা-ঘুম, বুড়ো আংলা- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৭
* চিঠি প’ড়ে পরেশবাবু বললেন, তুমি তো আচ্ছা বোকা হে! হিন্দোলা নিজেই স’রে পড়ছে, এ তো অতি সুখবর, এতে দুঃখ কিসের? তোমার আবার কালীঘাটে পূজো দেওয়া চলবে না, না হয় গির্জেয় দুটো মোমবাতি জ্বেলে দিও। নাও, এখন ওঠ, চোখে মুখে জল দাও, চা আর খানকতক লুচি খাবে এস।
** [[রাজশেখর বসু]], গল্পকল্প - পরশুরাম, পরশ পাথর, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এণ্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৫
* টোকিও নগরে কাগজের প্রকাণ্ড কারখানা আছে। তথায় মিৎসুমাতো, কোজো ও গাম্পি নামক বৃক্ষ হইতে কাগজ প্রস্তুত হইয়া থাকে। কাঠে কাগজ হয়, কাগজে গৃহ নির্ম্মিত হয়, কড়ি, বরগা প্রস্তুত হয়, রেল প্রস্তুত হয়, জলের নৌকা হয় এবং চা তৈয়ারির কেটলি প্রস্তুত হয়।
** উমাকান্ত হাজারী, জাপানের বাণিজ্য, নব্য জাপান ও রুষ জাপান যুদ্ধের ইতিহাস - উমাকান্ত হাজারী, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭০
* বাণ গৌড়ী রীতির লক্ষণ বলেছেন, অক্ষরডম্বর। এই আড়ম্বরের প্রবৃত্তি এখনও আছে। অনেক বাক্যে অকারণে শব্দবাহুল্য এসে পড়েছে, লেখকরা গতানুগতিক ভাবে এই সব সাড়ম্বর বাক্য প্রয়োগ করেন। ‘সন্দেহ নাই’—এই সরল প্রয়োগ প্রায় উঠে গেছে, তার বদলে চলছে—‘সন্দেহের অবকাশ নাই’। ‘চা পান’ বা ‘চা খাওয়া’ চলে না, ‘চা পর্ব’ লেখা হয়। ‘মিষ্টান্ন খাইলাম’ স্থানে ‘মিষ্টান্নের সদ্ব্যবহার করা গেল’। মাঝে মাঝে অলংকার হিসাবে এরকন প্রয়োগ সার্থক হতে পারে, কিন্তু যদি বার বার দেখা যায় তবে তা মুদ্রাদোষ।
** [[রাজশেখর বসু]], ভাষার মুদ্রাদোষ ও বিকার, বিচিন্তা - রাজশেখর বসু, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৬-৩৭
* ...কেননা এমনও দুচার জন রয়েছেন যারা সর্বস্ব ত্যাগ করেও একটুখানি লোভ বাঁচিয়ে রাখেন জীবনে। সে লোভটা হল ধূমায়িত এক পেয়ালা চা আর জ্বলন্ত একটা বিড়ি।
** [[শহীদুল্লা কায়সার]], রাজবন্দীর রোজনামচা- শহীদুল্লা কায়সার, জোনাকী প্রকাশনী, প্রকাশসাল- ২০০০, পৃষ্ঠা ৩৪
* মানুষ যখন নিজেই একটি ব্যক্তি তখন এই ব্যক্তিগত রুচি অরুচি লোপ করে’ সম্পূর্ণ নিরাসক্ত ও নিরপেক্ষভাবে কিছু রচনা করা তার পক্ষে অসম্ভব। রচনার বিষয় নির্বাচন সেও রুচি অনুসারে করে’ চলে মানুষ; যে চা নিজের জন্য প্রস্তুত করা গেল সে আমার রুচি অনুসারে চিনি দুধ না দিয়ে যেমন তেমন পাত্রে খেলেও কারো কিছু বলবার নেই, কিন্তু পরকে যেখানে নিমন্ত্রণ দিচ্ছি সেখানে পরের মুখ অনেকখানি চেয়ে কার্যটি নিষ্পন্ন করতে হয়, না হ’লে ব্যাপার পণ্ড হতেও পারে।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অসুন্দর, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২১৮
* বিজয়াদশমী, সন্ধ্যা সাতটা। পেনশনভোগী বৃদ্ধ রামতারণ মুখুজ্যে, স্কুল মাষ্টার কপিল গুপ্ত, ব্যাংকের কেরানী বীরেশ্বর সিংগি, কাগজের রিপোর্টার অতুল হালদার প্রভৃতি নিয়মিত আড্ডাধারীরা সকলেই সমবেত হয়েছেন। বিজয়ার নমস্কার আর আলিঙ্গন যথারীতি সম্পন্ন হয়েছে, এখন জলযোগ চলছে। কালীবাবু আজ বিশেষ ব্যবস্থা করেছেন—চায়ের সঙ্গে চিঁড়ে ভাজা ফুলুরি নিমকি আর গজা।
**রাজশেখর বসু ,চমৎকুমারী ইত্যাদি গল্প ,১৯৫৯ (পৃ. ১৩)
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
== আরও দেখুন ==
* [[কফি]]
[[বিষয়শ্রেণী:খাদ্য ও পানীয়]]
nf2hgu0tlueqfa9zzwqh3dg8d07pynj
ফখরুদ্দীন আল-রাযী
0
12047
73856
2026-04-05T15:07:08Z
Borhan
964
শুরু
73856
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:ফখরুদ্দীন আল রাযি|ফখরুদ্দীন আল-রাযী]]''' বা '''ফখরুদ্দীন রাযি''' (২৬ জানুয়ারি ১১৫০ — ২৯ মার্চ ১২১০) ছিলেন একজন পারস্য ধর্মতত্ত্ববিদ ও দার্শনিক।
== উক্তি ==
* '''শেখার পেছনে সময় না দিয়ে যে সময়টা আমি খাওয়ার জন্য ব্যয় করেছি, তার জন্য আমি অনুতপ্ত — কারণ সময় খুব মূল্যবান।'''
** ''[https://www.youtube.com/results?search_query=fakhr+al+din+ar-razi গ্রেট ফিগার্স অব ইসলাম - ইমাম ফখরুদ্দীন আল-রাযী]''
***
* আমার হৃদয় কখনো বিজ্ঞান থেকে বঞ্চিত ছিল না,<br />এমন রহস্য খুব কমই আছে যা আমি বুঝতে পারিনি।<br />৭২ বছর ধরে দিনরাত ভাবার পর আমি বুঝতে পারলাম যে জানার মতো আসলে কিছুই নেই।<ref>https://www.al-islam.org/history-muslim-philosophy-volume-1-book-3/chapter-32-fakhr-al-razi</ref>
* এটি প্রমাণ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত যে, এই জগতের ঊর্ধ্বে এক অসীম শূন্যতা (খালা' লা নিহায়াতা লাহা) বিদ্যমান এবং এটিও প্রমাণ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত যে, সৃষ্টিকর্তা সকল পার্থিব সত্তার (আল-মুমকিনাত) উপর ক্ষমতাবান। অতএব সৃষ্টিকর্তার এই ক্ষমতা (কাদির) আছে যে, তিনি এই জগতের ঊর্ধ্বে হাজার হাজার জগৎ (আলফা আলফি 'আওয়ালিম) সৃষ্টি করতে পারেন, যার প্রত্যেকটি জগৎ এই জগতের চেয়ে বৃহত্তর ও অধিক বিশাল হবে এবং সেই সাথে এই জগতে যা কিছু আছে—যেমন আরশ (আল-আরশ), সিংহাসন (আল-কুরসিয়্য), আসমান (আল-সামাওয়াত), জমিন (আল-আরদ), সূর্য (আল-শামস) এবং চন্দ্র (আল-কামার)—তার অনুরূপ হবে। জগৎ যে এক তা প্রতিষ্ঠা করার জন্য দার্শনিকদের (দালাইল আল-ফালাসিফাহ) যুক্তিগুলো দুর্বল ও ঠুনকো, যা অসার ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত।
** ''ফখরুদ্দীন আল-রাযী রচিত ফিজিক্স অ্যান্ড দ্য নেচার অব দ্য ফিজিক্যাল ওয়ার্ল্ড: আ প্রিলিমিনারি সার্ভে।''
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:শাফিঈ ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:আইনজ্ঞ]]
[[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বতত্ত্ববিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:তেহরানের ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১২১০-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:১১৫০-এ জন্ম]]
65jvwxz8d6s2voe282yaskm88vzzzhk
73857
73856
2026-04-05T15:07:38Z
Borhan
964
Borhan [[ফখরুদ্দীন আল রাযী]] পাতাটিকে [[ফখরুদ্দীন আল-রাযী]] শিরোনামে কোনো পুনর্নির্দেশনা ছাড়াই স্থানান্তর করেছেন
73856
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:ফখরুদ্দীন আল রাযি|ফখরুদ্দীন আল-রাযী]]''' বা '''ফখরুদ্দীন রাযি''' (২৬ জানুয়ারি ১১৫০ — ২৯ মার্চ ১২১০) ছিলেন একজন পারস্য ধর্মতত্ত্ববিদ ও দার্শনিক।
== উক্তি ==
* '''শেখার পেছনে সময় না দিয়ে যে সময়টা আমি খাওয়ার জন্য ব্যয় করেছি, তার জন্য আমি অনুতপ্ত — কারণ সময় খুব মূল্যবান।'''
** ''[https://www.youtube.com/results?search_query=fakhr+al+din+ar-razi গ্রেট ফিগার্স অব ইসলাম - ইমাম ফখরুদ্দীন আল-রাযী]''
***
* আমার হৃদয় কখনো বিজ্ঞান থেকে বঞ্চিত ছিল না,<br />এমন রহস্য খুব কমই আছে যা আমি বুঝতে পারিনি।<br />৭২ বছর ধরে দিনরাত ভাবার পর আমি বুঝতে পারলাম যে জানার মতো আসলে কিছুই নেই।<ref>https://www.al-islam.org/history-muslim-philosophy-volume-1-book-3/chapter-32-fakhr-al-razi</ref>
* এটি প্রমাণ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত যে, এই জগতের ঊর্ধ্বে এক অসীম শূন্যতা (খালা' লা নিহায়াতা লাহা) বিদ্যমান এবং এটিও প্রমাণ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত যে, সৃষ্টিকর্তা সকল পার্থিব সত্তার (আল-মুমকিনাত) উপর ক্ষমতাবান। অতএব সৃষ্টিকর্তার এই ক্ষমতা (কাদির) আছে যে, তিনি এই জগতের ঊর্ধ্বে হাজার হাজার জগৎ (আলফা আলফি 'আওয়ালিম) সৃষ্টি করতে পারেন, যার প্রত্যেকটি জগৎ এই জগতের চেয়ে বৃহত্তর ও অধিক বিশাল হবে এবং সেই সাথে এই জগতে যা কিছু আছে—যেমন আরশ (আল-আরশ), সিংহাসন (আল-কুরসিয়্য), আসমান (আল-সামাওয়াত), জমিন (আল-আরদ), সূর্য (আল-শামস) এবং চন্দ্র (আল-কামার)—তার অনুরূপ হবে। জগৎ যে এক তা প্রতিষ্ঠা করার জন্য দার্শনিকদের (দালাইল আল-ফালাসিফাহ) যুক্তিগুলো দুর্বল ও ঠুনকো, যা অসার ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত।
** ''ফখরুদ্দীন আল-রাযী রচিত ফিজিক্স অ্যান্ড দ্য নেচার অব দ্য ফিজিক্যাল ওয়ার্ল্ড: আ প্রিলিমিনারি সার্ভে।''
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:শাফিঈ ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:আইনজ্ঞ]]
[[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বতত্ত্ববিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:তেহরানের ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১২১০-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:১১৫০-এ জন্ম]]
65jvwxz8d6s2voe282yaskm88vzzzhk
73858
73857
2026-04-05T15:08:13Z
Borhan
964
হটক্যাটের মাধ্যমে −[[বিষয়শ্রেণী:শাফিঈ ব্যক্তি]]; −[[বিষয়শ্রেণী:তেহরানের ব্যক্তি]]
73858
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:ফখরুদ্দীন আল রাযি|ফখরুদ্দীন আল-রাযী]]''' বা '''ফখরুদ্দীন রাযি''' (২৬ জানুয়ারি ১১৫০ — ২৯ মার্চ ১২১০) ছিলেন একজন পারস্য ধর্মতত্ত্ববিদ ও দার্শনিক।
== উক্তি ==
* '''শেখার পেছনে সময় না দিয়ে যে সময়টা আমি খাওয়ার জন্য ব্যয় করেছি, তার জন্য আমি অনুতপ্ত — কারণ সময় খুব মূল্যবান।'''
** ''[https://www.youtube.com/results?search_query=fakhr+al+din+ar-razi গ্রেট ফিগার্স অব ইসলাম - ইমাম ফখরুদ্দীন আল-রাযী]''
***
* আমার হৃদয় কখনো বিজ্ঞান থেকে বঞ্চিত ছিল না,<br />এমন রহস্য খুব কমই আছে যা আমি বুঝতে পারিনি।<br />৭২ বছর ধরে দিনরাত ভাবার পর আমি বুঝতে পারলাম যে জানার মতো আসলে কিছুই নেই।<ref>https://www.al-islam.org/history-muslim-philosophy-volume-1-book-3/chapter-32-fakhr-al-razi</ref>
* এটি প্রমাণ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত যে, এই জগতের ঊর্ধ্বে এক অসীম শূন্যতা (খালা' লা নিহায়াতা লাহা) বিদ্যমান এবং এটিও প্রমাণ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত যে, সৃষ্টিকর্তা সকল পার্থিব সত্তার (আল-মুমকিনাত) উপর ক্ষমতাবান। অতএব সৃষ্টিকর্তার এই ক্ষমতা (কাদির) আছে যে, তিনি এই জগতের ঊর্ধ্বে হাজার হাজার জগৎ (আলফা আলফি 'আওয়ালিম) সৃষ্টি করতে পারেন, যার প্রত্যেকটি জগৎ এই জগতের চেয়ে বৃহত্তর ও অধিক বিশাল হবে এবং সেই সাথে এই জগতে যা কিছু আছে—যেমন আরশ (আল-আরশ), সিংহাসন (আল-কুরসিয়্য), আসমান (আল-সামাওয়াত), জমিন (আল-আরদ), সূর্য (আল-শামস) এবং চন্দ্র (আল-কামার)—তার অনুরূপ হবে। জগৎ যে এক তা প্রতিষ্ঠা করার জন্য দার্শনিকদের (দালাইল আল-ফালাসিফাহ) যুক্তিগুলো দুর্বল ও ঠুনকো, যা অসার ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত।
** ''ফখরুদ্দীন আল-রাযী রচিত ফিজিক্স অ্যান্ড দ্য নেচার অব দ্য ফিজিক্যাল ওয়ার্ল্ড: আ প্রিলিমিনারি সার্ভে।''
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:আইনজ্ঞ]]
[[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বতত্ত্ববিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:১২১০-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:১১৫০-এ জন্ম]]
6lup09nig5p1z9rd6iigxm5wg0olhz6
73949
73858
2026-04-05T23:18:38Z
ARI
356
/* উক্তি */
73949
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:ফখরুদ্দীন আল রাযি|ফখরুদ্দীন আল-রাযী]]''' বা '''ফখরুদ্দীন রাযি''' (২৬ জানুয়ারি ১১৫০ — ২৯ মার্চ ১২১০) ছিলেন একজন পারস্য ধর্মতত্ত্ববিদ ও দার্শনিক।
== উক্তি ==
* '''শেখার পেছনে সময় না দিয়ে যে সময়টা আমি খাওয়ার জন্য ব্যয় করেছি, তার জন্য আমি অনুতপ্ত — কারণ সময় খুব মূল্যবান।'''
** ''[https://www.youtube.com/results?search_query=fakhr+al+din+ar-razi গ্রেট ফিগার্স অব ইসলাম - ইমাম ফখরুদ্দীন আল-রাযী]''
***
* আমার হৃদয় কখনো বিজ্ঞান থেকে বঞ্চিত ছিল না,<br />এমন রহস্য খুব কমই আছে যা আমি বুঝতে পারিনি।<br />৭২ বছর ধরে দিনরাত ভাবার পর আমি বুঝতে পারলাম যে জানার মতো আসলে কিছুই নেই।<ref>https://www.al-islam.org/history-muslim-philosophy-volume-1-book-3/chapter-32-fakhr-al-razi</ref>
* এটি প্রমাণ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত যে, এই জগতের ঊর্ধ্বে এক অসীম শূন্যতা (খালা' লা নিহায়াতা লাহা) বিদ্যমান এবং এটিও প্রমাণ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত যে, সৃষ্টিকর্তা সকল পার্থিব সত্তার (আল-মুমকিনাত) উপর ক্ষমতাবান। অতএব সৃষ্টিকর্তার এই ক্ষমতা (কাদির) আছে যে, তিনি এই জগতের ঊর্ধ্বে হাজার হাজার জগৎ (আলফা আলফি 'আওয়ালিম) সৃষ্টি করতে পারেন, যার প্রত্যেকটি জগৎ এই জগতের চেয়ে বৃহত্তর ও অধিক বিশাল হবে এবং সেই সাথে এই জগতে যা কিছু আছে—যেমন আরশ (আল-আরশ), সিংহাসন (আল-কুরসিয়্য), আসমান (আল-সামাওয়াত), জমিন (আল-আরদ), সূর্য (আল-শামস) এবং চন্দ্র (আল-কামার), তার অনুরূপ হবে। জগৎ যে এক তা প্রতিষ্ঠা করার জন্য দার্শনিকদের (দালাইল আল-ফালাসিফাহ) যুক্তিগুলো দুর্বল ও ঠুনকো, যা অসার ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত।
** ''ফখরুদ্দীন আল-রাযী রচিত ফিজিক্স অ্যান্ড দ্য নেচার অব দ্য ফিজিক্যাল ওয়ার্ল্ড: আ প্রিলিমিনারি সার্ভে।''
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:আইনজ্ঞ]]
[[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বতত্ত্ববিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:১২১০-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:১১৫০-এ জন্ম]]
aoqiuv05ffpjzrbpd6xtc3lb34vj11n
ব্যবহারকারী আলাপ:MD RADWAN ISLAM ROHAN
3
12048
73860
2026-04-05T15:13:03Z
অভ্যর্থনা কমিটি বট
1112
উইকিউক্তিতে স্বাগত!
73860
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় MD RADWAN ISLAM ROHAN,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]]
</div>
১৫:১৩, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
cjs1fuc7azq2kccdux1nsor583jkxft
আলাপ:ফখরুদ্দীন আল-রাযী
1
12049
73861
2026-04-05T15:14:43Z
Borhan
964
https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026
73861
wikitext
text/x-wiki
{{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}}
s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm
অ্যালান কে
0
12050
73865
2026-04-05T15:29:27Z
SMontaha32
3112
"[[File:Alan Kay (3097597186) (cropped).jpg|thumb|অ্যালান কে (২০০৮)]] '''[[অ্যালান কার্টিস কে]]''' (জন্ম ১৭ মে ১৯৪০) একজন মার্কিন [[কম্পিউটার বিজ্ঞানী]]। তিনি মূলত [[অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং]] এবং উইন্ডোয়ি..." দিয়ে পাতা তৈরি
73865
wikitext
text/x-wiki
[[File:Alan Kay (3097597186) (cropped).jpg|thumb|অ্যালান কে (২০০৮)]]
'''[[অ্যালান কার্টিস কে]]''' (জন্ম ১৭ মে ১৯৪০) একজন মার্কিন [[কম্পিউটার বিজ্ঞানী]]। তিনি মূলত [[অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং]] এবং উইন্ডোয়িং [[গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস]] ডিজাইনে তাঁর অগ্রণী ভূমিকার জন্য সুপরিচিত।
== উক্তি ==
=== ১৯৭০-এর দশক ===
* '''ভবিষ্যদ্বাণী করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো এটি [[উদ্ভাবন]] করা।'''
** [[অ্যালান কে]] (১৯৭১), [http://quoteinvestigator.com/2012/09/27/invent-the-future/ ১৯৭১ সালে পার্ক (PARC)-এর এক সভায়]।
** একই ধরনের মন্তব্য [[পিটার ড্রাকার]] এবং [[ড্যান্ড্রিজ এম. কোল|ড্যান্ড্রিজ এম. কোলের]] নামেও প্রচলিত।
** দ্রষ্টব্য: [[ডেনিস গ্যাবর]], ''ইনভেন্টিং দ্য ফিউচার'' (১৯৬৩): "ভবিষ্যদ্বাণী করা সম্ভব নয়, তবে ভবিষ্যৎ উদ্ভাবন করা সম্ভব।"
*** নাইজেল কাল্ডার গ্যাবরের বইটির পর্যালোচনায় লিখেছিলেন, "আমরা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আগে থেকে বলতে পারি না, তবে এটি উদ্ভাবন করতে পারি..."
* [ [[কম্পিউটিং]] ] এর জন্য এটি একটি চমৎকার ক্ষেত্র। কারণ এখানে আপনাকে পিএইচডি বা অন্য কোনো ডিগ্রিধারী হতে হবে না। এটি এমন একটি জায়গা যেখানে আপনি এখনও একজন কারিগর হিসেবে কাজ করতে পারেন। আপনি যদি মোটামুটি দক্ষ হন তবে মানুষ আপনাকে পারিশ্রমিক দিতে আগ্রহী হবে এবং আপনার হাতে যথেষ্ট সময়ও থাকবে।
** অ্যালান কে (১৯৭২), [http://www.wheels.org/spacewar/stone/rolling_stone.html ''১৯৭২ রোলিং স্টোন নিবন্ধ'']-এ।
=== ১৯৮০-এর দশক ===
* যারা [[সফটওয়্যার]] নিয়ে সত্যিই সিরিয়াস, তাদের নিজস্ব হার্ডওয়্যার তৈরি করা উচিত।
** [https://www.folklore.org/StoryView.py?project=Macintosh&story=Creative_Think.txt ২০ জুলাই ১৯৮২, ক্রিয়েটিভ থিঙ্ক সেমিনারে দেওয়া বক্তব্য]।
* '''দৃষ্টিকোণের পরিবর্তন ৮০ আইকিউ (IQ) পয়েন্টের সমান মূল্যবান।'''
** [https://www.folklore.org/StoryView.py?project=Macintosh&story=Creative_Think.txt ২০ জুলাই ১৯৮২, ক্রিয়েটিভ থিঙ্ক সেমিনারে দেওয়া বক্তব্য]।
* [[প্রযুক্তি]] হলো এমন কিছু যা আপনার জন্মের সময় ছিল না।
** ''১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে হংকংয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে''।
* '''[[ভবিষ্যৎ]] কোনো নির্দিষ্ট ট্র্যাকে সাজানো নেই। এটি আমরা নির্ধারণ করতে পারি। যতক্ষণ আমরা মহাবিশ্বের কোনো পরিচিত নিয়ম লঙ্ঘন করছি না, ততক্ষণ সম্ভবত আমরা এটিকে আমাদের ইচ্ছামতো কার্যকর করতে পারি।'''
** ১৯৮৪ সালে অ্যালান কের 'ইনভেন্টিং দ্য ফিউচার' গবেষণাপত্রে এটি প্রকাশিত হয়।
=== ১৯৯০-এর দশক ===
* আমি জানি না আপনাদের মধ্যে কতজন [[এডসগার ডব্লিউ ডিকস্ট্রা|ডিকস্ট্রার]] সাথে দেখা করেছেন। তবে আপনারা সম্ভবত জানেন যে [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানে]] ঔদ্ধত্য বা অহংকারকে ন্যানো-ডিকস্ট্রা এককে পরিমাপ করা হয়।
** [http://www.youtube.com/watch?v=oKg1hTOQXoY ১৯৯৭ ওপসলা (OOPSLA) মূল বক্তব্য]।
* আসলে "[[অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড]]" শব্দটি আমিই তৈরি করেছি। আমি আপনাদের বলতে পারি যে এটি তৈরির সময় আমার মাথায় [[সি++]] (C++) ছিল না।
** [http://www.youtube.com/watch?v=oKg1hTOQXoY ১৯৯৭ ওপসলা (OOPSLA) মূল বক্তব্য]।
=== ২০০০-এর দশক ===
[[File:Alan Kay (3097597186).jpg|thumb|right|আপনি যদি অন্তত ৯০ শতাংশ সময় ব্যর্থ না হন, তবে বুঝতে হবে আপনার লক্ষ্য যথেষ্ট উঁচুতে নয়।]]
[[File:Alan Kay.jpg|thumb|right|স্কুলে যাওয়ার আগেই আমি কয়েকশ বই পড়ে ফেলেছিলাম। আমি প্রথম শ্রেণিতেই জানতাম যে তারা আমার কাছে মিথ্যা বলছে, কারণ আমি ততদিনে অন্যান্য দৃষ্টিকোণ সম্পর্কে জেনেছি। স্কুল মূলত একটি মাত্র দৃষ্টিভঙ্গি শেখায়—যা শিক্ষক বা পাঠ্যবইয়ে থাকে।]]
[[File:Alan Kay and the prototype of Dynabook, pt. 5 (3010032738).jpg|thumb|right|সহজ জিনিসগুলো সহজ হওয়া উচিত, আর জটিল জিনিসগুলো সম্ভব হওয়া উচিত।]]
* ...এ পর্যন্ত নকশা করা সর্বশ্রেষ্ঠ একক [[প্রোগ্রামিং ভাষা]]। ([[লিস্প|লিস্প (Lisp)]] প্রোগ্রামিং ভাষা সম্পর্কে)।
** ২০০৩, [http://www.openp2p.com/pub/a/p2p/2003/04/03/alan_kay.html ড্যাডি, আর উই দেয়ার ইয়েট? অ্যালান কের সাথে একটি আলোচনা]।
* আমি অবশেষে বুঝতে পারলাম যে লিস্প ১.৫ ম্যানুয়ালের ১৩ নম্বর পৃষ্ঠার নিচে থাকা অর্ধেক পাতার কোডটি নিজেই লিস্প ছিল। এগুলো ছিল "সফটওয়্যারের ম্যাক্সওয়েল সমীকরণ!"
** [http://www.acmqueue.com/modules.php?name=Content&pa=showpage&pid=273&page=4 এসিএম কিউ (ACM Queue) ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'']।
==== ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'', ২০০৪–০৫ ====
* বর্তমানের বেশিরভাগ [[সফটওয়্যার]] অনেকটা মিশরীয় পিরামিডের মতো। এখানে কোনো কাঠামোগত অখণ্ডতা নেই, বরং লাখ লাখ ইট একে অপরের ওপর স্তূপ করা হয়েছে। এটি কেবল পাশবিক শক্তি এবং হাজার হাজার দাসের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।
** [http://queue.acm.org/detail.cfm?id=1039523 এসিএম কিউ (ACM Queue) ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'']।
* '''[[পার্ল (প্রোগ্রামিং ভাষা)|পার্ল]]''' হলো একটি ক্ষুদ্র ও স্বল্পমেয়াদী প্রয়োজন মেটানোর উদাহরণ, যা দীর্ঘমেয়াদে একটি সত্যিকারের সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। কম্পিউটিং জগতে গত ২৫ বছরে যেসব সমস্যা হয়েছে, তার বেশিরভাগই এসেছে এমন সিস্টেম থেকে যেখানে নকশাকারীরা কেবল তাৎক্ষণিক কিছু সমাধান করতে চেয়েছিলেন। সেই ধারণাটি ভবিষ্যতে কার্যকর হবে কি না তা তারা ভাবেননি। সফটওয়্যারের একটি অর্ধায়ু থাকা উচিত যাতে ১০ বা ১৫ বছর পর পুরনো সফটওয়্যারগুলো নিজে থেকেই মুছে যায়।
* সাধারণ মানুষকে শিক্ষিত করার হারের চেয়ে [[কম্পিউটিং]] অনেক দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। গত ২৫ বছরে আমরা অনেকটা পপ কালচারের মতো কিছু পেয়েছি। এটি অনেকটা টেলিভিশনের মতো হয়েছে—এর উদ্ভাবকরা ভেবেছিলেন এর মাধ্যমে জনসাধারণের কাছে [[উইলিয়াম শেক্সপিয়ার|শেক্সপিয়ারকে]] পৌঁছে দেওয়া যাবে। কিন্তু তারা ভুলে গিয়েছিলেন যে শেক্সপিয়ার বোঝার জন্য আরও বেশি পরিশীলিত জ্ঞান ও দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন। টেলিভিশন মানুষকে কেবল সেভাবেই ধরে রেখেছে যেভাবে তারা ছিল। আমি মনে করি বর্তমানে প্রকৃত [[কম্পিউটার বিজ্ঞান]] এবং [[সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং]]-এর অভাবের পেছনে এই পপ কালচার আংশিকভাবে দায়ী।
* সান মাইক্রোসিস্টেমসের কাছে [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভাকে]] একটি প্রথম শ্রেণির ভাষা হিসেবে গড়ে তোলার মতো উপযুক্ত লোক ছিল। তবে আমার বিশ্বাস সান-এর বিপণন কর্মীরা এটি পূর্ণাঙ্গ হওয়ার আগেই বাজারে ছাড়ার জন্য তাড়াহুড়ো করেছিল।
* সান-এর পেশাদাররা যদি [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভা]] ঠিক করার সুযোগ পেতেন, তবে পৃথিবী আরও সুন্দর জায়গা হতে পারত। এটি কোনো গোপন জ্ঞান নয়; এটি কেবল এই পপ কালচারের কাছে গোপন।
* আমি আশঙ্কা করি যে বর্তমানে [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানের]] বেশিরভাগ স্নাতক ডিগ্রি মূলত [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভা]] ভিত্তিক বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ মাত্র। এমনকি প্রখ্যাত শিক্ষকদের নিয়ে গঠিত স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান প্রোগ্রাম সম্পর্কেও অভিযোগ শুনেছি যে এটি জাভা সার্টিফিকেশনের চেয়ে খুব বেশি কিছু নয়।
* '''বেশিরভাগ সৃজনশীলতা হলো এক প্রেক্ষাপট থেকে অন্য প্রেক্ষাপটে উত্তরণ, যেখানে জিনিসগুলো আরও বিস্ময়কর হয়।''' সেখানে বিস্ময়ের একটি উপাদান থাকে এবং বিশেষ করে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে "আহা" মুহূর্তটির সাথে প্রায়ই হাসি যুক্ত থাকে। শিল্পের মধ্যেও এই উপাদানটি আছে। আমাদের কাজ হলো নিজেদের মনে করিয়ে দেওয়া যে আমরা যে প্রেক্ষাপটে আছি তার বাইরেও আরও অনেক প্রেক্ষাপট রয়েছে—যাকে আমরা বাস্তবতা বলে মনে করি।
* আমি কাজ শেষ করতে পারে এমন লোকদের নিয়োগ দিতাম কারণ আমি কাজ শুরু করতে দক্ষ কিন্তু শেষ করতে দুর্বল।
=== ২০১০-এর দশক ===
* তবে আমি স্মলটক (Smalltalk)-এরও খুব বড় ভক্ত নই, যদিও বর্তমানের বেশিরভাগ প্রোগ্রামিং সিস্টেমের তুলনায় এটি বেশ ভালো। আমি বর্তমানের কোনো সিস্টেমই পছন্দ করি না এবং আমি মনে করি না যে এগুলোর কোনোটিই আজকের সিস্টেম বা ব্যবহারকারীদের সত্যিকারের প্রোগ্রামিং সমস্যা সমাধানের উপযোগী।
** [http://www.computerworld.com.au/article/352182/z_programming_languages_smalltalk-80/ ''২০১০, কম্পিউটারওয়ার্ল্ড অস্ট্রেলিয়া'']।
* সম্ভবত সচল অবস্থায় থাকা একমাত্র প্রকৃত অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড সিস্টেম। (ইন্টারনেট সম্পর্কে)।
* [[ইন্টারনেট]] এতটাই সুনিপুণভাবে তৈরি করা হয়েছে যে বেশিরভাগ মানুষ এটিকে মানুষের তৈরি কিছু না ভেবে প্রশান্ত মহাসাগরের মতো প্রাকৃতিক সম্পদ মনে করে। এত বিশাল পরিসরের কোনো প্রযুক্তি শেষ কবে ত্রুটিহীন ছিল? তুলনায় ওয়েব (Web) একটি কৌতুক মাত্র। ওয়েব শৌখিন ব্যক্তিদের দ্বারা তৈরি হয়েছে।
** [http://www.drdobbs.com/architecture-and-design/interview-with-alan-kay/240003442 ''২০১২, ড. ডবস ইন্টারভিউ উইথ অ্যালান কে'']।
* অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড [প্রোগ্রামিং] জেরক্স পার্ক (Xerox PARC)-এর বাইরে কখনো পৌঁছাতে পারেনি; কেবল শব্দটাই বাইরে গেছে।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:কে, অ্যালান}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কম্পিউটার বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রোগ্রামার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নকশাকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪০-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেটসের বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:টুরিং পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির শিক্ষক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, লস অ্যাঞ্জেলেসের শিক্ষক]]
a52bssszqcxy29kxpjzxoz2wmhfixtq
73866
73865
2026-04-05T15:31:27Z
SMontaha32
3112
73866
wikitext
text/x-wiki
[[File:Alan Kay (3097597186) (cropped).jpg|thumb|অ্যালান কে (২০০৮)]]
'''[[অ্যালান কার্টিস কে]]''' (জন্ম ১৭ মে ১৯৪০) একজন মার্কিন [[কম্পিউটার বিজ্ঞানী]]। তিনি মূলত [[অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং]] এবং উইন্ডোয়িং [[গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস]] ডিজাইনে তাঁর অগ্রণী ভূমিকার জন্য সুপরিচিত।
== উক্তি ==
=== ১৯৭০-এর দশক ===
* '''ভবিষ্যদ্বাণী করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো এটি [[উদ্ভাবন]] করা।'''
** [[অ্যালান কে]] (১৯৭১), [http://quoteinvestigator.com/2012/09/27/invent-the-future/ ১৯৭১ সালে পার্ক (PARC)-এর এক সভায়]।
** একই ধরনের মন্তব্য [[পিটার ড্রাকার]] এবং [[ড্যান্ড্রিজ এম. কোল|ড্যান্ড্রিজ এম. কোলের]] নামেও প্রচলিত।
** দ্রষ্টব্য: [[ডেনিস গ্যাবর]], ''ইনভেন্টিং দ্য ফিউচার'' (১৯৬৩): "ভবিষ্যদ্বাণী করা সম্ভব নয়, তবে ভবিষ্যৎ উদ্ভাবন করা সম্ভব।"
*** নাইজেল কাল্ডার গ্যাবরের বইটির পর্যালোচনায় লিখেছিলেন, "আমরা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আগে থেকে বলতে পারি না, তবে এটি উদ্ভাবন করতে পারি..."
* [ [[কম্পিউটিং]] ] এর জন্য এটি একটি চমৎকার ক্ষেত্র। কারণ এখানে আপনাকে পিএইচডি বা অন্য কোনো ডিগ্রিধারী হতে হবে না। এটি এমন একটি জায়গা যেখানে আপনি এখনও একজন কারিগর হিসেবে কাজ করতে পারেন। আপনি যদি মোটামুটি দক্ষ হন তবে মানুষ আপনাকে পারিশ্রমিক দিতে আগ্রহী হবে এবং আপনার হাতে যথেষ্ট সময়ও থাকবে।
** অ্যালান কে (১৯৭২), [http://www.wheels.org/spacewar/stone/rolling_stone.html ''১৯৭২ রোলিং স্টোন নিবন্ধ'']-এ।
=== ১৯৮০-এর দশক ===
* যারা [[সফটওয়্যার]] নিয়ে সত্যিই সিরিয়াস, তাদের নিজস্ব হার্ডওয়্যার তৈরি করা উচিত।
** [https://www.folklore.org/StoryView.py?project=Macintosh&story=Creative_Think.txt ২০ জুলাই ১৯৮২, ক্রিয়েটিভ থিঙ্ক সেমিনারে দেওয়া বক্তব্য]।
* '''দৃষ্টিকোণের পরিবর্তন ৮০ আইকিউ (IQ) পয়েন্টের সমান মূল্যবান।'''
** [https://www.folklore.org/StoryView.py?project=Macintosh&story=Creative_Think.txt ২০ জুলাই ১৯৮২, ক্রিয়েটিভ থিঙ্ক সেমিনারে দেওয়া বক্তব্য]।
* [[প্রযুক্তি]] হলো এমন কিছু যা আপনার জন্মের সময় ছিল না।
** ''১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে হংকংয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে''।
* '''[[ভবিষ্যৎ]] কোনো নির্দিষ্ট ট্র্যাকে সাজানো নেই। এটি আমরা নির্ধারণ করতে পারি। যতক্ষণ আমরা মহাবিশ্বের কোনো পরিচিত নিয়ম লঙ্ঘন করছি না, ততক্ষণ সম্ভবত আমরা এটিকে আমাদের ইচ্ছামতো কার্যকর করতে পারি।'''
** ১৯৮৪ সালে অ্যালান কের 'ইনভেন্টিং দ্য ফিউচার' গবেষণাপত্রে এটি প্রকাশিত হয়।
=== ১৯৯০-এর দশক ===
* আমি জানি না আপনাদের মধ্যে কতজন [[এডসগার ডব্লিউ ডিকস্ট্রা|ডিকস্ট্রার]] সাথে দেখা করেছেন। তবে আপনারা সম্ভবত জানেন যে [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানে]] ঔদ্ধত্য বা অহংকারকে ন্যানো-ডিকস্ট্রা এককে পরিমাপ করা হয়।
** [http://www.youtube.com/watch?v=oKg1hTOQXoY ১৯৯৭ ওপসলা (OOPSLA) মূল বক্তব্য]।
* আসলে "[[অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড]]" শব্দটি আমিই তৈরি করেছি। আমি আপনাদের বলতে পারি যে এটি তৈরির সময় আমার মাথায় [[সি++]] (C++) ছিল না।
** [http://www.youtube.com/watch?v=oKg1hTOQXoY ১৯৯৭ ওপসলা (OOPSLA) মূল বক্তব্য]।
=== ২০০০-এর দশক ===
[[File:Alan Kay (3097597186).jpg|thumb|right|আপনি যদি অন্তত ৯০ শতাংশ সময় ব্যর্থ না হন, তবে বুঝতে হবে আপনার লক্ষ্য যথেষ্ট উঁচুতে নয়।]]
[[File:Alan Kay.jpg|thumb|right|স্কুলে যাওয়ার আগেই আমি কয়েকশ বই পড়ে ফেলেছিলাম। আমি প্রথম শ্রেণিতেই জানতাম যে তারা আমার কাছে মিথ্যা বলছে, কারণ আমি ততদিনে অন্যান্য দৃষ্টিকোণ সম্পর্কে জেনেছি। স্কুল মূলত একটি মাত্র দৃষ্টিভঙ্গি শেখায়—যা শিক্ষক বা পাঠ্যবইয়ে থাকে।]]
[[File:Alan Kay and the prototype of Dynabook, pt. 5 (3010032738).jpg|thumb|right|সহজ জিনিসগুলো সহজ হওয়া উচিত, আর জটিল জিনিসগুলো সম্ভব হওয়া উচিত।]]
* ...এ পর্যন্ত নকশা করা সর্বশ্রেষ্ঠ একক [[প্রোগ্রামিং ভাষা]]। ([[লিস্প|লিস্প (Lisp)]] প্রোগ্রামিং ভাষা সম্পর্কে)।
** ২০০৩, [http://www.openp2p.com/pub/a/p2p/2003/04/03/alan_kay.html ড্যাডি, আর উই দেয়ার ইয়েট? অ্যালান কের সাথে একটি আলোচনা]।
* আমি অবশেষে বুঝতে পারলাম যে লিস্প ১.৫ ম্যানুয়ালের ১৩ নম্বর পৃষ্ঠার নিচে থাকা অর্ধেক পাতার কোডটি নিজেই লিস্প ছিল। এগুলো ছিল "সফটওয়্যারের ম্যাক্সওয়েল সমীকরণ!"
** [http://www.acmqueue.com/modules.php?name=Content&pa=showpage&pid=273&page=4 এসিএম কিউ (ACM Queue) ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'']।
==== ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'', ২০০৪–০৫ ====
* বর্তমানের বেশিরভাগ [[সফটওয়্যার]] অনেকটা মিশরীয় পিরামিডের মতো। এখানে কোনো কাঠামোগত অখণ্ডতা নেই, বরং লাখ লাখ ইট একে অপরের ওপর স্তূপ করা হয়েছে। এটি কেবল পাশবিক শক্তি এবং হাজার হাজার দাসের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।
** [http://queue.acm.org/detail.cfm?id=1039523 এসিএম কিউ (ACM Queue) ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'']।
* '''[[পার্ল (প্রোগ্রামিং ভাষা)|পার্ল]]''' হলো একটি ক্ষুদ্র ও স্বল্পমেয়াদী প্রয়োজন মেটানোর উদাহরণ, যা দীর্ঘমেয়াদে একটি সত্যিকারের সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। কম্পিউটিং জগতে গত ২৫ বছরে যেসব সমস্যা হয়েছে, তার বেশিরভাগই এসেছে এমন সিস্টেম থেকে যেখানে নকশাকারীরা কেবল তাৎক্ষণিক কিছু সমাধান করতে চেয়েছিলেন। সেই ধারণাটি ভবিষ্যতে কার্যকর হবে কি না তা তারা ভাবেননি। সফটওয়্যারের একটি অর্ধায়ু থাকা উচিত যাতে ১০ বা ১৫ বছর পর পুরনো সফটওয়্যারগুলো নিজে থেকেই মুছে যায়।
* সাধারণ মানুষকে শিক্ষিত করার হারের চেয়ে [[কম্পিউটিং]] অনেক দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। গত ২৫ বছরে আমরা অনেকটা পপ কালচারের মতো কিছু পেয়েছি। এটি অনেকটা টেলিভিশনের মতো হয়েছে—এর উদ্ভাবকরা ভেবেছিলেন এর মাধ্যমে জনসাধারণের কাছে [[উইলিয়াম শেক্সপিয়ার|শেক্সপিয়ারকে]] পৌঁছে দেওয়া যাবে। কিন্তু তারা ভুলে গিয়েছিলেন যে শেক্সপিয়ার বোঝার জন্য আরও বেশি পরিশীলিত জ্ঞান ও দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন। টেলিভিশন মানুষকে কেবল সেভাবেই ধরে রেখেছে যেভাবে তারা ছিল। আমি মনে করি বর্তমানে প্রকৃত [[কম্পিউটার বিজ্ঞান]] এবং [[সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং]]-এর অভাবের পেছনে এই পপ কালচার আংশিকভাবে দায়ী।
* সান মাইক্রোসিস্টেমসের কাছে [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভাকে]] একটি প্রথম শ্রেণির ভাষা হিসেবে গড়ে তোলার মতো উপযুক্ত লোক ছিল। তবে আমার বিশ্বাস সান-এর বিপণন কর্মীরা এটি পূর্ণাঙ্গ হওয়ার আগেই বাজারে ছাড়ার জন্য তাড়াহুড়ো করেছিল।
* সান-এর পেশাদাররা যদি [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভা]] ঠিক করার সুযোগ পেতেন, তবে পৃথিবী আরও সুন্দর জায়গা হতে পারত। এটি কোনো গোপন জ্ঞান নয়; এটি কেবল এই পপ কালচারের কাছে গোপন।
* আমি আশঙ্কা করি যে বর্তমানে [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানের]] বেশিরভাগ স্নাতক ডিগ্রি মূলত [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভা]] ভিত্তিক বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ মাত্র। এমনকি প্রখ্যাত শিক্ষকদের নিয়ে গঠিত স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান প্রোগ্রাম সম্পর্কেও অভিযোগ শুনেছি যে এটি জাভা সার্টিফিকেশনের চেয়ে খুব বেশি কিছু নয়।
* '''বেশিরভাগ সৃজনশীলতা হলো এক প্রেক্ষাপট থেকে অন্য প্রেক্ষাপটে উত্তরণ, যেখানে জিনিসগুলো আরও বিস্ময়কর হয়।''' সেখানে বিস্ময়ের একটি উপাদান থাকে এবং বিশেষ করে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে "আহা" মুহূর্তটির সাথে প্রায়ই হাসি যুক্ত থাকে। শিল্পের মধ্যেও এই উপাদানটি আছে। আমাদের কাজ হলো নিজেদের মনে করিয়ে দেওয়া যে আমরা যে প্রেক্ষাপটে আছি তার বাইরেও আরও অনেক প্রেক্ষাপট রয়েছে—যাকে আমরা বাস্তবতা বলে মনে করি।
* আমি কাজ শেষ করতে পারে এমন লোকদের নিয়োগ দিতাম কারণ আমি কাজ শুরু করতে দক্ষ কিন্তু শেষ করতে দুর্বল।
=== ২০১০-এর দশক ===
* তবে আমি স্মলটকেরও খুব বড় ভক্ত নই, যদিও বর্তমানের বেশিরভাগ প্রোগ্রামিং সিস্টেমের তুলনায় এটি বেশ ভালো। আমি বর্তমানের কোনো সিস্টেমই পছন্দ করি না এবং আমি মনে করি না যে এগুলোর কোনোটিই আজকের সিস্টেম বা ব্যবহারকারীদের সত্যিকারের প্রোগ্রামিং সমস্যা সমাধানের উপযোগী।
** [http://www.computerworld.com.au/article/352182/z_programming_languages_smalltalk-80/ ''২০১০, কম্পিউটারওয়ার্ল্ড অস্ট্রেলিয়া'']।
* সম্ভবত সচল অবস্থায় থাকা একমাত্র প্রকৃত অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড সিস্টেম। (ইন্টারনেট সম্পর্কে)।
* [[ইন্টারনেট]] এতটাই সুনিপুণভাবে তৈরি করা হয়েছে যে বেশিরভাগ মানুষ এটিকে মানুষের তৈরি কিছু না ভেবে প্রশান্ত মহাসাগরের মতো প্রাকৃতিক সম্পদ মনে করে। এত বিশাল পরিসরের কোনো প্রযুক্তি শেষ কবে ত্রুটিহীন ছিল? তুলনায় ওয়েব একটি কৌতুক মাত্র। ওয়েব শৌখিন ব্যক্তিদের দ্বারা তৈরি হয়েছে।
** [http://www.drdobbs.com/architecture-and-design/interview-with-alan-kay/240003442 ''২০১২, ড. ডবস ইন্টারভিউ উইথ অ্যালান কে'']।
* অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড [প্রোগ্রামিং] জেরক্স পার্কের বাইরে কখনো পৌঁছাতে পারেনি; কেবল শব্দটাই বাইরে গেছে।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:কে, অ্যালান}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কম্পিউটার বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রোগ্রামার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নকশাকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪০-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেটসের বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:টুরিং পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির শিক্ষক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, লস অ্যাঞ্জেলেসের শিক্ষক]]
fftp6k4wizxfr8xvmz33wawhz6vdrw8
73867
73866
2026-04-05T15:31:59Z
SMontaha32
3112
73867
wikitext
text/x-wiki
[[File:Alan Kay (3097597186) (cropped).jpg|thumb|অ্যালান কে (২০০৮)]]
'''[[অ্যালান কার্টিস কে]]''' (জন্ম ১৭ মে ১৯৪০) একজন মার্কিন [[কম্পিউটার বিজ্ঞানী]]। তিনি মূলত [[অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং]] এবং উইন্ডোয়িং [[গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস]] ডিজাইনে তাঁর অগ্রণী ভূমিকার জন্য সুপরিচিত।
== উক্তি ==
=== ১৯৭০-এর দশক ===
* '''ভবিষ্যদ্বাণী করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো এটি [[উদ্ভাবন]] করা।'''
** [[অ্যালান কে]] (১৯৭১), [http://quoteinvestigator.com/2012/09/27/invent-the-future/ ১৯৭১ সালে পার্ক (PARC)-এর এক সভায়]।
** একই ধরনের মন্তব্য [[পিটার ড্রাকার]] এবং [[ড্যান্ড্রিজ এম. কোল|ড্যান্ড্রিজ এম. কোলের]] নামেও প্রচলিত।
** দ্রষ্টব্য: [[ডেনিস গ্যাবর]], ''ইনভেন্টিং দ্য ফিউচার'' (১৯৬৩): "ভবিষ্যদ্বাণী করা সম্ভব নয়, তবে ভবিষ্যৎ উদ্ভাবন করা সম্ভব।"
*** নাইজেল কাল্ডার গ্যাবরের বইটির পর্যালোচনায় লিখেছিলেন, "আমরা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আগে থেকে বলতে পারি না, তবে এটি উদ্ভাবন করতে পারি..."
* [ [[কম্পিউটিং]] ] এর জন্য এটি একটি চমৎকার ক্ষেত্র। কারণ এখানে আপনাকে পিএইচডি বা অন্য কোনো ডিগ্রিধারী হতে হবে না। এটি এমন একটি জায়গা যেখানে আপনি এখনও একজন কারিগর হিসেবে কাজ করতে পারেন। আপনি যদি মোটামুটি দক্ষ হন তবে মানুষ আপনাকে পারিশ্রমিক দিতে আগ্রহী হবে এবং আপনার হাতে যথেষ্ট সময়ও থাকবে।
** অ্যালান কে (১৯৭২), [http://www.wheels.org/spacewar/stone/rolling_stone.html ''১৯৭২ রোলিং স্টোন নিবন্ধ'']-এ।
=== ১৯৮০-এর দশক ===
* যারা [[সফটওয়্যার]] নিয়ে সত্যিই সিরিয়াস, তাদের নিজস্ব হার্ডওয়্যার তৈরি করা উচিত।
** [https://www.folklore.org/StoryView.py?project=Macintosh&story=Creative_Think.txt ২০ জুলাই ১৯৮২, ক্রিয়েটিভ থিঙ্ক সেমিনারে দেওয়া বক্তব্য]।
* '''দৃষ্টিকোণের পরিবর্তন ৮০ আইকিউ (IQ) পয়েন্টের সমান মূল্যবান।'''
** [https://www.folklore.org/StoryView.py?project=Macintosh&story=Creative_Think.txt ২০ জুলাই ১৯৮২, ক্রিয়েটিভ থিঙ্ক সেমিনারে দেওয়া বক্তব্য]।
* [[প্রযুক্তি]] হলো এমন কিছু যা আপনার জন্মের সময় ছিল না।
** ''১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে হংকংয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে''।
* '''[[ভবিষ্যৎ]] কোনো নির্দিষ্ট ট্র্যাকে সাজানো নেই। এটি আমরা নির্ধারণ করতে পারি। যতক্ষণ আমরা মহাবিশ্বের কোনো পরিচিত নিয়ম লঙ্ঘন করছি না, ততক্ষণ সম্ভবত আমরা এটিকে আমাদের ইচ্ছামতো কার্যকর করতে পারি।'''
** ১৯৮৪ সালে অ্যালান কের 'ইনভেন্টিং দ্য ফিউচার' গবেষণাপত্রে এটি প্রকাশিত হয়।
=== ১৯৯০-এর দশক ===
* আমি জানি না আপনাদের মধ্যে কতজন [[এডসগার ডব্লিউ ডিকস্ট্রা|ডিকস্ট্রার]] সাথে দেখা করেছেন। তবে আপনারা সম্ভবত জানেন যে [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানে]] ঔদ্ধত্য বা অহংকারকে ন্যানো-ডিকস্ট্রা এককে পরিমাপ করা হয়।
** [http://www.youtube.com/watch?v=oKg1hTOQXoY ১৯৯৭ ওপসলা (OOPSLA) মূল বক্তব্য]।
* আসলে "[[অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড]]" শব্দটি আমিই তৈরি করেছি। আমি আপনাদের বলতে পারি যে এটি তৈরির সময় আমার মাথায় [[সি++]] (C++) ছিল না।
** [http://www.youtube.com/watch?v=oKg1hTOQXoY ১৯৯৭ ওপসলা (OOPSLA) মূল বক্তব্য]।
=== ২০০০-এর দশক ===
[[File:Alan Kay (3097597186).jpg|thumb|right|আপনি যদি অন্তত ৯০ শতাংশ সময় ব্যর্থ না হন, তবে বুঝতে হবে আপনার লক্ষ্য যথেষ্ট উঁচুতে নয়।]]
[[File:Alan Kay.jpg|thumb|right|স্কুলে যাওয়ার আগেই আমি কয়েকশ বই পড়ে ফেলেছিলাম। আমি প্রথম শ্রেণিতেই জানতাম যে তারা আমার কাছে মিথ্যা বলছে, কারণ আমি ততদিনে অন্যান্য দৃষ্টিকোণ সম্পর্কে জেনেছি। স্কুল মূলত একটি মাত্র দৃষ্টিভঙ্গি শেখায়—যা শিক্ষক বা পাঠ্যবইয়ে থাকে।]]
[[File:Alan Kay and the prototype of Dynabook, pt. 5 (3010032738).jpg|thumb|right|সহজ জিনিসগুলো সহজ হওয়া উচিত, আর জটিল জিনিসগুলো সম্ভব হওয়া উচিত।]]
* ...এ পর্যন্ত নকশা করা সর্বশ্রেষ্ঠ একক [[প্রোগ্রামিং ভাষা]]। ([[লিস্প|লিস্প (Lisp)]] প্রোগ্রামিং ভাষা সম্পর্কে)।
** ২০০৩, [http://www.openp2p.com/pub/a/p2p/2003/04/03/alan_kay.html ড্যাডি, আর উই দেয়ার ইয়েট? অ্যালান কের সাথে একটি আলোচনা]।
* আমি অবশেষে বুঝতে পারলাম যে লিস্প ১.৫ ম্যানুয়ালের ১৩ নম্বর পৃষ্ঠার নিচে থাকা অর্ধেক পাতার কোডটি নিজেই লিস্প ছিল। এগুলো ছিল "সফটওয়্যারের ম্যাক্সওয়েল সমীকরণ!"
** [http://www.acmqueue.com/modules.php?name=Content&pa=showpage&pid=273&page=4 এসিএম কিউ (ACM Queue) ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'']।
==== ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'', ২০০৪–০৫ ====
* বর্তমানের বেশিরভাগ [[সফটওয়্যার]] অনেকটা মিশরীয় পিরামিডের মতো। এখানে কোনো কাঠামোগত অখণ্ডতা নেই, বরং লাখ লাখ ইট একে অপরের ওপর স্তূপ করা হয়েছে। এটি কেবল পাশবিক শক্তি এবং হাজার হাজার দাসের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।
** [http://queue.acm.org/detail.cfm?id=1039523 এসিএম কিউ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'']।
* '''[[পার্ল (প্রোগ্রামিং ভাষা)|পার্ল]]''' হলো একটি ক্ষুদ্র ও স্বল্পমেয়াদী প্রয়োজন মেটানোর উদাহরণ, যা দীর্ঘমেয়াদে একটি সত্যিকারের সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। কম্পিউটিং জগতে গত ২৫ বছরে যেসব সমস্যা হয়েছে, তার বেশিরভাগই এসেছে এমন সিস্টেম থেকে যেখানে নকশাকারীরা কেবল তাৎক্ষণিক কিছু সমাধান করতে চেয়েছিলেন। সেই ধারণাটি ভবিষ্যতে কার্যকর হবে কি না তা তারা ভাবেননি। সফটওয়্যারের একটি অর্ধায়ু থাকা উচিত যাতে ১০ বা ১৫ বছর পর পুরনো সফটওয়্যারগুলো নিজে থেকেই মুছে যায়।
* সাধারণ মানুষকে শিক্ষিত করার হারের চেয়ে [[কম্পিউটিং]] অনেক দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। গত ২৫ বছরে আমরা অনেকটা পপ কালচারের মতো কিছু পেয়েছি। এটি অনেকটা টেলিভিশনের মতো হয়েছে—এর উদ্ভাবকরা ভেবেছিলেন এর মাধ্যমে জনসাধারণের কাছে [[উইলিয়াম শেক্সপিয়ার|শেক্সপিয়ারকে]] পৌঁছে দেওয়া যাবে। কিন্তু তারা ভুলে গিয়েছিলেন যে শেক্সপিয়ার বোঝার জন্য আরও বেশি পরিশীলিত জ্ঞান ও দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন। টেলিভিশন মানুষকে কেবল সেভাবেই ধরে রেখেছে যেভাবে তারা ছিল। আমি মনে করি বর্তমানে প্রকৃত [[কম্পিউটার বিজ্ঞান]] এবং [[সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং]]-এর অভাবের পেছনে এই পপ কালচার আংশিকভাবে দায়ী।
* সান মাইক্রোসিস্টেমসের কাছে [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভাকে]] একটি প্রথম শ্রেণির ভাষা হিসেবে গড়ে তোলার মতো উপযুক্ত লোক ছিল। তবে আমার বিশ্বাস সান-এর বিপণন কর্মীরা এটি পূর্ণাঙ্গ হওয়ার আগেই বাজারে ছাড়ার জন্য তাড়াহুড়ো করেছিল।
* সান-এর পেশাদাররা যদি [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভা]] ঠিক করার সুযোগ পেতেন, তবে পৃথিবী আরও সুন্দর জায়গা হতে পারত। এটি কোনো গোপন জ্ঞান নয়; এটি কেবল এই পপ কালচারের কাছে গোপন।
* আমি আশঙ্কা করি যে বর্তমানে [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানের]] বেশিরভাগ স্নাতক ডিগ্রি মূলত [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভা]] ভিত্তিক বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ মাত্র। এমনকি প্রখ্যাত শিক্ষকদের নিয়ে গঠিত স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান প্রোগ্রাম সম্পর্কেও অভিযোগ শুনেছি যে এটি জাভা সার্টিফিকেশনের চেয়ে খুব বেশি কিছু নয়।
* '''বেশিরভাগ সৃজনশীলতা হলো এক প্রেক্ষাপট থেকে অন্য প্রেক্ষাপটে উত্তরণ, যেখানে জিনিসগুলো আরও বিস্ময়কর হয়।''' সেখানে বিস্ময়ের একটি উপাদান থাকে এবং বিশেষ করে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে "আহা" মুহূর্তটির সাথে প্রায়ই হাসি যুক্ত থাকে। শিল্পের মধ্যেও এই উপাদানটি আছে। আমাদের কাজ হলো নিজেদের মনে করিয়ে দেওয়া যে আমরা যে প্রেক্ষাপটে আছি তার বাইরেও আরও অনেক প্রেক্ষাপট রয়েছে—যাকে আমরা বাস্তবতা বলে মনে করি।
* আমি কাজ শেষ করতে পারে এমন লোকদের নিয়োগ দিতাম কারণ আমি কাজ শুরু করতে দক্ষ কিন্তু শেষ করতে দুর্বল।
=== ২০১০-এর দশক ===
* তবে আমি স্মলটকেরও খুব বড় ভক্ত নই, যদিও বর্তমানের বেশিরভাগ প্রোগ্রামিং সিস্টেমের তুলনায় এটি বেশ ভালো। আমি বর্তমানের কোনো সিস্টেমই পছন্দ করি না এবং আমি মনে করি না যে এগুলোর কোনোটিই আজকের সিস্টেম বা ব্যবহারকারীদের সত্যিকারের প্রোগ্রামিং সমস্যা সমাধানের উপযোগী।
** [http://www.computerworld.com.au/article/352182/z_programming_languages_smalltalk-80/ ''২০১০, কম্পিউটারওয়ার্ল্ড অস্ট্রেলিয়া'']।
* সম্ভবত সচল অবস্থায় থাকা একমাত্র প্রকৃত অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড সিস্টেম। (ইন্টারনেট সম্পর্কে)।
* [[ইন্টারনেট]] এতটাই সুনিপুণভাবে তৈরি করা হয়েছে যে বেশিরভাগ মানুষ এটিকে মানুষের তৈরি কিছু না ভেবে প্রশান্ত মহাসাগরের মতো প্রাকৃতিক সম্পদ মনে করে। এত বিশাল পরিসরের কোনো প্রযুক্তি শেষ কবে ত্রুটিহীন ছিল? তুলনায় ওয়েব একটি কৌতুক মাত্র। ওয়েব শৌখিন ব্যক্তিদের দ্বারা তৈরি হয়েছে।
** [http://www.drdobbs.com/architecture-and-design/interview-with-alan-kay/240003442 ''২০১২, ড. ডবস ইন্টারভিউ উইথ অ্যালান কে'']।
* অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড [প্রোগ্রামিং] জেরক্স পার্কের বাইরে কখনো পৌঁছাতে পারেনি; কেবল শব্দটাই বাইরে গেছে।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:কে, অ্যালান}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কম্পিউটার বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রোগ্রামার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নকশাকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪০-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেটসের বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:টুরিং পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির শিক্ষক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, লস অ্যাঞ্জেলেসের শিক্ষক]]
9uz30elt402vc2sdwt8qxdn8kz65v0b
73868
73867
2026-04-05T15:33:16Z
SMontaha32
3112
/* ২০০০-এর দশক */
73868
wikitext
text/x-wiki
[[File:Alan Kay (3097597186) (cropped).jpg|thumb|অ্যালান কে (২০০৮)]]
'''[[অ্যালান কার্টিস কে]]''' (জন্ম ১৭ মে ১৯৪০) একজন মার্কিন [[কম্পিউটার বিজ্ঞানী]]। তিনি মূলত [[অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং]] এবং উইন্ডোয়িং [[গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস]] ডিজাইনে তাঁর অগ্রণী ভূমিকার জন্য সুপরিচিত।
== উক্তি ==
=== ১৯৭০-এর দশক ===
* '''ভবিষ্যদ্বাণী করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো এটি [[উদ্ভাবন]] করা।'''
** [[অ্যালান কে]] (১৯৭১), [http://quoteinvestigator.com/2012/09/27/invent-the-future/ ১৯৭১ সালে পার্ক (PARC)-এর এক সভায়]।
** একই ধরনের মন্তব্য [[পিটার ড্রাকার]] এবং [[ড্যান্ড্রিজ এম. কোল|ড্যান্ড্রিজ এম. কোলের]] নামেও প্রচলিত।
** দ্রষ্টব্য: [[ডেনিস গ্যাবর]], ''ইনভেন্টিং দ্য ফিউচার'' (১৯৬৩): "ভবিষ্যদ্বাণী করা সম্ভব নয়, তবে ভবিষ্যৎ উদ্ভাবন করা সম্ভব।"
*** নাইজেল কাল্ডার গ্যাবরের বইটির পর্যালোচনায় লিখেছিলেন, "আমরা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আগে থেকে বলতে পারি না, তবে এটি উদ্ভাবন করতে পারি..."
* [ [[কম্পিউটিং]] ] এর জন্য এটি একটি চমৎকার ক্ষেত্র। কারণ এখানে আপনাকে পিএইচডি বা অন্য কোনো ডিগ্রিধারী হতে হবে না। এটি এমন একটি জায়গা যেখানে আপনি এখনও একজন কারিগর হিসেবে কাজ করতে পারেন। আপনি যদি মোটামুটি দক্ষ হন তবে মানুষ আপনাকে পারিশ্রমিক দিতে আগ্রহী হবে এবং আপনার হাতে যথেষ্ট সময়ও থাকবে।
** অ্যালান কে (১৯৭২), [http://www.wheels.org/spacewar/stone/rolling_stone.html ''১৯৭২ রোলিং স্টোন নিবন্ধ'']-এ।
=== ১৯৮০-এর দশক ===
* যারা [[সফটওয়্যার]] নিয়ে সত্যিই সিরিয়াস, তাদের নিজস্ব হার্ডওয়্যার তৈরি করা উচিত।
** [https://www.folklore.org/StoryView.py?project=Macintosh&story=Creative_Think.txt ২০ জুলাই ১৯৮২, ক্রিয়েটিভ থিঙ্ক সেমিনারে দেওয়া বক্তব্য]।
* '''দৃষ্টিকোণের পরিবর্তন ৮০ আইকিউ (IQ) পয়েন্টের সমান মূল্যবান।'''
** [https://www.folklore.org/StoryView.py?project=Macintosh&story=Creative_Think.txt ২০ জুলাই ১৯৮২, ক্রিয়েটিভ থিঙ্ক সেমিনারে দেওয়া বক্তব্য]।
* [[প্রযুক্তি]] হলো এমন কিছু যা আপনার জন্মের সময় ছিল না।
** ''১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে হংকংয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে''।
* '''[[ভবিষ্যৎ]] কোনো নির্দিষ্ট ট্র্যাকে সাজানো নেই। এটি আমরা নির্ধারণ করতে পারি। যতক্ষণ আমরা মহাবিশ্বের কোনো পরিচিত নিয়ম লঙ্ঘন করছি না, ততক্ষণ সম্ভবত আমরা এটিকে আমাদের ইচ্ছামতো কার্যকর করতে পারি।'''
** ১৯৮৪ সালে অ্যালান কের 'ইনভেন্টিং দ্য ফিউচার' গবেষণাপত্রে এটি প্রকাশিত হয়।
=== ১৯৯০-এর দশক ===
* আমি জানি না আপনাদের মধ্যে কতজন [[এডসগার ডব্লিউ ডিকস্ট্রা|ডিকস্ট্রার]] সাথে দেখা করেছেন। তবে আপনারা সম্ভবত জানেন যে [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানে]] ঔদ্ধত্য বা অহংকারকে ন্যানো-ডিকস্ট্রা এককে পরিমাপ করা হয়।
** [http://www.youtube.com/watch?v=oKg1hTOQXoY ১৯৯৭ ওপসলা (OOPSLA) মূল বক্তব্য]।
* আসলে "[[অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড]]" শব্দটি আমিই তৈরি করেছি। আমি আপনাদের বলতে পারি যে এটি তৈরির সময় আমার মাথায় [[সি++]] (C++) ছিল না।
** [http://www.youtube.com/watch?v=oKg1hTOQXoY ১৯৯৭ ওপসলা (OOPSLA) মূল বক্তব্য]।
=== ২০০০-এর দশক ===
[[File:Alan Kay (3097597186).jpg|thumb|right|আপনি যদি অন্তত ৯০ শতাংশ সময় ব্যর্থ না হন, তবে বুঝতে হবে আপনার লক্ষ্য যথেষ্ট উঁচুতে নয়।]]
[[File:Alan Kay.jpg|thumb|right|স্কুলে যাওয়ার আগেই আমি কয়েকশ বই পড়ে ফেলেছিলাম। আমি প্রথম শ্রেণিতেই জানতাম যে তারা আমার কাছে মিথ্যা বলছে, কারণ আমি ততদিনে অন্যান্য দৃষ্টিকোণ সম্পর্কে জেনেছি। স্কুল মূলত একটি মাত্র দৃষ্টিভঙ্গি শেখায়—যা শিক্ষক বা পাঠ্যবইয়ে থাকে।]]
[[File:Alan Kay and the prototype of Dynabook, pt. 5 (3010032738).jpg|thumb|right|সহজ জিনিসগুলো সহজ হওয়া উচিত, আর জটিল জিনিসগুলো সম্ভব হওয়া উচিত।]]
* ...এ পর্যন্ত নকশা করা সর্বশ্রেষ্ঠ একক [[প্রোগ্রামিং ভাষা]]। ([[লিস্প|লিস্প]] প্রোগ্রামিং ভাষা সম্পর্কে)।
** ২০০৩, [http://www.openp2p.com/pub/a/p2p/2003/04/03/alan_kay.html ড্যাডি, আর উই দেয়ার ইয়েট? অ্যালান কের সাথে একটি আলোচনা]।
* আমি অবশেষে বুঝতে পারলাম যে লিস্প ১.৫ ম্যানুয়ালের ১৩ নম্বর পৃষ্ঠার নিচে থাকা অর্ধেক পাতার কোডটি নিজেই লিস্প ছিল। এগুলো ছিল "সফটওয়্যারের ম্যাক্সওয়েল সমীকরণ!"
** [http://www.acmqueue.com/modules.php?name=Content&pa=showpage&pid=273&page=4 এসিএম কিউ ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'']।
==== ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'', ২০০৪–০৫ ====
* বর্তমানের বেশিরভাগ [[সফটওয়্যার]] অনেকটা মিশরীয় পিরামিডের মতো। এখানে কোনো কাঠামোগত অখণ্ডতা নেই, বরং লাখ লাখ ইট একে অপরের ওপর স্তূপ করা হয়েছে। এটি কেবল পাশবিক শক্তি এবং হাজার হাজার দাসের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।
** [http://queue.acm.org/detail.cfm?id=1039523 এসিএম কিউ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'']।
* '''[[পার্ল (প্রোগ্রামিং ভাষা)|পার্ল]]''' হলো একটি ক্ষুদ্র ও স্বল্পমেয়াদী প্রয়োজন মেটানোর উদাহরণ, যা দীর্ঘমেয়াদে একটি সত্যিকারের সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। কম্পিউটিং জগতে গত ২৫ বছরে যেসব সমস্যা হয়েছে, তার বেশিরভাগই এসেছে এমন সিস্টেম থেকে যেখানে নকশাকারীরা কেবল তাৎক্ষণিক কিছু সমাধান করতে চেয়েছিলেন। সেই ধারণাটি ভবিষ্যতে কার্যকর হবে কি না তা তারা ভাবেননি। সফটওয়্যারের একটি অর্ধায়ু থাকা উচিত যাতে ১০ বা ১৫ বছর পর পুরনো সফটওয়্যারগুলো নিজে থেকেই মুছে যায়।
* সাধারণ মানুষকে শিক্ষিত করার হারের চেয়ে [[কম্পিউটিং]] অনেক দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। গত ২৫ বছরে আমরা অনেকটা পপ কালচারের মতো কিছু পেয়েছি। এটি অনেকটা টেলিভিশনের মতো হয়েছে—এর উদ্ভাবকরা ভেবেছিলেন এর মাধ্যমে জনসাধারণের কাছে [[উইলিয়াম শেক্সপিয়ার|শেক্সপিয়ারকে]] পৌঁছে দেওয়া যাবে। কিন্তু তারা ভুলে গিয়েছিলেন যে শেক্সপিয়ার বোঝার জন্য আরও বেশি পরিশীলিত জ্ঞান ও দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন। টেলিভিশন মানুষকে কেবল সেভাবেই ধরে রেখেছে যেভাবে তারা ছিল। আমি মনে করি বর্তমানে প্রকৃত [[কম্পিউটার বিজ্ঞান]] এবং [[সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং]]-এর অভাবের পেছনে এই পপ কালচার আংশিকভাবে দায়ী।
* সান মাইক্রোসিস্টেমসের কাছে [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভাকে]] একটি প্রথম শ্রেণির ভাষা হিসেবে গড়ে তোলার মতো উপযুক্ত লোক ছিল। তবে আমার বিশ্বাস সান-এর বিপণন কর্মীরা এটি পূর্ণাঙ্গ হওয়ার আগেই বাজারে ছাড়ার জন্য তাড়াহুড়ো করেছিল।
* সান-এর পেশাদাররা যদি [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভা]] ঠিক করার সুযোগ পেতেন, তবে পৃথিবী আরও সুন্দর জায়গা হতে পারত। এটি কোনো গোপন জ্ঞান নয়; এটি কেবল এই পপ কালচারের কাছে গোপন।
* আমি আশঙ্কা করি যে বর্তমানে [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানের]] বেশিরভাগ স্নাতক ডিগ্রি মূলত [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভা]] ভিত্তিক বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ মাত্র। এমনকি প্রখ্যাত শিক্ষকদের নিয়ে গঠিত স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান প্রোগ্রাম সম্পর্কেও অভিযোগ শুনেছি যে এটি জাভা সার্টিফিকেশনের চেয়ে খুব বেশি কিছু নয়।
* '''বেশিরভাগ সৃজনশীলতা হলো এক প্রেক্ষাপট থেকে অন্য প্রেক্ষাপটে উত্তরণ, যেখানে জিনিসগুলো আরও বিস্ময়কর হয়।''' সেখানে বিস্ময়ের একটি উপাদান থাকে এবং বিশেষ করে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে "আহা" মুহূর্তটির সাথে প্রায়ই হাসি যুক্ত থাকে। শিল্পের মধ্যেও এই উপাদানটি আছে। আমাদের কাজ হলো নিজেদের মনে করিয়ে দেওয়া যে আমরা যে প্রেক্ষাপটে আছি তার বাইরেও আরও অনেক প্রেক্ষাপট রয়েছে—যাকে আমরা বাস্তবতা বলে মনে করি।
* আমি কাজ শেষ করতে পারে এমন লোকদের নিয়োগ দিতাম কারণ আমি কাজ শুরু করতে দক্ষ কিন্তু শেষ করতে দুর্বল।
=== ২০১০-এর দশক ===
* তবে আমি স্মলটকেরও খুব বড় ভক্ত নই, যদিও বর্তমানের বেশিরভাগ প্রোগ্রামিং সিস্টেমের তুলনায় এটি বেশ ভালো। আমি বর্তমানের কোনো সিস্টেমই পছন্দ করি না এবং আমি মনে করি না যে এগুলোর কোনোটিই আজকের সিস্টেম বা ব্যবহারকারীদের সত্যিকারের প্রোগ্রামিং সমস্যা সমাধানের উপযোগী।
** [http://www.computerworld.com.au/article/352182/z_programming_languages_smalltalk-80/ ''২০১০, কম্পিউটারওয়ার্ল্ড অস্ট্রেলিয়া'']।
* সম্ভবত সচল অবস্থায় থাকা একমাত্র প্রকৃত অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড সিস্টেম। (ইন্টারনেট সম্পর্কে)।
* [[ইন্টারনেট]] এতটাই সুনিপুণভাবে তৈরি করা হয়েছে যে বেশিরভাগ মানুষ এটিকে মানুষের তৈরি কিছু না ভেবে প্রশান্ত মহাসাগরের মতো প্রাকৃতিক সম্পদ মনে করে। এত বিশাল পরিসরের কোনো প্রযুক্তি শেষ কবে ত্রুটিহীন ছিল? তুলনায় ওয়েব একটি কৌতুক মাত্র। ওয়েব শৌখিন ব্যক্তিদের দ্বারা তৈরি হয়েছে।
** [http://www.drdobbs.com/architecture-and-design/interview-with-alan-kay/240003442 ''২০১২, ড. ডবস ইন্টারভিউ উইথ অ্যালান কে'']।
* অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড [প্রোগ্রামিং] জেরক্স পার্কের বাইরে কখনো পৌঁছাতে পারেনি; কেবল শব্দটাই বাইরে গেছে।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:কে, অ্যালান}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কম্পিউটার বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রোগ্রামার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নকশাকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪০-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেটসের বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:টুরিং পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির শিক্ষক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, লস অ্যাঞ্জেলেসের শিক্ষক]]
ga1l7gc540pkacb1f4n34wc6rlphh6l
73869
73868
2026-04-05T15:33:55Z
SMontaha32
3112
73869
wikitext
text/x-wiki
[[File:Alan Kay (3097597186) (cropped).jpg|thumb|অ্যালান কে (২০০৮)]]
'''[[অ্যালান কার্টিস কে]]''' (জন্ম ১৭ মে ১৯৪০) একজন মার্কিন [[কম্পিউটার বিজ্ঞানী]]। তিনি মূলত [[অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং]] এবং উইন্ডোয়িং [[গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস]] ডিজাইনে তাঁর অগ্রণী ভূমিকার জন্য সুপরিচিত।
== উক্তি ==
=== ১৯৭০-এর দশক ===
* '''ভবিষ্যদ্বাণী করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো এটি [[উদ্ভাবন]] করা।'''
** [[অ্যালান কে]] (১৯৭১), [http://quoteinvestigator.com/2012/09/27/invent-the-future/ ১৯৭১ সালে পার্ক (PARC)-এর এক সভায়]।
** একই ধরনের মন্তব্য [[পিটার ড্রাকার]] এবং [[ড্যান্ড্রিজ এম. কোল|ড্যান্ড্রিজ এম. কোলের]] নামেও প্রচলিত।
** দ্রষ্টব্য: [[ডেনিস গ্যাবর]], ''ইনভেন্টিং দ্য ফিউচার'' (১৯৬৩): "ভবিষ্যদ্বাণী করা সম্ভব নয়, তবে ভবিষ্যৎ উদ্ভাবন করা সম্ভব।"
*** নাইজেল কাল্ডার গ্যাবরের বইটির পর্যালোচনায় লিখেছিলেন, "আমরা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আগে থেকে বলতে পারি না, তবে এটি উদ্ভাবন করতে পারি..."
* [ [[কম্পিউটিং]] ] এর জন্য এটি একটি চমৎকার ক্ষেত্র। কারণ এখানে আপনাকে পিএইচডি বা অন্য কোনো ডিগ্রিধারী হতে হবে না। এটি এমন একটি জায়গা যেখানে আপনি এখনও একজন কারিগর হিসেবে কাজ করতে পারেন। আপনি যদি মোটামুটি দক্ষ হন তবে মানুষ আপনাকে পারিশ্রমিক দিতে আগ্রহী হবে এবং আপনার হাতে যথেষ্ট সময়ও থাকবে।
** অ্যালান কে (১৯৭২), [http://www.wheels.org/spacewar/stone/rolling_stone.html ''১৯৭২ রোলিং স্টোন নিবন্ধ'']-এ।
=== ১৯৮০-এর দশক ===
* যারা [[সফটওয়্যার]] নিয়ে সত্যিই সিরিয়াস, তাদের নিজস্ব হার্ডওয়্যার তৈরি করা উচিত।
** [https://www.folklore.org/StoryView.py?project=Macintosh&story=Creative_Think.txt ২০ জুলাই ১৯৮২, ক্রিয়েটিভ থিঙ্ক সেমিনারে দেওয়া বক্তব্য]।
* '''দৃষ্টিকোণের পরিবর্তন ৮০ আইকিউ (IQ) পয়েন্টের সমান মূল্যবান।'''
** [https://www.folklore.org/StoryView.py?project=Macintosh&story=Creative_Think.txt ২০ জুলাই ১৯৮২, ক্রিয়েটিভ থিঙ্ক সেমিনারে দেওয়া বক্তব্য]।
* [[প্রযুক্তি]] হলো এমন কিছু যা আপনার জন্মের সময় ছিল না।
** ''১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে হংকংয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে''।
* '''[[ভবিষ্যৎ]] কোনো নির্দিষ্ট ট্র্যাকে সাজানো নেই। এটি আমরা নির্ধারণ করতে পারি। যতক্ষণ আমরা মহাবিশ্বের কোনো পরিচিত নিয়ম লঙ্ঘন করছি না, ততক্ষণ সম্ভবত আমরা এটিকে আমাদের ইচ্ছামতো কার্যকর করতে পারি।'''
** ১৯৮৪ সালে অ্যালান কের 'ইনভেন্টিং দ্য ফিউচার' গবেষণাপত্রে এটি প্রকাশিত হয়।
=== ১৯৯০-এর দশক ===
* আমি জানি না আপনাদের মধ্যে কতজন [[এডসগার ডব্লিউ ডিকস্ট্রা|ডিকস্ট্রার]] সাথে দেখা করেছেন। তবে আপনারা সম্ভবত জানেন যে [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানে]] ঔদ্ধত্য বা অহংকারকে ন্যানো-ডিকস্ট্রা এককে পরিমাপ করা হয়।
** [http://www.youtube.com/watch?v=oKg1hTOQXoY ১৯৯৭ ওপসলা মূল বক্তব্য]।
* আসলে "[[অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড]]" শব্দটি আমিই তৈরি করেছি। আমি আপনাদের বলতে পারি যে এটি তৈরির সময় আমার মাথায় [[সি++]] ছিল না।
** [http://www.youtube.com/watch?v=oKg1hTOQXoY ১৯৯৭ ওপসলা মূল বক্তব্য]।
=== ২০০০-এর দশক ===
[[File:Alan Kay (3097597186).jpg|thumb|right|আপনি যদি অন্তত ৯০ শতাংশ সময় ব্যর্থ না হন, তবে বুঝতে হবে আপনার লক্ষ্য যথেষ্ট উঁচুতে নয়।]]
[[File:Alan Kay.jpg|thumb|right|স্কুলে যাওয়ার আগেই আমি কয়েকশ বই পড়ে ফেলেছিলাম। আমি প্রথম শ্রেণিতেই জানতাম যে তারা আমার কাছে মিথ্যা বলছে, কারণ আমি ততদিনে অন্যান্য দৃষ্টিকোণ সম্পর্কে জেনেছি। স্কুল মূলত একটি মাত্র দৃষ্টিভঙ্গি শেখায়—যা শিক্ষক বা পাঠ্যবইয়ে থাকে।]]
[[File:Alan Kay and the prototype of Dynabook, pt. 5 (3010032738).jpg|thumb|right|সহজ জিনিসগুলো সহজ হওয়া উচিত, আর জটিল জিনিসগুলো সম্ভব হওয়া উচিত।]]
* ...এ পর্যন্ত নকশা করা সর্বশ্রেষ্ঠ একক [[প্রোগ্রামিং ভাষা]]। ([[লিস্প|লিস্প]] প্রোগ্রামিং ভাষা সম্পর্কে)।
** ২০০৩, [http://www.openp2p.com/pub/a/p2p/2003/04/03/alan_kay.html ড্যাডি, আর উই দেয়ার ইয়েট? অ্যালান কের সাথে একটি আলোচনা]।
* আমি অবশেষে বুঝতে পারলাম যে লিস্প ১.৫ ম্যানুয়ালের ১৩ নম্বর পৃষ্ঠার নিচে থাকা অর্ধেক পাতার কোডটি নিজেই লিস্প ছিল। এগুলো ছিল "সফটওয়্যারের ম্যাক্সওয়েল সমীকরণ!"
** [http://www.acmqueue.com/modules.php?name=Content&pa=showpage&pid=273&page=4 এসিএম কিউ ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'']।
==== ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'', ২০০৪–০৫ ====
* বর্তমানের বেশিরভাগ [[সফটওয়্যার]] অনেকটা মিশরীয় পিরামিডের মতো। এখানে কোনো কাঠামোগত অখণ্ডতা নেই, বরং লাখ লাখ ইট একে অপরের ওপর স্তূপ করা হয়েছে। এটি কেবল পাশবিক শক্তি এবং হাজার হাজার দাসের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।
** [http://queue.acm.org/detail.cfm?id=1039523 এসিএম কিউ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'']।
* '''[[পার্ল (প্রোগ্রামিং ভাষা)|পার্ল]]''' হলো একটি ক্ষুদ্র ও স্বল্পমেয়াদী প্রয়োজন মেটানোর উদাহরণ, যা দীর্ঘমেয়াদে একটি সত্যিকারের সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। কম্পিউটিং জগতে গত ২৫ বছরে যেসব সমস্যা হয়েছে, তার বেশিরভাগই এসেছে এমন সিস্টেম থেকে যেখানে নকশাকারীরা কেবল তাৎক্ষণিক কিছু সমাধান করতে চেয়েছিলেন। সেই ধারণাটি ভবিষ্যতে কার্যকর হবে কি না তা তারা ভাবেননি। সফটওয়্যারের একটি অর্ধায়ু থাকা উচিত যাতে ১০ বা ১৫ বছর পর পুরনো সফটওয়্যারগুলো নিজে থেকেই মুছে যায়।
* সাধারণ মানুষকে শিক্ষিত করার হারের চেয়ে [[কম্পিউটিং]] অনেক দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। গত ২৫ বছরে আমরা অনেকটা পপ কালচারের মতো কিছু পেয়েছি। এটি অনেকটা টেলিভিশনের মতো হয়েছে—এর উদ্ভাবকরা ভেবেছিলেন এর মাধ্যমে জনসাধারণের কাছে [[উইলিয়াম শেক্সপিয়ার|শেক্সপিয়ারকে]] পৌঁছে দেওয়া যাবে। কিন্তু তারা ভুলে গিয়েছিলেন যে শেক্সপিয়ার বোঝার জন্য আরও বেশি পরিশীলিত জ্ঞান ও দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন। টেলিভিশন মানুষকে কেবল সেভাবেই ধরে রেখেছে যেভাবে তারা ছিল। আমি মনে করি বর্তমানে প্রকৃত [[কম্পিউটার বিজ্ঞান]] এবং [[সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং]]-এর অভাবের পেছনে এই পপ কালচার আংশিকভাবে দায়ী।
* সান মাইক্রোসিস্টেমসের কাছে [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভাকে]] একটি প্রথম শ্রেণির ভাষা হিসেবে গড়ে তোলার মতো উপযুক্ত লোক ছিল। তবে আমার বিশ্বাস সান-এর বিপণন কর্মীরা এটি পূর্ণাঙ্গ হওয়ার আগেই বাজারে ছাড়ার জন্য তাড়াহুড়ো করেছিল।
* সান-এর পেশাদাররা যদি [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভা]] ঠিক করার সুযোগ পেতেন, তবে পৃথিবী আরও সুন্দর জায়গা হতে পারত। এটি কোনো গোপন জ্ঞান নয়; এটি কেবল এই পপ কালচারের কাছে গোপন।
* আমি আশঙ্কা করি যে বর্তমানে [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানের]] বেশিরভাগ স্নাতক ডিগ্রি মূলত [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভা]] ভিত্তিক বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ মাত্র। এমনকি প্রখ্যাত শিক্ষকদের নিয়ে গঠিত স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান প্রোগ্রাম সম্পর্কেও অভিযোগ শুনেছি যে এটি জাভা সার্টিফিকেশনের চেয়ে খুব বেশি কিছু নয়।
* '''বেশিরভাগ সৃজনশীলতা হলো এক প্রেক্ষাপট থেকে অন্য প্রেক্ষাপটে উত্তরণ, যেখানে জিনিসগুলো আরও বিস্ময়কর হয়।''' সেখানে বিস্ময়ের একটি উপাদান থাকে এবং বিশেষ করে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে "আহা" মুহূর্তটির সাথে প্রায়ই হাসি যুক্ত থাকে। শিল্পের মধ্যেও এই উপাদানটি আছে। আমাদের কাজ হলো নিজেদের মনে করিয়ে দেওয়া যে আমরা যে প্রেক্ষাপটে আছি তার বাইরেও আরও অনেক প্রেক্ষাপট রয়েছে—যাকে আমরা বাস্তবতা বলে মনে করি।
* আমি কাজ শেষ করতে পারে এমন লোকদের নিয়োগ দিতাম কারণ আমি কাজ শুরু করতে দক্ষ কিন্তু শেষ করতে দুর্বল।
=== ২০১০-এর দশক ===
* তবে আমি স্মলটকেরও খুব বড় ভক্ত নই, যদিও বর্তমানের বেশিরভাগ প্রোগ্রামিং সিস্টেমের তুলনায় এটি বেশ ভালো। আমি বর্তমানের কোনো সিস্টেমই পছন্দ করি না এবং আমি মনে করি না যে এগুলোর কোনোটিই আজকের সিস্টেম বা ব্যবহারকারীদের সত্যিকারের প্রোগ্রামিং সমস্যা সমাধানের উপযোগী।
** [http://www.computerworld.com.au/article/352182/z_programming_languages_smalltalk-80/ ''২০১০, কম্পিউটারওয়ার্ল্ড অস্ট্রেলিয়া'']।
* সম্ভবত সচল অবস্থায় থাকা একমাত্র প্রকৃত অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড সিস্টেম। (ইন্টারনেট সম্পর্কে)।
* [[ইন্টারনেট]] এতটাই সুনিপুণভাবে তৈরি করা হয়েছে যে বেশিরভাগ মানুষ এটিকে মানুষের তৈরি কিছু না ভেবে প্রশান্ত মহাসাগরের মতো প্রাকৃতিক সম্পদ মনে করে। এত বিশাল পরিসরের কোনো প্রযুক্তি শেষ কবে ত্রুটিহীন ছিল? তুলনায় ওয়েব একটি কৌতুক মাত্র। ওয়েব শৌখিন ব্যক্তিদের দ্বারা তৈরি হয়েছে।
** [http://www.drdobbs.com/architecture-and-design/interview-with-alan-kay/240003442 ''২০১২, ড. ডবস ইন্টারভিউ উইথ অ্যালান কে'']।
* অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড [প্রোগ্রামিং] জেরক্স পার্কের বাইরে কখনো পৌঁছাতে পারেনি; কেবল শব্দটাই বাইরে গেছে।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:কে, অ্যালান}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কম্পিউটার বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রোগ্রামার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নকশাকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪০-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেটসের বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:টুরিং পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির শিক্ষক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, লস অ্যাঞ্জেলেসের শিক্ষক]]
nqs1l7unbw3dj37a5aeq7ycb38vp12c
73870
73869
2026-04-05T15:34:14Z
SMontaha32
3112
73870
wikitext
text/x-wiki
[[File:Alan Kay (3097597186) (cropped).jpg|thumb|অ্যালান কে (২০০৮)]]
'''[[অ্যালান কার্টিস কে]]''' (জন্ম ১৭ মে ১৯৪০) একজন মার্কিন [[কম্পিউটার বিজ্ঞানী]]। তিনি মূলত [[অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং]] এবং উইন্ডোয়িং [[গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস]] ডিজাইনে তাঁর অগ্রণী ভূমিকার জন্য সুপরিচিত।
== উক্তি ==
=== ১৯৭০-এর দশক ===
* '''ভবিষ্যদ্বাণী করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো এটি [[উদ্ভাবন]] করা।'''
** [[অ্যালান কে]] (১৯৭১), [http://quoteinvestigator.com/2012/09/27/invent-the-future/ ১৯৭১ সালে পার্ক (PARC)-এর এক সভায়]।
** একই ধরনের মন্তব্য [[পিটার ড্রাকার]] এবং [[ড্যান্ড্রিজ এম. কোল|ড্যান্ড্রিজ এম. কোলের]] নামেও প্রচলিত।
** দ্রষ্টব্য: [[ডেনিস গ্যাবর]], ''ইনভেন্টিং দ্য ফিউচার'' (১৯৬৩): "ভবিষ্যদ্বাণী করা সম্ভব নয়, তবে ভবিষ্যৎ উদ্ভাবন করা সম্ভব।"
*** নাইজেল কাল্ডার গ্যাবরের বইটির পর্যালোচনায় লিখেছিলেন, "আমরা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আগে থেকে বলতে পারি না, তবে এটি উদ্ভাবন করতে পারি..."
* [ [[কম্পিউটিং]] ] এর জন্য এটি একটি চমৎকার ক্ষেত্র। কারণ এখানে আপনাকে পিএইচডি বা অন্য কোনো ডিগ্রিধারী হতে হবে না। এটি এমন একটি জায়গা যেখানে আপনি এখনও একজন কারিগর হিসেবে কাজ করতে পারেন। আপনি যদি মোটামুটি দক্ষ হন তবে মানুষ আপনাকে পারিশ্রমিক দিতে আগ্রহী হবে এবং আপনার হাতে যথেষ্ট সময়ও থাকবে।
** অ্যালান কে (১৯৭২), [http://www.wheels.org/spacewar/stone/rolling_stone.html ''১৯৭২ রোলিং স্টোন নিবন্ধ'']-এ।
=== ১৯৮০-এর দশক ===
* যারা [[সফটওয়্যার]] নিয়ে সত্যিই সিরিয়াস, তাদের নিজস্ব হার্ডওয়্যার তৈরি করা উচিত।
** [https://www.folklore.org/StoryView.py?project=Macintosh&story=Creative_Think.txt ২০ জুলাই ১৯৮২, ক্রিয়েটিভ থিঙ্ক সেমিনারে দেওয়া বক্তব্য]।
* '''দৃষ্টিকোণের পরিবর্তন ৮০ আইকিউ পয়েন্টের সমান মূল্যবান।'''
** [https://www.folklore.org/StoryView.py?project=Macintosh&story=Creative_Think.txt ২০ জুলাই ১৯৮২, ক্রিয়েটিভ থিঙ্ক সেমিনারে দেওয়া বক্তব্য]।
* [[প্রযুক্তি]] হলো এমন কিছু যা আপনার জন্মের সময় ছিল না।
** ''১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে হংকংয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে''।
* '''[[ভবিষ্যৎ]] কোনো নির্দিষ্ট ট্র্যাকে সাজানো নেই। এটি আমরা নির্ধারণ করতে পারি। যতক্ষণ আমরা মহাবিশ্বের কোনো পরিচিত নিয়ম লঙ্ঘন করছি না, ততক্ষণ সম্ভবত আমরা এটিকে আমাদের ইচ্ছামতো কার্যকর করতে পারি।'''
** ১৯৮৪ সালে অ্যালান কের 'ইনভেন্টিং দ্য ফিউচার' গবেষণাপত্রে এটি প্রকাশিত হয়।
=== ১৯৯০-এর দশক ===
* আমি জানি না আপনাদের মধ্যে কতজন [[এডসগার ডব্লিউ ডিকস্ট্রা|ডিকস্ট্রার]] সাথে দেখা করেছেন। তবে আপনারা সম্ভবত জানেন যে [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানে]] ঔদ্ধত্য বা অহংকারকে ন্যানো-ডিকস্ট্রা এককে পরিমাপ করা হয়।
** [http://www.youtube.com/watch?v=oKg1hTOQXoY ১৯৯৭ ওপসলা মূল বক্তব্য]।
* আসলে "[[অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড]]" শব্দটি আমিই তৈরি করেছি। আমি আপনাদের বলতে পারি যে এটি তৈরির সময় আমার মাথায় [[সি++]] ছিল না।
** [http://www.youtube.com/watch?v=oKg1hTOQXoY ১৯৯৭ ওপসলা মূল বক্তব্য]।
=== ২০০০-এর দশক ===
[[File:Alan Kay (3097597186).jpg|thumb|right|আপনি যদি অন্তত ৯০ শতাংশ সময় ব্যর্থ না হন, তবে বুঝতে হবে আপনার লক্ষ্য যথেষ্ট উঁচুতে নয়।]]
[[File:Alan Kay.jpg|thumb|right|স্কুলে যাওয়ার আগেই আমি কয়েকশ বই পড়ে ফেলেছিলাম। আমি প্রথম শ্রেণিতেই জানতাম যে তারা আমার কাছে মিথ্যা বলছে, কারণ আমি ততদিনে অন্যান্য দৃষ্টিকোণ সম্পর্কে জেনেছি। স্কুল মূলত একটি মাত্র দৃষ্টিভঙ্গি শেখায়—যা শিক্ষক বা পাঠ্যবইয়ে থাকে।]]
[[File:Alan Kay and the prototype of Dynabook, pt. 5 (3010032738).jpg|thumb|right|সহজ জিনিসগুলো সহজ হওয়া উচিত, আর জটিল জিনিসগুলো সম্ভব হওয়া উচিত।]]
* ...এ পর্যন্ত নকশা করা সর্বশ্রেষ্ঠ একক [[প্রোগ্রামিং ভাষা]]। ([[লিস্প|লিস্প]] প্রোগ্রামিং ভাষা সম্পর্কে)।
** ২০০৩, [http://www.openp2p.com/pub/a/p2p/2003/04/03/alan_kay.html ড্যাডি, আর উই দেয়ার ইয়েট? অ্যালান কের সাথে একটি আলোচনা]।
* আমি অবশেষে বুঝতে পারলাম যে লিস্প ১.৫ ম্যানুয়ালের ১৩ নম্বর পৃষ্ঠার নিচে থাকা অর্ধেক পাতার কোডটি নিজেই লিস্প ছিল। এগুলো ছিল "সফটওয়্যারের ম্যাক্সওয়েল সমীকরণ!"
** [http://www.acmqueue.com/modules.php?name=Content&pa=showpage&pid=273&page=4 এসিএম কিউ ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'']।
==== ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'', ২০০৪–০৫ ====
* বর্তমানের বেশিরভাগ [[সফটওয়্যার]] অনেকটা মিশরীয় পিরামিডের মতো। এখানে কোনো কাঠামোগত অখণ্ডতা নেই, বরং লাখ লাখ ইট একে অপরের ওপর স্তূপ করা হয়েছে। এটি কেবল পাশবিক শক্তি এবং হাজার হাজার দাসের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।
** [http://queue.acm.org/detail.cfm?id=1039523 এসিএম কিউ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'']।
* '''[[পার্ল (প্রোগ্রামিং ভাষা)|পার্ল]]''' হলো একটি ক্ষুদ্র ও স্বল্পমেয়াদী প্রয়োজন মেটানোর উদাহরণ, যা দীর্ঘমেয়াদে একটি সত্যিকারের সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। কম্পিউটিং জগতে গত ২৫ বছরে যেসব সমস্যা হয়েছে, তার বেশিরভাগই এসেছে এমন সিস্টেম থেকে যেখানে নকশাকারীরা কেবল তাৎক্ষণিক কিছু সমাধান করতে চেয়েছিলেন। সেই ধারণাটি ভবিষ্যতে কার্যকর হবে কি না তা তারা ভাবেননি। সফটওয়্যারের একটি অর্ধায়ু থাকা উচিত যাতে ১০ বা ১৫ বছর পর পুরনো সফটওয়্যারগুলো নিজে থেকেই মুছে যায়।
* সাধারণ মানুষকে শিক্ষিত করার হারের চেয়ে [[কম্পিউটিং]] অনেক দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। গত ২৫ বছরে আমরা অনেকটা পপ কালচারের মতো কিছু পেয়েছি। এটি অনেকটা টেলিভিশনের মতো হয়েছে—এর উদ্ভাবকরা ভেবেছিলেন এর মাধ্যমে জনসাধারণের কাছে [[উইলিয়াম শেক্সপিয়ার|শেক্সপিয়ারকে]] পৌঁছে দেওয়া যাবে। কিন্তু তারা ভুলে গিয়েছিলেন যে শেক্সপিয়ার বোঝার জন্য আরও বেশি পরিশীলিত জ্ঞান ও দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন। টেলিভিশন মানুষকে কেবল সেভাবেই ধরে রেখেছে যেভাবে তারা ছিল। আমি মনে করি বর্তমানে প্রকৃত [[কম্পিউটার বিজ্ঞান]] এবং [[সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং]]-এর অভাবের পেছনে এই পপ কালচার আংশিকভাবে দায়ী।
* সান মাইক্রোসিস্টেমসের কাছে [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভাকে]] একটি প্রথম শ্রেণির ভাষা হিসেবে গড়ে তোলার মতো উপযুক্ত লোক ছিল। তবে আমার বিশ্বাস সান-এর বিপণন কর্মীরা এটি পূর্ণাঙ্গ হওয়ার আগেই বাজারে ছাড়ার জন্য তাড়াহুড়ো করেছিল।
* সান-এর পেশাদাররা যদি [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভা]] ঠিক করার সুযোগ পেতেন, তবে পৃথিবী আরও সুন্দর জায়গা হতে পারত। এটি কোনো গোপন জ্ঞান নয়; এটি কেবল এই পপ কালচারের কাছে গোপন।
* আমি আশঙ্কা করি যে বর্তমানে [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানের]] বেশিরভাগ স্নাতক ডিগ্রি মূলত [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভা]] ভিত্তিক বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ মাত্র। এমনকি প্রখ্যাত শিক্ষকদের নিয়ে গঠিত স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান প্রোগ্রাম সম্পর্কেও অভিযোগ শুনেছি যে এটি জাভা সার্টিফিকেশনের চেয়ে খুব বেশি কিছু নয়।
* '''বেশিরভাগ সৃজনশীলতা হলো এক প্রেক্ষাপট থেকে অন্য প্রেক্ষাপটে উত্তরণ, যেখানে জিনিসগুলো আরও বিস্ময়কর হয়।''' সেখানে বিস্ময়ের একটি উপাদান থাকে এবং বিশেষ করে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে "আহা" মুহূর্তটির সাথে প্রায়ই হাসি যুক্ত থাকে। শিল্পের মধ্যেও এই উপাদানটি আছে। আমাদের কাজ হলো নিজেদের মনে করিয়ে দেওয়া যে আমরা যে প্রেক্ষাপটে আছি তার বাইরেও আরও অনেক প্রেক্ষাপট রয়েছে—যাকে আমরা বাস্তবতা বলে মনে করি।
* আমি কাজ শেষ করতে পারে এমন লোকদের নিয়োগ দিতাম কারণ আমি কাজ শুরু করতে দক্ষ কিন্তু শেষ করতে দুর্বল।
=== ২০১০-এর দশক ===
* তবে আমি স্মলটকেরও খুব বড় ভক্ত নই, যদিও বর্তমানের বেশিরভাগ প্রোগ্রামিং সিস্টেমের তুলনায় এটি বেশ ভালো। আমি বর্তমানের কোনো সিস্টেমই পছন্দ করি না এবং আমি মনে করি না যে এগুলোর কোনোটিই আজকের সিস্টেম বা ব্যবহারকারীদের সত্যিকারের প্রোগ্রামিং সমস্যা সমাধানের উপযোগী।
** [http://www.computerworld.com.au/article/352182/z_programming_languages_smalltalk-80/ ''২০১০, কম্পিউটারওয়ার্ল্ড অস্ট্রেলিয়া'']।
* সম্ভবত সচল অবস্থায় থাকা একমাত্র প্রকৃত অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড সিস্টেম। (ইন্টারনেট সম্পর্কে)।
* [[ইন্টারনেট]] এতটাই সুনিপুণভাবে তৈরি করা হয়েছে যে বেশিরভাগ মানুষ এটিকে মানুষের তৈরি কিছু না ভেবে প্রশান্ত মহাসাগরের মতো প্রাকৃতিক সম্পদ মনে করে। এত বিশাল পরিসরের কোনো প্রযুক্তি শেষ কবে ত্রুটিহীন ছিল? তুলনায় ওয়েব একটি কৌতুক মাত্র। ওয়েব শৌখিন ব্যক্তিদের দ্বারা তৈরি হয়েছে।
** [http://www.drdobbs.com/architecture-and-design/interview-with-alan-kay/240003442 ''২০১২, ড. ডবস ইন্টারভিউ উইথ অ্যালান কে'']।
* অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড [প্রোগ্রামিং] জেরক্স পার্কের বাইরে কখনো পৌঁছাতে পারেনি; কেবল শব্দটাই বাইরে গেছে।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:কে, অ্যালান}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কম্পিউটার বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রোগ্রামার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নকশাকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪০-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেটসের বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:টুরিং পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির শিক্ষক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, লস অ্যাঞ্জেলেসের শিক্ষক]]
giaq5pzetat81dg551zoh95i3hf1mee
73871
73870
2026-04-05T15:34:35Z
SMontaha32
3112
73871
wikitext
text/x-wiki
[[File:Alan Kay (3097597186) (cropped).jpg|thumb|অ্যালান কে (২০০৮)]]
'''[[অ্যালান কার্টিস কে]]''' (জন্ম ১৭ মে ১৯৪০) একজন মার্কিন [[কম্পিউটার বিজ্ঞানী]]। তিনি মূলত [[অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং]] এবং উইন্ডোয়িং [[গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস]] ডিজাইনে তাঁর অগ্রণী ভূমিকার জন্য সুপরিচিত।
== উক্তি ==
=== ১৯৭০-এর দশক ===
* '''ভবিষ্যদ্বাণী করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো এটি [[উদ্ভাবন]] করা।'''
** [[অ্যালান কে]] (১৯৭১), [http://quoteinvestigator.com/2012/09/27/invent-the-future/ ১৯৭১ সালে পার্কের এক সভায়]।
** একই ধরনের মন্তব্য [[পিটার ড্রাকার]] এবং [[ড্যান্ড্রিজ এম. কোল|ড্যান্ড্রিজ এম. কোলের]] নামেও প্রচলিত।
** দ্রষ্টব্য: [[ডেনিস গ্যাবর]], ''ইনভেন্টিং দ্য ফিউচার'' (১৯৬৩): "ভবিষ্যদ্বাণী করা সম্ভব নয়, তবে ভবিষ্যৎ উদ্ভাবন করা সম্ভব।"
*** নাইজেল কাল্ডার গ্যাবরের বইটির পর্যালোচনায় লিখেছিলেন, "আমরা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আগে থেকে বলতে পারি না, তবে এটি উদ্ভাবন করতে পারি..."
* [ [[কম্পিউটিং]] ] এর জন্য এটি একটি চমৎকার ক্ষেত্র। কারণ এখানে আপনাকে পিএইচডি বা অন্য কোনো ডিগ্রিধারী হতে হবে না। এটি এমন একটি জায়গা যেখানে আপনি এখনও একজন কারিগর হিসেবে কাজ করতে পারেন। আপনি যদি মোটামুটি দক্ষ হন তবে মানুষ আপনাকে পারিশ্রমিক দিতে আগ্রহী হবে এবং আপনার হাতে যথেষ্ট সময়ও থাকবে।
** অ্যালান কে (১৯৭২), [http://www.wheels.org/spacewar/stone/rolling_stone.html ''১৯৭২ রোলিং স্টোন নিবন্ধ'']-এ।
=== ১৯৮০-এর দশক ===
* যারা [[সফটওয়্যার]] নিয়ে সত্যিই সিরিয়াস, তাদের নিজস্ব হার্ডওয়্যার তৈরি করা উচিত।
** [https://www.folklore.org/StoryView.py?project=Macintosh&story=Creative_Think.txt ২০ জুলাই ১৯৮২, ক্রিয়েটিভ থিঙ্ক সেমিনারে দেওয়া বক্তব্য]।
* '''দৃষ্টিকোণের পরিবর্তন ৮০ আইকিউ পয়েন্টের সমান মূল্যবান।'''
** [https://www.folklore.org/StoryView.py?project=Macintosh&story=Creative_Think.txt ২০ জুলাই ১৯৮২, ক্রিয়েটিভ থিঙ্ক সেমিনারে দেওয়া বক্তব্য]।
* [[প্রযুক্তি]] হলো এমন কিছু যা আপনার জন্মের সময় ছিল না।
** ''১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে হংকংয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে''।
* '''[[ভবিষ্যৎ]] কোনো নির্দিষ্ট ট্র্যাকে সাজানো নেই। এটি আমরা নির্ধারণ করতে পারি। যতক্ষণ আমরা মহাবিশ্বের কোনো পরিচিত নিয়ম লঙ্ঘন করছি না, ততক্ষণ সম্ভবত আমরা এটিকে আমাদের ইচ্ছামতো কার্যকর করতে পারি।'''
** ১৯৮৪ সালে অ্যালান কের 'ইনভেন্টিং দ্য ফিউচার' গবেষণাপত্রে এটি প্রকাশিত হয়।
=== ১৯৯০-এর দশক ===
* আমি জানি না আপনাদের মধ্যে কতজন [[এডসগার ডব্লিউ ডিকস্ট্রা|ডিকস্ট্রার]] সাথে দেখা করেছেন। তবে আপনারা সম্ভবত জানেন যে [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানে]] ঔদ্ধত্য বা অহংকারকে ন্যানো-ডিকস্ট্রা এককে পরিমাপ করা হয়।
** [http://www.youtube.com/watch?v=oKg1hTOQXoY ১৯৯৭ ওপসলা মূল বক্তব্য]।
* আসলে "[[অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড]]" শব্দটি আমিই তৈরি করেছি। আমি আপনাদের বলতে পারি যে এটি তৈরির সময় আমার মাথায় [[সি++]] ছিল না।
** [http://www.youtube.com/watch?v=oKg1hTOQXoY ১৯৯৭ ওপসলা মূল বক্তব্য]।
=== ২০০০-এর দশক ===
[[File:Alan Kay (3097597186).jpg|thumb|right|আপনি যদি অন্তত ৯০ শতাংশ সময় ব্যর্থ না হন, তবে বুঝতে হবে আপনার লক্ষ্য যথেষ্ট উঁচুতে নয়।]]
[[File:Alan Kay.jpg|thumb|right|স্কুলে যাওয়ার আগেই আমি কয়েকশ বই পড়ে ফেলেছিলাম। আমি প্রথম শ্রেণিতেই জানতাম যে তারা আমার কাছে মিথ্যা বলছে, কারণ আমি ততদিনে অন্যান্য দৃষ্টিকোণ সম্পর্কে জেনেছি। স্কুল মূলত একটি মাত্র দৃষ্টিভঙ্গি শেখায়—যা শিক্ষক বা পাঠ্যবইয়ে থাকে।]]
[[File:Alan Kay and the prototype of Dynabook, pt. 5 (3010032738).jpg|thumb|right|সহজ জিনিসগুলো সহজ হওয়া উচিত, আর জটিল জিনিসগুলো সম্ভব হওয়া উচিত।]]
* ...এ পর্যন্ত নকশা করা সর্বশ্রেষ্ঠ একক [[প্রোগ্রামিং ভাষা]]। ([[লিস্প|লিস্প]] প্রোগ্রামিং ভাষা সম্পর্কে)।
** ২০০৩, [http://www.openp2p.com/pub/a/p2p/2003/04/03/alan_kay.html ড্যাডি, আর উই দেয়ার ইয়েট? অ্যালান কের সাথে একটি আলোচনা]।
* আমি অবশেষে বুঝতে পারলাম যে লিস্প ১.৫ ম্যানুয়ালের ১৩ নম্বর পৃষ্ঠার নিচে থাকা অর্ধেক পাতার কোডটি নিজেই লিস্প ছিল। এগুলো ছিল "সফটওয়্যারের ম্যাক্সওয়েল সমীকরণ!"
** [http://www.acmqueue.com/modules.php?name=Content&pa=showpage&pid=273&page=4 এসিএম কিউ ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'']।
==== ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'', ২০০৪–০৫ ====
* বর্তমানের বেশিরভাগ [[সফটওয়্যার]] অনেকটা মিশরীয় পিরামিডের মতো। এখানে কোনো কাঠামোগত অখণ্ডতা নেই, বরং লাখ লাখ ইট একে অপরের ওপর স্তূপ করা হয়েছে। এটি কেবল পাশবিক শক্তি এবং হাজার হাজার দাসের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।
** [http://queue.acm.org/detail.cfm?id=1039523 এসিএম কিউ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'']।
* '''[[পার্ল (প্রোগ্রামিং ভাষা)|পার্ল]]''' হলো একটি ক্ষুদ্র ও স্বল্পমেয়াদী প্রয়োজন মেটানোর উদাহরণ, যা দীর্ঘমেয়াদে একটি সত্যিকারের সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। কম্পিউটিং জগতে গত ২৫ বছরে যেসব সমস্যা হয়েছে, তার বেশিরভাগই এসেছে এমন সিস্টেম থেকে যেখানে নকশাকারীরা কেবল তাৎক্ষণিক কিছু সমাধান করতে চেয়েছিলেন। সেই ধারণাটি ভবিষ্যতে কার্যকর হবে কি না তা তারা ভাবেননি। সফটওয়্যারের একটি অর্ধায়ু থাকা উচিত যাতে ১০ বা ১৫ বছর পর পুরনো সফটওয়্যারগুলো নিজে থেকেই মুছে যায়।
* সাধারণ মানুষকে শিক্ষিত করার হারের চেয়ে [[কম্পিউটিং]] অনেক দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। গত ২৫ বছরে আমরা অনেকটা পপ কালচারের মতো কিছু পেয়েছি। এটি অনেকটা টেলিভিশনের মতো হয়েছে—এর উদ্ভাবকরা ভেবেছিলেন এর মাধ্যমে জনসাধারণের কাছে [[উইলিয়াম শেক্সপিয়ার|শেক্সপিয়ারকে]] পৌঁছে দেওয়া যাবে। কিন্তু তারা ভুলে গিয়েছিলেন যে শেক্সপিয়ার বোঝার জন্য আরও বেশি পরিশীলিত জ্ঞান ও দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন। টেলিভিশন মানুষকে কেবল সেভাবেই ধরে রেখেছে যেভাবে তারা ছিল। আমি মনে করি বর্তমানে প্রকৃত [[কম্পিউটার বিজ্ঞান]] এবং [[সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং]]-এর অভাবের পেছনে এই পপ কালচার আংশিকভাবে দায়ী।
* সান মাইক্রোসিস্টেমসের কাছে [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভাকে]] একটি প্রথম শ্রেণির ভাষা হিসেবে গড়ে তোলার মতো উপযুক্ত লোক ছিল। তবে আমার বিশ্বাস সান-এর বিপণন কর্মীরা এটি পূর্ণাঙ্গ হওয়ার আগেই বাজারে ছাড়ার জন্য তাড়াহুড়ো করেছিল।
* সান-এর পেশাদাররা যদি [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভা]] ঠিক করার সুযোগ পেতেন, তবে পৃথিবী আরও সুন্দর জায়গা হতে পারত। এটি কোনো গোপন জ্ঞান নয়; এটি কেবল এই পপ কালচারের কাছে গোপন।
* আমি আশঙ্কা করি যে বর্তমানে [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানের]] বেশিরভাগ স্নাতক ডিগ্রি মূলত [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভা]] ভিত্তিক বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ মাত্র। এমনকি প্রখ্যাত শিক্ষকদের নিয়ে গঠিত স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান প্রোগ্রাম সম্পর্কেও অভিযোগ শুনেছি যে এটি জাভা সার্টিফিকেশনের চেয়ে খুব বেশি কিছু নয়।
* '''বেশিরভাগ সৃজনশীলতা হলো এক প্রেক্ষাপট থেকে অন্য প্রেক্ষাপটে উত্তরণ, যেখানে জিনিসগুলো আরও বিস্ময়কর হয়।''' সেখানে বিস্ময়ের একটি উপাদান থাকে এবং বিশেষ করে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে "আহা" মুহূর্তটির সাথে প্রায়ই হাসি যুক্ত থাকে। শিল্পের মধ্যেও এই উপাদানটি আছে। আমাদের কাজ হলো নিজেদের মনে করিয়ে দেওয়া যে আমরা যে প্রেক্ষাপটে আছি তার বাইরেও আরও অনেক প্রেক্ষাপট রয়েছে—যাকে আমরা বাস্তবতা বলে মনে করি।
* আমি কাজ শেষ করতে পারে এমন লোকদের নিয়োগ দিতাম কারণ আমি কাজ শুরু করতে দক্ষ কিন্তু শেষ করতে দুর্বল।
=== ২০১০-এর দশক ===
* তবে আমি স্মলটকেরও খুব বড় ভক্ত নই, যদিও বর্তমানের বেশিরভাগ প্রোগ্রামিং সিস্টেমের তুলনায় এটি বেশ ভালো। আমি বর্তমানের কোনো সিস্টেমই পছন্দ করি না এবং আমি মনে করি না যে এগুলোর কোনোটিই আজকের সিস্টেম বা ব্যবহারকারীদের সত্যিকারের প্রোগ্রামিং সমস্যা সমাধানের উপযোগী।
** [http://www.computerworld.com.au/article/352182/z_programming_languages_smalltalk-80/ ''২০১০, কম্পিউটারওয়ার্ল্ড অস্ট্রেলিয়া'']।
* সম্ভবত সচল অবস্থায় থাকা একমাত্র প্রকৃত অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড সিস্টেম। (ইন্টারনেট সম্পর্কে)।
* [[ইন্টারনেট]] এতটাই সুনিপুণভাবে তৈরি করা হয়েছে যে বেশিরভাগ মানুষ এটিকে মানুষের তৈরি কিছু না ভেবে প্রশান্ত মহাসাগরের মতো প্রাকৃতিক সম্পদ মনে করে। এত বিশাল পরিসরের কোনো প্রযুক্তি শেষ কবে ত্রুটিহীন ছিল? তুলনায় ওয়েব একটি কৌতুক মাত্র। ওয়েব শৌখিন ব্যক্তিদের দ্বারা তৈরি হয়েছে।
** [http://www.drdobbs.com/architecture-and-design/interview-with-alan-kay/240003442 ''২০১২, ড. ডবস ইন্টারভিউ উইথ অ্যালান কে'']।
* অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড [প্রোগ্রামিং] জেরক্স পার্কের বাইরে কখনো পৌঁছাতে পারেনি; কেবল শব্দটাই বাইরে গেছে।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:কে, অ্যালান}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কম্পিউটার বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রোগ্রামার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নকশাকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪০-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেটসের বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:টুরিং পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির শিক্ষক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, লস অ্যাঞ্জেলেসের শিক্ষক]]
ckaxj8jg8cm4l982kcztd257cyw1toj
73875
73871
2026-04-05T15:49:12Z
SMontaha32
3112
73875
wikitext
text/x-wiki
[[File:Alan Kay (3097597186) (cropped).jpg|thumb|অ্যালান কে (২০০৮)]]
'''অ্যালান কার্টিস কে''' (জন্ম ১৭ মে ১৯৪০) একজন মার্কিন [[কম্পিউটার]] বিজ্ঞানী। তিনি মূলত অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এবং উইন্ডোয়িং গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইনে তাঁর অগ্রণী ভূমিকার জন্য সুপরিচিত।
== উক্তি ==
=== ১৯৭০-এর দশক ===
* '''ভবিষ্যদ্বাণী করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো এটি [[উদ্ভাবন]] করা।'''
** [[অ্যালান কে]] (১৯৭১), [http://quoteinvestigator.com/2012/09/27/invent-the-future/ ১৯৭১ সালে পার্কের এক সভায়]।
** একই ধরনের মন্তব্য [[পিটার ড্রাকার]] এবং [[ড্যান্ড্রিজ এম. কোল|ড্যান্ড্রিজ এম. কোলের]] নামেও প্রচলিত।
** দ্রষ্টব্য: [[ডেনিস গ্যাবর]], ''ইনভেন্টিং দ্য ফিউচার'' (১৯৬৩): "ভবিষ্যদ্বাণী করা সম্ভব নয়, তবে ভবিষ্যৎ উদ্ভাবন করা সম্ভব।"
*** নাইজেল কাল্ডার গ্যাবরের বইটির পর্যালোচনায় লিখেছিলেন, "আমরা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আগে থেকে বলতে পারি না, তবে এটি উদ্ভাবন করতে পারি..."
* [ [[কম্পিউটিং]] ] এর জন্য এটি একটি চমৎকার ক্ষেত্র। কারণ এখানে আপনাকে পিএইচডি বা অন্য কোনো ডিগ্রিধারী হতে হবে না। এটি এমন একটি জায়গা যেখানে আপনি এখনও একজন কারিগর হিসেবে কাজ করতে পারেন। আপনি যদি মোটামুটি দক্ষ হন তবে মানুষ আপনাকে পারিশ্রমিক দিতে আগ্রহী হবে এবং আপনার হাতে যথেষ্ট সময়ও থাকবে।
** অ্যালান কে (১৯৭২), [http://www.wheels.org/spacewar/stone/rolling_stone.html ''১৯৭২ রোলিং স্টোন নিবন্ধ'']-এ।
=== ১৯৮০-এর দশক ===
* যারা [[সফটওয়্যার]] নিয়ে সত্যিই সিরিয়াস, তাদের নিজস্ব হার্ডওয়্যার তৈরি করা উচিত।
** [https://www.folklore.org/StoryView.py?project=Macintosh&story=Creative_Think.txt ২০ জুলাই ১৯৮২, ক্রিয়েটিভ থিঙ্ক সেমিনারে দেওয়া বক্তব্য]।
* '''দৃষ্টিকোণের পরিবর্তন ৮০ আইকিউ পয়েন্টের সমান মূল্যবান।'''
** [https://www.folklore.org/StoryView.py?project=Macintosh&story=Creative_Think.txt ২০ জুলাই ১৯৮২, ক্রিয়েটিভ থিঙ্ক সেমিনারে দেওয়া বক্তব্য]।
* [[প্রযুক্তি]] হলো এমন কিছু যা আপনার জন্মের সময় ছিল না।
** ''১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে হংকংয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে''।
* '''[[ভবিষ্যৎ]] কোনো নির্দিষ্ট ট্র্যাকে সাজানো নেই। এটি আমরা নির্ধারণ করতে পারি। যতক্ষণ আমরা মহাবিশ্বের কোনো পরিচিত নিয়ম লঙ্ঘন করছি না, ততক্ষণ সম্ভবত আমরা এটিকে আমাদের ইচ্ছামতো কার্যকর করতে পারি।'''
** ১৯৮৪ সালে অ্যালান কের 'ইনভেন্টিং দ্য ফিউচার' গবেষণাপত্রে এটি প্রকাশিত হয়।
=== ১৯৯০-এর দশক ===
* আমি জানি না আপনাদের মধ্যে কতজন [[এডসগার ডব্লিউ ডিকস্ট্রা|ডিকস্ট্রার]] সাথে দেখা করেছেন। তবে আপনারা সম্ভবত জানেন যে [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানে]] ঔদ্ধত্য বা অহংকারকে ন্যানো-ডিকস্ট্রা এককে পরিমাপ করা হয়।
** [http://www.youtube.com/watch?v=oKg1hTOQXoY ১৯৯৭ ওপসলা মূল বক্তব্য]।
* আসলে "[[অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড]]" শব্দটি আমিই তৈরি করেছি। আমি আপনাদের বলতে পারি যে এটি তৈরির সময় আমার মাথায় [[সি++]] ছিল না।
** [http://www.youtube.com/watch?v=oKg1hTOQXoY ১৯৯৭ ওপসলা মূল বক্তব্য]।
=== ২০০০-এর দশক ===
[[File:Alan Kay (3097597186).jpg|thumb|right|আপনি যদি অন্তত ৯০ শতাংশ সময় ব্যর্থ না হন, তবে বুঝতে হবে আপনার লক্ষ্য যথেষ্ট উঁচুতে নয়।]]
[[File:Alan Kay.jpg|thumb|right|স্কুলে যাওয়ার আগেই আমি কয়েকশ বই পড়ে ফেলেছিলাম। আমি প্রথম শ্রেণিতেই জানতাম যে তারা আমার কাছে মিথ্যা বলছে, কারণ আমি ততদিনে অন্যান্য দৃষ্টিকোণ সম্পর্কে জেনেছি। স্কুল মূলত একটি মাত্র দৃষ্টিভঙ্গি শেখায়—যা শিক্ষক বা পাঠ্যবইয়ে থাকে।]]
[[File:Alan Kay and the prototype of Dynabook, pt. 5 (3010032738).jpg|thumb|right|সহজ জিনিসগুলো সহজ হওয়া উচিত, আর জটিল জিনিসগুলো সম্ভব হওয়া উচিত।]]
* ...এ পর্যন্ত নকশা করা সর্বশ্রেষ্ঠ একক [[প্রোগ্রামিং ভাষা]]। ([[লিস্প|লিস্প]] প্রোগ্রামিং ভাষা সম্পর্কে)।
** ২০০৩, [http://www.openp2p.com/pub/a/p2p/2003/04/03/alan_kay.html ড্যাডি, আর উই দেয়ার ইয়েট? অ্যালান কের সাথে একটি আলোচনা]।
* আমি অবশেষে বুঝতে পারলাম যে লিস্প ১.৫ ম্যানুয়ালের ১৩ নম্বর পৃষ্ঠার নিচে থাকা অর্ধেক পাতার কোডটি নিজেই লিস্প ছিল। এগুলো ছিল "সফটওয়্যারের ম্যাক্সওয়েল সমীকরণ!"
** [http://www.acmqueue.com/modules.php?name=Content&pa=showpage&pid=273&page=4 এসিএম কিউ ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'']।
==== ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'', ২০০৪–০৫ ====
* বর্তমানের বেশিরভাগ [[সফটওয়্যার]] অনেকটা মিশরীয় পিরামিডের মতো। এখানে কোনো কাঠামোগত অখণ্ডতা নেই, বরং লাখ লাখ ইট একে অপরের ওপর স্তূপ করা হয়েছে। এটি কেবল পাশবিক শক্তি এবং হাজার হাজার দাসের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।
** [http://queue.acm.org/detail.cfm?id=1039523 এসিএম কিউ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'']।
* '''[[পার্ল (প্রোগ্রামিং ভাষা)|পার্ল]]''' হলো একটি ক্ষুদ্র ও স্বল্পমেয়াদী প্রয়োজন মেটানোর উদাহরণ, যা দীর্ঘমেয়াদে একটি সত্যিকারের সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। কম্পিউটিং জগতে গত ২৫ বছরে যেসব সমস্যা হয়েছে, তার বেশিরভাগই এসেছে এমন সিস্টেম থেকে যেখানে নকশাকারীরা কেবল তাৎক্ষণিক কিছু সমাধান করতে চেয়েছিলেন। সেই ধারণাটি ভবিষ্যতে কার্যকর হবে কি না তা তারা ভাবেননি। সফটওয়্যারের একটি অর্ধায়ু থাকা উচিত যাতে ১০ বা ১৫ বছর পর পুরনো সফটওয়্যারগুলো নিজে থেকেই মুছে যায়।
* সাধারণ মানুষকে শিক্ষিত করার হারের চেয়ে [[কম্পিউটিং]] অনেক দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। গত ২৫ বছরে আমরা অনেকটা পপ কালচারের মতো কিছু পেয়েছি। এটি অনেকটা টেলিভিশনের মতো হয়েছে—এর উদ্ভাবকরা ভেবেছিলেন এর মাধ্যমে জনসাধারণের কাছে [[উইলিয়াম শেক্সপিয়ার|শেক্সপিয়ারকে]] পৌঁছে দেওয়া যাবে। কিন্তু তারা ভুলে গিয়েছিলেন যে শেক্সপিয়ার বোঝার জন্য আরও বেশি পরিশীলিত জ্ঞান ও দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন। টেলিভিশন মানুষকে কেবল সেভাবেই ধরে রেখেছে যেভাবে তারা ছিল। আমি মনে করি বর্তমানে প্রকৃত [[কম্পিউটার বিজ্ঞান]] এবং [[সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং]]-এর অভাবের পেছনে এই পপ কালচার আংশিকভাবে দায়ী।
* সান মাইক্রোসিস্টেমসের কাছে [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভাকে]] একটি প্রথম শ্রেণির ভাষা হিসেবে গড়ে তোলার মতো উপযুক্ত লোক ছিল। তবে আমার বিশ্বাস সান-এর বিপণন কর্মীরা এটি পূর্ণাঙ্গ হওয়ার আগেই বাজারে ছাড়ার জন্য তাড়াহুড়ো করেছিল।
* সান-এর পেশাদাররা যদি [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভা]] ঠিক করার সুযোগ পেতেন, তবে পৃথিবী আরও সুন্দর জায়গা হতে পারত। এটি কোনো গোপন জ্ঞান নয়; এটি কেবল এই পপ কালচারের কাছে গোপন।
* আমি আশঙ্কা করি যে বর্তমানে [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানের]] বেশিরভাগ স্নাতক ডিগ্রি মূলত [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভা]] ভিত্তিক বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ মাত্র। এমনকি প্রখ্যাত শিক্ষকদের নিয়ে গঠিত স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান প্রোগ্রাম সম্পর্কেও অভিযোগ শুনেছি যে এটি জাভা সার্টিফিকেশনের চেয়ে খুব বেশি কিছু নয়।
* '''বেশিরভাগ সৃজনশীলতা হলো এক প্রেক্ষাপট থেকে অন্য প্রেক্ষাপটে উত্তরণ, যেখানে জিনিসগুলো আরও বিস্ময়কর হয়।''' সেখানে বিস্ময়ের একটি উপাদান থাকে এবং বিশেষ করে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে "আহা" মুহূর্তটির সাথে প্রায়ই হাসি যুক্ত থাকে। শিল্পের মধ্যেও এই উপাদানটি আছে। আমাদের কাজ হলো নিজেদের মনে করিয়ে দেওয়া যে আমরা যে প্রেক্ষাপটে আছি তার বাইরেও আরও অনেক প্রেক্ষাপট রয়েছে—যাকে আমরা বাস্তবতা বলে মনে করি।
* আমি কাজ শেষ করতে পারে এমন লোকদের নিয়োগ দিতাম কারণ আমি কাজ শুরু করতে দক্ষ কিন্তু শেষ করতে দুর্বল।
=== ২০১০-এর দশক ===
* তবে আমি স্মলটকেরও খুব বড় ভক্ত নই, যদিও বর্তমানের বেশিরভাগ প্রোগ্রামিং সিস্টেমের তুলনায় এটি বেশ ভালো। আমি বর্তমানের কোনো সিস্টেমই পছন্দ করি না এবং আমি মনে করি না যে এগুলোর কোনোটিই আজকের সিস্টেম বা ব্যবহারকারীদের সত্যিকারের প্রোগ্রামিং সমস্যা সমাধানের উপযোগী।
** [http://www.computerworld.com.au/article/352182/z_programming_languages_smalltalk-80/ ''২০১০, কম্পিউটারওয়ার্ল্ড অস্ট্রেলিয়া'']।
* সম্ভবত সচল অবস্থায় থাকা একমাত্র প্রকৃত অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড সিস্টেম। (ইন্টারনেট সম্পর্কে)।
* [[ইন্টারনেট]] এতটাই সুনিপুণভাবে তৈরি করা হয়েছে যে বেশিরভাগ মানুষ এটিকে মানুষের তৈরি কিছু না ভেবে প্রশান্ত মহাসাগরের মতো প্রাকৃতিক সম্পদ মনে করে। এত বিশাল পরিসরের কোনো প্রযুক্তি শেষ কবে ত্রুটিহীন ছিল? তুলনায় ওয়েব একটি কৌতুক মাত্র। ওয়েব শৌখিন ব্যক্তিদের দ্বারা তৈরি হয়েছে।
** [http://www.drdobbs.com/architecture-and-design/interview-with-alan-kay/240003442 ''২০১২, ড. ডবস ইন্টারভিউ উইথ অ্যালান কে'']।
* অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড [প্রোগ্রামিং] জেরক্স পার্কের বাইরে কখনো পৌঁছাতে পারেনি; কেবল শব্দটাই বাইরে গেছে।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:কে, অ্যালান}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কম্পিউটার বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রোগ্রামার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নকশাকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪০-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেটসের বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:টুরিং পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির শিক্ষক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, লস অ্যাঞ্জেলেসের শিক্ষক]]
9vgb4fay8r924klj3vs5s6mi2gghgns
73878
73875
2026-04-05T15:52:20Z
SMontaha32
3112
/* ১৯৭০-এর দশক */
73878
wikitext
text/x-wiki
[[File:Alan Kay (3097597186) (cropped).jpg|thumb|অ্যালান কে (২০০৮)]]
'''অ্যালান কার্টিস কে''' (জন্ম ১৭ মে ১৯৪০) একজন মার্কিন [[কম্পিউটার]] বিজ্ঞানী। তিনি মূলত অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এবং উইন্ডোয়িং গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইনে তাঁর অগ্রণী ভূমিকার জন্য সুপরিচিত।
== উক্তি ==
=== ১৯৭০-এর দশক ===
* '''ভবিষ্যদ্বাণী করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো এটি উদ্ভাবন করা।'''
** [[অ্যালান কে]] (১৯৭১), [http://quoteinvestigator.com/2012/09/27/invent-the-future/ ১৯৭১ সালে পার্কের এক সভায়]।
** একই ধরনের মন্তব্য পিটার ড্রাকার এবং ড্যান্ড্রিজ এম. কোলের নামেও প্রচলিত।
** দ্রষ্টব্য: ডেনিস গ্যাবর, ''ইনভেন্টিং দ্য ফিউচার'' (১৯৬৩): "ভবিষ্যদ্বাণী করা সম্ভব নয়, তবে ভবিষ্যৎ উদ্ভাবন করা সম্ভব।"
*** নাইজেল কাল্ডার গ্যাবরের বইটির পর্যালোচনায় লিখেছিলেন, "আমরা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আগে থেকে বলতে পারি না, তবে এটি উদ্ভাবন করতে পারি..."
* কম্পিউটিং এর জন্য এটি একটি চমৎকার ক্ষেত্র। কারণ এখানে আপনাকে পিএইচডি বা অন্য কোনো ডিগ্রিধারী হতে হবে না। এটি এমন একটি জায়গা যেখানে আপনি এখনও একজন কারিগর হিসেবে কাজ করতে পারেন। আপনি যদি মোটামুটি দক্ষ হন তবে মানুষ আপনাকে পারিশ্রমিক দিতে আগ্রহী হবে এবং আপনার হাতে যথেষ্ট সময়ও থাকবে।
** অ্যালান কে (১৯৭২), [http://www.wheels.org/spacewar/stone/rolling_stone.html ''১৯৭২ রোলিং স্টোন নিবন্ধ'']-এ।
=== ১৯৮০-এর দশক ===
* যারা [[সফটওয়্যার]] নিয়ে সত্যিই সিরিয়াস, তাদের নিজস্ব হার্ডওয়্যার তৈরি করা উচিত।
** [https://www.folklore.org/StoryView.py?project=Macintosh&story=Creative_Think.txt ২০ জুলাই ১৯৮২, ক্রিয়েটিভ থিঙ্ক সেমিনারে দেওয়া বক্তব্য]।
* '''দৃষ্টিকোণের পরিবর্তন ৮০ আইকিউ পয়েন্টের সমান মূল্যবান।'''
** [https://www.folklore.org/StoryView.py?project=Macintosh&story=Creative_Think.txt ২০ জুলাই ১৯৮২, ক্রিয়েটিভ থিঙ্ক সেমিনারে দেওয়া বক্তব্য]।
* [[প্রযুক্তি]] হলো এমন কিছু যা আপনার জন্মের সময় ছিল না।
** ''১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে হংকংয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে''।
* '''[[ভবিষ্যৎ]] কোনো নির্দিষ্ট ট্র্যাকে সাজানো নেই। এটি আমরা নির্ধারণ করতে পারি। যতক্ষণ আমরা মহাবিশ্বের কোনো পরিচিত নিয়ম লঙ্ঘন করছি না, ততক্ষণ সম্ভবত আমরা এটিকে আমাদের ইচ্ছামতো কার্যকর করতে পারি।'''
** ১৯৮৪ সালে অ্যালান কের 'ইনভেন্টিং দ্য ফিউচার' গবেষণাপত্রে এটি প্রকাশিত হয়।
=== ১৯৯০-এর দশক ===
* আমি জানি না আপনাদের মধ্যে কতজন [[এডসগার ডব্লিউ ডিকস্ট্রা|ডিকস্ট্রার]] সাথে দেখা করেছেন। তবে আপনারা সম্ভবত জানেন যে [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানে]] ঔদ্ধত্য বা অহংকারকে ন্যানো-ডিকস্ট্রা এককে পরিমাপ করা হয়।
** [http://www.youtube.com/watch?v=oKg1hTOQXoY ১৯৯৭ ওপসলা মূল বক্তব্য]।
* আসলে "[[অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড]]" শব্দটি আমিই তৈরি করেছি। আমি আপনাদের বলতে পারি যে এটি তৈরির সময় আমার মাথায় [[সি++]] ছিল না।
** [http://www.youtube.com/watch?v=oKg1hTOQXoY ১৯৯৭ ওপসলা মূল বক্তব্য]।
=== ২০০০-এর দশক ===
[[File:Alan Kay (3097597186).jpg|thumb|right|আপনি যদি অন্তত ৯০ শতাংশ সময় ব্যর্থ না হন, তবে বুঝতে হবে আপনার লক্ষ্য যথেষ্ট উঁচুতে নয়।]]
[[File:Alan Kay.jpg|thumb|right|স্কুলে যাওয়ার আগেই আমি কয়েকশ বই পড়ে ফেলেছিলাম। আমি প্রথম শ্রেণিতেই জানতাম যে তারা আমার কাছে মিথ্যা বলছে, কারণ আমি ততদিনে অন্যান্য দৃষ্টিকোণ সম্পর্কে জেনেছি। স্কুল মূলত একটি মাত্র দৃষ্টিভঙ্গি শেখায়—যা শিক্ষক বা পাঠ্যবইয়ে থাকে।]]
[[File:Alan Kay and the prototype of Dynabook, pt. 5 (3010032738).jpg|thumb|right|সহজ জিনিসগুলো সহজ হওয়া উচিত, আর জটিল জিনিসগুলো সম্ভব হওয়া উচিত।]]
* ...এ পর্যন্ত নকশা করা সর্বশ্রেষ্ঠ একক [[প্রোগ্রামিং ভাষা]]। ([[লিস্প|লিস্প]] প্রোগ্রামিং ভাষা সম্পর্কে)।
** ২০০৩, [http://www.openp2p.com/pub/a/p2p/2003/04/03/alan_kay.html ড্যাডি, আর উই দেয়ার ইয়েট? অ্যালান কের সাথে একটি আলোচনা]।
* আমি অবশেষে বুঝতে পারলাম যে লিস্প ১.৫ ম্যানুয়ালের ১৩ নম্বর পৃষ্ঠার নিচে থাকা অর্ধেক পাতার কোডটি নিজেই লিস্প ছিল। এগুলো ছিল "সফটওয়্যারের ম্যাক্সওয়েল সমীকরণ!"
** [http://www.acmqueue.com/modules.php?name=Content&pa=showpage&pid=273&page=4 এসিএম কিউ ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'']।
==== ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'', ২০০৪–০৫ ====
* বর্তমানের বেশিরভাগ [[সফটওয়্যার]] অনেকটা মিশরীয় পিরামিডের মতো। এখানে কোনো কাঠামোগত অখণ্ডতা নেই, বরং লাখ লাখ ইট একে অপরের ওপর স্তূপ করা হয়েছে। এটি কেবল পাশবিক শক্তি এবং হাজার হাজার দাসের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।
** [http://queue.acm.org/detail.cfm?id=1039523 এসিএম কিউ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'']।
* '''[[পার্ল (প্রোগ্রামিং ভাষা)|পার্ল]]''' হলো একটি ক্ষুদ্র ও স্বল্পমেয়াদী প্রয়োজন মেটানোর উদাহরণ, যা দীর্ঘমেয়াদে একটি সত্যিকারের সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। কম্পিউটিং জগতে গত ২৫ বছরে যেসব সমস্যা হয়েছে, তার বেশিরভাগই এসেছে এমন সিস্টেম থেকে যেখানে নকশাকারীরা কেবল তাৎক্ষণিক কিছু সমাধান করতে চেয়েছিলেন। সেই ধারণাটি ভবিষ্যতে কার্যকর হবে কি না তা তারা ভাবেননি। সফটওয়্যারের একটি অর্ধায়ু থাকা উচিত যাতে ১০ বা ১৫ বছর পর পুরনো সফটওয়্যারগুলো নিজে থেকেই মুছে যায়।
* সাধারণ মানুষকে শিক্ষিত করার হারের চেয়ে [[কম্পিউটিং]] অনেক দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। গত ২৫ বছরে আমরা অনেকটা পপ কালচারের মতো কিছু পেয়েছি। এটি অনেকটা টেলিভিশনের মতো হয়েছে—এর উদ্ভাবকরা ভেবেছিলেন এর মাধ্যমে জনসাধারণের কাছে [[উইলিয়াম শেক্সপিয়ার|শেক্সপিয়ারকে]] পৌঁছে দেওয়া যাবে। কিন্তু তারা ভুলে গিয়েছিলেন যে শেক্সপিয়ার বোঝার জন্য আরও বেশি পরিশীলিত জ্ঞান ও দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন। টেলিভিশন মানুষকে কেবল সেভাবেই ধরে রেখেছে যেভাবে তারা ছিল। আমি মনে করি বর্তমানে প্রকৃত [[কম্পিউটার বিজ্ঞান]] এবং [[সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং]]-এর অভাবের পেছনে এই পপ কালচার আংশিকভাবে দায়ী।
* সান মাইক্রোসিস্টেমসের কাছে [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভাকে]] একটি প্রথম শ্রেণির ভাষা হিসেবে গড়ে তোলার মতো উপযুক্ত লোক ছিল। তবে আমার বিশ্বাস সান-এর বিপণন কর্মীরা এটি পূর্ণাঙ্গ হওয়ার আগেই বাজারে ছাড়ার জন্য তাড়াহুড়ো করেছিল।
* সান-এর পেশাদাররা যদি [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভা]] ঠিক করার সুযোগ পেতেন, তবে পৃথিবী আরও সুন্দর জায়গা হতে পারত। এটি কোনো গোপন জ্ঞান নয়; এটি কেবল এই পপ কালচারের কাছে গোপন।
* আমি আশঙ্কা করি যে বর্তমানে [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানের]] বেশিরভাগ স্নাতক ডিগ্রি মূলত [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভা]] ভিত্তিক বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ মাত্র। এমনকি প্রখ্যাত শিক্ষকদের নিয়ে গঠিত স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান প্রোগ্রাম সম্পর্কেও অভিযোগ শুনেছি যে এটি জাভা সার্টিফিকেশনের চেয়ে খুব বেশি কিছু নয়।
* '''বেশিরভাগ সৃজনশীলতা হলো এক প্রেক্ষাপট থেকে অন্য প্রেক্ষাপটে উত্তরণ, যেখানে জিনিসগুলো আরও বিস্ময়কর হয়।''' সেখানে বিস্ময়ের একটি উপাদান থাকে এবং বিশেষ করে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে "আহা" মুহূর্তটির সাথে প্রায়ই হাসি যুক্ত থাকে। শিল্পের মধ্যেও এই উপাদানটি আছে। আমাদের কাজ হলো নিজেদের মনে করিয়ে দেওয়া যে আমরা যে প্রেক্ষাপটে আছি তার বাইরেও আরও অনেক প্রেক্ষাপট রয়েছে—যাকে আমরা বাস্তবতা বলে মনে করি।
* আমি কাজ শেষ করতে পারে এমন লোকদের নিয়োগ দিতাম কারণ আমি কাজ শুরু করতে দক্ষ কিন্তু শেষ করতে দুর্বল।
=== ২০১০-এর দশক ===
* তবে আমি স্মলটকেরও খুব বড় ভক্ত নই, যদিও বর্তমানের বেশিরভাগ প্রোগ্রামিং সিস্টেমের তুলনায় এটি বেশ ভালো। আমি বর্তমানের কোনো সিস্টেমই পছন্দ করি না এবং আমি মনে করি না যে এগুলোর কোনোটিই আজকের সিস্টেম বা ব্যবহারকারীদের সত্যিকারের প্রোগ্রামিং সমস্যা সমাধানের উপযোগী।
** [http://www.computerworld.com.au/article/352182/z_programming_languages_smalltalk-80/ ''২০১০, কম্পিউটারওয়ার্ল্ড অস্ট্রেলিয়া'']।
* সম্ভবত সচল অবস্থায় থাকা একমাত্র প্রকৃত অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড সিস্টেম। (ইন্টারনেট সম্পর্কে)।
* [[ইন্টারনেট]] এতটাই সুনিপুণভাবে তৈরি করা হয়েছে যে বেশিরভাগ মানুষ এটিকে মানুষের তৈরি কিছু না ভেবে প্রশান্ত মহাসাগরের মতো প্রাকৃতিক সম্পদ মনে করে। এত বিশাল পরিসরের কোনো প্রযুক্তি শেষ কবে ত্রুটিহীন ছিল? তুলনায় ওয়েব একটি কৌতুক মাত্র। ওয়েব শৌখিন ব্যক্তিদের দ্বারা তৈরি হয়েছে।
** [http://www.drdobbs.com/architecture-and-design/interview-with-alan-kay/240003442 ''২০১২, ড. ডবস ইন্টারভিউ উইথ অ্যালান কে'']।
* অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড [প্রোগ্রামিং] জেরক্স পার্কের বাইরে কখনো পৌঁছাতে পারেনি; কেবল শব্দটাই বাইরে গেছে।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:কে, অ্যালান}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কম্পিউটার বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রোগ্রামার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নকশাকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪০-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেটসের বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:টুরিং পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির শিক্ষক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, লস অ্যাঞ্জেলেসের শিক্ষক]]
ha6w4garhlynw068mql2yyz9mirqf8n
73879
73878
2026-04-05T15:53:06Z
SMontaha32
3112
/* ১৯৮০-এর দশক */
73879
wikitext
text/x-wiki
[[File:Alan Kay (3097597186) (cropped).jpg|thumb|অ্যালান কে (২০০৮)]]
'''অ্যালান কার্টিস কে''' (জন্ম ১৭ মে ১৯৪০) একজন মার্কিন [[কম্পিউটার]] বিজ্ঞানী। তিনি মূলত অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এবং উইন্ডোয়িং গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইনে তাঁর অগ্রণী ভূমিকার জন্য সুপরিচিত।
== উক্তি ==
=== ১৯৭০-এর দশক ===
* '''ভবিষ্যদ্বাণী করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো এটি উদ্ভাবন করা।'''
** [[অ্যালান কে]] (১৯৭১), [http://quoteinvestigator.com/2012/09/27/invent-the-future/ ১৯৭১ সালে পার্কের এক সভায়]।
** একই ধরনের মন্তব্য পিটার ড্রাকার এবং ড্যান্ড্রিজ এম. কোলের নামেও প্রচলিত।
** দ্রষ্টব্য: ডেনিস গ্যাবর, ''ইনভেন্টিং দ্য ফিউচার'' (১৯৬৩): "ভবিষ্যদ্বাণী করা সম্ভব নয়, তবে ভবিষ্যৎ উদ্ভাবন করা সম্ভব।"
*** নাইজেল কাল্ডার গ্যাবরের বইটির পর্যালোচনায় লিখেছিলেন, "আমরা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আগে থেকে বলতে পারি না, তবে এটি উদ্ভাবন করতে পারি..."
* কম্পিউটিং এর জন্য এটি একটি চমৎকার ক্ষেত্র। কারণ এখানে আপনাকে পিএইচডি বা অন্য কোনো ডিগ্রিধারী হতে হবে না। এটি এমন একটি জায়গা যেখানে আপনি এখনও একজন কারিগর হিসেবে কাজ করতে পারেন। আপনি যদি মোটামুটি দক্ষ হন তবে মানুষ আপনাকে পারিশ্রমিক দিতে আগ্রহী হবে এবং আপনার হাতে যথেষ্ট সময়ও থাকবে।
** অ্যালান কে (১৯৭২), [http://www.wheels.org/spacewar/stone/rolling_stone.html ''১৯৭২ রোলিং স্টোন নিবন্ধ'']-এ।
=== ১৯৮০-এর দশক ===
* যারা [[সফটওয়্যার]] নিয়ে সত্যিই সিরিয়াস, তাদের নিজস্ব হার্ডওয়্যার তৈরি করা উচিত।
** [https://www.folklore.org/StoryView.py?project=Macintosh&story=Creative_Think.txt ২০ জুলাই ১৯৮২, ক্রিয়েটিভ থিঙ্ক সেমিনারে দেওয়া বক্তব্য]।
* '''দৃষ্টিকোণের পরিবর্তন ৮০ আইকিউ পয়েন্টের সমান মূল্যবান।'''
** [https://www.folklore.org/StoryView.py?project=Macintosh&story=Creative_Think.txt ২০ জুলাই ১৯৮২, ক্রিয়েটিভ থিঙ্ক সেমিনারে দেওয়া বক্তব্য]।
* প্রযুক্তি হলো এমন কিছু যা আপনার জন্মের সময় ছিল না।
** ''১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে হংকংয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে''।
* '''ভবিষ্যৎ কোনো নির্দিষ্ট ট্র্যাকে সাজানো নেই। এটি আমরা নির্ধারণ করতে পারি। যতক্ষণ আমরা মহাবিশ্বের কোনো পরিচিত নিয়ম লঙ্ঘন করছি না, ততক্ষণ সম্ভবত আমরা এটিকে আমাদের ইচ্ছামতো কার্যকর করতে পারি।'''
** ১৯৮৪ সালে অ্যালান কের 'ইনভেন্টিং দ্য ফিউচার' গবেষণাপত্রে এটি প্রকাশিত হয়।
=== ১৯৯০-এর দশক ===
* আমি জানি না আপনাদের মধ্যে কতজন [[এডসগার ডব্লিউ ডিকস্ট্রা|ডিকস্ট্রার]] সাথে দেখা করেছেন। তবে আপনারা সম্ভবত জানেন যে [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানে]] ঔদ্ধত্য বা অহংকারকে ন্যানো-ডিকস্ট্রা এককে পরিমাপ করা হয়।
** [http://www.youtube.com/watch?v=oKg1hTOQXoY ১৯৯৭ ওপসলা মূল বক্তব্য]।
* আসলে "[[অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড]]" শব্দটি আমিই তৈরি করেছি। আমি আপনাদের বলতে পারি যে এটি তৈরির সময় আমার মাথায় [[সি++]] ছিল না।
** [http://www.youtube.com/watch?v=oKg1hTOQXoY ১৯৯৭ ওপসলা মূল বক্তব্য]।
=== ২০০০-এর দশক ===
[[File:Alan Kay (3097597186).jpg|thumb|right|আপনি যদি অন্তত ৯০ শতাংশ সময় ব্যর্থ না হন, তবে বুঝতে হবে আপনার লক্ষ্য যথেষ্ট উঁচুতে নয়।]]
[[File:Alan Kay.jpg|thumb|right|স্কুলে যাওয়ার আগেই আমি কয়েকশ বই পড়ে ফেলেছিলাম। আমি প্রথম শ্রেণিতেই জানতাম যে তারা আমার কাছে মিথ্যা বলছে, কারণ আমি ততদিনে অন্যান্য দৃষ্টিকোণ সম্পর্কে জেনেছি। স্কুল মূলত একটি মাত্র দৃষ্টিভঙ্গি শেখায়—যা শিক্ষক বা পাঠ্যবইয়ে থাকে।]]
[[File:Alan Kay and the prototype of Dynabook, pt. 5 (3010032738).jpg|thumb|right|সহজ জিনিসগুলো সহজ হওয়া উচিত, আর জটিল জিনিসগুলো সম্ভব হওয়া উচিত।]]
* ...এ পর্যন্ত নকশা করা সর্বশ্রেষ্ঠ একক [[প্রোগ্রামিং ভাষা]]। ([[লিস্প|লিস্প]] প্রোগ্রামিং ভাষা সম্পর্কে)।
** ২০০৩, [http://www.openp2p.com/pub/a/p2p/2003/04/03/alan_kay.html ড্যাডি, আর উই দেয়ার ইয়েট? অ্যালান কের সাথে একটি আলোচনা]।
* আমি অবশেষে বুঝতে পারলাম যে লিস্প ১.৫ ম্যানুয়ালের ১৩ নম্বর পৃষ্ঠার নিচে থাকা অর্ধেক পাতার কোডটি নিজেই লিস্প ছিল। এগুলো ছিল "সফটওয়্যারের ম্যাক্সওয়েল সমীকরণ!"
** [http://www.acmqueue.com/modules.php?name=Content&pa=showpage&pid=273&page=4 এসিএম কিউ ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'']।
==== ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'', ২০০৪–০৫ ====
* বর্তমানের বেশিরভাগ [[সফটওয়্যার]] অনেকটা মিশরীয় পিরামিডের মতো। এখানে কোনো কাঠামোগত অখণ্ডতা নেই, বরং লাখ লাখ ইট একে অপরের ওপর স্তূপ করা হয়েছে। এটি কেবল পাশবিক শক্তি এবং হাজার হাজার দাসের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।
** [http://queue.acm.org/detail.cfm?id=1039523 এসিএম কিউ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'']।
* '''[[পার্ল (প্রোগ্রামিং ভাষা)|পার্ল]]''' হলো একটি ক্ষুদ্র ও স্বল্পমেয়াদী প্রয়োজন মেটানোর উদাহরণ, যা দীর্ঘমেয়াদে একটি সত্যিকারের সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। কম্পিউটিং জগতে গত ২৫ বছরে যেসব সমস্যা হয়েছে, তার বেশিরভাগই এসেছে এমন সিস্টেম থেকে যেখানে নকশাকারীরা কেবল তাৎক্ষণিক কিছু সমাধান করতে চেয়েছিলেন। সেই ধারণাটি ভবিষ্যতে কার্যকর হবে কি না তা তারা ভাবেননি। সফটওয়্যারের একটি অর্ধায়ু থাকা উচিত যাতে ১০ বা ১৫ বছর পর পুরনো সফটওয়্যারগুলো নিজে থেকেই মুছে যায়।
* সাধারণ মানুষকে শিক্ষিত করার হারের চেয়ে [[কম্পিউটিং]] অনেক দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। গত ২৫ বছরে আমরা অনেকটা পপ কালচারের মতো কিছু পেয়েছি। এটি অনেকটা টেলিভিশনের মতো হয়েছে—এর উদ্ভাবকরা ভেবেছিলেন এর মাধ্যমে জনসাধারণের কাছে [[উইলিয়াম শেক্সপিয়ার|শেক্সপিয়ারকে]] পৌঁছে দেওয়া যাবে। কিন্তু তারা ভুলে গিয়েছিলেন যে শেক্সপিয়ার বোঝার জন্য আরও বেশি পরিশীলিত জ্ঞান ও দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন। টেলিভিশন মানুষকে কেবল সেভাবেই ধরে রেখেছে যেভাবে তারা ছিল। আমি মনে করি বর্তমানে প্রকৃত [[কম্পিউটার বিজ্ঞান]] এবং [[সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং]]-এর অভাবের পেছনে এই পপ কালচার আংশিকভাবে দায়ী।
* সান মাইক্রোসিস্টেমসের কাছে [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভাকে]] একটি প্রথম শ্রেণির ভাষা হিসেবে গড়ে তোলার মতো উপযুক্ত লোক ছিল। তবে আমার বিশ্বাস সান-এর বিপণন কর্মীরা এটি পূর্ণাঙ্গ হওয়ার আগেই বাজারে ছাড়ার জন্য তাড়াহুড়ো করেছিল।
* সান-এর পেশাদাররা যদি [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভা]] ঠিক করার সুযোগ পেতেন, তবে পৃথিবী আরও সুন্দর জায়গা হতে পারত। এটি কোনো গোপন জ্ঞান নয়; এটি কেবল এই পপ কালচারের কাছে গোপন।
* আমি আশঙ্কা করি যে বর্তমানে [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানের]] বেশিরভাগ স্নাতক ডিগ্রি মূলত [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভা]] ভিত্তিক বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ মাত্র। এমনকি প্রখ্যাত শিক্ষকদের নিয়ে গঠিত স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান প্রোগ্রাম সম্পর্কেও অভিযোগ শুনেছি যে এটি জাভা সার্টিফিকেশনের চেয়ে খুব বেশি কিছু নয়।
* '''বেশিরভাগ সৃজনশীলতা হলো এক প্রেক্ষাপট থেকে অন্য প্রেক্ষাপটে উত্তরণ, যেখানে জিনিসগুলো আরও বিস্ময়কর হয়।''' সেখানে বিস্ময়ের একটি উপাদান থাকে এবং বিশেষ করে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে "আহা" মুহূর্তটির সাথে প্রায়ই হাসি যুক্ত থাকে। শিল্পের মধ্যেও এই উপাদানটি আছে। আমাদের কাজ হলো নিজেদের মনে করিয়ে দেওয়া যে আমরা যে প্রেক্ষাপটে আছি তার বাইরেও আরও অনেক প্রেক্ষাপট রয়েছে—যাকে আমরা বাস্তবতা বলে মনে করি।
* আমি কাজ শেষ করতে পারে এমন লোকদের নিয়োগ দিতাম কারণ আমি কাজ শুরু করতে দক্ষ কিন্তু শেষ করতে দুর্বল।
=== ২০১০-এর দশক ===
* তবে আমি স্মলটকেরও খুব বড় ভক্ত নই, যদিও বর্তমানের বেশিরভাগ প্রোগ্রামিং সিস্টেমের তুলনায় এটি বেশ ভালো। আমি বর্তমানের কোনো সিস্টেমই পছন্দ করি না এবং আমি মনে করি না যে এগুলোর কোনোটিই আজকের সিস্টেম বা ব্যবহারকারীদের সত্যিকারের প্রোগ্রামিং সমস্যা সমাধানের উপযোগী।
** [http://www.computerworld.com.au/article/352182/z_programming_languages_smalltalk-80/ ''২০১০, কম্পিউটারওয়ার্ল্ড অস্ট্রেলিয়া'']।
* সম্ভবত সচল অবস্থায় থাকা একমাত্র প্রকৃত অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড সিস্টেম। (ইন্টারনেট সম্পর্কে)।
* [[ইন্টারনেট]] এতটাই সুনিপুণভাবে তৈরি করা হয়েছে যে বেশিরভাগ মানুষ এটিকে মানুষের তৈরি কিছু না ভেবে প্রশান্ত মহাসাগরের মতো প্রাকৃতিক সম্পদ মনে করে। এত বিশাল পরিসরের কোনো প্রযুক্তি শেষ কবে ত্রুটিহীন ছিল? তুলনায় ওয়েব একটি কৌতুক মাত্র। ওয়েব শৌখিন ব্যক্তিদের দ্বারা তৈরি হয়েছে।
** [http://www.drdobbs.com/architecture-and-design/interview-with-alan-kay/240003442 ''২০১২, ড. ডবস ইন্টারভিউ উইথ অ্যালান কে'']।
* অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড [প্রোগ্রামিং] জেরক্স পার্কের বাইরে কখনো পৌঁছাতে পারেনি; কেবল শব্দটাই বাইরে গেছে।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:কে, অ্যালান}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কম্পিউটার বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রোগ্রামার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নকশাকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪০-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেটসের বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:টুরিং পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির শিক্ষক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, লস অ্যাঞ্জেলেসের শিক্ষক]]
kjybkcug1calng9lts945hhn345s8mv
73881
73879
2026-04-05T15:54:29Z
SMontaha32
3112
/* ১৯৯০-এর দশক */
73881
wikitext
text/x-wiki
[[File:Alan Kay (3097597186) (cropped).jpg|thumb|অ্যালান কে (২০০৮)]]
'''অ্যালান কার্টিস কে''' (জন্ম ১৭ মে ১৯৪০) একজন মার্কিন [[কম্পিউটার]] বিজ্ঞানী। তিনি মূলত অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এবং উইন্ডোয়িং গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইনে তাঁর অগ্রণী ভূমিকার জন্য সুপরিচিত।
== উক্তি ==
=== ১৯৭০-এর দশক ===
* '''ভবিষ্যদ্বাণী করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো এটি উদ্ভাবন করা।'''
** [[অ্যালান কে]] (১৯৭১), [http://quoteinvestigator.com/2012/09/27/invent-the-future/ ১৯৭১ সালে পার্কের এক সভায়]।
** একই ধরনের মন্তব্য পিটার ড্রাকার এবং ড্যান্ড্রিজ এম. কোলের নামেও প্রচলিত।
** দ্রষ্টব্য: ডেনিস গ্যাবর, ''ইনভেন্টিং দ্য ফিউচার'' (১৯৬৩): "ভবিষ্যদ্বাণী করা সম্ভব নয়, তবে ভবিষ্যৎ উদ্ভাবন করা সম্ভব।"
*** নাইজেল কাল্ডার গ্যাবরের বইটির পর্যালোচনায় লিখেছিলেন, "আমরা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আগে থেকে বলতে পারি না, তবে এটি উদ্ভাবন করতে পারি..."
* কম্পিউটিং এর জন্য এটি একটি চমৎকার ক্ষেত্র। কারণ এখানে আপনাকে পিএইচডি বা অন্য কোনো ডিগ্রিধারী হতে হবে না। এটি এমন একটি জায়গা যেখানে আপনি এখনও একজন কারিগর হিসেবে কাজ করতে পারেন। আপনি যদি মোটামুটি দক্ষ হন তবে মানুষ আপনাকে পারিশ্রমিক দিতে আগ্রহী হবে এবং আপনার হাতে যথেষ্ট সময়ও থাকবে।
** অ্যালান কে (১৯৭২), [http://www.wheels.org/spacewar/stone/rolling_stone.html ''১৯৭২ রোলিং স্টোন নিবন্ধ'']-এ।
=== ১৯৮০-এর দশক ===
* যারা [[সফটওয়্যার]] নিয়ে সত্যিই সিরিয়াস, তাদের নিজস্ব হার্ডওয়্যার তৈরি করা উচিত।
** [https://www.folklore.org/StoryView.py?project=Macintosh&story=Creative_Think.txt ২০ জুলাই ১৯৮২, ক্রিয়েটিভ থিঙ্ক সেমিনারে দেওয়া বক্তব্য]।
* '''দৃষ্টিকোণের পরিবর্তন ৮০ আইকিউ পয়েন্টের সমান মূল্যবান।'''
** [https://www.folklore.org/StoryView.py?project=Macintosh&story=Creative_Think.txt ২০ জুলাই ১৯৮২, ক্রিয়েটিভ থিঙ্ক সেমিনারে দেওয়া বক্তব্য]।
* প্রযুক্তি হলো এমন কিছু যা আপনার জন্মের সময় ছিল না।
** ''১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে হংকংয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে''।
* '''ভবিষ্যৎ কোনো নির্দিষ্ট ট্র্যাকে সাজানো নেই। এটি আমরা নির্ধারণ করতে পারি। যতক্ষণ আমরা মহাবিশ্বের কোনো পরিচিত নিয়ম লঙ্ঘন করছি না, ততক্ষণ সম্ভবত আমরা এটিকে আমাদের ইচ্ছামতো কার্যকর করতে পারি।'''
** ১৯৮৪ সালে অ্যালান কের 'ইনভেন্টিং দ্য ফিউচার' গবেষণাপত্রে এটি প্রকাশিত হয়।
=== ১৯৯০-এর দশক ===
* আমি জানি না আপনাদের মধ্যে কতজন ডিকস্ট্রারের সাথে দেখা করেছেন। তবে আপনারা সম্ভবত জানেন যে [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানে]] ঔদ্ধত্য বা অহংকারকে ন্যানো-ডিকস্ট্রা এককে পরিমাপ করা হয়।
** [http://www.youtube.com/watch?v=oKg1hTOQXoY ১৯৯৭ ওপসলা মূল বক্তব্য]।
* আসলে "অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড" শব্দটি আমিই তৈরি করেছি। আমি আপনাদের বলতে পারি যে এটি তৈরির সময় আমার মাথায় [[সি++]] ছিল না।
** [http://www.youtube.com/watch?v=oKg1hTOQXoY ১৯৯৭ ওপসলা মূল বক্তব্য]।
=== ২০০০-এর দশক ===
[[File:Alan Kay (3097597186).jpg|thumb|right|আপনি যদি অন্তত ৯০ শতাংশ সময় ব্যর্থ না হন, তবে বুঝতে হবে আপনার লক্ষ্য যথেষ্ট উঁচুতে নয়।]]
[[File:Alan Kay.jpg|thumb|right|স্কুলে যাওয়ার আগেই আমি কয়েকশ বই পড়ে ফেলেছিলাম। আমি প্রথম শ্রেণিতেই জানতাম যে তারা আমার কাছে মিথ্যা বলছে, কারণ আমি ততদিনে অন্যান্য দৃষ্টিকোণ সম্পর্কে জেনেছি। স্কুল মূলত একটি মাত্র দৃষ্টিভঙ্গি শেখায়—যা শিক্ষক বা পাঠ্যবইয়ে থাকে।]]
[[File:Alan Kay and the prototype of Dynabook, pt. 5 (3010032738).jpg|thumb|right|সহজ জিনিসগুলো সহজ হওয়া উচিত, আর জটিল জিনিসগুলো সম্ভব হওয়া উচিত।]]
* ...এ পর্যন্ত নকশা করা সর্বশ্রেষ্ঠ একক [[প্রোগ্রামিং ভাষা]]। ([[লিস্প|লিস্প]] প্রোগ্রামিং ভাষা সম্পর্কে)।
** ২০০৩, [http://www.openp2p.com/pub/a/p2p/2003/04/03/alan_kay.html ড্যাডি, আর উই দেয়ার ইয়েট? অ্যালান কের সাথে একটি আলোচনা]।
* আমি অবশেষে বুঝতে পারলাম যে লিস্প ১.৫ ম্যানুয়ালের ১৩ নম্বর পৃষ্ঠার নিচে থাকা অর্ধেক পাতার কোডটি নিজেই লিস্প ছিল। এগুলো ছিল "সফটওয়্যারের ম্যাক্সওয়েল সমীকরণ!"
** [http://www.acmqueue.com/modules.php?name=Content&pa=showpage&pid=273&page=4 এসিএম কিউ ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'']।
==== ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'', ২০০৪–০৫ ====
* বর্তমানের বেশিরভাগ [[সফটওয়্যার]] অনেকটা মিশরীয় পিরামিডের মতো। এখানে কোনো কাঠামোগত অখণ্ডতা নেই, বরং লাখ লাখ ইট একে অপরের ওপর স্তূপ করা হয়েছে। এটি কেবল পাশবিক শক্তি এবং হাজার হাজার দাসের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।
** [http://queue.acm.org/detail.cfm?id=1039523 এসিএম কিউ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'']।
* '''[[পার্ল (প্রোগ্রামিং ভাষা)|পার্ল]]''' হলো একটি ক্ষুদ্র ও স্বল্পমেয়াদী প্রয়োজন মেটানোর উদাহরণ, যা দীর্ঘমেয়াদে একটি সত্যিকারের সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। কম্পিউটিং জগতে গত ২৫ বছরে যেসব সমস্যা হয়েছে, তার বেশিরভাগই এসেছে এমন সিস্টেম থেকে যেখানে নকশাকারীরা কেবল তাৎক্ষণিক কিছু সমাধান করতে চেয়েছিলেন। সেই ধারণাটি ভবিষ্যতে কার্যকর হবে কি না তা তারা ভাবেননি। সফটওয়্যারের একটি অর্ধায়ু থাকা উচিত যাতে ১০ বা ১৫ বছর পর পুরনো সফটওয়্যারগুলো নিজে থেকেই মুছে যায়।
* সাধারণ মানুষকে শিক্ষিত করার হারের চেয়ে [[কম্পিউটিং]] অনেক দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। গত ২৫ বছরে আমরা অনেকটা পপ কালচারের মতো কিছু পেয়েছি। এটি অনেকটা টেলিভিশনের মতো হয়েছে—এর উদ্ভাবকরা ভেবেছিলেন এর মাধ্যমে জনসাধারণের কাছে [[উইলিয়াম শেক্সপিয়ার|শেক্সপিয়ারকে]] পৌঁছে দেওয়া যাবে। কিন্তু তারা ভুলে গিয়েছিলেন যে শেক্সপিয়ার বোঝার জন্য আরও বেশি পরিশীলিত জ্ঞান ও দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন। টেলিভিশন মানুষকে কেবল সেভাবেই ধরে রেখেছে যেভাবে তারা ছিল। আমি মনে করি বর্তমানে প্রকৃত [[কম্পিউটার বিজ্ঞান]] এবং [[সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং]]-এর অভাবের পেছনে এই পপ কালচার আংশিকভাবে দায়ী।
* সান মাইক্রোসিস্টেমসের কাছে [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভাকে]] একটি প্রথম শ্রেণির ভাষা হিসেবে গড়ে তোলার মতো উপযুক্ত লোক ছিল। তবে আমার বিশ্বাস সান-এর বিপণন কর্মীরা এটি পূর্ণাঙ্গ হওয়ার আগেই বাজারে ছাড়ার জন্য তাড়াহুড়ো করেছিল।
* সান-এর পেশাদাররা যদি [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভা]] ঠিক করার সুযোগ পেতেন, তবে পৃথিবী আরও সুন্দর জায়গা হতে পারত। এটি কোনো গোপন জ্ঞান নয়; এটি কেবল এই পপ কালচারের কাছে গোপন।
* আমি আশঙ্কা করি যে বর্তমানে [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানের]] বেশিরভাগ স্নাতক ডিগ্রি মূলত [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভা]] ভিত্তিক বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ মাত্র। এমনকি প্রখ্যাত শিক্ষকদের নিয়ে গঠিত স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান প্রোগ্রাম সম্পর্কেও অভিযোগ শুনেছি যে এটি জাভা সার্টিফিকেশনের চেয়ে খুব বেশি কিছু নয়।
* '''বেশিরভাগ সৃজনশীলতা হলো এক প্রেক্ষাপট থেকে অন্য প্রেক্ষাপটে উত্তরণ, যেখানে জিনিসগুলো আরও বিস্ময়কর হয়।''' সেখানে বিস্ময়ের একটি উপাদান থাকে এবং বিশেষ করে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে "আহা" মুহূর্তটির সাথে প্রায়ই হাসি যুক্ত থাকে। শিল্পের মধ্যেও এই উপাদানটি আছে। আমাদের কাজ হলো নিজেদের মনে করিয়ে দেওয়া যে আমরা যে প্রেক্ষাপটে আছি তার বাইরেও আরও অনেক প্রেক্ষাপট রয়েছে—যাকে আমরা বাস্তবতা বলে মনে করি।
* আমি কাজ শেষ করতে পারে এমন লোকদের নিয়োগ দিতাম কারণ আমি কাজ শুরু করতে দক্ষ কিন্তু শেষ করতে দুর্বল।
=== ২০১০-এর দশক ===
* তবে আমি স্মলটকেরও খুব বড় ভক্ত নই, যদিও বর্তমানের বেশিরভাগ প্রোগ্রামিং সিস্টেমের তুলনায় এটি বেশ ভালো। আমি বর্তমানের কোনো সিস্টেমই পছন্দ করি না এবং আমি মনে করি না যে এগুলোর কোনোটিই আজকের সিস্টেম বা ব্যবহারকারীদের সত্যিকারের প্রোগ্রামিং সমস্যা সমাধানের উপযোগী।
** [http://www.computerworld.com.au/article/352182/z_programming_languages_smalltalk-80/ ''২০১০, কম্পিউটারওয়ার্ল্ড অস্ট্রেলিয়া'']।
* সম্ভবত সচল অবস্থায় থাকা একমাত্র প্রকৃত অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড সিস্টেম। (ইন্টারনেট সম্পর্কে)।
* [[ইন্টারনেট]] এতটাই সুনিপুণভাবে তৈরি করা হয়েছে যে বেশিরভাগ মানুষ এটিকে মানুষের তৈরি কিছু না ভেবে প্রশান্ত মহাসাগরের মতো প্রাকৃতিক সম্পদ মনে করে। এত বিশাল পরিসরের কোনো প্রযুক্তি শেষ কবে ত্রুটিহীন ছিল? তুলনায় ওয়েব একটি কৌতুক মাত্র। ওয়েব শৌখিন ব্যক্তিদের দ্বারা তৈরি হয়েছে।
** [http://www.drdobbs.com/architecture-and-design/interview-with-alan-kay/240003442 ''২০১২, ড. ডবস ইন্টারভিউ উইথ অ্যালান কে'']।
* অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড [প্রোগ্রামিং] জেরক্স পার্কের বাইরে কখনো পৌঁছাতে পারেনি; কেবল শব্দটাই বাইরে গেছে।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:কে, অ্যালান}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কম্পিউটার বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রোগ্রামার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নকশাকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪০-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেটসের বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:টুরিং পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির শিক্ষক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, লস অ্যাঞ্জেলেসের শিক্ষক]]
ipz22l25mx3u5wit49zyd1gjarcioat
73882
73881
2026-04-05T15:56:51Z
SMontaha32
3112
/* ২০০০-এর দশক */
73882
wikitext
text/x-wiki
[[File:Alan Kay (3097597186) (cropped).jpg|thumb|অ্যালান কে (২০০৮)]]
'''অ্যালান কার্টিস কে''' (জন্ম ১৭ মে ১৯৪০) একজন মার্কিন [[কম্পিউটার]] বিজ্ঞানী। তিনি মূলত অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এবং উইন্ডোয়িং গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইনে তাঁর অগ্রণী ভূমিকার জন্য সুপরিচিত।
== উক্তি ==
=== ১৯৭০-এর দশক ===
* '''ভবিষ্যদ্বাণী করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো এটি উদ্ভাবন করা।'''
** [[অ্যালান কে]] (১৯৭১), [http://quoteinvestigator.com/2012/09/27/invent-the-future/ ১৯৭১ সালে পার্কের এক সভায়]।
** একই ধরনের মন্তব্য পিটার ড্রাকার এবং ড্যান্ড্রিজ এম. কোলের নামেও প্রচলিত।
** দ্রষ্টব্য: ডেনিস গ্যাবর, ''ইনভেন্টিং দ্য ফিউচার'' (১৯৬৩): "ভবিষ্যদ্বাণী করা সম্ভব নয়, তবে ভবিষ্যৎ উদ্ভাবন করা সম্ভব।"
*** নাইজেল কাল্ডার গ্যাবরের বইটির পর্যালোচনায় লিখেছিলেন, "আমরা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আগে থেকে বলতে পারি না, তবে এটি উদ্ভাবন করতে পারি..."
* কম্পিউটিং এর জন্য এটি একটি চমৎকার ক্ষেত্র। কারণ এখানে আপনাকে পিএইচডি বা অন্য কোনো ডিগ্রিধারী হতে হবে না। এটি এমন একটি জায়গা যেখানে আপনি এখনও একজন কারিগর হিসেবে কাজ করতে পারেন। আপনি যদি মোটামুটি দক্ষ হন তবে মানুষ আপনাকে পারিশ্রমিক দিতে আগ্রহী হবে এবং আপনার হাতে যথেষ্ট সময়ও থাকবে।
** অ্যালান কে (১৯৭২), [http://www.wheels.org/spacewar/stone/rolling_stone.html ''১৯৭২ রোলিং স্টোন নিবন্ধ'']-এ।
=== ১৯৮০-এর দশক ===
* যারা [[সফটওয়্যার]] নিয়ে সত্যিই সিরিয়াস, তাদের নিজস্ব হার্ডওয়্যার তৈরি করা উচিত।
** [https://www.folklore.org/StoryView.py?project=Macintosh&story=Creative_Think.txt ২০ জুলাই ১৯৮২, ক্রিয়েটিভ থিঙ্ক সেমিনারে দেওয়া বক্তব্য]।
* '''দৃষ্টিকোণের পরিবর্তন ৮০ আইকিউ পয়েন্টের সমান মূল্যবান।'''
** [https://www.folklore.org/StoryView.py?project=Macintosh&story=Creative_Think.txt ২০ জুলাই ১৯৮২, ক্রিয়েটিভ থিঙ্ক সেমিনারে দেওয়া বক্তব্য]।
* প্রযুক্তি হলো এমন কিছু যা আপনার জন্মের সময় ছিল না।
** ''১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে হংকংয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে''।
* '''ভবিষ্যৎ কোনো নির্দিষ্ট ট্র্যাকে সাজানো নেই। এটি আমরা নির্ধারণ করতে পারি। যতক্ষণ আমরা মহাবিশ্বের কোনো পরিচিত নিয়ম লঙ্ঘন করছি না, ততক্ষণ সম্ভবত আমরা এটিকে আমাদের ইচ্ছামতো কার্যকর করতে পারি।'''
** ১৯৮৪ সালে অ্যালান কের 'ইনভেন্টিং দ্য ফিউচার' গবেষণাপত্রে এটি প্রকাশিত হয়।
=== ১৯৯০-এর দশক ===
* আমি জানি না আপনাদের মধ্যে কতজন ডিকস্ট্রারের সাথে দেখা করেছেন। তবে আপনারা সম্ভবত জানেন যে [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানে]] ঔদ্ধত্য বা অহংকারকে ন্যানো-ডিকস্ট্রা এককে পরিমাপ করা হয়।
** [http://www.youtube.com/watch?v=oKg1hTOQXoY ১৯৯৭ ওপসলা মূল বক্তব্য]।
* আসলে "অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড" শব্দটি আমিই তৈরি করেছি। আমি আপনাদের বলতে পারি যে এটি তৈরির সময় আমার মাথায় [[সি++]] ছিল না।
** [http://www.youtube.com/watch?v=oKg1hTOQXoY ১৯৯৭ ওপসলা মূল বক্তব্য]।
=== ২০০০-এর দশক ===
[[File:Alan Kay (3097597186).jpg|thumb|right|আপনি যদি অন্তত ৯০ শতাংশ সময় ব্যর্থ না হন, তবে বুঝতে হবে আপনার লক্ষ্য যথেষ্ট উঁচুতে নয়।]]
[[File:Alan Kay.jpg|thumb|right|স্কুলে যাওয়ার আগেই আমি কয়েকশ বই পড়ে ফেলেছিলাম। আমি প্রথম শ্রেণিতেই জানতাম যে তারা আমার কাছে মিথ্যা বলছে, কারণ আমি ততদিনে অন্যান্য দৃষ্টিকোণ সম্পর্কে জেনেছি। স্কুল মূলত একটি মাত্র দৃষ্টিভঙ্গি শেখায়—যা শিক্ষক বা পাঠ্যবইয়ে থাকে।]]
[[File:Alan Kay and the prototype of Dynabook, pt. 5 (3010032738).jpg|thumb|right|সহজ জিনিসগুলো সহজ হওয়া উচিত, আর জটিল জিনিসগুলো সম্ভব হওয়া উচিত।]]
* ...এ পর্যন্ত নকশা করা সর্বশ্রেষ্ঠ একক [[প্রোগ্রামিং ভাষা]]। (লিস্প প্রোগ্রামিং ভাষা সম্পর্কে)।
** ২০০৩, [http://www.openp2p.com/pub/a/p2p/2003/04/03/alan_kay.html ড্যাডি, আর উই দেয়ার ইয়েট? অ্যালান কের সাথে একটি আলোচনা]।
* আমি অবশেষে বুঝতে পারলাম যে লিস্প ১.৫ ম্যানুয়ালের ১৩ নম্বর পৃষ্ঠার নিচে থাকা অর্ধেক পাতার কোডটি নিজেই লিস্প ছিল। এগুলো ছিল "সফটওয়্যারের ম্যাক্সওয়েল সমীকরণ!"
** [http://www.acmqueue.com/modules.php?name=Content&pa=showpage&pid=273&page=4 এসিএম কিউ ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'']।
==== ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'', ২০০৪–০৫ ====
* বর্তমানের বেশিরভাগ [[সফটওয়্যার]] অনেকটা মিশরীয় পিরামিডের মতো। এখানে কোনো কাঠামোগত অখণ্ডতা নেই, বরং লাখ লাখ ইট একে অপরের ওপর স্তূপ করা হয়েছে। এটি কেবল পাশবিক শক্তি এবং হাজার হাজার দাসের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।
** [http://queue.acm.org/detail.cfm?id=1039523 এসিএম কিউ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'']।
* '''[[পার্ল (প্রোগ্রামিং ভাষা)|পার্ল]]''' হলো একটি ক্ষুদ্র ও স্বল্পমেয়াদী প্রয়োজন মেটানোর উদাহরণ, যা দীর্ঘমেয়াদে একটি সত্যিকারের সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। কম্পিউটিং জগতে গত ২৫ বছরে যেসব সমস্যা হয়েছে, তার বেশিরভাগই এসেছে এমন সিস্টেম থেকে যেখানে নকশাকারীরা কেবল তাৎক্ষণিক কিছু সমাধান করতে চেয়েছিলেন। সেই ধারণাটি ভবিষ্যতে কার্যকর হবে কি না তা তারা ভাবেননি। সফটওয়্যারের একটি অর্ধায়ু থাকা উচিত যাতে ১০ বা ১৫ বছর পর পুরনো সফটওয়্যারগুলো নিজে থেকেই মুছে যায়।
* সাধারণ মানুষকে শিক্ষিত করার হারের চেয়ে কম্পিউটিং অনেক দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। গত ২৫ বছরে আমরা অনেকটা পপ কালচারের মতো কিছু পেয়েছি। এটি অনেকটা টেলিভিশনের মতো হয়েছে—এর উদ্ভাবকরা ভেবেছিলেন এর মাধ্যমে জনসাধারণের কাছে [[উইলিয়াম শেক্সপিয়ার|শেক্সপিয়ারকে]] পৌঁছে দেওয়া যাবে। কিন্তু তারা ভুলে গিয়েছিলেন যে শেক্সপিয়ার বোঝার জন্য আরও বেশি পরিশীলিত জ্ঞান ও দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন। টেলিভিশন মানুষকে কেবল সেভাবেই ধরে রেখেছে যেভাবে তারা ছিল। আমি মনে করি বর্তমানে প্রকৃত [[কম্পিউটার বিজ্ঞান]] এবং [[সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং]]-এর অভাবের পেছনে এই পপ কালচার আংশিকভাবে দায়ী।
* সান মাইক্রোসিস্টেমসের কাছে [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভাকে]] একটি প্রথম শ্রেণির ভাষা হিসেবে গড়ে তোলার মতো উপযুক্ত লোক ছিল। তবে আমার বিশ্বাস সান-এর বিপণন কর্মীরা এটি পূর্ণাঙ্গ হওয়ার আগেই বাজারে ছাড়ার জন্য তাড়াহুড়ো করেছিল।
* সান-এর পেশাদাররা যদি [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভা]] ঠিক করার সুযোগ পেতেন, তবে পৃথিবী আরও সুন্দর জায়গা হতে পারত। এটি কোনো গোপন জ্ঞান নয়; এটি কেবল এই পপ কালচারের কাছে গোপন।
* আমি আশঙ্কা করি যে বর্তমানে [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানের]] বেশিরভাগ স্নাতক ডিগ্রি মূলত [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভা]] ভিত্তিক বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ মাত্র। এমনকি প্রখ্যাত শিক্ষকদের নিয়ে গঠিত স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান প্রোগ্রাম সম্পর্কেও অভিযোগ শুনেছি যে এটি জাভা সার্টিফিকেশনের চেয়ে খুব বেশি কিছু নয়।
* '''বেশিরভাগ সৃজনশীলতা হলো এক প্রেক্ষাপট থেকে অন্য প্রেক্ষাপটে উত্তরণ, যেখানে জিনিসগুলো আরও বিস্ময়কর হয়।''' সেখানে বিস্ময়ের একটি উপাদান থাকে এবং বিশেষ করে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে "আহা" মুহূর্তটির সাথে প্রায়ই হাসি যুক্ত থাকে। শিল্পের মধ্যেও এই উপাদানটি আছে। আমাদের কাজ হলো নিজেদের মনে করিয়ে দেওয়া যে আমরা যে প্রেক্ষাপটে আছি তার বাইরেও আরও অনেক প্রেক্ষাপট রয়েছে—যাকে আমরা বাস্তবতা বলে মনে করি।
* আমি কাজ শেষ করতে পারে এমন লোকদের নিয়োগ দিতাম কারণ আমি কাজ শুরু করতে দক্ষ কিন্তু শেষ করতে দুর্বল।
=== ২০১০-এর দশক ===
* তবে আমি স্মলটকেরও খুব বড় ভক্ত নই, যদিও বর্তমানের বেশিরভাগ প্রোগ্রামিং সিস্টেমের তুলনায় এটি বেশ ভালো। আমি বর্তমানের কোনো সিস্টেমই পছন্দ করি না এবং আমি মনে করি না যে এগুলোর কোনোটিই আজকের সিস্টেম বা ব্যবহারকারীদের সত্যিকারের প্রোগ্রামিং সমস্যা সমাধানের উপযোগী।
** [http://www.computerworld.com.au/article/352182/z_programming_languages_smalltalk-80/ ''২০১০, কম্পিউটারওয়ার্ল্ড অস্ট্রেলিয়া'']।
* সম্ভবত সচল অবস্থায় থাকা একমাত্র প্রকৃত অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড সিস্টেম। (ইন্টারনেট সম্পর্কে)।
* [[ইন্টারনেট]] এতটাই সুনিপুণভাবে তৈরি করা হয়েছে যে বেশিরভাগ মানুষ এটিকে মানুষের তৈরি কিছু না ভেবে প্রশান্ত মহাসাগরের মতো প্রাকৃতিক সম্পদ মনে করে। এত বিশাল পরিসরের কোনো প্রযুক্তি শেষ কবে ত্রুটিহীন ছিল? তুলনায় ওয়েব একটি কৌতুক মাত্র। ওয়েব শৌখিন ব্যক্তিদের দ্বারা তৈরি হয়েছে।
** [http://www.drdobbs.com/architecture-and-design/interview-with-alan-kay/240003442 ''২০১২, ড. ডবস ইন্টারভিউ উইথ অ্যালান কে'']।
* অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড [প্রোগ্রামিং] জেরক্স পার্কের বাইরে কখনো পৌঁছাতে পারেনি; কেবল শব্দটাই বাইরে গেছে।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:কে, অ্যালান}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কম্পিউটার বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রোগ্রামার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নকশাকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪০-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেটসের বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:টুরিং পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির শিক্ষক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, লস অ্যাঞ্জেলেসের শিক্ষক]]
3a5esd7l7rw2qln5grbzcgacbz3zzhi
73883
73882
2026-04-05T16:01:56Z
SMontaha32
3112
/* অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন, ২০০৪–০৫ */
73883
wikitext
text/x-wiki
[[File:Alan Kay (3097597186) (cropped).jpg|thumb|অ্যালান কে (২০০৮)]]
'''অ্যালান কার্টিস কে''' (জন্ম ১৭ মে ১৯৪০) একজন মার্কিন [[কম্পিউটার]] বিজ্ঞানী। তিনি মূলত অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এবং উইন্ডোয়িং গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইনে তাঁর অগ্রণী ভূমিকার জন্য সুপরিচিত।
== উক্তি ==
=== ১৯৭০-এর দশক ===
* '''ভবিষ্যদ্বাণী করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো এটি উদ্ভাবন করা।'''
** [[অ্যালান কে]] (১৯৭১), [http://quoteinvestigator.com/2012/09/27/invent-the-future/ ১৯৭১ সালে পার্কের এক সভায়]।
** একই ধরনের মন্তব্য পিটার ড্রাকার এবং ড্যান্ড্রিজ এম. কোলের নামেও প্রচলিত।
** দ্রষ্টব্য: ডেনিস গ্যাবর, ''ইনভেন্টিং দ্য ফিউচার'' (১৯৬৩): "ভবিষ্যদ্বাণী করা সম্ভব নয়, তবে ভবিষ্যৎ উদ্ভাবন করা সম্ভব।"
*** নাইজেল কাল্ডার গ্যাবরের বইটির পর্যালোচনায় লিখেছিলেন, "আমরা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আগে থেকে বলতে পারি না, তবে এটি উদ্ভাবন করতে পারি..."
* কম্পিউটিং এর জন্য এটি একটি চমৎকার ক্ষেত্র। কারণ এখানে আপনাকে পিএইচডি বা অন্য কোনো ডিগ্রিধারী হতে হবে না। এটি এমন একটি জায়গা যেখানে আপনি এখনও একজন কারিগর হিসেবে কাজ করতে পারেন। আপনি যদি মোটামুটি দক্ষ হন তবে মানুষ আপনাকে পারিশ্রমিক দিতে আগ্রহী হবে এবং আপনার হাতে যথেষ্ট সময়ও থাকবে।
** অ্যালান কে (১৯৭২), [http://www.wheels.org/spacewar/stone/rolling_stone.html ''১৯৭২ রোলিং স্টোন নিবন্ধ'']-এ।
=== ১৯৮০-এর দশক ===
* যারা [[সফটওয়্যার]] নিয়ে সত্যিই সিরিয়াস, তাদের নিজস্ব হার্ডওয়্যার তৈরি করা উচিত।
** [https://www.folklore.org/StoryView.py?project=Macintosh&story=Creative_Think.txt ২০ জুলাই ১৯৮২, ক্রিয়েটিভ থিঙ্ক সেমিনারে দেওয়া বক্তব্য]।
* '''দৃষ্টিকোণের পরিবর্তন ৮০ আইকিউ পয়েন্টের সমান মূল্যবান।'''
** [https://www.folklore.org/StoryView.py?project=Macintosh&story=Creative_Think.txt ২০ জুলাই ১৯৮২, ক্রিয়েটিভ থিঙ্ক সেমিনারে দেওয়া বক্তব্য]।
* প্রযুক্তি হলো এমন কিছু যা আপনার জন্মের সময় ছিল না।
** ''১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে হংকংয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে''।
* '''ভবিষ্যৎ কোনো নির্দিষ্ট ট্র্যাকে সাজানো নেই। এটি আমরা নির্ধারণ করতে পারি। যতক্ষণ আমরা মহাবিশ্বের কোনো পরিচিত নিয়ম লঙ্ঘন করছি না, ততক্ষণ সম্ভবত আমরা এটিকে আমাদের ইচ্ছামতো কার্যকর করতে পারি।'''
** ১৯৮৪ সালে অ্যালান কের 'ইনভেন্টিং দ্য ফিউচার' গবেষণাপত্রে এটি প্রকাশিত হয়।
=== ১৯৯০-এর দশক ===
* আমি জানি না আপনাদের মধ্যে কতজন ডিকস্ট্রারের সাথে দেখা করেছেন। তবে আপনারা সম্ভবত জানেন যে [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানে]] ঔদ্ধত্য বা অহংকারকে ন্যানো-ডিকস্ট্রা এককে পরিমাপ করা হয়।
** [http://www.youtube.com/watch?v=oKg1hTOQXoY ১৯৯৭ ওপসলা মূল বক্তব্য]।
* আসলে "অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড" শব্দটি আমিই তৈরি করেছি। আমি আপনাদের বলতে পারি যে এটি তৈরির সময় আমার মাথায় [[সি++]] ছিল না।
** [http://www.youtube.com/watch?v=oKg1hTOQXoY ১৯৯৭ ওপসলা মূল বক্তব্য]।
=== ২০০০-এর দশক ===
[[File:Alan Kay (3097597186).jpg|thumb|right|আপনি যদি অন্তত ৯০ শতাংশ সময় ব্যর্থ না হন, তবে বুঝতে হবে আপনার লক্ষ্য যথেষ্ট উঁচুতে নয়।]]
[[File:Alan Kay.jpg|thumb|right|স্কুলে যাওয়ার আগেই আমি কয়েকশ বই পড়ে ফেলেছিলাম। আমি প্রথম শ্রেণিতেই জানতাম যে তারা আমার কাছে মিথ্যা বলছে, কারণ আমি ততদিনে অন্যান্য দৃষ্টিকোণ সম্পর্কে জেনেছি। স্কুল মূলত একটি মাত্র দৃষ্টিভঙ্গি শেখায়—যা শিক্ষক বা পাঠ্যবইয়ে থাকে।]]
[[File:Alan Kay and the prototype of Dynabook, pt. 5 (3010032738).jpg|thumb|right|সহজ জিনিসগুলো সহজ হওয়া উচিত, আর জটিল জিনিসগুলো সম্ভব হওয়া উচিত।]]
* ...এ পর্যন্ত নকশা করা সর্বশ্রেষ্ঠ একক [[প্রোগ্রামিং ভাষা]]। (লিস্প প্রোগ্রামিং ভাষা সম্পর্কে)।
** ২০০৩, [http://www.openp2p.com/pub/a/p2p/2003/04/03/alan_kay.html ড্যাডি, আর উই দেয়ার ইয়েট? অ্যালান কের সাথে একটি আলোচনা]।
* আমি অবশেষে বুঝতে পারলাম যে লিস্প ১.৫ ম্যানুয়ালের ১৩ নম্বর পৃষ্ঠার নিচে থাকা অর্ধেক পাতার কোডটি নিজেই লিস্প ছিল। এগুলো ছিল "সফটওয়্যারের ম্যাক্সওয়েল সমীকরণ!"
** [http://www.acmqueue.com/modules.php?name=Content&pa=showpage&pid=273&page=4 এসিএম কিউ ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'']।
==== ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'', ২০০৪–০৫ ====
* বর্তমানের বেশিরভাগ [[সফটওয়্যার]] অনেকটা মিশরীয় পিরামিডের মতো। এখানে কোনো কাঠামোগত অখণ্ডতা নেই, বরং লাখ লাখ ইট একে অপরের ওপর স্তূপ করা হয়েছে। এটি কেবল পাশবিক শক্তি এবং হাজার হাজার দাসের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।
** [http://queue.acm.org/detail.cfm?id=1039523 এসিএম কিউ''অ্যালান কের সাথে একটি কথোপকথন'']।
* '''পার্ল''' হলো একটি ক্ষুদ্র ও স্বল্পমেয়াদী প্রয়োজন মেটানোর উদাহরণ, যা দীর্ঘমেয়াদে একটি সত্যিকারের সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। কম্পিউটিং জগতে গত ২৫ বছরে যেসব সমস্যা হয়েছে, তার বেশিরভাগই এসেছে এমন সিস্টেম থেকে যেখানে নকশাকারীরা কেবল তাৎক্ষণিক কিছু সমাধান করতে চেয়েছিলেন। সেই ধারণাটি ভবিষ্যতে কার্যকর হবে কি না তা তারা ভাবেননি। সফটওয়্যারের একটি অর্ধায়ু থাকা উচিত যাতে ১০ বা ১৫ বছর পর পুরনো সফটওয়্যারগুলো নিজে থেকেই মুছে যায়।
* সাধারণ মানুষকে শিক্ষিত করার হারের চেয়ে কম্পিউটিং অনেক দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। গত ২৫ বছরে আমরা অনেকটা পপ কালচারের মতো কিছু পেয়েছি। এটি অনেকটা টেলিভিশনের মতো হয়েছে—এর উদ্ভাবকরা ভেবেছিলেন এর মাধ্যমে জনসাধারণের কাছে [[উইলিয়াম শেক্সপিয়ার|শেক্সপিয়ারকে]] পৌঁছে দেওয়া যাবে। কিন্তু তারা ভুলে গিয়েছিলেন যে শেক্সপিয়ার বোঝার জন্য আরও বেশি পরিশীলিত জ্ঞান ও দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন। টেলিভিশন মানুষকে কেবল সেভাবেই ধরে রেখেছে যেভাবে তারা ছিল। আমি মনে করি বর্তমানে প্রকৃত [[কম্পিউটার বিজ্ঞান]] এবং [[সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং]]-এর অভাবের পেছনে এই পপ কালচার আংশিকভাবে দায়ী।
* সান মাইক্রোসিস্টেমসের কাছে [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভাকে]] একটি প্রথম শ্রেণির ভাষা হিসেবে গড়ে তোলার মতো উপযুক্ত লোক ছিল। তবে আমার বিশ্বাস সান-এর বিপণন কর্মীরা এটি পূর্ণাঙ্গ হওয়ার আগেই বাজারে ছাড়ার জন্য তাড়াহুড়ো করেছিল।
* সান-এর পেশাদাররা যদি [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভা]] ঠিক করার সুযোগ পেতেন, তবে পৃথিবী আরও সুন্দর জায়গা হতে পারত। এটি কোনো গোপন জ্ঞান নয়; এটি কেবল এই পপ কালচারের কাছে গোপন।
* আমি আশঙ্কা করি যে বর্তমানে [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানের]] বেশিরভাগ স্নাতক ডিগ্রি মূলত [[জাভা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|জাভা]] ভিত্তিক বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ মাত্র। এমনকি প্রখ্যাত শিক্ষকদের নিয়ে গঠিত স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান প্রোগ্রাম সম্পর্কেও অভিযোগ শুনেছি যে এটি জাভা সার্টিফিকেশনের চেয়ে খুব বেশি কিছু নয়।
* '''বেশিরভাগ সৃজনশীলতা হলো এক প্রেক্ষাপট থেকে অন্য প্রেক্ষাপটে উত্তরণ, যেখানে জিনিসগুলো আরও বিস্ময়কর হয়।''' সেখানে বিস্ময়ের একটি উপাদান থাকে এবং বিশেষ করে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে "আহা" মুহূর্তটির সাথে প্রায়ই হাসি যুক্ত থাকে। শিল্পের মধ্যেও এই উপাদানটি আছে। আমাদের কাজ হলো নিজেদের মনে করিয়ে দেওয়া যে আমরা যে প্রেক্ষাপটে আছি তার বাইরেও আরও অনেক প্রেক্ষাপট রয়েছে—যাকে আমরা বাস্তবতা বলে মনে করি।
* আমি কাজ শেষ করতে পারে এমন লোকদের নিয়োগ দিতাম কারণ আমি কাজ শুরু করতে দক্ষ কিন্তু শেষ করতে দুর্বল।
=== ২০১০-এর দশক ===
* তবে আমি স্মলটকেরও খুব বড় ভক্ত নই, যদিও বর্তমানের বেশিরভাগ প্রোগ্রামিং সিস্টেমের তুলনায় এটি বেশ ভালো। আমি বর্তমানের কোনো সিস্টেমই পছন্দ করি না এবং আমি মনে করি না যে এগুলোর কোনোটিই আজকের সিস্টেম বা ব্যবহারকারীদের সত্যিকারের প্রোগ্রামিং সমস্যা সমাধানের উপযোগী।
** [http://www.computerworld.com.au/article/352182/z_programming_languages_smalltalk-80/ ''২০১০, কম্পিউটারওয়ার্ল্ড অস্ট্রেলিয়া'']।
* সম্ভবত সচল অবস্থায় থাকা একমাত্র প্রকৃত অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড সিস্টেম। (ইন্টারনেট সম্পর্কে)।
* [[ইন্টারনেট]] এতটাই সুনিপুণভাবে তৈরি করা হয়েছে যে বেশিরভাগ মানুষ এটিকে মানুষের তৈরি কিছু না ভেবে প্রশান্ত মহাসাগরের মতো প্রাকৃতিক সম্পদ মনে করে। এত বিশাল পরিসরের কোনো প্রযুক্তি শেষ কবে ত্রুটিহীন ছিল? তুলনায় ওয়েব একটি কৌতুক মাত্র। ওয়েব শৌখিন ব্যক্তিদের দ্বারা তৈরি হয়েছে।
** [http://www.drdobbs.com/architecture-and-design/interview-with-alan-kay/240003442 ''২০১২, ড. ডবস ইন্টারভিউ উইথ অ্যালান কে'']।
* অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড [প্রোগ্রামিং] জেরক্স পার্কের বাইরে কখনো পৌঁছাতে পারেনি; কেবল শব্দটাই বাইরে গেছে।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:কে, অ্যালান}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কম্পিউটার বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রোগ্রামার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নকশাকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪০-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেটসের বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:টুরিং পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির শিক্ষক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, লস অ্যাঞ্জেলেসের শিক্ষক]]
48lou2efsn77bpgo0vji40j57rftu16
পিটার আগ্রি
0
12051
73873
2026-04-05T15:43:52Z
Borhan
964
শুরু
73873
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:Peter_Agre.jpg|থাম্ব|পিটার আগ্রি]]
'''[[w:পিটার আগ্রি|পিটার আগ্রি]]''' (জন্ম: ৩০ জানুয়ারি ১৯৪৯) একজন মার্কিন চিকিৎসক, [[w:নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা|নোবেল বিজয়ী]] এবং আণবিক জীববিজ্ঞানী। এছাড়াও তিনি [[w:জনস হপকিন্স ব্লুমবার্গ স্কুল অব পাবলিক হেলথ|জনস হপকিন্স ব্লুমবার্গ স্কুল অব পাবলিক হেলথ]] ও [[w:জনস হপকিন্স স্কুল অফ মেডিসিন|জনস হপকিন্স স্কুল অব মেডিসিনের]] ব্লুমবার্গ ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর এবং [[w:জনস হপকিন্স ম্যালেরিয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউট|জনস হপকিন্স ম্যালেরিয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউটের]] পরিচালক। ২০০৩ সালে আগ্রি ও [[w:রডরিক ম্যাকিনন|রডরিক ম্যাকিনন]] "কোষ ঝিল্লির চ্যানেল সম্পর্কিত আবিষ্কারের" জন্য যৌথভাবে [[w:রসায়নে নোবেল পুরস্কার|রসায়নে নোবেল পুরস্কার]] লাভ করেন।
== উক্তি ==
* জনসাধারণের মধ্যে সাধারণ বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের প্রয়োজনীয়তা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি এবং বৈজ্ঞানিক নিরক্ষরতার শাস্তিও আগের চেয়ে বেশি কঠোর… বৈজ্ঞানিক মৌলিক জ্ঞানের অভাবে মানুষ রাসায়নিক পদার্থের বিষাক্ততা, ওষুধের কার্যকারিতা, বৈশ্বিক জলবায়ুর পরিবর্তনের মতো বিষয়ে নির্বোধ সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে।
** [http://nobelprize.org/nobel_prizes/chemistry/laureates/2003/agre-speech-e.html নোবেল ভোজসভায় পিটার অ্যাগ্রির ভাষণ], ১০ ডিসেম্বর, ২০০৩
* বৈজ্ঞানিক অজ্ঞতার বিরুদ্ধে আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিরক্ষা হলো [[শিক্ষা]] এবং প্রত্যেক [[বিজ্ঞানী|বিজ্ঞানীর]] জীবনের শুরুতে শিশুর প্রথম আগ্রহের স্ফুলিঙ্গটি একজন শিক্ষকের দ্বারাই প্রজ্বলিত হয়।
** [http://nobelprize.org/nobel_prizes/chemistry/laureates/2003/agre-speech-e.html নোবেল ভোজসভায় পিটার অ্যাগ্রির ভাষণ], ১০ ডিসেম্বর, ২০০৩
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন ফিলোসফিক্যাল সোসাইটির সদস্য]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৯-এ জন্ম]]
00lzz99jdxcrflxetx22cpa2fai52dg
73876
73873
2026-04-05T15:50:07Z
Borhan
964
73876
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:Peter_Agre.jpg|থাম্ব|পিটার আগ্রি]]
'''[[w:পিটার আগ্রি|পিটার আগ্রি]]''' (জন্ম: ৩০ জানুয়ারি ১৯৪৯) একজন মার্কিন চিকিৎসক, [[w:নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা|নোবেল বিজয়ী]] এবং আণবিক জীববিজ্ঞানী। এছাড়াও তিনি [[w:জনস হপকিন্স ব্লুমবার্গ স্কুল অব পাবলিক হেলথ|জনস হপকিন্স ব্লুমবার্গ স্কুল অব পাবলিক হেলথ]] ও [[w:জনস হপকিন্স স্কুল অফ মেডিসিন|জনস হপকিন্স স্কুল অব মেডিসিনের]] ব্লুমবার্গ সম্মানিত অধ্যাপক এবং [[w:জনস হপকিন্স ম্যালেরিয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউট|জনস হপকিন্স ম্যালেরিয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউটের]] পরিচালক। ২০০৩ সালে আগ্রি ও [[w:রডরিক ম্যাকিনন|রডরিক ম্যাকিনন]] "কোষ ঝিল্লির নালী সম্পর্কিত আবিষ্কারের" জন্য যৌথভাবে [[w:রসায়নে নোবেল পুরস্কার|রসায়নে নোবেল পুরস্কার]] লাভ করেন।
== উক্তি ==
* জনসাধারণের মধ্যে সাধারণ বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের প্রয়োজনীয়তা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি এবং বৈজ্ঞানিক নিরক্ষরতার শাস্তিও আগের চেয়ে বেশি কঠোর… বৈজ্ঞানিক মৌলিক জ্ঞানের অভাবে মানুষ রাসায়নিক পদার্থের বিষাক্ততা, ওষুধের কার্যকারিতা, বৈশ্বিক জলবায়ুর পরিবর্তনের মতো বিষয়ে নির্বোধ সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে।
** [http://nobelprize.org/nobel_prizes/chemistry/laureates/2003/agre-speech-e.html নোবেল ভোজসভায় পিটার অ্যাগ্রির ভাষণ], ১০ ডিসেম্বর, ২০০৩
* বৈজ্ঞানিক অজ্ঞতার বিরুদ্ধে আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিরক্ষা হলো [[শিক্ষা]] এবং প্রত্যেক [[বিজ্ঞানী|বিজ্ঞানীর]] জীবনের শুরুতে শিশুর প্রথম আগ্রহের স্ফুলিঙ্গটি একজন শিক্ষকের দ্বারাই প্রজ্বলিত হয়।
** [http://nobelprize.org/nobel_prizes/chemistry/laureates/2003/agre-speech-e.html নোবেল ভোজসভায় পিটার অ্যাগ্রির ভাষণ], ১০ ডিসেম্বর, ২০০৩
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন ফিলোসফিক্যাল সোসাইটির সদস্য]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৯-এ জন্ম]]
1r8pgn8m7kmjexslblej27g63xamg3i
73893
73876
2026-04-05T16:12:37Z
Borhan
964
/* উক্তি */
73893
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:Peter_Agre.jpg|থাম্ব|পিটার আগ্রি]]
'''[[w:পিটার আগ্রি|পিটার আগ্রি]]''' (জন্ম: ৩০ জানুয়ারি ১৯৪৯) একজন মার্কিন চিকিৎসক, [[w:নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা|নোবেল বিজয়ী]] এবং আণবিক জীববিজ্ঞানী। এছাড়াও তিনি [[w:জনস হপকিন্স ব্লুমবার্গ স্কুল অব পাবলিক হেলথ|জনস হপকিন্স ব্লুমবার্গ স্কুল অব পাবলিক হেলথ]] ও [[w:জনস হপকিন্স স্কুল অফ মেডিসিন|জনস হপকিন্স স্কুল অব মেডিসিনের]] ব্লুমবার্গ সম্মানিত অধ্যাপক এবং [[w:জনস হপকিন্স ম্যালেরিয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউট|জনস হপকিন্স ম্যালেরিয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউটের]] পরিচালক। ২০০৩ সালে আগ্রি ও [[w:রডরিক ম্যাকিনন|রডরিক ম্যাকিনন]] "কোষ ঝিল্লির নালী সম্পর্কিত আবিষ্কারের" জন্য যৌথভাবে [[w:রসায়নে নোবেল পুরস্কার|রসায়নে নোবেল পুরস্কার]] লাভ করেন।
== উক্তি ==
* জনসাধারণের মধ্যে সাধারণ বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের প্রয়োজনীয়তা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি এবং বৈজ্ঞানিক নিরক্ষরতার শাস্তিও আগের চেয়ে কঠোর… বিজ্ঞানের মৌলিক জ্ঞানের অভাবে মানুষ রাসায়নিক পদার্থের বিষাক্ততা, ওষুধের কার্যকারিতা এবং বৈশ্বিক জলবায়ুর পরিবর্তনের মতো বিষয়ে নির্বোধ সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে।
** [https://nobelprize.org/nobel_prizes/chemistry/laureates/2003/agre-speech-e.html নোবেল ভোজসভায় পিটার আগ্রির ভাষণ], ১০ ডিসেম্বর, ২০০৩
* বৈজ্ঞানিক অজ্ঞতার বিরুদ্ধে আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিরক্ষা হলো [[শিক্ষা]] এবং প্রত্যেক [[w:বিজ্ঞানী|বিজ্ঞানীর]] জীবনের শুরুতে শিশুর প্রথম আগ্রহের স্ফুলিঙ্গটি একজন শিক্ষকের দ্বারাই প্রজ্বলিত হয়।
** [https://nobelprize.org/nobel_prizes/chemistry/laureates/2003/agre-speech-e.html নোবেল ভোজসভায় পিটার আগ্রির ভাষণ], ১০ ডিসেম্বর, ২০০৩
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন ফিলোসফিক্যাল সোসাইটির সদস্য]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৯-এ জন্ম]]
gt78rekb5ewvqezfzqbc847fyx63kno
73981
73893
2026-04-06T04:33:44Z
Borhan
964
/* উক্তি */ +
73981
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:Peter_Agre.jpg|থাম্ব|পিটার আগ্রি]]
'''[[w:পিটার আগ্রি|পিটার আগ্রি]]''' (জন্ম: ৩০ জানুয়ারি ১৯৪৯) একজন মার্কিন চিকিৎসক, [[w:নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা|নোবেল বিজয়ী]] এবং আণবিক জীববিজ্ঞানী। এছাড়াও তিনি [[w:জনস হপকিন্স ব্লুমবার্গ স্কুল অব পাবলিক হেলথ|জনস হপকিন্স ব্লুমবার্গ স্কুল অব পাবলিক হেলথ]] ও [[w:জনস হপকিন্স স্কুল অফ মেডিসিন|জনস হপকিন্স স্কুল অব মেডিসিনের]] ব্লুমবার্গ সম্মানিত অধ্যাপক এবং [[w:জনস হপকিন্স ম্যালেরিয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউট|জনস হপকিন্স ম্যালেরিয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউটের]] পরিচালক। ২০০৩ সালে আগ্রি ও [[w:রডরিক ম্যাকিনন|রডরিক ম্যাকিনন]] "কোষ ঝিল্লির নালী সম্পর্কিত আবিষ্কারের" জন্য যৌথভাবে [[w:রসায়নে নোবেল পুরস্কার|রসায়নে নোবেল পুরস্কার]] লাভ করেন।
== উক্তি ==
* নোবেল পুরস্কার হলো শুধু শুরু: ভবিষ্যতে আরও বিজ্ঞান অপেক্ষা করছে।<ref>''চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুষদের খবর'', “চিলি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘কাসা দে বেল্লো’ থেকে।”[http://noticias.med.uchile.cl/2013/marzo/8315-doctor-peter-agre-el-premio-nobel-es-el-comienzo-hay-mas-ciencia-en-el-futuro.html 14.03.2013.] </ref>
* জনসাধারণের মধ্যে সাধারণ বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের প্রয়োজনীয়তা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি এবং বৈজ্ঞানিক নিরক্ষরতার শাস্তিও আগের চেয়ে কঠোর… বিজ্ঞানের মৌলিক জ্ঞানের অভাবে মানুষ রাসায়নিক পদার্থের বিষাক্ততা, ওষুধের কার্যকারিতা এবং বৈশ্বিক জলবায়ুর পরিবর্তনের মতো বিষয়ে নির্বোধ সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে।
** [https://nobelprize.org/nobel_prizes/chemistry/laureates/2003/agre-speech-e.html নোবেল ভোজসভায় পিটার আগ্রির ভাষণ], ১০ ডিসেম্বর, ২০০৩
* বৈজ্ঞানিক অজ্ঞতার বিরুদ্ধে আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিরক্ষা হলো [[শিক্ষা]] এবং প্রত্যেক [[w:বিজ্ঞানী|বিজ্ঞানীর]] জীবনের শুরুতে শিশুর প্রথম আগ্রহের স্ফুলিঙ্গটি একজন শিক্ষকের দ্বারাই প্রজ্বলিত হয়।
** [https://nobelprize.org/nobel_prizes/chemistry/laureates/2003/agre-speech-e.html নোবেল ভোজসভায় পিটার আগ্রির ভাষণ], ১০ ডিসেম্বর, ২০০৩
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন ফিলোসফিক্যাল সোসাইটির সদস্য]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৯-এ জন্ম]]
t8me5d65jigo9vmwb7wud306p9s44eq
73982
73981
2026-04-06T04:34:33Z
Borhan
964
/* উক্তি */
73982
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:Peter_Agre.jpg|থাম্ব|পিটার আগ্রি]]
'''[[w:পিটার আগ্রি|পিটার আগ্রি]]''' (জন্ম: ৩০ জানুয়ারি ১৯৪৯) একজন মার্কিন চিকিৎসক, [[w:নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা|নোবেল বিজয়ী]] এবং আণবিক জীববিজ্ঞানী। এছাড়াও তিনি [[w:জনস হপকিন্স ব্লুমবার্গ স্কুল অব পাবলিক হেলথ|জনস হপকিন্স ব্লুমবার্গ স্কুল অব পাবলিক হেলথ]] ও [[w:জনস হপকিন্স স্কুল অফ মেডিসিন|জনস হপকিন্স স্কুল অব মেডিসিনের]] ব্লুমবার্গ সম্মানিত অধ্যাপক এবং [[w:জনস হপকিন্স ম্যালেরিয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউট|জনস হপকিন্স ম্যালেরিয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউটের]] পরিচালক। ২০০৩ সালে আগ্রি ও [[w:রডরিক ম্যাকিনন|রডরিক ম্যাকিনন]] "কোষ ঝিল্লির নালী সম্পর্কিত আবিষ্কারের" জন্য যৌথভাবে [[w:রসায়নে নোবেল পুরস্কার|রসায়নে নোবেল পুরস্কার]] লাভ করেন।
== উক্তি ==
* নোবেল পুরস্কার হলো শুধু শুরু: ভবিষ্যতে আরও বিজ্ঞান অপেক্ষা করছে।<ref>''চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুষদের খবর'', “চিলি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘কাসা দে বেল্লো’ থেকে।”[http://noticias.med.uchile.cl/2013/marzo/8315-doctor-peter-agre-el-premio-nobel-es-el-comienzo-hay-mas-ciencia-en-el-futuro.html ১৪ মার্চ ২০১৩] </ref>
* জনসাধারণের মধ্যে সাধারণ বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের প্রয়োজনীয়তা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি এবং বৈজ্ঞানিক নিরক্ষরতার শাস্তিও আগের চেয়ে কঠোর… বিজ্ঞানের মৌলিক জ্ঞানের অভাবে মানুষ রাসায়নিক পদার্থের বিষাক্ততা, ওষুধের কার্যকারিতা এবং বৈশ্বিক জলবায়ুর পরিবর্তনের মতো বিষয়ে নির্বোধ সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে।
** [https://nobelprize.org/nobel_prizes/chemistry/laureates/2003/agre-speech-e.html নোবেল ভোজসভায় পিটার আগ্রির ভাষণ], ১০ ডিসেম্বর, ২০০৩
* বৈজ্ঞানিক অজ্ঞতার বিরুদ্ধে আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিরক্ষা হলো [[শিক্ষা]] এবং প্রত্যেক [[w:বিজ্ঞানী|বিজ্ঞানীর]] জীবনের শুরুতে শিশুর প্রথম আগ্রহের স্ফুলিঙ্গটি একজন শিক্ষকের দ্বারাই প্রজ্বলিত হয়।
** [https://nobelprize.org/nobel_prizes/chemistry/laureates/2003/agre-speech-e.html নোবেল ভোজসভায় পিটার আগ্রির ভাষণ], ১০ ডিসেম্বর, ২০০৩
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন ফিলোসফিক্যাল সোসাইটির সদস্য]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৯-এ জন্ম]]
bw7rnoed7ml4fzdib526vpz2cq13q68
73983
73982
2026-04-06T04:39:50Z
Borhan
964
/* উক্তি */ +
73983
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:Peter_Agre.jpg|থাম্ব|পিটার আগ্রি]]
'''[[w:পিটার আগ্রি|পিটার আগ্রি]]''' (জন্ম: ৩০ জানুয়ারি ১৯৪৯) একজন মার্কিন চিকিৎসক, [[w:নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা|নোবেল বিজয়ী]] এবং আণবিক জীববিজ্ঞানী। এছাড়াও তিনি [[w:জনস হপকিন্স ব্লুমবার্গ স্কুল অব পাবলিক হেলথ|জনস হপকিন্স ব্লুমবার্গ স্কুল অব পাবলিক হেলথ]] ও [[w:জনস হপকিন্স স্কুল অফ মেডিসিন|জনস হপকিন্স স্কুল অব মেডিসিনের]] ব্লুমবার্গ সম্মানিত অধ্যাপক এবং [[w:জনস হপকিন্স ম্যালেরিয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউট|জনস হপকিন্স ম্যালেরিয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউটের]] পরিচালক। ২০০৩ সালে আগ্রি ও [[w:রডরিক ম্যাকিনন|রডরিক ম্যাকিনন]] "কোষ ঝিল্লির নালী সম্পর্কিত আবিষ্কারের" জন্য যৌথভাবে [[w:রসায়নে নোবেল পুরস্কার|রসায়নে নোবেল পুরস্কার]] লাভ করেন।
== উক্তি ==
* নোবেল পুরস্কার হলো শুধু শুরু: ভবিষ্যতে আরও বিজ্ঞান অপেক্ষা করছে।<ref>''চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুষদের খবর'', “চিলি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘কাসা দে বেল্লো’ থেকে।”[http://noticias.med.uchile.cl/2013/marzo/8315-doctor-peter-agre-el-premio-nobel-es-el-comienzo-hay-mas-ciencia-en-el-futuro.html ১৪ মার্চ ২০১৩] </ref>
*একবিংশ শতাব্দীতে রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের মধ্যে পার্থক্য অনেকটাই কমে গেছে। রেনেসাঁ যুগের মতোই এখন বিজ্ঞানীরা তাদের কৌতূহল অনুসরণ করেন, এমনকি তা তাদের আনুষ্ঠানিক শিক্ষার সীমার বাইরে হলেও।
** [https://nobelprize.org/nobel_prizes/chemistry/laureates/2003/agre-speech-e.html নোবেল ভোজসভায় পিটার আগ্রির ভাষণ], ১০ ডিসেম্বর, ২০০৩
* জনসাধারণের মধ্যে সাধারণ বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের প্রয়োজনীয়তা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি এবং বৈজ্ঞানিক নিরক্ষরতার শাস্তিও আগের চেয়ে কঠোর… বিজ্ঞানের মৌলিক জ্ঞানের অভাবে মানুষ রাসায়নিক পদার্থের বিষাক্ততা, ওষুধের কার্যকারিতা এবং বৈশ্বিক জলবায়ুর পরিবর্তনের মতো বিষয়ে নির্বোধ সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে।
** [https://nobelprize.org/nobel_prizes/chemistry/laureates/2003/agre-speech-e.html নোবেল ভোজসভায় পিটার আগ্রির ভাষণ], ১০ ডিসেম্বর, ২০০৩
* বৈজ্ঞানিক অজ্ঞতার বিরুদ্ধে আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিরক্ষা হলো [[শিক্ষা]] এবং প্রত্যেক [[w:বিজ্ঞানী|বিজ্ঞানীর]] জীবনের শুরুতে শিশুর প্রথম আগ্রহের স্ফুলিঙ্গটি একজন শিক্ষকের দ্বারাই প্রজ্বলিত হয়।
** [https://nobelprize.org/nobel_prizes/chemistry/laureates/2003/agre-speech-e.html নোবেল ভোজসভায় পিটার আগ্রির ভাষণ], ১০ ডিসেম্বর, ২০০৩
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন ফিলোসফিক্যাল সোসাইটির সদস্য]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৯-এ জন্ম]]
i2cimc3cozjof5krzmliz4e6eoswm8v
আলাপ:অ্যালান কে
1
12052
73884
2026-04-05T16:02:29Z
SMontaha32
3112
https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026
73884
wikitext
text/x-wiki
{{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}}
s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm
আলফ্রেড কিনসে
0
12053
73885
2026-04-05T16:06:01Z
SMontaha32
3112
"[[File:Alfred Kinsey 1955.jpg|right|thumb|200px|আলফ্রেড কিনসে]] পিএইচডিধারী '''[[আলফ্রেড চার্লস কিনসে]]''' ([[২৩ জুন]], [[১৮৯৪]] – [[২৫ আগস্ট]], [[১৯৫৬]]) একজন যৌনতাত্ত্বিক, পতঙ্গবিদ এবং প্রাণীবিজ্ঞানী। তিনি ব্লুমিংটন..." দিয়ে পাতা তৈরি
73885
wikitext
text/x-wiki
[[File:Alfred Kinsey 1955.jpg|right|thumb|200px|আলফ্রেড কিনসে]]
পিএইচডিধারী '''[[আলফ্রেড চার্লস কিনসে]]''' ([[২৩ জুন]], [[১৮৯৪]] – [[২৫ আগস্ট]], [[১৯৫৬]]) একজন যৌনতাত্ত্বিক, পতঙ্গবিদ এবং প্রাণীবিজ্ঞানী। তিনি ব্লুমিংটনের ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ইনস্টিটিউট ফর সেক্স রিসার্চ' প্রতিষ্ঠা করেন (যা বর্তমানে [[কিনসে ইনস্টিটিউট ফর রিসার্চ ইন সেক্স, জেন্ডার অ্যান্ড রিপ্রোডাকশন|কিনসে ইনস্টিটিউট ফর রিসার্চ ইন সেক্স, জেন্ডার অ্যান্ড রিপ্রোডাকশন]] নামে পরিচিত)।
== উক্তি ==
=== ''[[কিনসে রিপোর্টস|সেক্সুয়াল বিহেভিয়ার ইন দ্য হিউম্যান মেল]]'' (১৯৪৮) ===
* চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাস প্রমাণ করে মানুষ যখন নিজেকে জানার চেষ্টা করেছে এবং নিজের সম্পূর্ণ প্রকৃতির মুখোমুখি হয়েছে, তখন সে বিভ্রান্তিকর ভয়, হতাশাজনক লজ্জা বা চরম ভণ্ডামি থেকে মুক্ত হতে পেরেছে। যতক্ষণ যৌনতাকে বর্তমানের অজ্ঞতা ও কৃত্রিমতা, অস্বীকার ও প্রশ্রয়, দমন ও উদ্দীপনা এবং গোপনীয়তা ও প্রদর্শনের বিভ্রান্তির মধ্যে রাখা হবে, ততক্ষণ এটি এমন এক দ্বিমুখী নীতি ও অশালীনতার সাথে যুক্ত থাকবে যা বৌদ্ধিক সততা বা মানবিক মর্যাদা—কোনোটিই বয়ে আনে না।
* পুরুষরা বিষমকামী এবং সমকামী—এই দুটি পৃথক গোষ্ঠীকে প্রতিনিধিত্ব করে না। পৃথিবীকে ভেড়া ও ছাগলের মতো আলাদা করা যাবে না। সব কিছু সাদা কিংবা কালো নয়। এটি শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যার একটি মৌলিক বিষয় যে প্রকৃতি খুব কমই স্বতন্ত্র বিভাগ নিয়ে কাজ করে। কেবল মানুষের মনই বিভিন্ন বিভাগ উদ্ভাবন করে এবং তথ্যগুলোকে আলাদা আলাদা খোপে বন্দি করার চেষ্টা করে। জীবন্ত জগত তার প্রতিটি দিক থেকেই একটি অবিচ্ছিন্ন ধারা। মানুষের যৌন আচরণ সম্পর্কে আমরা যত দ্রুত এটি শিখব, তত দ্রুত যৌনতার বাস্তবতা সম্পর্কে সঠিক বুঝতে পারব।
* প্রাচীন গ্রিসে সমকামী আচরণের সাধারণ উপস্থিতি এবং বর্তমানে কিছু সংস্কৃতিতে এর ব্যাপক বিস্তার নির্দেশ করে যে লিঙ্গ নির্বিশেষে যেকোনো উদ্দীপনায় যৌন সাড়া দেওয়ার ক্ষমতা এই প্রজাতির একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য।
=== ''[[কিনসে রিপোর্টস|সেক্সুয়াল বিহেভিয়ার ইন দ্য হিউম্যান ফিমেল]]'' (১৯৫৩) ===
* গবেষণার প্রয়োগ স্পষ্ট হওয়ার সাথে সাথেই কিছু বিজ্ঞানী সেই নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে দ্বিধাবোধ করেন। জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও তা প্রয়োগ করতে অস্বীকার করা আমাদের কাছে জ্ঞান অর্জনের আগেই তা প্রয়োগ করার চেষ্টার মতোই অবাস্তব মনে হয়। (পৃষ্ঠা ৮)
* বস্তুজগতের বেশিরভাগ দিক নিয়ে অনুসন্ধান করার বিজ্ঞানীর অধিকারের সাথে বেশিরভাগ মানুষই একমত হবেন। তবে মানুষের যৌন আচরণ অনুসন্ধানে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির প্রয়োগ নিয়ে কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন। এটি অনেকটা এমন যে কোনো পুষ্টিবিদ এবং প্রাণরসায়নবিদকে খাদ্য ও পুষ্টি প্রক্রিয়া বিশ্লেষণের অধিকার অস্বীকার করা হচ্ছে। কারণ খাবার রান্না করা এবং পরিবেশন করাকে একটি সূক্ষ্ম শিল্প হিসেবে গণ্য করা হতে পারে এবং নির্দিষ্ট কিছু খাবার গ্রহণ ধর্মীয় নিয়মের বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। (পৃষ্ঠা ৮)।
* বিজ্ঞানে এমন এক সততা রয়েছে যা সত্য নির্ধারণের জন্য সর্বোত্তম মাধ্যম ব্যবহারের দাবি জানায়। অবশ্যই মহাবিশ্বে অনেক ধরনের সত্য রয়েছে। মানুষ যদি তার [[সামাজিক সংগঠন|সামাজিক সংগঠনে]] সবচেয়ে কার্যকরভাবে বসবাস করতে চায়, তবে সত্যের অনেক দিক বিবেচনায় নিতে হবে। তবে বস্তুর ক্ষেত্রে—যা দিয়ে নির্জীব উপাদান এবং সজীব জীব উভয়ই গঠিত—বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন মানুষের ইন্দ্রিয়গুলোর মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের চেয়ে তথ্য সংগ্রহের আর কোনো ভালো উপায় নেই। কোনো তত্ত্ব, দর্শন, ধর্মতত্ত্ব বা রাজনৈতিক সুবিধা এবং অলীক কল্পনা বস্তুগত পর্যবেক্ষণ ও তাদের আচরণের বিকল্প হতে পারে না। (পৃষ্ঠা ৯)।
* বিজ্ঞানের সততা বাস্তবতাকে গ্রহণ করতে শেখায়। এমন কিছু লোক আছে যারা সমুদ্রকে তাদের লক্ষ্য অর্জনে বাধা মনে করে এর অস্তিত্বকে অস্বীকার করার চেষ্টা করে। বিশাল আকারের কারণে তারা যদি একে উপেক্ষা করতে না পারে, তবে তারা আইনের মাধ্যমে এর অস্তিত্ব বিলীন করার চেষ্টা করে অথবা স্পঞ্জ দিয়ে সমুদ্র শুকানোর চেষ্টা করে। তারা জোর দিয়ে বলে যে পর্যাপ্ত স্পঞ্জ এবং লোক থাকলে দ্বিতীয় কাজটি সম্ভব হবে। যৌন কাজের চেয়ে বড় কোনো সমুদ্র নেই। কেউ কেউ বিশ্বাস করেন আমরা যদি এর অস্তিত্ব অস্বীকার করি তবেই ভালো হবে। তারা মনে করেন আমাদের এর বস্তুগত উৎসগুলো বোঝার চেষ্টা করা উচিত নয়। তারা আরও বিশ্বাস করেন যদি আমরা একে যথেষ্ট উপেক্ষা করি এবং নতুন আইন, ভারী জরিমানা ও কঠোর ঘোষণা দিয়ে যৌন কার্যকলাপের প্রবাহ মুছে ফেলার চেষ্টা করি, তবে শেষ পর্যন্ত আমরা বাস্তবতাকে নির্মূল করতে পারব। (পৃষ্ঠা ১০)।
* এটি বারবার জোর দিয়ে বলা প্রয়োজন যে যেকোনো প্রাণীর আচরণ তার প্রাপ্ত উদ্দীপনার প্রকৃতি, তার দৈহিক ও শারীরিক সক্ষমতা এবং অতীতের অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করে। যদি আগের অভিজ্ঞতা দ্বারা প্রভাবিত না হয়, তবে একটি প্রাণীর অভিন্ন উদ্দীপনায় অভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখানো উচিত। সেই উদ্দীপনা তার নিজের শরীরের কোনো অংশ থেকে আসুক বা একই লিঙ্গের কিংবা বিপরীত লিঙ্গের অন্য কোনো ব্যক্তি থেকে আসুক।
* যেকোনো পর্যাপ্ত উদ্দীপনায় সাড়া দেওয়ার প্রাণীর সহজাত শারীরিক সক্ষমতাই হলো কিছু ব্যক্তির নিজের লিঙ্গের অন্য ব্যক্তিদের উদ্দীপনায় সাড়া দেওয়ার মৌলিক ব্যাখ্যা। এটি নির্দেশ করে যে সুযোগ পেলে এবং কোনো বাধা না থাকলে প্রতিটি ব্যক্তিই এভাবে সাড়া দিতে পারত। নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তিকে সমকামী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত করার জন্য বিশেষ হরমোনজনিত কারণের অনুমান করার কোনো প্রয়োজন নেই। এমন কোনো তথ্য আমাদের জানা নেই যা হরমোনজনিত কারণের অস্তিত্ব প্রমাণ করে (পৃ. ৭৫৮)। নির্দিষ্ট বংশগত কারণ জড়িত থাকার মতো পর্যাপ্ত তথ্যও নেই। শৈশবে বাবা বা মায়ের প্রতি আসক্তির তত্ত্ব, যৌন বিকাশের কোনো স্তরে স্থবিরতার তত্ত্ব এবং সমকামিতাকে স্নায়বিক বিকার বা নৈতিক অবক্ষয় হিসেবে ব্যাখ্যা করার মতো বিষয়গুলো বৈজ্ঞানিক গবেষণা দ্বারা সমর্থিত নয়। এগুলো আমাদের নারী ও পুরুষের জীবন ইতিহাসের নির্দিষ্ট তথ্যের বিপরীত।
* স্তন্যপায়ী প্রাণীরা কেবল বিষমকামী কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধ থাকে—এমন ধারণাটি মূলত মানুষের তৈরি দর্শন থেকে এসেছে। এটি স্তন্যপায়ী প্রাণীদের আচরণের সুনির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণের ফসল নয়। যেসব জীববিজ্ঞানী ও মনোবিজ্ঞানী এই মতবাদ গ্রহণ করেছেন যে যৌনতার একমাত্র স্বাভাবিক কাজ বংশবৃদ্ধি, তারা প্রজননহীন যৌন কার্যকলাপের অস্তিত্বকে কেবল উপেক্ষা করেছেন। তারা ধরে নিয়েছেন বিষমকামী প্রতিক্রিয়া প্রাণীর সহজাত ও "প্রবৃত্তিগত" বৈশিষ্ট্য এবং অন্যান্য সব ধরনের যৌন কার্যকলাপ "স্বাভাবিক প্রবৃত্তির" "বিকৃতি"। তবে এই ধরনের ব্যাখ্যাগুলো রহস্যময়। এগুলো যৌন প্রতিক্রিয়ার শারীরতত্ত্ব সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান থেকে উদ্ভূত নয়। এটি তখনই বজায় রাখা সম্ভব যদি কেউ ধরে নেয় যৌন কাজ প্রাণীর দেহের অন্যান্য কাজ নিয়ন্ত্রণকারী শারীরিক প্রক্রিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন।
* স্তন্যপায়ী প্রাণীদের রেকর্ড আমাদের এই বক্তব্যকে নিশ্চিত করে যে যেকোনো প্রাণী যদি কোনো বিশেষ অভিজ্ঞতার দ্বারা খুব বেশি প্রভাবিত না হয়, তবে সে যেকোনো পর্যাপ্ত উদ্দীপনায় সাড়া দিতে সক্ষম। আমাদের মানব প্রজাতির অবাধ অংশগুলোতে এবং ছোট শিশুদের মধ্যে আমরা এটিই দেখতে পাই। বিষমকামী বা সমকামী—এই ধরনের একচেটিয়া পছন্দ ও আচরণের ধরণ কেবল অভিজ্ঞতার মাধ্যমে বা সামাজিক চাপের ফলে আসে। সমাজ ও সংস্কৃতির প্রথা প্রতিফলিত করে মনোবিজ্ঞানী ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা সমকামী কার্যকলাপের উৎস ব্যাখ্যা করার জন্য অনেক সময় ব্যয় করেছেন। কিন্তু যৌন প্রতিক্রিয়ার শারীরতত্ত্ব এবং স্তন্যপায়ী প্রাণীদের আচরণের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে মানুষের নির্দিষ্ট যৌন আচরণের কারণ ব্যাখ্যা করা খুব কঠিন নয়। বরং প্রতিটি ব্যক্তি কেন সব ধরনের যৌন কর্মকাণ্ডে জড়িত নয়, তা ব্যাখ্যা করাই বেশি কঠিন।
=== ''অ্যাবোরশন ইন দ্য ইউনাইটেড স্টেটস, রিপোর্ট অব এ কনফারেন্স স্পনসরড বাই দ্য প্ল্যানড প্যারেন্টহুড ফেডারেশন অব আমেরিকা, ইনক. (১৯৫৮)'' ===
* পুনরাবৃত্তির ঝুঁকি নিয়েও আমি দলটিকে মনে করিয়ে দিতে চাই যে, আমরা সেই গোষ্ঠীর মধ্যেই প্ররোচিত [[গর্ভপাত|গর্ভপাতের]] সর্বোচ্চ হার পেয়েছি যারা সাধারণত সবচেয়ে বেশি [[জন্ম নিয়ন্ত্রণ|জন্ম নিরোধক]] ব্যবহার করে।
<ref>''Abortion in the United States, Report of a Conference Sponsored by the Planned Parenthood Federation of America, Inc., at Arden House and The New York Academy of Medicine,'' (1958), Mary Calderone, M.D., editor, Hoeber-Harper, New York, ch. 8, ''Abortion and Contraception'', p. 157. [http://books.google.com/books?id=cfk-AAAAIAAJ&dq=editions%3AhmPv25lHQpYC&focus=searchwithinvolume&q=kinsey+repetitious]</ref>
== আরও দেখুন ==
* [[কিনসে (চলচ্চিত্র)|কিনসে]] (২০০৪ সালের চলচ্চিত্র)
== তথ্যসূত্র ==
{{তথ্যসূত্র তালিকা}}
== বহিঃসংযোগ ==
* {{উইকিপিডিয়া-ইনলাইন}}
* {{কমন্সক্যাট-ইনলাইন}}
* {{উইকিসোর্স-ইনলাইন|Author:Alfred Kinsey}}
* {{উইকিপ্রজাতি-ইনলাইন}}
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:কিনসে, আলফ্রেড}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জীববিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাণীবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অকল্পিত সাহিত্য লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৯৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৬-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:পতঙ্গবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:যৌনতাত্ত্বিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:এলজিবিটি ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাস্তিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:নিউ জার্সির ব্যক্তি]]
dkv8px584zx7ytwh60y4xgxbsatkkut
73886
73885
2026-04-05T16:07:13Z
SMontaha32
3112
73886
wikitext
text/x-wiki
[[File:Alfred Kinsey 1955.jpg|right|thumb|200px|আলফ্রেড কিনসে]]
পিএইচডিধারী '''আলফ্রেড চার্লস কিনসে''' (২৩ জুন,১৮৯৪ –২৫ আগস্ট,১৯৫৬) একজন যৌনতাত্ত্বিক, পতঙ্গবিদ এবং প্রাণীবিজ্ঞানী। তিনি ব্লুমিংটনের ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ইনস্টিটিউট ফর সেক্স রিসার্চ' প্রতিষ্ঠা করেন (যা বর্তমানে [[কিনসে ইনস্টিটিউট ফর রিসার্চ ইন সেক্স, জেন্ডার অ্যান্ড রিপ্রোডাকশন|কিনসে ইনস্টিটিউট ফর রিসার্চ ইন সেক্স, জেন্ডার অ্যান্ড রিপ্রোডাকশন]] নামে পরিচিত)।
== উক্তি ==
=== ''[[কিনসে রিপোর্টস|সেক্সুয়াল বিহেভিয়ার ইন দ্য হিউম্যান মেল]]'' (১৯৪৮) ===
* চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাস প্রমাণ করে মানুষ যখন নিজেকে জানার চেষ্টা করেছে এবং নিজের সম্পূর্ণ প্রকৃতির মুখোমুখি হয়েছে, তখন সে বিভ্রান্তিকর ভয়, হতাশাজনক লজ্জা বা চরম ভণ্ডামি থেকে মুক্ত হতে পেরেছে। যতক্ষণ যৌনতাকে বর্তমানের অজ্ঞতা ও কৃত্রিমতা, অস্বীকার ও প্রশ্রয়, দমন ও উদ্দীপনা এবং গোপনীয়তা ও প্রদর্শনের বিভ্রান্তির মধ্যে রাখা হবে, ততক্ষণ এটি এমন এক দ্বিমুখী নীতি ও অশালীনতার সাথে যুক্ত থাকবে যা বৌদ্ধিক সততা বা মানবিক মর্যাদা—কোনোটিই বয়ে আনে না।
* পুরুষরা বিষমকামী এবং সমকামী—এই দুটি পৃথক গোষ্ঠীকে প্রতিনিধিত্ব করে না। পৃথিবীকে ভেড়া ও ছাগলের মতো আলাদা করা যাবে না। সব কিছু সাদা কিংবা কালো নয়। এটি শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যার একটি মৌলিক বিষয় যে প্রকৃতি খুব কমই স্বতন্ত্র বিভাগ নিয়ে কাজ করে। কেবল মানুষের মনই বিভিন্ন বিভাগ উদ্ভাবন করে এবং তথ্যগুলোকে আলাদা আলাদা খোপে বন্দি করার চেষ্টা করে। জীবন্ত জগত তার প্রতিটি দিক থেকেই একটি অবিচ্ছিন্ন ধারা। মানুষের যৌন আচরণ সম্পর্কে আমরা যত দ্রুত এটি শিখব, তত দ্রুত যৌনতার বাস্তবতা সম্পর্কে সঠিক বুঝতে পারব।
* প্রাচীন গ্রিসে সমকামী আচরণের সাধারণ উপস্থিতি এবং বর্তমানে কিছু সংস্কৃতিতে এর ব্যাপক বিস্তার নির্দেশ করে যে লিঙ্গ নির্বিশেষে যেকোনো উদ্দীপনায় যৌন সাড়া দেওয়ার ক্ষমতা এই প্রজাতির একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য।
=== ''[[কিনসে রিপোর্টস|সেক্সুয়াল বিহেভিয়ার ইন দ্য হিউম্যান ফিমেল]]'' (১৯৫৩) ===
* গবেষণার প্রয়োগ স্পষ্ট হওয়ার সাথে সাথেই কিছু বিজ্ঞানী সেই নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে দ্বিধাবোধ করেন। জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও তা প্রয়োগ করতে অস্বীকার করা আমাদের কাছে জ্ঞান অর্জনের আগেই তা প্রয়োগ করার চেষ্টার মতোই অবাস্তব মনে হয়। (পৃষ্ঠা ৮)
* বস্তুজগতের বেশিরভাগ দিক নিয়ে অনুসন্ধান করার বিজ্ঞানীর অধিকারের সাথে বেশিরভাগ মানুষই একমত হবেন। তবে মানুষের যৌন আচরণ অনুসন্ধানে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির প্রয়োগ নিয়ে কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন। এটি অনেকটা এমন যে কোনো পুষ্টিবিদ এবং প্রাণরসায়নবিদকে খাদ্য ও পুষ্টি প্রক্রিয়া বিশ্লেষণের অধিকার অস্বীকার করা হচ্ছে। কারণ খাবার রান্না করা এবং পরিবেশন করাকে একটি সূক্ষ্ম শিল্প হিসেবে গণ্য করা হতে পারে এবং নির্দিষ্ট কিছু খাবার গ্রহণ ধর্মীয় নিয়মের বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। (পৃষ্ঠা ৮)।
* বিজ্ঞানে এমন এক সততা রয়েছে যা সত্য নির্ধারণের জন্য সর্বোত্তম মাধ্যম ব্যবহারের দাবি জানায়। অবশ্যই মহাবিশ্বে অনেক ধরনের সত্য রয়েছে। মানুষ যদি তার [[সামাজিক সংগঠন|সামাজিক সংগঠনে]] সবচেয়ে কার্যকরভাবে বসবাস করতে চায়, তবে সত্যের অনেক দিক বিবেচনায় নিতে হবে। তবে বস্তুর ক্ষেত্রে—যা দিয়ে নির্জীব উপাদান এবং সজীব জীব উভয়ই গঠিত—বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন মানুষের ইন্দ্রিয়গুলোর মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের চেয়ে তথ্য সংগ্রহের আর কোনো ভালো উপায় নেই। কোনো তত্ত্ব, দর্শন, ধর্মতত্ত্ব বা রাজনৈতিক সুবিধা এবং অলীক কল্পনা বস্তুগত পর্যবেক্ষণ ও তাদের আচরণের বিকল্প হতে পারে না। (পৃষ্ঠা ৯)।
* বিজ্ঞানের সততা বাস্তবতাকে গ্রহণ করতে শেখায়। এমন কিছু লোক আছে যারা সমুদ্রকে তাদের লক্ষ্য অর্জনে বাধা মনে করে এর অস্তিত্বকে অস্বীকার করার চেষ্টা করে। বিশাল আকারের কারণে তারা যদি একে উপেক্ষা করতে না পারে, তবে তারা আইনের মাধ্যমে এর অস্তিত্ব বিলীন করার চেষ্টা করে অথবা স্পঞ্জ দিয়ে সমুদ্র শুকানোর চেষ্টা করে। তারা জোর দিয়ে বলে যে পর্যাপ্ত স্পঞ্জ এবং লোক থাকলে দ্বিতীয় কাজটি সম্ভব হবে। যৌন কাজের চেয়ে বড় কোনো সমুদ্র নেই। কেউ কেউ বিশ্বাস করেন আমরা যদি এর অস্তিত্ব অস্বীকার করি তবেই ভালো হবে। তারা মনে করেন আমাদের এর বস্তুগত উৎসগুলো বোঝার চেষ্টা করা উচিত নয়। তারা আরও বিশ্বাস করেন যদি আমরা একে যথেষ্ট উপেক্ষা করি এবং নতুন আইন, ভারী জরিমানা ও কঠোর ঘোষণা দিয়ে যৌন কার্যকলাপের প্রবাহ মুছে ফেলার চেষ্টা করি, তবে শেষ পর্যন্ত আমরা বাস্তবতাকে নির্মূল করতে পারব। (পৃষ্ঠা ১০)।
* এটি বারবার জোর দিয়ে বলা প্রয়োজন যে যেকোনো প্রাণীর আচরণ তার প্রাপ্ত উদ্দীপনার প্রকৃতি, তার দৈহিক ও শারীরিক সক্ষমতা এবং অতীতের অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করে। যদি আগের অভিজ্ঞতা দ্বারা প্রভাবিত না হয়, তবে একটি প্রাণীর অভিন্ন উদ্দীপনায় অভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখানো উচিত। সেই উদ্দীপনা তার নিজের শরীরের কোনো অংশ থেকে আসুক বা একই লিঙ্গের কিংবা বিপরীত লিঙ্গের অন্য কোনো ব্যক্তি থেকে আসুক।
* যেকোনো পর্যাপ্ত উদ্দীপনায় সাড়া দেওয়ার প্রাণীর সহজাত শারীরিক সক্ষমতাই হলো কিছু ব্যক্তির নিজের লিঙ্গের অন্য ব্যক্তিদের উদ্দীপনায় সাড়া দেওয়ার মৌলিক ব্যাখ্যা। এটি নির্দেশ করে যে সুযোগ পেলে এবং কোনো বাধা না থাকলে প্রতিটি ব্যক্তিই এভাবে সাড়া দিতে পারত। নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তিকে সমকামী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত করার জন্য বিশেষ হরমোনজনিত কারণের অনুমান করার কোনো প্রয়োজন নেই। এমন কোনো তথ্য আমাদের জানা নেই যা হরমোনজনিত কারণের অস্তিত্ব প্রমাণ করে (পৃ. ৭৫৮)। নির্দিষ্ট বংশগত কারণ জড়িত থাকার মতো পর্যাপ্ত তথ্যও নেই। শৈশবে বাবা বা মায়ের প্রতি আসক্তির তত্ত্ব, যৌন বিকাশের কোনো স্তরে স্থবিরতার তত্ত্ব এবং সমকামিতাকে স্নায়বিক বিকার বা নৈতিক অবক্ষয় হিসেবে ব্যাখ্যা করার মতো বিষয়গুলো বৈজ্ঞানিক গবেষণা দ্বারা সমর্থিত নয়। এগুলো আমাদের নারী ও পুরুষের জীবন ইতিহাসের নির্দিষ্ট তথ্যের বিপরীত।
* স্তন্যপায়ী প্রাণীরা কেবল বিষমকামী কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধ থাকে—এমন ধারণাটি মূলত মানুষের তৈরি দর্শন থেকে এসেছে। এটি স্তন্যপায়ী প্রাণীদের আচরণের সুনির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণের ফসল নয়। যেসব জীববিজ্ঞানী ও মনোবিজ্ঞানী এই মতবাদ গ্রহণ করেছেন যে যৌনতার একমাত্র স্বাভাবিক কাজ বংশবৃদ্ধি, তারা প্রজননহীন যৌন কার্যকলাপের অস্তিত্বকে কেবল উপেক্ষা করেছেন। তারা ধরে নিয়েছেন বিষমকামী প্রতিক্রিয়া প্রাণীর সহজাত ও "প্রবৃত্তিগত" বৈশিষ্ট্য এবং অন্যান্য সব ধরনের যৌন কার্যকলাপ "স্বাভাবিক প্রবৃত্তির" "বিকৃতি"। তবে এই ধরনের ব্যাখ্যাগুলো রহস্যময়। এগুলো যৌন প্রতিক্রিয়ার শারীরতত্ত্ব সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান থেকে উদ্ভূত নয়। এটি তখনই বজায় রাখা সম্ভব যদি কেউ ধরে নেয় যৌন কাজ প্রাণীর দেহের অন্যান্য কাজ নিয়ন্ত্রণকারী শারীরিক প্রক্রিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন।
* স্তন্যপায়ী প্রাণীদের রেকর্ড আমাদের এই বক্তব্যকে নিশ্চিত করে যে যেকোনো প্রাণী যদি কোনো বিশেষ অভিজ্ঞতার দ্বারা খুব বেশি প্রভাবিত না হয়, তবে সে যেকোনো পর্যাপ্ত উদ্দীপনায় সাড়া দিতে সক্ষম। আমাদের মানব প্রজাতির অবাধ অংশগুলোতে এবং ছোট শিশুদের মধ্যে আমরা এটিই দেখতে পাই। বিষমকামী বা সমকামী—এই ধরনের একচেটিয়া পছন্দ ও আচরণের ধরণ কেবল অভিজ্ঞতার মাধ্যমে বা সামাজিক চাপের ফলে আসে। সমাজ ও সংস্কৃতির প্রথা প্রতিফলিত করে মনোবিজ্ঞানী ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা সমকামী কার্যকলাপের উৎস ব্যাখ্যা করার জন্য অনেক সময় ব্যয় করেছেন। কিন্তু যৌন প্রতিক্রিয়ার শারীরতত্ত্ব এবং স্তন্যপায়ী প্রাণীদের আচরণের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে মানুষের নির্দিষ্ট যৌন আচরণের কারণ ব্যাখ্যা করা খুব কঠিন নয়। বরং প্রতিটি ব্যক্তি কেন সব ধরনের যৌন কর্মকাণ্ডে জড়িত নয়, তা ব্যাখ্যা করাই বেশি কঠিন।
=== ''অ্যাবোরশন ইন দ্য ইউনাইটেড স্টেটস, রিপোর্ট অব এ কনফারেন্স স্পনসরড বাই দ্য প্ল্যানড প্যারেন্টহুড ফেডারেশন অব আমেরিকা, ইনক. (১৯৫৮)'' ===
* পুনরাবৃত্তির ঝুঁকি নিয়েও আমি দলটিকে মনে করিয়ে দিতে চাই যে, আমরা সেই গোষ্ঠীর মধ্যেই প্ররোচিত [[গর্ভপাত|গর্ভপাতের]] সর্বোচ্চ হার পেয়েছি যারা সাধারণত সবচেয়ে বেশি [[জন্ম নিয়ন্ত্রণ|জন্ম নিরোধক]] ব্যবহার করে।
<ref>''Abortion in the United States, Report of a Conference Sponsored by the Planned Parenthood Federation of America, Inc., at Arden House and The New York Academy of Medicine,'' (1958), Mary Calderone, M.D., editor, Hoeber-Harper, New York, ch. 8, ''Abortion and Contraception'', p. 157. [http://books.google.com/books?id=cfk-AAAAIAAJ&dq=editions%3AhmPv25lHQpYC&focus=searchwithinvolume&q=kinsey+repetitious]</ref>
== আরও দেখুন ==
* [[কিনসে (চলচ্চিত্র)|কিনসে]] (২০০৪ সালের চলচ্চিত্র)
== তথ্যসূত্র ==
{{তথ্যসূত্র তালিকা}}
== বহিঃসংযোগ ==
* {{উইকিপিডিয়া-ইনলাইন}}
* {{কমন্সক্যাট-ইনলাইন}}
* {{উইকিসোর্স-ইনলাইন|Author:Alfred Kinsey}}
* {{উইকিপ্রজাতি-ইনলাইন}}
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:কিনসে, আলফ্রেড}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জীববিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাণীবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অকল্পিত সাহিত্য লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৯৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৬-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:পতঙ্গবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:যৌনতাত্ত্বিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:এলজিবিটি ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাস্তিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:নিউ জার্সির ব্যক্তি]]
7kxh669cckx1546617tcb10apj3s6ex
73889
73886
2026-04-05T16:08:02Z
SMontaha32
3112
/* আরও দেখুন */
73889
wikitext
text/x-wiki
[[File:Alfred Kinsey 1955.jpg|right|thumb|200px|আলফ্রেড কিনসে]]
পিএইচডিধারী '''আলফ্রেড চার্লস কিনসে''' (২৩ জুন,১৮৯৪ –২৫ আগস্ট,১৯৫৬) একজন যৌনতাত্ত্বিক, পতঙ্গবিদ এবং প্রাণীবিজ্ঞানী। তিনি ব্লুমিংটনের ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ইনস্টিটিউট ফর সেক্স রিসার্চ' প্রতিষ্ঠা করেন (যা বর্তমানে [[কিনসে ইনস্টিটিউট ফর রিসার্চ ইন সেক্স, জেন্ডার অ্যান্ড রিপ্রোডাকশন|কিনসে ইনস্টিটিউট ফর রিসার্চ ইন সেক্স, জেন্ডার অ্যান্ড রিপ্রোডাকশন]] নামে পরিচিত)।
== উক্তি ==
=== ''[[কিনসে রিপোর্টস|সেক্সুয়াল বিহেভিয়ার ইন দ্য হিউম্যান মেল]]'' (১৯৪৮) ===
* চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাস প্রমাণ করে মানুষ যখন নিজেকে জানার চেষ্টা করেছে এবং নিজের সম্পূর্ণ প্রকৃতির মুখোমুখি হয়েছে, তখন সে বিভ্রান্তিকর ভয়, হতাশাজনক লজ্জা বা চরম ভণ্ডামি থেকে মুক্ত হতে পেরেছে। যতক্ষণ যৌনতাকে বর্তমানের অজ্ঞতা ও কৃত্রিমতা, অস্বীকার ও প্রশ্রয়, দমন ও উদ্দীপনা এবং গোপনীয়তা ও প্রদর্শনের বিভ্রান্তির মধ্যে রাখা হবে, ততক্ষণ এটি এমন এক দ্বিমুখী নীতি ও অশালীনতার সাথে যুক্ত থাকবে যা বৌদ্ধিক সততা বা মানবিক মর্যাদা—কোনোটিই বয়ে আনে না।
* পুরুষরা বিষমকামী এবং সমকামী—এই দুটি পৃথক গোষ্ঠীকে প্রতিনিধিত্ব করে না। পৃথিবীকে ভেড়া ও ছাগলের মতো আলাদা করা যাবে না। সব কিছু সাদা কিংবা কালো নয়। এটি শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যার একটি মৌলিক বিষয় যে প্রকৃতি খুব কমই স্বতন্ত্র বিভাগ নিয়ে কাজ করে। কেবল মানুষের মনই বিভিন্ন বিভাগ উদ্ভাবন করে এবং তথ্যগুলোকে আলাদা আলাদা খোপে বন্দি করার চেষ্টা করে। জীবন্ত জগত তার প্রতিটি দিক থেকেই একটি অবিচ্ছিন্ন ধারা। মানুষের যৌন আচরণ সম্পর্কে আমরা যত দ্রুত এটি শিখব, তত দ্রুত যৌনতার বাস্তবতা সম্পর্কে সঠিক বুঝতে পারব।
* প্রাচীন গ্রিসে সমকামী আচরণের সাধারণ উপস্থিতি এবং বর্তমানে কিছু সংস্কৃতিতে এর ব্যাপক বিস্তার নির্দেশ করে যে লিঙ্গ নির্বিশেষে যেকোনো উদ্দীপনায় যৌন সাড়া দেওয়ার ক্ষমতা এই প্রজাতির একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য।
=== ''[[কিনসে রিপোর্টস|সেক্সুয়াল বিহেভিয়ার ইন দ্য হিউম্যান ফিমেল]]'' (১৯৫৩) ===
* গবেষণার প্রয়োগ স্পষ্ট হওয়ার সাথে সাথেই কিছু বিজ্ঞানী সেই নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে দ্বিধাবোধ করেন। জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও তা প্রয়োগ করতে অস্বীকার করা আমাদের কাছে জ্ঞান অর্জনের আগেই তা প্রয়োগ করার চেষ্টার মতোই অবাস্তব মনে হয়। (পৃষ্ঠা ৮)
* বস্তুজগতের বেশিরভাগ দিক নিয়ে অনুসন্ধান করার বিজ্ঞানীর অধিকারের সাথে বেশিরভাগ মানুষই একমত হবেন। তবে মানুষের যৌন আচরণ অনুসন্ধানে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির প্রয়োগ নিয়ে কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন। এটি অনেকটা এমন যে কোনো পুষ্টিবিদ এবং প্রাণরসায়নবিদকে খাদ্য ও পুষ্টি প্রক্রিয়া বিশ্লেষণের অধিকার অস্বীকার করা হচ্ছে। কারণ খাবার রান্না করা এবং পরিবেশন করাকে একটি সূক্ষ্ম শিল্প হিসেবে গণ্য করা হতে পারে এবং নির্দিষ্ট কিছু খাবার গ্রহণ ধর্মীয় নিয়মের বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। (পৃষ্ঠা ৮)।
* বিজ্ঞানে এমন এক সততা রয়েছে যা সত্য নির্ধারণের জন্য সর্বোত্তম মাধ্যম ব্যবহারের দাবি জানায়। অবশ্যই মহাবিশ্বে অনেক ধরনের সত্য রয়েছে। মানুষ যদি তার [[সামাজিক সংগঠন|সামাজিক সংগঠনে]] সবচেয়ে কার্যকরভাবে বসবাস করতে চায়, তবে সত্যের অনেক দিক বিবেচনায় নিতে হবে। তবে বস্তুর ক্ষেত্রে—যা দিয়ে নির্জীব উপাদান এবং সজীব জীব উভয়ই গঠিত—বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন মানুষের ইন্দ্রিয়গুলোর মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের চেয়ে তথ্য সংগ্রহের আর কোনো ভালো উপায় নেই। কোনো তত্ত্ব, দর্শন, ধর্মতত্ত্ব বা রাজনৈতিক সুবিধা এবং অলীক কল্পনা বস্তুগত পর্যবেক্ষণ ও তাদের আচরণের বিকল্প হতে পারে না। (পৃষ্ঠা ৯)।
* বিজ্ঞানের সততা বাস্তবতাকে গ্রহণ করতে শেখায়। এমন কিছু লোক আছে যারা সমুদ্রকে তাদের লক্ষ্য অর্জনে বাধা মনে করে এর অস্তিত্বকে অস্বীকার করার চেষ্টা করে। বিশাল আকারের কারণে তারা যদি একে উপেক্ষা করতে না পারে, তবে তারা আইনের মাধ্যমে এর অস্তিত্ব বিলীন করার চেষ্টা করে অথবা স্পঞ্জ দিয়ে সমুদ্র শুকানোর চেষ্টা করে। তারা জোর দিয়ে বলে যে পর্যাপ্ত স্পঞ্জ এবং লোক থাকলে দ্বিতীয় কাজটি সম্ভব হবে। যৌন কাজের চেয়ে বড় কোনো সমুদ্র নেই। কেউ কেউ বিশ্বাস করেন আমরা যদি এর অস্তিত্ব অস্বীকার করি তবেই ভালো হবে। তারা মনে করেন আমাদের এর বস্তুগত উৎসগুলো বোঝার চেষ্টা করা উচিত নয়। তারা আরও বিশ্বাস করেন যদি আমরা একে যথেষ্ট উপেক্ষা করি এবং নতুন আইন, ভারী জরিমানা ও কঠোর ঘোষণা দিয়ে যৌন কার্যকলাপের প্রবাহ মুছে ফেলার চেষ্টা করি, তবে শেষ পর্যন্ত আমরা বাস্তবতাকে নির্মূল করতে পারব। (পৃষ্ঠা ১০)।
* এটি বারবার জোর দিয়ে বলা প্রয়োজন যে যেকোনো প্রাণীর আচরণ তার প্রাপ্ত উদ্দীপনার প্রকৃতি, তার দৈহিক ও শারীরিক সক্ষমতা এবং অতীতের অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করে। যদি আগের অভিজ্ঞতা দ্বারা প্রভাবিত না হয়, তবে একটি প্রাণীর অভিন্ন উদ্দীপনায় অভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখানো উচিত। সেই উদ্দীপনা তার নিজের শরীরের কোনো অংশ থেকে আসুক বা একই লিঙ্গের কিংবা বিপরীত লিঙ্গের অন্য কোনো ব্যক্তি থেকে আসুক।
* যেকোনো পর্যাপ্ত উদ্দীপনায় সাড়া দেওয়ার প্রাণীর সহজাত শারীরিক সক্ষমতাই হলো কিছু ব্যক্তির নিজের লিঙ্গের অন্য ব্যক্তিদের উদ্দীপনায় সাড়া দেওয়ার মৌলিক ব্যাখ্যা। এটি নির্দেশ করে যে সুযোগ পেলে এবং কোনো বাধা না থাকলে প্রতিটি ব্যক্তিই এভাবে সাড়া দিতে পারত। নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তিকে সমকামী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত করার জন্য বিশেষ হরমোনজনিত কারণের অনুমান করার কোনো প্রয়োজন নেই। এমন কোনো তথ্য আমাদের জানা নেই যা হরমোনজনিত কারণের অস্তিত্ব প্রমাণ করে (পৃ. ৭৫৮)। নির্দিষ্ট বংশগত কারণ জড়িত থাকার মতো পর্যাপ্ত তথ্যও নেই। শৈশবে বাবা বা মায়ের প্রতি আসক্তির তত্ত্ব, যৌন বিকাশের কোনো স্তরে স্থবিরতার তত্ত্ব এবং সমকামিতাকে স্নায়বিক বিকার বা নৈতিক অবক্ষয় হিসেবে ব্যাখ্যা করার মতো বিষয়গুলো বৈজ্ঞানিক গবেষণা দ্বারা সমর্থিত নয়। এগুলো আমাদের নারী ও পুরুষের জীবন ইতিহাসের নির্দিষ্ট তথ্যের বিপরীত।
* স্তন্যপায়ী প্রাণীরা কেবল বিষমকামী কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধ থাকে—এমন ধারণাটি মূলত মানুষের তৈরি দর্শন থেকে এসেছে। এটি স্তন্যপায়ী প্রাণীদের আচরণের সুনির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণের ফসল নয়। যেসব জীববিজ্ঞানী ও মনোবিজ্ঞানী এই মতবাদ গ্রহণ করেছেন যে যৌনতার একমাত্র স্বাভাবিক কাজ বংশবৃদ্ধি, তারা প্রজননহীন যৌন কার্যকলাপের অস্তিত্বকে কেবল উপেক্ষা করেছেন। তারা ধরে নিয়েছেন বিষমকামী প্রতিক্রিয়া প্রাণীর সহজাত ও "প্রবৃত্তিগত" বৈশিষ্ট্য এবং অন্যান্য সব ধরনের যৌন কার্যকলাপ "স্বাভাবিক প্রবৃত্তির" "বিকৃতি"। তবে এই ধরনের ব্যাখ্যাগুলো রহস্যময়। এগুলো যৌন প্রতিক্রিয়ার শারীরতত্ত্ব সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান থেকে উদ্ভূত নয়। এটি তখনই বজায় রাখা সম্ভব যদি কেউ ধরে নেয় যৌন কাজ প্রাণীর দেহের অন্যান্য কাজ নিয়ন্ত্রণকারী শারীরিক প্রক্রিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন।
* স্তন্যপায়ী প্রাণীদের রেকর্ড আমাদের এই বক্তব্যকে নিশ্চিত করে যে যেকোনো প্রাণী যদি কোনো বিশেষ অভিজ্ঞতার দ্বারা খুব বেশি প্রভাবিত না হয়, তবে সে যেকোনো পর্যাপ্ত উদ্দীপনায় সাড়া দিতে সক্ষম। আমাদের মানব প্রজাতির অবাধ অংশগুলোতে এবং ছোট শিশুদের মধ্যে আমরা এটিই দেখতে পাই। বিষমকামী বা সমকামী—এই ধরনের একচেটিয়া পছন্দ ও আচরণের ধরণ কেবল অভিজ্ঞতার মাধ্যমে বা সামাজিক চাপের ফলে আসে। সমাজ ও সংস্কৃতির প্রথা প্রতিফলিত করে মনোবিজ্ঞানী ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা সমকামী কার্যকলাপের উৎস ব্যাখ্যা করার জন্য অনেক সময় ব্যয় করেছেন। কিন্তু যৌন প্রতিক্রিয়ার শারীরতত্ত্ব এবং স্তন্যপায়ী প্রাণীদের আচরণের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে মানুষের নির্দিষ্ট যৌন আচরণের কারণ ব্যাখ্যা করা খুব কঠিন নয়। বরং প্রতিটি ব্যক্তি কেন সব ধরনের যৌন কর্মকাণ্ডে জড়িত নয়, তা ব্যাখ্যা করাই বেশি কঠিন।
=== ''অ্যাবোরশন ইন দ্য ইউনাইটেড স্টেটস, রিপোর্ট অব এ কনফারেন্স স্পনসরড বাই দ্য প্ল্যানড প্যারেন্টহুড ফেডারেশন অব আমেরিকা, ইনক. (১৯৫৮)'' ===
* পুনরাবৃত্তির ঝুঁকি নিয়েও আমি দলটিকে মনে করিয়ে দিতে চাই যে, আমরা সেই গোষ্ঠীর মধ্যেই প্ররোচিত [[গর্ভপাত|গর্ভপাতের]] সর্বোচ্চ হার পেয়েছি যারা সাধারণত সবচেয়ে বেশি [[জন্ম নিয়ন্ত্রণ|জন্ম নিরোধক]] ব্যবহার করে।
<ref>''Abortion in the United States, Report of a Conference Sponsored by the Planned Parenthood Federation of America, Inc., at Arden House and The New York Academy of Medicine,'' (1958), Mary Calderone, M.D., editor, Hoeber-Harper, New York, ch. 8, ''Abortion and Contraception'', p. 157. [http://books.google.com/books?id=cfk-AAAAIAAJ&dq=editions%3AhmPv25lHQpYC&focus=searchwithinvolume&q=kinsey+repetitious]</ref>
== আরও দেখুন ==
* [[কিনসে]] (২০০৪ সালের চলচ্চিত্র)
== তথ্যসূত্র ==
{{তথ্যসূত্র তালিকা}}
== বহিঃসংযোগ ==
* {{উইকিপিডিয়া-ইনলাইন}}
* {{কমন্সক্যাট-ইনলাইন}}
* {{উইকিসোর্স-ইনলাইন|Author:Alfred Kinsey}}
* {{উইকিপ্রজাতি-ইনলাইন}}
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:কিনসে, আলফ্রেড}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জীববিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাণীবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অকল্পিত সাহিত্য লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৯৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৬-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:পতঙ্গবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:যৌনতাত্ত্বিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:এলজিবিটি ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাস্তিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:নিউ জার্সির ব্যক্তি]]
qqn9prn7xzhd3bk7tinhfi4izqq1d9n
73892
73889
2026-04-05T16:11:10Z
SMontaha32
3112
73892
wikitext
text/x-wiki
[[File:Alfred Kinsey 1955.jpg|right|thumb|200px|আলফ্রেড কিনসে]]
পিএইচডিধারী '''আলফ্রেড চার্লস কিনসে''' (২৩ জুন,১৮৯৪ –২৫ আগস্ট,১৯৫৬) একজন যৌনতাত্ত্বিক, পতঙ্গবিদ এবং প্রাণীবিজ্ঞানী। তিনি ব্লুমিংটনের ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ইনস্টিটিউট ফর সেক্স রিসার্চ' প্রতিষ্ঠা করেন (যা বর্তমানে [[কিনসে ইনস্টিটিউট ফর রিসার্চ ইন সেক্স, জেন্ডার অ্যান্ড রিপ্রোডাকশন|কিনসে ইনস্টিটিউট ফর রিসার্চ ইন সেক্স, জেন্ডার অ্যান্ড রিপ্রোডাকশন]] নামে পরিচিত)।
== উক্তি ==
=== ''সেক্সুয়াল বিহেভিয়ার ইন দ্য হিউম্যান মেল'' (১৯৪৮) ===
* চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাস প্রমাণ করে মানুষ যখন নিজেকে জানার চেষ্টা করেছে এবং নিজের সম্পূর্ণ প্রকৃতির মুখোমুখি হয়েছে, তখন সে বিভ্রান্তিকর ভয়, হতাশাজনক লজ্জা বা চরম ভণ্ডামি থেকে মুক্ত হতে পেরেছে। যতক্ষণ যৌনতাকে বর্তমানের অজ্ঞতা ও কৃত্রিমতা, অস্বীকার ও প্রশ্রয়, দমন ও উদ্দীপনা এবং গোপনীয়তা ও প্রদর্শনের বিভ্রান্তির মধ্যে রাখা হবে, ততক্ষণ এটি এমন এক দ্বিমুখী নীতি ও অশালীনতার সাথে যুক্ত থাকবে যা বৌদ্ধিক সততা বা মানবিক মর্যাদা—কোনোটিই বয়ে আনে না।
* পুরুষরা বিষমকামী এবং সমকামী—এই দুটি পৃথক গোষ্ঠীকে প্রতিনিধিত্ব করে না। পৃথিবীকে ভেড়া ও ছাগলের মতো আলাদা করা যাবে না। সব কিছু সাদা কিংবা কালো নয়। এটি শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যার একটি মৌলিক বিষয় যে প্রকৃতি খুব কমই স্বতন্ত্র বিভাগ নিয়ে কাজ করে। কেবল মানুষের মনই বিভিন্ন বিভাগ উদ্ভাবন করে এবং তথ্যগুলোকে আলাদা আলাদা খোপে বন্দি করার চেষ্টা করে। জীবন্ত জগত তার প্রতিটি দিক থেকেই একটি অবিচ্ছিন্ন ধারা। মানুষের যৌন আচরণ সম্পর্কে আমরা যত দ্রুত এটি শিখব, তত দ্রুত যৌনতার বাস্তবতা সম্পর্কে সঠিক বুঝতে পারব।
* প্রাচীন গ্রিসে সমকামী আচরণের সাধারণ উপস্থিতি এবং বর্তমানে কিছু সংস্কৃতিতে এর ব্যাপক বিস্তার নির্দেশ করে যে লিঙ্গ নির্বিশেষে যেকোনো উদ্দীপনায় যৌন সাড়া দেওয়ার ক্ষমতা এই প্রজাতির একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য।
=== ''সেক্সুয়াল বিহেভিয়ার ইন দ্য হিউম্যান ফিমেল'' (১৯৫৩) ===
* গবেষণার প্রয়োগ স্পষ্ট হওয়ার সাথে সাথেই কিছু বিজ্ঞানী সেই নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে দ্বিধাবোধ করেন। জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও তা প্রয়োগ করতে অস্বীকার করা আমাদের কাছে জ্ঞান অর্জনের আগেই তা প্রয়োগ করার চেষ্টার মতোই অবাস্তব মনে হয়। (পৃষ্ঠা ৮)
* বস্তুজগতের বেশিরভাগ দিক নিয়ে অনুসন্ধান করার বিজ্ঞানীর অধিকারের সাথে বেশিরভাগ মানুষই একমত হবেন। তবে মানুষের যৌন আচরণ অনুসন্ধানে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির প্রয়োগ নিয়ে কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন। এটি অনেকটা এমন যে কোনো পুষ্টিবিদ এবং প্রাণরসায়নবিদকে খাদ্য ও পুষ্টি প্রক্রিয়া বিশ্লেষণের অধিকার অস্বীকার করা হচ্ছে। কারণ খাবার রান্না করা এবং পরিবেশন করাকে একটি সূক্ষ্ম শিল্প হিসেবে গণ্য করা হতে পারে এবং নির্দিষ্ট কিছু খাবার গ্রহণ ধর্মীয় নিয়মের বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। (পৃষ্ঠা ৮)।
* বিজ্ঞানে এমন এক সততা রয়েছে যা সত্য নির্ধারণের জন্য সর্বোত্তম মাধ্যম ব্যবহারের দাবি জানায়। অবশ্যই মহাবিশ্বে অনেক ধরনের সত্য রয়েছে। মানুষ যদি তার [[সামাজিক সংগঠন|সামাজিক সংগঠনে]] সবচেয়ে কার্যকরভাবে বসবাস করতে চায়, তবে সত্যের অনেক দিক বিবেচনায় নিতে হবে। তবে বস্তুর ক্ষেত্রে—যা দিয়ে নির্জীব উপাদান এবং সজীব জীব উভয়ই গঠিত—বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন মানুষের ইন্দ্রিয়গুলোর মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের চেয়ে তথ্য সংগ্রহের আর কোনো ভালো উপায় নেই। কোনো তত্ত্ব, দর্শন, ধর্মতত্ত্ব বা রাজনৈতিক সুবিধা এবং অলীক কল্পনা বস্তুগত পর্যবেক্ষণ ও তাদের আচরণের বিকল্প হতে পারে না। (পৃষ্ঠা ৯)।
* বিজ্ঞানের সততা বাস্তবতাকে গ্রহণ করতে শেখায়। এমন কিছু লোক আছে যারা সমুদ্রকে তাদের লক্ষ্য অর্জনে বাধা মনে করে এর অস্তিত্বকে অস্বীকার করার চেষ্টা করে। বিশাল আকারের কারণে তারা যদি একে উপেক্ষা করতে না পারে, তবে তারা আইনের মাধ্যমে এর অস্তিত্ব বিলীন করার চেষ্টা করে অথবা স্পঞ্জ দিয়ে সমুদ্র শুকানোর চেষ্টা করে। তারা জোর দিয়ে বলে যে পর্যাপ্ত স্পঞ্জ এবং লোক থাকলে দ্বিতীয় কাজটি সম্ভব হবে। যৌন কাজের চেয়ে বড় কোনো সমুদ্র নেই। কেউ কেউ বিশ্বাস করেন আমরা যদি এর অস্তিত্ব অস্বীকার করি তবেই ভালো হবে। তারা মনে করেন আমাদের এর বস্তুগত উৎসগুলো বোঝার চেষ্টা করা উচিত নয়। তারা আরও বিশ্বাস করেন যদি আমরা একে যথেষ্ট উপেক্ষা করি এবং নতুন আইন, ভারী জরিমানা ও কঠোর ঘোষণা দিয়ে যৌন কার্যকলাপের প্রবাহ মুছে ফেলার চেষ্টা করি, তবে শেষ পর্যন্ত আমরা বাস্তবতাকে নির্মূল করতে পারব। (পৃষ্ঠা ১০)।
* এটি বারবার জোর দিয়ে বলা প্রয়োজন যে যেকোনো প্রাণীর আচরণ তার প্রাপ্ত উদ্দীপনার প্রকৃতি, তার দৈহিক ও শারীরিক সক্ষমতা এবং অতীতের অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করে। যদি আগের অভিজ্ঞতা দ্বারা প্রভাবিত না হয়, তবে একটি প্রাণীর অভিন্ন উদ্দীপনায় অভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখানো উচিত। সেই উদ্দীপনা তার নিজের শরীরের কোনো অংশ থেকে আসুক বা একই লিঙ্গের কিংবা বিপরীত লিঙ্গের অন্য কোনো ব্যক্তি থেকে আসুক।
* যেকোনো পর্যাপ্ত উদ্দীপনায় সাড়া দেওয়ার প্রাণীর সহজাত শারীরিক সক্ষমতাই হলো কিছু ব্যক্তির নিজের লিঙ্গের অন্য ব্যক্তিদের উদ্দীপনায় সাড়া দেওয়ার মৌলিক ব্যাখ্যা। এটি নির্দেশ করে যে সুযোগ পেলে এবং কোনো বাধা না থাকলে প্রতিটি ব্যক্তিই এভাবে সাড়া দিতে পারত। নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তিকে সমকামী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত করার জন্য বিশেষ হরমোনজনিত কারণের অনুমান করার কোনো প্রয়োজন নেই। এমন কোনো তথ্য আমাদের জানা নেই যা হরমোনজনিত কারণের অস্তিত্ব প্রমাণ করে (পৃ. ৭৫৮)। নির্দিষ্ট বংশগত কারণ জড়িত থাকার মতো পর্যাপ্ত তথ্যও নেই। শৈশবে বাবা বা মায়ের প্রতি আসক্তির তত্ত্ব, যৌন বিকাশের কোনো স্তরে স্থবিরতার তত্ত্ব এবং সমকামিতাকে স্নায়বিক বিকার বা নৈতিক অবক্ষয় হিসেবে ব্যাখ্যা করার মতো বিষয়গুলো বৈজ্ঞানিক গবেষণা দ্বারা সমর্থিত নয়। এগুলো আমাদের নারী ও পুরুষের জীবন ইতিহাসের নির্দিষ্ট তথ্যের বিপরীত।
* স্তন্যপায়ী প্রাণীরা কেবল বিষমকামী কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধ থাকে—এমন ধারণাটি মূলত মানুষের তৈরি দর্শন থেকে এসেছে। এটি স্তন্যপায়ী প্রাণীদের আচরণের সুনির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণের ফসল নয়। যেসব জীববিজ্ঞানী ও মনোবিজ্ঞানী এই মতবাদ গ্রহণ করেছেন যে যৌনতার একমাত্র স্বাভাবিক কাজ বংশবৃদ্ধি, তারা প্রজননহীন যৌন কার্যকলাপের অস্তিত্বকে কেবল উপেক্ষা করেছেন। তারা ধরে নিয়েছেন বিষমকামী প্রতিক্রিয়া প্রাণীর সহজাত ও "প্রবৃত্তিগত" বৈশিষ্ট্য এবং অন্যান্য সব ধরনের যৌন কার্যকলাপ "স্বাভাবিক প্রবৃত্তির" "বিকৃতি"। তবে এই ধরনের ব্যাখ্যাগুলো রহস্যময়। এগুলো যৌন প্রতিক্রিয়ার শারীরতত্ত্ব সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান থেকে উদ্ভূত নয়। এটি তখনই বজায় রাখা সম্ভব যদি কেউ ধরে নেয় যৌন কাজ প্রাণীর দেহের অন্যান্য কাজ নিয়ন্ত্রণকারী শারীরিক প্রক্রিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন।
* স্তন্যপায়ী প্রাণীদের রেকর্ড আমাদের এই বক্তব্যকে নিশ্চিত করে যে যেকোনো প্রাণী যদি কোনো বিশেষ অভিজ্ঞতার দ্বারা খুব বেশি প্রভাবিত না হয়, তবে সে যেকোনো পর্যাপ্ত উদ্দীপনায় সাড়া দিতে সক্ষম। আমাদের মানব প্রজাতির অবাধ অংশগুলোতে এবং ছোট শিশুদের মধ্যে আমরা এটিই দেখতে পাই। বিষমকামী বা সমকামী—এই ধরনের একচেটিয়া পছন্দ ও আচরণের ধরণ কেবল অভিজ্ঞতার মাধ্যমে বা সামাজিক চাপের ফলে আসে। সমাজ ও সংস্কৃতির প্রথা প্রতিফলিত করে মনোবিজ্ঞানী ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা সমকামী কার্যকলাপের উৎস ব্যাখ্যা করার জন্য অনেক সময় ব্যয় করেছেন। কিন্তু যৌন প্রতিক্রিয়ার শারীরতত্ত্ব এবং স্তন্যপায়ী প্রাণীদের আচরণের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে মানুষের নির্দিষ্ট যৌন আচরণের কারণ ব্যাখ্যা করা খুব কঠিন নয়। বরং প্রতিটি ব্যক্তি কেন সব ধরনের যৌন কর্মকাণ্ডে জড়িত নয়, তা ব্যাখ্যা করাই বেশি কঠিন।
=== ''অ্যাবোরশন ইন দ্য ইউনাইটেড স্টেটস, রিপোর্ট অব এ কনফারেন্স স্পনসরড বাই দ্য প্ল্যানড প্যারেন্টহুড ফেডারেশন অব আমেরিকা, ইনক. (১৯৫৮)'' ===
* পুনরাবৃত্তির ঝুঁকি নিয়েও আমি দলটিকে মনে করিয়ে দিতে চাই যে, আমরা সেই গোষ্ঠীর মধ্যেই প্ররোচিত [[গর্ভপাত|গর্ভপাতের]] সর্বোচ্চ হার পেয়েছি যারা সাধারণত সবচেয়ে বেশি [[জন্ম নিয়ন্ত্রণ|জন্ম নিরোধক]] ব্যবহার করে।
<ref>''Abortion in the United States, Report of a Conference Sponsored by the Planned Parenthood Federation of America, Inc., at Arden House and The New York Academy of Medicine,'' (1958), Mary Calderone, M.D., editor, Hoeber-Harper, New York, ch. 8, ''Abortion and Contraception'', p. 157. [http://books.google.com/books?id=cfk-AAAAIAAJ&dq=editions%3AhmPv25lHQpYC&focus=searchwithinvolume&q=kinsey+repetitious]</ref>
== আরও দেখুন ==
* [[কিনসে]] (২০০৪ সালের চলচ্চিত্র)
== তথ্যসূত্র ==
{{তথ্যসূত্র তালিকা}}
== বহিঃসংযোগ ==
* {{উইকিপিডিয়া-ইনলাইন}}
* {{কমন্সক্যাট-ইনলাইন}}
* {{উইকিসোর্স-ইনলাইন|Author:Alfred Kinsey}}
* {{উইকিপ্রজাতি-ইনলাইন}}
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:কিনসে, আলফ্রেড}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জীববিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাণীবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অকল্পিত সাহিত্য লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৯৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৬-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:পতঙ্গবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:যৌনতাত্ত্বিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:এলজিবিটি ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাস্তিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:নিউ জার্সির ব্যক্তি]]
dxib92q69026rgj3jabntbrjtv2o5ze
73896
73892
2026-04-05T16:15:26Z
SMontaha32
3112
73896
wikitext
text/x-wiki
[[File:Alfred Kinsey 1955.jpg|right|thumb|200px|আলফ্রেড কিনসে]]
পিএইচডিধারী '''আলফ্রেড চার্লস কিনসে''' (২৩ জুন,১৮৯৪ –২৫ আগস্ট,১৯৫৬) একজন যৌনতাত্ত্বিক, পতঙ্গবিদ এবং প্রাণীবিজ্ঞানী। তিনি ব্লুমিংটনের ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ইনস্টিটিউট ফর সেক্স রিসার্চ' প্রতিষ্ঠা করেন (যা বর্তমানে [[কিনসে ইনস্টিটিউট ফর রিসার্চ ইন সেক্স, জেন্ডার অ্যান্ড রিপ্রোডাকশন|কিনসে ইনস্টিটিউট ফর রিসার্চ ইন সেক্স, জেন্ডার অ্যান্ড রিপ্রোডাকশন]] নামে পরিচিত)।
== উক্তি ==
=== ''সেক্সুয়াল বিহেভিয়ার ইন দ্য হিউম্যান মেল'' (১৯৪৮) ===
* চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাস প্রমাণ করে মানুষ যখন নিজেকে জানার চেষ্টা করেছে এবং নিজের সম্পূর্ণ প্রকৃতির মুখোমুখি হয়েছে, তখন সে বিভ্রান্তিকর ভয়, হতাশাজনক লজ্জা বা চরম ভণ্ডামি থেকে মুক্ত হতে পেরেছে। যতক্ষণ যৌনতাকে বর্তমানের অজ্ঞতা ও কৃত্রিমতা, অস্বীকার ও প্রশ্রয়, দমন ও উদ্দীপনা এবং গোপনীয়তা ও প্রদর্শনের বিভ্রান্তির মধ্যে রাখা হবে, ততক্ষণ এটি এমন এক দ্বিমুখী নীতি ও অশালীনতার সাথে যুক্ত থাকবে যা বৌদ্ধিক সততা বা মানবিক মর্যাদা—কোনোটিই বয়ে আনে না।
* পুরুষরা বিষমকামী এবং সমকামী—এই দুটি পৃথক গোষ্ঠীকে প্রতিনিধিত্ব করে না। পৃথিবীকে ভেড়া ও ছাগলের মতো আলাদা করা যাবে না। সব কিছু সাদা কিংবা কালো নয়। এটি শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যার একটি মৌলিক বিষয় যে প্রকৃতি খুব কমই স্বতন্ত্র বিভাগ নিয়ে কাজ করে। কেবল মানুষের মনই বিভিন্ন বিভাগ উদ্ভাবন করে এবং তথ্যগুলোকে আলাদা আলাদা খোপে বন্দি করার চেষ্টা করে। জীবন্ত জগত তার প্রতিটি দিক থেকেই একটি অবিচ্ছিন্ন ধারা। মানুষের যৌন আচরণ সম্পর্কে আমরা যত দ্রুত এটি শিখব, তত দ্রুত যৌনতার বাস্তবতা সম্পর্কে সঠিক বুঝতে পারব।
* প্রাচীন গ্রিসে সমকামী আচরণের সাধারণ উপস্থিতি এবং বর্তমানে কিছু সংস্কৃতিতে এর ব্যাপক বিস্তার নির্দেশ করে যে লিঙ্গ নির্বিশেষে যেকোনো উদ্দীপনায় যৌন সাড়া দেওয়ার ক্ষমতা এই প্রজাতির একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য।
=== ''সেক্সুয়াল বিহেভিয়ার ইন দ্য হিউম্যান ফিমেল'' (১৯৫৩) ===
* গবেষণার প্রয়োগ স্পষ্ট হওয়ার সাথে সাথেই কিছু বিজ্ঞানী সেই নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে দ্বিধাবোধ করেন। জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও তা প্রয়োগ করতে অস্বীকার করা আমাদের কাছে জ্ঞান অর্জনের আগেই তা প্রয়োগ করার চেষ্টার মতোই অবাস্তব মনে হয়। (পৃষ্ঠা ৮)
* বস্তুজগতের বেশিরভাগ দিক নিয়ে অনুসন্ধান করার বিজ্ঞানীর অধিকারের সাথে বেশিরভাগ মানুষই একমত হবেন। তবে মানুষের যৌন আচরণ অনুসন্ধানে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির প্রয়োগ নিয়ে কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন। এটি অনেকটা এমন যে কোনো পুষ্টিবিদ এবং প্রাণরসায়নবিদকে খাদ্য ও পুষ্টি প্রক্রিয়া বিশ্লেষণের অধিকার অস্বীকার করা হচ্ছে। কারণ খাবার রান্না করা এবং পরিবেশন করাকে একটি সূক্ষ্ম শিল্প হিসেবে গণ্য করা হতে পারে এবং নির্দিষ্ট কিছু খাবার গ্রহণ ধর্মীয় নিয়মের বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। (পৃষ্ঠা ৮)।
* বিজ্ঞানে এমন এক সততা রয়েছে যা সত্য নির্ধারণের জন্য সর্বোত্তম মাধ্যম ব্যবহারের দাবি জানায়। অবশ্যই মহাবিশ্বে অনেক ধরনের সত্য রয়েছে। মানুষ যদি তার [[সামাজিক সংগঠন|সামাজিক সংগঠনে]] সবচেয়ে কার্যকরভাবে বসবাস করতে চায়, তবে সত্যের অনেক দিক বিবেচনায় নিতে হবে। তবে বস্তুর ক্ষেত্রে—যা দিয়ে নির্জীব উপাদান এবং সজীব জীব উভয়ই গঠিত—বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন মানুষের ইন্দ্রিয়গুলোর মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের চেয়ে তথ্য সংগ্রহের আর কোনো ভালো উপায় নেই। কোনো তত্ত্ব, দর্শন, ধর্মতত্ত্ব বা রাজনৈতিক সুবিধা এবং অলীক কল্পনা বস্তুগত পর্যবেক্ষণ ও তাদের আচরণের বিকল্প হতে পারে না। (পৃষ্ঠা ৯)।
* বিজ্ঞানের সততা বাস্তবতাকে গ্রহণ করতে শেখায়। এমন কিছু লোক আছে যারা সমুদ্রকে তাদের লক্ষ্য অর্জনে বাধা মনে করে এর অস্তিত্বকে অস্বীকার করার চেষ্টা করে। বিশাল আকারের কারণে তারা যদি একে উপেক্ষা করতে না পারে, তবে তারা আইনের মাধ্যমে এর অস্তিত্ব বিলীন করার চেষ্টা করে অথবা স্পঞ্জ দিয়ে সমুদ্র শুকানোর চেষ্টা করে। তারা জোর দিয়ে বলে যে পর্যাপ্ত স্পঞ্জ এবং লোক থাকলে দ্বিতীয় কাজটি সম্ভব হবে। যৌন কাজের চেয়ে বড় কোনো সমুদ্র নেই। কেউ কেউ বিশ্বাস করেন আমরা যদি এর অস্তিত্ব অস্বীকার করি তবেই ভালো হবে। তারা মনে করেন আমাদের এর বস্তুগত উৎসগুলো বোঝার চেষ্টা করা উচিত নয়। তারা আরও বিশ্বাস করেন যদি আমরা একে যথেষ্ট উপেক্ষা করি এবং নতুন আইন, ভারী জরিমানা ও কঠোর ঘোষণা দিয়ে যৌন কার্যকলাপের প্রবাহ মুছে ফেলার চেষ্টা করি, তবে শেষ পর্যন্ত আমরা বাস্তবতাকে নির্মূল করতে পারব। (পৃষ্ঠা ১০)।
* এটি বারবার জোর দিয়ে বলা প্রয়োজন যে যেকোনো প্রাণীর আচরণ তার প্রাপ্ত উদ্দীপনার প্রকৃতি, তার দৈহিক ও শারীরিক সক্ষমতা এবং অতীতের অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করে। যদি আগের অভিজ্ঞতা দ্বারা প্রভাবিত না হয়, তবে একটি প্রাণীর অভিন্ন উদ্দীপনায় অভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখানো উচিত। সেই উদ্দীপনা তার নিজের শরীরের কোনো অংশ থেকে আসুক বা একই লিঙ্গের কিংবা বিপরীত লিঙ্গের অন্য কোনো ব্যক্তি থেকে আসুক।
* যেকোনো পর্যাপ্ত উদ্দীপনায় সাড়া দেওয়ার প্রাণীর সহজাত শারীরিক সক্ষমতাই হলো কিছু ব্যক্তির নিজের লিঙ্গের অন্য ব্যক্তিদের উদ্দীপনায় সাড়া দেওয়ার মৌলিক ব্যাখ্যা। এটি নির্দেশ করে যে সুযোগ পেলে এবং কোনো বাধা না থাকলে প্রতিটি ব্যক্তিই এভাবে সাড়া দিতে পারত। নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তিকে সমকামী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত করার জন্য বিশেষ হরমোনজনিত কারণের অনুমান করার কোনো প্রয়োজন নেই। এমন কোনো তথ্য আমাদের জানা নেই যা হরমোনজনিত কারণের অস্তিত্ব প্রমাণ করে (পৃ. ৭৫৮)। নির্দিষ্ট বংশগত কারণ জড়িত থাকার মতো পর্যাপ্ত তথ্যও নেই। শৈশবে বাবা বা মায়ের প্রতি আসক্তির তত্ত্ব, যৌন বিকাশের কোনো স্তরে স্থবিরতার তত্ত্ব এবং সমকামিতাকে স্নায়বিক বিকার বা নৈতিক অবক্ষয় হিসেবে ব্যাখ্যা করার মতো বিষয়গুলো বৈজ্ঞানিক গবেষণা দ্বারা সমর্থিত নয়। এগুলো আমাদের নারী ও পুরুষের জীবন ইতিহাসের নির্দিষ্ট তথ্যের বিপরীত।
* স্তন্যপায়ী প্রাণীরা কেবল বিষমকামী কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধ থাকে—এমন ধারণাটি মূলত মানুষের তৈরি দর্শন থেকে এসেছে। এটি স্তন্যপায়ী প্রাণীদের আচরণের সুনির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণের ফসল নয়। যেসব জীববিজ্ঞানী ও মনোবিজ্ঞানী এই মতবাদ গ্রহণ করেছেন যে যৌনতার একমাত্র স্বাভাবিক কাজ বংশবৃদ্ধি, তারা প্রজননহীন যৌন কার্যকলাপের অস্তিত্বকে কেবল উপেক্ষা করেছেন। তারা ধরে নিয়েছেন বিষমকামী প্রতিক্রিয়া প্রাণীর সহজাত ও "প্রবৃত্তিগত" বৈশিষ্ট্য এবং অন্যান্য সব ধরনের যৌন কার্যকলাপ "স্বাভাবিক প্রবৃত্তির" "বিকৃতি"। তবে এই ধরনের ব্যাখ্যাগুলো রহস্যময়। এগুলো যৌন প্রতিক্রিয়ার শারীরতত্ত্ব সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান থেকে উদ্ভূত নয়। এটি তখনই বজায় রাখা সম্ভব যদি কেউ ধরে নেয় যৌন কাজ প্রাণীর দেহের অন্যান্য কাজ নিয়ন্ত্রণকারী শারীরিক প্রক্রিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন।
* স্তন্যপায়ী প্রাণীদের রেকর্ড আমাদের এই বক্তব্যকে নিশ্চিত করে যে যেকোনো প্রাণী যদি কোনো বিশেষ অভিজ্ঞতার দ্বারা খুব বেশি প্রভাবিত না হয়, তবে সে যেকোনো পর্যাপ্ত উদ্দীপনায় সাড়া দিতে সক্ষম। আমাদের মানব প্রজাতির অবাধ অংশগুলোতে এবং ছোট শিশুদের মধ্যে আমরা এটিই দেখতে পাই। বিষমকামী বা সমকামী—এই ধরনের একচেটিয়া পছন্দ ও আচরণের ধরণ কেবল অভিজ্ঞতার মাধ্যমে বা সামাজিক চাপের ফলে আসে। সমাজ ও সংস্কৃতির প্রথা প্রতিফলিত করে মনোবিজ্ঞানী ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা সমকামী কার্যকলাপের উৎস ব্যাখ্যা করার জন্য অনেক সময় ব্যয় করেছেন। কিন্তু যৌন প্রতিক্রিয়ার শারীরতত্ত্ব এবং স্তন্যপায়ী প্রাণীদের আচরণের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে মানুষের নির্দিষ্ট যৌন আচরণের কারণ ব্যাখ্যা করা খুব কঠিন নয়। বরং প্রতিটি ব্যক্তি কেন সব ধরনের যৌন কর্মকাণ্ডে জড়িত নয়, তা ব্যাখ্যা করাই বেশি কঠিন।
=== ''অ্যাবোরশন ইন দ্য ইউনাইটেড স্টেটস, রিপোর্ট অব এ কনফারেন্স স্পনসরড বাই দ্য প্ল্যানড প্যারেন্টহুড ফেডারেশন অব আমেরিকা, ইনক. (১৯৫৮)'' ===
* পুনরাবৃত্তির ঝুঁকি নিয়েও আমি দলটিকে মনে করিয়ে দিতে চাই যে, আমরা সেই গোষ্ঠীর মধ্যেই প্ররোচিত [[গর্ভপাত|গর্ভপাতের]] সর্বোচ্চ হার পেয়েছি যারা সাধারণত সবচেয়ে বেশি জন্ম নিরোধক ব্যবহার করে।
<ref>''Abortion in the United States, Report of a Conference Sponsored by the Planned Parenthood Federation of America, Inc., at Arden House and The New York Academy of Medicine,'' (1958), Mary Calderone, M.D., editor, Hoeber-Harper, New York, ch. 8, ''Abortion and Contraception'', p. 157. [http://books.google.com/books?id=cfk-AAAAIAAJ&dq=editions%3AhmPv25lHQpYC&focus=searchwithinvolume&q=kinsey+repetitious]</ref>
== আরও দেখুন ==
* [[কিনসে]] (২০০৪ সালের চলচ্চিত্র)
== তথ্যসূত্র ==
{{তথ্যসূত্র তালিকা}}
== বহিঃসংযোগ ==
* {{উইকিপিডিয়া-ইনলাইন}}
* {{কমন্সক্যাট-ইনলাইন}}
* {{উইকিসোর্স-ইনলাইন|Author:Alfred Kinsey}}
* {{উইকিপ্রজাতি-ইনলাইন}}
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:কিনসে, আলফ্রেড}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জীববিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাণীবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অকল্পিত সাহিত্য লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৯৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৬-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:পতঙ্গবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:যৌনতাত্ত্বিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:এলজিবিটি ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাস্তিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:নিউ জার্সির ব্যক্তি]]
mbsfmb5d50b1b6miqileksol8z7yr4a
73897
73896
2026-04-05T16:15:46Z
SMontaha32
3112
/* অ্যাবোরশন ইন দ্য ইউনাইটেড স্টেটস, রিপোর্ট অব এ কনফারেন্স স্পনসরড বাই দ্য প্ল্যানড প্যারেন্টহুড ফেডারেশন অব আমেরিকা, ইনক. (১৯৫৮) */
73897
wikitext
text/x-wiki
[[File:Alfred Kinsey 1955.jpg|right|thumb|200px|আলফ্রেড কিনসে]]
পিএইচডিধারী '''আলফ্রেড চার্লস কিনসে''' (২৩ জুন,১৮৯৪ –২৫ আগস্ট,১৯৫৬) একজন যৌনতাত্ত্বিক, পতঙ্গবিদ এবং প্রাণীবিজ্ঞানী। তিনি ব্লুমিংটনের ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ইনস্টিটিউট ফর সেক্স রিসার্চ' প্রতিষ্ঠা করেন (যা বর্তমানে [[কিনসে ইনস্টিটিউট ফর রিসার্চ ইন সেক্স, জেন্ডার অ্যান্ড রিপ্রোডাকশন|কিনসে ইনস্টিটিউট ফর রিসার্চ ইন সেক্স, জেন্ডার অ্যান্ড রিপ্রোডাকশন]] নামে পরিচিত)।
== উক্তি ==
=== ''সেক্সুয়াল বিহেভিয়ার ইন দ্য হিউম্যান মেল'' (১৯৪৮) ===
* চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাস প্রমাণ করে মানুষ যখন নিজেকে জানার চেষ্টা করেছে এবং নিজের সম্পূর্ণ প্রকৃতির মুখোমুখি হয়েছে, তখন সে বিভ্রান্তিকর ভয়, হতাশাজনক লজ্জা বা চরম ভণ্ডামি থেকে মুক্ত হতে পেরেছে। যতক্ষণ যৌনতাকে বর্তমানের অজ্ঞতা ও কৃত্রিমতা, অস্বীকার ও প্রশ্রয়, দমন ও উদ্দীপনা এবং গোপনীয়তা ও প্রদর্শনের বিভ্রান্তির মধ্যে রাখা হবে, ততক্ষণ এটি এমন এক দ্বিমুখী নীতি ও অশালীনতার সাথে যুক্ত থাকবে যা বৌদ্ধিক সততা বা মানবিক মর্যাদা—কোনোটিই বয়ে আনে না।
* পুরুষরা বিষমকামী এবং সমকামী—এই দুটি পৃথক গোষ্ঠীকে প্রতিনিধিত্ব করে না। পৃথিবীকে ভেড়া ও ছাগলের মতো আলাদা করা যাবে না। সব কিছু সাদা কিংবা কালো নয়। এটি শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যার একটি মৌলিক বিষয় যে প্রকৃতি খুব কমই স্বতন্ত্র বিভাগ নিয়ে কাজ করে। কেবল মানুষের মনই বিভিন্ন বিভাগ উদ্ভাবন করে এবং তথ্যগুলোকে আলাদা আলাদা খোপে বন্দি করার চেষ্টা করে। জীবন্ত জগত তার প্রতিটি দিক থেকেই একটি অবিচ্ছিন্ন ধারা। মানুষের যৌন আচরণ সম্পর্কে আমরা যত দ্রুত এটি শিখব, তত দ্রুত যৌনতার বাস্তবতা সম্পর্কে সঠিক বুঝতে পারব।
* প্রাচীন গ্রিসে সমকামী আচরণের সাধারণ উপস্থিতি এবং বর্তমানে কিছু সংস্কৃতিতে এর ব্যাপক বিস্তার নির্দেশ করে যে লিঙ্গ নির্বিশেষে যেকোনো উদ্দীপনায় যৌন সাড়া দেওয়ার ক্ষমতা এই প্রজাতির একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য।
=== ''সেক্সুয়াল বিহেভিয়ার ইন দ্য হিউম্যান ফিমেল'' (১৯৫৩) ===
* গবেষণার প্রয়োগ স্পষ্ট হওয়ার সাথে সাথেই কিছু বিজ্ঞানী সেই নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে দ্বিধাবোধ করেন। জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও তা প্রয়োগ করতে অস্বীকার করা আমাদের কাছে জ্ঞান অর্জনের আগেই তা প্রয়োগ করার চেষ্টার মতোই অবাস্তব মনে হয়। (পৃষ্ঠা ৮)
* বস্তুজগতের বেশিরভাগ দিক নিয়ে অনুসন্ধান করার বিজ্ঞানীর অধিকারের সাথে বেশিরভাগ মানুষই একমত হবেন। তবে মানুষের যৌন আচরণ অনুসন্ধানে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির প্রয়োগ নিয়ে কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন। এটি অনেকটা এমন যে কোনো পুষ্টিবিদ এবং প্রাণরসায়নবিদকে খাদ্য ও পুষ্টি প্রক্রিয়া বিশ্লেষণের অধিকার অস্বীকার করা হচ্ছে। কারণ খাবার রান্না করা এবং পরিবেশন করাকে একটি সূক্ষ্ম শিল্প হিসেবে গণ্য করা হতে পারে এবং নির্দিষ্ট কিছু খাবার গ্রহণ ধর্মীয় নিয়মের বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। (পৃষ্ঠা ৮)।
* বিজ্ঞানে এমন এক সততা রয়েছে যা সত্য নির্ধারণের জন্য সর্বোত্তম মাধ্যম ব্যবহারের দাবি জানায়। অবশ্যই মহাবিশ্বে অনেক ধরনের সত্য রয়েছে। মানুষ যদি তার [[সামাজিক সংগঠন|সামাজিক সংগঠনে]] সবচেয়ে কার্যকরভাবে বসবাস করতে চায়, তবে সত্যের অনেক দিক বিবেচনায় নিতে হবে। তবে বস্তুর ক্ষেত্রে—যা দিয়ে নির্জীব উপাদান এবং সজীব জীব উভয়ই গঠিত—বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন মানুষের ইন্দ্রিয়গুলোর মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের চেয়ে তথ্য সংগ্রহের আর কোনো ভালো উপায় নেই। কোনো তত্ত্ব, দর্শন, ধর্মতত্ত্ব বা রাজনৈতিক সুবিধা এবং অলীক কল্পনা বস্তুগত পর্যবেক্ষণ ও তাদের আচরণের বিকল্প হতে পারে না। (পৃষ্ঠা ৯)।
* বিজ্ঞানের সততা বাস্তবতাকে গ্রহণ করতে শেখায়। এমন কিছু লোক আছে যারা সমুদ্রকে তাদের লক্ষ্য অর্জনে বাধা মনে করে এর অস্তিত্বকে অস্বীকার করার চেষ্টা করে। বিশাল আকারের কারণে তারা যদি একে উপেক্ষা করতে না পারে, তবে তারা আইনের মাধ্যমে এর অস্তিত্ব বিলীন করার চেষ্টা করে অথবা স্পঞ্জ দিয়ে সমুদ্র শুকানোর চেষ্টা করে। তারা জোর দিয়ে বলে যে পর্যাপ্ত স্পঞ্জ এবং লোক থাকলে দ্বিতীয় কাজটি সম্ভব হবে। যৌন কাজের চেয়ে বড় কোনো সমুদ্র নেই। কেউ কেউ বিশ্বাস করেন আমরা যদি এর অস্তিত্ব অস্বীকার করি তবেই ভালো হবে। তারা মনে করেন আমাদের এর বস্তুগত উৎসগুলো বোঝার চেষ্টা করা উচিত নয়। তারা আরও বিশ্বাস করেন যদি আমরা একে যথেষ্ট উপেক্ষা করি এবং নতুন আইন, ভারী জরিমানা ও কঠোর ঘোষণা দিয়ে যৌন কার্যকলাপের প্রবাহ মুছে ফেলার চেষ্টা করি, তবে শেষ পর্যন্ত আমরা বাস্তবতাকে নির্মূল করতে পারব। (পৃষ্ঠা ১০)।
* এটি বারবার জোর দিয়ে বলা প্রয়োজন যে যেকোনো প্রাণীর আচরণ তার প্রাপ্ত উদ্দীপনার প্রকৃতি, তার দৈহিক ও শারীরিক সক্ষমতা এবং অতীতের অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করে। যদি আগের অভিজ্ঞতা দ্বারা প্রভাবিত না হয়, তবে একটি প্রাণীর অভিন্ন উদ্দীপনায় অভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখানো উচিত। সেই উদ্দীপনা তার নিজের শরীরের কোনো অংশ থেকে আসুক বা একই লিঙ্গের কিংবা বিপরীত লিঙ্গের অন্য কোনো ব্যক্তি থেকে আসুক।
* যেকোনো পর্যাপ্ত উদ্দীপনায় সাড়া দেওয়ার প্রাণীর সহজাত শারীরিক সক্ষমতাই হলো কিছু ব্যক্তির নিজের লিঙ্গের অন্য ব্যক্তিদের উদ্দীপনায় সাড়া দেওয়ার মৌলিক ব্যাখ্যা। এটি নির্দেশ করে যে সুযোগ পেলে এবং কোনো বাধা না থাকলে প্রতিটি ব্যক্তিই এভাবে সাড়া দিতে পারত। নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তিকে সমকামী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত করার জন্য বিশেষ হরমোনজনিত কারণের অনুমান করার কোনো প্রয়োজন নেই। এমন কোনো তথ্য আমাদের জানা নেই যা হরমোনজনিত কারণের অস্তিত্ব প্রমাণ করে (পৃ. ৭৫৮)। নির্দিষ্ট বংশগত কারণ জড়িত থাকার মতো পর্যাপ্ত তথ্যও নেই। শৈশবে বাবা বা মায়ের প্রতি আসক্তির তত্ত্ব, যৌন বিকাশের কোনো স্তরে স্থবিরতার তত্ত্ব এবং সমকামিতাকে স্নায়বিক বিকার বা নৈতিক অবক্ষয় হিসেবে ব্যাখ্যা করার মতো বিষয়গুলো বৈজ্ঞানিক গবেষণা দ্বারা সমর্থিত নয়। এগুলো আমাদের নারী ও পুরুষের জীবন ইতিহাসের নির্দিষ্ট তথ্যের বিপরীত।
* স্তন্যপায়ী প্রাণীরা কেবল বিষমকামী কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধ থাকে—এমন ধারণাটি মূলত মানুষের তৈরি দর্শন থেকে এসেছে। এটি স্তন্যপায়ী প্রাণীদের আচরণের সুনির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণের ফসল নয়। যেসব জীববিজ্ঞানী ও মনোবিজ্ঞানী এই মতবাদ গ্রহণ করেছেন যে যৌনতার একমাত্র স্বাভাবিক কাজ বংশবৃদ্ধি, তারা প্রজননহীন যৌন কার্যকলাপের অস্তিত্বকে কেবল উপেক্ষা করেছেন। তারা ধরে নিয়েছেন বিষমকামী প্রতিক্রিয়া প্রাণীর সহজাত ও "প্রবৃত্তিগত" বৈশিষ্ট্য এবং অন্যান্য সব ধরনের যৌন কার্যকলাপ "স্বাভাবিক প্রবৃত্তির" "বিকৃতি"। তবে এই ধরনের ব্যাখ্যাগুলো রহস্যময়। এগুলো যৌন প্রতিক্রিয়ার শারীরতত্ত্ব সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান থেকে উদ্ভূত নয়। এটি তখনই বজায় রাখা সম্ভব যদি কেউ ধরে নেয় যৌন কাজ প্রাণীর দেহের অন্যান্য কাজ নিয়ন্ত্রণকারী শারীরিক প্রক্রিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন।
* স্তন্যপায়ী প্রাণীদের রেকর্ড আমাদের এই বক্তব্যকে নিশ্চিত করে যে যেকোনো প্রাণী যদি কোনো বিশেষ অভিজ্ঞতার দ্বারা খুব বেশি প্রভাবিত না হয়, তবে সে যেকোনো পর্যাপ্ত উদ্দীপনায় সাড়া দিতে সক্ষম। আমাদের মানব প্রজাতির অবাধ অংশগুলোতে এবং ছোট শিশুদের মধ্যে আমরা এটিই দেখতে পাই। বিষমকামী বা সমকামী—এই ধরনের একচেটিয়া পছন্দ ও আচরণের ধরণ কেবল অভিজ্ঞতার মাধ্যমে বা সামাজিক চাপের ফলে আসে। সমাজ ও সংস্কৃতির প্রথা প্রতিফলিত করে মনোবিজ্ঞানী ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা সমকামী কার্যকলাপের উৎস ব্যাখ্যা করার জন্য অনেক সময় ব্যয় করেছেন। কিন্তু যৌন প্রতিক্রিয়ার শারীরতত্ত্ব এবং স্তন্যপায়ী প্রাণীদের আচরণের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে মানুষের নির্দিষ্ট যৌন আচরণের কারণ ব্যাখ্যা করা খুব কঠিন নয়। বরং প্রতিটি ব্যক্তি কেন সব ধরনের যৌন কর্মকাণ্ডে জড়িত নয়, তা ব্যাখ্যা করাই বেশি কঠিন।
=== ''অ্যাবোরশন ইন দ্য ইউনাইটেড স্টেটস, রিপোর্ট অব এ কনফারেন্স স্পনসরড বাই দ্য প্ল্যানড প্যারেন্টহুড ফেডারেশন অব আমেরিকা, ইনক. (১৯৫৮)'' ===
* পুনরাবৃত্তির ঝুঁকি নিয়েও আমি দলটিকে মনে করিয়ে দিতে চাই যে, আমরা সেই গোষ্ঠীর মধ্যেই প্ররোচিত [[গর্ভপাত|গর্ভপাতের]] সর্বোচ্চ হার পেয়েছি যারা সাধারণত সবচেয়ে বেশি [[জন্ম নিরোধক]] ব্যবহার করে।
<ref>''Abortion in the United States, Report of a Conference Sponsored by the Planned Parenthood Federation of America, Inc., at Arden House and The New York Academy of Medicine,'' (1958), Mary Calderone, M.D., editor, Hoeber-Harper, New York, ch. 8, ''Abortion and Contraception'', p. 157. [http://books.google.com/books?id=cfk-AAAAIAAJ&dq=editions%3AhmPv25lHQpYC&focus=searchwithinvolume&q=kinsey+repetitious]</ref>
== আরও দেখুন ==
* [[কিনসে]] (২০০৪ সালের চলচ্চিত্র)
== তথ্যসূত্র ==
{{তথ্যসূত্র তালিকা}}
== বহিঃসংযোগ ==
* {{উইকিপিডিয়া-ইনলাইন}}
* {{কমন্সক্যাট-ইনলাইন}}
* {{উইকিসোর্স-ইনলাইন|Author:Alfred Kinsey}}
* {{উইকিপ্রজাতি-ইনলাইন}}
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:কিনসে, আলফ্রেড}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জীববিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাণীবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অকল্পিত সাহিত্য লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৯৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৬-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:পতঙ্গবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:যৌনতাত্ত্বিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:এলজিবিটি ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাস্তিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:নিউ জার্সির ব্যক্তি]]
ftuf701b9xo295zj34iqrhnthci8jfr
73898
73897
2026-04-05T16:17:26Z
SMontaha32
3112
73898
wikitext
text/x-wiki
[[File:Alfred Kinsey 1955.jpg|right|thumb|200px|আলফ্রেড কিনসে]]
পিএইচডিধারী '''আলফ্রেড চার্লস কিনসে''' (২৩ জুন,১৮৯৪ –২৫ আগস্ট,১৯৫৬) একজন যৌনতাত্ত্বিক, পতঙ্গবিদ এবং প্রাণীবিজ্ঞানী। তিনি ব্লুমিংটনের ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ইনস্টিটিউট ফর সেক্স রিসার্চ' প্রতিষ্ঠা করেন (যা বর্তমানে [[কিনসে ইনস্টিটিউট ফর রিসার্চ ইন সেক্স, জেন্ডার অ্যান্ড রিপ্রোডাকশন|কিনসে ইনস্টিটিউট ফর রিসার্চ ইন সেক্স, জেন্ডার অ্যান্ড রিপ্রোডাকশন]] নামে পরিচিত)।
== উক্তি ==
=== ''সেক্সুয়াল বিহেভিয়ার ইন দ্য হিউম্যান মেল'' (১৯৪৮) ===
* চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাস প্রমাণ করে মানুষ যখন নিজেকে জানার চেষ্টা করেছে এবং নিজের সম্পূর্ণ প্রকৃতির মুখোমুখি হয়েছে, তখন সে বিভ্রান্তিকর ভয়, হতাশাজনক লজ্জা বা চরম ভণ্ডামি থেকে মুক্ত হতে পেরেছে। যতক্ষণ যৌনতাকে বর্তমানের অজ্ঞতা ও কৃত্রিমতা, অস্বীকার ও প্রশ্রয়, দমন ও উদ্দীপনা এবং গোপনীয়তা ও প্রদর্শনের বিভ্রান্তির মধ্যে রাখা হবে, ততক্ষণ এটি এমন এক দ্বিমুখী নীতি ও অশালীনতার সাথে যুক্ত থাকবে যা বৌদ্ধিক সততা বা মানবিক মর্যাদা—কোনোটিই বয়ে আনে না।
* পুরুষরা বিষমকামী এবং সমকামী—এই দুটি পৃথক গোষ্ঠীকে প্রতিনিধিত্ব করে না। পৃথিবীকে ভেড়া ও ছাগলের মতো আলাদা করা যাবে না। সব কিছু সাদা কিংবা কালো নয়। এটি শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যার একটি মৌলিক বিষয় যে প্রকৃতি খুব কমই স্বতন্ত্র বিভাগ নিয়ে কাজ করে। কেবল মানুষের মনই বিভিন্ন বিভাগ উদ্ভাবন করে এবং তথ্যগুলোকে আলাদা আলাদা খোপে বন্দি করার চেষ্টা করে। জীবন্ত জগত তার প্রতিটি দিক থেকেই একটি অবিচ্ছিন্ন ধারা। মানুষের যৌন আচরণ সম্পর্কে আমরা যত দ্রুত এটি শিখব, তত দ্রুত যৌনতার বাস্তবতা সম্পর্কে সঠিক বুঝতে পারব।
* প্রাচীন গ্রিসে সমকামী আচরণের সাধারণ উপস্থিতি এবং বর্তমানে কিছু সংস্কৃতিতে এর ব্যাপক বিস্তার নির্দেশ করে যে লিঙ্গ নির্বিশেষে যেকোনো উদ্দীপনায় যৌন সাড়া দেওয়ার ক্ষমতা এই প্রজাতির একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য।
=== ''সেক্সুয়াল বিহেভিয়ার ইন দ্য হিউম্যান ফিমেল'' (১৯৫৩) ===
* গবেষণার প্রয়োগ স্পষ্ট হওয়ার সাথে সাথেই কিছু বিজ্ঞানী সেই নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে দ্বিধাবোধ করেন। জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও তা প্রয়োগ করতে অস্বীকার করা আমাদের কাছে জ্ঞান অর্জনের আগেই তা প্রয়োগ করার চেষ্টার মতোই অবাস্তব মনে হয়। (পৃষ্ঠা ৮)
* বস্তুজগতের বেশিরভাগ দিক নিয়ে অনুসন্ধান করার বিজ্ঞানীর অধিকারের সাথে বেশিরভাগ মানুষই একমত হবেন। তবে মানুষের যৌন আচরণ অনুসন্ধানে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির প্রয়োগ নিয়ে কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন। এটি অনেকটা এমন যে কোনো পুষ্টিবিদ এবং প্রাণরসায়নবিদকে খাদ্য ও পুষ্টি প্রক্রিয়া বিশ্লেষণের অধিকার অস্বীকার করা হচ্ছে। কারণ খাবার রান্না করা এবং পরিবেশন করাকে একটি সূক্ষ্ম শিল্প হিসেবে গণ্য করা হতে পারে এবং নির্দিষ্ট কিছু খাবার গ্রহণ ধর্মীয় নিয়মের বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। (পৃষ্ঠা ৮)।
* বিজ্ঞানে এমন এক সততা রয়েছে যা সত্য নির্ধারণের জন্য সর্বোত্তম মাধ্যম ব্যবহারের দাবি জানায়। অবশ্যই মহাবিশ্বে অনেক ধরনের সত্য রয়েছে। মানুষ যদি তার সামাজিক সংগঠনে সবচেয়ে কার্যকরভাবে বসবাস করতে চায়, তবে সত্যের অনেক দিক বিবেচনায় নিতে হবে। তবে বস্তুর ক্ষেত্রে—যা দিয়ে নির্জীব উপাদান এবং সজীব জীব উভয়ই গঠিত—বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন মানুষের ইন্দ্রিয়গুলোর মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের চেয়ে তথ্য সংগ্রহের আর কোনো ভালো উপায় নেই। কোনো তত্ত্ব, দর্শন, ধর্মতত্ত্ব বা রাজনৈতিক সুবিধা এবং অলীক কল্পনা বস্তুগত পর্যবেক্ষণ ও তাদের আচরণের বিকল্প হতে পারে না। (পৃষ্ঠা ৯)।
* বিজ্ঞানের সততা বাস্তবতাকে গ্রহণ করতে শেখায়। এমন কিছু লোক আছে যারা সমুদ্রকে তাদের লক্ষ্য অর্জনে বাধা মনে করে এর অস্তিত্বকে অস্বীকার করার চেষ্টা করে। বিশাল আকারের কারণে তারা যদি একে উপেক্ষা করতে না পারে, তবে তারা আইনের মাধ্যমে এর অস্তিত্ব বিলীন করার চেষ্টা করে অথবা স্পঞ্জ দিয়ে সমুদ্র শুকানোর চেষ্টা করে। তারা জোর দিয়ে বলে যে পর্যাপ্ত স্পঞ্জ এবং লোক থাকলে দ্বিতীয় কাজটি সম্ভব হবে। যৌন কাজের চেয়ে বড় কোনো সমুদ্র নেই। কেউ কেউ বিশ্বাস করেন আমরা যদি এর অস্তিত্ব অস্বীকার করি তবেই ভালো হবে। তারা মনে করেন আমাদের এর বস্তুগত উৎসগুলো বোঝার চেষ্টা করা উচিত নয়। তারা আরও বিশ্বাস করেন যদি আমরা একে যথেষ্ট উপেক্ষা করি এবং নতুন আইন, ভারী জরিমানা ও কঠোর ঘোষণা দিয়ে যৌন কার্যকলাপের প্রবাহ মুছে ফেলার চেষ্টা করি, তবে শেষ পর্যন্ত আমরা বাস্তবতাকে নির্মূল করতে পারব। (পৃষ্ঠা ১০)।
* এটি বারবার জোর দিয়ে বলা প্রয়োজন যে যেকোনো প্রাণীর আচরণ তার প্রাপ্ত উদ্দীপনার প্রকৃতি, তার দৈহিক ও শারীরিক সক্ষমতা এবং অতীতের অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করে। যদি আগের অভিজ্ঞতা দ্বারা প্রভাবিত না হয়, তবে একটি প্রাণীর অভিন্ন উদ্দীপনায় অভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখানো উচিত। সেই উদ্দীপনা তার নিজের শরীরের কোনো অংশ থেকে আসুক বা একই লিঙ্গের কিংবা বিপরীত লিঙ্গের অন্য কোনো ব্যক্তি থেকে আসুক।
* যেকোনো পর্যাপ্ত উদ্দীপনায় সাড়া দেওয়ার প্রাণীর সহজাত শারীরিক সক্ষমতাই হলো কিছু ব্যক্তির নিজের লিঙ্গের অন্য ব্যক্তিদের উদ্দীপনায় সাড়া দেওয়ার মৌলিক ব্যাখ্যা। এটি নির্দেশ করে যে সুযোগ পেলে এবং কোনো বাধা না থাকলে প্রতিটি ব্যক্তিই এভাবে সাড়া দিতে পারত। নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তিকে সমকামী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত করার জন্য বিশেষ হরমোনজনিত কারণের অনুমান করার কোনো প্রয়োজন নেই। এমন কোনো তথ্য আমাদের জানা নেই যা হরমোনজনিত কারণের অস্তিত্ব প্রমাণ করে (পৃ. ৭৫৮)। নির্দিষ্ট বংশগত কারণ জড়িত থাকার মতো পর্যাপ্ত তথ্যও নেই। শৈশবে বাবা বা মায়ের প্রতি আসক্তির তত্ত্ব, যৌন বিকাশের কোনো স্তরে স্থবিরতার তত্ত্ব এবং সমকামিতাকে স্নায়বিক বিকার বা নৈতিক অবক্ষয় হিসেবে ব্যাখ্যা করার মতো বিষয়গুলো বৈজ্ঞানিক গবেষণা দ্বারা সমর্থিত নয়। এগুলো আমাদের নারী ও পুরুষের জীবন ইতিহাসের নির্দিষ্ট তথ্যের বিপরীত।
* স্তন্যপায়ী প্রাণীরা কেবল বিষমকামী কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধ থাকে—এমন ধারণাটি মূলত মানুষের তৈরি দর্শন থেকে এসেছে। এটি স্তন্যপায়ী প্রাণীদের আচরণের সুনির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণের ফসল নয়। যেসব জীববিজ্ঞানী ও মনোবিজ্ঞানী এই মতবাদ গ্রহণ করেছেন যে যৌনতার একমাত্র স্বাভাবিক কাজ বংশবৃদ্ধি, তারা প্রজননহীন যৌন কার্যকলাপের অস্তিত্বকে কেবল উপেক্ষা করেছেন। তারা ধরে নিয়েছেন বিষমকামী প্রতিক্রিয়া প্রাণীর সহজাত ও "প্রবৃত্তিগত" বৈশিষ্ট্য এবং অন্যান্য সব ধরনের যৌন কার্যকলাপ "স্বাভাবিক প্রবৃত্তির" "বিকৃতি"। তবে এই ধরনের ব্যাখ্যাগুলো রহস্যময়। এগুলো যৌন প্রতিক্রিয়ার শারীরতত্ত্ব সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান থেকে উদ্ভূত নয়। এটি তখনই বজায় রাখা সম্ভব যদি কেউ ধরে নেয় যৌন কাজ প্রাণীর দেহের অন্যান্য কাজ নিয়ন্ত্রণকারী শারীরিক প্রক্রিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন।
* স্তন্যপায়ী প্রাণীদের রেকর্ড আমাদের এই বক্তব্যকে নিশ্চিত করে যে যেকোনো প্রাণী যদি কোনো বিশেষ অভিজ্ঞতার দ্বারা খুব বেশি প্রভাবিত না হয়, তবে সে যেকোনো পর্যাপ্ত উদ্দীপনায় সাড়া দিতে সক্ষম। আমাদের মানব প্রজাতির অবাধ অংশগুলোতে এবং ছোট শিশুদের মধ্যে আমরা এটিই দেখতে পাই। বিষমকামী বা সমকামী—এই ধরনের একচেটিয়া পছন্দ ও আচরণের ধরণ কেবল অভিজ্ঞতার মাধ্যমে বা সামাজিক চাপের ফলে আসে। সমাজ ও সংস্কৃতির প্রথা প্রতিফলিত করে মনোবিজ্ঞানী ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা সমকামী কার্যকলাপের উৎস ব্যাখ্যা করার জন্য অনেক সময় ব্যয় করেছেন। কিন্তু যৌন প্রতিক্রিয়ার শারীরতত্ত্ব এবং স্তন্যপায়ী প্রাণীদের আচরণের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে মানুষের নির্দিষ্ট যৌন আচরণের কারণ ব্যাখ্যা করা খুব কঠিন নয়। বরং প্রতিটি ব্যক্তি কেন সব ধরনের যৌন কর্মকাণ্ডে জড়িত নয়, তা ব্যাখ্যা করাই বেশি কঠিন।
=== ''অ্যাবোরশন ইন দ্য ইউনাইটেড স্টেটস, রিপোর্ট অব এ কনফারেন্স স্পনসরড বাই দ্য প্ল্যানড প্যারেন্টহুড ফেডারেশন অব আমেরিকা, ইনক. (১৯৫৮)'' ===
* পুনরাবৃত্তির ঝুঁকি নিয়েও আমি দলটিকে মনে করিয়ে দিতে চাই যে, আমরা সেই গোষ্ঠীর মধ্যেই প্ররোচিত [[গর্ভপাত|গর্ভপাতের]] সর্বোচ্চ হার পেয়েছি যারা সাধারণত সবচেয়ে বেশি [[জন্ম নিরোধক]] ব্যবহার করে।
<ref>''Abortion in the United States, Report of a Conference Sponsored by the Planned Parenthood Federation of America, Inc., at Arden House and The New York Academy of Medicine,'' (1958), Mary Calderone, M.D., editor, Hoeber-Harper, New York, ch. 8, ''Abortion and Contraception'', p. 157. [http://books.google.com/books?id=cfk-AAAAIAAJ&dq=editions%3AhmPv25lHQpYC&focus=searchwithinvolume&q=kinsey+repetitious]</ref>
== আরও দেখুন ==
* [[কিনসে]] (২০০৪ সালের চলচ্চিত্র)
== তথ্যসূত্র ==
{{তথ্যসূত্র তালিকা}}
== বহিঃসংযোগ ==
* {{উইকিপিডিয়া-ইনলাইন}}
* {{কমন্সক্যাট-ইনলাইন}}
* {{উইকিসোর্স-ইনলাইন|Author:Alfred Kinsey}}
* {{উইকিপ্রজাতি-ইনলাইন}}
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:কিনসে, আলফ্রেড}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জীববিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাণীবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অকল্পিত সাহিত্য লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৯৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৬-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:পতঙ্গবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:যৌনতাত্ত্বিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:এলজিবিটি ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাস্তিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:নিউ জার্সির ব্যক্তি]]
qh6mi9xzirxv9pn0z8ny7a6bi94goi9
73899
73898
2026-04-05T16:18:51Z
SMontaha32
3112
73899
wikitext
text/x-wiki
[[File:Alfred Kinsey 1955.jpg|right|thumb|200px|আলফ্রেড কিনসে]]
পিএইচডিধারী '''আলফ্রেড চার্লস কিনসে''' (২৩ জুন,১৮৯৪ –২৫ আগস্ট,১৯৫৬) একজন যৌনতাত্ত্বিক, পতঙ্গবিদ এবং প্রাণীবিজ্ঞানী। তিনি ব্লুমিংটনের ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ইনস্টিটিউট ফর সেক্স রিসার্চ' প্রতিষ্ঠা করেন (যা বর্তমানে কিনসে ইনস্টিটিউট ফর রিসার্চ ইন সেক্স, জেন্ডার অ্যান্ড রিপ্রোডাকশন নামে পরিচিত)।
== উক্তি ==
=== ''সেক্সুয়াল বিহেভিয়ার ইন দ্য হিউম্যান মেল'' (১৯৪৮) ===
* চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাস প্রমাণ করে মানুষ যখন নিজেকে জানার চেষ্টা করেছে এবং নিজের সম্পূর্ণ প্রকৃতির মুখোমুখি হয়েছে, তখন সে বিভ্রান্তিকর ভয়, হতাশাজনক লজ্জা বা চরম ভণ্ডামি থেকে মুক্ত হতে পেরেছে। যতক্ষণ যৌনতাকে বর্তমানের অজ্ঞতা ও কৃত্রিমতা, অস্বীকার ও প্রশ্রয়, দমন ও উদ্দীপনা এবং গোপনীয়তা ও প্রদর্শনের বিভ্রান্তির মধ্যে রাখা হবে, ততক্ষণ এটি এমন এক দ্বিমুখী নীতি ও অশালীনতার সাথে যুক্ত থাকবে যা বৌদ্ধিক সততা বা মানবিক মর্যাদা—কোনোটিই বয়ে আনে না।
* পুরুষরা বিষমকামী এবং সমকামী—এই দুটি পৃথক গোষ্ঠীকে প্রতিনিধিত্ব করে না। পৃথিবীকে ভেড়া ও ছাগলের মতো আলাদা করা যাবে না। সব কিছু সাদা কিংবা কালো নয়। এটি শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যার একটি মৌলিক বিষয় যে প্রকৃতি খুব কমই স্বতন্ত্র বিভাগ নিয়ে কাজ করে। কেবল মানুষের মনই বিভিন্ন বিভাগ উদ্ভাবন করে এবং তথ্যগুলোকে আলাদা আলাদা খোপে বন্দি করার চেষ্টা করে। জীবন্ত জগত তার প্রতিটি দিক থেকেই একটি অবিচ্ছিন্ন ধারা। মানুষের যৌন আচরণ সম্পর্কে আমরা যত দ্রুত এটি শিখব, তত দ্রুত যৌনতার বাস্তবতা সম্পর্কে সঠিক বুঝতে পারব।
* প্রাচীন গ্রিসে সমকামী আচরণের সাধারণ উপস্থিতি এবং বর্তমানে কিছু সংস্কৃতিতে এর ব্যাপক বিস্তার নির্দেশ করে যে লিঙ্গ নির্বিশেষে যেকোনো উদ্দীপনায় যৌন সাড়া দেওয়ার ক্ষমতা এই প্রজাতির একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য।
=== ''সেক্সুয়াল বিহেভিয়ার ইন দ্য হিউম্যান ফিমেল'' (১৯৫৩) ===
* গবেষণার প্রয়োগ স্পষ্ট হওয়ার সাথে সাথেই কিছু বিজ্ঞানী সেই নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে দ্বিধাবোধ করেন। জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও তা প্রয়োগ করতে অস্বীকার করা আমাদের কাছে জ্ঞান অর্জনের আগেই তা প্রয়োগ করার চেষ্টার মতোই অবাস্তব মনে হয়। (পৃষ্ঠা ৮)
* বস্তুজগতের বেশিরভাগ দিক নিয়ে অনুসন্ধান করার বিজ্ঞানীর অধিকারের সাথে বেশিরভাগ মানুষই একমত হবেন। তবে মানুষের যৌন আচরণ অনুসন্ধানে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির প্রয়োগ নিয়ে কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন। এটি অনেকটা এমন যে কোনো পুষ্টিবিদ এবং প্রাণরসায়নবিদকে খাদ্য ও পুষ্টি প্রক্রিয়া বিশ্লেষণের অধিকার অস্বীকার করা হচ্ছে। কারণ খাবার রান্না করা এবং পরিবেশন করাকে একটি সূক্ষ্ম শিল্প হিসেবে গণ্য করা হতে পারে এবং নির্দিষ্ট কিছু খাবার গ্রহণ ধর্মীয় নিয়মের বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। (পৃষ্ঠা ৮)।
* বিজ্ঞানে এমন এক সততা রয়েছে যা সত্য নির্ধারণের জন্য সর্বোত্তম মাধ্যম ব্যবহারের দাবি জানায়। অবশ্যই মহাবিশ্বে অনেক ধরনের সত্য রয়েছে। মানুষ যদি তার সামাজিক সংগঠনে সবচেয়ে কার্যকরভাবে বসবাস করতে চায়, তবে সত্যের অনেক দিক বিবেচনায় নিতে হবে। তবে বস্তুর ক্ষেত্রে—যা দিয়ে নির্জীব উপাদান এবং সজীব জীব উভয়ই গঠিত—বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন মানুষের ইন্দ্রিয়গুলোর মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের চেয়ে তথ্য সংগ্রহের আর কোনো ভালো উপায় নেই। কোনো তত্ত্ব, দর্শন, ধর্মতত্ত্ব বা রাজনৈতিক সুবিধা এবং অলীক কল্পনা বস্তুগত পর্যবেক্ষণ ও তাদের আচরণের বিকল্প হতে পারে না। (পৃষ্ঠা ৯)।
* বিজ্ঞানের সততা বাস্তবতাকে গ্রহণ করতে শেখায়। এমন কিছু লোক আছে যারা সমুদ্রকে তাদের লক্ষ্য অর্জনে বাধা মনে করে এর অস্তিত্বকে অস্বীকার করার চেষ্টা করে। বিশাল আকারের কারণে তারা যদি একে উপেক্ষা করতে না পারে, তবে তারা আইনের মাধ্যমে এর অস্তিত্ব বিলীন করার চেষ্টা করে অথবা স্পঞ্জ দিয়ে সমুদ্র শুকানোর চেষ্টা করে। তারা জোর দিয়ে বলে যে পর্যাপ্ত স্পঞ্জ এবং লোক থাকলে দ্বিতীয় কাজটি সম্ভব হবে। যৌন কাজের চেয়ে বড় কোনো সমুদ্র নেই। কেউ কেউ বিশ্বাস করেন আমরা যদি এর অস্তিত্ব অস্বীকার করি তবেই ভালো হবে। তারা মনে করেন আমাদের এর বস্তুগত উৎসগুলো বোঝার চেষ্টা করা উচিত নয়। তারা আরও বিশ্বাস করেন যদি আমরা একে যথেষ্ট উপেক্ষা করি এবং নতুন আইন, ভারী জরিমানা ও কঠোর ঘোষণা দিয়ে যৌন কার্যকলাপের প্রবাহ মুছে ফেলার চেষ্টা করি, তবে শেষ পর্যন্ত আমরা বাস্তবতাকে নির্মূল করতে পারব। (পৃষ্ঠা ১০)।
* এটি বারবার জোর দিয়ে বলা প্রয়োজন যে যেকোনো প্রাণীর আচরণ তার প্রাপ্ত উদ্দীপনার প্রকৃতি, তার দৈহিক ও শারীরিক সক্ষমতা এবং অতীতের অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করে। যদি আগের অভিজ্ঞতা দ্বারা প্রভাবিত না হয়, তবে একটি প্রাণীর অভিন্ন উদ্দীপনায় অভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখানো উচিত। সেই উদ্দীপনা তার নিজের শরীরের কোনো অংশ থেকে আসুক বা একই লিঙ্গের কিংবা বিপরীত লিঙ্গের অন্য কোনো ব্যক্তি থেকে আসুক।
* যেকোনো পর্যাপ্ত উদ্দীপনায় সাড়া দেওয়ার প্রাণীর সহজাত শারীরিক সক্ষমতাই হলো কিছু ব্যক্তির নিজের লিঙ্গের অন্য ব্যক্তিদের উদ্দীপনায় সাড়া দেওয়ার মৌলিক ব্যাখ্যা। এটি নির্দেশ করে যে সুযোগ পেলে এবং কোনো বাধা না থাকলে প্রতিটি ব্যক্তিই এভাবে সাড়া দিতে পারত। নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তিকে সমকামী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত করার জন্য বিশেষ হরমোনজনিত কারণের অনুমান করার কোনো প্রয়োজন নেই। এমন কোনো তথ্য আমাদের জানা নেই যা হরমোনজনিত কারণের অস্তিত্ব প্রমাণ করে (পৃ. ৭৫৮)। নির্দিষ্ট বংশগত কারণ জড়িত থাকার মতো পর্যাপ্ত তথ্যও নেই। শৈশবে বাবা বা মায়ের প্রতি আসক্তির তত্ত্ব, যৌন বিকাশের কোনো স্তরে স্থবিরতার তত্ত্ব এবং সমকামিতাকে স্নায়বিক বিকার বা নৈতিক অবক্ষয় হিসেবে ব্যাখ্যা করার মতো বিষয়গুলো বৈজ্ঞানিক গবেষণা দ্বারা সমর্থিত নয়। এগুলো আমাদের নারী ও পুরুষের জীবন ইতিহাসের নির্দিষ্ট তথ্যের বিপরীত।
* স্তন্যপায়ী প্রাণীরা কেবল বিষমকামী কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধ থাকে—এমন ধারণাটি মূলত মানুষের তৈরি দর্শন থেকে এসেছে। এটি স্তন্যপায়ী প্রাণীদের আচরণের সুনির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণের ফসল নয়। যেসব জীববিজ্ঞানী ও মনোবিজ্ঞানী এই মতবাদ গ্রহণ করেছেন যে যৌনতার একমাত্র স্বাভাবিক কাজ বংশবৃদ্ধি, তারা প্রজননহীন যৌন কার্যকলাপের অস্তিত্বকে কেবল উপেক্ষা করেছেন। তারা ধরে নিয়েছেন বিষমকামী প্রতিক্রিয়া প্রাণীর সহজাত ও "প্রবৃত্তিগত" বৈশিষ্ট্য এবং অন্যান্য সব ধরনের যৌন কার্যকলাপ "স্বাভাবিক প্রবৃত্তির" "বিকৃতি"। তবে এই ধরনের ব্যাখ্যাগুলো রহস্যময়। এগুলো যৌন প্রতিক্রিয়ার শারীরতত্ত্ব সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান থেকে উদ্ভূত নয়। এটি তখনই বজায় রাখা সম্ভব যদি কেউ ধরে নেয় যৌন কাজ প্রাণীর দেহের অন্যান্য কাজ নিয়ন্ত্রণকারী শারীরিক প্রক্রিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন।
* স্তন্যপায়ী প্রাণীদের রেকর্ড আমাদের এই বক্তব্যকে নিশ্চিত করে যে যেকোনো প্রাণী যদি কোনো বিশেষ অভিজ্ঞতার দ্বারা খুব বেশি প্রভাবিত না হয়, তবে সে যেকোনো পর্যাপ্ত উদ্দীপনায় সাড়া দিতে সক্ষম। আমাদের মানব প্রজাতির অবাধ অংশগুলোতে এবং ছোট শিশুদের মধ্যে আমরা এটিই দেখতে পাই। বিষমকামী বা সমকামী—এই ধরনের একচেটিয়া পছন্দ ও আচরণের ধরণ কেবল অভিজ্ঞতার মাধ্যমে বা সামাজিক চাপের ফলে আসে। সমাজ ও সংস্কৃতির প্রথা প্রতিফলিত করে মনোবিজ্ঞানী ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা সমকামী কার্যকলাপের উৎস ব্যাখ্যা করার জন্য অনেক সময় ব্যয় করেছেন। কিন্তু যৌন প্রতিক্রিয়ার শারীরতত্ত্ব এবং স্তন্যপায়ী প্রাণীদের আচরণের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে মানুষের নির্দিষ্ট যৌন আচরণের কারণ ব্যাখ্যা করা খুব কঠিন নয়। বরং প্রতিটি ব্যক্তি কেন সব ধরনের যৌন কর্মকাণ্ডে জড়িত নয়, তা ব্যাখ্যা করাই বেশি কঠিন।
=== ''অ্যাবোরশন ইন দ্য ইউনাইটেড স্টেটস, রিপোর্ট অব এ কনফারেন্স স্পনসরড বাই দ্য প্ল্যানড প্যারেন্টহুড ফেডারেশন অব আমেরিকা, ইনক. (১৯৫৮)'' ===
* পুনরাবৃত্তির ঝুঁকি নিয়েও আমি দলটিকে মনে করিয়ে দিতে চাই যে, আমরা সেই গোষ্ঠীর মধ্যেই প্ররোচিত [[গর্ভপাত|গর্ভপাতের]] সর্বোচ্চ হার পেয়েছি যারা সাধারণত সবচেয়ে বেশি [[জন্ম নিরোধক]] ব্যবহার করে।
<ref>''Abortion in the United States, Report of a Conference Sponsored by the Planned Parenthood Federation of America, Inc., at Arden House and The New York Academy of Medicine,'' (1958), Mary Calderone, M.D., editor, Hoeber-Harper, New York, ch. 8, ''Abortion and Contraception'', p. 157. [http://books.google.com/books?id=cfk-AAAAIAAJ&dq=editions%3AhmPv25lHQpYC&focus=searchwithinvolume&q=kinsey+repetitious]</ref>
== আরও দেখুন ==
* [[কিনসে]] (২০০৪ সালের চলচ্চিত্র)
== তথ্যসূত্র ==
{{তথ্যসূত্র তালিকা}}
== বহিঃসংযোগ ==
* {{উইকিপিডিয়া-ইনলাইন}}
* {{কমন্সক্যাট-ইনলাইন}}
* {{উইকিসোর্স-ইনলাইন|Author:Alfred Kinsey}}
* {{উইকিপ্রজাতি-ইনলাইন}}
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:কিনসে, আলফ্রেড}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জীববিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাণীবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অকল্পিত সাহিত্য লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৯৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৬-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:পতঙ্গবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:যৌনতাত্ত্বিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:এলজিবিটি ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাস্তিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:নিউ জার্সির ব্যক্তি]]
d2r7qmiirpunb9f57arpc1e36u07a0d
73902
73899
2026-04-05T16:21:34Z
SMontaha32
3112
73902
wikitext
text/x-wiki
[[File:Alfred Kinsey 1955.jpg|right|thumb|200px|আলফ্রেড কিনসে]]
পিএইচডিধারী '''আলফ্রেড চার্লস কিনসে''' (২৩ জুন,১৮৯৪ –২৫ আগস্ট,১৯৫৬) একজন যৌনতাত্ত্বিক, পতঙ্গবিদ এবং প্রাণীবিজ্ঞানী। তিনি ব্লুমিংটনের ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ে '''ইনস্টিটিউট ফর সেক্স রিসার্চ''' প্রতিষ্ঠা করেন (যা বর্তমানে কিনসে ইনস্টিটিউট ফর রিসার্চ ইন সেক্স, জেন্ডার অ্যান্ড রিপ্রোডাকশন নামে পরিচিত)।
== উক্তি ==
=== ''সেক্সুয়াল বিহেভিয়ার ইন দ্য হিউম্যান মেল'' (১৯৪৮) ===
* চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাস প্রমাণ করে মানুষ যখন নিজেকে জানার চেষ্টা করেছে এবং নিজের সম্পূর্ণ প্রকৃতির মুখোমুখি হয়েছে, তখন সে বিভ্রান্তিকর ভয়, হতাশাজনক লজ্জা বা চরম ভণ্ডামি থেকে মুক্ত হতে পেরেছে। যতক্ষণ যৌনতাকে বর্তমানের অজ্ঞতা ও কৃত্রিমতা, অস্বীকার ও প্রশ্রয়, দমন ও উদ্দীপনা এবং গোপনীয়তা ও প্রদর্শনের বিভ্রান্তির মধ্যে রাখা হবে, ততক্ষণ এটি এমন এক দ্বিমুখী নীতি ও অশালীনতার সাথে যুক্ত থাকবে যা বৌদ্ধিক সততা বা মানবিক মর্যাদা—কোনোটিই বয়ে আনে না।
* পুরুষরা বিষমকামী এবং সমকামী—এই দুটি পৃথক গোষ্ঠীকে প্রতিনিধিত্ব করে না। পৃথিবীকে ভেড়া ও ছাগলের মতো আলাদা করা যাবে না। সব কিছু সাদা কিংবা কালো নয়। এটি শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যার একটি মৌলিক বিষয় যে প্রকৃতি খুব কমই স্বতন্ত্র বিভাগ নিয়ে কাজ করে। কেবল মানুষের মনই বিভিন্ন বিভাগ উদ্ভাবন করে এবং তথ্যগুলোকে আলাদা আলাদা খোপে বন্দি করার চেষ্টা করে। জীবন্ত জগত তার প্রতিটি দিক থেকেই একটি অবিচ্ছিন্ন ধারা। মানুষের যৌন আচরণ সম্পর্কে আমরা যত দ্রুত এটি শিখব, তত দ্রুত যৌনতার বাস্তবতা সম্পর্কে সঠিক বুঝতে পারব।
* প্রাচীন গ্রিসে সমকামী আচরণের সাধারণ উপস্থিতি এবং বর্তমানে কিছু সংস্কৃতিতে এর ব্যাপক বিস্তার নির্দেশ করে যে লিঙ্গ নির্বিশেষে যেকোনো উদ্দীপনায় যৌন সাড়া দেওয়ার ক্ষমতা এই প্রজাতির একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য।
=== ''সেক্সুয়াল বিহেভিয়ার ইন দ্য হিউম্যান ফিমেল'' (১৯৫৩) ===
* গবেষণার প্রয়োগ স্পষ্ট হওয়ার সাথে সাথেই কিছু বিজ্ঞানী সেই নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে দ্বিধাবোধ করেন। জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও তা প্রয়োগ করতে অস্বীকার করা আমাদের কাছে জ্ঞান অর্জনের আগেই তা প্রয়োগ করার চেষ্টার মতোই অবাস্তব মনে হয়। (পৃষ্ঠা ৮)
* বস্তুজগতের বেশিরভাগ দিক নিয়ে অনুসন্ধান করার বিজ্ঞানীর অধিকারের সাথে বেশিরভাগ মানুষই একমত হবেন। তবে মানুষের যৌন আচরণ অনুসন্ধানে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির প্রয়োগ নিয়ে কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন। এটি অনেকটা এমন যে কোনো পুষ্টিবিদ এবং প্রাণরসায়নবিদকে খাদ্য ও পুষ্টি প্রক্রিয়া বিশ্লেষণের অধিকার অস্বীকার করা হচ্ছে। কারণ খাবার রান্না করা এবং পরিবেশন করাকে একটি সূক্ষ্ম শিল্প হিসেবে গণ্য করা হতে পারে এবং নির্দিষ্ট কিছু খাবার গ্রহণ ধর্মীয় নিয়মের বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। (পৃষ্ঠা ৮)।
* বিজ্ঞানে এমন এক সততা রয়েছে যা সত্য নির্ধারণের জন্য সর্বোত্তম মাধ্যম ব্যবহারের দাবি জানায়। অবশ্যই মহাবিশ্বে অনেক ধরনের সত্য রয়েছে। মানুষ যদি তার সামাজিক সংগঠনে সবচেয়ে কার্যকরভাবে বসবাস করতে চায়, তবে সত্যের অনেক দিক বিবেচনায় নিতে হবে। তবে বস্তুর ক্ষেত্রে—যা দিয়ে নির্জীব উপাদান এবং সজীব জীব উভয়ই গঠিত—বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন মানুষের ইন্দ্রিয়গুলোর মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের চেয়ে তথ্য সংগ্রহের আর কোনো ভালো উপায় নেই। কোনো তত্ত্ব, দর্শন, ধর্মতত্ত্ব বা রাজনৈতিক সুবিধা এবং অলীক কল্পনা বস্তুগত পর্যবেক্ষণ ও তাদের আচরণের বিকল্প হতে পারে না। (পৃষ্ঠা ৯)।
* বিজ্ঞানের সততা বাস্তবতাকে গ্রহণ করতে শেখায়। এমন কিছু লোক আছে যারা সমুদ্রকে তাদের লক্ষ্য অর্জনে বাধা মনে করে এর অস্তিত্বকে অস্বীকার করার চেষ্টা করে। বিশাল আকারের কারণে তারা যদি একে উপেক্ষা করতে না পারে, তবে তারা আইনের মাধ্যমে এর অস্তিত্ব বিলীন করার চেষ্টা করে অথবা স্পঞ্জ দিয়ে সমুদ্র শুকানোর চেষ্টা করে। তারা জোর দিয়ে বলে যে পর্যাপ্ত স্পঞ্জ এবং লোক থাকলে দ্বিতীয় কাজটি সম্ভব হবে। যৌন কাজের চেয়ে বড় কোনো সমুদ্র নেই। কেউ কেউ বিশ্বাস করেন আমরা যদি এর অস্তিত্ব অস্বীকার করি তবেই ভালো হবে। তারা মনে করেন আমাদের এর বস্তুগত উৎসগুলো বোঝার চেষ্টা করা উচিত নয়। তারা আরও বিশ্বাস করেন যদি আমরা একে যথেষ্ট উপেক্ষা করি এবং নতুন আইন, ভারী জরিমানা ও কঠোর ঘোষণা দিয়ে যৌন কার্যকলাপের প্রবাহ মুছে ফেলার চেষ্টা করি, তবে শেষ পর্যন্ত আমরা বাস্তবতাকে নির্মূল করতে পারব। (পৃষ্ঠা ১০)।
* এটি বারবার জোর দিয়ে বলা প্রয়োজন যে যেকোনো প্রাণীর আচরণ তার প্রাপ্ত উদ্দীপনার প্রকৃতি, তার দৈহিক ও শারীরিক সক্ষমতা এবং অতীতের অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করে। যদি আগের অভিজ্ঞতা দ্বারা প্রভাবিত না হয়, তবে একটি প্রাণীর অভিন্ন উদ্দীপনায় অভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখানো উচিত। সেই উদ্দীপনা তার নিজের শরীরের কোনো অংশ থেকে আসুক বা একই লিঙ্গের কিংবা বিপরীত লিঙ্গের অন্য কোনো ব্যক্তি থেকে আসুক।
* যেকোনো পর্যাপ্ত উদ্দীপনায় সাড়া দেওয়ার প্রাণীর সহজাত শারীরিক সক্ষমতাই হলো কিছু ব্যক্তির নিজের লিঙ্গের অন্য ব্যক্তিদের উদ্দীপনায় সাড়া দেওয়ার মৌলিক ব্যাখ্যা। এটি নির্দেশ করে যে সুযোগ পেলে এবং কোনো বাধা না থাকলে প্রতিটি ব্যক্তিই এভাবে সাড়া দিতে পারত। নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তিকে সমকামী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত করার জন্য বিশেষ হরমোনজনিত কারণের অনুমান করার কোনো প্রয়োজন নেই। এমন কোনো তথ্য আমাদের জানা নেই যা হরমোনজনিত কারণের অস্তিত্ব প্রমাণ করে (পৃ. ৭৫৮)। নির্দিষ্ট বংশগত কারণ জড়িত থাকার মতো পর্যাপ্ত তথ্যও নেই। শৈশবে বাবা বা মায়ের প্রতি আসক্তির তত্ত্ব, যৌন বিকাশের কোনো স্তরে স্থবিরতার তত্ত্ব এবং সমকামিতাকে স্নায়বিক বিকার বা নৈতিক অবক্ষয় হিসেবে ব্যাখ্যা করার মতো বিষয়গুলো বৈজ্ঞানিক গবেষণা দ্বারা সমর্থিত নয়। এগুলো আমাদের নারী ও পুরুষের জীবন ইতিহাসের নির্দিষ্ট তথ্যের বিপরীত।
* স্তন্যপায়ী প্রাণীরা কেবল বিষমকামী কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধ থাকে—এমন ধারণাটি মূলত মানুষের তৈরি দর্শন থেকে এসেছে। এটি স্তন্যপায়ী প্রাণীদের আচরণের সুনির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণের ফসল নয়। যেসব জীববিজ্ঞানী ও মনোবিজ্ঞানী এই মতবাদ গ্রহণ করেছেন যে যৌনতার একমাত্র স্বাভাবিক কাজ বংশবৃদ্ধি, তারা প্রজননহীন যৌন কার্যকলাপের অস্তিত্বকে কেবল উপেক্ষা করেছেন। তারা ধরে নিয়েছেন বিষমকামী প্রতিক্রিয়া প্রাণীর সহজাত ও "প্রবৃত্তিগত" বৈশিষ্ট্য এবং অন্যান্য সব ধরনের যৌন কার্যকলাপ "স্বাভাবিক প্রবৃত্তির" "বিকৃতি"। তবে এই ধরনের ব্যাখ্যাগুলো রহস্যময়। এগুলো যৌন প্রতিক্রিয়ার শারীরতত্ত্ব সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান থেকে উদ্ভূত নয়। এটি তখনই বজায় রাখা সম্ভব যদি কেউ ধরে নেয় যৌন কাজ প্রাণীর দেহের অন্যান্য কাজ নিয়ন্ত্রণকারী শারীরিক প্রক্রিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন।
* স্তন্যপায়ী প্রাণীদের রেকর্ড আমাদের এই বক্তব্যকে নিশ্চিত করে যে যেকোনো প্রাণী যদি কোনো বিশেষ অভিজ্ঞতার দ্বারা খুব বেশি প্রভাবিত না হয়, তবে সে যেকোনো পর্যাপ্ত উদ্দীপনায় সাড়া দিতে সক্ষম। আমাদের মানব প্রজাতির অবাধ অংশগুলোতে এবং ছোট শিশুদের মধ্যে আমরা এটিই দেখতে পাই। বিষমকামী বা সমকামী—এই ধরনের একচেটিয়া পছন্দ ও আচরণের ধরণ কেবল অভিজ্ঞতার মাধ্যমে বা সামাজিক চাপের ফলে আসে। সমাজ ও সংস্কৃতির প্রথা প্রতিফলিত করে মনোবিজ্ঞানী ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা সমকামী কার্যকলাপের উৎস ব্যাখ্যা করার জন্য অনেক সময় ব্যয় করেছেন। কিন্তু যৌন প্রতিক্রিয়ার শারীরতত্ত্ব এবং স্তন্যপায়ী প্রাণীদের আচরণের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে মানুষের নির্দিষ্ট যৌন আচরণের কারণ ব্যাখ্যা করা খুব কঠিন নয়। বরং প্রতিটি ব্যক্তি কেন সব ধরনের যৌন কর্মকাণ্ডে জড়িত নয়, তা ব্যাখ্যা করাই বেশি কঠিন।
=== ''অ্যাবোরশন ইন দ্য ইউনাইটেড স্টেটস, রিপোর্ট অব এ কনফারেন্স স্পনসরড বাই দ্য প্ল্যানড প্যারেন্টহুড ফেডারেশন অব আমেরিকা, ইনক. (১৯৫৮)'' ===
* পুনরাবৃত্তির ঝুঁকি নিয়েও আমি দলটিকে মনে করিয়ে দিতে চাই যে, আমরা সেই গোষ্ঠীর মধ্যেই প্ররোচিত [[গর্ভপাত|গর্ভপাতের]] সর্বোচ্চ হার পেয়েছি যারা সাধারণত সবচেয়ে বেশি [[জন্ম নিরোধক]] ব্যবহার করে।
<ref>''Abortion in the United States, Report of a Conference Sponsored by the Planned Parenthood Federation of America, Inc., at Arden House and The New York Academy of Medicine,'' (1958), Mary Calderone, M.D., editor, Hoeber-Harper, New York, ch. 8, ''Abortion and Contraception'', p. 157. [http://books.google.com/books?id=cfk-AAAAIAAJ&dq=editions%3AhmPv25lHQpYC&focus=searchwithinvolume&q=kinsey+repetitious]</ref>
== আরও দেখুন ==
* [[কিনসে]] (২০০৪ সালের চলচ্চিত্র)
== তথ্যসূত্র ==
{{তথ্যসূত্র তালিকা}}
== বহিঃসংযোগ ==
* {{উইকিপিডিয়া-ইনলাইন}}
* {{কমন্সক্যাট-ইনলাইন}}
* {{উইকিসোর্স-ইনলাইন|Author:Alfred Kinsey}}
* {{উইকিপ্রজাতি-ইনলাইন}}
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:কিনসে, আলফ্রেড}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জীববিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাণীবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অকল্পিত সাহিত্য লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৯৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৬-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:পতঙ্গবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:যৌনতাত্ত্বিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:এলজিবিটি ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাস্তিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:নিউ জার্সির ব্যক্তি]]
cu37oresnpwo2dn5dx9uet2urks2nbb
আলাপ:পিটার আগ্রি
1
12056
73894
2026-04-05T16:13:25Z
Borhan
964
https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026
73894
wikitext
text/x-wiki
{{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}}
s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm
গন্ধ
0
12057
73895
2026-04-05T16:13:28Z
Salil Kumar Mukherjee
39
নতুন পাতা
73895
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:গন্ধ|গন্ধ]]''' হলো এক বা একাধিক উদ্বায়ী রাসায়নিক যৌগের এমন একটি বৈশিষ্ট্য, যা সাধারণত স্বল্প ঘনত্বে থাকে এবং মানুষ ও প্রাণী তাদের ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তা উপলব্ধি করতে পারে। গন্ধ বলতে সুখকর বা অপ্রীতিকর উভয় প্রকার গন্ধকেই বোঝাতে পারে। মনোরম গন্ধকে বলা হয় সুগন্ধি, আর অপ্রীতিকর গন্ধকে বলা হয় দুর্গন্ধ।
== উক্তি ==
* গোলাপ, গোলাপ, শুধু গোলাপের রাশি!<br>গোলাপের রং ছিল অনন্ত আকাশে,<br>গোলাপের গন্ধ ছিল ধরাতে বাতাসে,<br>নারীর অধরে ছিল গোলাপের হাসি॥
** [[প্রমথ চৌধুরী]], অপরাহ্ন, সনেট-পঞ্চাশৎ - প্রমথ চৌধুরী, প্রকাশক- সিদ্ধেশ্বর মেসিন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩
* পৃথিবীর কোনো পথে:নরম ধানের গন্ধ—কল্মীর ঘ্রাণ,<br>হাঁসের পালক, শর, পুকুরের জল, চাঁদা সরপুঁটিদের<br>মৃদু ঘ্রাণ, কিশোরীর চাল-ধোয়া ভিজে হাত—শীত হাতখান,<br>কিশোরের পায়ে-দলা মুথাঘাস,—লাল লাল বটের ফলের<br>ব্যথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতা—এরি মাঝে বাংলার প্রাণ:
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫
* বেড়াইতে বেড়াইতে দেখিল, বাগানের এই নানা রকম সুগন্ধ সুদৃশ্য অপরিচিত পুষ্পবৃক্ষের এক পাশে একটি গোলাপের গাছ, সেই গাছে একটি সুন্দর প্রস্ফুটিত গোলাপ। লাবণ্য সেই গোলাপটি তুলিতে হাত বাড়াইল! এই সময় সহসা কোথা হইতে পূর্ব্বেকার পরীটি আসিয়া বলিলেন, “ইহা তুলিও না, ঐ দেখ কত ধৈর্য্য ফুল ফুটিয়া রহিয়াছে—উহার একটি তোল, গোলাপ অপেক্ষা দেখ ঐ ফুলগুলি কত সুন্দর।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সুবুদ্ধির উপদেশ, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০
* যখন পুকুরে হাঁস সোঁদা জলে শিশিরের গন্ধ শুধু পায়,<br>শামুক গুগলিগুলো প’ড়ে আছে শ্যাওলার মলিন সবুজে,—<br>তখন আমারে যদি পাও নাকো লালশাক-ছাওয়া মাঠে খুঁজে,<br>ঠেস্ দিয়ে ব’সে আর থাকি নাকো যদি বুনো চাল্তার গায়,<br>তাহ’লে জানিও তুমি আসিয়াছে অন্ধকারে মৃত্যুর আহ্বান—
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]]
160fw3a0qsgsavnkj85j00rm7kxvdsv
73915
73895
2026-04-05T18:09:17Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
73915
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:গন্ধ|গন্ধ]]''' হলো এক বা একাধিক উদ্বায়ী রাসায়নিক যৌগের এমন একটি বৈশিষ্ট্য, যা সাধারণত স্বল্প ঘনত্বে থাকে এবং মানুষ ও প্রাণী তাদের ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তা উপলব্ধি করতে পারে। গন্ধ বলতে সুখকর বা অপ্রীতিকর উভয় প্রকার গন্ধকেই বোঝাতে পারে। মনোরম গন্ধকে বলা হয় সুগন্ধি, আর অপ্রীতিকর গন্ধকে বলা হয় দুর্গন্ধ।
== উক্তি ==
* গোলাপ, গোলাপ, শুধু গোলাপের রাশি!<br>গোলাপের রং ছিল অনন্ত আকাশে,<br>গোলাপের গন্ধ ছিল ধরাতে বাতাসে,<br>নারীর অধরে ছিল গোলাপের হাসি॥
** [[প্রমথ চৌধুরী]], অপরাহ্ন, সনেট-পঞ্চাশৎ - প্রমথ চৌধুরী, প্রকাশক- সিদ্ধেশ্বর মেসিন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩
* পৃথিবীর কোনো পথে:নরম ধানের গন্ধ—কল্মীর ঘ্রাণ,<br>হাঁসের পালক, শর, পুকুরের জল, চাঁদা সরপুঁটিদের<br>মৃদু ঘ্রাণ, কিশোরীর চাল-ধোয়া ভিজে হাত—শীত হাতখান,<br>কিশোরের পায়ে-দলা মুথাঘাস,—লাল লাল বটের ফলের<br>ব্যথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতা—এরি মাঝে বাংলার প্রাণ:
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫
* বেড়াইতে বেড়াইতে দেখিল, বাগানের এই নানা রকম সুগন্ধ সুদৃশ্য অপরিচিত পুষ্পবৃক্ষের এক পাশে একটি গোলাপের গাছ, সেই গাছে একটি সুন্দর প্রস্ফুটিত গোলাপ। লাবণ্য সেই গোলাপটি তুলিতে হাত বাড়াইল! এই সময় সহসা কোথা হইতে পূর্ব্বেকার পরীটি আসিয়া বলিলেন, “ইহা তুলিও না, ঐ দেখ কত ধৈর্য্য ফুল ফুটিয়া রহিয়াছে—উহার একটি তোল, গোলাপ অপেক্ষা দেখ ঐ ফুলগুলি কত সুন্দর।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সুবুদ্ধির উপদেশ, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০
* যখন পুকুরে হাঁস সোঁদা জলে শিশিরের গন্ধ শুধু পায়,<br>শামুক গুগলিগুলো প’ড়ে আছে শ্যাওলার মলিন সবুজে,—<br>তখন আমারে যদি পাও নাকো লালশাক-ছাওয়া মাঠে খুঁজে,<br>ঠেস্ দিয়ে ব’সে আর থাকি নাকো যদি বুনো চাল্তার গায়,<br>তাহ’লে জানিও তুমি আসিয়াছে অন্ধকারে মৃত্যুর আহ্বান—
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* হাতে হাত ধ’রে-ধ’রে গোল হ’য়ে ঘুরে-ঘুরে-ঘুরে<br>কার্তিকের মিঠে রোদে আমাদের মুখ যাবে পুড়ে;<br>ফলন্ত ধানের গন্ধে—রঙে তার—স্বাদে তার ভ’রে যাবে আমাদের সকলের দেহ;<br>রাগ কেহ করিবে না—আমাদের দেখে হিংসা করিবে না কেহ। (অবসরের গান)
**[[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]]
0klows6vns8wv0g6bmhzmy77mnfkirn
73916
73915
2026-04-05T18:10:04Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
73916
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:গন্ধ|গন্ধ]]''' হলো এক বা একাধিক উদ্বায়ী রাসায়নিক যৌগের এমন একটি বৈশিষ্ট্য, যা সাধারণত স্বল্প ঘনত্বে থাকে এবং মানুষ ও প্রাণী তাদের ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তা উপলব্ধি করতে পারে। গন্ধ বলতে সুখকর বা অপ্রীতিকর উভয় প্রকার গন্ধকেই বোঝাতে পারে। মনোরম গন্ধকে বলা হয় সুগন্ধি, আর অপ্রীতিকর গন্ধকে বলা হয় দুর্গন্ধ।
== উক্তি ==
* গোলাপ, গোলাপ, শুধু গোলাপের রাশি!<br>গোলাপের রং ছিল অনন্ত আকাশে,<br>গোলাপের গন্ধ ছিল ধরাতে বাতাসে,<br>নারীর অধরে ছিল গোলাপের হাসি॥
** [[প্রমথ চৌধুরী]], অপরাহ্ন, সনেট-পঞ্চাশৎ - প্রমথ চৌধুরী, প্রকাশক- সিদ্ধেশ্বর মেসিন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩
* পৃথিবীর কোনো পথে:নরম ধানের গন্ধ—কল্মীর ঘ্রাণ,<br>হাঁসের পালক, শর, পুকুরের জল, চাঁদা সরপুঁটিদের<br>মৃদু ঘ্রাণ, কিশোরীর চাল-ধোয়া ভিজে হাত—শীত হাতখান,<br>কিশোরের পায়ে-দলা মুথাঘাস,—লাল লাল বটের ফলের<br>ব্যথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতা—এরি মাঝে বাংলার প্রাণ:
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫
* বেড়াইতে বেড়াইতে দেখিল, বাগানের এই নানা রকম সুগন্ধ সুদৃশ্য অপরিচিত পুষ্পবৃক্ষের এক পাশে একটি গোলাপের গাছ, সেই গাছে একটি সুন্দর প্রস্ফুটিত গোলাপ। লাবণ্য সেই গোলাপটি তুলিতে হাত বাড়াইল! এই সময় সহসা কোথা হইতে পূর্ব্বেকার পরীটি আসিয়া বলিলেন, “ইহা তুলিও না, ঐ দেখ কত ধৈর্য্য ফুল ফুটিয়া রহিয়াছে—উহার একটি তোল, গোলাপ অপেক্ষা দেখ ঐ ফুলগুলি কত সুন্দর।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সুবুদ্ধির উপদেশ, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০
* যখন পুকুরে হাঁস সোঁদা জলে শিশিরের গন্ধ শুধু পায়,<br>শামুক গুগলিগুলো প’ড়ে আছে শ্যাওলার মলিন সবুজে,—<br>তখন আমারে যদি পাও নাকো লালশাক-ছাওয়া মাঠে খুঁজে,<br>ঠেস্ দিয়ে ব’সে আর থাকি নাকো যদি বুনো চাল্তার গায়,<br>তাহ’লে জানিও তুমি আসিয়াছে অন্ধকারে মৃত্যুর আহ্বান—
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* হাতে হাত ধ’রে-ধ’রে গোল হ’য়ে ঘুরে-ঘুরে-ঘুরে<br>কার্তিকের মিঠে রোদে আমাদের মুখ যাবে পুড়ে;<br>ফলন্ত ধানের গন্ধে—রঙে তার—স্বাদে তার ভ’রে যাবে আমাদের সকলের দেহ;<br>রাগ কেহ করিবে না—আমাদের দেখে হিংসা করিবে না কেহ। (অবসরের গান)
**[[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতে<br/>অলস গেঁয়োর মতো এইখানে কার্তিকের খেতে;<br/>মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়।
** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]]
i8hg0whh578uvngt7txvehkuyx0wxd7
73917
73916
2026-04-05T18:14:50Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
73917
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:গন্ধ|গন্ধ]]''' হলো এক বা একাধিক উদ্বায়ী রাসায়নিক যৌগের এমন একটি বৈশিষ্ট্য, যা সাধারণত স্বল্প ঘনত্বে থাকে এবং মানুষ ও প্রাণী তাদের ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তা উপলব্ধি করতে পারে। গন্ধ বলতে সুখকর বা অপ্রীতিকর উভয় প্রকার গন্ধকেই বোঝাতে পারে। মনোরম গন্ধকে বলা হয় সুগন্ধি, আর অপ্রীতিকর গন্ধকে বলা হয় দুর্গন্ধ।
== উক্তি ==
* গোলাপ, গোলাপ, শুধু গোলাপের রাশি!<br>গোলাপের রং ছিল অনন্ত আকাশে,<br>গোলাপের গন্ধ ছিল ধরাতে বাতাসে,<br>নারীর অধরে ছিল গোলাপের হাসি॥
** [[প্রমথ চৌধুরী]], অপরাহ্ন, সনেট-পঞ্চাশৎ - প্রমথ চৌধুরী, প্রকাশক- সিদ্ধেশ্বর মেসিন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩
* পৃথিবীর কোনো পথে:নরম ধানের গন্ধ—কল্মীর ঘ্রাণ,<br>হাঁসের পালক, শর, পুকুরের জল, চাঁদা সরপুঁটিদের<br>মৃদু ঘ্রাণ, কিশোরীর চাল-ধোয়া ভিজে হাত—শীত হাতখান,<br>কিশোরের পায়ে-দলা মুথাঘাস,—লাল লাল বটের ফলের<br>ব্যথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতা—এরি মাঝে বাংলার প্রাণ:
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫
* বেড়াইতে বেড়াইতে দেখিল, বাগানের এই নানা রকম সুগন্ধ সুদৃশ্য অপরিচিত পুষ্পবৃক্ষের এক পাশে একটি গোলাপের গাছ, সেই গাছে একটি সুন্দর প্রস্ফুটিত গোলাপ। লাবণ্য সেই গোলাপটি তুলিতে হাত বাড়াইল! এই সময় সহসা কোথা হইতে পূর্ব্বেকার পরীটি আসিয়া বলিলেন, “ইহা তুলিও না, ঐ দেখ কত ধৈর্য্য ফুল ফুটিয়া রহিয়াছে—উহার একটি তোল, গোলাপ অপেক্ষা দেখ ঐ ফুলগুলি কত সুন্দর।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সুবুদ্ধির উপদেশ, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০
* যখন পুকুরে হাঁস সোঁদা জলে শিশিরের গন্ধ শুধু পায়,<br>শামুক গুগলিগুলো প’ড়ে আছে শ্যাওলার মলিন সবুজে,—<br>তখন আমারে যদি পাও নাকো লালশাক-ছাওয়া মাঠে খুঁজে,<br>ঠেস্ দিয়ে ব’সে আর থাকি নাকো যদি বুনো চাল্তার গায়,<br>তাহ’লে জানিও তুমি আসিয়াছে অন্ধকারে মৃত্যুর আহ্বান—
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* ধূপ আপনারে মিলাইতে চাহে গন্ধে,<br>গন্ধ সে চাহে ধূপেরে রহিতে জুড়ে।<br>সুর আপনারে ধরা দিতে চাহে ছন্দে,<br>ছন্দ ফিরিয়া ছুটে যেতে চায় সুরে।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], উৎসর্গ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮-৩৯
* হাতে হাত ধ’রে-ধ’রে গোল হ’য়ে ঘুরে-ঘুরে-ঘুরে<br>কার্তিকের মিঠে রোদে আমাদের মুখ যাবে পুড়ে;<br>ফলন্ত ধানের গন্ধে—রঙে তার—স্বাদে তার ভ’রে যাবে আমাদের সকলের দেহ;<br>রাগ কেহ করিবে না—আমাদের দেখে হিংসা করিবে না কেহ। (অবসরের গান)
**[[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতে<br/>অলস গেঁয়োর মতো এইখানে কার্তিকের খেতে;<br/>মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়।
** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]]
4m4an4uj1kgngkkcm7y8xwcmz7posap
73918
73917
2026-04-05T18:16:11Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
73918
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:গন্ধ|গন্ধ]]''' হলো এক বা একাধিক উদ্বায়ী রাসায়নিক যৌগের এমন একটি বৈশিষ্ট্য, যা সাধারণত স্বল্প ঘনত্বে থাকে এবং মানুষ ও প্রাণী তাদের ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তা উপলব্ধি করতে পারে। গন্ধ বলতে সুখকর বা অপ্রীতিকর উভয় প্রকার গন্ধকেই বোঝাতে পারে। মনোরম গন্ধকে বলা হয় সুগন্ধি, আর অপ্রীতিকর গন্ধকে বলা হয় দুর্গন্ধ।
== উক্তি ==
* গোলাপ, গোলাপ, শুধু গোলাপের রাশি!<br>গোলাপের রং ছিল অনন্ত আকাশে,<br>গোলাপের গন্ধ ছিল ধরাতে বাতাসে,<br>নারীর অধরে ছিল গোলাপের হাসি॥
** [[প্রমথ চৌধুরী]], অপরাহ্ন, সনেট-পঞ্চাশৎ - প্রমথ চৌধুরী, প্রকাশক- সিদ্ধেশ্বর মেসিন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩
* পৃথিবীর কোনো পথে:নরম ধানের গন্ধ—কল্মীর ঘ্রাণ,<br>হাঁসের পালক, শর, পুকুরের জল, চাঁদা সরপুঁটিদের<br>মৃদু ঘ্রাণ, কিশোরীর চাল-ধোয়া ভিজে হাত—শীত হাতখান,<br>কিশোরের পায়ে-দলা মুথাঘাস,—লাল লাল বটের ফলের<br>ব্যথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতা—এরি মাঝে বাংলার প্রাণ:
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫
* বেড়াইতে বেড়াইতে দেখিল, বাগানের এই নানা রকম সুগন্ধ সুদৃশ্য অপরিচিত পুষ্পবৃক্ষের এক পাশে একটি গোলাপের গাছ, সেই গাছে একটি সুন্দর প্রস্ফুটিত গোলাপ। লাবণ্য সেই গোলাপটি তুলিতে হাত বাড়াইল! এই সময় সহসা কোথা হইতে পূর্ব্বেকার পরীটি আসিয়া বলিলেন, “ইহা তুলিও না, ঐ দেখ কত ধৈর্য্য ফুল ফুটিয়া রহিয়াছে—উহার একটি তোল, গোলাপ অপেক্ষা দেখ ঐ ফুলগুলি কত সুন্দর।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সুবুদ্ধির উপদেশ, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০
* যখন পুকুরে হাঁস সোঁদা জলে শিশিরের গন্ধ শুধু পায়,<br>শামুক গুগলিগুলো প’ড়ে আছে শ্যাওলার মলিন সবুজে,—<br>তখন আমারে যদি পাও নাকো লালশাক-ছাওয়া মাঠে খুঁজে,<br>ঠেস্ দিয়ে ব’সে আর থাকি নাকো যদি বুনো চাল্তার গায়,<br>তাহ’লে জানিও তুমি আসিয়াছে অন্ধকারে মৃত্যুর আহ্বান—
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* ধূপ আপনারে মিলাইতে চাহে গন্ধে,<br>গন্ধ সে চাহে ধূপেরে রহিতে জুড়ে।<br>সুর আপনারে ধরা দিতে চাহে ছন্দে,<br>ছন্দ ফিরিয়া ছুটে যেতে চায় সুরে।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], উৎসর্গ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮-৩৯
* হাতে হাত ধ’রে-ধ’রে গোল হ’য়ে ঘুরে-ঘুরে-ঘুরে<br>কার্তিকের মিঠে রোদে আমাদের মুখ যাবে পুড়ে;<br>ফলন্ত ধানের গন্ধে—রঙে তার—স্বাদে তার ভ’রে যাবে আমাদের সকলের দেহ;<br>রাগ কেহ করিবে না—আমাদের দেখে হিংসা করিবে না কেহ। (অবসরের গান)
**[[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* যখন থেকে ফোর্ড কোম্পানী মাটি কাটার কল তৈরী করেছে, সে সময় থেকে পার্বত্য গ্রামেও সোজা পথ, সমান লেভেলে বাড়ি গড়ে উঠেছে। আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান।
** আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯
* শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতে<br/>অলস গেঁয়োর মতো এইখানে কার্তিকের খেতে;<br/>মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়।
** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]]
8gcee5kn81xljgmf64ho131gbcn9ul3
73919
73918
2026-04-05T18:17:36Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
73919
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:গন্ধ|গন্ধ]]''' হলো এক বা একাধিক উদ্বায়ী রাসায়নিক যৌগের এমন একটি বৈশিষ্ট্য, যা সাধারণত স্বল্প ঘনত্বে থাকে এবং মানুষ ও প্রাণী তাদের ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তা উপলব্ধি করতে পারে। গন্ধ বলতে সুখকর বা অপ্রীতিকর উভয় প্রকার গন্ধকেই বোঝাতে পারে। মনোরম গন্ধকে বলা হয় সুগন্ধি, আর অপ্রীতিকর গন্ধকে বলা হয় দুর্গন্ধ।
== উক্তি ==
* গোলাপ, গোলাপ, শুধু গোলাপের রাশি!<br>গোলাপের রং ছিল অনন্ত আকাশে,<br>গোলাপের গন্ধ ছিল ধরাতে বাতাসে,<br>নারীর অধরে ছিল গোলাপের হাসি॥
** [[প্রমথ চৌধুরী]], অপরাহ্ন, সনেট-পঞ্চাশৎ - প্রমথ চৌধুরী, প্রকাশক- সিদ্ধেশ্বর মেসিন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩
* পৃথিবীর কোনো পথে:নরম ধানের গন্ধ—কল্মীর ঘ্রাণ,<br>হাঁসের পালক, শর, পুকুরের জল, চাঁদা সরপুঁটিদের<br>মৃদু ঘ্রাণ, কিশোরীর চাল-ধোয়া ভিজে হাত—শীত হাতখান,<br>কিশোরের পায়ে-দলা মুথাঘাস,—লাল লাল বটের ফলের<br>ব্যথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতা—এরি মাঝে বাংলার প্রাণ:
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫
* বেড়াইতে বেড়াইতে দেখিল, বাগানের এই নানা রকম সুগন্ধ সুদৃশ্য অপরিচিত পুষ্পবৃক্ষের এক পাশে একটি গোলাপের গাছ, সেই গাছে একটি সুন্দর প্রস্ফুটিত গোলাপ। লাবণ্য সেই গোলাপটি তুলিতে হাত বাড়াইল! এই সময় সহসা কোথা হইতে পূর্ব্বেকার পরীটি আসিয়া বলিলেন, “ইহা তুলিও না, ঐ দেখ কত ধৈর্য্য ফুল ফুটিয়া রহিয়াছে—উহার একটি তোল, গোলাপ অপেক্ষা দেখ ঐ ফুলগুলি কত সুন্দর।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সুবুদ্ধির উপদেশ, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০
* যখন পুকুরে হাঁস সোঁদা জলে শিশিরের গন্ধ শুধু পায়,<br>শামুক গুগলিগুলো প’ড়ে আছে শ্যাওলার মলিন সবুজে,—<br>তখন আমারে যদি পাও নাকো লালশাক-ছাওয়া মাঠে খুঁজে,<br>ঠেস্ দিয়ে ব’সে আর থাকি নাকো যদি বুনো চাল্তার গায়,<br>তাহ’লে জানিও তুমি আসিয়াছে অন্ধকারে মৃত্যুর আহ্বান—
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* ধূপ আপনারে মিলাইতে চাহে গন্ধে,<br>গন্ধ সে চাহে ধূপেরে রহিতে জুড়ে।<br>সুর আপনারে ধরা দিতে চাহে ছন্দে,<br>ছন্দ ফিরিয়া ছুটে যেতে চায় সুরে।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], উৎসর্গ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮-৩৯
* হাতে হাত ধ’রে-ধ’রে গোল হ’য়ে ঘুরে-ঘুরে-ঘুরে<br>কার্তিকের মিঠে রোদে আমাদের মুখ যাবে পুড়ে;<br>ফলন্ত ধানের গন্ধে—রঙে তার—স্বাদে তার ভ’রে যাবে আমাদের সকলের দেহ;<br>রাগ কেহ করিবে না—আমাদের দেখে হিংসা করিবে না কেহ। (অবসরের গান)
**[[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* মাঘের রাতে আমের বোলের গন্ধ বহে যায়,<br/>নিশ্বাস তার মেলে না আর তোমার বেদনায়।
**[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/সানাই/দূরবর্তিনী সানাই - দূরবর্তিনী])
* যখন থেকে ফোর্ড কোম্পানী মাটি কাটার কল তৈরী করেছে, সে সময় থেকে পার্বত্য গ্রামেও সোজা পথ, সমান লেভেলে বাড়ি গড়ে উঠেছে। আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান।
** আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯
* শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতে<br/>অলস গেঁয়োর মতো এইখানে কার্তিকের খেতে;<br/>মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়।
** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]]
5d2swoh260m4wrxwfwcuxstyttloszt
73920
73919
2026-04-05T18:20:14Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
73920
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:গন্ধ|গন্ধ]]''' হলো এক বা একাধিক উদ্বায়ী রাসায়নিক যৌগের এমন একটি বৈশিষ্ট্য, যা সাধারণত স্বল্প ঘনত্বে থাকে এবং মানুষ ও প্রাণী তাদের ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তা উপলব্ধি করতে পারে। গন্ধ বলতে সুখকর বা অপ্রীতিকর উভয় প্রকার গন্ধকেই বোঝাতে পারে। মনোরম গন্ধকে বলা হয় সুগন্ধি, আর অপ্রীতিকর গন্ধকে বলা হয় দুর্গন্ধ।
== উক্তি ==
* গোলাপ, গোলাপ, শুধু গোলাপের রাশি!<br>গোলাপের রং ছিল অনন্ত আকাশে,<br>গোলাপের গন্ধ ছিল ধরাতে বাতাসে,<br>নারীর অধরে ছিল গোলাপের হাসি॥
** [[প্রমথ চৌধুরী]], অপরাহ্ন, সনেট-পঞ্চাশৎ - প্রমথ চৌধুরী, প্রকাশক- সিদ্ধেশ্বর মেসিন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩
* ধূপ আপনারে মিলাইতে চাহে গন্ধে,<br>গন্ধ সে চাহে ধূপেরে রহিতে জুড়ে।<br>সুর আপনারে ধরা দিতে চাহে ছন্দে,<br>ছন্দ ফিরিয়া ছুটে যেতে চায় সুরে।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], উৎসর্গ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮-৩৯
* পৃথিবীর কোনো পথে:নরম ধানের গন্ধ—কল্মীর ঘ্রাণ,<br>হাঁসের পালক, শর, পুকুরের জল, চাঁদা সরপুঁটিদের<br>মৃদু ঘ্রাণ, কিশোরীর চাল-ধোয়া ভিজে হাত—শীত হাতখান,<br>কিশোরের পায়ে-দলা মুথাঘাস,—লাল লাল বটের ফলের<br>ব্যথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতা—এরি মাঝে বাংলার প্রাণ:
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫
* বেড়াইতে বেড়াইতে দেখিল, বাগানের এই নানা রকম সুগন্ধ সুদৃশ্য অপরিচিত পুষ্পবৃক্ষের এক পাশে একটি গোলাপের গাছ, সেই গাছে একটি সুন্দর প্রস্ফুটিত গোলাপ। লাবণ্য সেই গোলাপটি তুলিতে হাত বাড়াইল! এই সময় সহসা কোথা হইতে পূর্ব্বেকার পরীটি আসিয়া বলিলেন, “ইহা তুলিও না, ঐ দেখ কত ধৈর্য্য ফুল ফুটিয়া রহিয়াছে—উহার একটি তোল, গোলাপ অপেক্ষা দেখ ঐ ফুলগুলি কত সুন্দর।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সুবুদ্ধির উপদেশ, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০
* যখন পুকুরে হাঁস সোঁদা জলে শিশিরের গন্ধ শুধু পায়,<br>শামুক গুগলিগুলো প’ড়ে আছে শ্যাওলার মলিন সবুজে,—<br>তখন আমারে যদি পাও নাকো লালশাক-ছাওয়া মাঠে খুঁজে,<br>ঠেস্ দিয়ে ব’সে আর থাকি নাকো যদি বুনো চাল্তার গায়,<br>তাহ’লে জানিও তুমি আসিয়াছে অন্ধকারে মৃত্যুর আহ্বান—
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* রুচি অনুসারে একই জিনিষ সুন্দর বা অসুন্দর আস্বাদ দেয়। চীনে বাড়ীতে গিয়ে দেখলেম এক সুন্দর কাচের বাটিতে ছেলেরা শুটকি মাছ খাচ্ছে; বাটিটা সুন্দর লাগলো, আহার্যের গন্ধটা কিন্তু চেনা নয় বলেই আমার নাকে ভারি অসুন্দর ঠেকলো। এই ব্যক্তিগত রুচি অরুচি ইত্যাদির উপরে যে রচনা উঠতে পারলে তাই যথার্থ সুন্দর হয়ে উঠলো।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অসুন্দর, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২১৭-২১৮
* হাতে হাত ধ’রে-ধ’রে গোল হ’য়ে ঘুরে-ঘুরে-ঘুরে<br>কার্তিকের মিঠে রোদে আমাদের মুখ যাবে পুড়ে;<br>ফলন্ত ধানের গন্ধে—রঙে তার—স্বাদে তার ভ’রে যাবে আমাদের সকলের দেহ;<br>রাগ কেহ করিবে না—আমাদের দেখে হিংসা করিবে না কেহ। (অবসরের গান)
**[[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* মাঘের রাতে আমের বোলের গন্ধ বহে যায়,<br/>নিশ্বাস তার মেলে না আর তোমার বেদনায়।
**[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/সানাই/দূরবর্তিনী সানাই - দূরবর্তিনী])
* যখন থেকে ফোর্ড কোম্পানী মাটি কাটার কল তৈরী করেছে, সে সময় থেকে পার্বত্য গ্রামেও সোজা পথ, সমান লেভেলে বাড়ি গড়ে উঠেছে। আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান।
** আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯
* শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতে<br/>অলস গেঁয়োর মতো এইখানে কার্তিকের খেতে;<br/>মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়।
** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]]
j55yev7rpnj9pwey1x4f75unrrix7ck
73921
73920
2026-04-05T18:21:46Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
73921
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:গন্ধ|গন্ধ]]''' হলো এক বা একাধিক উদ্বায়ী রাসায়নিক যৌগের এমন একটি বৈশিষ্ট্য, যা সাধারণত স্বল্প ঘনত্বে থাকে এবং মানুষ ও প্রাণী তাদের ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তা উপলব্ধি করতে পারে। গন্ধ বলতে সুখকর বা অপ্রীতিকর উভয় প্রকার গন্ধকেই বোঝাতে পারে। মনোরম গন্ধকে বলা হয় সুগন্ধি, আর অপ্রীতিকর গন্ধকে বলা হয় দুর্গন্ধ।
== উক্তি ==
* গোলাপ, গোলাপ, শুধু গোলাপের রাশি!<br>গোলাপের রং ছিল অনন্ত আকাশে,<br>গোলাপের গন্ধ ছিল ধরাতে বাতাসে,<br>নারীর অধরে ছিল গোলাপের হাসি॥
** [[প্রমথ চৌধুরী]], অপরাহ্ন, সনেট-পঞ্চাশৎ - প্রমথ চৌধুরী, প্রকাশক- সিদ্ধেশ্বর মেসিন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩
* খাবারওয়ালাকে যদি প্রশ্ন করি—মিষ্টান্নে রং দাও কেন, বিকট বিলিতী গন্ধ দাও কেন, সে উত্তর দেয়, খদ্দের এইরকম রং আর গন্ধ চায় যে। কথাটা পুরােপুরি সত্য নয়। তীব্র কৃত্রিম গন্ধযুক্ত সবুজ রঙের গ্রীন ম্যাংগাে সন্দেশ পছন্দ করে এমন লােক হয়তাে আছে। কিন্তু আসল কথা, খাবারওয়ালা নিজের রুচি আর বুদ্ধি অনুসারে যে রং দেয়, গন্ধ দেয়, অদ্ভুত অদ্ভুত নাম দেয়, ক্রেতা তাতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়ে, মনে করে এই হচ্ছে আধুনিক ফ্যাশন। খাদ্যের স্বাভাবিক বর্ণ গন্ধ স্বাদ অনেকেরই ভাল লাগে, কিন্তু মিষ্টান্নকার তা বােঝে না।
* ধূপ আপনারে মিলাইতে চাহে গন্ধে,<br>গন্ধ সে চাহে ধূপেরে রহিতে জুড়ে।<br>সুর আপনারে ধরা দিতে চাহে ছন্দে,<br>ছন্দ ফিরিয়া ছুটে যেতে চায় সুরে।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], উৎসর্গ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮-৩৯
* পৃথিবীর কোনো পথে:নরম ধানের গন্ধ—কল্মীর ঘ্রাণ,<br>হাঁসের পালক, শর, পুকুরের জল, চাঁদা সরপুঁটিদের<br>মৃদু ঘ্রাণ, কিশোরীর চাল-ধোয়া ভিজে হাত—শীত হাতখান,<br>কিশোরের পায়ে-দলা মুথাঘাস,—লাল লাল বটের ফলের<br>ব্যথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতা—এরি মাঝে বাংলার প্রাণ:
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫
* বেড়াইতে বেড়াইতে দেখিল, বাগানের এই নানা রকম সুগন্ধ সুদৃশ্য অপরিচিত পুষ্পবৃক্ষের এক পাশে একটি গোলাপের গাছ, সেই গাছে একটি সুন্দর প্রস্ফুটিত গোলাপ। লাবণ্য সেই গোলাপটি তুলিতে হাত বাড়াইল! এই সময় সহসা কোথা হইতে পূর্ব্বেকার পরীটি আসিয়া বলিলেন, “ইহা তুলিও না, ঐ দেখ কত ধৈর্য্য ফুল ফুটিয়া রহিয়াছে—উহার একটি তোল, গোলাপ অপেক্ষা দেখ ঐ ফুলগুলি কত সুন্দর।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সুবুদ্ধির উপদেশ, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০
* যখন পুকুরে হাঁস সোঁদা জলে শিশিরের গন্ধ শুধু পায়,<br>শামুক গুগলিগুলো প’ড়ে আছে শ্যাওলার মলিন সবুজে,—<br>তখন আমারে যদি পাও নাকো লালশাক-ছাওয়া মাঠে খুঁজে,<br>ঠেস্ দিয়ে ব’সে আর থাকি নাকো যদি বুনো চাল্তার গায়,<br>তাহ’লে জানিও তুমি আসিয়াছে অন্ধকারে মৃত্যুর আহ্বান—
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* রুচি অনুসারে একই জিনিষ সুন্দর বা অসুন্দর আস্বাদ দেয়। চীনে বাড়ীতে গিয়ে দেখলেম এক সুন্দর কাচের বাটিতে ছেলেরা শুটকি মাছ খাচ্ছে; বাটিটা সুন্দর লাগলো, আহার্যের গন্ধটা কিন্তু চেনা নয় বলেই আমার নাকে ভারি অসুন্দর ঠেকলো। এই ব্যক্তিগত রুচি অরুচি ইত্যাদির উপরে যে রচনা উঠতে পারলে তাই যথার্থ সুন্দর হয়ে উঠলো।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অসুন্দর, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২১৭-২১৮
* হাতে হাত ধ’রে-ধ’রে গোল হ’য়ে ঘুরে-ঘুরে-ঘুরে<br>কার্তিকের মিঠে রোদে আমাদের মুখ যাবে পুড়ে;<br>ফলন্ত ধানের গন্ধে—রঙে তার—স্বাদে তার ভ’রে যাবে আমাদের সকলের দেহ;<br>রাগ কেহ করিবে না—আমাদের দেখে হিংসা করিবে না কেহ। (অবসরের গান)
**[[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* মাঘের রাতে আমের বোলের গন্ধ বহে যায়,<br/>নিশ্বাস তার মেলে না আর তোমার বেদনায়।
**[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/সানাই/দূরবর্তিনী সানাই - দূরবর্তিনী])
* যখন থেকে ফোর্ড কোম্পানী মাটি কাটার কল তৈরী করেছে, সে সময় থেকে পার্বত্য গ্রামেও সোজা পথ, সমান লেভেলে বাড়ি গড়ে উঠেছে। আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান।
** আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯
* শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতে<br/>অলস গেঁয়োর মতো এইখানে কার্তিকের খেতে;<br/>মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়।
** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]]
7whqyvlp7vcduch8xr3ov11gtl3z3yh
73922
73921
2026-04-05T18:22:13Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উদ্ধৃতি যোগ
73922
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:গন্ধ|গন্ধ]]''' হলো এক বা একাধিক উদ্বায়ী রাসায়নিক যৌগের এমন একটি বৈশিষ্ট্য, যা সাধারণত স্বল্প ঘনত্বে থাকে এবং মানুষ ও প্রাণী তাদের ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তা উপলব্ধি করতে পারে। গন্ধ বলতে সুখকর বা অপ্রীতিকর উভয় প্রকার গন্ধকেই বোঝাতে পারে। মনোরম গন্ধকে বলা হয় সুগন্ধি, আর অপ্রীতিকর গন্ধকে বলা হয় দুর্গন্ধ।
== উক্তি ==
* গোলাপ, গোলাপ, শুধু গোলাপের রাশি!<br>গোলাপের রং ছিল অনন্ত আকাশে,<br>গোলাপের গন্ধ ছিল ধরাতে বাতাসে,<br>নারীর অধরে ছিল গোলাপের হাসি॥
** [[প্রমথ চৌধুরী]], অপরাহ্ন, সনেট-পঞ্চাশৎ - প্রমথ চৌধুরী, প্রকাশক- সিদ্ধেশ্বর মেসিন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩
* খাবারওয়ালাকে যদি প্রশ্ন করি—মিষ্টান্নে রং দাও কেন, বিকট বিলিতী গন্ধ দাও কেন, সে উত্তর দেয়, খদ্দের এইরকম রং আর গন্ধ চায় যে। কথাটা পুরােপুরি সত্য নয়। তীব্র কৃত্রিম গন্ধযুক্ত সবুজ রঙের গ্রীন ম্যাংগাে সন্দেশ পছন্দ করে এমন লােক হয়তাে আছে। কিন্তু আসল কথা, খাবারওয়ালা নিজের রুচি আর বুদ্ধি অনুসারে যে রং দেয়, গন্ধ দেয়, অদ্ভুত অদ্ভুত নাম দেয়, ক্রেতা তাতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়ে, মনে করে এই হচ্ছে আধুনিক ফ্যাশন। খাদ্যের স্বাভাবিক বর্ণ গন্ধ স্বাদ অনেকেরই ভাল লাগে, কিন্তু মিষ্টান্নকার তা বােঝে না।
** [[রাজশেখর বসু]], নিসর্গচর্চা, বিচিন্তা - রাজশেখর বসু, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪২-১৪৩
* ধূপ আপনারে মিলাইতে চাহে গন্ধে,<br>গন্ধ সে চাহে ধূপেরে রহিতে জুড়ে।<br>সুর আপনারে ধরা দিতে চাহে ছন্দে,<br>ছন্দ ফিরিয়া ছুটে যেতে চায় সুরে।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], উৎসর্গ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮-৩৯
* পৃথিবীর কোনো পথে:নরম ধানের গন্ধ—কল্মীর ঘ্রাণ,<br>হাঁসের পালক, শর, পুকুরের জল, চাঁদা সরপুঁটিদের<br>মৃদু ঘ্রাণ, কিশোরীর চাল-ধোয়া ভিজে হাত—শীত হাতখান,<br>কিশোরের পায়ে-দলা মুথাঘাস,—লাল লাল বটের ফলের<br>ব্যথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতা—এরি মাঝে বাংলার প্রাণ:
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫
* বেড়াইতে বেড়াইতে দেখিল, বাগানের এই নানা রকম সুগন্ধ সুদৃশ্য অপরিচিত পুষ্পবৃক্ষের এক পাশে একটি গোলাপের গাছ, সেই গাছে একটি সুন্দর প্রস্ফুটিত গোলাপ। লাবণ্য সেই গোলাপটি তুলিতে হাত বাড়াইল! এই সময় সহসা কোথা হইতে পূর্ব্বেকার পরীটি আসিয়া বলিলেন, “ইহা তুলিও না, ঐ দেখ কত ধৈর্য্য ফুল ফুটিয়া রহিয়াছে—উহার একটি তোল, গোলাপ অপেক্ষা দেখ ঐ ফুলগুলি কত সুন্দর।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সুবুদ্ধির উপদেশ, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০
* যখন পুকুরে হাঁস সোঁদা জলে শিশিরের গন্ধ শুধু পায়,<br>শামুক গুগলিগুলো প’ড়ে আছে শ্যাওলার মলিন সবুজে,—<br>তখন আমারে যদি পাও নাকো লালশাক-ছাওয়া মাঠে খুঁজে,<br>ঠেস্ দিয়ে ব’সে আর থাকি নাকো যদি বুনো চাল্তার গায়,<br>তাহ’লে জানিও তুমি আসিয়াছে অন্ধকারে মৃত্যুর আহ্বান—
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* রুচি অনুসারে একই জিনিষ সুন্দর বা অসুন্দর আস্বাদ দেয়। চীনে বাড়ীতে গিয়ে দেখলেম এক সুন্দর কাচের বাটিতে ছেলেরা শুটকি মাছ খাচ্ছে; বাটিটা সুন্দর লাগলো, আহার্যের গন্ধটা কিন্তু চেনা নয় বলেই আমার নাকে ভারি অসুন্দর ঠেকলো। এই ব্যক্তিগত রুচি অরুচি ইত্যাদির উপরে যে রচনা উঠতে পারলে তাই যথার্থ সুন্দর হয়ে উঠলো।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অসুন্দর, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২১৭-২১৮
* হাতে হাত ধ’রে-ধ’রে গোল হ’য়ে ঘুরে-ঘুরে-ঘুরে<br>কার্তিকের মিঠে রোদে আমাদের মুখ যাবে পুড়ে;<br>ফলন্ত ধানের গন্ধে—রঙে তার—স্বাদে তার ভ’রে যাবে আমাদের সকলের দেহ;<br>রাগ কেহ করিবে না—আমাদের দেখে হিংসা করিবে না কেহ। (অবসরের গান)
**[[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* মাঘের রাতে আমের বোলের গন্ধ বহে যায়,<br/>নিশ্বাস তার মেলে না আর তোমার বেদনায়।
**[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/সানাই/দূরবর্তিনী সানাই - দূরবর্তিনী])
* যখন থেকে ফোর্ড কোম্পানী মাটি কাটার কল তৈরী করেছে, সে সময় থেকে পার্বত্য গ্রামেও সোজা পথ, সমান লেভেলে বাড়ি গড়ে উঠেছে। আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান।
** আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯
* শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতে<br/>অলস গেঁয়োর মতো এইখানে কার্তিকের খেতে;<br/>মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়।
** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]]
snz5aj06j6yf457az8jql7tnbfbeaq6
73923
73922
2026-04-05T18:24:49Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
73923
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:গন্ধ|গন্ধ]]''' হলো এক বা একাধিক উদ্বায়ী রাসায়নিক যৌগের এমন একটি বৈশিষ্ট্য, যা সাধারণত স্বল্প ঘনত্বে থাকে এবং মানুষ ও প্রাণী তাদের ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তা উপলব্ধি করতে পারে। গন্ধ বলতে সুখকর বা অপ্রীতিকর উভয় প্রকার গন্ধকেই বোঝাতে পারে। মনোরম গন্ধকে বলা হয় সুগন্ধি, আর অপ্রীতিকর গন্ধকে বলা হয় দুর্গন্ধ।
== উক্তি ==
* গোলাপ, গোলাপ, শুধু গোলাপের রাশি!<br>গোলাপের রং ছিল অনন্ত আকাশে,<br>গোলাপের গন্ধ ছিল ধরাতে বাতাসে,<br>নারীর অধরে ছিল গোলাপের হাসি॥
** [[প্রমথ চৌধুরী]], অপরাহ্ন, সনেট-পঞ্চাশৎ - প্রমথ চৌধুরী, প্রকাশক- সিদ্ধেশ্বর মেসিন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩
* খাবারওয়ালাকে যদি প্রশ্ন করি—মিষ্টান্নে রং দাও কেন, বিকট বিলিতী গন্ধ দাও কেন, সে উত্তর দেয়, খদ্দের এইরকম রং আর গন্ধ চায় যে। কথাটা পুরােপুরি সত্য নয়। তীব্র কৃত্রিম গন্ধযুক্ত সবুজ রঙের গ্রীন ম্যাংগাে সন্দেশ পছন্দ করে এমন লােক হয়তাে আছে। কিন্তু আসল কথা, খাবারওয়ালা নিজের রুচি আর বুদ্ধি অনুসারে যে রং দেয়, গন্ধ দেয়, অদ্ভুত অদ্ভুত নাম দেয়, ক্রেতা তাতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়ে, মনে করে এই হচ্ছে আধুনিক ফ্যাশন। খাদ্যের স্বাভাবিক বর্ণ গন্ধ স্বাদ অনেকেরই ভাল লাগে, কিন্তু মিষ্টান্নকার তা বােঝে না।
** [[রাজশেখর বসু]], নিসর্গচর্চা, বিচিন্তা - রাজশেখর বসু, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪২-১৪৩
* সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন<br>সন্ধ্যা আসে; ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল;<br>পৃথিবীর সব রং নিভে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন<br>তখন গল্পের তরে [[জোনাকি|জোনাকির]] রঙে ঝিলমিল;
** [[:s:জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/বনলতা_সেন|বনলতা সেন]] - [[জীবনানন্দ দাশ]], প্রকাশক- নিউ স্ক্রিপ্ট, কলকাতা, অষ্টম মুদ্রণ: [[অগ্রহায়ণ]] ১৪২৪ (নভেম্বর ২০১৭), পৃষ্ঠা ৯
* ধূপ আপনারে মিলাইতে চাহে গন্ধে,<br>গন্ধ সে চাহে ধূপেরে রহিতে জুড়ে।<br>সুর আপনারে ধরা দিতে চাহে ছন্দে,<br>ছন্দ ফিরিয়া ছুটে যেতে চায় সুরে।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], উৎসর্গ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮-৩৯
* পৃথিবীর কোনো পথে:নরম ধানের গন্ধ—কল্মীর ঘ্রাণ,<br>হাঁসের পালক, শর, পুকুরের জল, চাঁদা সরপুঁটিদের<br>মৃদু ঘ্রাণ, কিশোরীর চাল-ধোয়া ভিজে হাত—শীত হাতখান,<br>কিশোরের পায়ে-দলা মুথাঘাস,—লাল লাল বটের ফলের<br>ব্যথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতা—এরি মাঝে বাংলার প্রাণ:
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫
* বেড়াইতে বেড়াইতে দেখিল, বাগানের এই নানা রকম সুগন্ধ সুদৃশ্য অপরিচিত পুষ্পবৃক্ষের এক পাশে একটি গোলাপের গাছ, সেই গাছে একটি সুন্দর প্রস্ফুটিত গোলাপ। লাবণ্য সেই গোলাপটি তুলিতে হাত বাড়াইল! এই সময় সহসা কোথা হইতে পূর্ব্বেকার পরীটি আসিয়া বলিলেন, “ইহা তুলিও না, ঐ দেখ কত ধৈর্য্য ফুল ফুটিয়া রহিয়াছে—উহার একটি তোল, গোলাপ অপেক্ষা দেখ ঐ ফুলগুলি কত সুন্দর।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সুবুদ্ধির উপদেশ, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০
* যখন পুকুরে হাঁস সোঁদা জলে শিশিরের গন্ধ শুধু পায়,<br>শামুক গুগলিগুলো প’ড়ে আছে শ্যাওলার মলিন সবুজে,—<br>তখন আমারে যদি পাও নাকো লালশাক-ছাওয়া মাঠে খুঁজে,<br>ঠেস্ দিয়ে ব’সে আর থাকি নাকো যদি বুনো চাল্তার গায়,<br>তাহ’লে জানিও তুমি আসিয়াছে অন্ধকারে মৃত্যুর আহ্বান—
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* রুচি অনুসারে একই জিনিষ সুন্দর বা অসুন্দর আস্বাদ দেয়। চীনে বাড়ীতে গিয়ে দেখলেম এক সুন্দর কাচের বাটিতে ছেলেরা শুটকি মাছ খাচ্ছে; বাটিটা সুন্দর লাগলো, আহার্যের গন্ধটা কিন্তু চেনা নয় বলেই আমার নাকে ভারি অসুন্দর ঠেকলো। এই ব্যক্তিগত রুচি অরুচি ইত্যাদির উপরে যে রচনা উঠতে পারলে তাই যথার্থ সুন্দর হয়ে উঠলো।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অসুন্দর, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২১৭-২১৮
* হাতে হাত ধ’রে-ধ’রে গোল হ’য়ে ঘুরে-ঘুরে-ঘুরে<br>কার্তিকের মিঠে রোদে আমাদের মুখ যাবে পুড়ে;<br>ফলন্ত ধানের গন্ধে—রঙে তার—স্বাদে তার ভ’রে যাবে আমাদের সকলের দেহ;<br>রাগ কেহ করিবে না—আমাদের দেখে হিংসা করিবে না কেহ। (অবসরের গান)
**[[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* মাঘের রাতে আমের বোলের গন্ধ বহে যায়,<br/>নিশ্বাস তার মেলে না আর তোমার বেদনায়।
**[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/সানাই/দূরবর্তিনী সানাই - দূরবর্তিনী])
* যখন থেকে ফোর্ড কোম্পানী মাটি কাটার কল তৈরী করেছে, সে সময় থেকে পার্বত্য গ্রামেও সোজা পথ, সমান লেভেলে বাড়ি গড়ে উঠেছে। আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান।
** আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯
* শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতে<br/>অলস গেঁয়োর মতো এইখানে কার্তিকের খেতে;<br/>মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়।
** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]]
a5bg60e4u2vzn6x94jetborxde26jp2
73924
73923
2026-04-05T18:27:42Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
73924
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:গন্ধ|গন্ধ]]''' হলো এক বা একাধিক উদ্বায়ী রাসায়নিক যৌগের এমন একটি বৈশিষ্ট্য, যা সাধারণত স্বল্প ঘনত্বে থাকে এবং মানুষ ও প্রাণী তাদের ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তা উপলব্ধি করতে পারে। গন্ধ বলতে সুখকর বা অপ্রীতিকর উভয় প্রকার গন্ধকেই বোঝাতে পারে। মনোরম গন্ধকে বলা হয় সুগন্ধি, আর অপ্রীতিকর গন্ধকে বলা হয় দুর্গন্ধ।
== উক্তি ==
* গোলাপ, গোলাপ, শুধু গোলাপের রাশি!<br>গোলাপের রং ছিল অনন্ত আকাশে,<br>গোলাপের গন্ধ ছিল ধরাতে বাতাসে,<br>নারীর অধরে ছিল গোলাপের হাসি॥
** [[প্রমথ চৌধুরী]], অপরাহ্ন, সনেট-পঞ্চাশৎ - প্রমথ চৌধুরী, প্রকাশক- সিদ্ধেশ্বর মেসিন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩
* খাবারওয়ালাকে যদি প্রশ্ন করি—মিষ্টান্নে রং দাও কেন, বিকট বিলিতী গন্ধ দাও কেন, সে উত্তর দেয়, খদ্দের এইরকম রং আর গন্ধ চায় যে। কথাটা পুরােপুরি সত্য নয়। তীব্র কৃত্রিম গন্ধযুক্ত সবুজ রঙের গ্রীন ম্যাংগাে সন্দেশ পছন্দ করে এমন লােক হয়তাে আছে। কিন্তু আসল কথা, খাবারওয়ালা নিজের রুচি আর বুদ্ধি অনুসারে যে রং দেয়, গন্ধ দেয়, অদ্ভুত অদ্ভুত নাম দেয়, ক্রেতা তাতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়ে, মনে করে এই হচ্ছে আধুনিক ফ্যাশন। খাদ্যের স্বাভাবিক বর্ণ গন্ধ স্বাদ অনেকেরই ভাল লাগে, কিন্তু মিষ্টান্নকার তা বােঝে না।
** [[রাজশেখর বসু]], নিসর্গচর্চা, বিচিন্তা - রাজশেখর বসু, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪২-১৪৩
* হয়তো বা হাঁস হ’ব—কিশোরীর—ঘুঙুর রহিবে লাল পায়,<br>সারা দিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধ ভরা জলে ভেসে ভেসে;<br>আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে<br>জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়;
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪
* সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন<br>সন্ধ্যা আসে; ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল;<br>পৃথিবীর সব রং নিভে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন<br>তখন গল্পের তরে [[জোনাকি|জোনাকির]] রঙে ঝিলমিল;
** [[:s:জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/বনলতা_সেন|বনলতা সেন]] - [[জীবনানন্দ দাশ]], প্রকাশক- নিউ স্ক্রিপ্ট, কলকাতা, অষ্টম মুদ্রণ: [[অগ্রহায়ণ]] ১৪২৪ (নভেম্বর ২০১৭), পৃষ্ঠা ৯
* ধূপ আপনারে মিলাইতে চাহে গন্ধে,<br>গন্ধ সে চাহে ধূপেরে রহিতে জুড়ে।<br>সুর আপনারে ধরা দিতে চাহে ছন্দে,<br>ছন্দ ফিরিয়া ছুটে যেতে চায় সুরে।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], উৎসর্গ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮-৩৯
* পৃথিবীর কোনো পথে:নরম ধানের গন্ধ—কল্মীর ঘ্রাণ,<br>হাঁসের পালক, শর, পুকুরের জল, চাঁদা সরপুঁটিদের<br>মৃদু ঘ্রাণ, কিশোরীর চাল-ধোয়া ভিজে হাত—শীত হাতখান,<br>কিশোরের পায়ে-দলা মুথাঘাস,—লাল লাল বটের ফলের<br>ব্যথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতা—এরি মাঝে বাংলার প্রাণ:
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫
* বেড়াইতে বেড়াইতে দেখিল, বাগানের এই নানা রকম সুগন্ধ সুদৃশ্য অপরিচিত পুষ্পবৃক্ষের এক পাশে একটি গোলাপের গাছ, সেই গাছে একটি সুন্দর প্রস্ফুটিত গোলাপ। লাবণ্য সেই গোলাপটি তুলিতে হাত বাড়াইল! এই সময় সহসা কোথা হইতে পূর্ব্বেকার পরীটি আসিয়া বলিলেন, “ইহা তুলিও না, ঐ দেখ কত ধৈর্য্য ফুল ফুটিয়া রহিয়াছে—উহার একটি তোল, গোলাপ অপেক্ষা দেখ ঐ ফুলগুলি কত সুন্দর।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সুবুদ্ধির উপদেশ, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০
* যখন পুকুরে হাঁস সোঁদা জলে শিশিরের গন্ধ শুধু পায়,<br>শামুক গুগলিগুলো প’ড়ে আছে শ্যাওলার মলিন সবুজে,—<br>তখন আমারে যদি পাও নাকো লালশাক-ছাওয়া মাঠে খুঁজে,<br>ঠেস্ দিয়ে ব’সে আর থাকি নাকো যদি বুনো চাল্তার গায়,<br>তাহ’লে জানিও তুমি আসিয়াছে অন্ধকারে মৃত্যুর আহ্বান—
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* রুচি অনুসারে একই জিনিষ সুন্দর বা অসুন্দর আস্বাদ দেয়। চীনে বাড়ীতে গিয়ে দেখলেম এক সুন্দর কাচের বাটিতে ছেলেরা শুটকি মাছ খাচ্ছে; বাটিটা সুন্দর লাগলো, আহার্যের গন্ধটা কিন্তু চেনা নয় বলেই আমার নাকে ভারি অসুন্দর ঠেকলো। এই ব্যক্তিগত রুচি অরুচি ইত্যাদির উপরে যে রচনা উঠতে পারলে তাই যথার্থ সুন্দর হয়ে উঠলো।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অসুন্দর, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২১৭-২১৮
* হাতে হাত ধ’রে-ধ’রে গোল হ’য়ে ঘুরে-ঘুরে-ঘুরে<br>কার্তিকের মিঠে রোদে আমাদের মুখ যাবে পুড়ে;<br>ফলন্ত ধানের গন্ধে—রঙে তার—স্বাদে তার ভ’রে যাবে আমাদের সকলের দেহ;<br>রাগ কেহ করিবে না—আমাদের দেখে হিংসা করিবে না কেহ। (অবসরের গান)
**[[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* মাঘের রাতে আমের বোলের গন্ধ বহে যায়,<br/>নিশ্বাস তার মেলে না আর তোমার বেদনায়।
**[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/সানাই/দূরবর্তিনী সানাই - দূরবর্তিনী])
* যখন থেকে ফোর্ড কোম্পানী মাটি কাটার কল তৈরী করেছে, সে সময় থেকে পার্বত্য গ্রামেও সোজা পথ, সমান লেভেলে বাড়ি গড়ে উঠেছে। আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান।
** আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯
* শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতে<br/>অলস গেঁয়োর মতো এইখানে কার্তিকের খেতে;<br/>মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়।
** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]]
opz5c9pvnwbeadzqbfkah15pkrb6nlp
73925
73924
2026-04-05T18:29:23Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
73925
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:গন্ধ|গন্ধ]]''' হলো এক বা একাধিক উদ্বায়ী রাসায়নিক যৌগের এমন একটি বৈশিষ্ট্য, যা সাধারণত স্বল্প ঘনত্বে থাকে এবং মানুষ ও প্রাণী তাদের ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তা উপলব্ধি করতে পারে। গন্ধ বলতে সুখকর বা অপ্রীতিকর উভয় প্রকার গন্ধকেই বোঝাতে পারে। মনোরম গন্ধকে বলা হয় সুগন্ধি, আর অপ্রীতিকর গন্ধকে বলা হয় দুর্গন্ধ।
== উক্তি ==
* গোলাপ, গোলাপ, শুধু গোলাপের রাশি!<br>গোলাপের রং ছিল অনন্ত আকাশে,<br>গোলাপের গন্ধ ছিল ধরাতে বাতাসে,<br>নারীর অধরে ছিল গোলাপের হাসি॥
** [[প্রমথ চৌধুরী]], অপরাহ্ন, সনেট-পঞ্চাশৎ - প্রমথ চৌধুরী, প্রকাশক- সিদ্ধেশ্বর মেসিন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩
* খাবারওয়ালাকে যদি প্রশ্ন করি—মিষ্টান্নে রং দাও কেন, বিকট বিলিতী গন্ধ দাও কেন, সে উত্তর দেয়, খদ্দের এইরকম রং আর গন্ধ চায় যে। কথাটা পুরােপুরি সত্য নয়। তীব্র কৃত্রিম গন্ধযুক্ত সবুজ রঙের গ্রীন ম্যাংগাে সন্দেশ পছন্দ করে এমন লােক হয়তাে আছে। কিন্তু আসল কথা, খাবারওয়ালা নিজের রুচি আর বুদ্ধি অনুসারে যে রং দেয়, গন্ধ দেয়, অদ্ভুত অদ্ভুত নাম দেয়, ক্রেতা তাতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়ে, মনে করে এই হচ্ছে আধুনিক ফ্যাশন। খাদ্যের স্বাভাবিক বর্ণ গন্ধ স্বাদ অনেকেরই ভাল লাগে, কিন্তু মিষ্টান্নকার তা বােঝে না।
** [[রাজশেখর বসু]], নিসর্গচর্চা, বিচিন্তা - রাজশেখর বসু, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪২-১৪৩
* হয়তো বা হাঁস হ’ব—কিশোরীর—ঘুঙুর রহিবে লাল পায়,<br>সারা দিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধ ভরা জলে ভেসে ভেসে;<br>আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে<br>জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়;
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪
* উঠে চারু বাস বায়ু আমোদিয়া<br>ঢলিতে ঢলিতে যায়;<br>চলে প্রাণিগণ মুগ্ধ নব রসে<br>বায়ু, গন্ধে স্নিগ্ধকায়।
** [[হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]], পঞ্চম কল্পনা, আশাকানন- হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৬১
* সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন<br>সন্ধ্যা আসে; ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল;<br>পৃথিবীর সব রং নিভে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন<br>তখন গল্পের তরে [[জোনাকি|জোনাকির]] রঙে ঝিলমিল;
** [[:s:জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/বনলতা_সেন|বনলতা সেন]] - [[জীবনানন্দ দাশ]], প্রকাশক- নিউ স্ক্রিপ্ট, কলকাতা, অষ্টম মুদ্রণ: [[অগ্রহায়ণ]] ১৪২৪ (নভেম্বর ২০১৭), পৃষ্ঠা ৯
* ধূপ আপনারে মিলাইতে চাহে গন্ধে,<br>গন্ধ সে চাহে ধূপেরে রহিতে জুড়ে।<br>সুর আপনারে ধরা দিতে চাহে ছন্দে,<br>ছন্দ ফিরিয়া ছুটে যেতে চায় সুরে।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], উৎসর্গ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮-৩৯
* পৃথিবীর কোনো পথে:নরম ধানের গন্ধ—কল্মীর ঘ্রাণ,<br>হাঁসের পালক, শর, পুকুরের জল, চাঁদা সরপুঁটিদের<br>মৃদু ঘ্রাণ, কিশোরীর চাল-ধোয়া ভিজে হাত—শীত হাতখান,<br>কিশোরের পায়ে-দলা মুথাঘাস,—লাল লাল বটের ফলের<br>ব্যথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতা—এরি মাঝে বাংলার প্রাণ:
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫
* বেড়াইতে বেড়াইতে দেখিল, বাগানের এই নানা রকম সুগন্ধ সুদৃশ্য অপরিচিত পুষ্পবৃক্ষের এক পাশে একটি গোলাপের গাছ, সেই গাছে একটি সুন্দর প্রস্ফুটিত গোলাপ। লাবণ্য সেই গোলাপটি তুলিতে হাত বাড়াইল! এই সময় সহসা কোথা হইতে পূর্ব্বেকার পরীটি আসিয়া বলিলেন, “ইহা তুলিও না, ঐ দেখ কত ধৈর্য্য ফুল ফুটিয়া রহিয়াছে—উহার একটি তোল, গোলাপ অপেক্ষা দেখ ঐ ফুলগুলি কত সুন্দর।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সুবুদ্ধির উপদেশ, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০
* যখন পুকুরে হাঁস সোঁদা জলে শিশিরের গন্ধ শুধু পায়,<br>শামুক গুগলিগুলো প’ড়ে আছে শ্যাওলার মলিন সবুজে,—<br>তখন আমারে যদি পাও নাকো লালশাক-ছাওয়া মাঠে খুঁজে,<br>ঠেস্ দিয়ে ব’সে আর থাকি নাকো যদি বুনো চাল্তার গায়,<br>তাহ’লে জানিও তুমি আসিয়াছে অন্ধকারে মৃত্যুর আহ্বান—
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* রুচি অনুসারে একই জিনিষ সুন্দর বা অসুন্দর আস্বাদ দেয়। চীনে বাড়ীতে গিয়ে দেখলেম এক সুন্দর কাচের বাটিতে ছেলেরা শুটকি মাছ খাচ্ছে; বাটিটা সুন্দর লাগলো, আহার্যের গন্ধটা কিন্তু চেনা নয় বলেই আমার নাকে ভারি অসুন্দর ঠেকলো। এই ব্যক্তিগত রুচি অরুচি ইত্যাদির উপরে যে রচনা উঠতে পারলে তাই যথার্থ সুন্দর হয়ে উঠলো।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অসুন্দর, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২১৭-২১৮
* হাতে হাত ধ’রে-ধ’রে গোল হ’য়ে ঘুরে-ঘুরে-ঘুরে<br>কার্তিকের মিঠে রোদে আমাদের মুখ যাবে পুড়ে;<br>ফলন্ত ধানের গন্ধে—রঙে তার—স্বাদে তার ভ’রে যাবে আমাদের সকলের দেহ;<br>রাগ কেহ করিবে না—আমাদের দেখে হিংসা করিবে না কেহ। (অবসরের গান)
**[[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* মাঘের রাতে আমের বোলের গন্ধ বহে যায়,<br/>নিশ্বাস তার মেলে না আর তোমার বেদনায়।
**[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/সানাই/দূরবর্তিনী সানাই - দূরবর্তিনী])
* যখন থেকে ফোর্ড কোম্পানী মাটি কাটার কল তৈরী করেছে, সে সময় থেকে পার্বত্য গ্রামেও সোজা পথ, সমান লেভেলে বাড়ি গড়ে উঠেছে। আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান।
** আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯
* শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতে<br/>অলস গেঁয়োর মতো এইখানে কার্তিকের খেতে;<br/>মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়।
** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]]
musf5iorj4n55au6bwky01jkqt0jszz
73926
73925
2026-04-05T18:31:13Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
73926
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:গন্ধ|গন্ধ]]''' হলো এক বা একাধিক উদ্বায়ী রাসায়নিক যৌগের এমন একটি বৈশিষ্ট্য, যা সাধারণত স্বল্প ঘনত্বে থাকে এবং মানুষ ও প্রাণী তাদের ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তা উপলব্ধি করতে পারে। গন্ধ বলতে সুখকর বা অপ্রীতিকর উভয় প্রকার গন্ধকেই বোঝাতে পারে। মনোরম গন্ধকে বলা হয় সুগন্ধি, আর অপ্রীতিকর গন্ধকে বলা হয় দুর্গন্ধ।
== উক্তি ==
* গোলাপ, গোলাপ, শুধু গোলাপের রাশি!<br>গোলাপের রং ছিল অনন্ত আকাশে,<br>গোলাপের গন্ধ ছিল ধরাতে বাতাসে,<br>নারীর অধরে ছিল গোলাপের হাসি॥
** [[প্রমথ চৌধুরী]], অপরাহ্ন, সনেট-পঞ্চাশৎ - প্রমথ চৌধুরী, প্রকাশক- সিদ্ধেশ্বর মেসিন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩
* খাবারওয়ালাকে যদি প্রশ্ন করি—মিষ্টান্নে রং দাও কেন, বিকট বিলিতী গন্ধ দাও কেন, সে উত্তর দেয়, খদ্দের এইরকম রং আর গন্ধ চায় যে। কথাটা পুরােপুরি সত্য নয়। তীব্র কৃত্রিম গন্ধযুক্ত সবুজ রঙের গ্রীন ম্যাংগাে সন্দেশ পছন্দ করে এমন লােক হয়তাে আছে। কিন্তু আসল কথা, খাবারওয়ালা নিজের রুচি আর বুদ্ধি অনুসারে যে রং দেয়, গন্ধ দেয়, অদ্ভুত অদ্ভুত নাম দেয়, ক্রেতা তাতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়ে, মনে করে এই হচ্ছে আধুনিক ফ্যাশন। খাদ্যের স্বাভাবিক বর্ণ গন্ধ স্বাদ অনেকেরই ভাল লাগে, কিন্তু মিষ্টান্নকার তা বােঝে না।
** [[রাজশেখর বসু]], নিসর্গচর্চা, বিচিন্তা - রাজশেখর বসু, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪২-১৪৩
* হয়তো বা হাঁস হ’ব—কিশোরীর—ঘুঙুর রহিবে লাল পায়,<br>সারা দিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধ ভরা জলে ভেসে ভেসে;<br>আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে<br>জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়;
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪
* উঠে চারু বাস বায়ু আমোদিয়া<br>ঢলিতে ঢলিতে যায়;<br>চলে প্রাণিগণ মুগ্ধ নব রসে<br>বায়ু, গন্ধে স্নিগ্ধকায়।
** [[হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]], পঞ্চম কল্পনা, আশাকানন- হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৬১
* সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন<br>সন্ধ্যা আসে; ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল;<br>পৃথিবীর সব রং নিভে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন<br>তখন গল্পের তরে [[জোনাকি|জোনাকির]] রঙে ঝিলমিল;
** [[:s:জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/বনলতা_সেন|বনলতা সেন]] - [[জীবনানন্দ দাশ]], প্রকাশক- নিউ স্ক্রিপ্ট, কলকাতা, অষ্টম মুদ্রণ: [[অগ্রহায়ণ]] ১৪২৪ (নভেম্বর ২০১৭), পৃষ্ঠা ৯
* ধূপ আপনারে মিলাইতে চাহে গন্ধে,<br>গন্ধ সে চাহে ধূপেরে রহিতে জুড়ে।<br>সুর আপনারে ধরা দিতে চাহে ছন্দে,<br>ছন্দ ফিরিয়া ছুটে যেতে চায় সুরে।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], উৎসর্গ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮-৩৯
* পৃথিবীর কোনো পথে:নরম ধানের গন্ধ—কল্মীর ঘ্রাণ,<br>হাঁসের পালক, শর, পুকুরের জল, চাঁদা সরপুঁটিদের<br>মৃদু ঘ্রাণ, কিশোরীর চাল-ধোয়া ভিজে হাত—শীত হাতখান,<br>কিশোরের পায়ে-দলা মুথাঘাস,—লাল লাল বটের ফলের<br>ব্যথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতা—এরি মাঝে বাংলার প্রাণ:
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫
* বেড়াইতে বেড়াইতে দেখিল, বাগানের এই নানা রকম সুগন্ধ সুদৃশ্য অপরিচিত পুষ্পবৃক্ষের এক পাশে একটি গোলাপের গাছ, সেই গাছে একটি সুন্দর প্রস্ফুটিত গোলাপ। লাবণ্য সেই গোলাপটি তুলিতে হাত বাড়াইল! এই সময় সহসা কোথা হইতে পূর্ব্বেকার পরীটি আসিয়া বলিলেন, “ইহা তুলিও না, ঐ দেখ কত ধৈর্য্য ফুল ফুটিয়া রহিয়াছে—উহার একটি তোল, গোলাপ অপেক্ষা দেখ ঐ ফুলগুলি কত সুন্দর।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সুবুদ্ধির উপদেশ, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০
* যখন পুকুরে হাঁস সোঁদা জলে শিশিরের গন্ধ শুধু পায়,<br>শামুক গুগলিগুলো প’ড়ে আছে শ্যাওলার মলিন সবুজে,—<br>তখন আমারে যদি পাও নাকো লালশাক-ছাওয়া মাঠে খুঁজে,<br>ঠেস্ দিয়ে ব’সে আর থাকি নাকো যদি বুনো চাল্তার গায়,<br>তাহ’লে জানিও তুমি আসিয়াছে অন্ধকারে মৃত্যুর আহ্বান—
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* রুচি অনুসারে একই জিনিষ সুন্দর বা অসুন্দর আস্বাদ দেয়। চীনে বাড়ীতে গিয়ে দেখলেম এক সুন্দর কাচের বাটিতে ছেলেরা শুটকি মাছ খাচ্ছে; বাটিটা সুন্দর লাগলো, আহার্যের গন্ধটা কিন্তু চেনা নয় বলেই আমার নাকে ভারি অসুন্দর ঠেকলো। এই ব্যক্তিগত রুচি অরুচি ইত্যাদির উপরে যে রচনা উঠতে পারলে তাই যথার্থ সুন্দর হয়ে উঠলো।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অসুন্দর, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২১৭-২১৮
* হাতে হাত ধ’রে-ধ’রে গোল হ’য়ে ঘুরে-ঘুরে-ঘুরে<br>কার্তিকের মিঠে রোদে আমাদের মুখ যাবে পুড়ে;<br>ফলন্ত ধানের গন্ধে—রঙে তার—স্বাদে তার ভ’রে যাবে আমাদের সকলের দেহ;<br>রাগ কেহ করিবে না—আমাদের দেখে হিংসা করিবে না কেহ। (অবসরের গান)
**[[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* মাঘের রাতে আমের বোলের গন্ধ বহে যায়,<br/>নিশ্বাস তার মেলে না আর তোমার বেদনায়।
**[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/সানাই/দূরবর্তিনী সানাই - দূরবর্তিনী])
* যখন থেকে ফোর্ড কোম্পানী মাটি কাটার কল তৈরী করেছে, সে সময় থেকে পার্বত্য গ্রামেও সোজা পথ, সমান লেভেলে বাড়ি গড়ে উঠেছে। আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান।
** আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯
* শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতে<br/>অলস গেঁয়োর মতো এইখানে কার্তিকের খেতে;<br/>মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়।
** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* বায়ু বহে মৃদু মন্দ, মধুর চাঁপার গন্ধ<br>পাতার বিতান হতে আসে ভেসে ভেসে।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সন্ধ্যা, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৩
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]]
1jm18r6p9yif7dlo0urusie5z83nnod
73927
73926
2026-04-05T18:32:53Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
73927
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:গন্ধ|গন্ধ]]''' হলো এক বা একাধিক উদ্বায়ী রাসায়নিক যৌগের এমন একটি বৈশিষ্ট্য, যা সাধারণত স্বল্প ঘনত্বে থাকে এবং মানুষ ও প্রাণী তাদের ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তা উপলব্ধি করতে পারে। গন্ধ বলতে সুখকর বা অপ্রীতিকর উভয় প্রকার গন্ধকেই বোঝাতে পারে। মনোরম গন্ধকে বলা হয় সুগন্ধি, আর অপ্রীতিকর গন্ধকে বলা হয় দুর্গন্ধ।
== উক্তি ==
* গোলাপ, গোলাপ, শুধু গোলাপের রাশি!<br>গোলাপের রং ছিল অনন্ত আকাশে,<br>গোলাপের গন্ধ ছিল ধরাতে বাতাসে,<br>নারীর অধরে ছিল গোলাপের হাসি॥
** [[প্রমথ চৌধুরী]], অপরাহ্ন, সনেট-পঞ্চাশৎ - প্রমথ চৌধুরী, প্রকাশক- সিদ্ধেশ্বর মেসিন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩
* খাবারওয়ালাকে যদি প্রশ্ন করি—মিষ্টান্নে রং দাও কেন, বিকট বিলিতী গন্ধ দাও কেন, সে উত্তর দেয়, খদ্দের এইরকম রং আর গন্ধ চায় যে। কথাটা পুরােপুরি সত্য নয়। তীব্র কৃত্রিম গন্ধযুক্ত সবুজ রঙের গ্রীন ম্যাংগাে সন্দেশ পছন্দ করে এমন লােক হয়তাে আছে। কিন্তু আসল কথা, খাবারওয়ালা নিজের রুচি আর বুদ্ধি অনুসারে যে রং দেয়, গন্ধ দেয়, অদ্ভুত অদ্ভুত নাম দেয়, ক্রেতা তাতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়ে, মনে করে এই হচ্ছে আধুনিক ফ্যাশন। খাদ্যের স্বাভাবিক বর্ণ গন্ধ স্বাদ অনেকেরই ভাল লাগে, কিন্তু মিষ্টান্নকার তা বােঝে না।
** [[রাজশেখর বসু]], নিসর্গচর্চা, বিচিন্তা - রাজশেখর বসু, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪২-১৪৩
* হয়তো বা হাঁস হ’ব—কিশোরীর—ঘুঙুর রহিবে লাল পায়,<br>সারা দিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধ ভরা জলে ভেসে ভেসে;<br>আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে<br>জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়;
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪
* উঠে চারু বাস বায়ু আমোদিয়া<br>ঢলিতে ঢলিতে যায়;<br>চলে প্রাণিগণ মুগ্ধ নব রসে<br>বায়ু, গন্ধে স্নিগ্ধকায়।
** [[হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]], পঞ্চম কল্পনা, আশাকানন- হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৬১
* সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন<br>সন্ধ্যা আসে; ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল;<br>পৃথিবীর সব রং নিভে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন<br>তখন গল্পের তরে [[জোনাকি|জোনাকির]] রঙে ঝিলমিল;
** [[:s:জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/বনলতা_সেন|বনলতা সেন]] - [[জীবনানন্দ দাশ]], প্রকাশক- নিউ স্ক্রিপ্ট, কলকাতা, অষ্টম মুদ্রণ: [[অগ্রহায়ণ]] ১৪২৪ (নভেম্বর ২০১৭), পৃষ্ঠা ৯
* ধূপ আপনারে মিলাইতে চাহে গন্ধে,<br>গন্ধ সে চাহে ধূপেরে রহিতে জুড়ে।<br>সুর আপনারে ধরা দিতে চাহে ছন্দে,<br>ছন্দ ফিরিয়া ছুটে যেতে চায় সুরে।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], উৎসর্গ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮-৩৯
* পৃথিবীর কোনো পথে:নরম ধানের গন্ধ—কল্মীর ঘ্রাণ,<br>হাঁসের পালক, শর, পুকুরের জল, চাঁদা সরপুঁটিদের<br>মৃদু ঘ্রাণ, কিশোরীর চাল-ধোয়া ভিজে হাত—শীত হাতখান,<br>কিশোরের পায়ে-দলা মুথাঘাস,—লাল লাল বটের ফলের<br>ব্যথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতা—এরি মাঝে বাংলার প্রাণ:
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫
* বেড়াইতে বেড়াইতে দেখিল, বাগানের এই নানা রকম সুগন্ধ সুদৃশ্য অপরিচিত পুষ্পবৃক্ষের এক পাশে একটি গোলাপের গাছ, সেই গাছে একটি সুন্দর প্রস্ফুটিত গোলাপ। লাবণ্য সেই গোলাপটি তুলিতে হাত বাড়াইল! এই সময় সহসা কোথা হইতে পূর্ব্বেকার পরীটি আসিয়া বলিলেন, “ইহা তুলিও না, ঐ দেখ কত ধৈর্য্য ফুল ফুটিয়া রহিয়াছে—উহার একটি তোল, গোলাপ অপেক্ষা দেখ ঐ ফুলগুলি কত সুন্দর।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সুবুদ্ধির উপদেশ, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০
* যখন পুকুরে হাঁস সোঁদা জলে শিশিরের গন্ধ শুধু পায়,<br>শামুক গুগলিগুলো প’ড়ে আছে শ্যাওলার মলিন সবুজে,—<br>তখন আমারে যদি পাও নাকো লালশাক-ছাওয়া মাঠে খুঁজে,<br>ঠেস্ দিয়ে ব’সে আর থাকি নাকো যদি বুনো চাল্তার গায়,<br>তাহ’লে জানিও তুমি আসিয়াছে অন্ধকারে মৃত্যুর আহ্বান—
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* রুচি অনুসারে একই জিনিষ সুন্দর বা অসুন্দর আস্বাদ দেয়। চীনে বাড়ীতে গিয়ে দেখলেম এক সুন্দর কাচের বাটিতে ছেলেরা শুটকি মাছ খাচ্ছে; বাটিটা সুন্দর লাগলো, আহার্যের গন্ধটা কিন্তু চেনা নয় বলেই আমার নাকে ভারি অসুন্দর ঠেকলো। এই ব্যক্তিগত রুচি অরুচি ইত্যাদির উপরে যে রচনা উঠতে পারলে তাই যথার্থ সুন্দর হয়ে উঠলো।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অসুন্দর, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২১৭-২১৮
* হাতে হাত ধ’রে-ধ’রে গোল হ’য়ে ঘুরে-ঘুরে-ঘুরে<br>কার্তিকের মিঠে রোদে আমাদের মুখ যাবে পুড়ে;<br>ফলন্ত ধানের গন্ধে—রঙে তার—স্বাদে তার ভ’রে যাবে আমাদের সকলের দেহ;<br>রাগ কেহ করিবে না—আমাদের দেখে হিংসা করিবে না কেহ। (অবসরের গান)
**[[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* মাঘের রাতে আমের বোলের গন্ধ বহে যায়,<br/>নিশ্বাস তার মেলে না আর তোমার বেদনায়।
**[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/সানাই/দূরবর্তিনী সানাই - দূরবর্তিনী])
* যখন থেকে ফোর্ড কোম্পানী মাটি কাটার কল তৈরী করেছে, সে সময় থেকে পার্বত্য গ্রামেও সোজা পথ, সমান লেভেলে বাড়ি গড়ে উঠেছে। আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান।
** আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯
* অন্ধ [[মেয়ে]] দেখছে না তা— নাই-বা যদি দেখে—<br/>শীতল মিঠা বাদল হাওয়া যায় যে তারে ডেকে!<br/>শুনছে সে যে পাখির ডাকে হরষ কোলাকুলি<br/>মিষ্ট ঘাসের গন্ধে তারও প্রাণ গিয়েছে ভুলি!<br/>দুঃখ সুখের ছন্দে ভরা জগৎ তারও আছে,<br/>তারও আঁধার জগৎখানি মধুর তারি কাছে।
** ''অন্ধ মেয়ে'', সুকুমার সমগ্র রচনাবলী, প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯
* শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতে<br/>অলস গেঁয়োর মতো এইখানে কার্তিকের খেতে;<br/>মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়।
** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* বায়ু বহে মৃদু মন্দ, মধুর চাঁপার গন্ধ<br>পাতার বিতান হতে আসে ভেসে ভেসে।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সন্ধ্যা, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৩
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]]
koeysynu6skw739kutzzxb33913fi90
73929
73927
2026-04-05T18:35:29Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
73929
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:গন্ধ|গন্ধ]]''' হলো এক বা একাধিক উদ্বায়ী রাসায়নিক যৌগের এমন একটি বৈশিষ্ট্য, যা সাধারণত স্বল্প ঘনত্বে থাকে এবং মানুষ ও প্রাণী তাদের ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তা উপলব্ধি করতে পারে। গন্ধ বলতে সুখকর বা অপ্রীতিকর উভয় প্রকার গন্ধকেই বোঝাতে পারে। মনোরম গন্ধকে বলা হয় সুগন্ধি, আর অপ্রীতিকর গন্ধকে বলা হয় দুর্গন্ধ।
== উক্তি ==
* গোলাপ, গোলাপ, শুধু গোলাপের রাশি!<br>গোলাপের রং ছিল অনন্ত আকাশে,<br>গোলাপের গন্ধ ছিল ধরাতে বাতাসে,<br>নারীর অধরে ছিল গোলাপের হাসি॥
** [[প্রমথ চৌধুরী]], অপরাহ্ন, সনেট-পঞ্চাশৎ - প্রমথ চৌধুরী, প্রকাশক- সিদ্ধেশ্বর মেসিন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩
* খাবারওয়ালাকে যদি প্রশ্ন করি—মিষ্টান্নে রং দাও কেন, বিকট বিলিতী গন্ধ দাও কেন, সে উত্তর দেয়, খদ্দের এইরকম রং আর গন্ধ চায় যে। কথাটা পুরােপুরি সত্য নয়। তীব্র কৃত্রিম গন্ধযুক্ত সবুজ রঙের গ্রীন ম্যাংগাে সন্দেশ পছন্দ করে এমন লােক হয়তাে আছে। কিন্তু আসল কথা, খাবারওয়ালা নিজের রুচি আর বুদ্ধি অনুসারে যে রং দেয়, গন্ধ দেয়, অদ্ভুত অদ্ভুত নাম দেয়, ক্রেতা তাতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়ে, মনে করে এই হচ্ছে আধুনিক ফ্যাশন। খাদ্যের স্বাভাবিক বর্ণ গন্ধ স্বাদ অনেকেরই ভাল লাগে, কিন্তু মিষ্টান্নকার তা বােঝে না।
** [[রাজশেখর বসু]], নিসর্গচর্চা, বিচিন্তা - রাজশেখর বসু, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪২-১৪৩
* হয়তো বা হাঁস হ’ব—কিশোরীর—ঘুঙুর রহিবে লাল পায়,<br>সারা দিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধ ভরা জলে ভেসে ভেসে;<br>আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে<br>জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়;
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪
* উঠে চারু বাস বায়ু আমোদিয়া<br>ঢলিতে ঢলিতে যায়;<br>চলে প্রাণিগণ মুগ্ধ নব রসে<br>বায়ু, গন্ধে স্নিগ্ধকায়।
** [[হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]], পঞ্চম কল্পনা, আশাকানন- হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৬১
* যেমন ফুল নাড়তে-চাড়তে ঘ্রাণ বের হয়, চন্দন ঘষতে ঘষতে গন্ধ বের হয়, তেমনি ভগবৎতত্ত্বের আলোচনা করতে করতে তত্ত্বজ্ঞানের উদয় হয়।
** [[সারদা দেবী]], শ্রীমা সারদা দেবী - স্বামী গম্ভীরানন্দ, প্রকাশক- উদ্বোধন কার্য্যালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৭৫-৩৭৬
* সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন<br>সন্ধ্যা আসে; ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল;<br>পৃথিবীর সব রং নিভে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন<br>তখন গল্পের তরে [[জোনাকি|জোনাকির]] রঙে ঝিলমিল;
** [[:s:জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/বনলতা_সেন|বনলতা সেন]] - [[জীবনানন্দ দাশ]], প্রকাশক- নিউ স্ক্রিপ্ট, কলকাতা, অষ্টম মুদ্রণ: [[অগ্রহায়ণ]] ১৪২৪ (নভেম্বর ২০১৭), পৃষ্ঠা ৯
* ধূপ আপনারে মিলাইতে চাহে গন্ধে,<br>গন্ধ সে চাহে ধূপেরে রহিতে জুড়ে।<br>সুর আপনারে ধরা দিতে চাহে ছন্দে,<br>ছন্দ ফিরিয়া ছুটে যেতে চায় সুরে।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], উৎসর্গ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮-৩৯
* পৃথিবীর কোনো পথে:নরম ধানের গন্ধ—কল্মীর ঘ্রাণ,<br>হাঁসের পালক, শর, পুকুরের জল, চাঁদা সরপুঁটিদের<br>মৃদু ঘ্রাণ, কিশোরীর চাল-ধোয়া ভিজে হাত—শীত হাতখান,<br>কিশোরের পায়ে-দলা মুথাঘাস,—লাল লাল বটের ফলের<br>ব্যথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতা—এরি মাঝে বাংলার প্রাণ:
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫
* বেড়াইতে বেড়াইতে দেখিল, বাগানের এই নানা রকম সুগন্ধ সুদৃশ্য অপরিচিত পুষ্পবৃক্ষের এক পাশে একটি গোলাপের গাছ, সেই গাছে একটি সুন্দর প্রস্ফুটিত গোলাপ। লাবণ্য সেই গোলাপটি তুলিতে হাত বাড়াইল! এই সময় সহসা কোথা হইতে পূর্ব্বেকার পরীটি আসিয়া বলিলেন, “ইহা তুলিও না, ঐ দেখ কত ধৈর্য্য ফুল ফুটিয়া রহিয়াছে—উহার একটি তোল, গোলাপ অপেক্ষা দেখ ঐ ফুলগুলি কত সুন্দর।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সুবুদ্ধির উপদেশ, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০
* যখন পুকুরে হাঁস সোঁদা জলে শিশিরের গন্ধ শুধু পায়,<br>শামুক গুগলিগুলো প’ড়ে আছে শ্যাওলার মলিন সবুজে,—<br>তখন আমারে যদি পাও নাকো লালশাক-ছাওয়া মাঠে খুঁজে,<br>ঠেস্ দিয়ে ব’সে আর থাকি নাকো যদি বুনো চাল্তার গায়,<br>তাহ’লে জানিও তুমি আসিয়াছে অন্ধকারে মৃত্যুর আহ্বান—
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* রুচি অনুসারে একই জিনিষ সুন্দর বা অসুন্দর আস্বাদ দেয়। চীনে বাড়ীতে গিয়ে দেখলেম এক সুন্দর কাচের বাটিতে ছেলেরা শুটকি মাছ খাচ্ছে; বাটিটা সুন্দর লাগলো, আহার্যের গন্ধটা কিন্তু চেনা নয় বলেই আমার নাকে ভারি অসুন্দর ঠেকলো। এই ব্যক্তিগত রুচি অরুচি ইত্যাদির উপরে যে রচনা উঠতে পারলে তাই যথার্থ সুন্দর হয়ে উঠলো।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অসুন্দর, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২১৭-২১৮
* হাতে হাত ধ’রে-ধ’রে গোল হ’য়ে ঘুরে-ঘুরে-ঘুরে<br>কার্তিকের মিঠে রোদে আমাদের মুখ যাবে পুড়ে;<br>ফলন্ত ধানের গন্ধে—রঙে তার—স্বাদে তার ভ’রে যাবে আমাদের সকলের দেহ;<br>রাগ কেহ করিবে না—আমাদের দেখে হিংসা করিবে না কেহ। (অবসরের গান)
**[[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* মাঘের রাতে আমের বোলের গন্ধ বহে যায়,<br/>নিশ্বাস তার মেলে না আর তোমার বেদনায়।
**[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/সানাই/দূরবর্তিনী সানাই - দূরবর্তিনী])
* যখন থেকে ফোর্ড কোম্পানী মাটি কাটার কল তৈরী করেছে, সে সময় থেকে পার্বত্য গ্রামেও সোজা পথ, সমান লেভেলে বাড়ি গড়ে উঠেছে। আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান।
** আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯
* অন্ধ [[মেয়ে]] দেখছে না তা— নাই-বা যদি দেখে—<br/>শীতল মিঠা বাদল হাওয়া যায় যে তারে ডেকে!<br/>শুনছে সে যে পাখির ডাকে হরষ কোলাকুলি<br/>মিষ্ট ঘাসের গন্ধে তারও প্রাণ গিয়েছে ভুলি!<br/>দুঃখ সুখের ছন্দে ভরা জগৎ তারও আছে,<br/>তারও আঁধার জগৎখানি মধুর তারি কাছে।
** ''অন্ধ মেয়ে'', সুকুমার সমগ্র রচনাবলী, প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯
* শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতে<br/>অলস গেঁয়োর মতো এইখানে কার্তিকের খেতে;<br/>মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়।
** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* বায়ু বহে মৃদু মন্দ, মধুর চাঁপার গন্ধ<br>পাতার বিতান হতে আসে ভেসে ভেসে।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সন্ধ্যা, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৩
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]]
ftjrxkwp2ld9zaai3ms9tf93huht8iz
73930
73929
2026-04-05T18:37:26Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
73930
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:গন্ধ|গন্ধ]]''' হলো এক বা একাধিক উদ্বায়ী রাসায়নিক যৌগের এমন একটি বৈশিষ্ট্য, যা সাধারণত স্বল্প ঘনত্বে থাকে এবং মানুষ ও প্রাণী তাদের ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তা উপলব্ধি করতে পারে। গন্ধ বলতে সুখকর বা অপ্রীতিকর উভয় প্রকার গন্ধকেই বোঝাতে পারে। মনোরম গন্ধকে বলা হয় সুগন্ধি, আর অপ্রীতিকর গন্ধকে বলা হয় দুর্গন্ধ।
== উক্তি ==
* গোলাপ, গোলাপ, শুধু গোলাপের রাশি!<br>গোলাপের রং ছিল অনন্ত আকাশে,<br>গোলাপের গন্ধ ছিল ধরাতে বাতাসে,<br>নারীর অধরে ছিল গোলাপের হাসি॥
** [[প্রমথ চৌধুরী]], অপরাহ্ন, সনেট-পঞ্চাশৎ - প্রমথ চৌধুরী, প্রকাশক- সিদ্ধেশ্বর মেসিন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩
* খাবারওয়ালাকে যদি প্রশ্ন করি—মিষ্টান্নে রং দাও কেন, বিকট বিলিতী গন্ধ দাও কেন, সে উত্তর দেয়, খদ্দের এইরকম রং আর গন্ধ চায় যে। কথাটা পুরােপুরি সত্য নয়। তীব্র কৃত্রিম গন্ধযুক্ত সবুজ রঙের গ্রীন ম্যাংগাে সন্দেশ পছন্দ করে এমন লােক হয়তাে আছে। কিন্তু আসল কথা, খাবারওয়ালা নিজের রুচি আর বুদ্ধি অনুসারে যে রং দেয়, গন্ধ দেয়, অদ্ভুত অদ্ভুত নাম দেয়, ক্রেতা তাতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়ে, মনে করে এই হচ্ছে আধুনিক ফ্যাশন। খাদ্যের স্বাভাবিক বর্ণ গন্ধ স্বাদ অনেকেরই ভাল লাগে, কিন্তু মিষ্টান্নকার তা বােঝে না।
** [[রাজশেখর বসু]], নিসর্গচর্চা, বিচিন্তা - রাজশেখর বসু, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪২-১৪৩
* হয়তো বা হাঁস হ’ব—কিশোরীর—ঘুঙুর রহিবে লাল পায়,<br>সারা দিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধ ভরা জলে ভেসে ভেসে;<br>আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে<br>জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়;
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪
* উঠে চারু বাস বায়ু আমোদিয়া<br>ঢলিতে ঢলিতে যায়;<br>চলে প্রাণিগণ মুগ্ধ নব রসে<br>বায়ু, গন্ধে স্নিগ্ধকায়।
** [[হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]], পঞ্চম কল্পনা, আশাকানন- হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৬১
* যেমন ফুল নাড়তে-চাড়তে ঘ্রাণ বের হয়, চন্দন ঘষতে ঘষতে গন্ধ বের হয়, তেমনি ভগবৎতত্ত্বের আলোচনা করতে করতে তত্ত্বজ্ঞানের উদয় হয়।
** [[সারদা দেবী]], শ্রীমা সারদা দেবী - স্বামী গম্ভীরানন্দ, প্রকাশক- উদ্বোধন কার্য্যালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৭৫-৩৭৬
* সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন<br>সন্ধ্যা আসে; ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল;<br>পৃথিবীর সব রং নিভে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন<br>তখন গল্পের তরে [[জোনাকি|জোনাকির]] রঙে ঝিলমিল;
** [[:s:জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/বনলতা_সেন|বনলতা সেন]] - [[জীবনানন্দ দাশ]], প্রকাশক- নিউ স্ক্রিপ্ট, কলকাতা, অষ্টম মুদ্রণ: [[অগ্রহায়ণ]] ১৪২৪ (নভেম্বর ২০১৭), পৃষ্ঠা ৯
* ধূপ আপনারে মিলাইতে চাহে গন্ধে,<br>গন্ধ সে চাহে ধূপেরে রহিতে জুড়ে।<br>সুর আপনারে ধরা দিতে চাহে ছন্দে,<br>ছন্দ ফিরিয়া ছুটে যেতে চায় সুরে।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], উৎসর্গ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮-৩৯
*ক্রমশ এদেশে গুচ্ছবদ্ধ রক্ত-কুসুম <br/> ছড়ায় শত্রু-শবের গন্ধ, ভাঙে ভীত ঘুম। <br/> এখানে কৃষক বাড়ায় ফসল মিলিত হাতে, <br/> তোমার স্বপ্ন চূর্ণ করার শপথ দাঁতে
**[[সুকান্ত ভট্টাচার্য]] - সুকান্ত সমগ্র, বিভীষণের প্রতি ১৯৫৭ (পৃ. ১৬২-১৬৩)।
* পৃথিবীর কোনো পথে:নরম ধানের গন্ধ—কল্মীর ঘ্রাণ,<br>হাঁসের পালক, শর, পুকুরের জল, চাঁদা সরপুঁটিদের<br>মৃদু ঘ্রাণ, কিশোরীর চাল-ধোয়া ভিজে হাত—শীত হাতখান,<br>কিশোরের পায়ে-দলা মুথাঘাস,—লাল লাল বটের ফলের<br>ব্যথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতা—এরি মাঝে বাংলার প্রাণ:
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫
* বেড়াইতে বেড়াইতে দেখিল, বাগানের এই নানা রকম সুগন্ধ সুদৃশ্য অপরিচিত পুষ্পবৃক্ষের এক পাশে একটি গোলাপের গাছ, সেই গাছে একটি সুন্দর প্রস্ফুটিত গোলাপ। লাবণ্য সেই গোলাপটি তুলিতে হাত বাড়াইল! এই সময় সহসা কোথা হইতে পূর্ব্বেকার পরীটি আসিয়া বলিলেন, “ইহা তুলিও না, ঐ দেখ কত ধৈর্য্য ফুল ফুটিয়া রহিয়াছে—উহার একটি তোল, গোলাপ অপেক্ষা দেখ ঐ ফুলগুলি কত সুন্দর।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সুবুদ্ধির উপদেশ, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০
* যখন পুকুরে হাঁস সোঁদা জলে শিশিরের গন্ধ শুধু পায়,<br>শামুক গুগলিগুলো প’ড়ে আছে শ্যাওলার মলিন সবুজে,—<br>তখন আমারে যদি পাও নাকো লালশাক-ছাওয়া মাঠে খুঁজে,<br>ঠেস্ দিয়ে ব’সে আর থাকি নাকো যদি বুনো চাল্তার গায়,<br>তাহ’লে জানিও তুমি আসিয়াছে অন্ধকারে মৃত্যুর আহ্বান—
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* রুচি অনুসারে একই জিনিষ সুন্দর বা অসুন্দর আস্বাদ দেয়। চীনে বাড়ীতে গিয়ে দেখলেম এক সুন্দর কাচের বাটিতে ছেলেরা শুটকি মাছ খাচ্ছে; বাটিটা সুন্দর লাগলো, আহার্যের গন্ধটা কিন্তু চেনা নয় বলেই আমার নাকে ভারি অসুন্দর ঠেকলো। এই ব্যক্তিগত রুচি অরুচি ইত্যাদির উপরে যে রচনা উঠতে পারলে তাই যথার্থ সুন্দর হয়ে উঠলো।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অসুন্দর, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২১৭-২১৮
* হাতে হাত ধ’রে-ধ’রে গোল হ’য়ে ঘুরে-ঘুরে-ঘুরে<br>কার্তিকের মিঠে রোদে আমাদের মুখ যাবে পুড়ে;<br>ফলন্ত ধানের গন্ধে—রঙে তার—স্বাদে তার ভ’রে যাবে আমাদের সকলের দেহ;<br>রাগ কেহ করিবে না—আমাদের দেখে হিংসা করিবে না কেহ। (অবসরের গান)
**[[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* মাঘের রাতে আমের বোলের গন্ধ বহে যায়,<br/>নিশ্বাস তার মেলে না আর তোমার বেদনায়।
**[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/সানাই/দূরবর্তিনী সানাই - দূরবর্তিনী])
* যখন থেকে ফোর্ড কোম্পানী মাটি কাটার কল তৈরী করেছে, সে সময় থেকে পার্বত্য গ্রামেও সোজা পথ, সমান লেভেলে বাড়ি গড়ে উঠেছে। আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান।
** আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯
* অন্ধ [[মেয়ে]] দেখছে না তা— নাই-বা যদি দেখে—<br/>শীতল মিঠা বাদল হাওয়া যায় যে তারে ডেকে!<br/>শুনছে সে যে পাখির ডাকে হরষ কোলাকুলি<br/>মিষ্ট ঘাসের গন্ধে তারও প্রাণ গিয়েছে ভুলি!<br/>দুঃখ সুখের ছন্দে ভরা জগৎ তারও আছে,<br/>তারও আঁধার জগৎখানি মধুর তারি কাছে।
** ''অন্ধ মেয়ে'', সুকুমার সমগ্র রচনাবলী, প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯
* শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতে<br/>অলস গেঁয়োর মতো এইখানে কার্তিকের খেতে;<br/>মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়।
** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* বায়ু বহে মৃদু মন্দ, মধুর চাঁপার গন্ধ<br>পাতার বিতান হতে আসে ভেসে ভেসে।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সন্ধ্যা, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৩
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]]
h1q2lp4gjsp2kzhw85rapwq5lu68rf3
74030
73930
2026-04-06T06:52:42Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
74030
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:গন্ধ|গন্ধ]]''' হলো এক বা একাধিক উদ্বায়ী রাসায়নিক যৌগের এমন একটি বৈশিষ্ট্য, যা সাধারণত স্বল্প ঘনত্বে থাকে এবং মানুষ ও প্রাণী তাদের ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তা উপলব্ধি করতে পারে। গন্ধ বলতে সুখকর বা অপ্রীতিকর উভয় প্রকার গন্ধকেই বোঝাতে পারে। মনোরম গন্ধকে বলা হয় সুগন্ধি, আর অপ্রীতিকর গন্ধকে বলা হয় দুর্গন্ধ।
== উক্তি ==
* গোলাপ, গোলাপ, শুধু গোলাপের রাশি!<br>গোলাপের রং ছিল অনন্ত আকাশে,<br>গোলাপের গন্ধ ছিল ধরাতে বাতাসে,<br>নারীর অধরে ছিল গোলাপের হাসি॥
** [[প্রমথ চৌধুরী]], অপরাহ্ন, সনেট-পঞ্চাশৎ - প্রমথ চৌধুরী, প্রকাশক- সিদ্ধেশ্বর মেসিন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩
* খাবারওয়ালাকে যদি প্রশ্ন করি—মিষ্টান্নে রং দাও কেন, বিকট বিলিতী গন্ধ দাও কেন, সে উত্তর দেয়, খদ্দের এইরকম রং আর গন্ধ চায় যে। কথাটা পুরােপুরি সত্য নয়। তীব্র কৃত্রিম গন্ধযুক্ত সবুজ রঙের গ্রীন ম্যাংগাে সন্দেশ পছন্দ করে এমন লােক হয়তাে আছে। কিন্তু আসল কথা, খাবারওয়ালা নিজের রুচি আর বুদ্ধি অনুসারে যে রং দেয়, গন্ধ দেয়, অদ্ভুত অদ্ভুত নাম দেয়, ক্রেতা তাতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়ে, মনে করে এই হচ্ছে আধুনিক ফ্যাশন। খাদ্যের স্বাভাবিক বর্ণ গন্ধ স্বাদ অনেকেরই ভাল লাগে, কিন্তু মিষ্টান্নকার তা বােঝে না।
** [[রাজশেখর বসু]], নিসর্গচর্চা, বিচিন্তা - রাজশেখর বসু, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪২-১৪৩
* হয়তো বা হাঁস হ’ব—কিশোরীর—ঘুঙুর রহিবে লাল পায়,<br>সারা দিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধ ভরা জলে ভেসে ভেসে;<br>আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে<br>জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়;
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪
* উঠে চারু বাস বায়ু আমোদিয়া<br>ঢলিতে ঢলিতে যায়;<br>চলে প্রাণিগণ মুগ্ধ নব রসে<br>বায়ু, গন্ধে স্নিগ্ধকায়।
** [[হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]], পঞ্চম কল্পনা, আশাকানন- হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৬১
* যেমন ফুল নাড়তে-চাড়তে ঘ্রাণ বের হয়, চন্দন ঘষতে ঘষতে গন্ধ বের হয়, তেমনি ভগবৎতত্ত্বের আলোচনা করতে করতে তত্ত্বজ্ঞানের উদয় হয়।
** [[সারদা দেবী]], শ্রীমা সারদা দেবী - স্বামী গম্ভীরানন্দ, প্রকাশক- উদ্বোধন কার্য্যালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৭৫-৩৭৬
* সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন<br>সন্ধ্যা আসে; ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল;<br>পৃথিবীর সব রং নিভে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন<br>তখন গল্পের তরে [[জোনাকি|জোনাকির]] রঙে ঝিলমিল;
** [[:s:জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/বনলতা_সেন|বনলতা সেন]] - [[জীবনানন্দ দাশ]], প্রকাশক- নিউ স্ক্রিপ্ট, কলকাতা, অষ্টম মুদ্রণ: [[অগ্রহায়ণ]] ১৪২৪ (নভেম্বর ২০১৭), পৃষ্ঠা ৯
* ধূপ আপনারে মিলাইতে চাহে গন্ধে,<br>গন্ধ সে চাহে ধূপেরে রহিতে জুড়ে।<br>সুর আপনারে ধরা দিতে চাহে ছন্দে,<br>ছন্দ ফিরিয়া ছুটে যেতে চায় সুরে।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], উৎসর্গ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮-৩৯
*ক্রমশ এদেশে গুচ্ছবদ্ধ রক্ত-কুসুম <br/> ছড়ায় শত্রু-শবের গন্ধ, ভাঙে ভীত ঘুম। <br/> এখানে কৃষক বাড়ায় ফসল মিলিত হাতে, <br/> তোমার স্বপ্ন চূর্ণ করার শপথ দাঁতে
**[[সুকান্ত ভট্টাচার্য]] - সুকান্ত সমগ্র, বিভীষণের প্রতি ১৯৫৭ (পৃ. ১৬২-১৬৩)।
* পৃথিবীর কোনো পথে:নরম ধানের গন্ধ—কল্মীর ঘ্রাণ,<br>হাঁসের পালক, শর, পুকুরের জল, চাঁদা সরপুঁটিদের<br>মৃদু ঘ্রাণ, কিশোরীর চাল-ধোয়া ভিজে হাত—শীত হাতখান,<br>কিশোরের পায়ে-দলা মুথাঘাস,—লাল লাল বটের ফলের<br>ব্যথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতা—এরি মাঝে বাংলার প্রাণ:
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫
* বেড়াইতে বেড়াইতে দেখিল, বাগানের এই নানা রকম সুগন্ধ সুদৃশ্য অপরিচিত পুষ্পবৃক্ষের এক পাশে একটি গোলাপের গাছ, সেই গাছে একটি সুন্দর প্রস্ফুটিত গোলাপ। লাবণ্য সেই গোলাপটি তুলিতে হাত বাড়াইল! এই সময় সহসা কোথা হইতে পূর্ব্বেকার পরীটি আসিয়া বলিলেন, “ইহা তুলিও না, ঐ দেখ কত ধৈর্য্য ফুল ফুটিয়া রহিয়াছে—উহার একটি তোল, গোলাপ অপেক্ষা দেখ ঐ ফুলগুলি কত সুন্দর।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সুবুদ্ধির উপদেশ, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০
* যখন পুকুরে হাঁস সোঁদা জলে শিশিরের গন্ধ শুধু পায়,<br>শামুক গুগলিগুলো প’ড়ে আছে শ্যাওলার মলিন সবুজে,—<br>তখন আমারে যদি পাও নাকো লালশাক-ছাওয়া মাঠে খুঁজে,<br>ঠেস্ দিয়ে ব’সে আর থাকি নাকো যদি বুনো চাল্তার গায়,<br>তাহ’লে জানিও তুমি আসিয়াছে অন্ধকারে মৃত্যুর আহ্বান—
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* রুচি অনুসারে একই জিনিষ সুন্দর বা অসুন্দর আস্বাদ দেয়। চীনে বাড়ীতে গিয়ে দেখলেম এক সুন্দর কাচের বাটিতে ছেলেরা শুটকি মাছ খাচ্ছে; বাটিটা সুন্দর লাগলো, আহার্যের গন্ধটা কিন্তু চেনা নয় বলেই আমার নাকে ভারি অসুন্দর ঠেকলো। এই ব্যক্তিগত রুচি অরুচি ইত্যাদির উপরে যে রচনা উঠতে পারলে তাই যথার্থ সুন্দর হয়ে উঠলো।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অসুন্দর, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২১৭-২১৮
* হাতে হাত ধ’রে-ধ’রে গোল হ’য়ে ঘুরে-ঘুরে-ঘুরে<br>কার্তিকের মিঠে রোদে আমাদের মুখ যাবে পুড়ে;<br>ফলন্ত ধানের গন্ধে—রঙে তার—স্বাদে তার ভ’রে যাবে আমাদের সকলের দেহ;<br>রাগ কেহ করিবে না—আমাদের দেখে হিংসা করিবে না কেহ। (অবসরের গান)
**[[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* মাঘের রাতে আমের বোলের গন্ধ বহে যায়,<br/>নিশ্বাস তার মেলে না আর তোমার বেদনায়।
**[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/সানাই/দূরবর্তিনী সানাই - দূরবর্তিনী])
* যখন থেকে ফোর্ড কোম্পানী মাটি কাটার কল তৈরী করেছে, সে সময় থেকে পার্বত্য গ্রামেও সোজা পথ, সমান লেভেলে বাড়ি গড়ে উঠেছে। আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান।
** আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯
* অন্ধ [[মেয়ে]] দেখছে না তা— নাই-বা যদি দেখে—<br/>শীতল মিঠা বাদল হাওয়া যায় যে তারে ডেকে!<br/>শুনছে সে যে পাখির ডাকে হরষ কোলাকুলি<br/>মিষ্ট ঘাসের গন্ধে তারও প্রাণ গিয়েছে ভুলি!<br/>দুঃখ সুখের ছন্দে ভরা জগৎ তারও আছে,<br/>তারও আঁধার জগৎখানি মধুর তারি কাছে।
** ''অন্ধ মেয়ে'', সুকুমার সমগ্র রচনাবলী, প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯
* আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান। আমরা ভারতবাসী, আমরা ইচ্ছা করেই বলব, আমেরিকার গ্রামও একদিন পুরাতন হবে, ইউরোপের গ্রামের মত হবে। আমি বলছি তা হবে না। আমেরিকার গ্রাম চির নতুন থাকবে। হয়ত বর্তমান অবস্থা হতে আমেরিকার গ্রাম আরও উন্নত হবে, কারণ আমেরিকাতে এখনও ধর্মের বদ্খেয়ালী নাই।
* শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতে<br/>অলস গেঁয়োর মতো এইখানে কার্তিকের খেতে;<br/>মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়।
** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* বায়ু বহে মৃদু মন্দ, মধুর চাঁপার গন্ধ<br>পাতার বিতান হতে আসে ভেসে ভেসে।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সন্ধ্যা, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৩
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]]
f927icwifrehdxd2jtm1vk3cykluj0m
74031
74030
2026-04-06T06:53:12Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উদ্ধৃতি যোগ
74031
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:গন্ধ|গন্ধ]]''' হলো এক বা একাধিক উদ্বায়ী রাসায়নিক যৌগের এমন একটি বৈশিষ্ট্য, যা সাধারণত স্বল্প ঘনত্বে থাকে এবং মানুষ ও প্রাণী তাদের ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তা উপলব্ধি করতে পারে। গন্ধ বলতে সুখকর বা অপ্রীতিকর উভয় প্রকার গন্ধকেই বোঝাতে পারে। মনোরম গন্ধকে বলা হয় সুগন্ধি, আর অপ্রীতিকর গন্ধকে বলা হয় দুর্গন্ধ।
== উক্তি ==
* গোলাপ, গোলাপ, শুধু গোলাপের রাশি!<br>গোলাপের রং ছিল অনন্ত আকাশে,<br>গোলাপের গন্ধ ছিল ধরাতে বাতাসে,<br>নারীর অধরে ছিল গোলাপের হাসি॥
** [[প্রমথ চৌধুরী]], অপরাহ্ন, সনেট-পঞ্চাশৎ - প্রমথ চৌধুরী, প্রকাশক- সিদ্ধেশ্বর মেসিন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩
* খাবারওয়ালাকে যদি প্রশ্ন করি—মিষ্টান্নে রং দাও কেন, বিকট বিলিতী গন্ধ দাও কেন, সে উত্তর দেয়, খদ্দের এইরকম রং আর গন্ধ চায় যে। কথাটা পুরােপুরি সত্য নয়। তীব্র কৃত্রিম গন্ধযুক্ত সবুজ রঙের গ্রীন ম্যাংগাে সন্দেশ পছন্দ করে এমন লােক হয়তাে আছে। কিন্তু আসল কথা, খাবারওয়ালা নিজের রুচি আর বুদ্ধি অনুসারে যে রং দেয়, গন্ধ দেয়, অদ্ভুত অদ্ভুত নাম দেয়, ক্রেতা তাতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়ে, মনে করে এই হচ্ছে আধুনিক ফ্যাশন। খাদ্যের স্বাভাবিক বর্ণ গন্ধ স্বাদ অনেকেরই ভাল লাগে, কিন্তু মিষ্টান্নকার তা বােঝে না।
** [[রাজশেখর বসু]], নিসর্গচর্চা, বিচিন্তা - রাজশেখর বসু, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪২-১৪৩
* হয়তো বা হাঁস হ’ব—কিশোরীর—ঘুঙুর রহিবে লাল পায়,<br>সারা দিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধ ভরা জলে ভেসে ভেসে;<br>আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে<br>জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়;
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪
* উঠে চারু বাস বায়ু আমোদিয়া<br>ঢলিতে ঢলিতে যায়;<br>চলে প্রাণিগণ মুগ্ধ নব রসে<br>বায়ু, গন্ধে স্নিগ্ধকায়।
** [[হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]], পঞ্চম কল্পনা, আশাকানন- হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৬১
* যেমন ফুল নাড়তে-চাড়তে ঘ্রাণ বের হয়, চন্দন ঘষতে ঘষতে গন্ধ বের হয়, তেমনি ভগবৎতত্ত্বের আলোচনা করতে করতে তত্ত্বজ্ঞানের উদয় হয়।
** [[সারদা দেবী]], শ্রীমা সারদা দেবী - স্বামী গম্ভীরানন্দ, প্রকাশক- উদ্বোধন কার্য্যালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৭৫-৩৭৬
* সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন<br>সন্ধ্যা আসে; ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল;<br>পৃথিবীর সব রং নিভে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন<br>তখন গল্পের তরে [[জোনাকি|জোনাকির]] রঙে ঝিলমিল;
** [[:s:জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/বনলতা_সেন|বনলতা সেন]] - [[জীবনানন্দ দাশ]], প্রকাশক- নিউ স্ক্রিপ্ট, কলকাতা, অষ্টম মুদ্রণ: [[অগ্রহায়ণ]] ১৪২৪ (নভেম্বর ২০১৭), পৃষ্ঠা ৯
* ধূপ আপনারে মিলাইতে চাহে গন্ধে,<br>গন্ধ সে চাহে ধূপেরে রহিতে জুড়ে।<br>সুর আপনারে ধরা দিতে চাহে ছন্দে,<br>ছন্দ ফিরিয়া ছুটে যেতে চায় সুরে।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], উৎসর্গ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮-৩৯
*ক্রমশ এদেশে গুচ্ছবদ্ধ রক্ত-কুসুম <br/> ছড়ায় শত্রু-শবের গন্ধ, ভাঙে ভীত ঘুম। <br/> এখানে কৃষক বাড়ায় ফসল মিলিত হাতে, <br/> তোমার স্বপ্ন চূর্ণ করার শপথ দাঁতে
**[[সুকান্ত ভট্টাচার্য]] - সুকান্ত সমগ্র, বিভীষণের প্রতি ১৯৫৭ (পৃ. ১৬২-১৬৩)।
* পৃথিবীর কোনো পথে:নরম ধানের গন্ধ—কল্মীর ঘ্রাণ,<br>হাঁসের পালক, শর, পুকুরের জল, চাঁদা সরপুঁটিদের<br>মৃদু ঘ্রাণ, কিশোরীর চাল-ধোয়া ভিজে হাত—শীত হাতখান,<br>কিশোরের পায়ে-দলা মুথাঘাস,—লাল লাল বটের ফলের<br>ব্যথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতা—এরি মাঝে বাংলার প্রাণ:
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫
* বেড়াইতে বেড়াইতে দেখিল, বাগানের এই নানা রকম সুগন্ধ সুদৃশ্য অপরিচিত পুষ্পবৃক্ষের এক পাশে একটি গোলাপের গাছ, সেই গাছে একটি সুন্দর প্রস্ফুটিত গোলাপ। লাবণ্য সেই গোলাপটি তুলিতে হাত বাড়াইল! এই সময় সহসা কোথা হইতে পূর্ব্বেকার পরীটি আসিয়া বলিলেন, “ইহা তুলিও না, ঐ দেখ কত ধৈর্য্য ফুল ফুটিয়া রহিয়াছে—উহার একটি তোল, গোলাপ অপেক্ষা দেখ ঐ ফুলগুলি কত সুন্দর।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সুবুদ্ধির উপদেশ, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০
* যখন পুকুরে হাঁস সোঁদা জলে শিশিরের গন্ধ শুধু পায়,<br>শামুক গুগলিগুলো প’ড়ে আছে শ্যাওলার মলিন সবুজে,—<br>তখন আমারে যদি পাও নাকো লালশাক-ছাওয়া মাঠে খুঁজে,<br>ঠেস্ দিয়ে ব’সে আর থাকি নাকো যদি বুনো চাল্তার গায়,<br>তাহ’লে জানিও তুমি আসিয়াছে অন্ধকারে মৃত্যুর আহ্বান—
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* রুচি অনুসারে একই জিনিষ সুন্দর বা অসুন্দর আস্বাদ দেয়। চীনে বাড়ীতে গিয়ে দেখলেম এক সুন্দর কাচের বাটিতে ছেলেরা শুটকি মাছ খাচ্ছে; বাটিটা সুন্দর লাগলো, আহার্যের গন্ধটা কিন্তু চেনা নয় বলেই আমার নাকে ভারি অসুন্দর ঠেকলো। এই ব্যক্তিগত রুচি অরুচি ইত্যাদির উপরে যে রচনা উঠতে পারলে তাই যথার্থ সুন্দর হয়ে উঠলো।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অসুন্দর, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২১৭-২১৮
* হাতে হাত ধ’রে-ধ’রে গোল হ’য়ে ঘুরে-ঘুরে-ঘুরে<br>কার্তিকের মিঠে রোদে আমাদের মুখ যাবে পুড়ে;<br>ফলন্ত ধানের গন্ধে—রঙে তার—স্বাদে তার ভ’রে যাবে আমাদের সকলের দেহ;<br>রাগ কেহ করিবে না—আমাদের দেখে হিংসা করিবে না কেহ। (অবসরের গান)
**[[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* মাঘের রাতে আমের বোলের গন্ধ বহে যায়,<br/>নিশ্বাস তার মেলে না আর তোমার বেদনায়।
**[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/সানাই/দূরবর্তিনী সানাই - দূরবর্তিনী])
* যখন থেকে ফোর্ড কোম্পানী মাটি কাটার কল তৈরী করেছে, সে সময় থেকে পার্বত্য গ্রামেও সোজা পথ, সমান লেভেলে বাড়ি গড়ে উঠেছে। আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান।
** আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯
* অন্ধ [[মেয়ে]] দেখছে না তা— নাই-বা যদি দেখে—<br/>শীতল মিঠা বাদল হাওয়া যায় যে তারে ডেকে!<br/>শুনছে সে যে পাখির ডাকে হরষ কোলাকুলি<br/>মিষ্ট ঘাসের গন্ধে তারও প্রাণ গিয়েছে ভুলি!<br/>দুঃখ সুখের ছন্দে ভরা জগৎ তারও আছে,<br/>তারও আঁধার জগৎখানি মধুর তারি কাছে।
** ''অন্ধ মেয়ে'', সুকুমার সমগ্র রচনাবলী, প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯
* আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান। আমরা ভারতবাসী, আমরা ইচ্ছা করেই বলব, আমেরিকার গ্রামও একদিন পুরাতন হবে, ইউরোপের গ্রামের মত হবে। আমি বলছি তা হবে না। আমেরিকার গ্রাম চির নতুন থাকবে। হয়ত বর্তমান অবস্থা হতে আমেরিকার গ্রাম আরও উন্নত হবে, কারণ আমেরিকাতে এখনও ধর্মের বদ্খেয়ালী নাই।
** [[রামনাথ বিশ্বাস]], আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯-১৪০
* শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতে<br/>অলস গেঁয়োর মতো এইখানে কার্তিকের খেতে;<br/>মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়।
** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* বায়ু বহে মৃদু মন্দ, মধুর চাঁপার গন্ধ<br>পাতার বিতান হতে আসে ভেসে ভেসে।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সন্ধ্যা, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৩
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]]
jbdn57ts41rephz33cktj1eesr05piy
74033
74031
2026-04-06T06:56:52Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
74033
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:গন্ধ|গন্ধ]]''' হলো এক বা একাধিক উদ্বায়ী রাসায়নিক যৌগের এমন একটি বৈশিষ্ট্য, যা সাধারণত স্বল্প ঘনত্বে থাকে এবং মানুষ ও প্রাণী তাদের ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তা উপলব্ধি করতে পারে। গন্ধ বলতে সুখকর বা অপ্রীতিকর উভয় প্রকার গন্ধকেই বোঝাতে পারে। মনোরম গন্ধকে বলা হয় সুগন্ধি, আর অপ্রীতিকর গন্ধকে বলা হয় দুর্গন্ধ।
== উক্তি ==
* গোলাপ, গোলাপ, শুধু গোলাপের রাশি!<br>গোলাপের রং ছিল অনন্ত আকাশে,<br>গোলাপের গন্ধ ছিল ধরাতে বাতাসে,<br>নারীর অধরে ছিল গোলাপের হাসি॥
** [[প্রমথ চৌধুরী]], অপরাহ্ন, সনেট-পঞ্চাশৎ - প্রমথ চৌধুরী, প্রকাশক- সিদ্ধেশ্বর মেসিন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩
* খাবারওয়ালাকে যদি প্রশ্ন করি—মিষ্টান্নে রং দাও কেন, বিকট বিলিতী গন্ধ দাও কেন, সে উত্তর দেয়, খদ্দের এইরকম রং আর গন্ধ চায় যে। কথাটা পুরােপুরি সত্য নয়। তীব্র কৃত্রিম গন্ধযুক্ত সবুজ রঙের গ্রীন ম্যাংগাে সন্দেশ পছন্দ করে এমন লােক হয়তাে আছে। কিন্তু আসল কথা, খাবারওয়ালা নিজের রুচি আর বুদ্ধি অনুসারে যে রং দেয়, গন্ধ দেয়, অদ্ভুত অদ্ভুত নাম দেয়, ক্রেতা তাতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়ে, মনে করে এই হচ্ছে আধুনিক ফ্যাশন। খাদ্যের স্বাভাবিক বর্ণ গন্ধ স্বাদ অনেকেরই ভাল লাগে, কিন্তু মিষ্টান্নকার তা বােঝে না।
** [[রাজশেখর বসু]], নিসর্গচর্চা, বিচিন্তা - রাজশেখর বসু, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪২-১৪৩
* হয়তো বা হাঁস হ’ব—কিশোরীর—ঘুঙুর রহিবে লাল পায়,<br>সারা দিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধ ভরা জলে ভেসে ভেসে;<br>আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে<br>জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়;
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪
* উঠে চারু বাস বায়ু আমোদিয়া<br>ঢলিতে ঢলিতে যায়;<br>চলে প্রাণিগণ মুগ্ধ নব রসে<br>বায়ু, গন্ধে স্নিগ্ধকায়।
** [[হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]], পঞ্চম কল্পনা, আশাকানন- হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৬১
* যেমন ফুল নাড়তে-চাড়তে ঘ্রাণ বের হয়, চন্দন ঘষতে ঘষতে গন্ধ বের হয়, তেমনি ভগবৎতত্ত্বের আলোচনা করতে করতে তত্ত্বজ্ঞানের উদয় হয়।
** [[সারদা দেবী]], শ্রীমা সারদা দেবী - স্বামী গম্ভীরানন্দ, প্রকাশক- উদ্বোধন কার্য্যালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৭৫-৩৭৬
* সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন<br>সন্ধ্যা আসে; ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল;<br>পৃথিবীর সব রং নিভে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন<br>তখন গল্পের তরে [[জোনাকি|জোনাকির]] রঙে ঝিলমিল;
** [[:s:জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/বনলতা_সেন|বনলতা সেন]] - [[জীবনানন্দ দাশ]], প্রকাশক- নিউ স্ক্রিপ্ট, কলকাতা, অষ্টম মুদ্রণ: [[অগ্রহায়ণ]] ১৪২৪ (নভেম্বর ২০১৭), পৃষ্ঠা ৯
* ধূপ আপনারে মিলাইতে চাহে গন্ধে,<br>গন্ধ সে চাহে ধূপেরে রহিতে জুড়ে।<br>সুর আপনারে ধরা দিতে চাহে ছন্দে,<br>ছন্দ ফিরিয়া ছুটে যেতে চায় সুরে।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], উৎসর্গ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮-৩৯
*ক্রমশ এদেশে গুচ্ছবদ্ধ রক্ত-কুসুম <br/> ছড়ায় শত্রু-শবের গন্ধ, ভাঙে ভীত ঘুম। <br/> এখানে কৃষক বাড়ায় ফসল মিলিত হাতে, <br/> তোমার স্বপ্ন চূর্ণ করার শপথ দাঁতে
**[[সুকান্ত ভট্টাচার্য]] - সুকান্ত সমগ্র, বিভীষণের প্রতি ১৯৫৭ (পৃ. ১৬২-১৬৩)।
* পৃথিবীর কোনো পথে:নরম ধানের গন্ধ—কল্মীর ঘ্রাণ,<br>হাঁসের পালক, শর, পুকুরের জল, চাঁদা সরপুঁটিদের<br>মৃদু ঘ্রাণ, কিশোরীর চাল-ধোয়া ভিজে হাত—শীত হাতখান,<br>কিশোরের পায়ে-দলা মুথাঘাস,—লাল লাল বটের ফলের<br>ব্যথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতা—এরি মাঝে বাংলার প্রাণ:
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫
* বেড়াইতে বেড়াইতে দেখিল, বাগানের এই নানা রকম সুগন্ধ সুদৃশ্য অপরিচিত পুষ্পবৃক্ষের এক পাশে একটি গোলাপের গাছ, সেই গাছে একটি সুন্দর প্রস্ফুটিত গোলাপ। লাবণ্য সেই গোলাপটি তুলিতে হাত বাড়াইল! এই সময় সহসা কোথা হইতে পূর্ব্বেকার পরীটি আসিয়া বলিলেন, “ইহা তুলিও না, ঐ দেখ কত ধৈর্য্য ফুল ফুটিয়া রহিয়াছে—উহার একটি তোল, গোলাপ অপেক্ষা দেখ ঐ ফুলগুলি কত সুন্দর।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সুবুদ্ধির উপদেশ, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০
* আপনার বাগানের কোন স্থানে একটি সুগন্ধ ফুল ফুটিয়াছে তাহাতে বাগান আমোদিত করিয়াছে। বায়ু গন্ধ ছড়াইয়া ফুলের সৌরভ বিকীর্ণ করিতেছে। ফুল তাহা চাহেনা, কিন্তু বাতাস আপনার কার্য্য আপনি করে।
** শিবাপ্রসন্ন ভট্টাচার্য, পঞ্চম কথা, বিদ্যাসাগর-প্রবন্ধ - শিবাপ্রসন্ন ভট্টাচার্য, প্রকাশসাল- ৮৯৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৮
* যখন পুকুরে হাঁস সোঁদা জলে শিশিরের গন্ধ শুধু পায়,<br>শামুক গুগলিগুলো প’ড়ে আছে শ্যাওলার মলিন সবুজে,—<br>তখন আমারে যদি পাও নাকো লালশাক-ছাওয়া মাঠে খুঁজে,<br>ঠেস্ দিয়ে ব’সে আর থাকি নাকো যদি বুনো চাল্তার গায়,<br>তাহ’লে জানিও তুমি আসিয়াছে অন্ধকারে মৃত্যুর আহ্বান—
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* রুচি অনুসারে একই জিনিষ সুন্দর বা অসুন্দর আস্বাদ দেয়। চীনে বাড়ীতে গিয়ে দেখলেম এক সুন্দর কাচের বাটিতে ছেলেরা শুটকি মাছ খাচ্ছে; বাটিটা সুন্দর লাগলো, আহার্যের গন্ধটা কিন্তু চেনা নয় বলেই আমার নাকে ভারি অসুন্দর ঠেকলো। এই ব্যক্তিগত রুচি অরুচি ইত্যাদির উপরে যে রচনা উঠতে পারলে তাই যথার্থ সুন্দর হয়ে উঠলো।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অসুন্দর, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২১৭-২১৮
* হাতে হাত ধ’রে-ধ’রে গোল হ’য়ে ঘুরে-ঘুরে-ঘুরে<br>কার্তিকের মিঠে রোদে আমাদের মুখ যাবে পুড়ে;<br>ফলন্ত ধানের গন্ধে—রঙে তার—স্বাদে তার ভ’রে যাবে আমাদের সকলের দেহ;<br>রাগ কেহ করিবে না—আমাদের দেখে হিংসা করিবে না কেহ। (অবসরের গান)
**[[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* মাঘের রাতে আমের বোলের গন্ধ বহে যায়,<br/>নিশ্বাস তার মেলে না আর তোমার বেদনায়।
**[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/সানাই/দূরবর্তিনী সানাই - দূরবর্তিনী])
* যখন থেকে ফোর্ড কোম্পানী মাটি কাটার কল তৈরী করেছে, সে সময় থেকে পার্বত্য গ্রামেও সোজা পথ, সমান লেভেলে বাড়ি গড়ে উঠেছে। আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান।
** আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯
* অন্ধ [[মেয়ে]] দেখছে না তা— নাই-বা যদি দেখে—<br/>শীতল মিঠা বাদল হাওয়া যায় যে তারে ডেকে!<br/>শুনছে সে যে পাখির ডাকে হরষ কোলাকুলি<br/>মিষ্ট ঘাসের গন্ধে তারও প্রাণ গিয়েছে ভুলি!<br/>দুঃখ সুখের ছন্দে ভরা জগৎ তারও আছে,<br/>তারও আঁধার জগৎখানি মধুর তারি কাছে।
** ''অন্ধ মেয়ে'', সুকুমার সমগ্র রচনাবলী, প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯
* আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান। আমরা ভারতবাসী, আমরা ইচ্ছা করেই বলব, আমেরিকার গ্রামও একদিন পুরাতন হবে, ইউরোপের গ্রামের মত হবে। আমি বলছি তা হবে না। আমেরিকার গ্রাম চির নতুন থাকবে। হয়ত বর্তমান অবস্থা হতে আমেরিকার গ্রাম আরও উন্নত হবে, কারণ আমেরিকাতে এখনও ধর্মের বদ্খেয়ালী নাই।
** [[রামনাথ বিশ্বাস]], আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯-১৪০
* শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতে<br/>অলস গেঁয়োর মতো এইখানে কার্তিকের খেতে;<br/>মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়।
** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* বায়ু বহে মৃদু মন্দ, মধুর চাঁপার গন্ধ<br>পাতার বিতান হতে আসে ভেসে ভেসে।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সন্ধ্যা, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৩
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]]
e5ekfghlqggnvqgh2owucqo3svz5b5p
74040
74033
2026-04-06T07:08:20Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
74040
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:গন্ধ|গন্ধ]]''' হলো এক বা একাধিক উদ্বায়ী রাসায়নিক যৌগের এমন একটি বৈশিষ্ট্য, যা সাধারণত স্বল্প ঘনত্বে থাকে এবং মানুষ ও প্রাণী তাদের ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তা উপলব্ধি করতে পারে। গন্ধ বলতে সুখকর বা অপ্রীতিকর উভয় প্রকার গন্ধকেই বোঝাতে পারে। মনোরম গন্ধকে বলা হয় সুগন্ধি, আর অপ্রীতিকর গন্ধকে বলা হয় দুর্গন্ধ।
== উক্তি ==
* গোলাপ, গোলাপ, শুধু গোলাপের রাশি!<br>গোলাপের রং ছিল অনন্ত আকাশে,<br>গোলাপের গন্ধ ছিল ধরাতে বাতাসে,<br>নারীর অধরে ছিল গোলাপের হাসি॥
** [[প্রমথ চৌধুরী]], অপরাহ্ন, সনেট-পঞ্চাশৎ - প্রমথ চৌধুরী, প্রকাশক- সিদ্ধেশ্বর মেসিন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩
* খাবারওয়ালাকে যদি প্রশ্ন করি—মিষ্টান্নে রং দাও কেন, বিকট বিলিতী গন্ধ দাও কেন, সে উত্তর দেয়, খদ্দের এইরকম রং আর গন্ধ চায় যে। কথাটা পুরােপুরি সত্য নয়। তীব্র কৃত্রিম গন্ধযুক্ত সবুজ রঙের গ্রীন ম্যাংগাে সন্দেশ পছন্দ করে এমন লােক হয়তাে আছে। কিন্তু আসল কথা, খাবারওয়ালা নিজের রুচি আর বুদ্ধি অনুসারে যে রং দেয়, গন্ধ দেয়, অদ্ভুত অদ্ভুত নাম দেয়, ক্রেতা তাতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়ে, মনে করে এই হচ্ছে আধুনিক ফ্যাশন। খাদ্যের স্বাভাবিক বর্ণ গন্ধ স্বাদ অনেকেরই ভাল লাগে, কিন্তু মিষ্টান্নকার তা বােঝে না।
** [[রাজশেখর বসু]], নিসর্গচর্চা, বিচিন্তা - রাজশেখর বসু, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪২-১৪৩
* হয়তো বা হাঁস হ’ব—কিশোরীর—ঘুঙুর রহিবে লাল পায়,<br>সারা দিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধ ভরা জলে ভেসে ভেসে;<br>আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে<br>জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়;
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪
* বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই—<br>মাগো, আমার শোলোক-বলা কাজ্লা দিদি কই?<br>পুকুর ধারে, নেবুর তলে থোকায় থোকায় জোনাই জ্বলে,—<br>ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না, একলা জেগে’ রই;<br>মাগো, আমার কোলের কাছে কাজ্লা দিদি কই?
* উঠে চারু বাস বায়ু আমোদিয়া<br>ঢলিতে ঢলিতে যায়;<br>চলে প্রাণিগণ মুগ্ধ নব রসে<br>বায়ু, গন্ধে স্নিগ্ধকায়।
** [[হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]], পঞ্চম কল্পনা, আশাকানন- হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৬১
* যেমন ফুল নাড়তে-চাড়তে ঘ্রাণ বের হয়, চন্দন ঘষতে ঘষতে গন্ধ বের হয়, তেমনি ভগবৎতত্ত্বের আলোচনা করতে করতে তত্ত্বজ্ঞানের উদয় হয়।
** [[সারদা দেবী]], শ্রীমা সারদা দেবী - স্বামী গম্ভীরানন্দ, প্রকাশক- উদ্বোধন কার্য্যালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৭৫-৩৭৬
* সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন<br>সন্ধ্যা আসে; ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল;<br>পৃথিবীর সব রং নিভে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন<br>তখন গল্পের তরে [[জোনাকি|জোনাকির]] রঙে ঝিলমিল;
** [[:s:জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/বনলতা_সেন|বনলতা সেন]] - [[জীবনানন্দ দাশ]], প্রকাশক- নিউ স্ক্রিপ্ট, কলকাতা, অষ্টম মুদ্রণ: [[অগ্রহায়ণ]] ১৪২৪ (নভেম্বর ২০১৭), পৃষ্ঠা ৯
* ধূপ আপনারে মিলাইতে চাহে গন্ধে,<br>গন্ধ সে চাহে ধূপেরে রহিতে জুড়ে।<br>সুর আপনারে ধরা দিতে চাহে ছন্দে,<br>ছন্দ ফিরিয়া ছুটে যেতে চায় সুরে।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], উৎসর্গ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮-৩৯
*ক্রমশ এদেশে গুচ্ছবদ্ধ রক্ত-কুসুম <br/> ছড়ায় শত্রু-শবের গন্ধ, ভাঙে ভীত ঘুম। <br/> এখানে কৃষক বাড়ায় ফসল মিলিত হাতে, <br/> তোমার স্বপ্ন চূর্ণ করার শপথ দাঁতে
**[[সুকান্ত ভট্টাচার্য]] - সুকান্ত সমগ্র, বিভীষণের প্রতি ১৯৫৭ (পৃ. ১৬২-১৬৩)।
* পৃথিবীর কোনো পথে:নরম ধানের গন্ধ—কল্মীর ঘ্রাণ,<br>হাঁসের পালক, শর, পুকুরের জল, চাঁদা সরপুঁটিদের<br>মৃদু ঘ্রাণ, কিশোরীর চাল-ধোয়া ভিজে হাত—শীত হাতখান,<br>কিশোরের পায়ে-দলা মুথাঘাস,—লাল লাল বটের ফলের<br>ব্যথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতা—এরি মাঝে বাংলার প্রাণ:
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫
* বেড়াইতে বেড়াইতে দেখিল, বাগানের এই নানা রকম সুগন্ধ সুদৃশ্য অপরিচিত পুষ্পবৃক্ষের এক পাশে একটি গোলাপের গাছ, সেই গাছে একটি সুন্দর প্রস্ফুটিত গোলাপ। লাবণ্য সেই গোলাপটি তুলিতে হাত বাড়াইল! এই সময় সহসা কোথা হইতে পূর্ব্বেকার পরীটি আসিয়া বলিলেন, “ইহা তুলিও না, ঐ দেখ কত ধৈর্য্য ফুল ফুটিয়া রহিয়াছে—উহার একটি তোল, গোলাপ অপেক্ষা দেখ ঐ ফুলগুলি কত সুন্দর।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সুবুদ্ধির উপদেশ, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০
* আপনার বাগানের কোন স্থানে একটি সুগন্ধ ফুল ফুটিয়াছে তাহাতে বাগান আমোদিত করিয়াছে। বায়ু গন্ধ ছড়াইয়া ফুলের সৌরভ বিকীর্ণ করিতেছে। ফুল তাহা চাহেনা, কিন্তু বাতাস আপনার কার্য্য আপনি করে।
** শিবাপ্রসন্ন ভট্টাচার্য, পঞ্চম কথা, বিদ্যাসাগর-প্রবন্ধ - শিবাপ্রসন্ন ভট্টাচার্য, প্রকাশসাল- ৮৯৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৮
* যখন পুকুরে হাঁস সোঁদা জলে শিশিরের গন্ধ শুধু পায়,<br>শামুক গুগলিগুলো প’ড়ে আছে শ্যাওলার মলিন সবুজে,—<br>তখন আমারে যদি পাও নাকো লালশাক-ছাওয়া মাঠে খুঁজে,<br>ঠেস্ দিয়ে ব’সে আর থাকি নাকো যদি বুনো চাল্তার গায়,<br>তাহ’লে জানিও তুমি আসিয়াছে অন্ধকারে মৃত্যুর আহ্বান—
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* রুচি অনুসারে একই জিনিষ সুন্দর বা অসুন্দর আস্বাদ দেয়। চীনে বাড়ীতে গিয়ে দেখলেম এক সুন্দর কাচের বাটিতে ছেলেরা শুটকি মাছ খাচ্ছে; বাটিটা সুন্দর লাগলো, আহার্যের গন্ধটা কিন্তু চেনা নয় বলেই আমার নাকে ভারি অসুন্দর ঠেকলো। এই ব্যক্তিগত রুচি অরুচি ইত্যাদির উপরে যে রচনা উঠতে পারলে তাই যথার্থ সুন্দর হয়ে উঠলো।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অসুন্দর, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২১৭-২১৮
* হাতে হাত ধ’রে-ধ’রে গোল হ’য়ে ঘুরে-ঘুরে-ঘুরে<br>কার্তিকের মিঠে রোদে আমাদের মুখ যাবে পুড়ে;<br>ফলন্ত ধানের গন্ধে—রঙে তার—স্বাদে তার ভ’রে যাবে আমাদের সকলের দেহ;<br>রাগ কেহ করিবে না—আমাদের দেখে হিংসা করিবে না কেহ। (অবসরের গান)
**[[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* মাঘের রাতে আমের বোলের গন্ধ বহে যায়,<br/>নিশ্বাস তার মেলে না আর তোমার বেদনায়।
**[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/সানাই/দূরবর্তিনী সানাই - দূরবর্তিনী])
* যখন থেকে ফোর্ড কোম্পানী মাটি কাটার কল তৈরী করেছে, সে সময় থেকে পার্বত্য গ্রামেও সোজা পথ, সমান লেভেলে বাড়ি গড়ে উঠেছে। আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান।
** আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯
* অন্ধ [[মেয়ে]] দেখছে না তা— নাই-বা যদি দেখে—<br/>শীতল মিঠা বাদল হাওয়া যায় যে তারে ডেকে!<br/>শুনছে সে যে পাখির ডাকে হরষ কোলাকুলি<br/>মিষ্ট ঘাসের গন্ধে তারও প্রাণ গিয়েছে ভুলি!<br/>দুঃখ সুখের ছন্দে ভরা জগৎ তারও আছে,<br/>তারও আঁধার জগৎখানি মধুর তারি কাছে।
** ''অন্ধ মেয়ে'', সুকুমার সমগ্র রচনাবলী, প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯
* আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান। আমরা ভারতবাসী, আমরা ইচ্ছা করেই বলব, আমেরিকার গ্রামও একদিন পুরাতন হবে, ইউরোপের গ্রামের মত হবে। আমি বলছি তা হবে না। আমেরিকার গ্রাম চির নতুন থাকবে। হয়ত বর্তমান অবস্থা হতে আমেরিকার গ্রাম আরও উন্নত হবে, কারণ আমেরিকাতে এখনও ধর্মের বদ্খেয়ালী নাই।
** [[রামনাথ বিশ্বাস]], আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯-১৪০
* শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতে<br/>অলস গেঁয়োর মতো এইখানে কার্তিকের খেতে;<br/>মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়।
** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* বায়ু বহে মৃদু মন্দ, মধুর চাঁপার গন্ধ<br>পাতার বিতান হতে আসে ভেসে ভেসে।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সন্ধ্যা, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৩
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]]
ld54sod6o5mxl4dclvydzwcrue20csy
74047
74040
2026-04-06T07:17:50Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উদ্ধৃতি যোগ
74047
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:গন্ধ|গন্ধ]]''' হলো এক বা একাধিক উদ্বায়ী রাসায়নিক যৌগের এমন একটি বৈশিষ্ট্য, যা সাধারণত স্বল্প ঘনত্বে থাকে এবং মানুষ ও প্রাণী তাদের ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তা উপলব্ধি করতে পারে। গন্ধ বলতে সুখকর বা অপ্রীতিকর উভয় প্রকার গন্ধকেই বোঝাতে পারে। মনোরম গন্ধকে বলা হয় সুগন্ধি, আর অপ্রীতিকর গন্ধকে বলা হয় দুর্গন্ধ।
== উক্তি ==
* গোলাপ, গোলাপ, শুধু গোলাপের রাশি!<br>গোলাপের রং ছিল অনন্ত আকাশে,<br>গোলাপের গন্ধ ছিল ধরাতে বাতাসে,<br>নারীর অধরে ছিল গোলাপের হাসি॥
** [[প্রমথ চৌধুরী]], অপরাহ্ন, সনেট-পঞ্চাশৎ - প্রমথ চৌধুরী, প্রকাশক- সিদ্ধেশ্বর মেসিন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩
* খাবারওয়ালাকে যদি প্রশ্ন করি—মিষ্টান্নে রং দাও কেন, বিকট বিলিতী গন্ধ দাও কেন, সে উত্তর দেয়, খদ্দের এইরকম রং আর গন্ধ চায় যে। কথাটা পুরােপুরি সত্য নয়। তীব্র কৃত্রিম গন্ধযুক্ত সবুজ রঙের গ্রীন ম্যাংগাে সন্দেশ পছন্দ করে এমন লােক হয়তাে আছে। কিন্তু আসল কথা, খাবারওয়ালা নিজের রুচি আর বুদ্ধি অনুসারে যে রং দেয়, গন্ধ দেয়, অদ্ভুত অদ্ভুত নাম দেয়, ক্রেতা তাতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়ে, মনে করে এই হচ্ছে আধুনিক ফ্যাশন। খাদ্যের স্বাভাবিক বর্ণ গন্ধ স্বাদ অনেকেরই ভাল লাগে, কিন্তু মিষ্টান্নকার তা বােঝে না।
** [[রাজশেখর বসু]], নিসর্গচর্চা, বিচিন্তা - রাজশেখর বসু, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪২-১৪৩
* হয়তো বা হাঁস হ’ব—কিশোরীর—ঘুঙুর রহিবে লাল পায়,<br>সারা দিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধ ভরা জলে ভেসে ভেসে;<br>আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে<br>জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়;
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪
* বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই—<br>মাগো, আমার শোলোক-বলা কাজ্লা দিদি কই?<br>পুকুর ধারে, নেবুর তলে থোকায় থোকায় জোনাই জ্বলে,—<br>ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না, একলা জেগে’ রই;<br>মাগো, আমার কোলের কাছে কাজ্লা দিদি কই?
** [[যতীন্দ্রমোহন বাগচী]], কাজ্লাদিদি, কাব্যমালঞ্চ - যতীন্দ্রমোহন বাগচী, পৃষ্ঠা ১১৪
* উঠে চারু বাস বায়ু আমোদিয়া<br>ঢলিতে ঢলিতে যায়;<br>চলে প্রাণিগণ মুগ্ধ নব রসে<br>বায়ু, গন্ধে স্নিগ্ধকায়।
** [[হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]], পঞ্চম কল্পনা, আশাকানন- হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৬১
* যেমন ফুল নাড়তে-চাড়তে ঘ্রাণ বের হয়, চন্দন ঘষতে ঘষতে গন্ধ বের হয়, তেমনি ভগবৎতত্ত্বের আলোচনা করতে করতে তত্ত্বজ্ঞানের উদয় হয়।
** [[সারদা দেবী]], শ্রীমা সারদা দেবী - স্বামী গম্ভীরানন্দ, প্রকাশক- উদ্বোধন কার্য্যালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৭৫-৩৭৬
* সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন<br>সন্ধ্যা আসে; ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল;<br>পৃথিবীর সব রং নিভে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন<br>তখন গল্পের তরে [[জোনাকি|জোনাকির]] রঙে ঝিলমিল;
** [[:s:জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/বনলতা_সেন|বনলতা সেন]] - [[জীবনানন্দ দাশ]], প্রকাশক- নিউ স্ক্রিপ্ট, কলকাতা, অষ্টম মুদ্রণ: [[অগ্রহায়ণ]] ১৪২৪ (নভেম্বর ২০১৭), পৃষ্ঠা ৯
* ধূপ আপনারে মিলাইতে চাহে গন্ধে,<br>গন্ধ সে চাহে ধূপেরে রহিতে জুড়ে।<br>সুর আপনারে ধরা দিতে চাহে ছন্দে,<br>ছন্দ ফিরিয়া ছুটে যেতে চায় সুরে।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], উৎসর্গ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮-৩৯
*ক্রমশ এদেশে গুচ্ছবদ্ধ রক্ত-কুসুম <br/> ছড়ায় শত্রু-শবের গন্ধ, ভাঙে ভীত ঘুম। <br/> এখানে কৃষক বাড়ায় ফসল মিলিত হাতে, <br/> তোমার স্বপ্ন চূর্ণ করার শপথ দাঁতে
**[[সুকান্ত ভট্টাচার্য]] - সুকান্ত সমগ্র, বিভীষণের প্রতি ১৯৫৭ (পৃ. ১৬২-১৬৩)।
* পৃথিবীর কোনো পথে:নরম ধানের গন্ধ—কল্মীর ঘ্রাণ,<br>হাঁসের পালক, শর, পুকুরের জল, চাঁদা সরপুঁটিদের<br>মৃদু ঘ্রাণ, কিশোরীর চাল-ধোয়া ভিজে হাত—শীত হাতখান,<br>কিশোরের পায়ে-দলা মুথাঘাস,—লাল লাল বটের ফলের<br>ব্যথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতা—এরি মাঝে বাংলার প্রাণ:
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫
* বেড়াইতে বেড়াইতে দেখিল, বাগানের এই নানা রকম সুগন্ধ সুদৃশ্য অপরিচিত পুষ্পবৃক্ষের এক পাশে একটি গোলাপের গাছ, সেই গাছে একটি সুন্দর প্রস্ফুটিত গোলাপ। লাবণ্য সেই গোলাপটি তুলিতে হাত বাড়াইল! এই সময় সহসা কোথা হইতে পূর্ব্বেকার পরীটি আসিয়া বলিলেন, “ইহা তুলিও না, ঐ দেখ কত ধৈর্য্য ফুল ফুটিয়া রহিয়াছে—উহার একটি তোল, গোলাপ অপেক্ষা দেখ ঐ ফুলগুলি কত সুন্দর।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সুবুদ্ধির উপদেশ, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০
* আপনার বাগানের কোন স্থানে একটি সুগন্ধ ফুল ফুটিয়াছে তাহাতে বাগান আমোদিত করিয়াছে। বায়ু গন্ধ ছড়াইয়া ফুলের সৌরভ বিকীর্ণ করিতেছে। ফুল তাহা চাহেনা, কিন্তু বাতাস আপনার কার্য্য আপনি করে।
** শিবাপ্রসন্ন ভট্টাচার্য, পঞ্চম কথা, বিদ্যাসাগর-প্রবন্ধ - শিবাপ্রসন্ন ভট্টাচার্য, প্রকাশসাল- ৮৯৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৮
* যখন পুকুরে হাঁস সোঁদা জলে শিশিরের গন্ধ শুধু পায়,<br>শামুক গুগলিগুলো প’ড়ে আছে শ্যাওলার মলিন সবুজে,—<br>তখন আমারে যদি পাও নাকো লালশাক-ছাওয়া মাঠে খুঁজে,<br>ঠেস্ দিয়ে ব’সে আর থাকি নাকো যদি বুনো চাল্তার গায়,<br>তাহ’লে জানিও তুমি আসিয়াছে অন্ধকারে মৃত্যুর আহ্বান—
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* রুচি অনুসারে একই জিনিষ সুন্দর বা অসুন্দর আস্বাদ দেয়। চীনে বাড়ীতে গিয়ে দেখলেম এক সুন্দর কাচের বাটিতে ছেলেরা শুটকি মাছ খাচ্ছে; বাটিটা সুন্দর লাগলো, আহার্যের গন্ধটা কিন্তু চেনা নয় বলেই আমার নাকে ভারি অসুন্দর ঠেকলো। এই ব্যক্তিগত রুচি অরুচি ইত্যাদির উপরে যে রচনা উঠতে পারলে তাই যথার্থ সুন্দর হয়ে উঠলো।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অসুন্দর, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২১৭-২১৮
* হাতে হাত ধ’রে-ধ’রে গোল হ’য়ে ঘুরে-ঘুরে-ঘুরে<br>কার্তিকের মিঠে রোদে আমাদের মুখ যাবে পুড়ে;<br>ফলন্ত ধানের গন্ধে—রঙে তার—স্বাদে তার ভ’রে যাবে আমাদের সকলের দেহ;<br>রাগ কেহ করিবে না—আমাদের দেখে হিংসা করিবে না কেহ। (অবসরের গান)
**[[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* মাঘের রাতে আমের বোলের গন্ধ বহে যায়,<br/>নিশ্বাস তার মেলে না আর তোমার বেদনায়।
**[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/সানাই/দূরবর্তিনী সানাই - দূরবর্তিনী])
* যখন থেকে ফোর্ড কোম্পানী মাটি কাটার কল তৈরী করেছে, সে সময় থেকে পার্বত্য গ্রামেও সোজা পথ, সমান লেভেলে বাড়ি গড়ে উঠেছে। আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান।
** আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯
* অন্ধ [[মেয়ে]] দেখছে না তা— নাই-বা যদি দেখে—<br/>শীতল মিঠা বাদল হাওয়া যায় যে তারে ডেকে!<br/>শুনছে সে যে পাখির ডাকে হরষ কোলাকুলি<br/>মিষ্ট ঘাসের গন্ধে তারও প্রাণ গিয়েছে ভুলি!<br/>দুঃখ সুখের ছন্দে ভরা জগৎ তারও আছে,<br/>তারও আঁধার জগৎখানি মধুর তারি কাছে।
** ''অন্ধ মেয়ে'', সুকুমার সমগ্র রচনাবলী, প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯
* আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান। আমরা ভারতবাসী, আমরা ইচ্ছা করেই বলব, আমেরিকার গ্রামও একদিন পুরাতন হবে, ইউরোপের গ্রামের মত হবে। আমি বলছি তা হবে না। আমেরিকার গ্রাম চির নতুন থাকবে। হয়ত বর্তমান অবস্থা হতে আমেরিকার গ্রাম আরও উন্নত হবে, কারণ আমেরিকাতে এখনও ধর্মের বদ্খেয়ালী নাই।
** [[রামনাথ বিশ্বাস]], আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯-১৪০
* শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতে<br/>অলস গেঁয়োর মতো এইখানে কার্তিকের খেতে;<br/>মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়।
** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* বায়ু বহে মৃদু মন্দ, মধুর চাঁপার গন্ধ<br>পাতার বিতান হতে আসে ভেসে ভেসে।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সন্ধ্যা, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৩
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]]
jqykseih0owsyiehizcmx0ndiq8576y
74048
74047
2026-04-06T07:18:14Z
Salil Kumar Mukherjee
39
/* উক্তি */
74048
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:গন্ধ|গন্ধ]]''' হলো এক বা একাধিক উদ্বায়ী রাসায়নিক যৌগের এমন একটি বৈশিষ্ট্য, যা সাধারণত স্বল্প ঘনত্বে থাকে এবং মানুষ ও প্রাণী তাদের ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তা উপলব্ধি করতে পারে। গন্ধ বলতে সুখকর বা অপ্রীতিকর উভয় প্রকার গন্ধকেই বোঝাতে পারে। মনোরম গন্ধকে বলা হয় সুগন্ধি, আর অপ্রীতিকর গন্ধকে বলা হয় দুর্গন্ধ।
== উক্তি ==
* গোলাপ, গোলাপ, শুধু গোলাপের রাশি!<br>গোলাপের রং ছিল অনন্ত আকাশে,<br>গোলাপের গন্ধ ছিল ধরাতে বাতাসে,<br>নারীর অধরে ছিল গোলাপের হাসি॥
** [[প্রমথ চৌধুরী]], অপরাহ্ন, সনেট-পঞ্চাশৎ - প্রমথ চৌধুরী, প্রকাশক- সিদ্ধেশ্বর মেসিন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩
* খাবারওয়ালাকে যদি প্রশ্ন করি—মিষ্টান্নে রং দাও কেন, বিকট বিলিতী গন্ধ দাও কেন, সে উত্তর দেয়, খদ্দের এইরকম রং আর গন্ধ চায় যে। কথাটা পুরােপুরি সত্য নয়। তীব্র কৃত্রিম গন্ধযুক্ত সবুজ রঙের গ্রীন ম্যাংগাে সন্দেশ পছন্দ করে এমন লােক হয়তাে আছে। কিন্তু আসল কথা, খাবারওয়ালা নিজের রুচি আর বুদ্ধি অনুসারে যে রং দেয়, গন্ধ দেয়, অদ্ভুত অদ্ভুত নাম দেয়, ক্রেতা তাতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়ে, মনে করে এই হচ্ছে আধুনিক ফ্যাশন। খাদ্যের স্বাভাবিক বর্ণ গন্ধ স্বাদ অনেকেরই ভাল লাগে, কিন্তু মিষ্টান্নকার তা বােঝে না।
** [[রাজশেখর বসু]], নিসর্গচর্চা, বিচিন্তা - রাজশেখর বসু, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪২-১৪৩
* হয়তো বা হাঁস হ’ব—কিশোরীর—ঘুঙুর রহিবে লাল পায়,<br>সারা দিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধ ভরা জলে ভেসে ভেসে;<br>আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে<br>জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়;
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪
* বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই—<br>মাগো, আমার শোলোক-বলা কাজ্লা দিদি কই?<br>পুকুর ধারে, নেবুর তলে থোকায় থোকায় জোনাই জ্বলে,—<br>ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না, একলা জেগে’ রই;<br>মাগো, আমার কোলের কাছে কাজ্লা দিদি কই?
** [[যতীন্দ্রমোহন বাগচী]], কাজ্লাদিদি, কাব্যমালঞ্চ - যতীন্দ্রমোহন বাগচী, প্রকাশক- পপুলার এজেন্সী, প্রকাশসাল- ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ), প্রকাশস্থান- কলকাতা, পৃষ্ঠা ১১৪
* উঠে চারু বাস বায়ু আমোদিয়া<br>ঢলিতে ঢলিতে যায়;<br>চলে প্রাণিগণ মুগ্ধ নব রসে<br>বায়ু, গন্ধে স্নিগ্ধকায়।
** [[হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]], পঞ্চম কল্পনা, আশাকানন- হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৬১
* যেমন ফুল নাড়তে-চাড়তে ঘ্রাণ বের হয়, চন্দন ঘষতে ঘষতে গন্ধ বের হয়, তেমনি ভগবৎতত্ত্বের আলোচনা করতে করতে তত্ত্বজ্ঞানের উদয় হয়।
** [[সারদা দেবী]], শ্রীমা সারদা দেবী - স্বামী গম্ভীরানন্দ, প্রকাশক- উদ্বোধন কার্য্যালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৭৫-৩৭৬
* সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন<br>সন্ধ্যা আসে; ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল;<br>পৃথিবীর সব রং নিভে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন<br>তখন গল্পের তরে [[জোনাকি|জোনাকির]] রঙে ঝিলমিল;
** [[:s:জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/বনলতা_সেন|বনলতা সেন]] - [[জীবনানন্দ দাশ]], প্রকাশক- নিউ স্ক্রিপ্ট, কলকাতা, অষ্টম মুদ্রণ: [[অগ্রহায়ণ]] ১৪২৪ (নভেম্বর ২০১৭), পৃষ্ঠা ৯
* ধূপ আপনারে মিলাইতে চাহে গন্ধে,<br>গন্ধ সে চাহে ধূপেরে রহিতে জুড়ে।<br>সুর আপনারে ধরা দিতে চাহে ছন্দে,<br>ছন্দ ফিরিয়া ছুটে যেতে চায় সুরে।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], উৎসর্গ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮-৩৯
*ক্রমশ এদেশে গুচ্ছবদ্ধ রক্ত-কুসুম <br/> ছড়ায় শত্রু-শবের গন্ধ, ভাঙে ভীত ঘুম। <br/> এখানে কৃষক বাড়ায় ফসল মিলিত হাতে, <br/> তোমার স্বপ্ন চূর্ণ করার শপথ দাঁতে
**[[সুকান্ত ভট্টাচার্য]] - সুকান্ত সমগ্র, বিভীষণের প্রতি ১৯৫৭ (পৃ. ১৬২-১৬৩)।
* পৃথিবীর কোনো পথে:নরম ধানের গন্ধ—কল্মীর ঘ্রাণ,<br>হাঁসের পালক, শর, পুকুরের জল, চাঁদা সরপুঁটিদের<br>মৃদু ঘ্রাণ, কিশোরীর চাল-ধোয়া ভিজে হাত—শীত হাতখান,<br>কিশোরের পায়ে-দলা মুথাঘাস,—লাল লাল বটের ফলের<br>ব্যথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতা—এরি মাঝে বাংলার প্রাণ:
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫
* বেড়াইতে বেড়াইতে দেখিল, বাগানের এই নানা রকম সুগন্ধ সুদৃশ্য অপরিচিত পুষ্পবৃক্ষের এক পাশে একটি গোলাপের গাছ, সেই গাছে একটি সুন্দর প্রস্ফুটিত গোলাপ। লাবণ্য সেই গোলাপটি তুলিতে হাত বাড়াইল! এই সময় সহসা কোথা হইতে পূর্ব্বেকার পরীটি আসিয়া বলিলেন, “ইহা তুলিও না, ঐ দেখ কত ধৈর্য্য ফুল ফুটিয়া রহিয়াছে—উহার একটি তোল, গোলাপ অপেক্ষা দেখ ঐ ফুলগুলি কত সুন্দর।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সুবুদ্ধির উপদেশ, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০
* আপনার বাগানের কোন স্থানে একটি সুগন্ধ ফুল ফুটিয়াছে তাহাতে বাগান আমোদিত করিয়াছে। বায়ু গন্ধ ছড়াইয়া ফুলের সৌরভ বিকীর্ণ করিতেছে। ফুল তাহা চাহেনা, কিন্তু বাতাস আপনার কার্য্য আপনি করে।
** শিবাপ্রসন্ন ভট্টাচার্য, পঞ্চম কথা, বিদ্যাসাগর-প্রবন্ধ - শিবাপ্রসন্ন ভট্টাচার্য, প্রকাশসাল- ৮৯৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৮
* যখন পুকুরে হাঁস সোঁদা জলে শিশিরের গন্ধ শুধু পায়,<br>শামুক গুগলিগুলো প’ড়ে আছে শ্যাওলার মলিন সবুজে,—<br>তখন আমারে যদি পাও নাকো লালশাক-ছাওয়া মাঠে খুঁজে,<br>ঠেস্ দিয়ে ব’সে আর থাকি নাকো যদি বুনো চাল্তার গায়,<br>তাহ’লে জানিও তুমি আসিয়াছে অন্ধকারে মৃত্যুর আহ্বান—
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* রুচি অনুসারে একই জিনিষ সুন্দর বা অসুন্দর আস্বাদ দেয়। চীনে বাড়ীতে গিয়ে দেখলেম এক সুন্দর কাচের বাটিতে ছেলেরা শুটকি মাছ খাচ্ছে; বাটিটা সুন্দর লাগলো, আহার্যের গন্ধটা কিন্তু চেনা নয় বলেই আমার নাকে ভারি অসুন্দর ঠেকলো। এই ব্যক্তিগত রুচি অরুচি ইত্যাদির উপরে যে রচনা উঠতে পারলে তাই যথার্থ সুন্দর হয়ে উঠলো।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অসুন্দর, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২১৭-২১৮
* হাতে হাত ধ’রে-ধ’রে গোল হ’য়ে ঘুরে-ঘুরে-ঘুরে<br>কার্তিকের মিঠে রোদে আমাদের মুখ যাবে পুড়ে;<br>ফলন্ত ধানের গন্ধে—রঙে তার—স্বাদে তার ভ’রে যাবে আমাদের সকলের দেহ;<br>রাগ কেহ করিবে না—আমাদের দেখে হিংসা করিবে না কেহ। (অবসরের গান)
**[[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* মাঘের রাতে আমের বোলের গন্ধ বহে যায়,<br/>নিশ্বাস তার মেলে না আর তোমার বেদনায়।
**[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/সানাই/দূরবর্তিনী সানাই - দূরবর্তিনী])
* যখন থেকে ফোর্ড কোম্পানী মাটি কাটার কল তৈরী করেছে, সে সময় থেকে পার্বত্য গ্রামেও সোজা পথ, সমান লেভেলে বাড়ি গড়ে উঠেছে। আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান।
** আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯
* অন্ধ [[মেয়ে]] দেখছে না তা— নাই-বা যদি দেখে—<br/>শীতল মিঠা বাদল হাওয়া যায় যে তারে ডেকে!<br/>শুনছে সে যে পাখির ডাকে হরষ কোলাকুলি<br/>মিষ্ট ঘাসের গন্ধে তারও প্রাণ গিয়েছে ভুলি!<br/>দুঃখ সুখের ছন্দে ভরা জগৎ তারও আছে,<br/>তারও আঁধার জগৎখানি মধুর তারি কাছে।
** ''অন্ধ মেয়ে'', সুকুমার সমগ্র রচনাবলী, প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯
* আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান। আমরা ভারতবাসী, আমরা ইচ্ছা করেই বলব, আমেরিকার গ্রামও একদিন পুরাতন হবে, ইউরোপের গ্রামের মত হবে। আমি বলছি তা হবে না। আমেরিকার গ্রাম চির নতুন থাকবে। হয়ত বর্তমান অবস্থা হতে আমেরিকার গ্রাম আরও উন্নত হবে, কারণ আমেরিকাতে এখনও ধর্মের বদ্খেয়ালী নাই।
** [[রামনাথ বিশ্বাস]], আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯-১৪০
* শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতে<br/>অলস গেঁয়োর মতো এইখানে কার্তিকের খেতে;<br/>মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়।
** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* বায়ু বহে মৃদু মন্দ, মধুর চাঁপার গন্ধ<br>পাতার বিতান হতে আসে ভেসে ভেসে।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সন্ধ্যা, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৩
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]]
g5dhc3e8ek7266yu9037aeppltx1273
74049
74048
2026-04-06T07:23:31Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
74049
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:গন্ধ|গন্ধ]]''' হলো এক বা একাধিক উদ্বায়ী রাসায়নিক যৌগের এমন একটি বৈশিষ্ট্য, যা সাধারণত স্বল্প ঘনত্বে থাকে এবং মানুষ ও প্রাণী তাদের ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তা উপলব্ধি করতে পারে। গন্ধ বলতে সুখকর বা অপ্রীতিকর উভয় প্রকার গন্ধকেই বোঝাতে পারে। মনোরম গন্ধকে বলা হয় সুগন্ধি, আর অপ্রীতিকর গন্ধকে বলা হয় দুর্গন্ধ।
== উক্তি ==
* গোলাপ, গোলাপ, শুধু গোলাপের রাশি!<br>গোলাপের রং ছিল অনন্ত আকাশে,<br>গোলাপের গন্ধ ছিল ধরাতে বাতাসে,<br>নারীর অধরে ছিল গোলাপের হাসি॥
** [[প্রমথ চৌধুরী]], অপরাহ্ন, সনেট-পঞ্চাশৎ - প্রমথ চৌধুরী, প্রকাশক- সিদ্ধেশ্বর মেসিন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩
* খাবারওয়ালাকে যদি প্রশ্ন করি—মিষ্টান্নে রং দাও কেন, বিকট বিলিতী গন্ধ দাও কেন, সে উত্তর দেয়, খদ্দের এইরকম রং আর গন্ধ চায় যে। কথাটা পুরােপুরি সত্য নয়। তীব্র কৃত্রিম গন্ধযুক্ত সবুজ রঙের গ্রীন ম্যাংগাে সন্দেশ পছন্দ করে এমন লােক হয়তাে আছে। কিন্তু আসল কথা, খাবারওয়ালা নিজের রুচি আর বুদ্ধি অনুসারে যে রং দেয়, গন্ধ দেয়, অদ্ভুত অদ্ভুত নাম দেয়, ক্রেতা তাতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়ে, মনে করে এই হচ্ছে আধুনিক ফ্যাশন। খাদ্যের স্বাভাবিক বর্ণ গন্ধ স্বাদ অনেকেরই ভাল লাগে, কিন্তু মিষ্টান্নকার তা বােঝে না।
** [[রাজশেখর বসু]], নিসর্গচর্চা, বিচিন্তা - রাজশেখর বসু, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪২-১৪৩
* হয়তো বা হাঁস হ’ব—কিশোরীর—ঘুঙুর রহিবে লাল পায়,<br>সারা দিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধ ভরা জলে ভেসে ভেসে;<br>আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে<br>জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়;
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪
* বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই—<br>মাগো, আমার শোলোক-বলা কাজ্লা দিদি কই?<br>পুকুর ধারে, নেবুর তলে থোকায় থোকায় জোনাই জ্বলে,—<br>ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না, একলা জেগে’ রই;<br>মাগো, আমার কোলের কাছে কাজ্লা দিদি কই?
** [[যতীন্দ্রমোহন বাগচী]], কাজ্লাদিদি, কাব্যমালঞ্চ - যতীন্দ্রমোহন বাগচী, প্রকাশক- পপুলার এজেন্সী, প্রকাশসাল- ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ), প্রকাশস্থান- কলকাতা, পৃষ্ঠা ১১৪
* উঠে চারু বাস বায়ু আমোদিয়া<br>ঢলিতে ঢলিতে যায়;<br>চলে প্রাণিগণ মুগ্ধ নব রসে<br>বায়ু, গন্ধে স্নিগ্ধকায়।
** [[হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]], পঞ্চম কল্পনা, আশাকানন- হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৬১
* যেমন ফুল নাড়তে-চাড়তে ঘ্রাণ বের হয়, চন্দন ঘষতে ঘষতে গন্ধ বের হয়, তেমনি ভগবৎতত্ত্বের আলোচনা করতে করতে তত্ত্বজ্ঞানের উদয় হয়।
** [[সারদা দেবী]], শ্রীমা সারদা দেবী - স্বামী গম্ভীরানন্দ, প্রকাশক- উদ্বোধন কার্য্যালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৭৫-৩৭৬
* সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন<br>সন্ধ্যা আসে; ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল;<br>পৃথিবীর সব রং নিভে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন<br>তখন গল্পের তরে [[জোনাকি|জোনাকির]] রঙে ঝিলমিল;
** [[:s:জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/বনলতা_সেন|বনলতা সেন]] - [[জীবনানন্দ দাশ]], প্রকাশক- নিউ স্ক্রিপ্ট, কলকাতা, অষ্টম মুদ্রণ: [[অগ্রহায়ণ]] ১৪২৪ (নভেম্বর ২০১৭), পৃষ্ঠা ৯
* ধূপ আপনারে মিলাইতে চাহে গন্ধে,<br>গন্ধ সে চাহে ধূপেরে রহিতে জুড়ে।<br>সুর আপনারে ধরা দিতে চাহে ছন্দে,<br>ছন্দ ফিরিয়া ছুটে যেতে চায় সুরে।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], উৎসর্গ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮-৩৯
*ক্রমশ এদেশে গুচ্ছবদ্ধ রক্ত-কুসুম <br/> ছড়ায় শত্রু-শবের গন্ধ, ভাঙে ভীত ঘুম। <br/> এখানে কৃষক বাড়ায় ফসল মিলিত হাতে, <br/> তোমার স্বপ্ন চূর্ণ করার শপথ দাঁতে
**[[সুকান্ত ভট্টাচার্য]] - সুকান্ত সমগ্র, বিভীষণের প্রতি ১৯৫৭ (পৃ. ১৬২-১৬৩)।
* পৃথিবীর কোনো পথে:নরম ধানের গন্ধ—কল্মীর ঘ্রাণ,<br>হাঁসের পালক, শর, পুকুরের জল, চাঁদা সরপুঁটিদের<br>মৃদু ঘ্রাণ, কিশোরীর চাল-ধোয়া ভিজে হাত—শীত হাতখান,<br>কিশোরের পায়ে-দলা মুথাঘাস,—লাল লাল বটের ফলের<br>ব্যথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতা—এরি মাঝে বাংলার প্রাণ:
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫
* বেড়াইতে বেড়াইতে দেখিল, বাগানের এই নানা রকম সুগন্ধ সুদৃশ্য অপরিচিত পুষ্পবৃক্ষের এক পাশে একটি গোলাপের গাছ, সেই গাছে একটি সুন্দর প্রস্ফুটিত গোলাপ। লাবণ্য সেই গোলাপটি তুলিতে হাত বাড়াইল! এই সময় সহসা কোথা হইতে পূর্ব্বেকার পরীটি আসিয়া বলিলেন, “ইহা তুলিও না, ঐ দেখ কত ধৈর্য্য ফুল ফুটিয়া রহিয়াছে—উহার একটি তোল, গোলাপ অপেক্ষা দেখ ঐ ফুলগুলি কত সুন্দর।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সুবুদ্ধির উপদেশ, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০
* আপনার বাগানের কোন স্থানে একটি সুগন্ধ ফুল ফুটিয়াছে তাহাতে বাগান আমোদিত করিয়াছে। বায়ু গন্ধ ছড়াইয়া ফুলের সৌরভ বিকীর্ণ করিতেছে। ফুল তাহা চাহেনা, কিন্তু বাতাস আপনার কার্য্য আপনি করে।
** শিবাপ্রসন্ন ভট্টাচার্য, পঞ্চম কথা, বিদ্যাসাগর-প্রবন্ধ - শিবাপ্রসন্ন ভট্টাচার্য, প্রকাশসাল- ৮৯৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৮
* যখন পুকুরে হাঁস সোঁদা জলে শিশিরের গন্ধ শুধু পায়,<br>শামুক গুগলিগুলো প’ড়ে আছে শ্যাওলার মলিন সবুজে,—<br>তখন আমারে যদি পাও নাকো লালশাক-ছাওয়া মাঠে খুঁজে,<br>ঠেস্ দিয়ে ব’সে আর থাকি নাকো যদি বুনো চাল্তার গায়,<br>তাহ’লে জানিও তুমি আসিয়াছে অন্ধকারে মৃত্যুর আহ্বান—
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* রুচি অনুসারে একই জিনিষ সুন্দর বা অসুন্দর আস্বাদ দেয়। চীনে বাড়ীতে গিয়ে দেখলেম এক সুন্দর কাচের বাটিতে ছেলেরা শুটকি মাছ খাচ্ছে; বাটিটা সুন্দর লাগলো, আহার্যের গন্ধটা কিন্তু চেনা নয় বলেই আমার নাকে ভারি অসুন্দর ঠেকলো। এই ব্যক্তিগত রুচি অরুচি ইত্যাদির উপরে যে রচনা উঠতে পারলে তাই যথার্থ সুন্দর হয়ে উঠলো।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অসুন্দর, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২১৭-২১৮
* হাতে হাত ধ’রে-ধ’রে গোল হ’য়ে ঘুরে-ঘুরে-ঘুরে<br>কার্তিকের মিঠে রোদে আমাদের মুখ যাবে পুড়ে;<br>ফলন্ত ধানের গন্ধে—রঙে তার—স্বাদে তার ভ’রে যাবে আমাদের সকলের দেহ;<br>রাগ কেহ করিবে না—আমাদের দেখে হিংসা করিবে না কেহ। (অবসরের গান)
**[[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* মাঘের রাতে আমের বোলের গন্ধ বহে যায়,<br/>নিশ্বাস তার মেলে না আর তোমার বেদনায়।
**[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/সানাই/দূরবর্তিনী সানাই - দূরবর্তিনী])
* যখন থেকে ফোর্ড কোম্পানী মাটি কাটার কল তৈরী করেছে, সে সময় থেকে পার্বত্য গ্রামেও সোজা পথ, সমান লেভেলে বাড়ি গড়ে উঠেছে। আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান।
** আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯
* অন্ধ [[মেয়ে]] দেখছে না তা— নাই-বা যদি দেখে—<br/>শীতল মিঠা বাদল হাওয়া যায় যে তারে ডেকে!<br/>শুনছে সে যে পাখির ডাকে হরষ কোলাকুলি<br/>মিষ্ট ঘাসের গন্ধে তারও প্রাণ গিয়েছে ভুলি!<br/>দুঃখ সুখের ছন্দে ভরা জগৎ তারও আছে,<br/>তারও আঁধার জগৎখানি মধুর তারি কাছে।
** ''অন্ধ মেয়ে'', সুকুমার সমগ্র রচনাবলী, প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯
* আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান। আমরা ভারতবাসী, আমরা ইচ্ছা করেই বলব, আমেরিকার গ্রামও একদিন পুরাতন হবে, ইউরোপের গ্রামের মত হবে। আমি বলছি তা হবে না। আমেরিকার গ্রাম চির নতুন থাকবে। হয়ত বর্তমান অবস্থা হতে আমেরিকার গ্রাম আরও উন্নত হবে, কারণ আমেরিকাতে এখনও ধর্মের বদ্খেয়ালী নাই।
** [[রামনাথ বিশ্বাস]], আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯-১৪০
* শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতে<br/>অলস গেঁয়োর মতো এইখানে কার্তিকের খেতে;<br/>মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়।
** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* বায়ু বহে মৃদু মন্দ, মধুর চাঁপার গন্ধ<br>পাতার বিতান হতে আসে ভেসে ভেসে।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সন্ধ্যা, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৩
* এ দিকে বসন্তকাল উপস্থিত। সহকারের মুকুলমঞ্জরী সঞ্চালিত করিয়া মলয়ানিল মন্দ মন্দ বহিতে লাগিল কোকিলের কুহুরবে চতুর্দ্দিক্ ব্যাপ্ত হইল। অশোক, কিংশুক, কুরুবক, চম্পক প্রভৃতি তরুগণ বিকসিত কুসুম দ্বারা দিঙ্মণ্ডল আলোকময় করিল। অলিকুল বকুলপুষ্পের গন্ধে অন্ধ হইয়া ঝঙ্কার পূর্ব্বক তাহার চতুর্দ্দিকে ভ্রমণ করিতে লাগিল। তরুগণ পল্লবিত ও ফলভরে অবনত হইল। কমলবন বিকসিত হইয়া সরোবরের শোভা বৃদ্ধি করিল।
** [[বাণভট্ট]], [[কাদম্বরী উপন্যাস]], [[তারাশঙ্কর তর্করত্ন]] কর্তৃক অনূদিত, পৃষ্ঠা ১৫৭
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]]
trv7u18pvzie2yni0j32ks386ir3v2m
74050
74049
2026-04-06T07:25:39Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
74050
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:গন্ধ|গন্ধ]]''' হলো এক বা একাধিক উদ্বায়ী রাসায়নিক যৌগের এমন একটি বৈশিষ্ট্য, যা সাধারণত স্বল্প ঘনত্বে থাকে এবং মানুষ ও প্রাণী তাদের ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তা উপলব্ধি করতে পারে। গন্ধ বলতে সুখকর বা অপ্রীতিকর উভয় প্রকার গন্ধকেই বোঝাতে পারে। মনোরম গন্ধকে বলা হয় সুগন্ধি, আর অপ্রীতিকর গন্ধকে বলা হয় দুর্গন্ধ।
== উক্তি ==
* গোলাপ, গোলাপ, শুধু গোলাপের রাশি!<br>গোলাপের রং ছিল অনন্ত আকাশে,<br>গোলাপের গন্ধ ছিল ধরাতে বাতাসে,<br>নারীর অধরে ছিল গোলাপের হাসি॥
** [[প্রমথ চৌধুরী]], অপরাহ্ন, সনেট-পঞ্চাশৎ - প্রমথ চৌধুরী, প্রকাশক- সিদ্ধেশ্বর মেসিন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩
* খাবারওয়ালাকে যদি প্রশ্ন করি—মিষ্টান্নে রং দাও কেন, বিকট বিলিতী গন্ধ দাও কেন, সে উত্তর দেয়, খদ্দের এইরকম রং আর গন্ধ চায় যে। কথাটা পুরােপুরি সত্য নয়। তীব্র কৃত্রিম গন্ধযুক্ত সবুজ রঙের গ্রীন ম্যাংগাে সন্দেশ পছন্দ করে এমন লােক হয়তাে আছে। কিন্তু আসল কথা, খাবারওয়ালা নিজের রুচি আর বুদ্ধি অনুসারে যে রং দেয়, গন্ধ দেয়, অদ্ভুত অদ্ভুত নাম দেয়, ক্রেতা তাতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়ে, মনে করে এই হচ্ছে আধুনিক ফ্যাশন। খাদ্যের স্বাভাবিক বর্ণ গন্ধ স্বাদ অনেকেরই ভাল লাগে, কিন্তু মিষ্টান্নকার তা বােঝে না।
** [[রাজশেখর বসু]], নিসর্গচর্চা, বিচিন্তা - রাজশেখর বসু, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪২-১৪৩
* হয়তো বা হাঁস হ’ব—কিশোরীর—ঘুঙুর রহিবে লাল পায়,<br>সারা দিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধ ভরা জলে ভেসে ভেসে;<br>আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে<br>জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়;
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪
* বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই—<br>মাগো, আমার শোলোক-বলা কাজ্লা দিদি কই?<br>পুকুর ধারে, নেবুর তলে থোকায় থোকায় জোনাই জ্বলে,—<br>ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না, একলা জেগে’ রই;<br>মাগো, আমার কোলের কাছে কাজ্লা দিদি কই?
** [[যতীন্দ্রমোহন বাগচী]], কাজ্লাদিদি, কাব্যমালঞ্চ - যতীন্দ্রমোহন বাগচী, প্রকাশক- পপুলার এজেন্সী, প্রকাশসাল- ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ), প্রকাশস্থান- কলকাতা, পৃষ্ঠা ১১৪
* উঠে চারু বাস বায়ু আমোদিয়া<br>ঢলিতে ঢলিতে যায়;<br>চলে প্রাণিগণ মুগ্ধ নব রসে<br>বায়ু, গন্ধে স্নিগ্ধকায়।
** [[হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]], পঞ্চম কল্পনা, আশাকানন- হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৬১
* যেমন ফুল নাড়তে-চাড়তে ঘ্রাণ বের হয়, চন্দন ঘষতে ঘষতে গন্ধ বের হয়, তেমনি ভগবৎতত্ত্বের আলোচনা করতে করতে তত্ত্বজ্ঞানের উদয় হয়।
** [[সারদা দেবী]], শ্রীমা সারদা দেবী - স্বামী গম্ভীরানন্দ, প্রকাশক- উদ্বোধন কার্য্যালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৭৫-৩৭৬
* সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন<br>সন্ধ্যা আসে; ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল;<br>পৃথিবীর সব রং নিভে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন<br>তখন গল্পের তরে [[জোনাকি|জোনাকির]] রঙে ঝিলমিল;
** [[:s:জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/বনলতা_সেন|বনলতা সেন]] - [[জীবনানন্দ দাশ]], প্রকাশক- নিউ স্ক্রিপ্ট, কলকাতা, অষ্টম মুদ্রণ: [[অগ্রহায়ণ]] ১৪২৪ (নভেম্বর ২০১৭), পৃষ্ঠা ৯
* ধূপ আপনারে মিলাইতে চাহে গন্ধে,<br>গন্ধ সে চাহে ধূপেরে রহিতে জুড়ে।<br>সুর আপনারে ধরা দিতে চাহে ছন্দে,<br>ছন্দ ফিরিয়া ছুটে যেতে চায় সুরে।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], উৎসর্গ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮-৩৯
*ক্রমশ এদেশে গুচ্ছবদ্ধ রক্ত-কুসুম <br/> ছড়ায় শত্রু-শবের গন্ধ, ভাঙে ভীত ঘুম। <br/> এখানে কৃষক বাড়ায় ফসল মিলিত হাতে, <br/> তোমার স্বপ্ন চূর্ণ করার শপথ দাঁতে
**[[সুকান্ত ভট্টাচার্য]] - সুকান্ত সমগ্র, বিভীষণের প্রতি ১৯৫৭ (পৃ. ১৬২-১৬৩)।
* পৃথিবীর কোনো পথে:নরম ধানের গন্ধ—কল্মীর ঘ্রাণ,<br>হাঁসের পালক, শর, পুকুরের জল, চাঁদা সরপুঁটিদের<br>মৃদু ঘ্রাণ, কিশোরীর চাল-ধোয়া ভিজে হাত—শীত হাতখান,<br>কিশোরের পায়ে-দলা মুথাঘাস,—লাল লাল বটের ফলের<br>ব্যথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতা—এরি মাঝে বাংলার প্রাণ:
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫
* বেড়াইতে বেড়াইতে দেখিল, বাগানের এই নানা রকম সুগন্ধ সুদৃশ্য অপরিচিত পুষ্পবৃক্ষের এক পাশে একটি গোলাপের গাছ, সেই গাছে একটি সুন্দর প্রস্ফুটিত গোলাপ। লাবণ্য সেই গোলাপটি তুলিতে হাত বাড়াইল! এই সময় সহসা কোথা হইতে পূর্ব্বেকার পরীটি আসিয়া বলিলেন, “ইহা তুলিও না, ঐ দেখ কত ধৈর্য্য ফুল ফুটিয়া রহিয়াছে—উহার একটি তোল, গোলাপ অপেক্ষা দেখ ঐ ফুলগুলি কত সুন্দর।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সুবুদ্ধির উপদেশ, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০
* আপনার বাগানের কোন স্থানে একটি সুগন্ধ ফুল ফুটিয়াছে তাহাতে বাগান আমোদিত করিয়াছে। বায়ু গন্ধ ছড়াইয়া ফুলের সৌরভ বিকীর্ণ করিতেছে। ফুল তাহা চাহেনা, কিন্তু বাতাস আপনার কার্য্য আপনি করে।
** শিবাপ্রসন্ন ভট্টাচার্য, পঞ্চম কথা, বিদ্যাসাগর-প্রবন্ধ - শিবাপ্রসন্ন ভট্টাচার্য, প্রকাশসাল- ৮৯৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৮
* যখন পুকুরে হাঁস সোঁদা জলে শিশিরের গন্ধ শুধু পায়,<br>শামুক গুগলিগুলো প’ড়ে আছে শ্যাওলার মলিন সবুজে,—<br>তখন আমারে যদি পাও নাকো লালশাক-ছাওয়া মাঠে খুঁজে,<br>ঠেস্ দিয়ে ব’সে আর থাকি নাকো যদি বুনো চাল্তার গায়,<br>তাহ’লে জানিও তুমি আসিয়াছে অন্ধকারে মৃত্যুর আহ্বান—
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* রুচি অনুসারে একই জিনিষ সুন্দর বা অসুন্দর আস্বাদ দেয়। চীনে বাড়ীতে গিয়ে দেখলেম এক সুন্দর কাচের বাটিতে ছেলেরা শুটকি মাছ খাচ্ছে; বাটিটা সুন্দর লাগলো, আহার্যের গন্ধটা কিন্তু চেনা নয় বলেই আমার নাকে ভারি অসুন্দর ঠেকলো। এই ব্যক্তিগত রুচি অরুচি ইত্যাদির উপরে যে রচনা উঠতে পারলে তাই যথার্থ সুন্দর হয়ে উঠলো।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অসুন্দর, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২১৭-২১৮
* হাতে হাত ধ’রে-ধ’রে গোল হ’য়ে ঘুরে-ঘুরে-ঘুরে<br>কার্তিকের মিঠে রোদে আমাদের মুখ যাবে পুড়ে;<br>ফলন্ত ধানের গন্ধে—রঙে তার—স্বাদে তার ভ’রে যাবে আমাদের সকলের দেহ;<br>রাগ কেহ করিবে না—আমাদের দেখে হিংসা করিবে না কেহ। (অবসরের গান)
**[[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* মাঘের রাতে আমের বোলের গন্ধ বহে যায়,<br/>নিশ্বাস তার মেলে না আর তোমার বেদনায়।
**[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/সানাই/দূরবর্তিনী সানাই - দূরবর্তিনী])
* যখন থেকে ফোর্ড কোম্পানী মাটি কাটার কল তৈরী করেছে, সে সময় থেকে পার্বত্য গ্রামেও সোজা পথ, সমান লেভেলে বাড়ি গড়ে উঠেছে। আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান।
** আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯
* অন্ধ [[মেয়ে]] দেখছে না তা— নাই-বা যদি দেখে—<br/>শীতল মিঠা বাদল হাওয়া যায় যে তারে ডেকে!<br/>শুনছে সে যে পাখির ডাকে হরষ কোলাকুলি<br/>মিষ্ট ঘাসের গন্ধে তারও প্রাণ গিয়েছে ভুলি!<br/>দুঃখ সুখের ছন্দে ভরা জগৎ তারও আছে,<br/>তারও আঁধার জগৎখানি মধুর তারি কাছে।
** ''অন্ধ মেয়ে'', সুকুমার সমগ্র রচনাবলী, প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯
* আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান। আমরা ভারতবাসী, আমরা ইচ্ছা করেই বলব, আমেরিকার গ্রামও একদিন পুরাতন হবে, ইউরোপের গ্রামের মত হবে। আমি বলছি তা হবে না। আমেরিকার গ্রাম চির নতুন থাকবে। হয়ত বর্তমান অবস্থা হতে আমেরিকার গ্রাম আরও উন্নত হবে, কারণ আমেরিকাতে এখনও ধর্মের বদ্খেয়ালী নাই।
** [[রামনাথ বিশ্বাস]], আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯-১৪০
* শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতে<br/>অলস গেঁয়োর মতো এইখানে কার্তিকের খেতে;<br/>মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়।
** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* বায়ু বহে মৃদু মন্দ, মধুর চাঁপার গন্ধ<br>পাতার বিতান হতে আসে ভেসে ভেসে।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সন্ধ্যা, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৩
* এ দিকে বসন্তকাল উপস্থিত। সহকারের মুকুলমঞ্জরী সঞ্চালিত করিয়া মলয়ানিল মন্দ মন্দ বহিতে লাগিল কোকিলের কুহুরবে চতুর্দ্দিক্ ব্যাপ্ত হইল। অশোক, কিংশুক, কুরুবক, চম্পক প্রভৃতি তরুগণ বিকসিত কুসুম দ্বারা দিঙ্মণ্ডল আলোকময় করিল। অলিকুল বকুলপুষ্পের গন্ধে অন্ধ হইয়া ঝঙ্কার পূর্ব্বক তাহার চতুর্দ্দিকে ভ্রমণ করিতে লাগিল। তরুগণ পল্লবিত ও ফলভরে অবনত হইল। কমলবন বিকসিত হইয়া সরোবরের শোভা বৃদ্ধি করিল।
** [[বাণভট্ট]], [[কাদম্বরী উপন্যাস]], [[তারাশঙ্কর তর্করত্ন]] কর্তৃক অনূদিত, পৃষ্ঠা ১৫৭
* জননী, তোমার শুভ আহ্বান<br>গিয়েছে নিখিল ভুবনে--<br>নূতন ধান্যে হবে নবান্ন<br>তোমার ভবনে ভবনে।<br>অবসর আর নাহিকো তোমার--<br>আঁটি আঁটি ধান চলে ভারে ভার,<br>গ্রামপথে-পথে গন্ধ তাহার<br>ভরিয়া উঠিছে পবনে।<br>জননী, তোমার আহ্বান লিপি<br>পাঠায়ে দিয়েছ ভুবনে।
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]]
5rlsr8j2lnbifo5pxnxardloziaabhc
74051
74050
2026-04-06T07:26:15Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উদ্ধৃতি যোগ
74051
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:গন্ধ|গন্ধ]]''' হলো এক বা একাধিক উদ্বায়ী রাসায়নিক যৌগের এমন একটি বৈশিষ্ট্য, যা সাধারণত স্বল্প ঘনত্বে থাকে এবং মানুষ ও প্রাণী তাদের ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তা উপলব্ধি করতে পারে। গন্ধ বলতে সুখকর বা অপ্রীতিকর উভয় প্রকার গন্ধকেই বোঝাতে পারে। মনোরম গন্ধকে বলা হয় সুগন্ধি, আর অপ্রীতিকর গন্ধকে বলা হয় দুর্গন্ধ।
== উক্তি ==
* গোলাপ, গোলাপ, শুধু গোলাপের রাশি!<br>গোলাপের রং ছিল অনন্ত আকাশে,<br>গোলাপের গন্ধ ছিল ধরাতে বাতাসে,<br>নারীর অধরে ছিল গোলাপের হাসি॥
** [[প্রমথ চৌধুরী]], অপরাহ্ন, সনেট-পঞ্চাশৎ - প্রমথ চৌধুরী, প্রকাশক- সিদ্ধেশ্বর মেসিন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩
* খাবারওয়ালাকে যদি প্রশ্ন করি—মিষ্টান্নে রং দাও কেন, বিকট বিলিতী গন্ধ দাও কেন, সে উত্তর দেয়, খদ্দের এইরকম রং আর গন্ধ চায় যে। কথাটা পুরােপুরি সত্য নয়। তীব্র কৃত্রিম গন্ধযুক্ত সবুজ রঙের গ্রীন ম্যাংগাে সন্দেশ পছন্দ করে এমন লােক হয়তাে আছে। কিন্তু আসল কথা, খাবারওয়ালা নিজের রুচি আর বুদ্ধি অনুসারে যে রং দেয়, গন্ধ দেয়, অদ্ভুত অদ্ভুত নাম দেয়, ক্রেতা তাতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়ে, মনে করে এই হচ্ছে আধুনিক ফ্যাশন। খাদ্যের স্বাভাবিক বর্ণ গন্ধ স্বাদ অনেকেরই ভাল লাগে, কিন্তু মিষ্টান্নকার তা বােঝে না।
** [[রাজশেখর বসু]], নিসর্গচর্চা, বিচিন্তা - রাজশেখর বসু, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪২-১৪৩
* হয়তো বা হাঁস হ’ব—কিশোরীর—ঘুঙুর রহিবে লাল পায়,<br>সারা দিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধ ভরা জলে ভেসে ভেসে;<br>আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে<br>জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়;
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪
* বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই—<br>মাগো, আমার শোলোক-বলা কাজ্লা দিদি কই?<br>পুকুর ধারে, নেবুর তলে থোকায় থোকায় জোনাই জ্বলে,—<br>ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না, একলা জেগে’ রই;<br>মাগো, আমার কোলের কাছে কাজ্লা দিদি কই?
** [[যতীন্দ্রমোহন বাগচী]], কাজ্লাদিদি, কাব্যমালঞ্চ - যতীন্দ্রমোহন বাগচী, প্রকাশক- পপুলার এজেন্সী, প্রকাশসাল- ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ), প্রকাশস্থান- কলকাতা, পৃষ্ঠা ১১৪
* উঠে চারু বাস বায়ু আমোদিয়া<br>ঢলিতে ঢলিতে যায়;<br>চলে প্রাণিগণ মুগ্ধ নব রসে<br>বায়ু, গন্ধে স্নিগ্ধকায়।
** [[হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]], পঞ্চম কল্পনা, আশাকানন- হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৬১
* যেমন ফুল নাড়তে-চাড়তে ঘ্রাণ বের হয়, চন্দন ঘষতে ঘষতে গন্ধ বের হয়, তেমনি ভগবৎতত্ত্বের আলোচনা করতে করতে তত্ত্বজ্ঞানের উদয় হয়।
** [[সারদা দেবী]], শ্রীমা সারদা দেবী - স্বামী গম্ভীরানন্দ, প্রকাশক- উদ্বোধন কার্য্যালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৭৫-৩৭৬
* সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন<br>সন্ধ্যা আসে; ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল;<br>পৃথিবীর সব রং নিভে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন<br>তখন গল্পের তরে [[জোনাকি|জোনাকির]] রঙে ঝিলমিল;
** [[:s:জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/বনলতা_সেন|বনলতা সেন]] - [[জীবনানন্দ দাশ]], প্রকাশক- নিউ স্ক্রিপ্ট, কলকাতা, অষ্টম মুদ্রণ: [[অগ্রহায়ণ]] ১৪২৪ (নভেম্বর ২০১৭), পৃষ্ঠা ৯
* ধূপ আপনারে মিলাইতে চাহে গন্ধে,<br>গন্ধ সে চাহে ধূপেরে রহিতে জুড়ে।<br>সুর আপনারে ধরা দিতে চাহে ছন্দে,<br>ছন্দ ফিরিয়া ছুটে যেতে চায় সুরে।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], উৎসর্গ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮-৩৯
*ক্রমশ এদেশে গুচ্ছবদ্ধ রক্ত-কুসুম <br/> ছড়ায় শত্রু-শবের গন্ধ, ভাঙে ভীত ঘুম। <br/> এখানে কৃষক বাড়ায় ফসল মিলিত হাতে, <br/> তোমার স্বপ্ন চূর্ণ করার শপথ দাঁতে
**[[সুকান্ত ভট্টাচার্য]] - সুকান্ত সমগ্র, বিভীষণের প্রতি ১৯৫৭ (পৃ. ১৬২-১৬৩)।
* পৃথিবীর কোনো পথে:নরম ধানের গন্ধ—কল্মীর ঘ্রাণ,<br>হাঁসের পালক, শর, পুকুরের জল, চাঁদা সরপুঁটিদের<br>মৃদু ঘ্রাণ, কিশোরীর চাল-ধোয়া ভিজে হাত—শীত হাতখান,<br>কিশোরের পায়ে-দলা মুথাঘাস,—লাল লাল বটের ফলের<br>ব্যথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতা—এরি মাঝে বাংলার প্রাণ:
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫
* বেড়াইতে বেড়াইতে দেখিল, বাগানের এই নানা রকম সুগন্ধ সুদৃশ্য অপরিচিত পুষ্পবৃক্ষের এক পাশে একটি গোলাপের গাছ, সেই গাছে একটি সুন্দর প্রস্ফুটিত গোলাপ। লাবণ্য সেই গোলাপটি তুলিতে হাত বাড়াইল! এই সময় সহসা কোথা হইতে পূর্ব্বেকার পরীটি আসিয়া বলিলেন, “ইহা তুলিও না, ঐ দেখ কত ধৈর্য্য ফুল ফুটিয়া রহিয়াছে—উহার একটি তোল, গোলাপ অপেক্ষা দেখ ঐ ফুলগুলি কত সুন্দর।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সুবুদ্ধির উপদেশ, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০
* আপনার বাগানের কোন স্থানে একটি সুগন্ধ ফুল ফুটিয়াছে তাহাতে বাগান আমোদিত করিয়াছে। বায়ু গন্ধ ছড়াইয়া ফুলের সৌরভ বিকীর্ণ করিতেছে। ফুল তাহা চাহেনা, কিন্তু বাতাস আপনার কার্য্য আপনি করে।
** শিবাপ্রসন্ন ভট্টাচার্য, পঞ্চম কথা, বিদ্যাসাগর-প্রবন্ধ - শিবাপ্রসন্ন ভট্টাচার্য, প্রকাশসাল- ৮৯৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৮
* যখন পুকুরে হাঁস সোঁদা জলে শিশিরের গন্ধ শুধু পায়,<br>শামুক গুগলিগুলো প’ড়ে আছে শ্যাওলার মলিন সবুজে,—<br>তখন আমারে যদি পাও নাকো লালশাক-ছাওয়া মাঠে খুঁজে,<br>ঠেস্ দিয়ে ব’সে আর থাকি নাকো যদি বুনো চাল্তার গায়,<br>তাহ’লে জানিও তুমি আসিয়াছে অন্ধকারে মৃত্যুর আহ্বান—
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* রুচি অনুসারে একই জিনিষ সুন্দর বা অসুন্দর আস্বাদ দেয়। চীনে বাড়ীতে গিয়ে দেখলেম এক সুন্দর কাচের বাটিতে ছেলেরা শুটকি মাছ খাচ্ছে; বাটিটা সুন্দর লাগলো, আহার্যের গন্ধটা কিন্তু চেনা নয় বলেই আমার নাকে ভারি অসুন্দর ঠেকলো। এই ব্যক্তিগত রুচি অরুচি ইত্যাদির উপরে যে রচনা উঠতে পারলে তাই যথার্থ সুন্দর হয়ে উঠলো।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অসুন্দর, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২১৭-২১৮
* হাতে হাত ধ’রে-ধ’রে গোল হ’য়ে ঘুরে-ঘুরে-ঘুরে<br>কার্তিকের মিঠে রোদে আমাদের মুখ যাবে পুড়ে;<br>ফলন্ত ধানের গন্ধে—রঙে তার—স্বাদে তার ভ’রে যাবে আমাদের সকলের দেহ;<br>রাগ কেহ করিবে না—আমাদের দেখে হিংসা করিবে না কেহ। (অবসরের গান)
**[[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* মাঘের রাতে আমের বোলের গন্ধ বহে যায়,<br/>নিশ্বাস তার মেলে না আর তোমার বেদনায়।
**[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/সানাই/দূরবর্তিনী সানাই - দূরবর্তিনী])
* যখন থেকে ফোর্ড কোম্পানী মাটি কাটার কল তৈরী করেছে, সে সময় থেকে পার্বত্য গ্রামেও সোজা পথ, সমান লেভেলে বাড়ি গড়ে উঠেছে। আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান।
** আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯
* অন্ধ [[মেয়ে]] দেখছে না তা— নাই-বা যদি দেখে—<br/>শীতল মিঠা বাদল হাওয়া যায় যে তারে ডেকে!<br/>শুনছে সে যে পাখির ডাকে হরষ কোলাকুলি<br/>মিষ্ট ঘাসের গন্ধে তারও প্রাণ গিয়েছে ভুলি!<br/>দুঃখ সুখের ছন্দে ভরা জগৎ তারও আছে,<br/>তারও আঁধার জগৎখানি মধুর তারি কাছে।
** ''অন্ধ মেয়ে'', সুকুমার সমগ্র রচনাবলী, প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯
* আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান। আমরা ভারতবাসী, আমরা ইচ্ছা করেই বলব, আমেরিকার গ্রামও একদিন পুরাতন হবে, ইউরোপের গ্রামের মত হবে। আমি বলছি তা হবে না। আমেরিকার গ্রাম চির নতুন থাকবে। হয়ত বর্তমান অবস্থা হতে আমেরিকার গ্রাম আরও উন্নত হবে, কারণ আমেরিকাতে এখনও ধর্মের বদ্খেয়ালী নাই।
** [[রামনাথ বিশ্বাস]], আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯-১৪০
* শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতে<br/>অলস গেঁয়োর মতো এইখানে কার্তিকের খেতে;<br/>মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়।
** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* বায়ু বহে মৃদু মন্দ, মধুর চাঁপার গন্ধ<br>পাতার বিতান হতে আসে ভেসে ভেসে।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সন্ধ্যা, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৩
* এ দিকে বসন্তকাল উপস্থিত। সহকারের মুকুলমঞ্জরী সঞ্চালিত করিয়া মলয়ানিল মন্দ মন্দ বহিতে লাগিল কোকিলের কুহুরবে চতুর্দ্দিক্ ব্যাপ্ত হইল। অশোক, কিংশুক, কুরুবক, চম্পক প্রভৃতি তরুগণ বিকসিত কুসুম দ্বারা দিঙ্মণ্ডল আলোকময় করিল। অলিকুল বকুলপুষ্পের গন্ধে অন্ধ হইয়া ঝঙ্কার পূর্ব্বক তাহার চতুর্দ্দিকে ভ্রমণ করিতে লাগিল। তরুগণ পল্লবিত ও ফলভরে অবনত হইল। কমলবন বিকসিত হইয়া সরোবরের শোভা বৃদ্ধি করিল।
** [[বাণভট্ট]], [[কাদম্বরী উপন্যাস]], [[তারাশঙ্কর তর্করত্ন]] কর্তৃক অনূদিত, পৃষ্ঠা ১৫৭
* জননী, তোমার শুভ আহ্বান<br>গিয়েছে নিখিল ভুবনে--<br>নূতন ধান্যে হবে নবান্ন<br>তোমার ভবনে ভবনে।<br>অবসর আর নাহিকো তোমার--<br>আঁটি আঁটি ধান চলে ভারে ভার,<br>গ্রামপথে-পথে গন্ধ তাহার<br>ভরিয়া উঠিছে পবনে।<br>জননী, তোমার আহ্বান লিপি<br>পাঠায়ে দিয়েছ ভুবনে।
** কল্পনা - [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], প্রকাশক - বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), [https://bn.m.wikisource.org/wiki/পাতা:কল্পনা-রবীন্দ্রনাথ_ঠাকুর.djvu/৪৫ পৃষ্ঠা ৪৪]
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]]
szad3amykl0mfeao66jczqvxi80kbe6
74053
74051
2026-04-06T07:32:04Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
74053
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:গন্ধ|গন্ধ]]''' হলো এক বা একাধিক উদ্বায়ী রাসায়নিক যৌগের এমন একটি বৈশিষ্ট্য, যা সাধারণত স্বল্প ঘনত্বে থাকে এবং মানুষ ও প্রাণী তাদের ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তা উপলব্ধি করতে পারে। গন্ধ বলতে সুখকর বা অপ্রীতিকর উভয় প্রকার গন্ধকেই বোঝাতে পারে। মনোরম গন্ধকে বলা হয় সুগন্ধি, আর অপ্রীতিকর গন্ধকে বলা হয় দুর্গন্ধ।
== উক্তি ==
* গোলাপ, গোলাপ, শুধু গোলাপের রাশি!<br>গোলাপের রং ছিল অনন্ত আকাশে,<br>গোলাপের গন্ধ ছিল ধরাতে বাতাসে,<br>নারীর অধরে ছিল গোলাপের হাসি॥
** [[প্রমথ চৌধুরী]], অপরাহ্ন, সনেট-পঞ্চাশৎ - প্রমথ চৌধুরী, প্রকাশক- সিদ্ধেশ্বর মেসিন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩
* খাবারওয়ালাকে যদি প্রশ্ন করি—মিষ্টান্নে রং দাও কেন, বিকট বিলিতী গন্ধ দাও কেন, সে উত্তর দেয়, খদ্দের এইরকম রং আর গন্ধ চায় যে। কথাটা পুরােপুরি সত্য নয়। তীব্র কৃত্রিম গন্ধযুক্ত সবুজ রঙের গ্রীন ম্যাংগাে সন্দেশ পছন্দ করে এমন লােক হয়তাে আছে। কিন্তু আসল কথা, খাবারওয়ালা নিজের রুচি আর বুদ্ধি অনুসারে যে রং দেয়, গন্ধ দেয়, অদ্ভুত অদ্ভুত নাম দেয়, ক্রেতা তাতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়ে, মনে করে এই হচ্ছে আধুনিক ফ্যাশন। খাদ্যের স্বাভাবিক বর্ণ গন্ধ স্বাদ অনেকেরই ভাল লাগে, কিন্তু মিষ্টান্নকার তা বােঝে না।
** [[রাজশেখর বসু]], নিসর্গচর্চা, বিচিন্তা - রাজশেখর বসু, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪২-১৪৩
* হয়তো বা হাঁস হ’ব—কিশোরীর—ঘুঙুর রহিবে লাল পায়,<br>সারা দিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধ ভরা জলে ভেসে ভেসে;<br>আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে<br>জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়;
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪
* বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই—<br>মাগো, আমার শোলোক-বলা কাজ্লা দিদি কই?<br>পুকুর ধারে, নেবুর তলে থোকায় থোকায় জোনাই জ্বলে,—<br>ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না, একলা জেগে’ রই;<br>মাগো, আমার কোলের কাছে কাজ্লা দিদি কই?
** [[যতীন্দ্রমোহন বাগচী]], কাজ্লাদিদি, কাব্যমালঞ্চ - যতীন্দ্রমোহন বাগচী, প্রকাশক- পপুলার এজেন্সী, প্রকাশসাল- ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ), প্রকাশস্থান- কলকাতা, পৃষ্ঠা ১১৪
* উঠে চারু বাস বায়ু আমোদিয়া<br>ঢলিতে ঢলিতে যায়;<br>চলে প্রাণিগণ মুগ্ধ নব রসে<br>বায়ু, গন্ধে স্নিগ্ধকায়।
** [[হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]], পঞ্চম কল্পনা, আশাকানন- হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৬১
* যেমন ফুল নাড়তে-চাড়তে ঘ্রাণ বের হয়, চন্দন ঘষতে ঘষতে গন্ধ বের হয়, তেমনি ভগবৎতত্ত্বের আলোচনা করতে করতে তত্ত্বজ্ঞানের উদয় হয়।
** [[সারদা দেবী]], শ্রীমা সারদা দেবী - স্বামী গম্ভীরানন্দ, প্রকাশক- উদ্বোধন কার্য্যালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৭৫-৩৭৬
* সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন<br>সন্ধ্যা আসে; ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল;<br>পৃথিবীর সব রং নিভে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন<br>তখন গল্পের তরে [[জোনাকি|জোনাকির]] রঙে ঝিলমিল;
** [[:s:জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/বনলতা_সেন|বনলতা সেন]] - [[জীবনানন্দ দাশ]], প্রকাশক- নিউ স্ক্রিপ্ট, কলকাতা, অষ্টম মুদ্রণ: [[অগ্রহায়ণ]] ১৪২৪ (নভেম্বর ২০১৭), পৃষ্ঠা ৯
* ধূপ আপনারে মিলাইতে চাহে গন্ধে,<br>গন্ধ সে চাহে ধূপেরে রহিতে জুড়ে।<br>সুর আপনারে ধরা দিতে চাহে ছন্দে,<br>ছন্দ ফিরিয়া ছুটে যেতে চায় সুরে।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], উৎসর্গ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮-৩৯
*ক্রমশ এদেশে গুচ্ছবদ্ধ রক্ত-কুসুম <br/> ছড়ায় শত্রু-শবের গন্ধ, ভাঙে ভীত ঘুম। <br/> এখানে কৃষক বাড়ায় ফসল মিলিত হাতে, <br/> তোমার স্বপ্ন চূর্ণ করার শপথ দাঁতে
**[[সুকান্ত ভট্টাচার্য]] - সুকান্ত সমগ্র, বিভীষণের প্রতি ১৯৫৭ (পৃ. ১৬২-১৬৩)।
* পৃথিবীর কোনো পথে:নরম ধানের গন্ধ—কল্মীর ঘ্রাণ,<br>হাঁসের পালক, শর, পুকুরের জল, চাঁদা সরপুঁটিদের<br>মৃদু ঘ্রাণ, কিশোরীর চাল-ধোয়া ভিজে হাত—শীত হাতখান,<br>কিশোরের পায়ে-দলা মুথাঘাস,—লাল লাল বটের ফলের<br>ব্যথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতা—এরি মাঝে বাংলার প্রাণ:
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫
* বেড়াইতে বেড়াইতে দেখিল, বাগানের এই নানা রকম সুগন্ধ সুদৃশ্য অপরিচিত পুষ্পবৃক্ষের এক পাশে একটি গোলাপের গাছ, সেই গাছে একটি সুন্দর প্রস্ফুটিত গোলাপ। লাবণ্য সেই গোলাপটি তুলিতে হাত বাড়াইল! এই সময় সহসা কোথা হইতে পূর্ব্বেকার পরীটি আসিয়া বলিলেন, “ইহা তুলিও না, ঐ দেখ কত ধৈর্য্য ফুল ফুটিয়া রহিয়াছে—উহার একটি তোল, গোলাপ অপেক্ষা দেখ ঐ ফুলগুলি কত সুন্দর।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সুবুদ্ধির উপদেশ, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০
* আপনার বাগানের কোন স্থানে একটি সুগন্ধ ফুল ফুটিয়াছে তাহাতে বাগান আমোদিত করিয়াছে। বায়ু গন্ধ ছড়াইয়া ফুলের সৌরভ বিকীর্ণ করিতেছে। ফুল তাহা চাহেনা, কিন্তু বাতাস আপনার কার্য্য আপনি করে।
** শিবাপ্রসন্ন ভট্টাচার্য, পঞ্চম কথা, বিদ্যাসাগর-প্রবন্ধ - শিবাপ্রসন্ন ভট্টাচার্য, প্রকাশসাল- ৮৯৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৮
* যখন পুকুরে হাঁস সোঁদা জলে শিশিরের গন্ধ শুধু পায়,<br>শামুক গুগলিগুলো প’ড়ে আছে শ্যাওলার মলিন সবুজে,—<br>তখন আমারে যদি পাও নাকো লালশাক-ছাওয়া মাঠে খুঁজে,<br>ঠেস্ দিয়ে ব’সে আর থাকি নাকো যদি বুনো চাল্তার গায়,<br>তাহ’লে জানিও তুমি আসিয়াছে অন্ধকারে মৃত্যুর আহ্বান—
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* রুচি অনুসারে একই জিনিষ সুন্দর বা অসুন্দর আস্বাদ দেয়। চীনে বাড়ীতে গিয়ে দেখলেম এক সুন্দর কাচের বাটিতে ছেলেরা শুটকি মাছ খাচ্ছে; বাটিটা সুন্দর লাগলো, আহার্যের গন্ধটা কিন্তু চেনা নয় বলেই আমার নাকে ভারি অসুন্দর ঠেকলো। এই ব্যক্তিগত রুচি অরুচি ইত্যাদির উপরে যে রচনা উঠতে পারলে তাই যথার্থ সুন্দর হয়ে উঠলো।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অসুন্দর, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২১৭-২১৮
* হাতে হাত ধ’রে-ধ’রে গোল হ’য়ে ঘুরে-ঘুরে-ঘুরে<br>কার্তিকের মিঠে রোদে আমাদের মুখ যাবে পুড়ে;<br>ফলন্ত ধানের গন্ধে—রঙে তার—স্বাদে তার ভ’রে যাবে আমাদের সকলের দেহ;<br>রাগ কেহ করিবে না—আমাদের দেখে হিংসা করিবে না কেহ। (অবসরের গান)
**[[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* মাঘের রাতে আমের বোলের গন্ধ বহে যায়,<br/>নিশ্বাস তার মেলে না আর তোমার বেদনায়।
**[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/সানাই/দূরবর্তিনী সানাই - দূরবর্তিনী])
* যখন থেকে ফোর্ড কোম্পানী মাটি কাটার কল তৈরী করেছে, সে সময় থেকে পার্বত্য গ্রামেও সোজা পথ, সমান লেভেলে বাড়ি গড়ে উঠেছে। আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান।
** আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯
* অন্ধ [[মেয়ে]] দেখছে না তা— নাই-বা যদি দেখে—<br/>শীতল মিঠা বাদল হাওয়া যায় যে তারে ডেকে!<br/>শুনছে সে যে পাখির ডাকে হরষ কোলাকুলি<br/>মিষ্ট ঘাসের গন্ধে তারও প্রাণ গিয়েছে ভুলি!<br/>দুঃখ সুখের ছন্দে ভরা জগৎ তারও আছে,<br/>তারও আঁধার জগৎখানি মধুর তারি কাছে।
** ''অন্ধ মেয়ে'', সুকুমার সমগ্র রচনাবলী, প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯
* আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান। আমরা ভারতবাসী, আমরা ইচ্ছা করেই বলব, আমেরিকার গ্রামও একদিন পুরাতন হবে, ইউরোপের গ্রামের মত হবে। আমি বলছি তা হবে না। আমেরিকার গ্রাম চির নতুন থাকবে। হয়ত বর্তমান অবস্থা হতে আমেরিকার গ্রাম আরও উন্নত হবে, কারণ আমেরিকাতে এখনও ধর্মের বদ্খেয়ালী নাই।
** [[রামনাথ বিশ্বাস]], আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯-১৪০
* শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতে<br/>অলস গেঁয়োর মতো এইখানে কার্তিকের খেতে;<br/>মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়।
** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* বায়ু বহে মৃদু মন্দ, মধুর চাঁপার গন্ধ<br>পাতার বিতান হতে আসে ভেসে ভেসে।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সন্ধ্যা, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৩
* এ দিকে বসন্তকাল উপস্থিত। সহকারের মুকুলমঞ্জরী সঞ্চালিত করিয়া মলয়ানিল মন্দ মন্দ বহিতে লাগিল কোকিলের কুহুরবে চতুর্দ্দিক্ ব্যাপ্ত হইল। অশোক, কিংশুক, কুরুবক, চম্পক প্রভৃতি তরুগণ বিকসিত কুসুম দ্বারা দিঙ্মণ্ডল আলোকময় করিল। অলিকুল বকুলপুষ্পের গন্ধে অন্ধ হইয়া ঝঙ্কার পূর্ব্বক তাহার চতুর্দ্দিকে ভ্রমণ করিতে লাগিল। তরুগণ পল্লবিত ও ফলভরে অবনত হইল। কমলবন বিকসিত হইয়া সরোবরের শোভা বৃদ্ধি করিল।
** [[বাণভট্ট]], [[কাদম্বরী উপন্যাস]], [[তারাশঙ্কর তর্করত্ন]] কর্তৃক অনূদিত, পৃষ্ঠা ১৫৭
* জননী, তোমার শুভ আহ্বান<br>গিয়েছে নিখিল ভুবনে--<br>নূতন ধান্যে হবে নবান্ন<br>তোমার ভবনে ভবনে।<br>অবসর আর নাহিকো তোমার--<br>আঁটি আঁটি ধান চলে ভারে ভার,<br>গ্রামপথে-পথে গন্ধ তাহার<br>ভরিয়া উঠিছে পবনে।<br>জননী, তোমার আহ্বান লিপি<br>পাঠায়ে দিয়েছ ভুবনে।
** কল্পনা - [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], প্রকাশক - বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), [https://bn.m.wikisource.org/wiki/পাতা:কল্পনা-রবীন্দ্রনাথ_ঠাকুর.djvu/৪৫ পৃষ্ঠা ৪৪]
*আমি বিলবোর্ডে নায়িকার বদলে দেখি কাকের ঝাক।<br/>পোড়া মানুষের গন্ধের চেয়ে বিরিয়ানির সুবাস<br/>এ শহরে বেশি ভাসে,<br/>মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা আর ভালো লাগে না।
** বিরিয়ানি এবং কাকের গল্প, নির্বাচিত কবিতা, হাসান হামিদ, পৃষ্ঠা ১ [https://books.google.com.bd/books?id=l4hsEAAAQBAJ&pg=PT1]
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]]
9x9p1pod4jtbqrep1ef4p7s7u2x0s29
74054
74053
2026-04-06T07:36:33Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
74054
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:গন্ধ|গন্ধ]]''' হলো এক বা একাধিক উদ্বায়ী রাসায়নিক যৌগের এমন একটি বৈশিষ্ট্য, যা সাধারণত স্বল্প ঘনত্বে থাকে এবং মানুষ ও প্রাণী তাদের ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তা উপলব্ধি করতে পারে। গন্ধ বলতে সুখকর বা অপ্রীতিকর উভয় প্রকার গন্ধকেই বোঝাতে পারে। মনোরম গন্ধকে বলা হয় সুগন্ধি, আর অপ্রীতিকর গন্ধকে বলা হয় দুর্গন্ধ।
== উক্তি ==
* গোলাপ, গোলাপ, শুধু গোলাপের রাশি!<br>গোলাপের রং ছিল অনন্ত আকাশে,<br>গোলাপের গন্ধ ছিল ধরাতে বাতাসে,<br>নারীর অধরে ছিল গোলাপের হাসি॥
** [[প্রমথ চৌধুরী]], অপরাহ্ন, সনেট-পঞ্চাশৎ - প্রমথ চৌধুরী, প্রকাশক- সিদ্ধেশ্বর মেসিন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩
* খাবারওয়ালাকে যদি প্রশ্ন করি—মিষ্টান্নে রং দাও কেন, বিকট বিলিতী গন্ধ দাও কেন, সে উত্তর দেয়, খদ্দের এইরকম রং আর গন্ধ চায় যে। কথাটা পুরােপুরি সত্য নয়। তীব্র কৃত্রিম গন্ধযুক্ত সবুজ রঙের গ্রীন ম্যাংগাে সন্দেশ পছন্দ করে এমন লােক হয়তাে আছে। কিন্তু আসল কথা, খাবারওয়ালা নিজের রুচি আর বুদ্ধি অনুসারে যে রং দেয়, গন্ধ দেয়, অদ্ভুত অদ্ভুত নাম দেয়, ক্রেতা তাতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়ে, মনে করে এই হচ্ছে আধুনিক ফ্যাশন। খাদ্যের স্বাভাবিক বর্ণ গন্ধ স্বাদ অনেকেরই ভাল লাগে, কিন্তু মিষ্টান্নকার তা বােঝে না।
** [[রাজশেখর বসু]], নিসর্গচর্চা, বিচিন্তা - রাজশেখর বসু, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪২-১৪৩
* হয়তো বা হাঁস হ’ব—কিশোরীর—ঘুঙুর রহিবে লাল পায়,<br>সারা দিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধ ভরা জলে ভেসে ভেসে;<br>আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে<br>জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়;
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪
* বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই—<br>মাগো, আমার শোলোক-বলা কাজ্লা দিদি কই?<br>পুকুর ধারে, নেবুর তলে থোকায় থোকায় জোনাই জ্বলে,—<br>ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না, একলা জেগে’ রই;<br>মাগো, আমার কোলের কাছে কাজ্লা দিদি কই?
** [[যতীন্দ্রমোহন বাগচী]], কাজ্লাদিদি, কাব্যমালঞ্চ - যতীন্দ্রমোহন বাগচী, প্রকাশক- পপুলার এজেন্সী, প্রকাশসাল- ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ), প্রকাশস্থান- কলকাতা, পৃষ্ঠা ১১৪
* উঠে চারু বাস বায়ু আমোদিয়া<br>ঢলিতে ঢলিতে যায়;<br>চলে প্রাণিগণ মুগ্ধ নব রসে<br>বায়ু, গন্ধে স্নিগ্ধকায়।
** [[হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]], পঞ্চম কল্পনা, আশাকানন- হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৬১
* যেমন ফুল নাড়তে-চাড়তে ঘ্রাণ বের হয়, চন্দন ঘষতে ঘষতে গন্ধ বের হয়, তেমনি ভগবৎতত্ত্বের আলোচনা করতে করতে তত্ত্বজ্ঞানের উদয় হয়।
** [[সারদা দেবী]], শ্রীমা সারদা দেবী - স্বামী গম্ভীরানন্দ, প্রকাশক- উদ্বোধন কার্য্যালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৭৫-৩৭৬
* চিঠির কাগজখানি সাধারণ বাজারে কাগজ নহে, সাধারণ লােকে সে কাগজ ব্যবহার করা দূরে থাকুক, কখনও দেখিয়াছে কি না বলা যায় না। কাগজখানি আলােকের দিকে ধরিলাম; দেখিলাম, জলের অক্ষরে কি একটা কোম্পানীর নাম লেখা রহিয়াছে। সম্ভবত সেই কোম্পানিই ঐ প্রকারের চিঠির কাগজ প্রস্তুত করিয়া বিক্রয় করিয়া থাকে। কাগজখানি গোলাপের গন্ধে ভর্ভর করিতেছে। বুঝিলাম, পত্র-লেখক সামান্য ব্যক্তি ন’ন।
** ছবি, প্রথম পরিচ্ছেদ, ছবি - প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়, প্রকাশক- দারোগার দপ্তর কার্য্যালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪-৫
* সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন<br>সন্ধ্যা আসে; ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল;<br>পৃথিবীর সব রং নিভে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন<br>তখন গল্পের তরে [[জোনাকি|জোনাকির]] রঙে ঝিলমিল;
** [[:s:জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/বনলতা_সেন|বনলতা সেন]] - [[জীবনানন্দ দাশ]], প্রকাশক- নিউ স্ক্রিপ্ট, কলকাতা, অষ্টম মুদ্রণ: [[অগ্রহায়ণ]] ১৪২৪ (নভেম্বর ২০১৭), পৃষ্ঠা ৯
* ধূপ আপনারে মিলাইতে চাহে গন্ধে,<br>গন্ধ সে চাহে ধূপেরে রহিতে জুড়ে।<br>সুর আপনারে ধরা দিতে চাহে ছন্দে,<br>ছন্দ ফিরিয়া ছুটে যেতে চায় সুরে।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], উৎসর্গ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮-৩৯
*ক্রমশ এদেশে গুচ্ছবদ্ধ রক্ত-কুসুম <br/> ছড়ায় শত্রু-শবের গন্ধ, ভাঙে ভীত ঘুম। <br/> এখানে কৃষক বাড়ায় ফসল মিলিত হাতে, <br/> তোমার স্বপ্ন চূর্ণ করার শপথ দাঁতে
**[[সুকান্ত ভট্টাচার্য]] - সুকান্ত সমগ্র, বিভীষণের প্রতি ১৯৫৭ (পৃ. ১৬২-১৬৩)।
* পৃথিবীর কোনো পথে:নরম ধানের গন্ধ—কল্মীর ঘ্রাণ,<br>হাঁসের পালক, শর, পুকুরের জল, চাঁদা সরপুঁটিদের<br>মৃদু ঘ্রাণ, কিশোরীর চাল-ধোয়া ভিজে হাত—শীত হাতখান,<br>কিশোরের পায়ে-দলা মুথাঘাস,—লাল লাল বটের ফলের<br>ব্যথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতা—এরি মাঝে বাংলার প্রাণ:
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫
* বেড়াইতে বেড়াইতে দেখিল, বাগানের এই নানা রকম সুগন্ধ সুদৃশ্য অপরিচিত পুষ্পবৃক্ষের এক পাশে একটি গোলাপের গাছ, সেই গাছে একটি সুন্দর প্রস্ফুটিত গোলাপ। লাবণ্য সেই গোলাপটি তুলিতে হাত বাড়াইল! এই সময় সহসা কোথা হইতে পূর্ব্বেকার পরীটি আসিয়া বলিলেন, “ইহা তুলিও না, ঐ দেখ কত ধৈর্য্য ফুল ফুটিয়া রহিয়াছে—উহার একটি তোল, গোলাপ অপেক্ষা দেখ ঐ ফুলগুলি কত সুন্দর।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সুবুদ্ধির উপদেশ, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০
* আপনার বাগানের কোন স্থানে একটি সুগন্ধ ফুল ফুটিয়াছে তাহাতে বাগান আমোদিত করিয়াছে। বায়ু গন্ধ ছড়াইয়া ফুলের সৌরভ বিকীর্ণ করিতেছে। ফুল তাহা চাহেনা, কিন্তু বাতাস আপনার কার্য্য আপনি করে।
** শিবাপ্রসন্ন ভট্টাচার্য, পঞ্চম কথা, বিদ্যাসাগর-প্রবন্ধ - শিবাপ্রসন্ন ভট্টাচার্য, প্রকাশসাল- ৮৯৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৮
* যখন পুকুরে হাঁস সোঁদা জলে শিশিরের গন্ধ শুধু পায়,<br>শামুক গুগলিগুলো প’ড়ে আছে শ্যাওলার মলিন সবুজে,—<br>তখন আমারে যদি পাও নাকো লালশাক-ছাওয়া মাঠে খুঁজে,<br>ঠেস্ দিয়ে ব’সে আর থাকি নাকো যদি বুনো চাল্তার গায়,<br>তাহ’লে জানিও তুমি আসিয়াছে অন্ধকারে মৃত্যুর আহ্বান—
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* রুচি অনুসারে একই জিনিষ সুন্দর বা অসুন্দর আস্বাদ দেয়। চীনে বাড়ীতে গিয়ে দেখলেম এক সুন্দর কাচের বাটিতে ছেলেরা শুটকি মাছ খাচ্ছে; বাটিটা সুন্দর লাগলো, আহার্যের গন্ধটা কিন্তু চেনা নয় বলেই আমার নাকে ভারি অসুন্দর ঠেকলো। এই ব্যক্তিগত রুচি অরুচি ইত্যাদির উপরে যে রচনা উঠতে পারলে তাই যথার্থ সুন্দর হয়ে উঠলো।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অসুন্দর, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২১৭-২১৮
* হাতে হাত ধ’রে-ধ’রে গোল হ’য়ে ঘুরে-ঘুরে-ঘুরে<br>কার্তিকের মিঠে রোদে আমাদের মুখ যাবে পুড়ে;<br>ফলন্ত ধানের গন্ধে—রঙে তার—স্বাদে তার ভ’রে যাবে আমাদের সকলের দেহ;<br>রাগ কেহ করিবে না—আমাদের দেখে হিংসা করিবে না কেহ। (অবসরের গান)
**[[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* মাঘের রাতে আমের বোলের গন্ধ বহে যায়,<br/>নিশ্বাস তার মেলে না আর তোমার বেদনায়।
**[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/সানাই/দূরবর্তিনী সানাই - দূরবর্তিনী])
* যখন থেকে ফোর্ড কোম্পানী মাটি কাটার কল তৈরী করেছে, সে সময় থেকে পার্বত্য গ্রামেও সোজা পথ, সমান লেভেলে বাড়ি গড়ে উঠেছে। আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান।
** আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯
* অন্ধ [[মেয়ে]] দেখছে না তা— নাই-বা যদি দেখে—<br/>শীতল মিঠা বাদল হাওয়া যায় যে তারে ডেকে!<br/>শুনছে সে যে পাখির ডাকে হরষ কোলাকুলি<br/>মিষ্ট ঘাসের গন্ধে তারও প্রাণ গিয়েছে ভুলি!<br/>দুঃখ সুখের ছন্দে ভরা জগৎ তারও আছে,<br/>তারও আঁধার জগৎখানি মধুর তারি কাছে।
** ''অন্ধ মেয়ে'', সুকুমার সমগ্র রচনাবলী, প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯
* আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান। আমরা ভারতবাসী, আমরা ইচ্ছা করেই বলব, আমেরিকার গ্রামও একদিন পুরাতন হবে, ইউরোপের গ্রামের মত হবে। আমি বলছি তা হবে না। আমেরিকার গ্রাম চির নতুন থাকবে। হয়ত বর্তমান অবস্থা হতে আমেরিকার গ্রাম আরও উন্নত হবে, কারণ আমেরিকাতে এখনও ধর্মের বদ্খেয়ালী নাই।
** [[রামনাথ বিশ্বাস]], আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯-১৪০
* শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতে<br/>অলস গেঁয়োর মতো এইখানে কার্তিকের খেতে;<br/>মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়।
** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* বায়ু বহে মৃদু মন্দ, মধুর চাঁপার গন্ধ<br>পাতার বিতান হতে আসে ভেসে ভেসে।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সন্ধ্যা, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৩
* এ দিকে বসন্তকাল উপস্থিত। সহকারের মুকুলমঞ্জরী সঞ্চালিত করিয়া মলয়ানিল মন্দ মন্দ বহিতে লাগিল কোকিলের কুহুরবে চতুর্দ্দিক্ ব্যাপ্ত হইল। অশোক, কিংশুক, কুরুবক, চম্পক প্রভৃতি তরুগণ বিকসিত কুসুম দ্বারা দিঙ্মণ্ডল আলোকময় করিল। অলিকুল বকুলপুষ্পের গন্ধে অন্ধ হইয়া ঝঙ্কার পূর্ব্বক তাহার চতুর্দ্দিকে ভ্রমণ করিতে লাগিল। তরুগণ পল্লবিত ও ফলভরে অবনত হইল। কমলবন বিকসিত হইয়া সরোবরের শোভা বৃদ্ধি করিল।
** [[বাণভট্ট]], [[কাদম্বরী উপন্যাস]], [[তারাশঙ্কর তর্করত্ন]] কর্তৃক অনূদিত, পৃষ্ঠা ১৫৭
* জননী, তোমার শুভ আহ্বান<br>গিয়েছে নিখিল ভুবনে--<br>নূতন ধান্যে হবে নবান্ন<br>তোমার ভবনে ভবনে।<br>অবসর আর নাহিকো তোমার--<br>আঁটি আঁটি ধান চলে ভারে ভার,<br>গ্রামপথে-পথে গন্ধ তাহার<br>ভরিয়া উঠিছে পবনে।<br>জননী, তোমার আহ্বান লিপি<br>পাঠায়ে দিয়েছ ভুবনে।
** কল্পনা - [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], প্রকাশক - বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), [https://bn.m.wikisource.org/wiki/পাতা:কল্পনা-রবীন্দ্রনাথ_ঠাকুর.djvu/৪৫ পৃষ্ঠা ৪৪]
*আমি বিলবোর্ডে নায়িকার বদলে দেখি কাকের ঝাক।<br/>পোড়া মানুষের গন্ধের চেয়ে বিরিয়ানির সুবাস<br/>এ শহরে বেশি ভাসে,<br/>মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা আর ভালো লাগে না।
** বিরিয়ানি এবং কাকের গল্প, নির্বাচিত কবিতা, হাসান হামিদ, পৃষ্ঠা ১ [https://books.google.com.bd/books?id=l4hsEAAAQBAJ&pg=PT1]
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]]
dz6ey1zz7p9al0ohqf2pb0u2lp4h3yn
74055
74054
2026-04-06T07:40:01Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
74055
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:গন্ধ|গন্ধ]]''' হলো এক বা একাধিক উদ্বায়ী রাসায়নিক যৌগের এমন একটি বৈশিষ্ট্য, যা সাধারণত স্বল্প ঘনত্বে থাকে এবং মানুষ ও প্রাণী তাদের ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তা উপলব্ধি করতে পারে। গন্ধ বলতে সুখকর বা অপ্রীতিকর উভয় প্রকার গন্ধকেই বোঝাতে পারে। মনোরম গন্ধকে বলা হয় সুগন্ধি, আর অপ্রীতিকর গন্ধকে বলা হয় দুর্গন্ধ।
== উক্তি ==
* গোলাপ, গোলাপ, শুধু গোলাপের রাশি!<br>গোলাপের রং ছিল অনন্ত আকাশে,<br>গোলাপের গন্ধ ছিল ধরাতে বাতাসে,<br>নারীর অধরে ছিল গোলাপের হাসি॥
** [[প্রমথ চৌধুরী]], অপরাহ্ন, সনেট-পঞ্চাশৎ - প্রমথ চৌধুরী, প্রকাশক- সিদ্ধেশ্বর মেসিন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩
* খাবারওয়ালাকে যদি প্রশ্ন করি—মিষ্টান্নে রং দাও কেন, বিকট বিলিতী গন্ধ দাও কেন, সে উত্তর দেয়, খদ্দের এইরকম রং আর গন্ধ চায় যে। কথাটা পুরােপুরি সত্য নয়। তীব্র কৃত্রিম গন্ধযুক্ত সবুজ রঙের গ্রীন ম্যাংগাে সন্দেশ পছন্দ করে এমন লােক হয়তাে আছে। কিন্তু আসল কথা, খাবারওয়ালা নিজের রুচি আর বুদ্ধি অনুসারে যে রং দেয়, গন্ধ দেয়, অদ্ভুত অদ্ভুত নাম দেয়, ক্রেতা তাতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়ে, মনে করে এই হচ্ছে আধুনিক ফ্যাশন। খাদ্যের স্বাভাবিক বর্ণ গন্ধ স্বাদ অনেকেরই ভাল লাগে, কিন্তু মিষ্টান্নকার তা বােঝে না।
** [[রাজশেখর বসু]], নিসর্গচর্চা, বিচিন্তা - রাজশেখর বসু, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪২-১৪৩
* হয়তো বা হাঁস হ’ব—কিশোরীর—ঘুঙুর রহিবে লাল পায়,<br>সারা দিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধ ভরা জলে ভেসে ভেসে;<br>আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে<br>জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়;
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪
* বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই—<br>মাগো, আমার শোলোক-বলা কাজ্লা দিদি কই?<br>পুকুর ধারে, নেবুর তলে থোকায় থোকায় জোনাই জ্বলে,—<br>ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না, একলা জেগে’ রই;<br>মাগো, আমার কোলের কাছে কাজ্লা দিদি কই?
** [[যতীন্দ্রমোহন বাগচী]], কাজ্লাদিদি, কাব্যমালঞ্চ - যতীন্দ্রমোহন বাগচী, প্রকাশক- পপুলার এজেন্সী, প্রকাশসাল- ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ), প্রকাশস্থান- কলকাতা, পৃষ্ঠা ১১৪
* কোথাও একটা দ্বীপ নাই, কেবল চাতালের একধারে যেখানে বাহকেরা পালকি নামাইয়া রাখিয়া একত্র বসিয়া ধূমপান করিতেছে তাহারই অদূরে একখণ্ড জ্বলন্ত শুষ্ককাষ্ঠ হইতে কতকটা যৎকিঞ্চিৎ আলোকিত হইয়াছে। খবর পাইয়া ভৃত্য আসিয়া এককড়িকে একটা ঘরের মধ্যে লইয়া গেল। সমস্ত কক্ষ মদের গন্ধে পরিপূর্ণ এককোণে মিটমিট করিয়া একটা মোমবাতি জ্বলিতেছে এবং অপরপ্রান্তে একটা ভাঙ্গা তক্তপোশের উপর বিছানা পাতিয়া বীজগাঁয়ের জমিদার জীবন চৌধুরী বসিয়া আছেন।
* উঠে চারু বাস বায়ু আমোদিয়া<br>ঢলিতে ঢলিতে যায়;<br>চলে প্রাণিগণ মুগ্ধ নব রসে<br>বায়ু, গন্ধে স্নিগ্ধকায়।
** [[হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]], পঞ্চম কল্পনা, আশাকানন- হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৬১
* যেমন ফুল নাড়তে-চাড়তে ঘ্রাণ বের হয়, চন্দন ঘষতে ঘষতে গন্ধ বের হয়, তেমনি ভগবৎতত্ত্বের আলোচনা করতে করতে তত্ত্বজ্ঞানের উদয় হয়।
** [[সারদা দেবী]], শ্রীমা সারদা দেবী - স্বামী গম্ভীরানন্দ, প্রকাশক- উদ্বোধন কার্য্যালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৭৫-৩৭৬
* চিঠির কাগজখানি সাধারণ বাজারে কাগজ নহে, সাধারণ লােকে সে কাগজ ব্যবহার করা দূরে থাকুক, কখনও দেখিয়াছে কি না বলা যায় না। কাগজখানি আলােকের দিকে ধরিলাম; দেখিলাম, জলের অক্ষরে কি একটা কোম্পানীর নাম লেখা রহিয়াছে। সম্ভবত সেই কোম্পানিই ঐ প্রকারের চিঠির কাগজ প্রস্তুত করিয়া বিক্রয় করিয়া থাকে। কাগজখানি গোলাপের গন্ধে ভর্ভর করিতেছে। বুঝিলাম, পত্র-লেখক সামান্য ব্যক্তি ন’ন।
** ছবি, প্রথম পরিচ্ছেদ, ছবি - প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়, প্রকাশক- দারোগার দপ্তর কার্য্যালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪-৫
* সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন<br>সন্ধ্যা আসে; ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল;<br>পৃথিবীর সব রং নিভে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন<br>তখন গল্পের তরে [[জোনাকি|জোনাকির]] রঙে ঝিলমিল;
** [[:s:জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/বনলতা_সেন|বনলতা সেন]] - [[জীবনানন্দ দাশ]], প্রকাশক- নিউ স্ক্রিপ্ট, কলকাতা, অষ্টম মুদ্রণ: [[অগ্রহায়ণ]] ১৪২৪ (নভেম্বর ২০১৭), পৃষ্ঠা ৯
* ধূপ আপনারে মিলাইতে চাহে গন্ধে,<br>গন্ধ সে চাহে ধূপেরে রহিতে জুড়ে।<br>সুর আপনারে ধরা দিতে চাহে ছন্দে,<br>ছন্দ ফিরিয়া ছুটে যেতে চায় সুরে।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], উৎসর্গ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮-৩৯
*ক্রমশ এদেশে গুচ্ছবদ্ধ রক্ত-কুসুম <br/> ছড়ায় শত্রু-শবের গন্ধ, ভাঙে ভীত ঘুম। <br/> এখানে কৃষক বাড়ায় ফসল মিলিত হাতে, <br/> তোমার স্বপ্ন চূর্ণ করার শপথ দাঁতে
**[[সুকান্ত ভট্টাচার্য]] - সুকান্ত সমগ্র, বিভীষণের প্রতি ১৯৫৭ (পৃ. ১৬২-১৬৩)।
* পৃথিবীর কোনো পথে:নরম ধানের গন্ধ—কল্মীর ঘ্রাণ,<br>হাঁসের পালক, শর, পুকুরের জল, চাঁদা সরপুঁটিদের<br>মৃদু ঘ্রাণ, কিশোরীর চাল-ধোয়া ভিজে হাত—শীত হাতখান,<br>কিশোরের পায়ে-দলা মুথাঘাস,—লাল লাল বটের ফলের<br>ব্যথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতা—এরি মাঝে বাংলার প্রাণ:
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫
* বেড়াইতে বেড়াইতে দেখিল, বাগানের এই নানা রকম সুগন্ধ সুদৃশ্য অপরিচিত পুষ্পবৃক্ষের এক পাশে একটি গোলাপের গাছ, সেই গাছে একটি সুন্দর প্রস্ফুটিত গোলাপ। লাবণ্য সেই গোলাপটি তুলিতে হাত বাড়াইল! এই সময় সহসা কোথা হইতে পূর্ব্বেকার পরীটি আসিয়া বলিলেন, “ইহা তুলিও না, ঐ দেখ কত ধৈর্য্য ফুল ফুটিয়া রহিয়াছে—উহার একটি তোল, গোলাপ অপেক্ষা দেখ ঐ ফুলগুলি কত সুন্দর।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সুবুদ্ধির উপদেশ, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০
* আপনার বাগানের কোন স্থানে একটি সুগন্ধ ফুল ফুটিয়াছে তাহাতে বাগান আমোদিত করিয়াছে। বায়ু গন্ধ ছড়াইয়া ফুলের সৌরভ বিকীর্ণ করিতেছে। ফুল তাহা চাহেনা, কিন্তু বাতাস আপনার কার্য্য আপনি করে।
** শিবাপ্রসন্ন ভট্টাচার্য, পঞ্চম কথা, বিদ্যাসাগর-প্রবন্ধ - শিবাপ্রসন্ন ভট্টাচার্য, প্রকাশসাল- ৮৯৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৮
* যখন পুকুরে হাঁস সোঁদা জলে শিশিরের গন্ধ শুধু পায়,<br>শামুক গুগলিগুলো প’ড়ে আছে শ্যাওলার মলিন সবুজে,—<br>তখন আমারে যদি পাও নাকো লালশাক-ছাওয়া মাঠে খুঁজে,<br>ঠেস্ দিয়ে ব’সে আর থাকি নাকো যদি বুনো চাল্তার গায়,<br>তাহ’লে জানিও তুমি আসিয়াছে অন্ধকারে মৃত্যুর আহ্বান—
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* রুচি অনুসারে একই জিনিষ সুন্দর বা অসুন্দর আস্বাদ দেয়। চীনে বাড়ীতে গিয়ে দেখলেম এক সুন্দর কাচের বাটিতে ছেলেরা শুটকি মাছ খাচ্ছে; বাটিটা সুন্দর লাগলো, আহার্যের গন্ধটা কিন্তু চেনা নয় বলেই আমার নাকে ভারি অসুন্দর ঠেকলো। এই ব্যক্তিগত রুচি অরুচি ইত্যাদির উপরে যে রচনা উঠতে পারলে তাই যথার্থ সুন্দর হয়ে উঠলো।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অসুন্দর, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২১৭-২১৮
* হাতে হাত ধ’রে-ধ’রে গোল হ’য়ে ঘুরে-ঘুরে-ঘুরে<br>কার্তিকের মিঠে রোদে আমাদের মুখ যাবে পুড়ে;<br>ফলন্ত ধানের গন্ধে—রঙে তার—স্বাদে তার ভ’রে যাবে আমাদের সকলের দেহ;<br>রাগ কেহ করিবে না—আমাদের দেখে হিংসা করিবে না কেহ। (অবসরের গান)
**[[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* মাঘের রাতে আমের বোলের গন্ধ বহে যায়,<br/>নিশ্বাস তার মেলে না আর তোমার বেদনায়।
**[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/সানাই/দূরবর্তিনী সানাই - দূরবর্তিনী])
* যখন থেকে ফোর্ড কোম্পানী মাটি কাটার কল তৈরী করেছে, সে সময় থেকে পার্বত্য গ্রামেও সোজা পথ, সমান লেভেলে বাড়ি গড়ে উঠেছে। আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান।
** আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯
* অন্ধ [[মেয়ে]] দেখছে না তা— নাই-বা যদি দেখে—<br/>শীতল মিঠা বাদল হাওয়া যায় যে তারে ডেকে!<br/>শুনছে সে যে পাখির ডাকে হরষ কোলাকুলি<br/>মিষ্ট ঘাসের গন্ধে তারও প্রাণ গিয়েছে ভুলি!<br/>দুঃখ সুখের ছন্দে ভরা জগৎ তারও আছে,<br/>তারও আঁধার জগৎখানি মধুর তারি কাছে।
** ''অন্ধ মেয়ে'', সুকুমার সমগ্র রচনাবলী, প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯
* আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান। আমরা ভারতবাসী, আমরা ইচ্ছা করেই বলব, আমেরিকার গ্রামও একদিন পুরাতন হবে, ইউরোপের গ্রামের মত হবে। আমি বলছি তা হবে না। আমেরিকার গ্রাম চির নতুন থাকবে। হয়ত বর্তমান অবস্থা হতে আমেরিকার গ্রাম আরও উন্নত হবে, কারণ আমেরিকাতে এখনও ধর্মের বদ্খেয়ালী নাই।
** [[রামনাথ বিশ্বাস]], আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯-১৪০
* শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতে<br/>অলস গেঁয়োর মতো এইখানে কার্তিকের খেতে;<br/>মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়।
** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* বায়ু বহে মৃদু মন্দ, মধুর চাঁপার গন্ধ<br>পাতার বিতান হতে আসে ভেসে ভেসে।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সন্ধ্যা, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৩
* এ দিকে বসন্তকাল উপস্থিত। সহকারের মুকুলমঞ্জরী সঞ্চালিত করিয়া মলয়ানিল মন্দ মন্দ বহিতে লাগিল কোকিলের কুহুরবে চতুর্দ্দিক্ ব্যাপ্ত হইল। অশোক, কিংশুক, কুরুবক, চম্পক প্রভৃতি তরুগণ বিকসিত কুসুম দ্বারা দিঙ্মণ্ডল আলোকময় করিল। অলিকুল বকুলপুষ্পের গন্ধে অন্ধ হইয়া ঝঙ্কার পূর্ব্বক তাহার চতুর্দ্দিকে ভ্রমণ করিতে লাগিল। তরুগণ পল্লবিত ও ফলভরে অবনত হইল। কমলবন বিকসিত হইয়া সরোবরের শোভা বৃদ্ধি করিল।
** [[বাণভট্ট]], [[কাদম্বরী উপন্যাস]], [[তারাশঙ্কর তর্করত্ন]] কর্তৃক অনূদিত, পৃষ্ঠা ১৫৭
* জননী, তোমার শুভ আহ্বান<br>গিয়েছে নিখিল ভুবনে--<br>নূতন ধান্যে হবে নবান্ন<br>তোমার ভবনে ভবনে।<br>অবসর আর নাহিকো তোমার--<br>আঁটি আঁটি ধান চলে ভারে ভার,<br>গ্রামপথে-পথে গন্ধ তাহার<br>ভরিয়া উঠিছে পবনে।<br>জননী, তোমার আহ্বান লিপি<br>পাঠায়ে দিয়েছ ভুবনে।
** কল্পনা - [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], প্রকাশক - বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), [https://bn.m.wikisource.org/wiki/পাতা:কল্পনা-রবীন্দ্রনাথ_ঠাকুর.djvu/৪৫ পৃষ্ঠা ৪৪]
*আমি বিলবোর্ডে নায়িকার বদলে দেখি কাকের ঝাক।<br/>পোড়া মানুষের গন্ধের চেয়ে বিরিয়ানির সুবাস<br/>এ শহরে বেশি ভাসে,<br/>মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা আর ভালো লাগে না।
** বিরিয়ানি এবং কাকের গল্প, নির্বাচিত কবিতা, হাসান হামিদ, পৃষ্ঠা ১ [https://books.google.com.bd/books?id=l4hsEAAAQBAJ&pg=PT1]
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]]
coxttmyg1zl10osrinymcrziimboam7
74057
74055
2026-04-06T07:41:14Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উদ্ধৃতি যোগ
74057
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:গন্ধ|গন্ধ]]''' হলো এক বা একাধিক উদ্বায়ী রাসায়নিক যৌগের এমন একটি বৈশিষ্ট্য, যা সাধারণত স্বল্প ঘনত্বে থাকে এবং মানুষ ও প্রাণী তাদের ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তা উপলব্ধি করতে পারে। গন্ধ বলতে সুখকর বা অপ্রীতিকর উভয় প্রকার গন্ধকেই বোঝাতে পারে। মনোরম গন্ধকে বলা হয় সুগন্ধি, আর অপ্রীতিকর গন্ধকে বলা হয় দুর্গন্ধ।
== উক্তি ==
* গোলাপ, গোলাপ, শুধু গোলাপের রাশি!<br>গোলাপের রং ছিল অনন্ত আকাশে,<br>গোলাপের গন্ধ ছিল ধরাতে বাতাসে,<br>নারীর অধরে ছিল গোলাপের হাসি॥
** [[প্রমথ চৌধুরী]], অপরাহ্ন, সনেট-পঞ্চাশৎ - প্রমথ চৌধুরী, প্রকাশক- সিদ্ধেশ্বর মেসিন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩
* খাবারওয়ালাকে যদি প্রশ্ন করি—মিষ্টান্নে রং দাও কেন, বিকট বিলিতী গন্ধ দাও কেন, সে উত্তর দেয়, খদ্দের এইরকম রং আর গন্ধ চায় যে। কথাটা পুরােপুরি সত্য নয়। তীব্র কৃত্রিম গন্ধযুক্ত সবুজ রঙের গ্রীন ম্যাংগাে সন্দেশ পছন্দ করে এমন লােক হয়তাে আছে। কিন্তু আসল কথা, খাবারওয়ালা নিজের রুচি আর বুদ্ধি অনুসারে যে রং দেয়, গন্ধ দেয়, অদ্ভুত অদ্ভুত নাম দেয়, ক্রেতা তাতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়ে, মনে করে এই হচ্ছে আধুনিক ফ্যাশন। খাদ্যের স্বাভাবিক বর্ণ গন্ধ স্বাদ অনেকেরই ভাল লাগে, কিন্তু মিষ্টান্নকার তা বােঝে না।
** [[রাজশেখর বসু]], নিসর্গচর্চা, বিচিন্তা - রাজশেখর বসু, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪২-১৪৩
* হয়তো বা হাঁস হ’ব—কিশোরীর—ঘুঙুর রহিবে লাল পায়,<br>সারা দিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধ ভরা জলে ভেসে ভেসে;<br>আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে<br>জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়;
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪
* বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই—<br>মাগো, আমার শোলোক-বলা কাজ্লা দিদি কই?<br>পুকুর ধারে, নেবুর তলে থোকায় থোকায় জোনাই জ্বলে,—<br>ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না, একলা জেগে’ রই;<br>মাগো, আমার কোলের কাছে কাজ্লা দিদি কই?
** [[যতীন্দ্রমোহন বাগচী]], কাজ্লাদিদি, কাব্যমালঞ্চ - যতীন্দ্রমোহন বাগচী, প্রকাশক- পপুলার এজেন্সী, প্রকাশসাল- ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ), প্রকাশস্থান- কলকাতা, পৃষ্ঠা ১১৪
* কোথাও একটা দ্বীপ নাই, কেবল চাতালের একধারে যেখানে বাহকেরা পালকি নামাইয়া রাখিয়া একত্র বসিয়া ধূমপান করিতেছে তাহারই অদূরে একখণ্ড জ্বলন্ত শুষ্ককাষ্ঠ হইতে কতকটা যৎকিঞ্চিৎ আলোকিত হইয়াছে। খবর পাইয়া ভৃত্য আসিয়া এককড়িকে একটা ঘরের মধ্যে লইয়া গেল। সমস্ত কক্ষ মদের গন্ধে পরিপূর্ণ এককোণে মিটমিট করিয়া একটা মোমবাতি জ্বলিতেছে এবং অপরপ্রান্তে একটা ভাঙ্গা তক্তপোশের উপর বিছানা পাতিয়া বীজগাঁয়ের জমিদার জীবন চৌধুরী বসিয়া আছেন।
** [[শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]], দেনা পাওনা - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রকাশক- কামিনী প্রকাশালয়, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ); পৃষ্ঠা ৫
* উঠে চারু বাস বায়ু আমোদিয়া<br>ঢলিতে ঢলিতে যায়;<br>চলে প্রাণিগণ মুগ্ধ নব রসে<br>বায়ু, গন্ধে স্নিগ্ধকায়।
** [[হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]], পঞ্চম কল্পনা, আশাকানন- হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৬১
* যেমন ফুল নাড়তে-চাড়তে ঘ্রাণ বের হয়, চন্দন ঘষতে ঘষতে গন্ধ বের হয়, তেমনি ভগবৎতত্ত্বের আলোচনা করতে করতে তত্ত্বজ্ঞানের উদয় হয়।
** [[সারদা দেবী]], শ্রীমা সারদা দেবী - স্বামী গম্ভীরানন্দ, প্রকাশক- উদ্বোধন কার্য্যালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৭৫-৩৭৬
* সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন<br>সন্ধ্যা আসে; ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল;<br>পৃথিবীর সব রং নিভে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন<br>তখন গল্পের তরে [[জোনাকি|জোনাকির]] রঙে ঝিলমিল;
** [[:s:জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/বনলতা_সেন|বনলতা সেন]] - [[জীবনানন্দ দাশ]], প্রকাশক- নিউ স্ক্রিপ্ট, কলকাতা, অষ্টম মুদ্রণ: [[অগ্রহায়ণ]] ১৪২৪ (নভেম্বর ২০১৭), পৃষ্ঠা ৯
* চিঠির কাগজখানি সাধারণ বাজারে কাগজ নহে, সাধারণ লােকে সে কাগজ ব্যবহার করা দূরে থাকুক, কখনও দেখিয়াছে কি না বলা যায় না। কাগজখানি আলােকের দিকে ধরিলাম; দেখিলাম, জলের অক্ষরে কি একটা কোম্পানীর নাম লেখা রহিয়াছে। সম্ভবত সেই কোম্পানিই ঐ প্রকারের চিঠির কাগজ প্রস্তুত করিয়া বিক্রয় করিয়া থাকে। কাগজখানি গোলাপের গন্ধে ভর্ভর করিতেছে। বুঝিলাম, পত্র-লেখক সামান্য ব্যক্তি ন’ন।
** ছবি, প্রথম পরিচ্ছেদ, ছবি - প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়, প্রকাশক- দারোগার দপ্তর কার্য্যালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪-৫
* ধূপ আপনারে মিলাইতে চাহে গন্ধে,<br>গন্ধ সে চাহে ধূপেরে রহিতে জুড়ে।<br>সুর আপনারে ধরা দিতে চাহে ছন্দে,<br>ছন্দ ফিরিয়া ছুটে যেতে চায় সুরে।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], উৎসর্গ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮-৩৯
*ক্রমশ এদেশে গুচ্ছবদ্ধ রক্ত-কুসুম <br/> ছড়ায় শত্রু-শবের গন্ধ, ভাঙে ভীত ঘুম। <br/> এখানে কৃষক বাড়ায় ফসল মিলিত হাতে, <br/> তোমার স্বপ্ন চূর্ণ করার শপথ দাঁতে
**[[সুকান্ত ভট্টাচার্য]] - সুকান্ত সমগ্র, বিভীষণের প্রতি ১৯৫৭ (পৃ. ১৬২-১৬৩)।
* পৃথিবীর কোনো পথে:নরম ধানের গন্ধ—কল্মীর ঘ্রাণ,<br>হাঁসের পালক, শর, পুকুরের জল, চাঁদা সরপুঁটিদের<br>মৃদু ঘ্রাণ, কিশোরীর চাল-ধোয়া ভিজে হাত—শীত হাতখান,<br>কিশোরের পায়ে-দলা মুথাঘাস,—লাল লাল বটের ফলের<br>ব্যথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতা—এরি মাঝে বাংলার প্রাণ:
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫
* বেড়াইতে বেড়াইতে দেখিল, বাগানের এই নানা রকম সুগন্ধ সুদৃশ্য অপরিচিত পুষ্পবৃক্ষের এক পাশে একটি গোলাপের গাছ, সেই গাছে একটি সুন্দর প্রস্ফুটিত গোলাপ। লাবণ্য সেই গোলাপটি তুলিতে হাত বাড়াইল! এই সময় সহসা কোথা হইতে পূর্ব্বেকার পরীটি আসিয়া বলিলেন, “ইহা তুলিও না, ঐ দেখ কত ধৈর্য্য ফুল ফুটিয়া রহিয়াছে—উহার একটি তোল, গোলাপ অপেক্ষা দেখ ঐ ফুলগুলি কত সুন্দর।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সুবুদ্ধির উপদেশ, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০
* আপনার বাগানের কোন স্থানে একটি সুগন্ধ ফুল ফুটিয়াছে তাহাতে বাগান আমোদিত করিয়াছে। বায়ু গন্ধ ছড়াইয়া ফুলের সৌরভ বিকীর্ণ করিতেছে। ফুল তাহা চাহেনা, কিন্তু বাতাস আপনার কার্য্য আপনি করে।
** শিবাপ্রসন্ন ভট্টাচার্য, পঞ্চম কথা, বিদ্যাসাগর-প্রবন্ধ - শিবাপ্রসন্ন ভট্টাচার্য, প্রকাশসাল- ৮৯৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৮
* যখন পুকুরে হাঁস সোঁদা জলে শিশিরের গন্ধ শুধু পায়,<br>শামুক গুগলিগুলো প’ড়ে আছে শ্যাওলার মলিন সবুজে,—<br>তখন আমারে যদি পাও নাকো লালশাক-ছাওয়া মাঠে খুঁজে,<br>ঠেস্ দিয়ে ব’সে আর থাকি নাকো যদি বুনো চাল্তার গায়,<br>তাহ’লে জানিও তুমি আসিয়াছে অন্ধকারে মৃত্যুর আহ্বান—
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* রুচি অনুসারে একই জিনিষ সুন্দর বা অসুন্দর আস্বাদ দেয়। চীনে বাড়ীতে গিয়ে দেখলেম এক সুন্দর কাচের বাটিতে ছেলেরা শুটকি মাছ খাচ্ছে; বাটিটা সুন্দর লাগলো, আহার্যের গন্ধটা কিন্তু চেনা নয় বলেই আমার নাকে ভারি অসুন্দর ঠেকলো। এই ব্যক্তিগত রুচি অরুচি ইত্যাদির উপরে যে রচনা উঠতে পারলে তাই যথার্থ সুন্দর হয়ে উঠলো।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অসুন্দর, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২১৭-২১৮
* হাতে হাত ধ’রে-ধ’রে গোল হ’য়ে ঘুরে-ঘুরে-ঘুরে<br>কার্তিকের মিঠে রোদে আমাদের মুখ যাবে পুড়ে;<br>ফলন্ত ধানের গন্ধে—রঙে তার—স্বাদে তার ভ’রে যাবে আমাদের সকলের দেহ;<br>রাগ কেহ করিবে না—আমাদের দেখে হিংসা করিবে না কেহ। (অবসরের গান)
**[[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* মাঘের রাতে আমের বোলের গন্ধ বহে যায়,<br/>নিশ্বাস তার মেলে না আর তোমার বেদনায়।
**[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/সানাই/দূরবর্তিনী সানাই - দূরবর্তিনী])
* যখন থেকে ফোর্ড কোম্পানী মাটি কাটার কল তৈরী করেছে, সে সময় থেকে পার্বত্য গ্রামেও সোজা পথ, সমান লেভেলে বাড়ি গড়ে উঠেছে। আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান।
** আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯
* অন্ধ [[মেয়ে]] দেখছে না তা— নাই-বা যদি দেখে—<br/>শীতল মিঠা বাদল হাওয়া যায় যে তারে ডেকে!<br/>শুনছে সে যে পাখির ডাকে হরষ কোলাকুলি<br/>মিষ্ট ঘাসের গন্ধে তারও প্রাণ গিয়েছে ভুলি!<br/>দুঃখ সুখের ছন্দে ভরা জগৎ তারও আছে,<br/>তারও আঁধার জগৎখানি মধুর তারি কাছে।
** ''অন্ধ মেয়ে'', সুকুমার সমগ্র রচনাবলী, প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯
* আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান। আমরা ভারতবাসী, আমরা ইচ্ছা করেই বলব, আমেরিকার গ্রামও একদিন পুরাতন হবে, ইউরোপের গ্রামের মত হবে। আমি বলছি তা হবে না। আমেরিকার গ্রাম চির নতুন থাকবে। হয়ত বর্তমান অবস্থা হতে আমেরিকার গ্রাম আরও উন্নত হবে, কারণ আমেরিকাতে এখনও ধর্মের বদ্খেয়ালী নাই।
** [[রামনাথ বিশ্বাস]], আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯-১৪০
* শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতে<br/>অলস গেঁয়োর মতো এইখানে কার্তিকের খেতে;<br/>মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়।
** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* বায়ু বহে মৃদু মন্দ, মধুর চাঁপার গন্ধ<br>পাতার বিতান হতে আসে ভেসে ভেসে।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সন্ধ্যা, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৩
* এ দিকে বসন্তকাল উপস্থিত। সহকারের মুকুলমঞ্জরী সঞ্চালিত করিয়া মলয়ানিল মন্দ মন্দ বহিতে লাগিল কোকিলের কুহুরবে চতুর্দ্দিক্ ব্যাপ্ত হইল। অশোক, কিংশুক, কুরুবক, চম্পক প্রভৃতি তরুগণ বিকসিত কুসুম দ্বারা দিঙ্মণ্ডল আলোকময় করিল। অলিকুল বকুলপুষ্পের গন্ধে অন্ধ হইয়া ঝঙ্কার পূর্ব্বক তাহার চতুর্দ্দিকে ভ্রমণ করিতে লাগিল। তরুগণ পল্লবিত ও ফলভরে অবনত হইল। কমলবন বিকসিত হইয়া সরোবরের শোভা বৃদ্ধি করিল।
** [[বাণভট্ট]], [[কাদম্বরী উপন্যাস]], [[তারাশঙ্কর তর্করত্ন]] কর্তৃক অনূদিত, পৃষ্ঠা ১৫৭
* জননী, তোমার শুভ আহ্বান<br>গিয়েছে নিখিল ভুবনে--<br>নূতন ধান্যে হবে নবান্ন<br>তোমার ভবনে ভবনে।<br>অবসর আর নাহিকো তোমার--<br>আঁটি আঁটি ধান চলে ভারে ভার,<br>গ্রামপথে-পথে গন্ধ তাহার<br>ভরিয়া উঠিছে পবনে।<br>জননী, তোমার আহ্বান লিপি<br>পাঠায়ে দিয়েছ ভুবনে।
** কল্পনা - [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], প্রকাশক - বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), [https://bn.m.wikisource.org/wiki/পাতা:কল্পনা-রবীন্দ্রনাথ_ঠাকুর.djvu/৪৫ পৃষ্ঠা ৪৪]
*আমি বিলবোর্ডে নায়িকার বদলে দেখি কাকের ঝাক।<br/>পোড়া মানুষের গন্ধের চেয়ে বিরিয়ানির সুবাস<br/>এ শহরে বেশি ভাসে,<br/>মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা আর ভালো লাগে না।
** বিরিয়ানি এবং কাকের গল্প, নির্বাচিত কবিতা, হাসান হামিদ, পৃষ্ঠা ১ [https://books.google.com.bd/books?id=l4hsEAAAQBAJ&pg=PT1]
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]]
8qxe213si3zf1ndm5s2b314rtub26uy
74059
74057
2026-04-06T07:43:04Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
74059
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:গন্ধ|গন্ধ]]''' হলো এক বা একাধিক উদ্বায়ী রাসায়নিক যৌগের এমন একটি বৈশিষ্ট্য, যা সাধারণত স্বল্প ঘনত্বে থাকে এবং মানুষ ও প্রাণী তাদের ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তা উপলব্ধি করতে পারে। গন্ধ বলতে সুখকর বা অপ্রীতিকর উভয় প্রকার গন্ধকেই বোঝাতে পারে। মনোরম গন্ধকে বলা হয় সুগন্ধি, আর অপ্রীতিকর গন্ধকে বলা হয় দুর্গন্ধ।
== উক্তি ==
* গোলাপ, গোলাপ, শুধু গোলাপের রাশি!<br>গোলাপের রং ছিল অনন্ত আকাশে,<br>গোলাপের গন্ধ ছিল ধরাতে বাতাসে,<br>নারীর অধরে ছিল গোলাপের হাসি॥
** [[প্রমথ চৌধুরী]], অপরাহ্ন, সনেট-পঞ্চাশৎ - প্রমথ চৌধুরী, প্রকাশক- সিদ্ধেশ্বর মেসিন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩
* খাবারওয়ালাকে যদি প্রশ্ন করি—মিষ্টান্নে রং দাও কেন, বিকট বিলিতী গন্ধ দাও কেন, সে উত্তর দেয়, খদ্দের এইরকম রং আর গন্ধ চায় যে। কথাটা পুরােপুরি সত্য নয়। তীব্র কৃত্রিম গন্ধযুক্ত সবুজ রঙের গ্রীন ম্যাংগাে সন্দেশ পছন্দ করে এমন লােক হয়তাে আছে। কিন্তু আসল কথা, খাবারওয়ালা নিজের রুচি আর বুদ্ধি অনুসারে যে রং দেয়, গন্ধ দেয়, অদ্ভুত অদ্ভুত নাম দেয়, ক্রেতা তাতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়ে, মনে করে এই হচ্ছে আধুনিক ফ্যাশন। খাদ্যের স্বাভাবিক বর্ণ গন্ধ স্বাদ অনেকেরই ভাল লাগে, কিন্তু মিষ্টান্নকার তা বােঝে না।
** [[রাজশেখর বসু]], নিসর্গচর্চা, বিচিন্তা - রাজশেখর বসু, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪২-১৪৩
* হয়তো বা হাঁস হ’ব—কিশোরীর—ঘুঙুর রহিবে লাল পায়,<br>সারা দিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধ ভরা জলে ভেসে ভেসে;<br>আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে<br>জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়;
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪
* বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই—<br>মাগো, আমার শোলোক-বলা কাজ্লা দিদি কই?<br>পুকুর ধারে, নেবুর তলে থোকায় থোকায় জোনাই জ্বলে,—<br>ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না, একলা জেগে’ রই;<br>মাগো, আমার কোলের কাছে কাজ্লা দিদি কই?
** [[যতীন্দ্রমোহন বাগচী]], কাজ্লাদিদি, কাব্যমালঞ্চ - যতীন্দ্রমোহন বাগচী, প্রকাশক- পপুলার এজেন্সী, প্রকাশসাল- ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ), প্রকাশস্থান- কলকাতা, পৃষ্ঠা ১১৪
* কোথাও একটা দ্বীপ নাই, কেবল চাতালের একধারে যেখানে বাহকেরা পালকি নামাইয়া রাখিয়া একত্র বসিয়া ধূমপান করিতেছে তাহারই অদূরে একখণ্ড জ্বলন্ত শুষ্ককাষ্ঠ হইতে কতকটা যৎকিঞ্চিৎ আলোকিত হইয়াছে। খবর পাইয়া ভৃত্য আসিয়া এককড়িকে একটা ঘরের মধ্যে লইয়া গেল। সমস্ত কক্ষ মদের গন্ধে পরিপূর্ণ এককোণে মিটমিট করিয়া একটা মোমবাতি জ্বলিতেছে এবং অপরপ্রান্তে একটা ভাঙ্গা তক্তপোশের উপর বিছানা পাতিয়া বীজগাঁয়ের জমিদার জীবন চৌধুরী বসিয়া আছেন।
** [[শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]], দেনা পাওনা - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রকাশক- কামিনী প্রকাশালয়, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ); পৃষ্ঠা ৫
* উঠে চারু বাস বায়ু আমোদিয়া<br>ঢলিতে ঢলিতে যায়;<br>চলে প্রাণিগণ মুগ্ধ নব রসে<br>বায়ু, গন্ধে স্নিগ্ধকায়।
** [[হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]], পঞ্চম কল্পনা, আশাকানন- হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৬১
* যেমন ফুল নাড়তে-চাড়তে ঘ্রাণ বের হয়, চন্দন ঘষতে ঘষতে গন্ধ বের হয়, তেমনি ভগবৎতত্ত্বের আলোচনা করতে করতে তত্ত্বজ্ঞানের উদয় হয়।
** [[সারদা দেবী]], শ্রীমা সারদা দেবী - স্বামী গম্ভীরানন্দ, প্রকাশক- উদ্বোধন কার্য্যালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৭৫-৩৭৬
* সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন<br>সন্ধ্যা আসে; ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল;<br>পৃথিবীর সব রং নিভে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন<br>তখন গল্পের তরে [[জোনাকি|জোনাকির]] রঙে ঝিলমিল;
** [[:s:জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/বনলতা_সেন|বনলতা সেন]] - [[জীবনানন্দ দাশ]], প্রকাশক- নিউ স্ক্রিপ্ট, কলকাতা, অষ্টম মুদ্রণ: [[অগ্রহায়ণ]] ১৪২৪ (নভেম্বর ২০১৭), পৃষ্ঠা ৯
* চিঠির কাগজখানি সাধারণ বাজারে কাগজ নহে, সাধারণ লােকে সে কাগজ ব্যবহার করা দূরে থাকুক, কখনও দেখিয়াছে কি না বলা যায় না। কাগজখানি আলােকের দিকে ধরিলাম; দেখিলাম, জলের অক্ষরে কি একটা কোম্পানীর নাম লেখা রহিয়াছে। সম্ভবত সেই কোম্পানিই ঐ প্রকারের চিঠির কাগজ প্রস্তুত করিয়া বিক্রয় করিয়া থাকে। কাগজখানি গোলাপের গন্ধে ভর্ভর করিতেছে। বুঝিলাম, পত্র-লেখক সামান্য ব্যক্তি ন’ন।
** ছবি, প্রথম পরিচ্ছেদ, ছবি - প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়, প্রকাশক- দারোগার দপ্তর কার্য্যালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪-৫
* ধূপ আপনারে মিলাইতে চাহে গন্ধে,<br>গন্ধ সে চাহে ধূপেরে রহিতে জুড়ে।<br>সুর আপনারে ধরা দিতে চাহে ছন্দে,<br>ছন্দ ফিরিয়া ছুটে যেতে চায় সুরে।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], উৎসর্গ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮-৩৯
*ক্রমশ এদেশে গুচ্ছবদ্ধ রক্ত-কুসুম <br/> ছড়ায় শত্রু-শবের গন্ধ, ভাঙে ভীত ঘুম। <br/> এখানে কৃষক বাড়ায় ফসল মিলিত হাতে, <br/> তোমার স্বপ্ন চূর্ণ করার শপথ দাঁতে
**[[সুকান্ত ভট্টাচার্য]] - সুকান্ত সমগ্র, বিভীষণের প্রতি ১৯৫৭ (পৃ. ১৬২-১৬৩)।
* পৃথিবীর কোনো পথে:নরম ধানের গন্ধ—কল্মীর ঘ্রাণ,<br>হাঁসের পালক, শর, পুকুরের জল, চাঁদা সরপুঁটিদের<br>মৃদু ঘ্রাণ, কিশোরীর চাল-ধোয়া ভিজে হাত—শীত হাতখান,<br>কিশোরের পায়ে-দলা মুথাঘাস,—লাল লাল বটের ফলের<br>ব্যথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতা—এরি মাঝে বাংলার প্রাণ:
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫
* বেড়াইতে বেড়াইতে দেখিল, বাগানের এই নানা রকম সুগন্ধ সুদৃশ্য অপরিচিত পুষ্পবৃক্ষের এক পাশে একটি গোলাপের গাছ, সেই গাছে একটি সুন্দর প্রস্ফুটিত গোলাপ। লাবণ্য সেই গোলাপটি তুলিতে হাত বাড়াইল! এই সময় সহসা কোথা হইতে পূর্ব্বেকার পরীটি আসিয়া বলিলেন, “ইহা তুলিও না, ঐ দেখ কত ধৈর্য্য ফুল ফুটিয়া রহিয়াছে—উহার একটি তোল, গোলাপ অপেক্ষা দেখ ঐ ফুলগুলি কত সুন্দর।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সুবুদ্ধির উপদেশ, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০
* আপনার বাগানের কোন স্থানে একটি সুগন্ধ ফুল ফুটিয়াছে তাহাতে বাগান আমোদিত করিয়াছে। বায়ু গন্ধ ছড়াইয়া ফুলের সৌরভ বিকীর্ণ করিতেছে। ফুল তাহা চাহেনা, কিন্তু বাতাস আপনার কার্য্য আপনি করে।
** শিবাপ্রসন্ন ভট্টাচার্য, পঞ্চম কথা, বিদ্যাসাগর-প্রবন্ধ - শিবাপ্রসন্ন ভট্টাচার্য, প্রকাশসাল- ৮৯৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৮
* যখন পুকুরে হাঁস সোঁদা জলে শিশিরের গন্ধ শুধু পায়,<br>শামুক গুগলিগুলো প’ড়ে আছে শ্যাওলার মলিন সবুজে,—<br>তখন আমারে যদি পাও নাকো লালশাক-ছাওয়া মাঠে খুঁজে,<br>ঠেস্ দিয়ে ব’সে আর থাকি নাকো যদি বুনো চাল্তার গায়,<br>তাহ’লে জানিও তুমি আসিয়াছে অন্ধকারে মৃত্যুর আহ্বান—
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* রুচি অনুসারে একই জিনিষ সুন্দর বা অসুন্দর আস্বাদ দেয়। চীনে বাড়ীতে গিয়ে দেখলেম এক সুন্দর কাচের বাটিতে ছেলেরা শুটকি মাছ খাচ্ছে; বাটিটা সুন্দর লাগলো, আহার্যের গন্ধটা কিন্তু চেনা নয় বলেই আমার নাকে ভারি অসুন্দর ঠেকলো। এই ব্যক্তিগত রুচি অরুচি ইত্যাদির উপরে যে রচনা উঠতে পারলে তাই যথার্থ সুন্দর হয়ে উঠলো।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অসুন্দর, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২১৭-২১৮
* হাতে হাত ধ’রে-ধ’রে গোল হ’য়ে ঘুরে-ঘুরে-ঘুরে<br>কার্তিকের মিঠে রোদে আমাদের মুখ যাবে পুড়ে;<br>ফলন্ত ধানের গন্ধে—রঙে তার—স্বাদে তার ভ’রে যাবে আমাদের সকলের দেহ;<br>রাগ কেহ করিবে না—আমাদের দেখে হিংসা করিবে না কেহ। (অবসরের গান)
**[[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* মাঘের রাতে আমের বোলের গন্ধ বহে যায়,<br/>নিশ্বাস তার মেলে না আর তোমার বেদনায়।
**[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/সানাই/দূরবর্তিনী সানাই - দূরবর্তিনী])
* যখন থেকে ফোর্ড কোম্পানী মাটি কাটার কল তৈরী করেছে, সে সময় থেকে পার্বত্য গ্রামেও সোজা পথ, সমান লেভেলে বাড়ি গড়ে উঠেছে। আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান।
** আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯
* অন্ধ [[মেয়ে]] দেখছে না তা— নাই-বা যদি দেখে—<br/>শীতল মিঠা বাদল হাওয়া যায় যে তারে ডেকে!<br/>শুনছে সে যে পাখির ডাকে হরষ কোলাকুলি<br/>মিষ্ট ঘাসের গন্ধে তারও প্রাণ গিয়েছে ভুলি!<br/>দুঃখ সুখের ছন্দে ভরা জগৎ তারও আছে,<br/>তারও আঁধার জগৎখানি মধুর তারি কাছে।
** ''অন্ধ মেয়ে'', সুকুমার সমগ্র রচনাবলী, প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯
* আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান। আমরা ভারতবাসী, আমরা ইচ্ছা করেই বলব, আমেরিকার গ্রামও একদিন পুরাতন হবে, ইউরোপের গ্রামের মত হবে। আমি বলছি তা হবে না। আমেরিকার গ্রাম চির নতুন থাকবে। হয়ত বর্তমান অবস্থা হতে আমেরিকার গ্রাম আরও উন্নত হবে, কারণ আমেরিকাতে এখনও ধর্মের বদ্খেয়ালী নাই।
** [[রামনাথ বিশ্বাস]], আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯-১৪০
* শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতে<br/>অলস গেঁয়োর মতো এইখানে কার্তিকের খেতে;<br/>মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়।
** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* বায়ু বহে মৃদু মন্দ, মধুর চাঁপার গন্ধ<br>পাতার বিতান হতে আসে ভেসে ভেসে।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সন্ধ্যা, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৩
* এ দিকে বসন্তকাল উপস্থিত। সহকারের মুকুলমঞ্জরী সঞ্চালিত করিয়া মলয়ানিল মন্দ মন্দ বহিতে লাগিল কোকিলের কুহুরবে চতুর্দ্দিক্ ব্যাপ্ত হইল। অশোক, কিংশুক, কুরুবক, চম্পক প্রভৃতি তরুগণ বিকসিত কুসুম দ্বারা দিঙ্মণ্ডল আলোকময় করিল। অলিকুল বকুলপুষ্পের গন্ধে অন্ধ হইয়া ঝঙ্কার পূর্ব্বক তাহার চতুর্দ্দিকে ভ্রমণ করিতে লাগিল। তরুগণ পল্লবিত ও ফলভরে অবনত হইল। কমলবন বিকসিত হইয়া সরোবরের শোভা বৃদ্ধি করিল।
** [[বাণভট্ট]], [[কাদম্বরী উপন্যাস]], [[তারাশঙ্কর তর্করত্ন]] কর্তৃক অনূদিত, পৃষ্ঠা ১৫৭
* জননী, তোমার শুভ আহ্বান<br>গিয়েছে নিখিল ভুবনে--<br>নূতন ধান্যে হবে নবান্ন<br>তোমার ভবনে ভবনে।<br>অবসর আর নাহিকো তোমার--<br>আঁটি আঁটি ধান চলে ভারে ভার,<br>গ্রামপথে-পথে গন্ধ তাহার<br>ভরিয়া উঠিছে পবনে।<br>জননী, তোমার আহ্বান লিপি<br>পাঠায়ে দিয়েছ ভুবনে।
** কল্পনা - [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], প্রকাশক - বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), [https://bn.m.wikisource.org/wiki/পাতা:কল্পনা-রবীন্দ্রনাথ_ঠাকুর.djvu/৪৫ পৃষ্ঠা ৪৪]
* ওই গো সন্ধ্যা আসিছে আবার, স্পন্দিত-সচেতন<br>বৃন্তে বৃন্তে ধূপাধার সম ফুলগুলি ফেলে শ্বাস;<br>ধ্বনিতে গন্ধে ঘূর্ণি লেগেছে, বায়ু করে হাহুতাশ,<br>সান্দ্র ফেনিল মূর্চ্ছা-শিথিল নৃত্য-আবর্ত্তন!<br>বৃন্তে বৃন্তে ধূপাধার সম ফুলগুলি ফেলে শ্বাস,<br>শিহরি’ গুমরি’ বাজিছে বেহালা যেন সে ব্যথিত মন;<br>সান্দ্র-ফেনিল মূর্চ্ছা-শিথিল নৃত্য-আবর্ত্তন!<br>সুন্দর-ম্লান, বেদী, সুমহান্ সীমাহীন নীলাকাশ।
*আমি বিলবোর্ডে নায়িকার বদলে দেখি কাকের ঝাক।<br/>পোড়া মানুষের গন্ধের চেয়ে বিরিয়ানির সুবাস<br/>এ শহরে বেশি ভাসে,<br/>মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা আর ভালো লাগে না।
** বিরিয়ানি এবং কাকের গল্প, নির্বাচিত কবিতা, হাসান হামিদ, পৃষ্ঠা ১ [https://books.google.com.bd/books?id=l4hsEAAAQBAJ&pg=PT1]
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]]
owypufurbgsdgfllvh33jraoc9ie3ae
74060
74059
2026-04-06T07:43:56Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উদ্ধৃতি যোগ
74060
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:গন্ধ|গন্ধ]]''' হলো এক বা একাধিক উদ্বায়ী রাসায়নিক যৌগের এমন একটি বৈশিষ্ট্য, যা সাধারণত স্বল্প ঘনত্বে থাকে এবং মানুষ ও প্রাণী তাদের ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তা উপলব্ধি করতে পারে। গন্ধ বলতে সুখকর বা অপ্রীতিকর উভয় প্রকার গন্ধকেই বোঝাতে পারে। মনোরম গন্ধকে বলা হয় সুগন্ধি, আর অপ্রীতিকর গন্ধকে বলা হয় দুর্গন্ধ।
== উক্তি ==
* গোলাপ, গোলাপ, শুধু গোলাপের রাশি!<br>গোলাপের রং ছিল অনন্ত আকাশে,<br>গোলাপের গন্ধ ছিল ধরাতে বাতাসে,<br>নারীর অধরে ছিল গোলাপের হাসি॥
** [[প্রমথ চৌধুরী]], অপরাহ্ন, সনেট-পঞ্চাশৎ - প্রমথ চৌধুরী, প্রকাশক- সিদ্ধেশ্বর মেসিন প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩
* খাবারওয়ালাকে যদি প্রশ্ন করি—মিষ্টান্নে রং দাও কেন, বিকট বিলিতী গন্ধ দাও কেন, সে উত্তর দেয়, খদ্দের এইরকম রং আর গন্ধ চায় যে। কথাটা পুরােপুরি সত্য নয়। তীব্র কৃত্রিম গন্ধযুক্ত সবুজ রঙের গ্রীন ম্যাংগাে সন্দেশ পছন্দ করে এমন লােক হয়তাে আছে। কিন্তু আসল কথা, খাবারওয়ালা নিজের রুচি আর বুদ্ধি অনুসারে যে রং দেয়, গন্ধ দেয়, অদ্ভুত অদ্ভুত নাম দেয়, ক্রেতা তাতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়ে, মনে করে এই হচ্ছে আধুনিক ফ্যাশন। খাদ্যের স্বাভাবিক বর্ণ গন্ধ স্বাদ অনেকেরই ভাল লাগে, কিন্তু মিষ্টান্নকার তা বােঝে না।
** [[রাজশেখর বসু]], নিসর্গচর্চা, বিচিন্তা - রাজশেখর বসু, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪২-১৪৩
* হয়তো বা হাঁস হ’ব—কিশোরীর—ঘুঙুর রহিবে লাল পায়,<br>সারা দিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধ ভরা জলে ভেসে ভেসে;<br>আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে<br>জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়;
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪
* বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই—<br>মাগো, আমার শোলোক-বলা কাজ্লা দিদি কই?<br>পুকুর ধারে, নেবুর তলে থোকায় থোকায় জোনাই জ্বলে,—<br>ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না, একলা জেগে’ রই;<br>মাগো, আমার কোলের কাছে কাজ্লা দিদি কই?
** [[যতীন্দ্রমোহন বাগচী]], কাজ্লাদিদি, কাব্যমালঞ্চ - যতীন্দ্রমোহন বাগচী, প্রকাশক- পপুলার এজেন্সী, প্রকাশসাল- ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ), প্রকাশস্থান- কলকাতা, পৃষ্ঠা ১১৪
* কোথাও একটা দ্বীপ নাই, কেবল চাতালের একধারে যেখানে বাহকেরা পালকি নামাইয়া রাখিয়া একত্র বসিয়া ধূমপান করিতেছে তাহারই অদূরে একখণ্ড জ্বলন্ত শুষ্ককাষ্ঠ হইতে কতকটা যৎকিঞ্চিৎ আলোকিত হইয়াছে। খবর পাইয়া ভৃত্য আসিয়া এককড়িকে একটা ঘরের মধ্যে লইয়া গেল। সমস্ত কক্ষ মদের গন্ধে পরিপূর্ণ এককোণে মিটমিট করিয়া একটা মোমবাতি জ্বলিতেছে এবং অপরপ্রান্তে একটা ভাঙ্গা তক্তপোশের উপর বিছানা পাতিয়া বীজগাঁয়ের জমিদার জীবন চৌধুরী বসিয়া আছেন।
** [[শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]], দেনা পাওনা - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রকাশক- কামিনী প্রকাশালয়, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ); পৃষ্ঠা ৫
* উঠে চারু বাস বায়ু আমোদিয়া<br>ঢলিতে ঢলিতে যায়;<br>চলে প্রাণিগণ মুগ্ধ নব রসে<br>বায়ু, গন্ধে স্নিগ্ধকায়।
** [[হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]], পঞ্চম কল্পনা, আশাকানন- হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৬১
* যেমন ফুল নাড়তে-চাড়তে ঘ্রাণ বের হয়, চন্দন ঘষতে ঘষতে গন্ধ বের হয়, তেমনি ভগবৎতত্ত্বের আলোচনা করতে করতে তত্ত্বজ্ঞানের উদয় হয়।
** [[সারদা দেবী]], শ্রীমা সারদা দেবী - স্বামী গম্ভীরানন্দ, প্রকাশক- উদ্বোধন কার্য্যালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৭৫-৩৭৬
* সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন<br>সন্ধ্যা আসে; ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল;<br>পৃথিবীর সব রং নিভে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন<br>তখন গল্পের তরে [[জোনাকি|জোনাকির]] রঙে ঝিলমিল;
** [[:s:জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/বনলতা_সেন|বনলতা সেন]] - [[জীবনানন্দ দাশ]], প্রকাশক- নিউ স্ক্রিপ্ট, কলকাতা, অষ্টম মুদ্রণ: [[অগ্রহায়ণ]] ১৪২৪ (নভেম্বর ২০১৭), পৃষ্ঠা ৯
* চিঠির কাগজখানি সাধারণ বাজারে কাগজ নহে, সাধারণ লােকে সে কাগজ ব্যবহার করা দূরে থাকুক, কখনও দেখিয়াছে কি না বলা যায় না। কাগজখানি আলােকের দিকে ধরিলাম; দেখিলাম, জলের অক্ষরে কি একটা কোম্পানীর নাম লেখা রহিয়াছে। সম্ভবত সেই কোম্পানিই ঐ প্রকারের চিঠির কাগজ প্রস্তুত করিয়া বিক্রয় করিয়া থাকে। কাগজখানি গোলাপের গন্ধে ভর্ভর করিতেছে। বুঝিলাম, পত্র-লেখক সামান্য ব্যক্তি ন’ন।
** ছবি, প্রথম পরিচ্ছেদ, ছবি - প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়, প্রকাশক- দারোগার দপ্তর কার্য্যালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪-৫
* ধূপ আপনারে মিলাইতে চাহে গন্ধে,<br>গন্ধ সে চাহে ধূপেরে রহিতে জুড়ে।<br>সুর আপনারে ধরা দিতে চাহে ছন্দে,<br>ছন্দ ফিরিয়া ছুটে যেতে চায় সুরে।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], উৎসর্গ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮-৩৯
*ক্রমশ এদেশে গুচ্ছবদ্ধ রক্ত-কুসুম <br/> ছড়ায় শত্রু-শবের গন্ধ, ভাঙে ভীত ঘুম। <br/> এখানে কৃষক বাড়ায় ফসল মিলিত হাতে, <br/> তোমার স্বপ্ন চূর্ণ করার শপথ দাঁতে
**[[সুকান্ত ভট্টাচার্য]] - সুকান্ত সমগ্র, বিভীষণের প্রতি ১৯৫৭ (পৃ. ১৬২-১৬৩)।
* পৃথিবীর কোনো পথে:নরম ধানের গন্ধ—কল্মীর ঘ্রাণ,<br>হাঁসের পালক, শর, পুকুরের জল, চাঁদা সরপুঁটিদের<br>মৃদু ঘ্রাণ, কিশোরীর চাল-ধোয়া ভিজে হাত—শীত হাতখান,<br>কিশোরের পায়ে-দলা মুথাঘাস,—লাল লাল বটের ফলের<br>ব্যথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতা—এরি মাঝে বাংলার প্রাণ:
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫
* বেড়াইতে বেড়াইতে দেখিল, বাগানের এই নানা রকম সুগন্ধ সুদৃশ্য অপরিচিত পুষ্পবৃক্ষের এক পাশে একটি গোলাপের গাছ, সেই গাছে একটি সুন্দর প্রস্ফুটিত গোলাপ। লাবণ্য সেই গোলাপটি তুলিতে হাত বাড়াইল! এই সময় সহসা কোথা হইতে পূর্ব্বেকার পরীটি আসিয়া বলিলেন, “ইহা তুলিও না, ঐ দেখ কত ধৈর্য্য ফুল ফুটিয়া রহিয়াছে—উহার একটি তোল, গোলাপ অপেক্ষা দেখ ঐ ফুলগুলি কত সুন্দর।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সুবুদ্ধির উপদেশ, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০
* আপনার বাগানের কোন স্থানে একটি সুগন্ধ ফুল ফুটিয়াছে তাহাতে বাগান আমোদিত করিয়াছে। বায়ু গন্ধ ছড়াইয়া ফুলের সৌরভ বিকীর্ণ করিতেছে। ফুল তাহা চাহেনা, কিন্তু বাতাস আপনার কার্য্য আপনি করে।
** শিবাপ্রসন্ন ভট্টাচার্য, পঞ্চম কথা, বিদ্যাসাগর-প্রবন্ধ - শিবাপ্রসন্ন ভট্টাচার্য, প্রকাশসাল- ৮৯৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৮
* যখন পুকুরে হাঁস সোঁদা জলে শিশিরের গন্ধ শুধু পায়,<br>শামুক গুগলিগুলো প’ড়ে আছে শ্যাওলার মলিন সবুজে,—<br>তখন আমারে যদি পাও নাকো লালশাক-ছাওয়া মাঠে খুঁজে,<br>ঠেস্ দিয়ে ব’সে আর থাকি নাকো যদি বুনো চাল্তার গায়,<br>তাহ’লে জানিও তুমি আসিয়াছে অন্ধকারে মৃত্যুর আহ্বান—
** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* রুচি অনুসারে একই জিনিষ সুন্দর বা অসুন্দর আস্বাদ দেয়। চীনে বাড়ীতে গিয়ে দেখলেম এক সুন্দর কাচের বাটিতে ছেলেরা শুটকি মাছ খাচ্ছে; বাটিটা সুন্দর লাগলো, আহার্যের গন্ধটা কিন্তু চেনা নয় বলেই আমার নাকে ভারি অসুন্দর ঠেকলো। এই ব্যক্তিগত রুচি অরুচি ইত্যাদির উপরে যে রচনা উঠতে পারলে তাই যথার্থ সুন্দর হয়ে উঠলো।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], অসুন্দর, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২১৭-২১৮
* হাতে হাত ধ’রে-ধ’রে গোল হ’য়ে ঘুরে-ঘুরে-ঘুরে<br>কার্তিকের মিঠে রোদে আমাদের মুখ যাবে পুড়ে;<br>ফলন্ত ধানের গন্ধে—রঙে তার—স্বাদে তার ভ’রে যাবে আমাদের সকলের দেহ;<br>রাগ কেহ করিবে না—আমাদের দেখে হিংসা করিবে না কেহ। (অবসরের গান)
**[[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* মাঘের রাতে আমের বোলের গন্ধ বহে যায়,<br/>নিশ্বাস তার মেলে না আর তোমার বেদনায়।
**[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/সানাই/দূরবর্তিনী সানাই - দূরবর্তিনী])
* যখন থেকে ফোর্ড কোম্পানী মাটি কাটার কল তৈরী করেছে, সে সময় থেকে পার্বত্য গ্রামেও সোজা পথ, সমান লেভেলে বাড়ি গড়ে উঠেছে। আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান।
** আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯
* অন্ধ [[মেয়ে]] দেখছে না তা— নাই-বা যদি দেখে—<br/>শীতল মিঠা বাদল হাওয়া যায় যে তারে ডেকে!<br/>শুনছে সে যে পাখির ডাকে হরষ কোলাকুলি<br/>মিষ্ট ঘাসের গন্ধে তারও প্রাণ গিয়েছে ভুলি!<br/>দুঃখ সুখের ছন্দে ভরা জগৎ তারও আছে,<br/>তারও আঁধার জগৎখানি মধুর তারি কাছে।
** ''অন্ধ মেয়ে'', সুকুমার সমগ্র রচনাবলী, প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯
* আমেরিকার গ্রামে নতুনের গন্ধ পাওয়া যায়। ইউরোপের গ্রামে পুরাতনের প্রাধান্য বর্তমান। আমরা ভারতবাসী, আমরা ইচ্ছা করেই বলব, আমেরিকার গ্রামও একদিন পুরাতন হবে, ইউরোপের গ্রামের মত হবে। আমি বলছি তা হবে না। আমেরিকার গ্রাম চির নতুন থাকবে। হয়ত বর্তমান অবস্থা হতে আমেরিকার গ্রাম আরও উন্নত হবে, কারণ আমেরিকাতে এখনও ধর্মের বদ্খেয়ালী নাই।
** [[রামনাথ বিশ্বাস]], আজকের আমেরিকা - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয়- সংস্করণ, প্রকাশক- পর্যটক প্রকাশনা ভবন, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৯-১৪০
* শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতে<br/>অলস গেঁয়োর মতো এইখানে কার্তিকের খেতে;<br/>মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,<br/>তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,<br/>দেহের স্বাদের কথা কয়;<br/>বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট ক’রে দেবে তার সাধের সময়।
** [[জীবনানন্দ দাশ]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/জীবনানন্দ_দাশের_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/অবসরের_গান অবসরের গান])
* বায়ু বহে মৃদু মন্দ, মধুর চাঁপার গন্ধ<br>পাতার বিতান হতে আসে ভেসে ভেসে।
** [[স্বর্ণকুমারী দেবী]], সন্ধ্যা, গল্পস্বল্প- স্বর্ণকুমারী দেবী, চতুর্থ সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৩
* এ দিকে বসন্তকাল উপস্থিত। সহকারের মুকুলমঞ্জরী সঞ্চালিত করিয়া মলয়ানিল মন্দ মন্দ বহিতে লাগিল কোকিলের কুহুরবে চতুর্দ্দিক্ ব্যাপ্ত হইল। অশোক, কিংশুক, কুরুবক, চম্পক প্রভৃতি তরুগণ বিকসিত কুসুম দ্বারা দিঙ্মণ্ডল আলোকময় করিল। অলিকুল বকুলপুষ্পের গন্ধে অন্ধ হইয়া ঝঙ্কার পূর্ব্বক তাহার চতুর্দ্দিকে ভ্রমণ করিতে লাগিল। তরুগণ পল্লবিত ও ফলভরে অবনত হইল। কমলবন বিকসিত হইয়া সরোবরের শোভা বৃদ্ধি করিল।
** [[বাণভট্ট]], [[কাদম্বরী উপন্যাস]], [[তারাশঙ্কর তর্করত্ন]] কর্তৃক অনূদিত, পৃষ্ঠা ১৫৭
* জননী, তোমার শুভ আহ্বান<br>গিয়েছে নিখিল ভুবনে--<br>নূতন ধান্যে হবে নবান্ন<br>তোমার ভবনে ভবনে।<br>অবসর আর নাহিকো তোমার--<br>আঁটি আঁটি ধান চলে ভারে ভার,<br>গ্রামপথে-পথে গন্ধ তাহার<br>ভরিয়া উঠিছে পবনে।<br>জননী, তোমার আহ্বান লিপি<br>পাঠায়ে দিয়েছ ভুবনে।
** কল্পনা - [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], প্রকাশক - বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), [https://bn.m.wikisource.org/wiki/পাতা:কল্পনা-রবীন্দ্রনাথ_ঠাকুর.djvu/৪৫ পৃষ্ঠা ৪৪]
* ওই গো সন্ধ্যা আসিছে আবার, স্পন্দিত-সচেতন<br>বৃন্তে বৃন্তে ধূপাধার সম ফুলগুলি ফেলে শ্বাস;<br>ধ্বনিতে গন্ধে ঘূর্ণি লেগেছে, বায়ু করে হাহুতাশ,<br>সান্দ্র ফেনিল মূর্চ্ছা-শিথিল নৃত্য-আবর্ত্তন!<br>বৃন্তে বৃন্তে ধূপাধার সম ফুলগুলি ফেলে শ্বাস,<br>শিহরি’ গুমরি’ বাজিছে বেহালা যেন সে ব্যথিত মন;<br>সান্দ্র-ফেনিল মূর্চ্ছা-শিথিল নৃত্য-আবর্ত্তন!<br>সুন্দর-ম্লান, বেদী, সুমহান্ সীমাহীন নীলাকাশ।
** শার্ল বোদলেয়ার, সন্ধ্যার সুর, সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত অনূদিত, তীর্থরেণু, অনুবাদক- সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১০ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬০-৬১
*আমি বিলবোর্ডে নায়িকার বদলে দেখি কাকের ঝাক।<br/>পোড়া মানুষের গন্ধের চেয়ে বিরিয়ানির সুবাস<br/>এ শহরে বেশি ভাসে,<br/>মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা আর ভালো লাগে না।
** বিরিয়ানি এবং কাকের গল্প, নির্বাচিত কবিতা, হাসান হামিদ, পৃষ্ঠা ১ [https://books.google.com.bd/books?id=l4hsEAAAQBAJ&pg=PT1]
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]]
k6qxmk6rdp1qw5ad398z8ts2zt680ae
আলাপ:আলফ্রেড কিনসে
1
12060
73903
2026-04-05T16:22:00Z
SMontaha32
3112
https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026
73903
wikitext
text/x-wiki
{{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}}
s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm
আবি আহমেদ
0
12061
73907
2026-04-05T16:49:02Z
Borhan
964
শুরু
73907
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:Abiy_Ahmed_at_the_African_Union_2018.jpg|থাম্ব|২০১৮ সালে আবি আহমেদ]]
'''[[w:আবি আহমেদ|আবি আহমেদ]]''' (জন্ম: ১৫ আগস্ট ১৯৭৬) হলেন ইথিওপীয় রাজনীতিবিদ। তিনি ২০১৮ সালের ২ এপ্রিল থেকে [[w: ইথিওপিয়া|ইথিওপিয়ার]] চতুর্থ ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ক্ষমতাসীন চার জোটবিশিষ্ট দল ইপিআরডিএফ (ইথিওপিয়ান পিপলস রেভোলিউশনারি ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট) এবং ওডিপির (ওরোমো ডেমোক্রেটিক পার্টি) চেয়ারম্যান। [[w:ইথিওপিয়া–ইরিত্রিয়া যুদ্ধ|ইথিওপিয়া ও ইরিত্রিয়ার মধ্যকার ২০ বছরের সংঘাতের]] অবসান ঘটাতে তার কাজের জন্য আবিকে ২০১৯ সালে [[w:শান্তিতে নোবেল পুরস্কার|নোবেল শান্তি পুরস্কারে]] ভূষিত করা হয়।
== উক্তি ==
* আমাদের প্রথম ও প্রধান কাজ যা হওয়া উচিত এবং আমাদের সংগ্রাম যেখানে কেন্দ্রীভূত হওয়া উচিত তা হলো আমরা নিজেরাই। আমাদের চিন্তাভাবনাকে ঘৃণা থেকে পরিশুদ্ধ করতে হবে; ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ধর্ম আমাদের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ, আমাদের সেগুলোকে ভালোবাসার সাথে পরিচালনা করতে হবে। আমাদের মধ্যকার ভিন্নতার কারণে মতবিরোধ দেখা দিলেও, আমাদের উচিত অন্যায়ের পরিবর্তে ন্যায়ের পক্ষ নেওয়া এবং নিজেদের নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি সংশোধন করা। ন্যায়বিচারই হওয়া উচিত আমাদের প্রধান নীতি; সকল মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা হওয়া উচিত আমাদের নৈতিক দিকনির্দেশক। এটি আমাদের এক চিরন্তন কাজ যা কখনও শেষ হয় না এবং যা সর্বদা সম্পাদন করা প্রয়োজন। এটি আমাদের জীবনব্যাপী দায়িত্ব।
** [https://www.opride.com/2018/04/03/english-partial-transcript-of-ethiopian-prime-minister-abiy-ahmeds-inaugural-address/ [উদ্বোধনী ভাষণ, অনুবাদ: হাসান হুসেন], ''OPride.com'' (৩ এপ্রিল ২০১৮)]
* ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে এমন ইথিওপীয় সন্তানদের কাতারে থাকতে চাইলে আজই দেশের জন্য জেগে ওঠো। চলো, সম্মুখ সমরে মিলিত হই।
** আবি আহমেদ (২০২১) উদ্ধৃত: "[https://www.bbc.com/news/world-africa-59552888 ইথিওপিয়ার গৃহযুদ্ধ: বিদ্রোহীদের অগ্রগতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী আবি কীভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন]", ''বিবিসি নিউজ'', ১৬ ডিসেম্বর ২০২১।
== বহিংসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী}}
[[বিষয়শ্রেণী:নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৭৬-এ জন্ম]]
0qmmw1gc5ghlej0ibie5yk70fa07la0
73948
73907
2026-04-05T23:13:30Z
ARI
356
/* উক্তি */
73948
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:Abiy_Ahmed_at_the_African_Union_2018.jpg|থাম্ব|২০১৮ সালে আবি আহমেদ]]
'''[[w:আবি আহমেদ|আবি আহমেদ]]''' (জন্ম: ১৫ আগস্ট ১৯৭৬) হলেন ইথিওপীয় রাজনীতিবিদ। তিনি ২০১৮ সালের ২ এপ্রিল থেকে [[w: ইথিওপিয়া|ইথিওপিয়ার]] চতুর্থ ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ক্ষমতাসীন চার জোটবিশিষ্ট দল ইপিআরডিএফ (ইথিওপিয়ান পিপলস রেভোলিউশনারি ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট) এবং ওডিপির (ওরোমো ডেমোক্রেটিক পার্টি) চেয়ারম্যান। [[w:ইথিওপিয়া–ইরিত্রিয়া যুদ্ধ|ইথিওপিয়া ও ইরিত্রিয়ার মধ্যকার ২০ বছরের সংঘাতের]] অবসান ঘটাতে তার কাজের জন্য আবিকে ২০১৯ সালে [[w:শান্তিতে নোবেল পুরস্কার|নোবেল শান্তি পুরস্কারে]] ভূষিত করা হয়।
== উক্তি ==
* আমাদের প্রথম ও প্রধান কাজ যা হওয়া উচিত এবং আমাদের সংগ্রাম যেখানে কেন্দ্রীভূত হওয়া উচিত তা হলো আমরা নিজেরাই। আমাদের চিন্তাভাবনাকে ঘৃণা থেকে পরিশুদ্ধ করতে হবে; ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ধর্ম আমাদের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ, আমাদের সেগুলোকে ভালোবাসার সাথে পরিচালনা করতে হবে। আমাদের মধ্যকার ভিন্নতার কারণে মতবিরোধ দেখা দিলেও, আমাদের উচিত অন্যায়ের পরিবর্তে ন্যায়ের পক্ষ নেওয়া এবং নিজেদের নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি সংশোধন করা। ন্যায়বিচারই হওয়া উচিত আমাদের প্রধান নীতি; সকল মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা হওয়া উচিত আমাদের নৈতিক দিকনির্দেশক। এটি আমাদের এক চিরন্তন কাজ যা কখনও শেষ হয় না এবং যা সর্বদা সম্পাদন করা প্রয়োজন। এটি আমাদের জীবনব্যাপী দায়িত্ব।
** [https://www.opride.com/2018/04/03/english-partial-transcript-of-ethiopian-prime-minister-abiy-ahmeds-inaugural-address/ উদ্বোধনী ভাষণ, অনুবাদ: হাসান হুসেন], ''OPride.com'' (৩ এপ্রিল ২০১৮)
* ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে এমন ইথিওপীয় সন্তানদের কাতারে থাকতে চাইলে আজই দেশের জন্য জেগে ওঠো। চলো, সম্মুখ সমরে মিলিত হই।
** আবি আহমেদ (২০২১) উদ্ধৃত: "[https://www.bbc.com/news/world-africa-59552888 ইথিওপিয়ার গৃহযুদ্ধ: বিদ্রোহীদের অগ্রগতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী আবি কীভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন]", ''বিবিসি নিউজ'', ১৬ ডিসেম্বর ২০২১।
== বহিংসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী}}
[[বিষয়শ্রেণী:নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৭৬-এ জন্ম]]
s4mc0d922vdviag1rww2kzyds7fbft5
73975
73948
2026-04-06T03:52:56Z
Borhan
964
/* উক্তি */ +
73975
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:Abiy_Ahmed_at_the_African_Union_2018.jpg|থাম্ব|২০১৮ সালে আবি আহমেদ]]
'''[[w:আবি আহমেদ|আবি আহমেদ]]''' (জন্ম: ১৫ আগস্ট ১৯৭৬) হলেন ইথিওপীয় রাজনীতিবিদ। তিনি ২০১৮ সালের ২ এপ্রিল থেকে [[w: ইথিওপিয়া|ইথিওপিয়ার]] চতুর্থ ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ক্ষমতাসীন চার জোটবিশিষ্ট দল ইপিআরডিএফ (ইথিওপিয়ান পিপলস রেভোলিউশনারি ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট) এবং ওডিপির (ওরোমো ডেমোক্রেটিক পার্টি) চেয়ারম্যান। [[w:ইথিওপিয়া–ইরিত্রিয়া যুদ্ধ|ইথিওপিয়া ও ইরিত্রিয়ার মধ্যকার ২০ বছরের সংঘাতের]] অবসান ঘটাতে তার কাজের জন্য আবিকে ২০১৯ সালে [[w:শান্তিতে নোবেল পুরস্কার|নোবেল শান্তি পুরস্কারে]] ভূষিত করা হয়।
== উক্তি ==
* আমাদের প্রথম ও প্রধান কাজ যা হওয়া উচিত এবং আমাদের সংগ্রাম যেখানে কেন্দ্রীভূত হওয়া উচিত তা হলো আমরা নিজেরাই। আমাদের চিন্তাভাবনাকে ঘৃণা থেকে পরিশুদ্ধ করতে হবে; ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ধর্ম আমাদের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ, আমাদের সেগুলোকে ভালোবাসার সাথে পরিচালনা করতে হবে। আমাদের মধ্যকার ভিন্নতার কারণে মতবিরোধ দেখা দিলেও, আমাদের উচিত অন্যায়ের পরিবর্তে ন্যায়ের পক্ষ নেওয়া এবং নিজেদের নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি সংশোধন করা। ন্যায়বিচারই হওয়া উচিত আমাদের প্রধান নীতি; সকল মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা হওয়া উচিত আমাদের নৈতিক দিকনির্দেশক। এটি আমাদের এক চিরন্তন কাজ যা কখনও শেষ হয় না এবং যা সর্বদা সম্পাদন করা প্রয়োজন। এটি আমাদের জীবনব্যাপী দায়িত্ব।
** [https://www.opride.com/2018/04/03/english-partial-transcript-of-ethiopian-prime-minister-abiy-ahmeds-inaugural-address/ উদ্বোধনী ভাষণ, অনুবাদ: হাসান হুসেন], ''OPride.com'' (৩ এপ্রিল ২০১৮)
* ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে এমন ইথিওপীয় সন্তানদের কাতারে থাকতে চাইলে আজই দেশের জন্য জেগে ওঠো। চলো, সম্মুখ সমরে মিলিত হই।
** আবি আহমেদ (২০২১) উদ্ধৃত: "[https://www.bbc.com/news/world-africa-59552888 ইথিওপিয়ার গৃহযুদ্ধ: বিদ্রোহীদের অগ্রগতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী আবি কীভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন]", ''বিবিসি নিউজ'', ১৬ ডিসেম্বর ২০২১।
* আমরা ইথিওপীয়রা গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা চাই এবং এগুলো পাওয়ার অধিকার আমাদের আছে। গণতন্ত্র আমাদের জন্য কোনো অপরিচিত ধারণা হওয়া উচিত নয়।
** [https://www.agi.it/estero/news/2019-10-11/abiy_ahmed_nobel_pace_etiopia_chi_e-6341538/ শপথ গ্রহণকালীন ভাষণ], ''agi.it'' (২ এপ্রিল ২০১৮)
== বহিংসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী}}
[[বিষয়শ্রেণী:নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৭৬-এ জন্ম]]
g2vrrqzu9c7q0gsagtuzz3okgpkjlie
আলাপ:আবি আহমেদ
1
12062
73908
2026-04-05T16:51:03Z
Borhan
964
https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026
73908
wikitext
text/x-wiki
{{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}}
s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm
আলাপ:মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০
1
12063
73911
2026-04-05T17:43:43Z
R1F4T
1240
https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026
73911
wikitext
text/x-wiki
{{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}}
s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm
ব্যবহারকারী আলাপ:Md.sarif reza
3
12064
73932
2026-04-05T19:13:04Z
অভ্যর্থনা কমিটি বট
1112
উইকিউক্তিতে স্বাগত!
73932
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Md.sarif reza,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]]
</div>
১৯:১৩, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
m8qw8v7pysddln1fmrb61klt33j3grk
দ্য ওয়েস্ট উইং
0
12065
73941
2026-04-05T22:19:48Z
ARI
356
"{{কাজ চলছে}}" দিয়ে পাতা তৈরি
73941
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
jmfm7bpzq0q0oytwjpmajktrq4ufmrf
73943
73941
2026-04-05T22:41:57Z
ARI
356
73943
wikitext
text/x-wiki
{{italic title}}
'''''দ্য ওয়েস্ট উইং''''' (১৯৯৯–২০০৬) হলো অ্যারন সোরকিন নির্মিত একটি মার্কিন ধারাবাহিক রাজনৈতিক ড্রামা টেলিভিশন সিরিজ যা মূলত এনবিসি চ্যানেলে প্রচারিত হতো। এই সিরিজের কাহিনী মূলত হোয়াইট হাউসের ওয়েস্ট উইং বা পশ্চিম শাখাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে, যেখানে ওভাল অফিস এবং প্রেসিডেন্টের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দপ্তরগুলো অবস্থিত। এটি প্রেসিডেন্ট জোসিয়া বার্টলেটের একটি কাল্পনিক ডেমোক্রেটিক প্রশাসনের সময়কালকে তুলে ধরে।
__NOTOC__
{| class="wikitable" style="text-align:center;"
! সিজন ১
! সিজন ২
! সিজন ৩
! সিজন ৪
! সিজন ৫
! সিজন ৬
! সিজন ৭
|-
| পাইলট
| ইন দ্য শ্যাডো অফ টু গানম্যান (১)
| আইজ্যাক অ্যান্ড ইশমায়েল
| ২০ আওয়ার্স ইন আমেরিকা (১)
| ৭এ ডব্লিউএফ ৮৩৪২৯
| এনএসএফ থারমন্ট
| দ্য টিকিট
|-
| পোস্ট হক, এরগো প্রপ্টার হক
| ইন দ্য শ্যাডো অফ টু গানম্যান (২)
| ম্যানচেস্টার (১)
| ২০ আওয়ার্স ইন আমেরিকা (২)
| দ্য ডগস অফ ওয়ার
| দ্য বার্নাম উড
| দ্য মামি প্রবলেম
|-
| এ প্রপোর্শনাল রেসপন্স
| দ্য মিডটার্মস
| ম্যানচেস্টার (২)
| কলেজ কিডস
| জেফারসন লিভস
| থার্ড-ডে স্টোরি
| মেসেজ অফ দ্য উইক
|-
| ফাইভ ভোটস ডাউন
| ইন দিস হোয়াইট হাউস
| ওয়েস অ্যান্ড মিনস
| দ্য রেড মাস
| হান
| লিফটঅফ
| মিস্টার ফ্রস্ট
|-
| দ্য ক্র্যাকপটস অ্যান্ড দিজ উইমেন
| অ্যান্ড ইটস সিওরলি টু দেয়ার ক্রেডিট
| অন দ্য ডে বিফোর
| ডিবেট ক্যাম্প
| কনস্টিটিউয়েন্সি অফ ওয়ান
| দ্য হাবার্ট পিক
| হেয়ার টুডে
|-
| মিস্টার উইলিস অফ ওহাইও
| দ্য লেম ডাক কংগ্রেস
| ওয়ার ক্রাইমস
| গেম অন
| ডিজাস্টার রিলিফ
| দ্য ডোভার টেস্ট
| দ্য আল স্মিথ ডিনার
|-
| দ্য স্টেট ডিনার
| দ্য পোর্টল্যান্ড ট্রিপ
| গন কোয়ায়েট
| ইলেকশন নাইট
| সেপারেশন অফ পাওয়ার্স
| এ চেঞ্জ ইজ গনা কাম
| দ্য ডিবেট
|-
| এনিমিজ
| শিব্বোলেথ
| দ্য ইন্ডিয়ানস ইন দ্য লবি
| প্রসেস স্টোরিজ
| শাটডাউন
| ইন দ্য রুম
| আনডিসাইডেডস
|-
| দ্য শর্ট লিস্ট
| গ্যালিলিও
| দ্য উইমেন অফ কুমার
| সুইস ডিপ্লোম্যাসি
| আবু এল বানাত
| ইমপ্যাক্ট উইন্টার
| দ্য ওয়েডিং
|-
| ইন এক্সেলসিস ডিও
| নোয়েল
| বার্টলেট ফর আমেরিকা
| আর্কটিক রাডার
| দ্য স্টর্মি প্রেজেন্ট
| ফেইথ বেসড ইনিশিয়েটিভ
| রানিং মেটস
|-
| লোর্ড জন মারবেরি
| দ্য লিডারশিপ ব্রেকফাস্ট
| এইচ. কন-১৭২
| হলি নাইট
| দ্য বিনাইন প্ররোগেটিভ
| অপোজিশন রিসার্চ
| ইন্টারনাল ডিসপ্লেসমেন্ট
|-
| হি শ্যাল, ফ্রম টাইম টু টাইম...
| দ্য ড্রপ-ইন
| ১০০,০০০ এয়ারপ্লেনস
| গানস নট বাটার
| স্লো নিউজ ডে
| ৩৬৫ ডেইজ
| ডাক অ্যান্ড কভার
|-
| টেক আউট দ্য ট্র্যাশ ডে
| থার্ড স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন
| দ্য টু বার্টলেটস
| দ্য লং গুডবাই
| দ্য ওয়ারফেয়ার অফ চেঙ্গিস খান
| কিং কর্ন
| দ্য কোল্ড
|-
| টেক দিস সাবাথ ডে
| দ্য ওয়ার অ্যাট হোম
| নাইট ফাইভ
| ইনোগারেশন (১)
| আন খে
| দ্য ওয়েক আপ কল
| টু উইকস আউট
|-
| সেলেস্টিয়াল নেভিগেশন
| এলি
| হার্টসফিল্ডস ল্যান্ডিং
| ইনোগারেশন, ওভার দেয়ার (২)
| ফুল ডিসক্লোজার
| ফ্রিডোনিয়া
| ওয়েলকাম টু হোয়ারএভার ইউ আর
|-
| ২০ আওয়ার্স ইন এল.এ.
| সামবডিস গোয়িং টু জেল
| ডেড আইরিশ রাইটার্স
| দ্য ক্যালিফোর্নিয়া ৪৭থ
| এপুর সি মুওভে
| ড্রাউট কন্ডিশনস
| ইলেকশন ডে (১)
|-
| দ্য হোয়াইট হাউস প্রো-অ্যাম
| দ্য স্ট্যাকহাউস ফিলিবাস্টার
| দ্য ইউ.এস. পোয়েট লরিয়েট
| রেড হ্যাভেনস অন ফায়ার
| দ্য সুপ্রিমস
| এ গুড ডে
| ইলেকশন ডে (২)
|-
| সিক্স মিটিংস বিফোর লাঞ্চ
| ১৭ পিপল
| স্টার্ড
| প্রাইভেটিয়ার্স
| অ্যাকসেস
| লা পালাব্রা
| রিকুইয়েম
|-
| লেট বার্টলেট বি বার্টলেট
| ব্যাড মুন রাইজিং
| এনিমিজ, ফরেন অ্যান্ড ডোমেস্টিক
| অ্যাঞ্জেল মেইনটেন্যান্স
| টকিং পয়েন্টস
| নাইনটি মাইলস অ্যাওয়ে
| ট্রানজিশন
|-
| ম্যান্ডেটরি মিনিমামস
| দ্য ফলস গনা কিল ইউ
| দ্য ব্ল্যাক ভেরা ওয়াং
| এভিডেন্স অফ থিংস নট সিন
| নো এক্সিট
| ইন গড উই ট্রাস্ট
| দ্য লাস্ট হুররা
|-
| লাইজ, ড্যাম লাইজ অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিকস
| ১৮থ অ্যান্ড পোটোম্যাক
| উই কিলড ইয়ামামোতো
| লাইফ অন মার্স
| গাজা
| থিংস ফল অ্যাপার্ট
| ইনস্টিটিউশনাল মেমোরি
|-
| হোয়াট কাইন্ড অফ ডে হ্যাজ ইট বিন
| টু ক্যাথেড্রালস
| পসে কমিট্যাটাস
| কমেন্সমেন্ট
| মেমোরিয়াল ডে
| ২১৬২ ভোটস
| টুমোরো
|-
| colspan=3 style="background-color:#DDDDDD;color:var(--color-base-fixed,#202122);" | অভিনয়শিল্পী
| টোয়েন্টি-ফাইভ
| colspan=3 style="background-color:#DDDDDD;color:var(--color-base-fixed,#202122);" | বহিঃসংযোগ
|}
ob6clt54sa47fimo87llqsm9fy388ta
73944
73943
2026-04-05T22:49:27Z
ARI
356
73944
wikitext
text/x-wiki
{{italic title}}
'''''দ্য ওয়েস্ট উইং''''' (১৯৯৯–২০০৬) হলো অ্যারন সোরকিন নির্মিত একটি মার্কিন ধারাবাহিক রাজনৈতিক ড্রামা টেলিভিশন সিরিজ যা মূলত এনবিসি চ্যানেলে প্রচারিত হতো। এই সিরিজের কাহিনী মূলত হোয়াইট হাউসের ওয়েস্ট উইং বা পশ্চিম শাখাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে, যেখানে ওভাল অফিস এবং প্রেসিডেন্টের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দপ্তরগুলো অবস্থিত। এটি প্রেসিডেন্ট জোসিয়া বার্টলেটের একটি কাল্পনিক ডেমোক্রেটিক প্রশাসনের সময়কালকে তুলে ধরে।
__NOTOC__
{| class="wikitable" style="text-align:center;"
! সিজন ১
! সিজন ২
! সিজন ৩
! সিজন ৪
! সিজন ৫
! সিজন ৬
! সিজন ৭
|-
| পাইলট
| ইন দ্য শ্যাডো অফ টু গানম্যান (১)
| আইজ্যাক অ্যান্ড ইশমায়েল
| ২০ আওয়ার্স ইন আমেরিকা (১)
| ৭এ ডব্লিউএফ ৮৩৪২৯
| এনএসএফ থারমন্ট
| দ্য টিকিট
|-
| পোস্ট হক, এরগো প্রপ্টার হক
| ইন দ্য শ্যাডো অফ টু গানম্যান (২)
| ম্যানচেস্টার (১)
| ২০ আওয়ার্স ইন আমেরিকা (২)
| দ্য ডগস অফ ওয়ার
| দ্য বার্নাম উড
| দ্য মামি প্রবলেম
|-
| এ প্রপোর্শনাল রেসপন্স
| দ্য মিডটার্মস
| ম্যানচেস্টার (২)
| কলেজ কিডস
| জেফারসন লিভস
| থার্ড-ডে স্টোরি
| মেসেজ অফ দ্য উইক
|-
| ফাইভ ভোটস ডাউন
| ইন দিস হোয়াইট হাউস
| ওয়েস অ্যান্ড মিনস
| দ্য রেড মাস
| হান
| লিফটঅফ
| মিস্টার ফ্রস্ট
|-
| দ্য ক্র্যাকপটস অ্যান্ড দিজ উইমেন
| অ্যান্ড ইটস সিওরলি টু দেয়ার ক্রেডিট
| অন দ্য ডে বিফোর
| ডিবেট ক্যাম্প
| কনস্টিটিউয়েন্সি অফ ওয়ান
| দ্য হাবার্ট পিক
| হেয়ার টুডে
|-
| মিস্টার উইলিস অফ ওহাইও
| দ্য লেম ডাক কংগ্রেস
| ওয়ার ক্রাইমস
| গেম অন
| ডিজাস্টার রিলিফ
| দ্য ডোভার টেস্ট
| দ্য আল স্মিথ ডিনার
|-
| দ্য স্টেট ডিনার
| দ্য পোর্টল্যান্ড ট্রিপ
| গন কোয়ায়েট
| ইলেকশন নাইট
| সেপারেশন অফ পাওয়ার্স
| এ চেঞ্জ ইজ গনা কাম
| দ্য ডিবেট
|-
| এনিমিজ
| শিব্বোলেথ
| দ্য ইন্ডিয়ানস ইন দ্য লবি
| প্রসেস স্টোরিজ
| শাটডাউন
| ইন দ্য রুম
| আনডিসাইডেডস
|-
| দ্য শর্ট লিস্ট
| গ্যালিলিও
| দ্য উইমেন অফ কুমার
| সুইস ডিপ্লোম্যাসি
| আবু এল বানাত
| ইমপ্যাক্ট উইন্টার
| দ্য ওয়েডিং
|-
| ইন এক্সেলসিস ডিও
| নোয়েল
| বার্টলেট ফর আমেরিকা
| আর্কটিক রাডার
| দ্য স্টর্মি প্রেজেন্ট
| ফেইথ বেসড ইনিশিয়েটিভ
| রানিং মেটস
|-
| লোর্ড জন মারবেরি
| দ্য লিডারশিপ ব্রেকফাস্ট
| এইচ. কন-১৭২
| হলি নাইট
| দ্য বিনাইন প্ররোগেটিভ
| অপোজিশন রিসার্চ
| ইন্টারনাল ডিসপ্লেসমেন্ট
|-
| হি শ্যাল, ফ্রম টাইম টু টাইম...
| দ্য ড্রপ-ইন
| ১০০,০০০ এয়ারপ্লেনস
| গানস নট বাটার
| স্লো নিউজ ডে
| ৩৬৫ ডেইজ
| ডাক অ্যান্ড কভার
|-
| টেক আউট দ্য ট্র্যাশ ডে
| থার্ড স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন
| দ্য টু বার্টলেটস
| দ্য লং গুডবাই
| দ্য ওয়ারফেয়ার অফ চেঙ্গিস খান
| কিং কর্ন
| দ্য কোল্ড
|-
| টেক দিস সাবাথ ডে
| দ্য ওয়ার অ্যাট হোম
| নাইট ফাইভ
| ইনোগারেশন (১)
| আন খে
| দ্য ওয়েক আপ কল
| টু উইকস আউট
|-
| সেলেস্টিয়াল নেভিগেশন
| এলি
| হার্টসফিল্ডস ল্যান্ডিং
| ইনোগারেশন, ওভার দেয়ার (২)
| ফুল ডিসক্লোজার
| ফ্রিডোনিয়া
| ওয়েলকাম টু হোয়ারএভার ইউ আর
|-
| ২০ আওয়ার্স ইন এল.এ.
| সামবডিস গোয়িং টু জেল
| ডেড আইরিশ রাইটার্স
| দ্য ক্যালিফোর্নিয়া ৪৭থ
| এপুর সি মুওভে
| ড্রাউট কন্ডিশনস
| ইলেকশন ডে (১)
|-
| দ্য হোয়াইট হাউস প্রো-অ্যাম
| দ্য স্ট্যাকহাউস ফিলিবাস্টার
| দ্য ইউ.এস. পোয়েট লরিয়েট
| রেড হ্যাভেনস অন ফায়ার
| দ্য সুপ্রিমস
| এ গুড ডে
| ইলেকশন ডে (২)
|-
| সিক্স মিটিংস বিফোর লাঞ্চ
| ১৭ পিপল
| স্টার্ড
| প্রাইভেটিয়ার্স
| অ্যাকসেস
| লা পালাব্রা
| রিকুইয়েম
|-
| লেট বার্টলেট বি বার্টলেট
| ব্যাড মুন রাইজিং
| এনিমিজ, ফরেন অ্যান্ড ডোমেস্টিক
| অ্যাঞ্জেল মেইনটেন্যান্স
| টকিং পয়েন্টস
| নাইনটি মাইলস অ্যাওয়ে
| ট্রানজিশন
|-
| ম্যান্ডেটরি মিনিমামস
| দ্য ফলস গনা কিল ইউ
| দ্য ব্ল্যাক ভেরা ওয়াং
| এভিডেন্স অফ থিংস নট সিন
| নো এক্সিট
| ইন গড উই ট্রাস্ট
| দ্য লাস্ট হুররা
|-
| লাইজ, ড্যাম লাইজ অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিকস
| ১৮থ অ্যান্ড পোটোম্যাক
| উই কিলড ইয়ামামোতো
| লাইফ অন মার্স
| গাজা
| থিংস ফল অ্যাপার্ট
| ইনস্টিটিউশনাল মেমোরি
|-
| হোয়াট কাইন্ড অফ ডে হ্যাজ ইট বিন
| টু ক্যাথেড্রালস
| পসে কমিট্যাটাস
| কমেন্সমেন্ট
| মেমোরিয়াল ডে
| ২১৬২ ভোটস
| টুমোরো
|-
| colspan=3 style="background-color:#DDDDDD;color:var(--color-base-fixed,#202122);" | [[#অভিনয়শিল্পী|অভিনয়শিল্পী]]
| [[#টোয়েন্টি-ফাইভ|টোয়েন্টি-ফাইভ]]
| colspan=3 style="background-color:#DDDDDD;color:var(--color-base-fixed,#202122);" | [[#বহিঃসংযোগ|বহিঃসংযোগ]]
|}
== সিজন ১ ==
=== ''পাইলট'' ===
:'''ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট''': স্যার, আমাকে অনুরোধ করতে হচ্ছে যে আপনি আপনার সেলুলার ফোনটি বন্ধ করুন।
:'''টবি''': আমরা একটি লকহিড ঈগল সিরিজ এল-১০১১ বিমানে উড়ছি। দশ মাস আগে এটি তৈরি হয়েছে। এতে একটি সিম-৫ ট্রান্সপন্ডার ট্র্যাকিং সিস্টেম আছে। আর আপনি আমাকে বলছেন যে রেডিও শ্যাক থেকে কেনা কোনো জিনিস দিয়ে আমি এটাকে ঘাবড়ে দিতে পারি?
<hr width="50%"/>
:'''লিও''': ''[নিউ ইয়র্ক টাইমসের সাথে ফোনে]'' ১৭ নম্বর পাশাপাশি। হ্যাঁ, ১৭ নম্বর পাশাপাশি শব্দটি ভুল... আপনারা তার নামের বানান ভুল লিখছেন... আমার নাম কী? আমার নাম জরুরি নয়। আমি কেবল একজন সাধারণ নাগরিক যে মানসিক উদ্দীপনার জন্য টাইমসের শব্দজটের ওপর নির্ভর করে। আর আমি আপনাকে বলছি যে আমি লোকটির সাথে দুইবার দেখা করেছি। আর আমি তার বিমানবাহিনীর বিরুদ্ধে একটি আগাম এক্সোসেট মিসাইল হামলার পরামর্শ দিয়েছিলাম, তাই আমি মনে করি আমি জানি কীভাবে...
:'''সি.জে.''': লিও।
:'''লিও''': ওরা প্রতিবার আমার ফোন কেটে দেয়।
:'''সি.জে.''': এটা বিশ্বাস করা প্রায় কঠিন।
<hr width="50%"/>
:'''স্যাম''': মিস ও'ব্রায়েন, আমি আপনার অনুভূতি বুঝতে পারছি, কিন্তু দয়া করে আমার কথা বিশ্বাস করুন যখন আমি আপনাকে বলছি যে আমি একজন ভালো মানুষ যার দিনটি আজ খারাপ যাচ্ছে। আমি এইমাত্র জানতে পারলাম যে টাইমস একটি জনমত জরিপ প্রকাশ করছে যেখানে বলা হয়েছে আমেরিকার একটি বিশাল অংশের মানুষ মনে করেন হোয়াইট হাউস তার শক্তি এবং লক্ষ্য হারিয়ে ফেলেছে। প্রেসিডেন্টের সাইকেল চালিয়ে গাছে ধাক্কা দেওয়ার ভিডিও ফুটেজ দেখে এই ধারণা বদলানোর সম্ভাবনা খুব কম। আমরা যখন কথা বলছি, তখন কোস্ট গার্ড আটলান্টিক মহাসাগর থেকে কিউবানদের উদ্ধার করছে, আর ফ্লোরিডার গভর্নর মায়ামি বন্দর অবরোধ করতে চান। আমার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু টেলিভিশনে গিয়ে যুক্তিসঙ্গত কথা বলার কারণে চাকরি হারাতে বসেছে, আর জানা গেল যে আমি ভুলবশত গত রাতে একজন যৌনকর্মীর সাথে রাত কাটিয়েছি। এখন দয়া করে, করুণার খাতিরে আমাকে বলবেন কি ওই বাচ্চাদের মধ্যে কোনটি আমার বসের মেয়ে?
:'''ম্যালরি''': সেটি আমি।
:'''স্যাম''': আপনি।
:'''ম্যালরি''': হ্যাঁ।
:'''স্যাম''': লিওর মেয়ের চতুর্থ শ্রেণীর ক্লাস।
:'''ম্যালরি''': হ্যাঁ।
:'''স্যাম''': ভালো, এটা সব দিক থেকেই বেশ খারাপ হলো।
<hr width="50%"/>
:'''জন ভ্যান ডাইক''': প্রথম আদেশ বলছে "তোমার পিতাকে সম্মান করো"।
:'''টবি''': না, তা নয়!
:'''জশ লাইম্যান''': টবি—
:'''টবি''': একদম নয়! ''[সি.জে. তাকে থামানোর চেষ্টা করেন]'' না! আমি যদি আপনাদের এই অদ্ভুত অনুশীলনের মধ্যে বসিয়ে রাখি, তবে আমাদের অন্তত এই অভিশপ্ত আদেশগুলোর নাম সঠিক জানতে হবে!
:'''মেরি মার্শ''': ঠিক আছে, শুরু করা যাক।
:'''টবি''': "তোমার পিতাকে সম্মান করো" হলো ''তৃতীয়'' আদেশ!
:'''ভ্যান ডাইক''': তাহলে প্রথম আদেশটি কী?
:'''বার্টলেট''': "আমিই তোমার প্রভু ঈশ্বর; আমার সামনে তোমার অন্য কোনো উপাস্য দেবতা থাকবে না।" ''[হাতে লাঠি নিয়ে ঘরে প্রবেশ করেন]'' বাহ, সেই দিনগুলো কী চমৎকার ছিল, তাই না?
<hr width="50%"/>
:'''ভ্যান ডাইক''': আমাদের সন্তানরা যদি রাস্তার মোড়ে পাঁচ ডলারে পর্নোগ্রাফি কিনতে পারে, তবে বাকস্বাধীনতার জন্য এটা কি অনেক বেশি চড়া মূল্য নয়?
:'''বার্টলেট''': না।
:'''ভ্যান ডাইক''': সত্যি?
:'''বার্টলেট''': অন্যদিকে, আমি মনে করি পর্নোগ্রাফির জন্য পাঁচ ডলার অনেক বেশি চড়া দাম।
:'''সি.জে.''': চলুন আমরা সবাই বসি।
:'''বার্টলেট''': না। থাক সি.জে., বসার দরকার নেই। এই মানুষেরা বেশিক্ষণ এখানে থাকবেন না। আমি কি কিছুটা কফি পেতে পারি, মিস্টার লুইস? অ্যাল, আমি আপনাকে কতবার বলেছি যে ল্যাম্বস অফ গড নামের ওই প্রান্তিক দলটির কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানাতে?
:'''ক্যালডওয়েল''': স্যার, এটা আমার ওপর নির্ভর করে না যে—
:'''বার্টলেট''': বাজে কথা। এটা আপনার ওপরই নির্ভর করে, অ্যাল। আপনি জানেন, আমার স্ত্রী অ্যাবি কখনোই চান না যে আমি রাগান্বিত অবস্থায় কিছু করি। ''[একজন কর্মী তাকে কফি দেন]'' ধন্যবাদ, মিস্টার লুইস। আটাশ বছর আগে, আমি নিউ হ্যাম্পশায়ার স্টেট হাউস থেকে খুব খারাপ একটি দিন কাটিয়ে বাসায় ফিরি। আমি অ্যাবিকে বললাম যে আমি গাড়ি নিয়ে বাইরে যাচ্ছি। আমি স্টেশন ওয়াগনে উঠলাম এবং রিভার্স গিয়ারে দিয়ে পূর্ণ গতিতে গ্যারেজ থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করলাম। ''[লিও এবং স্যাম দরজায় এসে নিঃশব্দে ঘরে ঢুকলেন।]'' কেবল আমি গ্যারেজের দরজা খুলতে ভুলে গিয়েছিলাম। অ্যাবি আমাকে রাগান্বিত অবস্থায় গাড়ি না চালাতে বলেছিল, এবং সে ঠিকই বলেছিল। সে গতকালও ঠিক বলেছিল যখন সে আমাকে বলেছিল ওই অভিশপ্ত সাইকেলে না উঠতে যখন আমি রেগে ছিলাম, কিন্তু আমি তবুও উঠলাম। আমার মনে হয় আমি আমার জীবনে এর আগে কখনো এত রেগে থাকিনি। দেখা গেল আমার নাতনি অ্যানি কিশোরদের একটি ম্যাগাজিনে সাক্ষাৎকার দিয়েছে। আর সিনেমার তারকা এবং সাজগোজের পরামর্শের মাঝখানে কোথাও সে একজন নারীর পছন্দের অধিকার নিয়ে তার অনুভূতির কথা বলেছে। অ্যানি, বয়স মাত্র ১২, সে সবসময়ই প্রখর বুদ্ধিসম্পন্ন ছিল, কিন্তু তার মাথা খুব পরিষ্কার এবং সে যখন তা ব্যবহার করে আমার ভালো লাগে। তাই আমি গতকাল বুঝতে পারছিলাম না যখন তার মা কাঁদতে কাঁদতে আমাকে ফোন করল। আমি বললাম, "এলিজাবেথ, কী হয়েছে?" সে বলল, "অ্যানির ব্যাপার।" আমি আমার পরিবারকে ভালোবাসি এবং আমি আমার বাইবেল শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়েছি। তাই আমি জানতে চাই পবিত্র ধর্মগ্রন্থের কোন অংশ থেকে ল্যাম্বস অফ গড তাদের ঐশ্বরিক অনুপ্রেরণা পেয়েছে যখন তারা আমার ১২ বছর বয়সী নাতনিকে গলা দিয়ে ছুরি চালানো একটি র্যাগিডি অ্যান পুতুল পাঠিয়েছিল? ''[বিরতি]'' আপনি এই লোকেদের নিন্দা করবেন, অ্যাল। আপনি এটি জনসম্মুখে করবেন। আর যতক্ষণ না আপনি তা করছেন, আপনারা সবাই আমার হোয়াইট হাউস থেকে আপনাদের স্থূলকায় শরীর নিয়ে বিদায় হতে পারেন। সি.জে., এদের বাইরে যাওয়ার পথ দেখিয়ে দাও।
:'''মেরি মার্শ''': আমি মনে করি আমরা দরজাটা খুঁজে নিতে পারব।
:'''বার্টলেট''': দরজাটা ''এখনই'' খুঁজে নিন।
9rk0wwyan790wp311rf6h6gpqpvglkc
73951
73944
2026-04-05T23:32:15Z
ARI
356
/* সিজন ১ */
73951
wikitext
text/x-wiki
{{italic title}}
'''''দ্য ওয়েস্ট উইং''''' (১৯৯৯–২০০৬) হলো অ্যারন সোরকিন নির্মিত একটি মার্কিন ধারাবাহিক রাজনৈতিক ড্রামা টেলিভিশন সিরিজ যা মূলত এনবিসি চ্যানেলে প্রচারিত হতো। এই সিরিজের কাহিনী মূলত হোয়াইট হাউসের ওয়েস্ট উইং বা পশ্চিম শাখাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে, যেখানে ওভাল অফিস এবং প্রেসিডেন্টের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দপ্তরগুলো অবস্থিত। এটি প্রেসিডেন্ট জোসিয়া বার্টলেটের একটি কাল্পনিক ডেমোক্রেটিক প্রশাসনের সময়কালকে তুলে ধরে।
__NOTOC__
{| class="wikitable" style="text-align:center;"
! সিজন ১
! সিজন ২
! সিজন ৩
! সিজন ৪
! সিজন ৫
! সিজন ৬
! সিজন ৭
|-
| পাইলট
| ইন দ্য শ্যাডো অফ টু গানম্যান (১)
| আইজ্যাক অ্যান্ড ইশমায়েল
| ২০ আওয়ার্স ইন আমেরিকা (১)
| ৭এ ডব্লিউএফ ৮৩৪২৯
| এনএসএফ থারমন্ট
| দ্য টিকিট
|-
| পোস্ট হক, এরগো প্রপ্টার হক
| ইন দ্য শ্যাডো অফ টু গানম্যান (২)
| ম্যানচেস্টার (১)
| ২০ আওয়ার্স ইন আমেরিকা (২)
| দ্য ডগস অফ ওয়ার
| দ্য বার্নাম উড
| দ্য মামি প্রবলেম
|-
| এ প্রপোর্শনাল রেসপন্স
| দ্য মিডটার্মস
| ম্যানচেস্টার (২)
| কলেজ কিডস
| জেফারসন লিভস
| থার্ড-ডে স্টোরি
| মেসেজ অফ দ্য উইক
|-
| ফাইভ ভোটস ডাউন
| ইন দিস হোয়াইট হাউস
| ওয়েস অ্যান্ড মিনস
| দ্য রেড মাস
| হান
| লিফটঅফ
| মিস্টার ফ্রস্ট
|-
| দ্য ক্র্যাকপটস অ্যান্ড দিজ উইমেন
| অ্যান্ড ইটস সিওরলি টু দেয়ার ক্রেডিট
| অন দ্য ডে বিফোর
| ডিবেট ক্যাম্প
| কনস্টিটিউয়েন্সি অফ ওয়ান
| দ্য হাবার্ট পিক
| হেয়ার টুডে
|-
| মিস্টার উইলিস অফ ওহাইও
| দ্য লেম ডাক কংগ্রেস
| ওয়ার ক্রাইমস
| গেম অন
| ডিজাস্টার রিলিফ
| দ্য ডোভার টেস্ট
| দ্য আল স্মিথ ডিনার
|-
| দ্য স্টেট ডিনার
| দ্য পোর্টল্যান্ড ট্রিপ
| গন কোয়ায়েট
| ইলেকশন নাইট
| সেপারেশন অফ পাওয়ার্স
| এ চেঞ্জ ইজ গনা কাম
| দ্য ডিবেট
|-
| এনিমিজ
| শিব্বোলেথ
| দ্য ইন্ডিয়ানস ইন দ্য লবি
| প্রসেস স্টোরিজ
| শাটডাউন
| ইন দ্য রুম
| আনডিসাইডেডস
|-
| দ্য শর্ট লিস্ট
| গ্যালিলিও
| দ্য উইমেন অফ কুমার
| সুইস ডিপ্লোম্যাসি
| আবু এল বানাত
| ইমপ্যাক্ট উইন্টার
| দ্য ওয়েডিং
|-
| ইন এক্সেলসিস ডিও
| নোয়েল
| বার্টলেট ফর আমেরিকা
| আর্কটিক রাডার
| দ্য স্টর্মি প্রেজেন্ট
| ফেইথ বেসড ইনিশিয়েটিভ
| রানিং মেটস
|-
| লোর্ড জন মারবেরি
| দ্য লিডারশিপ ব্রেকফাস্ট
| এইচ. কন-১৭২
| হলি নাইট
| দ্য বিনাইন প্ররোগেটিভ
| অপোজিশন রিসার্চ
| ইন্টারনাল ডিসপ্লেসমেন্ট
|-
| হি শ্যাল, ফ্রম টাইম টু টাইম...
| দ্য ড্রপ-ইন
| ১০০,০০০ এয়ারপ্লেনস
| গানস নট বাটার
| স্লো নিউজ ডে
| ৩৬৫ ডেইজ
| ডাক অ্যান্ড কভার
|-
| টেক আউট দ্য ট্র্যাশ ডে
| থার্ড স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন
| দ্য টু বার্টলেটস
| দ্য লং গুডবাই
| দ্য ওয়ারফেয়ার অফ চেঙ্গিস খান
| কিং কর্ন
| দ্য কোল্ড
|-
| টেক দিস সাবাথ ডে
| দ্য ওয়ার অ্যাট হোম
| নাইট ফাইভ
| ইনোগারেশন (১)
| আন খে
| দ্য ওয়েক আপ কল
| টু উইকস আউট
|-
| সেলেস্টিয়াল নেভিগেশন
| এলি
| হার্টসফিল্ডস ল্যান্ডিং
| ইনোগারেশন, ওভার দেয়ার (২)
| ফুল ডিসক্লোজার
| ফ্রিডোনিয়া
| ওয়েলকাম টু হোয়ারএভার ইউ আর
|-
| ২০ আওয়ার্স ইন এল.এ.
| সামবডিস গোয়িং টু জেল
| ডেড আইরিশ রাইটার্স
| দ্য ক্যালিফোর্নিয়া ৪৭থ
| এপুর সি মুওভে
| ড্রাউট কন্ডিশনস
| ইলেকশন ডে (১)
|-
| দ্য হোয়াইট হাউস প্রো-অ্যাম
| দ্য স্ট্যাকহাউস ফিলিবাস্টার
| দ্য ইউ.এস. পোয়েট লরিয়েট
| রেড হ্যাভেনস অন ফায়ার
| দ্য সুপ্রিমস
| এ গুড ডে
| ইলেকশন ডে (২)
|-
| সিক্স মিটিংস বিফোর লাঞ্চ
| ১৭ পিপল
| স্টার্ড
| প্রাইভেটিয়ার্স
| অ্যাকসেস
| লা পালাব্রা
| রিকুইয়েম
|-
| লেট বার্টলেট বি বার্টলেট
| ব্যাড মুন রাইজিং
| এনিমিজ, ফরেন অ্যান্ড ডোমেস্টিক
| অ্যাঞ্জেল মেইনটেন্যান্স
| টকিং পয়েন্টস
| নাইনটি মাইলস অ্যাওয়ে
| ট্রানজিশন
|-
| ম্যান্ডেটরি মিনিমামস
| দ্য ফলস গনা কিল ইউ
| দ্য ব্ল্যাক ভেরা ওয়াং
| এভিডেন্স অফ থিংস নট সিন
| নো এক্সিট
| ইন গড উই ট্রাস্ট
| দ্য লাস্ট হুররা
|-
| লাইজ, ড্যাম লাইজ অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিকস
| ১৮থ অ্যান্ড পোটোম্যাক
| উই কিলড ইয়ামামোতো
| লাইফ অন মার্স
| গাজা
| থিংস ফল অ্যাপার্ট
| ইনস্টিটিউশনাল মেমোরি
|-
| হোয়াট কাইন্ড অফ ডে হ্যাজ ইট বিন
| টু ক্যাথেড্রালস
| পসে কমিট্যাটাস
| কমেন্সমেন্ট
| মেমোরিয়াল ডে
| ২১৬২ ভোটস
| টুমোরো
|-
| colspan=3 style="background-color:#DDDDDD;color:var(--color-base-fixed,#202122);" | [[#অভিনয়শিল্পী|অভিনয়শিল্পী]]
| [[#টোয়েন্টি-ফাইভ|টোয়েন্টি-ফাইভ]]
| colspan=3 style="background-color:#DDDDDD;color:var(--color-base-fixed,#202122);" | [[#বহিঃসংযোগ|বহিঃসংযোগ]]
|}
== সিজন ১ ==
=== ''পাইলট'' ===
:'''ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট''': স্যার, আমাকে অনুরোধ করতে হচ্ছে যে আপনি আপনার সেলুলার ফোনটি বন্ধ করুন।
:'''টবি''': আমরা একটি লকহিড ঈগল সিরিজ এল-১০১১ বিমানে উড়ছি। দশ মাস আগে এটি তৈরি হয়েছে। এতে একটি সিম-৫ ট্রান্সপন্ডার ট্র্যাকিং সিস্টেম আছে। আর আপনি আমাকে বলছেন যে রেডিও শ্যাক থেকে কেনা কোনো জিনিস দিয়ে আমি এটাকে ঘাবড়ে দিতে পারি?
<hr width="50%"/>
:'''লিও''': ''[নিউ ইয়র্ক টাইমসের সাথে ফোনে]'' ১৭ নম্বর পাশাপাশি। হ্যাঁ, ১৭ নম্বর পাশাপাশি শব্দটি ভুল... আপনারা তার নামের বানান ভুল লিখছেন... আমার নাম কী? আমার নাম জরুরি নয়। আমি কেবল একজন সাধারণ নাগরিক যে মানসিক উদ্দীপনার জন্য টাইমসের শব্দজটের ওপর নির্ভর করে। আর আমি আপনাকে বলছি যে আমি লোকটির সাথে দুইবার দেখা করেছি। আর আমি তার বিমানবাহিনীর বিরুদ্ধে একটি আগাম এক্সোসেট মিসাইল হামলার পরামর্শ দিয়েছিলাম, তাই আমি মনে করি আমি জানি কীভাবে...
:'''সি.জে.''': লিও।
:'''লিও''': ওরা প্রতিবার আমার ফোন কেটে দেয়।
:'''সি.জে.''': এটা বিশ্বাস করা প্রায় কঠিন।
<hr width="50%"/>
:'''স্যাম''': মিস ও'ব্রায়েন, আমি আপনার অনুভূতি বুঝতে পারছি, কিন্তু দয়া করে আমার কথা বিশ্বাস করুন যখন আমি আপনাকে বলছি যে আমি একজন ভালো মানুষ যার দিনটি আজ খারাপ যাচ্ছে। আমি এইমাত্র জানতে পারলাম যে টাইমস একটি জনমত জরিপ প্রকাশ করছে যেখানে বলা হয়েছে আমেরিকার একটি বিশাল অংশের মানুষ মনে করেন হোয়াইট হাউস তার শক্তি এবং লক্ষ্য হারিয়ে ফেলেছে। প্রেসিডেন্টের সাইকেল চালিয়ে গাছে ধাক্কা দেওয়ার ভিডিও ফুটেজ দেখে এই ধারণা বদলানোর সম্ভাবনা খুব কম। আমরা যখন কথা বলছি, তখন কোস্ট গার্ড আটলান্টিক মহাসাগর থেকে কিউবানদের উদ্ধার করছে, আর ফ্লোরিডার গভর্নর মায়ামি বন্দর অবরোধ করতে চান। আমার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু টেলিভিশনে গিয়ে যুক্তিসঙ্গত কথা বলার কারণে চাকরি হারাতে বসেছে, আর জানা গেল যে আমি ভুলবশত গত রাতে একজন যৌনকর্মীর সাথে রাত কাটিয়েছি। এখন দয়া করে, করুণার খাতিরে আমাকে বলবেন কি ওই বাচ্চাদের মধ্যে কোনটি আমার বসের মেয়ে?
:'''ম্যালরি''': সেটি আমি।
:'''স্যাম''': আপনি।
:'''ম্যালরি''': হ্যাঁ।
:'''স্যাম''': লিওর মেয়ের চতুর্থ শ্রেণীর ক্লাস।
:'''ম্যালরি''': হ্যাঁ।
:'''স্যাম''': ভালো, এটা সব দিক থেকেই বেশ খারাপ হলো।
<hr width="50%"/>
:'''জন ভ্যান ডাইক''': প্রথম আদেশ বলছে "তোমার পিতাকে সম্মান করো"।
:'''টবি''': না, তা নয়!
:'''জশ লাইম্যান''': টবি—
:'''টবি''': একদম নয়! ''[সি.জে. তাকে থামানোর চেষ্টা করেন]'' না! আমি যদি আপনাদের এই অদ্ভুত অনুশীলনের মধ্যে বসিয়ে রাখি, তবে আমাদের অন্তত এই অভিশপ্ত আদেশগুলোর নাম সঠিক জানতে হবে!
:'''মেরি মার্শ''': ঠিক আছে, শুরু করা যাক।
:'''টবি''': "তোমার পিতাকে সম্মান করো" হলো ''তৃতীয়'' আদেশ!
:'''ভ্যান ডাইক''': তাহলে প্রথম আদেশটি কী?
:'''বার্টলেট''': "আমিই তোমার প্রভু ঈশ্বর; আমার সামনে তোমার অন্য কোনো উপাস্য দেবতা থাকবে না।" ''[হাতে লাঠি নিয়ে ঘরে প্রবেশ করেন]'' বাহ, সেই দিনগুলো কী চমৎকার ছিল, তাই না?
<hr width="50%"/>
:'''ভ্যান ডাইক''': আমাদের সন্তানরা যদি রাস্তার মোড়ে পাঁচ ডলারে পর্নোগ্রাফি কিনতে পারে, তবে বাকস্বাধীনতার জন্য এটা কি অনেক বেশি চড়া মূল্য নয়?
:'''বার্টলেট''': না।
:'''ভ্যান ডাইক''': সত্যি?
:'''বার্টলেট''': অন্যদিকে, আমি মনে করি পর্নোগ্রাফির জন্য পাঁচ ডলার অনেক বেশি চড়া দাম।
:'''সি.জে.''': চলুন আমরা সবাই বসি।
:'''বার্টলেট''': না। থাক সি.জে., বসার দরকার নেই। এই মানুষেরা বেশিক্ষণ এখানে থাকবেন না। আমি কি কিছুটা কফি পেতে পারি, মিস্টার লুইস? অ্যাল, আমি আপনাকে কতবার বলেছি যে ল্যাম্বস অফ গড নামের ওই প্রান্তিক দলটির কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানাতে?
:'''ক্যালডওয়েল''': স্যার, এটা আমার ওপর নির্ভর করে না যে—
:'''বার্টলেট''': বাজে কথা। এটা আপনার ওপরই নির্ভর করে, অ্যাল। আপনি জানেন, আমার স্ত্রী অ্যাবি কখনোই চান না যে আমি রাগান্বিত অবস্থায় কিছু করি। ''[একজন কর্মী তাকে কফি দেন]'' ধন্যবাদ, মিস্টার লুইস। আটাশ বছর আগে, আমি নিউ হ্যাম্পশায়ার স্টেট হাউস থেকে খুব খারাপ একটি দিন কাটিয়ে বাসায় ফিরি। আমি অ্যাবিকে বললাম যে আমি গাড়ি নিয়ে বাইরে যাচ্ছি। আমি স্টেশন ওয়াগনে উঠলাম এবং রিভার্স গিয়ারে দিয়ে পূর্ণ গতিতে গ্যারেজ থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করলাম। ''[লিও এবং স্যাম দরজায় এসে নিঃশব্দে ঘরে ঢুকলেন।]'' কেবল আমি গ্যারেজের দরজা খুলতে ভুলে গিয়েছিলাম। অ্যাবি আমাকে রাগান্বিত অবস্থায় গাড়ি না চালাতে বলেছিল, এবং সে ঠিকই বলেছিল। সে গতকালও ঠিক বলেছিল যখন সে আমাকে বলেছিল ওই অভিশপ্ত সাইকেলে না উঠতে যখন আমি রেগে ছিলাম, কিন্তু আমি তবুও উঠলাম। আমার মনে হয় আমি আমার জীবনে এর আগে কখনো এত রেগে থাকিনি। দেখা গেল আমার নাতনি অ্যানি কিশোরদের একটি ম্যাগাজিনে সাক্ষাৎকার দিয়েছে। আর সিনেমার তারকা এবং সাজগোজের পরামর্শের মাঝখানে কোথাও সে একজন নারীর পছন্দের অধিকার নিয়ে তার অনুভূতির কথা বলেছে। অ্যানি, বয়স মাত্র ১২, সে সবসময়ই প্রখর বুদ্ধিসম্পন্ন ছিল, কিন্তু তার মাথা খুব পরিষ্কার এবং সে যখন তা ব্যবহার করে আমার ভালো লাগে। তাই আমি গতকাল বুঝতে পারছিলাম না যখন তার মা কাঁদতে কাঁদতে আমাকে ফোন করল। আমি বললাম, "এলিজাবেথ, কী হয়েছে?" সে বলল, "অ্যানির ব্যাপার।" আমি আমার পরিবারকে ভালোবাসি এবং আমি আমার বাইবেল শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়েছি। তাই আমি জানতে চাই পবিত্র ধর্মগ্রন্থের কোন অংশ থেকে ল্যাম্বস অফ গড তাদের ঐশ্বরিক অনুপ্রেরণা পেয়েছে যখন তারা আমার ১২ বছর বয়সী নাতনিকে গলা দিয়ে ছুরি চালানো একটি র্যাগিডি অ্যান পুতুল পাঠিয়েছিল? ''[বিরতি]'' আপনি এই লোকেদের নিন্দা করবেন, অ্যাল। আপনি এটি জনসম্মুখে করবেন। আর যতক্ষণ না আপনি তা করছেন, আপনারা সবাই আমার হোয়াইট হাউস থেকে আপনাদের স্থূলকায় শরীর নিয়ে বিদায় হতে পারেন। সি.জে., এদের বাইরে যাওয়ার পথ দেখিয়ে দাও।
:'''মেরি মার্শ''': আমি মনে করি আমরা দরজাটা খুঁজে নিতে পারব।
:'''বার্টলেট''': দরজাটা ''এখনই'' খুঁজে নিন।
=== ''পোস্ট হক, এরগো প্রপটার হক'' ===
:'''লয়েড রাসেল''': ''[তার প্রেসিডেন্ট পদে দাঁড়ানোর প্রসঙ্গে ম্যান্ডিকে বলছেন, যে মাত্র তার গাড়িটি ফুটপাতে তুলে দিয়েছে]'' এটা হওয়ার ছিল না।
:'''ম্যান্ডি''': তুমি কি জানো এই পুরো ঘটনার সবচেয়ে খারাপ দিক কোনটা?
:'''লয়েড রাসেল''': আমার তো মনে হয় তুমি তোমার গাড়ির সাসপেনশনটা বেশ ভালোই জখম করেছ।
:'''ম্যান্ডি''': না লয়েড, সেটা হলো ওই পার্টিটা যা তারা এখন ওয়েস্ট উইং-এ দিচ্ছে, আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করার জন্য।
:'''লয়েড রাসেল''': তারা ওয়েস্ট উইং-এ কোনো পার্টি দিচ্ছে না।
:'''ম্যান্ডি''': আমি আড়াই বছর এই মানুষগুলোর সাথে কাজ করেছি। তারা জিততে ভালোবাসে আর সেই জয় জাহির করতে ভালোবাসে।
:'''লয়েড রাসেল''': আমি নিশ্চিত যে তুমি ভুল ভাবছ।
:'''ম্যান্ডি''': আমি নিশ্চিত যে আমি ভুল ভাবছি না।
:'''লয়েড রাসেল''': হোয়াইট হাউসে খুব গম্ভীর কিছু মানুষ কাজ করেন। আজ দলের ঐক্যের জন্য একটি বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তাই জয় জাহির করার কোনো কারণ নেই।
:''[দৃশ্যপট হোয়াইট হাউসে বদলে গেল]''
:'''জশ''': জয় আমার, জয় আমার। আজ দিনটা কত চমৎকার, সবাই শোনো, জয় আমার।
:'''ডোনা''': শুভ সকাল জশ।
:'''জশ''': আমি গৌরবের জালা থেকে পান করছি, ডোনা। এই রাজ্যের সবচেয়ে চমৎকার মাফিন আর বেগেলগুলো আমার কাছে নিয়ে এসো। ''[মুষ্টিবদ্ধ হাত হাওয়ায় দোলাচ্ছে]''
:'''ডোনা''': আজ দিনটা অসহ্য হতে যাচ্ছে।
<hr width="50%"/>
:'''টবি''': মিসেস ল্যান্ডিংহাম, প্রেসিডেন্টের কি আজ সকালে কোনো অবসর সময় আছে?
:'''মিসেস ল্যান্ডিংহাম''': প্রেসিডেন্টের অবসর সময় ছাড়া আর কিছুই নেই, টবি। এই মুহূর্তে তিনি তার বাসভবনে বসে চেরিওস খাচ্ছেন আর রেজিস এবং ক্যাথি লি অনুষ্ঠানটি উপভোগ করছেন। আমি কি তাকে ডেকে দেব?
:'''টবি''': আপনার মতো বয়সের একজন মহিলার কাছ থেকে এমন ব্যঙ্গাত্মক কথা বেশ বিরক্তিকর, মিসেস ল্যান্ডিংহাম।
:'''মিসেস ল্যান্ডিংহাম''': বয়সটা কত হবে, টবি?
:'''টবি''': ...বিশের কোঠার শেষের দিকে?
:'''মিসেস ল্যান্ডিংহাম:''' এই তো লক্ষ্মী ছেলে।
:'''টবি''': আমি কি একটা কুকি পেতে পারি?
:'''মিসেস ল্যান্ডিংহাম''': না।
:''[স্যাম ভেতরে ঢুকলেন]''
:'''মিসেস ল্যান্ডিংহাম''': শুভ সকাল, স্যাম।
:'''স্যাম''': শুভ সকাল।
:'''মিসেস ল্যান্ডিংহাম''': একটা কুকি নাও, স্যাম।
<hr width="50%"/>
:'''সি.জে.''': স্যার, আপনার রসবোধ নিয়ে কথা বলার জন্য এটাই হয়তো ভালো সময়।
:'''বার্টলেট''': আমার একটি গোয়েন্দা ব্রিফিং, একটি নিরাপত্তা ব্রিফিং এবং একটি ৯০ মিনিটের বাজেট মিটিং সবই একই ৪৫ মিনিটের মধ্যে নির্ধারিত আছে। আপনি কি নিশ্চিত যে এটাই আমার রসবোধ নিয়ে কথা বলার ভালো সময়?
:'''সি.জে.''': না।
:'''বার্টলেট''': আমারও তা-ই মনে হয়।
:'''সি.জে.''': কথা হলো, এমনটা এই প্রথমবার হচ্ছে না।
:'''বার্টলেট''': আমি জানি।
:'''টবি''': আমরা টেক্সাসের কথা বলছি, স্যার।
:'''বার্টলেট''': আমি জানি।
:'''সি.জে.''': ইউএসএ টুডে আপনাকে জিজ্ঞেস করেছিল কেন আপনি টেক্সাসে প্রচারণায় বেশি সময় দেন না, আর আপনি বলেছিলেন কারণ আজব টুপিতে আপনাকে ভালো দেখায় না।
:'''স্যাম''': ওটা ছিল বড় টুপি।
:'''সি.জে.''': তাতে কী পার্থক্য হয়?
:'''বার্টলেট''': পার্থক্য হয়।
:'''সি.জে.''': আসল কথা হলো টেক্সাসে আমরা নাজেহাল হয়েছি।
:'''জশ''': আমরা টেক্সাসে দুইবার নাজেহাল হয়েছি।
:'''সি.জে.''': আমরা প্রাইমারিতে নাজেহাল হয়েছি এবং নভেম্বরেও নাজেহাল হয়েছি।
:'''বার্টলেট''': আমার মনে হয় আমি সেখানে ছিলাম।
:'''সি.জে.''': আর এটা এড়ানো যেত। স্যার।
:'''বার্টলেট''': সি.জে., আপনার সমাধিফলকে লেখা থাকবে 'পোস্ট হক এরগো প্রপটার হক'।
:'''সি.জে.''': ঠিক আছে, কিন্তু আমার দর্শনার্থীদের কেউ আমার সমাধিফলকের লেখা বুঝতে পারবে না।
:'''বার্টলেট''': এই ঘরে সাতাশ জন উকিল আছেন, কেউ কি জানেন 'পোস্ট হক এরগো প্রপটার হক' মানে কী? জশ?
:'''জশ''': উম্ম, পোস্ট মানে পরে, হক মানে এটার, এরগো মানে সুতরাং... এটার পরে, সুতরাং অন্য কিছু একটা হক।
:'''বার্টলেট''': আপনাকে ধন্যবাদ। পরবর্তী? লিও।
:'''লিও''': 'এর পরে, সুতরাং এর কারণে'।
:'''বার্টলেট''': 'এর পরে, সুতরাং এর কারণে'। এর মানে হলো একটির পর অন্যটি ঘটেছে, তাই প্রথমটিই দ্বিতীয়টির কারণ। কিন্তু এটি সব সময় সত্য নয়। আসলে এটি খুব কমই সত্য হয়। আমরা ওই টুপির কৌতুকের কারণে টেক্সাসে হারিনি। আপনি কি জানেন আমরা কখন টেক্সাসে হেরেছিলাম?
:'''সি.জে.''': যখন আপনি ল্যাটিন বলতে শিখলেন?
:'''বার্টলেট''': ভেবে দেখুন।
<hr width="50%"/>
:'''বার্টলেট''': এটা কী?
:'''মরিস''': এটা ফ্লুর ইনজেকশন।
:'''বার্টলেট''': আমার ফ্লুর ইনজেকশনের দরকার নেই।
:'''মরিস''': আপনার দরকার আছে।
:'''বার্টলেট''': আমি কীভাবে বুঝব যে এটা কোনো সামরিক অভ্যুত্থানের শুরু নয়?
:'''মরিস''': স্যার?
:'''বার্টলেট''': আমি এখনই এখানে সিক্রেট সার্ভিসকে চাই।
:'''মরিস''': সামরিক অভ্যুত্থানের ক্ষেত্রে, স্যার, আপনি কেন মনে করছেন যে সিক্রেট সার্ভিস আপনার পক্ষে থাকবে?
:'''বার্টলেট''': এখন এই চিন্তাটা আমার মনের মধ্যে অস্বস্তি বাড়াবে।
<hr width="50%"/>
:'''স্যাম''': প্রায় এক সপ্তাহ আগে আমি ভুলবশত একজন যৌনকর্মীর সাথে রাত কাটিয়েছি।
:'''টবি''': সত্যিই?
:'''স্যাম''': হ্যাঁ।
:'''টবি''': আপনি ভুলবশত একজন যৌনকর্মীর সাথে রাত কাটিয়েছেন।
:'''স্যাম''': কল গার্ল।
:'''টবি''': ভুলবশত।
:'''স্যাম''': হ্যাঁ।
:'''টবি''': আমি বুঝতে পারছি না। আপনি কি কোনো কিছুর ওপর হোঁচট খেয়ে পড়ে গিয়েছিলেন?
=== ''এ প্রোপোরশনল রেসপন্স'' ===
:'''জশ''': আপনার মাথায় রাখার মতো কিছু বিষয়। প্রথমত, সে যখন তার সাথে রাত কাটিয়েছে তখন জানত না যে সে একজন কল গার্ল। সে তাকে কোনো টাকা দেয়নি। সে কোনো অবৈধ কাজে অংশ নেয়নি, জানত না বা দেখেনি। অথবা সেই অর্থে কোনো অনৈতিক, অনভিপ্রেত বা সন্দেহজনক কিছুতেও ছিল না।
:'''সি.জে.''': ঠিক আছে। আপনার মাথায় রাখার মতো কিছু বিষয়। ''হার্ড কপি'' প্রোগ্রামে এগুলোর কোনো মূল্য নেই!
:'''জশ''': আপনি বাড়াবাড়ি করছেন।
:'''সি.জে.''': তাই কি?
:'''জশ''': হ্যাঁ।
:'''সি.জে.''': যেমনটা মহিলারা করে থাকেন।
:'''জশ''': আমি সেটা বোঝাতে চাইনি।
:'''সি.জে.''': আপনি সব সময় এটাই বোঝাতে চান।
:'''জশ''': আপনি জানেন কি সি.জে., আমি কী বোঝাতে চাই তার বিচার আমি নিজেই সবচেয়ে ভালো করতে পারি, আপনি প্যারানয়েড বার্কলি শিকসা ''ফেমিনিস্তা!'' ...ওহ, এটা হয়তো একটু বেশি হয়ে গেল।
:'''সি.জে.''': না, না। ঠিক আছে, আমাকে একটা স্টাফ মিটিংয়ে যেতে হবে আর আপনাকেও, আপনি অভিজাত হার্ভার্ড ফ্যাসিস্ট ''পরপর দুই সেমিস্টার ডিন'স লিস্ট থেকে বাদ পড়া'' ইয়াঙ্কি গাধা!
:'''জশ''': এগুলো বুক থেকে নামিয়ে কি এখন ভালো লাগছে সি.জে.?
:'''সি.জে.''': আমি একদম নতুন এক মানুষ হয়ে গেছি।
:'''জশ''': আপনাকে অবশ্য দেখতে বেশ চমৎকার লাগছে।
:'''সি.জে.''': আমার সাথে ভাব করার চেষ্টা করবেন না।
<hr width="50%"/>
:'''স্যাম''': ''[সংবাদপত্রের একটি নিবন্ধ পড়ছেন, যেখানে একজন কংগ্রেস সদস্যের উক্তি উদ্ধৃত করা হয়েছে]'' "এখানের মানুষজন দেশপ্রেমিক, চরম দেশপ্রেমিক। প্রেসিডেন্ট যেন এই ঘাঁটিতে আসার কোনো পরিকল্পনা না করেন। যদি তিনি করেন, তবে তিনি হয়তো জীবন্ত ফিরে যেতে পারবেন না।"
:'''টবি''': সে এটা বলেছে? সামরিক কর্মকর্তাদের সাথে সেখানে বসে?
:'''জশ''': ফাঁদে পা দিও না।
:'''টবি''': জশ।
:'''জশ''': ফাঁদে পা দিও না!
:'''টবি''': আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন যে আমি এই ফাঁদে পা দেব।
:'''লিও''': এর বিরুদ্ধে একটা আইন থাকা উচিত।
:'''জশ''': আপনি কেন ওকে উসকে দিলেন?
:''[লিও কাঁধ ঝাঁকালেন]''
:'''টবি''': এর বিরুদ্ধে আইন ''আছে''! প্রেসিডেন্টের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার ব্যাপারে কী বলবেন? সে অন্য মানুষের সাথে কথা বলছিল: ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে কী বলবেন? তারা ছিল সামরিক কর্মকর্তা, তবে দেশদ্রোহের ব্যাপারে কী বলবেন? ওটা আমাদের নিজেদের দলেরই একজন সদস্য ছিল, লিও। একজন ডেমোক্র্যাট এটা বলেছে!
:'''লিও''': এটা খারাপ, আমি জানি।
:'''টবি''': শুধু এইটুকুই?
:'''লিও''': আপনি কী করতে চান?
:'''টবি''': বিচার বিভাগকে বলুন তাকে গুরুতর অপরাধের অভিযোগে তুলে আনতে।
:'''জশ''': টবি ঠিকই বলেছে। ক্ষমতায় থাকার লাভ কী যদি আপনি আপনার শত্রুদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তুলে আনতে না পারেন?
:'''টবি''': আমরা কি সত্যিই এ ব্যাপারে কিছু করব না?
:'''লিও''': হ্যাঁ, কারণ আমাদের এখন যেটা সত্যিই করা দরকার তা হলো প্রেসিডেন্টের প্রতি খারাপ ব্যবহারের জন্য মানুষকে গ্রেপ্তার করা।
:'''টবি''': কোনো আইন নেই। কোনো শিষ্টাচার নেই।
:'''জশ''': ও এখন এটা বুঝতে পারছে।
<hr width="50%"/>
:'''বার্টলেট''': আনুপাতিক জবাবের মাহাত্ম্য কী?
:'''অ্যাডমিরাল ফিটজওয়ালেস''': দুঃখিত?
:'''বার্টলেট''': আনুপাতিক জবাবের মাহাত্ম্য কী? এটা ভালো কেন? তারা একটি বিমানে আঘাত করল, তাই আমরা একটি ট্রান্সমিটারে আঘাত করলাম, তাই তো? এটাই আনুপাতিক জবাব।
:'''অ্যাডমিরাল ফিটজওয়ালেস''': স্যার, পেরিক্লিস ১ এর ক্ষেত্রে --
:'''বার্টলেট''': ''[তার কথার ওপর কথা বলে]'' তারা একটি ব্যারাকে আঘাত করল, তাই আমরা দুটি ট্রান্সমিটারে আঘাত করলাম।
:'''অ্যাডমিরাল ফিটজওয়ালেস''': মোটামুটি এমনটাই, হ্যাঁ স্যার।
:'''বার্টলেট''': আমরা এটাই করি। মানে, ''এটাই'' আমরা করি।
:'''লিও''': হ্যাঁ স্যার, এটাই আমরা করি। আমরা সব সময় এটাই করে এসেছি।
:'''বার্টলেট''': ভালো, যদি এটাই আমরা করি, যদি সব সময় এটাই করে থাকি, তবে কি ''তারা জানে না'' যে আমরা এটাই করব?
:'''লিও''': স্যার, আপনি যদি পেরিক্লিস ১ এর দিকে একটু নজর দেন --
:'''বার্টলেট''': আমি পেরিক্লিস ১ এর দিকে নজর ''দিয়েছি''। এটা হলো দুটি গোলাবারুদের ডিপো, একটি পরিত্যক্ত রেলসেতু এবং একটি সিরিয়ান গোয়েন্দা সংস্থা।
:'''অ্যাডমিরাল ফিটজওয়ালেস''': ওগুলো কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তু, স্যার।
:'''বার্টলেট''': কিন্তু তারা ''জানে'' যে আমরা ওটাই করব। তারা জানে যে আমরা ওটা করব! ওই এলাকাগুলো তিন দিন ধরে পরিত্যক্ত। আমরা সেটা স্যাটেলাইট থেকে জানি, তাই না? আমাদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য আছে। ''[লিও কথা বলার চেষ্টা করলে তার কথার ওপর দিয়ে]'' তারা ওটা করেছে, তাই আমরা এটা করেছি। এটা যেন ব্যবসার খরচ। এটা আগে থেকেই হিসাব করা আছে, তাই না?
:'''লিও''': মিস্টার প্রেসিডেন্ট --
:'''বার্টলেট''': আমি কি ঠিক বলছি, নাকি আমি কিছু ভুল করছি?
:'''অ্যাডমিরাল ফিটজওয়ালেস''': না স্যার। আপনি ঠিকই বলছেন, স্যার।
:'''বার্টলেট''': তাহলে আমি আবার জিজ্ঞেস করছি, আনুপাতিক জবাবের মাহাত্ম্য কী?
:'''অ্যাডমিরাল ফিটজওয়ালেস''': এর কোনো মাহাত্ম্য নেই, মিস্টার প্রেসিডেন্ট। এটাই একমাত্র পথ যা আমাদের কাছে আছে, স্যার।
:'''বার্টলেট''': এটাই ''একমাত্র'' পথ নয়।
:'''লিও''': স্যার, অ্যাডমিরাল ফিটজওয়ালেস --
:'''অ্যাডমিরাল ফিটজওয়ালেস''': মাফ করবেন লিও... ক্ষমা করবেন মিস্টার প্রেসিডেন্ট, তবে আর কী পথ আছে?
:'''বার্টলেট''': ''অ-আনুপাতিক'' জবাব। এই শব্দটা এই সময় এবং এই স্থান থেকে চারদিকে ছড়িয়ে যাক ভদ্রমহোদয়গণ, আপনারা যদি একজন আমেরিকানকে মারেন, যেকোনো আমেরিকানকে, তবে আমরা কোনো আনুপাতিক জবাব নিয়ে ফিরে আসব না। আমরা ফিরে আসব চরম ধ্বংসলীলা নিয়ে! ''[তিনি টেবিলে চাপড় দিলেন]''
:'''জেনারেল''': আপনি কি আমাদের দামেস্কে কার্পেট বোমাবর্ষণের পরামর্শ দিচ্ছেন?
:'''বার্টলেট''': আমি পরামর্শ দিচ্ছি জেনারেল, আপনি এবং অ্যাডমিরাল ফিটজওয়ালেস, এবং সেক্রেটারি হাচিনসন এবং জাতীয় নিরাপত্তা দলের বাকিরা আগামী ৬০ মিনিট সময় নিন এবং একটি আমেরিকান জবাবের পরিকল্পনা তৈরি করুন যা আমাকে এটা ভাবাবে না যে আমরা কারো পকেট মানি কেটে নেওয়ার মতো ছোটখাটো কিছু করছি!
<hr width="50%"/>
:'''বার্টলেট''': লিও, তোমার কী চাই?
:'''লিও''': আপনি আপনার অধীনে কাজ করা এবং আপনার সাথে বিবাহিত সবার ওপর রাগ ঝেড়ে ফেলেছেন। আমি বুঝতে পারছিলাম না আপনার রাগ করার মতো আর কে বাকি আছে, তাই ভয় হচ্ছিল এবার হয়তো আমেরিকান জনগণের ওপর আপনার রাগ পড়তে পারে। ও আচ্ছা, এখানকার কাজ শেষ হলে অ্যাবিকে কিছু ফুল পাঠিয়ে দেবেন।
:'''বার্টলেট''': ''[মাথা নাড়লেন]'' তুমি কি জানো দুই হাজার বছর আগে একজন রোমান নাগরিক পরিচিত বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত দিয়ে নির্ভয়ে হেঁটে যেতে পারত? সে পৃথিবীর বুক দিয়ে অক্ষত অবস্থায় ঘুরে বেড়াতে পারত শুধু ''সিতভিস রোমানুস'' অর্থাৎ "আমি একজন রোমান নাগরিক" — এই কথাটির রক্ষাকবচ পরে। রোমের প্রতিশোধ নেওয়ার ক্ষমতা এতটাই প্রবল ছিল এবং সবাই নিশ্চিতভাবে জানত যে তাদের একজন নাগরিকের সামান্য ক্ষতি হলেও রোম কাউকে ছেড়ে দেবে না। মরিসের নিরাপত্তা কোথায় ছিল, বা ওই বিমানের অন্য কারো? ওই পরিবারগুলোর জন্য প্রতিশোধ কোথায়, আর বাকি পৃথিবীর জন্য এই সতর্কবাণীই বা কোথায় যে আমেরিকানরা এই পৃথিবীতে অক্ষত অবস্থায় চলাফেরা করবে, নইলে মানব ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর মুষ্টিবদ্ধ হাত তোমাদের ঘরের ওপর আছড়ে পড়বে?! সহজ কথায় লিও, আমরা এখানে ছাইপাশ কী করছি?!
:'''লিও''': একটি সুপারপাওয়ারের যেমন আচরণ করা উচিত, আমরা ঠিক সেভাবেই করছি।
:'''বার্টলেট''': আমাদের এই আচরণ খুব বাজে ফল বয়ে এনেছে; আসলে আমি পুরোপুরি নিশ্চিত নই যে আমাদের আচরণই এগুলোকে উসকে দিচ্ছে কি না।
:'''লিও''': তুমি কী বলছ?
:'''বার্টলেট''': আমি বৈরুতে ২৮৬ জন আমেরিকান মেরিন সেনার কথা বলছি, আমি সোমালিয়ার কথা বলছি, আমি নাইরোবির কথা বলছি-
:'''লিও''': আর তুমি মনে করো লাশের সংখ্যা বাড়িয়ে দিলে সেটা অন্যদের জন্য সতর্কবাণী হিসেবে কাজ করবে?
:'''বার্টলেট''': তুমি ঠিকই ধরেছ আমি-
:'''লিও''': ওহ, তাহলে তুমিও ঠিক ওই মানুষগুলোর মতোই নির্বোধ যারা মনে করে মাদক সম্রাটদের দমানোর জন্য মৃত্যুদণ্ড একটি কার্যকর পথ। মাদক সম্রাটরা যেন প্রতিদিন মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকি নিয়েই বেঁচে থাকে না, আর তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পদ্ধতি আমাদের চেয়ে অনেক বেশি নিষ্ঠুর এবং সেখানে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার ঝামেলা বা খরচ পোহাতে হয় না। তাই বন্ধু, তুমি যদি আমেরিকান সামরিক শক্তিকে ঈশ্বরের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চাও, তবে তা করতে পারো। আমরাই এখন একমাত্র টিকে থাকা সুপারপাওয়ার। তুমি চাইলে শার্লেমেনের মতো সারা বিশ্ব জয় করতে পারো! কিন্তু তার জন্য তোমাকে সবাইকে মারতে প্রস্তুত থাকতে হবে। আর শুরুটা আমাকে দিয়েই করো, কারণ আমি তোমার বিরুদ্ধে এক বিশাল সেনাবাহিনী গড়ে তুলব এবং তোমাকে হারাব!
:'''বার্টলেট''': ''[বিরতি]'' ওর বাড়িতে দশ দিনের একটি বাচ্চা ছিল।
:'''লিও''': আমি জানি।
:'''বার্টলেট''': আমরা কিছুই করছি না।
:'''লিও''': আমরা যে কিছুই করছি না, তা নয়।
:'''বার্টলেট''': আমরা ধ্বংস করছি-
:'''লিও''': চারটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক লক্ষ্যবস্তু!
:'''বার্টলেট''': আর এটা কি ভালো কিছু?
:'''লিও''': অবশ্যই এটা ভালো নয়। ভালো বলতে কিছু নেই। এটাই বাস্তবতা! তুমি যদি বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ হও, তবে তোমাকে এভাবেই আচরণ করতে হবে। এটি আনুপাতিক, এটি যুক্তিসঙ্গত, এটি দায়িত্বশীল এবং এটি ক্ষমাশীল! এটি কোনোভাবেই কিছু না নয়। চারটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক লক্ষ্যবস্তু।
:'''বার্টলেট''': যা তারা ছয় মাস পরে আবার তৈরি করে ফেলবে।
:'''লিও''': তখন আমরা ছয় মাস পরে সেগুলো আবার উড়িয়ে দেব! আমরা এতে বেশ দক্ষ হয়ে উঠছি। ''[বিরতি]'' আমাদের পূর্বসূরিরা আমাদের এটাই শিখিয়েছেন।
:'''বার্টলেট''': ''[মাথা নাড়লেন]'' সেটা আগে বললেই তো পারতে। ''[বিরতি, বসে পড়লেন]'' ওহ লিও... যখন ভাবি আমাকে নির্বাচনে দাঁড় করানোর জন্য তুমি কতটা পরিশ্রম করেছ, যখন ভাবি আমাকে জেতানোর জন্য তুমি কী না করেছ... তখন ইচ্ছে করে একটা বেসবল ব্যাট দিয়ে তোমাকে আচ্ছা করে পিটাই।
:''[লিও এবং বার্টলেট হাসলেন]''
<hr width="50%"/>
:'''জশ''': আমার মনে হয় আজ দিনটা কেবল খারাপ যাচ্ছে। আমাকে বলতেই হচ্ছে যে তিনি সাধারণত অত্যন্ত দয়ালু একজন মানুষ এবং শিষ্টাচারকে অনেক গুরুত্ব দেন। আজ... গত কয়েকটা দিন তার জন্য খুব কঠিন ছিল।
:'''চার্লি''': আমার মনে হয় এখন আমার চলে যাওয়া উচিত।
:''[বার্টলেট ভেতরে ঢুকলেন]''
:'''বার্টলেট''': মাফ করবেন, চার্লি? আমি কি আপনার সাথে ভেতরে একটু কথা বলতে পারি? আসুন, কোনো সমস্যা নেই।
:''[চার্লি ইতস্তত বোধ করে তার দিকে এগিয়ে গেলেন এবং বার্টলেট হাত বাড়িয়ে দিলেন]''
:'''বার্টলেট''': আমি জেড বার্টলেট।
:'''চার্লি''': আমি চার্লস ইয়ং, স্যার।
:'''বার্টলেট''': কিন্তু আপনি 'চার্লি' ডাকটাই পছন্দ করেন, তাই তো? শুনুন, লিও ম্যাকগ্যারি আপনার মায়ের পরিস্থিতির কথা আমাকে সব জানিয়েছেন। আমি সত্যিই খুব দুঃখিত। আপনি কিছু মনে করবেন না আশা করি, আমি এফবিআই ডিরেক্টর টম কনোলিকে ফোন করার ধৃষ্টতা দেখিয়েছিলাম এবং আমরা কম্পিউটার থেকে কিছু দ্রুত তথ্য বের করেছি। আপনার মা একটি ওয়েস্টার্ন .৩৮ রিভলভারের গুলিতে নিহত হয়েছেন যাতে কেটিডব্লিউ বা যা 'পুলিশ-হত্যাকারী বুলেট' হিসেবে পরিচিত, তা ব্যবহার করা হয়েছিল। আমরা এখন পর্যন্ত রাস্তাঘাট থেকে ওই অস্ত্র এবং বুলেটগুলো নিষিদ্ধ করার ক্ষেত্রে খুব একটা সফল হইনি, কিন্তু কংগ্রেস যখন বিরতি থেকে ফিরে আসবে তখন আমরা এ ব্যাপারে বড় পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করছি। তো, আপনি কী বলেন? আপনি কি আমাদের সাহায্য করতে এগিয়ে আসবেন?
:'''চার্লি''': ''[হেসে]'' জি স্যার, আমি আসব।
:'''বার্টলেট''': ধন্যবাদ, চার্লি। ''[তার সাথে করমর্দন করলেন]''
:...
:'''চার্লি''': আমি এর আগে কখনো এমন অনুভব করিনি।
:'''জশ''': এই অনুভূতি আর কখনো যাবে না।
=== ''ফাইভ ভোটস ডাউন'' ===
:'''জশ''': আমার স্পষ্টভাষিতার জন্য ক্ষমা করবেন, আর আমি এটা যথাযথ সম্মান রেখেই বলছি কংগ্রেস সদস্য, কিন্তু হ্যাঁ ভোট দিন, নইলে দুই বছর পর আপনি ব্যালট পেপারেই থাকবেন না।
:'''কাটজেনময়ার''': আপনি কীভাবে এটা ভাবলেন?
:'''জশ''': আপনি প্রাইমারিতেই হেরে যাবেন।
:'''কাটজেনময়ার''': আমার বিপক্ষে দাঁড়ানোর মতো কোনো ডেমোক্র্যাট নেই।
:'''জশ''': অবশ্যই আছে।
:'''কাটজেনময়ার''': কে?
:'''জশ''': যাকে আমরা বেছে নেব।
:'''কাটজেনময়ার''': আপনি ধাপ্পাবাজি করছেন।
:'''জশ''': আচ্ছা, ঠিক আছে।
:'''কাটজেনময়ার''': আমি আপনাদের নিজেদের দলেরই লোক!
:'''জশ''': তাতে তো আমাদের খুব একটা লাভ হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে না, তাই না?
:'''কাটজেনময়ার''': একজন বর্তমান ডেমোক্র্যাট সদস্যের বিরুদ্ধে আপনারা প্রেসে গিয়ে অন্য কাউকে সমর্থন দেবেন?
:'''জশ''': না স্যার। আমরা সশরীরে সেখানে যাব। দেখুন, আপনি ৫২ শতাংশ ভোট পেয়ে জিতেছেন, কিন্তু প্রেসিডেন্ট আপনার জেলায় ৫৯ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন। আর আমার মনে হয় এটাই উপযুক্ত সময় সেখানে গিয়ে সবাইকে ধন্যবাদ জানানোর। আপনার কি কোনো ধারণা আছে উইসকনসিনের ও ক্লেয়ারে যখন এয়ার ফোর্স ওয়ান অবতরণ করে তখন কত শব্দ হয়? কংগ্রেস সদস্য, আমরা সেখানে একটি পার্টির আয়োজন করব। আপনার আসা উচিত, দারুণ হবে। আর যখন তরমুজ খাওয়া শেষ হবে, ঠিক শহরের মাঝখানে, যেখানে ব্যান্ডের ছাউনি আছে... আপনাদের ওখানে ব্যান্ডের ছাউনি আছে তো?
:'''কাটজেনময়ার''': জশ...
:'''জশ''': তাতে কিছু যায় আসে না, আমরা একটা বানিয়ে নেব। ঠিক ওই ব্যান্ডের ছাউনির ওপর প্রেসিডেন্ট আমাদের পছন্দের একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিএ-র কাঁধে হাত রেখে দাঁড়াবেন। আর আপনার সাথে তখন ক্যামেরা রাখা উচিত। আপনার উচিত সেই মুহূর্তের একটি ছবি তোলা। কারণ সেটিই হবে ডেমোক্র্যাটিক রাজনীতিতে আপনার শেষ মুহূর্ত। প্রেসিডেন্ট বার্টলেট একজন ভালো মানুষ। তার মনটা খুব ভালো। তিনি মনে কোনো ক্ষোভ পুষে রাখেন না। কিন্তু ক্ষোভ পুষে রাখার জন্যই তিনি আমাকে বেতন দেন।
<hr width="50%"/>
:'''সাংবাদিক''': ম্যানচেস্টারে প্রেসিডেন্টের খামারবাড়ি সম্পর্কে আমি জানতে আগ্রহী। সম্পত্তির মূল্য ৭,৫০,০০০ ডলার বেড়েছে। এর কারণ কী?
:'''সি.জে.''': সিক্রেট সার্ভিসের করা কিছু উন্নয়ন কাজ।
:'''সাংবাদিক''': আপনি কি বিস্তারিত বলতে পারেন?
:'''সি.জে.''': ওই সম্পত্তিতে এখন একটি হেলিপ্যাড আছে এবং বাড়ির বারান্দায় বসে একটি বিশ্বযুদ্ধ পরিচালনা করার ক্ষমতাও যোগ হয়েছে।
<hr width="50%"/>
:'''জশ''': আপনি জানেন, আমি বুঝি যে একজন প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে সবাই আমার মতো করে পৃথিবীটাকে দেখবে না। আর বন্দুক নিয়ন্ত্রণের মতো একটি উত্তপ্ত বিষয়ে আমি অনেক ভিন্ন মতবাদকে যুক্তিযুক্ত হিসেবে গ্রহণ করতে প্রস্তুত, কিন্তু গ্রেনেড লঞ্চারের ব্যাপারে তো আমরা সবাই একমত হতে পারি, তাই না?
<hr width="50%"/>
:'''টবি''': এই মুহূর্তে পৃথিবীতে এমন কেউ নেই যাকে আমি ঘৃণা করছি না।
<hr width="50%"/>
:'''বার্টলেট''': ''[ব্যথানাশক ওষুধের প্রভাবে]'' হে!
:'''লিও''': মিস্টার প্রেসিডেন্ট। আমি ভেবেছিলাম আপনি বিছানায় বিশ্রাম নিচ্ছেন।
:'''বার্টলেট''': ওহ, আমি ঠিক আছি।
:'''লিও''': উম্ম... আপনার হয়তো বাসভবনে ফিরে যাওয়া উচিত।
:'''বার্টলেট''': উঁ?
:'''লিও''': আমি বললাম, আপনার হয়তো বাসভবনে ফিরে যাওয়া উচিত। আপনার হয়তো শুয়ে পড়া উচিত।
:'''বার্টলেট''': একদম দরকার নেই। আমি ঠিক আছি। এখানে কী হচ্ছে?
:'''স্যাম''': এমন কিছু নয় যা নিয়ে আপনার চিন্তিত হতে হবে, মিস্টার প্রেসিডেন্ট। টবি এবং তার আর্থিক তথ্য প্রকাশের বিষয়টি নিয়ে কেবল কিছু ভুল ধারণার সৃষ্টি হয়েছে।
:'''বার্টলেট''': আচ্ছা, আমি আসলে একটু মাঠে নামতে ভালোবাসি আর কী... মানে সবকিছুতে জড়িয়ে পড়তে পছন্দ করি।
:'''সি.জে.''': মিস্টার প্রেসিডেন্ট। আপনি কি কোনোভাবে আপনার পিঠের ব্যথার ওষুধগুলো খেয়েছেন?
:'''বার্টলেট''': আপনাকে বলতে দ্বিধা নেই সি.জে., সেখানে বেশ খানিকটা ব্যথা হচ্ছিল।
:'''লিও''': আপনি কোনটা খেয়েছেন স্যার, ভাইকোডিন নাকি পারকোসেট?
:'''বার্টলেট''': আমার কি দুইটাই খাওয়ার কথা ছিল না?
:'''সি.জে.''': ঠিক আছে মিস্টার প্রেসিডেন্ট, আমরা কাউকে বলছি আপনাকে বিছানায় দিয়ে আসতে।
:'''বার্টলেট''': না না না। বসুন, বসুন সবাই। আপনাদের একজনের কোনো সমস্যা হয়েছে, আর আমি এখানে সাহায্য করতে এসেছি। আপনারা সবাই আমার পরিবারের মতো। আপনারা সব সময় আমার পাশে ছিলেন। আপনারা সব সময় অনুগত, সৎ এবং পরিশ্রমী ভালো মানুষ হিসেবে থেকেছেন, আমি আপনাদের সবাইকে খুব ভালোবাসি। আর আমি এই কথাটি যথেষ্টবার বলি না। ''[স্যামকে উদ্দেশ্য করে]'' তো টবি, আমাকে বলো সমস্যাটা কী।
:'''স্যাম''': আমি স্যাম, স্যার।
:'''বার্টলেট''': স্যাম, অবশ্যই তুমি স্যাম।
:'''টবি''': স্যার, পরিস্থিতিটা মূলত এই রকম। আমি ইন্টারনেটের শেয়ার নিয়ে বাণিজ্য বিভাগে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য আমার এক বন্ধুর ব্যবস্থা করেছিলাম। একই সময়ে, কিন্তু ওই ঘটনার সাথে কোনো সম্পর্ক ছাড়াই, আমি একটি প্রযুক্তির শেয়ার কিনি যা আমার বন্ধুর সাক্ষ্যের কারণে আকাশচুম্বী মুনাফা দেয়।
:'''বার্টলেট''': টবি। টবি, টবি, টবি। টবি নামটা বেশ সুন্দর, তাই না?
:'''টবি''': আমরা কি এই মিটিংটা অন্য কোনো সময়ে করতে পারি?
:'''বার্টলেট''': না না না, আমি আমার শরীর সম্পর্কে জানি। আমি জানি আমার পেশিগুলো হয়তো ঠিক নেই, কিন্তু আমার মন খুব তীক্ষ্ণ। আমি মনোযোগ দিতে পারি। আমি বেশ মনোযোগী। আপনারা সবাই আমার সম্পর্কে সেটা জানেন। আমার মনে হয় আমাদের যা করা উচিত তা হলো... ''[একটু বিরতি]'' আমি কি মাত্র কিছু বলছিলাম?
=== ''দ্য ক্র্যাকপটস অ্যান্ড দিজ উইমেন'' ===
:'''টবি''': ''[বাস্কেটবল খেলার সময়]'' আপনি যে কারচুপি করেন তা বড় কথা নয় স্যার, বরং আপনি কত নির্লজ্জভাবে এটা করেন সেটাই দেখার মতো।
:'''বার্টলেট''': মাফ করবেন! আমি আবার কবে কারচুপি করলাম?
:'''টবি''': ফ্লোরিডায় আমার আর সি.জে.-র সাথে মিক্সড ডাবলস খেলার সময়ের কথা ধরুন, আপনি আমাদের বোঝাতে চেয়েছিলেন যে আপনার পার্টনার ভিয়েনায় আমেরিকান কনস্যুলেটে কাজ করেন।
:'''বার্টলেট''': তিনি সেখানেই কাজ করতেন।
:'''টবি''': ওটা স্টেফি গ্রাফ ছিলেন স্যার!
:'''বার্টলেট''': আমি স্বীকার করছি মহিলার সাথে তার অদ্ভুত রকমের মিল ছিল।
:'''টবি''': আপনি এক পাগল মানুষ! আপনি কি মনে করেন স্টেফি গ্রাফ যখন আমার দিকে টেনিস বল সার্ভ করবেন তখন আমি তাকে চিনতে পারব না?!
:...
:'''টবি''': এত তাড়াতাড়ি নয়।
:'''বার্টলেট''': সমস্যা কী?
:'''টবি''': মিস্টার গ্রান্ট, আপনার নামটা খুব পরিচিত লাগছে... আপনি প্রেসিডেন্টের শারীরিক সক্ষমতা বিষয়ক কাউন্সিলে যোগ দেওয়ার আগে—যে কাউন্সিলের সাহায্য নেওয়া প্রেসিডেন্টের নিজের জন্যই ভালো হতো—এমন কি হতে পারে যে আপনি কোনো সংঘবদ্ধ দলের হয়ে বাস্কেটবল খেলেছেন?
:'''গ্রান্ট''': হ্যাঁ, আমি আমার বন্ধুদের সাথে একটু-আধটু খেলতাম।
:'''টবি''': আর সেটা কোথায় ছিল?
:'''গ্রান্ট''': দুঃখিত?
:'''টবি''': জায়গাটা কোথায় ছিল?
:'''গ্রান্ট''': ডিউক।
:''[টবি এবং জশ উচ্চস্বরে হাসলেন]''
:'''টবি''': এই লোক তো ফাইনাল ফোরে খেলেছে!
<hr width="50%"/>
:'''লিও''': অ্যান্ড্রু জ্যাকসন তার হোয়াইট হাউসের প্রধান প্রবেশপথে এক বিশাল চিজের টুকরো রেখেছিলেন।
:'''টবি''': ওহ।
:'''লিও''': যারা হাসাহাসি করছেন তাদের একটা তালিকা আমি মনে মনে তৈরি করছি এবং কথা বলার মাঝেই আমি তাদের জন্য উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করছি। চিজের টুকরোটি ছিল বিশাল দুই টনেরও বেশি ওজনের। আর সেখানে যার ক্ষুধা লাগত তার জন্যই তা উন্মুক্ত ছিল।
:'''টবি''': লিও, এই সময়টা কি এমন কোনো দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধের পরিকল্পনা করে কাটানো ভালো নয় যারা আমাদের বিরুদ্ধে নিজেদের রক্ষা করতে পারবে না?
:'''লিও''': আমরা ওটা পরে করতে পারি, টবি। এখন আমি প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রু জ্যাকসনের কথা বলছি।
:'''স্যাম''': আসলে এই মুহূর্তে আপনি এক বিশাল চিজের টুকরো নিয়ে কথা বলছেন।
:'''লিও''': আর স্যামও আমার তালিকায় চলে এল!
:'''স্যাম''': টবির কী হবে?
:'''লিও''': আমি কখন কী করি তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। জ্যাকসন চেয়েছিলেন হোয়াইট হাউস যেন জনগণের হয়, তাই মাঝেমধ্যেই তিনি তার দরজা তাদের জন্য খুলে দিতেন যারা তার সাথে দেখা করতে চাইতেন।
:'''ম্যান্ডি''': আর তারপর তিনি তাদের আটকে রেখে দুই টন চিজ খাওয়াতেন।
:'''লিও''': সেই আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই...
:'''স্যাম''': একটু দাঁড়ান। ম্যান্ডি তালিকায় যাবে না?
:'''লিও''': ম্যান্ডি নতুন।
:'''স্যাম''': তার মানে তালিকায় শুধু আমিই থাকছি?
:'''লিও''': হ্যাঁ। অ্যান্ড্রু জ্যাকসনের সেই আদর্শেই আমি মাঝেমধ্যে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেই এমন সব সংস্থার সাথে সরাসরি কথা বলতে যারা আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে হিমশিম খাচ্ছে। আমি জানি আপনাদের মধ্যে যারা একটু বেশি নিরস তারা এটাকে তুচ্ছ মনে করতে পারেন। কিন্তু আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি যে আবেগী আমেরিকানদের কথা শোনা কারো জন্যই অসম্মানজনক নয়, বিশেষ করে জনগণের সেবকদের জন্য তো নয়ই।
:'''জশ''': ''[সি.জে.-র সাথে প্রবেশ করে]'' দুঃখিত আমাদের দেরি হয়ে গেল। আজ কি আবার "পুরোদস্তুর পাগলাটেদের দিন"?
:'''লিও''': হ্যাঁ, তা-ই।
:'''স্যাম''': আর দয়া করে এটা লিখে রাখুন যে জশ কিন্তু তালিকায় যাচ্ছে না।
<hr width="50%"/>
:'''বার্টলেট''': হেই সবাই শোনো-জোয়ি হ্যানোভার থেকে এসেছে আর আজ রাতে আমি সবার জন্য চিলি রান্না করছি!
:''[সবাইকে আতঙ্কিত দেখায়]''
:'''জশ''': ওহ ঈশ্বর...
:'''অন্যান্যরা''': ''[একেবারেই আগ্রহহীন স্বরে]'' দারুণ! খুব ভালো!
:'''বার্টলেট''': ''[বিরক্ত হয়ে]'' আচ্ছা, ঠিক আছে। এক কাজ করা যাক। সবাই আমার কার্পেটের মাঝখানে থাকা ওই বড় সিলটার দিকে তাকাও। ''[সবাই প্রেসিডেন্ট সিলের দিকে তাকাল]'' এবার আবার আমার দিকে তাকাও। ''[তারা তাকাল]'' জোয়ি হ্যানোভার থেকে এসেছে আর আজ রাতে আমি সবার জন্য চিলি রান্না করছি!
:'''সবাই''': ''[একটু বেশি উৎসাহের ভান করে]'' দারুণ ব্যাপার! আমি চিলি খুব ভালোবাসি! চমৎকার!
:'''বার্টলেট''': এই তো! দেখলে তো সবাই যখন আমার কথা মতো চলে তখন আমি কত দয়ালু হতে পারি?
<hr width="50%"/>
:''[জশ তার অফিসে বসে আছেন, তার বুমবক্সে শুবার্টের "আভে মারিয়া" বাজছে]''
:'''জশ''': সি.জে., এনএসসি-র একজন কর্মী আমাকে একটি কার্ড দিয়েছে যাতে নির্দেশ দেওয়া আছে যে পারমাণবিক হামলার সময় আমার কী করা উচিত। তারা চায় আমি যেন বিমানে উঠে পড়ি অথবা কোনো বাঙ্কারে চলে যাই। তারা আপনাকে চায় না... এমনকি স্যাম বা টবিকেও না। আমি আপনাদের বন্ধু হতে চেয়েছি এবং এটা না জানিয়ে থাকতে পারিনি।
:'''সি.জে.''': ''[অবাক হয়ে]'' জশ, তুমি কি এটা নিয়ে চিন্তিত ছিলে?
:'''জশ''': হ্যাঁ।
:'''সি.জে.''': তুমি মাঝেমধ্যে সত্যিই খুব দয়ালু। আসলেই।
:'''জশ''': সি.জে....
:'''সি.জে.''': অবশ্যই তারা আমাকে চাইবে না জশ! আমি একজন প্রেস সেক্রেটারি। আমার মনে হয় না তখন অনেক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার দরকার পড়বে। স্যাম এবং টবি যোগাযোগ বিভাগে আছে আর আমার ধারণা তখন ভাষণ লেখাও কোনো অগ্রাধিকার পাবে না। এসো, একটু মজা করা যাক। ''[বের হতে শুরু করেন]''
:'''জশ''': ''[তার বুমবক্সের দিকে ইশারা করে]'' এটা খুব সুন্দর একটা সুর। তুমি কি এটা চেনো?
:'''সি.জে.''': ...আমি ক্যাথলিক।
:'''জশ''': একটু দাঁড়াও। শোনো। শোনো। ''[বুমবক্সের আওয়াজ বাড়িয়ে দিলেন "ও ইয়ুংফ্রাউ, জি ডার ইয়ুংফ্রাউ জরগেন" পঙক্তির সময়]'' এই যে, এই জায়গাটা। এটা... অলৌকিক। ''[একটু বিরতি]'' ফ্রাঞ্জ শুবার্ট পাগল ছিলেন, জানো তো।
:'''সি.জে.''': ''[মাথা নাড়লেন]'' হ্যাঁ।
:'''জশ''': তুমি কি মনে করো শক্তিশালী কিছু তৈরি করতে হলে পাগল হতে হয়?
:'''সি.জে.''': জশ, ঠান্ডা যুদ্ধ শেষ হয়ে গেছে। কোনো পারমাণবিক হামলা হতে যাচ্ছে না-
:'''জশ''': ঈশ্বর, সি.জে.। ব্যাপারটা তেমন হবে না। ওটা লাল ফোন আর পারমাণবিক বোমা হবে না।
:'''সি.জে.''': তবে কেমন হবে?
:'''জশ''': এটা অনেকটা এই রকম হবে! এই রকম কিছু একটা হবে। গুটিবসন্ত পঞ্চাশ বছর আগে নির্মূল হয়ে গেছে। কারো এখন আর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নেই। এটা বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায়। যদি আপনার এই রোগ হয়, তবে আপনি আপনার চারপাশে ১০ ফুটের একটি মেঘের মতো জীবাণু নিয়ে ঘুরবেন। প্রতি তিনজনে একজন মারা যায়। নিউ ইয়র্ক সিটিতে যদি ১০০ জন মানুষের এই রোগ হয়, তবে তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ১০ কোটি মানুষকে টিকা দিতে হবে। তুমি কি জানো এই দেশে গুটিবসন্তের কত ডোজ টিকা আছে? মাত্র সাতটি! নিউ ইয়র্ক সিটিতে যদি ১০০ জন মানুষ আক্রান্ত হয়, তবে এমন এক বিশ্বব্যাপী চিকিৎসা জরুরি অবস্থা তৈরি হবে যার কাছে এইচআইভি-কে সর্দি-জ্বরের মৌসুম বলে মনে হবে। এভাবেই হবে সব, একটা ছোট টেস্ট টিউব আর তার ওপর একটা নষ্ট হয়ে যাওয়া রাবার ক্যাপ... একজন লোক টাইমস স্কয়ার স্টেশন থেকে বের হবে, ''[আছাড় মারার শব্দ নকল করে]'' ফুটপাতে আছাড় মেরে ভেঙে ফেলবে... আর ওখানেই শুরু হয়ে যাবে বিশ্বযুদ্ধ।
:'''সি.জে.''': আমরা আরও টিকা বানিয়ে নেব।
:'''জশ''': তোমাকে খুব দ্রুত করতে হবে, কারণ একমাত্র আমার কাছেই এই কার্ডগুলোর একটি আছে।
<hr width="50%"/>
:'''বার্টলেট''': আমি বুঝতে পারছি আজ লিও-র সেই "বিশাল চিজের টুকরো" দিবসগুলোর একটি ছিল! আপনারা সবাই শুরুতে খুব নিরস থাকলেও শেষ পর্যন্ত কিন্তু ঠিকই হয়। দিনের শেষে সব সময় এক বা দুজন ভক্ত তৈরি হয়, তাই না? আজকেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। সি.জে. ক্রেগ সারারাত জেগে বনবিভাগ বা স্বরাষ্ট্র দপ্তরের জন্য বন্যপ্রাণী রক্ষার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করবে। ''[সি.জে. হাসলেন]'' সি.জে., কেবল নেকড়েদের জন্য তৈরি এই হাইওয়ের খরচ নিয়ে আমার আপত্তি নেই। আমার আপত্তি এর বিভাজন নিয়ে। এসিএলইউ হয়তো কোনো রেইনডিয়ারের পক্ষ নিয়ে আবেদন করবে আর তখন আমরা সবাই বিপদে পড়ব। ''[সবাই হাসলেন]'' স্যাম সিবর্ন আজ এমন এক লোককে পেয়েছে যে ইউএফও দেখেছে, আমি কি ঠিক বলছি? স্যাম তাকে অফিস থেকে হাসাহাসি করে বিদায় করেছে, কিন্তু তুমি তখন থেকেই সেটা নিয়ে ভাবছ। কিন্তু স্যাম, তুমি নিশ্চিত থাকতে পারো। ওটা অন্য কোনো গ্রহের মহাকাশযান ছিল না, ওটা ছিল অন্য সময়ের-অনেক আগে পরিত্যক্ত একটি সোভিয়েত উপগ্রহ। এর একটি বুস্টার রকেট জ্বলেনি তাই এটি পৃথিবীর কক্ষপথ থেকে বের হতে পারেনি। এটি সেই সময়ের এক করুণ স্মৃতি যখন দুটি শক্তিশালী দেশ একে অপরকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মহাকাশ জয়ের প্রতিযোগিতায় নেমেছিল। টবি, পরবর্তী চ্যালেঞ্জ আমাদের জন্য কী হবে? যা আমাদের আরও দূরে নিয়ে যাবে এবং আরও কঠোর পরিশ্রম করাবে? তুমি কি জানো যখন গুটিবসন্ত নির্মূল করা হয়েছিল, তখন এটিকে এই শতাব্দীর একক শ্রেষ্ঠ মানবিক সাফল্য হিসেবে গণ্য করা হয়েছিল? নিশ্চয়ই আমরা এটি আবারও করতে পারব, যেমনটি আমরা সেই সময়ে করেছিলাম যখন আমাদের চোখ ছিল আকাশের দিকে এবং আমাদের প্রসারিত আঙুল দিয়ে আমরা ঈশ্বরের মুখ স্পর্শ করেছিলাম। যারা এখন আমাদের মাঝে নেই এবং যারা আজ এখানে আছেন, সবার জন্য শুভকামনা। চিয়ার্স।
=== ''মিস্টার উইলস অফ ওহাইও'' ===
:'''স্যাম''': সি.জে., আমরা তিন সপ্তাহ ধরে এই বাণিজ্য বিল নিয়ে কাজ করছি, আমি তোমাকে সব সময় আদমশুমারি নিয়ে কথা বলতে শুনি।
:'''সি.জে.''': হ্যাঁ। হ্যাঁ।
:'''স্যাম''': তো... আমি বুঝতে পারছি না। তুমি কীভাবে—
:'''সি.জে.''': আমি আসলে ভান করছিলাম।
:'''স্যাম''': তুমি ভান করছিলে?
:'''সি.জে.''': আমি কোনো রাখঢাক ছাড়াই বলছি যে কোনো সন্দেহ নেই আমি বানিয়ে বলছিলাম। কিন্তু আমাদের মিটিংগুলোতে বসে এবং গত রাতে ব্রিফিং বই পড়ে আমাকে বলতেই হচ্ছে যে আদমশুমারিকে আমার কাছে বেশ গুরুত্বপূর্ণ মনে হতে শুরু করেছে।
:'''স্যাম''': আহ-হা।
:'''সি.জে.''': আর আমি বুঝতে পেরেছি যে সারা সপ্তাহ যদি আমাকে এটা নিয়েই কথা বলতে হয়, তবে আমি কী বলছি সেটা বুঝে নেওয়াই ভালো।
:'''স্যাম''': কখন?
:'''সি.জে.''': কখন কী?
:'''স্যাম''': তুমি কখন এই উপলব্ধি করলে?
:'''সি.জে.''': প্রায় এক ঘণ্টা আগে।
:'''স্যাম''': আচ্ছা। চলো... আমি তোমাকে বলছি কী হবে, তুমি যে একটু দেরিতে এসেছ সেটা ভুলে যাই আর তুমি যে শেষ পর্যন্ত এসেছ সেটাকেই স্বাগত জানাই।
:'''সি.জে.''': আমিও তা-ই বলি।
<hr width="50%"/>
:'''জশ''': স্যাম, ভোটের আগে আজ রাতে আমি চার্লিকে বিয়ার খাওয়াতে নিয়ে যাচ্ছি। জোয়ি আর ম্যালরিও আসছে।
:'''স্যাম''': বেশ ভালো।
:'''সি.জে.''': আমি বিয়ার পছন্দ করি।
:'''জশ''': তুমি যদি আসতে চাও, আমার মনে হয় সেটা মন্দ হবে না।
:'''সি.জে.''': কেন জশ, তুমি তো আমাকে একদম মুগ্ধ করে দিলে।
<hr width="50%"/>
:'''চার্লি''': ''[জর্জটাউনের একটি বারে]'' সবকিছু কি ঠিক আছে, জোয়ি?
:'''দ্বিতীয় ব্যক্তি''': হেই। ও ওকে জোয়ি বলে ডাকল।
:'''চার্লি''': চলো, আমরা টেবিলে ফিরে যাই।
:'''প্রথম ব্যক্তি''': ওহ। ওহ। ওহ। খবর কী স্যামি?
:'''চার্লি''': জোয়ি?
:''[জোয়ি চার্লির দিকে যেতে চাইলেন কিন্তু লোকগুলো তাকে আটকে দিল]''
:'''প্রথম ব্যক্তি''': মাফ করবেন। মাফ করবেন। আমরা তো কেবল মেয়েটিকে এক গ্লাস ড্রিংক খাওয়াতে চাইছি ভাই।
:'''চার্লি''': ওর বয়স মাত্র ১৯ বছর। ওকে আপনাকে মেরিল্যান্ডে নিয়ে যেতে হবে।
:'''তৃতীয় ব্যক্তি''': সুপার ফ্লাই-কে দেখ।
:'''জোয়ি''': হেই!
:'''চার্লি''': চলো এখান থেকে যাই।
:'''প্রথম ব্যক্তি''': না। তুমি কেন যাচ্ছ না? ঠিক আছে?
:'''চার্লি''': দেখুন ভাই। আপনারা জানেন না ইনি কে। আপনারা কোনো ঝামেলা চাইবেন না। মাথা ঠান্ডা রাখুন, ঠিক আছে?
:'''প্রথম ব্যক্তি''': মাথা ঠান্ডা রাখব।
:'''চার্লি''': হ্যাঁ। আমি শুধু এটাই বলছি যে আমি আপনাদের মঙ্গলের জন্যই বলছি।
:'''প্রথম ব্যক্তি''': আমি বুঝতে পারছি তুমি কী বলছ। তুমি শুধু চাইছ আমি যেন মাথা ঠান্ডা রাখি, তাই তো?
:'''চার্লি''': আমি কি আপনাদের এক রাউন্ড ড্রিংক কিনে দিতে পারি?
:'''তৃতীয় ব্যক্তি''': এলএল কুল জে-র মতো ভাই, আইস-টি এর মতো।
:'''দ্বিতীয় ব্যক্তি''': আইস কিউব, আইস ট্রে ভাই।
:...
:'''প্রথম ব্যক্তি''': তুমি আমাদের জন্য একটু হিপ-হপ করছ না কেন জি-ফাঙ্ক?
:'''দ্বিতীয় ব্যক্তি''': ডক্টর হফি পাফি ড্রেড ম্যান, ডক্টর ডুলিটল ম্যান?
:'''চার্লি''': আমাদের যেতে দেবেন কি দয়া করে?
:'''প্রথম ব্যক্তি''': না। তুমি এই মেয়ের সাথে এখানে কী করছ? অ্যাঁ? অ্যাঁ? কারণ জানো কি, আমার কাছে তো তোমাকে ডক্টর ফ্যাগট মনে হচ্ছে!
:'''স্যাম''': ''[পিছন থেকে এসে]'' হেই! এখানে কী হচ্ছে এসব?
:'''প্রথম ব্যক্তি''': তুমি আবার কে?
:'''স্যাম''': জাহান্নামে যাও। জোয়ি?
:'''জোয়ি''': আমি ঠিক আছি।
:'''প্রথম ব্যক্তি''': কাকে বলছ ওটা, ফেয়ারি পপিনস?
:'''স্যাম''': চার্লি?
:'''চার্লি''': সবকিছু ঠিক আছে।
:'''প্রথম ব্যক্তি''': হেই, তুমি কি লড়াই করতে চাও?
:'''স্যাম''': কী?
:'''প্রথম ব্যক্তি''': তুমি কি লড়াই করতে চাও? চলো শুরু করা যাক। এখনই। এসো।
:'''জশ''': ''[চার্লির পিছন থেকে এসে]'' সবার কী খবর?
:'''প্রথম ব্যক্তি''': ওহ ভালোই হলো, আরও ফেয়ারি বয়েজ এল।
:'''জশ''': মাফ করবেন?
:'''প্রথম ব্যক্তি''': আমি বললাম, আরও ফেয়ারি বয়েজ।
:'''জশ''': ওহ, এটা তো কল্পনার চেয়েও বেশি ভালো হলো।
:''[ম্যালরি এবং সি.জে. জশ এবং স্যামের পিছনে এলেন]''
:'''দ্বিতীয় ব্যক্তি''': ''[জশকে দেখিয়ে]'' হেই, আমি একে চিনি। ''[জোয়িকে দেখিয়ে]'' আর ওকেও খুব চেনা চেনা লাগছে।
:'''জশ''': ''[জোয়ির প্যানিক বাটনে চাপ দিয়ে]'' হ্যাঁ। আপনারা হয়তো বুঝতে পারছেন না, কিন্তু আপনাদের রাতটা বেশ খারাপ কাটতে যাচ্ছে।
:'''প্রথম ব্যক্তি''': ''[ব্যঙ্গাত্মক এবং আক্রমণাত্মকভাবে]'' ওহ তাই না কি - আর কে আমাদের রাত খারাপ করবে, অ্যাঁ?
:''[দরজা সজোরে খুলে গেল এবং সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টরা ভেতরে ঢুকে পড়লেন]''
:'''এজেন্ট''': ফেডারেল এজেন্ট!
:''[জশ এবং স্যাম হাত তুলে ওই তিনজনকে দেখিয়ে দিলেন]''
:'''স্যাম এবং জশ''': ঠিক এই যে এরা!
:''[এজেন্টরা হতভম্ব এবং প্রতিবাদকারী লোকগুলোকে ধরে বারের ওপর উপুড় করে ফেলল আর একজন জোয়িকে ধরে আগলে রেখে বাইরে নিয়ে গেল]''
:'''এজেন্ট''': চুপ একদম! ঈশ্বরের কসম আমি তোমার মাথা উড়িয়ে দেব। সবাই দূরে সরে দাঁড়ান।
:'''প্রথম ব্যক্তি''': ''[চার্লিকে]'' হেই, স্যামি তোমার সাথে আমার কাজ শেষ হয়নি।
:'''চার্লি''': আমার নাম চার্লি ইয়ং, গাধা কোথাকার। আর তোমার পকেটে থাকা ওই ফোলা জিনিসটা যদি মাদকের প্যাকেট হয়, তবে তুমি তোমার স্প্রিং ব্রেক ফেডারেল জেলখানায় কাটাবে। ''[জশকে]'' ''এখন'' আমার বেশ ভালো লাগছে।
aazh9xb3pvvivpq80upjnih1dk4mb7p
ব্যবহারকারী:Bablul
2
12066
73958
2026-04-06T00:01:37Z
Bablul
4506
"এটা হল একটি অফিসিয়াল সাইট ১০০% নিশ্চিত আপনারা কখনো হারবেন না অবশ্যই ট্রাই করে দেখতে পারেন বাংলাদেশের একমাত্র অফিসিয়াল ওয়েবস হাজার হাজার লোকের উপকারিতা হইছে কখনো কারো..." দিয়ে পাতা তৈরি
73958
wikitext
text/x-wiki
এটা হল একটি অফিসিয়াল সাইট ১০০% নিশ্চিত আপনারা কখনো হারবেন না অবশ্যই ট্রাই করে দেখতে পারেন বাংলাদেশের একমাত্র অফিসিয়াল ওয়েবস হাজার হাজার লোকের উপকারিতা হইছে কখনো কারো ক্ষতি হয়নি আমরা চাইনা কারো টাকা মেরে দিতে ভালো একটি ওয়েবসাইট একটাবার ট্রাই করে দেখতে পারেন ইনশাআল্লাহ আপনার কখনো ক্ষতি হবে না
9xo84u02t8etkgtu5cwr5d4yttmaiy4
ব্যবহারকারী আলাপ:Bablul
3
12067
73960
2026-04-06T00:13:04Z
অভ্যর্থনা কমিটি বট
1112
উইকিউক্তিতে স্বাগত!
73960
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Bablul,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]]
</div>
০০:১৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
7osj15njmnriwgu6fgjdcdbntnts0n9
ব্যবহারকারী:Md Rifat Biswas
2
12068
73961
2026-04-06T00:45:00Z
Md Rifat Biswas
4504
আমার কিছু বলার নাই জা বলার ভাই বোলবেন।
73961
wikitext
text/x-wiki
Kisu bolar nai emi vhai bolbe ja bolar.
r9bi5dp0to0xvft2hogela1lu4c8wx6
ব্যবহারকারী আলাপ:Akash Ahmed Jhon
3
12069
73963
2026-04-06T01:13:04Z
অভ্যর্থনা কমিটি বট
1112
উইকিউক্তিতে স্বাগত!
73963
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Akash Ahmed Jhon,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]]
</div>
০১:১৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
lmc56wwk4a8anfqsepewohy8c6t9duk
ব্যবহারকারী আলাপ:Md Rifat Biswas
3
12070
73964
2026-04-06T01:13:13Z
অভ্যর্থনা কমিটি বট
1112
উইকিউক্তিতে স্বাগত!
73964
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Md Rifat Biswas,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]]
</div>
০১:১৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
e9lcv4g7kvw2zytxy1b6mnpqbxht521
May madhab Roy baolraha hoo alixsan mey khara hane ka sahmat hoo keya mujhe ak chans ak moka ak bar liye neta ki asan prapt kara hashil kar sakta hoo
0
12076
73974
2026-04-06T03:52:27Z
~2026-21116-53
4517
"{{subst:ছাঁটা|1= <!-- নিচে ব্যক্তি বা বস্তু সম্পর্কে একটি বিবরণ বা ভূমিকা লিখুন। প্রয়োজনে উইকিপিডিয়ার সহায়তা নিন।--> == উক্তি == <!-- নিচের লাইনে তারকা চিহ্নের পরে একটি উক্তি যুক্ত ক..." দিয়ে পাতা তৈরি
73974
wikitext
text/x-wiki
== উক্তি ==
*
**
== May madhab Roy baolraha hoo alixsan mey khara hane ka sahmat hoo keya mujhe ak chans ak moka ak bar liye neta ki asan prapt kara hashil kar sakta hoo সম্পর্কে উক্তি ==
*
**
== আরও দেখুন ==
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|May madhab Roy baolraha hoo alixsan mey khara hane ka sahmat hoo keya mujhe ak chans ak moka ak bar liye neta ki asan prapt kara hashil kar sakta hoo}}
2x4kuccm5j5f1sxiyjns95yckrhvpj3
73989
73974
2026-04-06T05:03:39Z
Nil Nandy
2294
Requesting speedy deletion (Nonsense). (TwinkleGlobal)
73989
wikitext
text/x-wiki
{{অপসারণ|1=Nonsense}}
== উক্তি ==
*
**
== May madhab Roy baolraha hoo alixsan mey khara hane ka sahmat hoo keya mujhe ak chans ak moka ak bar liye neta ki asan prapt kara hashil kar sakta hoo সম্পর্কে উক্তি ==
*
**
== আরও দেখুন ==
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|May madhab Roy baolraha hoo alixsan mey khara hane ka sahmat hoo keya mujhe ak chans ak moka ak bar liye neta ki asan prapt kara hashil kar sakta hoo}}
ckne2t1hm0m4dabpojkyrdbccfy1ko9
ক্লাউদিয়া শেইনবাউম
0
12077
73986
2026-04-06T04:55:11Z
Borhan
964
শুরু
73986
wikitext
text/x-wiki
phoiac9h4m842xq45sp7s6u21eteeq1
73992
73986
2026-04-06T05:12:00Z
Borhan
964
Borhan [[ক্লাউডিয়া শাইনবাউম]] পাতাটিকে [[ক্লাউদিয়া শেইনবাউম]] শিরোনামে কোনো পুনর্নির্দেশনা ছাড়াই স্থানান্তর করেছেন
73986
wikitext
text/x-wiki
phoiac9h4m842xq45sp7s6u21eteeq1
73993
73992
2026-04-06T05:13:20Z
Borhan
964
+
73993
wikitext
text/x-wiki
'''[[উইকিপিডিয়া:Claudia Sheinbaum|ক্লাউদিয়া শেইনবাইম পার্দো]]''' (জন্ম: ২৪ জুন ১৯৬২) একজন মেক্সিকীয় রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ এবং শক্তি ও জলবায়ু পরিবর্তন বিজ্ঞানী। তিনি ২০২৪ সাল থেকে [[উইকিপিডিয়া:President of Mexico|মেক্সিকোর ৬৬তম এবং বর্তমান রাষ্ট্রপতি।]] তিনি এই পদে অধিষ্ঠিত প্রথম নারী। জাতীয় পুনর্জন্ম আন্দোলনের (মোরেনা) একজন সদস্য হিসেবে তিনি পূর্বে ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত মেক্সিকো শহরের সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৪ সালে ''ফোর্বস'' শেইনবাইমকে বিশ্বের চতুর্থ শীর্ষ শক্তিশালী নারী হিসেবে স্থান দেয়।
== উক্তি ==
* মেক্সিকো হস্তক্ষেপ মেনে নেয় না, হস্তক্ষেপবাদও মেনে নেয় না – আমরা একটি স্বাধীন, স্বতন্ত্র ও সার্বভৌম দেশ।
** '''[https://edition.cnn.com/2025/10/05/americas/claudia-sheinbaum-popularity-analysis-intl-latam#:~:text=Though%20she%20has%20delivered%20on,face%20challenges%20in%20this%20area. ট্রাম্পের সঙ্গে বিশ্বকাপ থেকে বিচক্ষণতা: এক বছর পরেও কেন মেক্সিকোর রাষ্ট্রপতি এত জনপ্রিয়,]''' ৬ অক্টোবর ২০২৫
* আমি তাকে বললাম, ‘না, রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প, আমাদের ভূখণ্ড অলঙ্ঘনীয়, আমাদের সার্বভৌমত্ব অলঙ্ঘনীয়, আমাদের সার্বভৌমত্ব বিক্রয়যোগ্য নয়।’
* আমরা আমাদের ভূখণ্ডে মার্কিন সেনাবাহিনীর উপস্থিতি কখনোই মেনে নেব না।
** [https://www.lemonde.fr/en/international/article/2025/05/03/sheinbaum-says-she-told-trump-no-on-his-offer-to-send-us-troops-to-mexico-our-sovereignty-is-not-for-sale_6740884_4.html '''শেইনবাইম মেক্সিকোতে মার্কিন সেনা পাঠানোর প্রস্তাবে ট্রাম্পকে বলেন: 'না, আমাদের সার্বভৌমত্ব বিক্রয়যোগ্য নয়'''] ', ৩ মে ২০২৫, সংগৃহীত ৪ মে ২০২৫
* রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল যে অধ্যাদেশগুলোতে স্বাক্ষর করেছেন, সে বিষয়ে আমি নিম্নলিখিত কথাগুলো বলতে চাই: মেক্সিকোর জনগণ নিশ্চিত থাকতে পারেন যে, আমরা সর্বদা আমাদের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা রক্ষা করব।
** '''[https://www.cfr.org/blog/women-week-mexican-president-claudia-sheinbaum-responds-executive-orders-and-threats-president এই সপ্তাহে নারী: রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ ও হুমকির জবাবে মেক্সিকোর রাষ্ট্রপতি ক্লাউদিয়া শেইনবাইমের প্রতিক্রিয়া]''', ২৪ জানুয়ারী ২০২৫
* এটি এমন একটি নীতিবাক্য যা রাষ্ট্রপতিকে অবশ্যই মেনে চলতে হবে।
* যদিও ট্রাম্প ইতোমধ্যেই একের পর এক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন
* সর্বদা মাথা ঠান্ডা রাখা জরুরি।
* আমাদের জন্য এটি মেক্সিকো উপসাগরই থাকবে।
* ছানি অপারেশনের কথা ভুলবেন না—এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
* তারা যে বেঁচে গিয়েছিল তা এক অলৌকিক ঘটনা ছিল।
* সেই প্রজন্মের পরিবারের অনেক সদস্যকে নির্মূল করা হয়েছিল।
* আমি ধর্ম ছাড়াই বড় হয়েছি
** '''[https://www.newyorker.com/magazine/2025/04/28/claudia-sheinbaum-profile মেক্সিকোর রাষ্ট্রপতি যিনি ট্রাম্পের মুখোমুখি হচ্ছেন]''', ২১ এপ্রিল ২০২৫
* নারীদের জন্য সময় এসেছে
* আমাদের সুন্দর জাতির ভাগ্য নির্ধারণ করতে নারীদের আগমন ঘটেছে।
* স্বাস্থ্য ও শিক্ষা মেক্সিকোর জনগণের অধিকার, কোনো বিশেষ সুবিধা বা পণ্য নয়।
* আমি একজন মা, দাদি/নানি, বিজ্ঞানী, ধর্মপ্রাণ নারী এবং এখন রাষ্ট্রপতি।
* আমি তোমাদের হতাশ করব না।
** '''[https://www.bbc.com/news/articles/ce3z263453lo.amp মেক্সিকোর প্রথম নারী রাষ্ট্রপতি অঙ্গীকার করেছেন, ‘এখন নারীদের সময়’,]''' ২ অক্টোবর ২০২৪
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:নারীবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:নারী সক্রিয়কর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রকৌশলী]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৬২-এ জন্ম]]
ak1f34zlnpvm96hv589jg0rv4ou9uc3
73994
73993
2026-04-06T05:14:02Z
Borhan
964
73994
wikitext
text/x-wiki
'''[[উইকিপিডিয়া:Claudia Sheinbaum|ক্লাউদিয়া শেইনবাউম পার্দো]]''' (জন্ম: ২৪ জুন ১৯৬২) একজন মেক্সিকীয় রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ এবং শক্তি ও জলবায়ু পরিবর্তন বিজ্ঞানী। তিনি ২০২৪ সাল থেকে [[উইকিপিডিয়া:President of Mexico|মেক্সিকোর ৬৬তম এবং বর্তমান রাষ্ট্রপতি।]] তিনি এই পদে অধিষ্ঠিত প্রথম নারী। জাতীয় পুনর্জন্ম আন্দোলনের (মোরেনা) একজন সদস্য হিসেবে তিনি পূর্বে ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত মেক্সিকো শহরের সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৪ সালে ''ফোর্বস'' শেইনবাউমকে বিশ্বের চতুর্থ শীর্ষ শক্তিশালী নারী হিসেবে স্থান দেয়।
== উক্তি ==
* মেক্সিকো হস্তক্ষেপ মেনে নেয় না, হস্তক্ষেপবাদও মেনে নেয় না – আমরা একটি স্বাধীন, স্বতন্ত্র ও সার্বভৌম দেশ।
** '''[https://edition.cnn.com/2025/10/05/americas/claudia-sheinbaum-popularity-analysis-intl-latam#:~:text=Though%20she%20has%20delivered%20on,face%20challenges%20in%20this%20area. ট্রাম্পের সঙ্গে বিশ্বকাপ থেকে বিচক্ষণতা: এক বছর পরেও কেন মেক্সিকোর রাষ্ট্রপতি এত জনপ্রিয়,]''' ৬ অক্টোবর ২০২৫
* আমি তাকে বললাম, ‘না, রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প, আমাদের ভূখণ্ড অলঙ্ঘনীয়, আমাদের সার্বভৌমত্ব অলঙ্ঘনীয়, আমাদের সার্বভৌমত্ব বিক্রয়যোগ্য নয়।’
* আমরা আমাদের ভূখণ্ডে মার্কিন সেনাবাহিনীর উপস্থিতি কখনোই মেনে নেব না।
** [https://www.lemonde.fr/en/international/article/2025/05/03/sheinbaum-says-she-told-trump-no-on-his-offer-to-send-us-troops-to-mexico-our-sovereignty-is-not-for-sale_6740884_4.html '''শেইনবাউম মেক্সিকোতে মার্কিন সেনা পাঠানোর প্রস্তাবে ট্রাম্পকে বলেন: 'না, আমাদের সার্বভৌমত্ব বিক্রয়যোগ্য নয়'''] ', ৩ মে ২০২৫, সংগৃহীত ৪ মে ২০২৫
* রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল যে অধ্যাদেশগুলোতে স্বাক্ষর করেছেন, সে বিষয়ে আমি নিম্নলিখিত কথাগুলো বলতে চাই: মেক্সিকোর জনগণ নিশ্চিত থাকতে পারেন যে, আমরা সর্বদা আমাদের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা রক্ষা করব।
** '''[https://www.cfr.org/blog/women-week-mexican-president-claudia-sheinbaum-responds-executive-orders-and-threats-president এই সপ্তাহে নারী: রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ ও হুমকির জবাবে মেক্সিকোর রাষ্ট্রপতি ক্লাউদিয়া শেইনবাউমের প্রতিক্রিয়া]''', ২৪ জানুয়ারী ২০২৫
* এটি এমন একটি নীতিবাক্য যা রাষ্ট্রপতিকে অবশ্যই মেনে চলতে হবে।
* যদিও ট্রাম্প ইতোমধ্যেই একের পর এক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন
* সর্বদা মাথা ঠান্ডা রাখা জরুরি।
* আমাদের জন্য এটি মেক্সিকো উপসাগরই থাকবে।
* ছানি অপারেশনের কথা ভুলবেন না—এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
* তারা যে বেঁচে গিয়েছিল তা এক অলৌকিক ঘটনা ছিল।
* সেই প্রজন্মের পরিবারের অনেক সদস্যকে নির্মূল করা হয়েছিল।
* আমি ধর্ম ছাড়াই বড় হয়েছি
** '''[https://www.newyorker.com/magazine/2025/04/28/claudia-sheinbaum-profile মেক্সিকোর রাষ্ট্রপতি যিনি ট্রাম্পের মুখোমুখি হচ্ছেন]''', ২১ এপ্রিল ২০২৫
* নারীদের জন্য সময় এসেছে
* আমাদের সুন্দর জাতির ভাগ্য নির্ধারণ করতে নারীদের আগমন ঘটেছে।
* স্বাস্থ্য ও শিক্ষা মেক্সিকোর জনগণের অধিকার, কোনো বিশেষ সুবিধা বা পণ্য নয়।
* আমি একজন মা, দাদি/নানি, বিজ্ঞানী, ধর্মপ্রাণ নারী এবং এখন রাষ্ট্রপতি।
* আমি তোমাদের হতাশ করব না।
** '''[https://www.bbc.com/news/articles/ce3z263453lo.amp মেক্সিকোর প্রথম নারী রাষ্ট্রপতি অঙ্গীকার করেছেন, ‘এখন নারীদের সময়’,]''' ২ অক্টোবর ২০২৪
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:নারীবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:নারী সক্রিয়কর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রকৌশলী]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৬২-এ জন্ম]]
iode2y8lkmtok05xanrtnvz2exc59lw
74017
73994
2026-04-06T06:17:56Z
Borhan
964
74017
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:ক্লাউদিয়া শেইনবাউম|ক্লাউদিয়া শেইনবাউম পার্দো]]''' (জন্ম: ২৪ জুন ১৯৬২) একজন মেক্সিকীয় রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ এবং শক্তি ও জলবায়ু পরিবর্তন বিজ্ঞানী। তিনি ২০২৪ সাল থেকে [[উইকিপিডিয়া:President of Mexico|মেক্সিকোর ৬৬তম এবং বর্তমান রাষ্ট্রপতি।]] তিনি এই পদে অধিষ্ঠিত প্রথম নারী। জাতীয় পুনর্জন্ম আন্দোলনের একজন সদস্য হিসেবে তিনি পূর্বে ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত মেক্সিকো শহরের সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৪ সালে ''ফোর্বস'' শেইনবাউমকে বিশ্বের চতুর্থ শীর্ষ শক্তিশালী নারী হিসেবে স্থান দেয়।
== উক্তি ==
* মেক্সিকো হস্তক্ষেপ মেনে নেয় না, হস্তক্ষেপবাদও মেনে নেয় না – আমরা একটি স্বাধীন, স্বতন্ত্র ও সার্বভৌম দেশ।
** '''[https://edition.cnn.com/2025/10/05/americas/claudia-sheinbaum-popularity-analysis-intl-latam#:~:text=Though%20she%20has%20delivered%20on,face%20challenges%20in%20this%20area. ট্রাম্পের সঙ্গে বিশ্বকাপ থেকে বিচক্ষণতা: এক বছর পরেও কেন মেক্সিকোর রাষ্ট্রপতি এত জনপ্রিয়,]''' ৬ অক্টোবর ২০২৫
* আমি তাকে বললাম, ‘না, রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প, আমাদের ভূখণ্ড অলঙ্ঘনীয়, আমাদের সার্বভৌমত্ব অলঙ্ঘনীয়, আমাদের সার্বভৌমত্ব বিক্রয়যোগ্য নয়।’
* আমরা আমাদের ভূখণ্ডে মার্কিন সেনাবাহিনীর উপস্থিতি কখনোই মেনে নেব না।
** [https://www.lemonde.fr/en/international/article/2025/05/03/sheinbaum-says-she-told-trump-no-on-his-offer-to-send-us-troops-to-mexico-our-sovereignty-is-not-for-sale_6740884_4.html '''শেইনবাউম মেক্সিকোতে মার্কিন সেনা পাঠানোর প্রস্তাবে ট্রাম্পকে বলেন: 'না, আমাদের সার্বভৌমত্ব বিক্রয়যোগ্য নয়'''] ', ৩ মে ২০২৫, সংগৃহীত ৪ মে ২০২৫
* রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল যে অধ্যাদেশগুলোতে স্বাক্ষর করেছেন, সে বিষয়ে আমি নিম্নলিখিত কথাগুলো বলতে চাই: মেক্সিকোর জনগণ নিশ্চিত থাকতে পারেন যে, আমরা সর্বদা আমাদের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা রক্ষা করব।
** '''[https://www.cfr.org/blog/women-week-mexican-president-claudia-sheinbaum-responds-executive-orders-and-threats-president এই সপ্তাহে নারী: রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ ও হুমকির জবাবে মেক্সিকোর রাষ্ট্রপতি ক্লাউদিয়া শেইনবাউমের প্রতিক্রিয়া]''', ২৪ জানুয়ারি ২০২৫
* এটি এমন একটি নীতিবাক্য যা রাষ্ট্রপতিকে অবশ্যই মেনে চলতে হবে।
* যদিও ট্রাম্প ইতোমধ্যেই একের পর এক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন
* সর্বদা মাথা ঠান্ডা রাখা জরুরি।
* আমাদের জন্য এটি মেক্সিকো উপসাগরই থাকবে।
* ছানি অপারেশনের কথা ভুলবেন না—এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
* তারা যে বেঁচে গিয়েছিল তা এক অলৌকিক ঘটনা ছিল।
* সেই প্রজন্মের পরিবারের অনেক সদস্যকে নির্মূল করা হয়েছিল।
* আমি ধর্ম ছাড়াই বড় হয়েছি
** '''[https://www.newyorker.com/magazine/2025/04/28/claudia-sheinbaum-profile মেক্সিকোর রাষ্ট্রপতি যিনি ট্রাম্পের মুখোমুখি হচ্ছেন]''', ২১ এপ্রিল ২০২৫
* নারীদের জন্য সময় এসেছে
* আমাদের সুন্দর জাতির ভাগ্য নির্ধারণ করতে নারীদের আগমন ঘটেছে।
* স্বাস্থ্য ও শিক্ষা মেক্সিকোর জনগণের অধিকার, কোনো বিশেষ সুবিধা বা পণ্য নয়।
* আমি একজন মা, দাদি/নানি, বিজ্ঞানী, ধর্মপ্রাণ নারী এবং এখন রাষ্ট্রপতি।
* আমি তোমাদের হতাশ করব না।
** '''[https://www.bbc.com/news/articles/ce3z263453lo.amp মেক্সিকোর প্রথম নারী রাষ্ট্রপতি অঙ্গীকার করেছেন, ‘এখন নারীদের সময়’,]''' ২ অক্টোবর ২০২৪
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:নারীবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:নারী সক্রিয়কর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রকৌশলী]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৬২-এ জন্ম]]
h4uhgdi3xd71x4tibwz1hc95own1idp
74020
74017
2026-04-06T06:22:41Z
Borhan
964
74020
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:ক্লাউদিয়া শেইনবাউম|ক্লাউদিয়া শেইনবাউম পার্দো]]''' (জন্ম: ২৪ জুন ১৯৬২) একজন মেক্সিকীয় রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ এবং শক্তি ও জলবায়ু পরিবর্তন বিজ্ঞানী। তিনি ২০২৪ সাল থেকে [[w:মেক্সিকোর রাষ্ট্রপতি|মেক্সিকোর ৬৬তম এবং বর্তমান রাষ্ট্রপতি।]] তিনি এই পদে অধিষ্ঠিত প্রথম নারী। জাতীয় পুনর্জন্ম আন্দোলনের একজন সদস্য হিসেবে তিনি পূর্বে ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত মেক্সিকো শহরের সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৪ সালে ''ফোর্বস'' শেইনবাউমকে বিশ্বের চতুর্থ শীর্ষ শক্তিশালী নারী হিসেবে স্থান দেয়।
== উক্তি ==
* মেক্সিকো হস্তক্ষেপ মেনে নেয় না, হস্তক্ষেপবাদও মেনে নেয় না – আমরা একটি স্বাধীন, স্বতন্ত্র ও সার্বভৌম দেশ।
** '''[https://edition.cnn.com/2025/10/05/americas/claudia-sheinbaum-popularity-analysis-intl-latam#:~:text=Though%20she%20has%20delivered%20on,face%20challenges%20in%20this%20area. ট্রাম্পের সঙ্গে বিশ্বকাপ থেকে বিচক্ষণতা: এক বছর পরেও কেন মেক্সিকোর রাষ্ট্রপতি এত জনপ্রিয়,]''' ৬ অক্টোবর ২০২৫
* আমি তাকে বললাম, ‘না, রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প, আমাদের ভূখণ্ড অলঙ্ঘনীয়, আমাদের সার্বভৌমত্ব অলঙ্ঘনীয়, আমাদের সার্বভৌমত্ব বিক্রয়যোগ্য নয়।’
* আমরা আমাদের ভূখণ্ডে মার্কিন সেনাবাহিনীর উপস্থিতি কখনোই মেনে নেব না।
** [https://www.lemonde.fr/en/international/article/2025/05/03/sheinbaum-says-she-told-trump-no-on-his-offer-to-send-us-troops-to-mexico-our-sovereignty-is-not-for-sale_6740884_4.html '''শেইনবাউম মেক্সিকোতে মার্কিন সেনা পাঠানোর প্রস্তাবে ট্রাম্পকে বলেন: 'না, আমাদের সার্বভৌমত্ব বিক্রয়যোগ্য নয়'''] ', ৩ মে ২০২৫, সংগৃহীত ৪ মে ২০২৫
* রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল যে অধ্যাদেশগুলোতে স্বাক্ষর করেছেন, সে বিষয়ে আমি নিম্নলিখিত কথাগুলো বলতে চাই: মেক্সিকোর জনগণ নিশ্চিত থাকতে পারেন যে, আমরা সর্বদা আমাদের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা রক্ষা করব।
** '''[https://www.cfr.org/blog/women-week-mexican-president-claudia-sheinbaum-responds-executive-orders-and-threats-president এই সপ্তাহে নারী: রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ ও হুমকির জবাবে মেক্সিকোর রাষ্ট্রপতি ক্লাউদিয়া শেইনবাউমের প্রতিক্রিয়া]''', ২৪ জানুয়ারি ২০২৫
* এটি এমন একটি নীতিবাক্য যা রাষ্ট্রপতিকে অবশ্যই মেনে চলতে হবে।
* যদিও ট্রাম্প ইতোমধ্যেই একের পর এক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন
* সর্বদা মাথা ঠান্ডা রাখা জরুরি।
* আমাদের জন্য এটি মেক্সিকো উপসাগরই থাকবে।
* ছানি অপারেশনের কথা ভুলবেন না—এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
* তারা যে বেঁচে গিয়েছিল তা এক অলৌকিক ঘটনা ছিল।
* সেই প্রজন্মের পরিবারের অনেক সদস্যকে নির্মূল করা হয়েছিল।
* আমি ধর্ম ছাড়াই বড় হয়েছি
** '''[https://www.newyorker.com/magazine/2025/04/28/claudia-sheinbaum-profile মেক্সিকোর রাষ্ট্রপতি যিনি ট্রাম্পের মুখোমুখি হচ্ছেন]''', ২১ এপ্রিল ২০২৫
* নারীদের জন্য সময় এসেছে
* আমাদের সুন্দর জাতির ভাগ্য নির্ধারণ করতে নারীদের আগমন ঘটেছে।
* স্বাস্থ্য ও শিক্ষা মেক্সিকোর জনগণের অধিকার, কোনো বিশেষ সুবিধা বা পণ্য নয়।
* আমি একজন মা, দাদি/নানি, বিজ্ঞানী, ধর্মপ্রাণ নারী এবং এখন রাষ্ট্রপতি।
* আমি তোমাদের হতাশ করব না।
** '''[https://www.bbc.com/news/articles/ce3z263453lo.amp মেক্সিকোর প্রথম নারী রাষ্ট্রপতি অঙ্গীকার করেছেন, ‘এখন নারীদের সময়’,]''' ২ অক্টোবর ২০২৪
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:নারীবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:নারী সক্রিয়কর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রকৌশলী]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৬২-এ জন্ম]]
plevstpodvbaamnyc1f01t7yi2uwtz8
আনাক্সাগোরাস
0
12078
74013
2026-04-06T06:09:07Z
SMontaha32
3112
"[[File:Anaxagoras Lebiedzki Rahl.jpg|thumb|right|সবকিছু একসাথে ছিল, সংখ্যা এবং ক্ষুদ্রতা উভয় ক্ষেত্রেই ছিল অসীম; কারণ ক্ষুদ্রতাও ছিল অসীম।]] '''[[অ্যানাক্সাগোরাস]]''' (আনুমানিক ৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ – ৪২৮ খ..." দিয়ে পাতা তৈরি
74013
wikitext
text/x-wiki
[[File:Anaxagoras Lebiedzki Rahl.jpg|thumb|right|সবকিছু একসাথে ছিল, সংখ্যা এবং ক্ষুদ্রতা উভয় ক্ষেত্রেই ছিল অসীম; কারণ ক্ষুদ্রতাও ছিল অসীম।]]
'''[[অ্যানাক্সাগোরাস]]''' (আনুমানিক ৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ – ৪২৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) ছিলেন এশিয়া মাইনরের ক্লাজোমেনাইয়ের একজন [[সক্রেটিস-পূর্ব দর্শন|সক্রেটিস-পূর্ব]] [[গ্রিক দর্শন|গ্রিক দার্শনিক]]। তিনি মহাবিশ্বের একটি শৃঙ্খলারক্ষাকারী শক্তি হিসেবে ''[[নোস]]'' (মন) ধারণাটি প্রবর্তন করেন। তিনি বস্তুগত পদার্থকে অবিনশ্বর প্রাথমিক উপাদানগুলোর একটি অসীম সমষ্টি হিসেবে বিবেচনা করতেন; যেখানে সব কিছুর সৃষ্টি এবং ধ্বংসকে তিনি যথাক্রমে মিশ্রণ এবং পৃথকীকরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
== উক্তি ==
* গ্রিকরা ভুলভাবে মনে করে যে কোনো কিছুর শুরু বা শেষ আছে; কারণ কোনো কিছুই নতুন করে সৃষ্টি হয় না বা ধ্বংস হয় না; বরং সবকিছুই পূর্ব-বিদ্যমান জিনিসের সমষ্টি বা নিঃসরণ: তাই সব কিছু সৃষ্টি হওয়াকে আরও সঠিকভাবে 'মিশ্রিত হওয়া' এবং সব বিনাশকে 'পৃথক হওয়া' বলা যেতে পারে।
** হেইনরিখ রিটার (১৮৩৮) দ্বারা উদ্ধৃত।
* সবকিছু একসাথে ছিল, সংখ্যা এবং ক্ষুদ্রতা উভয় ক্ষেত্রেই ছিল অসীম; কারণ ক্ষুদ্রতাও ছিল অসীম।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* আর যেহেতু বিষয়গুলো এমন, তাই আমাদের ধরে নিতে হবে যে মিলিত হওয়া জিনিসগুলোর মধ্যে অনেক ধরণের জিনিস এবং সব ধরণের জিনিসের বীজ বিদ্যমান, যাদের রয়েছে সব ধরণের আকার, রঙ এবং স্বাদ।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ৪, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* মন অসীম এবং স্ব-শাসিত, এবং এটি কোনো কিছুর সাথে মিশ্রিত নয়, বরং এটি একা নিজেই নিজের মধ্যে বিদ্যমান।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১২, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* চিন্তা হলো সীমাহীন এবং স্বাধীন কিছু, এবং এটি কোনো জিনিসের সাথে মিশ্রিত হয়নি বরং একাই অবস্থান করে। ... এর সাথে যা কিছু মিশ্রিত হতো তা এটিকে বর্তমানের মতো সব কিছুর ওপর ক্ষমতা রাখা থেকে বিরত রাখত। ... কারণ এটি সব কিছুর মধ্যে সবচেয়ে সূক্ষ্ম এবং বিশুদ্ধ।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১২, জোনাথন বার্নসের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯৮৪) থেকে উদ্ধৃত।
* গ্রিকরা সৃষ্টি হওয়া এবং শেষ হয়ে যাওয়ার কথা বলে একটি ভুল রীতি অনুসরণ করে; কারণ কোনো কিছুই সৃষ্টি হয় না বা শেষ হয়ে যায় না, বরং যা আছে তারই কেবল মিশ্রণ এবং বিচ্ছেদ ঘটে। তাই তাদের উচিত সৃষ্টি হওয়াকে 'মিশ্রণ' এবং শেষ হয়ে যাওয়াকে 'পৃথকীকরণ' বলা।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১৭, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* সূর্যই চাঁদকে উজ্জ্বলতা প্রদান করে।
** প্লুটার্কের 'দ্য ফাসিয়ে ইন অরবে লুনা' (De facie in orbe lunae) থেকে উদ্ধৃত।
2eoe1x9bx5rscw1c5974mxuoz3jpxru
74014
74013
2026-04-06T06:11:43Z
SMontaha32
3112
74014
wikitext
text/x-wiki
[[File:Anaxagoras Lebiedzki Rahl.jpg|thumb|right|সবকিছু একসাথে ছিল, সংখ্যা এবং ক্ষুদ্রতা উভয় ক্ষেত্রেই ছিল অসীম; কারণ ক্ষুদ্রতাও ছিল অসীম।]]
'''[[অ্যানাক্সাগোরাস]]''' (আনুমানিক ৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ – ৪২৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) ছিলেন এশিয়া মাইনরের ক্লাজোমেনাইয়ের একজন [[সক্রেটিস-পূর্ব দর্শন|সক্রেটিস-পূর্ব]] [[গ্রিক দর্শন|গ্রিক দার্শনিক]]। তিনি মহাবিশ্বের একটি শৃঙ্খলারক্ষাকারী শক্তি হিসেবে ''[[নোস]]'' (মন) ধারণাটি প্রবর্তন করেন। তিনি বস্তুগত পদার্থকে অবিনশ্বর প্রাথমিক উপাদানগুলোর একটি অসীম সমষ্টি হিসেবে বিবেচনা করতেন; যেখানে সব কিছুর সৃষ্টি এবং ধ্বংসকে তিনি যথাক্রমে মিশ্রণ এবং পৃথকীকরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
== উক্তি ==
* গ্রিকরা ভুলভাবে মনে করে যে কোনো কিছুর শুরু বা শেষ আছে; কারণ কোনো কিছুই নতুন করে সৃষ্টি হয় না বা ধ্বংস হয় না; বরং সবকিছুই পূর্ব-বিদ্যমান জিনিসের সমষ্টি বা নিঃসরণ: তাই সব কিছু সৃষ্টি হওয়াকে আরও সঠিকভাবে 'মিশ্রিত হওয়া' এবং সব বিনাশকে 'পৃথক হওয়া' বলা যেতে পারে।
** হেইনরিখ রিটার (১৮৩৮) দ্বারা উদ্ধৃত।
* সবকিছু একসাথে ছিল, সংখ্যা এবং ক্ষুদ্রতা উভয় ক্ষেত্রেই ছিল অসীম; কারণ ক্ষুদ্রতাও ছিল অসীম।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* আর যেহেতু বিষয়গুলো এমন, তাই আমাদের ধরে নিতে হবে যে মিলিত হওয়া জিনিসগুলোর মধ্যে অনেক ধরণের জিনিস এবং সব ধরণের জিনিসের বীজ বিদ্যমান, যাদের রয়েছে সব ধরণের আকার, রঙ এবং স্বাদ।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ৪, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* মন অসীম এবং স্ব-শাসিত, এবং এটি কোনো কিছুর সাথে মিশ্রিত নয়, বরং এটি একা নিজেই নিজের মধ্যে বিদ্যমান।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১২, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* চিন্তা হলো সীমাহীন এবং স্বাধীন কিছু, এবং এটি কোনো জিনিসের সাথে মিশ্রিত হয়নি বরং একাই অবস্থান করে। ... এর সাথে যা কিছু মিশ্রিত হতো তা এটিকে বর্তমানের মতো সব কিছুর ওপর ক্ষমতা রাখা থেকে বিরত রাখত। ... কারণ এটি সব কিছুর মধ্যে সবচেয়ে সূক্ষ্ম এবং বিশুদ্ধ।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১২, জোনাথন বার্নসের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯৮৪) থেকে উদ্ধৃত।
* গ্রিকরা সৃষ্টি হওয়া এবং শেষ হয়ে যাওয়ার কথা বলে একটি ভুল রীতি অনুসরণ করে; কারণ কোনো কিছুই সৃষ্টি হয় না বা শেষ হয়ে যায় না, বরং যা আছে তারই কেবল মিশ্রণ এবং বিচ্ছেদ ঘটে। তাই তাদের উচিত সৃষ্টি হওয়াকে 'মিশ্রণ' এবং শেষ হয়ে যাওয়াকে 'পৃথকীকরণ' বলা।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১৭, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* সূর্যই চাঁদকে উজ্জ্বলতা প্রদান করে।
** প্লুটার্কের 'দ্য ফাসিয়ে ইন অরবে লুনা' (De facie in orbe lunae) থেকে উদ্ধৃত।
== অ্যানাক্সাগোরাস সম্পর্কে উক্তি ==
* আপনি যদি বিভিন্ন জাতির শ্রেষ্ঠ মেধাবীদের নিপীড়নের কারণগুলো পরীক্ষা করেন এবং পিথাগোরাস, অ্যানাক্সাগোরাস, সক্রেটিস, প্লেটো এবং অন্যদের নিপীড়ন ও নির্বাসনের কারণগুলোর তুলনা করেন, তবে দেখতে পাবেন যে প্রতিটি ক্ষেত্রেই অভিযোগ এবং নির্বাসনের কারণগুলো প্রায় অভিন্ন এবং ভিত্তিহীন ছিল। কিন্তু পরবর্তী শতাব্দীগুলোতে তাদের পূর্ণ সম্মান ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেন কোনোদিন কোনো মানহানি ঘটেনি। এটা বলাই সঠিক হবে যে, এই কর্মীরা তাদের সমসাময়িকদের চেতনার তুলনায় অনেক বেশি উন্নত ছিলেন এবং জল্লাদের তলোয়ার সর্বদা একটি উঁচু মস্তক কেটে ফেলার জন্য প্রস্তুত ছিল... মহান ব্যক্তিদের নিপীড়নের কারণগুলো নিয়ে একটি বই লেখা উচিত। কারণগুলোর তুলনা করলেই সেই অশুভ ইচ্ছার সন্ধান পাওয়া সম্ভব।
** [[অগ্নি যোগ]], ''সুপারমুন্ডেন'', (১৯৩৮), ২২২।
* গণিতে... গ্রিকদের দৃষ্টিভঙ্গি আগের নদীমাতৃক (potamic) সংস্কৃতিগুলো থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ছিল। এই বৈপরীত্য থেলিস এবং পিথাগোরাসের মধ্যে স্পষ্ট ছিল এবং এথেন্সের বীরত্বগাথার যুগেও তা অব্যাহত ছিল। ...অ্যানাক্সাগোরাস যখন কারাগারে ছিলেন, তখন তিনি [[বৃত্তকে বর্গক্ষেত্রে রূপান্তর|বৃত্তকে বর্গ করার]] প্রচেষ্টায় নিজেকে ব্যস্ত রেখেছিলেন... এটিই ছিল সেই সমস্যার প্রথম উল্লেখ যা ২০০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে গণিতবিদদের মুগ্ধ করে রেখেছিল। ...এখানে আমরা এমন এক ধরণের গণিত দেখতে পাই যা মিশরীয় এবং ব্যাবিলনীয়দের তুলনায় একেবারেই আলাদা। এটি সংখ্যা বিজ্ঞানের কেবল ব্যবহারিক প্রয়োগ নয়... বরং একটি তাত্ত্বিক প্রশ্ন যেখানে আনুমানিক নির্ভুলতা এবং চিন্তার সঠিকতার মধ্যে পার্থক্য নিহিত।
** [[কার্ল বেঞ্জামিন বোয়ার]], ''এ হিস্ট্রি অফ ম্যাথমেটিক্স'' (১৯৬৮)।
* [[বিগ ব্যাং]] এবং স্টিডি স্টেট (স্থির অবস্থা) তত্ত্বের বিতর্কটি আড়াই হাজার বছর আগের অ্যানাক্সিম্যান্ডার এবং অ্যানাক্সাগোরাসের ধারণার প্রতিধ্বনি করে। অ্যানাক্সাগোরাস কল্পনা করেছিলেন যে এক সময় "সবকিছু একসাথে ছিল" এবং মহাবিশ্বের চালিকাশক্তি একটি নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে উৎপন্ন হয়েছিল... অন্যদিকে অ্যানাক্সিম্যান্ডার এমন একটি মহাবিশ্ব চেয়েছিলেন যা "অসীম" দ্বারা নির্ধারিত এবং একটি শাশ্বত মহাবিশ্বে বস্তুর সৃষ্টি ও বিনাশের ভারসাম্য ব্যাখ্যা করার জন্য তাঁর একটি "অনন্ত গতির" প্রয়োজন ছিল... প্রাচীন দর্শনেই মহাবিশ্বের সৃষ্টি একটি একক বিন্দু থেকে শুরু হওয়া বনাম একটি শাশ্বত মহাবিশ্বে নিরন্তর সৃষ্টির বিকল্পগুলো নিয়ে বিতর্ক চলছিল।
** ডেভিড এইচ. ক্লার্ক ও ম্যাথিউ ডি. এইচ. ক্লার্ক, ''মেজারিং দ্য কসমস'' (২০০৪)।
* অ্যানাক্সাগোরাস 'ইথার' নামক আরেকটি উপাদানের অস্তিত্বের কথা বলেছিলেন, যা নিরন্তর ঘূর্ণায়মান এবং এটি তার সাথে স্বর্গীয় বস্তুগুলোকে বহন করে। তিনি আরও বিশ্বাস করতেন যে প্রকৃতিতে একটি পরিচালক বুদ্ধিমত্তা রয়েছে যাকে তিনি [[নোস|''নোস'']] বলতেন, যা অন্যথায় বিশৃঙ্খল মহাবিশ্বকে শৃঙ্খলা প্রদান করে। ''নোস'' বলতে তিনি আক্ষরিক অর্থে "মহাবিশ্বের মন" বুঝিয়েছেন... অ্যানাক্সাগোরাস ছিলেন আয়োনীয় পদার্থবিদদের মধ্যে শেষ ব্যক্তি।
** [[জন ফ্রিলি]], ''বিফোর গ্যালিলিও: দ্য বার্থ অফ মডার্ন সায়েন্স ইন মেডিয়েভাল ইউরোপ'' (২০১২)।
* ব্যাখ্যার অন্তহীন ক্রম অ্যানাক্সাগোরাসের দর্শনে সুষ্পষ্ট। এমনকি যে উপাদানগুলো দিয়ে কোনো কিছু গঠিত এবং যা তার আচরণের জন্য দায়ী, সেগুলো নিজেরাও অন্য উপাদান দিয়ে গঠিত। [...] প্রতিটি ক্ষেত্রে, আচরণ হলো প্রধান বৈশিষ্ট্য (যা তাকে এমন বা তেমন দেখায়) এবং লুকানো বৈশিষ্ট্য (যা অবোধ্য কাজ ঘটাতে পারে) উভয়েরই ফলাফল। আর এই দ্বৈত ব্যাখ্যা দৈনন্দিন জীবনে দেখা স্থূল বস্তুগুলোর মতো লুকানো উপাদানগুলোর ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য। কিন্তু অ্যানাক্সাগোরাসের জন্য এটি সত্য যে নীতিগতভাবে বস্তুগত গঠন প্রতিটি বস্তুর বর্তমান আচরণের কারণ হবে। তবে যদি জিনিসটি জীবন্ত হয়, তবে সেই ব্যাখ্যাটি অন্য একটি নীতির আবেদনের মাধ্যমে পরিপূরক হতে হবে, যাকে অ্যানাক্সাগোরাস 'মন' বলেছেন।
** ক্যাথরিন অসবোর্ন, ''প্রি-সক্রেটিক ফিলোসফি: এ ভেরি শর্ট ইন্ট্রোডাকশন'' (২০০৪)।
* আমার প্রিয় মেলেটাস, তুমি কি মনে করো যে তুমি অ্যানাক্সাগোরাসের বিচার করছ? তুমি কি এই পুরুষদের অবজ্ঞা করো এবং তাদের চিঠিপত্র সম্পর্কে এতটাই অজ্ঞ মনে করো যে এটি জানো না যে ক্লাজোমেনাইয়ের অ্যানাক্সাগোরাসের বইগুলো এই তত্ত্বগুলোতে পূর্ণ? তদুপরি, যুবকরা আমার কাছ থেকে যা শিখে তা তারা মাঝে মাঝে বইয়ের দোকান থেকে বড়জোর এক ড্রাকমায় কিনতে পারে। তারা সক্রেটিসকে উপহাস করবে যদি সে দাবি করে যে এই তত্ত্বগুলো তার নিজের, বিশেষ করে যখন সেগুলো এতই অদ্ভুত। হে জিউস, মেলেটাস, তুমি কি আমার সম্পর্কে এটিই ভাবো যে আমি কোনো দেবতায় বিশ্বাস করি না? — আমি এটিই বলছি যে তুমি দেবতায় মোটেই বিশ্বাস করো না।
** [[প্লেটো]], ''অ্যাপোলজি'', ২৬ডি-২৬ই।
* অ্যানাক্সাগোরাস মনে করতেন যে সবকিছুই অসীমভাবে বিভাজ্য, এবং এমনকি পদার্থের ক্ষুদ্রতম অংশেও প্রতিটি উপাদানের কিছু অংশ থাকে। জিনিসগুলোকে তেমন দেখায় যে উপাদানটি তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি থাকে। উদাহরণস্বরূপ, সবকিছুর মধ্যেই কিছু আগুন থাকে, কিন্তু আমরা তাকে তখনই আগুন বলি যখন সেই উপাদানটি সেখানে প্রাধান্য পায়। তিনি শূন্যস্থানের বিরুদ্ধে যুক্তি দিয়েছিলেন।
** [[বারট্রান্ড রাসেল]], ''এ হিস্ট্রি অফ ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি'' (১৯৪৫)।
* বিজ্ঞানে [অ্যানাক্সাগোরাসের] অনেক অবদান ছিল। তিনিই প্রথম ব্যাখ্যা করেছিলেন যে চাঁদ প্রতিফলিত আলোতে জ্বলে... অ্যানাক্সাগোরাস গ্রহণ সম্পর্কে সঠিক তত্ত্ব দিয়েছিলেন এবং জানতেন যে চাঁদ সূর্যের নিচে অবস্থিত। তিনি বলেছিলেন সূর্য ও নক্ষত্রগুলো হলো অগ্নিময় পাথর, কিন্তু নক্ষত্রগুলো অনেক দূরে হওয়ায় আমরা তাদের তাপ অনুভব করি না। সূর্য পেলোপোনেসাসের চেয়েও বড়। চাঁদে পাহাড় আছে এবং (তিনি ভেবেছিলেন) সেখানে অধিবাসীও আছে।
** [[বারট্রান্ড রাসেল]], প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা ৬৩।
* অ্যানাক্সাগোরাস অধিবিদ্যার চেয়ে পদার্থবিদ্যা অধ্যয়নের দিকে বেশি ঝুঁকেছিলেন, যে কারণে প্লেটো এবং অ্যারিস্টটল তাঁকে চূড়ান্ত কারণগুলোকে যথেষ্ট গুরুত্ব না দেওয়ার জন্য অভিযুক্ত করেছেন। তিনি উদ্ভিদ ও প্রাণীর গঠন এবং এমনকি মহাকাশীয় ঘটনাগুলোকে ভৌত নীতির মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেছিলেন; যা তাঁর বিরুদ্ধে নাস্তিকতার অভিযোগ এনেছিল। তবুও, তিনি ইন্দ্রিয়ের সাক্ষ্যকে বিষয়গতভাবে সত্য বলে গণ্য করতেন; কিন্তু বস্তুনিষ্ঠ সত্য অর্জনের জন্য তা অপর্যাপ্ত ছিল, যা ছিল যুক্তির বিশেষাধিকার।
** [[উইলহেম গটলিব টেনেমান]], ''এ ম্যানুয়াল অফ দ্য হিস্ট্রি অফ ফিলোসফি'' (১৮৭০)।
* অ্যানাক্সাগোরাস বলেন যে অনুভুতি বা সংবেদন বিপরীত জিনিসের মাধ্যমে উৎপন্ন হয়; কারণ একই ধরণের জিনিস একই ধরণের জিনিসের দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে না। ...ঠিক একইভাবে আমরা স্পর্শ এবং স্বাদের মাধ্যমে বস্তুগুলোকে শনাক্ত করি। যা আমাদের শরীরের সমান উষ্ণ বা সমান ঠান্ডা, তা আমাদের উষ্ণ বা শীতল কোনোটিই করে না... আমরা ঠান্ডা জানি গরমের মাধ্যমে, মিষ্টি জানি টকের মাধ্যমে। ...এবং সব সংবেদনই যন্ত্রণা বহন করে... কারণ সব বিজাতীয় জিনিস তাদের স্পর্শের মাধ্যমে যন্ত্রণা তৈরি করে। অত্যধিক উজ্জ্বল রঙ এবং অতিরিক্ত শব্দ যন্ত্রণা দেয়।
** [[থিওফ্রেস্টাস]], ''ডি সেনসু'' বা ''অন সেন্স পারসেপশন'' (আনুমানিক ৩৩০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ)।
=== ''আর্লি গ্রিক ফিলোসফি'' (১৯০৮) ===
<small>[[জন বার্নেট]] রচিত।</small>
* আমরা ধরে নিতে পারি যে অ্যানাক্সাগোরাস এমন একটি পরিবারের সদস্য ছিলেন যারা রাষ্ট্রে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছিলেন। **অ্যানাক্সাগোরাস বিজ্ঞানের সাধনায় তাঁর ধন-সম্পদ অবহেলা করেছিলেন**—এই ঐতিহ্যকেও আমাদের প্রত্যাখ্যান করার প্রয়োজন নেই। ...চতুর্থ শতাব্দীতে তাঁকে **এমন একজন মানুষের আদর্শ হিসেবে গণ্য করা হতো যিনি "তাত্ত্বিক জীবন" যাপন করেন।**
* অ্যানাক্সাগোরাসের প্রথম জীবনের একটি ঘটনা হলো ৪৬৮-৬৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে **আইগোস্পোটামিতে একটি বিশাল উল্কাপাতের পর্যবেক্ষণ।** ...এটি সম্ভবত তাঁর আদিম বিশ্বতত্ত্ব থেকে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিচ্যুতির কারণ ছিল এবং এর ফলে এমন এক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হয়েছিল যার জন্য তাঁকে এথেন্সে দণ্ডিত হতে হয়েছিল।
* **অ্যানাক্সাগোরাস ছিলেন প্রথম দার্শনিক যিনি এথেন্সে বসবাস শুরু করেন।**
* আমরা ভাবব না যে তিনি এথেনীয়দের চরিত্রের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে সেখানে গিয়েছিলেন। ...**এথেন্স হেলেনীয় বিশ্বের রাজনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল; কিন্তু তখনও সেখানে কোনো বিজ্ঞানমনস্ক মানুষ তৈরি হয়নি। ...নাগরিকদের মানসিকতা অবাধ অনুসন্ধানের প্রতি প্রতিকূল ছিল।** ...সক্রেটিস, অ্যানাক্সাগোরাস এবং অ্যারিস্টটল গণতন্ত্রের গোঁড়ামির শিকার হয়েছিলেন, যদিও... তাদের অপরাধ ধর্মীয়র চেয়ে বেশি রাজনৈতিক ছিল।
* সম্ভবত **প্যারিক্লিসই অ্যানাক্সাগোরাসকে এথেন্সে এনেছিলেন।** ...উদ্দেশ্য ছিল তাঁর নাগরিকদের নমনীয়তা এবং মানসিক উদারতা প্রদান করা যা সমুদ্রের ওপারের মানুষদের বৈশিষ্ট্য ছিল। প্লেটোর সাক্ষ্য অনুসারে প্যারিক্লিসের সাথে অ্যানাক্সাগোরাসের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল।
* পেলোপোনেসীয় যুদ্ধের কিছুকাল আগে প্যারিক্লিসের শত্রুরা তাঁর বন্ধুদের মাধ্যমে তাঁকে আক্রমণ করতে শুরু করে। ফিদিয়াস প্রথমে আক্রান্ত হন এবং এরপর অ্যানাক্সাগোরাস। ...**তিনি ধর্মীয় গোষ্ঠীর বিশেষ ঘৃণার পাত্র ছিলেন।** ...প্লেটোর বর্ণনা অনুসারে **অভিযোগ ছিল যে অ্যানাক্সাগোরাস শিক্ষা দিতেন সূর্য একটি উত্তপ্ত পাথর এবং চাঁদ হলো মাটি;** ...প্যারিক্লিস তাঁকে জেল থেকে বের করে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন।
* **অ্যানাক্সাগোরাস... আয়োনিয়ায় ফিরে যান এবং ল্যাম্পসাকাসে বসতি স্থাপন করেন এবং সেখানে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। সম্ভবত নির্বাসনের পর তিনি বেশিদিন বাঁচেননি। ল্যাম্পসাকেনরা তাঁদের বাজার এলাকায় তাঁর স্মৃতিতে একটি বেদী নির্মাণ করেছিলেন, যা 'মন' এবং 'সত্য' (Truth)-এর প্রতি উৎসর্গ করা হয়েছিল;** এবং তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী দীর্ঘদিন ধরে স্কুলপড়ুয়া শিশুদের জন্য ছুটির দিন হিসেবে পালিত হতো...
* অ্যানাক্সাগোরাসের সিস্টেমের লক্ষ্য ছিল এলিয়াটিক মতবাদ (যে বস্তুগত পদার্থ অপরিবর্তনীয়) এবং দৃশ্যমান জগত (যেখানে সৃষ্টি ও বিনাশ বর্তমান)—এই দুটির মধ্যে সমন্বয় করা। **মানুষ যাকে সাধারণত সৃষ্টি হওয়া এবং শেষ হয়ে যাওয়া বলে ডাকে, তা আসলে মিশ্রণ এবং পৃথকীকরণ।**
* অ্যানাক্সাগোরাস মনে করতেন যে **পদার্থ অসীমভাবে বিভাজ্য**... ক্ষুদ্রতম বা বৃহত্তম বলে কিছু নেই। তবে কণাটি যত বড় বা ছোটই হোক না কেন, এতে সবকিছুরই "অংশ" থাকে।
* যদিও সবকিছুর মধ্যে সবকিছুর অংশ থাকে, তবুও **জিনিসগুলোকে তেমন দেখায় যার পরিমাণ তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি।** ...বায়ু হলো সেটি যাতে ঠান্ডা সবচেয়ে বেশি থাকে, আর আগুন হলো সেটি যাতে তাপ সবচেয়ে বেশি থাকে।
* অ্যানাক্সাগোরাসের সাথে অ্যানাক্সিমিনিসের সংযোগ লক্ষ্য করা যায়। আদি দশা সম্পর্কে দুজনের ধারণাই প্রায় এক; কেবল **অ্যানাক্সাগোরাসের ক্ষেত্রে আদি ভরটি আর প্রাথমিক পদার্থ নয়, বরং অগণিত বীজের মিশ্রণ যা অসীম ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত। এই ভরটি অসীম এবং নিজেই নিজেকে ধরে রাখে, কারণ একে ঘিরে রাখার মতো কিছু নেই।**
* অ্যানাক্সাগোরাস মিশ্রণের মধ্যে গতির সঞ্চার করার জন্য কোনো বাহ্যিক কারণের প্রয়োজন অনুভব করেছিলেন। **অ্যানাক্সাগোরাস গতির সেই কারণকে বলেছিলেন 'নোস' বা মন।** এটিই অ্যারিস্টটলকে বলতে বাধ্য করেছিল যে, তাঁর পূর্বসূরীদের এলোমেলো কথার মাঝে তিনি একজন সচেতন মানুষের মতো দাঁড়িয়েছিলেন। 'নোস' বা মন হলো অবিনশ্বর এবং অমিশ্রিত। এটি সবকিছুর ওপর ক্ষমতা রাখে কারণ এটি গতি সৃষ্টি করে। **সম্ভবত বিশুদ্ধ বিশ্বতত্ত্বের চেয়ে শারীরতত্ত্বের প্রতি তাঁর ক্রমবর্ধমান আগ্রহ তাঁকে 'আত্মা'র পরিবর্তে 'মন' বেছে নিতে উৎসাহিত করেছিল।**
* **অ্যানাক্সাগোরাস 'অ্যানিমেট' (সজীব) এবং 'ইনঅ্যানিমেট' (নির্জীব) বস্তুর মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করেছিলেন।** ...মানুষ ছিল সবচেয়ে বুদ্ধিমান... কারণ তার উন্নত মন বা 'নোস' ছিল তা নয়, বরং তার **হাত** ছিল বলে।
* **অ্যানাক্সাগোরাসের একটি চমৎকার চিন্তা ছিল সংবেদনকে বিপরীত জিনিসের দ্বারা উদ্দীপিত হওয়ার ওপর নির্ভর করানো এবং একে যন্ত্রণার সাথে যুক্ত করা।** অনেক আধুনিক তত্ত্ব এই ধরণের ধারণার ওপর ভিত্তি করেই তৈরি।
* অ্যানাক্সাগোরাস মনে করতেন ইন্দ্রিয়গুলো সত্যে পৌঁছাতে অক্ষম। তিনি বলেছিলেন, "আমাদের ইন্দ্রিয়ের দুর্বলতা আমাদের সত্য অনুধাবন করতে বাধা দেয়।" কিন্তু আমাদের এটিকে সংশয়বাদে রূপান্তর করা উচিত নয়। তিনি আরও বলেছিলেন, **দৃশ্যমান বস্তুগুলো আমাদের অদৃশ্যকে দেখার শক্তি দেয়, যা সংশয়বাদের ঠিক বিপরীত।**
== আরও দেখুন ==
* [[সক্রেটিস-পূর্ব দর্শন]]
* [[গ্রিক দর্শন]]
== তথ্যসূত্র ==
{{তথ্যসূত্র তালিকা}}
== বহিঃসংযোগ ==
* {{উইকিপিডিয়া-ইনলাইন}}
* {{কমন্সক্যাট-ইনলাইন}}
* {{উইকিসোর্স-ইনলাইন|Author:Anaxagoras}}
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:অ্যানাক্সাগোরাস}}
[[বিষয়শ্রেণী:খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতাব্দীর দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:সক্রেটিস-পূর্ব দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:৪২৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:গ্রিক জ্যোতির্বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:গ্রিক গণিতবিদ]]
1shniiffb3dshhun61jcbclrmcjy4ih
74016
74014
2026-04-06T06:14:54Z
SMontaha32
3112
74016
wikitext
text/x-wiki
[[File:Anaxagoras Lebiedzki Rahl.jpg|thumb|right|সবকিছু একসাথে ছিল, সংখ্যা এবং ক্ষুদ্রতা উভয় ক্ষেত্রেই ছিল অসীম; কারণ ক্ষুদ্রতাও ছিল অসীম।]]
'''অ্যানাক্সাগোরাস''' (আনুমানিক ৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ – ৪২৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) ছিলেন এশিয়া মাইনরের ক্লাজোমেনাইয়ের একজন [[সক্রেটিস]] পূর্ব গ্রিক দার্শনিক। তিনি মহাবিশ্বের একটি শৃঙ্খলারক্ষাকারী শক্তি হিসেবে '''নোস''' (মন) ধারণাটি প্রবর্তন করেন। তিনি বস্তুগত পদার্থকে অবিনশ্বর প্রাথমিক উপাদানগুলোর একটি অসীম সমষ্টি হিসেবে বিবেচনা করতেন; যেখানে সব কিছুর সৃষ্টি এবং ধ্বংসকে তিনি যথাক্রমে মিশ্রণ এবং পৃথকীকরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
== উক্তি ==
* গ্রিকরা ভুলভাবে মনে করে যে কোনো কিছুর শুরু বা শেষ আছে; কারণ কোনো কিছুই নতুন করে সৃষ্টি হয় না বা ধ্বংস হয় না; বরং সবকিছুই পূর্ব-বিদ্যমান জিনিসের সমষ্টি বা নিঃসরণ: তাই সব কিছু সৃষ্টি হওয়াকে আরও সঠিকভাবে 'মিশ্রিত হওয়া' এবং সব বিনাশকে 'পৃথক হওয়া' বলা যেতে পারে।
** হেইনরিখ রিটার (১৮৩৮) দ্বারা উদ্ধৃত।
* সবকিছু একসাথে ছিল, সংখ্যা এবং ক্ষুদ্রতা উভয় ক্ষেত্রেই ছিল অসীম; কারণ ক্ষুদ্রতাও ছিল অসীম।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* আর যেহেতু বিষয়গুলো এমন, তাই আমাদের ধরে নিতে হবে যে মিলিত হওয়া জিনিসগুলোর মধ্যে অনেক ধরণের জিনিস এবং সব ধরণের জিনিসের বীজ বিদ্যমান, যাদের রয়েছে সব ধরণের আকার, রঙ এবং স্বাদ।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ৪, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* মন অসীম এবং স্ব-শাসিত, এবং এটি কোনো কিছুর সাথে মিশ্রিত নয়, বরং এটি একা নিজেই নিজের মধ্যে বিদ্যমান।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১২, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* চিন্তা হলো সীমাহীন এবং স্বাধীন কিছু, এবং এটি কোনো জিনিসের সাথে মিশ্রিত হয়নি বরং একাই অবস্থান করে। ... এর সাথে যা কিছু মিশ্রিত হতো তা এটিকে বর্তমানের মতো সব কিছুর ওপর ক্ষমতা রাখা থেকে বিরত রাখত। ... কারণ এটি সব কিছুর মধ্যে সবচেয়ে সূক্ষ্ম এবং বিশুদ্ধ।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১২, জোনাথন বার্নসের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯৮৪) থেকে উদ্ধৃত।
* গ্রিকরা সৃষ্টি হওয়া এবং শেষ হয়ে যাওয়ার কথা বলে একটি ভুল রীতি অনুসরণ করে; কারণ কোনো কিছুই সৃষ্টি হয় না বা শেষ হয়ে যায় না, বরং যা আছে তারই কেবল মিশ্রণ এবং বিচ্ছেদ ঘটে। তাই তাদের উচিত সৃষ্টি হওয়াকে 'মিশ্রণ' এবং শেষ হয়ে যাওয়াকে 'পৃথকীকরণ' বলা।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১৭, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* সূর্যই চাঁদকে উজ্জ্বলতা প্রদান করে।
** প্লুটার্কের 'দ্য ফাসিয়ে ইন অরবে লুনা' (De facie in orbe lunae) থেকে উদ্ধৃত।
== অ্যানাক্সাগোরাস সম্পর্কে উক্তি ==
* আপনি যদি বিভিন্ন জাতির শ্রেষ্ঠ মেধাবীদের নিপীড়নের কারণগুলো পরীক্ষা করেন এবং পিথাগোরাস, অ্যানাক্সাগোরাস, সক্রেটিস, প্লেটো এবং অন্যদের নিপীড়ন ও নির্বাসনের কারণগুলোর তুলনা করেন, তবে দেখতে পাবেন যে প্রতিটি ক্ষেত্রেই অভিযোগ এবং নির্বাসনের কারণগুলো প্রায় অভিন্ন এবং ভিত্তিহীন ছিল। কিন্তু পরবর্তী শতাব্দীগুলোতে তাদের পূর্ণ সম্মান ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেন কোনোদিন কোনো মানহানি ঘটেনি। এটা বলাই সঠিক হবে যে, এই কর্মীরা তাদের সমসাময়িকদের চেতনার তুলনায় অনেক বেশি উন্নত ছিলেন এবং জল্লাদের তলোয়ার সর্বদা একটি উঁচু মস্তক কেটে ফেলার জন্য প্রস্তুত ছিল... মহান ব্যক্তিদের নিপীড়নের কারণগুলো নিয়ে একটি বই লেখা উচিত। কারণগুলোর তুলনা করলেই সেই অশুভ ইচ্ছার সন্ধান পাওয়া সম্ভব।
** [[অগ্নি যোগ]], ''সুপারমুন্ডেন'', (১৯৩৮), ২২২।
* গণিতে... গ্রিকদের দৃষ্টিভঙ্গি আগের নদীমাতৃক (potamic) সংস্কৃতিগুলো থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ছিল। এই বৈপরীত্য থেলিস এবং পিথাগোরাসের মধ্যে স্পষ্ট ছিল এবং এথেন্সের বীরত্বগাথার যুগেও তা অব্যাহত ছিল। ...অ্যানাক্সাগোরাস যখন কারাগারে ছিলেন, তখন তিনি [[বৃত্তকে বর্গক্ষেত্রে রূপান্তর|বৃত্তকে বর্গ করার]] প্রচেষ্টায় নিজেকে ব্যস্ত রেখেছিলেন... এটিই ছিল সেই সমস্যার প্রথম উল্লেখ যা ২০০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে গণিতবিদদের মুগ্ধ করে রেখেছিল। ...এখানে আমরা এমন এক ধরণের গণিত দেখতে পাই যা মিশরীয় এবং ব্যাবিলনীয়দের তুলনায় একেবারেই আলাদা। এটি সংখ্যা বিজ্ঞানের কেবল ব্যবহারিক প্রয়োগ নয়... বরং একটি তাত্ত্বিক প্রশ্ন যেখানে আনুমানিক নির্ভুলতা এবং চিন্তার সঠিকতার মধ্যে পার্থক্য নিহিত।
** [[কার্ল বেঞ্জামিন বোয়ার]], ''এ হিস্ট্রি অফ ম্যাথমেটিক্স'' (১৯৬৮)।
* [[বিগ ব্যাং]] এবং স্টিডি স্টেট (স্থির অবস্থা) তত্ত্বের বিতর্কটি আড়াই হাজার বছর আগের অ্যানাক্সিম্যান্ডার এবং অ্যানাক্সাগোরাসের ধারণার প্রতিধ্বনি করে। অ্যানাক্সাগোরাস কল্পনা করেছিলেন যে এক সময় "সবকিছু একসাথে ছিল" এবং মহাবিশ্বের চালিকাশক্তি একটি নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে উৎপন্ন হয়েছিল... অন্যদিকে অ্যানাক্সিম্যান্ডার এমন একটি মহাবিশ্ব চেয়েছিলেন যা "অসীম" দ্বারা নির্ধারিত এবং একটি শাশ্বত মহাবিশ্বে বস্তুর সৃষ্টি ও বিনাশের ভারসাম্য ব্যাখ্যা করার জন্য তাঁর একটি "অনন্ত গতির" প্রয়োজন ছিল... প্রাচীন দর্শনেই মহাবিশ্বের সৃষ্টি একটি একক বিন্দু থেকে শুরু হওয়া বনাম একটি শাশ্বত মহাবিশ্বে নিরন্তর সৃষ্টির বিকল্পগুলো নিয়ে বিতর্ক চলছিল।
** ডেভিড এইচ. ক্লার্ক ও ম্যাথিউ ডি. এইচ. ক্লার্ক, ''মেজারিং দ্য কসমস'' (২০০৪)।
* অ্যানাক্সাগোরাস 'ইথার' নামক আরেকটি উপাদানের অস্তিত্বের কথা বলেছিলেন, যা নিরন্তর ঘূর্ণায়মান এবং এটি তার সাথে স্বর্গীয় বস্তুগুলোকে বহন করে। তিনি আরও বিশ্বাস করতেন যে প্রকৃতিতে একটি পরিচালক বুদ্ধিমত্তা রয়েছে যাকে তিনি [[নোস|''নোস'']] বলতেন, যা অন্যথায় বিশৃঙ্খল মহাবিশ্বকে শৃঙ্খলা প্রদান করে। ''নোস'' বলতে তিনি আক্ষরিক অর্থে "মহাবিশ্বের মন" বুঝিয়েছেন... অ্যানাক্সাগোরাস ছিলেন আয়োনীয় পদার্থবিদদের মধ্যে শেষ ব্যক্তি।
** [[জন ফ্রিলি]], ''বিফোর গ্যালিলিও: দ্য বার্থ অফ মডার্ন সায়েন্স ইন মেডিয়েভাল ইউরোপ'' (২০১২)।
* ব্যাখ্যার অন্তহীন ক্রম অ্যানাক্সাগোরাসের দর্শনে সুষ্পষ্ট। এমনকি যে উপাদানগুলো দিয়ে কোনো কিছু গঠিত এবং যা তার আচরণের জন্য দায়ী, সেগুলো নিজেরাও অন্য উপাদান দিয়ে গঠিত। [...] প্রতিটি ক্ষেত্রে, আচরণ হলো প্রধান বৈশিষ্ট্য (যা তাকে এমন বা তেমন দেখায়) এবং লুকানো বৈশিষ্ট্য (যা অবোধ্য কাজ ঘটাতে পারে) উভয়েরই ফলাফল। আর এই দ্বৈত ব্যাখ্যা দৈনন্দিন জীবনে দেখা স্থূল বস্তুগুলোর মতো লুকানো উপাদানগুলোর ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য। কিন্তু অ্যানাক্সাগোরাসের জন্য এটি সত্য যে নীতিগতভাবে বস্তুগত গঠন প্রতিটি বস্তুর বর্তমান আচরণের কারণ হবে। তবে যদি জিনিসটি জীবন্ত হয়, তবে সেই ব্যাখ্যাটি অন্য একটি নীতির আবেদনের মাধ্যমে পরিপূরক হতে হবে, যাকে অ্যানাক্সাগোরাস 'মন' বলেছেন।
** ক্যাথরিন অসবোর্ন, ''প্রি-সক্রেটিক ফিলোসফি: এ ভেরি শর্ট ইন্ট্রোডাকশন'' (২০০৪)।
* আমার প্রিয় মেলেটাস, তুমি কি মনে করো যে তুমি অ্যানাক্সাগোরাসের বিচার করছ? তুমি কি এই পুরুষদের অবজ্ঞা করো এবং তাদের চিঠিপত্র সম্পর্কে এতটাই অজ্ঞ মনে করো যে এটি জানো না যে ক্লাজোমেনাইয়ের অ্যানাক্সাগোরাসের বইগুলো এই তত্ত্বগুলোতে পূর্ণ? তদুপরি, যুবকরা আমার কাছ থেকে যা শিখে তা তারা মাঝে মাঝে বইয়ের দোকান থেকে বড়জোর এক ড্রাকমায় কিনতে পারে। তারা সক্রেটিসকে উপহাস করবে যদি সে দাবি করে যে এই তত্ত্বগুলো তার নিজের, বিশেষ করে যখন সেগুলো এতই অদ্ভুত। হে জিউস, মেলেটাস, তুমি কি আমার সম্পর্কে এটিই ভাবো যে আমি কোনো দেবতায় বিশ্বাস করি না? — আমি এটিই বলছি যে তুমি দেবতায় মোটেই বিশ্বাস করো না।
** [[প্লেটো]], ''অ্যাপোলজি'', ২৬ডি-২৬ই।
* অ্যানাক্সাগোরাস মনে করতেন যে সবকিছুই অসীমভাবে বিভাজ্য, এবং এমনকি পদার্থের ক্ষুদ্রতম অংশেও প্রতিটি উপাদানের কিছু অংশ থাকে। জিনিসগুলোকে তেমন দেখায় যে উপাদানটি তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি থাকে। উদাহরণস্বরূপ, সবকিছুর মধ্যেই কিছু আগুন থাকে, কিন্তু আমরা তাকে তখনই আগুন বলি যখন সেই উপাদানটি সেখানে প্রাধান্য পায়। তিনি শূন্যস্থানের বিরুদ্ধে যুক্তি দিয়েছিলেন।
** [[বারট্রান্ড রাসেল]], ''এ হিস্ট্রি অফ ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি'' (১৯৪৫)।
* বিজ্ঞানে [অ্যানাক্সাগোরাসের] অনেক অবদান ছিল। তিনিই প্রথম ব্যাখ্যা করেছিলেন যে চাঁদ প্রতিফলিত আলোতে জ্বলে... অ্যানাক্সাগোরাস গ্রহণ সম্পর্কে সঠিক তত্ত্ব দিয়েছিলেন এবং জানতেন যে চাঁদ সূর্যের নিচে অবস্থিত। তিনি বলেছিলেন সূর্য ও নক্ষত্রগুলো হলো অগ্নিময় পাথর, কিন্তু নক্ষত্রগুলো অনেক দূরে হওয়ায় আমরা তাদের তাপ অনুভব করি না। সূর্য পেলোপোনেসাসের চেয়েও বড়। চাঁদে পাহাড় আছে এবং (তিনি ভেবেছিলেন) সেখানে অধিবাসীও আছে।
** [[বারট্রান্ড রাসেল]], প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা ৬৩।
* অ্যানাক্সাগোরাস অধিবিদ্যার চেয়ে পদার্থবিদ্যা অধ্যয়নের দিকে বেশি ঝুঁকেছিলেন, যে কারণে প্লেটো এবং অ্যারিস্টটল তাঁকে চূড়ান্ত কারণগুলোকে যথেষ্ট গুরুত্ব না দেওয়ার জন্য অভিযুক্ত করেছেন। তিনি উদ্ভিদ ও প্রাণীর গঠন এবং এমনকি মহাকাশীয় ঘটনাগুলোকে ভৌত নীতির মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেছিলেন; যা তাঁর বিরুদ্ধে নাস্তিকতার অভিযোগ এনেছিল। তবুও, তিনি ইন্দ্রিয়ের সাক্ষ্যকে বিষয়গতভাবে সত্য বলে গণ্য করতেন; কিন্তু বস্তুনিষ্ঠ সত্য অর্জনের জন্য তা অপর্যাপ্ত ছিল, যা ছিল যুক্তির বিশেষাধিকার।
** [[উইলহেম গটলিব টেনেমান]], ''এ ম্যানুয়াল অফ দ্য হিস্ট্রি অফ ফিলোসফি'' (১৮৭০)।
* অ্যানাক্সাগোরাস বলেন যে অনুভুতি বা সংবেদন বিপরীত জিনিসের মাধ্যমে উৎপন্ন হয়; কারণ একই ধরণের জিনিস একই ধরণের জিনিসের দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে না। ...ঠিক একইভাবে আমরা স্পর্শ এবং স্বাদের মাধ্যমে বস্তুগুলোকে শনাক্ত করি। যা আমাদের শরীরের সমান উষ্ণ বা সমান ঠান্ডা, তা আমাদের উষ্ণ বা শীতল কোনোটিই করে না... আমরা ঠান্ডা জানি গরমের মাধ্যমে, মিষ্টি জানি টকের মাধ্যমে। ...এবং সব সংবেদনই যন্ত্রণা বহন করে... কারণ সব বিজাতীয় জিনিস তাদের স্পর্শের মাধ্যমে যন্ত্রণা তৈরি করে। অত্যধিক উজ্জ্বল রঙ এবং অতিরিক্ত শব্দ যন্ত্রণা দেয়।
** [[থিওফ্রেস্টাস]], ''ডি সেনসু'' বা ''অন সেন্স পারসেপশন'' (আনুমানিক ৩৩০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ)।
=== ''আর্লি গ্রিক ফিলোসফি'' (১৯০৮) ===
<small>[[জন বার্নেট]] রচিত।</small>
* আমরা ধরে নিতে পারি যে অ্যানাক্সাগোরাস এমন একটি পরিবারের সদস্য ছিলেন যারা রাষ্ট্রে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছিলেন। **অ্যানাক্সাগোরাস বিজ্ঞানের সাধনায় তাঁর ধন-সম্পদ অবহেলা করেছিলেন**—এই ঐতিহ্যকেও আমাদের প্রত্যাখ্যান করার প্রয়োজন নেই। ...চতুর্থ শতাব্দীতে তাঁকে **এমন একজন মানুষের আদর্শ হিসেবে গণ্য করা হতো যিনি "তাত্ত্বিক জীবন" যাপন করেন।**
* অ্যানাক্সাগোরাসের প্রথম জীবনের একটি ঘটনা হলো ৪৬৮-৬৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে **আইগোস্পোটামিতে একটি বিশাল উল্কাপাতের পর্যবেক্ষণ।** ...এটি সম্ভবত তাঁর আদিম বিশ্বতত্ত্ব থেকে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিচ্যুতির কারণ ছিল এবং এর ফলে এমন এক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হয়েছিল যার জন্য তাঁকে এথেন্সে দণ্ডিত হতে হয়েছিল।
* **অ্যানাক্সাগোরাস ছিলেন প্রথম দার্শনিক যিনি এথেন্সে বসবাস শুরু করেন।**
* আমরা ভাবব না যে তিনি এথেনীয়দের চরিত্রের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে সেখানে গিয়েছিলেন। ...**এথেন্স হেলেনীয় বিশ্বের রাজনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল; কিন্তু তখনও সেখানে কোনো বিজ্ঞানমনস্ক মানুষ তৈরি হয়নি। ...নাগরিকদের মানসিকতা অবাধ অনুসন্ধানের প্রতি প্রতিকূল ছিল।** ...সক্রেটিস, অ্যানাক্সাগোরাস এবং অ্যারিস্টটল গণতন্ত্রের গোঁড়ামির শিকার হয়েছিলেন, যদিও... তাদের অপরাধ ধর্মীয়র চেয়ে বেশি রাজনৈতিক ছিল।
* সম্ভবত **প্যারিক্লিসই অ্যানাক্সাগোরাসকে এথেন্সে এনেছিলেন।** ...উদ্দেশ্য ছিল তাঁর নাগরিকদের নমনীয়তা এবং মানসিক উদারতা প্রদান করা যা সমুদ্রের ওপারের মানুষদের বৈশিষ্ট্য ছিল। প্লেটোর সাক্ষ্য অনুসারে প্যারিক্লিসের সাথে অ্যানাক্সাগোরাসের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল।
* পেলোপোনেসীয় যুদ্ধের কিছুকাল আগে প্যারিক্লিসের শত্রুরা তাঁর বন্ধুদের মাধ্যমে তাঁকে আক্রমণ করতে শুরু করে। ফিদিয়াস প্রথমে আক্রান্ত হন এবং এরপর অ্যানাক্সাগোরাস। ...**তিনি ধর্মীয় গোষ্ঠীর বিশেষ ঘৃণার পাত্র ছিলেন।** ...প্লেটোর বর্ণনা অনুসারে **অভিযোগ ছিল যে অ্যানাক্সাগোরাস শিক্ষা দিতেন সূর্য একটি উত্তপ্ত পাথর এবং চাঁদ হলো মাটি;** ...প্যারিক্লিস তাঁকে জেল থেকে বের করে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন।
* **অ্যানাক্সাগোরাস... আয়োনিয়ায় ফিরে যান এবং ল্যাম্পসাকাসে বসতি স্থাপন করেন এবং সেখানে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। সম্ভবত নির্বাসনের পর তিনি বেশিদিন বাঁচেননি। ল্যাম্পসাকেনরা তাঁদের বাজার এলাকায় তাঁর স্মৃতিতে একটি বেদী নির্মাণ করেছিলেন, যা 'মন' এবং 'সত্য' (Truth)-এর প্রতি উৎসর্গ করা হয়েছিল;** এবং তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী দীর্ঘদিন ধরে স্কুলপড়ুয়া শিশুদের জন্য ছুটির দিন হিসেবে পালিত হতো...
* অ্যানাক্সাগোরাসের সিস্টেমের লক্ষ্য ছিল এলিয়াটিক মতবাদ (যে বস্তুগত পদার্থ অপরিবর্তনীয়) এবং দৃশ্যমান জগত (যেখানে সৃষ্টি ও বিনাশ বর্তমান)—এই দুটির মধ্যে সমন্বয় করা। **মানুষ যাকে সাধারণত সৃষ্টি হওয়া এবং শেষ হয়ে যাওয়া বলে ডাকে, তা আসলে মিশ্রণ এবং পৃথকীকরণ।**
* অ্যানাক্সাগোরাস মনে করতেন যে **পদার্থ অসীমভাবে বিভাজ্য**... ক্ষুদ্রতম বা বৃহত্তম বলে কিছু নেই। তবে কণাটি যত বড় বা ছোটই হোক না কেন, এতে সবকিছুরই "অংশ" থাকে।
* যদিও সবকিছুর মধ্যে সবকিছুর অংশ থাকে, তবুও **জিনিসগুলোকে তেমন দেখায় যার পরিমাণ তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি।** ...বায়ু হলো সেটি যাতে ঠান্ডা সবচেয়ে বেশি থাকে, আর আগুন হলো সেটি যাতে তাপ সবচেয়ে বেশি থাকে।
* অ্যানাক্সাগোরাসের সাথে অ্যানাক্সিমিনিসের সংযোগ লক্ষ্য করা যায়। আদি দশা সম্পর্কে দুজনের ধারণাই প্রায় এক; কেবল **অ্যানাক্সাগোরাসের ক্ষেত্রে আদি ভরটি আর প্রাথমিক পদার্থ নয়, বরং অগণিত বীজের মিশ্রণ যা অসীম ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত। এই ভরটি অসীম এবং নিজেই নিজেকে ধরে রাখে, কারণ একে ঘিরে রাখার মতো কিছু নেই।**
* অ্যানাক্সাগোরাস মিশ্রণের মধ্যে গতির সঞ্চার করার জন্য কোনো বাহ্যিক কারণের প্রয়োজন অনুভব করেছিলেন। **অ্যানাক্সাগোরাস গতির সেই কারণকে বলেছিলেন 'নোস' বা মন।** এটিই অ্যারিস্টটলকে বলতে বাধ্য করেছিল যে, তাঁর পূর্বসূরীদের এলোমেলো কথার মাঝে তিনি একজন সচেতন মানুষের মতো দাঁড়িয়েছিলেন। 'নোস' বা মন হলো অবিনশ্বর এবং অমিশ্রিত। এটি সবকিছুর ওপর ক্ষমতা রাখে কারণ এটি গতি সৃষ্টি করে। **সম্ভবত বিশুদ্ধ বিশ্বতত্ত্বের চেয়ে শারীরতত্ত্বের প্রতি তাঁর ক্রমবর্ধমান আগ্রহ তাঁকে 'আত্মা'র পরিবর্তে 'মন' বেছে নিতে উৎসাহিত করেছিল।**
* **অ্যানাক্সাগোরাস 'অ্যানিমেট' (সজীব) এবং 'ইনঅ্যানিমেট' (নির্জীব) বস্তুর মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করেছিলেন।** ...মানুষ ছিল সবচেয়ে বুদ্ধিমান... কারণ তার উন্নত মন বা 'নোস' ছিল তা নয়, বরং তার **হাত** ছিল বলে।
* **অ্যানাক্সাগোরাসের একটি চমৎকার চিন্তা ছিল সংবেদনকে বিপরীত জিনিসের দ্বারা উদ্দীপিত হওয়ার ওপর নির্ভর করানো এবং একে যন্ত্রণার সাথে যুক্ত করা।** অনেক আধুনিক তত্ত্ব এই ধরণের ধারণার ওপর ভিত্তি করেই তৈরি।
* অ্যানাক্সাগোরাস মনে করতেন ইন্দ্রিয়গুলো সত্যে পৌঁছাতে অক্ষম। তিনি বলেছিলেন, "আমাদের ইন্দ্রিয়ের দুর্বলতা আমাদের সত্য অনুধাবন করতে বাধা দেয়।" কিন্তু আমাদের এটিকে সংশয়বাদে রূপান্তর করা উচিত নয়। তিনি আরও বলেছিলেন, **দৃশ্যমান বস্তুগুলো আমাদের অদৃশ্যকে দেখার শক্তি দেয়, যা সংশয়বাদের ঠিক বিপরীত।**
== আরও দেখুন ==
* [[সক্রেটিস-পূর্ব দর্শন]]
* [[গ্রিক দর্শন]]
== তথ্যসূত্র ==
{{তথ্যসূত্র তালিকা}}
== বহিঃসংযোগ ==
* {{উইকিপিডিয়া-ইনলাইন}}
* {{কমন্সক্যাট-ইনলাইন}}
* {{উইকিসোর্স-ইনলাইন|Author:Anaxagoras}}
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:অ্যানাক্সাগোরাস}}
[[বিষয়শ্রেণী:খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতাব্দীর দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:সক্রেটিস-পূর্ব দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:৪২৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:গ্রিক জ্যোতির্বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:গ্রিক গণিতবিদ]]
tmcxgbif0jg7f0yn5jfb3lo3yycih1d
74018
74016
2026-04-06T06:18:30Z
SMontaha32
3112
74018
wikitext
text/x-wiki
[[File:Anaxagoras Lebiedzki Rahl.jpg|thumb|right|সবকিছু একসাথে ছিল, সংখ্যা এবং ক্ষুদ্রতা উভয় ক্ষেত্রেই ছিল অসীম; কারণ ক্ষুদ্রতাও ছিল অসীম।]]
'''অ্যানাক্সাগোরাস''' (আনুমানিক ৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ – ৪২৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) ছিলেন এশিয়া মাইনরের ক্লাজোমেনাইয়ের একজন [[সক্রেটিস]] পূর্ব গ্রিক দার্শনিক। তিনি মহাবিশ্বের একটি শৃঙ্খলারক্ষাকারী শক্তি হিসেবে '''নোস''' (মন) ধারণাটি প্রবর্তন করেন। তিনি বস্তুগত পদার্থকে অবিনশ্বর প্রাথমিক উপাদানগুলোর একটি অসীম সমষ্টি হিসেবে বিবেচনা করতেন; যেখানে সব কিছুর সৃষ্টি এবং ধ্বংসকে তিনি যথাক্রমে মিশ্রণ এবং পৃথকীকরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
== উক্তি ==
* গ্রিকরা ভুলভাবে মনে করে যে কোনো কিছুর শুরু বা শেষ আছে; কারণ কোনো কিছুই নতুন করে সৃষ্টি হয় না বা ধ্বংস হয় না; বরং সবকিছুই পূর্ব-বিদ্যমান জিনিসের সমষ্টি বা নিঃসরণ: তাই সব কিছু সৃষ্টি হওয়াকে আরও সঠিকভাবে 'মিশ্রিত হওয়া' এবং সব বিনাশকে 'পৃথক হওয়া' বলা যেতে পারে।
** হেইনরিখ রিটার (১৮৩৮) দ্বারা উদ্ধৃত।
* সবকিছু একসাথে ছিল, সংখ্যা এবং ক্ষুদ্রতা উভয় ক্ষেত্রেই ছিল অসীম; কারণ ক্ষুদ্রতাও ছিল অসীম।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* আর যেহেতু বিষয়গুলো এমন, তাই আমাদের ধরে নিতে হবে যে মিলিত হওয়া জিনিসগুলোর মধ্যে অনেক ধরণের জিনিস এবং সব ধরণের জিনিসের বীজ বিদ্যমান, যাদের রয়েছে সব ধরণের আকার, রঙ এবং স্বাদ।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ৪, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* মন অসীম এবং স্ব-শাসিত, এবং এটি কোনো কিছুর সাথে মিশ্রিত নয়, বরং এটি একা নিজেই নিজের মধ্যে বিদ্যমান।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১২, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* চিন্তা হলো সীমাহীন এবং স্বাধীন কিছু, এবং এটি কোনো জিনিসের সাথে মিশ্রিত হয়নি বরং একাই অবস্থান করে। ... এর সাথে যা কিছু মিশ্রিত হতো তা এটিকে বর্তমানের মতো সব কিছুর ওপর ক্ষমতা রাখা থেকে বিরত রাখত। ... কারণ এটি সব কিছুর মধ্যে সবচেয়ে সূক্ষ্ম এবং বিশুদ্ধ।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১২, জোনাথন বার্নসের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯৮৪) থেকে উদ্ধৃত।
* গ্রিকরা সৃষ্টি হওয়া এবং শেষ হয়ে যাওয়ার কথা বলে একটি ভুল রীতি অনুসরণ করে; কারণ কোনো কিছুই সৃষ্টি হয় না বা শেষ হয়ে যায় না, বরং যা আছে তারই কেবল মিশ্রণ এবং বিচ্ছেদ ঘটে। তাই তাদের উচিত সৃষ্টি হওয়াকে 'মিশ্রণ' এবং শেষ হয়ে যাওয়াকে 'পৃথকীকরণ' বলা।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১৭, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* সূর্যই চাঁদকে উজ্জ্বলতা প্রদান করে।
** প্লুটার্কের 'দ্য ফাসিয়ে ইন অরবে লুনা' থেকে উদ্ধৃত।
== অ্যানাক্সাগোরাস সম্পর্কে উক্তি ==
* আপনি যদি বিভিন্ন জাতির শ্রেষ্ঠ মেধাবীদের নিপীড়নের কারণগুলো পরীক্ষা করেন এবং পিথাগোরাস, অ্যানাক্সাগোরাস, সক্রেটিস, প্লেটো এবং অন্যদের নিপীড়ন ও নির্বাসনের কারণগুলোর তুলনা করেন, তবে দেখতে পাবেন যে প্রতিটি ক্ষেত্রেই অভিযোগ এবং নির্বাসনের কারণগুলো প্রায় অভিন্ন এবং ভিত্তিহীন ছিল। কিন্তু পরবর্তী শতাব্দীগুলোতে তাদের পূর্ণ সম্মান ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেন কোনোদিন কোনো মানহানি ঘটেনি। এটা বলাই সঠিক হবে যে, এই কর্মীরা তাদের সমসাময়িকদের চেতনার তুলনায় অনেক বেশি উন্নত ছিলেন এবং জল্লাদের তলোয়ার সর্বদা একটি উঁচু মস্তক কেটে ফেলার জন্য প্রস্তুত ছিল... মহান ব্যক্তিদের নিপীড়নের কারণগুলো নিয়ে একটি বই লেখা উচিত। কারণগুলোর তুলনা করলেই সেই অশুভ ইচ্ছার সন্ধান পাওয়া সম্ভব।
** [[অগ্নি যোগ]], ''সুপারমুন্ডেন'', (১৯৩৮), ২২২।
* গণিতে... গ্রিকদের দৃষ্টিভঙ্গি আগের নদীমাতৃক (potamic) সংস্কৃতিগুলো থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ছিল। এই বৈপরীত্য থেলিস এবং পিথাগোরাসের মধ্যে স্পষ্ট ছিল এবং এথেন্সের বীরত্বগাথার যুগেও তা অব্যাহত ছিল। ...অ্যানাক্সাগোরাস যখন কারাগারে ছিলেন, তখন তিনি [[বৃত্তকে বর্গক্ষেত্রে রূপান্তর|বৃত্তকে বর্গ করার]] প্রচেষ্টায় নিজেকে ব্যস্ত রেখেছিলেন... এটিই ছিল সেই সমস্যার প্রথম উল্লেখ যা ২০০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে গণিতবিদদের মুগ্ধ করে রেখেছিল। ...এখানে আমরা এমন এক ধরণের গণিত দেখতে পাই যা মিশরীয় এবং ব্যাবিলনীয়দের তুলনায় একেবারেই আলাদা। এটি সংখ্যা বিজ্ঞানের কেবল ব্যবহারিক প্রয়োগ নয়... বরং একটি তাত্ত্বিক প্রশ্ন যেখানে আনুমানিক নির্ভুলতা এবং চিন্তার সঠিকতার মধ্যে পার্থক্য নিহিত।
** [[কার্ল বেঞ্জামিন বোয়ার]], ''এ হিস্ট্রি অফ ম্যাথমেটিক্স'' (১৯৬৮)।
* [[বিগ ব্যাং]] এবং স্টিডি স্টেট (স্থির অবস্থা) তত্ত্বের বিতর্কটি আড়াই হাজার বছর আগের অ্যানাক্সিম্যান্ডার এবং অ্যানাক্সাগোরাসের ধারণার প্রতিধ্বনি করে। অ্যানাক্সাগোরাস কল্পনা করেছিলেন যে এক সময় "সবকিছু একসাথে ছিল" এবং মহাবিশ্বের চালিকাশক্তি একটি নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে উৎপন্ন হয়েছিল... অন্যদিকে অ্যানাক্সিম্যান্ডার এমন একটি মহাবিশ্ব চেয়েছিলেন যা "অসীম" দ্বারা নির্ধারিত এবং একটি শাশ্বত মহাবিশ্বে বস্তুর সৃষ্টি ও বিনাশের ভারসাম্য ব্যাখ্যা করার জন্য তাঁর একটি "অনন্ত গতির" প্রয়োজন ছিল... প্রাচীন দর্শনেই মহাবিশ্বের সৃষ্টি একটি একক বিন্দু থেকে শুরু হওয়া বনাম একটি শাশ্বত মহাবিশ্বে নিরন্তর সৃষ্টির বিকল্পগুলো নিয়ে বিতর্ক চলছিল।
** ডেভিড এইচ. ক্লার্ক ও ম্যাথিউ ডি. এইচ. ক্লার্ক, ''মেজারিং দ্য কসমস'' (২০০৪)।
* অ্যানাক্সাগোরাস 'ইথার' নামক আরেকটি উপাদানের অস্তিত্বের কথা বলেছিলেন, যা নিরন্তর ঘূর্ণায়মান এবং এটি তার সাথে স্বর্গীয় বস্তুগুলোকে বহন করে। তিনি আরও বিশ্বাস করতেন যে প্রকৃতিতে একটি পরিচালক বুদ্ধিমত্তা রয়েছে যাকে তিনি [[নোস|''নোস'']] বলতেন, যা অন্যথায় বিশৃঙ্খল মহাবিশ্বকে শৃঙ্খলা প্রদান করে। ''নোস'' বলতে তিনি আক্ষরিক অর্থে "মহাবিশ্বের মন" বুঝিয়েছেন... অ্যানাক্সাগোরাস ছিলেন আয়োনীয় পদার্থবিদদের মধ্যে শেষ ব্যক্তি।
** [[জন ফ্রিলি]], ''বিফোর গ্যালিলিও: দ্য বার্থ অফ মডার্ন সায়েন্স ইন মেডিয়েভাল ইউরোপ'' (২০১২)।
* ব্যাখ্যার অন্তহীন ক্রম অ্যানাক্সাগোরাসের দর্শনে সুষ্পষ্ট। এমনকি যে উপাদানগুলো দিয়ে কোনো কিছু গঠিত এবং যা তার আচরণের জন্য দায়ী, সেগুলো নিজেরাও অন্য উপাদান দিয়ে গঠিত। [...] প্রতিটি ক্ষেত্রে, আচরণ হলো প্রধান বৈশিষ্ট্য (যা তাকে এমন বা তেমন দেখায়) এবং লুকানো বৈশিষ্ট্য (যা অবোধ্য কাজ ঘটাতে পারে) উভয়েরই ফলাফল। আর এই দ্বৈত ব্যাখ্যা দৈনন্দিন জীবনে দেখা স্থূল বস্তুগুলোর মতো লুকানো উপাদানগুলোর ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য। কিন্তু অ্যানাক্সাগোরাসের জন্য এটি সত্য যে নীতিগতভাবে বস্তুগত গঠন প্রতিটি বস্তুর বর্তমান আচরণের কারণ হবে। তবে যদি জিনিসটি জীবন্ত হয়, তবে সেই ব্যাখ্যাটি অন্য একটি নীতির আবেদনের মাধ্যমে পরিপূরক হতে হবে, যাকে অ্যানাক্সাগোরাস 'মন' বলেছেন।
** ক্যাথরিন অসবোর্ন, ''প্রি-সক্রেটিক ফিলোসফি: এ ভেরি শর্ট ইন্ট্রোডাকশন'' (২০০৪)।
* আমার প্রিয় মেলেটাস, তুমি কি মনে করো যে তুমি অ্যানাক্সাগোরাসের বিচার করছ? তুমি কি এই পুরুষদের অবজ্ঞা করো এবং তাদের চিঠিপত্র সম্পর্কে এতটাই অজ্ঞ মনে করো যে এটি জানো না যে ক্লাজোমেনাইয়ের অ্যানাক্সাগোরাসের বইগুলো এই তত্ত্বগুলোতে পূর্ণ? তদুপরি, যুবকরা আমার কাছ থেকে যা শিখে তা তারা মাঝে মাঝে বইয়ের দোকান থেকে বড়জোর এক ড্রাকমায় কিনতে পারে। তারা সক্রেটিসকে উপহাস করবে যদি সে দাবি করে যে এই তত্ত্বগুলো তার নিজের, বিশেষ করে যখন সেগুলো এতই অদ্ভুত। হে জিউস, মেলেটাস, তুমি কি আমার সম্পর্কে এটিই ভাবো যে আমি কোনো দেবতায় বিশ্বাস করি না? — আমি এটিই বলছি যে তুমি দেবতায় মোটেই বিশ্বাস করো না।
** [[প্লেটো]], ''অ্যাপোলজি'', ২৬ডি-২৬ই।
* অ্যানাক্সাগোরাস মনে করতেন যে সবকিছুই অসীমভাবে বিভাজ্য, এবং এমনকি পদার্থের ক্ষুদ্রতম অংশেও প্রতিটি উপাদানের কিছু অংশ থাকে। জিনিসগুলোকে তেমন দেখায় যে উপাদানটি তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি থাকে। উদাহরণস্বরূপ, সবকিছুর মধ্যেই কিছু আগুন থাকে, কিন্তু আমরা তাকে তখনই আগুন বলি যখন সেই উপাদানটি সেখানে প্রাধান্য পায়। তিনি শূন্যস্থানের বিরুদ্ধে যুক্তি দিয়েছিলেন।
** [[বারট্রান্ড রাসেল]], ''এ হিস্ট্রি অফ ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি'' (১৯৪৫)।
* বিজ্ঞানে [অ্যানাক্সাগোরাসের] অনেক অবদান ছিল। তিনিই প্রথম ব্যাখ্যা করেছিলেন যে চাঁদ প্রতিফলিত আলোতে জ্বলে... অ্যানাক্সাগোরাস গ্রহণ সম্পর্কে সঠিক তত্ত্ব দিয়েছিলেন এবং জানতেন যে চাঁদ সূর্যের নিচে অবস্থিত। তিনি বলেছিলেন সূর্য ও নক্ষত্রগুলো হলো অগ্নিময় পাথর, কিন্তু নক্ষত্রগুলো অনেক দূরে হওয়ায় আমরা তাদের তাপ অনুভব করি না। সূর্য পেলোপোনেসাসের চেয়েও বড়। চাঁদে পাহাড় আছে এবং (তিনি ভেবেছিলেন) সেখানে অধিবাসীও আছে।
** [[বারট্রান্ড রাসেল]], প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা ৬৩।
* অ্যানাক্সাগোরাস অধিবিদ্যার চেয়ে পদার্থবিদ্যা অধ্যয়নের দিকে বেশি ঝুঁকেছিলেন, যে কারণে প্লেটো এবং অ্যারিস্টটল তাঁকে চূড়ান্ত কারণগুলোকে যথেষ্ট গুরুত্ব না দেওয়ার জন্য অভিযুক্ত করেছেন। তিনি উদ্ভিদ ও প্রাণীর গঠন এবং এমনকি মহাকাশীয় ঘটনাগুলোকে ভৌত নীতির মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেছিলেন; যা তাঁর বিরুদ্ধে নাস্তিকতার অভিযোগ এনেছিল। তবুও, তিনি ইন্দ্রিয়ের সাক্ষ্যকে বিষয়গতভাবে সত্য বলে গণ্য করতেন; কিন্তু বস্তুনিষ্ঠ সত্য অর্জনের জন্য তা অপর্যাপ্ত ছিল, যা ছিল যুক্তির বিশেষাধিকার।
** [[উইলহেম গটলিব টেনেমান]], ''এ ম্যানুয়াল অফ দ্য হিস্ট্রি অফ ফিলোসফি'' (১৮৭০)।
* অ্যানাক্সাগোরাস বলেন যে অনুভুতি বা সংবেদন বিপরীত জিনিসের মাধ্যমে উৎপন্ন হয়; কারণ একই ধরণের জিনিস একই ধরণের জিনিসের দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে না। ...ঠিক একইভাবে আমরা স্পর্শ এবং স্বাদের মাধ্যমে বস্তুগুলোকে শনাক্ত করি। যা আমাদের শরীরের সমান উষ্ণ বা সমান ঠান্ডা, তা আমাদের উষ্ণ বা শীতল কোনোটিই করে না... আমরা ঠান্ডা জানি গরমের মাধ্যমে, মিষ্টি জানি টকের মাধ্যমে। ...এবং সব সংবেদনই যন্ত্রণা বহন করে... কারণ সব বিজাতীয় জিনিস তাদের স্পর্শের মাধ্যমে যন্ত্রণা তৈরি করে। অত্যধিক উজ্জ্বল রঙ এবং অতিরিক্ত শব্দ যন্ত্রণা দেয়।
** [[থিওফ্রেস্টাস]], ''ডি সেনসু'' বা ''অন সেন্স পারসেপশন'' (আনুমানিক ৩৩০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ)।
=== ''আর্লি গ্রিক ফিলোসফি'' (১৯০৮) ===
<small>[[জন বার্নেট]] রচিত।</small>
* আমরা ধরে নিতে পারি যে অ্যানাক্সাগোরাস এমন একটি পরিবারের সদস্য ছিলেন যারা রাষ্ট্রে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছিলেন। **অ্যানাক্সাগোরাস বিজ্ঞানের সাধনায় তাঁর ধন-সম্পদ অবহেলা করেছিলেন**—এই ঐতিহ্যকেও আমাদের প্রত্যাখ্যান করার প্রয়োজন নেই। ...চতুর্থ শতাব্দীতে তাঁকে **এমন একজন মানুষের আদর্শ হিসেবে গণ্য করা হতো যিনি "তাত্ত্বিক জীবন" যাপন করেন।**
* অ্যানাক্সাগোরাসের প্রথম জীবনের একটি ঘটনা হলো ৪৬৮-৬৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে **আইগোস্পোটামিতে একটি বিশাল উল্কাপাতের পর্যবেক্ষণ।** ...এটি সম্ভবত তাঁর আদিম বিশ্বতত্ত্ব থেকে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিচ্যুতির কারণ ছিল এবং এর ফলে এমন এক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হয়েছিল যার জন্য তাঁকে এথেন্সে দণ্ডিত হতে হয়েছিল।
* **অ্যানাক্সাগোরাস ছিলেন প্রথম দার্শনিক যিনি এথেন্সে বসবাস শুরু করেন।**
* আমরা ভাবব না যে তিনি এথেনীয়দের চরিত্রের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে সেখানে গিয়েছিলেন। ...**এথেন্স হেলেনীয় বিশ্বের রাজনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল; কিন্তু তখনও সেখানে কোনো বিজ্ঞানমনস্ক মানুষ তৈরি হয়নি। ...নাগরিকদের মানসিকতা অবাধ অনুসন্ধানের প্রতি প্রতিকূল ছিল।** ...সক্রেটিস, অ্যানাক্সাগোরাস এবং অ্যারিস্টটল গণতন্ত্রের গোঁড়ামির শিকার হয়েছিলেন, যদিও... তাদের অপরাধ ধর্মীয়র চেয়ে বেশি রাজনৈতিক ছিল।
* সম্ভবত **প্যারিক্লিসই অ্যানাক্সাগোরাসকে এথেন্সে এনেছিলেন।** ...উদ্দেশ্য ছিল তাঁর নাগরিকদের নমনীয়তা এবং মানসিক উদারতা প্রদান করা যা সমুদ্রের ওপারের মানুষদের বৈশিষ্ট্য ছিল। প্লেটোর সাক্ষ্য অনুসারে প্যারিক্লিসের সাথে অ্যানাক্সাগোরাসের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল।
* পেলোপোনেসীয় যুদ্ধের কিছুকাল আগে প্যারিক্লিসের শত্রুরা তাঁর বন্ধুদের মাধ্যমে তাঁকে আক্রমণ করতে শুরু করে। ফিদিয়াস প্রথমে আক্রান্ত হন এবং এরপর অ্যানাক্সাগোরাস। ...**তিনি ধর্মীয় গোষ্ঠীর বিশেষ ঘৃণার পাত্র ছিলেন।** ...প্লেটোর বর্ণনা অনুসারে **অভিযোগ ছিল যে অ্যানাক্সাগোরাস শিক্ষা দিতেন সূর্য একটি উত্তপ্ত পাথর এবং চাঁদ হলো মাটি;** ...প্যারিক্লিস তাঁকে জেল থেকে বের করে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন।
* **অ্যানাক্সাগোরাস... আয়োনিয়ায় ফিরে যান এবং ল্যাম্পসাকাসে বসতি স্থাপন করেন এবং সেখানে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। সম্ভবত নির্বাসনের পর তিনি বেশিদিন বাঁচেননি। ল্যাম্পসাকেনরা তাঁদের বাজার এলাকায় তাঁর স্মৃতিতে একটি বেদী নির্মাণ করেছিলেন, যা 'মন' এবং 'সত্য' (Truth)-এর প্রতি উৎসর্গ করা হয়েছিল;** এবং তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী দীর্ঘদিন ধরে স্কুলপড়ুয়া শিশুদের জন্য ছুটির দিন হিসেবে পালিত হতো...
* অ্যানাক্সাগোরাসের সিস্টেমের লক্ষ্য ছিল এলিয়াটিক মতবাদ (যে বস্তুগত পদার্থ অপরিবর্তনীয়) এবং দৃশ্যমান জগত (যেখানে সৃষ্টি ও বিনাশ বর্তমান)—এই দুটির মধ্যে সমন্বয় করা। **মানুষ যাকে সাধারণত সৃষ্টি হওয়া এবং শেষ হয়ে যাওয়া বলে ডাকে, তা আসলে মিশ্রণ এবং পৃথকীকরণ।**
* অ্যানাক্সাগোরাস মনে করতেন যে **পদার্থ অসীমভাবে বিভাজ্য**... ক্ষুদ্রতম বা বৃহত্তম বলে কিছু নেই। তবে কণাটি যত বড় বা ছোটই হোক না কেন, এতে সবকিছুরই "অংশ" থাকে।
* যদিও সবকিছুর মধ্যে সবকিছুর অংশ থাকে, তবুও **জিনিসগুলোকে তেমন দেখায় যার পরিমাণ তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি।** ...বায়ু হলো সেটি যাতে ঠান্ডা সবচেয়ে বেশি থাকে, আর আগুন হলো সেটি যাতে তাপ সবচেয়ে বেশি থাকে।
* অ্যানাক্সাগোরাসের সাথে অ্যানাক্সিমিনিসের সংযোগ লক্ষ্য করা যায়। আদি দশা সম্পর্কে দুজনের ধারণাই প্রায় এক; কেবল **অ্যানাক্সাগোরাসের ক্ষেত্রে আদি ভরটি আর প্রাথমিক পদার্থ নয়, বরং অগণিত বীজের মিশ্রণ যা অসীম ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত। এই ভরটি অসীম এবং নিজেই নিজেকে ধরে রাখে, কারণ একে ঘিরে রাখার মতো কিছু নেই।**
* অ্যানাক্সাগোরাস মিশ্রণের মধ্যে গতির সঞ্চার করার জন্য কোনো বাহ্যিক কারণের প্রয়োজন অনুভব করেছিলেন। **অ্যানাক্সাগোরাস গতির সেই কারণকে বলেছিলেন 'নোস' বা মন।** এটিই অ্যারিস্টটলকে বলতে বাধ্য করেছিল যে, তাঁর পূর্বসূরীদের এলোমেলো কথার মাঝে তিনি একজন সচেতন মানুষের মতো দাঁড়িয়েছিলেন। 'নোস' বা মন হলো অবিনশ্বর এবং অমিশ্রিত। এটি সবকিছুর ওপর ক্ষমতা রাখে কারণ এটি গতি সৃষ্টি করে। **সম্ভবত বিশুদ্ধ বিশ্বতত্ত্বের চেয়ে শারীরতত্ত্বের প্রতি তাঁর ক্রমবর্ধমান আগ্রহ তাঁকে 'আত্মা'র পরিবর্তে 'মন' বেছে নিতে উৎসাহিত করেছিল।**
* **অ্যানাক্সাগোরাস 'অ্যানিমেট' (সজীব) এবং 'ইনঅ্যানিমেট' (নির্জীব) বস্তুর মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করেছিলেন।** ...মানুষ ছিল সবচেয়ে বুদ্ধিমান... কারণ তার উন্নত মন বা 'নোস' ছিল তা নয়, বরং তার **হাত** ছিল বলে।
* **অ্যানাক্সাগোরাসের একটি চমৎকার চিন্তা ছিল সংবেদনকে বিপরীত জিনিসের দ্বারা উদ্দীপিত হওয়ার ওপর নির্ভর করানো এবং একে যন্ত্রণার সাথে যুক্ত করা।** অনেক আধুনিক তত্ত্ব এই ধরণের ধারণার ওপর ভিত্তি করেই তৈরি।
* অ্যানাক্সাগোরাস মনে করতেন ইন্দ্রিয়গুলো সত্যে পৌঁছাতে অক্ষম। তিনি বলেছিলেন, "আমাদের ইন্দ্রিয়ের দুর্বলতা আমাদের সত্য অনুধাবন করতে বাধা দেয়।" কিন্তু আমাদের এটিকে সংশয়বাদে রূপান্তর করা উচিত নয়। তিনি আরও বলেছিলেন, **দৃশ্যমান বস্তুগুলো আমাদের অদৃশ্যকে দেখার শক্তি দেয়, যা সংশয়বাদের ঠিক বিপরীত।**
== আরও দেখুন ==
* [[সক্রেটিস-পূর্ব দর্শন]]
* [[গ্রিক দর্শন]]
== তথ্যসূত্র ==
{{তথ্যসূত্র তালিকা}}
== বহিঃসংযোগ ==
* {{উইকিপিডিয়া-ইনলাইন}}
* {{কমন্সক্যাট-ইনলাইন}}
* {{উইকিসোর্স-ইনলাইন|Author:Anaxagoras}}
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:অ্যানাক্সাগোরাস}}
[[বিষয়শ্রেণী:খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতাব্দীর দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:সক্রেটিস-পূর্ব দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:৪২৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:গ্রিক জ্যোতির্বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:গ্রিক গণিতবিদ]]
a5pidftrzvjro8rnwvni3fga1jl5tws
74019
74018
2026-04-06T06:20:02Z
SMontaha32
3112
74019
wikitext
text/x-wiki
[[File:Anaxagoras Lebiedzki Rahl.jpg|thumb|right|সবকিছু একসাথে ছিল, সংখ্যা এবং ক্ষুদ্রতা উভয় ক্ষেত্রেই ছিল অসীম; কারণ ক্ষুদ্রতাও ছিল অসীম।]]
'''অ্যানাক্সাগোরাস''' (আনুমানিক ৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ – ৪২৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) ছিলেন এশিয়া মাইনরের ক্লাজোমেনাইয়ের একজন [[সক্রেটিস]] পূর্ব গ্রিক দার্শনিক। তিনি মহাবিশ্বের একটি শৃঙ্খলারক্ষাকারী শক্তি হিসেবে '''নোস''' (মন) ধারণাটি প্রবর্তন করেন। তিনি বস্তুগত পদার্থকে অবিনশ্বর প্রাথমিক উপাদানগুলোর একটি অসীম সমষ্টি হিসেবে বিবেচনা করতেন; যেখানে সব কিছুর সৃষ্টি এবং ধ্বংসকে তিনি যথাক্রমে মিশ্রণ এবং পৃথকীকরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
== উক্তি ==
* গ্রিকরা ভুলভাবে মনে করে যে কোনো কিছুর শুরু বা শেষ আছে। কারণ কোনো কিছুই নতুন করে সৃষ্টি হয় না বা ধ্বংস হয় না। বরং সবকিছুই পূর্ব-বিদ্যমান জিনিসের সমষ্টি বা নিঃসরণ: তাই সব কিছু সৃষ্টি হওয়াকে আরও সঠিকভাবে 'মিশ্রিত হওয়া' এবং সব বিনাশকে 'পৃথক হওয়া' বলা যেতে পারে।
** হেইনরিখ রিটার (১৮৩৮) দ্বারা উদ্ধৃত।
* সবকিছু একসাথে ছিল, সংখ্যা এবং ক্ষুদ্রতা উভয় ক্ষেত্রেই ছিল অসীম; কারণ ক্ষুদ্রতাও ছিল অসীম।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* আর যেহেতু বিষয়গুলো এমন, তাই আমাদের ধরে নিতে হবে যে মিলিত হওয়া জিনিসগুলোর মধ্যে অনেক ধরণের জিনিস এবং সব ধরণের জিনিসের বীজ বিদ্যমান, যাদের রয়েছে সব ধরণের আকার, রঙ এবং স্বাদ।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ৪, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* মন অসীম এবং স্ব-শাসিত, এবং এটি কোনো কিছুর সাথে মিশ্রিত নয়, বরং এটি একা নিজেই নিজের মধ্যে বিদ্যমান।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১২, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* চিন্তা হলো সীমাহীন এবং স্বাধীন কিছু, এবং এটি কোনো জিনিসের সাথে মিশ্রিত হয়নি বরং একাই অবস্থান করে। ... এর সাথে যা কিছু মিশ্রিত হতো তা এটিকে বর্তমানের মতো সব কিছুর ওপর ক্ষমতা রাখা থেকে বিরত রাখত। ... কারণ এটি সব কিছুর মধ্যে সবচেয়ে সূক্ষ্ম এবং বিশুদ্ধ।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১২, জোনাথন বার্নসের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯৮৪) থেকে উদ্ধৃত।
* গ্রিকরা সৃষ্টি হওয়া এবং শেষ হয়ে যাওয়ার কথা বলে একটি ভুল রীতি অনুসরণ করে; কারণ কোনো কিছুই সৃষ্টি হয় না বা শেষ হয়ে যায় না, বরং যা আছে তারই কেবল মিশ্রণ এবং বিচ্ছেদ ঘটে। তাই তাদের উচিত সৃষ্টি হওয়াকে 'মিশ্রণ' এবং শেষ হয়ে যাওয়াকে 'পৃথকীকরণ' বলা।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১৭, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* সূর্যই চাঁদকে উজ্জ্বলতা প্রদান করে।
** প্লুটার্কের 'দ্য ফাসিয়ে ইন অরবে লুনা' থেকে উদ্ধৃত।
== অ্যানাক্সাগোরাস সম্পর্কে উক্তি ==
* আপনি যদি বিভিন্ন জাতির শ্রেষ্ঠ মেধাবীদের নিপীড়নের কারণগুলো পরীক্ষা করেন এবং পিথাগোরাস, অ্যানাক্সাগোরাস, সক্রেটিস, প্লেটো এবং অন্যদের নিপীড়ন ও নির্বাসনের কারণগুলোর তুলনা করেন, তবে দেখতে পাবেন যে প্রতিটি ক্ষেত্রেই অভিযোগ এবং নির্বাসনের কারণগুলো প্রায় অভিন্ন এবং ভিত্তিহীন ছিল। কিন্তু পরবর্তী শতাব্দীগুলোতে তাদের পূর্ণ সম্মান ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেন কোনোদিন কোনো মানহানি ঘটেনি। এটা বলাই সঠিক হবে যে, এই কর্মীরা তাদের সমসাময়িকদের চেতনার তুলনায় অনেক বেশি উন্নত ছিলেন এবং জল্লাদের তলোয়ার সর্বদা একটি উঁচু মস্তক কেটে ফেলার জন্য প্রস্তুত ছিল... মহান ব্যক্তিদের নিপীড়নের কারণগুলো নিয়ে একটি বই লেখা উচিত। কারণগুলোর তুলনা করলেই সেই অশুভ ইচ্ছার সন্ধান পাওয়া সম্ভব।
** [[অগ্নি যোগ]], ''সুপারমুন্ডেন'', (১৯৩৮), ২২২।
* গণিতে... গ্রিকদের দৃষ্টিভঙ্গি আগের নদীমাতৃক (potamic) সংস্কৃতিগুলো থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ছিল। এই বৈপরীত্য থেলিস এবং পিথাগোরাসের মধ্যে স্পষ্ট ছিল এবং এথেন্সের বীরত্বগাথার যুগেও তা অব্যাহত ছিল। ...অ্যানাক্সাগোরাস যখন কারাগারে ছিলেন, তখন তিনি [[বৃত্তকে বর্গক্ষেত্রে রূপান্তর|বৃত্তকে বর্গ করার]] প্রচেষ্টায় নিজেকে ব্যস্ত রেখেছিলেন... এটিই ছিল সেই সমস্যার প্রথম উল্লেখ যা ২০০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে গণিতবিদদের মুগ্ধ করে রেখেছিল। ...এখানে আমরা এমন এক ধরণের গণিত দেখতে পাই যা মিশরীয় এবং ব্যাবিলনীয়দের তুলনায় একেবারেই আলাদা। এটি সংখ্যা বিজ্ঞানের কেবল ব্যবহারিক প্রয়োগ নয়... বরং একটি তাত্ত্বিক প্রশ্ন যেখানে আনুমানিক নির্ভুলতা এবং চিন্তার সঠিকতার মধ্যে পার্থক্য নিহিত।
** [[কার্ল বেঞ্জামিন বোয়ার]], ''এ হিস্ট্রি অফ ম্যাথমেটিক্স'' (১৯৬৮)।
* [[বিগ ব্যাং]] এবং স্টিডি স্টেট (স্থির অবস্থা) তত্ত্বের বিতর্কটি আড়াই হাজার বছর আগের অ্যানাক্সিম্যান্ডার এবং অ্যানাক্সাগোরাসের ধারণার প্রতিধ্বনি করে। অ্যানাক্সাগোরাস কল্পনা করেছিলেন যে এক সময় "সবকিছু একসাথে ছিল" এবং মহাবিশ্বের চালিকাশক্তি একটি নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে উৎপন্ন হয়েছিল... অন্যদিকে অ্যানাক্সিম্যান্ডার এমন একটি মহাবিশ্ব চেয়েছিলেন যা "অসীম" দ্বারা নির্ধারিত এবং একটি শাশ্বত মহাবিশ্বে বস্তুর সৃষ্টি ও বিনাশের ভারসাম্য ব্যাখ্যা করার জন্য তাঁর একটি "অনন্ত গতির" প্রয়োজন ছিল... প্রাচীন দর্শনেই মহাবিশ্বের সৃষ্টি একটি একক বিন্দু থেকে শুরু হওয়া বনাম একটি শাশ্বত মহাবিশ্বে নিরন্তর সৃষ্টির বিকল্পগুলো নিয়ে বিতর্ক চলছিল।
** ডেভিড এইচ. ক্লার্ক ও ম্যাথিউ ডি. এইচ. ক্লার্ক, ''মেজারিং দ্য কসমস'' (২০০৪)।
* অ্যানাক্সাগোরাস 'ইথার' নামক আরেকটি উপাদানের অস্তিত্বের কথা বলেছিলেন, যা নিরন্তর ঘূর্ণায়মান এবং এটি তার সাথে স্বর্গীয় বস্তুগুলোকে বহন করে। তিনি আরও বিশ্বাস করতেন যে প্রকৃতিতে একটি পরিচালক বুদ্ধিমত্তা রয়েছে যাকে তিনি [[নোস|''নোস'']] বলতেন, যা অন্যথায় বিশৃঙ্খল মহাবিশ্বকে শৃঙ্খলা প্রদান করে। ''নোস'' বলতে তিনি আক্ষরিক অর্থে "মহাবিশ্বের মন" বুঝিয়েছেন... অ্যানাক্সাগোরাস ছিলেন আয়োনীয় পদার্থবিদদের মধ্যে শেষ ব্যক্তি।
** [[জন ফ্রিলি]], ''বিফোর গ্যালিলিও: দ্য বার্থ অফ মডার্ন সায়েন্স ইন মেডিয়েভাল ইউরোপ'' (২০১২)।
* ব্যাখ্যার অন্তহীন ক্রম অ্যানাক্সাগোরাসের দর্শনে সুষ্পষ্ট। এমনকি যে উপাদানগুলো দিয়ে কোনো কিছু গঠিত এবং যা তার আচরণের জন্য দায়ী, সেগুলো নিজেরাও অন্য উপাদান দিয়ে গঠিত। [...] প্রতিটি ক্ষেত্রে, আচরণ হলো প্রধান বৈশিষ্ট্য (যা তাকে এমন বা তেমন দেখায়) এবং লুকানো বৈশিষ্ট্য (যা অবোধ্য কাজ ঘটাতে পারে) উভয়েরই ফলাফল। আর এই দ্বৈত ব্যাখ্যা দৈনন্দিন জীবনে দেখা স্থূল বস্তুগুলোর মতো লুকানো উপাদানগুলোর ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য। কিন্তু অ্যানাক্সাগোরাসের জন্য এটি সত্য যে নীতিগতভাবে বস্তুগত গঠন প্রতিটি বস্তুর বর্তমান আচরণের কারণ হবে। তবে যদি জিনিসটি জীবন্ত হয়, তবে সেই ব্যাখ্যাটি অন্য একটি নীতির আবেদনের মাধ্যমে পরিপূরক হতে হবে, যাকে অ্যানাক্সাগোরাস 'মন' বলেছেন।
** ক্যাথরিন অসবোর্ন, ''প্রি-সক্রেটিক ফিলোসফি: এ ভেরি শর্ট ইন্ট্রোডাকশন'' (২০০৪)।
* আমার প্রিয় মেলেটাস, তুমি কি মনে করো যে তুমি অ্যানাক্সাগোরাসের বিচার করছ? তুমি কি এই পুরুষদের অবজ্ঞা করো এবং তাদের চিঠিপত্র সম্পর্কে এতটাই অজ্ঞ মনে করো যে এটি জানো না যে ক্লাজোমেনাইয়ের অ্যানাক্সাগোরাসের বইগুলো এই তত্ত্বগুলোতে পূর্ণ? তদুপরি, যুবকরা আমার কাছ থেকে যা শিখে তা তারা মাঝে মাঝে বইয়ের দোকান থেকে বড়জোর এক ড্রাকমায় কিনতে পারে। তারা সক্রেটিসকে উপহাস করবে যদি সে দাবি করে যে এই তত্ত্বগুলো তার নিজের, বিশেষ করে যখন সেগুলো এতই অদ্ভুত। হে জিউস, মেলেটাস, তুমি কি আমার সম্পর্কে এটিই ভাবো যে আমি কোনো দেবতায় বিশ্বাস করি না? — আমি এটিই বলছি যে তুমি দেবতায় মোটেই বিশ্বাস করো না।
** [[প্লেটো]], ''অ্যাপোলজি'', ২৬ডি-২৬ই।
* অ্যানাক্সাগোরাস মনে করতেন যে সবকিছুই অসীমভাবে বিভাজ্য, এবং এমনকি পদার্থের ক্ষুদ্রতম অংশেও প্রতিটি উপাদানের কিছু অংশ থাকে। জিনিসগুলোকে তেমন দেখায় যে উপাদানটি তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি থাকে। উদাহরণস্বরূপ, সবকিছুর মধ্যেই কিছু আগুন থাকে, কিন্তু আমরা তাকে তখনই আগুন বলি যখন সেই উপাদানটি সেখানে প্রাধান্য পায়। তিনি শূন্যস্থানের বিরুদ্ধে যুক্তি দিয়েছিলেন।
** [[বারট্রান্ড রাসেল]], ''এ হিস্ট্রি অফ ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি'' (১৯৪৫)।
* বিজ্ঞানে [অ্যানাক্সাগোরাসের] অনেক অবদান ছিল। তিনিই প্রথম ব্যাখ্যা করেছিলেন যে চাঁদ প্রতিফলিত আলোতে জ্বলে... অ্যানাক্সাগোরাস গ্রহণ সম্পর্কে সঠিক তত্ত্ব দিয়েছিলেন এবং জানতেন যে চাঁদ সূর্যের নিচে অবস্থিত। তিনি বলেছিলেন সূর্য ও নক্ষত্রগুলো হলো অগ্নিময় পাথর, কিন্তু নক্ষত্রগুলো অনেক দূরে হওয়ায় আমরা তাদের তাপ অনুভব করি না। সূর্য পেলোপোনেসাসের চেয়েও বড়। চাঁদে পাহাড় আছে এবং (তিনি ভেবেছিলেন) সেখানে অধিবাসীও আছে।
** [[বারট্রান্ড রাসেল]], প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা ৬৩।
* অ্যানাক্সাগোরাস অধিবিদ্যার চেয়ে পদার্থবিদ্যা অধ্যয়নের দিকে বেশি ঝুঁকেছিলেন, যে কারণে প্লেটো এবং অ্যারিস্টটল তাঁকে চূড়ান্ত কারণগুলোকে যথেষ্ট গুরুত্ব না দেওয়ার জন্য অভিযুক্ত করেছেন। তিনি উদ্ভিদ ও প্রাণীর গঠন এবং এমনকি মহাকাশীয় ঘটনাগুলোকে ভৌত নীতির মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেছিলেন; যা তাঁর বিরুদ্ধে নাস্তিকতার অভিযোগ এনেছিল। তবুও, তিনি ইন্দ্রিয়ের সাক্ষ্যকে বিষয়গতভাবে সত্য বলে গণ্য করতেন; কিন্তু বস্তুনিষ্ঠ সত্য অর্জনের জন্য তা অপর্যাপ্ত ছিল, যা ছিল যুক্তির বিশেষাধিকার।
** [[উইলহেম গটলিব টেনেমান]], ''এ ম্যানুয়াল অফ দ্য হিস্ট্রি অফ ফিলোসফি'' (১৮৭০)।
* অ্যানাক্সাগোরাস বলেন যে অনুভুতি বা সংবেদন বিপরীত জিনিসের মাধ্যমে উৎপন্ন হয়; কারণ একই ধরণের জিনিস একই ধরণের জিনিসের দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে না। ...ঠিক একইভাবে আমরা স্পর্শ এবং স্বাদের মাধ্যমে বস্তুগুলোকে শনাক্ত করি। যা আমাদের শরীরের সমান উষ্ণ বা সমান ঠান্ডা, তা আমাদের উষ্ণ বা শীতল কোনোটিই করে না... আমরা ঠান্ডা জানি গরমের মাধ্যমে, মিষ্টি জানি টকের মাধ্যমে। ...এবং সব সংবেদনই যন্ত্রণা বহন করে... কারণ সব বিজাতীয় জিনিস তাদের স্পর্শের মাধ্যমে যন্ত্রণা তৈরি করে। অত্যধিক উজ্জ্বল রঙ এবং অতিরিক্ত শব্দ যন্ত্রণা দেয়।
** [[থিওফ্রেস্টাস]], ''ডি সেনসু'' বা ''অন সেন্স পারসেপশন'' (আনুমানিক ৩৩০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ)।
=== ''আর্লি গ্রিক ফিলোসফি'' (১৯০৮) ===
<small>[[জন বার্নেট]] রচিত।</small>
* আমরা ধরে নিতে পারি যে অ্যানাক্সাগোরাস এমন একটি পরিবারের সদস্য ছিলেন যারা রাষ্ট্রে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছিলেন। **অ্যানাক্সাগোরাস বিজ্ঞানের সাধনায় তাঁর ধন-সম্পদ অবহেলা করেছিলেন**—এই ঐতিহ্যকেও আমাদের প্রত্যাখ্যান করার প্রয়োজন নেই। ...চতুর্থ শতাব্দীতে তাঁকে **এমন একজন মানুষের আদর্শ হিসেবে গণ্য করা হতো যিনি "তাত্ত্বিক জীবন" যাপন করেন।**
* অ্যানাক্সাগোরাসের প্রথম জীবনের একটি ঘটনা হলো ৪৬৮-৬৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে **আইগোস্পোটামিতে একটি বিশাল উল্কাপাতের পর্যবেক্ষণ।** ...এটি সম্ভবত তাঁর আদিম বিশ্বতত্ত্ব থেকে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিচ্যুতির কারণ ছিল এবং এর ফলে এমন এক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হয়েছিল যার জন্য তাঁকে এথেন্সে দণ্ডিত হতে হয়েছিল।
* **অ্যানাক্সাগোরাস ছিলেন প্রথম দার্শনিক যিনি এথেন্সে বসবাস শুরু করেন।**
* আমরা ভাবব না যে তিনি এথেনীয়দের চরিত্রের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে সেখানে গিয়েছিলেন। ...**এথেন্স হেলেনীয় বিশ্বের রাজনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল; কিন্তু তখনও সেখানে কোনো বিজ্ঞানমনস্ক মানুষ তৈরি হয়নি। ...নাগরিকদের মানসিকতা অবাধ অনুসন্ধানের প্রতি প্রতিকূল ছিল।** ...সক্রেটিস, অ্যানাক্সাগোরাস এবং অ্যারিস্টটল গণতন্ত্রের গোঁড়ামির শিকার হয়েছিলেন, যদিও... তাদের অপরাধ ধর্মীয়র চেয়ে বেশি রাজনৈতিক ছিল।
* সম্ভবত **প্যারিক্লিসই অ্যানাক্সাগোরাসকে এথেন্সে এনেছিলেন।** ...উদ্দেশ্য ছিল তাঁর নাগরিকদের নমনীয়তা এবং মানসিক উদারতা প্রদান করা যা সমুদ্রের ওপারের মানুষদের বৈশিষ্ট্য ছিল। প্লেটোর সাক্ষ্য অনুসারে প্যারিক্লিসের সাথে অ্যানাক্সাগোরাসের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল।
* পেলোপোনেসীয় যুদ্ধের কিছুকাল আগে প্যারিক্লিসের শত্রুরা তাঁর বন্ধুদের মাধ্যমে তাঁকে আক্রমণ করতে শুরু করে। ফিদিয়াস প্রথমে আক্রান্ত হন এবং এরপর অ্যানাক্সাগোরাস। ...**তিনি ধর্মীয় গোষ্ঠীর বিশেষ ঘৃণার পাত্র ছিলেন।** ...প্লেটোর বর্ণনা অনুসারে **অভিযোগ ছিল যে অ্যানাক্সাগোরাস শিক্ষা দিতেন সূর্য একটি উত্তপ্ত পাথর এবং চাঁদ হলো মাটি;** ...প্যারিক্লিস তাঁকে জেল থেকে বের করে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন।
* **অ্যানাক্সাগোরাস... আয়োনিয়ায় ফিরে যান এবং ল্যাম্পসাকাসে বসতি স্থাপন করেন এবং সেখানে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। সম্ভবত নির্বাসনের পর তিনি বেশিদিন বাঁচেননি। ল্যাম্পসাকেনরা তাঁদের বাজার এলাকায় তাঁর স্মৃতিতে একটি বেদী নির্মাণ করেছিলেন, যা 'মন' এবং 'সত্য' (Truth)-এর প্রতি উৎসর্গ করা হয়েছিল;** এবং তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী দীর্ঘদিন ধরে স্কুলপড়ুয়া শিশুদের জন্য ছুটির দিন হিসেবে পালিত হতো...
* অ্যানাক্সাগোরাসের সিস্টেমের লক্ষ্য ছিল এলিয়াটিক মতবাদ (যে বস্তুগত পদার্থ অপরিবর্তনীয়) এবং দৃশ্যমান জগত (যেখানে সৃষ্টি ও বিনাশ বর্তমান)—এই দুটির মধ্যে সমন্বয় করা। **মানুষ যাকে সাধারণত সৃষ্টি হওয়া এবং শেষ হয়ে যাওয়া বলে ডাকে, তা আসলে মিশ্রণ এবং পৃথকীকরণ।**
* অ্যানাক্সাগোরাস মনে করতেন যে **পদার্থ অসীমভাবে বিভাজ্য**... ক্ষুদ্রতম বা বৃহত্তম বলে কিছু নেই। তবে কণাটি যত বড় বা ছোটই হোক না কেন, এতে সবকিছুরই "অংশ" থাকে।
* যদিও সবকিছুর মধ্যে সবকিছুর অংশ থাকে, তবুও **জিনিসগুলোকে তেমন দেখায় যার পরিমাণ তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি।** ...বায়ু হলো সেটি যাতে ঠান্ডা সবচেয়ে বেশি থাকে, আর আগুন হলো সেটি যাতে তাপ সবচেয়ে বেশি থাকে।
* অ্যানাক্সাগোরাসের সাথে অ্যানাক্সিমিনিসের সংযোগ লক্ষ্য করা যায়। আদি দশা সম্পর্কে দুজনের ধারণাই প্রায় এক; কেবল **অ্যানাক্সাগোরাসের ক্ষেত্রে আদি ভরটি আর প্রাথমিক পদার্থ নয়, বরং অগণিত বীজের মিশ্রণ যা অসীম ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত। এই ভরটি অসীম এবং নিজেই নিজেকে ধরে রাখে, কারণ একে ঘিরে রাখার মতো কিছু নেই।**
* অ্যানাক্সাগোরাস মিশ্রণের মধ্যে গতির সঞ্চার করার জন্য কোনো বাহ্যিক কারণের প্রয়োজন অনুভব করেছিলেন। **অ্যানাক্সাগোরাস গতির সেই কারণকে বলেছিলেন 'নোস' বা মন।** এটিই অ্যারিস্টটলকে বলতে বাধ্য করেছিল যে, তাঁর পূর্বসূরীদের এলোমেলো কথার মাঝে তিনি একজন সচেতন মানুষের মতো দাঁড়িয়েছিলেন। 'নোস' বা মন হলো অবিনশ্বর এবং অমিশ্রিত। এটি সবকিছুর ওপর ক্ষমতা রাখে কারণ এটি গতি সৃষ্টি করে। **সম্ভবত বিশুদ্ধ বিশ্বতত্ত্বের চেয়ে শারীরতত্ত্বের প্রতি তাঁর ক্রমবর্ধমান আগ্রহ তাঁকে 'আত্মা'র পরিবর্তে 'মন' বেছে নিতে উৎসাহিত করেছিল।**
* **অ্যানাক্সাগোরাস 'অ্যানিমেট' (সজীব) এবং 'ইনঅ্যানিমেট' (নির্জীব) বস্তুর মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করেছিলেন।** ...মানুষ ছিল সবচেয়ে বুদ্ধিমান... কারণ তার উন্নত মন বা 'নোস' ছিল তা নয়, বরং তার **হাত** ছিল বলে।
* **অ্যানাক্সাগোরাসের একটি চমৎকার চিন্তা ছিল সংবেদনকে বিপরীত জিনিসের দ্বারা উদ্দীপিত হওয়ার ওপর নির্ভর করানো এবং একে যন্ত্রণার সাথে যুক্ত করা।** অনেক আধুনিক তত্ত্ব এই ধরণের ধারণার ওপর ভিত্তি করেই তৈরি।
* অ্যানাক্সাগোরাস মনে করতেন ইন্দ্রিয়গুলো সত্যে পৌঁছাতে অক্ষম। তিনি বলেছিলেন, "আমাদের ইন্দ্রিয়ের দুর্বলতা আমাদের সত্য অনুধাবন করতে বাধা দেয়।" কিন্তু আমাদের এটিকে সংশয়বাদে রূপান্তর করা উচিত নয়। তিনি আরও বলেছিলেন, **দৃশ্যমান বস্তুগুলো আমাদের অদৃশ্যকে দেখার শক্তি দেয়, যা সংশয়বাদের ঠিক বিপরীত।**
== আরও দেখুন ==
* [[সক্রেটিস-পূর্ব দর্শন]]
* [[গ্রিক দর্শন]]
== তথ্যসূত্র ==
{{তথ্যসূত্র তালিকা}}
== বহিঃসংযোগ ==
* {{উইকিপিডিয়া-ইনলাইন}}
* {{কমন্সক্যাট-ইনলাইন}}
* {{উইকিসোর্স-ইনলাইন|Author:Anaxagoras}}
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:অ্যানাক্সাগোরাস}}
[[বিষয়শ্রেণী:খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতাব্দীর দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:সক্রেটিস-পূর্ব দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:৪২৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:গ্রিক জ্যোতির্বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:গ্রিক গণিতবিদ]]
0qsjwpk81wpan6z8grdeof46mqgksg5
74021
74019
2026-04-06T06:22:49Z
SMontaha32
3112
/* অ্যানাক্সাগোরাস সম্পর্কে উক্তি */
74021
wikitext
text/x-wiki
[[File:Anaxagoras Lebiedzki Rahl.jpg|thumb|right|সবকিছু একসাথে ছিল, সংখ্যা এবং ক্ষুদ্রতা উভয় ক্ষেত্রেই ছিল অসীম; কারণ ক্ষুদ্রতাও ছিল অসীম।]]
'''অ্যানাক্সাগোরাস''' (আনুমানিক ৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ – ৪২৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) ছিলেন এশিয়া মাইনরের ক্লাজোমেনাইয়ের একজন [[সক্রেটিস]] পূর্ব গ্রিক দার্শনিক। তিনি মহাবিশ্বের একটি শৃঙ্খলারক্ষাকারী শক্তি হিসেবে '''নোস''' (মন) ধারণাটি প্রবর্তন করেন। তিনি বস্তুগত পদার্থকে অবিনশ্বর প্রাথমিক উপাদানগুলোর একটি অসীম সমষ্টি হিসেবে বিবেচনা করতেন; যেখানে সব কিছুর সৃষ্টি এবং ধ্বংসকে তিনি যথাক্রমে মিশ্রণ এবং পৃথকীকরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
== উক্তি ==
* গ্রিকরা ভুলভাবে মনে করে যে কোনো কিছুর শুরু বা শেষ আছে। কারণ কোনো কিছুই নতুন করে সৃষ্টি হয় না বা ধ্বংস হয় না। বরং সবকিছুই পূর্ব-বিদ্যমান জিনিসের সমষ্টি বা নিঃসরণ: তাই সব কিছু সৃষ্টি হওয়াকে আরও সঠিকভাবে 'মিশ্রিত হওয়া' এবং সব বিনাশকে 'পৃথক হওয়া' বলা যেতে পারে।
** হেইনরিখ রিটার (১৮৩৮) দ্বারা উদ্ধৃত।
* সবকিছু একসাথে ছিল, সংখ্যা এবং ক্ষুদ্রতা উভয় ক্ষেত্রেই ছিল অসীম; কারণ ক্ষুদ্রতাও ছিল অসীম।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* আর যেহেতু বিষয়গুলো এমন, তাই আমাদের ধরে নিতে হবে যে মিলিত হওয়া জিনিসগুলোর মধ্যে অনেক ধরণের জিনিস এবং সব ধরণের জিনিসের বীজ বিদ্যমান, যাদের রয়েছে সব ধরণের আকার, রঙ এবং স্বাদ।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ৪, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* মন অসীম এবং স্ব-শাসিত, এবং এটি কোনো কিছুর সাথে মিশ্রিত নয়, বরং এটি একা নিজেই নিজের মধ্যে বিদ্যমান।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১২, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* চিন্তা হলো সীমাহীন এবং স্বাধীন কিছু, এবং এটি কোনো জিনিসের সাথে মিশ্রিত হয়নি বরং একাই অবস্থান করে। ... এর সাথে যা কিছু মিশ্রিত হতো তা এটিকে বর্তমানের মতো সব কিছুর ওপর ক্ষমতা রাখা থেকে বিরত রাখত। ... কারণ এটি সব কিছুর মধ্যে সবচেয়ে সূক্ষ্ম এবং বিশুদ্ধ।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১২, জোনাথন বার্নসের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯৮৪) থেকে উদ্ধৃত।
* গ্রিকরা সৃষ্টি হওয়া এবং শেষ হয়ে যাওয়ার কথা বলে একটি ভুল রীতি অনুসরণ করে; কারণ কোনো কিছুই সৃষ্টি হয় না বা শেষ হয়ে যায় না, বরং যা আছে তারই কেবল মিশ্রণ এবং বিচ্ছেদ ঘটে। তাই তাদের উচিত সৃষ্টি হওয়াকে 'মিশ্রণ' এবং শেষ হয়ে যাওয়াকে 'পৃথকীকরণ' বলা।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১৭, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* সূর্যই চাঁদকে উজ্জ্বলতা প্রদান করে।
** প্লুটার্কের 'দ্য ফাসিয়ে ইন অরবে লুনা' থেকে উদ্ধৃত।
== অ্যানাক্সাগোরাস সম্পর্কে উক্তি ==
* আপনি যদি বিভিন্ন জাতির শ্রেষ্ঠ মেধাবীদের নিপীড়নের কারণগুলো পরীক্ষা করেন এবং পিথাগোরাস, অ্যানাক্সাগোরাস, সক্রেটিস, প্লেটো এবং অন্যদের নিপীড়ন ও নির্বাসনের কারণগুলোর তুলনা করেন, তবে দেখতে পাবেন যে প্রতিটি ক্ষেত্রেই অভিযোগ এবং নির্বাসনের কারণগুলো প্রায় অভিন্ন এবং ভিত্তিহীন ছিল। কিন্তু পরবর্তী শতাব্দীগুলোতে তাদের পূর্ণ সম্মান ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেন কোনোদিন কোনো মানহানি ঘটেনি। এটা বলাই সঠিক হবে যে, এই কর্মীরা তাদের সমসাময়িকদের চেতনার তুলনায় অনেক বেশি উন্নত ছিলেন এবং জল্লাদের তলোয়ার সর্বদা একটি উঁচু মস্তক কেটে ফেলার জন্য প্রস্তুত ছিল... মহান ব্যক্তিদের নিপীড়নের কারণগুলো নিয়ে একটি বই লেখা উচিত। কারণগুলোর তুলনা করলেই সেই অশুভ ইচ্ছার সন্ধান পাওয়া সম্ভব।
** [[অগ্নি যোগ]], ''সুপারমুন্ডেন'', (১৯৩৮), ২২২।
* গণিতে... গ্রিকদের দৃষ্টিভঙ্গি আগের নদীমাতৃক সংস্কৃতিগুলো থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ছিল। এই বৈপরীত্য থেলিস এবং পিথাগোরাসের মধ্যে স্পষ্ট ছিল এবং এথেন্সের বীরত্বগাথার যুগেও তা অব্যাহত ছিল। ...অ্যানাক্সাগোরাস যখন কারাগারে ছিলেন, তখন তিনি বৃত্তকে বর্গ করার প্রচেষ্টায় নিজেকে ব্যস্ত রেখেছিলেন... এটিই ছিল সেই সমস্যার প্রথম উল্লেখ যা ২০০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে গণিতবিদদের মুগ্ধ করে রেখেছিল। ...এখানে আমরা এমন এক ধরণের গণিত দেখতে পাই যা মিশরীয় এবং ব্যাবিলনীয়দের তুলনায় একেবারেই আলাদা। এটি সংখ্যা বিজ্ঞানের কেবল ব্যবহারিক প্রয়োগ নয়... বরং একটি তাত্ত্বিক প্রশ্ন যেখানে আনুমানিক নির্ভুলতা এবং চিন্তার সঠিকতার মধ্যে পার্থক্য নিহিত।
** [[কার্ল বেঞ্জামিন বোয়ার]], ''এ হিস্ট্রি অফ ম্যাথমেটিক্স'' (১৯৬৮)।
* [[বিগ ব্যাং]] এবং স্টিডি স্টেট (স্থির অবস্থা) তত্ত্বের বিতর্কটি আড়াই হাজার বছর আগের অ্যানাক্সিম্যান্ডার এবং অ্যানাক্সাগোরাসের ধারণার প্রতিধ্বনি করে। অ্যানাক্সাগোরাস কল্পনা করেছিলেন যে এক সময় "সবকিছু একসাথে ছিল" এবং মহাবিশ্বের চালিকাশক্তি একটি নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে উৎপন্ন হয়েছিল... অন্যদিকে অ্যানাক্সিম্যান্ডার এমন একটি মহাবিশ্ব চেয়েছিলেন যা "অসীম" দ্বারা নির্ধারিত এবং একটি শাশ্বত মহাবিশ্বে বস্তুর সৃষ্টি ও বিনাশের ভারসাম্য ব্যাখ্যা করার জন্য তাঁর একটি "অনন্ত গতির" প্রয়োজন ছিল... প্রাচীন দর্শনেই মহাবিশ্বের সৃষ্টি একটি একক বিন্দু থেকে শুরু হওয়া বনাম একটি শাশ্বত মহাবিশ্বে নিরন্তর সৃষ্টির বিকল্পগুলো নিয়ে বিতর্ক চলছিল।
** ডেভিড এইচ. ক্লার্ক ও ম্যাথিউ ডি. এইচ. ক্লার্ক, ''মেজারিং দ্য কসমস'' (২০০৪)।
* অ্যানাক্সাগোরাস 'ইথার' নামক আরেকটি উপাদানের অস্তিত্বের কথা বলেছিলেন, যা নিরন্তর ঘূর্ণায়মান এবং এটি তার সাথে স্বর্গীয় বস্তুগুলোকে বহন করে। তিনি আরও বিশ্বাস করতেন যে প্রকৃতিতে একটি পরিচালক বুদ্ধিমত্তা রয়েছে যাকে তিনি [[নোস|''নোস'']] বলতেন, যা অন্যথায় বিশৃঙ্খল মহাবিশ্বকে শৃঙ্খলা প্রদান করে। ''নোস'' বলতে তিনি আক্ষরিক অর্থে "মহাবিশ্বের মন" বুঝিয়েছেন... অ্যানাক্সাগোরাস ছিলেন আয়োনীয় পদার্থবিদদের মধ্যে শেষ ব্যক্তি।
** [[জন ফ্রিলি]], ''বিফোর গ্যালিলিও: দ্য বার্থ অফ মডার্ন সায়েন্স ইন মেডিয়েভাল ইউরোপ'' (২০১২)।
* ব্যাখ্যার অন্তহীন ক্রম অ্যানাক্সাগোরাসের দর্শনে সুষ্পষ্ট। এমনকি যে উপাদানগুলো দিয়ে কোনো কিছু গঠিত এবং যা তার আচরণের জন্য দায়ী, সেগুলো নিজেরাও অন্য উপাদান দিয়ে গঠিত। [...] প্রতিটি ক্ষেত্রে, আচরণ হলো প্রধান বৈশিষ্ট্য (যা তাকে এমন বা তেমন দেখায়) এবং লুকানো বৈশিষ্ট্য (যা অবোধ্য কাজ ঘটাতে পারে) উভয়েরই ফলাফল। আর এই দ্বৈত ব্যাখ্যা দৈনন্দিন জীবনে দেখা স্থূল বস্তুগুলোর মতো লুকানো উপাদানগুলোর ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য। কিন্তু অ্যানাক্সাগোরাসের জন্য এটি সত্য যে নীতিগতভাবে বস্তুগত গঠন প্রতিটি বস্তুর বর্তমান আচরণের কারণ হবে। তবে যদি জিনিসটি জীবন্ত হয়, তবে সেই ব্যাখ্যাটি অন্য একটি নীতির আবেদনের মাধ্যমে পরিপূরক হতে হবে, যাকে অ্যানাক্সাগোরাস 'মন' বলেছেন।
** ক্যাথরিন অসবোর্ন, ''প্রি-সক্রেটিক ফিলোসফি: এ ভেরি শর্ট ইন্ট্রোডাকশন'' (২০০৪)।
* আমার প্রিয় মেলেটাস, তুমি কি মনে করো যে তুমি অ্যানাক্সাগোরাসের বিচার করছ? তুমি কি এই পুরুষদের অবজ্ঞা করো এবং তাদের চিঠিপত্র সম্পর্কে এতটাই অজ্ঞ মনে করো যে এটি জানো না যে ক্লাজোমেনাইয়ের অ্যানাক্সাগোরাসের বইগুলো এই তত্ত্বগুলোতে পূর্ণ? তদুপরি, যুবকরা আমার কাছ থেকে যা শিখে তা তারা মাঝে মাঝে বইয়ের দোকান থেকে বড়জোর এক ড্রাকমায় কিনতে পারে। তারা সক্রেটিসকে উপহাস করবে যদি সে দাবি করে যে এই তত্ত্বগুলো তার নিজের, বিশেষ করে যখন সেগুলো এতই অদ্ভুত। হে জিউস, মেলেটাস, তুমি কি আমার সম্পর্কে এটিই ভাবো যে আমি কোনো দেবতায় বিশ্বাস করি না? — আমি এটিই বলছি যে তুমি দেবতায় মোটেই বিশ্বাস করো না।
** [[প্লেটো]], ''অ্যাপোলজি'', ২৬ডি-২৬ই।
* অ্যানাক্সাগোরাস মনে করতেন যে সবকিছুই অসীমভাবে বিভাজ্য, এবং এমনকি পদার্থের ক্ষুদ্রতম অংশেও প্রতিটি উপাদানের কিছু অংশ থাকে। জিনিসগুলোকে তেমন দেখায় যে উপাদানটি তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি থাকে। উদাহরণস্বরূপ, সবকিছুর মধ্যেই কিছু আগুন থাকে, কিন্তু আমরা তাকে তখনই আগুন বলি যখন সেই উপাদানটি সেখানে প্রাধান্য পায়। তিনি শূন্যস্থানের বিরুদ্ধে যুক্তি দিয়েছিলেন।
** [[বারট্রান্ড রাসেল]], ''এ হিস্ট্রি অফ ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি'' (১৯৪৫)।
* বিজ্ঞানে [অ্যানাক্সাগোরাসের] অনেক অবদান ছিল। তিনিই প্রথম ব্যাখ্যা করেছিলেন যে চাঁদ প্রতিফলিত আলোতে জ্বলে... অ্যানাক্সাগোরাস গ্রহণ সম্পর্কে সঠিক তত্ত্ব দিয়েছিলেন এবং জানতেন যে চাঁদ সূর্যের নিচে অবস্থিত। তিনি বলেছিলেন সূর্য ও নক্ষত্রগুলো হলো অগ্নিময় পাথর, কিন্তু নক্ষত্রগুলো অনেক দূরে হওয়ায় আমরা তাদের তাপ অনুভব করি না। সূর্য পেলোপোনেসাসের চেয়েও বড়। চাঁদে পাহাড় আছে এবং (তিনি ভেবেছিলেন) সেখানে অধিবাসীও আছে।
** [[বারট্রান্ড রাসেল]], প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা ৬৩।
* অ্যানাক্সাগোরাস অধিবিদ্যার চেয়ে পদার্থবিদ্যা অধ্যয়নের দিকে বেশি ঝুঁকেছিলেন, যে কারণে প্লেটো এবং অ্যারিস্টটল তাঁকে চূড়ান্ত কারণগুলোকে যথেষ্ট গুরুত্ব না দেওয়ার জন্য অভিযুক্ত করেছেন। তিনি উদ্ভিদ ও প্রাণীর গঠন এবং এমনকি মহাকাশীয় ঘটনাগুলোকে ভৌত নীতির মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেছিলেন; যা তাঁর বিরুদ্ধে নাস্তিকতার অভিযোগ এনেছিল। তবুও, তিনি ইন্দ্রিয়ের সাক্ষ্যকে বিষয়গতভাবে সত্য বলে গণ্য করতেন; কিন্তু বস্তুনিষ্ঠ সত্য অর্জনের জন্য তা অপর্যাপ্ত ছিল, যা ছিল যুক্তির বিশেষাধিকার।
** [[উইলহেম গটলিব টেনেমান]], ''এ ম্যানুয়াল অফ দ্য হিস্ট্রি অফ ফিলোসফি'' (১৮৭০)।
* অ্যানাক্সাগোরাস বলেন যে অনুভুতি বা সংবেদন বিপরীত জিনিসের মাধ্যমে উৎপন্ন হয়; কারণ একই ধরণের জিনিস একই ধরণের জিনিসের দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে না। ...ঠিক একইভাবে আমরা স্পর্শ এবং স্বাদের মাধ্যমে বস্তুগুলোকে শনাক্ত করি। যা আমাদের শরীরের সমান উষ্ণ বা সমান ঠান্ডা, তা আমাদের উষ্ণ বা শীতল কোনোটিই করে না... আমরা ঠান্ডা জানি গরমের মাধ্যমে, মিষ্টি জানি টকের মাধ্যমে। ...এবং সব সংবেদনই যন্ত্রণা বহন করে... কারণ সব বিজাতীয় জিনিস তাদের স্পর্শের মাধ্যমে যন্ত্রণা তৈরি করে। অত্যধিক উজ্জ্বল রঙ এবং অতিরিক্ত শব্দ যন্ত্রণা দেয়।
** [[থিওফ্রেস্টাস]], ''ডি সেনসু'' বা ''অন সেন্স পারসেপশন'' (আনুমানিক ৩৩০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ)।
=== ''আর্লি গ্রিক ফিলোসফি'' (১৯০৮) ===
<small>[[জন বার্নেট]] রচিত।</small>
* আমরা ধরে নিতে পারি যে অ্যানাক্সাগোরাস এমন একটি পরিবারের সদস্য ছিলেন যারা রাষ্ট্রে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছিলেন। **অ্যানাক্সাগোরাস বিজ্ঞানের সাধনায় তাঁর ধন-সম্পদ অবহেলা করেছিলেন**—এই ঐতিহ্যকেও আমাদের প্রত্যাখ্যান করার প্রয়োজন নেই। ...চতুর্থ শতাব্দীতে তাঁকে **এমন একজন মানুষের আদর্শ হিসেবে গণ্য করা হতো যিনি "তাত্ত্বিক জীবন" যাপন করেন।**
* অ্যানাক্সাগোরাসের প্রথম জীবনের একটি ঘটনা হলো ৪৬৮-৬৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে **আইগোস্পোটামিতে একটি বিশাল উল্কাপাতের পর্যবেক্ষণ।** ...এটি সম্ভবত তাঁর আদিম বিশ্বতত্ত্ব থেকে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিচ্যুতির কারণ ছিল এবং এর ফলে এমন এক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হয়েছিল যার জন্য তাঁকে এথেন্সে দণ্ডিত হতে হয়েছিল।
* **অ্যানাক্সাগোরাস ছিলেন প্রথম দার্শনিক যিনি এথেন্সে বসবাস শুরু করেন।**
* আমরা ভাবব না যে তিনি এথেনীয়দের চরিত্রের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে সেখানে গিয়েছিলেন। ...**এথেন্স হেলেনীয় বিশ্বের রাজনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল; কিন্তু তখনও সেখানে কোনো বিজ্ঞানমনস্ক মানুষ তৈরি হয়নি। ...নাগরিকদের মানসিকতা অবাধ অনুসন্ধানের প্রতি প্রতিকূল ছিল।** ...সক্রেটিস, অ্যানাক্সাগোরাস এবং অ্যারিস্টটল গণতন্ত্রের গোঁড়ামির শিকার হয়েছিলেন, যদিও... তাদের অপরাধ ধর্মীয়র চেয়ে বেশি রাজনৈতিক ছিল।
* সম্ভবত **প্যারিক্লিসই অ্যানাক্সাগোরাসকে এথেন্সে এনেছিলেন।** ...উদ্দেশ্য ছিল তাঁর নাগরিকদের নমনীয়তা এবং মানসিক উদারতা প্রদান করা যা সমুদ্রের ওপারের মানুষদের বৈশিষ্ট্য ছিল। প্লেটোর সাক্ষ্য অনুসারে প্যারিক্লিসের সাথে অ্যানাক্সাগোরাসের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল।
* পেলোপোনেসীয় যুদ্ধের কিছুকাল আগে প্যারিক্লিসের শত্রুরা তাঁর বন্ধুদের মাধ্যমে তাঁকে আক্রমণ করতে শুরু করে। ফিদিয়াস প্রথমে আক্রান্ত হন এবং এরপর অ্যানাক্সাগোরাস। ...**তিনি ধর্মীয় গোষ্ঠীর বিশেষ ঘৃণার পাত্র ছিলেন।** ...প্লেটোর বর্ণনা অনুসারে **অভিযোগ ছিল যে অ্যানাক্সাগোরাস শিক্ষা দিতেন সূর্য একটি উত্তপ্ত পাথর এবং চাঁদ হলো মাটি;** ...প্যারিক্লিস তাঁকে জেল থেকে বের করে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন।
* **অ্যানাক্সাগোরাস... আয়োনিয়ায় ফিরে যান এবং ল্যাম্পসাকাসে বসতি স্থাপন করেন এবং সেখানে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। সম্ভবত নির্বাসনের পর তিনি বেশিদিন বাঁচেননি। ল্যাম্পসাকেনরা তাঁদের বাজার এলাকায় তাঁর স্মৃতিতে একটি বেদী নির্মাণ করেছিলেন, যা 'মন' এবং 'সত্যের' প্রতি উৎসর্গ করা হয়েছিল;** এবং তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী দীর্ঘদিন ধরে স্কুলপড়ুয়া শিশুদের জন্য ছুটির দিন হিসেবে পালিত হতো...
* অ্যানাক্সাগোরাসের সিস্টেমের লক্ষ্য ছিল এলিয়াটিক মতবাদ (যে বস্তুগত পদার্থ অপরিবর্তনীয়) এবং দৃশ্যমান জগত (যেখানে সৃষ্টি ও বিনাশ বর্তমান)—এই দুটির মধ্যে সমন্বয় করা। **মানুষ যাকে সাধারণত সৃষ্টি হওয়া এবং শেষ হয়ে যাওয়া বলে ডাকে, তা আসলে মিশ্রণ এবং পৃথকীকরণ।**
* অ্যানাক্সাগোরাস মনে করতেন যে **পদার্থ অসীমভাবে বিভাজ্য**... ক্ষুদ্রতম বা বৃহত্তম বলে কিছু নেই। তবে কণাটি যত বড় বা ছোটই হোক না কেন, এতে সবকিছুরই "অংশ" থাকে।
* যদিও সবকিছুর মধ্যে সবকিছুর অংশ থাকে, তবুও **জিনিসগুলোকে তেমন দেখায় যার পরিমাণ তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি।** ...বায়ু হলো সেটি যাতে ঠান্ডা সবচেয়ে বেশি থাকে, আর আগুন হলো সেটি যাতে তাপ সবচেয়ে বেশি থাকে।
* অ্যানাক্সাগোরাসের সাথে অ্যানাক্সিমিনিসের সংযোগ লক্ষ্য করা যায়। আদি দশা সম্পর্কে দুজনের ধারণাই প্রায় এক; কেবল **অ্যানাক্সাগোরাসের ক্ষেত্রে আদি ভরটি আর প্রাথমিক পদার্থ নয়, বরং অগণিত বীজের মিশ্রণ যা অসীম ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত। এই ভরটি অসীম এবং নিজেই নিজেকে ধরে রাখে, কারণ একে ঘিরে রাখার মতো কিছু নেই।**
* অ্যানাক্সাগোরাস মিশ্রণের মধ্যে গতির সঞ্চার করার জন্য কোনো বাহ্যিক কারণের প্রয়োজন অনুভব করেছিলেন। **অ্যানাক্সাগোরাস গতির সেই কারণকে বলেছিলেন 'নোস' বা মন।** এটিই অ্যারিস্টটলকে বলতে বাধ্য করেছিল যে, তাঁর পূর্বসূরীদের এলোমেলো কথার মাঝে তিনি একজন সচেতন মানুষের মতো দাঁড়িয়েছিলেন। 'নোস' বা মন হলো অবিনশ্বর এবং অমিশ্রিত। এটি সবকিছুর ওপর ক্ষমতা রাখে কারণ এটি গতি সৃষ্টি করে। **সম্ভবত বিশুদ্ধ বিশ্বতত্ত্বের চেয়ে শারীরতত্ত্বের প্রতি তাঁর ক্রমবর্ধমান আগ্রহ তাঁকে 'আত্মা'র পরিবর্তে 'মন' বেছে নিতে উৎসাহিত করেছিল।**
* **অ্যানাক্সাগোরাস 'অ্যানিমেট' (সজীব) এবং 'ইনঅ্যানিমেট' (নির্জীব) বস্তুর মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করেছিলেন।** ...মানুষ ছিল সবচেয়ে বুদ্ধিমান... কারণ তার উন্নত মন বা 'নোস' ছিল তা নয়, বরং তার **হাত** ছিল বলে।
* **অ্যানাক্সাগোরাসের একটি চমৎকার চিন্তা ছিল সংবেদনকে বিপরীত জিনিসের দ্বারা উদ্দীপিত হওয়ার ওপর নির্ভর করানো এবং একে যন্ত্রণার সাথে যুক্ত করা।** অনেক আধুনিক তত্ত্ব এই ধরণের ধারণার ওপর ভিত্তি করেই তৈরি।
* অ্যানাক্সাগোরাস মনে করতেন ইন্দ্রিয়গুলো সত্যে পৌঁছাতে অক্ষম। তিনি বলেছিলেন, "আমাদের ইন্দ্রিয়ের দুর্বলতা আমাদের সত্য অনুধাবন করতে বাধা দেয়।" কিন্তু আমাদের এটিকে সংশয়বাদে রূপান্তর করা উচিত নয়। তিনি আরও বলেছিলেন, **দৃশ্যমান বস্তুগুলো আমাদের অদৃশ্যকে দেখার শক্তি দেয়, যা সংশয়বাদের ঠিক বিপরীত।**
== আরও দেখুন ==
* [[সক্রেটিস-পূর্ব দর্শন]]
* [[গ্রিক দর্শন]]
== তথ্যসূত্র ==
{{তথ্যসূত্র তালিকা}}
== বহিঃসংযোগ ==
* {{উইকিপিডিয়া-ইনলাইন}}
* {{কমন্সক্যাট-ইনলাইন}}
* {{উইকিসোর্স-ইনলাইন|Author:Anaxagoras}}
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:অ্যানাক্সাগোরাস}}
[[বিষয়শ্রেণী:খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতাব্দীর দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:সক্রেটিস-পূর্ব দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:৪২৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:গ্রিক জ্যোতির্বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:গ্রিক গণিতবিদ]]
ox4ek0x2blfvo80tu39yzqhsqi181xc
74022
74021
2026-04-06T06:23:57Z
SMontaha32
3112
/* আর্লি গ্রিক ফিলোসফি (১৯০৮) */
74022
wikitext
text/x-wiki
[[File:Anaxagoras Lebiedzki Rahl.jpg|thumb|right|সবকিছু একসাথে ছিল, সংখ্যা এবং ক্ষুদ্রতা উভয় ক্ষেত্রেই ছিল অসীম; কারণ ক্ষুদ্রতাও ছিল অসীম।]]
'''অ্যানাক্সাগোরাস''' (আনুমানিক ৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ – ৪২৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) ছিলেন এশিয়া মাইনরের ক্লাজোমেনাইয়ের একজন [[সক্রেটিস]] পূর্ব গ্রিক দার্শনিক। তিনি মহাবিশ্বের একটি শৃঙ্খলারক্ষাকারী শক্তি হিসেবে '''নোস''' (মন) ধারণাটি প্রবর্তন করেন। তিনি বস্তুগত পদার্থকে অবিনশ্বর প্রাথমিক উপাদানগুলোর একটি অসীম সমষ্টি হিসেবে বিবেচনা করতেন; যেখানে সব কিছুর সৃষ্টি এবং ধ্বংসকে তিনি যথাক্রমে মিশ্রণ এবং পৃথকীকরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
== উক্তি ==
* গ্রিকরা ভুলভাবে মনে করে যে কোনো কিছুর শুরু বা শেষ আছে। কারণ কোনো কিছুই নতুন করে সৃষ্টি হয় না বা ধ্বংস হয় না। বরং সবকিছুই পূর্ব-বিদ্যমান জিনিসের সমষ্টি বা নিঃসরণ: তাই সব কিছু সৃষ্টি হওয়াকে আরও সঠিকভাবে 'মিশ্রিত হওয়া' এবং সব বিনাশকে 'পৃথক হওয়া' বলা যেতে পারে।
** হেইনরিখ রিটার (১৮৩৮) দ্বারা উদ্ধৃত।
* সবকিছু একসাথে ছিল, সংখ্যা এবং ক্ষুদ্রতা উভয় ক্ষেত্রেই ছিল অসীম; কারণ ক্ষুদ্রতাও ছিল অসীম।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* আর যেহেতু বিষয়গুলো এমন, তাই আমাদের ধরে নিতে হবে যে মিলিত হওয়া জিনিসগুলোর মধ্যে অনেক ধরণের জিনিস এবং সব ধরণের জিনিসের বীজ বিদ্যমান, যাদের রয়েছে সব ধরণের আকার, রঙ এবং স্বাদ।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ৪, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* মন অসীম এবং স্ব-শাসিত, এবং এটি কোনো কিছুর সাথে মিশ্রিত নয়, বরং এটি একা নিজেই নিজের মধ্যে বিদ্যমান।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১২, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* চিন্তা হলো সীমাহীন এবং স্বাধীন কিছু, এবং এটি কোনো জিনিসের সাথে মিশ্রিত হয়নি বরং একাই অবস্থান করে। ... এর সাথে যা কিছু মিশ্রিত হতো তা এটিকে বর্তমানের মতো সব কিছুর ওপর ক্ষমতা রাখা থেকে বিরত রাখত। ... কারণ এটি সব কিছুর মধ্যে সবচেয়ে সূক্ষ্ম এবং বিশুদ্ধ।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১২, জোনাথন বার্নসের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯৮৪) থেকে উদ্ধৃত।
* গ্রিকরা সৃষ্টি হওয়া এবং শেষ হয়ে যাওয়ার কথা বলে একটি ভুল রীতি অনুসরণ করে; কারণ কোনো কিছুই সৃষ্টি হয় না বা শেষ হয়ে যায় না, বরং যা আছে তারই কেবল মিশ্রণ এবং বিচ্ছেদ ঘটে। তাই তাদের উচিত সৃষ্টি হওয়াকে 'মিশ্রণ' এবং শেষ হয়ে যাওয়াকে 'পৃথকীকরণ' বলা।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১৭, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* সূর্যই চাঁদকে উজ্জ্বলতা প্রদান করে।
** প্লুটার্কের 'দ্য ফাসিয়ে ইন অরবে লুনা' থেকে উদ্ধৃত।
== অ্যানাক্সাগোরাস সম্পর্কে উক্তি ==
* আপনি যদি বিভিন্ন জাতির শ্রেষ্ঠ মেধাবীদের নিপীড়নের কারণগুলো পরীক্ষা করেন এবং পিথাগোরাস, অ্যানাক্সাগোরাস, সক্রেটিস, প্লেটো এবং অন্যদের নিপীড়ন ও নির্বাসনের কারণগুলোর তুলনা করেন, তবে দেখতে পাবেন যে প্রতিটি ক্ষেত্রেই অভিযোগ এবং নির্বাসনের কারণগুলো প্রায় অভিন্ন এবং ভিত্তিহীন ছিল। কিন্তু পরবর্তী শতাব্দীগুলোতে তাদের পূর্ণ সম্মান ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেন কোনোদিন কোনো মানহানি ঘটেনি। এটা বলাই সঠিক হবে যে, এই কর্মীরা তাদের সমসাময়িকদের চেতনার তুলনায় অনেক বেশি উন্নত ছিলেন এবং জল্লাদের তলোয়ার সর্বদা একটি উঁচু মস্তক কেটে ফেলার জন্য প্রস্তুত ছিল... মহান ব্যক্তিদের নিপীড়নের কারণগুলো নিয়ে একটি বই লেখা উচিত। কারণগুলোর তুলনা করলেই সেই অশুভ ইচ্ছার সন্ধান পাওয়া সম্ভব।
** [[অগ্নি যোগ]], ''সুপারমুন্ডেন'', (১৯৩৮), ২২২।
* গণিতে... গ্রিকদের দৃষ্টিভঙ্গি আগের নদীমাতৃক সংস্কৃতিগুলো থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ছিল। এই বৈপরীত্য থেলিস এবং পিথাগোরাসের মধ্যে স্পষ্ট ছিল এবং এথেন্সের বীরত্বগাথার যুগেও তা অব্যাহত ছিল। ...অ্যানাক্সাগোরাস যখন কারাগারে ছিলেন, তখন তিনি বৃত্তকে বর্গ করার প্রচেষ্টায় নিজেকে ব্যস্ত রেখেছিলেন... এটিই ছিল সেই সমস্যার প্রথম উল্লেখ যা ২০০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে গণিতবিদদের মুগ্ধ করে রেখেছিল। ...এখানে আমরা এমন এক ধরণের গণিত দেখতে পাই যা মিশরীয় এবং ব্যাবিলনীয়দের তুলনায় একেবারেই আলাদা। এটি সংখ্যা বিজ্ঞানের কেবল ব্যবহারিক প্রয়োগ নয়... বরং একটি তাত্ত্বিক প্রশ্ন যেখানে আনুমানিক নির্ভুলতা এবং চিন্তার সঠিকতার মধ্যে পার্থক্য নিহিত।
** [[কার্ল বেঞ্জামিন বোয়ার]], ''এ হিস্ট্রি অফ ম্যাথমেটিক্স'' (১৯৬৮)।
* [[বিগ ব্যাং]] এবং স্টিডি স্টেট (স্থির অবস্থা) তত্ত্বের বিতর্কটি আড়াই হাজার বছর আগের অ্যানাক্সিম্যান্ডার এবং অ্যানাক্সাগোরাসের ধারণার প্রতিধ্বনি করে। অ্যানাক্সাগোরাস কল্পনা করেছিলেন যে এক সময় "সবকিছু একসাথে ছিল" এবং মহাবিশ্বের চালিকাশক্তি একটি নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে উৎপন্ন হয়েছিল... অন্যদিকে অ্যানাক্সিম্যান্ডার এমন একটি মহাবিশ্ব চেয়েছিলেন যা "অসীম" দ্বারা নির্ধারিত এবং একটি শাশ্বত মহাবিশ্বে বস্তুর সৃষ্টি ও বিনাশের ভারসাম্য ব্যাখ্যা করার জন্য তাঁর একটি "অনন্ত গতির" প্রয়োজন ছিল... প্রাচীন দর্শনেই মহাবিশ্বের সৃষ্টি একটি একক বিন্দু থেকে শুরু হওয়া বনাম একটি শাশ্বত মহাবিশ্বে নিরন্তর সৃষ্টির বিকল্পগুলো নিয়ে বিতর্ক চলছিল।
** ডেভিড এইচ. ক্লার্ক ও ম্যাথিউ ডি. এইচ. ক্লার্ক, ''মেজারিং দ্য কসমস'' (২০০৪)।
* অ্যানাক্সাগোরাস 'ইথার' নামক আরেকটি উপাদানের অস্তিত্বের কথা বলেছিলেন, যা নিরন্তর ঘূর্ণায়মান এবং এটি তার সাথে স্বর্গীয় বস্তুগুলোকে বহন করে। তিনি আরও বিশ্বাস করতেন যে প্রকৃতিতে একটি পরিচালক বুদ্ধিমত্তা রয়েছে যাকে তিনি [[নোস|''নোস'']] বলতেন, যা অন্যথায় বিশৃঙ্খল মহাবিশ্বকে শৃঙ্খলা প্রদান করে। ''নোস'' বলতে তিনি আক্ষরিক অর্থে "মহাবিশ্বের মন" বুঝিয়েছেন... অ্যানাক্সাগোরাস ছিলেন আয়োনীয় পদার্থবিদদের মধ্যে শেষ ব্যক্তি।
** [[জন ফ্রিলি]], ''বিফোর গ্যালিলিও: দ্য বার্থ অফ মডার্ন সায়েন্স ইন মেডিয়েভাল ইউরোপ'' (২০১২)।
* ব্যাখ্যার অন্তহীন ক্রম অ্যানাক্সাগোরাসের দর্শনে সুষ্পষ্ট। এমনকি যে উপাদানগুলো দিয়ে কোনো কিছু গঠিত এবং যা তার আচরণের জন্য দায়ী, সেগুলো নিজেরাও অন্য উপাদান দিয়ে গঠিত। [...] প্রতিটি ক্ষেত্রে, আচরণ হলো প্রধান বৈশিষ্ট্য (যা তাকে এমন বা তেমন দেখায়) এবং লুকানো বৈশিষ্ট্য (যা অবোধ্য কাজ ঘটাতে পারে) উভয়েরই ফলাফল। আর এই দ্বৈত ব্যাখ্যা দৈনন্দিন জীবনে দেখা স্থূল বস্তুগুলোর মতো লুকানো উপাদানগুলোর ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য। কিন্তু অ্যানাক্সাগোরাসের জন্য এটি সত্য যে নীতিগতভাবে বস্তুগত গঠন প্রতিটি বস্তুর বর্তমান আচরণের কারণ হবে। তবে যদি জিনিসটি জীবন্ত হয়, তবে সেই ব্যাখ্যাটি অন্য একটি নীতির আবেদনের মাধ্যমে পরিপূরক হতে হবে, যাকে অ্যানাক্সাগোরাস 'মন' বলেছেন।
** ক্যাথরিন অসবোর্ন, ''প্রি-সক্রেটিক ফিলোসফি: এ ভেরি শর্ট ইন্ট্রোডাকশন'' (২০০৪)।
* আমার প্রিয় মেলেটাস, তুমি কি মনে করো যে তুমি অ্যানাক্সাগোরাসের বিচার করছ? তুমি কি এই পুরুষদের অবজ্ঞা করো এবং তাদের চিঠিপত্র সম্পর্কে এতটাই অজ্ঞ মনে করো যে এটি জানো না যে ক্লাজোমেনাইয়ের অ্যানাক্সাগোরাসের বইগুলো এই তত্ত্বগুলোতে পূর্ণ? তদুপরি, যুবকরা আমার কাছ থেকে যা শিখে তা তারা মাঝে মাঝে বইয়ের দোকান থেকে বড়জোর এক ড্রাকমায় কিনতে পারে। তারা সক্রেটিসকে উপহাস করবে যদি সে দাবি করে যে এই তত্ত্বগুলো তার নিজের, বিশেষ করে যখন সেগুলো এতই অদ্ভুত। হে জিউস, মেলেটাস, তুমি কি আমার সম্পর্কে এটিই ভাবো যে আমি কোনো দেবতায় বিশ্বাস করি না? — আমি এটিই বলছি যে তুমি দেবতায় মোটেই বিশ্বাস করো না।
** [[প্লেটো]], ''অ্যাপোলজি'', ২৬ডি-২৬ই।
* অ্যানাক্সাগোরাস মনে করতেন যে সবকিছুই অসীমভাবে বিভাজ্য, এবং এমনকি পদার্থের ক্ষুদ্রতম অংশেও প্রতিটি উপাদানের কিছু অংশ থাকে। জিনিসগুলোকে তেমন দেখায় যে উপাদানটি তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি থাকে। উদাহরণস্বরূপ, সবকিছুর মধ্যেই কিছু আগুন থাকে, কিন্তু আমরা তাকে তখনই আগুন বলি যখন সেই উপাদানটি সেখানে প্রাধান্য পায়। তিনি শূন্যস্থানের বিরুদ্ধে যুক্তি দিয়েছিলেন।
** [[বারট্রান্ড রাসেল]], ''এ হিস্ট্রি অফ ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি'' (১৯৪৫)।
* বিজ্ঞানে [অ্যানাক্সাগোরাসের] অনেক অবদান ছিল। তিনিই প্রথম ব্যাখ্যা করেছিলেন যে চাঁদ প্রতিফলিত আলোতে জ্বলে... অ্যানাক্সাগোরাস গ্রহণ সম্পর্কে সঠিক তত্ত্ব দিয়েছিলেন এবং জানতেন যে চাঁদ সূর্যের নিচে অবস্থিত। তিনি বলেছিলেন সূর্য ও নক্ষত্রগুলো হলো অগ্নিময় পাথর, কিন্তু নক্ষত্রগুলো অনেক দূরে হওয়ায় আমরা তাদের তাপ অনুভব করি না। সূর্য পেলোপোনেসাসের চেয়েও বড়। চাঁদে পাহাড় আছে এবং (তিনি ভেবেছিলেন) সেখানে অধিবাসীও আছে।
** [[বারট্রান্ড রাসেল]], প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা ৬৩।
* অ্যানাক্সাগোরাস অধিবিদ্যার চেয়ে পদার্থবিদ্যা অধ্যয়নের দিকে বেশি ঝুঁকেছিলেন, যে কারণে প্লেটো এবং অ্যারিস্টটল তাঁকে চূড়ান্ত কারণগুলোকে যথেষ্ট গুরুত্ব না দেওয়ার জন্য অভিযুক্ত করেছেন। তিনি উদ্ভিদ ও প্রাণীর গঠন এবং এমনকি মহাকাশীয় ঘটনাগুলোকে ভৌত নীতির মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেছিলেন; যা তাঁর বিরুদ্ধে নাস্তিকতার অভিযোগ এনেছিল। তবুও, তিনি ইন্দ্রিয়ের সাক্ষ্যকে বিষয়গতভাবে সত্য বলে গণ্য করতেন; কিন্তু বস্তুনিষ্ঠ সত্য অর্জনের জন্য তা অপর্যাপ্ত ছিল, যা ছিল যুক্তির বিশেষাধিকার।
** [[উইলহেম গটলিব টেনেমান]], ''এ ম্যানুয়াল অফ দ্য হিস্ট্রি অফ ফিলোসফি'' (১৮৭০)।
* অ্যানাক্সাগোরাস বলেন যে অনুভুতি বা সংবেদন বিপরীত জিনিসের মাধ্যমে উৎপন্ন হয়; কারণ একই ধরণের জিনিস একই ধরণের জিনিসের দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে না। ...ঠিক একইভাবে আমরা স্পর্শ এবং স্বাদের মাধ্যমে বস্তুগুলোকে শনাক্ত করি। যা আমাদের শরীরের সমান উষ্ণ বা সমান ঠান্ডা, তা আমাদের উষ্ণ বা শীতল কোনোটিই করে না... আমরা ঠান্ডা জানি গরমের মাধ্যমে, মিষ্টি জানি টকের মাধ্যমে। ...এবং সব সংবেদনই যন্ত্রণা বহন করে... কারণ সব বিজাতীয় জিনিস তাদের স্পর্শের মাধ্যমে যন্ত্রণা তৈরি করে। অত্যধিক উজ্জ্বল রঙ এবং অতিরিক্ত শব্দ যন্ত্রণা দেয়।
** [[থিওফ্রেস্টাস]], ''ডি সেনসু'' বা ''অন সেন্স পারসেপশন'' (আনুমানিক ৩৩০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ)।
=== ''আর্লি গ্রিক ফিলোসফি'' (১৯০৮) ===
জন বার্নেট রচিত।
* আমরা ধরে নিতে পারি যে অ্যানাক্সাগোরাস এমন একটি পরিবারের সদস্য ছিলেন যারা রাষ্ট্রে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছিলেন। **অ্যানাক্সাগোরাস বিজ্ঞানের সাধনায় তাঁর ধন-সম্পদ অবহেলা করেছিলেন**—এই ঐতিহ্যকেও আমাদের প্রত্যাখ্যান করার প্রয়োজন নেই। ...চতুর্থ শতাব্দীতে তাঁকে **এমন একজন মানুষের আদর্শ হিসেবে গণ্য করা হতো যিনি "তাত্ত্বিক জীবন" যাপন করেন।**
* অ্যানাক্সাগোরাসের প্রথম জীবনের একটি ঘটনা হলো ৪৬৮-৬৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে **আইগোস্পোটামিতে একটি বিশাল উল্কাপাতের পর্যবেক্ষণ।** ...এটি সম্ভবত তাঁর আদিম বিশ্বতত্ত্ব থেকে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিচ্যুতির কারণ ছিল এবং এর ফলে এমন এক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হয়েছিল যার জন্য তাঁকে এথেন্সে দণ্ডিত হতে হয়েছিল।
* **অ্যানাক্সাগোরাস ছিলেন প্রথম দার্শনিক যিনি এথেন্সে বসবাস শুরু করেন।**
* আমরা ভাবব না যে তিনি এথেনীয়দের চরিত্রের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে সেখানে গিয়েছিলেন। ...**এথেন্স হেলেনীয় বিশ্বের রাজনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল; কিন্তু তখনও সেখানে কোনো বিজ্ঞানমনস্ক মানুষ তৈরি হয়নি। ...নাগরিকদের মানসিকতা অবাধ অনুসন্ধানের প্রতি প্রতিকূল ছিল।** ...সক্রেটিস, অ্যানাক্সাগোরাস এবং অ্যারিস্টটল গণতন্ত্রের গোঁড়ামির শিকার হয়েছিলেন, যদিও... তাদের অপরাধ ধর্মীয়র চেয়ে বেশি রাজনৈতিক ছিল।
* সম্ভবত **প্যারিক্লিসই অ্যানাক্সাগোরাসকে এথেন্সে এনেছিলেন।** ...উদ্দেশ্য ছিল তাঁর নাগরিকদের নমনীয়তা এবং মানসিক উদারতা প্রদান করা যা সমুদ্রের ওপারের মানুষদের বৈশিষ্ট্য ছিল। প্লেটোর সাক্ষ্য অনুসারে প্যারিক্লিসের সাথে অ্যানাক্সাগোরাসের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল।
* পেলোপোনেসীয় যুদ্ধের কিছুকাল আগে প্যারিক্লিসের শত্রুরা তাঁর বন্ধুদের মাধ্যমে তাঁকে আক্রমণ করতে শুরু করে। ফিদিয়াস প্রথমে আক্রান্ত হন এবং এরপর অ্যানাক্সাগোরাস। ...**তিনি ধর্মীয় গোষ্ঠীর বিশেষ ঘৃণার পাত্র ছিলেন।** ...প্লেটোর বর্ণনা অনুসারে **অভিযোগ ছিল যে অ্যানাক্সাগোরাস শিক্ষা দিতেন সূর্য একটি উত্তপ্ত পাথর এবং চাঁদ হলো মাটি;** ...প্যারিক্লিস তাঁকে জেল থেকে বের করে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন।
* **অ্যানাক্সাগোরাস... আয়োনিয়ায় ফিরে যান এবং ল্যাম্পসাকাসে বসতি স্থাপন করেন এবং সেখানে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। সম্ভবত নির্বাসনের পর তিনি বেশিদিন বাঁচেননি। ল্যাম্পসাকেনরা তাঁদের বাজার এলাকায় তাঁর স্মৃতিতে একটি বেদী নির্মাণ করেছিলেন, যা 'মন' এবং 'সত্যের' প্রতি উৎসর্গ করা হয়েছিল;** এবং তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী দীর্ঘদিন ধরে স্কুলপড়ুয়া শিশুদের জন্য ছুটির দিন হিসেবে পালিত হতো...
* অ্যানাক্সাগোরাসের সিস্টেমের লক্ষ্য ছিল এলিয়াটিক মতবাদ (যে বস্তুগত পদার্থ অপরিবর্তনীয়) এবং দৃশ্যমান জগত (যেখানে সৃষ্টি ও বিনাশ বর্তমান)—এই দুটির মধ্যে সমন্বয় করা। **মানুষ যাকে সাধারণত সৃষ্টি হওয়া এবং শেষ হয়ে যাওয়া বলে ডাকে, তা আসলে মিশ্রণ এবং পৃথকীকরণ।**
* অ্যানাক্সাগোরাস মনে করতেন যে **পদার্থ অসীমভাবে বিভাজ্য**... ক্ষুদ্রতম বা বৃহত্তম বলে কিছু নেই। তবে কণাটি যত বড় বা ছোটই হোক না কেন, এতে সবকিছুরই "অংশ" থাকে।
* যদিও সবকিছুর মধ্যে সবকিছুর অংশ থাকে, তবুও **জিনিসগুলোকে তেমন দেখায় যার পরিমাণ তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি।** ...বায়ু হলো সেটি যাতে ঠান্ডা সবচেয়ে বেশি থাকে, আর আগুন হলো সেটি যাতে তাপ সবচেয়ে বেশি থাকে।
* অ্যানাক্সাগোরাসের সাথে অ্যানাক্সিমিনিসের সংযোগ লক্ষ্য করা যায়। আদি দশা সম্পর্কে দুজনের ধারণাই প্রায় এক; কেবল **অ্যানাক্সাগোরাসের ক্ষেত্রে আদি ভরটি আর প্রাথমিক পদার্থ নয়, বরং অগণিত বীজের মিশ্রণ যা অসীম ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত। এই ভরটি অসীম এবং নিজেই নিজেকে ধরে রাখে, কারণ একে ঘিরে রাখার মতো কিছু নেই।**
* অ্যানাক্সাগোরাস মিশ্রণের মধ্যে গতির সঞ্চার করার জন্য কোনো বাহ্যিক কারণের প্রয়োজন অনুভব করেছিলেন। **অ্যানাক্সাগোরাস গতির সেই কারণকে বলেছিলেন 'নোস' বা মন।** এটিই অ্যারিস্টটলকে বলতে বাধ্য করেছিল যে, তাঁর পূর্বসূরীদের এলোমেলো কথার মাঝে তিনি একজন সচেতন মানুষের মতো দাঁড়িয়েছিলেন। 'নোস' বা মন হলো অবিনশ্বর এবং অমিশ্রিত। এটি সবকিছুর ওপর ক্ষমতা রাখে কারণ এটি গতি সৃষ্টি করে। **সম্ভবত বিশুদ্ধ বিশ্বতত্ত্বের চেয়ে শারীরতত্ত্বের প্রতি তাঁর ক্রমবর্ধমান আগ্রহ তাঁকে 'আত্মা'র পরিবর্তে 'মন' বেছে নিতে উৎসাহিত করেছিল।**
* **অ্যানাক্সাগোরাস 'অ্যানিমেট' (সজীব) এবং 'ইনঅ্যানিমেট' (নির্জীব) বস্তুর মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করেছিলেন।** ...মানুষ ছিল সবচেয়ে বুদ্ধিমান... কারণ তার উন্নত মন বা 'নোস' ছিল তা নয়, বরং তার **হাত** ছিল বলে।
* **অ্যানাক্সাগোরাসের একটি চমৎকার চিন্তা ছিল সংবেদনকে বিপরীত জিনিসের দ্বারা উদ্দীপিত হওয়ার ওপর নির্ভর করানো এবং একে যন্ত্রণার সাথে যুক্ত করা।** অনেক আধুনিক তত্ত্ব এই ধরণের ধারণার ওপর ভিত্তি করেই তৈরি।
* অ্যানাক্সাগোরাস মনে করতেন ইন্দ্রিয়গুলো সত্যে পৌঁছাতে অক্ষম। তিনি বলেছিলেন, "আমাদের ইন্দ্রিয়ের দুর্বলতা আমাদের সত্য অনুধাবন করতে বাধা দেয়।" কিন্তু আমাদের এটিকে সংশয়বাদে রূপান্তর করা উচিত নয়। তিনি আরও বলেছিলেন, **দৃশ্যমান বস্তুগুলো আমাদের অদৃশ্যকে দেখার শক্তি দেয়, যা সংশয়বাদের ঠিক বিপরীত।**
== আরও দেখুন ==
* [[সক্রেটিস-পূর্ব দর্শন]]
* [[গ্রিক দর্শন]]
== তথ্যসূত্র ==
{{তথ্যসূত্র তালিকা}}
== বহিঃসংযোগ ==
* {{উইকিপিডিয়া-ইনলাইন}}
* {{কমন্সক্যাট-ইনলাইন}}
* {{উইকিসোর্স-ইনলাইন|Author:Anaxagoras}}
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:অ্যানাক্সাগোরাস}}
[[বিষয়শ্রেণী:খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতাব্দীর দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:সক্রেটিস-পূর্ব দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:৪২৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:গ্রিক জ্যোতির্বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:গ্রিক গণিতবিদ]]
ooj7se1qwy8sof7q50n4hzmmj5fsxq1
74023
74022
2026-04-06T06:24:45Z
SMontaha32
3112
74023
wikitext
text/x-wiki
[[File:Anaxagoras Lebiedzki Rahl.jpg|thumb|right|সবকিছু একসাথে ছিল, সংখ্যা এবং ক্ষুদ্রতা উভয় ক্ষেত্রেই ছিল অসীম; কারণ ক্ষুদ্রতাও ছিল অসীম।]]
'''অ্যানাক্সাগোরাস''' (আনুমানিক ৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ – ৪২৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) ছিলেন এশিয়া মাইনরের ক্লাজোমেনাইয়ের একজন [[সক্রেটিস]] পূর্ব গ্রিক দার্শনিক। তিনি মহাবিশ্বের একটি শৃঙ্খলারক্ষাকারী শক্তি হিসেবে '''নোস''' (মন) ধারণাটি প্রবর্তন করেন। তিনি বস্তুগত পদার্থকে অবিনশ্বর প্রাথমিক উপাদানগুলোর একটি অসীম সমষ্টি হিসেবে বিবেচনা করতেন; যেখানে সব কিছুর সৃষ্টি এবং ধ্বংসকে তিনি যথাক্রমে মিশ্রণ এবং পৃথকীকরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
== উক্তি ==
* গ্রিকরা ভুলভাবে মনে করে যে কোনো কিছুর শুরু বা শেষ আছে। কারণ কোনো কিছুই নতুন করে সৃষ্টি হয় না বা ধ্বংস হয় না। বরং সবকিছুই পূর্ব-বিদ্যমান জিনিসের সমষ্টি বা নিঃসরণ: তাই সব কিছু সৃষ্টি হওয়াকে আরও সঠিকভাবে 'মিশ্রিত হওয়া' এবং সব বিনাশকে 'পৃথক হওয়া' বলা যেতে পারে।
** হেইনরিখ রিটার (১৮৩৮) দ্বারা উদ্ধৃত।
* সবকিছু একসাথে ছিল, সংখ্যা এবং ক্ষুদ্রতা উভয় ক্ষেত্রেই ছিল অসীম; কারণ ক্ষুদ্রতাও ছিল অসীম।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* আর যেহেতু বিষয়গুলো এমন, তাই আমাদের ধরে নিতে হবে যে মিলিত হওয়া জিনিসগুলোর মধ্যে অনেক ধরণের জিনিস এবং সব ধরণের জিনিসের বীজ বিদ্যমান, যাদের রয়েছে সব ধরণের আকার, রঙ এবং স্বাদ।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ৪, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* মন অসীম এবং স্ব-শাসিত, এবং এটি কোনো কিছুর সাথে মিশ্রিত নয়, বরং এটি একা নিজেই নিজের মধ্যে বিদ্যমান।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১২, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* চিন্তা হলো সীমাহীন এবং স্বাধীন কিছু, এবং এটি কোনো জিনিসের সাথে মিশ্রিত হয়নি বরং একাই অবস্থান করে। ... এর সাথে যা কিছু মিশ্রিত হতো তা এটিকে বর্তমানের মতো সব কিছুর ওপর ক্ষমতা রাখা থেকে বিরত রাখত। ... কারণ এটি সব কিছুর মধ্যে সবচেয়ে সূক্ষ্ম এবং বিশুদ্ধ।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১২, জোনাথন বার্নসের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯৮৪) থেকে উদ্ধৃত।
* গ্রিকরা সৃষ্টি হওয়া এবং শেষ হয়ে যাওয়ার কথা বলে একটি ভুল রীতি অনুসরণ করে; কারণ কোনো কিছুই সৃষ্টি হয় না বা শেষ হয়ে যায় না, বরং যা আছে তারই কেবল মিশ্রণ এবং বিচ্ছেদ ঘটে। তাই তাদের উচিত সৃষ্টি হওয়াকে 'মিশ্রণ' এবং শেষ হয়ে যাওয়াকে 'পৃথকীকরণ' বলা।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১৭, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* সূর্যই চাঁদকে উজ্জ্বলতা প্রদান করে।
** প্লুটার্কের 'দ্য ফাসিয়ে ইন অরবে লুনা' থেকে উদ্ধৃত।
== অ্যানাক্সাগোরাস সম্পর্কে উক্তি ==
* আপনি যদি বিভিন্ন জাতির শ্রেষ্ঠ মেধাবীদের নিপীড়নের কারণগুলো পরীক্ষা করেন এবং পিথাগোরাস, অ্যানাক্সাগোরাস, সক্রেটিস, প্লেটো এবং অন্যদের নিপীড়ন ও নির্বাসনের কারণগুলোর তুলনা করেন, তবে দেখতে পাবেন যে প্রতিটি ক্ষেত্রেই অভিযোগ এবং নির্বাসনের কারণগুলো প্রায় অভিন্ন এবং ভিত্তিহীন ছিল। কিন্তু পরবর্তী শতাব্দীগুলোতে তাদের পূর্ণ সম্মান ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেন কোনোদিন কোনো মানহানি ঘটেনি। এটা বলাই সঠিক হবে যে, এই কর্মীরা তাদের সমসাময়িকদের চেতনার তুলনায় অনেক বেশি উন্নত ছিলেন এবং জল্লাদের তলোয়ার সর্বদা একটি উঁচু মস্তক কেটে ফেলার জন্য প্রস্তুত ছিল... মহান ব্যক্তিদের নিপীড়নের কারণগুলো নিয়ে একটি বই লেখা উচিত। কারণগুলোর তুলনা করলেই সেই অশুভ ইচ্ছার সন্ধান পাওয়া সম্ভব।
** অগ্নি যোগ, ''সুপারমুন্ডেন'', (১৯৩৮), ২২২।
* গণিতে... গ্রিকদের দৃষ্টিভঙ্গি আগের নদীমাতৃক সংস্কৃতিগুলো থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ছিল। এই বৈপরীত্য থেলিস এবং পিথাগোরাসের মধ্যে স্পষ্ট ছিল এবং এথেন্সের বীরত্বগাথার যুগেও তা অব্যাহত ছিল। ...অ্যানাক্সাগোরাস যখন কারাগারে ছিলেন, তখন তিনি বৃত্তকে বর্গ করার প্রচেষ্টায় নিজেকে ব্যস্ত রেখেছিলেন... এটিই ছিল সেই সমস্যার প্রথম উল্লেখ যা ২০০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে গণিতবিদদের মুগ্ধ করে রেখেছিল। ...এখানে আমরা এমন এক ধরণের গণিত দেখতে পাই যা মিশরীয় এবং ব্যাবিলনীয়দের তুলনায় একেবারেই আলাদা। এটি সংখ্যা বিজ্ঞানের কেবল ব্যবহারিক প্রয়োগ নয়... বরং একটি তাত্ত্বিক প্রশ্ন যেখানে আনুমানিক নির্ভুলতা এবং চিন্তার সঠিকতার মধ্যে পার্থক্য নিহিত।
** [[কার্ল বেঞ্জামিন বোয়ার]], ''এ হিস্ট্রি অফ ম্যাথমেটিক্স'' (১৯৬৮)।
* [[বিগ ব্যাং]] এবং স্টিডি স্টেট (স্থির অবস্থা) তত্ত্বের বিতর্কটি আড়াই হাজার বছর আগের অ্যানাক্সিম্যান্ডার এবং অ্যানাক্সাগোরাসের ধারণার প্রতিধ্বনি করে। অ্যানাক্সাগোরাস কল্পনা করেছিলেন যে এক সময় "সবকিছু একসাথে ছিল" এবং মহাবিশ্বের চালিকাশক্তি একটি নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে উৎপন্ন হয়েছিল... অন্যদিকে অ্যানাক্সিম্যান্ডার এমন একটি মহাবিশ্ব চেয়েছিলেন যা "অসীম" দ্বারা নির্ধারিত এবং একটি শাশ্বত মহাবিশ্বে বস্তুর সৃষ্টি ও বিনাশের ভারসাম্য ব্যাখ্যা করার জন্য তাঁর একটি "অনন্ত গতির" প্রয়োজন ছিল... প্রাচীন দর্শনেই মহাবিশ্বের সৃষ্টি একটি একক বিন্দু থেকে শুরু হওয়া বনাম একটি শাশ্বত মহাবিশ্বে নিরন্তর সৃষ্টির বিকল্পগুলো নিয়ে বিতর্ক চলছিল।
** ডেভিড এইচ. ক্লার্ক ও ম্যাথিউ ডি. এইচ. ক্লার্ক, ''মেজারিং দ্য কসমস'' (২০০৪)।
* অ্যানাক্সাগোরাস 'ইথার' নামক আরেকটি উপাদানের অস্তিত্বের কথা বলেছিলেন, যা নিরন্তর ঘূর্ণায়মান এবং এটি তার সাথে স্বর্গীয় বস্তুগুলোকে বহন করে। তিনি আরও বিশ্বাস করতেন যে প্রকৃতিতে একটি পরিচালক বুদ্ধিমত্তা রয়েছে যাকে তিনি [[নোস|''নোস'']] বলতেন, যা অন্যথায় বিশৃঙ্খল মহাবিশ্বকে শৃঙ্খলা প্রদান করে। ''নোস'' বলতে তিনি আক্ষরিক অর্থে "মহাবিশ্বের মন" বুঝিয়েছেন... অ্যানাক্সাগোরাস ছিলেন আয়োনীয় পদার্থবিদদের মধ্যে শেষ ব্যক্তি।
** [[জন ফ্রিলি]], ''বিফোর গ্যালিলিও: দ্য বার্থ অফ মডার্ন সায়েন্স ইন মেডিয়েভাল ইউরোপ'' (২০১২)।
* ব্যাখ্যার অন্তহীন ক্রম অ্যানাক্সাগোরাসের দর্শনে সুষ্পষ্ট। এমনকি যে উপাদানগুলো দিয়ে কোনো কিছু গঠিত এবং যা তার আচরণের জন্য দায়ী, সেগুলো নিজেরাও অন্য উপাদান দিয়ে গঠিত। [...] প্রতিটি ক্ষেত্রে, আচরণ হলো প্রধান বৈশিষ্ট্য (যা তাকে এমন বা তেমন দেখায়) এবং লুকানো বৈশিষ্ট্য (যা অবোধ্য কাজ ঘটাতে পারে) উভয়েরই ফলাফল। আর এই দ্বৈত ব্যাখ্যা দৈনন্দিন জীবনে দেখা স্থূল বস্তুগুলোর মতো লুকানো উপাদানগুলোর ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য। কিন্তু অ্যানাক্সাগোরাসের জন্য এটি সত্য যে নীতিগতভাবে বস্তুগত গঠন প্রতিটি বস্তুর বর্তমান আচরণের কারণ হবে। তবে যদি জিনিসটি জীবন্ত হয়, তবে সেই ব্যাখ্যাটি অন্য একটি নীতির আবেদনের মাধ্যমে পরিপূরক হতে হবে, যাকে অ্যানাক্সাগোরাস 'মন' বলেছেন।
** ক্যাথরিন অসবোর্ন, ''প্রি-সক্রেটিক ফিলোসফি: এ ভেরি শর্ট ইন্ট্রোডাকশন'' (২০০৪)।
* আমার প্রিয় মেলেটাস, তুমি কি মনে করো যে তুমি অ্যানাক্সাগোরাসের বিচার করছ? তুমি কি এই পুরুষদের অবজ্ঞা করো এবং তাদের চিঠিপত্র সম্পর্কে এতটাই অজ্ঞ মনে করো যে এটি জানো না যে ক্লাজোমেনাইয়ের অ্যানাক্সাগোরাসের বইগুলো এই তত্ত্বগুলোতে পূর্ণ? তদুপরি, যুবকরা আমার কাছ থেকে যা শিখে তা তারা মাঝে মাঝে বইয়ের দোকান থেকে বড়জোর এক ড্রাকমায় কিনতে পারে। তারা সক্রেটিসকে উপহাস করবে যদি সে দাবি করে যে এই তত্ত্বগুলো তার নিজের, বিশেষ করে যখন সেগুলো এতই অদ্ভুত। হে জিউস, মেলেটাস, তুমি কি আমার সম্পর্কে এটিই ভাবো যে আমি কোনো দেবতায় বিশ্বাস করি না? — আমি এটিই বলছি যে তুমি দেবতায় মোটেই বিশ্বাস করো না।
** [[প্লেটো]], ''অ্যাপোলজি'', ২৬ডি-২৬ই।
* অ্যানাক্সাগোরাস মনে করতেন যে সবকিছুই অসীমভাবে বিভাজ্য, এবং এমনকি পদার্থের ক্ষুদ্রতম অংশেও প্রতিটি উপাদানের কিছু অংশ থাকে। জিনিসগুলোকে তেমন দেখায় যে উপাদানটি তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি থাকে। উদাহরণস্বরূপ, সবকিছুর মধ্যেই কিছু আগুন থাকে, কিন্তু আমরা তাকে তখনই আগুন বলি যখন সেই উপাদানটি সেখানে প্রাধান্য পায়। তিনি শূন্যস্থানের বিরুদ্ধে যুক্তি দিয়েছিলেন।
** [[বারট্রান্ড রাসেল]], ''এ হিস্ট্রি অফ ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি'' (১৯৪৫)।
* বিজ্ঞানে [অ্যানাক্সাগোরাসের] অনেক অবদান ছিল। তিনিই প্রথম ব্যাখ্যা করেছিলেন যে চাঁদ প্রতিফলিত আলোতে জ্বলে... অ্যানাক্সাগোরাস গ্রহণ সম্পর্কে সঠিক তত্ত্ব দিয়েছিলেন এবং জানতেন যে চাঁদ সূর্যের নিচে অবস্থিত। তিনি বলেছিলেন সূর্য ও নক্ষত্রগুলো হলো অগ্নিময় পাথর, কিন্তু নক্ষত্রগুলো অনেক দূরে হওয়ায় আমরা তাদের তাপ অনুভব করি না। সূর্য পেলোপোনেসাসের চেয়েও বড়। চাঁদে পাহাড় আছে এবং (তিনি ভেবেছিলেন) সেখানে অধিবাসীও আছে।
** [[বারট্রান্ড রাসেল]], প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা ৬৩।
* অ্যানাক্সাগোরাস অধিবিদ্যার চেয়ে পদার্থবিদ্যা অধ্যয়নের দিকে বেশি ঝুঁকেছিলেন, যে কারণে প্লেটো এবং অ্যারিস্টটল তাঁকে চূড়ান্ত কারণগুলোকে যথেষ্ট গুরুত্ব না দেওয়ার জন্য অভিযুক্ত করেছেন। তিনি উদ্ভিদ ও প্রাণীর গঠন এবং এমনকি মহাকাশীয় ঘটনাগুলোকে ভৌত নীতির মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেছিলেন; যা তাঁর বিরুদ্ধে নাস্তিকতার অভিযোগ এনেছিল। তবুও, তিনি ইন্দ্রিয়ের সাক্ষ্যকে বিষয়গতভাবে সত্য বলে গণ্য করতেন; কিন্তু বস্তুনিষ্ঠ সত্য অর্জনের জন্য তা অপর্যাপ্ত ছিল, যা ছিল যুক্তির বিশেষাধিকার।
** [[উইলহেম গটলিব টেনেমান]], ''এ ম্যানুয়াল অফ দ্য হিস্ট্রি অফ ফিলোসফি'' (১৮৭০)।
* অ্যানাক্সাগোরাস বলেন যে অনুভুতি বা সংবেদন বিপরীত জিনিসের মাধ্যমে উৎপন্ন হয়; কারণ একই ধরণের জিনিস একই ধরণের জিনিসের দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে না। ...ঠিক একইভাবে আমরা স্পর্শ এবং স্বাদের মাধ্যমে বস্তুগুলোকে শনাক্ত করি। যা আমাদের শরীরের সমান উষ্ণ বা সমান ঠান্ডা, তা আমাদের উষ্ণ বা শীতল কোনোটিই করে না... আমরা ঠান্ডা জানি গরমের মাধ্যমে, মিষ্টি জানি টকের মাধ্যমে। ...এবং সব সংবেদনই যন্ত্রণা বহন করে... কারণ সব বিজাতীয় জিনিস তাদের স্পর্শের মাধ্যমে যন্ত্রণা তৈরি করে। অত্যধিক উজ্জ্বল রঙ এবং অতিরিক্ত শব্দ যন্ত্রণা দেয়।
** [[থিওফ্রেস্টাস]], ''ডি সেনসু'' বা ''অন সেন্স পারসেপশন'' (আনুমানিক ৩৩০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ)।
=== ''আর্লি গ্রিক ফিলোসফি'' (১৯০৮) ===
জন বার্নেট রচিত।
* আমরা ধরে নিতে পারি যে অ্যানাক্সাগোরাস এমন একটি পরিবারের সদস্য ছিলেন যারা রাষ্ট্রে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছিলেন। **অ্যানাক্সাগোরাস বিজ্ঞানের সাধনায় তাঁর ধন-সম্পদ অবহেলা করেছিলেন**—এই ঐতিহ্যকেও আমাদের প্রত্যাখ্যান করার প্রয়োজন নেই। ...চতুর্থ শতাব্দীতে তাঁকে **এমন একজন মানুষের আদর্শ হিসেবে গণ্য করা হতো যিনি "তাত্ত্বিক জীবন" যাপন করেন।**
* অ্যানাক্সাগোরাসের প্রথম জীবনের একটি ঘটনা হলো ৪৬৮-৬৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে **আইগোস্পোটামিতে একটি বিশাল উল্কাপাতের পর্যবেক্ষণ।** ...এটি সম্ভবত তাঁর আদিম বিশ্বতত্ত্ব থেকে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিচ্যুতির কারণ ছিল এবং এর ফলে এমন এক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হয়েছিল যার জন্য তাঁকে এথেন্সে দণ্ডিত হতে হয়েছিল।
* **অ্যানাক্সাগোরাস ছিলেন প্রথম দার্শনিক যিনি এথেন্সে বসবাস শুরু করেন।**
* আমরা ভাবব না যে তিনি এথেনীয়দের চরিত্রের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে সেখানে গিয়েছিলেন। ...**এথেন্স হেলেনীয় বিশ্বের রাজনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল; কিন্তু তখনও সেখানে কোনো বিজ্ঞানমনস্ক মানুষ তৈরি হয়নি। ...নাগরিকদের মানসিকতা অবাধ অনুসন্ধানের প্রতি প্রতিকূল ছিল।** ...সক্রেটিস, অ্যানাক্সাগোরাস এবং অ্যারিস্টটল গণতন্ত্রের গোঁড়ামির শিকার হয়েছিলেন, যদিও... তাদের অপরাধ ধর্মীয়র চেয়ে বেশি রাজনৈতিক ছিল।
* সম্ভবত **প্যারিক্লিসই অ্যানাক্সাগোরাসকে এথেন্সে এনেছিলেন।** ...উদ্দেশ্য ছিল তাঁর নাগরিকদের নমনীয়তা এবং মানসিক উদারতা প্রদান করা যা সমুদ্রের ওপারের মানুষদের বৈশিষ্ট্য ছিল। প্লেটোর সাক্ষ্য অনুসারে প্যারিক্লিসের সাথে অ্যানাক্সাগোরাসের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল।
* পেলোপোনেসীয় যুদ্ধের কিছুকাল আগে প্যারিক্লিসের শত্রুরা তাঁর বন্ধুদের মাধ্যমে তাঁকে আক্রমণ করতে শুরু করে। ফিদিয়াস প্রথমে আক্রান্ত হন এবং এরপর অ্যানাক্সাগোরাস। ...**তিনি ধর্মীয় গোষ্ঠীর বিশেষ ঘৃণার পাত্র ছিলেন।** ...প্লেটোর বর্ণনা অনুসারে **অভিযোগ ছিল যে অ্যানাক্সাগোরাস শিক্ষা দিতেন সূর্য একটি উত্তপ্ত পাথর এবং চাঁদ হলো মাটি;** ...প্যারিক্লিস তাঁকে জেল থেকে বের করে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন।
* **অ্যানাক্সাগোরাস... আয়োনিয়ায় ফিরে যান এবং ল্যাম্পসাকাসে বসতি স্থাপন করেন এবং সেখানে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। সম্ভবত নির্বাসনের পর তিনি বেশিদিন বাঁচেননি। ল্যাম্পসাকেনরা তাঁদের বাজার এলাকায় তাঁর স্মৃতিতে একটি বেদী নির্মাণ করেছিলেন, যা 'মন' এবং 'সত্যের' প্রতি উৎসর্গ করা হয়েছিল;** এবং তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী দীর্ঘদিন ধরে স্কুলপড়ুয়া শিশুদের জন্য ছুটির দিন হিসেবে পালিত হতো...
* অ্যানাক্সাগোরাসের সিস্টেমের লক্ষ্য ছিল এলিয়াটিক মতবাদ (যে বস্তুগত পদার্থ অপরিবর্তনীয়) এবং দৃশ্যমান জগত (যেখানে সৃষ্টি ও বিনাশ বর্তমান)—এই দুটির মধ্যে সমন্বয় করা। **মানুষ যাকে সাধারণত সৃষ্টি হওয়া এবং শেষ হয়ে যাওয়া বলে ডাকে, তা আসলে মিশ্রণ এবং পৃথকীকরণ।**
* অ্যানাক্সাগোরাস মনে করতেন যে **পদার্থ অসীমভাবে বিভাজ্য**... ক্ষুদ্রতম বা বৃহত্তম বলে কিছু নেই। তবে কণাটি যত বড় বা ছোটই হোক না কেন, এতে সবকিছুরই "অংশ" থাকে।
* যদিও সবকিছুর মধ্যে সবকিছুর অংশ থাকে, তবুও **জিনিসগুলোকে তেমন দেখায় যার পরিমাণ তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি।** ...বায়ু হলো সেটি যাতে ঠান্ডা সবচেয়ে বেশি থাকে, আর আগুন হলো সেটি যাতে তাপ সবচেয়ে বেশি থাকে।
* অ্যানাক্সাগোরাসের সাথে অ্যানাক্সিমিনিসের সংযোগ লক্ষ্য করা যায়। আদি দশা সম্পর্কে দুজনের ধারণাই প্রায় এক; কেবল **অ্যানাক্সাগোরাসের ক্ষেত্রে আদি ভরটি আর প্রাথমিক পদার্থ নয়, বরং অগণিত বীজের মিশ্রণ যা অসীম ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত। এই ভরটি অসীম এবং নিজেই নিজেকে ধরে রাখে, কারণ একে ঘিরে রাখার মতো কিছু নেই।**
* অ্যানাক্সাগোরাস মিশ্রণের মধ্যে গতির সঞ্চার করার জন্য কোনো বাহ্যিক কারণের প্রয়োজন অনুভব করেছিলেন। **অ্যানাক্সাগোরাস গতির সেই কারণকে বলেছিলেন 'নোস' বা মন।** এটিই অ্যারিস্টটলকে বলতে বাধ্য করেছিল যে, তাঁর পূর্বসূরীদের এলোমেলো কথার মাঝে তিনি একজন সচেতন মানুষের মতো দাঁড়িয়েছিলেন। 'নোস' বা মন হলো অবিনশ্বর এবং অমিশ্রিত। এটি সবকিছুর ওপর ক্ষমতা রাখে কারণ এটি গতি সৃষ্টি করে। **সম্ভবত বিশুদ্ধ বিশ্বতত্ত্বের চেয়ে শারীরতত্ত্বের প্রতি তাঁর ক্রমবর্ধমান আগ্রহ তাঁকে 'আত্মা'র পরিবর্তে 'মন' বেছে নিতে উৎসাহিত করেছিল।**
* **অ্যানাক্সাগোরাস 'অ্যানিমেট' (সজীব) এবং 'ইনঅ্যানিমেট' (নির্জীব) বস্তুর মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করেছিলেন।** ...মানুষ ছিল সবচেয়ে বুদ্ধিমান... কারণ তার উন্নত মন বা 'নোস' ছিল তা নয়, বরং তার **হাত** ছিল বলে।
* **অ্যানাক্সাগোরাসের একটি চমৎকার চিন্তা ছিল সংবেদনকে বিপরীত জিনিসের দ্বারা উদ্দীপিত হওয়ার ওপর নির্ভর করানো এবং একে যন্ত্রণার সাথে যুক্ত করা।** অনেক আধুনিক তত্ত্ব এই ধরণের ধারণার ওপর ভিত্তি করেই তৈরি।
* অ্যানাক্সাগোরাস মনে করতেন ইন্দ্রিয়গুলো সত্যে পৌঁছাতে অক্ষম। তিনি বলেছিলেন, "আমাদের ইন্দ্রিয়ের দুর্বলতা আমাদের সত্য অনুধাবন করতে বাধা দেয়।" কিন্তু আমাদের এটিকে সংশয়বাদে রূপান্তর করা উচিত নয়। তিনি আরও বলেছিলেন, **দৃশ্যমান বস্তুগুলো আমাদের অদৃশ্যকে দেখার শক্তি দেয়, যা সংশয়বাদের ঠিক বিপরীত।**
== আরও দেখুন ==
* [[সক্রেটিস-পূর্ব দর্শন]]
* [[গ্রিক দর্শন]]
== তথ্যসূত্র ==
{{তথ্যসূত্র তালিকা}}
== বহিঃসংযোগ ==
* {{উইকিপিডিয়া-ইনলাইন}}
* {{কমন্সক্যাট-ইনলাইন}}
* {{উইকিসোর্স-ইনলাইন|Author:Anaxagoras}}
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:অ্যানাক্সাগোরাস}}
[[বিষয়শ্রেণী:খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতাব্দীর দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:সক্রেটিস-পূর্ব দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:৪২৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:গ্রিক জ্যোতির্বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:গ্রিক গণিতবিদ]]
o4pt7chjhaurgd4eise573orsze9sdi
74026
74023
2026-04-06T06:27:06Z
SMontaha32
3112
/* অ্যানাক্সাগোরাস সম্পর্কে উক্তি */
74026
wikitext
text/x-wiki
[[File:Anaxagoras Lebiedzki Rahl.jpg|thumb|right|সবকিছু একসাথে ছিল, সংখ্যা এবং ক্ষুদ্রতা উভয় ক্ষেত্রেই ছিল অসীম; কারণ ক্ষুদ্রতাও ছিল অসীম।]]
'''অ্যানাক্সাগোরাস''' (আনুমানিক ৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ – ৪২৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) ছিলেন এশিয়া মাইনরের ক্লাজোমেনাইয়ের একজন [[সক্রেটিস]] পূর্ব গ্রিক দার্শনিক। তিনি মহাবিশ্বের একটি শৃঙ্খলারক্ষাকারী শক্তি হিসেবে '''নোস''' (মন) ধারণাটি প্রবর্তন করেন। তিনি বস্তুগত পদার্থকে অবিনশ্বর প্রাথমিক উপাদানগুলোর একটি অসীম সমষ্টি হিসেবে বিবেচনা করতেন; যেখানে সব কিছুর সৃষ্টি এবং ধ্বংসকে তিনি যথাক্রমে মিশ্রণ এবং পৃথকীকরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
== উক্তি ==
* গ্রিকরা ভুলভাবে মনে করে যে কোনো কিছুর শুরু বা শেষ আছে। কারণ কোনো কিছুই নতুন করে সৃষ্টি হয় না বা ধ্বংস হয় না। বরং সবকিছুই পূর্ব-বিদ্যমান জিনিসের সমষ্টি বা নিঃসরণ: তাই সব কিছু সৃষ্টি হওয়াকে আরও সঠিকভাবে 'মিশ্রিত হওয়া' এবং সব বিনাশকে 'পৃথক হওয়া' বলা যেতে পারে।
** হেইনরিখ রিটার (১৮৩৮) দ্বারা উদ্ধৃত।
* সবকিছু একসাথে ছিল, সংখ্যা এবং ক্ষুদ্রতা উভয় ক্ষেত্রেই ছিল অসীম; কারণ ক্ষুদ্রতাও ছিল অসীম।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* আর যেহেতু বিষয়গুলো এমন, তাই আমাদের ধরে নিতে হবে যে মিলিত হওয়া জিনিসগুলোর মধ্যে অনেক ধরণের জিনিস এবং সব ধরণের জিনিসের বীজ বিদ্যমান, যাদের রয়েছে সব ধরণের আকার, রঙ এবং স্বাদ।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ৪, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* মন অসীম এবং স্ব-শাসিত, এবং এটি কোনো কিছুর সাথে মিশ্রিত নয়, বরং এটি একা নিজেই নিজের মধ্যে বিদ্যমান।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১২, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* চিন্তা হলো সীমাহীন এবং স্বাধীন কিছু, এবং এটি কোনো জিনিসের সাথে মিশ্রিত হয়নি বরং একাই অবস্থান করে। ... এর সাথে যা কিছু মিশ্রিত হতো তা এটিকে বর্তমানের মতো সব কিছুর ওপর ক্ষমতা রাখা থেকে বিরত রাখত। ... কারণ এটি সব কিছুর মধ্যে সবচেয়ে সূক্ষ্ম এবং বিশুদ্ধ।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১২, জোনাথন বার্নসের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯৮৪) থেকে উদ্ধৃত।
* গ্রিকরা সৃষ্টি হওয়া এবং শেষ হয়ে যাওয়ার কথা বলে একটি ভুল রীতি অনুসরণ করে; কারণ কোনো কিছুই সৃষ্টি হয় না বা শেষ হয়ে যায় না, বরং যা আছে তারই কেবল মিশ্রণ এবং বিচ্ছেদ ঘটে। তাই তাদের উচিত সৃষ্টি হওয়াকে 'মিশ্রণ' এবং শেষ হয়ে যাওয়াকে 'পৃথকীকরণ' বলা।
** ফ্র্যাগমেন্ট বি ১৭, জন বার্নেটের 'আর্লি গ্রিক ফিলোসফি' (১৯২০) থেকে উদ্ধৃত।
* সূর্যই চাঁদকে উজ্জ্বলতা প্রদান করে।
** প্লুটার্কের 'দ্য ফাসিয়ে ইন অরবে লুনা' থেকে উদ্ধৃত।
== অ্যানাক্সাগোরাস সম্পর্কে উক্তি ==
* আপনি যদি বিভিন্ন জাতির শ্রেষ্ঠ মেধাবীদের নিপীড়নের কারণগুলো পরীক্ষা করেন এবং পিথাগোরাস, অ্যানাক্সাগোরাস, সক্রেটিস, প্লেটো এবং অন্যদের নিপীড়ন ও নির্বাসনের কারণগুলোর তুলনা করেন, তবে দেখতে পাবেন যে প্রতিটি ক্ষেত্রেই অভিযোগ এবং নির্বাসনের কারণগুলো প্রায় অভিন্ন এবং ভিত্তিহীন ছিল। কিন্তু পরবর্তী শতাব্দীগুলোতে তাদের পূর্ণ সম্মান ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেন কোনোদিন কোনো মানহানি ঘটেনি। এটা বলাই সঠিক হবে যে, এই কর্মীরা তাদের সমসাময়িকদের চেতনার তুলনায় অনেক বেশি উন্নত ছিলেন এবং জল্লাদের তলোয়ার সর্বদা একটি উঁচু মস্তক কেটে ফেলার জন্য প্রস্তুত ছিল... মহান ব্যক্তিদের নিপীড়নের কারণগুলো নিয়ে একটি বই লেখা উচিত। কারণগুলোর তুলনা করলেই সেই অশুভ ইচ্ছার সন্ধান পাওয়া সম্ভব।
** অগ্নি যোগ, ''সুপারমুন্ডেন'', (১৯৩৮), ২২২।
* গণিতে... গ্রিকদের দৃষ্টিভঙ্গি আগের নদীমাতৃক সংস্কৃতিগুলো থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ছিল। এই বৈপরীত্য থেলিস এবং পিথাগোরাসের মধ্যে স্পষ্ট ছিল এবং এথেন্সের বীরত্বগাথার যুগেও তা অব্যাহত ছিল। ...অ্যানাক্সাগোরাস যখন কারাগারে ছিলেন, তখন তিনি বৃত্তকে বর্গ করার প্রচেষ্টায় নিজেকে ব্যস্ত রেখেছিলেন... এটিই ছিল সেই সমস্যার প্রথম উল্লেখ যা ২০০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে গণিতবিদদের মুগ্ধ করে রেখেছিল। ...এখানে আমরা এমন এক ধরণের গণিত দেখতে পাই যা মিশরীয় এবং ব্যাবিলনীয়দের তুলনায় একেবারেই আলাদা। এটি সংখ্যা বিজ্ঞানের কেবল ব্যবহারিক প্রয়োগ নয়... বরং একটি তাত্ত্বিক প্রশ্ন যেখানে আনুমানিক নির্ভুলতা এবং চিন্তার সঠিকতার মধ্যে পার্থক্য নিহিত।
** [[কার্ল বেঞ্জামিন বোয়ার]], ''এ হিস্ট্রি অফ ম্যাথমেটিক্স'' (১৯৬৮)।
* [[বিগ ব্যাং]] এবং স্টিডি স্টেট (স্থির অবস্থা) তত্ত্বের বিতর্কটি আড়াই হাজার বছর আগের অ্যানাক্সিম্যান্ডার এবং অ্যানাক্সাগোরাসের ধারণার প্রতিধ্বনি করে। অ্যানাক্সাগোরাস কল্পনা করেছিলেন যে এক সময় "সবকিছু একসাথে ছিল" এবং মহাবিশ্বের চালিকাশক্তি একটি নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে উৎপন্ন হয়েছিল... অন্যদিকে অ্যানাক্সিম্যান্ডার এমন একটি মহাবিশ্ব চেয়েছিলেন যা "অসীম" দ্বারা নির্ধারিত এবং একটি শাশ্বত মহাবিশ্বে বস্তুর সৃষ্টি ও বিনাশের ভারসাম্য ব্যাখ্যা করার জন্য তাঁর একটি "অনন্ত গতির" প্রয়োজন ছিল... প্রাচীন দর্শনেই মহাবিশ্বের সৃষ্টি একটি একক বিন্দু থেকে শুরু হওয়া বনাম একটি শাশ্বত মহাবিশ্বে নিরন্তর সৃষ্টির বিকল্পগুলো নিয়ে বিতর্ক চলছিল।
** ডেভিড এইচ. ক্লার্ক ও ম্যাথিউ ডি. এইচ. ক্লার্ক, ''মেজারিং দ্য কসমস'' (২০০৪)।
* অ্যানাক্সাগোরাস 'ইথার' নামক আরেকটি উপাদানের অস্তিত্বের কথা বলেছিলেন, যা নিরন্তর ঘূর্ণায়মান এবং এটি তার সাথে স্বর্গীয় বস্তুগুলোকে বহন করে। তিনি আরও বিশ্বাস করতেন যে প্রকৃতিতে একটি পরিচালক বুদ্ধিমত্তা রয়েছে যাকে তিনি [[নোস|''নোস'']] বলতেন, যা অন্যথায় বিশৃঙ্খল মহাবিশ্বকে শৃঙ্খলা প্রদান করে। ''নোস'' বলতে তিনি আক্ষরিক অর্থে "মহাবিশ্বের মন" বুঝিয়েছেন... অ্যানাক্সাগোরাস ছিলেন আয়োনীয় পদার্থবিদদের মধ্যে শেষ ব্যক্তি।
**[http://books.google.com/books?id=MfhjAAAAQBAJ] [[জন ফ্রিলি]], ''বিফোর গ্যালিলিও: দ্য বার্থ অফ মডার্ন সায়েন্স ইন মেডিয়েভাল ইউরোপ'' (২০১২)।
* ব্যাখ্যার অন্তহীন ক্রম অ্যানাক্সাগোরাসের দর্শনে সুষ্পষ্ট। এমনকি যে উপাদানগুলো দিয়ে কোনো কিছু গঠিত এবং যা তার আচরণের জন্য দায়ী, সেগুলো নিজেরাও অন্য উপাদান দিয়ে গঠিত। [...] প্রতিটি ক্ষেত্রে, আচরণ হলো প্রধান বৈশিষ্ট্য (যা তাকে এমন বা তেমন দেখায়) এবং লুকানো বৈশিষ্ট্য (যা অবোধ্য কাজ ঘটাতে পারে) উভয়েরই ফলাফল। আর এই দ্বৈত ব্যাখ্যা দৈনন্দিন জীবনে দেখা স্থূল বস্তুগুলোর মতো লুকানো উপাদানগুলোর ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য। কিন্তু অ্যানাক্সাগোরাসের জন্য এটি সত্য যে নীতিগতভাবে বস্তুগত গঠন প্রতিটি বস্তুর বর্তমান আচরণের কারণ হবে। তবে যদি জিনিসটি জীবন্ত হয়, তবে সেই ব্যাখ্যাটি অন্য একটি নীতির আবেদনের মাধ্যমে পরিপূরক হতে হবে, যাকে অ্যানাক্সাগোরাস 'মন' বলেছেন।
** ক্যাথরিন অসবোর্ন, ''প্রি-সক্রেটিক ফিলোসফি: এ ভেরি শর্ট ইন্ট্রোডাকশন'' (২০০৪)।
* আমার প্রিয় মেলেটাস, তুমি কি মনে করো যে তুমি অ্যানাক্সাগোরাসের বিচার করছ? তুমি কি এই পুরুষদের অবজ্ঞা করো এবং তাদের চিঠিপত্র সম্পর্কে এতটাই অজ্ঞ মনে করো যে এটি জানো না যে ক্লাজোমেনাইয়ের অ্যানাক্সাগোরাসের বইগুলো এই তত্ত্বগুলোতে পূর্ণ? তদুপরি, যুবকরা আমার কাছ থেকে যা শিখে তা তারা মাঝে মাঝে বইয়ের দোকান থেকে বড়জোর এক ড্রাকমায় কিনতে পারে। তারা সক্রেটিসকে উপহাস করবে যদি সে দাবি করে যে এই তত্ত্বগুলো তার নিজের, বিশেষ করে যখন সেগুলো এতই অদ্ভুত। হে জিউস, মেলেটাস, তুমি কি আমার সম্পর্কে এটিই ভাবো যে আমি কোনো দেবতায় বিশ্বাস করি না? — আমি এটিই বলছি যে তুমি দেবতায় মোটেই বিশ্বাস করো না।
** [[প্লেটো]], ''অ্যাপোলজি'', ২৬ডি-২৬ই।
* অ্যানাক্সাগোরাস মনে করতেন যে সবকিছুই অসীমভাবে বিভাজ্য, এবং এমনকি পদার্থের ক্ষুদ্রতম অংশেও প্রতিটি উপাদানের কিছু অংশ থাকে। জিনিসগুলোকে তেমন দেখায় যে উপাদানটি তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি থাকে। উদাহরণস্বরূপ, সবকিছুর মধ্যেই কিছু আগুন থাকে, কিন্তু আমরা তাকে তখনই আগুন বলি যখন সেই উপাদানটি সেখানে প্রাধান্য পায়। তিনি শূন্যস্থানের বিরুদ্ধে যুক্তি দিয়েছিলেন।
** [[বারট্রান্ড রাসেল]], ''এ হিস্ট্রি অফ ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি'' (১৯৪৫)।
* বিজ্ঞানে [অ্যানাক্সাগোরাসের] অনেক অবদান ছিল। তিনিই প্রথম ব্যাখ্যা করেছিলেন যে চাঁদ প্রতিফলিত আলোতে জ্বলে... অ্যানাক্সাগোরাস গ্রহণ সম্পর্কে সঠিক তত্ত্ব দিয়েছিলেন এবং জানতেন যে চাঁদ সূর্যের নিচে অবস্থিত। তিনি বলেছিলেন সূর্য ও নক্ষত্রগুলো হলো অগ্নিময় পাথর, কিন্তু নক্ষত্রগুলো অনেক দূরে হওয়ায় আমরা তাদের তাপ অনুভব করি না। সূর্য পেলোপোনেসাসের চেয়েও বড়। চাঁদে পাহাড় আছে এবং (তিনি ভেবেছিলেন) সেখানে অধিবাসীও আছে।
** [[বারট্রান্ড রাসেল]], প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা ৬৩।
* অ্যানাক্সাগোরাস অধিবিদ্যার চেয়ে পদার্থবিদ্যা অধ্যয়নের দিকে বেশি ঝুঁকেছিলেন, যে কারণে প্লেটো এবং অ্যারিস্টটল তাঁকে চূড়ান্ত কারণগুলোকে যথেষ্ট গুরুত্ব না দেওয়ার জন্য অভিযুক্ত করেছেন। তিনি উদ্ভিদ ও প্রাণীর গঠন এবং এমনকি মহাকাশীয় ঘটনাগুলোকে ভৌত নীতির মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেছিলেন; যা তাঁর বিরুদ্ধে নাস্তিকতার অভিযোগ এনেছিল। তবুও, তিনি ইন্দ্রিয়ের সাক্ষ্যকে বিষয়গতভাবে সত্য বলে গণ্য করতেন; কিন্তু বস্তুনিষ্ঠ সত্য অর্জনের জন্য তা অপর্যাপ্ত ছিল, যা ছিল যুক্তির বিশেষাধিকার।
** [[উইলহেম গটলিব টেনেমান]], ''এ ম্যানুয়াল অফ দ্য হিস্ট্রি অফ ফিলোসফি'' (১৮৭০)।
* অ্যানাক্সাগোরাস বলেন যে অনুভুতি বা সংবেদন বিপরীত জিনিসের মাধ্যমে উৎপন্ন হয়; কারণ একই ধরণের জিনিস একই ধরণের জিনিসের দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে না। ...ঠিক একইভাবে আমরা স্পর্শ এবং স্বাদের মাধ্যমে বস্তুগুলোকে শনাক্ত করি। যা আমাদের শরীরের সমান উষ্ণ বা সমান ঠান্ডা, তা আমাদের উষ্ণ বা শীতল কোনোটিই করে না... আমরা ঠান্ডা জানি গরমের মাধ্যমে, মিষ্টি জানি টকের মাধ্যমে। ...এবং সব সংবেদনই যন্ত্রণা বহন করে... কারণ সব বিজাতীয় জিনিস তাদের স্পর্শের মাধ্যমে যন্ত্রণা তৈরি করে। অত্যধিক উজ্জ্বল রঙ এবং অতিরিক্ত শব্দ যন্ত্রণা দেয়।
** [[থিওফ্রেস্টাস]], ''ডি সেনসু'' বা ''অন সেন্স পারসেপশন'' (আনুমানিক ৩৩০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ)।
=== ''আর্লি গ্রিক ফিলোসফি'' (১৯০৮) ===
জন বার্নেট রচিত।
* আমরা ধরে নিতে পারি যে অ্যানাক্সাগোরাস এমন একটি পরিবারের সদস্য ছিলেন যারা রাষ্ট্রে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছিলেন। **অ্যানাক্সাগোরাস বিজ্ঞানের সাধনায় তাঁর ধন-সম্পদ অবহেলা করেছিলেন**—এই ঐতিহ্যকেও আমাদের প্রত্যাখ্যান করার প্রয়োজন নেই। ...চতুর্থ শতাব্দীতে তাঁকে **এমন একজন মানুষের আদর্শ হিসেবে গণ্য করা হতো যিনি "তাত্ত্বিক জীবন" যাপন করেন।**
* অ্যানাক্সাগোরাসের প্রথম জীবনের একটি ঘটনা হলো ৪৬৮-৬৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে **আইগোস্পোটামিতে একটি বিশাল উল্কাপাতের পর্যবেক্ষণ।** ...এটি সম্ভবত তাঁর আদিম বিশ্বতত্ত্ব থেকে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিচ্যুতির কারণ ছিল এবং এর ফলে এমন এক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হয়েছিল যার জন্য তাঁকে এথেন্সে দণ্ডিত হতে হয়েছিল।
* **অ্যানাক্সাগোরাস ছিলেন প্রথম দার্শনিক যিনি এথেন্সে বসবাস শুরু করেন।**
* আমরা ভাবব না যে তিনি এথেনীয়দের চরিত্রের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে সেখানে গিয়েছিলেন। ...**এথেন্স হেলেনীয় বিশ্বের রাজনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল; কিন্তু তখনও সেখানে কোনো বিজ্ঞানমনস্ক মানুষ তৈরি হয়নি। ...নাগরিকদের মানসিকতা অবাধ অনুসন্ধানের প্রতি প্রতিকূল ছিল।** ...সক্রেটিস, অ্যানাক্সাগোরাস এবং অ্যারিস্টটল গণতন্ত্রের গোঁড়ামির শিকার হয়েছিলেন, যদিও... তাদের অপরাধ ধর্মীয়র চেয়ে বেশি রাজনৈতিক ছিল।
* সম্ভবত **প্যারিক্লিসই অ্যানাক্সাগোরাসকে এথেন্সে এনেছিলেন।** ...উদ্দেশ্য ছিল তাঁর নাগরিকদের নমনীয়তা এবং মানসিক উদারতা প্রদান করা যা সমুদ্রের ওপারের মানুষদের বৈশিষ্ট্য ছিল। প্লেটোর সাক্ষ্য অনুসারে প্যারিক্লিসের সাথে অ্যানাক্সাগোরাসের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল।
* পেলোপোনেসীয় যুদ্ধের কিছুকাল আগে প্যারিক্লিসের শত্রুরা তাঁর বন্ধুদের মাধ্যমে তাঁকে আক্রমণ করতে শুরু করে। ফিদিয়াস প্রথমে আক্রান্ত হন এবং এরপর অ্যানাক্সাগোরাস। ...**তিনি ধর্মীয় গোষ্ঠীর বিশেষ ঘৃণার পাত্র ছিলেন।** ...প্লেটোর বর্ণনা অনুসারে **অভিযোগ ছিল যে অ্যানাক্সাগোরাস শিক্ষা দিতেন সূর্য একটি উত্তপ্ত পাথর এবং চাঁদ হলো মাটি;** ...প্যারিক্লিস তাঁকে জেল থেকে বের করে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন।
* **অ্যানাক্সাগোরাস... আয়োনিয়ায় ফিরে যান এবং ল্যাম্পসাকাসে বসতি স্থাপন করেন এবং সেখানে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। সম্ভবত নির্বাসনের পর তিনি বেশিদিন বাঁচেননি। ল্যাম্পসাকেনরা তাঁদের বাজার এলাকায় তাঁর স্মৃতিতে একটি বেদী নির্মাণ করেছিলেন, যা 'মন' এবং 'সত্যের' প্রতি উৎসর্গ করা হয়েছিল;** এবং তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী দীর্ঘদিন ধরে স্কুলপড়ুয়া শিশুদের জন্য ছুটির দিন হিসেবে পালিত হতো...
* অ্যানাক্সাগোরাসের সিস্টেমের লক্ষ্য ছিল এলিয়াটিক মতবাদ (যে বস্তুগত পদার্থ অপরিবর্তনীয়) এবং দৃশ্যমান জগত (যেখানে সৃষ্টি ও বিনাশ বর্তমান)—এই দুটির মধ্যে সমন্বয় করা। **মানুষ যাকে সাধারণত সৃষ্টি হওয়া এবং শেষ হয়ে যাওয়া বলে ডাকে, তা আসলে মিশ্রণ এবং পৃথকীকরণ।**
* অ্যানাক্সাগোরাস মনে করতেন যে **পদার্থ অসীমভাবে বিভাজ্য**... ক্ষুদ্রতম বা বৃহত্তম বলে কিছু নেই। তবে কণাটি যত বড় বা ছোটই হোক না কেন, এতে সবকিছুরই "অংশ" থাকে।
* যদিও সবকিছুর মধ্যে সবকিছুর অংশ থাকে, তবুও **জিনিসগুলোকে তেমন দেখায় যার পরিমাণ তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি।** ...বায়ু হলো সেটি যাতে ঠান্ডা সবচেয়ে বেশি থাকে, আর আগুন হলো সেটি যাতে তাপ সবচেয়ে বেশি থাকে।
* অ্যানাক্সাগোরাসের সাথে অ্যানাক্সিমিনিসের সংযোগ লক্ষ্য করা যায়। আদি দশা সম্পর্কে দুজনের ধারণাই প্রায় এক; কেবল **অ্যানাক্সাগোরাসের ক্ষেত্রে আদি ভরটি আর প্রাথমিক পদার্থ নয়, বরং অগণিত বীজের মিশ্রণ যা অসীম ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত। এই ভরটি অসীম এবং নিজেই নিজেকে ধরে রাখে, কারণ একে ঘিরে রাখার মতো কিছু নেই।**
* অ্যানাক্সাগোরাস মিশ্রণের মধ্যে গতির সঞ্চার করার জন্য কোনো বাহ্যিক কারণের প্রয়োজন অনুভব করেছিলেন। **অ্যানাক্সাগোরাস গতির সেই কারণকে বলেছিলেন 'নোস' বা মন।** এটিই অ্যারিস্টটলকে বলতে বাধ্য করেছিল যে, তাঁর পূর্বসূরীদের এলোমেলো কথার মাঝে তিনি একজন সচেতন মানুষের মতো দাঁড়িয়েছিলেন। 'নোস' বা মন হলো অবিনশ্বর এবং অমিশ্রিত। এটি সবকিছুর ওপর ক্ষমতা রাখে কারণ এটি গতি সৃষ্টি করে। **সম্ভবত বিশুদ্ধ বিশ্বতত্ত্বের চেয়ে শারীরতত্ত্বের প্রতি তাঁর ক্রমবর্ধমান আগ্রহ তাঁকে 'আত্মা'র পরিবর্তে 'মন' বেছে নিতে উৎসাহিত করেছিল।**
* **অ্যানাক্সাগোরাস 'অ্যানিমেট' (সজীব) এবং 'ইনঅ্যানিমেট' (নির্জীব) বস্তুর মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করেছিলেন।** ...মানুষ ছিল সবচেয়ে বুদ্ধিমান... কারণ তার উন্নত মন বা 'নোস' ছিল তা নয়, বরং তার **হাত** ছিল বলে।
* **অ্যানাক্সাগোরাসের একটি চমৎকার চিন্তা ছিল সংবেদনকে বিপরীত জিনিসের দ্বারা উদ্দীপিত হওয়ার ওপর নির্ভর করানো এবং একে যন্ত্রণার সাথে যুক্ত করা।** অনেক আধুনিক তত্ত্ব এই ধরণের ধারণার ওপর ভিত্তি করেই তৈরি।
* অ্যানাক্সাগোরাস মনে করতেন ইন্দ্রিয়গুলো সত্যে পৌঁছাতে অক্ষম। তিনি বলেছিলেন, "আমাদের ইন্দ্রিয়ের দুর্বলতা আমাদের সত্য অনুধাবন করতে বাধা দেয়।" কিন্তু আমাদের এটিকে সংশয়বাদে রূপান্তর করা উচিত নয়। তিনি আরও বলেছিলেন, **দৃশ্যমান বস্তুগুলো আমাদের অদৃশ্যকে দেখার শক্তি দেয়, যা সংশয়বাদের ঠিক বিপরীত।**
== আরও দেখুন ==
* [[সক্রেটিস-পূর্ব দর্শন]]
* [[গ্রিক দর্শন]]
== তথ্যসূত্র ==
{{তথ্যসূত্র তালিকা}}
== বহিঃসংযোগ ==
* {{উইকিপিডিয়া-ইনলাইন}}
* {{কমন্সক্যাট-ইনলাইন}}
* {{উইকিসোর্স-ইনলাইন|Author:Anaxagoras}}
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:অ্যানাক্সাগোরাস}}
[[বিষয়শ্রেণী:খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতাব্দীর দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:সক্রেটিস-পূর্ব দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:৪২৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:গ্রিক জ্যোতির্বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:গ্রিক গণিতবিদ]]
cz2dwfnwofgq3fs8ydmejpztncra9n6
ব্যবহারকারী আলাপ:MD.AL-AMIN MONDAL
3
12079
74015
2026-04-06T06:13:02Z
অভ্যর্থনা কমিটি বট
1112
উইকিউক্তিতে স্বাগত!
74015
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় MD.AL-AMIN MONDAL,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]]
</div>
০৬:১৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
315dkvd8chdu0ccu8y8zulh45qm138c
আলাপ:ক্লাউদিয়া শেইনবাউম
1
12080
74024
2026-04-06T06:24:48Z
Borhan
964
https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026
74024
wikitext
text/x-wiki
{{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}}
s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm
আলাপ:ফজল শাহাবুদ্দীন
1
12081
74027
2026-04-06T06:27:47Z
Amirhusenjihed
3671
https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026
74027
wikitext
text/x-wiki
{{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}}
s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm
জেমস কুক
0
12082
74032
2026-04-06T06:56:38Z
Borhan
964
শুরু
74032
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:Captainjamescookportrait.jpg|থাম্ব]]
ক্যাপ্টেন '''জেমস কুক''' (৭ নভেম্বর ১৭২৮ – ১৪ ফেব্রুয়ারি ১৭৭৯) ছিলেন একজন ব্রিটিশ অভিযাত্রী, মানচিত্রকার এবং নৌ কর্মকর্তা, যিনি ১৭৬৮ থেকে ১৭৭৯ সালের মধ্যে [[প্রশান্ত মহাসাগর]] এবং বিশেষ করে [[নিউজিল্যান্ড]] ও [[অস্ট্রেলিয়া|অস্ট্রেলিয়ায়]] তার তিনটি সমুদ্রযাত্রার জন্য স্মরণীয়। প্রশান্ত মহাসাগরে তিনটি সমুদ্রযাত্রার পূর্বে তিনি নিউফাউন্ডল্যান্ডের বিস্তারিত মানচিত্র তৈরি করেন, যেগুলোর মাধ্যমে তিনি অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূল ও হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের সাথে প্রথম নথিভুক্ত ইউরোপীয় যোগাযোগ স্থাপন করেন এবং নিউজিল্যান্ডের প্রথম নথিভুক্ত প্রদক্ষিণ সম্পন্ন করেন।
== উক্তি ==
* আমি এমন একজন, যার উচ্চাকাঙ্ক্ষা আমাকে শুধু আমার পূর্ববর্তী যেকোনো মানুষের চেয়েই দূরে নিয়ে যায় না, বরং মানুষের পক্ষে যতদূর যাওয়া সম্ভব বলে আমি মনে করি, ততদূর পর্যন্ত নিয়ে যায়...
** কুকের ব্যক্তিগত দিনলিপি, ৩০ জানুয়ারি ১৭৭৪। জে. সি. বিগলহোল (সম্পাদক) ''‘দ্য জার্নালস অব ক্যাপ্টেন জেমস কুক’'', খণ্ড ১ (হাকলুইট সোসাইটি, ১৯৫৫)-এর সাধারণ ভূমিকায় উদ্ধৃত। এছাড়াও [https://diariesofnote.com/2023/01/30/farther-than-any-other-man-has-been-before-me/ ‘ডায়েরিজ অব নোট’-এ অন্তর্ভুক্ত] ।
=== ''"এন্ডেভার" জাহাজের সমুদ্রযাত্রা'' (১৭৬৮–১৭৭১) ===
* নিউ-হল্যান্ডের অধিবাসীদের সম্পর্কে আমি যা বলেছি, তা থেকে কারো কারো কাছে তাদের পৃথিবীর সবচেয়ে হতভাগ্য মানুষ বলে মনে হতে পারে, কিন্তু বাস্তবে তারা আমাদের ইউরোপীয়দের চেয়ে অনেক বেশি সুখী; ইউরোপে বহুল আকাঙ্ক্ষিত অপ্রয়োজনীয় তো বটেই, এমনকি প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধাগুলোর সাথেও সম্পূর্ণ অপরিচিত হওয়ায়, সেগুলোর ব্যবহার না জেনেই তারা সুখী। তারা এমন এক শান্তিতে বাস করে যা অবস্থার বৈষম্য দ্বারা বিঘ্নিত হয় না: পৃথিবী ও সমুদ্র আপনাআপনিই তাদের জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু সরবরাহ করে। তারা জাঁকজমকপূর্ণ বাড়ি, গৃহস্থালীর জিনিসপত্র ইত্যাদির আকাঙ্ক্ষা করে না, তারা এক উষ্ণ ও মনোরম জলবায়ুতে বাস করে এবং অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর বাতাস উপভোগ করে। ... সংক্ষেপে, আমরা তাদের যা কিছু দিয়েছি তার কোনোটিরই তারা কোনো মূল্য দেয় বলে মনে হয়নি, এবং আমরা তাদের যা কিছু দিতে পারতাম তার কোনো একটি জিনিসের জন্যও তারা নিজেদের কোনো কিছু ত্যাগ করতে রাজি ছিল না; আমার মতে, এটি প্রমাণ করে যে তারা মনে করে জীবনের সমস্ত প্রয়োজনীয় জিনিস তাদের জোগান পেয়েছে এবং তাদের কোনো বাহুল্য নেই।
** জাবেদা লিখন, তারিখ ২৩ আগস্ট ১৭৭০
=== ''‘রেজোলিউশন’ ও ‘অ্যাডভেঞ্চার’-এর সমুদ্রযাত্রা'' (১৭৭২–১৭৭৫) ===
* যদি আমি কোনো মহাদেশ আবিষ্কার করতে ব্যর্থ হয়ে থাকি, তার কারণ হলো সেটির কোনো অস্তিত্ব নেই।
** চিঠি (২২ মার্চ ১৭৭৫)
== জেমস কুক সম্পর্কে ==
* কুকের গবেষণা সকল আবিষ্কারের আলোকবর্তিকা।
** জে. সি. বিগলহোল সম্পাদিত ''‘দ্য জার্নালস অব ক্যাপ্টেন জেমস কুক’'', খণ্ড ১ (হাকলুইট সোসাইটি, ১৯৫৫)-এর সাধারণ ভূমিকায় উদ্ধৃত।
* [[অস্ট্রেলিয়া|অস্ট্রেলিয়ার]] আদিবাসীদের জন্য এবং কিছুটা হলেও [[নিউজিল্যান্ড|নিউজিল্যান্ডের]] মাওরিদের জন্য কুক অভিযান ছিল এমন এক মহাবিপর্যয়ের সূচনা, যা থেকে তারা কখনোই পুরোপুরি সেরে উঠতে পারেনি।
** [[ইউভাল নোয়াহ হারারি]], স্যাপিয়েন্স: মানবজাতির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস (২০১১), অধ্যায় ১৫: "বিজ্ঞান ও সাম্রাজ্যের মিলন"
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:রয়েল সোসাইটির সভ্য]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৭৭৯-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৭২৮-এ জন্ম]]
2589am0wwo40s3k3julp6yvfkhyyiyn
74038
74032
2026-04-06T07:06:37Z
Borhan
964
74038
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:Captainjamescookportrait.jpg|থাম্ব]]
ক্যাপ্টেন '''[[w:জেমস কুক|জেমস কুক]]''' (৭ নভেম্বর ১৭২৮ – ১৪ ফেব্রুয়ারি ১৭৭৯) ছিলেন একজন ব্রিটিশ অভিযাত্রী, মানচিত্রকার এবং নৌ কর্মকর্তা, যিনি ১৭৬৮ থেকে ১৭৭৯ সালের মধ্যে [[w:প্রশান্ত মহাসাগর|প্রশান্ত মহাসাগর]] এবং বিশেষ করে [[w:নিউজিল্যান্ড|নিউজিল্যান্ড]] ও [[w:অস্ট্রেলিয়া|অস্ট্রেলিয়ায়]] তার তিনটি সমুদ্রযাত্রার জন্য স্মরণীয়। প্রশান্ত মহাসাগরে তিনটি সমুদ্রযাত্রার পূর্বে তিনি [[w:নিউফাউন্ডল্যান্ড|নিউফাউন্ডল্যান্ডের]] বিস্তারিত মানচিত্র তৈরি করেন, যেগুলোর মাধ্যমে তিনি অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূল ও [[w:হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ|হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের]] সাথে প্রথম নথিভুক্ত ইউরোপীয় যোগাযোগ স্থাপন করেন এবং নিউজিল্যান্ডের প্রথম নথিভুক্ত প্রদক্ষিণ সম্পন্ন করেন।
== উক্তি ==
* আমি এমন একজন, যার উচ্চাকাঙ্ক্ষা আমাকে শুধু আমার পূর্ববর্তী যেকোনো মানুষের চেয়েই দূরে নিয়ে যায় না, বরং মানুষের পক্ষে যতদূর যাওয়া সম্ভব বলে আমি মনে করি, ততদূর পর্যন্ত নিয়ে যায়...
** কুকের ব্যক্তিগত দিনলিপি, ৩০ জানুয়ারি ১৭৭৪। জে. সি. বিগলহোল (সম্পাদক) ''‘দ্য জার্নালস অব ক্যাপ্টেন জেমস কুক’'', খণ্ড ১ (হাকলুইট সোসাইটি, ১৯৫৫)-এর সাধারণ ভূমিকায় উদ্ধৃত। এছাড়াও [https://diariesofnote.com/2023/01/30/farther-than-any-other-man-has-been-before-me/ ‘ডায়েরিজ অব নোট’-এ অন্তর্ভুক্ত] ।
=== ''"[[w:জেমস কুকের প্রথম সমুদ্রযাত্রা|এন্ডেভার" জাহাজের সমুদ্রযাত্রা]]'' (১৭৬৮–১৭৭১) ===
* নিউ-হল্যান্ডের অধিবাসীদের সম্পর্কে আমি যা বলেছি, তা থেকে কারো কারো কাছে তাদের পৃথিবীর সবচেয়ে হতভাগ্য মানুষ বলে মনে হতে পারে, কিন্তু বাস্তবে তারা আমাদের ইউরোপীয়দের চেয়ে অনেক বেশি সুখী; ইউরোপে বহুল আকাঙ্ক্ষিত অপ্রয়োজনীয় তো বটেই, এমনকি প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধাগুলোর সাথেও সম্পূর্ণ অপরিচিত হওয়ায়, সেগুলোর ব্যবহার না জেনেই তারা সুখী। তারা এমন এক শান্তিতে বাস করে যা অবস্থার বৈষম্য দ্বারা বিঘ্নিত হয় না: পৃথিবী ও সমুদ্র আপনাআপনিই তাদের জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু সরবরাহ করে। তারা জাঁকজমকপূর্ণ বাড়ি, গৃহস্থালীর জিনিসপত্র ইত্যাদির আকাঙ্ক্ষা করে না, তারা এক উষ্ণ ও মনোরম জলবায়ুতে বাস করে এবং অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর বাতাস উপভোগ করে। ... সংক্ষেপে, আমরা তাদের যা কিছু দিয়েছি তার কোনোটিরই তারা কোনো মূল্য দেয় বলে মনে হয়নি, এবং আমরা তাদের যা কিছু দিতে পারতাম তার কোনো একটি জিনিসের জন্যও তারা নিজেদের কোনো কিছু ত্যাগ করতে রাজি ছিল না; আমার মতে, এটি প্রমাণ করে যে তারা মনে করে জীবনের সমস্ত প্রয়োজনীয় জিনিস তাদের জোগান পেয়েছে এবং তাদের কোনো বাহুল্য নেই।
** জাবেদা লিখন, তারিখ ২৩ আগস্ট ১৭৭০
=== ''‘[[w:জেমস কুকের দ্বিতীয় সমুদ্রযাত্রা|রেজোলিউশন’ ও ‘অ্যাডভেঞ্চার’-এর সমুদ্রযাত্রা]]'' (১৭৭২–১৭৭৫) ===
* যদি আমি কোনো মহাদেশ আবিষ্কার করতে ব্যর্থ হয়ে থাকি, তার কারণ হলো সেটির কোনো অস্তিত্ব নেই।
** চিঠি (২২ মার্চ ১৭৭৫)
== জেমস কুক সম্পর্কে ==
* কুকের গবেষণা সকল আবিষ্কারের আলোকবর্তিকা।
** জে. সি. বিগলহোল সম্পাদিত ''‘দ্য জার্নালস অব ক্যাপ্টেন জেমস কুক’'', খণ্ড ১ (হাকলুইট সোসাইটি, ১৯৫৫)-এর সাধারণ ভূমিকায় উদ্ধৃত।
* [[অস্ট্রেলিয়া|অস্ট্রেলিয়ার]] আদিবাসীদের জন্য এবং কিছুটা হলেও [[নিউজিল্যান্ড|নিউজিল্যান্ডের]] মাওরিদের জন্য কুক অভিযান ছিল এমন এক মহাবিপর্যয়ের সূচনা, যা থেকে তারা কখনোই পুরোপুরি সেরে উঠতে পারেনি।
** [[ইউভাল নোয়াহ হারারি]], স্যাপিয়েন্স: মানবজাতির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস (২০১১), অধ্যায় ১৫: "বিজ্ঞান ও সাম্রাজ্যের মিলন"
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:রয়েল সোসাইটির সভ্য]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৭৭৯-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৭২৮-এ জন্ম]]
ldcf5nabnxkz0bknnstq1smkf0l81ze
অনিতা ব্রুকনার
0
12083
74035
2026-04-06T07:03:17Z
SMontaha32
3112
"[[File:Anita Brookner.jpg|thumb|রাইট|অ্যানিতা ব্রুকনার ছিলেন একজন ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক এবং শিল্প ইতিহাসবিদ।]] '''[[অ্যানিতা ব্রুকনার]]''' (১৬ জুলাই ১৯২৮ – ১০ মার্চ ২০১৬) ছিলেন একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক এব..." দিয়ে পাতা তৈরি
74035
wikitext
text/x-wiki
[[File:Anita Brookner.jpg|thumb|রাইট|অ্যানিতা ব্রুকনার ছিলেন একজন ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক এবং শিল্প ইতিহাসবিদ।]]
'''[[অ্যানিতা ব্রুকনার]]''' (১৬ জুলাই ১৯২৮ – ১০ মার্চ ২০১৬) ছিলেন একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক এবং শিল্প ইতিহাসবিদ। তিনি কিংস কলেজ লন্ডন থেকে ইতিহাসে বিএ এবং ১৯৫৩ সালে কর্টল্ড ইনস্টিটিউট অফ আর্ট থেকে শিল্প ইতিহাসে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৬৭ সালে তিনি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে 'স্লেড প্রফেসর অফ ফাইন আর্ট' পদধারী প্রথম নারী হন। ব্রুকনার ৫৩ বছর বয়সে তার প্রথম উপন্যাস ''[[এ স্টার্ট ইন লাইফ]]'' (১৯৮১) প্রকাশ করেন এবং পরবর্তী ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রতি বছর একটি করে উপন্যাস প্রকাশ করেছেন। তার চতুর্থ উপন্যাস ''[[হোটেল দু লাক]]'' (১৯৮৪) সম্মানজনক '''[[বুকার পুরস্কার]]''' জয় করে।
== উক্তি ==
=== ''এ স্টার্ট ইন লাইফ'' (১৯৮১) ===
* বিশুদ্ধ স্বার্থপর কারণেই বিয়ে করা সবচেয়ে ভালো।
=== ''লুক অ্যাট মি'' (১৯৮৩) ===
* আমি লেখালেখির জগতটাকে ঠিক তেমনভাবেই দেখেছি যেমনটা এটা আমার কাছে। এটি আপনার ভাগ্যবান না হওয়ার জন্য এক ধরণের অনুতাপ। এটি অন্যদের কাছে পৌঁছানোর এবং তাদের ভালোবাসা পাওয়ার একটি প্রচেষ্টা। এটি আপনার সহজাত প্রতিবাদ, যখন আপনি দেখেন যে বিশ্বের বিচারালয়ে আপনার কোনো কণ্ঠস্বর নেই এবং আপনার হয়ে কথা বলার কেউ নেই। আমি আমার অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যতের সমস্ত শব্দের আউটপুট বিনিময় করতে রাজি হতাম যদি বিশ্বের কাছে সহজ প্রবেশাধিকার পেতাম, যদি "আমার কষ্ট হচ্ছে" বা "আমি ঘৃণা করি" বা "আমি চাই" বলার অনুমতি পেতাম। অথবা, বাস্তবে, "আমার দিকে তাকাও" বলতে পারতাম। এবং আমি এটি থেকে পিছপা হই না। কারণ একবার কিছু জানা হয়ে গেলে তা আর অজানা হতে পারে না; তা কেবল বিস্মৃত হতে পারে। আর লেখালেখি হলো বিস্মৃতি এবং চিন্তাহীনতার শত্রু। লেখকের জন্য কোনো বিস্মৃতি নেই, আছে কেবল অন্তহীন স্মৃতি।
=== ''এ ফ্রেন্ড ফ্রম ইংল্যান্ড'' (১৯৮৭) ===
* "আমি দেখলাম, এটি থাকার চেয়ে বরং বেরিয়ে যাওয়ার মতো একটি ফ্ল্যাট ছিল। এটি ছিল খাওয়া এবং ঘুমানোর একটি যন্ত্র, একজন কর্মজীবী নারীর জন্য উপযুক্ত বাসস্থান যার প্রধান আগ্রহ তার কাজে। আমি নিজের এই সংস্করণটিকে অপছন্দ করতাম যা আমার অন্যান্য কর্মকাণ্ডকে অস্বীকার করত... এই নির্বাক সাদা দেয়ালগুলো অনেক ঘটনার নীরব সাক্ষী ছিল; তবুও তারা কোনো মন্তব্য করত না, আর তাদের এই নীরবতাই আমার কাছে অবন্ধুত্বসুলভ মনে হতো।"
* "নারীরা অবশ্যই অনেক দূর এগিয়েছে: আমরা এখন রাতে একা থাকতে পারি। কিন্তু মাঝেমধ্যে মনে হয় এর জন্য অনেক বড় মূল্য দিতে হচ্ছে। আমরা যেকোনো সময় অপরিচিতদের জন্য হাসিমুখে দরজা খুলে দিতে পারি, আপত্তিকর টেলিফোন কল সামলাতে পারি এবং ফিউজ মেরামত করতে পারি।"
=== ''এ ক্লোজড আই'' (১৯৯১) ===
* তবুও সে নিজেকে কখনো এতটা রিক্ত অনুভব করেনি, যেন অন্য মানুষের জীবনে তার উপস্থিতি ছিল পুরোপুরি কাল্পনিক, যেন সে নিজেই এক ধরণের প্রতিচ্ছবি—মনোরম কিন্তু কৃত্রিম। খুব বেশি বৃদ্ধ হওয়ার আগেই তাকে তার জীবনের কিছু অংশ নিজের জন্য কেড়ে নিতে হবে, নয়তো কেউ তার নিখোঁজ হওয়া খেয়াল করার আগেই সে ম্লান হয়ে হারিয়ে যাবে।
=== ''মেকিং থিংস বেটার'' (২০০২) ===
* রাস্তায় বৃষ্টি ছিল একটি সূক্ষ্ম কুয়াশার মতো যা বাড়িগুলোর সীমারেখাকে নরম করে দিয়েছিল এবং এমনকি এমন একটি এলাকাতেও কবিতার ছোঁয়া দিয়েছিল যা কোমল আবেগ জাগিয়ে তোলার মতো নয়। সে তার চোখ আকাশের দিকে তুলল যেখানে টেলিভিশনের এরিয়ালগুলো ছাদে ভিড় করে আছে, এরপর আবার জানালার দিকে চোখ নামাল যা সন্ধ্যার আলো জ্বলার আগে তখনও শূন্য ছিল।
== বহিঃসংযোগ ==
* {{উইকিপিডিয়া-ইনলাইন}}
* [https://www.theguardian.com/books/2016/mar/14/anita-brookner-obituary দ্য গার্ডিয়ান-এ অ্যানিতা ব্রুকনারের শোকসংবাদ]
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:ব্রুকনার, অ্যানিতা}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯২৮-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০১৬-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:বুকার পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংরেজ ঔপন্যাসিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:শিল্প ইতিহাসবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক]]
qjuz3cij6vsow9ggem86atewbd4gkuv
74036
74035
2026-04-06T07:04:45Z
SMontaha32
3112
74036
wikitext
text/x-wiki
[[File:Anita Brookner.jpg|thumb|রাইট|অ্যানিতা ব্রুকনার ছিলেন একজন ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক এবং শিল্প ইতিহাসবিদ।]]
'''অ্যানিতা ব্রুকনার''' (১৬ জুলাই ১৯২৮ – ১০ মার্চ ২০১৬) ছিলেন একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক এবং শিল্প ইতিহাসবিদ। তিনি কিংস কলেজ লন্ডন থেকে ইতিহাসে বিএ এবং ১৯৫৩ সালে কর্টল্ড ইনস্টিটিউট অফ আর্ট থেকে শিল্প ইতিহাসে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৬৭ সালে তিনি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে 'স্লেড প্রফেসর অফ ফাইন আর্ট' পদধারী প্রথম নারী হন। ব্রুকনার ৫৩ বছর বয়সে তার প্রথম উপন্যাস ''[[এ স্টার্ট ইন লাইফ]]'' (১৯৮১) প্রকাশ করেন এবং পরবর্তী ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রতি বছর একটি করে উপন্যাস প্রকাশ করেছেন। তার চতুর্থ উপন্যাস ''হোটেল দু লাক'' (১৯৮৪) সম্মানজনক '''বুকার পুরস্কার''' জয় করে।
== উক্তি ==
=== ''এ স্টার্ট ইন লাইফ'' (১৯৮১) ===
* বিশুদ্ধ স্বার্থপর কারণেই বিয়ে করা সবচেয়ে ভালো।
=== ''লুক অ্যাট মি'' (১৯৮৩) ===
* আমি লেখালেখির জগতটাকে ঠিক তেমনভাবেই দেখেছি যেমনটা এটা আমার কাছে। এটি আপনার ভাগ্যবান না হওয়ার জন্য এক ধরণের অনুতাপ। এটি অন্যদের কাছে পৌঁছানোর এবং তাদের ভালোবাসা পাওয়ার একটি প্রচেষ্টা। এটি আপনার সহজাত প্রতিবাদ, যখন আপনি দেখেন যে বিশ্বের বিচারালয়ে আপনার কোনো কণ্ঠস্বর নেই এবং আপনার হয়ে কথা বলার কেউ নেই। আমি আমার অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যতের সমস্ত শব্দের আউটপুট বিনিময় করতে রাজি হতাম যদি বিশ্বের কাছে সহজ প্রবেশাধিকার পেতাম, যদি "আমার কষ্ট হচ্ছে" বা "আমি ঘৃণা করি" বা "আমি চাই" বলার অনুমতি পেতাম। অথবা, বাস্তবে, "আমার দিকে তাকাও" বলতে পারতাম। এবং আমি এটি থেকে পিছপা হই না। কারণ একবার কিছু জানা হয়ে গেলে তা আর অজানা হতে পারে না; তা কেবল বিস্মৃত হতে পারে। আর লেখালেখি হলো বিস্মৃতি এবং চিন্তাহীনতার শত্রু। লেখকের জন্য কোনো বিস্মৃতি নেই, আছে কেবল অন্তহীন স্মৃতি।
=== ''এ ফ্রেন্ড ফ্রম ইংল্যান্ড'' (১৯৮৭) ===
* "আমি দেখলাম, এটি থাকার চেয়ে বরং বেরিয়ে যাওয়ার মতো একটি ফ্ল্যাট ছিল। এটি ছিল খাওয়া এবং ঘুমানোর একটি যন্ত্র, একজন কর্মজীবী নারীর জন্য উপযুক্ত বাসস্থান যার প্রধান আগ্রহ তার কাজে। আমি নিজের এই সংস্করণটিকে অপছন্দ করতাম যা আমার অন্যান্য কর্মকাণ্ডকে অস্বীকার করত... এই নির্বাক সাদা দেয়ালগুলো অনেক ঘটনার নীরব সাক্ষী ছিল; তবুও তারা কোনো মন্তব্য করত না, আর তাদের এই নীরবতাই আমার কাছে অবন্ধুত্বসুলভ মনে হতো।"
* "নারীরা অবশ্যই অনেক দূর এগিয়েছে: আমরা এখন রাতে একা থাকতে পারি। কিন্তু মাঝেমধ্যে মনে হয় এর জন্য অনেক বড় মূল্য দিতে হচ্ছে। আমরা যেকোনো সময় অপরিচিতদের জন্য হাসিমুখে দরজা খুলে দিতে পারি, আপত্তিকর টেলিফোন কল সামলাতে পারি এবং ফিউজ মেরামত করতে পারি।"
=== ''এ ক্লোজড আই'' (১৯৯১) ===
* তবুও সে নিজেকে কখনো এতটা রিক্ত অনুভব করেনি, যেন অন্য মানুষের জীবনে তার উপস্থিতি ছিল পুরোপুরি কাল্পনিক, যেন সে নিজেই এক ধরণের প্রতিচ্ছবি—মনোরম কিন্তু কৃত্রিম। খুব বেশি বৃদ্ধ হওয়ার আগেই তাকে তার জীবনের কিছু অংশ নিজের জন্য কেড়ে নিতে হবে, নয়তো কেউ তার নিখোঁজ হওয়া খেয়াল করার আগেই সে ম্লান হয়ে হারিয়ে যাবে।
=== ''মেকিং থিংস বেটার'' (২০০২) ===
* রাস্তায় বৃষ্টি ছিল একটি সূক্ষ্ম কুয়াশার মতো যা বাড়িগুলোর সীমারেখাকে নরম করে দিয়েছিল এবং এমনকি এমন একটি এলাকাতেও কবিতার ছোঁয়া দিয়েছিল যা কোমল আবেগ জাগিয়ে তোলার মতো নয়। সে তার চোখ আকাশের দিকে তুলল যেখানে টেলিভিশনের এরিয়ালগুলো ছাদে ভিড় করে আছে, এরপর আবার জানালার দিকে চোখ নামাল যা সন্ধ্যার আলো জ্বলার আগে তখনও শূন্য ছিল।
== বহিঃসংযোগ ==
* {{উইকিপিডিয়া-ইনলাইন}}
* [https://www.theguardian.com/books/2016/mar/14/anita-brookner-obituary দ্য গার্ডিয়ান-এ অ্যানিতা ব্রুকনারের শোকসংবাদ]
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:ব্রুকনার, অ্যানিতা}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯২৮-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০১৬-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:বুকার পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংরেজ ঔপন্যাসিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:শিল্প ইতিহাসবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক]]
eqxj6z54t8ynsmtd43l5mfirxs4m4vo
আলাপ:অনিতা ব্রুকনার
1
12084
74037
2026-04-06T07:06:28Z
SMontaha32
3112
https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026
74037
wikitext
text/x-wiki
{{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}}
s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm
আলাপ:জেমস কুক
1
12085
74039
2026-04-06T07:07:42Z
Borhan
964
https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026
74039
wikitext
text/x-wiki
{{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}}
s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm
আলাপ:বিক্রম সারাভাই
1
12086
74046
2026-04-06T07:17:01Z
Nil Nandy
2294
http://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026
74046
wikitext
text/x-wiki
{{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}}
s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm
জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর
0
12087
74052
2026-04-06T07:27:12Z
Nil Nandy
2294
"[[File:Jayant_Vishnu_Narlikar_-_Kolkata_2007-03-20_07324.jpg|right|thumb|]] '''[[w:জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর|জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর]]''' (১৯ জুলাই ১৯৩৮– ২০ মে ২০২৫) ছিলেন একজন [[ভারতীয়]] w:জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী|জ্যোতিঃপদার্থবিজ্..." দিয়ে পাতা তৈরি
74052
wikitext
text/x-wiki
[[File:Jayant_Vishnu_Narlikar_-_Kolkata_2007-03-20_07324.jpg|right|thumb|]] '''[[w:জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর|জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর]]''' (১৯ জুলাই ১৯৩৮– ২০ মে ২০২৫) ছিলেন একজন [[ভারতীয়]] [[w:জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী|জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী]]। নারলিকর স্থির অবস্থা মহাজাগতিক তত্ত্বের প্রবক্তা ছিলেন। তিনি স্যার ফ্রেড হয়েলের সাথে কনফরমাল মহাকর্ষ তত্ত্ব নিয়ে কাজ করেন, যা হয়েল-নারলিকর তত্ত্ব নামেও পরিচিত।
64m0g1f8fcbm8mqr29bqcuoi6wbw2gf
74056
74052
2026-04-06T07:40:47Z
Nil Nandy
2294
74056
wikitext
text/x-wiki
[[File:Jayant_Vishnu_Narlikar_-_Kolkata_2007-03-20_07324.jpg|right|thumb|]] '''[[w:জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর|জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর]]''' (১৯ জুলাই ১৯৩৮– ২০ মে ২০২৫) ছিলেন একজন [[ভারতীয়]] [[w:জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী|জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী]]। নারলিকর স্থির অবস্থা মহাজাগতিক তত্ত্বের প্রবক্তা ছিলেন। তিনি স্যার ফ্রেড হয়েলের সাথে কনফরমাল মহাকর্ষ তত্ত্ব নিয়ে কাজ করেন, যা হয়েল-নারলিকর তত্ত্ব নামেও পরিচিত।
==উক্তি==
*গুরু: আজ আমি জ্যোতির্বিজ্ঞানে হিংসা নিয়ে আলোচনা করব।<br>শিষ্য: পূজনীয় গুরু! আপনি কি মহাবিশ্বের হিংস্র ঘটনার বর্ণনা দেবেন?<br>গুরু: হ্যাঁ, এবং আমি জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মধ্যে এই ঘটনাগুলোর তাৎপর্য নিয়ে যে বিতর্ক রয়েছে, সে বিষয়েও আলোকপাত করব – যে বিতর্কগুলো খোদ ঘটনাগুলোর চেয়ে কোনো অংশে কম হিংস্র নয়।<br> :তারায় ভরা রাতের আকাশের যে দিকটি সাধারণ পর্যবেক্ষককে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করে, তা হলো এর প্রশান্তি। পৃথিবীর জীবনের কোলাহলের সাথে আকাশের এই সুস্পষ্ট বৈপরীত্য অনাদিকাল থেকে কবি, দার্শনিক এবং ধর্মীয় চিন্তাবিদদের অনুপ্রাণিত করেছে। এমনকি একজন শৌখিন জ্যোতির্বিজ্ঞানীও তার ছাদের দূরবীন থেকে রাতের আকাশ দেখার সময় এমন একটি ছবি দেখতে পান যা প্রতি রাতে খুব ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়। মাঝেমধ্যে ধূমকেতুর আগমন, উল্কাপিণ্ডের পতন, কিংবা এই আধুনিক কালে মনুষ্যসৃষ্ট উপগ্রহের গমন—এগুলো হলো এমন কিছু ঘটনার উদাহরণ যা আপাতদৃষ্টিতে স্থির এক মহাজাগতিক ধারার উপর ক্ষণস্থায়ী পরিবর্তন নিয়ে আসে।
**
tfq96vlijg1homwt9f2iatsfeaelqr0
74058
74056
2026-04-06T07:41:53Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
74058
wikitext
text/x-wiki
[[File:Jayant_Vishnu_Narlikar_-_Kolkata_2007-03-20_07324.jpg|right|thumb|]] '''[[w:জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর|জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর]]''' (১৯ জুলাই ১৯৩৮– ২০ মে ২০২৫) ছিলেন একজন [[ভারতীয়]] [[w:জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী|জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী]]। নারলিকর স্থির অবস্থা মহাজাগতিক তত্ত্বের প্রবক্তা ছিলেন। তিনি স্যার ফ্রেড হয়েলের সাথে কনফরমাল মহাকর্ষ তত্ত্ব নিয়ে কাজ করেন, যা হয়েল-নারলিকর তত্ত্ব নামেও পরিচিত।
==উক্তি==
*গুরু: আজ আমি জ্যোতির্বিজ্ঞানে হিংসা নিয়ে আলোচনা করব।<br>শিষ্য: পূজনীয় গুরু! আপনি কি মহাবিশ্বের হিংস্র ঘটনার বর্ণনা দেবেন?<br>গুরু: হ্যাঁ, এবং আমি জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মধ্যে এই ঘটনাগুলোর তাৎপর্য নিয়ে যে বিতর্ক রয়েছে, সে বিষয়েও আলোকপাত করব – যে বিতর্কগুলো খোদ ঘটনাগুলোর চেয়ে কোনো অংশে কম হিংস্র নয়।<br> :তারায় ভরা রাতের আকাশের যে দিকটি সাধারণ পর্যবেক্ষককে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করে, তা হলো এর প্রশান্তি। পৃথিবীর জীবনের কোলাহলের সাথে আকাশের এই সুস্পষ্ট বৈপরীত্য অনাদিকাল থেকে কবি, দার্শনিক এবং ধর্মীয় চিন্তাবিদদের অনুপ্রাণিত করেছে। এমনকি একজন শৌখিন জ্যোতির্বিজ্ঞানীও তার ছাদের দূরবীন থেকে রাতের আকাশ দেখার সময় এমন একটি ছবি দেখতে পান যা প্রতি রাতে খুব ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়। মাঝেমধ্যে ধূমকেতুর আগমন, উল্কাপিণ্ডের পতন, কিংবা এই আধুনিক কালে মনুষ্যসৃষ্ট উপগ্রহের গমন—এগুলো হলো এমন কিছু ঘটনার উদাহরণ যা আপাতদৃষ্টিতে স্থির এক মহাজাগতিক ধারার উপর ক্ষণস্থায়ী পরিবর্তন নিয়ে আসে।
**In: Jayant V. Narlikar ''[http://books.google.com/books?id=VFbCAgAAQBAJ&printsec=frontcover Violent Phenomena in the Universe],'' Courier Dover Publications, 16 October 2012, p. 1
bmuwtuuf1xtdjnf2g29aizrffk1w6yw
ব্লেজ পাসকাল
0
12088
74061
2026-04-06T07:59:46Z
SMontaha32
3112
"এখানে পাস্কালের অনুবাদটি উইকিমিডিয়া ফরম্যাট অনুযায়ী কোড ব্লকের ভেতরে দেওয়া হলো: [[File:Blaise Pascal Versailles.JPG|thumb|[[দর্শন|দর্শনের]] গুরুত্ব কমিয়ে দেখা এক ধরনের [[সত্য|প্রকৃত]] দার্শনিকত..." দিয়ে পাতা তৈরি
74061
wikitext
text/x-wiki
এখানে পাস্কালের অনুবাদটি উইকিমিডিয়া ফরম্যাট অনুযায়ী কোড ব্লকের ভেতরে দেওয়া হলো:
[[File:Blaise Pascal Versailles.JPG|thumb|[[দর্শন|দর্শনের]] গুরুত্ব কমিয়ে দেখা এক ধরনের [[সত্য|প্রকৃত]] দার্শনিকতা।]]
'''[[w:Blaise Pascal|ব্লেইজ পাস্কাল]]''' ([[১৯ জুন]] [[১৬২৩]] – [[১৯ আগস্ট]] [[১৬৬২]]) ছিলেন একজন ফরাসি [[গণিতবিদ]], [[যুক্তিবিদ]], [[পদার্থবিদ]] এবং [[ধর্মতত্ত্ববিদ]]।
:'''দ্রষ্টব্য: ''[[পঁসে]] (Pensées)'' থেকে নেওয়া সব উক্তি ওই পাতায় পাওয়া যাবে।'''
== উক্তি ==
[[File:Blaise Pascal 2.jpg|thumb|মানুষ সাধারণত প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং যা তাদের কাছে [[আকর্ষণীয়]] মনে হয় তার ভিত্তিতেই কোনো কিছু [[বিশ্বাস|বিশ্বাস করে]]।]]
[[File:Blaise_pascal.jpg|thumb|[[আবির্ভাব|दृश्यমান বিষয়ের]] অস্থিরতা সবসময় আমাদের [[যুক্তি|যুক্তিকে]] হতাশ করে।]]
[[File:Pascal Pajou Louvre RF2981.jpg|thumb|কোনো [[কাজ]] শেষ করার পরপরই তা দেখলে আমরা এতে খুব বেশি মগ্ন থাকি। আবার অনেক পরে দেখলে আমরা এর যোগসূত্র খুঁজে পাই না।]]
* বার্ধক্য যেমন শৈশব থেকে জীবনের সবচেয়ে দূরবর্তী সময়, তেমনি এই বিশ্বজনীন মানুষের ক্ষেত্রেও কি তার জন্মের নিকটবর্তী সময়ের চেয়ে দূরবর্তী সময়ে বার্ধক্য খোঁজা উচিত নয়?
** ''প্রিফেস টু দ্য ট্রিটিজ অন ভ্যাকুয়াম'' (১৬৫১)
* {{anchor|Pascal plus longue}}''Je n'ai fait celle-ci plus longue que parce que je n'ai pas eu le loisir de la faire plus courte.''
** '''আমি আরও ছোট চিঠি লিখতাম, কিন্তু আমার হাতে পর্যাপ্ত সময় ছিল না।'''
*** ''প্রোভিনশিয়াল লেটার্স'': [https://ebooks.adelaide.edu.au/p/pascal/blaise/p27pr/part17.html ১৬তম চিঠি (৪ ডিসেম্বর ১৬৫৬)]
** আক্ষরিক অর্থ: '''আমি এই চিঠিটি দীর্ঘ করেছি কারণ এটি ছোট করার মতো অবসর আমার ছিল না।'''
** এ ধরনের উক্তি [[মার্ক টোয়েন]], [[টি. এস. এলিয়ট]], [[সিসেরো]]সহ অন্যদের নামেও প্রচলিত। তবে ‘কোট ইনভেস্টিগেটর’-এর নিবন্ধ অনুযায়ী পাস্কালের এই উক্তিটিই সম্ভবত মূল উৎস।
* '''মানুষ সাধারণত প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং যা তাদের কাছে আকর্ষণীয় মনে হয় তার ভিত্তিতেই কোনো কিছু বিশ্বাস করে।'''
** ''দ্য আর্ট অব পারসুয়েশন'' (১৬৫৮ সালে লেখা; মরণোত্তর প্রকাশিত)।
* মুহাম্মদ তার শত্রুদের হত্যার মাধ্যমে একটি ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন; অন্যদিকে যিশু খ্রিস্ট তার অনুসারীদের প্রাণ উৎসর্গ করার নির্দেশ দিয়ে ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন।
** [http://books.google.pt/books?id=MGkNAAAAYAAJ&pg=PA202&dq=%22Mahomet+established+a%22&hl=pt-PT&sa=X&ei=oZmPU-fCDemp7Ab7s4HQAg&ved=0CCsQ6AEwAA#v=onepage&q=%22Mahomet%20established%20a%20religion%22&f=false ''থটস অন রিলিজিয়ন অ্যান্ড ফিলোসফি''] (ডব্লিউ. কলিন্স, ১৮৩৮), অধ্যায় ১৬, পৃষ্ঠা ২০২।
* ''FEU. Dieu d'Abraham, Dieu d'Isaac, Dieu de Jacob, non des philosophes et savants. Certitude. Certitude. Sentiment. Joie. Paix.''
** '''আগুন। ইব্রাহিমের ঈশ্বর, ইসহাকের ঈশ্বর, ইয়াকুবের ঈশ্বর; দার্শনিক বা পণ্ডিতদের ঈশ্বর নন। নিশ্চয়তা। নিশ্চয়তা। অনুভূতি। আনন্দ। শান্তি।'''
** পাস্কালের মৃত্যুর পর তার কোটের আস্তরে সেলাই করা একটি চর্মকাগজে এই নোটটি পাওয়া যায়।
* যখন আমি আমার ক্ষণস্থায়ী জীবনের কথা ভাবি যা আগের এবং পরের অনন্তকালের মধ্যে বিলীন, তখন আমার ক্ষুদ্র অস্তিত্ব আমাকে আতঙ্কিত করে। আমি অনন্ত বিশালতার মাঝে এক নগণ্য স্থান জুড়ে আছি যার সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না এবং যা আমার সম্পর্কে কিছুই জানে না। আমি অবাক হই যে কেন আমি অন্য কোথাও না হয়ে এখানে আছি। এখন না হয়ে কেন তখন জন্মাইনি তারও কোনো কারণ নেই। কে আমাকে এখানে পাঠিয়েছেন? কার নির্দেশে এই স্থান ও সময় আমার জন্য নির্ধারিত হয়েছে?
** "মানুষের সীমাবদ্ধতা", ''দ্য থটস অব ব্লেইজ পাস্কাল'' (১৮৮৫)।
* **এই অনন্ত মহাশূন্যের চিরন্তন নিস্তব্ধতা আমাকে আতঙ্কিত করে।**
=== ''ডিসকোর্সেস অন দ্য কন্ডিশন অব দ্য গ্রেট'' ===
* আপনার প্রকৃত অবস্থা বুঝতে এই উদাহরণটি কল্পনা করুন: এক ব্যক্তি ঝড়ের কবলে পড়ে এক অজানা দ্বীপে পৌঁছান। দ্বীপবাসীরা তাদের হারিয়ে যাওয়া রাজাকে খুঁজছিল। ওই ব্যক্তির চেহারা ও গড়ন রাজার মতো হওয়ায় সবাই তাকে রাজা হিসেবে মেনে নেয়।
* তার মনে দুটি ভাবনা কাজ করছিল: একটি হলো রাজার মতো কাজ করা এবং অন্যটি হলো তার আসল অবস্থা সম্পর্কে সচেতন থাকা। সে জানত যে কেবল দুর্ঘটনাবশত সে এই অবস্থায় পৌঁছেছে।
* '''ভাববেন না যে আপনি যে সম্পদের মালিক হয়েছেন তা ওই ব্যক্তির রাজা হওয়ার চেয়ে কম আকস্মিক কিছু।'''
* আইনপ্রণেতারা যদি নিয়ম করতেন যে এই সম্পদ মৃত্যুর পর রাষ্ট্রের কাছে ফিরে যাবে, তবে আপনার অভিযোগ করার কোনো উপায় থাকত না।
* '''প্রাকৃতিক অধিকার নয়, বরং মানবিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই আপনি আপনার সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।'''
* আপনার এই অধিকার কোনো ব্যক্তিগত যোগ্যতা বা গুণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়নি। আপনার আত্মা বা শরীর একজন মাঝির বা একজন সামন্ত প্রভুর হওয়ার ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক কোনো পার্থক্য নেই। কোনো প্রাকৃতিক বন্ধনই এগুলোকে নির্দিষ্ট একটি অবস্থার সাথে আটকে রাখে না।
* '''সামাজিকভাবে পদমর্যাদা অনুযায়ী চললেও মনের ভেতরে আপনার স্বীকার করা উচিত যে আপনি জন্মগতভাবে অন্যদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ নন।'''
* '''জনসাধারণের ভাবনা যদি আপনাকে সাধারণ মানুষের উপরে তুলে ধরে, তবে আপনার ভেতরের ভাবনাটি যেন আপনাকে নম্র রাখে এবং সবার সাথে সমান অবস্থানে ধরে রাখে। এটিই আপনার স্বাভাবিক অবস্থা।'''
* নিজেকে অন্যের চেয়ে উচ্চতর ভেবে ভুল করবেন না।
* জনগণের ভুলে রাজা হওয়া ব্যক্তি যদি নিজের স্বাভাবিক অবস্থা ভুলে নিজেকে যোগ্য ভাবতে শুরু করেন, তবে আপনি তার **নির্বুদ্ধিতা ও মূর্খতা** দেখে অবাক হবেন। কিন্তু নিজেদের স্বাভাবিক অবস্থা ভুলে থাকা উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও কি একই কথা খাটে না?
* **উচ্চবিত্তদের সব বাড়াবাড়ি, সহিংসতা এবং অহংকার আসে নিজেদের পরিচয় সম্পর্কে অজ্ঞতা থেকে।** যারা মনেপ্রাণে নিজেদের সবার সমান মনে করে, তাদের পক্ষে শ্রেষ্ঠত্বের বড়াই করা কঠিন। শ্রেষ্ঠত্বের এই ভ্রম বজায় রাখতে হলে একজনকে নিজের আসল পরিচয় ভুলতে হয়।
* '''আপনি যদি আমার কাছে শ্রদ্ধা আশা করেন, তবে আমাকে আপনার এমন গুণ দেখান যা শ্রদ্ধার যোগ্য। আপনি তা দেখাতে পারলে আমি আপনাকে শ্রদ্ধা করব এবং তা ন্যায়সংগত হবে। কিন্তু আপনি তা না করলে আমার কাছে শ্রদ্ধা দাবি করা আপনার অন্যায় হবে। আপনি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ রাজপুত্র হলেও আপনি তাতে সফল হবেন না।'''
* '''আপনার মতে একজন বড় অভিজাত হওয়ার মানে কী? এর অর্থ হলো মানুষের কাঙ্ক্ষিত অনেক কিছুর মালিক হওয়া এবং অনেকের চাহিদা পূরণ করতে পারা। এই অভাব ও চাহিদাই মানুষকে আপনার দিকে টানে এবং আপনার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য করে। এগুলো না থাকলে তারা আপনার দিকে ফিরেও তাকাত না।'''
* **ঈশ্বর ভালোবাসায় পূর্ণ মানুষ দ্বারা পরিবেষ্টিত** যারা তার কাছে ভালোবাসা চায়। তাই তিনি মূলত ভালোবাসার রাজা।
* একইভাবে আপনিও একদল আগ্রহী মানুষ দ্বারা পরিবেষ্টিত। তারা আপনার কাছে তাদের চাহিদা মেটানোর সুযোগ চায়। তাই আপনি মূলত আকাঙ্ক্ষা বা চাহিদার রাজা। **মানুষ যা চায় তার মালিকানাই আপনার ক্ষমতার উৎস।**
* আপনার প্রাকৃতিক শক্তি বা ক্ষমতার কারণে মানুষ আপনার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য হয়নি। তাই শক্তি দিয়ে তাদের শাসন করবেন না বা তাদের সাথে রূঢ় আচরণ করবেন না। **তাদের যুক্তিসঙ্গত চাহিদাগুলো পূরণ করুন।** মানুষের উপকার করার মাধ্যমে আনন্দ খুঁজলে আপনি আকাঙ্ক্ষার প্রকৃত রাজা হতে পারবেন।
=== ''কনভারসেশন অন এপিকটেটাস অ্যান্ড মনটেইন'' ===
* আমি দেখেছি যে তারা [এপিকটেটাস ও মনটেইন] বিশ্বের দুটি বিখ্যাত মতবাদের শ্রেষ্ঠ রক্ষক এবং যুক্তিপূর্ণ। তাদের দেখানো পথ দুটি হলো: হয় ঈশ্বর আছেন এবং তিনিই পরম কল্যাণ; অথবা তিনি অনিশ্চিত এবং তখন প্রকৃত কল্যাণও অনিশ্চিত।
* এই দুই মতবাদের ভুলের মূল কারণ হলো তারা মানুষের বর্তমান অবস্থা যে সৃষ্টির সময়ের চেয়ে ভিন্ন, তা জানতেন না। এক পক্ষ মানুষের আদি মহত্ত্ব দেখে তার বর্তমান কলুষতা ভুলে প্রকৃতির ওপর অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয়ে **অহংকারের** জন্ম দেয়। অন্য পক্ষ বর্তমান দুর্দশা দেখে আদি মর্যাদা ভুলে হতাশায় ডুবে যায়।
* মানুষের এই দুই অবস্থা—মহত্ত্ব ও দুর্বলতা—একসাথে না জানলে মানুষ হয় অহংকারী নতুবা অলস হয়ে পড়ে। ঐশ্বরিক অনুগ্রহ পাওয়ার আগে সব মানুষই এই দুই দোষের শিকার হয়।
* **একজন মানুষের কর্তব্য জানলেও তার অক্ষমতা সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় সে উদ্ধত হয়। অন্যজন অক্ষমতা জানলেও কর্তব্য সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় অলস হয়ে পড়ে। সুসমাচারের সত্য এই দুই বৈপরীত্যের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করে। এটি সত্যকে গ্রহণ করে এবং মিথ্যাকে বর্জন করে এক স্বর্গীয় প্রজ্ঞা তৈরি করে।**
=== ''অন দ্য স্পিরিট অব জিওমেট্রি'' ===
* সরাসরি সত্যের মালিক হওয়ার বিশ্বাস মানুষের এক স্বাভাবিক মানসিক ব্যাধি।
*** ১ম বিভাগ
=== ''দ্য আর্ট অব পারসুয়েশন'' ===
* মতবাদগুলো আত্মার দুটি প্রধান ক্ষমতার মাধ্যমে গৃহীত হয়: বুদ্ধি এবং ইচ্ছা।
* **মানুষ প্রমাণের চেয়ে আকর্ষণের মাধ্যমে বিশ্বাস করতে বেশি পছন্দ করে।** এটি একটি নীচ ও অপ্রাসঙ্গিক পথ, তাই সবাই একে অস্বীকার করে। প্রত্যেকেই দাবি করে যে সে যা জানে কেবল তা-ই বিশ্বাস ও ভালোবাসা করে।
* আমি এখানে ঐশ্বরিক সত্যের কথা বলছি না কারণ তা প্রকৃতির ঊর্ধ্বে। **কেবল ঈশ্বরই আত্মায় সেই সত্য স্থাপন করতে পারেন।** তিনি চেয়েছেন সেই সত্য যেন মন থেকে হৃদয়ে না এসে বরং হৃদয় থেকে মনে প্রবেশ করে। এটি মানুষের অহংকারী যুক্তিকে দমন করে এবং কলুষিত ইচ্ছাকে এটি পরিশোধিত করে।
* '''পার্থিব জিনিসের ক্ষেত্রে আমরা বলি যে কোনো কিছু ভালোবাসার আগে তা জানতে হয়। অন্যদিকে পবিত্র জিনিসের ক্ষেত্রে মহাত্মারা বলেন যে কোনো কিছু জানার আগে তাকে ভালোবাসতে হয়। কেবল ভালোবাসার মাধ্যমেই আমরা সত্যে প্রবেশ করতে পারি।'''
* ঈশ্বর মানুষের বুদ্ধিতে তখনই আলো দান করেন যখন তিনি মানুষের জেদি ইচ্ছাকে স্বর্গীয় নম্রতা দিয়ে জয় করেন।
* মন এবং হৃদয় হলো সত্য প্রবেশের দুটি পথ। তবে বুদ্ধির চেয়ে ইচ্ছার খামখেয়ালিপনায় অনেক বেশি সত্য (বা মিথ্যা) আত্মায় প্রবেশ করে।
* **সত্য ও আনন্দের** মধ্যে যখন দ্বন্দ্ব বাধে, তখন জয়-পরাজয় অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এটি বোঝার জন্য মানুষের অন্তরের গহীন খবর জানা প্রয়োজন যা মানুষ নিজেও সবসময় জানে না।
* **কাউকে রাজি করাতে হলে ওই ব্যক্তির মন এবং হৃদয় সম্পর্কে জানা জরুরি।** তার মূলনীতিগুলো কী এবং সে কী ভালোবাসে তা বুঝতে হবে।
* **প্ররোচনা বা প্রবোধ দেওয়ার শিল্প যতটা না বোঝানোর, তার চেয়ে বেশি তুষ্ট করার। কারণ মানুষ যুক্তির চেয়ে খামখেয়ালিপনা দ্বারা বেশি পরিচালিত হয়!**
* আনন্দের উৎসগুলো স্থির নয়। প্রতিটি মানুষের ক্ষেত্রে এগুলো ভিন্ন এবং সময়ে সময়ে পরিবর্তনশীল। একজন মানুষ ভিন্ন সময়ে নিজের চেয়েও অনেক বেশি আলাদা হয়ে যায়।
* **প্রমাণ বা যুক্তির নিখুঁত পদ্ধতি তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত:** স্পষ্ট সংজ্ঞার মাধ্যমে পদের ব্যাখ্যা দেওয়া, প্রমাণিত নীতি বা স্বতঃসিদ্ধ প্রস্তাব করা এবং প্রমাণের সময় পদের বদলে সবসময় তার সংজ্ঞা ব্যবহার করা।
* যদি ভিত্তি মজবুত না হয়, তবে অট্টালিকাও নিরাপদ হয় না।
* যারা এই নিয়মগুলো আয়ত্ত করেছেন, তারা বুঝতে পারবেন যে সাধারণ যুক্তিবিদরা যা লিখেছেন তার সাথে এর পার্থক্য কতটা বিশাল।
* **যুক্তিবিদ্যা হয়তো জ্যামিতির নিয়মগুলো ধার করেছে কিন্তু সেগুলোর শক্তি বুঝতে পারেনি।** বিজ্ঞান ছাড়া আর কোথাও সত্যের প্রকৃত প্রমাণ পাওয়া যায় না।
* **ভালো জিনিস সবখানেই আছে, কেবল সেগুলো বেছে নেওয়া প্রয়োজন।** শ্রেষ্ঠত্ব কোনো অসাধারণ বা কাল্পনিক জিনিসের মধ্যে নেই। একে পেতে হলে আমাদের অনেক সময় নিচু হতে হয়।
* শ্রেষ্ঠ বই সেগুলোই যা পড়ার পর পাঠকের মনে হয় তিনি নিজেও তা লিখতে পারতেন।
* **প্রকৃতিই একমাত্র ভালো যা সবার কাছে পরিচিত এবং সাধারণ।**
* মনকে জোর করা উচিত নয়। কৃত্রিম আচরণ সলিড খাবারের বদলে মনকে কেবল অন্তঃসারশূন্য অহংকারে পূর্ণ করে।
* **মানুষের একটি প্রধান ভুল হলো তারা মনে করে ভালো জিনিসগুলো দুর্লভ এবং উঁচু স্তরের। তারা এগুলোকে 'মহান, উচ্চ বা মহৎ' নাম দেয়। আমি এগুলোকে 'সাধারণ ও পরিচিত' বলতে পছন্দ করি।**
== পাস্কাল সম্পর্কে মন্তব্য ==
* পাস্কাল তার জীবনকে খ্রিস্টধর্মের প্রসারে উৎসর্গ করেছিলেন। পঁসে (Pensées) বা ‘চিন্তাসমূহ’ ছিল তার সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী কাজ যার লক্ষ্য ছিল অজ্ঞেয়বাদী ও নাস্তিকদের ধর্মে দীক্ষিত করা।
** ডোনাল্ড অ্যাডামসন, ''ব্লেইজ পাস্কাল: গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং ঈশ্বর চিন্তক'' (১৯৯৪)।
* পাস্কাল একজন দক্ষ সমালোচক ছিলেন যিনি দেকার্তের (Descartes) বিরোধিতা করেছেন মৌলিক কিছু বিষয়ে। তিনি বুঝেছিলেন যে দেকার্তের নিশ্চিত জ্ঞানের মানদণ্ড ছিল ত্রুটিপূর্ণ। পাস্কাল তার সম্ভাব্যতা তত্ত্বের (Probability theory) মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে মানুষের মন কেবল যুক্তির ওপর নির্ভরশীল নয়।
** মাইকেল ওকশট, "র্যাশনালিজম ইন পলিটিক্স" (১৯৬২)।
* পাস্কালই একমাত্র মহান গণিতবিদ যিনি লেখক হিসেবেও সমভাবে বিখ্যাত। অভাবীদের সেবা করার লক্ষ্যে তিনি বিশ্বের প্রথম জনপরিবহন বা 'ওমনিবাস' (omnibus) ব্যবস্থার ধারণা দিয়েছিলেন। তার মৃত্যুর কিছুদিন আগে প্যারিসে ৫ স্যু ভাড়ায় এই কোচ সার্ভিস চালু হয় যার লাভ দরিদ্রদের মাঝে বিলিয়ে দেওয়া হতো।
** জন স্টিলওয়েল, ''ম্যাথমেটিক্স অ্যান্ড ইটস হিস্ট্রি'' (১৯৮৯)।
* ধর্ম সম্পর্কে পাস্কাল যা বলেছেন তা যেকোনো কার্যকর মতবাদের ক্ষেত্রেই সত্য: একে অবশ্যই প্রকৃতি, সাধারণ জ্ঞান এবং আনন্দের প্রতিকূলে হতে হবে।
** এরিক হফার, ''দ্য ট্রু বিলিভার'' (১৯৫১)।
{{wikipedia}}
{{wikisource author}}
{{Commons category}}
{{DEFAULTSORT:Pascal, Blaise}}
[[Category:১৬২৩-এ জন্ম]]
[[Category:১৬৬২-এ মৃত্যু]]
[[Category:পরাবচনকার]]
[[Category:খ্রিস্টীয় মার্জনাপ্রার্থী]]
[[Category:সমালোচক]]
[[Category:মানবতাবাদী]]
[[Category:উদ্ভাবক]]
[[Category:ফ্রান্সের যুক্তিবিদ]]
[[Category:ফ্রান্সের গণিতবিদ]]
[[Category:রহস্যবাদী]]
[[Category:ফ্রান্সের দার্শনিক]]
[[Category:দার্শনিক নৈরাশ্যবাদী]]
[[Category:ফ্রান্সের পদার্থবিদ]]
[[Category:ফ্রান্সের ক্যাথলিক]]
[[Category:ফ্রান্সের ধর্মতত্ত্ববিদ]]
[[Category:ফ্রান্সের অকল্পিত সাহিত্য লেখক]]
kmsnalymtvmscgvgecwxp9fj6v30dlb
74063
74061
2026-04-06T08:03:15Z
SMontaha32
3112
74063
wikitext
text/x-wiki
[[File:Blaise Pascal Versailles.JPG|thumb|[[দর্শন|দর্শনের]] গুরুত্ব কমিয়ে দেখা এক ধরনের [[সত্য|প্রকৃত]] দার্শনিকতা।]]
'''[[w:Blaise Pascal|ব্লেইজ পাস্কাল]]''' ([[১৯ জুন]] [[১৬২৩]] – [[১৯ আগস্ট]] [[১৬৬২]]) ছিলেন একজন ফরাসি [[গণিতবিদ]], [[যুক্তিবিদ]], [[পদার্থবিদ]] এবং [[ধর্মতত্ত্ববিদ]]।
:'''দ্রষ্টব্য: ''[[পঁসে]] (Pensées)'' থেকে নেওয়া সব উক্তি ওই পাতায় পাওয়া যাবে।'''
== উক্তি ==
[[File:Blaise Pascal 2.jpg|thumb|মানুষ সাধারণত প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং যা তাদের কাছে [[আকর্ষণীয়]] মনে হয় তার ভিত্তিতেই কোনো কিছু [[বিশ্বাস|বিশ্বাস করে]]।]]
[[File:Blaise_pascal.jpg|thumb|[[আবির্ভাব|दृश्यমান বিষয়ের]] অস্থিরতা সবসময় আমাদের [[যুক্তি|যুক্তিকে]] হতাশ করে।]]
[[File:Pascal Pajou Louvre RF2981.jpg|thumb|কোনো [[কাজ]] শেষ করার পরপরই তা দেখলে আমরা এতে খুব বেশি মগ্ন থাকি। আবার অনেক পরে দেখলে আমরা এর যোগসূত্র খুঁজে পাই না।]]
* বার্ধক্য যেমন শৈশব থেকে জীবনের সবচেয়ে দূরবর্তী সময়, তেমনি এই বিশ্বজনীন মানুষের ক্ষেত্রেও কি তার জন্মের নিকটবর্তী সময়ের চেয়ে দূরবর্তী সময়ে বার্ধক্য খোঁজা উচিত নয়?
** ''প্রিফেস টু দ্য ট্রিটিজ অন ভ্যাকুয়াম'' (১৬৫১)
* {{anchor|Pascal plus longue}}''Je n'ai fait celle-ci plus longue que parce que je n'ai pas eu le loisir de la faire plus courte.''
** '''আমি আরও ছোট চিঠি লিখতাম, কিন্তু আমার হাতে পর্যাপ্ত সময় ছিল না।'''
*** ''প্রোভিনশিয়াল লেটার্স'': [https://ebooks.adelaide.edu.au/p/pascal/blaise/p27pr/part17.html ১৬তম চিঠি (৪ ডিসেম্বর ১৬৫৬)]
** আক্ষরিক অর্থ: '''আমি এই চিঠিটি দীর্ঘ করেছি কারণ এটি ছোট করার মতো অবসর আমার ছিল না।'''
** এ ধরনের উক্তি [[মার্ক টোয়েন]], [[টি. এস. এলিয়ট]], [[সিসেরো]]সহ অন্যদের নামেও প্রচলিত। তবে ‘কোট ইনভেস্টিগেটর’-এর নিবন্ধ অনুযায়ী পাস্কালের এই উক্তিটিই সম্ভবত মূল উৎস।
* '''মানুষ সাধারণত প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং যা তাদের কাছে আকর্ষণীয় মনে হয় তার ভিত্তিতেই কোনো কিছু বিশ্বাস করে।'''
** ''দ্য আর্ট অব পারসুয়েশন'' (১৬৫৮ সালে লেখা; মরণোত্তর প্রকাশিত)।
* মুহাম্মদ তার শত্রুদের হত্যার মাধ্যমে একটি ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন; অন্যদিকে যিশু খ্রিস্ট তার অনুসারীদের প্রাণ উৎসর্গ করার নির্দেশ দিয়ে ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন।
** [http://books.google.pt/books?id=MGkNAAAAYAAJ&pg=PA202&dq=%22Mahomet+established+a%22&hl=pt-PT&sa=X&ei=oZmPU-fCDemp7Ab7s4HQAg&ved=0CCsQ6AEwAA#v=onepage&q=%22Mahomet%20established%20a%20religion%22&f=false ''থটস অন রিলিজিয়ন অ্যান্ড ফিলোসফি''] (ডব্লিউ. কলিন্স, ১৮৩৮), অধ্যায় ১৬, পৃষ্ঠা ২০২।
* ''FEU. Dieu d'Abraham, Dieu d'Isaac, Dieu de Jacob, non des philosophes et savants. Certitude. Certitude. Sentiment. Joie. Paix.''
** '''আগুন। ইব্রাহিমের ঈশ্বর, ইসহাকের ঈশ্বর, ইয়াকুবের ঈশ্বর; দার্শনিক বা পণ্ডিতদের ঈশ্বর নন। নিশ্চয়তা। নিশ্চয়তা। অনুভূতি। আনন্দ। শান্তি।'''
** পাস্কালের মৃত্যুর পর তার কোটের আস্তরে সেলাই করা একটি চর্মকাগজে এই নোটটি পাওয়া যায়।
* যখন আমি আমার ক্ষণস্থায়ী জীবনের কথা ভাবি যা আগের এবং পরের অনন্তকালের মধ্যে বিলীন, তখন আমার ক্ষুদ্র অস্তিত্ব আমাকে আতঙ্কিত করে। আমি অনন্ত বিশালতার মাঝে এক নগণ্য স্থান জুড়ে আছি যার সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না এবং যা আমার সম্পর্কে কিছুই জানে না। আমি অবাক হই যে কেন আমি অন্য কোথাও না হয়ে এখানে আছি। এখন না হয়ে কেন তখন জন্মাইনি তারও কোনো কারণ নেই। কে আমাকে এখানে পাঠিয়েছেন? কার নির্দেশে এই স্থান ও সময় আমার জন্য নির্ধারিত হয়েছে?
** "মানুষের সীমাবদ্ধতা", ''দ্য থটস অব ব্লেইজ পাস্কাল'' (১৮৮৫)।
* **এই অনন্ত মহাশূন্যের চিরন্তন নিস্তব্ধতা আমাকে আতঙ্কিত করে।**
=== ''ডিসকোর্সেস অন দ্য কন্ডিশন অব দ্য গ্রেট'' ===
* আপনার প্রকৃত অবস্থা বুঝতে এই উদাহরণটি কল্পনা করুন: এক ব্যক্তি ঝড়ের কবলে পড়ে এক অজানা দ্বীপে পৌঁছান। দ্বীপবাসীরা তাদের হারিয়ে যাওয়া রাজাকে খুঁজছিল। ওই ব্যক্তির চেহারা ও গড়ন রাজার মতো হওয়ায় সবাই তাকে রাজা হিসেবে মেনে নেয়।
* তার মনে দুটি ভাবনা কাজ করছিল: একটি হলো রাজার মতো কাজ করা এবং অন্যটি হলো তার আসল অবস্থা সম্পর্কে সচেতন থাকা। সে জানত যে কেবল দুর্ঘটনাবশত সে এই অবস্থায় পৌঁছেছে।
* '''ভাববেন না যে আপনি যে সম্পদের মালিক হয়েছেন তা ওই ব্যক্তির রাজা হওয়ার চেয়ে কম আকস্মিক কিছু।'''
* আইনপ্রণেতারা যদি নিয়ম করতেন যে এই সম্পদ মৃত্যুর পর রাষ্ট্রের কাছে ফিরে যাবে, তবে আপনার অভিযোগ করার কোনো উপায় থাকত না।
* '''প্রাকৃতিক অধিকার নয়, বরং মানবিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই আপনি আপনার সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।'''
* আপনার এই অধিকার কোনো ব্যক্তিগত যোগ্যতা বা গুণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়নি। আপনার আত্মা বা শরীর একজন মাঝির বা একজন সামন্ত প্রভুর হওয়ার ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক কোনো পার্থক্য নেই। কোনো প্রাকৃতিক বন্ধনই এগুলোকে নির্দিষ্ট একটি অবস্থার সাথে আটকে রাখে না।
* '''সামাজিকভাবে পদমর্যাদা অনুযায়ী চললেও মনের ভেতরে আপনার স্বীকার করা উচিত যে আপনি জন্মগতভাবে অন্যদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ নন।'''
* '''জনসাধারণের ভাবনা যদি আপনাকে সাধারণ মানুষের উপরে তুলে ধরে, তবে আপনার ভেতরের ভাবনাটি যেন আপনাকে নম্র রাখে এবং সবার সাথে সমান অবস্থানে ধরে রাখে। এটিই আপনার স্বাভাবিক অবস্থা।'''
* নিজেকে অন্যের চেয়ে উচ্চতর ভেবে ভুল করবেন না।
* জনগণের ভুলে রাজা হওয়া ব্যক্তি যদি নিজের স্বাভাবিক অবস্থা ভুলে নিজেকে যোগ্য ভাবতে শুরু করেন, তবে আপনি তার **নির্বুদ্ধিতা ও মূর্খতা** দেখে অবাক হবেন। কিন্তু নিজেদের স্বাভাবিক অবস্থা ভুলে থাকা উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও কি একই কথা খাটে না?
* **উচ্চবিত্তদের সব বাড়াবাড়ি, সহিংসতা এবং অহংকার আসে নিজেদের পরিচয় সম্পর্কে অজ্ঞতা থেকে।** যারা মনেপ্রাণে নিজেদের সবার সমান মনে করে, তাদের পক্ষে শ্রেষ্ঠত্বের বড়াই করা কঠিন। শ্রেষ্ঠত্বের এই ভ্রম বজায় রাখতে হলে একজনকে নিজের আসল পরিচয় ভুলতে হয়।
* '''আপনি যদি আমার কাছে শ্রদ্ধা আশা করেন, তবে আমাকে আপনার এমন গুণ দেখান যা শ্রদ্ধার যোগ্য। আপনি তা দেখাতে পারলে আমি আপনাকে শ্রদ্ধা করব এবং তা ন্যায়সংগত হবে। কিন্তু আপনি তা না করলে আমার কাছে শ্রদ্ধা দাবি করা আপনার অন্যায় হবে। আপনি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ রাজপুত্র হলেও আপনি তাতে সফল হবেন না।'''
* '''আপনার মতে একজন বড় অভিজাত হওয়ার মানে কী? এর অর্থ হলো মানুষের কাঙ্ক্ষিত অনেক কিছুর মালিক হওয়া এবং অনেকের চাহিদা পূরণ করতে পারা। এই অভাব ও চাহিদাই মানুষকে আপনার দিকে টানে এবং আপনার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য করে। এগুলো না থাকলে তারা আপনার দিকে ফিরেও তাকাত না।'''
* **ঈশ্বর ভালোবাসায় পূর্ণ মানুষ দ্বারা পরিবেষ্টিত** যারা তার কাছে ভালোবাসা চায়। তাই তিনি মূলত ভালোবাসার রাজা।
* একইভাবে আপনিও একদল আগ্রহী মানুষ দ্বারা পরিবেষ্টিত। তারা আপনার কাছে তাদের চাহিদা মেটানোর সুযোগ চায়। তাই আপনি মূলত আকাঙ্ক্ষা বা চাহিদার রাজা। **মানুষ যা চায় তার মালিকানাই আপনার ক্ষমতার উৎস।**
* আপনার প্রাকৃতিক শক্তি বা ক্ষমতার কারণে মানুষ আপনার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য হয়নি। তাই শক্তি দিয়ে তাদের শাসন করবেন না বা তাদের সাথে রূঢ় আচরণ করবেন না। **তাদের যুক্তিসঙ্গত চাহিদাগুলো পূরণ করুন।** মানুষের উপকার করার মাধ্যমে আনন্দ খুঁজলে আপনি আকাঙ্ক্ষার প্রকৃত রাজা হতে পারবেন।
=== ''কনভারসেশন অন এপিকটেটাস অ্যান্ড মনটেইন'' ===
* আমি দেখেছি যে তারা [এপিকটেটাস ও মনটেইন] বিশ্বের দুটি বিখ্যাত মতবাদের শ্রেষ্ঠ রক্ষক এবং যুক্তিপূর্ণ। তাদের দেখানো পথ দুটি হলো: হয় ঈশ্বর আছেন এবং তিনিই পরম কল্যাণ; অথবা তিনি অনিশ্চিত এবং তখন প্রকৃত কল্যাণও অনিশ্চিত।
* এই দুই মতবাদের ভুলের মূল কারণ হলো তারা মানুষের বর্তমান অবস্থা যে সৃষ্টির সময়ের চেয়ে ভিন্ন, তা জানতেন না। এক পক্ষ মানুষের আদি মহত্ত্ব দেখে তার বর্তমান কলুষতা ভুলে প্রকৃতির ওপর অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয়ে **অহংকারের** জন্ম দেয়। অন্য পক্ষ বর্তমান দুর্দশা দেখে আদি মর্যাদা ভুলে হতাশায় ডুবে যায়।
* মানুষের এই দুই অবস্থা—মহত্ত্ব ও দুর্বলতা—একসাথে না জানলে মানুষ হয় অহংকারী নতুবা অলস হয়ে পড়ে। ঐশ্বরিক অনুগ্রহ পাওয়ার আগে সব মানুষই এই দুই দোষের শিকার হয়।
* **একজন মানুষের কর্তব্য জানলেও তার অক্ষমতা সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় সে উদ্ধত হয়। অন্যজন অক্ষমতা জানলেও কর্তব্য সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় অলস হয়ে পড়ে। সুসমাচারের সত্য এই দুই বৈপরীত্যের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করে। এটি সত্যকে গ্রহণ করে এবং মিথ্যাকে বর্জন করে এক স্বর্গীয় প্রজ্ঞা তৈরি করে।**
=== ''অন দ্য স্পিরিট অব জিওমেট্রি'' ===
* সরাসরি সত্যের মালিক হওয়ার বিশ্বাস মানুষের এক স্বাভাবিক মানসিক ব্যাধি।
*** ১ম বিভাগ
=== ''দ্য আর্ট অব পারসুয়েশন'' ===
* মতবাদগুলো আত্মার দুটি প্রধান ক্ষমতার মাধ্যমে গৃহীত হয়: বুদ্ধি এবং ইচ্ছা।
* **মানুষ প্রমাণের চেয়ে আকর্ষণের মাধ্যমে বিশ্বাস করতে বেশি পছন্দ করে।** এটি একটি নীচ ও অপ্রাসঙ্গিক পথ, তাই সবাই একে অস্বীকার করে। প্রত্যেকেই দাবি করে যে সে যা জানে কেবল তা-ই বিশ্বাস ও ভালোবাসা করে।
* আমি এখানে ঐশ্বরিক সত্যের কথা বলছি না কারণ তা প্রকৃতির ঊর্ধ্বে। **কেবল ঈশ্বরই আত্মায় সেই সত্য স্থাপন করতে পারেন।** তিনি চেয়েছেন সেই সত্য যেন মন থেকে হৃদয়ে না এসে বরং হৃদয় থেকে মনে প্রবেশ করে। এটি মানুষের অহংকারী যুক্তিকে দমন করে এবং কলুষিত ইচ্ছাকে এটি পরিশোধিত করে।
* '''পার্থিব জিনিসের ক্ষেত্রে আমরা বলি যে কোনো কিছু ভালোবাসার আগে তা জানতে হয়। অন্যদিকে পবিত্র জিনিসের ক্ষেত্রে মহাত্মারা বলেন যে কোনো কিছু জানার আগে তাকে ভালোবাসতে হয়। কেবল ভালোবাসার মাধ্যমেই আমরা সত্যে প্রবেশ করতে পারি।'''
* ঈশ্বর মানুষের বুদ্ধিতে তখনই আলো দান করেন যখন তিনি মানুষের জেদি ইচ্ছাকে স্বর্গীয় নম্রতা দিয়ে জয় করেন।
* মন এবং হৃদয় হলো সত্য প্রবেশের দুটি পথ। তবে বুদ্ধির চেয়ে ইচ্ছার খামখেয়ালিপনায় অনেক বেশি সত্য (বা মিথ্যা) আত্মায় প্রবেশ করে।
* **সত্য ও আনন্দের** মধ্যে যখন দ্বন্দ্ব বাধে, তখন জয়-পরাজয় অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এটি বোঝার জন্য মানুষের অন্তরের গহীন খবর জানা প্রয়োজন যা মানুষ নিজেও সবসময় জানে না।
* **কাউকে রাজি করাতে হলে ওই ব্যক্তির মন এবং হৃদয় সম্পর্কে জানা জরুরি।** তার মূলনীতিগুলো কী এবং সে কী ভালোবাসে তা বুঝতে হবে।
* **প্ররোচনা বা প্রবোধ দেওয়ার শিল্প যতটা না বোঝানোর, তার চেয়ে বেশি তুষ্ট করার। কারণ মানুষ যুক্তির চেয়ে খামখেয়ালিপনা দ্বারা বেশি পরিচালিত হয়!**
* আনন্দের উৎসগুলো স্থির নয়। প্রতিটি মানুষের ক্ষেত্রে এগুলো ভিন্ন এবং সময়ে সময়ে পরিবর্তনশীল। একজন মানুষ ভিন্ন সময়ে নিজের চেয়েও অনেক বেশি আলাদা হয়ে যায়।
* **প্রমাণ বা যুক্তির নিখুঁত পদ্ধতি তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত:** স্পষ্ট সংজ্ঞার মাধ্যমে পদের ব্যাখ্যা দেওয়া, প্রমাণিত নীতি বা স্বতঃসিদ্ধ প্রস্তাব করা এবং প্রমাণের সময় পদের বদলে সবসময় তার সংজ্ঞা ব্যবহার করা।
* যদি ভিত্তি মজবুত না হয়, তবে অট্টালিকাও নিরাপদ হয় না।
* যারা এই নিয়মগুলো আয়ত্ত করেছেন, তারা বুঝতে পারবেন যে সাধারণ যুক্তিবিদরা যা লিখেছেন তার সাথে এর পার্থক্য কতটা বিশাল।
* **যুক্তিবিদ্যা হয়তো জ্যামিতির নিয়মগুলো ধার করেছে কিন্তু সেগুলোর শক্তি বুঝতে পারেনি।** বিজ্ঞান ছাড়া আর কোথাও সত্যের প্রকৃত প্রমাণ পাওয়া যায় না।
* **ভালো জিনিস সবখানেই আছে, কেবল সেগুলো বেছে নেওয়া প্রয়োজন।** শ্রেষ্ঠত্ব কোনো অসাধারণ বা কাল্পনিক জিনিসের মধ্যে নেই। একে পেতে হলে আমাদের অনেক সময় নিচু হতে হয়।
* শ্রেষ্ঠ বই সেগুলোই যা পড়ার পর পাঠকের মনে হয় তিনি নিজেও তা লিখতে পারতেন।
* **প্রকৃতিই একমাত্র ভালো যা সবার কাছে পরিচিত এবং সাধারণ।**
* মনকে জোর করা উচিত নয়। কৃত্রিম আচরণ সলিড খাবারের বদলে মনকে কেবল অন্তঃসারশূন্য অহংকারে পূর্ণ করে।
* **মানুষের একটি প্রধান ভুল হলো তারা মনে করে ভালো জিনিসগুলো দুর্লভ এবং উঁচু স্তরের। তারা এগুলোকে 'মহান, উচ্চ বা মহৎ' নাম দেয়। আমি এগুলোকে 'সাধারণ ও পরিচিত' বলতে পছন্দ করি।**
== পাস্কাল সম্পর্কে মন্তব্য ==
* পাস্কাল তার জীবনকে খ্রিস্টধর্মের প্রসারে উৎসর্গ করেছিলেন। পঁসে (Pensées) বা ‘চিন্তাসমূহ’ ছিল তার সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী কাজ যার লক্ষ্য ছিল অজ্ঞেয়বাদী ও নাস্তিকদের ধর্মে দীক্ষিত করা।
** ডোনাল্ড অ্যাডামসন, ''ব্লেইজ পাস্কাল: গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং ঈশ্বর চিন্তক'' (১৯৯৪)।
* পাস্কাল একজন দক্ষ সমালোচক ছিলেন যিনি দেকার্তের (Descartes) বিরোধিতা করেছেন মৌলিক কিছু বিষয়ে। তিনি বুঝেছিলেন যে দেকার্তের নিশ্চিত জ্ঞানের মানদণ্ড ছিল ত্রুটিপূর্ণ। পাস্কাল তার সম্ভাব্যতা তত্ত্বের (Probability theory) মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে মানুষের মন কেবল যুক্তির ওপর নির্ভরশীল নয়।
** মাইকেল ওকশট, "র্যাশনালিজম ইন পলিটিক্স" (১৯৬২)।
* পাস্কালই একমাত্র মহান গণিতবিদ যিনি লেখক হিসেবেও সমভাবে বিখ্যাত। অভাবীদের সেবা করার লক্ষ্যে তিনি বিশ্বের প্রথম জনপরিবহন বা 'ওমনিবাস' (omnibus) ব্যবস্থার ধারণা দিয়েছিলেন। তার মৃত্যুর কিছুদিন আগে প্যারিসে ৫ স্যু ভাড়ায় এই কোচ সার্ভিস চালু হয় যার লাভ দরিদ্রদের মাঝে বিলিয়ে দেওয়া হতো।
** জন স্টিলওয়েল, ''ম্যাথমেটিক্স অ্যান্ড ইটস হিস্ট্রি'' (১৯৮৯)।
* ধর্ম সম্পর্কে পাস্কাল যা বলেছেন তা যেকোনো কার্যকর মতবাদের ক্ষেত্রেই সত্য: একে অবশ্যই প্রকৃতি, সাধারণ জ্ঞান এবং আনন্দের প্রতিকূলে হতে হবে।
** এরিক হফার, ''দ্য ট্রু বিলিভার'' (১৯৫১)।
{{wikipedia}}
{{wikisource author}}
{{Commons category}}
{{DEFAULTSORT:Pascal, Blaise}}
[[Category:১৬২৩-এ জন্ম]]
[[Category:১৬৬২-এ মৃত্যু]]
[[Category:পরাবচনকার]]
[[Category:খ্রিস্টীয় মার্জনাপ্রার্থী]]
[[Category:সমালোচক]]
[[Category:মানবতাবাদী]]
[[Category:উদ্ভাবক]]
[[Category:ফ্রান্সের যুক্তিবিদ]]
[[Category:ফ্রান্সের গণিতবিদ]]
[[Category:রহস্যবাদী]]
[[Category:ফ্রান্সের দার্শনিক]]
[[Category:দার্শনিক নৈরাশ্যবাদী]]
[[Category:ফ্রান্সের পদার্থবিদ]]
[[Category:ফ্রান্সের ক্যাথলিক]]
[[Category:ফ্রান্সের ধর্মতত্ত্ববিদ]]
[[Category:ফ্রান্সের অকল্পিত সাহিত্য লেখক]]
tgd6fuor9s1q7g575r3awh8wyxlszkc
74064
74063
2026-04-06T08:05:38Z
SMontaha32
3112
74064
wikitext
text/x-wiki
[[File:Blaise Pascal Versailles.JPG|thumb|[[দর্শন|দর্শনের]] গুরুত্ব কমিয়ে দেখা এক ধরনের [[সত্য|প্রকৃত]] দার্শনিকতা।]]
'''ব্লেইজ পাস্কাল''' (১৯ জুন ১৬২৩ – ১৯ আগস্ট ১৬৬২) ছিলেন একজন ফরাসি [[গণিতবিদ]], [[যুক্তিবিদ]], [[পদার্থবিদ]] এবং [[ধর্মতত্ত্ববিদ]]।
:'''দ্রষ্টব্য: ''[[পঁসে]]'' থেকে নেওয়া সব উক্তি ওই পাতায় পাওয়া যাবে।'''
== উক্তি ==
[[File:Blaise Pascal 2.jpg|thumb|মানুষ সাধারণত প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং যা তাদের কাছে [[আকর্ষণীয়]] মনে হয় তার ভিত্তিতেই কোনো কিছু [[বিশ্বাস|বিশ্বাস করে]]।]]
[[File:Blaise_pascal.jpg|thumb|[[আবির্ভাব|दृश्यমান বিষয়ের]] অস্থিরতা সবসময় আমাদের [[যুক্তি|যুক্তিকে]] হতাশ করে।]]
[[File:Pascal Pajou Louvre RF2981.jpg|thumb|কোনো [[কাজ]] শেষ করার পরপরই তা দেখলে আমরা এতে খুব বেশি মগ্ন থাকি। আবার অনেক পরে দেখলে আমরা এর যোগসূত্র খুঁজে পাই না।]]
* বার্ধক্য যেমন শৈশব থেকে জীবনের সবচেয়ে দূরবর্তী সময়, তেমনি এই বিশ্বজনীন মানুষের ক্ষেত্রেও কি তার জন্মের নিকটবর্তী সময়ের চেয়ে দূরবর্তী সময়ে বার্ধক্য খোঁজা উচিত নয়?
** ''প্রিফেস টু দ্য ট্রিটিজ অন ভ্যাকুয়াম'' (১৬৫১)
* {{anchor|Pascal plus longue}}''Je n'ai fait celle-ci plus longue que parce que je n'ai pas eu le loisir de la faire plus courte.''
** '''আমি আরও ছোট চিঠি লিখতাম, কিন্তু আমার হাতে পর্যাপ্ত সময় ছিল না।'''
*** ''প্রোভিনশিয়াল লেটার্স'': [https://ebooks.adelaide.edu.au/p/pascal/blaise/p27pr/part17.html ১৬তম চিঠি (৪ ডিসেম্বর ১৬৫৬)]
** আক্ষরিক অর্থ: '''আমি এই চিঠিটি দীর্ঘ করেছি কারণ এটি ছোট করার মতো অবসর আমার ছিল না।'''
** এ ধরনের উক্তি [[মার্ক টোয়েন]], [[টি. এস. এলিয়ট]], [[সিসেরো]]সহ অন্যদের নামেও প্রচলিত। তবে ‘কোট ইনভেস্টিগেটর’-এর নিবন্ধ অনুযায়ী পাস্কালের এই উক্তিটিই সম্ভবত মূল উৎস।
* '''মানুষ সাধারণত প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং যা তাদের কাছে আকর্ষণীয় মনে হয় তার ভিত্তিতেই কোনো কিছু বিশ্বাস করে।'''
** ''দ্য আর্ট অব পারসুয়েশন'' (১৬৫৮ সালে লেখা; মরণোত্তর প্রকাশিত)।
* মুহাম্মদ তার শত্রুদের হত্যার মাধ্যমে একটি ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন; অন্যদিকে যিশু খ্রিস্ট তার অনুসারীদের প্রাণ উৎসর্গ করার নির্দেশ দিয়ে ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন।
** [http://books.google.pt/books?id=MGkNAAAAYAAJ&pg=PA202&dq=%22Mahomet+established+a%22&hl=pt-PT&sa=X&ei=oZmPU-fCDemp7Ab7s4HQAg&ved=0CCsQ6AEwAA#v=onepage&q=%22Mahomet%20established%20a%20religion%22&f=false ''থটস অন রিলিজিয়ন অ্যান্ড ফিলোসফি''] (ডব্লিউ. কলিন্স, ১৮৩৮), অধ্যায় ১৬, পৃষ্ঠা ২০২।
* ''FEU. Dieu d'Abraham, Dieu d'Isaac, Dieu de Jacob, non des philosophes et savants. Certitude. Certitude. Sentiment. Joie. Paix.''
** '''আগুন। ইব্রাহিমের ঈশ্বর, ইসহাকের ঈশ্বর, ইয়াকুবের ঈশ্বর; দার্শনিক বা পণ্ডিতদের ঈশ্বর নন। নিশ্চয়তা। নিশ্চয়তা। অনুভূতি। আনন্দ। শান্তি।'''
** পাস্কালের মৃত্যুর পর তার কোটের আস্তরে সেলাই করা একটি চর্মকাগজে এই নোটটি পাওয়া যায়।
* যখন আমি আমার ক্ষণস্থায়ী জীবনের কথা ভাবি যা আগের এবং পরের অনন্তকালের মধ্যে বিলীন, তখন আমার ক্ষুদ্র অস্তিত্ব আমাকে আতঙ্কিত করে। আমি অনন্ত বিশালতার মাঝে এক নগণ্য স্থান জুড়ে আছি যার সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না এবং যা আমার সম্পর্কে কিছুই জানে না। আমি অবাক হই যে কেন আমি অন্য কোথাও না হয়ে এখানে আছি। এখন না হয়ে কেন তখন জন্মাইনি তারও কোনো কারণ নেই। কে আমাকে এখানে পাঠিয়েছেন? কার নির্দেশে এই স্থান ও সময় আমার জন্য নির্ধারিত হয়েছে?
** "মানুষের সীমাবদ্ধতা", ''দ্য থটস অব ব্লেইজ পাস্কাল'' (১৮৮৫)।
* **এই অনন্ত মহাশূন্যের চিরন্তন নিস্তব্ধতা আমাকে আতঙ্কিত করে।**
=== ''ডিসকোর্সেস অন দ্য কন্ডিশন অব দ্য গ্রেট'' ===
* আপনার প্রকৃত অবস্থা বুঝতে এই উদাহরণটি কল্পনা করুন: এক ব্যক্তি ঝড়ের কবলে পড়ে এক অজানা দ্বীপে পৌঁছান। দ্বীপবাসীরা তাদের হারিয়ে যাওয়া রাজাকে খুঁজছিল। ওই ব্যক্তির চেহারা ও গড়ন রাজার মতো হওয়ায় সবাই তাকে রাজা হিসেবে মেনে নেয়।
* তার মনে দুটি ভাবনা কাজ করছিল: একটি হলো রাজার মতো কাজ করা এবং অন্যটি হলো তার আসল অবস্থা সম্পর্কে সচেতন থাকা। সে জানত যে কেবল দুর্ঘটনাবশত সে এই অবস্থায় পৌঁছেছে।
* '''ভাববেন না যে আপনি যে সম্পদের মালিক হয়েছেন তা ওই ব্যক্তির রাজা হওয়ার চেয়ে কম আকস্মিক কিছু।'''
* আইনপ্রণেতারা যদি নিয়ম করতেন যে এই সম্পদ মৃত্যুর পর রাষ্ট্রের কাছে ফিরে যাবে, তবে আপনার অভিযোগ করার কোনো উপায় থাকত না।
* '''প্রাকৃতিক অধিকার নয়, বরং মানবিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই আপনি আপনার সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।'''
* আপনার এই অধিকার কোনো ব্যক্তিগত যোগ্যতা বা গুণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়নি। আপনার আত্মা বা শরীর একজন মাঝির বা একজন সামন্ত প্রভুর হওয়ার ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক কোনো পার্থক্য নেই। কোনো প্রাকৃতিক বন্ধনই এগুলোকে নির্দিষ্ট একটি অবস্থার সাথে আটকে রাখে না।
* '''সামাজিকভাবে পদমর্যাদা অনুযায়ী চললেও মনের ভেতরে আপনার স্বীকার করা উচিত যে আপনি জন্মগতভাবে অন্যদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ নন।'''
* '''জনসাধারণের ভাবনা যদি আপনাকে সাধারণ মানুষের উপরে তুলে ধরে, তবে আপনার ভেতরের ভাবনাটি যেন আপনাকে নম্র রাখে এবং সবার সাথে সমান অবস্থানে ধরে রাখে। এটিই আপনার স্বাভাবিক অবস্থা।'''
* নিজেকে অন্যের চেয়ে উচ্চতর ভেবে ভুল করবেন না।
* জনগণের ভুলে রাজা হওয়া ব্যক্তি যদি নিজের স্বাভাবিক অবস্থা ভুলে নিজেকে যোগ্য ভাবতে শুরু করেন, তবে আপনি তার **নির্বুদ্ধিতা ও মূর্খতা** দেখে অবাক হবেন। কিন্তু নিজেদের স্বাভাবিক অবস্থা ভুলে থাকা উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও কি একই কথা খাটে না?
* **উচ্চবিত্তদের সব বাড়াবাড়ি, সহিংসতা এবং অহংকার আসে নিজেদের পরিচয় সম্পর্কে অজ্ঞতা থেকে।** যারা মনেপ্রাণে নিজেদের সবার সমান মনে করে, তাদের পক্ষে শ্রেষ্ঠত্বের বড়াই করা কঠিন। শ্রেষ্ঠত্বের এই ভ্রম বজায় রাখতে হলে একজনকে নিজের আসল পরিচয় ভুলতে হয়।
* '''আপনি যদি আমার কাছে শ্রদ্ধা আশা করেন, তবে আমাকে আপনার এমন গুণ দেখান যা শ্রদ্ধার যোগ্য। আপনি তা দেখাতে পারলে আমি আপনাকে শ্রদ্ধা করব এবং তা ন্যায়সংগত হবে। কিন্তু আপনি তা না করলে আমার কাছে শ্রদ্ধা দাবি করা আপনার অন্যায় হবে। আপনি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ রাজপুত্র হলেও আপনি তাতে সফল হবেন না।'''
* '''আপনার মতে একজন বড় অভিজাত হওয়ার মানে কী? এর অর্থ হলো মানুষের কাঙ্ক্ষিত অনেক কিছুর মালিক হওয়া এবং অনেকের চাহিদা পূরণ করতে পারা। এই অভাব ও চাহিদাই মানুষকে আপনার দিকে টানে এবং আপনার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য করে। এগুলো না থাকলে তারা আপনার দিকে ফিরেও তাকাত না।'''
* **ঈশ্বর ভালোবাসায় পূর্ণ মানুষ দ্বারা পরিবেষ্টিত** যারা তার কাছে ভালোবাসা চায়। তাই তিনি মূলত ভালোবাসার রাজা।
* একইভাবে আপনিও একদল আগ্রহী মানুষ দ্বারা পরিবেষ্টিত। তারা আপনার কাছে তাদের চাহিদা মেটানোর সুযোগ চায়। তাই আপনি মূলত আকাঙ্ক্ষা বা চাহিদার রাজা। **মানুষ যা চায় তার মালিকানাই আপনার ক্ষমতার উৎস।**
* আপনার প্রাকৃতিক শক্তি বা ক্ষমতার কারণে মানুষ আপনার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য হয়নি। তাই শক্তি দিয়ে তাদের শাসন করবেন না বা তাদের সাথে রূঢ় আচরণ করবেন না। **তাদের যুক্তিসঙ্গত চাহিদাগুলো পূরণ করুন।** মানুষের উপকার করার মাধ্যমে আনন্দ খুঁজলে আপনি আকাঙ্ক্ষার প্রকৃত রাজা হতে পারবেন।
=== ''কনভারসেশন অন এপিকটেটাস অ্যান্ড মনটেইন'' ===
* আমি দেখেছি যে তারা [এপিকটেটাস ও মনটেইন] বিশ্বের দুটি বিখ্যাত মতবাদের শ্রেষ্ঠ রক্ষক এবং যুক্তিপূর্ণ। তাদের দেখানো পথ দুটি হলো: হয় ঈশ্বর আছেন এবং তিনিই পরম কল্যাণ; অথবা তিনি অনিশ্চিত এবং তখন প্রকৃত কল্যাণও অনিশ্চিত।
* এই দুই মতবাদের ভুলের মূল কারণ হলো তারা মানুষের বর্তমান অবস্থা যে সৃষ্টির সময়ের চেয়ে ভিন্ন, তা জানতেন না। এক পক্ষ মানুষের আদি মহত্ত্ব দেখে তার বর্তমান কলুষতা ভুলে প্রকৃতির ওপর অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয়ে **অহংকারের** জন্ম দেয়। অন্য পক্ষ বর্তমান দুর্দশা দেখে আদি মর্যাদা ভুলে হতাশায় ডুবে যায়।
* মানুষের এই দুই অবস্থা—মহত্ত্ব ও দুর্বলতা—একসাথে না জানলে মানুষ হয় অহংকারী নতুবা অলস হয়ে পড়ে। ঐশ্বরিক অনুগ্রহ পাওয়ার আগে সব মানুষই এই দুই দোষের শিকার হয়।
* **একজন মানুষের কর্তব্য জানলেও তার অক্ষমতা সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় সে উদ্ধত হয়। অন্যজন অক্ষমতা জানলেও কর্তব্য সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় অলস হয়ে পড়ে। সুসমাচারের সত্য এই দুই বৈপরীত্যের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করে। এটি সত্যকে গ্রহণ করে এবং মিথ্যাকে বর্জন করে এক স্বর্গীয় প্রজ্ঞা তৈরি করে।**
=== ''অন দ্য স্পিরিট অব জিওমেট্রি'' ===
* সরাসরি সত্যের মালিক হওয়ার বিশ্বাস মানুষের এক স্বাভাবিক মানসিক ব্যাধি।
*** ১ম বিভাগ
=== ''দ্য আর্ট অব পারসুয়েশন'' ===
* মতবাদগুলো আত্মার দুটি প্রধান ক্ষমতার মাধ্যমে গৃহীত হয়: বুদ্ধি এবং ইচ্ছা।
* **মানুষ প্রমাণের চেয়ে আকর্ষণের মাধ্যমে বিশ্বাস করতে বেশি পছন্দ করে।** এটি একটি নীচ ও অপ্রাসঙ্গিক পথ, তাই সবাই একে অস্বীকার করে। প্রত্যেকেই দাবি করে যে সে যা জানে কেবল তা-ই বিশ্বাস ও ভালোবাসা করে।
* আমি এখানে ঐশ্বরিক সত্যের কথা বলছি না কারণ তা প্রকৃতির ঊর্ধ্বে। **কেবল ঈশ্বরই আত্মায় সেই সত্য স্থাপন করতে পারেন।** তিনি চেয়েছেন সেই সত্য যেন মন থেকে হৃদয়ে না এসে বরং হৃদয় থেকে মনে প্রবেশ করে। এটি মানুষের অহংকারী যুক্তিকে দমন করে এবং কলুষিত ইচ্ছাকে এটি পরিশোধিত করে।
* '''পার্থিব জিনিসের ক্ষেত্রে আমরা বলি যে কোনো কিছু ভালোবাসার আগে তা জানতে হয়। অন্যদিকে পবিত্র জিনিসের ক্ষেত্রে মহাত্মারা বলেন যে কোনো কিছু জানার আগে তাকে ভালোবাসতে হয়। কেবল ভালোবাসার মাধ্যমেই আমরা সত্যে প্রবেশ করতে পারি।'''
* ঈশ্বর মানুষের বুদ্ধিতে তখনই আলো দান করেন যখন তিনি মানুষের জেদি ইচ্ছাকে স্বর্গীয় নম্রতা দিয়ে জয় করেন।
* মন এবং হৃদয় হলো সত্য প্রবেশের দুটি পথ। তবে বুদ্ধির চেয়ে ইচ্ছার খামখেয়ালিপনায় অনেক বেশি সত্য (বা মিথ্যা) আত্মায় প্রবেশ করে।
* **সত্য ও আনন্দের** মধ্যে যখন দ্বন্দ্ব বাধে, তখন জয়-পরাজয় অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এটি বোঝার জন্য মানুষের অন্তরের গহীন খবর জানা প্রয়োজন যা মানুষ নিজেও সবসময় জানে না।
* **কাউকে রাজি করাতে হলে ওই ব্যক্তির মন এবং হৃদয় সম্পর্কে জানা জরুরি।** তার মূলনীতিগুলো কী এবং সে কী ভালোবাসে তা বুঝতে হবে।
* **প্ররোচনা বা প্রবোধ দেওয়ার শিল্প যতটা না বোঝানোর, তার চেয়ে বেশি তুষ্ট করার। কারণ মানুষ যুক্তির চেয়ে খামখেয়ালিপনা দ্বারা বেশি পরিচালিত হয়!**
* আনন্দের উৎসগুলো স্থির নয়। প্রতিটি মানুষের ক্ষেত্রে এগুলো ভিন্ন এবং সময়ে সময়ে পরিবর্তনশীল। একজন মানুষ ভিন্ন সময়ে নিজের চেয়েও অনেক বেশি আলাদা হয়ে যায়।
* **প্রমাণ বা যুক্তির নিখুঁত পদ্ধতি তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত:** স্পষ্ট সংজ্ঞার মাধ্যমে পদের ব্যাখ্যা দেওয়া, প্রমাণিত নীতি বা স্বতঃসিদ্ধ প্রস্তাব করা এবং প্রমাণের সময় পদের বদলে সবসময় তার সংজ্ঞা ব্যবহার করা।
* যদি ভিত্তি মজবুত না হয়, তবে অট্টালিকাও নিরাপদ হয় না।
* যারা এই নিয়মগুলো আয়ত্ত করেছেন, তারা বুঝতে পারবেন যে সাধারণ যুক্তিবিদরা যা লিখেছেন তার সাথে এর পার্থক্য কতটা বিশাল।
* **যুক্তিবিদ্যা হয়তো জ্যামিতির নিয়মগুলো ধার করেছে কিন্তু সেগুলোর শক্তি বুঝতে পারেনি।** বিজ্ঞান ছাড়া আর কোথাও সত্যের প্রকৃত প্রমাণ পাওয়া যায় না।
* **ভালো জিনিস সবখানেই আছে, কেবল সেগুলো বেছে নেওয়া প্রয়োজন।** শ্রেষ্ঠত্ব কোনো অসাধারণ বা কাল্পনিক জিনিসের মধ্যে নেই। একে পেতে হলে আমাদের অনেক সময় নিচু হতে হয়।
* শ্রেষ্ঠ বই সেগুলোই যা পড়ার পর পাঠকের মনে হয় তিনি নিজেও তা লিখতে পারতেন।
* **প্রকৃতিই একমাত্র ভালো যা সবার কাছে পরিচিত এবং সাধারণ।**
* মনকে জোর করা উচিত নয়। কৃত্রিম আচরণ সলিড খাবারের বদলে মনকে কেবল অন্তঃসারশূন্য অহংকারে পূর্ণ করে।
* **মানুষের একটি প্রধান ভুল হলো তারা মনে করে ভালো জিনিসগুলো দুর্লভ এবং উঁচু স্তরের। তারা এগুলোকে 'মহান, উচ্চ বা মহৎ' নাম দেয়। আমি এগুলোকে 'সাধারণ ও পরিচিত' বলতে পছন্দ করি।**
== পাস্কাল সম্পর্কে মন্তব্য ==
* পাস্কাল তার জীবনকে খ্রিস্টধর্মের প্রসারে উৎসর্গ করেছিলেন। পঁসে (Pensées) বা ‘চিন্তাসমূহ’ ছিল তার সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী কাজ যার লক্ষ্য ছিল অজ্ঞেয়বাদী ও নাস্তিকদের ধর্মে দীক্ষিত করা।
** ডোনাল্ড অ্যাডামসন, ''ব্লেইজ পাস্কাল: গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং ঈশ্বর চিন্তক'' (১৯৯৪)।
* পাস্কাল একজন দক্ষ সমালোচক ছিলেন যিনি দেকার্তের (Descartes) বিরোধিতা করেছেন মৌলিক কিছু বিষয়ে। তিনি বুঝেছিলেন যে দেকার্তের নিশ্চিত জ্ঞানের মানদণ্ড ছিল ত্রুটিপূর্ণ। পাস্কাল তার সম্ভাব্যতা তত্ত্বের (Probability theory) মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে মানুষের মন কেবল যুক্তির ওপর নির্ভরশীল নয়।
** মাইকেল ওকশট, "র্যাশনালিজম ইন পলিটিক্স" (১৯৬২)।
* পাস্কালই একমাত্র মহান গণিতবিদ যিনি লেখক হিসেবেও সমভাবে বিখ্যাত। অভাবীদের সেবা করার লক্ষ্যে তিনি বিশ্বের প্রথম জনপরিবহন বা 'ওমনিবাস' (omnibus) ব্যবস্থার ধারণা দিয়েছিলেন। তার মৃত্যুর কিছুদিন আগে প্যারিসে ৫ স্যু ভাড়ায় এই কোচ সার্ভিস চালু হয় যার লাভ দরিদ্রদের মাঝে বিলিয়ে দেওয়া হতো।
** জন স্টিলওয়েল, ''ম্যাথমেটিক্স অ্যান্ড ইটস হিস্ট্রি'' (১৯৮৯)।
* ধর্ম সম্পর্কে পাস্কাল যা বলেছেন তা যেকোনো কার্যকর মতবাদের ক্ষেত্রেই সত্য: একে অবশ্যই প্রকৃতি, সাধারণ জ্ঞান এবং আনন্দের প্রতিকূলে হতে হবে।
** এরিক হফার, ''দ্য ট্রু বিলিভার'' (১৯৫১)।
{{wikipedia}}
{{wikisource author}}
{{Commons category}}
{{DEFAULTSORT:Pascal, Blaise}}
[[Category:১৬২৩-এ জন্ম]]
[[Category:১৬৬২-এ মৃত্যু]]
[[Category:পরাবচনকার]]
[[Category:খ্রিস্টীয় মার্জনাপ্রার্থী]]
[[Category:সমালোচক]]
[[Category:মানবতাবাদী]]
[[Category:উদ্ভাবক]]
[[Category:ফ্রান্সের যুক্তিবিদ]]
[[Category:ফ্রান্সের গণিতবিদ]]
[[Category:রহস্যবাদী]]
[[Category:ফ্রান্সের দার্শনিক]]
[[Category:দার্শনিক নৈরাশ্যবাদী]]
[[Category:ফ্রান্সের পদার্থবিদ]]
[[Category:ফ্রান্সের ক্যাথলিক]]
[[Category:ফ্রান্সের ধর্মতত্ত্ববিদ]]
[[Category:ফ্রান্সের অকল্পিত সাহিত্য লেখক]]
c0kav181gtp03zui4iph1th6uvlhy0a
74065
74064
2026-04-06T08:08:57Z
SMontaha32
3112
74065
wikitext
text/x-wiki
[[File:Blaise Pascal Versailles.JPG|thumb|[[দর্শন|দর্শনের]] গুরুত্ব কমিয়ে দেখা এক ধরনের [[সত্য|প্রকৃত]] দার্শনিকতা।]]
'''ব্লেইজ পাস্কাল''' (১৯ জুন ১৬২৩ – ১৯ আগস্ট ১৬৬২) ছিলেন একজন ফরাসি [[গণিতবিদ]], [[যুক্তিবিদ]], [[পদার্থবিদ]] এবং [[ধর্মতত্ত্ববিদ]]।
:'''দ্রষ্টব্য: ''[[পঁসে]]'' থেকে নেওয়া সব উক্তি ওই পাতায় পাওয়া যাবে।'''
== উক্তি ==
[[File:Blaise Pascal 2.jpg|thumb|মানুষ সাধারণত প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং যা তাদের কাছে [[আকর্ষণীয়]] মনে হয় তার ভিত্তিতেই কোনো কিছু [[বিশ্বাস|বিশ্বাস করে]]।]]
[[File:Blaise_pascal.jpg|thumb|[[আবির্ভাব|दृश्यমান বিষয়ের]] অস্থিরতা সবসময় আমাদের [[যুক্তি|যুক্তিকে]] হতাশ করে।]]
[[File:Pascal Pajou Louvre RF2981.jpg|thumb|কোনো [[কাজ]] শেষ করার পরপরই তা দেখলে আমরা এতে খুব বেশি মগ্ন থাকি। আবার অনেক পরে দেখলে আমরা এর যোগসূত্র খুঁজে পাই না।]]
* বার্ধক্য যেমন শৈশব থেকে জীবনের সবচেয়ে দূরবর্তী সময়, তেমনি এই বিশ্বজনীন মানুষের ক্ষেত্রেও কি তার জন্মের নিকটবর্তী সময়ের চেয়ে দূরবর্তী সময়ে বার্ধক্য খোঁজা উচিত নয়?
** ''প্রিফেস টু দ্য ট্রিটিজ অন ভ্যাকুয়াম'' (১৬৫১)
* {{anchor|Pascal plus longue}}''Je n'ai fait celle-ci plus longue que parce que je n'ai pas eu le loisir de la faire plus courte.''
** '''আমি আরও ছোট চিঠি লিখতাম, কিন্তু আমার হাতে পর্যাপ্ত সময় ছিল না।'''
*** ''প্রোভিনশিয়াল লেটার্স'': [https://ebooks.adelaide.edu.au/p/pascal/blaise/p27pr/part17.html ১৬তম চিঠি (৪ ডিসেম্বর ১৬৫৬)]
** আক্ষরিক অর্থ: '''আমি এই চিঠিটি দীর্ঘ করেছি কারণ এটি ছোট করার মতো অবসর আমার ছিল না।'''
** এ ধরনের উক্তি [[মার্ক টোয়েন]], [[টি. এস. এলিয়ট]], [[সিসেরো]]সহ অন্যদের নামেও প্রচলিত। তবে ‘কোট ইনভেস্টিগেটর’-এর নিবন্ধ অনুযায়ী পাস্কালের এই উক্তিটিই সম্ভবত মূল উৎস।
* '''মানুষ সাধারণত প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং যা তাদের কাছে আকর্ষণীয় মনে হয় তার ভিত্তিতেই কোনো কিছু বিশ্বাস করে।'''
** ''দ্য আর্ট অব পারসুয়েশন'' (১৬৫৮ সালে লেখা; মরণোত্তর প্রকাশিত)।
* মুহাম্মদ তার শত্রুদের হত্যার মাধ্যমে একটি ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন; অন্যদিকে যিশু খ্রিস্ট তার অনুসারীদের প্রাণ উৎসর্গ করার নির্দেশ দিয়ে ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন।
** [http://books.google.pt/books?id=MGkNAAAAYAAJ&pg=PA202&dq=%22Mahomet+established+a%22&hl=pt-PT&sa=X&ei=oZmPU-fCDemp7Ab7s4HQAg&ved=0CCsQ6AEwAA#v=onepage&q=%22Mahomet%20established%20a%20religion%22&f=false ''থটস অন রিলিজিয়ন অ্যান্ড ফিলোসফি''] (ডব্লিউ. কলিন্স, ১৮৩৮), অধ্যায় ১৬, পৃষ্ঠা ২০২।
* ''FEU. Dieu d'Abraham, Dieu d'Isaac, Dieu de Jacob, non des philosophes et savants. Certitude. Certitude. Sentiment. Joie. Paix.''
** '''আগুন। ইব্রাহিমের ঈশ্বর, ইসহাকের ঈশ্বর, ইয়াকুবের ঈশ্বর; দার্শনিক বা পণ্ডিতদের ঈশ্বর নন। নিশ্চয়তা। নিশ্চয়তা। অনুভূতি। আনন্দ। শান্তি।'''
** পাস্কালের মৃত্যুর পর তার কোটের আস্তরে সেলাই করা একটি চর্মকাগজে এই নোটটি পাওয়া যায়।
* যখন আমি আমার ক্ষণস্থায়ী জীবনের কথা ভাবি যা আগের এবং পরের অনন্তকালের মধ্যে বিলীন, তখন আমার ক্ষুদ্র অস্তিত্ব আমাকে আতঙ্কিত করে। আমি অনন্ত বিশালতার মাঝে এক নগণ্য স্থান জুড়ে আছি যার সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না এবং যা আমার সম্পর্কে কিছুই জানে না। আমি অবাক হই যে কেন আমি অন্য কোথাও না হয়ে এখানে আছি। এখন না হয়ে কেন তখন জন্মাইনি তারও কোনো কারণ নেই। কে আমাকে এখানে পাঠিয়েছেন? কার নির্দেশে এই স্থান ও সময় আমার জন্য নির্ধারিত হয়েছে?
** "মানুষের সীমাবদ্ধতা", ''দ্য থটস অব ব্লেইজ পাস্কাল'' (১৮৮৫)।
* **এই অনন্ত মহাশূন্যের চিরন্তন নিস্তব্ধতা আমাকে আতঙ্কিত করে।**
=== ''ডিসকোর্সেস অন দ্য কন্ডিশন অব দ্য গ্রেট'' ===
* আপনার প্রকৃত অবস্থা বুঝতে এই উদাহরণটি কল্পনা করুন: এক ব্যক্তি ঝড়ের কবলে পড়ে এক অজানা দ্বীপে পৌঁছান। দ্বীপবাসীরা তাদের হারিয়ে যাওয়া রাজাকে খুঁজছিল। ওই ব্যক্তির চেহারা ও গড়ন রাজার মতো হওয়ায় সবাই তাকে রাজা হিসেবে মেনে নেয়।
* তার মনে দুটি ভাবনা কাজ করছিল: একটি হলো রাজার মতো কাজ করা এবং অন্যটি হলো তার আসল অবস্থা সম্পর্কে সচেতন থাকা। সে জানত যে কেবল দুর্ঘটনাবশত সে এই অবস্থায় পৌঁছেছে।
* '''ভাববেন না যে আপনি যে সম্পদের মালিক হয়েছেন তা ওই ব্যক্তির রাজা হওয়ার চেয়ে কম আকস্মিক কিছু।'''
* আইনপ্রণেতারা যদি নিয়ম করতেন যে এই সম্পদ মৃত্যুর পর রাষ্ট্রের কাছে ফিরে যাবে, তবে আপনার অভিযোগ করার কোনো উপায় থাকত না।
* '''প্রাকৃতিক অধিকার নয়, বরং মানবিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই আপনি আপনার সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।'''
* আপনার এই অধিকার কোনো ব্যক্তিগত যোগ্যতা বা গুণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়নি। আপনার আত্মা বা শরীর একজন মাঝির বা একজন সামন্ত প্রভুর হওয়ার ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক কোনো পার্থক্য নেই। কোনো প্রাকৃতিক বন্ধনই এগুলোকে নির্দিষ্ট একটি অবস্থার সাথে আটকে রাখে না।
* '''সামাজিকভাবে পদমর্যাদা অনুযায়ী চললেও মনের ভেতরে আপনার স্বীকার করা উচিত যে আপনি জন্মগতভাবে অন্যদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ নন।'''
* '''জনসাধারণের ভাবনা যদি আপনাকে সাধারণ মানুষের উপরে তুলে ধরে, তবে আপনার ভেতরের ভাবনাটি যেন আপনাকে নম্র রাখে এবং সবার সাথে সমান অবস্থানে ধরে রাখে। এটিই আপনার স্বাভাবিক অবস্থা।'''
* নিজেকে অন্যের চেয়ে উচ্চতর ভেবে ভুল করবেন না।
* জনগণের ভুলে রাজা হওয়া ব্যক্তি যদি নিজের স্বাভাবিক অবস্থা ভুলে নিজেকে যোগ্য ভাবতে শুরু করেন, তবে আপনি তার **নির্বুদ্ধিতা ও মূর্খতা** দেখে অবাক হবেন। কিন্তু নিজেদের স্বাভাবিক অবস্থা ভুলে থাকা উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও কি একই কথা খাটে না?
* **উচ্চবিত্তদের সব বাড়াবাড়ি, সহিংসতা এবং অহংকার আসে নিজেদের পরিচয় সম্পর্কে অজ্ঞতা থেকে।** যারা মনেপ্রাণে নিজেদের সবার সমান মনে করে, তাদের পক্ষে শ্রেষ্ঠত্বের বড়াই করা কঠিন। শ্রেষ্ঠত্বের এই ভ্রম বজায় রাখতে হলে একজনকে নিজের আসল পরিচয় ভুলতে হয়।
* '''আপনি যদি আমার কাছে শ্রদ্ধা আশা করেন, তবে আমাকে আপনার এমন গুণ দেখান যা শ্রদ্ধার যোগ্য। আপনি তা দেখাতে পারলে আমি আপনাকে শ্রদ্ধা করব এবং তা ন্যায়সংগত হবে। কিন্তু আপনি তা না করলে আমার কাছে শ্রদ্ধা দাবি করা আপনার অন্যায় হবে। আপনি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ রাজপুত্র হলেও আপনি তাতে সফল হবেন না।'''
* '''আপনার মতে একজন বড় অভিজাত হওয়ার মানে কী? এর অর্থ হলো মানুষের কাঙ্ক্ষিত অনেক কিছুর মালিক হওয়া এবং অনেকের চাহিদা পূরণ করতে পারা। এই অভাব ও চাহিদাই মানুষকে আপনার দিকে টানে এবং আপনার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য করে। এগুলো না থাকলে তারা আপনার দিকে ফিরেও তাকাত না।'''
* **ঈশ্বর ভালোবাসায় পূর্ণ মানুষ দ্বারা পরিবেষ্টিত** যারা তার কাছে ভালোবাসা চায়। তাই তিনি মূলত ভালোবাসার রাজা।
* একইভাবে আপনিও একদল আগ্রহী মানুষ দ্বারা পরিবেষ্টিত। তারা আপনার কাছে তাদের চাহিদা মেটানোর সুযোগ চায়। তাই আপনি মূলত আকাঙ্ক্ষা বা চাহিদার রাজা। **মানুষ যা চায় তার মালিকানাই আপনার ক্ষমতার উৎস।**
* আপনার প্রাকৃতিক শক্তি বা ক্ষমতার কারণে মানুষ আপনার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য হয়নি। তাই শক্তি দিয়ে তাদের শাসন করবেন না বা তাদের সাথে রূঢ় আচরণ করবেন না। **তাদের যুক্তিসঙ্গত চাহিদাগুলো পূরণ করুন।** মানুষের উপকার করার মাধ্যমে আনন্দ খুঁজলে আপনি আকাঙ্ক্ষার প্রকৃত রাজা হতে পারবেন।
=== ''কনভারসেশন অন এপিকটেটাস অ্যান্ড মনটেইন'' ===
* আমি দেখেছি যে তারা [এপিকটেটাস ও মনটেইন] বিশ্বের দুটি বিখ্যাত মতবাদের শ্রেষ্ঠ রক্ষক এবং যুক্তিপূর্ণ। তাদের দেখানো পথ দুটি হলো: হয় ঈশ্বর আছেন এবং তিনিই পরম কল্যাণ; অথবা তিনি অনিশ্চিত এবং তখন প্রকৃত কল্যাণও অনিশ্চিত।
* এই দুই মতবাদের ভুলের মূল কারণ হলো তারা মানুষের বর্তমান অবস্থা যে সৃষ্টির সময়ের চেয়ে ভিন্ন, তা জানতেন না। এক পক্ষ মানুষের আদি মহত্ত্ব দেখে তার বর্তমান কলুষতা ভুলে প্রকৃতির ওপর অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয়ে **অহংকারের** জন্ম দেয়। অন্য পক্ষ বর্তমান দুর্দশা দেখে আদি মর্যাদা ভুলে হতাশায় ডুবে যায়।
* মানুষের এই দুই অবস্থা—মহত্ত্ব ও দুর্বলতা—একসাথে না জানলে মানুষ হয় অহংকারী নতুবা অলস হয়ে পড়ে। ঐশ্বরিক অনুগ্রহ পাওয়ার আগে সব মানুষই এই দুই দোষের শিকার হয়।
* **একজন মানুষের কর্তব্য জানলেও তার অক্ষমতা সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় সে উদ্ধত হয়। অন্যজন অক্ষমতা জানলেও কর্তব্য সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় অলস হয়ে পড়ে। সুসমাচারের সত্য এই দুই বৈপরীত্যের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করে। এটি সত্যকে গ্রহণ করে এবং মিথ্যাকে বর্জন করে এক স্বর্গীয় প্রজ্ঞা তৈরি করে।**
=== ''অন দ্য স্পিরিট অব জিওমেট্রি'' ===
* সরাসরি সত্যের মালিক হওয়ার বিশ্বাস মানুষের এক স্বাভাবিক মানসিক ব্যাধি।
*** ১ম বিভাগ
=== ''দ্য আর্ট অব পারসুয়েশন'' ===
* মতবাদগুলো আত্মার দুটি প্রধান ক্ষমতার মাধ্যমে গৃহীত হয়: বুদ্ধি এবং ইচ্ছা।
* **মানুষ প্রমাণের চেয়ে আকর্ষণের মাধ্যমে বিশ্বাস করতে বেশি পছন্দ করে।** এটি একটি নীচ ও অপ্রাসঙ্গিক পথ, তাই সবাই একে অস্বীকার করে। প্রত্যেকেই দাবি করে যে সে যা জানে কেবল তা-ই বিশ্বাস ও ভালোবাসা করে।
* আমি এখানে ঐশ্বরিক সত্যের কথা বলছি না কারণ তা প্রকৃতির ঊর্ধ্বে। **কেবল ঈশ্বরই আত্মায় সেই সত্য স্থাপন করতে পারেন।** তিনি চেয়েছেন সেই সত্য যেন মন থেকে হৃদয়ে না এসে বরং হৃদয় থেকে মনে প্রবেশ করে। এটি মানুষের অহংকারী যুক্তিকে দমন করে এবং কলুষিত ইচ্ছাকে এটি পরিশোধিত করে।
* '''পার্থিব জিনিসের ক্ষেত্রে আমরা বলি যে কোনো কিছু ভালোবাসার আগে তা জানতে হয়। অন্যদিকে পবিত্র জিনিসের ক্ষেত্রে মহাত্মারা বলেন যে কোনো কিছু জানার আগে তাকে ভালোবাসতে হয়। কেবল ভালোবাসার মাধ্যমেই আমরা সত্যে প্রবেশ করতে পারি।'''
* ঈশ্বর মানুষের বুদ্ধিতে তখনই আলো দান করেন যখন তিনি মানুষের জেদি ইচ্ছাকে স্বর্গীয় নম্রতা দিয়ে জয় করেন।
* মন এবং হৃদয় হলো সত্য প্রবেশের দুটি পথ। তবে বুদ্ধির চেয়ে ইচ্ছার খামখেয়ালিপনায় অনেক বেশি সত্য (বা মিথ্যা) আত্মায় প্রবেশ করে।
* **সত্য ও আনন্দের** মধ্যে যখন দ্বন্দ্ব বাধে, তখন জয়-পরাজয় অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এটি বোঝার জন্য মানুষের অন্তরের গহীন খবর জানা প্রয়োজন যা মানুষ নিজেও সবসময় জানে না।
* **কাউকে রাজি করাতে হলে ওই ব্যক্তির মন এবং হৃদয় সম্পর্কে জানা জরুরি।** তার মূলনীতিগুলো কী এবং সে কী ভালোবাসে তা বুঝতে হবে।
* **প্ররোচনা বা প্রবোধ দেওয়ার শিল্প যতটা না বোঝানোর, তার চেয়ে বেশি তুষ্ট করার। কারণ মানুষ যুক্তির চেয়ে খামখেয়ালিপনা দ্বারা বেশি পরিচালিত হয়!**
* আনন্দের উৎসগুলো স্থির নয়। প্রতিটি মানুষের ক্ষেত্রে এগুলো ভিন্ন এবং সময়ে সময়ে পরিবর্তনশীল। একজন মানুষ ভিন্ন সময়ে নিজের চেয়েও অনেক বেশি আলাদা হয়ে যায়।
* **প্রমাণ বা যুক্তির নিখুঁত পদ্ধতি তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত:** স্পষ্ট সংজ্ঞার মাধ্যমে পদের ব্যাখ্যা দেওয়া, প্রমাণিত নীতি বা স্বতঃসিদ্ধ প্রস্তাব করা এবং প্রমাণের সময় পদের বদলে সবসময় তার সংজ্ঞা ব্যবহার করা।
* যদি ভিত্তি মজবুত না হয়, তবে অট্টালিকাও নিরাপদ হয় না।
* যারা এই নিয়মগুলো আয়ত্ত করেছেন, তারা বুঝতে পারবেন যে সাধারণ যুক্তিবিদরা যা লিখেছেন তার সাথে এর পার্থক্য কতটা বিশাল।
* **যুক্তিবিদ্যা হয়তো জ্যামিতির নিয়মগুলো ধার করেছে কিন্তু সেগুলোর শক্তি বুঝতে পারেনি।** বিজ্ঞান ছাড়া আর কোথাও সত্যের প্রকৃত প্রমাণ পাওয়া যায় না।
* **ভালো জিনিস সবখানেই আছে, কেবল সেগুলো বেছে নেওয়া প্রয়োজন।** শ্রেষ্ঠত্ব কোনো অসাধারণ বা কাল্পনিক জিনিসের মধ্যে নেই। একে পেতে হলে আমাদের অনেক সময় নিচু হতে হয়।
* শ্রেষ্ঠ বই সেগুলোই যা পড়ার পর পাঠকের মনে হয় তিনি নিজেও তা লিখতে পারতেন।
* **প্রকৃতিই একমাত্র ভালো যা সবার কাছে পরিচিত এবং সাধারণ।**
* মনকে জোর করা উচিত নয়। কৃত্রিম আচরণ সলিড খাবারের বদলে মনকে কেবল অন্তঃসারশূন্য অহংকারে পূর্ণ করে।
* **মানুষের একটি প্রধান ভুল হলো তারা মনে করে ভালো জিনিসগুলো দুর্লভ এবং উঁচু স্তরের। তারা এগুলোকে 'মহান, উচ্চ বা মহৎ' নাম দেয়। আমি এগুলোকে 'সাধারণ ও পরিচিত' বলতে পছন্দ করি।**
== পাস্কাল সম্পর্কে উক্তি ==
* {{w|Lettres provinciales|''প্রোভিনশিয়াল লেটার্স''}} এবং ছোটখাটো ধর্মীয় রচনাগুলো লেখার পরের বছরগুলোতে পাস্কাল খ্রিস্টধর্মের প্রসারে নিজের জীবন উৎসর্গ করতে শুরু করেন। এই কার্যক্রমের মূলে ছিল তার বিখ্যাত কাজ [[পঁসে|''পঁসে'' (Thoughts)]]। এটি মূলত ১৬৫৭ থেকে ১৬৫৮ সালের দিকে লেখা। অনেক সমালোচকের মতে, এটি অজ্ঞেয়বাদী ও নাস্তিকদের ধর্মীয় বিশ্বাসে ফিরিয়ে আনার সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী প্রচেষ্টাগুলোর একটি। তবে এটি মূলত একটি অসমাপ্ত কাজ।
** {{w|Donald Adamson}}, ''ব্লেইজ পাস্কাল: গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং ঈশ্বর চিন্তক'' (১৯৯৪)।
* আমি খুব ভাগ্যবান ছিলাম। শৈশবে কৌতূহলী হওয়ার পাশাপাশি আমি কিছুটা শারীরিক প্রতিবন্ধকতার শিকার ছিলাম। তাই হাতের কাছে যা পেতাম তা-ই পড়তাম। আমার স্মরণশক্তি এবং কাজ করার শক্তিও প্রচুর। এটি একটি আশীর্বাদ। আমি এখনও নতুন কিছু শেখার জন্য তৃষ্ণার্ত। সব তরুণের মধ্যে এই গুণ থাকে না। তাদের অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া উচিত এবং মানবজাতির মহান চিন্তাগুলোর সাথে পরিচিত হওয়া উচিত। প্রত্যেকেরই ভাবা উচিত— "আমি কেন এখানে? এই পৃথিবীতে আমার কাজ কী?" অ্যারিস্টটল এবং প্লেটোকে জানা খুব জরুরি। জীবনকে সহজ করতে হলে লিওপোল্ড এবং পাস্কালকে জানা একান্ত প্রয়োজন।
** [[মায়া অ্যাঞ্জেলো|মায়া অ্যাঞ্জেলোর]] সাথে কথোপকথন (১৯৮৯), ১৯৮৬ সালের সাক্ষাৎকার।
* এটি তাৎপর্যপূর্ণ যে আমরা ব্লেইজ পাস্কালের মেধার মাধ্যমেই ''[[গাণিতিক আরোহ বিধি|পুনরাবৃত্তি নীতি]]'' (principle of recurrence)-র প্রথম সুষ্পষ্ট ধারণা পাই। ১৬৫৪ সালে প্রকাশিত ''দ্য [[w:Pascal's triangle|অ্যারিথমেটিক ট্রায়াঙ্গেল]]'' নামক একটি গবেষণাপত্রে তিনি এই নীতি ব্যাখ্যা করেন। পাস্কাল ও [[পিয়ের দ্য ফের্মা|ফের্মার]] মধ্যে জুয়া খেলার সমস্যা নিয়ে আদান-প্রদান করা চিঠিপত্রেই এই কাজের মূল নির্যাস ছিল। এই যোগাযোগ থেকেই আধুনিক সম্ভাবনা তত্ত্ব (theory of probabilities) গড়ে উঠেছে। এটি বিস্ময়কর যে বিশুদ্ধ গণিতের ভিত্তি এবং সব ডিডাক্টিভ বিজ্ঞানের মূল আধার এই তত্ত্ব দুটি জুয়াড়িদের একটি অসমাপ্ত খেলার বাজি ভাগ করার কৌশল খুঁজতে গিয়ে আবিষ্কৃত হয়েছিল।
** [[Tobias Dantzig]], ''নাম্বার: দ্য ল্যাঙ্গুয়েজ অব সায়েন্স'' (১৯৩০)।
* একটি কার্যকর ধর্ম সম্পর্কে পাস্কাল যা বলেছিলেন তা যেকোনো কার্যকর মতবাদের ক্ষেত্রেই সত্য: একে অবশ্যই "প্রকৃতি, সাধারণ জ্ঞান এবং আনন্দের প্রতিকূলে" হতে হবে।
** [[Eric Hoffer]], ''দ্য ট্রু বিলিভার'' (১৯৫১)।
* মানুষ অসীমভাবে মানুষকে ছাড়িয়ে যায়।
** [[পোপ পল ষষ্ঠ]], ''এনসাইক্লিক্যাল পপুলোরাম প্রগ্রেসীয়'' (১৯৬৭)।
* পাস্কাল অবজ্ঞার সাথে বলেছিলেন যে সাধারণ শ্রমিকরা তথাকথিত 'দার্শনিকদের' ভুল ধরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। মূলত এই অশিক্ষিত মানুষরাই 'নিজেদের চোখে দেখা এবং হাতে স্পর্শ করা' বিষয়গুলো বিশ্বাস করতে বেশি প্রস্তুত ছিল।
** [[Reijer Hooykaas]], ''রিলিজিয়ন অ্যান্ড দ্য রাইজ অব মডার্ন সায়েন্স'' (২০০০)।
* দর্শনচর্চা মানেই হলো মানুষের গুরুত্ব এবং তার মর্যাদাকে পুনপ্রতিষ্ঠা করা। সক্রেটিসের অন্বেষণ এবং বিজ্ঞানের কার্তেসীয় বিপ্লবের মুখে পাস্কালের উদ্বেগের মূল অর্থ ছিল এটাই। এই বিচারে পাস্কাল [[সক্রেটিস|সক্রেটিসের]] চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ একজন দার্শনিক। বিজ্ঞান মানুষকে সৃষ্টির সেরা জীব থেকে সরিয়ে দেওয়ার যে দাবি করেছিল, পাস্কালই প্রথম তার তীব্র প্রতিবাদ জানান। কেন বিজ্ঞান মানুষের হৃদয়ে আনন্দ দিতে বা জীবনের অর্থ খুঁজে পেতে ব্যর্থ, তা পাস্কালের চেয়ে ভালো কেউ প্রমাণ করতে পারেনি।
** [[w:Thomas Molnar|থমাস মোলনার]], ''দ্য ডিক্লাইন অব দ্য ইন্টেলেকচুয়াল'' (১৯৬১)।
* পাস্কাল কোনো কূপমণ্ডূক ছিলেন না। তবে তিনি পরিমাপ করেছিলেন যে বিজ্ঞান মানুষের ভাগ্যের সমস্যার ক্ষেত্রে কতটা অপ্রাসঙ্গিক হতে পারে। বিজ্ঞান মানুষের অভিজ্ঞতার সীমাবদ্ধতা ও অপূর্ণতাকে উপেক্ষা করে যে সত্যের দাবি করে, তা বাস্তবসম্মত নয়। বরং আমাদের সহজাত সামর্থ্যগুলোই অস্তিত্বের লড়াইয়ে টিকে থাকার একমাত্র ও অপরিহার্য হাতিয়ার।
** [[w:Thomas Molnar|থমাস মোলনার]], ''দ্য ডিক্লাইন অব দ্য ইন্টেলেকচুয়াল'' (১৯৬১)।
* পাস্কাল হলেন [[রেনে দেকার্ত|দেকার্তের]] একজন বিচক্ষণ সমালোচক। তিনি দেকার্তের সবকিছুর বিরোধিতা না করলেও মৌলিক কিছু পয়েন্টে দ্বিমত পোষণ করেছেন। প্রথমত, তিনি বুঝেছিলেন যে দেকার্তের নিশ্চিত জ্ঞানের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি ভ্রান্ত মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে। দেকার্ত এমন কিছু দিয়ে শুরু করতে চেয়েছিলেন যা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই, যার ফলে তিনি বিশ্বাস করতেন সব প্রকৃত জ্ঞানই প্রযুক্তিগত। পাস্কাল তার সম্ভাব্যতা তত্ত্বের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত এড়িয়ে গেছেন। দ্বিতীয়ত, পাস্কাল উপলব্ধি করেছিলেন যে যেকোনো বাস্তব কাজে কার্তেসীয় যুক্তিই একমাত্র উৎস নয়। মানুষের মন কোনো সচেতন বা সূত্রবদ্ধ কৌশলের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল নয়। অনেক সময় মন কোনো কৌশল ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে কাজ করে। অনুসন্ধানের নিয়মগুলো অতিরিক্ত সুনির্দিষ্ট করতে গিয়ে পদ্ধতির ওপর গুরুত্ব দিলে প্রকৃত অনুসন্ধান বাধাগ্রস্ত হয়। আধুনিক দর্শনের ইতিহাসের বড় একটি অংশ এই প্রশ্নকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে।
** [[Michael Oakeshott]], ''র্যাশনালিজম ইন পলিটিক্স অ্যান্ড আদার এসেস'' (১৯৬২)।
* পাস্কালের 'পঁসে' থেকে কিছু অংশ বেছে নিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়েছে যে তিনি বিশ্বাসের কাছে যুক্তিকে বিসর্জন দিয়ে দর্শনের সম্ভাবনা অস্বীকার করেছেন। আমি দেখাতে চাই যে পাস্কাল সংশয়বাদী ছিলেন না। তার এই কাজে [[বারুখ স্পিনোজা|স্পিনোজা]] বা [[লাইবনিজ|লাইবনিজের]] মতো বিস্তারিত কোনো সিস্টেম না থাকলেও একটি প্রকৃত দর্শনের মূলনীতিগুলো বিদ্যমান। এই ধারণাগুলো পাস্কালের বিশ্বাসের সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। খ্রিস্টধর্ম এবং দর্শনের উচ্চতর দিকগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্য এর চেয়ে ভালো পথ আর নেই।
** [[Félix Ravaisson-Mollien|ফেলিক্স রাভেইসন]], ''সাজি ফিলোসোফিচি'' (১৯১৭)।
* পাস্কাল গণিতের বিষয়বস্তুর সাথে অন্যান্য বিষয়ের পার্থক্য ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি বিষয়গুলোকে কোনো সাধারণ নামে না ডেকে বরং বর্ণনা করেছেন। তার সময়ের ভাষায় বললে এগুলো ছিল নান্দনিক ও নৈতিক প্রকৃতির। মনের যে অনুষদগুলো এই দুই ধরনের বিষয়ের সাথে যুক্ত, তিনি সেগুলোর বৈশিষ্ট্যও তুলে ধরেছেন। বস্তু ও আত্মার পার্থক্যের মতো এই দুই জগতের তফাত পাস্কালের চেয়ে স্পষ্ট করে আর কেউ বুঝতে পারেনি।
** [[Félix Ravaisson-Mollien|ফেলিক্স রাভেইসন]], ''সাজি ফিলোসোফিচি'' (১৯১৭)।
* পাস্কালই একমাত্র মহান গণিতবিদ যিনি লেখক হিসেবেও সমভাবে বিখ্যাত। তার জ্যানসেনবাদী আদর্শের একটি স্থায়ী প্রভাব হলো গণপরিবহন ব্যবস্থা। মৃত্যুর কিছুদিন আগে পাস্কাল বিশ্বে প্রথমবারের মতো ওমনিবাস (omnibus) সার্ভিস চালু হতে দেখেন। প্যারিসের নির্দিষ্ট রুটে ৫ স্যু ভাড়ায় এই কোচগুলো চলত। এই আয়ের লাভ দরিদ্রদের সাহায্যের জন্য দেওয়া হতো।
** [[w:John Stillwell|জন স্টিলওয়েল]], ''ম্যাথমেটিক্স অ্যান্ড ইটস হিস্ট্রি'' (১৯৮৯)।
* জীবন্ত দেহকে একটি যন্ত্র হিসেবে বিবেচনা করা পাস্কালের কাছে অত্যন্ত অগ্রহণযোগ্য ও হাস্যকর মনে হতো।
** [[w:D'Arcy Wentworth Thompson|ডি'আর্সি ওয়েন্টওয়ার্থ থম্পসন]], ''অন গ্রোথ অ্যান্ড ফর্ম'' (১৯১৭)।
* পাস্কালের বিপরীতে আমি বলি: ইব্রাহিম, ইসহাক ও ইয়াকুবের ঈশ্বর এবং দার্শনিকদের ঈশ্বর একই।
** [[Paul Tillich]], ''বিবলিক্যাল রিলিজিয়ন অ্যান্ড দ্য সার্চ ফর আলটিমেট রিয়েলিটি''।
* পাস্কালের 'থটস' বা 'পঁসে' কোনো সাধারণ বই নয়। এই মহান ব্যক্তি তার শক্তিশালী মনে যখন যা আসত তা-ই কাগজে লিখে রাখতেন। গুরুতর অসুস্থতা তাকে নিষ্ক্রিয় করে দেওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি এটি চালিয়ে গেছেন। পরবর্তীকালে এই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা চিন্তাগুলোকে সুশৃঙ্খল করার জন্য অনেক চেষ্টা করা হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে সাফল্যও মিলেছে। তবে কখনও কখনও লেখকের মূল উদ্দেশ্য ভুলভাবেও ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
** [[Alexandre Rodolphe Vinet]], ''স্টাডিজ অন পাস্কাল'' (১৮৫৯)।
* পাস্কাল ধর্মের পক্ষে বিশেষ কিছুই প্রমাণ করতে পারেননি। বরং তিনি এটিই দেখিয়েছেন যে একজন প্রতিভাবান মানুষও কোনো কোনো বিষয়ে বোকা হতে পারেন। যখন কেউ নিজের কুসংস্কারের কথা শোনার মতো দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন সে শিশুর মতোই আচরণ করে।
** [[Baron d'Holbach]], ''গুড সেন্স উইদাউট গড'' (১৭৭২)।
ax1riz4a1ok5lpvpdlvre02bpowtszb
74066
74065
2026-04-06T08:10:29Z
SMontaha32
3112
74066
wikitext
text/x-wiki
[[File:Blaise Pascal Versailles.JPG|thumb|[[দর্শন|দর্শনের]] গুরুত্ব কমিয়ে দেখা এক ধরনের [[সত্য|প্রকৃত]] দার্শনিকতা।]]
'''ব্লেইজ পাস্কাল''' (১৯ জুন ১৬২৩ – ১৯ আগস্ট ১৬৬২) ছিলেন একজন ফরাসি [[গণিতবিদ]], [[যুক্তিবিদ]], [[পদার্থবিদ]] এবং [[ধর্মতত্ত্ববিদ]]।
:'''দ্রষ্টব্য: ''[[পঁসে]]'' থেকে নেওয়া সব উক্তি ওই পাতায় পাওয়া যাবে।'''
ব্লেইজ পাস্কালের উক্তিগুলোর ওপর ভিত্তি করে নিচে উইকিমিডিয়া প্রকল্পের উপযোগী বাংলা অনুবাদ দেওয়া হলো:
== উক্তি ==
[[File:Blaise Pascal 2.jpg|thumb|মানুষ সাধারণত প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং যা তাদের কাছে [[আকর্ষণীয়]] মনে হয় তার ভিত্তিতেই কোনো কিছু [[বিশ্বাস|বিশ্বাস করে]]।]]
[[File:Blaise_pascal.jpg|thumb|[[আবির্ভাব|দৃশ্যমান বিষয়ের]] অস্থিরতা সবসময় আমাদের [[যুক্তি|যুক্তিকে]] হতাশ করে।]]
[[File:Pascal Pajou Louvre RF2981.jpg|thumb|কোনো [[কাজ]] শেষ করার পরপরই তা দেখলে আমরা এতে খুব বেশি মগ্ন থাকি। আবার অনেক পরে দেখলে আমরা এর যোগসূত্র খুঁজে পাই না।]]
* বার্ধক্য যেমন শৈশব থেকে জীবনের সবচেয়ে দূরবর্তী সময়, তেমনি এই বিশ্বজনীন মানুষের ক্ষেত্রেও কি তার জন্মের নিকটবর্তী সময়ের চেয়ে দূরবর্তী সময়ে বার্ধক্য খোঁজা উচিত নয়?
** ''প্রিফেস টু দ্য ট্রিটিজ অন ভ্যাকুয়াম'' (১৬৫১)
* {{anchor|Pascal plus longue}}''Je n'ai fait celle-ci plus longue que parce que je n'ai pas eu le loisir de la faire plus courte.''
** '''আমি আরও ছোট চিঠি লিখতাম, কিন্তু আমার হাতে পর্যাপ্ত সময় ছিল না।'''
*** ''প্রোভিনশিয়াল লেটার্স'': [https://ebooks.adelaide.edu.au/p/pascal/blaise/p27pr/part17.html ১৬তম চিঠি (৪ ডিসেম্বর ১৬৫৬)]
** আক্ষরিক অর্থ: '''আমি এই চিঠিটি দীর্ঘ করেছি কারণ এটি ছোট করার মতো অবসর আমার ছিল না।'''
** এ ধরনের উক্তি [[মার্ক টোয়েন]], [[টি. এস. এলিয়ট]], [[সিসেরো]]সহ অন্যদের নামেও প্রচলিত। তবে ‘কোট ইনভেস্টিগেটর’-এর নিবন্ধ অনুযায়ী পাস্কালের এই উক্তিটিই সম্ভবত মূল উৎস।
* '''মানুষ সাধারণত প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং যা তাদের কাছে আকর্ষণীয় মনে হয় তার ভিত্তিতেই কোনো কিছু বিশ্বাস করে।'''
** ''দ্য আর্ট অব পারসুয়েশন'' (১৬৫৮ সালে লেখা; মরণোত্তর প্রকাশিত)।
* মুহাম্মদ তার শত্রুদের হত্যার মাধ্যমে একটি ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন; অন্যদিকে যিশু খ্রিস্ট তার অনুসারীদের প্রাণ উৎসর্গ করার নির্দেশ দিয়ে ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন।
** [http://books.google.pt/books?id=MGkNAAAAYAAJ&pg=PA202&dq=%22Mahomet+established+a%22&hl=pt-PT&sa=X&ei=oZmPU-fCDemp7Ab7s4HQAg&ved=0CCsQ6AEwAA#v=onepage&q=%22Mahomet%20established%20a%20religion%22&f=false ''থটস অন রিলিজিয়ন অ্যান্ড ফিলোসফি''] (ডব্লিউ. কলিন্স, ১৮৩৮), অধ্যায় ১৬, পৃষ্ঠা ২০২।
* ''FEU. Dieu d'Abraham, Dieu d'Isaac, Dieu de Jacob, non des philosophes et savants. Certitude. Certitude. Sentiment. Joie. Paix.''
** '''আগুন। ইব্রাহিমের ঈশ্বর, ইসহাকের ঈশ্বর, ইয়াকুবের ঈশ্বর; দার্শনিক বা পণ্ডিতদের ঈশ্বর নন। নিশ্চয়তা। নিশ্চয়তা। অনুভূতি। আনন্দ। শান্তি।'''
** পাস্কালের মৃত্যুর পর তার কোটের আস্তরে সেলাই করা একটি চর্মকাগজে এই নোটটি পাওয়া যায়।
* যখন আমি আমার ক্ষণস্থায়ী জীবনের কথা ভাবি যা আগের এবং পরের অনন্তকালের মধ্যে বিলীন, তখন আমার ক্ষুদ্র অস্তিত্ব আমাকে আতঙ্কিত করে। আমি অনন্ত বিশালতার মাঝে এক নগণ্য স্থান জুড়ে আছি যার সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না এবং যা আমার সম্পর্কে কিছুই জানে না। আমি অবাক হই যে কেন আমি অন্য কোথাও না হয়ে এখানে আছি। এখন না হয়ে কেন তখন জন্মাইনি তারও কোনো কারণ নেই। কে আমাকে এখানে পাঠিয়েছেন? কার নির্দেশে এই স্থান ও সময় আমার জন্য নির্ধারিত হয়েছে?
** "মানুষের সীমাবদ্ধতা", ''দ্য থটস অব ব্লেইজ পাস্কাল'' (১৮৮৫)।
* **এই অনন্ত মহাশূন্যের চিরন্তন নিস্তব্ধতা আমাকে আতঙ্কিত করে।**
=== ''ডিসকোর্সেস অন দ্য কন্ডিশন অব দ্য গ্রেট'' ===
* আপনার প্রকৃত অবস্থা বুঝতে এই উদাহরণটি কল্পনা করুন: এক ব্যক্তি ঝড়ের কবলে পড়ে এক অজানা দ্বীপে পৌঁছান। দ্বীপবাসীরা তাদের হারিয়ে যাওয়া রাজাকে খুঁজছিল। ওই ব্যক্তির চেহারা ও গড়ন রাজার মতো হওয়ায় সবাই তাকে রাজা হিসেবে মেনে নেয়।
* তার মনে দুটি ভাবনা কাজ করছিল: একটি হলো রাজার মতো কাজ করা এবং অন্যটি হলো তার আসল অবস্থা সম্পর্কে সচেতন থাকা। সে জানত যে কেবল দুর্ঘটনাবশত সে এই অবস্থায় পৌঁছেছে।
* '''ভাববেন না যে আপনি যে সম্পদের মালিক হয়েছেন তা ওই ব্যক্তির রাজা হওয়ার চেয়ে কম আকস্মিক কিছু।'''
* আইনপ্রণেতারা যদি নিয়ম করতেন যে এই সম্পদ মৃত্যুর পর রাষ্ট্রের কাছে ফিরে যাবে, তবে আপনার অভিযোগ করার কোনো উপায় থাকত না।
* '''প্রাকৃতিক অধিকার নয়, বরং মানবিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই আপনি আপনার সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।'''
* আপনার এই অধিকার কোনো ব্যক্তিগত যোগ্যতা বা গুণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়নি। আপনার আত্মা বা শরীর একজন মাঝির বা একজন সামন্ত প্রভুর হওয়ার ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক কোনো পার্থক্য নেই। কোনো প্রাকৃতিক বন্ধনই এগুলোকে নির্দিষ্ট একটি অবস্থার সাথে আটকে রাখে না।
* '''সামাজিকভাবে পদমর্যাদা অনুযায়ী চললেও মনের ভেতরে আপনার স্বীকার করা উচিত যে আপনি জন্মগতভাবে অন্যদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ নন।'''
* '''জনসাধারণের ভাবনা যদি আপনাকে সাধারণ মানুষের উপরে তুলে ধরে, তবে আপনার ভেতরের ভাবনাটি যেন আপনাকে নম্র রাখে এবং সবার সাথে সমান অবস্থানে ধরে রাখে। এটিই আপনার স্বাভাবিক অবস্থা।'''
* নিজেকে অন্যের চেয়ে উচ্চতর ভেবে ভুল করবেন না।
* জনগণের ভুলে রাজা হওয়া ব্যক্তি যদি নিজের স্বাভাবিক অবস্থা ভুলে নিজেকে যোগ্য ভাবতে শুরু করেন, তবে আপনি তার **নির্বুদ্ধিতা ও মূর্খতা** দেখে অবাক হবেন। কিন্তু নিজেদের স্বাভাবিক অবস্থা ভুলে থাকা উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও কি একই কথা খাটে না?
* **উচ্চবিত্তদের সব বাড়াবাড়ি, সহিংসতা এবং অহংকার আসে নিজেদের পরিচয় সম্পর্কে অজ্ঞতা থেকে।** যারা মনেপ্রাণে নিজেদের সবার সমান মনে করে, তাদের পক্ষে শ্রেষ্ঠত্বের বড়াই করা কঠিন। শ্রেষ্ঠত্বের এই ভ্রম বজায় রাখতে হলে একজনকে নিজের আসল পরিচয় ভুলতে হয়।
* '''আপনি যদি আমার কাছে শ্রদ্ধা আশা করেন, তবে আমাকে আপনার এমন গুণ দেখান যা শ্রদ্ধার যোগ্য। আপনি তা দেখাতে পারলে আমি আপনাকে শ্রদ্ধা করব এবং তা ন্যায়সংগত হবে। কিন্তু আপনি তা না করলে আমার কাছে শ্রদ্ধা দাবি করা আপনার অন্যায় হবে। আপনি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ রাজপুত্র হলেও আপনি তাতে সফল হবেন না।'''
* '''আপনার মতে একজন বড় অভিজাত হওয়ার মানে কী? এর অর্থ হলো মানুষের কাঙ্ক্ষিত অনেক কিছুর মালিক হওয়া এবং অনেকের চাহিদা পূরণ করতে পারা। এই অভাব ও চাহিাই মানুষকে আপনার দিকে টানে এবং আপনার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য করে। এগুলো না থাকলে তারা আপনার দিকে ফিরেও তাকাত না।'''
* **ঈশ্বর ভালোবাসায় পূর্ণ মানুষ দ্বারা পরিবেষ্টিত** যারা তার কাছে ভালোবাসা চায়। তাই তিনি মূলত ভালোবাসার রাজা।
* একইভাবে আপনিও একদল আগ্রহী মানুষ দ্বারা পরিবেষ্টিত। তারা আপনার কাছে তাদের চাহিদা মেটানোর সুযোগ চায়। তাই আপনি মূলত আকাঙ্ক্ষা বা চাহিদার রাজা। **মানুষ যা চায় তার মালিকানাই আপনার ক্ষমতার উৎস।**
* আপনার প্রাকৃতিক শক্তি বা ক্ষমতার কারণে মানুষ আপনার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য হয়নি। তাই শক্তি দিয়ে তাদের শাসন করবেন না বা তাদের সাথে রূঢ় আচরণ করবেন না। **তাদের যুক্তিসঙ্গত চাহিদাগুলো পূরণ করুন।** মানুষের উপকার করার মাধ্যমে আনন্দ খুঁজলে আপনি আকাঙ্ক্ষার প্রকৃত রাজা হতে পারবেন।
* কিছু মানুষ লোভ, নৃশংসতা, সহিংসতা বা ব্যভিচারের মাধ্যমে কত অনর্থকভাবে নিজেকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়! নিজেকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাওয়া সবসময়ই চরম বোকামি। মানুষের উচিত আকাঙ্ক্ষা ও এর রাজত্বকে তুচ্ছ করে সেই ভালোবাসার রাজ্যের আকাঙ্ক্ষা করা, যেখানে সবাই ভালোবাসা ছাড়া আর কিছুই চায় না।
=== ''কনভারসেশন অন এপিকটেটাস অ্যান্ড মনটেইন'' ===
* আমি দেখেছি যে তারা [এপিকটেটাস ও মনটেইন] বিশ্বের দুটি বিখ্যাত মতবাদের শ্রেষ্ঠ রক্ষক এবং যুক্তিপূর্ণ। তাদের দেখানো পথ দুটি হলো: হয় ঈশ্বর আছেন এবং তিনিই পরম কল্যাণ; অথবা তিনি অনিশ্চিত এবং তখন প্রকৃত কল্যাণও অনিশ্চিত।
* আমি যেমন এই গবেষণায় দেখানোর চেষ্টা করেছি, প্রকৃতিতে তার প্রতিটি কাজের মাধ্যমে ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণের চেষ্টার চেয়ে মানুষের মনের সেই চেষ্টাকে বিবেচনা করা অনেক বেশি ন্যায়সংগত।
* এই দুই মতবাদের ভুলের মূল কারণ হলো তারা মানুষের বর্তমান অবস্থা যে সৃষ্টির সময়ের চেয়ে ভিন্ন, তা জানতেন না। এক পক্ষ মানুষের আদি মহত্ত্ব দেখে তার বর্তমান কলুষতা ভুলে প্রকৃতির ওপর অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয়ে **অহংকারের** জন্ম দেয়। অন্য পক্ষ বর্তমান দুর্দশা দেখে আদি মর্যাদা ভুলে হতাশায় ডুবে যায়।
* মানুষের এই দুই অবস্থা—মহত্ত্ব ও দুর্বলতা—একসাথে না জানলে মানুষ হয় অহংকারী নতুবা অলস হয়ে পড়ে। ঐশ্বরিক অনুগ্রহ পাওয়ার আগে সব মানুষই এই দুই দোষের শিকার হয়।
* **একজন মানুষের কর্তব্য জানলেও তার অক্ষমতা সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় সে উদ্ধত হয়। অন্যজন অক্ষমতা জানলেও কর্তব্য সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় অলস হয়ে পড়ে। সুসমাচারের সত্য এই দুই বৈপরীত্যের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করে। এটি সত্যকে গ্রহণ করে এবং মিথ্যাকে বর্জন করে এক স্বর্গীয় প্রজ্ঞা তৈরি করে।**
* জগতের দার্শনিকরা একই বিষয়ের মধ্যে বৈপরীত্য খোঁজেন। অন্যদিকে বিশ্বাস আমাদের শেখায় বৈপরীত্যগুলোকে ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ের ওপর স্থাপন করতে। মানুষের সব দুর্বলতা তার প্রকৃতির অংশ এবং সব শক্তি ঐশ্বরিক অনুগ্রহের দান। এটিই সেই বিস্ময়কর ও নতুন মিলন যা কেবল ঈশ্বরই শেখাতে পারেন।
=== ''অন দ্য স্পিরিট অব জিওমেট্রি'' ===
* সরাসরি সত্যের মালিক হওয়ার বিশ্বাস মানুষের এক স্বাভাবিক মানসিক ব্যাধি।
*** ১ম বিভাগ
=== ''দ্য আর্ট অব পারসুয়েশন'' ===
* মতবাদগুলো আত্মার দুটি প্রধান ক্ষমতার মাধ্যমে গৃহীত হয়: বুদ্ধি এবং ইচ্ছা।
* **মানুষ প্রমাণের চেয়ে আকর্ষণের মাধ্যমে বিশ্বাস করতে বেশি পছন্দ করে।** এটি একটি নীচ ও অপ্রাসঙ্গিক পথ, তাই সবাই একে অস্বীকার করে। প্রত্যেকেই দাবি করে যে সে যা জানে কেবল তা-ই বিশ্বাস ও ভালোবাসা করে।
* আমি এখানে ঐশ্বরিক সত্যের কথা বলছি না কারণ তা প্রকৃতির ঊর্ধ্বে। **কেবল ঈশ্বরই আত্মায় সেই সত্য স্থাপন করতে পারেন।** তিনি চেয়েছেন সেই সত্য যেন মন থেকে হৃদয়ে না এসে বরং হৃদয় থেকে মনে প্রবেশ করে। এটি মানুষের অহংকারী যুক্তিকে দমন করে এবং কলুষিত ইচ্ছাকে এটি পরিশোধিত করে।
* '''পার্থিব জিনিসের ক্ষেত্রে আমরা বলি যে কোনো কিছু ভালোবাসার আগে তা জানতে হয়। অন্যদিকে পবিত্র জিনিসের ক্ষেত্রে মহাত্মারা বলেন যে কোনো কিছু জানার আগে তাকে ভালোবাসতে হয়। কেবল ভালোবাসার মাধ্যমেই আমরা সত্যে প্রবেশ করতে পারি।'''
* তারা [মানুষ] ঐশ্বরিক নিয়মকে কলুষিত করেছে। কারণ মানুষ সাধারণত যা তাকে আনন্দ দেয় তা ছাড়া অন্য কিছু খুব কমই বিশ্বাস করে।
* ঈশ্বর মানুষের বুদ্ধিতে তখনই আলো দান করেন যখন তিনি মানুষের জেদি ইচ্ছাকে স্বর্গীয় নম্রতা দিয়ে জয় করেন।
* মন এবং হৃদয় হলো সত্য প্রবেশের দুটি পথ। তবে বুদ্ধির চেয়ে ইচ্ছার খামখেয়ালিপনায় অনেক বেশি সত্য (বা মিথ্যা) আত্মায় প্রবেশ করে।
* বেশ কিছু বিশেষ নীতি সত্যের মতোই জোরালোভাবে মানুষকে বিশ্বাসের দিকে টানে, যদিও সেগুলো আসলে মিথ্যা।
* কোনো বিষয় তাকে পরম আনন্দের দিকে নিয়ে যেতে পারে— আত্মা এটি বুঝতে পারার সাথে সাথেই তা সানন্দে গ্রহণ করে।
* **সত্য ও আনন্দের** মধ্যে যখন দ্বন্দ্ব বাধে, তখন জয়-পরাজয় অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এটি বোঝার জন্য মানুষের অন্তরের গহীন খবর জানা প্রয়োজন যা মানুষ নিজেও সবসময় জানে না।
* **কাউকে রাজি করাতে হলে ওই ব্যক্তির মন এবং হৃদয় সম্পর্কে জানা জরুরি।** তার মূলনীতিগুলো কী এবং সে কী ভালোবাসে তা বুঝতে হবে।
* **প্ররোচনা বা প্রবোধ দেওয়ার শিল্প যতটা না বোঝানোর, তার চেয়ে বেশি তুষ্ট করার। কারণ মানুষ যুক্তির চেয়ে খামখেয়ালিপনা দ্বারা বেশি পরিচালিত হয়!**
* আনন্দের উৎসগুলো স্থির নয়। প্রতিটি মানুষের ক্ষেত্রে এগুলো ভিন্ন এবং সময়ে সময়ে পরিবর্তনশীল। একজন মানুষ ভিন্ন সময়ে নিজের চেয়েও অনেক বেশি আলাদা হয়ে যায়।
* এমন কোনো সত্য নেই যা নিয়ে আমরা সবসময় একমত থাকি। আবার আমাদের আনন্দের বিষয়গুলোও প্রতি ঘণ্টায় বদলে যায়। মানুষের খামখেয়ালিপনা অনুযায়ী কথা বলার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম আছে কি না আমি জানি না।
* **প্রমাণ বা যুক্তির নিখুঁত পদ্ধতি তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত:** স্পষ্ট সংজ্ঞার মাধ্যমে পদের ব্যাখ্যা দেওয়া, প্রমাণিত নীতি বা স্বতঃসিদ্ধ প্রস্তাব করা এবং প্রমাণের সময় পদের বদলে সবসময় তার সংজ্ঞা ব্যবহার করা।
* যদি ভিত্তি মজবুত না হয়, তবে অট্টালিকাও নিরাপদ হয় না।
* সংজ্ঞায়ন, স্বতঃসিদ্ধ সত্য এবং প্রমাণের নিখুঁত পদ্ধতির জন্য জ্যামিতিক প্রমাণের কিছু নিয়মই যথেষ্ট।
* **সংজ্ঞায়নের নিয়ম:** ১. কোনো সুপরিচিত বিষয়কে সংজ্ঞায়িত করতে যাবেন না যা ব্যাখ্যা করার জন্য আরও স্পষ্ট শব্দ নেই। ২. অস্পষ্ট বা দ্ব্যর্থবোধক কোনো শব্দকে সংজ্ঞা ছাড়া রাখবেন না। ৩. সংজ্ঞায় কেবল পরিচিত বা আগে ব্যাখ্যা করা হয়েছে এমন শব্দই ব্যবহার করবেন।
* **স্বতঃসিদ্ধ সত্যের নিয়ম:** ১. প্রয়োজনীয় কোনো নীতি বা বিষয় যত স্পষ্টই হোক না কেন, তা জিজ্ঞাসা করা থেকে বিরত থাকবেন না। ২. কেবল নিজের মধ্যে স্পষ্ট বিষয়গুলোই স্বতঃসিদ্ধ হিসেবে দাবি করবেন।
* **প্রমাণের নিয়ম:** ১. খুব বেশি স্পষ্ট কোনো বিষয় প্রমাণ করতে যাবেন না যা প্রমাণ করার মতো সহজ কিছু আর নেই। ২. সব অস্পষ্ট প্রস্তাবনা প্রমাণ করুন এবং প্রমাণের ক্ষেত্রে কেবল খুব স্পষ্ট স্বতঃসিদ্ধ বা আগে প্রমাণিত প্রস্তাবনা ব্যবহার করুন। ৩. দ্ব্যর্থতা এড়াতে প্রমাণের সময় মানসিক ভাবে পদের জায়গায় তার সংজ্ঞা বসান।
* ওপরের আটটি নিয়ম যে কোনো মজবুত প্রমাণের জন্য যথেষ্ট। এর মধ্যে পাঁচটি নিয়ম অপরিহার্য যা ছাড়া কোনো প্রমাণ সম্পন্ন করা সম্ভব নয়।
* নিয়মের অভাব বা কঠিন অনুশীলনের কারণে এগুলো অনেকের কাছেই অপরিচিত।
* **এই নিয়মগুলো খুব সাধারণ— এমন আপত্তির বিপরীতে আমার কথা হলো:** জ্যামিতিবিদরা ছাড়া পুরো জাতির মধ্যে খুব কম মানুষই এই নিয়মগুলো জানে।
* যারা এই নিয়মগুলো আয়ত্ত করেছেন, তারা বুঝতে পারবেন যে সাধারণ যুক্তিবিদরা যা লিখেছেন তার সাথে এর পার্থক্য কতটা বিশাল।
* একই কথা যারা বলেন, তারা সবাই বিষয়টিকে একইভাবে ধারণ করেন না। একজন মানুষের সামর্থ্য কেবল তার একটি ভালো উক্তি শুনে বিচার করা উচিত নয়। আমাদের উচিত তার মনের গভীরে প্রবেশ করা। অনেক সময় দেখা যায় সে নিজেই তার ওই ভালো চিন্তাটি বিশ্বাস করে না এবং কোনো তুচ্ছ বিষয়ের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
* **'বস্তু প্রাকৃতিকভাবেই চিন্তায় অক্ষম'** এবং **'আমি চিন্তা করি, তাই আমি আছি'**— রেনে দেকার্ত এবং সেন্ট অগাস্টিনের কাছে কি এই নীতি দুটি আসলে একই ছিল? অগাস্টিন বারোশ বছর আগেই একই কথা বলেছিলেন। আমি বলছি না দেকার্ত এর রচয়িতা নন। তবে কেবল কোনো কথা বলা এবং সেই কথা থেকে চমৎকার সব সিদ্ধান্ত বের করে একটি পূর্ণাঙ্গ আধিভৌতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার মধ্যে বিশাল পার্থক্য আছে।
* কোনো এক ব্যক্তি নিজের অজান্তেই একটি চমৎকার কথা বলতে পারেন। কিন্তু অন্য কেউ হয়তো সেই একই কথার মধ্যে অসামান্য সব সিদ্ধান্তের সমাহার খুঁজে পান। ফলস্বরূপ উক্তিটি আর আগের মতো থাকে না। কোনো উক্তি যেখান থেকে শেখা হয়েছে তার প্রতি ঋণ ঠিক ততটুকুই, যতটুকু একটি সুন্দর গাছ সেই ব্যক্তির প্রতি ঋণী যে অনিচ্ছাকৃত ভাবে উর্বর মাটিতে বীজ ফেলেছিল।
* **যুক্তিবিদ্যা হয়তো জ্যামিতির নিয়মগুলো ধার করেছে কিন্তু সেগুলোর শক্তি বুঝতে পারেনি।** এই বিজ্ঞানই যুক্তি পরিচালনার সঠিক পদ্ধতি শেখায়।
* **ভুল না করার পদ্ধতি সবাই খোঁজে।** যুক্তিবিদরা পথ দেখানোর দাবি করেন কিন্তু কেবল জ্যামিতিবিদরাই তা অর্জন করতে পারেন। বিজ্ঞান এবং এর অনুসরণ ছাড়া আর কোনো প্রকৃত প্রমাণ নেই।
* **ভালো জিনিস সবখানেই আছে, কেবল সেগুলো বেছে নেওয়া প্রয়োজন।** এটি নিশ্চিত যে সেগুলো প্রাকৃতিক এবং সবার নাগালের মধ্যেই থাকে।
* **শ্রেষ্ঠত্ব কোনো অসাধারণ বা কাল্পনিক জিনিসের মধ্যে নেই।** একে পেতে হলে আমাদের অনেক সময় নিচু হতে হয়।
* শ্রেষ্ঠ বই সেগুলোই যা পড়ার পর পাঠকের মনে হয় তিনি নিজেও তা লিখতে পারতেন।
* **প্রকৃতিই একমাত্র ভালো যা সবার কাছে পরিচিত এবং সাধারণ।**
* আমি নিশ্চিত যে এই নিয়মগুলো সহজ, কৃত্রিমতাহীন এবং স্বাভাবিক।
* মনকে জোর করা উচিত নয়। কৃত্রিম আচরণ সলিড খাবারের বদলে মনকে কেবল অন্তঃসারশূন্য অহংকারে পূর্ণ করে।
* **মানুষের একটি প্রধান ভুল হলো তারা মনে করে ভালো জিনিসগুলো দুর্লভ এবং উঁচু স্তরের। তারা এগুলোকে 'মহান, উচ্চ বা মহৎ' নাম দেয়। আমি এগুলোকে 'সাধারণ ও পরিচিত' বলতে পছন্দ করি।** কারণ এই নামগুলোই বেশি মানানসই। আমি আড়ম্বরপূর্ণ শব্দ অপছন্দ করি।
== পাস্কাল সম্পর্কে উক্তি ==
* {{w|Lettres provinciales|''প্রোভিনশিয়াল লেটার্স''}} এবং ছোটখাটো ধর্মীয় রচনাগুলো লেখার পরের বছরগুলোতে পাস্কাল খ্রিস্টধর্মের প্রসারে নিজের জীবন উৎসর্গ করতে শুরু করেন। এই কার্যক্রমের মূলে ছিল তার বিখ্যাত কাজ [[পঁসে|''পঁসে'' (Thoughts)]]। এটি মূলত ১৬৫৭ থেকে ১৬৫৮ সালের দিকে লেখা। অনেক সমালোচকের মতে, এটি অজ্ঞেয়বাদী ও নাস্তিকদের ধর্মীয় বিশ্বাসে ফিরিয়ে আনার সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী প্রচেষ্টাগুলোর একটি। তবে এটি মূলত একটি অসমাপ্ত কাজ।
** {{w|Donald Adamson}}, ''ব্লেইজ পাস্কাল: গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং ঈশ্বর চিন্তক'' (১৯৯৪)।
* আমি খুব ভাগ্যবান ছিলাম। শৈশবে কৌতূহলী হওয়ার পাশাপাশি আমি কিছুটা শারীরিক প্রতিবন্ধকতার শিকার ছিলাম। তাই হাতের কাছে যা পেতাম তা-ই পড়তাম। আমার স্মরণশক্তি এবং কাজ করার শক্তিও প্রচুর। এটি একটি আশীর্বাদ। আমি এখনও নতুন কিছু শেখার জন্য তৃষ্ণার্ত। সব তরুণের মধ্যে এই গুণ থাকে না। তাদের অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া উচিত এবং মানবজাতির মহান চিন্তাগুলোর সাথে পরিচিত হওয়া উচিত। প্রত্যেকেরই ভাবা উচিত— "আমি কেন এখানে? এই পৃথিবীতে আমার কাজ কী?" অ্যারিস্টটল এবং প্লেটোকে জানা খুব জরুরি। জীবনকে সহজ করতে হলে লিওপোল্ড এবং পাস্কালকে জানা একান্ত প্রয়োজন।
** [[মায়া অ্যাঞ্জেলো|মায়া অ্যাঞ্জেলোর]] সাথে কথোপকথন (১৯৮৯), ১৯৮৬ সালের সাক্ষাৎকার।
* এটি তাৎপর্যপূর্ণ যে আমরা ব্লেইজ পাস্কালের মেধার মাধ্যমেই ''[[গাণিতিক আরোহ বিধি|পুনরাবৃত্তি নীতি]]'' (principle of recurrence)-র প্রথম সুষ্পষ্ট ধারণা পাই। ১৬৫৪ সালে প্রকাশিত ''দ্য [[w:Pascal's triangle|অ্যারিথমেটিক ট্রায়াঙ্গেল]]'' নামক একটি গবেষণাপত্রে তিনি এই নীতি ব্যাখ্যা করেন। পাস্কাল ও [[পিয়ের দ্য ফের্মা|ফের্মার]] মধ্যে জুয়া খেলার সমস্যা নিয়ে আদান-প্রদান করা চিঠিপত্রেই এই কাজের মূল নির্যাস ছিল। এই যোগাযোগ থেকেই আধুনিক সম্ভাবনা তত্ত্ব (theory of probabilities) গড়ে উঠেছে। এটি বিস্ময়কর যে বিশুদ্ধ গণিতের ভিত্তি এবং সব ডিডাক্টিভ বিজ্ঞানের মূল আধার এই তত্ত্ব দুটি জুয়াড়িদের একটি অসমাপ্ত খেলার বাজি ভাগ করার কৌশল খুঁজতে গিয়ে আবিষ্কৃত হয়েছিল।
** [[Tobias Dantzig]], ''নাম্বার: দ্য ল্যাঙ্গুয়েজ অব সায়েন্স'' (১৯৩০)।
* একটি কার্যকর ধর্ম সম্পর্কে পাস্কাল যা বলেছিলেন তা যেকোনো কার্যকর মতবাদের ক্ষেত্রেই সত্য: একে অবশ্যই "প্রকৃতি, সাধারণ জ্ঞান এবং আনন্দের প্রতিকূলে" হতে হবে।
** [[Eric Hoffer]], ''দ্য ট্রু বিলিভার'' (১৯৫১)।
* মানুষ অসীমভাবে মানুষকে ছাড়িয়ে যায়।
** [[পোপ পল ষষ্ঠ]], ''এনসাইক্লিক্যাল পপুলোরাম প্রগ্রেসীয়'' (১৯৬৭)।
* পাস্কাল অবজ্ঞার সাথে বলেছিলেন যে সাধারণ শ্রমিকরা তথাকথিত 'দার্শনিকদের' ভুল ধরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। মূলত এই অশিক্ষিত মানুষরাই 'নিজেদের চোখে দেখা এবং হাতে স্পর্শ করা' বিষয়গুলো বিশ্বাস করতে বেশি প্রস্তুত ছিল।
** [[Reijer Hooykaas]], ''রিলিজিয়ন অ্যান্ড দ্য রাইজ অব মডার্ন সায়েন্স'' (২০০০)।
* দর্শনচর্চা মানেই হলো মানুষের গুরুত্ব এবং তার মর্যাদাকে পুনপ্রতিষ্ঠা করা। সক্রেটিসের অন্বেষণ এবং বিজ্ঞানের কার্তেসীয় বিপ্লবের মুখে পাস্কালের উদ্বেগের মূল অর্থ ছিল এটাই। এই বিচারে পাস্কাল [[সক্রেটিস|সক্রেটিসের]] চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ একজন দার্শনিক। বিজ্ঞান মানুষকে সৃষ্টির সেরা জীব থেকে সরিয়ে দেওয়ার যে দাবি করেছিল, পাস্কালই প্রথম তার তীব্র প্রতিবাদ জানান। কেন বিজ্ঞান মানুষের হৃদয়ে আনন্দ দিতে বা জীবনের অর্থ খুঁজে পেতে ব্যর্থ, তা পাস্কালের চেয়ে ভালো কেউ প্রমাণ করতে পারেনি।
** [[w:Thomas Molnar|থমাস মোলনার]], ''দ্য ডিক্লাইন অব দ্য ইন্টেলেকচুয়াল'' (১৯৬১)।
* পাস্কাল কোনো কূপমণ্ডূক ছিলেন না। তবে তিনি পরিমাপ করেছিলেন যে বিজ্ঞান মানুষের ভাগ্যের সমস্যার ক্ষেত্রে কতটা অপ্রাসঙ্গিক হতে পারে। বিজ্ঞান মানুষের অভিজ্ঞতার সীমাবদ্ধতা ও অপূর্ণতাকে উপেক্ষা করে যে সত্যের দাবি করে, তা বাস্তবসম্মত নয়। বরং আমাদের সহজাত সামর্থ্যগুলোই অস্তিত্বের লড়াইয়ে টিকে থাকার একমাত্র ও অপরিহার্য হাতিয়ার।
** [[w:Thomas Molnar|থমাস মোলনার]], ''দ্য ডিক্লাইন অব দ্য ইন্টেলেকচুয়াল'' (১৯৬১)।
* পাস্কাল হলেন [[রেনে দেকার্ত|দেকার্তের]] একজন বিচক্ষণ সমালোচক। তিনি দেকার্তের সবকিছুর বিরোধিতা না করলেও মৌলিক কিছু পয়েন্টে দ্বিমত পোষণ করেছেন। প্রথমত, তিনি বুঝেছিলেন যে দেকার্তের নিশ্চিত জ্ঞানের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি ভ্রান্ত মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে। দেকার্ত এমন কিছু দিয়ে শুরু করতে চেয়েছিলেন যা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই, যার ফলে তিনি বিশ্বাস করতেন সব প্রকৃত জ্ঞানই প্রযুক্তিগত। পাস্কাল তার সম্ভাব্যতা তত্ত্বের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত এড়িয়ে গেছেন। দ্বিতীয়ত, পাস্কাল উপলব্ধি করেছিলেন যে যেকোনো বাস্তব কাজে কার্তেসীয় যুক্তিই একমাত্র উৎস নয়। মানুষের মন কোনো সচেতন বা সূত্রবদ্ধ কৌশলের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল নয়। অনেক সময় মন কোনো কৌশল ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে কাজ করে। অনুসন্ধানের নিয়মগুলো অতিরিক্ত সুনির্দিষ্ট করতে গিয়ে পদ্ধতির ওপর গুরুত্ব দিলে প্রকৃত অনুসন্ধান বাধাগ্রস্ত হয়। আধুনিক দর্শনের ইতিহাসের বড় একটি অংশ এই প্রশ্নকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে।
** [[Michael Oakeshott]], ''র্যাশনালিজম ইন পলিটিক্স অ্যান্ড আদার এসেস'' (১৯৬২)।
* পাস্কালের 'পঁসে' থেকে কিছু অংশ বেছে নিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়েছে যে তিনি বিশ্বাসের কাছে যুক্তিকে বিসর্জন দিয়ে দর্শনের সম্ভাবনা অস্বীকার করেছেন। আমি দেখাতে চাই যে পাস্কাল সংশয়বাদী ছিলেন না। তার এই কাজে [[বারুখ স্পিনোজা|স্পিনোজা]] বা [[লাইবনিজ|লাইবনিজের]] মতো বিস্তারিত কোনো সিস্টেম না থাকলেও একটি প্রকৃত দর্শনের মূলনীতিগুলো বিদ্যমান। এই ধারণাগুলো পাস্কালের বিশ্বাসের সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। খ্রিস্টধর্ম এবং দর্শনের উচ্চতর দিকগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্য এর চেয়ে ভালো পথ আর নেই।
** [[Félix Ravaisson-Mollien|ফেলিক্স রাভেইসন]], ''সাজি ফিলোসোফিচি'' (১৯১৭)।
* পাস্কাল গণিতের বিষয়বস্তুর সাথে অন্যান্য বিষয়ের পার্থক্য ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি বিষয়গুলোকে কোনো সাধারণ নামে না ডেকে বরং বর্ণনা করেছেন। তার সময়ের ভাষায় বললে এগুলো ছিল নান্দনিক ও নৈতিক প্রকৃতির। মনের যে অনুষদগুলো এই দুই ধরনের বিষয়ের সাথে যুক্ত, তিনি সেগুলোর বৈশিষ্ট্যও তুলে ধরেছেন। বস্তু ও আত্মার পার্থক্যের মতো এই দুই জগতের তফাত পাস্কালের চেয়ে স্পষ্ট করে আর কেউ বুঝতে পারেনি।
** [[Félix Ravaisson-Mollien|ফেলিক্স রাভেইসন]], ''সাজি ফিলোসোফিচি'' (১৯১৭)।
* পাস্কালই একমাত্র মহান গণিতবিদ যিনি লেখক হিসেবেও সমভাবে বিখ্যাত। তার জ্যানসেনবাদী আদর্শের একটি স্থায়ী প্রভাব হলো গণপরিবহন ব্যবস্থা। মৃত্যুর কিছুদিন আগে পাস্কাল বিশ্বে প্রথমবারের মতো ওমনিবাস (omnibus) সার্ভিস চালু হতে দেখেন। প্যারিসের নির্দিষ্ট রুটে ৫ স্যু ভাড়ায় এই কোচগুলো চলত। এই আয়ের লাভ দরিদ্রদের সাহায্যের জন্য দেওয়া হতো।
** [[w:John Stillwell|জন স্টিলওয়েল]], ''ম্যাথমেটিক্স অ্যান্ড ইটস হিস্ট্রি'' (১৯৮৯)।
* জীবন্ত দেহকে একটি যন্ত্র হিসেবে বিবেচনা করা পাস্কালের কাছে অত্যন্ত অগ্রহণযোগ্য ও হাস্যকর মনে হতো।
** [[w:D'Arcy Wentworth Thompson|ডি'আর্সি ওয়েন্টওয়ার্থ থম্পসন]], ''অন গ্রোথ অ্যান্ড ফর্ম'' (১৯১৭)।
* পাস্কালের বিপরীতে আমি বলি: ইব্রাহিম, ইসহাক ও ইয়াকুবের ঈশ্বর এবং দার্শনিকদের ঈশ্বর একই।
** [[Paul Tillich]], ''বিবলিক্যাল রিলিজিয়ন অ্যান্ড দ্য সার্চ ফর আলটিমেট রিয়েলিটি''।
* পাস্কালের 'থটস' বা 'পঁসে' কোনো সাধারণ বই নয়। এই মহান ব্যক্তি তার শক্তিশালী মনে যখন যা আসত তা-ই কাগজে লিখে রাখতেন। গুরুতর অসুস্থতা তাকে নিষ্ক্রিয় করে দেওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি এটি চালিয়ে গেছেন। পরবর্তীকালে এই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা চিন্তাগুলোকে সুশৃঙ্খল করার জন্য অনেক চেষ্টা করা হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে সাফল্যও মিলেছে। তবে কখনও কখনও লেখকের মূল উদ্দেশ্য ভুলভাবেও ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
** [[Alexandre Rodolphe Vinet]], ''স্টাডিজ অন পাস্কাল'' (১৮৫৯)।
* পাস্কাল ধর্মের পক্ষে বিশেষ কিছুই প্রমাণ করতে পারেননি। বরং তিনি এটিই দেখিয়েছেন যে একজন প্রতিভাবান মানুষও কোনো কোনো বিষয়ে বোকা হতে পারেন। যখন কেউ নিজের কুসংস্কারের কথা শোনার মতো দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন সে শিশুর মতোই আচরণ করে।
** [[Baron d'Holbach]], ''গুড সেন্স উইদাউট গড'' (১৭৭২)।
g98phkwgr8it58we2zp2qn45uvhju5y
74067
74066
2026-04-06T08:10:50Z
SMontaha32
3112
74067
wikitext
text/x-wiki
[[File:Blaise Pascal Versailles.JPG|thumb|[[দর্শন|দর্শনের]] গুরুত্ব কমিয়ে দেখা এক ধরনের [[সত্য|প্রকৃত]] দার্শনিকতা।]]
'''ব্লেইজ পাস্কাল''' (১৯ জুন ১৬২৩ – ১৯ আগস্ট ১৬৬২) ছিলেন একজন ফরাসি [[গণিতবিদ]], [[যুক্তিবিদ]], [[পদার্থবিদ]] এবং [[ধর্মতত্ত্ববিদ]]।
:'''দ্রষ্টব্য: ''[[পঁসে]]'' থেকে নেওয়া সব উক্তি ওই পাতায় পাওয়া যাবে।'''
== উক্তি ==
[[File:Blaise Pascal 2.jpg|thumb|মানুষ সাধারণত প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং যা তাদের কাছে [[আকর্ষণীয়]] মনে হয় তার ভিত্তিতেই কোনো কিছু [[বিশ্বাস|বিশ্বাস করে]]।]]
[[File:Blaise_pascal.jpg|thumb|[[আবির্ভাব|দৃশ্যমান বিষয়ের]] অস্থিরতা সবসময় আমাদের [[যুক্তি|যুক্তিকে]] হতাশ করে।]]
[[File:Pascal Pajou Louvre RF2981.jpg|thumb|কোনো [[কাজ]] শেষ করার পরপরই তা দেখলে আমরা এতে খুব বেশি মগ্ন থাকি। আবার অনেক পরে দেখলে আমরা এর যোগসূত্র খুঁজে পাই না।]]
* বার্ধক্য যেমন শৈশব থেকে জীবনের সবচেয়ে দূরবর্তী সময়, তেমনি এই বিশ্বজনীন মানুষের ক্ষেত্রেও কি তার জন্মের নিকটবর্তী সময়ের চেয়ে দূরবর্তী সময়ে বার্ধক্য খোঁজা উচিত নয়?
** ''প্রিফেস টু দ্য ট্রিটিজ অন ভ্যাকুয়াম'' (১৬৫১)
* {{anchor|Pascal plus longue}}''Je n'ai fait celle-ci plus longue que parce que je n'ai pas eu le loisir de la faire plus courte.''
** '''আমি আরও ছোট চিঠি লিখতাম, কিন্তু আমার হাতে পর্যাপ্ত সময় ছিল না।'''
*** ''প্রোভিনশিয়াল লেটার্স'': [https://ebooks.adelaide.edu.au/p/pascal/blaise/p27pr/part17.html ১৬তম চিঠি (৪ ডিসেম্বর ১৬৫৬)]
** আক্ষরিক অর্থ: '''আমি এই চিঠিটি দীর্ঘ করেছি কারণ এটি ছোট করার মতো অবসর আমার ছিল না।'''
** এ ধরনের উক্তি [[মার্ক টোয়েন]], [[টি. এস. এলিয়ট]], [[সিসেরো]]সহ অন্যদের নামেও প্রচলিত। তবে ‘কোট ইনভেস্টিগেটর’-এর নিবন্ধ অনুযায়ী পাস্কালের এই উক্তিটিই সম্ভবত মূল উৎস।
* '''মানুষ সাধারণত প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং যা তাদের কাছে আকর্ষণীয় মনে হয় তার ভিত্তিতেই কোনো কিছু বিশ্বাস করে।'''
** ''দ্য আর্ট অব পারসুয়েশন'' (১৬৫৮ সালে লেখা; মরণোত্তর প্রকাশিত)।
* মুহাম্মদ তার শত্রুদের হত্যার মাধ্যমে একটি ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন; অন্যদিকে যিশু খ্রিস্ট তার অনুসারীদের প্রাণ উৎসর্গ করার নির্দেশ দিয়ে ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন।
** [http://books.google.pt/books?id=MGkNAAAAYAAJ&pg=PA202&dq=%22Mahomet+established+a%22&hl=pt-PT&sa=X&ei=oZmPU-fCDemp7Ab7s4HQAg&ved=0CCsQ6AEwAA#v=onepage&q=%22Mahomet%20established%20a%20religion%22&f=false ''থটস অন রিলিজিয়ন অ্যান্ড ফিলোসফি''] (ডব্লিউ. কলিন্স, ১৮৩৮), অধ্যায় ১৬, পৃষ্ঠা ২০২।
* ''FEU. Dieu d'Abraham, Dieu d'Isaac, Dieu de Jacob, non des philosophes et savants. Certitude. Certitude. Sentiment. Joie. Paix.''
** '''আগুন। ইব্রাহিমের ঈশ্বর, ইসহাকের ঈশ্বর, ইয়াকুবের ঈশ্বর; দার্শনিক বা পণ্ডিতদের ঈশ্বর নন। নিশ্চয়তা। নিশ্চয়তা। অনুভূতি। আনন্দ। শান্তি।'''
** পাস্কালের মৃত্যুর পর তার কোটের আস্তরে সেলাই করা একটি চর্মকাগজে এই নোটটি পাওয়া যায়।
* যখন আমি আমার ক্ষণস্থায়ী জীবনের কথা ভাবি যা আগের এবং পরের অনন্তকালের মধ্যে বিলীন, তখন আমার ক্ষুদ্র অস্তিত্ব আমাকে আতঙ্কিত করে। আমি অনন্ত বিশালতার মাঝে এক নগণ্য স্থান জুড়ে আছি যার সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না এবং যা আমার সম্পর্কে কিছুই জানে না। আমি অবাক হই যে কেন আমি অন্য কোথাও না হয়ে এখানে আছি। এখন না হয়ে কেন তখন জন্মাইনি তারও কোনো কারণ নেই। কে আমাকে এখানে পাঠিয়েছেন? কার নির্দেশে এই স্থান ও সময় আমার জন্য নির্ধারিত হয়েছে?
** "মানুষের সীমাবদ্ধতা", ''দ্য থটস অব ব্লেইজ পাস্কাল'' (১৮৮৫)।
* **এই অনন্ত মহাশূন্যের চিরন্তন নিস্তব্ধতা আমাকে আতঙ্কিত করে।**
=== ''ডিসকোর্সেস অন দ্য কন্ডিশন অব দ্য গ্রেট'' ===
* আপনার প্রকৃত অবস্থা বুঝতে এই উদাহরণটি কল্পনা করুন: এক ব্যক্তি ঝড়ের কবলে পড়ে এক অজানা দ্বীপে পৌঁছান। দ্বীপবাসীরা তাদের হারিয়ে যাওয়া রাজাকে খুঁজছিল। ওই ব্যক্তির চেহারা ও গড়ন রাজার মতো হওয়ায় সবাই তাকে রাজা হিসেবে মেনে নেয়।
* তার মনে দুটি ভাবনা কাজ করছিল: একটি হলো রাজার মতো কাজ করা এবং অন্যটি হলো তার আসল অবস্থা সম্পর্কে সচেতন থাকা। সে জানত যে কেবল দুর্ঘটনাবশত সে এই অবস্থায় পৌঁছেছে।
* '''ভাববেন না যে আপনি যে সম্পদের মালিক হয়েছেন তা ওই ব্যক্তির রাজা হওয়ার চেয়ে কম আকস্মিক কিছু।'''
* আইনপ্রণেতারা যদি নিয়ম করতেন যে এই সম্পদ মৃত্যুর পর রাষ্ট্রের কাছে ফিরে যাবে, তবে আপনার অভিযোগ করার কোনো উপায় থাকত না।
* '''প্রাকৃতিক অধিকার নয়, বরং মানবিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই আপনি আপনার সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।'''
* আপনার এই অধিকার কোনো ব্যক্তিগত যোগ্যতা বা গুণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়নি। আপনার আত্মা বা শরীর একজন মাঝির বা একজন সামন্ত প্রভুর হওয়ার ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক কোনো পার্থক্য নেই। কোনো প্রাকৃতিক বন্ধনই এগুলোকে নির্দিষ্ট একটি অবস্থার সাথে আটকে রাখে না।
* '''সামাজিকভাবে পদমর্যাদা অনুযায়ী চললেও মনের ভেতরে আপনার স্বীকার করা উচিত যে আপনি জন্মগতভাবে অন্যদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ নন।'''
* '''জনসাধারণের ভাবনা যদি আপনাকে সাধারণ মানুষের উপরে তুলে ধরে, তবে আপনার ভেতরের ভাবনাটি যেন আপনাকে নম্র রাখে এবং সবার সাথে সমান অবস্থানে ধরে রাখে। এটিই আপনার স্বাভাবিক অবস্থা।'''
* নিজেকে অন্যের চেয়ে উচ্চতর ভেবে ভুল করবেন না।
* জনগণের ভুলে রাজা হওয়া ব্যক্তি যদি নিজের স্বাভাবিক অবস্থা ভুলে নিজেকে যোগ্য ভাবতে শুরু করেন, তবে আপনি তার **নির্বুদ্ধিতা ও মূর্খতা** দেখে অবাক হবেন। কিন্তু নিজেদের স্বাভাবিক অবস্থা ভুলে থাকা উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও কি একই কথা খাটে না?
* **উচ্চবিত্তদের সব বাড়াবাড়ি, সহিংসতা এবং অহংকার আসে নিজেদের পরিচয় সম্পর্কে অজ্ঞতা থেকে।** যারা মনেপ্রাণে নিজেদের সবার সমান মনে করে, তাদের পক্ষে শ্রেষ্ঠত্বের বড়াই করা কঠিন। শ্রেষ্ঠত্বের এই ভ্রম বজায় রাখতে হলে একজনকে নিজের আসল পরিচয় ভুলতে হয়।
* '''আপনি যদি আমার কাছে শ্রদ্ধা আশা করেন, তবে আমাকে আপনার এমন গুণ দেখান যা শ্রদ্ধার যোগ্য। আপনি তা দেখাতে পারলে আমি আপনাকে শ্রদ্ধা করব এবং তা ন্যায়সংগত হবে। কিন্তু আপনি তা না করলে আমার কাছে শ্রদ্ধা দাবি করা আপনার অন্যায় হবে। আপনি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ রাজপুত্র হলেও আপনি তাতে সফল হবেন না।'''
* '''আপনার মতে একজন বড় অভিজাত হওয়ার মানে কী? এর অর্থ হলো মানুষের কাঙ্ক্ষিত অনেক কিছুর মালিক হওয়া এবং অনেকের চাহিদা পূরণ করতে পারা। এই অভাব ও চাহিাই মানুষকে আপনার দিকে টানে এবং আপনার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য করে। এগুলো না থাকলে তারা আপনার দিকে ফিরেও তাকাত না।'''
* **ঈশ্বর ভালোবাসায় পূর্ণ মানুষ দ্বারা পরিবেষ্টিত** যারা তার কাছে ভালোবাসা চায়। তাই তিনি মূলত ভালোবাসার রাজা।
* একইভাবে আপনিও একদল আগ্রহী মানুষ দ্বারা পরিবেষ্টিত। তারা আপনার কাছে তাদের চাহিদা মেটানোর সুযোগ চায়। তাই আপনি মূলত আকাঙ্ক্ষা বা চাহিদার রাজা। **মানুষ যা চায় তার মালিকানাই আপনার ক্ষমতার উৎস।**
* আপনার প্রাকৃতিক শক্তি বা ক্ষমতার কারণে মানুষ আপনার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য হয়নি। তাই শক্তি দিয়ে তাদের শাসন করবেন না বা তাদের সাথে রূঢ় আচরণ করবেন না। **তাদের যুক্তিসঙ্গত চাহিদাগুলো পূরণ করুন।** মানুষের উপকার করার মাধ্যমে আনন্দ খুঁজলে আপনি আকাঙ্ক্ষার প্রকৃত রাজা হতে পারবেন।
* কিছু মানুষ লোভ, নৃশংসতা, সহিংসতা বা ব্যভিচারের মাধ্যমে কত অনর্থকভাবে নিজেকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়! নিজেকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাওয়া সবসময়ই চরম বোকামি। মানুষের উচিত আকাঙ্ক্ষা ও এর রাজত্বকে তুচ্ছ করে সেই ভালোবাসার রাজ্যের আকাঙ্ক্ষা করা, যেখানে সবাই ভালোবাসা ছাড়া আর কিছুই চায় না।
=== ''কনভারসেশন অন এপিকটেটাস অ্যান্ড মনটেইন'' ===
* আমি দেখেছি যে তারা [এপিকটেটাস ও মনটেইন] বিশ্বের দুটি বিখ্যাত মতবাদের শ্রেষ্ঠ রক্ষক এবং যুক্তিপূর্ণ। তাদের দেখানো পথ দুটি হলো: হয় ঈশ্বর আছেন এবং তিনিই পরম কল্যাণ; অথবা তিনি অনিশ্চিত এবং তখন প্রকৃত কল্যাণও অনিশ্চিত।
* আমি যেমন এই গবেষণায় দেখানোর চেষ্টা করেছি, প্রকৃতিতে তার প্রতিটি কাজের মাধ্যমে ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণের চেষ্টার চেয়ে মানুষের মনের সেই চেষ্টাকে বিবেচনা করা অনেক বেশি ন্যায়সংগত।
* এই দুই মতবাদের ভুলের মূল কারণ হলো তারা মানুষের বর্তমান অবস্থা যে সৃষ্টির সময়ের চেয়ে ভিন্ন, তা জানতেন না। এক পক্ষ মানুষের আদি মহত্ত্ব দেখে তার বর্তমান কলুষতা ভুলে প্রকৃতির ওপর অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয়ে **অহংকারের** জন্ম দেয়। অন্য পক্ষ বর্তমান দুর্দশা দেখে আদি মর্যাদা ভুলে হতাশায় ডুবে যায়।
* মানুষের এই দুই অবস্থা—মহত্ত্ব ও দুর্বলতা—একসাথে না জানলে মানুষ হয় অহংকারী নতুবা অলস হয়ে পড়ে। ঐশ্বরিক অনুগ্রহ পাওয়ার আগে সব মানুষই এই দুই দোষের শিকার হয়।
* **একজন মানুষের কর্তব্য জানলেও তার অক্ষমতা সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় সে উদ্ধত হয়। অন্যজন অক্ষমতা জানলেও কর্তব্য সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় অলস হয়ে পড়ে। সুসমাচারের সত্য এই দুই বৈপরীত্যের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করে। এটি সত্যকে গ্রহণ করে এবং মিথ্যাকে বর্জন করে এক স্বর্গীয় প্রজ্ঞা তৈরি করে।**
* জগতের দার্শনিকরা একই বিষয়ের মধ্যে বৈপরীত্য খোঁজেন। অন্যদিকে বিশ্বাস আমাদের শেখায় বৈপরীত্যগুলোকে ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ের ওপর স্থাপন করতে। মানুষের সব দুর্বলতা তার প্রকৃতির অংশ এবং সব শক্তি ঐশ্বরিক অনুগ্রহের দান। এটিই সেই বিস্ময়কর ও নতুন মিলন যা কেবল ঈশ্বরই শেখাতে পারেন।
=== ''অন দ্য স্পিরিট অব জিওমেট্রি'' ===
* সরাসরি সত্যের মালিক হওয়ার বিশ্বাস মানুষের এক স্বাভাবিক মানসিক ব্যাধি।
*** ১ম বিভাগ
=== ''দ্য আর্ট অব পারসুয়েশন'' ===
* মতবাদগুলো আত্মার দুটি প্রধান ক্ষমতার মাধ্যমে গৃহীত হয়: বুদ্ধি এবং ইচ্ছা।
* **মানুষ প্রমাণের চেয়ে আকর্ষণের মাধ্যমে বিশ্বাস করতে বেশি পছন্দ করে।** এটি একটি নীচ ও অপ্রাসঙ্গিক পথ, তাই সবাই একে অস্বীকার করে। প্রত্যেকেই দাবি করে যে সে যা জানে কেবল তা-ই বিশ্বাস ও ভালোবাসা করে।
* আমি এখানে ঐশ্বরিক সত্যের কথা বলছি না কারণ তা প্রকৃতির ঊর্ধ্বে। **কেবল ঈশ্বরই আত্মায় সেই সত্য স্থাপন করতে পারেন।** তিনি চেয়েছেন সেই সত্য যেন মন থেকে হৃদয়ে না এসে বরং হৃদয় থেকে মনে প্রবেশ করে। এটি মানুষের অহংকারী যুক্তিকে দমন করে এবং কলুষিত ইচ্ছাকে এটি পরিশোধিত করে।
* '''পার্থিব জিনিসের ক্ষেত্রে আমরা বলি যে কোনো কিছু ভালোবাসার আগে তা জানতে হয়। অন্যদিকে পবিত্র জিনিসের ক্ষেত্রে মহাত্মারা বলেন যে কোনো কিছু জানার আগে তাকে ভালোবাসতে হয়। কেবল ভালোবাসার মাধ্যমেই আমরা সত্যে প্রবেশ করতে পারি।'''
* তারা [মানুষ] ঐশ্বরিক নিয়মকে কলুষিত করেছে। কারণ মানুষ সাধারণত যা তাকে আনন্দ দেয় তা ছাড়া অন্য কিছু খুব কমই বিশ্বাস করে।
* ঈশ্বর মানুষের বুদ্ধিতে তখনই আলো দান করেন যখন তিনি মানুষের জেদি ইচ্ছাকে স্বর্গীয় নম্রতা দিয়ে জয় করেন।
* মন এবং হৃদয় হলো সত্য প্রবেশের দুটি পথ। তবে বুদ্ধির চেয়ে ইচ্ছার খামখেয়ালিপনায় অনেক বেশি সত্য (বা মিথ্যা) আত্মায় প্রবেশ করে।
* বেশ কিছু বিশেষ নীতি সত্যের মতোই জোরালোভাবে মানুষকে বিশ্বাসের দিকে টানে, যদিও সেগুলো আসলে মিথ্যা।
* কোনো বিষয় তাকে পরম আনন্দের দিকে নিয়ে যেতে পারে— আত্মা এটি বুঝতে পারার সাথে সাথেই তা সানন্দে গ্রহণ করে।
* **সত্য ও আনন্দের** মধ্যে যখন দ্বন্দ্ব বাধে, তখন জয়-পরাজয় অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এটি বোঝার জন্য মানুষের অন্তরের গহীন খবর জানা প্রয়োজন যা মানুষ নিজেও সবসময় জানে না।
* **কাউকে রাজি করাতে হলে ওই ব্যক্তির মন এবং হৃদয় সম্পর্কে জানা জরুরি।** তার মূলনীতিগুলো কী এবং সে কী ভালোবাসে তা বুঝতে হবে।
* **প্ররোচনা বা প্রবোধ দেওয়ার শিল্প যতটা না বোঝানোর, তার চেয়ে বেশি তুষ্ট করার। কারণ মানুষ যুক্তির চেয়ে খামখেয়ালিপনা দ্বারা বেশি পরিচালিত হয়!**
* আনন্দের উৎসগুলো স্থির নয়। প্রতিটি মানুষের ক্ষেত্রে এগুলো ভিন্ন এবং সময়ে সময়ে পরিবর্তনশীল। একজন মানুষ ভিন্ন সময়ে নিজের চেয়েও অনেক বেশি আলাদা হয়ে যায়।
* এমন কোনো সত্য নেই যা নিয়ে আমরা সবসময় একমত থাকি। আবার আমাদের আনন্দের বিষয়গুলোও প্রতি ঘণ্টায় বদলে যায়। মানুষের খামখেয়ালিপনা অনুযায়ী কথা বলার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম আছে কি না আমি জানি না।
* **প্রমাণ বা যুক্তির নিখুঁত পদ্ধতি তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত:** স্পষ্ট সংজ্ঞার মাধ্যমে পদের ব্যাখ্যা দেওয়া, প্রমাণিত নীতি বা স্বতঃসিদ্ধ প্রস্তাব করা এবং প্রমাণের সময় পদের বদলে সবসময় তার সংজ্ঞা ব্যবহার করা।
* যদি ভিত্তি মজবুত না হয়, তবে অট্টালিকাও নিরাপদ হয় না।
* সংজ্ঞায়ন, স্বতঃসিদ্ধ সত্য এবং প্রমাণের নিখুঁত পদ্ধতির জন্য জ্যামিতিক প্রমাণের কিছু নিয়মই যথেষ্ট।
* **সংজ্ঞায়নের নিয়ম:** ১. কোনো সুপরিচিত বিষয়কে সংজ্ঞায়িত করতে যাবেন না যা ব্যাখ্যা করার জন্য আরও স্পষ্ট শব্দ নেই। ২. অস্পষ্ট বা দ্ব্যর্থবোধক কোনো শব্দকে সংজ্ঞা ছাড়া রাখবেন না। ৩. সংজ্ঞায় কেবল পরিচিত বা আগে ব্যাখ্যা করা হয়েছে এমন শব্দই ব্যবহার করবেন।
* **স্বতঃসিদ্ধ সত্যের নিয়ম:** ১. প্রয়োজনীয় কোনো নীতি বা বিষয় যত স্পষ্টই হোক না কেন, তা জিজ্ঞাসা করা থেকে বিরত থাকবেন না। ২. কেবল নিজের মধ্যে স্পষ্ট বিষয়গুলোই স্বতঃসিদ্ধ হিসেবে দাবি করবেন।
* **প্রমাণের নিয়ম:** ১. খুব বেশি স্পষ্ট কোনো বিষয় প্রমাণ করতে যাবেন না যা প্রমাণ করার মতো সহজ কিছু আর নেই। ২. সব অস্পষ্ট প্রস্তাবনা প্রমাণ করুন এবং প্রমাণের ক্ষেত্রে কেবল খুব স্পষ্ট স্বতঃসিদ্ধ বা আগে প্রমাণিত প্রস্তাবনা ব্যবহার করুন। ৩. দ্ব্যর্থতা এড়াতে প্রমাণের সময় মানসিক ভাবে পদের জায়গায় তার সংজ্ঞা বসান।
* ওপরের আটটি নিয়ম যে কোনো মজবুত প্রমাণের জন্য যথেষ্ট। এর মধ্যে পাঁচটি নিয়ম অপরিহার্য যা ছাড়া কোনো প্রমাণ সম্পন্ন করা সম্ভব নয়।
* নিয়মের অভাব বা কঠিন অনুশীলনের কারণে এগুলো অনেকের কাছেই অপরিচিত।
* **এই নিয়মগুলো খুব সাধারণ— এমন আপত্তির বিপরীতে আমার কথা হলো:** জ্যামিতিবিদরা ছাড়া পুরো জাতির মধ্যে খুব কম মানুষই এই নিয়মগুলো জানে।
* যারা এই নিয়মগুলো আয়ত্ত করেছেন, তারা বুঝতে পারবেন যে সাধারণ যুক্তিবিদরা যা লিখেছেন তার সাথে এর পার্থক্য কতটা বিশাল।
* একই কথা যারা বলেন, তারা সবাই বিষয়টিকে একইভাবে ধারণ করেন না। একজন মানুষের সামর্থ্য কেবল তার একটি ভালো উক্তি শুনে বিচার করা উচিত নয়। আমাদের উচিত তার মনের গভীরে প্রবেশ করা। অনেক সময় দেখা যায় সে নিজেই তার ওই ভালো চিন্তাটি বিশ্বাস করে না এবং কোনো তুচ্ছ বিষয়ের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
* **'বস্তু প্রাকৃতিকভাবেই চিন্তায় অক্ষম'** এবং **'আমি চিন্তা করি, তাই আমি আছি'**— রেনে দেকার্ত এবং সেন্ট অগাস্টিনের কাছে কি এই নীতি দুটি আসলে একই ছিল? অগাস্টিন বারোশ বছর আগেই একই কথা বলেছিলেন। আমি বলছি না দেকার্ত এর রচয়িতা নন। তবে কেবল কোনো কথা বলা এবং সেই কথা থেকে চমৎকার সব সিদ্ধান্ত বের করে একটি পূর্ণাঙ্গ আধিভৌতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার মধ্যে বিশাল পার্থক্য আছে।
* কোনো এক ব্যক্তি নিজের অজান্তেই একটি চমৎকার কথা বলতে পারেন। কিন্তু অন্য কেউ হয়তো সেই একই কথার মধ্যে অসামান্য সব সিদ্ধান্তের সমাহার খুঁজে পান। ফলস্বরূপ উক্তিটি আর আগের মতো থাকে না। কোনো উক্তি যেখান থেকে শেখা হয়েছে তার প্রতি ঋণ ঠিক ততটুকুই, যতটুকু একটি সুন্দর গাছ সেই ব্যক্তির প্রতি ঋণী যে অনিচ্ছাকৃত ভাবে উর্বর মাটিতে বীজ ফেলেছিল।
* **যুক্তিবিদ্যা হয়তো জ্যামিতির নিয়মগুলো ধার করেছে কিন্তু সেগুলোর শক্তি বুঝতে পারেনি।** এই বিজ্ঞানই যুক্তি পরিচালনার সঠিক পদ্ধতি শেখায়।
* **ভুল না করার পদ্ধতি সবাই খোঁজে।** যুক্তিবিদরা পথ দেখানোর দাবি করেন কিন্তু কেবল জ্যামিতিবিদরাই তা অর্জন করতে পারেন। বিজ্ঞান এবং এর অনুসরণ ছাড়া আর কোনো প্রকৃত প্রমাণ নেই।
* **ভালো জিনিস সবখানেই আছে, কেবল সেগুলো বেছে নেওয়া প্রয়োজন।** এটি নিশ্চিত যে সেগুলো প্রাকৃতিক এবং সবার নাগালের মধ্যেই থাকে।
* **শ্রেষ্ঠত্ব কোনো অসাধারণ বা কাল্পনিক জিনিসের মধ্যে নেই।** একে পেতে হলে আমাদের অনেক সময় নিচু হতে হয়।
* শ্রেষ্ঠ বই সেগুলোই যা পড়ার পর পাঠকের মনে হয় তিনি নিজেও তা লিখতে পারতেন।
* **প্রকৃতিই একমাত্র ভালো যা সবার কাছে পরিচিত এবং সাধারণ।**
* আমি নিশ্চিত যে এই নিয়মগুলো সহজ, কৃত্রিমতাহীন এবং স্বাভাবিক।
* মনকে জোর করা উচিত নয়। কৃত্রিম আচরণ সলিড খাবারের বদলে মনকে কেবল অন্তঃসারশূন্য অহংকারে পূর্ণ করে।
* **মানুষের একটি প্রধান ভুল হলো তারা মনে করে ভালো জিনিসগুলো দুর্লভ এবং উঁচু স্তরের। তারা এগুলোকে 'মহান, উচ্চ বা মহৎ' নাম দেয়। আমি এগুলোকে 'সাধারণ ও পরিচিত' বলতে পছন্দ করি।** কারণ এই নামগুলোই বেশি মানানসই। আমি আড়ম্বরপূর্ণ শব্দ অপছন্দ করি।
== পাস্কাল সম্পর্কে উক্তি ==
* {{w|Lettres provinciales|''প্রোভিনশিয়াল লেটার্স''}} এবং ছোটখাটো ধর্মীয় রচনাগুলো লেখার পরের বছরগুলোতে পাস্কাল খ্রিস্টধর্মের প্রসারে নিজের জীবন উৎসর্গ করতে শুরু করেন। এই কার্যক্রমের মূলে ছিল তার বিখ্যাত কাজ [[পঁসে|''পঁসে'' (Thoughts)]]। এটি মূলত ১৬৫৭ থেকে ১৬৫৮ সালের দিকে লেখা। অনেক সমালোচকের মতে, এটি অজ্ঞেয়বাদী ও নাস্তিকদের ধর্মীয় বিশ্বাসে ফিরিয়ে আনার সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী প্রচেষ্টাগুলোর একটি। তবে এটি মূলত একটি অসমাপ্ত কাজ।
** {{w|Donald Adamson}}, ''ব্লেইজ পাস্কাল: গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং ঈশ্বর চিন্তক'' (১৯৯৪)।
* আমি খুব ভাগ্যবান ছিলাম। শৈশবে কৌতূহলী হওয়ার পাশাপাশি আমি কিছুটা শারীরিক প্রতিবন্ধকতার শিকার ছিলাম। তাই হাতের কাছে যা পেতাম তা-ই পড়তাম। আমার স্মরণশক্তি এবং কাজ করার শক্তিও প্রচুর। এটি একটি আশীর্বাদ। আমি এখনও নতুন কিছু শেখার জন্য তৃষ্ণার্ত। সব তরুণের মধ্যে এই গুণ থাকে না। তাদের অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া উচিত এবং মানবজাতির মহান চিন্তাগুলোর সাথে পরিচিত হওয়া উচিত। প্রত্যেকেরই ভাবা উচিত— "আমি কেন এখানে? এই পৃথিবীতে আমার কাজ কী?" অ্যারিস্টটল এবং প্লেটোকে জানা খুব জরুরি। জীবনকে সহজ করতে হলে লিওপোল্ড এবং পাস্কালকে জানা একান্ত প্রয়োজন।
** [[মায়া অ্যাঞ্জেলো|মায়া অ্যাঞ্জেলোর]] সাথে কথোপকথন (১৯৮৯), ১৯৮৬ সালের সাক্ষাৎকার।
* এটি তাৎপর্যপূর্ণ যে আমরা ব্লেইজ পাস্কালের মেধার মাধ্যমেই ''[[গাণিতিক আরোহ বিধি|পুনরাবৃত্তি নীতি]]'' (principle of recurrence)-র প্রথম সুষ্পষ্ট ধারণা পাই। ১৬৫৪ সালে প্রকাশিত ''দ্য [[w:Pascal's triangle|অ্যারিথমেটিক ট্রায়াঙ্গেল]]'' নামক একটি গবেষণাপত্রে তিনি এই নীতি ব্যাখ্যা করেন। পাস্কাল ও [[পিয়ের দ্য ফের্মা|ফের্মার]] মধ্যে জুয়া খেলার সমস্যা নিয়ে আদান-প্রদান করা চিঠিপত্রেই এই কাজের মূল নির্যাস ছিল। এই যোগাযোগ থেকেই আধুনিক সম্ভাবনা তত্ত্ব (theory of probabilities) গড়ে উঠেছে। এটি বিস্ময়কর যে বিশুদ্ধ গণিতের ভিত্তি এবং সব ডিডাক্টিভ বিজ্ঞানের মূল আধার এই তত্ত্ব দুটি জুয়াড়িদের একটি অসমাপ্ত খেলার বাজি ভাগ করার কৌশল খুঁজতে গিয়ে আবিষ্কৃত হয়েছিল।
** [[Tobias Dantzig]], ''নাম্বার: দ্য ল্যাঙ্গুয়েজ অব সায়েন্স'' (১৯৩০)।
* একটি কার্যকর ধর্ম সম্পর্কে পাস্কাল যা বলেছিলেন তা যেকোনো কার্যকর মতবাদের ক্ষেত্রেই সত্য: একে অবশ্যই "প্রকৃতি, সাধারণ জ্ঞান এবং আনন্দের প্রতিকূলে" হতে হবে।
** [[Eric Hoffer]], ''দ্য ট্রু বিলিভার'' (১৯৫১)।
* মানুষ অসীমভাবে মানুষকে ছাড়িয়ে যায়।
** [[পোপ পল ষষ্ঠ]], ''এনসাইক্লিক্যাল পপুলোরাম প্রগ্রেসীয়'' (১৯৬৭)।
* পাস্কাল অবজ্ঞার সাথে বলেছিলেন যে সাধারণ শ্রমিকরা তথাকথিত 'দার্শনিকদের' ভুল ধরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। মূলত এই অশিক্ষিত মানুষরাই 'নিজেদের চোখে দেখা এবং হাতে স্পর্শ করা' বিষয়গুলো বিশ্বাস করতে বেশি প্রস্তুত ছিল।
** [[Reijer Hooykaas]], ''রিলিজিয়ন অ্যান্ড দ্য রাইজ অব মডার্ন সায়েন্স'' (২০০০)।
* দর্শনচর্চা মানেই হলো মানুষের গুরুত্ব এবং তার মর্যাদাকে পুনপ্রতিষ্ঠা করা। সক্রেটিসের অন্বেষণ এবং বিজ্ঞানের কার্তেসীয় বিপ্লবের মুখে পাস্কালের উদ্বেগের মূল অর্থ ছিল এটাই। এই বিচারে পাস্কাল [[সক্রেটিস|সক্রেটিসের]] চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ একজন দার্শনিক। বিজ্ঞান মানুষকে সৃষ্টির সেরা জীব থেকে সরিয়ে দেওয়ার যে দাবি করেছিল, পাস্কালই প্রথম তার তীব্র প্রতিবাদ জানান। কেন বিজ্ঞান মানুষের হৃদয়ে আনন্দ দিতে বা জীবনের অর্থ খুঁজে পেতে ব্যর্থ, তা পাস্কালের চেয়ে ভালো কেউ প্রমাণ করতে পারেনি।
** [[w:Thomas Molnar|থমাস মোলনার]], ''দ্য ডিক্লাইন অব দ্য ইন্টেলেকচুয়াল'' (১৯৬১)।
* পাস্কাল কোনো কূপমণ্ডূক ছিলেন না। তবে তিনি পরিমাপ করেছিলেন যে বিজ্ঞান মানুষের ভাগ্যের সমস্যার ক্ষেত্রে কতটা অপ্রাসঙ্গিক হতে পারে। বিজ্ঞান মানুষের অভিজ্ঞতার সীমাবদ্ধতা ও অপূর্ণতাকে উপেক্ষা করে যে সত্যের দাবি করে, তা বাস্তবসম্মত নয়। বরং আমাদের সহজাত সামর্থ্যগুলোই অস্তিত্বের লড়াইয়ে টিকে থাকার একমাত্র ও অপরিহার্য হাতিয়ার।
** [[w:Thomas Molnar|থমাস মোলনার]], ''দ্য ডিক্লাইন অব দ্য ইন্টেলেকচুয়াল'' (১৯৬১)।
* পাস্কাল হলেন [[রেনে দেকার্ত|দেকার্তের]] একজন বিচক্ষণ সমালোচক। তিনি দেকার্তের সবকিছুর বিরোধিতা না করলেও মৌলিক কিছু পয়েন্টে দ্বিমত পোষণ করেছেন। প্রথমত, তিনি বুঝেছিলেন যে দেকার্তের নিশ্চিত জ্ঞানের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি ভ্রান্ত মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে। দেকার্ত এমন কিছু দিয়ে শুরু করতে চেয়েছিলেন যা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই, যার ফলে তিনি বিশ্বাস করতেন সব প্রকৃত জ্ঞানই প্রযুক্তিগত। পাস্কাল তার সম্ভাব্যতা তত্ত্বের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত এড়িয়ে গেছেন। দ্বিতীয়ত, পাস্কাল উপলব্ধি করেছিলেন যে যেকোনো বাস্তব কাজে কার্তেসীয় যুক্তিই একমাত্র উৎস নয়। মানুষের মন কোনো সচেতন বা সূত্রবদ্ধ কৌশলের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল নয়। অনেক সময় মন কোনো কৌশল ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে কাজ করে। অনুসন্ধানের নিয়মগুলো অতিরিক্ত সুনির্দিষ্ট করতে গিয়ে পদ্ধতির ওপর গুরুত্ব দিলে প্রকৃত অনুসন্ধান বাধাগ্রস্ত হয়। আধুনিক দর্শনের ইতিহাসের বড় একটি অংশ এই প্রশ্নকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে।
** [[Michael Oakeshott]], ''র্যাশনালিজম ইন পলিটিক্স অ্যান্ড আদার এসেস'' (১৯৬২)।
* পাস্কালের 'পঁসে' থেকে কিছু অংশ বেছে নিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়েছে যে তিনি বিশ্বাসের কাছে যুক্তিকে বিসর্জন দিয়ে দর্শনের সম্ভাবনা অস্বীকার করেছেন। আমি দেখাতে চাই যে পাস্কাল সংশয়বাদী ছিলেন না। তার এই কাজে [[বারুখ স্পিনোজা|স্পিনোজা]] বা [[লাইবনিজ|লাইবনিজের]] মতো বিস্তারিত কোনো সিস্টেম না থাকলেও একটি প্রকৃত দর্শনের মূলনীতিগুলো বিদ্যমান। এই ধারণাগুলো পাস্কালের বিশ্বাসের সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। খ্রিস্টধর্ম এবং দর্শনের উচ্চতর দিকগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্য এর চেয়ে ভালো পথ আর নেই।
** [[Félix Ravaisson-Mollien|ফেলিক্স রাভেইসন]], ''সাজি ফিলোসোফিচি'' (১৯১৭)।
* পাস্কাল গণিতের বিষয়বস্তুর সাথে অন্যান্য বিষয়ের পার্থক্য ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি বিষয়গুলোকে কোনো সাধারণ নামে না ডেকে বরং বর্ণনা করেছেন। তার সময়ের ভাষায় বললে এগুলো ছিল নান্দনিক ও নৈতিক প্রকৃতির। মনের যে অনুষদগুলো এই দুই ধরনের বিষয়ের সাথে যুক্ত, তিনি সেগুলোর বৈশিষ্ট্যও তুলে ধরেছেন। বস্তু ও আত্মার পার্থক্যের মতো এই দুই জগতের তফাত পাস্কালের চেয়ে স্পষ্ট করে আর কেউ বুঝতে পারেনি।
** [[Félix Ravaisson-Mollien|ফেলিক্স রাভেইসন]], ''সাজি ফিলোসোফিচি'' (১৯১৭)।
* পাস্কালই একমাত্র মহান গণিতবিদ যিনি লেখক হিসেবেও সমভাবে বিখ্যাত। তার জ্যানসেনবাদী আদর্শের একটি স্থায়ী প্রভাব হলো গণপরিবহন ব্যবস্থা। মৃত্যুর কিছুদিন আগে পাস্কাল বিশ্বে প্রথমবারের মতো ওমনিবাস (omnibus) সার্ভিস চালু হতে দেখেন। প্যারিসের নির্দিষ্ট রুটে ৫ স্যু ভাড়ায় এই কোচগুলো চলত। এই আয়ের লাভ দরিদ্রদের সাহায্যের জন্য দেওয়া হতো।
** [[w:John Stillwell|জন স্টিলওয়েল]], ''ম্যাথমেটিক্স অ্যান্ড ইটস হিস্ট্রি'' (১৯৮৯)।
* জীবন্ত দেহকে একটি যন্ত্র হিসেবে বিবেচনা করা পাস্কালের কাছে অত্যন্ত অগ্রহণযোগ্য ও হাস্যকর মনে হতো।
** [[w:D'Arcy Wentworth Thompson|ডি'আর্সি ওয়েন্টওয়ার্থ থম্পসন]], ''অন গ্রোথ অ্যান্ড ফর্ম'' (১৯১৭)।
* পাস্কালের বিপরীতে আমি বলি: ইব্রাহিম, ইসহাক ও ইয়াকুবের ঈশ্বর এবং দার্শনিকদের ঈশ্বর একই।
** [[Paul Tillich]], ''বিবলিক্যাল রিলিজিয়ন অ্যান্ড দ্য সার্চ ফর আলটিমেট রিয়েলিটি''।
* পাস্কালের 'থটস' বা 'পঁসে' কোনো সাধারণ বই নয়। এই মহান ব্যক্তি তার শক্তিশালী মনে যখন যা আসত তা-ই কাগজে লিখে রাখতেন। গুরুতর অসুস্থতা তাকে নিষ্ক্রিয় করে দেওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি এটি চালিয়ে গেছেন। পরবর্তীকালে এই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা চিন্তাগুলোকে সুশৃঙ্খল করার জন্য অনেক চেষ্টা করা হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে সাফল্যও মিলেছে। তবে কখনও কখনও লেখকের মূল উদ্দেশ্য ভুলভাবেও ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
** [[Alexandre Rodolphe Vinet]], ''স্টাডিজ অন পাস্কাল'' (১৮৫৯)।
* পাস্কাল ধর্মের পক্ষে বিশেষ কিছুই প্রমাণ করতে পারেননি। বরং তিনি এটিই দেখিয়েছেন যে একজন প্রতিভাবান মানুষও কোনো কোনো বিষয়ে বোকা হতে পারেন। যখন কেউ নিজের কুসংস্কারের কথা শোনার মতো দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন সে শিশুর মতোই আচরণ করে।
** [[Baron d'Holbach]], ''গুড সেন্স উইদাউট গড'' (১৭৭২)।
tnc2r5o83552gid3814tmhiwtiut066
74068
74067
2026-04-06T08:11:51Z
SMontaha32
3112
74068
wikitext
text/x-wiki
[[File:Blaise Pascal Versailles.JPG|thumb|[[দর্শন|দর্শনের]] গুরুত্ব কমিয়ে দেখা এক ধরনের [[সত্য|প্রকৃত]] দার্শনিকতা।]]
'''ব্লেইজ পাস্কাল''' (১৯ জুন ১৬২৩ – ১৯ আগস্ট ১৬৬২) ছিলেন একজন ফরাসি [[গণিতবিদ]], [[যুক্তিবিদ]], [[পদার্থবিদ]] এবং [[ধর্মতত্ত্ববিদ]]।
:'''দ্রষ্টব্য: ''[[পঁসে]]'' থেকে নেওয়া সব উক্তি ওই পাতায় পাওয়া যাবে।'''
== উক্তি ==
[[File:Blaise Pascal 2.jpg|thumb|মানুষ সাধারণত প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং যা তাদের কাছে [[আকর্ষণীয়]] মনে হয় তার ভিত্তিতেই কোনো কিছু [[বিশ্বাস|বিশ্বাস করে]]।]]
[[File:Blaise_pascal.jpg|thumb|[[আবির্ভাব|দৃশ্যমান বিষয়ের]] অস্থিরতা সবসময় আমাদের [[যুক্তি|যুক্তিকে]] হতাশ করে।]]
[[File:Pascal Pajou Louvre RF2981.jpg|thumb|কোনো [[কাজ]] শেষ করার পরপরই তা দেখলে আমরা এতে খুব বেশি মগ্ন থাকি। আবার অনেক পরে দেখলে আমরা এর যোগসূত্র খুঁজে পাই না।]]
* বার্ধক্য যেমন শৈশব থেকে জীবনের সবচেয়ে দূরবর্তী সময়, তেমনি এই বিশ্বজনীন মানুষের ক্ষেত্রেও কি তার জন্মের নিকটবর্তী সময়ের চেয়ে দূরবর্তী সময়ে বার্ধক্য খোঁজা উচিত নয়?
** ''প্রিফেস টু দ্য ট্রিটিজ অন ভ্যাকুয়াম'' (১৬৫১)
* {{anchor|Pascal plus longue}}''Je n'ai fait celle-ci plus longue que parce que je n'ai pas eu le loisir de la faire plus courte.''
** '''আমি আরও ছোট চিঠি লিখতাম, কিন্তু আমার হাতে পর্যাপ্ত সময় ছিল না।'''
*** ''প্রোভিনশিয়াল লেটার্স'': [https://ebooks.adelaide.edu.au/p/pascal/blaise/p27pr/part17.html ১৬তম চিঠি (৪ ডিসেম্বর ১৬৫৬)]
** আক্ষরিক অর্থ: '''আমি এই চিঠিটি দীর্ঘ করেছি কারণ এটি ছোট করার মতো অবসর আমার ছিল না।'''
** এ ধরনের উক্তি [[মার্ক টোয়েন]], [[টি. এস. এলিয়ট]], [[সিসেরো]]সহ অন্যদের নামেও প্রচলিত। তবে ‘কোট ইনভেস্টিগেটর’-এর নিবন্ধ অনুযায়ী পাস্কালের এই উক্তিটিই সম্ভবত মূল উৎস।
* '''মানুষ সাধারণত প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং যা তাদের কাছে আকর্ষণীয় মনে হয় তার ভিত্তিতেই কোনো কিছু বিশ্বাস করে।'''
** ''দ্য আর্ট অব পারসুয়েশন'' (১৬৫৮ সালে লেখা; মরণোত্তর প্রকাশিত)।
* মুহাম্মদ তার শত্রুদের হত্যার মাধ্যমে একটি ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন; অন্যদিকে যিশু খ্রিস্ট তার অনুসারীদের প্রাণ উৎসর্গ করার নির্দেশ দিয়ে ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন।
** [http://books.google.pt/books?id=MGkNAAAAYAAJ&pg=PA202&dq=%22Mahomet+established+a%22&hl=pt-PT&sa=X&ei=oZmPU-fCDemp7Ab7s4HQAg&ved=0CCsQ6AEwAA#v=onepage&q=%22Mahomet%20established%20a%20religion%22&f=false ''থটস অন রিলিজিয়ন অ্যান্ড ফিলোসফি''] (ডব্লিউ. কলিন্স, ১৮৩৮), অধ্যায় ১৬, পৃষ্ঠা ২০২।
* ''FEU. Dieu d'Abraham, Dieu d'Isaac, Dieu de Jacob, non des philosophes et savants. Certitude. Certitude. Sentiment. Joie. Paix.''
** '''আগুন। ইব্রাহিমের ঈশ্বর, ইসহাকের ঈশ্বর, ইয়াকুবের ঈশ্বর; দার্শনিক বা পণ্ডিতদের ঈশ্বর নন। নিশ্চয়তা। নিশ্চয়তা। অনুভূতি। আনন্দ। শান্তি।'''
** পাস্কালের মৃত্যুর পর তার কোটের আস্তরে সেলাই করা একটি চর্মকাগজে এই নোটটি পাওয়া যায়।
* যখন আমি আমার ক্ষণস্থায়ী জীবনের কথা ভাবি যা আগের এবং পরের অনন্তকালের মধ্যে বিলীন, তখন আমার ক্ষুদ্র অস্তিত্ব আমাকে আতঙ্কিত করে। আমি অনন্ত বিশালতার মাঝে এক নগণ্য স্থান জুড়ে আছি যার সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না এবং যা আমার সম্পর্কে কিছুই জানে না। আমি অবাক হই যে কেন আমি অন্য কোথাও না হয়ে এখানে আছি। এখন না হয়ে কেন তখন জন্মাইনি তারও কোনো কারণ নেই। কে আমাকে এখানে পাঠিয়েছেন? কার নির্দেশে এই স্থান ও সময় আমার জন্য নির্ধারিত হয়েছে?
** "মানুষের সীমাবদ্ধতা", ''দ্য থটস অব ব্লেইজ পাস্কাল'' (১৮৮৫)।
* **এই অনন্ত মহাশূন্যের চিরন্তন নিস্তব্ধতা আমাকে আতঙ্কিত করে।**
=== ''ডিসকোর্সেস অন দ্য কন্ডিশন অব দ্য গ্রেট'' ===
* আপনার প্রকৃত অবস্থা বুঝতে এই উদাহরণটি কল্পনা করুন: এক ব্যক্তি ঝড়ের কবলে পড়ে এক অজানা দ্বীপে পৌঁছান। দ্বীপবাসীরা তাদের হারিয়ে যাওয়া রাজাকে খুঁজছিল। ওই ব্যক্তির চেহারা ও গড়ন রাজার মতো হওয়ায় সবাই তাকে রাজা হিসেবে মেনে নেয়।
* তার মনে দুটি ভাবনা কাজ করছিল: একটি হলো রাজার মতো কাজ করা এবং অন্যটি হলো তার আসল অবস্থা সম্পর্কে সচেতন থাকা। সে জানত যে কেবল দুর্ঘটনাবশত সে এই অবস্থায় পৌঁছেছে।
* '''ভাববেন না যে আপনি যে সম্পদের মালিক হয়েছেন তা ওই ব্যক্তির রাজা হওয়ার চেয়ে কম আকস্মিক কিছু।'''
* আইনপ্রণেতারা যদি নিয়ম করতেন যে এই সম্পদ মৃত্যুর পর রাষ্ট্রের কাছে ফিরে যাবে, তবে আপনার অভিযোগ করার কোনো উপায় থাকত না।
* '''প্রাকৃতিক অধিকার নয়, বরং মানবিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই আপনি আপনার সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।'''
* আপনার এই অধিকার কোনো ব্যক্তিগত যোগ্যতা বা গুণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়নি। আপনার আত্মা বা শরীর একজন মাঝির বা একজন সামন্ত প্রভুর হওয়ার ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক কোনো পার্থক্য নেই। কোনো প্রাকৃতিক বন্ধনই এগুলোকে নির্দিষ্ট একটি অবস্থার সাথে আটকে রাখে না।
* '''সামাজিকভাবে পদমর্যাদা অনুযায়ী চললেও মনের ভেতরে আপনার স্বীকার করা উচিত যে আপনি জন্মগতভাবে অন্যদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ নন।'''
* '''জনসাধারণের ভাবনা যদি আপনাকে সাধারণ মানুষের উপরে তুলে ধরে, তবে আপনার ভেতরের ভাবনাটি যেন আপনাকে নম্র রাখে এবং সবার সাথে সমান অবস্থানে ধরে রাখে। এটিই আপনার স্বাভাবিক অবস্থা।'''
* নিজেকে অন্যের চেয়ে উচ্চতর ভেবে ভুল করবেন না।
* জনগণের ভুলে রাজা হওয়া ব্যক্তি যদি নিজের স্বাভাবিক অবস্থা ভুলে নিজেকে যোগ্য ভাবতে শুরু করেন, তবে আপনি তার **নির্বুদ্ধিতা ও মূর্খতা** দেখে অবাক হবেন। কিন্তু নিজেদের স্বাভাবিক অবস্থা ভুলে থাকা উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও কি একই কথা খাটে না?
* **উচ্চবিত্তদের সব বাড়াবাড়ি, সহিংসতা এবং অহংকার আসে নিজেদের পরিচয় সম্পর্কে অজ্ঞতা থেকে।** যারা মনেপ্রাণে নিজেদের সবার সমান মনে করে, তাদের পক্ষে শ্রেষ্ঠত্বের বড়াই করা কঠিন। শ্রেষ্ঠত্বের এই ভ্রম বজায় রাখতে হলে একজনকে নিজের আসল পরিচয় ভুলতে হয়।
* '''আপনি যদি আমার কাছে শ্রদ্ধা আশা করেন, তবে আমাকে আপনার এমন গুণ দেখান যা শ্রদ্ধার যোগ্য। আপনি তা দেখাতে পারলে আমি আপনাকে শ্রদ্ধা করব এবং তা ন্যায়সংগত হবে। কিন্তু আপনি তা না করলে আমার কাছে শ্রদ্ধা দাবি করা আপনার অন্যায় হবে। আপনি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ রাজপুত্র হলেও আপনি তাতে সফল হবেন না।'''
* '''আপনার মতে একজন বড় অভিজাত হওয়ার মানে কী? এর অর্থ হলো মানুষের কাঙ্ক্ষিত অনেক কিছুর মালিক হওয়া এবং অনেকের চাহিদা পূরণ করতে পারা। এই অভাব ও চাহিাই মানুষকে আপনার দিকে টানে এবং আপনার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য করে। এগুলো না থাকলে তারা আপনার দিকে ফিরেও তাকাত না।'''
* **ঈশ্বর ভালোবাসায় পূর্ণ মানুষ দ্বারা পরিবেষ্টিত** যারা তার কাছে ভালোবাসা চায়। তাই তিনি মূলত ভালোবাসার রাজা।
* একইভাবে আপনিও একদল আগ্রহী মানুষ দ্বারা পরিবেষ্টিত। তারা আপনার কাছে তাদের চাহিদা মেটানোর সুযোগ চায়। তাই আপনি মূলত আকাঙ্ক্ষা বা চাহিদার রাজা। **মানুষ যা চায় তার মালিকানাই আপনার ক্ষমতার উৎস।**
* আপনার প্রাকৃতিক শক্তি বা ক্ষমতার কারণে মানুষ আপনার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য হয়নি। তাই শক্তি দিয়ে তাদের শাসন করবেন না বা তাদের সাথে রূঢ় আচরণ করবেন না। **তাদের যুক্তিসঙ্গত চাহিদাগুলো পূরণ করুন।** মানুষের উপকার করার মাধ্যমে আনন্দ খুঁজলে আপনি আকাঙ্ক্ষার প্রকৃত রাজা হতে পারবেন।
* কিছু মানুষ লোভ, নৃশংসতা, সহিংসতা বা ব্যভিচারের মাধ্যমে কত অনর্থকভাবে নিজেকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়! নিজেকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাওয়া সবসময়ই চরম বোকামি। মানুষের উচিত আকাঙ্ক্ষা ও এর রাজত্বকে তুচ্ছ করে সেই ভালোবাসার রাজ্যের আকাঙ্ক্ষা করা, যেখানে সবাই ভালোবাসা ছাড়া আর কিছুই চায় না।
=== ''কনভারসেশন অন এপিকটেটাস অ্যান্ড মনটেইন'' ===
* আমি দেখেছি যে তারা [এপিকটেটাস ও মনটেইন] বিশ্বের দুটি বিখ্যাত মতবাদের শ্রেষ্ঠ রক্ষক এবং যুক্তিপূর্ণ। তাদের দেখানো পথ দুটি হলো: হয় ঈশ্বর আছেন এবং তিনিই পরম কল্যাণ; অথবা তিনি অনিশ্চিত এবং তখন প্রকৃত কল্যাণও অনিশ্চিত।
* আমি যেমন এই গবেষণায় দেখানোর চেষ্টা করেছি, প্রকৃতিতে তার প্রতিটি কাজের মাধ্যমে ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণের চেষ্টার চেয়ে মানুষের মনের সেই চেষ্টাকে বিবেচনা করা অনেক বেশি ন্যায়সংগত।
* এই দুই মতবাদের ভুলের মূল কারণ হলো তারা মানুষের বর্তমান অবস্থা যে সৃষ্টির সময়ের চেয়ে ভিন্ন, তা জানতেন না। এক পক্ষ মানুষের আদি মহত্ত্ব দেখে তার বর্তমান কলুষতা ভুলে প্রকৃতির ওপর অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয়ে **অহংকারের** জন্ম দেয়। অন্য পক্ষ বর্তমান দুর্দশা দেখে আদি মর্যাদা ভুলে হতাশায় ডুবে যায়।
* মানুষের এই দুই অবস্থা—মহত্ত্ব ও দুর্বলতা—একসাথে না জানলে মানুষ হয় অহংকারী নতুবা অলস হয়ে পড়ে। ঐশ্বরিক অনুগ্রহ পাওয়ার আগে সব মানুষই এই দুই দোষের শিকার হয়।
* **একজন মানুষের কর্তব্য জানলেও তার অক্ষমতা সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় সে উদ্ধত হয়। অন্যজন অক্ষমতা জানলেও কর্তব্য সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় অলস হয়ে পড়ে। সুসমাচারের সত্য এই দুই বৈপরীত্যের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করে। এটি সত্যকে গ্রহণ করে এবং মিথ্যাকে বর্জন করে এক স্বর্গীয় প্রজ্ঞা তৈরি করে।**
* জগতের দার্শনিকরা একই বিষয়ের মধ্যে বৈপরীত্য খোঁজেন। অন্যদিকে বিশ্বাস আমাদের শেখায় বৈপরীত্যগুলোকে ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ের ওপর স্থাপন করতে। মানুষের সব দুর্বলতা তার প্রকৃতির অংশ এবং সব শক্তি ঐশ্বরিক অনুগ্রহের দান। এটিই সেই বিস্ময়কর ও নতুন মিলন যা কেবল ঈশ্বরই শেখাতে পারেন।
=== ''অন দ্য স্পিরিট অব জিওমেট্রি'' ===
* সরাসরি সত্যের মালিক হওয়ার বিশ্বাস মানুষের এক স্বাভাবিক মানসিক ব্যাধি।
*** ১ম বিভাগ
=== ''দ্য আর্ট অব পারসুয়েশন'' ===
* মতবাদগুলো আত্মার দুটি প্রধান ক্ষমতার মাধ্যমে গৃহীত হয়: বুদ্ধি এবং ইচ্ছা।
* **মানুষ প্রমাণের চেয়ে আকর্ষণের মাধ্যমে বিশ্বাস করতে বেশি পছন্দ করে।** এটি একটি নীচ ও অপ্রাসঙ্গিক পথ, তাই সবাই একে অস্বীকার করে। প্রত্যেকেই দাবি করে যে সে যা জানে কেবল তা-ই বিশ্বাস ও ভালোবাসা করে।
* আমি এখানে ঐশ্বরিক সত্যের কথা বলছি না কারণ তা প্রকৃতির ঊর্ধ্বে। **কেবল ঈশ্বরই আত্মায় সেই সত্য স্থাপন করতে পারেন।** তিনি চেয়েছেন সেই সত্য যেন মন থেকে হৃদয়ে না এসে বরং হৃদয় থেকে মনে প্রবেশ করে। এটি মানুষের অহংকারী যুক্তিকে দমন করে এবং কলুষিত ইচ্ছাকে এটি পরিশোধিত করে।
* '''পার্থিব জিনিসের ক্ষেত্রে আমরা বলি যে কোনো কিছু ভালোবাসার আগে তা জানতে হয়। অন্যদিকে পবিত্র জিনিসের ক্ষেত্রে মহাত্মারা বলেন যে কোনো কিছু জানার আগে তাকে ভালোবাসতে হয়। কেবল ভালোবাসার মাধ্যমেই আমরা সত্যে প্রবেশ করতে পারি।'''
* তারা [মানুষ] ঐশ্বরিক নিয়মকে কলুষিত করেছে। কারণ মানুষ সাধারণত যা তাকে আনন্দ দেয় তা ছাড়া অন্য কিছু খুব কমই বিশ্বাস করে।
* ঈশ্বর মানুষের বুদ্ধিতে তখনই আলো দান করেন যখন তিনি মানুষের জেদি ইচ্ছাকে স্বর্গীয় নম্রতা দিয়ে জয় করেন।
* মন এবং হৃদয় হলো সত্য প্রবেশের দুটি পথ। তবে বুদ্ধির চেয়ে ইচ্ছার খামখেয়ালিপনায় অনেক বেশি সত্য (বা মিথ্যা) আত্মায় প্রবেশ করে।
* বেশ কিছু বিশেষ নীতি সত্যের মতোই জোরালোভাবে মানুষকে বিশ্বাসের দিকে টানে, যদিও সেগুলো আসলে মিথ্যা।
* কোনো বিষয় তাকে পরম আনন্দের দিকে নিয়ে যেতে পারে— আত্মা এটি বুঝতে পারার সাথে সাথেই তা সানন্দে গ্রহণ করে।
* **সত্য ও আনন্দের** মধ্যে যখন দ্বন্দ্ব বাধে, তখন জয়-পরাজয় অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এটি বোঝার জন্য মানুষের অন্তরের গহীন খবর জানা প্রয়োজন যা মানুষ নিজেও সবসময় জানে না।
* **কাউকে রাজি করাতে হলে ওই ব্যক্তির মন এবং হৃদয় সম্পর্কে জানা জরুরি।** তার মূলনীতিগুলো কী এবং সে কী ভালোবাসে তা বুঝতে হবে।
* **প্ররোচনা বা প্রবোধ দেওয়ার শিল্প যতটা না বোঝানোর, তার চেয়ে বেশি তুষ্ট করার। কারণ মানুষ যুক্তির চেয়ে খামখেয়ালিপনা দ্বারা বেশি পরিচালিত হয়!**
* আনন্দের উৎসগুলো স্থির নয়। প্রতিটি মানুষের ক্ষেত্রে এগুলো ভিন্ন এবং সময়ে সময়ে পরিবর্তনশীল। একজন মানুষ ভিন্ন সময়ে নিজের চেয়েও অনেক বেশি আলাদা হয়ে যায়।
* এমন কোনো সত্য নেই যা নিয়ে আমরা সবসময় একমত থাকি। আবার আমাদের আনন্দের বিষয়গুলোও প্রতি ঘণ্টায় বদলে যায়। মানুষের খামখেয়ালিপনা অনুযায়ী কথা বলার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম আছে কি না আমি জানি না।
* **প্রমাণ বা যুক্তির নিখুঁত পদ্ধতি তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত:** স্পষ্ট সংজ্ঞার মাধ্যমে পদের ব্যাখ্যা দেওয়া, প্রমাণিত নীতি বা স্বতঃসিদ্ধ প্রস্তাব করা এবং প্রমাণের সময় পদের বদলে সবসময় তার সংজ্ঞা ব্যবহার করা।
* যদি ভিত্তি মজবুত না হয়, তবে অট্টালিকাও নিরাপদ হয় না।
* সংজ্ঞায়ন, স্বতঃসিদ্ধ সত্য এবং প্রমাণের নিখুঁত পদ্ধতির জন্য জ্যামিতিক প্রমাণের কিছু নিয়মই যথেষ্ট।
* **সংজ্ঞায়নের নিয়ম:** ১. কোনো সুপরিচিত বিষয়কে সংজ্ঞায়িত করতে যাবেন না যা ব্যাখ্যা করার জন্য আরও স্পষ্ট শব্দ নেই। ২. অস্পষ্ট বা দ্ব্যর্থবোধক কোনো শব্দকে সংজ্ঞা ছাড়া রাখবেন না। ৩. সংজ্ঞায় কেবল পরিচিত বা আগে ব্যাখ্যা করা হয়েছে এমন শব্দই ব্যবহার করবেন।
* **স্বতঃসিদ্ধ সত্যের নিয়ম:** ১. প্রয়োজনীয় কোনো নীতি বা বিষয় যত স্পষ্টই হোক না কেন, তা জিজ্ঞাসা করা থেকে বিরত থাকবেন না। ২. কেবল নিজের মধ্যে স্পষ্ট বিষয়গুলোই স্বতঃসিদ্ধ হিসেবে দাবি করবেন।
* **প্রমাণের নিয়ম:** ১. খুব বেশি স্পষ্ট কোনো বিষয় প্রমাণ করতে যাবেন না যা প্রমাণ করার মতো সহজ কিছু আর নেই। ২. সব অস্পষ্ট প্রস্তাবনা প্রমাণ করুন এবং প্রমাণের ক্ষেত্রে কেবল খুব স্পষ্ট স্বতঃসিদ্ধ বা আগে প্রমাণিত প্রস্তাবনা ব্যবহার করুন। ৩. দ্ব্যর্থতা এড়াতে প্রমাণের সময় মানসিক ভাবে পদের জায়গায় তার সংজ্ঞা বসান।
* ওপরের আটটি নিয়ম যে কোনো মজবুত প্রমাণের জন্য যথেষ্ট। এর মধ্যে পাঁচটি নিয়ম অপরিহার্য যা ছাড়া কোনো প্রমাণ সম্পন্ন করা সম্ভব নয়।
* নিয়মের অভাব বা কঠিন অনুশীলনের কারণে এগুলো অনেকের কাছেই অপরিচিত।
* **এই নিয়মগুলো খুব সাধারণ— এমন আপত্তির বিপরীতে আমার কথা হলো:** জ্যামিতিবিদরা ছাড়া পুরো জাতির মধ্যে খুব কম মানুষই এই নিয়মগুলো জানে।
* যারা এই নিয়মগুলো আয়ত্ত করেছেন, তারা বুঝতে পারবেন যে সাধারণ যুক্তিবিদরা যা লিখেছেন তার সাথে এর পার্থক্য কতটা বিশাল।
* একই কথা যারা বলেন, তারা সবাই বিষয়টিকে একইভাবে ধারণ করেন না। একজন মানুষের সামর্থ্য কেবল তার একটি ভালো উক্তি শুনে বিচার করা উচিত নয়। আমাদের উচিত তার মনের গভীরে প্রবেশ করা। অনেক সময় দেখা যায় সে নিজেই তার ওই ভালো চিন্তাটি বিশ্বাস করে না এবং কোনো তুচ্ছ বিষয়ের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
* **'বস্তু প্রাকৃতিকভাবেই চিন্তায় অক্ষম'** এবং **'আমি চিন্তা করি, তাই আমি আছি'**— রেনে দেকার্ত এবং সেন্ট অগাস্টিনের কাছে কি এই নীতি দুটি আসলে একই ছিল? অগাস্টিন বারোশ বছর আগেই একই কথা বলেছিলেন। আমি বলছি না দেকার্ত এর রচয়িতা নন। তবে কেবল কোনো কথা বলা এবং সেই কথা থেকে চমৎকার সব সিদ্ধান্ত বের করে একটি পূর্ণাঙ্গ আধিভৌতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার মধ্যে বিশাল পার্থক্য আছে।
* কোনো এক ব্যক্তি নিজের অজান্তেই একটি চমৎকার কথা বলতে পারেন। কিন্তু অন্য কেউ হয়তো সেই একই কথার মধ্যে অসামান্য সব সিদ্ধান্তের সমাহার খুঁজে পান। ফলস্বরূপ উক্তিটি আর আগের মতো থাকে না। কোনো উক্তি যেখান থেকে শেখা হয়েছে তার প্রতি ঋণ ঠিক ততটুকুই, যতটুকু একটি সুন্দর গাছ সেই ব্যক্তির প্রতি ঋণী যে অনিচ্ছাকৃত ভাবে উর্বর মাটিতে বীজ ফেলেছিল।
* **যুক্তিবিদ্যা হয়তো জ্যামিতির নিয়মগুলো ধার করেছে কিন্তু সেগুলোর শক্তি বুঝতে পারেনি।** এই বিজ্ঞানই যুক্তি পরিচালনার সঠিক পদ্ধতি শেখায়।
* **ভুল না করার পদ্ধতি সবাই খোঁজে।** যুক্তিবিদরা পথ দেখানোর দাবি করেন কিন্তু কেবল জ্যামিতিবিদরাই তা অর্জন করতে পারেন। বিজ্ঞান এবং এর অনুসরণ ছাড়া আর কোনো প্রকৃত প্রমাণ নেই।
* **ভালো জিনিস সবখানেই আছে, কেবল সেগুলো বেছে নেওয়া প্রয়োজন।** এটি নিশ্চিত যে সেগুলো প্রাকৃতিক এবং সবার নাগালের মধ্যেই থাকে।
* **শ্রেষ্ঠত্ব কোনো অসাধারণ বা কাল্পনিক জিনিসের মধ্যে নেই।** একে পেতে হলে আমাদের অনেক সময় নিচু হতে হয়।
* শ্রেষ্ঠ বই সেগুলোই যা পড়ার পর পাঠকের মনে হয় তিনি নিজেও তা লিখতে পারতেন।
* **প্রকৃতিই একমাত্র ভালো যা সবার কাছে পরিচিত এবং সাধারণ।**
* আমি নিশ্চিত যে এই নিয়মগুলো সহজ, কৃত্রিমতাহীন এবং স্বাভাবিক।
* মনকে জোর করা উচিত নয়। কৃত্রিম আচরণ সলিড খাবারের বদলে মনকে কেবল অন্তঃসারশূন্য অহংকারে পূর্ণ করে।
* **মানুষের একটি প্রধান ভুল হলো তারা মনে করে ভালো জিনিসগুলো দুর্লভ এবং উঁচু স্তরের। তারা এগুলোকে 'মহান, উচ্চ বা মহৎ' নাম দেয়। আমি এগুলোকে 'সাধারণ ও পরিচিত' বলতে পছন্দ করি।** কারণ এই নামগুলোই বেশি মানানসই। আমি আড়ম্বরপূর্ণ শব্দ অপছন্দ করি।
== পাস্কাল সম্পর্কে উক্তি ==
* {{w|Lettres provinciales|''প্রোভিনশিয়াল লেটার্স''}} এবং ছোটখাটো ধর্মীয় রচনাগুলো লেখার পরের বছরগুলোতে পাস্কাল খ্রিস্টধর্মের প্রসারে নিজের জীবন উৎসর্গ করতে শুরু করেন। এই কার্যক্রমের মূলে ছিল তার বিখ্যাত কাজ [[পঁসে|''পঁসে'' (Thoughts)]]। এটি মূলত ১৬৫৭ থেকে ১৬৫৮ সালের দিকে লেখা। অনেক সমালোচকের মতে, এটি অজ্ঞেয়বাদী ও নাস্তিকদের ধর্মীয় বিশ্বাসে ফিরিয়ে আনার সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী প্রচেষ্টাগুলোর একটি। তবে এটি মূলত একটি অসমাপ্ত কাজ।
** {{w|Donald Adamson}}, ''ব্লেইজ পাস্কাল: গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং ঈশ্বর চিন্তক'' (১৯৯৪)।
* আমি খুব ভাগ্যবান ছিলাম। শৈশবে কৌতূহলী হওয়ার পাশাপাশি আমি কিছুটা শারীরিক প্রতিবন্ধকতার শিকার ছিলাম। তাই হাতের কাছে যা পেতাম তা-ই পড়তাম। আমার স্মরণশক্তি এবং কাজ করার শক্তিও প্রচুর। এটি একটি আশীর্বাদ। আমি এখনও নতুন কিছু শেখার জন্য তৃষ্ণার্ত। সব তরুণের মধ্যে এই গুণ থাকে না। তাদের অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া উচিত এবং মানবজাতির মহান চিন্তাগুলোর সাথে পরিচিত হওয়া উচিত। প্রত্যেকেরই ভাবা উচিত— "আমি কেন এখানে? এই পৃথিবীতে আমার কাজ কী?" অ্যারিস্টটল এবং প্লেটোকে জানা খুব জরুরি। জীবনকে সহজ করতে হলে লিওপোল্ড এবং পাস্কালকে জানা একান্ত প্রয়োজন।
** [[মায়া অ্যাঞ্জেলো|মায়া অ্যাঞ্জেলোর]] সাথে কথোপকথন (১৯৮৯), ১৯৮৬ সালের সাক্ষাৎকার।
* এটি তাৎপর্যপূর্ণ যে আমরা ব্লেইজ পাস্কালের মেধার মাধ্যমেই ''[[গাণিতিক আরোহ বিধি|পুনরাবৃত্তি নীতি]]'' (principle of recurrence)-র প্রথম সুষ্পষ্ট ধারণা পাই। ১৬৫৪ সালে প্রকাশিত ''দ্য [[w:Pascal's triangle|অ্যারিথমেটিক ট্রায়াঙ্গেল]]'' নামক একটি গবেষণাপত্রে তিনি এই নীতি ব্যাখ্যা করেন। পাস্কাল ও [[পিয়ের দ্য ফের্মা|ফের্মার]] মধ্যে জুয়া খেলার সমস্যা নিয়ে আদান-প্রদান করা চিঠিপত্রেই এই কাজের মূল নির্যাস ছিল। এই যোগাযোগ থেকেই আধুনিক সম্ভাবনা তত্ত্ব (theory of probabilities) গড়ে উঠেছে। এটি বিস্ময়কর যে বিশুদ্ধ গণিতের ভিত্তি এবং সব ডিডাক্টিভ বিজ্ঞানের মূল আধার এই তত্ত্ব দুটি জুয়াড়িদের একটি অসমাপ্ত খেলার বাজি ভাগ করার কৌশল খুঁজতে গিয়ে আবিষ্কৃত হয়েছিল।
** [[Tobias Dantzig]], ''নাম্বার: দ্য ল্যাঙ্গুয়েজ অব সায়েন্স'' (১৯৩০)।
* একটি কার্যকর ধর্ম সম্পর্কে পাস্কাল যা বলেছিলেন তা যেকোনো কার্যকর মতবাদের ক্ষেত্রেই সত্য: একে অবশ্যই "প্রকৃতি, সাধারণ জ্ঞান এবং আনন্দের প্রতিকূলে" হতে হবে।
** [[Eric Hoffer]], ''দ্য ট্রু বিলিভার'' (১৯৫১)।
* মানুষ অসীমভাবে মানুষকে ছাড়িয়ে যায়।
** [[পোপ পল ষষ্ঠ]], ''এনসাইক্লিক্যাল পপুলোরাম প্রগ্রেসীয়'' (১৯৬৭)।
* পাস্কাল অবজ্ঞার সাথে বলেছিলেন যে সাধারণ শ্রমিকরা তথাকথিত 'দার্শনিকদের' ভুল ধরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। মূলত এই অশিক্ষিত মানুষরাই 'নিজেদের চোখে দেখা এবং হাতে স্পর্শ করা' বিষয়গুলো বিশ্বাস করতে বেশি প্রস্তুত ছিল।
** [[Reijer Hooykaas]], ''রিলিজিয়ন অ্যান্ড দ্য রাইজ অব মডার্ন সায়েন্স'' (২০০০)।
* দর্শনচর্চা মানেই হলো মানুষের গুরুত্ব এবং তার মর্যাদাকে পুনপ্রতিষ্ঠা করা। সক্রেটিসের অন্বেষণ এবং বিজ্ঞানের কার্তেসীয় বিপ্লবের মুখে পাস্কালের উদ্বেগের মূল অর্থ ছিল এটাই। এই বিচারে পাস্কাল [[সক্রেটিস|সক্রেটিসের]] চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ একজন দার্শনিক। বিজ্ঞান মানুষকে সৃষ্টির সেরা জীব থেকে সরিয়ে দেওয়ার যে দাবি করেছিল, পাস্কালই প্রথম তার তীব্র প্রতিবাদ জানান। কেন বিজ্ঞান মানুষের হৃদয়ে আনন্দ দিতে বা জীবনের অর্থ খুঁজে পেতে ব্যর্থ, তা পাস্কালের চেয়ে ভালো কেউ প্রমাণ করতে পারেনি।
** [[w:Thomas Molnar|থমাস মোলনার]], ''দ্য ডিক্লাইন অব দ্য ইন্টেলেকচুয়াল'' (১৯৬১)।
* পাস্কাল কোনো কূপমণ্ডূক ছিলেন না। তবে তিনি পরিমাপ করেছিলেন যে বিজ্ঞান মানুষের ভাগ্যের সমস্যার ক্ষেত্রে কতটা অপ্রাসঙ্গিক হতে পারে। বিজ্ঞান মানুষের অভিজ্ঞতার সীমাবদ্ধতা ও অপূর্ণতাকে উপেক্ষা করে যে সত্যের দাবি করে, তা বাস্তবসম্মত নয়। বরং আমাদের সহজাত সামর্থ্যগুলোই অস্তিত্বের লড়াইয়ে টিকে থাকার একমাত্র ও অপরিহার্য হাতিয়ার।
** [[w:Thomas Molnar|থমাস মোলনার]], ''দ্য ডিক্লাইন অব দ্য ইন্টেলেকচুয়াল'' (১৯৬১)।
* পাস্কাল হলেন [[রেনে দেকার্ত|দেকার্তের]] একজন বিচক্ষণ সমালোচক। তিনি দেকার্তের সবকিছুর বিরোধিতা না করলেও মৌলিক কিছু পয়েন্টে দ্বিমত পোষণ করেছেন। প্রথমত, তিনি বুঝেছিলেন যে দেকার্তের নিশ্চিত জ্ঞানের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি ভ্রান্ত মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে। দেকার্ত এমন কিছু দিয়ে শুরু করতে চেয়েছিলেন যা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই, যার ফলে তিনি বিশ্বাস করতেন সব প্রকৃত জ্ঞানই প্রযুক্তিগত। পাস্কাল তার সম্ভাব্যতা তত্ত্বের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত এড়িয়ে গেছেন। দ্বিতীয়ত, পাস্কাল উপলব্ধি করেছিলেন যে যেকোনো বাস্তব কাজে কার্তেসীয় যুক্তিই একমাত্র উৎস নয়। মানুষের মন কোনো সচেতন বা সূত্রবদ্ধ কৌশলের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল নয়। অনেক সময় মন কোনো কৌশল ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে কাজ করে। অনুসন্ধানের নিয়মগুলো অতিরিক্ত সুনির্দিষ্ট করতে গিয়ে পদ্ধতির ওপর গুরুত্ব দিলে প্রকৃত অনুসন্ধান বাধাগ্রস্ত হয়। আধুনিক দর্শনের ইতিহাসের বড় একটি অংশ এই প্রশ্নকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে।
** [[Michael Oakeshott]], ''র্যাশনালিজম ইন পলিটিক্স অ্যান্ড আদার এসেস'' (১৯৬২)।
* পাস্কালের 'পঁসে' থেকে কিছু অংশ বেছে নিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়েছে যে তিনি বিশ্বাসের কাছে যুক্তিকে বিসর্জন দিয়ে দর্শনের সম্ভাবনা অস্বীকার করেছেন। আমি দেখাতে চাই যে পাস্কাল সংশয়বাদী ছিলেন না। তার এই কাজে [[বারুখ স্পিনোজা|স্পিনোজা]] বা [[লাইবনিজ|লাইবনিজের]] মতো বিস্তারিত কোনো সিস্টেম না থাকলেও একটি প্রকৃত দর্শনের মূলনীতিগুলো বিদ্যমান। এই ধারণাগুলো পাস্কালের বিশ্বাসের সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। খ্রিস্টধর্ম এবং দর্শনের উচ্চতর দিকগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্য এর চেয়ে ভালো পথ আর নেই।
** [[Félix Ravaisson-Mollien|ফেলিক্স রাভেইসন]], ''সাজি ফিলোসোফিচি'' (১৯১৭)।
* পাস্কাল গণিতের বিষয়বস্তুর সাথে অন্যান্য বিষয়ের পার্থক্য ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি বিষয়গুলোকে কোনো সাধারণ নামে না ডেকে বরং বর্ণনা করেছেন। তার সময়ের ভাষায় বললে এগুলো ছিল নান্দনিক ও নৈতিক প্রকৃতির। মনের যে অনুষদগুলো এই দুই ধরনের বিষয়ের সাথে যুক্ত, তিনি সেগুলোর বৈশিষ্ট্যও তুলে ধরেছেন। বস্তু ও আত্মার পার্থক্যের মতো এই দুই জগতের তফাত পাস্কালের চেয়ে স্পষ্ট করে আর কেউ বুঝতে পারেনি।
** [[Félix Ravaisson-Mollien|ফেলিক্স রাভেইসন]], ''সাজি ফিলোসোফিচি'' (১৯১৭)।
* পাস্কালই একমাত্র মহান গণিতবিদ যিনি লেখক হিসেবেও সমভাবে বিখ্যাত। তার জ্যানসেনবাদী আদর্শের একটি স্থায়ী প্রভাব হলো গণপরিবহন ব্যবস্থা। মৃত্যুর কিছুদিন আগে পাস্কাল বিশ্বে প্রথমবারের মতো ওমনিবাস (omnibus) সার্ভিস চালু হতে দেখেন। প্যারিসের নির্দিষ্ট রুটে ৫ স্যু ভাড়ায় এই কোচগুলো চলত। এই আয়ের লাভ দরিদ্রদের সাহায্যের জন্য দেওয়া হতো।
** [[w:John Stillwell|জন স্টিলওয়েল]], ''ম্যাথমেটিক্স অ্যান্ড ইটস হিস্ট্রি'' (১৯৮৯)।
* জীবন্ত দেহকে একটি যন্ত্র হিসেবে বিবেচনা করা পাস্কালের কাছে অত্যন্ত অগ্রহণযোগ্য ও হাস্যকর মনে হতো।
** [[w:D'Arcy Wentworth Thompson|ডি'আর্সি ওয়েন্টওয়ার্থ থম্পসন]], ''অন গ্রোথ অ্যান্ড ফর্ম'' (১৯১৭)।
* পাস্কালের বিপরীতে আমি বলি: ইব্রাহিম, ইসহাক ও ইয়াকুবের ঈশ্বর এবং দার্শনিকদের ঈশ্বর একই।
** [[Paul Tillich]], ''বিবলিক্যাল রিলিজিয়ন অ্যান্ড দ্য সার্চ ফর আলটিমেট রিয়েলিটি''।
* পাস্কালের 'থটস' বা 'পঁসে' কোনো সাধারণ বই নয়। এই মহান ব্যক্তি তার শক্তিশালী মনে যখন যা আসত তা-ই কাগজে লিখে রাখতেন। গুরুতর অসুস্থতা তাকে নিষ্ক্রিয় করে দেওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি এটি চালিয়ে গেছেন। পরবর্তীকালে এই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা চিন্তাগুলোকে সুশৃঙ্খল করার জন্য অনেক চেষ্টা করা হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে সাফল্যও মিলেছে। তবে কখনও কখনও লেখকের মূল উদ্দেশ্য ভুলভাবেও ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
** [[Alexandre Rodolphe Vinet]], ''স্টাডিজ অন পাস্কাল'' (১৮৫৯)।
* পাস্কাল ধর্মের পক্ষে বিশেষ কিছুই প্রমাণ করতে পারেননি। বরং তিনি এটিই দেখিয়েছেন যে একজন প্রতিভাবান মানুষও কোনো কোনো বিষয়ে বোকা হতে পারেন। যখন কেউ নিজের কুসংস্কারের কথা শোনার মতো দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন সে শিশুর মতোই আচরণ করে।
** [[Baron d'Holbach]], ''গুড সেন্স উইদাউট গড'' (১৭৭২)।
== বহিঃসংযোগ ==
* {{উইকিপিডিয়া-ইনলাইন}}
* {{উইকিসোর্স-লেখক}}
* {{Commonscat-inline}}
* [http://www.gutenberg.org/browse/authors/p#a7913 প্রজেক্ট গুটেনবার্গে ব্লেইজ প্যাস্কেল]
* [http://btr360.com/2015/06/19/124-thoughts-of-blaise-pascal-free-book/ ব্লেইজ প্যাস্কেলের ১২৪টি উক্তি]
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:প্যাস্কেল, ব্লেইজ}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৬২৩-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৬৬২-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রবচনকারক]]
[[বিষয়শ্রেণী:খ্রিস্টীয় ধর্মতাত্ত্বিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:সমালোচক]]
[[বিষয়শ্রেণী:মানবতাবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:আবিষ্কারক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি যুক্তিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি গণিতবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:রহস্যবাদী]]
[[विषয়শ্রেণী:ফরাসি দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:দার্শনিক হতাশাবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি ক্যাথলিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি ধর্মতত্ত্ববিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:অ-কল্পকাহিনী লেখক]]
nb9bf5rlnbp70crqh79bah5hm7nolty
74069
74068
2026-04-06T08:15:14Z
SMontaha32
3112
/* পাস্কাল সম্পর্কে উক্তি */
74069
wikitext
text/x-wiki
[[File:Blaise Pascal Versailles.JPG|thumb|[[দর্শন|দর্শনের]] গুরুত্ব কমিয়ে দেখা এক ধরনের [[সত্য|প্রকৃত]] দার্শনিকতা।]]
'''ব্লেইজ পাস্কাল''' (১৯ জুন ১৬২৩ – ১৯ আগস্ট ১৬৬২) ছিলেন একজন ফরাসি [[গণিতবিদ]], [[যুক্তিবিদ]], [[পদার্থবিদ]] এবং [[ধর্মতত্ত্ববিদ]]।
:'''দ্রষ্টব্য: ''[[পঁসে]]'' থেকে নেওয়া সব উক্তি ওই পাতায় পাওয়া যাবে।'''
== উক্তি ==
[[File:Blaise Pascal 2.jpg|thumb|মানুষ সাধারণত প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং যা তাদের কাছে [[আকর্ষণীয়]] মনে হয় তার ভিত্তিতেই কোনো কিছু [[বিশ্বাস|বিশ্বাস করে]]।]]
[[File:Blaise_pascal.jpg|thumb|[[আবির্ভাব|দৃশ্যমান বিষয়ের]] অস্থিরতা সবসময় আমাদের [[যুক্তি|যুক্তিকে]] হতাশ করে।]]
[[File:Pascal Pajou Louvre RF2981.jpg|thumb|কোনো [[কাজ]] শেষ করার পরপরই তা দেখলে আমরা এতে খুব বেশি মগ্ন থাকি। আবার অনেক পরে দেখলে আমরা এর যোগসূত্র খুঁজে পাই না।]]
* বার্ধক্য যেমন শৈশব থেকে জীবনের সবচেয়ে দূরবর্তী সময়, তেমনি এই বিশ্বজনীন মানুষের ক্ষেত্রেও কি তার জন্মের নিকটবর্তী সময়ের চেয়ে দূরবর্তী সময়ে বার্ধক্য খোঁজা উচিত নয়?
** ''প্রিফেস টু দ্য ট্রিটিজ অন ভ্যাকুয়াম'' (১৬৫১)
* {{anchor|Pascal plus longue}}''Je n'ai fait celle-ci plus longue que parce que je n'ai pas eu le loisir de la faire plus courte.''
** '''আমি আরও ছোট চিঠি লিখতাম, কিন্তু আমার হাতে পর্যাপ্ত সময় ছিল না।'''
*** ''প্রোভিনশিয়াল লেটার্স'': [https://ebooks.adelaide.edu.au/p/pascal/blaise/p27pr/part17.html ১৬তম চিঠি (৪ ডিসেম্বর ১৬৫৬)]
** আক্ষরিক অর্থ: '''আমি এই চিঠিটি দীর্ঘ করেছি কারণ এটি ছোট করার মতো অবসর আমার ছিল না।'''
** এ ধরনের উক্তি [[মার্ক টোয়েন]], [[টি. এস. এলিয়ট]], [[সিসেরো]]সহ অন্যদের নামেও প্রচলিত। তবে ‘কোট ইনভেস্টিগেটর’-এর নিবন্ধ অনুযায়ী পাস্কালের এই উক্তিটিই সম্ভবত মূল উৎস।
* '''মানুষ সাধারণত প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং যা তাদের কাছে আকর্ষণীয় মনে হয় তার ভিত্তিতেই কোনো কিছু বিশ্বাস করে।'''
** ''দ্য আর্ট অব পারসুয়েশন'' (১৬৫৮ সালে লেখা; মরণোত্তর প্রকাশিত)।
* মুহাম্মদ তার শত্রুদের হত্যার মাধ্যমে একটি ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন; অন্যদিকে যিশু খ্রিস্ট তার অনুসারীদের প্রাণ উৎসর্গ করার নির্দেশ দিয়ে ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন।
** [http://books.google.pt/books?id=MGkNAAAAYAAJ&pg=PA202&dq=%22Mahomet+established+a%22&hl=pt-PT&sa=X&ei=oZmPU-fCDemp7Ab7s4HQAg&ved=0CCsQ6AEwAA#v=onepage&q=%22Mahomet%20established%20a%20religion%22&f=false ''থটস অন রিলিজিয়ন অ্যান্ড ফিলোসফি''] (ডব্লিউ. কলিন্স, ১৮৩৮), অধ্যায় ১৬, পৃষ্ঠা ২০২।
* ''FEU. Dieu d'Abraham, Dieu d'Isaac, Dieu de Jacob, non des philosophes et savants. Certitude. Certitude. Sentiment. Joie. Paix.''
** '''আগুন। ইব্রাহিমের ঈশ্বর, ইসহাকের ঈশ্বর, ইয়াকুবের ঈশ্বর; দার্শনিক বা পণ্ডিতদের ঈশ্বর নন। নিশ্চয়তা। নিশ্চয়তা। অনুভূতি। আনন্দ। শান্তি।'''
** পাস্কালের মৃত্যুর পর তার কোটের আস্তরে সেলাই করা একটি চর্মকাগজে এই নোটটি পাওয়া যায়।
* যখন আমি আমার ক্ষণস্থায়ী জীবনের কথা ভাবি যা আগের এবং পরের অনন্তকালের মধ্যে বিলীন, তখন আমার ক্ষুদ্র অস্তিত্ব আমাকে আতঙ্কিত করে। আমি অনন্ত বিশালতার মাঝে এক নগণ্য স্থান জুড়ে আছি যার সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না এবং যা আমার সম্পর্কে কিছুই জানে না। আমি অবাক হই যে কেন আমি অন্য কোথাও না হয়ে এখানে আছি। এখন না হয়ে কেন তখন জন্মাইনি তারও কোনো কারণ নেই। কে আমাকে এখানে পাঠিয়েছেন? কার নির্দেশে এই স্থান ও সময় আমার জন্য নির্ধারিত হয়েছে?
** "মানুষের সীমাবদ্ধতা", ''দ্য থটস অব ব্লেইজ পাস্কাল'' (১৮৮৫)।
* **এই অনন্ত মহাশূন্যের চিরন্তন নিস্তব্ধতা আমাকে আতঙ্কিত করে।**
=== ''ডিসকোর্সেস অন দ্য কন্ডিশন অব দ্য গ্রেট'' ===
* আপনার প্রকৃত অবস্থা বুঝতে এই উদাহরণটি কল্পনা করুন: এক ব্যক্তি ঝড়ের কবলে পড়ে এক অজানা দ্বীপে পৌঁছান। দ্বীপবাসীরা তাদের হারিয়ে যাওয়া রাজাকে খুঁজছিল। ওই ব্যক্তির চেহারা ও গড়ন রাজার মতো হওয়ায় সবাই তাকে রাজা হিসেবে মেনে নেয়।
* তার মনে দুটি ভাবনা কাজ করছিল: একটি হলো রাজার মতো কাজ করা এবং অন্যটি হলো তার আসল অবস্থা সম্পর্কে সচেতন থাকা। সে জানত যে কেবল দুর্ঘটনাবশত সে এই অবস্থায় পৌঁছেছে।
* '''ভাববেন না যে আপনি যে সম্পদের মালিক হয়েছেন তা ওই ব্যক্তির রাজা হওয়ার চেয়ে কম আকস্মিক কিছু।'''
* আইনপ্রণেতারা যদি নিয়ম করতেন যে এই সম্পদ মৃত্যুর পর রাষ্ট্রের কাছে ফিরে যাবে, তবে আপনার অভিযোগ করার কোনো উপায় থাকত না।
* '''প্রাকৃতিক অধিকার নয়, বরং মানবিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই আপনি আপনার সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।'''
* আপনার এই অধিকার কোনো ব্যক্তিগত যোগ্যতা বা গুণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়নি। আপনার আত্মা বা শরীর একজন মাঝির বা একজন সামন্ত প্রভুর হওয়ার ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক কোনো পার্থক্য নেই। কোনো প্রাকৃতিক বন্ধনই এগুলোকে নির্দিষ্ট একটি অবস্থার সাথে আটকে রাখে না।
* '''সামাজিকভাবে পদমর্যাদা অনুযায়ী চললেও মনের ভেতরে আপনার স্বীকার করা উচিত যে আপনি জন্মগতভাবে অন্যদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ নন।'''
* '''জনসাধারণের ভাবনা যদি আপনাকে সাধারণ মানুষের উপরে তুলে ধরে, তবে আপনার ভেতরের ভাবনাটি যেন আপনাকে নম্র রাখে এবং সবার সাথে সমান অবস্থানে ধরে রাখে। এটিই আপনার স্বাভাবিক অবস্থা।'''
* নিজেকে অন্যের চেয়ে উচ্চতর ভেবে ভুল করবেন না।
* জনগণের ভুলে রাজা হওয়া ব্যক্তি যদি নিজের স্বাভাবিক অবস্থা ভুলে নিজেকে যোগ্য ভাবতে শুরু করেন, তবে আপনি তার **নির্বুদ্ধিতা ও মূর্খতা** দেখে অবাক হবেন। কিন্তু নিজেদের স্বাভাবিক অবস্থা ভুলে থাকা উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও কি একই কথা খাটে না?
* **উচ্চবিত্তদের সব বাড়াবাড়ি, সহিংসতা এবং অহংকার আসে নিজেদের পরিচয় সম্পর্কে অজ্ঞতা থেকে।** যারা মনেপ্রাণে নিজেদের সবার সমান মনে করে, তাদের পক্ষে শ্রেষ্ঠত্বের বড়াই করা কঠিন। শ্রেষ্ঠত্বের এই ভ্রম বজায় রাখতে হলে একজনকে নিজের আসল পরিচয় ভুলতে হয়।
* '''আপনি যদি আমার কাছে শ্রদ্ধা আশা করেন, তবে আমাকে আপনার এমন গুণ দেখান যা শ্রদ্ধার যোগ্য। আপনি তা দেখাতে পারলে আমি আপনাকে শ্রদ্ধা করব এবং তা ন্যায়সংগত হবে। কিন্তু আপনি তা না করলে আমার কাছে শ্রদ্ধা দাবি করা আপনার অন্যায় হবে। আপনি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ রাজপুত্র হলেও আপনি তাতে সফল হবেন না।'''
* '''আপনার মতে একজন বড় অভিজাত হওয়ার মানে কী? এর অর্থ হলো মানুষের কাঙ্ক্ষিত অনেক কিছুর মালিক হওয়া এবং অনেকের চাহিদা পূরণ করতে পারা। এই অভাব ও চাহিাই মানুষকে আপনার দিকে টানে এবং আপনার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য করে। এগুলো না থাকলে তারা আপনার দিকে ফিরেও তাকাত না।'''
* **ঈশ্বর ভালোবাসায় পূর্ণ মানুষ দ্বারা পরিবেষ্টিত** যারা তার কাছে ভালোবাসা চায়। তাই তিনি মূলত ভালোবাসার রাজা।
* একইভাবে আপনিও একদল আগ্রহী মানুষ দ্বারা পরিবেষ্টিত। তারা আপনার কাছে তাদের চাহিদা মেটানোর সুযোগ চায়। তাই আপনি মূলত আকাঙ্ক্ষা বা চাহিদার রাজা। **মানুষ যা চায় তার মালিকানাই আপনার ক্ষমতার উৎস।**
* আপনার প্রাকৃতিক শক্তি বা ক্ষমতার কারণে মানুষ আপনার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য হয়নি। তাই শক্তি দিয়ে তাদের শাসন করবেন না বা তাদের সাথে রূঢ় আচরণ করবেন না। **তাদের যুক্তিসঙ্গত চাহিদাগুলো পূরণ করুন।** মানুষের উপকার করার মাধ্যমে আনন্দ খুঁজলে আপনি আকাঙ্ক্ষার প্রকৃত রাজা হতে পারবেন।
* কিছু মানুষ লোভ, নৃশংসতা, সহিংসতা বা ব্যভিচারের মাধ্যমে কত অনর্থকভাবে নিজেকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়! নিজেকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাওয়া সবসময়ই চরম বোকামি। মানুষের উচিত আকাঙ্ক্ষা ও এর রাজত্বকে তুচ্ছ করে সেই ভালোবাসার রাজ্যের আকাঙ্ক্ষা করা, যেখানে সবাই ভালোবাসা ছাড়া আর কিছুই চায় না।
=== ''কনভারসেশন অন এপিকটেটাস অ্যান্ড মনটেইন'' ===
* আমি দেখেছি যে তারা [এপিকটেটাস ও মনটেইন] বিশ্বের দুটি বিখ্যাত মতবাদের শ্রেষ্ঠ রক্ষক এবং যুক্তিপূর্ণ। তাদের দেখানো পথ দুটি হলো: হয় ঈশ্বর আছেন এবং তিনিই পরম কল্যাণ; অথবা তিনি অনিশ্চিত এবং তখন প্রকৃত কল্যাণও অনিশ্চিত।
* আমি যেমন এই গবেষণায় দেখানোর চেষ্টা করেছি, প্রকৃতিতে তার প্রতিটি কাজের মাধ্যমে ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণের চেষ্টার চেয়ে মানুষের মনের সেই চেষ্টাকে বিবেচনা করা অনেক বেশি ন্যায়সংগত।
* এই দুই মতবাদের ভুলের মূল কারণ হলো তারা মানুষের বর্তমান অবস্থা যে সৃষ্টির সময়ের চেয়ে ভিন্ন, তা জানতেন না। এক পক্ষ মানুষের আদি মহত্ত্ব দেখে তার বর্তমান কলুষতা ভুলে প্রকৃতির ওপর অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয়ে **অহংকারের** জন্ম দেয়। অন্য পক্ষ বর্তমান দুর্দশা দেখে আদি মর্যাদা ভুলে হতাশায় ডুবে যায়।
* মানুষের এই দুই অবস্থা—মহত্ত্ব ও দুর্বলতা—একসাথে না জানলে মানুষ হয় অহংকারী নতুবা অলস হয়ে পড়ে। ঐশ্বরিক অনুগ্রহ পাওয়ার আগে সব মানুষই এই দুই দোষের শিকার হয়।
* **একজন মানুষের কর্তব্য জানলেও তার অক্ষমতা সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় সে উদ্ধত হয়। অন্যজন অক্ষমতা জানলেও কর্তব্য সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় অলস হয়ে পড়ে। সুসমাচারের সত্য এই দুই বৈপরীত্যের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করে। এটি সত্যকে গ্রহণ করে এবং মিথ্যাকে বর্জন করে এক স্বর্গীয় প্রজ্ঞা তৈরি করে।**
* জগতের দার্শনিকরা একই বিষয়ের মধ্যে বৈপরীত্য খোঁজেন। অন্যদিকে বিশ্বাস আমাদের শেখায় বৈপরীত্যগুলোকে ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ের ওপর স্থাপন করতে। মানুষের সব দুর্বলতা তার প্রকৃতির অংশ এবং সব শক্তি ঐশ্বরিক অনুগ্রহের দান। এটিই সেই বিস্ময়কর ও নতুন মিলন যা কেবল ঈশ্বরই শেখাতে পারেন।
=== ''অন দ্য স্পিরিট অব জিওমেট্রি'' ===
* সরাসরি সত্যের মালিক হওয়ার বিশ্বাস মানুষের এক স্বাভাবিক মানসিক ব্যাধি।
*** ১ম বিভাগ
=== ''দ্য আর্ট অব পারসুয়েশন'' ===
* মতবাদগুলো আত্মার দুটি প্রধান ক্ষমতার মাধ্যমে গৃহীত হয়: বুদ্ধি এবং ইচ্ছা।
* **মানুষ প্রমাণের চেয়ে আকর্ষণের মাধ্যমে বিশ্বাস করতে বেশি পছন্দ করে।** এটি একটি নীচ ও অপ্রাসঙ্গিক পথ, তাই সবাই একে অস্বীকার করে। প্রত্যেকেই দাবি করে যে সে যা জানে কেবল তা-ই বিশ্বাস ও ভালোবাসা করে।
* আমি এখানে ঐশ্বরিক সত্যের কথা বলছি না কারণ তা প্রকৃতির ঊর্ধ্বে। **কেবল ঈশ্বরই আত্মায় সেই সত্য স্থাপন করতে পারেন।** তিনি চেয়েছেন সেই সত্য যেন মন থেকে হৃদয়ে না এসে বরং হৃদয় থেকে মনে প্রবেশ করে। এটি মানুষের অহংকারী যুক্তিকে দমন করে এবং কলুষিত ইচ্ছাকে এটি পরিশোধিত করে।
* '''পার্থিব জিনিসের ক্ষেত্রে আমরা বলি যে কোনো কিছু ভালোবাসার আগে তা জানতে হয়। অন্যদিকে পবিত্র জিনিসের ক্ষেত্রে মহাত্মারা বলেন যে কোনো কিছু জানার আগে তাকে ভালোবাসতে হয়। কেবল ভালোবাসার মাধ্যমেই আমরা সত্যে প্রবেশ করতে পারি।'''
* তারা [মানুষ] ঐশ্বরিক নিয়মকে কলুষিত করেছে। কারণ মানুষ সাধারণত যা তাকে আনন্দ দেয় তা ছাড়া অন্য কিছু খুব কমই বিশ্বাস করে।
* ঈশ্বর মানুষের বুদ্ধিতে তখনই আলো দান করেন যখন তিনি মানুষের জেদি ইচ্ছাকে স্বর্গীয় নম্রতা দিয়ে জয় করেন।
* মন এবং হৃদয় হলো সত্য প্রবেশের দুটি পথ। তবে বুদ্ধির চেয়ে ইচ্ছার খামখেয়ালিপনায় অনেক বেশি সত্য (বা মিথ্যা) আত্মায় প্রবেশ করে।
* বেশ কিছু বিশেষ নীতি সত্যের মতোই জোরালোভাবে মানুষকে বিশ্বাসের দিকে টানে, যদিও সেগুলো আসলে মিথ্যা।
* কোনো বিষয় তাকে পরম আনন্দের দিকে নিয়ে যেতে পারে— আত্মা এটি বুঝতে পারার সাথে সাথেই তা সানন্দে গ্রহণ করে।
* **সত্য ও আনন্দের** মধ্যে যখন দ্বন্দ্ব বাধে, তখন জয়-পরাজয় অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এটি বোঝার জন্য মানুষের অন্তরের গহীন খবর জানা প্রয়োজন যা মানুষ নিজেও সবসময় জানে না।
* **কাউকে রাজি করাতে হলে ওই ব্যক্তির মন এবং হৃদয় সম্পর্কে জানা জরুরি।** তার মূলনীতিগুলো কী এবং সে কী ভালোবাসে তা বুঝতে হবে।
* **প্ররোচনা বা প্রবোধ দেওয়ার শিল্প যতটা না বোঝানোর, তার চেয়ে বেশি তুষ্ট করার। কারণ মানুষ যুক্তির চেয়ে খামখেয়ালিপনা দ্বারা বেশি পরিচালিত হয়!**
* আনন্দের উৎসগুলো স্থির নয়। প্রতিটি মানুষের ক্ষেত্রে এগুলো ভিন্ন এবং সময়ে সময়ে পরিবর্তনশীল। একজন মানুষ ভিন্ন সময়ে নিজের চেয়েও অনেক বেশি আলাদা হয়ে যায়।
* এমন কোনো সত্য নেই যা নিয়ে আমরা সবসময় একমত থাকি। আবার আমাদের আনন্দের বিষয়গুলোও প্রতি ঘণ্টায় বদলে যায়। মানুষের খামখেয়ালিপনা অনুযায়ী কথা বলার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম আছে কি না আমি জানি না।
* **প্রমাণ বা যুক্তির নিখুঁত পদ্ধতি তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত:** স্পষ্ট সংজ্ঞার মাধ্যমে পদের ব্যাখ্যা দেওয়া, প্রমাণিত নীতি বা স্বতঃসিদ্ধ প্রস্তাব করা এবং প্রমাণের সময় পদের বদলে সবসময় তার সংজ্ঞা ব্যবহার করা।
* যদি ভিত্তি মজবুত না হয়, তবে অট্টালিকাও নিরাপদ হয় না।
* সংজ্ঞায়ন, স্বতঃসিদ্ধ সত্য এবং প্রমাণের নিখুঁত পদ্ধতির জন্য জ্যামিতিক প্রমাণের কিছু নিয়মই যথেষ্ট।
* **সংজ্ঞায়নের নিয়ম:** ১. কোনো সুপরিচিত বিষয়কে সংজ্ঞায়িত করতে যাবেন না যা ব্যাখ্যা করার জন্য আরও স্পষ্ট শব্দ নেই। ২. অস্পষ্ট বা দ্ব্যর্থবোধক কোনো শব্দকে সংজ্ঞা ছাড়া রাখবেন না। ৩. সংজ্ঞায় কেবল পরিচিত বা আগে ব্যাখ্যা করা হয়েছে এমন শব্দই ব্যবহার করবেন।
* **স্বতঃসিদ্ধ সত্যের নিয়ম:** ১. প্রয়োজনীয় কোনো নীতি বা বিষয় যত স্পষ্টই হোক না কেন, তা জিজ্ঞাসা করা থেকে বিরত থাকবেন না। ২. কেবল নিজের মধ্যে স্পষ্ট বিষয়গুলোই স্বতঃসিদ্ধ হিসেবে দাবি করবেন।
* **প্রমাণের নিয়ম:** ১. খুব বেশি স্পষ্ট কোনো বিষয় প্রমাণ করতে যাবেন না যা প্রমাণ করার মতো সহজ কিছু আর নেই। ২. সব অস্পষ্ট প্রস্তাবনা প্রমাণ করুন এবং প্রমাণের ক্ষেত্রে কেবল খুব স্পষ্ট স্বতঃসিদ্ধ বা আগে প্রমাণিত প্রস্তাবনা ব্যবহার করুন। ৩. দ্ব্যর্থতা এড়াতে প্রমাণের সময় মানসিক ভাবে পদের জায়গায় তার সংজ্ঞা বসান।
* ওপরের আটটি নিয়ম যে কোনো মজবুত প্রমাণের জন্য যথেষ্ট। এর মধ্যে পাঁচটি নিয়ম অপরিহার্য যা ছাড়া কোনো প্রমাণ সম্পন্ন করা সম্ভব নয়।
* নিয়মের অভাব বা কঠিন অনুশীলনের কারণে এগুলো অনেকের কাছেই অপরিচিত।
* **এই নিয়মগুলো খুব সাধারণ— এমন আপত্তির বিপরীতে আমার কথা হলো:** জ্যামিতিবিদরা ছাড়া পুরো জাতির মধ্যে খুব কম মানুষই এই নিয়মগুলো জানে।
* যারা এই নিয়মগুলো আয়ত্ত করেছেন, তারা বুঝতে পারবেন যে সাধারণ যুক্তিবিদরা যা লিখেছেন তার সাথে এর পার্থক্য কতটা বিশাল।
* একই কথা যারা বলেন, তারা সবাই বিষয়টিকে একইভাবে ধারণ করেন না। একজন মানুষের সামর্থ্য কেবল তার একটি ভালো উক্তি শুনে বিচার করা উচিত নয়। আমাদের উচিত তার মনের গভীরে প্রবেশ করা। অনেক সময় দেখা যায় সে নিজেই তার ওই ভালো চিন্তাটি বিশ্বাস করে না এবং কোনো তুচ্ছ বিষয়ের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
* **'বস্তু প্রাকৃতিকভাবেই চিন্তায় অক্ষম'** এবং **'আমি চিন্তা করি, তাই আমি আছি'**— রেনে দেকার্ত এবং সেন্ট অগাস্টিনের কাছে কি এই নীতি দুটি আসলে একই ছিল? অগাস্টিন বারোশ বছর আগেই একই কথা বলেছিলেন। আমি বলছি না দেকার্ত এর রচয়িতা নন। তবে কেবল কোনো কথা বলা এবং সেই কথা থেকে চমৎকার সব সিদ্ধান্ত বের করে একটি পূর্ণাঙ্গ আধিভৌতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার মধ্যে বিশাল পার্থক্য আছে।
* কোনো এক ব্যক্তি নিজের অজান্তেই একটি চমৎকার কথা বলতে পারেন। কিন্তু অন্য কেউ হয়তো সেই একই কথার মধ্যে অসামান্য সব সিদ্ধান্তের সমাহার খুঁজে পান। ফলস্বরূপ উক্তিটি আর আগের মতো থাকে না। কোনো উক্তি যেখান থেকে শেখা হয়েছে তার প্রতি ঋণ ঠিক ততটুকুই, যতটুকু একটি সুন্দর গাছ সেই ব্যক্তির প্রতি ঋণী যে অনিচ্ছাকৃত ভাবে উর্বর মাটিতে বীজ ফেলেছিল।
* **যুক্তিবিদ্যা হয়তো জ্যামিতির নিয়মগুলো ধার করেছে কিন্তু সেগুলোর শক্তি বুঝতে পারেনি।** এই বিজ্ঞানই যুক্তি পরিচালনার সঠিক পদ্ধতি শেখায়।
* **ভুল না করার পদ্ধতি সবাই খোঁজে।** যুক্তিবিদরা পথ দেখানোর দাবি করেন কিন্তু কেবল জ্যামিতিবিদরাই তা অর্জন করতে পারেন। বিজ্ঞান এবং এর অনুসরণ ছাড়া আর কোনো প্রকৃত প্রমাণ নেই।
* **ভালো জিনিস সবখানেই আছে, কেবল সেগুলো বেছে নেওয়া প্রয়োজন।** এটি নিশ্চিত যে সেগুলো প্রাকৃতিক এবং সবার নাগালের মধ্যেই থাকে।
* **শ্রেষ্ঠত্ব কোনো অসাধারণ বা কাল্পনিক জিনিসের মধ্যে নেই।** একে পেতে হলে আমাদের অনেক সময় নিচু হতে হয়।
* শ্রেষ্ঠ বই সেগুলোই যা পড়ার পর পাঠকের মনে হয় তিনি নিজেও তা লিখতে পারতেন।
* **প্রকৃতিই একমাত্র ভালো যা সবার কাছে পরিচিত এবং সাধারণ।**
* আমি নিশ্চিত যে এই নিয়মগুলো সহজ, কৃত্রিমতাহীন এবং স্বাভাবিক।
* মনকে জোর করা উচিত নয়। কৃত্রিম আচরণ সলিড খাবারের বদলে মনকে কেবল অন্তঃসারশূন্য অহংকারে পূর্ণ করে।
* **মানুষের একটি প্রধান ভুল হলো তারা মনে করে ভালো জিনিসগুলো দুর্লভ এবং উঁচু স্তরের। তারা এগুলোকে 'মহান, উচ্চ বা মহৎ' নাম দেয়। আমি এগুলোকে 'সাধারণ ও পরিচিত' বলতে পছন্দ করি।** কারণ এই নামগুলোই বেশি মানানসই। আমি আড়ম্বরপূর্ণ শব্দ অপছন্দ করি।
== পাস্কাল সম্পর্কে উক্তি ==
* {{w|Lettres provinciales|''প্রোভিনশিয়াল লেটার্স''}} এবং ছোটখাটো ধর্মীয় রচনাগুলো লেখার পরের বছরগুলোতে পাস্কাল খ্রিস্টধর্মের প্রসারে নিজের জীবন উৎসর্গ করতে শুরু করেন। এই কার্যক্রমের মূলে ছিল তার বিখ্যাত কাজ [[পঁসে|''পঁসে'' ]]। এটি মূলত ১৬৫৭ থেকে ১৬৫৮ সালের দিকে লেখা। অনেক সমালোচকের মতে, এটি অজ্ঞেয়বাদী ও নাস্তিকদের ধর্মীয় বিশ্বাসে ফিরিয়ে আনার সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী প্রচেষ্টাগুলোর একটি। তবে এটি মূলত একটি অসমাপ্ত কাজ।
** {{w|ডোনাল্ড অ্যাডামসন}}, ''ব্লেইজ পাস্কাল: গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং ঈশ্বর চিন্তক'' (১৯৯৪)।
* আমি খুব ভাগ্যবান ছিলাম। শৈশবে কৌতূহলী হওয়ার পাশাপাশি আমি কিছুটা শারীরিক প্রতিবন্ধকতার শিকার ছিলাম। তাই হাতের কাছে যা পেতাম তা-ই পড়তাম। আমার স্মরণশক্তি এবং কাজ করার শক্তিও প্রচুর। এটি একটি আশীর্বাদ। আমি এখনও নতুন কিছু শেখার জন্য তৃষ্ণার্ত। সব তরুণের মধ্যে এই গুণ থাকে না। তাদের অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া উচিত এবং মানবজাতির মহান চিন্তাগুলোর সাথে পরিচিত হওয়া উচিত। প্রত্যেকেরই ভাবা উচিত— "আমি কেন এখানে? এই পৃথিবীতে আমার কাজ কী?" অ্যারিস্টটল এবং প্লেটোকে জানা খুব জরুরি। জীবনকে সহজ করতে হলে লিওপোল্ড এবং পাস্কালকে জানা একান্ত প্রয়োজন।
** মায়া অ্যাঞ্জেলের সাথে কথোপকথন (১৯৮৯), ১৯৮৬ সালের সাক্ষাৎকার।
* এটি তাৎপর্যপূর্ণ যে আমরা ব্লেইজ পাস্কালের মেধার মাধ্যমেই ''[[গাণিতিক আরোহ বিধি|পুনরাবৃত্তি নীতি]]''-র প্রথম সুষ্পষ্ট ধারণা পাই। ১৬৫৪ সালে প্রকাশিত ''দ্য অ্যারিথমেটিক ট্রায়াঙ্গেল'' নামক একটি গবেষণাপত্রে তিনি এই নীতি ব্যাখ্যা করেন। পাস্কাল ও [[পিয়ের দ্য ফের্মা|ফের্মার]] মধ্যে জুয়া খেলার সমস্যা নিয়ে আদান-প্রদান করা চিঠিপত্রেই এই কাজের মূল নির্যাস ছিল। এই যোগাযোগ থেকেই আধুনিক সম্ভাবনা তত্ত্ব গড়ে উঠেছে। এটি বিস্ময়কর যে বিশুদ্ধ গণিতের ভিত্তি এবং সব ডিডাক্টিভ বিজ্ঞানের মূল আধার এই তত্ত্ব দুটি জুয়াড়িদের একটি অসমাপ্ত খেলার বাজি ভাগ করার কৌশল খুঁজতে গিয়ে আবিষ্কৃত হয়েছিল।
** [[Tobias Dantzig]], ''নাম্বার: দ্য ল্যাঙ্গুয়েজ অব সায়েন্স'' (১৯৩০)।
* একটি কার্যকর ধর্ম সম্পর্কে পাস্কাল যা বলেছিলেন তা যেকোনো কার্যকর মতবাদের ক্ষেত্রেই সত্য: একে অবশ্যই "প্রকৃতি, সাধারণ জ্ঞান এবং আনন্দের প্রতিকূলে" হতে হবে।
** [[Eric Hoffer]], ''দ্য ট্রু বিলিভার'' (১৯৫১)।
* মানুষ অসীমভাবে মানুষকে ছাড়িয়ে যায়।
** [[পোপ পল ষষ্ঠ]], ''এনসাইক্লিক্যাল পপুলোরাম প্রগ্রেসীয়'' (১৯৬৭)।
* পাস্কাল অবজ্ঞার সাথে বলেছিলেন যে সাধারণ শ্রমিকরা তথাকথিত 'দার্শনিকদের' ভুল ধরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। মূলত এই অশিক্ষিত মানুষরাই 'নিজেদের চোখে দেখা এবং হাতে স্পর্শ করা' বিষয়গুলো বিশ্বাস করতে বেশি প্রস্তুত ছিল।
** [[Reijer Hooykaas]], ''রিলিজিয়ন অ্যান্ড দ্য রাইজ অব মডার্ন সায়েন্স'' (২০০০)।
* দর্শনচর্চা মানেই হলো মানুষের গুরুত্ব এবং তার মর্যাদাকে পুনপ্রতিষ্ঠা করা। সক্রেটিসের অন্বেষণ এবং বিজ্ঞানের কার্তেসীয় বিপ্লবের মুখে পাস্কালের উদ্বেগের মূল অর্থ ছিল এটাই। এই বিচারে পাস্কাল [[সক্রেটিস|সক্রেটিসের]] চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ একজন দার্শনিক। বিজ্ঞান মানুষকে সৃষ্টির সেরা জীব থেকে সরিয়ে দেওয়ার যে দাবি করেছিল, পাস্কালই প্রথম তার তীব্র প্রতিবাদ জানান। কেন বিজ্ঞান মানুষের হৃদয়ে আনন্দ দিতে বা জীবনের অর্থ খুঁজে পেতে ব্যর্থ, তা পাস্কালের চেয়ে ভালো কেউ প্রমাণ করতে পারেনি।
** [[w:Thomas Molnar|থমাস মোলনার]], ''দ্য ডিক্লাইন অব দ্য ইন্টেলেকচুয়াল'' (১৯৬১)।
* পাস্কাল কোনো কূপমণ্ডূক ছিলেন না। তবে তিনি পরিমাপ করেছিলেন যে বিজ্ঞান মানুষের ভাগ্যের সমস্যার ক্ষেত্রে কতটা অপ্রাসঙ্গিক হতে পারে। বিজ্ঞান মানুষের অভিজ্ঞতার সীমাবদ্ধতা ও অপূর্ণতাকে উপেক্ষা করে যে সত্যের দাবি করে, তা বাস্তবসম্মত নয়। বরং আমাদের সহজাত সামর্থ্যগুলোই অস্তিত্বের লড়াইয়ে টিকে থাকার একমাত্র ও অপরিহার্য হাতিয়ার।
** [[w:Thomas Molnar|থমাস মোলনার]], ''দ্য ডিক্লাইন অব দ্য ইন্টেলেকচুয়াল'' (১৯৬১)।
* পাস্কাল হলেন [[রেনে দেকার্ত|দেকার্তের]] একজন বিচক্ষণ সমালোচক। তিনি দেকার্তের সবকিছুর বিরোধিতা না করলেও মৌলিক কিছু পয়েন্টে দ্বিমত পোষণ করেছেন। প্রথমত, তিনি বুঝেছিলেন যে দেকার্তের নিশ্চিত জ্ঞানের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি ভ্রান্ত মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে। দেকার্ত এমন কিছু দিয়ে শুরু করতে চেয়েছিলেন যা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই, যার ফলে তিনি বিশ্বাস করতেন সব প্রকৃত জ্ঞানই প্রযুক্তিগত। পাস্কাল তার সম্ভাব্যতা তত্ত্বের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত এড়িয়ে গেছেন। দ্বিতীয়ত, পাস্কাল উপলব্ধি করেছিলেন যে যেকোনো বাস্তব কাজে কার্তেসীয় যুক্তিই একমাত্র উৎস নয়। মানুষের মন কোনো সচেতন বা সূত্রবদ্ধ কৌশলের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল নয়। অনেক সময় মন কোনো কৌশল ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে কাজ করে। অনুসন্ধানের নিয়মগুলো অতিরিক্ত সুনির্দিষ্ট করতে গিয়ে পদ্ধতির ওপর গুরুত্ব দিলে প্রকৃত অনুসন্ধান বাধাগ্রস্ত হয়। আধুনিক দর্শনের ইতিহাসের বড় একটি অংশ এই প্রশ্নকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে।
** [[Michael Oakeshott]], ''র্যাশনালিজম ইন পলিটিক্স অ্যান্ড আদার এসেস'' (১৯৬২)।
* পাস্কালের 'পঁসে' থেকে কিছু অংশ বেছে নিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়েছে যে তিনি বিশ্বাসের কাছে যুক্তিকে বিসর্জন দিয়ে দর্শনের সম্ভাবনা অস্বীকার করেছেন। আমি দেখাতে চাই যে পাস্কাল সংশয়বাদী ছিলেন না। তার এই কাজে [[বারুখ স্পিনোজা|স্পিনোজা]] বা [[লাইবনিজ|লাইবনিজের]] মতো বিস্তারিত কোনো সিস্টেম না থাকলেও একটি প্রকৃত দর্শনের মূলনীতিগুলো বিদ্যমান। এই ধারণাগুলো পাস্কালের বিশ্বাসের সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। খ্রিস্টধর্ম এবং দর্শনের উচ্চতর দিকগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্য এর চেয়ে ভালো পথ আর নেই।
** [[Félix Ravaisson-Mollien|ফেলিক্স রাভেইসন]], ''সাজি ফিলোসোফিচি'' (১৯১৭)।
* পাস্কাল গণিতের বিষয়বস্তুর সাথে অন্যান্য বিষয়ের পার্থক্য ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি বিষয়গুলোকে কোনো সাধারণ নামে না ডেকে বরং বর্ণনা করেছেন। তার সময়ের ভাষায় বললে এগুলো ছিল নান্দনিক ও নৈতিক প্রকৃতির। মনের যে অনুষদগুলো এই দুই ধরনের বিষয়ের সাথে যুক্ত, তিনি সেগুলোর বৈশিষ্ট্যও তুলে ধরেছেন। বস্তু ও আত্মার পার্থক্যের মতো এই দুই জগতের তফাত পাস্কালের চেয়ে স্পষ্ট করে আর কেউ বুঝতে পারেনি।
** [[Félix Ravaisson-Mollien|ফেলিক্স রাভেইসন]], ''সাজি ফিলোসোফিচি'' (১৯১৭)।
* পাস্কালই একমাত্র মহান গণিতবিদ যিনি লেখক হিসেবেও সমভাবে বিখ্যাত। তার জ্যানসেনবাদী আদর্শের একটি স্থায়ী প্রভাব হলো গণপরিবহন ব্যবস্থা। মৃত্যুর কিছুদিন আগে পাস্কাল বিশ্বে প্রথমবারের মতো ওমনিবাস (omnibus) সার্ভিস চালু হতে দেখেন। প্যারিসের নির্দিষ্ট রুটে ৫ স্যু ভাড়ায় এই কোচগুলো চলত। এই আয়ের লাভ দরিদ্রদের সাহায্যের জন্য দেওয়া হতো।
** [[w:John Stillwell|জন স্টিলওয়েল]], ''ম্যাথমেটিক্স অ্যান্ড ইটস হিস্ট্রি'' (১৯৮৯)।
* জীবন্ত দেহকে একটি যন্ত্র হিসেবে বিবেচনা করা পাস্কালের কাছে অত্যন্ত অগ্রহণযোগ্য ও হাস্যকর মনে হতো।
** [[w:D'Arcy Wentworth Thompson|ডি'আর্সি ওয়েন্টওয়ার্থ থম্পসন]], ''অন গ্রোথ অ্যান্ড ফর্ম'' (১৯১৭)।
* পাস্কালের বিপরীতে আমি বলি: ইব্রাহিম, ইসহাক ও ইয়াকুবের ঈশ্বর এবং দার্শনিকদের ঈশ্বর একই।
** [[Paul Tillich]], ''বিবলিক্যাল রিলিজিয়ন অ্যান্ড দ্য সার্চ ফর আলটিমেট রিয়েলিটি''।
* পাস্কালের 'থটস' বা 'পঁসে' কোনো সাধারণ বই নয়। এই মহান ব্যক্তি তার শক্তিশালী মনে যখন যা আসত তা-ই কাগজে লিখে রাখতেন। গুরুতর অসুস্থতা তাকে নিষ্ক্রিয় করে দেওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি এটি চালিয়ে গেছেন। পরবর্তীকালে এই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা চিন্তাগুলোকে সুশৃঙ্খল করার জন্য অনেক চেষ্টা করা হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে সাফল্যও মিলেছে। তবে কখনও কখনও লেখকের মূল উদ্দেশ্য ভুলভাবেও ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
** [[Alexandre Rodolphe Vinet]], ''স্টাডিজ অন পাস্কাল'' (১৮৫৯)।
* পাস্কাল ধর্মের পক্ষে বিশেষ কিছুই প্রমাণ করতে পারেননি। বরং তিনি এটিই দেখিয়েছেন যে একজন প্রতিভাবান মানুষও কোনো কোনো বিষয়ে বোকা হতে পারেন। যখন কেউ নিজের কুসংস্কারের কথা শোনার মতো দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন সে শিশুর মতোই আচরণ করে।
** [[Baron d'Holbach]], ''গুড সেন্স উইদাউট গড'' (১৭৭২)।
== বহিঃসংযোগ ==
* {{উইকিপিডিয়া-ইনলাইন}}
* {{উইকিসোর্স-লেখক}}
* {{Commonscat-inline}}
* [http://www.gutenberg.org/browse/authors/p#a7913 প্রজেক্ট গুটেনবার্গে ব্লেইজ প্যাস্কেল]
* [http://btr360.com/2015/06/19/124-thoughts-of-blaise-pascal-free-book/ ব্লেইজ প্যাস্কেলের ১২৪টি উক্তি]
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:প্যাস্কেল, ব্লেইজ}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৬২৩-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৬৬২-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রবচনকারক]]
[[বিষয়শ্রেণী:খ্রিস্টীয় ধর্মতাত্ত্বিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:সমালোচক]]
[[বিষয়শ্রেণী:মানবতাবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:আবিষ্কারক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি যুক্তিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি গণিতবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:রহস্যবাদী]]
[[विषয়শ্রেণী:ফরাসি দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:দার্শনিক হতাশাবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি ক্যাথলিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি ধর্মতত্ত্ববিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:অ-কল্পকাহিনী লেখক]]
rtuzncmxrlq4ndrhf1w2jky12ps4d4v
74070
74069
2026-04-06T08:15:32Z
SMontaha32
3112
74070
wikitext
text/x-wiki
[[File:Blaise Pascal Versailles.JPG|thumb|[[দর্শন|দর্শনের]] গুরুত্ব কমিয়ে দেখা এক ধরনের [[সত্য|প্রকৃত]] দার্শনিকতা।]]
'''ব্লেইজ পাস্কাল''' (১৯ জুন ১৬২৩ – ১৯ আগস্ট ১৬৬২) ছিলেন একজন ফরাসি [[গণিতবিদ]], যুক্তিবিদ, পদার্থবিদ এবং ধর্মতত্ত্ববিদ।
:'''দ্রষ্টব্য: ''[[পঁসে]]'' থেকে নেওয়া সব উক্তি ওই পাতায় পাওয়া যাবে।'''
== উক্তি ==
[[File:Blaise Pascal 2.jpg|thumb|মানুষ সাধারণত প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং যা তাদের কাছে [[আকর্ষণীয়]] মনে হয় তার ভিত্তিতেই কোনো কিছু [[বিশ্বাস|বিশ্বাস করে]]।]]
[[File:Blaise_pascal.jpg|thumb|[[আবির্ভাব|দৃশ্যমান বিষয়ের]] অস্থিরতা সবসময় আমাদের [[যুক্তি|যুক্তিকে]] হতাশ করে।]]
[[File:Pascal Pajou Louvre RF2981.jpg|thumb|কোনো [[কাজ]] শেষ করার পরপরই তা দেখলে আমরা এতে খুব বেশি মগ্ন থাকি। আবার অনেক পরে দেখলে আমরা এর যোগসূত্র খুঁজে পাই না।]]
* বার্ধক্য যেমন শৈশব থেকে জীবনের সবচেয়ে দূরবর্তী সময়, তেমনি এই বিশ্বজনীন মানুষের ক্ষেত্রেও কি তার জন্মের নিকটবর্তী সময়ের চেয়ে দূরবর্তী সময়ে বার্ধক্য খোঁজা উচিত নয়?
** ''প্রিফেস টু দ্য ট্রিটিজ অন ভ্যাকুয়াম'' (১৬৫১)
* {{anchor|Pascal plus longue}}''Je n'ai fait celle-ci plus longue que parce que je n'ai pas eu le loisir de la faire plus courte.''
** '''আমি আরও ছোট চিঠি লিখতাম, কিন্তু আমার হাতে পর্যাপ্ত সময় ছিল না।'''
*** ''প্রোভিনশিয়াল লেটার্স'': [https://ebooks.adelaide.edu.au/p/pascal/blaise/p27pr/part17.html ১৬তম চিঠি (৪ ডিসেম্বর ১৬৫৬)]
** আক্ষরিক অর্থ: '''আমি এই চিঠিটি দীর্ঘ করেছি কারণ এটি ছোট করার মতো অবসর আমার ছিল না।'''
** এ ধরনের উক্তি [[মার্ক টোয়েন]], [[টি. এস. এলিয়ট]], [[সিসেরো]]সহ অন্যদের নামেও প্রচলিত। তবে ‘কোট ইনভেস্টিগেটর’-এর নিবন্ধ অনুযায়ী পাস্কালের এই উক্তিটিই সম্ভবত মূল উৎস।
* '''মানুষ সাধারণত প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং যা তাদের কাছে আকর্ষণীয় মনে হয় তার ভিত্তিতেই কোনো কিছু বিশ্বাস করে।'''
** ''দ্য আর্ট অব পারসুয়েশন'' (১৬৫৮ সালে লেখা; মরণোত্তর প্রকাশিত)।
* মুহাম্মদ তার শত্রুদের হত্যার মাধ্যমে একটি ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন; অন্যদিকে যিশু খ্রিস্ট তার অনুসারীদের প্রাণ উৎসর্গ করার নির্দেশ দিয়ে ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন।
** [http://books.google.pt/books?id=MGkNAAAAYAAJ&pg=PA202&dq=%22Mahomet+established+a%22&hl=pt-PT&sa=X&ei=oZmPU-fCDemp7Ab7s4HQAg&ved=0CCsQ6AEwAA#v=onepage&q=%22Mahomet%20established%20a%20religion%22&f=false ''থটস অন রিলিজিয়ন অ্যান্ড ফিলোসফি''] (ডব্লিউ. কলিন্স, ১৮৩৮), অধ্যায় ১৬, পৃষ্ঠা ২০২।
* ''FEU. Dieu d'Abraham, Dieu d'Isaac, Dieu de Jacob, non des philosophes et savants. Certitude. Certitude. Sentiment. Joie. Paix.''
** '''আগুন। ইব্রাহিমের ঈশ্বর, ইসহাকের ঈশ্বর, ইয়াকুবের ঈশ্বর; দার্শনিক বা পণ্ডিতদের ঈশ্বর নন। নিশ্চয়তা। নিশ্চয়তা। অনুভূতি। আনন্দ। শান্তি।'''
** পাস্কালের মৃত্যুর পর তার কোটের আস্তরে সেলাই করা একটি চর্মকাগজে এই নোটটি পাওয়া যায়।
* যখন আমি আমার ক্ষণস্থায়ী জীবনের কথা ভাবি যা আগের এবং পরের অনন্তকালের মধ্যে বিলীন, তখন আমার ক্ষুদ্র অস্তিত্ব আমাকে আতঙ্কিত করে। আমি অনন্ত বিশালতার মাঝে এক নগণ্য স্থান জুড়ে আছি যার সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না এবং যা আমার সম্পর্কে কিছুই জানে না। আমি অবাক হই যে কেন আমি অন্য কোথাও না হয়ে এখানে আছি। এখন না হয়ে কেন তখন জন্মাইনি তারও কোনো কারণ নেই। কে আমাকে এখানে পাঠিয়েছেন? কার নির্দেশে এই স্থান ও সময় আমার জন্য নির্ধারিত হয়েছে?
** "মানুষের সীমাবদ্ধতা", ''দ্য থটস অব ব্লেইজ পাস্কাল'' (১৮৮৫)।
* **এই অনন্ত মহাশূন্যের চিরন্তন নিস্তব্ধতা আমাকে আতঙ্কিত করে।**
=== ''ডিসকোর্সেস অন দ্য কন্ডিশন অব দ্য গ্রেট'' ===
* আপনার প্রকৃত অবস্থা বুঝতে এই উদাহরণটি কল্পনা করুন: এক ব্যক্তি ঝড়ের কবলে পড়ে এক অজানা দ্বীপে পৌঁছান। দ্বীপবাসীরা তাদের হারিয়ে যাওয়া রাজাকে খুঁজছিল। ওই ব্যক্তির চেহারা ও গড়ন রাজার মতো হওয়ায় সবাই তাকে রাজা হিসেবে মেনে নেয়।
* তার মনে দুটি ভাবনা কাজ করছিল: একটি হলো রাজার মতো কাজ করা এবং অন্যটি হলো তার আসল অবস্থা সম্পর্কে সচেতন থাকা। সে জানত যে কেবল দুর্ঘটনাবশত সে এই অবস্থায় পৌঁছেছে।
* '''ভাববেন না যে আপনি যে সম্পদের মালিক হয়েছেন তা ওই ব্যক্তির রাজা হওয়ার চেয়ে কম আকস্মিক কিছু।'''
* আইনপ্রণেতারা যদি নিয়ম করতেন যে এই সম্পদ মৃত্যুর পর রাষ্ট্রের কাছে ফিরে যাবে, তবে আপনার অভিযোগ করার কোনো উপায় থাকত না।
* '''প্রাকৃতিক অধিকার নয়, বরং মানবিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই আপনি আপনার সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।'''
* আপনার এই অধিকার কোনো ব্যক্তিগত যোগ্যতা বা গুণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়নি। আপনার আত্মা বা শরীর একজন মাঝির বা একজন সামন্ত প্রভুর হওয়ার ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক কোনো পার্থক্য নেই। কোনো প্রাকৃতিক বন্ধনই এগুলোকে নির্দিষ্ট একটি অবস্থার সাথে আটকে রাখে না।
* '''সামাজিকভাবে পদমর্যাদা অনুযায়ী চললেও মনের ভেতরে আপনার স্বীকার করা উচিত যে আপনি জন্মগতভাবে অন্যদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ নন।'''
* '''জনসাধারণের ভাবনা যদি আপনাকে সাধারণ মানুষের উপরে তুলে ধরে, তবে আপনার ভেতরের ভাবনাটি যেন আপনাকে নম্র রাখে এবং সবার সাথে সমান অবস্থানে ধরে রাখে। এটিই আপনার স্বাভাবিক অবস্থা।'''
* নিজেকে অন্যের চেয়ে উচ্চতর ভেবে ভুল করবেন না।
* জনগণের ভুলে রাজা হওয়া ব্যক্তি যদি নিজের স্বাভাবিক অবস্থা ভুলে নিজেকে যোগ্য ভাবতে শুরু করেন, তবে আপনি তার **নির্বুদ্ধিতা ও মূর্খতা** দেখে অবাক হবেন। কিন্তু নিজেদের স্বাভাবিক অবস্থা ভুলে থাকা উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও কি একই কথা খাটে না?
* **উচ্চবিত্তদের সব বাড়াবাড়ি, সহিংসতা এবং অহংকার আসে নিজেদের পরিচয় সম্পর্কে অজ্ঞতা থেকে।** যারা মনেপ্রাণে নিজেদের সবার সমান মনে করে, তাদের পক্ষে শ্রেষ্ঠত্বের বড়াই করা কঠিন। শ্রেষ্ঠত্বের এই ভ্রম বজায় রাখতে হলে একজনকে নিজের আসল পরিচয় ভুলতে হয়।
* '''আপনি যদি আমার কাছে শ্রদ্ধা আশা করেন, তবে আমাকে আপনার এমন গুণ দেখান যা শ্রদ্ধার যোগ্য। আপনি তা দেখাতে পারলে আমি আপনাকে শ্রদ্ধা করব এবং তা ন্যায়সংগত হবে। কিন্তু আপনি তা না করলে আমার কাছে শ্রদ্ধা দাবি করা আপনার অন্যায় হবে। আপনি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ রাজপুত্র হলেও আপনি তাতে সফল হবেন না।'''
* '''আপনার মতে একজন বড় অভিজাত হওয়ার মানে কী? এর অর্থ হলো মানুষের কাঙ্ক্ষিত অনেক কিছুর মালিক হওয়া এবং অনেকের চাহিদা পূরণ করতে পারা। এই অভাব ও চাহিাই মানুষকে আপনার দিকে টানে এবং আপনার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য করে। এগুলো না থাকলে তারা আপনার দিকে ফিরেও তাকাত না।'''
* **ঈশ্বর ভালোবাসায় পূর্ণ মানুষ দ্বারা পরিবেষ্টিত** যারা তার কাছে ভালোবাসা চায়। তাই তিনি মূলত ভালোবাসার রাজা।
* একইভাবে আপনিও একদল আগ্রহী মানুষ দ্বারা পরিবেষ্টিত। তারা আপনার কাছে তাদের চাহিদা মেটানোর সুযোগ চায়। তাই আপনি মূলত আকাঙ্ক্ষা বা চাহিদার রাজা। **মানুষ যা চায় তার মালিকানাই আপনার ক্ষমতার উৎস।**
* আপনার প্রাকৃতিক শক্তি বা ক্ষমতার কারণে মানুষ আপনার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য হয়নি। তাই শক্তি দিয়ে তাদের শাসন করবেন না বা তাদের সাথে রূঢ় আচরণ করবেন না। **তাদের যুক্তিসঙ্গত চাহিদাগুলো পূরণ করুন।** মানুষের উপকার করার মাধ্যমে আনন্দ খুঁজলে আপনি আকাঙ্ক্ষার প্রকৃত রাজা হতে পারবেন।
* কিছু মানুষ লোভ, নৃশংসতা, সহিংসতা বা ব্যভিচারের মাধ্যমে কত অনর্থকভাবে নিজেকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়! নিজেকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাওয়া সবসময়ই চরম বোকামি। মানুষের উচিত আকাঙ্ক্ষা ও এর রাজত্বকে তুচ্ছ করে সেই ভালোবাসার রাজ্যের আকাঙ্ক্ষা করা, যেখানে সবাই ভালোবাসা ছাড়া আর কিছুই চায় না।
=== ''কনভারসেশন অন এপিকটেটাস অ্যান্ড মনটেইন'' ===
* আমি দেখেছি যে তারা [এপিকটেটাস ও মনটেইন] বিশ্বের দুটি বিখ্যাত মতবাদের শ্রেষ্ঠ রক্ষক এবং যুক্তিপূর্ণ। তাদের দেখানো পথ দুটি হলো: হয় ঈশ্বর আছেন এবং তিনিই পরম কল্যাণ; অথবা তিনি অনিশ্চিত এবং তখন প্রকৃত কল্যাণও অনিশ্চিত।
* আমি যেমন এই গবেষণায় দেখানোর চেষ্টা করেছি, প্রকৃতিতে তার প্রতিটি কাজের মাধ্যমে ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণের চেষ্টার চেয়ে মানুষের মনের সেই চেষ্টাকে বিবেচনা করা অনেক বেশি ন্যায়সংগত।
* এই দুই মতবাদের ভুলের মূল কারণ হলো তারা মানুষের বর্তমান অবস্থা যে সৃষ্টির সময়ের চেয়ে ভিন্ন, তা জানতেন না। এক পক্ষ মানুষের আদি মহত্ত্ব দেখে তার বর্তমান কলুষতা ভুলে প্রকৃতির ওপর অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয়ে **অহংকারের** জন্ম দেয়। অন্য পক্ষ বর্তমান দুর্দশা দেখে আদি মর্যাদা ভুলে হতাশায় ডুবে যায়।
* মানুষের এই দুই অবস্থা—মহত্ত্ব ও দুর্বলতা—একসাথে না জানলে মানুষ হয় অহংকারী নতুবা অলস হয়ে পড়ে। ঐশ্বরিক অনুগ্রহ পাওয়ার আগে সব মানুষই এই দুই দোষের শিকার হয়।
* **একজন মানুষের কর্তব্য জানলেও তার অক্ষমতা সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় সে উদ্ধত হয়। অন্যজন অক্ষমতা জানলেও কর্তব্য সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় অলস হয়ে পড়ে। সুসমাচারের সত্য এই দুই বৈপরীত্যের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করে। এটি সত্যকে গ্রহণ করে এবং মিথ্যাকে বর্জন করে এক স্বর্গীয় প্রজ্ঞা তৈরি করে।**
* জগতের দার্শনিকরা একই বিষয়ের মধ্যে বৈপরীত্য খোঁজেন। অন্যদিকে বিশ্বাস আমাদের শেখায় বৈপরীত্যগুলোকে ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ের ওপর স্থাপন করতে। মানুষের সব দুর্বলতা তার প্রকৃতির অংশ এবং সব শক্তি ঐশ্বরিক অনুগ্রহের দান। এটিই সেই বিস্ময়কর ও নতুন মিলন যা কেবল ঈশ্বরই শেখাতে পারেন।
=== ''অন দ্য স্পিরিট অব জিওমেট্রি'' ===
* সরাসরি সত্যের মালিক হওয়ার বিশ্বাস মানুষের এক স্বাভাবিক মানসিক ব্যাধি।
*** ১ম বিভাগ
=== ''দ্য আর্ট অব পারসুয়েশন'' ===
* মতবাদগুলো আত্মার দুটি প্রধান ক্ষমতার মাধ্যমে গৃহীত হয়: বুদ্ধি এবং ইচ্ছা।
* **মানুষ প্রমাণের চেয়ে আকর্ষণের মাধ্যমে বিশ্বাস করতে বেশি পছন্দ করে।** এটি একটি নীচ ও অপ্রাসঙ্গিক পথ, তাই সবাই একে অস্বীকার করে। প্রত্যেকেই দাবি করে যে সে যা জানে কেবল তা-ই বিশ্বাস ও ভালোবাসা করে।
* আমি এখানে ঐশ্বরিক সত্যের কথা বলছি না কারণ তা প্রকৃতির ঊর্ধ্বে। **কেবল ঈশ্বরই আত্মায় সেই সত্য স্থাপন করতে পারেন।** তিনি চেয়েছেন সেই সত্য যেন মন থেকে হৃদয়ে না এসে বরং হৃদয় থেকে মনে প্রবেশ করে। এটি মানুষের অহংকারী যুক্তিকে দমন করে এবং কলুষিত ইচ্ছাকে এটি পরিশোধিত করে।
* '''পার্থিব জিনিসের ক্ষেত্রে আমরা বলি যে কোনো কিছু ভালোবাসার আগে তা জানতে হয়। অন্যদিকে পবিত্র জিনিসের ক্ষেত্রে মহাত্মারা বলেন যে কোনো কিছু জানার আগে তাকে ভালোবাসতে হয়। কেবল ভালোবাসার মাধ্যমেই আমরা সত্যে প্রবেশ করতে পারি।'''
* তারা [মানুষ] ঐশ্বরিক নিয়মকে কলুষিত করেছে। কারণ মানুষ সাধারণত যা তাকে আনন্দ দেয় তা ছাড়া অন্য কিছু খুব কমই বিশ্বাস করে।
* ঈশ্বর মানুষের বুদ্ধিতে তখনই আলো দান করেন যখন তিনি মানুষের জেদি ইচ্ছাকে স্বর্গীয় নম্রতা দিয়ে জয় করেন।
* মন এবং হৃদয় হলো সত্য প্রবেশের দুটি পথ। তবে বুদ্ধির চেয়ে ইচ্ছার খামখেয়ালিপনায় অনেক বেশি সত্য (বা মিথ্যা) আত্মায় প্রবেশ করে।
* বেশ কিছু বিশেষ নীতি সত্যের মতোই জোরালোভাবে মানুষকে বিশ্বাসের দিকে টানে, যদিও সেগুলো আসলে মিথ্যা।
* কোনো বিষয় তাকে পরম আনন্দের দিকে নিয়ে যেতে পারে— আত্মা এটি বুঝতে পারার সাথে সাথেই তা সানন্দে গ্রহণ করে।
* **সত্য ও আনন্দের** মধ্যে যখন দ্বন্দ্ব বাধে, তখন জয়-পরাজয় অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এটি বোঝার জন্য মানুষের অন্তরের গহীন খবর জানা প্রয়োজন যা মানুষ নিজেও সবসময় জানে না।
* **কাউকে রাজি করাতে হলে ওই ব্যক্তির মন এবং হৃদয় সম্পর্কে জানা জরুরি।** তার মূলনীতিগুলো কী এবং সে কী ভালোবাসে তা বুঝতে হবে।
* **প্ররোচনা বা প্রবোধ দেওয়ার শিল্প যতটা না বোঝানোর, তার চেয়ে বেশি তুষ্ট করার। কারণ মানুষ যুক্তির চেয়ে খামখেয়ালিপনা দ্বারা বেশি পরিচালিত হয়!**
* আনন্দের উৎসগুলো স্থির নয়। প্রতিটি মানুষের ক্ষেত্রে এগুলো ভিন্ন এবং সময়ে সময়ে পরিবর্তনশীল। একজন মানুষ ভিন্ন সময়ে নিজের চেয়েও অনেক বেশি আলাদা হয়ে যায়।
* এমন কোনো সত্য নেই যা নিয়ে আমরা সবসময় একমত থাকি। আবার আমাদের আনন্দের বিষয়গুলোও প্রতি ঘণ্টায় বদলে যায়। মানুষের খামখেয়ালিপনা অনুযায়ী কথা বলার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম আছে কি না আমি জানি না।
* **প্রমাণ বা যুক্তির নিখুঁত পদ্ধতি তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত:** স্পষ্ট সংজ্ঞার মাধ্যমে পদের ব্যাখ্যা দেওয়া, প্রমাণিত নীতি বা স্বতঃসিদ্ধ প্রস্তাব করা এবং প্রমাণের সময় পদের বদলে সবসময় তার সংজ্ঞা ব্যবহার করা।
* যদি ভিত্তি মজবুত না হয়, তবে অট্টালিকাও নিরাপদ হয় না।
* সংজ্ঞায়ন, স্বতঃসিদ্ধ সত্য এবং প্রমাণের নিখুঁত পদ্ধতির জন্য জ্যামিতিক প্রমাণের কিছু নিয়মই যথেষ্ট।
* **সংজ্ঞায়নের নিয়ম:** ১. কোনো সুপরিচিত বিষয়কে সংজ্ঞায়িত করতে যাবেন না যা ব্যাখ্যা করার জন্য আরও স্পষ্ট শব্দ নেই। ২. অস্পষ্ট বা দ্ব্যর্থবোধক কোনো শব্দকে সংজ্ঞা ছাড়া রাখবেন না। ৩. সংজ্ঞায় কেবল পরিচিত বা আগে ব্যাখ্যা করা হয়েছে এমন শব্দই ব্যবহার করবেন।
* **স্বতঃসিদ্ধ সত্যের নিয়ম:** ১. প্রয়োজনীয় কোনো নীতি বা বিষয় যত স্পষ্টই হোক না কেন, তা জিজ্ঞাসা করা থেকে বিরত থাকবেন না। ২. কেবল নিজের মধ্যে স্পষ্ট বিষয়গুলোই স্বতঃসিদ্ধ হিসেবে দাবি করবেন।
* **প্রমাণের নিয়ম:** ১. খুব বেশি স্পষ্ট কোনো বিষয় প্রমাণ করতে যাবেন না যা প্রমাণ করার মতো সহজ কিছু আর নেই। ২. সব অস্পষ্ট প্রস্তাবনা প্রমাণ করুন এবং প্রমাণের ক্ষেত্রে কেবল খুব স্পষ্ট স্বতঃসিদ্ধ বা আগে প্রমাণিত প্রস্তাবনা ব্যবহার করুন। ৩. দ্ব্যর্থতা এড়াতে প্রমাণের সময় মানসিক ভাবে পদের জায়গায় তার সংজ্ঞা বসান।
* ওপরের আটটি নিয়ম যে কোনো মজবুত প্রমাণের জন্য যথেষ্ট। এর মধ্যে পাঁচটি নিয়ম অপরিহার্য যা ছাড়া কোনো প্রমাণ সম্পন্ন করা সম্ভব নয়।
* নিয়মের অভাব বা কঠিন অনুশীলনের কারণে এগুলো অনেকের কাছেই অপরিচিত।
* **এই নিয়মগুলো খুব সাধারণ— এমন আপত্তির বিপরীতে আমার কথা হলো:** জ্যামিতিবিদরা ছাড়া পুরো জাতির মধ্যে খুব কম মানুষই এই নিয়মগুলো জানে।
* যারা এই নিয়মগুলো আয়ত্ত করেছেন, তারা বুঝতে পারবেন যে সাধারণ যুক্তিবিদরা যা লিখেছেন তার সাথে এর পার্থক্য কতটা বিশাল।
* একই কথা যারা বলেন, তারা সবাই বিষয়টিকে একইভাবে ধারণ করেন না। একজন মানুষের সামর্থ্য কেবল তার একটি ভালো উক্তি শুনে বিচার করা উচিত নয়। আমাদের উচিত তার মনের গভীরে প্রবেশ করা। অনেক সময় দেখা যায় সে নিজেই তার ওই ভালো চিন্তাটি বিশ্বাস করে না এবং কোনো তুচ্ছ বিষয়ের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
* **'বস্তু প্রাকৃতিকভাবেই চিন্তায় অক্ষম'** এবং **'আমি চিন্তা করি, তাই আমি আছি'**— রেনে দেকার্ত এবং সেন্ট অগাস্টিনের কাছে কি এই নীতি দুটি আসলে একই ছিল? অগাস্টিন বারোশ বছর আগেই একই কথা বলেছিলেন। আমি বলছি না দেকার্ত এর রচয়িতা নন। তবে কেবল কোনো কথা বলা এবং সেই কথা থেকে চমৎকার সব সিদ্ধান্ত বের করে একটি পূর্ণাঙ্গ আধিভৌতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার মধ্যে বিশাল পার্থক্য আছে।
* কোনো এক ব্যক্তি নিজের অজান্তেই একটি চমৎকার কথা বলতে পারেন। কিন্তু অন্য কেউ হয়তো সেই একই কথার মধ্যে অসামান্য সব সিদ্ধান্তের সমাহার খুঁজে পান। ফলস্বরূপ উক্তিটি আর আগের মতো থাকে না। কোনো উক্তি যেখান থেকে শেখা হয়েছে তার প্রতি ঋণ ঠিক ততটুকুই, যতটুকু একটি সুন্দর গাছ সেই ব্যক্তির প্রতি ঋণী যে অনিচ্ছাকৃত ভাবে উর্বর মাটিতে বীজ ফেলেছিল।
* **যুক্তিবিদ্যা হয়তো জ্যামিতির নিয়মগুলো ধার করেছে কিন্তু সেগুলোর শক্তি বুঝতে পারেনি।** এই বিজ্ঞানই যুক্তি পরিচালনার সঠিক পদ্ধতি শেখায়।
* **ভুল না করার পদ্ধতি সবাই খোঁজে।** যুক্তিবিদরা পথ দেখানোর দাবি করেন কিন্তু কেবল জ্যামিতিবিদরাই তা অর্জন করতে পারেন। বিজ্ঞান এবং এর অনুসরণ ছাড়া আর কোনো প্রকৃত প্রমাণ নেই।
* **ভালো জিনিস সবখানেই আছে, কেবল সেগুলো বেছে নেওয়া প্রয়োজন।** এটি নিশ্চিত যে সেগুলো প্রাকৃতিক এবং সবার নাগালের মধ্যেই থাকে।
* **শ্রেষ্ঠত্ব কোনো অসাধারণ বা কাল্পনিক জিনিসের মধ্যে নেই।** একে পেতে হলে আমাদের অনেক সময় নিচু হতে হয়।
* শ্রেষ্ঠ বই সেগুলোই যা পড়ার পর পাঠকের মনে হয় তিনি নিজেও তা লিখতে পারতেন।
* **প্রকৃতিই একমাত্র ভালো যা সবার কাছে পরিচিত এবং সাধারণ।**
* আমি নিশ্চিত যে এই নিয়মগুলো সহজ, কৃত্রিমতাহীন এবং স্বাভাবিক।
* মনকে জোর করা উচিত নয়। কৃত্রিম আচরণ সলিড খাবারের বদলে মনকে কেবল অন্তঃসারশূন্য অহংকারে পূর্ণ করে।
* **মানুষের একটি প্রধান ভুল হলো তারা মনে করে ভালো জিনিসগুলো দুর্লভ এবং উঁচু স্তরের। তারা এগুলোকে 'মহান, উচ্চ বা মহৎ' নাম দেয়। আমি এগুলোকে 'সাধারণ ও পরিচিত' বলতে পছন্দ করি।** কারণ এই নামগুলোই বেশি মানানসই। আমি আড়ম্বরপূর্ণ শব্দ অপছন্দ করি।
== পাস্কাল সম্পর্কে উক্তি ==
* {{w|Lettres provinciales|''প্রোভিনশিয়াল লেটার্স''}} এবং ছোটখাটো ধর্মীয় রচনাগুলো লেখার পরের বছরগুলোতে পাস্কাল খ্রিস্টধর্মের প্রসারে নিজের জীবন উৎসর্গ করতে শুরু করেন। এই কার্যক্রমের মূলে ছিল তার বিখ্যাত কাজ [[পঁসে|''পঁসে'' ]]। এটি মূলত ১৬৫৭ থেকে ১৬৫৮ সালের দিকে লেখা। অনেক সমালোচকের মতে, এটি অজ্ঞেয়বাদী ও নাস্তিকদের ধর্মীয় বিশ্বাসে ফিরিয়ে আনার সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী প্রচেষ্টাগুলোর একটি। তবে এটি মূলত একটি অসমাপ্ত কাজ।
** {{w|ডোনাল্ড অ্যাডামসন}}, ''ব্লেইজ পাস্কাল: গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং ঈশ্বর চিন্তক'' (১৯৯৪)।
* আমি খুব ভাগ্যবান ছিলাম। শৈশবে কৌতূহলী হওয়ার পাশাপাশি আমি কিছুটা শারীরিক প্রতিবন্ধকতার শিকার ছিলাম। তাই হাতের কাছে যা পেতাম তা-ই পড়তাম। আমার স্মরণশক্তি এবং কাজ করার শক্তিও প্রচুর। এটি একটি আশীর্বাদ। আমি এখনও নতুন কিছু শেখার জন্য তৃষ্ণার্ত। সব তরুণের মধ্যে এই গুণ থাকে না। তাদের অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া উচিত এবং মানবজাতির মহান চিন্তাগুলোর সাথে পরিচিত হওয়া উচিত। প্রত্যেকেরই ভাবা উচিত— "আমি কেন এখানে? এই পৃথিবীতে আমার কাজ কী?" অ্যারিস্টটল এবং প্লেটোকে জানা খুব জরুরি। জীবনকে সহজ করতে হলে লিওপোল্ড এবং পাস্কালকে জানা একান্ত প্রয়োজন।
** মায়া অ্যাঞ্জেলের সাথে কথোপকথন (১৯৮৯), ১৯৮৬ সালের সাক্ষাৎকার।
* এটি তাৎপর্যপূর্ণ যে আমরা ব্লেইজ পাস্কালের মেধার মাধ্যমেই ''[[গাণিতিক আরোহ বিধি|পুনরাবৃত্তি নীতি]]''-র প্রথম সুষ্পষ্ট ধারণা পাই। ১৬৫৪ সালে প্রকাশিত ''দ্য অ্যারিথমেটিক ট্রায়াঙ্গেল'' নামক একটি গবেষণাপত্রে তিনি এই নীতি ব্যাখ্যা করেন। পাস্কাল ও [[পিয়ের দ্য ফের্মা|ফের্মার]] মধ্যে জুয়া খেলার সমস্যা নিয়ে আদান-প্রদান করা চিঠিপত্রেই এই কাজের মূল নির্যাস ছিল। এই যোগাযোগ থেকেই আধুনিক সম্ভাবনা তত্ত্ব গড়ে উঠেছে। এটি বিস্ময়কর যে বিশুদ্ধ গণিতের ভিত্তি এবং সব ডিডাক্টিভ বিজ্ঞানের মূল আধার এই তত্ত্ব দুটি জুয়াড়িদের একটি অসমাপ্ত খেলার বাজি ভাগ করার কৌশল খুঁজতে গিয়ে আবিষ্কৃত হয়েছিল।
** [[Tobias Dantzig]], ''নাম্বার: দ্য ল্যাঙ্গুয়েজ অব সায়েন্স'' (১৯৩০)।
* একটি কার্যকর ধর্ম সম্পর্কে পাস্কাল যা বলেছিলেন তা যেকোনো কার্যকর মতবাদের ক্ষেত্রেই সত্য: একে অবশ্যই "প্রকৃতি, সাধারণ জ্ঞান এবং আনন্দের প্রতিকূলে" হতে হবে।
** [[Eric Hoffer]], ''দ্য ট্রু বিলিভার'' (১৯৫১)।
* মানুষ অসীমভাবে মানুষকে ছাড়িয়ে যায়।
** [[পোপ পল ষষ্ঠ]], ''এনসাইক্লিক্যাল পপুলোরাম প্রগ্রেসীয়'' (১৯৬৭)।
* পাস্কাল অবজ্ঞার সাথে বলেছিলেন যে সাধারণ শ্রমিকরা তথাকথিত 'দার্শনিকদের' ভুল ধরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। মূলত এই অশিক্ষিত মানুষরাই 'নিজেদের চোখে দেখা এবং হাতে স্পর্শ করা' বিষয়গুলো বিশ্বাস করতে বেশি প্রস্তুত ছিল।
** [[Reijer Hooykaas]], ''রিলিজিয়ন অ্যান্ড দ্য রাইজ অব মডার্ন সায়েন্স'' (২০০০)।
* দর্শনচর্চা মানেই হলো মানুষের গুরুত্ব এবং তার মর্যাদাকে পুনপ্রতিষ্ঠা করা। সক্রেটিসের অন্বেষণ এবং বিজ্ঞানের কার্তেসীয় বিপ্লবের মুখে পাস্কালের উদ্বেগের মূল অর্থ ছিল এটাই। এই বিচারে পাস্কাল [[সক্রেটিস|সক্রেটিসের]] চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ একজন দার্শনিক। বিজ্ঞান মানুষকে সৃষ্টির সেরা জীব থেকে সরিয়ে দেওয়ার যে দাবি করেছিল, পাস্কালই প্রথম তার তীব্র প্রতিবাদ জানান। কেন বিজ্ঞান মানুষের হৃদয়ে আনন্দ দিতে বা জীবনের অর্থ খুঁজে পেতে ব্যর্থ, তা পাস্কালের চেয়ে ভালো কেউ প্রমাণ করতে পারেনি।
** [[w:Thomas Molnar|থমাস মোলনার]], ''দ্য ডিক্লাইন অব দ্য ইন্টেলেকচুয়াল'' (১৯৬১)।
* পাস্কাল কোনো কূপমণ্ডূক ছিলেন না। তবে তিনি পরিমাপ করেছিলেন যে বিজ্ঞান মানুষের ভাগ্যের সমস্যার ক্ষেত্রে কতটা অপ্রাসঙ্গিক হতে পারে। বিজ্ঞান মানুষের অভিজ্ঞতার সীমাবদ্ধতা ও অপূর্ণতাকে উপেক্ষা করে যে সত্যের দাবি করে, তা বাস্তবসম্মত নয়। বরং আমাদের সহজাত সামর্থ্যগুলোই অস্তিত্বের লড়াইয়ে টিকে থাকার একমাত্র ও অপরিহার্য হাতিয়ার।
** [[w:Thomas Molnar|থমাস মোলনার]], ''দ্য ডিক্লাইন অব দ্য ইন্টেলেকচুয়াল'' (১৯৬১)।
* পাস্কাল হলেন [[রেনে দেকার্ত|দেকার্তের]] একজন বিচক্ষণ সমালোচক। তিনি দেকার্তের সবকিছুর বিরোধিতা না করলেও মৌলিক কিছু পয়েন্টে দ্বিমত পোষণ করেছেন। প্রথমত, তিনি বুঝেছিলেন যে দেকার্তের নিশ্চিত জ্ঞানের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি ভ্রান্ত মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে। দেকার্ত এমন কিছু দিয়ে শুরু করতে চেয়েছিলেন যা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই, যার ফলে তিনি বিশ্বাস করতেন সব প্রকৃত জ্ঞানই প্রযুক্তিগত। পাস্কাল তার সম্ভাব্যতা তত্ত্বের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত এড়িয়ে গেছেন। দ্বিতীয়ত, পাস্কাল উপলব্ধি করেছিলেন যে যেকোনো বাস্তব কাজে কার্তেসীয় যুক্তিই একমাত্র উৎস নয়। মানুষের মন কোনো সচেতন বা সূত্রবদ্ধ কৌশলের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল নয়। অনেক সময় মন কোনো কৌশল ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে কাজ করে। অনুসন্ধানের নিয়মগুলো অতিরিক্ত সুনির্দিষ্ট করতে গিয়ে পদ্ধতির ওপর গুরুত্ব দিলে প্রকৃত অনুসন্ধান বাধাগ্রস্ত হয়। আধুনিক দর্শনের ইতিহাসের বড় একটি অংশ এই প্রশ্নকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে।
** [[Michael Oakeshott]], ''র্যাশনালিজম ইন পলিটিক্স অ্যান্ড আদার এসেস'' (১৯৬২)।
* পাস্কালের 'পঁসে' থেকে কিছু অংশ বেছে নিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়েছে যে তিনি বিশ্বাসের কাছে যুক্তিকে বিসর্জন দিয়ে দর্শনের সম্ভাবনা অস্বীকার করেছেন। আমি দেখাতে চাই যে পাস্কাল সংশয়বাদী ছিলেন না। তার এই কাজে [[বারুখ স্পিনোজা|স্পিনোজা]] বা [[লাইবনিজ|লাইবনিজের]] মতো বিস্তারিত কোনো সিস্টেম না থাকলেও একটি প্রকৃত দর্শনের মূলনীতিগুলো বিদ্যমান। এই ধারণাগুলো পাস্কালের বিশ্বাসের সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। খ্রিস্টধর্ম এবং দর্শনের উচ্চতর দিকগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্য এর চেয়ে ভালো পথ আর নেই।
** [[Félix Ravaisson-Mollien|ফেলিক্স রাভেইসন]], ''সাজি ফিলোসোফিচি'' (১৯১৭)।
* পাস্কাল গণিতের বিষয়বস্তুর সাথে অন্যান্য বিষয়ের পার্থক্য ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি বিষয়গুলোকে কোনো সাধারণ নামে না ডেকে বরং বর্ণনা করেছেন। তার সময়ের ভাষায় বললে এগুলো ছিল নান্দনিক ও নৈতিক প্রকৃতির। মনের যে অনুষদগুলো এই দুই ধরনের বিষয়ের সাথে যুক্ত, তিনি সেগুলোর বৈশিষ্ট্যও তুলে ধরেছেন। বস্তু ও আত্মার পার্থক্যের মতো এই দুই জগতের তফাত পাস্কালের চেয়ে স্পষ্ট করে আর কেউ বুঝতে পারেনি।
** [[Félix Ravaisson-Mollien|ফেলিক্স রাভেইসন]], ''সাজি ফিলোসোফিচি'' (১৯১৭)।
* পাস্কালই একমাত্র মহান গণিতবিদ যিনি লেখক হিসেবেও সমভাবে বিখ্যাত। তার জ্যানসেনবাদী আদর্শের একটি স্থায়ী প্রভাব হলো গণপরিবহন ব্যবস্থা। মৃত্যুর কিছুদিন আগে পাস্কাল বিশ্বে প্রথমবারের মতো ওমনিবাস (omnibus) সার্ভিস চালু হতে দেখেন। প্যারিসের নির্দিষ্ট রুটে ৫ স্যু ভাড়ায় এই কোচগুলো চলত। এই আয়ের লাভ দরিদ্রদের সাহায্যের জন্য দেওয়া হতো।
** [[w:John Stillwell|জন স্টিলওয়েল]], ''ম্যাথমেটিক্স অ্যান্ড ইটস হিস্ট্রি'' (১৯৮৯)।
* জীবন্ত দেহকে একটি যন্ত্র হিসেবে বিবেচনা করা পাস্কালের কাছে অত্যন্ত অগ্রহণযোগ্য ও হাস্যকর মনে হতো।
** [[w:D'Arcy Wentworth Thompson|ডি'আর্সি ওয়েন্টওয়ার্থ থম্পসন]], ''অন গ্রোথ অ্যান্ড ফর্ম'' (১৯১৭)।
* পাস্কালের বিপরীতে আমি বলি: ইব্রাহিম, ইসহাক ও ইয়াকুবের ঈশ্বর এবং দার্শনিকদের ঈশ্বর একই।
** [[Paul Tillich]], ''বিবলিক্যাল রিলিজিয়ন অ্যান্ড দ্য সার্চ ফর আলটিমেট রিয়েলিটি''।
* পাস্কালের 'থটস' বা 'পঁসে' কোনো সাধারণ বই নয়। এই মহান ব্যক্তি তার শক্তিশালী মনে যখন যা আসত তা-ই কাগজে লিখে রাখতেন। গুরুতর অসুস্থতা তাকে নিষ্ক্রিয় করে দেওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি এটি চালিয়ে গেছেন। পরবর্তীকালে এই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা চিন্তাগুলোকে সুশৃঙ্খল করার জন্য অনেক চেষ্টা করা হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে সাফল্যও মিলেছে। তবে কখনও কখনও লেখকের মূল উদ্দেশ্য ভুলভাবেও ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
** [[Alexandre Rodolphe Vinet]], ''স্টাডিজ অন পাস্কাল'' (১৮৫৯)।
* পাস্কাল ধর্মের পক্ষে বিশেষ কিছুই প্রমাণ করতে পারেননি। বরং তিনি এটিই দেখিয়েছেন যে একজন প্রতিভাবান মানুষও কোনো কোনো বিষয়ে বোকা হতে পারেন। যখন কেউ নিজের কুসংস্কারের কথা শোনার মতো দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন সে শিশুর মতোই আচরণ করে।
** [[Baron d'Holbach]], ''গুড সেন্স উইদাউট গড'' (১৭৭২)।
== বহিঃসংযোগ ==
* {{উইকিপিডিয়া-ইনলাইন}}
* {{উইকিসোর্স-লেখক}}
* {{Commonscat-inline}}
* [http://www.gutenberg.org/browse/authors/p#a7913 প্রজেক্ট গুটেনবার্গে ব্লেইজ প্যাস্কেল]
* [http://btr360.com/2015/06/19/124-thoughts-of-blaise-pascal-free-book/ ব্লেইজ প্যাস্কেলের ১২৪টি উক্তি]
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:প্যাস্কেল, ব্লেইজ}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৬২৩-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৬৬২-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রবচনকারক]]
[[বিষয়শ্রেণী:খ্রিস্টীয় ধর্মতাত্ত্বিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:সমালোচক]]
[[বিষয়শ্রেণী:মানবতাবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:আবিষ্কারক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি যুক্তিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি গণিতবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:রহস্যবাদী]]
[[विषয়শ্রেণী:ফরাসি দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:দার্শনিক হতাশাবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি ক্যাথলিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি ধর্মতত্ত্ববিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:অ-কল্পকাহিনী লেখক]]
n2v9g6dbvy2fzyfbcdqazdf82og3o0m
74071
74070
2026-04-06T08:20:33Z
SMontaha32
3112
74071
wikitext
text/x-wiki
[[File:Blaise Pascal Versailles.JPG|thumb|[[দর্শন|দর্শনের]] গুরুত্ব কমিয়ে দেখা এক ধরনের [[সত্য|প্রকৃত]] দার্শনিকতা।]]
'''ব্লেইজ পাস্কাল''' (১৯ জুন ১৬২৩ – ১৯ আগস্ট ১৬৬২) ছিলেন একজন ফরাসি [[গণিতবিদ]], যুক্তিবিদ, পদার্থবিদ এবং ধর্মতত্ত্ববিদ।
:'''দ্রষ্টব্য: ''[[পঁসে]]'' থেকে নেওয়া সব উক্তি ওই পাতায় পাওয়া যাবে।'''
== উক্তি ==
[[File:Blaise Pascal 2.jpg|thumb|মানুষ সাধারণত প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং যা তাদের কাছে [[আকর্ষণীয়]] মনে হয় তার ভিত্তিতেই কোনো কিছু [[বিশ্বাস|বিশ্বাস করে]]।]]
[[File:Blaise_pascal.jpg|thumb|[[আবির্ভাব|দৃশ্যমান বিষয়ের]] অস্থিরতা সবসময় আমাদের [[যুক্তি|যুক্তিকে]] হতাশ করে।]]
[[File:Pascal Pajou Louvre RF2981.jpg|thumb|কোনো [[কাজ]] শেষ করার পরপরই তা দেখলে আমরা এতে খুব বেশি মগ্ন থাকি। আবার অনেক পরে দেখলে আমরা এর যোগসূত্র খুঁজে পাই না।]]
* বার্ধক্য যেমন শৈশব থেকে জীবনের সবচেয়ে দূরবর্তী সময়, তেমনি এই বিশ্বজনীন মানুষের ক্ষেত্রেও কি তার জন্মের নিকটবর্তী সময়ের চেয়ে দূরবর্তী সময়ে বার্ধক্য খোঁজা উচিত নয়?
** ''প্রিফেস টু দ্য ট্রিটিজ অন ভ্যাকুয়াম'' (১৬৫১)
* {{anchor|Pascal plus longue}}''Je n'ai fait celle-ci plus longue que parce que je n'ai pas eu le loisir de la faire plus courte.''
** '''আমি আরও ছোট চিঠি লিখতাম, কিন্তু আমার হাতে পর্যাপ্ত সময় ছিল না।'''
*** ''প্রোভিনশিয়াল লেটার্স'': [https://ebooks.adelaide.edu.au/p/pascal/blaise/p27pr/part17.html ১৬তম চিঠি (৪ ডিসেম্বর ১৬৫৬)]
** আক্ষরিক অর্থ: '''আমি এই চিঠিটি দীর্ঘ করেছি কারণ এটি ছোট করার মতো অবসর আমার ছিল না।'''
** এ ধরনের উক্তি [[মার্ক টোয়েন]], [[টি. এস. এলিয়ট]], [[সিসেরো]]সহ অন্যদের নামেও প্রচলিত। তবে ‘কোট ইনভেস্টিগেটর’-এর নিবন্ধ অনুযায়ী পাস্কালের এই উক্তিটিই সম্ভবত মূল উৎস।
* '''মানুষ সাধারণত প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং যা তাদের কাছে আকর্ষণীয় মনে হয় তার ভিত্তিতেই কোনো কিছু বিশ্বাস করে।'''
** ''দ্য আর্ট অব পারসুয়েশন'' (১৬৫৮ সালে লেখা; মরণোত্তর প্রকাশিত)।
* মুহাম্মদ তার শত্রুদের হত্যার মাধ্যমে একটি ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন; অন্যদিকে যিশু খ্রিস্ট তার অনুসারীদের প্রাণ উৎসর্গ করার নির্দেশ দিয়ে ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন।
** [http://books.google.pt/books?id=MGkNAAAAYAAJ&pg=PA202&dq=%22Mahomet+established+a%22&hl=pt-PT&sa=X&ei=oZmPU-fCDemp7Ab7s4HQAg&ved=0CCsQ6AEwAA#v=onepage&q=%22Mahomet%20established%20a%20religion%22&f=false ''থটস অন রিলিজিয়ন অ্যান্ড ফিলোসফি''] (ডব্লিউ. কলিন্স, ১৮৩৮), অধ্যায় ১৬, পৃষ্ঠা ২০২।
* ''FEU. Dieu d'Abraham, Dieu d'Isaac, Dieu de Jacob, non des philosophes et savants. Certitude. Certitude. Sentiment. Joie. Paix.''
** '''আগুন। ইব্রাহিমের ঈশ্বর, ইসহাকের ঈশ্বর, ইয়াকুবের ঈশ্বর; দার্শনিক বা পণ্ডিতদের ঈশ্বর নন। নিশ্চয়তা। নিশ্চয়তা। অনুভূতি। আনন্দ। শান্তি।'''
** পাস্কালের মৃত্যুর পর তার কোটের আস্তরে সেলাই করা একটি চর্মকাগজে এই নোটটি পাওয়া যায়।
* যখন আমি আমার ক্ষণস্থায়ী জীবনের কথা ভাবি যা আগের এবং পরের অনন্তকালের মধ্যে বিলীন, তখন আমার ক্ষুদ্র অস্তিত্ব আমাকে আতঙ্কিত করে। আমি অনন্ত বিশালতার মাঝে এক নগণ্য স্থান জুড়ে আছি যার সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না এবং যা আমার সম্পর্কে কিছুই জানে না। আমি অবাক হই যে কেন আমি অন্য কোথাও না হয়ে এখানে আছি। এখন না হয়ে কেন তখন জন্মাইনি তারও কোনো কারণ নেই। কে আমাকে এখানে পাঠিয়েছেন? কার নির্দেশে এই স্থান ও সময় আমার জন্য নির্ধারিত হয়েছে?
** "মানুষের সীমাবদ্ধতা", ''দ্য থটস অব ব্লেইজ পাস্কাল'' (১৮৮৫)।
* **এই অনন্ত মহাশূন্যের চিরন্তন নিস্তব্ধতা আমাকে আতঙ্কিত করে।**
=== ''ডিসকোর্সেস অন দ্য কন্ডিশন অব দ্য গ্রেট'' ===
* আপনার প্রকৃত অবস্থা বুঝতে এই উদাহরণটি কল্পনা করুন: এক ব্যক্তি ঝড়ের কবলে পড়ে এক অজানা দ্বীপে পৌঁছান। দ্বীপবাসীরা তাদের হারিয়ে যাওয়া রাজাকে খুঁজছিল। ওই ব্যক্তির চেহারা ও গড়ন রাজার মতো হওয়ায় সবাই তাকে রাজা হিসেবে মেনে নেয়।
* তার মনে দুটি ভাবনা কাজ করছিল: একটি হলো রাজার মতো কাজ করা এবং অন্যটি হলো তার আসল অবস্থা সম্পর্কে সচেতন থাকা। সে জানত যে কেবল দুর্ঘটনাবশত সে এই অবস্থায় পৌঁছেছে।
* '''ভাববেন না যে আপনি যে সম্পদের মালিক হয়েছেন তা ওই ব্যক্তির রাজা হওয়ার চেয়ে কম আকস্মিক কিছু।'''
* আইনপ্রণেতারা যদি নিয়ম করতেন যে এই সম্পদ মৃত্যুর পর রাষ্ট্রের কাছে ফিরে যাবে, তবে আপনার অভিযোগ করার কোনো উপায় থাকত না।
* '''প্রাকৃতিক অধিকার নয়, বরং মানবিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই আপনি আপনার সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।'''
* আপনার এই অধিকার কোনো ব্যক্তিগত যোগ্যতা বা গুণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়নি। আপনার আত্মা বা শরীর একজন মাঝির বা একজন সামন্ত প্রভুর হওয়ার ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক কোনো পার্থক্য নেই। কোনো প্রাকৃতিক বন্ধনই এগুলোকে নির্দিষ্ট একটি অবস্থার সাথে আটকে রাখে না।
* '''সামাজিকভাবে পদমর্যাদা অনুযায়ী চললেও মনের ভেতরে আপনার স্বীকার করা উচিত যে আপনি জন্মগতভাবে অন্যদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ নন।'''
* '''জনসাধারণের ভাবনা যদি আপনাকে সাধারণ মানুষের উপরে তুলে ধরে, তবে আপনার ভেতরের ভাবনাটি যেন আপনাকে নম্র রাখে এবং সবার সাথে সমান অবস্থানে ধরে রাখে। এটিই আপনার স্বাভাবিক অবস্থা।'''
* নিজেকে অন্যের চেয়ে উচ্চতর ভেবে ভুল করবেন না।
* জনগণের ভুলে রাজা হওয়া ব্যক্তি যদি নিজের স্বাভাবিক অবস্থা ভুলে নিজেকে যোগ্য ভাবতে শুরু করেন, তবে আপনি তার **নির্বুদ্ধিতা ও মূর্খতা** দেখে অবাক হবেন। কিন্তু নিজেদের স্বাভাবিক অবস্থা ভুলে থাকা উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও কি একই কথা খাটে না?
* **উচ্চবিত্তদের সব বাড়াবাড়ি, সহিংসতা এবং অহংকার আসে নিজেদের পরিচয় সম্পর্কে অজ্ঞতা থেকে।** যারা মনেপ্রাণে নিজেদের সবার সমান মনে করে, তাদের পক্ষে শ্রেষ্ঠত্বের বড়াই করা কঠিন। শ্রেষ্ঠত্বের এই ভ্রম বজায় রাখতে হলে একজনকে নিজের আসল পরিচয় ভুলতে হয়।
* '''আপনি যদি আমার কাছে শ্রদ্ধা আশা করেন, তবে আমাকে আপনার এমন গুণ দেখান যা শ্রদ্ধার যোগ্য। আপনি তা দেখাতে পারলে আমি আপনাকে শ্রদ্ধা করব এবং তা ন্যায়সংগত হবে। কিন্তু আপনি তা না করলে আমার কাছে শ্রদ্ধা দাবি করা আপনার অন্যায় হবে। আপনি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ রাজপুত্র হলেও আপনি তাতে সফল হবেন না।'''
* '''আপনার মতে একজন বড় অভিজাত হওয়ার মানে কী? এর অর্থ হলো মানুষের কাঙ্ক্ষিত অনেক কিছুর মালিক হওয়া এবং অনেকের চাহিদা পূরণ করতে পারা। এই অভাব ও চাহিাই মানুষকে আপনার দিকে টানে এবং আপনার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য করে। এগুলো না থাকলে তারা আপনার দিকে ফিরেও তাকাত না।'''
* **ঈশ্বর ভালোবাসায় পূর্ণ মানুষ দ্বারা পরিবেষ্টিত** যারা তার কাছে ভালোবাসা চায়। তাই তিনি মূলত ভালোবাসার রাজা।
* একইভাবে আপনিও একদল আগ্রহী মানুষ দ্বারা পরিবেষ্টিত। তারা আপনার কাছে তাদের চাহিদা মেটানোর সুযোগ চায়। তাই আপনি মূলত আকাঙ্ক্ষা বা চাহিদার রাজা। **মানুষ যা চায় তার মালিকানাই আপনার ক্ষমতার উৎস।**
* আপনার প্রাকৃতিক শক্তি বা ক্ষমতার কারণে মানুষ আপনার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য হয়নি। তাই শক্তি দিয়ে তাদের শাসন করবেন না বা তাদের সাথে রূঢ় আচরণ করবেন না। **তাদের যুক্তিসঙ্গত চাহিদাগুলো পূরণ করুন।** মানুষের উপকার করার মাধ্যমে আনন্দ খুঁজলে আপনি আকাঙ্ক্ষার প্রকৃত রাজা হতে পারবেন।
* কিছু মানুষ লোভ, নৃশংসতা, সহিংসতা বা ব্যভিচারের মাধ্যমে কত অনর্থকভাবে নিজেকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়! নিজেকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাওয়া সবসময়ই চরম বোকামি। মানুষের উচিত আকাঙ্ক্ষা ও এর রাজত্বকে তুচ্ছ করে সেই ভালোবাসার রাজ্যের আকাঙ্ক্ষা করা, যেখানে সবাই ভালোবাসা ছাড়া আর কিছুই চায় না।
=== ''কনভারসেশন অন এপিকটেটাস অ্যান্ড মনটেইন'' ===
* আমি দেখেছি যে তারা [এপিকটেটাস ও মনটেইন] বিশ্বের দুটি বিখ্যাত মতবাদের শ্রেষ্ঠ রক্ষক এবং যুক্তিপূর্ণ। তাদের দেখানো পথ দুটি হলো: হয় ঈশ্বর আছেন এবং তিনিই পরম কল্যাণ; অথবা তিনি অনিশ্চিত এবং তখন প্রকৃত কল্যাণও অনিশ্চিত।
* আমি যেমন এই গবেষণায় দেখানোর চেষ্টা করেছি, প্রকৃতিতে তার প্রতিটি কাজের মাধ্যমে ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণের চেষ্টার চেয়ে মানুষের মনের সেই চেষ্টাকে বিবেচনা করা অনেক বেশি ন্যায়সংগত।
* এই দুই মতবাদের ভুলের মূল কারণ হলো তারা মানুষের বর্তমান অবস্থা যে সৃষ্টির সময়ের চেয়ে ভিন্ন, তা জানতেন না। এক পক্ষ মানুষের আদি মহত্ত্ব দেখে তার বর্তমান কলুষতা ভুলে প্রকৃতির ওপর অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয়ে **অহংকারের** জন্ম দেয়। অন্য পক্ষ বর্তমান দুর্দশা দেখে আদি মর্যাদা ভুলে হতাশায় ডুবে যায়।
* মানুষের এই দুই অবস্থা—মহত্ত্ব ও দুর্বলতা—একসাথে না জানলে মানুষ হয় অহংকারী নতুবা অলস হয়ে পড়ে। ঐশ্বরিক অনুগ্রহ পাওয়ার আগে সব মানুষই এই দুই দোষের শিকার হয়।
* **একজন মানুষের কর্তব্য জানলেও তার অক্ষমতা সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় সে উদ্ধত হয়। অন্যজন অক্ষমতা জানলেও কর্তব্য সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় অলস হয়ে পড়ে। সুসমাচারের সত্য এই দুই বৈপরীত্যের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করে। এটি সত্যকে গ্রহণ করে এবং মিথ্যাকে বর্জন করে এক স্বর্গীয় প্রজ্ঞা তৈরি করে।**
* জগতের দার্শনিকরা একই বিষয়ের মধ্যে বৈপরীত্য খোঁজেন। অন্যদিকে বিশ্বাস আমাদের শেখায় বৈপরীত্যগুলোকে ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ের ওপর স্থাপন করতে। মানুষের সব দুর্বলতা তার প্রকৃতির অংশ এবং সব শক্তি ঐশ্বরিক অনুগ্রহের দান। এটিই সেই বিস্ময়কর ও নতুন মিলন যা কেবল ঈশ্বরই শেখাতে পারেন।
=== ''অন দ্য স্পিরিট অব জিওমেট্রি'' ===
* সরাসরি সত্যের মালিক হওয়ার বিশ্বাস মানুষের এক স্বাভাবিক মানসিক ব্যাধি।
*** ১ম বিভাগ
=== ''দ্য আর্ট অব পারসুয়েশন'' ===
* মতবাদগুলো আত্মার দুটি প্রধান ক্ষমতার মাধ্যমে গৃহীত হয়: বুদ্ধি এবং ইচ্ছা।
* **মানুষ প্রমাণের চেয়ে আকর্ষণের মাধ্যমে বিশ্বাস করতে বেশি পছন্দ করে।** এটি একটি নীচ ও অপ্রাসঙ্গিক পথ, তাই সবাই একে অস্বীকার করে। প্রত্যেকেই দাবি করে যে সে যা জানে কেবল তা-ই বিশ্বাস ও ভালোবাসা করে।
* আমি এখানে ঐশ্বরিক সত্যের কথা বলছি না কারণ তা প্রকৃতির ঊর্ধ্বে। **কেবল ঈশ্বরই আত্মায় সেই সত্য স্থাপন করতে পারেন।** তিনি চেয়েছেন সেই সত্য যেন মন থেকে হৃদয়ে না এসে বরং হৃদয় থেকে মনে প্রবেশ করে। এটি মানুষের অহংকারী যুক্তিকে দমন করে এবং কলুষিত ইচ্ছাকে এটি পরিশোধিত করে।
* '''পার্থিব জিনিসের ক্ষেত্রে আমরা বলি যে কোনো কিছু ভালোবাসার আগে তা জানতে হয়। অন্যদিকে পবিত্র জিনিসের ক্ষেত্রে মহাত্মারা বলেন যে কোনো কিছু জানার আগে তাকে ভালোবাসতে হয়। কেবল ভালোবাসার মাধ্যমেই আমরা সত্যে প্রবেশ করতে পারি।'''
* তারা [মানুষ] ঐশ্বরিক নিয়মকে কলুষিত করেছে। কারণ মানুষ সাধারণত যা তাকে আনন্দ দেয় তা ছাড়া অন্য কিছু খুব কমই বিশ্বাস করে।
* ঈশ্বর মানুষের বুদ্ধিতে তখনই আলো দান করেন যখন তিনি মানুষের জেদি ইচ্ছাকে স্বর্গীয় নম্রতা দিয়ে জয় করেন।
* মন এবং হৃদয় হলো সত্য প্রবেশের দুটি পথ। তবে বুদ্ধির চেয়ে ইচ্ছার খামখেয়ালিপনায় অনেক বেশি সত্য (বা মিথ্যা) আত্মায় প্রবেশ করে।
* বেশ কিছু বিশেষ নীতি সত্যের মতোই জোরালোভাবে মানুষকে বিশ্বাসের দিকে টানে, যদিও সেগুলো আসলে মিথ্যা।
* কোনো বিষয় তাকে পরম আনন্দের দিকে নিয়ে যেতে পারে— আত্মা এটি বুঝতে পারার সাথে সাথেই তা সানন্দে গ্রহণ করে।
* **সত্য ও আনন্দের** মধ্যে যখন দ্বন্দ্ব বাধে, তখন জয়-পরাজয় অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এটি বোঝার জন্য মানুষের অন্তরের গহীন খবর জানা প্রয়োজন যা মানুষ নিজেও সবসময় জানে না।
* **কাউকে রাজি করাতে হলে ওই ব্যক্তির মন এবং হৃদয় সম্পর্কে জানা জরুরি।** তার মূলনীতিগুলো কী এবং সে কী ভালোবাসে তা বুঝতে হবে।
* **প্ররোচনা বা প্রবোধ দেওয়ার শিল্প যতটা না বোঝানোর, তার চেয়ে বেশি তুষ্ট করার। কারণ মানুষ যুক্তির চেয়ে খামখেয়ালিপনা দ্বারা বেশি পরিচালিত হয়!**
* আনন্দের উৎসগুলো স্থির নয়। প্রতিটি মানুষের ক্ষেত্রে এগুলো ভিন্ন এবং সময়ে সময়ে পরিবর্তনশীল। একজন মানুষ ভিন্ন সময়ে নিজের চেয়েও অনেক বেশি আলাদা হয়ে যায়।
* এমন কোনো সত্য নেই যা নিয়ে আমরা সবসময় একমত থাকি। আবার আমাদের আনন্দের বিষয়গুলোও প্রতি ঘণ্টায় বদলে যায়। মানুষের খামখেয়ালিপনা অনুযায়ী কথা বলার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম আছে কি না আমি জানি না।
* **প্রমাণ বা যুক্তির নিখুঁত পদ্ধতি তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত:** স্পষ্ট সংজ্ঞার মাধ্যমে পদের ব্যাখ্যা দেওয়া, প্রমাণিত নীতি বা স্বতঃসিদ্ধ প্রস্তাব করা এবং প্রমাণের সময় পদের বদলে সবসময় তার সংজ্ঞা ব্যবহার করা।
* যদি ভিত্তি মজবুত না হয়, তবে অট্টালিকাও নিরাপদ হয় না।
* সংজ্ঞায়ন, স্বতঃসিদ্ধ সত্য এবং প্রমাণের নিখুঁত পদ্ধতির জন্য জ্যামিতিক প্রমাণের কিছু নিয়মই যথেষ্ট।
* **সংজ্ঞায়নের নিয়ম:** ১. কোনো সুপরিচিত বিষয়কে সংজ্ঞায়িত করতে যাবেন না যা ব্যাখ্যা করার জন্য আরও স্পষ্ট শব্দ নেই। ২. অস্পষ্ট বা দ্ব্যর্থবোধক কোনো শব্দকে সংজ্ঞা ছাড়া রাখবেন না। ৩. সংজ্ঞায় কেবল পরিচিত বা আগে ব্যাখ্যা করা হয়েছে এমন শব্দই ব্যবহার করবেন।
* **স্বতঃসিদ্ধ সত্যের নিয়ম:** ১. প্রয়োজনীয় কোনো নীতি বা বিষয় যত স্পষ্টই হোক না কেন, তা জিজ্ঞাসা করা থেকে বিরত থাকবেন না। ২. কেবল নিজের মধ্যে স্পষ্ট বিষয়গুলোই স্বতঃসিদ্ধ হিসেবে দাবি করবেন।
* **প্রমাণের নিয়ম:** ১. খুব বেশি স্পষ্ট কোনো বিষয় প্রমাণ করতে যাবেন না যা প্রমাণ করার মতো সহজ কিছু আর নেই। ২. সব অস্পষ্ট প্রস্তাবনা প্রমাণ করুন এবং প্রমাণের ক্ষেত্রে কেবল খুব স্পষ্ট স্বতঃসিদ্ধ বা আগে প্রমাণিত প্রস্তাবনা ব্যবহার করুন। ৩. দ্ব্যর্থতা এড়াতে প্রমাণের সময় মানসিক ভাবে পদের জায়গায় তার সংজ্ঞা বসান।
* ওপরের আটটি নিয়ম যে কোনো মজবুত প্রমাণের জন্য যথেষ্ট। এর মধ্যে পাঁচটি নিয়ম অপরিহার্য যা ছাড়া কোনো প্রমাণ সম্পন্ন করা সম্ভব নয়।
* নিয়মের অভাব বা কঠিন অনুশীলনের কারণে এগুলো অনেকের কাছেই অপরিচিত।
* **এই নিয়মগুলো খুব সাধারণ— এমন আপত্তির বিপরীতে আমার কথা হলো:** জ্যামিতিবিদরা ছাড়া পুরো জাতির মধ্যে খুব কম মানুষই এই নিয়মগুলো জানে।
* যারা এই নিয়মগুলো আয়ত্ত করেছেন, তারা বুঝতে পারবেন যে সাধারণ যুক্তিবিদরা যা লিখেছেন তার সাথে এর পার্থক্য কতটা বিশাল।
* একই কথা যারা বলেন, তারা সবাই বিষয়টিকে একইভাবে ধারণ করেন না। একজন মানুষের সামর্থ্য কেবল তার একটি ভালো উক্তি শুনে বিচার করা উচিত নয়। আমাদের উচিত তার মনের গভীরে প্রবেশ করা। অনেক সময় দেখা যায় সে নিজেই তার ওই ভালো চিন্তাটি বিশ্বাস করে না এবং কোনো তুচ্ছ বিষয়ের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
* **'বস্তু প্রাকৃতিকভাবেই চিন্তায় অক্ষম'** এবং **'আমি চিন্তা করি, তাই আমি আছি'**— রেনে দেকার্ত এবং সেন্ট অগাস্টিনের কাছে কি এই নীতি দুটি আসলে একই ছিল? অগাস্টিন বারোশ বছর আগেই একই কথা বলেছিলেন। আমি বলছি না দেকার্ত এর রচয়িতা নন। তবে কেবল কোনো কথা বলা এবং সেই কথা থেকে চমৎকার সব সিদ্ধান্ত বের করে একটি পূর্ণাঙ্গ আধিভৌতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার মধ্যে বিশাল পার্থক্য আছে।
* কোনো এক ব্যক্তি নিজের অজান্তেই একটি চমৎকার কথা বলতে পারেন। কিন্তু অন্য কেউ হয়তো সেই একই কথার মধ্যে অসামান্য সব সিদ্ধান্তের সমাহার খুঁজে পান। ফলস্বরূপ উক্তিটি আর আগের মতো থাকে না। কোনো উক্তি যেখান থেকে শেখা হয়েছে তার প্রতি ঋণ ঠিক ততটুকুই, যতটুকু একটি সুন্দর গাছ সেই ব্যক্তির প্রতি ঋণী যে অনিচ্ছাকৃত ভাবে উর্বর মাটিতে বীজ ফেলেছিল।
* **যুক্তিবিদ্যা হয়তো জ্যামিতির নিয়মগুলো ধার করেছে কিন্তু সেগুলোর শক্তি বুঝতে পারেনি।** এই বিজ্ঞানই যুক্তি পরিচালনার সঠিক পদ্ধতি শেখায়।
* **ভুল না করার পদ্ধতি সবাই খোঁজে।** যুক্তিবিদরা পথ দেখানোর দাবি করেন কিন্তু কেবল জ্যামিতিবিদরাই তা অর্জন করতে পারেন। বিজ্ঞান এবং এর অনুসরণ ছাড়া আর কোনো প্রকৃত প্রমাণ নেই।
* **ভালো জিনিস সবখানেই আছে, কেবল সেগুলো বেছে নেওয়া প্রয়োজন।** এটি নিশ্চিত যে সেগুলো প্রাকৃতিক এবং সবার নাগালের মধ্যেই থাকে।
* **শ্রেষ্ঠত্ব কোনো অসাধারণ বা কাল্পনিক জিনিসের মধ্যে নেই।** একে পেতে হলে আমাদের অনেক সময় নিচু হতে হয়।
* শ্রেষ্ঠ বই সেগুলোই যা পড়ার পর পাঠকের মনে হয় তিনি নিজেও তা লিখতে পারতেন।
* **প্রকৃতিই একমাত্র ভালো যা সবার কাছে পরিচিত এবং সাধারণ।**
* আমি নিশ্চিত যে এই নিয়মগুলো সহজ, কৃত্রিমতাহীন এবং স্বাভাবিক।
* মনকে জোর করা উচিত নয়। কৃত্রিম আচরণ সলিড খাবারের বদলে মনকে কেবল অন্তঃসারশূন্য অহংকারে পূর্ণ করে।
* **মানুষের একটি প্রধান ভুল হলো তারা মনে করে ভালো জিনিসগুলো দুর্লভ এবং উঁচু স্তরের। তারা এগুলোকে 'মহান, উচ্চ বা মহৎ' নাম দেয়। আমি এগুলোকে 'সাধারণ ও পরিচিত' বলতে পছন্দ করি।** কারণ এই নামগুলোই বেশি মানানসই। আমি আড়ম্বরপূর্ণ শব্দ অপছন্দ করি।
== পাস্কাল সম্পর্কে উক্তি ==
* {{w|Lettres provinciales|''প্রোভিনশিয়াল লেটার্স''}} এবং ছোটখাটো ধর্মীয় রচনাগুলো লেখার পরের বছরগুলোতে পাস্কাল খ্রিস্টধর্মের প্রসারে নিজের জীবন উৎসর্গ করতে শুরু করেন। এই কার্যক্রমের মূলে ছিল তার বিখ্যাত কাজ [[পঁসে|''পঁসে'' ]]। এটি মূলত ১৬৫৭ থেকে ১৬৫৮ সালের দিকে লেখা। অনেক সমালোচকের মতে, এটি অজ্ঞেয়বাদী ও নাস্তিকদের ধর্মীয় বিশ্বাসে ফিরিয়ে আনার সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী প্রচেষ্টাগুলোর একটি। তবে এটি মূলত একটি অসমাপ্ত কাজ।
** {{w|ডোনাল্ড অ্যাডামসন}}, ''ব্লেইজ পাস্কাল: গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং ঈশ্বর চিন্তক'' (১৯৯৪)।
* আমি খুব ভাগ্যবান ছিলাম। শৈশবে কৌতূহলী হওয়ার পাশাপাশি আমি কিছুটা শারীরিক প্রতিবন্ধকতার শিকার ছিলাম। তাই হাতের কাছে যা পেতাম তা-ই পড়তাম। আমার স্মরণশক্তি এবং কাজ করার শক্তিও প্রচুর। এটি একটি আশীর্বাদ। আমি এখনও নতুন কিছু শেখার জন্য তৃষ্ণার্ত। সব তরুণের মধ্যে এই গুণ থাকে না। তাদের অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া উচিত এবং মানবজাতির মহান চিন্তাগুলোর সাথে পরিচিত হওয়া উচিত। প্রত্যেকেরই ভাবা উচিত— "আমি কেন এখানে? এই পৃথিবীতে আমার কাজ কী?" অ্যারিস্টটল এবং প্লেটোকে জানা খুব জরুরি। জীবনকে সহজ করতে হলে লিওপোল্ড এবং পাস্কালকে জানা একান্ত প্রয়োজন।
** মায়া অ্যাঞ্জেলের সাথে কথোপকথন (১৯৮৯), ১৯৮৬ সালের সাক্ষাৎকার।
* এটি তাৎপর্যপূর্ণ যে আমরা ব্লেইজ পাস্কালের মেধার মাধ্যমেই ''পুনরাবৃত্তি নীতি''-র প্রথম সুষ্পষ্ট ধারণা পাই। ১৬৫৪ সালে প্রকাশিত ''দ্য অ্যারিথমেটিক ট্রায়াঙ্গেল'' নামক একটি গবেষণাপত্রে তিনি এই নীতি ব্যাখ্যা করেন। পাস্কাল ও [[পিয়ের দ্য ফের্মা|ফের্মার]] মধ্যে জুয়া খেলার সমস্যা নিয়ে আদান-প্রদান করা চিঠিপত্রেই এই কাজের মূল নির্যাস ছিল। এই যোগাযোগ থেকেই আধুনিক সম্ভাবনা তত্ত্ব গড়ে উঠেছে। এটি বিস্ময়কর যে বিশুদ্ধ গণিতের ভিত্তি এবং সব ডিডাক্টিভ বিজ্ঞানের মূল আধার এই তত্ত্ব দুটি জুয়াড়িদের একটি অসমাপ্ত খেলার বাজি ভাগ করার কৌশল খুঁজতে গিয়ে আবিষ্কৃত হয়েছিল।
** [[টোবিয়াস ড্যান্টজিগ]], ''নাম্বার: দ্য ল্যাঙ্গুয়েজ অব সায়েন্স'' (১৯৩০)।
* একটি কার্যকর ধর্ম সম্পর্কে পাস্কাল যা বলেছিলেন তা যেকোনো কার্যকর মতবাদের ক্ষেত্রেই সত্য: একে অবশ্যই "প্রকৃতি, সাধারণ জ্ঞান এবং আনন্দের প্রতিকূলে" হতে হবে।
** [[এরিক হোফার]], ''দ্য ট্রু বিলিভার'' (১৯৫১)।
* মানুষ অসীমভাবে মানুষকে ছাড়িয়ে যায়।
** [[পোপ পল ষষ্ঠ]], ''এনসাইক্লিক্যাল পপুলোরাম প্রগ্রেসীয়'' (১৯৬৭)।
* পাস্কাল অবজ্ঞার সাথে বলেছিলেন যে সাধারণ শ্রমিকরা তথাকথিত 'দার্শনিকদের' ভুল ধরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। মূলত এই অশিক্ষিত মানুষরাই 'নিজেদের চোখে দেখা এবং হাতে স্পর্শ করা' বিষয়গুলো বিশ্বাস করতে বেশি প্রস্তুত ছিল।
** [[রেইজার হুইকাস]], ''রিলিজিয়ন অ্যান্ড দ্য রাইজ অব মডার্ন সায়েন্স'' (২০০০)।
* দর্শনচর্চা মানেই হলো মানুষের গুরুত্ব এবং তার মর্যাদাকে পুনপ্রতিষ্ঠা করা। সক্রেটিসের অন্বেষণ এবং বিজ্ঞানের কার্তেসীয় বিপ্লবের মুখে পাস্কালের উদ্বেগের মূল অর্থ ছিল এটাই। এই বিচারে পাস্কাল [[সক্রেটিস|সক্রেটিসের]] চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ একজন দার্শনিক। বিজ্ঞান মানুষকে সৃষ্টির সেরা জীব থেকে সরিয়ে দেওয়ার যে দাবি করেছিল, পাস্কালই প্রথম তার তীব্র প্রতিবাদ জানান। কেন বিজ্ঞান মানুষের হৃদয়ে আনন্দ দিতে বা জীবনের অর্থ খুঁজে পেতে ব্যর্থ, তা পাস্কালের চেয়ে ভালো কেউ প্রমাণ করতে পারেনি।
** [[থমাস মোলনার]], ''দ্য ডিক্লাইন অব দ্য ইন্টেলেকচুয়াল'' (১৯৬১)।
* পাস্কাল কোনো কূপমণ্ডূক ছিলেন না। তবে তিনি পরিমাপ করেছিলেন যে বিজ্ঞান মানুষের ভাগ্যের সমস্যার ক্ষেত্রে কতটা অপ্রাসঙ্গিক হতে পারে। বিজ্ঞান মানুষের অভিজ্ঞতার সীমাবদ্ধতা ও অপূর্ণতাকে উপেক্ষা করে যে সত্যের দাবি করে, তা বাস্তবসম্মত নয়। বরং আমাদের সহজাত সামর্থ্যগুলোই অস্তিত্বের লড়াইয়ে টিকে থাকার একমাত্র ও অপরিহার্য হাতিয়ার।
** থমাস মোলনার, ''দ্য ডিক্লাইন অব দ্য ইন্টেলেকচুয়াল'' (১৯৬১)।
* পাস্কাল হলেন দেকার্তের একজন বিচক্ষণ সমালোচক। তিনি দেকার্তের সবকিছুর বিরোধিতা না করলেও মৌলিক কিছু পয়েন্টে দ্বিমত পোষণ করেছেন। প্রথমত, তিনি বুঝেছিলেন যে দেকার্তের নিশ্চিত জ্ঞানের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি ভ্রান্ত মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে। দেকার্ত এমন কিছু দিয়ে শুরু করতে চেয়েছিলেন যা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই, যার ফলে তিনি বিশ্বাস করতেন সব প্রকৃত জ্ঞানই প্রযুক্তিগত। পাস্কাল তার সম্ভাব্যতা তত্ত্বের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত এড়িয়ে গেছেন। দ্বিতীয়ত, পাস্কাল উপলব্ধি করেছিলেন যে যেকোনো বাস্তব কাজে কার্তেসীয় যুক্তিই একমাত্র উৎস নয়। মানুষের মন কোনো সচেতন বা সূত্রবদ্ধ কৌশলের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল নয়। অনেক সময় মন কোনো কৌশল ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে কাজ করে। অনুসন্ধানের নিয়মগুলো অতিরিক্ত সুনির্দিষ্ট করতে গিয়ে পদ্ধতির ওপর গুরুত্ব দিলে প্রকৃত অনুসন্ধান বাধাগ্রস্ত হয়। আধুনিক দর্শনের ইতিহাসের বড় একটি অংশ এই প্রশ্নকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে।
** [[মাইকেল ওকশট]], ''র্যাশনালিজম ইন পলিটিক্স অ্যান্ড আদার এসেস'' (১৯৬২)।
* পাস্কালের 'পঁসে' থেকে কিছু অংশ বেছে নিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়েছে যে তিনি বিশ্বাসের কাছে যুক্তিকে বিসর্জন দিয়ে দর্শনের সম্ভাবনা অস্বীকার করেছেন। আমি দেখাতে চাই যে পাস্কাল সংশয়বাদী ছিলেন না। তার এই কাজে স্পিনোজা বা লাইবনিজের মতো বিস্তারিত কোনো সিস্টেম না থাকলেও একটি প্রকৃত দর্শনের মূলনীতিগুলো বিদ্যমান। এই ধারণাগুলো পাস্কালের বিশ্বাসের সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। খ্রিস্টধর্ম এবং দর্শনের উচ্চতর দিকগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্য এর চেয়ে ভালো পথ আর নেই।
** ফেলিক্স রাভেইসন, ''সাজি ফিলোসোফিচি'' (১৯১৭)।
* পাস্কাল গণিতের বিষয়বস্তুর সাথে অন্যান্য বিষয়ের পার্থক্য ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি বিষয়গুলোকে কোনো সাধারণ নামে না ডেকে বরং বর্ণনা করেছেন। তার সময়ের ভাষায় বললে এগুলো ছিল নান্দনিক ও নৈতিক প্রকৃতির। মনের যে অনুষদগুলো এই দুই ধরনের বিষয়ের সাথে যুক্ত, তিনি সেগুলোর বৈশিষ্ট্যও তুলে ধরেছেন। বস্তু ও আত্মার পার্থক্যের মতো এই দুই জগতের তফাত পাস্কালের চেয়ে স্পষ্ট করে আর কেউ বুঝতে পারেনি।
** ফেলিক্স রাভেইসন, ''সাজি ফিলোসোফিচি'' (১৯১৭)।
* পাস্কালই একমাত্র মহান গণিতবিদ যিনি লেখক হিসেবেও সমভাবে বিখ্যাত। তার জ্যানসেনবাদী আদর্শের একটি স্থায়ী প্রভাব হলো গণপরিবহন ব্যবস্থা। মৃত্যুর কিছুদিন আগে পাস্কাল বিশ্বে প্রথমবারের মতো ওমনিবাস সার্ভিস চালু হতে দেখেন। প্যারিসের নির্দিষ্ট রুটে ৫ স্যু ভাড়ায় এই কোচগুলো চলত। এই আয়ের লাভ দরিদ্রদের সাহায্যের জন্য দেওয়া হতো।
** জন স্টিলওয়েল, ''ম্যাথমেটিক্স অ্যান্ড ইটস হিস্ট্রি'' (১৯৮৯)।
* জীবন্ত দেহকে একটি যন্ত্র হিসেবে বিবেচনা করা পাস্কালের কাছে অত্যন্ত অগ্রহণযোগ্য ও হাস্যকর মনে হতো।
** [[w:D'Arcy Wentworth Thompson|ডি'আর্সি ওয়েন্টওয়ার্থ থম্পসন]], ''অন গ্রোথ অ্যান্ড ফর্ম'' (১৯১৭)।
* পাস্কালের বিপরীতে আমি বলি: ইব্রাহিম, ইসহাক ও ইয়াকুবের ঈশ্বর এবং দার্শনিকদের ঈশ্বর একই।
** [[পল টিলিচ]], ''বিবলিক্যাল রিলিজিয়ন অ্যান্ড দ্য সার্চ ফর আলটিমেট রিয়েলিটি''।
* পাস্কালের 'থটস' বা 'পঁসে' কোনো সাধারণ বই নয়। এই মহান ব্যক্তি তার শক্তিশালী মনে যখন যা আসত তা-ই কাগজে লিখে রাখতেন। গুরুতর অসুস্থতা তাকে নিষ্ক্রিয় করে দেওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি এটি চালিয়ে গেছেন। পরবর্তীকালে এই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা চিন্তাগুলোকে সুশৃঙ্খল করার জন্য অনেক চেষ্টা করা হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে সাফল্যও মিলেছে। তবে কখনও কখনও লেখকের মূল উদ্দেশ্য ভুলভাবেও ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
** [[আলেকজান্ডার রডলফ ভিনেট]], ''স্টাডিজ অন পাস্কাল'' (১৮৫৯)।
* পাস্কাল ধর্মের পক্ষে বিশেষ কিছুই প্রমাণ করতে পারেননি। বরং তিনি এটিই দেখিয়েছেন যে একজন প্রতিভাবান মানুষও কোনো কোনো বিষয়ে বোকা হতে পারেন। যখন কেউ নিজের কুসংস্কারের কথা শোনার মতো দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন সে শিশুর মতোই আচরণ করে।
** [[ব্যারন ডি'হোলবাখ]], ''গুড সেন্স উইদাউট গড'' (১৭৭২)।
== বহিঃসংযোগ ==
* {{উইকিপিডিয়া-ইনলাইন}}
* {{উইকিসোর্স-লেখক}}
* {{Commonscat-inline}}
* [http://www.gutenberg.org/browse/authors/p#a7913 প্রজেক্ট গুটেনবার্গে ব্লেইজ প্যাস্কেল]
* [http://btr360.com/2015/06/19/124-thoughts-of-blaise-pascal-free-book/ ব্লেইজ প্যাস্কেলের ১২৪টি উক্তি]
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:প্যাস্কেল, ব্লেইজ}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৬২৩-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৬৬২-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রবচনকারক]]
[[বিষয়শ্রেণী:খ্রিস্টীয় ধর্মতাত্ত্বিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:সমালোচক]]
[[বিষয়শ্রেণী:মানবতাবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:আবিষ্কারক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি যুক্তিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি গণিতবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:রহস্যবাদী]]
[[विषয়শ্রেণী:ফরাসি দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:দার্শনিক হতাশাবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি ক্যাথলিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি ধর্মতত্ত্ববিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:অ-কল্পকাহিনী লেখক]]
77x20rb4wm0vhngmxhriqmh6h4n9fhp
74074
74071
2026-04-06T08:26:55Z
SMontaha32
3112
74074
wikitext
text/x-wiki
[[File:Blaise Pascal Versailles.JPG|thumb|[[দর্শন|দর্শনের]] গুরুত্ব কমিয়ে দেখা এক ধরনের [[সত্য|প্রকৃত]] দার্শনিকতা।]]
'''ব্লেইজ পাস্কাল''' (১৯ জুন ১৬২৩ – ১৯ আগস্ট ১৬৬২) ছিলেন একজন ফরাসি [[গণিতবিদ]], যুক্তিবিদ, পদার্থবিদ এবং ধর্মতত্ত্ববিদ।
:'''দ্রষ্টব্য: ''[[পঁসে]]'' থেকে নেওয়া সব উক্তি ওই পাতায় পাওয়া যাবে।'''
== উক্তি ==
[[File:Blaise Pascal 2.jpg|thumb|মানুষ সাধারণত প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং যা তাদের কাছে আকর্ষণীয় মনে হয় তার ভিত্তিতেই কোনো কিছু বিশ্বাস করে।
[[File:Blaise_pascal.jpg|thumb|[[আবির্ভাব|দৃশ্যমান বিষয়ের]] অস্থিরতা সবসময় আমাদের [[যুক্তি|যুক্তিকে]] হতাশ করে।]]
[[File:Pascal Pajou Louvre RF2981.jpg|thumb|কোনো [[কাজ]] শেষ করার পরপরই তা দেখলে আমরা এতে খুব বেশি মগ্ন থাকি। আবার অনেক পরে দেখলে আমরা এর যোগসূত্র খুঁজে পাই না।]]
* বার্ধক্য যেমন শৈশব থেকে জীবনের সবচেয়ে দূরবর্তী সময়, তেমনি এই বিশ্বজনীন মানুষের ক্ষেত্রেও কি তার জন্মের নিকটবর্তী সময়ের চেয়ে দূরবর্তী সময়ে বার্ধক্য খোঁজা উচিত নয়?
** ''প্রিফেস টু দ্য ট্রিটিজ অন ভ্যাকুয়াম'' (১৬৫১)
* {{anchor|Pascal plus longue}}''Je n'ai fait celle-ci plus longue que parce que je n'ai pas eu le loisir de la faire plus courte.''
** '''আমি আরও ছোট চিঠি লিখতাম, কিন্তু আমার হাতে পর্যাপ্ত সময় ছিল না।'''
*** ''প্রোভিনশিয়াল লেটার্স'': [https://ebooks.adelaide.edu.au/p/pascal/blaise/p27pr/part17.html ১৬তম চিঠি (৪ ডিসেম্বর ১৬৫৬)]
** আক্ষরিক অর্থ: '''আমি এই চিঠিটি দীর্ঘ করেছি কারণ এটি ছোট করার মতো অবসর আমার ছিল না।'''
** এ ধরনের উক্তি [[মার্ক টোয়েন]], [[টি. এস. এলিয়ট]], [[সিসেরো]]সহ অন্যদের নামেও প্রচলিত। তবে ‘কোট ইনভেস্টিগেটর’-এর নিবন্ধ অনুযায়ী পাস্কালের এই উক্তিটিই সম্ভবত মূল উৎস।
* '''মানুষ সাধারণত প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং যা তাদের কাছে আকর্ষণীয় মনে হয় তার ভিত্তিতেই কোনো কিছু বিশ্বাস করে।'''
** ''দ্য আর্ট অব পারসুয়েশন'' (১৬৫৮ সালে লেখা; মরণোত্তর প্রকাশিত)।
* মুহাম্মদ তার শত্রুদের হত্যার মাধ্যমে একটি ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন; অন্যদিকে যিশু খ্রিস্ট তার অনুসারীদের প্রাণ উৎসর্গ করার নির্দেশ দিয়ে ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন।
** [http://books.google.pt/books?id=MGkNAAAAYAAJ&pg=PA202&dq=%22Mahomet+established+a%22&hl=pt-PT&sa=X&ei=oZmPU-fCDemp7Ab7s4HQAg&ved=0CCsQ6AEwAA#v=onepage&q=%22Mahomet%20established%20a%20religion%22&f=false ''থটস অন রিলিজিয়ন অ্যান্ড ফিলোসফি''] (ডব্লিউ. কলিন্স, ১৮৩৮), অধ্যায় ১৬, পৃষ্ঠা ২০২।
* ''FEU. Dieu d'Abraham, Dieu d'Isaac, Dieu de Jacob, non des philosophes et savants. Certitude. Certitude. Sentiment. Joie. Paix.''
** '''আগুন। ইব্রাহিমের ঈশ্বর, ইসহাকের ঈশ্বর, ইয়াকুবের ঈশ্বর; দার্শনিক বা পণ্ডিতদের ঈশ্বর নন। নিশ্চয়তা। নিশ্চয়তা। অনুভূতি। আনন্দ। শান্তি।'''
** পাস্কালের মৃত্যুর পর তার কোটের আস্তরে সেলাই করা একটি চর্মকাগজে এই নোটটি পাওয়া যায়।
* যখন আমি আমার ক্ষণস্থায়ী জীবনের কথা ভাবি যা আগের এবং পরের অনন্তকালের মধ্যে বিলীন, তখন আমার ক্ষুদ্র অস্তিত্ব আমাকে আতঙ্কিত করে। আমি অনন্ত বিশালতার মাঝে এক নগণ্য স্থান জুড়ে আছি যার সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না এবং যা আমার সম্পর্কে কিছুই জানে না। আমি অবাক হই যে কেন আমি অন্য কোথাও না হয়ে এখানে আছি। এখন না হয়ে কেন তখন জন্মাইনি তারও কোনো কারণ নেই। কে আমাকে এখানে পাঠিয়েছেন? কার নির্দেশে এই স্থান ও সময় আমার জন্য নির্ধারিত হয়েছে?
** "মানুষের সীমাবদ্ধতা", ''দ্য থটস অব ব্লেইজ পাস্কাল'' (১৮৮৫)।
* **এই অনন্ত মহাশূন্যের চিরন্তন নিস্তব্ধতা আমাকে আতঙ্কিত করে।**
=== ''ডিসকোর্সেস অন দ্য কন্ডিশন অব দ্য গ্রেট'' ===
* আপনার প্রকৃত অবস্থা বুঝতে এই উদাহরণটি কল্পনা করুন: এক ব্যক্তি ঝড়ের কবলে পড়ে এক অজানা দ্বীপে পৌঁছান। দ্বীপবাসীরা তাদের হারিয়ে যাওয়া রাজাকে খুঁজছিল। ওই ব্যক্তির চেহারা ও গড়ন রাজার মতো হওয়ায় সবাই তাকে রাজা হিসেবে মেনে নেয়।
* তার মনে দুটি ভাবনা কাজ করছিল: একটি হলো রাজার মতো কাজ করা এবং অন্যটি হলো তার আসল অবস্থা সম্পর্কে সচেতন থাকা। সে জানত যে কেবল দুর্ঘটনাবশত সে এই অবস্থায় পৌঁছেছে।
* '''ভাববেন না যে আপনি যে সম্পদের মালিক হয়েছেন তা ওই ব্যক্তির রাজা হওয়ার চেয়ে কম আকস্মিক কিছু।'''
* আইনপ্রণেতারা যদি নিয়ম করতেন যে এই সম্পদ মৃত্যুর পর রাষ্ট্রের কাছে ফিরে যাবে, তবে আপনার অভিযোগ করার কোনো উপায় থাকত না।
* '''প্রাকৃতিক অধিকার নয়, বরং মানবিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই আপনি আপনার সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।'''
* আপনার এই অধিকার কোনো ব্যক্তিগত যোগ্যতা বা গুণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়নি। আপনার আত্মা বা শরীর একজন মাঝির বা একজন সামন্ত প্রভুর হওয়ার ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক কোনো পার্থক্য নেই। কোনো প্রাকৃতিক বন্ধনই এগুলোকে নির্দিষ্ট একটি অবস্থার সাথে আটকে রাখে না।
* '''সামাজিকভাবে পদমর্যাদা অনুযায়ী চললেও মনের ভেতরে আপনার স্বীকার করা উচিত যে আপনি জন্মগতভাবে অন্যদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ নন।'''
* '''জনসাধারণের ভাবনা যদি আপনাকে সাধারণ মানুষের উপরে তুলে ধরে, তবে আপনার ভেতরের ভাবনাটি যেন আপনাকে নম্র রাখে এবং সবার সাথে সমান অবস্থানে ধরে রাখে। এটিই আপনার স্বাভাবিক অবস্থা।'''
* নিজেকে অন্যের চেয়ে উচ্চতর ভেবে ভুল করবেন না।
* জনগণের ভুলে রাজা হওয়া ব্যক্তি যদি নিজের স্বাভাবিক অবস্থা ভুলে নিজেকে যোগ্য ভাবতে শুরু করেন, তবে আপনি তার **নির্বুদ্ধিতা ও মূর্খতা** দেখে অবাক হবেন। কিন্তু নিজেদের স্বাভাবিক অবস্থা ভুলে থাকা উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও কি একই কথা খাটে না?
* **উচ্চবিত্তদের সব বাড়াবাড়ি, সহিংসতা এবং অহংকার আসে নিজেদের পরিচয় সম্পর্কে অজ্ঞতা থেকে।** যারা মনেপ্রাণে নিজেদের সবার সমান মনে করে, তাদের পক্ষে শ্রেষ্ঠত্বের বড়াই করা কঠিন। শ্রেষ্ঠত্বের এই ভ্রম বজায় রাখতে হলে একজনকে নিজের আসল পরিচয় ভুলতে হয়।
* '''আপনি যদি আমার কাছে শ্রদ্ধা আশা করেন, তবে আমাকে আপনার এমন গুণ দেখান যা শ্রদ্ধার যোগ্য। আপনি তা দেখাতে পারলে আমি আপনাকে শ্রদ্ধা করব এবং তা ন্যায়সংগত হবে। কিন্তু আপনি তা না করলে আমার কাছে শ্রদ্ধা দাবি করা আপনার অন্যায় হবে। আপনি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ রাজপুত্র হলেও আপনি তাতে সফল হবেন না।'''
* '''আপনার মতে একজন বড় অভিজাত হওয়ার মানে কী? এর অর্থ হলো মানুষের কাঙ্ক্ষিত অনেক কিছুর মালিক হওয়া এবং অনেকের চাহিদা পূরণ করতে পারা। এই অভাব ও চাহিাই মানুষকে আপনার দিকে টানে এবং আপনার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য করে। এগুলো না থাকলে তারা আপনার দিকে ফিরেও তাকাত না।'''
* **ঈশ্বর ভালোবাসায় পূর্ণ মানুষ দ্বারা পরিবেষ্টিত** যারা তার কাছে ভালোবাসা চায়। তাই তিনি মূলত ভালোবাসার রাজা।
* একইভাবে আপনিও একদল আগ্রহী মানুষ দ্বারা পরিবেষ্টিত। তারা আপনার কাছে তাদের চাহিদা মেটানোর সুযোগ চায়। তাই আপনি মূলত আকাঙ্ক্ষা বা চাহিদার রাজা। **মানুষ যা চায় তার মালিকানাই আপনার ক্ষমতার উৎস।**
* আপনার প্রাকৃতিক শক্তি বা ক্ষমতার কারণে মানুষ আপনার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য হয়নি। তাই শক্তি দিয়ে তাদের শাসন করবেন না বা তাদের সাথে রূঢ় আচরণ করবেন না। **তাদের যুক্তিসঙ্গত চাহিদাগুলো পূরণ করুন।** মানুষের উপকার করার মাধ্যমে আনন্দ খুঁজলে আপনি আকাঙ্ক্ষার প্রকৃত রাজা হতে পারবেন।
* কিছু মানুষ লোভ, নৃশংসতা, সহিংসতা বা ব্যভিচারের মাধ্যমে কত অনর্থকভাবে নিজেকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়! নিজেকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাওয়া সবসময়ই চরম বোকামি। মানুষের উচিত আকাঙ্ক্ষা ও এর রাজত্বকে তুচ্ছ করে সেই ভালোবাসার রাজ্যের আকাঙ্ক্ষা করা, যেখানে সবাই ভালোবাসা ছাড়া আর কিছুই চায় না।
=== ''কনভারসেশন অন এপিকটেটাস অ্যান্ড মনটেইন'' ===
* আমি দেখেছি যে তারা [এপিকটেটাস ও মনটেইন] বিশ্বের দুটি বিখ্যাত মতবাদের শ্রেষ্ঠ রক্ষক এবং যুক্তিপূর্ণ। তাদের দেখানো পথ দুটি হলো: হয় ঈশ্বর আছেন এবং তিনিই পরম কল্যাণ; অথবা তিনি অনিশ্চিত এবং তখন প্রকৃত কল্যাণও অনিশ্চিত।
* আমি যেমন এই গবেষণায় দেখানোর চেষ্টা করেছি, প্রকৃতিতে তার প্রতিটি কাজের মাধ্যমে ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণের চেষ্টার চেয়ে মানুষের মনের সেই চেষ্টাকে বিবেচনা করা অনেক বেশি ন্যায়সংগত।
* এই দুই মতবাদের ভুলের মূল কারণ হলো তারা মানুষের বর্তমান অবস্থা যে সৃষ্টির সময়ের চেয়ে ভিন্ন, তা জানতেন না। এক পক্ষ মানুষের আদি মহত্ত্ব দেখে তার বর্তমান কলুষতা ভুলে প্রকৃতির ওপর অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয়ে **অহংকারের** জন্ম দেয়। অন্য পক্ষ বর্তমান দুর্দশা দেখে আদি মর্যাদা ভুলে হতাশায় ডুবে যায়।
* মানুষের এই দুই অবস্থা—মহত্ত্ব ও দুর্বলতা—একসাথে না জানলে মানুষ হয় অহংকারী নতুবা অলস হয়ে পড়ে। ঐশ্বরিক অনুগ্রহ পাওয়ার আগে সব মানুষই এই দুই দোষের শিকার হয়।
* **একজন মানুষের কর্তব্য জানলেও তার অক্ষমতা সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় সে উদ্ধত হয়। অন্যজন অক্ষমতা জানলেও কর্তব্য সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় অলস হয়ে পড়ে। সুসমাচারের সত্য এই দুই বৈপরীত্যের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করে। এটি সত্যকে গ্রহণ করে এবং মিথ্যাকে বর্জন করে এক স্বর্গীয় প্রজ্ঞা তৈরি করে।**
* জগতের দার্শনিকরা একই বিষয়ের মধ্যে বৈপরীত্য খোঁজেন। অন্যদিকে বিশ্বাস আমাদের শেখায় বৈপরীত্যগুলোকে ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ের ওপর স্থাপন করতে। মানুষের সব দুর্বলতা তার প্রকৃতির অংশ এবং সব শক্তি ঐশ্বরিক অনুগ্রহের দান। এটিই সেই বিস্ময়কর ও নতুন মিলন যা কেবল ঈশ্বরই শেখাতে পারেন।
=== ''অন দ্য স্পিরিট অব জিওমেট্রি'' ===
* সরাসরি সত্যের মালিক হওয়ার বিশ্বাস মানুষের এক স্বাভাবিক মানসিক ব্যাধি।
*** ১ম বিভাগ
=== ''দ্য আর্ট অব পারসুয়েশন'' ===
* মতবাদগুলো আত্মার দুটি প্রধান ক্ষমতার মাধ্যমে গৃহীত হয়: বুদ্ধি এবং ইচ্ছা।
* **মানুষ প্রমাণের চেয়ে আকর্ষণের মাধ্যমে বিশ্বাস করতে বেশি পছন্দ করে।** এটি একটি নীচ ও অপ্রাসঙ্গিক পথ, তাই সবাই একে অস্বীকার করে। প্রত্যেকেই দাবি করে যে সে যা জানে কেবল তা-ই বিশ্বাস ও ভালোবাসা করে।
* আমি এখানে ঐশ্বরিক সত্যের কথা বলছি না কারণ তা প্রকৃতির ঊর্ধ্বে। **কেবল ঈশ্বরই আত্মায় সেই সত্য স্থাপন করতে পারেন।** তিনি চেয়েছেন সেই সত্য যেন মন থেকে হৃদয়ে না এসে বরং হৃদয় থেকে মনে প্রবেশ করে। এটি মানুষের অহংকারী যুক্তিকে দমন করে এবং কলুষিত ইচ্ছাকে এটি পরিশোধিত করে।
* '''পার্থিব জিনিসের ক্ষেত্রে আমরা বলি যে কোনো কিছু ভালোবাসার আগে তা জানতে হয়। অন্যদিকে পবিত্র জিনিসের ক্ষেত্রে মহাত্মারা বলেন যে কোনো কিছু জানার আগে তাকে ভালোবাসতে হয়। কেবল ভালোবাসার মাধ্যমেই আমরা সত্যে প্রবেশ করতে পারি।'''
* তারা [মানুষ] ঐশ্বরিক নিয়মকে কলুষিত করেছে। কারণ মানুষ সাধারণত যা তাকে আনন্দ দেয় তা ছাড়া অন্য কিছু খুব কমই বিশ্বাস করে।
* ঈশ্বর মানুষের বুদ্ধিতে তখনই আলো দান করেন যখন তিনি মানুষের জেদি ইচ্ছাকে স্বর্গীয় নম্রতা দিয়ে জয় করেন।
* মন এবং হৃদয় হলো সত্য প্রবেশের দুটি পথ। তবে বুদ্ধির চেয়ে ইচ্ছার খামখেয়ালিপনায় অনেক বেশি সত্য (বা মিথ্যা) আত্মায় প্রবেশ করে।
* বেশ কিছু বিশেষ নীতি সত্যের মতোই জোরালোভাবে মানুষকে বিশ্বাসের দিকে টানে, যদিও সেগুলো আসলে মিথ্যা।
* কোনো বিষয় তাকে পরম আনন্দের দিকে নিয়ে যেতে পারে— আত্মা এটি বুঝতে পারার সাথে সাথেই তা সানন্দে গ্রহণ করে।
* **সত্য ও আনন্দের** মধ্যে যখন দ্বন্দ্ব বাধে, তখন জয়-পরাজয় অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এটি বোঝার জন্য মানুষের অন্তরের গহীন খবর জানা প্রয়োজন যা মানুষ নিজেও সবসময় জানে না।
* **কাউকে রাজি করাতে হলে ওই ব্যক্তির মন এবং হৃদয় সম্পর্কে জানা জরুরি।** তার মূলনীতিগুলো কী এবং সে কী ভালোবাসে তা বুঝতে হবে।
* **প্ররোচনা বা প্রবোধ দেওয়ার শিল্প যতটা না বোঝানোর, তার চেয়ে বেশি তুষ্ট করার। কারণ মানুষ যুক্তির চেয়ে খামখেয়ালিপনা দ্বারা বেশি পরিচালিত হয়!**
* আনন্দের উৎসগুলো স্থির নয়। প্রতিটি মানুষের ক্ষেত্রে এগুলো ভিন্ন এবং সময়ে সময়ে পরিবর্তনশীল। একজন মানুষ ভিন্ন সময়ে নিজের চেয়েও অনেক বেশি আলাদা হয়ে যায়।
* এমন কোনো সত্য নেই যা নিয়ে আমরা সবসময় একমত থাকি। আবার আমাদের আনন্দের বিষয়গুলোও প্রতি ঘণ্টায় বদলে যায়। মানুষের খামখেয়ালিপনা অনুযায়ী কথা বলার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম আছে কি না আমি জানি না।
* **প্রমাণ বা যুক্তির নিখুঁত পদ্ধতি তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত:** স্পষ্ট সংজ্ঞার মাধ্যমে পদের ব্যাখ্যা দেওয়া, প্রমাণিত নীতি বা স্বতঃসিদ্ধ প্রস্তাব করা এবং প্রমাণের সময় পদের বদলে সবসময় তার সংজ্ঞা ব্যবহার করা।
* যদি ভিত্তি মজবুত না হয়, তবে অট্টালিকাও নিরাপদ হয় না।
* সংজ্ঞায়ন, স্বতঃসিদ্ধ সত্য এবং প্রমাণের নিখুঁত পদ্ধতির জন্য জ্যামিতিক প্রমাণের কিছু নিয়মই যথেষ্ট।
* **সংজ্ঞায়নের নিয়ম:** ১. কোনো সুপরিচিত বিষয়কে সংজ্ঞায়িত করতে যাবেন না যা ব্যাখ্যা করার জন্য আরও স্পষ্ট শব্দ নেই। ২. অস্পষ্ট বা দ্ব্যর্থবোধক কোনো শব্দকে সংজ্ঞা ছাড়া রাখবেন না। ৩. সংজ্ঞায় কেবল পরিচিত বা আগে ব্যাখ্যা করা হয়েছে এমন শব্দই ব্যবহার করবেন।
* **স্বতঃসিদ্ধ সত্যের নিয়ম:** ১. প্রয়োজনীয় কোনো নীতি বা বিষয় যত স্পষ্টই হোক না কেন, তা জিজ্ঞাসা করা থেকে বিরত থাকবেন না। ২. কেবল নিজের মধ্যে স্পষ্ট বিষয়গুলোই স্বতঃসিদ্ধ হিসেবে দাবি করবেন।
* **প্রমাণের নিয়ম:** ১. খুব বেশি স্পষ্ট কোনো বিষয় প্রমাণ করতে যাবেন না যা প্রমাণ করার মতো সহজ কিছু আর নেই। ২. সব অস্পষ্ট প্রস্তাবনা প্রমাণ করুন এবং প্রমাণের ক্ষেত্রে কেবল খুব স্পষ্ট স্বতঃসিদ্ধ বা আগে প্রমাণিত প্রস্তাবনা ব্যবহার করুন। ৩. দ্ব্যর্থতা এড়াতে প্রমাণের সময় মানসিক ভাবে পদের জায়গায় তার সংজ্ঞা বসান।
* ওপরের আটটি নিয়ম যে কোনো মজবুত প্রমাণের জন্য যথেষ্ট। এর মধ্যে পাঁচটি নিয়ম অপরিহার্য যা ছাড়া কোনো প্রমাণ সম্পন্ন করা সম্ভব নয়।
* নিয়মের অভাব বা কঠিন অনুশীলনের কারণে এগুলো অনেকের কাছেই অপরিচিত।
* **এই নিয়মগুলো খুব সাধারণ— এমন আপত্তির বিপরীতে আমার কথা হলো:** জ্যামিতিবিদরা ছাড়া পুরো জাতির মধ্যে খুব কম মানুষই এই নিয়মগুলো জানে।
* যারা এই নিয়মগুলো আয়ত্ত করেছেন, তারা বুঝতে পারবেন যে সাধারণ যুক্তিবিদরা যা লিখেছেন তার সাথে এর পার্থক্য কতটা বিশাল।
* একই কথা যারা বলেন, তারা সবাই বিষয়টিকে একইভাবে ধারণ করেন না। একজন মানুষের সামর্থ্য কেবল তার একটি ভালো উক্তি শুনে বিচার করা উচিত নয়। আমাদের উচিত তার মনের গভীরে প্রবেশ করা। অনেক সময় দেখা যায় সে নিজেই তার ওই ভালো চিন্তাটি বিশ্বাস করে না এবং কোনো তুচ্ছ বিষয়ের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
* **'বস্তু প্রাকৃতিকভাবেই চিন্তায় অক্ষম'** এবং **'আমি চিন্তা করি, তাই আমি আছি'**— রেনে দেকার্ত এবং সেন্ট অগাস্টিনের কাছে কি এই নীতি দুটি আসলে একই ছিল? অগাস্টিন বারোশ বছর আগেই একই কথা বলেছিলেন। আমি বলছি না দেকার্ত এর রচয়িতা নন। তবে কেবল কোনো কথা বলা এবং সেই কথা থেকে চমৎকার সব সিদ্ধান্ত বের করে একটি পূর্ণাঙ্গ আধিভৌতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার মধ্যে বিশাল পার্থক্য আছে।
* কোনো এক ব্যক্তি নিজের অজান্তেই একটি চমৎকার কথা বলতে পারেন। কিন্তু অন্য কেউ হয়তো সেই একই কথার মধ্যে অসামান্য সব সিদ্ধান্তের সমাহার খুঁজে পান। ফলস্বরূপ উক্তিটি আর আগের মতো থাকে না। কোনো উক্তি যেখান থেকে শেখা হয়েছে তার প্রতি ঋণ ঠিক ততটুকুই, যতটুকু একটি সুন্দর গাছ সেই ব্যক্তির প্রতি ঋণী যে অনিচ্ছাকৃত ভাবে উর্বর মাটিতে বীজ ফেলেছিল।
* **যুক্তিবিদ্যা হয়তো জ্যামিতির নিয়মগুলো ধার করেছে কিন্তু সেগুলোর শক্তি বুঝতে পারেনি।** এই বিজ্ঞানই যুক্তি পরিচালনার সঠিক পদ্ধতি শেখায়।
* **ভুল না করার পদ্ধতি সবাই খোঁজে।** যুক্তিবিদরা পথ দেখানোর দাবি করেন কিন্তু কেবল জ্যামিতিবিদরাই তা অর্জন করতে পারেন। বিজ্ঞান এবং এর অনুসরণ ছাড়া আর কোনো প্রকৃত প্রমাণ নেই।
* **ভালো জিনিস সবখানেই আছে, কেবল সেগুলো বেছে নেওয়া প্রয়োজন।** এটি নিশ্চিত যে সেগুলো প্রাকৃতিক এবং সবার নাগালের মধ্যেই থাকে।
* **শ্রেষ্ঠত্ব কোনো অসাধারণ বা কাল্পনিক জিনিসের মধ্যে নেই।** একে পেতে হলে আমাদের অনেক সময় নিচু হতে হয়।
* শ্রেষ্ঠ বই সেগুলোই যা পড়ার পর পাঠকের মনে হয় তিনি নিজেও তা লিখতে পারতেন।
* **প্রকৃতিই একমাত্র ভালো যা সবার কাছে পরিচিত এবং সাধারণ।**
* আমি নিশ্চিত যে এই নিয়মগুলো সহজ, কৃত্রিমতাহীন এবং স্বাভাবিক।
* মনকে জোর করা উচিত নয়। কৃত্রিম আচরণ সলিড খাবারের বদলে মনকে কেবল অন্তঃসারশূন্য অহংকারে পূর্ণ করে।
* **মানুষের একটি প্রধান ভুল হলো তারা মনে করে ভালো জিনিসগুলো দুর্লভ এবং উঁচু স্তরের। তারা এগুলোকে 'মহান, উচ্চ বা মহৎ' নাম দেয়। আমি এগুলোকে 'সাধারণ ও পরিচিত' বলতে পছন্দ করি।** কারণ এই নামগুলোই বেশি মানানসই। আমি আড়ম্বরপূর্ণ শব্দ অপছন্দ করি।
== পাস্কাল সম্পর্কে উক্তি ==
* {{w|Lettres provinciales|''প্রোভিনশিয়াল লেটার্স''}} এবং ছোটখাটো ধর্মীয় রচনাগুলো লেখার পরের বছরগুলোতে পাস্কাল খ্রিস্টধর্মের প্রসারে নিজের জীবন উৎসর্গ করতে শুরু করেন। এই কার্যক্রমের মূলে ছিল তার বিখ্যাত কাজ [[পঁসে|''পঁসে'' ]]। এটি মূলত ১৬৫৭ থেকে ১৬৫৮ সালের দিকে লেখা। অনেক সমালোচকের মতে, এটি অজ্ঞেয়বাদী ও নাস্তিকদের ধর্মীয় বিশ্বাসে ফিরিয়ে আনার সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী প্রচেষ্টাগুলোর একটি। তবে এটি মূলত একটি অসমাপ্ত কাজ।
** {{w|ডোনাল্ড অ্যাডামসন}}, ''ব্লেইজ পাস্কাল: গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং ঈশ্বর চিন্তক'' (১৯৯৪)।
* আমি খুব ভাগ্যবান ছিলাম। শৈশবে কৌতূহলী হওয়ার পাশাপাশি আমি কিছুটা শারীরিক প্রতিবন্ধকতার শিকার ছিলাম। তাই হাতের কাছে যা পেতাম তা-ই পড়তাম। আমার স্মরণশক্তি এবং কাজ করার শক্তিও প্রচুর। এটি একটি আশীর্বাদ। আমি এখনও নতুন কিছু শেখার জন্য তৃষ্ণার্ত। সব তরুণের মধ্যে এই গুণ থাকে না। তাদের অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া উচিত এবং মানবজাতির মহান চিন্তাগুলোর সাথে পরিচিত হওয়া উচিত। প্রত্যেকেরই ভাবা উচিত— "আমি কেন এখানে? এই পৃথিবীতে আমার কাজ কী?" অ্যারিস্টটল এবং প্লেটোকে জানা খুব জরুরি। জীবনকে সহজ করতে হলে লিওপোল্ড এবং পাস্কালকে জানা একান্ত প্রয়োজন।
** মায়া অ্যাঞ্জেলের সাথে কথোপকথন (১৯৮৯), ১৯৮৬ সালের সাক্ষাৎকার।
* এটি তাৎপর্যপূর্ণ যে আমরা ব্লেইজ পাস্কালের মেধার মাধ্যমেই ''পুনরাবৃত্তি নীতি''-র প্রথম সুষ্পষ্ট ধারণা পাই। ১৬৫৪ সালে প্রকাশিত ''দ্য অ্যারিথমেটিক ট্রায়াঙ্গেল'' নামক একটি গবেষণাপত্রে তিনি এই নীতি ব্যাখ্যা করেন। পাস্কাল ও [[পিয়ের দ্য ফের্মা|ফের্মার]] মধ্যে জুয়া খেলার সমস্যা নিয়ে আদান-প্রদান করা চিঠিপত্রেই এই কাজের মূল নির্যাস ছিল। এই যোগাযোগ থেকেই আধুনিক সম্ভাবনা তত্ত্ব গড়ে উঠেছে। এটি বিস্ময়কর যে বিশুদ্ধ গণিতের ভিত্তি এবং সব ডিডাক্টিভ বিজ্ঞানের মূল আধার এই তত্ত্ব দুটি জুয়াড়িদের একটি অসমাপ্ত খেলার বাজি ভাগ করার কৌশল খুঁজতে গিয়ে আবিষ্কৃত হয়েছিল।
** [[টোবিয়াস ড্যান্টজিগ]], ''নাম্বার: দ্য ল্যাঙ্গুয়েজ অব সায়েন্স'' (১৯৩০)।
* একটি কার্যকর ধর্ম সম্পর্কে পাস্কাল যা বলেছিলেন তা যেকোনো কার্যকর মতবাদের ক্ষেত্রেই সত্য: একে অবশ্যই "প্রকৃতি, সাধারণ জ্ঞান এবং আনন্দের প্রতিকূলে" হতে হবে।
** [[এরিক হোফার]], ''দ্য ট্রু বিলিভার'' (১৯৫১)।
* মানুষ অসীমভাবে মানুষকে ছাড়িয়ে যায়।
** [[পোপ পল ষষ্ঠ]], ''এনসাইক্লিক্যাল পপুলোরাম প্রগ্রেসীয়'' (১৯৬৭)।
* পাস্কাল অবজ্ঞার সাথে বলেছিলেন যে সাধারণ শ্রমিকরা তথাকথিত 'দার্শনিকদের' ভুল ধরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। মূলত এই অশিক্ষিত মানুষরাই 'নিজেদের চোখে দেখা এবং হাতে স্পর্শ করা' বিষয়গুলো বিশ্বাস করতে বেশি প্রস্তুত ছিল।
** [[রেইজার হুইকাস]], ''রিলিজিয়ন অ্যান্ড দ্য রাইজ অব মডার্ন সায়েন্স'' (২০০০)।
* দর্শনচর্চা মানেই হলো মানুষের গুরুত্ব এবং তার মর্যাদাকে পুনপ্রতিষ্ঠা করা। সক্রেটিসের অন্বেষণ এবং বিজ্ঞানের কার্তেসীয় বিপ্লবের মুখে পাস্কালের উদ্বেগের মূল অর্থ ছিল এটাই। এই বিচারে পাস্কাল [[সক্রেটিস|সক্রেটিসের]] চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ একজন দার্শনিক। বিজ্ঞান মানুষকে সৃষ্টির সেরা জীব থেকে সরিয়ে দেওয়ার যে দাবি করেছিল, পাস্কালই প্রথম তার তীব্র প্রতিবাদ জানান। কেন বিজ্ঞান মানুষের হৃদয়ে আনন্দ দিতে বা জীবনের অর্থ খুঁজে পেতে ব্যর্থ, তা পাস্কালের চেয়ে ভালো কেউ প্রমাণ করতে পারেনি।
** [[থমাস মোলনার]], ''দ্য ডিক্লাইন অব দ্য ইন্টেলেকচুয়াল'' (১৯৬১)।
* পাস্কাল কোনো কূপমণ্ডূক ছিলেন না। তবে তিনি পরিমাপ করেছিলেন যে বিজ্ঞান মানুষের ভাগ্যের সমস্যার ক্ষেত্রে কতটা অপ্রাসঙ্গিক হতে পারে। বিজ্ঞান মানুষের অভিজ্ঞতার সীমাবদ্ধতা ও অপূর্ণতাকে উপেক্ষা করে যে সত্যের দাবি করে, তা বাস্তবসম্মত নয়। বরং আমাদের সহজাত সামর্থ্যগুলোই অস্তিত্বের লড়াইয়ে টিকে থাকার একমাত্র ও অপরিহার্য হাতিয়ার।
** থমাস মোলনার, ''দ্য ডিক্লাইন অব দ্য ইন্টেলেকচুয়াল'' (১৯৬১)।
* পাস্কাল হলেন দেকার্তের একজন বিচক্ষণ সমালোচক। তিনি দেকার্তের সবকিছুর বিরোধিতা না করলেও মৌলিক কিছু পয়েন্টে দ্বিমত পোষণ করেছেন। প্রথমত, তিনি বুঝেছিলেন যে দেকার্তের নিশ্চিত জ্ঞানের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি ভ্রান্ত মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে। দেকার্ত এমন কিছু দিয়ে শুরু করতে চেয়েছিলেন যা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই, যার ফলে তিনি বিশ্বাস করতেন সব প্রকৃত জ্ঞানই প্রযুক্তিগত। পাস্কাল তার সম্ভাব্যতা তত্ত্বের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত এড়িয়ে গেছেন। দ্বিতীয়ত, পাস্কাল উপলব্ধি করেছিলেন যে যেকোনো বাস্তব কাজে কার্তেসীয় যুক্তিই একমাত্র উৎস নয়। মানুষের মন কোনো সচেতন বা সূত্রবদ্ধ কৌশলের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল নয়। অনেক সময় মন কোনো কৌশল ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে কাজ করে। অনুসন্ধানের নিয়মগুলো অতিরিক্ত সুনির্দিষ্ট করতে গিয়ে পদ্ধতির ওপর গুরুত্ব দিলে প্রকৃত অনুসন্ধান বাধাগ্রস্ত হয়। আধুনিক দর্শনের ইতিহাসের বড় একটি অংশ এই প্রশ্নকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে।
** [[মাইকেল ওকশট]], ''র্যাশনালিজম ইন পলিটিক্স অ্যান্ড আদার এসেস'' (১৯৬২)।
* পাস্কালের 'পঁসে' থেকে কিছু অংশ বেছে নিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়েছে যে তিনি বিশ্বাসের কাছে যুক্তিকে বিসর্জন দিয়ে দর্শনের সম্ভাবনা অস্বীকার করেছেন। আমি দেখাতে চাই যে পাস্কাল সংশয়বাদী ছিলেন না। তার এই কাজে স্পিনোজা বা লাইবনিজের মতো বিস্তারিত কোনো সিস্টেম না থাকলেও একটি প্রকৃত দর্শনের মূলনীতিগুলো বিদ্যমান। এই ধারণাগুলো পাস্কালের বিশ্বাসের সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। খ্রিস্টধর্ম এবং দর্শনের উচ্চতর দিকগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্য এর চেয়ে ভালো পথ আর নেই।
** ফেলিক্স রাভেইসন, ''সাজি ফিলোসোফিচি'' (১৯১৭)।
* পাস্কাল গণিতের বিষয়বস্তুর সাথে অন্যান্য বিষয়ের পার্থক্য ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি বিষয়গুলোকে কোনো সাধারণ নামে না ডেকে বরং বর্ণনা করেছেন। তার সময়ের ভাষায় বললে এগুলো ছিল নান্দনিক ও নৈতিক প্রকৃতির। মনের যে অনুষদগুলো এই দুই ধরনের বিষয়ের সাথে যুক্ত, তিনি সেগুলোর বৈশিষ্ট্যও তুলে ধরেছেন। বস্তু ও আত্মার পার্থক্যের মতো এই দুই জগতের তফাত পাস্কালের চেয়ে স্পষ্ট করে আর কেউ বুঝতে পারেনি।
** ফেলিক্স রাভেইসন, ''সাজি ফিলোসোফিচি'' (১৯১৭)।
* পাস্কালই একমাত্র মহান গণিতবিদ যিনি লেখক হিসেবেও সমভাবে বিখ্যাত। তার জ্যানসেনবাদী আদর্শের একটি স্থায়ী প্রভাব হলো গণপরিবহন ব্যবস্থা। মৃত্যুর কিছুদিন আগে পাস্কাল বিশ্বে প্রথমবারের মতো ওমনিবাস সার্ভিস চালু হতে দেখেন। প্যারিসের নির্দিষ্ট রুটে ৫ স্যু ভাড়ায় এই কোচগুলো চলত। এই আয়ের লাভ দরিদ্রদের সাহায্যের জন্য দেওয়া হতো।
** জন স্টিলওয়েল, ''ম্যাথমেটিক্স অ্যান্ড ইটস হিস্ট্রি'' (১৯৮৯)।
* জীবন্ত দেহকে একটি যন্ত্র হিসেবে বিবেচনা করা পাস্কালের কাছে অত্যন্ত অগ্রহণযোগ্য ও হাস্যকর মনে হতো।
** [[w:D'Arcy Wentworth Thompson|ডি'আর্সি ওয়েন্টওয়ার্থ থম্পসন]], ''অন গ্রোথ অ্যান্ড ফর্ম'' (১৯১৭)।
* পাস্কালের বিপরীতে আমি বলি: ইব্রাহিম, ইসহাক ও ইয়াকুবের ঈশ্বর এবং দার্শনিকদের ঈশ্বর একই।
** [[পল টিলিচ]], ''বিবলিক্যাল রিলিজিয়ন অ্যান্ড দ্য সার্চ ফর আলটিমেট রিয়েলিটি''।
* পাস্কালের 'থটস' বা 'পঁসে' কোনো সাধারণ বই নয়। এই মহান ব্যক্তি তার শক্তিশালী মনে যখন যা আসত তা-ই কাগজে লিখে রাখতেন। গুরুতর অসুস্থতা তাকে নিষ্ক্রিয় করে দেওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি এটি চালিয়ে গেছেন। পরবর্তীকালে এই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা চিন্তাগুলোকে সুশৃঙ্খল করার জন্য অনেক চেষ্টা করা হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে সাফল্যও মিলেছে। তবে কখনও কখনও লেখকের মূল উদ্দেশ্য ভুলভাবেও ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
** [[আলেকজান্ডার রডলফ ভিনেট]], ''স্টাডিজ অন পাস্কাল'' (১৮৫৯)।
* পাস্কাল ধর্মের পক্ষে বিশেষ কিছুই প্রমাণ করতে পারেননি। বরং তিনি এটিই দেখিয়েছেন যে একজন প্রতিভাবান মানুষও কোনো কোনো বিষয়ে বোকা হতে পারেন। যখন কেউ নিজের কুসংস্কারের কথা শোনার মতো দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন সে শিশুর মতোই আচরণ করে।
** [[ব্যারন ডি'হোলবাখ]], ''গুড সেন্স উইদাউট গড'' (১৭৭২)।
== বহিঃসংযোগ ==
* {{উইকিপিডিয়া-ইনলাইন}}
* {{উইকিসোর্স-লেখক}}
* {{Commonscat-inline}}
* [http://www.gutenberg.org/browse/authors/p#a7913 প্রজেক্ট গুটেনবার্গে ব্লেইজ প্যাস্কেল]
* [http://btr360.com/2015/06/19/124-thoughts-of-blaise-pascal-free-book/ ব্লেইজ প্যাস্কেলের ১২৪টি উক্তি]
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:প্যাস্কেল, ব্লেইজ}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৬২৩-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৬৬২-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রবচনকারক]]
[[বিষয়শ্রেণী:খ্রিস্টীয় ধর্মতাত্ত্বিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:সমালোচক]]
[[বিষয়শ্রেণী:মানবতাবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:আবিষ্কারক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি যুক্তিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি গণিতবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:রহস্যবাদী]]
[[विषয়শ্রেণী:ফরাসি দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:দার্শনিক হতাশাবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি ক্যাথলিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি ধর্মতত্ত্ববিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:অ-কল্পকাহিনী লেখক]]
mw3com8rglhqr3gtwcp0icx0lduj334
74075
74074
2026-04-06T08:27:37Z
SMontaha32
3112
74075
wikitext
text/x-wiki
[[File:Blaise Pascal Versailles.JPG|thumb|[[দর্শন|দর্শনের]] গুরুত্ব কমিয়ে দেখা এক ধরনের [[সত্য|প্রকৃত]] দার্শনিকতা।]]
'''ব্লেইজ পাস্কাল''' (১৯ জুন ১৬২৩ – ১৯ আগস্ট ১৬৬২) ছিলেন একজন ফরাসি [[গণিতবিদ]], যুক্তিবিদ, পদার্থবিদ এবং ধর্মতত্ত্ববিদ।
:'''দ্রষ্টব্য: ''[[পঁসে]]'' থেকে নেওয়া সব উক্তি ওই পাতায় পাওয়া যাবে।'''
== উক্তি ==
[[File:Blaise Pascal 2.jpg|thumb|মানুষ সাধারণত প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং যা তাদের কাছে [[আকর্ষণীয়]] মনে হয় তার ভিত্তিতেই কোনো কিছু [[বিশ্বাস|বিশ্বাস করে]]।]]
[[File:Blaise_pascal.jpg|thumb|[[আবির্ভাব|দৃশ্যমান বিষয়ের]] অস্থিরতা সবসময় আমাদের [[যুক্তি|যুক্তিকে]] হতাশ করে।]]
[[File:Pascal Pajou Louvre RF2981.jpg|thumb|কোনো [[কাজ]] শেষ করার পরপরই তা দেখলে আমরা এতে খুব বেশি মগ্ন থাকি। আবার অনেক পরে দেখলে আমরা এর যোগসূত্র খুঁজে পাই না।]]
* বার্ধক্য যেমন শৈশব থেকে জীবনের সবচেয়ে দূরবর্তী সময়, তেমনি এই বিশ্বজনীন মানুষের ক্ষেত্রেও কি তার জন্মের নিকটবর্তী সময়ের চেয়ে দূরবর্তী সময়ে বার্ধক্য খোঁজা উচিত নয়?
** ''প্রিফেস টু দ্য ট্রিটিজ অন ভ্যাকুয়াম'' (১৬৫১)
* {{anchor|Pascal plus longue}}''Je n'ai fait celle-ci plus longue que parce que je n'ai pas eu le loisir de la faire plus courte.''
** '''আমি আরও ছোট চিঠি লিখতাম, কিন্তু আমার হাতে পর্যাপ্ত সময় ছিল না।'''
*** ''প্রোভিনশিয়াল লেটার্স'': [https://ebooks.adelaide.edu.au/p/pascal/blaise/p27pr/part17.html ১৬তম চিঠি (৪ ডিসেম্বর ১৬৫৬)]
** আক্ষরিক অর্থ: '''আমি এই চিঠিটি দীর্ঘ করেছি কারণ এটি ছোট করার মতো অবসর আমার ছিল না।'''
** এ ধরনের উক্তি [[মার্ক টোয়েন]], [[টি. এস. এলিয়ট]], [[সিসেরো]]সহ অন্যদের নামেও প্রচলিত। তবে ‘কোট ইনভেস্টিগেটর’-এর নিবন্ধ অনুযায়ী পাস্কালের এই উক্তিটিই সম্ভবত মূল উৎস।
* '''মানুষ সাধারণত প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং যা তাদের কাছে আকর্ষণীয় মনে হয় তার ভিত্তিতেই কোনো কিছু বিশ্বাস করে।'''
** ''দ্য আর্ট অব পারসুয়েশন'' (১৬৫৮ সালে লেখা; মরণোত্তর প্রকাশিত)।
* মুহাম্মদ তার শত্রুদের হত্যার মাধ্যমে একটি ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন; অন্যদিকে যিশু খ্রিস্ট তার অনুসারীদের প্রাণ উৎসর্গ করার নির্দেশ দিয়ে ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন।
** [http://books.google.pt/books?id=MGkNAAAAYAAJ&pg=PA202&dq=%22Mahomet+established+a%22&hl=pt-PT&sa=X&ei=oZmPU-fCDemp7Ab7s4HQAg&ved=0CCsQ6AEwAA#v=onepage&q=%22Mahomet%20established%20a%20religion%22&f=false ''থটস অন রিলিজিয়ন অ্যান্ড ফিলোসফি''] (ডব্লিউ. কলিন্স, ১৮৩৮), অধ্যায় ১৬, পৃষ্ঠা ২০২।
* ''FEU. Dieu d'Abraham, Dieu d'Isaac, Dieu de Jacob, non des philosophes et savants. Certitude. Certitude. Sentiment. Joie. Paix.''
** '''আগুন। ইব্রাহিমের ঈশ্বর, ইসহাকের ঈশ্বর, ইয়াকুবের ঈশ্বর; দার্শনিক বা পণ্ডিতদের ঈশ্বর নন। নিশ্চয়তা। নিশ্চয়তা। অনুভূতি। আনন্দ। শান্তি।'''
** পাস্কালের মৃত্যুর পর তার কোটের আস্তরে সেলাই করা একটি চর্মকাগজে এই নোটটি পাওয়া যায়।
* যখন আমি আমার ক্ষণস্থায়ী জীবনের কথা ভাবি যা আগের এবং পরের অনন্তকালের মধ্যে বিলীন, তখন আমার ক্ষুদ্র অস্তিত্ব আমাকে আতঙ্কিত করে। আমি অনন্ত বিশালতার মাঝে এক নগণ্য স্থান জুড়ে আছি যার সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না এবং যা আমার সম্পর্কে কিছুই জানে না। আমি অবাক হই যে কেন আমি অন্য কোথাও না হয়ে এখানে আছি। এখন না হয়ে কেন তখন জন্মাইনি তারও কোনো কারণ নেই। কে আমাকে এখানে পাঠিয়েছেন? কার নির্দেশে এই স্থান ও সময় আমার জন্য নির্ধারিত হয়েছে?
** "মানুষের সীমাবদ্ধতা", ''দ্য থটস অব ব্লেইজ পাস্কাল'' (১৮৮৫)।
* **এই অনন্ত মহাশূন্যের চিরন্তন নিস্তব্ধতা আমাকে আতঙ্কিত করে।**
=== ''ডিসকোর্সেস অন দ্য কন্ডিশন অব দ্য গ্রেট'' ===
* আপনার প্রকৃত অবস্থা বুঝতে এই উদাহরণটি কল্পনা করুন: এক ব্যক্তি ঝড়ের কবলে পড়ে এক অজানা দ্বীপে পৌঁছান। দ্বীপবাসীরা তাদের হারিয়ে যাওয়া রাজাকে খুঁজছিল। ওই ব্যক্তির চেহারা ও গড়ন রাজার মতো হওয়ায় সবাই তাকে রাজা হিসেবে মেনে নেয়।
* তার মনে দুটি ভাবনা কাজ করছিল: একটি হলো রাজার মতো কাজ করা এবং অন্যটি হলো তার আসল অবস্থা সম্পর্কে সচেতন থাকা। সে জানত যে কেবল দুর্ঘটনাবশত সে এই অবস্থায় পৌঁছেছে।
* '''ভাববেন না যে আপনি যে সম্পদের মালিক হয়েছেন তা ওই ব্যক্তির রাজা হওয়ার চেয়ে কম আকস্মিক কিছু।'''
* আইনপ্রণেতারা যদি নিয়ম করতেন যে এই সম্পদ মৃত্যুর পর রাষ্ট্রের কাছে ফিরে যাবে, তবে আপনার অভিযোগ করার কোনো উপায় থাকত না।
* '''প্রাকৃতিক অধিকার নয়, বরং মানবিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই আপনি আপনার সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।'''
* আপনার এই অধিকার কোনো ব্যক্তিগত যোগ্যতা বা গুণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়নি। আপনার আত্মা বা শরীর একজন মাঝির বা একজন সামন্ত প্রভুর হওয়ার ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক কোনো পার্থক্য নেই। কোনো প্রাকৃতিক বন্ধনই এগুলোকে নির্দিষ্ট একটি অবস্থার সাথে আটকে রাখে না।
* '''সামাজিকভাবে পদমর্যাদা অনুযায়ী চললেও মনের ভেতরে আপনার স্বীকার করা উচিত যে আপনি জন্মগতভাবে অন্যদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ নন।'''
* '''জনসাধারণের ভাবনা যদি আপনাকে সাধারণ মানুষের উপরে তুলে ধরে, তবে আপনার ভেতরের ভাবনাটি যেন আপনাকে নম্র রাখে এবং সবার সাথে সমান অবস্থানে ধরে রাখে। এটিই আপনার স্বাভাবিক অবস্থা।'''
* নিজেকে অন্যের চেয়ে উচ্চতর ভেবে ভুল করবেন না।
* জনগণের ভুলে রাজা হওয়া ব্যক্তি যদি নিজের স্বাভাবিক অবস্থা ভুলে নিজেকে যোগ্য ভাবতে শুরু করেন, তবে আপনি তার **নির্বুদ্ধিতা ও মূর্খতা** দেখে অবাক হবেন। কিন্তু নিজেদের স্বাভাবিক অবস্থা ভুলে থাকা উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও কি একই কথা খাটে না?
* **উচ্চবিত্তদের সব বাড়াবাড়ি, সহিংসতা এবং অহংকার আসে নিজেদের পরিচয় সম্পর্কে অজ্ঞতা থেকে।** যারা মনেপ্রাণে নিজেদের সবার সমান মনে করে, তাদের পক্ষে শ্রেষ্ঠত্বের বড়াই করা কঠিন। শ্রেষ্ঠত্বের এই ভ্রম বজায় রাখতে হলে একজনকে নিজের আসল পরিচয় ভুলতে হয়।
* '''আপনি যদি আমার কাছে শ্রদ্ধা আশা করেন, তবে আমাকে আপনার এমন গুণ দেখান যা শ্রদ্ধার যোগ্য। আপনি তা দেখাতে পারলে আমি আপনাকে শ্রদ্ধা করব এবং তা ন্যায়সংগত হবে। কিন্তু আপনি তা না করলে আমার কাছে শ্রদ্ধা দাবি করা আপনার অন্যায় হবে। আপনি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ রাজপুত্র হলেও আপনি তাতে সফল হবেন না।'''
* '''আপনার মতে একজন বড় অভিজাত হওয়ার মানে কী? এর অর্থ হলো মানুষের কাঙ্ক্ষিত অনেক কিছুর মালিক হওয়া এবং অনেকের চাহিদা পূরণ করতে পারা। এই অভাব ও চাহিাই মানুষকে আপনার দিকে টানে এবং আপনার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য করে। এগুলো না থাকলে তারা আপনার দিকে ফিরেও তাকাত না।'''
* **ঈশ্বর ভালোবাসায় পূর্ণ মানুষ দ্বারা পরিবেষ্টিত** যারা তার কাছে ভালোবাসা চায়। তাই তিনি মূলত ভালোবাসার রাজা।
* একইভাবে আপনিও একদল আগ্রহী মানুষ দ্বারা পরিবেষ্টিত। তারা আপনার কাছে তাদের চাহিদা মেটানোর সুযোগ চায়। তাই আপনি মূলত আকাঙ্ক্ষা বা চাহিদার রাজা। **মানুষ যা চায় তার মালিকানাই আপনার ক্ষমতার উৎস।**
* আপনার প্রাকৃতিক শক্তি বা ক্ষমতার কারণে মানুষ আপনার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য হয়নি। তাই শক্তি দিয়ে তাদের শাসন করবেন না বা তাদের সাথে রূঢ় আচরণ করবেন না। **তাদের যুক্তিসঙ্গত চাহিদাগুলো পূরণ করুন।** মানুষের উপকার করার মাধ্যমে আনন্দ খুঁজলে আপনি আকাঙ্ক্ষার প্রকৃত রাজা হতে পারবেন।
* কিছু মানুষ লোভ, নৃশংসতা, সহিংসতা বা ব্যভিচারের মাধ্যমে কত অনর্থকভাবে নিজেকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়! নিজেকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাওয়া সবসময়ই চরম বোকামি। মানুষের উচিত আকাঙ্ক্ষা ও এর রাজত্বকে তুচ্ছ করে সেই ভালোবাসার রাজ্যের আকাঙ্ক্ষা করা, যেখানে সবাই ভালোবাসা ছাড়া আর কিছুই চায় না।
=== ''কনভারসেশন অন এপিকটেটাস অ্যান্ড মনটেইন'' ===
* আমি দেখেছি যে তারা [এপিকটেটাস ও মনটেইন] বিশ্বের দুটি বিখ্যাত মতবাদের শ্রেষ্ঠ রক্ষক এবং যুক্তিপূর্ণ। তাদের দেখানো পথ দুটি হলো: হয় ঈশ্বর আছেন এবং তিনিই পরম কল্যাণ; অথবা তিনি অনিশ্চিত এবং তখন প্রকৃত কল্যাণও অনিশ্চিত।
* আমি যেমন এই গবেষণায় দেখানোর চেষ্টা করেছি, প্রকৃতিতে তার প্রতিটি কাজের মাধ্যমে ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণের চেষ্টার চেয়ে মানুষের মনের সেই চেষ্টাকে বিবেচনা করা অনেক বেশি ন্যায়সংগত।
* এই দুই মতবাদের ভুলের মূল কারণ হলো তারা মানুষের বর্তমান অবস্থা যে সৃষ্টির সময়ের চেয়ে ভিন্ন, তা জানতেন না। এক পক্ষ মানুষের আদি মহত্ত্ব দেখে তার বর্তমান কলুষতা ভুলে প্রকৃতির ওপর অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয়ে **অহংকারের** জন্ম দেয়। অন্য পক্ষ বর্তমান দুর্দশা দেখে আদি মর্যাদা ভুলে হতাশায় ডুবে যায়।
* মানুষের এই দুই অবস্থা—মহত্ত্ব ও দুর্বলতা—একসাথে না জানলে মানুষ হয় অহংকারী নতুবা অলস হয়ে পড়ে। ঐশ্বরিক অনুগ্রহ পাওয়ার আগে সব মানুষই এই দুই দোষের শিকার হয়।
* **একজন মানুষের কর্তব্য জানলেও তার অক্ষমতা সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় সে উদ্ধত হয়। অন্যজন অক্ষমতা জানলেও কর্তব্য সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় অলস হয়ে পড়ে। সুসমাচারের সত্য এই দুই বৈপরীত্যের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করে। এটি সত্যকে গ্রহণ করে এবং মিথ্যাকে বর্জন করে এক স্বর্গীয় প্রজ্ঞা তৈরি করে।**
* জগতের দার্শনিকরা একই বিষয়ের মধ্যে বৈপরীত্য খোঁজেন। অন্যদিকে বিশ্বাস আমাদের শেখায় বৈপরীত্যগুলোকে ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ের ওপর স্থাপন করতে। মানুষের সব দুর্বলতা তার প্রকৃতির অংশ এবং সব শক্তি ঐশ্বরিক অনুগ্রহের দান। এটিই সেই বিস্ময়কর ও নতুন মিলন যা কেবল ঈশ্বরই শেখাতে পারেন।
=== ''অন দ্য স্পিরিট অব জিওমেট্রি'' ===
* সরাসরি সত্যের মালিক হওয়ার বিশ্বাস মানুষের এক স্বাভাবিক মানসিক ব্যাধি।
*** ১ম বিভাগ
=== ''দ্য আর্ট অব পারসুয়েশন'' ===
* মতবাদগুলো আত্মার দুটি প্রধান ক্ষমতার মাধ্যমে গৃহীত হয়: বুদ্ধি এবং ইচ্ছা।
* **মানুষ প্রমাণের চেয়ে আকর্ষণের মাধ্যমে বিশ্বাস করতে বেশি পছন্দ করে।** এটি একটি নীচ ও অপ্রাসঙ্গিক পথ, তাই সবাই একে অস্বীকার করে। প্রত্যেকেই দাবি করে যে সে যা জানে কেবল তা-ই বিশ্বাস ও ভালোবাসা করে।
* আমি এখানে ঐশ্বরিক সত্যের কথা বলছি না কারণ তা প্রকৃতির ঊর্ধ্বে। **কেবল ঈশ্বরই আত্মায় সেই সত্য স্থাপন করতে পারেন।** তিনি চেয়েছেন সেই সত্য যেন মন থেকে হৃদয়ে না এসে বরং হৃদয় থেকে মনে প্রবেশ করে। এটি মানুষের অহংকারী যুক্তিকে দমন করে এবং কলুষিত ইচ্ছাকে এটি পরিশোধিত করে।
* '''পার্থিব জিনিসের ক্ষেত্রে আমরা বলি যে কোনো কিছু ভালোবাসার আগে তা জানতে হয়। অন্যদিকে পবিত্র জিনিসের ক্ষেত্রে মহাত্মারা বলেন যে কোনো কিছু জানার আগে তাকে ভালোবাসতে হয়। কেবল ভালোবাসার মাধ্যমেই আমরা সত্যে প্রবেশ করতে পারি।'''
* তারা [মানুষ] ঐশ্বরিক নিয়মকে কলুষিত করেছে। কারণ মানুষ সাধারণত যা তাকে আনন্দ দেয় তা ছাড়া অন্য কিছু খুব কমই বিশ্বাস করে।
* ঈশ্বর মানুষের বুদ্ধিতে তখনই আলো দান করেন যখন তিনি মানুষের জেদি ইচ্ছাকে স্বর্গীয় নম্রতা দিয়ে জয় করেন।
* মন এবং হৃদয় হলো সত্য প্রবেশের দুটি পথ। তবে বুদ্ধির চেয়ে ইচ্ছার খামখেয়ালিপনায় অনেক বেশি সত্য (বা মিথ্যা) আত্মায় প্রবেশ করে।
* বেশ কিছু বিশেষ নীতি সত্যের মতোই জোরালোভাবে মানুষকে বিশ্বাসের দিকে টানে, যদিও সেগুলো আসলে মিথ্যা।
* কোনো বিষয় তাকে পরম আনন্দের দিকে নিয়ে যেতে পারে— আত্মা এটি বুঝতে পারার সাথে সাথেই তা সানন্দে গ্রহণ করে।
* **সত্য ও আনন্দের** মধ্যে যখন দ্বন্দ্ব বাধে, তখন জয়-পরাজয় অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এটি বোঝার জন্য মানুষের অন্তরের গহীন খবর জানা প্রয়োজন যা মানুষ নিজেও সবসময় জানে না।
* **কাউকে রাজি করাতে হলে ওই ব্যক্তির মন এবং হৃদয় সম্পর্কে জানা জরুরি।** তার মূলনীতিগুলো কী এবং সে কী ভালোবাসে তা বুঝতে হবে।
* **প্ররোচনা বা প্রবোধ দেওয়ার শিল্প যতটা না বোঝানোর, তার চেয়ে বেশি তুষ্ট করার। কারণ মানুষ যুক্তির চেয়ে খামখেয়ালিপনা দ্বারা বেশি পরিচালিত হয়!**
* আনন্দের উৎসগুলো স্থির নয়। প্রতিটি মানুষের ক্ষেত্রে এগুলো ভিন্ন এবং সময়ে সময়ে পরিবর্তনশীল। একজন মানুষ ভিন্ন সময়ে নিজের চেয়েও অনেক বেশি আলাদা হয়ে যায়।
* এমন কোনো সত্য নেই যা নিয়ে আমরা সবসময় একমত থাকি। আবার আমাদের আনন্দের বিষয়গুলোও প্রতি ঘণ্টায় বদলে যায়। মানুষের খামখেয়ালিপনা অনুযায়ী কথা বলার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম আছে কি না আমি জানি না।
* **প্রমাণ বা যুক্তির নিখুঁত পদ্ধতি তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত:** স্পষ্ট সংজ্ঞার মাধ্যমে পদের ব্যাখ্যা দেওয়া, প্রমাণিত নীতি বা স্বতঃসিদ্ধ প্রস্তাব করা এবং প্রমাণের সময় পদের বদলে সবসময় তার সংজ্ঞা ব্যবহার করা।
* যদি ভিত্তি মজবুত না হয়, তবে অট্টালিকাও নিরাপদ হয় না।
* সংজ্ঞায়ন, স্বতঃসিদ্ধ সত্য এবং প্রমাণের নিখুঁত পদ্ধতির জন্য জ্যামিতিক প্রমাণের কিছু নিয়মই যথেষ্ট।
* **সংজ্ঞায়নের নিয়ম:** ১. কোনো সুপরিচিত বিষয়কে সংজ্ঞায়িত করতে যাবেন না যা ব্যাখ্যা করার জন্য আরও স্পষ্ট শব্দ নেই। ২. অস্পষ্ট বা দ্ব্যর্থবোধক কোনো শব্দকে সংজ্ঞা ছাড়া রাখবেন না। ৩. সংজ্ঞায় কেবল পরিচিত বা আগে ব্যাখ্যা করা হয়েছে এমন শব্দই ব্যবহার করবেন।
* **স্বতঃসিদ্ধ সত্যের নিয়ম:** ১. প্রয়োজনীয় কোনো নীতি বা বিষয় যত স্পষ্টই হোক না কেন, তা জিজ্ঞাসা করা থেকে বিরত থাকবেন না। ২. কেবল নিজের মধ্যে স্পষ্ট বিষয়গুলোই স্বতঃসিদ্ধ হিসেবে দাবি করবেন।
* **প্রমাণের নিয়ম:** ১. খুব বেশি স্পষ্ট কোনো বিষয় প্রমাণ করতে যাবেন না যা প্রমাণ করার মতো সহজ কিছু আর নেই। ২. সব অস্পষ্ট প্রস্তাবনা প্রমাণ করুন এবং প্রমাণের ক্ষেত্রে কেবল খুব স্পষ্ট স্বতঃসিদ্ধ বা আগে প্রমাণিত প্রস্তাবনা ব্যবহার করুন। ৩. দ্ব্যর্থতা এড়াতে প্রমাণের সময় মানসিক ভাবে পদের জায়গায় তার সংজ্ঞা বসান।
* ওপরের আটটি নিয়ম যে কোনো মজবুত প্রমাণের জন্য যথেষ্ট। এর মধ্যে পাঁচটি নিয়ম অপরিহার্য যা ছাড়া কোনো প্রমাণ সম্পন্ন করা সম্ভব নয়।
* নিয়মের অভাব বা কঠিন অনুশীলনের কারণে এগুলো অনেকের কাছেই অপরিচিত।
* **এই নিয়মগুলো খুব সাধারণ— এমন আপত্তির বিপরীতে আমার কথা হলো:** জ্যামিতিবিদরা ছাড়া পুরো জাতির মধ্যে খুব কম মানুষই এই নিয়মগুলো জানে।
* যারা এই নিয়মগুলো আয়ত্ত করেছেন, তারা বুঝতে পারবেন যে সাধারণ যুক্তিবিদরা যা লিখেছেন তার সাথে এর পার্থক্য কতটা বিশাল।
* একই কথা যারা বলেন, তারা সবাই বিষয়টিকে একইভাবে ধারণ করেন না। একজন মানুষের সামর্থ্য কেবল তার একটি ভালো উক্তি শুনে বিচার করা উচিত নয়। আমাদের উচিত তার মনের গভীরে প্রবেশ করা। অনেক সময় দেখা যায় সে নিজেই তার ওই ভালো চিন্তাটি বিশ্বাস করে না এবং কোনো তুচ্ছ বিষয়ের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
* **'বস্তু প্রাকৃতিকভাবেই চিন্তায় অক্ষম'** এবং **'আমি চিন্তা করি, তাই আমি আছি'**— রেনে দেকার্ত এবং সেন্ট অগাস্টিনের কাছে কি এই নীতি দুটি আসলে একই ছিল? অগাস্টিন বারোশ বছর আগেই একই কথা বলেছিলেন। আমি বলছি না দেকার্ত এর রচয়িতা নন। তবে কেবল কোনো কথা বলা এবং সেই কথা থেকে চমৎকার সব সিদ্ধান্ত বের করে একটি পূর্ণাঙ্গ আধিভৌতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার মধ্যে বিশাল পার্থক্য আছে।
* কোনো এক ব্যক্তি নিজের অজান্তেই একটি চমৎকার কথা বলতে পারেন। কিন্তু অন্য কেউ হয়তো সেই একই কথার মধ্যে অসামান্য সব সিদ্ধান্তের সমাহার খুঁজে পান। ফলস্বরূপ উক্তিটি আর আগের মতো থাকে না। কোনো উক্তি যেখান থেকে শেখা হয়েছে তার প্রতি ঋণ ঠিক ততটুকুই, যতটুকু একটি সুন্দর গাছ সেই ব্যক্তির প্রতি ঋণী যে অনিচ্ছাকৃত ভাবে উর্বর মাটিতে বীজ ফেলেছিল।
* **যুক্তিবিদ্যা হয়তো জ্যামিতির নিয়মগুলো ধার করেছে কিন্তু সেগুলোর শক্তি বুঝতে পারেনি।** এই বিজ্ঞানই যুক্তি পরিচালনার সঠিক পদ্ধতি শেখায়।
* **ভুল না করার পদ্ধতি সবাই খোঁজে।** যুক্তিবিদরা পথ দেখানোর দাবি করেন কিন্তু কেবল জ্যামিতিবিদরাই তা অর্জন করতে পারেন। বিজ্ঞান এবং এর অনুসরণ ছাড়া আর কোনো প্রকৃত প্রমাণ নেই।
* **ভালো জিনিস সবখানেই আছে, কেবল সেগুলো বেছে নেওয়া প্রয়োজন।** এটি নিশ্চিত যে সেগুলো প্রাকৃতিক এবং সবার নাগালের মধ্যেই থাকে।
* **শ্রেষ্ঠত্ব কোনো অসাধারণ বা কাল্পনিক জিনিসের মধ্যে নেই।** একে পেতে হলে আমাদের অনেক সময় নিচু হতে হয়।
* শ্রেষ্ঠ বই সেগুলোই যা পড়ার পর পাঠকের মনে হয় তিনি নিজেও তা লিখতে পারতেন।
* **প্রকৃতিই একমাত্র ভালো যা সবার কাছে পরিচিত এবং সাধারণ।**
* আমি নিশ্চিত যে এই নিয়মগুলো সহজ, কৃত্রিমতাহীন এবং স্বাভাবিক।
* মনকে জোর করা উচিত নয়। কৃত্রিম আচরণ সলিড খাবারের বদলে মনকে কেবল অন্তঃসারশূন্য অহংকারে পূর্ণ করে।
* **মানুষের একটি প্রধান ভুল হলো তারা মনে করে ভালো জিনিসগুলো দুর্লভ এবং উঁচু স্তরের। তারা এগুলোকে 'মহান, উচ্চ বা মহৎ' নাম দেয়। আমি এগুলোকে 'সাধারণ ও পরিচিত' বলতে পছন্দ করি।** কারণ এই নামগুলোই বেশি মানানসই। আমি আড়ম্বরপূর্ণ শব্দ অপছন্দ করি।
== পাস্কাল সম্পর্কে উক্তি ==
* {{w|Lettres provinciales|''প্রোভিনশিয়াল লেটার্স''}} এবং ছোটখাটো ধর্মীয় রচনাগুলো লেখার পরের বছরগুলোতে পাস্কাল খ্রিস্টধর্মের প্রসারে নিজের জীবন উৎসর্গ করতে শুরু করেন। এই কার্যক্রমের মূলে ছিল তার বিখ্যাত কাজ [[পঁসে|''পঁসে'' ]]। এটি মূলত ১৬৫৭ থেকে ১৬৫৮ সালের দিকে লেখা। অনেক সমালোচকের মতে, এটি অজ্ঞেয়বাদী ও নাস্তিকদের ধর্মীয় বিশ্বাসে ফিরিয়ে আনার সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী প্রচেষ্টাগুলোর একটি। তবে এটি মূলত একটি অসমাপ্ত কাজ।
** {{w|ডোনাল্ড অ্যাডামসন}}, ''ব্লেইজ পাস্কাল: গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং ঈশ্বর চিন্তক'' (১৯৯৪)।
* আমি খুব ভাগ্যবান ছিলাম। শৈশবে কৌতূহলী হওয়ার পাশাপাশি আমি কিছুটা শারীরিক প্রতিবন্ধকতার শিকার ছিলাম। তাই হাতের কাছে যা পেতাম তা-ই পড়তাম। আমার স্মরণশক্তি এবং কাজ করার শক্তিও প্রচুর। এটি একটি আশীর্বাদ। আমি এখনও নতুন কিছু শেখার জন্য তৃষ্ণার্ত। সব তরুণের মধ্যে এই গুণ থাকে না। তাদের অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া উচিত এবং মানবজাতির মহান চিন্তাগুলোর সাথে পরিচিত হওয়া উচিত। প্রত্যেকেরই ভাবা উচিত— "আমি কেন এখানে? এই পৃথিবীতে আমার কাজ কী?" অ্যারিস্টটল এবং প্লেটোকে জানা খুব জরুরি। জীবনকে সহজ করতে হলে লিওপোল্ড এবং পাস্কালকে জানা একান্ত প্রয়োজন।
** মায়া অ্যাঞ্জেলের সাথে কথোপকথন (১৯৮৯), ১৯৮৬ সালের সাক্ষাৎকার।
* এটি তাৎপর্যপূর্ণ যে আমরা ব্লেইজ পাস্কালের মেধার মাধ্যমেই ''পুনরাবৃত্তি নীতি''-র প্রথম সুষ্পষ্ট ধারণা পাই। ১৬৫৪ সালে প্রকাশিত ''দ্য অ্যারিথমেটিক ট্রায়াঙ্গেল'' নামক একটি গবেষণাপত্রে তিনি এই নীতি ব্যাখ্যা করেন। পাস্কাল ও [[পিয়ের দ্য ফের্মা|ফের্মার]] মধ্যে জুয়া খেলার সমস্যা নিয়ে আদান-প্রদান করা চিঠিপত্রেই এই কাজের মূল নির্যাস ছিল। এই যোগাযোগ থেকেই আধুনিক সম্ভাবনা তত্ত্ব গড়ে উঠেছে। এটি বিস্ময়কর যে বিশুদ্ধ গণিতের ভিত্তি এবং সব ডিডাক্টিভ বিজ্ঞানের মূল আধার এই তত্ত্ব দুটি জুয়াড়িদের একটি অসমাপ্ত খেলার বাজি ভাগ করার কৌশল খুঁজতে গিয়ে আবিষ্কৃত হয়েছিল।
** [[টোবিয়াস ড্যান্টজিগ]], ''নাম্বার: দ্য ল্যাঙ্গুয়েজ অব সায়েন্স'' (১৯৩০)।
* একটি কার্যকর ধর্ম সম্পর্কে পাস্কাল যা বলেছিলেন তা যেকোনো কার্যকর মতবাদের ক্ষেত্রেই সত্য: একে অবশ্যই "প্রকৃতি, সাধারণ জ্ঞান এবং আনন্দের প্রতিকূলে" হতে হবে।
** [[এরিক হোফার]], ''দ্য ট্রু বিলিভার'' (১৯৫১)।
* মানুষ অসীমভাবে মানুষকে ছাড়িয়ে যায়।
** [[পোপ পল ষষ্ঠ]], ''এনসাইক্লিক্যাল পপুলোরাম প্রগ্রেসীয়'' (১৯৬৭)।
* পাস্কাল অবজ্ঞার সাথে বলেছিলেন যে সাধারণ শ্রমিকরা তথাকথিত 'দার্শনিকদের' ভুল ধরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। মূলত এই অশিক্ষিত মানুষরাই 'নিজেদের চোখে দেখা এবং হাতে স্পর্শ করা' বিষয়গুলো বিশ্বাস করতে বেশি প্রস্তুত ছিল।
** [[রেইজার হুইকাস]], ''রিলিজিয়ন অ্যান্ড দ্য রাইজ অব মডার্ন সায়েন্স'' (২০০০)।
* দর্শনচর্চা মানেই হলো মানুষের গুরুত্ব এবং তার মর্যাদাকে পুনপ্রতিষ্ঠা করা। সক্রেটিসের অন্বেষণ এবং বিজ্ঞানের কার্তেসীয় বিপ্লবের মুখে পাস্কালের উদ্বেগের মূল অর্থ ছিল এটাই। এই বিচারে পাস্কাল [[সক্রেটিস|সক্রেটিসের]] চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ একজন দার্শনিক। বিজ্ঞান মানুষকে সৃষ্টির সেরা জীব থেকে সরিয়ে দেওয়ার যে দাবি করেছিল, পাস্কালই প্রথম তার তীব্র প্রতিবাদ জানান। কেন বিজ্ঞান মানুষের হৃদয়ে আনন্দ দিতে বা জীবনের অর্থ খুঁজে পেতে ব্যর্থ, তা পাস্কালের চেয়ে ভালো কেউ প্রমাণ করতে পারেনি।
** [[থমাস মোলনার]], ''দ্য ডিক্লাইন অব দ্য ইন্টেলেকচুয়াল'' (১৯৬১)।
* পাস্কাল কোনো কূপমণ্ডূক ছিলেন না। তবে তিনি পরিমাপ করেছিলেন যে বিজ্ঞান মানুষের ভাগ্যের সমস্যার ক্ষেত্রে কতটা অপ্রাসঙ্গিক হতে পারে। বিজ্ঞান মানুষের অভিজ্ঞতার সীমাবদ্ধতা ও অপূর্ণতাকে উপেক্ষা করে যে সত্যের দাবি করে, তা বাস্তবসম্মত নয়। বরং আমাদের সহজাত সামর্থ্যগুলোই অস্তিত্বের লড়াইয়ে টিকে থাকার একমাত্র ও অপরিহার্য হাতিয়ার।
** থমাস মোলনার, ''দ্য ডিক্লাইন অব দ্য ইন্টেলেকচুয়াল'' (১৯৬১)।
* পাস্কাল হলেন দেকার্তের একজন বিচক্ষণ সমালোচক। তিনি দেকার্তের সবকিছুর বিরোধিতা না করলেও মৌলিক কিছু পয়েন্টে দ্বিমত পোষণ করেছেন। প্রথমত, তিনি বুঝেছিলেন যে দেকার্তের নিশ্চিত জ্ঞানের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি ভ্রান্ত মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে। দেকার্ত এমন কিছু দিয়ে শুরু করতে চেয়েছিলেন যা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই, যার ফলে তিনি বিশ্বাস করতেন সব প্রকৃত জ্ঞানই প্রযুক্তিগত। পাস্কাল তার সম্ভাব্যতা তত্ত্বের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত এড়িয়ে গেছেন। দ্বিতীয়ত, পাস্কাল উপলব্ধি করেছিলেন যে যেকোনো বাস্তব কাজে কার্তেসীয় যুক্তিই একমাত্র উৎস নয়। মানুষের মন কোনো সচেতন বা সূত্রবদ্ধ কৌশলের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল নয়। অনেক সময় মন কোনো কৌশল ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে কাজ করে। অনুসন্ধানের নিয়মগুলো অতিরিক্ত সুনির্দিষ্ট করতে গিয়ে পদ্ধতির ওপর গুরুত্ব দিলে প্রকৃত অনুসন্ধান বাধাগ্রস্ত হয়। আধুনিক দর্শনের ইতিহাসের বড় একটি অংশ এই প্রশ্নকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে।
** [[মাইকেল ওকশট]], ''র্যাশনালিজম ইন পলিটিক্স অ্যান্ড আদার এসেস'' (১৯৬২)।
* পাস্কালের 'পঁসে' থেকে কিছু অংশ বেছে নিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়েছে যে তিনি বিশ্বাসের কাছে যুক্তিকে বিসর্জন দিয়ে দর্শনের সম্ভাবনা অস্বীকার করেছেন। আমি দেখাতে চাই যে পাস্কাল সংশয়বাদী ছিলেন না। তার এই কাজে স্পিনোজা বা লাইবনিজের মতো বিস্তারিত কোনো সিস্টেম না থাকলেও একটি প্রকৃত দর্শনের মূলনীতিগুলো বিদ্যমান। এই ধারণাগুলো পাস্কালের বিশ্বাসের সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। খ্রিস্টধর্ম এবং দর্শনের উচ্চতর দিকগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্য এর চেয়ে ভালো পথ আর নেই।
** ফেলিক্স রাভেইসন, ''সাজি ফিলোসোফিচি'' (১৯১৭)।
* পাস্কাল গণিতের বিষয়বস্তুর সাথে অন্যান্য বিষয়ের পার্থক্য ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি বিষয়গুলোকে কোনো সাধারণ নামে না ডেকে বরং বর্ণনা করেছেন। তার সময়ের ভাষায় বললে এগুলো ছিল নান্দনিক ও নৈতিক প্রকৃতির। মনের যে অনুষদগুলো এই দুই ধরনের বিষয়ের সাথে যুক্ত, তিনি সেগুলোর বৈশিষ্ট্যও তুলে ধরেছেন। বস্তু ও আত্মার পার্থক্যের মতো এই দুই জগতের তফাত পাস্কালের চেয়ে স্পষ্ট করে আর কেউ বুঝতে পারেনি।
** ফেলিক্স রাভেইসন, ''সাজি ফিলোসোফিচি'' (১৯১৭)।
* পাস্কালই একমাত্র মহান গণিতবিদ যিনি লেখক হিসেবেও সমভাবে বিখ্যাত। তার জ্যানসেনবাদী আদর্শের একটি স্থায়ী প্রভাব হলো গণপরিবহন ব্যবস্থা। মৃত্যুর কিছুদিন আগে পাস্কাল বিশ্বে প্রথমবারের মতো ওমনিবাস সার্ভিস চালু হতে দেখেন। প্যারিসের নির্দিষ্ট রুটে ৫ স্যু ভাড়ায় এই কোচগুলো চলত। এই আয়ের লাভ দরিদ্রদের সাহায্যের জন্য দেওয়া হতো।
** জন স্টিলওয়েল, ''ম্যাথমেটিক্স অ্যান্ড ইটস হিস্ট্রি'' (১৯৮৯)।
* জীবন্ত দেহকে একটি যন্ত্র হিসেবে বিবেচনা করা পাস্কালের কাছে অত্যন্ত অগ্রহণযোগ্য ও হাস্যকর মনে হতো।
** [[w:D'Arcy Wentworth Thompson|ডি'আর্সি ওয়েন্টওয়ার্থ থম্পসন]], ''অন গ্রোথ অ্যান্ড ফর্ম'' (১৯১৭)।
* পাস্কালের বিপরীতে আমি বলি: ইব্রাহিম, ইসহাক ও ইয়াকুবের ঈশ্বর এবং দার্শনিকদের ঈশ্বর একই।
** [[পল টিলিচ]], ''বিবলিক্যাল রিলিজিয়ন অ্যান্ড দ্য সার্চ ফর আলটিমেট রিয়েলিটি''।
* পাস্কালের 'থটস' বা 'পঁসে' কোনো সাধারণ বই নয়। এই মহান ব্যক্তি তার শক্তিশালী মনে যখন যা আসত তা-ই কাগজে লিখে রাখতেন। গুরুতর অসুস্থতা তাকে নিষ্ক্রিয় করে দেওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি এটি চালিয়ে গেছেন। পরবর্তীকালে এই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা চিন্তাগুলোকে সুশৃঙ্খল করার জন্য অনেক চেষ্টা করা হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে সাফল্যও মিলেছে। তবে কখনও কখনও লেখকের মূল উদ্দেশ্য ভুলভাবেও ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
** [[আলেকজান্ডার রডলফ ভিনেট]], ''স্টাডিজ অন পাস্কাল'' (১৮৫৯)।
* পাস্কাল ধর্মের পক্ষে বিশেষ কিছুই প্রমাণ করতে পারেননি। বরং তিনি এটিই দেখিয়েছেন যে একজন প্রতিভাবান মানুষও কোনো কোনো বিষয়ে বোকা হতে পারেন। যখন কেউ নিজের কুসংস্কারের কথা শোনার মতো দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন সে শিশুর মতোই আচরণ করে।
** [[ব্যারন ডি'হোলবাখ]], ''গুড সেন্স উইদাউট গড'' (১৭৭২)।
== বহিঃসংযোগ ==
* {{উইকিপিডিয়া-ইনলাইন}}
* {{উইকিসোর্স-লেখক}}
* {{Commonscat-inline}}
* [http://www.gutenberg.org/browse/authors/p#a7913 প্রজেক্ট গুটেনবার্গে ব্লেইজ প্যাস্কেল]
* [http://btr360.com/2015/06/19/124-thoughts-of-blaise-pascal-free-book/ ব্লেইজ প্যাস্কেলের ১২৪টি উক্তি]
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:প্যাস্কেল, ব্লেইজ}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৬২৩-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৬৬২-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রবচনকারক]]
[[বিষয়শ্রেণী:খ্রিস্টীয় ধর্মতাত্ত্বিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:সমালোচক]]
[[বিষয়শ্রেণী:মানবতাবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:আবিষ্কারক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি যুক্তিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি গণিতবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:রহস্যবাদী]]
[[विषয়শ্রেণী:ফরাসি দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:দার্শনিক হতাশাবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি ক্যাথলিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি ধর্মতত্ত্ববিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:অ-কল্পকাহিনী লেখক]]
77x20rb4wm0vhngmxhriqmh6h4n9fhp
74077
74075
2026-04-06T08:28:00Z
SMontaha32
3112
/* উক্তি */
74077
wikitext
text/x-wiki
[[File:Blaise Pascal Versailles.JPG|thumb|[[দর্শন|দর্শনের]] গুরুত্ব কমিয়ে দেখা এক ধরনের [[সত্য|প্রকৃত]] দার্শনিকতা।]]
'''ব্লেইজ পাস্কাল''' (১৯ জুন ১৬২৩ – ১৯ আগস্ট ১৬৬২) ছিলেন একজন ফরাসি [[গণিতবিদ]], যুক্তিবিদ, পদার্থবিদ এবং ধর্মতত্ত্ববিদ।
:'''দ্রষ্টব্য: ''[[পঁসে]]'' থেকে নেওয়া সব উক্তি ওই পাতায় পাওয়া যাবে।'''
== উক্তি ==
[[File:Blaise Pascal 2.jpg|thumb|মানুষ সাধারণত প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং যা তাদের কাছে আকর্ষণীয় মনে হয় তার ভিত্তিতেই কোনো কিছু [[বিশ্বাস|বিশ্বাস করে]]।]]
[[File:Blaise_pascal.jpg|thumb|[[আবির্ভাব|দৃশ্যমান বিষয়ের]] অস্থিরতা সবসময় আমাদের [[যুক্তি|যুক্তিকে]] হতাশ করে।]]
[[File:Pascal Pajou Louvre RF2981.jpg|thumb|কোনো [[কাজ]] শেষ করার পরপরই তা দেখলে আমরা এতে খুব বেশি মগ্ন থাকি। আবার অনেক পরে দেখলে আমরা এর যোগসূত্র খুঁজে পাই না।]]
* বার্ধক্য যেমন শৈশব থেকে জীবনের সবচেয়ে দূরবর্তী সময়, তেমনি এই বিশ্বজনীন মানুষের ক্ষেত্রেও কি তার জন্মের নিকটবর্তী সময়ের চেয়ে দূরবর্তী সময়ে বার্ধক্য খোঁজা উচিত নয়?
** ''প্রিফেস টু দ্য ট্রিটিজ অন ভ্যাকুয়াম'' (১৬৫১)
* {{anchor|Pascal plus longue}}''Je n'ai fait celle-ci plus longue que parce que je n'ai pas eu le loisir de la faire plus courte.''
** '''আমি আরও ছোট চিঠি লিখতাম, কিন্তু আমার হাতে পর্যাপ্ত সময় ছিল না।'''
*** ''প্রোভিনশিয়াল লেটার্স'': [https://ebooks.adelaide.edu.au/p/pascal/blaise/p27pr/part17.html ১৬তম চিঠি (৪ ডিসেম্বর ১৬৫৬)]
** আক্ষরিক অর্থ: '''আমি এই চিঠিটি দীর্ঘ করেছি কারণ এটি ছোট করার মতো অবসর আমার ছিল না।'''
** এ ধরনের উক্তি [[মার্ক টোয়েন]], [[টি. এস. এলিয়ট]], [[সিসেরো]]সহ অন্যদের নামেও প্রচলিত। তবে ‘কোট ইনভেস্টিগেটর’-এর নিবন্ধ অনুযায়ী পাস্কালের এই উক্তিটিই সম্ভবত মূল উৎস।
* '''মানুষ সাধারণত প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং যা তাদের কাছে আকর্ষণীয় মনে হয় তার ভিত্তিতেই কোনো কিছু বিশ্বাস করে।'''
** ''দ্য আর্ট অব পারসুয়েশন'' (১৬৫৮ সালে লেখা; মরণোত্তর প্রকাশিত)।
* মুহাম্মদ তার শত্রুদের হত্যার মাধ্যমে একটি ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন; অন্যদিকে যিশু খ্রিস্ট তার অনুসারীদের প্রাণ উৎসর্গ করার নির্দেশ দিয়ে ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন।
** [http://books.google.pt/books?id=MGkNAAAAYAAJ&pg=PA202&dq=%22Mahomet+established+a%22&hl=pt-PT&sa=X&ei=oZmPU-fCDemp7Ab7s4HQAg&ved=0CCsQ6AEwAA#v=onepage&q=%22Mahomet%20established%20a%20religion%22&f=false ''থটস অন রিলিজিয়ন অ্যান্ড ফিলোসফি''] (ডব্লিউ. কলিন্স, ১৮৩৮), অধ্যায় ১৬, পৃষ্ঠা ২০২।
* ''FEU. Dieu d'Abraham, Dieu d'Isaac, Dieu de Jacob, non des philosophes et savants. Certitude. Certitude. Sentiment. Joie. Paix.''
** '''আগুন। ইব্রাহিমের ঈশ্বর, ইসহাকের ঈশ্বর, ইয়াকুবের ঈশ্বর; দার্শনিক বা পণ্ডিতদের ঈশ্বর নন। নিশ্চয়তা। নিশ্চয়তা। অনুভূতি। আনন্দ। শান্তি।'''
** পাস্কালের মৃত্যুর পর তার কোটের আস্তরে সেলাই করা একটি চর্মকাগজে এই নোটটি পাওয়া যায়।
* যখন আমি আমার ক্ষণস্থায়ী জীবনের কথা ভাবি যা আগের এবং পরের অনন্তকালের মধ্যে বিলীন, তখন আমার ক্ষুদ্র অস্তিত্ব আমাকে আতঙ্কিত করে। আমি অনন্ত বিশালতার মাঝে এক নগণ্য স্থান জুড়ে আছি যার সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না এবং যা আমার সম্পর্কে কিছুই জানে না। আমি অবাক হই যে কেন আমি অন্য কোথাও না হয়ে এখানে আছি। এখন না হয়ে কেন তখন জন্মাইনি তারও কোনো কারণ নেই। কে আমাকে এখানে পাঠিয়েছেন? কার নির্দেশে এই স্থান ও সময় আমার জন্য নির্ধারিত হয়েছে?
** "মানুষের সীমাবদ্ধতা", ''দ্য থটস অব ব্লেইজ পাস্কাল'' (১৮৮৫)।
* **এই অনন্ত মহাশূন্যের চিরন্তন নিস্তব্ধতা আমাকে আতঙ্কিত করে।**
=== ''ডিসকোর্সেস অন দ্য কন্ডিশন অব দ্য গ্রেট'' ===
* আপনার প্রকৃত অবস্থা বুঝতে এই উদাহরণটি কল্পনা করুন: এক ব্যক্তি ঝড়ের কবলে পড়ে এক অজানা দ্বীপে পৌঁছান। দ্বীপবাসীরা তাদের হারিয়ে যাওয়া রাজাকে খুঁজছিল। ওই ব্যক্তির চেহারা ও গড়ন রাজার মতো হওয়ায় সবাই তাকে রাজা হিসেবে মেনে নেয়।
* তার মনে দুটি ভাবনা কাজ করছিল: একটি হলো রাজার মতো কাজ করা এবং অন্যটি হলো তার আসল অবস্থা সম্পর্কে সচেতন থাকা। সে জানত যে কেবল দুর্ঘটনাবশত সে এই অবস্থায় পৌঁছেছে।
* '''ভাববেন না যে আপনি যে সম্পদের মালিক হয়েছেন তা ওই ব্যক্তির রাজা হওয়ার চেয়ে কম আকস্মিক কিছু।'''
* আইনপ্রণেতারা যদি নিয়ম করতেন যে এই সম্পদ মৃত্যুর পর রাষ্ট্রের কাছে ফিরে যাবে, তবে আপনার অভিযোগ করার কোনো উপায় থাকত না।
* '''প্রাকৃতিক অধিকার নয়, বরং মানবিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই আপনি আপনার সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।'''
* আপনার এই অধিকার কোনো ব্যক্তিগত যোগ্যতা বা গুণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়নি। আপনার আত্মা বা শরীর একজন মাঝির বা একজন সামন্ত প্রভুর হওয়ার ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক কোনো পার্থক্য নেই। কোনো প্রাকৃতিক বন্ধনই এগুলোকে নির্দিষ্ট একটি অবস্থার সাথে আটকে রাখে না।
* '''সামাজিকভাবে পদমর্যাদা অনুযায়ী চললেও মনের ভেতরে আপনার স্বীকার করা উচিত যে আপনি জন্মগতভাবে অন্যদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ নন।'''
* '''জনসাধারণের ভাবনা যদি আপনাকে সাধারণ মানুষের উপরে তুলে ধরে, তবে আপনার ভেতরের ভাবনাটি যেন আপনাকে নম্র রাখে এবং সবার সাথে সমান অবস্থানে ধরে রাখে। এটিই আপনার স্বাভাবিক অবস্থা।'''
* নিজেকে অন্যের চেয়ে উচ্চতর ভেবে ভুল করবেন না।
* জনগণের ভুলে রাজা হওয়া ব্যক্তি যদি নিজের স্বাভাবিক অবস্থা ভুলে নিজেকে যোগ্য ভাবতে শুরু করেন, তবে আপনি তার **নির্বুদ্ধিতা ও মূর্খতা** দেখে অবাক হবেন। কিন্তু নিজেদের স্বাভাবিক অবস্থা ভুলে থাকা উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও কি একই কথা খাটে না?
* **উচ্চবিত্তদের সব বাড়াবাড়ি, সহিংসতা এবং অহংকার আসে নিজেদের পরিচয় সম্পর্কে অজ্ঞতা থেকে।** যারা মনেপ্রাণে নিজেদের সবার সমান মনে করে, তাদের পক্ষে শ্রেষ্ঠত্বের বড়াই করা কঠিন। শ্রেষ্ঠত্বের এই ভ্রম বজায় রাখতে হলে একজনকে নিজের আসল পরিচয় ভুলতে হয়।
* '''আপনি যদি আমার কাছে শ্রদ্ধা আশা করেন, তবে আমাকে আপনার এমন গুণ দেখান যা শ্রদ্ধার যোগ্য। আপনি তা দেখাতে পারলে আমি আপনাকে শ্রদ্ধা করব এবং তা ন্যায়সংগত হবে। কিন্তু আপনি তা না করলে আমার কাছে শ্রদ্ধা দাবি করা আপনার অন্যায় হবে। আপনি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ রাজপুত্র হলেও আপনি তাতে সফল হবেন না।'''
* '''আপনার মতে একজন বড় অভিজাত হওয়ার মানে কী? এর অর্থ হলো মানুষের কাঙ্ক্ষিত অনেক কিছুর মালিক হওয়া এবং অনেকের চাহিদা পূরণ করতে পারা। এই অভাব ও চাহিাই মানুষকে আপনার দিকে টানে এবং আপনার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য করে। এগুলো না থাকলে তারা আপনার দিকে ফিরেও তাকাত না।'''
* **ঈশ্বর ভালোবাসায় পূর্ণ মানুষ দ্বারা পরিবেষ্টিত** যারা তার কাছে ভালোবাসা চায়। তাই তিনি মূলত ভালোবাসার রাজা।
* একইভাবে আপনিও একদল আগ্রহী মানুষ দ্বারা পরিবেষ্টিত। তারা আপনার কাছে তাদের চাহিদা মেটানোর সুযোগ চায়। তাই আপনি মূলত আকাঙ্ক্ষা বা চাহিদার রাজা। **মানুষ যা চায় তার মালিকানাই আপনার ক্ষমতার উৎস।**
* আপনার প্রাকৃতিক শক্তি বা ক্ষমতার কারণে মানুষ আপনার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য হয়নি। তাই শক্তি দিয়ে তাদের শাসন করবেন না বা তাদের সাথে রূঢ় আচরণ করবেন না। **তাদের যুক্তিসঙ্গত চাহিদাগুলো পূরণ করুন।** মানুষের উপকার করার মাধ্যমে আনন্দ খুঁজলে আপনি আকাঙ্ক্ষার প্রকৃত রাজা হতে পারবেন।
* কিছু মানুষ লোভ, নৃশংসতা, সহিংসতা বা ব্যভিচারের মাধ্যমে কত অনর্থকভাবে নিজেকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়! নিজেকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাওয়া সবসময়ই চরম বোকামি। মানুষের উচিত আকাঙ্ক্ষা ও এর রাজত্বকে তুচ্ছ করে সেই ভালোবাসার রাজ্যের আকাঙ্ক্ষা করা, যেখানে সবাই ভালোবাসা ছাড়া আর কিছুই চায় না।
=== ''কনভারসেশন অন এপিকটেটাস অ্যান্ড মনটেইন'' ===
* আমি দেখেছি যে তারা [এপিকটেটাস ও মনটেইন] বিশ্বের দুটি বিখ্যাত মতবাদের শ্রেষ্ঠ রক্ষক এবং যুক্তিপূর্ণ। তাদের দেখানো পথ দুটি হলো: হয় ঈশ্বর আছেন এবং তিনিই পরম কল্যাণ; অথবা তিনি অনিশ্চিত এবং তখন প্রকৃত কল্যাণও অনিশ্চিত।
* আমি যেমন এই গবেষণায় দেখানোর চেষ্টা করেছি, প্রকৃতিতে তার প্রতিটি কাজের মাধ্যমে ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণের চেষ্টার চেয়ে মানুষের মনের সেই চেষ্টাকে বিবেচনা করা অনেক বেশি ন্যায়সংগত।
* এই দুই মতবাদের ভুলের মূল কারণ হলো তারা মানুষের বর্তমান অবস্থা যে সৃষ্টির সময়ের চেয়ে ভিন্ন, তা জানতেন না। এক পক্ষ মানুষের আদি মহত্ত্ব দেখে তার বর্তমান কলুষতা ভুলে প্রকৃতির ওপর অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয়ে **অহংকারের** জন্ম দেয়। অন্য পক্ষ বর্তমান দুর্দশা দেখে আদি মর্যাদা ভুলে হতাশায় ডুবে যায়।
* মানুষের এই দুই অবস্থা—মহত্ত্ব ও দুর্বলতা—একসাথে না জানলে মানুষ হয় অহংকারী নতুবা অলস হয়ে পড়ে। ঐশ্বরিক অনুগ্রহ পাওয়ার আগে সব মানুষই এই দুই দোষের শিকার হয়।
* **একজন মানুষের কর্তব্য জানলেও তার অক্ষমতা সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় সে উদ্ধত হয়। অন্যজন অক্ষমতা জানলেও কর্তব্য সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় অলস হয়ে পড়ে। সুসমাচারের সত্য এই দুই বৈপরীত্যের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করে। এটি সত্যকে গ্রহণ করে এবং মিথ্যাকে বর্জন করে এক স্বর্গীয় প্রজ্ঞা তৈরি করে।**
* জগতের দার্শনিকরা একই বিষয়ের মধ্যে বৈপরীত্য খোঁজেন। অন্যদিকে বিশ্বাস আমাদের শেখায় বৈপরীত্যগুলোকে ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ের ওপর স্থাপন করতে। মানুষের সব দুর্বলতা তার প্রকৃতির অংশ এবং সব শক্তি ঐশ্বরিক অনুগ্রহের দান। এটিই সেই বিস্ময়কর ও নতুন মিলন যা কেবল ঈশ্বরই শেখাতে পারেন।
=== ''অন দ্য স্পিরিট অব জিওমেট্রি'' ===
* সরাসরি সত্যের মালিক হওয়ার বিশ্বাস মানুষের এক স্বাভাবিক মানসিক ব্যাধি।
*** ১ম বিভাগ
=== ''দ্য আর্ট অব পারসুয়েশন'' ===
* মতবাদগুলো আত্মার দুটি প্রধান ক্ষমতার মাধ্যমে গৃহীত হয়: বুদ্ধি এবং ইচ্ছা।
* **মানুষ প্রমাণের চেয়ে আকর্ষণের মাধ্যমে বিশ্বাস করতে বেশি পছন্দ করে।** এটি একটি নীচ ও অপ্রাসঙ্গিক পথ, তাই সবাই একে অস্বীকার করে। প্রত্যেকেই দাবি করে যে সে যা জানে কেবল তা-ই বিশ্বাস ও ভালোবাসা করে।
* আমি এখানে ঐশ্বরিক সত্যের কথা বলছি না কারণ তা প্রকৃতির ঊর্ধ্বে। **কেবল ঈশ্বরই আত্মায় সেই সত্য স্থাপন করতে পারেন।** তিনি চেয়েছেন সেই সত্য যেন মন থেকে হৃদয়ে না এসে বরং হৃদয় থেকে মনে প্রবেশ করে। এটি মানুষের অহংকারী যুক্তিকে দমন করে এবং কলুষিত ইচ্ছাকে এটি পরিশোধিত করে।
* '''পার্থিব জিনিসের ক্ষেত্রে আমরা বলি যে কোনো কিছু ভালোবাসার আগে তা জানতে হয়। অন্যদিকে পবিত্র জিনিসের ক্ষেত্রে মহাত্মারা বলেন যে কোনো কিছু জানার আগে তাকে ভালোবাসতে হয়। কেবল ভালোবাসার মাধ্যমেই আমরা সত্যে প্রবেশ করতে পারি।'''
* তারা [মানুষ] ঐশ্বরিক নিয়মকে কলুষিত করেছে। কারণ মানুষ সাধারণত যা তাকে আনন্দ দেয় তা ছাড়া অন্য কিছু খুব কমই বিশ্বাস করে।
* ঈশ্বর মানুষের বুদ্ধিতে তখনই আলো দান করেন যখন তিনি মানুষের জেদি ইচ্ছাকে স্বর্গীয় নম্রতা দিয়ে জয় করেন।
* মন এবং হৃদয় হলো সত্য প্রবেশের দুটি পথ। তবে বুদ্ধির চেয়ে ইচ্ছার খামখেয়ালিপনায় অনেক বেশি সত্য (বা মিথ্যা) আত্মায় প্রবেশ করে।
* বেশ কিছু বিশেষ নীতি সত্যের মতোই জোরালোভাবে মানুষকে বিশ্বাসের দিকে টানে, যদিও সেগুলো আসলে মিথ্যা।
* কোনো বিষয় তাকে পরম আনন্দের দিকে নিয়ে যেতে পারে— আত্মা এটি বুঝতে পারার সাথে সাথেই তা সানন্দে গ্রহণ করে।
* **সত্য ও আনন্দের** মধ্যে যখন দ্বন্দ্ব বাধে, তখন জয়-পরাজয় অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এটি বোঝার জন্য মানুষের অন্তরের গহীন খবর জানা প্রয়োজন যা মানুষ নিজেও সবসময় জানে না।
* **কাউকে রাজি করাতে হলে ওই ব্যক্তির মন এবং হৃদয় সম্পর্কে জানা জরুরি।** তার মূলনীতিগুলো কী এবং সে কী ভালোবাসে তা বুঝতে হবে।
* **প্ররোচনা বা প্রবোধ দেওয়ার শিল্প যতটা না বোঝানোর, তার চেয়ে বেশি তুষ্ট করার। কারণ মানুষ যুক্তির চেয়ে খামখেয়ালিপনা দ্বারা বেশি পরিচালিত হয়!**
* আনন্দের উৎসগুলো স্থির নয়। প্রতিটি মানুষের ক্ষেত্রে এগুলো ভিন্ন এবং সময়ে সময়ে পরিবর্তনশীল। একজন মানুষ ভিন্ন সময়ে নিজের চেয়েও অনেক বেশি আলাদা হয়ে যায়।
* এমন কোনো সত্য নেই যা নিয়ে আমরা সবসময় একমত থাকি। আবার আমাদের আনন্দের বিষয়গুলোও প্রতি ঘণ্টায় বদলে যায়। মানুষের খামখেয়ালিপনা অনুযায়ী কথা বলার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম আছে কি না আমি জানি না।
* **প্রমাণ বা যুক্তির নিখুঁত পদ্ধতি তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত:** স্পষ্ট সংজ্ঞার মাধ্যমে পদের ব্যাখ্যা দেওয়া, প্রমাণিত নীতি বা স্বতঃসিদ্ধ প্রস্তাব করা এবং প্রমাণের সময় পদের বদলে সবসময় তার সংজ্ঞা ব্যবহার করা।
* যদি ভিত্তি মজবুত না হয়, তবে অট্টালিকাও নিরাপদ হয় না।
* সংজ্ঞায়ন, স্বতঃসিদ্ধ সত্য এবং প্রমাণের নিখুঁত পদ্ধতির জন্য জ্যামিতিক প্রমাণের কিছু নিয়মই যথেষ্ট।
* **সংজ্ঞায়নের নিয়ম:** ১. কোনো সুপরিচিত বিষয়কে সংজ্ঞায়িত করতে যাবেন না যা ব্যাখ্যা করার জন্য আরও স্পষ্ট শব্দ নেই। ২. অস্পষ্ট বা দ্ব্যর্থবোধক কোনো শব্দকে সংজ্ঞা ছাড়া রাখবেন না। ৩. সংজ্ঞায় কেবল পরিচিত বা আগে ব্যাখ্যা করা হয়েছে এমন শব্দই ব্যবহার করবেন।
* **স্বতঃসিদ্ধ সত্যের নিয়ম:** ১. প্রয়োজনীয় কোনো নীতি বা বিষয় যত স্পষ্টই হোক না কেন, তা জিজ্ঞাসা করা থেকে বিরত থাকবেন না। ২. কেবল নিজের মধ্যে স্পষ্ট বিষয়গুলোই স্বতঃসিদ্ধ হিসেবে দাবি করবেন।
* **প্রমাণের নিয়ম:** ১. খুব বেশি স্পষ্ট কোনো বিষয় প্রমাণ করতে যাবেন না যা প্রমাণ করার মতো সহজ কিছু আর নেই। ২. সব অস্পষ্ট প্রস্তাবনা প্রমাণ করুন এবং প্রমাণের ক্ষেত্রে কেবল খুব স্পষ্ট স্বতঃসিদ্ধ বা আগে প্রমাণিত প্রস্তাবনা ব্যবহার করুন। ৩. দ্ব্যর্থতা এড়াতে প্রমাণের সময় মানসিক ভাবে পদের জায়গায় তার সংজ্ঞা বসান।
* ওপরের আটটি নিয়ম যে কোনো মজবুত প্রমাণের জন্য যথেষ্ট। এর মধ্যে পাঁচটি নিয়ম অপরিহার্য যা ছাড়া কোনো প্রমাণ সম্পন্ন করা সম্ভব নয়।
* নিয়মের অভাব বা কঠিন অনুশীলনের কারণে এগুলো অনেকের কাছেই অপরিচিত।
* **এই নিয়মগুলো খুব সাধারণ— এমন আপত্তির বিপরীতে আমার কথা হলো:** জ্যামিতিবিদরা ছাড়া পুরো জাতির মধ্যে খুব কম মানুষই এই নিয়মগুলো জানে।
* যারা এই নিয়মগুলো আয়ত্ত করেছেন, তারা বুঝতে পারবেন যে সাধারণ যুক্তিবিদরা যা লিখেছেন তার সাথে এর পার্থক্য কতটা বিশাল।
* একই কথা যারা বলেন, তারা সবাই বিষয়টিকে একইভাবে ধারণ করেন না। একজন মানুষের সামর্থ্য কেবল তার একটি ভালো উক্তি শুনে বিচার করা উচিত নয়। আমাদের উচিত তার মনের গভীরে প্রবেশ করা। অনেক সময় দেখা যায় সে নিজেই তার ওই ভালো চিন্তাটি বিশ্বাস করে না এবং কোনো তুচ্ছ বিষয়ের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
* **'বস্তু প্রাকৃতিকভাবেই চিন্তায় অক্ষম'** এবং **'আমি চিন্তা করি, তাই আমি আছি'**— রেনে দেকার্ত এবং সেন্ট অগাস্টিনের কাছে কি এই নীতি দুটি আসলে একই ছিল? অগাস্টিন বারোশ বছর আগেই একই কথা বলেছিলেন। আমি বলছি না দেকার্ত এর রচয়িতা নন। তবে কেবল কোনো কথা বলা এবং সেই কথা থেকে চমৎকার সব সিদ্ধান্ত বের করে একটি পূর্ণাঙ্গ আধিভৌতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার মধ্যে বিশাল পার্থক্য আছে।
* কোনো এক ব্যক্তি নিজের অজান্তেই একটি চমৎকার কথা বলতে পারেন। কিন্তু অন্য কেউ হয়তো সেই একই কথার মধ্যে অসামান্য সব সিদ্ধান্তের সমাহার খুঁজে পান। ফলস্বরূপ উক্তিটি আর আগের মতো থাকে না। কোনো উক্তি যেখান থেকে শেখা হয়েছে তার প্রতি ঋণ ঠিক ততটুকুই, যতটুকু একটি সুন্দর গাছ সেই ব্যক্তির প্রতি ঋণী যে অনিচ্ছাকৃত ভাবে উর্বর মাটিতে বীজ ফেলেছিল।
* **যুক্তিবিদ্যা হয়তো জ্যামিতির নিয়মগুলো ধার করেছে কিন্তু সেগুলোর শক্তি বুঝতে পারেনি।** এই বিজ্ঞানই যুক্তি পরিচালনার সঠিক পদ্ধতি শেখায়।
* **ভুল না করার পদ্ধতি সবাই খোঁজে।** যুক্তিবিদরা পথ দেখানোর দাবি করেন কিন্তু কেবল জ্যামিতিবিদরাই তা অর্জন করতে পারেন। বিজ্ঞান এবং এর অনুসরণ ছাড়া আর কোনো প্রকৃত প্রমাণ নেই।
* **ভালো জিনিস সবখানেই আছে, কেবল সেগুলো বেছে নেওয়া প্রয়োজন।** এটি নিশ্চিত যে সেগুলো প্রাকৃতিক এবং সবার নাগালের মধ্যেই থাকে।
* **শ্রেষ্ঠত্ব কোনো অসাধারণ বা কাল্পনিক জিনিসের মধ্যে নেই।** একে পেতে হলে আমাদের অনেক সময় নিচু হতে হয়।
* শ্রেষ্ঠ বই সেগুলোই যা পড়ার পর পাঠকের মনে হয় তিনি নিজেও তা লিখতে পারতেন।
* **প্রকৃতিই একমাত্র ভালো যা সবার কাছে পরিচিত এবং সাধারণ।**
* আমি নিশ্চিত যে এই নিয়মগুলো সহজ, কৃত্রিমতাহীন এবং স্বাভাবিক।
* মনকে জোর করা উচিত নয়। কৃত্রিম আচরণ সলিড খাবারের বদলে মনকে কেবল অন্তঃসারশূন্য অহংকারে পূর্ণ করে।
* **মানুষের একটি প্রধান ভুল হলো তারা মনে করে ভালো জিনিসগুলো দুর্লভ এবং উঁচু স্তরের। তারা এগুলোকে 'মহান, উচ্চ বা মহৎ' নাম দেয়। আমি এগুলোকে 'সাধারণ ও পরিচিত' বলতে পছন্দ করি।** কারণ এই নামগুলোই বেশি মানানসই। আমি আড়ম্বরপূর্ণ শব্দ অপছন্দ করি।
== পাস্কাল সম্পর্কে উক্তি ==
* {{w|Lettres provinciales|''প্রোভিনশিয়াল লেটার্স''}} এবং ছোটখাটো ধর্মীয় রচনাগুলো লেখার পরের বছরগুলোতে পাস্কাল খ্রিস্টধর্মের প্রসারে নিজের জীবন উৎসর্গ করতে শুরু করেন। এই কার্যক্রমের মূলে ছিল তার বিখ্যাত কাজ [[পঁসে|''পঁসে'' ]]। এটি মূলত ১৬৫৭ থেকে ১৬৫৮ সালের দিকে লেখা। অনেক সমালোচকের মতে, এটি অজ্ঞেয়বাদী ও নাস্তিকদের ধর্মীয় বিশ্বাসে ফিরিয়ে আনার সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী প্রচেষ্টাগুলোর একটি। তবে এটি মূলত একটি অসমাপ্ত কাজ।
** {{w|ডোনাল্ড অ্যাডামসন}}, ''ব্লেইজ পাস্কাল: গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং ঈশ্বর চিন্তক'' (১৯৯৪)।
* আমি খুব ভাগ্যবান ছিলাম। শৈশবে কৌতূহলী হওয়ার পাশাপাশি আমি কিছুটা শারীরিক প্রতিবন্ধকতার শিকার ছিলাম। তাই হাতের কাছে যা পেতাম তা-ই পড়তাম। আমার স্মরণশক্তি এবং কাজ করার শক্তিও প্রচুর। এটি একটি আশীর্বাদ। আমি এখনও নতুন কিছু শেখার জন্য তৃষ্ণার্ত। সব তরুণের মধ্যে এই গুণ থাকে না। তাদের অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া উচিত এবং মানবজাতির মহান চিন্তাগুলোর সাথে পরিচিত হওয়া উচিত। প্রত্যেকেরই ভাবা উচিত— "আমি কেন এখানে? এই পৃথিবীতে আমার কাজ কী?" অ্যারিস্টটল এবং প্লেটোকে জানা খুব জরুরি। জীবনকে সহজ করতে হলে লিওপোল্ড এবং পাস্কালকে জানা একান্ত প্রয়োজন।
** মায়া অ্যাঞ্জেলের সাথে কথোপকথন (১৯৮৯), ১৯৮৬ সালের সাক্ষাৎকার।
* এটি তাৎপর্যপূর্ণ যে আমরা ব্লেইজ পাস্কালের মেধার মাধ্যমেই ''পুনরাবৃত্তি নীতি''-র প্রথম সুষ্পষ্ট ধারণা পাই। ১৬৫৪ সালে প্রকাশিত ''দ্য অ্যারিথমেটিক ট্রায়াঙ্গেল'' নামক একটি গবেষণাপত্রে তিনি এই নীতি ব্যাখ্যা করেন। পাস্কাল ও [[পিয়ের দ্য ফের্মা|ফের্মার]] মধ্যে জুয়া খেলার সমস্যা নিয়ে আদান-প্রদান করা চিঠিপত্রেই এই কাজের মূল নির্যাস ছিল। এই যোগাযোগ থেকেই আধুনিক সম্ভাবনা তত্ত্ব গড়ে উঠেছে। এটি বিস্ময়কর যে বিশুদ্ধ গণিতের ভিত্তি এবং সব ডিডাক্টিভ বিজ্ঞানের মূল আধার এই তত্ত্ব দুটি জুয়াড়িদের একটি অসমাপ্ত খেলার বাজি ভাগ করার কৌশল খুঁজতে গিয়ে আবিষ্কৃত হয়েছিল।
** [[টোবিয়াস ড্যান্টজিগ]], ''নাম্বার: দ্য ল্যাঙ্গুয়েজ অব সায়েন্স'' (১৯৩০)।
* একটি কার্যকর ধর্ম সম্পর্কে পাস্কাল যা বলেছিলেন তা যেকোনো কার্যকর মতবাদের ক্ষেত্রেই সত্য: একে অবশ্যই "প্রকৃতি, সাধারণ জ্ঞান এবং আনন্দের প্রতিকূলে" হতে হবে।
** [[এরিক হোফার]], ''দ্য ট্রু বিলিভার'' (১৯৫১)।
* মানুষ অসীমভাবে মানুষকে ছাড়িয়ে যায়।
** [[পোপ পল ষষ্ঠ]], ''এনসাইক্লিক্যাল পপুলোরাম প্রগ্রেসীয়'' (১৯৬৭)।
* পাস্কাল অবজ্ঞার সাথে বলেছিলেন যে সাধারণ শ্রমিকরা তথাকথিত 'দার্শনিকদের' ভুল ধরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। মূলত এই অশিক্ষিত মানুষরাই 'নিজেদের চোখে দেখা এবং হাতে স্পর্শ করা' বিষয়গুলো বিশ্বাস করতে বেশি প্রস্তুত ছিল।
** [[রেইজার হুইকাস]], ''রিলিজিয়ন অ্যান্ড দ্য রাইজ অব মডার্ন সায়েন্স'' (২০০০)।
* দর্শনচর্চা মানেই হলো মানুষের গুরুত্ব এবং তার মর্যাদাকে পুনপ্রতিষ্ঠা করা। সক্রেটিসের অন্বেষণ এবং বিজ্ঞানের কার্তেসীয় বিপ্লবের মুখে পাস্কালের উদ্বেগের মূল অর্থ ছিল এটাই। এই বিচারে পাস্কাল [[সক্রেটিস|সক্রেটিসের]] চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ একজন দার্শনিক। বিজ্ঞান মানুষকে সৃষ্টির সেরা জীব থেকে সরিয়ে দেওয়ার যে দাবি করেছিল, পাস্কালই প্রথম তার তীব্র প্রতিবাদ জানান। কেন বিজ্ঞান মানুষের হৃদয়ে আনন্দ দিতে বা জীবনের অর্থ খুঁজে পেতে ব্যর্থ, তা পাস্কালের চেয়ে ভালো কেউ প্রমাণ করতে পারেনি।
** [[থমাস মোলনার]], ''দ্য ডিক্লাইন অব দ্য ইন্টেলেকচুয়াল'' (১৯৬১)।
* পাস্কাল কোনো কূপমণ্ডূক ছিলেন না। তবে তিনি পরিমাপ করেছিলেন যে বিজ্ঞান মানুষের ভাগ্যের সমস্যার ক্ষেত্রে কতটা অপ্রাসঙ্গিক হতে পারে। বিজ্ঞান মানুষের অভিজ্ঞতার সীমাবদ্ধতা ও অপূর্ণতাকে উপেক্ষা করে যে সত্যের দাবি করে, তা বাস্তবসম্মত নয়। বরং আমাদের সহজাত সামর্থ্যগুলোই অস্তিত্বের লড়াইয়ে টিকে থাকার একমাত্র ও অপরিহার্য হাতিয়ার।
** থমাস মোলনার, ''দ্য ডিক্লাইন অব দ্য ইন্টেলেকচুয়াল'' (১৯৬১)।
* পাস্কাল হলেন দেকার্তের একজন বিচক্ষণ সমালোচক। তিনি দেকার্তের সবকিছুর বিরোধিতা না করলেও মৌলিক কিছু পয়েন্টে দ্বিমত পোষণ করেছেন। প্রথমত, তিনি বুঝেছিলেন যে দেকার্তের নিশ্চিত জ্ঞানের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি ভ্রান্ত মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে। দেকার্ত এমন কিছু দিয়ে শুরু করতে চেয়েছিলেন যা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই, যার ফলে তিনি বিশ্বাস করতেন সব প্রকৃত জ্ঞানই প্রযুক্তিগত। পাস্কাল তার সম্ভাব্যতা তত্ত্বের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত এড়িয়ে গেছেন। দ্বিতীয়ত, পাস্কাল উপলব্ধি করেছিলেন যে যেকোনো বাস্তব কাজে কার্তেসীয় যুক্তিই একমাত্র উৎস নয়। মানুষের মন কোনো সচেতন বা সূত্রবদ্ধ কৌশলের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল নয়। অনেক সময় মন কোনো কৌশল ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে কাজ করে। অনুসন্ধানের নিয়মগুলো অতিরিক্ত সুনির্দিষ্ট করতে গিয়ে পদ্ধতির ওপর গুরুত্ব দিলে প্রকৃত অনুসন্ধান বাধাগ্রস্ত হয়। আধুনিক দর্শনের ইতিহাসের বড় একটি অংশ এই প্রশ্নকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে।
** [[মাইকেল ওকশট]], ''র্যাশনালিজম ইন পলিটিক্স অ্যান্ড আদার এসেস'' (১৯৬২)।
* পাস্কালের 'পঁসে' থেকে কিছু অংশ বেছে নিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়েছে যে তিনি বিশ্বাসের কাছে যুক্তিকে বিসর্জন দিয়ে দর্শনের সম্ভাবনা অস্বীকার করেছেন। আমি দেখাতে চাই যে পাস্কাল সংশয়বাদী ছিলেন না। তার এই কাজে স্পিনোজা বা লাইবনিজের মতো বিস্তারিত কোনো সিস্টেম না থাকলেও একটি প্রকৃত দর্শনের মূলনীতিগুলো বিদ্যমান। এই ধারণাগুলো পাস্কালের বিশ্বাসের সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। খ্রিস্টধর্ম এবং দর্শনের উচ্চতর দিকগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্য এর চেয়ে ভালো পথ আর নেই।
** ফেলিক্স রাভেইসন, ''সাজি ফিলোসোফিচি'' (১৯১৭)।
* পাস্কাল গণিতের বিষয়বস্তুর সাথে অন্যান্য বিষয়ের পার্থক্য ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি বিষয়গুলোকে কোনো সাধারণ নামে না ডেকে বরং বর্ণনা করেছেন। তার সময়ের ভাষায় বললে এগুলো ছিল নান্দনিক ও নৈতিক প্রকৃতির। মনের যে অনুষদগুলো এই দুই ধরনের বিষয়ের সাথে যুক্ত, তিনি সেগুলোর বৈশিষ্ট্যও তুলে ধরেছেন। বস্তু ও আত্মার পার্থক্যের মতো এই দুই জগতের তফাত পাস্কালের চেয়ে স্পষ্ট করে আর কেউ বুঝতে পারেনি।
** ফেলিক্স রাভেইসন, ''সাজি ফিলোসোফিচি'' (১৯১৭)।
* পাস্কালই একমাত্র মহান গণিতবিদ যিনি লেখক হিসেবেও সমভাবে বিখ্যাত। তার জ্যানসেনবাদী আদর্শের একটি স্থায়ী প্রভাব হলো গণপরিবহন ব্যবস্থা। মৃত্যুর কিছুদিন আগে পাস্কাল বিশ্বে প্রথমবারের মতো ওমনিবাস সার্ভিস চালু হতে দেখেন। প্যারিসের নির্দিষ্ট রুটে ৫ স্যু ভাড়ায় এই কোচগুলো চলত। এই আয়ের লাভ দরিদ্রদের সাহায্যের জন্য দেওয়া হতো।
** জন স্টিলওয়েল, ''ম্যাথমেটিক্স অ্যান্ড ইটস হিস্ট্রি'' (১৯৮৯)।
* জীবন্ত দেহকে একটি যন্ত্র হিসেবে বিবেচনা করা পাস্কালের কাছে অত্যন্ত অগ্রহণযোগ্য ও হাস্যকর মনে হতো।
** [[w:D'Arcy Wentworth Thompson|ডি'আর্সি ওয়েন্টওয়ার্থ থম্পসন]], ''অন গ্রোথ অ্যান্ড ফর্ম'' (১৯১৭)।
* পাস্কালের বিপরীতে আমি বলি: ইব্রাহিম, ইসহাক ও ইয়াকুবের ঈশ্বর এবং দার্শনিকদের ঈশ্বর একই।
** [[পল টিলিচ]], ''বিবলিক্যাল রিলিজিয়ন অ্যান্ড দ্য সার্চ ফর আলটিমেট রিয়েলিটি''।
* পাস্কালের 'থটস' বা 'পঁসে' কোনো সাধারণ বই নয়। এই মহান ব্যক্তি তার শক্তিশালী মনে যখন যা আসত তা-ই কাগজে লিখে রাখতেন। গুরুতর অসুস্থতা তাকে নিষ্ক্রিয় করে দেওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি এটি চালিয়ে গেছেন। পরবর্তীকালে এই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা চিন্তাগুলোকে সুশৃঙ্খল করার জন্য অনেক চেষ্টা করা হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে সাফল্যও মিলেছে। তবে কখনও কখনও লেখকের মূল উদ্দেশ্য ভুলভাবেও ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
** [[আলেকজান্ডার রডলফ ভিনেট]], ''স্টাডিজ অন পাস্কাল'' (১৮৫৯)।
* পাস্কাল ধর্মের পক্ষে বিশেষ কিছুই প্রমাণ করতে পারেননি। বরং তিনি এটিই দেখিয়েছেন যে একজন প্রতিভাবান মানুষও কোনো কোনো বিষয়ে বোকা হতে পারেন। যখন কেউ নিজের কুসংস্কারের কথা শোনার মতো দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন সে শিশুর মতোই আচরণ করে।
** [[ব্যারন ডি'হোলবাখ]], ''গুড সেন্স উইদাউট গড'' (১৭৭২)।
== বহিঃসংযোগ ==
* {{উইকিপিডিয়া-ইনলাইন}}
* {{উইকিসোর্স-লেখক}}
* {{Commonscat-inline}}
* [http://www.gutenberg.org/browse/authors/p#a7913 প্রজেক্ট গুটেনবার্গে ব্লেইজ প্যাস্কেল]
* [http://btr360.com/2015/06/19/124-thoughts-of-blaise-pascal-free-book/ ব্লেইজ প্যাস্কেলের ১২৪টি উক্তি]
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:প্যাস্কেল, ব্লেইজ}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৬২৩-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৬৬২-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রবচনকারক]]
[[বিষয়শ্রেণী:খ্রিস্টীয় ধর্মতাত্ত্বিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:সমালোচক]]
[[বিষয়শ্রেণী:মানবতাবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:আবিষ্কারক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি যুক্তিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি গণিতবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:রহস্যবাদী]]
[[विषয়শ্রেণী:ফরাসি দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:দার্শনিক হতাশাবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি ক্যাথলিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি ধর্মতত্ত্ববিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:অ-কল্পকাহিনী লেখক]]
60wh1w1o4q8kvzszf7j2vtfv90qua2h
74078
74077
2026-04-06T08:29:16Z
SMontaha32
3112
74078
wikitext
text/x-wiki
[[File:Blaise Pascal Versailles.JPG|thumb|[[দর্শন|দর্শনের]] গুরুত্ব কমিয়ে দেখা এক ধরনের [[সত্য|প্রকৃত]] দার্শনিকতা।]]
'''ব্লেইজ পাস্কাল''' (১৯ জুন ১৬২৩ – ১৯ আগস্ট ১৬৬২) ছিলেন একজন ফরাসি [[গণিতবিদ]], যুক্তিবিদ, পদার্থবিদ এবং ধর্মতত্ত্ববিদ।
:'''দ্রষ্টব্য: ''[[পঁসে]]'' থেকে নেওয়া সব উক্তি ওই পাতায় পাওয়া যাবে।'''
== উক্তি ==
[[File:Blaise Pascal 2.jpg|thumb|মানুষ সাধারণত প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং যা তাদের কাছে আকর্ষণীয় মনে হয় তার ভিত্তিতেই কোনো কিছু [[বিশ্বাস|বিশ্বাস করে]]।]]
[[File:Blaise_pascal.jpg|thumb|দৃশ্যমান বিষয়ের অস্থিরতা সবসময় আমাদের যুক্তিকে হতাশ করে।]]
[[File:Pascal Pajou Louvre RF2981.jpg|thumb|কোনো কাজ শেষ করার পরপরই তা দেখলে আমরা এতে খুব বেশি মগ্ন থাকি। আবার অনেক পরে দেখলে আমরা এর যোগসূত্র খুঁজে পাই না।]]
* বার্ধক্য যেমন শৈশব থেকে জীবনের সবচেয়ে দূরবর্তী সময়, তেমনি এই বিশ্বজনীন মানুষের ক্ষেত্রেও কি তার জন্মের নিকটবর্তী সময়ের চেয়ে দূরবর্তী সময়ে বার্ধক্য খোঁজা উচিত নয়?
** ''প্রিফেস টু দ্য ট্রিটিজ অন ভ্যাকুয়াম'' (১৬৫১)
* {{anchor|Pascal plus longue}}''Je n'ai fait celle-ci plus longue que parce que je n'ai pas eu le loisir de la faire plus courte.''
** '''আমি আরও ছোট চিঠি লিখতাম, কিন্তু আমার হাতে পর্যাপ্ত সময় ছিল না।'''
*** ''প্রোভিনশিয়াল লেটার্স'': [https://ebooks.adelaide.edu.au/p/pascal/blaise/p27pr/part17.html ১৬তম চিঠি (৪ ডিসেম্বর ১৬৫৬)]
** আক্ষরিক অর্থ: '''আমি এই চিঠিটি দীর্ঘ করেছি কারণ এটি ছোট করার মতো অবসর আমার ছিল না।'''
** এ ধরনের উক্তি [[মার্ক টোয়েন]], [[টি. এস. এলিয়ট]], [[সিসেরো]]সহ অন্যদের নামেও প্রচলিত। তবে ‘কোট ইনভেস্টিগেটর’-এর নিবন্ধ অনুযায়ী পাস্কালের এই উক্তিটিই সম্ভবত মূল উৎস।
* '''মানুষ সাধারণত প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং যা তাদের কাছে আকর্ষণীয় মনে হয় তার ভিত্তিতেই কোনো কিছু বিশ্বাস করে।'''
** ''দ্য আর্ট অব পারসুয়েশন'' (১৬৫৮ সালে লেখা; মরণোত্তর প্রকাশিত)।
* মুহাম্মদ তার শত্রুদের হত্যার মাধ্যমে একটি ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন; অন্যদিকে যিশু খ্রিস্ট তার অনুসারীদের প্রাণ উৎসর্গ করার নির্দেশ দিয়ে ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন।
** [http://books.google.pt/books?id=MGkNAAAAYAAJ&pg=PA202&dq=%22Mahomet+established+a%22&hl=pt-PT&sa=X&ei=oZmPU-fCDemp7Ab7s4HQAg&ved=0CCsQ6AEwAA#v=onepage&q=%22Mahomet%20established%20a%20religion%22&f=false ''থটস অন রিলিজিয়ন অ্যান্ড ফিলোসফি''] (ডব্লিউ. কলিন্স, ১৮৩৮), অধ্যায় ১৬, পৃষ্ঠা ২০২।
* ''FEU. Dieu d'Abraham, Dieu d'Isaac, Dieu de Jacob, non des philosophes et savants. Certitude. Certitude. Sentiment. Joie. Paix.''
** '''আগুন। ইব্রাহিমের ঈশ্বর, ইসহাকের ঈশ্বর, ইয়াকুবের ঈশ্বর; দার্শনিক বা পণ্ডিতদের ঈশ্বর নন। নিশ্চয়তা। নিশ্চয়তা। অনুভূতি। আনন্দ। শান্তি।'''
** পাস্কালের মৃত্যুর পর তার কোটের আস্তরে সেলাই করা একটি চর্মকাগজে এই নোটটি পাওয়া যায়।
* যখন আমি আমার ক্ষণস্থায়ী জীবনের কথা ভাবি যা আগের এবং পরের অনন্তকালের মধ্যে বিলীন, তখন আমার ক্ষুদ্র অস্তিত্ব আমাকে আতঙ্কিত করে। আমি অনন্ত বিশালতার মাঝে এক নগণ্য স্থান জুড়ে আছি যার সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না এবং যা আমার সম্পর্কে কিছুই জানে না। আমি অবাক হই যে কেন আমি অন্য কোথাও না হয়ে এখানে আছি। এখন না হয়ে কেন তখন জন্মাইনি তারও কোনো কারণ নেই। কে আমাকে এখানে পাঠিয়েছেন? কার নির্দেশে এই স্থান ও সময় আমার জন্য নির্ধারিত হয়েছে?
** "মানুষের সীমাবদ্ধতা", ''দ্য থটস অব ব্লেইজ পাস্কাল'' (১৮৮৫)।
* **এই অনন্ত মহাশূন্যের চিরন্তন নিস্তব্ধতা আমাকে আতঙ্কিত করে।**
=== ''ডিসকোর্সেস অন দ্য কন্ডিশন অব দ্য গ্রেট'' ===
* আপনার প্রকৃত অবস্থা বুঝতে এই উদাহরণটি কল্পনা করুন: এক ব্যক্তি ঝড়ের কবলে পড়ে এক অজানা দ্বীপে পৌঁছান। দ্বীপবাসীরা তাদের হারিয়ে যাওয়া রাজাকে খুঁজছিল। ওই ব্যক্তির চেহারা ও গড়ন রাজার মতো হওয়ায় সবাই তাকে রাজা হিসেবে মেনে নেয়।
* তার মনে দুটি ভাবনা কাজ করছিল: একটি হলো রাজার মতো কাজ করা এবং অন্যটি হলো তার আসল অবস্থা সম্পর্কে সচেতন থাকা। সে জানত যে কেবল দুর্ঘটনাবশত সে এই অবস্থায় পৌঁছেছে।
* '''ভাববেন না যে আপনি যে সম্পদের মালিক হয়েছেন তা ওই ব্যক্তির রাজা হওয়ার চেয়ে কম আকস্মিক কিছু।'''
* আইনপ্রণেতারা যদি নিয়ম করতেন যে এই সম্পদ মৃত্যুর পর রাষ্ট্রের কাছে ফিরে যাবে, তবে আপনার অভিযোগ করার কোনো উপায় থাকত না।
* '''প্রাকৃতিক অধিকার নয়, বরং মানবিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই আপনি আপনার সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।'''
* আপনার এই অধিকার কোনো ব্যক্তিগত যোগ্যতা বা গুণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়নি। আপনার আত্মা বা শরীর একজন মাঝির বা একজন সামন্ত প্রভুর হওয়ার ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক কোনো পার্থক্য নেই। কোনো প্রাকৃতিক বন্ধনই এগুলোকে নির্দিষ্ট একটি অবস্থার সাথে আটকে রাখে না।
* '''সামাজিকভাবে পদমর্যাদা অনুযায়ী চললেও মনের ভেতরে আপনার স্বীকার করা উচিত যে আপনি জন্মগতভাবে অন্যদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ নন।'''
* '''জনসাধারণের ভাবনা যদি আপনাকে সাধারণ মানুষের উপরে তুলে ধরে, তবে আপনার ভেতরের ভাবনাটি যেন আপনাকে নম্র রাখে এবং সবার সাথে সমান অবস্থানে ধরে রাখে। এটিই আপনার স্বাভাবিক অবস্থা।'''
* নিজেকে অন্যের চেয়ে উচ্চতর ভেবে ভুল করবেন না।
* জনগণের ভুলে রাজা হওয়া ব্যক্তি যদি নিজের স্বাভাবিক অবস্থা ভুলে নিজেকে যোগ্য ভাবতে শুরু করেন, তবে আপনি তার **নির্বুদ্ধিতা ও মূর্খতা** দেখে অবাক হবেন। কিন্তু নিজেদের স্বাভাবিক অবস্থা ভুলে থাকা উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও কি একই কথা খাটে না?
* **উচ্চবিত্তদের সব বাড়াবাড়ি, সহিংসতা এবং অহংকার আসে নিজেদের পরিচয় সম্পর্কে অজ্ঞতা থেকে।** যারা মনেপ্রাণে নিজেদের সবার সমান মনে করে, তাদের পক্ষে শ্রেষ্ঠত্বের বড়াই করা কঠিন। শ্রেষ্ঠত্বের এই ভ্রম বজায় রাখতে হলে একজনকে নিজের আসল পরিচয় ভুলতে হয়।
* '''আপনি যদি আমার কাছে শ্রদ্ধা আশা করেন, তবে আমাকে আপনার এমন গুণ দেখান যা শ্রদ্ধার যোগ্য। আপনি তা দেখাতে পারলে আমি আপনাকে শ্রদ্ধা করব এবং তা ন্যায়সংগত হবে। কিন্তু আপনি তা না করলে আমার কাছে শ্রদ্ধা দাবি করা আপনার অন্যায় হবে। আপনি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ রাজপুত্র হলেও আপনি তাতে সফল হবেন না।'''
* '''আপনার মতে একজন বড় অভিজাত হওয়ার মানে কী? এর অর্থ হলো মানুষের কাঙ্ক্ষিত অনেক কিছুর মালিক হওয়া এবং অনেকের চাহিদা পূরণ করতে পারা। এই অভাব ও চাহিাই মানুষকে আপনার দিকে টানে এবং আপনার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য করে। এগুলো না থাকলে তারা আপনার দিকে ফিরেও তাকাত না।'''
* **ঈশ্বর ভালোবাসায় পূর্ণ মানুষ দ্বারা পরিবেষ্টিত** যারা তার কাছে ভালোবাসা চায়। তাই তিনি মূলত ভালোবাসার রাজা।
* একইভাবে আপনিও একদল আগ্রহী মানুষ দ্বারা পরিবেষ্টিত। তারা আপনার কাছে তাদের চাহিদা মেটানোর সুযোগ চায়। তাই আপনি মূলত আকাঙ্ক্ষা বা চাহিদার রাজা। **মানুষ যা চায় তার মালিকানাই আপনার ক্ষমতার উৎস।**
* আপনার প্রাকৃতিক শক্তি বা ক্ষমতার কারণে মানুষ আপনার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য হয়নি। তাই শক্তি দিয়ে তাদের শাসন করবেন না বা তাদের সাথে রূঢ় আচরণ করবেন না। **তাদের যুক্তিসঙ্গত চাহিদাগুলো পূরণ করুন।** মানুষের উপকার করার মাধ্যমে আনন্দ খুঁজলে আপনি আকাঙ্ক্ষার প্রকৃত রাজা হতে পারবেন।
* কিছু মানুষ লোভ, নৃশংসতা, সহিংসতা বা ব্যভিচারের মাধ্যমে কত অনর্থকভাবে নিজেকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়! নিজেকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাওয়া সবসময়ই চরম বোকামি। মানুষের উচিত আকাঙ্ক্ষা ও এর রাজত্বকে তুচ্ছ করে সেই ভালোবাসার রাজ্যের আকাঙ্ক্ষা করা, যেখানে সবাই ভালোবাসা ছাড়া আর কিছুই চায় না।
=== ''কনভারসেশন অন এপিকটেটাস অ্যান্ড মনটেইন'' ===
* আমি দেখেছি যে তারা [এপিকটেটাস ও মনটেইন] বিশ্বের দুটি বিখ্যাত মতবাদের শ্রেষ্ঠ রক্ষক এবং যুক্তিপূর্ণ। তাদের দেখানো পথ দুটি হলো: হয় ঈশ্বর আছেন এবং তিনিই পরম কল্যাণ; অথবা তিনি অনিশ্চিত এবং তখন প্রকৃত কল্যাণও অনিশ্চিত।
* আমি যেমন এই গবেষণায় দেখানোর চেষ্টা করেছি, প্রকৃতিতে তার প্রতিটি কাজের মাধ্যমে ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণের চেষ্টার চেয়ে মানুষের মনের সেই চেষ্টাকে বিবেচনা করা অনেক বেশি ন্যায়সংগত।
* এই দুই মতবাদের ভুলের মূল কারণ হলো তারা মানুষের বর্তমান অবস্থা যে সৃষ্টির সময়ের চেয়ে ভিন্ন, তা জানতেন না। এক পক্ষ মানুষের আদি মহত্ত্ব দেখে তার বর্তমান কলুষতা ভুলে প্রকৃতির ওপর অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয়ে **অহংকারের** জন্ম দেয়। অন্য পক্ষ বর্তমান দুর্দশা দেখে আদি মর্যাদা ভুলে হতাশায় ডুবে যায়।
* মানুষের এই দুই অবস্থা—মহত্ত্ব ও দুর্বলতা—একসাথে না জানলে মানুষ হয় অহংকারী নতুবা অলস হয়ে পড়ে। ঐশ্বরিক অনুগ্রহ পাওয়ার আগে সব মানুষই এই দুই দোষের শিকার হয়।
* **একজন মানুষের কর্তব্য জানলেও তার অক্ষমতা সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় সে উদ্ধত হয়। অন্যজন অক্ষমতা জানলেও কর্তব্য সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় অলস হয়ে পড়ে। সুসমাচারের সত্য এই দুই বৈপরীত্যের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করে। এটি সত্যকে গ্রহণ করে এবং মিথ্যাকে বর্জন করে এক স্বর্গীয় প্রজ্ঞা তৈরি করে।**
* জগতের দার্শনিকরা একই বিষয়ের মধ্যে বৈপরীত্য খোঁজেন। অন্যদিকে বিশ্বাস আমাদের শেখায় বৈপরীত্যগুলোকে ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ের ওপর স্থাপন করতে। মানুষের সব দুর্বলতা তার প্রকৃতির অংশ এবং সব শক্তি ঐশ্বরিক অনুগ্রহের দান। এটিই সেই বিস্ময়কর ও নতুন মিলন যা কেবল ঈশ্বরই শেখাতে পারেন।
=== ''অন দ্য স্পিরিট অব জিওমেট্রি'' ===
* সরাসরি সত্যের মালিক হওয়ার বিশ্বাস মানুষের এক স্বাভাবিক মানসিক ব্যাধি।
*** ১ম বিভাগ
=== ''দ্য আর্ট অব পারসুয়েশন'' ===
* মতবাদগুলো আত্মার দুটি প্রধান ক্ষমতার মাধ্যমে গৃহীত হয়: বুদ্ধি এবং ইচ্ছা।
* **মানুষ প্রমাণের চেয়ে আকর্ষণের মাধ্যমে বিশ্বাস করতে বেশি পছন্দ করে।** এটি একটি নীচ ও অপ্রাসঙ্গিক পথ, তাই সবাই একে অস্বীকার করে। প্রত্যেকেই দাবি করে যে সে যা জানে কেবল তা-ই বিশ্বাস ও ভালোবাসা করে।
* আমি এখানে ঐশ্বরিক সত্যের কথা বলছি না কারণ তা প্রকৃতির ঊর্ধ্বে। **কেবল ঈশ্বরই আত্মায় সেই সত্য স্থাপন করতে পারেন।** তিনি চেয়েছেন সেই সত্য যেন মন থেকে হৃদয়ে না এসে বরং হৃদয় থেকে মনে প্রবেশ করে। এটি মানুষের অহংকারী যুক্তিকে দমন করে এবং কলুষিত ইচ্ছাকে এটি পরিশোধিত করে।
* '''পার্থিব জিনিসের ক্ষেত্রে আমরা বলি যে কোনো কিছু ভালোবাসার আগে তা জানতে হয়। অন্যদিকে পবিত্র জিনিসের ক্ষেত্রে মহাত্মারা বলেন যে কোনো কিছু জানার আগে তাকে ভালোবাসতে হয়। কেবল ভালোবাসার মাধ্যমেই আমরা সত্যে প্রবেশ করতে পারি।'''
* তারা [মানুষ] ঐশ্বরিক নিয়মকে কলুষিত করেছে। কারণ মানুষ সাধারণত যা তাকে আনন্দ দেয় তা ছাড়া অন্য কিছু খুব কমই বিশ্বাস করে।
* ঈশ্বর মানুষের বুদ্ধিতে তখনই আলো দান করেন যখন তিনি মানুষের জেদি ইচ্ছাকে স্বর্গীয় নম্রতা দিয়ে জয় করেন।
* মন এবং হৃদয় হলো সত্য প্রবেশের দুটি পথ। তবে বুদ্ধির চেয়ে ইচ্ছার খামখেয়ালিপনায় অনেক বেশি সত্য (বা মিথ্যা) আত্মায় প্রবেশ করে।
* বেশ কিছু বিশেষ নীতি সত্যের মতোই জোরালোভাবে মানুষকে বিশ্বাসের দিকে টানে, যদিও সেগুলো আসলে মিথ্যা।
* কোনো বিষয় তাকে পরম আনন্দের দিকে নিয়ে যেতে পারে— আত্মা এটি বুঝতে পারার সাথে সাথেই তা সানন্দে গ্রহণ করে।
* **সত্য ও আনন্দের** মধ্যে যখন দ্বন্দ্ব বাধে, তখন জয়-পরাজয় অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এটি বোঝার জন্য মানুষের অন্তরের গহীন খবর জানা প্রয়োজন যা মানুষ নিজেও সবসময় জানে না।
* **কাউকে রাজি করাতে হলে ওই ব্যক্তির মন এবং হৃদয় সম্পর্কে জানা জরুরি।** তার মূলনীতিগুলো কী এবং সে কী ভালোবাসে তা বুঝতে হবে।
* **প্ররোচনা বা প্রবোধ দেওয়ার শিল্প যতটা না বোঝানোর, তার চেয়ে বেশি তুষ্ট করার। কারণ মানুষ যুক্তির চেয়ে খামখেয়ালিপনা দ্বারা বেশি পরিচালিত হয়!**
* আনন্দের উৎসগুলো স্থির নয়। প্রতিটি মানুষের ক্ষেত্রে এগুলো ভিন্ন এবং সময়ে সময়ে পরিবর্তনশীল। একজন মানুষ ভিন্ন সময়ে নিজের চেয়েও অনেক বেশি আলাদা হয়ে যায়।
* এমন কোনো সত্য নেই যা নিয়ে আমরা সবসময় একমত থাকি। আবার আমাদের আনন্দের বিষয়গুলোও প্রতি ঘণ্টায় বদলে যায়। মানুষের খামখেয়ালিপনা অনুযায়ী কথা বলার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম আছে কি না আমি জানি না।
* **প্রমাণ বা যুক্তির নিখুঁত পদ্ধতি তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত:** স্পষ্ট সংজ্ঞার মাধ্যমে পদের ব্যাখ্যা দেওয়া, প্রমাণিত নীতি বা স্বতঃসিদ্ধ প্রস্তাব করা এবং প্রমাণের সময় পদের বদলে সবসময় তার সংজ্ঞা ব্যবহার করা।
* যদি ভিত্তি মজবুত না হয়, তবে অট্টালিকাও নিরাপদ হয় না।
* সংজ্ঞায়ন, স্বতঃসিদ্ধ সত্য এবং প্রমাণের নিখুঁত পদ্ধতির জন্য জ্যামিতিক প্রমাণের কিছু নিয়মই যথেষ্ট।
* **সংজ্ঞায়নের নিয়ম:** ১. কোনো সুপরিচিত বিষয়কে সংজ্ঞায়িত করতে যাবেন না যা ব্যাখ্যা করার জন্য আরও স্পষ্ট শব্দ নেই। ২. অস্পষ্ট বা দ্ব্যর্থবোধক কোনো শব্দকে সংজ্ঞা ছাড়া রাখবেন না। ৩. সংজ্ঞায় কেবল পরিচিত বা আগে ব্যাখ্যা করা হয়েছে এমন শব্দই ব্যবহার করবেন।
* **স্বতঃসিদ্ধ সত্যের নিয়ম:** ১. প্রয়োজনীয় কোনো নীতি বা বিষয় যত স্পষ্টই হোক না কেন, তা জিজ্ঞাসা করা থেকে বিরত থাকবেন না। ২. কেবল নিজের মধ্যে স্পষ্ট বিষয়গুলোই স্বতঃসিদ্ধ হিসেবে দাবি করবেন।
* **প্রমাণের নিয়ম:** ১. খুব বেশি স্পষ্ট কোনো বিষয় প্রমাণ করতে যাবেন না যা প্রমাণ করার মতো সহজ কিছু আর নেই। ২. সব অস্পষ্ট প্রস্তাবনা প্রমাণ করুন এবং প্রমাণের ক্ষেত্রে কেবল খুব স্পষ্ট স্বতঃসিদ্ধ বা আগে প্রমাণিত প্রস্তাবনা ব্যবহার করুন। ৩. দ্ব্যর্থতা এড়াতে প্রমাণের সময় মানসিক ভাবে পদের জায়গায় তার সংজ্ঞা বসান।
* ওপরের আটটি নিয়ম যে কোনো মজবুত প্রমাণের জন্য যথেষ্ট। এর মধ্যে পাঁচটি নিয়ম অপরিহার্য যা ছাড়া কোনো প্রমাণ সম্পন্ন করা সম্ভব নয়।
* নিয়মের অভাব বা কঠিন অনুশীলনের কারণে এগুলো অনেকের কাছেই অপরিচিত।
* **এই নিয়মগুলো খুব সাধারণ— এমন আপত্তির বিপরীতে আমার কথা হলো:** জ্যামিতিবিদরা ছাড়া পুরো জাতির মধ্যে খুব কম মানুষই এই নিয়মগুলো জানে।
* যারা এই নিয়মগুলো আয়ত্ত করেছেন, তারা বুঝতে পারবেন যে সাধারণ যুক্তিবিদরা যা লিখেছেন তার সাথে এর পার্থক্য কতটা বিশাল।
* একই কথা যারা বলেন, তারা সবাই বিষয়টিকে একইভাবে ধারণ করেন না। একজন মানুষের সামর্থ্য কেবল তার একটি ভালো উক্তি শুনে বিচার করা উচিত নয়। আমাদের উচিত তার মনের গভীরে প্রবেশ করা। অনেক সময় দেখা যায় সে নিজেই তার ওই ভালো চিন্তাটি বিশ্বাস করে না এবং কোনো তুচ্ছ বিষয়ের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
* **'বস্তু প্রাকৃতিকভাবেই চিন্তায় অক্ষম'** এবং **'আমি চিন্তা করি, তাই আমি আছি'**— রেনে দেকার্ত এবং সেন্ট অগাস্টিনের কাছে কি এই নীতি দুটি আসলে একই ছিল? অগাস্টিন বারোশ বছর আগেই একই কথা বলেছিলেন। আমি বলছি না দেকার্ত এর রচয়িতা নন। তবে কেবল কোনো কথা বলা এবং সেই কথা থেকে চমৎকার সব সিদ্ধান্ত বের করে একটি পূর্ণাঙ্গ আধিভৌতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার মধ্যে বিশাল পার্থক্য আছে।
* কোনো এক ব্যক্তি নিজের অজান্তেই একটি চমৎকার কথা বলতে পারেন। কিন্তু অন্য কেউ হয়তো সেই একই কথার মধ্যে অসামান্য সব সিদ্ধান্তের সমাহার খুঁজে পান। ফলস্বরূপ উক্তিটি আর আগের মতো থাকে না। কোনো উক্তি যেখান থেকে শেখা হয়েছে তার প্রতি ঋণ ঠিক ততটুকুই, যতটুকু একটি সুন্দর গাছ সেই ব্যক্তির প্রতি ঋণী যে অনিচ্ছাকৃত ভাবে উর্বর মাটিতে বীজ ফেলেছিল।
* **যুক্তিবিদ্যা হয়তো জ্যামিতির নিয়মগুলো ধার করেছে কিন্তু সেগুলোর শক্তি বুঝতে পারেনি।** এই বিজ্ঞানই যুক্তি পরিচালনার সঠিক পদ্ধতি শেখায়।
* **ভুল না করার পদ্ধতি সবাই খোঁজে।** যুক্তিবিদরা পথ দেখানোর দাবি করেন কিন্তু কেবল জ্যামিতিবিদরাই তা অর্জন করতে পারেন। বিজ্ঞান এবং এর অনুসরণ ছাড়া আর কোনো প্রকৃত প্রমাণ নেই।
* **ভালো জিনিস সবখানেই আছে, কেবল সেগুলো বেছে নেওয়া প্রয়োজন।** এটি নিশ্চিত যে সেগুলো প্রাকৃতিক এবং সবার নাগালের মধ্যেই থাকে।
* **শ্রেষ্ঠত্ব কোনো অসাধারণ বা কাল্পনিক জিনিসের মধ্যে নেই।** একে পেতে হলে আমাদের অনেক সময় নিচু হতে হয়।
* শ্রেষ্ঠ বই সেগুলোই যা পড়ার পর পাঠকের মনে হয় তিনি নিজেও তা লিখতে পারতেন।
* **প্রকৃতিই একমাত্র ভালো যা সবার কাছে পরিচিত এবং সাধারণ।**
* আমি নিশ্চিত যে এই নিয়মগুলো সহজ, কৃত্রিমতাহীন এবং স্বাভাবিক।
* মনকে জোর করা উচিত নয়। কৃত্রিম আচরণ সলিড খাবারের বদলে মনকে কেবল অন্তঃসারশূন্য অহংকারে পূর্ণ করে।
* **মানুষের একটি প্রধান ভুল হলো তারা মনে করে ভালো জিনিসগুলো দুর্লভ এবং উঁচু স্তরের। তারা এগুলোকে 'মহান, উচ্চ বা মহৎ' নাম দেয়। আমি এগুলোকে 'সাধারণ ও পরিচিত' বলতে পছন্দ করি।** কারণ এই নামগুলোই বেশি মানানসই। আমি আড়ম্বরপূর্ণ শব্দ অপছন্দ করি।
== পাস্কাল সম্পর্কে উক্তি ==
* {{w|Lettres provinciales|''প্রোভিনশিয়াল লেটার্স''}} এবং ছোটখাটো ধর্মীয় রচনাগুলো লেখার পরের বছরগুলোতে পাস্কাল খ্রিস্টধর্মের প্রসারে নিজের জীবন উৎসর্গ করতে শুরু করেন। এই কার্যক্রমের মূলে ছিল তার বিখ্যাত কাজ [[পঁসে|''পঁসে'' ]]। এটি মূলত ১৬৫৭ থেকে ১৬৫৮ সালের দিকে লেখা। অনেক সমালোচকের মতে, এটি অজ্ঞেয়বাদী ও নাস্তিকদের ধর্মীয় বিশ্বাসে ফিরিয়ে আনার সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী প্রচেষ্টাগুলোর একটি। তবে এটি মূলত একটি অসমাপ্ত কাজ।
** {{w|ডোনাল্ড অ্যাডামসন}}, ''ব্লেইজ পাস্কাল: গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং ঈশ্বর চিন্তক'' (১৯৯৪)।
* আমি খুব ভাগ্যবান ছিলাম। শৈশবে কৌতূহলী হওয়ার পাশাপাশি আমি কিছুটা শারীরিক প্রতিবন্ধকতার শিকার ছিলাম। তাই হাতের কাছে যা পেতাম তা-ই পড়তাম। আমার স্মরণশক্তি এবং কাজ করার শক্তিও প্রচুর। এটি একটি আশীর্বাদ। আমি এখনও নতুন কিছু শেখার জন্য তৃষ্ণার্ত। সব তরুণের মধ্যে এই গুণ থাকে না। তাদের অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া উচিত এবং মানবজাতির মহান চিন্তাগুলোর সাথে পরিচিত হওয়া উচিত। প্রত্যেকেরই ভাবা উচিত— "আমি কেন এখানে? এই পৃথিবীতে আমার কাজ কী?" অ্যারিস্টটল এবং প্লেটোকে জানা খুব জরুরি। জীবনকে সহজ করতে হলে লিওপোল্ড এবং পাস্কালকে জানা একান্ত প্রয়োজন।
** মায়া অ্যাঞ্জেলের সাথে কথোপকথন (১৯৮৯), ১৯৮৬ সালের সাক্ষাৎকার।
* এটি তাৎপর্যপূর্ণ যে আমরা ব্লেইজ পাস্কালের মেধার মাধ্যমেই ''পুনরাবৃত্তি নীতি''-র প্রথম সুষ্পষ্ট ধারণা পাই। ১৬৫৪ সালে প্রকাশিত ''দ্য অ্যারিথমেটিক ট্রায়াঙ্গেল'' নামক একটি গবেষণাপত্রে তিনি এই নীতি ব্যাখ্যা করেন। পাস্কাল ও [[পিয়ের দ্য ফের্মা|ফের্মার]] মধ্যে জুয়া খেলার সমস্যা নিয়ে আদান-প্রদান করা চিঠিপত্রেই এই কাজের মূল নির্যাস ছিল। এই যোগাযোগ থেকেই আধুনিক সম্ভাবনা তত্ত্ব গড়ে উঠেছে। এটি বিস্ময়কর যে বিশুদ্ধ গণিতের ভিত্তি এবং সব ডিডাক্টিভ বিজ্ঞানের মূল আধার এই তত্ত্ব দুটি জুয়াড়িদের একটি অসমাপ্ত খেলার বাজি ভাগ করার কৌশল খুঁজতে গিয়ে আবিষ্কৃত হয়েছিল।
** [[টোবিয়াস ড্যান্টজিগ]], ''নাম্বার: দ্য ল্যাঙ্গুয়েজ অব সায়েন্স'' (১৯৩০)।
* একটি কার্যকর ধর্ম সম্পর্কে পাস্কাল যা বলেছিলেন তা যেকোনো কার্যকর মতবাদের ক্ষেত্রেই সত্য: একে অবশ্যই "প্রকৃতি, সাধারণ জ্ঞান এবং আনন্দের প্রতিকূলে" হতে হবে।
** [[এরিক হোফার]], ''দ্য ট্রু বিলিভার'' (১৯৫১)।
* মানুষ অসীমভাবে মানুষকে ছাড়িয়ে যায়।
** [[পোপ পল ষষ্ঠ]], ''এনসাইক্লিক্যাল পপুলোরাম প্রগ্রেসীয়'' (১৯৬৭)।
* পাস্কাল অবজ্ঞার সাথে বলেছিলেন যে সাধারণ শ্রমিকরা তথাকথিত 'দার্শনিকদের' ভুল ধরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। মূলত এই অশিক্ষিত মানুষরাই 'নিজেদের চোখে দেখা এবং হাতে স্পর্শ করা' বিষয়গুলো বিশ্বাস করতে বেশি প্রস্তুত ছিল।
** [[রেইজার হুইকাস]], ''রিলিজিয়ন অ্যান্ড দ্য রাইজ অব মডার্ন সায়েন্স'' (২০০০)।
* দর্শনচর্চা মানেই হলো মানুষের গুরুত্ব এবং তার মর্যাদাকে পুনপ্রতিষ্ঠা করা। সক্রেটিসের অন্বেষণ এবং বিজ্ঞানের কার্তেসীয় বিপ্লবের মুখে পাস্কালের উদ্বেগের মূল অর্থ ছিল এটাই। এই বিচারে পাস্কাল [[সক্রেটিস|সক্রেটিসের]] চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ একজন দার্শনিক। বিজ্ঞান মানুষকে সৃষ্টির সেরা জীব থেকে সরিয়ে দেওয়ার যে দাবি করেছিল, পাস্কালই প্রথম তার তীব্র প্রতিবাদ জানান। কেন বিজ্ঞান মানুষের হৃদয়ে আনন্দ দিতে বা জীবনের অর্থ খুঁজে পেতে ব্যর্থ, তা পাস্কালের চেয়ে ভালো কেউ প্রমাণ করতে পারেনি।
** [[থমাস মোলনার]], ''দ্য ডিক্লাইন অব দ্য ইন্টেলেকচুয়াল'' (১৯৬১)।
* পাস্কাল কোনো কূপমণ্ডূক ছিলেন না। তবে তিনি পরিমাপ করেছিলেন যে বিজ্ঞান মানুষের ভাগ্যের সমস্যার ক্ষেত্রে কতটা অপ্রাসঙ্গিক হতে পারে। বিজ্ঞান মানুষের অভিজ্ঞতার সীমাবদ্ধতা ও অপূর্ণতাকে উপেক্ষা করে যে সত্যের দাবি করে, তা বাস্তবসম্মত নয়। বরং আমাদের সহজাত সামর্থ্যগুলোই অস্তিত্বের লড়াইয়ে টিকে থাকার একমাত্র ও অপরিহার্য হাতিয়ার।
** থমাস মোলনার, ''দ্য ডিক্লাইন অব দ্য ইন্টেলেকচুয়াল'' (১৯৬১)।
* পাস্কাল হলেন দেকার্তের একজন বিচক্ষণ সমালোচক। তিনি দেকার্তের সবকিছুর বিরোধিতা না করলেও মৌলিক কিছু পয়েন্টে দ্বিমত পোষণ করেছেন। প্রথমত, তিনি বুঝেছিলেন যে দেকার্তের নিশ্চিত জ্ঞানের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি ভ্রান্ত মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে। দেকার্ত এমন কিছু দিয়ে শুরু করতে চেয়েছিলেন যা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই, যার ফলে তিনি বিশ্বাস করতেন সব প্রকৃত জ্ঞানই প্রযুক্তিগত। পাস্কাল তার সম্ভাব্যতা তত্ত্বের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত এড়িয়ে গেছেন। দ্বিতীয়ত, পাস্কাল উপলব্ধি করেছিলেন যে যেকোনো বাস্তব কাজে কার্তেসীয় যুক্তিই একমাত্র উৎস নয়। মানুষের মন কোনো সচেতন বা সূত্রবদ্ধ কৌশলের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল নয়। অনেক সময় মন কোনো কৌশল ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে কাজ করে। অনুসন্ধানের নিয়মগুলো অতিরিক্ত সুনির্দিষ্ট করতে গিয়ে পদ্ধতির ওপর গুরুত্ব দিলে প্রকৃত অনুসন্ধান বাধাগ্রস্ত হয়। আধুনিক দর্শনের ইতিহাসের বড় একটি অংশ এই প্রশ্নকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে।
** [[মাইকেল ওকশট]], ''র্যাশনালিজম ইন পলিটিক্স অ্যান্ড আদার এসেস'' (১৯৬২)।
* পাস্কালের 'পঁসে' থেকে কিছু অংশ বেছে নিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়েছে যে তিনি বিশ্বাসের কাছে যুক্তিকে বিসর্জন দিয়ে দর্শনের সম্ভাবনা অস্বীকার করেছেন। আমি দেখাতে চাই যে পাস্কাল সংশয়বাদী ছিলেন না। তার এই কাজে স্পিনোজা বা লাইবনিজের মতো বিস্তারিত কোনো সিস্টেম না থাকলেও একটি প্রকৃত দর্শনের মূলনীতিগুলো বিদ্যমান। এই ধারণাগুলো পাস্কালের বিশ্বাসের সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। খ্রিস্টধর্ম এবং দর্শনের উচ্চতর দিকগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্য এর চেয়ে ভালো পথ আর নেই।
** ফেলিক্স রাভেইসন, ''সাজি ফিলোসোফিচি'' (১৯১৭)।
* পাস্কাল গণিতের বিষয়বস্তুর সাথে অন্যান্য বিষয়ের পার্থক্য ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি বিষয়গুলোকে কোনো সাধারণ নামে না ডেকে বরং বর্ণনা করেছেন। তার সময়ের ভাষায় বললে এগুলো ছিল নান্দনিক ও নৈতিক প্রকৃতির। মনের যে অনুষদগুলো এই দুই ধরনের বিষয়ের সাথে যুক্ত, তিনি সেগুলোর বৈশিষ্ট্যও তুলে ধরেছেন। বস্তু ও আত্মার পার্থক্যের মতো এই দুই জগতের তফাত পাস্কালের চেয়ে স্পষ্ট করে আর কেউ বুঝতে পারেনি।
** ফেলিক্স রাভেইসন, ''সাজি ফিলোসোফিচি'' (১৯১৭)।
* পাস্কালই একমাত্র মহান গণিতবিদ যিনি লেখক হিসেবেও সমভাবে বিখ্যাত। তার জ্যানসেনবাদী আদর্শের একটি স্থায়ী প্রভাব হলো গণপরিবহন ব্যবস্থা। মৃত্যুর কিছুদিন আগে পাস্কাল বিশ্বে প্রথমবারের মতো ওমনিবাস সার্ভিস চালু হতে দেখেন। প্যারিসের নির্দিষ্ট রুটে ৫ স্যু ভাড়ায় এই কোচগুলো চলত। এই আয়ের লাভ দরিদ্রদের সাহায্যের জন্য দেওয়া হতো।
** জন স্টিলওয়েল, ''ম্যাথমেটিক্স অ্যান্ড ইটস হিস্ট্রি'' (১৯৮৯)।
* জীবন্ত দেহকে একটি যন্ত্র হিসেবে বিবেচনা করা পাস্কালের কাছে অত্যন্ত অগ্রহণযোগ্য ও হাস্যকর মনে হতো।
** [[w:D'Arcy Wentworth Thompson|ডি'আর্সি ওয়েন্টওয়ার্থ থম্পসন]], ''অন গ্রোথ অ্যান্ড ফর্ম'' (১৯১৭)।
* পাস্কালের বিপরীতে আমি বলি: ইব্রাহিম, ইসহাক ও ইয়াকুবের ঈশ্বর এবং দার্শনিকদের ঈশ্বর একই।
** [[পল টিলিচ]], ''বিবলিক্যাল রিলিজিয়ন অ্যান্ড দ্য সার্চ ফর আলটিমেট রিয়েলিটি''।
* পাস্কালের 'থটস' বা 'পঁসে' কোনো সাধারণ বই নয়। এই মহান ব্যক্তি তার শক্তিশালী মনে যখন যা আসত তা-ই কাগজে লিখে রাখতেন। গুরুতর অসুস্থতা তাকে নিষ্ক্রিয় করে দেওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি এটি চালিয়ে গেছেন। পরবর্তীকালে এই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা চিন্তাগুলোকে সুশৃঙ্খল করার জন্য অনেক চেষ্টা করা হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে সাফল্যও মিলেছে। তবে কখনও কখনও লেখকের মূল উদ্দেশ্য ভুলভাবেও ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
** [[আলেকজান্ডার রডলফ ভিনেট]], ''স্টাডিজ অন পাস্কাল'' (১৮৫৯)।
* পাস্কাল ধর্মের পক্ষে বিশেষ কিছুই প্রমাণ করতে পারেননি। বরং তিনি এটিই দেখিয়েছেন যে একজন প্রতিভাবান মানুষও কোনো কোনো বিষয়ে বোকা হতে পারেন। যখন কেউ নিজের কুসংস্কারের কথা শোনার মতো দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন সে শিশুর মতোই আচরণ করে।
** [[ব্যারন ডি'হোলবাখ]], ''গুড সেন্স উইদাউট গড'' (১৭৭২)।
== বহিঃসংযোগ ==
* {{উইকিপিডিয়া-ইনলাইন}}
* {{উইকিসোর্স-লেখক}}
* {{Commonscat-inline}}
* [http://www.gutenberg.org/browse/authors/p#a7913 প্রজেক্ট গুটেনবার্গে ব্লেইজ প্যাস্কেল]
* [http://btr360.com/2015/06/19/124-thoughts-of-blaise-pascal-free-book/ ব্লেইজ প্যাস্কেলের ১২৪টি উক্তি]
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:প্যাস্কেল, ব্লেইজ}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৬২৩-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৬৬২-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রবচনকারক]]
[[বিষয়শ্রেণী:খ্রিস্টীয় ধর্মতাত্ত্বিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:সমালোচক]]
[[বিষয়শ্রেণী:মানবতাবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:আবিষ্কারক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি যুক্তিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি গণিতবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:রহস্যবাদী]]
[[विषয়শ্রেণী:ফরাসি দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:দার্শনিক হতাশাবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি ক্যাথলিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি ধর্মতত্ত্ববিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:অ-কল্পকাহিনী লেখক]]
nev4ikoxvz5xoxvylwomlq6aitb36gq
74080
74078
2026-04-06T08:30:58Z
SMontaha32
3112
/* উক্তি */
74080
wikitext
text/x-wiki
[[File:Blaise Pascal Versailles.JPG|thumb|[[দর্শন|দর্শনের]] গুরুত্ব কমিয়ে দেখা এক ধরনের [[সত্য|প্রকৃত]] দার্শনিকতা।]]
'''ব্লেইজ পাস্কাল''' (১৯ জুন ১৬২৩ – ১৯ আগস্ট ১৬৬২) ছিলেন একজন ফরাসি [[গণিতবিদ]], যুক্তিবিদ, পদার্থবিদ এবং ধর্মতত্ত্ববিদ।
:'''দ্রষ্টব্য: ''[[পঁসে]]'' থেকে নেওয়া সব উক্তি ওই পাতায় পাওয়া যাবে।'''
== উক্তি ==
[[File:Blaise Pascal 2.jpg|thumb|মানুষ সাধারণত প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং যা তাদের কাছে আকর্ষণীয় মনে হয় তার ভিত্তিতেই কোনো কিছু [[বিশ্বাস|বিশ্বাস করে]]।]]
[[File:Blaise_pascal.jpg|thumb|দৃশ্যমান বিষয়ের অস্থিরতা সবসময় আমাদের যুক্তিকে হতাশ করে।]]
[[File:Pascal Pajou Louvre RF2981.jpg|thumb|কোনো কাজ শেষ করার পরপরই তা দেখলে আমরা এতে খুব বেশি মগ্ন থাকি। আবার অনেক পরে দেখলে আমরা এর যোগসূত্র খুঁজে পাই না।]]
* বার্ধক্য যেমন শৈশব থেকে জীবনের সবচেয়ে দূরবর্তী সময়, তেমনি এই বিশ্বজনীন মানুষের ক্ষেত্রেও কি তার জন্মের নিকটবর্তী সময়ের চেয়ে দূরবর্তী সময়ে বার্ধক্য খোঁজা উচিত নয়?
** ''প্রিফেস টু দ্য ট্রিটিজ অন ভ্যাকুয়াম'' (১৬৫১)
* {{anchor|Pascal plus longue}}''আমি এটিকে দীর্ঘতর করেছি কারণ এটি ছোট করার জন্য আমার সময় ছিল না.''
** '''আমি আরও ছোট চিঠি লিখতাম, কিন্তু আমার হাতে পর্যাপ্ত সময় ছিল না।'''
*** ''প্রোভিনশিয়াল লেটার্স'': [https://ebooks.adelaide.edu.au/p/pascal/blaise/p27pr/part17.html ১৬তম চিঠি (৪ ডিসেম্বর ১৬৫৬)]
** আক্ষরিক অর্থ: '''আমি এই চিঠিটি দীর্ঘ করেছি কারণ এটি ছোট করার মতো অবসর আমার ছিল না।'''
** এ ধরনের উক্তি [[মার্ক টোয়েন]], টি. এস. এলিয়ট, সিসেরোসহ অন্যদের নামেও প্রচলিত। তবে ‘কোট ইনভেস্টিগেটর’-এর নিবন্ধ অনুযায়ী পাস্কালের এই উক্তিটিই সম্ভবত মূল উৎস।
* '''মানুষ সাধারণত প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং যা তাদের কাছে আকর্ষণীয় মনে হয় তার ভিত্তিতেই কোনো কিছু বিশ্বাস করে।'''
** ''দ্য আর্ট অব পারসুয়েশন'' (১৬৫৮ সালে লেখা; মরণোত্তর প্রকাশিত)।
* মুহাম্মদ তার শত্রুদের হত্যার মাধ্যমে একটি ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন; অন্যদিকে যিশু খ্রিস্ট তার অনুসারীদের প্রাণ উৎসর্গ করার নির্দেশ দিয়ে ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন।
** [http://books.google.pt/books?id=MGkNAAAAYAAJ&pg=PA202&dq=%22Mahomet+established+a%22&hl=pt-PT&sa=X&ei=oZmPU-fCDemp7Ab7s4HQAg&ved=0CCsQ6AEwAA#v=onepage&q=%22Mahomet%20established%20a%20religion%22&f=false ''থটস অন রিলিজিয়ন অ্যান্ড ফিলোসফি''] (ডব্লিউ. কলিন্স, ১৮৩৮), অধ্যায় ১৬, পৃষ্ঠা ২০২।
* ''FEU. Dieu d'Abraham, Dieu d'Isaac, Dieu de Jacob, non des philosophes et savants. Certitude. Certitude. Sentiment. Joie. Paix.''
** '''আগুন। ইব্রাহিমের ঈশ্বর, ইসহাকের ঈশ্বর, ইয়াকুবের ঈশ্বর; দার্শনিক বা পণ্ডিতদের ঈশ্বর নন। নিশ্চয়তা। নিশ্চয়তা। অনুভূতি। আনন্দ। শান্তি।'''
** পাস্কালের মৃত্যুর পর তার কোটের আস্তরে সেলাই করা একটি চর্মকাগজে এই নোটটি পাওয়া যায়।
* যখন আমি আমার ক্ষণস্থায়ী জীবনের কথা ভাবি যা আগের এবং পরের অনন্তকালের মধ্যে বিলীন, তখন আমার ক্ষুদ্র অস্তিত্ব আমাকে আতঙ্কিত করে। আমি অনন্ত বিশালতার মাঝে এক নগণ্য স্থান জুড়ে আছি যার সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না এবং যা আমার সম্পর্কে কিছুই জানে না। আমি অবাক হই যে কেন আমি অন্য কোথাও না হয়ে এখানে আছি। এখন না হয়ে কেন তখন জন্মাইনি তারও কোনো কারণ নেই। কে আমাকে এখানে পাঠিয়েছেন? কার নির্দেশে এই স্থান ও সময় আমার জন্য নির্ধারিত হয়েছে?
** "মানুষের সীমাবদ্ধতা", ''দ্য থটস অব ব্লেইজ পাস্কাল'' (১৮৮৫)।
* **এই অনন্ত মহাশূন্যের চিরন্তন নিস্তব্ধতা আমাকে আতঙ্কিত করে।**
=== ''ডিসকোর্সেস অন দ্য কন্ডিশন অব দ্য গ্রেট'' ===
* আপনার প্রকৃত অবস্থা বুঝতে এই উদাহরণটি কল্পনা করুন: এক ব্যক্তি ঝড়ের কবলে পড়ে এক অজানা দ্বীপে পৌঁছান। দ্বীপবাসীরা তাদের হারিয়ে যাওয়া রাজাকে খুঁজছিল। ওই ব্যক্তির চেহারা ও গড়ন রাজার মতো হওয়ায় সবাই তাকে রাজা হিসেবে মেনে নেয়।
* তার মনে দুটি ভাবনা কাজ করছিল: একটি হলো রাজার মতো কাজ করা এবং অন্যটি হলো তার আসল অবস্থা সম্পর্কে সচেতন থাকা। সে জানত যে কেবল দুর্ঘটনাবশত সে এই অবস্থায় পৌঁছেছে।
* '''ভাববেন না যে আপনি যে সম্পদের মালিক হয়েছেন তা ওই ব্যক্তির রাজা হওয়ার চেয়ে কম আকস্মিক কিছু।'''
* আইনপ্রণেতারা যদি নিয়ম করতেন যে এই সম্পদ মৃত্যুর পর রাষ্ট্রের কাছে ফিরে যাবে, তবে আপনার অভিযোগ করার কোনো উপায় থাকত না।
* '''প্রাকৃতিক অধিকার নয়, বরং মানবিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই আপনি আপনার সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।'''
* আপনার এই অধিকার কোনো ব্যক্তিগত যোগ্যতা বা গুণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়নি। আপনার আত্মা বা শরীর একজন মাঝির বা একজন সামন্ত প্রভুর হওয়ার ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক কোনো পার্থক্য নেই। কোনো প্রাকৃতিক বন্ধনই এগুলোকে নির্দিষ্ট একটি অবস্থার সাথে আটকে রাখে না।
* '''সামাজিকভাবে পদমর্যাদা অনুযায়ী চললেও মনের ভেতরে আপনার স্বীকার করা উচিত যে আপনি জন্মগতভাবে অন্যদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ নন।'''
* '''জনসাধারণের ভাবনা যদি আপনাকে সাধারণ মানুষের উপরে তুলে ধরে, তবে আপনার ভেতরের ভাবনাটি যেন আপনাকে নম্র রাখে এবং সবার সাথে সমান অবস্থানে ধরে রাখে। এটিই আপনার স্বাভাবিক অবস্থা।'''
* নিজেকে অন্যের চেয়ে উচ্চতর ভেবে ভুল করবেন না।
* জনগণের ভুলে রাজা হওয়া ব্যক্তি যদি নিজের স্বাভাবিক অবস্থা ভুলে নিজেকে যোগ্য ভাবতে শুরু করেন, তবে আপনি তার **নির্বুদ্ধিতা ও মূর্খতা** দেখে অবাক হবেন। কিন্তু নিজেদের স্বাভাবিক অবস্থা ভুলে থাকা উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও কি একই কথা খাটে না?
* **উচ্চবিত্তদের সব বাড়াবাড়ি, সহিংসতা এবং অহংকার আসে নিজেদের পরিচয় সম্পর্কে অজ্ঞতা থেকে।** যারা মনেপ্রাণে নিজেদের সবার সমান মনে করে, তাদের পক্ষে শ্রেষ্ঠত্বের বড়াই করা কঠিন। শ্রেষ্ঠত্বের এই ভ্রম বজায় রাখতে হলে একজনকে নিজের আসল পরিচয় ভুলতে হয়।
* '''আপনি যদি আমার কাছে শ্রদ্ধা আশা করেন, তবে আমাকে আপনার এমন গুণ দেখান যা শ্রদ্ধার যোগ্য। আপনি তা দেখাতে পারলে আমি আপনাকে শ্রদ্ধা করব এবং তা ন্যায়সংগত হবে। কিন্তু আপনি তা না করলে আমার কাছে শ্রদ্ধা দাবি করা আপনার অন্যায় হবে। আপনি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ রাজপুত্র হলেও আপনি তাতে সফল হবেন না।'''
* '''আপনার মতে একজন বড় অভিজাত হওয়ার মানে কী? এর অর্থ হলো মানুষের কাঙ্ক্ষিত অনেক কিছুর মালিক হওয়া এবং অনেকের চাহিদা পূরণ করতে পারা। এই অভাব ও চাহিাই মানুষকে আপনার দিকে টানে এবং আপনার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য করে। এগুলো না থাকলে তারা আপনার দিকে ফিরেও তাকাত না।'''
* **ঈশ্বর ভালোবাসায় পূর্ণ মানুষ দ্বারা পরিবেষ্টিত** যারা তার কাছে ভালোবাসা চায়। তাই তিনি মূলত ভালোবাসার রাজা।
* একইভাবে আপনিও একদল আগ্রহী মানুষ দ্বারা পরিবেষ্টিত। তারা আপনার কাছে তাদের চাহিদা মেটানোর সুযোগ চায়। তাই আপনি মূলত আকাঙ্ক্ষা বা চাহিদার রাজা। **মানুষ যা চায় তার মালিকানাই আপনার ক্ষমতার উৎস।**
* আপনার প্রাকৃতিক শক্তি বা ক্ষমতার কারণে মানুষ আপনার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য হয়নি। তাই শক্তি দিয়ে তাদের শাসন করবেন না বা তাদের সাথে রূঢ় আচরণ করবেন না। **তাদের যুক্তিসঙ্গত চাহিদাগুলো পূরণ করুন।** মানুষের উপকার করার মাধ্যমে আনন্দ খুঁজলে আপনি আকাঙ্ক্ষার প্রকৃত রাজা হতে পারবেন।
* কিছু মানুষ লোভ, নৃশংসতা, সহিংসতা বা ব্যভিচারের মাধ্যমে কত অনর্থকভাবে নিজেকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়! নিজেকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাওয়া সবসময়ই চরম বোকামি। মানুষের উচিত আকাঙ্ক্ষা ও এর রাজত্বকে তুচ্ছ করে সেই ভালোবাসার রাজ্যের আকাঙ্ক্ষা করা, যেখানে সবাই ভালোবাসা ছাড়া আর কিছুই চায় না।
=== ''কনভারসেশন অন এপিকটেটাস অ্যান্ড মনটেইন'' ===
* আমি দেখেছি যে তারা [এপিকটেটাস ও মনটেইন] বিশ্বের দুটি বিখ্যাত মতবাদের শ্রেষ্ঠ রক্ষক এবং যুক্তিপূর্ণ। তাদের দেখানো পথ দুটি হলো: হয় ঈশ্বর আছেন এবং তিনিই পরম কল্যাণ; অথবা তিনি অনিশ্চিত এবং তখন প্রকৃত কল্যাণও অনিশ্চিত।
* আমি যেমন এই গবেষণায় দেখানোর চেষ্টা করেছি, প্রকৃতিতে তার প্রতিটি কাজের মাধ্যমে ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণের চেষ্টার চেয়ে মানুষের মনের সেই চেষ্টাকে বিবেচনা করা অনেক বেশি ন্যায়সংগত।
* এই দুই মতবাদের ভুলের মূল কারণ হলো তারা মানুষের বর্তমান অবস্থা যে সৃষ্টির সময়ের চেয়ে ভিন্ন, তা জানতেন না। এক পক্ষ মানুষের আদি মহত্ত্ব দেখে তার বর্তমান কলুষতা ভুলে প্রকৃতির ওপর অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয়ে **অহংকারের** জন্ম দেয়। অন্য পক্ষ বর্তমান দুর্দশা দেখে আদি মর্যাদা ভুলে হতাশায় ডুবে যায়।
* মানুষের এই দুই অবস্থা—মহত্ত্ব ও দুর্বলতা—একসাথে না জানলে মানুষ হয় অহংকারী নতুবা অলস হয়ে পড়ে। ঐশ্বরিক অনুগ্রহ পাওয়ার আগে সব মানুষই এই দুই দোষের শিকার হয়।
* **একজন মানুষের কর্তব্য জানলেও তার অক্ষমতা সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় সে উদ্ধত হয়। অন্যজন অক্ষমতা জানলেও কর্তব্য সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় অলস হয়ে পড়ে। সুসমাচারের সত্য এই দুই বৈপরীত্যের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করে। এটি সত্যকে গ্রহণ করে এবং মিথ্যাকে বর্জন করে এক স্বর্গীয় প্রজ্ঞা তৈরি করে।**
* জগতের দার্শনিকরা একই বিষয়ের মধ্যে বৈপরীত্য খোঁজেন। অন্যদিকে বিশ্বাস আমাদের শেখায় বৈপরীত্যগুলোকে ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ের ওপর স্থাপন করতে। মানুষের সব দুর্বলতা তার প্রকৃতির অংশ এবং সব শক্তি ঐশ্বরিক অনুগ্রহের দান। এটিই সেই বিস্ময়কর ও নতুন মিলন যা কেবল ঈশ্বরই শেখাতে পারেন।
=== ''অন দ্য স্পিরিট অব জিওমেট্রি'' ===
* সরাসরি সত্যের মালিক হওয়ার বিশ্বাস মানুষের এক স্বাভাবিক মানসিক ব্যাধি।
*** ১ম বিভাগ
=== ''দ্য আর্ট অব পারসুয়েশন'' ===
* মতবাদগুলো আত্মার দুটি প্রধান ক্ষমতার মাধ্যমে গৃহীত হয়: বুদ্ধি এবং ইচ্ছা।
* **মানুষ প্রমাণের চেয়ে আকর্ষণের মাধ্যমে বিশ্বাস করতে বেশি পছন্দ করে।** এটি একটি নীচ ও অপ্রাসঙ্গিক পথ, তাই সবাই একে অস্বীকার করে। প্রত্যেকেই দাবি করে যে সে যা জানে কেবল তা-ই বিশ্বাস ও ভালোবাসা করে।
* আমি এখানে ঐশ্বরিক সত্যের কথা বলছি না কারণ তা প্রকৃতির ঊর্ধ্বে। **কেবল ঈশ্বরই আত্মায় সেই সত্য স্থাপন করতে পারেন।** তিনি চেয়েছেন সেই সত্য যেন মন থেকে হৃদয়ে না এসে বরং হৃদয় থেকে মনে প্রবেশ করে। এটি মানুষের অহংকারী যুক্তিকে দমন করে এবং কলুষিত ইচ্ছাকে এটি পরিশোধিত করে।
* '''পার্থিব জিনিসের ক্ষেত্রে আমরা বলি যে কোনো কিছু ভালোবাসার আগে তা জানতে হয়। অন্যদিকে পবিত্র জিনিসের ক্ষেত্রে মহাত্মারা বলেন যে কোনো কিছু জানার আগে তাকে ভালোবাসতে হয়। কেবল ভালোবাসার মাধ্যমেই আমরা সত্যে প্রবেশ করতে পারি।'''
* তারা [মানুষ] ঐশ্বরিক নিয়মকে কলুষিত করেছে। কারণ মানুষ সাধারণত যা তাকে আনন্দ দেয় তা ছাড়া অন্য কিছু খুব কমই বিশ্বাস করে।
* ঈশ্বর মানুষের বুদ্ধিতে তখনই আলো দান করেন যখন তিনি মানুষের জেদি ইচ্ছাকে স্বর্গীয় নম্রতা দিয়ে জয় করেন।
* মন এবং হৃদয় হলো সত্য প্রবেশের দুটি পথ। তবে বুদ্ধির চেয়ে ইচ্ছার খামখেয়ালিপনায় অনেক বেশি সত্য (বা মিথ্যা) আত্মায় প্রবেশ করে।
* বেশ কিছু বিশেষ নীতি সত্যের মতোই জোরালোভাবে মানুষকে বিশ্বাসের দিকে টানে, যদিও সেগুলো আসলে মিথ্যা।
* কোনো বিষয় তাকে পরম আনন্দের দিকে নিয়ে যেতে পারে— আত্মা এটি বুঝতে পারার সাথে সাথেই তা সানন্দে গ্রহণ করে।
* **সত্য ও আনন্দের** মধ্যে যখন দ্বন্দ্ব বাধে, তখন জয়-পরাজয় অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এটি বোঝার জন্য মানুষের অন্তরের গহীন খবর জানা প্রয়োজন যা মানুষ নিজেও সবসময় জানে না।
* **কাউকে রাজি করাতে হলে ওই ব্যক্তির মন এবং হৃদয় সম্পর্কে জানা জরুরি।** তার মূলনীতিগুলো কী এবং সে কী ভালোবাসে তা বুঝতে হবে।
* **প্ররোচনা বা প্রবোধ দেওয়ার শিল্প যতটা না বোঝানোর, তার চেয়ে বেশি তুষ্ট করার। কারণ মানুষ যুক্তির চেয়ে খামখেয়ালিপনা দ্বারা বেশি পরিচালিত হয়!**
* আনন্দের উৎসগুলো স্থির নয়। প্রতিটি মানুষের ক্ষেত্রে এগুলো ভিন্ন এবং সময়ে সময়ে পরিবর্তনশীল। একজন মানুষ ভিন্ন সময়ে নিজের চেয়েও অনেক বেশি আলাদা হয়ে যায়।
* এমন কোনো সত্য নেই যা নিয়ে আমরা সবসময় একমত থাকি। আবার আমাদের আনন্দের বিষয়গুলোও প্রতি ঘণ্টায় বদলে যায়। মানুষের খামখেয়ালিপনা অনুযায়ী কথা বলার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম আছে কি না আমি জানি না।
* **প্রমাণ বা যুক্তির নিখুঁত পদ্ধতি তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত:** স্পষ্ট সংজ্ঞার মাধ্যমে পদের ব্যাখ্যা দেওয়া, প্রমাণিত নীতি বা স্বতঃসিদ্ধ প্রস্তাব করা এবং প্রমাণের সময় পদের বদলে সবসময় তার সংজ্ঞা ব্যবহার করা।
* যদি ভিত্তি মজবুত না হয়, তবে অট্টালিকাও নিরাপদ হয় না।
* সংজ্ঞায়ন, স্বতঃসিদ্ধ সত্য এবং প্রমাণের নিখুঁত পদ্ধতির জন্য জ্যামিতিক প্রমাণের কিছু নিয়মই যথেষ্ট।
* **সংজ্ঞায়নের নিয়ম:** ১. কোনো সুপরিচিত বিষয়কে সংজ্ঞায়িত করতে যাবেন না যা ব্যাখ্যা করার জন্য আরও স্পষ্ট শব্দ নেই। ২. অস্পষ্ট বা দ্ব্যর্থবোধক কোনো শব্দকে সংজ্ঞা ছাড়া রাখবেন না। ৩. সংজ্ঞায় কেবল পরিচিত বা আগে ব্যাখ্যা করা হয়েছে এমন শব্দই ব্যবহার করবেন।
* **স্বতঃসিদ্ধ সত্যের নিয়ম:** ১. প্রয়োজনীয় কোনো নীতি বা বিষয় যত স্পষ্টই হোক না কেন, তা জিজ্ঞাসা করা থেকে বিরত থাকবেন না। ২. কেবল নিজের মধ্যে স্পষ্ট বিষয়গুলোই স্বতঃসিদ্ধ হিসেবে দাবি করবেন।
* **প্রমাণের নিয়ম:** ১. খুব বেশি স্পষ্ট কোনো বিষয় প্রমাণ করতে যাবেন না যা প্রমাণ করার মতো সহজ কিছু আর নেই। ২. সব অস্পষ্ট প্রস্তাবনা প্রমাণ করুন এবং প্রমাণের ক্ষেত্রে কেবল খুব স্পষ্ট স্বতঃসিদ্ধ বা আগে প্রমাণিত প্রস্তাবনা ব্যবহার করুন। ৩. দ্ব্যর্থতা এড়াতে প্রমাণের সময় মানসিক ভাবে পদের জায়গায় তার সংজ্ঞা বসান।
* ওপরের আটটি নিয়ম যে কোনো মজবুত প্রমাণের জন্য যথেষ্ট। এর মধ্যে পাঁচটি নিয়ম অপরিহার্য যা ছাড়া কোনো প্রমাণ সম্পন্ন করা সম্ভব নয়।
* নিয়মের অভাব বা কঠিন অনুশীলনের কারণে এগুলো অনেকের কাছেই অপরিচিত।
* **এই নিয়মগুলো খুব সাধারণ— এমন আপত্তির বিপরীতে আমার কথা হলো:** জ্যামিতিবিদরা ছাড়া পুরো জাতির মধ্যে খুব কম মানুষই এই নিয়মগুলো জানে।
* যারা এই নিয়মগুলো আয়ত্ত করেছেন, তারা বুঝতে পারবেন যে সাধারণ যুক্তিবিদরা যা লিখেছেন তার সাথে এর পার্থক্য কতটা বিশাল।
* একই কথা যারা বলেন, তারা সবাই বিষয়টিকে একইভাবে ধারণ করেন না। একজন মানুষের সামর্থ্য কেবল তার একটি ভালো উক্তি শুনে বিচার করা উচিত নয়। আমাদের উচিত তার মনের গভীরে প্রবেশ করা। অনেক সময় দেখা যায় সে নিজেই তার ওই ভালো চিন্তাটি বিশ্বাস করে না এবং কোনো তুচ্ছ বিষয়ের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
* **'বস্তু প্রাকৃতিকভাবেই চিন্তায় অক্ষম'** এবং **'আমি চিন্তা করি, তাই আমি আছি'**— রেনে দেকার্ত এবং সেন্ট অগাস্টিনের কাছে কি এই নীতি দুটি আসলে একই ছিল? অগাস্টিন বারোশ বছর আগেই একই কথা বলেছিলেন। আমি বলছি না দেকার্ত এর রচয়িতা নন। তবে কেবল কোনো কথা বলা এবং সেই কথা থেকে চমৎকার সব সিদ্ধান্ত বের করে একটি পূর্ণাঙ্গ আধিভৌতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার মধ্যে বিশাল পার্থক্য আছে।
* কোনো এক ব্যক্তি নিজের অজান্তেই একটি চমৎকার কথা বলতে পারেন। কিন্তু অন্য কেউ হয়তো সেই একই কথার মধ্যে অসামান্য সব সিদ্ধান্তের সমাহার খুঁজে পান। ফলস্বরূপ উক্তিটি আর আগের মতো থাকে না। কোনো উক্তি যেখান থেকে শেখা হয়েছে তার প্রতি ঋণ ঠিক ততটুকুই, যতটুকু একটি সুন্দর গাছ সেই ব্যক্তির প্রতি ঋণী যে অনিচ্ছাকৃত ভাবে উর্বর মাটিতে বীজ ফেলেছিল।
* **যুক্তিবিদ্যা হয়তো জ্যামিতির নিয়মগুলো ধার করেছে কিন্তু সেগুলোর শক্তি বুঝতে পারেনি।** এই বিজ্ঞানই যুক্তি পরিচালনার সঠিক পদ্ধতি শেখায়।
* **ভুল না করার পদ্ধতি সবাই খোঁজে।** যুক্তিবিদরা পথ দেখানোর দাবি করেন কিন্তু কেবল জ্যামিতিবিদরাই তা অর্জন করতে পারেন। বিজ্ঞান এবং এর অনুসরণ ছাড়া আর কোনো প্রকৃত প্রমাণ নেই।
* **ভালো জিনিস সবখানেই আছে, কেবল সেগুলো বেছে নেওয়া প্রয়োজন।** এটি নিশ্চিত যে সেগুলো প্রাকৃতিক এবং সবার নাগালের মধ্যেই থাকে।
* **শ্রেষ্ঠত্ব কোনো অসাধারণ বা কাল্পনিক জিনিসের মধ্যে নেই।** একে পেতে হলে আমাদের অনেক সময় নিচু হতে হয়।
* শ্রেষ্ঠ বই সেগুলোই যা পড়ার পর পাঠকের মনে হয় তিনি নিজেও তা লিখতে পারতেন।
* **প্রকৃতিই একমাত্র ভালো যা সবার কাছে পরিচিত এবং সাধারণ।**
* আমি নিশ্চিত যে এই নিয়মগুলো সহজ, কৃত্রিমতাহীন এবং স্বাভাবিক।
* মনকে জোর করা উচিত নয়। কৃত্রিম আচরণ সলিড খাবারের বদলে মনকে কেবল অন্তঃসারশূন্য অহংকারে পূর্ণ করে।
* **মানুষের একটি প্রধান ভুল হলো তারা মনে করে ভালো জিনিসগুলো দুর্লভ এবং উঁচু স্তরের। তারা এগুলোকে 'মহান, উচ্চ বা মহৎ' নাম দেয়। আমি এগুলোকে 'সাধারণ ও পরিচিত' বলতে পছন্দ করি।** কারণ এই নামগুলোই বেশি মানানসই। আমি আড়ম্বরপূর্ণ শব্দ অপছন্দ করি।
== পাস্কাল সম্পর্কে উক্তি ==
* {{w|Lettres provinciales|''প্রোভিনশিয়াল লেটার্স''}} এবং ছোটখাটো ধর্মীয় রচনাগুলো লেখার পরের বছরগুলোতে পাস্কাল খ্রিস্টধর্মের প্রসারে নিজের জীবন উৎসর্গ করতে শুরু করেন। এই কার্যক্রমের মূলে ছিল তার বিখ্যাত কাজ [[পঁসে|''পঁসে'' ]]। এটি মূলত ১৬৫৭ থেকে ১৬৫৮ সালের দিকে লেখা। অনেক সমালোচকের মতে, এটি অজ্ঞেয়বাদী ও নাস্তিকদের ধর্মীয় বিশ্বাসে ফিরিয়ে আনার সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী প্রচেষ্টাগুলোর একটি। তবে এটি মূলত একটি অসমাপ্ত কাজ।
** {{w|ডোনাল্ড অ্যাডামসন}}, ''ব্লেইজ পাস্কাল: গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং ঈশ্বর চিন্তক'' (১৯৯৪)।
* আমি খুব ভাগ্যবান ছিলাম। শৈশবে কৌতূহলী হওয়ার পাশাপাশি আমি কিছুটা শারীরিক প্রতিবন্ধকতার শিকার ছিলাম। তাই হাতের কাছে যা পেতাম তা-ই পড়তাম। আমার স্মরণশক্তি এবং কাজ করার শক্তিও প্রচুর। এটি একটি আশীর্বাদ। আমি এখনও নতুন কিছু শেখার জন্য তৃষ্ণার্ত। সব তরুণের মধ্যে এই গুণ থাকে না। তাদের অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া উচিত এবং মানবজাতির মহান চিন্তাগুলোর সাথে পরিচিত হওয়া উচিত। প্রত্যেকেরই ভাবা উচিত— "আমি কেন এখানে? এই পৃথিবীতে আমার কাজ কী?" অ্যারিস্টটল এবং প্লেটোকে জানা খুব জরুরি। জীবনকে সহজ করতে হলে লিওপোল্ড এবং পাস্কালকে জানা একান্ত প্রয়োজন।
** মায়া অ্যাঞ্জেলের সাথে কথোপকথন (১৯৮৯), ১৯৮৬ সালের সাক্ষাৎকার।
* এটি তাৎপর্যপূর্ণ যে আমরা ব্লেইজ পাস্কালের মেধার মাধ্যমেই ''পুনরাবৃত্তি নীতি''-র প্রথম সুষ্পষ্ট ধারণা পাই। ১৬৫৪ সালে প্রকাশিত ''দ্য অ্যারিথমেটিক ট্রায়াঙ্গেল'' নামক একটি গবেষণাপত্রে তিনি এই নীতি ব্যাখ্যা করেন। পাস্কাল ও [[পিয়ের দ্য ফের্মা|ফের্মার]] মধ্যে জুয়া খেলার সমস্যা নিয়ে আদান-প্রদান করা চিঠিপত্রেই এই কাজের মূল নির্যাস ছিল। এই যোগাযোগ থেকেই আধুনিক সম্ভাবনা তত্ত্ব গড়ে উঠেছে। এটি বিস্ময়কর যে বিশুদ্ধ গণিতের ভিত্তি এবং সব ডিডাক্টিভ বিজ্ঞানের মূল আধার এই তত্ত্ব দুটি জুয়াড়িদের একটি অসমাপ্ত খেলার বাজি ভাগ করার কৌশল খুঁজতে গিয়ে আবিষ্কৃত হয়েছিল।
** [[টোবিয়াস ড্যান্টজিগ]], ''নাম্বার: দ্য ল্যাঙ্গুয়েজ অব সায়েন্স'' (১৯৩০)।
* একটি কার্যকর ধর্ম সম্পর্কে পাস্কাল যা বলেছিলেন তা যেকোনো কার্যকর মতবাদের ক্ষেত্রেই সত্য: একে অবশ্যই "প্রকৃতি, সাধারণ জ্ঞান এবং আনন্দের প্রতিকূলে" হতে হবে।
** [[এরিক হোফার]], ''দ্য ট্রু বিলিভার'' (১৯৫১)।
* মানুষ অসীমভাবে মানুষকে ছাড়িয়ে যায়।
** [[পোপ পল ষষ্ঠ]], ''এনসাইক্লিক্যাল পপুলোরাম প্রগ্রেসীয়'' (১৯৬৭)।
* পাস্কাল অবজ্ঞার সাথে বলেছিলেন যে সাধারণ শ্রমিকরা তথাকথিত 'দার্শনিকদের' ভুল ধরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। মূলত এই অশিক্ষিত মানুষরাই 'নিজেদের চোখে দেখা এবং হাতে স্পর্শ করা' বিষয়গুলো বিশ্বাস করতে বেশি প্রস্তুত ছিল।
** [[রেইজার হুইকাস]], ''রিলিজিয়ন অ্যান্ড দ্য রাইজ অব মডার্ন সায়েন্স'' (২০০০)।
* দর্শনচর্চা মানেই হলো মানুষের গুরুত্ব এবং তার মর্যাদাকে পুনপ্রতিষ্ঠা করা। সক্রেটিসের অন্বেষণ এবং বিজ্ঞানের কার্তেসীয় বিপ্লবের মুখে পাস্কালের উদ্বেগের মূল অর্থ ছিল এটাই। এই বিচারে পাস্কাল [[সক্রেটিস|সক্রেটিসের]] চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ একজন দার্শনিক। বিজ্ঞান মানুষকে সৃষ্টির সেরা জীব থেকে সরিয়ে দেওয়ার যে দাবি করেছিল, পাস্কালই প্রথম তার তীব্র প্রতিবাদ জানান। কেন বিজ্ঞান মানুষের হৃদয়ে আনন্দ দিতে বা জীবনের অর্থ খুঁজে পেতে ব্যর্থ, তা পাস্কালের চেয়ে ভালো কেউ প্রমাণ করতে পারেনি।
** [[থমাস মোলনার]], ''দ্য ডিক্লাইন অব দ্য ইন্টেলেকচুয়াল'' (১৯৬১)।
* পাস্কাল কোনো কূপমণ্ডূক ছিলেন না। তবে তিনি পরিমাপ করেছিলেন যে বিজ্ঞান মানুষের ভাগ্যের সমস্যার ক্ষেত্রে কতটা অপ্রাসঙ্গিক হতে পারে। বিজ্ঞান মানুষের অভিজ্ঞতার সীমাবদ্ধতা ও অপূর্ণতাকে উপেক্ষা করে যে সত্যের দাবি করে, তা বাস্তবসম্মত নয়। বরং আমাদের সহজাত সামর্থ্যগুলোই অস্তিত্বের লড়াইয়ে টিকে থাকার একমাত্র ও অপরিহার্য হাতিয়ার।
** থমাস মোলনার, ''দ্য ডিক্লাইন অব দ্য ইন্টেলেকচুয়াল'' (১৯৬১)।
* পাস্কাল হলেন দেকার্তের একজন বিচক্ষণ সমালোচক। তিনি দেকার্তের সবকিছুর বিরোধিতা না করলেও মৌলিক কিছু পয়েন্টে দ্বিমত পোষণ করেছেন। প্রথমত, তিনি বুঝেছিলেন যে দেকার্তের নিশ্চিত জ্ঞানের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি ভ্রান্ত মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে। দেকার্ত এমন কিছু দিয়ে শুরু করতে চেয়েছিলেন যা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই, যার ফলে তিনি বিশ্বাস করতেন সব প্রকৃত জ্ঞানই প্রযুক্তিগত। পাস্কাল তার সম্ভাব্যতা তত্ত্বের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত এড়িয়ে গেছেন। দ্বিতীয়ত, পাস্কাল উপলব্ধি করেছিলেন যে যেকোনো বাস্তব কাজে কার্তেসীয় যুক্তিই একমাত্র উৎস নয়। মানুষের মন কোনো সচেতন বা সূত্রবদ্ধ কৌশলের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল নয়। অনেক সময় মন কোনো কৌশল ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে কাজ করে। অনুসন্ধানের নিয়মগুলো অতিরিক্ত সুনির্দিষ্ট করতে গিয়ে পদ্ধতির ওপর গুরুত্ব দিলে প্রকৃত অনুসন্ধান বাধাগ্রস্ত হয়। আধুনিক দর্শনের ইতিহাসের বড় একটি অংশ এই প্রশ্নকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে।
** [[মাইকেল ওকশট]], ''র্যাশনালিজম ইন পলিটিক্স অ্যান্ড আদার এসেস'' (১৯৬২)।
* পাস্কালের 'পঁসে' থেকে কিছু অংশ বেছে নিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়েছে যে তিনি বিশ্বাসের কাছে যুক্তিকে বিসর্জন দিয়ে দর্শনের সম্ভাবনা অস্বীকার করেছেন। আমি দেখাতে চাই যে পাস্কাল সংশয়বাদী ছিলেন না। তার এই কাজে স্পিনোজা বা লাইবনিজের মতো বিস্তারিত কোনো সিস্টেম না থাকলেও একটি প্রকৃত দর্শনের মূলনীতিগুলো বিদ্যমান। এই ধারণাগুলো পাস্কালের বিশ্বাসের সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। খ্রিস্টধর্ম এবং দর্শনের উচ্চতর দিকগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্য এর চেয়ে ভালো পথ আর নেই।
** ফেলিক্স রাভেইসন, ''সাজি ফিলোসোফিচি'' (১৯১৭)।
* পাস্কাল গণিতের বিষয়বস্তুর সাথে অন্যান্য বিষয়ের পার্থক্য ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি বিষয়গুলোকে কোনো সাধারণ নামে না ডেকে বরং বর্ণনা করেছেন। তার সময়ের ভাষায় বললে এগুলো ছিল নান্দনিক ও নৈতিক প্রকৃতির। মনের যে অনুষদগুলো এই দুই ধরনের বিষয়ের সাথে যুক্ত, তিনি সেগুলোর বৈশিষ্ট্যও তুলে ধরেছেন। বস্তু ও আত্মার পার্থক্যের মতো এই দুই জগতের তফাত পাস্কালের চেয়ে স্পষ্ট করে আর কেউ বুঝতে পারেনি।
** ফেলিক্স রাভেইসন, ''সাজি ফিলোসোফিচি'' (১৯১৭)।
* পাস্কালই একমাত্র মহান গণিতবিদ যিনি লেখক হিসেবেও সমভাবে বিখ্যাত। তার জ্যানসেনবাদী আদর্শের একটি স্থায়ী প্রভাব হলো গণপরিবহন ব্যবস্থা। মৃত্যুর কিছুদিন আগে পাস্কাল বিশ্বে প্রথমবারের মতো ওমনিবাস সার্ভিস চালু হতে দেখেন। প্যারিসের নির্দিষ্ট রুটে ৫ স্যু ভাড়ায় এই কোচগুলো চলত। এই আয়ের লাভ দরিদ্রদের সাহায্যের জন্য দেওয়া হতো।
** জন স্টিলওয়েল, ''ম্যাথমেটিক্স অ্যান্ড ইটস হিস্ট্রি'' (১৯৮৯)।
* জীবন্ত দেহকে একটি যন্ত্র হিসেবে বিবেচনা করা পাস্কালের কাছে অত্যন্ত অগ্রহণযোগ্য ও হাস্যকর মনে হতো।
** [[w:D'Arcy Wentworth Thompson|ডি'আর্সি ওয়েন্টওয়ার্থ থম্পসন]], ''অন গ্রোথ অ্যান্ড ফর্ম'' (১৯১৭)।
* পাস্কালের বিপরীতে আমি বলি: ইব্রাহিম, ইসহাক ও ইয়াকুবের ঈশ্বর এবং দার্শনিকদের ঈশ্বর একই।
** [[পল টিলিচ]], ''বিবলিক্যাল রিলিজিয়ন অ্যান্ড দ্য সার্চ ফর আলটিমেট রিয়েলিটি''।
* পাস্কালের 'থটস' বা 'পঁসে' কোনো সাধারণ বই নয়। এই মহান ব্যক্তি তার শক্তিশালী মনে যখন যা আসত তা-ই কাগজে লিখে রাখতেন। গুরুতর অসুস্থতা তাকে নিষ্ক্রিয় করে দেওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি এটি চালিয়ে গেছেন। পরবর্তীকালে এই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা চিন্তাগুলোকে সুশৃঙ্খল করার জন্য অনেক চেষ্টা করা হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে সাফল্যও মিলেছে। তবে কখনও কখনও লেখকের মূল উদ্দেশ্য ভুলভাবেও ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
** [[আলেকজান্ডার রডলফ ভিনেট]], ''স্টাডিজ অন পাস্কাল'' (১৮৫৯)।
* পাস্কাল ধর্মের পক্ষে বিশেষ কিছুই প্রমাণ করতে পারেননি। বরং তিনি এটিই দেখিয়েছেন যে একজন প্রতিভাবান মানুষও কোনো কোনো বিষয়ে বোকা হতে পারেন। যখন কেউ নিজের কুসংস্কারের কথা শোনার মতো দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন সে শিশুর মতোই আচরণ করে।
** [[ব্যারন ডি'হোলবাখ]], ''গুড সেন্স উইদাউট গড'' (১৭৭২)।
== বহিঃসংযোগ ==
* {{উইকিপিডিয়া-ইনলাইন}}
* {{উইকিসোর্স-লেখক}}
* {{Commonscat-inline}}
* [http://www.gutenberg.org/browse/authors/p#a7913 প্রজেক্ট গুটেনবার্গে ব্লেইজ প্যাস্কেল]
* [http://btr360.com/2015/06/19/124-thoughts-of-blaise-pascal-free-book/ ব্লেইজ প্যাস্কেলের ১২৪টি উক্তি]
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:প্যাস্কেল, ব্লেইজ}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৬২৩-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৬৬২-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রবচনকারক]]
[[বিষয়শ্রেণী:খ্রিস্টীয় ধর্মতাত্ত্বিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:সমালোচক]]
[[বিষয়শ্রেণী:মানবতাবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:আবিষ্কারক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি যুক্তিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি গণিতবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:রহস্যবাদী]]
[[विषয়শ্রেণী:ফরাসি দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:দার্শনিক হতাশাবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি ক্যাথলিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি ধর্মতত্ত্ববিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:অ-কল্পকাহিনী লেখক]]
tasky0afm377w14s32cu0k0bag6fmr9
74088
74080
2026-04-06T11:03:24Z
SMontaha32
3112
74088
wikitext
text/x-wiki
[[File:Blaise Pascal Versailles.JPG|thumb|[[দর্শন|দর্শনের]] গুরুত্ব কমিয়ে দেখা এক ধরনের [[সত্য|প্রকৃত]] দার্শনিকতা।]]
'''ব্লেইজ পাস্কাল''' (১৯ জুন ১৬২৩ – ১৯ আগস্ট ১৬৬২) ছিলেন একজন ফরাসি [[গণিতবিদ]], যুক্তিবিদ, পদার্থবিদ এবং ধর্মতত্ত্ববিদ।
:'''দ্রষ্টব্য: ''[[পঁসে]]'' থেকে নেওয়া সব উক্তি ওই পাতায় পাওয়া যাবে।'''
== উক্তি ==
[[File:Blaise Pascal 2.jpg|thumb|মানুষ সাধারণত প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং যা তাদের কাছে আকর্ষণীয় মনে হয় তার ভিত্তিতেই কোনো কিছু [[বিশ্বাস|বিশ্বাস করে]]।]]
[[File:Blaise_pascal.jpg|thumb|দৃশ্যমান বিষয়ের অস্থিরতা সবসময় আমাদের যুক্তিকে হতাশ করে।]]
[[File:Pascal Pajou Louvre RF2981.jpg|thumb|কোনো কাজ শেষ করার পরপরই তা দেখলে আমরা এতে খুব বেশি মগ্ন থাকি। আবার অনেক পরে দেখলে আমরা এর যোগসূত্র খুঁজে পাই না।]]
* বার্ধক্য যেমন শৈশব থেকে জীবনের সবচেয়ে দূরবর্তী সময়, তেমনি এই বিশ্বজনীন মানুষের ক্ষেত্রেও কি তার জন্মের নিকটবর্তী সময়ের চেয়ে দূরবর্তী সময়ে বার্ধক্য খোঁজা উচিত নয়?
** ''প্রিফেস টু দ্য ট্রিটিজ অন ভ্যাকুয়াম'' (১৬৫১)
* {{anchor|Pascal plus longue}}''আমি এটিকে দীর্ঘতর করেছি কারণ এটি ছোট করার জন্য আমার সময় ছিল না.''
** '''আমি আরও ছোট চিঠি লিখতাম, কিন্তু আমার হাতে পর্যাপ্ত সময় ছিল না।'''
*** ''প্রোভিনশিয়াল লেটার্স'': [https://ebooks.adelaide.edu.au/p/pascal/blaise/p27pr/part17.html ১৬তম চিঠি (৪ ডিসেম্বর ১৬৫৬)]
** আক্ষরিক অর্থ: '''আমি এই চিঠিটি দীর্ঘ করেছি কারণ এটি ছোট করার মতো অবসর আমার ছিল না।'''
** এ ধরনের উক্তি [[মার্ক টোয়েন]], টি. এস. এলিয়ট, সিসেরোসহ অন্যদের নামেও প্রচলিত। তবে ‘কোট ইনভেস্টিগেটর’-এর নিবন্ধ অনুযায়ী পাস্কালের এই উক্তিটিই সম্ভবত মূল উৎস।
* '''মানুষ সাধারণত প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং যা তাদের কাছে আকর্ষণীয় মনে হয় তার ভিত্তিতেই কোনো কিছু বিশ্বাস করে।'''
** ''দ্য আর্ট অব পারসুয়েশন'' (১৬৫৮ সালে লেখা; মরণোত্তর প্রকাশিত)।
* মুহাম্মদ তার শত্রুদের হত্যার মাধ্যমে একটি ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন; অন্যদিকে যিশু খ্রিস্ট তার অনুসারীদের প্রাণ উৎসর্গ করার নির্দেশ দিয়ে ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন।
** [http://books.google.pt/books?id=MGkNAAAAYAAJ&pg=PA202&dq=%22Mahomet+established+a%22&hl=pt-PT&sa=X&ei=oZmPU-fCDemp7Ab7s4HQAg&ved=0CCsQ6AEwAA#v=onepage&q=%22Mahomet%20established%20a%20religion%22&f=false ''থটস অন রিলিজিয়ন অ্যান্ড ফিলোসফি''] (ডব্লিউ. কলিন্স, ১৮৩৮), অধ্যায় ১৬, পৃষ্ঠা ২০২।
** '''আগুন। ইব্রাহিমের ঈশ্বর, ইসহাকের ঈশ্বর, ইয়াকুবের ঈশ্বর; দার্শনিক বা পণ্ডিতদের ঈশ্বর নন। নিশ্চয়তা। নিশ্চয়তা। অনুভূতি। আনন্দ। শান্তি।'''
** পাস্কালের মৃত্যুর পর তার কোটের আস্তরে সেলাই করা একটি চর্মকাগজে এই নোটটি পাওয়া যায়।
* যখন আমি আমার ক্ষণস্থায়ী জীবনের কথা ভাবি যা আগের এবং পরের অনন্তকালের মধ্যে বিলীন, তখন আমার ক্ষুদ্র অস্তিত্ব আমাকে আতঙ্কিত করে। আমি অনন্ত বিশালতার মাঝে এক নগণ্য স্থান জুড়ে আছি যার সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না এবং যা আমার সম্পর্কে কিছুই জানে না। আমি অবাক হই যে কেন আমি অন্য কোথাও না হয়ে এখানে আছি। এখন না হয়ে কেন তখন জন্মাইনি তারও কোনো কারণ নেই। কে আমাকে এখানে পাঠিয়েছেন? কার নির্দেশে এই স্থান ও সময় আমার জন্য নির্ধারিত হয়েছে?
** "মানুষের সীমাবদ্ধতা", ''দ্য থটস অব ব্লেইজ পাস্কাল'' (১৮৮৫)।
* **এই অনন্ত মহাশূন্যের চিরন্তন নিস্তব্ধতা আমাকে আতঙ্কিত করে।**
=== ''ডিসকোর্সেস অন দ্য কন্ডিশন অব দ্য গ্রেট'' ===
* আপনার প্রকৃত অবস্থা বুঝতে এই উদাহরণটি কল্পনা করুন: এক ব্যক্তি ঝড়ের কবলে পড়ে এক অজানা দ্বীপে পৌঁছান। দ্বীপবাসীরা তাদের হারিয়ে যাওয়া রাজাকে খুঁজছিল। ওই ব্যক্তির চেহারা ও গড়ন রাজার মতো হওয়ায় সবাই তাকে রাজা হিসেবে মেনে নেয়।
* তার মনে দুটি ভাবনা কাজ করছিল: একটি হলো রাজার মতো কাজ করা এবং অন্যটি হলো তার আসল অবস্থা সম্পর্কে সচেতন থাকা। সে জানত যে কেবল দুর্ঘটনাবশত সে এই অবস্থায় পৌঁছেছে।
* '''ভাববেন না যে আপনি যে সম্পদের মালিক হয়েছেন তা ওই ব্যক্তির রাজা হওয়ার চেয়ে কম আকস্মিক কিছু।'''
* আইনপ্রণেতারা যদি নিয়ম করতেন যে এই সম্পদ মৃত্যুর পর রাষ্ট্রের কাছে ফিরে যাবে, তবে আপনার অভিযোগ করার কোনো উপায় থাকত না।
* '''প্রাকৃতিক অধিকার নয়, বরং মানবিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই আপনি আপনার সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।'''
* আপনার এই অধিকার কোনো ব্যক্তিগত যোগ্যতা বা গুণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়নি। আপনার আত্মা বা শরীর একজন মাঝির বা একজন সামন্ত প্রভুর হওয়ার ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক কোনো পার্থক্য নেই। কোনো প্রাকৃতিক বন্ধনই এগুলোকে নির্দিষ্ট একটি অবস্থার সাথে আটকে রাখে না।
* '''সামাজিকভাবে পদমর্যাদা অনুযায়ী চললেও মনের ভেতরে আপনার স্বীকার করা উচিত যে আপনি জন্মগতভাবে অন্যদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ নন।'''
* '''জনসাধারণের ভাবনা যদি আপনাকে সাধারণ মানুষের উপরে তুলে ধরে, তবে আপনার ভেতরের ভাবনাটি যেন আপনাকে নম্র রাখে এবং সবার সাথে সমান অবস্থানে ধরে রাখে। এটিই আপনার স্বাভাবিক অবস্থা।'''
* নিজেকে অন্যের চেয়ে উচ্চতর ভেবে ভুল করবেন না।
* জনগণের ভুলে রাজা হওয়া ব্যক্তি যদি নিজের স্বাভাবিক অবস্থা ভুলে নিজেকে যোগ্য ভাবতে শুরু করেন, তবে আপনি তার **নির্বুদ্ধিতা ও মূর্খতা** দেখে অবাক হবেন। কিন্তু নিজেদের স্বাভাবিক অবস্থা ভুলে থাকা উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও কি একই কথা খাটে না?
* **উচ্চবিত্তদের সব বাড়াবাড়ি, সহিংসতা এবং অহংকার আসে নিজেদের পরিচয় সম্পর্কে অজ্ঞতা থেকে।** যারা মনেপ্রাণে নিজেদের সবার সমান মনে করে, তাদের পক্ষে শ্রেষ্ঠত্বের বড়াই করা কঠিন। শ্রেষ্ঠত্বের এই ভ্রম বজায় রাখতে হলে একজনকে নিজের আসল পরিচয় ভুলতে হয়।
* '''আপনি যদি আমার কাছে শ্রদ্ধা আশা করেন, তবে আমাকে আপনার এমন গুণ দেখান যা শ্রদ্ধার যোগ্য। আপনি তা দেখাতে পারলে আমি আপনাকে শ্রদ্ধা করব এবং তা ন্যায়সংগত হবে। কিন্তু আপনি তা না করলে আমার কাছে শ্রদ্ধা দাবি করা আপনার অন্যায় হবে। আপনি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ রাজপুত্র হলেও আপনি তাতে সফল হবেন না।'''
* '''আপনার মতে একজন বড় অভিজাত হওয়ার মানে কী? এর অর্থ হলো মানুষের কাঙ্ক্ষিত অনেক কিছুর মালিক হওয়া এবং অনেকের চাহিদা পূরণ করতে পারা। এই অভাব ও চাহিাই মানুষকে আপনার দিকে টানে এবং আপনার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য করে। এগুলো না থাকলে তারা আপনার দিকে ফিরেও তাকাত না।'''
* **ঈশ্বর ভালোবাসায় পূর্ণ মানুষ দ্বারা পরিবেষ্টিত** যারা তার কাছে ভালোবাসা চায়। তাই তিনি মূলত ভালোবাসার রাজা।
* একইভাবে আপনিও একদল আগ্রহী মানুষ দ্বারা পরিবেষ্টিত। তারা আপনার কাছে তাদের চাহিদা মেটানোর সুযোগ চায়। তাই আপনি মূলত আকাঙ্ক্ষা বা চাহিদার রাজা। **মানুষ যা চায় তার মালিকানাই আপনার ক্ষমতার উৎস।**
* আপনার প্রাকৃতিক শক্তি বা ক্ষমতার কারণে মানুষ আপনার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য হয়নি। তাই শক্তি দিয়ে তাদের শাসন করবেন না বা তাদের সাথে রূঢ় আচরণ করবেন না। **তাদের যুক্তিসঙ্গত চাহিদাগুলো পূরণ করুন।** মানুষের উপকার করার মাধ্যমে আনন্দ খুঁজলে আপনি আকাঙ্ক্ষার প্রকৃত রাজা হতে পারবেন।
* কিছু মানুষ লোভ, নৃশংসতা, সহিংসতা বা ব্যভিচারের মাধ্যমে কত অনর্থকভাবে নিজেকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়! নিজেকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাওয়া সবসময়ই চরম বোকামি। মানুষের উচিত আকাঙ্ক্ষা ও এর রাজত্বকে তুচ্ছ করে সেই ভালোবাসার রাজ্যের আকাঙ্ক্ষা করা, যেখানে সবাই ভালোবাসা ছাড়া আর কিছুই চায় না।
=== ''কনভারসেশন অন এপিকটেটাস অ্যান্ড মনটেইন'' ===
* আমি দেখেছি যে তারা [এপিকটেটাস ও মনটেইন] বিশ্বের দুটি বিখ্যাত মতবাদের শ্রেষ্ঠ রক্ষক এবং যুক্তিপূর্ণ। তাদের দেখানো পথ দুটি হলো: হয় ঈশ্বর আছেন এবং তিনিই পরম কল্যাণ; অথবা তিনি অনিশ্চিত এবং তখন প্রকৃত কল্যাণও অনিশ্চিত।
* আমি যেমন এই গবেষণায় দেখানোর চেষ্টা করেছি, প্রকৃতিতে তার প্রতিটি কাজের মাধ্যমে ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণের চেষ্টার চেয়ে মানুষের মনের সেই চেষ্টাকে বিবেচনা করা অনেক বেশি ন্যায়সংগত।
* এই দুই মতবাদের ভুলের মূল কারণ হলো তারা মানুষের বর্তমান অবস্থা যে সৃষ্টির সময়ের চেয়ে ভিন্ন, তা জানতেন না। এক পক্ষ মানুষের আদি মহত্ত্ব দেখে তার বর্তমান কলুষতা ভুলে প্রকৃতির ওপর অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয়ে **অহংকারের** জন্ম দেয়। অন্য পক্ষ বর্তমান দুর্দশা দেখে আদি মর্যাদা ভুলে হতাশায় ডুবে যায়।
* মানুষের এই দুই অবস্থা—মহত্ত্ব ও দুর্বলতা—একসাথে না জানলে মানুষ হয় অহংকারী নতুবা অলস হয়ে পড়ে। ঐশ্বরিক অনুগ্রহ পাওয়ার আগে সব মানুষই এই দুই দোষের শিকার হয়।
* **একজন মানুষের কর্তব্য জানলেও তার অক্ষমতা সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় সে উদ্ধত হয়। অন্যজন অক্ষমতা জানলেও কর্তব্য সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় অলস হয়ে পড়ে। সুসমাচারের সত্য এই দুই বৈপরীত্যের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করে। এটি সত্যকে গ্রহণ করে এবং মিথ্যাকে বর্জন করে এক স্বর্গীয় প্রজ্ঞা তৈরি করে।**
* জগতের দার্শনিকরা একই বিষয়ের মধ্যে বৈপরীত্য খোঁজেন। অন্যদিকে বিশ্বাস আমাদের শেখায় বৈপরীত্যগুলোকে ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ের ওপর স্থাপন করতে। মানুষের সব দুর্বলতা তার প্রকৃতির অংশ এবং সব শক্তি ঐশ্বরিক অনুগ্রহের দান। এটিই সেই বিস্ময়কর ও নতুন মিলন যা কেবল ঈশ্বরই শেখাতে পারেন।
=== ''অন দ্য স্পিরিট অব জিওমেট্রি'' ===
* সরাসরি সত্যের মালিক হওয়ার বিশ্বাস মানুষের এক স্বাভাবিক মানসিক ব্যাধি।
*** ১ম বিভাগ
=== ''দ্য আর্ট অব পারসুয়েশন'' ===
* মতবাদগুলো আত্মার দুটি প্রধান ক্ষমতার মাধ্যমে গৃহীত হয়: বুদ্ধি এবং ইচ্ছা।
* **মানুষ প্রমাণের চেয়ে আকর্ষণের মাধ্যমে বিশ্বাস করতে বেশি পছন্দ করে।** এটি একটি নীচ ও অপ্রাসঙ্গিক পথ, তাই সবাই একে অস্বীকার করে। প্রত্যেকেই দাবি করে যে সে যা জানে কেবল তা-ই বিশ্বাস ও ভালোবাসা করে।
* আমি এখানে ঐশ্বরিক সত্যের কথা বলছি না কারণ তা প্রকৃতির ঊর্ধ্বে। **কেবল ঈশ্বরই আত্মায় সেই সত্য স্থাপন করতে পারেন।** তিনি চেয়েছেন সেই সত্য যেন মন থেকে হৃদয়ে না এসে বরং হৃদয় থেকে মনে প্রবেশ করে। এটি মানুষের অহংকারী যুক্তিকে দমন করে এবং কলুষিত ইচ্ছাকে এটি পরিশোধিত করে।
* '''পার্থিব জিনিসের ক্ষেত্রে আমরা বলি যে কোনো কিছু ভালোবাসার আগে তা জানতে হয়। অন্যদিকে পবিত্র জিনিসের ক্ষেত্রে মহাত্মারা বলেন যে কোনো কিছু জানার আগে তাকে ভালোবাসতে হয়। কেবল ভালোবাসার মাধ্যমেই আমরা সত্যে প্রবেশ করতে পারি।'''
* তারা [মানুষ] ঐশ্বরিক নিয়মকে কলুষিত করেছে। কারণ মানুষ সাধারণত যা তাকে আনন্দ দেয় তা ছাড়া অন্য কিছু খুব কমই বিশ্বাস করে।
* ঈশ্বর মানুষের বুদ্ধিতে তখনই আলো দান করেন যখন তিনি মানুষের জেদি ইচ্ছাকে স্বর্গীয় নম্রতা দিয়ে জয় করেন।
* মন এবং হৃদয় হলো সত্য প্রবেশের দুটি পথ। তবে বুদ্ধির চেয়ে ইচ্ছার খামখেয়ালিপনায় অনেক বেশি সত্য (বা মিথ্যা) আত্মায় প্রবেশ করে।
* বেশ কিছু বিশেষ নীতি সত্যের মতোই জোরালোভাবে মানুষকে বিশ্বাসের দিকে টানে, যদিও সেগুলো আসলে মিথ্যা।
* কোনো বিষয় তাকে পরম আনন্দের দিকে নিয়ে যেতে পারে— আত্মা এটি বুঝতে পারার সাথে সাথেই তা সানন্দে গ্রহণ করে।
* **সত্য ও আনন্দের** মধ্যে যখন দ্বন্দ্ব বাধে, তখন জয়-পরাজয় অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এটি বোঝার জন্য মানুষের অন্তরের গহীন খবর জানা প্রয়োজন যা মানুষ নিজেও সবসময় জানে না।
* **কাউকে রাজি করাতে হলে ওই ব্যক্তির মন এবং হৃদয় সম্পর্কে জানা জরুরি।** তার মূলনীতিগুলো কী এবং সে কী ভালোবাসে তা বুঝতে হবে।
* **প্ররোচনা বা প্রবোধ দেওয়ার শিল্প যতটা না বোঝানোর, তার চেয়ে বেশি তুষ্ট করার। কারণ মানুষ যুক্তির চেয়ে খামখেয়ালিপনা দ্বারা বেশি পরিচালিত হয়!**
* আনন্দের উৎসগুলো স্থির নয়। প্রতিটি মানুষের ক্ষেত্রে এগুলো ভিন্ন এবং সময়ে সময়ে পরিবর্তনশীল। একজন মানুষ ভিন্ন সময়ে নিজের চেয়েও অনেক বেশি আলাদা হয়ে যায়।
* এমন কোনো সত্য নেই যা নিয়ে আমরা সবসময় একমত থাকি। আবার আমাদের আনন্দের বিষয়গুলোও প্রতি ঘণ্টায় বদলে যায়। মানুষের খামখেয়ালিপনা অনুযায়ী কথা বলার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম আছে কি না আমি জানি না।
* **প্রমাণ বা যুক্তির নিখুঁত পদ্ধতি তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত:** স্পষ্ট সংজ্ঞার মাধ্যমে পদের ব্যাখ্যা দেওয়া, প্রমাণিত নীতি বা স্বতঃসিদ্ধ প্রস্তাব করা এবং প্রমাণের সময় পদের বদলে সবসময় তার সংজ্ঞা ব্যবহার করা।
* যদি ভিত্তি মজবুত না হয়, তবে অট্টালিকাও নিরাপদ হয় না।
* সংজ্ঞায়ন, স্বতঃসিদ্ধ সত্য এবং প্রমাণের নিখুঁত পদ্ধতির জন্য জ্যামিতিক প্রমাণের কিছু নিয়মই যথেষ্ট।
* **সংজ্ঞায়নের নিয়ম:** ১. কোনো সুপরিচিত বিষয়কে সংজ্ঞায়িত করতে যাবেন না যা ব্যাখ্যা করার জন্য আরও স্পষ্ট শব্দ নেই। ২. অস্পষ্ট বা দ্ব্যর্থবোধক কোনো শব্দকে সংজ্ঞা ছাড়া রাখবেন না। ৩. সংজ্ঞায় কেবল পরিচিত বা আগে ব্যাখ্যা করা হয়েছে এমন শব্দই ব্যবহার করবেন।
* **স্বতঃসিদ্ধ সত্যের নিয়ম:** ১. প্রয়োজনীয় কোনো নীতি বা বিষয় যত স্পষ্টই হোক না কেন, তা জিজ্ঞাসা করা থেকে বিরত থাকবেন না। ২. কেবল নিজের মধ্যে স্পষ্ট বিষয়গুলোই স্বতঃসিদ্ধ হিসেবে দাবি করবেন।
* **প্রমাণের নিয়ম:** ১. খুব বেশি স্পষ্ট কোনো বিষয় প্রমাণ করতে যাবেন না যা প্রমাণ করার মতো সহজ কিছু আর নেই। ২. সব অস্পষ্ট প্রস্তাবনা প্রমাণ করুন এবং প্রমাণের ক্ষেত্রে কেবল খুব স্পষ্ট স্বতঃসিদ্ধ বা আগে প্রমাণিত প্রস্তাবনা ব্যবহার করুন। ৩. দ্ব্যর্থতা এড়াতে প্রমাণের সময় মানসিক ভাবে পদের জায়গায় তার সংজ্ঞা বসান।
* ওপরের আটটি নিয়ম যে কোনো মজবুত প্রমাণের জন্য যথেষ্ট। এর মধ্যে পাঁচটি নিয়ম অপরিহার্য যা ছাড়া কোনো প্রমাণ সম্পন্ন করা সম্ভব নয়।
* নিয়মের অভাব বা কঠিন অনুশীলনের কারণে এগুলো অনেকের কাছেই অপরিচিত।
* **এই নিয়মগুলো খুব সাধারণ— এমন আপত্তির বিপরীতে আমার কথা হলো:** জ্যামিতিবিদরা ছাড়া পুরো জাতির মধ্যে খুব কম মানুষই এই নিয়মগুলো জানে।
* যারা এই নিয়মগুলো আয়ত্ত করেছেন, তারা বুঝতে পারবেন যে সাধারণ যুক্তিবিদরা যা লিখেছেন তার সাথে এর পার্থক্য কতটা বিশাল।
* একই কথা যারা বলেন, তারা সবাই বিষয়টিকে একইভাবে ধারণ করেন না। একজন মানুষের সামর্থ্য কেবল তার একটি ভালো উক্তি শুনে বিচার করা উচিত নয়। আমাদের উচিত তার মনের গভীরে প্রবেশ করা। অনেক সময় দেখা যায় সে নিজেই তার ওই ভালো চিন্তাটি বিশ্বাস করে না এবং কোনো তুচ্ছ বিষয়ের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
* **'বস্তু প্রাকৃতিকভাবেই চিন্তায় অক্ষম'** এবং **'আমি চিন্তা করি, তাই আমি আছি'**— রেনে দেকার্ত এবং সেন্ট অগাস্টিনের কাছে কি এই নীতি দুটি আসলে একই ছিল? অগাস্টিন বারোশ বছর আগেই একই কথা বলেছিলেন। আমি বলছি না দেকার্ত এর রচয়িতা নন। তবে কেবল কোনো কথা বলা এবং সেই কথা থেকে চমৎকার সব সিদ্ধান্ত বের করে একটি পূর্ণাঙ্গ আধিভৌতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার মধ্যে বিশাল পার্থক্য আছে।
* কোনো এক ব্যক্তি নিজের অজান্তেই একটি চমৎকার কথা বলতে পারেন। কিন্তু অন্য কেউ হয়তো সেই একই কথার মধ্যে অসামান্য সব সিদ্ধান্তের সমাহার খুঁজে পান। ফলস্বরূপ উক্তিটি আর আগের মতো থাকে না। কোনো উক্তি যেখান থেকে শেখা হয়েছে তার প্রতি ঋণ ঠিক ততটুকুই, যতটুকু একটি সুন্দর গাছ সেই ব্যক্তির প্রতি ঋণী যে অনিচ্ছাকৃত ভাবে উর্বর মাটিতে বীজ ফেলেছিল।
* **যুক্তিবিদ্যা হয়তো জ্যামিতির নিয়মগুলো ধার করেছে কিন্তু সেগুলোর শক্তি বুঝতে পারেনি।** এই বিজ্ঞানই যুক্তি পরিচালনার সঠিক পদ্ধতি শেখায়।
* **ভুল না করার পদ্ধতি সবাই খোঁজে।** যুক্তিবিদরা পথ দেখানোর দাবি করেন কিন্তু কেবল জ্যামিতিবিদরাই তা অর্জন করতে পারেন। বিজ্ঞান এবং এর অনুসরণ ছাড়া আর কোনো প্রকৃত প্রমাণ নেই।
* **ভালো জিনিস সবখানেই আছে, কেবল সেগুলো বেছে নেওয়া প্রয়োজন।** এটি নিশ্চিত যে সেগুলো প্রাকৃতিক এবং সবার নাগালের মধ্যেই থাকে।
* **শ্রেষ্ঠত্ব কোনো অসাধারণ বা কাল্পনিক জিনিসের মধ্যে নেই।** একে পেতে হলে আমাদের অনেক সময় নিচু হতে হয়।
* শ্রেষ্ঠ বই সেগুলোই যা পড়ার পর পাঠকের মনে হয় তিনি নিজেও তা লিখতে পারতেন।
* **প্রকৃতিই একমাত্র ভালো যা সবার কাছে পরিচিত এবং সাধারণ।**
* আমি নিশ্চিত যে এই নিয়মগুলো সহজ, কৃত্রিমতাহীন এবং স্বাভাবিক।
* মনকে জোর করা উচিত নয়। কৃত্রিম আচরণ সলিড খাবারের বদলে মনকে কেবল অন্তঃসারশূন্য অহংকারে পূর্ণ করে।
* **মানুষের একটি প্রধান ভুল হলো তারা মনে করে ভালো জিনিসগুলো দুর্লভ এবং উঁচু স্তরের। তারা এগুলোকে 'মহান, উচ্চ বা মহৎ' নাম দেয়। আমি এগুলোকে 'সাধারণ ও পরিচিত' বলতে পছন্দ করি।** কারণ এই নামগুলোই বেশি মানানসই। আমি আড়ম্বরপূর্ণ শব্দ অপছন্দ করি।
== পাস্কাল সম্পর্কে উক্তি ==
* {{w|Lettres provinciales|''প্রোভিনশিয়াল লেটার্স''}} এবং ছোটখাটো ধর্মীয় রচনাগুলো লেখার পরের বছরগুলোতে পাস্কাল খ্রিস্টধর্মের প্রসারে নিজের জীবন উৎসর্গ করতে শুরু করেন। এই কার্যক্রমের মূলে ছিল তার বিখ্যাত কাজ [[পঁসে|''পঁসে'' ]]। এটি মূলত ১৬৫৭ থেকে ১৬৫৮ সালের দিকে লেখা। অনেক সমালোচকের মতে, এটি অজ্ঞেয়বাদী ও নাস্তিকদের ধর্মীয় বিশ্বাসে ফিরিয়ে আনার সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী প্রচেষ্টাগুলোর একটি। তবে এটি মূলত একটি অসমাপ্ত কাজ।
** {{w|ডোনাল্ড অ্যাডামসন}}, ''ব্লেইজ পাস্কাল: গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং ঈশ্বর চিন্তক'' (১৯৯৪)।
* আমি খুব ভাগ্যবান ছিলাম। শৈশবে কৌতূহলী হওয়ার পাশাপাশি আমি কিছুটা শারীরিক প্রতিবন্ধকতার শিকার ছিলাম। তাই হাতের কাছে যা পেতাম তা-ই পড়তাম। আমার স্মরণশক্তি এবং কাজ করার শক্তিও প্রচুর। এটি একটি আশীর্বাদ। আমি এখনও নতুন কিছু শেখার জন্য তৃষ্ণার্ত। সব তরুণের মধ্যে এই গুণ থাকে না। তাদের অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া উচিত এবং মানবজাতির মহান চিন্তাগুলোর সাথে পরিচিত হওয়া উচিত। প্রত্যেকেরই ভাবা উচিত— "আমি কেন এখানে? এই পৃথিবীতে আমার কাজ কী?" অ্যারিস্টটল এবং প্লেটোকে জানা খুব জরুরি। জীবনকে সহজ করতে হলে লিওপোল্ড এবং পাস্কালকে জানা একান্ত প্রয়োজন।
** মায়া অ্যাঞ্জেলের সাথে কথোপকথন (১৯৮৯), ১৯৮৬ সালের সাক্ষাৎকার।
* এটি তাৎপর্যপূর্ণ যে আমরা ব্লেইজ পাস্কালের মেধার মাধ্যমেই ''পুনরাবৃত্তি নীতি''-র প্রথম সুষ্পষ্ট ধারণা পাই। ১৬৫৪ সালে প্রকাশিত ''দ্য অ্যারিথমেটিক ট্রায়াঙ্গেল'' নামক একটি গবেষণাপত্রে তিনি এই নীতি ব্যাখ্যা করেন। পাস্কাল ও [[পিয়ের দ্য ফের্মা|ফের্মার]] মধ্যে জুয়া খেলার সমস্যা নিয়ে আদান-প্রদান করা চিঠিপত্রেই এই কাজের মূল নির্যাস ছিল। এই যোগাযোগ থেকেই আধুনিক সম্ভাবনা তত্ত্ব গড়ে উঠেছে। এটি বিস্ময়কর যে বিশুদ্ধ গণিতের ভিত্তি এবং সব ডিডাক্টিভ বিজ্ঞানের মূল আধার এই তত্ত্ব দুটি জুয়াড়িদের একটি অসমাপ্ত খেলার বাজি ভাগ করার কৌশল খুঁজতে গিয়ে আবিষ্কৃত হয়েছিল।
** [[টোবিয়াস ড্যান্টজিগ]], ''নাম্বার: দ্য ল্যাঙ্গুয়েজ অব সায়েন্স'' (১৯৩০)।
* একটি কার্যকর ধর্ম সম্পর্কে পাস্কাল যা বলেছিলেন তা যেকোনো কার্যকর মতবাদের ক্ষেত্রেই সত্য: একে অবশ্যই "প্রকৃতি, সাধারণ জ্ঞান এবং আনন্দের প্রতিকূলে" হতে হবে।
** [[এরিক হোফার]], ''দ্য ট্রু বিলিভার'' (১৯৫১)।
* মানুষ অসীমভাবে মানুষকে ছাড়িয়ে যায়।
** [[পোপ পল ষষ্ঠ]], ''এনসাইক্লিক্যাল পপুলোরাম প্রগ্রেসীয়'' (১৯৬৭)।
* পাস্কাল অবজ্ঞার সাথে বলেছিলেন যে সাধারণ শ্রমিকরা তথাকথিত 'দার্শনিকদের' ভুল ধরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। মূলত এই অশিক্ষিত মানুষরাই 'নিজেদের চোখে দেখা এবং হাতে স্পর্শ করা' বিষয়গুলো বিশ্বাস করতে বেশি প্রস্তুত ছিল।
** [[রেইজার হুইকাস]], ''রিলিজিয়ন অ্যান্ড দ্য রাইজ অব মডার্ন সায়েন্স'' (২০০০)।
* দর্শনচর্চা মানেই হলো মানুষের গুরুত্ব এবং তার মর্যাদাকে পুনপ্রতিষ্ঠা করা। সক্রেটিসের অন্বেষণ এবং বিজ্ঞানের কার্তেসীয় বিপ্লবের মুখে পাস্কালের উদ্বেগের মূল অর্থ ছিল এটাই। এই বিচারে পাস্কাল [[সক্রেটিস|সক্রেটিসের]] চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ একজন দার্শনিক। বিজ্ঞান মানুষকে সৃষ্টির সেরা জীব থেকে সরিয়ে দেওয়ার যে দাবি করেছিল, পাস্কালই প্রথম তার তীব্র প্রতিবাদ জানান। কেন বিজ্ঞান মানুষের হৃদয়ে আনন্দ দিতে বা জীবনের অর্থ খুঁজে পেতে ব্যর্থ, তা পাস্কালের চেয়ে ভালো কেউ প্রমাণ করতে পারেনি।
** [[থমাস মোলনার]], ''দ্য ডিক্লাইন অব দ্য ইন্টেলেকচুয়াল'' (১৯৬১)।
* পাস্কাল কোনো কূপমণ্ডূক ছিলেন না। তবে তিনি পরিমাপ করেছিলেন যে বিজ্ঞান মানুষের ভাগ্যের সমস্যার ক্ষেত্রে কতটা অপ্রাসঙ্গিক হতে পারে। বিজ্ঞান মানুষের অভিজ্ঞতার সীমাবদ্ধতা ও অপূর্ণতাকে উপেক্ষা করে যে সত্যের দাবি করে, তা বাস্তবসম্মত নয়। বরং আমাদের সহজাত সামর্থ্যগুলোই অস্তিত্বের লড়াইয়ে টিকে থাকার একমাত্র ও অপরিহার্য হাতিয়ার।
** থমাস মোলনার, ''দ্য ডিক্লাইন অব দ্য ইন্টেলেকচুয়াল'' (১৯৬১)।
* পাস্কাল হলেন দেকার্তের একজন বিচক্ষণ সমালোচক। তিনি দেকার্তের সবকিছুর বিরোধিতা না করলেও মৌলিক কিছু পয়েন্টে দ্বিমত পোষণ করেছেন। প্রথমত, তিনি বুঝেছিলেন যে দেকার্তের নিশ্চিত জ্ঞানের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি ভ্রান্ত মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে। দেকার্ত এমন কিছু দিয়ে শুরু করতে চেয়েছিলেন যা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই, যার ফলে তিনি বিশ্বাস করতেন সব প্রকৃত জ্ঞানই প্রযুক্তিগত। পাস্কাল তার সম্ভাব্যতা তত্ত্বের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত এড়িয়ে গেছেন। দ্বিতীয়ত, পাস্কাল উপলব্ধি করেছিলেন যে যেকোনো বাস্তব কাজে কার্তেসীয় যুক্তিই একমাত্র উৎস নয়। মানুষের মন কোনো সচেতন বা সূত্রবদ্ধ কৌশলের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল নয়। অনেক সময় মন কোনো কৌশল ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে কাজ করে। অনুসন্ধানের নিয়মগুলো অতিরিক্ত সুনির্দিষ্ট করতে গিয়ে পদ্ধতির ওপর গুরুত্ব দিলে প্রকৃত অনুসন্ধান বাধাগ্রস্ত হয়। আধুনিক দর্শনের ইতিহাসের বড় একটি অংশ এই প্রশ্নকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে।
** [[মাইকেল ওকশট]], ''র্যাশনালিজম ইন পলিটিক্স অ্যান্ড আদার এসেস'' (১৯৬২)।
* পাস্কালের 'পঁসে' থেকে কিছু অংশ বেছে নিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়েছে যে তিনি বিশ্বাসের কাছে যুক্তিকে বিসর্জন দিয়ে দর্শনের সম্ভাবনা অস্বীকার করেছেন। আমি দেখাতে চাই যে পাস্কাল সংশয়বাদী ছিলেন না। তার এই কাজে স্পিনোজা বা লাইবনিজের মতো বিস্তারিত কোনো সিস্টেম না থাকলেও একটি প্রকৃত দর্শনের মূলনীতিগুলো বিদ্যমান। এই ধারণাগুলো পাস্কালের বিশ্বাসের সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। খ্রিস্টধর্ম এবং দর্শনের উচ্চতর দিকগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্য এর চেয়ে ভালো পথ আর নেই।
** ফেলিক্স রাভেইসন, ''সাজি ফিলোসোফিচি'' (১৯১৭)।
* পাস্কাল গণিতের বিষয়বস্তুর সাথে অন্যান্য বিষয়ের পার্থক্য ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি বিষয়গুলোকে কোনো সাধারণ নামে না ডেকে বরং বর্ণনা করেছেন। তার সময়ের ভাষায় বললে এগুলো ছিল নান্দনিক ও নৈতিক প্রকৃতির। মনের যে অনুষদগুলো এই দুই ধরনের বিষয়ের সাথে যুক্ত, তিনি সেগুলোর বৈশিষ্ট্যও তুলে ধরেছেন। বস্তু ও আত্মার পার্থক্যের মতো এই দুই জগতের তফাত পাস্কালের চেয়ে স্পষ্ট করে আর কেউ বুঝতে পারেনি।
** ফেলিক্স রাভেইসন, ''সাজি ফিলোসোফিচি'' (১৯১৭)।
* পাস্কালই একমাত্র মহান গণিতবিদ যিনি লেখক হিসেবেও সমভাবে বিখ্যাত। তার জ্যানসেনবাদী আদর্শের একটি স্থায়ী প্রভাব হলো গণপরিবহন ব্যবস্থা। মৃত্যুর কিছুদিন আগে পাস্কাল বিশ্বে প্রথমবারের মতো ওমনিবাস সার্ভিস চালু হতে দেখেন। প্যারিসের নির্দিষ্ট রুটে ৫ স্যু ভাড়ায় এই কোচগুলো চলত। এই আয়ের লাভ দরিদ্রদের সাহায্যের জন্য দেওয়া হতো।
** জন স্টিলওয়েল, ''ম্যাথমেটিক্স অ্যান্ড ইটস হিস্ট্রি'' (১৯৮৯)।
* জীবন্ত দেহকে একটি যন্ত্র হিসেবে বিবেচনা করা পাস্কালের কাছে অত্যন্ত অগ্রহণযোগ্য ও হাস্যকর মনে হতো।
** [[w:D'Arcy Wentworth Thompson|ডি'আর্সি ওয়েন্টওয়ার্থ থম্পসন]], ''অন গ্রোথ অ্যান্ড ফর্ম'' (১৯১৭)।
* পাস্কালের বিপরীতে আমি বলি: ইব্রাহিম, ইসহাক ও ইয়াকুবের ঈশ্বর এবং দার্শনিকদের ঈশ্বর একই।
** [[পল টিলিচ]], ''বিবলিক্যাল রিলিজিয়ন অ্যান্ড দ্য সার্চ ফর আলটিমেট রিয়েলিটি''।
* পাস্কালের 'থটস' বা 'পঁসে' কোনো সাধারণ বই নয়। এই মহান ব্যক্তি তার শক্তিশালী মনে যখন যা আসত তা-ই কাগজে লিখে রাখতেন। গুরুতর অসুস্থতা তাকে নিষ্ক্রিয় করে দেওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি এটি চালিয়ে গেছেন। পরবর্তীকালে এই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা চিন্তাগুলোকে সুশৃঙ্খল করার জন্য অনেক চেষ্টা করা হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে সাফল্যও মিলেছে। তবে কখনও কখনও লেখকের মূল উদ্দেশ্য ভুলভাবেও ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
** [[আলেকজান্ডার রডলফ ভিনেট]], ''স্টাডিজ অন পাস্কাল'' (১৮৫৯)।
* পাস্কাল ধর্মের পক্ষে বিশেষ কিছুই প্রমাণ করতে পারেননি। বরং তিনি এটিই দেখিয়েছেন যে একজন প্রতিভাবান মানুষও কোনো কোনো বিষয়ে বোকা হতে পারেন। যখন কেউ নিজের কুসংস্কারের কথা শোনার মতো দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন সে শিশুর মতোই আচরণ করে।
** [[ব্যারন ডি'হোলবাখ]], ''গুড সেন্স উইদাউট গড'' (১৭৭২)।
== বহিঃসংযোগ ==
* {{উইকিপিডিয়া-ইনলাইন}}
* {{উইকিসোর্স-লেখক}}
* {{Commonscat-inline}}
* [http://www.gutenberg.org/browse/authors/p#a7913 প্রজেক্ট গুটেনবার্গে ব্লেইজ প্যাস্কেল]
* [http://btr360.com/2015/06/19/124-thoughts-of-blaise-pascal-free-book/ ব্লেইজ প্যাস্কেলের ১২৪টি উক্তি]
{{পূর্বনির্ধারিত বাছাই:প্যাস্কেল, ব্লেইজ}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৬২৩-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৬৬২-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রবচনকারক]]
[[বিষয়শ্রেণী:খ্রিস্টীয় ধর্মতাত্ত্বিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:সমালোচক]]
[[বিষয়শ্রেণী:মানবতাবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:আবিষ্কারক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি যুক্তিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি গণিতবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:রহস্যবাদী]]
[[विषয়শ্রেণী:ফরাসি দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:দার্শনিক হতাশাবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি ক্যাথলিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি ধর্মতত্ত্ববিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:অ-কল্পকাহিনী লেখক]]
ocihtilbz5mwizo7qyjyvjoisbfmsvy
নাগিব মাহফুজ
0
12091
74082
2026-04-06T09:42:53Z
Firuz Ahmmed
2720
"'''নাগিব মাহফুজ''' (আরবি: نجيب محفوظ Nagīb Maḥfūẓ, IPA: [næˈɡiːb mɑħˈfuːzˤ], ১১ ডিসেম্বর ১৯১১ – ৩০ আগস্ট ২০০৬) একজন মিশরীয় লেখক, যিনি ১৯৮৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।" দিয়ে পাতা তৈরি
74082
wikitext
text/x-wiki
'''নাগিব মাহফুজ''' (আরবি: نجيب محفوظ Nagīb Maḥfūẓ, IPA: [næˈɡiːb mɑħˈfuːzˤ], ১১ ডিসেম্বর ১৯১১ – ৩০ আগস্ট ২০০৬) একজন মিশরীয় লেখক, যিনি ১৯৮৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
blvc35lwfsv08jmty11e5vc7jpwo40d