উইকিউক্তি
bnwikiquote
https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE
MediaWiki 1.46.0-wmf.23
first-letter
মিডিয়া
বিশেষ
আলাপ
ব্যবহারকারী
ব্যবহারকারী আলাপ
উইকিউক্তি
উইকিউক্তি আলোচনা
চিত্র
চিত্র আলোচনা
মিডিয়াউইকি
মিডিয়াউইকি আলোচনা
টেমপ্লেট
টেমপ্লেট আলোচনা
সাহায্য
সাহায্য আলোচনা
বিষয়শ্রেণী
বিষয়শ্রেণী আলোচনা
TimedText
TimedText talk
মডিউল
মডিউল আলাপ
Event
Event talk
ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya
3
5
75382
19333
2026-04-10T14:11:48Z
Sumanta3023
4175
/* পর্যালোচনা */ নতুন অনুচ্ছেদ
75382
wikitext
text/x-wiki
{{টেমপ্লেট:স্বাগত}}
== এডিট করতে পারতেছি না ==
উইকিউক্তিতে এডিট করতে পারতেছি না। এডিট আইকনে ক্লিক করলেই "Error contacting the Parsoid/RESTBase server (HTTP 404): (no message)" এই লেখা নিচে আসতেছে। আলাপ পাতায় ঠিকই আবার কাজ করতেছে। এমন কেন হচ্ছে? —[[ব্যবহারকারী:Shah Emtiaj|Shah Emtiaj]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Shah Emtiaj|আলাপ]]) ১৪:০১, ১০ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি)
:এখন সম্ভবত পারছেন। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১৫:০৩, ১০ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Yahya|ইয়াহইয়া]], জি ভাই এখন করতে পারতেছি। ধন্যবাদ। '''—''' [[ব্যবহারকারী:Shah Emtiaj|<span style="color:#ffffff;background:#4d90b6;border-radius:9em 0 0 9em;padding:2px 4px 2px 6px;">শাহ ইমতিয়াজ</span>]][[ব্যবহারকারী আলাপ:Shah Emtiaj|<span style="color:#ffffff;background:#4db6ac;padding:2px 8px 2px 8px;">☎</span>]][[বিশেষ:অবদান/Shah Emtiaj|<span style="color:#ffffff;background:#1db1ac;border-radius:0 9px 9px 0;padding:2px 4px 2px 4px;">📝</span>]] ০৩:১৬, ১২ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি)
== পুনর্নির্দেশ.js ==
পুনর্নির্দেশ.js এর সারাংশতে [[:w:bn:ব্যবহারকারী:ইয়াহিয়া/পুনর্নির্দেশক.js]] লিখুন। —[[ব্যবহারকারী:MdaNoman|MdaNoman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdaNoman|আলাপ]]) ০১:৫৪, ১২ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি)
== [[মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী]] নিবন্ধটি সম্পর্কে ==
[[File:Usermsg.svg|25px|alt=|link=]] সুপ্রিয় Yahya, আমি [[ব্যবহারকারী:Md.Farhan Mahmud|Md.Farhan Mahmud]]। উইকিউক্তিতে [[বিশেষ:অবদান/Yahya|আপনার অবদানের]] জন্য ধন্যবাদ। আপনি ১২ জানুয়ারি, ২০২২ তারিখে অর্থাৎ এই বার্তা প্রদানের '''<span style="color:red">৩১৮ দিন পূর্বে </span>''' '''মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী''' নিবন্ধটি তৈরি করেছেন। যদিও উইকিউক্তিতে যে কেউই সম্পাদনা করতে পারে, কিন্তু উইকিউক্তিতে গঠনমূলক সম্পাদনার করার জন্য একটি নীতিমালা রয়েছে। <!--আমাদের [[উইকিপিডিয়া:স্বাগতম, নবাগত|স্বাগত পাতায়]] এই নীতিমালার বিস্তারিত ব্যখ্যা রয়েছে।--> নীতিমালা অনুসারে, আপনার তৈরি করা [[মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী|নিবন্ধটিতে]] একটি সমস্যা পরিলক্ষিত হয়েছে। সমস্যাটি হলো:
# নিবন্ধটিতে কোন [[উইকিউক্তি:যাচাইযোগ্যতা|উৎস বা তথ্যসূত্র]] [[উইকিউক্তি:উৎসনির্দেশ|উদ্ধৃত]] নেই
'''আপনি যা করতে পারেন:'''
#[[উইকিউক্তি:নির্ভরযোগ্য উৎস|নির্ভরযোগ্য উৎস]] থেকে [[উইকিউক্তি:যাচাইযোগ্যতা|তথ্যসূত্র প্রদান করে]] এই নিবন্ধটির মানোন্নয়ন করুন। তা নাহলে নিবন্ধটি অপসারণ করা হতে পারে
এ সম্পর্কে আপনার মতামত বা পরামর্শ জানাতে [[ব্যবহারকারী:Md.Farhan Mahmud|আমার আলাপ]] পাতায় বার্তা দিতে পারেন। উইকিউক্তিতে আপনার যাত্রা শুভ হোক। ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৪:১৩, ২৬ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি)
== [[:দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী]] নিবন্ধের [[উইকিউক্তি:দ্রুত অপসারণ নীতিমালা|দ্রুত অপসারণ]] প্রস্তাবনা ==
[[চিত্র:Ambox warning pn.svg|48px|left|alt=|link=]] আপনি ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ তারিখে অর্থাৎ অপসারণ প্রস্তাবনা দেওয়ার '''<span style="color:orange">৭ দিন পূর্বে </span>''' '''দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী''' নিবন্ধটি তৈরি করেছেন। নিবন্ধটি উইকিউক্তির দ্রুত অপসারণের বিচারধারা অনুসারে দ্রুত অপসারণ যোগ্য। কারণ:
<center>'''পাতাটিতে কোনো উক্তি নেই'''</center>
আপনি যদি মনে করেন যে এই কারণে পাতাটি অপসারণ করা উচিত নয়, তবে এই অপসারণে আপত্তি জানাতে [[:দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী|নিবন্ধটিতে গিয়ে]] '''অপসারণে আপত্তি জানান''' লেখার উপর ক্লিক করুন ও সেখানে কারণ ব্যাখ্যা করুন কেন নিবন্ধটি অপসারণ করা উচিত নয়। মনে রাখবেন, কোন নিবন্ধে অপসারণ ট্যাগ করা হলে এবং যদি নিবন্ধটি অপসারণের বিচারাধারার সাথে মিলে যায় তবে কোনও দেরি না করে নিবন্ধটি অপসারণ করা হয়। অনুগ্রহপূর্বক আপনার নিজের তৈরি করা নিবন্ধ থেকে এই বিজ্ঞপ্তিটি সরিয়ে ফেলবেন না, তবে আমরা আপনাকে নিবন্ধটি সম্প্রসারণ করতে উৎসাহিত করছি। আরও মনে রাখবেন যে, নিবন্ধের বিষয় অবশ্যই [[উইকিউক্তি:উল্লেখযোগ্যতা|উল্লেখযোগ্য]] হতে হবে এবং [[উইকিউক্তি:নির্ভরযোগ্য উৎস|নির্ভরযোগ্য উৎস]] থেকে তথ্যসূত্রগুলো [[উইকিউক্তি:যাচাইযোগ্যতা|যাচাইযোগ্য]] হওয়া উচিত। যদি ইতিমধ্যে নিবন্ধটি অপসারিত হয়ে থাকে এবং আপনি ভবিষ্যতে এটির উন্নতি করতে এর বিষয়বস্তু ফেরত পেতে চান, তবে দয়া করে যে প্রশাসক এটি অপসারণ করেছেন তার সাথে যোগাযোগ করুন বা [[উইকিউক্তি:প্রশাসকদের আলোচনাসভা|প্রশাসকদের আলোচনাসভায়]] আবেদন করুন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৮:০২, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ (ইউটিসি)
== পর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] নমস্কার
আমি [[ব্রায়ান গ্রিন]] পাতাকে সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনার জন্য অনুরোধ রইল।
আরো যদি কোন ত্রুটি থেকে থাকে যদি উল্লেখ করে বলে দেন কোন জায়গায় আছে তাহলে সংশোধন করতে সুবিধা হয়।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৪:১১, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
cah9wks067x3unol6ujzxz1g1enqvh6
75687
75382
2026-04-11T11:49:48Z
Anaf Ibn Shahibul
4193
/* আলাপ পাতায় বিরুপ মন্তব্য */ নতুন অনুচ্ছেদ
75687
wikitext
text/x-wiki
{{টেমপ্লেট:স্বাগত}}
== এডিট করতে পারতেছি না ==
উইকিউক্তিতে এডিট করতে পারতেছি না। এডিট আইকনে ক্লিক করলেই "Error contacting the Parsoid/RESTBase server (HTTP 404): (no message)" এই লেখা নিচে আসতেছে। আলাপ পাতায় ঠিকই আবার কাজ করতেছে। এমন কেন হচ্ছে? —[[ব্যবহারকারী:Shah Emtiaj|Shah Emtiaj]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Shah Emtiaj|আলাপ]]) ১৪:০১, ১০ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি)
:এখন সম্ভবত পারছেন। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১৫:০৩, ১০ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Yahya|ইয়াহইয়া]], জি ভাই এখন করতে পারতেছি। ধন্যবাদ। '''—''' [[ব্যবহারকারী:Shah Emtiaj|<span style="color:#ffffff;background:#4d90b6;border-radius:9em 0 0 9em;padding:2px 4px 2px 6px;">শাহ ইমতিয়াজ</span>]][[ব্যবহারকারী আলাপ:Shah Emtiaj|<span style="color:#ffffff;background:#4db6ac;padding:2px 8px 2px 8px;">☎</span>]][[বিশেষ:অবদান/Shah Emtiaj|<span style="color:#ffffff;background:#1db1ac;border-radius:0 9px 9px 0;padding:2px 4px 2px 4px;">📝</span>]] ০৩:১৬, ১২ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি)
== পুনর্নির্দেশ.js ==
পুনর্নির্দেশ.js এর সারাংশতে [[:w:bn:ব্যবহারকারী:ইয়াহিয়া/পুনর্নির্দেশক.js]] লিখুন। —[[ব্যবহারকারী:MdaNoman|MdaNoman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdaNoman|আলাপ]]) ০১:৫৪, ১২ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি)
== [[মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী]] নিবন্ধটি সম্পর্কে ==
[[File:Usermsg.svg|25px|alt=|link=]] সুপ্রিয় Yahya, আমি [[ব্যবহারকারী:Md.Farhan Mahmud|Md.Farhan Mahmud]]। উইকিউক্তিতে [[বিশেষ:অবদান/Yahya|আপনার অবদানের]] জন্য ধন্যবাদ। আপনি ১২ জানুয়ারি, ২০২২ তারিখে অর্থাৎ এই বার্তা প্রদানের '''<span style="color:red">৩১৮ দিন পূর্বে </span>''' '''মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী''' নিবন্ধটি তৈরি করেছেন। যদিও উইকিউক্তিতে যে কেউই সম্পাদনা করতে পারে, কিন্তু উইকিউক্তিতে গঠনমূলক সম্পাদনার করার জন্য একটি নীতিমালা রয়েছে। <!--আমাদের [[উইকিপিডিয়া:স্বাগতম, নবাগত|স্বাগত পাতায়]] এই নীতিমালার বিস্তারিত ব্যখ্যা রয়েছে।--> নীতিমালা অনুসারে, আপনার তৈরি করা [[মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী|নিবন্ধটিতে]] একটি সমস্যা পরিলক্ষিত হয়েছে। সমস্যাটি হলো:
# নিবন্ধটিতে কোন [[উইকিউক্তি:যাচাইযোগ্যতা|উৎস বা তথ্যসূত্র]] [[উইকিউক্তি:উৎসনির্দেশ|উদ্ধৃত]] নেই
'''আপনি যা করতে পারেন:'''
#[[উইকিউক্তি:নির্ভরযোগ্য উৎস|নির্ভরযোগ্য উৎস]] থেকে [[উইকিউক্তি:যাচাইযোগ্যতা|তথ্যসূত্র প্রদান করে]] এই নিবন্ধটির মানোন্নয়ন করুন। তা নাহলে নিবন্ধটি অপসারণ করা হতে পারে
এ সম্পর্কে আপনার মতামত বা পরামর্শ জানাতে [[ব্যবহারকারী:Md.Farhan Mahmud|আমার আলাপ]] পাতায় বার্তা দিতে পারেন। উইকিউক্তিতে আপনার যাত্রা শুভ হোক। ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৪:১৩, ২৬ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি)
== [[:দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী]] নিবন্ধের [[উইকিউক্তি:দ্রুত অপসারণ নীতিমালা|দ্রুত অপসারণ]] প্রস্তাবনা ==
[[চিত্র:Ambox warning pn.svg|48px|left|alt=|link=]] আপনি ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ তারিখে অর্থাৎ অপসারণ প্রস্তাবনা দেওয়ার '''<span style="color:orange">৭ দিন পূর্বে </span>''' '''দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী''' নিবন্ধটি তৈরি করেছেন। নিবন্ধটি উইকিউক্তির দ্রুত অপসারণের বিচারধারা অনুসারে দ্রুত অপসারণ যোগ্য। কারণ:
<center>'''পাতাটিতে কোনো উক্তি নেই'''</center>
আপনি যদি মনে করেন যে এই কারণে পাতাটি অপসারণ করা উচিত নয়, তবে এই অপসারণে আপত্তি জানাতে [[:দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী|নিবন্ধটিতে গিয়ে]] '''অপসারণে আপত্তি জানান''' লেখার উপর ক্লিক করুন ও সেখানে কারণ ব্যাখ্যা করুন কেন নিবন্ধটি অপসারণ করা উচিত নয়। মনে রাখবেন, কোন নিবন্ধে অপসারণ ট্যাগ করা হলে এবং যদি নিবন্ধটি অপসারণের বিচারাধারার সাথে মিলে যায় তবে কোনও দেরি না করে নিবন্ধটি অপসারণ করা হয়। অনুগ্রহপূর্বক আপনার নিজের তৈরি করা নিবন্ধ থেকে এই বিজ্ঞপ্তিটি সরিয়ে ফেলবেন না, তবে আমরা আপনাকে নিবন্ধটি সম্প্রসারণ করতে উৎসাহিত করছি। আরও মনে রাখবেন যে, নিবন্ধের বিষয় অবশ্যই [[উইকিউক্তি:উল্লেখযোগ্যতা|উল্লেখযোগ্য]] হতে হবে এবং [[উইকিউক্তি:নির্ভরযোগ্য উৎস|নির্ভরযোগ্য উৎস]] থেকে তথ্যসূত্রগুলো [[উইকিউক্তি:যাচাইযোগ্যতা|যাচাইযোগ্য]] হওয়া উচিত। যদি ইতিমধ্যে নিবন্ধটি অপসারিত হয়ে থাকে এবং আপনি ভবিষ্যতে এটির উন্নতি করতে এর বিষয়বস্তু ফেরত পেতে চান, তবে দয়া করে যে প্রশাসক এটি অপসারণ করেছেন তার সাথে যোগাযোগ করুন বা [[উইকিউক্তি:প্রশাসকদের আলোচনাসভা|প্রশাসকদের আলোচনাসভায়]] আবেদন করুন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৮:০২, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ (ইউটিসি)
== পর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] নমস্কার
আমি [[ব্রায়ান গ্রিন]] পাতাকে সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনার জন্য অনুরোধ রইল।
আরো যদি কোন ত্রুটি থেকে থাকে যদি উল্লেখ করে বলে দেন কোন জায়গায় আছে তাহলে সংশোধন করতে সুবিধা হয়।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৪:১১, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== আলাপ পাতায় বিরুপ মন্তব্য ==
@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] আমার আলাপ পাতায় গতকাল থেকে কে জানি অদ্ভুত অদ্ভুত বার্তা দিচ্ছে। কখনো শিরোনামে লিখছে [[ব্যবহারকারী আলাপ:Anaf Ibn Shahibul#01762168902|01762168902]] আবার [[ব্যবহারকারী আলাপ:Anaf Ibn Shahibul#2345678|2345678]] বা [[ব্যবহারকারী আলাপ:Anaf Ibn Shahibul#vloনি|vloনি]] অনুগ্রহ করে এদের বিপক্ষে পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:৪৯, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
cs0dmsgkhafg3xszcg4fs9pdmzz09ni
ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন
3
740
75353
74332
2026-04-10T13:04:47Z
Mehedi Abedin
50
/* চোং নানশান */ নতুন অনুচ্ছেদ
75353
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
সুপ্রিয়, মোহাম্মদ জনি হোসেন, [[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
—[[ব্যবহারকারী:MdaNoman|MdaNoman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdaNoman|আলাপ]]) ১১:৫১, ১১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি)
== [[ইব্রাহিম (নবী)]] ভুক্তি প্রসঙ্গে ==
সুধী, আপনি উপরে উল্লিখিত ভুক্তি তৈরি করেছেন। কিন্তু এখানে কোনো উক্তি নেই! যা উইকিউক্তির নীতিমালা অনুসারে অপসারণ যোগ্য! দয়া করে উক্তি সংযোজন করুন না হলে অপসারণ ট্যাগ যুক্ত করা হবে! ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৭:৫৮, ১৯ জানুয়ারি ২০২৩ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে ==
সুপ্রিয় মোহাম্মদ জনি হোসেন, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন।
আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>।
;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে?
:প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না।
; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে?
: যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)।
আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন।
আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ==
সুপ্রিয় মোহাম্মদ জনি হোসেন, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ([https://fountain.toolforge.org/editathons/qc2024 এখানে দেখুন]):
* যদি আপনার জমা দেওয়া কোনও নিবন্ধ গৃহীত না হয়, তবে আপনি আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে নিবন্ধের সমস্যাগুলি ঠিক করে পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ জানাতে পারেন।
* যদি আপনি কোনও গৃহীত নিবন্ধ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চান, কোনও অসঙ্গতি আমাদের দৃষ্টিতে আনতে চান, দয়া করে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন।
প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার পর, ফলাফলে কোনোরূপ পরিবর্তন আনা হবে না। সুতরাং যা করার আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২১:৫৩, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় মোহাম্মদ জনি হোসেন, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
== নতুন ভুক্তি ==
গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর নামে একটা পাতা তৈরি করুন উইকিউক্তিতে। গুগলে সার্চ করলেই উনার সব সংলাপ পেয়ে যাবেন। উল্লেখ্য, বাংলা উইকিপিডিয়ায়ও উনার নামে নিবন্ধ আছে। [[ব্যবহারকারী:Ahmed Reza Khan|Ahmed Reza Khan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Ahmed Reza Khan|আলাপ]]) ১৬:২৯, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ (ইউটিসি)
:ওকে আচ্ছা [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন#top|আলাপ]]) ১৭:৫২, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ (ইউটিসি)
== চিত্রে বিবরণ সংক্রান্ত ==
আসসালামু আলাইকুম জনি ভাই, আপনি উইকিউক্তিতে কাজ করছেন দেখে ভালো লাগছে। শুভেচ্ছা রইল। একটা ছোট টিপ্পনী, চিত্রের বিবরণ উইকিপিডিয়ার মত না করে উক্তিসহ দিলে ভালো হয়। [[ইসমাইল ইবনে মুসা মেঙ্ক]] পাতার মত। ― <span style="color:white; background-color:red;"> ☪ </span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৮:১৬, ২৪ মার্চ ২০২৫ (ইউটিসি)
:ওকে আচ্ছা [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন#top|আলাপ]]) ১৮:১৮, ২৪ মার্চ ২০২৫ (ইউটিসি)
== সুদ ==
পরামর্শ:ভূমিকা অংশটি আরও বড় করলে ভালো হয়। আরবী আয়াত গুলো দিয়ে দিতে পারেন।
বাকি সব ঠিক আছে।
[[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ১৬:৫১, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:Ok [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন#top|আলাপ]]) ১৭:১০, ১৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== কিছু ভূল হয়েছে ==
[[জর্জ মার্শাল]] এর শর্ট ডেসক্রিপশনটি ইংরেজিতে দেখাচ্ছে কেন! [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১২:৪৮, ২ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:ঠিক করতেছি [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন#top|আলাপ]]) ১৩:৩০, ২ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[মুহাম্মাদ ইবনে ঈসা আত-তিরমিজি]] ভুক্তিটি গৃহীত হয়নি ==
প্রিয়, আপনার জমাদানকৃত মুহাম্মাদ ইবনে ঈসা আত-তিরমিজি ভুক্তিটি গৃহীত হয়নি। কারণ: '''ভুক্তিতে অবশ্যই ব্যক্তির নিজের বা তার সম্পর্কিত অন্যদের উক্তি থাকা উচিত। অন্যের উক্তি যদি সে উদ্ধৃত করে, সেগুলি নয়।'''
সঙ্গত কারণে আমরা পর্যালোচনার সময় বৃদ্ধি করতে পারছিনা। সেজন্য ভুক্তিটি প্রত্যাখ্যান অবস্থাতেই থাকবে। পরবর্তী সময়ের জন্য শুভকামনা!― <span style="color:white; background-color:red;"> ☪ </span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৬:৩৫, ৯ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধ পর্যালোচনা শেষে গৃহীত হয়েছে। বিস্তারিত ফলাফল [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|এখানে দেখুন]]। আপনাকে ডিজিটাল সনদ পাঠাতে কিছু তথ্য প্রয়োজন। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSfa6lC5bYLAwTSpiacX75DM3-MsRqv9RmIPPNBtar6q3JGOSA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৬:৫৬, ১৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67749-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== এ. সি. ব্র্যাডলি ==
@[[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] [[এ. সি. ব্র্যাডলি]] নিবন্ধে সূত্রগুলো বাংলাতে করুন এবং অন্যান্য ইংরেজি শব্দগুলোও বাংলা করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১২:০৫, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:বাংলা করা হয়েছে [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন#top|আলাপ]]) ১২:৩৯, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== চোং নানশান ==
[[চোং নানশান]] পাতায় কিছু ফিনিশিং দিতে হবে। কিছু টার্ম ও শব্দ ইংরেজি রয়ে গেছে। আর উক্তির জন্য উদ্ধৃত সূত্রের শিরোনাম বাংলা করার প্রয়োজন নেই। এটা সূত্রের আসল শিরোনাম রেখে দেওয়া যায় বা সেটা বাংলা অক্ষরে ইংরেজি উচ্চারণে লেখা যায়। এগুলো ঠিক করে আমাকে জানান। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৩:০৪, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
0wlwvxol5ycyrfzkkh0e3j7mmcnokoh
ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid
3
752
75611
75183
2026-04-11T08:28:48Z
Anaf Ibn Shahibul
4193
/* রবার্ট জে. শিলার */ নতুন অনুচ্ছেদ
75611
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
সুপ্রিয়, Tahmid, [[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
—[[ব্যবহারকারী:MdaNoman|MdaNoman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdaNoman|আলাপ]]) ১১:৫৪, ১১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি)
== [[আবুল কাশেম ফজলুল হক]] নিবন্ধটি সম্পর্কে ==
[[File:Usermsg.svg|25px|alt=|link=]] সুপ্রিয় Tahmid, আমি [[ব্যবহারকারী:Md.Farhan Mahmud|Md.Farhan Mahmud]]। উইকিউক্তিতে [[বিশেষ:অবদান/Tahmid|আপনার অবদানের]] জন্য ধন্যবাদ। আপনি ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ তারিখে অর্থাৎ এই বার্তা প্রদানের '''<span style="color:red">২৯৪ দিন পূর্বে </span>''' '''আবুল কাশেম ফজলুল হক''' নিবন্ধটি তৈরি করেছেন। যদিও উইকিউক্তিতে যে কেউই সম্পাদনা করতে পারে, কিন্তু উইকিউক্তিতে গঠনমূলক সম্পাদনার করার জন্য একটি নীতিমালা রয়েছে। <!--আমাদের [[উইকিপিডিয়া:স্বাগতম, নবাগত|স্বাগত পাতায়]] এই নীতিমালার বিস্তারিত ব্যখ্যা রয়েছে।--> নীতিমালা অনুসারে, আপনার তৈরি করা [[আবুল কাশেম ফজলুল হক|নিবন্ধটিতে]] একটি সমস্যা পরিলক্ষিত হয়েছে। সমস্যাটি হলো:
# নিবন্ধটিতে কোন [[উইকিউক্তি:যাচাইযোগ্যতা|উৎস বা তথ্যসূত্র]] [[উইকিউক্তি:উৎসনির্দেশ|উদ্ধৃত]] নেই
'''আপনি যা করতে পারেন:'''
#[[উইকিউক্তি:নির্ভরযোগ্য উৎস|নির্ভরযোগ্য উৎস]] থেকে [[উইকিউক্তি:যাচাইযোগ্যতা|তথ্যসূত্র প্রদান করে]] এই নিবন্ধটির মানোন্নয়ন করুন। তা নাহলে নিবন্ধটি অপসারণ করা হতে পারে
এ সম্পর্কে আপনার মতামত বা পরামর্শ জানাতে [[ব্যবহারকারী:Md.Farhan Mahmud|আমার আলাপ]] পাতায় বার্তা দিতে পারেন। উইকিউক্তিতে আপনার যাত্রা শুভ হোক। ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ১৫:৫৯, ২৫ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে ==
সুপ্রিয় Tahmid, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন।
আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>।
;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে?
:প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না।
; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে?
: যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)।
আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন।
আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ==
সুপ্রিয় Tahmid, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ([https://fountain.toolforge.org/editathons/qc2024 এখানে দেখুন]):
* যদি আপনার জমা দেওয়া কোনও নিবন্ধ গৃহীত না হয়, তবে আপনি আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে নিবন্ধের সমস্যাগুলি ঠিক করে পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ জানাতে পারেন।
* যদি আপনি কোনও গৃহীত নিবন্ধ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চান, কোনও অসঙ্গতি আমাদের দৃষ্টিতে আনতে চান, দয়া করে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন।
প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার পর, ফলাফলে কোনোরূপ পরিবর্তন আনা হবে না। সুতরাং যা করার আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২১:৫৩, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় Tahmid, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
==পরামর্শ==
সূত্রের শিরোনাম সরাসরি অনুবাদের প্রয়োজন উইকিউক্তিতে নেই। প্রয়োজনে আপনি শিরোনামের অনুবাদ ইংরেজি শিরোনামের পাশাপাশি লিখে দিতে পারেন। অথবা বাংলা অক্ষরে ইংরেজি শিরোনাম লিখে নিতে পারেন। যেমন: South Korea Elects Yoon Suk-yeol as President, Bringing Back a Tougher Line on North Korea ➤ সাউথ কোরিয়া ইলেক্টস উন সুক-ইয়োল অ্যাস প্রেসিডেন্ট, ব্রিঙ্গিং ব্যাক অ্যা টাফার লাইন অন নর্থ কোরিয়া।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:৫৪, ১৯ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ ==
আমি উইকি উক্তিতে নতুন তাই এখনও আমার বেশ কিছু জিনিস বুঝতে সমস্যা হচ্ছে। [[মাল্টা]] এর উক্তিগুলো খুবই হাস্য বোধক বা একটু প্যাঁচানো কথাবার্তা থাকায় সেটি ফুটিয়ে তুলতে একটু অসুবিধা হচ্ছে। তাই আমি ই আই দিয়ে অনুবাদ করিয়ে তারপর সেটি পুনরায় সংশোধন করি।
কিন্তু ভুল বশত আমার সংশোধনের আগেই আমি এটি জমা দিয়ে ফেলেছি।
এখন ঠিক করেছি পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৮:০৭, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধ পর্যালোচনা শেষে গৃহীত হয়েছে। বিস্তারিত ফলাফল [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|এখানে দেখুন]]। আপনাকে ডিজিটাল সনদ পাঠাতে কিছু তথ্য প্রয়োজন। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSfa6lC5bYLAwTSpiacX75DM3-MsRqv9RmIPPNBtar6q3JGOSA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৬:৫৬, ১৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67749-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== তানজিলা খান ==
ভাইয়া [[তানজিলা খান]] ভুক্তিতে বহি:সংযোগ আমার সম্পাদনা রিভাট করার কারণ? [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ৩১ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:{{উত্তর|মোহাম্মদ জনি হোসেন}} বাংলা উইকিপিডিয়ায় ''তানজিলা খান'' নিবন্ধটি নেই। বাংলা উইকিপিডিয়ায় সেসব নিবন্ধ ইতিমধ্যে বিদ্যমান, কেবল সেসব নিবন্ধেরই বহিঃসংযোগ দিতে হয়। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid#top|আলাপ]]) ০৯:২৪, ৩১ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== রবার্ট জে. শিলার ==
[[রবার্ট জে. শিলার]] নিবন্ধটি যান্ত্রিক ছিল আমি সংশোধন করেছি। পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৮, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
acoik6v680mjrkrkqa8rgecsj9tkf8z
ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin
3
768
75637
74736
2026-04-11T08:55:36Z
Anaf Ibn Shahibul
4193
/* বিন্যাস সংশোধন অম্লান দত্ত */ নতুন অনুচ্ছেদ
75637
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
সুপ্রিয়, Mehediabedin, [[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
—[[ব্যবহারকারী:MdaNoman|MdaNoman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdaNoman|আলাপ]]) ১১:৫৯, ১১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি)
== কারাগার পাতা সম্পর্কে ==
মেহেদী ভাই, আপনার কাজ সুন্দর ছিল। নিচে চরিত্র নামে অনুচ্ছেদ যুক্ত করে দিয়েছি। কে কে অভিনয় করেছে যুক্ত করে দিয়েন। আর আরও কয়েকটা উক্তি যোগ কইরেন ও পাশাপাশি কপিরাইটের বিষয়টাও মাথায় রাইখেন। আমি এটাকে উল্লেখযোগ্য পাতায় যুক্ত করার চিন্তা করছি। ~ {{পতাকা আইকন চিত্র|BarbarosSancagi.svg}} [[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] <sup>([[ব্যবহারকারী আলাপ:খাত্তাব হাসান|বার্তা]] - [[বিশেষ:অবদান/খাত্তাব হাসান|অবদান]])</sup> ১৫:৪৪, ২৬ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি)
{{উত্তর|খাত্তাব হাসান}} চরিত্র অনুচ্ছেদ রাখার কি আসলেই প্রয়োজন আছে? আমি ইংরেজি উইকিউক্তির টেলিভিশন নাটকের কিছু পাতায় চরিত্র অনুচ্ছেদ দেখতে পাইনি। আবার কিছু পাতায় দেখেছি। [[ব্যবহারকারী:Mehediabedin|Mehediabedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehediabedin|আলাপ]]) ২২:৩৬, ২৬ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি)
:ভাই আমি উত্তর কোরিয়া পাতাটি কাজ করতেছিলাম। এরই মাঝে কোনো একজন সেই পাতাটি হালকা কাজ করেই জমা দিয়েছেন। এখন আমি কাজ শেষ করে আর জমা দিতে পারতেছি না। আমি ৬/৭ ঘন্টার উপর সময় দিয়ে পাতাটি ঠিক করতেছিলাম, এখন অন্য কেউ সেটা জমা দিয়ে দিবে, এটা কি করে হয় । প্লিজ একটা সমাধান করে দিন। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১৯:৩০, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== ধন্যবাদ ==
ভাই, [[উইকিউক্তি:আজকের উক্তি/ফেব্রুয়ারি ২০২৩]] পাতায় উক্তি যোগ করার জন্য ধন্যবাদ! ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ১৫:৫৮, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ (ইউটিসি)
== আপনার জন্য একটি পদক! ==
{| style="background-color: var(--background-color-success-subtle, #fdffe7); border: 1px solid var(--border-color-success, #fceb92); color: var(--color-base, #202122);"
|rowspan="2" style="vertical-align: middle; padding: 5px;" | [[চিত্র:Copyeditor Barnstar Hires.png|100px]]
|style="font-size: x-large; padding: 3px 3px 0 3px; height: 1.5em;" | '''অনুলিপি সম্পাদকের পদক'''
|-
|style="vertical-align: middle; padding: 3px;" | উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫ উপলক্ষে বানানো ভুক্তিগুলো পর্যালোচনার পাশাপাশি সম্পাদনা করে ভুক্তির মান-উন্নয়ন করায় আপনার জন্য এই উপহার! এভাবেই এগিয়ে যান বহুদূর, উইকিউক্তির সাথে। [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৮:২৫, ১৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
|}
:Congratulations vai [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১৯:২৮, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== উইকিউক্তি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে ==
[[জন ডিকিনসন]] পাতাটি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে এখন গ্রহণ করতে পারেন আপনাকে মেনশন করলাম। [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৫:১৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৩:৫৮, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:৫৯, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[পাকিস্তান গণপরিষদ নির্বাচন, ১৯৫৫]] ==
শুধু অনুবাদ রাখুন, ইংরেজি সাথে রাখার প্রয়োজন নেই। সংশোধন করে জানান [[ব্যবহারকারী:MdsShakil|MdsShakil]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdsShakil|আলাপ]]) ১৪:১২, ২৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MdsShakil|MdsShakil]] সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৫:০৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:MdsShakil|MdsShakil]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdsShakil|আলাপ]]) ১৫:৪৬, ২৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== উইকি রমজান উক্তি প্রতিযোগিতা প্রসঙ্গে ==
@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]Abedin ভাই, https://checkmate.toolforge.org/dashboard?key=4m81yh748gpX3wCxG31yrEirS7WQWO উইকি রমজান উক্তি প্রতিযোগিতায় প্রত্যাখানকৃত নিবন্ধসমূহের সমস্যা সম্পর্কে জানালে নিবন্ধের মান উন্নয়ন সহজ হত।তাই,নিবন্ধসমূহ প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারন জানানোর অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:হাম্মাদ|আলাপ]]) ১৫:৪৮, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] স্কোপের বাইরে। অনেক নিবন্ধ ইসলাম সম্পর্কিত নয়। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ২১:৪২, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]<nowiki/>ভাই, আপনি উইকিপিডিয়া রমজান ভালবাসে এর নিবন্ধ তালিকা দেখলে দেখবেন যে,ইসলামিক ব্যাক্তিত্ব সম্পর্কিত বেশ বড় একটি তালিকা আছে।আমার অনেক ভুক্তিই '''উল্লেখযোগ্য''' ইসলামিক ব্যাক্তিত্ব নিয়ে লিখিত।আর, উইকিপিডিয়া রমজান ভালবাসে এডিটাথনের গৃহীত অনেক নিবন্ধই তো তাহলে বাতিল হয়ে যাবে।@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ভাই আপনাকে আলোচনায় যোগদানের অনুরোধ জানাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:হাম্মাদ|আলাপ]]) ০৪:৩৩, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] কোন মুসলিম দেশের রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধান ইসলামি ব্যক্তিত্ব সেটা জানতাম না। এমনও নয় যে তারা ইসলামপন্থী দলের সদস্য। বলা হয়েছে যে নিবন্ধ ইসলাম সম্পর্কিত হতে হবে। ইসলামি পণ্ডিত বা গবেষকদের পাতা আমি প্রত্যাখ্যান করিনি। তবে আয়োজক থেকে ব্যাপারটা স্পষ্ট করা হলে আমি পুনর্বিবেচনা করবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ০৪:৩৯, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ও @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই, সাধারণ প্রদেশ বা এলাকাগুলি তো স্কোপের মধ্যে পড়েনা। তবে ইসলামের ঐতিহ্যের সাথে সম্পৃক্ত এলাকা, যেমন- মক্কা, মদিনা, বিভিন্ন জিহাদের সাথে সম্পৃক্ত দুর্গ ইত্যাদি গ্রহণ করা যেতে পারে। আরও দেখুন: [[:m:Wiki_Loves_Ramadan_2025/List_of_Articles/Landmarks/1|১]] ও [[:m:Wiki Loves Ramadan 2025/List of Articles/Landmarks/2|২]]। আর ব্যক্তিত্বের ব্যাপারে [[M:Wiki Loves Ramadan 2025/List of Articles/Figures/2|বৈশ্বিক তালিকার পরিসর বৃহৎ]], সেই হিসেবে অনেকগুলি নেয়া যায়। ― <span style="color:white; background-color:red;"> ☪ </span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৫:১৪, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] তাহলে আমি গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিলাম। @[[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] আপনি পাতাগুলোকে উইকিউপাত্তের সাথে একটু কষ্ট করে যোগ করে দিন। আমার পর্যালোচনায় সুবিধা হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ০৮:৩৪, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই ও@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ভাই আপনাদের ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:হাম্মাদ|আলাপ]]) ১২:৩৭, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ ==
[[কোস্টা রিকা]] "যে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেছিলেন সেগুলো সংশোধন করা হয়েছে।" [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৮:২০, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== উইকিউক্তি ফলাফল ==
উইকিউক্তি ২৫ এর ফলাফল কি প্রকাশিত হয়েছে? [[ব্যবহারকারী:Yasser Raihan|Yasser Raihan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yasser Raihan|আলাপ]]) ০২:০৯, ৯ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Yasser Raihan|Yasser Raihan]] এখনো হয়নি। সময় লাগবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ০৮:৫৫, ৯ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধ পর্যালোচনা শেষে গৃহীত হয়েছে। বিস্তারিত ফলাফল [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|এখানে দেখুন]]। আপনাকে ডিজিটাল সনদ পাঠাতে কিছু তথ্য প্রয়োজন। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSfa6lC5bYLAwTSpiacX75DM3-MsRqv9RmIPPNBtar6q3JGOSA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৬:৫৬, ১৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67749-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== আপনাকে স্বয়ংক্রিয় পরীক্ষক-এ যুক্ত করা হয়েছে ==
[[File:Wikiquote Autopatrolled.png|50px|right]] সুধী! আপনার নিরলস অবদানের জন্য ও আপনার বিশ্বস্ততাকে সামনে রেখে আপনাকে [[বিশেষ:দলগত অধিকারের তালিকা#autopatrolled|স্বয়ংক্রিয় পরীক্ষক]] ব্যবহারকারী দলে যুক্ত করা হয়েছে। এই সুবিধা আপনাকে কোনো বিশেষ সুবিধা প্রদান করবেনা, তবে আপনার সম্পাদনাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরীক্ষিত হিসেবে চিহ্নিত করবে। হ্যাপি কোয়োটিং! ― <span style="color:white; background-color:red;"> ☪ </span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৯:৫২, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি)
== অম্লান দত্ত ও অখিলচন্দ্র দত্ত ==
@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমি এই দুইটি নিবন্ধকেই সংশোধন করেছি। এখন আর কোন ভুল না থাকলে অনুগ্রহ করে এগুলোকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৫:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] আপনি কি বুঝতে পেরেছেন আমি আপনার নিবন্ধের কোন সমস্যাগুলো নিয়ে বলেছি? কারণ পড়ে দেখলাম যে আমি যে বিষয় তুলে ধরেছিলাম সেটার ব্যাপারে আপনি কার্যত তেমন কিছু করেননি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৮:৪১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] নমস্কার আমি প্রথমে একবার দেখলাম আপনি [[এডমন্ড হ্যালি]] এই পাতাটি গ্রহণ করেননি, মন্তব্যে লিখেছিলেন যে অল্প কিছু সমস্যা আছে তার কিছুক্ষণ পর দেখলাম গ্রহণ করেছেন যদি সে রকম কোনো সমস্যা থেকে থাকে, আমাকে জানান আমি সংশোধন করে নেব।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৪:৫৬, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] অল্প সমস্যা ছিল। পরে দেখলাম ওগুলো খুবই অল্প যে সরাসরি গ্রহণ করা যায় তাই গ্রহণ করেছি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৪:৫৮, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৫:০০, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== বিন্যাস সংশোধন [[অম্লান দত্ত]] ==
@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] [[অম্লান দত্ত]] নিবন্ধের বিন্যাস সংশোধিত হয়েছে। অনুগ্রহ করে এবার এটিকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:৫৫, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
7axz0upe3qet30kluqgtmsc5nobyvib
75673
75637
2026-04-11T10:29:59Z
Oindrojalik Watch
4169
/* পাতা গ্রহণের অনুরোধ */ নতুন অনুচ্ছেদ
75673
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
সুপ্রিয়, Mehediabedin, [[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
—[[ব্যবহারকারী:MdaNoman|MdaNoman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdaNoman|আলাপ]]) ১১:৫৯, ১১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি)
== কারাগার পাতা সম্পর্কে ==
মেহেদী ভাই, আপনার কাজ সুন্দর ছিল। নিচে চরিত্র নামে অনুচ্ছেদ যুক্ত করে দিয়েছি। কে কে অভিনয় করেছে যুক্ত করে দিয়েন। আর আরও কয়েকটা উক্তি যোগ কইরেন ও পাশাপাশি কপিরাইটের বিষয়টাও মাথায় রাইখেন। আমি এটাকে উল্লেখযোগ্য পাতায় যুক্ত করার চিন্তা করছি। ~ {{পতাকা আইকন চিত্র|BarbarosSancagi.svg}} [[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] <sup>([[ব্যবহারকারী আলাপ:খাত্তাব হাসান|বার্তা]] - [[বিশেষ:অবদান/খাত্তাব হাসান|অবদান]])</sup> ১৫:৪৪, ২৬ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি)
{{উত্তর|খাত্তাব হাসান}} চরিত্র অনুচ্ছেদ রাখার কি আসলেই প্রয়োজন আছে? আমি ইংরেজি উইকিউক্তির টেলিভিশন নাটকের কিছু পাতায় চরিত্র অনুচ্ছেদ দেখতে পাইনি। আবার কিছু পাতায় দেখেছি। [[ব্যবহারকারী:Mehediabedin|Mehediabedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehediabedin|আলাপ]]) ২২:৩৬, ২৬ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি)
:ভাই আমি উত্তর কোরিয়া পাতাটি কাজ করতেছিলাম। এরই মাঝে কোনো একজন সেই পাতাটি হালকা কাজ করেই জমা দিয়েছেন। এখন আমি কাজ শেষ করে আর জমা দিতে পারতেছি না। আমি ৬/৭ ঘন্টার উপর সময় দিয়ে পাতাটি ঠিক করতেছিলাম, এখন অন্য কেউ সেটা জমা দিয়ে দিবে, এটা কি করে হয় । প্লিজ একটা সমাধান করে দিন। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১৯:৩০, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== ধন্যবাদ ==
ভাই, [[উইকিউক্তি:আজকের উক্তি/ফেব্রুয়ারি ২০২৩]] পাতায় উক্তি যোগ করার জন্য ধন্যবাদ! ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ১৫:৫৮, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ (ইউটিসি)
== আপনার জন্য একটি পদক! ==
{| style="background-color: var(--background-color-success-subtle, #fdffe7); border: 1px solid var(--border-color-success, #fceb92); color: var(--color-base, #202122);"
|rowspan="2" style="vertical-align: middle; padding: 5px;" | [[চিত্র:Copyeditor Barnstar Hires.png|100px]]
|style="font-size: x-large; padding: 3px 3px 0 3px; height: 1.5em;" | '''অনুলিপি সম্পাদকের পদক'''
|-
|style="vertical-align: middle; padding: 3px;" | উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫ উপলক্ষে বানানো ভুক্তিগুলো পর্যালোচনার পাশাপাশি সম্পাদনা করে ভুক্তির মান-উন্নয়ন করায় আপনার জন্য এই উপহার! এভাবেই এগিয়ে যান বহুদূর, উইকিউক্তির সাথে। [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৮:২৫, ১৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
|}
:Congratulations vai [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১৯:২৮, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== উইকিউক্তি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে ==
[[জন ডিকিনসন]] পাতাটি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে এখন গ্রহণ করতে পারেন আপনাকে মেনশন করলাম। [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৫:১৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৩:৫৮, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:৫৯, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[পাকিস্তান গণপরিষদ নির্বাচন, ১৯৫৫]] ==
শুধু অনুবাদ রাখুন, ইংরেজি সাথে রাখার প্রয়োজন নেই। সংশোধন করে জানান [[ব্যবহারকারী:MdsShakil|MdsShakil]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdsShakil|আলাপ]]) ১৪:১২, ২৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MdsShakil|MdsShakil]] সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৫:০৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:MdsShakil|MdsShakil]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdsShakil|আলাপ]]) ১৫:৪৬, ২৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== উইকি রমজান উক্তি প্রতিযোগিতা প্রসঙ্গে ==
@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]Abedin ভাই, https://checkmate.toolforge.org/dashboard?key=4m81yh748gpX3wCxG31yrEirS7WQWO উইকি রমজান উক্তি প্রতিযোগিতায় প্রত্যাখানকৃত নিবন্ধসমূহের সমস্যা সম্পর্কে জানালে নিবন্ধের মান উন্নয়ন সহজ হত।তাই,নিবন্ধসমূহ প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারন জানানোর অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:হাম্মাদ|আলাপ]]) ১৫:৪৮, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] স্কোপের বাইরে। অনেক নিবন্ধ ইসলাম সম্পর্কিত নয়। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ২১:৪২, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]<nowiki/>ভাই, আপনি উইকিপিডিয়া রমজান ভালবাসে এর নিবন্ধ তালিকা দেখলে দেখবেন যে,ইসলামিক ব্যাক্তিত্ব সম্পর্কিত বেশ বড় একটি তালিকা আছে।আমার অনেক ভুক্তিই '''উল্লেখযোগ্য''' ইসলামিক ব্যাক্তিত্ব নিয়ে লিখিত।আর, উইকিপিডিয়া রমজান ভালবাসে এডিটাথনের গৃহীত অনেক নিবন্ধই তো তাহলে বাতিল হয়ে যাবে।@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ভাই আপনাকে আলোচনায় যোগদানের অনুরোধ জানাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:হাম্মাদ|আলাপ]]) ০৪:৩৩, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] কোন মুসলিম দেশের রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধান ইসলামি ব্যক্তিত্ব সেটা জানতাম না। এমনও নয় যে তারা ইসলামপন্থী দলের সদস্য। বলা হয়েছে যে নিবন্ধ ইসলাম সম্পর্কিত হতে হবে। ইসলামি পণ্ডিত বা গবেষকদের পাতা আমি প্রত্যাখ্যান করিনি। তবে আয়োজক থেকে ব্যাপারটা স্পষ্ট করা হলে আমি পুনর্বিবেচনা করবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ০৪:৩৯, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ও @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই, সাধারণ প্রদেশ বা এলাকাগুলি তো স্কোপের মধ্যে পড়েনা। তবে ইসলামের ঐতিহ্যের সাথে সম্পৃক্ত এলাকা, যেমন- মক্কা, মদিনা, বিভিন্ন জিহাদের সাথে সম্পৃক্ত দুর্গ ইত্যাদি গ্রহণ করা যেতে পারে। আরও দেখুন: [[:m:Wiki_Loves_Ramadan_2025/List_of_Articles/Landmarks/1|১]] ও [[:m:Wiki Loves Ramadan 2025/List of Articles/Landmarks/2|২]]। আর ব্যক্তিত্বের ব্যাপারে [[M:Wiki Loves Ramadan 2025/List of Articles/Figures/2|বৈশ্বিক তালিকার পরিসর বৃহৎ]], সেই হিসেবে অনেকগুলি নেয়া যায়। ― <span style="color:white; background-color:red;"> ☪ </span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৫:১৪, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] তাহলে আমি গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিলাম। @[[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] আপনি পাতাগুলোকে উইকিউপাত্তের সাথে একটু কষ্ট করে যোগ করে দিন। আমার পর্যালোচনায় সুবিধা হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ০৮:৩৪, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই ও@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ভাই আপনাদের ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:হাম্মাদ|আলাপ]]) ১২:৩৭, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ ==
[[কোস্টা রিকা]] "যে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেছিলেন সেগুলো সংশোধন করা হয়েছে।" [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৮:২০, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== উইকিউক্তি ফলাফল ==
উইকিউক্তি ২৫ এর ফলাফল কি প্রকাশিত হয়েছে? [[ব্যবহারকারী:Yasser Raihan|Yasser Raihan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yasser Raihan|আলাপ]]) ০২:০৯, ৯ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Yasser Raihan|Yasser Raihan]] এখনো হয়নি। সময় লাগবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ০৮:৫৫, ৯ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধ পর্যালোচনা শেষে গৃহীত হয়েছে। বিস্তারিত ফলাফল [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|এখানে দেখুন]]। আপনাকে ডিজিটাল সনদ পাঠাতে কিছু তথ্য প্রয়োজন। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSfa6lC5bYLAwTSpiacX75DM3-MsRqv9RmIPPNBtar6q3JGOSA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৬:৫৬, ১৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67749-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== আপনাকে স্বয়ংক্রিয় পরীক্ষক-এ যুক্ত করা হয়েছে ==
[[File:Wikiquote Autopatrolled.png|50px|right]] সুধী! আপনার নিরলস অবদানের জন্য ও আপনার বিশ্বস্ততাকে সামনে রেখে আপনাকে [[বিশেষ:দলগত অধিকারের তালিকা#autopatrolled|স্বয়ংক্রিয় পরীক্ষক]] ব্যবহারকারী দলে যুক্ত করা হয়েছে। এই সুবিধা আপনাকে কোনো বিশেষ সুবিধা প্রদান করবেনা, তবে আপনার সম্পাদনাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরীক্ষিত হিসেবে চিহ্নিত করবে। হ্যাপি কোয়োটিং! ― <span style="color:white; background-color:red;"> ☪ </span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৯:৫২, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি)
== অম্লান দত্ত ও অখিলচন্দ্র দত্ত ==
@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমি এই দুইটি নিবন্ধকেই সংশোধন করেছি। এখন আর কোন ভুল না থাকলে অনুগ্রহ করে এগুলোকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৫:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] আপনি কি বুঝতে পেরেছেন আমি আপনার নিবন্ধের কোন সমস্যাগুলো নিয়ে বলেছি? কারণ পড়ে দেখলাম যে আমি যে বিষয় তুলে ধরেছিলাম সেটার ব্যাপারে আপনি কার্যত তেমন কিছু করেননি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৮:৪১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] নমস্কার আমি প্রথমে একবার দেখলাম আপনি [[এডমন্ড হ্যালি]] এই পাতাটি গ্রহণ করেননি, মন্তব্যে লিখেছিলেন যে অল্প কিছু সমস্যা আছে তার কিছুক্ষণ পর দেখলাম গ্রহণ করেছেন যদি সে রকম কোনো সমস্যা থেকে থাকে, আমাকে জানান আমি সংশোধন করে নেব।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৪:৫৬, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] অল্প সমস্যা ছিল। পরে দেখলাম ওগুলো খুবই অল্প যে সরাসরি গ্রহণ করা যায় তাই গ্রহণ করেছি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৪:৫৮, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৫:০০, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== বিন্যাস সংশোধন [[অম্লান দত্ত]] ==
@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] [[অম্লান দত্ত]] নিবন্ধের বিন্যাস সংশোধিত হয়েছে। অনুগ্রহ করে এবার এটিকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:৫৫, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা গ্রহণের অনুরোধ ==
@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]<br>
[[ফজলে রাব্বী]] পাতাটিতে বইয়ের পৃষ্ঠা সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে এবং বিন্যাসে যথাসাধ্য সংশোধন করা হয়েছে। পাতাটি গ্রহণ করার জন্য সবিনয় অনুরোধ রইলো।<br>ধন্যবাদান্তে,<br>''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:২৯, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''
58awwutklw4hrcpes2k78ar7skfzaym
বিষয়শ্রেণী:উইকিউক্তি রক্ষণাবেক্ষণ
14
804
75540
8154
2026-04-11T03:43:55Z
Borhan
964
75540
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি বিষয়শ্রেণী}}
[[বিষয়শ্রেণী:উইকিউক্তির প্রশাসন|রক্ষণাবেক্ষণ]]
q2jefo7len64w3nmzdh7uut95gfxfxc
ব্যবহারকারী আলাপ:ARI
3
4407
75357
75331
2026-04-10T13:07:57Z
Oindrojalik Watch
4169
/* যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে */ উত্তর
75357
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি)
</div>
"বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
==[[চরক]]==
নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] ==
কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
:দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[নির্বাচন]] ==
পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা ঠিক করেছি ==
আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃপর্যালোচনা ==
[[আবি আহমেদ]] এবং [[পিটার আগ্রি]] পাতা দুটি সংশোধন করা হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:২৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃপর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[আহমেদ জেওয়াইল]] পুনরায় দেখার অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:২৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে ==
আমি ডেভিড হিউম নামক উক্তির পাতাটি তৈরী করেছিলাম। কিছু জায়গায় যান্ত্রিকতার কথা বলা হয়েছে।যদি নির্দিষ্ট জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেন, তবে সে ক্ষেত্রে উক্তির পাতাটি সংশোধন করা সহজ হবে।<br>
ধন্যবাদ।<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:৪৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত, লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে ভুল, আপনি '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' ঠিকঠাক অনুসরণ করেননি; দ্বিতীয়ত সুত্রগুলো আসল ইংরেজির মতো করে বাংলাতে বসানোর চেষ্টা করুন; তৃতীয়ত বিভিন্ন জায়গায় বাক্যগুলো পড়তে অস্বাভাবিক লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:৫০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::পয়েন্টগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। '''তবে ২য় পয়েন্টটি বুঝতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে - '''আপনি কি সূত্রগুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজি হরফ ও সংখ্যাগুলো (যেমন- Book 1, Section 3, Page 45) বাংলায় (১ম খণ্ড, ৩য় অনুচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৪৫) রূপান্তর করতে বলছেন? নাকি বইয়ের নামের বাংলা অনুবাদের কথা বুঝিয়েছেন?<br>বিষয়টি নিশ্চিত করলে আমার জন্য পাতাটি নিখুঁতভাবে সংশোধন করা সহজ হবে।
::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৬:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] <code><span style="color:red;"><nowiki>** [[Amos Bronson Alcott|Amos Alcott]], ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ Journals]'', Port Washington, NY: Kennikat Press, 1938, Volume 1, p. 115.</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** আমোস অলকট, ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ জার্নালস]'', পোর্ট ওয়াশিংটন, এনওয়াই: কেনিকাট প্রেস, ১৯৩৮, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১১৫।</nowiki></code> <p> আমার মনে হয় আপনার লাইন অনেক বাদ আছে, ইংরেজির থেকে বাংলাতে অনেক লাইন কমে গেছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৯:২০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::এক দুটি লিঙ্ক বাদ পড়তে পারে তবে একটি উক্তিও বাদ পড়েনি। কয়েকবার রিভিশন দিয়েছি। লিঙ্কগুলো চেক করে জানাব।
::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::ইংলিশ পাতার সাথে মিলাতে গেলেই দেখা যায় বাংলা পাতায় অনেক অপ্রয়োজনীয় '''বোল্ড''' ''ইটালিক ''দেখা যাওয়ার কারনে দেখতে বেখাপ্পা লাগছে। আবার দেখেছি এটি নিয়মেও রয়েছে যে অপ্রয়োজনীয় বোল্ড ইটালিক করা যাবেনা। সেজন্যই লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে কিছু জায়গায় ইচ্ছে করেই '''বোল্ড''' ''ইটালিক'' বাদ দিয়েছি। আশা করি এটি মার্জনা করে নিবেন।
::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
6uc1wn20plgr4h24q52dldnu2qk96ea
75364
75357
2026-04-10T13:09:09Z
Oindrojalik Watch
4169
75364
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি)
</div>
"বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
==[[চরক]]==
নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] ==
কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
:দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[নির্বাচন]] ==
পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা ঠিক করেছি ==
আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃপর্যালোচনা ==
[[আবি আহমেদ]] এবং [[পিটার আগ্রি]] পাতা দুটি সংশোধন করা হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:২৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃপর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[আহমেদ জেওয়াইল]] পুনরায় দেখার অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:২৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে ==
আমি ডেভিড হিউম নামক উক্তির পাতাটি তৈরী করেছিলাম। কিছু জায়গায় যান্ত্রিকতার কথা বলা হয়েছে।যদি নির্দিষ্ট জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেন, তবে সে ক্ষেত্রে উক্তির পাতাটি সংশোধন করা সহজ হবে।<br>
ধন্যবাদ।<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:৪৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত, লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে ভুল, আপনি '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' ঠিকঠাক অনুসরণ করেননি; দ্বিতীয়ত সুত্রগুলো আসল ইংরেজির মতো করে বাংলাতে বসানোর চেষ্টা করুন; তৃতীয়ত বিভিন্ন জায়গায় বাক্যগুলো পড়তে অস্বাভাবিক লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:৫০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::পয়েন্টগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। '''তবে ২য় পয়েন্টটি বুঝতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে - '''আপনি কি সূত্রগুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজি হরফ ও সংখ্যাগুলো (যেমন- Book 1, Section 3, Page 45) বাংলায় (১ম খণ্ড, ৩য় অনুচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৪৫) রূপান্তর করতে বলছেন? নাকি বইয়ের নামের বাংলা অনুবাদের কথা বুঝিয়েছেন?<br>বিষয়টি নিশ্চিত করলে আমার জন্য পাতাটি নিখুঁতভাবে সংশোধন করা সহজ হবে।
::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৬:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] <code><span style="color:red;"><nowiki>** [[Amos Bronson Alcott|Amos Alcott]], ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ Journals]'', Port Washington, NY: Kennikat Press, 1938, Volume 1, p. 115.</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** আমোস অলকট, ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ জার্নালস]'', পোর্ট ওয়াশিংটন, এনওয়াই: কেনিকাট প্রেস, ১৯৩৮, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১১৫।</nowiki></code> <p> আমার মনে হয় আপনার লাইন অনেক বাদ আছে, ইংরেজির থেকে বাংলাতে অনেক লাইন কমে গেছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৯:২০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::এক দুটি লিঙ্ক বাদ পড়তে পারে তবে একটি উক্তিও বাদ পড়েনি। কয়েকবার রিভিশন দিয়েছি। লিঙ্কগুলো চেক করে জানাব।
::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::ইংলিশ পাতার সাথে মিলাতে গেলেই দেখা যায় বাংলা পাতায় অনেক অপ্রয়োজনীয় '''বোল্ড''' ''ইটালিক ''দেখা যাওয়ার কারনে দেখতে বেখাপ্পা লাগছে। আবার দেখেছি এটি নিয়মেও রয়েছে যে অপ্রয়োজনীয় বোল্ড ইটালিক করা যাবেনা। সেজন্যই লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে কিছু জায়গায় ইচ্ছে করেই '''বোল্ড''' ''ইটালিক'' বাদ দিয়েছি (শুধু সুত্রগুলো ছাড়া)। আশা করি এটি মার্জনা করে নিবেন।
::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
k79d8s1nnca8k9gq6o30lwoa54i2uq8
75393
75364
2026-04-10T14:40:28Z
ARI
356
/* যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে */ উত্তর
75393
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি)
</div>
"বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
==[[চরক]]==
নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] ==
কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
:দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[নির্বাচন]] ==
পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা ঠিক করেছি ==
আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃপর্যালোচনা ==
[[আবি আহমেদ]] এবং [[পিটার আগ্রি]] পাতা দুটি সংশোধন করা হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:২৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃপর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[আহমেদ জেওয়াইল]] পুনরায় দেখার অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:২৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে ==
আমি ডেভিড হিউম নামক উক্তির পাতাটি তৈরী করেছিলাম। কিছু জায়গায় যান্ত্রিকতার কথা বলা হয়েছে।যদি নির্দিষ্ট জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেন, তবে সে ক্ষেত্রে উক্তির পাতাটি সংশোধন করা সহজ হবে।<br>
ধন্যবাদ।<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:৪৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত, লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে ভুল, আপনি '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' ঠিকঠাক অনুসরণ করেননি; দ্বিতীয়ত সুত্রগুলো আসল ইংরেজির মতো করে বাংলাতে বসানোর চেষ্টা করুন; তৃতীয়ত বিভিন্ন জায়গায় বাক্যগুলো পড়তে অস্বাভাবিক লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:৫০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::পয়েন্টগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। '''তবে ২য় পয়েন্টটি বুঝতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে - '''আপনি কি সূত্রগুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজি হরফ ও সংখ্যাগুলো (যেমন- Book 1, Section 3, Page 45) বাংলায় (১ম খণ্ড, ৩য় অনুচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৪৫) রূপান্তর করতে বলছেন? নাকি বইয়ের নামের বাংলা অনুবাদের কথা বুঝিয়েছেন?<br>বিষয়টি নিশ্চিত করলে আমার জন্য পাতাটি নিখুঁতভাবে সংশোধন করা সহজ হবে।
::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৬:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] <code><span style="color:red;"><nowiki>** [[Amos Bronson Alcott|Amos Alcott]], ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ Journals]'', Port Washington, NY: Kennikat Press, 1938, Volume 1, p. 115.</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** আমোস অলকট, ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ জার্নালস]'', পোর্ট ওয়াশিংটন, এনওয়াই: কেনিকাট প্রেস, ১৯৩৮, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১১৫।</nowiki></code> <p> আমার মনে হয় আপনার লাইন অনেক বাদ আছে, ইংরেজির থেকে বাংলাতে অনেক লাইন কমে গেছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৯:২০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::এক দুটি লিঙ্ক বাদ পড়তে পারে তবে একটি উক্তিও বাদ পড়েনি। কয়েকবার রিভিশন দিয়েছি। লিঙ্কগুলো চেক করে জানাব।
::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::ইংলিশ পাতার সাথে মিলাতে গেলেই দেখা যায় বাংলা পাতায় অনেক অপ্রয়োজনীয় '''বোল্ড''' ''ইটালিক ''দেখা যাওয়ার কারনে দেখতে বেখাপ্পা লাগছে। আবার দেখেছি এটি নিয়মেও রয়েছে যে অপ্রয়োজনীয় বোল্ড ইটালিক করা যাবেনা। সেজন্যই লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে কিছু জায়গায় ইচ্ছে করেই '''বোল্ড''' ''ইটালিক'' বাদ দিয়েছি (শুধু সুত্রগুলো ছাড়া)। আশা করি এটি মার্জনা করে নিবেন।
::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] পাতার অনুচ্ছেদগুলো আবার ইংরেজির সাথে মিলিয়ে দেখুন, অসঙ্গতি আছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:৪০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
l36zcu2bv2qto3fxv1se08uv9ja4xtf
75420
75393
2026-04-10T15:19:42Z
Oindrojalik Watch
4169
/* যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে */ উত্তর
75420
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি)
</div>
"বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
==[[চরক]]==
নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] ==
কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
:দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[নির্বাচন]] ==
পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা ঠিক করেছি ==
আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃপর্যালোচনা ==
[[আবি আহমেদ]] এবং [[পিটার আগ্রি]] পাতা দুটি সংশোধন করা হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:২৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃপর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[আহমেদ জেওয়াইল]] পুনরায় দেখার অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:২৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে ==
আমি ডেভিড হিউম নামক উক্তির পাতাটি তৈরী করেছিলাম। কিছু জায়গায় যান্ত্রিকতার কথা বলা হয়েছে।যদি নির্দিষ্ট জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেন, তবে সে ক্ষেত্রে উক্তির পাতাটি সংশোধন করা সহজ হবে।<br>
ধন্যবাদ।<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:৪৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত, লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে ভুল, আপনি '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' ঠিকঠাক অনুসরণ করেননি; দ্বিতীয়ত সুত্রগুলো আসল ইংরেজির মতো করে বাংলাতে বসানোর চেষ্টা করুন; তৃতীয়ত বিভিন্ন জায়গায় বাক্যগুলো পড়তে অস্বাভাবিক লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:৫০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::পয়েন্টগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। '''তবে ২য় পয়েন্টটি বুঝতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে - '''আপনি কি সূত্রগুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজি হরফ ও সংখ্যাগুলো (যেমন- Book 1, Section 3, Page 45) বাংলায় (১ম খণ্ড, ৩য় অনুচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৪৫) রূপান্তর করতে বলছেন? নাকি বইয়ের নামের বাংলা অনুবাদের কথা বুঝিয়েছেন?<br>বিষয়টি নিশ্চিত করলে আমার জন্য পাতাটি নিখুঁতভাবে সংশোধন করা সহজ হবে।
::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৬:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] <code><span style="color:red;"><nowiki>** [[Amos Bronson Alcott|Amos Alcott]], ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ Journals]'', Port Washington, NY: Kennikat Press, 1938, Volume 1, p. 115.</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** আমোস অলকট, ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ জার্নালস]'', পোর্ট ওয়াশিংটন, এনওয়াই: কেনিকাট প্রেস, ১৯৩৮, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১১৫।</nowiki></code> <p> আমার মনে হয় আপনার লাইন অনেক বাদ আছে, ইংরেজির থেকে বাংলাতে অনেক লাইন কমে গেছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৯:২০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::এক দুটি লিঙ্ক বাদ পড়তে পারে তবে একটি উক্তিও বাদ পড়েনি। কয়েকবার রিভিশন দিয়েছি। লিঙ্কগুলো চেক করে জানাব।
::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::ইংলিশ পাতার সাথে মিলাতে গেলেই দেখা যায় বাংলা পাতায় অনেক অপ্রয়োজনীয় '''বোল্ড''' ''ইটালিক ''দেখা যাওয়ার কারনে দেখতে বেখাপ্পা লাগছে। আবার দেখেছি এটি নিয়মেও রয়েছে যে অপ্রয়োজনীয় বোল্ড ইটালিক করা যাবেনা। সেজন্যই লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে কিছু জায়গায় ইচ্ছে করেই '''বোল্ড''' ''ইটালিক'' বাদ দিয়েছি (শুধু সুত্রগুলো ছাড়া)। আশা করি এটি মার্জনা করে নিবেন।
::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] পাতার অনুচ্ছেদগুলো আবার ইংরেজির সাথে মিলিয়ে দেখুন, অসঙ্গতি আছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:৪০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::ইংলিশ পাতার সঙ্গে মিলিয়ে পুনরায় কিছু উক্তি ও সুত্র সংশোধন করেছি। কিছু সুত্রে থাকা অতিরিক্ত তথ্য ইংলিশ উইকিলিঙ্ক থেকে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেহেতু ইংলিশ উইকিলিঙ্ক দেওয়া নিষেধ। গত সাত দিনের ধারাবাহিক একটানা সম্পাদনার পর আশা করছি পাতাটি যথার্থ সংশোধিত হয়েছে। গ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ রইলো।
::::ধন্যবাদ।
::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:১৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
qneqhdtq3hs978fzitdick165v9d0f6
75476
75420
2026-04-10T23:37:48Z
ARI
356
/* যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে */ উত্তর
75476
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি)
</div>
"বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
==[[চরক]]==
নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] ==
কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
:দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[নির্বাচন]] ==
পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা ঠিক করেছি ==
আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃপর্যালোচনা ==
[[আবি আহমেদ]] এবং [[পিটার আগ্রি]] পাতা দুটি সংশোধন করা হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:২৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃপর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[আহমেদ জেওয়াইল]] পুনরায় দেখার অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:২৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে ==
আমি ডেভিড হিউম নামক উক্তির পাতাটি তৈরী করেছিলাম। কিছু জায়গায় যান্ত্রিকতার কথা বলা হয়েছে।যদি নির্দিষ্ট জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেন, তবে সে ক্ষেত্রে উক্তির পাতাটি সংশোধন করা সহজ হবে।<br>
ধন্যবাদ।<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:৪৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত, লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে ভুল, আপনি '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' ঠিকঠাক অনুসরণ করেননি; দ্বিতীয়ত সুত্রগুলো আসল ইংরেজির মতো করে বাংলাতে বসানোর চেষ্টা করুন; তৃতীয়ত বিভিন্ন জায়গায় বাক্যগুলো পড়তে অস্বাভাবিক লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:৫০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::পয়েন্টগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। '''তবে ২য় পয়েন্টটি বুঝতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে - '''আপনি কি সূত্রগুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজি হরফ ও সংখ্যাগুলো (যেমন- Book 1, Section 3, Page 45) বাংলায় (১ম খণ্ড, ৩য় অনুচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৪৫) রূপান্তর করতে বলছেন? নাকি বইয়ের নামের বাংলা অনুবাদের কথা বুঝিয়েছেন?<br>বিষয়টি নিশ্চিত করলে আমার জন্য পাতাটি নিখুঁতভাবে সংশোধন করা সহজ হবে।
::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৬:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] <code><span style="color:red;"><nowiki>** [[Amos Bronson Alcott|Amos Alcott]], ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ Journals]'', Port Washington, NY: Kennikat Press, 1938, Volume 1, p. 115.</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** আমোস অলকট, ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ জার্নালস]'', পোর্ট ওয়াশিংটন, এনওয়াই: কেনিকাট প্রেস, ১৯৩৮, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১১৫।</nowiki></code> <p> আমার মনে হয় আপনার লাইন অনেক বাদ আছে, ইংরেজির থেকে বাংলাতে অনেক লাইন কমে গেছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৯:২০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::এক দুটি লিঙ্ক বাদ পড়তে পারে তবে একটি উক্তিও বাদ পড়েনি। কয়েকবার রিভিশন দিয়েছি। লিঙ্কগুলো চেক করে জানাব।
::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::ইংলিশ পাতার সাথে মিলাতে গেলেই দেখা যায় বাংলা পাতায় অনেক অপ্রয়োজনীয় '''বোল্ড''' ''ইটালিক ''দেখা যাওয়ার কারনে দেখতে বেখাপ্পা লাগছে। আবার দেখেছি এটি নিয়মেও রয়েছে যে অপ্রয়োজনীয় বোল্ড ইটালিক করা যাবেনা। সেজন্যই লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে কিছু জায়গায় ইচ্ছে করেই '''বোল্ড''' ''ইটালিক'' বাদ দিয়েছি (শুধু সুত্রগুলো ছাড়া)। আশা করি এটি মার্জনা করে নিবেন।
::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] পাতার অনুচ্ছেদগুলো আবার ইংরেজির সাথে মিলিয়ে দেখুন, অসঙ্গতি আছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:৪০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::ইংলিশ পাতার সঙ্গে মিলিয়ে পুনরায় কিছু উক্তি ও সুত্র সংশোধন করেছি। কিছু সুত্রে থাকা অতিরিক্ত তথ্য ইংলিশ উইকিলিঙ্ক থেকে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেহেতু ইংলিশ উইকিলিঙ্ক দেওয়া নিষেধ। গত সাত দিনের ধারাবাহিক একটানা সম্পাদনার পর আশা করছি পাতাটি যথার্থ সংশোধিত হয়েছে। গ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ রইলো।
::::ধন্যবাদ।
::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:১৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
:::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আর একটি সংশোধন প্রয়োজন, সম্পূর্ণ নিবন্ধে অতিরিক্ত — (em dash) ব্যবহার করেছেন, যেগুলো খুবই দৃষ্টিকটূ এবং যান্ত্রিক অনুবাদের লক্ষণ। এগুলো সংশোধন করে জানান, গ্রহণ করে নেব। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
n86q2xd6oljax57apyr747v31c2hp1h
75477
75476
2026-04-10T23:43:58Z
Oindrojalik Watch
4169
/* যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে */ উত্তর
75477
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি)
</div>
"বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
==[[চরক]]==
নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] ==
কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
:দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[নির্বাচন]] ==
পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা ঠিক করেছি ==
আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃপর্যালোচনা ==
[[আবি আহমেদ]] এবং [[পিটার আগ্রি]] পাতা দুটি সংশোধন করা হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:২৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃপর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[আহমেদ জেওয়াইল]] পুনরায় দেখার অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:২৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে ==
আমি ডেভিড হিউম নামক উক্তির পাতাটি তৈরী করেছিলাম। কিছু জায়গায় যান্ত্রিকতার কথা বলা হয়েছে।যদি নির্দিষ্ট জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেন, তবে সে ক্ষেত্রে উক্তির পাতাটি সংশোধন করা সহজ হবে।<br>
ধন্যবাদ।<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:৪৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত, লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে ভুল, আপনি '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' ঠিকঠাক অনুসরণ করেননি; দ্বিতীয়ত সুত্রগুলো আসল ইংরেজির মতো করে বাংলাতে বসানোর চেষ্টা করুন; তৃতীয়ত বিভিন্ন জায়গায় বাক্যগুলো পড়তে অস্বাভাবিক লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:৫০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::পয়েন্টগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। '''তবে ২য় পয়েন্টটি বুঝতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে - '''আপনি কি সূত্রগুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজি হরফ ও সংখ্যাগুলো (যেমন- Book 1, Section 3, Page 45) বাংলায় (১ম খণ্ড, ৩য় অনুচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৪৫) রূপান্তর করতে বলছেন? নাকি বইয়ের নামের বাংলা অনুবাদের কথা বুঝিয়েছেন?<br>বিষয়টি নিশ্চিত করলে আমার জন্য পাতাটি নিখুঁতভাবে সংশোধন করা সহজ হবে।
::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৬:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] <code><span style="color:red;"><nowiki>** [[Amos Bronson Alcott|Amos Alcott]], ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ Journals]'', Port Washington, NY: Kennikat Press, 1938, Volume 1, p. 115.</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** আমোস অলকট, ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ জার্নালস]'', পোর্ট ওয়াশিংটন, এনওয়াই: কেনিকাট প্রেস, ১৯৩৮, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১১৫।</nowiki></code> <p> আমার মনে হয় আপনার লাইন অনেক বাদ আছে, ইংরেজির থেকে বাংলাতে অনেক লাইন কমে গেছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৯:২০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::এক দুটি লিঙ্ক বাদ পড়তে পারে তবে একটি উক্তিও বাদ পড়েনি। কয়েকবার রিভিশন দিয়েছি। লিঙ্কগুলো চেক করে জানাব।
::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::ইংলিশ পাতার সাথে মিলাতে গেলেই দেখা যায় বাংলা পাতায় অনেক অপ্রয়োজনীয় '''বোল্ড''' ''ইটালিক ''দেখা যাওয়ার কারনে দেখতে বেখাপ্পা লাগছে। আবার দেখেছি এটি নিয়মেও রয়েছে যে অপ্রয়োজনীয় বোল্ড ইটালিক করা যাবেনা। সেজন্যই লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে কিছু জায়গায় ইচ্ছে করেই '''বোল্ড''' ''ইটালিক'' বাদ দিয়েছি (শুধু সুত্রগুলো ছাড়া)। আশা করি এটি মার্জনা করে নিবেন।
::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] পাতার অনুচ্ছেদগুলো আবার ইংরেজির সাথে মিলিয়ে দেখুন, অসঙ্গতি আছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:৪০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::ইংলিশ পাতার সঙ্গে মিলিয়ে পুনরায় কিছু উক্তি ও সুত্র সংশোধন করেছি। কিছু সুত্রে থাকা অতিরিক্ত তথ্য ইংলিশ উইকিলিঙ্ক থেকে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেহেতু ইংলিশ উইকিলিঙ্ক দেওয়া নিষেধ। গত সাত দিনের ধারাবাহিক একটানা সম্পাদনার পর আশা করছি পাতাটি যথার্থ সংশোধিত হয়েছে। গ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ রইলো।
::::ধন্যবাদ।
::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:১৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
:::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আর একটি সংশোধন প্রয়োজন, সম্পূর্ণ নিবন্ধে অতিরিক্ত — (em dash) ব্যবহার করেছেন, যেগুলো খুবই দৃষ্টিকটূ এবং যান্ত্রিক অনুবাদের লক্ষণ। এগুলো সংশোধন করে জানান, গ্রহণ করে নেব। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::অবশ্যই। সংশোধন করে জানাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৪৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
k8ey6wg1mnirhcwgz96dks4py2mh181
75485
75477
2026-04-11T00:23:43Z
Oindrojalik Watch
4169
/* যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে */ উত্তর
75485
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি)
</div>
"বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
==[[চরক]]==
নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] ==
কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
:দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[নির্বাচন]] ==
পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা ঠিক করেছি ==
আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃপর্যালোচনা ==
[[আবি আহমেদ]] এবং [[পিটার আগ্রি]] পাতা দুটি সংশোধন করা হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:২৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃপর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[আহমেদ জেওয়াইল]] পুনরায় দেখার অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:২৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে ==
আমি ডেভিড হিউম নামক উক্তির পাতাটি তৈরী করেছিলাম। কিছু জায়গায় যান্ত্রিকতার কথা বলা হয়েছে।যদি নির্দিষ্ট জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেন, তবে সে ক্ষেত্রে উক্তির পাতাটি সংশোধন করা সহজ হবে।<br>
ধন্যবাদ।<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:৪৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত, লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে ভুল, আপনি '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' ঠিকঠাক অনুসরণ করেননি; দ্বিতীয়ত সুত্রগুলো আসল ইংরেজির মতো করে বাংলাতে বসানোর চেষ্টা করুন; তৃতীয়ত বিভিন্ন জায়গায় বাক্যগুলো পড়তে অস্বাভাবিক লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:৫০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::পয়েন্টগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। '''তবে ২য় পয়েন্টটি বুঝতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে - '''আপনি কি সূত্রগুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজি হরফ ও সংখ্যাগুলো (যেমন- Book 1, Section 3, Page 45) বাংলায় (১ম খণ্ড, ৩য় অনুচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৪৫) রূপান্তর করতে বলছেন? নাকি বইয়ের নামের বাংলা অনুবাদের কথা বুঝিয়েছেন?<br>বিষয়টি নিশ্চিত করলে আমার জন্য পাতাটি নিখুঁতভাবে সংশোধন করা সহজ হবে।
::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৬:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] <code><span style="color:red;"><nowiki>** [[Amos Bronson Alcott|Amos Alcott]], ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ Journals]'', Port Washington, NY: Kennikat Press, 1938, Volume 1, p. 115.</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** আমোস অলকট, ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ জার্নালস]'', পোর্ট ওয়াশিংটন, এনওয়াই: কেনিকাট প্রেস, ১৯৩৮, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১১৫।</nowiki></code> <p> আমার মনে হয় আপনার লাইন অনেক বাদ আছে, ইংরেজির থেকে বাংলাতে অনেক লাইন কমে গেছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৯:২০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::এক দুটি লিঙ্ক বাদ পড়তে পারে তবে একটি উক্তিও বাদ পড়েনি। কয়েকবার রিভিশন দিয়েছি। লিঙ্কগুলো চেক করে জানাব।
::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::ইংলিশ পাতার সাথে মিলাতে গেলেই দেখা যায় বাংলা পাতায় অনেক অপ্রয়োজনীয় '''বোল্ড''' ''ইটালিক ''দেখা যাওয়ার কারনে দেখতে বেখাপ্পা লাগছে। আবার দেখেছি এটি নিয়মেও রয়েছে যে অপ্রয়োজনীয় বোল্ড ইটালিক করা যাবেনা। সেজন্যই লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে কিছু জায়গায় ইচ্ছে করেই '''বোল্ড''' ''ইটালিক'' বাদ দিয়েছি (শুধু সুত্রগুলো ছাড়া)। আশা করি এটি মার্জনা করে নিবেন।
::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] পাতার অনুচ্ছেদগুলো আবার ইংরেজির সাথে মিলিয়ে দেখুন, অসঙ্গতি আছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:৪০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::ইংলিশ পাতার সঙ্গে মিলিয়ে পুনরায় কিছু উক্তি ও সুত্র সংশোধন করেছি। কিছু সুত্রে থাকা অতিরিক্ত তথ্য ইংলিশ উইকিলিঙ্ক থেকে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেহেতু ইংলিশ উইকিলিঙ্ক দেওয়া নিষেধ। গত সাত দিনের ধারাবাহিক একটানা সম্পাদনার পর আশা করছি পাতাটি যথার্থ সংশোধিত হয়েছে। গ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ রইলো।
::::ধন্যবাদ।
::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:১৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
:::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আর একটি সংশোধন প্রয়োজন, সম্পূর্ণ নিবন্ধে অতিরিক্ত — (em dash) ব্যবহার করেছেন, যেগুলো খুবই দৃষ্টিকটূ এবং যান্ত্রিক অনুবাদের লক্ষণ। এগুলো সংশোধন করে জানান, গ্রহণ করে নেব। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::অবশ্যই। সংশোধন করে জানাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৪৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]]
::::::অপ্রাসঙ্গিক এম-ড্যাশ (—) অপসারণ করে সংশোধিত করা হয়েছে।
::::::'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''''
ftsdsa25o6ar6pb5jo2lstdmiof336e
75487
75485
2026-04-11T00:27:57Z
Oindrojalik Watch
4169
75487
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি)
</div>
"বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
==[[চরক]]==
নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] ==
কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
:দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[নির্বাচন]] ==
পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা ঠিক করেছি ==
আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃপর্যালোচনা ==
[[আবি আহমেদ]] এবং [[পিটার আগ্রি]] পাতা দুটি সংশোধন করা হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:২৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃপর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[আহমেদ জেওয়াইল]] পুনরায় দেখার অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:২৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে ==
আমি ডেভিড হিউম নামক উক্তির পাতাটি তৈরী করেছিলাম। কিছু জায়গায় যান্ত্রিকতার কথা বলা হয়েছে।যদি নির্দিষ্ট জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেন, তবে সে ক্ষেত্রে উক্তির পাতাটি সংশোধন করা সহজ হবে।<br>
ধন্যবাদ।<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:৪৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত, লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে ভুল, আপনি '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' ঠিকঠাক অনুসরণ করেননি; দ্বিতীয়ত সুত্রগুলো আসল ইংরেজির মতো করে বাংলাতে বসানোর চেষ্টা করুন; তৃতীয়ত বিভিন্ন জায়গায় বাক্যগুলো পড়তে অস্বাভাবিক লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:৫০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::পয়েন্টগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। '''তবে ২য় পয়েন্টটি বুঝতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে - '''আপনি কি সূত্রগুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজি হরফ ও সংখ্যাগুলো (যেমন- Book 1, Section 3, Page 45) বাংলায় (১ম খণ্ড, ৩য় অনুচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৪৫) রূপান্তর করতে বলছেন? নাকি বইয়ের নামের বাংলা অনুবাদের কথা বুঝিয়েছেন?<br>বিষয়টি নিশ্চিত করলে আমার জন্য পাতাটি নিখুঁতভাবে সংশোধন করা সহজ হবে।
::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৬:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] <code><span style="color:red;"><nowiki>** [[Amos Bronson Alcott|Amos Alcott]], ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ Journals]'', Port Washington, NY: Kennikat Press, 1938, Volume 1, p. 115.</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** আমোস অলকট, ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ জার্নালস]'', পোর্ট ওয়াশিংটন, এনওয়াই: কেনিকাট প্রেস, ১৯৩৮, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১১৫।</nowiki></code> <p> আমার মনে হয় আপনার লাইন অনেক বাদ আছে, ইংরেজির থেকে বাংলাতে অনেক লাইন কমে গেছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৯:২০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::এক দুটি লিঙ্ক বাদ পড়তে পারে তবে একটি উক্তিও বাদ পড়েনি। কয়েকবার রিভিশন দিয়েছি। লিঙ্কগুলো চেক করে জানাব।
::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::ইংলিশ পাতার সাথে মিলাতে গেলেই দেখা যায় বাংলা পাতায় অনেক অপ্রয়োজনীয় '''বোল্ড''' ''ইটালিক ''দেখা যাওয়ার কারনে দেখতে বেখাপ্পা লাগছে। আবার দেখেছি এটি নিয়মেও রয়েছে যে অপ্রয়োজনীয় বোল্ড ইটালিক করা যাবেনা। সেজন্যই লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে কিছু জায়গায় ইচ্ছে করেই '''বোল্ড''' ''ইটালিক'' বাদ দিয়েছি (শুধু সুত্রগুলো ছাড়া)। আশা করি এটি মার্জনা করে নিবেন।
::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] পাতার অনুচ্ছেদগুলো আবার ইংরেজির সাথে মিলিয়ে দেখুন, অসঙ্গতি আছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:৪০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::ইংলিশ পাতার সঙ্গে মিলিয়ে পুনরায় কিছু উক্তি ও সুত্র সংশোধন করেছি। কিছু সুত্রে থাকা অতিরিক্ত তথ্য ইংলিশ উইকিলিঙ্ক থেকে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেহেতু ইংলিশ উইকিলিঙ্ক দেওয়া নিষেধ। গত সাত দিনের ধারাবাহিক একটানা সম্পাদনার পর আশা করছি পাতাটি যথার্থ সংশোধিত হয়েছে। গ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ রইলো।
::::ধন্যবাদ।
::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:১৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
:::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আর একটি সংশোধন প্রয়োজন, সম্পূর্ণ নিবন্ধে অতিরিক্ত — (em dash) ব্যবহার করেছেন, যেগুলো খুবই দৃষ্টিকটূ এবং যান্ত্রিক অনুবাদের লক্ষণ। এগুলো সংশোধন করে জানান, গ্রহণ করে নেব। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::অবশ্যই। সংশোধন করে জানাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৪৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]]
::::::অপ্রাসঙ্গিক এম-ড্যাশ (—) অপসারণ করে সংশোধিত করা হয়েছে ~!
::::::'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''''
4rmvzsjnrje3hbbx4pknf1vr0jq46rh
75495
75487
2026-04-11T01:24:13Z
ARI
356
/* যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে */ উত্তর
75495
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি)
</div>
"বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
==[[চরক]]==
নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] ==
কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
:দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[নির্বাচন]] ==
পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা ঠিক করেছি ==
আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃপর্যালোচনা ==
[[আবি আহমেদ]] এবং [[পিটার আগ্রি]] পাতা দুটি সংশোধন করা হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:২৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃপর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[আহমেদ জেওয়াইল]] পুনরায় দেখার অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:২৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে ==
আমি ডেভিড হিউম নামক উক্তির পাতাটি তৈরী করেছিলাম। কিছু জায়গায় যান্ত্রিকতার কথা বলা হয়েছে।যদি নির্দিষ্ট জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেন, তবে সে ক্ষেত্রে উক্তির পাতাটি সংশোধন করা সহজ হবে।<br>
ধন্যবাদ।<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:৪৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত, লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে ভুল, আপনি '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' ঠিকঠাক অনুসরণ করেননি; দ্বিতীয়ত সুত্রগুলো আসল ইংরেজির মতো করে বাংলাতে বসানোর চেষ্টা করুন; তৃতীয়ত বিভিন্ন জায়গায় বাক্যগুলো পড়তে অস্বাভাবিক লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:৫০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::পয়েন্টগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। '''তবে ২য় পয়েন্টটি বুঝতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে - '''আপনি কি সূত্রগুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজি হরফ ও সংখ্যাগুলো (যেমন- Book 1, Section 3, Page 45) বাংলায় (১ম খণ্ড, ৩য় অনুচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৪৫) রূপান্তর করতে বলছেন? নাকি বইয়ের নামের বাংলা অনুবাদের কথা বুঝিয়েছেন?<br>বিষয়টি নিশ্চিত করলে আমার জন্য পাতাটি নিখুঁতভাবে সংশোধন করা সহজ হবে।
::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৬:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] <code><span style="color:red;"><nowiki>** [[Amos Bronson Alcott|Amos Alcott]], ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ Journals]'', Port Washington, NY: Kennikat Press, 1938, Volume 1, p. 115.</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** আমোস অলকট, ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ জার্নালস]'', পোর্ট ওয়াশিংটন, এনওয়াই: কেনিকাট প্রেস, ১৯৩৮, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১১৫।</nowiki></code> <p> আমার মনে হয় আপনার লাইন অনেক বাদ আছে, ইংরেজির থেকে বাংলাতে অনেক লাইন কমে গেছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৯:২০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::এক দুটি লিঙ্ক বাদ পড়তে পারে তবে একটি উক্তিও বাদ পড়েনি। কয়েকবার রিভিশন দিয়েছি। লিঙ্কগুলো চেক করে জানাব।
::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::ইংলিশ পাতার সাথে মিলাতে গেলেই দেখা যায় বাংলা পাতায় অনেক অপ্রয়োজনীয় '''বোল্ড''' ''ইটালিক ''দেখা যাওয়ার কারনে দেখতে বেখাপ্পা লাগছে। আবার দেখেছি এটি নিয়মেও রয়েছে যে অপ্রয়োজনীয় বোল্ড ইটালিক করা যাবেনা। সেজন্যই লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে কিছু জায়গায় ইচ্ছে করেই '''বোল্ড''' ''ইটালিক'' বাদ দিয়েছি (শুধু সুত্রগুলো ছাড়া)। আশা করি এটি মার্জনা করে নিবেন।
::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] পাতার অনুচ্ছেদগুলো আবার ইংরেজির সাথে মিলিয়ে দেখুন, অসঙ্গতি আছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:৪০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::ইংলিশ পাতার সঙ্গে মিলিয়ে পুনরায় কিছু উক্তি ও সুত্র সংশোধন করেছি। কিছু সুত্রে থাকা অতিরিক্ত তথ্য ইংলিশ উইকিলিঙ্ক থেকে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেহেতু ইংলিশ উইকিলিঙ্ক দেওয়া নিষেধ। গত সাত দিনের ধারাবাহিক একটানা সম্পাদনার পর আশা করছি পাতাটি যথার্থ সংশোধিত হয়েছে। গ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ রইলো।
::::ধন্যবাদ।
::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:১৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
:::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আর একটি সংশোধন প্রয়োজন, সম্পূর্ণ নিবন্ধে অতিরিক্ত — (em dash) ব্যবহার করেছেন, যেগুলো খুবই দৃষ্টিকটূ এবং যান্ত্রিক অনুবাদের লক্ষণ। এগুলো সংশোধন করে জানান, গ্রহণ করে নেব। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::অবশ্যই। সংশোধন করে জানাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৪৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]]
::::::অপ্রাসঙ্গিক এম-ড্যাশ (—) অপসারণ করে সংশোধিত করা হয়েছে ~!
::::::'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''''
:::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:২৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
k3r7rh9xdl6nxwt8lftw2cl8kr8ehuj
বাঙালি জাতীয়তাবাদ
0
5382
75471
72521
2026-04-10T21:45:40Z
Oindrojalik Watch
4169
75471
wikitext
text/x-wiki
[[File:Pir Gazi and his tiger in Sundarbans.jpg|thumb|[[:w:পীর গাজী|পীর গাজী]] ও তার বাঘ ([[:W:রয়েল বেঙ্গল টাইগার|রয়েল বেঙ্গল টাইগার]]), [[:w:সুন্দরবন|সুন্দরবন]], [[:w:বঙ্গ|বঙ্গ]], ১৮০০ শতাব্দী]]
'''[[w:বাঙালি জাতীয়তাবাদ|বাঙালি জাতীয়তাবাদ]]''' বা বাঙালিয়ানা হলো এক রাজনৈতিক অভিব্যক্তি বা জাতীয়তাবাদ যার মাধ্যমে প্রাচীন কাল থেকে দক্ষিণ এশিয়াতে বসবাসরত বাঙালি জাতি, তথা বাংলা ভাষাগত অঞ্চলের অধিবাসীদের বুঝানো হয়ে থাকে। বাঙালিরা মূলত বাংলাদেশ ও ভারতের ত্রিপুরা ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে বসবাস করে। বাংলাদেশের সংবিধানের আসল সংস্করণের চারটি মূল স্তম্ভের মধ্যে বাঙালি জাতীয়তাবাদ অন্যতম যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ সৃষ্টির পেছনে প্রধান অনুপ্রেরণা হিসাবে কাজ করছে।
== উক্তি ==
*বাঙালি জাতীয়তাবাদ নিয়ে [[দিল্লি|দিল্লীর]] শিরঃপীড়ার কারণ আমি আগেই উল্লেখ করেছি। তারা ভয় করেছিলেন [[ধর্মনিরপেক্ষতা|সেক্যুলার]] ও ইন্ডিপেন্ডেন্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভারতের [[পশ্চিমবঙ্গ]], [[ত্রিপুরা]] রাজ্যসহ সকল বাংলা ভাষাভাষী এলাকায় এই জাতীয়তাবাদের ঢেউ গিয়ে পৌঁছাবে এবং অবশিষ্ট অখণ্ড ভারতের ঐক্যেও চিড় ধরাবে।...তারা চাচ্ছিলেন, ভারতের পূর্বাঞ্চলে একটি দুর্বল মুসলিম স্টেট প্রতিবেশী হিসেবে থাকুক, যে রাষ্ট্রের প্রতি পশ্চিমবঙ্গ বা ত্রিপুরার অমুসলিম বাঙালিরা কোনো অনুরাগ বা আনুগত্য পোষণ করবে না; বরং মুসলিম জাতীয়তা ও মুসলিম গরিষ্ঠতার সঙ্গে যুক্ত হতে তারা ভয় পাবে; পাকিস্তানী শাসনামলের কথা স্মরণ করবে।
** [[আবদুল গাফফার চৌধুরী]]। "আমরা বাংলাদেশী না বাঙালি?", প্রকাশক: অক্ষরবৃত্ত প্রকাশনী, প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ১৯৯৩, পৃষ্ঠা: ৩৪-৩৫
*সংবিধানে নিজের জনসাধারণকে '[[বাঙালি জাতি|বাঙালী]]' হিসেবে আখ্যা দিয়ে [[শেখ মুজিবুর রহমান|শেখ মুজিব]] ৭২ সালে [[দিল্লি|দিল্লীর]] বিরক্তির কারণ হয়েছিলেন। ভারতীয়দের মনে হয়েছিলো, "[[বাঙালি জাতীয়তাবাদ|বাঙালী জাতীয়তাবাদ]]” এর এই আনুষ্ঠানিক প্রদর্শনী ভবিষ্যতে কোনো এক সময় তাদের "[[পশ্চিমবঙ্গ]]” রাজ্য নিয়েও অযাচিত ঝামেলা সৃষ্টি করতে পারে। তাই [[জিয়াউর রহমান|জিয়া]] কর্তৃক '[[বাংলাদেশী]]' নামকরণের ব্যাপারটি তাদের কাছে স্বাদরে গৃহীত হয়েছিলো এবং সংবিধানের ইসলামিকরণের প্রচেষ্টাকে এর ভারসাম্য হিসেবে তাদেরকে মেনে নিতে সাহায্য করেছিলো।
**এন্থনি মাস্কারেনহাস। Bangladesh: A legacy of blood, পৃষ্ঠা ১২৫
* ওটা নিয়ে ভারতে বেশ উদ্বেগ ছিল। বাংলাদেশের [[মুক্তিযুদ্ধ|মুক্তিযুদ্ধে]] সমর্থন দেওয়ায় ভারতে অনেকেই [[ইন্দিরা গান্ধী|ইন্দিরা গান্ধীর]] সমালোচনা করেছিলেন। তাঁদের মতে, [[বাঙালি]] পরিচয়টি খুব বেশি শক্তিশালী হলে [[পশ্চিমবঙ্গ|পশ্চিমবঙ্গও]] এ রকম কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার চিন্তা করতে পারে। এই প্রেক্ষাপটেই পরিচয়ের প্রশ্নটি তখন সামনে চলে এসেছিল।
** ভেদ মারওয়া, ভারতীয় কূটনীতিক। বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ভারতের অভ্যন্তরীণ উদ্বেগ প্রসঙ্গে; ২০০৮ সালে দেওয়া এক [https://web.archive.org/web/20250524215724/https://www.prothomalo.com/special-supplement/%E2%80%98%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%BE-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B7-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E2%80%99 সাক্ষাৎকারে]।
* বাঙলা আজো অনেকের অস্বস্তি। কোনদিন আবারো যেন বাঙালি জেগে না ওঠে। [[পাকিস্তান|পাকিস্তানের]] চাইতে বাঙলা [[ভারত|ভারতের]] কাছে বেশী অসস্তির। কারণ বাঙলা তাঁদের জন্য ইডিওলজিক্যাল থ্র্যাট। বাংলাদেশ সম্পদে, মর্যাদায়, উন্নয়নে, গনতান্ত্রিক চেতনায়, বিজ্ঞানে, শিল্পে, খেলায় যদি তাক লাগিয়ে দিতে পারে তবে সেটা বহু ভাষাভাষী, বহু জাতির এই ফেডারেশনের জন্য অশনি সংকেত। [[বাঙালি জাতি|বাঙালি]] পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম নৃভাষিক জাতি এবং নিঃসন্দেহে ভারতীয় উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ জাতি। ইতিহাসের কোন মহা লগ্নে যদি বাঙালী তার স্টেইক ও স্টেইটাস দাবী করে বসে তাহলে কার বিপদ? আপনারাই ভেবে দেখুন। এই বিপদ যেন না ঘটে তাই এতো অসংখ্য বিভক্তিকে উস্কে দিয়ে জিয়িয়ে রেখে বাংলাকে দুর্বল করা হয়েছে এবং হচ্ছে। বাঙালি যেদিন বুঝতে পারবে সে কেন বিভক্ত, সেটাই ইতিহাসের সেই মহালগ্ন।
** [[পিনাকী ভট্টাচার্য]], ২০১৮ সালের ১৩ অক্টোবর নিজের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক লেখায়। [https://web.archive.org/web/20250315103719/https://pbhattacharya.com/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF-%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9D%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%87/]
*খণ্ডিত বাংলাদেশে বাঙালি জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে না। বাঙালি জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা করতে হলে দুই বাংলায় মিলন ঘটাতে হবে এবং খণ্ডিত বাঙালি সংস্কৃতিকেও ঐক্যবদ্ধ করতে হবে।
**[[সত্যজিৎ রায়]]।[https://samakal.com/editorial-subeditorial/article/95604/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A7%8E%E0%A6%B8]
*বাঙালি জাতীয়তাবাদ না থাকলে আমাদের স্বাধীনতার অস্তিত্ব বিপন্ন হবে।
**[[শেখ মুজিবুর রহমান]] [https://www.jugantor.com/todays-paper/tutorials/255355/%E0%A6%89%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF--%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%81-%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8]
*জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে বাঙালি জাতি ঝাঁপিয়ে পড়েছিল অসম মরণ সংগ্রামে। জাতীয়তাবাদ না হলে কোন জাতি এগিয়ে যেতে পারে না। এই মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে আমরা এগিয়ে গিয়েছি। ... এই যে জাতীয়তাবাদ, সে সম্পর্কে আমি একটা কথা বলতে চাই। ভাষাই বলুন, শিক্ষাই বলুন, সভ্যতাই বলুন আর কৃষ্টিই বলুন, সকলের সাথে একটা জিনিস রয়েছে, সেটা হলো অনুভূতি। ... অনেক দেশ আছে একই ভাষা, একই ধর্ম, একই সবকিছু, কিন্তু সেখানে বিভিন্ন জাতি গড়ে উঠেছে, তারা একটি জাতিতে পরিণত হতে পারে নাই। জাতীয়তাবাদ নির্ভর করে অনুভূতির ওপর। আজ বাঙ্গালি জাতি রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করেছে, এই সংগ্রাম হয়েছিল যার ওপর ভিত্তি করে সেই অনুভূতি আছে বলেই আজকে আমি বাঙালি, আমার বাঙালি জাতীয়তাবাদ।
**গণপরিষদে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক প্রদত্ত ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বরের ভাষণ।
* পাকিস্তান সৃষ্টির পর পরই ঐতিহাসিক ঢাকা নগরীতে [[মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ|মি. জিন্না]] যেদিন ঘোষণা করলেন, [[উর্দু]] এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা— আমার মতে, ঠিক সে দিনই বাঙালি হৃদয়ে অংকুরিত হয়েছিল [[বাঙালি জাতীয়তাবাদ]]। জন্ম হয়েছিল [[বাঙালি জাতি|বাঙালি জাতির]]। পাকিস্তানের স্রষ্টা নিজেই ঠিক সেদিনই অস্বাভাবিক রাষ্ট্র পাকিস্তানের ধ্বংসের বীজটাও বপন করে গিয়েছিলেন— এই ঢাকার ময়দানেই। এই ঐতিহসিক নগরী ঢাকাতেই মি. জিন্না অত্যন্ত নগ্নভবে পদদলিত করেছিলেন আমাদের জনগণের জন্মগত অধিকার। আর এই ঐতিহাসিক ঢাকা নগরীতেই চূড়ান্তভাবে খণ্ড-বিখণ্ড হয়ে গেলো তার সাধের [[পাকিস্তান]]।
** [[জিয়াউর রহমান]]। "একটি জাতির জন্ম", জিয়া স্টাডি সেল কর্তৃক প্রকাশিত, প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ২০০২, পৃষ্ঠা: ৩
* বাঙালির জীবন-বিকাশের ইতিহাস দীর্ঘকালের। সুলতানী আমলে বাংলাভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির উন্মেষ ঘটে। এই সুলতানী আমলেই 'বাঙালি জাতীয়তাবাদ'-এর 'অঙ্কুর' রোপিত হয়। এ সময়েই বাংলা 'রাজকীয় ভাষা' হিসেবে ব্যবহৃত হতে আমরা দেখি।
** [[সিরাজুল আলম খান]]। "বাঙালির জাতীয় রাষ্ট্র", প্রকাশক: ইন্টারন্যাশনাল হিস্টোরিক্যাল নেটওয়ার্ক (আইএইচএন), প্রথম প্রকাশ: জুলাই ২০১৪, পৃষ্ঠা: ৫
* ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু আদিবাসীদের যে অর্থে বাঙালি হয়ে যেতে আহ্বান জানিয়েছিলেন সেটারও ভিন্ন ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। এখানে মনে রাখতে হবে ১৯৭১ সালের ৩ জানুয়ারি নির্বাচিত আওয়ামী লীগ সাংসদদের গণশপথ অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু একই আহ্বান জানিয়েছিলেন এই দেশে বসবাসরত বিহারী ও অবাঙালিদের প্রতিও। তাদের বলেছিলেন- "আপনারা [[বাঙালি জাতি|বাঙালি]] হয়ে যান, নিজেদের পাকিস্তানিদের মতো না ভেবে মিশে যান এ দেশের মানুষের সঙ্গে। এই মাটিকে আপন ভাবতে শিখুন, এই দেশের মানুষকে আপন ভাবতে শিখুন। তারাও আপনাদের আপন করে নেবে।"...'''মোদ্দাকথা হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর যে আহ্বান বাঙালি হওয়ার, সেখানে উপজাতিদের রাজনৈতিক বাঙালি হতে বলা হয়েছে। নৃতাত্ত্বিক বাঙালি না'''।...পৃথক জাতিসত্ত্বার স্বীকৃতি চেয়ে মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা এই সংবিধানে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানান। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে দেখা করার পর তার সেই ভুল ভাঙ্গে। তিনি নিশ্চিত হয়েছিলেন বাঙালি জাতীয়তাবাদের আওতায় তাদের নৃগোষ্ঠির সংস্কৃতি, ঐতিহ্য বিপন্ন হবে না। সেসময় জাতীয় প্রচারমাধ্যম বাংলাদেশ বেতারে চাকমা ও মারমা ভাষায় খবর পাঠ ও প্রতিবেদন প্রচার শুরু হয়েছিল। লারমা বাকশালে যোগ দিয়েছিলেন চাকমাদের ওপর যুগ যুগ ধরে চলে আসা নিপীড়ণ, বৈষম্য দূর করার জন্য বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করার শপথ নিয়ে। ১৯৭৯ সালের নির্বাচনে পাহাড়ে কি [[বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ|বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদকে]] সমর্থন দিয়েছিল চাকমারা? সেবার বিজয়ী উপেন্দ্রলাল চাকমা এবং অংশু প্রু চৌধুরীর বিপরীতে সর্বনিম্ন অবস্থানে ছিল এই জাতীয়তাবাদের প্রার্থী। তারপরই শুরু পাহাড়ে বাঙালি সেটলারদের আগ্রাসন। [[জিয়াউর রহমান|জিয়ার]] জানা হয়ে গিয়েছিল পাহাড়ের জনমত। বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তিই যেখানে [[অসাম্প্রদায়িকতাবাদ|অসাম্প্রদায়িকতা]] সেখানে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ পুরোপুরি সাম্প্রদায়িক একটি উপাখ্যান মাত্র। [[ধর্মনিরপেক্ষতা|ধর্ম নিরেপক্ষতা]] বাদ দিয়ে রাষ্ট্রকে ধর্মীয় রূপ দিয়ে সকল অমুসলিম নাগরিককে দ্বিতীয় শ্রেণির বানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
** অমি রহমান পিয়াল। [https://web.archive.org/web/20250315103157/https://bangla.bdnews24.com/opinion/57947 প্রসঙ্গ বাঙালি জাতীয়তাবাদ] , বিডিনিউজ ২৪ ডটকম, ২৭ ডিসেম্বর ২০১১।
== আরও দেখুন ==
* [[বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ]]
[[বিষয়শ্রেণী:পশ্চিমবঙ্গ]]
[[বিষয়শ্রেণী:জাতীয়তাবাদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি জাতীয়তাবাদ]]
qb4mpvzg4rmqko1heiabp9p9pxqtte6
আসাদুজ্জামান নূর
0
6311
75686
48039
2026-04-11T11:49:30Z
Md. Rayan Alam Rifat
1306
75686
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:Asaduzzaman Noor Korea 2014.png|থাম্ব|পরামর্শ দেওয়ার যোগ্যতা আমার নাই। আমি জীবনে এমন কিছুই করিনি যে পরামর্শ দিতে পারি। তবে আমার ছেলে-মেয়েদের যে কথাটা বলি, সেটাই সবাইকে বলি- জীবনে যা-ই করতে চাও হৃদয় দিয়ে কর, পরিশ্রম কর। ]]
'''[[:w:আসাদুজ্জামান নূর|আসাদুজ্জামান নূর]]''' (জন্ম ৩১ অক্টোবর ১৯৪৬) হলেন একজন বাংলাদেশী অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ। তিনি [[শেখ হাসিনা]]র তৃতীয় মন্ত্রিসভায় বাংলাদেশের সংস্কৃতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০০১ সাল থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে নীলফামারী-২ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
সংস্কৃতিতে অবদান রাখার জন্য ২০১৮ সালে তিনি স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ এর সভাপতির দ্বায়িত্ব পালন করেছেন।
==উক্তি==
* শিল্পীর ক্ষুধা কখনো মেটে না। বার বার ওই জায়গায় ফিরতে ইচ্ছে করে। শিল্পীর ক্ষুধা থেকেই যায়। থাকাটাই স্বাভাবিক। একটি নাটকে বা সিনেমায় যত ভালো অভিনয় করা হোক না কেন, পরের কাজটির জন্য আকাঙ্ক্ষা আরও বেড়ে যায়। ফলে শিল্পীর ক্ষুধা কখনো মেটে না।
** একজন শিল্পীর অভিনয়ের ক্ষুধা মেটে কিনা এর উত্তরে, ৯ নভেম্বর ২০২৩-এ প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে, উদ্ধৃত: [https://bangla.thedailystar.net/entertainment/news-531291 বার বার আমি মঞ্চেই ফিরতে চেয়েছি, ফিরেছি: আসাদুজ্জামান নূর]
* মঞ্চে অভিনয় করার আলাদা একটা আনন্দ আছে। সরাসরি দর্শকদের ভালোবাসা পাওয়া যায়। দর্শকরা কতটুকু গ্রহণ করলেন, তা সরাসরি দেখা সম্ভব। বার বার আমি মঞ্চেই ফিরতে চেয়েছি।
** অভিনয়ের সবচেয়ে প্রিয় জায়গা সম্পর্কে, ৯ নভেম্বর ২০২৩-এ প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে, উদ্ধৃত: [https://bangla.thedailystar.net/entertainment/news-531291 বার বার আমি মঞ্চেই ফিরতে চেয়েছি, ফিরেছি: আসাদুজ্জামান নূর]
* পরামর্শ দেওয়ার যোগ্যতা আমার নাই। আমি জীবনে এমন কিছুই করিনি যে পরামর্শ দিতে পারি। তবে আমার ছেলে-মেয়েদের যে কথাটা বলি, সেটাই সবাইকে বলি- জীবনে যা-ই করতে চাও হৃদয় দিয়ে কর, পরিশ্রম কর।
** নবীনদের উদ্দেশ্যে, ৩১ অক্টোবর ২০২৩, উদ্ধৃত: [https://bangla.bdnews24.com/glitz/zlhreaoibe ব্যস্ততা আমায় ক্লান্ত করে না: আসাদুজ্জামান নূর]
* আমি হতবাক। কারণ, আমাদের টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর মধ্যে, আমার ধারণা, গোটা তিন চারেক টেলিভিশন মোটামুটি লাভজনক অবস্থায় আছে। তিন-চারটা না হলেও পাঁচ-ছয়টা হবে। এর বেশি কোনো অবস্থাতেই না। বাকি সবগুলো লসের ভেতর আছে। তাহলে যারা মালিক, দীর্ঘদিন ধরে এই টেলিভিশনগুলো চালাচ্ছেন, প্রতি মাসে ভর্তুকি দিয়ে, এটা কেন করছেন আমি জানি না। তাহলে আমরা ধরে নিতে পারি যে অন্য কোথাও নিশ্চয় লাভ হচ্ছে। যেটা আমরা সাধারণ মানুষ জানি না। হয়তো কারো আত্মশ্লাঘার ব্যাপার আছে— আমি একটা টেলিভিশন চ্যানেলের মালিক। আমি যেটাকে বলি ইগো মাসাজ। ইগো মাসাজ না হলে অন্য কোথাও কোনো লাভ হচ্ছে। নয়তো আমি বুঝতে পারি না কোনো ব্যবসায়ী কেন একটি ব্যবসা দিনের পর দিন লস দিয়ে চালাবেন। অন্য কোনো ব্যবসার ক্ষেত্রে কি এটা হতো?
** বাংলাদেশের টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রি সম্পর্কে, ২ নভেম্বর ২০১৬-এ নেয়া সাক্ষাৎকারে, উদ্ধৃত: [https://bangla.bdnews24.com/arts/interview/20273 আসাদুজ্জামান নূর: অনেক বিষয় আছে যেগুলো সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ করা উচিত]
* আমি মনে করি, যারা সংস্কৃতির চর্চা করছেন এই দেশে, তারা সবাই অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ধারন করেন। বাঙালি চেতনাকে প্রোমোট করেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষে কাজ করেন। তাদের রাজনৈতিক চেতনা নেই এটা আমি মনে করি না।
** শিল্পীদের রাজনৈতিক চেতনা সম্পর্কে, ২ নভেম্বর ২০১৬-এ নেয়া সাক্ষাৎকারে, উদ্ধৃত: [https://bangla.bdnews24.com/arts/interview/20273 আসাদুজ্জামান নূর: অনেক বিষয় আছে যেগুলো সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ করা উচিত]
*আমাদের পরিচয় হওয়া উচিত আমরা বাঙালি। এই বাঙালির মধ্যে রয়েছে হিন্দু, মুসলমান, খ্রিষ্টান থেকে শুরু করে সব ধর্মের মানুষ। ধর্মের ভিত্তিতে বা ভাষার ভিত্তিতে কোনো দেশের পরিচিতি হতে পারে না। তা-ই যদি হতো, তাহলে সৌদি আরব থেকে শুরু করে অধিকাংশ মুসলিম দেশের ভাষা হতো আরবি, ধর্ম ইসলাম; কিন্তু ওই সব দেশের মানুষ নিজেদের সৌদি, মিসরীয়, পাকিস্তানি পরিচয় দিতে পছন্দ করেন। তাঁরা মাথা উঁচু করে নিজের দেশের পরিচয় দেন। এটা আসলে সঠিক পরিচয়। এই আত্মমর্যাদা নিয়েই আমাদের মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে। আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। এখানে সাম্প্রদায়িকতার কোনো স্থান নেই।
** বাংলাদেশ ইতিহাস সম্মিলনীর অষ্টম বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে, ১০ ডিসেম্বর ২০২২, উদ্ধৃত: [https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/9rlvsj8rgb মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে: আসাদুজ্জামান নূর]
* আমার এলাকার মানুষকে আমি প্রচণ্ড ভালোবাসি। তারাও আমাকে খুব ভালোবাসেন। তাদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করি। এলাকার প্রতি টান আমার সবসময়ই আছে।
** নিজ এলাকা সম্পর্কে, ৯ নভেম্বর ২০২৩-এ প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে, উদ্ধৃত: [https://bangla.thedailystar.net/entertainment/news-531291 বার বার আমি মঞ্চেই ফিরতে চেয়েছি, ফিরেছি: আসাদুজ্জামান নূর]
* জীবন তো নানাক্ষেত্রে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে গেল। একদিকে ব্যবসা, একদিকে সাংস্কৃতিক অঙ্গন, আরেকদিকে রাজনীতি। নানামুখী ব্যস্ততা। তারপরও সময় করে প্রতিটি কাজ করার চেষ্টাটা ছিল। তবে, আমার মধ্যে থিয়েটারে ফেরার ইচ্ছেটা প্রবল। নানা কাজের ভিড়েও। জীবন নানা ক্ষেত্রে ছড়ানোর পরও মঞ্চের প্রতি টানটা অনেক বেশি।
** জীবনটা তো নানাদিকে ছড়ানো সম্পর্কে, ৯ নভেম্বর ২০২৩-এ প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে, উদ্ধৃত: [https://bangla.thedailystar.net/entertainment/news-531291 বার বার আমি মঞ্চেই ফিরতে চেয়েছি, ফিরেছি: আসাদুজ্জামান নূর]
* প্রতিদিন আমাকে পতাকা উত্তোলন করতে হবে। আমাকে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে হবে। আমাকে জাতীয় সঙ্গীতের পাশাপাশি একটি দেশাত্মবোধক গান জানতে হবে। আমাকে জানতে হবে রবীন্দ্রনাথকে, নজরুলকে, শামসুর রাহমানকে, জীবনানন্দ দাসকে। শুধু সংস্কৃতি কেন, বঙ্গবন্ধুকে আমাকে জানতে হবে না? যারা স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছে তাদের কথা জানতে হবে না? আমাদের দেশের বড় বড় যারা পেইন্টার তাদের সম্পর্কে জানতে হবে না? যারা শিক্ষাবিদ, যারা বিজ্ঞানী, যারা খেলোয়াড়, বিভিন্ন ক্ষেত্রে যারা অবদান রেখেছে এদের সম্পর্কে আমাদের জানতে হবে। এই জানার ভেতর দিয়েই কিন্তু সে নিজেকে তৈরি করবে। সে নিজেই এক সময় ঠিক করবে যে, আমি একজন বড় লেখক হতে চাই। আমি একজন বড় শিক্ষাবিদ হতে চাই। আমি একজন বড় অর্থনীতিবিদ হতে চাই। আমি একজন বড় খেলোয়াড় হতে চাই। বড় শিল্পী হতে চাই। এই যে গড়ে তোলার কাজটা,এটা সবচে' বেশি জরুরি।
** শিশুদের গড়ে তোলা নিয়ে, ২ নভেম্বর ২০১৬-এ নেয়া সাক্ষাৎকারে, উদ্ধৃত: [https://bangla.bdnews24.com/arts/interview/20273 আসাদুজ্জামান নূর: অনেক বিষয় আছে যেগুলো সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ করা উচিত]
==তার সম্পর্কে উক্তি==
* নূর ভাইয়ের অভিনয়ে সহজাত একটা ব্যাপার আছে, খুব আপাতসহজ, যেটা মানুষ পছন্দ করে। তাঁর অভিনয়ের এই সহজাত ধারাটা সবাই পছন্দ করতেন।
** সুবর্ণা মুস্তাফা, উদ্ধৃত: [https://www.prothomalo.com/entertainment/tv/%E0%A6%93%E0%A6%87-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%97-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%A4-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%A4 প্রথম আলো]
* অভিনয়ে তিনি যে অনন্য, এসব দেখলে বোঝা যায়। এটাই তাঁর বৈশিষ্ট্য। এমন নয় যে পর্দায় তাঁকে দেখলে আসাদুজ্জামান নূরই মনে হয়, তাঁকে আসলে বাকের ভাই, ছোট মির্জাই মনে হয়। প্রতিটি চরিত্রেই যাঁকে উপযুক্ত মনে হয়, তিনি একজন শক্তিশালী অভিনেতা।
** অপি করিম, উদ্ধৃত: [https://www.prothomalo.com/entertainment/entertainment-interview/%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9A%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A3-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9B%E0%A6%BF-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A8 প্রথম আলো]
* অভিনয়শিল্পী আসাদুজ্জামান নূর যেমন সিরিয়াস, মানুষ আসাদুজ্জামান নূর তেমনই আন্তরিক। তিনি যেটা অর্জন করতে চান, লক্ষ্য ঠিক রেখে সেটিই অর্জন করতেন। রাজনীতি করবেন মনস্থির করার পর রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে জড়িয়েছেন। রাতারাতি নেতা হয়ে যাবেন, ব্যাপারটা মোটেও এমন ছিল না। দীর্ঘ সময় ধরে এলাকায় গিয়ে মানুষের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করেছেন।
** সারা যাকের, উদ্ধৃত: [https://www.prothomalo.com/entertainment/tv/%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A7%82%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A6%A4%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A6%BF-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%9F%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%89%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF প্রথম আলো]
* আমার নার্ভাসনেস তিনি বুঝতে পেরেছিলেন। তারপর আমাকে এতটাই সহজ করে নিলেন যে আমি মন দিয়েই অভিনয়টা করতে পেরেছি। আমি ভাবতেও পারিনি যে তার কাছ থেকে এতটা সহযোগিতা পাব। তিনি কোআর্টিস্টদের সঙ্গে শতভাগ ফ্রেন্ডলি হয়ে মিশেছেন।
** নাজিয়া হক অর্ষা, উদ্ধৃত: [https://bangla.thedailystar.net/entertainment/news-521046 দ্য ডেইলি স্টার বাংলা]
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
* {{আইএমডিবি নাম}}
* [http://www.parliament.gov.bd/index.php/bn/mps-bangla/members-of-parliament-bangla/current-mps-bangla/list-of-11th-parliament-members-bangla ১০ম জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের তালিকা]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৬-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:টেলিভিশন অভিনেতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:চলচ্চিত্র অভিনেতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:রাজনীতিবিদ]]
76ezwp8888hdn5sqjfiniinufz61ddv
আবু সাঈদ
0
8450
75468
47697
2026-04-10T21:06:09Z
Oindrojalik Watch
4169
চিত্র
75468
wikitext
text/x-wiki
[[File:Abu Saeed was standing in front of the gun just before his murder..jpg|thumb|২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম শহীদ।]]
'''[[:w:আবু সাঈদ|আবু সাঈদ]]''' (২রা মার্চ ১৯৯৯ - ১৬ জুলাই ২০২৪) ছিলেন একজন বাংলাদেশী শিক্ষার্থী ও [[২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন|২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের]] সক্রিয়কর্মী। তিনি এই আন্দোলনের [[:w:বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর|রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের]] একজন সমন্বয়ক ছিলেন। ১৬ জুলাই আন্দোলন চলাকালে একজন পুলিশ সদস্যের গুলিতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। কোটা আন্দোলনকারীরা তাকে আন্দোলনের প্রথম শহীদ বলে আখ্যায়িত করেছে।
==উক্তি==
* স্যার! এই মুহূর্তে আপনাকে ভীষণ দরকার স্যার! আপনার সমসাময়িক সময়ে যারা ছিল সবাই তো মরে গেছে, কিন্তু আপনি মরেও অমর। আপনার সমাধি, আমাদের প্রেরণা। আপনার চেতনায় আমরা উদ্ভাসিত। এই প্রজন্মে যারা আছেন, আপনারাও প্রকৃতির নিয়মে একসময় মারা যাবেন। কিন্তু যতদিন বেঁচে আছেন মেরুদণ্ড নিয়ে বাঁচুন। নায্যদাবিকে সমর্থন জানান, রাস্তায় নামুন, শিক্ষার্থীদের ঢাল হয়ে দাড়াঁন। প্রকৃত সম্মান এবং শ্রদ্ধা পাবেন। মৃত্যুর সাথে সাথেই কালের গর্ভে হারিয়ে যাবেন না। আজন্ম বেঁচে থাকবেন শামসুজ্জোহা হয়ে।' অন্তত একজন "শামসুজ্জোহা" হয়ে মরে যাওয়াটা অনেক বেশি আনন্দের, সম্মানের আর গর্বের,'
** ১৫ জুলাই ২০২৪ মঙ্গলবার ১২টা ৩৭ মিনিটে ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানে নিহত মোহাম্মদ শামসুজ্জোহাকে স্মরণ করে ফেসবুকে পোস্ট বলেন[https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/news-598841]
==আবু সাঈদ নিয়ে উক্তি ==
* আবু সাঈদ-মুগ্ধরা মরে না। তারা বেঁচে থাকে আমাদের অন্তরে, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে…।’
** [[তানজিম হাসান সাকিব]] ৫ আগস্ট ২০২৪ আবু সাঈদ ও মুগ্ধকে স্মরণ করে এক ফেসবুক [https://www.dhakapost.com/sports/296798 পোস্ট] লিখেছেন
* প্রায় এক মাস হলো আমি নিজের দেশে নেই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খবরের চ্যানেলে তৃতীয় বিশ্বের কোনো খবরই তেমন একটা চলেনা। আর আমি খুব একটা ফোনের পোকা নই তাই এত খারাপ একটা খবর কানে আসতে দেরি হলো। এই তো কয়েক মাস আগে বাংলাদেশ গেলাম, খুব ইচ্ছে ছিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় যাওয়ার। চারুকলা যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল, জীবনের একটা স্মরণীয় দিন হয়ে থাকবে। প্রতিবার আসি, ব্যস্ততায় যাওয়া হয়না, মা‘ও খুব যেতে চাইতেন বাংলাদেশ, নিয়ে যাওয়া হয়নি। কিন্তু আজ একটা ভিডিও দেখলাম, গুলির ধোঁয়া। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা আক্রান্ত। ছাত্র বয়স গেছে সেই কবে, তবে জাহাঙ্গীরনগর আর আমার যাদবপুর খুব কাছাকাছি। কাঠ গোলাপের গাছগুলোও কেমন এক রকম। এক রকম আকাশের মেঘগুলোও। কেবল আজ ওখানে বারুদের গন্ধ।’‘ময়দান ভারী হয়ে নামে কুয়াশায়, দিগন্তের দিকে মিলিয়ে যায় রুটমার্চ, তার মাঝখানে পথে পড়ে আছে ও কি কৃষ্ণচূড়া? নিচু হয়ে বসে হাতে তুলে নিই, তোমার ছিন্ন শির, তিমির।’ এমন এক আপ্যায়নপ্রিয় জাতি দেখিনি, খাবারের নিমন্ত্রণ যেন শেষ হতেই চায় না, অমন সুন্দর করে সারা রাস্তা জুড়ে ভাষার আল্পনা আর কোথায় দেখবো? নয়নজুড়ানো দেওয়াল লেখা? এ বোধহয় মুক্তিযুদ্ধের শপথ নেওয়া একটা জাতির পক্ষেই সম্ভব। আজ অস্থির লাগছে। আমিও তো সন্তানের জননী। আশা করবো বাংলাদেশ শান্ত হবে। অনেকটা দূরে আছি, এই প্রার্থনাটুকুই করতে পারি। অন্ধকারের উৎস হতে উৎসারিত আলো, সেই আমাদের আলো, আলো হোক, ভাল হোক সকলের।
** স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, ১৮ জুলাই ২০২৪, কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত আবু সাঈদের আঁকা ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে, যার উপরে লেখা "বুকের ভেতর অনেক ঝড়, বুক পেতেছি গুলি কর।" [https://www.ntvbd.com/entertainment/news-1430941] [https://www.bvnews24.com/entertainment/news/155975]
* দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান: সম্মানিত দেশবাসী, আপনারা সকলেই অবগত আছেন, আমার ছেলে আবু সাঈদ গত ১৬/০৭/২০২৪ তারিখে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার দোসরের গুলিতে নির্মমভাবে শহিদ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি, কতিপয় কিছু লোক শহিদ আবু সাঈদের ভাস্কর্য নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন। শহিদ আবু সাঈদের প্রতি ভালোবাসা থেকেই আপনারা এমন উদ্যোগ নিয়েছেন বলে আমরা বিশ্বাস করি। আমরা আপনাদের ভালোবাসাকে সম্মান করি। কিন্তু আমার ছেলেটাকে কত কষ্ট দিয়ে হত্যা করা হয়েছে আপনারা দেখেছেন। আমি চাই না আমার ছেলে দুনিয়াতে যেমন কষ্ট পেয়েছে, আখিরাতেও তেমন কষ্ট পাক। আমরা মুসলমান। আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস করি। যেহেতু ইসলাম ধর্মে সকল মূর্তি বা ভাস্কর্য বা প্রতিকৃতি বানানো নিষিদ্ধ, সেহেতু আপনাদের প্রতি সম্মান রেখেই বলছি- দেশের কোনো স্থানে আমার ছেলের মূর্তি বা ভাস্কর্য বা প্রতিকৃতি যেন না বানানো হয়। আমি আপনাদের অনুরোধ করছি, আমার ছেলের জন্য যদি কিছু করতেই চান, তাহলে জনকল্যাণমুখী এমন কিছু কাজ করুন যার সওয়ার আবু সাঈদ কবরে পাবে। সর্বোপরি, আমরা আপনাদের কাছে শহিদ আবু সাঈদের জন্য দোয়া চাই, আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করেন। আমাদের জন্যও দোয়া চাই। বিনীত, মকবুল, তারিখ: ০৮-০৮-২০২৪ইং (শহিদ আবু সাঈদের পিতা), মোঃ আবু হোসেন (বড় ভাই), রমজান, বকুল
** ইসলামের বিরোধী হিসেবে উল্লেখ করে আবু সাঈদের ভাস্কর্য না বানানোর জন্য দেশবাসীকে তার বাবা ও ভাইদের লিখিত বার্তা [https://m.facebook.com/story.php?id=61554690680177&story_fbid=122168724152156356] [https://m.facebook.com/story.php?id=2309733309168248&story_fbid=3132401546901416] {{cite news |title=ভাস্কর্য নির্মাণের পরিবর্তে জনকল্যাণমুখী কিছু করুন-আবু সাঈদের বাবা (Instead of building a sculpture, do something for public welfare - Abu Saeed's father) |url=https://dailyinqilab.com/motropolis/news/676712 |accessdate=10 August 2024 |work=[[:w:Daily Inqilab|Daily Inqilab]] |date=9 August 2024 |language=bn}}{{cite news |title=আবু সাঈদের ভাস্কর্য না বানানোর অনুরোধ (Request not to make sculpture of Abu Saeed) |url=https://www.kalerkantho.com/print-edition/news/2024/08/10/1413327 |accessdate=10 August 2024 |work=[[:w:Kaler Kantho|Daily Kaler Kantho]] |date=10 August 2024 |language=bn}}
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:২০০১-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:রংপুর জেলার ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]]
[[বিষয়শ্রেণী:বিক্ষোভ-সম্পর্কীয় মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক]]
0ljmlewht0o9utmzywcummcpk9meh9w
উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/অংশগ্রহণকারী
4
8879
75376
74766
2026-04-10T13:57:15Z
~2026-22159-34
4824
75376
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}}
<inputbox>
type = comment
default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/অংশগ্রহণকারী
page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/অংশগ্রহণকারী
preload = টেমপ্লেট:আমি
editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা
nosummary=true
hidden = yes
buttonlabel = নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন
minor = true
break = no
</inputbox>
{{div col}}
<!--
------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। ---------------------------------------------------
সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}}
--->
<!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না -->
<!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন
১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই।
২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন -->
<!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন -->
* {{ব্যবহারকারী|Yahya}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Mobashir Hossain}}
* {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}}
* {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}}
* {{ব্যবহারকারী|Ishtiak Abdullah}}
* {{ব্যবহারকারী|Arafatul Islam Akan Robi}}
* {{ব্যবহারকারী|Asked42}}
* {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|Arijit Kisku}}
* {{ব্যবহারকারী|BEnjOhiR}}
* {{ব্যবহারকারী|Kawsar123}}
* {{ব্যবহারকারী|রিজওয়ান আহমেদ}}
* {{ব্যবহারকারী|Md. T Mahtab}}
* {{ব্যবহারকারী|Tahmid}}
* {{ব্যবহারকারী|Ovisahabd}}
* {{ব্যবহারকারী|SHOVON (Sirajganj)}}
* {{ব্যবহারকারী|Yasser Raihan}}
* {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}}
* {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}}
* {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Forhad Hossain0007}}
* {{ব্যবহারকারী|RDasgupta2020}}
* {{ব্যবহারকারী|IqbalHossain}}
* {{ব্যবহারকারী|Shariyar Nayeem}}
* {{ব্যবহারকারী|Arpon das.0}}
* {{ব্যবহারকারী|Saadi095}}
* {{ব্যবহারকারী|Moheen}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}}
* {{ব্যবহারকারী|Md. Muqtadir Fuad}}
* {{ব্যবহারকারী|Batul roy}}
* {{ব্যবহারকারী|কমলেশ মন্ডল}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanvir Sikder 24}}
* {{ব্যবহারকারী|মির্জা ইউসুফ আলী}}
* {{ব্যবহারকারী|Sourav Saha Shubho}}
* {{ব্যবহারকারী|Musab Arifi}}
* {{ব্যবহারকারী|Ali yousuf bd}}
* {{ব্যবহারকারী|Hasnat Abdullah}}
* {{ব্যবহারকারী|Md. Abu Jafor Sifatulla}}
* {{ব্যবহারকারী|Sajid Reza Karim}}
* {{ব্যবহারকারী|Bikram Chandra Sarkar}}
* {{ব্যবহারকারী|Dr. Mosaddek Khondoker}}
* {{ব্যবহারকারী|Johurul Hasan Adil}}
* {{ব্যবহারকারী|Maxwell056789}}
* {{ব্যবহারকারী|Borhan}}
* {{ব্যবহারকারী|Md jalal islam}}
* {{ব্যবহারকারী|Ei to ami akash}}
* {{ব্যবহারকারী|Mhnaim4444}}
* {{ব্যবহারকারী|Nusrat Binta Rahman61}}
* {{ব্যবহারকারী|Supreme Intelligent boy}}
* {{ব্যবহারকারী|অর্পিতা মজুমদার}}
* {{ব্যবহারকারী|সাইফুল ইসলাম আনিক}}
* {{ব্যবহারকারী|Sharmin Sultana Shimu}}
* {{ব্যবহারকারী|অজয় অধিকারী }}
* {{ব্যবহারকারী|Bsrkr}}
* {{ব্যবহারকারী|Onindita}}
* {{ব্যবহারকারী|Sima Razbongshi}}
* {{ব্যবহারকারী|আইমান আক্তার মারিয়া}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Shuvo Sheikh}}
* {{ব্যবহারকারী|Mijanwiki}}
* {{ব্যবহারকারী|Stuxnet.02}}
* {{ব্যবহারকারী|Zain Huda Abdullah}}
* {{ব্যবহারকারী|তানবির হোসেন জয়}}
* {{ব্যবহারকারী|Wikitahsin}}
* {{ব্যবহারকারী|Farhan Sawad}}
* {{ব্যবহারকারী|Mahadi hasan tresad}}
* {{ব্যবহারকারী|Jahid muhammad}}
* {{ব্যবহারকারী|Mashkawat.ahsan}}
* {{ব্যবহারকারী|Md. Sayeem Sarower}}
* {{ব্যবহারকারী|শাহরিয়ার হাসান শান্ত}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Rashidul Hasan Biplob}}
* {{ব্যবহারকারী|Pkparvej1}}
* {{ব্যবহারকারী|Pradip chandra}}
* {{ব্যবহারকারী|মাহমুদ ইরফান}}
* {{ব্যবহারকারী|Moajjam}}
* {{ব্যবহারকারী|লিচুচোর০}}
* {{ব্যবহারকারী|Foysal Ahmmed Roni}}
* {{ব্যবহারকারী|SMontaha32}}
* {{ব্যবহারকারী|Zakarira}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohammad Abdul Hakim}}
* {{ব্যবহারকারী|সরোজ কুমার রায়}}
* {{ব্যবহারকারী|Jahid muhammad}}
* {{ব্যবহারকারী|Dark1618}}
* {{ব্যবহারকারী|Sohanur Rahman 2.0}}
* {{ব্যবহারকারী|Sumon7943}}
* {{ব্যবহারকারী|Elma akter asha}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Habibur R Rahman}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Rafiqul Islam88}}
* {{ব্যবহারকারী|Rony sekh}}
* {{ব্যবহারকারী|যুবায়ের হোসাইন কায়েফ}}
* {{ব্যবহারকারী|Hittykom}}
* {{ব্যবহারকারী|Kim yuo}}
* {{ব্যবহারকারী|Malihamoni}}
* {{ব্যবহারকারী|Thasin Akib}}
* {{ব্যবহারকারী|নজরুল মোস্তফা}}
* {{ব্যবহারকারী|Mistimohor}}
* {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyad}}
* {{ব্যবহারকারী|Udiptodas}}
* {{ব্যবহারকারী|Udiptodas}}
* {{ব্যবহারকারী|Fariha Islam Mazumder}}
* {{ব্যবহারকারী|Rafi Bin Tofa}}
* {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Afroja Sultana Moni}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohanti Das}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Abu Siyam}}
* {{ব্যবহারকারী|MD. MAHAMUDUL HASAN RIMON}}
* {{ব্যবহারকারী|রাশেদুল ইসলাম ওমর}}
* {{ব্যবহারকারী|Deboraj Das 321}}
* {{ব্যবহারকারী|OJAIER AHMED SHANIN}}
* {{ব্যবহারকারী|Subhaldar100}}
* {{ব্যবহারকারী|Bluish Aura}}
* {{ব্যবহারকারী|Maasud12}}
* {{ব্যবহারকারী|Subhranil Hazra}}
* {{ব্যবহারকারী|Jubayer Ahmad Sadif}}
* {{ব্যবহারকারী|Masumoon}}
* {{ব্যবহারকারী|Aishik Rehman}}
* {{ব্যবহারকারী|আফরোজ মেহরুবা}}
* {{ব্যবহারকারী|Raisulislamrahy}}
* {{ব্যবহারকারী|Nahidd-69}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ জাকারিয়া মুন্না}}
* {{ব্যবহারকারী|Munnaldc}}
* {{ব্যবহারকারী|NAYEM AHMED RAHII}}
* {{ব্যবহারকারী|Mehedi Abedin}}
* {{ব্যবহারকারী|লাবনী আক্তার}}
* {{ব্যবহারকারী|MD ASIF Ahammed}}
* {{ব্যবহারকারী|Irshad meadad}}
* {{ব্যবহারকারী|RatulHasanRuhan}}
* {{ব্যবহারকারী|Roksana akther Riya}}
* {{ব্যবহারকারী|Mustakhye}}
* {{ব্যবহারকারী|Md rafiqul islam siiyam}}
* {{ব্যবহারকারী|কবি সৌরভ}}
* {{ব্যবহারকারী|মিসকাতুল জান্নাত মহুয়া}}
* {{ব্যবহারকারী|প্রতাপ বনিক}}
* {{ব্যবহারকারী|সামিহা তাসনিম মিম}}
* {{ব্যবহারকারী|Sa'Adat-E-Zubaire}}
* {{ব্যবহারকারী|MD MUNTASIM RIAD AFIQ}}
* {{ব্যবহারকারী|Alamin mondal}}
* {{ব্যবহারকারী|Mahir Asef Sheikh}}
* {{ব্যবহারকারী|Khaled Mohammad Saifullah}}
* {{ব্যবহারকারী|Mallik Shimul}}
* {{ব্যবহারকারী|Samira himu}}
* {{ব্যবহারকারী|Emad.najid}}
* {{ব্যবহারকারী|Sangram hossain}}
* {{ব্যবহারকারী|Chandrika Barua}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahadot Khan}}
* {{ব্যবহারকারী|পারভিন সুলতানা}}
* {{ব্যবহারকারী|Gdsaifulcdshawon}}
* {{ব্যবহারকারী|Hajera Akter}}
* {{ব্যবহারকারী|Dilshan Islam Priam Dilshan Islam Priam}}
* {{ব্যবহারকারী|Nyr920}}
* {{ব্যবহারকারী|Skmsimanto}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar Ahmod Hasan}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ পারভেজ মোশারাফ}}
* {{ব্যবহারকারী|Ab Johuri}}
* {{ব্যবহারকারী|MD. MAHAMUDUL HASAN RIMOM}}
* {{ব্যবহারকারী|Sheikh Ratin}}
* {{ব্যবহারকারী|MD. MAHAMUDUL HASAN RIMOM}}
* {{ব্যবহারকারী|Freelancer Fozlu}}
* {{ব্যবহারকারী|Najmol Hasan}}
* {{ব্যবহারকারী|Najmol Hasan}}
* {{ব্যবহারকারী|MD. MAHAMUDUL HASAN RIMOM}}
* {{ব্যবহারকারী|Sultana Takiya}}
* {{ব্যবহারকারী|তাবাসসুম মেহজাবিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Sultana Takiya}}
* {{ব্যবহারকারী|তাবাসসুম মেহজাবিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Muhammad Arshadul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মাহজাবিন}}
* {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ আলী বাবুল}}
* {{ব্যবহারকারী|Obaydul Munshi}}
* {{ব্যবহারকারী|Wahida Akter Poly}}
* {{ব্যবহারকারী|MD SHOJIB MOLLA}}
* {{ব্যবহারকারী|Ptdas}}
* {{ব্যবহারকারী|Aliya Rupa}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ সাকিব খান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ সাকিব খান}}
* {{ব্যবহারকারী|Zzaman}}
* {{ব্যবহারকারী|মুহাম্মদ মাহিদ মিয়া}}
* {{ব্যবহারকারী|Deboraj das}}
* {{ব্যবহারকারী|Fahim Foysal Apurba}}
* {{ব্যবহারকারী|Taiyaba Erin jahan}}
* {{ব্যবহারকারী|Shanto hossin}}
* {{ব্যবহারকারী|Khondokar Enamul Haque}}
* {{ব্যবহারকারী|আবির কান}}
* {{ব্যবহারকারী|Toriq RImon}}
* {{ব্যবহারকারী|Safayetrahmanrifat}}
* {{ব্যবহারকারী|Ishtiak Abdullah}}
* {{ব্যবহারকারী|Goutam Dey1}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminulnb77}}
* {{ব্যবহারকারী|কবি আজহারুল ইসলাম তালহা}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|~2026-22159-34}}
d21vzhh8eab3dlapq4n3hhbxtx6vpou
75403
75376
2026-04-10T15:00:33Z
Sazia Afrin Chowdhury Rukaiya
4827
75403
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}}
<inputbox>
type = comment
default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/অংশগ্রহণকারী
page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/অংশগ্রহণকারী
preload = টেমপ্লেট:আমি
editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা
nosummary=true
hidden = yes
buttonlabel = নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন
minor = true
break = no
</inputbox>
{{div col}}
<!--
------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। ---------------------------------------------------
সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}}
--->
<!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না -->
<!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন
১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই।
২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন -->
<!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন -->
* {{ব্যবহারকারী|Yahya}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Mobashir Hossain}}
* {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}}
* {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}}
* {{ব্যবহারকারী|Ishtiak Abdullah}}
* {{ব্যবহারকারী|Arafatul Islam Akan Robi}}
* {{ব্যবহারকারী|Asked42}}
* {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|Arijit Kisku}}
* {{ব্যবহারকারী|BEnjOhiR}}
* {{ব্যবহারকারী|Kawsar123}}
* {{ব্যবহারকারী|রিজওয়ান আহমেদ}}
* {{ব্যবহারকারী|Md. T Mahtab}}
* {{ব্যবহারকারী|Tahmid}}
* {{ব্যবহারকারী|Ovisahabd}}
* {{ব্যবহারকারী|SHOVON (Sirajganj)}}
* {{ব্যবহারকারী|Yasser Raihan}}
* {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}}
* {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}}
* {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Forhad Hossain0007}}
* {{ব্যবহারকারী|RDasgupta2020}}
* {{ব্যবহারকারী|IqbalHossain}}
* {{ব্যবহারকারী|Shariyar Nayeem}}
* {{ব্যবহারকারী|Arpon das.0}}
* {{ব্যবহারকারী|Saadi095}}
* {{ব্যবহারকারী|Moheen}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}}
* {{ব্যবহারকারী|Md. Muqtadir Fuad}}
* {{ব্যবহারকারী|Batul roy}}
* {{ব্যবহারকারী|কমলেশ মন্ডল}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanvir Sikder 24}}
* {{ব্যবহারকারী|মির্জা ইউসুফ আলী}}
* {{ব্যবহারকারী|Sourav Saha Shubho}}
* {{ব্যবহারকারী|Musab Arifi}}
* {{ব্যবহারকারী|Ali yousuf bd}}
* {{ব্যবহারকারী|Hasnat Abdullah}}
* {{ব্যবহারকারী|Md. Abu Jafor Sifatulla}}
* {{ব্যবহারকারী|Sajid Reza Karim}}
* {{ব্যবহারকারী|Bikram Chandra Sarkar}}
* {{ব্যবহারকারী|Dr. Mosaddek Khondoker}}
* {{ব্যবহারকারী|Johurul Hasan Adil}}
* {{ব্যবহারকারী|Maxwell056789}}
* {{ব্যবহারকারী|Borhan}}
* {{ব্যবহারকারী|Md jalal islam}}
* {{ব্যবহারকারী|Ei to ami akash}}
* {{ব্যবহারকারী|Mhnaim4444}}
* {{ব্যবহারকারী|Nusrat Binta Rahman61}}
* {{ব্যবহারকারী|Supreme Intelligent boy}}
* {{ব্যবহারকারী|অর্পিতা মজুমদার}}
* {{ব্যবহারকারী|সাইফুল ইসলাম আনিক}}
* {{ব্যবহারকারী|Sharmin Sultana Shimu}}
* {{ব্যবহারকারী|অজয় অধিকারী }}
* {{ব্যবহারকারী|Bsrkr}}
* {{ব্যবহারকারী|Onindita}}
* {{ব্যবহারকারী|Sima Razbongshi}}
* {{ব্যবহারকারী|আইমান আক্তার মারিয়া}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Shuvo Sheikh}}
* {{ব্যবহারকারী|Mijanwiki}}
* {{ব্যবহারকারী|Stuxnet.02}}
* {{ব্যবহারকারী|Zain Huda Abdullah}}
* {{ব্যবহারকারী|তানবির হোসেন জয়}}
* {{ব্যবহারকারী|Wikitahsin}}
* {{ব্যবহারকারী|Farhan Sawad}}
* {{ব্যবহারকারী|Mahadi hasan tresad}}
* {{ব্যবহারকারী|Jahid muhammad}}
* {{ব্যবহারকারী|Mashkawat.ahsan}}
* {{ব্যবহারকারী|Md. Sayeem Sarower}}
* {{ব্যবহারকারী|শাহরিয়ার হাসান শান্ত}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Rashidul Hasan Biplob}}
* {{ব্যবহারকারী|Pkparvej1}}
* {{ব্যবহারকারী|Pradip chandra}}
* {{ব্যবহারকারী|মাহমুদ ইরফান}}
* {{ব্যবহারকারী|Moajjam}}
* {{ব্যবহারকারী|লিচুচোর০}}
* {{ব্যবহারকারী|Foysal Ahmmed Roni}}
* {{ব্যবহারকারী|SMontaha32}}
* {{ব্যবহারকারী|Zakarira}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohammad Abdul Hakim}}
* {{ব্যবহারকারী|সরোজ কুমার রায়}}
* {{ব্যবহারকারী|Jahid muhammad}}
* {{ব্যবহারকারী|Dark1618}}
* {{ব্যবহারকারী|Sohanur Rahman 2.0}}
* {{ব্যবহারকারী|Sumon7943}}
* {{ব্যবহারকারী|Elma akter asha}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Habibur R Rahman}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Rafiqul Islam88}}
* {{ব্যবহারকারী|Rony sekh}}
* {{ব্যবহারকারী|যুবায়ের হোসাইন কায়েফ}}
* {{ব্যবহারকারী|Hittykom}}
* {{ব্যবহারকারী|Kim yuo}}
* {{ব্যবহারকারী|Malihamoni}}
* {{ব্যবহারকারী|Thasin Akib}}
* {{ব্যবহারকারী|নজরুল মোস্তফা}}
* {{ব্যবহারকারী|Mistimohor}}
* {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyad}}
* {{ব্যবহারকারী|Udiptodas}}
* {{ব্যবহারকারী|Udiptodas}}
* {{ব্যবহারকারী|Fariha Islam Mazumder}}
* {{ব্যবহারকারী|Rafi Bin Tofa}}
* {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Afroja Sultana Moni}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohanti Das}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Abu Siyam}}
* {{ব্যবহারকারী|MD. MAHAMUDUL HASAN RIMON}}
* {{ব্যবহারকারী|রাশেদুল ইসলাম ওমর}}
* {{ব্যবহারকারী|Deboraj Das 321}}
* {{ব্যবহারকারী|OJAIER AHMED SHANIN}}
* {{ব্যবহারকারী|Subhaldar100}}
* {{ব্যবহারকারী|Bluish Aura}}
* {{ব্যবহারকারী|Maasud12}}
* {{ব্যবহারকারী|Subhranil Hazra}}
* {{ব্যবহারকারী|Jubayer Ahmad Sadif}}
* {{ব্যবহারকারী|Masumoon}}
* {{ব্যবহারকারী|Aishik Rehman}}
* {{ব্যবহারকারী|আফরোজ মেহরুবা}}
* {{ব্যবহারকারী|Raisulislamrahy}}
* {{ব্যবহারকারী|Nahidd-69}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ জাকারিয়া মুন্না}}
* {{ব্যবহারকারী|Munnaldc}}
* {{ব্যবহারকারী|NAYEM AHMED RAHII}}
* {{ব্যবহারকারী|Mehedi Abedin}}
* {{ব্যবহারকারী|লাবনী আক্তার}}
* {{ব্যবহারকারী|MD ASIF Ahammed}}
* {{ব্যবহারকারী|Irshad meadad}}
* {{ব্যবহারকারী|RatulHasanRuhan}}
* {{ব্যবহারকারী|Roksana akther Riya}}
* {{ব্যবহারকারী|Mustakhye}}
* {{ব্যবহারকারী|Md rafiqul islam siiyam}}
* {{ব্যবহারকারী|কবি সৌরভ}}
* {{ব্যবহারকারী|মিসকাতুল জান্নাত মহুয়া}}
* {{ব্যবহারকারী|প্রতাপ বনিক}}
* {{ব্যবহারকারী|সামিহা তাসনিম মিম}}
* {{ব্যবহারকারী|Sa'Adat-E-Zubaire}}
* {{ব্যবহারকারী|MD MUNTASIM RIAD AFIQ}}
* {{ব্যবহারকারী|Alamin mondal}}
* {{ব্যবহারকারী|Mahir Asef Sheikh}}
* {{ব্যবহারকারী|Khaled Mohammad Saifullah}}
* {{ব্যবহারকারী|Mallik Shimul}}
* {{ব্যবহারকারী|Samira himu}}
* {{ব্যবহারকারী|Emad.najid}}
* {{ব্যবহারকারী|Sangram hossain}}
* {{ব্যবহারকারী|Chandrika Barua}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahadot Khan}}
* {{ব্যবহারকারী|পারভিন সুলতানা}}
* {{ব্যবহারকারী|Gdsaifulcdshawon}}
* {{ব্যবহারকারী|Hajera Akter}}
* {{ব্যবহারকারী|Dilshan Islam Priam Dilshan Islam Priam}}
* {{ব্যবহারকারী|Nyr920}}
* {{ব্যবহারকারী|Skmsimanto}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar Ahmod Hasan}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ পারভেজ মোশারাফ}}
* {{ব্যবহারকারী|Ab Johuri}}
* {{ব্যবহারকারী|MD. MAHAMUDUL HASAN RIMOM}}
* {{ব্যবহারকারী|Sheikh Ratin}}
* {{ব্যবহারকারী|MD. MAHAMUDUL HASAN RIMOM}}
* {{ব্যবহারকারী|Freelancer Fozlu}}
* {{ব্যবহারকারী|Najmol Hasan}}
* {{ব্যবহারকারী|Najmol Hasan}}
* {{ব্যবহারকারী|MD. MAHAMUDUL HASAN RIMOM}}
* {{ব্যবহারকারী|Sultana Takiya}}
* {{ব্যবহারকারী|তাবাসসুম মেহজাবিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Sultana Takiya}}
* {{ব্যবহারকারী|তাবাসসুম মেহজাবিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Muhammad Arshadul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মাহজাবিন}}
* {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ আলী বাবুল}}
* {{ব্যবহারকারী|Obaydul Munshi}}
* {{ব্যবহারকারী|Wahida Akter Poly}}
* {{ব্যবহারকারী|MD SHOJIB MOLLA}}
* {{ব্যবহারকারী|Ptdas}}
* {{ব্যবহারকারী|Aliya Rupa}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ সাকিব খান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ সাকিব খান}}
* {{ব্যবহারকারী|Zzaman}}
* {{ব্যবহারকারী|মুহাম্মদ মাহিদ মিয়া}}
* {{ব্যবহারকারী|Deboraj das}}
* {{ব্যবহারকারী|Fahim Foysal Apurba}}
* {{ব্যবহারকারী|Taiyaba Erin jahan}}
* {{ব্যবহারকারী|Shanto hossin}}
* {{ব্যবহারকারী|Khondokar Enamul Haque}}
* {{ব্যবহারকারী|আবির কান}}
* {{ব্যবহারকারী|Toriq RImon}}
* {{ব্যবহারকারী|Safayetrahmanrifat}}
* {{ব্যবহারকারী|Ishtiak Abdullah}}
* {{ব্যবহারকারী|Goutam Dey1}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminulnb77}}
* {{ব্যবহারকারী|কবি আজহারুল ইসলাম তালহা}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|~2026-22159-34}}
* {{ব্যবহারকারী|Sazia Afrin Chowdhury Rukaiya}}
f60rmjuiqaux0xr0pnk6857nbuf5wcp
75452
75403
2026-04-10T19:50:45Z
Borhan
964
Restored revision 74766 by [[Special:Contributions/Borhan|Borhan]]
75452
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}}
<inputbox>
type = comment
default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/অংশগ্রহণকারী
page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/অংশগ্রহণকারী
preload = টেমপ্লেট:আমি
editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা
nosummary=true
hidden = yes
buttonlabel = নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন
minor = true
break = no
</inputbox>
{{div col}}
<!--
------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। ---------------------------------------------------
সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}}
--->
<!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না -->
<!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন
১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই।
২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন -->
<!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন -->
* {{ব্যবহারকারী|Yahya}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Mobashir Hossain}}
* {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}}
* {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}}
* {{ব্যবহারকারী|Ishtiak Abdullah}}
* {{ব্যবহারকারী|Arafatul Islam Akan Robi}}
* {{ব্যবহারকারী|Asked42}}
* {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|Arijit Kisku}}
* {{ব্যবহারকারী|BEnjOhiR}}
* {{ব্যবহারকারী|Kawsar123}}
* {{ব্যবহারকারী|রিজওয়ান আহমেদ}}
* {{ব্যবহারকারী|Md. T Mahtab}}
* {{ব্যবহারকারী|Tahmid}}
* {{ব্যবহারকারী|Ovisahabd}}
* {{ব্যবহারকারী|SHOVON (Sirajganj)}}
* {{ব্যবহারকারী|Yasser Raihan}}
* {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}}
* {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}}
* {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Forhad Hossain0007}}
* {{ব্যবহারকারী|RDasgupta2020}}
* {{ব্যবহারকারী|IqbalHossain}}
* {{ব্যবহারকারী|Shariyar Nayeem}}
* {{ব্যবহারকারী|Arpon das.0}}
* {{ব্যবহারকারী|Saadi095}}
* {{ব্যবহারকারী|Moheen}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}}
* {{ব্যবহারকারী|Md. Muqtadir Fuad}}
* {{ব্যবহারকারী|Batul roy}}
* {{ব্যবহারকারী|কমলেশ মন্ডল}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanvir Sikder 24}}
* {{ব্যবহারকারী|মির্জা ইউসুফ আলী}}
* {{ব্যবহারকারী|Sourav Saha Shubho}}
* {{ব্যবহারকারী|Musab Arifi}}
* {{ব্যবহারকারী|Ali yousuf bd}}
* {{ব্যবহারকারী|Hasnat Abdullah}}
* {{ব্যবহারকারী|Md. Abu Jafor Sifatulla}}
* {{ব্যবহারকারী|Sajid Reza Karim}}
* {{ব্যবহারকারী|Bikram Chandra Sarkar}}
* {{ব্যবহারকারী|Dr. Mosaddek Khondoker}}
* {{ব্যবহারকারী|Johurul Hasan Adil}}
* {{ব্যবহারকারী|Maxwell056789}}
* {{ব্যবহারকারী|Borhan}}
* {{ব্যবহারকারী|Md jalal islam}}
* {{ব্যবহারকারী|Ei to ami akash}}
* {{ব্যবহারকারী|Mhnaim4444}}
* {{ব্যবহারকারী|Nusrat Binta Rahman61}}
* {{ব্যবহারকারী|Supreme Intelligent boy}}
* {{ব্যবহারকারী|অর্পিতা মজুমদার}}
* {{ব্যবহারকারী|সাইফুল ইসলাম আনিক}}
* {{ব্যবহারকারী|Sharmin Sultana Shimu}}
* {{ব্যবহারকারী|অজয় অধিকারী }}
* {{ব্যবহারকারী|Bsrkr}}
* {{ব্যবহারকারী|Onindita}}
* {{ব্যবহারকারী|Sima Razbongshi}}
* {{ব্যবহারকারী|আইমান আক্তার মারিয়া}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Shuvo Sheikh}}
* {{ব্যবহারকারী|Mijanwiki}}
* {{ব্যবহারকারী|Stuxnet.02}}
* {{ব্যবহারকারী|Zain Huda Abdullah}}
* {{ব্যবহারকারী|তানবির হোসেন জয়}}
* {{ব্যবহারকারী|Wikitahsin}}
* {{ব্যবহারকারী|Farhan Sawad}}
* {{ব্যবহারকারী|Mahadi hasan tresad}}
* {{ব্যবহারকারী|Jahid muhammad}}
* {{ব্যবহারকারী|Mashkawat.ahsan}}
* {{ব্যবহারকারী|Md. Sayeem Sarower}}
* {{ব্যবহারকারী|শাহরিয়ার হাসান শান্ত}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Rashidul Hasan Biplob}}
* {{ব্যবহারকারী|Pkparvej1}}
* {{ব্যবহারকারী|Pradip chandra}}
* {{ব্যবহারকারী|মাহমুদ ইরফান}}
* {{ব্যবহারকারী|Moajjam}}
* {{ব্যবহারকারী|লিচুচোর০}}
* {{ব্যবহারকারী|Foysal Ahmmed Roni}}
* {{ব্যবহারকারী|SMontaha32}}
* {{ব্যবহারকারী|Zakarira}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohammad Abdul Hakim}}
* {{ব্যবহারকারী|সরোজ কুমার রায়}}
* {{ব্যবহারকারী|Jahid muhammad}}
* {{ব্যবহারকারী|Dark1618}}
* {{ব্যবহারকারী|Sohanur Rahman 2.0}}
* {{ব্যবহারকারী|Sumon7943}}
* {{ব্যবহারকারী|Elma akter asha}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Habibur R Rahman}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Rafiqul Islam88}}
* {{ব্যবহারকারী|Rony sekh}}
* {{ব্যবহারকারী|যুবায়ের হোসাইন কায়েফ}}
* {{ব্যবহারকারী|Hittykom}}
* {{ব্যবহারকারী|Kim yuo}}
* {{ব্যবহারকারী|Malihamoni}}
* {{ব্যবহারকারী|Thasin Akib}}
* {{ব্যবহারকারী|নজরুল মোস্তফা}}
* {{ব্যবহারকারী|Mistimohor}}
* {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyad}}
* {{ব্যবহারকারী|Udiptodas}}
* {{ব্যবহারকারী|Udiptodas}}
* {{ব্যবহারকারী|Fariha Islam Mazumder}}
* {{ব্যবহারকারী|Rafi Bin Tofa}}
* {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Afroja Sultana Moni}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohanti Das}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Abu Siyam}}
* {{ব্যবহারকারী|MD. MAHAMUDUL HASAN RIMON}}
* {{ব্যবহারকারী|রাশেদুল ইসলাম ওমর}}
* {{ব্যবহারকারী|Deboraj Das 321}}
* {{ব্যবহারকারী|OJAIER AHMED SHANIN}}
* {{ব্যবহারকারী|Subhaldar100}}
* {{ব্যবহারকারী|Bluish Aura}}
* {{ব্যবহারকারী|Maasud12}}
* {{ব্যবহারকারী|Subhranil Hazra}}
* {{ব্যবহারকারী|Jubayer Ahmad Sadif}}
* {{ব্যবহারকারী|Masumoon}}
* {{ব্যবহারকারী|Aishik Rehman}}
* {{ব্যবহারকারী|আফরোজ মেহরুবা}}
* {{ব্যবহারকারী|Raisulislamrahy}}
* {{ব্যবহারকারী|Nahidd-69}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ জাকারিয়া মুন্না}}
* {{ব্যবহারকারী|Munnaldc}}
* {{ব্যবহারকারী|NAYEM AHMED RAHII}}
* {{ব্যবহারকারী|Mehedi Abedin}}
* {{ব্যবহারকারী|লাবনী আক্তার}}
* {{ব্যবহারকারী|MD ASIF Ahammed}}
* {{ব্যবহারকারী|Irshad meadad}}
* {{ব্যবহারকারী|RatulHasanRuhan}}
* {{ব্যবহারকারী|Roksana akther Riya}}
* {{ব্যবহারকারী|Mustakhye}}
* {{ব্যবহারকারী|Md rafiqul islam siiyam}}
* {{ব্যবহারকারী|কবি সৌরভ}}
* {{ব্যবহারকারী|মিসকাতুল জান্নাত মহুয়া}}
* {{ব্যবহারকারী|প্রতাপ বনিক}}
* {{ব্যবহারকারী|সামিহা তাসনিম মিম}}
* {{ব্যবহারকারী|Sa'Adat-E-Zubaire}}
* {{ব্যবহারকারী|MD MUNTASIM RIAD AFIQ}}
* {{ব্যবহারকারী|Alamin mondal}}
* {{ব্যবহারকারী|Mahir Asef Sheikh}}
* {{ব্যবহারকারী|Khaled Mohammad Saifullah}}
* {{ব্যবহারকারী|Mallik Shimul}}
* {{ব্যবহারকারী|Samira himu}}
* {{ব্যবহারকারী|Emad.najid}}
* {{ব্যবহারকারী|Sangram hossain}}
* {{ব্যবহারকারী|Chandrika Barua}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahadot Khan}}
* {{ব্যবহারকারী|পারভিন সুলতানা}}
* {{ব্যবহারকারী|Gdsaifulcdshawon}}
* {{ব্যবহারকারী|Hajera Akter}}
* {{ব্যবহারকারী|Dilshan Islam Priam Dilshan Islam Priam}}
* {{ব্যবহারকারী|Nyr920}}
* {{ব্যবহারকারী|Skmsimanto}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar Ahmod Hasan}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ পারভেজ মোশারাফ}}
* {{ব্যবহারকারী|Ab Johuri}}
* {{ব্যবহারকারী|MD. MAHAMUDUL HASAN RIMOM}}
* {{ব্যবহারকারী|Sheikh Ratin}}
* {{ব্যবহারকারী|MD. MAHAMUDUL HASAN RIMOM}}
* {{ব্যবহারকারী|Freelancer Fozlu}}
* {{ব্যবহারকারী|Najmol Hasan}}
* {{ব্যবহারকারী|Najmol Hasan}}
* {{ব্যবহারকারী|MD. MAHAMUDUL HASAN RIMOM}}
* {{ব্যবহারকারী|Sultana Takiya}}
* {{ব্যবহারকারী|তাবাসসুম মেহজাবিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Sultana Takiya}}
* {{ব্যবহারকারী|তাবাসসুম মেহজাবিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Muhammad Arshadul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মাহজাবিন}}
* {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ আলী বাবুল}}
* {{ব্যবহারকারী|Obaydul Munshi}}
* {{ব্যবহারকারী|Wahida Akter Poly}}
* {{ব্যবহারকারী|MD SHOJIB MOLLA}}
* {{ব্যবহারকারী|Ptdas}}
* {{ব্যবহারকারী|Aliya Rupa}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ সাকিব খান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ সাকিব খান}}
* {{ব্যবহারকারী|Zzaman}}
* {{ব্যবহারকারী|মুহাম্মদ মাহিদ মিয়া}}
* {{ব্যবহারকারী|Deboraj das}}
* {{ব্যবহারকারী|Fahim Foysal Apurba}}
* {{ব্যবহারকারী|Taiyaba Erin jahan}}
* {{ব্যবহারকারী|Shanto hossin}}
* {{ব্যবহারকারী|Khondokar Enamul Haque}}
* {{ব্যবহারকারী|আবির কান}}
* {{ব্যবহারকারী|Toriq RImon}}
* {{ব্যবহারকারী|Safayetrahmanrifat}}
* {{ব্যবহারকারী|Ishtiak Abdullah}}
* {{ব্যবহারকারী|Goutam Dey1}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminulnb77}}
* {{ব্যবহারকারী|কবি আজহারুল ইসলাম তালহা}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
8mm3a6gy6df2rurddlnmav6ujyzxm4v
75661
75452
2026-04-11T10:03:29Z
~2026-22257-64
4904
75661
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}}
<inputbox>
type = comment
default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/অংশগ্রহণকারী
page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/অংশগ্রহণকারী
preload = টেমপ্লেট:আমি
editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা
nosummary=true
hidden = yes
buttonlabel = নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন
minor = true
break = no
</inputbox>
{{div col}}
<!--
------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। ---------------------------------------------------
সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}}
--->
<!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না -->
<!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন
১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই।
২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন -->
<!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন -->
* {{ব্যবহারকারী|Yahya}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Mobashir Hossain}}
* {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}}
* {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}}
* {{ব্যবহারকারী|Ishtiak Abdullah}}
* {{ব্যবহারকারী|Arafatul Islam Akan Robi}}
* {{ব্যবহারকারী|Asked42}}
* {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|Arijit Kisku}}
* {{ব্যবহারকারী|BEnjOhiR}}
* {{ব্যবহারকারী|Kawsar123}}
* {{ব্যবহারকারী|রিজওয়ান আহমেদ}}
* {{ব্যবহারকারী|Md. T Mahtab}}
* {{ব্যবহারকারী|Tahmid}}
* {{ব্যবহারকারী|Ovisahabd}}
* {{ব্যবহারকারী|SHOVON (Sirajganj)}}
* {{ব্যবহারকারী|Yasser Raihan}}
* {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}}
* {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}}
* {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Forhad Hossain0007}}
* {{ব্যবহারকারী|RDasgupta2020}}
* {{ব্যবহারকারী|IqbalHossain}}
* {{ব্যবহারকারী|Shariyar Nayeem}}
* {{ব্যবহারকারী|Arpon das.0}}
* {{ব্যবহারকারী|Saadi095}}
* {{ব্যবহারকারী|Moheen}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}}
* {{ব্যবহারকারী|Md. Muqtadir Fuad}}
* {{ব্যবহারকারী|Batul roy}}
* {{ব্যবহারকারী|কমলেশ মন্ডল}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanvir Sikder 24}}
* {{ব্যবহারকারী|মির্জা ইউসুফ আলী}}
* {{ব্যবহারকারী|Sourav Saha Shubho}}
* {{ব্যবহারকারী|Musab Arifi}}
* {{ব্যবহারকারী|Ali yousuf bd}}
* {{ব্যবহারকারী|Hasnat Abdullah}}
* {{ব্যবহারকারী|Md. Abu Jafor Sifatulla}}
* {{ব্যবহারকারী|Sajid Reza Karim}}
* {{ব্যবহারকারী|Bikram Chandra Sarkar}}
* {{ব্যবহারকারী|Dr. Mosaddek Khondoker}}
* {{ব্যবহারকারী|Johurul Hasan Adil}}
* {{ব্যবহারকারী|Maxwell056789}}
* {{ব্যবহারকারী|Borhan}}
* {{ব্যবহারকারী|Md jalal islam}}
* {{ব্যবহারকারী|Ei to ami akash}}
* {{ব্যবহারকারী|Mhnaim4444}}
* {{ব্যবহারকারী|Nusrat Binta Rahman61}}
* {{ব্যবহারকারী|Supreme Intelligent boy}}
* {{ব্যবহারকারী|অর্পিতা মজুমদার}}
* {{ব্যবহারকারী|সাইফুল ইসলাম আনিক}}
* {{ব্যবহারকারী|Sharmin Sultana Shimu}}
* {{ব্যবহারকারী|অজয় অধিকারী }}
* {{ব্যবহারকারী|Bsrkr}}
* {{ব্যবহারকারী|Onindita}}
* {{ব্যবহারকারী|Sima Razbongshi}}
* {{ব্যবহারকারী|আইমান আক্তার মারিয়া}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Shuvo Sheikh}}
* {{ব্যবহারকারী|Mijanwiki}}
* {{ব্যবহারকারী|Stuxnet.02}}
* {{ব্যবহারকারী|Zain Huda Abdullah}}
* {{ব্যবহারকারী|তানবির হোসেন জয়}}
* {{ব্যবহারকারী|Wikitahsin}}
* {{ব্যবহারকারী|Farhan Sawad}}
* {{ব্যবহারকারী|Mahadi hasan tresad}}
* {{ব্যবহারকারী|Jahid muhammad}}
* {{ব্যবহারকারী|Mashkawat.ahsan}}
* {{ব্যবহারকারী|Md. Sayeem Sarower}}
* {{ব্যবহারকারী|শাহরিয়ার হাসান শান্ত}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Rashidul Hasan Biplob}}
* {{ব্যবহারকারী|Pkparvej1}}
* {{ব্যবহারকারী|Pradip chandra}}
* {{ব্যবহারকারী|মাহমুদ ইরফান}}
* {{ব্যবহারকারী|Moajjam}}
* {{ব্যবহারকারী|লিচুচোর০}}
* {{ব্যবহারকারী|Foysal Ahmmed Roni}}
* {{ব্যবহারকারী|SMontaha32}}
* {{ব্যবহারকারী|Zakarira}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohammad Abdul Hakim}}
* {{ব্যবহারকারী|সরোজ কুমার রায়}}
* {{ব্যবহারকারী|Jahid muhammad}}
* {{ব্যবহারকারী|Dark1618}}
* {{ব্যবহারকারী|Sohanur Rahman 2.0}}
* {{ব্যবহারকারী|Sumon7943}}
* {{ব্যবহারকারী|Elma akter asha}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Habibur R Rahman}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Rafiqul Islam88}}
* {{ব্যবহারকারী|Rony sekh}}
* {{ব্যবহারকারী|যুবায়ের হোসাইন কায়েফ}}
* {{ব্যবহারকারী|Hittykom}}
* {{ব্যবহারকারী|Kim yuo}}
* {{ব্যবহারকারী|Malihamoni}}
* {{ব্যবহারকারী|Thasin Akib}}
* {{ব্যবহারকারী|নজরুল মোস্তফা}}
* {{ব্যবহারকারী|Mistimohor}}
* {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyad}}
* {{ব্যবহারকারী|Udiptodas}}
* {{ব্যবহারকারী|Udiptodas}}
* {{ব্যবহারকারী|Fariha Islam Mazumder}}
* {{ব্যবহারকারী|Rafi Bin Tofa}}
* {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Afroja Sultana Moni}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohanti Das}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Abu Siyam}}
* {{ব্যবহারকারী|MD. MAHAMUDUL HASAN RIMON}}
* {{ব্যবহারকারী|রাশেদুল ইসলাম ওমর}}
* {{ব্যবহারকারী|Deboraj Das 321}}
* {{ব্যবহারকারী|OJAIER AHMED SHANIN}}
* {{ব্যবহারকারী|Subhaldar100}}
* {{ব্যবহারকারী|Bluish Aura}}
* {{ব্যবহারকারী|Maasud12}}
* {{ব্যবহারকারী|Subhranil Hazra}}
* {{ব্যবহারকারী|Jubayer Ahmad Sadif}}
* {{ব্যবহারকারী|Masumoon}}
* {{ব্যবহারকারী|Aishik Rehman}}
* {{ব্যবহারকারী|আফরোজ মেহরুবা}}
* {{ব্যবহারকারী|Raisulislamrahy}}
* {{ব্যবহারকারী|Nahidd-69}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ জাকারিয়া মুন্না}}
* {{ব্যবহারকারী|Munnaldc}}
* {{ব্যবহারকারী|NAYEM AHMED RAHII}}
* {{ব্যবহারকারী|Mehedi Abedin}}
* {{ব্যবহারকারী|লাবনী আক্তার}}
* {{ব্যবহারকারী|MD ASIF Ahammed}}
* {{ব্যবহারকারী|Irshad meadad}}
* {{ব্যবহারকারী|RatulHasanRuhan}}
* {{ব্যবহারকারী|Roksana akther Riya}}
* {{ব্যবহারকারী|Mustakhye}}
* {{ব্যবহারকারী|Md rafiqul islam siiyam}}
* {{ব্যবহারকারী|কবি সৌরভ}}
* {{ব্যবহারকারী|মিসকাতুল জান্নাত মহুয়া}}
* {{ব্যবহারকারী|প্রতাপ বনিক}}
* {{ব্যবহারকারী|সামিহা তাসনিম মিম}}
* {{ব্যবহারকারী|Sa'Adat-E-Zubaire}}
* {{ব্যবহারকারী|MD MUNTASIM RIAD AFIQ}}
* {{ব্যবহারকারী|Alamin mondal}}
* {{ব্যবহারকারী|Mahir Asef Sheikh}}
* {{ব্যবহারকারী|Khaled Mohammad Saifullah}}
* {{ব্যবহারকারী|Mallik Shimul}}
* {{ব্যবহারকারী|Samira himu}}
* {{ব্যবহারকারী|Emad.najid}}
* {{ব্যবহারকারী|Sangram hossain}}
* {{ব্যবহারকারী|Chandrika Barua}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahadot Khan}}
* {{ব্যবহারকারী|পারভিন সুলতানা}}
* {{ব্যবহারকারী|Gdsaifulcdshawon}}
* {{ব্যবহারকারী|Hajera Akter}}
* {{ব্যবহারকারী|Dilshan Islam Priam Dilshan Islam Priam}}
* {{ব্যবহারকারী|Nyr920}}
* {{ব্যবহারকারী|Skmsimanto}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar Ahmod Hasan}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ পারভেজ মোশারাফ}}
* {{ব্যবহারকারী|Ab Johuri}}
* {{ব্যবহারকারী|MD. MAHAMUDUL HASAN RIMOM}}
* {{ব্যবহারকারী|Sheikh Ratin}}
* {{ব্যবহারকারী|MD. MAHAMUDUL HASAN RIMOM}}
* {{ব্যবহারকারী|Freelancer Fozlu}}
* {{ব্যবহারকারী|Najmol Hasan}}
* {{ব্যবহারকারী|Najmol Hasan}}
* {{ব্যবহারকারী|MD. MAHAMUDUL HASAN RIMOM}}
* {{ব্যবহারকারী|Sultana Takiya}}
* {{ব্যবহারকারী|তাবাসসুম মেহজাবিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Sultana Takiya}}
* {{ব্যবহারকারী|তাবাসসুম মেহজাবিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Muhammad Arshadul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মাহজাবিন}}
* {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ আলী বাবুল}}
* {{ব্যবহারকারী|Obaydul Munshi}}
* {{ব্যবহারকারী|Wahida Akter Poly}}
* {{ব্যবহারকারী|MD SHOJIB MOLLA}}
* {{ব্যবহারকারী|Ptdas}}
* {{ব্যবহারকারী|Aliya Rupa}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ সাকিব খান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ সাকিব খান}}
* {{ব্যবহারকারী|Zzaman}}
* {{ব্যবহারকারী|মুহাম্মদ মাহিদ মিয়া}}
* {{ব্যবহারকারী|Deboraj das}}
* {{ব্যবহারকারী|Fahim Foysal Apurba}}
* {{ব্যবহারকারী|Taiyaba Erin jahan}}
* {{ব্যবহারকারী|Shanto hossin}}
* {{ব্যবহারকারী|Khondokar Enamul Haque}}
* {{ব্যবহারকারী|আবির কান}}
* {{ব্যবহারকারী|Toriq RImon}}
* {{ব্যবহারকারী|Safayetrahmanrifat}}
* {{ব্যবহারকারী|Ishtiak Abdullah}}
* {{ব্যবহারকারী|Goutam Dey1}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminulnb77}}
* {{ব্যবহারকারী|কবি আজহারুল ইসলাম তালহা}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|~2026-22257-64}}
pzr7cwhh9yfd8yjc401iilz6oanoknu
75663
75661
2026-04-11T10:04:09Z
~2026-22257-64
4904
75663
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}}
<inputbox>
type = comment
default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/অংশগ্রহণকারী
page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/অংশগ্রহণকারী
preload = টেমপ্লেট:আমি
editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা
nosummary=true
hidden = yes
buttonlabel = নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন
minor = true
break = no
</inputbox>
{{div col}}
<!--
------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। ---------------------------------------------------
সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}}
--->
<!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না -->
<!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন
১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই।
২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন -->
<!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন -->
* {{ব্যবহারকারী|Yahya}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Mobashir Hossain}}
* {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}}
* {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}}
* {{ব্যবহারকারী|Ishtiak Abdullah}}
* {{ব্যবহারকারী|Arafatul Islam Akan Robi}}
* {{ব্যবহারকারী|Asked42}}
* {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|Arijit Kisku}}
* {{ব্যবহারকারী|BEnjOhiR}}
* {{ব্যবহারকারী|Kawsar123}}
* {{ব্যবহারকারী|রিজওয়ান আহমেদ}}
* {{ব্যবহারকারী|Md. T Mahtab}}
* {{ব্যবহারকারী|Tahmid}}
* {{ব্যবহারকারী|Ovisahabd}}
* {{ব্যবহারকারী|SHOVON (Sirajganj)}}
* {{ব্যবহারকারী|Yasser Raihan}}
* {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}}
* {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}}
* {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Forhad Hossain0007}}
* {{ব্যবহারকারী|RDasgupta2020}}
* {{ব্যবহারকারী|IqbalHossain}}
* {{ব্যবহারকারী|Shariyar Nayeem}}
* {{ব্যবহারকারী|Arpon das.0}}
* {{ব্যবহারকারী|Saadi095}}
* {{ব্যবহারকারী|Moheen}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}}
* {{ব্যবহারকারী|Md. Muqtadir Fuad}}
* {{ব্যবহারকারী|Batul roy}}
* {{ব্যবহারকারী|কমলেশ মন্ডল}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanvir Sikder 24}}
* {{ব্যবহারকারী|মির্জা ইউসুফ আলী}}
* {{ব্যবহারকারী|Sourav Saha Shubho}}
* {{ব্যবহারকারী|Musab Arifi}}
* {{ব্যবহারকারী|Ali yousuf bd}}
* {{ব্যবহারকারী|Hasnat Abdullah}}
* {{ব্যবহারকারী|Md. Abu Jafor Sifatulla}}
* {{ব্যবহারকারী|Sajid Reza Karim}}
* {{ব্যবহারকারী|Bikram Chandra Sarkar}}
* {{ব্যবহারকারী|Dr. Mosaddek Khondoker}}
* {{ব্যবহারকারী|Johurul Hasan Adil}}
* {{ব্যবহারকারী|Maxwell056789}}
* {{ব্যবহারকারী|Borhan}}
* {{ব্যবহারকারী|Md jalal islam}}
* {{ব্যবহারকারী|Ei to ami akash}}
* {{ব্যবহারকারী|Mhnaim4444}}
* {{ব্যবহারকারী|Nusrat Binta Rahman61}}
* {{ব্যবহারকারী|Supreme Intelligent boy}}
* {{ব্যবহারকারী|অর্পিতা মজুমদার}}
* {{ব্যবহারকারী|সাইফুল ইসলাম আনিক}}
* {{ব্যবহারকারী|Sharmin Sultana Shimu}}
* {{ব্যবহারকারী|অজয় অধিকারী }}
* {{ব্যবহারকারী|Bsrkr}}
* {{ব্যবহারকারী|Onindita}}
* {{ব্যবহারকারী|Sima Razbongshi}}
* {{ব্যবহারকারী|আইমান আক্তার মারিয়া}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Shuvo Sheikh}}
* {{ব্যবহারকারী|Mijanwiki}}
* {{ব্যবহারকারী|Stuxnet.02}}
* {{ব্যবহারকারী|Zain Huda Abdullah}}
* {{ব্যবহারকারী|তানবির হোসেন জয়}}
* {{ব্যবহারকারী|Wikitahsin}}
* {{ব্যবহারকারী|Farhan Sawad}}
* {{ব্যবহারকারী|Mahadi hasan tresad}}
* {{ব্যবহারকারী|Jahid muhammad}}
* {{ব্যবহারকারী|Mashkawat.ahsan}}
* {{ব্যবহারকারী|Md. Sayeem Sarower}}
* {{ব্যবহারকারী|শাহরিয়ার হাসান শান্ত}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Rashidul Hasan Biplob}}
* {{ব্যবহারকারী|Pkparvej1}}
* {{ব্যবহারকারী|Pradip chandra}}
* {{ব্যবহারকারী|মাহমুদ ইরফান}}
* {{ব্যবহারকারী|Moajjam}}
* {{ব্যবহারকারী|লিচুচোর০}}
* {{ব্যবহারকারী|Foysal Ahmmed Roni}}
* {{ব্যবহারকারী|SMontaha32}}
* {{ব্যবহারকারী|Zakarira}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohammad Abdul Hakim}}
* {{ব্যবহারকারী|সরোজ কুমার রায়}}
* {{ব্যবহারকারী|Jahid muhammad}}
* {{ব্যবহারকারী|Dark1618}}
* {{ব্যবহারকারী|Sohanur Rahman 2.0}}
* {{ব্যবহারকারী|Sumon7943}}
* {{ব্যবহারকারী|Elma akter asha}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Habibur R Rahman}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Rafiqul Islam88}}
* {{ব্যবহারকারী|Rony sekh}}
* {{ব্যবহারকারী|যুবায়ের হোসাইন কায়েফ}}
* {{ব্যবহারকারী|Hittykom}}
* {{ব্যবহারকারী|Kim yuo}}
* {{ব্যবহারকারী|Malihamoni}}
* {{ব্যবহারকারী|Thasin Akib}}
* {{ব্যবহারকারী|নজরুল মোস্তফা}}
* {{ব্যবহারকারী|Mistimohor}}
* {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyad}}
* {{ব্যবহারকারী|Udiptodas}}
* {{ব্যবহারকারী|Udiptodas}}
* {{ব্যবহারকারী|Fariha Islam Mazumder}}
* {{ব্যবহারকারী|Rafi Bin Tofa}}
* {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Afroja Sultana Moni}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohanti Das}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Abu Siyam}}
* {{ব্যবহারকারী|MD. MAHAMUDUL HASAN RIMON}}
* {{ব্যবহারকারী|রাশেদুল ইসলাম ওমর}}
* {{ব্যবহারকারী|Deboraj Das 321}}
* {{ব্যবহারকারী|OJAIER AHMED SHANIN}}
* {{ব্যবহারকারী|Subhaldar100}}
* {{ব্যবহারকারী|Bluish Aura}}
* {{ব্যবহারকারী|Maasud12}}
* {{ব্যবহারকারী|Subhranil Hazra}}
* {{ব্যবহারকারী|Jubayer Ahmad Sadif}}
* {{ব্যবহারকারী|Masumoon}}
* {{ব্যবহারকারী|Aishik Rehman}}
* {{ব্যবহারকারী|আফরোজ মেহরুবা}}
* {{ব্যবহারকারী|Raisulislamrahy}}
* {{ব্যবহারকারী|Nahidd-69}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ জাকারিয়া মুন্না}}
* {{ব্যবহারকারী|Munnaldc}}
* {{ব্যবহারকারী|NAYEM AHMED RAHII}}
* {{ব্যবহারকারী|Mehedi Abedin}}
* {{ব্যবহারকারী|লাবনী আক্তার}}
* {{ব্যবহারকারী|MD ASIF Ahammed}}
* {{ব্যবহারকারী|Irshad meadad}}
* {{ব্যবহারকারী|RatulHasanRuhan}}
* {{ব্যবহারকারী|Roksana akther Riya}}
* {{ব্যবহারকারী|Mustakhye}}
* {{ব্যবহারকারী|Md rafiqul islam siiyam}}
* {{ব্যবহারকারী|কবি সৌরভ}}
* {{ব্যবহারকারী|মিসকাতুল জান্নাত মহুয়া}}
* {{ব্যবহারকারী|প্রতাপ বনিক}}
* {{ব্যবহারকারী|সামিহা তাসনিম মিম}}
* {{ব্যবহারকারী|Sa'Adat-E-Zubaire}}
* {{ব্যবহারকারী|MD MUNTASIM RIAD AFIQ}}
* {{ব্যবহারকারী|Alamin mondal}}
* {{ব্যবহারকারী|Mahir Asef Sheikh}}
* {{ব্যবহারকারী|Khaled Mohammad Saifullah}}
* {{ব্যবহারকারী|Mallik Shimul}}
* {{ব্যবহারকারী|Samira himu}}
* {{ব্যবহারকারী|Emad.najid}}
* {{ব্যবহারকারী|Sangram hossain}}
* {{ব্যবহারকারী|Chandrika Barua}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahadot Khan}}
* {{ব্যবহারকারী|পারভিন সুলতানা}}
* {{ব্যবহারকারী|Gdsaifulcdshawon}}
* {{ব্যবহারকারী|Hajera Akter}}
* {{ব্যবহারকারী|Dilshan Islam Priam Dilshan Islam Priam}}
* {{ব্যবহারকারী|Nyr920}}
* {{ব্যবহারকারী|Skmsimanto}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar Ahmod Hasan}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ পারভেজ মোশারাফ}}
* {{ব্যবহারকারী|Ab Johuri}}
* {{ব্যবহারকারী|MD. MAHAMUDUL HASAN RIMOM}}
* {{ব্যবহারকারী|Sheikh Ratin}}
* {{ব্যবহারকারী|MD. MAHAMUDUL HASAN RIMOM}}
* {{ব্যবহারকারী|Freelancer Fozlu}}
* {{ব্যবহারকারী|Najmol Hasan}}
* {{ব্যবহারকারী|Najmol Hasan}}
* {{ব্যবহারকারী|MD. MAHAMUDUL HASAN RIMOM}}
* {{ব্যবহারকারী|Sultana Takiya}}
* {{ব্যবহারকারী|তাবাসসুম মেহজাবিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Sultana Takiya}}
* {{ব্যবহারকারী|তাবাসসুম মেহজাবিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Muhammad Arshadul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মাহজাবিন}}
* {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ আলী বাবুল}}
* {{ব্যবহারকারী|Obaydul Munshi}}
* {{ব্যবহারকারী|Wahida Akter Poly}}
* {{ব্যবহারকারী|MD SHOJIB MOLLA}}
* {{ব্যবহারকারী|Ptdas}}
* {{ব্যবহারকারী|Aliya Rupa}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ সাকিব খান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ সাকিব খান}}
* {{ব্যবহারকারী|Zzaman}}
* {{ব্যবহারকারী|মুহাম্মদ মাহিদ মিয়া}}
* {{ব্যবহারকারী|Deboraj das}}
* {{ব্যবহারকারী|Fahim Foysal Apurba}}
* {{ব্যবহারকারী|Taiyaba Erin jahan}}
* {{ব্যবহারকারী|Shanto hossin}}
* {{ব্যবহারকারী|Khondokar Enamul Haque}}
* {{ব্যবহারকারী|আবির কান}}
* {{ব্যবহারকারী|Toriq RImon}}
* {{ব্যবহারকারী|Safayetrahmanrifat}}
* {{ব্যবহারকারী|Ishtiak Abdullah}}
* {{ব্যবহারকারী|Goutam Dey1}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminulnb77}}
* {{ব্যবহারকারী|কবি আজহারুল ইসলাম তালহা}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|~2026-22257-64}}
* {{ব্যবহারকারী|~2026-22257-64}}
knm37gt5eegcii53oxi0p7t22oxkel9
75667
75663
2026-04-11T10:12:48Z
Borhan
964
[[Special:Contributions/~2026-22257-64|~2026-22257-64]] ([[User talk:~2026-22257-64|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Borhan|Borhan]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে
75452
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}}
<inputbox>
type = comment
default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/অংশগ্রহণকারী
page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/অংশগ্রহণকারী
preload = টেমপ্লেট:আমি
editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা
nosummary=true
hidden = yes
buttonlabel = নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন
minor = true
break = no
</inputbox>
{{div col}}
<!--
------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। ---------------------------------------------------
সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}}
--->
<!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না -->
<!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন
১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই।
২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন -->
<!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন -->
* {{ব্যবহারকারী|Yahya}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Mobashir Hossain}}
* {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}}
* {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}}
* {{ব্যবহারকারী|Ishtiak Abdullah}}
* {{ব্যবহারকারী|Arafatul Islam Akan Robi}}
* {{ব্যবহারকারী|Asked42}}
* {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|Arijit Kisku}}
* {{ব্যবহারকারী|BEnjOhiR}}
* {{ব্যবহারকারী|Kawsar123}}
* {{ব্যবহারকারী|রিজওয়ান আহমেদ}}
* {{ব্যবহারকারী|Md. T Mahtab}}
* {{ব্যবহারকারী|Tahmid}}
* {{ব্যবহারকারী|Ovisahabd}}
* {{ব্যবহারকারী|SHOVON (Sirajganj)}}
* {{ব্যবহারকারী|Yasser Raihan}}
* {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}}
* {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}}
* {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Forhad Hossain0007}}
* {{ব্যবহারকারী|RDasgupta2020}}
* {{ব্যবহারকারী|IqbalHossain}}
* {{ব্যবহারকারী|Shariyar Nayeem}}
* {{ব্যবহারকারী|Arpon das.0}}
* {{ব্যবহারকারী|Saadi095}}
* {{ব্যবহারকারী|Moheen}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}}
* {{ব্যবহারকারী|Md. Muqtadir Fuad}}
* {{ব্যবহারকারী|Batul roy}}
* {{ব্যবহারকারী|কমলেশ মন্ডল}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanvir Sikder 24}}
* {{ব্যবহারকারী|মির্জা ইউসুফ আলী}}
* {{ব্যবহারকারী|Sourav Saha Shubho}}
* {{ব্যবহারকারী|Musab Arifi}}
* {{ব্যবহারকারী|Ali yousuf bd}}
* {{ব্যবহারকারী|Hasnat Abdullah}}
* {{ব্যবহারকারী|Md. Abu Jafor Sifatulla}}
* {{ব্যবহারকারী|Sajid Reza Karim}}
* {{ব্যবহারকারী|Bikram Chandra Sarkar}}
* {{ব্যবহারকারী|Dr. Mosaddek Khondoker}}
* {{ব্যবহারকারী|Johurul Hasan Adil}}
* {{ব্যবহারকারী|Maxwell056789}}
* {{ব্যবহারকারী|Borhan}}
* {{ব্যবহারকারী|Md jalal islam}}
* {{ব্যবহারকারী|Ei to ami akash}}
* {{ব্যবহারকারী|Mhnaim4444}}
* {{ব্যবহারকারী|Nusrat Binta Rahman61}}
* {{ব্যবহারকারী|Supreme Intelligent boy}}
* {{ব্যবহারকারী|অর্পিতা মজুমদার}}
* {{ব্যবহারকারী|সাইফুল ইসলাম আনিক}}
* {{ব্যবহারকারী|Sharmin Sultana Shimu}}
* {{ব্যবহারকারী|অজয় অধিকারী }}
* {{ব্যবহারকারী|Bsrkr}}
* {{ব্যবহারকারী|Onindita}}
* {{ব্যবহারকারী|Sima Razbongshi}}
* {{ব্যবহারকারী|আইমান আক্তার মারিয়া}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Shuvo Sheikh}}
* {{ব্যবহারকারী|Mijanwiki}}
* {{ব্যবহারকারী|Stuxnet.02}}
* {{ব্যবহারকারী|Zain Huda Abdullah}}
* {{ব্যবহারকারী|তানবির হোসেন জয়}}
* {{ব্যবহারকারী|Wikitahsin}}
* {{ব্যবহারকারী|Farhan Sawad}}
* {{ব্যবহারকারী|Mahadi hasan tresad}}
* {{ব্যবহারকারী|Jahid muhammad}}
* {{ব্যবহারকারী|Mashkawat.ahsan}}
* {{ব্যবহারকারী|Md. Sayeem Sarower}}
* {{ব্যবহারকারী|শাহরিয়ার হাসান শান্ত}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Rashidul Hasan Biplob}}
* {{ব্যবহারকারী|Pkparvej1}}
* {{ব্যবহারকারী|Pradip chandra}}
* {{ব্যবহারকারী|মাহমুদ ইরফান}}
* {{ব্যবহারকারী|Moajjam}}
* {{ব্যবহারকারী|লিচুচোর০}}
* {{ব্যবহারকারী|Foysal Ahmmed Roni}}
* {{ব্যবহারকারী|SMontaha32}}
* {{ব্যবহারকারী|Zakarira}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohammad Abdul Hakim}}
* {{ব্যবহারকারী|সরোজ কুমার রায়}}
* {{ব্যবহারকারী|Jahid muhammad}}
* {{ব্যবহারকারী|Dark1618}}
* {{ব্যবহারকারী|Sohanur Rahman 2.0}}
* {{ব্যবহারকারী|Sumon7943}}
* {{ব্যবহারকারী|Elma akter asha}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Habibur R Rahman}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Rafiqul Islam88}}
* {{ব্যবহারকারী|Rony sekh}}
* {{ব্যবহারকারী|যুবায়ের হোসাইন কায়েফ}}
* {{ব্যবহারকারী|Hittykom}}
* {{ব্যবহারকারী|Kim yuo}}
* {{ব্যবহারকারী|Malihamoni}}
* {{ব্যবহারকারী|Thasin Akib}}
* {{ব্যবহারকারী|নজরুল মোস্তফা}}
* {{ব্যবহারকারী|Mistimohor}}
* {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyad}}
* {{ব্যবহারকারী|Udiptodas}}
* {{ব্যবহারকারী|Udiptodas}}
* {{ব্যবহারকারী|Fariha Islam Mazumder}}
* {{ব্যবহারকারী|Rafi Bin Tofa}}
* {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Afroja Sultana Moni}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohanti Das}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Abu Siyam}}
* {{ব্যবহারকারী|MD. MAHAMUDUL HASAN RIMON}}
* {{ব্যবহারকারী|রাশেদুল ইসলাম ওমর}}
* {{ব্যবহারকারী|Deboraj Das 321}}
* {{ব্যবহারকারী|OJAIER AHMED SHANIN}}
* {{ব্যবহারকারী|Subhaldar100}}
* {{ব্যবহারকারী|Bluish Aura}}
* {{ব্যবহারকারী|Maasud12}}
* {{ব্যবহারকারী|Subhranil Hazra}}
* {{ব্যবহারকারী|Jubayer Ahmad Sadif}}
* {{ব্যবহারকারী|Masumoon}}
* {{ব্যবহারকারী|Aishik Rehman}}
* {{ব্যবহারকারী|আফরোজ মেহরুবা}}
* {{ব্যবহারকারী|Raisulislamrahy}}
* {{ব্যবহারকারী|Nahidd-69}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ জাকারিয়া মুন্না}}
* {{ব্যবহারকারী|Munnaldc}}
* {{ব্যবহারকারী|NAYEM AHMED RAHII}}
* {{ব্যবহারকারী|Mehedi Abedin}}
* {{ব্যবহারকারী|লাবনী আক্তার}}
* {{ব্যবহারকারী|MD ASIF Ahammed}}
* {{ব্যবহারকারী|Irshad meadad}}
* {{ব্যবহারকারী|RatulHasanRuhan}}
* {{ব্যবহারকারী|Roksana akther Riya}}
* {{ব্যবহারকারী|Mustakhye}}
* {{ব্যবহারকারী|Md rafiqul islam siiyam}}
* {{ব্যবহারকারী|কবি সৌরভ}}
* {{ব্যবহারকারী|মিসকাতুল জান্নাত মহুয়া}}
* {{ব্যবহারকারী|প্রতাপ বনিক}}
* {{ব্যবহারকারী|সামিহা তাসনিম মিম}}
* {{ব্যবহারকারী|Sa'Adat-E-Zubaire}}
* {{ব্যবহারকারী|MD MUNTASIM RIAD AFIQ}}
* {{ব্যবহারকারী|Alamin mondal}}
* {{ব্যবহারকারী|Mahir Asef Sheikh}}
* {{ব্যবহারকারী|Khaled Mohammad Saifullah}}
* {{ব্যবহারকারী|Mallik Shimul}}
* {{ব্যবহারকারী|Samira himu}}
* {{ব্যবহারকারী|Emad.najid}}
* {{ব্যবহারকারী|Sangram hossain}}
* {{ব্যবহারকারী|Chandrika Barua}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahadot Khan}}
* {{ব্যবহারকারী|পারভিন সুলতানা}}
* {{ব্যবহারকারী|Gdsaifulcdshawon}}
* {{ব্যবহারকারী|Hajera Akter}}
* {{ব্যবহারকারী|Dilshan Islam Priam Dilshan Islam Priam}}
* {{ব্যবহারকারী|Nyr920}}
* {{ব্যবহারকারী|Skmsimanto}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar Ahmod Hasan}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ পারভেজ মোশারাফ}}
* {{ব্যবহারকারী|Ab Johuri}}
* {{ব্যবহারকারী|MD. MAHAMUDUL HASAN RIMOM}}
* {{ব্যবহারকারী|Sheikh Ratin}}
* {{ব্যবহারকারী|MD. MAHAMUDUL HASAN RIMOM}}
* {{ব্যবহারকারী|Freelancer Fozlu}}
* {{ব্যবহারকারী|Najmol Hasan}}
* {{ব্যবহারকারী|Najmol Hasan}}
* {{ব্যবহারকারী|MD. MAHAMUDUL HASAN RIMOM}}
* {{ব্যবহারকারী|Sultana Takiya}}
* {{ব্যবহারকারী|তাবাসসুম মেহজাবিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Sultana Takiya}}
* {{ব্যবহারকারী|তাবাসসুম মেহজাবিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Muhammad Arshadul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মাহজাবিন}}
* {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ আলী বাবুল}}
* {{ব্যবহারকারী|Obaydul Munshi}}
* {{ব্যবহারকারী|Wahida Akter Poly}}
* {{ব্যবহারকারী|MD SHOJIB MOLLA}}
* {{ব্যবহারকারী|Ptdas}}
* {{ব্যবহারকারী|Aliya Rupa}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ সাকিব খান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ সাকিব খান}}
* {{ব্যবহারকারী|Zzaman}}
* {{ব্যবহারকারী|মুহাম্মদ মাহিদ মিয়া}}
* {{ব্যবহারকারী|Deboraj das}}
* {{ব্যবহারকারী|Fahim Foysal Apurba}}
* {{ব্যবহারকারী|Taiyaba Erin jahan}}
* {{ব্যবহারকারী|Shanto hossin}}
* {{ব্যবহারকারী|Khondokar Enamul Haque}}
* {{ব্যবহারকারী|আবির কান}}
* {{ব্যবহারকারী|Toriq RImon}}
* {{ব্যবহারকারী|Safayetrahmanrifat}}
* {{ব্যবহারকারী|Ishtiak Abdullah}}
* {{ব্যবহারকারী|Goutam Dey1}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminulnb77}}
* {{ব্যবহারকারী|কবি আজহারুল ইসলাম তালহা}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
8mm3a6gy6df2rurddlnmav6ujyzxm4v
উইকিউক্তি:উইকি রমজান ভালোবাসে ২০২৫
4
8979
75466
67384
2026-04-10T20:15:03Z
Borhan
964
হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:অনলাইন নিবন্ধ প্রতিযোগিতা]] যোগ
75466
wikitext
text/x-wiki
{{notice|text={{লাল|1=<center><big>এডিটাথনের [[উইকিউক্তি:উইকি রমজান ভালোবাসে ২০২৫/ফলাফল|ফলাফল]] প্রকাশিত হয়েছে। সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ!</big></center>}}}}
__NOTOC__
<div style="text-align:center; background-color:#00796B; height: 10px; width: 100%;border-radius:0.5em 0.5em 0em 0em;">
</div>
<div style="float:left;">
[[চিত্র:রমজান, ঈদ মোবারক আইকন.svg|80px|link=উইকিউক্তি:উইকি রমজান ভালোবাসে ২০২৫]]
</div>
<div style="float:right;">
[[File:Wikiquote-logo-bn.svg|80px|link=]]
</div>
<div style="padding: 1em 1em 1em 1em; background:#F8F8F8; font-size:1.2em; border-radius: 0em 0em 0em 0em;">
<div style="margin:0 auto; font-size:2em; font-weight:bold;">
{{center|উইকি রমজান ভালোবাসে ২০২৫}}
</div>
{{center|বাংলা উইকিউক্তিতে ইসলাম বিষয়ক নিবন্ধ তৈরি করাই হলো এই এডিটাথনের মূল উদ্দেশ্য।}}
<center><div class="plainlinks">'''সময়ক্রম:''' ১০ মার্চ ২০২৫ ― ১৫ এপ্রিল ২০২৫ </div></center></div>{{উইকিউক্তি:উইকি রমজান ভালোবাসে ২০২৫/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=1}}
<!--- আলোচনা ব্যতীত নিয়মাবলি পরিবর্তন করবেন না। --->
<div style="background: #EAFAF1; border-radius: 10px; padding: 0.5em 0.5em 0.5em 1em; border: 0.1em 0.2em 0.1em 0.2em; border-style: solid; border-color: #fff;">
'''নিয়মাবলী:'''
# প্রতিযোগিতাটিতে অংশ নিতে অবশ্যই প্রবেশকৃত (লগ-ইন থাকা) অ্যাকাউন্ট থেকে অনুবাদ করতে হবে, আইপি থেকে সম্পাদিত নিবন্ধ গ্রহণযোগ্য নয়।
# ইসলাম সম্পর্কিত যে কোনো নিবন্ধ অনুবাদ করা যাবে (আপনার সুবিধার্থে [[উইকিউক্তি:উইকি রমজান ভালোবাসে ২০২৫/নিবন্ধ তালিকা|এখানে একটি তালিকা]] রয়েছে)।
# কোনো নিবন্ধ গৃহীত হবার পূর্বশর্ত তাতে '''অবশ্যই কমপক্ষে ৩০০ শব্দ অথবা ৩৫০০ বাইট থাকতে হবে'''।
# '''যা লিখবেন তা যেন প্রাঞ্জল, বোধগম্য হয়'''। যান্ত্রিক অনুবাদ গৃহীত হবে না।
# নিবন্ধ সৃষ্টির সংখ্যা অনুসারে বিজয়ী নির্ধারিত হবে।
'''যোগাযোগ:'''
এডিটাথন সম্পর্কে আপনার যে কোনো জিজ্ঞাসা [[উইকিউক্তি আলোচনা:উইকি রমজান ভালোবাসে ২০২৫|আলাপ পাতায়]] অথবা আমাদের [https://t.me/islameditathonbnwiki টেলিগ্রাম গ্রুপে] লিখুন।
</div>
==পুরস্কার==
; স্থানীয় পুরস্কার
* প্রথম শীর্ষ ৩ অবদানকারীকে শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে ডিজিটাল সনদ প্রদান করা হবে।
* যে সকল অংশগ্রহণকারীর কমপক্ষে একটি নিবন্ধ গৃহীত হবে, তাদেরকে উইকিপদক প্রদান করা হবে।
; আন্তর্জাতিক পুরস্কার
প্রতিযোগিতা সমাপ্তির পর স্থানীয় উইকিসমূহে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতাসমূহের ফলাফল আন্তর্জাতিক দলের কাছে পাঠানো হবে। আন্তর্জাতিক দল সকল উইকিমিডিয়া প্রকল্প মিলিয়ে সবচেয়ে বেশি নিবন্ধ সৃষ্টিকারীদের পুরস্কার প্রদান করবেন। উদাহরণস্বরূপ: ইন্দোনেশীয় উইকিপিডিয়ার এক সম্পাদক ৫০০ নিবন্ধ লিখল, বাংলা উইকিকউক্তির এক সম্পাদক ২০০ নিবন্ধ লিখল ও আরবি উইকিবইয়ের এক সম্পাদক ১০০ নিবন্ধ লিখল। এই ক্ষেত্রে বৈশ্বিকভাবে ইন্দোনেশীয় উইকিপিডিয়ার ব্যক্তি প্রথম, বাংলা উইকিকউক্তির ব্যক্তি দ্বিতীয় ও আরবি উইকিবইয়ের ব্যক্তি তৃতীয় হবেন।
* ১ম স্থান অধিকারী - ৩০০ ডলার (৩৬,৩০০ টাকা প্রায়)
* ২য় স্থান অধিকারী - ২০০ ডলার (২৪,২০০ টাকা প্রায়)
* ৩য় স্থান অধিকারী - ১০০ ডলার (১২,১০০ টাকা প্রায়)
* ৪র্থ থেকে ১০ম স্থান অধিকারী - ৫০ ডলার (৬,০৫০ টাকা প্রায়)
==নিবন্ধ জমা দিন ==
<div style="text-align:center;">
একটি নিবন্ধের কাজ শেষ করেছেন?<br>
{{ক্লিকযোগ্য বোতাম ২|আপনার তৈরি নিবন্ধটি জমা দিন|class=mw-ui-progressive|url=https://checkmate.toolforge.org/editathon?key=4m81yh748gpX3wCxG31yrEirS7WQWO}} <br>
</div>
== সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ==
<span class="plainlinks">{{flatlist|
* [[চিত্র:2023 Facebook icon.svg|20px|link=https://facebook.com/WikiLoveRamadan|ফেসবুক]]
* [[চিত্র:Instagram logo 2022.svg|20px|link=https://www.instagram.com/WikiLoveRamadan|ইনস্টাগ্রাম]]
* [[চিত্র:X logo 2023.svg|20px|class=skin-invert|link=https://x.com/WikiLoveRamadan|এক্স (পূর্ববর্তী টুইটার)]]
* [[চিত্র:Linkedin-logo-blue-In-square-40px.png|20px|link=https://www.linkedin.com/company/WikiLoveRamadan|লিংকডইন]]
* [[চিত্র:YouTube full-color icon (2024).svg|20px|link=https://m.youtube.com/@WikiLoveRamadan|ইউটিউব]]
* [[চিত্র:Telegram 2019 Logo.svg|20px|link=https://t.me/WikiLovesRamadan|টেলিগ্রাম]]}}</span>
{{clear}}
{{উইকিউক্তি প্রতিযোগিতা}}
[[বিষয়শ্রেণী:অনলাইন নিবন্ধ প্রতিযোগিতা]]
5ld35zimzs2niepdf0x2l5l0t30w3zo
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
0
9115
75469
72406
2026-04-10T21:15:30Z
Oindrojalik Watch
4169
সংশোধন
75469
wikitext
text/x-wiki
'''[[:w:বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী|বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী]]''' বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দল। বাংলাদেশে ইসলামি শরিয়াহ আইন বাস্তবায়ন এই দলের উদ্দেশ্য। দলটি ''ইকামতে দ্বীন'' (ইসলাম প্রতিষ্ঠা) নামক মতাদর্শকে মূলভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করেছে এবং একে "রাষ্ট্রক্ষমতা লাভের মাধ্যমে ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা" অর্থে দলীয় ও রাজনৈতিকভাবে ব্যাখ্যা করে থাকে। এটি পাকিস্তানের জামায়াতে ইসলামী এবং মিশরের মুসলিম ব্রাদারহুড (ইখওয়ানুল মুসলিমিন)-এর আদর্শ ধারণ করে। ২০১৩ সালের ১ আগস্ট বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট জামায়াতের নিবন্ধন সম্পর্কিত একটি রুলের রায় দেয়। যা সংগঠনের নিবন্ধন অবৈধ এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য ঘোষণা করে। ২০২৪ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত স্বৈরাচার বিরোধী অসহযোগ আন্দোলনের প্রাক্কালে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগ সরকার জামায়াতকে নিষিদ্ধ করেছিল। তারপর ২৮ আগস্ট ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জামায়াতের উপর অর্পিত নিষেধাজ্ঞা বাতিল করে দেয়।
== উক্তি ==
* দেশে পরীক্ষিত দেশপ্রেমিক শক্তি দুটি, একটি সেনাবাহিনী আরেকটি জামায়াত।
** [[শফিকুর রহমান (রাজনীতিবিদ)|শফিকুর রহমান]], ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪ এ রাত ৯টায় রংপুরের পাগলাপীরে জামায়াত আয়োজিত পথসভায়। [https://www.ittefaq.com.bd/711816/%E2%80%98%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%B6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BF]
* পূর্ব পাকিস্তানে জামাতে ইসলামের কর্মীরা বেশিরভাগ রেজাকার, আলবদর, আল শামস বাহিনী গঠন করে মুক্তিবাহিনীর সাথে যুদ্ধ করছে এবং প্রাণ দিচ্ছে। এখানে জামাতের অবদানই বেশি সুতরাং পূর্ব পাকিস্তান থেকে প্রেসিডেন্ট বা প্রধানমন্ত্রী হলে জামায়েত থেকেই হতে হবে।
** [[গোলাম আযম]], বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাস, চতুর্থ খন্ড, মুক্তিযুদ্ধ পর্ব [https://web.archive.org/web/20250510111459/https://bangla.bdnews24.com/blog/57666]
* পাকিস্তান যদি না থাকে তাহলে জামাত কর্মীদের দুনিয়ায় বেঁচে থেকে লাভ নাই।
** [[গোলাম আযম]]। দৈনিক সংগ্রাম, ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ [https://web.archive.org/web/20250510111459/https://bangla.bdnews24.com/blog/57666]
* নীল নদের পানি যেমন নীল নয়, তেমনি জামায়াতে ইসলামও [[ইসলাম]] নয়।
** [[আবদুল হামিদ খান ভাসানী]] [https://www.jugantor.com/tp-news/112915][https://www.kalerkantho.com/print-edition/sub-editorial/2025/09/06/1573463]
* যদি [[ঈমান|ঈমানকে]] হেফাজত করতে চাও, তাহলে জামায়াতে ইসলাম থেকে দূরে থাকো।
** [[মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী]]। ২০২৫ সালের ৭ নভেম্বর চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির এক মাহফিলে তিনি এই মন্তব্য করেন। [https://web.archive.org/web/20260205122155/https://dailyinqilab.com/index.php/national/article/828314]
* জামায়াতে ইসলামীর দ্বারা [[ইসলাম|ইসলামের]] যে ক্ষতি হয়েছে, কাদিয়ানিদের দ্বারাও সে ক্ষতি হয়নি। সবধরনের ভ্রান্ত ফেরকাসমূহের মধ্যে নিকৃষ্ট দল জামায়াতে ইসলামী। এমনকি তারা কাদিয়ানি সম্প্রদায় থেকেও নিকৃষ্ট। জামায়াত প্রকৃত ইসলামি দল নয়, তারা ভণ্ড ইসলামি দল। তারা প্রকৃত ইসলামকে ধারণ করে না। তারা মদিনার ইসলাম নয়, মওদুদীর ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে চায়। আমরা জামায়াতকে ইসলামি দল মনে করি না।
** [[মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী]]। ২০২৫ সালের ৪ আগস্ট ফটিকছড়ির নাজিরহাট পৌরসভার একটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত এক আলোচনাসভায়। [https://dailyinqilab.com/bangladesh/news/792069][https://www.deshrupantor.com/611565/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A4-%E0%A6%AD%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1-%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A6%B2-%E0%A6%B9%E0%A7%87%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%A4-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B0]
* জামায়াতে ইসলামী তখন [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|মুক্তিযুদ্ধে]] অংশগ্রহণ করে নাই এটা সত্য। জামায়েতে ইসলামী এক পাকিস্তান, পাকিস্তানকে ঐক্যবদ্ধ রাখার পক্ষে ছিল এটা সত্য। আমি অস্বীকার করলেই অস্বীকার হয়ে যাবে না। জামায়াতে ইসলামের একটাই যুক্তি ছিল যে, ভারত একটা বৃহৎ প্রতিবেশী। যদি তাদের নিয়ন্ত্রণে এবং সহযোগিতায় বাংলাদেশ স্বাধীন হয় তাহলে এই স্বাধীনতার ফসল বাংলাদেশের জনগণের ঘরে উঠবে না।
** [https://m.youtube.com/watch?v=BvKaV3cAKoY&t=446s&pp=2AG-A5ACAQ%3D%3D চ্যানেল আই-এ দীপ্তি চৌধুরীর সাথে এক সাক্ষাৎকারে] বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর [[শফিকুর রহমান (রাজনীতিবিদ)|শফিকুর রহমান]], ১৫ নভেম্বর ২০২৪
* আপনি যদি কোনো জামায়েতে ইসলামীর নেতার কথা শুনেন তাহলে তার মুনাফেকিটা বুঝবেন। তাদের মধ্যে অনেক শিক্ষিত লোক আছে। যেমন ধরুন তাদের যদি জিজ্ঞেস করেন তারা আরবের ইতিহাস বলতে পারবে, ইসলামের ইতিহাস বলতে পারবে অনেকের চাইতে ভালো করে বলতে পারবে। ভারতবর্ষের ইতিহাসের কথা জিজ্ঞেস করলে সে খুব সুন্দরভাবে বলতে পারবে। কিন্তু যখন ৭১ এর ইতিহাসের কথা বলবেন তখন দেখবেন তারা কী বলে: ‘আমি তখন শিশু ছিলাম’, ‘আমাদের পূর্বপুরুষরা করেছে’, ‘যদি কোনো অপরাধ আমরা করে থাকি দুঃখ প্রকাশ করব’। এরা মুনাফেকি করে, অপরাধ স্বীকার করার সৎ সাহস তাদের নাই।
** [[নূরুল কবীর]]। ২০২৫ সালের ২৯ জানুয়ারি জিটিভির এক [https://m.youtube.com/watch?v=A4caGGS6Czc&t=33m01s টক-শোতে]।
* জামায়াত-ই-ইসলামীর রাজনীতিতে বেশ কিছু ত্রুটি খুঁজে পাওয়া যায় (১) তারা রাজনীতিকে জিহাদ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এটি মাওলানা মওদুদী প্রথম করেন। (২) তারা ইকামতে দ্বীনের (ধর্ম প্রতিষ্ঠা) ধারণার অর্থকে একটি ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় হ্রাস করে মারাত্মক ভুল করেছে; (৩) দলটি তার আদর্শের সাথে আপস করেছে এবং ক্ষমতার রাজনীতিতে আরও মনোনিবেশ করেছে এবং ক্ষমতার জন্য ধর্মনিরপেক্ষ দল এবং জনগণের সাথে জোট করেছে এবং (৪) মুক্তিযুদ্ধের সময় জামায়াত এমন এক দলের সমর্থন করেছিল এবং তার পক্ষে অস্ত্র নিয়েছিল যাকে আগে এরা "অমুসলিম "তাগুতি" (অত্যাচারী) সরকার" বলে অভিহিত করেছিল।" এটাই ছিল তাদের সবচেয়ে বড় ভুল।
** [[খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর]] [https://books.google.com.bd/books?id=ci3YDwAAQBAJ&pg=PA271&dq=abdullah+jahangir&hl=bn&sa=X&ved=0ahUKEwjas4_H4fzpAhWb8HMBHettByYQ6AEILDAB#v=onepage&q=abdullah%20jahangir&f=false]
* ১২ ভাতারি জামায়াতের নতুন ভাতার ভারত।
** [[ইলিয়াস হোসাইন]], ২০২৫ সালের ২৫ এপ্রিল ফেইসবুক [https://www.facebook.com/100069250740805/posts/pfbid02fwuXqANtDgaFtG4vdEDBxmGyCnQsxMAoyaxn5A58wonDCQQ3RDctE9GWJEXs6rDgl/?app=fbl পোস্টে]
* কবে জানি ক্ষ'মতায় আসার লো'ভে আর ভারতের ভয়ে জামায়াত ইসলাম বলে বসে, "আমরা মু'ক্তিযু'দ্ধের পক্ষের শ'ক্তি ছিলাম, ৭১ আমাদের চেতনা আর শে'ক্স মুজিব আমাদের জাতির ফিতা৷"
** [[ইলিয়াস হোসাইন]], ২০২৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি [https://www.facebook.com/100069250740805/posts/pfbid024kYvStsZ8rvv8YLed1usCWrgnX2BBu7Qwo8ShiF9NYwQ7GfrMLwjZWXDJyohYk2hl/?app=fbl ফেইসবুক পোস্টে]
* বাংলাদেশ জামায়েতে ইসলামী, আজকের ভিডিওটা মূলত তাদেরকে নিয়েই, যারা পূর্ব পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ হোক সেটা চায়নি। মূলত তারা এই দেশের স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে এই দেশে বসবাসের অযোগ্য। তারা বাংলাদেশের একটা অপশক্তি, পাকিস্তানি অপশক্তি। তাদের এই দেশে রাজনীতি তো পরের কথা, আমি মনে করি তাদের মরণোত্তর নাগরিকত্ব বাতিল করা উচিত। তারা এই দেশের স্বাধীনতা চায় নাই। এখন আপনি হয়তো আজকে আমার এই কথা শুনার পর মনে করবেন যে এতদিন আমি নিজেই তো বলতাম। হ্যাঁ, আমি বলতাম তো। আমার তো ঐ সময় জন্মই হয়নি। আমার জন্ম হলে আমি দুই পাকিস্তানকে এক রাখতেই চাইতাম। যদি আমি তা না পারতাম তাহলে পশ্চিম পাকিস্তানে চলে যেতাম। আপনি পশ্চিম পাকিস্তানের পক্ষ হয়ে যুদ্ধ করলেন, পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন হয়ে গেল। পূর্ব পাকিস্তানে থাকার জন্য আপনার আবার এত খায়েশ কেন? আবার পূর্ব পাকিস্তানে আপনি রাজনীতি করবেন, সেই (একই) দলেই রাজনীতি করবেন। এত ঘাড়ত্যাড়ামো কেন? আপনাদের এই ঘাড়ত্যাড়ামোর কারণে আজকের এই বাংলাদেশে অসংখ্য মানুষ গুম হয়, খুন হয়, ধর্ষিতা হয়, ধর্ম পালনে সমস্যা হয়, ইসলাম পালনে সমস্যা হয়, এই দেশে দাড়ি টুপি রাখতে সমস্যা হয়।
** [[ইলিয়াস হোসাইন]], ২০২৫ সালের ২৫ এপ্রিল নিজের [https://m.youtube.com/watch?v=YRXGQfETWT8 ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করা ভিডিওতে]।
* আপনি যদি আমাদেরকে শত্রু মনে করেন, তাহলে আপনি প্রকৃতপক্ষে কোরআনের শত্রু হিসেবে চিহ্নিত হবেন।
** শফিকুল ইসলাম মাসুদ, ২০২৫ সালের ৩১ মে কিশোরগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সম্মেলনে দেওয়া [https://m.youtube.com/watch?v=rV9Ft0i8ym0 বক্তব্যে]। [https://www.facebook.com/dbcnews.tv/videos/1039393721081248/?app=fbl]
* জামাতে ইসলাম করাটা আপনার আমার নৈতিক দায়িত্ব। কী দায়িত্ব? নৈতিক দায়িত্ব। কী জন্য? যদি আপনি জান্নাতে যেতে চান। আর জান্নাতে যেতে না চাইলে কোনো সমস্যা নেই। কারণ ৭২ কাতারের মধ্যে প্রথম কাতারে থাকতে চাইলে, জান্নাত পেতে চাইলে জামাতে ইসলাম (দ্বীন কায়েমের আন্দোলন) করতে হবে। এর মধ্যে আর দ্বিতীয় কোনো অপশন নেই।
** ব্যারিস্টার এএসএম শাহরিয়ার কবির। ২০২৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নওগাঁর আত্রাই উপজেলা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক [https://m.youtube.com/watch?v=WmOcBaanOJc&pp=0gcJCR4Bo7VqN5tD&t=12m57s সমাবেশে]। [https://rumorscanner.com/fact-check/shahriar-kabir-jamaat-jannat-speech-real/182382][https://archive.ph/XN5SL]
* ইসলামের সাথে জামায়েতে ইসলামীর কোনো সম্পর্ক নেই। জামায়েতে ইসলাম একটা বিভ্রান্ত রাজনৈতিক দল, মুনাফিকিই যার অন্যতম প্রধান কৌশল। মুনাফেকিকে ইসলাম প্রথম থেকেই কবিরা গুনাহ অর্থাৎ সবচাইতে বড় গুনাহের মধ্যে একটা হিসেবে শনাক্ত করেছে। মুনাফেকি মানে হিপোক্রেসি: মনের মধ্যে এক আর বলে আরেক।জামায়েতে ইসলামীর বিভ্রান্তি এবং মুনাফেকি লক্ষ্য করুন। সম্প্রতি আজকেই বা গতকালকে ইসলামি ছাত্রশিবিরের একটা প্রকাশনার মধ্যে তাদের একজন লিখেছে যে, ১৯৭১ সালে নাকি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ছিল ইসলাম বিরোধী এবং সেই অর্বাচীন লেখক আল্লাহর কাছে প্রার্থনা জানিয়েছে মুক্তিযুদ্ধারা যে অপরাধ করেছিল ইসলামের বিরুদ্ধে আল্লাহ যেন তাদের ক্ষমা করেন। এটাকে আপনি কী বলবেন? ভারতবর্ষে আলাদা একটা ভূখণ্ড হওয়ার দরকার আছে কি নাই এই রাজনীতি হলো এবং মুসলিম লীগসহ যাবতীয় অপরাপর রাজনৈতিক দল এমনকি আম্বেদকরের মত মানুষও যখন বললেন পাকিস্তান হওয়া মুসলমান মাইনরিটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তখন এই জামায়েত ইসলামী পাকিস্তানের বিরোধীতা করেছে। আবার পশ্চিম পাকিস্তান ভিত্তিক শোষণ নিপীড়ন, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, বাংলাদেশের স্বায়ত্তশাসনের সংগ্রামের বিরুদ্ধে, এমনকি সর্বশেষে মানুষের বিরুদ্ধে গিয়ে যখন এই দেশে একটা বর্বর গণহত্যা চালু করে ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ , সেইটার বিরুদ্ধে যখন একটা ন্যায়ের যুদ্ধ শুরু করে বাংলাদেশের মানুষ এবং সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ আকারে স্বাধীনতার যোদ্ধারা এই দেশের মানুষের জন্য সংগ্রাম করে সেটাকে তারা পাপ হিসেবে শনাক্ত করে।
** [[নূরুল কবীর]] ২০২৫ সালের ২৯ জানুয়ারি জিটিভির এক [https://m.youtube.com/watch?v=A4caGGS6Czc&t=29m54s টকশোতে]।
* যে জামায়াত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিল, স্বাধীনতার ৪২ বছর পর সেই দল এখনো এ দেশে রাজনীতি করে কী করে? বাংলাদেশে জামায়াতের রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই।
** [[আবুল আ'লা মওদুদী|মওদুদীর]] ছেলে হায়দার ফারুক মওদুদী। ২০১৩ সালের অক্টোবরে ''ধর্ম ও রাজনীতি : দক্ষিণ এশিয়া'' শীর্ষক দুই দিনব্যাপী সেমিনারে যোগ দিতে এসে ঢাকায় তিনি এই কথা বলেন। [https://www.kalerkantho.com/print-edition/first-page/2013/10/06/9231]
* একাত্তরে আমরা কোনো ভুল করে থাকলে এবং তা যদি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়, আমি জাতির কাছে ক্ষমা চাইব।
** [[শফিকুর রহমান (রাজনীতিবিদ)|শফিকুর রহমান]], লন্ডনে বাংলাভাষী সংবাদমাধ্যমে সাংবাদিকদের সঙ্গে ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে, ২০ নভেম্বর ২০২৪ [https://samakal.com/politics/article/266197/%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%AE%E0%A6%BE-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AC:-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A4-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B0%C2%A0]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের ইসলামি রাজনৈতিক দল]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইসলামি রাজনৈতিক দল]]
[[বিষয়শ্রেণী:উগ্র ডানপন্থী রাজনৈতিক দল]]
3xhzs198jhdp114l0hh5abqym2nysh7
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
0
9120
75470
71767
2026-04-10T21:19:44Z
Oindrojalik Watch
4169
সংশোধন
75470
wikitext
text/x-wiki
'''[[:w:বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল|বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল]]''' বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র-ডান থেকে ডানপন্থী রাজনৈতিক দল। তৎকালীন [[:w:জিয়াউর রহমান|জিয়াউর রহমান]] ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর এই দলটি প্রতিষ্ঠা করেন। এর আগে, ১৯৭৭ সালের ৩০ এপ্রিল, জিয়াউর রহমান তার শাসনকে বেসামরিক করার উদ্দেশ্যে ১৯ দফা কর্মসূচি চালু করেন। পরবর্তীতে, রাষ্ট্রপতির পদের জন্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিলে, তার নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (জাগদল) প্রতিষ্ঠিত হয়। এই দলের সমন্বয়ক ছিলেন আব্দুস সাত্তার।
== উক্তি ==
* বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিক সব ক্ষেত্রে সমান অধিকার ভোগ করবে—এটাই বিএনপির নীতি, এটাই বিএনপির রাজনীতি। আমাদের দল বিএনপি বিশ্বাস করে, দল–মত–ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার।
** [[তারেক রহমান]]। ২০২৪ সালের ২০ সেপ্টেম্বর জন্মাষ্টমী উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক শুভেচ্ছা অনুষ্ঠানে দেওয় বক্তব্যে। [https://www.prothomalo.com/politics/05yr8egyma]
* বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ, আল্লাহ’র উপর আস্থা বিশ্বাস, বিসমিল্লাহির রাহমানির রহিম এবং ন্যায় ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা—এগুলোকে আদর্শ হিসেবে নিয়ে বিএনপির জন্ম হয়। একইসাথে ব্যক্তি মালিকানার উদ্যোগকে উৎসাহিত করে এবং মুক্তবাজার অর্থনীতির দিকে বিএনপি এগিয়েছে। মুল এই আদর্শের উপর বিএনপি এখনও দাঁড়িয়ে রয়েছে।
** বিএনপির সিনিয়র নেতা খন্দকার মোশারফ হোসেন। [https://www.bbc.com/bengali/news/2013/09/130906_mh_bnp_35th-anniversary]
* ডান কিংবা বামপন্থী আমরা নই। আমাদের ডানে যাদের অবস্থান তারা ডানপন্থী, আমাদের বামে যাদের অবস্থান তারা বামপন্থী। আমাদের অবস্থান ডানপন্থীর বামে এবং বামপন্থীর ডানে। আমাদের অবস্থান কেন্দ্রে এবং এদেশের রাজনীতির কেন্দ্র আমরাই।
** [[খালেদা জিয়া]]। ২০১৫ সালে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে খালেদা জিয়ার লেখা। [https://www.tbsnews.net/bangla/bangladesh/news-details-432786]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ]]
0q1s3rh1hf2r2bptb73nwyn2vortmil
জুলাই বিপ্লব
0
9349
75467
52432
2026-04-10T20:57:54Z
Oindrojalik Watch
4169
চিত্র
75467
wikitext
text/x-wiki
[[File:One point movement of Bangladesh in DU 35.jpg|thumb|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র–জনতার গণঅভ্যুত্থান]]
'''ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান''' বা '''জুলাই বিপ্লব''' নামে পরিচিত ঘটনাটি মূলত ২০২৪ সালে [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] কোটা সংস্কার আন্দোলন এবং পরবর্তী অসহযোগ আন্দোলনের সমন্বিত রূপ। ২০২৪ সালের ৫ জুন, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর জারি করা কোটা সংক্রান্ত সরকারি পরিপত্রকে অবৈধ ঘোষণা করে। এর পরপরই কোটা সংস্কার আন্দোলন নতুন করে তীব্রতা পায়। আন্দোলন দমন করতে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিতে শুরু করলে, আন্দোলনটি শান্তিপূর্ণ অসহযোগ আন্দোলনে রূপ নেয়। সরকারবিরোধী এই গণআন্দোলনের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী [[শেখ হাসিনা]] পদত্যাগ করে [[ভারত|ভারতে]] পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। এর ফলে দেশে এক সাংবিধানিক সংকটের সৃষ্টি হয়। সংকট নিরসনের লক্ষ্যে মাত্র তিন দিনের মাথায় [[মুহাম্মদ ইউনূস|মুহাম্মদ ইউনূসকে]] প্রধান উপদেষ্টা করে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়।
== উক্তি ==
* আমরা আমাদের এক দফা দাবি দিয়ে দিয়েছি, যেখানে আদালতের কোনো এখতিয়ার নেই। এটা করার দায়িত্ব কেবল নির্বাহী বিভাগ ও সরকারের। ফলে বল এখন সরকারের কোর্টে। এখন আর আদালত দেখিয়ে কোনো লাভ নেই। সরকারই ঠিক করতে পারে, এই আন্দোলনের গতিপথ কী হবে।
** বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম, উদ্ধৃত: [https://www.prothomalo.com/bangladesh/60tqu8mldu/ প্রথম আলো]
ex97o1iut0hmjbfwr7q0q0tgm14io9j
ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy
3
9569
75348
74999
2026-04-10T12:58:47Z
Mehedi Abedin
50
/* কণাদ */ উত্তর
75348
wikitext
text/x-wiki
{{স্বাগতম}}[[ব্যবহারকারী:DeloarAkram|DeloarAkram]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:DeloarAkram|আলাপ]]) ১০:৫৮, ১০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== কণাদ ==
[[কণাদ]] পাতাটিতে ইংরেজি পাতা থেকে সব সূত্রে লিংক করা হয়নি। এগুলো ঠিক করে এখানে আমাকে মেনশন করে জানান। অন্য কোনো সমস্যা থেকে থাকলে সেটা বের করে আশাকরি নিজ দায়িত্বে ঠিক করবেন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৩:৪৯, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] সবকটা সূত্রে লিংক যোগ করেছি। আরেকবার পর্যবেক্ষণের অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ১৪:৫৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Nil Nandy|Nil Nandy]] গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:৫৮, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
bm92nymckul40wef1d4b5oaery8hfwd
ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32
3
10010
75369
74963
2026-04-10T13:27:53Z
Mehedi Abedin
50
/* অনিতা ব্রুকনার */ নতুন অনুচ্ছেদ
75369
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় SMontaha32,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]]
</div>
০৭:১৩, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[:অস্ট্রোলিয়া]] পাতার [[উইকিউক্তি:দ্রুত অপসারণ নীতিমালা|দ্রুত অপসারণ]] প্রস্তাবনা ==
[[চিত্র:Ambox warning pn.svg|48px|left|alt=|link=]] আপনি ১৭ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে '''অস্ট্রোলিয়া''' নিবন্ধটি তৈরি করেছেন। নিবন্ধটি উইকিউক্তির দ্রুত অপসারণের বিচারধারা অনুসারে দ্রুত অপসারণ যোগ্য। কারণ:
<center>'''পাতাটিতে কোনো উক্তি নেই'''</center>
আপনি যদি মনে করেন যে এই কারণে পাতাটি অপসারণ করা উচিত নয়, তবে এই অপসারণে আপত্তি জানাতে [[:অস্ট্রোলিয়া|নিবন্ধটিতে গিয়ে]] '''অপসারণে আপত্তি জানান''' লেখার উপর ক্লিক করুন ও সেখানে কারণ ব্যাখ্যা করুন কেন নিবন্ধটি অপসারণ করা উচিত নয়। মনে রাখবেন, কোন নিবন্ধে অপসারণ ট্যাগ করা হলে এবং যদি নিবন্ধটি অপসারণের বিচারাধারার সাথে মিলে যায় তবে কোনও দেরি না করে নিবন্ধটি অপসারণ করা হয়। অনুগ্রহপূর্বক আপনার নিজের তৈরি করা নিবন্ধ থেকে এই বিজ্ঞপ্তিটি সরিয়ে ফেলবেন না, তবে আমরা আপনাকে নিবন্ধটি সম্প্রসারণ করতে উৎসাহিত করছি। আরও মনে রাখবেন যে, নিবন্ধের বিষয় অবশ্যই [[উইকিউক্তি:উল্লেখযোগ্যতা|উল্লেখযোগ্য]] হতে হবে এবং [[উইকিউক্তি:নির্ভরযোগ্য উৎস|নির্ভরযোগ্য উৎস]] থেকে তথ্যসূত্রগুলো [[উইকিউক্তি:যাচাইযোগ্যতা|যাচাইযোগ্য]] হওয়া উচিত। যদি ইতিমধ্যে নিবন্ধটি অপসারিত হয়ে থাকে এবং আপনি ভবিষ্যতে এটির উন্নতি করতে এর বিষয়বস্তু ফেরত পেতে চান, তবে দয়া করে যে প্রশাসক এটি অপসারণ করেছেন তার সাথে যোগাযোগ করুন বা [[উইকিউক্তি:প্রশাসকদের আলোচনাসভা|প্রশাসকদের আলোচনাসভায়]] আবেদন করুন। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ০৬:১৩, ১৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[স্লোভেনিয়া]] ==
পাতার কাঠামো এবং বিষয়বস্তু ঠিক নেই। তাই গৃহীত হয়নি।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ২০:২৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধ পর্যালোচনা শেষে গৃহীত হয়েছে। বিস্তারিত ফলাফল [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|এখানে দেখুন]]। আপনাকে ডিজিটাল সনদ পাঠাতে কিছু তথ্য প্রয়োজন। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSfa6lC5bYLAwTSpiacX75DM3-MsRqv9RmIPPNBtar6q3JGOSA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৬:৫৬, ১৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67749-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== ক্যারোলিন বার্তোজি ==
[[ক্যারোলিন বার্তোজি]] পাতাটি প্রতিযোগিতার জন্য জমা দেওয়ার জন্য অভিনন্দন। প্রায় সব ঠিক আছে, শুধু বিষয়শ্রেণী অনুবাদ এবং পাতার সংযোগ ও বিন্যাস ঠিক করে দিলেই পাতাটি গ্রহণ করবো। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:১১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ১০:৫৭, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== আলফ্রেড মার্শাল ==
বইয়ের নাম ইংরেজি রাখলে ঠিক আছে। তবে অন্যান্য ক্ষেত্রে ইংরেজি শব্দ দেখতে পাচ্ছি। এছাড়া অপ্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে শব্দের সাথে "-এর" দেখা যাচ্ছে। অনেক জায়গায় এআইয়ের প্রভাব স্পষ্ট। পাতা ঠিকভাবে ফিনিশিং না দিয়ে জমা দিয়েছেন। এগুলো ঠিক করে আমাকে জানান। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:৫৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== আনাক্সাগোরাস ==
[[আনাক্সাগোরাস]] পাতাটিতে এআইয়ের সুস্পষ্ট ছাপ বিদ্যমান। এমনটা আমরা একজন প্রতিযোগীর নিকট আশা করিনা। আশাকরি পর্যাপ্ত সম্পাদনা করে সংশোধন করে আমাকে জানাবেন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৩:৪৬, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== অনিতা ব্রুকনার ==
[[অনিতা ব্রুকনার]] পাতাটি সম্পাদনা করে উক্তিগুলো আরো প্রাঞ্জল করতে হবে। তবে বাক্যগঠনে যেন বড় রকমের পরিবর্তন না আসে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৩:২৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
mmrkgb2ixfoaphib6vesnmqeoyvjdci
75478
75369
2026-04-10T23:49:50Z
ARI
356
/* অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে */ নতুন অনুচ্ছেদ
75478
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় SMontaha32,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]]
</div>
০৭:১৩, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[:অস্ট্রোলিয়া]] পাতার [[উইকিউক্তি:দ্রুত অপসারণ নীতিমালা|দ্রুত অপসারণ]] প্রস্তাবনা ==
[[চিত্র:Ambox warning pn.svg|48px|left|alt=|link=]] আপনি ১৭ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে '''অস্ট্রোলিয়া''' নিবন্ধটি তৈরি করেছেন। নিবন্ধটি উইকিউক্তির দ্রুত অপসারণের বিচারধারা অনুসারে দ্রুত অপসারণ যোগ্য। কারণ:
<center>'''পাতাটিতে কোনো উক্তি নেই'''</center>
আপনি যদি মনে করেন যে এই কারণে পাতাটি অপসারণ করা উচিত নয়, তবে এই অপসারণে আপত্তি জানাতে [[:অস্ট্রোলিয়া|নিবন্ধটিতে গিয়ে]] '''অপসারণে আপত্তি জানান''' লেখার উপর ক্লিক করুন ও সেখানে কারণ ব্যাখ্যা করুন কেন নিবন্ধটি অপসারণ করা উচিত নয়। মনে রাখবেন, কোন নিবন্ধে অপসারণ ট্যাগ করা হলে এবং যদি নিবন্ধটি অপসারণের বিচারাধারার সাথে মিলে যায় তবে কোনও দেরি না করে নিবন্ধটি অপসারণ করা হয়। অনুগ্রহপূর্বক আপনার নিজের তৈরি করা নিবন্ধ থেকে এই বিজ্ঞপ্তিটি সরিয়ে ফেলবেন না, তবে আমরা আপনাকে নিবন্ধটি সম্প্রসারণ করতে উৎসাহিত করছি। আরও মনে রাখবেন যে, নিবন্ধের বিষয় অবশ্যই [[উইকিউক্তি:উল্লেখযোগ্যতা|উল্লেখযোগ্য]] হতে হবে এবং [[উইকিউক্তি:নির্ভরযোগ্য উৎস|নির্ভরযোগ্য উৎস]] থেকে তথ্যসূত্রগুলো [[উইকিউক্তি:যাচাইযোগ্যতা|যাচাইযোগ্য]] হওয়া উচিত। যদি ইতিমধ্যে নিবন্ধটি অপসারিত হয়ে থাকে এবং আপনি ভবিষ্যতে এটির উন্নতি করতে এর বিষয়বস্তু ফেরত পেতে চান, তবে দয়া করে যে প্রশাসক এটি অপসারণ করেছেন তার সাথে যোগাযোগ করুন বা [[উইকিউক্তি:প্রশাসকদের আলোচনাসভা|প্রশাসকদের আলোচনাসভায়]] আবেদন করুন। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ০৬:১৩, ১৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[স্লোভেনিয়া]] ==
পাতার কাঠামো এবং বিষয়বস্তু ঠিক নেই। তাই গৃহীত হয়নি।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ২০:২৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধ পর্যালোচনা শেষে গৃহীত হয়েছে। বিস্তারিত ফলাফল [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|এখানে দেখুন]]। আপনাকে ডিজিটাল সনদ পাঠাতে কিছু তথ্য প্রয়োজন। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSfa6lC5bYLAwTSpiacX75DM3-MsRqv9RmIPPNBtar6q3JGOSA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৬:৫৬, ১৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67749-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== ক্যারোলিন বার্তোজি ==
[[ক্যারোলিন বার্তোজি]] পাতাটি প্রতিযোগিতার জন্য জমা দেওয়ার জন্য অভিনন্দন। প্রায় সব ঠিক আছে, শুধু বিষয়শ্রেণী অনুবাদ এবং পাতার সংযোগ ও বিন্যাস ঠিক করে দিলেই পাতাটি গ্রহণ করবো। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:১১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ১০:৫৭, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== আলফ্রেড মার্শাল ==
বইয়ের নাম ইংরেজি রাখলে ঠিক আছে। তবে অন্যান্য ক্ষেত্রে ইংরেজি শব্দ দেখতে পাচ্ছি। এছাড়া অপ্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে শব্দের সাথে "-এর" দেখা যাচ্ছে। অনেক জায়গায় এআইয়ের প্রভাব স্পষ্ট। পাতা ঠিকভাবে ফিনিশিং না দিয়ে জমা দিয়েছেন। এগুলো ঠিক করে আমাকে জানান। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:৫৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== আনাক্সাগোরাস ==
[[আনাক্সাগোরাস]] পাতাটিতে এআইয়ের সুস্পষ্ট ছাপ বিদ্যমান। এমনটা আমরা একজন প্রতিযোগীর নিকট আশা করিনা। আশাকরি পর্যাপ্ত সম্পাদনা করে সংশোধন করে আমাকে জানাবেন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৩:৪৬, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== অনিতা ব্রুকনার ==
[[অনিতা ব্রুকনার]] পাতাটি সম্পাদনা করে উক্তিগুলো আরো প্রাঞ্জল করতে হবে। তবে বাক্যগঠনে যেন বড় রকমের পরিবর্তন না আসে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৩:২৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে]] ==
[[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে]] নিবন্ধের [[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে#লাভোয়াজিয়ে সম্পর্কে|লাভোয়াজিয়ে সম্পর্কে]] একটি উক্তি অনুপস্থিত। এবং সূত্রের ফরম্যাটগুলোও ঠিক করে ইংরেজির মতো করে করবেন। অনুগ্রহ করে এই সম্পাদনগুলো করে জানান। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ২৩:৪৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
g5faq23qssi7kzzhbl7q61es7vq017h
উইকিউক্তি:অপসারণ নীতি
4
11757
75534
71689
2026-04-11T03:38:33Z
Borhan
964
হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:অপসারণের অনুরোধ]] যোগ
75534
wikitext
text/x-wiki
{{Official policy|WQ:DP}}{{policylist}}
উইকিউক্তি প্রধান [[w:wp:নামস্থান|নামস্থানে]] তৈরি করা সমস্ত পাঠ্য নিবন্ধগুলির মানদণ্ড ([[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]]), উদ্ধৃতি সংকলন গুণমান (সঠিকতা, উৎসকরণ এবং [[w:WP:যাচাইযোগ্যতা|যাচাইযোগ্যতা]]), সম্পাদকীয় পদ্ধতি ([[উইকিউক্তি:নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি|নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ]]) এবং সেইসাথে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নিয়মের সাপেক্ষে। উইকিউক্তি কপিরাইট নীতি। যে প্রবন্ধ এবং পাঠ্যগুলি এইগুলি পূরণ করতে সক্ষম সেগুলি সাধারণত সম্পাদনার মাধ্যমে প্রতিকার করা উচিত, তবে যে বিষয়বস্তু উইকিউক্তির জন্য অন্তর্ভুক্তির মানদণ্ডে ব্যর্থ হয়, স্বনামধন্য উত্সগুলির সাথে যাচাই করতে অক্ষম, বা কপিরাইট নীতি লঙ্ঘন করে, সাধারণত অপসারণ করা হয়।
একটি উইকিউক্তি নিবন্ধ অপসারণ করার ফলে বর্তমান সংস্করণ এবং পূর্ববর্তী সমস্ত সংস্করণ দৃশ্য থেকে মুছে যায়। পৃষ্ঠা ফাঁকা করার বিপরীতে, যেটি যেকোন ব্যবহারকারী দ্বারা সঞ্চালিত (বা প্রত্যাবর্তন) করা যেতে পারে, কেবলমাত্র [[উইকিউক্তি:প্রশাসক|প্রশাসকদের]] দ্বারা অপসারণ করা সম্ভব। উইকিউক্তির স্বাভাবিক ক্রিয়াকলাপে, প্রতি মাসে ১০ থেকে ২০টি পাতা অপসারণ করা হয়, একটি অপসারণ করার প্রক্রিয়া অনুসারে যা সমস্ত ব্যবহারকারীর জন্য উন্মুক্ত।
এই পৃষ্ঠাটি বর্ণনা করে যে কীভাবে অপসারণ করার জন্য উপযুক্ত বলে মনে করা পৃষ্ঠাগুলি পরিচালনা করা উচিত, বিভিন্ন অপসারণ করার বিকল্প এবং প্রক্রিয়াগুলি ব্যাখ্যা করে এবং উইকিউক্তি নিবন্ধগুলির সাথে কিছু সাধারণ সমস্যাগুলির সংক্ষিপ্তসার করে যা অপসারণ করার পাশাপাশি অপসারণের বিকল্পগুলির জন্যও বলা যেতে পারে।
== অপসারণ পদ্ধতি ==
যদি একটি পাতা [[উইকিউক্তি:দ্রুত অপসারণ নীতিমালা|উইকিউক্তি:দ্রুত অপসারণের নীতিমালার]] অধীনে তালিকাভুক্ত বিষয়শ্রেণীর মধ্যে না পড়ে, তবে পাতাটি [[উইকিউক্তি:অপসারণের প্রস্তাবনা|উইকিউক্তি:অপসারণের প্রস্তাবনা]] পাতায় প্রস্তাবনা করতে হবে এবং প্রস্তাবনার মেয়াদ ৭ দিন হওয়ার পূর্বে তা অপসারণ করা যাবে না।
=== সমস্যাযুক্ত পাতা/চিত্র/বিষয়শ্রেণী নিয়ে কি করবেন ===
পৃষ্ঠাটি কি সত্যিই অপসারণ প্রস্তাবনার অন্তর্গত? একটি সমস্যা পৃষ্ঠার সাথে কি করতে হবে তা জানতে নিম্নলিখিত দুটি টেবিল পড়ুন।
{| border="1" cellspacing="0" cellpadding="5"
|+<big>'''যে সমস্যাগুলির জন্য অপসারণ করার প্রয়োজন নেই'''</big>
!পাতার সমস্যা
!সমাধান
!এই ট্যাগটি যোগ করুন
|-
|<div id="foreign">বিদেশী ভাষায় লেখা নিবন্ধ।</div>
|[[:বিষয়শ্রেণী:উইকিউক্তির ভুক্তিসমূহ অনুবাদ করা প্রয়োজন]]-এ তালিকাভুক্ত করুন।
|<code>{{tl|বাংলা নয়}}</code>
|-
|<div id="stub">একটি অসম্পূর্ণ (তবে সম্ভাবনা রয়েছে)।</div>
|[[:বিষয়শ্রেণী:উইকিউক্তি অসম্পূর্ণ]]-এ তালিকাভুক্ত করুন। অথবা আরও ভালো হলো সম্প্রসারণ করা।
|<code>{{tl|অসম্পূর্ণ}}</code> বা {{Tl|stub}}
|-
|<div id="minor">উদ্ধৃতিগুলি এত কম গুরুত্বপূর্ণ যে এটি নিজস্ব নিবন্ধের যোগ্য নয়।</div>
|একটি আরও ব্যাপক নিবন্ধে দরকারী বিষয়বস্তু একীভূত করে [[w:wp:পুনর্নির্দেশনা|পুনর্নির্দেশ]] করুন।
|<code>{{tl|একত্রীকরণ}}</code> বা {{Tl|merge}}
|-
|<div id="duplicate">ভুক্তিটি অন্য কোনো ভুক্তিতে উল্লেখযোগ্য তথ্য বা কাছাকাছি তথ্যে রয়েছে।</div>
|অন্য নিবন্ধের সাথে একীভূত করে [[w:Wikipedia:Redirect|পুনর্নির্দেশ]] করুন।
|<code><nowiki>{{একত্রীকরণ}}</nowiki> <nowiki>[[নিবন্ধ]]</nowiki></code>
|-
|<div id="cleanup">ভুক্তির উন্নয়ন প্রয়োজন।</div>
|[[:বিষয়শ্রেণী:উইকিউক্তি পরিষ্করণ]]-এ তালিকাভুক্ত করুন।
|<code>{{tl|cleanup}}</code>
|-
|ভুক্তির অনেক বেশি উন্নয়ন প্রয়োজন।
|[[উইকিউক্তি:মনোযোগ প্রয়োজন]]-এ তালিকাভুক্ত করুন।
|
|-
|<div id="POV">ভুক্তিটি পক্ষপাতমূলক বা অনেক [[w:Wp:NPOV|দৃষ্টিভঙ্গি]] রয়েছে।</div>
|[[উইকিউক্তি:মনোযোগ প্রয়োজন]]-এ তালিকাভুক্ত করুন।
|<code>{{tl|npov}}</code>
|-
|<div id="disputed">নিবন্ধের বিষয়বস্তু নিয়ে বিতর্ক।</div>
|[[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা]]য় তালিকাভুক্ত করুন।
|<code>{{tl|disputed}}</code>
|-
|<div id="disambig">দুটি বিষয়ের একই নাম।</div>
|একটি [[w:Wikipedia:Disambiguation|দ্ব্যর্থতা নিরসন]] পাতা তৈরি করুন।
|<code>{{tl|disambig}}</code>
|-
|<div id="verify">নিবন্ধের তথ্য যাচাই করা যাচ্ছে না।</div>
|[[w:Wikipedia:Verifiability|উইকিপিডিয়া:যাচাইযোগ্যতা]] অনুসরণ করুন; তাতেও সমাধান না হলে এখানে ফিরে আসুন। উদ্ধৃতিগুলি যদি সত্যিই ''যাচাইযোগ্য না হয়'', তবে সেগুলি অপসারণ করা যেতে পারে।
|
|-
|[[w:Wikipedia:User page|অনুপযুক্ত ব্যবহারকারী পৃষ্ঠা]]।
|ব্যবহারকারীর সাথে আলোচনা করুন; সমাধান না হলে এখানে ফিরে আসুন।
|
|-
|<div id="vandalism">[[w:Wikipedia:vandalism|ধ্বংসাত্মক সম্পাদনা]] বা ভুল তথ্য।</div>
|[[w:Wikipedia:How to revert a page to an earlier version|পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনুন]] এবং [[উইকিউক্তি:ধ্বংসপ্রবণতা চলছে]]-এ উল্লেখ করুন।
|
|-
|বিরক্তিকর ব্যবহারকারী।
|[[উইকিউক্তি:প্রশাসকদের আলোচনাসভা]]য় ব্যবহারকারীর নাম যুক্ত করুন। তবে [[w:en:Wikipedia:Staying cool when the editing gets hot|শান্ত থাকুন]]।
|
|}
{| border="1" cellspacing="0" cellpadding="5"
|+<big>'''যেসব সমস্যার জন্য হয়তো অপসারণ প্রয়োজন হতে পারে'''</big>
!পাতার সমস্যা
!সমাধান
!এই ট্যাগ যুক্ত করুন
|-
|<div id="vfd">
* উইকিউক্তির পাতা হবার যোগ্য নয় (দেখুন [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি:কী নয়]])।
* অনুপযুক্ত ব্যবহারকারী পৃষ্ঠা।
* [[w:WP:COI|স্বার্থের সংঘাত]]।
* বিজ্ঞাপন বা স্প্যাম।
* সম্পূর্ণ অযৌক্তিক, বিষয়বস্তুবিহীন।
</div>
|[[উইকিউক্তি:অপসারণ প্রস্তাবনা]]-এ তালিকাভুক্ত করুন।
|<code>{{tl|vfd-new}}</code>
|-
|<div id="copyvio">নিবন্ধ বা চিত্র সম্ভাব্য কপিরাইট লঙ্ঘন।</div>
|অভিযোগিত উৎস উল্লেখ করে [[উইকিউক্তি:অপসারণ প্রস্তাবনা]]-এ তালিকাভুক্ত করুন।
|<code>{{tl|vfd-new}}</code>
|-
|<div id="template">অপ্রয়োজনীয়, অকেজো, অথবা সমস্যাযুক্ত টেমপ্লেট বা সিরিজ বাক্স।</div>
|সমস্যা নির্দিষ্ট করে [[উইকিউক্তি:অপসারণ প্রস্তাবনা]]-এ তালিকাভুক্ত করুন।
|<code>{{tl|Vfd-template-new}}</code>
|-
|<div id="other">
* অবাঞ্ছিত ছবি।
* ভুল পুনঃনির্দেশ (সাধারণ নয়; পুনঃনির্দেশ সহজলভ্য)।
* ভুল বিভাগ পরিকল্পনা।
</div>
|সমস্যা নির্দিষ্ট করে [[উইকিউক্তি:অপসারণ প্রস্তাবনা]]-এ তালিকাভুক্ত করুন।
|<code>{{tl|vfd-new}}</code>
|-
|<div id="wikipedia">পাতাটি আসলে নিম্নলিখিত প্রকল্পে থাকা উচিতঃ
* উইকিপিডিয়া (নিবন্ধ),
* উইকিসংকলন (সম্পূর্ণ ভাষণ বা অন্য পূর্ণ রচনা),
* উইকিশব্দকোষ (অভিধান সংজ্ঞা)।
</div>
|[[উইকিউক্তি:প্রশাসকদের আলোচনাসভা]] পাতায় বিবরণসহ তালিকাভুক্ত করুন।
|<code><nowiki>{{</nowiki>[[টেমপ্লেট:Move to Wikipedia|move to Wikipedia]]<nowiki>}}</nowiki></code>
<code><nowiki>{{</nowiki>[[টেমপ্লেট:Move to Wikisource|move to Wikisource]]<nowiki>}}</nowiki></code>
<code><nowiki>{{</nowiki>[[টেমপ্লেট:Move to Wiktionary|move to Wiktionary]]<nowiki>}}</nowiki></code>
|-
|<div id="speedy">নিবন্ধ [[উইকিউক্তি:দ্রুত অপসারণ|দ্রুত অপসারণের প্রার্থী]], যেমন:</div>
* [[w:Wikipedia:Patent nonsense|সম্পূর্ণ অযৌক্তিকতা]] (পুরোপুরি অর্থহীন)।
* পরীক্ষামূলক পাতা।
* কেবল [[w:Wikipedia:vandalism|ধ্বংসপ্রবণতা]] বা বিঘ্ন ঘটানোর জন্য তৈরি পাতা।
* যথাযথভাবে [[উইকিউক্তি:অপসারণ প্রস্তাবনা|অপসারণ প্রস্তাবনায়]] অপসারণ করে ফেলার পর পুনরায় তৈরি নিবন্ধ, যদি না [[উইকিউক্তি:Votes for undeletion|অপসারণ প্রত্যাহারের প্রস্তাবনা]]-এ তালিকাভুক্ত থাকে।
(সম্পূর্ণ তালিকা দেখুন [[উইকিউক্তি:দ্রুত অপসারণ#The cases|দ্রুত অপসারণ: কেসসমূহ]])।
|[[:বিষয়শ্রেণী:দ্রুত অপসারণের যোগ্য]]-এ যুক্ত করুন।
|<code>{{tl|delete}}</code> বা <code><nowiki>{{db|</nowiki>''কারণ''<nowiki>}}</nowiki></code>
|}
আরও দেখুন: [[উইকিউক্তি:টেমপ্লেট বার্তা#অপসারণ]]
আপনি যদি মনে করেন যে আলোচ্য পাতা [[উইকিউক্তি:অপসারণ প্রস্তাবনা]]-এ তালিকাভুক্ত করার উপরের নির্দেশনাগুলির সাথে মেলে, তবে WQ:অপসারণ প্রস্তাবনা পাতার শীর্ষের নির্দেশিকা অনুসরণ করে সেটি মনোনীত করতে পারেন। '''অবশ্যই কারণ উল্লেখ করবেন কেন আপনি মনে করছেন এটি অপসারণ করা উচিত।''' এটি কিছু সময়ের জন্য সেখানে থাকবে, যাতে অন্যান্য ব্যবহারকারীরা মতামত দিতে পারেন যে সত্যিই অপসারণ প্রযোজ্য কি না। নির্ধারিত সময়সীমা শেষে প্রশাসক আনুমানিক ঐক্যমত্য থাকলে পাতাটি অপসারণ করে ফেলবেন (দেখুন [[w:en:Wikipedia:Deletion guidelines for administrators#Rough_consensus|আনুমানিক ঐক্যমত্য সম্পর্কিত নির্দেশিকা]] )।
[[উইকিউক্তি:দ্রুত অপসারণ|দ্রুত অপসারণের প্রার্থী]] পাতাগুলোর ক্ষেত্রে [[উইকিউক্তি:প্রশাসক|প্রশাসকরা]] কোনো প্রস্তাব ছাড়াই সেগুলো সরাসরি অপসারণ করে দিতে পারেন।
=== "অপসারণ করার জন্য তালিকাভুক্ত" বিজ্ঞপ্তি ===
যখন আপনি কোনো পাতাকে [[উইকিউক্তি:অপসারণ প্রস্তাবনা]]-এ তালিকাভুক্ত করেন, তখন পাঠকদের জানানো আবশ্যক যে এটি মুছে ফেলা হতে পারে, তা সে সম্পূর্ণ নতুন পাতা হোক বা দীর্ঘ ইতিহাস সমৃদ্ধ পুরনো পাতা। এটি করার উপায় হলো পাতার বিষয়বস্তুর '''উপরে''' একটি {{tl|vfd-new}} ট্যাগ যুক্ত করা, যা নিম্নরূপ দেখাবে:
{{vfd-new}}
এই নোটিশটির উদ্দেশ্য হলো পাঠকদের অপসারণ আলোচনায় যোগ দিতে উৎসাহিত করা এবং পাঠক ও নতুন ব্যবহারকারীদের বোঝার সুযোগ দেওয়া যে কেন একটি পাতা মুছে ফেলা হতে পারে। যদি কোনো পুনর্নির্দেশনা অপসারণের জন্য মনোনীত হয়, তবে সেটির উপরেও এই ট্যাগটি অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। এটি পুনর্নির্দেশনাটি ভেঙে দেবে ঠিকই, কিন্তু পুনর্নির্দেশনা ব্যবহারকারীদের জানানোর এটিই একমাত্র কার্যকর উপায় যে এটি অপসারণের জন্য আলোচনার অধীন রয়েছে।
আপনি যদি কোনো টেমপ্লেট অপসারণের জন্য মনোনীত করেন, তবে অনুগ্রহ করে টেমপ্লেটের উপরে '''<nowiki>{{vfd-template-new|টেমপ্লেটের নাম|আলোচনার নাম}}</nowiki>''' যোগ করুন। এটি এই টেমপ্লেট ব্যবহার করা পাতাগুলোতে একটি ছোট, অস্পষ্ট সতর্কতা প্রদান করবে, যা চিহ্নিত করবে যে টেমপ্লেটটি অপসারণের বিবেচনায় রয়েছে এবং এর আলোচনার একটি সংযোগ প্রদান করবে। (গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহারের বিস্তারিত জানতে [[টেমপ্লেট:vfd-template-new]] দেখুন।)
=== ল্যাগ সময় ===
কোনো পাতা অপসারণের জন্য তালিকাভুক্ত হওয়ার পর, সম্প্রদায়ের মন্তব্যের সুযোগ দেওয়ার জন্য মনোনয়নটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়। বিভিন্ন অপসারণ মনোনয়ন পদ্ধতির ভিন্ন ভিন্ন "ল্যাগ সময়" (পাতাটি মুছে ফেলার আগে সাধারণত কতক্ষণ তালিকাভুক্ত থাকা উচিত) রয়েছে। এটি অন্যান্য ব্যবহারকারীদের মন্তব্য করার সুযোগ দেয় যে তারা অপসারণটি আসলে যথাযথ মনে করছেন কি না। ল্যাগ সময়গুলো বর্তমানে নিম্নরূপ নির্ধারণ করা হয়েছে:
* [[:বিষয়শ্রেণী:দ্রুত অপসারণের যোগ্য]] - কোনো ল্যাগ নেই
* [[উইকিউক্তি:অপসারণ প্রস্তাবনা]] - '''{{red|সাত দিন}}'''
=== অপসারণ প্রস্তাবনায় মন্তব্য ===
যখন কেউ কোনো নিবন্ধকে অপসারণের জন্য কোনো তালিকায় যুক্ত করেন, তখন অন্য যে কেউ সেই অনুরোধে মন্তব্য করতে পারেন। মতামত প্রকাশের সময়, অনুগ্রহ করে ''আপনার মতামত'' এবং ''আপনার যুক্তি'' অন্তর্ভুক্ত করুন, এবং <code><nowiki>~~~~</nowiki></code> (পরপর চারটি টিল্ড চিহ্ন) দিয়ে স্বাক্ষর করুন। নিচে কিছু প্রস্তাবিত শব্দচয়ন দেওয়া হলো। এগুলো এবং অন্যান্য বহুল ব্যবহৃত সংক্ষিপ্তরূণের একটি তালিকা [[w:wp:Guide_to_deletion#Recommendations_and_outcomes|উইকিপিডিয়া:অপসারণ নির্দেশিকা]]-তে রয়েছে।
* '''অপসারণ করুন'''<nowiki> (ঐচ্ছিক ব্যাখ্যা) ~~~~</nowiki>
* '''রাখুন'''<nowiki> (ব্যাখ্যা আবশ্যক) ~~~~</nowiki>
* <nowiki>[[ভুক্তি]]</nowiki>তে '''পুনর্নির্দেশ'''। (ঐচ্ছিক ব্যাখ্যা) <nowiki>~~~~</nowiki>
* <nowiki>[[নিবন্ধ]]</nowiki>-এ '''একত্রীকরণ''' এবং পুনর্নির্দেশ করুন। (ঐচ্ছিক ব্যাখ্যা) <nowiki>~~~~</nowiki>
* অন্য উইকি প্রকল্পে '''সরান'''। (ঐচ্ছিক ব্যাখ্যা) <nowiki>~~~~</nowiki>
* <nowiki>মন্তব্য। (মন্তব্যের লেখা; কোনো ভোট নয়) ~~~~</nowiki>
* (অন্যান্য পদক্ষেপ)
পদক্ষেপের ভোটগুলো গাঢ় বা বোল্ড করলে (উভয় পাশে তিনটি উর্ধ্বকমা ('''<nowiki>'''</nowiki>''') বসিয়ে) সিদ্ধান্তের সময় প্রশাসকদের পক্ষে ভোট গণনা এবং পর্যালোচনা করা সহজ হয়। তবে, স্বাক্ষর ছাড়া এগুলো নির্দেশিকা মাত্র, আবশ্যিক কোনো নিয়ম নয়। প্রশাসকদের প্রতি দ্রষ্টব্য: "<nowiki>[[নিবন্ধ]]</nowiki>-এ একত্রীকরণ এবং পুনর্নির্দেশ"-এর ক্ষেত্রে বিষয়বস্তুর লেখকত্বের তথ্য কোনোভাবে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন, যদি না এটি সম্পূর্ণ পাবলিক ডোমেইন পাঠ্য হয়।
=== সিদ্ধান্ত নীতি ===
[[উইকিউক্তি:অপসারণের প্রস্তাবনা]]য় তালিকাভুক্ত পাতাগুলো সম্পর্কে: নির্দিষ্ট সময়সীমা শেষে যদি পাতাটি মুছে দেওয়ার বিষয়ে একটি [[:w:en:Wikipedia:Deletion guidelines for administrators#Rough_consensus|আনুমানিক ঐকমত্য]] গড়ে ওঠে, তবে পাতা অপসারণ করা হবে। অন্যথায় পাতা থেকে যাবে। তবে মনে রাখতে হবে—'''আনুমানিক ঐকমত্য কী, তা স্থায়ীভাবে নির্ধারিত নয়'''। কেউ কেউ দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতাকেই “আনুমানিক ঐকমত্য” মনে করেন, আবার অনেকে মনে করেন প্রকৃত ঐকমত্যের জন্য আরও বেশি অনুপাত থাকা উচিত। প্রশাসকদের নিজেদের সঠিক বিচক্ষণতা প্রয়োগ করে ঐকমত্য নির্ধারণ করতে হবে। '''ঐকমত্য কেবল ভোট নয়'''; কারণ প্রশাসকেরা এক ব্যক্তি–এক ভোট নীতি নিশ্চিত করতে পারেন না, এবং উইকিউক্তির প্রতিটি পাতা অবশ্যই উইকিউক্তির প্রতিষ্ঠিত নীতি, উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের নিয়ম-কানুন এবং আলোচনায় দেওয়া বর্তমান মতামতের ভিত্তিতে গৃহীত ঐকমত্য মেনে চলবে। প্রশাসকদের আরও খেয়াল রাখতে হবে আলোচনায় অংশগ্রহণকারীদের সামগ্রিক উইকিউক্তি কাজের সাথে সম্পৃক্ততা আছে কিনা, যাতে কেবল নির্দিষ্ট একটি নিবন্ধে আগ্রহী এককালীন ব্যবহারকারীদের দল বেঁধে “[[w:en:ballot stuffing|ভোট ভরাট]]” করার প্রবণতা এড়ানো যায়। (বিস্তারিত আলোচনার জন্য দেখুন [[:w:en:Wikipedia:Voting is evil]] এবং [[:w:WP:NOTDEMOCRACY|উইকিপিডিয়া:গণতন্ত্র নয়]]।)
আলোচনার ধারায় ও উইকিউক্তির প্রচলিত চর্চা অনুযায়ী যদি কোনো পাতা উন্নত করা হয়ে থাকে এবং সে উন্নতি মূল অপসারণ মনোনয়নের যুক্তিকে অচল করে দেয়, তবে সেটিও রাখা যেতে পারে। এজন্য শুরুতেই পাতা অপসারণের অনুরোধে কারণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।
অনুগ্রহ করে কোনো অপসারণ প্রস্তাবনা বা অনুরূপ আলোচনায় দেওয়া "কোনো" ভোটই মুছে ফেলবেন না। যদি মনে করেন কোনো ভোট [[:w:Wikipedia:Sock puppetry|সকপাপেট্রি]] থেকে এসেছে বা অন্যভাবে অকার্যকর, তবে মন্তব্য যোগ করে সেটি চিহ্নিত করুন, প্রাসঙ্গিক সংযোগ দিন এবং রেখে দিন। আলোচনাটি পর্যবেক্ষণকারী প্রশাসকেরা তা যাচাই করে দেখবেন এবং প্রয়োজন হলে ভোটটি গণনায় নেবেন কি না ঠিক করবেন। তারা একজন ব্যবহারকারীর একাধিক ভোট বা “জাল” ভোট (যেখানে সম্পাদনার ইতিহাসে ভিন্ন ব্যবহারকারী থাকলেও স্বাক্ষর অন্য কারো নামে দেওয়া) কেটে দিতে পারেন। কিন্তু ভোট সরিয়ে না রাখলে পরে এ নিয়ে, কোন ভোট কে কেন সরালো; সে বিষয়ে কোনো বিতর্কের অবকাশ থাকবে না।
এ বিষয়ে আরও বিশদ ব্যাখ্যা ও যুক্তি দেওয়া আছে ইংরেজি উইকিপিডিয়ার [[w:en:Wikipedia:Deletion guidelines for administrators|Wikipedia:Deletion guidelines for administrators]] পাতায়।
=== অপসারণ প্রস্তাবনা সমাপ্তিকরণ ===
একটি অপসারণ প্রস্তাবনা আলোচনা সম্পন্ন করার জন্য পাঁচটি মৌলিক ধাপ রয়েছে:
# ঐক্যমত্য যাচাই করুন এবং ভোট বন্ধ করুন।
# উল্লেখিত ভুক্তি(গুলি) সম্পর্কে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিন।
# <code>উইকিউক্তি:অপসারণ প্রস্তাবনা#আলোচনা নাম</code> নাম দিয়ে সমাপ্ত আলোচনা থেকে একটি সংরক্ষণাগার অনুলিপি তৈরি করুন।
# [[উইকিউক্তি:অপসারণ প্রস্তাবনা]] থেকে আলোচনাটি সরান।
নির্ধারিত সময়সীমা বা ঘোষিত ভোট সমাপ্তির সময় শেষ হওয়ার পর (আদর্শিকভাবে '''{{red|এক দিনের মধ্যে}}''') যেকোনো সময় প্রশাসক যাচাই করবেন যে ঐক্যমত্য হয়েছে কিনা। ঐক্যমত্য না হলে সেটি পূর্বনির্ধারিতভাবে সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে পাতাটি '''রাখার''' সিদ্ধান্ত হিসেবে গণ্য হবে। প্রশাসকের সিদ্ধান্ত স্পষ্টভাবে অপসারণ প্রস্তাবনাতে উল্লেখ করতে হবে, যাতে পুরো আলোচনা (যা অনেক দীর্ঘ হতে পারে) না পড়েও ফলাফল জানা যায়। '''মনে রাখবেন, উইকিপিডিয়ার মতো এখানে যে কেউ নয়, শুধু প্রশাসকই অপসারণ প্রস্তাবনা বন্ধ করতে পারবেন।'''
আলোচনা বন্ধ হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব প্রশাসককে ভুক্তিতে নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিতে হবে।
* যদি সিদ্ধান্ত হয় '''রাখার''', তবে নিবন্ধ থেকে {{tl|vfd-new}} ট্যাগ সরাতে হবে, এবং নিবন্ধের আলাপ পাতায় সমাপ্ত অপসারণ প্রস্তাবনার নোটিশ (সংরক্ষিত আলোচনার সংযোগসহ) দিতে হবে। একইভাবে '''একত্রীকরণ''' বা '''পুনর্নির্দেশ''' যেকোনো ক্ষেত্রে, যেখানে নিবন্ধের শিরোনামস্থানে কিছু রেখে দেওয়া হয়, এই পদক্ষেপ প্রযোজ্য। অক্ষুণ্ণ রাখা নিবন্ধের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে <code><nowiki>{{</nowiki>[[টেমপ্লেট:Vfd-kept-new|vfd-kept-new]]<nowiki>|আলোচনার নাম}}</nowiki></code>। অন্য শিরোনামে পুনর্নির্দেশ বা একত্রীকরণ করা হলে ব্যবহার করা যেতে পারে <code><nowiki>{{</nowiki>[[টেমপ্লেট:Vfd-redirect|vfd-redirect]]<nowiki>|আলোচনার নাম|নতুন পাতা}}</nowiki></code>।
* যদি ঐক্যমত্য হয় '''অপসারণ করার''', তবে নিবন্ধটি ও তার আলাপ পাতা অপসারণ করা হবে। এ সময় অপসারণ করার সারাংশে <code>অপসারণ আলোচনা:</code> দিয়ে শুরু করা ভালো, যাতে বোঝা যায় এটি সম্প্রদায়ের ভোটের ভিত্তিতে হয়েছে। (দ্রুত অপসারণের ক্ষেত্রে সাধারণত <code>দ্রুত অপসারণ: কারণ</code> ব্যবহার হয়।)
* যদি সিদ্ধান্ত হয় '''অপসারণ করার''', কিন্তু কোনো কারণে দীর্ঘ সময় ধরে অপসারণ করা সম্ভব না হয়, তবে সেটিকে অপসারণ নথির '''অপেক্ষমাণ অপসারণ''' পাতায় তালিকাভুক্ত করতে হবে। (এটি সাধারণত এমন পাতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেগুলোতে প্রচুর তথ্য থাকে এবং যা অন্য পাতায় সংরক্ষণ বা বিতরণ করার আগে চূড়ান্তভাবে অপসারণ করা সম্ভব নয়।)
=== প্রশাসকের করণীয় ===
{{red|নিচের বিষয়গুলো এখনও পুরোপুরি সমাধানকৃত হয়নি। কাঙ্ক্ষিত আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত অনুসারে পরিবর্তন করতে হবে।}}
ফলাফল নথিভুক্ত করার পর প্রশাসককে দ্রুত অপসারণ প্রস্তাবনা আলোচনাটি সংগ্রহশালায় নিতে হবে—<code>Wikiquote:Votes for deletion/আলোচনার নাম</code>—যেখানে "আলোচনার নাম" হচ্ছে অপসারণ প্রস্তাবনা আলোচনার শিরোনাম (সাধারণত পাতার নাম, তবে সবসময় না-ও হতে পারে)। ([[Wikiquote:Useful links]] পাতায় এটি তৈরির জন্য সহজ ইনপুট বাক্স রয়েছে।) এতে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে পর্যালোচনার জন্য পাওয়া যাবে। এরপর সংরক্ষিত আলোচনাটি সংশ্লিষ্ট মাসের লগ পাতায় (যেমন [[Wikiquote:Votes for deletion/Log/2006 September]]) যুক্ত করতে হবে, উল্টো ক্রমে—যাতে সাম্প্রতিক মনোনয়নগুলো উপরে থাকে। এজন্য বিদ্যমান এন্ট্রিগুলোর উপরে নিচের লাইনটি যোগ করতে হবে:
: <code><nowiki>{{Wikiquote:Votes for deletion/আলোচনার নাম}}</nowiki></code>
ফলস্বরূপ [[:w:Transclusion|ট্রান্সক্লুশন]] এর মাধ্যমে সংরক্ষিত আলোচনার বিষয়বস্তু স্বয়ংক্রিয়ভাবে মাসিক লগ পাতায় প্রদর্শিত হবে।
বন্ধ ও সংরক্ষণ করা প্রশাসকদের অবশ্যই [[সাহায্য:Edit summary|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করতে হবে, যাতে [http://en.wikiquote.org/w/index.php?title=Wikiquote:Votes_for_deletion&action=history VfD সম্পাদনার ইতিহাসে] কার্যকলাপগুলো সহজে চিহ্নিত হয়। যেমন <code>closed PAGE vote; result: delete</code> (বন্ধ করার জন্য) এবং <code>archived: PAGE</code> (সংরক্ষণের জন্য)।
এই সামগ্রিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও তথ্য (যার কিছু এখানে অনুসৃত হয়েছে) আছে [[w:Wikipedia:Deletion process|Wikipedia:Deletion process]] পাতায়।
== পুনরুদ্ধার ==
অপসারণ করা পাতাসমূহ প্রশাসকগণ পুনরুদ্ধার করতে পারেন। যদি [[উইকিউক্তি:প্রশাসকদের আলোচনাসভা|প্রশাসকদের আলোচনাসভায়]] পুনরুদ্ধারের পক্ষে সমর্থন থাকে, অথবা পৃষ্ঠাটি দ্রুত অপসারণ নীতিমালার বাইরে অপসারণ করা হয় তবে প্রশাসকগণ পাতাটি পুনরুদ্ধার করবেন। যদি অপসারণ করা খুব বেশি অনিচ্ছাকৃতভাবে করা হয়, তাহলে উইকিউক্তি সম্ভাব্য দরকারী লেখা হারাতে পারে এবং সম্প্রদায়ের সদস্যরা মনে করতে পারেন যে তাদের কাজের প্রশংসা করা হচ্ছে না। অতএব, স্থায়ীভাবে কোনও নিবন্ধ অপসারণ করার সিদ্ধান্তকে হালকাভাবে নেওয়া হয় না এবং অপসারণ করার প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। অপসারণ করার বিষয়ে নির্দেশনার জন্য [[উইকিউক্তি:পুনরুদ্ধার নীতি]] দেখুন।
যদি কোনও পাতা অপসারণ করার পর পাতার সাথে সম্পৃক্ত নয় কিংবা সকপাপেট নয় এমন সম্পাদকরা বারবার পুনঃতৈরি করে, তাহলে পাতাটির উল্লেখযোগ্যতার প্রমাণ হিসেবে দেখা উচিত। প্রশাসকগণ সর্বদা তাদের ক্ষমতার ব্যাপারে দায়বদ্ধ থাকা উচিত। যদি সন্দেহ থাকে... তবে কখনোই অপসারণ করবেন না!
== আরও দেখুন ==
* [[উইকিউক্তি:সম্পাদকদের দৃষ্টি আকর্ষণ]]
* উইকিপিডিয়া উদ্ধৃতি:
** [[w:উইকিপিডিয়া:নিবন্ধ_অপসারণের_প্রস্তাবনা/প্রচলিত_ফলাফল|উইকিপিডিয়া:নিবন্ধ অপসারণের প্রস্তাবনা/প্রচলিত ফলাফল]]
[[বিষয়শ্রেণী:অপসারণের অনুরোধ]]
dzupkvdykvfqgwcy8igfcdlaekr24l5
শেখ রবিউল আলম
0
11824
75435
72552
2026-04-10T16:20:39Z
Tuhin
172
হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:তারেক রহমানের মন্ত্রিসভার সদস্য]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিবিদ]] যোগ
75435
wikitext
text/x-wiki
{{w|শেখ রবিউল আলম}} একজন [[বাংলাদেশী]] রাজনীতিবিদ। তিনি [[ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০২৬|ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে]] [[ঢাকা-১০]] আসন থেকে [[সংসদ সদস্য]] নির্বাচিত হন।
==উক্তি==
* চাঁদা আমি সেটাকে বলতে চাই, যেটা কেউ দিতে চায় না বা বাধ্য করা হয়।
** পরিবহন খাতের চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে এই প্রশ্নের উত্তরে [https://www.prothomalo.com/bangladesh/hmaqjzvglf এই সাক্ষাৎকারে] বলেছেন।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ সদস্য]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিবিদ]]
pz9c2w6ay2t9szhvou4abd1u25uxh7z
উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/কীভাবে
4
11850
75582
75009
2026-04-11T06:44:52Z
~2026-22325-72
4891
ঢাকার
75582
wikitext
text/x-wiki
ডাকাত
== নতুন উক্তির পাতা তৈরি করা ==
আপনি যে পাতাটি তৈরি করতে চাইছেন, সেই পাতাটির নাম নিচের বাক্সে লিখুন। তারপর '''পাতা তৈরি করুন''' ক্লিক করুন। ক্লিক করার পর, আপনাকে একটি নতুন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হবে ও তাতে একটি বাক্স দেওয়া থাকবে। বাক্সে উক্তি লিখুন ও উক্ত পাতাটি প্রকাশ করুন। নতুন উক্তির পাতা প্রকাশের পর, উক্ত পাতায় থাকা কলম আইকনে ক্লিক করে আপনি উক্ত পাতাটি আবার সম্পাদনা করতে পারবেন।<inputbox>
type=create
Preload=টেমপ্লেট:নতুন_পাতা_তৈরি
placeholder=শিরোনাম লিখুন (উদা: কাজী নজরুল ইসলাম)
</inputbox>
== কীভাবে উক্তি যোগ করব? ==
* ব্যক্তি যদি বাঙালি হয়, তবে তার উক্তি হুবহু তুলে দিন (উদা: [[চঞ্চল চৌধুরী]] দেখুন)। ব্যক্তি যদি বিদেশি হয়, তবে উক্তি অনুবাদ করে যোগ করুন (উদা: [[নোম চম্স্কি]] দেখুন)।
নমুনা কাঠামো:<pre>
বিষয় সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বিবরণ ....
== উক্তি ==
* ১ম উক্তি
** ১ম উক্তির উৎস, অর্থাৎ কোথা থেকে উক্তিটি পেয়েছেন
* ২য় উক্তি
** ২য় উক্তির উৎস, অর্থাৎ কোথা থেকে উক্তিটি পেয়েছেন
* ৩য় উক্তি
** ৩য় উক্তির উৎস, অর্থাৎ কোথা থেকে উক্তিটি পেয়েছেন
... এভাবে যত সম্ভব উক্তি যোগ করুন...
== আরও দেখুন ==
* [[নিবন্ধের নাম]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
</pre>উদাহরণ হিসেবে [[কাজী নজরুল ইসলাম]], [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] পাতা দেখুন।
hfaa80n8j4qbk9ev3nu162z2qcy1yxs
75584
75582
2026-04-11T06:47:04Z
Nil Nandy
2294
Reverted 1 edit by [[Special:Contributions/~2026-22325-72|~2026-22325-72]] ([[User talk:~2026-22325-72|talk]]) (TwinkleGlobal)
75584
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=4}}
== নতুন উক্তির পাতা তৈরি করা ==
আপনি যে পাতাটি তৈরি করতে চাইছেন, সেই পাতাটির নাম নিচের বাক্সে লিখুন। তারপর '''পাতা তৈরি করুন''' ক্লিক করুন। ক্লিক করার পর, আপনাকে একটি নতুন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হবে ও তাতে একটি বাক্স দেওয়া থাকবে। বাক্সে উক্তি লিখুন ও উক্ত পাতাটি প্রকাশ করুন। নতুন উক্তির পাতা প্রকাশের পর, উক্ত পাতায় থাকা কলম আইকনে ক্লিক করে আপনি উক্ত পাতাটি আবার সম্পাদনা করতে পারবেন।<inputbox>
type=create
Preload=টেমপ্লেট:নতুন_পাতা_তৈরি
placeholder=শিরোনাম লিখুন (উদা: কাজী নজরুল ইসলাম)
</inputbox>
== কীভাবে উক্তি যোগ করব? ==
* ব্যক্তি যদি বাঙালি হয়, তবে তার উক্তি হুবহু তুলে দিন (উদা: [[চঞ্চল চৌধুরী]] দেখুন)। ব্যক্তি যদি বিদেশি হয়, তবে উক্তি অনুবাদ করে যোগ করুন (উদা: [[নোম চম্স্কি]] দেখুন)।
নমুনা কাঠামো:<pre>
বিষয় সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বিবরণ ....
== উক্তি ==
* ১ম উক্তি
** ১ম উক্তির উৎস, অর্থাৎ কোথা থেকে উক্তিটি পেয়েছেন
* ২য় উক্তি
** ২য় উক্তির উৎস, অর্থাৎ কোথা থেকে উক্তিটি পেয়েছেন
* ৩য় উক্তি
** ৩য় উক্তির উৎস, অর্থাৎ কোথা থেকে উক্তিটি পেয়েছেন
... এভাবে যত সম্ভব উক্তি যোগ করুন...
== আরও দেখুন ==
* [[নিবন্ধের নাম]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
</pre>উদাহরণ হিসেবে [[কাজী নজরুল ইসলাম]], [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] পাতা দেখুন।
beoox14qr3o6uzeiycud3mbrruvroy9
উইকিউক্তি আলোচনা:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬
5
11851
75396
75334
2026-04-10T14:48:39Z
ARI
356
পরিষ্কার
75396
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=5}}
{{আলাপ পাতা}}
== "Misattributed" শিরোনাম ==
"Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
fkm67i6tcvwq5lc1tsfnr4ua99fqeoh
75449
75396
2026-04-10T18:53:37Z
~2026-21458-48
4579
/* বড় কিছু হতে চাই */ নতুন অনুচ্ছেদ
75449
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=5}}
{{আলাপ পাতা}}
== "Misattributed" শিরোনাম ==
"Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== বড় কিছু হতে চাই ==
আমি যেটা তৈরি করতে চাই।সেটা হলো নতুন মডেল ইঞ্জিন আবিষ্কার করে বাজারে আনতে চাই।
যা যাতায়াতের এ ও অনেক করছ কমাবে।
বিষয়= সাধারণত আমার পছন্দ রাজনীতির।
আরেক টা বিষয় হলো আমি একজন সাধারণ মানুষ সৎ ভাবে চলতে পছন্দ করি।
বাংলাদেশ সুনামগঞ্জ জেলা, বর্তমানে পাঁচ বছর জাবত ফ্যামিলি নিয়ে প্রবাসে থাকি। ময়মনসিংহ স্কয়ার মাস্টার বাড়ি।
আমার কথা হলো টাকর দরকার,কিন্তু সৎ ভাবে উপার্জন করা। [[বিশেষ:অবদান/~2026-21458-48|~2026-21458-48]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21458-48|আলাপ]]) ১৮:৫৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
8ex1lgcea8q655lmwqbd4u27qh4and2
75451
75449
2026-04-10T19:48:59Z
Borhan
964
[[Special:Contributions/~2026-21458-48|~2026-21458-48]] ([[User talk:~2026-21458-48|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:ARI|ARI]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে
75396
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=5}}
{{আলাপ পাতা}}
== "Misattributed" শিরোনাম ==
"Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
fkm67i6tcvwq5lc1tsfnr4ua99fqeoh
75454
75451
2026-04-10T19:56:31Z
~2026-22231-83
4851
/* join777 */ নতুন অনুচ্ছেদ
75454
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=5}}
{{আলাপ পাতা}}
== "Misattributed" শিরোনাম ==
"Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== join777 ==
টাকা উতলন হচছে না [[বিশেষ:অবদান/~2026-22231-83|~2026-22231-83]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22231-83|আলাপ]]) ১৯:৫৬, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
9bprdqxmmky78n8wr2tqgriqysthro7
75457
75454
2026-04-10T19:59:22Z
~2026-22231-83
4851
/* join777 */ নতুন অনুচ্ছেদ
75457
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=5}}
{{আলাপ পাতা}}
== "Misattributed" শিরোনাম ==
"Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== join777 ==
টাকা উতলন হচছে না [[বিশেষ:অবদান/~2026-22231-83|~2026-22231-83]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22231-83|আলাপ]]) ১৯:৫৬, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== join777 ==
টাকা উতলনে [[বিশেষ:অবদান/~2026-22231-83|~2026-22231-83]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22231-83|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
pr379x8n7280c548fqq185ppkr8h4wf
75472
75457
2026-04-10T22:13:26Z
~2026-22247-54
4861
/* এলিন */ নতুন অনুচ্ছেদ
75472
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=5}}
{{আলাপ পাতা}}
== "Misattributed" শিরোনাম ==
"Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== join777 ==
টাকা উতলন হচছে না [[বিশেষ:অবদান/~2026-22231-83|~2026-22231-83]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22231-83|আলাপ]]) ১৯:৫৬, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== join777 ==
টাকা উতলনে [[বিশেষ:অবদান/~2026-22231-83|~2026-22231-83]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22231-83|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== এলিন ==
@ [[বিশেষ:অবদান/~2026-22247-54|~2026-22247-54]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22247-54|আলাপ]]) ২২:১৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
fonyxu10i39xmjct6f8r6k6n90korfk
75484
75472
2026-04-11T00:20:36Z
~2026-22226-27
4868
75484
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=5}}
{{আলাপ পাতা}}
== "Misattributed" শিরোনাম ==
"Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== join777 ==
টাকা উতলন হচছে না [[বিশেষ:অবদান/~2026-22231-83|~2026-22231-83]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22231-83|আলাপ]]) ১৯:৫৬, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== join777 ==
টাকা উতলনে [[বিশেষ:অবদান/~2026-22231-83|~2026-22231-83]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22231-83|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== এলিন ==
@ [[বিশেষ:অবদান/~2026-22247-54|~2026-22247-54]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22247-54|আলাপ]]) ২২:১৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
৫০০ টাকা ডিপোজিট করছে আমার ব্যালেন্স আসেন [[বিশেষ:অবদান/~2026-22226-27|~2026-22226-27]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22226-27|আলাপ]]) ০০:২০, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
86tjhkdl6fq3axont4q70a8blrsrst4
75503
75484
2026-04-11T01:46:05Z
~2026-22238-27
4873
/* Comm */ নতুন অনুচ্ছেদ
75503
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=5}}
{{আলাপ পাতা}}
== "Misattributed" শিরোনাম ==
"Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== join777 ==
টাকা উতলন হচছে না [[বিশেষ:অবদান/~2026-22231-83|~2026-22231-83]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22231-83|আলাপ]]) ১৯:৫৬, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== join777 ==
টাকা উতলনে [[বিশেষ:অবদান/~2026-22231-83|~2026-22231-83]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22231-83|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== এলিন ==
@ [[বিশেষ:অবদান/~2026-22247-54|~2026-22247-54]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22247-54|আলাপ]]) ২২:১৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
৫০০ টাকা ডিপোজিট করছে আমার ব্যালেন্স আসেন [[বিশেষ:অবদান/~2026-22226-27|~2026-22226-27]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22226-27|আলাপ]]) ০০:২০, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Comm ==
Comm [[বিশেষ:অবদান/~2026-22238-27|~2026-22238-27]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22238-27|আলাপ]]) ০১:৪৬, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
baib3ddczit0mf38w7e8umud7c6gt49
75504
75503
2026-04-11T01:46:30Z
~2026-22238-27
4873
/* Folor */ নতুন অনুচ্ছেদ
75504
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=5}}
{{আলাপ পাতা}}
== "Misattributed" শিরোনাম ==
"Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== join777 ==
টাকা উতলন হচছে না [[বিশেষ:অবদান/~2026-22231-83|~2026-22231-83]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22231-83|আলাপ]]) ১৯:৫৬, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== join777 ==
টাকা উতলনে [[বিশেষ:অবদান/~2026-22231-83|~2026-22231-83]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22231-83|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== এলিন ==
@ [[বিশেষ:অবদান/~2026-22247-54|~2026-22247-54]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22247-54|আলাপ]]) ২২:১৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
৫০০ টাকা ডিপোজিট করছে আমার ব্যালেন্স আসেন [[বিশেষ:অবদান/~2026-22226-27|~2026-22226-27]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22226-27|আলাপ]]) ০০:২০, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Comm ==
Comm [[বিশেষ:অবদান/~2026-22238-27|~2026-22238-27]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22238-27|আলাপ]]) ০১:৪৬, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Folor ==
Comm [[বিশেষ:অবদান/~2026-22238-27|~2026-22238-27]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22238-27|আলাপ]]) ০১:৪৬, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
4le75nva406gj1gjb92142ox1spq12d
75505
75504
2026-04-11T01:47:15Z
~2026-22238-27
4873
/* Folor */ নতুন অনুচ্ছেদ
75505
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=5}}
{{আলাপ পাতা}}
== "Misattributed" শিরোনাম ==
"Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== join777 ==
টাকা উতলন হচছে না [[বিশেষ:অবদান/~2026-22231-83|~2026-22231-83]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22231-83|আলাপ]]) ১৯:৫৬, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== join777 ==
টাকা উতলনে [[বিশেষ:অবদান/~2026-22231-83|~2026-22231-83]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22231-83|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== এলিন ==
@ [[বিশেষ:অবদান/~2026-22247-54|~2026-22247-54]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22247-54|আলাপ]]) ২২:১৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
৫০০ টাকা ডিপোজিট করছে আমার ব্যালেন্স আসেন [[বিশেষ:অবদান/~2026-22226-27|~2026-22226-27]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22226-27|আলাপ]]) ০০:২০, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Comm ==
Comm [[বিশেষ:অবদান/~2026-22238-27|~2026-22238-27]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22238-27|আলাপ]]) ০১:৪৬, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Folor ==
Comm [[বিশেষ:অবদান/~2026-22238-27|~2026-22238-27]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22238-27|আলাপ]]) ০১:৪৬, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Folor ==
folo [[বিশেষ:অবদান/~2026-22238-27|~2026-22238-27]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22238-27|আলাপ]]) ০১:৪৭, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
07vadpknfzmbx3bfgma3x3spypf98z5
75530
75505
2026-04-11T03:32:23Z
~2026-22221-84
4880
/* আমি ঢাকায় যাইতে চাই */ নতুন অনুচ্ছেদ
75530
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=5}}
{{আলাপ পাতা}}
== "Misattributed" শিরোনাম ==
"Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== join777 ==
টাকা উতলন হচছে না [[বিশেষ:অবদান/~2026-22231-83|~2026-22231-83]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22231-83|আলাপ]]) ১৯:৫৬, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== join777 ==
টাকা উতলনে [[বিশেষ:অবদান/~2026-22231-83|~2026-22231-83]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22231-83|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== এলিন ==
@ [[বিশেষ:অবদান/~2026-22247-54|~2026-22247-54]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22247-54|আলাপ]]) ২২:১৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
৫০০ টাকা ডিপোজিট করছে আমার ব্যালেন্স আসেন [[বিশেষ:অবদান/~2026-22226-27|~2026-22226-27]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22226-27|আলাপ]]) ০০:২০, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Comm ==
Comm [[বিশেষ:অবদান/~2026-22238-27|~2026-22238-27]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22238-27|আলাপ]]) ০১:৪৬, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Folor ==
Comm [[বিশেষ:অবদান/~2026-22238-27|~2026-22238-27]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22238-27|আলাপ]]) ০১:৪৬, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Folor ==
folo [[বিশেষ:অবদান/~2026-22238-27|~2026-22238-27]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22238-27|আলাপ]]) ০১:৪৭, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== আমি ঢাকায় যাইতে চাই ==
সোনাতলা থেকে টাকা যাবো 13 তারিখে [[বিশেষ:অবদান/~2026-22221-84|~2026-22221-84]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22221-84|আলাপ]]) ০৩:৩২, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
4xzhfrx9qnohhobga7qccve2r83g8l1
75531
75530
2026-04-11T03:33:18Z
Borhan
964
Restored revision 75451 by [[Special:Contributions/Borhan|Borhan]]
75531
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=5}}
{{আলাপ পাতা}}
== "Misattributed" শিরোনাম ==
"Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
fkm67i6tcvwq5lc1tsfnr4ua99fqeoh
উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
4
11853
75336
75296
2026-04-10T12:24:45Z
Nayeem Hossain55
4820
75336
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}}
<inputbox>
type = comment
default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
preload = টেমপ্লেট:আমি
editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা
nosummary=true
hidden = yes
buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন
minor = true
break = no
</inputbox>
{{div col}}
<!--
------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। ---------------------------------------------------
সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}}
--->
<!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না -->
<!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন
১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই।
২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন -->
<!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন -->
*{{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}}
* {{ব্যবহারকারী|NusJaS}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|ARI}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}}
* {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}}
* {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}}
* {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}}
* {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}}
* {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}}
* {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}}
* {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}}
* {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}}
* {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}}
* {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}}
* {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}}
* {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}}
* {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}}
* {{ব্যবহারকারী|NotNahid}}
* {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}}
* {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}}
* {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}}
* {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}}
* {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}}
* {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}}
* {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}}
* {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}}
* {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}}
* {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}}
* {{ব্যবহারকারী|Raihanur}}
* {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}}
* {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}}
* {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}}
* {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}}
* {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}}
* {{ব্যবহারকারী|Borhan}}
* {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}}
* {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}}
* {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}}
* {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}}
* {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}}
* {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}}
* {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}}
* {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}}
* {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}}
* {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}}
* {{ব্যবহারকারী|JIBON}}
* {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}}
* {{ব্যবহারকারী|Mksh46}}
* {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}}
* {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}}
* {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}}
* {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Manik19}}
* {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}}
* {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}}
* {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}}
a1m4bcrt3o5nje0qpgg1maeq65ncup9
75440
75336
2026-04-10T18:12:50Z
Talha toha
4842
75440
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}}
<inputbox>
type = comment
default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
preload = টেমপ্লেট:আমি
editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা
nosummary=true
hidden = yes
buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন
minor = true
break = no
</inputbox>
{{div col}}
<!--
------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। ---------------------------------------------------
সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}}
--->
<!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না -->
<!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন
১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই।
২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন -->
<!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন -->
*{{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}}
* {{ব্যবহারকারী|NusJaS}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|ARI}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}}
* {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}}
* {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}}
* {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}}
* {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}}
* {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}}
* {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}}
* {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}}
* {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}}
* {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}}
* {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}}
* {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}}
* {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}}
* {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}}
* {{ব্যবহারকারী|NotNahid}}
* {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}}
* {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}}
* {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}}
* {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}}
* {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}}
* {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}}
* {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}}
* {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}}
* {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}}
* {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}}
* {{ব্যবহারকারী|Raihanur}}
* {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}}
* {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}}
* {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}}
* {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}}
* {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}}
* {{ব্যবহারকারী|Borhan}}
* {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}}
* {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}}
* {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}}
* {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}}
* {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}}
* {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}}
* {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}}
* {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}}
* {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}}
* {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}}
* {{ব্যবহারকারী|JIBON}}
* {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}}
* {{ব্যবহারকারী|Mksh46}}
* {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}}
* {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}}
* {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}}
* {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Manik19}}
* {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}}
* {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}}
* {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
pe0tcb9hfi2liu7iiap9j93kx3v2uv8
75443
75440
2026-04-10T18:13:24Z
Talha toha
4842
75443
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}}
<inputbox>
type = comment
default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
preload = টেমপ্লেট:আমি
editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা
nosummary=true
hidden = yes
buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন
minor = true
break = no
</inputbox>
{{div col}}
<!--
------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। ---------------------------------------------------
সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}}
--->
<!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না -->
<!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন
১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই।
২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন -->
<!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন -->
*{{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}}
* {{ব্যবহারকারী|NusJaS}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|ARI}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}}
* {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}}
* {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}}
* {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}}
* {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}}
* {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}}
* {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}}
* {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}}
* {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}}
* {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}}
* {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}}
* {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}}
* {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}}
* {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}}
* {{ব্যবহারকারী|NotNahid}}
* {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}}
* {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}}
* {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}}
* {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}}
* {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}}
* {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}}
* {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}}
* {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}}
* {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}}
* {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}}
* {{ব্যবহারকারী|Raihanur}}
* {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}}
* {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}}
* {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}}
* {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}}
* {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}}
* {{ব্যবহারকারী|Borhan}}
* {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}}
* {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}}
* {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}}
* {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}}
* {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}}
* {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}}
* {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}}
* {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}}
* {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}}
* {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}}
* {{ব্যবহারকারী|JIBON}}
* {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}}
* {{ব্যবহারকারী|Mksh46}}
* {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}}
* {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}}
* {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}}
* {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Manik19}}
* {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}}
* {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}}
* {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
mr1d3hm19rbyy9l4l0bsh1otgki2erv
75456
75443
2026-04-10T19:59:05Z
Shri Avishek Roy 1
4852
75456
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}}
<inputbox>
type = comment
default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
preload = টেমপ্লেট:আমি
editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা
nosummary=true
hidden = yes
buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন
minor = true
break = no
</inputbox>
{{div col}}
<!--
------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। ---------------------------------------------------
সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}}
--->
<!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না -->
<!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন
১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই।
২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন -->
<!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন -->
*{{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}}
* {{ব্যবহারকারী|NusJaS}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|ARI}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}}
* {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}}
* {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}}
* {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}}
* {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}}
* {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}}
* {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}}
* {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}}
* {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}}
* {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}}
* {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}}
* {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}}
* {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}}
* {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}}
* {{ব্যবহারকারী|NotNahid}}
* {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}}
* {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}}
* {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}}
* {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}}
* {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}}
* {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}}
* {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}}
* {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}}
* {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}}
* {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}}
* {{ব্যবহারকারী|Raihanur}}
* {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}}
* {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}}
* {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}}
* {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}}
* {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}}
* {{ব্যবহারকারী|Borhan}}
* {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}}
* {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}}
* {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}}
* {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}}
* {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}}
* {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}}
* {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}}
* {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}}
* {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}}
* {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}}
* {{ব্যবহারকারী|JIBON}}
* {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}}
* {{ব্যবহারকারী|Mksh46}}
* {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}}
* {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}}
* {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}}
* {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Manik19}}
* {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}}
* {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}}
* {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
* {{ব্যবহারকারী|{{subst:Shri Avishek Roy}}}}
r8ionw0dp8srt3cv2ne0dpz54cfamkl
75458
75456
2026-04-10T20:02:17Z
Shri Avishek Roy 1
4852
75458
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}}
<inputbox>
type = comment
default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
preload = টেমপ্লেট:আমি
editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা
nosummary=true
hidden = yes
buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন
minor = true
break = no
</inputbox>
{{div col}}
<!--
------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। ---------------------------------------------------
সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}}
--->
<!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না -->
<!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন
১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই।
২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন -->
<!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন -->
*{{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}}
* {{ব্যবহারকারী|NusJaS}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|ARI}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}}
* {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}}
* {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}}
* {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}}
* {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}}
* {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}}
* {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}}
* {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}}
* {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}}
* {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}}
* {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}}
* {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}}
* {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}}
* {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}}
* {{ব্যবহারকারী|NotNahid}}
* {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}}
* {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}}
* {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}}
* {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}}
* {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}}
* {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}}
* {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}}
* {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}}
* {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}}
* {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}}
* {{ব্যবহারকারী|Raihanur}}
* {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}}
* {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}}
* {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}}
* {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}}
* {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}}
* {{ব্যবহারকারী|Borhan}}
* {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}}
* {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}}
* {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}}
* {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}}
* {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}}
* {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}}
* {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}}
* {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}}
* {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}}
* {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}}
* {{ব্যবহারকারী|JIBON}}
* {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}}
* {{ব্যবহারকারী|Mksh46}}
* {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}}
* {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}}
* {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}}
* {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Manik19}}
* {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}}
* {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}}
* {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
* {{ব্যবহারকারী|[http://Shri%20Avishek%20Roy https://www.facebook.com/ReShriAvishekRoy] }}
mdxalkc9wm5ff7p0mbzwkdhf23m6epg
75460
75458
2026-04-10T20:05:56Z
Shri Avishek Roy 1
4852
75460
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}}
<inputbox>
type = comment
default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
preload = টেমপ্লেট:আমি
editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা
nosummary=true
hidden = yes
buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন
minor = true
break = no
</inputbox>
{{div col}}
<!--
------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। ---------------------------------------------------
সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}}
--->
<!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না -->
<!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন
১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই।
২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন -->
<!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন -->
*{{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}}
* {{ব্যবহারকারী|NusJaS}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|ARI}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}}
* {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}}
* {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}}
* {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}}
* {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}}
* {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}}
* {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}}
* {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}}
* {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}}
* {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}}
* {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}}
* {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}}
* {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}}
* {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}}
* {{ব্যবহারকারী|NotNahid}}
* {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}}
* {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}}
* {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}}
* {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}}
* {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}}
* {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}}
* {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}}
* {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}}
* {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}}
* {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}}
* {{ব্যবহারকারী|Raihanur}}
* {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}}
* {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}}
* {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}}
* {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}}
* {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}}
* {{ব্যবহারকারী|Borhan}}
* {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}}
* {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}}
* {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}}
* {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}}
* {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}}
* {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}}
* {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}}
* {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}}
* {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}}
* {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}}
* {{ব্যবহারকারী|JIBON}}
* {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}}
* {{ব্যবহারকারী|Mksh46}}
* {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}}
* {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}}
* {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}}
* {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Manik19}}
* {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}}
* {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}}
* {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
* {{ব্যবহারকারী|Shri Avishek Roy}}
kgxdag5o1nrezc8m3enjxvcvm85mpas
75506
75460
2026-04-11T02:12:49Z
Md Yasin Omor
4875
75506
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}}
<inputbox>
type = comment
default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
preload = টেমপ্লেট:আমি
editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা
nosummary=true
hidden = yes
buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন
minor = true
break = no
</inputbox>
{{div col}}
<!--
------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। ---------------------------------------------------
সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}}
--->
<!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না -->
<!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন
১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই।
২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন -->
<!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন -->
*{{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}}
* {{ব্যবহারকারী|NusJaS}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|ARI}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}}
* {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}}
* {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}}
* {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}}
* {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}}
* {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}}
* {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}}
* {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}}
* {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}}
* {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}}
* {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}}
* {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}}
* {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}}
* {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}}
* {{ব্যবহারকারী|NotNahid}}
* {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}}
* {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}}
* {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}}
* {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}}
* {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}}
* {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}}
* {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}}
* {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}}
* {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}}
* {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}}
* {{ব্যবহারকারী|Raihanur}}
* {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}}
* {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}}
* {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}}
* {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}}
* {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}}
* {{ব্যবহারকারী|Borhan}}
* {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}}
* {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}}
* {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}}
* {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}}
* {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}}
* {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}}
* {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}}
* {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}}
* {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}}
* {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}}
* {{ব্যবহারকারী|JIBON}}
* {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}}
* {{ব্যবহারকারী|Mksh46}}
* {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}}
* {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}}
* {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}}
* {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Manik19}}
* {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}}
* {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}}
* {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
* {{ব্যবহারকারী|Shri Avishek Roy}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Yasin Omor}}
7wblr26vhy07h1xi4rxo4cm5nwumq4v
75508
75506
2026-04-11T02:26:01Z
Wizene
3883
75508
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}}
<inputbox>
type = comment
default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
preload = টেমপ্লেট:আমি
editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা
nosummary=true
hidden = yes
buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন
minor = true
break = no
</inputbox>
{{div col}}
<!--
------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। ---------------------------------------------------
সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}}
--->
<!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না -->
<!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন
১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই।
২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন -->
<!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন -->
*{{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}}
* {{ব্যবহারকারী|NusJaS}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|ARI}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}}
* {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}}
* {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}}
* {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}}
* {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}}
* {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}}
* {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}}
* {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}}
* {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}}
* {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}}
* {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}}
* {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}}
* {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}}
* {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}}
* {{ব্যবহারকারী|NotNahid}}
* {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}}
* {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}}
* {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}}
* {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}}
* {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}}
* {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}}
* {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}}
* {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}}
* {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}}
* {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}}
* {{ব্যবহারকারী|Raihanur}}
* {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}}
* {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}}
* {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}}
* {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}}
* {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}}
* {{ব্যবহারকারী|Borhan}}
* {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}}
* {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}}
* {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}}
* {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}}
* {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}}
* {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}}
* {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}}
* {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}}
* {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}}
* {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}}
* {{ব্যবহারকারী|JIBON}}
* {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}}
* {{ব্যবহারকারী|Mksh46}}
* {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}}
* {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}}
* {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}}
* {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Manik19}}
* {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}}
* {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}}
* {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
* {{ব্যবহারকারী|Shri Avishek Roy}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Yasin Omor}}
* {{ব্যবহারকারী|Wizene}}
jyllu4cq4lyk05zgh92bxqn7fzceu6d
75533
75508
2026-04-11T03:36:44Z
Shovu55
4882
75533
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}}
<inputbox>
type = comment
default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
preload = টেমপ্লেট:আমি
editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা
nosummary=true
hidden = yes
buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন
minor = true
break = no
</inputbox>
{{div col}}
<!--
------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। ---------------------------------------------------
সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}}
--->
<!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না -->
<!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন
১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই।
২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন -->
<!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন -->
*{{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}}
* {{ব্যবহারকারী|NusJaS}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|ARI}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}}
* {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}}
* {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}}
* {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}}
* {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}}
* {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}}
* {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}}
* {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}}
* {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}}
* {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}}
* {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}}
* {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}}
* {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}}
* {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}}
* {{ব্যবহারকারী|NotNahid}}
* {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}}
* {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}}
* {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}}
* {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}}
* {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}}
* {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}}
* {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}}
* {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}}
* {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}}
* {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}}
* {{ব্যবহারকারী|Raihanur}}
* {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}}
* {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}}
* {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}}
* {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}}
* {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}}
* {{ব্যবহারকারী|Borhan}}
* {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}}
* {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}}
* {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}}
* {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}}
* {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}}
* {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}}
* {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}}
* {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}}
* {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}}
* {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}}
* {{ব্যবহারকারী|JIBON}}
* {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}}
* {{ব্যবহারকারী|Mksh46}}
* {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}}
* {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}}
* {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}}
* {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Manik19}}
* {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}}
* {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}}
* {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
* {{ব্যবহারকারী|Shri Avishek Roy}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Yasin Omor}}
* {{ব্যবহারকারী|Wizene}}
* {{ব্যবহারকারী|Shovu55}}
5tuup7k3oaqas02xxrx5pcpzx1d8smo
75585
75533
2026-04-11T06:49:27Z
Afiya07
4800
75585
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}}
<inputbox>
type = comment
default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
preload = টেমপ্লেট:আমি
editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা
nosummary=true
hidden = yes
buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন
minor = true
break = no
</inputbox>
{{div col}}
<!--
------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। ---------------------------------------------------
সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}}
--->
<!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না -->
<!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন
১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই।
২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন -->
<!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন -->
*{{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}}
* {{ব্যবহারকারী|NusJaS}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|ARI}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}}
* {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}}
* {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}}
* {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}}
* {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}}
* {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}}
* {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}}
* {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}}
* {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}}
* {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}}
* {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}}
* {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}}
* {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}}
* {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}}
* {{ব্যবহারকারী|NotNahid}}
* {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}}
* {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}}
* {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}}
* {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}}
* {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}}
* {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}}
* {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}}
* {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}}
* {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}}
* {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}}
* {{ব্যবহারকারী|Raihanur}}
* {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}}
* {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}}
* {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}}
* {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}}
* {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}}
* {{ব্যবহারকারী|Borhan}}
* {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}}
* {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}}
* {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}}
* {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}}
* {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}}
* {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}}
* {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}}
* {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}}
* {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}}
* {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}}
* {{ব্যবহারকারী|JIBON}}
* {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}}
* {{ব্যবহারকারী|Mksh46}}
* {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}}
* {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}}
* {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}}
* {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Manik19}}
* {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}}
* {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}}
* {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
* {{ব্যবহারকারী|Shri Avishek Roy}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Yasin Omor}}
* {{ব্যবহারকারী|Wizene}}
* {{ব্যবহারকারী|Shovu55}}
* {{ব্যবহারকারী|Afiya07}}
dgv4om6joiya3o33fvsruuu9imrwl2a
75646
75585
2026-04-11T09:41:28Z
সানজার আল ইসলাম
4902
75646
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}}
<inputbox>
type = comment
default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
preload = টেমপ্লেট:আমি
editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা
nosummary=true
hidden = yes
buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন
minor = true
break = no
</inputbox>
{{div col}}
<!--
------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। ---------------------------------------------------
সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}}
--->
<!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না -->
<!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন
১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই।
২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন -->
<!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন -->
*{{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}}
* {{ব্যবহারকারী|NusJaS}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|ARI}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}}
* {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}}
* {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}}
* {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}}
* {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}}
* {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}}
* {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}}
* {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}}
* {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}}
* {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}}
* {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}}
* {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}}
* {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}}
* {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}}
* {{ব্যবহারকারী|NotNahid}}
* {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}}
* {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}}
* {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}}
* {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}}
* {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}}
* {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}}
* {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}}
* {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}}
* {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}}
* {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}}
* {{ব্যবহারকারী|Raihanur}}
* {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}}
* {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}}
* {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}}
* {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}}
* {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}}
* {{ব্যবহারকারী|Borhan}}
* {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}}
* {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}}
* {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}}
* {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}}
* {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}}
* {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}}
* {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}}
* {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}}
* {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}}
* {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}}
* {{ব্যবহারকারী|JIBON}}
* {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}}
* {{ব্যবহারকারী|Mksh46}}
* {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}}
* {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}}
* {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}}
* {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Manik19}}
* {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}}
* {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}}
* {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
* {{ব্যবহারকারী|Shri Avishek Roy}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Yasin Omor}}
* {{ব্যবহারকারী|Wizene}}
* {{ব্যবহারকারী|Shovu55}}
* {{ব্যবহারকারী|Afiya07}}
* {{ব্যবহারকারী|সানজার আল ইসলাম}}
l4y878od9pgsaxl7md620rdm0kbklha
75648
75646
2026-04-11T09:42:31Z
সানজার আল ইসলাম
4902
75648
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}}
<inputbox>
type = comment
default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
preload = টেমপ্লেট:আমি
editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা
nosummary=true
hidden = yes
buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন
minor = true
break = no
</inputbox>
{{div col}}
<!--
------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। ---------------------------------------------------
সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}}
--->
<!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না -->
<!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন
১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই।
২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন -->
<!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন -->
*{{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}}
* {{ব্যবহারকারী|NusJaS}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|ARI}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}}
* {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}}
* {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}}
* {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}}
* {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}}
* {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}}
* {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}}
* {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}}
* {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}}
* {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}}
* {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}}
* {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}}
* {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}}
* {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}}
* {{ব্যবহারকারী|NotNahid}}
* {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}}
* {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}}
* {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}}
* {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}}
* {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}}
* {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}}
* {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}}
* {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}}
* {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}}
* {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}}
* {{ব্যবহারকারী|Raihanur}}
* {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}}
* {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}}
* {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}}
* {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}}
* {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}}
* {{ব্যবহারকারী|Borhan}}
* {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}}
* {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}}
* {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}}
* {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}}
* {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}}
* {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}}
* {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}}
* {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}}
* {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}}
* {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}}
* {{ব্যবহারকারী|JIBON}}
* {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}}
* {{ব্যবহারকারী|Mksh46}}
* {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}}
* {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}}
* {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}}
* {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Manik19}}
* {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}}
* {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}}
* {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
* {{ব্যবহারকারী|Shri Avishek Roy}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Yasin Omor}}
* {{ব্যবহারকারী|Wizene}}
* {{ব্যবহারকারী|Shovu55}}
* {{ব্যবহারকারী|Afiya07}}
* {{ব্যবহারকারী|সানজার আল ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|সানজার আল ইসলাম}}
q5zb6e1y3ag0oq0du3x5qjlx2ykuwj8
75650
75648
2026-04-11T09:44:30Z
Borhan
964
[[Special:Contributions/সানজার আল ইসলাম|সানজার আল ইসলাম]] ([[User talk:সানজার আল ইসলাম|আলাপ]])-এর সম্পাদিত [[Special:Diff/75648|75648]] নম্বর সংশোধনটি বাতিল করা হয়েছে
75650
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}}
<inputbox>
type = comment
default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
preload = টেমপ্লেট:আমি
editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা
nosummary=true
hidden = yes
buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন
minor = true
break = no
</inputbox>
{{div col}}
<!--
------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। ---------------------------------------------------
সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}}
--->
<!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না -->
<!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন
১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই।
২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন -->
<!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন -->
*{{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}}
* {{ব্যবহারকারী|NusJaS}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|ARI}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}}
* {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}}
* {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}}
* {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}}
* {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}}
* {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}}
* {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}}
* {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}}
* {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}}
* {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}}
* {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}}
* {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}}
* {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}}
* {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}}
* {{ব্যবহারকারী|NotNahid}}
* {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}}
* {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}}
* {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}}
* {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}}
* {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}}
* {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}}
* {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}}
* {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}}
* {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}}
* {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}}
* {{ব্যবহারকারী|Raihanur}}
* {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}}
* {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}}
* {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}}
* {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}}
* {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}}
* {{ব্যবহারকারী|Borhan}}
* {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}}
* {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}}
* {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}}
* {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}}
* {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}}
* {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}}
* {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}}
* {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}}
* {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}}
* {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}}
* {{ব্যবহারকারী|JIBON}}
* {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}}
* {{ব্যবহারকারী|Mksh46}}
* {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}}
* {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}}
* {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}}
* {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Manik19}}
* {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}}
* {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}}
* {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
* {{ব্যবহারকারী|Shri Avishek Roy}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Yasin Omor}}
* {{ব্যবহারকারী|Wizene}}
* {{ব্যবহারকারী|Shovu55}}
* {{ব্যবহারকারী|Afiya07}}
* {{ব্যবহারকারী|সানজার আল ইসলাম}}
l4y878od9pgsaxl7md620rdm0kbklha
75651
75650
2026-04-11T09:50:28Z
সানজার আল ইসলাম
4902
75651
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}}
<inputbox>
type = comment
default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
preload = টেমপ্লেট:আমি
editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা
nosummary=true
hidden = yes
buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন
minor = true
break = no
</inputbox>
{{div col}}
<!--
------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। ---------------------------------------------------
সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}}
--->
<!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না -->
<!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন
১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই।
২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন -->
<!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন -->
*{{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}}
* {{ব্যবহারকারী|NusJaS}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|ARI}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}}
* {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}}
* {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}}
* {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}}
* {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}}
* {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}}
* {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}}
* {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}}
* {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}}
* {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}}
* {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}}
* {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}}
* {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}}
* {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}}
* {{ব্যবহারকারী|NotNahid}}
* {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}}
* {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}}
* {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}}
* {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}}
* {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}}
* {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}}
* {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}}
* {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}}
* {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}}
* {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}}
* {{ব্যবহারকারী|Raihanur}}
* {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}}
* {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}}
* {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}}
* {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}}
* {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}}
* {{ব্যবহারকারী|Borhan}}
* {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}}
* {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}}
* {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}}
* {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}}
* {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}}
* {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}}
* {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}}
* {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}}
* {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}}
* {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}}
* {{ব্যবহারকারী|JIBON}}
* {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}}
* {{ব্যবহারকারী|Mksh46}}
* {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}}
* {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}}
* {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}}
* {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Manik19}}
* {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}}
* {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}}
* {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
* {{ব্যবহারকারী|Shri Avishek Roy}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Yasin Omor}}
* {{ব্যবহারকারী|Wizene}}
* {{ব্যবহারকারী|Shovu55}}
* {{ব্যবহারকারী|Afiya07}}
* {{ব্যবহারকারী|সানজার আল ইসলাম}}
* {{সানজার আল ইসলাম|সানজার আল ইসলাম}}{{subst:^| এখানে কিছু ধরার দরকার নেই।
আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
নিজেকে এমনভাবে তৈরি করো, যেন অন্যরা তোমায় দেখে পরিবর্তন হয়ে যায়।
আমার নিজের উক্তি
অবশ্যই দুনিয়ার ভয় ও কষ্টের চেয়ে আঁখিরাতের ভয় ও কষ্ট অনেক বেশি।
আমার নিজের উক্তি
যদি কারো দ্বারা কষ্ট পাও, তাহলে অন্যকে পরিবর্তন না করে নিজে পরিবর্তন হও (অবশ্যই সত্যের দিকে)।
আমার নিজের উক্তি
গোটা দুনিয়া আল্লাহর কাছে মশার ডানার চেয়েও মূল্যহীন,মূল্যহীন দুনিয়ার জন্য লোভ করা কি বোকামি নৈ?
আমার নিজের উক্তি
যখন দুনিয়ার সামান্য নামমাত্র সফলতার জন্য এতো ত্যাগ, পরিশ্রম আর কষ্ট, তখন কিভাবে আশা করি যে, চূড়ান্ত সফলতার জান্নাতে বিনা কষ্টে হুড়হুড় করে চলে যাবো?
আমার নিজের উক্তি
আমি তো অন্যদের তুলনায় অনেক ভালো এটি না ভেবে। দেখুন আপনার চেয়ে কোটিগুন বেশি ভালোও আছে। তাহলে আমি কেন তাদের মতো হচ্ছি না?
আমার নিজের উক্তি
নবী আলাইহিমাসসালামদের পর সবচেয়ে মর্যাদাবান আবু বকর (র.) বলতেন,"হায় আপসোস আমি যদি কোন মু'মিনের পশম হতাম। আমি কিভাবে রবের সামনে দাড়াব! " অথচ ওনার চেয়ে শ্রেষ্ঠ কোন উম্মত নেই। তাহলে আমাদের কি করা উচিত? আপনি কি কল্পনা করতে পারেন?
আমার নিজের উক্তি
যদি খাঁটি হয় তাহলে একজনই গোটা একটি দল।
আমার নিজের উক্তি
আমরা মানুষের মনোরঞ্জনের জন্য আল্লাহর হুকুম অমান্য করি। অথচ মানুষগুলোর সৃষ্টিকর্তা এবং মন নিয়ন্ত্রণকারি হলেন আল্লাহ। তিনি যাকে ইচ্ছে সঠিক পথ দেখান!
আমার নিজের উক্তি
কেন আসছি?
কোথায় আসছি?
কোথায় যাব?
মাত্র তিনটি প্রশ্ন আপনাকে সত্য দেখাবে!
আমার নিজের উক্তি
ehj1jkxxxhsf6a2nrkmuqnnw4yuutb5
75653
75651
2026-04-11T09:55:52Z
Bayejid-wiki
4611
75653
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}}
<inputbox>
type = comment
default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
preload = টেমপ্লেট:আমি
editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা
nosummary=true
hidden = yes
buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন
minor = true
break = no
</inputbox>
{{div col}}
<!--
------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। ---------------------------------------------------
সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}}
--->
<!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না -->
<!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন
১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই।
২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন -->
<!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন -->
*{{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}}
* {{ব্যবহারকারী|NusJaS}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|ARI}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}}
* {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}}
* {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}}
* {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}}
* {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}}
* {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}}
* {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}}
* {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}}
* {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}}
* {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}}
* {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}}
* {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}}
* {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}}
* {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}}
* {{ব্যবহারকারী|NotNahid}}
* {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}}
* {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}}
* {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}}
* {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}}
* {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}}
* {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}}
* {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}}
* {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}}
* {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}}
* {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}}
* {{ব্যবহারকারী|Raihanur}}
* {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}}
* {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}}
* {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}}
* {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}}
* {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}}
* {{ব্যবহারকারী|Borhan}}
* {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}}
* {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}}
* {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}}
* {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}}
* {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}}
* {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}}
* {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}}
* {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}}
* {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}}
* {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}}
* {{ব্যবহারকারী|JIBON}}
* {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}}
* {{ব্যবহারকারী|Mksh46}}
* {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}}
* {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}}
* {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}}
* {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Manik19}}
* {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}}
* {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}}
* {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
* {{ব্যবহারকারী|Shri Avishek Roy}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Yasin Omor}}
* {{ব্যবহারকারী|Wizene}}
* {{ব্যবহারকারী|Shovu55}}
* {{ব্যবহারকারী|Afiya07}}
* {{ব্যবহারকারী|সানজার আল ইসলাম}}
* {{সানজার আল ইসলাম|সানজার আল ইসলাম}}{{subst:^| এখানে কিছু ধরার দরকার নেই।
আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
নিজেকে এমনভাবে তৈরি করো, যেন অন্যরা তোমায় দেখে পরিবর্তন হয়ে যায়।
আমার নিজের উক্তি
অবশ্যই দুনিয়ার ভয় ও কষ্টের চেয়ে আঁখিরাতের ভয় ও কষ্ট অনেক বেশি।
আমার নিজের উক্তি
যদি কারো দ্বারা কষ্ট পাও, তাহলে অন্যকে পরিবর্তন না করে নিজে পরিবর্তন হও (অবশ্যই সত্যের দিকে)।
আমার নিজের উক্তি
গোটা দুনিয়া আল্লাহর কাছে মশার ডানার চেয়েও মূল্যহীন,মূল্যহীন দুনিয়ার জন্য লোভ করা কি বোকামি নৈ?
আমার নিজের উক্তি
যখন দুনিয়ার সামান্য নামমাত্র সফলতার জন্য এতো ত্যাগ, পরিশ্রম আর কষ্ট, তখন কিভাবে আশা করি যে, চূড়ান্ত সফলতার জান্নাতে বিনা কষ্টে হুড়হুড় করে চলে যাবো?
আমার নিজের উক্তি
আমি তো অন্যদের তুলনায় অনেক ভালো এটি না ভেবে। দেখুন আপনার চেয়ে কোটিগুন বেশি ভালোও আছে। তাহলে আমি কেন তাদের মতো হচ্ছি না?
আমার নিজের উক্তি
নবী আলাইহিমাসসালামদের পর সবচেয়ে মর্যাদাবান আবু বকর (র.) বলতেন,"হায় আপসোস আমি যদি কোন মু'মিনের পশম হতাম। আমি কিভাবে রবের সামনে দাড়াব! " অথচ ওনার চেয়ে শ্রেষ্ঠ কোন উম্মত নেই। তাহলে আমাদের কি করা উচিত? আপনি কি কল্পনা করতে পারেন?
আমার নিজের উক্তি
যদি খাঁটি হয় তাহলে একজনই গোটা একটি দল।
আমার নিজের উক্তি
আমরা মানুষের মনোরঞ্জনের জন্য আল্লাহর হুকুম অমান্য করি। অথচ মানুষগুলোর সৃষ্টিকর্তা এবং মন নিয়ন্ত্রণকারি হলেন আল্লাহ। তিনি যাকে ইচ্ছে সঠিক পথ দেখান!
আমার নিজের উক্তি
কেন আসছি?
কোথায় আসছি?
কোথায় যাব?
মাত্র তিনটি প্রশ্ন আপনাকে সত্য দেখাবে!
আমার নিজের উক্তি
* {{ব্যবহারকারী|Bayejid-wiki}}
28l5e4xo0e6gdmxxlz6j4y46vvydqh2
75657
75653
2026-04-11T09:58:09Z
Bayejid-wiki
4611
75657
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}}
<inputbox>
type = comment
default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
preload = টেমপ্লেট:আমি
editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা
nosummary=true
hidden = yes
buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন
minor = true
break = no
</inputbox>
{{div col}}
<!--
------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। ---------------------------------------------------
সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}}
--->
<!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না -->
<!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন
১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই।
২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন -->
<!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন -->
*{{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}}
* {{ব্যবহারকারী|NusJaS}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|ARI}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}}
* {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}}
* {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}}
* {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}}
* {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}}
* {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}}
* {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}}
* {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}}
* {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}}
* {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}}
* {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}}
* {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}}
* {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}}
* {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}}
* {{ব্যবহারকারী|NotNahid}}
* {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}}
* {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}}
* {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}}
* {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}}
* {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}}
* {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}}
* {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}}
* {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}}
* {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}}
* {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}}
* {{ব্যবহারকারী|Raihanur}}
* {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}}
* {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}}
* {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}}
* {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}}
* {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}}
* {{ব্যবহারকারী|Borhan}}
* {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}}
* {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}}
* {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}}
* {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}}
* {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}}
* {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}}
* {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}}
* {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}}
* {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}}
* {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}}
* {{ব্যবহারকারী|JIBON}}
* {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}}
* {{ব্যবহারকারী|Mksh46}}
* {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}}
* {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}}
* {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}}
* {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Manik19}}
* {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}}
* {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}}
* {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
* {{ব্যবহারকারী|Shri Avishek Roy}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Yasin Omor}}
* {{ব্যবহারকারী|Wizene}}
* {{ব্যবহারকারী|Shovu55}}
* {{ব্যবহারকারী|Afiya07}}
* {{ব্যবহারকারী|সানজার আল ইসলাম}}
* {{সানজার আল ইসলাম|সানজার আল ইসলাম}}{{subst:^| এখানে কিছু ধরার দরকার নেই।
আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
নিজেকে এমনভাবে তৈরি করো, যেন অন্যরা তোমায় দেখে পরিবর্তন হয়ে যায়।
আমার নিজের উক্তি
অবশ্যই দুনিয়ার ভয় ও কষ্টের চেয়ে আঁখিরাতের ভয় ও কষ্ট অনেক বেশি।
আমার নিজের উক্তি
যদি কারো দ্বারা কষ্ট পাও, তাহলে অন্যকে পরিবর্তন না করে নিজে পরিবর্তন হও (অবশ্যই সত্যের দিকে)।
আমার নিজের উক্তি
গোটা দুনিয়া আল্লাহর কাছে মশার ডানার চেয়েও মূল্যহীন,মূল্যহীন দুনিয়ার জন্য লোভ করা কি বোকামি নৈ?
আমার নিজের উক্তি
যখন দুনিয়ার সামান্য নামমাত্র সফলতার জন্য এতো ত্যাগ, পরিশ্রম আর কষ্ট, তখন কিভাবে আশা করি যে, চূড়ান্ত সফলতার জান্নাতে বিনা কষ্টে হুড়হুড় করে চলে যাবো?
আমার নিজের উক্তি
আমি তো অন্যদের তুলনায় অনেক ভালো এটি না ভেবে। দেখুন আপনার চেয়ে কোটিগুন বেশি ভালোও আছে। তাহলে আমি কেন তাদের মতো হচ্ছি না?
আমার নিজের উক্তি
নবী আলাইহিমাসসালামদের পর সবচেয়ে মর্যাদাবান আবু বকর (র.) বলতেন,"হায় আপসোস আমি যদি কোন মু'মিনের পশম হতাম। আমি কিভাবে রবের সামনে দাড়াব! " অথচ ওনার চেয়ে শ্রেষ্ঠ কোন উম্মত নেই। তাহলে আমাদের কি করা উচিত? আপনি কি কল্পনা করতে পারেন?
আমার নিজের উক্তি
যদি খাঁটি হয় তাহলে একজনই গোটা একটি দল।
আমার নিজের উক্তি
আমরা মানুষের মনোরঞ্জনের জন্য আল্লাহর হুকুম অমান্য করি। অথচ মানুষগুলোর সৃষ্টিকর্তা এবং মন নিয়ন্ত্রণকারি হলেন আল্লাহ। তিনি যাকে ইচ্ছে সঠিক পথ দেখান!
আমার নিজের উক্তি
কেন আসছি?
কোথায় আসছি?
কোথায় যাব?
মাত্র তিনটি প্রশ্ন আপনাকে সত্য দেখাবে!
আমার নিজের উক্তি
* {{ব্যবহারকারী|Bayejid-wiki}}
* {{ব্যবহারকারী|Bayejid-wiki}}
cxofd0ktakau0kw7xdnz08bxm3kyrmo
75659
75657
2026-04-11T10:01:56Z
Bayejid-wiki
4611
75659
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}}
<inputbox>
type = comment
default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
preload = টেমপ্লেট:আমি
editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা
nosummary=true
hidden = yes
buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন
minor = true
break = no
</inputbox>
{{div col}}
<!--
------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। ---------------------------------------------------
সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}}
--->
<!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না -->
<!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন
১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই।
২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন -->
<!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন -->
*{{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}}
* {{ব্যবহারকারী|NusJaS}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|ARI}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}}
* {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}}
* {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}}
* {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}}
* {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}}
* {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}}
* {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}}
* {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}}
* {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}}
* {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}}
* {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}}
* {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}}
* {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}}
* {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}}
* {{ব্যবহারকারী|NotNahid}}
* {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}}
* {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}}
* {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}}
* {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}}
* {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}}
* {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}}
* {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}}
* {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}}
* {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}}
* {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}}
* {{ব্যবহারকারী|Raihanur}}
* {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}}
* {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}}
* {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}}
* {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}}
* {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}}
* {{ব্যবহারকারী|Borhan}}
* {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}}
* {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}}
* {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}}
* {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}}
* {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}}
* {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}}
* {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}}
* {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}}
* {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}}
* {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}}
* {{ব্যবহারকারী|JIBON}}
* {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}}
* {{ব্যবহারকারী|Mksh46}}
* {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}}
* {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}}
* {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}}
* {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Manik19}}
* {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}}
* {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}}
* {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
* {{ব্যবহারকারী|Shri Avishek Roy}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Yasin Omor}}
* {{ব্যবহারকারী|Wizene}}
* {{ব্যবহারকারী|Shovu55}}
* {{ব্যবহারকারী|Afiya07}}
* {{ব্যবহারকারী|সানজার আল ইসলাম}}
* {{সানজার আল ইসলাম|সানজার আল ইসলাম}}{{subst:^| এখানে কিছু ধরার দরকার নেই।
আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
নিজেকে এমনভাবে তৈরি করো, যেন অন্যরা তোমায় দেখে পরিবর্তন হয়ে যায়।
আমার নিজের উক্তি
অবশ্যই দুনিয়ার ভয় ও কষ্টের চেয়ে আঁখিরাতের ভয় ও কষ্ট অনেক বেশি।
আমার নিজের উক্তি
যদি কারো দ্বারা কষ্ট পাও, তাহলে অন্যকে পরিবর্তন না করে নিজে পরিবর্তন হও (অবশ্যই সত্যের দিকে)।
আমার নিজের উক্তি
গোটা দুনিয়া আল্লাহর কাছে মশার ডানার চেয়েও মূল্যহীন,মূল্যহীন দুনিয়ার জন্য লোভ করা কি বোকামি নৈ?
আমার নিজের উক্তি
যখন দুনিয়ার সামান্য নামমাত্র সফলতার জন্য এতো ত্যাগ, পরিশ্রম আর কষ্ট, তখন কিভাবে আশা করি যে, চূড়ান্ত সফলতার জান্নাতে বিনা কষ্টে হুড়হুড় করে চলে যাবো?
আমার নিজের উক্তি
আমি তো অন্যদের তুলনায় অনেক ভালো এটি না ভেবে। দেখুন আপনার চেয়ে কোটিগুন বেশি ভালোও আছে। তাহলে আমি কেন তাদের মতো হচ্ছি না?
আমার নিজের উক্তি
নবী আলাইহিমাসসালামদের পর সবচেয়ে মর্যাদাবান আবু বকর (র.) বলতেন,"হায় আপসোস আমি যদি কোন মু'মিনের পশম হতাম। আমি কিভাবে রবের সামনে দাড়াব! " অথচ ওনার চেয়ে শ্রেষ্ঠ কোন উম্মত নেই। তাহলে আমাদের কি করা উচিত? আপনি কি কল্পনা করতে পারেন?
আমার নিজের উক্তি
যদি খাঁটি হয় তাহলে একজনই গোটা একটি দল।
আমার নিজের উক্তি
আমরা মানুষের মনোরঞ্জনের জন্য আল্লাহর হুকুম অমান্য করি। অথচ মানুষগুলোর সৃষ্টিকর্তা এবং মন নিয়ন্ত্রণকারি হলেন আল্লাহ। তিনি যাকে ইচ্ছে সঠিক পথ দেখান!
আমার নিজের উক্তি
কেন আসছি?
কোথায় আসছি?
কোথায় যাব?
মাত্র তিনটি প্রশ্ন আপনাকে সত্য দেখাবে!
আমার নিজের উক্তি
* {{ব্যবহারকারী|Bayejid-wiki}}
* {{ব্যবহারকারী|Bayejid-wiki}}
* {{ব্যবহারকারী|Bayejid-wiki}}
492ucnt1vhmm7icgtcdh0xxhq8c0t8h
75665
75659
2026-04-11T10:07:55Z
Md. Rayan Alam Rifat
1306
75665
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}}
<inputbox>
type = comment
default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
preload = টেমপ্লেট:আমি
editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা
nosummary=true
hidden = yes
buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন
minor = true
break = no
</inputbox>
{{div col}}
<!--
------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। ---------------------------------------------------
সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}}
--->
<!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না -->
<!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন
১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই।
২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন -->
<!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন -->
*{{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}}
* {{ব্যবহারকারী|NusJaS}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|ARI}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}}
* {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}}
* {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}}
* {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}}
* {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}}
* {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}}
* {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}}
* {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}}
* {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}}
* {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}}
* {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}}
* {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}}
* {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}}
* {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}}
* {{ব্যবহারকারী|NotNahid}}
* {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}}
* {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}}
* {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}}
* {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}}
* {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}}
* {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}}
* {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}}
* {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}}
* {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}}
* {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}}
* {{ব্যবহারকারী|Raihanur}}
* {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}}
* {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}}
* {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}}
* {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}}
* {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}}
* {{ব্যবহারকারী|Borhan}}
* {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}}
* {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}}
* {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}}
* {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}}
* {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}}
* {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}}
* {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}}
* {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}}
* {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}}
* {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}}
* {{ব্যবহারকারী|JIBON}}
* {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}}
* {{ব্যবহারকারী|Mksh46}}
* {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}}
* {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}}
* {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}}
* {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Manik19}}
* {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}}
* {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}}
* {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
* {{ব্যবহারকারী|Shri Avishek Roy}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Yasin Omor}}
* {{ব্যবহারকারী|Wizene}}
* {{ব্যবহারকারী|Shovu55}}
* {{ব্যবহারকারী|Afiya07}}
* {{ব্যবহারকারী|সানজার আল ইসলাম}}
* {{সানজার আল ইসলাম|সানজার আল ইসলাম}}{{subst:^| এখানে কিছু ধরার দরকার নেই।
আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
নিজেকে এমনভাবে তৈরি করো, যেন অন্যরা তোমায় দেখে পরিবর্তন হয়ে যায়।
আমার নিজের উক্তি
অবশ্যই দুনিয়ার ভয় ও কষ্টের চেয়ে আঁখিরাতের ভয় ও কষ্ট অনেক বেশি।
আমার নিজের উক্তি
যদি কারো দ্বারা কষ্ট পাও, তাহলে অন্যকে পরিবর্তন না করে নিজে পরিবর্তন হও (অবশ্যই সত্যের দিকে)।
আমার নিজের উক্তি
গোটা দুনিয়া আল্লাহর কাছে মশার ডানার চেয়েও মূল্যহীন,মূল্যহীন দুনিয়ার জন্য লোভ করা কি বোকামি নৈ?
আমার নিজের উক্তি
যখন দুনিয়ার সামান্য নামমাত্র সফলতার জন্য এতো ত্যাগ, পরিশ্রম আর কষ্ট, তখন কিভাবে আশা করি যে, চূড়ান্ত সফলতার জান্নাতে বিনা কষ্টে হুড়হুড় করে চলে যাবো?
আমার নিজের উক্তি
আমি তো অন্যদের তুলনায় অনেক ভালো এটি না ভেবে। দেখুন আপনার চেয়ে কোটিগুন বেশি ভালোও আছে। তাহলে আমি কেন তাদের মতো হচ্ছি না?
আমার নিজের উক্তি
নবী আলাইহিমাসসালামদের পর সবচেয়ে মর্যাদাবান আবু বকর (র.) বলতেন,"হায় আপসোস আমি যদি কোন মু'মিনের পশম হতাম। আমি কিভাবে রবের সামনে দাড়াব! " অথচ ওনার চেয়ে শ্রেষ্ঠ কোন উম্মত নেই। তাহলে আমাদের কি করা উচিত? আপনি কি কল্পনা করতে পারেন?
আমার নিজের উক্তি
যদি খাঁটি হয় তাহলে একজনই গোটা একটি দল।
আমার নিজের উক্তি
আমরা মানুষের মনোরঞ্জনের জন্য আল্লাহর হুকুম অমান্য করি। অথচ মানুষগুলোর সৃষ্টিকর্তা এবং মন নিয়ন্ত্রণকারি হলেন আল্লাহ। তিনি যাকে ইচ্ছে সঠিক পথ দেখান!
আমার নিজের উক্তি
কেন আসছি?
কোথায় আসছি?
কোথায় যাব?
মাত্র তিনটি প্রশ্ন আপনাকে সত্য দেখাবে!
আমার নিজের উক্তি
* {{ব্যবহারকারী|Bayejid-wiki}}
* {{ব্যবহারকারী|Bayejid-wiki}}
* {{ব্যবহারকারী|Bayejid-wiki}}
* {{ব্যবহারকারী|Md. Rayan Alam Rifat}}
jvj531565x5w3igp7dcr3f1y578og8l
75666
75665
2026-04-11T10:11:13Z
Borhan
964
পরিষ্কারকরণ
75666
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}}
<inputbox>
type = comment
default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
preload = টেমপ্লেট:আমি
editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা
nosummary=true
hidden = yes
buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন
minor = true
break = no
</inputbox>
{{div col}}
<!--
------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। ---------------------------------------------------
সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}}
--->
<!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না -->
<!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন
১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই।
২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন -->
<!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন -->
*{{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}}
* {{ব্যবহারকারী|NusJaS}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|ARI}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}}
* {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}}
* {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}}
* {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}}
* {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}}
* {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}}
* {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}}
* {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}}
* {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}}
* {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}}
* {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}}
* {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}}
* {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}}
* {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}}
* {{ব্যবহারকারী|NotNahid}}
* {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}}
* {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}}
* {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}}
* {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}}
* {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}}
* {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}}
* {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}}
* {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}}
* {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}}
* {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}}
* {{ব্যবহারকারী|Raihanur}}
* {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}}
* {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}}
* {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}}
* {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}}
* {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}}
* {{ব্যবহারকারী|Borhan}}
* {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}}
* {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}}
* {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}}
* {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}}
* {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}}
* {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}}
* {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}}
* {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}}
* {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}}
* {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}}
* {{ব্যবহারকারী|JIBON}}
* {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}}
* {{ব্যবহারকারী|Mksh46}}
* {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}}
* {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}}
* {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}}
* {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Manik19}}
* {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}}
* {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}}
* {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
* {{ব্যবহারকারী|Shri Avishek Roy}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Yasin Omor}}
* {{ব্যবহারকারী|Wizene}}
* {{ব্যবহারকারী|Shovu55}}
* {{ব্যবহারকারী|Afiya07}}
* {{ব্যবহারকারী|সানজার আল ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|Bayejid-wiki}}
* {{ব্যবহারকারী|Md. Rayan Alam Rifat}}
ihi0bt2eew8z52rrgscu8txg9ws1jnq
75671
75666
2026-04-11T10:20:58Z
Ahnaf Mosaddek
4907
75671
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}}
<inputbox>
type = comment
default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী
preload = টেমপ্লেট:আমি
editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা
nosummary=true
hidden = yes
buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন
minor = true
break = no
</inputbox>
{{div col}}
<!--
------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। ---------------------------------------------------
সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}}
--->
<!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না -->
<!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন
১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই।
২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে।
৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন -->
<!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন -->
*{{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}}
* {{ব্যবহারকারী|NusJaS}}
* {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}}
* {{ব্যবহারকারী|ARI}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}}
* {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}}
* {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}}
* {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}}
* {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}}
* {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}}
* {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}}
* {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}}
* {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}}
* {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}}
* {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}}
* {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}}
* {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}}
* {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}}
* {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}}
* {{ব্যবহারকারী|NotNahid}}
* {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}}
* {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}}
* {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}}
* {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}}
* {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}}
* {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}}
* {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}}
* {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}}
* {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}}
* {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}}
* {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}}
* {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}}
* {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}}
* {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}}
* {{ব্যবহারকারী|Raihanur}}
* {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}}
* {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}}
* {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}}
* {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}}
* {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}}
* {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}}
* {{ব্যবহারকারী|Borhan}}
* {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}}
* {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}}
* {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}}
* {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}}
* {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}}
* {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}}
* {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}}
* {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}}
* {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}}
* {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}}
* {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}}
* {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}}
* {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}}
* {{ব্যবহারকারী|JIBON}}
* {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}}
* {{ব্যবহারকারী|Mksh46}}
* {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}}
* {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}}
* {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}}
* {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}}
* {{ব্যবহারকারী|Manik19}}
* {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}}
* {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}}
* {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}}
* {{ব্যবহারকারী|Talha toha}}
* {{ব্যবহারকারী|Shri Avishek Roy}}
* {{ব্যবহারকারী|Md Yasin Omor}}
* {{ব্যবহারকারী|Wizene}}
* {{ব্যবহারকারী|Shovu55}}
* {{ব্যবহারকারী|Afiya07}}
* {{ব্যবহারকারী|সানজার আল ইসলাম}}
* {{ব্যবহারকারী|Bayejid-wiki}}
* {{ব্যবহারকারী|Md. Rayan Alam Rifat}}
* {{ব্যবহারকারী|Ahnaf Mosaddek}}
আমি নীরব—
যেমন শতাব্দীর প্রাচীন ভাঙা সোপানে
অলিখিত শপথ জমে।
আমার স্থিরতা যেন ,
ভূত্বকের নিচে সরে যাওয়া প্লেট—
সংঘর্ষ বিলম্বিত করি,
ধ্বংস নয়।
আমি খোলস ছাড়ি না,
আমি পরিচয়ের মৃত কোষ ঝরাই—
যাতে বংশপরম্পরায় ভয়
আমার রক্তে চিরবসতি না গড়ে ।
হাসি আমার সামাজিক মুদ্রা,
নীরবতা আমার গোপন Archive ।
আমি স্বপ্ন দেখি না—
স্বপ্ন খুব সহজ ভাষা।
আমি সম্ভাবনার sceleton জোড়া লাগাই
অদৃশ্য Anatomy তে ।
ভয়কে আমি ঘাড়ে চড়তে দেই না—
কারণ ঘাড়ে চড়া মানে বৈধতা।
সে দাঁড়িয়ে থাকে,
অস্থায়ী অভিযুক্তের মতো।
আমি হারাই না—
আমি ক্ষতকে পুনর্গঠন করি।
আমি নিমজ্জন চাই—
যেখানে শব্দ ভেঙে যায়,
আর মানুষ তার নিজের
অধঃস্থ সত্যের সামনে
- মেঘনাদ
8vvliiuxocju7tu2ttpsy21g9wuqf2h
উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/নিবন্ধ তালিকা
4
11855
75658
74500
2026-04-11T09:58:09Z
আজমাইন ইকতিদার ইরতিজা
4903
/* বাংলা উক্তি */বুদ্ধির মুক্তি উপ-সংস্কৃতি হলো এই সব দিন।
75658
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=3}}
<big>এই প্রতিযোগিতায় বিষয়বস্তু নির্ধারিত নয়, '''আপনি আপনার পছন্দমতো যেকোন উল্লেখযোগ্য বিষয়ে ভুক্তি বা পৃষ্ঠা তৈরি করতে পারেন (গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ব্যতীত)''' <u >এমনকি তা নিচের তালিকায় না থাকলেও</u>। আপনি যদি অনিশ্চিত থাকেন যে কোনটি নিয়ে কাজ করবেন, তবে নিচের লাল সংযোগে থাকা নিবন্ধগুলি তৈরি করতে পারেন। যে পাতাটি নিয়ে কাজ করছেন, সেটির পাশে <code><nowiki>~~~~</nowiki></code> যোগ করে আপনার নাম লিখুন।</big>
মনে রাখবেন,
* ব্যক্তি যদি বাঙালি হয়, তবে তার উক্তি হুবহু তুলে দিন (উদা: [[আসাদুজ্জামান নূর]] দেখুন)। ব্যক্তি যদি বিদেশি হয়, তবে উক্তি অনুবাদ করে যোগ করুন (উদা: [[নোম চম্স্কি]] দেখুন)। কোনো বস্তুর ক্ষেত্রে বাঙালিদের উক্তি প্রাধান্য পাবে, তবে ভিন্ন ভাষা থেকেও উক্তি অনুবাদ করেও যোগ করা যাবে (উদা: [[চাঁদ]], [[সূর্য]] দেখুন)।
* '''নতুনরা''', দয়া করে [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/কীভাবে|কীভাবে উক্তি যোগ করব?]] টিউটোরিয়ালটি একবার দেখে নিন।
:এটি উইকিউক্তিতে ভুক্তি না থাকা বাঙালি ব্যক্তিদের তালিকা। তবে আপনি চাইলে [https://en.wikiquote.org ইংরেজি উইকিউক্তি] থেকে বাংলায় উক্তি অনুবাদ করতে পারেন।
:*ইংরেজি উইকিউক্তি থেকে অনুবাদের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ নিবন্ধ অনুবাদ করা বাধ্যতামূলক।
*'''উল্লেখ্য:''' <span style="color:red;">নিবন্ধ তৈরির আগে নিবন্ধটি ইতোমধ্যে বাংলা উইকিউক্তিতে বিদ্যমান কিনা যাচাই করা নিবন্ধ প্রণেতার (যিনি নিবন্ধ তৈরি করবেন) দায়িত্ব। তালিকার বাইরের নাম প্রতিস্থাপন নিবন্ধ তালিকায় থাকা নামটির পরিবর্তে ভিন্ন নামে নিবন্ধ তৈরি করলে অবশ্যই নতুন নামটি তালিকায় প্রতিস্থাপন করে দিবেন, অন্যথায় ভিন্ন ব্যবহারকারী নিবন্ধটি পুনরায় তৈরি করতে পারেন।</span >
== বাংলা উক্তি ==
বাঙালি ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সংবাদপত্র, সাময়িকী কিংবা ছাপা বইয়ে প্রকাশিত উক্তি বা সাক্ষাৎকার থেকে উক্তি সংগ্রহ করে তা হুবুহু তথ্যসূত্র সহ যোগ করবেন।
=== বাঙালি ব্যক্তি ===
{{Div col|colwidth=20em|rules=yes}}
* {{বাউ|অংশুমান কর}}
* {{বাউ|অকিঞ্চন}}
* {{বাউ|অক্ষয়কুমার কয়াল}}
* {{বাউ|অক্ষয়কুমার বসু মজুমদার}}
* {{বাউ|অক্ষয়কুমার লধ}}
* {{বাউ|অক্ষয়চন্দ্র চৌধুরী}}
* {{বাউ|অক্ষয়ানন্দ বসু}}
* {{বাউ|অখিল নিয়োগী}}
* {{বাউ|অখিল পাল}}
* {{বাউ|অখিলচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|অখিলবন্ধু ঘোষ}}[[ব্যবহারকারী:Tamaliya Das Gupta|Tamaliya Das Gupta]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tamaliya Das Gupta|আলাপ]]) ১৬:০৯, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
* {{বাউ|অগ্রদূত}}
* {{বাউ|অঘোরনাথ গুপ্ত}}
* {{বাউ|অঘোরনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অঙ্গনা পি. চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অচলা মল্লিক}}
* {{বাউ|অজয় ঘটক}}
* {{বাউ|অজয় দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|অজয় বসু}}
* {{বাউ|অজয় হোম}}
* {{বাউ|অজিত দত্ত}}
* {{বাউ|অজিত রায় (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|অজিতকৃষ্ণ বসু}}
* {{বাউ|অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অঞ্জলি ইলা মেনন}}
* {{বাউ|অঞ্জলি মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অটলবিহারী ঘোষ}}
* {{বাউ|অতীন্দ্রনাথ বসু ঠাকুর}}
* {{বাউ|অতুল বসু}}
* {{বাউ|অতুলচন্দ্র ঘোষ}}
* {{বাউ|অতুলচন্দ্র ঘোষ (লেখক)}}
* {{বাউ|অদিতি লাহিড়ি}}
* {{বাউ|অদিতি সেন দে}}
* {{বাউ|অধরলাল সেন}}
* {{বাউ|অনম বিশ্বাস}}
* {{বাউ|অনল চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অনাথনাথ বসু}}
* {{বাউ|অনাদিনাথ দাঁ}}
* {{বাউ|অনাদিশ পাল}}
* {{বাউ|অনিতা মেহতা}}
* {{বাউ|অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অনিন্দ্য সিনহা}}
* {{বাউ|অনিমেষ আইচ}}
* {{বাউ|অনিমেষ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অনিমেষ রায় (জীববিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|অনির্বাণ ঘোষ}}
* {{বাউ|অনির্বাণ বসু}}
* {{বাউ|অনিল করঞ্জাই}}
* {{বাউ|অনিল কুমার গায়েন}}
* {{বাউ|অনিল কুমার ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|অনিল কুমার মণ্ডল}}
* {{বাউ|অনিল কুমার সেন}}
* {{বাউ|অনিল বিশ্বাস (সুরকার)}}
* {{বাউ|অনিল ভৌমিক}}
* {{বাউ|অনিল মুখার্জি}}
* {{বাউ|অনিলকুমার দাস}}
* {{বাউ|অনিলেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অনুত্তমা ব্যানার্জি}}
* {{বাউ|অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|অনুপম ঘটক}}
* {{বাউ|অনুপম দত্ত}}
* {{বাউ|অনুপম রায়}}
* {{বাউ|অনুপম সেন}}
* {{বাউ|অনুপম হায়াৎ}}
* {{বাউ|অনুপমা চোপড়া}}
* {{বাউ|অনুরাধা ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|অনুশ্রী রায়}}
* {{বাউ|অনুষ্কা শংকর}}
* {{বাউ|অন্নদা মুন্সী}}
* {{বাউ|অন্নদাচরণ খাস্তগীর}}
* {{বাউ|অন্নদাপ্রসাদ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অন্নপূর্ণা গোস্বামী}}
* {{বাউ|অপরেশ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অপরেশ লাহিড়ী}}
* {{বাউ|অপরেশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অপর্ণা সেন}}
* {{বাউ|অপূর্ব জাহাঙ্গীর}}
* {{বাউ|অবনী সেন}}
* {{বাউ|অবনীনাথ রায়}}
* {{বাউ|অবনীভূষণ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অবন্তী সিঁথি}}
* {{বাউ|অবন্তীকুমার সান্যাল}}
* {{বাউ|অবলা বসু}}
* {{বাউ|অবশেষ দাস}}
* {{বাউ|অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ}}
* {{বাউ|অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় (সুরকার)}}
* {{বাউ|অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় (ভূবিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|অভিজিৎ সেন}}
* {{বাউ|অভিনয় চন্দ্র সাহা}}
* {{বাউ|অভীক ঘোষ}}
* {{বাউ|অমর পাল}}
* {{বাউ|অমরপ্রসাদ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অমরেশ রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|অমরেশ্বর ঠাকুর}}
* {{বাউ|অমল কুমার রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|অমল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অমল বোস}}
* {{বাউ|অমল হোম}}
* {{বাউ|অমলা শংকর}}
* {{বাউ|অমলেন্দু চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অমলেন্দু চন্দ্র}}
* {{বাউ|অমলেন্দু দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|অমলেন্দু দাশগুপ্ত (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|অমলেন্দু দে}}
* {{বাউ|অমলেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অমলেন্দু বসু}}
* {{বাউ|অমলেন্দু বিশ্বাস}}
* {{বাউ|অমলেন্দু মিত্র}}
* {{বাউ|অমলেশ ত্রিপাঠী}}
* {{বাউ|অমিত চৌধুরী}}
* {{বাউ|অমিত মিত্র}}
* {{বাউ|অমিতা ঠাকুর}}
* {{বাউ|অমিতা দত্ত}}
* {{বাউ|অমিতা বসু}}
* {{বাউ|অমিতা মালিক}}
* {{বাউ|অমিতা সেন (আশ্রমকন্যা)}}
* {{বাউ|অমিতাভ দত্ত}}
* {{বাউ|অমিতাভ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|অমিতাভ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অমিতাভ রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|অমিতাভ রেজা চৌধুরী}}
* {{বাউ|অমিয় বাগচী}}
* {{বাউ|অমিয়কুমার দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|অমিয়কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অমিয়া দত্ত}}
* {{বাউ|অমূল্যকুমার দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|অমূল্যচরণ বিদ্যাভূষণ}}
* {{বাউ|অমূল্যধন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অমূল্যচরণ উকিল}}
* {{বাউ|অম্বরীশ ঘোষ}}
* {{বাউ|অম্বিকাচরণ মজুমদার}}
* {{বাউ|অম্লান দত্ত}}
* {{বাউ|অরিন্দম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অরুণ কুমার বসাক}}
* {{বাউ|অরুণ কুমার শর্মা}}
* {{বাউ|অরুণ মিত্র}}
* {{বাউ|অরুণ মুখার্জি}}
* {{বাউ|অরুণ সোম}}
* {{বাউ|অরুণকুমার বসু}}
* {{বাউ|অরুণচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|অরুণাচল বসু}}
* {{বাউ|অরুণাভ সরকার}}
* {{বাউ|অরুণেন্দু দাস}}
* {{বাউ|অরুণোদয় মণ্ডল}}
* {{বাউ|অরুন্ধতী দেবী}}
* {{বাউ|অরূপ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অরূপ চন্দ্র}}
* {{বাউ|অর্ক মুখার্জি}}
* {{বাউ|অর্চনা ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|অর্চনা শর্মা (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|অর্জুন (গোয়েন্দা চরিত্র)}}
* {{বাউ|অর্ণব রাই চৌধুরী}}
* {{বাউ|অলক রায়}}
* {{বাউ|অলকা উকিল}}
* {{বাউ|অলকা দাশ}}
* {{বাউ|অলকা সরাবগী}}
* {{বাউ|অলিউর রহমান}}
* {{বাউ|অলোক কৃষ্ণ গুপ্ত}}
* {{বাউ|অলোক রায়}}
* {{বাউ|অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|অশেষ প্রসাদ মিত্র}}
* {{বাউ|অশোক কুমার বড়ুয়া}}
* {{বাউ|অশোক কুমার ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|অশোক কুমার সরকার}}
* {{বাউ|অশোক কুমার সেন}}
* {{বাউ|অশোক গুপ্ত (লেখক)}}
* {{বাউ|অশোক চট্টোপাধ্যায় (লেখক)}}
* {{বাউ|অশোক চৌধুরী}}
* {{বাউ|অশোক নাথ মিত্র}}
* {{বাউ|অশোক বড়ুয়া}}
* {{বাউ|অশোক বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অশোক মিত্র}}
* {{বাউ|অশোক রুদ্র}}
* {{বাউ|অশোক সেন}}
* {{বাউ|অশোককুমার হালদার}}
* {{বাউ|অশোকা গুপ্ত (বিপ্লবী)}}
* {{বাউ|অশ্বিনীকুমার দত্ত}}
* {{বাউ|অসীম দাসগুপ্ত}}
* {{বাউ|অসীমকান্তি দত্তরায়}}
* {{বাউ|অসীমা চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অহিভূষণ মালিক}}
* {{বাউ|আ ক ম সারোয়ার জাহান বাদশা}}
* {{বাউ|আ জা ম তকীয়ুল্লাহ}}
* {{বাউ|আ ফ ম আহসানউদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|আ ফ ম ইউসুফ হায়দার}}
* {{বাউ|আ ফ ম খালিদ হোসেন}}
* {{বাউ|আ. ন. ম. বজলুর রশীদ}}
* {{বাউ|আ. ন. ম. বশির উল্লাহ}}
* {{বাউ|আ. ফ. ম. রুহুল হক}}
* {{বাউ|আইভি রহমান}}
* {{বাউ|আইয়ুব আলী}}
* {{বাউ|আইরিন খান}}
* {{বাউ|আওকাত হোসেন}}
* {{বাউ|আওলাদ হোসেন}}
* {{বাউ|আওলাদ হোসেন চাকলাদার}}
* {{বাউ|আককাছ আলী সরকার}}
* {{বাউ|আকতার মিয়া}}
* {{বাউ|আকবর আলি খান}}
* {{বাউ|আকবর উদ্দীন}}
* {{বাউ|আকবর হোসেন (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|আকবর হোসেন (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|আকরাম হোসেন চৌধুরী (বিচারক)}}
* {{বাউ|আকরামুজ্জামান খান}}
* {{বাউ|আকরামুল কাদের}}
* {{বাউ|আখতার ইমাম}}
* {{বাউ|আখতার উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|আখতার সাদমানী}}
* {{বাউ|আখতার হুসেন}}
* {{বাউ|আখতারুজ্জামান}}
* {{বাউ|আখলাকুল হোসাইন আহমেদ}}
* {{বাউ|আগা আহমদ আলী}}
* {{বাউ|আছিম শাহ}}
* {{বাউ|আজম আলী}}
* {{বাউ|আজহারুল হক}}
* {{বাউ|আজাদ রহমান}}
* {{বাউ|আজাহার উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|আজিজউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|আজিজুর রহমান (গীতিকার)}}
* {{বাউ|আজিজুর রহমান (চলচ্চিত্র পরিচালক)}}
* {{বাউ|আজিজুর রহমান আক্কাস}}
* {{বাউ|আজিজুর রহমান আজিজ}}
* {{বাউ|আজিজুর রহমান মল্লিক}}
* {{বাউ|আজিজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|আজিজুল হক (শায়খুল হাদিস)}}
* {{বাউ|আজিজুল হক (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আজিজুল হাকিম (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|আজিজুল হাকিম (কবি)}}
* {{বাউ|আজিম}}
* {{বাউ|আজিম উদ্দিন মুনশী}}
* {{বাউ|আজীজুল হক}}
* {{বাউ|আজীমুদ্দীন হানাফী}}
* {{বাউ|আঞ্জুমান আরা বেগম}}
* {{বাউ|আতহার আলী}}
* {{বাউ|আতাউর রহমান}}
* {{বাউ|আতাউর রহমান (কবি)}}
* {{বাউ|আতাউর রহমান খান}}
* {{বাউ|আতাউর রহমান খান কায়সার}}
* {{বাউ|আতাউর রহমান খান খাদিম}}
* {{বাউ|আতাউল করিম}}
* {{বাউ|আতাউল হাকিম}}
* {{বাউ|আতাউস সামাদ}}
* {{বাউ|আতিউর রহমান}}
* {{বাউ|আতিকুজ্জামান খান}}
* {{বাউ|আতিকুর রহমান (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|আতিকুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|আতিয়া ইসলাম এ্যানি}}
* {{বাউ|আতোয়ার রহমান}}
* {{বাউ|আতোয়ার রহমান তালুকদার}}
* {{বাউ|আদনান আল রাজীব}}
* {{বাউ|আদিনাথ লাহিড়ী}}
* {{বাউ|আদিলুর রহমান খান}}
* {{বাউ|আনজীর লিটন}}
* {{বাউ|আনন জামান}}
* {{বাউ|আনন্দচন্দ্র নন্দী}}
* {{বাউ|আনন্দদেব মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|আনন্দমোহন চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|আনন্দমোহন বসু}}
* {{বাউ|আনন্দশঙ্কর}}
* {{বাউ|আনসার আলী}}
* {{বাউ|আনিক খান}}
* {{বাউ|আনিলা নাজ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনিস চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনিস সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|আনিসুজ্জামান (দর্শনশাস্ত্রজ্ঞ)}}
* {{বাউ|আনিসুজ্জামান চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনিসুর রহমান (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|আনিসুল ইসলাম মাহমুদ}}
* {{বাউ|আনিসুল হক}}
* {{বাউ|আনিসুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনু মুহাম্মদ}}
* {{বাউ|আনুশেহ্ আনাদিল}}
* {{বাউ|আনোয়ার উদ্দিন খান}}
* {{বাউ|আনোয়ার উল আলম}}
* {{বাউ|আনোয়ার উল হক}}
* {{বাউ|আনোয়ার পারভেজ}}
* {{বাউ|আনোয়ার পাশা (লেখক)}}
* {{বাউ|আনোয়ার হোসেন (অণুজীববিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|আনোয়ার হোসেন (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আনোয়ার হোসেন (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|আনোয়ার হোসেন (আলোকচিত্রী)}}
* {{বাউ|আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনোয়ারা বাহার চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনোয়ারা বেগম (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল কবির}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল করিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল কাদের}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল হক}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল হক (বিচারক)}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল হক শরীফ}}
* {{বাউ|আন্ডারগ্রাউন্ড পিস লাভারস}}
* {{বাউ|আন্দালিব রহমান পার্থ}}
* {{বাউ|আপেল মাহমুদ}}
* {{বাউ|আফজাল এইচ খান}}
* {{বাউ|আফজাল চৌধুরী}}
* {{বাউ|আফটারম্যাথ}}
* {{বাউ|আফতাব আহমাদ রহমানী}}
* {{বাউ|আফতাব আহমেদ (আলোকচিত্রী)}}
* {{বাউ|আফতাব উদ্দিন ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|আফতাবউদ্দিন খাঁ}}
* {{বাউ|আফতাবুজ্জামান}}
* {{বাউ|আফরোজা পারভীন}}
* {{বাউ|আফসান চৌধুরী}}
* {{বাউ|আফসার আমেদ}}
* {{বাউ|আফসার আহমদ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|আফসার উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|আফসার উদ্দীন আহমেদ (অ্যাডভোকেট)}}
* {{বাউ|আবদার রশীদ}}
* {{বাউ|আবদুর রউফ (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|আবদুর রউফ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবদুর রব (বিচারক)}}
* {{বাউ|আবদুর রব (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আবদুর রব সেরনিয়াবাত}}
* {{বাউ|আবদুর রশীদ খান}}
* {{বাউ|আবদুর রসুল}}
* {{বাউ|আবদুর রহমান খাঁ}}
* {{বাউ|আবদুর রহমান চৌধুরী (বিচারক)}}
* {{বাউ|আবদুর রহমান বয়াতী}}
* {{বাউ|আবদুর রহমান বিশ্বাস}}
* {{বাউ|আবদুর রহিম (বিচারক)}}
* {{বাউ|আবদুর রাজ্জাক (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আবদুল আওয়াল মিয়া}}
* {{বাউ|আবদুল আজিজ (লেখক)}}
* {{বাউ|আবদুল আজিজ খন্দকার}}
* {{বাউ|আবদুল আহাদ (বুদ্ধিজীবী)}}
* {{বাউ|আবদুল আহাদ (সংগীত পরিচালক)}}
* {{বাউ|আবদুল ওয়াহহাব পীরজী}}
* {{বাউ|আবদুল ওয়াহাব}}
* {{বাউ|আবদুল করিম শাহ}}
* {{বাউ|আবদুল কাদির}}
* {{বাউ|আবদুল খালেক (পীর)}}
* {{বাউ|আবদুল গনি হাজারী}}
* {{বাউ|আবদুল গফুর (ভাষা সৈনিক)}}
* {{বাউ|আবদুল জব্বার (জ্যোতির্বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|আবদুল জব্বার (ভাষা শহীদ)}}
* {{বাউ|আবদুল জব্বার (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|আবদুল জব্বার খান}}
* {{বাউ|আবদুল জলিল (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবদুল মজিদ মল্লিক}}
* {{বাউ|আবদুল মতিন}}
* {{বাউ|আবদুল মতিন (জেনারেল)}}
* {{বাউ|আবদুল মতিন (লেখক)}}
* {{বাউ|আবদুল মমিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবদুল মমিন তালুকদার}}
* {{বাউ|আবদুল মাজেদ খান}}
* {{বাউ|আবদুল মান্নান হাওলাদার}}
* {{বাউ|আবদুল মালেক (সচিব)}}
* {{বাউ|আবদুল হক ফরিদী}}
* {{বাউ|আবদুল হাই চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবদুল হাই মাশরেকী}}
* {{বাউ|আবদুল হাই শিকদার}}
* {{বাউ|আবদুল হাকিম খান বাহাদুর}}
* {{বাউ|আবদুল হাফিজ (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|আবদুল হামিদ (ধারাভাষ্যকার)}}
* {{বাউ|আবদুল হামিদ (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আবদুল হামিদ খান ইউসফজয়ী}}
* {{বাউ|আবদুল হামিদ তালুকদার}}
* {{বাউ|আবদুল হালিম বয়াতি}}
* {{বাউ|আবদুল্লাহ আল মামুন}}
* {{বাউ|আবদুল্লাহ আল-মামুন সোহ্রাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|আবদুল্লাহ-আল-মাহমুদ}}
* {{বাউ|আবদুল্লাহ-আল-নুমান}}
* {{বাউ|আবদুস সাত্তার (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবদুস সাত্তার ভূঞা}}
* {{বাউ|আবদুস সালাম (পদার্থবিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|আবদুস সালাম (ভাষা শহীদ)}}
* {{বাউ|আবদুস সালাম (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|আবদুস সালাম মামুন}}
* {{বাউ|আবদুস সোবহান সিকদার}}
* {{বাউ|আবিদ আজাদ}}
* {{বাউ|আবিদ আনোয়ার}}
* {{বাউ|আবিদা ইসলাম}}
* {{বাউ|আবিদুর রেজা খান}}
* {{বাউ|আবু আসাদ মোহাম্মদ ওবায়দুল গনি}}
* {{বাউ|আবু আহমদ আব্দুল হাফিজ}}
* {{বাউ|আবু আহমদ ফজলুল করিম}}
* {{বাউ|আবু আহমেদ}}
* {{বাউ|আবু আহমেদ জহিরুল আমিন খান}}
* {{বাউ|আবু ইউসুফ (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবু কায়সার}}
* {{বাউ|আবু জাফর}}
* {{বাউ|আবু জাফর (গীতিকার)}}
* {{বাউ|আবু জাফর শামসুদ্দীন}}
* {{বাউ|আবু জাহির}}
* {{বাউ|আবু তাহের (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আবু তাহের নদভী}}
* {{বাউ|আবু তাহের মজুমদার}}
* {{বাউ|আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান}}
* {{বাউ|আবু নঈম শেখ}}
* {{বাউ|আবু নসর ওহীদ}}
* {{বাউ|আবু বকর সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|আবু বকর সিদ্দিকী (বিচারক)}}
* {{বাউ|আবু বারেক মোহাম্মদ নুরুল আলম}}
* {{বাউ|আবু মহামেদ হবিবুল্লাহ}}
* {{বাউ|আবু মো. দেলোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন}}
* {{বাউ|আবু যোহা নূর আহমদ}}
* {{বাউ|আবু রুশদ}}
* {{বাউ|আবু রেজা ফজলুল হক বাবলু}}
* {{বাউ|আবু শারাফ হিজবুল কাদের সাদেক}}
* {{বাউ|আবু শাহেদ ইমন}}
* {{বাউ|আবু শাহ্রিয়ার}}
* {{বাউ|আবু সয়ীদ আইয়ুব}}
* {{বাউ|আবু সাইয়ীদ}}
* {{বাউ|আবু সাঈদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম}}
* {{বাউ|আবু সালেহ}}
* {{বাউ|আবু সালেহ মোহাম্মদ নাজমুল হক}}
* {{বাউ|আবু সালেহ মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|আবু সালেহ মোহাম্মদ সাঈদ}}
* {{বাউ|আবু হায়াত মাহমুদ}}
* {{বাউ|আবু হাসান ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|আবু হাসান শাহরিয়ার}}
* {{বাউ|আবু হেনা মোস্তফা কামাল}}
* {{বাউ|আবু হোসেন সিদ্দিক}}
* {{বাউ|আবুল আহসান}}
* {{বাউ|আবুল আহসান চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবুল ওমরাহ মুহম্মদ ফখরুদ্দিন}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (বুদ্ধিজীবী)}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবুল কালাম ফায়জুল হক}}
* {{বাউ|আবুল কালাম মনজুর মোরশেদ}}
* {{বাউ|আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া}}
* {{বাউ|আবুল কালাম শামসুদ্দিন (সরকারি কর্মকর্তা)}}
* {{বাউ|আবুল কাশেম সন্দ্বীপ}}
* {{বাউ|আবুল কাসেম (ভাষা সৈনিক)}}
* {{বাউ|আবুল কাসেম (সাহিত্যরত্ন)}}
* {{বাউ|আবুল কাসেম খান}}
* {{বাউ|আবুল কাসেম ফজলুল হক}}
* {{বাউ|আবুল খায়ের}}
* {{বাউ|আবুল খায়ের (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|আবুল খায়ের মুসলেহউদ্দিন}}
* {{বাউ|আবুল ফতেহ}}
* {{বাউ|আবুল ফাতাহ মুহাম্মদ ইয়াহইয়া}}
* {{বাউ|আবুল বরকত}}
* {{বাউ|আবুল বারকাত}}
* {{বাউ|আবুল বাশার (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবুল বাশার (লেখক)}}
* {{বাউ|আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম}}
* {{বাউ|আবুল বাসার (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আবুল বাসার আকন্দ}}
* {{বাউ|আবুল মকসুদ হারুন অর রশীদ}}
* {{বাউ|আবুল মাল আবদুল মুহিত}}
* {{বাউ|আবুল মোমেন}}
* {{বাউ|আবুল হাশেম (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবুল হাশেম খান (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|আবুল হাশেম সরকার}}
* {{বাউ|আবুল হাসনাত (মেয়র)}}
* {{বাউ|আবুল হাসান (কবি)}}
* {{বাউ|আবুল হাসান মাহমুদ আলী}}
* {{বাউ|আবুল হুসসাম}}
* {{বাউ|আবুল হুসেন}}
* {{বাউ|আবুল হোসেন (কবি)}}
* {{বাউ|আবুল হোসেন (পদার্থবিদ)}}
* {{বাউ|আবেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবেদ হোসেন খান}}
* {{বাউ|আব্দুর রইছ}}
* {{বাউ|আব্দুর রউফ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আব্দুর রব চৌধুরী}}
* {{বাউ|আব্দুর রহমান (বুদ্ধিজীবী)}}
* {{বাউ|আব্দুর রহমান (মুফতি)}}
* {{বাউ|আব্দুর রহমান আনওয়ারী}}
* {{বাউ|আব্দুর রহমান সরকার}}
* {{বাউ|আব্দুর রহমানেল মাছউদ}}
* {{বাউ|আব্দুর রহিম (সংসদ সদস্য)}}
* {{বাউ|আব্দুল আউয়াল খান}}
* {{বাউ|আব্দুল আজিজ (চলচ্চিত্র নির্মাতা)}}
* {{বাউ|আব্দুল আলীম (সঙ্গীতশিল্পী)}}
* {{বাউ|আব্দুল ওয়াহহাব মিঞা}}
* {{বাউ|আব্দুল ওয়াহাব তালুকদার}}
* {{বাউ|আব্দুল ওহাব খান (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|আব্দুল করিম আব্বাসী}}
* {{বাউ|আব্দুল জব্বার}}
* {{বাউ|আব্দুল জলিল}}
* {{বাউ|আব্দুল বায়েস}}
* {{বাউ|আব্দুল মতিন চৌধুরী (পদার্থবিদ)}}
* {{বাউ|আব্দুল মতিন পাটোয়ারি}}
* {{বাউ|আব্দুল মান্নান আকন্দ}}
* {{বাউ|আব্দুল মান্নান চৌধুরী (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আব্দুল মান্নান শিকদার}}
* {{বাউ|আব্দুল মালেক উকিল}}
* {{বাউ|আব্দুল মুত্তাকিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|আব্দুল মুমিত চৌধুরী}}
* {{বাউ|আব্দুল মোতালেব মালিক}}
* {{বাউ|আব্দুল লতিফ}}
* {{বাউ|আব্দুল লতিফ বাচ্চু}}
* {{বাউ|আব্দুল লতিফ মিয়া}}
* {{বাউ|আব্দুল হাকিম সরকার}}
* {{বাউ|আব্দুল হামিদ (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|আব্দুল হামিদ রায়হান}}
* {{বাউ|আব্দুল হালিম বুখারী}}
* {{বাউ|আব্দুল হাসিব}}
* {{বাউ|আব্দুল্লাহ আল মামুন (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ}}
* {{বাউ|আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ}}
* {{বাউ|আব্দুস শাকুর (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আব্দুস সাত্তার (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আব্দুস সাত্তার খান}}
* {{বাউ|আব্দুস সাত্তার মোহন্ত}}
* {{বাউ|আব্দুস সামাদ আজাদ}}
* {{বাউ|আব্দুস সালাম চাটগামী}}
* {{বাউ|আব্দুস সেলিম}}
* {{বাউ|আব্বাসউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|আভরাল সাহির}}
* {{বাউ|আভা আলম}}
* {{বাউ|আভাস}}
* {{বাউ|আভাসকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|আমজাদ হোসেন}}
* {{বাউ|আমজাদ হোসেন (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|আমান রেজা}}
* {{বাউ|আমানুল হক}}
* {{বাউ|আমানুল হক (নৃত্যশিল্পী)}}
* {{বাউ|আমানুল্লাহ কবির}}
* {{বাউ|আমিন আহমদ}}
* {{বাউ|আমিন উদ্দিন মৃধা}}
* {{বাউ|আমিন সোহরাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|আমিনা আহমেদ কর}}
* {{বাউ|আমিনুর রশীদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আমিনুর রহমান}}
* {{বাউ|আমিনুর রহমান শামসুদ দোহা}}
* {{বাউ|আমিনুর রহমান সুলতান}}
* {{বাউ|আমিনুল ইসলাম (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আমিনুল ইসলাম (মৃত্তিকা বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|আমিনুল ইসলাম বাদশা}}
* {{বাউ|আমিনুল ইসলাম ভুঁইয়া}}
* {{বাউ|আমিনুল করিম}}
* {{বাউ|আমিনুল হক (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|আমিনুল হক (অ্যাটর্নি জেনারেল)}}
* {{বাউ|আমির হামজা (আলোকচিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আমির হামজা (কবি)}}
* {{বাউ|আমির হোসেন (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|আমির হোসেন আমু}}
* {{বাউ|আমির হোসেন খান}}
* {{বাউ|আমিরুল আলম মিলন}}
* {{বাউ|আমিরুল ইসলাম (গীতিকার)}}
* {{বাউ|আমিরুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|আমীন আহম্মেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আমীর-উল ইসলাম}}
* {{বাউ|আমীরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|আয়নুন নাহার সিদ্দিকা}}
* {{বাউ|আয়মান সাদিক}}
* {{বাউ|আয়েত আলী খাঁ}}
* {{বাউ|আয়েশা বেদোরা চৌধুরী}}
* {{বাউ|আযীযুর রহমান কায়েদ}}
* {{বাউ|আর আই এম আমিনুর রশিদ}}
* {{বাউ|আর. এ. গনি}}
* {{বাউ|আর. কে. বি. এম. রিজমী}}
* {{বাউ|আরতি দত্ত}}
* {{বাউ|আরমা দত্ত}}
* {{বাউ|আরমিন মুসা}}
* {{বাউ|আরশাদ-উজ জামান}}
* {{বাউ|আরেফিন রুমি}}
* {{বাউ|আর্ক}}
* {{বাউ|আর্থার উইলসন}}
* {{বাউ|আর্থার লেভেলিন বাশাম}}
* {{বাউ|আল-কামাল আবদুল ওহাব}}
* {{বাউ|আল-নকীব চৌধুরী}}
* {{বাউ|আলতাফ মাহমুদ}}
* {{বাউ|আলতাফ হোসেইন}}
* {{বাউ|আলতাফ হোসেন (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আলতাফ হোসেন (কবি)}}
* {{বাউ|আলতামাস আহমেদ}}
* {{বাউ|আলপনা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|আলফ্রেড উডলি ক্রফট}}
* {{বাউ|আলভী আহমেদ}}
* {{বাউ|আলম আরা জুঁই}}
* {{বাউ|আলম খান}}
* {{বাউ|আলম খোরশেদ}}
* {{বাউ|আলমগীর (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|আলমগীর কুমকুম}}
* {{বাউ|আলমগীর মোহাম্মদ সিরাজুদ্দীন}}
* {{বাউ|আলাউদ্দিন আলী}}
* {{বাউ|আলাউদ্দিন আহম্মদ}}
* {{বাউ|আলাউদ্দিন খাঁ}}
* {{বাউ|আলী আকবর খাঁ}}
* {{বাউ|আলী আকবর রুপু}}
* {{বাউ|আলী আকরাম শুভ}}
* {{বাউ|আলী আজগর}}
* {{বাউ|আলী আশরাফ (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আলী আহমদ}}
* {{বাউ|আলী ইমাম}}
* {{বাউ|আলী কায়সার হাসান মোর্শেদ}}
* {{বাউ|আলী মনসুর}}
* {{বাউ|আলী রীয়াজ}}
* {{বাউ|আলী হোসেন (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|আলেকজান্ডার পেডলার}}
* {{বাউ|আশফাকুল ইসলাম}}
* {{বাউ|আশরফি খানম}}
* {{বাউ|আশরাফ আলী খান চৌধুরী}}
* {{বাউ|আশরাফ শিশির}}
* {{বাউ|আশরাফ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|আশরাফ-উজ-জামান খান}}
* {{বাউ|আশরাফুদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|আশরাফুল আলম (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আশা মেহরিন আমিন}}
* {{বাউ|আশালতা সিংহ}}
* {{বাউ|আশালতা সেন}}
* {{বাউ|আশিক চৌধুরী}}
* {{বাউ|আশিকুজ্জামান (জেনারেল)}}
* {{বাউ|আশিকুর রহমান}}
* {{বাউ|আশীষ রঞ্জন দাস}}
* {{বাউ|আশুতোষ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আশুতোষ চৌধুরী (আইনজীবি)}}
* {{বাউ|আশুতোষ সুজন}}
* {{বাউ|আশুতোষ সেন}}
* {{বাউ|আশ্চর্যময়ী}}
* {{বাউ|আসকার ইবনে শাইখ}}
* {{বাউ|আসফার হোসেন মোল্লা}}
* {{বাউ|আসমত আলী শিকদার}}
* {{বাউ|আসলাম সানী}}
* {{বাউ|আসহাব উদ্দীন}}
* {{বাউ|আসহাব উদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|আসহাব-উল-হক}}
* {{বাউ|আসাদ আলম সিয়াম}}
* {{বাউ|আসাদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আসাদ বিন হাফিজ}}
* {{বাউ|আসাদ মান্নান}}
* {{বাউ|আসাদুজ্জামান খান}}
* {{বাউ|আসিফ ইকবাল (গীতিকার)}}
* {{বাউ|আহমদ আবদুল কাদের}}
* {{বাউ|আহমদ আলী এনায়েতপুরী}}
* {{বাউ|আহমদ জামান চৌধুরী}}
* {{বাউ|আহমদ রফিক}}
* {{বাউ|আহমদ শামসুল ইসলাম}}
* {{বাউ|আহমাদ মোস্তফা কামাল}}
* {{বাউ|আহমেদ আলী}}
* {{বাউ|আহমেদ ইকবাল হায়দার}}
* {{বাউ|আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল}}
* {{বাউ|আহমেদ শফি}}
* {{বাউ|আহমেদ সোহেল}}
* {{বাউ|আহমেদুর রশিদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আহম্মদ আলী}}
* {{বাউ|আহসান এইচ মনসুর}}
* {{বাউ|আহসান হাবীব (কার্টুনিস্ট)}}
* {{বাউ|ইউজিন লাঁফৌ}}
* {{বাউ|ইউনুস আলী সরকার}}
* {{বাউ|ইউয়ান ৎসে লি}}
* {{বাউ|ইউসুফ আবদুল্লাহ সুমন}}
* {{বাউ|ইউসুফ আলী খান}}
* {{বাউ|ইউসুফ আলী মোল্লা}}
* {{বাউ|ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন}}
* {{বাউ|ইকতিয়ার চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইকবাল আসিফ জুয়েল}}
* {{বাউ|ইকবাল আহমেদ (সঙ্গীতশিল্পী)}}
* {{বাউ|ইকবাল কাদির}}
* {{বাউ|ইকবাল খন্দকার}}
* {{বাউ|ইকবাল মাহমুদ}}
* {{বাউ|ইকবাল সোবহান চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইকবাল হোসেন খান}}
* {{বাউ|ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ}}
* {{বাউ|ইতরাত হোসেন জুবেরী}}
* {{বাউ|ইনামুল হক}}
* {{বাউ|ইন্ডালো}}
* {{বাউ|ইন্দিরা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ইন্দিরা দেবী}}
* {{বাউ|ইন্দিরা নাথ}}
* {{বাউ|ইন্দিরা ব্যানার্জি}}
* {{বাউ|ইন্দিরাদেবী রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইন্দু মিঠা}}
* {{বাউ|ইন্দুভূষণ রক্ষিত}}
* {{বাউ|ইন্দ্রকুমার রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইন্দ্রজিৎ প্রসাদ}}
* {{বাউ|ইন্দ্রজিৎ হাজরা}}
* {{বাউ|ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|ইন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ইন্দ্রনাথ রুদ্র}}
* {{বাউ|ইন্দ্রমোহন রাজবংশী}}
* {{বাউ|ইন্দ্রাণী বসু}}
* {{বাউ|ইপ্সিতা রায় চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইফতেখার চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইফতেখারুজ্জামান}}
* {{বাউ|ইফফাত আরা}}
* {{বাউ|ইফফাত আরা দেওয়ান}}
* {{বাউ|ইবনে ইমাম}}
* {{বাউ|ইবনে মিজান}}
* {{বাউ|ইবরাহীম আলী তশনা}}
* {{বাউ|ইবরাহীম খাঁ}}
* {{বাউ|ইব্রাহিম আহমেদ কমল}}
* {{বাউ|ইব্রাহীম খলিল (নাট্যকার)}}
* {{বাউ|ইমতিয়াজ মাহমুদ}}
* {{বাউ|ইমতিয়াজ হোসেন (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|ইমতিয়ার শামীম}}
* {{বাউ|ইমদাদ হোসেন}}
* {{বাউ|ইমন চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইমন সাহা}}
* {{বাউ|ইমরান এইচ সরকার}}
* {{বাউ|ইমরান মাহমুদুল}}
* {{বাউ|ইমরান সিদ্দিক}}
* {{বাউ|ইমাউল হক}}
* {{বাউ|ইমাম হোসেন চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইয়াকুব আলী শরীফ}}
* {{বাউ|ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ}}
* {{বাউ|ইয়াসমিন মোর্শেদ}}
* {{বাউ|ইয়েন ইয়েন}}
* {{বাউ|ইলা মজুমদার}}
* {{বাউ|ইসমাইল খান}}
* {{বাউ|ইসমাইল ফারুক চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইসমাইল মোহাম্মাদ}}
* {{বাউ|ইসমাইল হোসেন তালুকদার}}
* {{বাউ|ইসমাত জাহান}}
* {{বাউ|ইসরাইল খান}}
* {{বাউ|ইসহাক কাজল}}
* {{বাউ|ইসহাক খান}}
* {{বাউ|ইসহাক ফরিদী}}
* {{বাউ|ইস্পাহানী-আরিফ জাহান}}
* {{বাউ|ঈশা মহম্মদ}}
* {{বাউ|ঈশানচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ঈশানচন্দ্র বসু}}
* {{বাউ|উকিল মুন্সী}}
* {{বাউ|উজ্জ্বল (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|উজ্জ্বল মৌলিক}}
* {{বাউ|উত্তম আকাশ}}
* {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারী}}
* {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|উবায়দুর রহমান খান নদভী}}
* {{বাউ|উবায়দুল কবীর চৌধুরী}}
* {{বাউ|উমা মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|উমাপতিধর}}
* {{বাউ|উমেশচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|উমেশচন্দ্র বটব্যাল}}
* {{বাউ|উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|উৎপলকুমার বসু}}
* {{বাউ|উৎপলেন্দু চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ঊষা গাঙ্গুলি}}
* {{বাউ|ঊষা রঞ্জন ঘটক}}
* {{বাউ|ঊষা সেন}}
* {{বাউ|ঋজুদা}}
* {{বাউ|ঋতুরাজ ভৌমিক}}
* {{বাউ|ঋতেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|ঋষি চন্দ}}
* {{বাউ|ঋষিবর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|এ আই এম মোস্তফা রেজা নূর}}
* {{বাউ|এ এইচ এম এনায়েত হোসেন}}
* {{বাউ|এ এইচ এম জেহাদুল করিম}}
* {{বাউ|এ এইচ এম তৌহিদুল আনোয়ার চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ এইচ দিলদার আহমদ}}
* {{বাউ|এ এইচ মোফাজ্জল করিম}}
* {{বাউ|এ এন এম গোলাম মোস্তফা}}
* {{বাউ|এ এফ এম আবদুল আলীম চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ এফ এম নাজমুল হুদা}}
* {{বাউ|এ এফ এম মফিজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এ এম এ এম জোনায়েদ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ কে আজাদ খান}}
* {{বাউ|এ কে এম ইউসুফ}}
* {{বাউ|এ কে এম ইয়াকুব আলী}}
* {{বাউ|এ কে এম কামারুজ্জামান}}
* {{বাউ|এ কে এম জহিরুল হক}}
* {{বাউ|এ কে এম জহিরুল হক (বিচারক)}}
* {{বাউ|এ কে এম জাকির হোসেন}}
* {{বাউ|এ কে এম নুরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এ কে এম নূরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এ কে এম নূরুল হক}}
* {{বাউ|এ কে এম শহীদুল করিম}}
* {{বাউ|এ কে এম শামসুল হক}}
* {{বাউ|এ কে এম সাঈদুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ কে এম সাদেক}}
* {{বাউ|এ কে এম সিদ্দিক}}
* {{বাউ|এ কে এম হাফিজউদ্দিন}}
* {{বাউ|এ কে নাজমুল করিম}}
* {{বাউ|এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|এ কে বদরুল হক}}
* {{বাউ|এ জে এম নূরুদ্দীন চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ জে মিন্টু}}
* {{বাউ|এ জেড এম জাহিদ হোসেন}}
* {{বাউ|এ জেড এম মোস্তাক হোসেন}}
* {{বাউ|এ টি এম আলমগীর}}
* {{বাউ|এ টি এম জহুরুল হক}}
* {{বাউ|এ বি এম আবদুর রহিম}}
* {{বাউ|এ বি এম আব্দুল্লাহ}}
* {{বাউ|এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এ বি এম মূসা}}
* {{বাউ|এ বি এম রাশেদুল হাসান}}
* {{বাউ|এ বি এম শওকত আলী}}
* {{বাউ|এ, জে, মোহাম্মদ আলী}}
* {{বাউ|এ. এইচ. এম. মনিরুজ্জামান}}
* {{বাউ|এ. এইচ. এস. আতাউল করিম}}
* {{বাউ|এ. এইচ. জি. মহিউদ্দিন}}
* {{বাউ|এ. এন. এম মমতাজ উদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ. এন. এম. নূরুজ্জামান}}
* {{বাউ|এ. এন. এম. হামিদুল্লাহ্}}
* {{বাউ|এ. এফ. ইমাম আলি}}
* {{বাউ|এ. এফ. এম. আওরঙ্গজেব}}
* {{বাউ|এ. এফ. এম. আবদুল মঈন}}
* {{বাউ|এ. এফ. এম. আব্দুর রহমান}}
* {{বাউ|এ. এফ. এম. এন্তাজ আলী}}
* {{বাউ|এ. এফ. সালাহ্উদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|এ. এফ. হাসান আরিফ}}
* {{বাউ|এ. এম. আমিনুল হক}}
* {{বাউ|এ. এস. এম. আব্দুল মোবিন}}
* {{বাউ|এ. কিউ. এম. বজলুল করিম}}
* {{বাউ|এ. কিউ. এম. মাহবুব}}
* {{বাউ|এ. কে. এম. আসাদুজ্জামান}}
* {{বাউ|এ. কে. এম. আহসান আলী}}
* {{বাউ|এ. কে. এম. সিরাজুল ইসলাম খান}}
* {{বাউ|এ. কে. নাজিরউদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|এ. টি. এম. আফজাল}}
* {{বাউ|এ. টি. এম. শামসুদ্দিন}}
* {{বাউ|এ. বি. এম. খায়রুল হক}}
* {{বাউ|এ. বি.এম. আলতাফ হোসেন}}
* {{বাউ|এ.এইচ.এম. শামসুর রহমান}}
* {{বাউ|এ.ওয়াই.বি আই সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|এ.কে.এম. রবিউল হাসান}}
* {{বাউ|এ.টি.এম. ফজলে কবির}}
* {{বাউ|এআরএম ইনামুল হক}}
* {{বাউ|এআরএম লুৎফুল কবীর}}
* {{বাউ|এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে}}
* {{বাউ|এইচ এম জহিরুল হক}}
* {{বাউ|এএসএম মতিউর রহমান}}
* {{বাউ|একরামউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী}}
* {{বাউ|একেএম আবদুর রউফ}}
* {{বাউ|একেএম আমিনুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|একেএম আসাদুল হক}}
* {{বাউ|একেএম বজলুল করিম}}
* {{বাউ|একেএম শহীদুল হক}}
* {{বাউ|একেনবাবু}}
* {{বাউ|এখলাসউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|এজাজ ইউসুফী}}
* {{বাউ|এজাজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এঞ্জেলা গোমেজ}}
* {{বাউ|এণাক্ষী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|এনামুর রহমান}}
* {{বাউ|এনামুল করিম নির্ঝর}}
* {{বাউ|এনামুল বাশার}}
* {{বাউ|এনামুল হক (পুলিশ কর্মকর্তা)}}
* {{বাউ|এনামুল হক (প্রত্নতাত্ত্বিক)}}
* {{বাউ|এনামুল হক (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|এনামুল হক মোস্তফা শহীদ}}
* {{বাউ|এনায়েত করিম}}
* {{বাউ|এনায়েত হোসেন খান}}
* {{বাউ|এনায়েতউল্লাহ খান}}
* {{বাউ|এনায়েতুল্লাহ্ খান}}
* {{বাউ|এনিগমা (মার্ভেল কমিক্স)}}
* {{বাউ|এন্ড্রু বিরাজ}}
* {{বাউ|এফ আই মানিক}}
* {{বাউ|এফ এ সুমন}}
* {{বাউ|এফআরএম নাজমুল আহসান}}
* {{বাউ|এবাদুর রহমান}}
* {{বাউ|এবিএম নুরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এব্রাহাম মজুমদার}}
* {{বাউ|এম অহিদুজ্জামান}}
* {{বাউ|এম আনোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|এম আবদুর রহমান}}
* {{বাউ|এম আবদুল কাদির ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|এম আবদুস সোবহান (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|এম আর আখতার মুকুল}}
* {{বাউ|এম আর কবির}}
* {{বাউ|এম আলাউদ্দিন}}
* {{বাউ|এম আল্লামা সিদ্দিকি}}
* {{বাউ|এম ইউসুফ আলী}}
* {{বাউ|এম ইকবাল আর্সলান}}
* {{বাউ|এম ইদ্রিস}}
* {{বাউ|এম ইন্নাস আলী}}
* {{বাউ|এম এ ওয়াজেদ মিয়া}}
* {{বাউ|এম এ ওয়াদুদ}}
* {{বাউ|এম এ খালেক}}
* {{বাউ|এম এ জাহের (ভূতাত্ত্বিক)}}
* {{বাউ|এম এ মাজিদ}}
* {{বাউ|এম এ মান্নান (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|এম এ মান্নান (স্নায়ুবিদ)}}
* {{বাউ|এম এ মালেক (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|এম এ মোবিন}}
* {{বাউ|এম এ সাত্তার মণ্ডল}}
* {{বাউ|এম এ হক (কবি)}}
* {{বাউ|এম এ হাদী}}
* {{বাউ|এম এ হামিদ}}
* {{বাউ|এম এ হাসান}}
* {{বাউ|এম এনায়েতুর রহিম}}
* {{বাউ|এম এম রহমত উল্লাহ}}
* {{বাউ|এম এম রেজাউল করিম}}
* {{বাউ|এম এস স্বামীনাথন}}
* {{বাউ|এম ওসমান গনি তালুকদার}}
* {{বাউ|এম কিউ কে তালুকদার}}
* {{বাউ|এম কোরবান আলী}}
* {{বাউ|এম খায়রুল হোসেন}}
* {{বাউ|এম ফাতেমা খানম}}
* {{বাউ|এম ফিরোজ আহমেদ}}
* {{বাউ|এম বি মানিক}}
* {{বাউ|এম মহবুবউজ্জামান}}
* {{বাউ|এম মোখলেসুর রহমান চৌধুরী}}
* {{বাউ|এম মোজাম্মেল হক}}
* {{বাউ|এম রফিকুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এম শমশের আলী}}
* {{বাউ|এম শহিদুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এম শামসুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এম সাইদুজ্জামান}}
* {{বাউ|এম সাইদুর রহমান খান}}
* {{বাউ|এম সি চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|এম হামিদ}}
* {{বাউ|এম. আজিজুর রহমান}}
* {{বাউ|এম. আমিনুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এম. এ. আজিজ (নির্বাচন কমিশনার)}}
* {{বাউ|এম. এইচ. খন্দকার}}
* {{বাউ|এম. এম. রুহুল আমিন}}
* {{বাউ|এম. খায়রুল আলম খান}}
* {{বাউ|এম. গোলাম শাহি আলম}}
* {{বাউ|এম. জাহিদ হাসান}}
* {{বাউ|এম. নুরুল্লাহ}}
* {{বাউ|এম. মোয়াজ্জম হোসেন}}
* {{বাউ|এম. শামসুর রহমান}}
* {{বাউ|এম. সাখাওয়াত হোসেন}}
* {{বাউ|এম. হুমায়ুন কবির}}
* {{বাউ|এম. হোসেন আলী}}
* {{বাউ|এমদাদুল হক আজাদ}}
* {{বাউ|এমদাদুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|এমরান আহমদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|এমাজউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|এল. কে. সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|এলিটা করিম}}
* {{বাউ|এস আই এম নূরুন্নবী খান}}
* {{বাউ|এস আই টুটুল}}
* {{বাউ|এস এ হক অলিক}}
* {{বাউ|এস এম আব্রাহাম লিংকন}}
* {{বাউ|এস এম আমজাদ হোসেন}}
* {{বাউ|এস এম আহমেদ হুমায়ুন}}
* {{বাউ|এস এম এমদাদুল হক}}
* {{বাউ|এস এম কুদ্দুস জামান}}
* {{বাউ|এস এম মহসীন}}
* {{বাউ|এস এম মাসুদ হোসেন দোলন}}
* {{বাউ|এস এম মাহফুজুর রহমান}}
* {{বাউ|এস এম সোলায়মান}}
* {{বাউ|এস ডি রুবেল}}
* {{বাউ|এস. এ. বারী}}
* {{বাউ|এস. এ. মালেক}}
* {{বাউ|এস. এম. আল হোসাইনী}}
* {{বাউ|এস. এম. এ. রাশীদুল হাসান}}
* {{বাউ|এস. এম. মজিবুর রহমান}}
* {{বাউ|এস. এম. মনিরুজ্জামান}}
* {{বাউ|এস. এম. সিরিল}}
* {{বাউ|এস. এম. হারুন-অর-রশীদ}}
* {{বাউ|এস.এম আবুল কালাম}}
* {{বাউ|এস.এম. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু}}
* {{বাউ|এসকে. তাহসিন আলী}}
* {{বাউ|এহতেশাম}}
* {{বাউ|ওবায়দুল হাসান}}
* {{বাউ|ওবায়দুল্লাহ আল ওবায়দী সোহরাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|ওবায়দুল্লাহ হামযাহ}}
* {{বাউ|ওমর আলী}}
* {{বাউ|ওমর ইশরাক}}
* {{বাউ|ওমর ফারুক ইউসুফ}}
* {{বাউ|ওয়াকিল আহমদ}}
* {{বাউ|ওয়াকিল আহাদ}}
* {{বাউ|ওয়াজেদ আলী সুমন}}
* {{বাউ|ওয়াসফিয়া নাজরীন}}
* {{বাউ|ওয়াসি আহমেদ}}
* {{বাউ|ওয়াহিদ ইবনে রেজা}}
* {{বাউ|ওয়াহিদউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ}}
* {{বাউ|ওয়াহিদা আক্তার}}
* {{বাউ|ওয়াহিদুল হক}}
* {{বাউ|ওসমান গণি}}
* {{বাউ|ওসমান সরওয়ার আলম চৌধুরী}}
* {{বাউ|ওস্তাদ বাবর আলী খান}}
* {{বাউ|ওহিদুর রহমান}}
* {{বাউ|ওহিদুল আলম}}
* {{বাউ|ওহীদুল আলম}}
* {{বাউ|কঙ্কনা সেন শর্মা}}
* {{বাউ|কঙ্কর শুভ্র দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|কছিম উদ্দিন}}
* {{বাউ|কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কনক কান্তি বড়ুয়া}}
* {{বাউ|কনকচাঁপা}}
* {{বাউ|কফিল আহমেদ}}
* {{বাউ|কফিলউদ্দিন মাহমুদ}}
* {{বাউ|কবরী}}
* {{বাউ|কবিচন্দ্র রামকৃষ্ণ রায়}}
* {{বাউ|কবিতা খানম}}
* {{বাউ|কবিতা সিংহ}}
* {{বাউ|কবির বকুল}}
* {{বাউ|কবির হোসেন}}
* {{বাউ|কবীন্দ্র পরমেশ্বর}}
* {{বাউ|কবীর সুমন}}
* {{বাউ|কমল দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|কমলকুমার মজুমদার}}
* {{বাউ|কমলা সাংকৃত্যায়ন}}
* {{বাউ|কমলাদেবী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|করিমুন্নেসা খানম চৌধুরানী}}
* {{বাউ|করুণা সাহা}}
* {{বাউ|করুণাময় গোস্বামী}}
* {{বাউ|কর্নেল নীলাদ্রি সরকার}}
* {{বাউ|কলাবতী (কাল্পনিক চরিত্র)}}
* {{বাউ|কলিম শরাফী}}
* {{বাউ|কল্কেকাশি}}
* {{বাউ|কল্পতরু সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|কল্পনা আখতার}}
* {{বাউ|কল্পনা চাকমা}}
* {{বাউ|কল্যাণ মিত্র}}
* {{বাউ|কল্যাণ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কল্যাণী ঘোষ}}
* {{বাউ|কসিমউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|কসিরউদ্দিন তালুকদার}}
* {{বাউ|কাইজার চৌধুরী}}
* {{বাউ|কাইয়ুম চৌধুরী}}
* {{বাউ|কাওসার আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|কাওসার চৌধুরী}}
* {{বাউ|কাকাবাবু}}
* {{বাউ|কাজল আরেফিন অমি}}
* {{বাউ|কাজল বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কাজি হাসমত আলী}}
* {{বাউ|কাজী আকরম হোসেন}}
* {{বাউ|কাজী আজহার আলী}}
* {{বাউ|কাজী আজিজুল মাওলা}}
* {{বাউ|কাজী আনোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|কাজী আনোয়ার হোসেন (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|কাজী আনোয়ারা মনসুর}}
* {{বাউ|কাজী আফসারউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|কাজী আবদুল আলীম}}
* {{বাউ|কাজী আবদুল ফাত্তাহ}}
* {{বাউ|কাজী আবুল কাসেম (কার্টুনিস্ট)}}
* {{বাউ|কাজী আবুল মনসুর}}
* {{বাউ|কাজী ইবাদত হোসেন}}
* {{বাউ|কাজী ইমদাদুল হক}}
* {{বাউ|কাজী এবাদুল হক}}
* {{বাউ|কাজী এম বদরুদ্দোজা}}
* {{বাউ|কাজী ওয়ালিউল ইসলাম}}
* {{বাউ|কাজী কাদের নেওয়াজ}}
* {{বাউ|কাজী কামরুজ্জামান}}
* {{বাউ|কাজী কৃষ্ণকলি ইসলাম}}
* {{বাউ|কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ}}
* {{বাউ|কাজী গোলাম দস্তগীর}}
* {{বাউ|কাজী গোলাম মাহবুব}}
* {{বাউ|কাজী গোলাম মুস্তাফা}}
* {{বাউ|কাজী গোলাম রসূল}}
* {{বাউ|কাজী জহির}}
* {{বাউ|কাজী জহিরুল হক}}
* {{বাউ|কাজী জিনাত হক}}
* {{বাউ|কাজী তরিকুল ইসলাম}}
* {{বাউ|কাজী দীন মুহাম্মদ (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|কাজী মাসুম আখতার}}
* {{বাউ|কাজী মুতাসিম বিল্লাহ}}
* {{বাউ|কাজী মুহম্মদ মনজুরে মওলা}}
* {{বাউ|কাজী মোঃ ইজারুল হক আকন্দ}}
* {{বাউ|কাজী মোরশেদ}}
* {{বাউ|কাজী রওশন আক্তার}}
* {{বাউ|কাজী রেজা-উল হক}}
* {{বাউ|কাজী রোজী}}
* {{বাউ|কাজী শহীদুন নবী}}
* {{বাউ|কাজী শুভ}}
* {{বাউ|কাজী সব্যসাচী}}
* {{বাউ|কাজী সাইফুদ্দীন}}
* {{বাউ|কাজী সাজ্জাদ হোসেন}}
* {{বাউ|কাজী হায়াৎ}}
* {{বাউ|কাজী হাসান হাবিব}}
* {{বাউ|কাজেম আলী}}
* {{বাউ|কাত্যায়নী দাস ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|কাদম্বরী দেবী}}
* {{বাউ|কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কাদেরী কিবরিয়া}}
* {{বাউ|কানকাটা রমজান}}
* {{বাউ|কানাই লাল দে}}
* {{বাউ|কানাইলাল শীল}}* {{বাউ|কানাহরি দত্ত}}
* {{বাউ|কানু রায়}}
* {{বাউ|কাবেরী গায়েন}}
* {{বাউ|কামরুদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|কামরুন নাহার}}
* {{বাউ|কামরুন নাহার (সরকারি কর্মকর্তা)}}
* {{বাউ|কামরুন নাহার বেগম}}
* {{বাউ|কামরুন নেছা নীলু}}
* {{বাউ|কামরুল আলম খান}}
* {{বাউ|কামরুল আহসান}}
* {{বাউ|কামরুল আহসান (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|কামরুল ইসলাম (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|কামরুল ইসলাম সিদ্দিক}}
* {{বাউ|কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|কামরুল হাসান}}
* {{বাউ|কামরুল হাসান খান}}
* {{বাউ|কামরুল হাসান ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|কামাক্ষীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কামার আহমাদ সাইমন}}
* {{বাউ|কামাল আহমেদ}}
* {{বাউ|কামাল উদ্দিন}}
* {{বাউ|কামাল উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|কামাল লোহানী}}
* {{বাউ|কামাল হোসেন}}
* {{বাউ|কামালউদ্দিন হোসেন}}
* {{বাউ|কামালুদ্দীন জাফরী}}
* {{বাউ|কামিনী কুমার দত্ত}}
* {{বাউ|কামিনীকুমার ঘোষ}}
* {{বাউ|কায়সার হামিদুল হক}}
* {{বাউ|কায়সুল হক}}
* {{বাউ|কায়েস উদ্দিন}}
* {{বাউ|কার্তিকচন্দ্র দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|কালিকারঞ্জন কানুনগো}}
* {{বাউ|কালিচন্দ্র রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|কালিদাস কর্মকার}}
* {{বাউ|কালিদাস নাগ}}
* {{বাউ|কালিদাস ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|কালীকান্ত চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কালীকৃষ্ণ মিত্র}}
* {{বাউ|কালীনাথ দত্ত}}
* {{বাউ|কালীনাথ রায়}}
* {{বাউ|কালীপদ পাঠক}}
* {{বাউ|কালীপদ বসু}}
* {{বাউ|কালীপদ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|কালীপদ সেন}}
* {{বাউ|কালীপ্রসন্ন কাব্যবিশারদ}}
* {{বাউ|কালীপ্রসন্ন সিংহ}}
* {{বাউ|কালীমোহন ঘোষ}}
* {{বাউ|কাশীরাম দাস}}
* {{বাউ|কাশেফা হোসেন}}
* {{বাউ|কাসেম বিন আবুবাকার}}
* {{বাউ|কিউ এ বি এম রহমান}}
* {{বাউ|কিউ.এ.এম.এ রহিম}}
* {{বাউ|কিকিরা}}
* {{বাউ|কিরণ সেন}}
* {{বাউ|কিরণচন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কিরণশঙ্কর সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|কিরীটী রায়}}
* {{বাউ|কিশোর কুমার}}
* {{বাউ|কিশোরীচাঁদ মিত্র}}
* {{বাউ|কিশোরীমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কুঞ্জলাল নাগ}}
* {{বাউ|কুটি মনসুর}}
* {{বাউ|কুণাল বসু}}
* {{বাউ|কুদরত-ই-জাহান}}
* {{বাউ|কুদ্দুস বয়াতি}}
* {{বাউ|কুমকুম মুন্সী}}
* {{বাউ|কুমার বিশ্বজিৎ}}
* {{বাউ|কুমার রায়}}
* {{বাউ|কুমারপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কুমারেশ ঘোষ}}
* {{বাউ|কুমুদনাথ চৌধুরী}}
* {{বাউ|কুমুদশঙ্কর রায়}}
* {{বাউ|কুমুদিনী হাজং}}
* {{বাউ|কৃষ্ণ কুণ্ডু}}
* {{বাউ|কৃষ্ণ ধর}}
* {{বাউ|কৃষ্ণকমল ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|কৃষ্ণকালী মণ্ডল}}
* {{বাউ|কৃষ্ণকুমার মিত্র}}
* {{বাউ|কৃষ্ণচন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|কৃষ্ণদয়াল বসু}}
* {{বাউ|কৃষ্ণদাস কবিরাজ}}
* {{বাউ|কৃষ্ণদাস পাল}}
* {{বাউ|কৃষ্ণধন ঘোষ}}
* {{বাউ|কৃষ্ণনাথ রায়}}
* {{বাউ|কৃষ্ণভাবিনী দাস}}
* {{বাউ|কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কৃষ্ণরাম দাস}}
* {{বাউ|কৃষ্ণরাম ভট্টাচাৰ্য}}
* {{বাউ|কৃষ্ণা}}
* {{বাউ|কৃষ্ণা দেবনাথ}}
* {{বাউ|কৃষ্ণা বসু}}
* {{বাউ|কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশ}}
* {{বাউ|কে এম আলী আজম}}
* {{বাউ|কে এম আসাদ}}
* {{বাউ|কে এম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|কে এম মোহসীন}}
* {{বাউ|কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা}}
* {{বাউ|কে এম সোবহান}}
* {{বাউ|কে জি মুস্তফা}}
* {{বাউ|কে. এম. ইমরুল কায়েশ}}
* {{বাউ|কে. এম. কামরুল কাদের}}
* {{বাউ|কে. এম. জাহিদ সারওয়ার}}
* {{বাউ|কে. এম. শিহাব উদ্দিন}}
* {{বাউ|কে. এম. হাফিজুল আলম}}
* {{বাউ|কে. এম. হাসান}}
* {{বাউ|কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ}}
* {{বাউ|কেতকী কুশারী ডাইসন}}
* {{বাউ|কেতায়ুন আরদেশির দিনশ}}
* {{বাউ|কেদার ও বদ্রী}}
* {{বাউ|কেদারনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কেদারনাথ দাস}}
* {{বাউ|কেদারনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কেদারনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|কেদারেশ্বর বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কেরামত মওলা}}
* {{বাউ|কেশব চন্দ্র নাগ}}
* {{বাউ|কৈলাসচন্দ্র বসু}}
* {{বাউ|কৈলাসচন্দ্র বিদ্যাভূষণ}}
* {{বাউ|কোনাল}}
* {{বাউ|কোরেশী মাগন ঠাকুর}}
* {{বাউ|কৌশিক বসু}}
* {{বাউ|ক্যাথরিন মাসুদ}}
* {{বাউ|ক্রসউইন্ডস}}
* {{বাউ|ক্রিপটিক ফেইট}}
* {{বাউ|ক্লডিয়াস জেমস এরস্কাইন}}
* {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্র চন্দ্র বৈশ্য}}
* {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্রনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্রনারায়ণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্রমোহন নাহা}}
* {{বাউ|ক্ষিরোদচন্দ্র চৌধুরী}}
* {{বাউ|ক্ষীরোদপ্রসাদ বিদ্যাবিনোদ}}
* {{বাউ|ক্ষুদিরাম দাস}}
* {{বাউ|ক্ষেত্র গুপ্ত}}
* {{বাউ|ক্ষেত্রেশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|খগেন্দ্র চন্দ্র দাশ}}
* {{বাউ|খগেন্দ্রনাথ মিত্র}}
* {{বাউ|খন্দকার আবদুল হাফিজ}}
* {{বাউ|খন্দকার আবদুল হামিদ}}
* {{বাউ|খন্দকার আবু বকর (অ্যাটর্নি জেনারেল)}}
* {{বাউ|খন্দকার নুরুল আলম}}
* {{বাউ|খন্দকার মাহবুব উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|খন্দকার মাহবুব হোসেন}}
* {{বাউ|খন্দকার মুসা খালেদ}}
* {{বাউ|খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমান}}
* {{বাউ|খন্দকার মোহাম্মদ আশরাফুল মুনিম}}
* {{বাউ|খন্দকার শামস্ উদ্দিন আহাম্মাদ}}
* {{বাউ|খন্দকার সিদ্দিক-ই-রাব্বানী}}
* {{বাউ|খন্দকার সুমন}}
* {{বাউ|খলিল উল্লাহ খান}}
* {{বাউ|খলিলুর রহমান (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|খলিলুর রহমান (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|খলিলুর রহমান বাবর}}
* {{বাউ|খাঁন মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ্ আল মেহেদী}}
* {{বাউ|খাজা ওয়াসিউদ্দিন}}
* {{বাউ|খাজা মোহাম্মদ কায়সার}}
* {{বাউ|খাতুন সাপনারা}}
* {{বাউ|খাদেম হোসেন খান}}
* {{বাউ|খাদেমুল ইসলাম চৌধুরী}}
* {{বাউ|খান আসিফুর রহমান আগুন}}
* {{বাউ|খান বাহাদুর আবদুল করিম}}
* {{বাউ|খান বাহাদুর জিয়াউল হক}}
* {{বাউ|খান বাহাদুর হেমায়েত উদ্দিন আহম্মদ}}
* {{বাউ|খান মুহাম্মদ মঈনুদ্দীন}}
* {{বাউ|খান মোহাম্মদ ফারাবী}}
* {{বাউ|খান মোহাম্মদ সালেক}}
* {{বাউ|খান শামসুর রহমান}}
* {{বাউ|খান সারওয়ার মুরশিদ}}
* {{বাউ|খান-এ-সবুর}}
* {{বাউ|খায়রুজ্জামান}}
* {{বাউ|খায়রুল আনাম শাকিল}}
* {{বাউ|খায়রুল আলম সবুজ}}
* {{বাউ|খালিকুজ্জামান ইলিয়াস}}
* {{বাউ|খালিদ মাহমুদ মিঠু}}
* {{বাউ|খালিদ হাসান মিলু}}
* {{বাউ|খালিদ হোসেন}}
* {{বাউ|খালেক নওয়াজ খান}}
* {{বাউ|খালেক বিন জয়েন উদ্দীন}}
* {{বাউ|খালেকদাদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|খালেদ খান}}
* {{বাউ|খালেদা আদিব চৌধুরী}}
* {{বাউ|খালেদা একরাম}}
* {{বাউ|খালেদা মনযূর-এ-খুদা}}
* {{বাউ|খিজির আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|খিজির হায়াত}}
* {{বাউ|খিজির হায়াত খান}}
* {{বাউ|খুজিস্তা আখতার বানু}}
* {{বাউ|খুররম খান পন্নী}}
* {{বাউ|খুরশিদ আলম}}
* {{বাউ|খুরশিদ খান}}
* {{বাউ|খুশি কবীর}}
* {{বাউ|খোদা বক্স}}
* {{বাউ|খোদেজা আজম}}
* {{বাউ|খোদেজা খাতুন}}
* {{বাউ|খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ}}
* {{বাউ|খোন্দকার দিলীরুজ্জামান}}
* {{বাউ|খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|খোন্দকার নাসিরউদ্দিন}}
* {{বাউ|খোন্দকার মনোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|খোশনূর আলমগীর}}
* {{বাউ|খ্যান্ত বালা রায়}}
* {{বাউ|গওহর জামিল}}
* {{বাউ|গগনচন্দ্র বিশ্বাস}}
* {{বাউ|গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|গঙ্গাধর সেন রায়}}
* {{বাউ|গঙ্গাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|গজেন্দ্রকুমার মিত্র}}
* {{বাউ|গণেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|গণেশ পাইন}}
* {{বাউ|গণেশ হালুই}}
* {{বাউ|গন্ডালু}}
* {{বাউ|গমির উদ্দিন প্রধান}}
* {{বাউ|গাজী আতাউর রহমান}}
* {{বাউ|গাজী আবদুল হাকিম}}
* {{বাউ|গাজী আব্দুল হক}}
* {{বাউ|গাজী এমএইচ তামিম}}
* {{বাউ|গাজী নাফিস আহমেদ}}
* {{বাউ|গাজী মাজহারুল আনোয়ার}}
* {{বাউ|গাজী রাকায়েত}}
* {{বাউ|গাজী শামছুর রহমান}}
* {{বাউ|গাজীউল হক}}
* {{বাউ|গাজীউল হাসান খান}}
* {{বাউ|গান্ধী আশ্রম}}
* {{বাউ|গান্ধী আশ্রম ট্রাস্ট}}
* {{বাউ|গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক}}
* {{বাউ|গার্গী গুপ্ত}}
* {{বাউ|গিয়াস উদ্দিন সেলিম}}
* {{বাউ|গিয়াস কামাল চৌধুরী}}
* {{বাউ|গিয়াসউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|গিয়াসউদ্দীন মিয়া}}
* {{বাউ|গিয়াসুদ্দিন দালাল}}
* {{বাউ|গিরিজাপতি ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|গিরিবালা দেবী}}
* {{বাউ|গিরিশ চন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|গিরিশচন্দ্র ঘোষ (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|গিরিশচন্দ্র বিদ্যারত্ন}}
* {{বাউ|গিরীন্দ্রশেখর বসু}}
* {{বাউ|গিরীশ চন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|গীতা মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|গুণময় মান্না}}
* {{বাউ|গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|গুরুনাথ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|গুরুপ্রসাদ সেন}}
* {{বাউ|গুরুসদয় দত্ত}}
* {{বাউ|গুল মোহাম্মদ খাঁ}}
* {{বাউ|গোকুলচন্দ্র নাগ}}
* {{বাউ|গোগোল}}
* {{বাউ|গোপাল ঘোষ}}
* {{বাউ|গোপাল চন্দ্র লাহিড়ী}}
* {{বাউ|গোপাল হালদার}}
* {{বাউ|গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|গোপালচন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|গোপালদাস চৌধুরী}}
* {{বাউ|গোপালদাস মজুমদার}}
* {{বাউ|গোপালের মা}}
* {{বাউ|গোপেন্দ্রকৃষ্ণ বসু}}
* {{বাউ|গোবর্ধন আচার্য}}
* {{বাউ|গোবর্ধন আশ}}
* {{বাউ|গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর}}
* {{বাউ|গোবিন্দচন্দ্র দাস}}
* {{বাউ|গোবিন্দচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|গোবিন্দদাস}}
* {{বাউ|গোয়েন্দা কৌশিক}}
* {{বাউ|গোয়েন্দা গার্গী}}
* {{বাউ|গোয়েন্দা বরদাচরণ}}
* {{বাউ|গোলাপ মা}}
* {{বাউ|গোলাম আবু জাকারিয়া}}
* {{বাউ|গোলাম আরিফ টিপু}}
* {{বাউ|গোলাম আলী চৌধুরী}}
* {{বাউ|গোলাম কবীর}}
* {{বাউ|গোলাম কাসেম}}
* {{বাউ|গোলাম কিবরিয়া ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|গোলাম কুদ্দুস}}
* {{বাউ|গোলাম জিলানী চৌধুরী}}
* {{বাউ|গোলাম মওলা}}
* {{বাউ|গোলাম মর্তুজা মজুমদার}}
* {{বাউ|গোলাম মাওলা (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|গোলাম মুরশিদ}}
* {{বাউ|গোলাম মুসাব্বির রাকিব}}
* {{বাউ|গোলাম মুস্তাফা (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|গোলাম মুস্তাফা (আলোকচিত্র শিল্পী)}}
* {{বাউ|গোলাম মোস্তফা}}
* {{বাউ|গোলাম মোস্তফা (শহীদ বুদ্ধিজীবী)}}
* {{বাউ|গোলাম মোস্তফা খান (নৃত্যশিল্পী)}}
* {{বাউ|গোলাম রহমান (শিশুসাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|গোলাম রাব্বানী বিপ্লব}}
* {{বাউ|গোলাম সাকলায়েন}}
* {{বাউ|গোলাম সামদানী কোরায়শী}}
* {{বাউ|গোলাম সামদানী ফকির}}
* {{বাউ|গোলাম সারওয়ার}}
* {{বাউ|গোলাম সারওয়ার (কূটনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|গোলাম হাসনায়েন}}
* {{বাউ|গৌতম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|গৌতম চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|গৌতম বসু}}
* {{বাউ|গৌতম বুদ্ধ দাশ}}
* {{বাউ|গৌতম ভদ্র}}
* {{বাউ|গৌর গোপাল সাহা}}
* {{বাউ|গৌরগোবিন্দ রায়}}
* {{বাউ|গৌরচন্দ্র বালা}}
* {{বাউ|গৌরদাস বসাক}}
* {{বাউ|গৌরমোহন আঢ্য}}
* {{বাউ|গৌরী আইয়ুব}}
* {{বাউ|গৌরী ধর্মপাল}}
* {{বাউ|গৌরী ভঞ্জ}}
* {{বাউ|গৌরী মা}}
* {{বাউ|গৌরী সেন}}
* {{বাউ|গৌরীশঙ্কর ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার}}
* {{বাউ|ঘনরাম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ঘনাদা}}
* {{বাউ|চক্রপাণি দত্ত}}
* {{বাউ|চঞ্চল কর্মকার}}
* {{বাউ|চঞ্চল কুমার মজুমদার}}
* {{বাউ|চণ্ডী লাহিড়ী}}
* {{বাউ|চণ্ডীচরণ মুনশী}}
* {{বাউ|চণ্ডীচরণ সেন}}
* {{বাউ|চণ্ডীদাস মাল}}
* {{বাউ|চন্দক সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|চন্দন কুমার ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|চন্দন বিশ্বাস}}
* {{বাউ|চন্দ্র কালিন্দী রায় হেনরিকসন}}
* {{বাউ|চন্দ্র শেখর দে}}
* {{বাউ|চন্দ্রকুমার দে}}
* {{বাউ|চন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|চন্দ্রমুখী বসু}}
* {{বাউ|চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন}}
* {{বাউ|চন্দ্রশেখর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|চন্দ্রিল ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|চপলাকান্ত ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|চয়নিকা চৌধুরী}}
* {{বাউ|চামেলী বসু}}
* {{বাউ|চারুচন্দ্র চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|চারুচন্দ্র বিশ্বাস}}
* {{বাউ|চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|চারুচন্দ্র সান্যাল}}
* {{বাউ|চারুলতা মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|চারুশিতা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|চাষী আলম}}
* {{বাউ|চাষী নজরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|চিণ্ময় শংকর দে}}
* {{বাউ|চিত্তরঞ্জন দেব}}
* {{বাউ|চিত্তরঞ্জন মাইতি}}
* {{বাউ|চিত্তরঞ্জন সাহা}}
* {{বাউ|চিত্রনিভা চৌধুরী}}
* {{বাউ|চিত্রা দত্ত}}
* {{বাউ|চিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায় দিবাকরূণী}}
* {{বাউ|চিত্রা মণ্ডল}}
* {{বাউ|চিদানন্দ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|চিন্তামণি কর}}
* {{বাউ|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
* {{বাউ|চিন্ময় গুহ}}
* {{বাউ|চিরকুট}}
* {{বাউ|চুণীলাল বসু}}
* {{বাউ|চুনি কোটাল}}
* {{বাউ|চৌধুরী আবদুল হাই}}
* {{বাউ|চৌধুরী এ.টি.এম মাসুদ}}
* {{বাউ|চৌধুরী গোলাম আকবর}}
* {{বাউ|চৌধুরী মাহমুদ হাসান}}
* {{বাউ|চৌধুরী মোফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|ছটকু আহমেদ}}
* {{বাউ|ছদরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ছন্দা গায়েন}}
* {{বাউ|ছবি বিশ্বাস}}
* {{বাউ|ছরওয়ার জান মিয়া}}
* {{বাউ|ছিদ্দিক আহমদ}}
* {{বাউ|জকি আহাদ}}
* {{বাউ|জগদীশ গুপ্ত}}
* {{বাউ|জগদীশ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|জগন্নাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জগন্নাথ তর্কপঞ্চানন}}
* {{বাউ|জগন্নাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|জগন্মোহিনী দেবী}}
* {{বাউ|জগুমামা}}
* {{বাউ|জন এলিয়ট ড্রিঙ্কওয়াটার বিটন}}
* {{বাউ|জন গোমেজ}}
* {{বাউ|জন প্যাক্সটন নরম্যান}}
* {{বাউ|জনাব আলী উকিল}}
* {{বাউ|জমির উদ্দিন সরকার}}
* {{বাউ|জয় ভট্টাচার্য (চিকিৎসক-বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|জয় সরকার}}
* {{বাউ|জয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জয়গোপাল তর্কালঙ্কার}}
* {{বাউ|জয়তী বসু}}
* {{বাউ|জয়দীপ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|জয়দেব}}
* {{বাউ|জয়দেব মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জয়নুল আবেদীন জায়েদী}}
* {{বাউ|জয়ন্ত (গোয়েন্দা)}}
* {{বাউ|জয়ন্ত দে}}
* {{বাউ|জয়ন্ত বন্দ্যোপাধ্যায় (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|জয়ন্তানুজ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জয়শ্রী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জয়শ্রী বর্মণ}}
* {{বাউ|জয়া পতি}}
* {{বাউ|জর্জ র্যাঙ্কিন (বিচারক)}}
* {{বাউ|জর্জ হ্যারি ল্যাংলি}}
* {{বাউ|জলধর সেন}}
* {{বাউ|জলের গান}}
* {{বাউ|জসিম উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|জসিম সালাম}}
* {{বাউ|জসিমুদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|জসীম উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|জহিরুদ্দিন (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|জহিরুল আলম সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|জহুর হোসেন চৌধুরী}}
* {{বাউ|জহুরুল করিম}}
* {{বাউ|জহুরুল হক (অনুবাদক)}}
* {{বাউ|জাইমা রহমান}}
* {{বাউ|জাওয়াদুল হক}}
* {{বাউ|জাওয়েদ করিম}}
* {{বাউ|জাকিয়া সুলতানা}}
* {{বাউ|জাকির খান}}
* {{বাউ|জাকির তালুকদার}}
* {{বাউ|জাকির হোসেন রাজু}}
* {{বাউ|জানকীনাথ বসু}}
* {{বাউ|জান্নাতুল ফেরদৌস (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|জান্নাতুল ফেরদৌস (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|জান্নাতুল ফেরদৌস আইভি}}
* {{বাউ|জাফর আলম (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|জাফর আহমেদ}}
* {{বাউ|জাফর ইকবাল (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|জাফর ওয়াজেদ}}
* {{বাউ|জাফর মুহাম্মদ লুৎফর}}
* {{বাউ|জামালউদ্দিন হোসেন}}
* {{বাউ|জামালউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|জামিল চৌধুরী}}
* {{বাউ|জামিলুর রেজা চৌধুরী}}
* {{বাউ|জায়েদ বখত}}
* {{বাউ|জারিন তাসনিম নাওমি}}
* {{বাউ|জালাল উদ্দিন খাঁ}}
* {{বাউ|জালালুদ্দিন আবদুর রহিম}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর আলম (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর আলম (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর আলম খান}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর কবির (কর্মকর্তা)}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর কবির নানক}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর হোসেন (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|জাহানারা আরজু}}
* {{বাউ|জাহানারা আহমেদ}}
* {{বাউ|জাহানারা ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|জাহিদ আকবর}}
* {{বাউ|জাহিদ সোহ্রাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|জাহিদ হোসেন}}
* {{বাউ|জাহিদুর রহিম অঞ্জন}}
* {{বাউ|জাহিদুল হক}}
* {{বাউ|জাহেদুর রহিম}}
* {{বাউ|জাহ্নবা দেবী}}
* {{বাউ|জাহ্নবী চৌধুরানী}}
* {{বাউ|জি এ মান্নান}}
* {{বাউ|জি এম বি আকাশ}}
* {{বাউ|জি কে এম মোস্তাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|জিংগা শিল্পগোষ্ঠী}}
* {{বাউ|জিকরুল হক}}
* {{বাউ|জিতেন ঘোষ}}
* {{বাউ|জিতেন্দ্রনাথ কুশারী}}
* {{বাউ|জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জিতেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|জিতেন্দ্রমোহন সেন}}
* {{বাউ|জিনবোধি ভিক্ষু}}
* {{বাউ|জিনাত আরা}}
* {{বাউ|জিনাত বরকতুল্লাহ}}
* {{বাউ|জিনাতুন নেসা তাহমিদা বেগম}}
* {{বাউ|জিয়াউর রহমান খান}}
* {{বাউ|জিয়াউর রহমান জিয়া}}
* {{বাউ|জিয়াউল হক (সমাজসেবক)}}
* {{বাউ|জিয়াউল হক পলাশ}}
* {{বাউ|জিয়াউল হক মৃধা}}
* {{বাউ|জিল্লুর রহমান}}
* {{বাউ|জিল্লুর রহমান (চলচ্চিত্র পরিচালক)}}
* {{বাউ|জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|জিৎ গাঙ্গুলী}}
* {{বাউ|জীব গোস্বামী}}
* {{বাউ|জীবন রতন ধর}}
* {{বাউ|জীবন রহমান}}
* {{বাউ|জীবনানন্দ দাশ}}
* {{বাউ|জুনাব আলী}}
* {{বাউ|জুনায়েদ আহমেদ}}
* {{বাউ|জুবায়ের রহমান চৌধুরী}}
* {{বাউ|জুবায়ের সালেহীন}}
* {{বাউ|জুবেদ আলী}}
* {{বাউ|জুয়েনা আজিজ}}
* {{বাউ|জুলফিকার মতিন}}
* {{বাউ|জুলফিকার রাসেল}}
* {{বাউ|জুলফিকুর রহমান}}
* {{বাউ|জুলহাস উদ্দিন}}
* {{বাউ|জুলহাস উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|জুলেখা হক}}
* {{বাউ|জে. বি. এম. হাসান}}
* {{বাউ|জেএন দেব চৌধুরী}}
* {{বাউ|জেড আই খান পান্না}}
* {{বাউ|জেড এইচ মিন্টু}}
* {{বাউ|জেড এম পারভেজ সাজ্জাদ}}
* {{বাউ|জেব-উন-নেসা জামাল}}
* {{বাউ|জেবা ইসলাম সিরাজ}}
* {{বাউ|জেবুন্নেসা রহমান}}
* {{বাউ|জেমস (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|জেমস উইলিয়াম কলভিল}}
* {{বাউ|জেলিনা-বার্লো রহমান}}
* {{বাউ|জেহাদ খান}}
* {{বাউ|জোছন দস্তিদার}}
* {{বাউ|জোবাইদা রহমান}}
* {{বাউ|জোবেদা খানম}}
* {{বাউ|জোহরা বেগম কাজী}}
* {{বাউ|জ্ঞানচন্দ্র ঘোষ}}
* {{বাউ|জ্ঞানদাস}}
* {{বাউ|জ্ঞানশ্রী মহাথের}}
* {{বাউ|জ্ঞানেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জ্ঞানেন্দ্রনাথ রায়}}
* {{বাউ|জ্ঞানেন্দ্রমোহন দাস}}
* {{বাউ|জ্যোতিঃপাল মহাথের}}
* {{বাউ|জ্যোতিভূষণ চাকী}}
* {{বাউ|জ্যোতিভূষণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী}}
* {{বাউ|জ্যোতিরিন্দ্রনাথ মৈত্র}}
* {{বাউ|জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা}}
* {{বাউ|জ্যোতির্ময় দত্ত}}
* {{বাউ|জ্যোতির্ময়ী গাঙ্গুলী}}
* {{বাউ|জ্যোতির্ময়ী দেবী}}
* {{বাউ|জ্যোতিষচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|জ্যোৎস্না বিশ্বাস}}
* {{বাউ|জ্যোৎস্নাকান্ত বসু}}
* {{বাউ|ঝড়েশ্বর চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ঝর্ণা দাশ পুরকায়স্থ}}
* {{বাউ|ঝর্ণা ধারা চৌধুরী}}
* {{বাউ|ঝর্না রহমান}}
* {{বাউ|ঝুম্পা লাহিড়ী}}
* {{বাউ|টমাস হোবার্ট এলিস}}
* {{বাউ|টি আলী}}
* {{বাউ|টি এইচ খান}}
* {{বাউ|টি. এস. শিবজ্ঞানম}}
* {{বাউ|টিনা সানি}}
* {{বাউ|টিপু আজিজ}}
* {{বাউ|টেনিদা}}
* {{বাউ|ডালিয়া নওশিন}}
* {{বাউ|ডালেম চন্দ্র বর্মণ}}
* {{বাউ|ডিজে রাহাত}}
* {{বাউ|ডিফারেন্ট টাচ}}
* {{বাউ|ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|তনিষ্ক বাগচী}}
* {{বাউ|তন্ময় বোস}}
* {{বাউ|তপংকর চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|তপতী গুহ-ঠাকুরতা}}
* {{বাউ|তপন চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|তপন বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|তপন বাগচী}}
* {{বাউ|তপন রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|তপনকুমার লাহিড়ী}}
* {{বাউ|তপু}}
* {{বাউ|তপোবিজয় ঘোষ}}
* {{বাউ|তবারক হুসাইন}}
* {{বাউ|তমাল লতা আদিত্য}}
* {{বাউ|তমিজ উদ্দিন রিজভী}}
* {{বাউ|তরু দত্ত}}
* {{বাউ|তরুণ রায় (ধনঞ্জয় বৈরাগী)}}
* {{বাউ|তসলিমুদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|তাকসিম আহমেদ খান}}
* {{বাউ|তাজিন আহমেদ}}
* {{বাউ|তাজুল মোহম্মদ}}
* {{বাউ|তাতার (চরিত্র)}}
* {{বাউ|তানজিমা হাশেম}}
* {{বাউ|তানজির তুহিন}}
* {{বাউ|তানভীর ইভান}}
* {{বাউ|তানভীর তারেক}}
* {{বাউ|তানভীর হাসান}}
* {{বাউ|তানিম নূর}}
* {{বাউ|তানিম রহমান অংশু}}
* {{বাউ|তানিয়া আমির}}
* {{বাউ|তানিয়া আহমেদ}}
* {{বাউ|তাপস কুমার মাঝি}}
* {{বাউ|তাপস দাস}}
* {{বাউ|তাপস মজুমদার}}
* {{বাউ|তাপস সেন}}
* {{বাউ|তাফাজ্জাল ইসলাম}}
* {{বাউ|তারকনাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|তারকমোহন দাস}}
* {{বাউ|তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|তারানাথ তর্কবাচস্পতি}}
* {{বাউ|তারানাথ তান্ত্রিক}}
* {{বাউ|তারাপদ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|তারাপদ ভৌমিক}}
* {{বাউ|তারাপদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|তারাপদ লাহিড়ী}}
* {{বাউ|তারাপদ সাঁতরা}}
* {{বাউ|তারামন বিবি}}
* {{বাউ|তারিক আহমদ করিম}}
* {{বাউ|তারিক আহসান}}
* {{বাউ|তারিক উল হাকিম}}
* {{বাউ|তারিক ফাতেমি}}
* {{বাউ|তারিক সুজাত}}
* {{বাউ|তারিণীখুড়ো}}
* {{বাউ|তারেক মো. আরিফুল ইসলাম}}
* {{বাউ|তালিম হোসেন}}
* {{বাউ|তালুকদার মনিরুজ্জামান}}
* {{বাউ|তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস}}
* {{বাউ|তাসলিমা আখতার}}
* {{বাউ|তাহমিমা আনাম}}
* {{বাউ|তাহরুন নেসা আবদুল্লাহ}}
* {{বাউ|তাহসান রহমান খান}}
* {{বাউ|তাহেরন নেসা}}
* {{বাউ|তাহেরা কবির}}
* {{বাউ|তিব্বতিবাবা}}
* {{বাউ|তিলোত্তমা মজুমদার}}
* {{বাউ|তিশমা}}
* {{বাউ|তিস্তা বাগচী}}
* {{বাউ|তুলিকা বসু}}
* {{বাউ|তুষার কান্তি চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|তুষারকান্তি ঘোষ}}
* {{বাউ|তুহিন দাস (লেখক)}}
* {{বাউ|তুহিনকান্তি ঘোষ}}
* {{বাউ|তেজস হালদার যশ}}
* {{বাউ|তৈয়বা বেগম লিপি}}
* {{বাউ|তৈয়বা মজুমদার}}
* {{বাউ|তোজাম্মেল টনি হক}}
* {{বাউ|তোজাম্মেল হক বকুল}}
* {{বাউ|তোফাজ্জল হোসেন}}
* {{বাউ|তোফায়েল আহমদ}}
* {{বাউ|তোফায়েল করিম হায়দার}}
* {{বাউ|তোয়াব খান}}
* {{বাউ|তৌকীর আহমেদ}}
* {{বাউ|তৌফিক ইসলাম শাতিল}}
* {{বাউ|তৌফিক নওয়াজ}}
* {{বাউ|তৌসিফ}}
* {{বাউ|ত্রিদিব মিত্র}}
* {{বাউ|ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার}}
* {{বাউ|দবির উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|দময়ন্তী (গোয়েন্দা)}}
* {{বাউ|দলছুট}}
* {{বাউ|দস্যু বনহুর}}
* {{বাউ|দস্যু মোহন}}
* {{বাউ|দাউদ হায়দার}}
* {{বাউ|দামোদর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দারাশিকো}}
* {{বাউ|দিদার ইসলাম}}
* {{বাউ|দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|দিব্যেন্দু নন্দী}}
* {{বাউ|দিব্যেন্দু পালিত}}
* {{বাউ|দিলওয়ার}}
* {{বাউ|দিলরুবা আহমেদ}}
* {{বাউ|দিলরুবা জেড আরা}}
* {{বাউ|দিলশাদ নাহার কনা}}
* {{বাউ|দিলারা বেগম জলি}}
* {{বাউ|দিলারা হাশেম}}
* {{বাউ|দিলীপ বাগচী}}
* {{বাউ|দিলীপ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|দিলীপ মজুমদার}}
* {{বাউ|দিলীপ মহলানবিশ}}
* {{বাউ|দিলীপকুমার বিশ্বাস}}
* {{বাউ|দিলীপকুমার রায়}}
* {{বাউ|দীন মোহাম্মদ নূরুল হক}}
* {{বাউ|দীন শরৎ}}
* {{বাউ|দীননাথ সেন}}
* {{বাউ|দীনেন্দ্রকুমার রায়}}
* {{বাউ|দীনেশ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দীনেশ দাস}}
* {{বাউ|দীনেশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দীনেশচন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|দীনেশরঞ্জন দাশ}}
* {{বাউ|দীপ নারায়ণ সিনহা}}
* {{বাউ|দীপংকর দীপন}}
* {{বাউ|দীপক চৌধুরী}}
* {{বাউ|দীপক চ্যাটার্জী (গোয়েন্দা)}}
* {{বাউ|দীপক মজুমদার}}
* {{বাউ|দীপক রায়}}
* {{বাউ|দীপঙ্কর চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দীপঙ্কর দাস শর্মা}}
* {{বাউ|দীপঙ্কর হোম}}
* {{বাউ|দীপন ঘোষ}}
* {{বাউ|দীপান্বিতা রায়}}
* {{বাউ|দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দীপেশ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|দীপ্তেন্দ্রকুমার সান্যাল}}
* {{বাউ|দুঃখহরণ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|দুর্গাচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দুর্গাচরণ রক্ষিত}}
* {{বাউ|দুর্গাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দুর্গাদাস সাহা}}
* {{বাউ|দুর্গামোহন দাশ}}
* {{বাউ|দুর্বিন শাহ}}
* {{বাউ|দুলাল তর্কবাগীশ}}
* {{বাউ|দুলেন্দ্র ভৌমিক}}
* {{বাউ|দেওয়ান আব্দুর রব চৌধুরী}}
* {{বাউ|দেওয়ান আব্দুল কাদির}}
* {{বাউ|দেওয়ান আব্দুল বাছিত চৌধুরী}}
* {{বাউ|দেওয়ান নজরুল}}
* {{বাউ|দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন}}
* {{বাউ|দেওয়ান লালন আহমেদ}}
* {{বাউ|দেবজ্যোতি মিশ্র}}
* {{বাউ|দেবদাস}}
* {{বাউ|দেবদাস চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|দেবপ্রসাদ ঘোষ}}
* {{বাউ|দেবপ্রসাদ সর্বাধিকারী}}
* {{বাউ|দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|দেবপ্রিয়া রায়}}
* {{বাউ|দেবব্রত গোস্বামী}}
* {{বাউ|দেবল দেববর্মা}}
* {{বাউ|দেবলা মিত্র}}
* {{বাউ|দেবশঙ্কর রায়}}
* {{বাউ|দেবাশীষ ঘোষ}}
* {{বাউ|দেবাশীষ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|দেবাশীষ রায়}}
* {{বাউ|দেবাশীষ রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|দেবী রায়}}
* {{বাউ|দেবীপদ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় (মার্কসবাদী)}}
* {{বাউ|দেবীপ্রসাদ দুয়ারী}}
* {{বাউ|দেবু ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|দেবেন্দ্র মোহন বসু}}
* {{বাউ|দেবেন্দ্রনাথ সেন}}
* {{বাউ|দেবেশ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|দেবেশ রায়}}
* {{বাউ|দেলওয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|দোনাগাজী চৌধুরী}}
* {{বাউ|দোম আন্তোনিও}}
* {{বাউ|দৌলত উজির বাহরাম খান}}
* {{বাউ|দৌলতুননেসা খাতুন}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ অধিকারী}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ বিদ্যাভূষণ}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ মিত্র}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ রায়}}
* {{বাউ|দ্বিজ কানাই}}
* {{বাউ|দ্বিজ বংশীদাস}}
* {{বাউ|দ্বিজ মাধব}}
* {{বাউ|দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|দ্বিজেন্দ্রনাথ মৈত্র}}
* {{বাউ|দ্রাবিড় সৈকত}}
* {{বাউ|ধন গোপাল মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ধনঞ্জয় সাহা}}
* {{বাউ|ধীর আলী মিয়া}}
* {{বাউ|ধীরাজ কুমার নাথ}}
* {{বাউ|ধীরাজ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|ধীরেন বল}}
* {{বাউ|ধীরেন বসু}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ দেববর্মন}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্রনাথ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্রনাথ বেরা}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্রলাল ধর}}
* {{বাউ|ধূর্জটিপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ধৃতিকান্ত লাহিড়ী চৌধুরী}}
* {{বাউ|ধোয়ী}}
* {{বাউ|নঈম চৌধুরী}}
* {{বাউ|নঈম নিজাম}}
* {{বাউ|নওয়াজেশ আহমদ}}
* {{বাউ|নওয়াজেস আহমদ}}
* {{বাউ|নওয়াব আলী}}
* {{বাউ|নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী}}
* {{বাউ|নওশের আলী খান ইউস্ফজী}}
* {{বাউ|নকীব খান}}
* {{বাউ|নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ}}
* {{বাউ|নকুল কুমার বিশ্বাস}}
* {{বাউ|নকুলেশ্বর দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রচন্দ্র শ্যাম}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ ঘোষ}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ সোম}}
* {{বাউ|নচিকেতা ঘোষ}}
* {{বাউ|নচিকেতা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|নজরুল ইসলাম (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|নজরুল ইসলাম খান}}
* {{বাউ|নজরুল ইসলাম চৌধুরী (বিচারক)}}
* {{বাউ|নজরুল ইসলাম বাবু}}
* {{বাউ|ননী ভৌমিক}}
* {{বাউ|ননীগোপাল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ননীগোপাল মজুমদার}}
* {{বাউ|নন্টে ফন্টে}}
* {{বাউ|নন্দলাল বসু}}
* {{বাউ|নন্দিনী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নব কুমার ভদ্র}}
* {{বাউ|নবকুমার বসু}}
* {{বাউ|নবগোপাল মিত্র}}
* {{বাউ|নবাব আবদুল লতীফ}}
* {{বাউ|নবীন চন্দ্র পাল}}
* {{বাউ|নবীনচন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|নবেন্দু ঘোষ}}
* {{বাউ|নয়ীম গহর}}
* {{বাউ|নরসিংহ দত্ত}}
* {{বাউ|নরেন্দ্র দেব}}
* {{বাউ|নরেন্দ্রনাথ দত্ত (শিল্পপতি)}}
* {{বাউ|নরেন্দ্রনাথ মিত্র}}
* {{বাউ|নরেশচন্দ্র সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|নরোত্তম দাস}}
* {{বাউ|নলিনচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|নলিনাক্ষ সান্যাল}}
* {{বাউ|নলিনী দাশ (লেখিকা)}}
* {{বাউ|নলিনী বেরা}}
* {{বাউ|নলিনীকান্ত ভট্টশালী}}
* {{বাউ|নলিনীকান্ত সরকার}}
* {{বাউ|নলিনীকিশোর গুহ}}
* {{বাউ|নলিনীরঞ্জন সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|নাইমা হায়দার}}
* {{বাউ|নাঈম মোহাইমিন}}
* {{বাউ|নাঈমুল ইসলাম খান}}
* {{বাউ|নাজনীন হাসান চুমকি}}
* {{বাউ|নাজমুন আরা সুলতানা}}
* {{বাউ|নাজমুন নেসা পিয়ারি}}
* {{বাউ|নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি}}
* {{বাউ|নাজমুল আলম}}
* {{বাউ|নাজমুল করিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|নাজমুল কাওনাইন}}
* {{বাউ|নাজমুল হক বাপ্পী}}
* {{বাউ|নাজমুল হুদা বাচ্চু}}
* {{বাউ|নাজমুল হুদা মিন্টু}}
* {{বাউ|নাজিব তারেক}}
* {{বাউ|নাজিবুর রহমান মোমেন}}
* {{বাউ|নাজিম উদ দৌলা}}
* {{বাউ|নাজিম উদ্দিন মোস্তান}}
* {{বাউ|নাজিয়া আন্দালিব প্রিমা}}
* {{বাউ|নাদিয়া শারমীন}}
* {{বাউ|নাদিরা মজুমদার}}
* {{বাউ|নাদের চৌধুরী}}
* {{বাউ|নাদেরা বেগম}}
* {{বাউ|নাফিস বিন যাফর}}
* {{বাউ|নাবিলা ইদ্রিস}}
* {{বাউ|নাভিদ মাহবুব}}
* {{বাউ|নাভেদ পারভেজ}}
* {{বাউ|নায়না দেবী (সঙ্গীতশিল্পী)}}
* {{বাউ|নায়লা কবীর}}
* {{বাউ|নায়েব উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|নারগিস আক্তার}}
* {{বাউ|নারায়ণ ঘোষ মিতা}}
* {{বাউ|নারায়ণ দেবনাথ}}
* {{বাউ|নারায়ণ রায়}}
* {{বাউ|নারায়ণ সান্যাল}}
* {{বাউ|নাশিদ কামাল}}
* {{বাউ|নাসরিন আক্তার}}
* {{বাউ|নাসরীন জাহান}}
* {{বাউ|নাসরীন পারভীন হক}}
* {{বাউ|নাসিম বিশ্বাস}}
* {{বাউ|নাসিমা আক্তার}}
* {{বাউ|নাসিমা আনিস}}
* {{বাউ|নাসিমা খান মন্টি}}
* {{বাউ|নাসিমা ফেরদৌসী (কূটনৈতিক)}}
* {{বাউ|নাসিমা হায়দার}}
* {{বাউ|নাসির আলী মামুন}}
* {{বাউ|নাসির উদ্দিন বিশ্বাস}}
* {{বাউ|নাহিদ রশীদ (সচিব)}}
* {{বাউ|নাহিদা সোবহান}}
* {{বাউ|নিকুঞ্জ সেন}}
* {{বাউ|নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নিখিল রঞ্জন সেন}}
* {{বাউ|নিখিল সরকার}}
* {{বাউ|নিখিল সেন}}
* {{বাউ|নিখিলজ্যোতি ঘোষ}}
* {{বাউ|নিজাম উদ্দিন}}
* {{বাউ|নিজাম উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|নিজাম উদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|নিজামউদ্দিন আহমেদ (স্থপতি)}}
* {{বাউ|নিজামুদ্দীন আউলিয়া লিপু}}
* {{বাউ|নিতাই চন্দ্র সূত্রধর}}
* {{বাউ|নিতাই রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|নিতুন কুন্ডু}}
* {{বাউ|নিত্যপ্রিয় ঘোষ}}
* {{বাউ|নিত্যানন্দ সাহা (ভারতীয় অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|নিপুন রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|নিবিড় মণ্ডল}}
* {{বাউ|নিবেদিতা সেন}}
* {{বাউ|নিমচন্দ্র ভৌমিক}}
* {{বাউ|নিমাই ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|নিমাইসাধন বসু}}
* {{বাউ|নিয়াজ জামান}}
* {{বাউ|নিয়ামুল মুক্তা}}
* {{বাউ|নিরঞ্জন ধর}}
* {{বাউ|নিরঞ্জন প্রধান}}
* {{বাউ|নিরঞ্জন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নিরঞ্জনপ্রসাদ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|নিরুপমা দেবী}}
* {{বাউ|নিরুপমা দেবী (সেন)}}
* {{বাউ|নির্মল কুমার গাঙ্গুলী}}
* {{বাউ|নির্মলকুমার বসু}}
* {{বাউ|নির্মলকুমার রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|নির্মলকুমার সিদ্ধান্ত}}
* {{বাউ|নির্মলচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নির্মলচন্দ্র চন্দ্র}}
* {{বাউ|নির্মলচন্দ্র লাহিড়ী}}
* {{বাউ|নির্মলা জোশী}}
* {{বাউ|নির্মলেন্দু চৌধুরী}}
* {{বাউ|নির্মাল্য আচার্য}}
* {{বাউ|নিলয়ন চ্যাটার্জী}}
* {{বাউ|নিশিতা নির্মল মাহাত্রে}}
* {{বাউ|নিশীথরঞ্জন রায়}}
* {{বাউ|নীতা সেন}}
* {{বাউ|নীতিশ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|নীতীন বসু}}
* {{বাউ|নীতীশচন্দ্র লাহিড়ী}}
* {{বাউ|নীনা হামিদ}}
* {{বাউ|নীরদ বরণ বড়ুয়া}}
* {{বাউ|নীরদ মজুমদার}}
* {{বাউ|নীল দত্ত}}
* {{বাউ|নীল মানুষ}}
* {{বাউ|নীলমণি ন্যায়ালঙ্কার}}
* {{বাউ|নীলরতন ধর}}
* {{বাউ|নীলরতন সরকার}}
* {{বাউ|নীলাঞ্জনা রায়}}
* {{বাউ|নীলাম্বর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নীলিমা সেন}}
* {{বাউ|নীলুফার ইয়াসমিন}}
* {{বাউ|নীহাররঞ্জন গুপ্ত}}
* {{বাউ|নীহাররঞ্জন রায়}}
* {{বাউ|নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন}}
* {{বাউ|নুরুন নবী}}
* {{বাউ|নুরুননাহার ফয়জননেসা}}
* {{বাউ|নুরুন্নাহার ফাতেমা বেগম}}
* {{বাউ|নুরুন্নেছা খাতুন বিদ্যাবিনোদিনী}}
* {{বাউ|নুরুল আজিম}}
* {{বাউ|নুরুল আমিন}}
* {{বাউ|নুরুল আলম আতিক}}
* {{বাউ|নুরুল আলম চৌধুরী}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম খান}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম জিহাদী}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম নুরুল}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম পাটোয়ারী}}
* {{বাউ|নুরুল মোমেন}}
* {{বাউ|নুরুল মোস্তফা}}
* {{বাউ|নুহাশ হুমায়ূন}}
* {{বাউ|নূতন চন্দ্র সিংহ}}
* {{বাউ|নূর আহমদ}}
* {{বাউ|নূর ইমরান মিঠু}}
* {{বাউ|নূর মোহাম্মদ (আইজিপি)}}
* {{বাউ|নূর মোহাম্মদ (শিক্ষানুরাগী)}}
* {{বাউ|নূর হুসাইন}}
* {{বাউ|নূর হুসাইন কাসেমী}}
* {{বাউ|নূরজাহান বেগম মুক্তা}}
* {{বাউ|নূরজাহান বোস}}
* {{বাউ|নূরজাহান মুর্শিদ}}
* {{বাউ|নূরুল আনোয়ার (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|নূরুল আলম}}
* {{বাউ|নূরুল ইসলাম ওলীপুরী}}
* {{বাউ|নূরুল ইসলাম কাব্যবিনোদ}}
* {{বাউ|নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন}}
* {{বাউ|নূহ-উল-আলম লেনিন}}
* {{বাউ|নৃপেন ভৌমিক}}
* {{বাউ|নৃপেন্দ্র নাথ সরকার}}
* {{বাউ|নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী}}
* {{বাউ|নেছারউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|নেপাল মজুমদার}}
* {{বাউ|নেয়ামত ইমাম}}
* {{বাউ|নেয়ামাল বাসির}}
* {{বাউ|নেলী সেনগুপ্তা}}
* {{বাউ|নৈরঞ্জনা ঘোষ}}
* {{বাউ|নোরা জোন্স}}
* {{বাউ|পঞ্চানন ঘোষাল}}
* {{বাউ|পঞ্চানন নিয়োগী}}
* {{বাউ|পঞ্চানন মণ্ডল}}
* {{বাউ|পঞ্চানন মিত্র}}
* {{বাউ|পটলা}}
* {{বাউ|পণ্ডিত জ্ঞানেন্দ্রপ্রসাদ গোস্বামী}}
* {{বাউ|পদার্থবিদ্যার পালিত অধ্যাপক}}
* {{বাউ|পদ্মনাথ ভট্টাচার্য বিদ্যাবিনোদ}}
* {{বাউ|পবন দাস বাউল}}
* {{বাউ|পবিত্র গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পবিত্র মোহন দে}}
* {{বাউ|পবিত্র সরকার}}
* {{বাউ|পবিত্রকুমার সেন}}
* {{বাউ|পরমনাথ ভাদুড়ী}}
* {{বাউ|পরমেশ্বরন থাঙ্কাপ্পান নায়ার}}
* {{বাউ|পরাশর বর্মা}}
* {{বাউ|পরিমল গোস্বামী}}
* {{বাউ|পরেশ ধর}}
* {{বাউ|পরেশ মাইতি}}
* {{বাউ|পরেশনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পলান সরকার}}
* {{বাউ|পলাশ মাহবুব}}
* {{বাউ|পলাশ সরকার}}
* {{বাউ|পলি রায়}}
* {{বাউ|পশুপতি ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|পাঁচকড়ি দে}}
* {{বাউ|পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পাগলা কানাই}}
* {{বাউ|পাগলা দাশু}}
* {{বাউ|পাঞ্জু শাহ}}
* {{বাউ|পাণ্ডব গোয়েন্দা}}
* {{বাউ|পানু পাল}}
* {{বাউ|পান্থ কানাই}}
* {{বাউ|পান্না কায়সার}}
* {{বাউ|পান্নালাল ঘোষ}}
* {{বাউ|পান্নালাল বসু}}
* {{বাউ|পাপড়ি বসু}}
* {{বাউ|পাপিয়া সারোয়ার}}
* {{বাউ|পাভেল রহমান}}
* {{বাউ|পারভীন হাসান}}
* {{বাউ|পারভেজ রব}}
* {{বাউ|পারভেজ হোসেন}}
* {{বাউ|পারুল ঘোষ}}
* {{বাউ|পার্থ ঘোষ}}
* {{বাউ|পার্থ চট্টোপাধ্যায় (নৃতত্ত্ববিদ)}}
* {{বাউ|পার্থ বড়ুয়া}}
* {{বাউ|পার্থ সারথি মুখার্জি}}
* {{বাউ|পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পার্বতীকুমার সরকার}}
* {{বাউ|পি কে বাসু}}
* {{বাউ|পিনডিদা}}
* {{বাউ|পিনাকী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পিনাকী ঠাকুর}}
* {{বাউ|পিনাকী মজুমদার}}
* {{বাউ|পিপলু খান}}
* {{বাউ|পিয়ারীমোহন দাস}}
* {{বাউ|পিয়ারীলাল রায়}}
* {{বাউ|পিয়ারু সর্দার}}
* {{বাউ|পিয়ের ফালোঁ}}
* {{বাউ|পিলু মমতাজ}}
* {{বাউ|পুণ্যলতা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|পুরুষোত্তম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|পুলক বিশ্বাস}}
* {{বাউ|পুলক সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|পুলিনবিহারী সরকার}}
* {{বাউ|পুলিনবিহারী সরকার (জৈব রসায়ন বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|পুলিনবিহারী সেন}}
* {{বাউ|পূরবী দত্ত}}
* {{বাউ|পূরবী বসু}}
* {{বাউ|পূর্ণিমা সিনহা}}
* {{বাউ|পূর্ণেন্দুবিকাশ সরকার}}
* {{বাউ|পৃথ্বীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পেন বাংলাদেশ}}
* {{বাউ|পেপার রাইম}}
* {{বাউ|পেয়ার আহমেদ}}
* {{বাউ|প্যারীচরণ সরকার}}
* {{বাউ|প্যারীমোহন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্যারীমোহন সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রকাশ শ্রীবাস্তব}}
* {{বাউ|প্রচেত গুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রজ্ঞাসুন্দরী দেবী}}
* {{বাউ|প্রণব কুমার বড়ুয়া}}
* {{বাউ|প্রণব ভট্ট}}
* {{বাউ|প্রণব মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রণব রায় (গীতিকার)}}
* {{বাউ|প্রণবেন্দু দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রণবেশ সেন}}
* {{বাউ|প্রতাপচন্দ্র চন্দ্র}}
* {{বাউ|প্রতাপচন্দ্র মজুমদার}}
* {{বাউ|প্রতাপচন্দ্র মজুমদার (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|প্রতাপচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|প্রতিভা বসু}}
* {{বাউ|প্রতিভা মুৎসুদ্দি}}
* {{বাউ|প্রতিমা ঠাকুর}}
* {{বাউ|প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রদানেন্দু বিকাশ চাকমা}}
* {{বাউ|প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রদীপ ভট্টাচার্য (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|প্রদোষ আইচ}}
* {{বাউ|প্রদ্যুত ঘোষ}}
* {{বাউ|প্রফুল্ল কুমার মন্ডল}}
* {{বাউ|প্রফুল্ল রায়}}
* {{বাউ|প্রফুল্লকুমার সরকার}}
* {{বাউ|প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ}}
* {{বাউ|প্রফুল্লচন্দ্র লাহিড়ী}}
* {{বাউ|প্রবাল দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রবাল রশিদ}}
* {{বাউ|প্রবাসজীবন চৌধুরী}}
* {{বাউ|প্রবীর মজুমদার}}
* {{বাউ|প্রবীর রায়}}
* {{বাউ|প্রবোধ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রবোধকুমার সান্যাল}}
* {{বাউ|প্রবোধচন্দ্র গুহ}}
* {{বাউ|প্রবোধচন্দ্র বাগচী}}
* {{বাউ|প্রবোধচন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|প্রবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রব্রাজিকা ভক্তিপ্রাণা}}
* {{বাউ|প্রব্রাজিকা ভারতীপ্রাণা}}
* {{বাউ|প্রব্রাজিকা শ্রদ্ধাপ্রাণা}}
* {{বাউ|প্রভা চ্যাটার্জি}}
* {{বাউ|প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রভাত চন্দ্র বড়ুয়া}}
* {{বাউ|প্রভাতরঞ্জন সরকার}}
* {{বাউ|প্রভাবতী দেবী সরস্বতী}}
* {{বাউ|প্রমথ ভৌমিক}}
* {{বাউ|প্রমথনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রমথনাথ বসু}}
* {{বাউ|প্রমথনাথ বিশী}}
* {{বাউ|প্রমথনাথ মিত্র}}
* {{বাউ|প্রমথলাল সেন}}
* {{বাউ|প্রমদাচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রমদাচরণ সেন}}
* {{বাউ|প্রমোদ চন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|প্রমোদকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রমোদরঞ্জন সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রশান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|প্রশান্তকুমার পাল}}
* {{বাউ|প্রশান্তকুমার মারিক}}
* {{বাউ|প্রশান্তচন্দ্র মহলানবীশ}}
* {{বাউ|প্রশান্তবিহারী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রসন্নকুমার রায়}}
* {{বাউ|প্রসন্নকুমার সর্বাধিকারী}}
* {{বাউ|প্রসন্নচন্দ্র তর্করত্ন}}
* {{বাউ|প্রসন্নচন্দ্র ন্যায়রত্ন}}
* {{বাউ|প্রাণ রঞ্জন সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রাণকুমার সেন}}
* {{বাউ|প্রাণকৃষ্ণ পাল}}
* {{বাউ|প্রিয় ব্রত পাল}}
* {{বাউ|প্রিয়দারঞ্জন রায়}}
* {{বাউ|প্রিয়রঞ্জন সেন}}
* {{বাউ|প্রীতিকণা গোস্বামী}}
* {{বাউ|প্রেমাঙ্কুর আতর্থী}}
* {{বাউ|প্রোফেসর শঙ্কু}}
* {{বাউ|প্লাবন কোরেশী}}
* {{বাউ|ফকরুল আলম}}
* {{বাউ|ফকির গরীবুল্লাহ}}
* {{বাউ|ফকির শাহাবুদ্দীন}}
* {{বাউ|ফখরুজ্জামান চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফখরুদ্দিন আহমেদ (সচিব)}}
* {{বাউ|ফখরুদ্দীন মোহাম্মদ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|ফখরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|ফখরুল হাসান বৈরাগী}}
* {{বাউ|ফজল শাহাবুদ্দীন}}
* {{বাউ|ফজল-এ-খোদা}}
* {{বাউ|ফজলুর রহমান খান}}
* {{বাউ|ফজলুর রহমান খান (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|ফজলুর রহমান খান ফারুক}}
* {{বাউ|ফজলুল বারী (সরকারি চাকরিজীবী)}}
* {{বাউ|ফজলুল হক (চলচ্চিত্র পরিচালক)}}
* {{বাউ|ফজলুল হক (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|ফজলুল হক সেলবর্ষী}}
* {{বাউ|ফজলুল হালিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফজলে কবির}}
* {{বাউ|ফজলে কাদেরী মোহাম্মদ আবদুল মুনিম}}
* {{বাউ|ফজলে বারী মালিক}}
* {{বাউ|ফজলে রাব্বী}} [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৬:০৪, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
* {{বাউ|ফজলে রাব্বী মিয়া}}
* {{বাউ|ফজলে হাসান আবেদ}}
* {{বাউ|ফজলে হাসান শিশির}}
* {{বাউ|ফজলে হুসাইন}}
* {{বাউ|ফজলে হোসেন বাদশা}}
* {{বাউ|ফজিলতুন্নেসা}}
* {{বাউ|ফজিলাতুন্নেসা বাপ্পী}}
* {{বাউ|ফণিভূষণ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ফণী বড়ুয়া}}
* {{বাউ|ফণী মজুমদার}}
* {{বাউ|ফণীন্দ্রচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|ফতেহ লোহানী}}
* {{বাউ|ফয়জুল মহিউদ্দিন}}
* {{বাউ|ফয়জুল লতিফ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফয়সাল মাহমুদ ফয়েজী}}
* {{বাউ|ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব}}
* {{বাউ|ফয়েজ আহমেদ}}
* {{বাউ|ফয়েজ আহমেদ (বিচারক)}}
* {{বাউ|ফয়েজ আহম্মদ}}
* {{বাউ|ফরহাদ হোসেন (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|ফরিদ আহমদ দুলাল}}
* {{বাউ|ফরিদ আহমেদ (বিচারক)}}
* {{বাউ|ফরিদ আহমেদ (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফরিদা ইয়াসমিন (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|ফরিদা জামান}}
* {{বাউ|ফরিদা রহমান}}
* {{বাউ|ফরিদা হোসেন}}
* {{বাউ|ফরিদুল হুদা}}
* {{বাউ|ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ}}
* {{বাউ|ফসিউর রহমান}}
* {{বাউ|ফসিউল আলম}}
* {{বাউ|ফাইয়াজ হোসেন খান}}
* {{বাউ|ফাখরুল আরেফিন খান}}
* {{বাউ|ফাতিমা ইয়াসমিন}}
* {{বাউ|ফাতেমা তুজ জোহরা}}
* {{বাউ|ফাতেমা নজীব}}
* {{বাউ|ফাদার রবের আঁতোয়ান}}
* {{বাউ|ফায়েজ উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|ফারজানা ইসলাম}}
* {{বাউ|ফারজানা ফারুক}}
* {{বাউ|ফারজানা রুপা}}
* {{বাউ|ফারজানা শারমিন পুতুল}}
* {{বাউ|ফারহিনা আহমেদ}}
* {{বাউ|ফারাহ গজনবী}}
* {{বাউ|ফারাহ মাহবুব}}
* {{বাউ|ফারুক আহমেদ (বিচারক)}}
* {{বাউ|ফারুক আহমেদ উল্লা খান}}
* {{বাউ|ফারুক আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফারুক উজ জামান চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফারুক ওয়াসিফ}}
* {{বাউ|ফারুক মঈনউদ্দীন}}
* {{বাউ|ফারুক মাহমুদ}}
* {{বাউ|ফারুক সোবহান}}
* {{বাউ|ফালগুনী রায়}}
* {{বাউ|ফাহমিদা কাদের}}
* {{বাউ|ফাহমিদা খাতুন (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|ফিদা এম. কামাল}}
* {{বাউ|ফিরদৌস আজীম}}
* {{বাউ|ফিরদৌসী কাদরী}}
* {{বাউ|ফিরোজ মাহমুদ}}
* {{বাউ|ফিরোজা বেগম}}
* {{বাউ|ফুয়াদ আল মুকতাদির}}
* {{বাউ|ফুয়াদ নাসের বাবু}}
* {{বাউ|ফুল মোহাম্মদ}}
* {{বাউ|ফুলঝুরি খান}}
* {{বাউ|ফুলরেণু গুহ}}
* {{বাউ|ফেরদৌস আরা}}
* {{বাউ|ফেরদৌস আরা বেগম}}
* {{বাউ|ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী}}
* {{বাউ|ফেরদৌসী মজুমদার}}
* {{বাউ|ফেলুদা}}
* {{বাউ|ফৌজিয়া ইয়াসমিন}}
* {{বাউ|ফ্যাতাড়ু}}
* {{বাউ|ফ্রান্সিস (ভাইকিং)}}
* {{বাউ|ফ্লসি কোহেন}}
* {{বাউ|ফ্লোরা জাইবুন মাজিদ}}
* {{বাউ|বঙ্কিমচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|বঙ্কিমচন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|বজলার রহমান}}
* {{বাউ|বটুক নন্দী}}
* {{বাউ|বদরুদ্দীন আহমদ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|বদরুন নেছা}}
* {{বাউ|বদরুল আনাম সৌদ}}
* {{বাউ|বদরুল আলম (ভাষা সৈনিক)}}
* {{বাউ|বদরুল হায়দার চৌধুরী}}
* {{বাউ|বদিউর রহমান (সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব)}}
* {{বাউ|বদিউল আলম খোকন}}
* {{বাউ|বদিউল আলম মজুমদার}}
* {{বাউ|বনবিহারী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বনানী ঘোষ}}
* {{বাউ|বরদা}}
* {{বাউ|বরদাচরণ গুপ্ত}}
* {{বাউ|বরদানন্দ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বরুণ মজুমদার}}
* {{বাউ|বরুণ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|বরেণ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|বরেন গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বর্ণিতা বাগচী}}
* {{বাউ|বলরাম হাড়ি}}
* {{বাউ|বলেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|বশির আহমেদ}}
* {{বাউ|বশীর আল-হেলাল}}
* {{বাউ|বশীর হোসেন}}
* {{বাউ|বশীশ্বর সেন}}
* {{বাউ|বসন্ত কুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ}}
* {{বাউ|বাঁটুল দি গ্রেট}}
* {{বাউ|বাকের ভাই}}
* {{বাউ|বাঘা যতীন}}
* {{বাউ|বাচি কারকারিয়া}}
* {{বাউ|বাণী বসু}}
* {{বাউ|বাণীকুমার}}
* {{বাউ|বাণেশ্বর বিদ্যালঙ্কার}}
* {{বাউ|বাদল খন্দকার}}
* {{বাউ|বাদল রশীদ}}
* {{বাউ|বাদল রহমান}}
* {{বাউ|বাপ্পা মজুমদার}}
* {{বাউ|বাপ্পী লাহিড়ী}}
* {{বাউ|বাবর আলী (পর্বতারোহী)}}
* {{বাউ|বাবু তারক চন্দ্র চৌধুরী}}
* {{বাউ|বামাচরণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বামাপদ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বারবারা ক্রেগ}}
* {{বাউ|বারী সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|বারীণ মজুমদার}}
* {{বাউ|বার্নেস পিকক}}
* {{বাউ|বালাম}}
* {{বাউ|বাশার মাহমুদ (কবি)}}
* {{বাউ|বাসন্তী দুলাল নাগচৌধুরী}}
* {{বাউ|বাসব}}
* {{বাউ|বাসুদেব চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বাসুদেব দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|বাসুদেব দাস বাউল}}
* {{বাউ|বাসুদেব দাসশর্মা}}
* {{বাউ|বাসুদেব বর্মন}}
* {{বাউ|বাহাদুর হোসেন খান}}
* {{বাউ|বি কে দাস}}
* {{বাউ|বিকাশ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|বিকাশ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিকাশচন্দ্র সিংহ}}
* {{বাউ|বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়া}}
* {{বাউ|বিক্রম ঘোষ}}
* {{বাউ|বিজন কুমার মুখার্জী}}
* {{বাউ|বিজন কুমার শীল}}
* {{বাউ|বিজন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিজন সরকার}}
* {{বাউ|বিজনবিহারী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিজয় কুমার বসু}}
* {{বাউ|বিজয় প্রসাদ}}
* {{বাউ|বিজয় সরকার}}
* {{বাউ|বিজয়কুমার ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিজয়চন্দ্র মজুমদার}}
* {{বাউ|বিজয়লাল চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিজয়া মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিজরী বরকতুল্লাহ}}
* {{বাউ|বিদিত লাল দাস}}
* {{বাউ|বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন}}
* {{বাউ|বিদ্যুৎ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|বিদ্যুৎ বরণ চৌধুরী}}
* {{বাউ|বিদ্যেন্দু মোহন দেব}}
* {{বাউ|বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার}}
* {{বাউ|বিধায়ক ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিধুভূষণ বসু}}
* {{বাউ|বিধুশেখর শাস্ত্রী}}
* {{বাউ|বিনয় বাঁশী জলদাস}}
* {{বাউ|বিনয় মজুমদার}}
* {{বাউ|বিনয় মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিনয়কুমার সরকার}}
* {{বাউ|বিনয়েন্দ্রনাথ সেন}}
* {{বাউ|বিনীতা রায়}}
* {{বাউ|বিনোদ ঘোষাল}}
* {{বাউ|বিপিন বিহারী ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|বিপুল ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিপ্রদাস পিপলাই}}
* {{বাউ|বিপ্লব (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|বিপ্লব দাসগুপ্ত}}
* {{বাউ|বিবুধেন্দ্র সরকার}}
* {{বাউ|বিবেকানন্দ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিভা চৌধুরী}}
* {{বাউ|বিভাস রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|বিভূতিভূষণ দত্ত}}
* {{বাউ|বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিভূতিভূষণ সেন}}
* {{বাউ|বিমল কর}}
* {{বাউ|বিমল গুহ}}
* {{বাউ|বিমল মিত্র (লেখক)}}
* {{বাউ|বিমল মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিমল-কুমার}}
* {{বাউ|বিমলকৃষ্ণ মতিলাল}}
* {{বাউ|বিমলচন্দ্র ঘোষ}}
* {{বাউ|বিমলচন্দ্র সিংহ}}
* {{বাউ|বিমলাচরণ লাহা}}
* {{বাউ|বিমলানন্দ নাগ}}
* {{বাউ|বিমলেন্দু বিকাশ রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|বিমলেন্দু মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিমান বাগচী}}
* {{বাউ|বিমানবিহারী মজুমদার}}
* {{বাউ|বিরজাশঙ্কর গুহ}}
* {{বাউ|বিরাজ মোহন দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|বিরূপাক্ষ পাল}}
* {{বাউ|বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন}}
* {{বাউ|বিলকিস নাসির উদ্দিন}}
* {{বাউ|বিলায়েত খাঁ}}
* {{বাউ|বিশুদ্ধানন্দ মহাথের}}
* {{বাউ|বিশ্ব রঞ্জন নাগ}}
* {{বাউ|বিশ্বজিৎ ঘোষ}}
* {{বাউ|বিশ্বজিৎ চৌধুরী}}
* {{বাউ|বিশ্বজিৎ দেবনাথ}}
* {{বাউ|বিশ্বনাথ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|বিশ্বময় বিশ্বাস}}
* {{বাউ|বিশ্বরঞ্জন সেন}}
* {{বাউ|বিশ্বরূপ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিশ্বেশ্বর পাল}}
* {{বাউ|বিষ্ণু বসু}}
* {{বাউ|বিষ্ণুকান্ত শাস্ত্রী}}
* {{বাউ|বিষ্ণুপদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিষ্ণুপ্রসাদ রাভা}}
* {{বাউ|বিহারিলাল সরকার}}
* {{বাউ|বিহারীলাল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|বিহারীলাল চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বীণা মজুমদার}}
* {{বাউ|বীরেন শিকদার}}
* {{বাউ|বীরেন সোম}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্র বিজয় বিশ্বাস}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্রনাথ দত্তগুপ্ত}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্রনাথ শাসমল}}
* {{বাউ|বীরেশচন্দ্র গুহ}}
* {{বাউ|বীরেশ্বর সরকার}}
* {{বাউ|বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|বুধাদিত্য মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বুনো রামনাথ}}
* {{বাউ|বুলবন ওসমান}}
* {{বাউ|বুলবুল আহমেদ}}
* {{বাউ|বুলবুল চৌধুরী}}
* {{বাউ|বৃন্দা কারাত}}
* {{বাউ|বৃন্দাবন দাস}}
* {{বাউ|বৃন্দাবন দাস ঠাকুর}}
* {{বাউ|বেগজাদী মাহমুদা নাসির}}
* {{বাউ|বেগম আকতার কামাল}}
* {{বাউ|বেগম বদরুন্নেসা আহমদ}}
* {{বাউ|বেণীমাধব বড়ুয়া}}
* {{বাউ|বেদারউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|বেবী ইসলাম}}
* {{বাউ|বেবী হালদার}}
* {{বাউ|বেরী সর্বাধিকারী}}
* {{বাউ|বেলা মিত্র}}
* {{বাউ|বেলায়েত হুসাইন}}
* {{বাউ|বেলায়েত হোসেন বীরভূমী}}
* {{বাউ|বেলাল আহমেদ}}
* {{বাউ|বেলাল খান}}
* {{বাউ|বেলাল চৌধুরী}}
* {{বাউ|বেলাল মোহাম্মদ}}
* {{বাউ|বেলাল হোসেন (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|বৈকুণ্ঠনাথ সেন}}
* {{বাউ|বোরহান উদ্দিন (বিচারক)}}
* {{বাউ|বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর}}
* {{বাউ|বোরিয়া মজুমদার}}
* {{বাউ|ব্যোমকেশ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ব্যোমকেশ বক্সী}}
* {{বাউ|ব্রজ বিহারী বড়ুয়া}}
* {{বাউ|ব্রজগোপাল মান্না}}
* {{বাউ|ব্রজদা}}
* {{বাউ|ব্রজমোহন দত্ত}}
* {{বাউ|ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ব্রজেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|ব্রজেন্দ্রকুমার দে}}
* {{বাউ|ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ব্রজেন্দ্রনাথ শীল}}
* {{বাউ|ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ব্রাত্য বসু}}
* {{বাউ|ব্ল্যাক}}
* {{বাউ|ভক্তি প্রজ্ঞান কেশব গোস্বামী}}
* {{বাউ|ভক্তি রক্ষক শ্রীধর দেব গোস্বামী}}
* {{বাউ|ভক্তিবিনোদ ঠাকুর}}
* {{বাউ|ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী}}
* {{বাউ|ভগীরথ মিশ্র}}
* {{বাউ|ভবতোষ দত্ত}}
* {{বাউ|ভবানী প্রসাদ সিনহা}}
* {{বাউ|ভবানী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ভবানীচরণ লাহা}}
* {{বাউ|ভাদুড়ী মশাই}}
* {{বাউ|ভারতচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|ভারতী মুখার্জী}}
* {{বাউ|ভাস্করানন্দ রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ভি. এন. খারে}}
* {{বাউ|ভিকি জাহেদ}}
* {{বাউ|ভীষ্মদেব চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ভীষ্মদেব চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ভুবনচন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ভূঁইয়া ইকবাল}}
* {{বাউ|ভূপতিমোহন সেন}}
* {{বাউ|ভূপেন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|ভূমেন্দ্র গুহ}}
* {{বাউ|ভোলানাথ চন্দ্র}}
* {{বাউ|ভোলানাথ রায় কাব্যশাস্ত্রী}}
* {{বাউ|ম. তামিম}}
* {{বাউ|মইন উদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|মইনুল হোসেন}}
* {{বাউ|মইনুল হোসেন চৌধুরী}}
* {{বাউ|মঈদুল হাসান}}
* {{বাউ|মঈন উদ্দিন খান}}
* {{বাউ|মঈনউদ্দিন মিয়াজী}}
* {{বাউ|মঈনুল আহসান সাবের}}
* {{বাউ|মঈনুল ইসলাম খান}}
* {{বাউ|মঈনুল ইসলাম চৌধুরী}}
* {{বাউ|মঈনুস সুলতান}}
* {{বাউ|মওদুদ আহমদ}}
* {{বাউ|মকবুল হোসেন চৌধুরী}}
* {{বাউ|মকবুলা মনজুর}}
* {{বাউ|মকসুদ জামিল মিন্টু}}
* {{বাউ|মঙ্গল চাঁদ}}
* {{বাউ|মঙ্গলাচরণ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মজিদ-উল-হক}}
* {{বাউ|মজিবর রহমান (ভাষা সৈনিক)}}
* {{বাউ|মজিবর রহমান দেবদাস}}
* {{বাউ|মঞ্জু গোয়েল}}
* {{বাউ|মঞ্জু রায়}}
* {{বাউ|মঞ্জু সরকার}}
* {{বাউ|মঞ্জুর হোসেন}}
* {{বাউ|মঞ্জুরুল ইমাম}}
* {{বাউ|মঞ্জুলা আনোয়ার}}
* {{বাউ|মঞ্জুলা চেল্লুর}}
* {{বাউ|মণিকুন্তলা সেন}}
* {{বাউ|মণিভূষণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|মণিরত্ন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মণিলাল ভৌমিক}}
* {{বাউ|মণিশংকর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মণীন্দ্র গুপ্ত}}
* {{বাউ|মণীন্দ্র চন্দ্র নন্দী}}
* {{বাউ|মণীন্দ্র নারায়ণ মজুমদার}}
* {{বাউ|মণীন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|মণীন্দ্রলাল বসু}}
* {{বাউ|মণীশ ঘটক}}
* {{বাউ|মতি নন্দী}}
* {{বাউ|মতিউর রহমান পানু}}
* {{বাউ|মতিউর রহমান মল্লিক}}
* {{বাউ|মতিউল ইসলাম}}
* {{বাউ|মতিউল হক খান}}
* {{বাউ|মতিন রহমান}}
* {{বাউ|মতিলাল ঘোষ}}
* {{বাউ|মতিলাল রায়}}
* {{বাউ|মতিলাল রায় (যাত্রাপালাকার)}}
* {{বাউ|মতিলাল শীল}}
* {{বাউ|মথুরামোহন চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|মধু বসু}}
* {{বাউ|মধুমতি মিত্র}}
* {{বাউ|মধুশ্রী মুখার্জী}}
* {{বাউ|মধুসূদন গুপ্ত}}
* {{বাউ|মধুসূদন দে}}
* {{বাউ|মধুসূদন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মধুসূদন সরস্বতী}}
* {{বাউ|মনজুর আলম বেগ}}
* {{বাউ|মনজুর আহমেদ চৌধুরী (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মনজুর রশীদ খান}}
* {{বাউ|মনতাজুর রহমান আকবর}}
* {{বাউ|মনতোষ রায়}}
* {{বাউ|মনমোহন ঘোষ}}
* {{বাউ|মনমোহন দত্ত}}
* {{বাউ|মনসুর উল করিম}}
* {{বাউ|মনসুর বয়াতি}}
* {{বাউ|মনসুরুল আলম খান}}
* {{বাউ|মনিকা আলী}}
* {{বাউ|মনিকা জাহান বোস}}
* {{বাউ|মনিকা দাস (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|মনিরউদ্দীন ইউসুফ}}
* {{বাউ|মনিরুজ্জামান (গবেষক)}}
* {{বাউ|মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী}}
* {{বাউ|মনিরুজ্জামান মনির}}
* {{বাউ|মনিরুল ইসলাম (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|মনিরুল ইসলাম টিপু}}
* {{বাউ|মনীন্দ্রভূষণ গুপ্ত}}
* {{বাউ|মনু মুন্সী}}
* {{বাউ|মনোজ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|মনোজ প্রামাণিক}}
* {{বাউ|মনোজ বসু}}
* {{বাউ|মনোজ মাঝি}}
* {{বাউ|মনোজ মিত্র}}
* {{বাউ|মনোমোহন ঘোষ}}
* {{বাউ|মনোয়ারা ইসলাম}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন ঘোষাল}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন ধর}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন ব্যাপারী}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন ভক্ত}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য (নাট্যকার)}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন সিকদার}}
* {{বাউ|মনোসরণি}}
* {{বাউ|মন্দাক্রান্তা সেন}}
* {{বাউ|মন্মথ রায়}}
* {{বাউ|মন্মথনাথ ঘোষ}}
* {{বাউ|মন্মথনাথ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মফিজ উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|মফিজউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|মফিদুল হক}}
* {{বাউ|মবিনউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|মবিনুল হক}}
* {{বাউ|মমতা বালা ঠাকুর}}
* {{বাউ|মমতাজ উদ্দিন}}
* {{বাউ|মমতাজ বেগম}}
* {{বাউ|মমতাজ সঙ্ঘমিতা}}
* {{বাউ|মমতাজুর রহমান তরফদার}}
* {{বাউ|মযহারুল ইসলাম}}
* {{বাউ|ময়ুখ চৌধুরী (কবি)}}
* {{বাউ|ময়ূখ চৌধুরী (শিল্পী)}}
* {{বাউ|মর্ত্তুজা আলী}}
* {{বাউ|মলয় ঘোষ দস্তিদার}}
* {{বাউ|মলয় ভৌমিক}}
* {{বাউ|মলয় রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|মল্লিকা সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|মসিহউদ্দিন শাকের}}
* {{বাউ|মহম্মদ আব্দুল জব্বার}}
* {{বাউ|মহম্মদ হান্নান}}
* {{বাউ|মহম্মদ হামিদ আনসারি}}
* {{বাউ|মহসিন শস্ত্রপাণি}}
* {{বাউ|মহাদেব দত্ত}}
* {{বাউ|মহান মহারাজ}}
* {{বাউ|মহানামব্রত ব্রহ্মচারী}}
* {{বাউ|মহারানি চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|মহি উদ্দিন শামীম}}
* {{বাউ|মহিউদ্দিন আহমেদ (প্রকাশক)}}
* {{বাউ|মহিউদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|মহিউদ্দীন ফারুক}}
* {{বাউ|মহিমারঞ্জন রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|মহীউদ্দিন}}
* {{বাউ|মহুয়া মুখোপাধ্যায় (লেখক)}}
* {{বাউ|মহেন্দ্র গুপ্ত}}
* {{বাউ|মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত}}
* {{বাউ|মহেন্দ্রনাথ দত্ত}}
* {{বাউ|মহেন্দ্রনাথ রায় (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|মহেশচন্দ্র ন্যায়রত্ন}}
* {{বাউ|মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|মাইনুর রেজা চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাইমুল আহসান খান}}
* {{বাউ|মাকসুদুল আলম}}
* {{বাউ|মাকিদ হায়দার}}
* {{বাউ|মাখছুদুল আহসান}}
* {{বাউ|মাখনলাল রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাখনলাল সেন}}
* {{বাউ|মাধবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মানবেন্দ্র পাল}}
* {{বাউ|মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মানস চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|মানিক চন্দ্র সাহা}}
* {{বাউ|মানিক দত্ত}}
* {{বাউ|মানিক সরকার (শিল্পী)}}
* {{বাউ|মানিকলাল শীল}}
* {{বাউ|মান্নান হীরা}}
* {{বাউ|মাফরুহা চৌধুরী}}
* {{বাউ|মামনুন রহমান}}
* {{বাউ|মামাবাবু}}
* {{বাউ|মামুন নদীয়া}}
* {{বাউ|মামুন হুসাইন}}
* {{বাউ|মারজি-উল হক}}
* {{বাউ|মারুফুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মালা সেন}}
* {{বাউ|মালাধর বসু}}
* {{বাউ|মালিকা আল্ রাজী}}
* {{বাউ|মালিহা খাতুন}}
* {{বাউ|মালেক আফসারী}}
* {{বাউ|মালেকা বেগম}}
* {{বাউ|মাশির হোসেন}}
* {{বাউ|মাশুক হোসেন আহমেদ}}
* {{বাউ|মাসাতোশি কোশিবা}}
* {{বাউ|মাসুদ আখন্দ}}
* {{বাউ|মাসুদ আলি খান}}
* {{বাউ|মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাসুদ করিম}}
* {{বাউ|মাসুদ পথিক}}
* {{বাউ|মাসুদ বিন মোমেন}}
* {{বাউ|মাসুদ মান্নান}}
* {{বাউ|মাসুদ রানা}}
* {{বাউ|মাসুদ সেজান}}
* {{বাউ|মাসুদা খাতুন}}
* {{বাউ|মাসুম আজিজ}}
* {{বাউ|মাসুম রেজা}}
* {{বাউ|মাসুম শাহরিয়ার}}
* {{বাউ|মাহফুজ উল্লাহ}}
* {{বাউ|মাহফুজা আখতার (সচিব)}}
* {{বাউ|মাহফুজা খানম}}
* {{বাউ|মাহফুজুর রহমান (নির্বাচন কমিশনার)}}
* {{বাউ|মাহফুজুর রহমান (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|মাহফুজুল হক}}
* {{বাউ|মাহফুজুল হাসান ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|মাহবুব আলম}}
* {{বাউ|মাহবুব উজ জামান (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মাহবুব উদ্দিন খোকন}}
* {{বাউ|মাহবুব জামাল জাহেদী}}
* {{বাউ|মাহবুব তালুকদার}}
* {{বাউ|মাহবুব সাদিক}}
* {{বাউ|মাহবুব-উল আলম}}
* {{বাউ|মাহবুবা রহমান}}
* {{বাউ|মাহবুবুর রহমান লিটন}}
* {{বাউ|মাহবুবুল আলম (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|মাহবুবুল আলম মজুমদার}}
* {{বাউ|মাহবুবুল এ খালিদ}}
* {{বাউ|মাহবুবুল হক}}
* {{বাউ|মাহবুবে আলম}}
* {{বাউ|মাহমুদ শাহ কোরেশী}}
* {{বাউ|মাহমুদ হাসান}}
* {{বাউ|মাহমুদ হোসেন (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|মাহমুদা খাতুন সিদ্দিকা}}
* {{বাউ|মাহমুদা হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাহমুদুর রহমান}}
* {{বাউ|মাহমুদুর রহমান চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাহমুদুর রহমান বেণু}}
* {{বাউ|মাহমুদুল আমিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাহমুদুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মাহমুদুল হক}}
* {{বাউ|মাহমুদুল হক (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|মাহমুদুল হক (বিচারক)}}
* {{বাউ|মাহমুদুল হাসান}}
* {{বাউ|মিজান রহমান}}
* {{বাউ|মিজানুর রহমান (বাংলাদেশী কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মিজানুর রহমান ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|মিজানুর রহমান সাঈদ}}
* {{বাউ|মিঠু আলুর}}
* {{বাউ|মিতা হক}}
* {{বাউ|মিতিন মাসি}}
* {{বাউ|মিনার মনসুর}}
* {{বাউ|মিনার রহমান}}
* {{বাউ|মিনাল রোহিত}}
* {{বাউ|মিন্নাত আলী}}
* {{বাউ|মিফতা উদ্দিন চৌধুরী রুমী}}
* {{বাউ|মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|মিফতাহুর রহমান}}
* {{বাউ|মিফতাহ্ জামান}}
* {{বাউ|মিরজা আবদুল হাই}}
* {{বাউ|মির্জা আব্দুল জলিল}}
* {{বাউ|মির্জা আলী ইস্পাহানি}}
* {{বাউ|মির্জা গোলাম হাফিজ}}
* {{বাউ|মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল}}
* {{বাউ|মির্জা মাজহারুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম}}
* {{বাউ|মির্জা হুসেন হায়দার}}
* {{বাউ|মির্জা হোসাইন হায়দার}}
* {{বাউ|মিলন কান্তি দে}}
* {{বাউ|মিল্টন খন্দকার}}
* {{বাউ|মিশুক মুনীর}}
* {{বাউ|মিসির আলি}}
* {{বাউ|মিহির কুমার বসু}}
* {{বাউ|মিহির চৌধুরী}}
* {{বাউ|মিহির রঞ্জন হালদার}}
* {{বাউ|মিহির সেন}}
* {{বাউ|মিহির সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|মীজানূর রহমান শেলী}}
* {{বাউ|মীনাক্ষী ব্যানার্জি}}
* {{বাউ|মীনু হক}}
* {{বাউ|মীর আব্দুল কাইয়ুম}}
* {{বাউ|মীর আহমদ বিন কাসেম}}
* {{বাউ|মীর কাশেম খান}}
* {{বাউ|মীর মকসুদুস সালেহীন}}
* {{বাউ|মীর মাসুম আলী}}
* {{বাউ|মীর শওকত আলী}}
* {{বাউ|মীর হাসমত আলী}}
* {{বাউ|মীর হাসেম আলী}}
* {{বাউ|মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা}}
* {{বাউ|মীরা দত্ত গুপ্ত}}
* {{বাউ|মীরা মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মীর্জা মুহাম্মদ ইউসুফ আলি}}
* {{বাউ|মুঃ মিজানুর রহমান}}
* {{বাউ|মুঈনুদ্দীন আহমদ খান}}
* {{বাউ|মুকসুমুল হাকিম}}
* {{বাউ|মুকুল চৌধুরী}}
* {{বাউ|মুকুল দে}}
* {{বাউ|মুখতার আলম শিকদার}}
* {{বাউ|মুছলিম মিয়া}}
* {{বাউ|মুজিব পরদেশী}}
* {{বাউ|মুজিবর রহমান (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|মুজিবুর রহমান (চিকিৎসা বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|মুজিবুল হক (অফিসার)}}
* {{বাউ|মুজীবুর রহমান খাঁ}}
* {{বাউ|মুনশী ওয়াদুদ}}
* {{বাউ|মুনসুর আলী}}
* {{বাউ|মুনাজ আহমেদ নূর}}
* {{বাউ|মুনির উজ জামান}}
* {{বাউ|মুনেম ওয়াসিফ}}
* {{বাউ|মুন্সী রইসউদ্দিন}}
* {{বাউ|মুন্সী সিদ্দীক আহমদ}}
* {{বাউ|মুফলেহ আর. ওসমানী}}
* {{বাউ|মুবিনা আসাফ}}
* {{বাউ|মুমতাজুদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|মুরলীধর বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মুরলীধর বসু}}
* {{বাউ|মুরাদ পারভেজ}}
* {{বাউ|মুরারি গুপ্ত}}
* {{বাউ|মুশতাক আহমেদ (লেখক)}}
* {{বাউ|মুশতারী শফী}}
* {{বাউ|মুশফিকুল ফজল আনসারী}}
* {{বাউ|মুশাররাফ করিম}}
* {{বাউ|মুসলেহউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|মুসা আল হাফিজ}}
* {{বাউ|মুস্তফা মনোয়ার}}
* {{বাউ|মুস্তফা লুৎফুল্লাহ}}
* {{বাউ|মুস্তাফা খালিদ পলাশ}}
* {{বাউ|মুস্তাফা জামান আব্বাসী}}
* {{বাউ|মুস্তাফা নূরউল ইসলাম}}
* {{বাউ|মুস্তাফিজ শফি}}
* {{বাউ|মুস্তাফিজুর রহমান (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মুস্তাফিজুর রহমান (গীতিকার)}}
* {{বাউ|মুহম্মদ আবদুল হাই}}
* {{বাউ|মুহম্মদ ইউসুফ সিদ্দিক}}
* {{বাউ|মুহম্মদ ওয়ায়েছ}}
* {{বাউ|মুহম্মদ কবির}}
* {{বাউ|মুহম্মদ কুদরাত-এ-খুদা}}
* {{বাউ|মুহম্মদ নূরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মুহম্মদ মতিউর রহমান}}
* {{বাউ|মুহম্মদ মনসুর উদ্দিন}}
* {{বাউ|মুহম্মদ শামসউল হক}}
* {{বাউ|মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া (গবেষক)}}
* {{বাউ|মুহম্মদ সিরাজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আখতার}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুর রশিদ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুল বারী}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুল মুহিত}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুল্লাহ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুল্লাহিল বাকী}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আব্দুর রহিম (ইতিহাসবিদ)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আব্দুল হাফিজ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আরশাদ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আসফ-উদ-দৌলা}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইউনুস (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইউনুস (পণ্ডিত)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইব্রাহিম (পদার্থবিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইমরান (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইসমাইল}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইসহাক (ইতিহাসবিদ)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ একরামুল হক}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ জমির}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ জুলকার নাইন}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ নওশাদ জমির}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ নুরুল হক}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ নুরুল হুদা}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ফাজলী ইলাহী}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ফারুক (কূটনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ মাছুদ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ মাহবুব উল ইসলাম}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ সামাদ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান (মুক্তিযোদ্ধা)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ আবদুল মালেক}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ আব্দুল হামিদ}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ ইকবাল হোছাইন}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ ইনাম-উল হক}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ মুস্তাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ লুৎফর রহমান}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ শহীদ সারওয়ার}}
* {{বাউ|মৃণাল দত্ত চৌধুরী}}
* {{বাউ|মৃণাল মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মৃণালিনী সেন}}
* {{বাউ|মৃত্যুঞ্জয় প্রসাদ গুহ}}
* {{বাউ|মৃত্যুঞ্জয় বরাট সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার}}
* {{বাউ|মৃদুল দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|মৃদুলা গার্গ}}
* {{বাউ|মেজকর্তা}}
* {{বাউ|মেজবাউর রহমান সুমন}}
* {{বাউ|মেনহাজ হুদা}}
* {{বাউ|মেরিনা তাবাসসুম}}
* {{বাউ|মেসবাহউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|মেসবাহউদ্দিন আহমেদ (পদার্থবিদ)}}
* {{বাউ|মেসবাহুল হক}}
* {{বাউ|মেহরীন মাহমুদ}}
* {{বাউ|মেহেদী হক রনি}}
* {{বাউ|মেহের আফরোজ শাওন}}
* {{বাউ|মেহেরবানু খানম}}
* {{বাউ|মেহেরুন নেসা}}
* {{বাউ|মৈত্রী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|মৈত্রেয়ী দেবী}}
* {{বাউ|মো. আবদুল মজিদ}}
* {{বাউ|মো. আবু আহমেদ জমাদার}}
* {{বাউ|মো. আবু জাফর সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|মো. আবু তারিক}}
* {{বাউ|মো. আব্দুল মজিদ}}
* {{বাউ|মো. আমিনুল ইসলাম (বিচারক)}}
* {{বাউ|মো. ইকবাল কবির}}
* {{বাউ|মো. ইমদাদুল হক}}
* {{বাউ|মো. এমদাদুল হক}}
* {{বাউ|মো. কামরুল হোসেন মোল্লা}}
* {{বাউ|মো. খসরুজ্জামান}}
* {{বাউ|মো. খায়রুল আলম}}
* {{বাউ|মো. খুরশেদ আলম}}
* {{বাউ|মো. জয়নুল আবেদীন}}
* {{বাউ|মো. জহুরুল হক}}
* {{বাউ|মো. জাকির হোসেন}}
* {{বাউ|মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার}}
* {{বাউ|মো. নুরুল ইসলাম (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|মো. বজলুর রহমান}}
* {{বাউ|মো. বদরুজ্জামান}}
* {{বাউ|মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী}}
* {{বাউ|মো. মজিবুর রহমান মিয়া}}
* {{বাউ|মো. মনসুর আলম}}
* {{বাউ|মো. মাহমুদ হাসান তালুকদার}}
* {{বাউ|মো. মোস্তাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|মো. যাবিদ হোসেন}}
* {{বাউ|মো. রইস উদ্দিন}}
* {{বাউ|মো. রইস হাসান সরোয়ার}}
* {{বাউ|মো. রিয়াজ উদ্দিন খান}}
* {{বাউ|মো. রুহুল আমিন (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|মো. রুহুল কুদ্দুস}}
* {{বাউ|মো. রেজাউল হক}}
* {{বাউ|মো. রেজাউল হাসান}}
* {{বাউ|মো. শামসুল হুদা}}
* {{বাউ|মো. শাহিনুর ইসলাম}}
* {{বাউ|মো. সাইদুল হক}}
* {{বাউ|মো. সেলিম (বিচারক)}}
* {{বাউ|মো. হযরত আলী (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|মো. হামিদুল হক (বিচারক)}}
* {{বাউ|মো. হাসান আমিন}}
* {{বাউ|মো: গোলাম রহমান}}
* {{বাউ|মো: জাহাঙ্গীর আল মুস্তাহিদুর রহমান}}
* {{বাউ|মোঃ আখতারুজ্জামান}}
* {{বাউ|মোঃ আতাউর রহমান খান}}
* {{বাউ|মোঃ আতাবুল্লাহ}}
* {{বাউ|মোঃ আতোয়ার রহমান}}
* {{বাউ|মোঃ আব্দুল মান্নান (বিচারক)}}
* {{বাউ|মোঃ আব্দুল মুক্তাদির}}
* {{বাউ|মোঃ আলী রেজা}}
* {{বাউ|মোঃ আশরাফুল কামাল}}
* {{বাউ|মোঃ আসাদুজ্জামান}}
* {{বাউ|মোঃ ইসমাইল হোসেন}}
* {{বাউ|মোঃ কামরুজ্জামান}}
* {{বাউ|মোঃ খোরশেদ আলম}}
* {{বাউ|মোঃ জসিম উদ্দিন (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মোঃ জাকির হোসেন (বিচারক)}}
* {{বাউ|মোঃ টোকন}}
* {{বাউ|মোঃ তোফাজ্জল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোঃ নূরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোঃ বশির-উল্লাহ}}
* {{বাউ|মোঃ মইদুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোঃ মাহবুবুর রহমান (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|মোঃ মুস্তফা চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোঃ শামীম আহসান}}
* {{বাউ|মোঃ সাইদুর রহমান (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|মোঃ সাদত আলী}}
* {{বাউ|মোঃ সোহরাওয়ারদী}}
* {{বাউ|মোঃ হাবিবুল গনি}}
* {{বাউ|মোকাররম হোসেন খোন্দকার}}
* {{বাউ|মোক্ষদায়িনী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মোজাফফর আহমদ}}
* {{বাউ|মোজাফফর হোসেন (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|মোজাম্মেল হোসেন (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|মোজাম্মেল হোসেন মিন্টু}}
* {{বাউ|মোতাহার হোসেন তালুকদার}}
* {{বাউ|মোনাজাতউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোনায়েম সরকার}}
* {{বাউ|মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোবারক আহমদ খান}}
* {{বাউ|মোবারক হোসেন খান}}
* {{বাউ|মোবাশ্বের আলী}}
* {{বাউ|মোবিনুল আজিম}}
* {{বাউ|মোমতাজ আলী খান}}
* {{বাউ|মোরশেদ খান}}
* {{বাউ|মোরশেদ শফিউল হাসান}}
* {{বাউ|মোরশেদুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী}}
* {{বাউ|মোল্লা জালাল উদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|মোশতাক আহমেদ}}
* {{বাউ|মোশতাক খান}}
* {{বাউ|মোশারেফ উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|মোসলেম উদ্দিন}}
* {{বাউ|মোসলেম উদ্দিন খান}}
* {{বাউ|মোসাদ্দেক আলী ফালু}}
* {{বাউ|মোস্তফা আনোয়ার (পরিচালক)}}
* {{বাউ|মোস্তফা আলম}}
* {{বাউ|মোস্তফা আলী}}
* {{বাউ|মোস্তফা এম এ মতিন}}
* {{বাউ|মোস্তফা কামাল (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|মোস্তফা জামান ইসলাম}}
* {{বাউ|মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোস্তফা মন্ওয়ার}}
* {{বাউ|মোস্তফা মেহমুদ}}
* {{বাউ|মোস্তাফিজুর রহমান মানিক}}
* {{বাউ|মোস্তাফিজুর রহমান সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|মোহন রায়হান}}
* {{বাউ|মোহনলাল গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মোহম্মদ সামির হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আকরম খাঁ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আছাদুজ্জামান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আজম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আজিজ (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবদুর রশিদ (বিচারক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবদুর রহিম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবদুল খালেক}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবু নাসের}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবু হেনা}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবুল কাসেম চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবুল হাশেম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আব্দুল হাই}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ মিয়া}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আব্দুল্লাহেল কাফী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আলম (আলোকচিত্র সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আলী (বিচারক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (নরসিংদীর শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ইউনুস (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ইব্রাহিম (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ইব্রাহিম (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ইমান আলী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ উল্লাহ (বিচারক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ এনামউল্যা}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ওমর এজাজ রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ কায়কোবাদ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ কিবরিয়া}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ খালেদ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ গোলাম রাব্বানী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ছায়েদুল হক}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ জাকারিয়া}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নইমুদ্দীন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নজিবর রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন (লেখক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নাসির আলী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নিজামুল হক}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নুরুল করিম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নূরুজ্জামান (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নোমান (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ পনির হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ফজলী হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ফজলুল করীম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ফেরদাউস খান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ফৈয়াজ খান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ বজলুর রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মতিউর রহমান (লেখক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মিঞা}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মফজলুর রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মমতাজ উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ময়েজউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মহিউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মিজারুল কায়েস}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মুর্তজা}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোদাব্বের}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোবারক আলী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান (কর্মকর্তা)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোহর আলী (ইতিহাসবিদ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোহসীন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রফি খান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রফিক (কবি)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রফিকুল আলম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রেজওয়ান খান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শওকত আলী চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শরীফ হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শামশাদ আলী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শামসুজ্জোহা}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শাহ আলম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শাহ আলম (আইনজ্ঞ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শাহজাহান (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শাহিনুল আলম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শিশির মনির}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সাদত আলী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সাদিক}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সালার খান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সিরাজুদ্দীন কাসিমপুরী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সিরাজুল আকবর}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সুফিউর রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সোলায়মান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ হারুন-উর-রশিদ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ হোসেন জেমী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ হোসেন মণ্ডল}}
* {{বাউ|মোহাম্মদউল্লাহ}}
* {{বাউ|মোহাম্মাদ রকিবুল হাসান}}
* {{বাউ|মোহিত উল আলম}}
* {{বাউ|মোহিত কামাল}}
* {{বাউ|মোহিত চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মোহিত সেন}}
* {{বাউ|মোহিনী চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোহিনী মোহন চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|মৌমিতা তাশরিন নদী}}
* {{বাউ|মৌমিতা দত্ত}}
* {{বাউ|মৌলভী আবদুল করিম}}
* {{বাউ|মৌসুমী ভৌমিক}}
* {{বাউ|যতীন সরকার}}
* {{বাউ|যতীন্দ্রকুমার সেন}}
* {{বাউ|যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|যতীন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|যতীন্দ্রমোহন সিংহ}}
* {{বাউ|যদুনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|যদুনাথ সরকার}}
* {{বাউ|যদুনাথ সিংহ}}
* {{বাউ|যমুনা সেন}}
* {{বাউ|যশোধরা বাগচি}}
* {{বাউ|যশোধরা রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|যাত্রামোহন সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|যাদব চন্দ্র চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|যাদুমনি হাজং}}
* {{বাউ|যামিনী ভূষণ রায়}}
* {{বাউ|যামিনী রায়}}
* {{বাউ|যামিনীপ্রকাশ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|যুধাজিৎ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|যোগীন মা}}
* {{বাউ|যোগীন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|যোগেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ}}
* {{বাউ|যোগেশচন্দ্র ঘোষ}}
* {{বাউ|যোগেশচন্দ্র চৌধুরী (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|যোগেশচন্দ্র বাগল}}
* {{বাউ|যোগেশচন্দ্র রায় বিদ্যানিধি}}
* {{বাউ|যোবায়দা হান্নান}}
* {{বাউ|রওনক জাহান}}
* {{বাউ|রওশন আরা}}
* {{বাউ|রওশন আরা বাচ্চু}}
* {{বাউ|রওশন আরা মুস্তাফিজ}}
* {{বাউ|রওশন আলী}}
* {{বাউ|রওশন ইজদানী}}
* {{বাউ|রওশন জামিল}}
* {{বাউ|রকিব হাসান}}
* {{বাউ|রকিবুল আলম রকিব}}
* {{বাউ|রকীব আহমদ}}
* {{বাউ|রঘুনন্দন ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|রঘুনাথ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রঙ্গলাল মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রঙ্গলাল সেন}}
* {{বাউ|রঙ্গু সৌরিয়া}}
* {{বাউ|রজতকান্ত রায়}}
* {{বাউ|রজতশুভ্র মজুমদার}}
* {{বাউ|রজনীকান্ত গুহ}}
* {{বাউ|রজনীকান্ত প্রামাণিক}}
* {{বাউ|রজনীনাথ রায়}}
* {{বাউ|রঞ্জন ঘোষাল}}
* {{বাউ|রঞ্জন মল্লিক}}
* {{বাউ|রণজিত গুহ}}
* {{বাউ|রণজিৎ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রণজিৎ দাশ}}
* {{বাউ|রণদা প্রসাদ সাহা}}
* {{বাউ|রণেন কুশারী}}
* {{বাউ|রণেশ মৈত্র}}
* {{বাউ|রতন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রতন সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|রতনচন্দ্র কর}}
* {{বাউ|রতনতনু ঘোষ}}
* {{বাউ|রতনলাল ব্রহ্মচারী}}
* {{বাউ|রত্নেশ্বর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রথীন কিস্কু}}
* {{বাউ|রথীন মিত্র}}
* {{বাউ|রথীন মৈত্র}}
* {{বাউ|রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|রথীন্দ্রনাথ বোস}}
* {{বাউ|রফিক আহামদ}}
* {{বাউ|রফিক উদ্দিন আহমেদ (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|রফিক উদ্দিন আহমেদ (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|রফিক উদ্দিন সরকার}}
* {{বাউ|রফিক-উল হক}}
* {{বাউ|রফিকউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|রফিকউল্লাহ্ খান}}
* {{বাউ|রফিকুর রশীদ}}
* {{বাউ|রফিকুল ইসলাম (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|রফিকুল ইসলাম মিয়া}}
* {{বাউ|রফিকুল ইসলাম সেখ}}
* {{বাউ|রফিকুল বারী চৌধুরী}}
* {{বাউ|রফিকুল হক}}
* {{বাউ|রফিকুল হক (কৃষি প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|রবার্ট সুইনহো}}
* {{বাউ|রবি বসু}}
* {{বাউ|রবিউল আলম (নাট্যকার)}}
* {{বাউ|রবিউল আলম রবি}}
* {{বাউ|রবিউল ইসলাম জীবন}}
* {{বাউ|রবিউল হুসাইন}}
* {{বাউ|রবিন ঘোষ}}
* {{বাউ|রবিনা খান}}
* {{বাউ|রবিশংকর বল}}
* {{বাউ|রবিশঙ্কর}}
* {{বাউ|রবীন চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রবীন্দ্র গুহ}}
* {{বাউ|রবীন্দ্রকুমার দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|রবীন্দ্রনাথ চৌধুরী}}
* {{বাউ|রবীন্দ্রনাথ দত্ত}}
* {{বাউ|রবীন্দ্রনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|রবীন্দ্রনাথ মৈত্র}}
* {{বাউ|রমা চৌধুরী}}
* {{বাউ|রমাতোষ সরকার}}
* {{বাউ|রমাপদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|রমারঞ্জন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রমিজউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|রমেন্দ্র কুমার পোদ্দার}}
* {{বাউ|রমেন্দ্রকুমার আচার্য চৌধুরী}}
* {{বাউ|রমেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রমেশ চন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|রমেশচন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|রশিদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|রশীদ করীম}}
* {{বাউ|রশীদ তালুকদার}}
* {{বাউ|রশীদ হায়দার}}
* {{বাউ|রসময় দত্ত}}
* {{বাউ|রসময় মিত্র}}
* {{বাউ|রসময় সুর}}
* {{বাউ|রসিককৃষ্ণ মল্লিক}}
* {{বাউ|রসিকলাল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রহমত আলী}}
* {{বাউ|রহমতউল্লাহ আল মাহমুদ সেলিম}}
* {{বাউ|রহিমুন্নিসা}}
* {{বাউ|রহীম শাহ}}
* {{বাউ|রাইচরণ দাস}}
* {{বাউ|রাইচাঁদ বড়াল}}
* {{বাউ|রাইসুল ইসলাম আসাদ}}
* {{বাউ|রাখাল চন্দ্র দাস}}
* {{বাউ|রাখাল চিত্রকর}}
* {{বাউ|রাখালদাস মজুমদার}}
* {{বাউ|রাগিনী সোনকার}}
* {{বাউ|রাগীব রউফ চৌধুরী}}
* {{বাউ|রাঘব চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাঘব বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাজকুমার চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রাজকুমার সর্বাধিকারী}}
* {{বাউ|রাজকুমারী বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাজকুমারী রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|রাজকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাজকৃষ্ণ রায়}}
* {{বাউ|রাজচন্দ্র বসু}}
* {{বাউ|রাজদীপ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|রাজনারায়ণ বসু}}
* {{বাউ|রাজলক্ষ্মী দেবী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রাজিক আল জলিল}}
* {{বাউ|রাজিয়া খান}}
* {{বাউ|রাজিয়া মজিদ}}
* {{বাউ|রাজিয়া মাহবুব}}
* {{বাউ|রাজিয়া সুলতানা (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|রাজেন তরফদার}}
* {{বাউ|রাজেন্দ্রচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|রাজেন্দ্রচন্দ্র হাজরা}}
* {{বাউ|রাজেন্দ্রনাথ সেন}}
* {{বাউ|রাজেন্দ্রলাল মিত্র}}
* {{বাউ|রাজেশ রোশন}}
* {{বাউ|রাজেশ্বরী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাণী দিনমনি চৌধুরাণী}}
* {{বাউ|রাণী রাসমণি}}
* {{বাউ|রাধা বিনোদ পাল}}
* {{বাউ|রাধাকান্ত দেব}}
* {{বাউ|রাধাকান্ত নন্দী}}
* {{বাউ|রাধাকুমুদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাধাগোবিন্দ কর}}
* {{বাউ|রাধাগোবিন্দ চন্দ্র}}
* {{বাউ|রাধাগোবিন্দ নাথ}}
* {{বাউ|রাধাগোবিন্দ বসাক}}
* {{বাউ|রাধানাথ শিকদার}}
* {{বাউ|রাধাপদ রায়}}
* {{বাউ|রাধাপ্রসাদ গুপ্ত}}
* {{বাউ|রাধাবতী দেবী}}
* {{বাউ|রাধারমণ দত্ত}}
* {{বাউ|রাধারমণ মিত্র}}
* {{বাউ|রাধারাণী দেবী}}
* {{বাউ|রাধিকা মোহন মৈত্র}}
* {{বাউ|রাধিকা রায়}}
* {{বাউ|রানী চন্দ}}
* {{বাউ|রাপ্পা রায়}}
* {{বাউ|রাফায়েল অ্যারন বেলিলিওস}}
* {{বাউ|রাফিদা আহমেদ বন্যা}}
* {{বাউ|রাবাব ফাতেমা}}
* {{বাউ|রাবেয়া খাতুন}}
* {{বাউ|রাবেয়া ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|রাম নারায়ণ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রাম বসু}}
* {{বাউ|রামকমল ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রামকমল সেন}}
* {{বাউ|রামকানাই দাশ}}
* {{বাউ|রামকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রামগতি ন্যায়রত্ন}}
* {{বাউ|রামগোপাল ঘোষ}}
* {{বাউ|রামচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রামচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ}}
* {{বাউ|রামতনু লাহিড়ী}}
* {{বাউ|রামতারণ সান্যাল}}
* {{বাউ|রামদাস সেন}}
* {{বাউ|রামনারায়ণ তর্করত্ন}}
* {{বাউ|রামনিধি গুপ্ত}}
* {{বাউ|রামপ্রাণ গুপ্ত}}
* {{বাউ|রামব্রহ্ম সান্যাল}}
* {{বাউ|রামরঞ্জন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রামরাম বসু}}
* {{বাউ|রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রামেন্দু মজুমদার}}
* {{বাউ|রায়হান মুজিব}}
* {{বাউ|রায়হানুল আবেদীন}}
* {{বাউ|রায়েফ আল হাসান রাফা}}
* {{বাউ|রাশিদ আসকারী}}
* {{বাউ|রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর}}
* {{বাউ|রাশেদ খান মেনন}}
* {{বাউ|রাশেদ রউফ}}
* {{বাউ|রাসবিহারী ঘোষ}}
* {{বাউ|রাসসুন্দরী দেবী}}
* {{বাউ|রাহাত খান}}
* {{বাউ|রাহিজা খানম ঝুনু}}
* {{বাউ|রাহুল দেব বর্মণ}}
* {{বাউ|রাহুল পুরকায়স্থ}}
* {{বাউ|রিংকি ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|রিজিয়া রহমান}}
* {{বাউ|রিতা আর. কলওয়েল}}
* {{বাউ|রিনা আক্তার (সক্রিয়কর্মী)}}
* {{বাউ|রিনাত ফৌজিয়া}}
* {{বাউ|রিপন নাথ}}
* {{বাউ|রিফাত হাসান (লেখক)}}
* {{বাউ|রিমা সুলতানা রিমু}}
* {{বাউ|রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|রিয়াজ রহমান}}
* {{বাউ|রিয়াজ হামিদুল্লাহ}}
* {{বাউ|রিয়াজুল রিজু}}
* {{বাউ|রীণা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রুচিরা গুপ্ত}}
* {{বাউ|রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|রুদ্রাণী (গোয়েন্দা)}}
* {{বাউ|রুনা খান (উদ্যোক্তা)}}
* {{বাউ|রুনু বিশ্বাস}}
* {{বাউ|রুবাইয়াত হোসেন}}
* {{বাউ|রুবানা হক}}
* {{বাউ|রুবী রহমান}}
* {{বাউ|রুবেল}}
* {{বাউ|রুমা পাল}}
* {{বাউ|রুমানা আলী}}
* {{বাউ|রুমানা রশীদ ঈশিতা}}
* {{বাউ|রুমিন ফারহানা}}
* {{বাউ|রুম্মান রশীদ খান}}
* {{বাউ|রুশেমা বেগম}}
* {{বাউ|রুহি জুবেরী}}
* {{বাউ|রুহুল আমিন (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|রুহুল আলম সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|রুহুল ইসলাম}}
* {{বাউ|রুহুল কুদ্দুস কাজল}}
* {{বাউ|রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু}}
* {{বাউ|রূপ গোস্বামী}}
* {{বাউ|রূপচাঁদ অধিকারী}}
* {{বাউ|রূপমঞ্জরী ঘোষ}}
* {{বাউ|রূপরাম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রূপা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রেজা আলী}}
* {{বাউ|রেজা লতিফ}}
* {{বাউ|রেজাউদ্দিন স্টালিন}}
* {{বাউ|রেজাউল করিম (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|রেজাউল হক সরকার}}
* {{বাউ|রেজিনা গুহ}}
* {{বাউ|রেণু চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রেণুকা রায়}}
* {{বাউ|রেদওয়ান রনি}}
* {{বাউ|রেবতীভূষণ ঘোষ}}
* {{বাউ|রেবা সোম}}
* {{বাউ|রেয়াজুদ্দীন মাশহাদী আহমদ}}
* {{বাউ|রেহমান সোবহান}}
* {{বাউ|রোকেয়া সুলতানা (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|রোজিনা ইসলাম}}
* {{বাউ|রোজী আফসারী}}
* {{বাউ|রোমেনা আফাজ}}
* {{বাউ|লক্ষীছাড়া}}
* {{বাউ|লক্ষ্মীকান্ত মৈত্র}}
* {{বাউ|লজ্জাবতী বসু}}
* {{বাউ|লতিকা সরকার}}
* {{বাউ|লতিকা সেন}}
* {{বাউ|লতিফুর খান}}
* {{বাউ|লতিফুর রহমান (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|লতিফুল ইসলাম শিবলী}}
* {{বাউ|ললিত মোহন নাথ}}
* {{বাউ|ললিতা রায়}}
* {{বাউ|লাকী আখান্দ}}
* {{বাউ|লায়লা নূর}}
* {{বাউ|লায়লা সামাদ}}
* {{বাউ|লালমোহন গাঙ্গুলি}}
* {{বাউ|লিয়াকত আলী চৌধুরী}}
* {{বাউ|লিয়াকত আলী লাকী}}
* {{বাউ|লিলি চক্রবর্তী (কবি)}}
* {{বাউ|লিসা গাজী}}
* {{বাউ|লীমা ধর}}
* {{বাউ|লীলা রায়}}
* {{বাউ|লীলাবতী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|লীলাবতী মিত্র}}
* {{বাউ|লুইস জনসন}}
* {{বাউ|লুসি রহমান}}
* {{বাউ|লুৎফর রহমান (মুসলিম পণ্ডিত)}}
* {{বাউ|লুৎফর রহমান রিটন}}
* {{বাউ|লুৎফর রহমান সরকার}}
* {{বাউ|লুৎফর হাসান}}
* {{বাউ|লুৎফুন্নাহার হেলেন}}
* {{বাউ|লুৎফুল হায়দার চৌধুরী}}
* {{বাউ|লুৎফে সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|লেনিন গনি}}
* {{বাউ|লেবুমামা}}
* {{বাউ|লেমিস}}
* {{বাউ|লোকনাথ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|লোকমান হোসেন ফকির}}
* {{বাউ|লোকেন্দ্রনাথ পালিত}}
* {{বাউ|লোপামুদ্রা মিত্র}}
* {{বাউ|শংকর রায় চৌধুরী (চরিত্র)}}
* {{বাউ|শওকত আরা বেগম}}
* {{বাউ|শওকত আলী (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|শওকত আলী ইমন}}
* {{বাউ|শওকত আলী খান}}
* {{বাউ|শওকত জামিল}}
* {{বাউ|শওকত মাহমুদ}}
* {{বাউ|শক্তি বর্মণ}}
* {{বাউ|শক্তি মণ্ডল}}
* {{বাউ|শক্তিপদ রাজগুরু}}
* {{বাউ|শক্তিসাধন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শঙ্কর ঘোষ}}
* {{বাউ|শঙ্কর ঘোষ (পণ্ডিত)}}
* {{বাউ|শঙ্কর চ্যাটার্জী}}
* {{বাউ|শঙ্কর প্রসাদ মিত্র}}
* {{বাউ|শঙ্কর রায়}}
* {{বাউ|শঙ্কর সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|শঙ্করীপ্রসাদ বসু}}
* {{বাউ|শঙ্কু মহারাজ}}
* {{বাউ|শঙ্খ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|শচীন দাশ}}
* {{বাউ|শচীন ভৌমিক}}
* {{বাউ|শচীন্দ্রনাথ অধিকারী}}
* {{বাউ|শচীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শচীন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|শফি ইউ আহমেদ}}
* {{বাউ|শফিউর রহমান}}
* {{বাউ|শফিক আহমেদ}}
* {{বাউ|শফিক তুহিন}}
* {{বাউ|শবনম পারভীন}}
* {{বাউ|শবনম মুশতারী}}
* {{বাউ|শবনম রামস্বামী}}
* {{বাউ|শবর দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|শমসের মবিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|শমিতা দাশ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|শম্পা দাস}}
* {{বাউ|শম্ভু ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শম্ভুনাথ দে}}
* {{বাউ|শম্ভুনাথ পণ্ডিত}}
* {{বাউ|শম্ভুনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শরচ্চন্দ্র পণ্ডিত}}
* {{বাউ|শরণ}}
* {{বাউ|শরাফত আলী}}
* {{বাউ|শরিফ এনামুল কবির}}
* {{বাউ|শরিফা খাতুন}}
* {{বাউ|শরিফা খান}}
* {{বাউ|শরীফ উদ্দিন চাকলাদার}}
* {{বাউ|শরীফ খান}}
* {{বাউ|শরীফ মুহাম্মদ আজিজুল হক}}
* {{বাউ|শর্বরী জোহরা আহমেদ}}
* {{বাউ|শর্বরী রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|শর্মিলা বসু}}
* {{বাউ|শর্মিলা বিশ্বাস}}
* {{বাউ|শর্মিলা ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শর্মিলা সরকার}}
* {{বাউ|শরৎকুমার মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শরৎকুমারী চৌধুরাণী}}
* {{বাউ|শরৎচন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|শরৎচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|শরৎসুন্দরী দেবী}}
* {{বাউ|শশধর দত্ত}}
* {{বাউ|শশাঙ্ক চন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শশাঙ্ক শেখর সরকার}}
* {{বাউ|শশিভূষণ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|শশিশেখর বসু}}
* {{বাউ|শহিদুল আমিন}}
* {{বাউ|শহিদুল আলম}}
* {{বাউ|শহিদুল ইসলাম (বিচারক)}}
* {{বাউ|শহিদুল হক খান}}
* {{বাউ|শহীদ আখন্দ}}
* {{বাউ|শহীদ উল্লাহ তালুকদার}}
* {{বাউ|শহীদ সাবের}}
* {{বাউ|শহীদুল ইসলাম (গণিতবিদ)}}
* {{বাউ|শহীদুল ইসলাম (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|শহীদুল ইসলাম খোকন}}
* {{বাউ|শহীদুল হক}}
* {{বাউ|শহীদুল্লাহ খান}}
* {{বাউ|শাওন আকন্দ}}
* {{বাউ|শাকিলা জাফর}}
* {{বাউ|শাকুর মজিদ}}
* {{বাউ|শাজিয়া ওমর}}
* {{বাউ|শানারেই দেবী শানু}}
* {{বাউ|শানু লাহিড়ী}}
* {{বাউ|শান্তনু কায়সার}}
* {{বাউ|শান্তনু ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শান্তনু মৈত্র}}
* {{বাউ|শান্তা দেবী (নাগ)}}
* {{বাউ|শান্তিদেব ঘোষ}}
* {{বাউ|শান্তিময় চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শান্তিরঞ্জন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শান্তিসুধা ঘোষ}}
* {{বাউ|শাপলা সালিক}}
* {{বাউ|শাফিয়া খাতুন}}
* {{বাউ|শামছুল আলম}}
* {{বাউ|শামশুদ্দিন আহমদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন আহমদ (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন আহমেদ (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন টগর}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন হীরা}}
* {{বাউ|শামসুদ্দীন আবুল কালাম}}
* {{বাউ|শামসুন নাহার মাহমুদ}}
* {{বাউ|শামসুল আলম (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|শামসুল ইসলাম আলমাজী}}
* {{বাউ|শামসুল হক (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|শামসুল হুদা}}
* {{বাউ|শামসুল হুদা চৌধুরী}}
* {{বাউ|শামীম আকতার}}
* {{বাউ|শামীম আজাদ}}
* {{বাউ|শামীম আরা নিপা}}
* {{বাউ|শামীম আহমেদ রনি}}
* {{বাউ|শামীম আহসান}}
* {{বাউ|শামীম শিকদার}}
* {{বাউ|শামীম হায়দার}}
* {{বাউ|শামীম হাসনাইন}}
* {{বাউ|শামীমা করিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|শায়ান চৌধুরী অর্ণব}}
* {{বাউ|শায়েস্তা সোহরাওয়ার্দী ইকরামউল্লাহ}}
* {{বাউ|শারফুদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|শারমিন আলি}}
* {{বাউ|শার্মিন আক্তার}}
* {{বাউ|শাহ আজিজুর রহমান}}
* {{বাউ|শাহ আবদুল ওয়াহহাব}}
* {{বাউ|শাহ আবদুল হান্নান}}
* {{বাউ|শাহ আবু নাঈম মমিনুর রহমান}}
* {{বাউ|শাহ আবুল হাসনাৎ মোহাম্মদ ইসমাইল}}
* {{বাউ|শাহ আব্দুল হামিদ}}
* {{বাউ|শাহ আলম কিরণ}}
* {{বাউ|শাহ আলমগীর}}
* {{বাউ|শাহ আহমদ শফী}}
* {{বাউ|শাহ এ এম এস কিবরিয়া}}
* {{বাউ|শাহ খাজা শরফুদ্দীন}}
* {{বাউ|শাহ জাহাঙ্গীর কবীর}}
* {{বাউ|শাহ বারিদ খান}}
* {{বাউ|শাহ মাহাতাব আহমদ}}
* {{বাউ|শাহ মুহম্মদ সগীর}}
* {{বাউ|শাহ মো. ওয়ারেস আলী মামুন}}
* {{বাউ|শাহ মোঃ উললাহ}}
* {{বাউ|শাহ মোঃ হাসানুজ্জামান}}
* {{বাউ|শাহ মোহাম্মদ ফারুক}}
* {{বাউ|শাহ মোহাম্মদ ফারুক (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|শাহ মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস}}
* {{বাউ|শাহ মোহাম্মদ হাছানুজ্জামান}}
* {{বাউ|শাহজাদা আবদুল মালেক খান}}
* {{বাউ|শাহজাহান আহমেদ বিকাশ}}
* {{বাউ|শাহজাহান কিবরিয়া}}
* {{বাউ|শাহজাহান খান (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|শাহজাহান চৌধুরী (চলচ্চিত্র পরিচালক)}}
* {{বাউ|শাহদীন মালিক}}
* {{বাউ|শাহনাজ আরেফিন}}
* {{বাউ|শাহনাজ রহমতুল্লাহ}}
* {{বাউ|শাহনাজ হুদা}}
* {{বাউ|শাহনেওয়াজ কাকলী}}
* {{বাউ|শাহরিয়ার আলম}}
* {{বাউ|শাহরিয়ার নাজিম জয়}}
* {{বাউ|শাহলা খাতুন}}
* {{বাউ|শাহাদাত চৌধুরী}}
* {{বাউ|শাহাদাত হোসেন খান}}
* {{বাউ|শাহাদাৎ হোসেন (লেখক)}}
* {{বাউ|শাহাদাৎ হোসেন লিটন}}
* {{বাউ|শাহাবুদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|শাহাবুদ্দিন আহমেদ (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|শাহাবুদ্দিন আহমেদ (রাষ্ট্রদূত)}}
* {{বাউ|শাহাবুদ্দীন নাগরী}}
* {{বাউ|শাহীন আখতার}}
* {{বাউ|শাহীন দিল-রিয়াজ}}
* {{বাউ|শাহীন সামাদ}}
* {{বাউ|শাহীন-সুমন}}
* {{বাউ|শাহীনুর পাশা চৌধুরী}}
* {{বাউ|শাহেদ আলী}}
* {{বাউ|শাহেদ আলী পাটোয়ারী}}
* {{বাউ|শাহেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|শাহেদ নূরউদ্দিন}}
* {{বাউ|শাহ্ আলিমুজ্জামান}}
* {{বাউ|শিতালং শাহ}}
* {{বাউ|শিপ্রা গুহ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শিব নারায়ণ দাস}}
* {{বাউ|শিবকালী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শিবচন্দ্র বিদ্যার্ণব}}
* {{বাউ|শিবদাস বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শিবনারায়ণ রায়}}
* {{বাউ|শিবপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শিবব্রত বর্মন}}
* {{বাউ|শিবলি সাদিক}}
* {{বাউ|শিবাজী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শিমুল মুস্তাফা}}
* {{বাউ|শিমূল ইউসুফ}}
* {{বাউ|শিরীণ আখতার}}
* {{বাউ|শিশির কুমার ঘোষ}}
* {{বাউ|শিশির কুমার দাশ}}
* {{বাউ|শিশির কুমার মিত্র}}
* {{বাউ|শিশির ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|শিশির ভট্টাচার্য্য (ভাষাবিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|শিশিরকুমার বসু}}
* {{বাউ|শিশিরকুমার ভাদুড়ী}}
* {{বাউ|শিহাব শাহীন}}
* {{বাউ|শিহাব সরকার}}
* {{বাউ|শীলভদ্র}}
* {{বাউ|শুক্লা বোস}}
* {{বাউ|শুদ্ধানন্দ ব্রহ্মচারী}}
* {{বাউ|শুদ্ধানন্দ মহাথের}}
* {{বাউ|শুভ (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|শুভ গুহঠাকুরতা}}
* {{বাউ|শুভ রায়}}
* {{বাউ|শুভঙ্কর (গণিতবিদ)}}
* {{বাউ|শুভাগত চৌধুরী}}
* {{বাউ|শুভাশিস সিনহা}}
* {{বাউ|শুভ্র (চরিত্র)}}
* {{বাউ|শুভ্র দেব}}
* {{বাউ|শুভ্রা ঘোষ}}
* {{বাউ|শেখ আবদুল আউয়াল}}
* {{বাউ|শেখ আবদুল আজিজ}}
* {{বাউ|শেখ আবদুল মান্নান}}
* {{বাউ|শেখ আবদুস সালাম}}
* {{বাউ|শেখ আবুল কাশেম মিঠুন}}
* {{বাউ|শেখ আব্দুর রহিম}}
* {{বাউ|শেখ আব্দুস সালাম}}
* {{বাউ|শেখ খলিলুর রহমান হামিদি}}
* {{বাউ|শেখ গোলাম মাকসুদ হিলালী}}
* {{বাউ|শেখ তৈয়বুর রহমান}}
* {{বাউ|শেখ দীন মুহাম্মদ}}
* {{বাউ|শেখ নিয়ামত আলী}}
* {{বাউ|শেখ ফয়জুল্লাহ}}
* {{বাউ|শেখ বখতিয়ার উদ্দিন}}
* {{বাউ|শেখ ভানু}}
* {{বাউ|শেখ মকবুল ইসলাম}}
* {{বাউ|শেখ মনিরুল আলম টিপু}}
* {{বাউ|শেখ মাকসুদ আলী}}
* {{বাউ|শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ}}
* {{বাউ|শেখ মো. জাকির হোসেন}}
* {{বাউ|শেখ মোঃ নূরুল হক}}
* {{বাউ|শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ}}
* {{বাউ|শেখ রাজ্জাক আলী}}
* {{বাউ|শেখ রেজোয়ান আলী}}
* {{বাউ|শেখ লুতফর রহমান}}
* {{বাউ|শেখ শহীদুল ইসলাম}}
* {{বাউ|শেখ হাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|শেখ হাসান আরিফ}}
* {{বাউ|শেখর চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শেখর বসু}}
* {{বাউ|শেফালী ঘোষ}}
* {{বাউ|শেলী সেনগুপ্তা}}
* {{বাউ|শৈল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শৈলজারঞ্জন মজুমদার}}
* {{বাউ|শৈলবালা ঘোষজায়া}}
* {{বাউ|শৈলেন ঘোষ}}
* {{বাউ|শৈলেন রায়}}
* {{বাউ|শৈলেন্দ্র সরকার}}
* {{বাউ|শৈলেশ দে}}
* {{বাউ|শোভনা শর্মা}}
* {{বাউ|শোভনাসুন্দরী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শোভা রানী ত্রিপুরা}}
* {{বাউ|শোহিদ আলী}}
* {{বাউ|শৌভিক দে সরকার}}
* {{বাউ|শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর}}
* {{বাউ|শ্যামমোহিনী দেবী}}
* {{বাউ|শ্যামল কুমার সেন}}
* {{বাউ|শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শ্যামল গুপ্ত}}
* {{বাউ|শ্যামল দত্ত রায়}}
* {{বাউ|শ্যামল বসাক}}
* {{বাউ|শ্যামল মিত্র}}
* {{বাউ|শ্যামলকৃষ্ণ ঘোষ}}
* {{বাউ|শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|শ্যামসুন্দর চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|শ্যামসুন্দর বৈষ্ণব}}
* {{বাউ|শ্যামাচরণ শ্রীমানী}}
* {{বাউ|শ্যামাদাস চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শ্যামাদাস মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (পরিসংখ্যানবিদ)}}
* {{বাউ|শ্রাবন্তী নারমীন আলী}}
* {{বাউ|শ্রী জহির}}
* {{বাউ|শ্রী পারাবত}}
* {{বাউ|শ্রী প্রীতম}}
* {{বাউ|শ্রীকর নন্দী}}
* {{বাউ|শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শ্রীজাত}}
* {{বাউ|শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ}}
* {{বাউ|শ্রীধর আচার্য}}
* {{বাউ|শ্রীধর ভেঙ্কটেশ কেতকর}}
* {{বাউ|শ্রীমতি রাসাসুন্দরী}}
* {{বাউ|শ্রীশচন্দ্র নন্দী}}
* {{বাউ|শ্রীশচন্দ্র বিদ্যারত্ন}}
* {{বাউ|শ্রীশচন্দ্র মজুমদার}}
* {{বাউ|শ্রেয়সী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শ্রেষ্ঠ নাট্যকারের জন্য মেরিল-প্রথম আলো সমালোচক পুরস্কার}}
* {{বাউ|শ্ৰীকৃষ্ণ সার্বভৌম}}
* {{বাউ|ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সংগ্রাম কুমার দোলই}}
* {{বাউ|সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সঙ্ঘমিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সজনীকান্ত দাস}}
* {{বাউ|সজীব দাস}}
* {{বাউ|সঞ্চিতা ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|সঞ্জয় (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|সঞ্জয় কুমার অধিকারী}}
* {{বাউ|সঞ্জয় গুহঠাকুরতা}}
* {{বাউ|সতীকান্ত গুহ}}
* {{বাউ|সতীনাথ ভাদুড়ী}}
* {{বাউ|সতীশচন্দ্র আচার্য বিদ্যাভূষণ}}
* {{বাউ|সতীশচন্দ্র দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|সতীশচন্দ্র পাকড়াশী}}
* {{বাউ|সতীশচন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|সতীশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সত্য চৌধুরী}}
* {{বাউ|সত্য সাহা}}
* {{বাউ|সত্যপ্রিয় ঘোষ}}
* {{বাউ|সত্যপ্রিয় মহাথের}}
* {{বাউ|সত্যবতী (ব্যোমকেশ বক্সীর স্ত্রী)}}
* {{বাউ|সত্যব্রত সামশ্রমী}}
* {{বাউ|সত্যরঞ্জন বকসি}}
* {{বাউ|সত্যানন্দ গিরি}}
* {{বাউ|সত্যানন্দ দাশ}}
* {{বাউ|সত্যেন সেন}}
* {{বাউ|সত্যেন্দ্র চন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|সত্যেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সত্যেন্দ্রনাথ মৈত্র}}
* {{বাউ|সত্যেন্দ্রনাথ সেন}}
* {{বাউ|সনাতন গোস্বামী}}
* {{বাউ|সন্তোষ গুপ্ত}}
* {{বাউ|সন্তোষ চন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|সন্তোষ ঢালী}}
* {{বাউ|সন্তোষ রানা}}
* {{বাউ|সন্তোষকুমার ঘোষ}}
* {{বাউ|সন্তোষকুমারী দেবী}}
* {{বাউ|সন্দীপ ঘোষ}}
* {{বাউ|সন্দীপ দত্ত}}
* {{বাউ|সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সন্ধ্যাকর নন্দী}}
* {{বাউ|সন্মথ দত্ত}}
* {{বাউ|সন্মাত্রানন্দ}}
* {{বাউ|সন্জীদা খাতুন}}
* {{বাউ|সনৎ কর}}
* {{বাউ|সনৎ কুমার সাহা}}
* {{বাউ|সপ্তর্ষি ব্যানার্জি}}
* {{বাউ|সফিউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|সফিউদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|সবিতা রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|সবিতাব্রত দত্ত}}
* {{বাউ|সব্যসাচী মুখোপাধ্যায় (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|সমর দাস}}
* {{বাউ|সমর বাগচী}}
* {{বাউ|সমর মজুমদার}}
* {{বাউ|সমর সেন}}
* {{বাউ|সমরজিৎ রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্র কুমার মিত্র}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্র চন্দ্র দেব}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্র নাথ পাণ্ডে}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্র মল্লিক}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্রনাথ রায়}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্রনাথ সেন}}
* {{বাউ|সমরেশ বসু}}
* {{বাউ|সমাপ্তি চ্যাটার্জি}}
* {{বাউ|সমীর কুমার সাহা}}
* {{বাউ|সমীর রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|সমুদ্র গুপ্ত (কবি)}}
* {{বাউ|সরকার প্রতিক}}
* {{বাউ|সরদার জয়েনউদ্দীন}}
* {{বাউ|সরদার ফজলুল করিম}}
* {{বাউ|সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীর}}
* {{বাউ|সরদার মোশারফ হোসেন}}
* {{বাউ|সরদার মোহাম্মদ আবদুল হামিদ}}
* {{বাউ|সরযূবালা দেবী}}
* {{বাউ|সরযূবালা সেন}}
* {{বাউ|সরলা বসু}}
* {{বাউ|সরলা বিড়লা}}
* {{বাউ|সরলা রায়}}
* {{বাউ|সরসীবালা বসু}}
* {{বাউ|সরোজ কান্তি সিংহ হাজারী}}
* {{বাউ|সরোজ গুপ্ত}}
* {{বাউ|সরোজ ঘোষ}}
* {{বাউ|সরোজ দত্ত}}
* {{বাউ|সরোজ নলিনী দত্ত}}
* {{বাউ|সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সরোজকুমার রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ}}
* {{বাউ|সলিল চৌধুরী}}
* {{বাউ|সলিল সেন}}
* {{বাউ|সহিদুল করিম}}
* {{বাউ|সহিফা বানু}}
* {{বাউ|সাইদা খানম}}
* {{বাউ|সাইদুল আনাম টুটুল}}
* {{বাউ|সাইদুল হাসান (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|সাইদুস সালেহীন খালেদ সুমন}}
* {{বাউ|সাইফ হাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|সাইফউদ-দীন চৌধুরী}}
* {{বাউ|সাইফুজ্জামান শিখর}}
* {{বাউ|সাইফুদ্দিন শাহ্}}
* {{বাউ|সাইফুর রহমান}}
* {{বাউ|সাইফুল আজম কাশেম}}
* {{বাউ|সাইফুল ইসলাম (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|সাইফুল ইসলাম মান্নু}}
* {{বাউ|সাইফুল হক}}
* {{বাউ|সাইম রানা}}
* {{বাউ|সাইমন জাকারিয়া}}
* {{বাউ|সাইয়িদ আতীকুল্লাহ}}
* {{বাউ|সাঈদ আহমদ}}
* {{বাউ|সাঈদ উদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|সাঈদ হায়দার}}
* {{বাউ|সাঈদ-উর-রহমান}}
* {{বাউ|সাঈদা মুনা তাসনিম}}
* {{বাউ|সাকিব ফাহাদ}}
* {{বাউ|সাগর জাহান}}
* {{বাউ|সাগরময় ঘোষ}}
* {{বাউ|সাগরলাল দত্ত}}
* {{বাউ|সাজিদুর রহমান}}
* {{বাউ|সাজেদুল করিম}}
* {{বাউ|সাজ্জাদুল হাসান (আমলা)}}
* {{বাউ|সাদাত আবুল মাসুদ}}
* {{বাউ|সাদাত হোসাইন}}
* {{বাউ|সাদি মহম্মদ}}
* {{বাউ|সাদিক হোসেন}}
* {{বাউ|সাদিয়া ফাইজুন্নেসা}}
* {{বাউ|সাদির উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|সাদেক খান (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|সাধনা আহমেদ}}
* {{বাউ|সানাউল হক}}
* {{বাউ|সানাউল হক খান}}
* {{বাউ|সানাউল্লাহ নূরী}}
* {{বাউ|সানি সানোয়ার}}
* {{বাউ|সানিয়া সুলতানা লিজা}}
* {{বাউ|সানী জুবায়ের}}
* {{বাউ|সাফি উদ্দিন সাফি}}
* {{বাউ|সাবরিনা পড়শী}}
* {{বাউ|সাবিত্রী রায়}}
* {{বাউ|সাব্বির নাসির}}
* {{বাউ|সামন্ত লাল সেন}}
* {{বাউ|সামসুল হক (কবি)}}
* {{বাউ|সামিনা চৌধুরী}}
* {{বাউ|সামিয়া জামান}}
* {{বাউ|সাযযাদ কাদির}}
* {{বাউ|সায়মা ওয়াজেদ পুতুল}}
* {{বাউ|সায়েদুর রহমান}}
* {{বাউ|সায়েবা আখতার}}
* {{বাউ|সারদাচরণ মিত্র}}
* {{বাউ|সারদারঞ্জন রায়}}
* {{বাউ|সারা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সারা যাকের}}
* {{বাউ|সারা হোসেন}}
* {{বাউ|সালমা ইসলাম}}
* {{বাউ|সালমা মাসুদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|সালমা সুলতানা}}
* {{বাউ|সালমা সোবহান}}
* {{বাউ|সালাউদ্দিন সরদার}}
* {{বাউ|সালাহ উদ্দিন ইউসুফ}}
* {{বাউ|সালাহ উদ্দিন নানুপুরী}}
* {{বাউ|সালাহউদ্দিন (চলচ্চিত্র পরিচালক)}}
* {{বাউ|সালাহউদ্দিন আহমেদ (অ্যাটর্নি জেনারেল)}}
* {{বাউ|সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী}}
* {{বাউ|সালাহউদ্দিন লাভলু}}
* {{বাউ|সালিমুল হক}}
* {{বাউ|সালেহ উদ্দিন}}
* {{বাউ|সালেহ উদ্দীন আহমদ জহুরী}}
* {{বাউ|সালেহ হাসান নকীব}}
* {{বাউ|সালেহউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|সাহানাজ সুলতানা}}
* {{বাউ|সাহিদা বেগম}}
* {{বাউ|সি এম শফি সামি}}
* {{বাউ|সি. বি. জামান}}
* {{বাউ|সিকদার আমিনুল হক}}
* {{বাউ|সিকদার মাহমুদুর রাজী}}
* {{বাউ|সিগমা হুদা}}
* {{বাউ|সিতারা বেগম}}
* {{বাউ|সিদ্দিক আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|সিদ্দিকা কবীর}}
* {{বাউ|সিদ্দিকুর রহমান মিয়া}}
* {{বাউ|সিদ্ধার্থ ঘোষ}}
* {{বাউ|সিদ্ধার্থ মুখার্জী}}
* {{বাউ|সিদ্ধেশ্বর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সিয়াম আহমেদ}}
* {{বাউ|সিরাজ উদদীন আহমেদ}}
* {{বাউ|সিরাজ উদ্দিন মিয়া}}
* {{বাউ|সিরাজ সাঁই}}
* {{বাউ|সিরাজ হায়দার}}
* {{বাউ|সিরাজুদ্দীন হোসেন}}
* {{বাউ|সিরাজুর রহমান}}
* {{বাউ|সিরাজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|সিরাজুল ইসলাম (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|সিরাজুল ইসলাম (কবি)}}
* {{বাউ|সিরাজুল করিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|সিরাজুল হক (বাচ্চু মিয়া)}}
* {{বাউ|সিরাজুল হক (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|সিরাজুল হক খান}}
* {{বাউ|সিরিল সিকদার}}
* {{বাউ|সীতা দেবী}}
* {{বাউ|সীতানাথ তত্ত্বভূষণ}}
* {{বাউ|সীতানাথ সিদ্ধান্তবাগীশ}}
* {{বাউ|সুকন্যা দত্ত}}
* {{বাউ|সুকান্ত চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুকুমারী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|সুখময় চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুখরঞ্জন সমাদ্দার}}
* {{বাউ|সুগত বসু}}
* {{বাউ|সুগত মারজিত}}
* {{বাউ|সুচরিত চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুচারু দেবী}}
* {{বাউ|সুচিত্রা মিত্র}}
* {{বাউ|সুজন দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুজন বড়ুয়া}}
* {{বাউ|সুজয় পল}}
* {{বাউ|সুজাত খান (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|সুজেয় শ্যাম}}
* {{বাউ|সুতপা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুতপা বসু}}
* {{বাউ|সুদর্শন ঘোষ দস্তিদার}}
* {{বাউ|সুদীপ্ত-হেরম্যান}}
* {{বাউ|সুদীপ্তা সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুদেষ্ণা রায়}}
* {{বাউ|সুদেষ্ণা সিনহা}}
* {{বাউ|সুধাংশু দত্ত মজুমদার}}
* {{বাউ|সুধাংশু শেখর হালদার}}
* {{বাউ|সুধাংশুকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুধাংশুবালা হাজরা}}
* {{বাউ|সুধীন দত্ত}}
* {{বাউ|সুধীন দাশ}}
* {{বাউ|সুধীন দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুধীন্দ্রনাথ রাহা}}
* {{বাউ|সুধীর চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুধীরকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুধীরচন্দ্র কর}}
* {{বাউ|সুধীরঞ্জন প্রধান}}
* {{বাউ|সুধীরনাথ সান্যাল}}
* {{বাউ|সুধীরলাল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুনন্দ সান্যাল}}
* {{বাউ|সুনন্দা শিকদার}}
* {{বাউ|সুনয়নী দেবী}}
* {{বাউ|সুনীতি দেবী}}
* {{বাউ|সুনীতিকুমার পাঠক}}
* {{বাউ|সুনীল দাশ (লেখক)}}
* {{বাউ|সুনেত্রা গুপ্ত}}
* {{বাউ|সুন্দরীমোহন দাস}}
* {{বাউ|সুপ্রিয়া চৌধুরী (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|সুফি (কার্টুনিস্ট)}}
* {{বাউ|সুফি মিজানুর রহমান}}
* {{বাউ|সুফি মোতাহার হোসেন}}
* {{বাউ|সুফিয়া খাতুন}}
* {{বাউ|সুফী জুলফিকার হায়দার}}
* {{বাউ|সুবল দাস}}
* {{বাউ|সুবিমল বসাক}}
* {{বাউ|সুবিমল মিশ্র}}
* {{বাউ|সুবোধ ঘোষ}}
* {{বাউ|সুবোধ মিত্র}}
* {{বাউ|সুবোধ সরকার}}
* {{বাউ|সুবোধকুমার চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুব্রত রায় (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|সুব্রত রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুভাষ চন্দ্র শীল}}
* {{বাউ|সুভাষ চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুভাষ দত্ত}}
* {{বাউ|সুভাষ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|সুভাষ মুখোপাধ্যায় (কবি)}}
* {{বাউ|সুভাষ সিংহ রায়}}
* {{বাউ|সুভো ঠাকুর}}
* {{বাউ|সুমথনাথ ঘোষ}}
* {{বাউ|সুমন কল্যাণপুর}}
* {{বাউ|সুমন চট্টোপাধ্যায় (সাংবাদিক ও লেখক)}}
* {{বাউ|সুমন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুমনা রায়}}
* {{বাউ|সুমনা সিনহা}}
* {{বাউ|সুমিত রায়}}
* {{বাউ|সুমিত সরকার}}
* {{বাউ|সুমিত সাহা}}
* {{বাউ|সুরজিৎচন্দ্র লাহিড়ী}}
* {{বাউ|সুরজিৎচন্দ্র সিনহা}}
* {{বাউ|সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুরবালা ঘোষ}}
* {{বাউ|সুরমা জাহিদ}}
* {{বাউ|সুরমা মিত্র দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্র কুমার সিনহা}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্র নারায়ণ দাশ}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রকুমার দে}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ ঘোষ}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ মিত্র}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|সুরেশ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|সুরেশ রঞ্জন বসাক}}
* {{বাউ|সুরেশচন্দ্র চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুরেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুলতান আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুলতান উদ্দিন ভূঞা}}
* {{বাউ|সুলতান হোসেন খান}}
* {{বাউ|সুলতানা আফরোজ}}
* {{বাউ|সুলতানা ইয়াসমিন লায়লা}}
* {{বাউ|সুলতানা কামাল}}
* {{বাউ|সুলতানা নুরুন নাহার}}
* {{বাউ|সুলতানা ফিরদৌসী}}
* {{বাউ|সুলতানা সারওয়াত আরা জামান}}
* {{বাউ|সুলতানুল কবির চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুশান্ত মজুমদার}}
* {{বাউ|সুশীল কুমার দে}}
* {{বাউ|সুশীল জানা}}
* {{বাউ|সুশীল রঞ্জন চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুশীলকুমার ঘোষ}}
* {{বাউ|সুশীলকুমার মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুশীলা অনিতা ব্যানার্জী}}
* {{বাউ|সুশোভন বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুশোভন সরকার}}
* {{বাউ|সুষমা দাস}}
* {{বাউ|সুস্মিতা আনিস}}
* {{বাউ|সুস্মিতা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুস্মিতা বসু}}
* {{বাউ|সুস্মিতা বসু মজুমদার}}
* {{বাউ|সুহরাব হোসেন}}
* {{বাউ|সুহাস চন্দ্র দত্ত রায়}}
* {{বাউ|সুহাসিনী দাস}}
* {{বাউ|সূর্যকুমার সর্বাধিকারী}}
* {{বাউ|সেকুল ইসলাম}}
* {{বাউ|সেজান মাহমুদ}}
* {{বাউ|সেজুল হোসেন}}
* {{বাউ|সেলিনা আখতার}}
* {{বাউ|সেলিনা পারভীন}}
* {{বাউ|সেলিনা বানু}}
* {{বাউ|সেলিনা বাহার জামান}}
* {{বাউ|সেলিনা হায়াৎ আইভী}}
* {{বাউ|সেলিম আলতাফ জর্জ}}
* {{বাউ|সেলিম মাহমুদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ অহিদুজ্জামান ডায়মন্ড}}
* {{বাউ|সৈয়দ আকরম হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ আক্তার হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ আজিজুল হক}}
* {{বাউ|সৈয়দ আতিকুল হক}}
* {{বাউ|সৈয়দ আনোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ আনোয়ারুল করিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবদুস সামাদ (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবদুস সুলতান}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবদুস সোবহান}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবু কাওসার মো. দবিরুশ্বান}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবুল মকসুদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবুল মনসুর হাবিবুল্লাহ}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবুল মাসুদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ আব্দুন নূর হোছেনী চিশতি}}
* {{বাউ|সৈয়দ আব্দুল মজিদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ আব্দুল হাদী}}
* {{বাউ|সৈয়দ আমিরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|সৈয়দ আমীর আলী}}
* {{বাউ|সৈয়দ আলতাফ হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ এ কে এম এমদাদুল বারী}}
* {{বাউ|সৈয়দ এ. বি. মাহমুদ হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ এ.বি মাহমুদুল হক}}
* {{বাউ|সৈয়দ এমদাদ আলী}}
* {{বাউ|সৈয়দ গিয়াসউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া}}
* {{বাউ|সৈয়দ জাহাঙ্গীর}}
* {{বাউ|সৈয়দ জাহেদ মনসুর}}
* {{বাউ|সৈয়দ জে. আর. মোদাচ্ছির হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ তারেক হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী}}
* {{বাউ|সৈয়দ নওশের আলী}}
* {{বাউ|সৈয়দ নজমুল হক (বুদ্ধিজীবী)}}
* {{বাউ|সৈয়দ নাজমুদ্দীন হাশেম}}
* {{বাউ|সৈয়দ নাজমুল হক}}
* {{বাউ|সৈয়দ নূরুদ্দিন}}
* {{বাউ|সৈয়দ নূরুদ্দীন}}
* {{বাউ|সৈয়দ পীর বাদশাহ}}
* {{বাউ|সৈয়দ ফজলুল করিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ ফয়জুল করিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ ফাহিম মুনাইম}}
* {{বাউ|সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|সৈয়দ মাইনুল হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ মাহমুদ হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ মুর্তাজা আলী}}
* {{বাউ|সৈয়দ মুহাম্মদ আবদুল ফায়েজ}}
* {{বাউ|সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ মুহাম্মদ ইসহাক}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান নিজামী শাহ}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ তাজরুল হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ তৈফুর}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ রায়হান উদ্দিন}}
* {{বাউ|সৈয়দ রেজাউল করিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ রেফাত আহমেদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ শাহ ইসরাইল}}
* {{বাউ|সৈয়দ শাহনুর}}
* {{বাউ|সৈয়দ শাহিদুর রহমান}}
* {{বাউ|সৈয়দ সফিউল্লাহ}}
* {{বাউ|সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ সুলতান}}
* {{বাউ|সৈয়দ হাবিবুল হক}}
* {{বাউ|সৈয়দ হাসান আহমদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ হুমায়ুন আখতার}}
* {{বাউ|সৈয়দ হেদায়েতউল্লাহ}}
* {{বাউ|সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু}}
* {{বাউ|সৈয়দা ইসাবেলা}}
* {{বাউ|সৈয়দা মরিয়ম গুলশান হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দা মোতাহেরা বানু}}
* {{বাউ|সৈয়দা রুবিনা আক্তার}}
* {{বাউ|সোনালি চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সোনালী বসু}}
* {{বাউ|সোনিয়া নিশাত আমিন}}
* {{বাউ|সোমদত্তা সিনহা}}
* {{বাউ|সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সোমনাথ লাহিড়ী}}
* {{বাউ|সোমলতা আচার্য্য চৌধুরী}}
* {{বাউ|সোমশুক্লা}}
* {{বাউ|সোমা চৌধুরী}}
* {{বাউ|সোমেন চন্দ}}
* {{বাউ|সোমেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সোমেন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|সোমেশচন্দ্র বসু}}
* {{বাউ|সোমেশ্বর অলি}}
* {{বাউ|সোমেশ্বরপ্রসাদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|সোল্স}}
* {{বাউ|সোহরাব আলী সানা}}
* {{বাউ|সোহানুর রহমান সোহান}}
* {{বাউ|সোহিনী আলম}}
* {{বাউ|সোহিনী রায়}}
* {{বাউ|সোহেল রানা (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|সৌগত রায়}}
* {{বাউ|সৌদামিনী দেবী}}
* {{বাউ|সৌমিত্র শেখর দে}}
* {{বাউ|সৌমেন্দ্র সরকার}}
* {{বাউ|সৌম্যদীপ মুর্শিদাবাদী}}
* {{বাউ|সৌরভ পাল}}
* {{বাউ|সৌরীন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|সৌরীন্দ্রমোহন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|স্টেলা ক্রামরিশ}}
* {{বাউ|স্থবির দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|স্নেহময় দত্ত}}
* {{বাউ|স্নেহাংশুকান্ত আচার্য}}
* {{বাউ|স্নেহাসিক্তা স্বর্ণকার}}
* {{বাউ|স্বদেশ রায়}}
* {{বাউ|স্বপন কুমার পতি}}
* {{বাউ|স্বপন গুপ্ত}}
* {{বাউ|স্বপন দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|স্বপনকুমার চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|স্বপ্নময় চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|স্বপ্নীল সজীব}}
* {{বাউ|স্বরব্যাঞ্জো}}
* {{বাউ|স্বরোচিষ সরকার}}
* {{বাউ|স্বাধীন কুমার মন্ডল}}
* {{বাউ|স্বামী অসক্তানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী গম্ভীরানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী নিগমানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী নিরঞ্জনানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী প্রণবানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী প্রভবানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী বিরজানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী বোধানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী মাধবানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী লোকেশ্বরানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী শিবানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী সত্যানন্দ পুরী}}
* {{বাউ|স্বামী সমর্পণানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী সারদানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী স্বরূপানন্দ}}
* {{বাউ|স্মরণজিৎ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|স্যাভি গুপ্ত}}
* {{বাউ|স্যামসন এইচ চৌধুরী}}
* {{বাউ|হংসনারায়ণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|হবিবুর রহমান}}
* {{বাউ|হবীবুল্লাহ বাহার চৌধুরী}}
* {{বাউ|হযরত আলী (কৃষিতত্ত্ববিদ)}}
* {{বাউ|হরচন্দ্র ঘোষ (নাট্যকার)}}
* {{বাউ|হরপ্রসাদ শাস্ত্রী}}
* {{বাউ|হরলাল রায়}}
* {{বাউ|হরি কেশব সেন}}
* {{বাউ|হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হরিদাস পাল}}
* {{বাউ|হরিদাস ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|হরিদাস সিদ্ধান্তবাগীশ}}
* {{বাউ|হরিদেব}}
* {{বাউ|হরিনাথ দে}}
* {{বাউ|হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হরিপদ কাপালী}}
* {{বাউ|হরিপদ দত্ত}}
* {{বাউ|হরিশ চন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|হরিশংকর জলদাস}}
* {{বাউ|হরিশংকর দাশ}}
* {{বাউ|হরিশঙ্কর বাসুদেবন}}
* {{বাউ|হরিশ্চন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হরিসাধন চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হরিহর শেঠ}}
* {{বাউ|হরীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হরেকৃষ্ণ কোঙার}}
* {{বাউ|হরেন ঘটক}}
* {{বাউ|হরেন ঘোষ}}
* {{বাউ|হরেন্দ্র কুমার মুখার্জি}}
* {{বাউ|হরেন্দ্রনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|হর্ষ দত্ত}}
* {{বাউ|হর্ষবর্ধন-গোবর্ধন (চরিত্র)}}
* {{বাউ|হলধর পটল}}
* {{বাউ|হাকিম হাবিবুর রহমান}}
* {{বাউ|হাছন রাজা (হাসন রাজা)}}
* {{বাউ|হাজী মুহাম্মদ নছীম}}
* {{বাউ|হাজেরা মাহতাব}}
* {{বাউ|হাতেম আলী মিয়া}}
* {{বাউ|হানিফ পাঠান}}
* {{বাউ|হানিফউদ্দিন মিয়া}}
* {{বাউ|হাফিজা খাতুন}}
* {{বাউ|হাবিব ওয়াহিদ}}
* {{বাউ|হাবিবুর রহমান (তোতা মিয়া)}}
* {{বাউ|হাবিবুর রহমান আকন}}
* {{বাউ|হাবিবুর রহমান খান}}
* {{বাউ|হাবিবুর রহমান মিলন}}
* {{বাউ|হাবিবুল ইসলাম ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|হাবীবুর রহমান (কবি)}}
* {{বাউ|হাবীবুল্লাহ সিরাজী}}
* {{বাউ|হামিদা বেগম}}
* {{বাউ|হামিদা হোসেন}}
* {{বাউ|হামিদুজ্জামান খান}}
* {{বাউ|হামিদুজ্জামান সরকার}}
* {{বাউ|হামিদুর রহমান (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|হামিদুল হক খন্দকার}}
* {{বাউ|হামিদুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|হামিন আহমেদ}}
* {{বাউ|হামিরুদ্দিন মিদ্যা}}
* {{বাউ|হামুদুর রহমান}}
* {{বাউ|হামেদুর রহমান}}
* {{বাউ|হায়দার আকবর খান রনো}}
* {{বাউ|হায়দার হোসেন}}
* {{বাউ|হায়াৎ সাইফ}}
* {{বাউ|হারুন আল রশিদ}}
* {{বাউ|হারুন হাবীব}}
* {{বাউ|হারুনর রশিদ}}
* {{বাউ|হালিমা খাতুন}}
* {{বাউ|হাশেম খান}}
* {{বাউ|হাসনা জসিম উদ্দিন মওদুদ}}
* {{বাউ|হাসনা বেগম}}
* {{বাউ|হাসমত}}
* {{বাউ|হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|হাসান মতিউর রহমান}}
* {{বাউ|হাসান মশহুদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|হাসান মাসুদ}}
* {{বাউ|হাসান মাহমুদ খন্দকার}}
* {{বাউ|হাসান শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|হাসান সাইফুদ্দিন চন্দন}}
* {{বাউ|হাসান সিরাজ সুজা}}
* {{বাউ|হাসান সোহরাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|হাসান হাফিজ}}
* {{বাউ|হাসানউজ্জামান খান}}
* {{বাউ|হাসিনা খান}}
* {{বাউ|হাসিনা মমতাজ (কণ্ঠশিল্পী)}}
* {{বাউ|হাসিনা মুর্শেদ}}
* {{বাউ|হাসিবুন নাহার}}
* {{বাউ|হাসিবুর রেজা কল্লোল}}
* {{বাউ|হাসিবুল ইসলাম মিজান}}
* {{বাউ|হাসিরাশি দেবী}}
* {{বাউ|হিতেশরঞ্জন সান্যাল}}
* {{বাউ|হিমাংশু দত্ত}}
* {{বাউ|হিমানি বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হিমানীশ গোস্বামী}}
* {{বাউ|হিমু আকরাম}}
* {{বাউ|হিমেল আশরাফ}}
* {{বাউ|হিরণ্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হিরন্ময় সেন গুপ্ত}}
* {{বাউ|হীরালাল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|হীরালাল চৌধুরী}}
* {{বাউ|হীরেন্দ্রনাথ দত্ত}}
* {{বাউ|হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হুকাকাশি}}
* {{বাউ|হুমায়ুন কবির}}
* {{বাউ|হুমায়ুন কবির (কবি)}}
* {{বাউ|হুমায়ুন কবীর বালু}}
* {{বাউ|হুমায়ূন কবীর ঢালী}}
* {{বাউ|হুমায়ূন কবীর সাধু}}
* {{বাউ|হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|হুসনা আহমেদ}}
* {{বাউ|হুসনা বানু খানম}}
* {{বাউ|হৃদয় খান}}
* {{বাউ|হেনা দাস}}
* {{বাউ|হেমচন্দ্র বসু}}
* {{বাউ|হেমচন্দ্র বাগচী}}
* {{বাউ|হেমচন্দ্র রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|হেমন্ত মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হেমন্তকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হেমন্তকুমার সরকার}}
* {{বাউ|হেমাঙ্গ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|হেমেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হেমেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|হেমেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হেমেন্দ্রনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|হেরম্বচন্দ্র মৈত্র}}
* {{বাউ|হেলেনা খান}}
* {{বাউ|হৈমন্তী রক্ষিত}}
* {{বাউ|হৈমন্তী শুক্লা}}
* {{বাউ|হোসনে আরা (কবি)}}
* {{বাউ|হোসনে আরা বেগম (সমাজকর্মী)}}
* {{বাউ|হোসনে আরা শাহেদ}}
* {{বাউ|হোসেন উদ্দিন শেখর}}
* {{বাউ|হোসেন জিল্লুর রহমান}}
* {{বাউ|হোসেনউদ্দীন হোসেন}}
* {{বাউ|হ্যানা সেন}}
{{বাউ।আজমাইন ইকতিদার ইরতিজা}}
== অনুবাদ ==
এটি একটি সহায়ক তালিকা মাত্র। ভূক্তি তৈরির জন্য [https://en.wikiquote.org ইংরেজি উইকিউক্তি] থেকে ন্যূনতম ৩টি ভুক্তি এবং ১৫০ শব্দ সংবলিত পাতা বাংলায় অনুবাদ করতে পারেন।
=== অবাঙালি ব্যক্তি ===
{{Div col|colwidth=20em|rules=yes}}
* {{eq|A. C. Benson|এ. সি. বেনসন}}
* {{eq|A. C. Bradley|এ. সি. ব্র্যাডলি}}
* {{eq|A. J. P. Taylor|এ. জে. পি. টেলর}}
* {{eq|Abdulrazak Gurnah|আবদুলরাজাক গুরনাহ}}
* {{eq|Abdus Salam|আবদুস সালাম}}
* {{eq|Abhijit Naskar|অভিজিৎ নস্কর}}
* {{eq|Abiy Ahmed|আবি আহমেদ}}
* {{eq|Abraham Pais|আব্রাহাম পাইস}}
* {{eq|Adam Riess|অ্যাডাম রিস}}
* {{eq|Ahmed Zewail|আহমেদ জেওয়াইল}}
* {{eq|Al Gore|আল গোর}}
* {{eq|Al-Biruni|আল-বিরুনি}}
* {{eq|Al-Farabi|আল-ফারাবি}}
* {{eq|Al-Jahiz|আল-জাহিয}}
* {{eq|Alain Aspect|আলাঁ আস্পে}}
* {{eq|Alain de Botton|আলাঁ দ্য বতোঁ}}
* {{eq|Alan Guth|অ্যালান গুথ}}
* {{eq|Alan Kay|অ্যালান কে}}
* {{eq|Alan Perlis|অ্যালান পারলিস}}
* {{eq|Albert Hofmann|আলবার্ট হফমান}}
* {{eq|Albert I of Belgium|প্রথম আলবার্ট (বেলজিয়াম)}}
* {{eq|Albert Schweitzer|আলবার্ট সোয়াইৎজার}}
* {{eq|Albertus Magnus|আলবার্টাস ম্যাগনাস}}
* {{eq|Aldo Leopold|অ্যাল্ডো লিওপোল্ড}}
* {{eq|Aleksandr Solzhenitsyn|আলেকসান্দ্র্ সলজেনিৎসিন}}
* {{eq|Alex Haley|অ্যালেক্স হেইলি}}
* {{eq|Alexander Fleming|আলেকজান্ডার ফ্লেমিং}}
* {{eq|Alexander Grothendieck|আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক}}
* {{eq|Alexander von Humboldt|আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট}}
* {{eq|Alfred Aho|আলফ্রেড আহো}}
* {{eq|Alfred Kinsey|আলফ্রেড কিনসে}}
* {{eq|Alfred Marshall|আলফ্রেড মার্শাল}}
* {{eq|Alfred Nobel|আলফ্রেড নোবেল}}
* {{eq|Alfred North Whitehead|আলফ্রেড নর্থ হোয়াইটহেড}}
* {{eq|Alfred Russel Wallace|আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস}}
* {{eq|Alice Munro|অ্যালিস মানরো}}
* {{eq|Amina J. Mohammed|আমিনা জে. মোহাম্মদ}}
* {{eq|Amit Goswami|অমিত গোস্বামী}}
* {{eq|Amos Tversky|আমোস তভারস্কি}}
* {{eq|Anaxagoras|আনাক্সাগোরাস}}
* {{eq|Anaximander|অ্যানাক্সিম্যান্ডার}}
* {{eq|Andreas Vesalius|আন্দ্রিয়াস ভেসালিয়াস}}
* {{eq|Andrei Sakharov|আন্দ্রেই সাখারভ}}
* {{eq|Andrew Wiles|অ্যান্ড্রু ওয়াইলস}}
* {{eq|André Gide|অঁদ্রে জিদ}}
* {{eq|André-Marie Ampère|অঁদ্রে-মারি অম্পেয়্যার}}
* {{eq|Angela Merkel|আঙ্গেলা ম্যার্কেল}}
* {{eq|Anita Brookner|অনিতা ব্রুকনার}}
* {{eq|Anita Desai|অনিতা দেসাই}}
* {{eq|Anne Applebaum|অ্যান অ্যাপলবাউম}}
* {{eq|Annie Ernaux|আনি এরনো}}
* {{eq|Antoine Lavoisier|অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে}}
* {{eq|Aravind Adiga|অরবিন্দ আদিগা}}
* {{eq|Arthur Balfour|আর্থার বেলফোর}}
* {{eq|Arthur Eddington|আর্থার এডিংটন}}
* {{eq|Arthur Kornberg|আর্থার কর্নবার্গ}}
* {{eq|Arthur Leonard Schawlow|আর্থার লিওনার্ড শলো}}
* {{eq|Ash Carter|অ্যাশ কার্টার}}
* {{eq|Atle Selberg|আটলে সেলবার্গ}}
* {{eq|Audrey Hepburn|অড্রে হেপবার্ন}}
* {{eq|August Kekulé|ফ্রিডরিখ আউগুস্ট কেকুলে}}
* {{eq|Augustin Louis Cauchy|ওগ্যুস্তাঁ লুই কোশি}}
* {{eq|Augustin-Jean Fresnel|ওগ্যুস্তাঁ-জঁ ফ্রেনেল}}
* {{eq|Aurel Stein|অরেল স্টেইন}}
* {{eq|Ban Ki-moon|বান কি-মুন}}
* {{eq|Baruch Samuel Blumberg|বারুক স্যামুয়েল ব্লুমবার্গ}}
* {{eq|Beatrix Potter|বিয়াট্রিক্স পটার}}
* {{eq|Ben Okri|বেন ওক্রি}}
* {{eq|Bernardine Evaristo|বার্নার্ডিন এভারিস্তো}}
* {{eq|Blaise Pascal|ব্লেজ পাসকাল}}
* {{eq|Bob Dylan|বব ডিলান}}
* {{eq|Boris Pasternak|বরিস পাস্তেরনাক}}
* {{eq|Boutros Boutros-Ghali|বুত্রোস বুত্রোস-ঘালি}}
* {{eq|Brian Cox (physicist)|ব্রায়ান কক্স (পদার্থবিজ্ঞানী)}}
* {{eq|Brian Greene|ব্রায়ান গ্রিন}}
* {{eq|Brian Schmidt|ব্রায়ান পি. শ্মিট}}
* {{eq|Brook Taylor|ব্রুক টেলর}}
* {{eq|Brussels|ব্রাসেলস}}
* {{eq|C. A. R. Hoare|সি. এ. আর. হোর}}
* {{eq|C. N. Ramachandra Rao|সি. এন. রামচন্দ্র রাও}}
* {{eq|C. V. Raman|চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন}}
* {{eq|Carl Bernstein|কার্ল বার্নস্টিন}}
* {{eq|Carl Linnaeus|কার্ল লিনিয়াস}}
* {{eq|Carlo Rubbia|কার্লো রুবিয়া}}
* {{eq|Carolyn Bertozzi|ক্যারোলিন বার্তোজি}}
* {{eq|Caryl Phillips|ক্যারিল ফিলিপস}}
* {{eq|Chaim Weizmann|হাইম ভাইৎসমান}}
* {{eq|Charles Fefferman|চার্লস ফেফারম্যান}}
* {{eq|Charles Hard Townes|চার্লস হার্ড টাউনস}}
* {{eq|Charles Lyell|চার্লস লিয়েল}}
* {{eq|Charles Sanders Peirce|চার্লস স্যান্ডার্স পার্স}}
* {{eq|Charles Scott Sherrington|চার্লস স্কট শেরিংটন}}
* {{eq|Cheikh Anta Diop|শেখ আন্তা দিওপ}}
* {{eq|Chinua Achebe|চিনুয়া আচেবে}}
* {{eq|Christiaan Barnard|ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড}}
* {{eq|Christiaan Huygens|ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস}}
* {{eq|Christopher Wren|ক্রিস্টোফার রেন}}
* {{eq|Claude Lévi-Strauss|ক্লোদ লেভি-স্ত্রোস}}
* {{eq|Claudia Sheinbaum|ক্লাউদিয়া শেইনবাউম}}
* {{eq|Colson Whitehead|কলসন হোয়াইটহেড}}
* {{eq|Craig Venter|ক্রেইগ ভেন্টর}}
* {{eq|Czesław Miłosz|চেসোয়াফ মিওশ}}
* {{eq|Cédric Villani|সেড্রিক ভিলানি}}
* {{eq|Dag Hammarskjöld|দ্যাগ হ্যামারশোল্ড}}
* {{eq|Damon Galgut|ড্যামন গ্যালগুট}}
* {{eq|Daniel Kahneman|ড্যানিয়েল কানেমান}}
* {{eq|Dave Barry|ডেভ ব্যারি}}
* {{eq|David Bohm|ডেভিড বম}}
* {{eq|David Brewster|ডেভিড ব্রুস্টার}}
* {{eq|David Chalmers|ডেভিড চালমারস}}
* {{eq|David Gross|ডেভিড জোনাথন গ্রোস}}
* {{eq|David Grossman|ডেভিড গ্রসম্যান}}
* {{eq|David Hilbert|ডাভিড হিলবের্ট}}
* {{eq|David Mamet|ডেভিড ম্যামেট}}
* {{eq|David McCullough|ডেভিড ম্যাককালাফ}}
* {{eq|David Suzuki|ডেভিড সুজুকি}}
* {{eq|Dennis Ritchie|ডেনিস রিচি}}
* {{eq|Desmond Morris|ডেসমন্ড মরিস}}
* {{eq|Desmond Tutu|ডেসমন্ড টুটু}}
* {{eq|Dian Fossey|ডায়ান ফসি}}
* {{eq|Dmitri Mendeleev|দিমিত্রি মেন্ডেলিভ}}
* {{eq|Dmitry Muratov|দিমিত্রি মুরাতভ}}
* {{eq|Donald Knuth|ডোনাল্ড কানুথ}}
* {{eq|Donald Tusk|ডোনাল্ড টাস্ক}}
* {{eq|Donna Strickland|ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড}}
* {{eq|Doris Lessing|ডরিস লেসিং}}
* {{eq|Dorothy Hodgkin|ডরোথি হজকিন}}
* {{eq|Douglas Engelbart|ডগলাস এঙ্গেলবার্ট}}
* {{eq|E. O. Wilson|ই. ও. উইলসন}}
* {{eq|Edith Wharton|ইডিথ হোয়ার্টন}}
* {{eq|Edmond Halley|এডমন্ড হ্যালি}}
* {{eq|Edsger W. Dijkstra|এডসগার ডাইকস্ট্রা}}
* {{eq|Edward Teller|এডওয়ার্ড টেলার}}
* {{eq|Edward Witten|এডওয়ার্ড উইটেন}}
* {{eq|Elias James Corey|ইলিয়াস জেমস কোরি}}
* {{eq|Elie Wiesel|এলি উইজেল}}
* {{eq|Elinor Ostrom|এলিনর অস্ট্রম}}
* {{eq|Elizabeth Bishop|এলিজাবেথ বিশপ}}
* {{eq|Ellen Johnson Sirleaf|এলেন জনসন সারলিফ}}
* {{eq|Emanuel Swedenborg|এমানুয়েল সোয়েডেনবার্গ}}
* {{eq|Emmy Noether|এমি নোয়েদার}}
* {{eq|Empedocles|এম্পেদোক্লেস}}
* {{eq|Enrico Fermi|এনরিকো ফের্মি}}
* {{eq|Epicurus|এপিকুরোস}}
* {{eq|Eric Hobsbawm|এরিক হবসবাউম}}
* {{eq|Eric Kandel|এরিক ক্যান্ডেল}}
* {{eq|Ernest Hemingway|আর্নেস্ট হেমিংওয়ে}}
* {{eq|Ernest Rutherford|আর্নেস্ট রাদারফোর্ড}}
* {{eq|Ernst Haeckel|এর্নস্ট হেকেল}}
* {{eq|Ernst Mach|এর্নস্ট মাখ}}
* {{eq|Ernst Mayr|এর্নস্ট মায়ার}}
* {{eq|Eugene O'Neill|ইউজিন ও'নিল}}
* {{eq|Eugene Wigner|ইউজিন পল উইগনার}}
* {{eq|European Parliament|ইউরোপীয় পার্লামেন্ট}}
* {{eq|European Union|ইউরোপীয় ইউনিয়ন}}
* {{eq|Evangelista Torricelli|ইভাঞ্জেলিস্টা টরিসেলি}}
* {{eq|F. W. de Klerk|এফ. ডব্লিউ. ডি ক্লার্ক}}
* {{eq|Fabiola Gianotti|ফাবিওলা জানোত্তি}}
* {{eq|Fakhr al-Din al-Razi|ফখরুদ্দীন আল-রাযী}}
* {{eq|Federico Faggin|ফেদেরিকো ফাগিন}}
* {{eq|Felix Bloch|ফেলিক্স ব্লখ}}
* {{eq|Flinders Petrie|ফ্লিন্ডার্স পেট্রি}}
* {{eq|Francis Collins|ফ্রান্সিস কলিন্স}}
* {{eq|Francis Crick|ফ্রান্সিস ক্রিক}}
* {{eq|Francis Galton|ফ্রান্সিস গ্যাল্টন}}
* {{eq|Francisco Varela|ফ্রান্সিস্কো ভারেলা}}
* {{eq|Frank Macfarlane Burnet|ফ্র্যাঙ্ক ম্যাকফারলেন বার্নেট}}
* {{eq|Frank Wilczek|ফ্র্যাঙ্ক উইলচেক}}
* {{eq|François Arago|ফ্রঁসোয়া আরাগন}}
* {{eq|François Englert|ফ্রঁসোয়া অংল্যার}}
* {{eq|François Mauriac|ফ্রঁসোয়া মরিয়াক}}
* {{eq|François Mitterrand|ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ}}
* {{eq|Fred Brooks|ফ্রেড ব্রুকস}}
* {{eq|Frederick Jackson Turner|ফ্রেডরিক জ্যাকসন টার্নার}}
* {{eq|Frederick Soddy|ফ্রেডরিক সডি}}
* {{eq|Fridtjof Nansen|ফ্রিডতিয়ফ নানসেন}}
* {{eq|Friedrich Hayek|ফ্রিডরিখ ফন হায়েক}}
* {{eq|Fritjof Capra|ফ্রিটজফ কাপরা}}
* {{eq|G. H. Hardy|জি. এইচ. হার্ডি}}
* {{eq|Gabriela Mistral|গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল}}
* {{eq|Gao Xingjian|কাও শিংচিয়েন}}
* {{eq|Gary Becker|গ্যারি বেকার}}
* {{eq|Geert Wilders|খের্ট ভিল্ডার্স}}
* {{eq|Geoffrey Hinton|জিওফ্রে হিন্টন}}
* {{eq|George Boole|জর্জ বুল}}
* {{eq|George Curzon, 1st Marquess Curzon of Kedleston|জর্জ ন্যাথানিয়েল কার্জন}}
* {{eq|George Gamow|জর্জ গ্যামো}}
* {{eq|George Smoot|জর্জ স্মুট}}
* {{eq|George Steiner|জর্জ স্টাইনার}}
* {{eq|George Stigler|জর্জ স্টিগলার}}
* {{eq|George Washington Carver|জর্জ ওয়াশিংটন কার্ভার}}
* {{eq|Georges Cuvier|জর্জ ক্যুভিয়ে}}
* {{eq|Georges-Louis Leclerc, Comte de Buffon|জর্জ-লুই ল্যক্লের, কোঁত দ্য বুফোঁ}}
* {{eq|Gerald Durrell|জেরাল্ড ডারেল}}
* {{eq|Gerhard Schröder|গেরহার্ড শ্রোডার}}
* {{eq|Gertrude B. Elion|গারট্রুড বি. এলিয়ন}}
* {{eq|Giorgio Parisi|জর্জিও পারিসি}}
* {{eq|Giorgos Seferis|ইয়োর্গোস সেফেরিস}}
* {{eq|Giosuè Carducci|জোযুয়ে কার্দুচ্চি}}
* {{eq|Glenn T. Seaborg|গ্লেন থিওডোর সিবর্গ}}
* {{eq|Goodluck Jonathan|গুডলাক জোনাথন}}
* {{eq|Gordon Moore|গর্ডন মুর}}
* {{eq|Gottfried Leibniz|গটফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎস}}
* {{eq|Gregor Mendel|গ্রেগর মেন্ডেল}}
* {{eq|Grigori Perelman|গ্রিগরি পেরেলমান}}
* {{eq|Gro Harlem Brundtland|গ্রো হারলেম ব্রুন্ডটল্যান্ড}}
* {{eq|Gustav Kirchhoff|গুস্টাফ কির্খফ}}
* {{eq|Gustav Stresemann|গুস্টাভ ষ্ট্রেজেমান}}
* {{eq|Gérard Debreu|জেরার দ্যব্রু}}
* {{eq|Göran Persson|গোরান পারসন}}
* {{eq|H. H. Asquith|এইচ. এইচ. অ্যাসকুইথ}}
* {{eq|Halldór Laxness|হালডোর ল্যাক্সনেস}}
* {{eq|Han Kang|হান কাং}}
* {{eq|Hans Bethe|হ্যান্স বেটে}}
* {{eq|Hans Blix|হ্যান্স ব্লিক্স}}
* {{eq|Harish-Chandra|হরিশ-চন্দ্র}}
* {{eq|Harold Macmillan|হ্যারল্ড ম্যাকমিলান}}
* {{eq|Harold Pinter|হ্যারল্ড পিন্টার}}
* {{eq|Harper Lee|হার্পার লি}}
* {{eq|Harry Markowitz|হ্যারি মার্কোউইটজ}}
* {{eq|Heinrich Böll|হাইনরিখ বোল}}
* {{eq|Heinrich Hertz|হাইনরিখ হের্ত্স}}
* {{eq|Heinrich Rohrer|হাইনরিখ রোরার}}
* {{eq|Helen Clark|হেলেন ক্লার্ক}}
* {{eq|Helmut Kohl|হেলমুট কোল}}
* {{eq|Hendrik Lorentz|হেন্ড্রিক আন্টোন লোরেন্ৎস}}
* {{eq|Henri Bergson|অঁরি বের্গসন}}
* {{eq|Henri Poincaré|অঁরি পোয়াঁকারে}}
* {{eq|Henry Cavendish|হেনরি ক্যাভেন্ডিশ}}
* {{eq|Henry Dunant|অঁরি দ্যুনঁ}}
* {{eq|Henryk Sienkiewicz|হেনরিক শিয়েনকিয়েভিচ}}
* {{eq|Heraclitus|হেরাক্লিটাস}}
* {{eq|Herbert A. Simon|হার্বার্ট এ. সাইমন}}
* {{eq|Herbert Kroemer|হার্বার্ট ক্রোয়েমার}}
* {{eq|Herbert Spencer|হার্বার্ট স্পেন্সার}}
* {{eq|Hermann Hesse|হেরমান হেস}}
* {{eq|Hermann Weyl|হেরমান ভাইল}}
* {{eq|Hermann von Helmholtz|হারমান ফন হেল্মহোল্ৎস}}
* {{eq|Herta Müller|হের্টা ম্যুলার}}
* {{eq|Hideki Yukawa|হিদেকি ইউকাওয়া}}
* {{eq|Hirohito|হিরোহিতো}}
* {{eq|Howard H. Aiken|হাওয়ার্ড আইকেন}}
* {{eq|Hugh Everett|হিউ এভারেট}}
* {{eq|Hugo De Vries|হুগো দ্য ভ্রিস}}
* {{eq|Humphry Davy|হামফ্রি ডেভি}}
* {{eq|Ian Kershaw|ইয়ান কার্শ}}
* {{eq|Ian McEwan|ইয়ান ম্যাকইউয়ান}}
* {{eq|Ian Wilmut|ইয়ান উইলমুট}}
* {{eq|Igor Kurchatov|ইগর কুরচাতভ}}
* {{eq|Imre Kertész|ইমরে কার্তেজ}}
* {{eq|Ingrid Daubechies|ইনগ্রিড ডোবিচি}}
* {{eq|Irina Bokova|ইরিনা বোকোভা}}
* {{eq|Iris Murdoch|আইরিস মারডক}}
* {{eq|Irving Langmuir|আরভিং ল্যাংমুয়ির}}
* {{eq|Isaac Bashevis Singer|আইজ্যাক বাশেভিস সিঙ্গার}}
* {{eq|Isidor Isaac Rabi|ইসিদোর আইজ্যাক রাবি}}
* {{eq|Ivan Pavlov|ইভান পাভলভ}}
* {{eq|Ivo Andrić|ইভো আন্দ্রিক}}
* {{eq|J. B. S. Haldane|জে. বি. এস. হ্যালডেন}}
* {{eq|J. J. Thomson|জে. জে. থমসন}}
* {{eq|J. M. Coetzee|জে. এম. কোয়েটজি}}
* {{eq|Jack Steinberger|জ্যাক স্টেইনবার্গার}}
* {{eq|Jacobus Henricus van 't Hoff|ইয়াকোবুস হেনরিকুস ফান্ট হফ}}
* {{eq|Jacques Chirac|জাক শিরাক}}
* {{eq|Jacques-Yves Cousteau|জাক-ইভ কুস্তো}}
* {{eq|James Callaghan|জেমস ক্যালাহান}}
* {{eq|James Chadwick|জেমস চ্যাডউইক}}
* {{eq|James Cook|জেমস কুক}}
* {{eq|James Mirrlees|জেমস মিরলিস}}
* {{eq|James Prescott Joule|জেমস প্রেসকট জুল}}
* {{eq|James Prinsep|জেমস প্রিন্সেপ}}
* {{eq|James Tobin|জেমস টোবিন}}
* {{eq|James Van Allen|জেমস ভ্যান অ্যালেন}}
* {{eq|James Watt|জেমস ওয়াট}}
* {{eq|Jane Addams|জেন অ্যাডামস}}
* {{eq|Jane Goodall|জেন গুডাল}}
* {{eq|Jared Diamond|জ্যারেড ডায়মন্ড}}
* {{eq|Jayant Narlikar|জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর}}
* {{eq|Jean le Rond d'Alembert|জঁ ল্য রোঁ দালঁবের}}
* {{eq|Jean-Baptiste Lamarck|জঁ-বাতিস্ত লামার্ক}}
* {{eq|Jean-Marie Le Pen|জঁ-মারি ল্য পেন}}
* {{eq|Jean-Pierre Serre|জঁ-পিয়ের সের}}
* {{eq|Jerome Isaac Friedman|জেরোম আইজ্যাক ফ্রিডম্যান}}
* {{eq|Jhumpa Lahiri|ঝুম্পা লাহিড়ী}}
* {{eq|Jocelyn Bell Burnell|জসিলিন বেল বার্নেল}}
* {{eq|John Archibald Wheeler|জন আর্চিবল্ড হুইলার}}
* {{eq|John Backus|জন ব্যাকাস}}
* {{eq|John Banville|জন ব্যানভিল}}
* {{eq|John Bardeen|জন বারডিন}}
* {{eq|John C. Mather|জন সি. মাদার}}
* {{eq|John Desmond Bernal|জে. ডি. বার্নাল}}
* {{eq|John Forbes Nash, Jr.|জন ফোর্বস ন্যাশ}}
* {{eq|John Galsworthy|জন গলসওয়ার্দি}}
* {{eq|John Gurdon|জন গার্ডন}}
* {{eq|John Hicks|জন হিক্স}}
* {{eq|John Hopfield|জন হোপফিল্ড}}
* {{eq|John James Audubon|জন জেমস অডুবন}}
* {{eq|John Major|জন মেজর}}
* {{eq|John Maynard Keynes|জন মেইনার্ড কেইনস}}
* {{eq|John Maynard Smith|জন মেইনার্ড স্মিথ}}
* {{eq|John McCarthy (computer scientist)|জন ম্যাককার্থি (কম্পিউটার বিজ্ঞানী)}}
* {{eq|John Muir|জন মুয়ির}}
* {{eq|John Napier|জন নেপিয়ার}}
* {{eq|John Polanyi|জন চার্লস পোলানি}}
* {{eq|John Ray|জন রে}}
* {{eq|John Stewart Bell|জন স্টুয়ার্ট বেল}}
* {{eq|John Tyndall|জন টিন্ডাল}}
* {{eq|John von Neumann|জন ফন নিউম্যান}}
* {{eq|Jon Fosse|ইয়োন ফসে}}
* {{eq|Jonas Salk|জোনাস সল্ক}}
* {{eq|Josef Mengele|ইয়োসেফ মেংগেলে}}
* {{eq|Joseph Fourier|জোসেফ ফুরিয়ে}}
* {{eq|Joseph Priestley|জোসেফ প্রিস্টলি}}
* {{eq|Joseph Stiglitz|জোসেফ স্টিগলিটজ}}
* {{eq|Joseph von Fraunhofer|ইয়োসেফ ফন ফ্রাউনহোফার}}
* {{eq|Joshua Lederberg|জশুয়া লেডারবার্গ}}
* {{eq|Josiah Willard Gibbs|জোসিয়াহ উইলার্ড গিবস}}
* {{eq|José María Aznar|হোসে মারিয়া আজনার}}
* {{eq|José Saramago|হোসে সারামাগো}}
* {{eq|Juan Maldacena|হুয়ান মালদাসেনা}}
* {{eq|Juan Ramón Jiménez|হুয়ান রামোন হিমেনেজ}}
* {{eq|Judea Pearl|জুডেয়া পার্ল}}
* {{eq|Julian Schwinger|জুলিয়ান শুইঙার}}
* {{eq|Julio Cortázar|হুলিও কোর্তাজার}}
* {{eq|Julius Robert von Mayer|জুলিয়াস রবার্ট ফন মেয়ার}}
* {{eq|Junot Díaz|জুনো দিয়াজ}}
* {{eq|Justus von Liebig|ইয়োস্টুস ফন লিবিগ}}
* {{eq|Jöns Jacob Berzelius|ইয়োন্স ইয়াকব বের্সেলিয়ুস}}
* {{eq|Kaja Kallas|কায়া কাল্লাস}}
* {{eq|Kamila Shamsie|কামিলা শামসি}}
* {{eq|Karen Uhlenbeck|কারেন উলেনবেক}}
* {{eq|Karl Barry Sharpless|কার্ল ব্যারি শার্পলেস}}
* {{eq|Kary Mullis|ক্যারি মুলিস}}
* {{eq|Katalin Karikó|কাতালিন কারিকো}}
* {{eq|Kazuo Ishiguro|কাজুও ইশিগুরো}}
* {{eq|Kaṇāda|কণাদ্}}
* {{eq|Ken Thompson|কেন টম্পসন}}
* {{eq|Kendrick Lamar|কেন্ড্রিক লামার}}
* {{eq|Kenneth Arrow|কেনেথ অ্যারো}}
* {{eq|Kenzaburō Ōe|কেন্জাবুরো ওহয়ে}}
* {{eq|Kiran Desai|কিরণ দেশাই}}
* {{eq|Kiran Mazumdar-Shaw|কিরণ মজুমদার-শ}}
* {{eq|Knut Hamsun|ক্যনুট হামসুন}}
* {{eq|Koichi Tanaka|কোইচি তানাকা}}
* {{eq|Korean War|কোরীয় যুদ্ধ}}
* {{eq|Lars Peter Hansen|লারস পিটার হ্যান্সেন}}
* {{eq|Laurent Schwartz|লোরঁ শোয়ার্তজ}}
* {{eq|Leon Cooper|লিয়ন কুপার}}
* {{eq|Leon M. Lederman|লিয়ন ম্যাক্স লেডারম্যান}}
* {{eq|Leonard Susskind|লিওনার্ড সাসকিন্ড}}
* {{eq|Leonhard Euler|লিওনার্ড ইউলার}}
* {{eq|Leonid Kantorovich|লিওনিদ ক্যান্টোরোভিচ}}
* {{eq|Leopold II of Belgium|দ্বিতীয় লেওপোল্ড (বেলজিয়াম)}}
* {{eq|Leopold III of Belgium|তৃতীয় লেওপোল্ড (বেলজিয়াম)}}
* {{eq|Leslie Lamport|লেসলি ল্যামপোর্ট}}
* {{eq|Lev Landau|ল্যেভ লান্দাউ}}
* {{eq|Leymah Gbowee|লেমাহ গবোউই}}
* {{eq|Leó Szilárd|লিও জিলার্দ}}
* {{eq|Linus Pauling|লিনাস পাউলিং}}
* {{eq|Lionel Robbins|লিওনেল রবিন্স}}
* {{eq|Lisa Randall|লিসা রান্ডাল}}
* {{eq|Louis Agassiz|লুই আগাসিজ}}
* {{eq|Louis de Broglie|লুই দ্য ব্রোয়ি}}
* {{eq|Louise Glück|লুইজ গ্লিক}}
* {{eq|Ludwig Boltzmann|লুডভিগ বোলৎসমান}}
* {{eq|Ludwik Fleck|লুডউইক ফ্লেক}}
* {{eq|Luigi Pirandello|লুইজি পিরানদেল্লো}}
* {{eq|Lynn Margulis|লিন মার্গুলিস}}
* {{eq|Léon Foucault|লেয়োঁ ফুকো}}
* {{eq|M. S. Swaminathan|এম. এস. স্বামীনাথন}}
* {{eq|Malala Yousafzai|মালালা ইউসুফজাই}}
* {{eq|Margaret Atwood|মার্গারেট অ্যাটউড}}
* {{eq|Margaret Chan|মার্গারেট চ্যান}}
* {{eq|Marguerite Yourcenar|মার্গ্যুরিত ইয়ুর্সনার}}
* {{eq|Marie Stopes|মেরি স্টোপস}}
* {{eq|Marine Le Pen|মারিন ল্য পেন}}
* {{eq|Mario Vargas Llosa|মারিও বার্গাস ইয়োসা}}
* {{eq|Mark Oliphant|মার্ক ওলিফ্যান্ট}}
* {{eq|Martin Amis|মার্টিন এমিস}}
* {{eq|Martin Lewis Perl|মার্টিন লুইস পার্ল}}
* {{eq|Martin Rees|মার্টিন রিস}}
* {{eq|Martin Ryle|মার্টিন রাইল}}
* {{eq|Martinus J. G. Veltman|মার্টিনুস ভেল্টম্যান}}
* {{eq|Martti Ahtisaari|মার্টি আহতিসারি}}
* {{eq|Marvin Minsky|মার্ভিন মিনস্কি}}
* {{eq|Mary Beard (classicist)|মেরি বিয়ার্ড (ক্ল্যাসিসিস্ট)}}
* {{eq|Mary Robinson|মেরি রবিনসন}}
* {{eq|Max Born|মাক্স বর্ন}}
* {{eq|Max Delbrück|মাক্স ডেলব্রুক}}
* {{eq|Max Perutz|ম্যাক্স ফার্দিনান্দ পেরুতজ}}
* {{eq|Max von Laue|মাক্স ফন লাউয়ে}}
* {{eq|Menachem Begin|মেনাখেম বেগিন}}
* {{eq|Merton Miller|মার্টন মিলার}}
* {{eq|Michael Atiyah|মাইকেল আতিয়াহ}}
* {{eq|Michael Faraday|মাইকেল ফ্যারাডে}}
* {{eq|Michael Gove|মাইকেল গোভ}}
* {{eq|Michio Kaku|মিচিও কাকু}}
* {{eq|Mikhail Sholokhov|মিখাইল শলোখভ}}
* {{eq|Mo Yan|মো ইয়ান}}
* {{eq|Mohammad Javad Zarif|মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ}}
* {{eq|Murray Gell-Mann|মারে গেল-মান}}
* {{eq|Nadine Gordimer|নাডিন গর্ডিমার}}
* {{eq|Naguib Mahfouz|নাগিব মাহফুজ}}
* {{eq|Narges Mohammadi|নার্গেস মোহাম্মদী}}
* {{eq|Nevill Francis Mott|নেভিল ফ্রান্সিস মট}}
* {{eq|Nicolas Léonard Sadi Carnot|সাদি কার্নো}}
* {{eq|Nicolas Steno|নিকোলাস স্টেনো}}
* {{eq|Nigel Farage|নাইজেল ফারাজ}}
* {{eq|Niklaus Wirth|নিকলাউস ভির্ট}}
* {{eq|Norman Borlaug|নরম্যান বোরল্যাগ}}
* {{eq|Norman Mailer|নরম্যান মেইলার}}
* {{eq|Octavio Paz|অক্তাবিও পাজ}}
* {{eq|Olga Tokarczuk|ওলগা তোকারচুক}}
* {{eq|Oliver Heaviside|অলিভার হেভিসাইড}}
* {{eq|Oliver Sacks|অলিভার স্যাক্স}}
* {{eq|Orhan Pamuk|ওরহান পামুক}}
* {{eq|Oswald Avery|অসওয়াল্ড এভারি}}
* {{eq|Otto Stern|অটো ষ্টের্ন}}
* {{eq|Paris Agreement|প্যারিস চুক্তি}}
* {{eq|Patrick White|প্যাট্রিক হোয়াইট}}
* {{eq|Paul Dirac|পল ডিরাক}}
* {{eq|Paul Ehrenfest|পাউল এরেনফেস্ট}}
* {{eq|Paul R. Ehrlich|পল আর. এহর্লিচ}}
* {{eq|Paul Samuelson|পল স্যামুয়েলসন}}
* {{eq|Pearl S. Buck|পার্ল এস. বাক}}
* {{eq|Peter Agre|পিটার আগ্রি}}
* {{eq|Peter Higgs|পিটার হিগস}}
* {{eq|Peter Kropotkin|পেত্র ক্রাপোতকিন}}
* {{eq|Peter Medawar|পিটার মিডাওয়ার}}
* {{eq|Philip Roth|ফিলিপ রথ}}
* {{eq|Philip Warren Anderson|ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন}}
* {{eq|Philippe of Belgium|ফিলিপ (বেলজিয়াম)}}
* {{eq|Pierre Curie|পিয়ের ক্যুরি}}
* {{eq|Pierre Deligne|পিয়ের দ্যলিইন}}
* {{eq|Pierre-Gilles de Gennes|পিয়ের-জিল দ্য জেন}}
* {{eq|Pierre-Simon Laplace|পিয়ের সিমোঁ লাপ্লাস}}
* {{eq|Pliny the Elder|প্লিনি দ্য এল্ডার}}
* {{eq|Prasanta Chandra Mahalanobis|প্রশান্ত চন্দ্র মহলানবিশ}}
* {{eq|Primo Levi|প্রিমো লেভি}}
* {{eq|Qian Xuesen|ছিয়েন শ্যুয়েসন}}
* {{eq|Quakers|কোয়েকার}}
* {{eq|Rachel Carson|র্যাচেল কারসন}}
* {{eq|Ragnar Frisch|রাগ্নার ফ্রিশ}}
* {{eq|Rajendra K. Pachauri|রাজেন্দ্র কুমার পাচৌরী}}
* {{eq|Ralph Bunche|রালফ বান্চ}}
* {{eq|Ramsay MacDonald|রামসে ম্যাকডোনাল্ড}}
* {{eq|Reinhard Selten|রেইনহার্ড সেল্টেন}}
* {{eq|Richard Hamming|রিচার্ড হ্যামিং}}
* {{eq|Richard Leakey|রিচার্ড লিকি}}
* {{eq|Richard Smalley|রিচার্ড স্মলি}}
* {{eq|Rigoberta Menchú|রিগোবার্তা মেঞ্চু}}
* {{eq|Ringo Starr|রিঙ্গো স্টার}}
* {{eq|Robert Andrews Millikan|রবার্ট অ্যান্ড্রুজ মিলিকান}}
* {{eq|Robert Boyle|রবার্ট বয়েল}}
* {{eq|Robert Clive|রবার্ট ক্লাইভ}}
* {{eq|Robert Fogel|রবার্ট ফোগেল}}
* {{eq|Robert Hooke|রবার্ট হুক}}
* {{eq|Robert J. Shiller|রবার্ট জে. শিলার}}
* {{eq|Robert Lucas Jr.|রবার্ট লুকাস, জুনিয়র}}
* {{eq|Robert Mundell|রবার্ট মান্ডেল}}
* {{eq|Robert Penn Warren|রবার্ট পেন ওয়ারেন}}
* {{eq|Roger Ebert|রজার ইবার্ট}}
* {{eq|Roger Wolcott Sperry|রজার স্পেরি}}
* {{eq|Romain Rolland|রোম্যাঁ রোলাঁ}}
* {{eq|Ronald Fisher|রোনাল্ড ফিশার}}
* {{eq|Rosalyn Sussman Yalow|রোজালিন সাসম্যান ইয়ালো}}
* {{eq|Rudolf Clausius|রুডলফ ক্লাউজিউস}}
* {{eq|Rudolf Virchow|রুডলফ ফিরখো}}
* {{eq|Sally Ride|স্যালি রাইড}}
* {{eq|Sam Harris|স্যাম হ্যারিস}}
* {{eq|Samuel Beckett|স্যামুয়েল বেকেট}}
* {{eq|Samuel Pepys|স্যামুয়েল পেপিস}}
* {{eq|Santiago Ramón y Cajal|সান্তিয়াগো রামোন ই কাহাল}}
* {{eq|Saul Bellow|সল বেলো}}
* {{eq|Saul Perlmutter|সল পার্লমাটার}}
* {{eq|Selman Waksman|সেলম্যান ওয়াক্সম্যান}}
* {{eq|Sergei Korolev|সের্গেই কোরোলিয়ভ}}
* {{eq|Seymour Hersh|সেমুর হার্শ}}
* {{eq|Shashi Tharoor|শশী থারুর}}
* {{eq|Sheldon Lee Glashow|শেলডন লি গ্ল্যাশো}}
* {{eq|Shiing-Shen Chern|শিং-শেন চের্ন}}
* {{eq|Shirin Ebadi|শিরিন এবাদি}}
* {{eq|Shmuel Yosef Agnon|শ্মুয়েল ইউসেফ অ্যাগনন}}
* {{eq|Simon Kuznets|সাইমন কুজ্নেত্স}}
* {{eq|Simon Stevin|সিমন স্টেভিন}}
* {{eq|Siméon Denis Poisson|সিমেওঁ দ্যনি পোয়াসোঁ}}
* {{eq|Sinclair Lewis|সিনক্লেয়ার লুইস}}
* {{eq|Stafford Cripps|স্টাফোর্ড ক্রিপস}}
* {{eq|Stamford Raffles|স্ট্যামফোর্ড র্যাফেল্স}}
* {{eq|Stanislaw Ulam|স্তানিসলফ উলাম}}
* {{eq|Stanley Baldwin|স্ট্যানলি বল্ডউইন}}
* {{eq|Stephen Jay Gould|স্টিভেন জে গুল্ড}}
* {{eq|Stephen Wolfram|স্টিফেন ওলফ্রাম}}
* {{eq|Steve Irwin|স্টিভ আরউইন}}
* {{eq|Steven Chu|স্টিভেন চু}}
* {{eq|Steven Weinberg|স্টিভেন ওয়াইনবার্গ}}
* {{eq|Subrahmanyan Chandrasekhar|সুব্রহ্মণ্যন চন্দ্রশেখর}}
* {{eq|Susan Faludi|সুসান ফালুদি}}
* {{eq|Svetlana Alexievich|সভেতলানা আলেক্সিয়েভিচ}}
* {{eq|Tawakkol Karman|তাওয়াক্কোল কারমান}}
* {{eq|Tedros Adhanom|তেদ্রোস আধানম}}
* {{eq|Temple Grandin|টেম্পল গ্র্যান্ডিন}}
* {{eq|Tennessee Williams|টেনেসি উইলিয়ামস}}
* {{eq|Tenzin Gyatso, 14th Dalai Lama|চতুর্দশ দালাই লামা}}
* {{eq|Terence Tao|টেরেন্স টাও}}
* {{eq|Theodore Roethke|থিওডোর রেথকে}}
* {{eq|Theodosius Dobzhansky|থিওডোসিয়াস ডবঝানস্কি}}
* {{eq|Theophrastus|থিওফ্রাস্টাস}}
* {{eq|Theory of relativity|আপেক্ষিকতার তত্ত্ব}}
* {{eq|Thomas Harriot|থমাস হ্যারিয়ট}}
* {{eq|Thomas Henry Huxley|টমাস হেনরি হাক্সলি}}
* {{eq|Thomas Kuhn|থমাস কুন}}
* {{eq|Thomas Mann|টমাস মান}}
* {{eq|Thomas Robert Malthus|থমাস রবার্ট ম্যালথাস}}
* {{eq|Thomas Schelling|টমাস শেলিংস}}
* {{eq|Thomas Young (scientist)|থমাস ইয়ং}}
* {{eq|Tim Berners-Lee|টিম বার্নার্স-লি}}
* {{eq|Tjalling Koopmans|টিয়ালিং কোপম্যান্স}}
* {{eq|Tomas Tranströmer|টোমাস ট্রান্সট্রোমার}}
* {{eq|Toni Morrison|টনি মরিসন}}
* {{eq|Tony Benn|টনি বেন}}
* {{eq|Traian Băsescu|ত্রাইয়ান বাসাস্কু}}
* {{eq|Trygve Haavelmo|ট্রিগভে হাভেলমো}}
* {{eq|U Thant|উ থান্ট}}
* {{eq|V. S. Naipaul|ভি. এস. নাইপল}}
* {{eq|Val Logsdon Fitch|ভ্যাল লজডন ফিচ}}
* {{eq|Valéry Giscard d'Estaing|ভালেরি জিস্কার দেস্তাঁ}}
* {{eq|Victor Frederick Weisskopf|ভিক্টর উইসকফ}}
* {{eq|Viet Thanh Nguyen|ভিয়েত থান নগুয়েন}}
* {{eq|Vikram Sarabhai|বিক্রম সারাভাই}}
* {{eq|Vilayanur S. Ramachandran|ভি. এস. রামচন্দ্রন}}
* {{eq|Vitaly Ginzburg|ভিতালি গিঞ্জবার্গ}}
* {{eq|Vladimir Arnold|ভ্লাদিমির আর্নল্ড}}
* {{eq|Vladimir Markovnikov|ভ্লাদিমির মার্কভনিকভ}}
* {{eq|Václav Havel|ভাকলাভ হাভেল}}
* {{eq|W. H. Auden|ডব্লিউ. এইচ. অডেন}}
* {{eq|Wassily Leontief|ওয়াসিলি লিওনটিয়েফ}}
* {{eq|Wernher von Braun|ভের্নহার ফন ব্রাউন}}
* {{eq|Wilhelm Wundt|ভিলহেল্ম ভুন্ট}}
* {{eq|Will Durant|উইল ডুরান্ট}}
* {{eq|Willa Cather|উইলা ক্যাথার}}
* {{eq|Willard van Orman Quine|উইলার্ড ফন অরম্যান কোয়াইন}}
* {{eq|Willem de Sitter|ভিলেম ডে সিটার}}
* {{eq|William Bateson|উইলিয়াম বেটসন}}
* {{eq|William Butler Yeats|উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস}}
* {{eq|William Carey (missionary)|উইলিয়াম কেরি}}
* {{eq|William Carlos Williams|উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস}}
* {{eq|William Crookes|উইলিয়াম ক্রুকস}}
* {{eq|William Dalrymple (historian)|উইলিয়াম ডালরিম্পল}}
* {{eq|William Daniel Phillips|উইলিয়াম ড্যানিয়েল ফিলিপস}}
* {{eq|William Empson|উইলিয়াম এম্পসন}}
* {{eq|William F. Sharpe|উইলিয়াম শার্প}}
* {{eq|William Golding|উইলিয়াম গোল্ডিং}}
* {{eq|William Herschel|উইলিয়াম হার্শেল}}
* {{eq|William Jones (philologist)|উইলিয়াম জোন্স (ভাষাতাত্ত্বিক)}}
* {{eq|William Rowan Hamilton|উইলিয়াম রোয়ান হ্যামিল্টন}}
* {{eq|William Shockley|উইলিয়াম শকলি}}
* {{eq|William Stanley Jevons|উইলিয়াম স্ট্যানলি জেভন্স}}
* {{eq|William Thomson|উইলিয়াম থমসন}}
* {{eq|William Vickrey|উইলিয়াম ভিক্রি}}
* {{eq|Winnie Byanyima|উইনি বিয়ানিমা}}
* {{eq|Wole Soyinka|ওলে সোয়িংকা}}
* {{eq|Wolfgang Pauli|ভোলফগাং পাউলি}}
* {{eq|Yang Chen-Ning|চেন নিং ইয়াং}}
* {{eq|Yann LeCun|ইয়ান ল্যকান}}
* {{eq|Yann Martel|ইয়ান মার্টেল}}
* {{eq|Yasunari Kawabata|ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা}}
* {{eq|Yoichiro Nambu|ইয়োইচিরো নাম্বু}}
* {{eq|Zadie Smith|জেডি স্মিথ}}
* {{eq|Zhong Nanshan|চোং নানশান}}
* {{eq|Zhuangzi|চুয়াং জি}}
{{Div col end}}
[[বিষয়শ্রেণী:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬]]
3q2jckhg47afup563dfd9rvax94nq7u
75670
75658
2026-04-11T10:14:38Z
Borhan
964
[[Special:Contributions/আজমাইন ইকতিদার ইরতিজা|আজমাইন ইকতিদার ইরতিজা]] ([[User talk:আজমাইন ইকতিদার ইরতিজা|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:ARI|ARI]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে
74500
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=3}}
<big>এই প্রতিযোগিতায় বিষয়বস্তু নির্ধারিত নয়, '''আপনি আপনার পছন্দমতো যেকোন উল্লেখযোগ্য বিষয়ে ভুক্তি বা পৃষ্ঠা তৈরি করতে পারেন (গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ব্যতীত)''' <u >এমনকি তা নিচের তালিকায় না থাকলেও</u>। আপনি যদি অনিশ্চিত থাকেন যে কোনটি নিয়ে কাজ করবেন, তবে নিচের লাল সংযোগে থাকা নিবন্ধগুলি তৈরি করতে পারেন। যে পাতাটি নিয়ে কাজ করছেন, সেটির পাশে <code><nowiki>~~~~</nowiki></code> যোগ করে আপনার নাম লিখুন।</big>
মনে রাখবেন,
* ব্যক্তি যদি বাঙালি হয়, তবে তার উক্তি হুবহু তুলে দিন (উদা: [[আসাদুজ্জামান নূর]] দেখুন)। ব্যক্তি যদি বিদেশি হয়, তবে উক্তি অনুবাদ করে যোগ করুন (উদা: [[নোম চম্স্কি]] দেখুন)। কোনো বস্তুর ক্ষেত্রে বাঙালিদের উক্তি প্রাধান্য পাবে, তবে ভিন্ন ভাষা থেকেও উক্তি অনুবাদ করেও যোগ করা যাবে (উদা: [[চাঁদ]], [[সূর্য]] দেখুন)।
* '''নতুনরা''', দয়া করে [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/কীভাবে|কীভাবে উক্তি যোগ করব?]] টিউটোরিয়ালটি একবার দেখে নিন।
:এটি উইকিউক্তিতে ভুক্তি না থাকা বাঙালি ব্যক্তিদের তালিকা। তবে আপনি চাইলে [https://en.wikiquote.org ইংরেজি উইকিউক্তি] থেকে বাংলায় উক্তি অনুবাদ করতে পারেন।
:*ইংরেজি উইকিউক্তি থেকে অনুবাদের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ নিবন্ধ অনুবাদ করা বাধ্যতামূলক।
*'''উল্লেখ্য:''' <span style="color:red;">নিবন্ধ তৈরির আগে নিবন্ধটি ইতোমধ্যে বাংলা উইকিউক্তিতে বিদ্যমান কিনা যাচাই করা নিবন্ধ প্রণেতার (যিনি নিবন্ধ তৈরি করবেন) দায়িত্ব। তালিকার বাইরের নাম প্রতিস্থাপন নিবন্ধ তালিকায় থাকা নামটির পরিবর্তে ভিন্ন নামে নিবন্ধ তৈরি করলে অবশ্যই নতুন নামটি তালিকায় প্রতিস্থাপন করে দিবেন, অন্যথায় ভিন্ন ব্যবহারকারী নিবন্ধটি পুনরায় তৈরি করতে পারেন।</span >
== বাংলা উক্তি ==
বাঙালি ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সংবাদপত্র, সাময়িকী কিংবা ছাপা বইয়ে প্রকাশিত উক্তি বা সাক্ষাৎকার থেকে উক্তি সংগ্রহ করে তা হুবুহু তথ্যসূত্র সহ যোগ করবেন।
=== বাঙালি ব্যক্তি ===
{{Div col|colwidth=20em|rules=yes}}
* {{বাউ|অংশুমান কর}}
* {{বাউ|অকিঞ্চন}}
* {{বাউ|অক্ষয়কুমার কয়াল}}
* {{বাউ|অক্ষয়কুমার বসু মজুমদার}}
* {{বাউ|অক্ষয়কুমার লধ}}
* {{বাউ|অক্ষয়চন্দ্র চৌধুরী}}
* {{বাউ|অক্ষয়ানন্দ বসু}}
* {{বাউ|অখিল নিয়োগী}}
* {{বাউ|অখিল পাল}}
* {{বাউ|অখিলচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|অখিলবন্ধু ঘোষ}}[[ব্যবহারকারী:Tamaliya Das Gupta|Tamaliya Das Gupta]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tamaliya Das Gupta|আলাপ]]) ১৬:০৯, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
* {{বাউ|অগ্রদূত}}
* {{বাউ|অঘোরনাথ গুপ্ত}}
* {{বাউ|অঘোরনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অঙ্গনা পি. চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অচলা মল্লিক}}
* {{বাউ|অজয় ঘটক}}
* {{বাউ|অজয় দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|অজয় বসু}}
* {{বাউ|অজয় হোম}}
* {{বাউ|অজিত দত্ত}}
* {{বাউ|অজিত রায় (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|অজিতকৃষ্ণ বসু}}
* {{বাউ|অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অঞ্জলি ইলা মেনন}}
* {{বাউ|অঞ্জলি মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অটলবিহারী ঘোষ}}
* {{বাউ|অতীন্দ্রনাথ বসু ঠাকুর}}
* {{বাউ|অতুল বসু}}
* {{বাউ|অতুলচন্দ্র ঘোষ}}
* {{বাউ|অতুলচন্দ্র ঘোষ (লেখক)}}
* {{বাউ|অদিতি লাহিড়ি}}
* {{বাউ|অদিতি সেন দে}}
* {{বাউ|অধরলাল সেন}}
* {{বাউ|অনম বিশ্বাস}}
* {{বাউ|অনল চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অনাথনাথ বসু}}
* {{বাউ|অনাদিনাথ দাঁ}}
* {{বাউ|অনাদিশ পাল}}
* {{বাউ|অনিতা মেহতা}}
* {{বাউ|অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অনিন্দ্য সিনহা}}
* {{বাউ|অনিমেষ আইচ}}
* {{বাউ|অনিমেষ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অনিমেষ রায় (জীববিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|অনির্বাণ ঘোষ}}
* {{বাউ|অনির্বাণ বসু}}
* {{বাউ|অনিল করঞ্জাই}}
* {{বাউ|অনিল কুমার গায়েন}}
* {{বাউ|অনিল কুমার ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|অনিল কুমার মণ্ডল}}
* {{বাউ|অনিল কুমার সেন}}
* {{বাউ|অনিল বিশ্বাস (সুরকার)}}
* {{বাউ|অনিল ভৌমিক}}
* {{বাউ|অনিল মুখার্জি}}
* {{বাউ|অনিলকুমার দাস}}
* {{বাউ|অনিলেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অনুত্তমা ব্যানার্জি}}
* {{বাউ|অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|অনুপম ঘটক}}
* {{বাউ|অনুপম দত্ত}}
* {{বাউ|অনুপম রায়}}
* {{বাউ|অনুপম সেন}}
* {{বাউ|অনুপম হায়াৎ}}
* {{বাউ|অনুপমা চোপড়া}}
* {{বাউ|অনুরাধা ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|অনুশ্রী রায়}}
* {{বাউ|অনুষ্কা শংকর}}
* {{বাউ|অন্নদা মুন্সী}}
* {{বাউ|অন্নদাচরণ খাস্তগীর}}
* {{বাউ|অন্নদাপ্রসাদ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অন্নপূর্ণা গোস্বামী}}
* {{বাউ|অপরেশ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অপরেশ লাহিড়ী}}
* {{বাউ|অপরেশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অপর্ণা সেন}}
* {{বাউ|অপূর্ব জাহাঙ্গীর}}
* {{বাউ|অবনী সেন}}
* {{বাউ|অবনীনাথ রায়}}
* {{বাউ|অবনীভূষণ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অবন্তী সিঁথি}}
* {{বাউ|অবন্তীকুমার সান্যাল}}
* {{বাউ|অবলা বসু}}
* {{বাউ|অবশেষ দাস}}
* {{বাউ|অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ}}
* {{বাউ|অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় (সুরকার)}}
* {{বাউ|অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় (ভূবিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|অভিজিৎ সেন}}
* {{বাউ|অভিনয় চন্দ্র সাহা}}
* {{বাউ|অভীক ঘোষ}}
* {{বাউ|অমর পাল}}
* {{বাউ|অমরপ্রসাদ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অমরেশ রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|অমরেশ্বর ঠাকুর}}
* {{বাউ|অমল কুমার রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|অমল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অমল বোস}}
* {{বাউ|অমল হোম}}
* {{বাউ|অমলা শংকর}}
* {{বাউ|অমলেন্দু চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অমলেন্দু চন্দ্র}}
* {{বাউ|অমলেন্দু দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|অমলেন্দু দাশগুপ্ত (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|অমলেন্দু দে}}
* {{বাউ|অমলেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অমলেন্দু বসু}}
* {{বাউ|অমলেন্দু বিশ্বাস}}
* {{বাউ|অমলেন্দু মিত্র}}
* {{বাউ|অমলেশ ত্রিপাঠী}}
* {{বাউ|অমিত চৌধুরী}}
* {{বাউ|অমিত মিত্র}}
* {{বাউ|অমিতা ঠাকুর}}
* {{বাউ|অমিতা দত্ত}}
* {{বাউ|অমিতা বসু}}
* {{বাউ|অমিতা মালিক}}
* {{বাউ|অমিতা সেন (আশ্রমকন্যা)}}
* {{বাউ|অমিতাভ দত্ত}}
* {{বাউ|অমিতাভ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|অমিতাভ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অমিতাভ রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|অমিতাভ রেজা চৌধুরী}}
* {{বাউ|অমিয় বাগচী}}
* {{বাউ|অমিয়কুমার দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|অমিয়কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অমিয়া দত্ত}}
* {{বাউ|অমূল্যকুমার দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|অমূল্যচরণ বিদ্যাভূষণ}}
* {{বাউ|অমূল্যধন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অমূল্যচরণ উকিল}}
* {{বাউ|অম্বরীশ ঘোষ}}
* {{বাউ|অম্বিকাচরণ মজুমদার}}
* {{বাউ|অম্লান দত্ত}}
* {{বাউ|অরিন্দম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অরুণ কুমার বসাক}}
* {{বাউ|অরুণ কুমার শর্মা}}
* {{বাউ|অরুণ মিত্র}}
* {{বাউ|অরুণ মুখার্জি}}
* {{বাউ|অরুণ সোম}}
* {{বাউ|অরুণকুমার বসু}}
* {{বাউ|অরুণচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|অরুণাচল বসু}}
* {{বাউ|অরুণাভ সরকার}}
* {{বাউ|অরুণেন্দু দাস}}
* {{বাউ|অরুণোদয় মণ্ডল}}
* {{বাউ|অরুন্ধতী দেবী}}
* {{বাউ|অরূপ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অরূপ চন্দ্র}}
* {{বাউ|অর্ক মুখার্জি}}
* {{বাউ|অর্চনা ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|অর্চনা শর্মা (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|অর্জুন (গোয়েন্দা চরিত্র)}}
* {{বাউ|অর্ণব রাই চৌধুরী}}
* {{বাউ|অলক রায়}}
* {{বাউ|অলকা উকিল}}
* {{বাউ|অলকা দাশ}}
* {{বাউ|অলকা সরাবগী}}
* {{বাউ|অলিউর রহমান}}
* {{বাউ|অলোক কৃষ্ণ গুপ্ত}}
* {{বাউ|অলোক রায়}}
* {{বাউ|অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|অশেষ প্রসাদ মিত্র}}
* {{বাউ|অশোক কুমার বড়ুয়া}}
* {{বাউ|অশোক কুমার ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|অশোক কুমার সরকার}}
* {{বাউ|অশোক কুমার সেন}}
* {{বাউ|অশোক গুপ্ত (লেখক)}}
* {{বাউ|অশোক চট্টোপাধ্যায় (লেখক)}}
* {{বাউ|অশোক চৌধুরী}}
* {{বাউ|অশোক নাথ মিত্র}}
* {{বাউ|অশোক বড়ুয়া}}
* {{বাউ|অশোক বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অশোক মিত্র}}
* {{বাউ|অশোক রুদ্র}}
* {{বাউ|অশোক সেন}}
* {{বাউ|অশোককুমার হালদার}}
* {{বাউ|অশোকা গুপ্ত (বিপ্লবী)}}
* {{বাউ|অশ্বিনীকুমার দত্ত}}
* {{বাউ|অসীম দাসগুপ্ত}}
* {{বাউ|অসীমকান্তি দত্তরায়}}
* {{বাউ|অসীমা চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|অহিভূষণ মালিক}}
* {{বাউ|আ ক ম সারোয়ার জাহান বাদশা}}
* {{বাউ|আ জা ম তকীয়ুল্লাহ}}
* {{বাউ|আ ফ ম আহসানউদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|আ ফ ম ইউসুফ হায়দার}}
* {{বাউ|আ ফ ম খালিদ হোসেন}}
* {{বাউ|আ. ন. ম. বজলুর রশীদ}}
* {{বাউ|আ. ন. ম. বশির উল্লাহ}}
* {{বাউ|আ. ফ. ম. রুহুল হক}}
* {{বাউ|আইভি রহমান}}
* {{বাউ|আইয়ুব আলী}}
* {{বাউ|আইরিন খান}}
* {{বাউ|আওকাত হোসেন}}
* {{বাউ|আওলাদ হোসেন}}
* {{বাউ|আওলাদ হোসেন চাকলাদার}}
* {{বাউ|আককাছ আলী সরকার}}
* {{বাউ|আকতার মিয়া}}
* {{বাউ|আকবর আলি খান}}
* {{বাউ|আকবর উদ্দীন}}
* {{বাউ|আকবর হোসেন (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|আকবর হোসেন (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|আকরাম হোসেন চৌধুরী (বিচারক)}}
* {{বাউ|আকরামুজ্জামান খান}}
* {{বাউ|আকরামুল কাদের}}
* {{বাউ|আখতার ইমাম}}
* {{বাউ|আখতার উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|আখতার সাদমানী}}
* {{বাউ|আখতার হুসেন}}
* {{বাউ|আখতারুজ্জামান}}
* {{বাউ|আখলাকুল হোসাইন আহমেদ}}
* {{বাউ|আগা আহমদ আলী}}
* {{বাউ|আছিম শাহ}}
* {{বাউ|আজম আলী}}
* {{বাউ|আজহারুল হক}}
* {{বাউ|আজাদ রহমান}}
* {{বাউ|আজাহার উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|আজিজউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|আজিজুর রহমান (গীতিকার)}}
* {{বাউ|আজিজুর রহমান (চলচ্চিত্র পরিচালক)}}
* {{বাউ|আজিজুর রহমান আক্কাস}}
* {{বাউ|আজিজুর রহমান আজিজ}}
* {{বাউ|আজিজুর রহমান মল্লিক}}
* {{বাউ|আজিজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|আজিজুল হক (শায়খুল হাদিস)}}
* {{বাউ|আজিজুল হক (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আজিজুল হাকিম (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|আজিজুল হাকিম (কবি)}}
* {{বাউ|আজিম}}
* {{বাউ|আজিম উদ্দিন মুনশী}}
* {{বাউ|আজীজুল হক}}
* {{বাউ|আজীমুদ্দীন হানাফী}}
* {{বাউ|আঞ্জুমান আরা বেগম}}
* {{বাউ|আতহার আলী}}
* {{বাউ|আতাউর রহমান}}
* {{বাউ|আতাউর রহমান (কবি)}}
* {{বাউ|আতাউর রহমান খান}}
* {{বাউ|আতাউর রহমান খান কায়সার}}
* {{বাউ|আতাউর রহমান খান খাদিম}}
* {{বাউ|আতাউল করিম}}
* {{বাউ|আতাউল হাকিম}}
* {{বাউ|আতাউস সামাদ}}
* {{বাউ|আতিউর রহমান}}
* {{বাউ|আতিকুজ্জামান খান}}
* {{বাউ|আতিকুর রহমান (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|আতিকুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|আতিয়া ইসলাম এ্যানি}}
* {{বাউ|আতোয়ার রহমান}}
* {{বাউ|আতোয়ার রহমান তালুকদার}}
* {{বাউ|আদনান আল রাজীব}}
* {{বাউ|আদিনাথ লাহিড়ী}}
* {{বাউ|আদিলুর রহমান খান}}
* {{বাউ|আনজীর লিটন}}
* {{বাউ|আনন জামান}}
* {{বাউ|আনন্দচন্দ্র নন্দী}}
* {{বাউ|আনন্দদেব মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|আনন্দমোহন চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|আনন্দমোহন বসু}}
* {{বাউ|আনন্দশঙ্কর}}
* {{বাউ|আনসার আলী}}
* {{বাউ|আনিক খান}}
* {{বাউ|আনিলা নাজ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনিস চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনিস সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|আনিসুজ্জামান (দর্শনশাস্ত্রজ্ঞ)}}
* {{বাউ|আনিসুজ্জামান চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনিসুর রহমান (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|আনিসুল ইসলাম মাহমুদ}}
* {{বাউ|আনিসুল হক}}
* {{বাউ|আনিসুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনু মুহাম্মদ}}
* {{বাউ|আনুশেহ্ আনাদিল}}
* {{বাউ|আনোয়ার উদ্দিন খান}}
* {{বাউ|আনোয়ার উল আলম}}
* {{বাউ|আনোয়ার উল হক}}
* {{বাউ|আনোয়ার পারভেজ}}
* {{বাউ|আনোয়ার পাশা (লেখক)}}
* {{বাউ|আনোয়ার হোসেন (অণুজীববিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|আনোয়ার হোসেন (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আনোয়ার হোসেন (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|আনোয়ার হোসেন (আলোকচিত্রী)}}
* {{বাউ|আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনোয়ারা বাহার চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনোয়ারা বেগম (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল কবির}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল করিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল কাদের}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল হক}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল হক (বিচারক)}}
* {{বাউ|আনোয়ারুল হক শরীফ}}
* {{বাউ|আন্ডারগ্রাউন্ড পিস লাভারস}}
* {{বাউ|আন্দালিব রহমান পার্থ}}
* {{বাউ|আপেল মাহমুদ}}
* {{বাউ|আফজাল এইচ খান}}
* {{বাউ|আফজাল চৌধুরী}}
* {{বাউ|আফটারম্যাথ}}
* {{বাউ|আফতাব আহমাদ রহমানী}}
* {{বাউ|আফতাব আহমেদ (আলোকচিত্রী)}}
* {{বাউ|আফতাব উদ্দিন ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|আফতাবউদ্দিন খাঁ}}
* {{বাউ|আফতাবুজ্জামান}}
* {{বাউ|আফরোজা পারভীন}}
* {{বাউ|আফসান চৌধুরী}}
* {{বাউ|আফসার আমেদ}}
* {{বাউ|আফসার আহমদ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|আফসার উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|আফসার উদ্দীন আহমেদ (অ্যাডভোকেট)}}
* {{বাউ|আবদার রশীদ}}
* {{বাউ|আবদুর রউফ (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|আবদুর রউফ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবদুর রব (বিচারক)}}
* {{বাউ|আবদুর রব (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আবদুর রব সেরনিয়াবাত}}
* {{বাউ|আবদুর রশীদ খান}}
* {{বাউ|আবদুর রসুল}}
* {{বাউ|আবদুর রহমান খাঁ}}
* {{বাউ|আবদুর রহমান চৌধুরী (বিচারক)}}
* {{বাউ|আবদুর রহমান বয়াতী}}
* {{বাউ|আবদুর রহমান বিশ্বাস}}
* {{বাউ|আবদুর রহিম (বিচারক)}}
* {{বাউ|আবদুর রাজ্জাক (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আবদুল আওয়াল মিয়া}}
* {{বাউ|আবদুল আজিজ (লেখক)}}
* {{বাউ|আবদুল আজিজ খন্দকার}}
* {{বাউ|আবদুল আহাদ (বুদ্ধিজীবী)}}
* {{বাউ|আবদুল আহাদ (সংগীত পরিচালক)}}
* {{বাউ|আবদুল ওয়াহহাব পীরজী}}
* {{বাউ|আবদুল ওয়াহাব}}
* {{বাউ|আবদুল করিম শাহ}}
* {{বাউ|আবদুল কাদির}}
* {{বাউ|আবদুল খালেক (পীর)}}
* {{বাউ|আবদুল গনি হাজারী}}
* {{বাউ|আবদুল গফুর (ভাষা সৈনিক)}}
* {{বাউ|আবদুল জব্বার (জ্যোতির্বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|আবদুল জব্বার (ভাষা শহীদ)}}
* {{বাউ|আবদুল জব্বার (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|আবদুল জব্বার খান}}
* {{বাউ|আবদুল জলিল (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবদুল মজিদ মল্লিক}}
* {{বাউ|আবদুল মতিন}}
* {{বাউ|আবদুল মতিন (জেনারেল)}}
* {{বাউ|আবদুল মতিন (লেখক)}}
* {{বাউ|আবদুল মমিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবদুল মমিন তালুকদার}}
* {{বাউ|আবদুল মাজেদ খান}}
* {{বাউ|আবদুল মান্নান হাওলাদার}}
* {{বাউ|আবদুল মালেক (সচিব)}}
* {{বাউ|আবদুল হক ফরিদী}}
* {{বাউ|আবদুল হাই চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবদুল হাই মাশরেকী}}
* {{বাউ|আবদুল হাই শিকদার}}
* {{বাউ|আবদুল হাকিম খান বাহাদুর}}
* {{বাউ|আবদুল হাফিজ (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|আবদুল হামিদ (ধারাভাষ্যকার)}}
* {{বাউ|আবদুল হামিদ (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আবদুল হামিদ খান ইউসফজয়ী}}
* {{বাউ|আবদুল হামিদ তালুকদার}}
* {{বাউ|আবদুল হালিম বয়াতি}}
* {{বাউ|আবদুল্লাহ আল মামুন}}
* {{বাউ|আবদুল্লাহ আল-মামুন সোহ্রাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|আবদুল্লাহ-আল-মাহমুদ}}
* {{বাউ|আবদুল্লাহ-আল-নুমান}}
* {{বাউ|আবদুস সাত্তার (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবদুস সাত্তার ভূঞা}}
* {{বাউ|আবদুস সালাম (পদার্থবিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|আবদুস সালাম (ভাষা শহীদ)}}
* {{বাউ|আবদুস সালাম (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|আবদুস সালাম মামুন}}
* {{বাউ|আবদুস সোবহান সিকদার}}
* {{বাউ|আবিদ আজাদ}}
* {{বাউ|আবিদ আনোয়ার}}
* {{বাউ|আবিদা ইসলাম}}
* {{বাউ|আবিদুর রেজা খান}}
* {{বাউ|আবু আসাদ মোহাম্মদ ওবায়দুল গনি}}
* {{বাউ|আবু আহমদ আব্দুল হাফিজ}}
* {{বাউ|আবু আহমদ ফজলুল করিম}}
* {{বাউ|আবু আহমেদ}}
* {{বাউ|আবু আহমেদ জহিরুল আমিন খান}}
* {{বাউ|আবু ইউসুফ (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবু কায়সার}}
* {{বাউ|আবু জাফর}}
* {{বাউ|আবু জাফর (গীতিকার)}}
* {{বাউ|আবু জাফর শামসুদ্দীন}}
* {{বাউ|আবু জাহির}}
* {{বাউ|আবু তাহের (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আবু তাহের নদভী}}
* {{বাউ|আবু তাহের মজুমদার}}
* {{বাউ|আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান}}
* {{বাউ|আবু নঈম শেখ}}
* {{বাউ|আবু নসর ওহীদ}}
* {{বাউ|আবু বকর সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|আবু বকর সিদ্দিকী (বিচারক)}}
* {{বাউ|আবু বারেক মোহাম্মদ নুরুল আলম}}
* {{বাউ|আবু মহামেদ হবিবুল্লাহ}}
* {{বাউ|আবু মো. দেলোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন}}
* {{বাউ|আবু যোহা নূর আহমদ}}
* {{বাউ|আবু রুশদ}}
* {{বাউ|আবু রেজা ফজলুল হক বাবলু}}
* {{বাউ|আবু শারাফ হিজবুল কাদের সাদেক}}
* {{বাউ|আবু শাহেদ ইমন}}
* {{বাউ|আবু শাহ্রিয়ার}}
* {{বাউ|আবু সয়ীদ আইয়ুব}}
* {{বাউ|আবু সাইয়ীদ}}
* {{বাউ|আবু সাঈদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম}}
* {{বাউ|আবু সালেহ}}
* {{বাউ|আবু সালেহ মোহাম্মদ নাজমুল হক}}
* {{বাউ|আবু সালেহ মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|আবু সালেহ মোহাম্মদ সাঈদ}}
* {{বাউ|আবু হায়াত মাহমুদ}}
* {{বাউ|আবু হাসান ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|আবু হাসান শাহরিয়ার}}
* {{বাউ|আবু হেনা মোস্তফা কামাল}}
* {{বাউ|আবু হোসেন সিদ্দিক}}
* {{বাউ|আবুল আহসান}}
* {{বাউ|আবুল আহসান চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবুল ওমরাহ মুহম্মদ ফখরুদ্দিন}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (বুদ্ধিজীবী)}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবুল কালাম ফায়জুল হক}}
* {{বাউ|আবুল কালাম মনজুর মোরশেদ}}
* {{বাউ|আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া}}
* {{বাউ|আবুল কালাম শামসুদ্দিন (সরকারি কর্মকর্তা)}}
* {{বাউ|আবুল কাশেম সন্দ্বীপ}}
* {{বাউ|আবুল কাসেম (ভাষা সৈনিক)}}
* {{বাউ|আবুল কাসেম (সাহিত্যরত্ন)}}
* {{বাউ|আবুল কাসেম খান}}
* {{বাউ|আবুল কাসেম ফজলুল হক}}
* {{বাউ|আবুল খায়ের}}
* {{বাউ|আবুল খায়ের (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|আবুল খায়ের মুসলেহউদ্দিন}}
* {{বাউ|আবুল ফতেহ}}
* {{বাউ|আবুল ফাতাহ মুহাম্মদ ইয়াহইয়া}}
* {{বাউ|আবুল বরকত}}
* {{বাউ|আবুল বারকাত}}
* {{বাউ|আবুল বাশার (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবুল বাশার (লেখক)}}
* {{বাউ|আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম}}
* {{বাউ|আবুল বাসার (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আবুল বাসার আকন্দ}}
* {{বাউ|আবুল মকসুদ হারুন অর রশীদ}}
* {{বাউ|আবুল মাল আবদুল মুহিত}}
* {{বাউ|আবুল মোমেন}}
* {{বাউ|আবুল হাশেম (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আবুল হাশেম খান (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|আবুল হাশেম সরকার}}
* {{বাউ|আবুল হাসনাত (মেয়র)}}
* {{বাউ|আবুল হাসান (কবি)}}
* {{বাউ|আবুল হাসান মাহমুদ আলী}}
* {{বাউ|আবুল হুসসাম}}
* {{বাউ|আবুল হুসেন}}
* {{বাউ|আবুল হোসেন (কবি)}}
* {{বাউ|আবুল হোসেন (পদার্থবিদ)}}
* {{বাউ|আবেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আবেদ হোসেন খান}}
* {{বাউ|আব্দুর রইছ}}
* {{বাউ|আব্দুর রউফ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আব্দুর রব চৌধুরী}}
* {{বাউ|আব্দুর রহমান (বুদ্ধিজীবী)}}
* {{বাউ|আব্দুর রহমান (মুফতি)}}
* {{বাউ|আব্দুর রহমান আনওয়ারী}}
* {{বাউ|আব্দুর রহমান সরকার}}
* {{বাউ|আব্দুর রহমানেল মাছউদ}}
* {{বাউ|আব্দুর রহিম (সংসদ সদস্য)}}
* {{বাউ|আব্দুল আউয়াল খান}}
* {{বাউ|আব্দুল আজিজ (চলচ্চিত্র নির্মাতা)}}
* {{বাউ|আব্দুল আলীম (সঙ্গীতশিল্পী)}}
* {{বাউ|আব্দুল ওয়াহহাব মিঞা}}
* {{বাউ|আব্দুল ওয়াহাব তালুকদার}}
* {{বাউ|আব্দুল ওহাব খান (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|আব্দুল করিম আব্বাসী}}
* {{বাউ|আব্দুল জব্বার}}
* {{বাউ|আব্দুল জলিল}}
* {{বাউ|আব্দুল বায়েস}}
* {{বাউ|আব্দুল মতিন চৌধুরী (পদার্থবিদ)}}
* {{বাউ|আব্দুল মতিন পাটোয়ারি}}
* {{বাউ|আব্দুল মান্নান আকন্দ}}
* {{বাউ|আব্দুল মান্নান চৌধুরী (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আব্দুল মান্নান শিকদার}}
* {{বাউ|আব্দুল মালেক উকিল}}
* {{বাউ|আব্দুল মুত্তাকিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|আব্দুল মুমিত চৌধুরী}}
* {{বাউ|আব্দুল মোতালেব মালিক}}
* {{বাউ|আব্দুল লতিফ}}
* {{বাউ|আব্দুল লতিফ বাচ্চু}}
* {{বাউ|আব্দুল লতিফ মিয়া}}
* {{বাউ|আব্দুল হাকিম সরকার}}
* {{বাউ|আব্দুল হামিদ (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|আব্দুল হামিদ রায়হান}}
* {{বাউ|আব্দুল হালিম বুখারী}}
* {{বাউ|আব্দুল হাসিব}}
* {{বাউ|আব্দুল্লাহ আল মামুন (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ}}
* {{বাউ|আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ}}
* {{বাউ|আব্দুস শাকুর (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আব্দুস সাত্তার (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আব্দুস সাত্তার খান}}
* {{বাউ|আব্দুস সাত্তার মোহন্ত}}
* {{বাউ|আব্দুস সামাদ আজাদ}}
* {{বাউ|আব্দুস সালাম চাটগামী}}
* {{বাউ|আব্দুস সেলিম}}
* {{বাউ|আব্বাসউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|আভরাল সাহির}}
* {{বাউ|আভা আলম}}
* {{বাউ|আভাস}}
* {{বাউ|আভাসকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|আমজাদ হোসেন}}
* {{বাউ|আমজাদ হোসেন (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|আমান রেজা}}
* {{বাউ|আমানুল হক}}
* {{বাউ|আমানুল হক (নৃত্যশিল্পী)}}
* {{বাউ|আমানুল্লাহ কবির}}
* {{বাউ|আমিন আহমদ}}
* {{বাউ|আমিন উদ্দিন মৃধা}}
* {{বাউ|আমিন সোহরাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|আমিনা আহমেদ কর}}
* {{বাউ|আমিনুর রশীদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আমিনুর রহমান}}
* {{বাউ|আমিনুর রহমান শামসুদ দোহা}}
* {{বাউ|আমিনুর রহমান সুলতান}}
* {{বাউ|আমিনুল ইসলাম (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আমিনুল ইসলাম (মৃত্তিকা বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|আমিনুল ইসলাম বাদশা}}
* {{বাউ|আমিনুল ইসলাম ভুঁইয়া}}
* {{বাউ|আমিনুল করিম}}
* {{বাউ|আমিনুল হক (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|আমিনুল হক (অ্যাটর্নি জেনারেল)}}
* {{বাউ|আমির হামজা (আলোকচিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|আমির হামজা (কবি)}}
* {{বাউ|আমির হোসেন (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|আমির হোসেন আমু}}
* {{বাউ|আমির হোসেন খান}}
* {{বাউ|আমিরুল আলম মিলন}}
* {{বাউ|আমিরুল ইসলাম (গীতিকার)}}
* {{বাউ|আমিরুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|আমীন আহম্মেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আমীর-উল ইসলাম}}
* {{বাউ|আমীরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|আয়নুন নাহার সিদ্দিকা}}
* {{বাউ|আয়মান সাদিক}}
* {{বাউ|আয়েত আলী খাঁ}}
* {{বাউ|আয়েশা বেদোরা চৌধুরী}}
* {{বাউ|আযীযুর রহমান কায়েদ}}
* {{বাউ|আর আই এম আমিনুর রশিদ}}
* {{বাউ|আর. এ. গনি}}
* {{বাউ|আর. কে. বি. এম. রিজমী}}
* {{বাউ|আরতি দত্ত}}
* {{বাউ|আরমা দত্ত}}
* {{বাউ|আরমিন মুসা}}
* {{বাউ|আরশাদ-উজ জামান}}
* {{বাউ|আরেফিন রুমি}}
* {{বাউ|আর্ক}}
* {{বাউ|আর্থার উইলসন}}
* {{বাউ|আর্থার লেভেলিন বাশাম}}
* {{বাউ|আল-কামাল আবদুল ওহাব}}
* {{বাউ|আল-নকীব চৌধুরী}}
* {{বাউ|আলতাফ মাহমুদ}}
* {{বাউ|আলতাফ হোসেইন}}
* {{বাউ|আলতাফ হোসেন (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আলতাফ হোসেন (কবি)}}
* {{বাউ|আলতামাস আহমেদ}}
* {{বাউ|আলপনা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|আলফ্রেড উডলি ক্রফট}}
* {{বাউ|আলভী আহমেদ}}
* {{বাউ|আলম আরা জুঁই}}
* {{বাউ|আলম খান}}
* {{বাউ|আলম খোরশেদ}}
* {{বাউ|আলমগীর (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|আলমগীর কুমকুম}}
* {{বাউ|আলমগীর মোহাম্মদ সিরাজুদ্দীন}}
* {{বাউ|আলাউদ্দিন আলী}}
* {{বাউ|আলাউদ্দিন আহম্মদ}}
* {{বাউ|আলাউদ্দিন খাঁ}}
* {{বাউ|আলী আকবর খাঁ}}
* {{বাউ|আলী আকবর রুপু}}
* {{বাউ|আলী আকরাম শুভ}}
* {{বাউ|আলী আজগর}}
* {{বাউ|আলী আশরাফ (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|আলী আহমদ}}
* {{বাউ|আলী ইমাম}}
* {{বাউ|আলী কায়সার হাসান মোর্শেদ}}
* {{বাউ|আলী মনসুর}}
* {{বাউ|আলী রীয়াজ}}
* {{বাউ|আলী হোসেন (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|আলেকজান্ডার পেডলার}}
* {{বাউ|আশফাকুল ইসলাম}}
* {{বাউ|আশরফি খানম}}
* {{বাউ|আশরাফ আলী খান চৌধুরী}}
* {{বাউ|আশরাফ শিশির}}
* {{বাউ|আশরাফ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|আশরাফ-উজ-জামান খান}}
* {{বাউ|আশরাফুদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|আশরাফুল আলম (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|আশা মেহরিন আমিন}}
* {{বাউ|আশালতা সিংহ}}
* {{বাউ|আশালতা সেন}}
* {{বাউ|আশিক চৌধুরী}}
* {{বাউ|আশিকুজ্জামান (জেনারেল)}}
* {{বাউ|আশিকুর রহমান}}
* {{বাউ|আশীষ রঞ্জন দাস}}
* {{বাউ|আশুতোষ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আশুতোষ চৌধুরী (আইনজীবি)}}
* {{বাউ|আশুতোষ সুজন}}
* {{বাউ|আশুতোষ সেন}}
* {{বাউ|আশ্চর্যময়ী}}
* {{বাউ|আসকার ইবনে শাইখ}}
* {{বাউ|আসফার হোসেন মোল্লা}}
* {{বাউ|আসমত আলী শিকদার}}
* {{বাউ|আসলাম সানী}}
* {{বাউ|আসহাব উদ্দীন}}
* {{বাউ|আসহাব উদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|আসহাব-উল-হক}}
* {{বাউ|আসাদ আলম সিয়াম}}
* {{বাউ|আসাদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আসাদ বিন হাফিজ}}
* {{বাউ|আসাদ মান্নান}}
* {{বাউ|আসাদুজ্জামান খান}}
* {{বাউ|আসিফ ইকবাল (গীতিকার)}}
* {{বাউ|আহমদ আবদুল কাদের}}
* {{বাউ|আহমদ আলী এনায়েতপুরী}}
* {{বাউ|আহমদ জামান চৌধুরী}}
* {{বাউ|আহমদ রফিক}}
* {{বাউ|আহমদ শামসুল ইসলাম}}
* {{বাউ|আহমাদ মোস্তফা কামাল}}
* {{বাউ|আহমেদ আলী}}
* {{বাউ|আহমেদ ইকবাল হায়দার}}
* {{বাউ|আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল}}
* {{বাউ|আহমেদ শফি}}
* {{বাউ|আহমেদ সোহেল}}
* {{বাউ|আহমেদুর রশিদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|আহম্মদ আলী}}
* {{বাউ|আহসান এইচ মনসুর}}
* {{বাউ|আহসান হাবীব (কার্টুনিস্ট)}}
* {{বাউ|ইউজিন লাঁফৌ}}
* {{বাউ|ইউনুস আলী সরকার}}
* {{বাউ|ইউয়ান ৎসে লি}}
* {{বাউ|ইউসুফ আবদুল্লাহ সুমন}}
* {{বাউ|ইউসুফ আলী খান}}
* {{বাউ|ইউসুফ আলী মোল্লা}}
* {{বাউ|ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন}}
* {{বাউ|ইকতিয়ার চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইকবাল আসিফ জুয়েল}}
* {{বাউ|ইকবাল আহমেদ (সঙ্গীতশিল্পী)}}
* {{বাউ|ইকবাল কাদির}}
* {{বাউ|ইকবাল খন্দকার}}
* {{বাউ|ইকবাল মাহমুদ}}
* {{বাউ|ইকবাল সোবহান চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইকবাল হোসেন খান}}
* {{বাউ|ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ}}
* {{বাউ|ইতরাত হোসেন জুবেরী}}
* {{বাউ|ইনামুল হক}}
* {{বাউ|ইন্ডালো}}
* {{বাউ|ইন্দিরা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ইন্দিরা দেবী}}
* {{বাউ|ইন্দিরা নাথ}}
* {{বাউ|ইন্দিরা ব্যানার্জি}}
* {{বাউ|ইন্দিরাদেবী রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইন্দু মিঠা}}
* {{বাউ|ইন্দুভূষণ রক্ষিত}}
* {{বাউ|ইন্দ্রকুমার রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইন্দ্রজিৎ প্রসাদ}}
* {{বাউ|ইন্দ্রজিৎ হাজরা}}
* {{বাউ|ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|ইন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ইন্দ্রনাথ রুদ্র}}
* {{বাউ|ইন্দ্রমোহন রাজবংশী}}
* {{বাউ|ইন্দ্রাণী বসু}}
* {{বাউ|ইপ্সিতা রায় চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইফতেখার চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইফতেখারুজ্জামান}}
* {{বাউ|ইফফাত আরা}}
* {{বাউ|ইফফাত আরা দেওয়ান}}
* {{বাউ|ইবনে ইমাম}}
* {{বাউ|ইবনে মিজান}}
* {{বাউ|ইবরাহীম আলী তশনা}}
* {{বাউ|ইবরাহীম খাঁ}}
* {{বাউ|ইব্রাহিম আহমেদ কমল}}
* {{বাউ|ইব্রাহীম খলিল (নাট্যকার)}}
* {{বাউ|ইমতিয়াজ মাহমুদ}}
* {{বাউ|ইমতিয়াজ হোসেন (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|ইমতিয়ার শামীম}}
* {{বাউ|ইমদাদ হোসেন}}
* {{বাউ|ইমন চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইমন সাহা}}
* {{বাউ|ইমরান এইচ সরকার}}
* {{বাউ|ইমরান মাহমুদুল}}
* {{বাউ|ইমরান সিদ্দিক}}
* {{বাউ|ইমাউল হক}}
* {{বাউ|ইমাম হোসেন চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইয়াকুব আলী শরীফ}}
* {{বাউ|ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ}}
* {{বাউ|ইয়াসমিন মোর্শেদ}}
* {{বাউ|ইয়েন ইয়েন}}
* {{বাউ|ইলা মজুমদার}}
* {{বাউ|ইসমাইল খান}}
* {{বাউ|ইসমাইল ফারুক চৌধুরী}}
* {{বাউ|ইসমাইল মোহাম্মাদ}}
* {{বাউ|ইসমাইল হোসেন তালুকদার}}
* {{বাউ|ইসমাত জাহান}}
* {{বাউ|ইসরাইল খান}}
* {{বাউ|ইসহাক কাজল}}
* {{বাউ|ইসহাক খান}}
* {{বাউ|ইসহাক ফরিদী}}
* {{বাউ|ইস্পাহানী-আরিফ জাহান}}
* {{বাউ|ঈশা মহম্মদ}}
* {{বাউ|ঈশানচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ঈশানচন্দ্র বসু}}
* {{বাউ|উকিল মুন্সী}}
* {{বাউ|উজ্জ্বল (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|উজ্জ্বল মৌলিক}}
* {{বাউ|উত্তম আকাশ}}
* {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারী}}
* {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|উবায়দুর রহমান খান নদভী}}
* {{বাউ|উবায়দুল কবীর চৌধুরী}}
* {{বাউ|উমা মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|উমাপতিধর}}
* {{বাউ|উমেশচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|উমেশচন্দ্র বটব্যাল}}
* {{বাউ|উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|উৎপলকুমার বসু}}
* {{বাউ|উৎপলেন্দু চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ঊষা গাঙ্গুলি}}
* {{বাউ|ঊষা রঞ্জন ঘটক}}
* {{বাউ|ঊষা সেন}}
* {{বাউ|ঋজুদা}}
* {{বাউ|ঋতুরাজ ভৌমিক}}
* {{বাউ|ঋতেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|ঋষি চন্দ}}
* {{বাউ|ঋষিবর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|এ আই এম মোস্তফা রেজা নূর}}
* {{বাউ|এ এইচ এম এনায়েত হোসেন}}
* {{বাউ|এ এইচ এম জেহাদুল করিম}}
* {{বাউ|এ এইচ এম তৌহিদুল আনোয়ার চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ এইচ দিলদার আহমদ}}
* {{বাউ|এ এইচ মোফাজ্জল করিম}}
* {{বাউ|এ এন এম গোলাম মোস্তফা}}
* {{বাউ|এ এফ এম আবদুল আলীম চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ এফ এম নাজমুল হুদা}}
* {{বাউ|এ এফ এম মফিজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এ এম এ এম জোনায়েদ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ কে আজাদ খান}}
* {{বাউ|এ কে এম ইউসুফ}}
* {{বাউ|এ কে এম ইয়াকুব আলী}}
* {{বাউ|এ কে এম কামারুজ্জামান}}
* {{বাউ|এ কে এম জহিরুল হক}}
* {{বাউ|এ কে এম জহিরুল হক (বিচারক)}}
* {{বাউ|এ কে এম জাকির হোসেন}}
* {{বাউ|এ কে এম নুরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এ কে এম নূরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এ কে এম নূরুল হক}}
* {{বাউ|এ কে এম শহীদুল করিম}}
* {{বাউ|এ কে এম শামসুল হক}}
* {{বাউ|এ কে এম সাঈদুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ কে এম সাদেক}}
* {{বাউ|এ কে এম সিদ্দিক}}
* {{বাউ|এ কে এম হাফিজউদ্দিন}}
* {{বাউ|এ কে নাজমুল করিম}}
* {{বাউ|এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|এ কে বদরুল হক}}
* {{বাউ|এ জে এম নূরুদ্দীন চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ জে মিন্টু}}
* {{বাউ|এ জেড এম জাহিদ হোসেন}}
* {{বাউ|এ জেড এম মোস্তাক হোসেন}}
* {{বাউ|এ টি এম আলমগীর}}
* {{বাউ|এ টি এম জহুরুল হক}}
* {{বাউ|এ বি এম আবদুর রহিম}}
* {{বাউ|এ বি এম আব্দুল্লাহ}}
* {{বাউ|এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এ বি এম মূসা}}
* {{বাউ|এ বি এম রাশেদুল হাসান}}
* {{বাউ|এ বি এম শওকত আলী}}
* {{বাউ|এ, জে, মোহাম্মদ আলী}}
* {{বাউ|এ. এইচ. এম. মনিরুজ্জামান}}
* {{বাউ|এ. এইচ. এস. আতাউল করিম}}
* {{বাউ|এ. এইচ. জি. মহিউদ্দিন}}
* {{বাউ|এ. এন. এম মমতাজ উদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|এ. এন. এম. নূরুজ্জামান}}
* {{বাউ|এ. এন. এম. হামিদুল্লাহ্}}
* {{বাউ|এ. এফ. ইমাম আলি}}
* {{বাউ|এ. এফ. এম. আওরঙ্গজেব}}
* {{বাউ|এ. এফ. এম. আবদুল মঈন}}
* {{বাউ|এ. এফ. এম. আব্দুর রহমান}}
* {{বাউ|এ. এফ. এম. এন্তাজ আলী}}
* {{বাউ|এ. এফ. সালাহ্উদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|এ. এফ. হাসান আরিফ}}
* {{বাউ|এ. এম. আমিনুল হক}}
* {{বাউ|এ. এস. এম. আব্দুল মোবিন}}
* {{বাউ|এ. কিউ. এম. বজলুল করিম}}
* {{বাউ|এ. কিউ. এম. মাহবুব}}
* {{বাউ|এ. কে. এম. আসাদুজ্জামান}}
* {{বাউ|এ. কে. এম. আহসান আলী}}
* {{বাউ|এ. কে. এম. সিরাজুল ইসলাম খান}}
* {{বাউ|এ. কে. নাজিরউদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|এ. টি. এম. আফজাল}}
* {{বাউ|এ. টি. এম. শামসুদ্দিন}}
* {{বাউ|এ. বি. এম. খায়রুল হক}}
* {{বাউ|এ. বি.এম. আলতাফ হোসেন}}
* {{বাউ|এ.এইচ.এম. শামসুর রহমান}}
* {{বাউ|এ.ওয়াই.বি আই সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|এ.কে.এম. রবিউল হাসান}}
* {{বাউ|এ.টি.এম. ফজলে কবির}}
* {{বাউ|এআরএম ইনামুল হক}}
* {{বাউ|এআরএম লুৎফুল কবীর}}
* {{বাউ|এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে}}
* {{বাউ|এইচ এম জহিরুল হক}}
* {{বাউ|এএসএম মতিউর রহমান}}
* {{বাউ|একরামউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী}}
* {{বাউ|একেএম আবদুর রউফ}}
* {{বাউ|একেএম আমিনুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|একেএম আসাদুল হক}}
* {{বাউ|একেএম বজলুল করিম}}
* {{বাউ|একেএম শহীদুল হক}}
* {{বাউ|একেনবাবু}}
* {{বাউ|এখলাসউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|এজাজ ইউসুফী}}
* {{বাউ|এজাজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এঞ্জেলা গোমেজ}}
* {{বাউ|এণাক্ষী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|এনামুর রহমান}}
* {{বাউ|এনামুল করিম নির্ঝর}}
* {{বাউ|এনামুল বাশার}}
* {{বাউ|এনামুল হক (পুলিশ কর্মকর্তা)}}
* {{বাউ|এনামুল হক (প্রত্নতাত্ত্বিক)}}
* {{বাউ|এনামুল হক (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|এনামুল হক মোস্তফা শহীদ}}
* {{বাউ|এনায়েত করিম}}
* {{বাউ|এনায়েত হোসেন খান}}
* {{বাউ|এনায়েতউল্লাহ খান}}
* {{বাউ|এনায়েতুল্লাহ্ খান}}
* {{বাউ|এনিগমা (মার্ভেল কমিক্স)}}
* {{বাউ|এন্ড্রু বিরাজ}}
* {{বাউ|এফ আই মানিক}}
* {{বাউ|এফ এ সুমন}}
* {{বাউ|এফআরএম নাজমুল আহসান}}
* {{বাউ|এবাদুর রহমান}}
* {{বাউ|এবিএম নুরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এব্রাহাম মজুমদার}}
* {{বাউ|এম অহিদুজ্জামান}}
* {{বাউ|এম আনোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|এম আবদুর রহমান}}
* {{বাউ|এম আবদুল কাদির ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|এম আবদুস সোবহান (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|এম আর আখতার মুকুল}}
* {{বাউ|এম আর কবির}}
* {{বাউ|এম আলাউদ্দিন}}
* {{বাউ|এম আল্লামা সিদ্দিকি}}
* {{বাউ|এম ইউসুফ আলী}}
* {{বাউ|এম ইকবাল আর্সলান}}
* {{বাউ|এম ইদ্রিস}}
* {{বাউ|এম ইন্নাস আলী}}
* {{বাউ|এম এ ওয়াজেদ মিয়া}}
* {{বাউ|এম এ ওয়াদুদ}}
* {{বাউ|এম এ খালেক}}
* {{বাউ|এম এ জাহের (ভূতাত্ত্বিক)}}
* {{বাউ|এম এ মাজিদ}}
* {{বাউ|এম এ মান্নান (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|এম এ মান্নান (স্নায়ুবিদ)}}
* {{বাউ|এম এ মালেক (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|এম এ মোবিন}}
* {{বাউ|এম এ সাত্তার মণ্ডল}}
* {{বাউ|এম এ হক (কবি)}}
* {{বাউ|এম এ হাদী}}
* {{বাউ|এম এ হামিদ}}
* {{বাউ|এম এ হাসান}}
* {{বাউ|এম এনায়েতুর রহিম}}
* {{বাউ|এম এম রহমত উল্লাহ}}
* {{বাউ|এম এম রেজাউল করিম}}
* {{বাউ|এম এস স্বামীনাথন}}
* {{বাউ|এম ওসমান গনি তালুকদার}}
* {{বাউ|এম কিউ কে তালুকদার}}
* {{বাউ|এম কোরবান আলী}}
* {{বাউ|এম খায়রুল হোসেন}}
* {{বাউ|এম ফাতেমা খানম}}
* {{বাউ|এম ফিরোজ আহমেদ}}
* {{বাউ|এম বি মানিক}}
* {{বাউ|এম মহবুবউজ্জামান}}
* {{বাউ|এম মোখলেসুর রহমান চৌধুরী}}
* {{বাউ|এম মোজাম্মেল হক}}
* {{বাউ|এম রফিকুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এম শমশের আলী}}
* {{বাউ|এম শহিদুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এম শামসুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এম সাইদুজ্জামান}}
* {{বাউ|এম সাইদুর রহমান খান}}
* {{বাউ|এম সি চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|এম হামিদ}}
* {{বাউ|এম. আজিজুর রহমান}}
* {{বাউ|এম. আমিনুল ইসলাম}}
* {{বাউ|এম. এ. আজিজ (নির্বাচন কমিশনার)}}
* {{বাউ|এম. এইচ. খন্দকার}}
* {{বাউ|এম. এম. রুহুল আমিন}}
* {{বাউ|এম. খায়রুল আলম খান}}
* {{বাউ|এম. গোলাম শাহি আলম}}
* {{বাউ|এম. জাহিদ হাসান}}
* {{বাউ|এম. নুরুল্লাহ}}
* {{বাউ|এম. মোয়াজ্জম হোসেন}}
* {{বাউ|এম. শামসুর রহমান}}
* {{বাউ|এম. সাখাওয়াত হোসেন}}
* {{বাউ|এম. হুমায়ুন কবির}}
* {{বাউ|এম. হোসেন আলী}}
* {{বাউ|এমদাদুল হক আজাদ}}
* {{বাউ|এমদাদুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|এমরান আহমদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|এমাজউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|এল. কে. সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|এলিটা করিম}}
* {{বাউ|এস আই এম নূরুন্নবী খান}}
* {{বাউ|এস আই টুটুল}}
* {{বাউ|এস এ হক অলিক}}
* {{বাউ|এস এম আব্রাহাম লিংকন}}
* {{বাউ|এস এম আমজাদ হোসেন}}
* {{বাউ|এস এম আহমেদ হুমায়ুন}}
* {{বাউ|এস এম এমদাদুল হক}}
* {{বাউ|এস এম কুদ্দুস জামান}}
* {{বাউ|এস এম মহসীন}}
* {{বাউ|এস এম মাসুদ হোসেন দোলন}}
* {{বাউ|এস এম মাহফুজুর রহমান}}
* {{বাউ|এস এম সোলায়মান}}
* {{বাউ|এস ডি রুবেল}}
* {{বাউ|এস. এ. বারী}}
* {{বাউ|এস. এ. মালেক}}
* {{বাউ|এস. এম. আল হোসাইনী}}
* {{বাউ|এস. এম. এ. রাশীদুল হাসান}}
* {{বাউ|এস. এম. মজিবুর রহমান}}
* {{বাউ|এস. এম. মনিরুজ্জামান}}
* {{বাউ|এস. এম. সিরিল}}
* {{বাউ|এস. এম. হারুন-অর-রশীদ}}
* {{বাউ|এস.এম আবুল কালাম}}
* {{বাউ|এস.এম. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু}}
* {{বাউ|এসকে. তাহসিন আলী}}
* {{বাউ|এহতেশাম}}
* {{বাউ|ওবায়দুল হাসান}}
* {{বাউ|ওবায়দুল্লাহ আল ওবায়দী সোহরাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|ওবায়দুল্লাহ হামযাহ}}
* {{বাউ|ওমর আলী}}
* {{বাউ|ওমর ইশরাক}}
* {{বাউ|ওমর ফারুক ইউসুফ}}
* {{বাউ|ওয়াকিল আহমদ}}
* {{বাউ|ওয়াকিল আহাদ}}
* {{বাউ|ওয়াজেদ আলী সুমন}}
* {{বাউ|ওয়াসফিয়া নাজরীন}}
* {{বাউ|ওয়াসি আহমেদ}}
* {{বাউ|ওয়াহিদ ইবনে রেজা}}
* {{বাউ|ওয়াহিদউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ}}
* {{বাউ|ওয়াহিদা আক্তার}}
* {{বাউ|ওয়াহিদুল হক}}
* {{বাউ|ওসমান গণি}}
* {{বাউ|ওসমান সরওয়ার আলম চৌধুরী}}
* {{বাউ|ওস্তাদ বাবর আলী খান}}
* {{বাউ|ওহিদুর রহমান}}
* {{বাউ|ওহিদুল আলম}}
* {{বাউ|ওহীদুল আলম}}
* {{বাউ|কঙ্কনা সেন শর্মা}}
* {{বাউ|কঙ্কর শুভ্র দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|কছিম উদ্দিন}}
* {{বাউ|কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কনক কান্তি বড়ুয়া}}
* {{বাউ|কনকচাঁপা}}
* {{বাউ|কফিল আহমেদ}}
* {{বাউ|কফিলউদ্দিন মাহমুদ}}
* {{বাউ|কবরী}}
* {{বাউ|কবিচন্দ্র রামকৃষ্ণ রায়}}
* {{বাউ|কবিতা খানম}}
* {{বাউ|কবিতা সিংহ}}
* {{বাউ|কবির বকুল}}
* {{বাউ|কবির হোসেন}}
* {{বাউ|কবীন্দ্র পরমেশ্বর}}
* {{বাউ|কবীর সুমন}}
* {{বাউ|কমল দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|কমলকুমার মজুমদার}}
* {{বাউ|কমলা সাংকৃত্যায়ন}}
* {{বাউ|কমলাদেবী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|করিমুন্নেসা খানম চৌধুরানী}}
* {{বাউ|করুণা সাহা}}
* {{বাউ|করুণাময় গোস্বামী}}
* {{বাউ|কর্নেল নীলাদ্রি সরকার}}
* {{বাউ|কলাবতী (কাল্পনিক চরিত্র)}}
* {{বাউ|কলিম শরাফী}}
* {{বাউ|কল্কেকাশি}}
* {{বাউ|কল্পতরু সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|কল্পনা আখতার}}
* {{বাউ|কল্পনা চাকমা}}
* {{বাউ|কল্যাণ মিত্র}}
* {{বাউ|কল্যাণ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কল্যাণী ঘোষ}}
* {{বাউ|কসিমউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|কসিরউদ্দিন তালুকদার}}
* {{বাউ|কাইজার চৌধুরী}}
* {{বাউ|কাইয়ুম চৌধুরী}}
* {{বাউ|কাওসার আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|কাওসার চৌধুরী}}
* {{বাউ|কাকাবাবু}}
* {{বাউ|কাজল আরেফিন অমি}}
* {{বাউ|কাজল বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কাজি হাসমত আলী}}
* {{বাউ|কাজী আকরম হোসেন}}
* {{বাউ|কাজী আজহার আলী}}
* {{বাউ|কাজী আজিজুল মাওলা}}
* {{বাউ|কাজী আনোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|কাজী আনোয়ার হোসেন (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|কাজী আনোয়ারা মনসুর}}
* {{বাউ|কাজী আফসারউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|কাজী আবদুল আলীম}}
* {{বাউ|কাজী আবদুল ফাত্তাহ}}
* {{বাউ|কাজী আবুল কাসেম (কার্টুনিস্ট)}}
* {{বাউ|কাজী আবুল মনসুর}}
* {{বাউ|কাজী ইবাদত হোসেন}}
* {{বাউ|কাজী ইমদাদুল হক}}
* {{বাউ|কাজী এবাদুল হক}}
* {{বাউ|কাজী এম বদরুদ্দোজা}}
* {{বাউ|কাজী ওয়ালিউল ইসলাম}}
* {{বাউ|কাজী কাদের নেওয়াজ}}
* {{বাউ|কাজী কামরুজ্জামান}}
* {{বাউ|কাজী কৃষ্ণকলি ইসলাম}}
* {{বাউ|কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ}}
* {{বাউ|কাজী গোলাম দস্তগীর}}
* {{বাউ|কাজী গোলাম মাহবুব}}
* {{বাউ|কাজী গোলাম মুস্তাফা}}
* {{বাউ|কাজী গোলাম রসূল}}
* {{বাউ|কাজী জহির}}
* {{বাউ|কাজী জহিরুল হক}}
* {{বাউ|কাজী জিনাত হক}}
* {{বাউ|কাজী তরিকুল ইসলাম}}
* {{বাউ|কাজী দীন মুহাম্মদ (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|কাজী মাসুম আখতার}}
* {{বাউ|কাজী মুতাসিম বিল্লাহ}}
* {{বাউ|কাজী মুহম্মদ মনজুরে মওলা}}
* {{বাউ|কাজী মোঃ ইজারুল হক আকন্দ}}
* {{বাউ|কাজী মোরশেদ}}
* {{বাউ|কাজী রওশন আক্তার}}
* {{বাউ|কাজী রেজা-উল হক}}
* {{বাউ|কাজী রোজী}}
* {{বাউ|কাজী শহীদুন নবী}}
* {{বাউ|কাজী শুভ}}
* {{বাউ|কাজী সব্যসাচী}}
* {{বাউ|কাজী সাইফুদ্দীন}}
* {{বাউ|কাজী সাজ্জাদ হোসেন}}
* {{বাউ|কাজী হায়াৎ}}
* {{বাউ|কাজী হাসান হাবিব}}
* {{বাউ|কাজেম আলী}}
* {{বাউ|কাত্যায়নী দাস ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|কাদম্বরী দেবী}}
* {{বাউ|কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কাদেরী কিবরিয়া}}
* {{বাউ|কানকাটা রমজান}}
* {{বাউ|কানাই লাল দে}}
* {{বাউ|কানাইলাল শীল}}* {{বাউ|কানাহরি দত্ত}}
* {{বাউ|কানু রায়}}
* {{বাউ|কাবেরী গায়েন}}
* {{বাউ|কামরুদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|কামরুন নাহার}}
* {{বাউ|কামরুন নাহার (সরকারি কর্মকর্তা)}}
* {{বাউ|কামরুন নাহার বেগম}}
* {{বাউ|কামরুন নেছা নীলু}}
* {{বাউ|কামরুল আলম খান}}
* {{বাউ|কামরুল আহসান}}
* {{বাউ|কামরুল আহসান (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|কামরুল ইসলাম (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|কামরুল ইসলাম সিদ্দিক}}
* {{বাউ|কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|কামরুল হাসান}}
* {{বাউ|কামরুল হাসান খান}}
* {{বাউ|কামরুল হাসান ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|কামাক্ষীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কামার আহমাদ সাইমন}}
* {{বাউ|কামাল আহমেদ}}
* {{বাউ|কামাল উদ্দিন}}
* {{বাউ|কামাল উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|কামাল লোহানী}}
* {{বাউ|কামাল হোসেন}}
* {{বাউ|কামালউদ্দিন হোসেন}}
* {{বাউ|কামালুদ্দীন জাফরী}}
* {{বাউ|কামিনী কুমার দত্ত}}
* {{বাউ|কামিনীকুমার ঘোষ}}
* {{বাউ|কায়সার হামিদুল হক}}
* {{বাউ|কায়সুল হক}}
* {{বাউ|কায়েস উদ্দিন}}
* {{বাউ|কার্তিকচন্দ্র দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|কালিকারঞ্জন কানুনগো}}
* {{বাউ|কালিচন্দ্র রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|কালিদাস কর্মকার}}
* {{বাউ|কালিদাস নাগ}}
* {{বাউ|কালিদাস ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|কালীকান্ত চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কালীকৃষ্ণ মিত্র}}
* {{বাউ|কালীনাথ দত্ত}}
* {{বাউ|কালীনাথ রায়}}
* {{বাউ|কালীপদ পাঠক}}
* {{বাউ|কালীপদ বসু}}
* {{বাউ|কালীপদ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|কালীপদ সেন}}
* {{বাউ|কালীপ্রসন্ন কাব্যবিশারদ}}
* {{বাউ|কালীপ্রসন্ন সিংহ}}
* {{বাউ|কালীমোহন ঘোষ}}
* {{বাউ|কাশীরাম দাস}}
* {{বাউ|কাশেফা হোসেন}}
* {{বাউ|কাসেম বিন আবুবাকার}}
* {{বাউ|কিউ এ বি এম রহমান}}
* {{বাউ|কিউ.এ.এম.এ রহিম}}
* {{বাউ|কিকিরা}}
* {{বাউ|কিরণ সেন}}
* {{বাউ|কিরণচন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কিরণশঙ্কর সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|কিরীটী রায়}}
* {{বাউ|কিশোর কুমার}}
* {{বাউ|কিশোরীচাঁদ মিত্র}}
* {{বাউ|কিশোরীমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কুঞ্জলাল নাগ}}
* {{বাউ|কুটি মনসুর}}
* {{বাউ|কুণাল বসু}}
* {{বাউ|কুদরত-ই-জাহান}}
* {{বাউ|কুদ্দুস বয়াতি}}
* {{বাউ|কুমকুম মুন্সী}}
* {{বাউ|কুমার বিশ্বজিৎ}}
* {{বাউ|কুমার রায়}}
* {{বাউ|কুমারপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কুমারেশ ঘোষ}}
* {{বাউ|কুমুদনাথ চৌধুরী}}
* {{বাউ|কুমুদশঙ্কর রায়}}
* {{বাউ|কুমুদিনী হাজং}}
* {{বাউ|কৃষ্ণ কুণ্ডু}}
* {{বাউ|কৃষ্ণ ধর}}
* {{বাউ|কৃষ্ণকমল ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|কৃষ্ণকালী মণ্ডল}}
* {{বাউ|কৃষ্ণকুমার মিত্র}}
* {{বাউ|কৃষ্ণচন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|কৃষ্ণদয়াল বসু}}
* {{বাউ|কৃষ্ণদাস কবিরাজ}}
* {{বাউ|কৃষ্ণদাস পাল}}
* {{বাউ|কৃষ্ণধন ঘোষ}}
* {{বাউ|কৃষ্ণনাথ রায়}}
* {{বাউ|কৃষ্ণভাবিনী দাস}}
* {{বাউ|কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কৃষ্ণরাম দাস}}
* {{বাউ|কৃষ্ণরাম ভট্টাচাৰ্য}}
* {{বাউ|কৃষ্ণা}}
* {{বাউ|কৃষ্ণা দেবনাথ}}
* {{বাউ|কৃষ্ণা বসু}}
* {{বাউ|কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশ}}
* {{বাউ|কে এম আলী আজম}}
* {{বাউ|কে এম আসাদ}}
* {{বাউ|কে এম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|কে এম মোহসীন}}
* {{বাউ|কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা}}
* {{বাউ|কে এম সোবহান}}
* {{বাউ|কে জি মুস্তফা}}
* {{বাউ|কে. এম. ইমরুল কায়েশ}}
* {{বাউ|কে. এম. কামরুল কাদের}}
* {{বাউ|কে. এম. জাহিদ সারওয়ার}}
* {{বাউ|কে. এম. শিহাব উদ্দিন}}
* {{বাউ|কে. এম. হাফিজুল আলম}}
* {{বাউ|কে. এম. হাসান}}
* {{বাউ|কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ}}
* {{বাউ|কেতকী কুশারী ডাইসন}}
* {{বাউ|কেতায়ুন আরদেশির দিনশ}}
* {{বাউ|কেদার ও বদ্রী}}
* {{বাউ|কেদারনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কেদারনাথ দাস}}
* {{বাউ|কেদারনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কেদারনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|কেদারেশ্বর বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|কেরামত মওলা}}
* {{বাউ|কেশব চন্দ্র নাগ}}
* {{বাউ|কৈলাসচন্দ্র বসু}}
* {{বাউ|কৈলাসচন্দ্র বিদ্যাভূষণ}}
* {{বাউ|কোনাল}}
* {{বাউ|কোরেশী মাগন ঠাকুর}}
* {{বাউ|কৌশিক বসু}}
* {{বাউ|ক্যাথরিন মাসুদ}}
* {{বাউ|ক্রসউইন্ডস}}
* {{বাউ|ক্রিপটিক ফেইট}}
* {{বাউ|ক্লডিয়াস জেমস এরস্কাইন}}
* {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্র চন্দ্র বৈশ্য}}
* {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্রনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্রনারায়ণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্রমোহন নাহা}}
* {{বাউ|ক্ষিরোদচন্দ্র চৌধুরী}}
* {{বাউ|ক্ষীরোদপ্রসাদ বিদ্যাবিনোদ}}
* {{বাউ|ক্ষুদিরাম দাস}}
* {{বাউ|ক্ষেত্র গুপ্ত}}
* {{বাউ|ক্ষেত্রেশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|খগেন্দ্র চন্দ্র দাশ}}
* {{বাউ|খগেন্দ্রনাথ মিত্র}}
* {{বাউ|খন্দকার আবদুল হাফিজ}}
* {{বাউ|খন্দকার আবদুল হামিদ}}
* {{বাউ|খন্দকার আবু বকর (অ্যাটর্নি জেনারেল)}}
* {{বাউ|খন্দকার নুরুল আলম}}
* {{বাউ|খন্দকার মাহবুব উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|খন্দকার মাহবুব হোসেন}}
* {{বাউ|খন্দকার মুসা খালেদ}}
* {{বাউ|খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমান}}
* {{বাউ|খন্দকার মোহাম্মদ আশরাফুল মুনিম}}
* {{বাউ|খন্দকার শামস্ উদ্দিন আহাম্মাদ}}
* {{বাউ|খন্দকার সিদ্দিক-ই-রাব্বানী}}
* {{বাউ|খন্দকার সুমন}}
* {{বাউ|খলিল উল্লাহ খান}}
* {{বাউ|খলিলুর রহমান (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|খলিলুর রহমান (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|খলিলুর রহমান বাবর}}
* {{বাউ|খাঁন মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ্ আল মেহেদী}}
* {{বাউ|খাজা ওয়াসিউদ্দিন}}
* {{বাউ|খাজা মোহাম্মদ কায়সার}}
* {{বাউ|খাতুন সাপনারা}}
* {{বাউ|খাদেম হোসেন খান}}
* {{বাউ|খাদেমুল ইসলাম চৌধুরী}}
* {{বাউ|খান আসিফুর রহমান আগুন}}
* {{বাউ|খান বাহাদুর আবদুল করিম}}
* {{বাউ|খান বাহাদুর জিয়াউল হক}}
* {{বাউ|খান বাহাদুর হেমায়েত উদ্দিন আহম্মদ}}
* {{বাউ|খান মুহাম্মদ মঈনুদ্দীন}}
* {{বাউ|খান মোহাম্মদ ফারাবী}}
* {{বাউ|খান মোহাম্মদ সালেক}}
* {{বাউ|খান শামসুর রহমান}}
* {{বাউ|খান সারওয়ার মুরশিদ}}
* {{বাউ|খান-এ-সবুর}}
* {{বাউ|খায়রুজ্জামান}}
* {{বাউ|খায়রুল আনাম শাকিল}}
* {{বাউ|খায়রুল আলম সবুজ}}
* {{বাউ|খালিকুজ্জামান ইলিয়াস}}
* {{বাউ|খালিদ মাহমুদ মিঠু}}
* {{বাউ|খালিদ হাসান মিলু}}
* {{বাউ|খালিদ হোসেন}}
* {{বাউ|খালেক নওয়াজ খান}}
* {{বাউ|খালেক বিন জয়েন উদ্দীন}}
* {{বাউ|খালেকদাদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|খালেদ খান}}
* {{বাউ|খালেদা আদিব চৌধুরী}}
* {{বাউ|খালেদা একরাম}}
* {{বাউ|খালেদা মনযূর-এ-খুদা}}
* {{বাউ|খিজির আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|খিজির হায়াত}}
* {{বাউ|খিজির হায়াত খান}}
* {{বাউ|খুজিস্তা আখতার বানু}}
* {{বাউ|খুররম খান পন্নী}}
* {{বাউ|খুরশিদ আলম}}
* {{বাউ|খুরশিদ খান}}
* {{বাউ|খুশি কবীর}}
* {{বাউ|খোদা বক্স}}
* {{বাউ|খোদেজা আজম}}
* {{বাউ|খোদেজা খাতুন}}
* {{বাউ|খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ}}
* {{বাউ|খোন্দকার দিলীরুজ্জামান}}
* {{বাউ|খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|খোন্দকার নাসিরউদ্দিন}}
* {{বাউ|খোন্দকার মনোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|খোশনূর আলমগীর}}
* {{বাউ|খ্যান্ত বালা রায়}}
* {{বাউ|গওহর জামিল}}
* {{বাউ|গগনচন্দ্র বিশ্বাস}}
* {{বাউ|গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|গঙ্গাধর সেন রায়}}
* {{বাউ|গঙ্গাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|গজেন্দ্রকুমার মিত্র}}
* {{বাউ|গণেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|গণেশ পাইন}}
* {{বাউ|গণেশ হালুই}}
* {{বাউ|গন্ডালু}}
* {{বাউ|গমির উদ্দিন প্রধান}}
* {{বাউ|গাজী আতাউর রহমান}}
* {{বাউ|গাজী আবদুল হাকিম}}
* {{বাউ|গাজী আব্দুল হক}}
* {{বাউ|গাজী এমএইচ তামিম}}
* {{বাউ|গাজী নাফিস আহমেদ}}
* {{বাউ|গাজী মাজহারুল আনোয়ার}}
* {{বাউ|গাজী রাকায়েত}}
* {{বাউ|গাজী শামছুর রহমান}}
* {{বাউ|গাজীউল হক}}
* {{বাউ|গাজীউল হাসান খান}}
* {{বাউ|গান্ধী আশ্রম}}
* {{বাউ|গান্ধী আশ্রম ট্রাস্ট}}
* {{বাউ|গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক}}
* {{বাউ|গার্গী গুপ্ত}}
* {{বাউ|গিয়াস উদ্দিন সেলিম}}
* {{বাউ|গিয়াস কামাল চৌধুরী}}
* {{বাউ|গিয়াসউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|গিয়াসউদ্দীন মিয়া}}
* {{বাউ|গিয়াসুদ্দিন দালাল}}
* {{বাউ|গিরিজাপতি ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|গিরিবালা দেবী}}
* {{বাউ|গিরিশ চন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|গিরিশচন্দ্র ঘোষ (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|গিরিশচন্দ্র বিদ্যারত্ন}}
* {{বাউ|গিরীন্দ্রশেখর বসু}}
* {{বাউ|গিরীশ চন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|গীতা মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|গুণময় মান্না}}
* {{বাউ|গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|গুরুনাথ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|গুরুপ্রসাদ সেন}}
* {{বাউ|গুরুসদয় দত্ত}}
* {{বাউ|গুল মোহাম্মদ খাঁ}}
* {{বাউ|গোকুলচন্দ্র নাগ}}
* {{বাউ|গোগোল}}
* {{বাউ|গোপাল ঘোষ}}
* {{বাউ|গোপাল চন্দ্র লাহিড়ী}}
* {{বাউ|গোপাল হালদার}}
* {{বাউ|গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|গোপালচন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|গোপালদাস চৌধুরী}}
* {{বাউ|গোপালদাস মজুমদার}}
* {{বাউ|গোপালের মা}}
* {{বাউ|গোপেন্দ্রকৃষ্ণ বসু}}
* {{বাউ|গোবর্ধন আচার্য}}
* {{বাউ|গোবর্ধন আশ}}
* {{বাউ|গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর}}
* {{বাউ|গোবিন্দচন্দ্র দাস}}
* {{বাউ|গোবিন্দচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|গোবিন্দদাস}}
* {{বাউ|গোয়েন্দা কৌশিক}}
* {{বাউ|গোয়েন্দা গার্গী}}
* {{বাউ|গোয়েন্দা বরদাচরণ}}
* {{বাউ|গোলাপ মা}}
* {{বাউ|গোলাম আবু জাকারিয়া}}
* {{বাউ|গোলাম আরিফ টিপু}}
* {{বাউ|গোলাম আলী চৌধুরী}}
* {{বাউ|গোলাম কবীর}}
* {{বাউ|গোলাম কাসেম}}
* {{বাউ|গোলাম কিবরিয়া ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|গোলাম কুদ্দুস}}
* {{বাউ|গোলাম জিলানী চৌধুরী}}
* {{বাউ|গোলাম মওলা}}
* {{বাউ|গোলাম মর্তুজা মজুমদার}}
* {{বাউ|গোলাম মাওলা (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|গোলাম মুরশিদ}}
* {{বাউ|গোলাম মুসাব্বির রাকিব}}
* {{বাউ|গোলাম মুস্তাফা (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|গোলাম মুস্তাফা (আলোকচিত্র শিল্পী)}}
* {{বাউ|গোলাম মোস্তফা}}
* {{বাউ|গোলাম মোস্তফা (শহীদ বুদ্ধিজীবী)}}
* {{বাউ|গোলাম মোস্তফা খান (নৃত্যশিল্পী)}}
* {{বাউ|গোলাম রহমান (শিশুসাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|গোলাম রাব্বানী বিপ্লব}}
* {{বাউ|গোলাম সাকলায়েন}}
* {{বাউ|গোলাম সামদানী কোরায়শী}}
* {{বাউ|গোলাম সামদানী ফকির}}
* {{বাউ|গোলাম সারওয়ার}}
* {{বাউ|গোলাম সারওয়ার (কূটনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|গোলাম হাসনায়েন}}
* {{বাউ|গৌতম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|গৌতম চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|গৌতম বসু}}
* {{বাউ|গৌতম বুদ্ধ দাশ}}
* {{বাউ|গৌতম ভদ্র}}
* {{বাউ|গৌর গোপাল সাহা}}
* {{বাউ|গৌরগোবিন্দ রায়}}
* {{বাউ|গৌরচন্দ্র বালা}}
* {{বাউ|গৌরদাস বসাক}}
* {{বাউ|গৌরমোহন আঢ্য}}
* {{বাউ|গৌরী আইয়ুব}}
* {{বাউ|গৌরী ধর্মপাল}}
* {{বাউ|গৌরী ভঞ্জ}}
* {{বাউ|গৌরী মা}}
* {{বাউ|গৌরী সেন}}
* {{বাউ|গৌরীশঙ্কর ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার}}
* {{বাউ|ঘনরাম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ঘনাদা}}
* {{বাউ|চক্রপাণি দত্ত}}
* {{বাউ|চঞ্চল কর্মকার}}
* {{বাউ|চঞ্চল কুমার মজুমদার}}
* {{বাউ|চণ্ডী লাহিড়ী}}
* {{বাউ|চণ্ডীচরণ মুনশী}}
* {{বাউ|চণ্ডীচরণ সেন}}
* {{বাউ|চণ্ডীদাস মাল}}
* {{বাউ|চন্দক সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|চন্দন কুমার ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|চন্দন বিশ্বাস}}
* {{বাউ|চন্দ্র কালিন্দী রায় হেনরিকসন}}
* {{বাউ|চন্দ্র শেখর দে}}
* {{বাউ|চন্দ্রকুমার দে}}
* {{বাউ|চন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|চন্দ্রমুখী বসু}}
* {{বাউ|চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন}}
* {{বাউ|চন্দ্রশেখর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|চন্দ্রিল ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|চপলাকান্ত ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|চয়নিকা চৌধুরী}}
* {{বাউ|চামেলী বসু}}
* {{বাউ|চারুচন্দ্র চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|চারুচন্দ্র বিশ্বাস}}
* {{বাউ|চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|চারুচন্দ্র সান্যাল}}
* {{বাউ|চারুলতা মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|চারুশিতা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|চাষী আলম}}
* {{বাউ|চাষী নজরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|চিণ্ময় শংকর দে}}
* {{বাউ|চিত্তরঞ্জন দেব}}
* {{বাউ|চিত্তরঞ্জন মাইতি}}
* {{বাউ|চিত্তরঞ্জন সাহা}}
* {{বাউ|চিত্রনিভা চৌধুরী}}
* {{বাউ|চিত্রা দত্ত}}
* {{বাউ|চিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায় দিবাকরূণী}}
* {{বাউ|চিত্রা মণ্ডল}}
* {{বাউ|চিদানন্দ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|চিন্তামণি কর}}
* {{বাউ|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
* {{বাউ|চিন্ময় গুহ}}
* {{বাউ|চিরকুট}}
* {{বাউ|চুণীলাল বসু}}
* {{বাউ|চুনি কোটাল}}
* {{বাউ|চৌধুরী আবদুল হাই}}
* {{বাউ|চৌধুরী এ.টি.এম মাসুদ}}
* {{বাউ|চৌধুরী গোলাম আকবর}}
* {{বাউ|চৌধুরী মাহমুদ হাসান}}
* {{বাউ|চৌধুরী মোফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|ছটকু আহমেদ}}
* {{বাউ|ছদরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ছন্দা গায়েন}}
* {{বাউ|ছবি বিশ্বাস}}
* {{বাউ|ছরওয়ার জান মিয়া}}
* {{বাউ|ছিদ্দিক আহমদ}}
* {{বাউ|জকি আহাদ}}
* {{বাউ|জগদীশ গুপ্ত}}
* {{বাউ|জগদীশ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|জগন্নাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জগন্নাথ তর্কপঞ্চানন}}
* {{বাউ|জগন্নাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|জগন্মোহিনী দেবী}}
* {{বাউ|জগুমামা}}
* {{বাউ|জন এলিয়ট ড্রিঙ্কওয়াটার বিটন}}
* {{বাউ|জন গোমেজ}}
* {{বাউ|জন প্যাক্সটন নরম্যান}}
* {{বাউ|জনাব আলী উকিল}}
* {{বাউ|জমির উদ্দিন সরকার}}
* {{বাউ|জয় ভট্টাচার্য (চিকিৎসক-বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|জয় সরকার}}
* {{বাউ|জয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জয়গোপাল তর্কালঙ্কার}}
* {{বাউ|জয়তী বসু}}
* {{বাউ|জয়দীপ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|জয়দেব}}
* {{বাউ|জয়দেব মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জয়নুল আবেদীন জায়েদী}}
* {{বাউ|জয়ন্ত (গোয়েন্দা)}}
* {{বাউ|জয়ন্ত দে}}
* {{বাউ|জয়ন্ত বন্দ্যোপাধ্যায় (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|জয়ন্তানুজ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জয়শ্রী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জয়শ্রী বর্মণ}}
* {{বাউ|জয়া পতি}}
* {{বাউ|জর্জ র্যাঙ্কিন (বিচারক)}}
* {{বাউ|জর্জ হ্যারি ল্যাংলি}}
* {{বাউ|জলধর সেন}}
* {{বাউ|জলের গান}}
* {{বাউ|জসিম উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|জসিম সালাম}}
* {{বাউ|জসিমুদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|জসীম উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|জহিরুদ্দিন (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|জহিরুল আলম সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|জহুর হোসেন চৌধুরী}}
* {{বাউ|জহুরুল করিম}}
* {{বাউ|জহুরুল হক (অনুবাদক)}}
* {{বাউ|জাইমা রহমান}}
* {{বাউ|জাওয়াদুল হক}}
* {{বাউ|জাওয়েদ করিম}}
* {{বাউ|জাকিয়া সুলতানা}}
* {{বাউ|জাকির খান}}
* {{বাউ|জাকির তালুকদার}}
* {{বাউ|জাকির হোসেন রাজু}}
* {{বাউ|জানকীনাথ বসু}}
* {{বাউ|জান্নাতুল ফেরদৌস (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|জান্নাতুল ফেরদৌস (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|জান্নাতুল ফেরদৌস আইভি}}
* {{বাউ|জাফর আলম (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|জাফর আহমেদ}}
* {{বাউ|জাফর ইকবাল (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|জাফর ওয়াজেদ}}
* {{বাউ|জাফর মুহাম্মদ লুৎফর}}
* {{বাউ|জামালউদ্দিন হোসেন}}
* {{বাউ|জামালউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|জামিল চৌধুরী}}
* {{বাউ|জামিলুর রেজা চৌধুরী}}
* {{বাউ|জায়েদ বখত}}
* {{বাউ|জারিন তাসনিম নাওমি}}
* {{বাউ|জালাল উদ্দিন খাঁ}}
* {{বাউ|জালালুদ্দিন আবদুর রহিম}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর আলম (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর আলম (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর আলম খান}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর কবির (কর্মকর্তা)}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর কবির নানক}}
* {{বাউ|জাহাঙ্গীর হোসেন (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|জাহানারা আরজু}}
* {{বাউ|জাহানারা আহমেদ}}
* {{বাউ|জাহানারা ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|জাহিদ আকবর}}
* {{বাউ|জাহিদ সোহ্রাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|জাহিদ হোসেন}}
* {{বাউ|জাহিদুর রহিম অঞ্জন}}
* {{বাউ|জাহিদুল হক}}
* {{বাউ|জাহেদুর রহিম}}
* {{বাউ|জাহ্নবা দেবী}}
* {{বাউ|জাহ্নবী চৌধুরানী}}
* {{বাউ|জি এ মান্নান}}
* {{বাউ|জি এম বি আকাশ}}
* {{বাউ|জি কে এম মোস্তাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|জিংগা শিল্পগোষ্ঠী}}
* {{বাউ|জিকরুল হক}}
* {{বাউ|জিতেন ঘোষ}}
* {{বাউ|জিতেন্দ্রনাথ কুশারী}}
* {{বাউ|জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জিতেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|জিতেন্দ্রমোহন সেন}}
* {{বাউ|জিনবোধি ভিক্ষু}}
* {{বাউ|জিনাত আরা}}
* {{বাউ|জিনাত বরকতুল্লাহ}}
* {{বাউ|জিনাতুন নেসা তাহমিদা বেগম}}
* {{বাউ|জিয়াউর রহমান খান}}
* {{বাউ|জিয়াউর রহমান জিয়া}}
* {{বাউ|জিয়াউল হক (সমাজসেবক)}}
* {{বাউ|জিয়াউল হক পলাশ}}
* {{বাউ|জিয়াউল হক মৃধা}}
* {{বাউ|জিল্লুর রহমান}}
* {{বাউ|জিল্লুর রহমান (চলচ্চিত্র পরিচালক)}}
* {{বাউ|জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|জিৎ গাঙ্গুলী}}
* {{বাউ|জীব গোস্বামী}}
* {{বাউ|জীবন রতন ধর}}
* {{বাউ|জীবন রহমান}}
* {{বাউ|জীবনানন্দ দাশ}}
* {{বাউ|জুনাব আলী}}
* {{বাউ|জুনায়েদ আহমেদ}}
* {{বাউ|জুবায়ের রহমান চৌধুরী}}
* {{বাউ|জুবায়ের সালেহীন}}
* {{বাউ|জুবেদ আলী}}
* {{বাউ|জুয়েনা আজিজ}}
* {{বাউ|জুলফিকার মতিন}}
* {{বাউ|জুলফিকার রাসেল}}
* {{বাউ|জুলফিকুর রহমান}}
* {{বাউ|জুলহাস উদ্দিন}}
* {{বাউ|জুলহাস উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|জুলেখা হক}}
* {{বাউ|জে. বি. এম. হাসান}}
* {{বাউ|জেএন দেব চৌধুরী}}
* {{বাউ|জেড আই খান পান্না}}
* {{বাউ|জেড এইচ মিন্টু}}
* {{বাউ|জেড এম পারভেজ সাজ্জাদ}}
* {{বাউ|জেব-উন-নেসা জামাল}}
* {{বাউ|জেবা ইসলাম সিরাজ}}
* {{বাউ|জেবুন্নেসা রহমান}}
* {{বাউ|জেমস (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|জেমস উইলিয়াম কলভিল}}
* {{বাউ|জেলিনা-বার্লো রহমান}}
* {{বাউ|জেহাদ খান}}
* {{বাউ|জোছন দস্তিদার}}
* {{বাউ|জোবাইদা রহমান}}
* {{বাউ|জোবেদা খানম}}
* {{বাউ|জোহরা বেগম কাজী}}
* {{বাউ|জ্ঞানচন্দ্র ঘোষ}}
* {{বাউ|জ্ঞানদাস}}
* {{বাউ|জ্ঞানশ্রী মহাথের}}
* {{বাউ|জ্ঞানেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|জ্ঞানেন্দ্রনাথ রায়}}
* {{বাউ|জ্ঞানেন্দ্রমোহন দাস}}
* {{বাউ|জ্যোতিঃপাল মহাথের}}
* {{বাউ|জ্যোতিভূষণ চাকী}}
* {{বাউ|জ্যোতিভূষণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী}}
* {{বাউ|জ্যোতিরিন্দ্রনাথ মৈত্র}}
* {{বাউ|জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা}}
* {{বাউ|জ্যোতির্ময় দত্ত}}
* {{বাউ|জ্যোতির্ময়ী গাঙ্গুলী}}
* {{বাউ|জ্যোতির্ময়ী দেবী}}
* {{বাউ|জ্যোতিষচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|জ্যোৎস্না বিশ্বাস}}
* {{বাউ|জ্যোৎস্নাকান্ত বসু}}
* {{বাউ|ঝড়েশ্বর চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ঝর্ণা দাশ পুরকায়স্থ}}
* {{বাউ|ঝর্ণা ধারা চৌধুরী}}
* {{বাউ|ঝর্না রহমান}}
* {{বাউ|ঝুম্পা লাহিড়ী}}
* {{বাউ|টমাস হোবার্ট এলিস}}
* {{বাউ|টি আলী}}
* {{বাউ|টি এইচ খান}}
* {{বাউ|টি. এস. শিবজ্ঞানম}}
* {{বাউ|টিনা সানি}}
* {{বাউ|টিপু আজিজ}}
* {{বাউ|টেনিদা}}
* {{বাউ|ডালিয়া নওশিন}}
* {{বাউ|ডালেম চন্দ্র বর্মণ}}
* {{বাউ|ডিজে রাহাত}}
* {{বাউ|ডিফারেন্ট টাচ}}
* {{বাউ|ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|তনিষ্ক বাগচী}}
* {{বাউ|তন্ময় বোস}}
* {{বাউ|তপংকর চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|তপতী গুহ-ঠাকুরতা}}
* {{বাউ|তপন চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|তপন বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|তপন বাগচী}}
* {{বাউ|তপন রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|তপনকুমার লাহিড়ী}}
* {{বাউ|তপু}}
* {{বাউ|তপোবিজয় ঘোষ}}
* {{বাউ|তবারক হুসাইন}}
* {{বাউ|তমাল লতা আদিত্য}}
* {{বাউ|তমিজ উদ্দিন রিজভী}}
* {{বাউ|তরু দত্ত}}
* {{বাউ|তরুণ রায় (ধনঞ্জয় বৈরাগী)}}
* {{বাউ|তসলিমুদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|তাকসিম আহমেদ খান}}
* {{বাউ|তাজিন আহমেদ}}
* {{বাউ|তাজুল মোহম্মদ}}
* {{বাউ|তাতার (চরিত্র)}}
* {{বাউ|তানজিমা হাশেম}}
* {{বাউ|তানজির তুহিন}}
* {{বাউ|তানভীর ইভান}}
* {{বাউ|তানভীর তারেক}}
* {{বাউ|তানভীর হাসান}}
* {{বাউ|তানিম নূর}}
* {{বাউ|তানিম রহমান অংশু}}
* {{বাউ|তানিয়া আমির}}
* {{বাউ|তানিয়া আহমেদ}}
* {{বাউ|তাপস কুমার মাঝি}}
* {{বাউ|তাপস দাস}}
* {{বাউ|তাপস মজুমদার}}
* {{বাউ|তাপস সেন}}
* {{বাউ|তাফাজ্জাল ইসলাম}}
* {{বাউ|তারকনাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|তারকমোহন দাস}}
* {{বাউ|তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|তারানাথ তর্কবাচস্পতি}}
* {{বাউ|তারানাথ তান্ত্রিক}}
* {{বাউ|তারাপদ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|তারাপদ ভৌমিক}}
* {{বাউ|তারাপদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|তারাপদ লাহিড়ী}}
* {{বাউ|তারাপদ সাঁতরা}}
* {{বাউ|তারামন বিবি}}
* {{বাউ|তারিক আহমদ করিম}}
* {{বাউ|তারিক আহসান}}
* {{বাউ|তারিক উল হাকিম}}
* {{বাউ|তারিক ফাতেমি}}
* {{বাউ|তারিক সুজাত}}
* {{বাউ|তারিণীখুড়ো}}
* {{বাউ|তারেক মো. আরিফুল ইসলাম}}
* {{বাউ|তালিম হোসেন}}
* {{বাউ|তালুকদার মনিরুজ্জামান}}
* {{বাউ|তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস}}
* {{বাউ|তাসলিমা আখতার}}
* {{বাউ|তাহমিমা আনাম}}
* {{বাউ|তাহরুন নেসা আবদুল্লাহ}}
* {{বাউ|তাহসান রহমান খান}}
* {{বাউ|তাহেরন নেসা}}
* {{বাউ|তাহেরা কবির}}
* {{বাউ|তিব্বতিবাবা}}
* {{বাউ|তিলোত্তমা মজুমদার}}
* {{বাউ|তিশমা}}
* {{বাউ|তিস্তা বাগচী}}
* {{বাউ|তুলিকা বসু}}
* {{বাউ|তুষার কান্তি চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|তুষারকান্তি ঘোষ}}
* {{বাউ|তুহিন দাস (লেখক)}}
* {{বাউ|তুহিনকান্তি ঘোষ}}
* {{বাউ|তেজস হালদার যশ}}
* {{বাউ|তৈয়বা বেগম লিপি}}
* {{বাউ|তৈয়বা মজুমদার}}
* {{বাউ|তোজাম্মেল টনি হক}}
* {{বাউ|তোজাম্মেল হক বকুল}}
* {{বাউ|তোফাজ্জল হোসেন}}
* {{বাউ|তোফায়েল আহমদ}}
* {{বাউ|তোফায়েল করিম হায়দার}}
* {{বাউ|তোয়াব খান}}
* {{বাউ|তৌকীর আহমেদ}}
* {{বাউ|তৌফিক ইসলাম শাতিল}}
* {{বাউ|তৌফিক নওয়াজ}}
* {{বাউ|তৌসিফ}}
* {{বাউ|ত্রিদিব মিত্র}}
* {{বাউ|ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার}}
* {{বাউ|দবির উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|দময়ন্তী (গোয়েন্দা)}}
* {{বাউ|দলছুট}}
* {{বাউ|দস্যু বনহুর}}
* {{বাউ|দস্যু মোহন}}
* {{বাউ|দাউদ হায়দার}}
* {{বাউ|দামোদর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দারাশিকো}}
* {{বাউ|দিদার ইসলাম}}
* {{বাউ|দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|দিব্যেন্দু নন্দী}}
* {{বাউ|দিব্যেন্দু পালিত}}
* {{বাউ|দিলওয়ার}}
* {{বাউ|দিলরুবা আহমেদ}}
* {{বাউ|দিলরুবা জেড আরা}}
* {{বাউ|দিলশাদ নাহার কনা}}
* {{বাউ|দিলারা বেগম জলি}}
* {{বাউ|দিলারা হাশেম}}
* {{বাউ|দিলীপ বাগচী}}
* {{বাউ|দিলীপ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|দিলীপ মজুমদার}}
* {{বাউ|দিলীপ মহলানবিশ}}
* {{বাউ|দিলীপকুমার বিশ্বাস}}
* {{বাউ|দিলীপকুমার রায়}}
* {{বাউ|দীন মোহাম্মদ নূরুল হক}}
* {{বাউ|দীন শরৎ}}
* {{বাউ|দীননাথ সেন}}
* {{বাউ|দীনেন্দ্রকুমার রায়}}
* {{বাউ|দীনেশ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দীনেশ দাস}}
* {{বাউ|দীনেশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দীনেশচন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|দীনেশরঞ্জন দাশ}}
* {{বাউ|দীপ নারায়ণ সিনহা}}
* {{বাউ|দীপংকর দীপন}}
* {{বাউ|দীপক চৌধুরী}}
* {{বাউ|দীপক চ্যাটার্জী (গোয়েন্দা)}}
* {{বাউ|দীপক মজুমদার}}
* {{বাউ|দীপক রায়}}
* {{বাউ|দীপঙ্কর চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দীপঙ্কর দাস শর্মা}}
* {{বাউ|দীপঙ্কর হোম}}
* {{বাউ|দীপন ঘোষ}}
* {{বাউ|দীপান্বিতা রায়}}
* {{বাউ|দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দীপেশ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|দীপ্তেন্দ্রকুমার সান্যাল}}
* {{বাউ|দুঃখহরণ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|দুর্গাচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দুর্গাচরণ রক্ষিত}}
* {{বাউ|দুর্গাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দুর্গাদাস সাহা}}
* {{বাউ|দুর্গামোহন দাশ}}
* {{বাউ|দুর্বিন শাহ}}
* {{বাউ|দুলাল তর্কবাগীশ}}
* {{বাউ|দুলেন্দ্র ভৌমিক}}
* {{বাউ|দেওয়ান আব্দুর রব চৌধুরী}}
* {{বাউ|দেওয়ান আব্দুল কাদির}}
* {{বাউ|দেওয়ান আব্দুল বাছিত চৌধুরী}}
* {{বাউ|দেওয়ান নজরুল}}
* {{বাউ|দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন}}
* {{বাউ|দেওয়ান লালন আহমেদ}}
* {{বাউ|দেবজ্যোতি মিশ্র}}
* {{বাউ|দেবদাস}}
* {{বাউ|দেবদাস চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|দেবপ্রসাদ ঘোষ}}
* {{বাউ|দেবপ্রসাদ সর্বাধিকারী}}
* {{বাউ|দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|দেবপ্রিয়া রায়}}
* {{বাউ|দেবব্রত গোস্বামী}}
* {{বাউ|দেবল দেববর্মা}}
* {{বাউ|দেবলা মিত্র}}
* {{বাউ|দেবশঙ্কর রায়}}
* {{বাউ|দেবাশীষ ঘোষ}}
* {{বাউ|দেবাশীষ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|দেবাশীষ রায়}}
* {{বাউ|দেবাশীষ রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|দেবী রায়}}
* {{বাউ|দেবীপদ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় (মার্কসবাদী)}}
* {{বাউ|দেবীপ্রসাদ দুয়ারী}}
* {{বাউ|দেবু ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|দেবেন্দ্র মোহন বসু}}
* {{বাউ|দেবেন্দ্রনাথ সেন}}
* {{বাউ|দেবেশ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|দেবেশ রায়}}
* {{বাউ|দেলওয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|দোনাগাজী চৌধুরী}}
* {{বাউ|দোম আন্তোনিও}}
* {{বাউ|দৌলত উজির বাহরাম খান}}
* {{বাউ|দৌলতুননেসা খাতুন}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ অধিকারী}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ বিদ্যাভূষণ}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ মিত্র}}
* {{বাউ|দ্বারকানাথ রায়}}
* {{বাউ|দ্বিজ কানাই}}
* {{বাউ|দ্বিজ বংশীদাস}}
* {{বাউ|দ্বিজ মাধব}}
* {{বাউ|দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|দ্বিজেন্দ্রনাথ মৈত্র}}
* {{বাউ|দ্রাবিড় সৈকত}}
* {{বাউ|ধন গোপাল মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ধনঞ্জয় সাহা}}
* {{বাউ|ধীর আলী মিয়া}}
* {{বাউ|ধীরাজ কুমার নাথ}}
* {{বাউ|ধীরাজ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|ধীরেন বল}}
* {{বাউ|ধীরেন বসু}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ দেববর্মন}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্রনাথ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্রনাথ বেরা}}
* {{বাউ|ধীরেন্দ্রলাল ধর}}
* {{বাউ|ধূর্জটিপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ধৃতিকান্ত লাহিড়ী চৌধুরী}}
* {{বাউ|ধোয়ী}}
* {{বাউ|নঈম চৌধুরী}}
* {{বাউ|নঈম নিজাম}}
* {{বাউ|নওয়াজেশ আহমদ}}
* {{বাউ|নওয়াজেস আহমদ}}
* {{বাউ|নওয়াব আলী}}
* {{বাউ|নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী}}
* {{বাউ|নওশের আলী খান ইউস্ফজী}}
* {{বাউ|নকীব খান}}
* {{বাউ|নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ}}
* {{বাউ|নকুল কুমার বিশ্বাস}}
* {{বাউ|নকুলেশ্বর দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রচন্দ্র শ্যাম}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ ঘোষ}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ সোম}}
* {{বাউ|নচিকেতা ঘোষ}}
* {{বাউ|নচিকেতা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|নজরুল ইসলাম (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|নজরুল ইসলাম খান}}
* {{বাউ|নজরুল ইসলাম চৌধুরী (বিচারক)}}
* {{বাউ|নজরুল ইসলাম বাবু}}
* {{বাউ|ননী ভৌমিক}}
* {{বাউ|ননীগোপাল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ননীগোপাল মজুমদার}}
* {{বাউ|নন্টে ফন্টে}}
* {{বাউ|নন্দলাল বসু}}
* {{বাউ|নন্দিনী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নব কুমার ভদ্র}}
* {{বাউ|নবকুমার বসু}}
* {{বাউ|নবগোপাল মিত্র}}
* {{বাউ|নবাব আবদুল লতীফ}}
* {{বাউ|নবীন চন্দ্র পাল}}
* {{বাউ|নবীনচন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|নবেন্দু ঘোষ}}
* {{বাউ|নয়ীম গহর}}
* {{বাউ|নরসিংহ দত্ত}}
* {{বাউ|নরেন্দ্র দেব}}
* {{বাউ|নরেন্দ্রনাথ দত্ত (শিল্পপতি)}}
* {{বাউ|নরেন্দ্রনাথ মিত্র}}
* {{বাউ|নরেশচন্দ্র সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|নরোত্তম দাস}}
* {{বাউ|নলিনচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|নলিনাক্ষ সান্যাল}}
* {{বাউ|নলিনী দাশ (লেখিকা)}}
* {{বাউ|নলিনী বেরা}}
* {{বাউ|নলিনীকান্ত ভট্টশালী}}
* {{বাউ|নলিনীকান্ত সরকার}}
* {{বাউ|নলিনীকিশোর গুহ}}
* {{বাউ|নলিনীরঞ্জন সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|নাইমা হায়দার}}
* {{বাউ|নাঈম মোহাইমিন}}
* {{বাউ|নাঈমুল ইসলাম খান}}
* {{বাউ|নাজনীন হাসান চুমকি}}
* {{বাউ|নাজমুন আরা সুলতানা}}
* {{বাউ|নাজমুন নেসা পিয়ারি}}
* {{বাউ|নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি}}
* {{বাউ|নাজমুল আলম}}
* {{বাউ|নাজমুল করিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|নাজমুল কাওনাইন}}
* {{বাউ|নাজমুল হক বাপ্পী}}
* {{বাউ|নাজমুল হুদা বাচ্চু}}
* {{বাউ|নাজমুল হুদা মিন্টু}}
* {{বাউ|নাজিব তারেক}}
* {{বাউ|নাজিবুর রহমান মোমেন}}
* {{বাউ|নাজিম উদ দৌলা}}
* {{বাউ|নাজিম উদ্দিন মোস্তান}}
* {{বাউ|নাজিয়া আন্দালিব প্রিমা}}
* {{বাউ|নাদিয়া শারমীন}}
* {{বাউ|নাদিরা মজুমদার}}
* {{বাউ|নাদের চৌধুরী}}
* {{বাউ|নাদেরা বেগম}}
* {{বাউ|নাফিস বিন যাফর}}
* {{বাউ|নাবিলা ইদ্রিস}}
* {{বাউ|নাভিদ মাহবুব}}
* {{বাউ|নাভেদ পারভেজ}}
* {{বাউ|নায়না দেবী (সঙ্গীতশিল্পী)}}
* {{বাউ|নায়লা কবীর}}
* {{বাউ|নায়েব উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|নারগিস আক্তার}}
* {{বাউ|নারায়ণ ঘোষ মিতা}}
* {{বাউ|নারায়ণ দেবনাথ}}
* {{বাউ|নারায়ণ রায়}}
* {{বাউ|নারায়ণ সান্যাল}}
* {{বাউ|নাশিদ কামাল}}
* {{বাউ|নাসরিন আক্তার}}
* {{বাউ|নাসরীন জাহান}}
* {{বাউ|নাসরীন পারভীন হক}}
* {{বাউ|নাসিম বিশ্বাস}}
* {{বাউ|নাসিমা আক্তার}}
* {{বাউ|নাসিমা আনিস}}
* {{বাউ|নাসিমা খান মন্টি}}
* {{বাউ|নাসিমা ফেরদৌসী (কূটনৈতিক)}}
* {{বাউ|নাসিমা হায়দার}}
* {{বাউ|নাসির আলী মামুন}}
* {{বাউ|নাসির উদ্দিন বিশ্বাস}}
* {{বাউ|নাহিদ রশীদ (সচিব)}}
* {{বাউ|নাহিদা সোবহান}}
* {{বাউ|নিকুঞ্জ সেন}}
* {{বাউ|নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নিখিল রঞ্জন সেন}}
* {{বাউ|নিখিল সরকার}}
* {{বাউ|নিখিল সেন}}
* {{বাউ|নিখিলজ্যোতি ঘোষ}}
* {{বাউ|নিজাম উদ্দিন}}
* {{বাউ|নিজাম উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|নিজাম উদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|নিজামউদ্দিন আহমেদ (স্থপতি)}}
* {{বাউ|নিজামুদ্দীন আউলিয়া লিপু}}
* {{বাউ|নিতাই চন্দ্র সূত্রধর}}
* {{বাউ|নিতাই রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|নিতুন কুন্ডু}}
* {{বাউ|নিত্যপ্রিয় ঘোষ}}
* {{বাউ|নিত্যানন্দ সাহা (ভারতীয় অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|নিপুন রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|নিবিড় মণ্ডল}}
* {{বাউ|নিবেদিতা সেন}}
* {{বাউ|নিমচন্দ্র ভৌমিক}}
* {{বাউ|নিমাই ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|নিমাইসাধন বসু}}
* {{বাউ|নিয়াজ জামান}}
* {{বাউ|নিয়ামুল মুক্তা}}
* {{বাউ|নিরঞ্জন ধর}}
* {{বাউ|নিরঞ্জন প্রধান}}
* {{বাউ|নিরঞ্জন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নিরঞ্জনপ্রসাদ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|নিরুপমা দেবী}}
* {{বাউ|নিরুপমা দেবী (সেন)}}
* {{বাউ|নির্মল কুমার গাঙ্গুলী}}
* {{বাউ|নির্মলকুমার বসু}}
* {{বাউ|নির্মলকুমার রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|নির্মলকুমার সিদ্ধান্ত}}
* {{বাউ|নির্মলচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নির্মলচন্দ্র চন্দ্র}}
* {{বাউ|নির্মলচন্দ্র লাহিড়ী}}
* {{বাউ|নির্মলা জোশী}}
* {{বাউ|নির্মলেন্দু চৌধুরী}}
* {{বাউ|নির্মাল্য আচার্য}}
* {{বাউ|নিলয়ন চ্যাটার্জী}}
* {{বাউ|নিশিতা নির্মল মাহাত্রে}}
* {{বাউ|নিশীথরঞ্জন রায়}}
* {{বাউ|নীতা সেন}}
* {{বাউ|নীতিশ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|নীতীন বসু}}
* {{বাউ|নীতীশচন্দ্র লাহিড়ী}}
* {{বাউ|নীনা হামিদ}}
* {{বাউ|নীরদ বরণ বড়ুয়া}}
* {{বাউ|নীরদ মজুমদার}}
* {{বাউ|নীল দত্ত}}
* {{বাউ|নীল মানুষ}}
* {{বাউ|নীলমণি ন্যায়ালঙ্কার}}
* {{বাউ|নীলরতন ধর}}
* {{বাউ|নীলরতন সরকার}}
* {{বাউ|নীলাঞ্জনা রায়}}
* {{বাউ|নীলাম্বর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|নীলিমা সেন}}
* {{বাউ|নীলুফার ইয়াসমিন}}
* {{বাউ|নীহাররঞ্জন গুপ্ত}}
* {{বাউ|নীহাররঞ্জন রায়}}
* {{বাউ|নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন}}
* {{বাউ|নুরুন নবী}}
* {{বাউ|নুরুননাহার ফয়জননেসা}}
* {{বাউ|নুরুন্নাহার ফাতেমা বেগম}}
* {{বাউ|নুরুন্নেছা খাতুন বিদ্যাবিনোদিনী}}
* {{বাউ|নুরুল আজিম}}
* {{বাউ|নুরুল আমিন}}
* {{বাউ|নুরুল আলম আতিক}}
* {{বাউ|নুরুল আলম চৌধুরী}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম খান}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম জিহাদী}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম নুরুল}}
* {{বাউ|নুরুল ইসলাম পাটোয়ারী}}
* {{বাউ|নুরুল মোমেন}}
* {{বাউ|নুরুল মোস্তফা}}
* {{বাউ|নুহাশ হুমায়ূন}}
* {{বাউ|নূতন চন্দ্র সিংহ}}
* {{বাউ|নূর আহমদ}}
* {{বাউ|নূর ইমরান মিঠু}}
* {{বাউ|নূর মোহাম্মদ (আইজিপি)}}
* {{বাউ|নূর মোহাম্মদ (শিক্ষানুরাগী)}}
* {{বাউ|নূর হুসাইন}}
* {{বাউ|নূর হুসাইন কাসেমী}}
* {{বাউ|নূরজাহান বেগম মুক্তা}}
* {{বাউ|নূরজাহান বোস}}
* {{বাউ|নূরজাহান মুর্শিদ}}
* {{বাউ|নূরুল আনোয়ার (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|নূরুল আলম}}
* {{বাউ|নূরুল ইসলাম ওলীপুরী}}
* {{বাউ|নূরুল ইসলাম কাব্যবিনোদ}}
* {{বাউ|নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন}}
* {{বাউ|নূহ-উল-আলম লেনিন}}
* {{বাউ|নৃপেন ভৌমিক}}
* {{বাউ|নৃপেন্দ্র নাথ সরকার}}
* {{বাউ|নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী}}
* {{বাউ|নেছারউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|নেপাল মজুমদার}}
* {{বাউ|নেয়ামত ইমাম}}
* {{বাউ|নেয়ামাল বাসির}}
* {{বাউ|নেলী সেনগুপ্তা}}
* {{বাউ|নৈরঞ্জনা ঘোষ}}
* {{বাউ|নোরা জোন্স}}
* {{বাউ|পঞ্চানন ঘোষাল}}
* {{বাউ|পঞ্চানন নিয়োগী}}
* {{বাউ|পঞ্চানন মণ্ডল}}
* {{বাউ|পঞ্চানন মিত্র}}
* {{বাউ|পটলা}}
* {{বাউ|পণ্ডিত জ্ঞানেন্দ্রপ্রসাদ গোস্বামী}}
* {{বাউ|পদার্থবিদ্যার পালিত অধ্যাপক}}
* {{বাউ|পদ্মনাথ ভট্টাচার্য বিদ্যাবিনোদ}}
* {{বাউ|পবন দাস বাউল}}
* {{বাউ|পবিত্র গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পবিত্র মোহন দে}}
* {{বাউ|পবিত্র সরকার}}
* {{বাউ|পবিত্রকুমার সেন}}
* {{বাউ|পরমনাথ ভাদুড়ী}}
* {{বাউ|পরমেশ্বরন থাঙ্কাপ্পান নায়ার}}
* {{বাউ|পরাশর বর্মা}}
* {{বাউ|পরিমল গোস্বামী}}
* {{বাউ|পরেশ ধর}}
* {{বাউ|পরেশ মাইতি}}
* {{বাউ|পরেশনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পলান সরকার}}
* {{বাউ|পলাশ মাহবুব}}
* {{বাউ|পলাশ সরকার}}
* {{বাউ|পলি রায়}}
* {{বাউ|পশুপতি ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|পাঁচকড়ি দে}}
* {{বাউ|পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পাগলা কানাই}}
* {{বাউ|পাগলা দাশু}}
* {{বাউ|পাঞ্জু শাহ}}
* {{বাউ|পাণ্ডব গোয়েন্দা}}
* {{বাউ|পানু পাল}}
* {{বাউ|পান্থ কানাই}}
* {{বাউ|পান্না কায়সার}}
* {{বাউ|পান্নালাল ঘোষ}}
* {{বাউ|পান্নালাল বসু}}
* {{বাউ|পাপড়ি বসু}}
* {{বাউ|পাপিয়া সারোয়ার}}
* {{বাউ|পাভেল রহমান}}
* {{বাউ|পারভীন হাসান}}
* {{বাউ|পারভেজ রব}}
* {{বাউ|পারভেজ হোসেন}}
* {{বাউ|পারুল ঘোষ}}
* {{বাউ|পার্থ ঘোষ}}
* {{বাউ|পার্থ চট্টোপাধ্যায় (নৃতত্ত্ববিদ)}}
* {{বাউ|পার্থ বড়ুয়া}}
* {{বাউ|পার্থ সারথি মুখার্জি}}
* {{বাউ|পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পার্বতীকুমার সরকার}}
* {{বাউ|পি কে বাসু}}
* {{বাউ|পিনডিদা}}
* {{বাউ|পিনাকী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পিনাকী ঠাকুর}}
* {{বাউ|পিনাকী মজুমদার}}
* {{বাউ|পিপলু খান}}
* {{বাউ|পিয়ারীমোহন দাস}}
* {{বাউ|পিয়ারীলাল রায়}}
* {{বাউ|পিয়ারু সর্দার}}
* {{বাউ|পিয়ের ফালোঁ}}
* {{বাউ|পিলু মমতাজ}}
* {{বাউ|পুণ্যলতা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|পুরুষোত্তম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|পুলক বিশ্বাস}}
* {{বাউ|পুলক সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|পুলিনবিহারী সরকার}}
* {{বাউ|পুলিনবিহারী সরকার (জৈব রসায়ন বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|পুলিনবিহারী সেন}}
* {{বাউ|পূরবী দত্ত}}
* {{বাউ|পূরবী বসু}}
* {{বাউ|পূর্ণিমা সিনহা}}
* {{বাউ|পূর্ণেন্দুবিকাশ সরকার}}
* {{বাউ|পৃথ্বীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|পেন বাংলাদেশ}}
* {{বাউ|পেপার রাইম}}
* {{বাউ|পেয়ার আহমেদ}}
* {{বাউ|প্যারীচরণ সরকার}}
* {{বাউ|প্যারীমোহন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্যারীমোহন সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রকাশ শ্রীবাস্তব}}
* {{বাউ|প্রচেত গুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রজ্ঞাসুন্দরী দেবী}}
* {{বাউ|প্রণব কুমার বড়ুয়া}}
* {{বাউ|প্রণব ভট্ট}}
* {{বাউ|প্রণব মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রণব রায় (গীতিকার)}}
* {{বাউ|প্রণবেন্দু দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রণবেশ সেন}}
* {{বাউ|প্রতাপচন্দ্র চন্দ্র}}
* {{বাউ|প্রতাপচন্দ্র মজুমদার}}
* {{বাউ|প্রতাপচন্দ্র মজুমদার (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|প্রতাপচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|প্রতিভা বসু}}
* {{বাউ|প্রতিভা মুৎসুদ্দি}}
* {{বাউ|প্রতিমা ঠাকুর}}
* {{বাউ|প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রদানেন্দু বিকাশ চাকমা}}
* {{বাউ|প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রদীপ ভট্টাচার্য (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|প্রদোষ আইচ}}
* {{বাউ|প্রদ্যুত ঘোষ}}
* {{বাউ|প্রফুল্ল কুমার মন্ডল}}
* {{বাউ|প্রফুল্ল রায়}}
* {{বাউ|প্রফুল্লকুমার সরকার}}
* {{বাউ|প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ}}
* {{বাউ|প্রফুল্লচন্দ্র লাহিড়ী}}
* {{বাউ|প্রবাল দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রবাল রশিদ}}
* {{বাউ|প্রবাসজীবন চৌধুরী}}
* {{বাউ|প্রবীর মজুমদার}}
* {{বাউ|প্রবীর রায়}}
* {{বাউ|প্রবোধ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রবোধকুমার সান্যাল}}
* {{বাউ|প্রবোধচন্দ্র গুহ}}
* {{বাউ|প্রবোধচন্দ্র বাগচী}}
* {{বাউ|প্রবোধচন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|প্রবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রব্রাজিকা ভক্তিপ্রাণা}}
* {{বাউ|প্রব্রাজিকা ভারতীপ্রাণা}}
* {{বাউ|প্রব্রাজিকা শ্রদ্ধাপ্রাণা}}
* {{বাউ|প্রভা চ্যাটার্জি}}
* {{বাউ|প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রভাত চন্দ্র বড়ুয়া}}
* {{বাউ|প্রভাতরঞ্জন সরকার}}
* {{বাউ|প্রভাবতী দেবী সরস্বতী}}
* {{বাউ|প্রমথ ভৌমিক}}
* {{বাউ|প্রমথনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রমথনাথ বসু}}
* {{বাউ|প্রমথনাথ বিশী}}
* {{বাউ|প্রমথনাথ মিত্র}}
* {{বাউ|প্রমথলাল সেন}}
* {{বাউ|প্রমদাচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রমদাচরণ সেন}}
* {{বাউ|প্রমোদ চন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|প্রমোদকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রমোদরঞ্জন সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রশান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|প্রশান্তকুমার পাল}}
* {{বাউ|প্রশান্তকুমার মারিক}}
* {{বাউ|প্রশান্তচন্দ্র মহলানবীশ}}
* {{বাউ|প্রশান্তবিহারী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|প্রসন্নকুমার রায়}}
* {{বাউ|প্রসন্নকুমার সর্বাধিকারী}}
* {{বাউ|প্রসন্নচন্দ্র তর্করত্ন}}
* {{বাউ|প্রসন্নচন্দ্র ন্যায়রত্ন}}
* {{বাউ|প্রাণ রঞ্জন সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|প্রাণকুমার সেন}}
* {{বাউ|প্রাণকৃষ্ণ পাল}}
* {{বাউ|প্রিয় ব্রত পাল}}
* {{বাউ|প্রিয়দারঞ্জন রায়}}
* {{বাউ|প্রিয়রঞ্জন সেন}}
* {{বাউ|প্রীতিকণা গোস্বামী}}
* {{বাউ|প্রেমাঙ্কুর আতর্থী}}
* {{বাউ|প্রোফেসর শঙ্কু}}
* {{বাউ|প্লাবন কোরেশী}}
* {{বাউ|ফকরুল আলম}}
* {{বাউ|ফকির গরীবুল্লাহ}}
* {{বাউ|ফকির শাহাবুদ্দীন}}
* {{বাউ|ফখরুজ্জামান চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফখরুদ্দিন আহমেদ (সচিব)}}
* {{বাউ|ফখরুদ্দীন মোহাম্মদ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|ফখরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|ফখরুল হাসান বৈরাগী}}
* {{বাউ|ফজল শাহাবুদ্দীন}}
* {{বাউ|ফজল-এ-খোদা}}
* {{বাউ|ফজলুর রহমান খান}}
* {{বাউ|ফজলুর রহমান খান (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|ফজলুর রহমান খান ফারুক}}
* {{বাউ|ফজলুল বারী (সরকারি চাকরিজীবী)}}
* {{বাউ|ফজলুল হক (চলচ্চিত্র পরিচালক)}}
* {{বাউ|ফজলুল হক (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|ফজলুল হক সেলবর্ষী}}
* {{বাউ|ফজলুল হালিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফজলে কবির}}
* {{বাউ|ফজলে কাদেরী মোহাম্মদ আবদুল মুনিম}}
* {{বাউ|ফজলে বারী মালিক}}
* {{বাউ|ফজলে রাব্বী}} [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৬:০৪, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
* {{বাউ|ফজলে রাব্বী মিয়া}}
* {{বাউ|ফজলে হাসান আবেদ}}
* {{বাউ|ফজলে হাসান শিশির}}
* {{বাউ|ফজলে হুসাইন}}
* {{বাউ|ফজলে হোসেন বাদশা}}
* {{বাউ|ফজিলতুন্নেসা}}
* {{বাউ|ফজিলাতুন্নেসা বাপ্পী}}
* {{বাউ|ফণিভূষণ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ফণী বড়ুয়া}}
* {{বাউ|ফণী মজুমদার}}
* {{বাউ|ফণীন্দ্রচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|ফতেহ লোহানী}}
* {{বাউ|ফয়জুল মহিউদ্দিন}}
* {{বাউ|ফয়জুল লতিফ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফয়সাল মাহমুদ ফয়েজী}}
* {{বাউ|ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব}}
* {{বাউ|ফয়েজ আহমেদ}}
* {{বাউ|ফয়েজ আহমেদ (বিচারক)}}
* {{বাউ|ফয়েজ আহম্মদ}}
* {{বাউ|ফরহাদ হোসেন (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|ফরিদ আহমদ দুলাল}}
* {{বাউ|ফরিদ আহমেদ (বিচারক)}}
* {{বাউ|ফরিদ আহমেদ (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফরিদা ইয়াসমিন (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|ফরিদা জামান}}
* {{বাউ|ফরিদা রহমান}}
* {{বাউ|ফরিদা হোসেন}}
* {{বাউ|ফরিদুল হুদা}}
* {{বাউ|ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ}}
* {{বাউ|ফসিউর রহমান}}
* {{বাউ|ফসিউল আলম}}
* {{বাউ|ফাইয়াজ হোসেন খান}}
* {{বাউ|ফাখরুল আরেফিন খান}}
* {{বাউ|ফাতিমা ইয়াসমিন}}
* {{বাউ|ফাতেমা তুজ জোহরা}}
* {{বাউ|ফাতেমা নজীব}}
* {{বাউ|ফাদার রবের আঁতোয়ান}}
* {{বাউ|ফায়েজ উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|ফারজানা ইসলাম}}
* {{বাউ|ফারজানা ফারুক}}
* {{বাউ|ফারজানা রুপা}}
* {{বাউ|ফারজানা শারমিন পুতুল}}
* {{বাউ|ফারহিনা আহমেদ}}
* {{বাউ|ফারাহ গজনবী}}
* {{বাউ|ফারাহ মাহবুব}}
* {{বাউ|ফারুক আহমেদ (বিচারক)}}
* {{বাউ|ফারুক আহমেদ উল্লা খান}}
* {{বাউ|ফারুক আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফারুক উজ জামান চৌধুরী}}
* {{বাউ|ফারুক ওয়াসিফ}}
* {{বাউ|ফারুক মঈনউদ্দীন}}
* {{বাউ|ফারুক মাহমুদ}}
* {{বাউ|ফারুক সোবহান}}
* {{বাউ|ফালগুনী রায়}}
* {{বাউ|ফাহমিদা কাদের}}
* {{বাউ|ফাহমিদা খাতুন (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|ফিদা এম. কামাল}}
* {{বাউ|ফিরদৌস আজীম}}
* {{বাউ|ফিরদৌসী কাদরী}}
* {{বাউ|ফিরোজ মাহমুদ}}
* {{বাউ|ফিরোজা বেগম}}
* {{বাউ|ফুয়াদ আল মুকতাদির}}
* {{বাউ|ফুয়াদ নাসের বাবু}}
* {{বাউ|ফুল মোহাম্মদ}}
* {{বাউ|ফুলঝুরি খান}}
* {{বাউ|ফুলরেণু গুহ}}
* {{বাউ|ফেরদৌস আরা}}
* {{বাউ|ফেরদৌস আরা বেগম}}
* {{বাউ|ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী}}
* {{বাউ|ফেরদৌসী মজুমদার}}
* {{বাউ|ফেলুদা}}
* {{বাউ|ফৌজিয়া ইয়াসমিন}}
* {{বাউ|ফ্যাতাড়ু}}
* {{বাউ|ফ্রান্সিস (ভাইকিং)}}
* {{বাউ|ফ্লসি কোহেন}}
* {{বাউ|ফ্লোরা জাইবুন মাজিদ}}
* {{বাউ|বঙ্কিমচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|বঙ্কিমচন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|বজলার রহমান}}
* {{বাউ|বটুক নন্দী}}
* {{বাউ|বদরুদ্দীন আহমদ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|বদরুন নেছা}}
* {{বাউ|বদরুল আনাম সৌদ}}
* {{বাউ|বদরুল আলম (ভাষা সৈনিক)}}
* {{বাউ|বদরুল হায়দার চৌধুরী}}
* {{বাউ|বদিউর রহমান (সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব)}}
* {{বাউ|বদিউল আলম খোকন}}
* {{বাউ|বদিউল আলম মজুমদার}}
* {{বাউ|বনবিহারী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বনানী ঘোষ}}
* {{বাউ|বরদা}}
* {{বাউ|বরদাচরণ গুপ্ত}}
* {{বাউ|বরদানন্দ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বরুণ মজুমদার}}
* {{বাউ|বরুণ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|বরেণ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|বরেন গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বর্ণিতা বাগচী}}
* {{বাউ|বলরাম হাড়ি}}
* {{বাউ|বলেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|বশির আহমেদ}}
* {{বাউ|বশীর আল-হেলাল}}
* {{বাউ|বশীর হোসেন}}
* {{বাউ|বশীশ্বর সেন}}
* {{বাউ|বসন্ত কুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ}}
* {{বাউ|বাঁটুল দি গ্রেট}}
* {{বাউ|বাকের ভাই}}
* {{বাউ|বাঘা যতীন}}
* {{বাউ|বাচি কারকারিয়া}}
* {{বাউ|বাণী বসু}}
* {{বাউ|বাণীকুমার}}
* {{বাউ|বাণেশ্বর বিদ্যালঙ্কার}}
* {{বাউ|বাদল খন্দকার}}
* {{বাউ|বাদল রশীদ}}
* {{বাউ|বাদল রহমান}}
* {{বাউ|বাপ্পা মজুমদার}}
* {{বাউ|বাপ্পী লাহিড়ী}}
* {{বাউ|বাবর আলী (পর্বতারোহী)}}
* {{বাউ|বাবু তারক চন্দ্র চৌধুরী}}
* {{বাউ|বামাচরণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বামাপদ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বারবারা ক্রেগ}}
* {{বাউ|বারী সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|বারীণ মজুমদার}}
* {{বাউ|বার্নেস পিকক}}
* {{বাউ|বালাম}}
* {{বাউ|বাশার মাহমুদ (কবি)}}
* {{বাউ|বাসন্তী দুলাল নাগচৌধুরী}}
* {{বাউ|বাসব}}
* {{বাউ|বাসুদেব চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বাসুদেব দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|বাসুদেব দাস বাউল}}
* {{বাউ|বাসুদেব দাসশর্মা}}
* {{বাউ|বাসুদেব বর্মন}}
* {{বাউ|বাহাদুর হোসেন খান}}
* {{বাউ|বি কে দাস}}
* {{বাউ|বিকাশ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|বিকাশ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিকাশচন্দ্র সিংহ}}
* {{বাউ|বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়া}}
* {{বাউ|বিক্রম ঘোষ}}
* {{বাউ|বিজন কুমার মুখার্জী}}
* {{বাউ|বিজন কুমার শীল}}
* {{বাউ|বিজন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিজন সরকার}}
* {{বাউ|বিজনবিহারী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিজয় কুমার বসু}}
* {{বাউ|বিজয় প্রসাদ}}
* {{বাউ|বিজয় সরকার}}
* {{বাউ|বিজয়কুমার ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিজয়চন্দ্র মজুমদার}}
* {{বাউ|বিজয়লাল চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিজয়া মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিজরী বরকতুল্লাহ}}
* {{বাউ|বিদিত লাল দাস}}
* {{বাউ|বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন}}
* {{বাউ|বিদ্যুৎ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|বিদ্যুৎ বরণ চৌধুরী}}
* {{বাউ|বিদ্যেন্দু মোহন দেব}}
* {{বাউ|বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার}}
* {{বাউ|বিধায়ক ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিধুভূষণ বসু}}
* {{বাউ|বিধুশেখর শাস্ত্রী}}
* {{বাউ|বিনয় বাঁশী জলদাস}}
* {{বাউ|বিনয় মজুমদার}}
* {{বাউ|বিনয় মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিনয়কুমার সরকার}}
* {{বাউ|বিনয়েন্দ্রনাথ সেন}}
* {{বাউ|বিনীতা রায়}}
* {{বাউ|বিনোদ ঘোষাল}}
* {{বাউ|বিপিন বিহারী ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|বিপুল ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|বিপ্রদাস পিপলাই}}
* {{বাউ|বিপ্লব (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|বিপ্লব দাসগুপ্ত}}
* {{বাউ|বিবুধেন্দ্র সরকার}}
* {{বাউ|বিবেকানন্দ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিভা চৌধুরী}}
* {{বাউ|বিভাস রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|বিভূতিভূষণ দত্ত}}
* {{বাউ|বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিভূতিভূষণ সেন}}
* {{বাউ|বিমল কর}}
* {{বাউ|বিমল গুহ}}
* {{বাউ|বিমল মিত্র (লেখক)}}
* {{বাউ|বিমল মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিমল-কুমার}}
* {{বাউ|বিমলকৃষ্ণ মতিলাল}}
* {{বাউ|বিমলচন্দ্র ঘোষ}}
* {{বাউ|বিমলচন্দ্র সিংহ}}
* {{বাউ|বিমলাচরণ লাহা}}
* {{বাউ|বিমলানন্দ নাগ}}
* {{বাউ|বিমলেন্দু বিকাশ রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|বিমলেন্দু মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিমান বাগচী}}
* {{বাউ|বিমানবিহারী মজুমদার}}
* {{বাউ|বিরজাশঙ্কর গুহ}}
* {{বাউ|বিরাজ মোহন দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|বিরূপাক্ষ পাল}}
* {{বাউ|বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন}}
* {{বাউ|বিলকিস নাসির উদ্দিন}}
* {{বাউ|বিলায়েত খাঁ}}
* {{বাউ|বিশুদ্ধানন্দ মহাথের}}
* {{বাউ|বিশ্ব রঞ্জন নাগ}}
* {{বাউ|বিশ্বজিৎ ঘোষ}}
* {{বাউ|বিশ্বজিৎ চৌধুরী}}
* {{বাউ|বিশ্বজিৎ দেবনাথ}}
* {{বাউ|বিশ্বনাথ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|বিশ্বময় বিশ্বাস}}
* {{বাউ|বিশ্বরঞ্জন সেন}}
* {{বাউ|বিশ্বরূপ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিশ্বেশ্বর পাল}}
* {{বাউ|বিষ্ণু বসু}}
* {{বাউ|বিষ্ণুকান্ত শাস্ত্রী}}
* {{বাউ|বিষ্ণুপদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বিষ্ণুপ্রসাদ রাভা}}
* {{বাউ|বিহারিলাল সরকার}}
* {{বাউ|বিহারীলাল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|বিহারীলাল চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বীণা মজুমদার}}
* {{বাউ|বীরেন শিকদার}}
* {{বাউ|বীরেন সোম}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্র বিজয় বিশ্বাস}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্রনাথ দত্তগুপ্ত}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|বীরেন্দ্রনাথ শাসমল}}
* {{বাউ|বীরেশচন্দ্র গুহ}}
* {{বাউ|বীরেশ্বর সরকার}}
* {{বাউ|বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|বুধাদিত্য মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|বুনো রামনাথ}}
* {{বাউ|বুলবন ওসমান}}
* {{বাউ|বুলবুল আহমেদ}}
* {{বাউ|বুলবুল চৌধুরী}}
* {{বাউ|বৃন্দা কারাত}}
* {{বাউ|বৃন্দাবন দাস}}
* {{বাউ|বৃন্দাবন দাস ঠাকুর}}
* {{বাউ|বেগজাদী মাহমুদা নাসির}}
* {{বাউ|বেগম আকতার কামাল}}
* {{বাউ|বেগম বদরুন্নেসা আহমদ}}
* {{বাউ|বেণীমাধব বড়ুয়া}}
* {{বাউ|বেদারউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|বেবী ইসলাম}}
* {{বাউ|বেবী হালদার}}
* {{বাউ|বেরী সর্বাধিকারী}}
* {{বাউ|বেলা মিত্র}}
* {{বাউ|বেলায়েত হুসাইন}}
* {{বাউ|বেলায়েত হোসেন বীরভূমী}}
* {{বাউ|বেলাল আহমেদ}}
* {{বাউ|বেলাল খান}}
* {{বাউ|বেলাল চৌধুরী}}
* {{বাউ|বেলাল মোহাম্মদ}}
* {{বাউ|বেলাল হোসেন (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|বৈকুণ্ঠনাথ সেন}}
* {{বাউ|বোরহান উদ্দিন (বিচারক)}}
* {{বাউ|বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর}}
* {{বাউ|বোরিয়া মজুমদার}}
* {{বাউ|ব্যোমকেশ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ব্যোমকেশ বক্সী}}
* {{বাউ|ব্রজ বিহারী বড়ুয়া}}
* {{বাউ|ব্রজগোপাল মান্না}}
* {{বাউ|ব্রজদা}}
* {{বাউ|ব্রজমোহন দত্ত}}
* {{বাউ|ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী}}
* {{বাউ|ব্রজেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|ব্রজেন্দ্রকুমার দে}}
* {{বাউ|ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ব্রজেন্দ্রনাথ শীল}}
* {{বাউ|ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ব্রাত্য বসু}}
* {{বাউ|ব্ল্যাক}}
* {{বাউ|ভক্তি প্রজ্ঞান কেশব গোস্বামী}}
* {{বাউ|ভক্তি রক্ষক শ্রীধর দেব গোস্বামী}}
* {{বাউ|ভক্তিবিনোদ ঠাকুর}}
* {{বাউ|ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী}}
* {{বাউ|ভগীরথ মিশ্র}}
* {{বাউ|ভবতোষ দত্ত}}
* {{বাউ|ভবানী প্রসাদ সিনহা}}
* {{বাউ|ভবানী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ভবানীচরণ লাহা}}
* {{বাউ|ভাদুড়ী মশাই}}
* {{বাউ|ভারতচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|ভারতী মুখার্জী}}
* {{বাউ|ভাস্করানন্দ রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ভি. এন. খারে}}
* {{বাউ|ভিকি জাহেদ}}
* {{বাউ|ভীষ্মদেব চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|ভীষ্মদেব চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ভুবনচন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|ভূঁইয়া ইকবাল}}
* {{বাউ|ভূপতিমোহন সেন}}
* {{বাউ|ভূপেন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|ভূমেন্দ্র গুহ}}
* {{বাউ|ভোলানাথ চন্দ্র}}
* {{বাউ|ভোলানাথ রায় কাব্যশাস্ত্রী}}
* {{বাউ|ম. তামিম}}
* {{বাউ|মইন উদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|মইনুল হোসেন}}
* {{বাউ|মইনুল হোসেন চৌধুরী}}
* {{বাউ|মঈদুল হাসান}}
* {{বাউ|মঈন উদ্দিন খান}}
* {{বাউ|মঈনউদ্দিন মিয়াজী}}
* {{বাউ|মঈনুল আহসান সাবের}}
* {{বাউ|মঈনুল ইসলাম খান}}
* {{বাউ|মঈনুল ইসলাম চৌধুরী}}
* {{বাউ|মঈনুস সুলতান}}
* {{বাউ|মওদুদ আহমদ}}
* {{বাউ|মকবুল হোসেন চৌধুরী}}
* {{বাউ|মকবুলা মনজুর}}
* {{বাউ|মকসুদ জামিল মিন্টু}}
* {{বাউ|মঙ্গল চাঁদ}}
* {{বাউ|মঙ্গলাচরণ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মজিদ-উল-হক}}
* {{বাউ|মজিবর রহমান (ভাষা সৈনিক)}}
* {{বাউ|মজিবর রহমান দেবদাস}}
* {{বাউ|মঞ্জু গোয়েল}}
* {{বাউ|মঞ্জু রায়}}
* {{বাউ|মঞ্জু সরকার}}
* {{বাউ|মঞ্জুর হোসেন}}
* {{বাউ|মঞ্জুরুল ইমাম}}
* {{বাউ|মঞ্জুলা আনোয়ার}}
* {{বাউ|মঞ্জুলা চেল্লুর}}
* {{বাউ|মণিকুন্তলা সেন}}
* {{বাউ|মণিভূষণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|মণিরত্ন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মণিলাল ভৌমিক}}
* {{বাউ|মণিশংকর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মণীন্দ্র গুপ্ত}}
* {{বাউ|মণীন্দ্র চন্দ্র নন্দী}}
* {{বাউ|মণীন্দ্র নারায়ণ মজুমদার}}
* {{বাউ|মণীন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|মণীন্দ্রলাল বসু}}
* {{বাউ|মণীশ ঘটক}}
* {{বাউ|মতি নন্দী}}
* {{বাউ|মতিউর রহমান পানু}}
* {{বাউ|মতিউর রহমান মল্লিক}}
* {{বাউ|মতিউল ইসলাম}}
* {{বাউ|মতিউল হক খান}}
* {{বাউ|মতিন রহমান}}
* {{বাউ|মতিলাল ঘোষ}}
* {{বাউ|মতিলাল রায়}}
* {{বাউ|মতিলাল রায় (যাত্রাপালাকার)}}
* {{বাউ|মতিলাল শীল}}
* {{বাউ|মথুরামোহন চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|মধু বসু}}
* {{বাউ|মধুমতি মিত্র}}
* {{বাউ|মধুশ্রী মুখার্জী}}
* {{বাউ|মধুসূদন গুপ্ত}}
* {{বাউ|মধুসূদন দে}}
* {{বাউ|মধুসূদন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মধুসূদন সরস্বতী}}
* {{বাউ|মনজুর আলম বেগ}}
* {{বাউ|মনজুর আহমেদ চৌধুরী (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মনজুর রশীদ খান}}
* {{বাউ|মনতাজুর রহমান আকবর}}
* {{বাউ|মনতোষ রায়}}
* {{বাউ|মনমোহন ঘোষ}}
* {{বাউ|মনমোহন দত্ত}}
* {{বাউ|মনসুর উল করিম}}
* {{বাউ|মনসুর বয়াতি}}
* {{বাউ|মনসুরুল আলম খান}}
* {{বাউ|মনিকা আলী}}
* {{বাউ|মনিকা জাহান বোস}}
* {{বাউ|মনিকা দাস (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|মনিরউদ্দীন ইউসুফ}}
* {{বাউ|মনিরুজ্জামান (গবেষক)}}
* {{বাউ|মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী}}
* {{বাউ|মনিরুজ্জামান মনির}}
* {{বাউ|মনিরুল ইসলাম (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|মনিরুল ইসলাম টিপু}}
* {{বাউ|মনীন্দ্রভূষণ গুপ্ত}}
* {{বাউ|মনু মুন্সী}}
* {{বাউ|মনোজ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|মনোজ প্রামাণিক}}
* {{বাউ|মনোজ বসু}}
* {{বাউ|মনোজ মাঝি}}
* {{বাউ|মনোজ মিত্র}}
* {{বাউ|মনোমোহন ঘোষ}}
* {{বাউ|মনোয়ারা ইসলাম}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন ঘোষাল}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন ধর}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন ব্যাপারী}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন ভক্ত}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য (নাট্যকার)}}
* {{বাউ|মনোরঞ্জন সিকদার}}
* {{বাউ|মনোসরণি}}
* {{বাউ|মন্দাক্রান্তা সেন}}
* {{বাউ|মন্মথ রায়}}
* {{বাউ|মন্মথনাথ ঘোষ}}
* {{বাউ|মন্মথনাথ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মফিজ উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|মফিজউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|মফিদুল হক}}
* {{বাউ|মবিনউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|মবিনুল হক}}
* {{বাউ|মমতা বালা ঠাকুর}}
* {{বাউ|মমতাজ উদ্দিন}}
* {{বাউ|মমতাজ বেগম}}
* {{বাউ|মমতাজ সঙ্ঘমিতা}}
* {{বাউ|মমতাজুর রহমান তরফদার}}
* {{বাউ|মযহারুল ইসলাম}}
* {{বাউ|ময়ুখ চৌধুরী (কবি)}}
* {{বাউ|ময়ূখ চৌধুরী (শিল্পী)}}
* {{বাউ|মর্ত্তুজা আলী}}
* {{বাউ|মলয় ঘোষ দস্তিদার}}
* {{বাউ|মলয় ভৌমিক}}
* {{বাউ|মলয় রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|মল্লিকা সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|মসিহউদ্দিন শাকের}}
* {{বাউ|মহম্মদ আব্দুল জব্বার}}
* {{বাউ|মহম্মদ হান্নান}}
* {{বাউ|মহম্মদ হামিদ আনসারি}}
* {{বাউ|মহসিন শস্ত্রপাণি}}
* {{বাউ|মহাদেব দত্ত}}
* {{বাউ|মহান মহারাজ}}
* {{বাউ|মহানামব্রত ব্রহ্মচারী}}
* {{বাউ|মহারানি চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|মহি উদ্দিন শামীম}}
* {{বাউ|মহিউদ্দিন আহমেদ (প্রকাশক)}}
* {{বাউ|মহিউদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|মহিউদ্দীন ফারুক}}
* {{বাউ|মহিমারঞ্জন রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|মহীউদ্দিন}}
* {{বাউ|মহুয়া মুখোপাধ্যায় (লেখক)}}
* {{বাউ|মহেন্দ্র গুপ্ত}}
* {{বাউ|মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত}}
* {{বাউ|মহেন্দ্রনাথ দত্ত}}
* {{বাউ|মহেন্দ্রনাথ রায় (রসায়নবিদ)}}
* {{বাউ|মহেশচন্দ্র ন্যায়রত্ন}}
* {{বাউ|মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|মাইনুর রেজা চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাইমুল আহসান খান}}
* {{বাউ|মাকসুদুল আলম}}
* {{বাউ|মাকিদ হায়দার}}
* {{বাউ|মাখছুদুল আহসান}}
* {{বাউ|মাখনলাল রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাখনলাল সেন}}
* {{বাউ|মাধবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মানবেন্দ্র পাল}}
* {{বাউ|মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মানস চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|মানিক চন্দ্র সাহা}}
* {{বাউ|মানিক দত্ত}}
* {{বাউ|মানিক সরকার (শিল্পী)}}
* {{বাউ|মানিকলাল শীল}}
* {{বাউ|মান্নান হীরা}}
* {{বাউ|মাফরুহা চৌধুরী}}
* {{বাউ|মামনুন রহমান}}
* {{বাউ|মামাবাবু}}
* {{বাউ|মামুন নদীয়া}}
* {{বাউ|মামুন হুসাইন}}
* {{বাউ|মারজি-উল হক}}
* {{বাউ|মারুফুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মালা সেন}}
* {{বাউ|মালাধর বসু}}
* {{বাউ|মালিকা আল্ রাজী}}
* {{বাউ|মালিহা খাতুন}}
* {{বাউ|মালেক আফসারী}}
* {{বাউ|মালেকা বেগম}}
* {{বাউ|মাশির হোসেন}}
* {{বাউ|মাশুক হোসেন আহমেদ}}
* {{বাউ|মাসাতোশি কোশিবা}}
* {{বাউ|মাসুদ আখন্দ}}
* {{বাউ|মাসুদ আলি খান}}
* {{বাউ|মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাসুদ করিম}}
* {{বাউ|মাসুদ পথিক}}
* {{বাউ|মাসুদ বিন মোমেন}}
* {{বাউ|মাসুদ মান্নান}}
* {{বাউ|মাসুদ রানা}}
* {{বাউ|মাসুদ সেজান}}
* {{বাউ|মাসুদা খাতুন}}
* {{বাউ|মাসুম আজিজ}}
* {{বাউ|মাসুম রেজা}}
* {{বাউ|মাসুম শাহরিয়ার}}
* {{বাউ|মাহফুজ উল্লাহ}}
* {{বাউ|মাহফুজা আখতার (সচিব)}}
* {{বাউ|মাহফুজা খানম}}
* {{বাউ|মাহফুজুর রহমান (নির্বাচন কমিশনার)}}
* {{বাউ|মাহফুজুর রহমান (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|মাহফুজুল হক}}
* {{বাউ|মাহফুজুল হাসান ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|মাহবুব আলম}}
* {{বাউ|মাহবুব উজ জামান (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মাহবুব উদ্দিন খোকন}}
* {{বাউ|মাহবুব জামাল জাহেদী}}
* {{বাউ|মাহবুব তালুকদার}}
* {{বাউ|মাহবুব সাদিক}}
* {{বাউ|মাহবুব-উল আলম}}
* {{বাউ|মাহবুবা রহমান}}
* {{বাউ|মাহবুবুর রহমান লিটন}}
* {{বাউ|মাহবুবুল আলম (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|মাহবুবুল আলম মজুমদার}}
* {{বাউ|মাহবুবুল এ খালিদ}}
* {{বাউ|মাহবুবুল হক}}
* {{বাউ|মাহবুবে আলম}}
* {{বাউ|মাহমুদ শাহ কোরেশী}}
* {{বাউ|মাহমুদ হাসান}}
* {{বাউ|মাহমুদ হোসেন (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|মাহমুদা খাতুন সিদ্দিকা}}
* {{বাউ|মাহমুদা হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাহমুদুর রহমান}}
* {{বাউ|মাহমুদুর রহমান চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাহমুদুর রহমান বেণু}}
* {{বাউ|মাহমুদুল আমিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|মাহমুদুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মাহমুদুল হক}}
* {{বাউ|মাহমুদুল হক (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|মাহমুদুল হক (বিচারক)}}
* {{বাউ|মাহমুদুল হাসান}}
* {{বাউ|মিজান রহমান}}
* {{বাউ|মিজানুর রহমান (বাংলাদেশী কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মিজানুর রহমান ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|মিজানুর রহমান সাঈদ}}
* {{বাউ|মিঠু আলুর}}
* {{বাউ|মিতা হক}}
* {{বাউ|মিতিন মাসি}}
* {{বাউ|মিনার মনসুর}}
* {{বাউ|মিনার রহমান}}
* {{বাউ|মিনাল রোহিত}}
* {{বাউ|মিন্নাত আলী}}
* {{বাউ|মিফতা উদ্দিন চৌধুরী রুমী}}
* {{বাউ|মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|মিফতাহুর রহমান}}
* {{বাউ|মিফতাহ্ জামান}}
* {{বাউ|মিরজা আবদুল হাই}}
* {{বাউ|মির্জা আব্দুল জলিল}}
* {{বাউ|মির্জা আলী ইস্পাহানি}}
* {{বাউ|মির্জা গোলাম হাফিজ}}
* {{বাউ|মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল}}
* {{বাউ|মির্জা মাজহারুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম}}
* {{বাউ|মির্জা হুসেন হায়দার}}
* {{বাউ|মির্জা হোসাইন হায়দার}}
* {{বাউ|মিলন কান্তি দে}}
* {{বাউ|মিল্টন খন্দকার}}
* {{বাউ|মিশুক মুনীর}}
* {{বাউ|মিসির আলি}}
* {{বাউ|মিহির কুমার বসু}}
* {{বাউ|মিহির চৌধুরী}}
* {{বাউ|মিহির রঞ্জন হালদার}}
* {{বাউ|মিহির সেন}}
* {{বাউ|মিহির সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|মীজানূর রহমান শেলী}}
* {{বাউ|মীনাক্ষী ব্যানার্জি}}
* {{বাউ|মীনু হক}}
* {{বাউ|মীর আব্দুল কাইয়ুম}}
* {{বাউ|মীর আহমদ বিন কাসেম}}
* {{বাউ|মীর কাশেম খান}}
* {{বাউ|মীর মকসুদুস সালেহীন}}
* {{বাউ|মীর মাসুম আলী}}
* {{বাউ|মীর শওকত আলী}}
* {{বাউ|মীর হাসমত আলী}}
* {{বাউ|মীর হাসেম আলী}}
* {{বাউ|মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা}}
* {{বাউ|মীরা দত্ত গুপ্ত}}
* {{বাউ|মীরা মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মীর্জা মুহাম্মদ ইউসুফ আলি}}
* {{বাউ|মুঃ মিজানুর রহমান}}
* {{বাউ|মুঈনুদ্দীন আহমদ খান}}
* {{বাউ|মুকসুমুল হাকিম}}
* {{বাউ|মুকুল চৌধুরী}}
* {{বাউ|মুকুল দে}}
* {{বাউ|মুখতার আলম শিকদার}}
* {{বাউ|মুছলিম মিয়া}}
* {{বাউ|মুজিব পরদেশী}}
* {{বাউ|মুজিবর রহমান (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|মুজিবুর রহমান (চিকিৎসা বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|মুজিবুল হক (অফিসার)}}
* {{বাউ|মুজীবুর রহমান খাঁ}}
* {{বাউ|মুনশী ওয়াদুদ}}
* {{বাউ|মুনসুর আলী}}
* {{বাউ|মুনাজ আহমেদ নূর}}
* {{বাউ|মুনির উজ জামান}}
* {{বাউ|মুনেম ওয়াসিফ}}
* {{বাউ|মুন্সী রইসউদ্দিন}}
* {{বাউ|মুন্সী সিদ্দীক আহমদ}}
* {{বাউ|মুফলেহ আর. ওসমানী}}
* {{বাউ|মুবিনা আসাফ}}
* {{বাউ|মুমতাজুদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|মুরলীধর বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মুরলীধর বসু}}
* {{বাউ|মুরাদ পারভেজ}}
* {{বাউ|মুরারি গুপ্ত}}
* {{বাউ|মুশতাক আহমেদ (লেখক)}}
* {{বাউ|মুশতারী শফী}}
* {{বাউ|মুশফিকুল ফজল আনসারী}}
* {{বাউ|মুশাররাফ করিম}}
* {{বাউ|মুসলেহউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|মুসা আল হাফিজ}}
* {{বাউ|মুস্তফা মনোয়ার}}
* {{বাউ|মুস্তফা লুৎফুল্লাহ}}
* {{বাউ|মুস্তাফা খালিদ পলাশ}}
* {{বাউ|মুস্তাফা জামান আব্বাসী}}
* {{বাউ|মুস্তাফা নূরউল ইসলাম}}
* {{বাউ|মুস্তাফিজ শফি}}
* {{বাউ|মুস্তাফিজুর রহমান (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মুস্তাফিজুর রহমান (গীতিকার)}}
* {{বাউ|মুহম্মদ আবদুল হাই}}
* {{বাউ|মুহম্মদ ইউসুফ সিদ্দিক}}
* {{বাউ|মুহম্মদ ওয়ায়েছ}}
* {{বাউ|মুহম্মদ কবির}}
* {{বাউ|মুহম্মদ কুদরাত-এ-খুদা}}
* {{বাউ|মুহম্মদ নূরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মুহম্মদ মতিউর রহমান}}
* {{বাউ|মুহম্মদ মনসুর উদ্দিন}}
* {{বাউ|মুহম্মদ শামসউল হক}}
* {{বাউ|মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া (গবেষক)}}
* {{বাউ|মুহম্মদ সিরাজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আখতার}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুর রশিদ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুল বারী}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুল মুহিত}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুল্লাহ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুল্লাহিল বাকী}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আব্দুর রহিম (ইতিহাসবিদ)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আব্দুল হাফিজ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আরশাদ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আসফ-উদ-দৌলা}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইউনুস (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইউনুস (পণ্ডিত)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইব্রাহিম (পদার্থবিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইমরান (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইসমাইল}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ইসহাক (ইতিহাসবিদ)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ একরামুল হক}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ জমির}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ জুলকার নাইন}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ নওশাদ জমির}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ নুরুল হক}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ নুরুল হুদা}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ফাজলী ইলাহী}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ ফারুক (কূটনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ মাছুদ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ মাহবুব উল ইসলাম}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ সামাদ}}
* {{বাউ|মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান (মুক্তিযোদ্ধা)}}
* {{বাউ|মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ আবদুল মালেক}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ আব্দুল হামিদ}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ ইকবাল হোছাইন}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ ইনাম-উল হক}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ মুস্তাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ লুৎফর রহমান}}
* {{বাউ|মুহাম্মাদ শহীদ সারওয়ার}}
* {{বাউ|মৃণাল দত্ত চৌধুরী}}
* {{বাউ|মৃণাল মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মৃণালিনী সেন}}
* {{বাউ|মৃত্যুঞ্জয় প্রসাদ গুহ}}
* {{বাউ|মৃত্যুঞ্জয় বরাট সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার}}
* {{বাউ|মৃদুল দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|মৃদুলা গার্গ}}
* {{বাউ|মেজকর্তা}}
* {{বাউ|মেজবাউর রহমান সুমন}}
* {{বাউ|মেনহাজ হুদা}}
* {{বাউ|মেরিনা তাবাসসুম}}
* {{বাউ|মেসবাহউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|মেসবাহউদ্দিন আহমেদ (পদার্থবিদ)}}
* {{বাউ|মেসবাহুল হক}}
* {{বাউ|মেহরীন মাহমুদ}}
* {{বাউ|মেহেদী হক রনি}}
* {{বাউ|মেহের আফরোজ শাওন}}
* {{বাউ|মেহেরবানু খানম}}
* {{বাউ|মেহেরুন নেসা}}
* {{বাউ|মৈত্রী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|মৈত্রেয়ী দেবী}}
* {{বাউ|মো. আবদুল মজিদ}}
* {{বাউ|মো. আবু আহমেদ জমাদার}}
* {{বাউ|মো. আবু জাফর সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|মো. আবু তারিক}}
* {{বাউ|মো. আব্দুল মজিদ}}
* {{বাউ|মো. আমিনুল ইসলাম (বিচারক)}}
* {{বাউ|মো. ইকবাল কবির}}
* {{বাউ|মো. ইমদাদুল হক}}
* {{বাউ|মো. এমদাদুল হক}}
* {{বাউ|মো. কামরুল হোসেন মোল্লা}}
* {{বাউ|মো. খসরুজ্জামান}}
* {{বাউ|মো. খায়রুল আলম}}
* {{বাউ|মো. খুরশেদ আলম}}
* {{বাউ|মো. জয়নুল আবেদীন}}
* {{বাউ|মো. জহুরুল হক}}
* {{বাউ|মো. জাকির হোসেন}}
* {{বাউ|মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার}}
* {{বাউ|মো. নুরুল ইসলাম (সাহিত্যিক)}}
* {{বাউ|মো. বজলুর রহমান}}
* {{বাউ|মো. বদরুজ্জামান}}
* {{বাউ|মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী}}
* {{বাউ|মো. মজিবুর রহমান মিয়া}}
* {{বাউ|মো. মনসুর আলম}}
* {{বাউ|মো. মাহমুদ হাসান তালুকদার}}
* {{বাউ|মো. মোস্তাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|মো. যাবিদ হোসেন}}
* {{বাউ|মো. রইস উদ্দিন}}
* {{বাউ|মো. রইস হাসান সরোয়ার}}
* {{বাউ|মো. রিয়াজ উদ্দিন খান}}
* {{বাউ|মো. রুহুল আমিন (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|মো. রুহুল কুদ্দুস}}
* {{বাউ|মো. রেজাউল হক}}
* {{বাউ|মো. রেজাউল হাসান}}
* {{বাউ|মো. শামসুল হুদা}}
* {{বাউ|মো. শাহিনুর ইসলাম}}
* {{বাউ|মো. সাইদুল হক}}
* {{বাউ|মো. সেলিম (বিচারক)}}
* {{বাউ|মো. হযরত আলী (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|মো. হামিদুল হক (বিচারক)}}
* {{বাউ|মো. হাসান আমিন}}
* {{বাউ|মো: গোলাম রহমান}}
* {{বাউ|মো: জাহাঙ্গীর আল মুস্তাহিদুর রহমান}}
* {{বাউ|মোঃ আখতারুজ্জামান}}
* {{বাউ|মোঃ আতাউর রহমান খান}}
* {{বাউ|মোঃ আতাবুল্লাহ}}
* {{বাউ|মোঃ আতোয়ার রহমান}}
* {{বাউ|মোঃ আব্দুল মান্নান (বিচারক)}}
* {{বাউ|মোঃ আব্দুল মুক্তাদির}}
* {{বাউ|মোঃ আলী রেজা}}
* {{বাউ|মোঃ আশরাফুল কামাল}}
* {{বাউ|মোঃ আসাদুজ্জামান}}
* {{বাউ|মোঃ ইসমাইল হোসেন}}
* {{বাউ|মোঃ কামরুজ্জামান}}
* {{বাউ|মোঃ খোরশেদ আলম}}
* {{বাউ|মোঃ জসিম উদ্দিন (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মোঃ জাকির হোসেন (বিচারক)}}
* {{বাউ|মোঃ টোকন}}
* {{বাউ|মোঃ তোফাজ্জল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোঃ নূরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোঃ বশির-উল্লাহ}}
* {{বাউ|মোঃ মইদুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোঃ মাহবুবুর রহমান (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|মোঃ মুস্তফা চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোঃ শামীম আহসান}}
* {{বাউ|মোঃ সাইদুর রহমান (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|মোঃ সাদত আলী}}
* {{বাউ|মোঃ সোহরাওয়ারদী}}
* {{বাউ|মোঃ হাবিবুল গনি}}
* {{বাউ|মোকাররম হোসেন খোন্দকার}}
* {{বাউ|মোক্ষদায়িনী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মোজাফফর আহমদ}}
* {{বাউ|মোজাফফর হোসেন (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|মোজাম্মেল হোসেন (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|মোজাম্মেল হোসেন মিন্টু}}
* {{বাউ|মোতাহার হোসেন তালুকদার}}
* {{বাউ|মোনাজাতউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোনায়েম সরকার}}
* {{বাউ|মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোবারক আহমদ খান}}
* {{বাউ|মোবারক হোসেন খান}}
* {{বাউ|মোবাশ্বের আলী}}
* {{বাউ|মোবিনুল আজিম}}
* {{বাউ|মোমতাজ আলী খান}}
* {{বাউ|মোরশেদ খান}}
* {{বাউ|মোরশেদ শফিউল হাসান}}
* {{বাউ|মোরশেদুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী}}
* {{বাউ|মোল্লা জালাল উদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|মোশতাক আহমেদ}}
* {{বাউ|মোশতাক খান}}
* {{বাউ|মোশারেফ উদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|মোসলেম উদ্দিন}}
* {{বাউ|মোসলেম উদ্দিন খান}}
* {{বাউ|মোসাদ্দেক আলী ফালু}}
* {{বাউ|মোস্তফা আনোয়ার (পরিচালক)}}
* {{বাউ|মোস্তফা আলম}}
* {{বাউ|মোস্তফা আলী}}
* {{বাউ|মোস্তফা এম এ মতিন}}
* {{বাউ|মোস্তফা কামাল (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|মোস্তফা জামান ইসলাম}}
* {{বাউ|মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোস্তফা মন্ওয়ার}}
* {{বাউ|মোস্তফা মেহমুদ}}
* {{বাউ|মোস্তাফিজুর রহমান মানিক}}
* {{বাউ|মোস্তাফিজুর রহমান সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|মোহন রায়হান}}
* {{বাউ|মোহনলাল গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মোহম্মদ সামির হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আকরম খাঁ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আছাদুজ্জামান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আজম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আজিজ (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবদুর রশিদ (বিচারক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবদুর রহিম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবদুল খালেক}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবু নাসের}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবু হেনা}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবুল কাসেম চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আবুল হাশেম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আব্দুল হাই}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ মিয়া}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আব্দুল্লাহেল কাফী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আলম (আলোকচিত্র সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আলী (বিচারক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (নরসিংদীর শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ইউনুস (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ইব্রাহিম (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ইব্রাহিম (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ইমান আলী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ উল্লাহ (বিচারক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ এনামউল্যা}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ওমর এজাজ রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ কায়কোবাদ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ কিবরিয়া}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ খালেদ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ গোলাম রাব্বানী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ছায়েদুল হক}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ জাকারিয়া}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নইমুদ্দীন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নজিবর রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন (লেখক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নাসির আলী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নিজামুল হক}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নুরুল করিম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নূরুজ্জামান (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ নোমান (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ পনির হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ফজলী হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ফজলুল করীম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ফেরদাউস খান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ফৈয়াজ খান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ বজলুর রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মতিউর রহমান (লেখক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মিঞা}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম (কূটনীতিক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মফজলুর রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মমতাজ উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ ময়েজউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মহিউদ্দিন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মিজারুল কায়েস}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মুর্তজা}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোদাব্বের}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোবারক আলী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান (কর্মকর্তা)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোহর আলী (ইতিহাসবিদ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ মোহসীন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রফি খান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রফিক (কবি)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রফিকুল আলম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ রেজওয়ান খান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শওকত আলী চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শরীফ হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শামশাদ আলী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শামসুজ্জোহা}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শাহ আলম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শাহ আলম (আইনজ্ঞ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শাহজাহান (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শাহিনুল আলম}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ শিশির মনির}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সাদত আলী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সাদিক}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সালার খান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সিরাজুদ্দীন কাসিমপুরী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সিরাজুল আকবর}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সুফিউর রহমান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ সোলায়মান}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ হারুন-উর-রশিদ}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ হোসেন জেমী}}
* {{বাউ|মোহাম্মদ হোসেন মণ্ডল}}
* {{বাউ|মোহাম্মদউল্লাহ}}
* {{বাউ|মোহাম্মাদ রকিবুল হাসান}}
* {{বাউ|মোহিত উল আলম}}
* {{বাউ|মোহিত কামাল}}
* {{বাউ|মোহিত চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|মোহিত সেন}}
* {{বাউ|মোহিনী চৌধুরী}}
* {{বাউ|মোহিনী মোহন চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|মৌমিতা তাশরিন নদী}}
* {{বাউ|মৌমিতা দত্ত}}
* {{বাউ|মৌলভী আবদুল করিম}}
* {{বাউ|মৌসুমী ভৌমিক}}
* {{বাউ|যতীন সরকার}}
* {{বাউ|যতীন্দ্রকুমার সেন}}
* {{বাউ|যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|যতীন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|যতীন্দ্রমোহন সিংহ}}
* {{বাউ|যদুনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|যদুনাথ সরকার}}
* {{বাউ|যদুনাথ সিংহ}}
* {{বাউ|যমুনা সেন}}
* {{বাউ|যশোধরা বাগচি}}
* {{বাউ|যশোধরা রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|যাত্রামোহন সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|যাদব চন্দ্র চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|যাদুমনি হাজং}}
* {{বাউ|যামিনী ভূষণ রায়}}
* {{বাউ|যামিনী রায়}}
* {{বাউ|যামিনীপ্রকাশ গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|যুধাজিৎ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|যোগীন মা}}
* {{বাউ|যোগীন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|যোগেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ}}
* {{বাউ|যোগেশচন্দ্র ঘোষ}}
* {{বাউ|যোগেশচন্দ্র চৌধুরী (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|যোগেশচন্দ্র বাগল}}
* {{বাউ|যোগেশচন্দ্র রায় বিদ্যানিধি}}
* {{বাউ|যোবায়দা হান্নান}}
* {{বাউ|রওনক জাহান}}
* {{বাউ|রওশন আরা}}
* {{বাউ|রওশন আরা বাচ্চু}}
* {{বাউ|রওশন আরা মুস্তাফিজ}}
* {{বাউ|রওশন আলী}}
* {{বাউ|রওশন ইজদানী}}
* {{বাউ|রওশন জামিল}}
* {{বাউ|রকিব হাসান}}
* {{বাউ|রকিবুল আলম রকিব}}
* {{বাউ|রকীব আহমদ}}
* {{বাউ|রঘুনন্দন ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|রঘুনাথ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রঙ্গলাল মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রঙ্গলাল সেন}}
* {{বাউ|রঙ্গু সৌরিয়া}}
* {{বাউ|রজতকান্ত রায়}}
* {{বাউ|রজতশুভ্র মজুমদার}}
* {{বাউ|রজনীকান্ত গুহ}}
* {{বাউ|রজনীকান্ত প্রামাণিক}}
* {{বাউ|রজনীনাথ রায়}}
* {{বাউ|রঞ্জন ঘোষাল}}
* {{বাউ|রঞ্জন মল্লিক}}
* {{বাউ|রণজিত গুহ}}
* {{বাউ|রণজিৎ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রণজিৎ দাশ}}
* {{বাউ|রণদা প্রসাদ সাহা}}
* {{বাউ|রণেন কুশারী}}
* {{বাউ|রণেশ মৈত্র}}
* {{বাউ|রতন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রতন সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|রতনচন্দ্র কর}}
* {{বাউ|রতনতনু ঘোষ}}
* {{বাউ|রতনলাল ব্রহ্মচারী}}
* {{বাউ|রত্নেশ্বর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রথীন কিস্কু}}
* {{বাউ|রথীন মিত্র}}
* {{বাউ|রথীন মৈত্র}}
* {{বাউ|রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|রথীন্দ্রনাথ বোস}}
* {{বাউ|রফিক আহামদ}}
* {{বাউ|রফিক উদ্দিন আহমেদ (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|রফিক উদ্দিন আহমেদ (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|রফিক উদ্দিন সরকার}}
* {{বাউ|রফিক-উল হক}}
* {{বাউ|রফিকউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|রফিকউল্লাহ্ খান}}
* {{বাউ|রফিকুর রশীদ}}
* {{বাউ|রফিকুল ইসলাম (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|রফিকুল ইসলাম মিয়া}}
* {{বাউ|রফিকুল ইসলাম সেখ}}
* {{বাউ|রফিকুল বারী চৌধুরী}}
* {{বাউ|রফিকুল হক}}
* {{বাউ|রফিকুল হক (কৃষি প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|রবার্ট সুইনহো}}
* {{বাউ|রবি বসু}}
* {{বাউ|রবিউল আলম (নাট্যকার)}}
* {{বাউ|রবিউল আলম রবি}}
* {{বাউ|রবিউল ইসলাম জীবন}}
* {{বাউ|রবিউল হুসাইন}}
* {{বাউ|রবিন ঘোষ}}
* {{বাউ|রবিনা খান}}
* {{বাউ|রবিশংকর বল}}
* {{বাউ|রবিশঙ্কর}}
* {{বাউ|রবীন চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রবীন্দ্র গুহ}}
* {{বাউ|রবীন্দ্রকুমার দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|রবীন্দ্রনাথ চৌধুরী}}
* {{বাউ|রবীন্দ্রনাথ দত্ত}}
* {{বাউ|রবীন্দ্রনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|রবীন্দ্রনাথ মৈত্র}}
* {{বাউ|রমা চৌধুরী}}
* {{বাউ|রমাতোষ সরকার}}
* {{বাউ|রমাপদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|রমারঞ্জন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রমিজউদ্দীন আহমদ}}
* {{বাউ|রমেন্দ্র কুমার পোদ্দার}}
* {{বাউ|রমেন্দ্রকুমার আচার্য চৌধুরী}}
* {{বাউ|রমেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রমেশ চন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|রমেশচন্দ্র সেন}}
* {{বাউ|রশিদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|রশীদ করীম}}
* {{বাউ|রশীদ তালুকদার}}
* {{বাউ|রশীদ হায়দার}}
* {{বাউ|রসময় দত্ত}}
* {{বাউ|রসময় মিত্র}}
* {{বাউ|রসময় সুর}}
* {{বাউ|রসিককৃষ্ণ মল্লিক}}
* {{বাউ|রসিকলাল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রহমত আলী}}
* {{বাউ|রহমতউল্লাহ আল মাহমুদ সেলিম}}
* {{বাউ|রহিমুন্নিসা}}
* {{বাউ|রহীম শাহ}}
* {{বাউ|রাইচরণ দাস}}
* {{বাউ|রাইচাঁদ বড়াল}}
* {{বাউ|রাইসুল ইসলাম আসাদ}}
* {{বাউ|রাখাল চন্দ্র দাস}}
* {{বাউ|রাখাল চিত্রকর}}
* {{বাউ|রাখালদাস মজুমদার}}
* {{বাউ|রাগিনী সোনকার}}
* {{বাউ|রাগীব রউফ চৌধুরী}}
* {{বাউ|রাঘব চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাঘব বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাজকুমার চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রাজকুমার সর্বাধিকারী}}
* {{বাউ|রাজকুমারী বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাজকুমারী রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|রাজকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাজকৃষ্ণ রায়}}
* {{বাউ|রাজচন্দ্র বসু}}
* {{বাউ|রাজদীপ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|রাজনারায়ণ বসু}}
* {{বাউ|রাজলক্ষ্মী দেবী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রাজিক আল জলিল}}
* {{বাউ|রাজিয়া খান}}
* {{বাউ|রাজিয়া মজিদ}}
* {{বাউ|রাজিয়া মাহবুব}}
* {{বাউ|রাজিয়া সুলতানা (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|রাজেন তরফদার}}
* {{বাউ|রাজেন্দ্রচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|রাজেন্দ্রচন্দ্র হাজরা}}
* {{বাউ|রাজেন্দ্রনাথ সেন}}
* {{বাউ|রাজেন্দ্রলাল মিত্র}}
* {{বাউ|রাজেশ রোশন}}
* {{বাউ|রাজেশ্বরী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাণী দিনমনি চৌধুরাণী}}
* {{বাউ|রাণী রাসমণি}}
* {{বাউ|রাধা বিনোদ পাল}}
* {{বাউ|রাধাকান্ত দেব}}
* {{বাউ|রাধাকান্ত নন্দী}}
* {{বাউ|রাধাকুমুদ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রাধাগোবিন্দ কর}}
* {{বাউ|রাধাগোবিন্দ চন্দ্র}}
* {{বাউ|রাধাগোবিন্দ নাথ}}
* {{বাউ|রাধাগোবিন্দ বসাক}}
* {{বাউ|রাধানাথ শিকদার}}
* {{বাউ|রাধাপদ রায়}}
* {{বাউ|রাধাপ্রসাদ গুপ্ত}}
* {{বাউ|রাধাবতী দেবী}}
* {{বাউ|রাধারমণ দত্ত}}
* {{বাউ|রাধারমণ মিত্র}}
* {{বাউ|রাধারাণী দেবী}}
* {{বাউ|রাধিকা মোহন মৈত্র}}
* {{বাউ|রাধিকা রায়}}
* {{বাউ|রানী চন্দ}}
* {{বাউ|রাপ্পা রায়}}
* {{বাউ|রাফায়েল অ্যারন বেলিলিওস}}
* {{বাউ|রাফিদা আহমেদ বন্যা}}
* {{বাউ|রাবাব ফাতেমা}}
* {{বাউ|রাবেয়া খাতুন}}
* {{বাউ|রাবেয়া ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|রাম নারায়ণ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রাম বসু}}
* {{বাউ|রামকমল ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রামকমল সেন}}
* {{বাউ|রামকানাই দাশ}}
* {{বাউ|রামকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রামগতি ন্যায়রত্ন}}
* {{বাউ|রামগোপাল ঘোষ}}
* {{বাউ|রামচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রামচন্দ্র দত্ত}}
* {{বাউ|রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ}}
* {{বাউ|রামতনু লাহিড়ী}}
* {{বাউ|রামতারণ সান্যাল}}
* {{বাউ|রামদাস সেন}}
* {{বাউ|রামনারায়ণ তর্করত্ন}}
* {{বাউ|রামনিধি গুপ্ত}}
* {{বাউ|রামপ্রাণ গুপ্ত}}
* {{বাউ|রামব্রহ্ম সান্যাল}}
* {{বাউ|রামরঞ্জন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|রামরাম বসু}}
* {{বাউ|রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রামেন্দু মজুমদার}}
* {{বাউ|রায়হান মুজিব}}
* {{বাউ|রায়হানুল আবেদীন}}
* {{বাউ|রায়েফ আল হাসান রাফা}}
* {{বাউ|রাশিদ আসকারী}}
* {{বাউ|রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর}}
* {{বাউ|রাশেদ খান মেনন}}
* {{বাউ|রাশেদ রউফ}}
* {{বাউ|রাসবিহারী ঘোষ}}
* {{বাউ|রাসসুন্দরী দেবী}}
* {{বাউ|রাহাত খান}}
* {{বাউ|রাহিজা খানম ঝুনু}}
* {{বাউ|রাহুল দেব বর্মণ}}
* {{বাউ|রাহুল পুরকায়স্থ}}
* {{বাউ|রিংকি ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|রিজিয়া রহমান}}
* {{বাউ|রিতা আর. কলওয়েল}}
* {{বাউ|রিনা আক্তার (সক্রিয়কর্মী)}}
* {{বাউ|রিনাত ফৌজিয়া}}
* {{বাউ|রিপন নাথ}}
* {{বাউ|রিফাত হাসান (লেখক)}}
* {{বাউ|রিমা সুলতানা রিমু}}
* {{বাউ|রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|রিয়াজ রহমান}}
* {{বাউ|রিয়াজ হামিদুল্লাহ}}
* {{বাউ|রিয়াজুল রিজু}}
* {{বাউ|রীণা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|রুচিরা গুপ্ত}}
* {{বাউ|রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|রুদ্রাণী (গোয়েন্দা)}}
* {{বাউ|রুনা খান (উদ্যোক্তা)}}
* {{বাউ|রুনু বিশ্বাস}}
* {{বাউ|রুবাইয়াত হোসেন}}
* {{বাউ|রুবানা হক}}
* {{বাউ|রুবী রহমান}}
* {{বাউ|রুবেল}}
* {{বাউ|রুমা পাল}}
* {{বাউ|রুমানা আলী}}
* {{বাউ|রুমানা রশীদ ঈশিতা}}
* {{বাউ|রুমিন ফারহানা}}
* {{বাউ|রুম্মান রশীদ খান}}
* {{বাউ|রুশেমা বেগম}}
* {{বাউ|রুহি জুবেরী}}
* {{বাউ|রুহুল আমিন (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|রুহুল আলম সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|রুহুল ইসলাম}}
* {{বাউ|রুহুল কুদ্দুস কাজল}}
* {{বাউ|রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু}}
* {{বাউ|রূপ গোস্বামী}}
* {{বাউ|রূপচাঁদ অধিকারী}}
* {{বাউ|রূপমঞ্জরী ঘোষ}}
* {{বাউ|রূপরাম চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রূপা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রেজা আলী}}
* {{বাউ|রেজা লতিফ}}
* {{বাউ|রেজাউদ্দিন স্টালিন}}
* {{বাউ|রেজাউল করিম (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|রেজাউল হক সরকার}}
* {{বাউ|রেজিনা গুহ}}
* {{বাউ|রেণু চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|রেণুকা রায়}}
* {{বাউ|রেদওয়ান রনি}}
* {{বাউ|রেবতীভূষণ ঘোষ}}
* {{বাউ|রেবা সোম}}
* {{বাউ|রেয়াজুদ্দীন মাশহাদী আহমদ}}
* {{বাউ|রেহমান সোবহান}}
* {{বাউ|রোকেয়া সুলতানা (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|রোজিনা ইসলাম}}
* {{বাউ|রোজী আফসারী}}
* {{বাউ|রোমেনা আফাজ}}
* {{বাউ|লক্ষীছাড়া}}
* {{বাউ|লক্ষ্মীকান্ত মৈত্র}}
* {{বাউ|লজ্জাবতী বসু}}
* {{বাউ|লতিকা সরকার}}
* {{বাউ|লতিকা সেন}}
* {{বাউ|লতিফুর খান}}
* {{বাউ|লতিফুর রহমান (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|লতিফুল ইসলাম শিবলী}}
* {{বাউ|ললিত মোহন নাথ}}
* {{বাউ|ললিতা রায়}}
* {{বাউ|লাকী আখান্দ}}
* {{বাউ|লায়লা নূর}}
* {{বাউ|লায়লা সামাদ}}
* {{বাউ|লালমোহন গাঙ্গুলি}}
* {{বাউ|লিয়াকত আলী চৌধুরী}}
* {{বাউ|লিয়াকত আলী লাকী}}
* {{বাউ|লিলি চক্রবর্তী (কবি)}}
* {{বাউ|লিসা গাজী}}
* {{বাউ|লীমা ধর}}
* {{বাউ|লীলা রায়}}
* {{বাউ|লীলাবতী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|লীলাবতী মিত্র}}
* {{বাউ|লুইস জনসন}}
* {{বাউ|লুসি রহমান}}
* {{বাউ|লুৎফর রহমান (মুসলিম পণ্ডিত)}}
* {{বাউ|লুৎফর রহমান রিটন}}
* {{বাউ|লুৎফর রহমান সরকার}}
* {{বাউ|লুৎফর হাসান}}
* {{বাউ|লুৎফুন্নাহার হেলেন}}
* {{বাউ|লুৎফুল হায়দার চৌধুরী}}
* {{বাউ|লুৎফে সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|লেনিন গনি}}
* {{বাউ|লেবুমামা}}
* {{বাউ|লেমিস}}
* {{বাউ|লোকনাথ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|লোকমান হোসেন ফকির}}
* {{বাউ|লোকেন্দ্রনাথ পালিত}}
* {{বাউ|লোপামুদ্রা মিত্র}}
* {{বাউ|শংকর রায় চৌধুরী (চরিত্র)}}
* {{বাউ|শওকত আরা বেগম}}
* {{বাউ|শওকত আলী (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|শওকত আলী ইমন}}
* {{বাউ|শওকত আলী খান}}
* {{বাউ|শওকত জামিল}}
* {{বাউ|শওকত মাহমুদ}}
* {{বাউ|শক্তি বর্মণ}}
* {{বাউ|শক্তি মণ্ডল}}
* {{বাউ|শক্তিপদ রাজগুরু}}
* {{বাউ|শক্তিসাধন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শঙ্কর ঘোষ}}
* {{বাউ|শঙ্কর ঘোষ (পণ্ডিত)}}
* {{বাউ|শঙ্কর চ্যাটার্জী}}
* {{বাউ|শঙ্কর প্রসাদ মিত্র}}
* {{বাউ|শঙ্কর রায়}}
* {{বাউ|শঙ্কর সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|শঙ্করীপ্রসাদ বসু}}
* {{বাউ|শঙ্কু মহারাজ}}
* {{বাউ|শঙ্খ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|শচীন দাশ}}
* {{বাউ|শচীন ভৌমিক}}
* {{বাউ|শচীন্দ্রনাথ অধিকারী}}
* {{বাউ|শচীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শচীন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|শফি ইউ আহমেদ}}
* {{বাউ|শফিউর রহমান}}
* {{বাউ|শফিক আহমেদ}}
* {{বাউ|শফিক তুহিন}}
* {{বাউ|শবনম পারভীন}}
* {{বাউ|শবনম মুশতারী}}
* {{বাউ|শবনম রামস্বামী}}
* {{বাউ|শবর দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|শমসের মবিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|শমিতা দাশ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|শম্পা দাস}}
* {{বাউ|শম্ভু ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শম্ভুনাথ দে}}
* {{বাউ|শম্ভুনাথ পণ্ডিত}}
* {{বাউ|শম্ভুনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শরচ্চন্দ্র পণ্ডিত}}
* {{বাউ|শরণ}}
* {{বাউ|শরাফত আলী}}
* {{বাউ|শরিফ এনামুল কবির}}
* {{বাউ|শরিফা খাতুন}}
* {{বাউ|শরিফা খান}}
* {{বাউ|শরীফ উদ্দিন চাকলাদার}}
* {{বাউ|শরীফ খান}}
* {{বাউ|শরীফ মুহাম্মদ আজিজুল হক}}
* {{বাউ|শর্বরী জোহরা আহমেদ}}
* {{বাউ|শর্বরী রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|শর্মিলা বসু}}
* {{বাউ|শর্মিলা বিশ্বাস}}
* {{বাউ|শর্মিলা ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শর্মিলা সরকার}}
* {{বাউ|শরৎকুমার মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শরৎকুমারী চৌধুরাণী}}
* {{বাউ|শরৎচন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|শরৎচন্দ্র রায়}}
* {{বাউ|শরৎসুন্দরী দেবী}}
* {{বাউ|শশধর দত্ত}}
* {{বাউ|শশাঙ্ক চন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শশাঙ্ক শেখর সরকার}}
* {{বাউ|শশিভূষণ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|শশিশেখর বসু}}
* {{বাউ|শহিদুল আমিন}}
* {{বাউ|শহিদুল আলম}}
* {{বাউ|শহিদুল ইসলাম (বিচারক)}}
* {{বাউ|শহিদুল হক খান}}
* {{বাউ|শহীদ আখন্দ}}
* {{বাউ|শহীদ উল্লাহ তালুকদার}}
* {{বাউ|শহীদ সাবের}}
* {{বাউ|শহীদুল ইসলাম (গণিতবিদ)}}
* {{বাউ|শহীদুল ইসলাম (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|শহীদুল ইসলাম খোকন}}
* {{বাউ|শহীদুল হক}}
* {{বাউ|শহীদুল্লাহ খান}}
* {{বাউ|শাওন আকন্দ}}
* {{বাউ|শাকিলা জাফর}}
* {{বাউ|শাকুর মজিদ}}
* {{বাউ|শাজিয়া ওমর}}
* {{বাউ|শানারেই দেবী শানু}}
* {{বাউ|শানু লাহিড়ী}}
* {{বাউ|শান্তনু কায়সার}}
* {{বাউ|শান্তনু ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শান্তনু মৈত্র}}
* {{বাউ|শান্তা দেবী (নাগ)}}
* {{বাউ|শান্তিদেব ঘোষ}}
* {{বাউ|শান্তিময় চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শান্তিরঞ্জন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শান্তিসুধা ঘোষ}}
* {{বাউ|শাপলা সালিক}}
* {{বাউ|শাফিয়া খাতুন}}
* {{বাউ|শামছুল আলম}}
* {{বাউ|শামশুদ্দিন আহমদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন আহমদ (চিকিৎসক)}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন আহমেদ (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন টগর}}
* {{বাউ|শামসুদ্দিন হীরা}}
* {{বাউ|শামসুদ্দীন আবুল কালাম}}
* {{বাউ|শামসুন নাহার মাহমুদ}}
* {{বাউ|শামসুল আলম (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|শামসুল ইসলাম আলমাজী}}
* {{বাউ|শামসুল হক (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|শামসুল হুদা}}
* {{বাউ|শামসুল হুদা চৌধুরী}}
* {{বাউ|শামীম আকতার}}
* {{বাউ|শামীম আজাদ}}
* {{বাউ|শামীম আরা নিপা}}
* {{বাউ|শামীম আহমেদ রনি}}
* {{বাউ|শামীম আহসান}}
* {{বাউ|শামীম শিকদার}}
* {{বাউ|শামীম হায়দার}}
* {{বাউ|শামীম হাসনাইন}}
* {{বাউ|শামীমা করিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|শায়ান চৌধুরী অর্ণব}}
* {{বাউ|শায়েস্তা সোহরাওয়ার্দী ইকরামউল্লাহ}}
* {{বাউ|শারফুদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|শারমিন আলি}}
* {{বাউ|শার্মিন আক্তার}}
* {{বাউ|শাহ আজিজুর রহমান}}
* {{বাউ|শাহ আবদুল ওয়াহহাব}}
* {{বাউ|শাহ আবদুল হান্নান}}
* {{বাউ|শাহ আবু নাঈম মমিনুর রহমান}}
* {{বাউ|শাহ আবুল হাসনাৎ মোহাম্মদ ইসমাইল}}
* {{বাউ|শাহ আব্দুল হামিদ}}
* {{বাউ|শাহ আলম কিরণ}}
* {{বাউ|শাহ আলমগীর}}
* {{বাউ|শাহ আহমদ শফী}}
* {{বাউ|শাহ এ এম এস কিবরিয়া}}
* {{বাউ|শাহ খাজা শরফুদ্দীন}}
* {{বাউ|শাহ জাহাঙ্গীর কবীর}}
* {{বাউ|শাহ বারিদ খান}}
* {{বাউ|শাহ মাহাতাব আহমদ}}
* {{বাউ|শাহ মুহম্মদ সগীর}}
* {{বাউ|শাহ মো. ওয়ারেস আলী মামুন}}
* {{বাউ|শাহ মোঃ উললাহ}}
* {{বাউ|শাহ মোঃ হাসানুজ্জামান}}
* {{বাউ|শাহ মোহাম্মদ ফারুক}}
* {{বাউ|শাহ মোহাম্মদ ফারুক (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|শাহ মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস}}
* {{বাউ|শাহ মোহাম্মদ হাছানুজ্জামান}}
* {{বাউ|শাহজাদা আবদুল মালেক খান}}
* {{বাউ|শাহজাহান আহমেদ বিকাশ}}
* {{বাউ|শাহজাহান কিবরিয়া}}
* {{বাউ|শাহজাহান খান (অধ্যাপক)}}
* {{বাউ|শাহজাহান চৌধুরী (চলচ্চিত্র পরিচালক)}}
* {{বাউ|শাহদীন মালিক}}
* {{বাউ|শাহনাজ আরেফিন}}
* {{বাউ|শাহনাজ রহমতুল্লাহ}}
* {{বাউ|শাহনাজ হুদা}}
* {{বাউ|শাহনেওয়াজ কাকলী}}
* {{বাউ|শাহরিয়ার আলম}}
* {{বাউ|শাহরিয়ার নাজিম জয়}}
* {{বাউ|শাহলা খাতুন}}
* {{বাউ|শাহাদাত চৌধুরী}}
* {{বাউ|শাহাদাত হোসেন খান}}
* {{বাউ|শাহাদাৎ হোসেন (লেখক)}}
* {{বাউ|শাহাদাৎ হোসেন লিটন}}
* {{বাউ|শাহাবুদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|শাহাবুদ্দিন আহমেদ (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|শাহাবুদ্দিন আহমেদ (রাষ্ট্রদূত)}}
* {{বাউ|শাহাবুদ্দীন নাগরী}}
* {{বাউ|শাহীন আখতার}}
* {{বাউ|শাহীন দিল-রিয়াজ}}
* {{বাউ|শাহীন সামাদ}}
* {{বাউ|শাহীন-সুমন}}
* {{বাউ|শাহীনুর পাশা চৌধুরী}}
* {{বাউ|শাহেদ আলী}}
* {{বাউ|শাহেদ আলী পাটোয়ারী}}
* {{বাউ|শাহেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|শাহেদ নূরউদ্দিন}}
* {{বাউ|শাহ্ আলিমুজ্জামান}}
* {{বাউ|শিতালং শাহ}}
* {{বাউ|শিপ্রা গুহ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শিব নারায়ণ দাস}}
* {{বাউ|শিবকালী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|শিবচন্দ্র বিদ্যার্ণব}}
* {{বাউ|শিবদাস বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শিবনারায়ণ রায়}}
* {{বাউ|শিবপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শিবব্রত বর্মন}}
* {{বাউ|শিবলি সাদিক}}
* {{বাউ|শিবাজী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শিমুল মুস্তাফা}}
* {{বাউ|শিমূল ইউসুফ}}
* {{বাউ|শিরীণ আখতার}}
* {{বাউ|শিশির কুমার ঘোষ}}
* {{বাউ|শিশির কুমার দাশ}}
* {{বাউ|শিশির কুমার মিত্র}}
* {{বাউ|শিশির ভট্টাচার্য্য}}
* {{বাউ|শিশির ভট্টাচার্য্য (ভাষাবিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|শিশিরকুমার বসু}}
* {{বাউ|শিশিরকুমার ভাদুড়ী}}
* {{বাউ|শিহাব শাহীন}}
* {{বাউ|শিহাব সরকার}}
* {{বাউ|শীলভদ্র}}
* {{বাউ|শুক্লা বোস}}
* {{বাউ|শুদ্ধানন্দ ব্রহ্মচারী}}
* {{বাউ|শুদ্ধানন্দ মহাথের}}
* {{বাউ|শুভ (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|শুভ গুহঠাকুরতা}}
* {{বাউ|শুভ রায়}}
* {{বাউ|শুভঙ্কর (গণিতবিদ)}}
* {{বাউ|শুভাগত চৌধুরী}}
* {{বাউ|শুভাশিস সিনহা}}
* {{বাউ|শুভ্র (চরিত্র)}}
* {{বাউ|শুভ্র দেব}}
* {{বাউ|শুভ্রা ঘোষ}}
* {{বাউ|শেখ আবদুল আউয়াল}}
* {{বাউ|শেখ আবদুল আজিজ}}
* {{বাউ|শেখ আবদুল মান্নান}}
* {{বাউ|শেখ আবদুস সালাম}}
* {{বাউ|শেখ আবুল কাশেম মিঠুন}}
* {{বাউ|শেখ আব্দুর রহিম}}
* {{বাউ|শেখ আব্দুস সালাম}}
* {{বাউ|শেখ খলিলুর রহমান হামিদি}}
* {{বাউ|শেখ গোলাম মাকসুদ হিলালী}}
* {{বাউ|শেখ তৈয়বুর রহমান}}
* {{বাউ|শেখ দীন মুহাম্মদ}}
* {{বাউ|শেখ নিয়ামত আলী}}
* {{বাউ|শেখ ফয়জুল্লাহ}}
* {{বাউ|শেখ বখতিয়ার উদ্দিন}}
* {{বাউ|শেখ ভানু}}
* {{বাউ|শেখ মকবুল ইসলাম}}
* {{বাউ|শেখ মনিরুল আলম টিপু}}
* {{বাউ|শেখ মাকসুদ আলী}}
* {{বাউ|শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ}}
* {{বাউ|শেখ মো. জাকির হোসেন}}
* {{বাউ|শেখ মোঃ নূরুল হক}}
* {{বাউ|শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ}}
* {{বাউ|শেখ রাজ্জাক আলী}}
* {{বাউ|শেখ রেজোয়ান আলী}}
* {{বাউ|শেখ লুতফর রহমান}}
* {{বাউ|শেখ শহীদুল ইসলাম}}
* {{বাউ|শেখ হাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|শেখ হাসান আরিফ}}
* {{বাউ|শেখর চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শেখর বসু}}
* {{বাউ|শেফালী ঘোষ}}
* {{বাউ|শেলী সেনগুপ্তা}}
* {{বাউ|শৈল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শৈলজারঞ্জন মজুমদার}}
* {{বাউ|শৈলবালা ঘোষজায়া}}
* {{বাউ|শৈলেন ঘোষ}}
* {{বাউ|শৈলেন রায়}}
* {{বাউ|শৈলেন্দ্র সরকার}}
* {{বাউ|শৈলেশ দে}}
* {{বাউ|শোভনা শর্মা}}
* {{বাউ|শোভনাসুন্দরী মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শোভা রানী ত্রিপুরা}}
* {{বাউ|শোহিদ আলী}}
* {{বাউ|শৌভিক দে সরকার}}
* {{বাউ|শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর}}
* {{বাউ|শ্যামমোহিনী দেবী}}
* {{বাউ|শ্যামল কুমার সেন}}
* {{বাউ|শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শ্যামল গুপ্ত}}
* {{বাউ|শ্যামল দত্ত রায়}}
* {{বাউ|শ্যামল বসাক}}
* {{বাউ|শ্যামল মিত্র}}
* {{বাউ|শ্যামলকৃষ্ণ ঘোষ}}
* {{বাউ|শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী}}
* {{বাউ|শ্যামসুন্দর চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|শ্যামসুন্দর বৈষ্ণব}}
* {{বাউ|শ্যামাচরণ শ্রীমানী}}
* {{বাউ|শ্যামাদাস চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শ্যামাদাস মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (পরিসংখ্যানবিদ)}}
* {{বাউ|শ্রাবন্তী নারমীন আলী}}
* {{বাউ|শ্রী জহির}}
* {{বাউ|শ্রী পারাবত}}
* {{বাউ|শ্রী প্রীতম}}
* {{বাউ|শ্রীকর নন্দী}}
* {{বাউ|শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শ্রীজাত}}
* {{বাউ|শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ}}
* {{বাউ|শ্রীধর আচার্য}}
* {{বাউ|শ্রীধর ভেঙ্কটেশ কেতকর}}
* {{বাউ|শ্রীমতি রাসাসুন্দরী}}
* {{বাউ|শ্রীশচন্দ্র নন্দী}}
* {{বাউ|শ্রীশচন্দ্র বিদ্যারত্ন}}
* {{বাউ|শ্রীশচন্দ্র মজুমদার}}
* {{বাউ|শ্রেয়সী চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|শ্রেষ্ঠ নাট্যকারের জন্য মেরিল-প্রথম আলো সমালোচক পুরস্কার}}
* {{বাউ|শ্ৰীকৃষ্ণ সার্বভৌম}}
* {{বাউ|ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সংগ্রাম কুমার দোলই}}
* {{বাউ|সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সঙ্ঘমিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সজনীকান্ত দাস}}
* {{বাউ|সজীব দাস}}
* {{বাউ|সঞ্চিতা ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|সঞ্জয় (সঙ্গীতজ্ঞ)}}
* {{বাউ|সঞ্জয় কুমার অধিকারী}}
* {{বাউ|সঞ্জয় গুহঠাকুরতা}}
* {{বাউ|সতীকান্ত গুহ}}
* {{বাউ|সতীনাথ ভাদুড়ী}}
* {{বাউ|সতীশচন্দ্র আচার্য বিদ্যাভূষণ}}
* {{বাউ|সতীশচন্দ্র দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|সতীশচন্দ্র পাকড়াশী}}
* {{বাউ|সতীশচন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|সতীশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সত্য চৌধুরী}}
* {{বাউ|সত্য সাহা}}
* {{বাউ|সত্যপ্রিয় ঘোষ}}
* {{বাউ|সত্যপ্রিয় মহাথের}}
* {{বাউ|সত্যবতী (ব্যোমকেশ বক্সীর স্ত্রী)}}
* {{বাউ|সত্যব্রত সামশ্রমী}}
* {{বাউ|সত্যরঞ্জন বকসি}}
* {{বাউ|সত্যানন্দ গিরি}}
* {{বাউ|সত্যানন্দ দাশ}}
* {{বাউ|সত্যেন সেন}}
* {{বাউ|সত্যেন্দ্র চন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|সত্যেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সত্যেন্দ্রনাথ মৈত্র}}
* {{বাউ|সত্যেন্দ্রনাথ সেন}}
* {{বাউ|সনাতন গোস্বামী}}
* {{বাউ|সন্তোষ গুপ্ত}}
* {{বাউ|সন্তোষ চন্দ্র ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|সন্তোষ ঢালী}}
* {{বাউ|সন্তোষ রানা}}
* {{বাউ|সন্তোষকুমার ঘোষ}}
* {{বাউ|সন্তোষকুমারী দেবী}}
* {{বাউ|সন্দীপ ঘোষ}}
* {{বাউ|সন্দীপ দত্ত}}
* {{বাউ|সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সন্ধ্যাকর নন্দী}}
* {{বাউ|সন্মথ দত্ত}}
* {{বাউ|সন্মাত্রানন্দ}}
* {{বাউ|সন্জীদা খাতুন}}
* {{বাউ|সনৎ কর}}
* {{বাউ|সনৎ কুমার সাহা}}
* {{বাউ|সপ্তর্ষি ব্যানার্জি}}
* {{বাউ|সফিউদ্দিন আহমদ}}
* {{বাউ|সফিউদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|সবিতা রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|সবিতাব্রত দত্ত}}
* {{বাউ|সব্যসাচী মুখোপাধ্যায় (বিচারপতি)}}
* {{বাউ|সমর দাস}}
* {{বাউ|সমর বাগচী}}
* {{বাউ|সমর মজুমদার}}
* {{বাউ|সমর সেন}}
* {{বাউ|সমরজিৎ রায় চৌধুরী}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্র কুমার মিত্র}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্র চন্দ্র দেব}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্র নাথ পাণ্ডে}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্র মল্লিক}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্রনাথ রায়}}
* {{বাউ|সমরেন্দ্রনাথ সেন}}
* {{বাউ|সমরেশ বসু}}
* {{বাউ|সমাপ্তি চ্যাটার্জি}}
* {{বাউ|সমীর কুমার সাহা}}
* {{বাউ|সমীর রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|সমুদ্র গুপ্ত (কবি)}}
* {{বাউ|সরকার প্রতিক}}
* {{বাউ|সরদার জয়েনউদ্দীন}}
* {{বাউ|সরদার ফজলুল করিম}}
* {{বাউ|সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীর}}
* {{বাউ|সরদার মোশারফ হোসেন}}
* {{বাউ|সরদার মোহাম্মদ আবদুল হামিদ}}
* {{বাউ|সরযূবালা দেবী}}
* {{বাউ|সরযূবালা সেন}}
* {{বাউ|সরলা বসু}}
* {{বাউ|সরলা বিড়লা}}
* {{বাউ|সরলা রায়}}
* {{বাউ|সরসীবালা বসু}}
* {{বাউ|সরোজ কান্তি সিংহ হাজারী}}
* {{বাউ|সরোজ গুপ্ত}}
* {{বাউ|সরোজ ঘোষ}}
* {{বাউ|সরোজ দত্ত}}
* {{বাউ|সরোজ নলিনী দত্ত}}
* {{বাউ|সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সরোজকুমার রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ}}
* {{বাউ|সলিল চৌধুরী}}
* {{বাউ|সলিল সেন}}
* {{বাউ|সহিদুল করিম}}
* {{বাউ|সহিফা বানু}}
* {{বাউ|সাইদা খানম}}
* {{বাউ|সাইদুল আনাম টুটুল}}
* {{বাউ|সাইদুল হাসান (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|সাইদুস সালেহীন খালেদ সুমন}}
* {{বাউ|সাইফ হাফিজুর রহমান}}
* {{বাউ|সাইফউদ-দীন চৌধুরী}}
* {{বাউ|সাইফুজ্জামান শিখর}}
* {{বাউ|সাইফুদ্দিন শাহ্}}
* {{বাউ|সাইফুর রহমান}}
* {{বাউ|সাইফুল আজম কাশেম}}
* {{বাউ|সাইফুল ইসলাম (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|সাইফুল ইসলাম মান্নু}}
* {{বাউ|সাইফুল হক}}
* {{বাউ|সাইম রানা}}
* {{বাউ|সাইমন জাকারিয়া}}
* {{বাউ|সাইয়িদ আতীকুল্লাহ}}
* {{বাউ|সাঈদ আহমদ}}
* {{বাউ|সাঈদ উদ্দীন আহমেদ}}
* {{বাউ|সাঈদ হায়দার}}
* {{বাউ|সাঈদ-উর-রহমান}}
* {{বাউ|সাঈদা মুনা তাসনিম}}
* {{বাউ|সাকিব ফাহাদ}}
* {{বাউ|সাগর জাহান}}
* {{বাউ|সাগরময় ঘোষ}}
* {{বাউ|সাগরলাল দত্ত}}
* {{বাউ|সাজিদুর রহমান}}
* {{বাউ|সাজেদুল করিম}}
* {{বাউ|সাজ্জাদুল হাসান (আমলা)}}
* {{বাউ|সাদাত আবুল মাসুদ}}
* {{বাউ|সাদাত হোসাইন}}
* {{বাউ|সাদি মহম্মদ}}
* {{বাউ|সাদিক হোসেন}}
* {{বাউ|সাদিয়া ফাইজুন্নেসা}}
* {{বাউ|সাদির উদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|সাদেক খান (সাংবাদিক)}}
* {{বাউ|সাধনা আহমেদ}}
* {{বাউ|সানাউল হক}}
* {{বাউ|সানাউল হক খান}}
* {{বাউ|সানাউল্লাহ নূরী}}
* {{বাউ|সানি সানোয়ার}}
* {{বাউ|সানিয়া সুলতানা লিজা}}
* {{বাউ|সানী জুবায়ের}}
* {{বাউ|সাফি উদ্দিন সাফি}}
* {{বাউ|সাবরিনা পড়শী}}
* {{বাউ|সাবিত্রী রায়}}
* {{বাউ|সাব্বির নাসির}}
* {{বাউ|সামন্ত লাল সেন}}
* {{বাউ|সামসুল হক (কবি)}}
* {{বাউ|সামিনা চৌধুরী}}
* {{বাউ|সামিয়া জামান}}
* {{বাউ|সাযযাদ কাদির}}
* {{বাউ|সায়মা ওয়াজেদ পুতুল}}
* {{বাউ|সায়েদুর রহমান}}
* {{বাউ|সায়েবা আখতার}}
* {{বাউ|সারদাচরণ মিত্র}}
* {{বাউ|সারদারঞ্জন রায়}}
* {{বাউ|সারা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সারা যাকের}}
* {{বাউ|সারা হোসেন}}
* {{বাউ|সালমা ইসলাম}}
* {{বাউ|সালমা মাসুদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|সালমা সুলতানা}}
* {{বাউ|সালমা সোবহান}}
* {{বাউ|সালাউদ্দিন সরদার}}
* {{বাউ|সালাহ উদ্দিন ইউসুফ}}
* {{বাউ|সালাহ উদ্দিন নানুপুরী}}
* {{বাউ|সালাহউদ্দিন (চলচ্চিত্র পরিচালক)}}
* {{বাউ|সালাহউদ্দিন আহমেদ (অ্যাটর্নি জেনারেল)}}
* {{বাউ|সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী}}
* {{বাউ|সালাহউদ্দিন লাভলু}}
* {{বাউ|সালিমুল হক}}
* {{বাউ|সালেহ উদ্দিন}}
* {{বাউ|সালেহ উদ্দীন আহমদ জহুরী}}
* {{বাউ|সালেহ হাসান নকীব}}
* {{বাউ|সালেহউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|সাহানাজ সুলতানা}}
* {{বাউ|সাহিদা বেগম}}
* {{বাউ|সি এম শফি সামি}}
* {{বাউ|সি. বি. জামান}}
* {{বাউ|সিকদার আমিনুল হক}}
* {{বাউ|সিকদার মাহমুদুর রাজী}}
* {{বাউ|সিগমা হুদা}}
* {{বাউ|সিতারা বেগম}}
* {{বাউ|সিদ্দিক আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|সিদ্দিকা কবীর}}
* {{বাউ|সিদ্দিকুর রহমান মিয়া}}
* {{বাউ|সিদ্ধার্থ ঘোষ}}
* {{বাউ|সিদ্ধার্থ মুখার্জী}}
* {{বাউ|সিদ্ধেশ্বর মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সিয়াম আহমেদ}}
* {{বাউ|সিরাজ উদদীন আহমেদ}}
* {{বাউ|সিরাজ উদ্দিন মিয়া}}
* {{বাউ|সিরাজ সাঁই}}
* {{বাউ|সিরাজ হায়দার}}
* {{বাউ|সিরাজুদ্দীন হোসেন}}
* {{বাউ|সিরাজুর রহমান}}
* {{বাউ|সিরাজুল ইসলাম}}
* {{বাউ|সিরাজুল ইসলাম (আইনজীবী)}}
* {{বাউ|সিরাজুল ইসলাম (কবি)}}
* {{বাউ|সিরাজুল করিম চৌধুরী}}
* {{বাউ|সিরাজুল হক (বাচ্চু মিয়া)}}
* {{বাউ|সিরাজুল হক (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|সিরাজুল হক খান}}
* {{বাউ|সিরিল সিকদার}}
* {{বাউ|সীতা দেবী}}
* {{বাউ|সীতানাথ তত্ত্বভূষণ}}
* {{বাউ|সীতানাথ সিদ্ধান্তবাগীশ}}
* {{বাউ|সুকন্যা দত্ত}}
* {{বাউ|সুকান্ত চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুকুমারী ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|সুখময় চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুখরঞ্জন সমাদ্দার}}
* {{বাউ|সুগত বসু}}
* {{বাউ|সুগত মারজিত}}
* {{বাউ|সুচরিত চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুচারু দেবী}}
* {{বাউ|সুচিত্রা মিত্র}}
* {{বাউ|সুজন দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুজন বড়ুয়া}}
* {{বাউ|সুজয় পল}}
* {{বাউ|সুজাত খান (প্রকৌশলী)}}
* {{বাউ|সুজেয় শ্যাম}}
* {{বাউ|সুতপা চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুতপা বসু}}
* {{বাউ|সুদর্শন ঘোষ দস্তিদার}}
* {{বাউ|সুদীপ্ত-হেরম্যান}}
* {{বাউ|সুদীপ্তা সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুদেষ্ণা রায়}}
* {{বাউ|সুদেষ্ণা সিনহা}}
* {{বাউ|সুধাংশু দত্ত মজুমদার}}
* {{বাউ|সুধাংশু শেখর হালদার}}
* {{বাউ|সুধাংশুকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুধাংশুবালা হাজরা}}
* {{বাউ|সুধীন দত্ত}}
* {{বাউ|সুধীন দাশ}}
* {{বাউ|সুধীন দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুধীন্দ্রনাথ রাহা}}
* {{বাউ|সুধীর চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুধীরকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুধীরচন্দ্র কর}}
* {{বাউ|সুধীরঞ্জন প্রধান}}
* {{বাউ|সুধীরনাথ সান্যাল}}
* {{বাউ|সুধীরলাল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুনন্দ সান্যাল}}
* {{বাউ|সুনন্দা শিকদার}}
* {{বাউ|সুনয়নী দেবী}}
* {{বাউ|সুনীতি দেবী}}
* {{বাউ|সুনীতিকুমার পাঠক}}
* {{বাউ|সুনীল দাশ (লেখক)}}
* {{বাউ|সুনেত্রা গুপ্ত}}
* {{বাউ|সুন্দরীমোহন দাস}}
* {{বাউ|সুপ্রিয়া চৌধুরী (শিক্ষাবিদ)}}
* {{বাউ|সুফি (কার্টুনিস্ট)}}
* {{বাউ|সুফি মিজানুর রহমান}}
* {{বাউ|সুফি মোতাহার হোসেন}}
* {{বাউ|সুফিয়া খাতুন}}
* {{বাউ|সুফী জুলফিকার হায়দার}}
* {{বাউ|সুবল দাস}}
* {{বাউ|সুবিমল বসাক}}
* {{বাউ|সুবিমল মিশ্র}}
* {{বাউ|সুবোধ ঘোষ}}
* {{বাউ|সুবোধ মিত্র}}
* {{বাউ|সুবোধ সরকার}}
* {{বাউ|সুবোধকুমার চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুব্রত রায় (বিজ্ঞানী)}}
* {{বাউ|সুব্রত রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুভাষ চন্দ্র শীল}}
* {{বাউ|সুভাষ চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুভাষ দত্ত}}
* {{বাউ|সুভাষ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|সুভাষ মুখোপাধ্যায় (কবি)}}
* {{বাউ|সুভাষ সিংহ রায়}}
* {{বাউ|সুভো ঠাকুর}}
* {{বাউ|সুমথনাথ ঘোষ}}
* {{বাউ|সুমন কল্যাণপুর}}
* {{বাউ|সুমন চট্টোপাধ্যায় (সাংবাদিক ও লেখক)}}
* {{বাউ|সুমন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুমনা রায়}}
* {{বাউ|সুমনা সিনহা}}
* {{বাউ|সুমিত রায়}}
* {{বাউ|সুমিত সরকার}}
* {{বাউ|সুমিত সাহা}}
* {{বাউ|সুরজিৎচন্দ্র লাহিড়ী}}
* {{বাউ|সুরজিৎচন্দ্র সিনহা}}
* {{বাউ|সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুরবালা ঘোষ}}
* {{বাউ|সুরমা জাহিদ}}
* {{বাউ|সুরমা মিত্র দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্র কুমার সিনহা}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্র নারায়ণ দাশ}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রকুমার দে}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ ঘোষ}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ মিত্র}}
* {{বাউ|সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|সুরেশ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|সুরেশ রঞ্জন বসাক}}
* {{বাউ|সুরেশচন্দ্র চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|সুরেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুলতান আহমেদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুলতান উদ্দিন ভূঞা}}
* {{বাউ|সুলতান হোসেন খান}}
* {{বাউ|সুলতানা আফরোজ}}
* {{বাউ|সুলতানা ইয়াসমিন লায়লা}}
* {{বাউ|সুলতানা কামাল}}
* {{বাউ|সুলতানা নুরুন নাহার}}
* {{বাউ|সুলতানা ফিরদৌসী}}
* {{বাউ|সুলতানা সারওয়াত আরা জামান}}
* {{বাউ|সুলতানুল কবির চৌধুরী}}
* {{বাউ|সুশান্ত মজুমদার}}
* {{বাউ|সুশীল কুমার দে}}
* {{বাউ|সুশীল জানা}}
* {{বাউ|সুশীল রঞ্জন চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুশীলকুমার ঘোষ}}
* {{বাউ|সুশীলকুমার মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুশীলা অনিতা ব্যানার্জী}}
* {{বাউ|সুশোভন বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুশোভন সরকার}}
* {{বাউ|সুষমা দাস}}
* {{বাউ|সুস্মিতা আনিস}}
* {{বাউ|সুস্মিতা বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সুস্মিতা বসু}}
* {{বাউ|সুস্মিতা বসু মজুমদার}}
* {{বাউ|সুহরাব হোসেন}}
* {{বাউ|সুহাস চন্দ্র দত্ত রায়}}
* {{বাউ|সুহাসিনী দাস}}
* {{বাউ|সূর্যকুমার সর্বাধিকারী}}
* {{বাউ|সেকুল ইসলাম}}
* {{বাউ|সেজান মাহমুদ}}
* {{বাউ|সেজুল হোসেন}}
* {{বাউ|সেলিনা আখতার}}
* {{বাউ|সেলিনা পারভীন}}
* {{বাউ|সেলিনা বানু}}
* {{বাউ|সেলিনা বাহার জামান}}
* {{বাউ|সেলিনা হায়াৎ আইভী}}
* {{বাউ|সেলিম আলতাফ জর্জ}}
* {{বাউ|সেলিম মাহমুদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ অহিদুজ্জামান ডায়মন্ড}}
* {{বাউ|সৈয়দ আকরম হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ আক্তার হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ আজিজুল হক}}
* {{বাউ|সৈয়দ আতিকুল হক}}
* {{বাউ|সৈয়দ আনোয়ার হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ আনোয়ারুল করিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবদুস সামাদ (অর্থনীতিবিদ)}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবদুস সুলতান}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবদুস সোবহান}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবু কাওসার মো. দবিরুশ্বান}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবুল মকসুদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবুল মনসুর হাবিবুল্লাহ}}
* {{বাউ|সৈয়দ আবুল মাসুদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ আব্দুন নূর হোছেনী চিশতি}}
* {{বাউ|সৈয়দ আব্দুল মজিদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ আব্দুল হাদী}}
* {{বাউ|সৈয়দ আমিরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|সৈয়দ আমীর আলী}}
* {{বাউ|সৈয়দ আলতাফ হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ এ কে এম এমদাদুল বারী}}
* {{বাউ|সৈয়দ এ. বি. মাহমুদ হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ এ.বি মাহমুদুল হক}}
* {{বাউ|সৈয়দ এমদাদ আলী}}
* {{বাউ|সৈয়দ গিয়াসউদ্দিন আহমেদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া}}
* {{বাউ|সৈয়দ জাহাঙ্গীর}}
* {{বাউ|সৈয়দ জাহেদ মনসুর}}
* {{বাউ|সৈয়দ জে. আর. মোদাচ্ছির হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ তারেক হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী}}
* {{বাউ|সৈয়দ নওশের আলী}}
* {{বাউ|সৈয়দ নজমুল হক (বুদ্ধিজীবী)}}
* {{বাউ|সৈয়দ নাজমুদ্দীন হাশেম}}
* {{বাউ|সৈয়দ নাজমুল হক}}
* {{বাউ|সৈয়দ নূরুদ্দিন}}
* {{বাউ|সৈয়দ নূরুদ্দীন}}
* {{বাউ|সৈয়দ পীর বাদশাহ}}
* {{বাউ|সৈয়দ ফজলুল করিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ ফয়জুল করিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ ফাহিম মুনাইম}}
* {{বাউ|সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম}}
* {{বাউ|সৈয়দ মাইনুল হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ মাহমুদ হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ মুর্তাজা আলী}}
* {{বাউ|সৈয়দ মুহাম্মদ আবদুল ফায়েজ}}
* {{বাউ|সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ মুহাম্মদ ইসহাক}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান নিজামী শাহ}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ তাজরুল হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ তৈফুর}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ রায়হান উদ্দিন}}
* {{বাউ|সৈয়দ রেজাউল করিম}}
* {{বাউ|সৈয়দ রেফাত আহমেদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ শাহ ইসরাইল}}
* {{বাউ|সৈয়দ শাহনুর}}
* {{বাউ|সৈয়দ শাহিদুর রহমান}}
* {{বাউ|সৈয়দ সফিউল্লাহ}}
* {{বাউ|সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দ সুলতান}}
* {{বাউ|সৈয়দ হাবিবুল হক}}
* {{বাউ|সৈয়দ হাসান আহমদ}}
* {{বাউ|সৈয়দ হুমায়ুন আখতার}}
* {{বাউ|সৈয়দ হেদায়েতউল্লাহ}}
* {{বাউ|সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু}}
* {{বাউ|সৈয়দা ইসাবেলা}}
* {{বাউ|সৈয়দা মরিয়ম গুলশান হোসেন}}
* {{বাউ|সৈয়দা মোতাহেরা বানু}}
* {{বাউ|সৈয়দা রুবিনা আক্তার}}
* {{বাউ|সোনালি চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সোনালী বসু}}
* {{বাউ|সোনিয়া নিশাত আমিন}}
* {{বাউ|সোমদত্তা সিনহা}}
* {{বাউ|সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সোমনাথ লাহিড়ী}}
* {{বাউ|সোমলতা আচার্য্য চৌধুরী}}
* {{বাউ|সোমশুক্লা}}
* {{বাউ|সোমা চৌধুরী}}
* {{বাউ|সোমেন চন্দ}}
* {{বাউ|সোমেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|সোমেন্দ্রনাথ বসু}}
* {{বাউ|সোমেশচন্দ্র বসু}}
* {{বাউ|সোমেশ্বর অলি}}
* {{বাউ|সোমেশ্বরপ্রসাদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|সোল্স}}
* {{বাউ|সোহরাব আলী সানা}}
* {{বাউ|সোহানুর রহমান সোহান}}
* {{বাউ|সোহিনী আলম}}
* {{বাউ|সোহিনী রায়}}
* {{বাউ|সোহেল রানা (অভিনেতা)}}
* {{বাউ|সৌগত রায়}}
* {{বাউ|সৌদামিনী দেবী}}
* {{বাউ|সৌমিত্র শেখর দে}}
* {{বাউ|সৌমেন্দ্র সরকার}}
* {{বাউ|সৌম্যদীপ মুর্শিদাবাদী}}
* {{বাউ|সৌরভ পাল}}
* {{বাউ|সৌরীন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|সৌরীন্দ্রমোহন মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|স্টেলা ক্রামরিশ}}
* {{বাউ|স্থবির দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|স্নেহময় দত্ত}}
* {{বাউ|স্নেহাংশুকান্ত আচার্য}}
* {{বাউ|স্নেহাসিক্তা স্বর্ণকার}}
* {{বাউ|স্বদেশ রায়}}
* {{বাউ|স্বপন কুমার পতি}}
* {{বাউ|স্বপন গুপ্ত}}
* {{বাউ|স্বপন দাশগুপ্ত}}
* {{বাউ|স্বপনকুমার চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|স্বপ্নময় চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|স্বপ্নীল সজীব}}
* {{বাউ|স্বরব্যাঞ্জো}}
* {{বাউ|স্বরোচিষ সরকার}}
* {{বাউ|স্বাধীন কুমার মন্ডল}}
* {{বাউ|স্বামী অসক্তানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী গম্ভীরানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী নিগমানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী নিরঞ্জনানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী প্রণবানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী প্রভবানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী বিরজানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী বোধানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী মাধবানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী লোকেশ্বরানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী শিবানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী সত্যানন্দ পুরী}}
* {{বাউ|স্বামী সমর্পণানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী সারদানন্দ}}
* {{বাউ|স্বামী স্বরূপানন্দ}}
* {{বাউ|স্মরণজিৎ চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|স্যাভি গুপ্ত}}
* {{বাউ|স্যামসন এইচ চৌধুরী}}
* {{বাউ|হংসনারায়ণ ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|হবিবুর রহমান}}
* {{বাউ|হবীবুল্লাহ বাহার চৌধুরী}}
* {{বাউ|হযরত আলী (কৃষিতত্ত্ববিদ)}}
* {{বাউ|হরচন্দ্র ঘোষ (নাট্যকার)}}
* {{বাউ|হরপ্রসাদ শাস্ত্রী}}
* {{বাউ|হরলাল রায়}}
* {{বাউ|হরি কেশব সেন}}
* {{বাউ|হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হরিদাস পাল}}
* {{বাউ|হরিদাস ভট্টাচার্য}}
* {{বাউ|হরিদাস সিদ্ধান্তবাগীশ}}
* {{বাউ|হরিদেব}}
* {{বাউ|হরিনাথ দে}}
* {{বাউ|হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হরিপদ কাপালী}}
* {{বাউ|হরিপদ দত্ত}}
* {{বাউ|হরিশ চন্দ্র মিত্র}}
* {{বাউ|হরিশংকর জলদাস}}
* {{বাউ|হরিশংকর দাশ}}
* {{বাউ|হরিশঙ্কর বাসুদেবন}}
* {{বাউ|হরিশ্চন্দ্র মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হরিসাধন চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হরিহর শেঠ}}
* {{বাউ|হরীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হরেকৃষ্ণ কোঙার}}
* {{বাউ|হরেন ঘটক}}
* {{বাউ|হরেন ঘোষ}}
* {{বাউ|হরেন্দ্র কুমার মুখার্জি}}
* {{বাউ|হরেন্দ্রনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|হর্ষ দত্ত}}
* {{বাউ|হর্ষবর্ধন-গোবর্ধন (চরিত্র)}}
* {{বাউ|হলধর পটল}}
* {{বাউ|হাকিম হাবিবুর রহমান}}
* {{বাউ|হাছন রাজা (হাসন রাজা)}}
* {{বাউ|হাজী মুহাম্মদ নছীম}}
* {{বাউ|হাজেরা মাহতাব}}
* {{বাউ|হাতেম আলী মিয়া}}
* {{বাউ|হানিফ পাঠান}}
* {{বাউ|হানিফউদ্দিন মিয়া}}
* {{বাউ|হাফিজা খাতুন}}
* {{বাউ|হাবিব ওয়াহিদ}}
* {{বাউ|হাবিবুর রহমান (তোতা মিয়া)}}
* {{বাউ|হাবিবুর রহমান আকন}}
* {{বাউ|হাবিবুর রহমান খান}}
* {{বাউ|হাবিবুর রহমান মিলন}}
* {{বাউ|হাবিবুল ইসলাম ভূঁইয়া}}
* {{বাউ|হাবীবুর রহমান (কবি)}}
* {{বাউ|হাবীবুল্লাহ সিরাজী}}
* {{বাউ|হামিদা বেগম}}
* {{বাউ|হামিদা হোসেন}}
* {{বাউ|হামিদুজ্জামান খান}}
* {{বাউ|হামিদুজ্জামান সরকার}}
* {{বাউ|হামিদুর রহমান (চিত্রশিল্পী)}}
* {{বাউ|হামিদুল হক খন্দকার}}
* {{বাউ|হামিদুল হক চৌধুরী}}
* {{বাউ|হামিন আহমেদ}}
* {{বাউ|হামিরুদ্দিন মিদ্যা}}
* {{বাউ|হামুদুর রহমান}}
* {{বাউ|হামেদুর রহমান}}
* {{বাউ|হায়দার আকবর খান রনো}}
* {{বাউ|হায়দার হোসেন}}
* {{বাউ|হায়াৎ সাইফ}}
* {{বাউ|হারুন আল রশিদ}}
* {{বাউ|হারুন হাবীব}}
* {{বাউ|হারুনর রশিদ}}
* {{বাউ|হালিমা খাতুন}}
* {{বাউ|হাশেম খান}}
* {{বাউ|হাসনা জসিম উদ্দিন মওদুদ}}
* {{বাউ|হাসনা বেগম}}
* {{বাউ|হাসমত}}
* {{বাউ|হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী}}
* {{বাউ|হাসান মতিউর রহমান}}
* {{বাউ|হাসান মশহুদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|হাসান মাসুদ}}
* {{বাউ|হাসান মাহমুদ খন্দকার}}
* {{বাউ|হাসান শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|হাসান সাইফুদ্দিন চন্দন}}
* {{বাউ|হাসান সিরাজ সুজা}}
* {{বাউ|হাসান সোহরাওয়ার্দী}}
* {{বাউ|হাসান হাফিজ}}
* {{বাউ|হাসানউজ্জামান খান}}
* {{বাউ|হাসিনা খান}}
* {{বাউ|হাসিনা মমতাজ (কণ্ঠশিল্পী)}}
* {{বাউ|হাসিনা মুর্শেদ}}
* {{বাউ|হাসিবুন নাহার}}
* {{বাউ|হাসিবুর রেজা কল্লোল}}
* {{বাউ|হাসিবুল ইসলাম মিজান}}
* {{বাউ|হাসিরাশি দেবী}}
* {{বাউ|হিতেশরঞ্জন সান্যাল}}
* {{বাউ|হিমাংশু দত্ত}}
* {{বাউ|হিমানি বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হিমানীশ গোস্বামী}}
* {{বাউ|হিমু আকরাম}}
* {{বাউ|হিমেল আশরাফ}}
* {{বাউ|হিরণ্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হিরন্ময় সেন গুপ্ত}}
* {{বাউ|হীরালাল চক্রবর্তী}}
* {{বাউ|হীরালাল চৌধুরী}}
* {{বাউ|হীরেন্দ্রনাথ দত্ত}}
* {{বাউ|হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হুকাকাশি}}
* {{বাউ|হুমায়ুন কবির}}
* {{বাউ|হুমায়ুন কবির (কবি)}}
* {{বাউ|হুমায়ুন কবীর বালু}}
* {{বাউ|হুমায়ূন কবীর ঢালী}}
* {{বাউ|হুমায়ূন কবীর সাধু}}
* {{বাউ|হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী}}
* {{বাউ|হুসনা আহমেদ}}
* {{বাউ|হুসনা বানু খানম}}
* {{বাউ|হৃদয় খান}}
* {{বাউ|হেনা দাস}}
* {{বাউ|হেমচন্দ্র বসু}}
* {{বাউ|হেমচন্দ্র বাগচী}}
* {{বাউ|হেমচন্দ্র রায়চৌধুরী}}
* {{বাউ|হেমন্ত মুখোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হেমন্তকুমার চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হেমন্তকুমার সরকার}}
* {{বাউ|হেমাঙ্গ বিশ্বাস}}
* {{বাউ|হেমেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হেমেন্দ্রনাথ ঠাকুর}}
* {{বাউ|হেমেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}}
* {{বাউ|হেমেন্দ্রনাথ মজুমদার}}
* {{বাউ|হেরম্বচন্দ্র মৈত্র}}
* {{বাউ|হেলেনা খান}}
* {{বাউ|হৈমন্তী রক্ষিত}}
* {{বাউ|হৈমন্তী শুক্লা}}
* {{বাউ|হোসনে আরা (কবি)}}
* {{বাউ|হোসনে আরা বেগম (সমাজকর্মী)}}
* {{বাউ|হোসনে আরা শাহেদ}}
* {{বাউ|হোসেন উদ্দিন শেখর}}
* {{বাউ|হোসেন জিল্লুর রহমান}}
* {{বাউ|হোসেনউদ্দীন হোসেন}}
* {{বাউ|হ্যানা সেন}}
{{Div col end}}
== অনুবাদ ==
এটি একটি সহায়ক তালিকা মাত্র। ভূক্তি তৈরির জন্য [https://en.wikiquote.org ইংরেজি উইকিউক্তি] থেকে ন্যূনতম ৩টি ভুক্তি এবং ১৫০ শব্দ সংবলিত পাতা বাংলায় অনুবাদ করতে পারেন।
=== অবাঙালি ব্যক্তি ===
{{Div col|colwidth=20em|rules=yes}}
* {{eq|A. C. Benson|এ. সি. বেনসন}}
* {{eq|A. C. Bradley|এ. সি. ব্র্যাডলি}}
* {{eq|A. J. P. Taylor|এ. জে. পি. টেলর}}
* {{eq|Abdulrazak Gurnah|আবদুলরাজাক গুরনাহ}}
* {{eq|Abdus Salam|আবদুস সালাম}}
* {{eq|Abhijit Naskar|অভিজিৎ নস্কর}}
* {{eq|Abiy Ahmed|আবি আহমেদ}}
* {{eq|Abraham Pais|আব্রাহাম পাইস}}
* {{eq|Adam Riess|অ্যাডাম রিস}}
* {{eq|Ahmed Zewail|আহমেদ জেওয়াইল}}
* {{eq|Al Gore|আল গোর}}
* {{eq|Al-Biruni|আল-বিরুনি}}
* {{eq|Al-Farabi|আল-ফারাবি}}
* {{eq|Al-Jahiz|আল-জাহিয}}
* {{eq|Alain Aspect|আলাঁ আস্পে}}
* {{eq|Alain de Botton|আলাঁ দ্য বতোঁ}}
* {{eq|Alan Guth|অ্যালান গুথ}}
* {{eq|Alan Kay|অ্যালান কে}}
* {{eq|Alan Perlis|অ্যালান পারলিস}}
* {{eq|Albert Hofmann|আলবার্ট হফমান}}
* {{eq|Albert I of Belgium|প্রথম আলবার্ট (বেলজিয়াম)}}
* {{eq|Albert Schweitzer|আলবার্ট সোয়াইৎজার}}
* {{eq|Albertus Magnus|আলবার্টাস ম্যাগনাস}}
* {{eq|Aldo Leopold|অ্যাল্ডো লিওপোল্ড}}
* {{eq|Aleksandr Solzhenitsyn|আলেকসান্দ্র্ সলজেনিৎসিন}}
* {{eq|Alex Haley|অ্যালেক্স হেইলি}}
* {{eq|Alexander Fleming|আলেকজান্ডার ফ্লেমিং}}
* {{eq|Alexander Grothendieck|আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক}}
* {{eq|Alexander von Humboldt|আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট}}
* {{eq|Alfred Aho|আলফ্রেড আহো}}
* {{eq|Alfred Kinsey|আলফ্রেড কিনসে}}
* {{eq|Alfred Marshall|আলফ্রেড মার্শাল}}
* {{eq|Alfred Nobel|আলফ্রেড নোবেল}}
* {{eq|Alfred North Whitehead|আলফ্রেড নর্থ হোয়াইটহেড}}
* {{eq|Alfred Russel Wallace|আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস}}
* {{eq|Alice Munro|অ্যালিস মানরো}}
* {{eq|Amina J. Mohammed|আমিনা জে. মোহাম্মদ}}
* {{eq|Amit Goswami|অমিত গোস্বামী}}
* {{eq|Amos Tversky|আমোস তভারস্কি}}
* {{eq|Anaxagoras|আনাক্সাগোরাস}}
* {{eq|Anaximander|অ্যানাক্সিম্যান্ডার}}
* {{eq|Andreas Vesalius|আন্দ্রিয়াস ভেসালিয়াস}}
* {{eq|Andrei Sakharov|আন্দ্রেই সাখারভ}}
* {{eq|Andrew Wiles|অ্যান্ড্রু ওয়াইলস}}
* {{eq|André Gide|অঁদ্রে জিদ}}
* {{eq|André-Marie Ampère|অঁদ্রে-মারি অম্পেয়্যার}}
* {{eq|Angela Merkel|আঙ্গেলা ম্যার্কেল}}
* {{eq|Anita Brookner|অনিতা ব্রুকনার}}
* {{eq|Anita Desai|অনিতা দেসাই}}
* {{eq|Anne Applebaum|অ্যান অ্যাপলবাউম}}
* {{eq|Annie Ernaux|আনি এরনো}}
* {{eq|Antoine Lavoisier|অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে}}
* {{eq|Aravind Adiga|অরবিন্দ আদিগা}}
* {{eq|Arthur Balfour|আর্থার বেলফোর}}
* {{eq|Arthur Eddington|আর্থার এডিংটন}}
* {{eq|Arthur Kornberg|আর্থার কর্নবার্গ}}
* {{eq|Arthur Leonard Schawlow|আর্থার লিওনার্ড শলো}}
* {{eq|Ash Carter|অ্যাশ কার্টার}}
* {{eq|Atle Selberg|আটলে সেলবার্গ}}
* {{eq|Audrey Hepburn|অড্রে হেপবার্ন}}
* {{eq|August Kekulé|ফ্রিডরিখ আউগুস্ট কেকুলে}}
* {{eq|Augustin Louis Cauchy|ওগ্যুস্তাঁ লুই কোশি}}
* {{eq|Augustin-Jean Fresnel|ওগ্যুস্তাঁ-জঁ ফ্রেনেল}}
* {{eq|Aurel Stein|অরেল স্টেইন}}
* {{eq|Ban Ki-moon|বান কি-মুন}}
* {{eq|Baruch Samuel Blumberg|বারুক স্যামুয়েল ব্লুমবার্গ}}
* {{eq|Beatrix Potter|বিয়াট্রিক্স পটার}}
* {{eq|Ben Okri|বেন ওক্রি}}
* {{eq|Bernardine Evaristo|বার্নার্ডিন এভারিস্তো}}
* {{eq|Blaise Pascal|ব্লেজ পাসকাল}}
* {{eq|Bob Dylan|বব ডিলান}}
* {{eq|Boris Pasternak|বরিস পাস্তেরনাক}}
* {{eq|Boutros Boutros-Ghali|বুত্রোস বুত্রোস-ঘালি}}
* {{eq|Brian Cox (physicist)|ব্রায়ান কক্স (পদার্থবিজ্ঞানী)}}
* {{eq|Brian Greene|ব্রায়ান গ্রিন}}
* {{eq|Brian Schmidt|ব্রায়ান পি. শ্মিট}}
* {{eq|Brook Taylor|ব্রুক টেলর}}
* {{eq|Brussels|ব্রাসেলস}}
* {{eq|C. A. R. Hoare|সি. এ. আর. হোর}}
* {{eq|C. N. Ramachandra Rao|সি. এন. রামচন্দ্র রাও}}
* {{eq|C. V. Raman|চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন}}
* {{eq|Carl Bernstein|কার্ল বার্নস্টিন}}
* {{eq|Carl Linnaeus|কার্ল লিনিয়াস}}
* {{eq|Carlo Rubbia|কার্লো রুবিয়া}}
* {{eq|Carolyn Bertozzi|ক্যারোলিন বার্তোজি}}
* {{eq|Caryl Phillips|ক্যারিল ফিলিপস}}
* {{eq|Chaim Weizmann|হাইম ভাইৎসমান}}
* {{eq|Charles Fefferman|চার্লস ফেফারম্যান}}
* {{eq|Charles Hard Townes|চার্লস হার্ড টাউনস}}
* {{eq|Charles Lyell|চার্লস লিয়েল}}
* {{eq|Charles Sanders Peirce|চার্লস স্যান্ডার্স পার্স}}
* {{eq|Charles Scott Sherrington|চার্লস স্কট শেরিংটন}}
* {{eq|Cheikh Anta Diop|শেখ আন্তা দিওপ}}
* {{eq|Chinua Achebe|চিনুয়া আচেবে}}
* {{eq|Christiaan Barnard|ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড}}
* {{eq|Christiaan Huygens|ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস}}
* {{eq|Christopher Wren|ক্রিস্টোফার রেন}}
* {{eq|Claude Lévi-Strauss|ক্লোদ লেভি-স্ত্রোস}}
* {{eq|Claudia Sheinbaum|ক্লাউদিয়া শেইনবাউম}}
* {{eq|Colson Whitehead|কলসন হোয়াইটহেড}}
* {{eq|Craig Venter|ক্রেইগ ভেন্টর}}
* {{eq|Czesław Miłosz|চেসোয়াফ মিওশ}}
* {{eq|Cédric Villani|সেড্রিক ভিলানি}}
* {{eq|Dag Hammarskjöld|দ্যাগ হ্যামারশোল্ড}}
* {{eq|Damon Galgut|ড্যামন গ্যালগুট}}
* {{eq|Daniel Kahneman|ড্যানিয়েল কানেমান}}
* {{eq|Dave Barry|ডেভ ব্যারি}}
* {{eq|David Bohm|ডেভিড বম}}
* {{eq|David Brewster|ডেভিড ব্রুস্টার}}
* {{eq|David Chalmers|ডেভিড চালমারস}}
* {{eq|David Gross|ডেভিড জোনাথন গ্রোস}}
* {{eq|David Grossman|ডেভিড গ্রসম্যান}}
* {{eq|David Hilbert|ডাভিড হিলবের্ট}}
* {{eq|David Mamet|ডেভিড ম্যামেট}}
* {{eq|David McCullough|ডেভিড ম্যাককালাফ}}
* {{eq|David Suzuki|ডেভিড সুজুকি}}
* {{eq|Dennis Ritchie|ডেনিস রিচি}}
* {{eq|Desmond Morris|ডেসমন্ড মরিস}}
* {{eq|Desmond Tutu|ডেসমন্ড টুটু}}
* {{eq|Dian Fossey|ডায়ান ফসি}}
* {{eq|Dmitri Mendeleev|দিমিত্রি মেন্ডেলিভ}}
* {{eq|Dmitry Muratov|দিমিত্রি মুরাতভ}}
* {{eq|Donald Knuth|ডোনাল্ড কানুথ}}
* {{eq|Donald Tusk|ডোনাল্ড টাস্ক}}
* {{eq|Donna Strickland|ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড}}
* {{eq|Doris Lessing|ডরিস লেসিং}}
* {{eq|Dorothy Hodgkin|ডরোথি হজকিন}}
* {{eq|Douglas Engelbart|ডগলাস এঙ্গেলবার্ট}}
* {{eq|E. O. Wilson|ই. ও. উইলসন}}
* {{eq|Edith Wharton|ইডিথ হোয়ার্টন}}
* {{eq|Edmond Halley|এডমন্ড হ্যালি}}
* {{eq|Edsger W. Dijkstra|এডসগার ডাইকস্ট্রা}}
* {{eq|Edward Teller|এডওয়ার্ড টেলার}}
* {{eq|Edward Witten|এডওয়ার্ড উইটেন}}
* {{eq|Elias James Corey|ইলিয়াস জেমস কোরি}}
* {{eq|Elie Wiesel|এলি উইজেল}}
* {{eq|Elinor Ostrom|এলিনর অস্ট্রম}}
* {{eq|Elizabeth Bishop|এলিজাবেথ বিশপ}}
* {{eq|Ellen Johnson Sirleaf|এলেন জনসন সারলিফ}}
* {{eq|Emanuel Swedenborg|এমানুয়েল সোয়েডেনবার্গ}}
* {{eq|Emmy Noether|এমি নোয়েদার}}
* {{eq|Empedocles|এম্পেদোক্লেস}}
* {{eq|Enrico Fermi|এনরিকো ফের্মি}}
* {{eq|Epicurus|এপিকুরোস}}
* {{eq|Eric Hobsbawm|এরিক হবসবাউম}}
* {{eq|Eric Kandel|এরিক ক্যান্ডেল}}
* {{eq|Ernest Hemingway|আর্নেস্ট হেমিংওয়ে}}
* {{eq|Ernest Rutherford|আর্নেস্ট রাদারফোর্ড}}
* {{eq|Ernst Haeckel|এর্নস্ট হেকেল}}
* {{eq|Ernst Mach|এর্নস্ট মাখ}}
* {{eq|Ernst Mayr|এর্নস্ট মায়ার}}
* {{eq|Eugene O'Neill|ইউজিন ও'নিল}}
* {{eq|Eugene Wigner|ইউজিন পল উইগনার}}
* {{eq|European Parliament|ইউরোপীয় পার্লামেন্ট}}
* {{eq|European Union|ইউরোপীয় ইউনিয়ন}}
* {{eq|Evangelista Torricelli|ইভাঞ্জেলিস্টা টরিসেলি}}
* {{eq|F. W. de Klerk|এফ. ডব্লিউ. ডি ক্লার্ক}}
* {{eq|Fabiola Gianotti|ফাবিওলা জানোত্তি}}
* {{eq|Fakhr al-Din al-Razi|ফখরুদ্দীন আল-রাযী}}
* {{eq|Federico Faggin|ফেদেরিকো ফাগিন}}
* {{eq|Felix Bloch|ফেলিক্স ব্লখ}}
* {{eq|Flinders Petrie|ফ্লিন্ডার্স পেট্রি}}
* {{eq|Francis Collins|ফ্রান্সিস কলিন্স}}
* {{eq|Francis Crick|ফ্রান্সিস ক্রিক}}
* {{eq|Francis Galton|ফ্রান্সিস গ্যাল্টন}}
* {{eq|Francisco Varela|ফ্রান্সিস্কো ভারেলা}}
* {{eq|Frank Macfarlane Burnet|ফ্র্যাঙ্ক ম্যাকফারলেন বার্নেট}}
* {{eq|Frank Wilczek|ফ্র্যাঙ্ক উইলচেক}}
* {{eq|François Arago|ফ্রঁসোয়া আরাগন}}
* {{eq|François Englert|ফ্রঁসোয়া অংল্যার}}
* {{eq|François Mauriac|ফ্রঁসোয়া মরিয়াক}}
* {{eq|François Mitterrand|ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ}}
* {{eq|Fred Brooks|ফ্রেড ব্রুকস}}
* {{eq|Frederick Jackson Turner|ফ্রেডরিক জ্যাকসন টার্নার}}
* {{eq|Frederick Soddy|ফ্রেডরিক সডি}}
* {{eq|Fridtjof Nansen|ফ্রিডতিয়ফ নানসেন}}
* {{eq|Friedrich Hayek|ফ্রিডরিখ ফন হায়েক}}
* {{eq|Fritjof Capra|ফ্রিটজফ কাপরা}}
* {{eq|G. H. Hardy|জি. এইচ. হার্ডি}}
* {{eq|Gabriela Mistral|গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল}}
* {{eq|Gao Xingjian|কাও শিংচিয়েন}}
* {{eq|Gary Becker|গ্যারি বেকার}}
* {{eq|Geert Wilders|খের্ট ভিল্ডার্স}}
* {{eq|Geoffrey Hinton|জিওফ্রে হিন্টন}}
* {{eq|George Boole|জর্জ বুল}}
* {{eq|George Curzon, 1st Marquess Curzon of Kedleston|জর্জ ন্যাথানিয়েল কার্জন}}
* {{eq|George Gamow|জর্জ গ্যামো}}
* {{eq|George Smoot|জর্জ স্মুট}}
* {{eq|George Steiner|জর্জ স্টাইনার}}
* {{eq|George Stigler|জর্জ স্টিগলার}}
* {{eq|George Washington Carver|জর্জ ওয়াশিংটন কার্ভার}}
* {{eq|Georges Cuvier|জর্জ ক্যুভিয়ে}}
* {{eq|Georges-Louis Leclerc, Comte de Buffon|জর্জ-লুই ল্যক্লের, কোঁত দ্য বুফোঁ}}
* {{eq|Gerald Durrell|জেরাল্ড ডারেল}}
* {{eq|Gerhard Schröder|গেরহার্ড শ্রোডার}}
* {{eq|Gertrude B. Elion|গারট্রুড বি. এলিয়ন}}
* {{eq|Giorgio Parisi|জর্জিও পারিসি}}
* {{eq|Giorgos Seferis|ইয়োর্গোস সেফেরিস}}
* {{eq|Giosuè Carducci|জোযুয়ে কার্দুচ্চি}}
* {{eq|Glenn T. Seaborg|গ্লেন থিওডোর সিবর্গ}}
* {{eq|Goodluck Jonathan|গুডলাক জোনাথন}}
* {{eq|Gordon Moore|গর্ডন মুর}}
* {{eq|Gottfried Leibniz|গটফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎস}}
* {{eq|Gregor Mendel|গ্রেগর মেন্ডেল}}
* {{eq|Grigori Perelman|গ্রিগরি পেরেলমান}}
* {{eq|Gro Harlem Brundtland|গ্রো হারলেম ব্রুন্ডটল্যান্ড}}
* {{eq|Gustav Kirchhoff|গুস্টাফ কির্খফ}}
* {{eq|Gustav Stresemann|গুস্টাভ ষ্ট্রেজেমান}}
* {{eq|Gérard Debreu|জেরার দ্যব্রু}}
* {{eq|Göran Persson|গোরান পারসন}}
* {{eq|H. H. Asquith|এইচ. এইচ. অ্যাসকুইথ}}
* {{eq|Halldór Laxness|হালডোর ল্যাক্সনেস}}
* {{eq|Han Kang|হান কাং}}
* {{eq|Hans Bethe|হ্যান্স বেটে}}
* {{eq|Hans Blix|হ্যান্স ব্লিক্স}}
* {{eq|Harish-Chandra|হরিশ-চন্দ্র}}
* {{eq|Harold Macmillan|হ্যারল্ড ম্যাকমিলান}}
* {{eq|Harold Pinter|হ্যারল্ড পিন্টার}}
* {{eq|Harper Lee|হার্পার লি}}
* {{eq|Harry Markowitz|হ্যারি মার্কোউইটজ}}
* {{eq|Heinrich Böll|হাইনরিখ বোল}}
* {{eq|Heinrich Hertz|হাইনরিখ হের্ত্স}}
* {{eq|Heinrich Rohrer|হাইনরিখ রোরার}}
* {{eq|Helen Clark|হেলেন ক্লার্ক}}
* {{eq|Helmut Kohl|হেলমুট কোল}}
* {{eq|Hendrik Lorentz|হেন্ড্রিক আন্টোন লোরেন্ৎস}}
* {{eq|Henri Bergson|অঁরি বের্গসন}}
* {{eq|Henri Poincaré|অঁরি পোয়াঁকারে}}
* {{eq|Henry Cavendish|হেনরি ক্যাভেন্ডিশ}}
* {{eq|Henry Dunant|অঁরি দ্যুনঁ}}
* {{eq|Henryk Sienkiewicz|হেনরিক শিয়েনকিয়েভিচ}}
* {{eq|Heraclitus|হেরাক্লিটাস}}
* {{eq|Herbert A. Simon|হার্বার্ট এ. সাইমন}}
* {{eq|Herbert Kroemer|হার্বার্ট ক্রোয়েমার}}
* {{eq|Herbert Spencer|হার্বার্ট স্পেন্সার}}
* {{eq|Hermann Hesse|হেরমান হেস}}
* {{eq|Hermann Weyl|হেরমান ভাইল}}
* {{eq|Hermann von Helmholtz|হারমান ফন হেল্মহোল্ৎস}}
* {{eq|Herta Müller|হের্টা ম্যুলার}}
* {{eq|Hideki Yukawa|হিদেকি ইউকাওয়া}}
* {{eq|Hirohito|হিরোহিতো}}
* {{eq|Howard H. Aiken|হাওয়ার্ড আইকেন}}
* {{eq|Hugh Everett|হিউ এভারেট}}
* {{eq|Hugo De Vries|হুগো দ্য ভ্রিস}}
* {{eq|Humphry Davy|হামফ্রি ডেভি}}
* {{eq|Ian Kershaw|ইয়ান কার্শ}}
* {{eq|Ian McEwan|ইয়ান ম্যাকইউয়ান}}
* {{eq|Ian Wilmut|ইয়ান উইলমুট}}
* {{eq|Igor Kurchatov|ইগর কুরচাতভ}}
* {{eq|Imre Kertész|ইমরে কার্তেজ}}
* {{eq|Ingrid Daubechies|ইনগ্রিড ডোবিচি}}
* {{eq|Irina Bokova|ইরিনা বোকোভা}}
* {{eq|Iris Murdoch|আইরিস মারডক}}
* {{eq|Irving Langmuir|আরভিং ল্যাংমুয়ির}}
* {{eq|Isaac Bashevis Singer|আইজ্যাক বাশেভিস সিঙ্গার}}
* {{eq|Isidor Isaac Rabi|ইসিদোর আইজ্যাক রাবি}}
* {{eq|Ivan Pavlov|ইভান পাভলভ}}
* {{eq|Ivo Andrić|ইভো আন্দ্রিক}}
* {{eq|J. B. S. Haldane|জে. বি. এস. হ্যালডেন}}
* {{eq|J. J. Thomson|জে. জে. থমসন}}
* {{eq|J. M. Coetzee|জে. এম. কোয়েটজি}}
* {{eq|Jack Steinberger|জ্যাক স্টেইনবার্গার}}
* {{eq|Jacobus Henricus van 't Hoff|ইয়াকোবুস হেনরিকুস ফান্ট হফ}}
* {{eq|Jacques Chirac|জাক শিরাক}}
* {{eq|Jacques-Yves Cousteau|জাক-ইভ কুস্তো}}
* {{eq|James Callaghan|জেমস ক্যালাহান}}
* {{eq|James Chadwick|জেমস চ্যাডউইক}}
* {{eq|James Cook|জেমস কুক}}
* {{eq|James Mirrlees|জেমস মিরলিস}}
* {{eq|James Prescott Joule|জেমস প্রেসকট জুল}}
* {{eq|James Prinsep|জেমস প্রিন্সেপ}}
* {{eq|James Tobin|জেমস টোবিন}}
* {{eq|James Van Allen|জেমস ভ্যান অ্যালেন}}
* {{eq|James Watt|জেমস ওয়াট}}
* {{eq|Jane Addams|জেন অ্যাডামস}}
* {{eq|Jane Goodall|জেন গুডাল}}
* {{eq|Jared Diamond|জ্যারেড ডায়মন্ড}}
* {{eq|Jayant Narlikar|জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর}}
* {{eq|Jean le Rond d'Alembert|জঁ ল্য রোঁ দালঁবের}}
* {{eq|Jean-Baptiste Lamarck|জঁ-বাতিস্ত লামার্ক}}
* {{eq|Jean-Marie Le Pen|জঁ-মারি ল্য পেন}}
* {{eq|Jean-Pierre Serre|জঁ-পিয়ের সের}}
* {{eq|Jerome Isaac Friedman|জেরোম আইজ্যাক ফ্রিডম্যান}}
* {{eq|Jhumpa Lahiri|ঝুম্পা লাহিড়ী}}
* {{eq|Jocelyn Bell Burnell|জসিলিন বেল বার্নেল}}
* {{eq|John Archibald Wheeler|জন আর্চিবল্ড হুইলার}}
* {{eq|John Backus|জন ব্যাকাস}}
* {{eq|John Banville|জন ব্যানভিল}}
* {{eq|John Bardeen|জন বারডিন}}
* {{eq|John C. Mather|জন সি. মাদার}}
* {{eq|John Desmond Bernal|জে. ডি. বার্নাল}}
* {{eq|John Forbes Nash, Jr.|জন ফোর্বস ন্যাশ}}
* {{eq|John Galsworthy|জন গলসওয়ার্দি}}
* {{eq|John Gurdon|জন গার্ডন}}
* {{eq|John Hicks|জন হিক্স}}
* {{eq|John Hopfield|জন হোপফিল্ড}}
* {{eq|John James Audubon|জন জেমস অডুবন}}
* {{eq|John Major|জন মেজর}}
* {{eq|John Maynard Keynes|জন মেইনার্ড কেইনস}}
* {{eq|John Maynard Smith|জন মেইনার্ড স্মিথ}}
* {{eq|John McCarthy (computer scientist)|জন ম্যাককার্থি (কম্পিউটার বিজ্ঞানী)}}
* {{eq|John Muir|জন মুয়ির}}
* {{eq|John Napier|জন নেপিয়ার}}
* {{eq|John Polanyi|জন চার্লস পোলানি}}
* {{eq|John Ray|জন রে}}
* {{eq|John Stewart Bell|জন স্টুয়ার্ট বেল}}
* {{eq|John Tyndall|জন টিন্ডাল}}
* {{eq|John von Neumann|জন ফন নিউম্যান}}
* {{eq|Jon Fosse|ইয়োন ফসে}}
* {{eq|Jonas Salk|জোনাস সল্ক}}
* {{eq|Josef Mengele|ইয়োসেফ মেংগেলে}}
* {{eq|Joseph Fourier|জোসেফ ফুরিয়ে}}
* {{eq|Joseph Priestley|জোসেফ প্রিস্টলি}}
* {{eq|Joseph Stiglitz|জোসেফ স্টিগলিটজ}}
* {{eq|Joseph von Fraunhofer|ইয়োসেফ ফন ফ্রাউনহোফার}}
* {{eq|Joshua Lederberg|জশুয়া লেডারবার্গ}}
* {{eq|Josiah Willard Gibbs|জোসিয়াহ উইলার্ড গিবস}}
* {{eq|José María Aznar|হোসে মারিয়া আজনার}}
* {{eq|José Saramago|হোসে সারামাগো}}
* {{eq|Juan Maldacena|হুয়ান মালদাসেনা}}
* {{eq|Juan Ramón Jiménez|হুয়ান রামোন হিমেনেজ}}
* {{eq|Judea Pearl|জুডেয়া পার্ল}}
* {{eq|Julian Schwinger|জুলিয়ান শুইঙার}}
* {{eq|Julio Cortázar|হুলিও কোর্তাজার}}
* {{eq|Julius Robert von Mayer|জুলিয়াস রবার্ট ফন মেয়ার}}
* {{eq|Junot Díaz|জুনো দিয়াজ}}
* {{eq|Justus von Liebig|ইয়োস্টুস ফন লিবিগ}}
* {{eq|Jöns Jacob Berzelius|ইয়োন্স ইয়াকব বের্সেলিয়ুস}}
* {{eq|Kaja Kallas|কায়া কাল্লাস}}
* {{eq|Kamila Shamsie|কামিলা শামসি}}
* {{eq|Karen Uhlenbeck|কারেন উলেনবেক}}
* {{eq|Karl Barry Sharpless|কার্ল ব্যারি শার্পলেস}}
* {{eq|Kary Mullis|ক্যারি মুলিস}}
* {{eq|Katalin Karikó|কাতালিন কারিকো}}
* {{eq|Kazuo Ishiguro|কাজুও ইশিগুরো}}
* {{eq|Kaṇāda|কণাদ্}}
* {{eq|Ken Thompson|কেন টম্পসন}}
* {{eq|Kendrick Lamar|কেন্ড্রিক লামার}}
* {{eq|Kenneth Arrow|কেনেথ অ্যারো}}
* {{eq|Kenzaburō Ōe|কেন্জাবুরো ওহয়ে}}
* {{eq|Kiran Desai|কিরণ দেশাই}}
* {{eq|Kiran Mazumdar-Shaw|কিরণ মজুমদার-শ}}
* {{eq|Knut Hamsun|ক্যনুট হামসুন}}
* {{eq|Koichi Tanaka|কোইচি তানাকা}}
* {{eq|Korean War|কোরীয় যুদ্ধ}}
* {{eq|Lars Peter Hansen|লারস পিটার হ্যান্সেন}}
* {{eq|Laurent Schwartz|লোরঁ শোয়ার্তজ}}
* {{eq|Leon Cooper|লিয়ন কুপার}}
* {{eq|Leon M. Lederman|লিয়ন ম্যাক্স লেডারম্যান}}
* {{eq|Leonard Susskind|লিওনার্ড সাসকিন্ড}}
* {{eq|Leonhard Euler|লিওনার্ড ইউলার}}
* {{eq|Leonid Kantorovich|লিওনিদ ক্যান্টোরোভিচ}}
* {{eq|Leopold II of Belgium|দ্বিতীয় লেওপোল্ড (বেলজিয়াম)}}
* {{eq|Leopold III of Belgium|তৃতীয় লেওপোল্ড (বেলজিয়াম)}}
* {{eq|Leslie Lamport|লেসলি ল্যামপোর্ট}}
* {{eq|Lev Landau|ল্যেভ লান্দাউ}}
* {{eq|Leymah Gbowee|লেমাহ গবোউই}}
* {{eq|Leó Szilárd|লিও জিলার্দ}}
* {{eq|Linus Pauling|লিনাস পাউলিং}}
* {{eq|Lionel Robbins|লিওনেল রবিন্স}}
* {{eq|Lisa Randall|লিসা রান্ডাল}}
* {{eq|Louis Agassiz|লুই আগাসিজ}}
* {{eq|Louis de Broglie|লুই দ্য ব্রোয়ি}}
* {{eq|Louise Glück|লুইজ গ্লিক}}
* {{eq|Ludwig Boltzmann|লুডভিগ বোলৎসমান}}
* {{eq|Ludwik Fleck|লুডউইক ফ্লেক}}
* {{eq|Luigi Pirandello|লুইজি পিরানদেল্লো}}
* {{eq|Lynn Margulis|লিন মার্গুলিস}}
* {{eq|Léon Foucault|লেয়োঁ ফুকো}}
* {{eq|M. S. Swaminathan|এম. এস. স্বামীনাথন}}
* {{eq|Malala Yousafzai|মালালা ইউসুফজাই}}
* {{eq|Margaret Atwood|মার্গারেট অ্যাটউড}}
* {{eq|Margaret Chan|মার্গারেট চ্যান}}
* {{eq|Marguerite Yourcenar|মার্গ্যুরিত ইয়ুর্সনার}}
* {{eq|Marie Stopes|মেরি স্টোপস}}
* {{eq|Marine Le Pen|মারিন ল্য পেন}}
* {{eq|Mario Vargas Llosa|মারিও বার্গাস ইয়োসা}}
* {{eq|Mark Oliphant|মার্ক ওলিফ্যান্ট}}
* {{eq|Martin Amis|মার্টিন এমিস}}
* {{eq|Martin Lewis Perl|মার্টিন লুইস পার্ল}}
* {{eq|Martin Rees|মার্টিন রিস}}
* {{eq|Martin Ryle|মার্টিন রাইল}}
* {{eq|Martinus J. G. Veltman|মার্টিনুস ভেল্টম্যান}}
* {{eq|Martti Ahtisaari|মার্টি আহতিসারি}}
* {{eq|Marvin Minsky|মার্ভিন মিনস্কি}}
* {{eq|Mary Beard (classicist)|মেরি বিয়ার্ড (ক্ল্যাসিসিস্ট)}}
* {{eq|Mary Robinson|মেরি রবিনসন}}
* {{eq|Max Born|মাক্স বর্ন}}
* {{eq|Max Delbrück|মাক্স ডেলব্রুক}}
* {{eq|Max Perutz|ম্যাক্স ফার্দিনান্দ পেরুতজ}}
* {{eq|Max von Laue|মাক্স ফন লাউয়ে}}
* {{eq|Menachem Begin|মেনাখেম বেগিন}}
* {{eq|Merton Miller|মার্টন মিলার}}
* {{eq|Michael Atiyah|মাইকেল আতিয়াহ}}
* {{eq|Michael Faraday|মাইকেল ফ্যারাডে}}
* {{eq|Michael Gove|মাইকেল গোভ}}
* {{eq|Michio Kaku|মিচিও কাকু}}
* {{eq|Mikhail Sholokhov|মিখাইল শলোখভ}}
* {{eq|Mo Yan|মো ইয়ান}}
* {{eq|Mohammad Javad Zarif|মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ}}
* {{eq|Murray Gell-Mann|মারে গেল-মান}}
* {{eq|Nadine Gordimer|নাডিন গর্ডিমার}}
* {{eq|Naguib Mahfouz|নাগিব মাহফুজ}}
* {{eq|Narges Mohammadi|নার্গেস মোহাম্মদী}}
* {{eq|Nevill Francis Mott|নেভিল ফ্রান্সিস মট}}
* {{eq|Nicolas Léonard Sadi Carnot|সাদি কার্নো}}
* {{eq|Nicolas Steno|নিকোলাস স্টেনো}}
* {{eq|Nigel Farage|নাইজেল ফারাজ}}
* {{eq|Niklaus Wirth|নিকলাউস ভির্ট}}
* {{eq|Norman Borlaug|নরম্যান বোরল্যাগ}}
* {{eq|Norman Mailer|নরম্যান মেইলার}}
* {{eq|Octavio Paz|অক্তাবিও পাজ}}
* {{eq|Olga Tokarczuk|ওলগা তোকারচুক}}
* {{eq|Oliver Heaviside|অলিভার হেভিসাইড}}
* {{eq|Oliver Sacks|অলিভার স্যাক্স}}
* {{eq|Orhan Pamuk|ওরহান পামুক}}
* {{eq|Oswald Avery|অসওয়াল্ড এভারি}}
* {{eq|Otto Stern|অটো ষ্টের্ন}}
* {{eq|Paris Agreement|প্যারিস চুক্তি}}
* {{eq|Patrick White|প্যাট্রিক হোয়াইট}}
* {{eq|Paul Dirac|পল ডিরাক}}
* {{eq|Paul Ehrenfest|পাউল এরেনফেস্ট}}
* {{eq|Paul R. Ehrlich|পল আর. এহর্লিচ}}
* {{eq|Paul Samuelson|পল স্যামুয়েলসন}}
* {{eq|Pearl S. Buck|পার্ল এস. বাক}}
* {{eq|Peter Agre|পিটার আগ্রি}}
* {{eq|Peter Higgs|পিটার হিগস}}
* {{eq|Peter Kropotkin|পেত্র ক্রাপোতকিন}}
* {{eq|Peter Medawar|পিটার মিডাওয়ার}}
* {{eq|Philip Roth|ফিলিপ রথ}}
* {{eq|Philip Warren Anderson|ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন}}
* {{eq|Philippe of Belgium|ফিলিপ (বেলজিয়াম)}}
* {{eq|Pierre Curie|পিয়ের ক্যুরি}}
* {{eq|Pierre Deligne|পিয়ের দ্যলিইন}}
* {{eq|Pierre-Gilles de Gennes|পিয়ের-জিল দ্য জেন}}
* {{eq|Pierre-Simon Laplace|পিয়ের সিমোঁ লাপ্লাস}}
* {{eq|Pliny the Elder|প্লিনি দ্য এল্ডার}}
* {{eq|Prasanta Chandra Mahalanobis|প্রশান্ত চন্দ্র মহলানবিশ}}
* {{eq|Primo Levi|প্রিমো লেভি}}
* {{eq|Qian Xuesen|ছিয়েন শ্যুয়েসন}}
* {{eq|Quakers|কোয়েকার}}
* {{eq|Rachel Carson|র্যাচেল কারসন}}
* {{eq|Ragnar Frisch|রাগ্নার ফ্রিশ}}
* {{eq|Rajendra K. Pachauri|রাজেন্দ্র কুমার পাচৌরী}}
* {{eq|Ralph Bunche|রালফ বান্চ}}
* {{eq|Ramsay MacDonald|রামসে ম্যাকডোনাল্ড}}
* {{eq|Reinhard Selten|রেইনহার্ড সেল্টেন}}
* {{eq|Richard Hamming|রিচার্ড হ্যামিং}}
* {{eq|Richard Leakey|রিচার্ড লিকি}}
* {{eq|Richard Smalley|রিচার্ড স্মলি}}
* {{eq|Rigoberta Menchú|রিগোবার্তা মেঞ্চু}}
* {{eq|Ringo Starr|রিঙ্গো স্টার}}
* {{eq|Robert Andrews Millikan|রবার্ট অ্যান্ড্রুজ মিলিকান}}
* {{eq|Robert Boyle|রবার্ট বয়েল}}
* {{eq|Robert Clive|রবার্ট ক্লাইভ}}
* {{eq|Robert Fogel|রবার্ট ফোগেল}}
* {{eq|Robert Hooke|রবার্ট হুক}}
* {{eq|Robert J. Shiller|রবার্ট জে. শিলার}}
* {{eq|Robert Lucas Jr.|রবার্ট লুকাস, জুনিয়র}}
* {{eq|Robert Mundell|রবার্ট মান্ডেল}}
* {{eq|Robert Penn Warren|রবার্ট পেন ওয়ারেন}}
* {{eq|Roger Ebert|রজার ইবার্ট}}
* {{eq|Roger Wolcott Sperry|রজার স্পেরি}}
* {{eq|Romain Rolland|রোম্যাঁ রোলাঁ}}
* {{eq|Ronald Fisher|রোনাল্ড ফিশার}}
* {{eq|Rosalyn Sussman Yalow|রোজালিন সাসম্যান ইয়ালো}}
* {{eq|Rudolf Clausius|রুডলফ ক্লাউজিউস}}
* {{eq|Rudolf Virchow|রুডলফ ফিরখো}}
* {{eq|Sally Ride|স্যালি রাইড}}
* {{eq|Sam Harris|স্যাম হ্যারিস}}
* {{eq|Samuel Beckett|স্যামুয়েল বেকেট}}
* {{eq|Samuel Pepys|স্যামুয়েল পেপিস}}
* {{eq|Santiago Ramón y Cajal|সান্তিয়াগো রামোন ই কাহাল}}
* {{eq|Saul Bellow|সল বেলো}}
* {{eq|Saul Perlmutter|সল পার্লমাটার}}
* {{eq|Selman Waksman|সেলম্যান ওয়াক্সম্যান}}
* {{eq|Sergei Korolev|সের্গেই কোরোলিয়ভ}}
* {{eq|Seymour Hersh|সেমুর হার্শ}}
* {{eq|Shashi Tharoor|শশী থারুর}}
* {{eq|Sheldon Lee Glashow|শেলডন লি গ্ল্যাশো}}
* {{eq|Shiing-Shen Chern|শিং-শেন চের্ন}}
* {{eq|Shirin Ebadi|শিরিন এবাদি}}
* {{eq|Shmuel Yosef Agnon|শ্মুয়েল ইউসেফ অ্যাগনন}}
* {{eq|Simon Kuznets|সাইমন কুজ্নেত্স}}
* {{eq|Simon Stevin|সিমন স্টেভিন}}
* {{eq|Siméon Denis Poisson|সিমেওঁ দ্যনি পোয়াসোঁ}}
* {{eq|Sinclair Lewis|সিনক্লেয়ার লুইস}}
* {{eq|Stafford Cripps|স্টাফোর্ড ক্রিপস}}
* {{eq|Stamford Raffles|স্ট্যামফোর্ড র্যাফেল্স}}
* {{eq|Stanislaw Ulam|স্তানিসলফ উলাম}}
* {{eq|Stanley Baldwin|স্ট্যানলি বল্ডউইন}}
* {{eq|Stephen Jay Gould|স্টিভেন জে গুল্ড}}
* {{eq|Stephen Wolfram|স্টিফেন ওলফ্রাম}}
* {{eq|Steve Irwin|স্টিভ আরউইন}}
* {{eq|Steven Chu|স্টিভেন চু}}
* {{eq|Steven Weinberg|স্টিভেন ওয়াইনবার্গ}}
* {{eq|Subrahmanyan Chandrasekhar|সুব্রহ্মণ্যন চন্দ্রশেখর}}
* {{eq|Susan Faludi|সুসান ফালুদি}}
* {{eq|Svetlana Alexievich|সভেতলানা আলেক্সিয়েভিচ}}
* {{eq|Tawakkol Karman|তাওয়াক্কোল কারমান}}
* {{eq|Tedros Adhanom|তেদ্রোস আধানম}}
* {{eq|Temple Grandin|টেম্পল গ্র্যান্ডিন}}
* {{eq|Tennessee Williams|টেনেসি উইলিয়ামস}}
* {{eq|Tenzin Gyatso, 14th Dalai Lama|চতুর্দশ দালাই লামা}}
* {{eq|Terence Tao|টেরেন্স টাও}}
* {{eq|Theodore Roethke|থিওডোর রেথকে}}
* {{eq|Theodosius Dobzhansky|থিওডোসিয়াস ডবঝানস্কি}}
* {{eq|Theophrastus|থিওফ্রাস্টাস}}
* {{eq|Theory of relativity|আপেক্ষিকতার তত্ত্ব}}
* {{eq|Thomas Harriot|থমাস হ্যারিয়ট}}
* {{eq|Thomas Henry Huxley|টমাস হেনরি হাক্সলি}}
* {{eq|Thomas Kuhn|থমাস কুন}}
* {{eq|Thomas Mann|টমাস মান}}
* {{eq|Thomas Robert Malthus|থমাস রবার্ট ম্যালথাস}}
* {{eq|Thomas Schelling|টমাস শেলিংস}}
* {{eq|Thomas Young (scientist)|থমাস ইয়ং}}
* {{eq|Tim Berners-Lee|টিম বার্নার্স-লি}}
* {{eq|Tjalling Koopmans|টিয়ালিং কোপম্যান্স}}
* {{eq|Tomas Tranströmer|টোমাস ট্রান্সট্রোমার}}
* {{eq|Toni Morrison|টনি মরিসন}}
* {{eq|Tony Benn|টনি বেন}}
* {{eq|Traian Băsescu|ত্রাইয়ান বাসাস্কু}}
* {{eq|Trygve Haavelmo|ট্রিগভে হাভেলমো}}
* {{eq|U Thant|উ থান্ট}}
* {{eq|V. S. Naipaul|ভি. এস. নাইপল}}
* {{eq|Val Logsdon Fitch|ভ্যাল লজডন ফিচ}}
* {{eq|Valéry Giscard d'Estaing|ভালেরি জিস্কার দেস্তাঁ}}
* {{eq|Victor Frederick Weisskopf|ভিক্টর উইসকফ}}
* {{eq|Viet Thanh Nguyen|ভিয়েত থান নগুয়েন}}
* {{eq|Vikram Sarabhai|বিক্রম সারাভাই}}
* {{eq|Vilayanur S. Ramachandran|ভি. এস. রামচন্দ্রন}}
* {{eq|Vitaly Ginzburg|ভিতালি গিঞ্জবার্গ}}
* {{eq|Vladimir Arnold|ভ্লাদিমির আর্নল্ড}}
* {{eq|Vladimir Markovnikov|ভ্লাদিমির মার্কভনিকভ}}
* {{eq|Václav Havel|ভাকলাভ হাভেল}}
* {{eq|W. H. Auden|ডব্লিউ. এইচ. অডেন}}
* {{eq|Wassily Leontief|ওয়াসিলি লিওনটিয়েফ}}
* {{eq|Wernher von Braun|ভের্নহার ফন ব্রাউন}}
* {{eq|Wilhelm Wundt|ভিলহেল্ম ভুন্ট}}
* {{eq|Will Durant|উইল ডুরান্ট}}
* {{eq|Willa Cather|উইলা ক্যাথার}}
* {{eq|Willard van Orman Quine|উইলার্ড ফন অরম্যান কোয়াইন}}
* {{eq|Willem de Sitter|ভিলেম ডে সিটার}}
* {{eq|William Bateson|উইলিয়াম বেটসন}}
* {{eq|William Butler Yeats|উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস}}
* {{eq|William Carey (missionary)|উইলিয়াম কেরি}}
* {{eq|William Carlos Williams|উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস}}
* {{eq|William Crookes|উইলিয়াম ক্রুকস}}
* {{eq|William Dalrymple (historian)|উইলিয়াম ডালরিম্পল}}
* {{eq|William Daniel Phillips|উইলিয়াম ড্যানিয়েল ফিলিপস}}
* {{eq|William Empson|উইলিয়াম এম্পসন}}
* {{eq|William F. Sharpe|উইলিয়াম শার্প}}
* {{eq|William Golding|উইলিয়াম গোল্ডিং}}
* {{eq|William Herschel|উইলিয়াম হার্শেল}}
* {{eq|William Jones (philologist)|উইলিয়াম জোন্স (ভাষাতাত্ত্বিক)}}
* {{eq|William Rowan Hamilton|উইলিয়াম রোয়ান হ্যামিল্টন}}
* {{eq|William Shockley|উইলিয়াম শকলি}}
* {{eq|William Stanley Jevons|উইলিয়াম স্ট্যানলি জেভন্স}}
* {{eq|William Thomson|উইলিয়াম থমসন}}
* {{eq|William Vickrey|উইলিয়াম ভিক্রি}}
* {{eq|Winnie Byanyima|উইনি বিয়ানিমা}}
* {{eq|Wole Soyinka|ওলে সোয়িংকা}}
* {{eq|Wolfgang Pauli|ভোলফগাং পাউলি}}
* {{eq|Yang Chen-Ning|চেন নিং ইয়াং}}
* {{eq|Yann LeCun|ইয়ান ল্যকান}}
* {{eq|Yann Martel|ইয়ান মার্টেল}}
* {{eq|Yasunari Kawabata|ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা}}
* {{eq|Yoichiro Nambu|ইয়োইচিরো নাম্বু}}
* {{eq|Zadie Smith|জেডি স্মিথ}}
* {{eq|Zhong Nanshan|চোং নানশান}}
* {{eq|Zhuangzi|চুয়াং জি}}
{{Div col end}}
[[বিষয়শ্রেণী:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬]]
b55eiexhpq1e31px8tejt7o84t94ow3
ব্যবহারকারী:ARI/common.js
2
11858
75400
74135
2026-04-10T14:56:29Z
ARI
356
75400
javascript
text/javascript
importScript('ব্যবহারকারী:ARI/test.js');
importScript('ব্যবহারকারী:ARI/CatLinker.js');
mw.loader.load('//bn.wikiquote.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:ARI/WDConnect.js&action=raw&ctype=text/javascript'); // [[ব্যবহারকারী:ARI/WDConnect.js]]
// WQC 2026 Fountain Script
mw.loader.load( '/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:ARI/wqc26.js&action=raw&ctype=text/javascript' );
bu2y5i6o8ln7motz9c0rik7p59o9zb2
75408
75400
2026-04-10T15:05:39Z
ARI
356
75408
javascript
text/javascript
importScript('ব্যবহারকারী:ARI/test.js');
importScript('ব্যবহারকারী:ARI/CatLinker.js');
mw.loader.load('//bn.wikiquote.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:ARI/WDConnect.js&action=raw&ctype=text/javascript'); // [[ব্যবহারকারী:ARI/WDConnect.js]]
// WQC 2026 Fountain Script
importScript('ব্যবহারকারী:ARI/wqc26.js');
i7b1gnglnnlgcmths0kloytgfwjq5gz
75421
75408
2026-04-10T15:22:56Z
ARI
356
75421
javascript
text/javascript
importScript('ব্যবহারকারী:ARI/test.js');
importScript('ব্যবহারকারী:ARI/CatLinker.js');
mw.loader.load('//bn.wikiquote.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:ARI/WDConnect.js&action=raw&ctype=text/javascript'); // [[ব্যবহারকারী:ARI/WDConnect.js]]
// WQC 2026 Fountain Script
importScript('ব্যবহারকারী:ARI/wqc2026.js');
q2dmhauwxfhjgdcc1v975e5p3mx8mnr
75429
75421
2026-04-10T15:33:47Z
ARI
356
75429
javascript
text/javascript
importScript('ব্যবহারকারী:ARI/test.js');
importScript('ব্যবহারকারী:ARI/CatLinker.js');
mw.loader.load('//bn.wikiquote.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:ARI/WDConnect.js&action=raw&ctype=text/javascript'); // [[ব্যবহারকারী:ARI/WDConnect.js]]
// WQC 2026 Fountain Script
//importScript('ব্যবহারকারী:ARI/wqc2026.js');
si953te40gueohtme2w4tko1cscrs0d
ব্যবহারকারী:ARI/খেলাঘর
2
11860
75401
73019
2026-04-10T14:57:35Z
ARI
356
পাতা খালি করা হয়েছে
75401
wikitext
text/x-wiki
phoiac9h4m842xq45sp7s6u21eteeq1
75500
75401
2026-04-11T01:37:48Z
ARI
356
75500
wikitext
text/x-wiki
{| class="wikitable sortable"
|-
! ক্রম
! ব্যবহারকারী নাম
! মোট নিবন্ধ
! মোট শব্দ
|-
| '''১'''
| '''R1F4T'''
| '''৬'''
| '''১,৮৩,৭৬৯'''
|-
| '''২'''
| '''ARI'''
| '''৫'''
| '''১,৩১,৭২৪'''
|-
| '''৩'''
| '''Anaf Ibn Shahibul'''
| '''১৫'''
| '''৩৩,৪১৫'''
|-
| '''৪'''
| '''Sumanta3023'''
| '''১৯'''
| '''২২,৪১০'''
|-
| '''৫'''
| '''SMontaha32'''
| '''১২'''
| '''১৩,৬৮৬'''
|-
| '''৬'''
| '''Oindrojalik Watch'''
| '''২'''
| '''১২,৪১৮'''
|-
| '''৭'''
| '''Nil Nandy'''
| '''৪'''
| '''৭,৪০২'''
|-
| '''৮'''
| '''Humaira.thithi'''
| '''৭'''
| '''৩,২৩৭'''
|-
| '''৯'''
| '''Amirhusenjihed'''
| '''৩'''
| '''৩,০৬৪'''
|-
| '''১০'''
| '''Borhan'''
| '''৬'''
| '''১,৬৬২'''
|-
| ১১
| Raihanur
| ৩
| ১,৫৪২
|-
| ১২
| Asad.fr
| ২
| ১,২৮৮
|-
| ১৩
| JIBON
| ৩
| ১,১৭৮
|-
| ১৪
| মোহাম্মদ জনি হোসেন
| ২
| ৫৫৫
|-
| ১৫
| Firuz Ahmmed
| ১
| ৫৩৭
|-
| ১৬
| AKM Mahinur Rahman
| ২
| ৪১৯
|-
| ১৭
| চ্যাম্পিয়ন স্টার ১
| ১
| ৩১২
|-
| ১৮
| নিয়াজ ইসলাম
| ১
| ৩১০
|-
| ১৯
| MD RADWAN ISLAM
| ৬
| ২৭৪
|-
| ২০
| MD RADWAN ISLAM ROHAN
| ৫
| ০
|-
| ২১
| ShahinurWrites
| ১
| ০
|-
| ২২
| Abdullah Al Shishir
| ১
| ০
|}
; পর্যালোচক
{| class="wikitable"
|-
! ক্রম
! নাম
! মোট পর্যালোচনা
! গৃহীত
! বাতিল
|-
| '''১'''
| '''Mehedi Abedin'''
| '''৪৯'''
| ২৯
| ২০
|-
| '''২'''
| '''ARI'''
| '''২৬'''
| ১০
| ১৬
|-
| '''৩'''
| '''MS Sakib'''
| '''৮'''
| ৪
| ৪
|-
| '''৪'''
| '''NusJaS'''
| '''৬'''
| ৪
| ২
|-
| '''৫'''
| '''Tahmid'''
| '''৬'''
| ১
| ৫
|-
| '''৬'''
| '''Yahya'''
| '''৫'''
| ৪
| ১
|-
! মোট
|
| ১০০
| ৫২
| ৪৮
|}
----
সর্বশেষ হালনাগাদ: ০১:৩৭, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
bgde183020d0e8jl1j5n53qc9rcqrrt
75501
75500
2026-04-11T01:40:37Z
ARI
356
75501
wikitext
text/x-wiki
<div style="overflow-x:auto;">
{| class="wikitable sortable mw-collapsible mw-collapsed"
|-
! ক্রম
! ব্যবহারকারী
! নিবন্ধ
! গৃহীত শব্দ
! অপর্যালোচিত
! বাতিল
! মোট শব্দ
|-
| '''১'''
| '''R1F4T'''
| '''৬'''
| '''১,৬০৪'''
| '''০'''
| '''১,৮২,১৬৫'''
| '''১,৮৩,৭৬৯'''
|-
| '''২'''
| '''ARI'''
| '''৫'''
| '''৬০,৪১১'''
| '''৭১,৩১৩'''
| '''০'''
| '''১,৩১,৭২৪'''
|-
| '''৩'''
| '''Anaf Ibn Shahibul'''
| '''১৫'''
| '''৩,৪৪২'''
| '''৯,৪২৭'''
| '''২০,৫৪৬'''
| '''৩৩,৪১৫'''
|-
| '''৪'''
| '''Sumanta3023'''
| '''১৯'''
| '''১৮,৫৭১'''
| '''৬১৫'''
| '''৩,২২৪'''
| '''২২,৪১০'''
|-
| '''৫'''
| '''SMontaha32'''
| '''১২'''
| '''৩,৬১৫'''
| '''৩,৬০৮'''
| '''৬,৪৬৩'''
| '''১৩,৬৮৬'''
|-
| '''৬'''
| '''Oindrojalik Watch'''
| '''২'''
| '''১১,৭৮০'''
| '''০'''
| '''৬৩৮'''
| '''১২,৪১৮'''
|-
| '''৭'''
| '''Nil Nandy'''
| '''৪'''
| '''৫,২৩৫'''
| '''২,১৬৭'''
| '''০'''
| '''৭,৪০২'''
|-
| '''৮'''
| '''Humaira.thithi'''
| '''৭'''
| '''২,৩০৫'''
| '''০'''
| '''৯৩২'''
| '''৩,২৩৭'''
|-
| '''৯'''
| '''Amirhusenjihed'''
| '''৩'''
| '''২,৫৬৯'''
| '''০'''
| '''৪৯৫'''
| '''৩,০৬৪'''
|-
| '''১০'''
| '''Borhan'''
| '''৬'''
| '''১,৬৬২'''
| '''০'''
| '''০'''
| '''১,৬৬২'''
|-
| ১১
| Raihanur
| ৩
| ১,৫৪২
| ০
| ০
| ১,৫৪২
|-
| ১২
| Asad.fr
| ২
| ৩৫৭
| ০
| ৯৩১
| ১,২৮৮
|-
| ১৩
| JIBON
| ৩
| ৩৬০
| ০
| ৮১৮
| ১,১৭৮
|-
| ১৪
| মোহাম্মদ জনি হোসেন
| ২
| ০
| ০
| ৫৫৫
| ৫৫৫
|-
| ১৫
| Firuz Ahmmed
| ১
| ০
| ০
| ৫৩৭
| ৫৩৭
|-
| ১৬
| AKM Mahinur Rahman
| ২
| ০
| ০
| ৪১৯
| ৪১৯
|-
| ১৭
| চ্যাম্পিয়ন স্টার ১
| ১
| ০
| ০
| ৩১২
| ৩১২
|-
| ১৮
| নিয়াজ ইসলাম
| ১
| ৩১০
| ০
| ০
| ৩১০
|-
| ১৯
| MD RADWAN ISLAM
| ৬
| ০
| ০
| ২৭৪
| ২৭৪
|-
| ২০
| MD RADWAN ISLAM ROHAN
| ৫
| ০
| ০
| ০
| ০
|-
| ২১
| ShahinurWrites
| ১
| ০
| ০
| ০
| ০
|-
| ২২
| Abdullah Al Shishir
| ১
| ০
| ০
| ০
| ০
|}
</div>
; পর্যালোচক
<div style="overflow-x:auto;">
{| class="wikitable"
|-
! ক্রম
! নাম
! মোট
! গৃহীত
! বাতিল
|-
| '''১'''
| '''Mehedi Abedin'''
| '''৪৯'''
| ২৯
| ২০
|-
| '''২'''
| '''ARI'''
| '''২৬'''
| ১০
| ১৬
|-
| '''৩'''
| '''MS Sakib'''
| '''৮'''
| ৪
| ৪
|-
| '''৪'''
| '''NusJaS'''
| '''৬'''
| ৪
| ২
|-
| '''৫'''
| '''Tahmid'''
| '''৬'''
| ১
| ৫
|-
| '''৬'''
| '''Yahya'''
| '''৫'''
| ৪
| ১
|-
! মোট
|
| ১০০
| ৫২
| ৪৮
|}
</div>
----
সর্বশেষ হালনাগাদ: ০১:৪০, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
j01pu5ksu1agd293d9i2q43gxi3dm4w
75502
75501
2026-04-11T01:43:37Z
ARI
356
75502
wikitext
text/x-wiki
{| class="wikitable sortable"
|-
! ক্রম
! ব্যবহারকারী
! নিবন্ধ
! মোট শব্দ
! বিস্তারিত
|-
| '''১'''
| '''R1F4T'''
| '''৬'''
| '''১,৮৩,৭৬৯'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৬০৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,৮২,১৬৫
</div>
|-
| '''২'''
| '''ARI'''
| '''৫'''
| '''১,৩১,৭২৪'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৬০,৪১১<br>
অপর্যালোচিত: ৭১,৩১৩<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''৩'''
| '''Anaf Ibn Shahibul'''
| '''১৫'''
| '''৩৩,৪১৫'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩,৪৪২<br>
অপর্যালোচিত: ৯,৪২৭<br>
বাতিল: ২০,৫৪৬
</div>
|-
| '''৪'''
| '''Sumanta3023'''
| '''১৯'''
| '''২২,৪১০'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৮,৫৭১<br>
অপর্যালোচিত: ৬১৫<br>
বাতিল: ৩,২২৪
</div>
|-
| '''৫'''
| '''SMontaha32'''
| '''১২'''
| '''১৩,৬৮৬'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩,৬১৫<br>
অপর্যালোচিত: ৩,৬০৮<br>
বাতিল: ৬,৪৬৩
</div>
|-
| '''৬'''
| '''Oindrojalik Watch'''
| '''২'''
| '''১২,৪১৮'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১১,৭৮০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৬৩৮
</div>
|-
| '''৭'''
| '''Nil Nandy'''
| '''৪'''
| '''৭,৪০২'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৫,২৩৫<br>
অপর্যালোচিত: ২,১৬৭<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''৮'''
| '''Humaira.thithi'''
| '''৭'''
| '''৩,২৩৭'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৩০৫<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৯৩২
</div>
|-
| '''৯'''
| '''Amirhusenjihed'''
| '''৩'''
| '''৩,০৬৪'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৫৬৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৯৫
</div>
|-
| '''১০'''
| '''Borhan'''
| '''৬'''
| '''১,৬৬২'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৬৬২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ১১
| Raihanur
| ৩
| ১,৫৪২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৫৪২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ১২
| Asad.fr
| ২
| ১,২৮৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩৫৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৯৩১
</div>
|-
| ১৩
| JIBON
| ৩
| ১,১৭৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩৬০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৮১৮
</div>
|-
| ১৪
| মোহাম্মদ জনি হোসেন
| ২
| ৫৫৫
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৫৫৫
</div>
|-
| ১৫
| Firuz Ahmmed
| ১
| ৫৩৭
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৫৩৭
</div>
|-
| ১৬
| AKM Mahinur Rahman
| ২
| ৪১৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪১৯
</div>
|-
| ১৭
| চ্যাম্পিয়ন স্টার ১
| ১
| ৩১২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩১২
</div>
|-
| ১৮
| নিয়াজ ইসলাম
| ১
| ৩১০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩১০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ১৯
| MD RADWAN ISLAM
| ৬
| ২৭৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৭৪
</div>
|-
| ২০
| MD RADWAN ISLAM ROHAN
| ৫
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২১
| ShahinurWrites
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২২
| Abdullah Al Shishir
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|}
; পর্যালোচক
{| class="wikitable"
|-
! ক্রম !! নাম !! মোট !! গৃহীত !! বাতিল
|-
| '''১''' || '''Mehedi Abedin''' || '''৪৯''' || ২৯ || ২০
|-
| '''২''' || '''ARI''' || '''২৬''' || ১০ || ১৬
|-
| '''৩''' || '''MS Sakib''' || '''৮''' || ৪ || ৪
|-
| '''৪''' || '''NusJaS''' || '''৬''' || ৪ || ২
|-
| '''৫''' || '''Tahmid''' || '''৬''' || ১ || ৫
|-
| '''৬''' || '''Yahya''' || '''৫''' || ৪ || ১
|-
! মোট || || ১০০ || ৫২ || ৪৮
|}
----
সর্বশেষ হালনাগাদ: ০১:৪৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
nbaggpk1z7kuqy0je2t9ui26zyv9mz4
উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/ফলাফল
4
11865
75365
75329
2026-04-10T13:11:03Z
Nil Nandy
2294
[[Special:Contributions/~2026-22000-46|~2026-22000-46]] ([[User talk:~2026-22000-46|আলাপ]])-এর সম্পাদিত [[Special:Diff/75329|75329]] নম্বর সংশোধনটি বাতিল করা হয়েছে
75365
wikitext
text/x-wiki
''প্রতিযোগিতা সমাপ্ত হওয়ার পর ফলাফল ঘোষণা করা যাবে।''
6nqnd78grg8mwjkcl4hhr0rmzsn7v6z
75608
75365
2026-04-11T08:20:58Z
~2026-22251-24
4897
সুশান্ত মান্ডি ইডিট টিং সুশান্ত মান্ডি উপর
75608
wikitext
text/x-wiki
''প্রতিযোগিতা সমাপ্ত হওয়ার পর ফলাফল ঘোষণা করা যাবে।'
'
rvrhvtmxz3zpssoyher73s7wrj3k2fz
75645
75608
2026-04-11T09:41:10Z
Borhan
964
[[Special:Contributions/~2026-22251-24|~2026-22251-24]] ([[User talk:~2026-22251-24|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Nil Nandy|Nil Nandy]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে
75365
wikitext
text/x-wiki
''প্রতিযোগিতা সমাপ্ত হওয়ার পর ফলাফল ঘোষণা করা যাবে।''
6nqnd78grg8mwjkcl4hhr0rmzsn7v6z
সংবাদ
0
11887
75680
73064
2026-04-11T11:34:05Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
75680
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:সংবাদ|সংবাদ ]]''' হলো সাম্প্রতিক ঘটনাবলির নির্বাচিত তথ্যের এমন এক যোগাযোগ, যা মুদ্রণ, সম্প্রচার, ইন্টারনেট বা মৌখিকভাবে কোনো তৃতীয় পক্ষ বা বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কাছে উপস্থাপন করা হয়। এটি সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহের একগুচ্ছ নির্বাচিত তথ্যের সমষ্টি যা যোগাযোগের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাহায্যে যেমন, সংবাদপত্রের মাধ্যমে, মানুষের মুখে মুখে, ছাপা প্রক্রিয়ায়, পোস্ট করার মাধ্যমে, বেতার ও টিভি সম্প্রচার দ্বারা, দূর যোগাযোগ বা কোন ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য দ্বারা সংবাদ সরবরাহ করা হয়ে থাকে।
== উক্তি ==
* একদিন রজনী সংবাদ পাইল মহেন্দ্র বাড়ি ফিরিয়া আসিতেছে। আহ্লাদে উৎফুল্ল হইয়া উঠিল। কিন্তু তাহার কিসের আহ্লাদ! মহেন্দ্র তো তাহাকে সেই ঘৃণাচক্ষে দেখিবে। তাহা হউক, কিন্তু তাহার জন্য মহেন্দ্র যে গৃহ পরিত্যাগ করিয়া বিদেশে কষ্ট পাইতেছে এ আত্মগ্লানির যন্ত্রণা হইতে অব্যাহতি পাইল—যে কারণেই হউক, মহেন্দ্র যে বিদেশে গিয়া কষ্ট পাইতেছে ইহা রজনীর অতিশয় কষ্টকর হইয়াছিল।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], করুণা, গল্পগুচ্ছ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, চতুর্থ খণ্ড, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯৬৬
* চীনের সাম্রাজ্যবাদী মতলব ছিল শুধু চীনা ধনীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ। আমাদের স্বাধীনতা পাবার ইচ্ছা সকলের মনে আলোকায়িত, ইন্দোচীনের অবস্থাও তাই—অতএব এশিয়া আর পরাধীন থাকবে না। এখন বুঝতে পেরেছি বহুপূর্বে আমি যে ধারণা করেছিলাম তাই ফলবতী হয়েছে। আমরা স্বাধীন হয়েছি এর চেয়ে আনন্দের সংবাদ আর কি হতে পারে?
** [[রামনাথ বিশ্বাস]], কান্দাহার, আফগানিস্থান ভ্রমণ - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- অশোক পুস্তকালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৭
* সংবাদ দেখিতে দেখিতে রাষ্ট্র হইল। অন্তঃপুরে ক্রন্দনধ্বনি উঠিল। রাজা নিভৃত কক্ষে দ্বার রুদ্ধ করিয়া বসিয়া পড়িলেন। জোড়হাতে কহিতে লাগিলেন, “প্রভু, আমি যদি কখনো অপরাধ করি আমাকে মার্জনা করিয়ো না, আমাকে কিছুমাত্র দয়া করিয়ো না। আমাকে আমার পাপের শাস্তি দাও। পাপ করিয়া শাস্তি বহন করা যায়, কিন্তু মার্জনাভার বহন করা যায় না প্রভু!”
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], রাজর্ষি, অষ্টাদশ পরিচ্ছেদ, রাজর্ষি-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৮
* বালক বিদ্যাসাগর বাল্যকালে পাড়ার লোকের বাগানের ফল পাড়িয়া চুপে চুপে খাইতেন; কেহ কাপড় শুখাইতে দিয়াছে দেখিলে, তাহার উপর মলমূত্র ত্যাগ করিতেন। প্রত্যহ পাঠশালায় যাইবার সময় মথুুর মণ্ডল নামক একজন প্রতিবেশীর দ্বারদেশে মলত্যাগ করিতেন। সকল সংবাদ মাতার কর্ণে প্রবেশ করিলে, তিনি বিদ্যাসাগরকে বলিলেন,—'বাপু, তুমি লোকের ছেঁড়া কাপড় দেখিলে, আপনার ভাল কাপড় তাহাকে পরাইয়া, নিজে সেই ছেঁড়া কাপড় পরিয়া বাটিতে আইস, লোকের দুঃখ দেখিলে তুমি মনে এত দুঃখ পাও, আর এরূপ করিয়া লোকের মনে ব্যথা দাও কেন? কোন খাদ্যদ্রব্য হস্তে তাহারা তোমার বিষ্ঠা স্পর্শ করিলে, সেই দ্রব্যগুলি তাহাদিগকে ফেলিয়া দিতে হয়, পুনরায় স্নান করিতে হয়। আহা, তাহাদের কত কষ্ট দেখ দেখি।” শুনা যায়, মাতার এরূপ শিক্ষায় সন্তানের সুফল ফলিয়াছিল।
** প্রিয়দর্শন হালদার, [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর|বিদ্যাসাগর]] জননী ভগবতী দেবী - প্রিয়দর্শন হালদার, কলকাতা, প্রকাশসাল - ১৯১২ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৫
* গবর্ণমেণ্টের কৌন্সেলের বিচারে, হিন্দুশাস্ত্রানুসারে বিধবার পুনর্ব্বার যখন বিবাহ হইতে পারে, তখন বিধবার গর্তজাত পুত্র ঔরসজাত পুত্র বলিয়া, পৈতৃক-সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হইবে, এই ব্যবস্থা বিধিবদ্ধ হইল। ইংরাজী ১৮৫৬ খৃঃ অব্দের ১৩ই জুলাই, এই আইন পাশ হইল। ইহার নাম ১৮৫৬ সালের ১৫ আইন হইল। এই সংবাদে ভারতবর্ষের সকলেই মনে মনে পরম আহ্লাদিত হইলেন। তৎকালে গ্রাণ্ড সাহেব, আইন-পাশ-বিষয়ে আশাতীত সাহায্য করিয়াছিলেন। তজ্জন্য ভারতবাসী হিন্দুমাত্রেই তাঁহার নিকট কৃতজ্ঞতা-পাশে বন্ধ আছেন।
** শম্ভুচন্দ্র বিদ্যারত্ন, বিধবাবিবাহ, বিদ্যাসাগর জীবনচরিত - শম্ভুচন্দ্র বিদ্যারত্ন, সম্পাদনা- ঈশানচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশসাল- ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩২১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২১
* একটী ছিন্নমস্তক কোন এক পুষ্করিণীর ভিতর পাওয়া গিয়াছে। ঐ মস্তকে ঘোর কৃষ্ণবর্ণ সুদীর্ঘ কেশরাশী বর্ত্তমান। আরও সকলে অবগত হইল যে, যদি কোন গৃহস্থের ঐরূপ দীর্ঘকেশী স্ত্রীলোক বাড়ীতে অনুপস্থিত থাকে, তাহা হইলে তিনি যেন তৎক্ষণাৎ থানায় সংবাদ প্রেরণ করেন। এই সংবাদ যে দিবস প্রচারিত হইল, সেই দিবস কোন স্ত্রীলোকেরই অনুপস্থিতি সংবাদ প্রাপ্ত হইলাম না; কিন্তু পর দিবস এক এক করিয়া তিনটী ও তৎপর দিবস দুইটী নিরুদ্দেশের সংবাদ প্রাপ্ত হইলাম। এদিকে ডাক্তার সাহেব স্পিরিট বা অপর কোন দ্রব্য দ্বারা যাহাতে ঐ মস্তকটী কিছু দিবস রক্ষা করিতে পারেন, তাহার সবিশেষ চেষ্টা করিতে লাগিলেন। এই পাঁচটী দীর্ঘকেশী স্ত্রীলোকের নিরুদ্দেশের সংবাদ যাহারা প্রদান করিয়াছিল, সর্ব্বপ্রথমে তাহাদিগকে আনাইয়া সেই দীর্ঘ কেশযুক্ত ছিন্ন মস্তক দেখাইলাম, কেহই সবিশেষ চিনিতে পারিল না।
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:যোগাযোগ]]
qna218bjze06zmwaaxqg98k7qf7eo0r
75681
75680
2026-04-11T11:37:50Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উদ্ধৃতি যোগ
75681
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:সংবাদ|সংবাদ ]]''' হলো সাম্প্রতিক ঘটনাবলির নির্বাচিত তথ্যের এমন এক যোগাযোগ, যা মুদ্রণ, সম্প্রচার, ইন্টারনেট বা মৌখিকভাবে কোনো তৃতীয় পক্ষ বা বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কাছে উপস্থাপন করা হয়। এটি সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহের একগুচ্ছ নির্বাচিত তথ্যের সমষ্টি যা যোগাযোগের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাহায্যে যেমন, সংবাদপত্রের মাধ্যমে, মানুষের মুখে মুখে, ছাপা প্রক্রিয়ায়, পোস্ট করার মাধ্যমে, বেতার ও টিভি সম্প্রচার দ্বারা, দূর যোগাযোগ বা কোন ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য দ্বারা সংবাদ সরবরাহ করা হয়ে থাকে।
== উক্তি ==
* একদিন রজনী সংবাদ পাইল মহেন্দ্র বাড়ি ফিরিয়া আসিতেছে। আহ্লাদে উৎফুল্ল হইয়া উঠিল। কিন্তু তাহার কিসের আহ্লাদ! মহেন্দ্র তো তাহাকে সেই ঘৃণাচক্ষে দেখিবে। তাহা হউক, কিন্তু তাহার জন্য মহেন্দ্র যে গৃহ পরিত্যাগ করিয়া বিদেশে কষ্ট পাইতেছে এ আত্মগ্লানির যন্ত্রণা হইতে অব্যাহতি পাইল—যে কারণেই হউক, মহেন্দ্র যে বিদেশে গিয়া কষ্ট পাইতেছে ইহা রজনীর অতিশয় কষ্টকর হইয়াছিল।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], করুণা, গল্পগুচ্ছ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, চতুর্থ খণ্ড, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯৬৬
* চীনের সাম্রাজ্যবাদী মতলব ছিল শুধু চীনা ধনীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ। আমাদের স্বাধীনতা পাবার ইচ্ছা সকলের মনে আলোকায়িত, ইন্দোচীনের অবস্থাও তাই—অতএব এশিয়া আর পরাধীন থাকবে না। এখন বুঝতে পেরেছি বহুপূর্বে আমি যে ধারণা করেছিলাম তাই ফলবতী হয়েছে। আমরা স্বাধীন হয়েছি এর চেয়ে আনন্দের সংবাদ আর কি হতে পারে?
** [[রামনাথ বিশ্বাস]], কান্দাহার, আফগানিস্থান ভ্রমণ - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- অশোক পুস্তকালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৭
* সংবাদ দেখিতে দেখিতে রাষ্ট্র হইল। অন্তঃপুরে ক্রন্দনধ্বনি উঠিল। রাজা নিভৃত কক্ষে দ্বার রুদ্ধ করিয়া বসিয়া পড়িলেন। জোড়হাতে কহিতে লাগিলেন, “প্রভু, আমি যদি কখনো অপরাধ করি আমাকে মার্জনা করিয়ো না, আমাকে কিছুমাত্র দয়া করিয়ো না। আমাকে আমার পাপের শাস্তি দাও। পাপ করিয়া শাস্তি বহন করা যায়, কিন্তু মার্জনাভার বহন করা যায় না প্রভু!”
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], রাজর্ষি, অষ্টাদশ পরিচ্ছেদ, রাজর্ষি-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৮
* বালক বিদ্যাসাগর বাল্যকালে পাড়ার লোকের বাগানের ফল পাড়িয়া চুপে চুপে খাইতেন; কেহ কাপড় শুখাইতে দিয়াছে দেখিলে, তাহার উপর মলমূত্র ত্যাগ করিতেন। প্রত্যহ পাঠশালায় যাইবার সময় মথুুর মণ্ডল নামক একজন প্রতিবেশীর দ্বারদেশে মলত্যাগ করিতেন। সকল সংবাদ মাতার কর্ণে প্রবেশ করিলে, তিনি বিদ্যাসাগরকে বলিলেন,—'বাপু, তুমি লোকের ছেঁড়া কাপড় দেখিলে, আপনার ভাল কাপড় তাহাকে পরাইয়া, নিজে সেই ছেঁড়া কাপড় পরিয়া বাটিতে আইস, লোকের দুঃখ দেখিলে তুমি মনে এত দুঃখ পাও, আর এরূপ করিয়া লোকের মনে ব্যথা দাও কেন? কোন খাদ্যদ্রব্য হস্তে তাহারা তোমার বিষ্ঠা স্পর্শ করিলে, সেই দ্রব্যগুলি তাহাদিগকে ফেলিয়া দিতে হয়, পুনরায় স্নান করিতে হয়। আহা, তাহাদের কত কষ্ট দেখ দেখি।” শুনা যায়, মাতার এরূপ শিক্ষায় সন্তানের সুফল ফলিয়াছিল।
** প্রিয়দর্শন হালদার, [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর|বিদ্যাসাগর]] জননী ভগবতী দেবী - প্রিয়দর্শন হালদার, কলকাতা, প্রকাশসাল - ১৯১২ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৫
* গবর্ণমেণ্টের কৌন্সেলের বিচারে, হিন্দুশাস্ত্রানুসারে বিধবার পুনর্ব্বার যখন বিবাহ হইতে পারে, তখন বিধবার গর্তজাত পুত্র ঔরসজাত পুত্র বলিয়া, পৈতৃক-সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হইবে, এই ব্যবস্থা বিধিবদ্ধ হইল। ইংরাজী ১৮৫৬ খৃঃ অব্দের ১৩ই জুলাই, এই আইন পাশ হইল। ইহার নাম ১৮৫৬ সালের ১৫ আইন হইল। এই সংবাদে ভারতবর্ষের সকলেই মনে মনে পরম আহ্লাদিত হইলেন। তৎকালে গ্রাণ্ড সাহেব, আইন-পাশ-বিষয়ে আশাতীত সাহায্য করিয়াছিলেন। তজ্জন্য ভারতবাসী হিন্দুমাত্রেই তাঁহার নিকট কৃতজ্ঞতা-পাশে বন্ধ আছেন।
** শম্ভুচন্দ্র বিদ্যারত্ন, বিধবাবিবাহ, বিদ্যাসাগর জীবনচরিত - শম্ভুচন্দ্র বিদ্যারত্ন, সম্পাদনা- ঈশানচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশসাল- ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩২১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২১
* একটী ছিন্নমস্তক কোন এক পুষ্করিণীর ভিতর পাওয়া গিয়াছে। ঐ মস্তকে ঘোর কৃষ্ণবর্ণ সুদীর্ঘ কেশরাশী বর্ত্তমান। আরও সকলে অবগত হইল যে, যদি কোন গৃহস্থের ঐরূপ দীর্ঘকেশী স্ত্রীলোক বাড়ীতে অনুপস্থিত থাকে, তাহা হইলে তিনি যেন তৎক্ষণাৎ থানায় সংবাদ প্রেরণ করেন। এই সংবাদ যে দিবস প্রচারিত হইল, সেই দিবস কোন স্ত্রীলোকেরই অনুপস্থিতি সংবাদ প্রাপ্ত হইলাম না; কিন্তু পর দিবস এক এক করিয়া তিনটী ও তৎপর দিবস দুইটী নিরুদ্দেশের সংবাদ প্রাপ্ত হইলাম। এদিকে ডাক্তার সাহেব স্পিরিট বা অপর কোন দ্রব্য দ্বারা যাহাতে ঐ মস্তকটী কিছু দিবস রক্ষা করিতে পারেন, তাহার সবিশেষ চেষ্টা করিতে লাগিলেন। এই পাঁচটী দীর্ঘকেশী স্ত্রীলোকের নিরুদ্দেশের সংবাদ যাহারা প্রদান করিয়াছিল, সর্ব্বপ্রথমে তাহাদিগকে আনাইয়া সেই দীর্ঘ কেশযুক্ত ছিন্ন মস্তক দেখাইলাম, কেহই সবিশেষ চিনিতে পারিল না।
** [[প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়]], দীর্ঘকেশী, দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ, দীর্ঘকেশী - প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়, প্রকাশক- দারোগার দপ্তর কার্য্যালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭-৮
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:যোগাযোগ]]
8a6wtbjrqim69xcvfjy36nl7nft2hzl
75684
75681
2026-04-11T11:42:50Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
75684
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:সংবাদ|সংবাদ ]]''' হলো সাম্প্রতিক ঘটনাবলির নির্বাচিত তথ্যের এমন এক যোগাযোগ, যা মুদ্রণ, সম্প্রচার, ইন্টারনেট বা মৌখিকভাবে কোনো তৃতীয় পক্ষ বা বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কাছে উপস্থাপন করা হয়। এটি সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহের একগুচ্ছ নির্বাচিত তথ্যের সমষ্টি যা যোগাযোগের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাহায্যে যেমন, সংবাদপত্রের মাধ্যমে, মানুষের মুখে মুখে, ছাপা প্রক্রিয়ায়, পোস্ট করার মাধ্যমে, বেতার ও টিভি সম্প্রচার দ্বারা, দূর যোগাযোগ বা কোন ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য দ্বারা সংবাদ সরবরাহ করা হয়ে থাকে।
== উক্তি ==
* একদিন রজনী সংবাদ পাইল মহেন্দ্র বাড়ি ফিরিয়া আসিতেছে। আহ্লাদে উৎফুল্ল হইয়া উঠিল। কিন্তু তাহার কিসের আহ্লাদ! মহেন্দ্র তো তাহাকে সেই ঘৃণাচক্ষে দেখিবে। তাহা হউক, কিন্তু তাহার জন্য মহেন্দ্র যে গৃহ পরিত্যাগ করিয়া বিদেশে কষ্ট পাইতেছে এ আত্মগ্লানির যন্ত্রণা হইতে অব্যাহতি পাইল—যে কারণেই হউক, মহেন্দ্র যে বিদেশে গিয়া কষ্ট পাইতেছে ইহা রজনীর অতিশয় কষ্টকর হইয়াছিল।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], করুণা, গল্পগুচ্ছ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, চতুর্থ খণ্ড, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯৬৬
* চীনের সাম্রাজ্যবাদী মতলব ছিল শুধু চীনা ধনীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ। আমাদের স্বাধীনতা পাবার ইচ্ছা সকলের মনে আলোকায়িত, ইন্দোচীনের অবস্থাও তাই—অতএব এশিয়া আর পরাধীন থাকবে না। এখন বুঝতে পেরেছি বহুপূর্বে আমি যে ধারণা করেছিলাম তাই ফলবতী হয়েছে। আমরা স্বাধীন হয়েছি এর চেয়ে আনন্দের সংবাদ আর কি হতে পারে?
** [[রামনাথ বিশ্বাস]], কান্দাহার, আফগানিস্থান ভ্রমণ - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- অশোক পুস্তকালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৭
* সংবাদ দেখিতে দেখিতে রাষ্ট্র হইল। অন্তঃপুরে ক্রন্দনধ্বনি উঠিল। রাজা নিভৃত কক্ষে দ্বার রুদ্ধ করিয়া বসিয়া পড়িলেন। জোড়হাতে কহিতে লাগিলেন, “প্রভু, আমি যদি কখনো অপরাধ করি আমাকে মার্জনা করিয়ো না, আমাকে কিছুমাত্র দয়া করিয়ো না। আমাকে আমার পাপের শাস্তি দাও। পাপ করিয়া শাস্তি বহন করা যায়, কিন্তু মার্জনাভার বহন করা যায় না প্রভু!”
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], রাজর্ষি, অষ্টাদশ পরিচ্ছেদ, রাজর্ষি-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৮
* সুভাষবাবু ১৯৩৩ সালের মার্চ্চ হইতে ১৯৩৬ সালের মার্চ্চ পর্যন্ত তিন বৎসর কাল ইউরোপে ছিলেন। এই সুদীর্ঘ কালের মধ্যে তিনি তাঁহার পিতার অসুস্থতার সংবাদ পাইয়া অল্পদিনের জন্য ভারতে আসিয়াছিলেন। ১৯৩৪ খৃষ্টাব্দের ডিসেম্বর মাসের প্রথমে সুভাষবাবুর পিতা জানকী নাথ বসু মহাশয় অত্যন্ত অসুস্থ হইয়া পড়েন। এই সংবাদ পাইয়া সুভাষবাবু আর স্থির থাকিতে পারিলেন না। তিনি অবিলম্বে আকাশপথে ইউরোপ হইতে করাচী আসিয়া উপস্থিত হইলেন। করাচীতে পৌঁছিয়াই তিনি শুনিলেন তাঁহার পিতার মৃত্যু হইয়াছে। এই নিদারুণ সংবাদ প্রাপ্ত হইয়া এবং মৃত্যুকালে পিতার দর্শনলাভে বঞ্চিত হওয়াতে সুভাষচন্দ্র মর্ম্মাহত হইলেন।
* বালক বিদ্যাসাগর বাল্যকালে পাড়ার লোকের বাগানের ফল পাড়িয়া চুপে চুপে খাইতেন; কেহ কাপড় শুখাইতে দিয়াছে দেখিলে, তাহার উপর মলমূত্র ত্যাগ করিতেন। প্রত্যহ পাঠশালায় যাইবার সময় মথুুর মণ্ডল নামক একজন প্রতিবেশীর দ্বারদেশে মলত্যাগ করিতেন। সকল সংবাদ মাতার কর্ণে প্রবেশ করিলে, তিনি বিদ্যাসাগরকে বলিলেন,—'বাপু, তুমি লোকের ছেঁড়া কাপড় দেখিলে, আপনার ভাল কাপড় তাহাকে পরাইয়া, নিজে সেই ছেঁড়া কাপড় পরিয়া বাটিতে আইস, লোকের দুঃখ দেখিলে তুমি মনে এত দুঃখ পাও, আর এরূপ করিয়া লোকের মনে ব্যথা দাও কেন? কোন খাদ্যদ্রব্য হস্তে তাহারা তোমার বিষ্ঠা স্পর্শ করিলে, সেই দ্রব্যগুলি তাহাদিগকে ফেলিয়া দিতে হয়, পুনরায় স্নান করিতে হয়। আহা, তাহাদের কত কষ্ট দেখ দেখি।” শুনা যায়, মাতার এরূপ শিক্ষায় সন্তানের সুফল ফলিয়াছিল।
** প্রিয়দর্শন হালদার, [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর|বিদ্যাসাগর]] জননী ভগবতী দেবী - প্রিয়দর্শন হালদার, কলকাতা, প্রকাশসাল - ১৯১২ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৫
* গবর্ণমেণ্টের কৌন্সেলের বিচারে, হিন্দুশাস্ত্রানুসারে বিধবার পুনর্ব্বার যখন বিবাহ হইতে পারে, তখন বিধবার গর্তজাত পুত্র ঔরসজাত পুত্র বলিয়া, পৈতৃক-সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হইবে, এই ব্যবস্থা বিধিবদ্ধ হইল। ইংরাজী ১৮৫৬ খৃঃ অব্দের ১৩ই জুলাই, এই আইন পাশ হইল। ইহার নাম ১৮৫৬ সালের ১৫ আইন হইল। এই সংবাদে ভারতবর্ষের সকলেই মনে মনে পরম আহ্লাদিত হইলেন। তৎকালে গ্রাণ্ড সাহেব, আইন-পাশ-বিষয়ে আশাতীত সাহায্য করিয়াছিলেন। তজ্জন্য ভারতবাসী হিন্দুমাত্রেই তাঁহার নিকট কৃতজ্ঞতা-পাশে বন্ধ আছেন।
** শম্ভুচন্দ্র বিদ্যারত্ন, বিধবাবিবাহ, বিদ্যাসাগর জীবনচরিত - শম্ভুচন্দ্র বিদ্যারত্ন, সম্পাদনা- ঈশানচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশসাল- ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩২১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২১
* একটী ছিন্নমস্তক কোন এক পুষ্করিণীর ভিতর পাওয়া গিয়াছে। ঐ মস্তকে ঘোর কৃষ্ণবর্ণ সুদীর্ঘ কেশরাশী বর্ত্তমান। আরও সকলে অবগত হইল যে, যদি কোন গৃহস্থের ঐরূপ দীর্ঘকেশী স্ত্রীলোক বাড়ীতে অনুপস্থিত থাকে, তাহা হইলে তিনি যেন তৎক্ষণাৎ থানায় সংবাদ প্রেরণ করেন। এই সংবাদ যে দিবস প্রচারিত হইল, সেই দিবস কোন স্ত্রীলোকেরই অনুপস্থিতি সংবাদ প্রাপ্ত হইলাম না; কিন্তু পর দিবস এক এক করিয়া তিনটী ও তৎপর দিবস দুইটী নিরুদ্দেশের সংবাদ প্রাপ্ত হইলাম। এদিকে ডাক্তার সাহেব স্পিরিট বা অপর কোন দ্রব্য দ্বারা যাহাতে ঐ মস্তকটী কিছু দিবস রক্ষা করিতে পারেন, তাহার সবিশেষ চেষ্টা করিতে লাগিলেন। এই পাঁচটী দীর্ঘকেশী স্ত্রীলোকের নিরুদ্দেশের সংবাদ যাহারা প্রদান করিয়াছিল, সর্ব্বপ্রথমে তাহাদিগকে আনাইয়া সেই দীর্ঘ কেশযুক্ত ছিন্ন মস্তক দেখাইলাম, কেহই সবিশেষ চিনিতে পারিল না।
** [[প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়]], দীর্ঘকেশী, দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ, দীর্ঘকেশী - প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়, প্রকাশক- দারোগার দপ্তর কার্য্যালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭-৮
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:যোগাযোগ]]
2cbsl7ze4f6s1idz0z40kgubkpkjebn
75685
75684
2026-04-11T11:47:27Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উদ্ধৃতি যোগ
75685
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:সংবাদ|সংবাদ ]]''' হলো সাম্প্রতিক ঘটনাবলির নির্বাচিত তথ্যের এমন এক যোগাযোগ, যা মুদ্রণ, সম্প্রচার, ইন্টারনেট বা মৌখিকভাবে কোনো তৃতীয় পক্ষ বা বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কাছে উপস্থাপন করা হয়। এটি সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহের একগুচ্ছ নির্বাচিত তথ্যের সমষ্টি যা যোগাযোগের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাহায্যে যেমন, সংবাদপত্রের মাধ্যমে, মানুষের মুখে মুখে, ছাপা প্রক্রিয়ায়, পোস্ট করার মাধ্যমে, বেতার ও টিভি সম্প্রচার দ্বারা, দূর যোগাযোগ বা কোন ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য দ্বারা সংবাদ সরবরাহ করা হয়ে থাকে।
== উক্তি ==
* একদিন রজনী সংবাদ পাইল মহেন্দ্র বাড়ি ফিরিয়া আসিতেছে। আহ্লাদে উৎফুল্ল হইয়া উঠিল। কিন্তু তাহার কিসের আহ্লাদ! মহেন্দ্র তো তাহাকে সেই ঘৃণাচক্ষে দেখিবে। তাহা হউক, কিন্তু তাহার জন্য মহেন্দ্র যে গৃহ পরিত্যাগ করিয়া বিদেশে কষ্ট পাইতেছে এ আত্মগ্লানির যন্ত্রণা হইতে অব্যাহতি পাইল—যে কারণেই হউক, মহেন্দ্র যে বিদেশে গিয়া কষ্ট পাইতেছে ইহা রজনীর অতিশয় কষ্টকর হইয়াছিল।
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], করুণা, গল্পগুচ্ছ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, চতুর্থ খণ্ড, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯৬৬
* চীনের সাম্রাজ্যবাদী মতলব ছিল শুধু চীনা ধনীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ। আমাদের স্বাধীনতা পাবার ইচ্ছা সকলের মনে আলোকায়িত, ইন্দোচীনের অবস্থাও তাই—অতএব এশিয়া আর পরাধীন থাকবে না। এখন বুঝতে পেরেছি বহুপূর্বে আমি যে ধারণা করেছিলাম তাই ফলবতী হয়েছে। আমরা স্বাধীন হয়েছি এর চেয়ে আনন্দের সংবাদ আর কি হতে পারে?
** [[রামনাথ বিশ্বাস]], কান্দাহার, আফগানিস্থান ভ্রমণ - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- অশোক পুস্তকালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৭
* সংবাদ দেখিতে দেখিতে রাষ্ট্র হইল। অন্তঃপুরে ক্রন্দনধ্বনি উঠিল। রাজা নিভৃত কক্ষে দ্বার রুদ্ধ করিয়া বসিয়া পড়িলেন। জোড়হাতে কহিতে লাগিলেন, “প্রভু, আমি যদি কখনো অপরাধ করি আমাকে মার্জনা করিয়ো না, আমাকে কিছুমাত্র দয়া করিয়ো না। আমাকে আমার পাপের শাস্তি দাও। পাপ করিয়া শাস্তি বহন করা যায়, কিন্তু মার্জনাভার বহন করা যায় না প্রভু!”
** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], রাজর্ষি, অষ্টাদশ পরিচ্ছেদ, রাজর্ষি-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৮
* সুভাষবাবু ১৯৩৩ সালের মার্চ্চ হইতে ১৯৩৬ সালের মার্চ্চ পর্যন্ত তিন বৎসর কাল ইউরোপে ছিলেন। এই সুদীর্ঘ কালের মধ্যে তিনি তাঁহার পিতার অসুস্থতার সংবাদ পাইয়া অল্পদিনের জন্য ভারতে আসিয়াছিলেন। ১৯৩৪ খৃষ্টাব্দের ডিসেম্বর মাসের প্রথমে সুভাষবাবুর পিতা জানকী নাথ বসু মহাশয় অত্যন্ত অসুস্থ হইয়া পড়েন। এই সংবাদ পাইয়া সুভাষবাবু আর স্থির থাকিতে পারিলেন না। তিনি অবিলম্বে আকাশপথে ইউরোপ হইতে করাচী আসিয়া উপস্থিত হইলেন। করাচীতে পৌঁছিয়াই তিনি শুনিলেন তাঁহার পিতার মৃত্যু হইয়াছে। এই নিদারুণ সংবাদ প্রাপ্ত হইয়া এবং মৃত্যুকালে পিতার দর্শনলাভে বঞ্চিত হওয়াতে সুভাষচন্দ্র মর্ম্মাহত হইলেন।
** মহেন্দ্রনাথ গুহ, জানকী বাবুর মৃত্যু, বাঙ্গালীর প্রতিভা ও সুভাষচন্দ্র - মহেন্দ্রনাথ গুহ, প্রকাশসাল- ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫০-৫১
* বালক বিদ্যাসাগর বাল্যকালে পাড়ার লোকের বাগানের ফল পাড়িয়া চুপে চুপে খাইতেন; কেহ কাপড় শুখাইতে দিয়াছে দেখিলে, তাহার উপর মলমূত্র ত্যাগ করিতেন। প্রত্যহ পাঠশালায় যাইবার সময় মথুুর মণ্ডল নামক একজন প্রতিবেশীর দ্বারদেশে মলত্যাগ করিতেন। সকল সংবাদ মাতার কর্ণে প্রবেশ করিলে, তিনি বিদ্যাসাগরকে বলিলেন,—'বাপু, তুমি লোকের ছেঁড়া কাপড় দেখিলে, আপনার ভাল কাপড় তাহাকে পরাইয়া, নিজে সেই ছেঁড়া কাপড় পরিয়া বাটিতে আইস, লোকের দুঃখ দেখিলে তুমি মনে এত দুঃখ পাও, আর এরূপ করিয়া লোকের মনে ব্যথা দাও কেন? কোন খাদ্যদ্রব্য হস্তে তাহারা তোমার বিষ্ঠা স্পর্শ করিলে, সেই দ্রব্যগুলি তাহাদিগকে ফেলিয়া দিতে হয়, পুনরায় স্নান করিতে হয়। আহা, তাহাদের কত কষ্ট দেখ দেখি।” শুনা যায়, মাতার এরূপ শিক্ষায় সন্তানের সুফল ফলিয়াছিল।
** প্রিয়দর্শন হালদার, [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর|বিদ্যাসাগর]] জননী ভগবতী দেবী - প্রিয়দর্শন হালদার, কলকাতা, প্রকাশসাল - ১৯১২ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৫
* গবর্ণমেণ্টের কৌন্সেলের বিচারে, হিন্দুশাস্ত্রানুসারে বিধবার পুনর্ব্বার যখন বিবাহ হইতে পারে, তখন বিধবার গর্তজাত পুত্র ঔরসজাত পুত্র বলিয়া, পৈতৃক-সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হইবে, এই ব্যবস্থা বিধিবদ্ধ হইল। ইংরাজী ১৮৫৬ খৃঃ অব্দের ১৩ই জুলাই, এই আইন পাশ হইল। ইহার নাম ১৮৫৬ সালের ১৫ আইন হইল। এই সংবাদে ভারতবর্ষের সকলেই মনে মনে পরম আহ্লাদিত হইলেন। তৎকালে গ্রাণ্ড সাহেব, আইন-পাশ-বিষয়ে আশাতীত সাহায্য করিয়াছিলেন। তজ্জন্য ভারতবাসী হিন্দুমাত্রেই তাঁহার নিকট কৃতজ্ঞতা-পাশে বন্ধ আছেন।
** শম্ভুচন্দ্র বিদ্যারত্ন, বিধবাবিবাহ, বিদ্যাসাগর জীবনচরিত - শম্ভুচন্দ্র বিদ্যারত্ন, সম্পাদনা- ঈশানচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশসাল- ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩২১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২১
* একটী ছিন্নমস্তক কোন এক পুষ্করিণীর ভিতর পাওয়া গিয়াছে। ঐ মস্তকে ঘোর কৃষ্ণবর্ণ সুদীর্ঘ কেশরাশী বর্ত্তমান। আরও সকলে অবগত হইল যে, যদি কোন গৃহস্থের ঐরূপ দীর্ঘকেশী স্ত্রীলোক বাড়ীতে অনুপস্থিত থাকে, তাহা হইলে তিনি যেন তৎক্ষণাৎ থানায় সংবাদ প্রেরণ করেন। এই সংবাদ যে দিবস প্রচারিত হইল, সেই দিবস কোন স্ত্রীলোকেরই অনুপস্থিতি সংবাদ প্রাপ্ত হইলাম না; কিন্তু পর দিবস এক এক করিয়া তিনটী ও তৎপর দিবস দুইটী নিরুদ্দেশের সংবাদ প্রাপ্ত হইলাম। এদিকে ডাক্তার সাহেব স্পিরিট বা অপর কোন দ্রব্য দ্বারা যাহাতে ঐ মস্তকটী কিছু দিবস রক্ষা করিতে পারেন, তাহার সবিশেষ চেষ্টা করিতে লাগিলেন। এই পাঁচটী দীর্ঘকেশী স্ত্রীলোকের নিরুদ্দেশের সংবাদ যাহারা প্রদান করিয়াছিল, সর্ব্বপ্রথমে তাহাদিগকে আনাইয়া সেই দীর্ঘ কেশযুক্ত ছিন্ন মস্তক দেখাইলাম, কেহই সবিশেষ চিনিতে পারিল না।
** [[প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়]], দীর্ঘকেশী, দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ, দীর্ঘকেশী - প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়, প্রকাশক- দারোগার দপ্তর কার্য্যালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭-৮
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:যোগাযোগ]]
dqshkpacpnar4t5en3s3dvps7w7gddu
অম্লান দত্ত
0
11893
75629
73499
2026-04-11T08:51:11Z
Anaf Ibn Shahibul
4193
75629
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:bn:অম্লান দত্ত|আম্লান দত্ত]]''' (১৯২৪ – ২০১০) ছিলেন একজন বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষাবিদ। তিনি উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
== উক্তি ==
* "মুক্ত সমাজে শৃঙ্খলা আসে ভেতর থেকে, বাইরে থেকে চাপিয়ে দেওয়া অনুশাসনে নয়।"
**ব্যক্তিগত ও নৈর্ব্যক্তিক
*"বিজ্ঞান আমাদের হাতে ক্ষমতা তুলে দেয়, কিন্তু সেই ক্ষমতার ব্যবহার যদি প্রেম ও করুণা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত না হয়, তবে তা ধ্বংস ডেকে আনে।"
**প্রবন্ধ সংগ্রহ
* "ধর্মের নামে যখন মানুষে মানুষে বিভেদ তৈরি হয়, তখন তা আর ধর্ম থাকে না। মানুষের সেবা আর সত্যের অনুসন্ধানই হলো শ্রেষ্ঠ ধর্ম।"
**গান্ধী ও রবীন্দ্রনাথ
* "শুধু কলকারখানা বা ইমারত গড়া প্রগতি নয়। প্রকৃত প্রগতি হলো মানুষের বিবেকের জাগরণ এবং অন্যের প্রতি সংবেদনশীল হওয়া।"
**প্রবন্ধ সংগ্রহ
* "শিক্ষার লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষের মনের জানলাগুলো খুলে দেওয়া, যাতে সে সংকীর্ণতার অন্ধকার থেকে মুক্ত হয়ে বিশ্বপ্রকৃতি ও মানবসমাজকে গ্রহণ করতে পারে।"
**ব্যক্তিগত ও নৈর্ব্যক্তিক
* "গণতন্ত্র কেবল একটি শাসনপ্রণালী নয়, তা এক বিশেষ জীবনদর্শন। এই দর্শনের মূল কথা হলো মানুষের ওপর মানুষের জবরদস্তি নয়, বরং যুক্তিনিষ্ঠ আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো।"
**গান্ধী ও রবীন্দ্রনাথ
== বহিঃসংযোগ ==
{{commonscat|Amlan Datta}}
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি অর্থনীতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০১০-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯২৪-এ জন্ম]]
9zgw040a1dwqfq5w0ujnaqpzg0h9r6k
75631
75629
2026-04-11T08:52:05Z
Anaf Ibn Shahibul
4193
/* বহিঃসংযোগ */
75631
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:bn:অম্লান দত্ত|আম্লান দত্ত]]''' (১৯২৪ – ২০১০) ছিলেন একজন বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষাবিদ। তিনি উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
== উক্তি ==
* "মুক্ত সমাজে শৃঙ্খলা আসে ভেতর থেকে, বাইরে থেকে চাপিয়ে দেওয়া অনুশাসনে নয়।"
**ব্যক্তিগত ও নৈর্ব্যক্তিক
*"বিজ্ঞান আমাদের হাতে ক্ষমতা তুলে দেয়, কিন্তু সেই ক্ষমতার ব্যবহার যদি প্রেম ও করুণা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত না হয়, তবে তা ধ্বংস ডেকে আনে।"
**প্রবন্ধ সংগ্রহ
* "ধর্মের নামে যখন মানুষে মানুষে বিভেদ তৈরি হয়, তখন তা আর ধর্ম থাকে না। মানুষের সেবা আর সত্যের অনুসন্ধানই হলো শ্রেষ্ঠ ধর্ম।"
**গান্ধী ও রবীন্দ্রনাথ
* "শুধু কলকারখানা বা ইমারত গড়া প্রগতি নয়। প্রকৃত প্রগতি হলো মানুষের বিবেকের জাগরণ এবং অন্যের প্রতি সংবেদনশীল হওয়া।"
**প্রবন্ধ সংগ্রহ
* "শিক্ষার লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষের মনের জানলাগুলো খুলে দেওয়া, যাতে সে সংকীর্ণতার অন্ধকার থেকে মুক্ত হয়ে বিশ্বপ্রকৃতি ও মানবসমাজকে গ্রহণ করতে পারে।"
**ব্যক্তিগত ও নৈর্ব্যক্তিক
* "গণতন্ত্র কেবল একটি শাসনপ্রণালী নয়, তা এক বিশেষ জীবনদর্শন। এই দর্শনের মূল কথা হলো মানুষের ওপর মানুষের জবরদস্তি নয়, বরং যুক্তিনিষ্ঠ আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো।"
**গান্ধী ও রবীন্দ্রনাথ
== বহিঃসংযোগ ==
*[https://www.thehindu.com/news/national/Economist-Amlan-Dutta-passes-away/article16815447.ece Economist Amlan Dutta passes away]
{{wikipedia}}
{{commonscat|Amlan Datta}}
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি অর্থনীতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০১০-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯২৪-এ জন্ম]]
b7lqbpyq0xstvo6drf7gilbjnpbmgpo
75632
75631
2026-04-11T08:52:24Z
Anaf Ibn Shahibul
4193
75632
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:bn:অম্লান দত্ত|আম্লান দত্ত]]''' (১৯২৪ – ২০১০) ছিলেন একজন বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষাবিদ। তিনি উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
== উক্তি ==
* "মুক্ত সমাজে শৃঙ্খলা আসে ভেতর থেকে, বাইরে থেকে চাপিয়ে দেওয়া অনুশাসনে নয়।"
**ব্যক্তিগত ও নৈর্ব্যক্তিক
*"বিজ্ঞান আমাদের হাতে ক্ষমতা তুলে দেয়, কিন্তু সেই ক্ষমতার ব্যবহার যদি প্রেম ও করুণা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত না হয়, তবে তা ধ্বংস ডেকে আনে।"
**প্রবন্ধ সংগ্রহ
* "ধর্মের নামে যখন মানুষে মানুষে বিভেদ তৈরি হয়, তখন তা আর ধর্ম থাকে না। মানুষের সেবা আর সত্যের অনুসন্ধানই হলো শ্রেষ্ঠ ধর্ম।"
**গান্ধী ও রবীন্দ্রনাথ
* "শুধু কলকারখানা বা ইমারত গড়া প্রগতি নয়। প্রকৃত প্রগতি হলো মানুষের বিবেকের জাগরণ এবং অন্যের প্রতি সংবেদনশীল হওয়া।"
**প্রবন্ধ সংগ্রহ
* "শিক্ষার লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষের মনের জানলাগুলো খুলে দেওয়া, যাতে সে সংকীর্ণতার অন্ধকার থেকে মুক্ত হয়ে বিশ্বপ্রকৃতি ও মানবসমাজকে গ্রহণ করতে পারে।"
**ব্যক্তিগত ও নৈর্ব্যক্তিক
* "গণতন্ত্র কেবল একটি শাসনপ্রণালী নয়, তা এক বিশেষ জীবনদর্শন। এই দর্শনের মূল কথা হলো মানুষের ওপর মানুষের জবরদস্তি নয়, বরং যুক্তিনিষ্ঠ আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো।"
**গান্ধী ও রবীন্দ্রনাথ
== বহিঃসংযোগ ==
*[https://www.thehindu.com/news/national/Economist-Amlan-Dutta-passes-away/article16815447.ece Economist Amlan Dutta passes away]
{{wikipedia}}
{{commonscat|Amlan Datta}}
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি অর্থনীতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০১০-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯২৪-এ জন্ম]]
7vjtg1hkw3d59eb6rrihhm1vf2pymxn
75635
75632
2026-04-11T08:53:56Z
Anaf Ibn Shahibul
4193
/* বহিঃসংযোগ */
75635
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:bn:অম্লান দত্ত|আম্লান দত্ত]]''' (১৯২৪ – ২০১০) ছিলেন একজন বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষাবিদ। তিনি উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
== উক্তি ==
* "মুক্ত সমাজে শৃঙ্খলা আসে ভেতর থেকে, বাইরে থেকে চাপিয়ে দেওয়া অনুশাসনে নয়।"
**ব্যক্তিগত ও নৈর্ব্যক্তিক
*"বিজ্ঞান আমাদের হাতে ক্ষমতা তুলে দেয়, কিন্তু সেই ক্ষমতার ব্যবহার যদি প্রেম ও করুণা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত না হয়, তবে তা ধ্বংস ডেকে আনে।"
**প্রবন্ধ সংগ্রহ
* "ধর্মের নামে যখন মানুষে মানুষে বিভেদ তৈরি হয়, তখন তা আর ধর্ম থাকে না। মানুষের সেবা আর সত্যের অনুসন্ধানই হলো শ্রেষ্ঠ ধর্ম।"
**গান্ধী ও রবীন্দ্রনাথ
* "শুধু কলকারখানা বা ইমারত গড়া প্রগতি নয়। প্রকৃত প্রগতি হলো মানুষের বিবেকের জাগরণ এবং অন্যের প্রতি সংবেদনশীল হওয়া।"
**প্রবন্ধ সংগ্রহ
* "শিক্ষার লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষের মনের জানলাগুলো খুলে দেওয়া, যাতে সে সংকীর্ণতার অন্ধকার থেকে মুক্ত হয়ে বিশ্বপ্রকৃতি ও মানবসমাজকে গ্রহণ করতে পারে।"
**ব্যক্তিগত ও নৈর্ব্যক্তিক
* "গণতন্ত্র কেবল একটি শাসনপ্রণালী নয়, তা এক বিশেষ জীবনদর্শন। এই দর্শনের মূল কথা হলো মানুষের ওপর মানুষের জবরদস্তি নয়, বরং যুক্তিনিষ্ঠ আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো।"
**গান্ধী ও রবীন্দ্রনাথ
== বহিঃসংযোগ ==
*[https://www.thehindu.com/news/national/Economist-Amlan-Dutta-passes-away/article16815447.ece Economist Amlan Dutta passes away]
* [https://www.epw.in/journal/2010/44-45/letters/amlan-dutta-1924-2010.html Amlan Dutta (1924-2010)]
{{wikipedia}}
{{commonscat|Amlan Datta}}
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি অর্থনীতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০১০-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯২৪-এ জন্ম]]
cbdnneeo086kpthbk7uybamc2v6km76
75638
75635
2026-04-11T08:55:49Z
Anaf Ibn Shahibul
4193
75638
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:bn:অম্লান দত্ত|অম্লান দত্ত]]''' (১৯২৪ – ২০১০) ছিলেন একজন বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষাবিদ। তিনি উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
== উক্তি ==
* "মুক্ত সমাজে শৃঙ্খলা আসে ভেতর থেকে, বাইরে থেকে চাপিয়ে দেওয়া অনুশাসনে নয়।"
**ব্যক্তিগত ও নৈর্ব্যক্তিক
*"বিজ্ঞান আমাদের হাতে ক্ষমতা তুলে দেয়, কিন্তু সেই ক্ষমতার ব্যবহার যদি প্রেম ও করুণা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত না হয়, তবে তা ধ্বংস ডেকে আনে।"
**প্রবন্ধ সংগ্রহ
* "ধর্মের নামে যখন মানুষে মানুষে বিভেদ তৈরি হয়, তখন তা আর ধর্ম থাকে না। মানুষের সেবা আর সত্যের অনুসন্ধানই হলো শ্রেষ্ঠ ধর্ম।"
**গান্ধী ও রবীন্দ্রনাথ
* "শুধু কলকারখানা বা ইমারত গড়া প্রগতি নয়। প্রকৃত প্রগতি হলো মানুষের বিবেকের জাগরণ এবং অন্যের প্রতি সংবেদনশীল হওয়া।"
**প্রবন্ধ সংগ্রহ
* "শিক্ষার লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষের মনের জানলাগুলো খুলে দেওয়া, যাতে সে সংকীর্ণতার অন্ধকার থেকে মুক্ত হয়ে বিশ্বপ্রকৃতি ও মানবসমাজকে গ্রহণ করতে পারে।"
**ব্যক্তিগত ও নৈর্ব্যক্তিক
* "গণতন্ত্র কেবল একটি শাসনপ্রণালী নয়, তা এক বিশেষ জীবনদর্শন। এই দর্শনের মূল কথা হলো মানুষের ওপর মানুষের জবরদস্তি নয়, বরং যুক্তিনিষ্ঠ আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো।"
**গান্ধী ও রবীন্দ্রনাথ
== বহিঃসংযোগ ==
*[https://www.thehindu.com/news/national/Economist-Amlan-Dutta-passes-away/article16815447.ece Economist Amlan Dutta passes away]
* [https://www.epw.in/journal/2010/44-45/letters/amlan-dutta-1924-2010.html Amlan Dutta (1924-2010)]
{{wikipedia}}
{{commonscat|Amlan Datta}}
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি অর্থনীতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০১০-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯২৪-এ জন্ম]]
6j18i8fg2fd1z5jd6kfuncdgpmk5hwi
এ. সি. বেনসন
0
11898
75622
73097
2026-04-11T08:39:53Z
Anaf Ibn Shahibul
4193
/* উক্তি */
75622
wikitext
text/x-wiki
[[File:Bensonac.jpg|thumb|১৮৯৯ সালের দিকে আর্থার ক্রিস্টোফার বেনসন]]
'''[[w:bn:আর্থার ক্রিস্টোফার বেনসন|আর্থার ক্রিস্টোফার বেনসন]]''' ([[২৪ এপ্রিল]] [[১৮৬২]] – [[১৭ জুন]] [[১৯২৫]]) ছিলেন একজন ব্রিটিশ প্রাবন্ধিক, কবি এবং লেখক।
== উক্তি ==
* "সাহিত্যে, শিল্পে কিংবা জীবনে, আমার মনে হয় পৌঁছানোর মতো একমাত্র মূল্যবান সিদ্ধান্ত হলো একান্ত নিজের সিদ্ধান্ত। সেগুলো যদি সমঝদারদের রায়ের সঙ্গে মিলে যায়, তবে সমঝদারদের জন্যই ভালো; আর যদি না মেলে, তবে নিজের জন্যই বরং আরও ভালো।"
** ''ফ্রম আ কলেজ উইন্ডো'', স্মিথ, এল্ডার অ্যান্ড কোং, লন্ডন, ১৯০৬। মারফি, এডওয়ার্ড এফ. রচিত ''ওয়েবস্টার্স ট্রেজারি অব রেলেভেন্ট কোটেশনস'', গ্রিনউইচ হাউস, নিউ ইয়র্ক, ১৯৮৩ (পৃ. ১৬৮)-এ উদ্ধৃত।
* "অধিকার ও কর্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে আনলে ভালো ও সুন্দর জিনিসগুলো সহজেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে।"
** ''এক্সট্র্যাক্টস ফ্রম দ্য লেটারস অব ড. এ. সি. বেনসন টু এম. ই. অ্যালেন'', জারোল্ডস, ১৯২৬। মারফি, এডওয়ার্ড এফ. রচিত ''ওয়েবস্টার্স ট্রেজারি অব রেলেভেন্ট কোটেশনস'', গ্রিনউইচ হাউস, নিউ ইয়র্ক, ১৯৮৩ (পৃ. ২২৮)-এ উদ্ধৃত।
=== ওয়াটারস্প্রিংস (১৯০২) ===
* "আমাকে ভেবে দেখতে হবে," হাসিমুখে বলল মনিকা, "তবে এসব ব্যাপার হুট করে করে ফেলা যায় না—সেটা কিছু না করার চেয়েও খারাপ। বরং এখন কী করবে তা বলি। কয়েকদিনের জন্য মাসি অ্যানের কাছে গিয়ে থাকছ না কেন? আমি জানি তিনি তোমাকে দেখলে খুব খুশি হবেন। আর আমার সবসময়ই মনে হয়েছে সেখানে না যাওয়াটা তোমার এক ধরনের আলসেমি। তিনি চমৎকার একজন নারী, আর জায়গাটাও খুব সুন্দর। তুমি কি কখনো সেখানে গিয়েছ?"
** দ্বিতীয় অধ্যায়, ''রেস্টলেসনেস''।
=== দ্য আইলস অব সানসেট (১৯০৪) ===
* যাদের হৃদয় ও হাত শক্তিতে ভরপুর,<br>তারাই শোনাক বীরত্বের সেই সব উদ্দীপ্ত কাহিনি;<br>আমার এই নিভৃত গীত যদি কেবল পারে,<br>নিস্তব্ধ গোধূলি-বাগানে পথ দেখাতে—তবে তাতেই আমি তৃপ্ত!<br><br>গোপন কূপ থেকে তুলে আনা স্বচ্ছ জল,<br>হয়তো জুড়াতে পারে কোনো জ্বরাক্রান্ত ওষ্ঠের তৃষ্ণা;<br>এ যেন তীর্থযাত্রায় বের হওয়া নবীনদের প্রতি,<br>এক প্রবীণ তীর্থযাত্রীর শোনানো পুরোনো গল্পমালা।<br><br>আমার শব্দরা যেন এমনই এক কোমল পথ আঁকে,<br>আর বহমান জলরাশির সাথে বয়ে চলে নিরন্তর;<br>সাগরের বুক চিরে যেন রেখে যায়,<br>আশা আর ভালোবাসার এক ঝিকিমিকি সিঁড়ি।
** ''প্রোলোগ'' (প্রস্তাবনা)।
=== ল্যান্ড অব হোপ অ্যান্ড গ্লোরি ===
আশা ও গৌরবের দেশ, তুমি স্বাধীনতার জননী,<br>তোমার কোলেই জন্ম আমাদের, কীভাবে গাইব তোমারই স্তুতি?<br>তোমার সীমানা হোক আরও, আরও অনেক বিস্তৃত;<br>যে ঈশ্বর তোমায় করেছেন শক্তিমান, তিনি করুন আরও মহিমান্বিত!
=== এসকেপ, অ্যান্ড আদার এসেস (১৯১৫) ===
* পৃথিবীর সেরা সব গল্প আসলে ঘুরেফিরে একটাই গল্প—আর তা হলো মুক্তির গল্প। সব যুগে সব মানুষের কাছে এটিই একমাত্র কৌতূহলের বিষয়—কীভাবে মুক্তি পাওয়া যায়।
== বহিঃসংযোগ ==
{{Wikipedia}}
[http://rpo.library.utoronto.ca/poet/374.html রিপ্রেজেন্টেটিভ পোয়েট্রি অনলাইন]
{{কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ}}
{{DEFAULTSORT:Benson, Arthur Christopher}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৬২-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯২৫-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংরেজ প্রাবন্ধিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংরেজ কবি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ব্রিটিশ পুরুষ ডায়েরি লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:এলজিবিটি ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]]
[[বিষয়শ্রেণী:রয়েল সোসাইটি অব লিটারেচারের ফেলো]]
m6097u79ctk90z5exv4l3dllpgck5fi
ব্যবহারকারী আলাপ:Anaf Ibn Shahibul
3
11922
75349
75051
2026-04-10T13:01:19Z
Mehedi Abedin
50
/* ফ্রান্সিস কলিন্স */ নতুন অনুচ্ছেদ
75349
wikitext
text/x-wiki
== অম্লান দত্ত ==
পাতাটির বিন্যাস ঠিক নেই। উইকিউক্তির নিবন্ধের বিন্যাস উইকিপিডিয়ার থেকে আলাদা। এখানে আমরা প্রতিটি উক্তির নিচে দুটি বুলেট পয়েন্ট দিয়ে সেটির সূত্র সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করি। বিন্যাস ঠিক করে আমাকে জানালে আমি দেখে গ্রহণ বা বর্জন করবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৯:০৪, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] দুঃখিত আমি এই সম্পর্কে জানতাম না। আমি এটা সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পর্যালোচনা করুন। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:১০, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] পাতাটি আবার পড়েছি। তবে উক্তির সূত্রগুলোর পৃষ্ঠা সংখ্যা দেওয়া নেই কিংবা লিংক দেওয়া নেই। যেহেতু যাচাই করা সম্ভব হচ্ছেনা, তাই নিবন্ধটি গ্রহণ করার জন্য সূত্রগুলো সুস্পষ্ট করতে সেগুলোর সাথে পৃষ্ঠা বা লিংক দেওয়া প্রয়োজন। একটা প্রশ্ন, আপনি সূত্রগুলো কিভাবে পেয়েছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৩৫, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== দিমিত্রি মুরাতভ ==
[[দিমিত্রি মুরাতভ]] নিবন্ধটি সংক্ষিপ্ত নিবন্ধ, জমদানের পূর্বে নিবন্ধটি ভালোভাবে দেখুন। ওপর থেকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে বিভিন্ন চিহ্ন পাল্টে গেছে। "→' হয়ে গেছে ইত্যাদি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৫:২২, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ইংরেজি উইকিউক্তিতেও এটি সংক্ষিপ্ত ছিল এবং আমি "→"-এমন কোনো চিহ্নই দেখছি না। আপনি পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। নিবন্ধটি পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৬:২৩, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::"→"- বলতে বুঝিয়েছ, যেমন '''“enemies of the people.”''' হয়ে গেছে ''''জনগণের শত্রু।''''।
::অর্থাৎ double quote হয়ে গেছে single quote। এগুলো সাধারনত '''যান্ত্রিক অনুবাদের''' ক্ষেত্রে হয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০০:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সংশোধন করা হয়েছে — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৩:৫৫, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] সংশোধনের পরও অনেক ভুল রয়ে গিয়েছিল। যেমন- সূত্রর ফরম্যাট, অনেক উক্তি অসলের চেয়ে সংক্ষিপ্ত।
::::যাই হোক, আমি সংশোধন করে গ্রহণ করে নিয়েছি। আপনি খেয়াল করুন আমি কিভাবে সুত্রগুলো সংশোধন করেছি, পরবর্তীতে ওই ফরম্যাট অনুসরণ করবেন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০৬:৩৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি উইকিউক্তি সম্পর্কে বেশি কিছু জানতাম না। তাই ভুল হয়েছে। দুঃখিত। এরপরের নিবন্ধগুলো আরো মানসম্মত রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৩০, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== অখিলচন্দ্র দত্ত ==
সুধী, [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] নিবন্ধের অধিকাংশ উক্তির সূত্র নেই, যেগুলোর আছে সেগুলোর সূত্র সুস্পষ্ট নয়। আপনি উক্তিগুলো কিভাবে পেয়েছেন আর কোথায় পেয়েছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫১, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] সংশোধন করা হয়েছে! — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== যান্ত্রিক অনুবাদ ==
@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] আপনার অনুবাদকৃত নিবন্ধগুলোতে বিভিন্ন জায়গায় যান্ত্রিক অনুবাদের সাধরনতম বৈশিষ্টগুলো বিদ্যমান। নতুন নিবন্ধ আপাতত তৈরি না করে অনুগ্রহ করে সেগুলো প্রথমে সংশোধন করুন।<br>অন্যথায় [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা#১. এআই ও মেশিন ট্রান্সলেশন নীতি|পর্যালোচনা নীতিমালা]] অনুসারে আপনাকে প্রতিযোগিতা থেকে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ২৩:০৯, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== 01762168902 ==
111000 [[বিশেষ:অবদান/~2026-21999-52|~2026-21999-52]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21999-52|আলাপ]]) ১৬:০৮, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] [[বিশেষ:অবদান/~2026-21999-52|~2026-21999-52]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21999-52|আলাপ]]) ১৬:১০, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:~2026-21999-52|~2026-21999-52]] কি বলতে চাচ্ছেন? বলুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:১৭, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== ফ্রান্সিস কলিন্স ==
[[ফ্রান্সিস কলিন্স]] পাতায় ফিনিশিং দেওয়া নেই৷ অনেক উক্তির জন্য উদ্ধৃত সূত্রের লিংক করা হয়নি। এগুলো ঠিক করে আমাকে জানান। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৩:০১, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
bsc3olomqn0p4gu2vgc5kabsc5f1ici
75603
75349
2026-04-11T08:13:28Z
Anaf Ibn Shahibul
4193
/* ফ্রান্সিস কলিন্স */ উত্তর
75603
wikitext
text/x-wiki
== অম্লান দত্ত ==
পাতাটির বিন্যাস ঠিক নেই। উইকিউক্তির নিবন্ধের বিন্যাস উইকিপিডিয়ার থেকে আলাদা। এখানে আমরা প্রতিটি উক্তির নিচে দুটি বুলেট পয়েন্ট দিয়ে সেটির সূত্র সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করি। বিন্যাস ঠিক করে আমাকে জানালে আমি দেখে গ্রহণ বা বর্জন করবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৯:০৪, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] দুঃখিত আমি এই সম্পর্কে জানতাম না। আমি এটা সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পর্যালোচনা করুন। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:১০, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] পাতাটি আবার পড়েছি। তবে উক্তির সূত্রগুলোর পৃষ্ঠা সংখ্যা দেওয়া নেই কিংবা লিংক দেওয়া নেই। যেহেতু যাচাই করা সম্ভব হচ্ছেনা, তাই নিবন্ধটি গ্রহণ করার জন্য সূত্রগুলো সুস্পষ্ট করতে সেগুলোর সাথে পৃষ্ঠা বা লিংক দেওয়া প্রয়োজন। একটা প্রশ্ন, আপনি সূত্রগুলো কিভাবে পেয়েছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৩৫, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== দিমিত্রি মুরাতভ ==
[[দিমিত্রি মুরাতভ]] নিবন্ধটি সংক্ষিপ্ত নিবন্ধ, জমদানের পূর্বে নিবন্ধটি ভালোভাবে দেখুন। ওপর থেকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে বিভিন্ন চিহ্ন পাল্টে গেছে। "→' হয়ে গেছে ইত্যাদি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৫:২২, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ইংরেজি উইকিউক্তিতেও এটি সংক্ষিপ্ত ছিল এবং আমি "→"-এমন কোনো চিহ্নই দেখছি না। আপনি পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। নিবন্ধটি পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৬:২৩, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::"→"- বলতে বুঝিয়েছ, যেমন '''“enemies of the people.”''' হয়ে গেছে ''''জনগণের শত্রু।''''।
::অর্থাৎ double quote হয়ে গেছে single quote। এগুলো সাধারনত '''যান্ত্রিক অনুবাদের''' ক্ষেত্রে হয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০০:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সংশোধন করা হয়েছে — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৩:৫৫, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] সংশোধনের পরও অনেক ভুল রয়ে গিয়েছিল। যেমন- সূত্রর ফরম্যাট, অনেক উক্তি অসলের চেয়ে সংক্ষিপ্ত।
::::যাই হোক, আমি সংশোধন করে গ্রহণ করে নিয়েছি। আপনি খেয়াল করুন আমি কিভাবে সুত্রগুলো সংশোধন করেছি, পরবর্তীতে ওই ফরম্যাট অনুসরণ করবেন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০৬:৩৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি উইকিউক্তি সম্পর্কে বেশি কিছু জানতাম না। তাই ভুল হয়েছে। দুঃখিত। এরপরের নিবন্ধগুলো আরো মানসম্মত রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৩০, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== অখিলচন্দ্র দত্ত ==
সুধী, [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] নিবন্ধের অধিকাংশ উক্তির সূত্র নেই, যেগুলোর আছে সেগুলোর সূত্র সুস্পষ্ট নয়। আপনি উক্তিগুলো কিভাবে পেয়েছেন আর কোথায় পেয়েছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫১, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] সংশোধন করা হয়েছে! — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== যান্ত্রিক অনুবাদ ==
@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] আপনার অনুবাদকৃত নিবন্ধগুলোতে বিভিন্ন জায়গায় যান্ত্রিক অনুবাদের সাধরনতম বৈশিষ্টগুলো বিদ্যমান। নতুন নিবন্ধ আপাতত তৈরি না করে অনুগ্রহ করে সেগুলো প্রথমে সংশোধন করুন।<br>অন্যথায় [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা#১. এআই ও মেশিন ট্রান্সলেশন নীতি|পর্যালোচনা নীতিমালা]] অনুসারে আপনাকে প্রতিযোগিতা থেকে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ২৩:০৯, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== 01762168902 ==
111000 [[বিশেষ:অবদান/~2026-21999-52|~2026-21999-52]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21999-52|আলাপ]]) ১৬:০৮, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] [[বিশেষ:অবদান/~2026-21999-52|~2026-21999-52]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21999-52|আলাপ]]) ১৬:১০, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:~2026-21999-52|~2026-21999-52]] কি বলতে চাচ্ছেন? বলুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:১৭, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== ফ্রান্সিস কলিন্স ==
[[ফ্রান্সিস কলিন্স]] পাতায় ফিনিশিং দেওয়া নেই৷ অনেক উক্তির জন্য উদ্ধৃত সূত্রের লিংক করা হয়নি। এগুলো ঠিক করে আমাকে জানান। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৩:০১, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমি এটিকে সংশোধন করেছি। তবে ইংরেজি উইকিপিডিয়াতেও ফিনিশিং ঠিকভাবে ছিল না। তবে সূত্রগুলো যুক্ত করেছি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:১৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
hqwf5wcus6o02i111tduvqcgzgur502
75606
75603
2026-04-11T08:20:29Z
Anaf Ibn Shahibul
4193
/* যান্ত্রিক অনুবাদ */ উত্তর
75606
wikitext
text/x-wiki
== অম্লান দত্ত ==
পাতাটির বিন্যাস ঠিক নেই। উইকিউক্তির নিবন্ধের বিন্যাস উইকিপিডিয়ার থেকে আলাদা। এখানে আমরা প্রতিটি উক্তির নিচে দুটি বুলেট পয়েন্ট দিয়ে সেটির সূত্র সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করি। বিন্যাস ঠিক করে আমাকে জানালে আমি দেখে গ্রহণ বা বর্জন করবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৯:০৪, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] দুঃখিত আমি এই সম্পর্কে জানতাম না। আমি এটা সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পর্যালোচনা করুন। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:১০, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] পাতাটি আবার পড়েছি। তবে উক্তির সূত্রগুলোর পৃষ্ঠা সংখ্যা দেওয়া নেই কিংবা লিংক দেওয়া নেই। যেহেতু যাচাই করা সম্ভব হচ্ছেনা, তাই নিবন্ধটি গ্রহণ করার জন্য সূত্রগুলো সুস্পষ্ট করতে সেগুলোর সাথে পৃষ্ঠা বা লিংক দেওয়া প্রয়োজন। একটা প্রশ্ন, আপনি সূত্রগুলো কিভাবে পেয়েছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৩৫, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== দিমিত্রি মুরাতভ ==
[[দিমিত্রি মুরাতভ]] নিবন্ধটি সংক্ষিপ্ত নিবন্ধ, জমদানের পূর্বে নিবন্ধটি ভালোভাবে দেখুন। ওপর থেকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে বিভিন্ন চিহ্ন পাল্টে গেছে। "→' হয়ে গেছে ইত্যাদি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৫:২২, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ইংরেজি উইকিউক্তিতেও এটি সংক্ষিপ্ত ছিল এবং আমি "→"-এমন কোনো চিহ্নই দেখছি না। আপনি পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। নিবন্ধটি পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৬:২৩, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::"→"- বলতে বুঝিয়েছ, যেমন '''“enemies of the people.”''' হয়ে গেছে ''''জনগণের শত্রু।''''।
::অর্থাৎ double quote হয়ে গেছে single quote। এগুলো সাধারনত '''যান্ত্রিক অনুবাদের''' ক্ষেত্রে হয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০০:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সংশোধন করা হয়েছে — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৩:৫৫, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] সংশোধনের পরও অনেক ভুল রয়ে গিয়েছিল। যেমন- সূত্রর ফরম্যাট, অনেক উক্তি অসলের চেয়ে সংক্ষিপ্ত।
::::যাই হোক, আমি সংশোধন করে গ্রহণ করে নিয়েছি। আপনি খেয়াল করুন আমি কিভাবে সুত্রগুলো সংশোধন করেছি, পরবর্তীতে ওই ফরম্যাট অনুসরণ করবেন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০৬:৩৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি উইকিউক্তি সম্পর্কে বেশি কিছু জানতাম না। তাই ভুল হয়েছে। দুঃখিত। এরপরের নিবন্ধগুলো আরো মানসম্মত রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৩০, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== অখিলচন্দ্র দত্ত ==
সুধী, [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] নিবন্ধের অধিকাংশ উক্তির সূত্র নেই, যেগুলোর আছে সেগুলোর সূত্র সুস্পষ্ট নয়। আপনি উক্তিগুলো কিভাবে পেয়েছেন আর কোথায় পেয়েছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫১, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] সংশোধন করা হয়েছে! — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== যান্ত্রিক অনুবাদ ==
@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] আপনার অনুবাদকৃত নিবন্ধগুলোতে বিভিন্ন জায়গায় যান্ত্রিক অনুবাদের সাধরনতম বৈশিষ্টগুলো বিদ্যমান। নতুন নিবন্ধ আপাতত তৈরি না করে অনুগ্রহ করে সেগুলো প্রথমে সংশোধন করুন।<br>অন্যথায় [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা#১. এআই ও মেশিন ট্রান্সলেশন নীতি|পর্যালোচনা নীতিমালা]] অনুসারে আপনাকে প্রতিযোগিতা থেকে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ২৩:০৯, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:[[রবার্ট জে. শিলার]] সংশোধন করেছি। বাকিগুলোও শিঘই সংশোধন করে জানাব।্র — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২০, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== 01762168902 ==
111000 [[বিশেষ:অবদান/~2026-21999-52|~2026-21999-52]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21999-52|আলাপ]]) ১৬:০৮, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] [[বিশেষ:অবদান/~2026-21999-52|~2026-21999-52]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21999-52|আলাপ]]) ১৬:১০, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:~2026-21999-52|~2026-21999-52]] কি বলতে চাচ্ছেন? বলুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:১৭, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== ফ্রান্সিস কলিন্স ==
[[ফ্রান্সিস কলিন্স]] পাতায় ফিনিশিং দেওয়া নেই৷ অনেক উক্তির জন্য উদ্ধৃত সূত্রের লিংক করা হয়নি। এগুলো ঠিক করে আমাকে জানান। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৩:০১, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমি এটিকে সংশোধন করেছি। তবে ইংরেজি উইকিপিডিয়াতেও ফিনিশিং ঠিকভাবে ছিল না। তবে সূত্রগুলো যুক্ত করেছি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:১৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
2rigj2g6usfk533gqwr8ds2losxevgq
75607
75606
2026-04-11T08:20:42Z
Anaf Ibn Shahibul
4193
75607
wikitext
text/x-wiki
== অম্লান দত্ত ==
পাতাটির বিন্যাস ঠিক নেই। উইকিউক্তির নিবন্ধের বিন্যাস উইকিপিডিয়ার থেকে আলাদা। এখানে আমরা প্রতিটি উক্তির নিচে দুটি বুলেট পয়েন্ট দিয়ে সেটির সূত্র সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করি। বিন্যাস ঠিক করে আমাকে জানালে আমি দেখে গ্রহণ বা বর্জন করবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৯:০৪, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] দুঃখিত আমি এই সম্পর্কে জানতাম না। আমি এটা সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পর্যালোচনা করুন। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:১০, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] পাতাটি আবার পড়েছি। তবে উক্তির সূত্রগুলোর পৃষ্ঠা সংখ্যা দেওয়া নেই কিংবা লিংক দেওয়া নেই। যেহেতু যাচাই করা সম্ভব হচ্ছেনা, তাই নিবন্ধটি গ্রহণ করার জন্য সূত্রগুলো সুস্পষ্ট করতে সেগুলোর সাথে পৃষ্ঠা বা লিংক দেওয়া প্রয়োজন। একটা প্রশ্ন, আপনি সূত্রগুলো কিভাবে পেয়েছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৩৫, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== দিমিত্রি মুরাতভ ==
[[দিমিত্রি মুরাতভ]] নিবন্ধটি সংক্ষিপ্ত নিবন্ধ, জমদানের পূর্বে নিবন্ধটি ভালোভাবে দেখুন। ওপর থেকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে বিভিন্ন চিহ্ন পাল্টে গেছে। "→' হয়ে গেছে ইত্যাদি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৫:২২, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ইংরেজি উইকিউক্তিতেও এটি সংক্ষিপ্ত ছিল এবং আমি "→"-এমন কোনো চিহ্নই দেখছি না। আপনি পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। নিবন্ধটি পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৬:২৩, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::"→"- বলতে বুঝিয়েছ, যেমন '''“enemies of the people.”''' হয়ে গেছে ''''জনগণের শত্রু।''''।
::অর্থাৎ double quote হয়ে গেছে single quote। এগুলো সাধারনত '''যান্ত্রিক অনুবাদের''' ক্ষেত্রে হয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০০:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সংশোধন করা হয়েছে — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৩:৫৫, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] সংশোধনের পরও অনেক ভুল রয়ে গিয়েছিল। যেমন- সূত্রর ফরম্যাট, অনেক উক্তি অসলের চেয়ে সংক্ষিপ্ত।
::::যাই হোক, আমি সংশোধন করে গ্রহণ করে নিয়েছি। আপনি খেয়াল করুন আমি কিভাবে সুত্রগুলো সংশোধন করেছি, পরবর্তীতে ওই ফরম্যাট অনুসরণ করবেন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০৬:৩৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি উইকিউক্তি সম্পর্কে বেশি কিছু জানতাম না। তাই ভুল হয়েছে। দুঃখিত। এরপরের নিবন্ধগুলো আরো মানসম্মত রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৩০, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== অখিলচন্দ্র দত্ত ==
সুধী, [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] নিবন্ধের অধিকাংশ উক্তির সূত্র নেই, যেগুলোর আছে সেগুলোর সূত্র সুস্পষ্ট নয়। আপনি উক্তিগুলো কিভাবে পেয়েছেন আর কোথায় পেয়েছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫১, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] সংশোধন করা হয়েছে! — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== যান্ত্রিক অনুবাদ ==
@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] আপনার অনুবাদকৃত নিবন্ধগুলোতে বিভিন্ন জায়গায় যান্ত্রিক অনুবাদের সাধরনতম বৈশিষ্টগুলো বিদ্যমান। নতুন নিবন্ধ আপাতত তৈরি না করে অনুগ্রহ করে সেগুলো প্রথমে সংশোধন করুন।<br>অন্যথায় [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা#১. এআই ও মেশিন ট্রান্সলেশন নীতি|পর্যালোচনা নীতিমালা]] অনুসারে আপনাকে প্রতিযোগিতা থেকে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ২৩:০৯, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:[[রবার্ট জে. শিলার]] সংশোধন করেছি। বাকিগুলোও শিঘই সংশোধন করে জানাব। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২০, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== 01762168902 ==
111000 [[বিশেষ:অবদান/~2026-21999-52|~2026-21999-52]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21999-52|আলাপ]]) ১৬:০৮, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] [[বিশেষ:অবদান/~2026-21999-52|~2026-21999-52]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21999-52|আলাপ]]) ১৬:১০, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:~2026-21999-52|~2026-21999-52]] কি বলতে চাচ্ছেন? বলুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:১৭, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== ফ্রান্সিস কলিন্স ==
[[ফ্রান্সিস কলিন্স]] পাতায় ফিনিশিং দেওয়া নেই৷ অনেক উক্তির জন্য উদ্ধৃত সূত্রের লিংক করা হয়নি। এগুলো ঠিক করে আমাকে জানান। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৩:০১, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমি এটিকে সংশোধন করেছি। তবে ইংরেজি উইকিপিডিয়াতেও ফিনিশিং ঠিকভাবে ছিল না। তবে সূত্রগুলো যুক্ত করেছি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:১৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
lwbw14dn7bbeusozk1zaikjnwyb7qaj
75618
75607
2026-04-11T08:35:39Z
Anaf Ibn Shahibul
4193
/* যান্ত্রিক অনুবাদ */ উত্তর
75618
wikitext
text/x-wiki
== অম্লান দত্ত ==
পাতাটির বিন্যাস ঠিক নেই। উইকিউক্তির নিবন্ধের বিন্যাস উইকিপিডিয়ার থেকে আলাদা। এখানে আমরা প্রতিটি উক্তির নিচে দুটি বুলেট পয়েন্ট দিয়ে সেটির সূত্র সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করি। বিন্যাস ঠিক করে আমাকে জানালে আমি দেখে গ্রহণ বা বর্জন করবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৯:০৪, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] দুঃখিত আমি এই সম্পর্কে জানতাম না। আমি এটা সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পর্যালোচনা করুন। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:১০, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] পাতাটি আবার পড়েছি। তবে উক্তির সূত্রগুলোর পৃষ্ঠা সংখ্যা দেওয়া নেই কিংবা লিংক দেওয়া নেই। যেহেতু যাচাই করা সম্ভব হচ্ছেনা, তাই নিবন্ধটি গ্রহণ করার জন্য সূত্রগুলো সুস্পষ্ট করতে সেগুলোর সাথে পৃষ্ঠা বা লিংক দেওয়া প্রয়োজন। একটা প্রশ্ন, আপনি সূত্রগুলো কিভাবে পেয়েছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৩৫, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== দিমিত্রি মুরাতভ ==
[[দিমিত্রি মুরাতভ]] নিবন্ধটি সংক্ষিপ্ত নিবন্ধ, জমদানের পূর্বে নিবন্ধটি ভালোভাবে দেখুন। ওপর থেকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে বিভিন্ন চিহ্ন পাল্টে গেছে। "→' হয়ে গেছে ইত্যাদি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৫:২২, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ইংরেজি উইকিউক্তিতেও এটি সংক্ষিপ্ত ছিল এবং আমি "→"-এমন কোনো চিহ্নই দেখছি না। আপনি পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। নিবন্ধটি পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৬:২৩, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::"→"- বলতে বুঝিয়েছ, যেমন '''“enemies of the people.”''' হয়ে গেছে ''''জনগণের শত্রু।''''।
::অর্থাৎ double quote হয়ে গেছে single quote। এগুলো সাধারনত '''যান্ত্রিক অনুবাদের''' ক্ষেত্রে হয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০০:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সংশোধন করা হয়েছে — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৩:৫৫, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] সংশোধনের পরও অনেক ভুল রয়ে গিয়েছিল। যেমন- সূত্রর ফরম্যাট, অনেক উক্তি অসলের চেয়ে সংক্ষিপ্ত।
::::যাই হোক, আমি সংশোধন করে গ্রহণ করে নিয়েছি। আপনি খেয়াল করুন আমি কিভাবে সুত্রগুলো সংশোধন করেছি, পরবর্তীতে ওই ফরম্যাট অনুসরণ করবেন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০৬:৩৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি উইকিউক্তি সম্পর্কে বেশি কিছু জানতাম না। তাই ভুল হয়েছে। দুঃখিত। এরপরের নিবন্ধগুলো আরো মানসম্মত রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৩০, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== অখিলচন্দ্র দত্ত ==
সুধী, [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] নিবন্ধের অধিকাংশ উক্তির সূত্র নেই, যেগুলোর আছে সেগুলোর সূত্র সুস্পষ্ট নয়। আপনি উক্তিগুলো কিভাবে পেয়েছেন আর কোথায় পেয়েছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫১, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] সংশোধন করা হয়েছে! — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== যান্ত্রিক অনুবাদ ==
@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] আপনার অনুবাদকৃত নিবন্ধগুলোতে বিভিন্ন জায়গায় যান্ত্রিক অনুবাদের সাধরনতম বৈশিষ্টগুলো বিদ্যমান। নতুন নিবন্ধ আপাতত তৈরি না করে অনুগ্রহ করে সেগুলো প্রথমে সংশোধন করুন।<br>অন্যথায় [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা#১. এআই ও মেশিন ট্রান্সলেশন নীতি|পর্যালোচনা নীতিমালা]] অনুসারে আপনাকে প্রতিযোগিতা থেকে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ২৩:০৯, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:[[রবার্ট জে. শিলার]] সংশোধন করেছি। বাকিগুলোও শিঘই সংশোধন করে জানাব। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২০, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] - [[জন চার্লস পোলানি]] নিবন্ধটি সংশোধিত হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:৩৫, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== 01762168902 ==
111000 [[বিশেষ:অবদান/~2026-21999-52|~2026-21999-52]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21999-52|আলাপ]]) ১৬:০৮, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] [[বিশেষ:অবদান/~2026-21999-52|~2026-21999-52]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21999-52|আলাপ]]) ১৬:১০, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:~2026-21999-52|~2026-21999-52]] কি বলতে চাচ্ছেন? বলুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:১৭, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== ফ্রান্সিস কলিন্স ==
[[ফ্রান্সিস কলিন্স]] পাতায় ফিনিশিং দেওয়া নেই৷ অনেক উক্তির জন্য উদ্ধৃত সূত্রের লিংক করা হয়নি। এগুলো ঠিক করে আমাকে জানান। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৩:০১, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমি এটিকে সংশোধন করেছি। তবে ইংরেজি উইকিপিডিয়াতেও ফিনিশিং ঠিকভাবে ছিল না। তবে সূত্রগুলো যুক্ত করেছি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:১৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
r84gm5vf7kesqth6mic6h0idwe2mu8s
75626
75618
2026-04-11T08:44:15Z
Anaf Ibn Shahibul
4193
/* যান্ত্রিক অনুবাদ */
75626
wikitext
text/x-wiki
== অম্লান দত্ত ==
পাতাটির বিন্যাস ঠিক নেই। উইকিউক্তির নিবন্ধের বিন্যাস উইকিপিডিয়ার থেকে আলাদা। এখানে আমরা প্রতিটি উক্তির নিচে দুটি বুলেট পয়েন্ট দিয়ে সেটির সূত্র সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করি। বিন্যাস ঠিক করে আমাকে জানালে আমি দেখে গ্রহণ বা বর্জন করবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৯:০৪, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] দুঃখিত আমি এই সম্পর্কে জানতাম না। আমি এটা সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পর্যালোচনা করুন। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:১০, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] পাতাটি আবার পড়েছি। তবে উক্তির সূত্রগুলোর পৃষ্ঠা সংখ্যা দেওয়া নেই কিংবা লিংক দেওয়া নেই। যেহেতু যাচাই করা সম্ভব হচ্ছেনা, তাই নিবন্ধটি গ্রহণ করার জন্য সূত্রগুলো সুস্পষ্ট করতে সেগুলোর সাথে পৃষ্ঠা বা লিংক দেওয়া প্রয়োজন। একটা প্রশ্ন, আপনি সূত্রগুলো কিভাবে পেয়েছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৩৫, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== দিমিত্রি মুরাতভ ==
[[দিমিত্রি মুরাতভ]] নিবন্ধটি সংক্ষিপ্ত নিবন্ধ, জমদানের পূর্বে নিবন্ধটি ভালোভাবে দেখুন। ওপর থেকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে বিভিন্ন চিহ্ন পাল্টে গেছে। "→' হয়ে গেছে ইত্যাদি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৫:২২, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ইংরেজি উইকিউক্তিতেও এটি সংক্ষিপ্ত ছিল এবং আমি "→"-এমন কোনো চিহ্নই দেখছি না। আপনি পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। নিবন্ধটি পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৬:২৩, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::"→"- বলতে বুঝিয়েছ, যেমন '''“enemies of the people.”''' হয়ে গেছে ''''জনগণের শত্রু।''''।
::অর্থাৎ double quote হয়ে গেছে single quote। এগুলো সাধারনত '''যান্ত্রিক অনুবাদের''' ক্ষেত্রে হয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০০:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সংশোধন করা হয়েছে — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৩:৫৫, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] সংশোধনের পরও অনেক ভুল রয়ে গিয়েছিল। যেমন- সূত্রর ফরম্যাট, অনেক উক্তি অসলের চেয়ে সংক্ষিপ্ত।
::::যাই হোক, আমি সংশোধন করে গ্রহণ করে নিয়েছি। আপনি খেয়াল করুন আমি কিভাবে সুত্রগুলো সংশোধন করেছি, পরবর্তীতে ওই ফরম্যাট অনুসরণ করবেন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০৬:৩৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি উইকিউক্তি সম্পর্কে বেশি কিছু জানতাম না। তাই ভুল হয়েছে। দুঃখিত। এরপরের নিবন্ধগুলো আরো মানসম্মত রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৩০, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== অখিলচন্দ্র দত্ত ==
সুধী, [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] নিবন্ধের অধিকাংশ উক্তির সূত্র নেই, যেগুলোর আছে সেগুলোর সূত্র সুস্পষ্ট নয়। আপনি উক্তিগুলো কিভাবে পেয়েছেন আর কোথায় পেয়েছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫১, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] সংশোধন করা হয়েছে! — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== যান্ত্রিক অনুবাদ ==
@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] আপনার অনুবাদকৃত নিবন্ধগুলোতে বিভিন্ন জায়গায় যান্ত্রিক অনুবাদের সাধরনতম বৈশিষ্টগুলো বিদ্যমান। নতুন নিবন্ধ আপাতত তৈরি না করে অনুগ্রহ করে সেগুলো প্রথমে সংশোধন করুন।<br>অন্যথায় [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা#১. এআই ও মেশিন ট্রান্সলেশন নীতি|পর্যালোচনা নীতিমালা]] অনুসারে আপনাকে প্রতিযোগিতা থেকে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ২৩:০৯, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:[[রবার্ট জে. শিলার]] সংশোধন করেছি। বাকিগুলোও শিঘই সংশোধন করে জানাব। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২০, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] - [[জন চার্লস পোলানি]], [[লেয়োঁ ফুকো]] ও [[এ. সি. বেনসন]] নিবন্ধগুলো সংশোধিত হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:৩৫, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== 01762168902 ==
111000 [[বিশেষ:অবদান/~2026-21999-52|~2026-21999-52]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21999-52|আলাপ]]) ১৬:০৮, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] [[বিশেষ:অবদান/~2026-21999-52|~2026-21999-52]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21999-52|আলাপ]]) ১৬:১০, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:~2026-21999-52|~2026-21999-52]] কি বলতে চাচ্ছেন? বলুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:১৭, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== ফ্রান্সিস কলিন্স ==
[[ফ্রান্সিস কলিন্স]] পাতায় ফিনিশিং দেওয়া নেই৷ অনেক উক্তির জন্য উদ্ধৃত সূত্রের লিংক করা হয়নি। এগুলো ঠিক করে আমাকে জানান। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৩:০১, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমি এটিকে সংশোধন করেছি। তবে ইংরেজি উইকিপিডিয়াতেও ফিনিশিং ঠিকভাবে ছিল না। তবে সূত্রগুলো যুক্ত করেছি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:১৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
mi58pzncqg2y5ymw26fm415ee1jc643
75674
75626
2026-04-11T10:35:33Z
Oindrojalik Watch
4169
/* vloনি? */ নতুন অনুচ্ছেদ
75674
wikitext
text/x-wiki
== অম্লান দত্ত ==
পাতাটির বিন্যাস ঠিক নেই। উইকিউক্তির নিবন্ধের বিন্যাস উইকিপিডিয়ার থেকে আলাদা। এখানে আমরা প্রতিটি উক্তির নিচে দুটি বুলেট পয়েন্ট দিয়ে সেটির সূত্র সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করি। বিন্যাস ঠিক করে আমাকে জানালে আমি দেখে গ্রহণ বা বর্জন করবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৯:০৪, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] দুঃখিত আমি এই সম্পর্কে জানতাম না। আমি এটা সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পর্যালোচনা করুন। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:১০, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] পাতাটি আবার পড়েছি। তবে উক্তির সূত্রগুলোর পৃষ্ঠা সংখ্যা দেওয়া নেই কিংবা লিংক দেওয়া নেই। যেহেতু যাচাই করা সম্ভব হচ্ছেনা, তাই নিবন্ধটি গ্রহণ করার জন্য সূত্রগুলো সুস্পষ্ট করতে সেগুলোর সাথে পৃষ্ঠা বা লিংক দেওয়া প্রয়োজন। একটা প্রশ্ন, আপনি সূত্রগুলো কিভাবে পেয়েছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৩৫, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== দিমিত্রি মুরাতভ ==
[[দিমিত্রি মুরাতভ]] নিবন্ধটি সংক্ষিপ্ত নিবন্ধ, জমদানের পূর্বে নিবন্ধটি ভালোভাবে দেখুন। ওপর থেকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে বিভিন্ন চিহ্ন পাল্টে গেছে। "→' হয়ে গেছে ইত্যাদি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৫:২২, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ইংরেজি উইকিউক্তিতেও এটি সংক্ষিপ্ত ছিল এবং আমি "→"-এমন কোনো চিহ্নই দেখছি না। আপনি পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। নিবন্ধটি পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৬:২৩, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::"→"- বলতে বুঝিয়েছ, যেমন '''“enemies of the people.”''' হয়ে গেছে ''''জনগণের শত্রু।''''।
::অর্থাৎ double quote হয়ে গেছে single quote। এগুলো সাধারনত '''যান্ত্রিক অনুবাদের''' ক্ষেত্রে হয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০০:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সংশোধন করা হয়েছে — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৩:৫৫, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] সংশোধনের পরও অনেক ভুল রয়ে গিয়েছিল। যেমন- সূত্রর ফরম্যাট, অনেক উক্তি অসলের চেয়ে সংক্ষিপ্ত।
::::যাই হোক, আমি সংশোধন করে গ্রহণ করে নিয়েছি। আপনি খেয়াল করুন আমি কিভাবে সুত্রগুলো সংশোধন করেছি, পরবর্তীতে ওই ফরম্যাট অনুসরণ করবেন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০৬:৩৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি উইকিউক্তি সম্পর্কে বেশি কিছু জানতাম না। তাই ভুল হয়েছে। দুঃখিত। এরপরের নিবন্ধগুলো আরো মানসম্মত রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৩০, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== অখিলচন্দ্র দত্ত ==
সুধী, [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] নিবন্ধের অধিকাংশ উক্তির সূত্র নেই, যেগুলোর আছে সেগুলোর সূত্র সুস্পষ্ট নয়। আপনি উক্তিগুলো কিভাবে পেয়েছেন আর কোথায় পেয়েছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫১, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] সংশোধন করা হয়েছে! — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== যান্ত্রিক অনুবাদ ==
@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] আপনার অনুবাদকৃত নিবন্ধগুলোতে বিভিন্ন জায়গায় যান্ত্রিক অনুবাদের সাধরনতম বৈশিষ্টগুলো বিদ্যমান। নতুন নিবন্ধ আপাতত তৈরি না করে অনুগ্রহ করে সেগুলো প্রথমে সংশোধন করুন।<br>অন্যথায় [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা#১. এআই ও মেশিন ট্রান্সলেশন নীতি|পর্যালোচনা নীতিমালা]] অনুসারে আপনাকে প্রতিযোগিতা থেকে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ২৩:০৯, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:[[রবার্ট জে. শিলার]] সংশোধন করেছি। বাকিগুলোও শিঘই সংশোধন করে জানাব। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২০, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] - [[জন চার্লস পোলানি]], [[লেয়োঁ ফুকো]] ও [[এ. সি. বেনসন]] নিবন্ধগুলো সংশোধিত হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:৩৫, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== 01762168902 ==
111000 [[বিশেষ:অবদান/~2026-21999-52|~2026-21999-52]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21999-52|আলাপ]]) ১৬:০৮, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] [[বিশেষ:অবদান/~2026-21999-52|~2026-21999-52]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21999-52|আলাপ]]) ১৬:১০, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:~2026-21999-52|~2026-21999-52]] কি বলতে চাচ্ছেন? বলুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:১৭, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== ফ্রান্সিস কলিন্স ==
[[ফ্রান্সিস কলিন্স]] পাতায় ফিনিশিং দেওয়া নেই৷ অনেক উক্তির জন্য উদ্ধৃত সূত্রের লিংক করা হয়নি। এগুলো ঠিক করে আমাকে জানান। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৩:০১, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমি এটিকে সংশোধন করেছি। তবে ইংরেজি উইকিপিডিয়াতেও ফিনিশিং ঠিকভাবে ছিল না। তবে সূত্রগুলো যুক্ত করেছি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:১৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== vloনি? ==
[[ইভো আন্দ্রিচ]] [[ইভো আন্দ্রিক]] নামে ২টি পাতা!<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
f82027s2lbjmhtvc0bpljtaf0wgrs2r
75678
75674
2026-04-11T11:11:00Z
Anaf Ibn Shahibul
4193
/* vloনি? */ উত্তর
75678
wikitext
text/x-wiki
== অম্লান দত্ত ==
পাতাটির বিন্যাস ঠিক নেই। উইকিউক্তির নিবন্ধের বিন্যাস উইকিপিডিয়ার থেকে আলাদা। এখানে আমরা প্রতিটি উক্তির নিচে দুটি বুলেট পয়েন্ট দিয়ে সেটির সূত্র সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করি। বিন্যাস ঠিক করে আমাকে জানালে আমি দেখে গ্রহণ বা বর্জন করবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৯:০৪, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] দুঃখিত আমি এই সম্পর্কে জানতাম না। আমি এটা সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পর্যালোচনা করুন। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:১০, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] পাতাটি আবার পড়েছি। তবে উক্তির সূত্রগুলোর পৃষ্ঠা সংখ্যা দেওয়া নেই কিংবা লিংক দেওয়া নেই। যেহেতু যাচাই করা সম্ভব হচ্ছেনা, তাই নিবন্ধটি গ্রহণ করার জন্য সূত্রগুলো সুস্পষ্ট করতে সেগুলোর সাথে পৃষ্ঠা বা লিংক দেওয়া প্রয়োজন। একটা প্রশ্ন, আপনি সূত্রগুলো কিভাবে পেয়েছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৩৫, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== দিমিত্রি মুরাতভ ==
[[দিমিত্রি মুরাতভ]] নিবন্ধটি সংক্ষিপ্ত নিবন্ধ, জমদানের পূর্বে নিবন্ধটি ভালোভাবে দেখুন। ওপর থেকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে বিভিন্ন চিহ্ন পাল্টে গেছে। "→' হয়ে গেছে ইত্যাদি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৫:২২, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ইংরেজি উইকিউক্তিতেও এটি সংক্ষিপ্ত ছিল এবং আমি "→"-এমন কোনো চিহ্নই দেখছি না। আপনি পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। নিবন্ধটি পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৬:২৩, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::"→"- বলতে বুঝিয়েছ, যেমন '''“enemies of the people.”''' হয়ে গেছে ''''জনগণের শত্রু।''''।
::অর্থাৎ double quote হয়ে গেছে single quote। এগুলো সাধারনত '''যান্ত্রিক অনুবাদের''' ক্ষেত্রে হয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০০:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সংশোধন করা হয়েছে — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৩:৫৫, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] সংশোধনের পরও অনেক ভুল রয়ে গিয়েছিল। যেমন- সূত্রর ফরম্যাট, অনেক উক্তি অসলের চেয়ে সংক্ষিপ্ত।
::::যাই হোক, আমি সংশোধন করে গ্রহণ করে নিয়েছি। আপনি খেয়াল করুন আমি কিভাবে সুত্রগুলো সংশোধন করেছি, পরবর্তীতে ওই ফরম্যাট অনুসরণ করবেন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০৬:৩৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি উইকিউক্তি সম্পর্কে বেশি কিছু জানতাম না। তাই ভুল হয়েছে। দুঃখিত। এরপরের নিবন্ধগুলো আরো মানসম্মত রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৩০, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== অখিলচন্দ্র দত্ত ==
সুধী, [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] নিবন্ধের অধিকাংশ উক্তির সূত্র নেই, যেগুলোর আছে সেগুলোর সূত্র সুস্পষ্ট নয়। আপনি উক্তিগুলো কিভাবে পেয়েছেন আর কোথায় পেয়েছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫১, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] সংশোধন করা হয়েছে! — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== যান্ত্রিক অনুবাদ ==
@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] আপনার অনুবাদকৃত নিবন্ধগুলোতে বিভিন্ন জায়গায় যান্ত্রিক অনুবাদের সাধরনতম বৈশিষ্টগুলো বিদ্যমান। নতুন নিবন্ধ আপাতত তৈরি না করে অনুগ্রহ করে সেগুলো প্রথমে সংশোধন করুন।<br>অন্যথায় [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা#১. এআই ও মেশিন ট্রান্সলেশন নীতি|পর্যালোচনা নীতিমালা]] অনুসারে আপনাকে প্রতিযোগিতা থেকে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ২৩:০৯, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:[[রবার্ট জে. শিলার]] সংশোধন করেছি। বাকিগুলোও শিঘই সংশোধন করে জানাব। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২০, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] - [[জন চার্লস পোলানি]], [[লেয়োঁ ফুকো]] ও [[এ. সি. বেনসন]] নিবন্ধগুলো সংশোধিত হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:৩৫, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== 01762168902 ==
111000 [[বিশেষ:অবদান/~2026-21999-52|~2026-21999-52]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21999-52|আলাপ]]) ১৬:০৮, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] [[বিশেষ:অবদান/~2026-21999-52|~2026-21999-52]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21999-52|আলাপ]]) ১৬:১০, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:~2026-21999-52|~2026-21999-52]] কি বলতে চাচ্ছেন? বলুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:১৭, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== ফ্রান্সিস কলিন্স ==
[[ফ্রান্সিস কলিন্স]] পাতায় ফিনিশিং দেওয়া নেই৷ অনেক উক্তির জন্য উদ্ধৃত সূত্রের লিংক করা হয়নি। এগুলো ঠিক করে আমাকে জানান। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৩:০১, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমি এটিকে সংশোধন করেছি। তবে ইংরেজি উইকিপিডিয়াতেও ফিনিশিং ঠিকভাবে ছিল না। তবে সূত্রগুলো যুক্ত করেছি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:১৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== vloনি? ==
[[ইভো আন্দ্রিচ]] [[ইভো আন্দ্রিক]] নামে ২টি পাতা!<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আপনার কথা বুঝলাম না। তবে [[ইভো আন্দ্রিক]] পাতাটি এখন [[ইভো আন্দ্রিচ]] পাতায় পুনঃনির্দেশিত করা হয়েছে। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:১১, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
2pxt6qk5umzqr1wg9i6gd7e2gw6pr0r
75682
75678
2026-04-11T11:41:22Z
~2026-22204-81
4909
/* 2345678 */ নতুন অনুচ্ছেদ
75682
wikitext
text/x-wiki
== অম্লান দত্ত ==
পাতাটির বিন্যাস ঠিক নেই। উইকিউক্তির নিবন্ধের বিন্যাস উইকিপিডিয়ার থেকে আলাদা। এখানে আমরা প্রতিটি উক্তির নিচে দুটি বুলেট পয়েন্ট দিয়ে সেটির সূত্র সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করি। বিন্যাস ঠিক করে আমাকে জানালে আমি দেখে গ্রহণ বা বর্জন করবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৯:০৪, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] দুঃখিত আমি এই সম্পর্কে জানতাম না। আমি এটা সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পর্যালোচনা করুন। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:১০, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] পাতাটি আবার পড়েছি। তবে উক্তির সূত্রগুলোর পৃষ্ঠা সংখ্যা দেওয়া নেই কিংবা লিংক দেওয়া নেই। যেহেতু যাচাই করা সম্ভব হচ্ছেনা, তাই নিবন্ধটি গ্রহণ করার জন্য সূত্রগুলো সুস্পষ্ট করতে সেগুলোর সাথে পৃষ্ঠা বা লিংক দেওয়া প্রয়োজন। একটা প্রশ্ন, আপনি সূত্রগুলো কিভাবে পেয়েছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৩৫, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== দিমিত্রি মুরাতভ ==
[[দিমিত্রি মুরাতভ]] নিবন্ধটি সংক্ষিপ্ত নিবন্ধ, জমদানের পূর্বে নিবন্ধটি ভালোভাবে দেখুন। ওপর থেকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে বিভিন্ন চিহ্ন পাল্টে গেছে। "→' হয়ে গেছে ইত্যাদি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৫:২২, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ইংরেজি উইকিউক্তিতেও এটি সংক্ষিপ্ত ছিল এবং আমি "→"-এমন কোনো চিহ্নই দেখছি না। আপনি পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। নিবন্ধটি পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৬:২৩, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::"→"- বলতে বুঝিয়েছ, যেমন '''“enemies of the people.”''' হয়ে গেছে ''''জনগণের শত্রু।''''।
::অর্থাৎ double quote হয়ে গেছে single quote। এগুলো সাধারনত '''যান্ত্রিক অনুবাদের''' ক্ষেত্রে হয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০০:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সংশোধন করা হয়েছে — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৩:৫৫, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] সংশোধনের পরও অনেক ভুল রয়ে গিয়েছিল। যেমন- সূত্রর ফরম্যাট, অনেক উক্তি অসলের চেয়ে সংক্ষিপ্ত।
::::যাই হোক, আমি সংশোধন করে গ্রহণ করে নিয়েছি। আপনি খেয়াল করুন আমি কিভাবে সুত্রগুলো সংশোধন করেছি, পরবর্তীতে ওই ফরম্যাট অনুসরণ করবেন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০৬:৩৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি উইকিউক্তি সম্পর্কে বেশি কিছু জানতাম না। তাই ভুল হয়েছে। দুঃখিত। এরপরের নিবন্ধগুলো আরো মানসম্মত রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৩০, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== অখিলচন্দ্র দত্ত ==
সুধী, [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] নিবন্ধের অধিকাংশ উক্তির সূত্র নেই, যেগুলোর আছে সেগুলোর সূত্র সুস্পষ্ট নয়। আপনি উক্তিগুলো কিভাবে পেয়েছেন আর কোথায় পেয়েছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫১, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] সংশোধন করা হয়েছে! — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== যান্ত্রিক অনুবাদ ==
@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] আপনার অনুবাদকৃত নিবন্ধগুলোতে বিভিন্ন জায়গায় যান্ত্রিক অনুবাদের সাধরনতম বৈশিষ্টগুলো বিদ্যমান। নতুন নিবন্ধ আপাতত তৈরি না করে অনুগ্রহ করে সেগুলো প্রথমে সংশোধন করুন।<br>অন্যথায় [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা#১. এআই ও মেশিন ট্রান্সলেশন নীতি|পর্যালোচনা নীতিমালা]] অনুসারে আপনাকে প্রতিযোগিতা থেকে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ২৩:০৯, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:[[রবার্ট জে. শিলার]] সংশোধন করেছি। বাকিগুলোও শিঘই সংশোধন করে জানাব। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২০, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] - [[জন চার্লস পোলানি]], [[লেয়োঁ ফুকো]] ও [[এ. সি. বেনসন]] নিবন্ধগুলো সংশোধিত হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:৩৫, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== 01762168902 ==
111000 [[বিশেষ:অবদান/~2026-21999-52|~2026-21999-52]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21999-52|আলাপ]]) ১৬:০৮, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] [[বিশেষ:অবদান/~2026-21999-52|~2026-21999-52]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21999-52|আলাপ]]) ১৬:১০, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:~2026-21999-52|~2026-21999-52]] কি বলতে চাচ্ছেন? বলুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:১৭, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== ফ্রান্সিস কলিন্স ==
[[ফ্রান্সিস কলিন্স]] পাতায় ফিনিশিং দেওয়া নেই৷ অনেক উক্তির জন্য উদ্ধৃত সূত্রের লিংক করা হয়নি। এগুলো ঠিক করে আমাকে জানান। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৩:০১, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমি এটিকে সংশোধন করেছি। তবে ইংরেজি উইকিপিডিয়াতেও ফিনিশিং ঠিকভাবে ছিল না। তবে সূত্রগুলো যুক্ত করেছি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:১৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== vloনি? ==
[[ইভো আন্দ্রিচ]] [[ইভো আন্দ্রিক]] নামে ২টি পাতা!<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আপনার কথা বুঝলাম না। তবে [[ইভো আন্দ্রিক]] পাতাটি এখন [[ইভো আন্দ্রিচ]] পাতায় পুনঃনির্দেশিত করা হয়েছে। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:১১, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== 2345678 ==
Weeirue [[বিশেষ:অবদান/~2026-22204-81|~2026-22204-81]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22204-81|আলাপ]]) ১১:৪১, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
2t5lk7czok5p0iskyce9l5vhupr2p7l
75683
75682
2026-04-11T11:41:27Z
~2026-22204-81
4909
/* 2345678 */ নতুন অনুচ্ছেদ
75683
wikitext
text/x-wiki
== অম্লান দত্ত ==
পাতাটির বিন্যাস ঠিক নেই। উইকিউক্তির নিবন্ধের বিন্যাস উইকিপিডিয়ার থেকে আলাদা। এখানে আমরা প্রতিটি উক্তির নিচে দুটি বুলেট পয়েন্ট দিয়ে সেটির সূত্র সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করি। বিন্যাস ঠিক করে আমাকে জানালে আমি দেখে গ্রহণ বা বর্জন করবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৯:০৪, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] দুঃখিত আমি এই সম্পর্কে জানতাম না। আমি এটা সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পর্যালোচনা করুন। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:১০, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] পাতাটি আবার পড়েছি। তবে উক্তির সূত্রগুলোর পৃষ্ঠা সংখ্যা দেওয়া নেই কিংবা লিংক দেওয়া নেই। যেহেতু যাচাই করা সম্ভব হচ্ছেনা, তাই নিবন্ধটি গ্রহণ করার জন্য সূত্রগুলো সুস্পষ্ট করতে সেগুলোর সাথে পৃষ্ঠা বা লিংক দেওয়া প্রয়োজন। একটা প্রশ্ন, আপনি সূত্রগুলো কিভাবে পেয়েছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৩৫, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== দিমিত্রি মুরাতভ ==
[[দিমিত্রি মুরাতভ]] নিবন্ধটি সংক্ষিপ্ত নিবন্ধ, জমদানের পূর্বে নিবন্ধটি ভালোভাবে দেখুন। ওপর থেকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে বিভিন্ন চিহ্ন পাল্টে গেছে। "→' হয়ে গেছে ইত্যাদি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৫:২২, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ইংরেজি উইকিউক্তিতেও এটি সংক্ষিপ্ত ছিল এবং আমি "→"-এমন কোনো চিহ্নই দেখছি না। আপনি পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। নিবন্ধটি পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৬:২৩, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::"→"- বলতে বুঝিয়েছ, যেমন '''“enemies of the people.”''' হয়ে গেছে ''''জনগণের শত্রু।''''।
::অর্থাৎ double quote হয়ে গেছে single quote। এগুলো সাধারনত '''যান্ত্রিক অনুবাদের''' ক্ষেত্রে হয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০০:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সংশোধন করা হয়েছে — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৩:৫৫, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] সংশোধনের পরও অনেক ভুল রয়ে গিয়েছিল। যেমন- সূত্রর ফরম্যাট, অনেক উক্তি অসলের চেয়ে সংক্ষিপ্ত।
::::যাই হোক, আমি সংশোধন করে গ্রহণ করে নিয়েছি। আপনি খেয়াল করুন আমি কিভাবে সুত্রগুলো সংশোধন করেছি, পরবর্তীতে ওই ফরম্যাট অনুসরণ করবেন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০৬:৩৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি উইকিউক্তি সম্পর্কে বেশি কিছু জানতাম না। তাই ভুল হয়েছে। দুঃখিত। এরপরের নিবন্ধগুলো আরো মানসম্মত রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৩০, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== অখিলচন্দ্র দত্ত ==
সুধী, [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] নিবন্ধের অধিকাংশ উক্তির সূত্র নেই, যেগুলোর আছে সেগুলোর সূত্র সুস্পষ্ট নয়। আপনি উক্তিগুলো কিভাবে পেয়েছেন আর কোথায় পেয়েছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫১, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] সংশোধন করা হয়েছে! — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== যান্ত্রিক অনুবাদ ==
@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] আপনার অনুবাদকৃত নিবন্ধগুলোতে বিভিন্ন জায়গায় যান্ত্রিক অনুবাদের সাধরনতম বৈশিষ্টগুলো বিদ্যমান। নতুন নিবন্ধ আপাতত তৈরি না করে অনুগ্রহ করে সেগুলো প্রথমে সংশোধন করুন।<br>অন্যথায় [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা#১. এআই ও মেশিন ট্রান্সলেশন নীতি|পর্যালোচনা নীতিমালা]] অনুসারে আপনাকে প্রতিযোগিতা থেকে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ২৩:০৯, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:[[রবার্ট জে. শিলার]] সংশোধন করেছি। বাকিগুলোও শিঘই সংশোধন করে জানাব। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২০, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] - [[জন চার্লস পোলানি]], [[লেয়োঁ ফুকো]] ও [[এ. সি. বেনসন]] নিবন্ধগুলো সংশোধিত হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:৩৫, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== 01762168902 ==
111000 [[বিশেষ:অবদান/~2026-21999-52|~2026-21999-52]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21999-52|আলাপ]]) ১৬:০৮, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] [[বিশেষ:অবদান/~2026-21999-52|~2026-21999-52]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-21999-52|আলাপ]]) ১৬:১০, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:~2026-21999-52|~2026-21999-52]] কি বলতে চাচ্ছেন? বলুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:১৭, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== ফ্রান্সিস কলিন্স ==
[[ফ্রান্সিস কলিন্স]] পাতায় ফিনিশিং দেওয়া নেই৷ অনেক উক্তির জন্য উদ্ধৃত সূত্রের লিংক করা হয়নি। এগুলো ঠিক করে আমাকে জানান। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৩:০১, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমি এটিকে সংশোধন করেছি। তবে ইংরেজি উইকিপিডিয়াতেও ফিনিশিং ঠিকভাবে ছিল না। তবে সূত্রগুলো যুক্ত করেছি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:১৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== vloনি? ==
[[ইভো আন্দ্রিচ]] [[ইভো আন্দ্রিক]] নামে ২টি পাতা!<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আপনার কথা বুঝলাম না। তবে [[ইভো আন্দ্রিক]] পাতাটি এখন [[ইভো আন্দ্রিচ]] পাতায় পুনঃনির্দেশিত করা হয়েছে। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:১১, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== 2345678 ==
Weeirue [[বিশেষ:অবদান/~2026-22204-81|~2026-22204-81]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22204-81|আলাপ]]) ১১:৪১, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== 2345678 ==
Weeirue [[বিশেষ:অবদান/~2026-22204-81|~2026-22204-81]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22204-81|আলাপ]]) ১১:৪১, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
cdwqynvzoefoi8b4ns1wrykwk31je6z
ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023
3
11925
75367
74202
2026-04-10T13:21:54Z
Mehedi Abedin
50
/* অড্রে হেপবার্ন */ নতুন অনুচ্ছেদ
75367
wikitext
text/x-wiki
== ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড ==
নিবন্ধটির কিছু বাক্য ও শব্দ পড়ে মনে হয় ভুলভাবে অনুবাদ করা হয়েছে। পাতাটি ভালো করে পড়ে বুঝে বুঝে প্রয়োজন সংশোধন করা প্রয়োজন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৯:১২, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:আমি বেশ কয়েক বার অনুবাদ টি পড়লাম আমার কিন্তু সেরকম কোনো ত্রুটি মনে হয় নি। আপনি যদি প্যারাগ্রাফ উল্লেখ করে বলে দেন আপনার কোথায় ত্রুটি মনে হয়েছে তাহলে সংশোধন করতে সুবিধা হবে।
:ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023#top|আলাপ]]) ০২:৩৪, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] অনুগ্রহ করে আমার উত্তর টি দেখবেন । আগেরবার আপনাকে মেনশন করতে ভুলে গিয়েছিলাম। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023#top|আলাপ]]) ১৬:৩৬, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] কিছু উক্তির বাক্য ইংরেজির আদলে সাজানো বিধায় বিভ্রান্তিকর লাগে। বড় রকমের পরিবর্তন না করে এগুলো ঠিক করা উচিত। যেসব উক্তিগুলোতে কমার অত্যাধিক ব্যবহার আছে সেগুলো খেয়াল করবেন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:৫৮, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনার জন্য অনুরোধ রইল।
:::ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023#top|আলাপ]]) ০৩:৩৬, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== অড্রে হেপবার্ন ==
[[অড্রে হেপবার্ন]] পাতাটিতে ভালোভাবে ফিনিশিং দেওয়া প্রয়োজন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৩:২১, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
dcaaxwrzv87w6qj9s2o3q3ika2e9ihe
75385
75367
2026-04-10T14:17:31Z
Sumanta3023
4175
/* অড্রে হেপবার্ন */ উত্তর
75385
wikitext
text/x-wiki
== ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড ==
নিবন্ধটির কিছু বাক্য ও শব্দ পড়ে মনে হয় ভুলভাবে অনুবাদ করা হয়েছে। পাতাটি ভালো করে পড়ে বুঝে বুঝে প্রয়োজন সংশোধন করা প্রয়োজন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৯:১২, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:আমি বেশ কয়েক বার অনুবাদ টি পড়লাম আমার কিন্তু সেরকম কোনো ত্রুটি মনে হয় নি। আপনি যদি প্যারাগ্রাফ উল্লেখ করে বলে দেন আপনার কোথায় ত্রুটি মনে হয়েছে তাহলে সংশোধন করতে সুবিধা হবে।
:ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023#top|আলাপ]]) ০২:৩৪, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] অনুগ্রহ করে আমার উত্তর টি দেখবেন । আগেরবার আপনাকে মেনশন করতে ভুলে গিয়েছিলাম। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023#top|আলাপ]]) ১৬:৩৬, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] কিছু উক্তির বাক্য ইংরেজির আদলে সাজানো বিধায় বিভ্রান্তিকর লাগে। বড় রকমের পরিবর্তন না করে এগুলো ঠিক করা উচিত। যেসব উক্তিগুলোতে কমার অত্যাধিক ব্যবহার আছে সেগুলো খেয়াল করবেন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:৫৮, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনার জন্য অনুরোধ রইল।
:::ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023#top|আলাপ]]) ০৩:৩৬, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== অড্রে হেপবার্ন ==
[[অড্রে হেপবার্ন]] পাতাটিতে ভালোভাবে ফিনিশিং দেওয়া প্রয়োজন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৩:২১, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] পাতাটিতে একটি জায়গায় দেখবেন উল্লেখ আছে ভুল আরোপ শুরু এবং ভুল আরও শেষ ওই জায়গাটা কিভাবে করব বুঝতে পারছি না।
:একটু সাহায্য করলে ভালো হয় [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023#top|আলাপ]]) ১৪:১৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
lahib3g8cnyillkg8fz4x24u76gb6d4
75391
75385
2026-04-10T14:34:02Z
Sumanta3023
4175
/* অড্রে হেপবার্ন */
75391
wikitext
text/x-wiki
== ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড ==
নিবন্ধটির কিছু বাক্য ও শব্দ পড়ে মনে হয় ভুলভাবে অনুবাদ করা হয়েছে। পাতাটি ভালো করে পড়ে বুঝে বুঝে প্রয়োজন সংশোধন করা প্রয়োজন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৯:১২, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:আমি বেশ কয়েক বার অনুবাদ টি পড়লাম আমার কিন্তু সেরকম কোনো ত্রুটি মনে হয় নি। আপনি যদি প্যারাগ্রাফ উল্লেখ করে বলে দেন আপনার কোথায় ত্রুটি মনে হয়েছে তাহলে সংশোধন করতে সুবিধা হবে।
:ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023#top|আলাপ]]) ০২:৩৪, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] অনুগ্রহ করে আমার উত্তর টি দেখবেন । আগেরবার আপনাকে মেনশন করতে ভুলে গিয়েছিলাম। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023#top|আলাপ]]) ১৬:৩৬, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] কিছু উক্তির বাক্য ইংরেজির আদলে সাজানো বিধায় বিভ্রান্তিকর লাগে। বড় রকমের পরিবর্তন না করে এগুলো ঠিক করা উচিত। যেসব উক্তিগুলোতে কমার অত্যাধিক ব্যবহার আছে সেগুলো খেয়াল করবেন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:৫৮, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনার জন্য অনুরোধ রইল।
:::ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023#top|আলাপ]]) ০৩:৩৬, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== অড্রে হেপবার্ন ==
[[অড্রে হেপবার্ন]] পাতাটিতে ভালোভাবে ফিনিশিং দেওয়া প্রয়োজন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৩:২১, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা অনুরোধ রইলো। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023#top|আলাপ]]) ১৪:১৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
s05ratytr17c5n7o3issquujfbbl3c9
75601
75391
2026-04-11T08:09:23Z
~2026-22075-08
4896
/* 822 */ নতুন অনুচ্ছেদ
75601
wikitext
text/x-wiki
== ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড ==
নিবন্ধটির কিছু বাক্য ও শব্দ পড়ে মনে হয় ভুলভাবে অনুবাদ করা হয়েছে। পাতাটি ভালো করে পড়ে বুঝে বুঝে প্রয়োজন সংশোধন করা প্রয়োজন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৯:১২, ২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:আমি বেশ কয়েক বার অনুবাদ টি পড়লাম আমার কিন্তু সেরকম কোনো ত্রুটি মনে হয় নি। আপনি যদি প্যারাগ্রাফ উল্লেখ করে বলে দেন আপনার কোথায় ত্রুটি মনে হয়েছে তাহলে সংশোধন করতে সুবিধা হবে।
:ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023#top|আলাপ]]) ০২:৩৪, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] অনুগ্রহ করে আমার উত্তর টি দেখবেন । আগেরবার আপনাকে মেনশন করতে ভুলে গিয়েছিলাম। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023#top|আলাপ]]) ১৬:৩৬, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] কিছু উক্তির বাক্য ইংরেজির আদলে সাজানো বিধায় বিভ্রান্তিকর লাগে। বড় রকমের পরিবর্তন না করে এগুলো ঠিক করা উচিত। যেসব উক্তিগুলোতে কমার অত্যাধিক ব্যবহার আছে সেগুলো খেয়াল করবেন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:৫৮, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনার জন্য অনুরোধ রইল।
:::ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023#top|আলাপ]]) ০৩:৩৬, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== অড্রে হেপবার্ন ==
[[অড্রে হেপবার্ন]] পাতাটিতে ভালোভাবে ফিনিশিং দেওয়া প্রয়োজন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৩:২১, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা অনুরোধ রইলো। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023#top|আলাপ]]) ১৪:১৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== 822 ==
[[বিশেষ:অবদান/~2026-22075-08|~2026-22075-08]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22075-08|আলাপ]]) ০৮:০৯, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
hmb42itrzxm8lbcwrfhvevtzestj29l
জন চার্লস পোলানি
0
11930
75615
73206
2026-04-11T08:32:58Z
Anaf Ibn Shahibul
4193
/* উক্তি */যান্ত্রিকতা সংশোধন
75615
wikitext
text/x-wiki
[[File:John C. Polanyi.jpg|thumb|২০১৯ সালে জন পোলানি]]
'''[[w:bn:জন চার্লস পোলানি|জন চার্লস পোলানি]]''' (জন্ম: [[জানুয়ারি ২৩]], [[১৯২৯]]) একজন ইহুদি-হাঙ্গেরীয়-জার্মান-ইংরেজ-কানাডীয় [[রসায়নবিদ]]। রাসায়নিক প্রক্রিয়াগুলোকে আরও ভালোভাবে বোঝার জন্য তাঁর পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং বিক্রিয়া গতিবিদ্যার ক্ষেত্রে তাঁর আবিষ্কারের জন্য তাঁকে ১৯৮৬ সালে [[w:bn:রসায়নে নোবেল পুরস্কার|রসায়নে নোবেল পুরস্কার]] প্রদান করা হয়।
{{বিজ্ঞানী-স্টাব}}
== উক্তি ==
* '''আমরা যখন বিজ্ঞানকে ভয় পাই—যা প্রায়শই আমাদের করতে হয়—তখন আসলে আমরা নিজেদেরই ভয় পাই। জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমেই মানুষের মর্যাদা সবচেয়ে সুরক্ষিত থাকে।'''
** [http://www.utoronto.ca/jpolanyi/nobel_prize/ নোবেল পুরস্কার গ্রহণ অনুষ্ঠান], স্টকহোমে নোবেল ভোজ (১৯৮৬)।
* এমনকি আণবিক জগতেও পরিমিত আচরণের সুসভ্য প্রভাব সত্যিই উদ্যাপনের দাবি রাখে।
** "[http://nobelprize.org/nobel_prizes/chemistry/laureates/1986/polanyi-lecture.pdf রিঅ্যাকশন ডায়নামিক্সের কিছু ধারণা]" (৮ ডিসেম্বর ১৯৮৬), 'নোবেল লেকচার্স', রসায়ন ১৯৮৬, পৃষ্ঠা ৪০৩-এ প্রকাশিত।
* '''বিজ্ঞানে কর্তৃত্ব টিকে থাকে কেবলই প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার জন্য; কারণ প্রচলিত মতের বিরুদ্ধাচরণ থেকেই নিত্যনতুন ধারণার জন্ম হয়।'''
** [http://www.cjfe.org/awards06/speaker_polanyi.html কানাডিয়ান জার্নালিস্টস ফর ফ্রি এক্সপ্রেশন অ্যাওয়ার্ডস ব্যাংকুয়েটে প্রদত্ত ভাষণ, 'দ্য গ্লোব অ্যান্ড মেইল' (২৭ নভেম্বর ২০০৪)]।
* '''পদার্থবিজ্ঞানের নিয়মগুলো বিজ্ঞানকে সম্ভব করে তোলে না, বরং ভৌত জগতের অন্তরালে যে একটি 'মহা নকশা' বা গ্র্যান্ড ডিজাইন রয়েছে—এই অপ্রমাণযোগ্য ধারণাই বিজ্ঞানকে সম্ভব করে তোলে।''' আর এটি যে-সে কোনো নকশা নয়, বরং এমন এক নকশা যা আমাদের মতো প্রজাতির সীমিত ইন্দ্রিয় ও সাধারণ বুদ্ধি দিয়েও বোঝা সম্ভব। এই বিশ্বাসের প্রতি বিজ্ঞানীরা এতটাই অবিচল যে, আবিষ্কারের নেশায় তাঁরা গোটা জীবন উৎসর্গ করতেও কুণ্ঠাবোধ করেন না। এমন জাদুকরী একটি কাজকে সংজ্ঞায়িত করা অসম্ভব—তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। বিজ্ঞানীরা যা করেন, তা-ই বিজ্ঞান। আর তাঁরা যা করেন তা হলো আকাশ, পৃথিবী, সমুদ্র এবং তাবৎ জীবজগতের মাঝে লুকিয়ে থাকা সেইসব বার্তার সন্ধান করা—যা সৃষ্টির অখণ্ডতার কথা বলে। ইতিহাসের ঊষালগ্ন থেকেই এই বার্তাগুলো সেখানে রয়েছে—অদৃশ্য হলেও কখনো কখনো তা যেন দিগন্ত বিস্তৃত অক্ষরে লেখা। কিন্তু আমরা এমন এক যুগ পার করছি যখন হঠাৎ মনে হচ্ছে বিজ্ঞানীরা খুব দ্রুত পড়ার কৌশল রপ্ত করে ফেলেছেন। আবিষ্কারগুলো আসছে অভূতপূর্ব গতিতে। এমন একটি সময়ের পর স্বভাবতই মনে হতে পারে যে, প্রকৃতির যা কিছু পাঠযোগ্য ছিল তার প্রায় সবই হয়তো আমাদের পড়া হয়ে গেছে। এমন ধারণার ব্যাপারে আমাদের সন্দিহান হওয়া উচিত। '''কয়েকটি বার্তা পড়ার সাফল্য অন্যান্য বার্তার প্রতি সাময়িক অন্ধত্ব ডেকে আনে। আমরা ভুলে যাই যে প্রকৃতির বইয়ে কালো কালিতে লেখা শব্দগুলোর ফাঁকেই হয়তো সমান গুরুত্বপূর্ণ কিছু বার্তা সাদা কালিতে লুকিয়ে আছে। এটি ধ্রুব সত্য যে, বিজ্ঞানে তাঁরাই সফল হন যাঁরা সঠিক প্রশ্নটি করতে জানেন।'''
** [http://sites.utoronto.ca/jpolanyi/public_affairs/public_affairs4f.html "দ্য ম্যাজিক অফ সায়েন্স", 'ইম্পেরিয়াল অয়েল রিভিউ' (বসন্ত, ১৯৯৪)]।
== বহিঃসংযোগ ==
{{wikipedia}}
* [http://www.utoronto.ca/ দাপ্তরিক ওয়েবসাইট]
{{DEFAULTSORT:পোলানি, জন}}
[[বিষয়শ্রেণী:হাঙ্গেরির বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:বার্লিনের ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:জার্মানির ইহুদি ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:রসায়নে নোবেল বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:কানাডার ইহুদি ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:কানাডার রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:জার্মানির রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯২৯-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:কানাডার নোবেল বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:রসায়নে উলফ পুরস্কার বিজয়ী]]
tdocl8brmgiccpby79kzyp79onb5n3r
লেয়োঁ ফুকো
0
11933
75623
73208
2026-04-11T08:41:28Z
Anaf Ibn Shahibul
4193
75623
wikitext
text/x-wiki
[[File:Foucault 01.png|thumb|right|বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে কার্যকর অবদান রাখার জন্য, কখনও কখনও সাধারণ যাচাইকরণের কাজকে অবজ্ঞা করা উচিত নয়।]]
'''[[w:bn:লিয়ন ফুকো|জঁ বের্নার্ড লিয়ন ফুকো]]''' ([[সেপ্টেম্বর ১৮]], [[১৮১৯]] – [[ফেব্রুয়ারি ১১]], [[১৮৬৮]]) ছিলেন একজন ফরাসি পদার্থবিদ, যিনি মূলত [[w:bn:ফুকোর দোলক|ফুকোর দোলক]] আবিষ্কারের জন্য সর্বাধিক পরিচিত—এটি এমন একটি যন্ত্র যা পৃথিবীর ঘূর্ণন প্রদর্শন করে। তিনি আলোর গতির একটি প্রাথমিক পরিমাপও করেছিলেন, [[w:bn:এডি কারেন্ট|এডি কারেন্ট]] আবিষ্কার করেছিলেন এবং যদিও তিনি এটি আবিষ্কার করেননি, তবুও [[w:bn:জাইরোস্কোপ|জাইরোস্কোপ]]-এর নামকরণের কৃতিত্ব তাঁকে দেওয়া হয়। চাঁদের [[w:bn:ফুকো খাদ|ফুকো খাদ]] তাঁর নামানুসারে নামকরণ করা হয়েছে।
{{পদার্থবিজ্ঞানী-স্টাব}}
== উক্তি ==
[[File:Foucault pendulum animated.gif|thumb|right|ঘটনাটি শান্তভাবে বিকশিত হয়, কিন্তু এটি অদৃশ্য এবং অপ্রতিরোধ্য।]]
* '''সবকিছুর ঊর্ধ্বে, আমাদের অবশ্যই নির্ভুল হতে হবে, এবং এটি এমন একটি বাধ্যবাধকতা যা আমরা অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পূরণ করতে চাই।'''
** 'জার্নাল দে দেবাতস' (Journal des débats), ৩০ মে, ১৮৪৮।
* '''আগামীকাল, তিনটা থেকে পাঁচটার মধ্যে, প্যারিস মানমন্দিরের মেরিডিয়ান হলে, পৃথিবী কীভাবে ঘুরছে তা দেখার জন্য আপনাকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।'''
** ৩ ফেব্রুয়ারি ১৮৫১ সালে তাঁর বিখ্যাত দোলক পরীক্ষার সাক্ষী হতে প্যারিসের বিজ্ঞানীদের কাছে পাঠানো আমন্ত্রণপত্র; আমির ডি. আকজেলের 'পেন্ডুলাম: লিয়ন ফুকো অ্যান্ড দ্য ট্রায়াম্ফ অফ সায়েন্স' (২০০৩) থেকে উদ্ধৃত।
* '''ঘটনাটি শান্তভাবে বিকশিত হয়, কিন্তু এটি অদৃশ্য এবং অপ্রতিরোধ্য।''' একজন মানুষ অনুভব করতে পারেন, দেখতে পান এটি কীভাবে জন্ম নেয় এবং স্থিরভাবে বৃদ্ধি পায়; এবং একে ত্বরান্বিত বা ধীর করা কারও ক্ষমতার মধ্যে নেই। এই ঘটনার সম্মুখীন হওয়া যেকোনো ব্যক্তি কয়েক মুহূর্তের জন্য থেমে যান এবং চিন্তামগ্ন ও নির্বাক হয়ে পড়েন; এবং তারপর মহাশূন্যের মধ্য দিয়ে আমাদের অবিরাম গতির এক তীক্ষ্ণ ও গভীর অনুভূতি চিরকালের জন্য নিজের সাথে নিয়ে ফিরে যান।
** তাঁর দোলক পরীক্ষা সম্পর্কে; আমির ডি. আকজেলের 'পেন্ডুলাম: লিয়ন ফুকো অ্যান্ড দ্য ট্রায়াম্ফ অফ সায়েন্স' (২০০৩) থেকে উদ্ধৃত।
* '''বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে কার্যকর অবদান রাখার জন্য, কখনও কখনও সাধারণ যাচাইকরণের কাজকে অবজ্ঞা করা উচিত নয়।'''
** উইলিয়াম টোবিনের 'দ্য লাইফ অ্যান্ড সায়েন্স অফ লিয়ন ফুকো: দ্য ম্যান হু প্রুভড দ্য আর্থ রোটেটস' (২০০৩), পৃষ্ঠা ৭২ থেকে উদ্ধৃত।
* প্রকৃত বৈজ্ঞানিক চেতনায় উজ্জীবিত মানুষেরা যেন এই বিশ্বাস করা বন্ধ করেন যে তাঁরা কেবল জনকল্যাণমূলক বিষয়গুলো নিয়েই ভাবতে বাধ্য; ...কারণ, এটা লুকানো উচিত নয় যে, প্রয়োগের ক্ষেত্র—যা আজ এত সমৃদ্ধ ও উর্বর—তাত্ত্বিক গবেষণার মাধ্যমে প্রতিনিয়ত যে উপকারী আলো বিকিরিত ও বর্ষিত হয়, তার দ্বারা নিষিক্ত ও পুনরুজ্জীবিত হওয়া বন্ধ হলে, খুব দ্রুতই তা বন্ধ্যাত্বের অভিশাপে ম্লান হয়ে যাবে।
** উইলিয়াম টোবিনের 'দ্য লাইফ অ্যান্ড সায়েন্স অফ লিয়ন ফুকো: দ্য ম্যান হু প্রুভড দ্য আর্থ রোটেটস' (২০০৩), পৃষ্ঠা ৯৩ থেকে উদ্ধৃত।
== ফুকো সম্পর্কে উক্তি ==
* ২৫ বছর বয়সে, স্কুলে বা বই থেকে তেমন কিছু না শিখেও, বিজ্ঞান সম্পর্কে আগ্রহী কিন্তু পড়াশোনায় নয়, এমন লিয়ন ফুকো বিজ্ঞানীদের কাজকে সাধারণ মানুষের কাছে বোধগম্য করে তোলার এবং শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানীদের কাজের মূল্যায়ন করার দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। '''শুরু থেকেই তিনি অত্যন্ত সূক্ষ্মতা এবং প্রত্যাশার চেয়েও বেশি বিচক্ষণতার ওপর ভিত্তি করে ভালো বিচারবোধ প্রদর্শন করেছিলেন। তাঁর প্রথম দিকের প্রবন্ধগুলো ছিল অসাধারণ; সেগুলো ছিল আধ্যাত্মিক। তিনি তাঁর দায়িত্বকে গুরুত্বের সাথে নিয়েছিলেন। কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই, সমস্ত বিভ্রান্তি ও সমস্যাসহ বিজ্ঞানের সর্বোচ্চ স্তরে প্রবেশ করে, তিনি সম্পূর্ণ সাফল্যের সাথে এমন একটি ভূমিকা পালন করেছিলেন যেখানে মাঝারি মানের কাজ মানেই ব্যর্থতা হিসেবে গণ্য হতো।''' <br> … সর্বদা বিনয়ী, অথচ সত্যের সন্ধানী, ফুকো সতর্কতার সাথে বিবেচিত রায় প্রয়োগ করতেন। '''পূর্বে অপরিচিত, কোনো বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা বা পরিচিত আবিষ্কারবিহীন এই যুবক এমন একটি শান্ত কর্তৃত্ব এবং স্পষ্টবাদিতা প্রদর্শন করেছিলেন, যা অনেক শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানীকে বিরক্ত করেছিল।'''
** জোসেফ লুই ফ্রাঁসোয়া বার্ট্রান্ড, 'Éloge historique de Léon Foucault' (১৮৮২)।
== বহিঃসংযোগ ==
{{wikipedia|জাঁ বার্নার্ড লিওঁ ফুকো}}
* [http://www-history.mcs.st-andrews.ac.uk/Biographies/Foucault.html ইউনিভার্সিটি অফ সেন্ট অ্যান্ড্রুজ-এ প্রোফাইল]
* [http://micro.magnet.fsu.edu/optics/timeline/people/foucault.html ফ্লোরিডা স্টেট ইউনিভার্সিটি-এ প্রোফাইল]
{{DEFAULTSORT:ফুকো, লিয়ন}}
[[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের পদার্থবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮১৯-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৬৮-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের ক্যাথলিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্যারিসের ব্যক্তি]]
b7qxexg7nv08bwio219cov2bn8oqfg4
75624
75623
2026-04-11T08:41:54Z
Anaf Ibn Shahibul
4193
75624
wikitext
text/x-wiki
[[File:Foucault 01.png|thumb|right|বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে কার্যকর অবদান রাখার জন্য, কখনও কখনও সাধারণ যাচাইকরণের কাজকে অবজ্ঞা করা উচিত নয়।]]
'''[[w:bn:লিয়ন ফুকো|জঁ বের্নার্ড লিয়ন ফুকো]]''' ([[সেপ্টেম্বর ১৮]], [[১৮১৯]] – [[ফেব্রুয়ারি ১১]], [[১৮৬৮]]) ছিলেন একজন ফরাসি পদার্থবিদ, যিনি মূলত [[w:bn:ফুকোর দোলক|ফুকোর দোলক]] আবিষ্কারের জন্য সর্বাধিক পরিচিত—এটি এমন একটি যন্ত্র যা পৃথিবীর ঘূর্ণন প্রদর্শন করে। তিনি আলোর গতির একটি প্রাথমিক পরিমাপও করেছিলেন, [[w:bn:এডি কারেন্ট|এডি কারেন্ট]] আবিষ্কার করেছিলেন এবং যদিও তিনি এটি আবিষ্কার করেননি, তবুও [[w:bn:জাইরোস্কোপ|জাইরোস্কোপ]]-এর নামকরণের কৃতিত্ব তাঁকে দেওয়া হয়। চাঁদের [[w:bn:ফুকো খাদ|ফুকো খাদ]] তাঁর নামানুসারে নামকরণ করা হয়েছে।
{{পদার্থবিজ্ঞানী-স্টাব}}
== উক্তি ==
[[File:Foucault pendulum animated.gif|thumb|right|ঘটনাটি শান্তভাবে বিকশিত হয়, কিন্তু এটি অদৃশ্য এবং অপ্রতিরোধ্য।]]
* '''সবকিছুর ঊর্ধ্বে, আমাদের অবশ্যই নির্ভুল হতে হবে, এবং এটি এমন একটি বাধ্যবাধকতা যা আমরা অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পূরণ করতে চাই।'''
** 'জার্নাল দে দেবাতস', ৩০ মে, ১৮৪৮।
* '''আগামীকাল, তিনটা থেকে পাঁচটার মধ্যে, প্যারিস মানমন্দিরের মেরিডিয়ান হলে, পৃথিবী কীভাবে ঘুরছে তা দেখার জন্য আপনাকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।'''
** ৩ ফেব্রুয়ারি ১৮৫১ সালে তাঁর বিখ্যাত দোলক পরীক্ষার সাক্ষী হতে প্যারিসের বিজ্ঞানীদের কাছে পাঠানো আমন্ত্রণপত্র; আমির ডি. আকজেলের 'পেন্ডুলাম: লিয়ন ফুকো অ্যান্ড দ্য ট্রায়াম্ফ অফ সায়েন্স' (২০০৩) থেকে উদ্ধৃত।
* '''ঘটনাটি শান্তভাবে বিকশিত হয়, কিন্তু এটি অদৃশ্য এবং অপ্রতিরোধ্য।''' একজন মানুষ অনুভব করতে পারেন, দেখতে পান এটি কীভাবে জন্ম নেয় এবং স্থিরভাবে বৃদ্ধি পায়; এবং একে ত্বরান্বিত বা ধীর করা কারও ক্ষমতার মধ্যে নেই। এই ঘটনার সম্মুখীন হওয়া যেকোনো ব্যক্তি কয়েক মুহূর্তের জন্য থেমে যান এবং চিন্তামগ্ন ও নির্বাক হয়ে পড়েন; এবং তারপর মহাশূন্যের মধ্য দিয়ে আমাদের অবিরাম গতির এক তীক্ষ্ণ ও গভীর অনুভূতি চিরকালের জন্য নিজের সাথে নিয়ে ফিরে যান।
** তাঁর দোলক পরীক্ষা সম্পর্কে; আমির ডি. আকজেলের 'পেন্ডুলাম: লিয়ন ফুকো অ্যান্ড দ্য ট্রায়াম্ফ অফ সায়েন্স' (২০০৩) থেকে উদ্ধৃত।
* '''বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে কার্যকর অবদান রাখার জন্য, কখনও কখনও সাধারণ যাচাইকরণের কাজকে অবজ্ঞা করা উচিত নয়।'''
** উইলিয়াম টোবিনের 'দ্য লাইফ অ্যান্ড সায়েন্স অফ লিয়ন ফুকো: দ্য ম্যান হু প্রুভড দ্য আর্থ রোটেটস' (২০০৩), পৃষ্ঠা ৭২ থেকে উদ্ধৃত।
* প্রকৃত বৈজ্ঞানিক চেতনায় উজ্জীবিত মানুষেরা যেন এই বিশ্বাস করা বন্ধ করেন যে তাঁরা কেবল জনকল্যাণমূলক বিষয়গুলো নিয়েই ভাবতে বাধ্য; ...কারণ, এটা লুকানো উচিত নয় যে, প্রয়োগের ক্ষেত্র—যা আজ এত সমৃদ্ধ ও উর্বর—তাত্ত্বিক গবেষণার মাধ্যমে প্রতিনিয়ত যে উপকারী আলো বিকিরিত ও বর্ষিত হয়, তার দ্বারা নিষিক্ত ও পুনরুজ্জীবিত হওয়া বন্ধ হলে, খুব দ্রুতই তা বন্ধ্যাত্বের অভিশাপে ম্লান হয়ে যাবে।
** উইলিয়াম টোবিনের 'দ্য লাইফ অ্যান্ড সায়েন্স অফ লিয়ন ফুকো: দ্য ম্যান হু প্রুভড দ্য আর্থ রোটেটস' (২০০৩), পৃষ্ঠা ৯৩ থেকে উদ্ধৃত।
== ফুকো সম্পর্কে উক্তি ==
* ২৫ বছর বয়সে, স্কুলে বা বই থেকে তেমন কিছু না শিখেও, বিজ্ঞান সম্পর্কে আগ্রহী কিন্তু পড়াশোনায় নয়, এমন লিয়ন ফুকো বিজ্ঞানীদের কাজকে সাধারণ মানুষের কাছে বোধগম্য করে তোলার এবং শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানীদের কাজের মূল্যায়ন করার দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। '''শুরু থেকেই তিনি অত্যন্ত সূক্ষ্মতা এবং প্রত্যাশার চেয়েও বেশি বিচক্ষণতার ওপর ভিত্তি করে ভালো বিচারবোধ প্রদর্শন করেছিলেন। তাঁর প্রথম দিকের প্রবন্ধগুলো ছিল অসাধারণ; সেগুলো ছিল আধ্যাত্মিক। তিনি তাঁর দায়িত্বকে গুরুত্বের সাথে নিয়েছিলেন। কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই, সমস্ত বিভ্রান্তি ও সমস্যাসহ বিজ্ঞানের সর্বোচ্চ স্তরে প্রবেশ করে, তিনি সম্পূর্ণ সাফল্যের সাথে এমন একটি ভূমিকা পালন করেছিলেন যেখানে মাঝারি মানের কাজ মানেই ব্যর্থতা হিসেবে গণ্য হতো।''' <br> … সর্বদা বিনয়ী, অথচ সত্যের সন্ধানী, ফুকো সতর্কতার সাথে বিবেচিত রায় প্রয়োগ করতেন। '''পূর্বে অপরিচিত, কোনো বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা বা পরিচিত আবিষ্কারবিহীন এই যুবক এমন একটি শান্ত কর্তৃত্ব এবং স্পষ্টবাদিতা প্রদর্শন করেছিলেন, যা অনেক শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানীকে বিরক্ত করেছিল।'''
** জোসেফ লুই ফ্রাঁসোয়া বার্ট্রান্ড, 'Éloge historique de Léon Foucault' (১৮৮২)।
== বহিঃসংযোগ ==
{{wikipedia|জাঁ বার্নার্ড লিওঁ ফুকো}}
* [http://www-history.mcs.st-andrews.ac.uk/Biographies/Foucault.html ইউনিভার্সিটি অফ সেন্ট অ্যান্ড্রুজ-এ প্রোফাইল]
* [http://micro.magnet.fsu.edu/optics/timeline/people/foucault.html ফ্লোরিডা স্টেট ইউনিভার্সিটি-এ প্রোফাইল]
{{DEFAULTSORT:ফুকো, লিয়ন}}
[[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের পদার্থবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮১৯-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৬৮-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের ক্যাথলিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্যারিসের ব্যক্তি]]
5fqp76rbtvrf0m1lc7q77fwern0rvqv
75625
75624
2026-04-11T08:42:12Z
Anaf Ibn Shahibul
4193
/* ফুকো সম্পর্কে উক্তি */
75625
wikitext
text/x-wiki
[[File:Foucault 01.png|thumb|right|বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে কার্যকর অবদান রাখার জন্য, কখনও কখনও সাধারণ যাচাইকরণের কাজকে অবজ্ঞা করা উচিত নয়।]]
'''[[w:bn:লিয়ন ফুকো|জঁ বের্নার্ড লিয়ন ফুকো]]''' ([[সেপ্টেম্বর ১৮]], [[১৮১৯]] – [[ফেব্রুয়ারি ১১]], [[১৮৬৮]]) ছিলেন একজন ফরাসি পদার্থবিদ, যিনি মূলত [[w:bn:ফুকোর দোলক|ফুকোর দোলক]] আবিষ্কারের জন্য সর্বাধিক পরিচিত—এটি এমন একটি যন্ত্র যা পৃথিবীর ঘূর্ণন প্রদর্শন করে। তিনি আলোর গতির একটি প্রাথমিক পরিমাপও করেছিলেন, [[w:bn:এডি কারেন্ট|এডি কারেন্ট]] আবিষ্কার করেছিলেন এবং যদিও তিনি এটি আবিষ্কার করেননি, তবুও [[w:bn:জাইরোস্কোপ|জাইরোস্কোপ]]-এর নামকরণের কৃতিত্ব তাঁকে দেওয়া হয়। চাঁদের [[w:bn:ফুকো খাদ|ফুকো খাদ]] তাঁর নামানুসারে নামকরণ করা হয়েছে।
{{পদার্থবিজ্ঞানী-স্টাব}}
== উক্তি ==
[[File:Foucault pendulum animated.gif|thumb|right|ঘটনাটি শান্তভাবে বিকশিত হয়, কিন্তু এটি অদৃশ্য এবং অপ্রতিরোধ্য।]]
* '''সবকিছুর ঊর্ধ্বে, আমাদের অবশ্যই নির্ভুল হতে হবে, এবং এটি এমন একটি বাধ্যবাধকতা যা আমরা অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পূরণ করতে চাই।'''
** 'জার্নাল দে দেবাতস', ৩০ মে, ১৮৪৮।
* '''আগামীকাল, তিনটা থেকে পাঁচটার মধ্যে, প্যারিস মানমন্দিরের মেরিডিয়ান হলে, পৃথিবী কীভাবে ঘুরছে তা দেখার জন্য আপনাকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।'''
** ৩ ফেব্রুয়ারি ১৮৫১ সালে তাঁর বিখ্যাত দোলক পরীক্ষার সাক্ষী হতে প্যারিসের বিজ্ঞানীদের কাছে পাঠানো আমন্ত্রণপত্র; আমির ডি. আকজেলের 'পেন্ডুলাম: লিয়ন ফুকো অ্যান্ড দ্য ট্রায়াম্ফ অফ সায়েন্স' (২০০৩) থেকে উদ্ধৃত।
* '''ঘটনাটি শান্তভাবে বিকশিত হয়, কিন্তু এটি অদৃশ্য এবং অপ্রতিরোধ্য।''' একজন মানুষ অনুভব করতে পারেন, দেখতে পান এটি কীভাবে জন্ম নেয় এবং স্থিরভাবে বৃদ্ধি পায়; এবং একে ত্বরান্বিত বা ধীর করা কারও ক্ষমতার মধ্যে নেই। এই ঘটনার সম্মুখীন হওয়া যেকোনো ব্যক্তি কয়েক মুহূর্তের জন্য থেমে যান এবং চিন্তামগ্ন ও নির্বাক হয়ে পড়েন; এবং তারপর মহাশূন্যের মধ্য দিয়ে আমাদের অবিরাম গতির এক তীক্ষ্ণ ও গভীর অনুভূতি চিরকালের জন্য নিজের সাথে নিয়ে ফিরে যান।
** তাঁর দোলক পরীক্ষা সম্পর্কে; আমির ডি. আকজেলের 'পেন্ডুলাম: লিয়ন ফুকো অ্যান্ড দ্য ট্রায়াম্ফ অফ সায়েন্স' (২০০৩) থেকে উদ্ধৃত।
* '''বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে কার্যকর অবদান রাখার জন্য, কখনও কখনও সাধারণ যাচাইকরণের কাজকে অবজ্ঞা করা উচিত নয়।'''
** উইলিয়াম টোবিনের 'দ্য লাইফ অ্যান্ড সায়েন্স অফ লিয়ন ফুকো: দ্য ম্যান হু প্রুভড দ্য আর্থ রোটেটস' (২০০৩), পৃষ্ঠা ৭২ থেকে উদ্ধৃত।
* প্রকৃত বৈজ্ঞানিক চেতনায় উজ্জীবিত মানুষেরা যেন এই বিশ্বাস করা বন্ধ করেন যে তাঁরা কেবল জনকল্যাণমূলক বিষয়গুলো নিয়েই ভাবতে বাধ্য; ...কারণ, এটা লুকানো উচিত নয় যে, প্রয়োগের ক্ষেত্র—যা আজ এত সমৃদ্ধ ও উর্বর—তাত্ত্বিক গবেষণার মাধ্যমে প্রতিনিয়ত যে উপকারী আলো বিকিরিত ও বর্ষিত হয়, তার দ্বারা নিষিক্ত ও পুনরুজ্জীবিত হওয়া বন্ধ হলে, খুব দ্রুতই তা বন্ধ্যাত্বের অভিশাপে ম্লান হয়ে যাবে।
** উইলিয়াম টোবিনের 'দ্য লাইফ অ্যান্ড সায়েন্স অফ লিয়ন ফুকো: দ্য ম্যান হু প্রুভড দ্য আর্থ রোটেটস' (২০০৩), পৃষ্ঠা ৯৩ থেকে উদ্ধৃত।
== ফুকো সম্পর্কে উক্তি ==
* ২৫ বছর বয়সে, স্কুলে বা বই থেকে তেমন কিছু না শিখেও, বিজ্ঞান সম্পর্কে আগ্রহী কিন্তু পড়াশোনায় নয়, এমন লিয়ন ফুকো বিজ্ঞানীদের কাজকে সাধারণ মানুষের কাছে বোধগম্য করে তোলার এবং শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানীদের কাজের মূল্যায়ন করার দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। '''শুরু থেকেই তিনি অত্যন্ত সূক্ষ্মতা এবং প্রত্যাশার চেয়েও বেশি বিচক্ষণতার ওপর ভিত্তি করে ভালো বিচারবোধ প্রদর্শন করেছিলেন। তাঁর প্রথম দিকের প্রবন্ধগুলো ছিল অসাধারণ; সেগুলো ছিল আধ্যাত্মিক। তিনি তাঁর দায়িত্বকে গুরুত্বের সাথে নিয়েছিলেন। কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই, সমস্ত বিভ্রান্তি ও সমস্যাসহ বিজ্ঞানের সর্বোচ্চ স্তরে প্রবেশ করে, তিনি সম্পূর্ণ সাফল্যের সাথে এমন একটি ভূমিকা পালন করেছিলেন যেখানে মাঝারি মানের কাজ মানেই ব্যর্থতা হিসেবে গণ্য হতো।''' <br> … সর্বদা বিনয়ী, অথচ সত্যের সন্ধানী, ফুকো সতর্কতার সাথে বিবেচিত রায় প্রয়োগ করতেন। '''পূর্বে অপরিচিত, কোনো বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা বা পরিচিত আবিষ্কারবিহীন এই যুবক এমন একটি শান্ত কর্তৃত্ব এবং স্পষ্টবাদিতা প্রদর্শন করেছিলেন, যা অনেক শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানীকে বিরক্ত করেছিল।'''
** জোসেফ লুই ফ্রাঁসোয়া বার্ট্রান্ড, (১৮৮২)।
== বহিঃসংযোগ ==
{{wikipedia|জাঁ বার্নার্ড লিওঁ ফুকো}}
* [http://www-history.mcs.st-andrews.ac.uk/Biographies/Foucault.html ইউনিভার্সিটি অফ সেন্ট অ্যান্ড্রুজ-এ প্রোফাইল]
* [http://micro.magnet.fsu.edu/optics/timeline/people/foucault.html ফ্লোরিডা স্টেট ইউনিভার্সিটি-এ প্রোফাইল]
{{DEFAULTSORT:ফুকো, লিয়ন}}
[[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের পদার্থবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮১৯-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৬৮-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের ক্যাথলিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্যারিসের ব্যক্তি]]
940p94czxo2vrad3cm1cokbh021zm7z
ফ্রান্সিস কলিন্স
0
11942
75602
73337
2026-04-11T08:11:52Z
Anaf Ibn Shahibul
4193
/* উক্তি */
75602
wikitext
text/x-wiki
[[File:Francis Collins official photo.jpg|thumb|২০১৭ সালে ফ্র্যান্সিস কলিন্স]]
'''[[w:bn:ফ্রান্সিস কলিন্স|ফ্র্যান্সিস সেলার্স কলিন্স]]''', এম.ডি., পিএইচ.ডি. (জন্ম: [[এপ্রিল ১৪]], [[১৯৫০]]) হলেন একজন মার্কিন চিকিৎসক-বংশগতিবিদ, যিনি বেশ কিছু রোগের সাথে যুক্ত জিন আবিষ্কার করেছেন এবং [[w:bn:মানব জিনোম প্রকল্প|মানব জিনোম প্রকল্পের]] নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি ১৭ আগস্ট ২০০৯ থেকে ১৯ ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত ম্যারিল্যান্ডের বেথেসডায় অবস্থিত [[w:bn:ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ|ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটস অফ হেলথ]]ের প্রাক্তন পরিচালক ছিলেন; তিনি তিন জন রাষ্ট্রপতির অধীনে ১২ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই দায়িত্ব পালন করেছেন।
== উক্তি ==
* বাইবেলের ঈশ্বর জিনোমেরও ঈশ্বর। তাঁকে ক্যাথেড্রালে অথবা ল্যাবরেটরিতে উপাসনা করা যায়। তাঁর সৃষ্টি মহিমান্বিত, বিস্ময়কর, জটিল এবং সুন্দর।
** ''দ্য ল্যাঙ্গুয়েজ অফ গড: আ সায়েন্টিস্ট প্রেজেন্টস এভিডেন্স ফর বিলিফ'' (২০০৬), পৃষ্ঠা ২১১
* মানব জিনোম প্রকল্পের নেতৃত্ব দেওয়ার সৌভাগ্য অর্জনকারী একজন মানুষ হিসেবে, আমি আমাদের নিজস্ব ডিএনএ নির্দেশিকা বই এমন বিস্তারিত পর্যায়ে অধ্যয়ন করার সুযোগ পেয়েছি যা আগে কখনোই সম্ভব ছিল না। এখন আমাদের ডিএনএ-এর সাথে অন্যান্য অনেক প্রজাতির ডিএনএ তুলনা করাও সম্ভব হয়েছে। সমস্ত জীবিত প্রাণী যে একটি সাধারণ পূর্বপুরুষ থেকে উদ্ভূত হয়েছে—এই ধারণাকে সমর্থন করার মতো প্রমাণগুলো সত্যিই অপ্রতিরোধ্য। বাইবেলে বিশ্বাসী একজন খ্রিস্টান হিসেবে আমি হয়তো এমনটি চাইতাম না। কিন্তু বাস্তব এমনই। এটিকে অস্বীকার করার চেষ্টা করাটা বিশ্বাসের জন্য সহায়ক নয়।
** [http://www.beliefnet.com/News/Science-Religion/2006/08/God-Is-Not-Threatened-By-Our-Scientific-Adventures.aspx "গড ইজ নট থ্রেটেন্ড বাই আওয়ার সায়েন্টিফিক অ্যাডভেঞ্চারস"], লরা শিহেনের নেওয়া সাক্ষাৎকার, ''বিলিফনেট'' (তারিখবিহীন)
* প্রাকৃতিক বিশ্ব সম্পর্কে এমন কিছু উত্তর রয়েছে যা বিজ্ঞান দিতে সক্ষম নয়—কীভাবে তার বদলে কেন সংক্রান্ত প্রশ্নগুলো। আমি এই 'কেন'গুলোতে আগ্রহী। আমি আধ্যাত্মিক জগতে এই উত্তরগুলোর অনেকগুলো খুঁজে পাই। এটি কোনোভাবেই একজন বিজ্ঞানী হিসেবে কঠোরভাবে চিন্তা করার ক্ষেত্রে আমার সামর্থ্যের সাথে আপস করে না।
** ''[http://www.numenware.com/article/547 টাইম ম্যাগাজিন]''
* হ্যাঁ, একটি সাধারণ পূর্বপুরুষ থেকে বংশানুক্রমিক বিবর্তন স্পষ্টতই সত্য। জীবাশ্মের প্রমাণের বিষয়ে যদি কোনো সংশয় থেকে থাকে, তবে ডিএনএ নিয়ে অধ্যয়ন আমাদের সাথে অন্যান্য সমস্ত জীবের সম্পর্ক থাকার সবচেয়ে জোরালো প্রমাণ সরবরাহ করে।
** [http://www.cnn.com/2007/US/04/03/collins.commentary/index.html "কলিন্স: হোয়াই দিস সায়েন্টিস্ট বিলিভস ইন গড"], সম্পাদকীয়, ''সিএনএন'' (৬ এপ্রিল ২০০৭)
* জেনেটিক্স বা বংশগতিবিদ্যা থেকে আমরা যতটা না নিখুঁত সন্তানের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারব, যত্নশীল পরিবার এবং সুশিক্ষার মাধ্যমে তার চেয়ে অনেক বেশি কাছাকাছি পৌঁছাতে পারব।
** ২০০৫ ন্যাশনাল ডিএনএ ডে অনলাইন চ্যাটরুম ট্রান্সক্রিপ্ট, https://www.genome.gov/DNADay/q.cfm?aid=5419&year=2005
* কেবল যুক্তি ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণ করতে পারে না। বিশ্বাস হলো যুক্তি এবং প্রত্যাদেশের সংমিশ্রণ, আর এই প্রত্যাদেশের অংশের জন্য মন এবং আত্মা উভয়ের সাহায্যেই চিন্তা করা প্রয়োজন। আপনাকে কেবল পৃষ্ঠার স্বরলিপি পড়লে চলবে না, বরং এর সুরটি শুনতে হবে।
** [http://edition.cnn.com/2007/US/04/03/collins.commentary/ সিএনএন ডট কম]
* আমি একজন নাস্তিক ছিলাম এবং গণিত, পদার্থবিদ্যা ও রসায়নের বাইরে কোনো সত্যের অস্তিত্ব স্বীকার করার কোনো কারণ খুঁজে পেতাম না। কিন্তু এরপর আমি মেডিকেল স্কুলে যাই এবং রোগীদের শয্যাপাশে জীবন ও মৃত্যুর বিষয়গুলোর মুখোমুখি হই। এমন একজন রোগীর ছুঁড়ে দেওয়া চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়ে যখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন, "ডাক্তার, আপনি কী বিশ্বাস করেন?", তখন আমি উত্তর খুঁজতে শুরু করি।
** [http://edition.cnn.com/2007/US/04/03/collins.commentary/ সিএনএন ডট কম]
* আমি আশা করব না যে ধর্ম মানব জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য সঠিক হাতিয়ার হবে, এবং একইভাবে আশা করব না যে বিজ্ঞান অতিপ্রাকৃত জগতের কাছাকাছি পৌঁছানোর মাধ্যম হবে। কিন্তু সত্যিই আকর্ষণীয় বড় প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে, যেমন—'আমরা এখানে কেন এসেছি?' অথবা 'কেন মানুষ আধ্যাত্মিকতার জন্য ব্যাকুল হয়?'—আমি বিজ্ঞানকে অসন্তোষজনক মনে করি। অনেক কুসংস্কারের জন্ম হয়েছে এবং তারপর সেগুলো হারিয়ে গেছে। কিন্তু বিশ্বাস হারিয়ে যায়নি, যা ইঙ্গিত দেয় যে এর একটি বাস্তবতা রয়েছে।
** ''[http://wol.jw.org/en/wol/d/r1/lp-e/102002402?q=collins&p=par ডব্লিউওএল]''
* ... ঈশ্বর নিশ্চয়ই একজন অবিশ্বাস্য পদার্থবিজ্ঞানীও হবেন... মহাবিশ্বের এই বিস্ময়কর সূক্ষ্ম-সমন্বয় রয়েছে যা জটিলতাকে এবং সেই কারণেই জীবনকে সম্ভব করে তোলে।
** {{cite web|title=(অফিসিয়াল) ফ্র্যান্সিস কলিন্স - দ্য ল্যাঙ্গুয়েজ অফ গড: আ সায়েন্টিস্ট প্রেজেন্টস এভিডেন্স ফর বিলিফ|date=২১ ডিসেম্বর ২০১০|website=ইউটিউব|publisher=ভেরিটাস ফোরাম|url=https://www.youtube.com/watch?v=EGu_VtbpWhE}} (১:৩৩:০৯-এর ২১:৪৩ মিনিটের উক্তি)
== বহিঃসংযোগ ==
{{wikipedia|ফ্রান্সিস কলিন্স|ফ্র্যান্সিস কলিন্স}}
{{commonscat|Francis Collins}}
*[http://www.genome.gov/10001018 জিনোম ডট গভ থেকে তথ্য]
*[http://www.achievement.org/autodoc/page/col1int-1 ফ্র্যান্সিস এস. কলিন্সের সাক্ষাৎকার]
*[http://www.virginia.edu/majorevents/speeches/01speech.html সমাবর্তন ভাষণ, ইউনিভার্সিটি অফ ভার্জিনিয়া, ২০ মে ২০০১]
*[http://www.timesonline.co.uk/article/0,,2087-2220484,00.html তিনি কীভাবে ঈশ্বরকে খুঁজে পেলেন সে বিষয়ক প্রবন্ধ]
{{DEFAULTSORT:কলিন্স, ফ্র্যান্সিস}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৫০-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সংস্থাগুলোর প্রধান]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভার্জিনিয়ার চিকিৎসক]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের জীববিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞান লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:বংশগতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচক]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের অধিকারকর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের খ্রিস্টান ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]]
[[বিষয়শ্রেণী:হোয়াইট হাউস করোনাভাইরাস টাস্ক ফোর্স]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম প্রাপক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ন্যাশনাল মেডেল অফ সায়েন্স প্রাপক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভার্জিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]]
p62pg7g7l7mv96d4mirbgz43blv7du1
ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব
0
11961
75474
73823
2026-04-10T23:26:05Z
ARI
356
সংশোধন
75474
wikitext
text/x-wiki
'''ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব''' শুরু হয়েছিল ২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি দুপুর ১২টায় (ইএসটি), যখন [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি [[বারাক ওবামা]]র স্থলাভিষিক্ত হন। ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে [[জো বাইডেন]]ের কাছে পরাজিত হওয়ার পর ২০২১ সালের ২০ জানুয়ারি তাঁর এই মেয়াদ শেষ হয়। ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর, ট্রাম্প ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি থেকে বাইডেনের উত্তরসূরি হিসেবে দ্বিতীয় এবং শেষবারের মতো বিরতিহীন মেয়াদে দায়িত্ব পালন শুরু করেন।
[[File:USSupremeCourtWestFacade.JPG|thumb|পুরো ট্রাম্প প্রশাসন ছিল সুপ্রিম কোর্টের রক্ষণশীলদের জন্য একটি "মুখোশ খুলে যাওয়ার" মুহূর্ত। দেখা যাচ্ছে যে, তারা আসলে কোনো আইনি নজিরের পরোয়া করে না (সিনেটের নিশ্চিতকরণ শুনানিতে তারা যতবারই মিথ্যা বলুক বা পরোয়া করার দাবি করুক না কেন)। তারা আসলে আইনের মূল পাঠ্য বা বিচারিক সংযম নিয়ে মাথা ঘামায় না। তারা শুধু তাদের পছন্দমতো রাজনৈতিক ফলাফল চায় এবং তা করার জন্য তাদের কাছে পর্যাপ্ত ভোট আছে। তারা কোনো ঐতিহ্য, রীতিনীতি বা সাধারণ আইনি ব্যবস্থায় বিচার বিভাগীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার মূল ভিত্তি সম্পর্কে কোনো তোয়াক্কা করে না। তারা কেবল জিততে চায়। ~ এলি মিস্টাল]]
:আরও দেখুন:
::'''''[[যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড-১৯ মহামারি]]'''''
== উক্তি==
=== ২০১৭ ===
==== জানুয়ারি ২০১৭ ====
===== অভিষেক ভাষণ, (২০ জানুয়ারি, ২০১৭) =====
<small>[https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/the-inaugural-address/ প্রতিলিপি] (২০ জানুয়ারি, ২০১৭)</small>
* চিফ জাস্টিস রবার্টস, [[জিমি কার্টার|প্রেসিডেন্ট কার্টার]], প্রেসিডেন্ট ক্লিনটন, প্রেসিডেন্ট বুশ, প্রেসিডেন্ট ওবামা, সহ-আমেরিকানরা এবং বিশ্বের সকল মানুষ: আপনাদের ধন্যবাদ। আমরা, আমেরিকার নাগরিকরা, আজ আমাদের দেশ পুনর্গঠন এবং আমাদের সকল জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণের এক মহান জাতীয় উদ্যোগে একত্রিত হয়েছি। আমরা একসাথে আগামী বহু বছর ধরে আমেরিকা এবং বিশ্বের গতিপথ নির্ধারণ করব। আমরা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হব, আমরা কষ্টের মুখোমুখি হব, কিন্তু আমরা আমাদের কাজ সম্পন্ন করব। প্রতি ৪ বছর পর পর আমরা এই সিঁড়িতে একত্রিত হই নিয়মমাফিক এবং শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য, আর এই অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে তাঁদের আন্তরিক সহায়তার জন্য আমরা প্রেসিডেন্ট ওবামা এবং ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামার কাছে কৃতজ্ঞ। তাঁরা অসাধারণ ছিলেন। আপনাদের ধন্যবাদ।
* তবে আজকের এই অনুষ্ঠানের একটি বিশেষ তাৎপর্য আছে। '''কারণ আজ আমরা শুধু এক প্রশাসন থেকে অন্য প্রশাসনের হাতে বা এক দল থেকে অন্য দলের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করছি না; বরং আমরা ক্ষমতা ওয়াশিংটন ডি.সি. থেকে সরিয়ে এনে আপনাদেরকে, অর্থাৎ জনগণকে তা ফিরিয়ে দিচ্ছি। দীর্ঘ সময় ধরে আমাদের দেশের রাজধানীর একটি ছোট গোষ্ঠী সরকারের সুফল ভোগ করেছে, আর সাধারণ মানুষকে এর ভার বহন করতে হয়েছে। ওয়াশিংটন সমৃদ্ধ হয়েছে, কিন্তু জনগণ সেই সম্পদের অংশীদার হয়নি। রাজনীতিবিদরা সমৃদ্ধ হয়েছেন, কিন্তু কর্মসংস্থান হারিয়ে গেছে এবং কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। প্রভাবশালী গোষ্ঠী নিজেদের সুরক্ষিত করেছে, কিন্তু আমাদের দেশের নাগরিকদের করেনি। তাদের বিজয় আপনাদের বিজয় ছিল না; তাদের সাফল্য আপনাদের সাফল্য ছিল না। তারা যখন আমাদের দেশের রাজধানীতে উৎসবে মেতেছিল, তখন সারা দেশে ধুঁকতে থাকা পরিবারগুলোর উদযাপন করার মতো তেমন কিছু ছিল না।''' সে সব কিছু আজ থেকে এবং এখনই বদলে যাচ্ছে, কারণ এই মুহূর্তটি আপনাদের মুহূর্ত: এটি আপনাদেরই প্রাপ্য। আজ এখানে যারা সমবেত হয়েছেন এবং সারা আমেরিকা জুড়ে যারা দেখছেন, এটি সবার মুহূর্ত। এই দিনটি আপনাদের দিন। এই উৎসব আপনাদের উৎসব। আর এই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আপনাদের দেশ। আমাদের সরকার কোন দলের নিয়ন্ত্রণে আছে সেটি বড় কথা নয়, বড় কথা হলো আমাদের সরকার জনগণের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে কি না। '''২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি সেই দিন হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে, যেদিন জনগণ আবারও এই জাতির শাসক হয়েছে। আমাদের দেশের বিস্মৃত পুরুষ এবং নারীদের আর বিস্মৃত রাখা হবে না। এখন থেকে সবাই আপনাদের কথা শুনবে।'''
* '''একটি ঐতিহাসিক আন্দোলনের অংশ হতে আপনারা কোটি কোটি সংখ্যায় এগিয়ে এসেছেন, যার উদাহরণ আগে কখনো বিশ্ব দেখেনি। এই আন্দোলনের কেন্দ্রে রয়েছে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিশ্বাস: একটি রাষ্ট্র টিকে থাকে তার নাগরিকদের সেবা করার জন্য।''' আমেরিকানরা তাদের সন্তানদের জন্য ভালো স্কুল, পরিবারের জন্য নিরাপদ এলাকা এবং নিজেদের জন্য ভালো কর্মসংস্থান চায়। এগুলো ন্যায়পরায়ণ মানুষ ও জনসাধারণের অত্যন্ত সংগত ও যুক্তিসঙ্গত দাবি। কিন্তু আমাদের অনেক নাগরিকের জন্য বাস্তবতা ভিন্ন: শহরের ঘিঞ্জি এলাকাগুলোতে দারিদ্র্যের কবলে আটকে থাকা মা ও শিশু; মরিচা ধরা কলকারখানাগুলো কবরের নামফলকের মতো আমাদের দেশের চারপাশে ছড়িয়ে আছে; একটি শিক্ষা ব্যবস্থা, যা প্রচুর অর্থ পেলেও আমাদের তরুণ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জ্ঞান থেকে বঞ্চিত রাখছে; এবং অপরাধ, গ্যাং আর মাদক আমাদের অনেক প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এবং দেশের অপার সম্ভাবনাকে নষ্ট করেছে। এই আমেরিকান ধ্বংসলীলা ঠিক এখানেই থেমে যাবে এবং এখনই থেমে যাবে। আমরা এক জাতি, এবং তাদের কষ্ট আমাদের কষ্ট, তাদের স্বপ্ন আমাদের স্বপ্ন এবং তাদের সাফল্য হবে আমাদের সাফল্য। আমাদের হৃদয় এক, আমাদের ঘর এক এবং আমাদের গৌরবময় নিয়তিও এক। আজ আমি যে পদের শপথ নিচ্ছি, তা হলো সকল আমেরিকানদের প্রতি আনুগত্যের শপথ।
* কয়েক দশক ধরে আমরা আমেরিকান শিল্পের বিনিময়ে বিদেশি শিল্পকে সমৃদ্ধ করেছি, অন্য দেশের সেনাবাহিনীকে ভর্তুকি দিয়েছি, অথচ আমাদের নিজেদের সামরিক বাহিনীকে খুব দুঃখজনকভাবে ক্ষয় হতে দিয়েছি। আমরা অন্য দেশের সীমানা রক্ষা করেছি কিন্তু নিজেদের সীমানা রক্ষা করতে অস্বীকার করেছি। যখন আমেরিকার অবকাঠামো জরাজীর্ণ ও ধ্বংস হয়ে যাচ্ছিল, তখন আমরা বিদেশের মাটিতে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করেছি। আমরা অন্য দেশগুলোকে ধনী করেছি, আর আমাদের দেশের সম্পদ, শক্তি এবং আত্মবিশ্বাস দিগন্তে মিলিয়ে গেছে। একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়ে আমাদের উপকূল ছেড়ে চলে গেছে, এমনকি পেছনে ফেলে আসা লক্ষ লক্ষ আমেরিকান শ্রমিকের কথা কেউ একবারও ভাবেনি। আমাদের মধ্যবিত্তের সম্পদ তাদের ঘর থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছে এবং তারপর সারা বিশ্বে পুনর্বন্টন করা হয়েছে। কিন্তু সেটা ছিল অতীত। আর এখন আমরা কেবল ভবিষ্যতের দিকে তাকাচ্ছি। '''আজ এখানে সমবেত হয়ে আমরা একটি নতুন আদেশ জারি করছি যা প্রতিটি শহরে, প্রতিটি বিদেশি রাজধানীতে এবং ক্ষমতার প্রতিটি অলিন্দে শোনা যাবে। আজ থেকে একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের দেশকে শাসন করবে। আজ থেকে এটি হতে যাচ্ছে কেবল 'আমেরিকা ফার্স্ট' (আমেরিকা প্রথম)। আমেরিকা ফার্স্ট।''' বাণিজ্য, কর, অভিবাসন এবং বৈদেশিক বিষয় নিয়ে প্রতিটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আমেরিকান শ্রমিক এবং আমেরিকান পরিবারের সুবিধার কথা মাথায় রেখে।
* আমাদের পণ্য তৈরি করা, আমাদের কোম্পানিগুলোকে চুরি করা এবং আমাদের কর্মসংস্থান নষ্ট করার হাত থেকে আমাদের সীমান্ত রক্ষা করতে হবে। এই সুরক্ষা আমাদের ব্যাপক সমৃদ্ধি ও শক্তির দিকে নিয়ে যাবে। আমি আমার শরীরের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত আপনাদের জন্য লড়াই করব এবং আমি কখনও আপনাদের হতাশ করব না। আমেরিকা আবারও জিততে শুরু করবে, এমনভাবে জিতবে যা আগে কখনও দেখা যায়নি। আমরা আমাদের কর্মসংস্থান ফিরিয়ে আনব। আমরা আমাদের সীমান্ত ফিরিয়ে আনব। আমরা আমাদের সম্পদ ফিরিয়ে আনব। এবং আমরা আমাদের স্বপ্নগুলোকেও ফিরিয়ে আনব। আমরা আমাদের এই চমৎকার দেশজুড়ে নতুন রাস্তা, হাইওয়ে, সেতু, বিমানবন্দর, টানেল এবং রেলপথ তৈরি করব। আমরা আমাদের জনগণকে সরকারি সাহায্যের ওপর নির্ভরশীলতা থেকে মুক্ত করে কাজে ফিরিয়ে আনব এবং আমেরিকান হাতে ও আমেরিকান শ্রমে আমাদের দেশ পুনর্গঠন করব। আমরা দুটি সাধারণ নিয়ম মেনে চলব: আমেরিকান পণ্য কিনুন এবং আমেরিকানদের কাজে নিয়োগ দিন। আমরা বিশ্বের দেশগুলোর সাথে বন্ধুত্ব এবং সদিচ্ছা বজায় রাখব, তবে আমরা এই ধারণার সাথে তা করব যে প্রতিটি জাতির অধিকার আছে তাদের নিজেদের স্বার্থকে সবার আগে রাখা। আমরা আমাদের জীবনধারা কারো ওপর চাপিয়ে দিতে চাই না, বরং এটিকে উদাহরণ হিসেবে উজ্জ্বল করতে চাই—আমরা উজ্জ্বল হব—যাতে সবাই তা অনুসরণ করতে পারে। '''আমরা পুরনো মিত্রতা জোরদার করব এবং নতুন মিত্র তৈরি করব এবং উগ্র ইসলামি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সভ্য বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ করব, যা আমরা পৃথিবী থেকে পুরোপুরি নির্মূল করব।''' '''আমাদের রাজনীতির মূলে থাকবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য এবং আমাদের দেশের প্রতি আমাদের এই আনুগত্যের মাধ্যমে আমরা একে অপরের প্রতি আমাদের আনুগত্য খুঁজে পাব। আপনি যখন দেশপ্রেমের জন্য আপনার হৃদয় খুলে দেবেন, তখন সেখানে কোনো কুসংস্কারের জায়গা থাকবে না। [[বাইবেল]] আমাদের বলে, "ঈশ্বরের সন্তানরা যখন একতায় বসবাস করে তখন তা কতই না ভালো এবং আনন্দদায়ক।" আমাদের অবশ্যই খোলাখুলিভাবে মনের কথা বলতে হবে, সততার সাথে আমাদের মতবিরোধ নিয়ে বিতর্ক করতে হবে, তবে সর্বদা সংহতি বজায় রাখতে হবে। যখন আমেরিকা ঐক্যবদ্ধ থাকে, আমেরিকাকে তখন থামানো অসম্ভব।''' কোনো ভয় থাকার কথা নয়: আমরা সুরক্ষিত এবং আমরা সর্বদা সুরক্ষিত থাকব। আমাদের সামরিক বাহিনী ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মহান পুরুষ ও নারীদের দ্বারা আমরা সুরক্ষিত থাকব এবং সবচেয়ে বড় কথা হলো, আমরা ঈশ্বরের দ্বারা সুরক্ষিত থাকব।
* সবশেষে আমাদের বড় কিছু ভাবতে হবে এবং আরও বড় স্বপ্ন দেখতে হবে। আমেরিকায় আমরা বুঝি যে, একটি জাতি ততক্ষণই বেঁচে থাকে যতক্ষণ সেটি চেষ্টা করে যায়। আমরা আর সেই সব রাজনীতিবিদদের গ্রহণ করব না যারা কেবল কথাই বলেন কিন্তু কোনো কাজ করেন না, অনবরত অভিযোগ করেন কিন্তু সে বিষয়ে কিছু করেন না। ফাঁকা বুলির সময় শেষ। এখন কাজ করার সময় এসেছে। কাউকে বলতে দেবেন না যে এটি করা সম্ভব নয়। আমেরিকার সাহস, লড়াই এবং উদ্দীপনার সাথে কোনো চ্যালেঞ্জই পেরে উঠবে না। আমরা ব্যর্থ হব না। আমাদের দেশ আবারও সমৃদ্ধ ও সফল হবে। আমরা এক নতুন সহস্রাব্দের শুরুতে দাঁড়িয়ে আছি, মহাকাশের রহস্য উন্মোচন করতে, পৃথিবীকে রোগের অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে এবং আগামীর জ্বালানি, শিল্প ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে আমরা প্রস্তুত। এক নতুন জাতীয় গর্ব আমাদের আত্মাকে নাড়া দেবে, আমাদের দৃষ্টিকে উন্নত করবে এবং আমাদের বিভেদ দূর করবে।
* এখন সেই পুরনো প্রজ্ঞাটি মনে রাখার সময় যা আমাদের সৈন্যরা কখনও ভুলবে না: আমরা কালো হই বা বাদামী অথবা সাদা, আমাদের সবার শরীরেই দেশপ্রেমিকদের লাল রক্ত প্রবাহিত হয়, আমরা সবাই একই গৌরবময় স্বাধীনতা উপভোগ করি এবং আমরা সবাই একই মহান আমেরিকান পতাকাকে অভিবাদন জানাই। আর ডেট্রয়েটের জনবহুল শহরে বা নেব্রাস্কার ঝড়ো প্রান্তরে যে শিশুই জন্ম নিক না কেন, তারা একই রাতের আকাশের দিকে তাকায়, তারা একই স্বপ্নে তাদের হৃদয় পূর্ণ করে এবং তারা একই সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রাণবায়ুতে উদ্দীপ্ত হয়। তাই কাছে ও দূরের প্রতিটি শহরের, ছোট ও বড় সব আমেরিকানদের বলছি, পাহাড় থেকে পাহাড়, মহাসাগর থেকে মহাসাগর—এই কথাগুলো শুনুন: আপনাদের আর কখনও অবহেলা করা হবে না। আপনাদের কণ্ঠস্বর, আপনাদের আশা এবং আপনাদের স্বপ্ন আমাদের আমেরিকান নিয়তি নির্ধারণ করবে। আর আপনাদের সাহস, মহানুভবতা এবং ভালোবাসা চিরকাল আমাদের পথ দেখাবে। '''একসাথে আমরা আমেরিকাকে আবারও শক্তিশালী করে তুলব। আমরা আমেরিকাকে আবারও সম্পদশালী করে তুলব। আমরা আমেরিকাকে আবারও গর্বিত করে তুলব। আমরা আমেরিকাকে আবারও নিরাপদ করে তুলব। এবং, হ্যাঁ, একসাথে আমরা আমেরিকাকে আবারও মহান করে তুলব।''' আপনাদের ধন্যবাদ। ঈশ্বর আপনাদের মঙ্গল করুন এবং ঈশ্বর আমেরিকার মঙ্গল করুন। ধন্যবাদ। ঈশ্বর আমেরিকার মঙ্গল করুন।
* কোনো অপ্রত্যাশিত ফলাফলের জন্য প্রস্তুত থাকতে চেয়ে স্থানীয় ডোনাল্ড ট্রাম্প সমর্থক ৫২ বছর বয়সী ফ্রেড ম্যাকগুয়ার গত মঙ্গলবার বলেছেন যে, অভিবাসীদের লক্ষ্য করে প্রেসিডেন্টের পরিকল্পিত আক্রমণাত্মক পুলিশিং এবং নজরদারি নীতি যদি সব সমস্যার সমাধান করতে না পারে, তবে তার কাছে বিকল্প কিছু বলির পাঁঠা প্রস্তুত রাখা আছে। “আমি আশা করছি যে গণ-নির্বাসন, বাধ্যতামূলক নিবন্ধন, বিচার ছাড়াই অনির্দিষ্টকালের আটক এবং বর্ধিত নজরদারি সব সম্ভাব্য সমস্যার সমাধান করবে। কিন্তু নিরাপদ থাকতে আমি অন্য কিছু গোষ্ঠীকেও দানব হিসেবে চিহ্নিত করার জন্য প্রস্তুত রেখেছি,” ম্যাকগুয়ার বলেন। তিনি আরও যোগ করেন যে, ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি যদি অপরাধ কমাতে এবং অর্থনীতির উন্নতি করতে ব্যর্থ হয়, তবে তিনি তার ক্ষোভ কল্যাণভোগী, পরিবেশবাদী কর্মী এবং সম্ভবত উদারপন্থী কলেজ অধ্যাপকদের দিকে ঘুরিয়ে দিতে প্রস্তুত। “অবশ্যই ওবামার লিগ্যাসি তো অনেক দোষ পাবেই। আর যখন মানুষ আমাকে জিজ্ঞাসা করবে কেন শ্রমিক শ্রেণীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না, তখন আমি লেবার ইউনিয়ন এবং পলিটিক্যাল কারেক্টনেসকেও দোষারোপ করতে পারব। হ্যাঁ, আগামী চার বা আট বছর পার করার জন্য আমার কাছে যথেষ্ট বলির পাঁঠার ধারণা আছে।” ম্যাকগুয়ার আরও বলেন যে তিনি এখনই ইহুদিদের বলির পাঁঠা বানানোর কথা ভাবছেন না, তবে আগামী কয়েক বছর পরিস্থিতি কেমন যায় তা দেখার জন্য অপেক্ষা করবেন।
** ''দ্য অনিয়ন'' প্যারোডি পত্রিকা, [https://theonion.com/trump-supporter-has-few-backup-scapegoats-ready-to-go-i-1819579570/"অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা সব সমাধান না করলে ট্রাম্প সমর্থকের কাছে কিছু বিকল্প বলির পাঁঠা প্রস্তুত আছে"], ২০ জানুয়ারি ২০১৭
* এর সাথে যুক্ত হয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আধিপত্য, যিনি ২০১৬ সালের নির্বাচনে অংশত একজন নেটিভিস্ট এবং অভিবাসন বিরোধী গোষ্ঠীকে তুষ্ট করে জয়ী হয়েছিলেন। ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের শার্লটসভিলে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী বিক্ষোভকারীদের সমাবেশে যে প্রাণঘাতী সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছিল, সে বিষয়ে ট্রাম্পের সংযত নিন্দা তাঁর সবচেয়ে অনুগত সমর্থক ছাড়া সবার কাছ থেকেই সমালোচনার শিকার হয়েছিল। আর এই রাজনৈতিক সম্পর্কগুলো বিশ্লেষণ করার জরুরি প্রয়োজনটি তখনই অর্থবহ হয়ে ওঠে। ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভোট দেওয়া লক্ষ লক্ষ সাধারণ ডানপন্থী আমেরিকানদের কেউই নাৎসিদের সাথে এক কাতারে দাঁড়াতে চান না। তবে এটি একটি বাস্তব সত্য যে, সেই বিধ্বংসী শার্লটসভিলে ইভেন্টে নাৎসি-বান্ধব সংগঠন, নাৎসি প্রতীক এবং নাৎসি ভঙ্গি দেখা গিয়েছিল, যে অনুষ্ঠানটির নাম "বামদের ঐক্যবদ্ধ করুন" ছিল না, বরং ছিল "ডানদের ঐক্যবদ্ধ করুন"। যদিও আমেরিকান রাজনীতিতে ব্যবহৃত 'বাম' এবং 'ডান' শব্দগুলো কিছুটা অস্পষ্ট হতে পারে, তবে এগুলো উদারনীতিবাদ/প্রগতিশীলতা (যা মূলত ডেমোক্র্যাটিক পার্টি দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করা হয়) এবং রক্ষণশীলতা/ঐতিহ্যবাদ (যা মূলত রিপাবলিকান পার্টি দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করা হয়)-এর মধ্যে মৌলিক আদর্শগত বিভাজন চিহ্নিত করতে সহায়ক। আদর্শের একটি পটভূমি হিসেবে দেখলে, সমাজতন্ত্র/সাম্যবাদ ঐতিহ্যগতভাবে এই স্কেলের চরম বাম প্রান্তে পড়ে, আর জাতীয়তাবাদ/ফ্যাসিবাদ পড়ে অতি-ডানপন্থী প্রান্তে।
** ডেভিড এমেরি, [https://www.snopes.com/news/2017/09/05/were-nazis-socialists/ নাৎসিরা কি সমাজতন্ত্রী ছিল?] (৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭), ''স্নোপস''
[[File:Donald_Trump_delivering_inauguration_speech_01-20-17_(cropped).jpg|thumb|এই মুহূর্ত থেকে, এটি হতে যাচ্ছে আমেরিকা ফার্স্ট।]]
[[File:2017_Presidential_Inauguration_CV6A0663.jpg|thumb|আমি যখন বাইরে তাকিয়েছিলাম, সেই ময়দানটি দেখে মনে হলো যেন দশ বা পনেরো লাখ মানুষ ছিল।]]
* আমি যখন বাইরে তাকিয়েছিলাম, সেই ময়দানটি দেখে মনে হলো যেন দশ বা পনেরো লাখ মানুষ ছিল। তারা এমন একটি মাঠ দেখিয়েছিল যেখানে প্রায় কেউই দাঁড়িয়ে ছিল না। আর তারা বলেছিল, "ডোনাল্ড ট্রাম্প লোক টানতে পারেননি।" আমি বললাম, "প্রায় বৃষ্টি হচ্ছিল!" বৃষ্টির কারণে তাদের ভয় পেয়ে দূরে চলে যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু ঈশ্বর নিচপানে তাকালেন এবং বললেন যে আমরা আপনার বক্তৃতার সময় বৃষ্টি হতে দেব না।
** [https://www.youtube.com/watch?v=GMBqDN7-QLg অভিষেক অনুষ্ঠানে লোকসমাগম এবং সংবাদ মাধ্যমের কাভারেজ নিয়ে সিআইএ সদর দপ্তরে ট্রাম্পের বক্তব্য], ফক্স ১০ ফিনিক্স (২১ জানুয়ারি ২০১৭)
* সেই পুরনো প্রবাদ, ‘বিজয়ীরই সমস্ত লুণ্ঠিত দ্রব্য’—আপনাদের মনে আছে। আমি সবসময় বলতাম, তেল নিজেদের কাছে রাখো। আমি ইরাক যুদ্ধের ভক্ত ছিলাম না। আমি ইরাকে যেতে চাইনি। কিন্তু আমি আপনাদের বলব, যখন আমরা সেখানে ছিলাম, আমরা ভুলভাবে সেখান থেকে বেরিয়ে এসেছি। আর আমি সবসময় বলতাম, এর পাশাপাশি তেলটা রেখে দাও। আমি এটি অর্থনৈতিক কারণে বলেছিলাম। কিন্তু মাইক, আপনি যদি ভেবে দেখেন, আমরা যদি তেল নিজেদের কাছে রাখতাম তবে সম্ভবত আইএসআইএস তৈরি হতো না, কারণ তারা সেখান থেকেই তাদের টাকা উপার্জন করেছিল। তাই আমাদের তেলটা রাখা উচিত ছিল। তবে ঠিক আছে। হয়তো আপনি আরেকটা সুযোগ পাবেন। কিন্তু বাস্তব হলো, তেলটা রাখা উচিত ছিল।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের সিআইএতে ভাষণ, [https://www.cbsnews.com/news/trump-cia-speech-transcript/ ২৩ জানুয়ারি ২০১৭]
* কিন্তু আপনি যখন ভালোবাসার এই বিশাল সমুদ্রের দিকে তাকাবেন — আমি একে 'ভালোবাসার সমুদ্র' বলি — এটি সত্যিই বিশেষ কিছু।
** [https://www.youtube.com/watch?v=RDvoBoxv028 ডেভিড মুয়ারের সাথে এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প তাঁর অভিষেক অনুষ্ঠানের ভিড়ের একটি বাঁধাই করা ছবির বর্ণনা দিচ্ছেন], এবিসি (২৫ জানুয়ারি ২০১৭)
* [ডেভিড বেকার সম্পর্কে] সে আবারও তোষামোদ করছে। আপনারা জানেন, আমি সবসময় সেই সব সাংবাদিকদের কথা বলি যারা তোষামোদ করে যখন তারা এমন কিছু লিখতে চায় যা আপনি শুনতে চান কিন্তু লক্ষ লক্ষ মানুষ সম্ভবত শুনতে চায় না বা শোনার প্রয়োজন নেই।
** [http://www.bbc.com/news/world-us-canada-38764653/ "ভোটার জালিয়াতি নিয়ে ট্রাম্পের কথায় উদারপন্থীরা চিন্তিত"], বিবিসি (২৭ জানুয়ারি ২০১৭)
* আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে, আমাদের সৈন্যরা বিদেশে যে হুমকির বিরুদ্ধে লড়াই করছে, আমরা যেন তাদের আমাদের দেশে ঢুকতে না দিই।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://edition.cnn.com/2017/01/27/politics/trump-plans-to-sign-executive-action-on-refugees-extreme-vetting/ "উগ্র ইসলামি সন্ত্রাসীদের দূরে রাখতে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর"], সিএনএন (২৭ জানুয়ারি ২০১৭)
* আমি সবসময় প্রার্থনা করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছি... আমি বলব যে এই পদটি এতটাই শক্তিশালী যে আপনার ঈশ্বরকে আরও বেশি প্রয়োজন।
** [http://www1.cbn.com/cbnnews/entertainment/2017/january/worship-artist-credits-psalms-91-for-miraculous-cancer-healing ডেভিড ব্রডির সাথে ট্রাম্পের সাক্ষাৎকারে] উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], সিবিএন নিউজ (২৯ জানুয়ারি ২০১৭)
==== ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ====
* আমি এখন খুব গর্বিত যে ন্যাশনাল মলে আমাদের একটি জাদুঘর আছে যেখানে মানুষ [[মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]] এবং আরও অনেক কিছু সম্পর্কে জানতে পারে। আমি লক্ষ্য করছি যে, ফ্রেডরিক ডগলাস এমন একজনের উদাহরণ যিনি এক চমৎকার কাজ করেছেন এবং দিন দিন আরও বেশি পরিচিতি পাচ্ছেন। হ্যারিয়েট টুবম্যান, রোসা পার্কস এবং আরও লক্ষ লক্ষ কৃষ্ণবর্ণের আমেরিকান যারা [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]]কে আজকের এই অবস্থানে নিয়ে এসেছেন। দারুণ প্রভাব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theatlantic.com/politics/archive/2017/02/frederick-douglass-trump/515292/ ডোনাল্ড ট্রাম্প'স ন্যারেটিভ অফ দ্য লাইফ অফ ফ্রেডরিক ডগলাস] থেকে উদ্ধৃত, ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭।
* আমরা যখন ন্যাশনাল আফ্রিকান আমেরিকান হিস্ট্রি মান্থ পালন করছি, তখন আমরা আফ্রিকান আমেরিকানদের ঐতিহ্য ও অর্জনকে স্বীকৃতি দিচ্ছি। আফ্রিকান আমেরিকানরা যে অবদান রেখেছেন এবং রেখে চলেছেন তা আমাদের সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আফ্রিকান আমেরিকানদের ইতিহাস সেই সহনশীলতা এবং উদ্ভাবনী চেতনার উদাহরণ যা আমাদের জাতিকে মহান করে চলেছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/president-donald-j-trump-proclaims-february-national-african-american-history-month/ ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭] থেকে উদ্ধৃত।
* ওয়াশিংটনে আমাদের জন্য, ঈশ্বরের ইচ্ছা অনুযায়ী জনগণের সেবা করার প্রজ্ঞা পেতে আমাদের কখনোই তাঁর কাছে প্রার্থনা করা বন্ধ করা উচিত নয়। তবে ''দ্য অ্যাপ্রেন্টিস'' অনুষ্ঠানে আমরা দারুণ সফল হয়েছিলাম। যখন আমি রাষ্ট্রপতির জন্য দাঁড়ালাম, তখন আমাকে অনুষ্ঠানটি ছাড়তে হয়েছিল। তখনই আমি নিশ্চিতভাবে জানতাম যে আমি এটি করছি। তারা আমার জায়গায় এক মস্ত বড় মুভি স্টার আরনল্ড শোয়ার্জনেগারকে নিয়োগ করেছিল এবং আমরা জানি এর ফলাফল কী হয়েছে। রেটিং একদম তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে, এটি একটি চরম বিপর্যয় ছিল। মার্ক বার্নেট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আর কখনও বাজি ধরবেন না। আমি কেবল আরনল্ডের জন্য প্রার্থনা করতে চাই, যদি আমরা পারি, সেই রেটিংগুলোর জন্য, ঠিক আছে?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=cyxacu5AslI ট্রাম্পের "ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট" ভাষণ] (২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* আমাদের কঠোর হতে হবে। এখন আমাদের একটু কঠোর হওয়ার সময় এসেছে। বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশ আমাদের সুযোগ নিচ্ছে। এটা আর ঘটবে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/us-news/2017/feb/02/donald-trump-australia-refugees-malcolm-turnbull-phone-call বিরোধ সত্ত্বেও হোয়াইট হাউস বলছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়ার শরণার্থীদের গ্রহণ করতে পারে] (২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* এটি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যে এটি আর রিপোর্টও করা হচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে সেই অত্যন্ত অসৎ সংবাদমাধ্যমগুলো এটি রিপোর্ট করতে চায় না। তাদের নিজস্ব কারণ আছে এবং আপনারা সেটি বোঝেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://www.bbc.co.uk/news/world-us-canada-38890090 ম্যাকডিল এয়ার ফোর্স বেসে দেওয়া এক বক্তৃতায় সন্ত্রাসী হামলার রিপোর্টিং নিয়ে ট্রাম্পের উক্তি] (৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* সেই স্টেট সিনেটর কে? আপনি কি আমাকে তার নাম বলতে চান? আমরা তার ক্যারিয়ার ধ্বংস করে দেব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=Z1SKm1hTWq0 শেরিফ হ্যারল্ড ইভেনসনের বক্তব্যের জবাবে ট্রাম্পের উক্তি], যেখানে শেরিফ উল্লেখ করেছিলেন যে টেক্সাসের একজন স্টেট সিনেটর এমন আইন প্রস্তাব করছেন যাতে শেরিফরা বাজেয়াপ্ত অর্থ পাওয়ার আগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার প্রয়োজন পড়বে। (৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)
* আমি বিচারকদের একটি প্যানেলের কথা শুনেছি এবং আমি সে বিষয়ে মন্তব্য করব — আমি নিশ্চিতভাবে একজন বিচারকের বক্তব্যের ওপর কোনো মন্তব্য করব না — তবে আমাকে সত্যি বলতে হবে যে, এই বিচারকরা যদি আদালতের প্রতি শ্রদ্ধার খাতিরে আদালতকে সাহায্য করতে চাইতেন, তবে তাদের যা করা উচিত ছিল তারা সেটাই করতেন। মানে এটা খুব দুঃখজনক। যখন আপনি খুব সাধারণ, সুন্দরভাবে লেখা এবং নিখুঁতভাবে লেখা কোনো কিছু পড়েন — অবশ্যই সেই একটি বক্তব্য ছাড়া যেখানে "সে" (পুরুষ বা নারী) এর কথা বলা হয়েছে — কিন্তু যখন আপনি এত নিখুঁতভাবে লেখা এবং যে কারো কাছে এত স্পষ্ট কিছু পড়েন, আর তারপর যখন আপনি আইনজীবীদের দেখেন এবং আমি গত রাতে অবাক হয়ে দেখছিলাম, আমি এমন সব কথা শুনলাম যা আমি বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। এমন সব কথা যার সাথে আমি যা পড়েছি তার কোনো সম্পর্কই ছিল না। আমি কখনোই আদালতকে পক্ষপাতদুষ্ট বলতে চাই না, তাই আমি একে পক্ষপাতদুষ্ট বলব না। আমরা এখনও কোনো সিদ্ধান্ত পাইনি, তবে আদালতগুলো এখন খুব বেশি রাজনৈতিক বলে মনে হয়। আমাদের বিচার ব্যবস্থার জন্য এটি খুব ভালো হতো যদি তারা একটি বিবৃতি পড়তে পারত এবং যা সঠিক তা করতে পারত।
* আমেরিকার প্রতিটি শিশুর উচিত কোনো ভয় ছাড়াই বাইরে খেলাধুলা করা, কোনো বিপদ ছাড়াই বাড়ি ফেরা এবং মাদক, গ্যাং বা সহিংসতা সম্পর্কে চিন্তিত না হয়ে স্কুলে যাওয়া।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/02/08/remarks-president-trump-mcca-winter-conference "এমসিসিএ উইন্টার কনফারেন্সে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্য"] (৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* আমি শুধু বলতে চাই যে, আমরা আমাদের সেই জয়ে খুবই সম্মানিত বোধ করছি, ৩০৬টি ইলেক্ট্রোরাল কলেজ ভোট। আমাদের ২২০ পার হওয়ার কথা ছিল না, আপনি [[বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু|ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর]] দিকে ফিরে সেটি জানেন, তাই না? ২২১ হওয়ার কোনো পথ ছিল না, কিন্তু তারপর তারা বলল ২৭০ হওয়ার কোনো পথ নেই এবং সেখানে প্রচুর উৎসাহ ছিল। আমি বলব যে, আমরা এই দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনব, আমরা এই দেশে অপরাধ বন্ধ করব। আমরা দীর্ঘদিনের বর্ণবাদ এবং অন্যান্য যা কিছু ঘটছে তা বন্ধ করার জন্য আমাদের ক্ষমতার মধ্যে সবকিছু করব। কারণ দীর্ঘ সময় ধরে অনেক খারাপ জিনিস ঘটে আসছে। আমি মনে করি আমার নির্বাচনে জেতার অন্যতম কারণ হলো আমাদের জাতি এখন অনেক বিভক্ত, খুব বেশি বিভক্ত। আশা করি আমি সে বিষয়ে কিছু করতে পারব এবং এটি আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ইহুদি মানুষ, আমার অনেক বন্ধু, আমার এক মেয়ে যে এই মুহূর্তে এখানে আছে, এক জামাতা এবং তিন চমৎকার নাতি-নাতনির কথা বলতে গেলে, আমি মনে করি আপনারা আগামী তিন, চার বা আট বছরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনেক পরিবর্তন দেখতে পাবেন। আমি মনে করি অনেক ভালো কিছু ঘটছে এবং আপনারা অনেক ভালোবাসা দেখতে পাবেন, আপনারা অনেক ভালোবাসা দেখতে পাবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ইহুদি বিদ্বেষের ক্রমবর্ধমান ঘটনা এবং তার প্রশাসনে বিদেশি ভীতি নিয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে, [https://www.youtube.com/watch?v=SmfseeZt5fA যৌথ সংবাদ সম্মেলনে] (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)।
* সংবাদমাধ্যম এতটাই অসৎ হয়ে পড়েছে যে আমরা যদি এ বিষয়ে কথা না বলি, তবে আমরা আমেরিকান জনগণের প্রতি চরম অন্যায় করব। চরম অন্যায়। কী ঘটছে তা জানার জন্য আমাদের কথা বলতে হবে, কারণ সত্যি বলতে সংবাদমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। অসততার মাত্রা এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে।
* আমার মনে হয় রোনাল্ড রিগ্যানের পর এটিই ছিল সবচেয়ে বড় ইলেক্ট্রোরাল কলেজ জয়।
* এই প্রশাসন একটি নিখুঁত যন্ত্রের মতো চলছে।
[[চিত্র:Michael_Flynn_(30020745053).jpg|থাম্ব|মাইক ফ্লিন একজন ভালো মানুষ, আর আমি তার পদত্যাগ চেয়েছি।]]
* মাইক ফ্লিন একজন ভালো মানুষ, আর আমি তার পদত্যাগ চেয়েছি। তিনি সম্মানের সাথে তা দিয়েছেন। তিনি এমন একজন মানুষ যার সম্পর্কে আমাদের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সকে কিছু তথ্য দেওয়া হয়েছিল, যিনি আজ আমাদের সাথে আছেন। আর যেভাবে সেই তথ্যগুলো দেওয়া হয়েছে তাতে আমি খুশি ছিলাম না। তাকে এটা করতে হতো না, কারণ তিনি যা করেছেন তা ভুল ছিল না। তিনি যে তথ্য দেখেছিলেন সে দিক থেকে কোনো ভুল ছিল না। ভুল ছিল অন্যদের, যার মধ্যে এই ঘরের আপনারাও আছেন, যেভাবে তথ্যগুলো দেওয়া হয়েছিল। কারণ সেগুলো ছিল গোপন তথ্য যা অবৈধভাবে দেওয়া হয়েছিল। এটাই আসল সমস্যা।
* দেখুন, আমি যখন জনসভায় যাই, তারা ঘুরে দাঁড়ায় এবং সিএনএন এর দিকে চিৎকার করতে শুরু করে। তারা সিএনএনের দিকে তাদের প্ল্যাকার্ড ছুড়ে মারতে চায়। আমি মনে করি আপনারা একটু ভিন্ন হলে অনেক ভালো করতেন।
* আগামীকাল তারা বলবে, "ডোনাল্ড ট্রাম্প সংবাদমাধ্যমের ওপর চিৎকার করেছেন।" আমি চিৎকার করছি না। আমি শুধু আপনাদের বলছি। আপনারা জানেন, আপনারা অসৎ মানুষ। কিন্তু আমি চিৎকার করছি না। আমি এটি উপভোগ করছি। আমার বেশ ভালো লাগছে। কিন্তু আগামীকাল শিরোনাম হবে, "ডোনাল্ড ট্রাম্প চিৎকার করেছেন।" আমি চিৎকার করছি না।
[[চিত্র:HEUraniumC.jpg|থাম্ব|আপনারা জানেন ইউরেনিয়াম কী, তাই না? এটি পারমাণবিক অস্ত্র এবং আরও অনেক কিছুর সাথে জড়িত। ইউরেনিয়াম দিয়ে অনেক কাজ করা হয়, যার মধ্যে কিছু খারাপ জিনিসও আছে।]]
* আপনারা জানেন ইউরেনিয়াম কী, তাই না? এটি পারমাণবিক অস্ত্র এবং আরও অনেক কিছুর সাথে জড়িত। ইউরেনিয়াম দিয়ে অনেক কাজ করা হয়, যার মধ্যে কিছু খারাপ জিনিসও আছে।
* এর মধ্যে [[ইরাক]]ের পরিস্থিতি খুব, খুব কঠিন। আপনারা কি জানেন কেন? কারণ আমি সামরিক বাহিনী নিয়ে কথা বলি না এবং আরও কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলি না, যা শুনে আপনারা অবাক হবেন। আর আমার পুরো নির্বাচনী প্রচারণায় আমি সেটাই বলেছি। তাই আমার আপনাদের বলার প্রয়োজন নেই। আমি সেই লোকেদের মতো হতে চাই না যারা বলে, "হ্যাঁ, আমরা এই কাজ করতে যাচ্ছি।" আমার তা করার দরকার নেই। উত্তর কোরিয়ায় আমি কী করতে যাচ্ছি তা আমার আপনাদের বলার দরকার নেই। একটু দাঁড়ান। [[উত্তর কোরিয়া]]য় আমি কী করতে যাচ্ছি তা আমার আপনাদের বলার দরকার নেই। আর ইরানের সাথে আমি কী করতে যাচ্ছি তাও আমার আপনাদের বলার দরকার নেই। কেন জানেন? কারণ তাদের এটি জানা উচিত নয়। আর শেষ পর্যন্ত আপনারা এই প্রশ্ন করতে করতে ক্লান্ত হয়ে যাবেন।
* আপনি কোথা থেকে এসেছেন? [সাংবাদিক উত্তর দিলেন তিনি বিবিসি থেকে এসেছেন] এই তো আরেক রত্ন।
* আপনি কি সভার ব্যবস্থা করতে চান? তারা কি আপনার বন্ধু? [একজন আফ্রিকান-আমেরিকান সাংবাদিককে উদ্দেশ্য করে এবং কংগ্রেসনাল ব্ল্যাক ককাসের কথা উল্লেখ করে]
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.nytimes.com/2017/02/16/us/politics/donald-trump-press-conference-transcript.html?_r=0 হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে করা মন্তব্য] (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)।
* আপনার পুরো জীবনে দেখা মানুষের মধ্যে আমিই হলাম সবচেয়ে কম ইহুদি বিদ্বেষী ব্যক্তি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.cnbc.com/2017/02/16/donald-trump-i-am-the-least-anti-semitic-racist-person-that-youve-ever-seen.html সিএনবিসি] (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* গতকাল রাতে সুইডেনে কী ঘটেছে একবার দেখুন। সুইডেন! কে বিশ্বাস করবে, সুইডেন! তারা প্রচুর সংখ্যক মানুষকে আশ্রয় দিয়েছে এবং তারা এমন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে যা তারা কখনও কল্পনাও করেনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=AMLK15edOUY ফ্লোরিডার মেলবোর্নে সমর্থকদের এক বিশাল সমাবেশে ট্রাম্পের বক্তব্য] (১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* আর আমি চাই আপনারা সবাই জানুন যে আমরা ফেক নিউজের বিরুদ্ধে লড়ছি। এটা ভুয়া, জাল, একদম মিথ্যে। কয়েক দিন আগে আমি ফেক নিউজকে জনগণের শত্রু বলেছিলাম, আর তারা সত্যিই তাই, তারা জনগণের শত্রু।
* কারো নাম ব্যবহার না করে তাদের কোনো সূত্র ব্যবহার করতে দেওয়া উচিত নয়। তাদের নাম সামনে আসতে দিন। তাদের নাম প্রকাশ করা হোক।
* আমি [[সুইডেন]]কে ভালোবাসি, চমৎকার দেশ, চমৎকার মানুষ। কিন্তু তারা বোঝে, ওখানকার মানুষ বোঝে যে আমি ঠিক বলছি। সুইডেনে কী ঘটছে একবার দেখুন।
* আমার একজন বন্ধু আছে, সে খুব প্রতিপত্তিশালী একজন মানুষ। সে আলোর ভালোবাসে, সে [[প্যারিস]] ভালোবাসে। বছরের পর বছর ধরে প্রতি বছর গ্রীষ্মকালে সে তার স্ত্রী এবং পরিবারকে নিয়ে নিয়মিত প্যারিসে যেত। অনেকদিন তার সাথে দেখা হয়নি, তাই আমি বললাম, জিম, তোমাকে একটা প্রশ্ন করি, প্যারিসের কী অবস্থা? "প্যারিস? আমি আর সেখানে যাই না, প্যারিস আর আগের মতো প্যারিস নেই।"
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://time.com/4682023/cpac-donald-trump-speech-transcript/ বার্ষিক কনজারভেটিভ পলিটিক্যাল অ্যাকশন কনফারেন্সে ভাষণ দেওয়ার সময়] (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)।
* এটি একটি অবিশ্বাস্যরকম জটিল বিষয়। কেউ জানত না যে স্বাস্থ্যসেবা এত জটিল হতে পারে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/us-news/video/2017/feb/27/trump-healthcare-complicated-budget-video হোয়াইট হাউসে ন্যাশনাল গভর্নরস অ্যাসোসিয়েশনের বৈঠকে ভাষণ দেওয়ার সময়] (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত।
* সারা বিশ্বের অনেক জাতি — যেমন [[কানাডা]], [[অস্ট্রেলিয়া]] এবং আরও অনেক দেশের মেধা-ভিত্তিক অভিবাসন ব্যবস্থা রয়েছে। এটি একটি মৌলিক নীতি যে যারা কোনো দেশে প্রবেশ করতে চায় তাদের নিজেদের আর্থিকভাবে স্বচ্ছল রাখার ক্ষমতা থাকতে হবে। অথচ আমেরিকায় আমরা এই নিয়ম কার্যকর করি না, যা আমাদের সবচেয়ে দরিদ্র নাগরিকরা যে জনসম্পদের ওপর নির্ভর করে তার ওপর চাপ সৃষ্টি করে।<br>..<br>প্রধানমন্ত্রী [[জাস্টিন ট্রুডো]]র সহায়তায় আমরা কানাডার সাথে একটি কাউন্সিল গঠন করেছি যাতে নারী উদ্যোক্তারা তাদের ব্যবসা শুরু করতে এবং তাদের আর্থিক স্বপ্ন পূরণ করতে প্রয়োজনীয় নেটওয়ার্ক, বাজার এবং মূলধন পেতে পারে।<br>..<br>আমেরিকা সকল জাতির নিজস্ব পথ বেছে নেওয়ার অধিকারকে শ্রদ্ধা করে। আমার কাজ বিশ্বের প্রতিনিধিত্ব করা নয়। আমার কাজ হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করা।<br>..<br>যথাযথ যাচাইকরণ করা সম্ভব নয় এমন জায়গা থেকে অনিয়ন্ত্রিত প্রবেশাধিকার দেওয়া সহানুভূতি নয়, বরং অবিবেচনা। আমরা আমেরিকার ভেতরে সন্ত্রাসবাদের কোনো ঘাঁটি তৈরি হতে দিতে পারি না — আমরা আমাদের জাতিকে চরমপন্থীদের আশ্রয়স্থল হতে দিতে পারি না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theglobeandmail.com/news/world/us-politics/donald-trump-congress-speech-immigration/article34158135/ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, গ্লোব অ্যান্ড মেইল অনুযায়ী] থেকে উদ্ধৃত।
==== মার্চ ২০১৭ ====
* আমাদের আইরিশ বন্ধুদের সাথে যখন আমরা আজ এখানে দাঁড়িয়ে আছি, আমার সেই প্রবাদের কথা মনে পড়ছে; এবং এটি খুব ভালো একটি প্রবাদ, এটি আমার খুব পছন্দ, আমি অনেক অনেক বছর ধরে এটি শুনে আসছি এবং আমি এটি ভালোবাসি: "সব সময় সেই বন্ধুদের ভুলে যাওয়ার কথা মনে রাখবেন যারা অবিশ্বস্ত প্রমাণিত হয়েছে, কিন্তু যারা আপনার পাশে থেকেছে তাদের মনে রাখার কথা কখনও ভুলবেন না।" আমরা তা জানি, রাজনৈতিকভাবে বলতে গেলে আমাদের অনেকেই তা জানি, আমরা এটি ভালোভাবেই জানি, এটি একটি চমৎকার কথা।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/us-news/2017/mar/17/trumps-irish-proverb-causes-derision-on-the-web তৎকালীন আইরিশ সরকারপ্রধান এন্ডা কেনির সফরের সময় দেওয়া বক্তব্য] (১৭ মার্চ ২০১৭)
==== এপ্রিল ২০১৭ ====
* চলো ওকে মেরেই ফেলি! চলো ভেতরে যাই। চলো ওদের সবাইকে খতম করে দিই।
** বাশার আল-আসাদ সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, যেমনটি ফিলিপ রাকার এবং রবার্ট কস্টা লিখিত [https://www.washingtonpost.com/politics/bob-woodwards-new-book-reveals-a-nervous-breakdown-of-trumps-presidency/2018/09/04/b27a389e-ac60-11e8-a8d7-0f63ab8b1370_story.html?noredirect=on&utm_term=.f1bf8ed6690c বব উডওয়ার্ডের নতুন বই ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতিত্বের এক 'মানসিক ভেঙে পড়া'র চিত্র তুলে ধরেছে] (৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮), ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'' উদ্ধৃত।
* সিরিয়ায় আজ নারী ও শিশুসহ নিরীহ মানুষের ওপর যে রাসায়নিক হামলা হয়েছে, তা অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং সভ্য দুনিয়া এটি উপেক্ষা করতে পারে না। বাশার আল-আসাদ সরকারের এই জঘন্য কর্মকাণ্ড পূর্ববর্তী প্রশাসনের দুর্বলতা এবং দোদুল্যমানতারই ফল। রাষ্ট্রপতি ওবামা ২০১২ সালে বলেছিলেন যে তিনি রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের বিরুদ্ধে একটি "রেড লাইন" বা চূড়ান্ত সীমা নির্ধারণ করবেন, কিন্তু পরে তিনি কিছুই করেননি। এই অসহনীয় হামলার নিন্দা জানাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সারা বিশ্বের মিত্রদের পাশে দাঁড়িয়েছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.presidency.ucsb.edu/documents/statement-the-chemical-weapons-attack-khan-sheikhoun-syria সিরিয়ার খান শেখাউনে রাসায়নিক অস্ত্র হামলা সম্পর্কে বিবৃতি] থেকে উদ্ধৃত, ''আমেরিকান প্রেসিডেন্সি প্রজেক্ট'', (৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭)
* অনেকের জন্যই এটি ছিল এক ধীরগতির এবং নৃশংস মৃত্যু... এমনকি সুন্দর ছোট শিশুদেরও এই অত্যন্ত বর্বরোচিত হামলায় নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়েছে।
** সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র হামলা সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প]], [http://www.nydailynews.com/news/politics/trump-blasts-syria-murdering-civilians-u-s-strike-article-1.3027449 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিমান ঘাঁটিতে অন্তত ৫০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পর রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প নিজের দেশের মানুষকে 'নিষ্ঠুরভাবে হত্যার' জন্য সিরিয়ার সমালোচনা করেছেন], ৬ এপ্রিল ২০১৭।
* আমরা রাতের খাবার শেষ করেছিলাম। তখন আমরা মিষ্টান্ন খাচ্ছিলাম। আর আমাদের কাছে সবচেয়ে চমৎকার এক টুকরো চকোলেট কেক ছিল যা আপনি কখনও দেখেননি, এবং রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং সেটি উপভোগ করছিলেন।
* তো যা হলো, আমি বললাম যে আমরা মাত্রই ৫৯টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছি যা ইরাকের দিকে যাচ্ছে। [সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী তাকে সংশোধন করে দেন] হ্যাঁ, সিরিয়ার দিকে যাচ্ছে।
** চীনা রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের সাথে ডিনার করার সময় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প]], [http://www.cnn.com/2017/04/12/politics/donald-trump-xi-jingping-syria-chocolate-cake/ 'চমৎকার' চকোলেট কেক খেতে খেতে ট্রাম্প ও শি সিরিয়ায় হামলা নিয়ে কথা বলেছেন], ১২ এপ্রিল ২০১৭।
* তো এটি আমেরিকায় কৃষি এবং গ্রামীণ সমৃদ্ধিকে উৎসাহিত করার জন্য। আর এখন, এখানে অনেক কথা আছে, আমি সবকিছু পড়ার ঝামেলায় যাব না।
** [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/04/25/remarks-president-trump-farmers-roundtable-and-executive-order-signing আমেরিকায় কৃষি এবং গ্রামীণ সমৃদ্ধি বাড়াতে কৃষকদের গোলটেবিল বৈঠক এবং নির্বাহী আদেশে সই করার সময় রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্যে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৫ এপ্রিল ২০১৭)
[[চিত্র:Shinzō_Abe_and_Donald_Trump_in_Palm_Beach_(3).jpeg|থাম্ব|আমি ভেবেছিলাম এটি আরও সহজ হবে।]]
* আমি ভেবেছিলাম এটি আরও সহজ হবে।
** রয়টার্সের সাথে এক [http://www.reuters.com/article/us-usa-trump-100days-idUSKBN17U0CA সাক্ষাৎকারে তার প্রথম ১০০ দিন সম্পর্কে আলোচনা করার সময়] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৭ এপ্রিল ২০১৭)
* আমি মনে করি প্রথম ১০০ দিনে আমরা হয়তো যে কোনো রাষ্ট্রপতির চেয়ে বেশি কাজ করেছি... হ্যারি ট্রুম্যানের পর আর কেউ এত কাজ করেনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের]] সাথে সাক্ষাৎকার, [http://www.washingtonexaminer.com/full-interview-with-president-trump-on-his-first-100-days/article/2621516 তার প্রথম ১০০ দিন সম্পর্কে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের সাথে পূর্ণাঙ্গ সাক্ষাৎকার], ২৮ এপ্রিল ২০১৭।
==== মে ২০১৭ ====
* কোনো আমেরিকানকে ফেডারেল সরকারের নির্দেশ এবং তাদের বিশ্বাসের নীতির মধ্যে কোনো একটিকে বেছে নিতে বাধ্য করা উচিত নয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://www.foxnews.com/opinion/2017/05/04/what-trump-understands-about-religious-liberty-in-america.html আমেরিকায় ধর্মীয় স্বাধীনতা সম্পর্কে ট্রাম্প কী বোঝেন?] থেকে উদ্ধৃত (৪ মে ২০১৭)
[[চিত্র:James_Comey_official_portrait.jpg|থাম্ব|আমি মাত্রই এফবিআই প্রধানকে বরখাস্ত করেছি। তিনি পাগল ছিলেন, এক্কেবারে বদ্ধ পাগল।]]
* আমি মাত্রই এফবিআই প্রধানকে বরখাস্ত করেছি। তিনি পাগল ছিলেন, এক্কেবারে বদ্ধ পাগল।<br>..<br>রাশিয়া নিয়ে আমি প্রচণ্ড চাপের মুখে ছিলাম। সেটা এখন কেটে গেছে।<br>..<br>আমার বিরুদ্ধে কোনো তদন্ত চলছে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], বৈঠকের আনুষ্ঠানিক বিবরণ অনুযায়ী [https://www.nytimes.com/2017/05/19/us/politics/trump-russia-comey.html হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রিত রুশ কর্মকর্তাদের সাথে ট্রাম্পের কথোপকথনের অংশ] থেকে উদ্ধৃত (১০ মে ২০১৭)
* আপনি কি আগে কখনও এই কথাটি ব্যবহার করতে শুনেছেন? কারণ আমি শুনিনি। মানে, আমি ঠিক... কয়েক দিন আগে এটি মাথায় এল আর আমার মনে হলো এটি বেশ ভালো। এটাই আপনাদের করতে হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [[দি ইকোনমিস্ট]]ে প্রকাশিত একটি সাক্ষাৎকারে অর্থনৈতিক উদ্দীপনা প্রসঙ্গে [http://www.economist.com/Trumptranscript "প্রাইম দ্য পাম্প" শব্দটি উদ্ভাবনের দাবি করেছেন] (১১ মে ২০১৭)
* আর সত্যি বলতে, যখন আমি এটি করার সিদ্ধান্ত নিই, তখন আমি নিজেকে বলেছিলাম, "জানো তো, ট্রাম্প আর রাশিয়াকে নিয়ে এই রাশিয়ার ব্যাপারটা আসলে একটা সাজানো গল্প। নির্বাচনে হারার পর ডেমোক্র্যাটরা এটি একটি অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করছে।"
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://www.nbcnews.com/nightly-news/video/president-trump-this-russia-thing-is-a-made-up-story-941962819745 এনবিসির লেস্টার হোল্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেছেন] যে ফেডারেল তদন্তের ওপর বিরক্তিই ছিল এফবিআই পরিচালক জেমস কোমিকে বরখাস্ত করার একটি কারণ (১১ মে ২০১৭)
* সমালোচক হওয়ার চেয়ে সহজ বা করুণ আর কিছু নেই। কারণ তারা এমন লোক যারা কাজ শেষ করতে পারে না। কিন্তু ভবিষ্যৎ স্বপ্নদ্রষ্টাদের জন্য, সমালোচকদের জন্য নয়। ভবিষ্যৎ সেই সব মানুষের জন্য যারা সমালোচকরা যা-ই বলুক না কেন, নিজেদের মনের কথা শোনে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=B421uhrOV-o&feature=youtu.be&t=12m34s লিবার্টি ইউনিভার্সিটির সমাবর্তন ভাষণ] থেকে উদ্ধৃত (১৩ মে ২০১৭)
* ইদানীং আমার সাথে বিশেষ করে সংবাদমাধ্যম যেভাবে আচরণ করছে তা দেখুন। ইতিহাসের কোনো রাজনীতিবিদের সাথে, এবং আমি এটি খুব নিশ্চিতভাবেই বলছি, এর চেয়ে খারাপ বা অন্যায় আচরণ করা হয়নি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/us-news/video/2017/may/17/donald-trump-media-coast-guard-speech-video "ইউএস কোস্ট গার্ড একাডেমির সমাবর্তন অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তৃতায় সংবাদমাধ্যমের সমালোচনা করার সময়"] থেকে উদ্ধৃত (১৭ মে ২০১৭)
* ওহ আমার ঈশ্বর। এটি ভয়ংকর। '''এটিই আমার রাষ্ট্রপতিত্বের শেষ। আমি শেষ।'''
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], রাশিয়া তদন্তে একজন স্পেশাল কাউন্সিল নিয়োগের বিষয়ে। রবার্ট এস. মুলার ৩য় লিখিত [https://commons.wikimedia.org/wiki/File:Report_On_The_Investigation_Into_Russian_Interference_In_The_2016_Presidential_Election.pdf "রিপোর্ট অন দ্য ইনভেস্টিগেশন ইনটু রাশিয়ান ইন্টারফারেন্স ইন দ্য ২০১৬ প্রেসিডেন্সিয়াল ইলেকশন"], ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ৭৮-এ উদ্ধৃত।
* অনেক তরুণ, সুন্দর, নিষ্পাপ মানুষ যারা জীবনকে উপভোগ করছিল, জীবনের কিছু শয়তান লুজার তাদের হত্যা করেছে। আমি তাদের দানব বলব না কারণ তারা ওই শব্দটি পছন্দ করবে। তারা ভাববে এটি একটি চমৎকার নাম। আমি এখন থেকে তাদের লুজার বলব কারণ তারা তা-ই। তারা লুজার। আর আমরা এমন আরও অনেককে পাব। কিন্তু তারা ব্যর্থ, শুধু এটা মনে রাখবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theatlantic.com/international/archive/2017/05/trump-manchester-losers/527745/ দি আনটলান্টিক] থেকে উদ্ধৃত
==== জুন ২০১৭ ====
* আমি প্যারিসের নয়, বরং পিটসবার্গের নাগরিকদের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য নির্বাচিত হয়েছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/06/01/statement-president-trump-paris-climate-accord প্যারিস জলবায়ু চুক্তি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বিবৃতি], যেখানে তিনি প্যারিস চুক্তি থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেন (১ জুন ২০১৭)
* ইতিহাস স্বপ্নদ্রষ্টাদের দ্বারা লেখা হয়, সন্দেহবাদীদের দ্বারা নয়।
[[চিত্র:Family trump in the Easter Egg Roll (cropped).jpg|থাম্ব|আমি ধনী-দরিদ্র সব মানুষকেই ভালোবাসি, কিন্তু বিশেষ ওই পদগুলোর জন্য আমি কোনো দরিদ্র মানুষকে চাই না।]]
* আমি ধনী-দরিদ্র সব মানুষকেই ভালোবাসি, কিন্তু বিশেষ ওই পদগুলোর জন্য আমি কোনো দরিদ্র মানুষকে চাই না।
* আমরা দেওয়ালটিকে একটি সৌর দেওয়াল হিসেবে তৈরির কথা ভাবছি, যাতে এটি শক্তি উৎপাদন করে এবং নিজের খরচ নিজেই মেটাতে পারে। আর এভাবে মেক্সিকোকে অনেক কম টাকা দিতে হবে, আর সেটা ভালো, তাই না? আপনারা প্রথম দল যাদের আমি এটি বললাম। একটি সৌর দেওয়াল, এর মানে হয়। দেখা যাক, আমরা এটি নিয়ে কাজ করছি। সৌর দেওয়াল, প্যানেল, চমৎকার। মানে আসলে ভেবে দেখুন, এটি যত উঁচুতে যাবে এর মূল্য তত বাড়বে, এটি অনেকটা... বেশ ভালো কল্পনাশক্তি ''[নিজের মাথার দিকে ইশারা করে]'', তাই না, ভালো? আমার পরিকল্পনা।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://www.foxnews.com/politics/2017/06/21/president-trump-holds-iowa-rally-live-blog.html আইওয়ার সিডার র্যাপিডসে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের জনসভা] থেকে উদ্ধৃত (২১ জুন ২০১৭)
* দেখুন আমি তাকে রেকর্ড করিনি — কী ঘটছে তা আপনি কখনোই বুঝতে পারবেন না, যখন আপনি দেখবেন যে ওবামা প্রশাসন, এবং সম্ভবত তার চেয়েও বেশি সময় ধরে, এই সব মুখোশ উন্মোচন এবং নজরদারি করছিল। আর আপনি যখন চারিদিকে নজরদারি করার মতো গুরুতর এবং ভয়াবহ পরিস্থিতি সম্পর্কে সব পড়বেন, যেমনটা আমি গত কয়েক মাস ধরে পড়ছি। আর আপনারা 'মুখোশ উন্মোচন' শব্দটি শুনেছেন, এমন একটি শব্দ যা আপনারা হয়তো আগে কখনও শোনেননি। তাই সেখানে কী আছে আপনি কখনও জানবেন না — তবে আমি রেকর্ড করিনি, আর আমার কাছে কোনো টেপ নেই, আর আমি রেকর্ড করিনি।
* ভালো, এটি খুব একটা বোকামি ছিল না, আমি আপনাকে তা বলতে পারি। ''[সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী যখন ইঙ্গিত দেন যে রেকর্ড বা টেপ আছে বলে তার টুইট করা একটি চালাকি ছিল, তার জবাবে]''
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [http://insider.foxnews.com/2017/06/23/trump-comey-tapes-tweet-mueller-probe-fox-friends-interview "ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডসে এইন্সলি ইয়ারহার্ডের নেওয়া ট্রাম্পের সাক্ষাৎকার"] থেকে উদ্ধৃত (২৩ জুন ২০১৭)
* আমি শুনলাম কম রেটিংয়ের জো স্কারবোরো আমাকে নিয়ে খারাপ কথা বলছে (আর দেখি না)। তাহলে কম বুদ্ধির পাগল মিকা আর সাইকো জো কেন নিউ ইয়ার ইভের আশেপাশে টানা ৩ রাত মার-আ-লাগোতে এসেছিল এবং আমার সাথে যোগ দেওয়ার জন্য জোরাজুরি করেছিল? ফেস-লিফটের কারণে তার মুখ থেকে রক্ত পড়ছিল। আমি না বলে দিয়েছিলাম!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.nytimes.com/2017/06/29/business/media/trump-mika-brzezinski-facelift.html "ট্রাম্প মিকা ব্রজেজিনস্কিকে বিদ্রূপ করেছেন"] থেকে উদ্ধৃত (২৯ জুন ২০১৭)
[[চিত্র:Donald_Trump_(29273256122)_-_Cropped.jpg|থাম্ব|মানুষের আত্মা অজানাকে জানার জন্য ব্যাকুল থাকে। মহাবিশ্বের রহস্য উন্মোচনের মাধ্যমে আমরা নিজেদের ভেতরের সত্যকেও উন্মোচন করি।]]
* মানুষের আত্মা অজানাকে জানার জন্য ব্যাকুল থাকে। মহাবিশ্বের রহস্য উন্মোচনের মাধ্যমে আমরা নিজেদের ভেতরের সত্যকেও উন্মোচন করি। এটা সত্যি। আমাদের মহাকাশ যাত্রা শুধু আমাদের শক্তিশালী আর সমৃদ্ধই করবে না, বরং আমাদের বড় লক্ষ্যগুলোর পেছনে ঐক্যবদ্ধ করবে এবং সবাইকে আরও কাছাকাছি নিয়ে আসবে। এটা কি দারুণ হবে না? আপনারা কি বিশ্বাস করতে পারেন যে মহাকাশ এমনটা করবে? আমি ভেবেছিলাম রাজনীতি হয়তো এটা করবে। (হাসি)। যাই হোক, আমাদের এখন মহাকাশের ওপরই ভরসা করতে হবে।
* প্রতিবার আকাশে কোনো কিছুর উৎক্ষেপণ আমাদের এমন এক ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায় যেখানে আমাদের সাধারণ মানবিকতার বিশালতার সামনে আমাদের পার্থক্যগুলো ছোট মনে হয়। অনেক সময় সত্যকে দেখার জন্য কোনো কিছুকে দূর থেকে দেখতে হয়। জ্ঞানের চিরন্তন সন্ধানে মানবতার অগ্রভাগে থাকা এবং অজানার অভিযানে জাতিগুলোর মধ্যে নেতৃত্ব দেওয়া আমেরিকার ভাগ্য।
* মহাকাশ। বাইরে অনেক জায়গা আছে, তাই না? ''[বাজ অলড্রিন মাঝপথে বলেন: অসীমের পথে এবং তারও ঊর্ধ্বে!]'' এটা অসীম, এটা অসীম হতে পারে, আমরা ঠিক জানি না। তবে হতেও পারে, সেখানে নিশ্চয়ই কিছু আছে, তবে এটা অসীম হতে পারে, তাই তো?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/06/30/remarks-president-signing-executive-order-national-space-council "ন্যাশনাল স্পেস কাউন্সিলের একটি নির্বাহী আদেশে সই করার সময় ট্রাম্পের বক্তব্য"] থেকে উদ্ধৃত (৩০ জুন ২০১৭)
==== জুলাই ২০১৭ ====
* আমাদের সময়ের মৌলিক প্রশ্নটি হলো পশ্চিমা বিশ্বের বেঁচে থাকার ইচ্ছা আছে কি না। যেকোনো মূল্যে আমাদের মূল্যবোধ রক্ষা করার আত্মবিশ্বাস কি আমাদের আছে? আমাদের সীমান্ত রক্ষা করার জন্য নাগরিকদের প্রতি কি আমাদের যথেষ্ট সম্মান আছে? যারা আমাদের সভ্যতাকে নসাৎ বা ধ্বংস করতে চায়, তাদের মুখে দাঁড়িয়ে আমাদের সভ্যতা টিকিয়ে রাখার আকাঙ্ক্ষা ও সাহস কি আমাদের আছে?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2017/07/06/remarks-president-trump-people-poland-july-6-2017 "পোল্যান্ডের জনগণের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্য"] (৬ জুলাই ২০১৭) থেকে উদ্ধৃত
* ...ওবামাকেয়ারকে ব্যর্থ হতে দিন, এটি অনেক সহজ হবে। এবং আমি মনে করি আমরা সম্ভবত এমন অবস্থানে আছি যেখানে আমরা ওবামাকেয়ারকে ব্যর্থ হতে দেব। আমরা এর দায় নেব না। আমি এর দায় নেব না। আমি আপনাদের বলতে পারি যে রিপাবলিকানরা এর দায় নেবে না। আমরা ওবামাকেয়ারকে ব্যর্থ হতে দেব এবং তারপর ডেমোক্র্যাটরা আমাদের কাছে আসবে।
** হোয়াইট হাউসের এক সংবাদ সম্মেলন, ১৮ জুলাই ২০১৭, থমাস কাপলান লিখিত [https://www.nytimes.com/2017/07/18/us/politics/republicans-obamacare-repeal-now-replace-later.html রিপাবলিকানদের স্বাস্থ্য বিল ভেস্তে যাওয়ার সাথে সাথে ট্রাম্প বলেছেন "ওবামাকেয়ারকে ব্যর্থ হতে দিন]" শীর্ষক নিবন্ধে উদ্ধৃত, ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৮ জুলাই ২০১৭
* আমি অ্যাটর্নি জেনারেলের ওপর হতাশ। দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় পরপরই তার নিজেকে সরিয়ে নেওয়া উচিত হয়নি। আর যদি তিনি নিজেকে সরিয়ে নিতেই চাইতেন, তবে তার উচিত ছিল দায়িত্ব নেওয়ার আগেই আমাকে তা বলা। তাহলে আমি খুব সহজেই অন্য কাউকে বেছে নিতাম। তাই আমি মনে করি এটি একটি খারাপ ব্যাপার, রাষ্ট্রপতির জন্য নয় বরং রাষ্ট্রপতিত্বের জন্য। আমি মনে করি এটি রাষ্ট্রপতিত্বের প্রতি অন্যায় হয়েছে এবং আমি ঠিক এমনটাই মনে করি।
** হোয়াইট হাউসের এক সাংবাদিক সম্মেলনে [https://www.youtube.com/watch?v=ZgImDKyPZwg জেফ সেশনস সম্পর্কে একটি প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প] (২৫ জুলাই ২০১৭)
* আমি বলেছি দয়া করে খুব বেশি ভালো হবেন না। যেমন আপনারা যখন কাউকে গাড়িতে তোলেন এবং তাদের মাথা রক্ষা করেন, আপনারা জানেন, যেভাবে হাত দিয়ে আড়াল করেন যাতে মাথায় আঘাত না লাগে অথচ তারা হয়তো মাত্রই কাউকে খুন করে এসেছে, তাদের মাথায় যাতে আঘাত না লাগে? আমি বললাম, আপনারা হাত সরিয়ে নিতে পারেন, ঠিক আছে।
** লং আইল্যান্ডের সাফোক কাউন্টি কমিউনিটি কলেজে [https://www.youtube.com/watch?v=NFgjNPiq9Cw পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের বক্তব্য (২৮ জুলাই ২০১৭)
===== ২০১৭ ন্যাশনাল স্কাউট জাম্বোরি (২৪ জুলাই ২০১৭) =====
<small>[https://www.youtube.com/watch?v=TplF26czQVE ২০১৭ ন্যাশনাল স্কাউট জাম্বোরিতে তরুণদের অনুপ্রাণিত করছেন ট্রাম্প] (২৪ জুলাই ২০১৭)</small>
* আমি বললাম, ছেলে স্কাউটদের সামনে দাঁড়িয়ে কে রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে চায়, তাই না?
* আপনারা জানেন, আমি ওয়াশিংটনে যাই এবং এই সব রাজনীতিবিদদের দেখি, আর আমি সেই সোয়াম্প দেখি। এটি কোনো ভালো জায়গা নয়। আসলে আজ আমি বলেছি যে আমাদের 'সোয়াম্প' শব্দটি বদলে 'সেসপুল' বা হয়তো 'সুয়্যার' শব্দ ব্যবহার করা উচিত। তবে এটি ভালো নয়, একদমই ভালো নয়।
* সেক্রেটারি টম প্রাইসও এখানে আছেন। আজ ডক্টর প্রাইস আমাদের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা সচিব হিসেবে লক্ষ লক্ষ আমেরিকানকে শক্তিশালী এবং সুস্থ রাখতে সাহায্য করার মাধ্যমে স্কাউট শপথ অনুযায়ী কাজ করে চলেছেন এবং তিনি চমৎকার কাজ করছেন। আর আশা করি তিনি ওবামাকেয়ার নামের এই ভয়ংকর জিনিসটিকে শেষ করার পথে আগামীকাল প্রয়োজনীয় ভোট পাবেন যা আমাদের সত্যিই ক্ষতি করছে। যাই হোক, আপনি কি ভোটগুলো পাবেন? তাকে সেগুলো পেতেই হবে। তাকে সেগুলো পেতেই হবে। ওহ, তাকে পেতেই হবে, অন্যথায় আমি বলব, "টম, তোমাকে বরখাস্ত করা হলো।"
* দয়া করে ওই ক্যামেরাগুলো পেছনের দিকে ঘোরান, ওটা অবিশ্বাস্য। যাই হোক, আপনাদের কী মনে হয় এই বিশাল এবং রেকর্ড সৃষ্টিকারী ভিড় আজ রাতে টেলিভিশনে দেখানোর সম্ভাবনা কতটুকু? ১ শতাংশ না কি শূন্য? ভুয়া মিডিয়া বলবে, "রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প", আর আপনারা জানেন এটি কী, "রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প আজ ছেলে স্কাউটদের এক ছোট ভিড়ের সামনে ভাষণ দিয়েছেন।"
* যাই হোক, শুধু একটা প্রশ্ন, রাষ্ট্রপতি ওবামা কি কখনো কোনো জাম্বোরিতে এসেছিলেন?
* আর আপনারা জানেন ইলেক্ট্রোরাল কলেজে আমাদের অনেক অসুবিধা আছে, পপুলার ভোট পাওয়া অনেক সহজ।
==== আগস্ট ২০১৭ ====
* [[উত্তর কোরিয়া]]র জন্য এটাই সবচেয়ে ভালো হবে যেন তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে আর কোনো হুমকির আঙুল না তোলে। তাদের এমন '''আগুন আর প্রচণ্ড রাগের মোকাবিলা করতে হবে যা দুনিয়া আগে কখনো দেখেনি'''। তিনি একটি সাধারণ রাষ্ট্রের সীমা ছাড়িয়ে অনেক বেশি হুমকি দিচ্ছেন। তাদের এমন '''আগুন, প্রচণ্ড রাগ আর সত্যি বলতে এমন শক্তির''' মুখে পড়তে হবে যা এই পৃথিবী আগে কখনো দেখেনি।
** ওপিওয়েড অতিমারি সংক্রান্ত এক জনসভায় উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য।
** সিএনএনেরর [http://www.cnn.com/2017/08/09/politics/trump-fire-fury-improvise-north-korea/index.html ট্রাম্পের 'আগুন ও প্রচণ্ড ক্রোধ' বিষয়ক মন্তব্যটি তাৎক্ষণিক ছিল কিন্তু ছিল বিখ্যাত], ৯ আগস্ট ২০১৭।
* আমরা অনেক পক্ষ থেকে, হ্যাঁ অনেক পক্ষ থেকেই ঘৃণা, গোঁড়ামি আর সহিংসতার এই ভয়াবহ রূপের কড়া ভাষায় নিন্দা জানাই। আমাদের দেশে এটি দীর্ঘ সময় ধরে চলে আসছে। এটি ডোনাল্ড ট্রাম্প বা বারাক ওবামার সময় থেকে নয়, বরং অনেক অনেক দিন ধরে চলছে।
** ভার্জিনিয়ার শার্লটসভিলে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী র্যালির সন্ত্রাস সম্পর্কে প্রথম বিবৃতি। [https://www.theguardian.com/us-news/2017/aug/12/charlottesville-protest-trump-condemns-violence-many-sides] দ্য গার্ডিয়ান। (১২ আগস্ট ২০১৭)
*বর্ণবাদ একটি শয়তানি। আর যারা এর নামে অশান্তি সৃষ্টি করে তারা স্রেফ অপরাধী আর গুন্ডা। কেকেকে, নব্য-নাৎসি, শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী আর অন্যান্য ঘৃণ্য গোষ্ঠীগুলো আমেরিকান হিসেবে আমাদের প্রিয় আদর্শগুলোর পরিপন্থী এবং জঘন্য। যারা গোঁড়ামির নামে অশান্তি ছড়ায় তারা আমেরিকার মূল সত্তায় আঘাত করে। প্রার্থী হিসেবে আমি দেশে আইন-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম এবং আমাদের সরকারি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো সেই কথা রাখছে। আমরা এই লড়াইয়ে কোনো কিছুর কমতি রাখব না যাতে প্রতিটি আমেরিকান শিশু ভয় আর সহিংসতা ছাড়া বড় হতে পারে। আমরা সকল আমেরিকানের পবিত্র অধিকার রক্ষা করব এবং আমরা সবাই মিলে কাজ করব যাতে এই ধন্য দেশের প্রতিটি নাগরিক তাদের মনের স্বপ্ন পূরণ করতে পারে এবং আমাদের আত্মার ভালোবাসা ও আনন্দ প্রকাশ করতে পারে।
** ১১-১২ আগস্ট ২০১৭ তারিখে ভার্জিনিয়ার শার্লটসভিলে অনুষ্ঠিত একটি চরম-ডানপন্থী র্যালিতে সহিংসতার বিষয়ে পরবর্তী বিবৃতি; [http://www.cnn.com/2017/08/14/politics/trump-condemns-charlottesville-attackers/index.html ট্রাম্প কেকেকে, নব্য-নাৎসি আর শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীদের 'জঘন্য' বলেছেন] (১৪ আগস্ট ২০১৭)
*'''হ্যাঁ, আমি মনে করি দুই পক্ষেরই দোষ আছে। আপনারা দুই পক্ষকেই ভালো করে দেখুন, আমার মনে হয় দুই পক্ষেরই দোষ আছে এবং এ নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই, আপনাদেরও থাকা উচিত নয়।''' আর আপনারা যদি এটি সঠিকভাবে তুলে ধরতেন, তবে বলতেন... [সাংবাদিক: নব্য-নাৎসিরা এটি শুরু করেছিল। তারা শার্লটসভিলে এসেছিল। তারা... (সাংবাদিকদের শোরগোল)] মাফ করবেন। শুনুন। '''তারা নিজেদের নব্য-নাৎসি হিসেবে পরিচয় দেয়নি।''' আর সেই দলে কিছু খুব খারাপ মানুষ ছিল। '''কিন্তু দুই পক্ষেই এমন কিছু মানুষ ছিল যারা খুব ভালো মানুষ ছিল।''' সেই দলে এমন কিছু লোক ছিল — মাফ করবেন — আমি আপনাদের মতোই ছবিগুলো দেখেছি। সেই দলে এমন লোক ছিল যারা তাদের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি মূর্তি সরিয়ে ফেলা এবং একটি পার্কের নাম রবার্ট ই. লি থেকে অন্য নামে বদলানোর প্রতিবাদ করতে সেখানে এসেছিল। [সাংবাদিকদের শোরগোল] জর্জ ওয়াশিংটন কি দাসের মালিক ছিলেন না? অবশ্যই ছিলেন। তাহলে কি এখন জর্জ ওয়াশিংটন তার মর্যাদা হারাবেন? আমরা কি — মাফ করবেন — আমরা কি এখন জর্জ ওয়াশিংটনের মূর্তি সরিয়ে ফেলব? থমাস জেফারসনের কথাই ধরুন। আপনারা তাকে পছন্দ করেন, তাই তো? ভালো। আমরা কি এখন তার মূর্তি সরিয়ে ফেলব কারণ তিনি একজন বড় দাসের মালিক ছিলেন? এভাবে তো আপনারা ইতিহাস আর সংস্কৃতিকেই বদলে দিচ্ছেন। সেই দলে এমন কিছু লোক ছিল — এবং '''আমি নব্য-নাৎসি আর শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদীদের কথা বলছি না, কারণ তাদের পুরোপুরি নিন্দা জানানো উচিত''' — কিন্তু সেই দলে '''নব্য-নাৎসি আর শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী ছাড়াও আরও অনেক সাধারণ মানুষ ছিল''', ঠিক আছে? আর সংবাদমাধ্যম তাদের সাথে চরম অন্যায় আচরণ করেছে। আবার অন্য দলেও কিছু ভালো মানুষ ছিল, কিন্তু সেখানে কিছু দাঙ্গাবাজও ছিল যাদের আপনারা '''কালো পোশাক, হেলমেট আর বেসবল ব্যাট''' নিয়ে আসতে দেখেছেন। অন্য দলেও অনেক খারাপ লোক ছিল।
* শনিবার আমি যে বিবৃতিটি দিয়েছিলাম, সেই প্রথম কথাগুলো একদম সঠিক ছিল।
** নিউ ইয়র্কের ট্রাম্প টাওয়ারে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে রয়টার্সের [https://www.reuters.com/article/us-virginia-protests-idUSKCN1AV0WT "ভার্জিনিয়ার প্রাণঘাতী সহিংসতার জন্য ট্রাম্প আবারও উভয় পক্ষকে দায়ী করেছেন"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৫ আগস্ট ২০১৭)। প্রতিলিপি: [https://www.cnbc.com/2017/08/15/read-the-transcript-of-donald-trumps-jaw-dropping-press-conference.html সিএনবিসি], [https://www.vox.com/2017/8/15/16154028/trump-press-conference-transcript-charlottesville ভক্স]।
==== সেপ্টেম্বর ২০১৭ ====
* এটি এমন এক রাষ্ট্রপতিত্ব যার প্রধান বৈশিষ্ট্য আদর্শ নয়, এমনকি নীতিও নয়। এটি হলো এক ধরনের স্নায়বিক সমস্যা।
** ব্রেট স্টিফেনস, [http://archive.is/bD7xJ "ট্রাম্প রক্ষণশীলদের তাদের উপযুক্ত পাওনা বুঝিয়ে দিচ্ছেন"] (১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস''
* ভেনেজুয়েলার সমস্যা এটা নয় যে সেখানে [[সমাজতন্ত্র]] ঠিকমতো বাস্তবায়ন করা হয়নি। বরং সমস্যাটা হলো সেখানে সমাজতন্ত্র ঠিকঠাকভাবেই বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭২তম অধিবেশনে দেওয়া তার প্রথম ভাষণে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। (১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭)
* আপনারা এর চেয়ে ভালো একটা কাজই করতে পারেন যদি দেখেন এমনটা হচ্ছে, এমনকি একজন খেলোয়াড়ও যদি এমন করে, তবে স্টেডিয়াম ছেড়ে চলে যান। আমি কথা দিচ্ছি, এসব বন্ধ হয়ে যাবে। এসব বন্ধ হবেই। শুধু উঠে চলে যান। উঠে চলে যান। এমনিতেও খেলাটা আর আগের মতো নেই। আপনারা কি দেখতে চাইবেন না যে এনএফএলের মালিকদের কেউ একজন, যখন কেউ আমাদের পতাকাকে অসম্মান করছে, তখন বলছেন, 'ওই কুত্তার বাচ্চাকে এখনই মাঠ থেকে বের করে দাও। বের করো! ওকে বরখাস্ত করা হলো। ওকে বরখাস্ত করা হলো!'
** অ্যালাবামার হান্টসভিলে এক জনসভায় মার্কিন পতাকার বিরুদ্ধে এনএফএল খেলোয়াড়দের প্রতিবাদ প্রসঙ্গে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
** {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৭-০৯-২২ |শিরোনাম=জাতীয় সংগীতে হাঁটু গেড়ে বসার জন্য এনএফএল খেলোয়াড়দের বরখাস্তের দাবি জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প — এবং তারা এর জবাব দিয়েছে |লেখক=অ্যারিক জেনকিন্স |সাময়িকী=ফরচুন |ইউআরএল=http://fortune.com/2017/09/23/donald-trump-nfl-players-anthem-response/}}
* হোমল্যান্ড সিকিউরিটি থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষা বিভাগ পর্যন্ত আমাদের সরকারের সব যথাযথ বিভাগ এই দুর্যোগ মোকাবিলায় পুরোপুরি নিয়োজিত আছে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে উদ্ধার ও পুনরুদ্ধারের এমন প্রচেষ্টা হয়তো আগে কখনো দেখা যায়নি। এটি একটি দ্বীপ যার চারিদিকে জল, বিশাল জলরাশি, সমুদ্রের জল।
** ঘূর্ণিঝড় মারিয়া সম্পর্কে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
** {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৭-০৯-২৯ |শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন পুয়ের্তো রিকো হলো 'বিশাল জলরাশি বেষ্টিত একটি দ্বীপ' |লেখক=এমিলি শুগারম্যান |সাময়িকী=দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট |অবস্থান=ইউকে |ইউআরএল=https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-politics/donald-trump-puerto-rico-hurricane-maria-comments-island-big-water-a7975011.html}}
==== অক্টোবর ২০১৭ ====
* আপনারা কি জানেন এটি কিসের প্রতীক? হয়তো এটি ঝড়ের আগের শান্ত মুহূর্ত। ''[সাংবাদিক: কিসের ঝড়?]'' হতে পারে ঝড়ের আগের শান্ত, একদম শান্ত একটা ভাব। [সাংবাদিক: কিসের ঝড় মিস্টার প্রেসিডেন্ট?] এই ঘরে বিশ্বের সেরা সামরিক ব্যক্তিরা আছেন, আমি শুধু আপনাদের এটাই বলব, আর আমাদের সন্ধ্যাটা খুব চমৎকার কাটবে। ''[সাংবাদিক: কিসের ঝড় মিস্টার প্রেসিডেন্ট?]'' আপনারা জানতে পারবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.washingtonpost.com/news/post-politics/wp/2017/10/06/trump-gathers-with-military-leaders-says-maybe-its-the-calm-before-the-storm/ "হোয়াইট হাউসে ছবি তোলার সময় দেওয়া বক্তব্য"] থেকে উদ্ধৃত (৬ অক্টোবর ২০১৭)
* সংবাদমাধ্যম হলো — সত্যি বলতে, আমার উদ্ভাবিত সেরা শব্দগুলোর একটি হলো "ফেক" (ভুয়া)। আমার ধারণা হয়তো অন্য মানুষও বছরের পর বছর এটি ব্যবহার করেছে, কিন্তু আমি কখনো তা খেয়াল করিনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ড্যানিয়েল ডেল লিখিত [https://www.thestar.com/news/world/2017/10/08/donald-trump-defends-paper-towels-in-puerto-rico-says-stephen-paddock-was-probably-smart-in-bizarre-tv-interview-analysis.html এক বিচিত্র টিভি সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প পুয়ের্তো রিকোর পেপার টাওয়েল নিয়ে আত্মপক্ষ সমর্থন করেছেন এবং স্টিফেন প্যাডক সম্পর্কে বলেছেন সে 'সম্ভবত বুদ্ধিমান' ছিল: একটি বিশ্লেষণ] শীর্ষক নিবন্ধে উদ্ধৃত, দ্য স্টার ডট কম, ৮ অক্টোবর ২০১৭
* চেইন মাইগ্রেশন হলো অন্যতম এক বিপর্যয়। আপনি একজনকে আসতে দিচ্ছেন আর সেই একজন ১০ বা ১২ জনকে নিয়ে আসছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ১১ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে [https://abcnews.go.com/US/times-trump-slammed-chain-migration-apparently-helped-wifes/story?id=57132429 শন হ্যানিটি]র নেওয়া সাক্ষাৎকারে
* আর আমরা এটি সেই সব বাবা-মায়েদের মধ্যে দেখি যারা ভোরবেলায় ঘুম থেকে ওঠেন; তারা দুটো চাকরি করেন, কখনো কখনো তিনটা চাকরিও করেন। তারা প্রতিদিন আসবাবপত্র এবং তাদের সন্তানদের ভবিষ্যতের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.palmerreport.com/opinion/random-words-donald-trump/5573/ ২০১৭ ভ্যালুস ভোটার সামিটে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্য] থেকে উদ্ধৃত (১৩ অক্টোবর ২০১৭)
* এইমাত্র খবর এল: "চরমপন্থী ইসলামি সন্ত্রাসের প্রসারের মাঝে যুক্তরাজ্যে বার্ষিক অপরাধের হার ১৩% বেড়েছে।" ভালো কথা নয়, আমাদের অবশ্যই আমেরিকাকে নিরাপদ রাখতে হবে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.snopes.com/trump-uk-terrorism/ @রিয়েলডোনাল্ডট্রাম্প এর টুইট] থেকে উদ্ধৃত (২০ অক্টোবর ২০১৭)
* আমাদের সম্পর্ক খুব ভালো। লোকে বলে যেকোনো রাষ্ট্রপতি-রাষ্ট্রপতির মধ্যে আমাদের সম্পর্ক সবচেয়ে সেরা, কারণ তাকেও রাষ্ট্রপতি বলা হয়। এখন কেউ কেউ তাকে চীনের রাজা বলে ডাকতে পারে, কিন্তু তাকে রাষ্ট্রপতিই বলা হয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ২৫ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে [https://www.realclearpolitics.com/video/2017/10/25/full_lou_dobbs_interview_trump_asks_what_could_be_more_fake_than_cbs_nbc_abc_and_cnn.html ফক্স বিজনেসে লু ডবসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শি জিনপিং প্রসঙ্গে] থেকে উদ্ধৃত
==== নভেম্বর ২০১৭ ====
* কিম জং-উন কেন আমাকে "বুড়ো" বলে অপমান করবেন, যেখানে আমি তাকে কখনোই "বেঁটে আর মোটা" বলি না? যা-ই হোক, আমি তার বন্ধু হওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছি — হয়তো কোনো একদিন তেমনটা হয়েও যাবে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], কোরি চার্লটন লিখিত [https://www.thesun.co.uk/news/4895959/donald-trump-calls-kim-jong-un-short-and-fat-and-says-hes-trying-hard-to-be-his-friend/ ডোনাল্ড ট্রাম্প কিম জং-উনকে 'বেঁটে আর মোটা' বলেছেন এবং বলেছেন যে তিনি 'তার বন্ধু হওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছেন'] শীর্ষক নিবন্ধে উদ্ধৃত, ''দ্য সান'', ৮ নভেম্বর ২০১৭
* [[হোয়াইট হাউস]]ে ভারতের একজন প্রকৃত বন্ধু আছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ২৮ নভেম্বর ২০১৭, [http://indianexpress.com/article/india/india-has-true-friend-at-white-house-says-ivanka-trump-at-global-entrepreneurship-summit-full-text-ivanka-trump/ গ্লোবাল এন্টারপ্রেনারশিপ সামিটে ইভানকা ট্রাম্প বলেছেন হোয়াইট হাউসে ভারতের অকৃত্রিম বন্ধু আছে], ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
==== ডিসেম্বর ২০১৭ ====
* সে অনেক মানুষকে মেরে ফেলেছে, তাদের ওপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে দিয়েছে। আর এসব হয়েছে ওই ধারাবাহিক অভিবাসনের সুযোগে। এই নিয়ম অনুযায়ী, দেখা যাচ্ছে তার সাথে হয়তো ২২ থেকে ২৪ জন লোক এ দেশে এসেছিল। তার দাদা, দাদি, মা, বাবা, ভাই আর বোনেরা। আমাদের এই ধারাবাহিক অভিবাসন ব্যবস্থা বন্ধ করতে হবে। আমাদের এটি বন্ধ করতেই হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.breitbart.com/politics/2017/12/08/trump-time-congress-adopt-pro-american-immigration-agenda/ ৮ ডিসেম্বর ২০১৭] থেকে উদ্ধৃত
=== ২০১৮ ===
==== জানুয়ারি ২০১৮ ====
* গত ১৫ বছরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বোকার মতো পাকিস্তানকে ৩৩ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি সাহায্য দিয়েছে, তারা আমাদের মিথ্যা আর প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই দেয়নি; আমাদের নেতাদের তারা বোকা ভেবেছে। আমরা আফগানিস্তানে যেসব সন্ত্রাসীদের খুঁজি, তারা তাদের নিরাপদ আশ্রয় দেয়, আর আমাদের খুব সামান্যই সাহায্য করে। আর না!
** সিএনএন: ২০১৮ সালে ট্রাম্পের প্রথম টুইট: পাকিস্তান আমাদের 'মিথ্যা আর প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই দেয়নি' [https://edition.cnn.com/2018/01/01/politics/donald-trump-2018-pakistan/index.html], দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট [https://www.independent.co.uk/news/world/americas/donald-trump-pakistan-tweet-lies-deceit-aid-us-president-terrorism-aid-a8136516.html]
* এই দেশে মানহানি আইনগুলো খুব দুর্বল। সেগুলো যদি শক্তিশালী হতো, তবে খুব কাজে দিত। আপনার মাথায় যাই আসুক তাই বলে দিলেন, এমনটা আর হতে পারত না।
** মাইকেল উলফের ''ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি'' সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উত্তর, [https://factba.se/transcript/donald-trump-remarks-questions-camp-david-gop-retreat-january-6-2018 ক্যাম্প ডেভিড ভাষণ] (৬ জানুয়ারি ২০১৮)
* আমি একজন অত্যন্ত সফল ব্যবসায়ী থেকে শীর্ষ টিভি তারকা... তারপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হয়েছি (প্রথম চেষ্টাতেই)। আমি মনে করি এটি আমাকে স্রেফ বুদ্ধিমান নয়, বরং একজন জিনিয়াস হিসেবে প্রমাণ করে... আর তাও আবার এক অত্যন্ত স্থিরবুদ্ধি সম্পন্ন জিনিয়াস!
** টুইটারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], সিএনএনের [https://www.cnn.com/2018/01/06/politics/donald-trump-white-house-fitness-very-stable-genius/index.html ট্রাম্প: আমি একজন 'অত্যন্ত স্থিরবুদ্ধি সম্পন্ন জিনিয়াস'] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (৬ জানুয়ারি ২০১৮)
* আমি ব্যায়াম করি। মানে আমি হাঁটি, এটা ওটা করি। পাশের ভবনে দৌঁড়ে যাই। মানুষ যা ভাবে তার চেয়ে বেশি ব্যায়াম আমি করি।<br>অনেকে জিমে গিয়ে দুই ঘণ্টা কসরত করে। আমি অনেককে দেখেছি... তারপর তাদের ৫৫ বছর বয়সে হাঁটু বা নিতম্ব পাল্টাতে হয়। আমার সেই সমস্যা নেই।<br>আমার মনে হয় তারা সবাই বুঝতে পেরেছে যে এমন একজন রাষ্ট্রপতির ওপরই সব ছাড়তে হবে যিনি পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি নম্বর পেয়েছেন। আমি আর কী বলব?<br>আমি অনেকদিন পর ট্রেডমিলে উঠেছিলাম, সেটির ঢাল খুব বেশি ছিল এবং আমি দীর্ঘ সময় সেখানে ছিলাম।<br>তারা অবাক হয়ে গিয়েছিল। তারা বলল, 'ঠিক আছে, আপনি এখন থামতে পারেন, এটা দারুণ।' আমি বললাম, 'আপনারা চাইলে আমি আরও অনেকক্ষণ করতে পারি।'<br>আমি সব সময় ডায়েটে বিশ্বাস করি কারণ আমি শক্তিশালী, বুঝলেন? আমি বল অনেক দূরে মারতে পারি। মানে আমি শারীরিকভাবে শক্তিশালী।<br>হোয়াইট হাউসে যারা খাবার তৈরি করেন তারা অসাধারণ, কিন্তু আমি মনে করি তারা হয়তো খাবারের পরিমাণ কিছুটা কমাতে পারেন এবং হয়তো চর্বিযুক্ত উপকরণগুলো বাদ দিতে পারেন, এতে আমার কোনো সমস্যা নেই।
** রয়টার্সের সাথে এক [https://www.reuters.com/article/us-usa-trump-fitness/exclusive-exercise-i-get-more-than-people-think-trump-says-idUSKBN1F633B সাক্ষাৎকারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৭ জানুয়ারি ২০১৮)
* বর্তমানে বেশ কিছু অঙ্গরাজ্যে আইন অনুযায়ী নবম মাসে মায়ের গর্ভ থেকে সন্তান জন্ম দেওয়ার অনুমতি আছে। এটি ভুল, এটি পরিবর্তন করা দরকার।
** র্যাচেল ক্রস লিখিত [http://mashable.com/2018/01/19/trump-march-for-life-childbirth/#NXYV1ubFzSqW "ট্রাম্প মূলত সন্তান জন্মদানের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৯ জানুয়ারি ২০১৮), ''ম্যাশাবল''
* আপনি যদি আমাকে বলেন যে তারা খুব খারাপ মানুষ, ভয়ংকর বর্ণবাদী মানুষ, তবে আপনি চাইলে আমি অবশ্যই ক্ষমা চাইব।
** গত নভেম্বরে ব্রিটিশ ফার্স্টের উস্কানিমূলক এবং যাচাই না করা ইসলাম-বিদ্বেষী ভিডিওগুলো রিটুইট করা প্রসঙ্গে [http://www.itv.com/goodmorningbritain/news/piers-morgan-donald-trump-says-sorry-to-britain গুড মর্নিং ব্রিটেনে পিয়ার্স মরগ্যানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]] (২৬ জানুয়ারি ২০১৮)
* ''[সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী: আপনি কি জলবায়ু পরিবর্তনে বিশ্বাস করেন? আপনি কি মনে করেন এর অস্তিত্ব আছে?]'' উম্ম, কখনো ঠান্ডা হয় আবার কখনো গরম হয়, আর দেখুন, আগে একে জলবায়ু পরিবর্তন বলা হতো না, বলা হতো গ্লোবাল ওয়ার্মিং। ''[সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী: ঠিক।]'' তাই না? ওটা খুব একটা কাজে দিচ্ছিল না, কারণ সব জায়গায় খুব বেশি ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছিল। বরফের আস্তরণগুলো গলে যাওয়ার কথা ছিল, এতদিনে তো সেগুলো শেষ হয়ে যাওয়ার কথা, কিন্তু এখন সেগুলো রেকর্ড গড়ছে, সেগুলো এখন রেকর্ড মাত্রায় আছে।
** ব্রিটিশ টিভিতে দেওয়া এক [https://www.itv.com/news/2018-01-29/what-we-learned-from-donald-trumps-interview-with-itv/ সাক্ষাৎকারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৮ জানুয়ারি ২০১৮)
* সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে নিউ ইয়র্কে দুটি সন্ত্রাসী হামলা এই ভিসা লটারি এবং ধারাবাহিক অভিবাসনের কারণেই সম্ভব হয়েছে।
** ব্রেইটবার্টে [https://www.breitbart.com/live/state-union-fact-check-analysis-livewire/fact-check-yes-nyc-terrorists-entered-u-s-chain-migration-visa-lottery/ ৩০ জানুয়ারি ২০১৮] তারিখে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আমরা আমাদের মহান জাতির প্রতি আফ্রিকান আমেরিকানদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানকে সম্মান জানাতে ন্যাশনাল আফ্রিকান আমেরিকান হিস্ট্রি মান্থ পালন করি।
** [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/president-donald-j-trump-proclaims-february-2018-national-african-american-history-month/ ৩১ জানুয়ারি ২০১৮] তারিখে করা ঘোষণায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
*** টুইটারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের রিটুইট, [https://twitter.com/statedept/status/959192815313080323 ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, @স্টেটডিপার্টমেন্ট] এবং [https://twitter.com/whitehouse/status/959481056373149696 ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, @হোয়াইটহাউস]
==== ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ====
[[চিত্র:State_of_the_Union_(39974380282).jpg|থাম্ব|আমরা কি একে দেশদ্রোহিতা বলতে পারি? কেন নয়?]]
* একদিকের অর্ধেক লোক একদম পাগল হয়ে যাচ্ছিল, তারা সব কিছু পছন্দ করছিল, তারা দেশের জন্য ভালো কিছু করতে চায়। আর অন্যদিকে বাকিরা, এমনকি ইতিবাচক খবরেও, সত্যিই খুব ভালো খবরেও তারা এমন মুখ করে ছিল যেন কেউ মারা গেছে। এটা তো দেশপ্রেমবিরোধী। কেউ একজন একে দেশদ্রোহিতা বলেছে, আমার মনে হয়, হ্যাঁ কেন নয়? আমরা কি এটাকে দেশদ্রোহিতা বলতে পারি? কেন নয়?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=zjwPiE1wCU0 সিনসিনাটিতে ডেমোক্র্যাটদের হাততালি না দেওয়া প্রসঙ্গে বক্তব্য], তার স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণের সময় (৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)
* একটি নিরাপদ, আধুনিক আর আইনসম্মত অভিবাসন ব্যবস্থা তৈরির জন্য আমার প্রশাসন তিনটি প্রধান লক্ষ্য স্থির করেছে: সীমান্ত পুরোপুরি সুরক্ষিত করা, ধারাবাহিক অভিবাসন বন্ধ করা আর ভিসা লটারি বাতিল করা। এই ধারাবাহিক অভিবাসন একটি বিপর্যয় এবং আমাদের দেশের জন্য খুব অন্যায্য। এই ভিসা লটারি এমন একটা বিষয় যা শুরুতেই অনুমতি দেওয়া উচিত হয়নি। মানুষ আমাদের দেশে আসার জন্য লটারি খেলে। এটা কেমন ব্যবস্থা? এখন কংগ্রেসের পদক্ষেপ নেওয়ার আর আমেরিকানদের রক্ষা করার সময় এসেছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে [https://abcnews.go.com/US/times-trump-slammed-chain-migration-apparently-helped-wifes/story?id=57132429 এবিসি নিউজে] উদ্ধৃত
* ফেক নিউজ @সিএনএন আর @এনবিসি-তে যেমনটা বলা হয়েছে, আমি কখনো বলিনি যে "শিক্ষকদের হাতে বন্দুক তুলে দাও"। আমি বলেছিলাম সামরিক বা বিশেষ প্রশিক্ষণ পাওয়া দক্ষ শিক্ষকদের হাতে গোপন অস্ত্র রাখার সুযোগ দেওয়ার কথা, শুধুমাত্র সেরাদের জন্য। প্রায় ২০ শতাংশ শিক্ষক, সংখ্যাটা অনেক, তারা এখন সক্ষম হবেন...
* ...কোনো জানোয়ার বা অসুস্থ লোক যদি খারাপ উদ্দেশ্যে স্কুলে আসে, তবে তারা সাথে সাথে পাল্টা গুলি ছুড়তে পারবেন। উচ্চ প্রশিক্ষিত শিক্ষকরা ওই সব কাপুরুষদের সামনে বাধা হিসেবে কাজ করবেন যারা এমন কাজ করে। রক্ষী রাখার চেয়ে অনেক কম খরচে এটি অনেক বেশি কার্যকর হবে। "অস্ত্রহীন" স্কুলগুলো খারাপ লোকদের টানে। হামলা বন্ধ হবেই!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট (২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮), এনবিসি নিউজের [https://www.nbcnews.com/politics/politics-news/trump-defends-arming-teachers-protect-students-sicko-shooter-n850216 "শিক্ষকদের সশস্ত্র করার পক্ষে ট্রাম্পের সাফাই, এনআরএর প্রশংসা"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)
* কারণ আমেরিকার মানুষ সরকারকে পূজা করে না। তারা ঈশ্বরকে পূজা করে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.youtube.com/watch?v=QsUZCo7hasI সিপ্যাক সম্মেলনে] উদ্ধৃত (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)
* অথবা মাইক, আগে আগ্নেয়াস্ত্রগুলো নিয়ে নাও তারপর আদালতে যাও, কারণ ওটা অন্য ব্যবস্থা। কারণ অনেক সময় আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে পৌঁছাতে অনেক দেরি হয়ে যায়। '''আগেভাগেই বন্দুক কেড়ে নেওয়া আমার পছন্দ।''' যেমন ফ্লোরিডার এই পাগল লোকটার ঘটনায় দেখা গেছে, তার কাছে অনেক অস্ত্র ছিল, সবাই তা দেখেছে, আদালতে যেতে গেলে অনেক সময় লাগত। তাই আপনি যা বলছেন ঠিক সেটাই করতে পারেন, '''তবে আগে বন্দুকগুলো নিয়ে নিন, আইনি প্রক্রিয়া পরে হবে।'''
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে বন্দুক সহিংসতা নিয়ে এক বৈঠকে উদ্ধৃত [https://eu.usatoday.com/story/news/factcheck/2021/10/14/fact-check-trump-made-comment-taking-guns-without-due-process/6070319001/] [https://www.c-span.org/video/?c4907473/user-clip-trump-pence-feb-28-2018] [https://www.factcheck.org/2020/09/trump-said-i-like-taking-the-guns-early-not-harris/]
==== মার্চ ২০১৮ ====
*ভুলে যাবেন না চীন কত শক্তিশালী, আর [[শি জিনপিং]] একজন অত্যন্ত ভদ্রলোক। তিনি এখন আজীবনের জন্য রাষ্ট্রপতি। আমৃত্যু রাষ্ট্রপতি। আর তিনি দুর্দান্ত। দেখুন, তিনি সেটি করে দেখিয়েছেন। আমি মনে করি এটি দারুণ। হয়তো কোনো একদিন আমাদেরও এটি চেষ্টা করে দেখতে হবে।
** মার-এ-লাগোতে এক তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], কেভিন লিপটাক লিখিত [https://www.cnn.com/2018/03/03/politics/trump-maralago-remarks/index.html "ক্ষমতা সুসংহত করা চীনের শি সম্পর্কে ট্রাম্প: ''হয়তো কোনো একদিন আমরাও এটি চেষ্টা করে দেখব''"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, ''সিএনএন'', ৩ মার্চ ২০১৮।
==== এপ্রিল ২০১৮ ====
* আমি হোয়াইট হাউস হিস্টোরিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন এবং সেই সব মানুষকে ধন্যবাদ জানাতে চাই যারা মেলানিয়া এবং বাকি সবার সাথে মিলে এই অবিশ্বাস্য বাড়ি বা ভবনটিকে বা আপনি একে যাই বলতে চান, কারণ আসলে এর উপযুক্ত কোনো নাম নেই; এটি অনন্য, একদম চমৎকার অবস্থায় রাখতে কঠোর পরিশ্রম করছেন। আমরা একে মাঝে মাঝে একদম ঝকঝকে তকতকে বা টিপি-টপ অবস্থা বলি। আর এটি সত্যিই দারুণ একটি জায়গা।
** ইস্টার উপলক্ষে দেওয়া এক ভাষণে [[হোয়াইট হাউস]] প্রসঙ্গে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২ এপ্রিল ২০১৮)
* আর ধারাবাহিক অভিবাসনের কথা ভাবুন একবার। ধরুন আপনি আসলেন, আর এখন আপনি আপনার পরিবারকে নিয়ে আসতে পারছেন, তারপর আপনার মা আর বাবাকে নিয়ে আসতে পারছেন। আপনি আপনার দাদিকেও নিয়ে আসতে পারেন। আপনি আপনার আত্মীয়স্বজনদের নিয়ে আসতে পারেন ম্যানহাটনের ওয়েস্ট সাইড হাইওয়েতে, যা আমি খুব ভালো করেই চিনি, এমন একজন ছিল যে গাড়ি চালিয়ে দিয়েছিল; আমার মনে হয় সে প্রায় আটজনকে মেরে ফেলেছিল।
** ৫ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে [https://abcnews.go.com/US/times-trump-slammed-chain-migration-apparently-helped-wifes/story?id=57132429 এবিসি নিউজে] উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
==== মে ২০১৮ ====
[[চিত্র:Protests after US decision to withdraw from JCPOA, around former US embassy, Tehran - 8 May 2018 25.jpg|থাম্ব|আমরা এমন কোনো [[:w:ইসলামি প্রজাতন্ত্রী ইরান সরকার|শাসনব্যবস্থাকে]] পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাণঘাতী অস্ত্রের নাগাল পেতে দেব না যারা "আমেরিকা ধ্বংস হোক" স্লোগান দেয়।]]
* আমেরিকা পারমাণবিক ব্ল্যাকমেলের কাছে জিম্মি হয়ে থাকবে না। আমরা মার্কিন শহরগুলোকে ধ্বংসের হুমকির মুখে পড়তে দেব না। আর '''আমরা এমন কোনো শাসনব্যবস্থাকে পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাণঘাতী অস্ত্রের নাগাল পেতে দেব না যারা "আমেরিকা ধ্বংস হোক" স্লোগান দেয়।'''
** ৮ মে ২০১৮ তারিখে ইরান পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দেওয়া বক্তব্য [https://www.vox.com/world/2018/5/8/17332494/read-trump-iran-nuclear-deal-speech-full-text-announcement-transcript vox.com]
==== জুন ২০১৮ ====
* অনেক আইন বিশেষজ্ঞ যেমনটা বলেছেন, নিজেকে ক্ষমা করার পূর্ণ অধিকার আমার আছে। কিন্তু আমি তা করতে যাব কেন যখন আমি কোনো ভুলই করিনি?
** ৪ জুন ২০১৮ তারিখে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের [https://www.bbc.com/news/world-us-canada-44359434 মন্তব্য]
* এই ভুয়া সংবাদমাধ্যম গুলো দেখা সত্যিই মজার, বিশেষ করে এনবিসি আর সিএনএন। উত্তর কোরিয়ার সাথে হওয়া চুক্তিটিকে খাটো করে দেখানোর জন্য তারা জানপ্রাণ দিয়ে লড়ছে। ৫০০ দিন আগেও তারা এই চুক্তির জন্য "পায়ে ধরত" তখন তো মনে হচ্ছিল যুদ্ধ লেগে যাবে। আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো এই ভুয়া সংবাদমাধ্যম, যা নির্বোধদের দ্বারা খুব সহজেই ছড়িয়ে দেওয়া হয়!
** ডোনাল্ড ট্রাম্পের করা [https://x.com/realDonaldTrump/status/1006891643985854464 পোস্ট] (১৩ জুন ২০১৮, সকাল ৬:৩০), যা মূলত টুইটারে দেওয়া হয়েছিল।
* এদিকে ডেমোক্র্যাটদের কারণে সাধারণ মানুষ কষ্ট পাচ্ছে। আমরা তৈরি করেছি, আর ওরাও তৈরি করেছে, এবং ওরাই এটা হতে দিয়েছে—একটি বিশাল শিশু পাচার শিল্প। ঠিক এটাই আজ দাঁড়িয়েছে। পাচারকারীরা—একটু ভেবে দেখুন—মানুষ পাচারকারীরা অঢেল অর্থ বানাচ্ছে। এটা লজ্জার বিষয়। এই আইনি ফাঁকফোকরগুলো যখন বিদেশী পরিবার আর অপ্রাপ্তবয়স্কদের অবৈধভাবে সীমান্ত পার হতে বাধ্য করে, তখন তাদের দেশে ছেড়ে দিতে আমরা বাধ্য হই।
** ২১ জুন ২০১৮ তারিখে মন্ত্রিসভার বৈঠকে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের]] [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-cabinet-meeting-9/ বক্তব্য]
* রাষ্ট্রপতির টুইট করা নিয়ন্ত্রণ বা কমানোর চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে, প্রিবাসের এর একটি কার্যকর সমাধান খুঁজছিলেন। যেহেতু এই টুইটগুলো প্রায়ই রাষ্ট্রপতির অত্যধিক টেলিভিশন দেখার কারণে শুরু হতো, তাই তিনি ওই টেলিভিশন বন্ধ করার পথ খুঁজছিলেন। কিন্তু টেলিভিশন দেখা ছিল ট্রাম্পের নিয়মিত কাজ। রবিবার রাতগুলো হতো সবচেয়ে খারাপ। ট্রাম্প তার গলফ রিসোর্টে সপ্তাহান্ত কাটিয়ে ঠিক এমন সময় হোয়াইট হাউসে ফিরতেন যখন তার বিরোধী নেটওয়ার্ক এমএসএনবিসি আর সিএনএনে রাজনৈতিক আলোচনা চলত। রাষ্ট্রপতি আর ফার্স্ট লেডির আলাদা শয়নকক্ষ ছিল। ট্রাম্প বেশিরভাগ সময় একাই তার ঘরে বিশাল টিভি চালিয়ে বসে থাকতেন; হাতে থাকত রিমোট, টিভো আর তার টুইটার অ্যাকাউন্ট। প্রিবাস রাষ্ট্রপতির শয়নকক্ষকে "শয়তানের কারখানা" এবং ভোরের সময় ও বিপজ্জনক রবিবার রাতগুলোকে "ডাইনিদের প্রহর" বলতেন। সকালের ব্যাপারে তার খুব একটা কিছু করার ছিল না, তবে সপ্তাহান্তের সূচির ওপর তার কিছুটা নিয়ন্ত্রণ ছিল। তিনি ট্রাম্পের রবিবার হোয়াইট হাউসে ফেরার সময়টা বিকালের দিকে পিছিয়ে দিতে শুরু করেন। ট্রাম্প রাত ৯টার ঠিক আগে হোয়াইট হাউসে পৌঁছাতেন, যখন এমএসএনবিসি আর সিএনএন সাধারণত হালকা ধরনের অনুষ্ঠান প্রচার করত যেখানে তাৎক্ষণিক রাজনৈতিক বিতর্ক বা তাতে ট্রাম্পের ভূমিকা নিয়ে কোনো আলোচনা থাকত না।
**বব উডওয়ার্ড, ''ফিয়ার: ট্রাম্প ইন দ্য হোয়াইট হাউস'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ১৯৫
* ট্রাম্প প্রশংসা পেতে পছন্দ করতেন তবে গ্রাহামকে বলতেন, "তুমি একজন মধ্যমপন্থী লোক। আমি চাই তুমি ১০০ ভাগ ট্রাম্পের পক্ষে থাকো।" এটি সেই আনুগত্যের অঙ্গীকারের মতোই ছিল যা এফবিআইয়ের তৎকালীন পরিচালক জেমস কোমি বলেছিলেন যে ট্রাম্প তার কাছে চেয়েছিলেন। কোমির মতে, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির প্রথম সপ্তাহে হোয়াইট হাউসের গ্রিন রুমে তাদের সেই বিখ্যাত একান্ত ডিনারের সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, "আমার আনুগত্য দরকার। আমি আনুগত্য আশা করি।" গ্রাহাম জিজ্ঞেস করলেন, "ঠিক আছে, সমস্যাটা কোথায়? আগে শুনি, তারপর বলব আমি ১০০ ভাগ আপনার পক্ষে কি না।" ট্রাম্প বললেন, "তুমি প্রায় ৮২ শতাংশ পক্ষে।" "আসলে কিছু দিন আমি ১০০ ভাগ থাকি, আবার কিছু দিন শূন্যও হতে পারি।" "আমি চাই তুমি সবসময় ১০০ ভাগ আমার লোক হয়ে থাকো।" গ্রাহাম পাল্টা জিজ্ঞেস করলেন, "আপনি যখন ভুল করবেন তখন আমি কেন বলব যে আপনি ঠিক? তাতে আপনার বা আমার কী লাভ? রাষ্ট্রপতির এমন মানুষ দরকার যারা সত্যিটা মুখের ওপর বলতে পারে। আমি আজেবাজে কথা বলছি কি না তা দেখার দায়িত্ব আপনার।"
** বব উডওয়ার্ড, ''ফিয়ার: ট্রাম্প ইন দ্য হোয়াইট হাউস'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ৩১৭
* কিন্তু সেই মানুষটি আর তার প্রেসিডেন্সির মধ্যে ডাউড এক করুণ ত্রুটি দেখতে পেয়েছিলেন। রাজনৈতিক বাদানুবাদ, এড়িয়ে যাওয়া, অস্বীকার করা, টুইট করা, ধোঁয়াশা তৈরি করা, "ভুয়া সংবাদ" বলে চিৎকার করা আর ক্ষোভ প্রকাশ, এই সবকিছুর মাঝে ট্রাম্পের একটি প্রধান সমস্যা ছিল যা ডাউড জানতেন কিন্তু রাষ্ট্রপতির সামনে তা বলতে পারতেন না: "আপনি একজন চরম মিথ্যাবাদী।"
** বব উডওয়ার্ড, ''ফিয়ার: ট্রাম্প ইন দ্য হোয়াইট হাউস'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ৩৫৭
==== জুলাই ২০১৮ ====
* কিন্তু আমাদের এটি খুব সাবধানে করতে হবে কারণ আমরা এখন #মিটু প্রজন্মের মধ্যে আছি, তাই আমাদের খুব সতর্ক থাকতে হবে। আমরা খুব আলতো করে সেই সরঞ্জামটি নেব এবং ধীরে করে ছুড়ে দেব, যাতে সেটি তার গায়ে লেগে হাতে চোট না পায়।
** [https://www.washingtonpost.com/politics/trump-mocks-metoo-movement-in-montana-rally/2018/07/05/fad40ce2-80b3-11e8-b660-4d0f9f0351f1_story.html?noredirect=on ৫ জুলাই ২০১৮ তারিখে ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন]
* ওসব অন্যান্য লোকেরা করে। আমি করি না। আমি খুবই সুসংগত। আমি একজন অত্যন্ত সুস্থির মেধাসম্পন্ন ব্যক্তি।
** কোনো সাংবাদিক তার বক্তব্যের স্ববিরোধিতা নিয়ে প্রশ্ন করলে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই উত্তর দেন, যা [https://www.timesofisrael.com/trump-once-again-proclaims-himself-a-very-stable-genius/ ট্রাম্প নিজেকে আবারও একজন ‘অত্যন্ত সুস্থির মেধাসম্পন্ন’ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করেছেন] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, দ্য টাইমস অফ ইসরায়েল (১২ জুলাই ২০১৮)
* [[ইউরোপ]]ে এই অভিবাসন হতে দেওয়াটা লজ্জার বিষয়। আমি মনে করি এটি ইউরোপের কাঠামো বদলে দিয়েছে এবং আপনারা যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেন, তবে এটি আর আগের মতো থাকবে না, এবং আমি সেটি ইতিবাচক অর্থে বলছি না। তাই ইউরোপে লাখ লাখ মানুষের এই অনুপ্রবেশ ঘটতে দেওয়াটা খুবই দুঃখজনক। আমার মনে হয় আপনারা আপনাদের সংস্কৃতি হারাচ্ছেন।
** [https://www.thesun.co.uk/news/6766531/trump-may-brexit-us-deal-off/ ''দ্য সান'' এর সাথে সাক্ষাৎকারে], [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], (১৩ জুলাই ২০১৮)
* সাহারা মরুভূমির সীমান্ত আমাদের [[মেক্সিকো]] সীমান্তের চেয়ে বড় হতে পারে না।
** স্পেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোসেপ বোরেলকে ফোনে বলেছিলেন [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। প্রেক্ষাপটটি ছিল স্পেনের ভূমধ্যসাগরীয় অভিবাসন সংকট মোকাবিলায় সাহারা মরুভূমি জুড়ে সীমান্ত প্রাচীর নির্মাণের জন্য ট্রাম্পের দেওয়া পরামর্শ। [https://eu.usatoday.com/story/news/politics/onpolitics/2018/09/20/trump-spain-wall-sahara-desert/1365944002/ পররাষ্ট্রমন্ত্রী: অভিবাসীদের ঠেকাতে স্পেনকে সাহারা মরুভূমি জুড়ে প্রাচীর নির্মাণের পরামর্শ দিয়েছেন ট্রাম্প]
* ইরানি রাষ্ট্রপতি রুহানির প্রতি: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আর কখনোই হুমকি দেবেন না, অন্যথায় আপনাকে এমন পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে যা ইতিহাসের খুব কম মানুষই আগে ভোগ করেছে। আমরা আর এমন কোনো দেশ নই যে আপনাদের উম্মাদনাপূর্ণ সহিংসতা ও মৃত্যুর কথা সহ্য করবে। সাবধান থাকুন!
** [https://www.theatlantic.com/politics/archive/2019/01/covfefe-trump-typo-turned-meme/579763/ দ্য আটলান্টিক: "ছয় ঘণ্টা তিন মিনিটের ইন্টারনেট বিশৃঙ্খলা"], [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আপনারা যা দেখছেন আর যা পড়ছেন, আসলে তা ঘটছে না।
** [https://time.com/5347737/trump-quote-george-orwell-vfw-speech/ 'আপনারা যা দেখছেন... তা ঘটছে না।' মানুষ ট্রাম্পের এই উক্তিটিকে জর্জ অরওয়েলের সাথে তুলনা করছে] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৪ জুলাই ২০১৮)
* আমরা ১৪৭টি নতুন এফ-৩৫ লাইটনিং যুদ্ধবিমান অর্ডার করছি। এটি একটি অবিশ্বাস্য বিমান। এটি রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম; এটি দেখা যায় না। তাই আমি যখন অপর পক্ষের লোকেদের সাথে কথা বলি, তারাও আমাদের এই বিমানটি অর্ডার করার চেষ্টা করছে। এটি যে দেখা যায় না, এই বিষয়টি তারা বেশ পছন্দ করেছে। আমি বললাম, 'আপনার বিমানের সাথে লড়াইয়ে এটি কেমন করবে?' তারা বলে, 'আমাদের একটা সমস্যা আছে: আমরা আপনার বিমানটি দেখতেই পাই না'।
** ''[https://www.popularmechanics.com/military/aviation/amp33658771/trump-keeps-saying-the-f-35-is-invisible/ ট্রাম্প বারবার বলছেন যে এফ-৩৫ অদৃশ্য]'' শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৪ জুলাই ২০১৮)
==== আগস্ট ২০১৮ ====
* আপনি জানেন, আপনি যদি বাইরে গিয়ে বাজার করতে চান, তবে কার্ডে আপনার ছবি লাগে, পরিচয়পত্র লাগে। আপনি বাইরে গিয়ে কিছু কিনতে চাইলেই পরিচয়পত্র আর আপনার ছবি লাগে। অনেক ক্ষেত্রেই একমাত্র যখন আপনি রাষ্ট্রপতি, সিনেটর, গভর্নর বা কংগ্রেস সদস্যের জন্য ভোট দিতে যান, তখন আপনার এসব কিছুর দরকার হয় না। এটা পাগলামি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://edition.cnn.com/2018/08/01/politics/trump-grocery-shopping-id/index.html "ট্রাম্প দাবি করেছেন যে বাজার করতে পরিচয়পত্র লাগে। আসলেই লাগে না।"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, ''সিএনএন'' (২১ আগস্ট, ২০১৮)
* আমাদের আইনগুলো খুব বাজে! এই ধারাবাহিক অভিবাসনের কথাই ধরুন না? একজন লোক আসে আর তার সাথে আরও ৩২ জন চলে আসে। যে ব্যক্তি ওয়েস্ট সাইড হাইওয়েতে ১৮ জনের ওপর গাড়ি চালিয়ে দিয়েছিল, এবং আমার মনে হয় আটজন মারা গিয়েছিল তাকেও সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ওই ধারাবাহিক অভিবাসনের কারণে আমেরিকার ভেতরেই তার পরিবারের ২২ জন সদস্য আছে। তাই রাশ, আমাদের এই বিষয়গুলো বদলাতে হবে।
** ১ আগস্ট, ২০১৮ তারিখে রাশ লিম্বোর সাথে সাক্ষাৎকারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* ধারাবাহিক অভিবাসনের ব্যাপারটা কেমন? ওটার কথা ভাবুন তো একবার? কেউ একজন আসলো, তারপর সে তার মা, বাবা এমনকি দূর সম্পর্কের আত্মীয়স্বজনদেরও নিয়ে আসলো। সে তাদের সবাইকেই নিয়ে আসে।
** ওহাইওতে ৮ আগস্টের এক নির্বাচনী জনসভায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://abcnews.go.com/US/times-trump-slammed-chain-migration-apparently-helped-wifes/story?id=57132429 এবিসি নিউজের] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত
==== সেপ্টেম্বর ২০১৮ ====
* গত ২৫ বা ৩০ বছরে আমাদের দিকে এমন কিছু আসতে কেউ দেখেনি। হয়তো আগে কখনোই দেখেনি। এটি ভীষণ বড় আর ভীষণ জলীয়। এতে বিপুল পরিমাণ জল আছে।
** [https://www.youtube.com/watch?v=MqHwQhZC8jQ ট্রাম্প হারিকেন ফ্লোরেন্স সম্পর্কে বলেছেন এটি 'ভীষণ বড় আর ভীষণ জলীয়'] শীর্ষক প্রতিবেদনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আমি সেই সব অসাধারণ নারী-পুরুষদের ধন্যবাদ জানাতে চাই যারা ফ্লোরেন্স মোকাবিলায় দারুণ কাজ করেছেন। এটি একটি শক্তিশালী হারিকেন। জলের পরিমাণের দিক থেকে এটি আমাদের দেখা সবচেয়ে সিক্ত হারিকেনগুলোর একটি।
** [https://youtube.com/watch?v=RiDpRVqqXfk&t=30 ট্রাম্প হারিকেন ফ্লোরেন্সকে বর্ণনা করেছেন "জলের দিক থেকে আমাদের দেখা সবচেয়ে সিক্ত"] শীর্ষক প্রতিবেদনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আর মজার ব্যাপার জানেন? যখন আমি এটি করেছিলাম, তখন আমি বেশ কঠোর ছিলাম এবং তিনিও তাই ছিলেন। আমাদের মধ্যে অনেক কথা কাটাকাটি হয়েছিল এবং তারপর আমরা একে অপরের প্রেমে পড়ে গেলাম। ঠিক আছে? না, সত্যিই। তিনি আমাকে চমৎকার সব চিঠি লিখেছিলেন। সেগুলো খুব সুন্দর চিঠি ছিল। আমরা প্রেমে পড়ে গেলাম।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-০৯-৩০ |শিরোনাম=একে অপরকে ‘চমৎকার চিঠি’ পাঠানোর পর ট্রাম্প বলেছেন তিনি আর কিম জং-উন ‘প্রেমে পড়েছিলেন’ |সাময়িকী=''দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট'' |অবস্থান=ইউকে |ইউআরএল=https://www.independent.co.uk/news/world/americas/trump-kim-jong-un-love-letters-relationship-denuclearisation-nuclear-weapons-a8561701.html}}
* একক কোনো বিদেশী সরবরাহকারীর ওপর নির্ভরতা কোনো রাষ্ট্রকে জবরদস্তি আর হুমকির মুখে ফেলতে পারে। আর এই কারণেই আমরা [[পোল্যান্ড]]ের মতো ইউরোপীয় দেশগুলোকে অভিনন্দন জানাই একটি বাল্টিক পাইপলাইন নির্মাণের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য যাতে দেশগুলো তাদের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল না থাকে। জার্মানি যদি দ্রুত তার পথ পরিবর্তন না করে তবে তারা পুরোপুরি রাশিয়ার জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের ভাষণ, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-০৯-২৫ |শিরোনাম=জাতিসংঘে ট্রাম্প পোল্যান্ডের প্রশংসা করেছেন এবং রাশিয়ার জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতার কারণে জার্মানির সমালোচনা করেছেন |লেখক=রয়টার্স স্টাফ |সাময়িকী=''রয়টার্স'' |ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/us-un-assembly-usa-germany-idUSKCN1M527Y}} থেকে উদ্ধৃত
* আজ আমি আমাদের অসাধারণ অগ্রগতির কথা জানাতে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সামনে দাঁড়িয়েছি। দুই বছরেরও কম সময়ে আমার প্রশাসন আমাদের দেশের ইতিহাসে অন্য যেকোনো প্রশাসনের চেয়ে বেশি কাজ সম্পন্ন করেছে। আমেরিকার— এটি একদম সত্যি কথা। ''[পরিষদের হাস্যধ্বনি]'' আমি এমন প্রতিক্রিয়া আশা করিনি, তবে ঠিক আছে।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের ভাষণ, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-০৯-২৬ |শিরোনাম=বিশ্বায়নের বিপরীতে দেশপ্রেমকে দাঁড় করানো ট্রাম্পের জাতিসংঘের ভাষণ প্রমাণ করে যে দেশপ্রেম বলতে কী বোঝায় সে সম্পর্কে রাষ্ট্রপতির কোনো ধারণা নেই |লেখক=ড্যানিয়েল শাপিরো |সাময়িকী=''এনবিসি নিউজ'' |ইউআরএল=https://www.nbcnews.com/think/opinion/trump-s-u-n-speech-pitting-globalism-against-patriotism-proves-ncna913141}} থেকে উদ্ধৃত
* আমেরিকা আমেরিকানদের দ্বারা শাসিত হয়। আমরা বিশ্বায়নের আদর্শকে প্রত্যাখ্যান করি এবং [[দেশপ্রেম]]ের তত্ত্বকে গ্রহণ করি।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের ভাষণ, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-০৯-২৫ |শিরোনাম=জাতিসংঘে ট্রাম্পের ভাষণ হাস্যরসের আর অবিশ্বাস্য অনুভূতির জন্ম দিয়েছে |লেখক=রবিন রাইট |সাময়িকী=''দ্য নিউ ইয়র্কার'' |ইউআরএল=https://www.newyorker.com/news/news-desk/trumps-speech-at-the-un-triggers-laughterand-disbelief}} থেকে উদ্ধৃত
==== অক্টোবর ২০১৮ ====
* আমি জানি আপনি চিন্তা করছেন না। আপনি কখনই তা করেন না।
** এক সাংবাদিক প্রশ্ন করার সময় তাকে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এ কথা বলেন। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-০২ |শিরোনাম=প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিককে বললেন: ‘আমি জানি আপনি চিন্তা করছেন না। আপনি কখনই করেন না’ |ইউআরএল=https://www.youtube.com/watch?v=ASOTct1woo8}}
* শুধুমাত্র তখনই করব যদি আমি ব্যক্তিগতভাবে তার পরীক্ষা নিতে পারি। এটি এমন কিছু হবে না যা করতে আমি খুব একটা আনন্দ পাব।
** এলিজাবেথ ওয়ারেনকে নেটিভ আমেরিকান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য।
** {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-১৫ |শিরোনাম=ওয়ারেন যদি তার নেটিভ আমেরিকান ডিএনএ প্রমাণ করতে পারেন তবে ট্রাম্প দাতব্য সংস্থায় ১০ লক্ষ ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এখন তিনি ইতস্তত করছেন। |লেখক=অ্যামি বি ওয়াং এবং ডিয়ানা পল |সাময়িকী=''ওয়াশিংটন পোস্ট'' |ইউআরএল=https://www.washingtonpost.com/politics/2018/10/15/trump-dared-elizabeth-warren-take-dna-test-prove-her-native-american-ancestry-now-what/}}
* বিজ্ঞানের প্রতি আমার এক ধরনের সহজাত বোধ আছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-১৫ |শিরোনাম=ট্রাম্প: বিজ্ঞানের প্রতি আমার ‘সহজাত প্রতিভা’ আমাকে বলছে যে জলবায়ু বিজ্ঞান ভুল |লেখক=জোনাথন চেইট |সাময়িকী=''নিউ ইয়র্ক ইনটেলিজেন্সার'' |ইউআরএল=https://nymag.com/intelligencer/2018/10/trump-i-have-a-natural-instinct-for-science.html}} থেকে উদ্ধৃত
* জানেন তো, একটা শব্দ আছে। ওটা কিছুটা সেকেলে হয়ে গিয়েছে। একে বলা হয় জাতীয়তাবাদী। আমি বলি, 'তাই নাকি? আমাদের ওই শব্দটা ব্যবহার করার কথা নয়?' জানেন আমি কী? আমি একজন জাতীয়তাবাদী।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-২৩ |শিরোনাম=টেড ক্রুজের পক্ষে প্রচার করার সময় ট্রাম্প নিজেকে ‘জাতীয়তাবাদী’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন |লেখক=জন ওয়ালশ |সাময়িকী=''বিজনেস ইনসাইডার'' |ইউআরএল=https://www.businessinsider.in/trump-declares-himself-a-nationalist-while-stumping-for-ted-cruz/articleshow/66327534.cms}} থেকে উদ্ধৃত
* এখন দেখুন কতটা হাস্যকর: আমরাই বিশ্বের একমাত্র দেশ যেখানে একজন মানুষ আসে, তার সন্তান হয়, আর সেই সন্তান মূলত ৮৫ বছরের জন্য ওই সব সুযোগ-সুবিধা সহ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হয়ে যায়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-৩০ |শিরোনাম=ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধ করতে চান |লেখক=অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস |সাময়িকী=''সিবিসি'' |ইউআরএল=https://www.cbc.ca/news/world/trump-birthright-citizenship-1.4883589}} থেকে উদ্ধৃত
* আমাকে সব সময় বলা হতো যে এর জন্য সংবিধান সংশোধন দরকার। জানেন কী? আসলে দরকার নেই। প্রথমত, আপনার ওটার প্রয়োজন নেই। দ্বিতীয়ত, আপনি অবশ্যই কংগ্রেসের কোনো আইনের মাধ্যমে এটি করতে পারেন।<br>কিন্তু এখন তারা বলছে যে আমি স্রেফ একটি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে এটি করতে পারি।<br>এটি প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে। একটি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমেই এটি ঘটবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৮-১০-৩০ |শিরোনাম=ট্রাম্প কি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধ করতে পারেন? |লেখক=রবার্ট ফার্লে |সাময়িকী=''ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি'' |ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2018/10/can-trump-end-birthright-citizenship-by-executive-order/}} থেকে উদ্ধৃত
==== নভেম্বর ২০১৮ ====
* আপনাদের মেঝেগুলোর যত্ন নিতে হবে। মানে, বনের মেঝে। এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আপনি অন্যান্য দেশের দিকে তাকালে দেখবেন তারা কাজগুলো অন্যভাবে করে, আর সেটা একদম আলাদা এক গল্প। আমি ফিনল্যান্ডের রাষ্ট্রপতির সাথে ছিলাম, তিনি বলেছিলেন, "আমাদের পরিস্থিতি একদম আলাদা— আমরা একটি বনের জাতি।" তিনি এটাকে বনের জাতি বলেছিলেন। আর তারা পাতা পরিষ্কার করা, ঝাড়ু দেওয়া আর এসব কাজে প্রচুর সময় দেয়, তাই তাদের কোনো সমস্যা হয় না।
** প্যারাডাইস, ক্যালিফোর্নিয়া, ১৭ নভেম্বর ২০১৮, ''টাইম'' এর প্রতিবেদন অনুযায়ী উদ্ধৃত: [https://time.com/5458605/trump-finland-raking-reactions/ #রেকনিউজ: ট্রাম্প দেশটিকে 'বন পরিষ্কার করে' বলার পর ফিনল্যান্ডের মানুষ পাতা পরিষ্কারের ছবি দিয়ে তাকে নিয়ে উপহাস করছে], লেখক: অ্যাশলে হফম্যান; এবং ভিডিওসহ ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'' এর প্রতিবেদনে: [https://www.nytimes.com/2018/11/18/world-europe/finland-california-wildfires-trump-raking.html ট্রাম্প বলেছেন অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে ক্যালিফোর্নিয়া ফিনল্যান্ডের কাছ থেকে শিখতে পারে। তিনি কি সঠিক?], লেখক: প্যাট্রিক কিংসলি, ১৮ নভেম্বর ২০১৮।
** ফিনল্যান্ডের রাষ্ট্রপতি শউলি নিনিস্তো বলেছেন যে পাতা পরিষ্কার করা নিয়ে কোনো কথা হয়েছে বলে তার মনে পড়ছে না। [https://www.washingtonpost.com/world/the_americas/finnish-president-says-he-briefed-trump-on-forest-monitoring/2018/11/18/dd46a57e-eb32-11e8-8b47-bd0975fd6199_story.html]
* '''সংবাদদাতা''': আপনি কি জলবায়ু প্রতিবেদনটি এখনও পড়েছেন?<br />'''ট্রাম্প''': আমি দেখেছি। আমি এর কিছু অংশ পড়েছি এবং এটা ঠিক আছে।<br />'''সংবাদদাতা''': তারা বলছে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ভয়াবহ হতে পারে।<br />'''ট্রাম্প''': হ্যাঁ। আমি এটা বিশ্বাস করি না।<br />'''সংবাদদাতা''': আপনি এটা বিশ্বাস করেন না?<br />'''ট্রাম্প''': না, না। আমি এটা বিশ্বাস করি না। আর এখানে আরেকটা ব্যাপার আছে: আপনাকে চীন, জাপান এবং পুরো এশিয়া আর এই সব অন্যান্য দেশকেও হিসেবে রাখতে হবে— বুঝলেন তো, এটা আমাদের দেশ নিয়ে কথা বলছে। এই মুহূর্তে, আমরা আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিষ্কার অবস্থায় আছি এবং এটা আমার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু যদি আমরা পরিষ্কার থাকি আর পৃথিবীর অন্য সব জায়গা নোংরা থাকে, তবে সেটা খুব একটা ভালো হবে না।
** ডোনাল্ড ট্রাম্প, ২৬ নভেম্বর ২০১৮, চতুর্থ জাতীয় জলবায়ু মূল্যায়ন প্রসঙ্গে (''ওয়াশিংটন পোস্ট'': [https://www.washingtonpost.com/politics/2018/11/26/trump-responds-report-indicating-huge-cost-climate-change-i-dont-believe-it/ জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশাল ক্ষতির কথা বলা তার প্রশাসনের প্রতিবেদনের জবাবে ট্রাম্প: 'আমি এটা বিশ্বাস করি না'], লেখক: ফিলিপ বাম্প, ২৬ নভেম্বর ২০১৮, সংগৃহীত: ১ ডিসেম্বর ২০১৮; ''বিবিসি নিউজ'': [https://www.bbc.com/news/av/world-us-canada-46324405/i-don-t-believe-it-trump-on-climate-report 'আমি এটা বিশ্বাস করি না' - জলবায়ু প্রতিবেদন নিয়ে ট্রাম্প], ২৬ নভেম্বর ২০১৮, সংগৃহীত: ১ ডিসেম্বর ২০১৮; ''দ্য গার্ডিয়ান'', অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস: [https://www.theguardian.com/us-news/video/2018/nov/26/yeah-i-dont-believe-it-trump-on-administrations-own-climate-report-video] ‘হ্যাঁ, আমি এটা বিশ্বাস করি না’: তার নিজের প্রশাসনের জলবায়ু প্রতিবেদন নিয়ে ট্রাম্প)।
* আমার মতো অনেক মানুষ যাদের বুদ্ধিমত্তা অনেক উঁচু স্তরের, তাদের অন্যতম সমস্যা হলো আমরা সবকিছুতে খুব একটা বিশ্বাস করি না। আপনি আমাদের বাতাস আর জলের দিকে তাকান, এটি এখন রেকর্ড পরিমাণ পরিষ্কার। কিন্তু আপনি যখন চীন, এশিয়ার বিভিন্ন অংশ, দক্ষিণ আমেরিকা এবং রাশিয়ার মতো বিশ্বের আরও অনেক জায়গার দিকে তাকাবেন, তখন দেখবেন ওখানকার বাতাস অনেক বেশি নোংরা। আর বায়ুমণ্ডলের কথা বললে, মহাসাগরগুলো খুব ছোট এবং এসব ময়লা উড়ে বা ভেসে চলে আসে। মানে, আমরা সবসময় আমাদের সমুদ্রসৈকত থেকে হাজার হাজার টন আবর্জনা পরিষ্কার করি যা এশিয়া থেকে আসে। এটা স্রেফ প্রশান্ত মহাসাগর দিয়ে ভেসে আসে, আর আমরা বলি এগুলো কোথা থেকে আসছে। আর এটা শুরু করার জন্য অনেক মানুষের প্রয়োজন হয়।
** ডোনাল্ড ট্রাম্প, ২৮ নভেম্বর, ''ওয়াশিংটন পোস্টের'' সাক্ষাৎকারে, তার প্রশাসনের ১৩টি সংস্থার করা বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রতিবেদন তিনি বিশ্বাস করেন কি না সেই প্রসঙ্গে। [https://splinternews.com/man-with-very-high-level-of-intelligence-says-oceans-ar-1830699334] (অত্যন্ত বুদ্ধিমান একজন মানুষ বলছেন মহাসাগরগুলো খুব ছোট)।
==== ডিসেম্বর ২০১৮ ====
* আমি ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।<br>তিনি আপনাদের এক বিরাট সমর্থক। কারেনও তাই। তারা সেখানে যায় আর আপনাদের দেশকে ভালোবাসে। তারা আপনাদের দেশকে ভালোবাসে। আবার তারা এই দেশকেও ভালোবাসে। এটি একটি ভালো সমন্বয়, তাই না?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://forward.com/opinion/415676/trump-just-accused-jews-of-loving-israel-not-america-and-his-fans-cheered/ ৭ ডিসেম্বর, ২০১৮]।
* চাক, সীমান্ত নিরাপত্তার জন্য সরকার অচল করে দিতে পেরে আমি গর্বিত। এই দেশের মানুষ চায় না যে অপরাধী, সমস্যায় জর্জরিত লোকজন আর মাদক আমাদের দেশে ঢুকুক। আমি এর দায়িত্ব নেব। আমিই এটি বন্ধ করব। এর জন্য আমি আপনাদের দোষ দেব না। গতবার আপনারা এটি বন্ধ করেছিলেন। সেটি কাজে দেয়নি। এটি বন্ধ করার দায়ভার আমিই নিচ্ছি।
** ন্যান্সি পেলোসি এবং চাক শুমারের সাথে ওভাল অফিসের বৈঠকে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা ২০১৮-১৯ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ফেডারেল সরকার অচল অবস্থা-র দিকে নিয়ে যায়। "[https://www.upi.com/Top_News/US/2018/12/11/Trump-proud-to-shut-down-government-in-wall-talks-with-Democrats/6271544554657/ ডেমোক্র্যাটদের সাথে প্রাচীর সংক্রান্ত আলোচনায় সরকার অচল করতে পেরে ট্রাম্প 'গর্বিত']", ইউনাইটেড প্রেস ইন্টারন্যাশনাল (১২ ডিসেম্বর, ২০১৮)
* তুমি কি এখনও সান্টাতে বিশ্বাস করো? কারণ ৭ বছর বয়সে এটি অনেকটা শেষের দিকে, তাই না?
** ৭ বছরের এক শিশুকে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.theguardian.com/australia-news/2018/dec/25/christmas-cheer-trump-tells-boy-that-believing-in-santa-at-seven-is-marginal ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৮]
* দেখুন, আমি ওভাবে দেখছি না। আমি বিবির সাথে কথা বলেছি, আমি বিবিকে বলেছি।<br>আর আপনারা জানেন, আমরা ইসরায়েলকে বছরে ৪.৫ বিলিয়ন ডলার দিই।<br>আর আপনারা যদি দেখেন, তারা নিজেদের রক্ষায় খুব ভালো করছে। তো বিষয়টি এমনই।<br>মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চিরকাল বিশ্বের পুলিশ হয়ে থাকতে পারে না।<br>আমরা সেটি করতে চাই না।
** ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৮ তারিখে [https://www.timesofisrael.com/trump-we-give-israel-billions-it-can-defend-itself-in-syria/ টাইমস অফ ইসরায়েলে] [[বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু]] প্রসঙ্গে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
=== ২০১৯ ===
* প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইদানীং ডেমোক্র্যাটদের সমাজতান্ত্রিক হওয়ার যে কথাগুলো বলছেন, আসলে বাস্তবতা হলো তিনিই হলেন বড় সরকারের রাজা। ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনেও কেন্দ্রীয় প্রশাসন বারাক ওবামার আমলের মতোই বড়, একচেটিয়া, কাণ্ডজ্ঞানহীন খরচকারী আর মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপকারী হয়ে আছে। অনেক ক্ষেত্রে এটি আগের চেয়েও বড়। ট্রাম্পের সমর্থকদের জন্য এটি একটি অপ্রীতিকর সত্য। সীমিত সরকারের প্রথাগত রক্ষণশীল চিন্তাধারায় না থেকে ট্রাম্প সরকারকে আরও ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে তুলেছেন। আমরা যখন তাকে জানাই যে তার হঠকারী পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করার জন্য সরকার কখনোই যথেষ্ট বড় বা শক্তিশালী হবে না, তখন তিনি খুব বিরক্ত হন। ওবামার আমলে আসলে মার্কিন কেন্দ্রীয় বাজেট ঘাটতি কমে আসছিল। ২০০৯ সালে ওবামা যখন দায়িত্ব নেন তখন এটি ছিল ১.৪ ট্রিলিয়ন ডলার, যা ২০১৬ সালে তিনি চলে যাওয়ার ঠিক আগে ৫৮৭ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছিল। এই উল্লেখযোগ্য সাফল্যের কৃতিত্ব কংগ্রেসের রিপাবলিকানদের পাওনা, যারা ২০১১ সালে হোয়াইট হাউসের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিলেন। তারা বাজেট নিয়ে এমন একটি চুক্তির দাবি করেছিলেন যা ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে আনবে। এটি ছিল বাজেট কন্ট্রোল অ্যাক্ট, এমন একটি আইন যা কেন্দ্রীয় খরচ কমিয়েছিল, ভবিষ্যতের ব্যয়ের ওপর কঠোর বার্ষিক সীমা আরোপ করেছিল এবং সরকারের "ক্রেডিট কার্ডের" ওপর একটি লাগাম টেনেছিল। এটি রক্ষণশীল "টি পার্টি" আন্দোলনের সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ৯৯-১০০
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের খরচ কমানোর প্রতি কোনো আগ্রহ ছিল না। তিনি হয়তো করদাতাদের অর্থ বাঁচানোর জন্য কাজ করছেন এমন একটি ভাব দেখানোর চেষ্টা করেন। আর এটা সত্যি যে কোনো বোকা পরিকল্পনা যদি অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়, তবে তাকে সেটা থেকে বিরত করা যায়। কিন্তু সেটি মানুষের টাকা বাঁচানোর জন্য নয়। তিনি আসলে সেই টাকা অন্য কিছুতে খরচ করতে চান যেখানে তার ব্যক্তিগত আগ্রহ আছে, যেমন বোমা বা সীমান্ত নিরাপত্তা। ট্রাম্প সেই সব মানুষকে ঘৃণা করেন যারা "হিসাবি" বা কিপটে। বর্তমানে তিনি সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ব্যবস্থাপনায় অঢেল টাকা ওড়াচ্ছেন। ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের টাকা ওড়ানোর দিনগুলোকে ভেগাস এর কোনো ক্যাসিনোর পাঁচ ডলারের টেবিলের মতো মনে হয়। এর ফলে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে বাজেট ঘাটতি প্রতি বছর বেড়েছে এবং বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। রাষ্ট্রপতি বার্ষিক আয়ের চেয়ে এক ট্রিলিয়ন ডলার বেশি খরচ করার পথে আছেন। শুধু ২০১৯ সালের দিকে তাকালেই তা বোঝা যায়। রাষ্ট্রপতি রেকর্ড ভঙ্গকারী ৪.৭ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজেট প্রস্তাব করেছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় সরকার এক বছরেই এত টাকা খরচ করুক। ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে আমেরিকার ঋণ, যার বড় অংশই আমরা অন্য দেশের কাছ থেকে ধার নিয়েছি, কয়েক ট্রিলিয়ন বেড়েছে এবং মোট ঋণের পরিমাণ এখন সর্বোচ্চ ২২ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এক হিসেব অনুযায়ী, আমাদের ঋণ পরিশোধ করতে হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি করদাতাকে গড়ে ৪ লক্ষ ডলার করে দিতে হবে। এটি পুরো আমেরিকার জন্য একটি ভয়াবহ সতর্ক সংকেত হওয়া উচিত। আমরা এভাবে টাকা ধার করে যেতে পারি না যা আমরা শোধ করতে পারব না। অন্যথায় আমাদের সন্তানদের এর জন্য চরম মূল্য দিতে হবে।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১০০
* ইচ্ছাকৃত অজ্ঞতা শব্দটিই আমাদের শত্রুদের প্রতি রাষ্ট্রপতির মনোভাব বর্ণনা করার সবচেয়ে সঠিক উপায়। তিনি যা দেখতে চান কেবল তা-ই দেখেন। ট্রাম্প যদি কোনো বিদেশী নেতাকে পছন্দ করেন, তবে সেই নেতার কারণে তৈরি হতে পারে এমন কোনো বিপদ বা তাদের গোপন উদ্দেশ্যগুলো তিনি মানতে রাজি হন না। এই কারণেই জাতি-রাষ্ট্রগুলোর হুমকি সম্পর্কে আমেরিকার বিস্তারিত গোয়েন্দা রিপোর্ট বা আমাদের ঘনিষ্ঠ মিত্রদের জরুরি সতর্কবার্তাকে তিনি খুব সহজে উড়িয়ে দিতে পারেন।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৬৭-১৬৮
* আমাদের শত্রুরা ঠিকই বুঝতে পেরেছে যে রাষ্ট্রপতিকে খুব সহজেই কুপোকাত করা যায়। টুইটারে দেওয়া তার যুদ্ধংদেহী হুমকিতে তারা বিচলিত হয় না কারণ তারা জানে তাকে ভুলিয়ে-ভালিয়ে কাজ হাসিল করা সম্ভব। তাদের কথায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প খুব সহজেই প্রভাবিত হন। আমরা সবাই তা দেখতে পাই। তোষামোদে তিনি খুব সহজেই গলে যান। আলোচনার সময় তিনি নতি স্বীকার করেন এবং স্রেফ ভালো চুক্তির মতো দেখতে এমন কিছুর জন্য তিনি অনেক বেশি ছাড় দিতে রাজি হয়ে যান, সেটি আসলে ভালো চুক্তি হোক বা না হোক। তারা মনে করে তিনি দুর্বল, আর এই সুযোগটাই তারা নেয়। আর যখন তা পারে না, তখন তারা স্রেফ তাকে পাত্তাই দেয় না।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৭৩
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথাগুলো কেবল তার দলকেই পাগল করে তুলছে না, বরং আমেরিকানদের মধ্যেও বিভেদ সৃষ্টি করছে। তিনি হয়তো টুইটার বা মাইকের সামনে ঝগড়া শুরু করেন, কিন্তু আমরা সেই লড়াই ঘরে ঘরে চালিয়ে যাই। গবেষণায় দেখা গেছে যে রিপাবলিকানরা আরও বেশি একরোখা হয়ে উঠছে এবং দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে চাইছে না, ডেমোক্র্যাটরাও একই কাজ করছে। দুই পক্ষ কেবল একটি বিষয়েই একমত হতে পারে, আর তা হলো এই বিভাজন সত্যিই বাড়ছে। ২০১৯ সালে প্রকাশিত পিউ রিসার্চ সেন্টার এর একটি জরিপে দেখা গেছে যে আমেরিকার প্রায় ৮৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ মনে করেন যে "দেশের রাজনৈতিক বিতর্ক এখন অনেক বেশি নেতিবাচক এবং সম্মানহীন হয়ে পড়েছে" এবং দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ বলেছেন যে এটি এখন আসল সমস্যার দিকে নজর দিচ্ছে না। তারা এর দায়ভার কার ওপর চাপিয়েছেন? অধিকাংশ মানুষই বিশ্বাস করেন যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প "রাজনৈতিক বিতর্কের ধরন ও প্রকৃতিকে আরও খারাপের দিকে নিয়ে গেছেন"। এই মৌখিক তিক্ততার ফলাফল বাস্তবেও দেখা যাচ্ছে। আমাদের এই বিভেদগুলো একে অপরের সাথে মেলামেশার সম্ভাবনা কমিয়ে দিচ্ছে, সরকারের প্রতি আস্থা কমিয়ে দিচ্ছে এবং দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমাদের আশাহত করছে। অন্য একটি জরিপ অনুযায়ী, ২০৫০ সালের কথা ভেবে আমেরিকানরা ভীষণ নিরাশ। অধিকাংশ মানুষই ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তখন পতনের মুখে থাকবে, অর্থনৈতিক বৈষম্যের ভারে জর্জরিত হবে এবং রাজনৈতিকভাবে আরও বেশি বিভক্ত হবে। শেষ পয়েন্টটিতে ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকান উভয় পক্ষই প্রায় সমানভাবে একমত হয়েছে। দেশের রাজধানীতে রাষ্ট্রপতির লাগামহীন কথাবার্তা তার নিজের পরিকল্পনাগুলোকেই বাধাগ্রস্ত করছে। আগে যেসব বিষয়ে কোনো বিতর্ক ছিল না, এখন ক্যাপিটল হিল এ সেসব বিষয়েও তিনি কারো সম্মতি পাচ্ছেন না। ডেমোক্র্যাটরা যে খুব একটা দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার চেষ্টা করছে তা নয়, কিন্তু রিপাবলিকান পার্টির প্রধান যদি তাদের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীর বদলে চিরশত্রু হিসেবে না দেখতেন তবে হয়তো কিছুটা আশা থাকত। এর পরিবর্তে, প্রতিটি বড় আইডিয়া প্রকাশের সাথে সাথেই বিষাক্ত হয়ে ওঠে। বাজেটের প্রতিটি লাইন যেন রাজনৈতিক রণক্ষেত্রের এক একটি পরিখা। আমরা সবসময় রাষ্ট্রপতির অগ্রাধিকারগুলো সফল করতে হিমশিম খাই কারণ তিনি নিজেই নিজের সবচেয়ে বড় শত্রু।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৯১-১৯২
=== ২০১৯ ===
* প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইদানীং ডেমোক্র্যাটরা আমেরিকাকে সমাজতান্ত্রিক বানানোর চেষ্টা করছে বলে যে কথাবার্তা বলছেন, তার বিপরীতে বাস্তবতা হলো তিনিই হলেন বড় সরকারের রাজা। ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে কেন্দ্রীয় প্রশাসন বারাক ওবামার আমলের মতোই বিশাল, এককেন্দ্রীক, খরচের ব্যাপারে কাণ্ডজ্ঞানহীন আর মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপকারী হয়ে আছে। অনেক ক্ষেত্রে এটি এখন আরও বড়। ট্রাম্পের সমর্থকদের জন্য এটি একটি অপ্রীতিকর সত্য। কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা সীমিত রাখার প্রথাগত রক্ষণশীল বিশ্বাসে অটল না থেকে ট্রাম্প বরং সরকারকে আরও ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে তুলেছেন। আমরা যখন তাকে জানাই যে তার হঠকারী পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করার জন্য সরকার কখনোই যথেষ্ট বড় বা শক্তিশালী হবে না, তখন তিনি খুব বিরক্ত হন। ওবামার আমলে আসলে মার্কিন কেন্দ্রীয় বাজেটের ঘাটতি কমছিল। ২০০৯ সালে ওবামা যখন দায়িত্ব নেন তখন এটি ছিল ১.৪ ট্রিলিয়ন ডলার, যা ২০১৬ সালে তিনি চলে যাওয়ার ঠিক আগে ৫৮৭ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছিল। এই উল্লেখযোগ্য সাফল্যের কৃতিত্ব কংগ্রেসের রিপাবলিকানদের পাওনা, যারা ২০১১ সালে হোয়াইট হাউসের সাথে একটি অচলাবস্থা তৈরি করেছিলেন। তারা এমন একটি বাজেট চুক্তির দাবি করেছিলেন যা ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে আনবে। এটি ছিল বাজেট কন্ট্রোল অ্যাক্ট, যা কেন্দ্রীয় খরচ কমিয়েছিল, ভবিষ্যতের ব্যয়ের ওপর কঠোর বার্ষিক সীমা আরোপ করেছিল এবং সরকারের "ক্রেডিট কার্ডের" ওপর একটি লাগাম টেনেছিল। এটি রক্ষণশীল "টি পার্টি" আন্দোলনের শ্রেষ্ঠ সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ৯৯-১০০
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের খরচ কমানোর প্রতি কোনো আগ্রহ ছিল না। তিনি হয়তো করদাতাদের অর্থ বাঁচানোর জন্য কাজ করছেন এমন একটি ভাব দেখানোর চেষ্টা করেন। আর এটা সত্যি যে কোনো বোকা পরিকল্পনা যদি অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়, তবে তাকে সেটা থেকে বিরত করা যায়। কিন্তু সেটি মানুষের টাকা বাঁচানোর জন্য নয়। তিনি আসলে সেই টাকা অন্য কিছুতে খরচ করতে চান যেখানে তার ব্যক্তিগত আগ্রহ আছে, যেমন বোমা বা সীমান্ত নিরাপত্তা। ট্রাম্প সেই সব মানুষকে অপছন্দ করেন যারা খুব হিসাব করে চলেন। বর্তমানে তিনি সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ব্যবস্থাপনায় অঢেল টাকা ওড়াচ্ছেন। ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের টাকা ওড়ানোর দিনগুলোকে লাস ভেগাস এর কোনো ক্যাসিনোর পাঁচ ডলারের টেবিলের মতো মনে হয়। এর ফলে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে বাজেট ঘাটতি প্রতি বছর বেড়েছে এবং তা বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। রাষ্ট্রপতি বার্ষিক আয়ের চেয়ে এক ট্রিলিয়ন ডলার বেশি খরচ করার পথে আছেন। শুধু ২০১৯ সালের দিকে তাকালেই তা বোঝা যায়। রাষ্ট্রপতি রেকর্ড ভঙ্গকারী ৪.৭ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজেট প্রস্তাব করেছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় সরকার এক বছরেই এত টাকা খরচ করুক। ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে আমেরিকার ঋণ, যার বড় অংশই আমরা অন্য দেশের কাছ থেকে ধার নিয়েছি, কয়েক ট্রিলিয়ন বেড়েছে এবং মোট ঋণের পরিমাণ এখন সর্বোচ্চ ২২ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এক হিসেব অনুযায়ী, আমাদের ঋণ পরিশোধ করতে হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি করদাতাকে গড়ে ৪ লক্ষ ডলার করে দিতে হবে। এটি পুরো আমেরিকার জন্য একটি ভয়াবহ সতর্ক সংকেত হওয়া উচিত। আমরা এভাবে টাকা ধার করে যেতে পারি না যা আমরা শোধ করতে পারব না। অন্যথায় আমাদের সন্তানদের এর জন্য চরম মূল্য দিতে হবে।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১০০
* ইচ্ছাকৃত অজ্ঞতা শব্দ জোড়া রাষ্ট্রপতির শত্রুদের প্রতি তার মনোভাব বর্ণনা করার সবচেয়ে সঠিক উপায়। তিনি যা দেখতে চান কেবল তা-ই দেখেন। ট্রাম্প যদি কোনো বিদেশী নেতাকে পছন্দ করেন, তবে সেই নেতার কারণে তৈরি হতে পারে এমন কোনো বিপদ বা তাদের গোপন উদ্দেশ্যগুলো তিনি মানতে রাজি হন না। এই কারণেই জাতি রাষ্ট্রগুলোর হুমকি সম্পর্কে আমেরিকার বিস্তারিত গোয়েন্দা রিপোর্ট বা আমাদের ঘনিষ্ঠ মিত্রদের জরুরি সতর্কবার্তাকে তিনি খুব সহজে উড়িয়ে দিতে পারেন।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৬৭-১৬৮
* আমাদের শত্রুরা ঠিকই বুঝতে পেরেছে যে রাষ্ট্রপতিকে খুব সহজেই ভুলিয়ে ভালিয়ে কাজ হাসিল করা যায়। টুইটারে দেওয়া তার যুদ্ধংদেহী হুমকিতে তারা বিচলিত হয় না কারণ তারা জানে তাকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তাদের কথায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প খুব সহজেই প্রভাবিত হন। আমরা সবাই তা দেখতে পাই। তোষামোদে তিনি খুব সহজেই গলে যান। আলোচনার সময় তিনি নতি স্বীকার করেন এবং স্রেফ ভালো চুক্তির মতো দেখতে এমন কিছুর জন্য তিনি অনেক কিছু ছেড়ে দিতে রাজি হয়ে যান, সেটি আসলে ভালো চুক্তি হোক বা না হোক। তারা বিশ্বাস করে যে তিনি দুর্বল, আর এই সুযোগটাই তারা নেয়। আর যখন তা পারে না, তখন তারা স্রেফ তাকে পাত্তাই দেয় না।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৭৩
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথাগুলো কেবল তার দলকেই অতিষ্ঠ করে তুলছে না, বরং আমেরিকানদের মধ্যেও বিভেদ সৃষ্টি করছে। তিনি হয়তো টুইটার বা মাইকের সামনে ঝগড়া শুরু করেন, কিন্তু আমরা সেই লড়াই ঘরে ঘরে চালিয়ে যাই। গবেষণায় দেখা গেছে যে রিপাবলিকানরা আরও বেশি একরোখা হয়ে উঠছে এবং দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে চাইছে না, ডেমোক্র্যাটরাও একই কাজ করছে। দুই পক্ষ কেবল একটি বিষয়েই একমত হতে পারে, আর তা হলো এই বিভাজন সত্যিই বাড়ছে। ২০১৯ সালে প্রকাশিত পিউ রিসার্চ সেন্টার এর একটি জরিপে দেখা গেছে যে আমেরিকার প্রায় ৮৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ মনে করেন যে "দেশের রাজনৈতিক বিতর্ক এখন অনেক বেশি নেতিবাচক এবং কম সম্মানজনক হয়ে পড়েছে" এবং দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ বলেছেন যে এটি এখন আসল সমস্যার দিকে নজর দিচ্ছে না। তারা এর দায়ভার কার ওপর চাপিয়েছেন? অধিকাংশ মানুষই বিশ্বাস করেন যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প "রাজনৈতিক বিতর্কের ধরন ও প্রকৃতিকে আরও খারাপের দিকে নিয়ে গেছেন।" এই মৌখিক তিক্ততার ফল বাস্তবেও দেখা যাচ্ছে। আমাদের এই বিভেদগুলো একে অপরের সাথে মেলামেশার সম্ভাবনা কমিয়ে দিচ্ছে, সরকারের প্রতি আস্থা কমিয়ে দিচ্ছে এবং দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমাদের নিরাশ করছে। অন্য একটি জরিপ অনুযায়ী, ২০৫০ সালের কথা ভেবে আমেরিকানরা ভীষণ চিন্তিত। অধিকাংশ মানুষই ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তখন পতনের মুখে থাকবে, অর্থনৈতিক বৈষম্যের ভারে জর্জরিত হবে এবং রাজনৈতিকভাবে আরও বেশি বিভক্ত হবে। শেষ পয়েন্টটিতে ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকান উভয় পক্ষই প্রায় সমানভাবে একমত হয়েছে। দেশের রাজধানীতে রাষ্ট্রপতির লাগামহীন কথাবার্তা তার নিজের পরিকল্পনাগুলোকেই বাধাগ্রস্ত করছে। আগে যেসব বিষয়ে কোনো বিতর্ক ছিল না, এখন ক্যাপিটল হিল এ সেসব বিষয়েও তিনি কারো সম্মতি পাচ্ছেন না। ডেমোক্র্যাটরা যে খুব একটা দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার চেষ্টা করছে তা নয়, কিন্তু রিপাবলিকান পার্টির প্রধান যদি তাদের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীর বদলে চিরশত্রু হিসেবে না দেখতেন তবে হয়তো কিছুটা আশা থাকত। এর পরিবর্তে, প্রতিটি বড় আইডিয়া প্রকাশের সাথে সাথেই বিতর্কিত হয়ে ওঠে। বাজেটের প্রতিটি লাইন যেন রাজনৈতিক রণক্ষেত্রের এক একটি পরিখা। আমরা সবসময় রাষ্ট্রপতির অগ্রাধিকারগুলো সফল করতে হিমশিম খাই কারণ তিনি নিজেই নিজের সবচেয়ে বড় শত্রু।
** অজ্ঞাতনামা, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৯১-১৯২
==== জানুয়ারি ২০১৯ ====
* আমরা বেরিয়ে আসছি এবং খুব বুদ্ধিমত্তার সাথেই বেরিয়ে আসছি। আর আমরা জিতছি, আমরা জিতছি। ঠিক আছে। তবে আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে গেলে বলব, '''একটি নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে'''। আমি কখনোই বলিনি যে আমি কালকেই বেরিয়ে যাচ্ছি। আমি বলেছি যে আমি আমাদের সৈন্যদের ফিরিয়ে আনছি এবং তাদের সিরিয়া থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে। হ্যাঁ, একদম ঠিক। তবে আমরা খুব শক্তিশালীভাবেই বেরিয়ে আসছি।
** ২ জানুয়ারি, ২০১৯ তারিখে এপি আর্কাইভে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* ইরান এখন আর আগের মতো দেশ নেই। ইরান সিরিয়া থেকে তাদের লোক সরিয়ে নিচ্ছে। '''সত্যি বলতে, তারা সেখানে যা খুশি করতে পারে''', কিন্তু তারা লোক সরিয়ে নিচ্ছে। তারা ইয়েমেন থেকেও লোক সরিয়ে নিচ্ছে। ইরান এখন স্রেফ টিকে থাকতে চায়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০১-০২ |শিরোনাম=ট্রাম্প: ইরান সিরিয়াতে 'যা খুশি করতে পারে' |লেখক=এরিক কর্টেলেসা |সাময়িকী=''টাইমস অফ ইসরায়েল'' |ইউআরএল=https://www.timesofisrael.com/trump-iran-can-do-what-they-want-in-syria/}} শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত
* ড্রোন সম্পর্কে আমি যে কারও চেয়ে বেশি জানি। যত রকমের নিরাপত্তার ব্যবস্থা হতে পারে সে সম্পর্কে আমার ধারণা আছে। (জানুয়ারি ২০১৯)
* আমার মনে হয় নির্বাচনী প্রচারণার অর্থায়ন সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না, কারণ আমিই সবচেয়ে বড় অনুদানকারী। (১৯৯৯)
* টেলিভিশন রেটিং পায় এমন মানুষদের সম্পর্কে আমি যে কারও চেয়ে বেশি জানি। (অক্টোবর ২০১২)
* আইএসআইএস সম্পর্কে আমি জেনারেলদের চেয়েও বেশি জানি। (নভেম্বর ২০১৫)
* আমি সোশ্যাল মিডিয়া বুঝি। আমি টুইটার আর ফেসবুকের ক্ষমতা সম্ভবত যে কারও চেয়ে ভালো বুঝি, আমার সাফল্যের দিকে তাকালেই সেটা বোঝা যায়, তাই না? (নভেম্বর ২০১৫)
* আদালত সম্পর্কে আমি এই পৃথিবীর যেকোনো মানুষের চেয়ে বেশি জানি। (নভেম্বর ২০১৫)
* মামলা মোকদ্দমা সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কে জানে? আমিই তো এগুলোর রাজা। (জানুয়ারি ২০১৬)
* আমি রাজনীতিবিদদের যে কারও চেয়ে ভালো বুঝি।
* ভিসা ব্যবস্থা সম্পর্কে আমার চেয়ে ভালো কেউ জানে না। আমি এইচ ওয়ান বি বুঝি। আমি এইচ টু বি বুঝি। বিশ্বাস করুন, এই মঞ্চে আর কেউ জানে না কীভাবে এটি পরিবর্তন করতে হয়। (মার্চ ২০১৬)
* বাণিজ্য সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না। (মার্চ ২০১৬)
* মার্কিন সরকারি ব্যবস্থা সম্পর্কে আমার চেয়ে ভালো কেউ জানে না। (এপ্রিল ২০১৬)
* নবায়নযোগ্য শক্তি সম্পর্কে আমি পৃথিবীর যেকোনো মানুষের চেয়ে বেশি জানি। (এপ্রিল ২০১৬)
* আমার মনে হয় কর ব্যবস্থা সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না, সম্ভবত পৃথিবীর ইতিহাসেই কেউ জানে না। (মে ২০১৬)
* আমি ঋণের রাজা। আমি ঋণ সামলাতে দক্ষ। আমার চেয়ে ভালো ঋণ কেউ বোঝে না। (জুন ২০১৬)
* আমি টাকা পয়সার বিষয়গুলো যে কারও চেয়ে ভালো বুঝি। (জুন ২০১৬)
* দেখুন, একজন নির্মাতা হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প অবকাঠামো সম্পর্কে যতটা জানেন, এই দেশের ইতিহাসে আর কেউ তা জানেন না। (জুলাই ২০১৬)
* সিনেটর কোরি বুকার নিজের সম্পর্কে যা জানেন, আমি তার চেয়েও বেশি জানি। (জুলাই ২০১৬)
* আমার মনে হয় আমি অপর পক্ষ ডেমোক্র্যাটদের সম্পর্কে প্রায় সবার চেয়ে বেশি জানি। (নভেম্বর ২০১৬)
* নির্মাণ কাজ সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না। (মে ২০১৮)
* আমার মনে হয় আমি অর্থনীতি সম্পর্কে ফেডারেল রিজার্ভের চেয়েও ভালো জানি। (অক্টোবর ২০১৮)
* প্রযুক্তি প্রযুক্তি সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানি না। (ডিসেম্বর ২০১৮)
* ড্রোন সম্পর্কে আমি যে কারও চেয়ে বেশি জানি। যত রকমের নিরাপত্তার ব্যবস্থা হতে পারে সে সম্পর্কে আমার ধারণা আছে। (জানুয়ারি ২০১৯)
* মাথার ওপর ড্রোন ওড়া আর আমার মনে হয় এই ধরনের প্রযুক্তি সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না। (জানুয়ারি ২০১৯)
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.axios.com/2019/01/05/everything-trump-says-he-knows-more-about-than-anybody "সবকিছু যা ট্রাম্প দাবি করেন যে তিনি 'যে কারও চেয়ে বেশি জানেন'"] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, ''অ্যাক্সিওস'' (৫ জানুয়ারি, ২০১৯)
* আমরা স্বাধীন হয়ে জন্মেছি আর স্বাধীনই থাকব। আজ রাতে আমরা আমাদের সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করছি যে আমেরিকা কখনোই একটি সমাজতান্ত্রিক দেশ হবে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০১-০৫ |শিরোনাম=ওকাসিও-কর্টেজের উদ্দেশ্যে ট্রাম্প: 'আমেরিকা কখনোই সমাজতান্ত্রিক দেশ হবে না' |লেখক=জোয়েল গেহরকে |সাময়িকী=''ওয়াশিংটন এক্সামিনার'' |ইউআরএল=https://www.washingtonexaminer.com/policy/defense-national-security/trump-to-ocasio-cortez-america-will-never-be-a-socialist-country}} শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত
* <p>''প্রশ্ন:'' এই সরকার অচল হওয়ার দায় কি আপনার ওপর বর্তায়?</p><p>''ডোনাল্ড ট্রাম্প:'' '''দায়ভার সবার ওপরই বর্তায়।'''</p>
** হোয়াইট হাউসের সংবাদ সম্মেলনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ১০ জানুয়ারি, ২০১৯, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০১-১০ |শিরোনাম=দায়িত্ব অস্বীকার করে ট্রাম্পের ঘোষণা, ‘দায়ভার সবার ওপরই বর্তায়’ |লেখক=স্টিভ বেনেন |সাময়িকী=এমএসএনবিসি |ইউআরএল=http://www.msnbc.com/rachel-maddow-show/rejecting-responsibility-trump-declares-the-buck-stops-everybody}} শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত, এবং {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০১-১০ |শিরোনাম=ট্রাম্প: যে অচল অবস্থার দায় নিতে তিনি গর্বিত ছিলেন এখন বলছেন ‘দায়ভার সবার’ |লেখক=অলিভার উইলিস |সাময়িকী=আমেরিকান ইন্ডিপেন্ডেন্ট |ইউআরএল=https://americanindependent.com/trump-buck-stops-with-everybody-shutdown-proud/}} শীর্ষক প্রতিবেদনে ভিডিওসহ উদ্ধৃত
* আমাদের কাছে পিৎজা আছে, তিনশ হ্যামবার্গার আছে, প্রচুর ফ্রেঞ্চ ফ্রাই আছে, আমাদের সব প্রিয় খাবার। আমি দেখতে চাই আমরা যাওয়ার পর এখানে কী অবশিষ্ট থাকে, কারণ আমার মনে হয় না খুব বেশি কিছু থাকবে। যদি সেটি আমেরিকান হয়, তবে আমি এটি পছন্দ করি। এগুলো সব আমেরিকান খাবার।
** ''বিবিসি''-র একটি প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৪ জানুয়ারি, ২০১৯)
* আমি কি আপনাদের সামান্য কিছু সালাদ দেব যা ফার্স্ট লেডি আর সেকেন্ড লেডি মিলে বানাবেন? তারা কিছু সালাদ বানাবেন।<br>তখন আমি বললাম আপনারা তো সালাদ খুব একটা পছন্দ করেন না।<br>নাকি আমি বাইরে থেকে প্রায় এক হাজার হ্যামবার্ডার আনিয়ে নেব? বিগ ম্যাক।<br>তো আমরা আসলে সেটাই করলাম।<br>আমরা বার্গার কিং থেকে এক হাজার বার্গার কিনলাম।<br>সব আমেরিকান কোম্পানি।<br>বার্গার কিং, ওয়েন্ডি’স আর ম্যাকডোনাল্ডস।
** ''রোলিং স্টোনের'' একটি [https://www.rollingstone.com/politics/politics-news/trump-fast-food-white-house-779128/ প্রতিবেদনে] উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (১৪ জানুয়ারি, ২০১৯)
* গত রাতে হোয়াইট হাউসে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন ক্লেমসন টাইগারদের সাথে সময়টা দারুণ কেটেছে। সরকার অচল থাকার কারণে আমি তাদের প্রচুর পরিমাণে ফাস্ট ফুড খাইয়েছি (আমি নিজে টাকা দিয়েছি), ১০০০ এর বেশি হ্যামবার্ডার ইত্যাদি। এক ঘণ্টার মধ্যেই সব শেষ হয়ে গিয়েছিল। দারুণ সব ছেলে আর কী দারুণ পেটুক!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1085159285208858624 টুইট] (১৫ জানুয়ারি ২০১৯)
* জাতীয় আফ্রিকান আমেরিকান ইতিহাস মাস হলো আফ্রিকান আমেরিকানদের অমর কাহিনী এবং স্বাধীনতা, লক্ষ্য ও সুযোগের সেই উপহারগুলোকে পুনরায় জানার একটি উপলক্ষ যা তারা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রেখে গেছেন।
** [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/presidential-proclamation-national-african-american-history-month-2019/ ৩১ জানুয়ারি ২০১৯-এর ভোরের ঘোষণা WhiteHouse.gov] কৃষ্ণাঙ্গদের ইতিহাসের মাস সম্পর্কিত
*** [https://twitter.com/realdonaldtrump/status/1091427927475085312 ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ টুইটারে পুনরায় পোস্ট করা হয়েছে]
==== ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ====
* যখন আমরা ওই এলাকার খেলাফতের বাকি অংশটুকু দখল করে নেব, তখন তারা ইরাকে আমাদের ঘাঁটিতে চলে যাবে। শেষ পর্যন্ত তাদের কেউ কেউ বাড়িতে ফিরে আসবে। কিন্তু আমরা সেখানে থাকব এবং আমরা সেখানে থাকছিই--<br>আমাদের ইসরায়েলকে রক্ষা করতে হবে। আমাদের অন্যান্য জিনিসেরও সুরক্ষা দিতে হবে। তবে হ্যাঁ, তারা সময়ের ব্যবধানে ফিরে আসবে। দেখুন, আমরা বিশ্বকে রক্ষা করছি। ইতিহাসের যে কারও চেয়ে আমরা অনেক বেশি টাকা খরচ করছি। গত পাঁচ বছরে আমরা [[আফগানিস্তান]]ে বছরে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলার খরচ করেছি। হাতেগোনা কয়েকটি দেশ ছাড়া এই পরিমাণ টাকা অধিকাংশ দেশের শিক্ষা, চিকিৎসা এবং অন্য সব খাতের মোট খরচের চেয়েও বেশি।
** ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ তারিখে [https://www.cbsnews.com/news/donald-trump-interview-face-the-nation-margaret-brennan-today-2019-02-01/ ডোনাল্ড ট্রাম্পের] সাক্ষাৎকার যা ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ তারিখে [https://www.cbsnews.com/news/transcript-president-trump-on-face-the-nation-february-3-2019/ প্রচারিত] হয়, ''সিবিএস নিউজ''
* স্বাধীনতার মহৎ অন্বেষণে আমরা [[ভেনেজুয়েলা|ভেনেজুয়েলার]] জনগণের পাশে আছি। আমরা মাদুরো সরকারের নিষ্ঠুরতার নিন্দা জানাই। তাদের সমাজতান্ত্রিক নীতিগুলো ওই দেশটিকে দক্ষিণ আমেরিকার সবচেয়ে ধনী দেশ থেকে চরম [[দারিদ্র্য]] আর হতাশার দেশে পরিণত করেছে।
** [https://fair.org/home/the-media-myth-of-once-prosperous-and-democratic-venezuela-before-chavez/ "চ্যাভেজের আগে এক সময়কার সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক ভেনেজুয়েলা নিয়ে সংবাদমাধ্যমের মিথ"] শীর্ষক প্রতিবেদনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯)
* আমাদের দেশ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই আমাদের অধিকাংশ বড় অর্জনগুলো—স্বাধীনতা লাভ থেকে শুরু করে নাগরিক অধিকারের বিলোপ এবং নারীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা—এই সবকিছুতেই ধর্মপ্রাণ মানুষ নেতৃত্ব দিয়েছে।
** [https://www.huffingtonpost.com/entry/trump-civil-rights-abolition-prayer-breakfast_us_5c5e14ace4b0eec79b236874 ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯] তারিখে প্রতিবেদনে উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আসলে আমি মনে হয় এটি বলতে পারি, জাপানের প্রধানমন্ত্রী আবে আমাকে একটি চিঠির খুব সুন্দর অনুলিপি দিয়েছেন যা তিনি নোবেল পুরস্কার প্রদানকারী ব্যক্তিদের কাছে পাঠিয়েছেন। তিনি বলেছেন: '''"জাপানের পক্ষ থেকে আমি অত্যন্ত সম্মানের সাথে আপনার নাম প্রস্তাব করছি। আমি তাদের অনুরোধ করছি আপনাকে যেন নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়।"''' আমি বললাম, 'ধন্যবাদ।'<br>আমরা অনেক ভালো কাজ করছি। এই প্রশাসন দুর্দান্ত কাজ করছে কিন্তু আমরা তার কোনো স্বীকৃতি পাই না। '''তাই প্রধানমন্ত্রী আবে আমাকে—মানে এটি নোবেল পুরস্কারের জন্য পাঠানো একটি চমৎকার পাঁচ পৃষ্ঠার চিঠি যা তিনি তাদের কাছে পাঠিয়েছেন।''' জানেন কেন? কারণ জাপানের ওপর দিয়ে রকেট আর ক্ষেপণাস্ত্র উড়ে যাচ্ছিল এবং বিপদ সংকেত বেজে উঠছিল—আপনারা তা জানেন। এখন হঠাৎ করেই তারা ভালো বোধ করছে, তারা নিজেদের নিরাপদ মনে করছে। আমিই তা করেছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |শিরোনাম=ট্রাম্প এখনই যা বললেন তা আপনি বিশ্বাস করবেন না: চমকে দেওয়ার মতো ৬টি মুহূর্ত |লেখক=দারেহ গ্রেগরিয়ান |সাময়িকী=''এনবিসি নিউজ'' |ইউআরএল=https://www.nbcnews.com/politics/donald-trump/you-won-t-believe-what-trump-just-said-6-eye-n972166}} শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯)
====মার্চ ২০১৯====
*এই ঘরে এমন কিছু মানুষ আছেন যারা এটি পছন্দ করবেন না। আমাদের বেকারত্বের হার ৩.৭ শতাংশে নেমে এসেছে, যা দীর্ঘ সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন। কিন্তু এটা ভেবে দেখুন: আমি এই সব কোম্পানিগুলোকে দেশে ফিরিয়ে আনছি। তাদের কর্মী প্রয়োজন। চারদিকে যে চমৎকার সব কারখানাগুলো খুলছে, সেখানে কাজ করার জন্য আমাদের দেশে মানুষ নিয়ে আসতে হবে। নির্বাচনী প্রচারণার সময় আমি ঠিক এই কথাগুলো বলিনি, কারণ আমি জানতাম না যে আমরা এতটা সফল হব। কোম্পানিগুলো হুড়মুড় করে আমাদের দেশে ফিরে আসছে, আর এখন আমরা চাই মানুষ আসুক। আমাদের কর্মীদের আসা প্রয়োজন, তবে তাদের অবশ্যই আইনগতভাবে আসতে হবে এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে আসতে হবে। যোগ্যতা, যোগ্যতা, যোগ্যতা।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-2019-conservative-political-action-conference/ ৩ মার্চ ২০১৯]।
====এপ্রিল ২০১৯====
*সবাইকে হ্যালো। অর্থনীতির নতুন তথ্যগুলো এইমাত্র প্রকাশিত হয়েছে; সেগুলো খুব, খুব ভালো। অর্থনৈতিক দিক দিয়ে আমাদের দেশ অবিশ্বাস্য রকমের ভালো করছে। আপনাদের বেশিরভাগই এই খবরগুলো প্রচার করেন না, কারণ আপনাদের দৃষ্টিকোণ থেকে এটি শুনতে ভালো লাগে না। কিন্তু দেশ সত্যিই খুব, খুব ভালো চলছে। আমাদের এখানে এখন অনেক রোমাঞ্চকর কাজ হচ্ছে। অনেক কোম্পানি শীঘ্রই ঘোষণা করবে যে তারা যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসছে। তারা সবাই ফিরে আসছে। যেখানে আসল কর্মযজ্ঞ চলছে, তারা সেখানেই থাকতে চায়।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900207/html/DCPD-201900207.htm ৫ এপ্রিল ২০১৯]।
*আপনার বাড়ির আশেপাশে কোথাও যদি উইন্ডমিল (বায়ুকল) থাকে, তবে অভিনন্দন, আপনার বাড়ির দাম এক ধাক্কায় ৭৫ শতাংশ কমে গেল। '''আর তারা বলে যে এর শব্দে ক্যান্সার হয়।''' আপনিই আমাকে এটি বলেছিলেন, ঠিক আছে। ''[হাত দিয়ে গোল করে ইশারা করেন এবং মুখ দিয়ে একটি শব্দ করেন]'' আপনারা জানেন যে ওই জিনিসটা কেমন শব্দ করে... আর অবশ্যই এটি পাখিদের জন্য এক কবরস্থানের মতো।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], রিপাবলিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসনাল কমিটির এক বক্তৃতায়, ২ এপ্রিল ২০১৯, জাচারি বি. উলফের "[https://www.cnn.com/2019/04/03/politics/trumps-war-on-windmills-now-includes-wild-cancer-claim/index.html উইন্ডমিলের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের যুদ্ধে এখন ক্যান্সারের অদ্ভুত দাবিও যুক্ত হয়েছে]", সিএনএন (৩ এপ্রিল ২০১৯) এবং জন গ্রিনবার্গের "[https://www.politifact.com/truth-o-meter/statements/2019/apr/08/donald-trump/republicans-dismiss-trumps-windmill-and-cancer-cla/ ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্যান্সার ও উইন্ড টারবাইনের মধ্যকার হাস্যকর যোগসূত্র]", পলিটিফ্যাক্টে (৮ এপ্রিল ২০১৯) উদ্ধৃত।
*যারা বেআইনিভাবে আমাদের দেশে ঢুকেছে, তাদের হাতে হাজার হাজার আমেরিকান নিষ্ঠুরভাবে প্রাণ হারিয়েছেন।
** রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প, ফেব্রুয়ারি মাসে তার স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণে, "[https://www.politico.com/story/2019/04/22/stephen-miller-immigration-trump-1284287 স্টিফেন মিলার যেভাবে অভিবাসন বিষয়টিকে ব্যক্তিগত জেদে পরিণত করেছেন]" প্রতিবেদন অনুযায়ী (২২ এপ্রিল ২০১৯)।
*তাদের টিকা নিতেই হবে। ভ্যাকসিন নেওয়াটা এখন ভীষণ জরুরি। অসুখটা এখন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। তাই টিকা নেওয়াটা আবশ্যিক।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], মেগান ভ্যাজকুয়েজের প্রতিবেদনে উল্লিখিত: "[https://www.cnn.com/2019/04/26/politics/donald-trump-measles-vaccines হামের প্রাদুর্ভাবের মুখে ট্রাম্প এখন বলছেন অভিভাবকদের অবশ্যই সন্তানদের টিকা দিতে হবে]", সিএনএন (২৬ এপ্রিল ২০১৯)।
[[File:Bernie Sanders.jpg|thumb|ডোনাল্ড ট্রাম্প... তার পুরো রাজনৈতিক কৌশল হলো আমেরিকান জনগণকে আড়াআড়ি ভাগ করা... তাই আপনার কাছে এমন একজন রাষ্ট্রপতি আছেন যিনি কোটিপতিদের কর ছাড় দেন... যিনি ৩ কোটি ২০ লক্ষ মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত করার ফন্দি আঁটেন... যিনি কর সুবিধার ৮৩ শতাংশই তুলে দিয়েছেন মাত্র শীর্ষ এক শতাংশ ধনকুবেরের হাতে... এখন ভাবুন, আপনি কীভাবে নির্বাচনে জিতবেন? কী বলবেন — ওই দেখুন নথিপত্রহীন মানুষগুলো, তারা সবাই আপনার শত্রু। 'আমার পাশে দাঁড়ান। তাদের ঘৃণা করুন। চলুন এই দেশটাকে ভাগ করে ফেলি।' ~ [[বার্নি স্যান্ডার্স]] ]]
[[File:Ahmed al-Sharaa in July 2025 (cropped).jpg|thumb|আমি তাকে একজন শান্তিকামী মানুষ হিসেবে দেখি। আমরা দুজনেই একই শত্রুর লক্ষ্যবস্তু হয়েছিলাম। ট্রাম্প ক্ষমতা, শক্তি এবং ফলাফল অর্জন করতে জানেন। ~ আহমেদ আল-শারা]]
*['''[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]'''] যা করছেন সেটা আসলে '''আমেরিকার মানুষকে তাদের জাতি বা জন্মপরিচয়ের ভিত্তিতে ভাগ করার একটা রাজনৈতিক চাল'''... '''আপনার কাছে এমন একজন রাষ্ট্রপতি আছেন যিনি কোটিপতিদের কর ছাড় দেন''' আর মেডিকেয়ার, মেডিকেইড ও সোশ্যাল সিকিউরিটির মতো সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পগুলো কমিয়ে দিতে চান। তিনি কিন্তু এগুলো নিয়ে নির্বাচনে প্রচার চালাবেন না। আপনার রাষ্ট্রপতি এমন একজন মানুষ '''যিনি ৩ কোটি ২০ লক্ষ মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করেছেন'''। সেটা নিয়েও তিনি প্রচার চালাবেন না। তিনি এমন এক রাষ্ট্রপতি '''যিনি কর সুবিধার ৮৩ শতাংশই দিয়েছেন শীর্ষ এক শতাংশ ধনীকে''', এই কথা বলেও তিনি প্রচার চালাবেন না। '''তাহলে আপনি কীভাবে নির্বাচনে জিতবেন? কী বলবেন — ওই যে দেখছেন নথিপত্রহীন মানুষগুলো, তারা সবাই আপনার শত্রু। 'আমার পাশে দাঁড়ান। তাদের ঘৃণা করুন। চলুন দেশটাকে ভাগ করে ফেলি।''''' আমি মনে করি এটি অত্যন্ত কুৎসিত আর বিপজ্জনক একটা পথ। আর এটা আটকানোর জন্য আমি আমার সাধ্যমতো সবকিছু করব।
**[https://www.newsweek.com/stand-me-hate-them-bernie-sanders-says-trumps-reelection-plan-based-dividing-country-1445407 ''আমার পাশে দাঁড়ান। তাদের ঘৃণা করুন: বার্নি স্যান্ডার্স বলছেন ট্রাম্পের পুনর্নির্বাচনী পরিকল্পনা দেশকে ভাগ করার ওপর ভিত্তি করে, নিউজউইক''], ক্রিস মোরান (২৩ জুন ২০১৯)।
*টাকার রহস্য খুঁজুন: এই প্রশাসন আসলে কিছু রাক্ষুসে ব্যবসায়ীদের পকেট ভরাতে ব্যস্ত, আর তার মূল্য দিতে হচ্ছে নিম্ন আয়ের সাধারণ শ্রমিক ও ক্রেতাদের। এটা সেই সরকার যারা উপভোক্তাদের স্বার্থ দেখার বদলে চড়া সুদে ঋণ দেওয়া মহাজনদের বাঁচাতে উঠেপড়ে লেগেছে এবং ছাত্রদের ঋণ মওকুফ প্রকল্পের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। এনএলআরবির নজিরবিহীন ইউনিয়ন-বিরোধী তৎপরতাও ঠিক একই ধরনের। এগুলো সাধারণ শ্রমিকদের আরও অসহায় আর অসুরক্ষিত করে তোলার ফন্দি, ঠিক যেমনটি এই প্রশাসন অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্ট এবং মেডিকেইড সম্প্রসারণ বাতিলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে—কারণ অর্থনীতির নিচের তলার মানুষগুলো যত বেশি ভয়ের মধ্যে থাকবে, তাদের শোষণ করা তত সহজ হবে।
** সাশা আব্রামস্কি, ''[https://www.thenation.com/article/archive/trump-labor-gm-strikes/ শ্রমিকদের অধিকারের ওপর ট্রাম্পের হামলা জোরদার হচ্ছে]'' (২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯), ''দ্য নেশন''।
*বেশ কিছু রাজ্যে শিক্ষকদের ধর্মঘটের পর সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে যে, সাধারণ মানুষের ৬৪ শতাংশই শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষে—যা গত ৫০ বছরের মধ্যে প্রায় সর্বোচ্চ। এগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। শ্রমিক আন্দোলন অবশেষে জেগে উঠছে। আর আমেরিকানরা এখন বুঝে গেছে যে ট্রাম্পের এই মেকি 'জনদরদী' সাজ আসলে ধনীদের আখের গুছিয়ে দেওয়ার একটা ফন্দি মাত্র।
** সাশা আব্রামস্কি, ''[https://www.thenation.com/article/archive/trump-labor-gm-strikes/ শ্রমিকদের অধিকারের ওপর ট্রাম্পের হামলা জোরদার হচ্ছে]'' (২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯), ''দ্য নেশন''।
====জুন ২০১৯====
*অভিশংসনের কোনো ভিত্তিই নেই। একেবারেই নেই। কোনো যোগসাজশ ছিল না। কোনো বাধাদান ছিল না। কোনো অপরাধ ছিল না। অপরাধ যা করার তা ডেমোক্র্যাটরা করেছে। ডেমোক্র্যাটরাই অপরাধ করেছে। অভিশংসনের কোনো আইনি ভিত্তি নেই। এটি একটি বিরাট উইচ হান্ট বা ডাইনি শিকার। ডেমোক্র্যাটসহ সবাই এটা জানে।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900366/html/DCPD-201900366.htm ২ জুন ২০১৯]।
*এই সপ্তাহে আমরা ন্যায়পরায়ণ দেশগুলোর এক বিশাল প্রচেষ্টা এবং ইতিহাসের অন্যতম মহৎ এক উদ্যোগকে স্মরণ করছি। পঁচাত্তর বছর আগে, ১ লক্ষ ৫০ হাজারের বেশি মিত্রবাহিনী এই দ্বীপে প্রস্তুতি নিচ্ছিল ফ্রান্সে প্যারাশুটে করে নামার জন্য, নরম্যান্ডির সমুদ্রসৈকত দখলে নেওয়ার জন্য এবং আমাদের সভ্যতাকে পুনরায় জয় করার জন্য। মহামান্যা যেমনটা মনে রেখেছেন, ব্রিটিশ জনগণ প্রায় ৫ বছর ধরে এই দিনটির জন্য আশা, প্রার্থনা এবং লড়াই করে আসছিলেন। ১৯৪০ ও ১৯৪১ সালের ব্লিৎজের সময় যখন ব্রিটেন একা লড়াই করছিল, তখন নাৎসি যুদ্ধযন্ত্রগুলো এই দেশে এবং এই চমৎকার শহরে হাজার হাজার বোমা ফেলেছিল। কেবল বাকিংহাম প্যালেসেই ১৬ বার বোমা হামলা চালানো হয়েছিল। সেই ঘোর দুর্দিনে এই দেশের মানুষ বিশ্বকে দেখিয়েছিল ব্রিটিশ হওয়া মানে কী। তারা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে রাস্তা পরিষ্কার করেছে, নিজেদের বিধ্বস্ত বাড়িগুলোতে ইউনিয়নের পতাকা উড়িয়েছে এবং জয়ের জন্য লড়াই চালিয়ে গেছে। তারা শুধু জয়ই চেয়েছিল। যুক্তরাজ্যের ছেলে-মেয়েদের সাহস নিশ্চিত করেছে যে আপনাদের ভাগ্য চিরকাল আপনাদের হাতেই থাকবে। এই সবকিছুর মধ্য দিয়ে রাজপরিবার ছিল কমনওয়েলথের অটল সংহতির এক অবিচল মুখ।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900368/html/DCPD-201900368.htm ৩ জুন ২০১৯]।
*আজ সন্ধ্যায় আমরা ঈশ্বরের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের সেই সাহসী সন্তানদের জন্য যারা নাৎসি এবং নাৎসি শাসনকে পরাজিত করে লক্ষ লক্ষ মানুষকে স্বৈরশাসন থেকে মুক্ত করেছিলেন। আমাদের দেশগুলোর মধ্যকার বন্ধন সেই "মহৎ ক্রুসেডের" মাধ্যমেই চিরতরে সিলমোহর হয়ে গেছে। আমাদের এই যৌথ বিজয় ও ঐতিহ্যকে সম্মান জানানোর পাশাপাশি আমরা সেই অভিন্ন মূল্যবোধগুলোকে আবারও স্বীকার করছি যা সুদূর ভবিষ্যতেও আমাদের ঐক্যবদ্ধ রাখবে: মুক্তি, সার্বভৌমত্ব, আত্মনিয়ন্ত্রণ, আইনের শাসন এবং সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের দেওয়া অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ থেকে আজ পর্যন্ত মহামান্যা এই অমূল্য ঐতিহ্যগুলোর এক অবিচল প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি সেই মর্যাদা, দায়িত্ববোধ এবং দেশপ্রেমের চেতনাকে ধারণ করেছেন যা প্রতিটি ব্রিটিশ হৃদয়ে সগৌরবে স্পন্দিত হয়। সব আমেরিকানের পক্ষ থেকে আমি আমাদের জনগণের চিরন্তন বন্ধুত্ব, আমাদের দেশগুলোর প্রাণশক্তি এবং মহামান্যা রানীর দীর্ঘ ও সত্যিই অসাধারণ রাজত্বের জন্য শুভকামনা জ্ঞাপন করছি। ধন্যবাদ।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900368/html/DCPD-201900368.htm ৩ জুন ২০১৯]।
*আপনি ভিয়েতনাম যুদ্ধের কথা বলছেন, অথচ সেই সময়ে দেশটির কথা কেউ শোনেনি।
** ১৯৬৮ সালে ভিয়েতনাম সম্পর্কে মার্কিনদের সাধারণ ধারণা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এমন মন্তব্য করেছিলেন (যখন ভিয়েতনামে প্রায় ৫ লক্ষ মার্কিন সেনা মোতায়েন ছিল); ([https://www.japantimes.co.jp/news/2019/06/06/world/politics-diplomacy-world/trump-says-never-fan-vietnam-war-claims-americans-hadnt-heard-country-1968/#.XraZ4hMzbOQ "ট্রাম্প বলেছেন তিনি 'কখনও ভক্ত ছিলেন না' ভিয়েতনাম যুদ্ধের, এবং দাবি করেছেন যে ১৯৬৮ সালে আমেরিকানরা দেশটির কথা শোনেনি"], ''জাপান টাইমস''। ২০১৯-০৬-০৫।
*আমার মনে হয় গতকাল অনেক অগ্রগতি হয়েছে, তবে আমাদের আরও অনেক দূর এগোতে হবে। মেক্সিকো বহু বছর ধরে শত শত কোটি ডলার আয় করছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর এক বিশাল ভাগ্য গড়ে তুলছে। তাদের এগিয়ে আসতে হবে, যথাযথ দায়িত্ব নিতে হবে, এবং হয়তো তারা তা করবেও। আমরা দেখব কী হয়। তারা সমস্যার সমাধান করতে পারে। ডেমোক্র্যাটরা—কংগ্রেস এক ভয়াবহ বিপর্যয়ে পরিণত হয়েছে। তারা বদলাবে না। তারা কিছুই করবে না। তারা অবাধ অভিবাসন চায়—আমাদের দেশে যেন অভিবাসনের ঢল নামে। তারা পরোয়া করে না কে ঢুকছে। তাদের কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড আছে কি না তাতেও তাদের কিছু যায় আসে না। এতে কোনো তফাত হয় না। তারা কিছুই পাল্টাবে না। আমরা তাদের কাছে গিয়ে বলি, "চলুন অভিবাসন আইনগুলো ঠিক করি।" তারা শুধু এর খারাপটা দেখতে চায়। পরিস্থিতি যত খারাপ হয়, তারা তত বেশি খুশি হয়। এটাই হলো বাস্তবতা, আর আমার মনে হয় নির্বাচন পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই থাকবে। এটি অত্যন্ত লজ্জাজনক। কারণ সত্যি বলতে কী, কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাটরা যদি কিছু পরিবর্তন করতে রাজি হতো তবে আমরা এই সমস্যার খুব সহজেই সমাধান করতে পারতাম, কিন্তু তারা রাজি নয়। আর বিষয়টি এমনই। তারা শুধু সময় পার করতে চায়। তারা খুব খারাপ পরিস্থিতি দেখতে চায়। অপরাধ নিয়ে তাদের কোনো মাথা ব্যথা নেই। আমাদের দেশে মাদকের ঢল নামছে তা নিয়েও তাদের পরোয়া নেই। তাদের কিছুই আসে যায় না। এর পুরোটাই রাজনীতি। এটি এক নৃশংস কারবার। সুতরাং পরিস্থিতি এমনই। তবে মেক্সিকোর সাথে আমাদের দারুণ কথা হচ্ছে। দেখা যাক কী হয়। তবে বেশ নাটকীয় কিছু ঘটতে পারে। আমরা মেক্সিকোকে বলেছি যে শুল্ক প্রয়োগ করা হবে। আর আমি সত্যিই তা করতে চাই। এতে আমি খুব খুশি। অনেক লোক, যাদের মধ্যে সিনেটররাও আছেন, শুল্কের কথা এলে তারা কী নিয়ে কথা বলছেন সে সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণাই নেই। একদমই কোনো ধারণা নেই। যখন আপনার কাছে টাকা থাকে, যখন আপনার কাছে পণ্য থাকে, যখন আপনার কাছে এমন কিছু থাকে যা সবাই চায়, তখন শুল্ক নিয়ে আপনি খুব সুবিধাজনক অবস্থানে থাকেন এবং আমরা এখন সেখানেই আছি। আমরা হলাম পিগিব্যাংক। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হলো সেই পিগিব্যাংক। এখানে সেই সব অর্থ আছে যা অন্যরা আমাদের কাছ থেকে কেড়ে নিতে চায়, তবে এখন আর তারা তা সহজে নিতে পারছে না। এখন পরিস্থিতি অনেক আলাদা। চীনের সাথে আমাদের আলোচনা—অনেক কৌতূহলী সব ঘটনা ঘটছে। দেখা যাক কী হয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900372/html/DCPD-201900372.htm ৬ জুন ২০১৯]।
*''রিপোর্টার:'' আপনি কি ইরানের সাথে যুদ্ধে যেতে রাজি আছেন?<br />''ট্রাম্প:'' আপনি নিজেই জানতে পারবেন। জানতে পারবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{cite news|date=২০ জুন ২০১৯|title=ইরানের সাথে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প জনগণকে বলছেন 'আপনারা জানতে পারবেন'|work=দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট|url=https://www.washingtonpost.com/video/world/trump-tells-public-youll-find-out-when-asked-about-a-war-with-iran/2019/06/20/18f8c92d-b370-4a01-a948-4144be20f730_video.html}}
* কোনো এক কারণে আমাদের মধ্যে একটা চমৎকার বোঝাপড়া বা অন্য কিছু কাজ করে। দেখা যাক কী হয়। আমাদের অনেকটা পথ পাড়ি দেওয়া বাকি। তবে আমার কোনো তাড়াহুড়ো নেই... তাই আমি শুধু এটুকুই বলতে চাই যে আমরা ডিএমজেডের দিকে যাচ্ছি। এ'''ই পরিকল্পনাটা আমার অনেক আগে থেকেই ছিল, তবে কাল হঠাৎ মাথায় এল''' যে হয়তো একবার হাই-হ্যালো করা যায়, দ্রুত হাত মেলানো যায় এবং কুশল বিনিময় করা যায়।
** দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে ব্লু হাউসে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের সংবাদ সম্মেলন, {{উদ্ধৃতি|date=2019-06-30 |title=ট্রাম্প: কিম এবং আমার মধ্যে "একটি নির্দিষ্ট রসায়ন আছে" |periodical=সিএনএন |url=https://edition.cnn.com/politics/live-news/trump-dmz-kim-live-intl-hnk/h_8b23e071903b007d8ff1934be8457d2c}} অনুযায়ী।
=====ফ্রান্সের কলভিল-সুর-মেয়ারে ডি-ডের ৭৫তম বার্ষিকীতে ভাষণ=====
<small>[https://www.govinfo.gov/content/pkg/DCPD-201900373/html/DCPD-201900373.htm প্রতিলিপি] (৬ জুন, ২০১৯)</small>
* এখানে আজ আপনাদের সাথে ৬০ জনেরও বেশি প্রবীণ যোদ্ধা উপস্থিত আছেন, যারা ডি-ডে’র সেই লড়াইয়ে ময়দানে নেমেছিলেন। আপনাদের কাছে আমাদের এই ঋণ কোনোদিন শোধ হওয়ার নয়। আজ আমরা আপনাদের প্রতি আমাদের চিরন্তন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আপনারা যখন বয়সে তরুণ ছিলেন, তখন এক মহৎ অভিযানে নিজেদের জীবন সঁপে দিয়েছিলেন যা ছিল ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এক উদ্যোগ। আপনাদের সেই অভিযান ছিল এক মহাকাব্যিক যুদ্ধের কাহিনী, যেখানে ন্যায় আর অন্যায়ের মধ্যকার এক প্রচণ্ড ও চিরস্থায়ী লড়াই ফুটে উঠেছিল। ১৯৪৪ সালের ৬ই জুন, আপনারা এক বিস্ময়কর ক্ষমতার অধিকারী বিশাল এক মুক্তিসেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন। মাসের পর মাস পরিকল্পনার পর মিত্রবাহিনী এই প্রাচীন সমুদ্রতীরকে বেছে নিয়েছিল নাৎসি সাম্রাজ্যের পৈশাচিক স্বৈরাচারকে পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য। যুদ্ধের শুরুটা হয়েছিল আমাদের মাথার ওপরের ওই আকাশেই। মধ্যরাতের সেই চরম উত্তেজনাকর প্রথম কয়েক ঘণ্টায় ১,০০০টি বিমান গর্জন করে উড়ে গিয়েছিল, আর ১৭,০০০ আকাশসেনা ওই অরণ্যের ওপারে ঘুটঘুটে অন্ধকারের মধ্যে ঝাঁপ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এরপর যখন ভোর হলো, তখন এই পাহাড়গুলো দখল করে রাখা শত্রুরা দেখল পৃথিবীর ইতিহাসের বৃহত্তম নৌ-রণতরীর বহর। উপকূল থেকে মাত্র কয়েক মাইল দূরে ৭,০০০ জাহাজ ১ লক্ষ ৩০ হাজার যোদ্ধা নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল।
* তারা ছিলেন মুক্ত ও স্বাধীন বিভিন্ন দেশের নাগরিক, যারা দেশমাতৃকা এবং কোটি কোটি অজাত প্রজন্মের প্রতি নিজেদের কর্তব্যে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলেন। সেখানে ছিলেন ব্রিটিশরা, যাদের আভিজাত্য আর অদম্য মানসিক শক্তি তাদের ডানকার্কের ভয়াবহ সময় আর লন্ডনের ব্লিৎজ কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করেছিল। নাৎসিদের সেই উন্মাদনার চেয়ে ব্রিটিশদের আত্মমর্যাদাবোধ ছিল অনেক বেশি শক্তিশালী। আপনাদের ধন্যবাদ। সেখানে ছিলেন কানাডিয়ানরা, যাদের প্রগাঢ় সম্মানবোধ আর আনুগত্য একদম শুরু থেকেই তাদের ব্রিটেনের পাশে দাঁড়িয়ে যুদ্ধ করতে বাধ্য করেছিল। সেখানে ছিলেন লড়াকু পোলিশরা, কঠোর নরওয়েজিয়ানরা এবং সাহসী অস্ট্রেলিয়ানরা। সেখানে ছিলেন ফরাসি কমান্ডোরা, যাদের সাথে খুব দ্রুতই যোগ দিয়েছিল তাদের হাজার হাজার সাহসী দেশবাসী যারা ফরাসি বীরত্বের দীর্ঘ ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় লিখতে প্রস্তুত ছিল। আর সবশেষে ছিলেন আমেরিকানরা। তারা এসেছিলেন সুবিশাল গ্রামাঞ্চল, ঝলমলে শহর আর শক্তিশালী শিল্প নগরীগুলো থেকে। যুদ্ধের আগে তাদের অনেকেরই নিজের এলাকার বাইরে পা দেওয়ার সুযোগ হয়নি। অথচ আজ তারা নিজেদের ঘর থেকে অর্ধ-পৃথিবী দূরে জীবন উৎসর্গ করতে এসেছেন।
* ওমাহা নামের এই সমুদ্রতীরটি নাৎসিরা ভয়াবহ মারণাস্ত্র আর বালির নিচে অসংখ্য মাইন পুঁতে রেখে সুরক্ষিত করেছিল। এখানেই হাজার হাজার আমেরিকান নেমেছিলেন। সেই সকালে যারা ল্যান্ডিং ক্রাফটে চড়েছিলেন, সেই সেনারা জানতেন যে তাদের কাঁধে কেবল একজন সৈনিকের সরঞ্জাম নেই, বরং জড়িয়ে আছে গোটা পৃথিবীর ভাগ্য। কর্নেল জর্জ টেলর, যার ১৬তম পদাতিক রেজিমেন্ট প্রথম আক্রমণকারী দলের সাথে যোগ দিয়েছিল, তাকে একবার জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: যদি জার্মানরা ঠিক ওই মুহূর্তেই আপনাদের সমুদ্রসৈকতে আটকে দিত, তবে কী হতো? এই মহান আমেরিকান জবাব দিয়েছিলেন: "কেন, আমাদের ঠিক পেছনেই ১৮তম পদাতিক বাহিনী আসছে। ২৬তম পদাতিক বাহিনীও আসবে। এরপর ২য় ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনও সমুদ্রে প্রস্তুত আছে। এছাড়া ৯ম ডিভিশন, ২য় আরমর্ড, ৩য় আরমর্ড আর বাকি সবাই তো আছেই। হয়তো ১৬তম রেজিমেন্ট সফল হবে না, কিন্তু কেউ না কেউ ঠিকই সফল হবে।"
* ৯,৩৮৮ জন তরুণ আমেরিকান এই সুন্দর ভূমিতে সাদা ক্রস আর স্টার অব ডেভিডের নিচে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন। তাদের প্রত্যেককে একেকটি ফরাসি পরিবার নিজেদের আপনজন হিসেবে গ্রহণ করেছে। তারা ফ্রান্সের সব প্রান্ত থেকে এখানে আসেন আমাদের ছেলেদের দেখাশোনা করতে। তারা হাঁটু গেড়ে বসেন, কাঁদেন, প্রার্থনা করেন এবং ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। তারা কখনও ভুলবেন না। আজ আমেরিকা ফরাসি জনগণকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছে আমাদের প্রিয় শহীদদের সম্মান জানানোর জন্য। আপনাদের অনেক অনেক ধন্যবাদ।
* আমাদের সকল বন্ধু ও অংশীদারদের প্রতি বলতে চাই: আমাদের এই প্রিয় মৈত্রী যুদ্ধের উত্তাপে গড়ে উঠেছে, যুদ্ধের অগ্নিপরীক্ষায় পরীক্ষিত হয়েছে এবং শান্তির আশীর্বাদে প্রমাণিত হয়েছে। আমাদের এই বন্ধন অবিচ্ছেদ্য।
* সারা বিশ্ব থেকে আমেরিকানরা এই জায়গার প্রতি এক টান অনুভব করে, যেন এটি আমাদের আত্মারই একটি অংশ। আমরা এখানে কেবল তারা কী করেছিলেন তার জন্য আসি না, বরং তারা কেমন মানুষ ছিলেন সেই বীরত্বের টানেই ফিরে আসি। তারা ছিলেন তরুণ, যাদের সামনে গোটা জীবন পড়ে ছিল। তারা ছিলেন স্বামী, যারা নিজেদের তরুণী স্ত্রীদের বিদায় জানিয়ে কর্তব্যকেই নিয়তি হিসেবে মেনে নিয়েছিলেন। তারা ছিলেন বাবা, যারা তাদের সন্তানদের মুখ দেখার সুযোগ পাননি কারণ তাদের একটি কাজ সম্পন্ন করার ছিল। আর ঈশ্বরকে সাক্ষী রেখে তারা সেই কাজ পূরণ করতে যাচ্ছিলেন। তারা ঢেউয়ের পর ঢেউয়ের মতো এগিয়ে গিয়েছিলেন—কোনো প্রশ্ন বা দ্বিধা ছাড়াই।
* আমেরিকান অস্ত্রের শক্তির চেয়েও বেশি শক্তিশালী ছিল আমেরিকানদের হৃদয়ের তেজ। এই মানুষগুলো এক অদম্য শক্তির জোরে নরকের আগুনের মধ্য দিয়ে ছুটে গিয়েছিলেন যা কোনো অস্ত্র ধ্বংস করতে পারত না আর তা হলো এক মুক্ত ও গর্বিত জাতির প্রগাঢ় দেশপ্রেম। তারা নিয়ন্ত্রণ বা আধিপত্য বিস্তারের জন্য লড়েননি, লড়েছিলেন স্বাধীনতা, গণতন্ত্র আর স্বশাসনের জন্য। তারা লড়াই করেছিলেন ঘর আর দেশের প্রতি ভালোবাসা, সেই চেনা রাস্তা, স্কুল মাঠ, গির্জা আর প্রতিবেশী সেই পরিবার আর সমাজের জন্য যারা আমাদের এমন মহৎ মানুষ উপহার দিয়েছে। তারা বিশ্বাস করতেন যে আমেরিকা সবকিছু করতে পারে কারণ আমরা এক মহান জাতি। এই অসাধারণ শক্তি এসেছিল এক অসাধারণ চেতনা থেকে। সাহসের উৎস ছিল অগাধ বিশ্বাস। একটি সেনাবাহিনীর মহৎ কর্মগুলো এসেছিল তাদের ভালোবাসার গভীরতা থেকে। নিজেদের ভাগ্যের মুখোমুখি হয়ে আমেরিকান আর মিত্রবাহিনী নিজেদের ঈশ্বরের হাতে সঁপে দিয়েছিলেন।
* আমার পেছনে থাকা মানুষগুলো আপনাদের বলবেন যে তারা কেবল ভাগ্যবান ছিলেন। তাদের মধ্যে একজন যেমনটা বলেছিলেন, "আসল বীররা তো এখানে মাটির নিচে শুয়ে আছেন।" কিন্তু আমরা জানি এই মানুষগুলো কী করেছিলেন। তারা কতটা সাহসী ছিলেন তা আমাদের অজানা নয়। তারা এখানে এসে স্বাধীনতা রক্ষা করেছিলেন এবং বাড়ি ফিরে গিয়ে আমাদের সবাইকে দেখিয়েছিলেন স্বাধীনতা মানে আসলে কী। বিজয়ী আমেরিকানরা শান্তিকালেও সমান উজ্জ্বল ছিলেন। তারা পরিবার গড়েছেন, শিল্পায়ন করেছেন এবং এমন এক জাতীয় সংস্কৃতি গড়ে তুলেছেন যা গোটা বিশ্বকে অনুপ্রাণিত করেছে। পরবর্তী দশকগুলোতে আমেরিকা সাম্যবাদকে পরাজিত করেছে, নাগরিক অধিকার সুরক্ষিত করেছে, বিজ্ঞানে বিপ্লব ঘটিয়েছে, চাঁদে মানুষ পাঠিয়েছে এবং প্রতিনিয়ত নতুন নতুন দিগন্তের দিকে এগিয়ে গেছে। আর আজ আমেরিকা আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।
* সাত দশক আগে, ডি-ডের যোদ্ধারা এক অশুভ শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন যারা হাজার বছরের এক সাম্রাজ্যের স্বপ্ন দেখত। সেই অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে তারা এমন এক উত্তরাধিকার রেখে গেছেন যা চিরকাল টিকে থাকবে যতদিন মানুষের মনে দায়িত্ব আর সম্মানের বোধ থাকবে; যতদিন মানুষের হৃদয়ে স্বাধীনতা অম্লান থাকবে। আমার পেছনে বসে থাকা এই মানুষগুলো এবং সামনে এই ময়দানে শুয়ে থাকা ছেলেদের উদ্দেশ্যে বলছি, আপনাদের এই দৃষ্টান্ত কখনও পুরনো হবে না। আপনাদের বীরত্বগাথা অমর হয়ে থাকবে। আপনাদের সাহসী ও অটল চেতনা কখনও মরবে না। তারা যে রক্ত ঝরিয়েছেন আর যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তা কেবল একটি যুদ্ধে জয় এনে দেয়নি বরং তা আমাদের সভ্যতার টিকে থাকা নিশ্চিত করেছে। তারা আমাদের পথ দেখিয়ে গেছেন কীভাবে আমাদের জীবনযাত্রাকে ভালোবাসতে হয় এবং রক্ষা করতে হয়। আজ এই পবিত্র ভূমিতে দাঁড়িয়ে আমরা শপথ করছি যে আমাদের জাতিগুলো চিরকাল শক্তিশালী আর ঐক্যবদ্ধ থাকবে। আমাদের মানুষেরা সাহসী হবে, আমাদের হৃদয় অনুগত থাকবে আর আমাদের পরবর্তী প্রজন্মগুলো চিরকাল মুক্ত থাকবে। ঈশ্বর আমাদের মহান প্রবীণ যোদ্ধাদের মঙ্গল করুন, ঈশ্বর আমাদের মিত্রদের মঙ্গল করুন, ঈশ্বর ডি-ডের বীরদের মঙ্গল করুন এবং ঈশ্বর আমেরিকার মঙ্গল করুন। আপনাদের অনেক ধন্যবাদ। ধন্যবাদ।
====জুলাই ২০১৯====
* "আমি বলেছিলাম, জানেন তো, আপনি আমাকে পছন্দ করেন না আর আমিও আপনাকে পছন্দ করি না। আমি আপনাকে কখনও পছন্দ করিনি আর আপনিও আমাকে পছন্দ করেননি, কিন্তু আপনি আমাকেই সমর্থন করবেন কারণ আপনি একজন ধনী মানুষ। আর আপনি যদি আমাকে সমর্থন না করেন, তবে আপনি এতটাই দরিদ্র হয়ে যাবেন যে আপনি নিজেই সেটা বিশ্বাস করতে পারবেন না।"
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] একজন নামহীন ব্যবসায়ীর কথা উল্লেখ করছিলেন, যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৭-১৭ |শিরোনাম=বিশ্লেষণ: ডোনাল্ড ট্রাম্পের নর্থ ক্যারোলাইনা জনসভার ৫১টি সবচেয়ে আপত্তিকর উক্তি |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=WLOS.com |ইউআরএল=https://wlos.com/news/local/analysis-the-51-most-outrageous-lines-from-donald-trumps-nc-rally}}
* সবাই আমাকে মিস্টার প্রেসিডেন্ট বলে ডাকে। এটা সত্যি। এটা একটা মজার ব্যাপার।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৭-১৭ |শিরোনাম=বিশ্লেষণ: ডোনাল্ড ট্রাম্পের নর্থ ক্যারোলাইনা জনসভার ৫১টি সবচেয়ে আপত্তিকর উক্তি |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=WLOS.com |ইউআরএল=https://wlos.com/news/local/analysis-the-51-most-outrageous-lines-from-donald-trumps-nc-rally}}
* তাছাড়া, আমার কাছে অনুচ্ছেদ ২ আছে, যেখানে রাষ্ট্রপতি হিসেবে আমার যা খুশি তাই করার অধিকার আছে [...] কিন্তু আমি এমনকি সেটা নিয়ে কথাও বলি না।
** ওয়াশিংটন ডিসিতে টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ টিন স্টুডেন্ট অ্যাকশন সামিটে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের ভাষণ (২৩ জুলাই ২০১৯), যা [https://www.washingtonpost.com/politics/2019/07/23/trump-falsely-tells-auditorium-full-teens-constitution-gives-him-right-do-whatever-i-want/ "মুলার তদন্ত নিয়ে আক্ষেপ করার সময়, ট্রাম্প ভুলভাবে বলেছেন যে সংবিধান তাকে 'যা খুশি করার অধিকার' দিয়েছে"] উদ্ধৃত হয়েছে, ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'' (২৩ জুলাই ২০১৯)
* বরিস জনসন, ভালো মানুষ, তিনি কঠোর কিন্তু বুদ্ধিমান। তারা তাকে ব্রিটেনের ট্রাম্প বলে ডাকে.. সেখানে তারা আমাকে পছন্দ করে।
** [https://www.youtube.com/watch?v=S0wO89TT9vI জনসন সম্পর্কে ট্রাম্প: 'তারা তাকে ব্রিটেনের ট্রাম্প বলে ডাকে' - বিবিসি নিউজ] ২৪ জুলাই ২০১৯
* এই লোকগুলো [ডেমোক্র্যাটরা] সব ভাঁড়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, যা ২৬ জুলাই হোয়াইট হাউস থেকে [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-signing-safe-third-country-agreement-guatemala/ দেওয়া বক্তব্যে (ভিডিও)] উদ্ধৃত হয়েছে।
* আমি এই পুরো বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে কম বর্ণবাদী মানুষ।
** [https://www.theguardian.com/us-news/video/2019/jul/30/trump-claims-least-racist-person-in-the-world দ্য গার্ডিয়ান অনুযায়ী] উদ্ধৃত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি (৩০ জুলাই ২০১৯)
====আগস্ট ২০১৯====
* আমার মনে হয় আমার কথাবার্তা - মানুষকে একত্র করে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৮-০৭ |শিরোনাম=সমালোচকদের তীব্র নিন্দা জানানোর পাশাপাশি ট্রাম্প বলেছেন যে তার কথাগুলো ‘মানুষকে একত্র করে’ |লেখক=স্টিভ বেনেন |সাময়িকী=এমএসএনবিসি |ইউআরএল=http://www.msnbc.com/rachel-maddow-show/while-slamming-critics-trump-says-his-words-bring-people-together}}
* আমি মনে করি যে কোনো ইহুদি ব্যক্তি যিনি ডেমোক্র্যাটদের ভোট দেন -- তা হয় জ্ঞানের চরম অভাব অথবা বড় কোনো অবিশ্বস্ততা প্রকাশ করে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৮-২১ |শিরোনাম=ইহুদিরা ডেমোক্র্যাটদের ভোট দিলে তারা অবিশ্বস্ত — ট্রাম্পের এমন উক্তিতে ইহুদি নেতারা ক্ষুব্ধ |লেখক=মেগান ভাজকুয়েজ, জিম অ্যাকোস্টা |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2019/08/20/politics/donald-trump-jewish-americans-democrat-disloyalty/index.html?no-st=9999999999}}
* আমিই সেই মনোনীত ব্যক্তি। কাউকে তো এটা করতেই হতো, তাই আমি চীনের মোকাবিলা করছি... আর আপনারা তো জানেনই যে আমরা জিতছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৮-২১ |শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্প: 'আমিই সেই মনোনীত ব্যক্তি' |লেখক=টোলা এমবাকওয়ে |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://premierchristian.news/en/news/article/donald-trump-i-am-the-chosen-one}}
====সেপ্টেম্বর ২০১৯====
* আমার প্রিয় স্বৈরশাসক কোথায়?
** মিশরের রাষ্ট্রপতি [[আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি]]কে খোঁজার সময় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই উক্তি করেন, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৯-১৩ |শিরোনাম=সম্মেলনে মিশরীয় প্রতিপক্ষের অপেক্ষায় থাকা ট্রাম্প 'আমার প্রিয় স্বৈরশাসক' বলে সম্বোধন করেছেন | লেখক=ন্যান্সি এ. ইউসেফ, ভিভিয়ান সালামা এবং মাইকেল সি. বেন্ডার | ইউআরএল=https://www.wsj.com/articles/trump-awaiting-egyptian-counterpart-at-summit-called-out-for-my-favorite-dictator-11568403645?tesla=y&mod=e2twp}}
* আমাকে সবসময় কমলা রঙের দেখায়। আর আপনাদেরও তাই দেখায়। এই আলোটা সবচেয়ে খারাপ।
** শক্তি-সাশ্রয়ী লাইট বাল্ব নিয়ে অভিযোগ করার সময় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই উক্তি করেন, যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৯-২৪ |শিরোনাম=ট্রাম্প কেন শক্তি-সাশ্রয়ী লাইট বাল্ব পছন্দ করেন না সে প্রসঙ্গে: “আমাকে সবসময় কমলা রঙের দেখায়” |লেখক=এলিয়ট হ্যানন |ইউআরএল=https://slate.com/news-and-politics/2019/09/trump-on-why-he-doesnt-like-energy-efficient-light-bulbs-i-always-look-orange.html}}
* সত্যটা একদম পরিষ্কার — আপনি যদি স্বাধীনতা চান, তবে নিজের দেশ নিয়ে গর্ব করুন; যদি [[গণতন্ত্র]] চান, তবে নিজের সার্বভৌমত্ব আঁকড়ে ধরুন; আর যদি শান্তি চান, তবে নিজের জাতিকে ভালোবাসুন। বিজ্ঞ নেতারা সবসময় তাদের নিজেদের লোক এবং নিজেদের দেশের স্বার্থকে সবার আগে স্থান দেন। ভবিষ্যৎ গ্লোবালিস্টদের নয়। ভবিষ্যৎ দেশপ্রেমিকদের। ভবিষ্যৎ সেই সার্বভৌম ও স্বাধীন দেশগুলোর যারা তাদের নাগরিকদের রক্ষা করে, প্রতিবেশীদের শ্রদ্ধা করে এবং প্রতিটি দেশ যে কারণে অনন্য, সেই পার্থক্যগুলোকে সম্মান জানায়।
** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের ভাষণ, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৯-১৩ |শিরোনাম=ট্রাম্পের জাতিসংঘ ভাষণে বিশ্বায়নের সমালোচনা: ভবিষ্যৎ হলো জাতীয়তাবাদের |লেখক=টিম পিয়ার্স |সাময়িকী=ওয়াশিংটন এক্সামিনার |ইউআরএল=https://www.washingtonexaminer.com/news/trump-un-speech-knocks-globalism-the-future-belongs-to-nationalism}}
====অক্টোবর ২০১৯====
=====আবু বকর আল-বাগদাদীর মৃত্যু নিয়ে বক্তব্য=====
[[File:President Trump Watches as U.S. Special Operations Forces Close in on ISIS Leader (48967991042).jpg|thumb|গত রাতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসবাদী নেতাকে ন্যায়ের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে। আবু বকর আল-বাগদাদী মৃত। তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে নির্মম ও সহিংস সন্ত্রাসী সংগঠন ইসলামিক স্টেটের প্রতিষ্ঠাতা ও নেতা।]]
:<small>[https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/statement-president-death-abu-bakr-al-baghdadi/ Whitehouse.gov-এ সরকারি বিবৃতি (২৭ অক্টোবর ২০১৯)] · [https://www.nytimes.com/2019/10/27/us/trump-transcript-isis-al-baghdadi.html দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসে দেওয়া বক্তব্যের প্রতিলিপি (২৭ অক্টোবর ২০১৯)] · [https://www.youtube.com/watch?v=Q6YvsrGILrw "আবু বকর আল-বাগদাদীর মৃত্যু নিয়ে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের পূর্ণাঙ্গ ঘোষণা", দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট ইউটিউব চ্যানেল (২৭ অক্টোবর ২০১৯)]</small>
* গত রাতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসবাদী নেতাকে ন্যায়ের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে। আবু বকর আল-বাগদাদী মৃত। তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে নির্মম ও সহিংস সন্ত্রাসী সংগঠন ইসলামিক স্টেটের প্রতিষ্ঠাতা ও নেতা। বহু বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাগদাদীকে খুঁজছিল। তাকে ধরা বা খতম করা আমার প্রশাসনের জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ছিল। মার্কিন স্পেশাল অপারেশন বাহিনী এই অভিযান সম্পন্ন করতে উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ায় একটি বিপজ্জনক এবং দুঃসাহসী নৈশ অভিযান চালায়।
* নিরপরাধ মানুষকে যারা অত্যাচার ও হত্যা করে, সেইসব সন্ত্রাসীদের কখনোই শান্তিতে ঘুমানো উচিত নয়; কারণ তারা জানে যে আমরা তাদের পুরোপুরি ধ্বংস করে দেব। এই বন্য দানবগুলো তাদের ভাগ্য থেকে রেহাই পাবে না—আর তারা ঈশ্বরের চূড়ান্ত বিচার থেকেও বাঁচতে পারবে না।
* এই অভিযানটি ছিল নিখুঁত এবং এটি কেবল নির্দিষ্ট কিছু দেশ ও মানুষের স্বীকৃতি ও সহায়তায় সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। <br /> আমি রাশিয়া, তুরস্ক, সিরিয়া এবং ইরাককে ধন্যবাদ জানাতে চাই। সেই সাথে সিরীয় কুর্দিদেরও ধন্যবাদ জানাই আমাদের কিছু বিশেষ সহায়তা প্রদানের জন্য। চমৎকার সব গোয়েন্দা কর্মকর্তাদেরও ধন্যবাদ জানাই যারা এই সফল অভিযানটি সম্ভব করতে সাহায্য করেছেন।
* গত রাত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশ্বের জন্য একটি মহান রাত ছিল। একজন নৃশংস খুনি, যে অগণিত মানুষের কষ্ট ও মৃত্যুর কারণ হয়েছিল, তাকে কঠোরভাবে নির্মূল করা হয়েছে—সে আর কখনোই কোনো নিরপরাধ পুরুষ, নারী বা শিশুর ক্ষতি করতে পারবে না। সে একটি কুকুরের মতো মারা গেছে। সে একজন কাপুরুষের মতো মারা গেছে। পৃথিবী এখন অনেক বেশি নিরাপদ।
* আমি বলতে চাই না কীভাবে, তবে এটি ছিল একদম নিখুঁত ঠিক যেন আপনি কোনো সিনেমা দেখছেন। সেখানে ব্যবহৃত প্রযুক্তি এককথায় সত্যিই অসাধারণ।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://edition.cnn.com/2019/10/27/politics/donald-trump-baghdadi-death-isis/index.html ২৭ অক্টোবর ২০১৯]
====নভেম্বর ২০১৯====
* আমি কিছুই চাই না, আমি কিছুই চাই না, আমি কোনো কুইড প্রো কো চাই না। জেলেনস্কিকে বলুন সঠিক কাজটি করতে। এটিই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে শেষ কথা।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], রাষ্ট্রদূত গর্ডন সন্ডল্যান্ডের সাক্ষ্য প্রদানের পর [https://www.vox.com/2019/11/20/20974383/trump-big-sharpie-notes-on-impeachment-testimony ২০ নভেম্বর হোয়াইট হাউসের লনে একটি নোটপ্যাডে লেখা মন্তব্য]।
====ডিসেম্বর ২০১৯====
* এমন এক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেখানে আমরা বেসিন, ঝরনা এবং বাথরুমের অন্যান্য জিনিসগুলো নিয়ে খুব গুরুত্ব দিয়ে ভাবছি।<br>আপনি কলের মুখ খুলছেন কিন্তু কোনো জল পাচ্ছেন না...<br>লোকে ১০ বার, ১৫ বার করে টয়লেট ফ্লাশ করছে। তাদের কাছে এত জল আছে যে তা ওপর থেকে নিচে পড়ছে। একেই বলে বৃষ্টি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, {{উদ্ধৃতি |লেখক=ম্যাথিউ ক্যান্টর |শিরোনাম=ট্রাম্প বলেছেন যে মানুষ '১০ বার টয়লেট ফ্লাশ করে' এবং তিনি এর সমাধান খুঁজছেন |সাময়িকী=দ্য গার্ডিয়ান |তারিখ=২০১৯-১২-০৬ |ইউআরএল=https://www.theguardian.com/us-news/2019/dec/06/trump-says-people-flush-the-toilet-10-times-and-seeks-solution}}
* খুবই হাস্যকর। গ্রেটাকে অবশ্যই তার রাগ নিয়ন্ত্রণের সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে, তারপর কোনো বন্ধুর সাথে সেকেলে ধরনের ভালো কোনো সিনেমা দেখতে যাওয়া উচিত! শান্ত হও গ্রেটা, শান্ত হও!
** ২০১৯ সালে টাইম ম্যাগাজিনের 'পারসন অফ দ্য ইয়ার' নির্বাচিত হওয়ার পর সুইডিশ স্কুলছাত্রী এবং জলবায়ু কর্মী গ্রেটা থুনবার্গ সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেছিলেন, {{উদ্ধৃতি | লেখক=রয়টার্স কর্মী | শিরোনাম=রাগ নিয়ন্ত্রণের খোঁচা দেওয়ার পর ট্রাম্পকে পাল্টা জবাব দিলেন জলবায়ু কর্মী থুনবার্গ | সাময়িকী=রয়টার্স | তারিখ=২০১৯-১২-০৬ | ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/us-usa-election-thunberg-idUSKBN27M0TN}}
* আমি বাতাস কখনও বুঝিনি। আমি উইন্ডমিল সম্পর্কে অনেক জানি, আমি অন্য যে কারও চেয়ে এটি ভালোভাবে পড়েছি। আমি জানি এটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এগুলো বেশিরভাগই চীন আর জার্মানিতে তৈরি হয়, এখানে খুব কম তৈরি হয়, নেই বললেই চলে, কিন্তু এগুলো যখন তৈরি করা হয় তখন—আপনি যদি এর মধ্যে থাকেন তবে বুঝবেন—বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে ধোঁয়া আর গ্যাস নির্গত হয়। আপনারা জানেন তো আমাদের একটা পৃথিবী আছে, তাই না? মহাবিশ্বের তুলনায় এই পৃথিবীটা অনেক ছোট। তাই প্রচুর পরিমাণে ধোঁয়া আর সবকিছু সেখানে মেশে। আপনারা কার্বন ফুটপ্রিন্টের কথা বলেন, ধোঁয়া বাতাসে ছড়াচ্ছে, একদম ছড়াচ্ছে, সেটা চীন বা জার্মানি যেখানেই হোক, তা বাতাসে মিশছে।<br>আপনারা ওই [বায়ুকলগুলো] দেখছেন। ওগুলো সব আলাদা আলাদা রঙের। ওগুলো সাদা ধরনের, কিন্তু কোনোটি আবার কমলা-সাদা। কমলা আমার প্রিয় রঙ।
** টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ সম্মেলনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |লেখক=কনর ম্যানিয়ন |শিরোনাম=রক্ষণশীল গোষ্ঠীর সামনে ভাষণে উইন্ডমিলের সমালোচনা করলেন ট্রাম্প: ‘আমি বাতাস কখনও বুঝিনি’ |সাময়িকী=মিডিয়াআইট |তারিখ=২০১৯-১২-২২ |ইউআরএল=https://www.mediaite.com/trump/trump-attacks-windmills-in-speech-to-conservative-group-i-never-understood-wind/}}
===২০২০===
* সবাই জানে যে ডোনাল্ড ট্রাম্প হার মেনে নিতে পারেন না, আর রয় কোহনের কর্তৃত্ববাদী নির্দেশনার শেষ উপদেশটি ছিল, "যদি তুমি হেরে যাও, তবে বলো যে তুমি জিতেছ।" তাই নভেম্বরে ট্রাম্প যদি হেরে যান, তবে তিনি সম্ভবত দাবি করবেন যে নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে এবং তিনি সেটা বাতিলের চেষ্টা করবেন। কিন্তু ডেমোক্র্যাট এবং ডেমোক্র্যাট-ঘেঁষা স্বতন্ত্র ভোটারদের বিশাল উপস্থিতি তাকে বিদায় করে ২০ জানুয়ারি ২০২১-এ হোয়াইট হাউসের দক্ষিণ বারান্দায় মালপত্র সরানোর ভ্যান নিয়ে আসতে পারে। কোভিড-১৯ অতিমারী এবং জর্জ ফ্লয়েড ট্র্যাজেডিগুলো মোকাবিলায় ট্রাম্পের শোচনীয় ব্যর্থতা কিছু অনিশ্চিত ভোটারকে ডেমোক্র্যাট শিবিরে নিয়ে এসেছে, এমনকি জুনের শুরু পর্যন্ত ট্রাম্পের নিজের সমর্থকদের একাংশও এই সংকটে তার দুর্বল প্রতিক্রিয়া দেখে বিচলিত হয়ে পড়েছেন। তরুণ ভোটাররা এই বিষয়টি নিশ্চিতভাবে ঠিক করে দিতে পারেন, কারণ তারা যুক্তরাষ্ট্রে সবথেকে কম কুসংস্কারাচ্ছন্ন গোষ্ঠী এবং তারা বিভিন্ন কারণে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোর বিরোধী। ঐতিহাসিকভাবে ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সীরা ভোট কম দিলেও জর্জ ফ্লয়েডের হত্যার পর কুসংস্কারের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে তারাই সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল। ডেমোক্র্যাটরা যদি তরুণদের মধ্যে ভালো নিবন্ধন অভিযান চালাতে পারে এবং বাইডেন সমর্থকরা যদি রিপাবলিকানদের দেওয়া ভোট দমনের সব বাধা অতিক্রম করতে পারে, আর যদি বার্নি স্যান্ডার্সের সমর্থকরা ট্রাম্প জিতলে কিছুই না পাওয়ার চেয়ে ভবিষ্যতে বাকিটা পাওয়ার আশায় বর্তমানে অর্ধেক দাবিতেই সন্তুষ্ট থাকে, তবে ডেমোক্র্যাটরা নভেম্বরে হোয়াইট হাউস এবং কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই জয়লাভ করতে পারে। <br>ধরা যাক তেমনটাই হলো। নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলো, কিন্তু এমনকি ইলেক্টোরাল কলেজে ডেমোক্র্যাটরা জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যা পেল। তা সত্ত্বেও ট্রাম্প দাবি করলেন যে সেখানে বিশাল জালিয়াতি হয়েছে এবং এই নির্বাচনের কোনো গুরুত্ব নেই। তিনি বারবার যেমনটা বলেন, সেভাবেই বললেন যে "এটি একটি ধোঁকাবাজি"। তিনি বললেন, "একে ন্যায্য হতে হবে!" আর তার সমর্থকরা ট্রাম্পের সমর্থনে চিৎকার করতে করতে রাস্তায় নেমে এলো। ট্রাম্প হেরে গিয়েও ক্ষমতা ছাড়তে অস্বীকার করলে কারোরই অবাক হওয়া উচিত নয়। মাইকেল কোহেন, যিনি দীর্ঘ বছর ট্রাম্পের ব্যক্তিগত আইনজীবী হিসেবে কাজ করেছেন এবং তাকে অন্য অনেকের চেয়ে ভালো চেনেন, তিনি ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯-এ শপথ নিয়ে বলেছিলেন, "মিস্টার ট্রাম্পের সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে আমি ভয় পাচ্ছি যে তিনি যদি ২০২০ সালের নির্বাচনে হেরে যান, তবে কখনোই সেখানে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর হবে না।" ট্রাম্পের উচ্চপদস্থ কর্মী, যিনি ''নিউ ইয়র্ক টাইমসের'' সম্পাদকীয় এবং ''এ ওয়ার্নিং'' বইয়ের জন্য 'অ্যানোনিমাস' নামে পরিচিত, তিনি বলেছেন যে ট্রাম্প "চুপচাপ বা সহজে বিদায় নেবেন না," যা একটি সম্ভাব্য "গৃহযুদ্ধের" ইঙ্গিত দেয়। স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি ২০১৯ সালের মে মাসে ''নিউ ইয়র্ক টাইমস''-কে বলেছিলেন যে ২০২০ সালে ট্রাম্পের পরাজয় মেনে না নেওয়ার বিষয়টি তাকে চিন্তিত করে, তিনি আরও বলেন, "আমাদের এর বিরুদ্ধে প্রস্তুতি নিতে হবে।"
** জন ডিন এবং বব আলটেমেয়ার, ''অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ার'' (২০২০)। ব্রুকলিন: মেলভিল হাউস, পৃষ্ঠা ২৭৬-২৭৭
* ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি ২০২১ সালে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা ছাড়েনও, তার সমর্থক গোষ্ঠী অটুট থাকবে এবং তারা তার পূর্বসূরির মতো তার উত্তরসূরিকেও বাধা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকবে। অথবা যদি ট্রাম্পের প্রভাব অনিবর্য়ভাবে কমে যায়, তবে সেই সমর্থক গোষ্ঠী অন্য যে কেউ নিজেদের দখলে নিতে পারবে তার জন্যই কাজ করবে। ট্রাম্পের চেয়ে বুদ্ধিমান কেউ যদি ফক্স নিউজ এবং ডানপন্থী সংবাদমাধ্যমের সমর্থন পায়, তবে ভবিষ্যতে সে আরও বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। আপনারা নিশ্চিত থাকতে পারেন যে বিভিন্ন উচ্চাকাঙ্ক্ষী ব্যক্তিরা ইতিমধ্যেই পরবর্তী ত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার কথা ভাবতে শুরু করেছেন। আপনারা এটাও নিশ্চিত থাকতে পারেন যে "রাজা নির্মাতা" বা ক্ষমতাশালীরাও এখন এই ক্ষেত্রটি নিয়ে পড়াশোনা করছেন, যার মধ্যে ধর্মীয় রক্ষণশীল নেতাদেরও অন্তর্ভুক্ত করা যায় যারা হয়ত বুঝতে পারছেন যে তাদের বিশ্বাসীদের ওপর ট্রাম্পের নিয়ন্ত্রণ কিছুটা শিথিল হচ্ছে।
** জন ডিন এবং বব আলটেমেয়ার, ''অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ার'' (২০২০)। ব্রুকলিন: মেলভিল হাউস, পৃষ্ঠা ২৭৯
* একজন চতুর ক্ষমতা দখলকারী হওয়ার যোগ্যতা ডোনাল্ড জন ট্রাম্পের নেই বললেই চলে। যদি মনে হয় আমরা তার প্রতি কঠোর হয়েছি, তবে যারা তার সাথে চলেন তাদের কথা শুনুন। মানুষ হিসেবে তিনি একটি করুণ দৃষ্টান্ত। তার চিন্তাচেতনা অনেক দিন ধরেই বাস্তববিমুখ। তিনি নিজের জীবনই ঠিক করতে অক্ষম, যা অহংকারের ক্ষত আর অজ্ঞতা ও আত্মপ্রবঞ্চনার গর্তে ভরা, তাই তিনি যে ক্ষতি করেছেন তা মেরামত করা তার পক্ষে অসম্ভব। যদি তিনি সম্রাট হন, তবে আমরা গর্ব করে বলতে পারব যে কোনো নির্বোধ রাজা তৈরি করতে আমাদের প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে অন্তঃপ্রজনন করতে হয়নি। আমরা একজনকে দিয়েই শুরু করেছি। আরও দুঃখের বিষয় হলো, দেশের একটি সংখ্যালঘু অংশ হয়ত ট্রাম্পকে একনায়ক বানাতে পারবে না। বেশিরভাগ আমেরিকান তাকে ভোট দেবে না; তারা কেবল ভোটই দেয়নি। সংক্ষেপে বলতে গেলে, আমাদের পূর্বপুরুষরা যার জন্য লড়াই করেছেন এবং যা জয় করেছেন ও রক্ষা করেছেন, তা আমরা হারাতে পারি কারণ আমাদের বেশিরভাগ মানুষ ২০২০ সালে তা রক্ষার জন্য ভোট দিতেও যাবে না।
** জন ডিন এবং বব আলটেমেয়ার, ''অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ার'' (২০২০)। ব্রুকলিন: মেলভিল হাউস, পৃষ্ঠা ২৮২
* হোয়াইট হাউসে আসার পর ভিতরে সবকিছু কীভাবে চলে তা সুশৃঙ্খলভাবে বোঝার সুযোগ পেতে আমার প্রায় এক মাস সময় লেগেছিল। অনেকভাবেই বিশৃঙ্খলা তৈরি হতো, যা প্রায়ই নির্দিষ্ট নীতিগত বিষয়ের মাধ্যমে প্রকাশ পেত... ২০১৮ সালের শেষ মাস এবং ২০১৯ সালের শুরুর দিকে, ট্রাম্পের ক্ষমতায় থাকার দ্বিতীয় বছর যখন শেষ হচ্ছিল-আমার আসার প্রায় আট থেকে নয় মাস পরে বেশ কিছু বিচ্ছিন্ন বিষয় এবং ব্যক্তি প্রশাসনকে আরও অজানা পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিতে শুরু করে। উদাহরণস্বরূপ, ২০১৮ সালের জুনের শুরুতে জন এফ. কেলি ট্রাম্পের সময়সূচীর জন্য একটি নতুন কৌশল ব্যবহার করেন। তিনি প্রতিদিন সকাল ১১টায় ওভাল অফিসে "চিফ অফ স্টাফ" সময় দিয়ে দিন শুরু করতেন, এই আশায় যে সপ্তাহে দুবার গোয়েন্দা ব্রিফিংয়ের সময় ট্রাম্প যে এলোমেলো দীর্ঘ বক্তব্য দেন তা কমানো যাবে। অবশ্যই বেশিরভাগ মানুষ যা দেখে অবাক হতেন তা হলো, ট্রাম্পের "অফিসিয়াল" দিন শুরু হতো প্রায় দুপুরের খাবারের সময় থেকে। ট্রাম্প সকালে অলসভাবে বসে থাকতেন না। বরং তিনি বাসভবনে ফোনে কথা বলে অনেক সময় কাটাতেন। তিনি সব ধরনের মানুষের সাথে কথা বলতেন, কখনও সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে (আমি ওভাল অফিসে আসার আগে প্রায় প্রতিদিন তার সাথে ফোনে কথা বলতাম কারণ অনেক বিষয়ে তাকে জানানো বা তার নির্দেশ নেওয়ার প্রয়োজন হতো), কিন্তু তিনি সরকারের বাইরের মানুষের সাথেও দীর্ঘ সময় কথা বলতেন। যেকোনো সংজ্ঞায় এটি সমসাময়িক রাষ্ট্রপতিদের মধ্যে একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা ছিল।
** জন বোল্টন, ''দ্য রুম হোয়্যার ইট হ্যাপেন্ড: এ হোয়াইট হাউস মেমোয়ার'' (২০২০), পৃষ্ঠা ২২৩
* আসলে ট্রাম্প সাধারণত সপ্তাহে মাত্র দুবার গোয়েন্দা ব্রিফিং নিতেন এবং সেগুলোর বেশিরভাগই ব্রিফিং দেওয়া কর্মকর্তাদের চেয়ে তিনিই বেশি কথা বলতেন, যা প্রায়ই সেই বিষয়ের সাথে সম্পূর্ণ সম্পর্কহীন হতো। ট্রাম্পের সময়সূচী সামলানো ছিল সবথেকে সহজ কাজ। তার প্রতিহিংসাপরায়ণতা সামলানো ছিল সবথেকে কঠিন, যা জন ম্যাককেইনের প্রতি তার ক্রমাগত ক্ষোভের মধ্য দিয়ে ফুটে উঠত এমনকি ম্যাককেইন মারা যাওয়ার পরও যখন তিনি ট্রাম্পের কোনো ক্ষতি করতে পারতেন না। তার প্রতিহিংসার আরেকটি উদাহরণ ছিল ১৫ আগস্ট সিআইএয়ের প্রাক্তন পরিচালক জন ব্রেনানের সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত। এখন ব্রেনানও খুব একটা ভালো ছিলেন না এবং তার সময়ে সিআইএ আগের চেয়ে অনেক বেশি রাজনৈতিক হয়ে পড়েছিল। তিনি যেকোনো অন্যায়ের কথা অস্বীকার করেছিলেন, কিন্তু ট্রাম্প নিশ্চিত ছিলেন যে ব্রেনান তার ২০১৬ সালের নির্বাচনী অভিযানে নজরদারি করার জন্য ফিসা প্রক্রিয়ার অপব্যবহারের সাথে জড়িত ছিলেন। ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর ব্রেনান মিডিয়াতে তার নিয়মিত সমালোচনা করার ফলে বিষয়টি আরও জটিল হয়ে উঠেছিল।
** জন বোল্টন, ''দ্য রুম হোয়্যার ইট হ্যাপেন্ড: এ হোয়াইট হাউস মেমোয়ার'' (২০২০), পৃষ্ঠা ২২৪
* রাষ্ট্রপতির ইতিহাসে হয়ত ট্রাম্পই একমাত্র ব্যক্তি যিনি অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় উপস্থিত হওয়া নিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছিলেন। শুরুটা হয়েছিল ২০১৮ সালের এপ্রিলে বারবারা বুশের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সময়, যেখানে ট্রাম্প উপস্থিত হননি (যদিও চারজন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এবং ফার্স্ট লেডি সেখানে উপস্থিত ছিলেন)। এরপর আগস্টের শেষে ছিল জন ম্যাককেইনের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া। কেলি ২৭ আগস্ট হোয়াইট হাউসের কর্মীদের সাথে সাপ্তাহিক বৈঠক শুরু করে বলেছিলেন, "আমি আজ খুব খারাপ অবস্থায় আছি," কারণ ট্রাম্পের সাথে সরকারি পতাকা অর্ধনমিত রাখা এবং কারা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তা নিয়ে তার ক্রমাগত মতপার্থক্য চলছিল। ম্যাককেইনের পরিবারও অনুষ্ঠানে ট্রাম্পকে চায়নি, তাই অনুভূতিটা ছিল পারস্পরিক। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হলো যে ক্যাপিটল রোটুন্ডা অনুষ্ঠান এবং ওয়াশিংটন ন্যাশনাল ক্যাথেড্রালের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া উভয় অনুষ্ঠানেই পেন্স প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেতৃত্ব দেবেন। অনুষ্ঠানে প্রচুর মানুষ উপস্থিত হয়েছিলেন এবং সেখানে সেই সামাজিক মেলামেশাও ছিল যা সাধারণত বিদায় বেলায় ঘটে থাকে। আমি যাদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছি তাদের মধ্যে ছিলেন জর্জ ডব্লিউ বুশ এবং লরা বুশ। বুশ হাসি মুখে জিজ্ঞেস করলেন, "বোল্টন, এখনো চাকরিটা আছে তো?" "আপাতত আছে," আমি উত্তর দিলাম এবং আমরা সবাই হাসলাম। যখন জর্জ এইচ.ডব্লিউ. বুশ পরবর্তীতে আর্জেন্টিনা জি২০ চলাকালীন মারা গেলেন, ট্রাম্প জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করলেন, একটি যথাযথ রাষ্ট্রপতির বিবৃতি দিলেন এবং বৈঠকের সময় জর্জ ডব্লিউ. এবং জেব বুশ উভয়ের সাথেই আন্তরিকভাবে কথা বললেন। তিনি এবং ফার্স্ট লেডি ৫ ডিসেম্বর কোনো ঝামেলা ছাড়াই ন্যাশনাল ক্যাথেড্রালের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। আসলে এটা করা খুব একটা কঠিন ছিল না।
** জন বোল্টন, ''দ্য রুম হোয়্যার ইট হ্যাপেন্ড: এ হোয়াইট হাউস মেমোয়ার'' (২০২০), পৃষ্ঠা ২২৬
* আমার দাদামশাই ট্রাম্প পরিবারে বিভাজনের যে পরিবেশ তৈরি করেছিলেন, ডোনাল্ড সবসময় সেই পরিবেশেই বেড়ে উঠেছেন এবং বিভাজন তাকে অন্যদের বিনিময়ে সুবিধা দিয়ে চলেছে। এটি আমাদের দয়ালু হওয়ার বা ক্ষমাশীলতায় বিশ্বাস করার ক্ষমতাকে দুর্বল করে দিচ্ছে, যে ধারণাগুলোর কোনো মানেই তার কাছে কোনোদিন ছিল না। তার প্রশাসন এবং তার দল এখন তার অভিযোগ আর অধিকারের রাজনীতির নিচে চাপা পড়ে গেছে। আরও খারাপ বিষয় হলো ডোনাল্ড, যিনি ইতিহাস, সাংবিধানিক নীতি, কূটনীতি (বা আসলে অন্য কিছু নিয়েই) কিছুই বোঝেন না এবং যাকে কখনও এই ধরনের জ্ঞান প্রদর্শনের জন্য চাপ দেওয়া হয়নি, তিনি দেশের সব জোট এবং আমাদের সামাজিক কর্মসূচিগুলোকে কেবল টাকার চশমা দিয়ে মূল্যায়ন করেছেন, ঠিক যেমনটা তার বাবা তাকে শিখিয়েছিলেন। শাসনের ব্যয় এবং সুবিধাকে কেবল আর্থিক দিক থেকে বিবেচনা করা হয়, যেন মার্কিন ট্রেজারি তার ব্যক্তিগত মাটির ব্যাংক। তার কাছে প্রতিটি ডলার খরচ হওয়া মানে তার নিজের ক্ষতি, আর প্রতিটি ডলার বাঁচানো মানে তার নিজের লাভ।
** মেরি এল. ট্রাম্প, ''টু মাচ অ্যান্ড নেভার এনাফ: হাউ মাই ফ্যামিলি ক্রিয়েটেড দ্য ওয়ার্ল্ড'স মোস্ট ডেঞ্জারাস ম্যান'' (২০২০), পৃষ্ঠা ১৫-১৬
* যদিও আমার ফুফু এবং চাচারা অন্য কিছু ভাববেন, আমি এই বইটি অর্থ উপার্জন বা প্রতিশোধ নেওয়ার উদ্দেশ্যে লিখছি না। যদি সেগুলোর কোনো একটিও আমার উদ্দেশ্য হতো, তবে আমি অনেক বছর আগেই আমাদের পরিবার নিয়ে বই লিখতাম, যখন ডোনাল্ড তার বারবার দেউলিয়া হওয়া ব্যবসায়ী হিসেবে খ্যাতি এবং গুরুত্বহীন রিয়েলিটি শো হোস্টের পরিচয় ব্যবহার করে হোয়াইট হাউসে পৌঁছাবেন তা অনুমান করার কোনো উপায় ছিল না। তখন এটি অনেক নিরাপদও হতো কারণ আমার চাচা তখন তথ্য প্রকাশকারী বা সমালোচকদের ভয় দেখানো বা বিপদে ফেলার মতো অবস্থানে ছিলেন না। তবে গত তিন বছরের ঘটনাগুলো আমাকে বাধ্য করেছে এবং আমি আর চুপ করে থাকতে পারছি না। এই বইটি যখন প্রকাশিত হবে, ততদিনে ডোনাল্ডের অহংকার আর ইচ্ছাকৃত অজ্ঞতার বেদীতে লক্ষ লক্ষ আমেরিকান জীবন বলিদান দেওয়া হয়ে যাবে। তিনি যদি দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসেন, তবে সেটি হবে আমেরিকান গণতন্ত্রের শেষ।
** মেরি এল. ট্রাম্প, ''টু মাচ অ্যান্ড নেভার এনাফ: হাউ মাই ফ্যামিলি ক্রিয়েটেড দ্য ওয়ার্ল্ড'স মোস্ট ডেঞ্জারাস ম্যান'' (২০২০), পৃষ্ঠা ১৬-১৭
* যখন আপনি নিজেই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করেন এবং আপনাকে আপনার কথা বিস্তারিত ব্যাখ্যা করতে বা আপনি প্রকৃত তথ্য বুঝতে পারছেন কি না তা প্রমাণ করতে বাধ্য করা হয় না, তখন কথা বলা বা নিজেকে জ্ঞানী হিসেবে তুলে ধরা খুব সহজ। এটি সংবাদমাধ্যমের জন্য একটি অভিযোগ (অন্য অনেকের মধ্যে) যে নির্বাচনী প্রচারণার সময় এগুলোর কিছুই বদলায়নি, যখন ডোনাল্ডের মিথ্যা এবং অদ্ভুত দাবিগুলো প্রকাশ করলে হয়ত আমাদের তার রাষ্ট্রপতিত্ব থেকে বাঁচানো যেত। হাতেগোনা যে কয়েকবার তাকে তার অবস্থান বা নীতি (যার আসলে কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তখনও তার কাছ থেকে কোনো যৌক্তিক কথা বা গভীর জ্ঞান প্রদর্শনের আশা করা হয়নি। নির্বাচনের পর থেকে তিনি এই ধরনের প্রশ্নগুলো পুরোপুরি এড়িয়ে যাওয়ার উপায় বের করে নিয়েছেন; হোয়াইট হাউসের প্রেস ব্রিফিং এবং আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনের বদলে এখন এসেছে "চপার টক" বা হেলিকপ্টারের শব্দের মধ্যে কথা বলা, যেখানে তিনি অভিনয় করতে পারেন যে হেলিকপ্টারের শব্দের জন্য তিনি কোনো অপ্রীতিকর প্রশ্ন শুনতে পাচ্ছেন না। ২০২০ সালে তার অতিমারী বিষয়ক "প্রেস ব্রিফিং" দ্রুতই আত্মতুষ্টি, জনমোহিনী বক্তৃতা আর চাটুকারিতায় ভরা ছোটখাটো নির্বাচনী জনসভায় পরিণত হয়েছিল। সেখানে তিনি সেই অমার্জনীয় ব্যর্থতাগুলোকে অস্বীকার করেছেন যা ইতিমধ্যেই হাজার হাজার মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে, উন্নতির কথা নিয়ে মিথ্যা বলেছেন এবং সেইসব মানুষকে বলির পাঁঠা বানিয়েছেন যারা পর্যাপ্ত সুরক্ষা ও সরঞ্জাম ছাড়াই নিজেদের জীবন ঝুঁকি নিয়ে আমাদের বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। এমনকি যখন লক্ষ লক্ষ আমেরিকান অসুস্থ হয়ে মারা যাচ্ছে, তখনও তিনি একে জয় হিসেবে এবং তার অসাধারণ নেতৃত্বের প্রমাণ হিসেবে প্রচার করছেন। আর যদি কেউ মনে করে যে তিনি গম্ভীর বা গম্ভীর হতে সক্ষম, তবে তিনি মডেলদের সাথে শোয়া নিয়ে জোকস করবেন অথবা তার ফেসবুক অনুসারীর সংখ্যা নিয়ে মিথ্যা বলবেন। তবুও সংবাদ মাধ্যমগুলো তার থেকে সরে আসতে রাজি নয়। যে কয়েকজন সাংবাদিক তাকে চ্যালেঞ্জ করেন বা যারা ডোনাল্ডকে কেবল একটি আতঙ্কিত জাতির জন্য সান্ত্বনার বাণী বলতে অনুরোধ করেন, তাদের "নচ্ছাড়" বলে উপহাস ও অবজ্ঞা করা হয়। ডোনাল্ডের প্রথম দিকের সেই ধ্বংসাত্মক আচরণ যা ফ্রেড উৎসাহিত করেছিলেন, সেখান থেকে শুরু করে মিডিয়ার তাকে চ্যালেঞ্জ করতে অনিচ্ছা এবং ২০ জানুয়ারি ২০১৭ থেকে তিনি প্রতিদিন যে দুর্নীতি করছেন তার প্রতি রিপাবলিকান পার্টির চোখ বুজে থাকা সবকিছুই এই এককালের মহান জাতির অর্থনীতি, গণতন্ত্র এবং স্বাস্থ্যের আসন্ন পতনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
** মেরি এল. ট্রাম্প, ''টু মাচ অ্যান্ড নেভার এনাফ: হাউ মাই ফ্যামিলি ক্রিয়েটেড দ্য ওয়ার্ল্ড'স মোস্ট ডেঞ্জারাস ম্যান'' (২০২০), পৃষ্ঠা ২০৩
* সাত ঘণ্টা পর ট্রাম্প গত তিন মাসের মধ্যে তার প্রথম করোনাভাইরাস টাস্ক ফোর্স সংবাদ সম্মেলনে একটি দীর্ঘ বক্তব্য দেন। তিনি হোয়াইট হাউসে একাই কথা বলেন। সেখানে মাইক পেন্স, ফাউসি বা বার্কস কেউ ছিলেন না। তিনি তার বলার ধরণও পরিবর্তন করেন। ভাইরাসের পরিস্থিতি নিয়ে সবকিছু খুব একটা ভালো ছিল না। "এটি সম্ভবত দুর্ভাগ্যের বিষয় যে ভালো হওয়ার আগে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে," ট্রাম্প একটি অস্বাভাবিক বাস্তববাদী কথা বলেন। "এমন কিছু যা আমি কোনো বিষয় সম্পর্কে বলতে পছন্দ করি না, কিন্তু পরিস্থিতি এমনই।" এর আগে ট্রাম্প মাস্ক পরতে অনিচ্ছুক ছিলেন। "একটি মাস্ক নিন," তিনি বলেন। "আপনি মাস্ক পছন্দ করেন বা না করেন, এর একটি প্রভাব আছে। এর একটা ফল পাওয়া যাবে এবং আমাদের যা যা পাওয়া সম্ভব তার সবই প্রয়োজন।" তার মন্তব্যগুলো ছিল একটি পরোক্ষ স্বীকারোক্তি যে তার আগের পদ্ধতিগুলো কাজ করেনি এবং আসলে ভাইরাসের পরিস্থিতি অনেক বেশি খারাপ ছিল। দিনটি ছিল ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতিত্বের একটি ক্ষুদ্র রূপ, যা কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে "আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে" থেকে "ভালো হওয়ার আগে আরও খারাপ হবে", এই দুই মেরুতে ঘুরেছে। এটি ছিল একদম সাম্প্রতিক উদাহরণ এবং এই বইটি প্রেসে যাওয়ার আগের শেষ ঘটনা যে ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতিত্ব ছিল দ্বিধাগ্রস্ততায় ভরা, একটি অনিশ্চিত পথে চলা, যা কখনও লড়াই আবার কখনও সমঝোতা এবং একটি বক্তব্য বা পদক্ষেপ থেকে ঠিক তার বিপরীত দিকে যাওয়ার মধ্য দিয়ে চলেছে।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৮৪-৩৮৫
* রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প সম্পর্কে এই বইয়ের প্রতিবেদন শেষ করার পর আমি ক্লান্তি অনুভব করলাম। দেশটি তখন সত্যিকারের বিশৃঙ্খলার মধ্যে ছিল। ভাইরাসটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল। অর্থনীতি সংকটে ছিল এবং ৪ কোটিরও বেশি মানুষ কর্মহীন ছিল। বর্ণবাদ এবং বৈষম্য নিয়ে একটি শক্তিশালী হিসাব-নিকাশের সময় আমাদের সামনে ছিল। এর কোনো শেষ দেখা যাচ্ছিল না এবং সেখান থেকে বের হওয়ার কোনো পরিষ্কার পথও ছিল না। আমি ৭ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্পের সাথে সেই কথোপকথনের কথা ভাবলাম যখন তিনি "প্রতিটি দরজার পিছনে ডিনামাইট" বা সেই অপ্রত্যাশিত বিস্ফোরণের কথা উল্লেখ করেছিলেন যা সবকিছু বদলে দিতে পারে। তিনি সম্ভবত কোনো বাইরের ঘটনার কথা ভাবছিলেন যা ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতিত্বকে প্রভাবিত করবে। কিন্তু এখন আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে, "দরজার পিছনের ডিনামাইট" সবার সামনেই ছিল। সেটি ছিলেন ট্রাম্প নিজেই। সেই বিশাল ব্যক্তিত্ব। সুসংগঠিত হতে ব্যর্থতা। শৃঙ্খলার অভাব। তার বেছে নেওয়া মানুষ বা বিশেষজ্ঞদের ওপর বিশ্বাসের অভাব। অনেক আমেরিকান প্রতিষ্ঠানকে অবমূল্যায়ন করার চেষ্টা। একটি শান্ত ও নিরাময়কারী কণ্ঠস্বর হতে ব্যর্থতা। ভুল স্বীকার করতে অনিচ্ছা। নিজের কাজ নিজে করতে ব্যর্থতা। শান্তির প্রস্তাব দিতে ব্যর্থতা। অন্যদের কথা মন দিয়ে শোনা। একটি পরিকল্পনা তৈরি করা। ম্যাটিস, টিলারসন এবং কোটস এরা সবাই রক্ষণশীল বা অরাজনৈতিক মানুষ ছিলেন যারা তাকে এবং দেশকে সাহায্য করতে চেয়েছিলেন। তারা নিখুঁত মানুষ ছিলেন না, কিন্তু জনসেবার আহ্বানে সাড়া দিয়েছিলেন। তারা কোনো ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠী বা ডিপ স্টেট ছিলেন না। তবুও তাদের প্রত্যেকেই তাদের নেতার কাছ থেকে নিষ্ঠুর কথা শুনে বিদায় নিয়েছেন। তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন যে ট্রাম্প তাদের দেশের জন্য এক অস্থির হুমকি। একটু ভেবে দেখুন: শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা নেতারা মনে করতেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি দেশের জন্য একটি বিপদ।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৮৬-৩৮৭
* ২৮ জানুয়ারি ২০২০-এ যখন ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং তার উপ-প্রধান ট্রাম্পকে সতর্ক করেছিলেন যে এই ভাইরাসটি তার রাষ্ট্রপতিত্বের জন্য সবথেকে বড় জাতীয় নিরাপত্তা হুমকি হবে—হতে পারে এমন নয়, বরং হবে তখন নেতৃত্বের ঘড়িটি নতুন করে সেট করতে হয়েছিল। এটি ছিল একটি বিস্তারিত পূর্বাভাস, যা তথ্য এবং অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে করা হয়েছিল এবং দুর্ভাগ্যবশত যা সঠিক প্রমাণিত হয়েছিল। রাষ্ট্রপতিরা হলেন নির্বাহী বিভাগ। সেখানে সতর্ক করার একটি দায়িত্ব ছিল। শোনা, পরিকল্পনা করা এবং যত্ন নেওয়ার দায়িত্ব। দীর্ঘ সময় ধরে ট্রাম্প গড়িমসি করেছেন এবং অন্যরা যেমনটা বলেছিলেন, তিনিও বলেছিলেন যে ভাইরাসটি চিন্তার কারণ কিন্তু এখনই নয়। দুই নৌকায় পা দেওয়ার ভালো কারণ ছিল, কিন্তু সেখানে আরও সুসংগত এবং সাহসীভাবে কথা বলা উচিত ছিল। নেতৃত্ব দেওয়া মানেই প্রায় সবসময় ঝুঁকি নেওয়া। ভাইরাসটি, যাকে ট্রাম্প "মহামারী" বলেন, তা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশ্বকে এমন এক অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খলার মধ্যে ফেলেছে যা কেবল মন্দা নয়, বরং মহামন্দা হতে পারে। এটি একটি প্রকৃত আর্থিক সংকট, যা কোটি কোটি মানুষকে কর্মহীন করে দিয়েছে। ট্রাম্পের সমাধান হলো অতিমারী-পূর্ব সময়ে তিনি যে অর্থনৈতিক অলৌকিকতা সৃষ্টি করেছেন বলে বিশ্বাস করেন, তা আবার তৈরি করার চেষ্টা করা। ডেমোক্র্যাট, রিপাবলিকান এবং ট্রাম্প পুনরুদ্ধারের জন্য অন্তত ২.২ ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করতে রাজি হয়েছিলেন, যা ক্রমবর্ধমান ঘাটতির কারণে ভবিষ্যতে নিজস্ব সমস্যা তৈরি করবে। মানুষের প্রাণের ক্ষয়ক্ষতি ছিল অকল্পনীয়, জুলাইয়ের মধ্যে ভাইরাসে ১,৩০,০০০-এর বেশি আমেরিকান মারা গেছে এবং এর কোনো প্রকৃত শেষ দেখা যাচ্ছে না।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৮৯
* আমেরিকান রাজনীতির গভীরভাবে গেঁথে থাকা ঘৃণা ট্রাম্পের বছরগুলোতে আরও বিকশিত হয়েছিল। তিনি সেগুলোকে উস্কে দিয়েছিলেন এবং দেশটিকে এক করার জন্য সুসংহত কোনো প্রচেষ্টা করেননি। ডেমোক্র্যাটরাও তা করেনি। ট্রাম্প মনে করতেন ডেমোক্র্যাটরা তার সাথে খুব অন্যায় করেছে, আবার ডেমোক্র্যাটরাও মনে করত ট্রাম্প তাদের সাথে অন্যায় করেছেন। তাদের মধ্যে দেয়ালগুলো কেবল আরও উঁচুই হয়েছে। ট্রাম্পের সাথে আমার ১৭টি সাক্ষাৎকার নেওয়া একটি চ্যালেঞ্জ ছিল। তিনি তার ওপর লেখা আমার প্রথম বই ''ফিয়ার''-কে অসত্য, একটি "প্রতারণা" এবং "ঠাট্টা" বলে অভিহিত করেছিলেন এবং আমাকে "ডেমোক্র্যাটদের লোক" বলেছিলেন। তার ঘনিষ্ঠ কয়েক জন তাকে বলেছিলেন যে বইটি সত্য ছিল এবং লিন্ডসে গ্রাহাম তাকে বলেছিলেন যে আমি তার মুখে কোনো কথা বসিয়ে দেব না এবং যতটা সম্ভব নির্ভুলভাবে প্রতিবেদন করব। ট্রাম্প কোনো এক কারণে আমার সাথে সহযোগিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যা আমার কাছে পরিষ্কার নয়। তার মনে হয়েছিল তিনি একজন নির্ভরযোগ্য উৎস হয়ে উঠবেন। তিনি কখনও নির্ভরযোগ্য ছিলেন, কখনও পুরোপুরি অনির্ভরযোগ্য এবং প্রায়ই মিশ্র... কিন্তু সাক্ষাৎকারগুলো দেখায় যে তার "আমি একাই এটি ঠিক করতে পারি" এমন কথাবার্তা সত্ত্বেও তিনি অনেক সময় দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন, সত্য গোপন করেছেন এবং দেশের নেতার ভূমিকা এড়িয়ে গেছেন। আমেরিকা এবং বিশ্ব যেমনটা জানে, ট্রাম্প একজন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। তিনি জাঁকজমক পছন্দ করেন। সংকটের সময় রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত বিষয়ের চেয়ে কার্যকারিতা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কোটি কোটি মানুষের কাছে আমেরিকার আশার গল্প একটি দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৮৯-৩৯০
* প্রায় ৫০ বছর ধরে আমি নিক্সন থেকে ট্রাম্প পর্যন্ত ৯ জন রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে লিখেছি যা ৪৫ জন মার্কিন রাষ্ট্রপতির ২০ শতাংশ। একজন রাষ্ট্রপতিকে অবশ্যই জনগণের সাথে খারাপ সংবাদের পাশাপাশি ভালো সংবাদ ভাগ করে নিতে ইচ্ছুক হতে হবে। সকল রাষ্ট্রপতির তথ্য দেওয়া, সতর্ক করা, রক্ষা করা এবং লক্ষ্য ও প্রকৃত জাতীয় স্বার্থকে সংজ্ঞায়িত করার একটি বড় বাধ্যবাধকতা থাকে। ট্রাম্প এর বদলে ব্যক্তিগত আবেগকে তার শাসনের মূলনীতি বানিয়ে ফেলেছেন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার কর্মদক্ষতা সামগ্রিকভাবে বিবেচনা করলে আমি কেবল একটি সিদ্ধান্তেই পৌঁছাতে পারি: ট্রাম্প এই কাজের জন্য ভুল মানুষ।
** বব উডওয়ার্ড, ''রেজ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ৩৯১-৩৯২
====জানুয়ারি ২০২০====
=====ডোনাল্ড ট্রাম্পের চার্লসটন, সাউথ ক্যারোলাইনা জনসভা (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০)=====
:<small>সাউথ ক্যারোলাইনার চার্লসটন জনসভায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের ভাষণ (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০), ''রেভে'' [https://www.rev.com/blog/transcripts/donald-trump-charleston-south-carolina-rally-transcript-february-28-2020 অনলাইনে থাকা প্রতিলিপি] থেকে সংগৃহীত।</small>
* ধন্যবাদ। ধন্যবাদ। আপনাদের অনেক ধন্যবাদ। আমি শুধু এটাই বলতে পারি যে, এই ভুয়া খবরের মাধ্যমগুলো আসলে কিছুই বোঝে না, তাই না? তারা এটা বুঝতেই পারে না। [অস্পষ্ট ০০:০২:৫৪] তারা একদমই বোঝে না। হ্যালো চার্লসটন! আমি সাউথ ক্যারোলাইনার মতো এই চমৎকার অঙ্গরাজ্যে হাজার হাজার পরিশ্রমী আমেরিকান দেশপ্রেমিকদের মাঝে ফিরে আসতে পেরে রোমাঞ্চিত, যারা বিশ্বাস, পরিবার, ঈশ্বর এবং নিজের দেশে আস্থা রাখেন। ধন্যবাদ। এখানে এক বিশাল ভিড় জমেছে, যা কেবল বাইরের সেই মানুষের সংখ্যার চেয়ে কম যারা ভেতরে ঢোকার সুযোগ পাননি। আপনারা যারা এখানে দাঁড়িয়ে আছেন বা বসে আছেন, তাদের মধ্যে কেউ যদি নিজের জায়গা ছেড়ে দিতে চান, তবে হাত তুলুন। ঠিক আছে। তাহলে চলুন শুরু করি, তাই তো? সবাইকে অনেক ধন্যবাদ। এটা দারুণ। না, তারা এটা বোঝে না। এই রাস্তার কিছুটা দূরেই আগামীকাল যারা নির্বাচনে লড়তে যাচ্ছেন তাদের একজনের একটা সভা চলছে। তারা ১০০ জন লোক জড়ো করার চেষ্টা করছে, কিন্তু তারা পারবে না। তাই আমার মনে হয় তারা একটা গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করবে। তারা আসলে সেটাই করে। তাই মানুষ যখন কোনো জনসভায় যেতে চায়, শেষ পর্যন্ত তারা গোলটেবিলে বসে অভিশংসন নিয়ে নিজেদের ব্যাখ্যা দেয়। পাগলামি।
* না, এটা পাগলামি। স্রেফ পাগলামি! এটা একটা অদ্ভুত ব্যাপার। না, এই ভুয়া খবরের সংবাদমাধ্যমগুলো বছরের পর বছর ধরে এটা বোঝার চেষ্টা করছে। কিন্তু তারা এখনো বুঝতে পারেনি। তারা বুঝতে পারছে না। ওই ক্যামেরাগুলোর দিকে তাকিয়ে দেখুন। ওই সব ক্যামেরা দেখুন। কত কত ক্যামেরা! লিন্ডসে এবং টিম, অনেক ক্যামেরা... তারা শুনেছে যে আপনারা এখানে আছেন। তারা শুনেছে টিম আর লিন্ডসে এখানে আছেন এবং... তারা বলেছিল, "আমরা ওই জনসভায় যাব না," কিন্তু যখন তারা শুনল যে আমাদের এই চমৎকার কংগ্রেস সদস্যদের সাথে ওই দুজনও এখানে আছেন... তবে আমাদের জাতির জন্য এটি একটি অবিশ্বাস্য সময়। আমরা যাকে ‘আমেরিকার মহিমান্বিত প্রত্যাবর্তন’ বলছি, আমরা এখন তার ঠিক মাঝখানে আছি। কর্মসংস্থান বাড়ছে, আয় বাড়ছে, কারখানাগুলো ফিরে আসছে, দারিদ্র্য কমছে, আত্মবিশ্বাস বাড়ছে এবং আমরা মার্কিন সামরিক বাহিনীর দুর্দান্ত ক্ষমতাকে সম্পূর্ণ নতুনভাবে গড়ে তুলেছি। আমাদের দেশ আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।
* আমরা আরও শক্তিশালী, আমরা আরও ভালো অবস্থানে আছি। কিন্তু যখন আমরা একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলছি, তখন ওয়াশিংটনের কট্টর বামপন্থী ডেমোক্র্যাটরা সবকিছু পুড়িয়ে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। তারা গত তিন বছর ধরে এমনকি আমি আরও আগে থেকে বলতে পারি, নির্বাচনের পর থেকে তিন বছর হয়েছে, তবে আমরা নির্বাচনের আগের কথাই ধরি তারা আপনাদের ভোট মুছে ফেলার এবং আমাদের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। কিন্তু আপনাদের সাহায্যে আমরা অতি-বামপন্থীদের দুর্নীতি ফাঁস করেছি এবং তাদের অশুভ পরিকল্পনা নস্যাৎ করেছি। দেখা যাক সামনের মাসগুলোতে কী হয়। চলুন দেখি। স্রেফ অপেক্ষা করে দেখি। খুবই অসৎ লোক তারা। এখন ডেমোক্র্যাটরা করোনাভাইরাসকে রাজনৈতিক রূপ দিচ্ছে, আপনারা সেটা জানেন তো? করোনাভাইরাস, তারা এটাকে রাজনীতিতে টেনে আনছে। আমরা চমৎকারভাবে কাজ করেছি। আপনারা যখন জিজ্ঞেস করেন, "রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প কেমন কাজ করছেন?" তখন তারা বলে, "ওহ, ভালো না, ভালো না।" তাদের কোনো ধারণা নেই। তাদের বিন্দুমাত্র ধারণা নেই। তারা এমনকি আইওয়াতে তাদের ভোটও ঠিকমতো গুনতে পারে না। তারা গুনতেও জানে না। না, তারা পারে না। তারা নিজেদের ভোট গুনতে পারে না।
* আমার এক লোক আমার কাছে এসে বলল, "মিস্টার প্রেসিডেন্ট, তারা আপনাকে রাশিয়া, রাশিয়া, রাশিয়া বলে হারানোর চেষ্টা করেছিল।" সেটা খুব একটা কাজে আসেনি। তারা সেটা করতে পারেনি। তারা অভিশংসনের ধোঁকাবাজি করার চেষ্টা করেছে। সেটা ছিল একদম নিখুঁত একটি ফোনালাপ নিয়ে। তারা যেকোনো কিছু করার চেষ্টা করেছে। বারবার চেষ্টা করেছে। আপনি আসার পর থেকেই তারা এটা করছে। সবকিছু বদলে যাচ্ছে। তারা হেরে গেছে। সবকিছু এখন পাল্টে যাচ্ছে। ভেবে দেখুন। চিন্তা করে দেখুন। '''আর এটাই হলো তাদের নতুন ধোঁকাবাজি।''' কিন্তু আমরা এমন কিছু করেছি যা বেশ আশ্চর্যজনক। এই বিশাল দেশে আমাদের মাত্র ১৫ জন আক্রান্ত ছিল এবং কারণটা হলো আমরা শুরুতেই ব্যবস্থা নিয়েছি। আমরা আগেভাগে ব্যবস্থা নিয়েছি বলেই সংখ্যাটা এর চেয়ে অনেক বেশি হয়নি। আমরা খুব ভালো করছি। আমাদের দেশ খুব ভালো চলছে। আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ। আমরা অনেক বেশি একতাবদ্ধ। রিপাবলিকান দল এখনকার মতো আগে কখনোই এতটা ঐক্যবদ্ধ ছিল না। আমাদের দেশে এখন যে গণজোয়ার চলছে, ইতিহাসে এমনটা আগে কখনোই দেখা যায়নি। কখনোই এমন আন্দোলন হয়নি। তাই একটি পরিসংখ্যান নিয়ে আমরা কথা বলতে চাই, বলুন। ইউএসএ বলুন। ঠিক আছে। ইউএসএ। তো এমন একটা সংখ্যা যা কেউ শোনেনি, কিন্তু আমি সম্প্রতি শুনেছি এবং শুনে অবাক হয়েছি যে, প্রতি বছর ফ্লু বা সাধারণ ইনফ্লুয়েঞ্জায় গড়ে ৩৫,০০০ মানুষ মারা যায়। কেউ কি সেটা জানতেন? ৩৫,০০০, এটা অনেক মানুষ। এটা ১,০০,০০০ পর্যন্ত হতে পারে, আবার ২৭,০০০ হতে পারে। তারা বলে সাধারণত কমপক্ষে ২৭,০০০ থেকে শুরু করে বছরে ১,০০,০০০ মানুষ মারা যায়। আর এখন পর্যন্ত আমরা যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসে কাউকে হারাইনি। একজনকেও না। তার মানে এই নয় যে আমরা হারাব না, আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত আছি। এর মানে এই নয় যে আমরা হারাব না, কিন্তু ভেবে দেখুন। আপনারা ৩৫ থেকে ৪০ হাজার মানুষের কথা শুনছেন আর আমরা কাউকে হারাইনি, অথচ দেখুন সংবাদমাধ্যমগুলো কীভাবে হিস্টিরিয়ায় ভুগছে। সিএনএনের ভুয়া খবর আর ওই ক্যামেরাটা এইমাত্র বন্ধ হয়ে গেল, ওই ক্যামেরাটা। ক্যামেরাটা এইমাত্র বন্ধ হলো। ওটা আবার চালু করুন। আচ্ছা, যাই হোক, শুনুন। এটা দেখুন, সত্যি বলতে সব অনুষ্ঠানই এমন হয়। এটা আমাদের নিয়ে। এটা পুরোপুরি আমাদের সম্পর্কে। আমি চাই তারা ক্যামেরা ঘুরিয়ে পুরো গ্যালারিটা দেখাক। তারা কখনোই তা করে না। কখনোই না। তারা কখনোই তা দেখায় না। তারা কখনোই পুরো গ্যালারি দেখায় না। আপনারা শব্দ শুনেই বুঝতে পারছেন কারণ যখন আপনি এই শব্দ শুনবেন, তা ২০০ মানুষের শব্দ নয়। তা ১০০ মানুষের শব্দ নয়। সেখানে হাজার হাজার মানুষ রয়েছে, এমনকি বাইরেও অনেক মানুষ আছে। আপনারা সেটা শুনতে পাচ্ছেন। তারা সবসময় আমার মুখ দেখায়। ওই মুখটা দেখতে পাচ্ছেন? তারা আমার মুখ দেখায়। আমি চাই তারা আমার মুখ না দেখিয়ে পুরো গ্যালারিটা দেখাক, তাই তো? [...] যখন চরম বামপন্থীরা এই জঘন্য ধোঁকাবাজি দিয়ে আমেরিকার সময় নষ্ট করছে, তখন আমরা সন্ত্রাসীদের খতম করছি, কর্মসংস্থান তৈরি করছি, মজুরি বাড়াচ্ছি, ন্যায্য বাণিজ্য চুক্তি করছি, আমাদের সীমান্ত সুরক্ষিত করছি এবং প্রতিটি জাতি, ধর্ম ও বর্ণের নাগরিকদের জীবন উন্নত করছি। আমরা শুধু গত মাসেই আরও ২,২৫,০০০ কর্মসংস্থান যোগ করেছি। আর নির্বাচনের পর থেকে এটি মোট ৭০ লক্ষ কর্মসংস্থান হয়েছে, ৭০ লক্ষ। সাউথ ক্যারোলাইনার মতো চমৎকার অঙ্গরাজ্যে বেকারত্বের হার। আপনারা কি সেই জায়গার নাম শুনেছেন?
* প্রায় সবাই। আপনারা কি এটা বিশ্বাস করতে পারেন? আমি নিশ্চিত আপনাদের স্বামীরা খুব রোমাঞ্চিত, তাই না? তারা দারুণ খুশি। আপনারা আজ রাতে কোথায় যাচ্ছেন? আমি ট্রাম্পের আরেকটি জনসভায় যাচ্ছি। চমৎকার। ১১৪ নম্বর সভা। আপনাদের স্বামীরা এ ব্যাপারে কী বলেন? এখানকার এই দলটি। তিনি বললেন, "আমরা পরোয়া করি না।" ধন্যবাদ। আপনাদের ধন্যবাদ। ডেমোক্র্যাটরা শুধু ভয়াবহ সব কথা বলবে, যদিও তারা জানে যে আমরা খুব ভালো কাজ করছি। আমাদের হাতে যা আছে তা দিয়েই আমরা চমৎকার কাজ করছি। এটি অবিশ্বাস্য। ডেমোক্র্যাটরা মন থেকে চায় আমরা যেন ব্যর্থ হই। এমনকি তাদের কাজ যদি আপনারা তাকিয়ে দেখুন এই দেশের মানুষের ক্ষতিও করে, তবুও তারা পিছু হটে না। তারা মানুষের ক্ষতি করবে, মানুষের সম্পদের ক্ষতি করবে, সবকিছুর ক্ষতি করবে। এমনকি তারা মিথ্যা বলছে জেনেও আমাদের দেশের ক্ষতি করতে তারা রাজি আছে শুধু খারাপ কথা বলার জন্য। আমরা [[মেক্সিকো]], [[কানাডা]], [[চীন]], দক্ষিণ কোরিয়া এবং [[জাপান]]ের সাথে অবিশ্বাস্য সব চুক্তি করেছি। আর আপনি যদি এই পেছনের লোকগুলোর সামনে একটা মাইক্রোফোন ধরেন যেমনটা আগে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস বা অস্কারে হতো, এখন আর হয় না। বছরের সেরা সিনেমা। এটি দক্ষিণ কোরিয়া-তে তৈরি। এটার মানে কী? আমি বছরের সেরা সিনেমা দেখার অপেক্ষায় আছি
* আর এটি তৈরি... তিনি বললেন, "এটি আবর্জনা।" কেবল সাউথ ক্যারোলাইনাতেই আপনি এটা বলতে পারেন। কেবল সাউথ ক্যারোলাইনায়। আপনারা আমাদের বিপদে ফেলে দেবেন। না, ভুয়া খবর প্রচারকারীদের জন্য তিনি যা বলেছেন আমি কেবল তারই পুনরাবৃত্তি করছি। না, কিন্তু গুরুত্বের সাথে বলছি যে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের রেটিং অনেক নিচে নেমে গেছে। আপনারা জানেন কেন? কারণ তারা আমাদের আক্রমণ করা শুরু করেছিল এবং আমরা এখন আর ওতে বিশ্বাস করি না। এই কারণেই। না, কিন্তু তারা বছরের সেরা সিনেমা হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ার তৈরি একটি চলচ্চিত্রকে বেছে নিয়েছে। তারা তো আমাদের জন্য যথেষ্ট জিনিসপত্র বানায়, তাই না? আর তারা ভালো। তারা আমাদের বন্ধু। আমাদের সুযোগ নেয়, ঠিক আছে। এখন আর অতটা নয়। আমরা সত্যিই, আপনারা যদি দেখেন, বিশ্বের সেরা পেশাদারদের নিয়ে চমৎকারভাবে সুসংগঠিত হয়েছি। আমরা সবথেকে খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত আছি। আপনাদের সবথেকে খারাপের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে, তবে আশা করি শেষ পর্যন্ত এটি খুব সামান্যই হবে। এই কারণেই আমি আপনাদের বলছি যখন ফ্লুতে ৩৫,০০০ মানুষ মারা যায় আর এই ভাইরাসটি সম্পর্কে আমাদের খুব খুব গুরুত্বের সাথে ভাবতে হবে। আমরা সেটাই করছি। আমরা সবথেকে খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।
* আমার প্রশাসন [[যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড-১৯ মহামারি|যুক্তরাষ্ট্রে এই রোগের বিস্তার]] রোধে আধুনিক ইতিহাসের সবথেকে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। আমরা প্রস্তুত। আমরা একদম প্রস্তুত। পুরোপুরি প্রস্তুত। গত ৩১ জানুয়ারি আমি আদেশ দিয়েছি যে যেসব বিদেশি নাগরিক সম্প্রতি চীনে ছিলেন তাদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ স্থগিত করা হবে। এই পদক্ষেপের ডেমোক্র্যাটরা তীব্র সমালোচনা ও প্রতিবাদ করেছিল আর এখন সবাই আমার প্রশংসা করে বলছে, "আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনি ১০০ শতাংশ সঠিক ছিলেন।" পরিস্থিতি একদম অন্যরকম হতে পারত। কিন্তু আমি বলছি, চলুন বিষয়টি ঠিকভাবে বুঝি। একটি ভাইরাস চীনে শুরু হলো, সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ল, আর যুক্তরাষ্ট্রে এটি তেমনভাবে ছড়িয়ে পড়ল না কারণ আমি এবং আমার প্রশাসন অনেক মতভেদের বিরুদ্ধে গিয়েও শুরুতেই কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। আর ডেমোক্র্যাটদের একমাত্র বলার বিষয় হলো আপনারা দেখছেন যে এটি ডোনাল্ড ট্রাম্পের দোষ, তাই না? এটি ডোনাল্ড ট্রাম্পের দোষ। না, এগুলো স্রেফ ঘটে যাওয়া কিছু বিষয়।
* কিন্তু আপনারা জানেন এটা কী প্রমাণ করে? বিপদ আসতেই পারে। দুই সপ্তাহ আগে কে এই কথা ভেবেছিল? চার সপ্তাহ আগে কে ভেবেছিল যে এমন কিছু চলতে পারে? আপনি ভাবেননি। কিন্তু জীবনে অনেক কিছু ঘটে আর আপনাদের প্রস্তুত থাকতে হবে, নমনীয় হতে হবে এবং এর মোকাবিলা করার ক্ষমতা থাকতে হবে। আর আমাদের কাছে বিশ্বের সেরা পেশাদাররা আছেন, বিশ্বের সেরা এবং আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত। একই সময়ে আমি ৫০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয়ভাবে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইন বা সঙ্গনিরোধ চালু করেছি। আমাদের কিছু মানুষকে আলাদা রাখতে হয়েছিল। তারা খুশি ছিলেন না, তারা এ নিয়ে মোটেও খুশি ছিলেন না। আমি আপনাদের বলতে চাই যে অনেক মানুষ আছে যারা খুব একটা খুশি ছিল না, কিন্তু দুই সপ্তাহ পর তারা খুশি হয়ে গেল। আপনারা জানেন কারা খুশি হয়েছিল? তাদের আশেপাশে যারা ছিল তারা খুশি হয়েছিল। তারাই শেষ পর্যন্ত খুশি হয়েছিল।
** দ্রষ্টব্য: ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের মেডিকেল অ্যান্ড বায়োডিফেন্স প্রিপেয়ার্ডনেস পলিসির প্রাক্তন পরিচালক লুসিয়ানা বোরিও ২০১৮ সালে আটলান্টার এমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সিম্পোজিয়ামে বলেছিলেন, যা ১৯১৮ সালের ইনফ্লুয়েঞ্জা অতিমারীর ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত হয়েছিল: "অতিমারী ফ্লুর ঝুঁকি স্বাস্থ্য নিরাপত্তার প্রধান উদ্বেগের বিষয়, আমরা কি এর মোকাবিলা করতে প্রস্তুত? আমি ভয় পাচ্ছি উত্তরটি হলো 'না'।" যা উদ্ধৃত হয়েছে factCheck.org তে রেম রিডারের লেখা [https://www.factcheck.org/2020/03/contrary-to-trumps-claim-a-pandemic-was-widely-expected-at-some-point/ ''ট্রাম্পের দাবির বিপরীতে, কোনো এক সময়ে অতিমারীর প্রত্যাশা ব্যাপকভাবে ছিল''] (২০ মার্চ ২০২০) শীর্ষক নিবন্ধে।
* আমি একটি হোয়াইট হাউস ভাইরাস টাস্ক ফোর্স গঠন করেছি। এটি অনেক বড় একটি বিষয়, একটি ভাইরাস টাস্ক ফোর্স। আমাদের প্রয়োজনীয় সংস্থান নিশ্চিত করতে আমি ২.৫ বিলিয়ন ডলারের অনুরোধ করেছিলাম। ডেমোক্র্যাটরা বলেছিল, "এটি ভয়াবহ। তিনি ভুল করছেন। তার ২.৫ বিলিয়ন নয় বরং ৮.৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন।" আমার সাথে আগে এমনটা কখনো ঘটেনি। আমি ২.৫ বিলিয়ন চাইলাম আর তারা আমাকে ৮.৫ বিলিয়ন দিতে চায়, তাই আমি বললাম, "আমি এটাই নেব।" এতে কি আমি খারাপ কিছু... আমি এটা নেব। আমি নেবই। আগে আমার সাথে এমনটা কখনো হয়নি। কখনোই না। আমরা চাই ২.৫ বিলিয়ন। ওটাই যথেষ্ট। আমরা দাবি করছি আপনি ৮.৫ বিলিয়ন নিন। তিনি জানেন না তিনি কী করছেন। আমরা ৮.৫ বিলিয়ন চাই। এই লোকগুলো পাগল। আমাদের বুঝতে হবে যে সীমান্ত নিরাপত্তা মানেই স্বাস্থ্য নিরাপত্তা। আর আপনারা সবাই দেখেছেন যে জাদুর মতো দেওয়াল উঠে গেছে। এটি জাদুর মতো তৈরি হয়েছে। আপনারা কি ভাবছেন এটি খুব সহজ ছিল? এটি একদমই সহজ ছিল না। এটি চমৎকারভাবে তৈরি হচ্ছে এবং আমরা এখন ১৩২ মাইল পর্যন্ত তৈরি করেছি এবং এটিই সেই আসল দেওয়াল যা সীমান্ত রক্ষা, জল, সবকিছুর জন্য প্রয়োজন।
* তো আমি জানি না এই অ্যারেনায় উপস্থিতির রেকর্ড কত, তবে আমাকে বলা হয়েছে যে আমরা সেটি অনেক বড় ব্যবধানে ভেঙেছি। আর বাইরেও অনেক মানুষ আছে। আমাদের কি তাদের বলে দেওয়ার অনুমতি আছে যে আমরা কাকে ভোট দিতে বলব? কারণ আপনারা তো অনেককে বাদ দিতে পারেন। ঠিক আছে, এক মিনিট দাঁড়ান, চলুন একটা জরিপ করা যাক। আমরা পেছনের ওই ভুয়া সংবাদমাধ্যমগুলোর জন্য এটি করছি। তৈরি? আমাদের জন্য সেরা প্রার্থী কে হবে? তাদের জন্য নয় কিন্তু। আমরা প্রস্তুত। তৈরি তো? তাহলে চলুন তাদের নামগুলো দ্রুত একবার দেখে নিই। আমরা স্টেয়ারকে এর মধ্যে রাখব না কারণ সে একজন পরাজিত ব্যক্তি। সে বাদ, ঠিক আছে? আমরা তাকে রাখব না। সেরা কে হবে? এটি একটি আসল জরিপ। এটি সেই সব ভুয়া জরিপগুলোর মতো নয় যা... সত্যি বলতে আমি তোমাকে ভালোবাসি, [[ফক্স নিউজ|ফক্স]], তবে ফক্সের নেওয়া সেই জরিপগুলো সবথেকে খারাপ। এই লোক... এই জরিপকারী ট্রাম্পকে মনেপ্রাণে ঘৃণা করে। গত নির্বাচনে আমি অনেক বড় ব্যবধানে হারছিলাম। তারা বলেছিল, "সে নারীদের কাছে খুব ভালো করেছে।" সবকিছু ভুল ছিল। আর তারা কখনো এই লোকটাকে বদলায়নি। কিন্তু এটা দেখুন। আপনারা তৈরি?
* গতকাল আমাদের একটি চমৎকার অনুষ্ঠান ছিল, অনুষ্ঠানটি ছিল খুব সুন্দর তরুণ আফ্রিকান আমেরিকান নেতারা সেখানে ছিলেন। আমি তাদের যে বিষয়গুলো জিজ্ঞেস করেছিলাম এবং আমি অনেক দিন ধরেই এটা নিয়ে ভাবছিলাম... এবং মহান সব মানুষ, দুর্দান্ত মানুষ। তাদের মধ্যে কয়েকজন আজ রাতে এখানে আছেন। আপনারা কি আফ্রিকান আমেরিকান নামটা পছন্দ করেন নাকি কৃষ্ণাঙ্গ? আর তারা সবাই একসাথে চিৎকার করে বলল, "কৃষ্ণাঙ্গ!" না, সত্যি। আমি আপনাদের বলছি। কারণ আপনি যখন জিজ্ঞেস করেন, "আফ্রিকান আমেরিকান নাকি কৃষ্ণাঙ্গ?" আর তারা প্রায় সাথে সাথেই বলল, "কৃষ্ণাঙ্গ।" আমাদের চমৎকার একদল মানুষ ছিল এবং যা ঘটেছিল তা হলো এনবিসি... এটি ছিল ভালোবাসার এক মিলনমেলা। এটি ছিল অবিশ্বাস্য। এটি ৪৫ মিনিট ধরে চলেছিল। এটি ভালোবাসার এক উৎসব ছিল। এটি অবিশ্বাস্য ছিল। এনবিসি প্রত্যাখ্যান করেছিল... তারা ঠিক ওখানেই আছে। তারা প্রত্যাখ্যান করেছিল... কমকাস্ট, যার মালিকানাধীন এনবিসি... আসলে এনবিসিকে আমার মনে হয় আমরা এমএসডিএনসি ডাকি, তাই না? এমএসডিএনসি। কিন্তু আমার মনে হয় এনবিসি সিএনএনের চেয়েও খারাপ। সত্যি বলছি। আর কমকাস্ট, এমন এক কোম্পানি যারা তাদের ইমেজের জন্য লক্ষ লক্ষ ডলার খরচ করে... আমি তাদের ইমেজ নষ্ট করার জন্য যা যা করা সম্ভব তার সবই করব কারণ তারা ভয়াবহ। তারা খুব বাজে লোক। তারা একদল জঘন্য মানুষ। আর তারা বহু বছর ধরে ''দ্য অ্যাপ্রেন্টিসের'' জন্য আমাকে প্রচুর অর্থ দিয়েছে। তারা আমাকে অঢেল টাকা দিয়েছে। আর আমি যখন শো-টি ছেড়েছিলাম, তখন এটি খুব ভালো চলছিল। যখন আমি শোটি ছাড়ি ১৪টি সিজন, ভেবে দেখুন তারা একজন বিখ্যাত চলচ্চিত্র তারকাকে নিয়ে আসে। আমি তার নাম বলব না। কেউ জানবে না। আসলে কেউই তার নাম জানবে না কারণ সে খুব অল্প সময়ের জন্য সেখানে ছিল। কিন্তু ট্রাম্পকে সরিয়ে দেওয়ার পর অনুষ্ঠানটি খুব দ্রুতই গোল্লায় গেল। কিন্তু এখন থেকে পাঁচ বছর পর দেশ অবশ্যই আপনারা তাদের খেপিয়ে দিতে চান পাঁচ বছর বা নয় বছর বা ১৩ বছর। অথবা ১৮ বছর! আরও ১০ বছর। নাহ। ওহ, আপনারা এটা বললে তারা পাগল হয়ে যায়। যখন আপনারা তাদের বলবেন আরও পাঁচ বছর, তার মানে এটা হলো পাঁচ, কিন্তু এরপর আপনি বলতে পারেন হয়ত নয়, হয়ত ১৩, হয়ত ১৭, হয়ত ২১, অথবা না, হয়ত ২১। চলুন এটাই করি। আমরা নিজেদের জন্য ২৫ বছরের একটি সময়সীমা ঠিক করি। ২৫ বছরের বেশি নয়। আর নয়। ঠিক আছে। তারা সেনেটে কোনো কিছু পাস করবে। টিম, লিন্ডসেকে নিয়ে সেনেটে এটি পাস করান, দয়া করে ২৫ বছরের একটি মেয়াদ নির্দিষ্ট করে দিন।
====ফেব্রুয়ারি ২০২০====
* শিশু দারিদ্র্য হ্রাসের কর্মসূচিগুলো এমনকি সেই বছরগুলোতেও সাহায্য করে যখন দরিদ্র বা প্রায়-দরিদ্র অভিভাবকদের আয় বাড়ে। এবং স্বাভাবিকভাবেই, দুঃসময়ে এই কর্মসূচিগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ কর্মসংস্থানের বাজার আজ ভালো চললেও কাল ধসে পড়তে পারে। ট্রাম্প প্রশাসন এই ধরনের কর্মসূচিগুলোর যোগ্যতার নিয়মাবলি নতুন করে লিখেছে যাতে সুবিধাপ্রাপ্ত মানুষের সংখ্যা কমানো যায়। এর পেছনের তথাকথিত লক্ষ্য হলো: সরকারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে খরচ কমানো। (ট্রাম্পের সঙ্গীরা বড় বড় কর্পোরেশন এবং অতি-ধনী ব্যক্তিদের জন্য যে ভর্তুকি আর কর ফাঁকির সুযোগ তৈরি করেছেন, সেগুলোর কথা না-ই বা বললাম, যার ফলে শত শত কোটি ডলার সরকারি খরচ এবং হারানো রাজস্ব যুক্ত হচ্ছে।)
** রাজন মেনন, ''[https://www.thenation.com/article/economy/child-poverty-trump/ ট্রাম্পের দারিদ্র্য-বিরোধী যুদ্ধে আমাদের শিশুরাও অন্তর্ভুক্ত]'' (৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০), ''দ্য নেশন''।
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচিত হওয়ার আগেও শিশুদের যত্ন বা চাইল্ডকেয়ারের জন্য সহায়তার যোগ্য পরিবারগুলোর মাত্র ছয় ভাগের এক ভাগ সহায়তা পেত এবং আবাসন ভর্তুকি পেত মাত্র পাঁচ ভাগের এক ভাগ। তা সত্ত্বেও তার প্রশাসন সেই সব কর্মসূচি বন্ধ করার প্রস্তুতি নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল, যেগুলো এই পরিবারগুলোকে আবাসন ও শিশুদের যত্নে সাহায্য করত। ভবিষ্যতে এই পরিবারগুলোর তার কাছে সাহায্যের আশা করে কোনো লাভ নেই। তিনি তাদের জন্য কোনো ট্রাম্প টাওয়ার বানাবেন না। "মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন" বলতে যাই বোঝানো হোক না কেন, আমেরিকার গরিব শিশুদের সাহায্য করা এর অন্তর্ভুক্ত নয়। ডোনাল্ড ট্রাম্প যতদিন তাদের জীবনের দৌড় নিয়ন্ত্রণ করবেন, তারা নিজেদের শুরুর লাইন থেকে আরও দূরেই খুঁজে পাবে।
** রাজন মেনন, ''[https://www.thenation.com/article/economy/child-poverty-trump/ ট্রাম্পের দারিদ্র্য-বিরোধী যুদ্ধে আমাদের শিশুরাও অন্তর্ভুক্ত]'' (৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০), ''দ্য নেশন''।
==== মার্চ ২০২০ ====
* এই সম্পদ বা অর্থ জোগাড় করার জন্য একটা অতিমারীর অপেক্ষায় থাকা ঠিক হয়নি। ২০১৯ সালের জুনে আমরা হাউস বাজেট কমিটির কাছে 'দরিদ্র মানুষের নৈতিক বাজেট' পেশ করেছিলাম। সেখানে আমরা দেখিয়েছিলাম যে কীভাবে পুরো দেশের এই প্রয়োজনগুলো মেটানো সম্ভব। '''আপনারা যদি এই নৈতিক বাজেটটি মেনে চলতেন, তবে স্বাস্থ্যসেবা, ভালো কাজ, সম্মানজনক মজুরি, আবাসন এবং বিশুদ্ধ জলের মতো খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে আমরা ইতিমধ্যেই দেশের অর্থনীতিতে ১.২ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি টাকা যোগ করার পথে এগিয়ে যেতাম।<BR>এখন ওপর থেকে নিচে সুবিধা পৌঁছানোর সমাধানের সময় নয়। আমরা জানি যে নিচের দিকের মানুষের উন্নতি হলে সবারই উন্নতি হয়। বর্তমান সংকট এবং আমরা কয়েক বছর বা দশক ধরে যেসব সমস্যার বিরুদ্ধে লড়াই করছি, সেগুলোর বাস্তব সমাধান আমাদের হাতে আছে। আপনাদের কাছে আমাদের দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা মানুষকে সংগঠিত করা এবং শক্তি বাড়ানো চালিয়ে যাব। আমাদের লক্ষ লক্ষ মানুষ অনেক দীর্ঘ সময় ধরে কষ্ট পাচ্ছে। আমরা আর চুপ করে থাকব না।''' কোভিড-১৯ অতিমারী তার ভয়াবহ বিস্তারের মাধ্যমে আমাদের এক নজিরবিহীন জরুরি অবস্থার মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। তবে এই জরুরি অবস্থা আসলে আরও গভীর এবং দীর্ঘস্থায়ী একটি সংকটের ফল, তা হলো দারিদ্র্য ও চরম বৈষম্য। আমাদের সমাজ এমন ১৪০ মিলিয়ন মানুষের প্রয়োজনকে পাত্তাই দেয় না যারা হয় গরিব, না হয় সামান্য কোনো বিপদে পড়লেই গরিব হয়ে যাবে।
** রাষ্ট্রপতি [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], উপ-রাষ্ট্রপতি [[মাইক পেন্স]] এবং ১১৬তম মার্কিন কংগ্রেসের সদস্যদের কাছে লেখা চিঠিতে রেভ উইলিয়াম বারবার দ্বিতীয়, [https://www.poorpeoplescampaign.org/poverty-amidst-pandemic/ অতিমারীর মধ্যে দারিদ্র্য: কোভিড-১৯-এর একটি নৈতিক প্রতিক্রিয়া] (১৯ মার্চ ২০২০), লিজ থিওহারিসের সাথে যৌথভাবে লেখা, পুওর পিপলস ক্যাম্পেইন: এ ন্যাশনাল কল ফর এ মোরাল রিভাইভাল।
* নিয়মিতভাবে ভবিষ্যতের ঝুঁকিগুলো যাচাই করে দেখার মতো শৃঙ্খলা বা ধীরস্থির মনোভাব বেশির ভাগ নেতারই নেই। আর অনেক আগে থেকেই প্রধান বিপদটা ঠিকভাবে চিনে নিয়ে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার মতো দূরদর্শিতা তো আরও বিরল। এক কথায় বলতে গেলে, ট্রাম্প প্রশাসন পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। তারা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দেওয়া করোনাভাইরাস ছড়ানোর বারবার সতর্কতা যেমন গায়ে মাখেনি, তেমনি বিপদের তুলনায় দেশজুড়ে যে ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া দরকার ছিল, তাও নিতে পারেনি। ভাইরাসের এই ক্ষতি সামলানোর জন্য সরকারি ও বেসরকারি সব পক্ষকে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো ক্ষমতা আর সম্পদ কেবল কেন্দ্রীয় সরকারেরই ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, ট্রাম্পের কর্মকর্তারা একের পর এক ভুল ধারণা (কোভিড-১৯-এর বিপদকে গুরুত্ব না দেওয়া) এবং ভুল সিদ্ধান্ত (জরুরি ব্যবস্থা নিতে দেরি করা) নিয়েছেন। এর ফলে আমেরিকানদের নিরাপত্তা অকারণে ঝুঁকির মুখে পড়েছে। সংক্ষেপে, ট্রাম্প প্রশাসন আমেরিকান জনগণের ওপর এক বিশাল বড় বিপর্যয় চাপিয়ে দিয়েছে। তবে পার্ল হারবার বা ৯/১১-এর মতো অতীতের বড় বড় ঘটনাগুলোর তুলনায় এবারের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে নজিরবিহীন উদাসীনতা, এমনকি ইচ্ছাকৃত অবহেলার কারণে। উদাহরণস্বরূপ, ৯/১১ কমিশন রিপোর্ট যেমন আল-কায়েদার হামলার জন্য রোনাল্ড রেগান থেকে শুরু করে জর্জ ডব্লিউ বুশ পর্যন্ত বিভিন্ন প্রশাসনকে দায়ী করেছিল, এই করোনাভাইরাস সংকটের দায়ভার কিন্তু পুরোপুরি বর্তমান হোয়াইট হাউসের ওপরই বর্তায়। [...] করোনাভাইরাস ছড়ানোর শুরুর দিকে হোয়াইট হাউসের এই গা-ছাড়া ভাব আধুনিক রাষ্ট্রপতিত্বের ইতিহাসে সবথেকে বড় ভুল হিসেবে গণ্য হবে। তাদের কাছে যথেষ্ট আগে থেকেই পরিষ্কার সতর্কবার্তা ছিল এবং তারা চাইলেই দেশটাকে আরও ভালোভাবে প্রস্তুত করতে পারত। কিন্তু যেভাবে তারা দূরদর্শিতা আর সময়ের সুযোগ নষ্ট করেছে তা কখনোই ভোলা উচিত নয়। আর এর কারণটাও মনে রাখা দরকার: ট্রাম্প শুরু থেকেই ভুল ছিলেন, আর তার সাঙ্গোপাঙ্গরা সেই ভুলটাকেই দীর্ঘ সময় ধরে বড় করে দেখানোর চেষ্টা করেছে। আমেরিকানদের এখন দশকের পর দশক ধরে এর খেসারত দিতে হবে।
** মাইকা জেঙ্কো, [https://foreignpolicy.com/2020/03/25/coronavirus-worst-intelligence-failure-us-history-covid-19/ ''করোনাভাইরাস মার্কিন ইতিহাসের সবথেকে বড় গোয়েন্দা ব্যর্থতা''], ২৫ মার্চ ২০২০, ফরেন পলিসি।
==== এপ্রিল ২০২০ ====
* এই মহামারীর প্রাদুর্ভাব অবাক করার মতো, সত্যি বলতে আঁতকে ওঠার মতো, কিন্তু এর আবির্ভাবটা মোটেই অভাবিত ছিল না। আর এই সংকটে সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রেকর্ড সবথেকে খারাপ হওয়াটাও আশ্চর্যের কিছু নয়। [...] কোভিড-১৯ সংকট থেকে আমরা একসময় মুক্তি পাব, তবে তার জন্য এক ভয়াবহ এবং বিশাল মূল্য দিতে হবে, বিশেষ করে দরিদ্র আর অসহায় মানুষদের। কিন্তু মেরু অঞ্চলের বরফের আস্তরণ গলে যাওয়া আর বিশ্ব উষ্ণায়নের অন্যান্য বিধ্বংসী পরিণাম থেকে ফেরার কোনো পথ থাকবে না। [...] বর্তমান প্রশাসনের কাছে সম্ভাব্য অতিমারী সম্পর্কে যথেষ্ট সতর্কবার্তা ছিল। আসলে, গত অক্টোবরেই একটি উচ্চপর্যায়ের মহড়া বা সিমুলেশন চালানো হয়েছিল। ট্রাম্প ক্ষমতায় থাকাকালীন ঠিক সেভাবেই কাজ করেছেন যেভাবে আমরা তাকে দেখে অভ্যস্ত: সরকারের সব প্রয়োজনীয় বিভাগগুলোর তহবিল বন্ধ করে দিয়ে বা সেগুলোকে ভেঙে দিয়ে। তিনি মন দিয়ে তার করপোরেট প্রভুদের নির্দেশ মেনে চলেছেন। মুনাফা বাড়াতে বাধা দেয় এমন সব নিয়মকানুন তুলে দেওয়ার জন্য তিনি কাজ করছেন যাতে প্রাণের বিনিময়েও ব্যবসায়িক লাভ নিশ্চিত করা যায়। পরিবেশগত বিপর্যয়ের খাদের কিনারায় পৌঁছানোর দৌড়ে তিনি নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যা এখন পর্যন্ত তার সবথেকে বড় অপরাধ—আসলে এর ফলাফল বিবেচনা করলে এটি ইতিহাসের সবথেকে বড় অপরাধ।
** [[নোম চম্স্কি]], সি.জে. পলিচ্রনিউের সাথে এক সাক্ষাৎকারে, [https://truthout.org/articles/chomsky-ventilator-shortage-exposes-the-cruelty-of-neoliberal-capitalism/ ''চম্স্কি: ভেন্টিলেটরের অভাব নিওলিবারাল ক্যাপিটালিজমের নিষ্ঠুরতাকে প্রকাশ করে''] (১ এপ্রিল ২০২০), ''ট্রুথআউট''।
* ক্ষমতা নিয়ে দলাদলি বা রেষারেষি এই প্রশাসনের একটা চিরচেনা রূপ, আর এই অতিমারী মোকাবিলার ক্ষেত্রেও তার কোনো ব্যতিক্রম হয়নি। [...] এমনকি তাদের কাজকর্মের মধ্যেও কোনো অভ্যন্তরীণ মিল বা শৃঙ্খলা দেখা যাচ্ছে না।
** মিশেল গোল্ডবার্গ, [https://www.nytimes.com/2020/04/02/opinion/jared-kushner-coronavirus.html ''জ্যারেড কুশনারকে দায়িত্বে রাখাটা চরম পাগলামি''] (২ এপ্রিল ২০২০), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস''।
* জীবনে না হলেও, এই প্রশাসনে অন্তত তাই (অর্থাৎ মানুষ বড়ই একা)।
** অ্যান্ড্রু কুওমোর বক্তব্য: "ধরে নিন জীবনে আপনি একাই পথ চলছেন" প্রসঙ্গে [[মিশেল গোল্ডবার্গ]], [https://www.nytimes.com/2020/04/02/opinion/jared-kushner-coronavirus.html ''জ্যারেড কুশনারকে দায়িত্বে রাখাটা চরম পাগলামি''] (২ এপ্রিল ২০২০), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস''।
* প্রেসিডেন্ট হলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট, তাই তার কথাগুলোকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য হিসেবেই গণ্য করা হয়।
** হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি শন স্পাইসার, [https://www.cnn.com/2017/06/06/politics/trump-tweets-official-statements/index.html হোয়াইট হাউস: ট্রাম্পের টুইটগুলো 'অফিসিয়াল স্টেটমেন্ট' বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য] ৬ জুন, (প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের টুইটার বার্তার মর্যাদা প্রসঙ্গে)।
* সে ১ কোটি ৫০ লক্ষেরও বেশি কর্মসংস্থান তৈরি করেছে।
** নিজের মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্প সম্পর্কে ব্যবসায়িক নেতাদের সাথে এক ফোনালাপে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। কোনো ব্যাখ্যা বা প্রমাণ দেওয়া হয়নি। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৪-০৭ |শিরোনাম=ট্রাম্প দাবি করেছেন যে তার মেয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মোট কর্মসংস্থানের ১০ শতাংশ তৈরি করেছে |লেখক=ইয়ান মিলহিজার |সাময়িকী=Vox|ইউআরএল=https://www.vox.com/2020/4/8/21212802/trump-ivanka-10-percent-jobs-walmart-15-million}}
* যখন কেউ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হন, তখন তার ক্ষমতা হয় নিরঙ্কুশ।
** করোনাভাইরাস টাস্ক ফোর্সের প্রেস ব্রিফিংয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৪-১৩ |শিরোনাম=সিএনএন রিপোর্টার সরাসরি ট্রাম্পের মুখের ওপর প্রতিবাদ করেন যখন তিনি রাজার মতো ক্ষমতার দাবি করেন |লেখক=কোডি ফেনউইক |সাময়িকী=রস্টোরি |ইউআরএল=https://www.rawstory.com/2020/04/cnn-reporter-flat-out-contradicts-trump-to-his-face-when-he-claims-king-like-authority/}}
* এই কারণেই আপনাদের রেটিং এত খারাপ, কারণ আপনারা করুণার পাত্র। বলে যান। শুরু করুন। আপনাদের রেটিং ভয়াবহ। আপনাদের আবার আসল খবরের দিকে ফিরে যাওয়া উচিত। বলে যান।
** একজন সাংবাদিকের কথা থামিয়ে দিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যিনি "আগামী সপ্তাহে মাসের প্রথম তারিখ..." বলে প্রশ্ন শুরু করেছিলেন। হোয়াইট হাউস করোনাভাইরাস টাস্ক ফোর্স ব্রিফিং (১৯ এপ্রিল ২০২০), [https://www.rev.com/blog/transcripts/donald-trump-coronavirus-press-conference-transcript-april-19 ডোনাল্ড ট্রাম্পের করোনাভাইরাস সংবাদ সম্মেলনের প্রতিলিপি ১৯ এপ্রিল]
* আমি খুব সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করি। বাণিজ্য চুক্তি, সামরিক পুনর্গঠন ইত্যাদি দেখাশোনার জন্য আমি অনেক মাস ধরে হোয়াইট হাউস থেকে বের হইনি (কেবল হাসপাতাল জাহাজ কমফোর্ট উদ্বোধন করা ছাড়া)। আর এরপর আমি সেই লোকসান হতে থাকা নিউ ইয়র্ক টাইমসে আমার কাজের সময়সূচী আর খাদ্যাভ্যাস নিয়ে একটা ভুয়া খবর পড়লাম, যা লিখেছে একজন তৃতীয় শ্রেণির সাংবাদিক যে আমার সম্পর্কে কিছুই জানে না। আমি প্রায়ই গভীর রাত পর্যন্ত ওভাল অফিসে থাকি আর পরে পড়ি বা দেখি যে আমি নাকি আমার শোবার ঘরে বসে রাগে রাগে হ্যামবার্গার আর ডায়েট কোক খাচ্ছি। আমার সাথে যারা থাকেন তারা সবসময় অবাক হন। আমাকে ছোট করার জন্য সব কিছুই চলে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৪-২৬ |শিরোনাম='হ্যামবারগার' এবং 'নোবেল প্রাইজ': বানানে ভুল করা টুইটার বার্তায় গণমাধ্যমকে আক্রমণ ট্রাম্পের |লেখক=অ্যালেক্স উডওয়ার্ড |সাময়িকী=ইন্ডিপেন্ডেন্ট |ইউআরএল=https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-politics/donald-trump-latest-coronavirus-hamburger-nobel-prize-russia-a9485006.html}}
* রাশিয়া, রাশিয়া, রাশিয়া নিয়ে কাজ করার জন্য সেই সব 'রিপোর্টার' যারা নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন, অথচ শেষে তারা পুরোপুরি ভুল প্রমাণিত হয়েছেন (এবং আসলে অন্য পক্ষই অপরাধ করেছিল), তারা কবে তাদের প্রিয় 'নোবেল' ফিরিয়ে দেবেন যাতে সেগুলো সেই সব আসল রিপোর্টার আর সাংবাদিকদের দেওয়া যায় যারা সঠিক খবর দিয়েছিলেন?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৪-২৬ |শিরোনাম=রাশিয়া তদন্ত নিয়ে সংবাদ করা সাংবাদিকদের 'নোবেল প্রাইজ' ফিরিয়ে দিতে বললেন ট্রাম্প, পরে টুইটটি মুছে ফেলা হয় |লেখক=জেমস পাসলে |সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার |ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-deletes-tweet-calling-for-journalists-to-return-noble-prizes-2020-4?r=US&IR=T}}
* এরা খুব ভালো মানুষ, তবে তারা রাগান্বিত।
** মিশিগানে স্টেট ক্যাপিটল দখল করা সশস্ত্র বিক্ষোভকারীদের সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-০১ |শিরোনাম=বন্দুক নিয়ে সংসদ ভবন দখল করা 'খুব ভালো মানুষদের' দাবি মেনে নিতে মিশিগানের গভর্নরকে ট্রাম্পের তাগিদ |লেখক=ট্রাভিস গেটিস |সাময়িকী=রস্টোরি |ইউআরএল=https://www.rawstory.com/2020/05/trump-urges-michigan-governor-to-give-in-to-very-good-people-who-stormed-statehouse-with-guns/}}
====মে ২০২০====
* আমরা ৮ বছরের মধ্যে এইডস-মুক্ত হব। আমরা শুরু করেছি, আসলে ১০ বছর আগে শুরু করা উচিত ছিল। আগের প্রশাসনের আমলেই এটি শুরু হওয়া উচিত ছিল। তারা কিছুই করেনি। আমার প্রশাসনের সময়েই এর শুরু হয়েছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-০৩ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ফক্স নিউজের টাউন হলে করোনাভাইরাস এবং অন্যান্য বিষয়ে ট্রাম্পের একগুচ্ছ মিথ্যা দাবি |লেখক=ড্যানিয়েল ডেল |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/05/03/politics/fact-check-fox-news-townhall-trump-may-3/index.html}}
* আমাদের যে ঐক্য আছে, এক অর্থে আমাদের মধ্যে দারুণ মিল রয়েছে, আবার অন্য অর্থে আমার মনে হয় তারাও সাথে আসবে। আমি বলতে চাইছি, আমি তো অবশ্যই তেমনটাই আশা করি। তবে আমার প্রধান কাজ হলো আমাদের দেশকে আগের জায়গায় ফিরিয়ে আনা। আমি একে আগের অবস্থায় বা হয়ত তার চেয়েও ভালো অবস্থানে নিয়ে যেতে চাই। আপনারা জানেন তো, আমাদের হাতে এখন এক বিশাল প্রণোদনা রয়েছে সেই সব অর্থ যা নিয়ে আজ রাতে আমরা এ পর্যন্ত কথা বলেছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-০৪ |শিরোনাম=লিঙ্কন মেমোরিয়ালে ফক্স টাউন হলে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৪৫টি সবথেকে চমকপ্রদ উক্তি |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/05/04/politics/donald-trump-fox-lincoln-memorial/index.html}}
* তো ক্যালিফোর্নিয়াতে ডেমোক্র্যাটরা ডাকযোগে ব্যালট পাঠিয়ে ভোট নেওয়ার জন্য পাগল হয়ে লড়াই করেছিল এবং সফলও হয়েছিল। তারা এখন সেই অঙ্গরাজ্যের সবথেকে বেশি ডেমোক্র্যাট-ঘেঁষা এলাকায় ভোট দেওয়ার বুথ খুলেছে। তারা আরেকটি নির্বাচনে কারচুপি করার চেষ্টা করছে। সেখানে সবকিছুই সাজানো। এই ভোটগুলো অবশ্যই গণ্য করা যাবে না। প্রতারণা!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-০৯ |শিরোনাম=উন্মত্ত টুইটগুলোতে ট্রাম্প বলেছেন ক্যালিফোর্নিয়ার সব ভোট ‘অবশ্যই গণ্য করা যাবে না’ |লেখক=মার্ক এনসি |সাময়িকী=নিউজ করপস |ইউআরএল=https://www.newscorpse.com/ncWP/?p=45212}}
* খাস খবর: মিশিগান প্রাথমিক ও সাধারণ নির্বাচনের আগে ৭৭ লক্ষ মানুষের কাছে অ্যাবসেন্ট ব্যালট (অনুপস্থিত ভোটারদের ব্যালট) পাঠাচ্ছে। একজন উদ্ধত সেক্রেটারি অফ স্টেট কোনো অনুমতি ছাড়াই এটি বেআইনিভাবে করেছেন। মিশিগান যদি ভোটার জালিয়াতির এই পথে হাঁটতে চায়, তবে আমি তাদের অর্থ সাহায্য আটকে দেওয়ার কথা বলব!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-২০ |শিরোনাম=মিশিগানের অ্যাবসেন্ট ব্যালট আবেদন নিয়ে ট্রাম্পের মিথ্যা টুইট |লেখক=ডি'অ্যাঞ্জেলো গোর |সাময়িকী=FactCheck.org |ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/05/trumps-false-tweet-about-michigan-absentee-ballot-applications/}}
* আর জানেন তো, আপনি যখন "মাথাপিছু" বা পার ক্যাপিটা বলেন, সেখানে অনেক ধরনের পার ক্যাপিটা আছে। এটা অনেকটা এমন যে কার তুলনায় মাথাপিছু? তবে আপনি যেকোনো বিভাগই দেখুন না কেন, মাথাপিছু হিসেবেও আমরা একদম শীর্ষে অর্থাৎ ভালো অবস্থানে আছি। তারা দারুণ কাজ করেছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-২০ |শিরোনাম=কোভিড-১৯ নিয়ে আলোচনার সময় ট্রাম্প কি বলেছিলেন যে ‘অনেক ধরনের পার ক্যাপিটা’ আছে? |লেখক=কিম লাক্যাপ্রিয়া |সাময়িকী=TruthOrFiction.com |ইউআরএল=https://www.truthorfiction.com/did-president-trump-say-there-were-many-per-capitas-in-a-covid-19-discussion/}}
* আমি পাঁচ বছর আগে মিশিগানে ‘ম্যান অফ দ্য ইয়ার’ হিসেবে সম্মানিত হয়েছিলাম।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-২২ |শিরোনাম=মিশিগানে ট্রাম্পের সন্দেহজনক ‘ম্যান অফ দ্য ইয়ার’ হওয়ার বড়াই |লেখক=রবার্ট ফার্লি |সাময়িকী=actCheck.org |ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2019/08/trumps-dubious-michigan-man-of-the-year-boast/}}
* ডাকযোগে পাঠানো ব্যালট বা মেল-ইন ব্যালটে যে বড় ধরনের কারচুপি হবে না, তার কোনো সম্ভাবনাই নেই (একদম শূন্য)! ডাকবক্সগুলো চুরি হবে, ব্যালট জাল করা হবে, এমনকি সেগুলো অবৈধভাবে ছাপানো আর তাতে জালিয়াতি করে সইও করা হবে। ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে ব্যালট পাঠাচ্ছেন। ওই রাজ্যে বসবাসকারী যে কেউ, সে যে-ই হোক বা যেভাবেই সেখানে আসুক না কেন, সে একটি ব্যালট পাবে। এরপর আসবে কিছু পেশাদার লোক, যারা এই সব মানুষদের বলে দেবে কীভাবে আর কাকে ভোট দিতে হবে। এদের মধ্যে অনেকে আবার আগে কখনো ভোট দেওয়ার কথা ভাবেনি। এটি একটি সাজানো নির্বাচন হবে। অসম্ভব!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1265255835124539392 টুইটারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৬ মে ২০২০)
* ভেবে দেখুন তো, আপনার স্থানীয় ফোন কোম্পানিগুলো যদি আপনার বলা কথাগুলো এডিট করার বা সেন্সর করার চেষ্টা করত। সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোর ক্ষমতা তো তার চেয়েও অনেক বেশি।
** {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৫-২৮ |শিরোনাম=সোশ্যাল মিডিয়া দমনের যুক্তি দিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি হাস্যকর তুলনা ব্যবহার করেছেন |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/05/28/politics/donald-trump-twitter-facebook-social-media-executive-order/index.html}}
====জুন ২০২০====
[[File:President Trump Visits St. John's Episcopal Church (49963649028).jpg|thumb|আপনাদের আধিপত্য বিস্তার করতে হবে নতুবা আপনাদের একদল মূর্খ মনে হবে, আপনাদের লোকজনকে গ্রেফতার করতে হবে এবং তাদের বিচার করতে হবে।]]
* আপনাদের আধিপত্য বিস্তার করতে হবে নতুবা আপনাদের একদল মূর্খ মনে হবে, আপনাদের লোকজনকে গ্রেফতার করতে হবে এবং তাদের বিচার করতে হবে।
* আপনাদের খুব বেশি সাবধান হওয়ার দরকার নেই।
** জর্জ ফ্লয়েড হত্যার পর পুলিশি সহিংসতার বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারী সাধারণ মানুষের প্রতি কেমন প্রতিক্রিয়া দেখাতে হবে সে বিষয়ে মার্কিন গভর্নরদের নির্দেশ দিচ্ছেন [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-০১ |শিরোনাম=বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে গভর্নরদের আক্রমণাত্মক কৌশল ব্যবহারের উৎসাহ দিচ্ছেন উত্তেজিত ট্রাম্প |লেখক=কেভিন লিপটাক, রায়ান নোবলস, সারাহ ওয়েস্টউড |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/06/01/politics/donald-trump-race-police/index.html}}
* ওয়াশিংটন, ডি.সি. গত রাতে পৃথিবীর সবথেকে নিরাপদ জায়গা ছিল!
** [https://twitter.com/realdonaldtrump/status/1267959729361485825 ২ জুন ২০২০-এর টুইট], ৮ জুন ২০২০, [https://www.usnews.com/news/politics/articles/2020-06-07/ap-fact-check-trump-exaggerations-on-blacks-economic-gains ইউএস নিউজ]।
* এটি তার জন্য একটি দারুণ দিন। এটি সবার জন্যই একটি দারুণ দিন। গুণের বিচারে এটি খুবই চমৎকার একটি দিন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] দাবি করেছেন যে মার্কিন অর্থনীতি "আবার সঠিক পথে ফিরে এসেছে", এবং তিনি এর সাথে জর্জ ফ্লয়েডকে যুক্ত করেছেন, যাকে কয়েক দিন আগে পুলিশ হত্যা করেছিল। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-০৫ |শিরোনাম=জর্জ ফ্লয়েড ওপর থেকে নিচে তাকিয়ে দেখছেন এবং দিনটিকে ‘একটি দারুণ দিন’ বলার জন্য ট্রাম্পের সমালোচনা |লেখক=এমা রোজমার্জি |সাময়িকী=ইউনিলাড |ইউআরএল=https://www.unilad.co.uk/news/trump-criticised-for-saying-george-floyd-is-looking-down-and-calling-it-a-great-day/}}
* বাফেলোর যে বিক্ষোভকারীকে পুলিশ ধাক্কা দিয়েছিল সে একজন অ্যান্টিফা প্ররোচনাকারী হতে পারে। ৭৫ বছর বয়সী মার্টিন গুগিনোকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল কারণ মনে হচ্ছিল তিনি পুলিশের যোগাযোগের সরঞ্জামগুলো অকেজো করার জন্য স্ক্যান করছিলেন। @OANN আমি দেখেছি, তাকে যত জোরে ধাক্কা দেওয়া হয়েছিল তার চেয়েও বেশি জোরে তিনি পড়ে গিয়েছিলেন। তিনি স্ক্যানার দিয়ে লক্ষ্য করছিলেন। এটি কি কোনো সাজানো নাটক হতে পারে?
** পুলিশের হাতে নিষ্ঠুরভাবে নির্যাতিত হওয়ার পর মস্তিষ্কে আঘাত পাওয়া শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারী মার্টিন গুগিনো সম্পর্কে কোনো প্রমাণ ছাড়াই [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই সব মন্তব্য বারবার করেছেন। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-০৯ |শিরোনাম=বাফেলো পুলিশের ধাক্কায় পড়ে যাওয়া ৭৫ বছর বয়সী বৃদ্ধের বিরুদ্ধে পড়ে যাওয়ার নাটক করার অভিযোগ ট্রাম্পের |লেখক=ক্যামেরন ফিউ |সাময়িকী=ইউনিলাড |ইউআরএল=https://www.unilad.co.uk/news/trump-accuses-75-year-old-knocked-down-by-buffalo-police-of-faking-fall/}}
* আমার মনে হয় অন্য যেকোনো রাষ্ট্রপতির চেয়ে আমি কৃষ্ণাঙ্গ সম্প্রদায়ের জন্য বেশি কাজ করেছি এবং চলুন আমরা আব্রাহাম লিংকনকে বাদ দিই কারণ তিনি ভালো কাজ করেছিলেন যদিও সেটা সবসময়ই প্রশ্নবিদ্ধ, মানে সহজ কথায় শেষ ফলাফলটা।
** জর্জ ফ্লয়েড বিক্ষোভ চলাকালীন ফক্স নিউজের সাথে এক সাক্ষাৎকারে নিজের নেতৃত্ব এবং আফ্রিকান-আমেরিকান সম্প্রদায়ের সাথে সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার সময় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন। জেরেমি স্টাহলের নিবন্ধ "[https://slate.com/news-and-politics/2020/06/what-was-trump-trying-to-say-about-abraham-lincoln.html আব্রাহাম লিংকন সম্পর্কে ট্রাম্প কী বলতে চেয়েছিলেন?]" ১২ জুন ২০২০, ''স্লেট''।
* সে একজন মিথ্যাবাদী... হোয়াইট হাউসের সবাই জন বোল্টনকে ঘৃণা করত।
** নিজের বেছে নেওয়া জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেন, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-১৫ |শিরোনাম=বোল্টনের বিস্ফোরক বই প্রকাশের পর ট্রাম্প তাকে ‘মিথ্যাবাদী’ বলে অভিহিত করেছেন এবং বলেছেন ‘হোয়াইট হাউসের সবাই তাকে ঘৃণা করত’ |লেখক=নিকোল ডারা |সাময়িকী=দ্য সান |ইউআরএল=https://www.the-sun.com/news/999925/trump-john-bolton-book-white-house-liar/}}
* এরাই সেই সব মানুষ — সবথেকে সেরা, সবথেকে স্মার্ট, সবথেকে মেধাবী, আর তারা এইডসের টিকা আবিষ্কার করেছে। তারা... আরও নানা কিছু আবিষ্কার করেছে।
** বিজ্ঞানীদের সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই দাবি করেন, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-১৬ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: অস্তিত্বহীন এইডস টিকা নিয়ে ট্রাম্পের দাবি |লেখক=ক্যালভিন উডওয়ার্ড, হোপ ইয়েন |সাময়িকী=নিউজ ১২ |ইউআরএল=https://www.kxii.com/content/news/AP-FACT-CHECK-Trump-on-an-AIDS-vaccine-that-doesnt-exist-571309161.html/}}
* আমি একটা ভালো কাজ করেছি: আমি জুনটিন্থকে খুব বিখ্যাত করে তুলেছি।<br>এটি আসলে একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান, একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। কিন্তু আগে কেউ এর নাম শোনেনি।
** বুধবার ১৭ জুন ২০২০-এ ওভাল অফিসে দেওয়া সাক্ষাৎকারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন। ১৯ জুন ২০২০-এ ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের মাইকেল বেন্ডারের [https://www.wsj.com/articles/trump-talks-juneteenth-john-bolton-economy-in-wsj-interview-11592493771 একটি নিবন্ধ] অনুযায়ী এবং ২১ জুন ২০২০-এ দ্য গার্ডিয়ানের রিচার্ড ওল্ফের[https://www.theguardian.com/commentisfree/2020/jun/20/donald-trump-tulsa-rally-crowd-empty-seats লেখায়] এটি বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
* আমি বললাম, 'জেনারেল, কোনো রেলিং ছাড়া ওই ঢালু পথ দিয়ে নিচে নামতে গিয়ে আছাড় না খেয়ে নামা আমার পক্ষে অসম্ভব, জেনারেল।'
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-২০ |শিরোনাম=১৭৯৮টি শব্দ যা প্রমাণ করে যে ওয়েস্ট পয়েন্টের ঢালু পথ নামার গল্প নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প কতটা আচ্ছন্ন |লেখক=ক্রিস সিলিঞ্জা |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/06/22/politics/donald-trump-tulsa-rally-west-point-ramp/index.html |ভাষা=en-US}}
* আপনাদের ৪০১(কে) (অবসরকালীন সঞ্চয়) এবং আপনাদের টাকা-পয়সা সব মূল্যহীন হয়ে পড়বে।
** জো বাইডেন যদি পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জেতেন তবে কী হবে সে সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-২০ |শিরোনাম=অতিমারী নিয়ে আবারও মিথ্যাচার, জুনের শুরু থেকে জুলাইয়ের শুরু পর্যন্ত ট্রাম্প ২০০টি মিথ্যা দাবি করেছেন |লেখক=ড্যানিয়েল ডেল, তারা সুব্রামানিয়াম |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/07/18/politics/fact-check-trump-june-july-2020/index.html |ভাষা=en-US}}
* সাজানো ২০২০ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ভিনদেশ এবং অন্যরা লক্ষ লক্ষ ডাক-ব্যালট ছাপাবে। এটি হবে আমাদের সময়ের সবথেকে বড় কেলেঙ্কারি!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-২২ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ডাকযোগে ভোট দেওয়া নিয়ে ভিত্তিহীন দাবি ছড়াচ্ছেন ট্রাম্প |লেখক=মাইলস পার্কস |সাময়িকী=এনপিআর |ইউআরএল=https://apnews.com/1d1a98892bdc7e1df97807b3be48bb13 |ভাষা=en-US}}
* আচ্ছা, একটি বিষয় যা সত্যিই দারুণ হবে তা হলো — অভিজ্ঞতা শব্দটির কদর এখনো আছে। আমি সবসময় বলি অভিজ্ঞতার চেয়ে প্রতিভাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমি সবসময় এটাই বলেছি। কিন্তু অভিজ্ঞতা শব্দটিও খুব গুরুত্বপূর্ণ। এর একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ অর্থ আছে। আমি আগে কখনো এটা করিনি। আমি কখনো ওয়াশিংটনে রাত কাটাইনি। আমি ওয়াশিংটনে বড়জোর ১৭ বার এসেছিলাম। আর হঠাৎ করে আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হয়ে গেলাম। আপনারা তো গল্পটা জানেন। আমি ফার্স্ট লেডির সাথে পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউ দিয়ে যাচ্ছিলাম আর বলছিলাম, ‘এটা দারুণ। কিন্তু আমি ওয়াশিংটনের খুব বেশি মানুষকে চিনতাম না। এটি আমার চেনা জায়গা ছিল না। আমি ম্যানহাটন থেকে, নিউ ইয়র্ক থেকে এসেছিলাম। এখন আমি সবাইকে চিনি এবং প্রশাসনে আমার কাছে দারুণ সব মানুষ আছে। আপনি কিছু ভুল করবেনই। যেমন, ওই গাধাটার কথা ধরুন, ওই যে বোল্টন। সে সবসময় চাইত সবার ওপর বোমা ফেলতে। আপনার তো সবার ওপর বোমা ফেলার দরকার নেই। মানুষের প্রাণ নেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
** "দ্বিতীয় মেয়াদে আপনার অগ্রাধিকারগুলো কী হবে?" - এই প্রশ্নের জবাবে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন। যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০১৯-০৭-১৭ |শিরোনাম=দ্বিতীয় মেয়াদের পরিকল্পনা নিয়ে ট্রাম্পের আবোলতাবোল বকুনি |লেখক=অ্যাডাম কে রেমন্ড |সাময়িকী=নিউ ইয়র্ক ম্যাগাজিন |ইউআরএল=https://nymag.com/intelligencer/2020/06/trump-hannity-interview-full-of-unintelligible-rambling.html}}
* রাশিয়ানরা [[আফগানিস্তান]]ে আমাদের সেনাদের ওপর তথাকথিত যে হামলা চালিয়েছে সে সম্পর্কে আমাকে, @উপ-রাষ্ট্রপতি পেন্স অথবা চিফ অফ স্টাফ @মার্কমিডোসকে কেউ কিছুই বলেনি।
** আফগানিস্তানে মার্কিন সেনাদের হত্যার জন্য রাশিয়ান গোয়েন্দারা তালিবানদের টাকা দিচ্ছে, এমন একটি সংবাদ প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেন। যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৬-২৮ |শিরোনাম=মার্কিন সেনাদের হত্যার জন্য পুরস্কার বা বাউন্টি দেওয়ার খবর সম্পর্কে তাকে ব্রিফ করার বিষয়টি অস্বীকার করলেন ট্রাম্প |লেখক=কাইল বালুক |সাময়িকী=দ্য হিল |ইউআরএল=https://thehill.com/homenews/administration/504890-trump-denies-he-was-briefed-on-reported-bounties-on-us-troops |ভাষা=en-US}}
* আপনারা কি স্রেফ তাদের গুলি করতে পারেন না? স্রেফ তাদের পায়ে বা এমন কোথাও গুলি করুন না?
** জর্জ ফ্লয়েড হত্যার পর হোয়াইট হাউসের আশেপাশে রাস্তায় বিক্ষোভকারীদের সম্পর্কে জুন ২০২০-এ [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেছিলেন। প্রাক্তন প্রতিরক্ষা সচিব মার্ক এসপারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এটি [https://www.axios.com/mark-esper-book-trump-protesters-24e93272-2af5-423d-be3b-164daab7b43d.html "স্কুপ: এসপার বলেছেন ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের গুলি করতে চেয়েছিলেন"], অ্যাক্সিওস, ২ মে ২০২২।
====জুলাই ২০২০====
* সমাজ ও প্রকৃতির সকল নিয়মের বিরুদ্ধে গিয়ে আমাদের শিশুদের স্কুলে শেখানো হচ্ছে নিজেদের দেশকে ঘৃণা করতে। তাদের বিশ্বাস করানো হচ্ছে যে যারা এই দেশ গড়ে তুলেছিলেন তারা নায়ক নন বরং খলনায়ক ছিলেন। আমেরিকান ইতিহাসের এই কট্টরপন্থী দৃষ্টিভঙ্গি আসলে মিথ্যার জাল। এখানে সব প্রেক্ষিত সরিয়ে ফেলা হয়েছে, সমস্ত গুণকে আড়াল করা হয়েছে, প্রতিটি উদ্দেশ্যকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রতিটি তথ্য বিকৃত করা হয়েছে এবং প্রতিটি ত্রুটিকে এমনভাবে বড় করে দেখানো হয়েছে যাতে ইতিহাস পুরোপুরি মুছে যায় এবং সমস্ত নথিপত্র চেনা দায় হয়ে পড়ে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-০৩ |শিরোনাম=বাইডেন শিক্ষকদের বলেছেন যে তারা সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করছেন, একই দিনে ট্রাম্প বলেছেন যে শিক্ষকরা শিশুদের ‘দেশকে ঘৃণা করতে’ শেখাচ্ছেন |লেখক=ভ্যালেরি স্ট্রস |সাময়িকী=ইন্ডিপেন্ডেন্ট |ইউআরএল=https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-election/biden-trump-teachers-education-policy-2020-election-a9603156.html}}
* আমাদের বিদ্যালয়গুলোতে, আমাদের নিউজ রুমগুলোতে, এমনকি আমাদের কর্পোরেট বোর্ডরুমগুলোতেও এক নতুন কট্টর বামপন্থী ফ্যাসিবাদ এসেছে যা সবার কাছ থেকে নিঃশর্ত আনুগত্য দাবি করে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-০৩ |শিরোনাম=মাউন্ট রাশমোর ভাষণে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২৮টি সবথেকে আপত্তিকর উক্তি |লেখক=ভ্যালেরি স্ট্রস |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/07/04/politics/donald-trump-mount-rushmore-south-dakota-speech-lines/index.html}}
* আমাদের -- এপ্রিলের পর থেকে ভোক্তাদের আত্মবিশ্বাস ১২ পয়েন্ট বেড়েছে, যা সর্বকালের সর্বোচ্চ। ভেবে দেখুন একবার।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের একটি অসত্য দাবি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-০৯ |শিরোনাম=আবারও অতিরঞ্জিত কথা, ট্রাম্পের দাবি চারটি অর্থনৈতিক সূচক রেকর্ড গড়েছে যা আসলে কোনো রেকর্ড নয় |লেখক=ড্যানিয়েল ডেল |সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/07/06/politics/fact-check-trump-june-jobs-exaggerations/index.html}}
* অনেক বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্কুল ব্যবস্থা এখন পড়াশোনার বদলে কট্টর বামপন্থী মতাদর্শ চাপিয়ে দেওয়ার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। তাই আমি ট্রেজারি বিভাগকে তাদের কর-মুক্ত সুবিধা এবং অর্থায়ন পুনরায় খতিয়ে দেখতে বলছি। যদি এই অপপ্রচার বা জনস্বার্থ বিরোধী কাজ চলতে থাকে, তবে সেই সব সুবিধা কেড়ে নেওয়া হবে। আমাদের শিশুদের শিক্ষা দিতে হবে, তাদের ওপর কোনো মতাদর্শ চাপিয়ে দেওয়া যাবে না!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১১ |শিরোনাম=মার্কিন স্কুলগুলো পুনরায় খোলার বিষয়ে ট্রাম্পের চাপের মুখে ডাক্তার ও শিক্ষকদের অসম্মতি |লেখক=সুসান হেভি |সাময়িকী=রয়টার্স |ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/us-health-coronavirus-uda-education/in-bid-to-reopen-u-s-schools-trump-threatens-their-tax-exempt-status-idUSKBN24B2D3?il=0}}
* আমি একটি জটিল এলাকায় একটি বেসরকারি গোষ্ঠীর দ্বারা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে টাকা তুলে দেওয়ালের এই খুব ছোট অংশটি তৈরির বিরোধী ছিলাম। এটি কেবল আমাকে ছোট করার জন্য করা হয়েছিল এবং হয়ত এখন এটি কাজও করছে না। এটি দেওয়ালের বাকি ৫০০ মাইলের মতোই তৈরি করা উচিত ছিল।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১২ |শিরোনাম=সমর্থকদের অর্থায়নে নির্মিত দেওয়ালের অস্থিতিশীল অংশটি কেবল 'আমাকে ছোট করার জন্য করা হয়েছিল' বলে দাবি ট্রাম্পের |লেখক= ক্যাথরিন গার্সিয়া | সাময়িকী=দ্য উইক |ইউআরএল=https://theweek.com/speedreads/925124/trump-says-possibly-unstable-section-border-wall-funded-by-supporters-only-done-make-look-bad}}
* আমি এমন অনেককে চিনি যারা কনফেডারেট পতাকা পছন্দ করেন এবং তারা [[দাসত্ব]]ের কথা ভাবছেন না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১৮ |শিরোনাম=ট্রাম্প একটি কনফেডারেট পতাকার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন যেখানে তার অনেক সমর্থক আগেই হার মেনে নিয়েছে |লেখক= টিনা নগুয়েন | সাময়িকী=পলিটিকো |ইউআরএল=https://www.politico.com/news/2020/07/18/trump-confederate-flag-battle-368607}}
* দেখুন, আমি সবসময় সবকিছুর জন্য দায়িত্ব নিই কারণ শেষ পর্যন্ত এটি আমারই কাজ। আমাকে সবাইকে একই সারিতে আনতে হয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১৯ |শিরোনাম=করোনাভাইরাস নিয়ে সমালোচকদের জবাব দিলেন ট্রাম্প, বিশেষ সাক্ষাৎকারে কথা বললেন নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেবেন কি না তা নিয়ে |লেখক= রন ব্লিটজার | সাময়িকী=ফক্স নিউজ |ইউআরএল=https://www.foxnews.com/politics/trump-pushes-back-against-critics-on-coronavirus-addresses-whether-he-will-accept-election-results-in-exclusive-interview}}
* আমি সত্যি বলছি, আমি ফক্স নিউজের খুব একটা ভক্ত নই।
* আমরা দুই সপ্তাহের মধ্যে একটি স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনা সই করতে যাচ্ছি, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ এবং সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনা যা করার অধিকার ডাকা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত আমাকে দিয়েছে। তাই আমরা সমাধান করতে যাচ্ছি আমরা একটি অভিবাসন পরিকল্পনা, একটি স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনা এবং অন্যান্য আরও কিছু পরিকল্পনা সই করতে যাচ্ছি। আগামী চার সপ্তাহে আমি যা করতে যাচ্ছি তা আগে কেউ করেনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-১৯ |শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্প বনাম ফক্স নিউজ সানডে: একটি উত্তপ্ত সাক্ষাৎকারের কিছু বিশেষ মুহূর্ত |লেখক= আমান্ডা হোলপাচ | সাময়িকী=দ্য গার্ডিয়ান |ইউআরএল=https://www.theguardian.com/us-news/2020/jul/19/donald-trump-fox-news-sunday-chris-wallace-interview}}
* আসলে আপনি যখন ভালো কিছু দেখেন তখন সেটার কোনো তদন্ত বা যাচাই করেন না।
** মাঝেমধ্যে অদ্ভুত সব বিষয় রিটুইট করার অভ্যাস সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-২২ |শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বীকার করেছেন যে তিনি প্রায়ই নিজের টুইট নিয়ে আফসোস করেন, বলেছেন তার রিটুইটগুলো তাকে বিপদে ফেলে দেয় এবং সেই সব পুরোনো দিনের কথা মনে করেন যখন একটি চিঠি লিখে এক দিন ফেলে রাখা যেত |লেখক= এরিয়েল জিলবার | সাময়িকী=ডেইলি মেইল |ইউআরএল=https://www.dailymail.co.uk/news/article-8558493/Trump-says-regrets-Twitter-posts-admits-times-love-it.html}}
* এটি যদি আমার টেবিলে আসত তবে আমি অবশ্যই এ নিয়ে কিছু করতাম।
** আফগানিস্তানে আমেরিকানদের হত্যার জন্য রাশিয়া জঙ্গিদের পুরস্কার, এমন একটি মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের প্রেক্ষিতে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেন। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-২৮ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: ওষুধের দাম ও হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন নিয়ে ট্রাম্পের জাঁকজমকপূর্ণ কথা |লেখক=হোপ ইয়েন এবং ক্যালভিন উডওয়ার্ড | সাময়িকী=স্টার ট্রিবিউন |ইউআরএল=https://www.startribune.com/ap-fact-check-trump-hype-on-drug-costs-hydroxychloroquine/571989352/}}
* যেসব নৈরাজ্যবাদী, উস্কানিদাতা বা বিক্ষোভকারী পোর্টল্যান্ডের আমাদের ফেডারেল আদালত ভবন বা আমাদের যেকোনো শহর বা অঙ্গরাজ্যের ফেডারেল ভবন ভাঙচুর বা ক্ষতি করবে, তাদের আমাদের সম্প্রতি পুনরায় কার্যকর করা মূর্তি ও স্মৃতিস্তম্ভ আইনের আওতায় বিচার করা হবে। কমপক্ষে দশ বছরের জেল। এমনটা করবেন না!
** [https://mobile.twitter.com/Oijans/status/1346916360178302978 টুইটার] বার্তায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ২৮ জুলাই ২০২০।
* আমি মনে করি সে একটি চমৎকার প্রার্থী হতে পারে, [[কমলা হ্যারিস]]। সে একটি চমৎকার প্রার্থী হবে।
** কমলা হ্যারিসের উপ-রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য, যা একটি [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-marine-one-departure-072920/ হোয়াইট হাউসের প্রতিলিপি] থেকে পাওয়া।
* সার্বজনীন ডাকযোগে ভোট (অ্যাবসেন্ট ব্যালট নয়, যা আসলে ভালো) হওয়ার ফলে ২০২০ সালের নির্বাচন হবে ইতিহাসের সবথেকে ভুল এবং জালিয়াতিপূর্ণ নির্বাচন। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য চরম লজ্জার হবে। মানুষ যতক্ষণ না সঠিকভাবে এবং নিরাপদে ভোট দিতে পারে, ততক্ষণ কি নির্বাচন স্থগিত রাখা উচিত???
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট ({{উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1288818160389558273 |শিরোনাম=সার্বজনীন ডাকযোগে ভোট হওয়ার ফলে ২০২০ সালের নির্বাচন হবে ইতিহাসের সবথেকে ভুল এবং জালিয়াতিপূর্ণ নির্বাচন। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য চরম লজ্জার হবে। মানুষ যতক্ষণ না সঠিকভাবে এবং নিরাপদে ভোট দিতে পারে, ততক্ষণ কি নির্বাচন স্থগিত রাখা উচিত??? |তারিখ=২০২০-০৭-৩০ |সংগ্রহের-তারিখ=২০২০-০৭-৩০ |প্রকাশক=টুইটার |ভাষা=en-US |লেখক=ডোনাল্ড ট্রাম্প}})। এটি ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছিল এবং অনেক সংবাদ মাধ্যম এটি উদ্ধৃত করেছে, যেমন {{উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://www.bbc.co.uk/news/world-us-canada-53599363 |শিরোনাম=রিপাবলিকানদের ট্রাম্পের প্রতি বার্তা: আপনি ২০২০ সালের নির্বাচন পেছাতে পারেন না |তারিখ=২০২০-০৭-৩০ |সংগ্রহের-তারিখ=২০২০-০৭-৩০ |প্রকাশক=বিবিসি |ভাষা=en-GB}}।
* নির্বাচনের ফলাফল অবশ্যই নির্বাচনের রাতেই জানতে হবে, কয়েক দিন, মাস বা বছর পরে নয়!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৭-২৯ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: নির্বাচনের বিষয়ে ট্রাম্পের উত্তেজনা এবং বিকৃতি |লেখক=ক্যালভিন উডওয়ার্ড | সাময়িকী=সিয়াটেল টাইমস |ইউআরএল=https://www.seattletimes.com/nation-world/ap-fact-check-trumps-election-agitations-and-distortions/}}
* প্রথম দিকের প্রশ্নগুলো খুব সহজ। শেষের প্রশ্নগুলো অনেক বেশি কঠিন, যেমন স্মৃতিশক্তির একটি প্রশ্ন। এটি অনেকটা এমন যে আপনি বলছেন, '''"ব্যক্তি, নারী, পুরুষ, ক্যামেরা, টিভি"'''। তো তারা বলে, "আপনি কি এটি আবার বলতে পারবেন?" তো আমি বললাম, "হ্যাঁ। এটি হলো ব্যক্তি, নারী, পুরুষ, ক্যামেরা, টিভি।" ঠিক আছে। এটি খুব ভালো। আপনি যদি ধারাবাহিকভাবে বলতে পারেন, তবে আপনি অতিরিক্ত পয়েন্ট পাবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি|তারিখ=২০২০-০৭-২৩|শিরোনাম=মানসিক সক্ষমতা পরীক্ষায় রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের সাফল্য: ব্যক্তি, নারী, পুরুষ, ক্যামেরা, টিভি|লেখক=পিটার ওয়েড|সাময়িকী=রোলিং স্টোন|ইউআরএল=https://www.rollingstone.com/politics/politics-news/trump-cognitive-test-person-woman-man-camera-tv-1033002}}। মন্ট্রিয়ল কগনিটিভ অ্যাসেসমেন্ট দেওয়ার প্রসঙ্গে তিনি এই কথা বলেন।
* যখন তারা ধরা পড়ে, তারা বলে, “না, এটি তো আমার পরিবারের জন্য আনা সুপ।” তারা এতটাই নিষ্পাপ। “এটি আমার পরিবারের জন্য আনা সুপ।” এটি অবিশ্বাস্য। আর আপনারা দেখবেন মানুষ সুপের ব্যাগ নিয়ে আসছে, সুপের বিশাল বড় ব্যাগ। আর তারা সেগুলো মাটিতে রাখে, আর নৈরাজ্যবাদীরা সেগুলো নিয়ে আমাদের পুলিশদের দিকে ছুড়তে শুরু করে। আর এটি যদি আপনাকে আঘাত করে, তবে তা ইটের চেয়েও বেশি ক্ষতিকর কারণ এতে অনেক গতি থাকে। এটি একদম সঠিক মাপের। এটি যেন একদম নিখুঁতভাবে তৈরি করা হয়েছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি|তারিখ=২০২০-০৯-০২|শিরোনাম=বোঝা যাচ্ছে যে ট্রাম্প অ্যান্টিফার নতুন গোপন অস্ত্র ‘সুপ’ নিয়ে খুব আতঙ্কিত|লেখক=সারাহ মিডকিফ| সাময়িকী=রিফাইনারি২৯|ইউআরএল=https://www.refinery29.com/en-us/2020/09/10001730/trump-cans-bags-of-soup-antifa-protestors}}
====আগস্ট ২০২০====
* ওষুধ কোম্পানিগুলো যখন আমার বিরুদ্ধে বড় বড় টেলিভিশন বিজ্ঞাপন দেয়, তখন তারা যা বলে (যা মিথ্যা) তা ভুলে যান, আপনারা জানেন যে ওষুধের দাম অনেক কমছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৮-০২ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: ওষুধের দাম ও হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন নিয়ে ট্রাম্পের জাঁকজমকপূর্ণ কথা |লেখক=হোপ ইয়েন এবং ক্যালভিন উডওয়ার্ড | সাময়িকী=এপি নিউজ |ইউআরএল=https://apnews.com/d7f1d2003aeaa95466e12b875b7b4619}}
* এক অবৈধ নৈশ ক্যুর মাধ্যমে নেভাদার ক্লাবহাউস গভর্নর রিপাবলিকানদের জন্য সেই অঙ্গরাজ্যে জেতা অসম্ভব করে তুলেছেন। প্রস্তুতি ছাড়া ডাকবিভাগ কখনোই ডাকযোগে পাঠানো ভোটের চাপ সামলাতে পারবে না। কভিডকে ব্যবহার করে অঙ্গরাজ্যটি চুরি করা হচ্ছে। আদালতে দেখা হবে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=কুইন্ট ফোরজি | তারিখ=২০২০-০৮-০৩ |শিরোনাম=নেভাদায় ডাকযোগে ভোট বন্ধ করতে ট্রাম্পের মামলার হুমকি | সাময়িকী=পলিটিকো | ইউআরএল=https://www.politico.com/news/2020/08/03/trump-nevada-mail-voting-lawsuit-390878}}
* আপনি একে ডাকযোগে ভোট বলুন বা অ্যাবসেন্ট ভোটিং, ফ্লোরিডায় নির্বাচনী ব্যবস্থা নিরাপদ ও সুরক্ষিত, এটি পরীক্ষিত ও সত্য। ফ্লোরিডার ভোটদান ব্যবস্থা পরিষ্কার করা হয়েছে (আমরা ডেমোক্র্যাটদের পরিবর্তনের চেষ্টা নস্যাৎ করেছি), তাই '''ফ্লোরিডায় আমি সবাইকে ব্যালটের অনুরোধ করতে এবং ডাকযোগে ভোট দিতে উৎসাহিত করি!''' #এমএজিএ
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=বেটসি ক্লেইন | তারিখ=২০২০-০৮-০৩ |শিরোনাম=আপাত দৃষ্টিতে অবস্থান বদলে ফ্লোরিডাবাসীকে ডাকযোগে ভোট দিতে উৎসাহিত করলেন ট্রাম্প | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/04/politics/donald-trump-mail-in-voting-florida/index.html}}
* বড় ধরনের কারচুপি ছাড়া ডাকযোগে ভোট সম্পন্ন হওয়ার কোনো উপায় নেই।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | তারিখ=২০২০-০৮-০৩ |শিরোনাম=জোনাথন সোয়ান ট্রাম্পের মিথ্যা ফাঁস করার সহজ রহস্য উন্মোচন করেছেন: মৌলিক ফলো-আপ প্রশ্ন | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/04/politics/fact-check-jonathan-swan-axios-hbo-interview-trump-coronavirus/index.html}}
* আমি যখন দায়িত্ব নিই, তখন আমাদের কাছে কোনো পরীক্ষাই ছিল না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] উল্লেখ করেছেন যে ২০১৭ সালে, ২০১৯ সালে আবির্ভূত করোনাভাইরাসের জন্য কোনো পরীক্ষা ছিল না, যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি | লেখক=স্টিভ বেনেন | তারিখ=২০২০-০৮-০৩ |শিরোনাম=ভাইরাস পরীক্ষার বিরুদ্ধে যুক্তি দিতে কাল্পনিক ''ম্যানুয়ালের'' কথা বলছেন ট্রাম্প | সাময়িকী=এমএসএনবিসি | ইউআরএল=https://www.msnbc.com/rachel-maddow-show/trump-points-imagined-manuals-argue-against-virus-tests-n1235815}}
* আমরা অবিশ্বাস্য কাজ করেছি, সবকিছু নিয়ন্ত্রণে আছে। [যুক্তরাষ্ট্রের [[কোভিড-১৯ অতিমারী]] পরিস্থিতি সামলানো প্রসঙ্গে]
** এইচবিওতে অ্যাক্সিওসের জোনাথন সোয়ানের সাথে [https://www.youtube.com/watch?v=zaaTZkqsaxY সাক্ষাৎকারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
* বিস্ফোরণের ধরণ দেখে মনে হচ্ছে এটি তেমনই ছিল। আমি আমাদের কয়েকজন বড় জেনারেলের সাথে দেখা করেছি এবং তাদের মনে হয়েছে যে এটি এমনই ছিল। এটি কোনো উৎপাদন সংক্রান্ত বা কারখানার বিস্ফোরণ জাতীয় ঘটনা ছিল না... তারা মনে করছেন এটি একটি হামলা ছিল। হ্যাঁ, এটি কোনো এক ধরনের বোমা ছিল।
** বৈরুতের বিস্ফোরণকে দুর্ঘটনা না বলে কেন তিনি হামলা বলছেন, এই প্রশ্নের জবাবে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি | লেখক=ডার্লিন সুপারভিল/এপি | তারিখ=২০২০-০৮-০৪ |শিরোনাম= বৈরুতের বিশাল বিস্ফোরণ সম্ভবত একটি 'হামলা', বললেন ট্রাম্প | সাময়িকী=টাইম |ইউআরএল=time.com/5875784/trump-explosion-beirut-attack/ }}
* '''প্রশ্ন''': যদি প্রেসিডেন্ট ওবামার সময়ে ১,৬০,০০০ মানুষ মারা যেত, আপনার কি মনে হয় আপনি তার পদত্যাগ দাবি করতেন?
: '''[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]''': না, আমি তা করতাম না। আমার মনে হয় আমরা যা করতে পেরেছি তা অবিশ্বাস্য। আমরা যদি আমাদের দেশ বন্ধ না করতাম, তবে ইতিমধ্যেই ১৫ বা ২০ লক্ষ মানুষ মারা যেত। আমরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি; এখন আমাদের এটি বন্ধ করতে হবে না। আমরা রোগটি বুঝি। কেউ এটি বোঝেনি কারণ কেউ এর আগে এমন কিছু দেখেনি। সবথেকে কাছাকাছি ঘটনা হলো ১৯১৭ সাল, তারা যেমনটা বলে, তাই তো? সেই মহান অতিমারীটি অবশ্যই একটি ভয়াবহ বিষয় ছিল, যেখানে তারা ৫ থেকে ১০ কোটি মানুষ হারিয়েছিল। সম্ভবত এটিই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ করে দিয়েছিল; সব সৈন্যরা অসুস্থ ছিল। সেটি একটি ভয়াবহ পরিস্থিতি ছিল। আর এটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে। এটি অত্যন্ত, অত্যন্ত ছোঁয়াচে। না, আমি যদি অনেকের কথা শুনতাম, তবে আমরা এটি খোলা রাখতাম। আর এখন আমরা এটি পুরো সময় খোলাই রাখছি। আমরা এটি খোলা রাখি। কিন্তু আমরা যদি এটি খোলা রাখতাম, তবে এখন ১৫ বা ২০ লক্ষ মানুষ—১৫ থেকে ২০ লক্ষ মানুষ মারা যেতে পারত। আমাদের লোকেরা চমৎকার কাজ করেছে,আমাদের পরামর্শক এবং ডাক্তাররা। আপনারা জানেন, অনেক মতভেদ আর অনেক কিছুর মাঝেই এটি হয়েছে।
:* [https://www.whitehouse.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-press-briefing-august-10-2020/ ''১০ আগস্ট ২০২০-এর সাংবাদিক বৈঠকে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বক্তব্য''], প্রকাশিত হয়েছে: ১১ আগস্ট ২০২০, ''whitehouse.gov''।
:* দ্রষ্টব্য: অক্টোবর ২০১৪-এ ডোনাল্ড ট্রাম্প [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/525431218910027776 টুইট] করেছিলেন যে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা-র পদত্যাগ করা উচিত কারণ গিনিতে ইবোলা রোগীদের চিকিৎসা করা একজন ডাক্তার যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে এসেছিলেন, যা স্নোপসের [https://www.snopes.com/fact-check/trump-obama-ebola-tweet/ ইবোলা চিকিৎসক যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার পর ট্রাম্প কি ওবামার পদত্যাগ দাবি করেছিলেন?] শীর্ষক প্রতিবেদনে (১৫ মে ২০২০) প্রকাশিত হয়েছে। আর ১৯১৮ সালের ফ্লু অতিমারী ১৯১৮ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯২০ সালের এপ্রিল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল, যা ১৯৩৯ সালে শুরু হওয়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অনেক আগের ঘটনা।
* বাইডেন যদি জেতেন, তবে তিনি সবার কর দ্বিগুণ, তিনগুণ বাড়িয়ে দেবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল, হোমস লিব্র্যান্ড এবং তারা সুব্রামানিয়াম | তারিখ=২০২০-০৮-০৪ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ব্রিফিংগুলোতে মিথ্যা দাবি আর অতিরঞ্জিত করার অভ্যাসে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন ট্রাম্প | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/12/politics/donald-trump-press-briefing-biden-tax-plan-coronavirus-fact-check/index.html}}
* নচ্ছাড়
* ভয়াবহ
* এমন একজন যে অনেক অনেক অসত্য গল্প বলেছে
* অস্বাভাবিকভাবে নচ্ছাড়
* এমন এক পর্যায়ের নচ্ছাড় যা স্রেফ একটি জঘন্য ব্যাপার
* [[জো বাইডেন]]ের প্রতি খুবই নচ্ছাড়
* সম্ভবত পোকাহন্টাসের চেয়েও বেশি নচ্ছাড়
* মার্কিন সেনেটের যে কারো চেয়ে সবথেকে নীচ, সবথেকে ভয়াবহ এবং সবথেকে অসম্মানজনক।
** [[কমলা হ্যারিস]] সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি ফোর্বসে অ্যান্ড্রু সোলেন্ডার উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি | লেখক=অ্যান্ড্রু সোলেন্ডার | তারিখ=২০২০-০৮-১১ | শিরোনাম=হোয়াইট হাউসের ব্রিফিংয়ে কমলা হ্যারিসকে বারবার 'নচ্ছাড়' ও 'ভয়াবহ' বললেন ট্রাম্প | সাময়িকী=ফোর্বস | ইউআরএল=https://www.forbes.com/sites/andrewsolender/2020/08/11/trump-repeatedly-calls-kamala-harris-nasty-and-horrible-in-white-house-briefing/#440e0fb54570}}
* ইউরোপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে অতিরিক্ত মৃত্যুহার প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি।
** করোনাভাইরাস নিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি | লেখক=জেসিকা ম্যাকডোনাল্ড | তারিখ=২০২০-০৮-১১ | শিরোনাম=বিভ্রান্তিকর এবং ত্রুটিপূর্ণ অতিরিক্ত মৃত্যুর পরিসংখ্যান দিলেন ট্রাম্প | সাময়িকী= FactCheck.org | ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/08/trump-touts-misleading-and-flawed-excess-mortality-statistic/}}
* আমি যদি নির্বাচনে না জিতি, তবে চীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মালিক হয়ে যাবে আপনাদের চীনা ভাষা বলা শিখতে হবে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=জাস্টিন প্যারাগোনা | তারিখ=২০২০-০৮-১২ |শিরোনাম=ট্রাম্প: বাইডেনের কাছে হারলে চীনা ভাষা শিখতে প্রস্তুত থাকুন | সাময়িকী=ডেইলি বিস্ট | ইউআরএল=https://www.thedailybeast.com/trump-if-i-lose-to-biden-get-ready-to-have-to-learn-to-speak-chinese/}}
* এখন, ডাকবিভাগকে সচল রাখার জন্য তাদের সেই অর্থের প্রয়োজন, যাতে তারা এই লক্ষ লক্ষ ব্যালট সামলাতে পারে। এখন, আমরা যদি কোনো চুক্তিতে না আসি, তার মানে তারা সেই টাকা পাবে না। তার মানে তারা সার্বজনীন ডাকযোগে ভোট ব্যবস্থা করতে পারবে না, তারা স্রেফ পারবে না।
** (১৩ আগস্ট ২০২০) [https://abcnews.go.com/Politics/trump-opposes-funding-usps-bid-block-vote-mail/story?id=72353322 ডাকযোগে ভোট বাধা দেওয়ার লক্ষ্যে ট্রাম্প ইউএসপিএসর তহবিল দেওয়ার বিরোধিতা করার পর সুর বদলালেন] ''এবিসি নিউজএ'' প্রকাশিত [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য।
* ডেমোক্র্যাট শহরগুলো ছেড়ে দিন। সেগুলোকে পচতে দিন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] একজন সমর্থকের বার্তা রিটুইট করেছেন, {{উদ্ধৃতি | লেখক=জেমস গর্ডন | তারিখ=২০২০-০৮-১৬ |শিরোনাম='তাদের পচতে দিন!': নিউ ইয়র্ক বা শিকাগোর মতো ডেমোক্র্যাট শাসিত শহর ত্যাগের আহ্বানে সমর্থকের বার্তায় ট্রাম্পের রিটুইট | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://www.dailymail.co.uk/news/article-8633677/Let-rot-Trump-retweets-supporters-message-democrat-cities.html}}
* যাই হোক, নিউজিল্যান্ডে বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছিল।
** কভিড-১৯ ভাইরাস সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন, যা সেই সময় নিউজিল্যান্ডে মোট ২২ জনের মৃত্যুর কারণ হয়েছিল। {{উদ্ধৃতি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | তারিখ=২০২০-০৮-১৮ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ট্রাম্প নিউজিল্যান্ডে 'বড় প্রাদুর্ভাব' হয়েছে বললেও দেশটিতে বৃহস্পতিবার মাত্র ৫ জন আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/20/politics/fact-check-trump-new-zealand-outbreak/index.html}}
* আমি আবার দেখছি দাবানল শুরু হচ্ছে। ক্যালিফোর্নিয়াতে এগুলো আবার শুরু হচ্ছে। আমি বলেছিলাম, আপনাদের মেঝে পরিষ্কার করতে হবে, আপনাদের জঙ্গল পরিষ্কার করতে হবে সেখানে অনেক বছরের জমে থাকা পাতা আর ভাঙা গাছ আছে এবং সেগুলো খুবই দাহ্য, আপনি ছোঁয়া দিলেই জ্বলে ওঠে। সম্ভবত আমাদের তাদের দিয়ে এর খেসারত দেওয়াতে হবে কারণ তারা আমাদের কথা শোনে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=জেরেমি বি. হোয়াইট | তারিখ=২০২০-০৮-১৯ |শিরোনাম=দাবানলের জন্য ক্যালিফোর্নিয়াকে দায়ী করে ট্রাম্প বললেন 'আপনাদের মেঝে পরিষ্কার করতে হবে' | সাময়িকী=পলিটিকো | ইউআরএল=https://www.politico.com/states/california/story/2020/08/20/trump-blames-california-for-wildfires-tells-state-you-gotta-clean-your-floors-1311059}}
* আমি এই প্রজেক্ট বা প্রকল্প সম্পর্কে কিছুই জানি না, শুধু এটুকু ছাড়া যে আমি যখন এটি সম্পর্কে পড়েছিলাম তখন এটি আমার পছন্দ হয়নি, একদমই পছন্দ হয়নি।
* মিস্টার ব্যাননের জন্য এটি খুব দুঃখজনক। আমি অন্য কাউকেও চিনতাম না।
** ব্যক্তিগতভাবে পরিচালিত ‘উই বিল্ড দ্য ওয়াল’ প্রকল্প সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=অ্যান্ড্রু কাচিনস্কি, এম স্টেক | তারিখ=২০২০-০৮-২০ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: অস্বীকার করলেও বেসরকারি সীমান্ত দেওয়াল প্রকল্পের সাথে জড়িত বেশিরভাগ মানুষকেই চেনেন ট্রাম্প | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/20/politics/fact-check-trump-private-border-wall-project/index.html}}
* তাদের জেতার একমাত্র উপায় হলো একটি সাজানো নির্বাচন। আমি সত্যিই এটা বিশ্বাস করি। আমি বাইরের ভিড় দেখেছি।
** [[ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)]] সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | তারিখ=২০২০-০৮-২০ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: বাইডেনকে আক্রমণ করে পেনসিলভানিয়ায় দেওয়া ভাষণে ট্রাম্পের একগুচ্ছ মিথ্যা দাবি | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/20/politics/trump-false-claims-pennsylvania-speech-biden-fact-check/index.html}}
* আমাদের কাছে শেরিফ থাকবে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা থাকবে, এবং আমরা আশা করছি ইউএস অ্যাটর্নি এবং অ্যাটর্নি জেনারেলসহ সবাই থাকবে।
** ভোটার জালিয়াতি পর্যবেক্ষণ ও প্রতিরোধের পরিকল্পনা সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=তারা সুব্রামানিয়াম | তারিখ=২০২০-০৮-২১ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: রাষ্ট্রপতি কি ভোটকেন্দ্রে আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের পাঠাতে পারেন? | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/21/politics/donald-trump-law-enforcement-election-polls-fact-check/index.html}}
* এফডিএ-তে থাকা ডিপ স্টেট বা অন্য যে কেউ, ওষুধ কোম্পানিগুলোর জন্য ভ্যাকসিন এবং থেরাপিউটিক পরীক্ষার লোক পাওয়া খুব কঠিন করে দিচ্ছে। স্পষ্টতই, তারা আশা করছে ৩রা নভেম্বরের পর পর্যন্ত এর ফলাফল পিছিয়ে দিতে। আমাদের অবশ্যই গতি বাড়ানো এবং জীবন বাঁচানোর দিকে মনোযোগ দিতে হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | লেখক=হোপ ইয়েন, ক্যালভিন উডওয়ার্ড | তারিখ=২০২০-০৮-২৪ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: এফডিএ-তে 'ডিপ স্টেট' থাকা নিয়ে ট্রাম্পের ভিত্তিহীন দাবি | সাময়িকী=পিটসবার্গ পোস্ট-গেজেট | ইউআরএল=https://www.post-gazette.com/business/powersource/2020/08/24/AP-FACT-CHECK-Trump-s-baseless-claim-of-deep-state-at-FDA/stories/202008240037}}
==== সেপ্টেম্বর ২০২০ ====
* পুরো শহরটা সারাক্ষণ আগুনে পুড়ছে।
** পোর্টল্যান্ড সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৯-০১ |শিরোনাম=বাইডেন এবং বিক্ষোভ নিয়ে ট্রাম্পের আরও কিছু মিথ্যা দাবি | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল, তারা সুব্রামানিয়াম, হোমস লিব্র্যান্ড | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/08/31/politics/trump-kenosha-briefing-fact-check/index.html}}
* গত এক সপ্তাহে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া আর মারা যাওয়ার হার অনেক কমে গেছে।
** কোভিড-১৯ অতিমারী সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-০৯-০৩ |শিরোনাম=এমনকি ফক্স নিউজও ট্রাম্পের জনসভাগুলো পুরো প্রচার করছে না, তবে তার মিথ্যাচারগুলো এখনো অবাক করার মতো |লেখক=ব্রায়ান স্টেল্টার | সাময়িকী=সিএনএন |ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/04/media/donald-trump-pennsylvania-reliable-sources/index.html}}
* ডাউ জোনস সূচক এইমাত্র ২৯,০০০ ছাড়িয়েছে! আমাকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে পাওয়া আপনাদের অনেক বড় ভাগ্য। জো বাইডেন ক্ষমতায় থাকলে এটা ধসে পড়ত।
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1301249968091455488 [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট]
* ওর মতো মাস্ক পাগল মানুষ কি আগে কখনো দেখেছেন? মাস্কটা সারাক্ষণ ঝুলে থাকে। ও মনে করে এতেই ও নিরাপদ। আমি যদি কোনো মানসিক ডাক্তার হতাম, তবে বলতাম এই লোকের মাথায় নিশ্চয়ই বড় কোনো সমস্যা আছে। শুধু ঝুলেই থাকে।
** জো বাইডেনের মাস্ক পরা নিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের বিদ্রূপ, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-০৪ |শিরোনাম=মাস্ক পরার ধরন নিয়ে জো বাইডেনকে উপহাস করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প | সাময়িকী=ইন্ডিপেন্ডেন্ট.আইই | ইউআরএল=https://www.independent.ie/videos/donald-trump-mocks-joe-biden-for-manner-of-wearing-mask-39502878.html}}
* আপনার ভোট যদি গোনা না হয়ে থাকে, তবে আবার গিয়ে ভোট দিন এটা প্রতিটি নাগরিকের অধিকার। বোতাম টিপে ভোট দিয়ে দিন। আপনার ওই ডাকযোগে পাঠানো ব্যালট যদি পরে পৌঁছায়, তবে সেটা আর গোনা হবে না কারণ আপনি আগেই ভোট দিয়ে দিয়েছেন। এভাবে আপনার ভোট নিশ্চিতভাবে গোনা হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] দুইবার ভোট দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন, যা একটি অপরাধ। যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-০৪ | শিরোনাম=কর্তৃপক্ষের সতর্কতা উপেক্ষা করে আবারও সমর্থকদের দুইবার ভোট দেওয়ার পরামর্শ দিলেন ট্রাম্প | লেখক= ডায়ান গ্যালাঘের, ক্যারোলিন কেলি, মার্শাল কোহেন, ব্রায়ান রোকাস | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/05/politics/trump-vote-twice-north-carolina/index.html}}
* পেন্টাগনের বড় বড় কর্তারা... সারাক্ষণ শুধু যুদ্ধ করতে চায়। যাতে বোমা আর প্লেন বানানো কোম্পানিগুলো খুশি থাকে।
** হোয়াইট হাউসের সামনে এক [https://www.trtworld.com/americas/trump-pentagon-chiefs-fighting-wars-to-oblige-arms-companies-39561 সংবাদ সম্মেলনে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (৭ সেপ্টেম্বর ২০২০)।
* অপারেশন ওয়ার্প স্পিডের মাধ্যমে আমরা চিকিৎসার নতুন পথ খুঁজেছি। এতে গত এপ্রিলের তুলনায় মৃত্যুর হার ৮৫% কমে গেছে।
* পারমাণবিক শক্তির দিক থেকে আমরা অনেক এগিয়ে আছি। আমরা এর অনেক উন্নতি করেছি।
* যখন খবর আসে যে কিছু দেশ আমাকে খুব একটা পছন্দ করে না, তা সবসময় আমার ব্যক্তিত্বের জন্য নয়তবে সত্যি বলতে, সেটাও একটা কারণ হতে পারে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-০৮ | শিরোনাম=ডোনাল্ড ট্রাম্পের সংবাদ সম্মেলনের ৩৭টি অদ্ভুত উক্তি | লেখক= ক্রিস সিলিঞ্জা | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/08/politics/donald-trump-labor-day-press-conference/index.html}}
* মার্কিন প্রেসিডেন্টই সব শেষ সিদ্ধান্ত নেন।
* বব উডওয়ার্ড যদি মনেই করত আমি যা বলেছি তা ভুল, তবে সাথে সাথেই ওর উচিত ছিল প্রশাসনকে জানানো যাতে তারা প্রস্তুতি নিতে পারত।
** বব উডওয়ার্ডকে দেওয়া সাক্ষাৎকার প্রসঙ্গে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১০ | শিরোনাম=কাউকে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মনে করিয়ে দেওয়া দরকার যে বব উডওয়ার্ড মার্কিন প্রেসিডেন্ট নন | লেখক= ক্রিস সিলিঞ্জা | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/10/politics/trump-bob-woodward-rage/index.html}}
* আমার মনে হয় ও বোধহয় কোনো নেশা-টেশা করে।
** জো বাইডেন সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১০ | শিরোনাম=বাইডেনের বিরুদ্ধে মাদক নেওয়ার অভিযোগ আনতে ফক্স নিউজের সাক্ষাৎকারকে ব্যবহার করলেন ট্রাম্প | লেখক= মার্টিন পেঙ্গেলি | সাময়িকী=দ্য গার্ডিয়ান | ইউআরএল=https://www.theguardian.com/us-news/2020/sep/12/trump-biden-drugs-fox-news-interview}}
* আপনার গভর্নরকে বলুন রাজ্যটা খুলে দিতে।
** ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০-এ সমর্থকদের সামনে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। এ প্রসঙ্গে [https://www.usatoday.com/story/news/politics/elections/2020/09/13/donald-trump-latino-voters-las-vegas-ahead-rally/5784501002/ ''নেভাদার গভর্নর স্টিভ সিসোলাক বলেছেন যে ট্রাম্প ঘরোয়া পরিবেশে জনসভা করে নিজের স্বার্থপরতা দেখিয়েছেন''] প্রতিবেদনটি উল্লেখযোগ্য।
* বয়স্কদের যে এতো সহজে আক্রান্ত হতে পারে, তা কেউ আগে জানত না।
** করোনাভাইরাস সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১৬ | শিরোনাম=এবিসি টাউন হলে ট্রাম্প অন্তত ২২টি ভুল দাবি করেছেন | লেখক= ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/16/politics/fact-check-trump-abc-town-hall/index.html}}
* আমরা খুব দ্রুত আর নিরাপদভাবে টিকা পৌঁছে দেওয়ার জন্য কাজ করছি। আমাদের মনে হয় অক্টোবরের দিকেই শুরু করতে পারব। ঘোষণা হওয়ার সাথে সাথেই আমরা কাজ শুরু করে দেব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১৬ | শিরোনাম=টিকার গতি নিয়ে ট্রাম্প আবারও বাড়িয়ে কথা বলেছেন | লেখক= জেসিকা ম্যাকডোনাল্ড | সাময়িকী=ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি | ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/09/trump-again-overstates-speed-of-covid-19-vaccine-rollout/}}
* এফডিএ অনুমোদন দিলেই ২০২০ সালের শেষ নাগাদ আমরা ১০ কোটি ডোজ টিকা বিলি করতে পারব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি উদ্ধৃতি হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১৬ | শিরোনাম=ট্রাম্প বলেছেন ২০২০ সালের মধ্যে অন্তত ১০ কোটি টিকা দেওয়া সম্ভব হবে | লেখক= রয়টার্স কর্মী | সাময়িকী=রয়টার্স| ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/healthcoronavirus-trump-vaccine/trump-says-u-s-could-distribute-at-least-100-million-covid-vaccine-doses-by-end-of-2020-idINW1N2FG089}}
* পেনসিলভ্যানিয়ায় কী হচ্ছে দেখেছেন? ওখানকার সুপ্রিম কোর্টের জজ নাকি রায় দিয়েছেন যে ভোট গুনতে তারা যত খুশি সময় নিতে পারবে। তার মানে গতবারের মতো এবারও আমিই ওখানে জিততে যাচ্ছি। খুব সহজেই জিতব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-১৬ | শিরোনাম=পেনসিলভানিয়াতে ভোট গণনা নিয়ে ট্রাম্পের ভুল বক্তব্য | লেখক= রেম রিডার | সাময়িকী=ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি| ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/09/trumps-false-statement-about-counting-ballots-in-pennsylvania/}}
* বামপন্থী দাঙ্গাবাজরা আমাদের মহান নেতাদের মূর্তি ভেঙে ফেলছে, স্মৃতিস্তম্ভ নষ্ট করছে আর বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে। ওরা বলে "আমেরিকা কোনোদিনই মহান ছিল না"। ওরা পুলিশকেও আক্রমণ করছে। তাদের লক্ষ্য একটাই সত্য গোপন করা আর আমেরিকানদের ভয় দেখিয়ে তাদের সংস্কৃতি আর ঐতিহ্য ভুলিয়ে দেওয়া।
** [https://trumpwhitehouse.archives.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-white-house-conference-american-history/ আমেরিকান ইতিহাস বিষয়ক হোয়াইট হাউস সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য] (১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০)
* যারা আমেরিকান পতাকা পোড়াচ্ছে, তারা আসলে আমাদের মূল নীতিগুলোকেও পুড়িয়ে দিতে চায়। ওরা চায় আমেরিকানরা যেন নিজেদের পরিচয় আর বিশ্বাসের ওপর ভরসা হারিয়ে ফেলে। বামপন্থীদের এই সাংস্কৃতিক বিপ্লব আসলে আমেরিকার মূল আদর্শকেই উৎখাত করার জন্য তৈরি হয়েছে।
** [https://trumpwhitehouse.archives.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-white-house-conference-american-history/ আমেরিকান ইতিহাস বিষয়ক হোয়াইট হাউস সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য] (১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০)
* বামপন্থীরা মিথ্যা দিয়ে আমেরিকার ইতিহাসকে নষ্ট করে দিয়েছে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের সেই ১৬১৯ প্রজেক্ট এর বড় প্রমাণ। ওরা শিশুদের শেখাচ্ছে যে আমেরিকা শোষণ আর অত্যাচারের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। অথচ আমেরিকা তো দাসত্ব শেষ করেছে, মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে আর এক সমৃদ্ধ জাতি গড়ে তুলেছে।
** [https://trumpwhitehouse.archives.gov/briefings-statements/remarks-president-trump-white-house-conference-american-history/ আমেরিকান ইতিহাস বিষয়ক হোয়াইট হাউস সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য] (১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০)
* আমি শিনজোকে বললাম, ‘শিনজো, দয়া করে আমার একটা কথা শোনো। আমাদের দেশে আরও গাড়ি কারখানা দরকার। ওগুলো জাপানে না বানিয়ে আমাদের এখানে বানাও।’ ও প্রথমে মানতে চায়নি, কিন্তু আমি জোর দিয়ে বললাম। পরের দিনই খবর এল: ‘মিশিগানে পাঁচটা বড় বড় গাড়ি কারখানা চালু হচ্ছে।’
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-২১ | শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: ট্রাম্পের বানানো গাড়ি কারখানার গল্প | লেখক= হোপ ইয়েন, ক্যালভিন উডওয়ার্ড, টম ক্রিশার | সাময়িকী=এপি | ইউআরএল=https://apnews.com/ec85b88102464c9651d32b475c01c183}}
* আমিই এটা বাঁচিয়েছি। আমাদের কয়লা খনির শ্রমিকদের আবার কাজে ফিরিয়েছি।
** কয়লা খনি শিল্প সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-২১ | শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: কর্মসংস্থান নিয়ে ট্রাম্পের ভুল দাবি | লেখক= ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/23/politics/fact-check-trump-jobs-manufacturing-coal/index.html}}
* এখন আমরা সত্যিটা জানি। এই ভাইরাস কেবল বয়স্ক আর অসুস্থ মানুষদের ওপর প্রভাব ফেলে। তরুণদের কিছু হয় না। ওদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশি। সত্যি বলতে, এটি আসলে প্রায় কাউকেই ছুঁতে পারে না। এটি একটি আশ্চর্যজনক বিষয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-২২ | শিরোনাম=ট্রাম্প বললেন করোনাভাইরাস আসলে কারো ওপর প্রভাব ফেলে না | লেখক= কাশ্মীরা গ্যান্ডার | সাময়িকী=নিউজউইক | ইউআরএল=https://www.newsweek.com/trump-covid-virtually-nobody-rally-ohio-1533452}}
* আমরা পেনসিলভানিয়াতে এগিয়ে আছি। ফ্লোরিডায় এগিয়ে আছি। আমার মনে হয় সব জায়গাতেই আমি এগিয়ে আছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-২৮ | শিরোনাম=সপ্তাহান্তে ট্রাম্পের দাবিগুলোর ফ্যাক্ট-চেকিং | লেখক=লরি রবার্টসন | সাময়িকী=ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি | ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/09/factchecking-trumps-weekend-claims/}}
* ওষুধের দাম ৮০ বা ৯০ শতাংশ কমে যাবে।
**পুরো নির্বাচনটাই আগে থেকে সাজানো।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-৩০ | শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: বিতর্কে ট্রাম্প ও বাইডেনের ভুল দাবি | লেখক=এপি কর্মী | সাময়িকী=এমপিআর নিউজ| ইউআরএল=https://www.mprnews.org/story/2020/09/30/fact-check-false-claims-flood-trumpbiden-debate}}
* আমি আজ পড়েছি যে ২০১৬ সালেও ১% ব্যালট বাতিল করা হয়েছিল। ওরা এগুলো যেখানে সেখানে ফেলে দেয়। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় ডাকপিয়নরা নাকি ব্যালট বিক্রি করে দিচ্ছে। ময়লার ঝুড়িতেও ট্রাম্পের নাম লেখা ব্যালট পাওয়া গেছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি | তারিখ=২০২০-০৯-৩০ | শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: ডাকযোগে ভোট নিয়ে ট্রাম্পের প্রায় সব দাবিই ভুল ছিল | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন| ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/09/30/politics/fact-check-trump-first-debate-mail-voting-fraud/index.html}}
* আমার প্রশাসন ধর্মপ্রাণ আমেরিকানদের জন্য লড়া কোনোদিন থামাবে না।
** ২০২০ সালের জনসভায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০-এর [https://www.theatlantic.com/politics/archive/2020/09/trump-secretly-mocks-his-christian-supporters/616522/ আটলান্টিক] নিবন্ধ অনুযায়ী।
==== অক্টোবর ২০২০ ====
[[File:Interfaith Health Care Vigil 6291113.jpg|thumb|ট্রাম্প আর পেন্সের উচিত মানুষকে মুক্তি দেওয়া। ওরা গরিব আর অল্প আয়ের মানুষদের জিম্মি করে রেখেছে, জরুরি পরিষেবার কর্মীদের জিম্মি করে রেখেছে। এই দেশে এখন পরিবর্তনের সময় এসেছে। ~ রেভ. উইলিয়াম বারবার ২ ]]
* আমাদের মহান যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক উদ্দীপনা চায় এবং এর প্রয়োজন আছে। সবাই মিলে কাজ করে এটা সফল করুন। ধন্যবাদ!
**[https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1312449034154504192 টুইটারের মাধ্যমে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ৩ অক্টোবর ২০২০
* আমি আমার প্রতিনিধিদের নির্দেশ দিয়েছি নির্বাচনের আগে পর্যন্ত আলোচনা বন্ধ রাখতে। আমি জেতার সাথে সাথেই আমরা একটা বড় স্টিমুলাস বিল পাস করব, যা পরিশ্রমী আমেরিকান আর ছোট ব্যবসার ওপর জোর দেবে।
** [https://www.axios.com/trump-coronavirus-stimulus-negotiations-7d464d0e-924f-46f5-90d2-9e8097c9c8f7.html ট্রাম্প বলেছেন তিনি নির্বাচনের আগে কভিড সহায়তা নিয়ে আলোচনা করবেন না] নিবন্ধ অনুযায়ী [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* আফগানিস্তানে আমাদের যে অল্প সংখ্যক সাহসী নারী-পুরুষ কাজ করছেন, বড়দিনের মধ্যেই তাদের বাড়ি ফিরিয়ে আনা উচিত!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1313984510749544450 টুইটারের মাধ্যমে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ৭ অক্টোবর ২০২০
* অর্থনীতির ক্ষেত্রে আমার মনে হয় ডোনাল্ড ট্রাম্প আর [[জো বাইডেন]]ের মধ্যে এক মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। জো বাইডেন বিশ্বাস করেন যে আমেরিকান শ্রমিক আর আমেরিকান পরিবারের সুস্বাস্থ্যের ওপর ভিত্তি করে অর্থনীতির শক্তি মাপা উচিত। অন্যদিকে '''ডোনাল্ড ট্রাম্প ধনীদের অবস্থার ওপর ভিত্তি করে অর্থনীতির শক্তি মাপেন। এই কারণেই তিনি একটি কর বিল পাস করেছিলেন যা শীর্ষ ১% ধনী আর আমেরিকার বড় বড় কোম্পানিগুলোকে সুবিধা দেয়। এর ফলে ২ ট্রিলিয়ন ডলারের ঘাটতি তৈরি হয়েছে যা আমেরিকানদেরই শোধ করতে হবে। পেন্স আর ট্রাম্প কেবল পুলিশি সহিংসতার ক্ষেত্রেই বর্ণবাদ অস্বীকার করছেন না, তারা অর্থনীতি আর স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রেও বিদ্যমান বর্ণবাদকে পাত্তা দিচ্ছেন না... তারা শুধু ধনী আর লোভীদেরই সুরক্ষা দিতে চান। ট্রাম্প-পেন্স পরিকল্পনা মানেই হলো ধনীদের আরও টাকা দেওয়া। আসলে ট্রাম্প-পেন্স-ম্যাককনেল পরিকল্পনা হলো স্টিমুলাস পাস করতে না চাওয়া, কারণ তারা আরও ২০০ বিলিয়ন ডলারের কর ছাড় চান।''' তারা যুদ্ধবিমানের জন্য টাকা চান, আর কোম্পানিগুলোকে সুরক্ষা দিতে চান যাতে করোনাভাইরাস থেকে কর্মীদের সুরক্ষা না দেওয়ার জন্য তাদের কোনো দায় নিতে না হয়।
** রেভ উইলিয়াম বারবার ২, [https://www.democracynow.org/2020/10/8/mike_pence_kamala_harris_vp_debate রেভ. উইলিয়াম বারবার: লক্ষ লক্ষ মানুষ লড়াই করছে। তাহলে কেন বিতর্কে দারিদ্র্যকে উপেক্ষা করা হচ্ছে?, ''ডেমোক্র্যাসি নাউ''] (৮ অক্টোবর ২০২০)
* আমি কোনো অনলাইনে বিতর্ক করব না। ভার্চুয়াল বিতর্কে আমি আমার সময় নষ্ট করব না।
** কভিড-১৯ সংক্রমণের কারণে দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি বিতর্কে দূরবর্তী অবস্থান থেকে অংশগ্রহণের উদ্যোগ সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের মন্তব্য, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-০৮ |শিরোনাম=সিপিডি পরিবর্তন ঘোষণার পর ট্রাম্প বলেছেন তিনি 'ভার্চুয়াল বিতর্কে' সময় নষ্ট করবেন না | লেখক=ব্রুক সিংম্যান | সাময়িকী=ফক্স নিউজ | ইউআরএল=https://www.foxnews.com/politics/second-trump-biden-debate-will-be-virtual-organizers-say}}
* দানব... কমিউনিস্ট... ভয়াবহ... একদমই অপছন্দ করার মতো।
** উপ-রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী কমলা হ্যারিস সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-০৮ |শিরোনাম=উপ-রাষ্ট্রপতি বিতর্কের পরের সকালে ট্রাম্প হ্যারিসকে 'দানব' বলে অপমান করলেন | লেখক=এলিজাবেথ থমাস | সাময়িকী=এবিসি নিউজ | ইউআরএল=https://abcnews.go.com/Politics/trump-insults-harris-monster-morning-vice-presidential-debate/story?id=73498918}}
* আমরা ফ্লোরিডায় একটা জনসভা করতে চাই, সম্ভবত শনিবার রাতে ফ্লোরিডায়। পরের রাতে পেনসিলভ্যানিয়ায় আর একটা করতে পারি। আমি খুব ভালো বোধ করছি! আসলে কাল পরীক্ষা হবে, আসল পরীক্ষা। কারণ সারাক্ষণ পরীক্ষা করার কোনো দরকার নেই, তবে তারা খুব সামান্য সংক্রমণ বা ভাইরাস পেয়েছে, যদি আদৌ পেয়ে থাকে। আমি জানি না তারা কিছু পেয়েছে কি না, আমি ডাক্তারদের সাথে এ নিয়ে বেশি কথা বলিনি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-০৮ |শিরোনাম=হানিটি সাক্ষাৎকারে কাশির মাঝেই ট্রাম্প বললেন তিনি শনিবার জনসভা করতে চান | লেখক=জাস্টিন বারগোনা | সাময়িকী=ডেইলি বিস্ট | ইউআরএল=https://www.thedailybeast.com/trump-coughing-through-hannity-interview-says-he-wants-to-do-saturday-rally}}
* শুল্ক নিয়ে আগে কেউ কখনও শোনেনি। কেউ না। আসলে আমি যখন এটি শুরু করি, তারা এর মানেও জানত না।
** চীন থেকে আমদানির ওপর শুল্ক সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-১১ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: হাসপাতাল থেকে ফেরার পর ফক্স বিজনেসে দেওয়া প্রথম সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প অন্তত ১৪টি মিথ্যা দাবি করেছেন | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/10/08/politics/fact-check-trump-interview-bartiromo-fox-business/index.html}}
* উত্তর ক্যারোলাইনায় আমি যা দেখেছি, আমরা যা সেখানে পরাজিত করেছি এবং যার বিরুদ্ধে মামলা করেছি, '''ট্রাম্প আর পেন্স এখন সেই কাজটাই জাতীয় পর্যায়ে করার কথা বলছেন: অত্যন্ত সূক্ষ্ম বর্ণবাদ... পেন্স আর ট্রাম্প ভোটাধিকার আইনে বিশ্বাস করেন না... তারা জানেন যে সবাই ভোট দিলে তারা জিততে পারবেন না। তারা কৃষ্ণাঙ্গ আর বাদামী বর্ণের গরিব মানুষদের ভোট দেওয়া নিয়ে প্রচণ্ড ভয়ে আছেন।'''<br>আর এই কথা বলা বন্ধ করুন যে গতবার ট্রাম্প জিতেছিলেন। তিনি ৮০,০০০ ভোটের ব্যবধানে ইলেক্টোরাল কলেজে নির্বাচিত হয়েছিলেন। আমাদের এই কাল্পনিক কথাগুলো বন্ধ করতে হবে যে তার কোনো জাদুকরী ক্ষমতা ছিল। আসল কথা হলো, ১০০ মিলিয়ন মানুষ ভোট দেয়নি। ... আমি যাত্রাপুস্তকের সেই অংশের কথা না ভেবে পারলাম না, যেখানে ঈশ্বর বলেছিলেন, "তুমি যদি আমার লোকদের যেতে না দাও, তবে আমি চিহ্ন হিসেবে মাছি পাঠাব। কিন্তু আমি মাছিগুলোকে মানুষের ওপর পড়তে দেব না, মাছিগুলো কেবল প্রতীক হবে যে তুমি ভুল করছ। তুমি মিথ্যা বলছ। আমার লোকদের মুক্তি দাও।" আর ট্রাম্প এবং পেন্সের উচিত মানুষকে মুক্তি দেওয়া। তারা গরিব আর অল্প আয়ের মানুষদের জিম্মি করে রেখেছে, জরুরি পরিষেবার কর্মীদের জিম্মি করে রেখেছে। এই দেশে এখন পরিবর্তনের সময় এসেছে।
** রেভ. উইলিয়াম বারবার ২, [https://www.democracynow.org/2020/10/8/rev_william_barber_voting_2020 ভোটার দমনের ওপর রেভ. উইলিয়াম বারবার: রিপাবলিকানরা জানে সবাই ভোট দিলে তারা জিততে পারবে না], ''ডেমোক্র্যাসি নাউ!'', (৮ অক্টোবর ২০২০)
* অনেকে যেমনটা লক্ষ্য করেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাস্তব মেনে নেওয়ার ক্ষমতা আশ্চর্যজনকভাবে কম, বিশেষ করে যখন তিনি অন্য কিছু বিশ্বাস করতে চান যা আমি ''অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ার'' বইতে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছি। নিজেকে মিথ্যা বোঝানোর জন্য তিনি অদ্ভুত সব উৎস আর চাটুকার মানুষ খুঁজবেন। তিনি চেয়েছিলেন ভাইরাসটা এমনিতে চলে যাক, তাই তিনি বিশ্বাস করেছিলেন যে এপ্রিলের গরমে এটি মারা যাবে, অথবা হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনে এর প্রতিকার হবে, অথবা ব্লিচ দিয়ে এটি ধ্বংস হবে, নতুবা অক্টোবরের মধ্যে টিকার মাধ্যমে এটি প্রতিরোধ করা যাবে। যখন তিনি শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি কতটা গুরুতর তা স্বীকার করলেন, তখনই তিনি অঙ্গরাজ্যগুলোকে আবার খুলে দেওয়ার এবং স্বাভাবিক জীবনে ফেরার জন্য চাপ দিতে শুরু করলেন। যার ফলাফল কিছু অঙ্গরাজ্যের জন্য খুব খারাপ হয়েছিল। তিনি সাধারণ নির্বাচনী জনসভা করতে জেদ ধরলেন, মাস্ক পরতে নির উৎসাহিত করলেন, শরতে স্কুল খুলতে বাধ্য করলেন আর অর্থনীতি চাঙ্গা করতে এবং জেতার সম্ভাবনা বাড়াতে জনগণের ওপর অপরীক্ষিত টিকা ব্যবহারের চাপ দিলেন।<br>চীনকে দোষারোপ করা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য বলির পাঁঠা দরকার ছিল। তিনি চীনের ওপর দোষ চাপিয়ে বললেন যে তার কাছে গোপন প্রমাণ আছে যে চীন এই ভাইরাস তৈরি করেছে এবং সারা বিশ্বে এটি ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ দিয়েছে। তিনি ব্যাখ্যা করেছিলেন যে শুরুতে চীনের প্রেসিডেন্ট সি জিনপিং তাকে ধোঁকা দিয়েছিলেন, যিনি তাকে ফোনে আশ্বস্ত করেছিলেন যে রোগটি নিয়ন্ত্রণে আছে। ট্রাম্প ৬ ফেব্রুয়ারি তাকে ফোন করে রোগ নির্মূলের জন্য সাহায্য করতে সিডিসির বিজ্ঞানীদের চীনে পাঠানোর প্রস্তাব দেন। তিনি ভেবেছিলেন সি জিনপিং এই আগে প্রত্যাখ্যান করা প্রস্তাবে রাজি হবেন কারণ তার সাথে চীনা নেতার ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল। কিন্তু সি জিনপিং আগ্রহী ছিলেন না। ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের ডেপুটি ডিরেক্টর ম্যাট পটিংগার, যিনি ফোনালাপটি শুনেছিলেন, তার মতে সি জিনপিং এমন একটা ধারণা দিয়েছিলেন যে চীনে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে আছে (''রেজ'', পৃষ্ঠা ২৪১-২৪৩)। কিন্তু চীন এই রোগ নিয়ন্ত্রণে নাটকীয় পদক্ষেপ নিয়েছিল। ৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই উহান আর সেই প্রদেশটিকে চীনের বাকি অংশ থেকে আলাদা করে ফেলা হয়েছিল এবং দুই সপ্তাহ ধরে কঠোর কোয়ারেন্টাইন চালু করা হয়েছিল। প্রায় ৪০,০০০ স্বাস্থ্যকর্মী সেই এলাকায় পাঠানো হয়েছিল, দ্রুত হাসপাতাল তৈরি করা হচ্ছিল আর সংক্রমণের হার কমে আসছিল।<br>চীনা সরকার অবশ্যই দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে রোগ ছড়ানো বন্ধ করতে কিছু করেনি। কিন্তু সারা বিশ্বের ভাইরাস বিশেষজ্ঞরা একমত যে কভিড-১৯ প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হয়েছে, গবেষণাগারে নয়। যুক্তরাষ্ট্র করোনাভাইরাস মৃত্যুতে বিশ্বে এক নম্বর হয়েছে সি জিনপিং ট্রাম্পের কাছে মিথ্যা বলেছিলেন বলে নয়, বরং ট্রাম্প নিজের দেশের বিশেষজ্ঞদের বারবার দেওয়া সবথেকে বড় সতর্কবাণীগুলো কয়েক সপ্তাহ ধরে উপেক্ষা করেছিলেন বলে। এরপর তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে আমেরিকানদের কাছে মিথ্যা বলেছিলেন যে তাদের কী করা উচিত। এই রক্তের দায় অন্য যে কারোর চেয়ে তার ওপরই বেশি, আর মনে মনে অজুহাত, অস্বীকার আর দায় চাপানোর আড়ালে তিনিও সম্ভবত তা জানেন।
** বব আলটেমেয়ার, [https://theauthoritarians.org/updating-authoritarian-nightmare/ "অথরিটারিয়ান নাইটমেয়ারের আপডেট"], ৮ অক্টোবর ২০২০।
* আমেরিকান জনগণের স্বার্থ দেখার বদলে বার ডোনাল্ড ট্রাম্পের পোষা কুকুরের মতো কাজ করাকেই বেছে নিয়েছেন।
** ফিলিপ হালপার্ন (মার্কিন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল), [https://lawandcrime.com/high-profile/assistant-u-s-attorney-leaves-doj-after-36-years-due-to-lap-dog-bill-barrs-slavish-obedience-to-donald-trumps-will/ 'পোষা কুকুর' বিল বারের ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইচ্ছার প্রতি 'ক্রীতদাসসুলভ আনুগত্যের' কারণে ৩৬ বছর পর সহকারী মার্কিন অ্যাটর্নি বিচার বিভাগ ত্যাগ করলেন] নিবন্ধ অনুযায়ী (১৫ অক্টোবর ২০২০)
* আমার মনে হয় আমেরিকান জনগণের অধিকার আছে প্রেসিডেন্ট তার উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা বলেন তার ওপর নির্ভর করার। যখন একজন প্রেসিডেন্ট নিজের উদ্দেশ্য সম্পর্কে একদম পরিষ্কার কথা বলেন, তখন হোয়াইট হাউস কাউন্সিলের এই কথা আমি মেনে নিতে পারি না যে, 'আসলে এটা তার উদ্দেশ্য ছিল না।' হয়ত হোয়াইট হাউস কাউন্সিল প্রেসিডেন্টের সাথে কথা বলেছে, অথবা বলেনি—আমি তা জানি না।
** মার্কিন জেলা আদালতের বিচারক রেজি ওয়ালটন, যিনি [[জর্জ ডব্লিউ বুশ]]ের আমলের নিয়োগপ্রাপ্ত, [https://www.politico.com/news/2020/10/16/judge-trump-russia-probe-declassification-429832 বিচারক জানতে চান ট্রাম্প রাশিয়া তদন্তের গোপনীয়তা উন্মোচন থেকে পিছিয়ে যাচ্ছেন কি না] নিবন্ধ অনুযায়ী (১৬ অক্টোবর ২০২০)
* আমি যখন দেখি হাজার হাজার ব্যালট ময়লার ঝুড়িতে ফেলে দেওয়া হয়েছে আর সেগুলোতে আমার নাম রয়েছে? এতে আমি একদমই খুশি নই।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-১৭ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: অতিমারীতে ট্রাম্প এমন কিছু দেখছেন যা অন্য কেউ দেখছে না | লেখক=ক্যালভিন উডওয়ার্ড, হোপ ইয়েন | সাময়িকী=এপি নিউজ| ইউআরএল=https://apnews.com/article/election-2020-virus-outbreak-ap-fact-check-donald-trump-technology-a6ddb8360fa9b1ff95acbbc1e03f437e}}
* আপনারা কি দেখেছেন যে ওরা প্রায় ৫০,০০০ ব্যালট একটা নদীর মতো জায়গায় খুঁজে পেয়েছে?<br>টিকা ছাড়াও এই অতিমারী শেষ হবে। এটি তার পথেই চলবে আর শেষ হবে। ওরা পাগল হয়ে যাবে। কালই খবর হবে যে তিনি বলেছেন ‘টিকা ছাড়াই’—দেখবেন। এই লোকগুলো পাগল। না, এটি স্বাভাবিকভাবেই চলছে। আমরা শেষ পর্যায়ে চলে এসেছি। আপনারা সংখ্যাগুলো দেখছেন, আমরা ঠিক পথেই আছি।<br>মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অন্য দেশের চেয়ে বেশি আক্রান্ত দেখা যায় কারণ এখানে অনেক বেশি (এবং ব্যয়বহুল) পরীক্ষা করা হয়—আর ভুয়া সংবাদমাধ্যমগুলো প্রতিদিন এর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।<br>চীন ভাইরাসের পর থেকে আমরা আমাদের দেশের ইতিহাসে রেকর্ড সংখ্যক কর্মসংস্থান তৈরি করেছি—মাত্র কয়েক মাসেই ১ কোটি ১৪ লক্ষ।<br>আমরা এখন কর্মসংস্থান আর বেকারত্বের নতুন রেকর্ড গড়ছি। আমরা অর্থনৈতিকভাবে নানা রকম রেকর্ড গড়ছি।<br>আমি একটা বিলে সই করেছি যার ফলে আপনি যদি কোনো সরকারি মূর্তি ভাঙেন তবে আপনার ১০ বছরের জেল হবে। মেক্সিকো দেওয়ালের খরচ দিচ্ছে। আমরা ইতিহাসের সবথেকে বড় কর ছাড় দিয়েছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২০ |শিরোনাম=ট্রাম্পের অসৎ সপ্তাহান্তের ফ্যাক্ট-চেকিং: প্রেসিডেন্ট তিন দিনে অন্তত ৬৬টি মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর দাবি করেছেন | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল| সাময়িকী= সিএনএন| ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/10/19/politics/fact-check-trump-dishonest-weekend-florida-michigan-georgia-wisconsin/index.html}}
* (''ভুয়া ব্যালট প্রসঙ্গে:'') সেই সব ব্যালটগুলোর কথা ভাবুন তো যেগুলোতে আমার নাম ছাড়াই ছাপানো হয়েছিল? সেগুলোতে সব ছিল। সেনেট থেকে শুরু করে সব পদ ছিল, শুধু আমার নাম দিতেই ওরা ভুলে গেল।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২০ |শিরোনাম=ট্রাম্প আবার ব্যালট নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন | লেখক=লরি রবার্টসন| সাময়িকী= ফ্যাক্টচেক ডট ওআরজি| ইউআরএল=https://www.factcheck.org/2020/10/trump-misleads-on-ballots-again/}}
* আমাদের কোনো সমাজতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট থাকবে না। বিশেষ করে কোনো নারী সমাজতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট আমাদের থাকবে না। আমরা এটা হতে দেব না, আমরা এটা সহ্য করব না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেমনটি উদ্ধৃত করেছেন {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৪ |শিরোনাম=ডেমোক্র্যাটিক উপ-রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীর বিরুদ্ধে ট্রাম্পের কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ | লেখক=সারাহ আল-আরশানি| সাময়িকী= বিজনেস ইনসাইডার| ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-targets-kamala-harris-in-sexist-rant-2020-10?r=US&IR=T}}
* আমাদের এমন কোনো প্রেসিডেন্ট থাকবে না যে স্রেফ তার সমালোচনা করার জন্য মানুষকে জেলের ভয় দেখাবে।
** জো বাইডেনের নির্বাচনী প্রচারে [https://www.wlrn.org/2020-10-25/obama-hits-campaign-trail-in-south-florida-criticizing-trumps-behavior-as-worse-than-florida-man ওবামা দক্ষিণ ফ্লোরিডায় নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্পের আচরণকে ফ্লোরিডা ম্যানের চেয়েও খারাপ বলে সমালোচনা করেছেন] নিবন্ধ অনুযায়ী [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] (২৫ অক্টোবর ২০২০)
* ওদের সবাইকে জেলে ভরুন।
** একটি অনির্ধারিত গোষ্ঠী সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৬ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: '৬০ মিনিটস'-এ ট্রাম্প অন্তত ১৬টি মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর দাবি করেছেন | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল| সাময়িকী= সিএনএন| ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/10/25/politics/fact-check-trump-60-minutes-lesley-stahl/index.html}}
* আমার যদি সোশ্যাল মিডিয়া না থাকত, তবে আমার কথা পৌঁছানোর আর কোনো উপায় থাকত না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যা উদ্ধৃত হয়েছে {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৬ |শিরোনাম=সিবিএস ট্রাম্পের ৬০ মিনিটস সাক্ষাৎকার থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ফুটেজ প্রকাশ করেছে | লেখক=মার্টিন মেলাম| সাময়িকী= দ্য গার্ডিয়ান| ইউআরএল=https://www.theguardian.com/us-news/2020/oct/26/cbs-releases-footage-trump-walking-out-60-minutes-interview}}
* পুরো যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে ডাকযোগে পাঠানো ব্যালট নিয়ে বড় সমস্যা আর গরমিল দেখা যাচ্ছে। ৩রা নভেম্বরের মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল থাকতে হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট, যা "বিভ্রান্তিকর" হিসেবে চিহ্নিত এবং {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৬ |শিরোনাম=টুইটার ডাকযোগে ভোট নিয়ে ট্রাম্পের আরেকটি টুইটকে 'বিভ্রান্তিকর' হিসেবে চিহ্নিত করল এবং অন্য ব্যবহারকারীদের এটি রিটুইট করা বন্ধ করে দিল | লেখক=ইসাবেল অ্যাশার হ্যামিল্টন| সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার| ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/twitter-trump-tweet-mail-voting-warning-label-minsinformation-block-retweet-2020-10?r=US&IR=T}}
* পেনসিলভ্যানিয়ায় এখন একমাত্র যা করা যায় তা হলো বিক্ষোভ। আপনি গির্জায় যেতে পারেন না। আপনি আপনার ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করতে পারেন না। আপনি আপনার যাজক বা রাবাইদের সাথে থাকতে পারেন না। এর কিছুই করা যায় না। আপনি কিচ্ছু করতে পারেন না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৭ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: পেনসিলভ্যানিয়ার মানুষ 'গির্জায় যেতে পারে না' বলে ট্রাম্প মিথ্যা দাবি করেছেন | লেখক=ড্যানিয়েল ডেল | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/10/27/politics/trump-false-claim-pennsylvania-cant-go-to-church-fact-check/index.html}}
* সে আপনাদের আইনের পাহাড় চাপিয়ে দেবে, পুলিশ বিভাগগুলো বন্ধ করে দেবে, আমাদের সীমান্ত বিলীন করে দেবে, আপনাদের বন্দুক কেড়ে নেবে, ধর্মীয় স্বাধীনতা শেষ করবে আর আপনাদের শহরতলিগুলোকে ধ্বংস করে দেবে।
* আপনারা যদি বাইডেনকে ভোট দেন, তার মানে স্কুলে কোনো বাচ্চা থাকবে না, কোনো সমাবর্তন হবে না, কোনো বিয়ে হবে না, কোনো থ্যাঙ্কসগিভিং, বড়দিন বা স্বাধীনতা দিবস পালিত হবে না।
** ডেমোক্র্যাট রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী জো বাইডেন সম্পর্কে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১০-২৯ |শিরোনাম=স্বাভাবিক অতিরঞ্জিত কথার মাধ্যমে ট্রাম্প বাইডেনের অধীনে জীবনের এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছেন | লেখক=ডার্লিন সুপারভিল | সাময়িকী=দ্য টাইমস অফ ইসরায়েল | ইউআরএল=https://www.timesofisrael.com/with-typical-hyperbole-trump-paints-apocalyptic-portrait-of-life-under-biden/}}
==== নভেম্বর ২০২০ ====
* আমরা এই নির্বাচনে জেতার জন্য পুরোপুরি তৈরি ছিলাম। সত্যি বলতে, আমরা জিতেই গেছি। এটি আমাদের জাতির সাথে এক বিশাল জালিয়াতি। আমরা চাই আইনের সঠিক প্রয়োগ হোক। তাই আমরা মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে যাব। আমরা চাই সব ভোট গ্রহণ বন্ধ হোক।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের দাবি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-০৩ |শিরোনাম=মার্কিন রাষ্ট্রপতি পদের ফলাফল এখনো অমীমাংসিত; মধ্য-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রধান অঙ্গরাজ্যগুলোতে বাইডেন এগিয়ে | লেখক= ট্রেভর হানিকাট, জেফ মেসন | সাময়িকী=রয়টার্স | ইউআরএল=https://www.reuters.com/article/usa-election/us-presidency-still-undecided-biden-opens-leads-in-key-midwestern-states-idUSKBN27J0FZ}}
* আমি এই নির্বাচনে জিতেছি, তাও বিশাল ব্যবধানে!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1325099845045071873 ৭ নভেম্বর ২০২০]
* ২০১৬ সালে ট্রাম্পের জয়ে মানুষ এই কারণে বিচলিত ছিল যে তিনি এমন সব নীতি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রচারণা চালিয়েছিলেন, যা রাষ্ট্রীয় সহিংসতার মাধ্যমে জাতিগত ও নৃতাত্ত্বিক সংখ্যালঘুদের লক্ষ্যবস্তু করে (এবং তিনি কেবল অভদ্র বা অসভ্য ছিলেন বলেই এমনটা করেননি)। কোনোভাবেই বাইডেনের প্রচারণাকে এর সাথে তুলনা করা যায় না। দুঃখিত! বাইডেন খ্রিস্টানদের নিষিদ্ধ করবেন না, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এখানে থাকা শ্বেতাঙ্গ অভিবাসীদের মর্যাদা খেয়ালখুশিমতো বাতিল করবেন না, দেশের শ্বেতাঙ্গ অধ্যুষিত অংশগুলো বিক্রি করার চেষ্টা করবেন না বা শ্বেতাঙ্গদের বিরুদ্ধে পুলিশি সহিংসতাকে উস্কে দেবেন না। আপনাদের এই হতাশাকে কোনোভাবেই নিপীড়ন বলা যায় না।
** অ্যাডাম সারওয়ার, ৯ নভেম্বর ২০২০ টুইটারে
* রিপোর্ট: ডোমিনিয়ন সারা দেশে ট্রাম্পের ২৭ লক্ষ ভোট মুছে ফেলেছে। তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে পেনসিলভানিয়ায় ২,২১,০০০ ভোট প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের থেকে সরিয়ে বাইডেনের অ্যাকাউন্টে দেওয়া হয়েছে। ৯,৪১,০০০ ট্রাম্পের ভোট মুছে ফেলা হয়েছে। ডোমিনিয়ন ভোটিং সিস্টেম ব্যবহার করা অঙ্গরাজ্যগুলো ট্রাম্পের ৪,৩৫,০০০ ভোট বাইডেনের দিকে সরিয়ে দিয়েছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]েরে বিতর্কিত টুইট, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-১৩ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: 'মুছে ফেলা' ভোট নিয়ে ট্রাম্পের টুইটের গালগল্প | লেখক= আলী সোয়েনসন, আমান্ডা সিটজ | সাময়িকী=এপি নিউজ | ইউআরএল=https://apnews.com/article/election-2020-ap-fact-check-joe-biden-donald-trump-technology-13c104367924b8192b4fcecf334f7806}}
* ফক্স নিউজ আর ভুয়া খবরের মাধ্যমগুলো এই বিশাল জমায়েত দেখাচ্ছে না। বদলে তারা তাদের সাংবাদিকদের প্রায় জনশূন্য রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রেখেছে। এখন আমরা সংবাদমাধ্যমের দ্বারা তথ্য দমনের শিকার হচ্ছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1327724046595842049 ১৪ নভেম্বর ২০২০]
* নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের মতো জায়গাগুলো বাদে বাকি সব সাধারণ মানুষের জন্য টিকা পাওয়া যাবে। রাজনৈতিক কারণে সেখানকার গভর্নর দেরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আমার মনে হয় না এটি রাজনৈতিকভাবে ভালো, স্বাস্থ্যের দিক থেকেও এটি খুব খারাপ, তবে তিনি টিকা নিয়ে সময় নিতে চান। আমরা এমন কোনো রাজ্যে এটি পৌঁছে দিতে পারি না যারা তাদের জনগণকে অবিলম্বে এটি দেবে না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-৩০ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: টিকা এবং অঙ্গরাজ্যগুলোতে এর বিতরণ নিয়ে ট্রাম্পের ভুল তথ্য | লেখক= হোপ ইয়েন, লরা নিরগার্ড, ক্যান্ডিস চই | সাময়িকী=এপি | ইউআরএল=https://apnews.com/article/ap-fact-check-joe-biden-donald-trump-politics-coronavirus-pandemic-76d1580f82b1586b207990396c1e3b5f}}
* এইমাত্র নেভাদা অঙ্গরাজ্যে এক বিশাল জয় এল। কাউন্টি কমিশনারের লড়াইয়ে ডেমোক্র্যাটদের একচ্ছত্র আধিপত্যের ওই ভোট বাতিল করা হয়েছে কারণ সেখানে বড় ধরনের ভোট জালিয়াতি ধরা পড়েছে। ক্লার্ক কাউন্টির কর্মকর্তারা তাদের নিজেদের নির্বাচনী নিরাপত্তার ওপর আস্থা রাখতে পারছেন না। বিশাল প্রভাব!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]][https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1328483862490574849 টুইটারে], ১৬ নভেম্বর ২০২০
* আমি নির্বাচনে জিতেছি!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1328334945148952576 টুইটারে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেখানে টুইটার সতর্কবার্তা দিয়েছে: "একাধিক সূত্র এই নির্বাচনের ভিন্ন ফলাফল দিয়েছে",১৬ নভেম্বর ২০২০
* ২০২০ সালের নির্বাচনের নিরাপত্তা সম্পর্কে ক্রিস ক্রেবসের সাম্প্রতিক বক্তব্য অত্যন্ত ভুল ছিল... তাই অবিলম্বে ক্রিস ক্রেবসকে সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার সিকিউরিটি এজেন্সির পরিচালক পদ থেকে বরখাস্ত করা হলো।
** [https://www.usatoday.com/story/news/politics/2020/11/17/trump-ousts-homeland-security-chris-krebs-called-election-secure/6276676002/ ট্রাম্প হোমল্যান্ড সিকিউরিটির সাইবার প্রধান ক্রিস ক্রেবসকে বরখাস্ত করেছেন, যিনি নির্বাচনকে সুরক্ষিত বলেছিলেন] শীর্ষক খবর অনুযায়ী ডোনাল্ড ট্রাম্প টুইটারের মাধ্যমে তার সাইবার প্রধানকে বরখাস্ত করেছেন (১৮ নভেম্বর ২০২০)
* আমি না থাকলে আরও চার বছর আপনারা টিকা পেতেন না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-২০ |শিরোনাম=ট্রাম্পের ইঙ্গিত যে তাকে হারানোর জন্য টিকা কোম্পানিগুলো প্রতিশোধমূলক ষড়যন্ত্র করেছে | লেখক= র্যাচেল ওল্ডিং | সাময়িকী=ডেইলি বিস্ট | ইউআরএল=https://www.thedailybeast.com/trump-suggests-vaccine-companies-orchestrated-revenge-filled-conspiracy-to-make-him-lose}}
* আমার সাথে ওভাবে কথা বলবেন না, আপনার কোনো যোগ্যতাই নেই। আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতির সাথে ওভাবে কখনো কথা বলবেন না।
** থ্যাঙ্কসগিভিংয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-election-2020/trump-news-live-twitter-biden-election-b1762621.html ট্রাম্প নিউজ: শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা ছাড়ার প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসার পর পেনসিলভানিয়ার আপিলে হেরেছেন প্রেসিডেন্ট] নিবন্ধে উদ্ধৃত হয়েছে।,২৭ নভেম্বর ২০২০
* তথ্য দমনের জন্য বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো আর ভুয়া সংবাদমাধ্যম একজোট হয়েছে। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা শেষ হয়ে গেছে, এটি এখন অতীত। এই কারণেই তারা ২০২০ সালের নির্বাচনের প্রকৃত তথ্য ও পরিসংখ্যান প্রকাশ করতে অস্বীকার করছে...
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1332349861774155778?s=20 টুইট] যা টুইটার "নির্বাচনী জালিয়াতি সম্পর্কে এই দাবিটি বিতর্কিত" লেবেল দিয়ে চিহ্নিত করেছে,২৭ নভেম্বর ২০২০
* বাইডেন কেবল তখনই প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোয়াইট হাউসে ঢুকতে পারবেন, যদি তিনি প্রমাণ করতে পারেন যে তার ওই হাস্যকর '৮ কোটি ভোট' জালিয়াতি বা অবৈধভাবে পাওয়া যায়নি। ডেট্রয়েট, আটলান্টা, ফিলাডেলফিয়া আর মিলওয়াকিতে কী হয়েছে তা দেখলে বুঝবেন যে বিশাল ভোট জালিয়াতি হয়েছে। এটি তার জন্য এক বিশাল এবং সমাধান অযোগ্য সমস্যা।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-২৮ |শিরোনাম=প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মিথ্যা এবং ষড়যন্ত্র তত্ত্ব টুইট করা চালিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে ট্রাম্প আভাস দিয়েছেন যে বাইডেন 'প্রমাণ করতে না পারলে' তিনি হোয়াইট হাউস ছাড়বেন না | লেখক= গ্রেস প্যানেটা | সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার | ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-says-he-wont-leave-white-house-biden-disproves-fraud-2020-11?r=US&IR=T}}
* পেনসিলভানিয়ার ঘটনায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে এবং আমাদের কাছে এর বিশাল প্রমাণ রয়েছে। কিছু মানুষ স্রেফ তা দেখতে চায় না। আমাদের দেশকে বাঁচানোর সাথে তারা কোনো সম্পর্ক রাখতে চায় না। দুঃখজনক!!!
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1332778938121203720 টুইট],২৮ নভেম্বর ২০২০
* @FoxNews-এর দিনের বেলার অনুষ্ঠানগুলো দেখা প্রায় অসম্ভব, বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-২৯ |শিরোনাম=নির্বাচনের পর প্রথম সাক্ষাৎকারের আগে ফক্স নিউজ বাদে 'অন্য কিছু' দেখার জন্য দর্শকদের বললেন ট্রাম্প | লেখক= ইয়েলেনা জানোভা | সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার | ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-calls-fox-news-unwatchable-criticism-newsmax-2020-11?r=US&IR=T}}
* এই দেশে সংবাদপত্রের কোনো স্বাধীনতা নেই, এখানে চলছে তথ্য দমন।
** ফক্স নিউজে মারিয়া বার্টিরোমোর সাথে এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]],২৯ নভেম্বর ২০২০
* আমি এমন সব টিকা নিয়ে এসেছি যা মানুষ ভেবেছিল পেতে পাঁচ বছর সময় লাগবে।
* কিছু যান্ত্রিক গোলযোগ হয়েছিল যার ফলে আমার হাজার হাজার ভোট বাইডেনের অ্যাকাউন্টে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
* (যুক্তরাষ্ট্রের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি সামলানো প্রসঙ্গে:) আমরা বিশ্বের বাকি দেশগুলোর চেয়ে ভালো করছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-২৯ |শিরোনাম=ফক্স নিউজের মারিয়া বার্টিরোমো নির্বাচনের পর ট্রাম্পের প্রথম টিভি সাক্ষাৎকার নিয়েছেন, যা মিথ্যায় ভরা ছিল | লেখক= আলেকজিস বেনভেনেস্টে | সাময়িকী= সিএনএন বিজনেস | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/11/29/media/bartiromo-trump-interview/index.html}}
* ব্রায়ান কেম্প আর ডগ ডুসির মতো রিপাবলিকান থাকতে ডেমোক্র্যাটদের কী দরকার?
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১১-৩০ |শিরোনাম=ট্রাম্পের আক্রমণের পর অ্যারিজোনার গভর্নর ডগ ডুসি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পক্ষে সাফাই দিয়েছেন | লেখক= ক্যারোলিন কেলি, অ্যালিসন মেইন | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/11/30/politics/doug-ducey-defends-election-arizona-trump/index.html}}
==== ডিসেম্বর ২০২০ ====
(কালানুক্রমিকভাবে)
* আসলে আমি উইসকনসিনে জিতেছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-০৫ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: সাজানো নির্বাচনের ভিত্তিহীন দাবির মধ্যে ট্রাম্প বলেছেন তিনি উইসকনসিনে জিতেছেন | লেখক= ডি.এল. ডেভিস, পলিটিফ্যাক্ট | সাময়িকী=হিউস্টন ক্রনিকল | ইউআরএল=https://www.houstonchronicle.com/local/texas-politics/politifact/article/Fact-check-Among-baseless-claims-of-rigged-15794749.php}}
* আপনাদের বোঝার সুবিধার্থে বলছি, আপনারা জানেন যে আমরা জর্জিয়াতে জিতেছি।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-০৫ |শিরোনাম=ফ্যাক্ট চেক: জর্জিয়ায় নির্বাচনী প্রচারের সময় ট্রাম্পের ভিত্তিহীন দাবি | লেখক= ইউজিন কিয়েলি | সাময়িকী=জিএ টুডে | ইউআরএল=https://www.gpb.org/news/2020/12/09/fact-check-trump-makes-bogus-swing-state-claim-during-campaign-stop-in-georgia}}
* যদি আমি হারতাম, তবে আমি খুব উদারভাবে হার মেনে নিতাম।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-০৬ |শিরোনাম=এপি ফ্যাক্ট চেক: জনসভায় ট্রাম্পের দুঃসাহসিক মিথ্যাচার | লেখক= ক্যালভিন উডওয়ার্ড | সাময়িকী=এপি নিউজ | ইউআরএল=https://apnews.com/article/fact-check-donald-trump-rally-falsehoods-424834660f894040b55b415aecb2a443}}
* রাইনো ব্রায়ান কেম্প, জিওফ ডানকান এবং সেক্রেটারি অফ স্টেট ব্র্যাড রাফেনসপারজার জর্জিয়ার আমাদের দুজন মহান সিনেটর ডেভিড পারডু এবং কেলি লোফ্লারের সম্ভাব্য পরাজয়ের জন্য এককভাবে দায়ী থাকবেন। তারা কোনো বিশেষ অধিবেশন ডাকবে না বা সই যাচাই করবে না! মানুষ অনেক ক্ষুব্ধ!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-০৭ |শিরোনাম=ট্রাম্প বলেছেন রাইনো কেম্প এবং রাফেনসপারজারই 'এককভাবে দায়ী' যদি লোফ্লার ও পারডু নির্বাচনে হারেন | লেখক= জেফারি মার্টিন | সাময়িকী=নিউজউইক | ইউআরএল=https://www.newsweek.com/trump-says-rinos-kemp-raffensperger-solely-responsible-if-loeffler-perdue-lose-election-1553024}}
* সুপ্রিম কোর্ট আমাদের সত্যিই হতাশ করেছে। কোনো প্রজ্ঞা নেই, কোনো সাহস নেই!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-১১ |শিরোনাম='কোনো প্রজ্ঞা নেই, কোনো সাহস নেই!': টেক্সাসের নির্বাচনী ফলাফল বাতিলের আবেদন সুপ্রিম কোর্ট প্রত্যাখ্যান করার পর ট্রাম্পের ক্ষোভ | লেখক= কেলসি ভ্লামিস | সাময়িকী=এমএসএন নিউজ | ইউআরএল=https://www.msn.com/en-us/news/other/no-wisdom-no-courage-trump-lashes-out-at-the-supreme-court-after-it-rejected-a-texas-bid-to-overturn-the-election-results/ar-BB1bRIqA}}
* আমরা কেবল লড়াই শুরু করেছি!!!
** ২০২০ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে লড়াই করা প্রসঙ্গে ট্রাম্পের টুইট,{{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-১১ |শিরোনাম=ঐতিহাসিক টিকা বিতরণের আগে ট্রাম্প আত্মঘাতী লড়াইতে লিপ্ত | লেখক= মেভ রেস্টন | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/12/13/politics/donald-trump-william-barr-pfizer-vaccine/index.html}}
* এটি শেষ হয়ে যায়নি। আমরা লড়াই চালিয়ে যাব এবং সামনের দিকে এগিয়ে যাব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-১২ |শিরোনাম=ইলেক্টোরাল কলেজের ভোটের আগে ট্রাম্প 'ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস'-কে বলেছেন যে নির্বাচনী চ্যালেঞ্জ 'শেষ হয়ে যায়নি' | লেখক= রন ব্লিটজনার | সাময়িকী=ফক্স নিউজ | ইউআরএল=https://www.foxnews.com/politics/trump-fox-and-friends-election-challenges-not-over-electoral-college-vote}}
* দারুণ! স্টপ দ্য স্টিলের জন্য ওয়াশিংটন ডিসিতে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হচ্ছে। আমি এ সম্পর্কে জানতাম না, তবে আমি তাদের সাথে দেখা করতে যাব! #এমএজিএ
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের উক্তি, [https://en.wikinews.org/wiki/Conservative_groups_hold_rally_in_Washington_D.C._claiming_U.S._elections_were_stolen_from_President_Trump "ওয়াশিংটন ডিসিতে রক্ষণশীল গোষ্ঠীর জনসভা, মার্কিন নির্বাচন চুরি হয়েছে বলে দাবি"], ১৫ ডিসেম্বর ২০২০।
* এইমাত্র হোয়াইট হাউসে অ্যাটর্নি জেনারেল বিল বারের সাথে খুব সুন্দর একটি বৈঠক হলো। আমাদের সম্পর্ক খুব ভালো ছিল, তিনি চমৎকার কাজ করেছেন! চিঠিতে যেমনটা লেখা আছে, বিল বড়দিনের ঠিক আগেই তার পরিবারের সাথে ছুটি কাটানোর জন্য বিদায় নেবেন...
* ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ রোজেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.bbc.com/news/world-us-canada-55312016 উইলিয়াম বার: মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল বড়দিনের আগেই পদ ছাড়ছেন], ১৫ ডিসেম্বর ২০২০।
* আমরা আজ এখানে একটি ঐতিহাসিক সপ্তাহের শেষে একত্রিত হয়েছি আমেরিকান জনগণকে এটা নিশ্চিত করতে যে আশা খুব কাছেই। কেলি এবং আমি অত্যন্ত আনন্দের সাথে এই সপ্তাহ শেষ হওয়ার আগেই আমেরিকান জনগণের জন্য আমাদের সুরক্ষিত এবং প্রস্তুতকৃত এই নিরাপদ ও কার্যকর করোনাভাইরাস টিকা নিতে এগিয়ে এসেছি। এটি সত্যিই একটি অনুপ্রেরণাদায়ক দিন।
** উপ-রাষ্ট্রপতি পেন্স, [https://www.politico.com/news/2020/12/18/pence-covid-vaccine-live-television-448080 'আশা কাছেই': সরাসরি টেলিভিশনে করোনাভাইরাস টিকা নিলেন পেন্স], ১৮ ডিসেম্বর ২০২০।
* টেক্সাসের ৫ম সংসদীয় আসনের মার্কিন কংগ্রেস সদস্য হতে পেরে আমি গর্বিত। আমি ৬ই জানুয়ারি আপত্তি জানানোর মাধ্যমে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাশে দাঁড়াতে পেরেও গর্বিত। আমি কংগ্রেসের প্রতিটি সহকর্মীকে একই কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।
** [https://twitter.com/Lancegooden টুইটারে] ল্যান্স গুডেন, ২৬ ডিসেম্বর ২০২০।
===== বাইডেনের নির্বাচনী জয় বাতিলের ট্রাম্প-সমর্থিত মামলা সুপ্রিম কোর্টে খারিজ =====
* আমি বারবার যেমনটা বলেছি, আমাদের সংবিধান অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলোর মধ্যে প্রকৃত বিরোধের বিষয়গুলো শেষ পর্যন্ত কেবল সুপ্রিম কোর্টই নিষ্পত্তি করতে পারে এবং এই কারণেই বিচারপতিদের উচিত এই মামলার শুনানি করা এবং সিদ্ধান্ত দেওয়া।
** [https://www.theadvocate.com/baton_rouge/news/politics/elections/article_193de3e0-3a54-11eb-8036-07b9fff910f6.html জেফ ল্যান্ড্রি জো বাইডেনের পক্ষে যাওয়া ইলেক্টোরাল ভোট গণনা বন্ধে টেক্সাসের প্রচেষ্টাকে সমর্থন করছেন], ৯ ডিসেম্বর ২০২০-এ লুইসিয়ানার অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ ল্যান্ড্রি।
* সুপ্রিম কোর্ট যদি মহৎ প্রজ্ঞা এবং সাহস দেখায়, তবে আমেরিকান জনগণ সম্ভবত ইতিহাসের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ মামলাটিতে জিতবে এবং আমাদের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রতি আবার শ্রদ্ধা ফিরে আসবে!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1337494507756072961 রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প], ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* আমেরিকার একটি স্বচ্ছ নির্বাচন প্রাপ্য ছিল, কিন্তু তারা যা পেয়েছে তা হলো: জর্জিয়াতে গোপনে যোগ করা ব্যালট ভর্তি সুটকেস, উইসকনসিনে মৃত ব্যক্তিদের ভোট প্রদান, নেভাদাতে ভোটের বিনিময়ে অর্থের কারসাজি, পেনসিলভানিয়া-তে পোল ওয়াচারদের ঢুকতে না দেওয়া, মিশিগানে ব্যালট ড্রপবক্স খোলা অবস্থায় পাওয়া এবং মিশিগানেই ক্লার্কের মুখে ???। প্রমাণ অকাট্য। আপনাদের আইনপ্রণেতাদের ডাকুন, তাদের স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য লড়াই করতে বলুন।
** [https://twitter.com/realDonaldTrump @realDonaldTrump ভিডিওতে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* '''অন্যান্য অঙ্গরাজ্যগুলো কীভাবে তাদের নিজস্ব নির্বাচন পরিচালনা করবে তা নিয়ে মামলা করার জন্য টেক্সাসের অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী কোনো আইনি ভিত্তি নেই।'''
** [https://twitter.com/SCOTUSblog/status/1337546093102510080?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1337546093102510080%7Ctwgr%5E%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.cbc.ca%2Fnews%2Fworld%2Ftrump-lawsuit-supreme-court-defeat-1.5838403 স্কোটাসব্লগ (SCOTUSblog)], মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট, ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* সাংবিধানিক প্রশ্নটি ভোটাররা জালিয়াতি করেছে কি না তা নয়, বরং প্রশ্ন হলো অঙ্গরাজ্যের কর্মকর্তারা ব্যালটের সততা রক্ষার নিয়মগুলো পরিকল্পিতভাবে শিথিল করে আইন লঙ্ঘন করেছেন কি না যাতে জালিয়াতি ধরা না যায়।
** [https://www.salon.com/2020/12/11/republicans-want-more-than-a-coup-trumps-loyalty-test-exposes-their-hatred-for-democracy/ রিপাবলিকানরা একটি অভ্যুত্থানের চেয়েও বেশি কিছু চায়: ট্রাম্পের আনুগত্য পরীক্ষা গণতন্ত্রের প্রতি তাদের ঘৃণা প্রকাশ করে], টেক্সাসের অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটন, ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* মামলাটি গুণাগুণের ভিত্তিতে খারিজ করা হয়নি, এটি আইনি ভিত্তির অভাবে খারিজ করা হয়েছে। তাই এর সমাধান হলো রাষ্ট্রপতি বা কিছু নির্বাচক কর্তৃক জেলা আদালতে একই তথ্যগুলো উল্লেখ করে মামলা করা যেখানে তাদের আইনি ভিত্তি থাকবে।
* আমাদের জেলা আদালতে এই মামলাগুলো অবিলম্বে দায়ের করতে কোনো বাধা নেই যেখানে অবশ্যই রাষ্ট্রপতির আইনি ভিত্তি থাকবে। কিছু নির্বাচকেরও আইনি ভিত্তি থাকবে কারণ তাদের সাংবিধানিক অধিকার খর্ব করা হয়েছে।
* আমাদের কাজ শেষ হয়নি। আমাকে বিশ্বাস করুন।
** [https://thehill.com/regulation/court-battles/529928-giuliani-says-trump-team-not-finished-after-supreme-court-defeat সুপ্রিম কোর্টে পরাজয়ের পর জিলিয়ানি বলেছেন ট্রাম্পের দল 'এখনো শেষ হয়ে যায়নি'], [[রুডি জিলিয়ানি]], ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* এটি দুর্ভাগ্যজনক যে সুপ্রিম কোর্ট এই মামলাটি গ্রহণ না করার এবং এই চারটি অঙ্গরাজ্যের ফেডারেল ও স্টেট নির্বাচন আইন মানতে ব্যর্থতার সাংবিধানিকতা যাচাই না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
** [https://www.texastribune.org/2020/12/11/texas-lawsuit-supreme-court-election-results/ মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট চার অঙ্গরাজ্যের ২০২০ সালের নির্বাচনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে টেক্সাসের মামলা খারিজ করে দিয়েছে], কেন প্যাক্সটন, ১১ ডিসেম্বর ২০২০।
* একাধিক অঙ্গরাজ্য এবং এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির জড়িত থাকা একটি মৌলিক এক্তিয়ারভুক্ত বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট কোনো আইনি ভিত্তি খুঁজে পাবে না, এটি হাস্যকর। এটি সংবিধানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে...। তারা আসলে "ভয় পেয়ে পিছিয়ে গেছে" এবং মামলার গুণাগুণের ওপর রায় দিতে চায়নি। আমাদের দেশের জন্য এটি খুবই খারাপ!
** [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1338246403164954629 টুইটারের মাধ্যমে] রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প, ১৩ ডিসেম্বর ২০২০।
* আমি গত সাজানো (রাষ্ট্রপতি পদের জন্য) নির্বাচনে মিচসহ অন্তত ৮ জন রিপাবলিকান সিনেটরকে পরাজয় থেকে বাঁচিয়েছি। এখন তারা (প্রায় সবাই) হাত গুটিয়ে বসে আছে এবং আমাকে কট্টর বামপন্থী ডেমোক্র্যাটদের মতো এক কুটিল ও হিংস্র শত্রুর বিরুদ্ধে একা লড়তে দেখছে। আমি কখনোই ভুলব না!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের বিতর্কিত [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1342245390540804096 টুইট], ২৫ ডিসেম্বর ২০২০।
* ২০২০ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে যে বিশাল নির্বাচনী জালিয়াতি হয়েছে সে ব্যাপারে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট সম্পূর্ণ অযোগ্যতা এবং দুর্বলতা দেখিয়েছে। আমাদের কাছে অকাট্য প্রমাণ আছে, কিন্তু তারা তা দেখতে চায় না—তারা বলছে কোনো ‘আইনি ভিত্তি’ নেই। আমাদের নির্বাচনে যদি দুর্নীতি হয়, তবে আমাদের কোনো দেশই থাকবে না!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের বিতর্কিত টুইট, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-২৬ |শিরোনাম=ক্ষমতার মেয়াদ এক মাসেরও কম থাকতে ট্রাম্প তার নির্বাচনী পরাজয় বাতিল করতে অস্বীকার করায় 'সম্পূর্ণ অযোগ্য' সুপ্রিম কোর্টের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন | লেখক= কনর পেরেট | সাময়িকী=বিজনেস ইনসাইডার | ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-supreme-court-totally-incompetent-for-refusing-to-overturn-election-2020-12?r=US&IR=T}}
* দুর্বল এবং ক্লান্ত রিপাবলিকান "নেতৃত্ব" এই খারাপ প্রতিরক্ষা বিলটি পাস হওয়ার সুযোগ করে দেবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের [https://twitter.com/realDonaldTrump/status/1342245390540804096 টুইট], ২৯ ডিসেম্বর ২০২০।
* রিপাবলিকান নেতৃত্ব কেবল সবথেকে সহজ পথটি বেছে নিতে চায়। আমাদের নেতারা (অবশ্যই আমি নই!) অত্যন্ত করুণ।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের টুইট, {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২০-১২-২৯ | শিরোনাম=তার ভেটো উপেক্ষা করার পর রিপাবলিকানদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন ট্রাম্প | লেখক= জ্যাচারি বি. উলফ | সাময়িকী=সিএনএন | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2020/12/29/politics/donald-trump-house-votes/index.html}}
==== জানুয়ারি ২০২১ ====
* তো দেখুন, আমি কেবল ১১,৭৮০টি ভোট খুঁজে পেতে চাই।
** ২ জানুয়ারি জর্জিয়ার নির্বাচনী কর্মকর্তাদের (জর্জিয়ার সেক্রেটারি অফ স্টেট ব্র্যাড রাফেনসপারজারসহ) সাথে কথা বলার সময় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], যেখানে তিনি ২০২০ সালের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট নিজের পক্ষে গণনা করার জন্য সেক্রেটারি অফ স্টেট ব্রায়ান কেম্পকে চাপ দিচ্ছিলেন। {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২১-০১-০৩ |ইউআরএল=https://www.washingtonpost.com/video/politics/audio-trump-berates-ga-secretary-of-state-urges-him-to-find-votes/2021/01/03/aba64f5f-8c3c-490f-af34-618ccea732d7_video.html |শিরোনাম=অডিও: জর্জিয়ার সেক্রেটারি অফ স্টেটকে তিরস্কার করলেন ট্রাম্প, ভোট ‘খুঁজে’ বের করার তাগিদ দিলেন |প্রকাশক=''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট''}}
*** সিএনএনে [https://www.cnn.com/2021/01/03/politics/trump-brad-raffensperger-phone-call-transcript/index.html পূর্ণাঙ্গ প্রতিলিপি]
* মৃত মানুষের নামেও ভোট পড়েছে। জর্জিয়ায় আমার মনে হয় এই সংখ্যাটা প্রায় ৫,০০০-এর কাছাকাছি... এমন সব বাক্সে হাজার হাজার ব্যালট পাওয়া গেছে যেগুলো কোনো স্বীকৃত বা সিল করা বাক্স ছিল না। ওরা জল চলাচলের পাইপ ফেটে যাওয়ার বাহানা দিয়ে সবাই বেরিয়ে গিয়েছিল। অথচ বাস্তবে সেখানে কোনো পাইপই ছিল না, কিচ্ছু হয়নি। পাইপ ফাটার কোনো ঘটনাই সেখানে ঘটেনি।<br>সেখানে ৪,৯২৫ জন বহিরাগত ভোটার ছিল, ওরা অন্য রাজ্যের বাসিন্দা হয়েও জর্জিয়ায় এসে ভোট দিয়ে গেছে।<br>ওরা সব ব্যালট পেপার নষ্ট করে ফেলছে। আপনাদের এই ব্যাপারটা খুব ভালো করে খতিয়ে দেখা উচিত। কারণ এটা ঘোরতর বেআইনি। আপনাদের এই ডোমিনিয়ন মেশিনগুলো আমরা এখনো ভালো করে পরীক্ষা করিনি, তাই এগুলোর ওপর এখনই ভরসা করতে পারছি না। অন্য রাজ্যগুলোতে এই ডোমিনিয়ন মেশিনগুলো ব্যবহার করে অনেক বড় বড় কারচুপি করা হয়েছে বলে আমাদের বিশ্বাস...
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২১-০১-০৩ | লেখক = বিবিসি নিউজ রিয়েলিটি চেক টিম | ইউআরএল=https://www.bbc.com/news/election-us-2020-55529230 |শিরোনাম=জর্জিয়া নির্বাচন: ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফোনালাপের ফ্যাক্ট-চেক |প্রকাশক=বিবিসি নিউজ}}
* জেফরি রোজেন, আমরা একটা বিষয় জানি যে আপনি এই নির্বাচন উল্টে দেওয়ার জন্য কিছুই করবেন না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.npr.org/2021/10/07/1044015379/senate-report-details-trumps-efforts-to-use-doj-to-overturn-election-results "নির্বাচনের ফলাফল পাল্টাতে বিচার বিভাগকে ব্যবহার করার বিষয়ে ট্রাম্পের প্রচেষ্টার বিস্তারিত সেনেট রিপোর্ট"], ৩ জানুয়ারি ২০২১।
* রুডি, আপনি দারুণ কাজ করেছেন। ওর সাহস আছে। জানেন কী? রিপাবলিকান পার্টির অনেক মানুষের মতো ও ভীতু নয়, ওর সাহস আছে। ও লড়াই করে. <br>..<br>আমাদের উজ্জ্বল দিনগুলো সামনেই আছে, আমাদের মহান অর্জনগুলো এখনো বাকি। আমার মনে হয় আমাদের অন্যতম বড় অর্জন হবে নির্বাচনী নিরাপত্তা, কারণ আমি আসার আগে কেউ জানতই না যে আমাদের নির্বাচন কতটা দুর্নীতিগ্রস্ত। আবারও বলছি, বেশিরভাগ মানুষই রাত ৯টার সময় দাঁড়িয়ে বলবে, “আপনাদের অনেক ধন্যবাদ,” আর এরপর তারা অন্য কাজে চলে যাবে। কিন্তু আমি বললাম, “এখানে কোনো ঝামেলা আছে। বড় কোনো ঝামেলা আছে। এমনটা হতেই পারে না।” আর আমরা লড়াই করি। আমরা জানপ্রাণ দিয়ে লড়াই করি, আর আপনারা যদি এভাবে লড়াই না করেন, তবে আপনাদের আর কোনো দেশ থাকবে না।<br>..<br>এর পর আমরা সবাই একসাথে হেঁটে নিচে যাব। আমি আপনাদের সাথেই থাকব। আমরা হেঁটে যাব। আপনারা যেদিক দিয়ে চান সেদিক দিয়েই আমরা যাব, তবে আমার মনে হয় এখান দিয়েই ভালো। আমরা ক্যাপিটল ভবনের দিকে হেঁটে যাব এবং আমাদের সাহসী সিনেটর আর কংগ্রেসের নারী-পুরুষদের উৎসাহিত করব। আমরা হয়ত তাদের সবার জন্য চিৎকার করব না, কারণ দুর্বলতা দিয়ে আপনি কখনোই নিজের দেশ ফিরে পাবেন না। আপনাদের শক্তি দেখাতে হবে, আপনাদের শক্তিশালী হতে হবে। আমরা কংগ্রেসের কাছে দাবি জানাতে এসেছি যেন তারা সঠিক কাজটি করে এবং কেবল বৈধভাবে তালিকাভুক্ত নির্বাচকদের ভোটই গণনা করে। আমি জানি যে এখানে উপস্থিত সবাই শীঘ্রই ক্যাপিটল ভবনের দিকে পদযাত্রা করবেন যাতে শান্তিপূর্ণভাবে এবং দেশপ্রেমের সাথে আপনাদের কণ্ঠস্বর শোনানো যায়। আজ আমরা দেখব রিপাবলিকানরা আমাদের নির্বাচনের সততার পক্ষে শক্তভাবে দাঁড়ায় কি না, তারা আমাদের দেশের পক্ষে দাঁড়ায় কি না। আমাদের দেশ দীর্ঘ সময় ধরে অবরোধের মুখে আছে, এই চার বছরের চেয়েও অনেক বেশি সময় ধরে।<br>..<br>আমরা পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউ দিয়ে হেঁটে যাব, আমি এই রাস্তাটি খুব ভালোবাসি, আমরা ক্যাপিটল ভবনে যাব এবং...<br>আমাদের রিপাবলিকানদের সেই সব দুর্বলদের, কারণ যারা শক্তিশালী তাদের আমাদের সাহায্যের দরকার নেই—আমরা তাদের সেই গর্ব আর সাহস দেওয়ার চেষ্টা করব যা তাদের নিজের দেশ ফিরে পেতে প্রয়োজন। তাই চলুন পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউ দিয়ে হাঁটা শুরু করি।
** ৬ জানুয়ারি ২০২১-এর [https://www.rev.com/blog/transcripts/donald-trump-speech-save-america-rally-transcript-january-6 সেভ আমেরিকা র্যালির ভাষণে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
* আমাদের দেশ আর সংবিধানকে রক্ষা করার জন্য যা করা উচিত ছিল, মাইক পেন্সের সেই সাহসটুকু ছিল না। তিনি অঙ্গরাজ্যগুলোকে সত্য তথ্যগুলো যাচাই করার সুযোগ দিতে পারতেন, পরিবর্তে তাদের সেই সব জাল আর ভুল তথ্যগুলোই মেনে নিতে বলা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র সত্য জানতে চায়!
** ৬ জানুয়ারি ২০২১-এর [https://archive.is/jCmfK সকাল ১১:২৪-এর টুইটে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
* তাতে কী?
** ওভাল অফিসের পাশের ডাইনিং রুমে বসে টেলিভিশনে ২০২১ সালে মার্কিন ক্যাপিটলে হামলার খবর দেখার সময় ৬ জানুয়ারি ২০২১-এ [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেন। উপ-রাষ্ট্রপতি মাইক পেন্সকে একটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, এই খবর পাওয়ার পর তিনি এটি বলেন। ({{উদ্ধৃতি |শিরোনাম=ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ফেডারেল নির্বাচনী মামলায় নতুন প্রমাণ প্রকাশ করলেন বিচারক |সংবাদপত্র=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস |প্রথম১=অ্যালান |শেষ১=ফুয়ের |প্রথম২=চার্লি |শেষ২=স্যাভেজ |তারিখ=২ অক্টোবর ২০২৪ |ইউআরএল=https://www.nytimes.com/2024/10/02/us/politics/trump-jan-6-case-jack-smith-evidence.html}} {{উদ্ধৃতি |শিরোনাম=নির্বাচনী পরাজয় পাল্টানোর বিষয়ে ট্রাম্পের প্রচেষ্টার নতুন তথ্য দেখালেন মার্কিন প্রসিকিউটররা |প্রথম=অ্যান্ড্রু |শেষ=গুডওয়ার্ড |তারিখ=২ অক্টোবর ২০২৪ |ইউআরএল=https://www.reuters.com/world/us/us-prosecutors-detail-evidence-trump-election-subversion-case-2024-10-02/ |সংস্থা=রয়টার্স}})
* আমি মার্কিন ক্যাপিটল ভবনে উপস্থিত সবাইকে শান্ত থাকার জন্য অনুরোধ করছি। কোনো সহিংসতা নয়! মনে রাখবেন, আমরাই আইন ও শৃঙ্খলার দল, আইন এবং আমাদের নীল পোশাকের (পুলিশ) মহান নারী-পুরুষদের সম্মান করুন। ধন্যবাদ!
** ৬ জানুয়ারি ২০২১-এর [https://archive.is/IvpaU দুপুর ১২:১৩-এর টুইটে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
* আমরা আপনাদের ভালোবাসি। আপনারা খুব বিশেষ।
** মার্কিন ক্যাপিটল ভবনে ঢুকে পড়া বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে দেওয়া একটি ভিডিও বার্তায় (যা পরে মুছে ফেলা হয়েছে) [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। যা বিজনেস ইনসাইডারে উদ্ধৃত হয়েছে: {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২১-০১-০৬ | লেখক = এলিজা রেলম্যান, ওমা সেদ্দিক, জ্যাক লাহুত | ইউআরএল=https://www.businessinsider.com/trump-video-statement-capitol-rioters-we-love-you-very-special-2021-1?r=US&IR=T |শিরোনাম=ক্যাপিটলে হামলা চালানো নিজের সহিংস সমর্থকদের ট্রাম্প বললেন ‘আপনারা খুব বিশেষ’, তবে তাদের ‘বাড়ি ফিরে যেতে’ অনুরোধ করলেন |প্রকাশক=বিজনেস ইনসাইডার}}
* আমার সব চমৎকার সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলছি, আমি জানি আপনারা হতাশ, কিন্তু আমি আপনাদের এটাও জানাতে চাই যে আমাদের অবিশ্বাস্য এই যাত্রা কেবল শুরু হচ্ছে।
** ইভাঙ্কা ট্রাম্পের পোস্ট করা [https://archive.is/o4JN6 বিকাল ৪:২৮-এর টুইটের] ভিডিও বার্তায় [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ৭ জানুয়ারি ২০২১।
* আমি শুরুতেই মার্কিন ক্যাপিটল ভবনে ঘটে যাওয়া জঘন্য হামলার বিষয়ে কিছু বলতে চাই। অন্য সব আমেরিকানদের মতো আমিও এই সহিংসতা, আইনহীনতা আর বিশৃঙ্খলার ঘটনায় ক্ষুব্ধ। আমি ভবনটি সুরক্ষিত করতে এবং অনুপ্রবেশকারীদের বের করে দিতে অবিলম্বে ন্যাশনাল গার্ড আর ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী সংস্থা মোতায়েন করেছি। আমেরিকাকে সবসময়ই একটি আইন ও শৃঙ্খলার দেশ হয়ে থাকতে হবে। যেসব বিক্ষোভকারী ক্যাপিটলে ঢুকে পড়েছিল, তারা আমেরিকান গণতন্ত্রের পবিত্র আসনকে কলঙ্কিত করেছে। যারা এই সহিংসতা আর ধ্বংসাত্মক কাজে লিপ্ত হয়েছে, আপনারা আমাদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন না। আর যারা আইন ভেঙেছেন, আপনাদের খেসারত দিতে হবে।<br>আমরা এইমাত্র একটি তীব্র নির্বাচনের মধ্য দিয়ে এসেছি এবং আবেগ এখন অনেক উঁচুতে। কিন্তু এখন মেজাজ ঠান্ডা করতে হবে এবং শান্তি ফিরিয়ে আনতে হবে। আমাদের আমেরিকার কাজে ফিরে যেতে হবে। আমার প্রচারণা নির্বাচনী ফলাফল চ্যালেঞ্জ করতে সম্ভাব্য সব আইনি পথ ব্যবহার করেছে। আমার একমাত্র লক্ষ্য ছিল ভোটের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। এটি করার মাধ্যমে আমি আমেরিকান গণতন্ত্রকে রক্ষা করার জন্য লড়াই করছিলাম। আমি এখনো দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে সকল ভোটারের পরিচয় আর যোগ্যতা যাচাই করার জন্য আমাদের নির্বাচনী আইন সংস্কার করতে হবে যাতে ভবিষ্যতের সব নির্বাচনে মানুষের আস্থা আর বিশ্বাস অটুট থাকে।
** ক্যাপিটল হামলা পরবর্তী ভাষণে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.presidency.ucsb.edu/documents/videotaped-remarks-the-attack-the-united-states-capitol-the-certification-the-electoral মার্কিন ক্যাপিটলে হামলা, ইলেক্টোরাল কলেজের ফলাফল অনুমোদন এবং নতুন প্রশাসনের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে ভিডিও বার্তা], ৭ জানুয়ারি ২০২১।
* যারা জানতে চেয়েছেন তাদের উদ্দেশ্যে বলছি, আমি ২০ জানুয়ারির অভিষেক অনুষ্ঠানে যাব না।
** ৮ জানুয়ারি ২০২১-এর [https://archive.is/tzc2r সকাল ৭:৪৪-এর টুইটে] [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]।
* তার প্রতিভা, মেধা আর সৃজনশীলতা তাকে অঢেল সম্পদ এনে দিয়েছিল, তবে তার চরিত্র আর জনহিতৈষী উদারতা তাকে খ্যাতি এনে দিয়েছে। শেলডন আমাদের মহান বন্ধু ইসরায়েল রাষ্ট্রের একজন কট্টর সমর্থকও ছিলেন।
** [https://www.npr.org/2021/01/12/693679109/sheldon-adelson-conservative-donor-and-casino-titan-dies-at-87 রক্ষণশীল দাতা এবং ক্যাসিনো সম্রাট শেলডন অ্যাডেলসন ৮৭ বছর বয়সে মারা গেছেন] সংবাদ প্রতিবেদনে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প, ১২ জানুয়ারি ২০২১।
* আমরা কোনো না কোনোভাবে আবার ফিরে আসব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২১-০১-২০ | লেখক = কেভিন লিপটাক | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2021/01/20/politics/donald-trump-leaves-white-house/index.html |শিরোনাম=ক্ষমতার মেয়াদ শেষ হওয়ার সাথে সাথে সমাজচ্যুত হয়ে ওয়াশিংটন ত্যাগ করলেন ট্রাম্প |প্রকাশক=সিএনএন}}
=== রাষ্ট্রপতিত্ব পরবর্তী (২০ ২০২১–২০২৫) ===
* খাস খবর: কংগ্রেস যখন [[জো বাইডেন]]এর জন্য ইলেক্টোরাল কলেজের ভোট অনুমোদন শুরু করেছে, তখন ট্রাম্প-পন্থী বিক্ষোভকারীরা ভবনটিতে ঢুকে পড়ার পর ইউএস ক্যাপিটল অবরুদ্ধ।
** অ্যাক্সিওস, টুইটারের মাধ্যমে [https://twitter.com/i/events/1346454323635527680 টুইট], ৬ জানুয়ারি ২০২১।
* সুপ্রিম কোর্টের সময়কালকে প্রায়ই তাদের প্রধান বিচারপতিদের নামে চেনা যায়, যেমনটা প্রায় দুই দশক আগে রবার্টসের হাত ধরে শুরু হওয়া বর্তমান সময়ের ক্ষেত্রেও সত্যি। তবে আদালতের সক্ষমতা রাষ্ট্রপতির প্রভাব দিয়েও মাপা যায়। ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের মতো কিছু রাষ্ট্রপতি, যারা তাদের বারো বছরের ক্ষমতায় আটজন বিচারপতি নিয়োগ করেছিলেন, আদালতের ওপর তাদের এক অস্বাভাবিক প্রভাব ছিল। [[রোনাল্ড রিগ্যান]] এবং [[রিচার্ড নিক্সন]]ও তাদের ছাপ রাখার জন্য আলাদা হয়ে আছেন। ট্রাম্পের প্রভাব, বিশেষ করে বিচারক নির্বাচনের ধরণ এবং তার ফলে ক্ষমতার ভারসাম্যে যে পরিবর্তন এসেছে, তা অতুলনীয়। তিনি ক্ষমতা থেকে চলে গেছেন কিন্তু তারা সারা জীবনের জন্য এখানে থেকে গেছেন।
** জোন বিস্কুপিক, ''নাইন ব্ল্যাক রোবস: ইনসাইড দ্য সুপ্রিম কোর্ট'স ড্রাইভ টু দ্য রাইট অ্যান্ড ইটস হিস্টোরিক কনসিকুয়েন্সেস'' (২০২৩), নিউ ইয়র্ক: উইলিয়াম মরো, প্রথম সংস্করণ হার্ডকভার, পৃষ্ঠা ১০-১১।
* একদিন আমার বয়স যখন ৬ বছর, আমি আমার বাবার সাথে নিউ ইয়র্ক শহরে হাঁটছিলাম। আমরা খেয়াল করলাম যে কেউ আমাদের পাশের রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িগুলোর উইন্ডশিল্ড ওয়াইপারের নিচে ছোট ছোট ভাঁজ করা কাগজ গুঁজে দিয়েছে। আমার বাবা একটা কাগজ তুলে নিয়ে পড়লেন। দেখলাম রাগে তার মুখ অন্ধকার হয়ে গেল। “কী হয়েছে বাবা?” “এটি এমন কিছু মানুষের বার্তা যারা মনে করে সব ইহুদি ধর্মাবলম্বীদের মেরে ফেলা উচিত।”<br>এটি ১৯৫০-এর দশকের শেষের দিকের কথা, যখন [[ইউরোপ]]ে |নাৎসিদের হাতে ক্ষ লক্ষ ইহুদিদের গণহত্যার স্মৃতি আমেরিকানদের মনে টাটকা ছিল। লোয়ার ম্যানহাটনে প্রাণঘাতী ইহুদিবিদ্বেষ ছড়ানোর জন্য সেটি কোনো উপযুক্ত সময় ছিল না। একজন ইহুদি বাবা এবং অ-ইহুদি মায়ের সন্তান হওয়ায় আমি নিজেও অর্ধেক ইহুদি, তাই আমি কিছুটা চিন্তিত ছিলাম। আমি জানতাম যে এই লোকগুলো আমার বাবাকে মেরে ফেলতে চায়, কিন্তু শিশুদের মতো কেবল নিজেকে নিয়ে ভাবনায় আমি জানতে চেয়েছিলাম যে নতুন কোনো হলোকাস্ট হলে আমার মায়ের অ-ইহুদি বংশপরিচয় কি আমাকে রক্ষা করবে। “ওরা কি আমাকেও মেরে ফেলবে?” আমি জিজ্ঞেস করলাম। হ্যাঁ, তিনি আমাকে বললেন, সুযোগ পেলে তারা তাই করত। কিন্তু এরপর তিনি আমাকে আশ্বস্ত করে বললেন যে, এই ধরনের মানুষদের হাতে কখনোই তাদের মনের ইচ্ছা পূরণ করার মতো ক্ষমতা আসবে না। এটি এখানে ঘটা সম্ভব নয়।<br>আমি স্বীকার করছি যে আমি কৃতজ্ঞ কারণ ডোনাল্ড ট্রাম্প রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগেই আমার বাবা মারা গেছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে, ২০১৭ সালে শার্লটসভিলে টিকি-টর্চ হাতে নাৎসি হতে চাওয়া লোকজন “ইউনাইট দ্য রাইট” এর হয়ে মিছিল করেনি এবং “ইহুদিরা আমাদের জায়গা নিতে পারবে না!” বলে চিৎকার করেনি। ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগে তাদের কেউ পাল্টা বিক্ষোভকারীদের ওপর গাড়ি তুলে দিয়ে হেদার হেয়ারকে হত্যা করেনি এবং ট্রাম্প এই পুরো ঘটনা নিয়ে এমন মন্তব্য করেননি যে “উভয় পক্ষেই খুব ভালো মানুষ ছিল।” হয়ত নিউ ইয়র্কে সেদিন দেখা সেই তুচ্ছ ছোট দলটি আমাকে বেঁচে থাকতে দিত, আবার হয়ত দিত না। সেই সময় দেশে জন্মানো ফ্যাসিবাদীরা খুব বিরল ছিল এবং তাদের হাতে সেই ধরনের কোনো ক্ষমতা ছিল না।
** রেবেকা গর্ডন, [https://www.msn.com/en-us/news/world/the-right-s-attempted-extermination-campaign-of-queer-people-is-textbook-fascism/ar-AA1doVnf?ocid=msedgntp&cvid=0d5f12e7a48447b182bb5a96d57d9a4e&ei=7/ কুইয়ার বা সমকামী মানুষদের ওপর ডানপন্থীদের বিনাশী অভিযান হলো পাঠ্যবইয়ের ফ্যাসিবাদের মতো] (৪ জুলাই ২০২৩), ''দ্য নেশন''।
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন আন্দোলন এবং তার দখল করা রিপাবলিকান দল ফ্যাসিবাদের কোনো রূপ কি না, তা নিয়ে কেন মাথা ঘামানো উচিত? উত্তর হলো: কারণ ফ্যাসিবাদের যুক্তি অনিবার্যভাবে বিনাশের রাজনীতির দিকে নিয়ে যায়। তার এই এমএজিএ আন্দোলনকে ফ্যাসিবাদ হিসেবে বর্ণনা করলে এটি যে অস্তিত্ব রক্ষার জন্য হুমকি তা বোঝা সহজ হয়, এটি কেবল একটি গণতান্ত্রিক সমাজের জন্যই নয় বরং এর ভেতরে থাকা নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর জন্যও হুমকি।<br>আমি জানি এটি আতঙ্ক ছড়ানোর মতো শোনাতে পারে, তবে আমার মনে হয় এটি সত্য: এই দেশের প্রাক-ফ্যাসিবাদী শক্তিগুলো দেখিয়েছে যে তারা ক্ষমতা অর্জন এবং তা ধরে রাখার জন্য সমকামী মানুষদের নিশ্চিহ্ন করতে দিন দিন আরও বেশি আগ্রহী হয়ে উঠছে। যদি আমি ঠিক হয়ে থাকি, তবে এর অর্থ হলো সব আমেরিকান, সমকামী হোক বা না হোক, এখন এক অস্তিত্ব রক্ষার হুমকির মুখে আছে। এমএজিএ আন্দোলনের লক্ষ্যবস্তু নয় এমন মানুষদের উদ্দেশ্যে আমি ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথাগুলো একটু ঘুরিয়ে বলতে চাই: শেষ পর্যন্ত তারা আপনার পেছনেই আসবে। আমরা কেবল মাঝে দাঁড়িয়ে আছি।
** রেবেকা গর্ডন, [https://www.msn.com/en-us/news/world/the-right-s-attempted-extermination-campaign-of-queer-people-is-textbook-fascism/ar-AA1doVnf?ocid=msedgntp&cvid=0d5f12e7a48447b182bb5a96d57d9a4e&ei=7/ কুইয়ার বা সমকামী মানুষদের ওপর ডানপন্থীদের বিনাশী অভিযান হলো পাঠ্যবইয়ের ফ্যাসিবাদের মতো] (৪ জুলাই ২০২৩), ''দ্য নেশন''।
* ট্রাম্পের উপদেষ্টারা মনে করতেন যে তার অহংকার এবং গর্ব তাকে সঠিক এবং তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিতে বাধা দেয়। তার ব্যবস্থাপনার ধরণ ছিল অনেকটা নাগরদোলার মতো যা এদিক-সেদিক দুলত এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তার বোকা এবং মাঝেমধ্যে বেআইনি ধারণাগুলোকে ঠেকাতে বাধ্য করত। তাদের মধ্যে কেউ কেউ এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন যে, রাষ্ট্রপতি সেই দেশের জন্য এক দীর্ঘমেয়াদী এবং তাৎক্ষণিক বিপদ যাকে রক্ষা করার জন্য তিনি শপথ নিয়েছিলেন। তা সত্ত্বেও তারা এই ভেবে সান্ত্বনা পেতেন যে তাকে কোনো সংকটের মধ্য দিয়ে দেশ পরিচালনা করতে হয়নি। তবে ট্রাম্পের কাজ এবং কথাগুলোর ফলাফল ছিল বেদনাদায়ক। আইনের শাসনের ওপর তার আঘাত আমাদের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং আমেরিকানদের মনে এই ভয় জাগিয়ে দিয়েছে যে তারা আর মৌলিক নাগরিক অধিকার এবং কলঙ্কমুক্ত ন্যায়বিচারকে নিশ্চিত বলে ধরে নিতে পারবে না। বিদেশি জোটগুলোর প্রতি তার অবজ্ঞা বিশ্বে আমেরিকার নেতৃত্বকে দুর্বল করেছে এবং স্বৈরশাসকদের ক্ষমতাশালী করেছে। তার বর্বর অভিবাসন নীতি অভিবাসী শিশুদের তাদের পরিবারের কোল থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে। তার সংকীর্ণ কথাবার্তা শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীদের অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আসতে সাহসী করেছে। তবে অন্তত ২০২০ সালের আগে পর্যন্ত ট্রাম্পকে কোনো বিদেশি সামরিক হামলা, অর্থনৈতিক ধস বা জনস্বাস্থ্য সংকটের পরীক্ষা দিতে হয়নি।
** ক্যারল লিওনিগ এবং ফিলিপ রাকার, ''আই অ্যালোন ক্যান ফিক্স ইট: ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প'স ক্যাটাস্ট্রফিক ফাইনাল ইয়ার'' (২০২১), পৃষ্ঠা ১-২।
* ২০২০ সাল আমেরিকান ইতিহাসে যন্ত্রণা এবং চরম ব্যর্থতার বছর হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। করোনাভাইরাস অতিমারী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাঁচ লক্ষাধিক মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এবং কোটি কোটি মানুষকে সংক্রমিত করেছে, যা এক শতাব্দীর মধ্যে সবথেকে ভয়াবহ স্বাস্থ্য সংকট। প্রশাসনের অপারেশন ওয়ার্প স্পিড রেকর্ড সময়ে টিকা তৈরি করতে সাহায্য করলেও, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় রাষ্ট্রপতির অব্যবস্থাপনা, অযোগ্যতা আর অন্তর্কলহ স্পষ্ট ছিল। ২০২০ সালে ট্রাম্পের সামনে আসা সংকটগুলোর মধ্যে ভাইরাসটি কেবল একটি ছিল। অতিমারী অর্থনীতিকে স্থবির করে দিয়েছিল, দেশকে এক মন্দার মধ্যে ঠেলে দিয়েছিল যেখানে কম মজুরির শ্রমিকরা, যাদের মধ্যে অনেকেই সংখ্যালঘু, সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ২৫ মে শ্বেতাঙ্গ পুলিশ কর্মকর্তার হাঁটুর নিচে কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তি জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যু বর্ণবাদী বিচারের দাবি এবং পুলিশের বৈষম্য ও বর্বরতা বন্ধের আন্দোলনকে উস্কে দিয়েছিল। তবুও ট্রাম্প ব্যক্তিগত রাজনৈতিক লাভের জন্য এই বিভাজনকে কাজে লাগাতে চেয়েছিলেন। তিনি দ্রুত নিজেকে "আইন ও শৃঙ্খলার রাষ্ট্রপতি" হিসেবে ঘোষণা করেন এবং ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে সক্রিয় সেনা মোতায়েন করতে পেন্টাগন নেতাদের ওপর ক্রমাগত চাপ দিতে থাকেন। এদিকে জলবায়ু সংকট আরও খারাপ হলেও ট্রাম্প সেটিকে পুরোপুরি উপেক্ষা করেছিলেন, যিনি তার মেয়াদের শুরুতে পরিবেশগত নিয়মকানুন বাতিল করেছিলেন এবং প্যারিস চুক্তি থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নিয়েছিলেন। রাষ্ট্রপতি এর বদলে নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে সন্দেহ উস্কে দিতে ব্যস্ত ছিলেন। জো বাইডেনের কাছে হেরে যাওয়ার পর ট্রাম্প ষড়যন্ত্রের আগুন উস্কে দেন এবং অস্তিত্বহীন জালিয়াতি নিয়ে চিৎকার করতে থাকেন। সাজানো নির্বাচন নিয়ে তার মিথ্যা দাবি হাজার হাজার মানুষকে ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটলে এক সহিংস এবং শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ বিদ্রোহে উস্কে দিয়েছিল।
** ক্যারল লিওনিগ এবং ফিলিপ রাকার, ''আই অ্যালোন ক্যান ফিক্স ইট: ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প'স ক্যাটাস্ট্রফিক ফাইনাল ইয়ার'' (২০২১), পৃষ্ঠা ২।
* বিপদ থেকে বেরিয়ে আসার জন্য ট্রাম্পের সাধারণ কৌশলগুলো ভয় দেখানো, বাগাড়ম্বর এবং কারসাজি অতিমারী মোকাবিলায় অকেজো প্রমাণিত হয়েছে। তিনি সুখের কথা বলে বাস্তবতাকে ঢেকে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি এমন সব প্রতিকারের কথা বলেছিলেন যা কখনোই বাস্তবায়িত হয়নি। তিনি রোগীদের শরীরে ব্লিচ ইনজেকশন দেওয়ার মতো বিপজ্জনক এবং অপ্রমাণিত চিকিৎসার কথা বলেছিলেন। তিনি ডক্টর অ্যান্থনি ফাউসির মতো বিশেষজ্ঞদের মুখ বন্ধ করার চেষ্টা করেছিলেন, যারা তার দুর্বল দাবিগুলোকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন এবং রাষ্ট্রপতির চেয়েও বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন। তিনি নিজে মাস্ক পরে উদাহরণ তৈরি করতে অস্বীকার করেছিলেন। জরুরি পরিস্থিতি সামলাতে ব্যস্ত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং অঙ্গরাজ্যের গভর্নরদের সাথে তিনি বিবাদে জড়িয়ে পড়েছিলেন এবং যারা তার অগোছালো কাজের প্রশংসা করেনি তাদের ওপর চড়াও হয়েছিলেন। তিনি কেবল আমেরিকানদের নিরাপদ রাখতেই ব্যর্থ হননি, তিনি নিজেকেও নিরাপদ রাখতে পারেননি। ২০২০ সালের অক্টোবর মাসে ট্রাম্প কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন, যা তার অপরাজেয় হওয়ার মিথ্যা অহংকারকে ভেঙে দেয়।
** ক্যারল লিওনিগ এবং ফিলিপ রাকার, ''আই অ্যালোন ক্যান ফিক্স ইট: ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প'স ক্যাটাস্ট্রফিক ফাইনাল ইয়ার'' (২০২১), পৃষ্ঠা ৫।
* করোনাভাইরাস বিশ্বকে বদলে দিয়েছে, মানুষের কাজের ধরণ, পরিবারের জীবনযাপন এবং সমাজের রূপ পরিবর্তন করে দিয়েছে। এই গভীর পরিবর্তনগুলো মন্দার কারণে আরও ত্বরান্বিত হয়েছে এবং ফ্লয়েড হত্যার পরবর্তী উত্তেজনায় আরও তীব্র হয়েছে। তবে ট্রাম্প মূলত দেশের একটি সংখ্যালঘু অংশের জন্য তার কট্টর রাজনৈতিক সমর্থকদের জন্য শাসন পরিচালনা করেছেন। তিনি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার বা অতিমারী পরবর্তী আমেরিকার কথা ভাবার চেষ্টা করেননি। তিনি সেই সব শ্বেতাঙ্গদের ক্ষোভ আর অসন্তোষকে উস্কে দিয়েছিলেন যারা অর্থনৈতিকভাবে হুমকি এবং মানসিকভাবে কোণঠাসা বোধ করছিল। তিনি আমেরিকানদের এক পক্ষকে অন্য পক্ষের বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি বর্ণবাদী শব্দ ব্যবহার করেছিলেন এবং তার বিশাল সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোকে ঘৃণার বার্তা ছড়াতে ব্যবহার করেছিলেন। প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের আফ্রিকান আমেরিকান স্টাডিজ বিভাগের প্রধান এডি গ্লড জুনিয়র বলেন, "আমেরিকা সম্পর্কে তার দৃষ্টিভঙ্গি সংকীর্ণ, মান্ধাতা আমলের এবং কলুষিত।" তিনি আরও বলেন, "অনেক দিক থেকেই ডোনাল্ড ট্রাম্প এক পুরোনো আমেরিকার মৃত্যু যন্ত্রণার প্রতিনিধিত্ব করেন, যা অত্যন্ত উচ্চকিত এবং সহিংস।" রাষ্ট্রপতির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করা সরকারের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার বিক্ষোভ মোকাবিলায় ট্রাম্পের আচরণের সাথেনাৎসি জার্মানিতে অ্যাডলফ হিটলারের ক্ষমতায় আসার মিল খুঁজে পেয়েছেন।
** ক্যারল লিওনিগ এবং ফিলিপ রাকার, ''আই অ্যালোন ক্যান ফিক্স ইট: ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প'স ক্যাটাস্ট্রফিক ফাইনাল ইয়ার'' (২০২১), পৃষ্ঠা ৫।
* আমি এই [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|রাষ্ট্রপতি]]র হয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি। তিনি আমাদের জন্য লড়াই করেছেন এবং তাই আমরা সেটির ওপরই অবিচল থাকব।
** [[কেলি লোফ্লর]], [https://www.foxnews.com/transcript/sen-loeffler-warnocks-values-are-out-of-step-with-georgia সিনেটর লোফ্লর: ওয়ারনকের মূল্যবোধ জর্জিয়ার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়] খবর অনুযায়ী (৩ জানুয়ারি ২০২০)।
* আমরা কোনো না কোনোভাবে আবার ফিরে আসব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], {{উদ্ধৃতি |তারিখ=২০২১-০১-২০ | লেখক = কেভিন লিপটাক | ইউআরএল=https://edition.cnn.com/2021/01/20/politics/donald-trump-leaves-white-house/index.html |শিরোনাম=ক্ষমতার মেয়াদ শেষ হওয়ার সাথে সাথে সমাজচ্যুত হয়ে ওয়াশিংটন ত্যাগ করলেন ট্রাম্প |প্রকাশক=সিএনএন}}
* ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'' সোমবার একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেছে যা আমাদের [[মুক্তি]], [[গণতন্ত্র]] এবং সাংবিধানিক শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল যে কারো জন্য আতঙ্কজনক। সেই প্রতিবেদনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণার পূর্ণ সহযোগিতায় বর্ণনা করা হয়েছে যে, ২০২৪ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে তিনি কীভাবে তার ক্ষমতার ওপর থাকা নির্বাহী বিভাগের বাধাগুলো দূর করার পরিকল্পনা করছেন।<br>সেই দূর করার তালিকায় থাকা বাধাগুলোর মধ্যে রয়েছে একটি স্বাধীন বিচার বিভাগ, প্রশাসনিক সংস্থাগুলোর স্বাধীন নেতৃত্ব এবং একটি স্বাধীন সিভিল সার্ভিস। আমেরিকার রাষ্ট্রপতিত্ব নিয়ে দেশের অন্যতম পরিচিত গবেষক রিচার্ড নিউস্টাড বলেছেন যে, একটি সাংবিধানিক গণতন্ত্রে প্রধান নির্বাহী “আদেশ দেওয়ার মাধ্যমে ফলাফল পান না।<br>... তিনি বিতর্ক ছাড়া কোনো কাজ আদায় করতে পারেন না। রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা হলো মানুষকে রাজি করানোর ক্ষমতা।” ট্রাম্পের পরিকল্পনা সংবিধানের প্রতি আনুগত্যের বদলে তার নিজের প্রতি আনুগত্যের কথা বলে। এই দৃষ্টিভঙ্গি একইসাথে ভীতিকর এবং প্রত্যাশিত। ২০১৯ সালে তিনি বলেছিলেন, “রাষ্ট্রপতি হিসেবে আমার যা খুশি তাই করার অধিকার আছে।” আর ডিসেম্বরে ট্রাম্প “সংবিধান বিলুপ্তির” আহ্বান জানিয়েছিলেন।<br>আসলে তিনি ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটলে দাঙ্গার আগে ঠিক সেটিই করার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নির্বাচনী বিজয় পাল্টে দেওয়ার জন্য অঙ্গরাজ্য কর্মকর্তাদের ওপর চাপ দিয়েছিলেন, বিচার বিভাগকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছিলেন এবং নির্বাচন উল্টে দেওয়ার জন্য উপ-রাষ্ট্রপতি মাইক পেন্সকে ভয় দেখিয়েছিলেন।
** অস্টিন সারাত এবং ডেনিস আফটারগাট, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/is-america-on-the-brink-of-tyranny-trump-s-plan-if-elected-in-2024-should-frighten-us-all/ar-AA1e6K0y?ocid=msedgntp&cvid=1d908091b99b488496691c7d51ab2efe&ei=5/ আমেরিকা কি স্বৈরতন্ত্রের দ্বারপ্রান্তে? ২০২৪ সালে ট্রাম্প নির্বাচিত হলে তার পরিকল্পনা আমাদের সবার জন্য ভায়ের কারণ হওয়া উচিত।] (২০ জুলাই ২০২৩), ''ইউএসএ টুডে''।
* ''টাইমসের'' প্রতিবেদনে ওভাল অফিসে ফিরে আসলে নির্বাহী কর্তৃত্বের এই নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণের ২০২৫ সালের রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে। আসলে সেই নিবন্ধে বর্ণনা করা হয়েছে কীভাবে তার দল আমাদের সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্রের বদলে একটি কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্র তৈরি করবে। এমন একটি রাষ্ট্র সরকারি কর্মচারীদের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে চায়। আমলাতন্ত্র সম্পর্কে ভালো কথা বলা অজনপ্রিয় হতে পারে, তবে ফেডারেল কর্মীদের দক্ষতা, বিশেষজ্ঞ মতামত এবং আইনের মাধ্যমে শাসনের প্রতি দায়বদ্ধতা একটি গণতান্ত্রিক সরকারের জন্য অপরিহার্য।<br>কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্রের একটি সংজ্ঞা হলো এটি একক নেতার হাতে ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ দ্বারা চিহ্নিত করা যায়, যা নিজেকে একটি “প্রয়োজনীয় মন্দ” হিসেবে সমর্থন করে। এই ধরণের নিয়ন্ত্রণে অবশ্যই সামাজিক স্বাধীনতার ওপর কঠোর সরকারি বিধিনিষেধ থাকে, যেমন রাজনৈতিক বিরোধীদের দমন এবং শাসন-বিরোধী কার্যক্রম বন্ধ করা।
এই বৈশিষ্ট্যগুলোই ২০২৫ সালের সেই নীল নকশায় উঠে এসেছে যা ট্রাম্পের প্রচার দল টাইমসের প্রতিবেদনের মাধ্যমে জনগণকে দেখাতে চেয়েছিল। প্রতিবেদনে যেমনটি বলা হয়েছে, ট্রাম্প নির্বাচিত হলে তার হাতে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করার লক্ষ্যের জন্য তারা একটি ভিত্তি তৈরি করছে।<br>''টাইমস'' ট্রাম্পের ২০২০ সালের হোয়াইট হাউসের কর্মী পরিচালক জন ম্যাকএন্টি-র উক্তি উদ্ধৃত করেছে, যিনি রাষ্ট্রপতির ওপর ভারসাম্য রক্ষার নিয়মগুলো প্রত্যাখ্যান করার পক্ষে কথা বলেছেন: “আমাদের বর্তমান নির্বাহী বিভাগ উদারপন্থীদের দ্বারা তাদের নীতি প্রচারের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল। ... যা প্রয়োজন তা হলো পুরো ব্যবস্থার সংস্কার।”
** অস্টিন সারাত এবং ডেনিস আফটারগাট, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/is-america-on-the-brink-of-tyranny-trump-s-plan-if-elected-in-2024-should-frighten-us-all/ar-AA1e6K0y?ocid=msedgntp&cvid=1d908091b99b488496691c7d51ab2efe&ei=5/ আমেরিকা কি স্বৈরতন্ত্রের দ্বারপ্রান্তে? ২০২৪ সালে ট্রাম্প নির্বাচিত হলে তার পরিকল্পনা আমাদের সবার জন্য ভায়ের কারণ হওয়া উচিত।] (২০ জুলাই ২০২৩), ''ইউএসএ টুডে''।
* আসলে সংবিধান প্রণেতারা ক্ষমতার বিকেন্দ্রকরণের মাধ্যমেই নির্বাহী বিভাগসহ অন্য দুটি বিভাগ তৈরি করেছিলেন। এমনকি আলেকজান্ডার হ্যামিল্টন, যিনি নির্বাহী বিভাগের শক্তির পক্ষে ছিলেন, তিনিও বলেছিলেন যে স্বৈরতন্ত্রের পথ তখনই তৈরি হয় যখন সরকারি কর্মকর্তারা “একক ব্যক্তির নিরঙ্কুশ ক্ষমতার আশ্রয়ে যেতে বাধ্য হন।”<br>জেমস ম্যাডিসন এবং হ্যামিল্টন দুজনেই ''দ্য ফেডারেলিস্ট ৪৮''-এ সতর্ক করেছিলেন যে “ক্ষমতা স্বভাবতই গ্রাসকারী।” সেই কারণে ''দ্য ফেডারেলিস্ট ৫১'' অনুযায়ী, “উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে উচ্চাকাঙ্ক্ষা দিয়েই প্রতিহত করতে হবে।”<br>সেই সময় প্রণেতারা যে সংকটের মুখোমুখি হয়েছিলেন তা ছিল: একজনকে অবশ্যই “সরকারকে শাসিতদের নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম করে তুলতে হবে; এবং পরবর্তী ধাপে, সরকারকে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে বাধ্য করতে হবে।”<br>ট্রাম্পের ২০২৫ সালের রূপরেখা রাষ্ট্রপতির ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ শেষ করে দেবে যাতে তিনি শাসিতদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করতে পারেন।
** অস্টিন সারাত এবং ডেনিস আফটারগাট, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/is-america-on-the-brink-of-tyranny-trump-s-plan-if-elected-in-2024-should-frighten-us-all/ar-AA1e6K0y?ocid=msedgntp&cvid=1d908091b99b488496691c7d51ab2efe&ei=5/ আমেরিকা কি স্বৈরতন্ত্রের দ্বারপ্রান্তে? ২০২৪ সালে ট্রাম্প নির্বাচিত হলে তার পরিকল্পনা আমাদের সবার জন্য ভায়ের কারণ হওয়া উচিত।] (২০ জুলাই ২০২৩), ''ইউএসএ টুডে''।
* ক্ষমতার বিভাজনের সাথে আমাদের প্রতিষ্ঠাতা দলিলগুলো যে প্রধান বাধা তৈরি করেছে তা হলো আইনের শাসন। এই কারণেই ট্রাম্পের নির্বাহী বিভাগের আমূল পরিবর্তনের পরিকল্পনা শুরু হয়েছে “ওয়াটারগেট পরবর্তী বিচার বিভাগের ওপর হোয়াইট হাউসের রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের নিয়ম” শেষ করার মাধ্যমে।<br>প্রসেকিউটরদের ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকলে একজন রাষ্ট্রপতি তা বন্ধুদের সুবিধা দিতে, শত্রুদের ধ্বংস করতে এবং সাধারণ নাগরিকদের ভয় দেখাতে ব্যবহার করতে পারেন যারা সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন।<br>এটি আমেরিকান স্বাধীনতার মৃত্যুঘণ্টা বাজিয়ে দেবে। ১৭শ শতাব্দীর রাজনৈতিক দার্শনিক [[জন লক]], যার লেখা স্বাধীনতা ঘোষণার লেখকদের অনুপ্রাণিত করেছিল, তিনি লিখেছিলেন, “যেখানে আইনের শেষ, সেখানেই স্বৈরতন্ত্রের শুরু।” অথবা যেমন ব্লেক স্মিথ গত বছর ফরেন পলিসির একটি নিবন্ধে লিখেছিলেন, “রাষ্ট্রের কার্যকারিতা এবং ব্যক্তিগত জীবনকে একটি আলাদা, অরাজনৈতিক এবং স্বাধীন ক্ষেত্র হিসেবে টিকিয়ে রাখার জন্য আমলাতান্ত্রিক আদর্শ অপরিহার্য।”<br>আমেরিকার সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্র হিসেবে প্রথম দশকের শেষে জর্জ ওয়াশিংটন স্বেচ্ছায় তৃতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি না হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যাতে দেশকে রাষ্ট্রপতির আমৃত্যু শাসনের স্বৈরতন্ত্রের পথে না ঠেলে দেওয়া হয়। তিনি রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে বিপ্লব থেকে বুঝেছিলেন যে একজন ব্যক্তির হাতে ক্ষমতা কুক্ষিগত করাই হলো স্বৈরতন্ত্রের মূল লক্ষ্য।<br>২০২৪ সালে ভোটাররা যদি ট্রাম্পকে নির্বাচিত করেন, তবে তিনি তার দলের ফাঁস করা সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবেন। ফলাফল সহজেই অনুমান করা যায়। সংবিধানের বদলে ট্রাম্পের প্রতি অনুগত আমলাতন্ত্র অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনকে ইতিহাসের আবর্জনায় পাঠিয়ে দেবে, সাথে নাগরিক অধিকারের বিল এবং সেই স্বাধীনতাগুলোকেও যা রক্ষার জন্য এই বিল তৈরি করা হয়েছিল।
** অস্টিন সারাত এবং ডেনিস আফটারগাট, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/is-america-on-the-brink-of-tyranny-trump-s-plan-if-elected-in-2024-should-frighten-us-all/ar-AA1e6K0y?ocid=msedgntp&cvid=1d908091b99b488496691c7d51ab2efe&ei=5/ আমেরিকা কি স্বৈরতন্ত্রের দ্বারপ্রান্তে? ২০২৪ সালে ট্রাম্প নির্বাচিত হলে তার পরিকল্পনা আমাদের সবার জন্য ভায়ের কারণ হওয়া উচিত।] (২০ জুলাই ২০২৩), ''ইউএসএ টুডে''।
==আরও দেখুন==
* [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
* [[বারাক ওবামা]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন]]
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী}}
[[বিষয়শ্রেণী:ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতিত্ব| ]]
rs0jptgi22qhbrx8hxjxv0zoqxqxv0f
ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch
2
11968
75425
74158
2026-04-10T15:25:50Z
Oindrojalik Watch
4169
75425
wikitext
text/x-wiki
<div style="padding: 20px; border: 2px solid #2e8b57; background-color: #f0fff0; border-radius: 15px; box-shadow: 5px 5px 15px rgba(0,0,0,0.1); font-family: 'Segoe UI', Tahoma, Geneva, Verdana, sans-serif; line-height: 1.6;">
<p style="font-size: 16px; color: #333;">আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ (রহমানের শান্তি ও শুভ্রতা বর্ষিত হোক আপনার ওপর),</p>
<p style="font-size: 16px; color: #333;">আমি <span style="font-size: 20px; color: #d44;">'''محمود'''</span> (মাহমুদ)। উইকিপিডিয়ায় আমার ইউজার অ্যাকাউন্ট '''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]]'''। নবাগত। তরুণ। সুবহে সাদিককালীন ছাত্র। মাশরেক থেকে মাগরেব পর্যন্ত ভ্রমণকারী হতে ইচ্ছুক! আজাদীর সিলসিলা বাস্তবায়নে অগ্রপথিক। নিজের প্রশংসা করতে চাই না।</p>
<p style="font-size: 16px; font-style: color: #2e8b57; text-align: center;">'শুধু একান্ত নীরবতায় উইকিপিডিয়াকে সমৃদ্ধ করে মানবতার 'তথ্য-কল্যাণ' করে যেতে চাই।'</p>
<div style="text-align: right; margin-top: 15px;">
'''আল-বিদা!'''<br>
[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
</div>
</div>
kp1vh9wn4pb05jdtl97o9codkkbdu8n
ফজলে রাব্বী
0
11981
75428
75003
2026-04-10T15:32:27Z
Oindrojalik Watch
4169
75428
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:Dr Mohammed Fazle Rabbee.jpg|thumb|right|শহীদ ডা. মোহাম্মদ ফজলে রাব্বী]]
ডা. মোহাম্মদ [[w:মোহাম্মদ ফজলে রাব্বী|ফজলে রাব্বী]] (২২ সেপ্টেম্বর ১৯৩২ - ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭১) ছিলেন একজন বাংলাদেশি হৃদরোগ চিকিৎসক এবং মুক্তিযুদ্ধের একজন শহীদ [[:w:বুদ্ধিজীবী|বুদ্ধিজীবী]]। তিনি [[:w:ঢাকা মেডিকেল কলেজ|ঢাকা মেডিকেল কলেজের]] ক্লিনিক্যাল মেডিসিন ও কার্ডিওলজি বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন।
== উক্তি ==
* "ভুলে যেয়ো না, ওরাও মানুষ।"
** ১৯৭১ সালের ১৫ই ডিসেম্বরের প্রভাতে যুদ্ধকালীন কারফিউর মাঝে পুরান ঢাকায় একজন অবাঙালি রোগীকে দেখতে যাওয়ার সময় ফজলে রাব্বী স্ত্রী ডা. জাহানারা রাব্বী বাধা দেন। কিন্তু তিনি সহাস্যে এই উক্তি করে মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছিলেন। তখন মুক্তিযুদ্ধে অবরুদ্ধ ঢাকায় থেকেও তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাধারণ মানুষ ও মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করেছেন।
*** [https://www.prothomalo.com/onnoalo/ডা.-ফজলে-রাব্বি-ও-তাঁর-একটি-প্রেসক্রিপশন "ডা. ফজলে রাব্বি ও তাঁর একটি প্রেসক্রিপশন"], প্রথম আলো (অনলাইন সংস্করণ)।
* "তুমি বোধহয় আমার কবর দেখেছ।"
** ১৫ই ডিসেম্বর সকালে তার স্ত্রী জাহানারা রাব্বী একটি দুঃস্বপ্নের কথা ব্যক্ত করলে ডা. ফজলে রাব্বী নিজের মৃত্যুর দিকে ইঙ্গিত করেন উক্তিটি করে।
*** রশীদ হায়দার সম্পাদিত, ''স্মৃতি: ৭১'', দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা ২১, বাংলা একাডেমি।
* "আচ্ছা, দুপুরটা একটু গড়িয়ে নিই। বিকেলের দিকে না হয় বের হওয়া যাবে।"
** ১৫ই ডিসেম্বর বিকেলের কারফিউ এর সময় শুরু হওয়ার আগে চলে যাওয়ার প্রস্তুতির সময় তিনি কিছুটা বিশ্রামের জন্য এই কথাটি বলেছিলেন। এর কিছুক্ষণ পরেই তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং অন্যান্য বুদ্ধিজীবীদের সাথে গুম করে ফেলা হয়। ১৮ই ডিসেম্বর তার ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে পাওয়া যায়।
*** ডা. নুসরাত রাব্বি, ''দ্য স্পিরিট অব ১৯৭১'', পৃষ্ঠা: ৯১, শ্রাবণ প্রকাশনী, প্রকাশক: রবিন আহসান; মূল ইংরেজি সংস্করণ প্রকাশকাল: অক্টোবর ২০২১।[https://www.banglatribune.com/others/790378/শহীদ-বুদ্ধিজীবী-ডা.-ফজলে-রাব্বিকে-নিয়ে-বই-‘দ্য "শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. ফজলে রাব্বিকে নিয়ে বই ‘দ্য স্পিরিট অব ১৯৭১’"], বাংলা ট্রিবিউন।
== তার সম্পর্কে উক্তি ==
* ডাক্তার মোহাম্মদ ফজলে রাব্বী, প্রফেসর অব ক্লিনিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড কার্ডিওলজিস্ট, ঢাকা মেডিকেল কলেজ—এই তাঁর পরিচয়। তার চেয়েও বড় এবং সত্য পরিচয় হলো তিনি একজন মানুষ ছিলেন। সত্যিকারের মানুষ যেমন সচরাচর চোখে পড়ে না।
** স্মৃতি: ১৯৭১ (রশীদ হায়দার সম্পাদিত) গ্রন্থের প্রথম খণ্ড, ''সংগ্রামের নোটবুক'',পৃষ্ঠা ১০২ , ডা. জাহান আরা রাব্বী (স্ত্রী)।
* আপন করে নেয়ার আর সহজভাবে গিয়ে পাশে দাঁড়াবার একটা সহজাত ক্ষমতা তাঁর ছিল, যা মনে হতো কেবল তাঁকেই মানাতো।
** স্মৃতি: ১৯৭১ (রশীদ হায়দার সম্পাদিত) গ্রন্থের প্রথম খণ্ড, ''সংগ্রামের নোটবুক'',পৃষ্ঠা ১০৩ ,(ডা. জাহান আরা রাব্বী)।
* পৃথিবীর সুখী মহিলাদের মধ্যে আমি ছিলাম অন্যতমা। আমি নিজেকে ধন্য মনে করি এমন একজন মানুষের জীবন সঙ্গিনী ছিলাম বলে।
** স্মৃতি: ১৯৭১ (রশীদ হায়দার সম্পাদিত) গ্রন্থের প্রথম খণ্ড, ''সংগ্রামের নোটবুক'',পৃষ্ঠা ১০২ ,(ডা. জাহান আরা রাব্বী)।[https://songramernotebook.com/archives/376546]
* তার চেম্বারটি ছিল জাতি-ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে সব মানুষের মিলনস্থল। গরিব ও দুস্থ রোগীদের জন্য তার দরজা সব সময় খোলা থাকত এবং অনেক ক্ষেত্রে তিনি শুধু বিনামূল্যে চিকিৎসাই করতেন না, বরং ওষুধের টাকাও দিয়ে দিতেন।
** আহমাদ ইশতিয়াক, নিবন্ধ: ''শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. ফজলে রাব্বী: মানবতার এক চিরন্তন প্রতিমূর্তি'', প্রথম পৃষ্ঠা ।
* ডা. ফজলে রাব্বী কেবল একজন চিকিৎসক ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন রাজনৈতিক সচেতন দেশপ্রেমিক। একাত্তরের সেই উত্তাল দিনগুলোতে তিনি গোপনে মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা ও অর্থ সহায়তা দিয়ে গেছেন, যা ছিল চরম জীবনের ঝুঁকি নেওয়ার মতো কাজ।
** আহমাদ ইশতিয়াক, নিবন্ধ: ''শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. ফজলে রাব্বী: মানবতার এক চিরন্তন প্রতিমূর্তি''পৃ. ৩।
* ১৯৭১ সালের ১৫ ডিসেম্বর যখন ঘাতক দল তাকে নিয়ে যেতে আসে, তখন তার মা তাকে পালিয়ে যেতে বলেছিলেন। কিন্তু সেই মহৎ মানুষটি উত্তর দিয়েছিলেন— 'আমি চলে গেলে ওরা তোমাদের মেরে ফেলবে, তার চেয়ে আমি যাওয়াই ভালো।' এটি ছিল তাঁর চূড়ান্ত আত্মত্যাগ।
** পারিবারিক স্মৃতিচারণ[https://bangla.thedailystar.net/%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF/%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%90%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF/%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8/%E0%A6%B6%E0%A6%B9%E0%A7%80%E0%A6%A6-%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A7%80-%E0%A6%A1%E0%A6%BE-%E0%A6%AB%E0%A6%9C%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%8F%E0%A6%95-%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%C2%A0-294396]
* আমার বাবা বলতেন, 'পাকিস্তান (PAKISTAN) নামের মধ্যেই বাংলাদেশের কোনো স্থান নেই—P ফর পাঞ্জাব, A ফর আফগান প্রদেশ, K ফর কাশ্মীর এবং ISTAN এসেছে বেলুচিস্তান থেকে; এখানে B (বাংলাদেশ) বলে কিছু নেই'।
:* দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডা. ফজলে রাব্বীর কন্যা ড. নুসরাত রাব্বী তাঁর বাবার এই উক্তিটি স্মরণ করেন।
::* ''দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড'' (অনলাইন সংস্করণ), ১৫ ডিসেম্বর ২০২২। [https://www.tbsnews.net/features/panorama/remembering-dr-rabbee-his-legacy-and-nation-we-built-605594 "রিমেম্বারিং ডা. রাব্বী: হিজ লেগাসি অ্যান্ড দ্য নেশন উই বিল্ট"]।
* আমার মনে আছে, কোনো অনুষ্ঠানে যখন আমাদের রুটি ও মাংস দেওয়া হতো, আমার বাবা তখন ভাত ও মাছ চাইতেন। এটি কেবল আমাদের সাংস্কৃতিক ভিন্নতা ছিল না, বরং এটি ছিল আমাদের সাংস্কৃতিক অবদমনের বিরুদ্ধে একটি অবস্থান। আমার বাবা সেই পরাধীনতা মেনে নিতে প্রস্তুত ছিলেন না।
** ''দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড'' (অনলাইন সংস্করণ), ১৫ ডিসেম্বর ২০২২। [https://www.tbsnews.net/features/panorama/remembering-dr-rabbee-his-legacy-and-nation-we-built-605594 "রিমেম্বারিং ডা. রাব্বী: হিজ লেগাসি অ্যান্ড দ্য নেশন উই বিল্ট"]
==বহিঃসংযোগ==
* [https://www.prothomalo.com/onnoalo/%E0%A6%A1%E0%A6%BE.-%E0%A6%AB%E0%A6%9C%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%93-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%B0-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%B6%E0%A6%A8 ''ডা. ফজলে রাব্বি ও তাঁর একটি প্রেসক্রিপশন'']
* [https://bangla.thedailystar.net/%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF/%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%90%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF/%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8/%E0%A6%B6%E0%A6%B9%E0%A7%80%E0%A6%A6-%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A7%80-%E0%A6%A1%E0%A6%BE-%E0%A6%AB%E0%A6%9C%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%8F%E0%A6%95-%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%C2%A0-294396 ''শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. ফজলে রাব্বি: মানবতার এক চিরন্তন প্রতিমূর্তি '']
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩২-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:চিকিৎসক]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৭১-এ মৃত্যু]]
03qukiolycbl9g88yzfkxibxikevqpa
75430
75428
2026-04-10T15:34:14Z
Oindrojalik Watch
4169
বিষয়শ্রেণী যোগ
75430
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:Dr Mohammed Fazle Rabbee.jpg|thumb|right|শহীদ ডা. মোহাম্মদ ফজলে রাব্বী]]
ডা. মোহাম্মদ [[w:মোহাম্মদ ফজলে রাব্বী|ফজলে রাব্বী]] (২২ সেপ্টেম্বর ১৯৩২ - ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭১) ছিলেন একজন বাংলাদেশি হৃদরোগ চিকিৎসক এবং মুক্তিযুদ্ধের একজন শহীদ [[:w:বুদ্ধিজীবী|বুদ্ধিজীবী]]। তিনি [[:w:ঢাকা মেডিকেল কলেজ|ঢাকা মেডিকেল কলেজের]] ক্লিনিক্যাল মেডিসিন ও কার্ডিওলজি বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন।
== উক্তি ==
* "ভুলে যেয়ো না, ওরাও মানুষ।"
** ১৯৭১ সালের ১৫ই ডিসেম্বরের প্রভাতে যুদ্ধকালীন কারফিউর মাঝে পুরান ঢাকায় একজন অবাঙালি রোগীকে দেখতে যাওয়ার সময় ফজলে রাব্বী স্ত্রী ডা. জাহানারা রাব্বী বাধা দেন। কিন্তু তিনি সহাস্যে এই উক্তি করে মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছিলেন। তখন মুক্তিযুদ্ধে অবরুদ্ধ ঢাকায় থেকেও তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাধারণ মানুষ ও মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করেছেন।
*** [https://www.prothomalo.com/onnoalo/ডা.-ফজলে-রাব্বি-ও-তাঁর-একটি-প্রেসক্রিপশন "ডা. ফজলে রাব্বি ও তাঁর একটি প্রেসক্রিপশন"], প্রথম আলো (অনলাইন সংস্করণ)।
* "তুমি বোধহয় আমার কবর দেখেছ।"
** ১৫ই ডিসেম্বর সকালে তার স্ত্রী জাহানারা রাব্বী একটি দুঃস্বপ্নের কথা ব্যক্ত করলে ডা. ফজলে রাব্বী নিজের মৃত্যুর দিকে ইঙ্গিত করেন উক্তিটি করে।
*** রশীদ হায়দার সম্পাদিত, ''স্মৃতি: ৭১'', দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা ২১, বাংলা একাডেমি।
* "আচ্ছা, দুপুরটা একটু গড়িয়ে নিই। বিকেলের দিকে না হয় বের হওয়া যাবে।"
** ১৫ই ডিসেম্বর বিকেলের কারফিউ এর সময় শুরু হওয়ার আগে চলে যাওয়ার প্রস্তুতির সময় তিনি কিছুটা বিশ্রামের জন্য এই কথাটি বলেছিলেন। এর কিছুক্ষণ পরেই তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং অন্যান্য বুদ্ধিজীবীদের সাথে গুম করে ফেলা হয়। ১৮ই ডিসেম্বর তার ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে পাওয়া যায়।
*** ডা. নুসরাত রাব্বি, ''দ্য স্পিরিট অব ১৯৭১'', পৃষ্ঠা: ৯১, শ্রাবণ প্রকাশনী, প্রকাশক: রবিন আহসান; মূল ইংরেজি সংস্করণ প্রকাশকাল: অক্টোবর ২০২১।[https://www.banglatribune.com/others/790378/শহীদ-বুদ্ধিজীবী-ডা.-ফজলে-রাব্বিকে-নিয়ে-বই-‘দ্য "শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. ফজলে রাব্বিকে নিয়ে বই ‘দ্য স্পিরিট অব ১৯৭১’"], বাংলা ট্রিবিউন।
== তার সম্পর্কে উক্তি ==
* ডাক্তার মোহাম্মদ ফজলে রাব্বী, প্রফেসর অব ক্লিনিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড কার্ডিওলজিস্ট, ঢাকা মেডিকেল কলেজ—এই তাঁর পরিচয়। তার চেয়েও বড় এবং সত্য পরিচয় হলো তিনি একজন মানুষ ছিলেন। সত্যিকারের মানুষ যেমন সচরাচর চোখে পড়ে না।
** স্মৃতি: ১৯৭১ (রশীদ হায়দার সম্পাদিত) গ্রন্থের প্রথম খণ্ড, ''সংগ্রামের নোটবুক'',পৃষ্ঠা ১০২ , ডা. জাহান আরা রাব্বী (স্ত্রী)।
* আপন করে নেয়ার আর সহজভাবে গিয়ে পাশে দাঁড়াবার একটা সহজাত ক্ষমতা তাঁর ছিল, যা মনে হতো কেবল তাঁকেই মানাতো।
** স্মৃতি: ১৯৭১ (রশীদ হায়দার সম্পাদিত) গ্রন্থের প্রথম খণ্ড, ''সংগ্রামের নোটবুক'',পৃষ্ঠা ১০৩ ,(ডা. জাহান আরা রাব্বী)।
* পৃথিবীর সুখী মহিলাদের মধ্যে আমি ছিলাম অন্যতমা। আমি নিজেকে ধন্য মনে করি এমন একজন মানুষের জীবন সঙ্গিনী ছিলাম বলে।
** স্মৃতি: ১৯৭১ (রশীদ হায়দার সম্পাদিত) গ্রন্থের প্রথম খণ্ড, ''সংগ্রামের নোটবুক'',পৃষ্ঠা ১০২ ,(ডা. জাহান আরা রাব্বী)।[https://songramernotebook.com/archives/376546]
* তার চেম্বারটি ছিল জাতি-ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে সব মানুষের মিলনস্থল। গরিব ও দুস্থ রোগীদের জন্য তার দরজা সব সময় খোলা থাকত এবং অনেক ক্ষেত্রে তিনি শুধু বিনামূল্যে চিকিৎসাই করতেন না, বরং ওষুধের টাকাও দিয়ে দিতেন।
** আহমাদ ইশতিয়াক, নিবন্ধ: ''শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. ফজলে রাব্বী: মানবতার এক চিরন্তন প্রতিমূর্তি'', প্রথম পৃষ্ঠা ।
* ডা. ফজলে রাব্বী কেবল একজন চিকিৎসক ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন রাজনৈতিক সচেতন দেশপ্রেমিক। একাত্তরের সেই উত্তাল দিনগুলোতে তিনি গোপনে মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা ও অর্থ সহায়তা দিয়ে গেছেন, যা ছিল চরম জীবনের ঝুঁকি নেওয়ার মতো কাজ।
** আহমাদ ইশতিয়াক, নিবন্ধ: ''শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. ফজলে রাব্বী: মানবতার এক চিরন্তন প্রতিমূর্তি''পৃ. ৩।
* ১৯৭১ সালের ১৫ ডিসেম্বর যখন ঘাতক দল তাকে নিয়ে যেতে আসে, তখন তার মা তাকে পালিয়ে যেতে বলেছিলেন। কিন্তু সেই মহৎ মানুষটি উত্তর দিয়েছিলেন— 'আমি চলে গেলে ওরা তোমাদের মেরে ফেলবে, তার চেয়ে আমি যাওয়াই ভালো।' এটি ছিল তাঁর চূড়ান্ত আত্মত্যাগ।
** পারিবারিক স্মৃতিচারণ[https://bangla.thedailystar.net/%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF/%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%90%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF/%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8/%E0%A6%B6%E0%A6%B9%E0%A7%80%E0%A6%A6-%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A7%80-%E0%A6%A1%E0%A6%BE-%E0%A6%AB%E0%A6%9C%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%8F%E0%A6%95-%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%C2%A0-294396]
* আমার বাবা বলতেন, 'পাকিস্তান (PAKISTAN) নামের মধ্যেই বাংলাদেশের কোনো স্থান নেই—P ফর পাঞ্জাব, A ফর আফগান প্রদেশ, K ফর কাশ্মীর এবং ISTAN এসেছে বেলুচিস্তান থেকে; এখানে B (বাংলাদেশ) বলে কিছু নেই'।
:* দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডা. ফজলে রাব্বীর কন্যা ড. নুসরাত রাব্বী তাঁর বাবার এই উক্তিটি স্মরণ করেন।
::* ''দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড'' (অনলাইন সংস্করণ), ১৫ ডিসেম্বর ২০২২। [https://www.tbsnews.net/features/panorama/remembering-dr-rabbee-his-legacy-and-nation-we-built-605594 "রিমেম্বারিং ডা. রাব্বী: হিজ লেগাসি অ্যান্ড দ্য নেশন উই বিল্ট"]।
* আমার মনে আছে, কোনো অনুষ্ঠানে যখন আমাদের রুটি ও মাংস দেওয়া হতো, আমার বাবা তখন ভাত ও মাছ চাইতেন। এটি কেবল আমাদের সাংস্কৃতিক ভিন্নতা ছিল না, বরং এটি ছিল আমাদের সাংস্কৃতিক অবদমনের বিরুদ্ধে একটি অবস্থান। আমার বাবা সেই পরাধীনতা মেনে নিতে প্রস্তুত ছিলেন না।
** ''দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড'' (অনলাইন সংস্করণ), ১৫ ডিসেম্বর ২০২২। [https://www.tbsnews.net/features/panorama/remembering-dr-rabbee-his-legacy-and-nation-we-built-605594 "রিমেম্বারিং ডা. রাব্বী: হিজ লেগাসি অ্যান্ড দ্য নেশন উই বিল্ট"]
==বহিঃসংযোগ==
* [https://www.prothomalo.com/onnoalo/%E0%A6%A1%E0%A6%BE.-%E0%A6%AB%E0%A6%9C%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%93-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%B0-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%B6%E0%A6%A8 ''ডা. ফজলে রাব্বি ও তাঁর একটি প্রেসক্রিপশন'']
* [https://bangla.thedailystar.net/%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF/%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%90%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF/%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8/%E0%A6%B6%E0%A6%B9%E0%A7%80%E0%A6%A6-%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A7%80-%E0%A6%A1%E0%A6%BE-%E0%A6%AB%E0%A6%9C%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%8F%E0%A6%95-%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%C2%A0-294396 ''শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. ফজলে রাব্বি: মানবতার এক চিরন্তন প্রতিমূর্তি '']
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩২-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:চিকিৎসক]]
[[বিষয়শ্রেণী:বুদ্ধিজীবী]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৭১-এ মৃত্যু]]
oqvrk6u8s05cr0hybz3126hjlba5hp9
ডেভিড হিউম
0
11982
75404
75057
2026-04-10T15:01:46Z
Oindrojalik Watch
4169
সংশোধন
75404
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:David Hume Ramsay.jpg|thumb|right|250px|মানুষ যেখানে সবচেয়ে বেশি সুনিশ্চিত আর অহঙ্কারী, সাধারণত সেখানেই সে মস্ত বড় ভুলটি করে বসে। কারণ, সে তখন যুক্তির লাগাম ছেড়ে দিয়ে আবেগে পড়ে আর ভুলে যায় সেই গভীর চিন্তামগ্নতা ও দ্বিধাবোধ—যা তাকে অজ্ঞতা থেকে বাঁচাত।<br>~ ''অ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং দ্য প্রিন্সিপালস অব মোরালস'' (নৈতিকতার মূলনীতি নিয়ে একটি গবেষণা); অনুচ্ছেদ ৯.১৩: উপসংহার, ১ম খণ্ড (১৭৫১)]]
[[চিত্র:Painting of David Hume.jpg|থাম্ব|একজন প্রাজ্ঞ মানুষের আসল জগৎ হলো তাঁর নিজের মন। আর তিনি যদি কখনো বাইরের স্বীকৃতির প্রয়োজন বোধ করেন, তবে তিনি কেবল সেই সামান্য কয়েকজন নিরপেক্ষ ও যোগ্য মানুষের বিচারকেই গুরুত্ব দেবেন—যাঁরা সংকীর্ণতামুক্ত হয়ে তাঁর কাজকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে পারে।]]
[[w:ডেভিড হিউম|ডেভিড হিউম]] (৭ মে ১৭১১ – ২৫ আগস্ট ১৭৭৬) ছিলেন আঠারো শতকের একজন প্রখ্যাত স্কটিশ [[:w:দার্শনিক|দার্শনিক]], [[w:ইতিহাসবিদ|ইতিহাসবিদ]], [[w:অর্থনীতিবিদ|অর্থনীতিবিদ]] এবং প্রাবন্ধিক। [[:w:পাশ্চাত্য দর্শন|পাশ্চাত্য দর্শনের]] ইতিহাসে তাকে অন্যতম প্রভাবশালী অভিজ্ঞতাবাদী ও সংশয়বাদী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। হিউম মনে করতেন যে, মানুষের সমস্ত জ্ঞান ও ধারণার মূল ভিত্তি হলো তার বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ইন্দ্রিয় থেকে পাওয়া অনুভূতি। মূলত 'কার্যকারণ-তত্ত্ব' এবং নৈতিক দর্শনের সূক্ষ্ম বিশ্লেষণের জন্যই তিনি বিশ্বজুড়ে আজও সমাদৃত।
== উক্তি ==
* এখান থেকেই বোঝা যায় সেই ধারণাটি কতটা ভ্রান্তিপূর্ণ—যেখানে মনে করা হয় কোনো রাষ্ট্রের উর্বর জমি, বিশাল জনসংখ্যা আর উন্নত কৃষি থাকা সত্ত্বেও সে কেবল 'টাকার' অভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। সত্যি বলতে, এই অর্থের অভাব কোনো রাষ্ট্রকে ভেতর থেকে কখনোই ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে না। কারণ একটি জাতির আসল শক্তি হলো—'তার জনগণ ও সম্পদ'। বরং মানুষের অতি সাধারণ আর মিতব্যয়ী জীবনযাপনই মাঝেমধ্যে জনস্বার্থের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। কারণ এটি সোনা-রূপাকে কেবল মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের হাতে আটকে রাখে এবং অর্থের স্বাভাবিক সঞ্চালনকে বন্ধ করে দেয়। এর বিপরীতে, শিল্পায়ন আর মানুষের আধুনিক রুচিবোধ সেই অর্থকে পুরো রাষ্ট্রের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে দেয়, তার পরিমাণ যত সামান্যই হোক না কেন। এটি তখন রাষ্ট্রের প্রতিটি ধমনীতে রক্ত সঞ্চালনের মতো মিশে যায় এবং প্রতিটি ব্যবসায়িক লেনদেনে নতুন প্রাণ সঞ্চার করে।
** 'অফ মানি' (১৭৫২); ইউজিন রোটউইন সম্পাদিত ''ডেভিড হিউম: রাইটিংস অন ইকোনমিকস''-এ উদ্ধৃত (১৯৫৫, ১৯৭০), [https://archive.org/details/writingsoneconom0000hume/page/45/mode/1up পৃষ্ঠা ৪৫।]
* একজন প্রাজ্ঞ মানুষের আসল সাম্রাজ্য হলো তার নিজের অন্তরাত্মা। যদি কখনো তার বাইরের স্বীকৃতির প্রয়োজনও হয়, তবে তিনি কেবল সেই সামান্য কয়েকজন নিরপেক্ষ ও গুণী মানুষের বিচারকেই গুরুত্ব দেবেন—যাঁরা সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে তাঁর কাজকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করার ক্ষমতা রাখেন। প্রকৃতপক্ষে, সাধারণ মানুষের অতিরিক্ত প্রশংসা কোনো তথ্যের ভুল হওয়ার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হতে পারে। আপনি তো জানেনই, ফোকিয়ন যখনই জনসভার করতালি শুনতেন, তখনই শঙ্কিত হয়ে ভাবতেন—নিশ্চয়ই তিনি কোনো বড় ভুল করে ফেলেছেন!
** "দ্য থিওরি অফ মোরাল সেন্টিমেন্টস"-এর ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ার প্রেক্ষিতে অ্যাডাম স্মিথকে লেখা একটি পরিহাসপূর্ণ বিদ্রূপাত্মক চিঠি।
* একজন কাণ্ডজ্ঞানসম্পন্ন ও বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ কি কখনো ভূত-প্রেত কিংবা রূপকথার সেইসব আজগুবি গল্পের পেছনে হন্যে হয়ে ছোটে? অথবা তিনি কি খুব গুরুত্বের সাথে সেই সব আষাঢ়ে গল্পের সত্যতা যাচাই করতে বসেন? আমার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় আমি আজ অবধি এমন কাউকেই দেখিনি, যিনি আজেবাজে কিংবা পুরোপুরি অর্থহীন কোনো বিষয় নিয়ে দীর্ঘক্ষণ বিচার-বিশ্লেষণ করার পর, তদন্তের শেষ প্রান্তে এসে নিজেই সেই প্রলাপে বিশ্বাস স্থাপন করেননি। প্রকৃতপক্ষে, মানুষ যখন কোনো অযৌক্তিক বিষয় নিয়ে অতিরিক্ত ঘাঁটাঘাঁটি করে, তখন তার অবচেতন মন অজান্তেই সেই মিথ্যার জালে জড়িয়ে পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত সে নিজেকেই বিশ্বাস করাতে শুরু করে যে—এই প্রলাপই হয়তো সত্য!
** ''লেটারস''।
* মহাবিশ্বের কাছে একজন মানুষের জীবনের গুরুত্ব একটি নগণ্য ঝিনুকের চেয়ে বেশি কিছু নয়।
** ''অন সুইসাইড''।
* সেই সব নির্বোধদের প্রশংসা কিংবা লোকদেখানো সম্মানের প্রতি আমার এক তীব্র ঘৃণা ও অবজ্ঞা রয়েছে, যারা বুক ফুলিয়ে নিজেদের 'জনসাধারণ' বলে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করে। আসলে এরা এমন এক জনসমষ্টি, যাদের নিজস্ব কোনো চিন্তাশক্তি নেই। তাদেরকে একজন বই বিক্রেতা তার বাণিজ্যের প্রয়োজনে, কোনো লর্ড তার আভিজাত্যের দম্ভে, কোনো পুরোহিত ধর্মের ভয় দেখিয়ে কিংবা কোনো ধূর্ত রাজনৈতিক দল তাদের হীন স্বার্থে নিজের ইচ্ছেমতো ব্যবহার করতে পারে। এই শ্রেণির মানুষ নিজেদের বুদ্ধিকে অন্যের হাতে বন্ধক দিয়ে রাখে এবং স্বার্থান্বেষী মহলের নাচের-পুতুল হিসেবে নাচতে পছন্দ করে। এদের অন্ধ সমর্থন পাওয়া মানেই হলো নিজের আদর্শ ও সত্যকে বিসর্জন দেওয়া।
** গিলবার্ট এলিয়ট অফ মিন্টোকে লেখা পত্র ১৩৮; ৯ আগস্ট, ১৭৫৭।
* স্বর্গ আর নরকের ধারণা মানুষকে যেন ভালো আর মন্দ—এই দুই চরম শ্রেণিতে ভাগ করে ফেলে। অথচ মানবজাতির সিংহভাগ মানুষই আসলে পুণ্য আর পাপের মাঝখানে কোনো এক অনিশ্চিত জায়গায় অবস্থান করছে। কেউ যদি ভালো মানুষকে একবেলা তৃপ্তি করে খাওয়ানো আর পাপাচারীকে কঠোর শাস্তি দেওয়ার সংকল্প নিয়ে বিশ্ব ভ্রমণে বের হয়, তবে সে নিজের পছন্দ নিয়ে বারবার বিপদে পড়বে। কারণ অধিকাংশ নর-নারীর গুণ বা দোষের পাল্লা এতটাই হালকা যে, তারা এই দুই চরম পুরস্কার বা দণ্ডের কোনোটিরই পুরোপুরি যোগ্য নয়।
** এসে অন দ্য ইমর্টালিটি অফ দ্য সোল (আত্মার অমরত্ব বিষয়ক প্রবন্ধ)।
* 'অফ দ্য প্রোটেস্ট্যান্ট সাকসেশন' প্রবন্ধের উপসংহার আমাকে একজন '[[:w:হুইগস (ব্রিটিশ রাজনৈতিক দল|হুইগ]]' হিসেবে প্রকাশ করে, তবে আমি একজন চরম সংশয়বাদী হুইগ।
** হেনরি হোমকে লেখা চিঠি (৯ ফেব্রুয়ারি ১৭৪৮), জে. ওয়াই. টি. গ্রেইগ সম্পাদিত, ''দ্য লেটারস অব ডেভিড হিউম: খণ্ড ১'' (অক্সফোর্ড: ক্ল্যারেন্ডন প্রেস, ১৯৩২), পৃষ্ঠা ১১১-এ উদ্ধৃত।
* রাজনীতি এবং রাজপুত্র বা মহৎ ব্যক্তিদের চরিত্রের বিশ্লেষণে আমি নিজেকে অত্যন্ত পরিমিত বা ভারসাম্যপূর্ণ বলে মনে করি। জাগতিক বিষয়বস্তুর ক্ষেত্রে আমার দৃষ্টিভঙ্গি '[[:w:হুইগস (ব্রিটিশ রাজনৈতিক দল|হুইগ]]' আদর্শের অনুসারী; কিন্তু কোনো ব্যক্তির বর্ণনা দেওয়ার ক্ষেত্রে আমি '[[:w:টোরি সমাজতন্ত্র|টোরি]]' ঘরানার পক্ষপাতকে ধারণ করি। সাধারণ মানুষ যে আদর্শের চেয়ে ব্যক্তির ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়, তার বড় প্রমাণ হলো—আমাকে সাধারণত টোরিদের দলেই গণ্য করা হয়।
** ই. সি. মসনার, ''লাইফ অফ ডেভিড হিউম'' (ক্ল্যারেন্ডন প্রেস, ২০০১), পৃষ্ঠা ৩১১।
* আমি ভেবেছিলাম আমিই একমাত্র ইতিহাসবিদ যে সমসাময়িক ক্ষমতা, স্বার্থ, কর্তৃত্ব এবং গণমানুষের কুসংস্কারের তোয়াক্কা না করে ইতিহাস লিখেছি। তাই যেহেতু বিষয়টি সবার বোধগম্য ছিল, আমি সেই অনুপাতে প্রশংসাও আশা করেছিলাম। কিন্তু আমার সেই আশা চরম হতাশায় পর্যবসিত হলো। আমি চারপাশ থেকে কেবল তিরস্কার, অসম্মতি এবং ঘৃণার শিকার হলাম। ইংরেজ, স্কটিশ, আইরিশ—হুইগ থেকে টোরি, গির্জার যাজক থেকে শুরু করে মুক্তচিন্তক আর ধর্মতাত্ত্বিক, দেশপ্রেমিক থেকে রাজদরবারের পারিষদ—সবাই সেই লোকটির ওপর ক্ষোভে ফেটে পড়ল, যে প্রথমবার প্রথম চার্লস এবং আর্ল অফ স্ট্র্যাফোর্ডের পরিণতির জন্য এক ফোঁটা সহানুভূতি প্রকাশের সাহস দেখিয়েছিল।
** 'মাই ঔন লাইফ' (১৭৭৬); ইউজিন মিলার সম্পাদিত ডেভিড হিউমের ''এসেস: মোরাল, পলিটিক্যাল, অ্যান্ড লিটারারি (১৭৪১–১৭৭৭)'' (১৯৮৫), পৃষ্ঠা ৩৭।
* আমি এমন একজন মানুষ যে শত্রুতা উসকে দেওয়ার মতো সব ধরণের বিষয়ে লিখেছি—তা সে নৈতিক, রাজনৈতিক কিংবা ধর্মীয় যাই হোক না কেন; তবুও আমার কোনো শত্রু নেই—অবশ্য সমস্ত হুইগ, টোরি (তৎকালীন ব্রিটেনের প্রধান দুটি রাজনৈতিক আদর্শ বা দল) এবং সমস্ত খ্রিষ্টান ছাড়া।
** মৃত্যুর কিছুকাল আগে জনৈক বন্ধুর প্রতি দেওয়া এক বক্তব্য, যা [[w:bn:হেনরি ব্রোঘাম, ১ম ব্যারন ব্রোঘাম এবং ভক্স|লর্ড হেনরি ব্রোঘাম]]-এর ''মেন অব লেটারস''-এ বর্ণিত হয়েছে।
* আল-কুরআনের অনুসারীরা এর অভ্যন্তরে ছড়িয়ে থাকা চমৎকার সব নৈতিক উপদেশের প্রশংসা করেন। কিন্তু ধারণা করা হয় যে, আরবি ভাষায় সাম্য, ন্যায়বিচার, মিতব্যয়িতা বা দয়া বোঝাতে যে সকল শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে, সেগুলো ভাষার দীর্ঘ ব্যবহারের কারণে সবসময়ই ইতিবাচক অর্থেই গৃহীত হয়। তাই এগুলোকে প্রশংসা বা সাধুবাদ ছাড়া অন্য কোনো বিশেষণে ভূষিত করা নৈতিকতার অভাব নয়, বরং ভাষার অজ্ঞতা হিসেবেই গণ্য হবে।
** ডেভিড হিউম, অফ দ্য স্ট্যান্ডার্ড অফ টেস্ট (১৭৬০)।
=== ''এ ট্রিয়েটাইজ অব হিউম্যান নেচার'' (১৭৩৯-৪০) ===
* যারা দর্শন বা বিজ্ঞানের জগতে নতুন কোনো আবিষ্কারের দাবি করেন, তারা সাধারণত নিজেদের পূর্বসূরিদের মতবাদকে সমালোচনা করে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রচার করতে পছন্দ করেন। সত্যি বলতে, মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক জগতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে আমাদের যে চরম অজ্ঞতা রয়েছে, সেই সীমাবদ্ধতা নিয়ে যদি তারা কেবল আক্ষেপ করতেন, তবে বিজ্ঞানমনস্ক খুব কম মানুষই তাদের সাথে দ্বিমত পোষণ করতেন। একজন প্রাজ্ঞ ও শিক্ষিত মানুষের পক্ষে সেই সব ব্যবস্থার নড়বড়ে ভিত্তিগুলো খুঁজে বের করা খুবই সহজ, যেগুলো একসময় অত্যন্ত নির্ভুল এবং গভীর যুক্তি হিসেবে সমাদৃত ছিল। বিনা বিচারে মেনে নেওয়া মূলনীতি, সেখান থেকে টেনে আনা দুর্বল সিদ্ধান্ত, তথ্যের মধ্যে অসামঞ্জস্য আর প্রমাণের অভাব—বিখ্যাত সব দার্শনিকদের তত্ত্বে এগুলো প্রায়ই চোখে পড়ে। এই দুর্বলতাগুলোই যেন খোদ দর্শন শাস্ত্রকে আজ কলঙ্কিত করে তুলেছে।
** ভূমিকা
* সুতরাং, আমাদের এই বিজ্ঞানের জন্য প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা ও তথ্যগুলো সংগ্রহ করতে হবে মানবজীবনের সতর্ক পর্যবেক্ষণ থেকে। জগত যেভাবে স্বাভাবিক নিয়মে চলে—মানুষের আচরণ, তাদের দৈনন্দিন কাজকর্ম আর বিনোদনের ভেতরেই আমাদের সেই সত্যগুলো খুঁজে নিতে হবে। যখন এই ধরণের পর্যবেক্ষণগুলো বিচারবুদ্ধি দিয়ে নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণ ও তুলনা করা হবে, তখন আমরা এমন একটি শক্তিশালী বিজ্ঞানের ভিত্তি গড়ার আশা করতে পারি যা হবে অকাট্য এবং মানুষের কল্যাণের দিক থেকে অন্য যেকোনো কিছুর চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর।
** ভূমিকা
==== ১ম খণ্ড: অফ দ্য আন্ডারস্ট্যান্ডিং (বোধশক্তি প্রসঙ্গে) ====
* যেহেতু আমরা সেই সব বিষয়কেই 'অভ্যাস' বলি যা কোনো নতুন যুক্তি বা বিচার-বিশ্লেষণ ছাড়াই অতীতের অভিজ্ঞতার পুনরাবৃত্তি থেকে জন্ম নেয়। তাই আমরা একে একটি ধ্রুব সত্য হিসেবে মেনে নিতে পারি যে—বর্তমানে আমাদের মনের প্রতিটি বিশ্বাসই আসলে সেই উৎস (অভ্যাস) থেকে তৈরি হওয়া এক একটি প্রতিচ্ছবি।
** ৩য় অংশ, ৮ম পরিচ্ছেদ।
* কোনো বস্তুর নিজের ভেতরে আসলে এমন কিছুই নেই যা আমাদের সেই বস্তুর সীমানা ছাড়িয়ে কোনো নতুন সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সাহায্য করতে পারে। এমনকি আমরা যখন দুটি বস্তুর মধ্যে বারবার বা ক্রমাগত সংযোগ লক্ষ্য করি, তখনও সেই অভিজ্ঞতার বাইরের কোনো বিষয় নিয়ে অনুমান করার মতো যথেষ্ট যৌক্তিক কারণ আমাদের কাছে থাকে না।
** ৩য় অংশ, ১২শ পরিচ্ছেদ।
* একটি স্পষ্ট সত্যকে অস্বীকার করা যেমন হাস্যকর , তেমনি হাস্যকর হলো তাকে রক্ষা করার জন্য মাত্রাতিরিক্ত পরিশ্রম করা। আর আমার কাছে এর চেয়ে স্পষ্ট সত্য আর কিছু নেই যে—মানুষের মতো পশুরাও চিন্তা ও যুক্তিবোধের অধিকারী। এই ক্ষেত্রে যুক্তিগুলো এতটাই প্রতীয়মান যে তা অত্যন্ত স্থূল এবং অজ্ঞ মানুষের নজরও এড়ায় না।
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* পশুপাখির বাহ্যিক আচরণের সাথে আমাদের নিজেদের আচরণের যে সাদৃশ্য রয়েছে, তা থেকেই আমরা বিচার করি যে তাদের অভ্যন্তরীণ জগতও আমাদের মতোই; এবং যুক্তির এই একই নীতিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেলে আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাব যে—যেহেতু আমাদের অভ্যন্তরীণ ক্রিয়াগুলো পরস্পর সদৃশ, তাই সেগুলো যে উৎস থেকে এসেছে, সেই কারণগুলোও অবশ্যই সদৃশ হবে।
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* মানুষ তাদের নিজেদের যুক্তির ক্রিয়া দেখে বিস্মিত হয় না, অথচ পশুপাখির সহজাত প্রবৃত্তি দেখে বিস্ময় প্রকাশ করে এবং এটি ব্যাখ্যা করতে হিমশিম খায়। কেবল এই কারণে যে একে সেই একই মূলনীতিতে ফেলা যায় না। প্রকৃতপক্ষে যুক্তি আমাদের আত্মার ভেতরে এক বিস্ময়কর এবং অবোধ্য সহজাত প্রবৃত্তি ছাড়া আর কিছুই নয়।
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* অভ্যাস থেকে যা কিছু সৃষ্টি হতে পারে, প্রকৃতি অবশ্যই তা উৎপাদন করতে পারে। প্রকৃতপক্ষে, অভ্যাস প্রকৃতিরই অন্যতম মূলনীতি এবং এটি তার সমস্ত শক্তি সেই উৎস থেকেই লাভ করে।
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* এভাবে সমস্ত জ্ঞান শেষ পর্যন্ত সম্ভাব্যতাতে পর্যবসিত হয়; এবং এই সম্ভাব্যতা আমাদের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে কম বা বেশি হতে পারে।
** ৪র্থ অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ।
* বর্তমানে দার্শনিকদের অবস্থা অত্যন্ত করুণ বলে মনে হচ্ছে, ''সিজিফাস'' এবং ''ট্যান্টালাস'' এর শাস্তির বর্ণনায় কবিরা আমাদের যে ধারণা দিয়েছেন, তা বাস্তব যন্ত্রণার তুলনায় সামান্য। কারণ এর চেয়ে যন্ত্রণাদায়ক আর কী হতে পারে যে—ব্যকুল হয়ে এমন কিছুকে খোঁজা যা চিরকাল আমাদের ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায় এবং এমন এক জায়গায় তাকে খোঁজা যেখানে তার অস্তিত্ব থাকা অসম্ভব?
** ৪র্থ অংশ, ৩য় পরিচ্ছেদ।
* আমি যখন খুব নিবিড়ভাবে নিজের ভেতরে 'আমি' নামক সত্তাকে খুঁজি, তখন আমি সবসময়ই তাপ বা শৈত্য, আলো বা ছায়া, প্রেম বা ঘৃণা, দুঃখ বা সুখের মতো কোনো না কোনো অনুভূতির ওপর আছড়ে পড়ি। কোনো উপলব্ধি ছাড়া আমি কখনোই 'নিজেকে' খুঁজে পাই না এবং এই সব বিচিত্র অনুভূতি ছাড়া আর কিছুই পর্যবেক্ষণ করতে পারি না। যখন কিছু সময়ের জন্য আমার উপলব্ধিগুলো থেমে যায় (যেমন গভীর ঘুমে), ততক্ষণ আমি নিজের সম্পর্কে অচেতন থাকি এবং সত্যি বলতে তখন আমার কোনো অস্তিত্ব থাকে না। আর যদি মৃত্যুর মাধ্যমে আমার সব অনুভূতি চিরতরে মুছে যায়—তবে আমি পুরোপুরি বিলীন হয়ে যাব। যদি কেউ নিরপেক্ষ চিন্তার পর মনে করেন যে তার 'নিজের' সম্পর্কে ভিন্ন কোনো ধারণা আছে, তবে আমি স্বীকার করছি যে তার সাথে তর্কে যাওয়ার সাধ্য আমার নেই। তিনি হয়তো নিজের ভেতর সরল এবং অখণ্ড কিছু অনুভব করেন যাকে তিনি 'নিজে' বা 'আত্মা' বলেন; কিন্তু আমি নিশ্চিত যে আমার ভেতর এমন কোনো সত্তা নেই। তবে এই ধরণের মুষ্টিমেয় কিছু তাত্ত্বিক ব্যক্তিদের বাদ দিলে, আমি বাকি মানবজাতি সম্পর্কে জোর দিয়ে বলতে পারি যে—মানুষ অসংখ্য উপলব্ধির এক সমষ্টি ছাড়া আর কিছুই নয়, যা অচিন্তনীয় দ্রুততায় একে অপরকে অনুসরণ করে এবং এক নিরন্তর প্রবাহ ও গতির মধ্যে থাকে।
** ৪র্থ অংশ, ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ।
* আমার নিজেকে এমন একজন মানুষের মতো মনে হয়, যে বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে এবং এক ছোট প্রণালী পার হতে গিয়ে অল্পের জন্য জাহাজডুবি থেকে রক্ষা পেয়েছে। তবুও তার ধৃষ্টতা এতটাই যে সে সেই একই জীর্ণ, লোনা ধরা জাহাজে করে সমুদ্রে পাড়ি দিতে চায় এবং এমনকি এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বিশ্ব ভ্রমণের উচ্চাকাঙ্ক্ষা পোষণ করে।
** ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ।
* আমার দর্শনে আমি নিজেকে যে জনশূন্য একাকীত্বের মধ্যে আবিষ্কার করি, তা দেখে আমি প্রথমে আতঙ্কিত এবং বিভ্রান্ত হই। নিজেকে এক অদ্ভুত বিদঘুটে দানব মনে হয়, যে সমাজে মিশতে অক্ষম হয়ে মানুষের সান্নিধ্য থেকে বিতাড়িত এবং পরিত্যক্ত ও শোচনীয় অবস্থায় পড়ে আছে। ইচ্ছে হয় আশ্রয় আর উষ্ণতার জন্য ভিড়ের মধ্যে ছুটে যাই। কিন্তু সেই কদর্যতার সাথে নিজেকে মেশাতে পারি না। আমি অন্যদের ডাকি আমার সাথে যোগ দিতে যাতে আমরা আলাদা একটি সঙ্গ গড়ে তুলতে পারি। কিন্তু কেউ আমার কথা শোনে না। সবাই দূরে থাকে এবং সেই ঝড়কে ভয় পায় যা আমার ওপর চারপাশ থেকে আঘাত হানছে। আমি সমস্ত অধিবিদ্যক, যুক্তিবিদ, গণিতবিদ এমনকি ধর্মতাত্ত্বিকদের শত্রুতার মুখে নিজেকে সঁপে দিয়েছি। তবে আমার ওপর যে অপমান নেমে আসবে তাতে কি আমি অবাক হতে পারি?আমি তাদের ব্যবস্থার প্রতি আমার অসম্মতি প্রকাশ করেছি; তবে তারা যদি আমার এবং আমার মতবাদের প্রতি ঘৃণা পোষণ করে তবে কি আমি বিস্মিত হতে পারি? আমি যখন বাইরের দিকে তাকাই, আমি সবদিকে কেবল বিতর্ক, বিরোধিতা, ক্রোধ আর কুৎসা দেখি। যখন আমি নিজের ভেতরে তাকাই, আমি কেবল সন্দেহ আর অজ্ঞতা ছাড়া আর কিছুই খুঁজে পাই না। সারা বিশ্ব আমার বিরোধিতা করার জন্য ষড়যন্ত্র করছে। যদিও আমার দুর্বলতা এমনই যে অপরের সমর্থন ছাড়া আমার নিজের মতামতগুলোই আলগা হয়ে ঝরে পড়ে। আমার নেওয়া প্রতিটি পদক্ষেপ দ্বিধাগ্রস্ত, আর প্রতিটি নতুন চিন্তা আমাকে ভুলের আশঙ্কায় ভীত করে তোলে।
** ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ।
* এত সাহস নিয়ে আমি কীভাবে এগোব, যখন নিজের অসংখ্য দুর্বলতা ছাড়াও আমি মানুষের সহজাত সাধারণ দুর্বলতাগুলোও নিজের ভেতর খুঁজে পাই? আমি কি নিশ্চিত হতে পারি যে প্রতিষ্ঠিত সমস্ত মতামত ত্যাগ করে আমি সত্যকেই অনুসরণ করছি? আর কিসের ভিত্তিতেই বা আমি সত্যকে চিনব, যদি ভাগ্য শেষ পর্যন্ত আমাকে তাঁর পায়ের ছাপে পৌঁছেও দেয়?<br>আমার সবচেয়ে নির্ভুল যুক্তির পরেও আমি কেন তা মেনে নেব—তার কোনো কারণ খুঁজে পাই না। আমি কেবল সেই দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি এক তীব্র টান অনুভব করি যার অধীনে বস্তুগুলো আমার কাছে প্রকাশিত হয়। স্মৃতি, ইন্দ্রিয় এবং বোধশক্তি—এই সবকিছুই তাই শেষ পর্যন্ত কল্পনা বা আমাদের ধারণার প্রাণবন্ততার ওপর ভিত্তি করেই দাঁড়িয়ে আছে।
** ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ।
[[File:David Hume 1754.jpeg|thumbnail|সাধারণত, ধর্মের ভুলগুলো বিপজ্জনক আর দর্শনের ভুলগুলো কেবল হাস্যকর!]]
* কার্যকারণের সাধারণ সম্পর্কের অন্তরালে যে মূলনীতিটি সবকিছুকে বেঁধে রেখেছে, সে সম্পর্কে আমরা সাধারণ ঘটনায় যতটা অজ্ঞ, অসাধারণ কোনো ঘটনায় ঠিক ততটাই অন্ধকারেই থাকি। কিন্তু দৈনন্দিন জীবনে আমরা এই ঘাটতিটুকু বুঝতে পারি না। এটি আসলে কল্পনার একটি বিভ্রম ছাড়া আর কিছুই নয়। কল্পনার এই অহেতুক উড্ডয়ন দর্শনের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং দার্শনিকদের অধিকাংশ ভুলের মূল কারণ। উজ্জ্বল কল্পনাশক্তির অধিকারীদের সেই দেবদূতদের সাথে তুলনা করা যেতে পারে, যারা নিজেদের ডানা দিয়ে নিজেদেরই চোখ ঢেকে রাখে।
** ১ম খণ্ড: বোধশক্তি প্রসঙ্গে, ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ২৬৭-২৬৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* সাধারণত, ধর্মের ভুলগুলো বিপজ্জনক, আর দর্শনের ভুলগুলো কেবল হাস্যকর।
** ১ম খণ্ড: বোধশক্তি প্রসঙ্গে, ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ২৭২, লিবার্টি ফান্ড)।
==== ২য় খণ্ড: অফ দ্য প্যাশনস (আবেগ বা প্রবৃত্তি প্রসঙ্গে) ====
* দুঃখ আর হতাশা থেকে জন্ম নেয় ক্রোধ, ক্রোধ থেকে ঈর্ষা, ঈর্ষা থেকে বিদ্বেষ, আর সেই বিদ্বেষ থেকে পুনরায় দুঃখ—এভাবেই চক্রটি পূর্ণতা পায়।
** ১ম অংশ, ৪র্থ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ২৮৩, লিবার্টি ফান্ড)।
* মানবপ্রকৃতির কোনো গুণই সহমর্মিতার মতো এত বেশি লক্ষণীয় নয়। যার মাধ্যমে আমরা অন্যের রুচি আর অনুভূতি খুব সহজে গ্রহণ করি, এমনকি সেগুলো আমাদের নিজস্ব মতের বিরোধী হলেও। আমরা লক্ষ্য করি যে, একই জাতির মানুষের চিন্তা আর মেজাজের মধ্যে এক অদ্ভুত সামঞ্জস্য থাকে। এবং এই সাদৃশ্য কেবল মাটি বা জলবায়ুর কারণে নয়, বরং সহমর্মিতার কারণেই বেশি ঘটে। একজন অমায়িক মানুষ মুহূর্তের মধ্যেই তার সঙ্গীদের মেজাজের সাথে মিশে যান। এমনকি সবচেয়ে অহংকারী ব্যক্তিও তার পরিচিতদের প্রভাবে প্রভাবিত হয়ে পড়েন।
** ১ম অংশ, ১১শ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৩১৬-৩১৭, লিবার্টি ফান্ড)।
* হাঁস, টার্কি মুরগি কিংবা ময়ূরের চলন-বলন দেখলেই বোঝা যায় তারা নিজেদের সম্পর্কে কত উঁচু ধারণা পোষণ করে এবং অন্যদের কতটা অবজ্ঞা করে। যেমন পুরুষ নাইটিঙ্গেল পাখির গান গাওয়ার প্রতিযোগিতা আর এই ধরণের আরও অনেক প্রমাণ থেকে এটি স্পষ্ট যে—অহংকার আর বিনয় কেবল মানুষের আবেগ নয়, বরং তা সমগ্র প্রাণীজগতে বিস্তৃত।
** ১ম অংশ, ১২শ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৩২৬, লিবার্টি ফান্ড)।
* পশুদের ক্ষেত্রেও সহমর্মিতা বা আবেগের আদান-প্রদান মানুষের মতোই ঘটে। ভয়, ক্রোধ, সাহস—সবই এক পশু থেকে অন্য পশুতে সঞ্চারিত হয়। লক্ষ্যণীয় যে, সিংহ, বাঘ বা বিড়াল খেলার ছলে যখন আক্রমণ করে, তখন তারা নখর বা দাঁত ব্যবহার করলেও সঙ্গীকে আঘাত করা থেকে সতর্কভাবে বিরত থাকে, যা প্রমাণ করে যে ইতর প্রাণীদেরও একে অপরের ব্যথা আর আনন্দের বোধ রয়েছে।
** ২য় অংশ, ১২শ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৩৯৭-৩৯৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* দার্শনিক বিতর্কে কোনো মতবাদকে কেবল ধর্ম বা নৈতিকতার জন্য 'বিপজ্জনক' বলে প্রমাণ করার মাধ্যমে বাতিল করে দেওয়া—সবচেয়ে প্রচলিত অথচ সবচেয়ে নিন্দনীয় একটি পদ্ধতি। কোনো মতবাদ যদি যুক্তিহীনতার দিকে নিয়ে যায়, তবেই কেবল তা মিথ্যে হতে পারে। কিন্তু তার ফলাফল বিপজ্জনক বা অপ্রীতিকর বলেই যে তা মিথ্যে হবে—এমন কোনো গ্যারান্টি নেই।
** ৩য় অংশ, ২য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪০৯, লিবার্টি ফান্ড)।
[[File:Allegory of Reason (Lyon).jpg|thumbnail|যুক্তি হলো আবেগের দাস এবং এর কাজ হলো আবেগের খেদমত ও হুকুম পালন করা।]]
* যখন আমরা আবেগ আর যুক্তির লড়াই নিয়ে কথা বলি, তখন আমরা দার্শনিক এবং পারিভাষিক দিক থেকে সঠিক কথা বলি না। যুক্তি হলো আবেগের দাস এবং এর কাজ হলো আবেগের খেদমত ও হুকুম পালন করা
** ৩য় অংশ, ৩য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪১৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* আমার নখের সামান্য একটি আঁচড় আটকানোর চেয়ে পুরো পৃথিবীর ধ্বংসকে বেছে নেওয়া যুক্তিবিরোধী কিছু নয়। নিজের সামান্যতম অস্বস্তি এড়াতে একজন সম্পূর্ণ অচেনা মানুষ কিংবা কোনো দূর দেশের বাসিন্দার চূড়ান্ত সর্বনাশ বেছে নেওয়াও যুক্তির চোখে ভুল নয়। এমনকি নিজের বড় কোনো কল্যাণের চেয়ে সামান্য কোনো প্রাপ্তিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়াও অযৌক্তিক নয়। সংক্ষেপে বলতে গেলে, একটি আবেগ বা প্রবৃত্তিকে কেবল তখনই অযৌক্তিক বলা যেতে পারে, যখন তা কোনো ভুল বিচারবুদ্ধি কিংবা মিথ্যে ধারণার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে।
** ৩য় অংশ, ৩য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪১৬, লিবার্টি ফান্ড)।
==== ৩য় খণ্ড: অফ মরালস' (নৈতিকতা প্রসঙ্গে) ====
* সূক্ষ্ম এবং জটিল যুক্তির একটি অসুবিধা হলো—এটি প্রতিপক্ষকে স্তব্ধ করতে পারে কিন্তু সব সময় আশ্বস্ত করতে পারে না। পড়ার ঘর থেকে বেরিয়ে যখন আমরা দৈনন্দিন জীবনের কাজে যুক্ত হই, তখন সেই সূক্ষ্ম যুক্তিগুলো রাতের অন্ধকারের সাথে মিলিয়ে যায় এবং আমরা যে সিদ্ধান্তগুলো অনেক কষ্টে অর্জন করেছিলাম, সেগুলো ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।
** ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৫৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* নৈতিকতা এমন একটি বিষয় যা অন্য সবকিছুর চেয়ে আমাদের বেশি আলোড়িত করে। আমরা বিশ্বাস করি সমাজ ও রাষ্ট্রের শান্তি এর প্রতিটি সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করে। এই গুরুত্বই আমাদের অনুসন্ধানকে অন্য যেকোনো বিষয়ের চেয়ে অনেক বেশি বাস্তব ও জোরালো করে তোলে। এই বিশেষ সুবিধাটুকু না থাকলে আমি কখনোই এই ধরণের দুর্ভেদ্য দর্শনের তৃতীয় খণ্ডটি লেখার দুঃসাহস দেখাতাম না—বিশেষ করে এমন এক যুগে, যেখানে অধিকাংশ মানুষ পড়াকে কেবল বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করে নিয়েছে এবং যা কিছু বোঝার জন্য গভীর মনোযোগ প্রয়োজন, তাকেই অবলীলায় প্রত্যাখ্যান করতে শিখেছে।
** ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ।
* নীতিবোধ মূলত আমাদের আবেগ ও অনুভূতিকে নাড়া দেয় এবং কোনো কাজ করতে কিংবা তা থেকে দূরে থাকতে প্রেরণা জোগায়। বিচারবুদ্ধি বা যুক্তি এই বিশেষ ক্ষেত্রে একেবারেই শক্তিহীন। তাই এ কথা বলা যায় যে—নৈতিকতার নিয়মগুলো আমাদের নিছক যুক্তিনির্ভর কোনো সিদ্ধান্ত নয়।
** ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ।
* কোনো কাজ প্রশংসনীয় বা নিন্দনীয় হতে পারে; কিন্তু তা 'যুক্তিসঙ্গত' বা 'অযৌক্তিক' হতে পারে না। প্রশংসা আর নিন্দা যুক্তির সীমানার বাইরের বিষয়। যুক্তি অলস ও নিষ্ক্রিয়, এটি কখনোই বিবেকের মতো সক্রিয় নীতির উৎস হতে পারে না।
** ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ।
* যেকোনো জঘন্য অপরাধকে লক্ষ্য করুন—ধরুন একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। একে সব দিক থেকে পরীক্ষা করে দেখুন, সেখানে কি বাস্তব কোনো অস্তিত্ব বা তথ্য পাবেন যাকে আপনি 'পাপ' বলতে পারেন? সেখানে আপনি কেবল কিছু আবেগ, উদ্দেশ্য, ইচ্ছা আর চিন্তাই খুঁজে পাবেন। পাপ বিষয়টি বস্তু বা ঘটনার মধ্যে থাকে না। যতক্ষণ আপনি বাইরের ঘটনার দিকে তাকাবেন, পাপ আপনার নাগালের বাইরেই থাকবে। একে কেবল তখনই খুঁজে পাওয়া সম্ভব, যখন আপনি আপনার দৃষ্টি নিজের অন্তরের দিকে ফেরাবেন এবং সেই কাজের প্রতি নিজের ভেতর একটি ঘৃণার অনুভূতি লক্ষ্য করবেন। সুতরাং, গুণ এবং পাপ অনেকটা শব্দ, বর্ণ, তাপ বা ঠান্ডার মতো, যা বস্তুর নিজস্ব কোনো বৈশিষ্ট্য নয়, বরং আমাদের মনের ভেতরের এক একটি অনুভূতি বা উপলব্ধি মাত্র।
** ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ।
* আমি একটি বিষয় উল্লেখ্য না করে পারছি না, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি এ পর্যন্ত নৈতিকতা নিয়ে যত আলোচনা দেখেছি, সেখানে লেখক প্রথমে সাধারণ যুক্তি দিয়ে শুরু করেন—হয়তো ঈশ্বরের অস্তিত্ব বা মানুষের স্বভাব নিয়ে কথা বলেন। কিন্তু হঠাৎ আমি অবাক হয়ে দেখি, সেখানে বাস্তব পরিস্থিতি বর্ণনা করার পরিবর্তে (অর্থাৎ কোনো কিছু কেমন 'হয়' বা 'নয়' বলার বদলে), লেখক সরাসরি আদেশ দিতে শুরু করেন যে আমাদের কী করা 'উচিত' বা 'উচিত নয়'! এই পরিবর্তনটি অলক্ষ্যেই ঘটে যায়, কিন্তু এর ফলাফল সুদূরপ্রসারী। কেননা এই 'উচিত' বা 'উচিত নয়' একটি নতুন সম্পর্ক প্রকাশ করে, যা আগের বর্ণনামূলক তথ্য থেকে কীভাবে বিবর্তিত হলো—তা ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন। লেখকের এই অসাবধানতা পাঠককে খেয়াল করার অনুরোধ জানাব। কারণ এই সামান্য সতর্কতাটুকু প্রচলিত সমস্ত নৈতিক ব্যবস্থাকে ধূলিসাৎ করে দিতে যথেষ্ট।
** ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ।
* ন্যায় এবং অন্যায় বোধ প্রকৃতি থেকে উদ্ভূত হয়নি, বরং কৃত্রিমভাবে শিক্ষা এবং মানবিক প্রথা থেকে তৈরি হয়েছে।
** ২য় অংশ, ১.১৭।
* মানুষের স্বার্থপরতা, তাদের সীমাবদ্ধ উদারতা এবং চাহিদার তুলনায় প্রাকৃতিক সম্পদের সীমাবদ্ধতার কারণেই মূলত 'ন্যায়বিচার' বা আইনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।
** ৩য় খণ্ড, ২য় অংশ, ২য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৯৪-৪৯৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* নিজের এবং নিকটজনদের জন্য সম্পদ ও প্রতিপত্তি অর্জনের এই যে লালসা—এটি অতৃপ্ত, চিরন্তন, সর্বজনীন এবং সরাসরি সমাজের জন্য ধ্বংসাত্মক।
** ২য় অংশ, ২য় পরিচ্ছেদ।
=== ''এ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং হিউম্যান আন্ডারস্ট্যান্ডিং'' (১৭৪৮) ===
[[File:Andrea sacchi, allegoria della divina sapienza, 1629-33, 02.JPG|thumb|দার্শনিক হও; কিন্তু তোমার সমস্ত দর্শনের মাঝেও, অন্তত একজন মানুষ হয়ে থেকো।]]
:<small>১৭৪৮ সালে প্রথম 'ফিলোসফিক্যাল এসেস কনসার্নিং হিউম্যান আন্ডারস্ট্যান্ডিং' নামে প্রকাশিত হয়; এরপর বেশ কয়েকবার পরিমার্জিত হওয়ার পর ১৭৫৮ সালে বর্তমান শিরোনামে পুনর্নামকরণ করা হয়।</small>
[[File:David Hume LACMA 54.89.46.jpg|thumb|বাস্তব ঘটনা ভিত্তিক যুক্তির ক্ষেত্রে নিশ্চিত হওয়ার নানা স্তর রয়েছে। তাইতো একজন জ্ঞানী ব্যক্তি সবসময় প্রমাণের মাপকাঠিতেই তার বিশ্বাসের পাল্লা নির্ধারণ করে থাকেন।]]
* প্রথাই হলো মানুষের জীবনের শ্রেষ্ঠ চালিকাশক্তি। কেবল এই একটি নীতির কারণেই আমাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগে এবং আমরা আশা করতে পারি যে, ভবিষ্যতে ঠিক তেমন কিছুই ঘটবে যা অতীতে ঘটেছিল। এই প্রথার প্রভাব না থাকলে আমাদের স্মৃতি আর ইন্দ্রিয়ের সামনে যা সরাসরি বর্তমান, তার বাইরের কোনো কিছু সম্পর্কেই আমাদের বিন্দুমাত্র জ্ঞান থাকত না। কোনো লক্ষ্য অর্জনের জন্য কী উপায় অবলম্বন করতে হয়, কিংবা কোনো কাজ সফল করতে নিজেদের শক্তি কীভাবে কাজে লাগাতে হয়—সেটা আমরা কখনোই বুঝতে পারতাম না। এতে করে আমাদের সকল কাজকর্ম তো বটেই, এমনকি চিন্তাভাবনারও প্রধান পথটি চিরতরে বন্ধ হয়ে যেত।
** পাঠান্তর (সম্ভবত এই অনুচ্ছেদের একটি সারসংক্ষেপ): ''ইট ইজ নট রিজন হুইচ ইজ দ্য গাইড অব লাইফ, বাট কাস্টম'' (যুক্তি জীবনের পথপ্রদর্শক নয়, বরং প্রথাই হলো জীবন চালিকাশক্তি)।
* প্রকৃতি মানুষকে এক ধরনের মিশ্র জীবনযাপনের ইঙ্গিত দেয়, যা মানবজাতির জন্য সবচেয়ে উপযোগী। সে আমাদের গোপনে সাবধান করে দিয়েছে যেন আমরা কোনো একটি ঝোঁকের বশবর্তী হয়ে অন্য সব কাজ বা আনন্দকে বিসর্জন না দিই। প্রকৃতি যেন আমাদের বলছে—বিজ্ঞানের প্রতি তোমার আগ্রহকে প্রশ্রয় দাও, কিন্তু তোমার সেই বিজ্ঞান যেন হয় মানবিক এবং সমাজ ও মানুষের কর্মজীবনের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত। জটিল চিন্তা আর অতি গভীর গবেষণাকে আমি নিষেধ করছি; কারণ এগুলো তোমাকে বিষণ্ণতায় ডুবিয়ে দেবে, অনিশ্চয়তার গোলকধাঁধায় আটকে রাখবে এবং যখন তুমি তোমার তথাকথিত আবিষ্কারগুলো মানুষের সামনে আনবে, তখন লোকে তা অবজ্ঞার সাথে ফিরিয়ে দিয়ে তোমাকে শাস্তি দেবে। তাই বলছি, '''দার্শনিক হও; কিন্তু তোমার সমস্ত দর্শনের মাঝেও একজন মানুষ হয়ে থেকো।'''
** ১ম পরিচ্ছেদ: অফ দ্য ডিফারেন্ট স্পিসিস অব ফিলোসফি
* দার্শনিক বিতর্কে কোনো মতবাদকে কেবল ধর্ম বা নৈতিকতার জন্য 'বিপজ্জনক' তকমা দিয়ে নাকচ করে দেওয়ার চেষ্টার চেয়ে নিন্দনীয় পদ্ধতি আর নেই। এটি সত্য আবিষ্কারে কোনো সাহায্য করে না, কেবল প্রতিপক্ষকে ঘৃণা করতে শেখায়।
** অফ লিবার্টি অ্যান্ড নেসেসিটি, ২য় খণ্ড (http://www.bartleby.com/37/3/12.html)
* প্রাকৃতিক জগতের সবচেয়ে নিখুঁত দর্শনও আমাদের অজ্ঞানতাকে বড়জোর আর কিছুটা সময় আড়াল করে রাখতে পারে। অন্যদিকে, জীবন ও জগতের গূঢ় রহস্য নিয়ে আমাদের গভীর দর্শন হয়তো সেই অজ্ঞানতার বিশাল দিকগুলোকেই আরও নগ্নভাবে উন্মোচিত করে। দিনশেষে, মানুষের সীমাবদ্ধতা আর অন্ধত্বকে স্পষ্ট করে তোলাই হলো সমস্ত দর্শনের চূড়ান্ত পরিণতি। আমরা একে এড়িয়ে যাওয়ার যতই চেষ্টা করি না কেন, জীবনের প্রতিটি বাঁকেই এটি আমাদের মুখোমুখি এসে দাঁড়ায়।
** চতুর্থ পরিচ্ছেদ: 'বুদ্ধিবৃত্তিক ক্রিয়াকলাপ প্রসঙ্গে সংশয়বাদী সন্দেহ'।
* 'আগামীকাল সূর্য উঠবে না'—এই ধারণাটি 'আগামীকাল সূর্য উঠবে'—এই বিশ্বাসের মতোই সমানভাবে অর্থবহ এবং এতে যুক্তিগত কোনো অসংগতি নেই।
** § ৪.৮
* আমি বলি যে, বিশ্বাস আর কিছুই নয়—কেবল কোনো বিষয় সম্পর্কে কল্পনার চেয়েও অনেক বেশি প্রাণবন্ত, জীবন্ত, জোরালো, দৃঢ় আর স্থায়ী একটি ধারণা।
** § ৪.৯
* তাই পর্যবেক্ষণ আর অভিজ্ঞতার সাহায্য ছাড়া নিছক যুক্তি দিয়ে কোনো ঘটনার গতিপ্রকৃতি বিচার করা, কিংবা কোনো কারণ থেকে এর ফলাফল অনুমান করার চেষ্টা করাটা একেবারেই নিরর্থক।
** § ৪.১১
* ইতিহাসের আজ কী-ই বা মূল্য থাকত, যদি মানুষের সাধারণ আচরণের নিরিখে আমরা ইতিহাসবিদের সত্যবাদিতার ওপর নূন্যতম আস্থাও রাখতে না পারতাম?
** § ৮.১৮
* স্বাধীনতা বলতে আমরা কেবল নিজের ইচ্ছাশক্তি অনুযায়ী কাজ করা বা না করার ক্ষমতাকেই বুঝি।
** § ৮.২৩
* এই নামমাত্র স্বাধীনতা আসলে সেই প্রত্যেকটি মানুষেরই আছে, যে কোনো কারাগারে কয়েদি হয়ে নেই কিংবা শিকলে বন্দি হয়ে পড়ে নেই।
** § ৮.২৩
* অনিবার্যতার সংজ্ঞা দেওয়া যায় দুইভাবে। এটি হয় একই ধরণের ঘটনার মাঝে এক অবিচ্ছেদ্য যোগসূত্র হিসেবে কাজ করে, নয়তো এক বিষয় থেকে অন্য বিষয়ে আমাদের মনের এক স্বাভাবিক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে।
** § ৮.২৩
* বাস্তব জগত নিয়ে যুক্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতাই আমাদের একমাত্র ভরসা হলেও, এ কথা স্বীকার না করে উপায় নেই যে এই অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান সবসময় ত্রুটিমুক্ত নয়। বরং অনেক সময় এটি আমাদের ভুল পথেও চালিত করতে পারে।
** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস, ১ম অংশ।
* বাস্তব জগতের যুক্তি-তর্কের ক্ষেত্রে নিশ্চয়তার বিভিন্ন ধাপ রয়েছে—যা নিখুঁত প্রমাণ থেকে শুরু করে কেবল সাধারণ সম্ভাবনা পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। তাই একজন প্রাজ্ঞ ব্যক্তি সবসময় প্রমাণের গুরুত্ব বিচার করেই তার বিশ্বাসের মাত্রা নির্ধারণ করেন।
** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস, ১ম অংশ|৮৭
* ...কোনো অলৌকিক ঘটনাকে ধ্রুব সত্য হিসেবে মেনে নেওয়ার জন্য কেবল লোকমুখের সাক্ষ্যই যথেষ্ট নয়। সেই সাক্ষ্যকে হতে হবে এতটাই জোরালো যে—তার মিথ্যা হওয়ার সম্ভাবনাটি খোদ ওই অলৌকিক ঘটনার চেয়েও বেশি অবিশ্বাস্য বা বিস্ময়কর মনে হবে।** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস, ১ম অংশ।
* যখন কেউ আমাকে বলে যে সে একজন মৃত মানুষকে জীবিত হতে দেখেছে, আমি সাথে সাথেই মনে মনে বিচার করি—এই লোকটির আমাকে ধোঁকা দেওয়া বা তার নিজের ধোঁকা খাওয়ার সম্ভাবনা বেশি, নাকি সে যা বলছে সেই ঘটনাটি ঘটার সম্ভাবনা বেশি? আমি এক অলৌকিকতার পাল্লায় অন্য অলৌকিকতাকে ওজন করি এবং যেখানে গুরুত্ব বেশি পাই, সেখানেই সিদ্ধান্ত নিই। আমি সবসময় বড় অলৌকিকতাকে বর্জন করি। যদি তার সাক্ষ্যের মিথ্যা হওয়াটা ওই ঘটনার চেয়েও বেশি অলৌকিক হয়, কেবল তখনই সে আমার বিশ্বাস বা মত আশা করতে পারে।
** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস, ১ম অংশ।
* কথার জাদু বা বাকপটুতা যখন চূড়ান্ত শিখরে পৌঁছায়, তখন তা যুক্তি বা চিন্তার জন্য খুব সামান্যই অবকাশ রাখে। এটি সরাসরি মানুষের কল্পনা আর আবেগকে নাড়া দেয় এবং শ্রোতাদের বিচারবুদ্ধিকে একরকম আচ্ছন্ন করে ফেলে।
** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস, ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ১১৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* খ্রিষ্টধর্ম কেবল তার সূচনাপর্বেই অলৌকিকতার ওপর নির্ভরশীল ছিল না। বরং আজও কোনো যুক্তিবাদী মানুষ অতিপ্রাকৃত কোনো শক্তির স্পর্শ ছাড়া এতে আস্থা রাখতে পারে না। শুধু শুষ্ক যুক্তি এর সত্যতা প্রমাণের জন্য যথেষ্ট নয়। যে ব্যক্তি বিশ্বাসের টানে এতে সায় দেন, তিনি নিজের ভেতরেই এক নিরন্তর বিস্ময় বা অলৌকিকত্ব অনুভব করেন—যা তাঁর বিচারবুদ্ধির সমস্ত চিরাচরিত নিয়মকে ওলটপালট করে দেয় এবং তাঁকে এমন কিছু বিশ্বাস করতে বাধ্য করে যা মানুষের চিরচেনা অভিজ্ঞতা ও অভ্যাসের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
** ''এ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং হিউম্যান আন্ডারস্ট্যান্ডিং'' (১৭৪৮), ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস, ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ১২০, লিবার্টি ফান্ড)।
* এই মূলনীতিগুলো মাথায় রেখে আমরা যদি কোনো গ্রন্থাগারের তাকে হাত দিই, তবে আমাদের সামনে এক বিশাল ত্যাগ-তিতিক্ষার দৃশ্য ফুটে উঠবে। আমাদের হাতে যদি কোনো গতানুগতিক ধর্মতত্ত্ব কিংবা নিছক তাত্ত্বিক পরাবিদ্যার বই আসে, তবে আমাদের নিজেদেরই প্রশ্ন করা উচিত— 'এতে কি পরিমাণ বিমূর্ত যুক্তি আছে?' না। 'এতে কি বাস্তব তথ্য কিংবা অস্তিত্ব সম্পর্কে কোনো পরীক্ষামূলক যুক্তি আছে?' না। তবে একে নির্দ্বিধায় আগুনে পুড়িয়ে ফেলো। কারণ এতে বিভ্রান্তিকর অপযুক্তি আর মায়া ছাড়া আর কিছুই নেই।
** ''এ্যান এনকোয়ারি'', ১২শ পরিচ্ছেদ: অফ দ্য অ্যাকাডেমিক্যাল অর স্কেপটিক্যাল ফিলোসফি, ৩য় অংশ (পৃষ্ঠা ১৬৫, অক্সফোর্ড)।
=== ''এ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং দ্য প্রিন্সিপলস অফ মোরালস'' (১৭৫১) ===
* নৈতিকতার প্রতিটি সিদ্ধান্তে 'জনকল্যাণ'-ই প্রধানত বিবেচনায় থাকে। যেখানেই দর্শনে বা সাধারণ জীবনে কর্তব্যের সীমা নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়, সেখানে মানবজাতির প্রকৃত স্বার্থের বিচার ছাড়া আর কোনোভাবেই অধিকতর নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়।
** ২য় পরিচ্ছেদ: অফ বেনোভোলেন্স, ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ১৮০, অক্সফোর্ড)।
* সেই ব্যক্তি সুখী, যার পরিস্থিতি তার স্বভাবের সাথে খাপ খায়। কিন্তু সেই ব্যক্তি অধিকতর শ্রেষ্ঠ, যে যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজের স্বভাবকে মানিয়ে নিতে পারে।
** ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ: অফ কোয়ালিটিজ ইউজফুল টু আওয়ারসেলভস, ১ম অংশ (পৃষ্ঠা ২৪৩, অক্সফোর্ড)।
* যেখানে মানুষ সবচেয়ে বেশি নিশ্চিত এবং অহংকারী, তারা সাধারণত সেখানেই মস্ত বড় ভুলটি করে থাকে। কারণ তখন তারা সঠিক বিচার-বিশ্লেষণ ছাড়াই আবেগের হাতে লাগাম ছেড়ে দেয়!
** ৯ম পরিচ্ছেদ: কনক্লুশন (উপসংহার), ১ম অংশ (পৃষ্ঠা ২৮১, অক্সফোর্ড)।
=== ''দ্য ন্যাচারাল হিস্ট্রি অফ রিলিজিয়ন'' (১৭৫৭) ===
:<small>এই গ্রন্থটি সর্বপ্রথম 'ফোর ডিসার্টেশনস' (১৭৫৭) নামক প্রবন্ধ সংকলনে প্রকাশিত হয়। হিউমের জীবদ্দশায় সামান্য কিছু পরিবর্তনসহ এটি বেশ কয়েকবার পুনর্মুদ্রিত হয়েছিল।</small>
* ধর্ম সম্পর্কিত প্রতিটি অনুসন্ধানই যেহেতু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তাই বিশেষভাবে দুটি প্রশ্ন আমাদের মনোযোগ কাড়বে। প্রথমটি হলো—যুক্তির ওপর ধর্মের ভিত্তি কতটুকু, আর দ্বিতীয়টি হলো—মানুষের স্বভাব বা মনস্তত্ত্বের ঠিক কোথায় ধর্মের উৎপত্তি। ভাগ্যক্রমে, প্রথম প্রশ্নটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও এর সমাধান বেশ স্পষ্ট। প্রকৃতির এই বিশাল কাঠামোই বলে দেয় যে এর পেছনে একজন বুদ্ধিমান স্রষ্টা রয়েছেন। তাই যেকোনো বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ গভীরভাবে চিন্তা করলে প্রকৃত ঈশ্বরবাদ ও ধর্মের প্রাথমিক নীতিগুলোর ওপর বিশ্বাস হারাবে না। কিন্তু দ্বিতীয় প্রশ্নটি অর্থাৎ মানুষের স্বভাবের মধ্যে ধর্মের উৎস কোথায়, তা নিয়ে বেশ জটিলতা রয়েছে। অদৃশ্য ও বুদ্ধিমান কোনো শক্তির ওপর বিশ্বাস হয়তো সব যুগে এবং সব স্থানে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে আছে। কিন্তু এটি সম্ভবত এমন কোনো সার্বজনীন বিষয় নয় যার কোনো ব্যতিক্রম নেই, এমনকি এটি মানুষের মনে সব সময় একই ধরনের ধারণাও তৈরি করতে পারেনি। যদি ভ্রমণকারী এবং ঐতিহাসিকদের কথা বিশ্বাস করা হয়, তবে এমন কিছু জাতির সন্ধান পাওয়া গেছে যাদের মধ্যে ধর্মের কোনো অনুভূতিই ছিল না। তাছাড়া এমন কোনো দুটি জাতি বা দুজন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন, যারা ধর্মের বিষয়ে হুবহু একই মত পোষণ করে।
** ভূমিকা।
** ম্যাগিয়ানরা বলে, সেই আদিম বুদ্ধিমান সত্তা—যিনি সবকিছুর মূল উৎস—নিজেকে কেবল মন এবং বিচারবুদ্ধির মাধ্যমেই প্রকাশ করেন। কিন্তু তিনি এই দৃশ্যমান মহাবিশ্বে সূর্যকে নিজের প্রতিচ্ছবি হিসেবে স্থাপন করেছেন। আর যখন সেই উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক পৃথিবী ও আকাশমণ্ডলে তার রশ্মি ছড়িয়ে দেয়, তখন তা আসলে উচ্চতর স্বর্গের সেই মহিমারই একটি ক্ষীণ অনুলিপি মাত্র। যদি তুমি এই ডিভাইন বিয়িং বা ঐশ্বরিক সত্তার অসন্তুষ্টি থেকে বাঁচতে চাও, তবে সাবধান! কখনো মাটিতে খালি পা রেখো না, আগুনে থুতু ফেলো না, এমনকি আগুন যদি আস্ত একটা শহরকেও গ্রাস করে ফেলে, তবুও তাতে জল ঢেলো না। অন্যদিকে মুসলমানরা বলে, সর্বশক্তিমানের পূর্ণতা কে বর্ণনা করতে পারে? তাঁর সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ কাজগুলোও যদি তাঁর সাথে তুলনা করা হয়, তবে তা ধুলোবালি ছাড়া আর কিছুই নয়। তাহলে মানুষের সীমিত চিন্তাভাবনা তাঁর অসীম পূর্ণতার তুলনায় কতটা নগণ্য হতে পারে? তাঁর সন্তুষ্টি মানুষকে চিরসুখী করে। আর সন্তানদের জন্য সেই কৃপা লাভের সেরা উপায় হলো—তারা যখন শিশু থাকে, তখনই তাদের শরীরের চামড়ার একটি ছোট অংশ কেটে ফেলা। আবার রোমান ক্যাথলিকরা বলে, দুই টুকরো কাপড় নাও (প্রায় এক বা দেড় ইঞ্চি বর্গাকার), সেগুলোকে দুই কোণ দিয়ে সুতো বা ফিতে দিয়ে এমনভাবে জোড় দাও যেন তা লম্বায় প্রায় ষোলো ইঞ্চি হয়। এরপর সেটা মাথার ওপর দিয়ে এমনভাবে গলিয়ে দাও যাতে কাপড়ের এক টুকরো তোমার বুকে আর অন্য টুকরো পিঠে থাকে। অনন্তকাল ধরে অস্তিত্বমান সেই অসীম সত্তার প্রিয়পাত্র হওয়ার জন্য এর চেয়ে বড় কোনো গোপন রহস্য আর নেই।
** ৭ম অংশঃ এই মতবাদের নিশ্চিতকরণ।
* মূর্তিপূজা আর একেশ্বরবাদের তুলনা করলে সেই ধ্রুব সত্যটিই চোখের সামনে ফুটে ওঠে যে—সবচেয়ে উৎকৃষ্ট জিনিসের বিকৃতি থেকেই সবচেয়ে জঘন্য বা কদর্য জিনিসের জন্ম হয়।
** ১০ম অংশঃ সাহসিকতা বা হীনম্মন্যতা প্রসঙ্গে।
* প্যাগানিজম বা পৌত্তলিক ধর্মের বীরেরা ঠিক তেমনই, যেমনটা পোপতন্ত্রের সন্ত বা ইসলাম ধর্মের পবিত্র দরবেশরা। [[:w:হারকিউলিস|হারকিউলিস]], [[:w:থেসেউস|থেসেউস]], হেক্টর কিংবা রোমুলাসের জায়গা এখন দখল করে নিয়েছে ডমিনিক, ফ্রান্সিস, অ্যান্টনি এবং বেনেডিক্টরা। দানব বিনাশ, স্বৈরাচার দমন কিংবা মাতৃভূমি রক্ষার বদলে এখন চাবুকের আঘাত সহ্য করা, উপবাস থাকা, ভীরুতা, বিনয় এবং দাসসুলভ আনুগত্যই হয়ে উঠেছে মানবজাতির কাছে স্বর্গীয় সম্মান লাভের উপায়।
** ১০ম অংশঃ সাহসিকতা বা হীনম্মন্যতা প্রসঙ্গে।
* ধর্মীয় গোঁড়ামির এই প্রবল স্রোতকে সাধারণ কিছু যুক্তি দিয়ে আটকানোর চেষ্টা করা—যেমন, একই বস্তু একই সাথে থাকা এবং না থাকা অসম্ভব, অংশ থেকে পূর্ণ সবসময় বড়, কিংবা দুই আর তিনে পাঁচ হয়—তা অনেকটা খড়কুটো দিয়ে সমুদ্রের ঢেউ থামানোর চেষ্টার মতো। আপনি কি পবিত্র রহস্যের বিরুদ্ধে সাধারণ যুক্তিকে দাঁড় করাবেন? আপনার এই অধার্মিকতার জন্য কোনো শাস্তিই যথেষ্ট নয়। আর যে আগুন ধর্মদ্রোহীদের পোড়ানোর জন্য জ্বালানো হয়েছিল, সেই একই আগুন দার্শনিকদের বিনাশের কাজেও ব্যবহার করা হবে।
** ১১তম অংশঃ যুক্তি বা অযৌক্তিকতা প্রসঙ্গে
* আমরা কল্পনা করতে পারি, সোরবোনের একজন ধর্মতাত্ত্বিক সাইসের এক পুরোহিতকে বলছেন, "তোমরা কীভাবে পেঁয়াজ আর রসুনের পূজা করো?" পুরোহিত উত্তর দিচ্ছেন, "আমরা অন্তত সেগুলোর পূজা করি, তোমাদের মতো একই সাথে সেগুলোকে খেয়ে ফেলি না।" তখন সেই পণ্ডিত ডাক্তার আবার প্রশ্ন করছেন, "কিন্তু বিড়াল আর বাঁদর কি কোনো উপাসনার বস্তু হতে পারে?" তার সেই পণ্ডিত প্রতিপক্ষ উত্তর দিচ্ছেন, "এগুলো অন্তত তোমাদের সেই তথাকথিত মহাপুরুষদের দেহাবশেষ কিংবা পচা হাড়গোড়ের চেয়ে অনেক ভালো।" ক্যাথলিক পণ্ডিত আবারও জেদ ধরে বলছেন, "একটা বাঁধাকপি কিংবা শসা—এই দুইয়ের মধ্যে কোনটা শ্রেষ্ঠ তা নিয়ে একে অপরের গলা কাটা কি পাগলামি নয়?" তখন সেই পৌত্তলিক উত্তর দিচ্ছেন, "হ্যাঁ, আমি তা মেনে নিচ্ছি। তবে আপনাকেও স্বীকার করতে হবে যে সেই মানুষগুলো আরও বড় পাগল, যারা স্রেফ কিছু অর্থহীন কুতর্কভরা বইয়ের শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে লড়াই করে—যার দশ হাজার কপিও একটি শসা কিংবা বাঁধাকপির সমান মূল্যবান নয়।
** ১২তম অংশঃ সংশয় বা দৃঢ় বিশ্বাস প্রসঙ্গে।
* আমরা লক্ষ্য করলে দেখব যে, সব কুসংস্কারের ধরন অত্যন্ত একগুঁয়ে এবং দাপুটে হওয়া সত্ত্বেও, সব যুগের ধর্মবিশ্বাসীদের এই দৃঢ়তা আসলে যতটা না খাঁটি, তার চেয়ে বেশি লোক দেখানো। এটি কখনোই সেই নিরেট বিশ্বাসের ধারেকাছেও পৌঁছাতে পারে না, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ কাজগুলোকে পরিচালনা করে। মানুষ এমনকি নিজের মনের কাছেও সেই সন্দেহগুলো স্বীকার করতে ভয় পায়, যা এই বিষয়গুলো নিয়ে তাদের মনে দানা বাঁধে। তারা অন্ধ বিশ্বাসকে এক বড় গুণ মনে করে। আর খুব শক্ত গলায় কথা বলে বা চরম গোঁড়ামি দেখিয়ে নিজেদের আসল অবিশ্বাসকে নিজেদের কাছেই লুকিয়ে রাখতে চায়। কিন্তু মানুষের সহজাত প্রকৃতি তাদের সব চেষ্টার চেয়েও বেশি শক্তিশালী। মনের এই আবছায়া জগতের মিটমিটে আলো কখনোই সাধারণ জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতার তৈরি করা গভীর ছাপের সমান হতে পারে না। মানুষের দৈনন্দিন আচরণই তাদের মুখের কথাকে মিথ্যে প্রমাণ করে দেয়। আর এটাই দেখায় যে, এই সব বিষয়ে তাদের সম্মতি আসলে মনের এক অবর্ণনীয় অবস্থা—যা অবিশ্বাস আর বিশ্বাসের মাঝামাঝি কোথাও ঝুলে থাকে, তবে তা বিশ্বাসের চেয়ে অবিশ্বাসেরই বেশি কাছাকাছি।
** ১২তম অংশঃ সংশয় বা দৃঢ় বিশ্বাস প্রসঙ্গে।
* মানুষের কাছে যখন এমন কোনো আচারের কথা বলা হয় যা জীবনের কোনো কাজেই আসে না, কিংবা যা তার স্বাভাবিক প্রবৃত্তির একদম বিরোধী—তখন সেই মানুষটি সেই কাজটিকে আরও বেশি উৎসাহের সাথে গ্রহণ করে। ঠিক যে কারণে তার এই আচারটি বর্জন করার কথা ছিল, সেই কারণেই সে এটিকে আঁকড়ে ধরে। তার কাছে মনে হয়, এটিই বোধহয় খাঁটি ধর্ম। কারণ এর পেছনে পার্থিব কোনো স্বার্থ বা উদ্দেশ্য নেই। আর যদি এই আচারের জন্য সে তার শান্তি ও আরাম বিসর্জন দিতে পারে, তবে তার মনে হয় স্রষ্টার কাছে তার মর্যাদা আরও বেড়ে গেছে—যত বেশি কষ্ট, তত বেশি ভক্তি! কারো ধার করা টাকা ফেরত দেওয়া কিংবা ঋণ শোধ করার মাধ্যমে সে মনে করে না যে স্রষ্টার প্রতি কোনো বিশেষ আনুগত্য দেখানো হয়েছে; কারণ এই ন্যায়বিচারগুলো তাকে এমনিতেও করতে হতো—এমনকি পৃথিবীতে যদি কোনো ঈশ্বরের অস্তিত্ব নাও থাকত, তবুও অনেক মানুষ এগুলো করত। কিন্তু সে যদি একদিন উপবাস থাকে কিংবা নিজের শরীরে চাবুকের আঘাত সয়, তবে তার মতে এই কাজটির সাথে সরাসরি ঈশ্বরের সেবার সম্পর্ক আছে। কারণ এই কঠোরতা ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্য তাকে এমন কাজ করতে বাধ্য করত না। ভক্তির এই বিশেষ চিহ্নগুলোর মাধ্যমেই সে মনে করে যে সে এখন ঐশ্বরিক কৃপা লাভ করেছে; আর এর বিনিময়ে সে এই দুনিয়ায় নিরাপত্তা এবং পরকালে চিরস্থায়ী সুখের আশা করে।
** ১৪তম অংশঃ নৈতিকতার ওপর প্রচলিত ধর্মের নেতিবাচক প্রভাব।
* মনের এমন শান্ত ও নির্মল মূহূর্তগুলোতে, মিথ্যা উপাসনার এই ছায়াগুলো আর কখনো দেখা দেয় না।
** ১৮তম অংশঃ নৈতিকতার ওপর প্রচলিত ধর্মের নেতিবাচক প্রভাব।
* কোনো ভালো জিনিসের খুব সামান্য নমুনা যখন আমাদের সামনে আসে, তা যত বেশি চমৎকার হয়—তার সাথে মিশে থাকা মন্দটি ততটাই তীব্র হয়ে দেখা দেয়। প্রকৃতির এই অভিন্ন নিয়মের খুব কমই ব্যতিক্রম পাওয়া যায়। সবচেয়ে প্রখর বুদ্ধি যেমন পাগলামির সীমানা ঘেঁষে চলে; পরম আনন্দের বিচ্ছুরণ যেমন গভীর বিষণ্ণতা তৈরি করে; সবচেয়ে তীব্র আনন্দ যেমন নিষ্ঠুর অবসাদ আর বিতৃষ্ণাকে সাথে নিয়ে আসে; ঠিক তেমনি সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক স্বপ্নগুলোই চরম হতাশার পথ তৈরি করে দেয়। সাধারণভাবে বলতে গেলে, জীবনের কোনো পথই ততটা নিরাপদ নয় (কারণ সুখের কথা তো স্বপ্নেও ভাবা যায় না) যতটা না হলো পরিমিত ও মধ্যমপন্থা। যা প্রতিটি বিষয়ে যতটা সম্ভব ভারসাম্য এবং এক ধরনের নির্বিকার ভাব বজায় রাখে। যেহেতু ভালো, মহান, মহিমান্বিত এবং চমৎকার বিষয়গুলো প্রকৃত ঈশ্বরবাদের মূলনীতির মধ্যে চমৎকারভাবে পাওয়া যায়। তাই প্রকৃতির সাথে তুলনা করলে এটা বলাই যায় যে—ভিত্তিহীন, অদ্ভুত, তুচ্ছ আর ভয়াবহ বিষয়গুলোও সমানভাবে ধর্মীয় কল্পকাহিনী এবং অলীক কল্পনার মধ্যে খুঁজে পাওয়া যাবে।
** ১৫তম অংশঃ জেনারেল করোলারি (সাধারণ অনুসিদ্ধান্ত)।
* মানুষের বিচারবুদ্ধির কী এক মহান ক্ষমতা—যে সে প্রকৃতির দৃশ্যমান কাজগুলো দেখেই পরম সত্তার জ্ঞান লাভ করতে পারে এবং একজন মহান স্রষ্টার অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে! কিন্তু মুদ্রার উল্টো পিঠটাও একবার দেখুন। ইতিহাসের সব যুগ আর সব জাতির দিকে তাকিয়ে দেখুন; পৃথিবীতে বাস্তবে টিকে থাকা ধর্মীয় নিয়মগুলো একবার পরখ করুন। আপনার মনেই হবে না যে এগুলো সুস্থ কোনো মানুষের চিন্তা, বরং মনে হবে এগুলো সব অসুস্থ মানুষের স্বপ্ন। অথবা এগুলোকে বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন কোনো সত্তার গম্ভীর আর সুদৃঢ় দাবি মনে না হয়ে বরং মানুষের রূপ ধরা কোনো বাঁদরের খামখেয়ালি খেলা বলে মনে হবে।
** ১৫তম অংশঃ সাধারণ অনুসিদ্ধান্ত।
* সকল মানুষের মুখের কথা শুনুন। তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের মতো নিশ্চিত আর কিছুই নাকি নেই। কিন্তু তাদের জীবনের দিকে তাকিয়ে দেখুন। আপনার মনেই হবে না যে তারা সেই বিশ্বাসের ওপর বিন্দুমাত্র আস্থা রাখে। চরম ভক্তিও মানুষকে ভণ্ডামি থেকে বাঁচাতে পারে না। আবার প্রকাশ্যে ধর্মকে অস্বীকার করার ভেতরেও অনেক সময় এক গোপন ভয় বা অনুশোচনা কাজ করে। এমন কোনো অদ্ভুত ধর্মীয় অযৌক্তিকতা নেই যা বড় বড় বিদ্বান ব্যক্তিরা কোনো না কোনো সময় বিশ্বাস করেননি। আবার এমন কোনো কঠিন ধর্মীয় বিধিনিষেধ নেই যা চূড়ান্ত ভোগবিলাসী আর বখে যাওয়া মানুষগুলোও নিজের স্বার্থে গ্রহণ করেনি।
** ১৫তম অংশঃ সাধারণ অনুসিদ্ধান্ত।
* অজ্ঞতাই হলো ভক্তির জননী—এই প্রবাদটি সাধারণ অভিজ্ঞতা দ্বারা বারবার প্রমাণিত। এমন কোনো জাতিকে খুঁজে দেখুন যাদের কোনো ধর্ম নেই, যদি পানও তবে নিশ্চিত থাকবেন যে তারা পশুদের থেকে খুব সামান্যই আলাদা।
** ১৫তম অংশঃ জেনারেল করোলারি।
* গোটা ব্যাপারটাই যেন এক প্রকার ''কুহেলিকা'', এক পরম রহস্য আর এক ব্যাখ্যাতীত জট!<br>সন্দেহ, অনিশ্চয়তা আর বিচারের দোদুল্যমানতা—এটাই আমাদের অনুসন্ধানের একমাত্র প্রাপ্তি। তবে মানুষের যুক্তিবোধের সীমাবদ্ধতা এমন যে এই সংশয় ধরে রাখা কঠিন। তাই আমরা এক ধরণের কুসংস্কারের বিপরীতে অন্যটিকে লেলিয়ে দিয়ে তাদের বিবাদ দেখতে দেখতে নিজেরা দর্শনের শান্ত ও নির্জন আশ্রয়ে পালিয়ে যাই।
** ১৫তম অংশ: জেনারেল করোলারি।
=== ''এসেস, মোরাল, পলিটিক্যাল, অ্যান্ড লিটারারি'' (১৭৪১-২;১৭৪৮) ===
* স্বাধীনতা-প্রেমীদের জন্য এটি একটি স্বস্তিদায়ক চিন্তা যে—ব্রিটেনের এই বিশেষ সুবিধা (সংবাদপত্রের স্বাধীনতা) ততদিনই অক্ষুণ্ণ থাকবে, যতদিন আমাদের সরকার স্বাধীন থাকবে। যেকোনো ধরণের স্বাধীনতা খুব কম ক্ষেত্রেই একেবারে ধূলিসাৎ হয়ে যায়। যারা স্বাধীনতায় অভ্যস্ত, তাদের কাছে দাসত্বের চেহারা এতটাই বীভৎস যে এটি অত্যন্ত ধীরে এবং হাজারো ছদ্মবেশে জনমানসে সংক্রামিত হয়। কিন্তু যদি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কখনো লুপ্ত হয়, তবে তা একসাথেই চিরতরে হারিয়ে যাবে।
** ১ম খণ্ড, ২য় প্রবন্ধ: অফ দ্য লিবার্টি অফ দ্য প্রেস ।
* যারা দার্শনিক দৃষ্টিতে জাগতিক বিষয়াবলি পর্যবেক্ষণ করেন, তাদের কাছে এর চেয়ে বিস্ময়কর আর কিছু নেই যে—কত সহজে সংখ্যাগুরু সাধারণ মানুষ মুষ্টিমেয় কয়েকজনের দ্বারা শাসিত হয় এবং মানুষ কত অবলীলায় নিজের আবেগ আর অধিকার শাসকদের হাতে সঁপে দেয়। যখন আমরা এই বিস্ময়ের কারণ খুঁজি, তখন দেখি যে শক্তি সব সময় শাসিতদের পক্ষেই থাকে। তাই শাসকদের টিকে থাকার একমাত্র অবলম্বন হলো জনমত। সুতরাং, কেবল জনমতের ওপর ভিত্তি করেই শাসনব্যবস্থা গড়ে ওঠে এবং এই নীতিটি যেমন স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক সরকারের ক্ষেত্রে সত্য, তেমনি চরম স্বৈরাচারী ও সামরিক শাসনের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য।
** ১ম খণ্ড, ৪র্থ প্রবন্ধ: অফ দ্য ফার্স্ট প্রিন্সিপলস অফ গভর্নমেন্ট ।
* এটি এক ধরনের সঠিক রাজনৈতিক নীতি যে—প্রতিটি মানুষকে 'প্রতারক' হিসেবে ধরে নিতে হবে। যদিও শুনতে অদ্ভুত লাগে যে, একটি নীতি রাজনীতিতে সত্য হলেও ব্যক্তিগত জীবনে হয়তো মিথ্যে। মানুষ সাধারণত তার ব্যক্তিগত জীবনের চেয়ে জনসমক্ষে বা দলীয় পরিচয়ে বেশি অসৎ হয়ে থাকে এবং নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে দলের স্বার্থ রক্ষায় তারা অনেক বেশি দূর পর্যন্ত যেতে পারে। লোকলজ্জা বা সম্মানবোধ মানুষের জন্য একটি বড় প্রতিবন্ধক। কিন্তু যখন একদল মানুষ সমষ্টিগতভাবে কাজ করে, তখন এই বাধাটি অনেকাংশেই ঘুচে যায়। কারণ একজন মানুষ যখন দলের স্বার্থে কাজ করে, তখন সে জানে যে তার নিজের দল তাকে সমর্থন করবেই এবং খুব দ্রুতই সে প্রতিপক্ষের সমালোচনাকে তুচ্ছ জ্ঞান করতে শেখে।
** ১ম খণ্ড, ৬ষ্ঠ প্রবন্ধ: অফ দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্সি অফ পার্লামেন্ট; প্রথম বাক্যটি প্রায়ই এভাবে বলা হয়: " ''এটি একটি সঠিক রাজনৈতিক নীতি যে, প্রতিটি মানুষকে একজন ধূর্ত বা প্রবঞ্চক হিসেবেই ধরে নিতে হবে''।"
* মানুষের মনের প্রকৃতিই এমন যে, এটি তার সংস্পর্শে আসা অন্য সব মনকে আঁকড়ে ধরতে চায়। এবং যেমন মতের মিল বা ঐক্য একে ভীষণভাবে শক্তিশালী করে, তেমনি মতের অমিল বা বৈপরীত্য একে সমানভাবে বিচলিত ও বিমর্ষ করে তোলে। এ কারণেই তর্কের সময় অধিকাংশ মানুষের মধ্যে এক ধরণের ব্যকুলতা দেখা যায় এবং অতি সাধারণ বা তুচ্ছ বিষয়েও তারা বিরুদ্ধ মতকে সহ্য করতে পারে না।
** ১ম খণ্ড, ৮ম প্রবন্ধ: অফ পার্টিজ ইন জেনারেল (পৃষ্ঠা ৫৪, লিবার্টি ফান্ড)।
* জনপ্রিয়তা আর দেশপ্রেমের চূড়ান্ত শিখর আজও ক্ষমতা আর স্বৈরাচারের দিকে যাওয়ার চেনা রাস্তা। তোষামোদ যেমন বিশ্বাসঘাতকতার পথ দেখায়, স্থায়ী সেনাবাহিনী যেমন স্বৈরাচারী শাসনের পথ প্রশস্ত করে, ঠিক তেমনি ঈশ্বরের মহিমা প্রচার অনেক সময় যাজকশ্রেণীর বৈষয়িক স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হয়ে দাঁড়ায়।
** ১ম খণ্ড, ৮ম প্রবন্ধ: অফ পাবলিক ক্রেডিট (পৃষ্ঠা ৩৬১, লিবার্টি ফান্ড)।
* সকল যুগে এবং পৃথিবীর সব প্রান্তেই যাজকশ্রেণী স্বাধীনতার ঘোর শত্রু ছিল এবং এটি নিশ্চিত যে, তাদের এই অবিচল আচরণ মূলত তাদের বৈষয়িক স্বার্থ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষার ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে। চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা যাজকীয় ক্ষমতা এবং সেই সব 'পবিত্র প্রতারণার' জন্য সব সময় কাল হয়ে দাঁড়ায়, যার ওপর ভর করে তাদের কর্তৃত্ব টিকে থাকে।
** ১ম খণ্ড, ৯শ প্রবন্ধ: অফ দ্য পার্টিজ অফ গ্রেট ব্রিটেন (পৃষ্ঠা ৬৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* কর্মজীবী দরিদ্র শ্রেণীর মানুষের সুনির্দিষ্ট কোনো নীতি নেই। ভদ্রলোকদের সময় এবং অভিজ্ঞতার মাধ্যমে সঠিক নীতিতে থিতু করা সম্ভব। আর মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষের নীতি গঠনের মতো কৌতূহল ও জ্ঞান থাকলেও, তা সঠিক জীবনদর্শনের জন্য কিংবা নিজেদের সংস্কারগুলো কাটিয়ে ওঠার জন্য যথেষ্ট নয়।
** ১ম খণ্ড, ৯শ প্রবন্ধ: অফ দ্য পার্টিজ অফ গ্রেট ব্রিটেন (১৭৪১ ও ১৭৪২ সংস্করণ)।
* শিল্পের মূল চালিকাশক্তিই হলো লোভ!—এমনই এক দুর্জয় নেশা যা বাস্তব বিপদ আর হাজারো প্রতিকূলতা মাড়িয়ে নিজের পথ করে নেয়!<br>তাই নিছক কাল্পনিক ভয়ের কাছে এর থমকে যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। সুতরাং, আমার মতে—স্বৈরাচারী শাসনে বাণিজ্য যে ধ্বংস হয়ে যায়, তা নিরাপত্তার অভাবে নয়। বরং সেখানে বণিকবৃত্তিকে মর্যাদাহীন মনে করা হয় বলে।
** ১ম খণ্ড, ১২শ প্রবন্ধ: অফ সিভিল লিবার্টি (পৃষ্ঠা ৯৩, লিবার্টি ফান্ড)।
[[File:David-hume-edinburgh.jpg|thumb|right|মানব-প্রাণীর অহংকারের জন্য এটি একটি বড় চপেটাঘাত এই যে, সে তার সর্বোচ্চ শৈলী আর চেষ্টা দিয়েও প্রকৃতির ক্ষুদ্রতম সৃষ্টির সৌন্দর্য কিংবা তার সমমূল্যও হতে পারবে না।]]
* মানুষের অহংকারের জন্য এর চেয়ে বড় অপমান আর কিছু হতে পারে না যে—তার সর্বোচ্চ শিল্প ও শ্রম দিয়েও সে প্রকৃতির ক্ষুদ্রতম সৃষ্টিগুলোর সৌন্দর্য বা মূল্যের সমান হতে পারে না। শিল্প কেবল একজন সহকারী কারিগরের মতো, যে মূল মাস্টারের (প্রকৃতি) কাজগুলোতে সামান্য কিছু অলঙ্করণ যোগ করে মাত্র।
** ১ম খণ্ড, ১৫শ প্রবন্ধ: দ্য এপিকিউরিয়ান (পৃষ্ঠা ১৩৯, লিবার্টি ফান্ড)।
* শিল্প বা কারিগরি দক্ষতা বড়জোর এক জোড়া পোশাক তৈরি করতে পারে। কিন্তু একজন প্রকৃত মানুষকে সৃষ্টি করা কেবল প্রকৃতির পক্ষেই সম্ভব।
** ১ম খণ্ড, ১৫শ প্রবন্ধ: দ্য এপিকিউরিয়ান (পৃষ্ঠা ১৪০, লিবার্টি ফান্ড)।
* প্রকৃতির দান যেখানে সীমিত, সেখানে ঘাটতি মেটাতে মানুষের সৃজনশীলতা ও শ্রমের প্রয়োজন পড়ে সবচেয়ে বেশি। অথচ প্রকৃতি যখন অকৃপণ ও মুক্তহস্ত হয়, তখন সে আমাদের কাছ থেকে আরও কঠোর পরিশ্রম আর নিবিষ্ট মনোযোগ দাবি করে। সবচেয়ে উর্বর মস্তিষ্কের মেধাও যদি নিয়মিত চর্চা করা না হয়, তবে তা উর্বর জমির মতোই আগাছায় ভরে যায় আর মানুষের আনন্দ ও ব্যবহারের উপযোগী দ্রাক্ষা বা জলপাইয়ের বদলে তা অলস মালিকের জন্য কেবল বিষাক্ত জঞ্জালের জন্ম দেয়।
** ১ম খণ্ড, ১৬শ প্রবন্ধ: দ্য স্টোইক (পৃষ্ঠা ১৪৬, লিবার্টি ফান্ড)।
* মানুষের যাবতীয় শ্রম ও নিরন্তর প্রচেষ্টার চূড়ান্ত সার্থকতা নিহিত রয়েছে সুখ অন্বেষণে। আর এই পরম সুখ লাভের উদ্দেশ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে সুকুমার শিল্প, প্রসার ঘটানো হয়েছে বিজ্ঞানের এবং প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কঠোর আইন ও সমাজব্যবস্থা।
** ১ম খণ্ড, ১৬শ প্রবন্ধ: দ্য স্টোইক (পৃষ্ঠা ১৪৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* আশাবাদ আর প্রফুল্ল থাকার সহজাত প্রবৃত্তিই হলো মানুষের প্রকৃত ঐশ্বর্য। আর ভয় ও বিষণ্ণতার কাছে আত্মসমর্পণ করাই হলো চরম দারিদ্র্য।
** ১ম খণ্ড, ১৮শ প্রবন্ধ: দ্য স্কেপটিক (পৃষ্ঠা ১৬৭, লিবার্টি ফান্ড)।
* যারা প্রথম '''চ্যারিটি'' ' (দানশীলতা) শব্দটি উদ্ভাবন করেছেন এবং একে একটি মহৎ গুণ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, তারা কোনো স্বঘোষিত আইনপ্রণেতা বা নবীর চেয়েও অনেক বেশিসার্থকভাবে মানুষের মনে অন্যের প্রতি দয়া ও সহমর্মিতার বীজ বুনে দিয়েছেন। তারা সরাসরি কোনো আদেশ ছাড়াই অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও কার্যকরী উপায়ে মানুষের মনে এই মহৎ শিক্ষাটি স্থায়ীভাবে গেঁথে দিতে সক্ষম হয়েছেন।
** ১ম অংশ, ২২তম প্রবন্ধ: রুচির মানদণ্ড প্রসঙ্গে
[[File:DavidHume.jpg|thumbnail|সৌন্দর্য বস্তুর নিজের কোনো গুণ নয়। এটি কেবল সেই মনের ভেতরেই থাকে যা বিষয়টিকে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রতিটি হৃদয় আলাদা আলাদা সৌন্দর্য অনুভব করে।]]
* মানুষের হৃদয়ের প্রতিটি পরম অনুভূতিই তার কাছে এক অম্লান সত্য!<br>কারণ অনুভূতির জন্ম ও অস্তিত্ব কেবল মানুষের একান্ত গভীরে, আর যখনই কেউ কিছু অনুভব করে—তা তার কাছে ধ্রুব বাস্তব হয়েই ধরা দেয়। কিন্তু আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক সিদ্ধান্তগুলো সবসময় সঠিক হয় না। কারণ সেগুলোর ভিত্তি থাকে বাইরের জগতের কঠিন বাস্তবতার ওপর, যা মানুষের হৃদয়ের সবটুকু অনুভব বা মানদণ্ডের সাথে সবসময় মেলে না।
** ১ম অংশ, ২৩তম প্রবন্ধ: রুচির মানদণ্ড প্রসঙ্গে
* সৌন্দর্য বস্তুর নিজস্ব কোনো গুণ নয়—এটি কেবল সেই মনের গহীনে বিরাজ করে যা বস্তুটিকে প্রত্যক্ষ করছে। আর প্রতিটি মনই তার নিজস্ব আয়নায় সৌন্দর্যকে ভিন্নভাবে খুঁজে পায়। একজন মানুষ যেখানে সৌন্দর্যের ছোঁয়া দেখেন, অন্যজন সেখানে কদর্যতা খুঁজে পেতে পারেন। তাই অন্যের বোধকে শাসন করার চেষ্টা না করে প্রতিটি মানুষের উচিত নিজের অনুভূতিতেই সন্তুষ্ট থাকা।
** ১ম অংশ, ২৩তম প্রবন্ধ: রুচির মানদণ্ড প্রসঙ্গে
* এই দুনিয়ার প্রতিটি বস্তুই আদতে শ্রম দিয়েই ক্রয় করা হয়।
** ২য় অংশ, ১ম প্রবন্ধ: বাণিজ্য প্রসঙ্গে
* এক কথায়, মানবজীবন যুক্তির চেয়ে ভাগ্যের দ্বারাই বেশি শাসিত হয়। একে কোনো সিরিয়াস পেশার চেয়ে বরং একটি নিরন্তর ও একঘেয়ে বিনোদন হিসেবে দেখাই শ্রেয়। এটি জগতের ধরাবাঁধা নিয়মের চেয়ে মানুষের ক্ষণস্থায়ী মেজাজ বা সহজাত স্বভাবের দ্বারা বেশি প্রভাবিত হয়। আমরা কি তবে আবেগ আর দুশ্চিন্তা নিয়ে এতে লিপ্ত হয়ে যাব? এটি এত চিন্তার যোগ্য নয়। কিন্তু আমরা কি যা ঘটে তা নিয়ে সম্পূর্ণ উদাসীন থাকব? আমাদের এই নির্লিপ্ততা আর অসতর্কতার কারণে আমরা জীবনের খেলার সমস্ত আনন্দই হারিয়ে ফেলব। আমরা যখন জীবন নিয়ে অন্তহীন যুক্তি করছি, তখনই জীবন ফুরিয়ে যাচ্ছে; আর মৃত্যু হয়তো মূর্খ এবং দার্শনিককে আলাদাভাবে গ্রহণ করে, কিন্তু দুজনের সাথেই আচরণ করে একই রকম।
** ১ম অংশ, ১৮তম প্রবন্ধ: সংশয়ী
=== ''দ্য হিস্ট্রি অফ ইংল্যান্ড'' (১৭৫৪-৬২) ===
[[File:Loutherbourg-La Maison de Lancastre.jpg|thumb|যেখানে উচ্চাকাঙ্ক্ষা এতটাই সৌভাগ্যবান হয় যে সে নিজের উদ্দেশ্যগুলোকে—এমনকি নিজের কাছেও—আদর্শের আবরণে ঢেকে রাখতে পারে, তখন সেটি হয়ে ওঠে মানুষের সমস্ত আবেগের মধ্যে সবচেয়ে নিরাময় অযোগ্য এবং অনমনীয়।]]
* সেই শাসনামলে এক অমোঘ বিধান কার্যকর ছিল যে, এই দ্বীপের কোনো ভূমিপুত্রকেই রাজকীয় বা ধর্মীয় কোনো উচ্চাসনে বসতে দেওয়া হবে না। তাই স্টিগ্যান্ডের পতনের পর, রাজা ল্যানফ্রাঙ্ক নামক এক প্রাজ্ঞ মিলানিজ সন্ন্যাসীকে সেই শূন্য পদে অভিষিক্ত করেন, যা ছিল স্থানীয়দের জন্য এক অলঙ্ঘনীয় দুর্গের মতো!<br>এই ধর্মযাজক নিজের পদের শ্রেষ্ঠত্ব রক্ষায় ছিলেন বজ্রকঠিন। দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে তিনি পোপের দরবার থেকে ইয়র্কের ধর্মযাজক থমাসকে নিজের বশ্যতা স্বীকারে বাধ্য করেন। উচ্চাকাঙ্ক্ষা যখন এতই সৌভাগ্যবান হয় যে সে নিজের স্বার্থকে—এমনকি নিজের কাছেও—আদর্শের এক পবিত্র আবরণে ঢেকে রাখতে পারে, তখন সেটি হয়ে ওঠে মানুষের আদিমতম আবেগের মধ্যে সবচেয়ে অনমনীয় ও নিরাময় অযোগ্য এক নেশা। ল্যানফ্রাঙ্ক পোপের স্বার্থ রক্ষায় যে অবিরাম উদ্যম দেখিয়েছিলেন, তা আসলে ছিল নিজের একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারের এক নিপুণ কৌশল। তার সেই কৌশলী আনুগত্যের ফলে ইংল্যান্ডের মাটিতে রোমের প্রভাব ফরাসি বা ইতালীয় আভিজাত্যের সমপর্যায়ে উন্নীত হয়। পরবর্তীতে এই ধর্মীয় আধিপত্য আরও বহুদূর বিস্তৃত হয়েছিল; কারণ যে ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতা একসময় রোমের পথে বাধা ছিল, সেই নির্জনতাই পরে সহায়ক হয়ে ওঠে। জ্ঞানের মশাল আর উদার শিক্ষার অভাব এই দ্বীপের আকাশকে এমন এক অন্ধকারে আচ্ছন্ন রেখেছিল, যেখানে এই আধিপত্যকে রুখে দেওয়ার মতো কোনো সাহসী কণ্ঠস্বর অবশিষ্ট ছিল না।
** ১ম খণ্ড, ৪র্থ অংশ : উইলিয়াম দ্য কনকারার
* অলিভার ক্রমওয়েলের চরিত্রটি আমাদের কাছে যতটা না বিস্ময়কর মনে হয় তার চরম মূর্খতা আর তীক্ষ্ণ মেধার এক অদ্ভুত সংমিশ্রণের কারণে, তার চেয়েও বেশি রহস্যময় ঠেকে তার সেই উগ্র উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও অন্ধ ধর্মান্ধতাকে ন্যায়বিচার ও মানবতার আদর্শের সাথে একীভূত করার অবিশ্বাস্য ক্ষমতার জন্য। তিনি একইসাথে ছিলেন এক ক্ষমতালোভী অধিনায়ক এবং ন্যায়ের কঠিন অনুসারী—এই দুই বিপরীতমুখী সত্তাকে তিনি যেভাবে নিজের আত্মায় ধারণ করেছিলেন, সেটিই তাকে ইতিহাসের এক অমীমাংসিত ধাঁধায় পরিণত করেছে।
** ৩য় খণ্ড, ৬১তম অধ্যায়; অলিভার ক্রমওয়েল প্রসঙ্গে
* তৎকালে বিশ্বের কোনো দেশেই এমন সরকার ছিল না—এমনকি ইতিহাসের ধূলিমাখা পাতাতেও তার নজির মেলা ভার—যা কোনো শাসক বা ম্যাজিস্ট্রেটের হাতে ন্যস্ত স্বৈরাচারী ক্ষমতার স্পর্শ ছাড়া টিকে থাকতে পেরেছে। তাই মানব সমাজ আদৌ কোনোদিন এমন পূর্ণতার স্তরে পৌঁছাতে পারবে কি না, যেখানে ব্যক্তিগত শাসন নয় বরং কেবল আইন ও ন্যায়বিচারের শাসন চলবে—তা নিয়ে সন্দেহ থাকাটাই ছিল যৌক্তিক।<br>কিন্তু তৎকালীন পার্লামেন্ট বিচক্ষণতার সাথেই ভেবেছিল যে, রাজার হাতে এমন কোনো অনিয়ন্ত্রিত ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়া যায় না যা তিনি সহজেই জনগণের স্বাধীনতা হরণ করতে ব্যবহার করতে পারেন। শেষ পর্যন্ত প্রমাণিত হয়েছে যে, অক্ষরে অক্ষরে আইন মেনে চলার পথে কিছু সাময়িক বাধা থাকলেও এর সুদূরপ্রসারী সুফল সেসব অসুবিধার চেয়ে অনেক গুণ বেশি। আর এই মহৎ নীতিটি প্রতিষ্ঠার জন্য ইংরেজ জাতির উচিত তাদের সেই পূর্বপুরুষদের প্রতি চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকা—যারা বারবার রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের বিনিময়ে আইনের এই শাসন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
** ৫ম খণ্ড, ৫৪তম অধ্যায়; স্টার চেম্বার বিলুপ্তি প্রসঙ্গে
=== ''ফোর ডিসার্টেশনস'' (১৭৫৭) ===
'''রুচির মানদণ্ড প্রসঙ্গে'''
* সৌন্দর্য আর কদর্যতার বিচারে মানুষের ব্যক্তিগত অনুভবে আকাশ-পাতাল পার্থক্য থাকে, এমনকি যখন তাদের বাহ্যিক রুচি বা আলোচনাগুলো একই মনে হয়। অথচ দর্শন আর বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে বিষয়টি ঠিক উল্টো। সেখানে মানুষ বিশেষ তথ্যের চেয়ে মূল নীতিগুলো নিয়েই বেশি দ্বন্দ্বে জড়ায় এবং বাস্তবে যতটা না মতভেদ থাকে, তর্কের খাতিরে বাইরে থেকে তার চেয়ে অনেক বেশি মনে হয়।
* রুচির একটি 'সার্বজনীন মানদণ্ড' খোঁজা আমাদের সহজাত প্রবৃত্ত। এমন একটি ধ্রুব নিয়ম, যা মানুষের বিচিত্র অনুভূতির মধ্যে সামঞ্জস্য আনবে অথবা অন্তত এমন এক অকাট্য রায় দেবে যা একটি রুচিকে স্বীকৃতি দেবে এবং অন্যটিকে প্রত্যাখ্যান করবে।
* শিল্পের যাবতীয় সাধারণ নিয়ম যদিও কেবল অভিজ্ঞতা এবং মানব প্রকৃতির সহজাত প্রবৃত্তি পর্যবেক্ষণের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত, তবুও ভাবা ভুল হবে যে—প্রতিটি বিশেষ ক্ষেত্রে মানুষের চঞ্চল অনুভূতিগুলো সর্বদা এই নিয়মগুলোর সাথে মিলে যা।
* রুচির সূক্ষ্মতার ক্ষেত্রে জন্মগতভাবে মানুষে মানুষে বিশাল ব্যবধান থাকলেও, কোনো বিশেষ শিল্পকলায় নিরন্তর অনুশীলন এবং সৌন্দর্যের নিবিড় পর্যবেক্ষণ ছাড়া এই প্রতিভাকে শাণিত ও উন্নত করার দ্বিতীয় কোনো পথ নেই।
* সাধারণ জীবনের তুচ্ছ ঘটনায় মানুষ যে কাণ্ডজ্ঞান ব্যবহার করে, ধর্মীয় আচারের ক্ষেত্রে তার ছিটেফোঁটাও দেখা যায় না। কারণ সুকৌশলে বিশ্বাস করানো হয়েছে যে—ধর্মীয় বিষয়গুলো মানবিক যুক্তির সীমানার সম্পূর্ণ ঊর্ধ্বে।
=== ''[[w:Dialogues Concerning Natural Religion|ডায়ালগস কনসার্নিং ন্যাচারাল রিলিজিয়ন]]'' (১৭৭৯) ===
:<small>১৭৫৭ থেকে ১৭৭৬ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে বিক্ষিপ্তভাবে লেখা এবং হিউমের মৃত্যুর পর মরণোত্তর প্রকাশিত।</small>
* দর্শনের এমন যেকোনো গূঢ় প্রশ্ন—যা এতটাই 'অস্পষ্ট' ও 'অনিশ্চিত' যে মানুষের যুক্তি সেখানে কোনো অকাট্য সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়—যদি সেই বিষয়ে আলোচনা করতেই হয়, তবে সংলাপ ও কথোপকথনের শৈলীই আমাদের জন্য সবচেয়ে স্বাভাবিক ও সার্থক পথ। এর ফলে তর্কের প্রতিটি দিক উন্মোচিত হয় এবং সত্যের কাছাকাছি পৌঁছানো সহজতর হয়।
** প্যামফিলাস থেকে হারমিপ্পাস, প্রস্তাবনা
* খ্রিস্টধর্মের সূচনালগ্নে যখন দর্শনের গূঢ় তত্ত্বের সাথে লোকজ আচারের এক কৃত্রিম মেলবন্ধন ঘটল, তখন থেকেই ধর্মীয় যাজক ও তাত্ত্বিকদের মধ্যে এক আগ্রাসী প্রবণতা প্রবল হয়ে ওঠে। তারা মানুষের শাশ্বত যুক্তিবাদ আর ইন্দ্রিয়লব্ধ বাস্তব জ্ঞানের বিরুদ্ধে একপ্রকার প্রকাশ্য যুদ্ধ ঘোষণা করেন। মূলত আধ্যাত্মিক একাধিপত্য রক্ষার তাগিদে তারা মানুষের ব্যক্তিগত প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞানকে তুচ্ছজ্ঞান করার এক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। মানুষের নিজস্ব অনুসন্ধান থেকে জন্ম নেওয়া প্রতিটি বৈজ্ঞানিক ও দার্শনিক সত্যকে তারা অত্যন্ত সুকৌশলে ধর্মের পরিপন্থী হিসেবে দাঁড় করিয়েছিলেন, যাতে সাধারণ মানুষের বিচারবুদ্ধি সবসময় তাদের শৃঙ্খলে বন্দী থাকে।
** ক্লিয়ানথেস থেকে ডেমিয়া, ১ম খণ্ড
* বিশ্বের দিকে তাকান, এর প্রতিটি অংশ পর্যবেক্ষণ করুন। আপনি দেখতে পাবেন এটি একটি বিশাল যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়, যা অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র যন্ত্রে বিভক্ত এবং সেগুলো আবার এমন স্তরে বিভক্ত যা মানুষের ইন্দ্রিয় এবং ক্ষমতা দিয়ে ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়। এই সমস্ত বিভিন্ন যন্ত্র এবং তাদের অতি ক্ষুদ্র অংশগুলো একে অপরের সাথে এমন সূক্ষ্মতায় সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা দেখে যে কেউ বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে পড়বে। সমস্ত প্রকৃতিজুড়ে উপায়ের সাথে উদ্দেশ্যের এই অদ্ভুত সমন্বয় মানুষের পরিকল্পনা, চিন্তা, প্রজ্ঞা এবং বুদ্ধিমত্তার সাথে হুবহু মিলে যায়, যদিও এটি মানুষের সৃষ্টির চেয়ে অনেক বেশি উন্নত।
** ফিলো থেকে ক্লিয়ানথেস, ২য় খণ্ড
* মস্তিষ্কের এই ক্ষুদ্র আলোড়ন যাকে আমরা 'চিন্তা' বলি, তার এমন কী বিশেষ বিশেষাধিকার আছে যে আমাদের একেই পুরো মহাবিশ্বের মডেল বানাতে হবে? নিজেদের প্রতি আমাদের পক্ষপাতিত্ব প্রতিটি ক্ষেত্রেই এটিকে সামনে নিয়ে আসে। কিন্তু সঠিক দর্শনের উচিত এই ধরণের প্রাকৃতিক বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকা।
** ফিলো থেকে ক্লিয়ানথেস, ২য় খণ্ড
* যদি আমাদের 'বিমূর্ত যুক্তি' কারণ ও ফলাফলের এই অন্তহীন প্রশ্নে নীরব না থাকে, তবে তার অমোঘ রায় হবে এই যে—একটি ভাবজগত বা ভাবনার মহাবিশ্বের অস্তিত্বের জন্যও ঠিক ততটাই জোরালো 'কারণ' প্রয়োজন, যতটা একটি বস্তুগত মহাবিশ্বের জন্য প্রয়োজন। যদি উভয় জগতের গঠনপ্রকৃতি একই হয়, তবে তাদের উৎসের কারণও অভিন্ন হওয়া বাঞ্ছনীয়। কারণ এই দুইয়ের মাঝে এমন কী পার্থক্য আছে যা ভিন্ন কোনো সিদ্ধান্তে আমাদের উপনীত করবে? বিমূর্ত দৃষ্টিতে তারা সম্পূর্ণ সমান্তরাল এবং বস্তুগত জগতের ব্যাখ্যায় যে দুর্ভেদ্য সমস্যা বিদ্যমান, ভাবজগতের ক্ষেত্রেও তা সমানভাবে সত্য।
** ফিলো থেকে ক্লিয়ানথেস, ৪র্থ খণ্ড
* যদি এই বস্তুগত মহাবিশ্বকে একটি অনুরূপ ভাবজগতের ছাঁচে ব্যাখ্যা করতে হয়, তবে সেই ভাবজগতকেও অন্য কোনো আধারের ওপর দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। আর এভাবেই এক অন্তহীন ও নিরর্থক অনুধাবন চলতেই থাকবে যার কোনো পরিসমাপ্তি নেই। তাই অকারণে জাগতিক সীমানার বাইরে না তাকিয়ে, এই বিশ্বপ্রকৃতিকেই নিজের ভেতরে শৃঙ্খলার নীতি ধারণকারী এক 'দিব্য সত্তা' হিসেবে কল্পনা করা শ্রেয়। আপনি যখনই এই দৃশ্যমান জগতের বাইরে এক কদম পা দেবেন, তখনই আপনি এমন এক অতৃপ্ত কৌতূহলকে জাগিয়ে তুলবেন যাকে শান্ত করা মানুষের যুক্তির পক্ষে কখনও সম্ভব নয়।
** ফিলো থেকে ক্লিয়ানথেস, ৪র্থ খণ্ড
* কিন্তু এই জগত যদি কোনো নিখুঁত সৃষ্টিও হয়ে থাকে, তবুও কি এর সমস্ত শ্রেষ্ঠত্ব সরাসরি সেই মহান কারিগরের ওপরই আরোপ করা যায়? যদি আমরা একটি বিশাল জাহাজের দিকে তাকাই, তবে তার কারিগরের মেধা সম্পর্কে আমাদের ধারণা কতই না উচ্চ হবে!<br>কিন্তু আমরা কতই না বিস্মিত হব যখন দেখব যে সেই কারিগর আসলে একজন সাধারণ মেকানিক, যে কেবল পূর্বসূরিদের অনুকরণ করেছে এবং এমন এক শিল্পকে নকল করেছে যা দীর্ঘ কাল ধরে অসংখ্য পরীক্ষা, ভুল, সংশোধন আর তর্কের মাধ্যমে ধীরে ধীরে উৎকর্ষ লাভ করেছে? বর্তমান এই বিশ্ব-ব্যবস্থাটি স্থিতিশীল হওয়ার আগে অনন্তকাল ধরে হয়তো অনেক জগত আনাড়িপনা আর অদক্ষতার সাথে তৈরি করা হয়েছিল, অনেক শ্রম বৃথা গিয়েছিল। অনেক ব্যর্থ চেষ্টা করা হয়েছিল এবং মহাবিশ্ব নির্মাণের শিল্পে অসীমকাল ধরে এক ধীর কিন্তু নিরন্তর বিবর্তন চলেছিল। এমন গূঢ় বিষয়ে কে নির্ধারণ করতে পারে সত্যের সীমানা। এমনকি অসংখ্য অনুমানের ভিড়ে কেই-বা আন্দাজ করতে পারে যে প্রকৃত সম্ভাবনা কোথায় লুকিয়ে আছে?
** ফিলো থেকে ক্লিয়ানথেস, ৫ম খণ্ড
* এক কথায়, ক্লিয়ানথেস, আপনার এই পথ অনুসরণকারী ব্যক্তি বড়জোর এটুকু দাবি করতে পারে যে—এই মহাবিশ্ব কোনো এক কালে কোনো পরিকল্পনা বা নকশা থেকে জন্ম নিয়েছিল। কিন্তু এর বাইরে সে একটি বিন্দুও নিশ্চিত করতে পারবে না এবং শেষ পর্যন্ত তাকে তার গোটা ধর্মতত্ত্বই কল্পনা আর অনুমানের বালির ওপর দাঁড়িয়ে নির্মাণ করতে হবে।<br>সে যতটুকু জানে, তাতে এই বিশ্ব কোনো এক উন্নত মানদণ্ডের তুলনায় অত্যন্ত ত্রুটিপূর্ণ আর অপূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। এটি হয়তো কোনো এক শিশু দেবতার প্রথম আনাড়ি প্রচেষ্টা ছিল, যে তার এই পঙ্গু সৃষ্টি দেখে লজ্জিত হয়ে পরে একে পরিত্যাগ করেছে। এটি হয়তো কোনো এক নিম্নমানের দেবতার কাজ এবং তার ঊর্ধ্বতনদের কাছে এটি স্রেফ এক উপহাসের বস্তু মাত্র। হয়তো কোনো এক অতিবৃদ্ধ দেবতার জরাগ্রস্ত বয়সের অন্তিম সৃষ্টি এবং তার মৃত্যুর পর থেকেই এটি সেই প্রথম দিককার ধাক্কা আর যান্ত্রিক শক্তির ওপর ভর করে লক্ষ্যহীনভাবে চলছে। ডেমিয়া, আপনি এই অদ্ভুত অনুমানে আতঙ্কিত হচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু এগুলো তো ক্লিয়ানথেসেরই দর্শনের অনিবার্য পরিণতি, আমার নয়। যখনই দেবতার গুণাবলীকে মানুষের মতো সীমাবদ্ধ ধরে নেওয়া হয়, তখনই এই বিচিত্র সব ভাবনার জন্ম হয়। আর আমার বিচারে, এমন এক উদ্দাম ও অস্থির ধর্মতত্ত্ব কোনো ধর্মতত্ত্ব না থাকার চেয়ে কোনো অংশে ভালো নয়।
** ফিলো থেকে ডেমিয়া, ৫ম খণ্ড
* ফিলো উত্তর দিলেন, এই প্রশ্নের উত্তর পেতে আপনাকে শুধু চারদিকে তাকাতে হবে। একটি গাছ তার থেকে জন্মানো অন্য গাছের মধ্যে শৃঙ্খলা ও সংগঠন বজায় রাখে কোনো সচেতন পরিকল্পনা ছাড়াই। একটি প্রাণী একইভাবে তার সন্তানের মধ্যে। একটি পাখি তার বাসার মধ্যে এবং বিশ্বে এমন ধরণের শৃঙ্খলার উদাহরণ যুক্তি বা পরিকল্পনা থেকে আসা শৃঙ্খলার চেয়ে অনেক বেশি দেখা যায়।<br>প্রাণীদের এবং উদ্ভিদের এই সমস্ত শৃঙ্খলা শেষ পর্যন্ত কোনো নকশা বা পরিকল্পনা থেকেই আসে—একথা বলা মানেই মূল প্রশ্নকে এড়িয়ে যাওয়া। আর এই বিষয়টি তখনই নিশ্চিত হওয়া যাবে যদি অভিজ্ঞতাপূর্বভাবে প্রমাণ করা যায় যে—শৃঙ্খলা তার প্রকৃতির কারণেই চিন্তার সাথে অবিচ্ছেদ্যভাবে যুক্ত, এবং এটি কখনই নিজের থেকে বা কোনো অজ্ঞাত আদি নীতি থেকে বস্তুর অন্তর্ভুক্ত হতে পারে না।
** ফিলো থেকে ডেমিয়া, ৭ম খণ্ড
* বস্তুর এমন একটি শৃঙ্খল বা ধারায় প্রতিটি অংশ তার আগেরটি দ্বারা ঘটে এবং তার পরেরটির কারণ হয়। তবে সমস্যা কোথায়? আপনি বলছেন, পুরো ব্যবস্থার একটি কারণ চাই। আমি উত্তরে বলব যে, এই অংশগুলোকে একটি পূর্ণতায় একত্রিত করা তা কেবল মনের একটি স্বেচ্ছাচারী কাজ মাত্র, এবং বস্তুর প্রকৃতির ওপর এর কোনো প্রভাব নেই। আমি যদি আপনাকে কুড়িটি বস্তুকণার একটি সংগ্রহের প্রতিটি কণার আলাদা আলাদা কারণ দেখিয়ে দিই, তবে আপনি যদি পরে আমাকে জিজ্ঞাসা করেন যে পুরো কুড়িটির কারণ কী—তবে তা অত্যন্ত অযৌক্তিক হবে। প্রতিটি অংশের কারণ ব্যাখ্যা করার মাধ্যমেই পুরোটির কারণ যথেষ্ট পরিমাণে ব্যাখ্যা করা হয়ে যায়।
** ক্লিয়ানথেস থেকে ডেমিয়া, ৯ম খণ্ড
* তিনি আরও যোগ করলেন, মানুষই বা কেন অন্য সমস্ত প্রাণীর ভাগ্য থেকে মুক্তি পাওয়ার দাবি করবে? বিশ্বাস করো ফিলো, পুরো পৃথিবী অভিশপ্ত আর দূষিত। সমস্ত জীবন্ত প্রাণীর মধ্যে এক অবিরাম যুদ্ধ চলছে। অনিবার্যতা, ক্ষুধা আর অভাব শক্তিশালী ও সাহসীদের উত্তেজিত করে। ভয়, উদ্বেগ আর আতঙ্ক দুর্বল ও অসুস্থদের অস্থির করে তোলে। জীবনের প্রথম প্রবেশই নবজাতক শিশু এবং তার দুর্ভাগা পিতামাতাকে যন্ত্রণায় বিদ্ধ করে। দুর্বলতা, অক্ষমতা আর দুর্দশা সেই জীবনের প্রতিটি স্তরে সঙ্গী হয় এবং শেষ পর্যন্ত যন্ত্রণা আর ভয়াবহতার মধ্য দিয়েই এর সমাপ্তি ঘটে।
** ডেমিয়া থেকে ফিলো, ১০ম খণ্ড
* যদি কোনো আগন্তুক হঠাৎ এই পৃথিবীতে এসে পড়ে, তবে আমি তাকে এই জগতের মন্দের নমুনা হিসেবে দেখাব—ব্যাধিতে জীর্ণ কোনো হাসপাতাল, অপরাধী আর ঋণগ্রস্তদের ভিড়ে দমবন্ধ কোনো কারাগার, লাশে ঢাকা রণক্ষেত্র, সাগরে ডুবতে থাকা নৌবহর কিংবা অত্যাচার আর মহামারীতে জর্জরিত কোনো জনপদ। জীবনের আনন্দময় দিকটি চেনানোর জন্য আমি তাকে কোথায় নিয়ে যাব? কোনো নাচের আসরে, অপেরায় নাকি রাজদরবারে? সে হয়তো গভীর বিস্ময়ে ভাববে যে, আমি তাকে আনন্দের ছলে আসলে দুঃখ আর যন্ত্রণারই বিচিত্র সব রূপ দেখাচ্ছি।
** ডেমিয়া থেকে ফিলো, ১০ম খণ্ড
* ফিলো বললেন, ক্লিয়ানথেস, এই সমস্ত চিন্তার পরেও কি এটা সম্ভব যে—আপনি আপনার সেই মানবকেন্দ্রিক ধারণায় অটল থাকবেন এবং দাবি করবেন যে ঈশ্বরের নৈতিক গুণাবলী যেমন তার ন্যায়বিচার, পরোপকারিতা আর ক্ষমা মানুষের গুণের মতোই? আমরা স্বীকার করি তার শক্তি অসীম, তিনি যা ইচ্ছা করেন জগতে ঠিক তাই ঘটে। কিন্তু লক্ষ্য করুন, মানুষ বা অন্য কোনো প্রাণীই এই জগতে প্রকৃত সুখী নয়। অতএব এটি স্পষ্ট যে তিনি তাদের সুখ ইচ্ছা করেন না। তার প্রজ্ঞা অসীম হতে পারে, কিন্তু সেই প্রজ্ঞার উদ্দেশ্য মানুষের ক্ষুদ্র বিচারবুদ্ধি দিয়ে মাপা অসম্ভব। কোনো উদ্দেশ্য হাসিলে সঠিক উপায় বেছে নিতে তিনি কখনোই ভুল করেন না। কিন্তু প্রকৃতির গতিধারা মানুষ বা প্রাণীর সুখের দিকে ধাবিত হয় না। অতএব প্রকৃতি সেই উদ্দেশ্যে তৈরি হয়নি। মানুষের সমস্ত জ্ঞানের গণ্ডিতে এর চেয়ে নিশ্চিত আর অভ্রান্ত সিদ্ধান্ত আর হতে পারে না। তবে কোন দিক থেকে তার পরোপকার আর ক্ষমা মানুষের গুণের সাথে মেলে? এপিকিউরাসের সেই পুরনো প্রশ্নগুলোর উত্তর আজও মেলেনি। তিনি কি মন্দকে প্রতিরোধ করতে চান, কিন্তু পারছেন না? তবে তিনি অক্ষম। তিনি কি সমর্থ, কিন্তু করতে চান না? তবে তিনি বিদ্বেষপরায়ণ। তিনি কি সমর্থ এবং ইচ্ছুক—উভয়ই? তবে মন্দের উৎস কোথায়?
** ফিলো থেকে ক্লিয়ানথেস, ১০ম খণ্ড
* কত বিশাল প্রাণের সমারোহ, কত সুসংগঠিত, সচেতন আর সক্রিয় সব সত্তা! আপনি হয়তো এই বিস্ময়কর বৈচিত্র্য আর প্রাচুর্যের প্রশংসা করবেন। কিন্তু এই জীবন্ত অস্তিত্বগুলোকে—যারা আসলে মনোযোগ পাওয়ার যোগ্য একমাত্র সত্তা—একটু কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করুন। তারা একে অপরের প্রতি কতটা বৈরী আর ধ্বংসাত্মক! তারা প্রত্যেকেই নিজের সুখের জন্য কতটা অপ্রতুল! একজন দর্শকের কাছে তারা কতটা তুচ্ছ আর ঘৃণ্য! পুরো বিষয়টি একটি 'অন্ধ প্রকৃতি'র ধারণা ছাড়া আর কিছুই তুলে ধরে না, যা এক মহান প্রাণদায়ী শক্তির প্রভাবে গর্ভবতী হয়ে নিজের কোল থেকে কোনো বিচারবুদ্ধি বা মাতৃত্বসুলভ যত্ন ছাড়াই তার পঙ্গু আর অপরিণত সন্তানদের উগরে দিচ্ছে!
** ফিলো থেকে ক্লিয়ানথেস, ১১তম খণ্ড
* যদি পুরো প্রাকৃতিক ধর্মতত্ত্ব—যেমনটা কিছু লোক দাবি করতে চায়—একটি সহজ অথচ কিছুটা অস্পষ্ট এবং অন্তত অনির্ধারিত প্রস্তাবে এসে শেষ হয় যে, 'মহাবিশ্বের শৃঙ্খলার কারণ বা কারণগুলোর সাথে মানুষের বুদ্ধিবৃত্তির হয়তো কোনো দূরবর্তী সাদৃশ্য রয়েছে'। যদি এই প্রস্তাবটি কোনো বিস্তার, পরিবর্তন বা আরও বিশেষ ব্যাখ্যার যোগ্য না হয়, যদি এটি এমন কোনো সিদ্ধান্ত দিতে না পারে যা মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করে অথবা কোনো কাজ বা সংযমের উৎস হতে পারে এবং যদি এই সাদৃশ্যটি—যতটা অসম্পূর্ণই হোক না কেন—মানুষের বুদ্ধিবৃত্তির বাইরে মনের অন্য কোনো গুণের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা সম্ভব না হয়। যদি সত্যিই বিষয়টি এমন হয়, তবে একজন অতি উৎসুক, চিন্তাশীল এবং ধর্মপ্রাণ মানুষ এই প্রস্তাবে কেবল একটি সাধারণ দার্শনিক সম্মতি দেওয়া ছাড়া আর কী-ই বা করতে পারে? এবং সে কেবল এটুকুই বিশ্বাস করতে পারে যে, যে যুক্তির ওপর এটি প্রতিষ্ঠিত তা এর বিরুদ্ধে থাকা আপত্তিগুলোর চেয়ে কিছুটা বেশি শক্তিশালী।
** ফিলো থেকে ক্লিয়ানথেস, ১২তম খণ্ড
== ভুলভাবে আরোপিত ==
* "''Character is the result of a system of stereotyped principles''" অর্থাৎ 'চরিত্র হলো বদ্ধমূল কিছু নীতির সমষ্টি'।
** হিউম কখনো ''Stereotype'' শব্দটি ব্যবহার করেননি। কারণ ১৭৯৮ সালের আগে এই শব্দের উদ্ভাবনই হয়নি!
* "তর্কের মাধ্যমেই সত্যের জন্ম হয়।"
* "যুক্তির ভূমিকা আমাদের জ্ঞানী করা নয়, বরং আমাদের অজ্ঞতাকে প্রকাশ করা।"
** এগুলো হিউমের নামে প্রচলিত হলেও তাঁর কোনো লেখায় এর ভিত্তি পাওয়া যায়নি।
* "যিনি আবেগ দিয়ে চালিত হন তিনি দাস, আর যিনি যুক্তি দিয়ে চলেন তিনি স্বাধীন।"
** এটি আসলে স্পিনোজার উক্তি, যা প্রায়ই হিউমের নামে চালানো হয়। ''এথিক্স (চতুর্থ অংশ)''।
== ডেভিড হিউম সম্পর্কে বিশিষ্টজনদের উক্তি ==
* হিউম নৈতিকতা আর ন্যায়বিচারের মাপকাঠিকে দেখেছেন মানুষের নিপুণ হাতে গড়া এক ‘আর্টিফ্যাক্ট’ বা কৃত্রিম সৃষ্টি হিসেবে। তাঁর মতে, এগুলো আকাশ থেকে পড়া কোনো ঈশ্বরপ্রদত্ত আদেশ নয়, কিংবা নিছক যুক্তির মারপ্যাঁচে তৈরি কোনো তত্ত্বও নয়; বরং এগুলো হলো মানুষের যাপিত জীবনের অভিজ্ঞতার নির্যাস। নীতিশাস্ত্রের আঙিনায় হিউমকে বলা যেতে পারে ডারউইনের এক অগ্রজ পথিকৃৎ। তিনি মূলত প্রথাগুলোর ভেতরে ‘যোগ্যতমের টিকে থাকার’( সুরটিই খুঁজে পেয়েছিলেন—যেখানে কোনো প্রথা কতটুকু টিকে থাকবে, তা নির্ধারিত হতো সমাজের জন্য তার প্রয়োজনীয়তা বা উপযোগিতা দিয়ে।
* '''''[[:w:অ্যানেট বেয়ার|অ্যানেট বেয়ার]]''''', "''প্রাণীজগতে আমাদের স্থান অনুধাবন''", হারলান বি. মিলার এবং উইলিয়াম এইচ. উইলিয়ামস সম্পাদিত ''নীতিশাস্ত্র এবং প্রাণীজগত'' (ক্লিফটন, নিউ জার্সি: হিউম্যানা প্রেস, ১৯৮৩; {{আইএসবিএন|978-0-89603-053-4}}), পৃষ্ঠা ৬৮।
* আপনি যদি ডেভিড হিউমের সেই গভীর দর্শনের মুখোমুখি হন, যিনি আমাদের বিশ্বাসের সূক্ষ্মতম তন্তুগুলো ব্যবচ্ছেদ করেছেন, তবে দেখবেন—কাল সকালে সূর্য উঠবেই, এমন কোনো ধ্রুব বা অকাট্য নিশ্চয়তা আদতে নেই। এটি নিছক আমাদের দীর্ঘদিনের এক অভ্যাস; আমরা কেবল বিশ্বাস করতে ভালোবাসি যে জগতের সবকিছুই বুঝি তার চেনা ছন্দে আবর্তিত হবে। হিউমের এই পর্যবেক্ষণ যেমন অমোঘ সত্যবাহী, তেমনই নিখুঁত!
** '''''[[:w:জন এস বেল|জন এস বেল]]''''', ''দ্য ঘোস্ট ইন দ্য অ্যাটম'' (১৯৮৬)।
* বার্কলে, হিউম, কান্ট, হেগেল—তাঁরা সবাই একটি মহৎ প্রচেষ্টায় ঐক্যবদ্ধ ছিলেন। আর তা হলো এই বিশাল মহাবিশ্বে মানুষকে তার শ্রেষ্ঠত্ব ফিরিয়ে দেওয়া এবং তার আধ্যাত্মিক সত্তাকে এক মর্যাদাপূর্ণ আসনে বসানো।
** '''''[[:w:এডুইন আর্থার বার্ট|এডুইন আর্থার বার্ট]]''''', ''দ্য মেটাফিজিক্যাল ফাউন্ডেশনস অফ মডার্ন ফিজিক্যাল সায়েন্স'' (১৯২৫)।
* বার্কের কাছে ‘প্রেসক্রিপশন’ বা প্রথাগত অধিকার হলো সেই অটল পাহাড়, যার সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর আমাদের সমস্ত জাগতিক অধিকার দাঁড়িয়ে থাকে। হিউম এই একই তত্ত্বকে ব্যাখ্যা করেছিলেন তাঁর নিজস্ব ঢঙে। তিনি লিখেছিলেন—‘সময় এবং প্রথাই হলো সেই জাদুকরী শক্তি, যা যে কোনো সরকার বা রাজবংশকে বৈধতার চাদরে মুড়িয়ে দেয়। যে ক্ষমতার জন্ম হয়েছিল নিছক অন্যায় আর সহিংসতার গর্ভে, সময়ের পরিক্রমায় সেই ক্ষমতাই একসময় আইনসম্মত এবং অনিবার্য হয়ে ওঠে।’ বার্কও হিউমের সুরে সুর মিলিয়ে বিশ্বাস করতেন যে, সম্পত্তি কিংবা শাসনব্যবস্থা—রাষ্ট্রের যা কিছু শক্তিশালী ভিত্তি, তার মূলে রয়েছে এই প্রথাগত অধিকার।
** '''''[[:w:আলফ্রেড কোবান|আলফ্রেড কোবান]]''''', ''এডমন্ড বার্ক অ্যান্ড দ্য রিভল্ট এগেইনস্ট দ্য এইটিনথ সেঞ্চুরি'' (১৯২৯)।
* হিউম সম্ভবত আইনি এবং রাজনৈতিক দর্শনের একমাত্র পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা দিয়েছিলেন যা পরবর্তীকালে 'লিবারেলিজম' (উদারতাবাদ) হিসেবে পরিচিতি পায়। হিউমের জনপ্রিয় গ্রন্থ ''হিস্ট্রি''(দ্য হিস্ট্রি অফ ইংল্যান্ড) ১৮শ শতাব্দীতে ইউরোপজুড়ে 'উইগ লিবারেলিজম' ছড়িয়ে দিতে ঠিক তেমনই ভূমিকা রেখেছিল, যেমনটি ১৯শ শতাব্দীতে মেকলের ''হিস্ট্রি'' রেখেছিল।
** '''''[[:w:ফ্রিডরিখ হায়েক|ফ্রিডরিখ হায়েক]]''''', ''দ্য লিগ্যাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল ফিলোসফি অফ ডেভিড হিউম'' (১৯৬৩)।
* আধুনিক সমাজের এমন কিছু বৈশিষ্ট্য আমরা আজ মূল্যবান মনে করি, যেগুলো এমন সব পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল যা আগে থেকে কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৈরি করা হয়নি। হিউম দেখিয়েছেন যে, একটি সুশৃঙ্খল সমাজ কেবল তখনই গড়ে উঠতে পারে যখন মানুষ নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চলতে শেখে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো জনসাধারণের জন্য সুবিধাজনক হলেও—উদ্ভাবকরা ঠিক সেই উদ্দেশ্যে এগুলো তৈরি করেননি।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, ''দ্য লিগ্যাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল ফিলোসফি অফ ডেভিড হিউম'' (১৯৬৩)।
* মানুষের বুদ্ধিবৃত্তি আর অর্জিত জ্ঞানের যে এক বড়ো সীমাবদ্ধতা রয়েছে, সে বিষয়ে এই মহান সংশয়বাদীর ছিল এক অটল বিশ্বাস। তিনি হৃদয় দিয়ে অনুভব করেছিলেন যে—শান্তি, স্বাধীনতা বা ন্যায়বিচারের মতো মহত্তম রাজনৈতিক প্রাপ্তিগুলো আদতে আকাশ থেকে পড়া কোনো ঐশ্বরিক আশীর্বাদ নয়। বরং এগুলো হলো এক প্রকার ‘নেতিবাচক’ সুরক্ষা, অর্থাৎ আমাদের জানমাল আর অধিকারকে সম্ভাব্য বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করার এক মজবুত বর্ম মাত্র। হিউম কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত মহত্ত্ব বা সততার চেয়ে সেই সব সুদৃঢ় ‘প্রতিষ্ঠান’ বা শাসন কাঠামোর ওপর বেশি ভরসা করতেন, যা তাঁর ভাষায়—‘এমনকি একজন ঘোরতর অসৎ মানুষকেও বৃহত্তর জনকল্যাণে নিয়োজিত হতে বাধ্য করে’। এই ঘোর বাস্তববাদী দার্শনিকের মতে, একটি টেকসই রাষ্ট্র গড়ার মূলমন্ত্র হলো—‘রাজনীতির ময়দানে প্রতিটি মানুষকে একজন সম্ভাব্য প্রতারক হিসেবে ধরে নিতে হবে’। আর এভাবেই আইন ও কাঠামোর নিগড়ে তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা সম্ভব।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, ''দ্য লিগ্যাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল ফিলোসফি অফ ডেভিড হিউম'' (১৯৬৩)।
* হিউম তাঁর দার্শনিক কাজের মাধ্যমে লিবারেল আইনি তত্ত্বের ভিত্তি স্থাপন করার পাশাপাশি তাঁর ''হিস্ট্রি অফ ইংল্যান্ড'' (১৭৫৪-৬২)-এ ইংরেজ ইতিহাসকে 'আইনের শাসন' এর ক্রমবিকাশ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, ''লিবারেলিজম'' (১৯৭৩)।
* যুক্তিবাদ বা র্যাশনালিজমের সমালোচনায় হিউম অন্য যেকোনো লেখকের চেয়ে অনেক বেশি গভীরে যেতে পেরেছেন। আমি বারবার হিউমের লেখায় এমন সব ধারণার সন্ধান পেয়েছি যা আমি নিজে স্বাধীনভাবে চিন্তা করেছিলাম। বিশেষ করে সব ধরণের সামাজিক প্রতিষ্ঠানের গঠন সম্পর্কে হিউমের ব্যাখ্যা অনেক বেশি আমাকে প্রভাবিত করেছিল।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, ''ইকোনমিক্স, পলিটিক্স অ্যান্ড ফ্রিডম'' (১৯৭৫)।
* হিউম স্পষ্টভাবে স্বাধীনতা এবং এই নীতিগুলোর মধ্যে সম্পর্ক লক্ষ্য করেছিলেন। তিনি দেখেছিলেন যে, সবার সর্বোচ্চ স্বাধীনতার জন্য প্রত্যেকের স্বাধীনতার ওপর সমান সীমাবদ্ধতা প্রয়োজন।একে তিনি প্রকৃতির তিনটি 'মৌলিক আইন' বলেছেন:<br>'''১.''' অধিকারে স্থায়িত্ব,<br>'''২.''' সম্মতির মাধ্যমে হস্তান্তর এবং<br>'''৩.''' প্রতিশ্রুতি রক্ষা ।<br>হিউম সম্ভবত প্রথম ব্যক্তি যিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে, সাধারণ স্বাধীনতা কেবল তখনই সম্ভব হয় যখন মানুষের সহজাত প্রবৃত্তিগুলো 'ন্যায়বিচার' অনুযায়ী পরবর্তী কোনো বিচারবোধ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। তিনি সেই ভুলটি করেননি যা পরবর্তীতে অনেকেই করেছেন—ব্যক্তির বিচ্ছিন্ন স্বাধীনতা এবং মানুষের পারস্পরিক সহযোগিতার ফলে সৃষ্ট স্বাধীনতার মধ্যে পার্থক্য গুলিয়ে ফেলা।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, ''দ্য ফ্যাটাল কনসিট'' (১৯৮৮), ২য় অধ্যায়: ''দ্য অরিজিনস অফ লিবার্টি, প্রপার্টি অ্যান্ড জাস্টিস''।
* হিউম বিবর্তনবাদের এক মহাজাগতিক সত্যের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন!<br>তিনি গভীরভাবে উপলব্ধি করেছিলেন যে—‘কোনো প্রাণের অস্তিত্বই টিকে থাকা সম্ভব নয়, যদি না তার ভেতরে নিজেকে রক্ষা করার মতো প্রয়োজনীয় শক্তি বা সামর্থ্য থাকে। প্রকৃতি যতক্ষণ না একটি সুশৃঙ্খল ও টেকসই ব্যবস্থা খুঁজে পায়, ততক্ষণ সে নিরন্তর নতুন নতুন কৌশল বা জীবন-পদ্ধতির পরীক্ষা চালিয়ে যায়।’ তাঁর মতে, মানুষ নিজেকে অন্য সব প্রাণীর ভাগ্যের অতীত বা অলৌকিক কিছু ভেবে ভুল করতে পারে না। কারণ জগতের প্রতিটি প্রাণীর ভেতরেই সেই ‘নিরন্তর যুদ্ধ’ অবিরত চলতে থাকে। হিউম মূলত এটিই স্বীকার করেছিলেন যে, আমাদের চেনা প্রাকৃতিক আর মানুষের গড়া কৃত্রিম—এই দুইয়ের মাঝামাঝি একটি তৃতীয় জগৎ রয়েছে, যার ভেতরে এই উভয় জগতের বৈশিষ্ট্যই মিলেমিশে একাকার হয়ে আছে।
** '''''[[:w:ফ্রিডরিখ হায়েক|ফ্রিডরিখ হায়েক]]''''', ''দ্য ফ্যাটাল কনসিট'' (১৯৮৮), পরিশিষ্ট: 'ন্যাচারাল' ভার্সেস 'আর্টিফিশিয়াল'।
* হিউমের সংশয়বাদকে প্রাচীন ‘গ্রিক সংশয়বাদ’-এর সাথে গুলিয়ে ফেলাটা হবে এক বিরাট ভুল!<br>কারণ এই দুইয়ের পথ সম্পূর্ণ আলাদা। হিউম আমাদের ইন্দ্রিয়লব্ধ অভিজ্ঞতা, হৃদয়ের গভীর অনুভূতি আর অন্তর্দৃষ্টির সত্যতাকে অস্বীকার করেন না, বরং এগুলোকেই তিনি তাঁর দর্শনের শক্ত খুঁটি হিসেবে বেছে নেন। সেই মাটির ওপর দাঁড়িয়েই তিনি তথাকথিত ‘ধ্রুব সত্য’ বা ধরাবাঁধা নিয়মগুলোকে চ্যালেঞ্জ করেন—কারণ সেসব নিয়মের সপক্ষে আমাদের বাস্তব অভিজ্ঞতার কোনো প্রমাণ নেই। ঠিক উল্টো দিকে, প্রাচীন গ্রিক সংশয়বাদীরা ইন্দ্রিয়ের অনুভূতির ওপর সত্যের ভিত্তি স্থাপন করা তো দূরের কথা, তারা শুরুতেই মানুষের ইন্দ্রিয়গুলোর বিরুদ্ধেই যুদ্ধ ঘোষণা করত।
** '''''[[:w:জি. ডব্লিউ. এফ. হেগেল|জি. ডব্লিউ. এফ. হেগেল]]''''', ''এনসাইক্লোপিডিয়া অফ ফিলোসফি'' (১৮২৭), ডব্লিউ. কফম্যানের ''হেগেল'' (১৯৬৬) গ্রন্থে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ৬৯-৭০)।
* হিউমের ইতিহাসের সেই মোহনীয় বিষয়বস্তু আর চমৎকার বর্ণনাশৈলী বইটিকে প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য যেন এক অনিবার্য পাঠ্যপুস্তকে পরিণত করেছিল। আমার আজও মনে পড়ে, ঠিক কতটা উদ্দীপনা নিয়ে তরুণ বয়সে আমি ডুবে থাকতাম এই বইয়ের পাতায়। কিন্তু হায়! সেই বইয়ের প্রতিটি ছত্রে লুকিয়ে থাকা বিষাক্ত প্রভাব থেকে নিজের মনকে মুক্ত করতে আমাকে এরপর কত দীর্ঘ সময় ব্যয় করতে হয়েছে! কত গভীর গবেষণা আর চিন্তার লড়াই লড়তে হয়েছে—তা আজ কেবল এক দুঃসহ স্মৃতির মতোই মনে পড়ে। এটি দুর্ভাগ্যজনক যে তিনি প্রথমে [[:w:স্টুয়ার্ট রাজবংশ|স্টুয়ার্ট রাজবংশের]] ইতিহাস লিখেছিলেন এবং তাদের অত্যাচারের পক্ষে ওকালতি করেছিলেন। এটিই সেই বই যা ইংরেজ সরকারের মুক্ত নীতিগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং পাঠকদের বিশ্বাস করিয়েছে যে রাজতন্ত্রের অধিকারই আসল। এটি সারা দেশে 'টোরিজম' (একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক মতবাদ) ছড়িয়ে দিয়েছে।
** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''' থেকে উইলিয়াম ডুয়েন (১২ আগস্ট ১৮১০), টমাস জেফারসনের ''রাইটিংস'' (১৯৮৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ১২২৮-১২২৯)।
* আমার কাছে সব সময় মনে হয়েছে যে, ব্রিটেনের '[[:w:হুইগস (ব্রিটিশ রাজনৈতিক দল)|হুইগস]]' এবং 'টরি'দের (তখনকার প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল) মধ্যে পার্থক্য হলো—হুইগসরা তাদের অধিকারের উৎস খোঁজে অ্যাংলো-স্যাক্সন উৎস থেকে, আর টরিরা খোঁজে নরম্যান উৎস থেকে। হিউম ছিলেন সেই টরিবাদের মহান প্রচারক। তিনি দাবি করেছিলেন যে স্টুয়ার্টদের রাজত্বকালে জনগণই রাজাকে আক্রমণ করেছিল, রাজা জনগণকে নয়। তিনি আরও বলেছিলেন—'জনগণই সকল ন্যায়সঙ্গত ক্ষমতার উৎস'—এই মহান নীতিটি ইতিহাস এবং অভিজ্ঞতা দ্বারা সমর্থিত নয়। বিজ্ঞানের এই বিপথগামী সন্তান, তার সহমানুষদের সাথে বিশ্বাসঘতকতা করে যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মধ্যে ক্ষমতার উৎস খুঁজে না পান, তবে কি তিনি তা সংখ্যালঘুর মধ্যে খুঁজবেন?
** টমাস জেফারসন থেকে জন কার্টরাইট (৫ জুন ১৮২৪), টমাস জেফারসনের ''রাইটিংস'' (১৯৮৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ১৪৯১)।
* হিউম দৈবক্রমে একজন টরি (তৎকালীন সময়ের একটি রাজনৈতিক আদর্শ), কারণ তিনি স্কটিশ ছিলেন; কিন্তু তিনি কোনো আদর্শের কারণে টরি ছিলেন না, কারণ তাঁর কোনো আদর্শই ছিল না। যদি তিনি কিছু হয়ে থাকেন, তবে তিনি ছিলেন একজন 'হবিস্ট' (টমাস হবসের অনুসারী)।
** '''''[[:w:স্যামুয়েল জনসন|স্যামুয়েল জনসন]]''''', ''লেটারস অফ ডেভিড হিউম টু উইলিয়াম স্ট্রাহান'' (১৮৮৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত।
* আমি অকপটে স্বীকার করি যে, আজ থেকে বহু বছর আগে সেই ডেভিড হিউমের স্মৃতিই প্রথম আমার 'ডগম্যাটিক স্লাম্বার' (''মতান্ধতার ঘোর বা বিচার-বিশ্লেষণ ছাড়াই প্রচলিত বিশ্বাসকে অন্ধভাবে সত্য মনে করা'') ভাঙিয়ে দিয়েছিল। তাঁর সেই সংশয়বাদী চিন্তাই অনুমানমূলক দর্শনের জগতে আমার গবেষণাকে এক সম্পূর্ণ নতুন আর ভিন্ন পথের দিশা দেখিয়েছিল।
** '''''[[:w:ইমানুয়েল কান্ট|ইমানুয়েল কান্ট]]''''', ''প্রোলেগোমেনা টু এনি ফিউচার মেটাফিজিক্স'' (১৭৮৩), ভূমিকা।
* হিউম ধর্মকে এতটাই ঘৃণা করতেন যে তিনি স্বাধীনতাকেও ঘৃণা করতেন—কারণ স্বাধীনতা ধর্মের সাথে যুক্ত ছিল। তিনি একজন নিরপেক্ষ বিচারকের ভান করে একজন কুশলী উকিলের মতো স্বৈরাচারের পক্ষে ওকালতি করেছেন।
** '''''[[:w:টমাস বাবিংটন মেকলে|টমাস বাবিংটন মেকলে]]''''', 'মিলটন', ''দ্য এডিনবরা রিভিউ'' (আগস্ট ১৮২৫), ১৮৪৩ সালে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ৩১)।
* হিউমের দর্শন সত্য হোক অথবা মিথ্যা, তবে এটি ১৮শ শতাব্দীর যুক্তিবাদ বা কাণ্ডজ্ঞানের দেউলিয়া দশা প্রকাশ করে। তিনি জন লকের মতো অভিজ্ঞতা নিয়ে শুরু করেছিলেন, কিন্তু প্রখর বুদ্ধিমত্তার কারণে তিনি এই ধ্বংসাত্মক সিদ্ধান্তে পৌঁছান যে—অভিজ্ঞতা থেকে শেখার মতো আসলে কিছুই নেই। কোনো কাজই অন্য কাজের চেয়ে বেশি যৌক্তিক হতে পারে না, কারণ সবই অযৌক্তিক বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে চলে। [[:w:রুশো|রুশো]] ছিলেন উন্মাদ কিন্তু প্রভাবশালী। হিউম ছিলেন সুস্থ মস্তিস্কের মানুষ কিন্তু তাঁর কোনো অনুসারী ছিল না।
** '''''[[:w:বার্ট্রান্ড রাসেল|বার্ট্রান্ড রাসেল]]''''', ''এ হিস্ট্রি অফ ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি'', ৩য় খণ্ড, ১৭শ অধ্যায়: হিউম।
* হিউমের সংশয়বাদের কোনো উত্তর আছে কি না তা খুঁজে বের করা জরুরি। যদি না থাকে, তবে একজন সুস্থ মানুষ আর একজন উন্মাদের মধ্যে কোনো বুদ্ধিবৃত্তিক পার্থক্য থাকে না। যে উন্মাদ নিজেকে একটি 'সেদ্ধ ডিম' মনে করে, তাকে কেবল এই যুক্তিতেই বাতিল করা হবে যে সে সংখ্যায় সংখ্যালঘু অথবা সরকার তার সাথে একমত নয়। এটি একটি ভয়াবহ এবং হতাশাজনক দৃষ্টিভঙ্গি।
** '''''[[:w:বার্ট্রান্ড রাসেল|বার্ট্রান্ড রাসেল]]''''', ''এ হিস্ট্রি অফ ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি'', ৩য় খণ্ড, ১৭শ অধ্যায়: হিউম।
* হিউমের ন্যায়ের ধারণা মূলত নৈতিক ও রাজনৈতিক গুণাবলির একটি বৃহত্তর ব্যাখ্যার অংশ। হিউম একজন 'দার্শনিক নৃবিজ্ঞানী' হিসেবে লিখেছেন, কোনো সংস্কারক হিসেবে নয়। তিনি বেনথাম বা মিলের মতো আমাদের নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে সংস্কার করতে চাননি, বরং কেবল তা ব্যাখ্যা করতে চেয়েছিলেন।
** '''''[[:w:অ্যালান রায়ান|অ্যালান রায়ান]]''''', ''জাস্টিস'' (১৯৯৩) গ্রন্থের ভূমিকা।
* হেগেল, হার্বার্ট এবং শ্লেয়ারমাচারের সমগ্র দার্শনিক কাজের চেয়ে ডেভিড হিউমের প্রতিটি পৃষ্ঠা থেকে অনেক বেশি কিছু শেখার আছে।
** '''''[[:w:আর্থার শোপেনহাওয়ার|আর্থার শোপেনহাওয়ার]]''''', ''দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাজ উইল অ্যান্ড আইডিয়া'' (২০১৬), পৃষ্ঠা ৭২১।
* সব মিলিয়ে, তাঁর জীবদ্দশায় এবং মৃত্যুর পর—আমি সব সময় তাঁকে একজন আদর্শ জ্ঞানী ও সচ্চরিত্র নিকটতম মানুষ হিসেবে বিবেচনা করেছি, মানুষের সীমাবদ্ধতা যতদূর পর্যন্ত অনুমতি দেয়।
** '''''[[:w:অ্যাডাম স্মিথ|অ্যাডাম স্মিথ]]''''' (হিউমের মৃত্যুর পর তাঁর বন্ধু অ্যাডাম স্মিথের করা বিখ্যাত মন্তব্য)।
* আজ আমেরিকার কোনো প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়ে কান্ট (যিনি ঈশ্বর, স্বাধীনতা ও অমরত্ব নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন) কিংবা হিউমের মতো কেউ গ্র্যাজুয়েট স্কুলে এক বছরও টিকতে পারতেন না! ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে নিয়োগ পাওয়া তো দূরের কথা।
** '''''[[:w:টম উলফ|টম উলফ]]''''', ''ইন দ্য ল্যান্ড অফ দ্য রোকোকো মার্কসিস্টস'', ''হার্পার্স'' (জুন ২০০০)।
== বহিঃসংযোগ ==
* [https://www.iep.utm.edu/hume/ ইন্টারনেট এনসাইক্লোপিডিয়া অফ ফিলোসফিতে হিউম]
* [http://cepa.newschool.edu/het/profiles/hume.htm হিউমের প্রোফাইল এবং গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্কসমূহ]
* [http://onlinebooks.library.upenn.edu/webbin/book/search?amode=start&author=Hume%2c%20David অনলাইনে হিউমের ই-টেক্সটসমূহ]
* [http://oll.libertyfund.org/Intros/Hume.php অনলাইন লাইব্রেরি অফ লিবার্টিতে হিউমের ডাউনলোডযোগ্য কাজসমূহ]
* [http://utilitarian.net/hume ডেভিড হিউম: বই, নিবন্ধ এবং বিশ্বকোষের এন্ট্রি সহ লিঙ্কের বিশাল সংগ্রহ]
* [http://www.webcitation.org/query?id=1256456620452337&url=www.geocities.com/Athens/3067/hume/h_index.html হিউম ট্রিব্যুট সাইট]
* [http://humesociety.org হিউম সোসাইটি: একটি আন্তর্জাতিক বুদ্ধিজীবী ও পণ্ডিত সমাজ]
{{clear}}
{{Social and political philosophers}}
{{DEFAULTSORT:হিউম, ডেভিড}}
[[Category:১৭১১-এ জন্ম]]
[[Category:১৭৭৬-এ মৃত্যু]]
[[Category:সমালোচক]]
[[Category:ধর্মের সমালোচক]]
[[Category:সামাজিক সমালোচক]]
[[Category:মানবতাবাদী]]
js0b6eg2363877o20g5rjd74s0d8wq3
75475
75404
2026-04-10T23:35:14Z
ARI
356
সংশোধন
75475
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:David Hume Ramsay.jpg|thumb|right|250px|মানুষ যেখানে সবচেয়ে বেশি সুনিশ্চিত আর অহঙ্কারী, সাধারণত সেখানেই সে মস্ত বড় ভুলটি করে বসে। কারণ, সে তখন যুক্তির লাগাম ছেড়ে দিয়ে আবেগে পড়ে আর ভুলে যায় সেই গভীর চিন্তামগ্নতা ও দ্বিধাবোধ, যা তাকে অজ্ঞতা থেকে বাঁচাত।<br>~ ''অ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং দ্য প্রিন্সিপালস অব মোরালস'' (নৈতিকতার মূলনীতি নিয়ে একটি গবেষণা); অনুচ্ছেদ ৯.১৩: উপসংহার, ১ম খণ্ড (১৭৫১)]]
[[চিত্র:Painting of David Hume.jpg|থাম্ব|একজন প্রাজ্ঞ মানুষের আসল জগৎ হলো তাঁর নিজের মন। আর তিনি যদি কখনো বাইরের স্বীকৃতির প্রয়োজন বোধ করেন, তবে তিনি কেবল সেই সামান্য কয়েকজন নিরপেক্ষ ও যোগ্য মানুষের বিচারকেই গুরুত্ব দেবেন—যাঁরা সংকীর্ণতামুক্ত হয়ে তাঁর কাজকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে পারে।]]
[[w:ডেভিড হিউম|ডেভিড হিউম]] (৭ মে ১৭১১ – ২৫ আগস্ট ১৭৭৬) ছিলেন আঠারো শতকের একজন প্রখ্যাত স্কটিশ [[:w:দার্শনিক|দার্শনিক]], [[w:ইতিহাসবিদ|ইতিহাসবিদ]], [[w:অর্থনীতিবিদ|অর্থনীতিবিদ]] এবং প্রাবন্ধিক। [[:w:পাশ্চাত্য দর্শন|পাশ্চাত্য দর্শনের]] ইতিহাসে তাকে অন্যতম প্রভাবশালী অভিজ্ঞতাবাদী ও সংশয়বাদী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। হিউম মনে করতেন যে, মানুষের সমস্ত জ্ঞান ও ধারণার মূল ভিত্তি হলো তার বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ইন্দ্রিয় থেকে পাওয়া অনুভূতি। মূলত ''কার্যকারণ-তত্ত্ব'' এবং নৈতিক দর্শনের সূক্ষ্ম বিশ্লেষণের জন্যই তিনি বিশ্বজুড়ে আজও সমাদৃত।
== উক্তি ==
* এখান থেকেই বোঝা যায় সেই ধারণাটি কতটা ভ্রান্তিপূর্ণ, যেখানে মনে করা হয় কোনো রাষ্ট্রের উর্বর জমি, বিশাল জনসংখ্যা আর উন্নত কৃষি থাকা সত্ত্বেও সে কেবল টাকার অভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। সত্যি বলতে, এই অর্থের অভাব কোনো রাষ্ট্রকে ভেতর থেকে কখনোই ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে না। কারণ একটি জাতির আসল শক্তি হলো তার জনগণ ও সম্পদ। বরং মানুষের অতি সাধারণ আর মিতব্যয়ী জীবনযাপনই মাঝেমধ্যে জনস্বার্থের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। কারণ এটি সোনা-রূপাকে কেবল মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের হাতে আটকে রাখে এবং অর্থের স্বাভাবিক সঞ্চালনকে বন্ধ করে দেয়। এর বিপরীতে, শিল্পায়ন আর মানুষের আধুনিক রুচিবোধ সেই অর্থকে পুরো রাষ্ট্রের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে দেয়, তার পরিমাণ যত সামান্যই হোক না কেন। এটি তখন রাষ্ট্রের প্রতিটি ধমনীতে রক্ত সঞ্চালনের মতো মিশে যায় এবং প্রতিটি ব্যবসায়িক লেনদেনে নতুন প্রাণ সঞ্চার করে।
** 'অফ মানি' (১৭৫২); ইউজিন রোটউইন সম্পাদিত ''ডেভিড হিউম: রাইটিংস অন ইকোনমিকসে'' উদ্ধৃত (১৯৫৫, ১৯৭০), [https://archive.org/details/writingsoneconom0000hume/page/45/mode/1up পৃষ্ঠা ৪৫।]
* '''একজন প্রাজ্ঞ মানুষের আসল সাম্রাজ্য হলো তার নিজের অন্তরাত্মা। যদি কখনো তার বাইরের স্বীকৃতির প্রয়োজনও হয়, তবে তিনি কেবল সেই সামান্য কয়েকজন নিরপেক্ষ ও গুণী মানুষের বিচারকেই গুরুত্ব দেবেন যারা সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে তাঁর কাজকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করার ক্ষমতা রাখেন।''' প্রকৃতপক্ষে, সাধারণ মানুষের অতিরিক্ত প্রশংসা কোনো তথ্যের ভুল হওয়ার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হতে পারে। আপনি তো জানেনই, ফোকিয়ন যখনই জনসভার করতালি শুনতেন, তখনই শঙ্কিত হয়ে ভাবতেন- নিশ্চয়ই তিনি কোনো বড় ভুল করে ফেলেছেন!
** "দ্য থিওরি অফ মোরাল সেন্টিমেন্টসের" ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ার প্রেক্ষিতে অ্যাডাম স্মিথকে লেখা একটি পরিহাসপূর্ণ বিদ্রূপাত্মক চিঠি।
* একজন কাণ্ডজ্ঞানসম্পন্ন ও বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ কি কখনো ভূত-প্রেত কিংবা রূপকথার সেইসব আজগুবি গল্পের পেছনে হন্যে হয়ে ছোটে? অথবা তিনি কি খুব গুরুত্বের সাথে সেই সব আষাঢ়ে গল্পের সত্যতা যাচাই করতে বসেন? আমার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় আমি আজ অবধি এমন কাউকেই দেখিনি, যিনি আজেবাজে কিংবা পুরোপুরি অর্থহীন কোনো বিষয় নিয়ে দীর্ঘক্ষণ বিচার-বিশ্লেষণ করার পর, তদন্তের শেষ প্রান্তে এসে নিজেই সেই প্রলাপে বিশ্বাস স্থাপন করেননি। প্রকৃতপক্ষে, মানুষ যখন কোনো অযৌক্তিক বিষয় নিয়ে অতিরিক্ত ঘাঁটাঘাঁটি করে, তখন তার অবচেতন মন অজান্তেই সেই মিথ্যার জালে জড়িয়ে পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত সে নিজেকেই বিশ্বাস করাতে শুরু করে যে এই প্রলাপই হয়তো সত্য!
** ''লেটারস''।
* মহাবিশ্বের কাছে একজন মানুষের জীবনের গুরুত্ব একটি নগণ্য ঝিনুকের চেয়ে বেশি কিছু নয়।
** ''অন সুইসাইড''।
* সেই সব নির্বোধদের প্রশংসা কিংবা লোকদেখানো সম্মানের প্রতি আমার এক তীব্র ঘৃণা ও অবজ্ঞা রয়েছে, যারা বুক ফুলিয়ে নিজেদের জনসাধারণ বলে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করে। আসলে এরা এমন এক জনসমষ্টি, যাদের নিজস্ব কোনো চিন্তাশক্তি নেই। তাদেরকে একজন বই বিক্রেতা তার বাণিজ্যের প্রয়োজনে, কোনো লর্ড তার আভিজাত্যের দম্ভে, কোনো পুরোহিত ধর্মের ভয় দেখিয়ে কিংবা কোনো ধূর্ত রাজনৈতিক দল তাদের হীন স্বার্থে নিজের ইচ্ছেমতো ব্যবহার করতে পারে। এই শ্রেণির মানুষ নিজেদের বুদ্ধিকে অন্যের হাতে বন্ধক দিয়ে রাখে এবং স্বার্থান্বেষী মহলের নাচের-পুতুল হিসেবে নাচতে পছন্দ করে। এদের অন্ধ সমর্থন পাওয়া মানেই হলো নিজের আদর্শ ও সত্যকে বিসর্জন দেওয়া।
** গিলবার্ট এলিয়ট অফ মিন্টোকে লেখা পত্র ১৩৮; ৯ আগস্ট, ১৭৫৭।
* '''স্বর্গ আর নরকের ধারণা মানুষকে যেন ভালো আর মন্দ—এই দুই চরম শ্রেণিতে ভাগ করে ফেলে। অথচ মানবজাতির সিংহভাগ মানুষই আসলে পুণ্য আর পাপের মাঝখানে কোনো এক অনিশ্চিত জায়গায় অবস্থান করছে।''' কেউ যদি ভালো মানুষকে একবেলা তৃপ্তি করে খাওয়ানো আর পাপাচারীকে কঠোর শাস্তি দেওয়ার সংকল্প নিয়ে বিশ্ব ভ্রমণে বের হয়, তবে সে নিজের পছন্দ নিয়ে বারবার বিপদে পড়বে। কারণ অধিকাংশ নর-নারীর গুণ বা দোষের পাল্লা এতটাই হালকা যে, তারা এই দুই চরম পুরস্কার বা দণ্ডের কোনোটিরই পুরোপুরি যোগ্য নয়।
** এসে অন দ্য ইমর্টালিটি অফ দ্য সোল (আত্মার অমরত্ব বিষয়ক প্রবন্ধ)।
* 'অফ দ্য প্রোটেস্ট্যান্ট সাকসেশন' প্রবন্ধের উপসংহার আমাকে একজন '[[:w:হুইগস (ব্রিটিশ রাজনৈতিক দল|হুইগ]]' হিসেবে প্রকাশ করে, তবে আমি একজন চরম সংশয়বাদী হুইগ।
** হেনরি হোমকে লেখা চিঠি (৯ ফেব্রুয়ারি ১৭৪৮), জে. ওয়াই. টি. গ্রেইগ সম্পাদিত, ''দ্য লেটারস অব ডেভিড হিউম: খণ্ড ১'' (অক্সফোর্ড: ক্ল্যারেন্ডন প্রেস, ১৯৩২), পৃষ্ঠা ১১১-এ উদ্ধৃত।
* রাজনীতি এবং রাজপুত্র বা মহৎ ব্যক্তিদের চরিত্রের বিশ্লেষণে আমি নিজেকে অত্যন্ত পরিমিত বা ভারসাম্যপূর্ণ বলে মনে করি। জাগতিক বিষয়বস্তুর ক্ষেত্রে আমার দৃষ্টিভঙ্গি '[[:w:হুইগস (ব্রিটিশ রাজনৈতিক দল|হুইগ]]' আদর্শের অনুসারী; কিন্তু কোনো ব্যক্তির বর্ণনা দেওয়ার ক্ষেত্রে আমি '[[:w:টোরি সমাজতন্ত্র|টোরি]]' ঘরানার পক্ষপাতকে ধারণ করি। সাধারণ মানুষ যে আদর্শের চেয়ে ব্যক্তির ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়, তার বড় প্রমাণ হলো আমাকে সাধারণত টোরিদের দলেই গণ্য করা হয়।
** ই. সি. মসনার, ''লাইফ অফ ডেভিড হিউম'' (ক্ল্যারেন্ডন প্রেস, ২০০১), পৃষ্ঠা ৩১১।
* আমি ভেবেছিলাম আমিই একমাত্র ইতিহাসবিদ যে সমসাময়িক ক্ষমতা, স্বার্থ, কর্তৃত্ব এবং গণমানুষের কুসংস্কারের তোয়াক্কা না করে ইতিহাস লিখেছি। তাই যেহেতু বিষয়টি সবার বোধগম্য ছিল, আমি সেই অনুপাতে প্রশংসাও আশা করেছিলাম। কিন্তু আমার সেই আশা চরম হতাশায় পর্যবসিত হলো। আমি চারপাশ থেকে কেবল তিরস্কার, অসম্মতি এবং ঘৃণার শিকার হলাম। ইংরেজ, স্কটিশ, আইরিশ হুইগ থেকে টোরি, গির্জার যাজক থেকে শুরু করে মুক্তচিন্তক আর ধর্মতাত্ত্বিক, দেশপ্রেমিক থেকে রাজদরবারের পারিষদ সবাই সেই লোকটির ওপর ক্ষোভে ফেটে পড়ল, যে প্রথমবার প্রথম চার্লস এবং আর্ল অফ স্ট্র্যাফোর্ডের পরিণতির জন্য এক ফোঁটা সহানুভূতি প্রকাশের সাহস দেখিয়েছিল।
** 'মাই ঔন লাইফ' (১৭৭৬); ইউজিন মিলার সম্পাদিত ডেভিড হিউমের ''এসেস: মোরাল, পলিটিক্যাল, অ্যান্ড লিটারারি (১৭৪১–১৭৭৭)'' (১৯৮৫), পৃষ্ঠা ৩৭।
* '''আমি এমন একজন মানুষ যে শত্রুতা উসকে দেওয়ার মতো সব ধরণের বিষয়ে লিখেছি—তা সে নৈতিক, রাজনৈতিক কিংবা ধর্মীয় যাই হোক না কেন; তবুও আমার কোনো শত্রু নেই—অবশ্য সমস্ত হুইগ, টোরি (তৎকালীন ব্রিটেনের প্রধান দুটি রাজনৈতিক আদর্শ বা দল) এবং সমস্ত খ্রিষ্টান ছাড়া'''।
** মৃত্যুর কিছুকাল আগে জনৈক বন্ধুর প্রতি দেওয়া এক বক্তব্য, যা [[w:bn:হেনরি ব্রোঘাম, ১ম ব্যারন ব্রোঘাম এবং ভক্স|লর্ড হেনরি ব্রোঘামের]] ''মেন অব লেটারসে'' বর্ণিত হয়েছে।
* আল-কুরআনের অনুরাগী এবং অনুসারীরা এই অদ্ভুত আর অসংলগ্ন রচনার মধ্যে থাকা চমৎকার সব নৈতিক উপদেশের ওপর জোর দেন। কিন্তু এটি ধরে নেওয়া যায় যে, আরবি শব্দগুলো যেগুলো ইংরেজি সাম্য, ন্যায়বিচার, পরিমিতিবোধ, নম্রতা আর দানের সমার্থক সেগুলো সেই ভাষার দীর্ঘদিনের ব্যবহারের ফলেই সবসময় ইতিবাচক অর্থে গৃহীত হয়ে থাকে; আর সেগুলোকে প্রশংসা ছাড়া অন্য কোনো বিশেষণে উল্লেখ করাটা নৈতিকতার নয় বরং ভাষার অজ্ঞতারই প্রমাণ দিত। কিন্তু আমরা যদি জানতে চাই যে সেই কথিত নবী কি আসলেই নৈতিকতার কোনো সঠিক বোধ অর্জন করতে পেরেছিলেন কি না, তবে আমাদের তার বর্ণনার দিকে লক্ষ্য করতে হবে; এবং আমরা শীঘ্রই দেখতে পাব যে তিনি এমন সব বিশ্বাসঘাতকতা, অমানবিকতা, নিষ্ঠুরতা, প্রতিশোধ আর ধর্মান্ধতার প্রশংসা করেছেন যা একটি সভ্য সমাজের জন্য একেবারেই অনুপযুক্ত। সেখানে সঠিক বা ন্যায়ের কোনো সুনির্দিষ্ট নিয়ম মানা হয়নি; বরং প্রতিটি কাজকে তখনই কেবল প্রশংসা বা নিন্দা করা হয়েছে যখন তা প্রকৃত বিশ্বাসীদের জন্য উপকারী বা ক্ষতিকর মনে হয়েছে।
** ডেভিড হিউম, অফ দ্য স্ট্যান্ডার্ড অফ টেস্ট (১৭৬০)।
=== ''এ ট্রিয়েটাইজ অব হিউম্যান নেচার'' (১৭৩৯-৪০) ===
* যারা দর্শন বা বিজ্ঞানের জগতে নতুন কোনো আবিষ্কারের দাবি করেন, তারা সাধারণত নিজেদের পূর্বসূরিদের মতবাদকে সমালোচনা করে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রচার করতে পছন্দ করেন। সত্যি বলতে, মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক জগতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে আমাদের যে চরম অজ্ঞতা রয়েছে, সেই সীমাবদ্ধতা নিয়ে যদি তারা কেবল আক্ষেপ করতেন, তবে বিজ্ঞানমনস্ক খুব কম মানুষই তাদের সাথে দ্বিমত পোষণ করতেন। একজন প্রাজ্ঞ ও শিক্ষিত মানুষের পক্ষে সেই সব ব্যবস্থার নড়বড়ে ভিত্তিগুলো খুঁজে বের করা খুবই সহজ, যেগুলো একসময় অত্যন্ত নির্ভুল এবং গভীর যুক্তি হিসেবে সমাদৃত ছিল। বিনা বিচারে মেনে নেওয়া মূলনীতি, সেখান থেকে টেনে আনা দুর্বল সিদ্ধান্ত, তথ্যের মধ্যে অসামঞ্জস্য আর প্রমাণের অভাব—বিখ্যাত সব দার্শনিকদের তত্ত্বে এগুলো প্রায়ই চোখে পড়ে। এই দুর্বলতাগুলোই যেন খোদ দর্শন শাস্ত্রকে আজ কলঙ্কিত করে তুলেছে।
** ভূমিকা
* সুতরাং, আমাদের এই বিজ্ঞানের জন্য প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা ও তথ্যগুলো সংগ্রহ করতে হবে মানবজীবনের সতর্ক পর্যবেক্ষণ থেকে। জগত যেভাবে স্বাভাবিক নিয়মে চলে—মানুষের আচরণ, তাদের দৈনন্দিন কাজকর্ম আর বিনোদনের ভেতরেই আমাদের সেই সত্যগুলো খুঁজে নিতে হবে। যখন এই ধরণের পর্যবেক্ষণগুলো বিচারবুদ্ধি দিয়ে নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণ ও তুলনা করা হবে, তখন আমরা এমন একটি শক্তিশালী বিজ্ঞানের ভিত্তি গড়ার আশা করতে পারি যা হবে অকাট্য এবং মানুষের কল্যাণের দিক থেকে অন্য যেকোনো কিছুর চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর।
** ভূমিকা
==== ১ম খণ্ড: অফ দ্য আন্ডারস্ট্যান্ডিং (বোধশক্তি প্রসঙ্গে) ====
* যেহেতু আমরা সেই সব বিষয়কেই 'অভ্যাস' বলি যা কোনো নতুন যুক্তি বা বিচার-বিশ্লেষণ ছাড়াই অতীতের অভিজ্ঞতার পুনরাবৃত্তি থেকে জন্ম নেয়। তাই আমরা একে একটি ধ্রুব সত্য হিসেবে মেনে নিতে পারি যে—বর্তমানে আমাদের মনের প্রতিটি বিশ্বাসই আসলে সেই উৎস (অভ্যাস) থেকে তৈরি হওয়া এক একটি প্রতিচ্ছবি।
** ৩য় অংশ, ৮ম পরিচ্ছেদ।
* কোনো বস্তুর নিজের ভেতরে আসলে এমন কিছুই নেই যা আমাদের সেই বস্তুর সীমানা ছাড়িয়ে কোনো নতুন সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সাহায্য করতে পারে। এমনকি আমরা যখন দুটি বস্তুর মধ্যে বারবার বা ক্রমাগত সংযোগ লক্ষ্য করি, তখনও সেই অভিজ্ঞতার বাইরের কোনো বিষয় নিয়ে অনুমান করার মতো যথেষ্ট যৌক্তিক কারণ আমাদের কাছে থাকে না।
** ৩য় অংশ, ১২শ পরিচ্ছেদ।
* একটি স্পষ্ট সত্যকে অস্বীকার করা যেমন হাস্যকর , তেমনি হাস্যকর হলো তাকে রক্ষা করার জন্য মাত্রাতিরিক্ত পরিশ্রম করা। আর আমার কাছে এর চেয়ে স্পষ্ট সত্য আর কিছু নেই যে—মানুষের মতো পশুরাও চিন্তা ও যুক্তিবোধের অধিকারী। এই ক্ষেত্রে যুক্তিগুলো এতটাই প্রতীয়মান যে তা অত্যন্ত স্থূল এবং অজ্ঞ মানুষের নজরও এড়ায় না।
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* পশুপাখির বাহ্যিক আচরণের সাথে আমাদের নিজেদের আচরণের যে সাদৃশ্য রয়েছে, তা থেকেই আমরা বিচার করি যে তাদের অভ্যন্তরীণ জগতও আমাদের মতোই; এবং যুক্তির এই একই নীতিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেলে আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাব যে—যেহেতু আমাদের অভ্যন্তরীণ ক্রিয়াগুলো পরস্পর সদৃশ, তাই সেগুলো যে উৎস থেকে এসেছে, সেই কারণগুলোও অবশ্যই সদৃশ হবে।
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* মানুষ তাদের নিজেদের যুক্তির ক্রিয়া দেখে বিস্মিত হয় না, অথচ পশুপাখির সহজাত প্রবৃত্তি দেখে বিস্ময় প্রকাশ করে এবং এটি ব্যাখ্যা করতে হিমশিম খায়। কেবল এই কারণে যে একে সেই একই মূলনীতিতে ফেলা যায় না। প্রকৃতপক্ষে যুক্তি আমাদের আত্মার ভেতরে এক বিস্ময়কর এবং অবোধ্য সহজাত প্রবৃত্তি ছাড়া আর কিছুই নয়।
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* অভ্যাস থেকে যা কিছু সৃষ্টি হতে পারে, প্রকৃতি অবশ্যই তা উৎপাদন করতে পারে। প্রকৃতপক্ষে, অভ্যাস প্রকৃতিরই অন্যতম মূলনীতি এবং এটি তার সমস্ত শক্তি সেই উৎস থেকেই লাভ করে।
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* এভাবে সমস্ত জ্ঞান শেষ পর্যন্ত সম্ভাব্যতাতে পর্যবসিত হয়; এবং এই সম্ভাব্যতা আমাদের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে কম বা বেশি হতে পারে।
** ৪র্থ অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ।
* বর্তমানে দার্শনিকদের অবস্থা অত্যন্ত করুণ বলে মনে হচ্ছে, ''সিজিফাস'' এবং ''ট্যান্টালাস'' এর শাস্তির বর্ণনায় কবিরা আমাদের যে ধারণা দিয়েছেন, তা বাস্তব যন্ত্রণার তুলনায় সামান্য। কারণ এর চেয়ে যন্ত্রণাদায়ক আর কী হতে পারে যে—ব্যকুল হয়ে এমন কিছুকে খোঁজা যা চিরকাল আমাদের ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায় এবং এমন এক জায়গায় তাকে খোঁজা যেখানে তার অস্তিত্ব থাকা অসম্ভব?
** ৪র্থ অংশ, ৩য় পরিচ্ছেদ।
* আমি যখন খুব নিবিড়ভাবে নিজের ভেতরে 'আমি' নামক সত্তাকে খুঁজি, তখন আমি সবসময়ই তাপ বা শৈত্য, আলো বা ছায়া, প্রেম বা ঘৃণা, দুঃখ বা সুখের মতো কোনো না কোনো অনুভূতির ওপর আছড়ে পড়ি। কোনো উপলব্ধি ছাড়া আমি কখনোই 'নিজেকে' খুঁজে পাই না এবং এই সব বিচিত্র অনুভূতি ছাড়া আর কিছুই পর্যবেক্ষণ করতে পারি না। যখন কিছু সময়ের জন্য আমার উপলব্ধিগুলো থেমে যায় (যেমন গভীর ঘুমে), ততক্ষণ আমি নিজের সম্পর্কে অচেতন থাকি এবং সত্যি বলতে তখন আমার কোনো অস্তিত্ব থাকে না। আর যদি মৃত্যুর মাধ্যমে আমার সব অনুভূতি চিরতরে মুছে যায়—তবে আমি পুরোপুরি বিলীন হয়ে যাব। যদি কেউ নিরপেক্ষ চিন্তার পর মনে করেন যে তার 'নিজের' সম্পর্কে ভিন্ন কোনো ধারণা আছে, তবে আমি স্বীকার করছি যে তার সাথে তর্কে যাওয়ার সাধ্য আমার নেই। তিনি হয়তো নিজের ভেতর সরল এবং অখণ্ড কিছু অনুভব করেন যাকে তিনি 'নিজে' বা 'আত্মা' বলেন; কিন্তু আমি নিশ্চিত যে আমার ভেতর এমন কোনো সত্তা নেই। তবে এই ধরণের মুষ্টিমেয় কিছু তাত্ত্বিক ব্যক্তিদের বাদ দিলে, আমি বাকি মানবজাতি সম্পর্কে জোর দিয়ে বলতে পারি যে—মানুষ অসংখ্য উপলব্ধির এক সমষ্টি ছাড়া আর কিছুই নয়, যা অচিন্তনীয় দ্রুততায় একে অপরকে অনুসরণ করে এবং এক নিরন্তর প্রবাহ ও গতির মধ্যে থাকে।
** ৪র্থ অংশ, ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ।
* আমার নিজেকে এমন একজন মানুষের মতো মনে হয়, যে বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে এবং এক ছোট প্রণালী পার হতে গিয়ে অল্পের জন্য জাহাজডুবি থেকে রক্ষা পেয়েছে। তবুও তার ধৃষ্টতা এতটাই যে সে সেই একই জীর্ণ, লোনা ধরা জাহাজে করে সমুদ্রে পাড়ি দিতে চায় এবং এমনকি এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বিশ্ব ভ্রমণের উচ্চাকাঙ্ক্ষা পোষণ করে।
** ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ।
* আমার দর্শনে আমি নিজেকে যে জনশূন্য একাকীত্বের মধ্যে আবিষ্কার করি, তা দেখে আমি প্রথমে আতঙ্কিত এবং বিভ্রান্ত হই। নিজেকে এক অদ্ভুত বিদঘুটে দানব মনে হয়, যে সমাজে মিশতে অক্ষম হয়ে মানুষের সান্নিধ্য থেকে বিতাড়িত এবং পরিত্যক্ত ও শোচনীয় অবস্থায় পড়ে আছে। ইচ্ছে হয় আশ্রয় আর উষ্ণতার জন্য ভিড়ের মধ্যে ছুটে যাই। কিন্তু সেই কদর্যতার সাথে নিজেকে মেশাতে পারি না। আমি অন্যদের ডাকি আমার সাথে যোগ দিতে যাতে আমরা আলাদা একটি সঙ্গ গড়ে তুলতে পারি। কিন্তু কেউ আমার কথা শোনে না। সবাই দূরে থাকে এবং সেই ঝড়কে ভয় পায় যা আমার ওপর চারপাশ থেকে আঘাত হানছে। আমি সমস্ত অধিবিদ্যক, যুক্তিবিদ, গণিতবিদ এমনকি ধর্মতাত্ত্বিকদের শত্রুতার মুখে নিজেকে সঁপে দিয়েছি। তবে আমার ওপর যে অপমান নেমে আসবে তাতে কি আমি অবাক হতে পারি?আমি তাদের ব্যবস্থার প্রতি আমার অসম্মতি প্রকাশ করেছি; তবে তারা যদি আমার এবং আমার মতবাদের প্রতি ঘৃণা পোষণ করে তবে কি আমি বিস্মিত হতে পারি? আমি যখন বাইরের দিকে তাকাই, আমি সবদিকে কেবল বিতর্ক, বিরোধিতা, ক্রোধ আর কুৎসা দেখি। যখন আমি নিজের ভেতরে তাকাই, আমি কেবল সন্দেহ আর অজ্ঞতা ছাড়া আর কিছুই খুঁজে পাই না। সারা বিশ্ব আমার বিরোধিতা করার জন্য ষড়যন্ত্র করছে। যদিও আমার দুর্বলতা এমনই যে অপরের সমর্থন ছাড়া আমার নিজের মতামতগুলোই আলগা হয়ে ঝরে পড়ে। আমার নেওয়া প্রতিটি পদক্ষেপ দ্বিধাগ্রস্ত, আর প্রতিটি নতুন চিন্তা আমাকে ভুলের আশঙ্কায় ভীত করে তোলে।
** ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ।
* এত সাহস নিয়ে আমি কীভাবে এগোব, যখন নিজের অসংখ্য দুর্বলতা ছাড়াও আমি মানুষের সহজাত সাধারণ দুর্বলতাগুলোও নিজের ভেতর খুঁজে পাই? আমি কি নিশ্চিত হতে পারি যে প্রতিষ্ঠিত সমস্ত মতামত ত্যাগ করে আমি সত্যকেই অনুসরণ করছি? আর কিসের ভিত্তিতেই বা আমি সত্যকে চিনব, যদি ভাগ্য শেষ পর্যন্ত আমাকে তাঁর পায়ের ছাপে পৌঁছেও দেয়?<br>আমার সবচেয়ে নির্ভুল যুক্তির পরেও আমি কেন তা মেনে নেব—তার কোনো কারণ খুঁজে পাই না। আমি কেবল সেই দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি এক তীব্র টান অনুভব করি যার অধীনে বস্তুগুলো আমার কাছে প্রকাশিত হয়। স্মৃতি, ইন্দ্রিয় এবং বোধশক্তি—এই সবকিছুই তাই শেষ পর্যন্ত কল্পনা বা আমাদের ধারণার প্রাণবন্ততার ওপর ভিত্তি করেই দাঁড়িয়ে আছে।
** ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ।
[[File:David Hume 1754.jpeg|thumbnail|সাধারণত, ধর্মের ভুলগুলো বিপজ্জনক আর দর্শনের ভুলগুলো কেবল হাস্যকর!]]
* কার্যকারণের সাধারণ সম্পর্কের অন্তরালে যে মূলনীতিটি সবকিছুকে বেঁধে রেখেছে, সে সম্পর্কে আমরা সাধারণ ঘটনায় যতটা অজ্ঞ, অসাধারণ কোনো ঘটনায় ঠিক ততটাই অন্ধকারেই থাকি। কিন্তু দৈনন্দিন জীবনে আমরা এই ঘাটতিটুকু বুঝতে পারি না। এটি আসলে কল্পনার একটি বিভ্রম ছাড়া আর কিছুই নয়। কল্পনার এই অহেতুক উড্ডয়ন দর্শনের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং দার্শনিকদের অধিকাংশ ভুলের মূল কারণ। উজ্জ্বল কল্পনাশক্তির অধিকারীদের সেই দেবদূতদের সাথে তুলনা করা যেতে পারে, যারা নিজেদের ডানা দিয়ে নিজেদেরই চোখ ঢেকে রাখে।
** ১ম খণ্ড: বোধশক্তি প্রসঙ্গে, ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ২৬৭-২৬৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* সাধারণত, ধর্মের ভুলগুলো বিপজ্জনক, আর দর্শনের ভুলগুলো কেবল হাস্যকর।
** ১ম খণ্ড: বোধশক্তি প্রসঙ্গে, ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ২৭২, লিবার্টি ফান্ড)।
==== ২য় খণ্ড: অফ দ্য প্যাশনস (আবেগ বা প্রবৃত্তি প্রসঙ্গে) ====
* দুঃখ আর হতাশা থেকে জন্ম নেয় ক্রোধ, ক্রোধ থেকে ঈর্ষা, ঈর্ষা থেকে বিদ্বেষ, আর সেই বিদ্বেষ থেকে পুনরায় দুঃখ—এভাবেই চক্রটি পূর্ণতা পায়।
** ১ম অংশ, ৪র্থ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ২৮৩, লিবার্টি ফান্ড)।
* মানবপ্রকৃতির কোনো গুণই সহমর্মিতার মতো এত বেশি লক্ষণীয় নয়। যার মাধ্যমে আমরা অন্যের রুচি আর অনুভূতি খুব সহজে গ্রহণ করি, এমনকি সেগুলো আমাদের নিজস্ব মতের বিরোধী হলেও। আমরা লক্ষ্য করি যে, একই জাতির মানুষের চিন্তা আর মেজাজের মধ্যে এক অদ্ভুত সামঞ্জস্য থাকে। এবং এই সাদৃশ্য কেবল মাটি বা জলবায়ুর কারণে নয়, বরং সহমর্মিতার কারণেই বেশি ঘটে। একজন অমায়িক মানুষ মুহূর্তের মধ্যেই তার সঙ্গীদের মেজাজের সাথে মিশে যান। এমনকি সবচেয়ে অহংকারী ব্যক্তিও তার পরিচিতদের প্রভাবে প্রভাবিত হয়ে পড়েন।
** ১ম অংশ, ১১শ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৩১৬-৩১৭, লিবার্টি ফান্ড)।
* হাঁস, টার্কি মুরগি কিংবা ময়ূরের চলন-বলন দেখলেই বোঝা যায় তারা নিজেদের সম্পর্কে কত উঁচু ধারণা পোষণ করে এবং অন্যদের কতটা অবজ্ঞা করে। যেমন পুরুষ নাইটিঙ্গেল পাখির গান গাওয়ার প্রতিযোগিতা আর এই ধরণের আরও অনেক প্রমাণ থেকে এটি স্পষ্ট যে—অহংকার আর বিনয় কেবল মানুষের আবেগ নয়, বরং তা সমগ্র প্রাণীজগতে বিস্তৃত।
** ১ম অংশ, ১২শ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৩২৬, লিবার্টি ফান্ড)।
* পশুদের ক্ষেত্রেও সহমর্মিতা বা আবেগের আদান-প্রদান মানুষের মতোই ঘটে। ভয়, ক্রোধ, সাহস—সবই এক পশু থেকে অন্য পশুতে সঞ্চারিত হয়। লক্ষ্যণীয় যে, সিংহ, বাঘ বা বিড়াল খেলার ছলে যখন আক্রমণ করে, তখন তারা নখর বা দাঁত ব্যবহার করলেও সঙ্গীকে আঘাত করা থেকে সতর্কভাবে বিরত থাকে, যা প্রমাণ করে যে ইতর প্রাণীদেরও একে অপরের ব্যথা আর আনন্দের বোধ রয়েছে।
** ২য় অংশ, ১২শ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৩৯৭-৩৯৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* দার্শনিক বিতর্কে কোনো মতবাদকে কেবল ধর্ম বা নৈতিকতার জন্য 'বিপজ্জনক' বলে প্রমাণ করার মাধ্যমে বাতিল করে দেওয়া—সবচেয়ে প্রচলিত অথচ সবচেয়ে নিন্দনীয় একটি পদ্ধতি। কোনো মতবাদ যদি যুক্তিহীনতার দিকে নিয়ে যায়, তবেই কেবল তা মিথ্যে হতে পারে। কিন্তু তার ফলাফল বিপজ্জনক বা অপ্রীতিকর বলেই যে তা মিথ্যে হবে—এমন কোনো গ্যারান্টি নেই।
** ৩য় অংশ, ২য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪০৯, লিবার্টি ফান্ড)।
[[File:Allegory of Reason (Lyon).jpg|thumbnail|যুক্তি হলো আবেগের দাস এবং এর কাজ হলো আবেগের খেদমত ও হুকুম পালন করা।]]
* যখন আমরা আবেগ আর যুক্তির লড়াই নিয়ে কথা বলি, তখন আমরা দার্শনিক এবং পারিভাষিক দিক থেকে সঠিক কথা বলি না। যুক্তি হলো আবেগের দাস এবং এর কাজ হলো আবেগের খেদমত ও হুকুম পালন করা
** ৩য় অংশ, ৩য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪১৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* আমার নখের সামান্য একটি আঁচড় আটকানোর চেয়ে পুরো পৃথিবীর ধ্বংসকে বেছে নেওয়া যুক্তিবিরোধী কিছু নয়। নিজের সামান্যতম অস্বস্তি এড়াতে একজন সম্পূর্ণ অচেনা মানুষ কিংবা কোনো দূর দেশের বাসিন্দার চূড়ান্ত সর্বনাশ বেছে নেওয়াও যুক্তির চোখে ভুল নয়। এমনকি নিজের বড় কোনো কল্যাণের চেয়ে সামান্য কোনো প্রাপ্তিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়াও অযৌক্তিক নয়। সংক্ষেপে বলতে গেলে, একটি আবেগ বা প্রবৃত্তিকে কেবল তখনই অযৌক্তিক বলা যেতে পারে, যখন তা কোনো ভুল বিচারবুদ্ধি কিংবা মিথ্যে ধারণার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে।
** ৩য় অংশ, ৩য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪১৬, লিবার্টি ফান্ড)।
==== ৩য় খণ্ড: অফ মরালস' (নৈতিকতা প্রসঙ্গে) ====
* সূক্ষ্ম এবং জটিল যুক্তির একটি অসুবিধা হলো—এটি প্রতিপক্ষকে স্তব্ধ করতে পারে কিন্তু সব সময় আশ্বস্ত করতে পারে না। পড়ার ঘর থেকে বেরিয়ে যখন আমরা দৈনন্দিন জীবনের কাজে যুক্ত হই, তখন সেই সূক্ষ্ম যুক্তিগুলো রাতের অন্ধকারের সাথে মিলিয়ে যায় এবং আমরা যে সিদ্ধান্তগুলো অনেক কষ্টে অর্জন করেছিলাম, সেগুলো ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।
** ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৫৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* নৈতিকতা এমন একটি বিষয় যা অন্য সবকিছুর চেয়ে আমাদের বেশি আলোড়িত করে। আমরা বিশ্বাস করি সমাজ ও রাষ্ট্রের শান্তি এর প্রতিটি সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করে। এই গুরুত্বই আমাদের অনুসন্ধানকে অন্য যেকোনো বিষয়ের চেয়ে অনেক বেশি বাস্তব ও জোরালো করে তোলে। এই বিশেষ সুবিধাটুকু না থাকলে আমি কখনোই এই ধরণের দুর্ভেদ্য দর্শনের তৃতীয় খণ্ডটি লেখার দুঃসাহস দেখাতাম না—বিশেষ করে এমন এক যুগে, যেখানে অধিকাংশ মানুষ পড়াকে কেবল বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করে নিয়েছে এবং যা কিছু বোঝার জন্য গভীর মনোযোগ প্রয়োজন, তাকেই অবলীলায় প্রত্যাখ্যান করতে শিখেছে।
** ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ।
* নীতিবোধ মূলত আমাদের আবেগ ও অনুভূতিকে নাড়া দেয় এবং কোনো কাজ করতে কিংবা তা থেকে দূরে থাকতে প্রেরণা জোগায়। বিচারবুদ্ধি বা যুক্তি এই বিশেষ ক্ষেত্রে একেবারেই শক্তিহীন। তাই এ কথা বলা যায় যে—নৈতিকতার নিয়মগুলো আমাদের নিছক যুক্তিনির্ভর কোনো সিদ্ধান্ত নয়।
** ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ।
* কোনো কাজ প্রশংসনীয় বা নিন্দনীয় হতে পারে; কিন্তু তা 'যুক্তিসঙ্গত' বা 'অযৌক্তিক' হতে পারে না। প্রশংসা আর নিন্দা যুক্তির সীমানার বাইরের বিষয়। যুক্তি অলস ও নিষ্ক্রিয়, এটি কখনোই বিবেকের মতো সক্রিয় নীতির উৎস হতে পারে না।
** ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ।
* যেকোনো জঘন্য অপরাধকে লক্ষ্য করুন—ধরুন একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। একে সব দিক থেকে পরীক্ষা করে দেখুন, সেখানে কি বাস্তব কোনো অস্তিত্ব বা তথ্য পাবেন যাকে আপনি 'পাপ' বলতে পারেন? সেখানে আপনি কেবল কিছু আবেগ, উদ্দেশ্য, ইচ্ছা আর চিন্তাই খুঁজে পাবেন। পাপ বিষয়টি বস্তু বা ঘটনার মধ্যে থাকে না। যতক্ষণ আপনি বাইরের ঘটনার দিকে তাকাবেন, পাপ আপনার নাগালের বাইরেই থাকবে। একে কেবল তখনই খুঁজে পাওয়া সম্ভব, যখন আপনি আপনার দৃষ্টি নিজের অন্তরের দিকে ফেরাবেন এবং সেই কাজের প্রতি নিজের ভেতর একটি ঘৃণার অনুভূতি লক্ষ্য করবেন। সুতরাং, গুণ এবং পাপ অনেকটা শব্দ, বর্ণ, তাপ বা ঠান্ডার মতো, যা বস্তুর নিজস্ব কোনো বৈশিষ্ট্য নয়, বরং আমাদের মনের ভেতরের এক একটি অনুভূতি বা উপলব্ধি মাত্র।
** ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ।
* আমি একটি বিষয় উল্লেখ্য না করে পারছি না, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি এ পর্যন্ত নৈতিকতা নিয়ে যত আলোচনা দেখেছি, সেখানে লেখক প্রথমে সাধারণ যুক্তি দিয়ে শুরু করেন—হয়তো ঈশ্বরের অস্তিত্ব বা মানুষের স্বভাব নিয়ে কথা বলেন। কিন্তু হঠাৎ আমি অবাক হয়ে দেখি, সেখানে বাস্তব পরিস্থিতি বর্ণনা করার পরিবর্তে (অর্থাৎ কোনো কিছু কেমন 'হয়' বা 'নয়' বলার বদলে), লেখক সরাসরি আদেশ দিতে শুরু করেন যে আমাদের কী করা 'উচিত' বা 'উচিত নয়'! এই পরিবর্তনটি অলক্ষ্যেই ঘটে যায়, কিন্তু এর ফলাফল সুদূরপ্রসারী। কেননা এই 'উচিত' বা 'উচিত নয়' একটি নতুন সম্পর্ক প্রকাশ করে, যা আগের বর্ণনামূলক তথ্য থেকে কীভাবে বিবর্তিত হলো—তা ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন। লেখকের এই অসাবধানতা পাঠককে খেয়াল করার অনুরোধ জানাব। কারণ এই সামান্য সতর্কতাটুকু প্রচলিত সমস্ত নৈতিক ব্যবস্থাকে ধূলিসাৎ করে দিতে যথেষ্ট।
** ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ।
* ন্যায় এবং অন্যায় বোধ প্রকৃতি থেকে উদ্ভূত হয়নি, বরং কৃত্রিমভাবে শিক্ষা এবং মানবিক প্রথা থেকে তৈরি হয়েছে।
** ২য় অংশ, ১.১৭।
* মানুষের স্বার্থপরতা, তাদের সীমাবদ্ধ উদারতা এবং চাহিদার তুলনায় প্রাকৃতিক সম্পদের সীমাবদ্ধতার কারণেই মূলত 'ন্যায়বিচার' বা আইনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।
** ৩য় খণ্ড, ২য় অংশ, ২য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৯৪-৪৯৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* নিজের এবং নিকটজনদের জন্য সম্পদ ও প্রতিপত্তি অর্জনের এই যে লালসা—এটি অতৃপ্ত, চিরন্তন, সর্বজনীন এবং সরাসরি সমাজের জন্য ধ্বংসাত্মক।
** ২য় অংশ, ২য় পরিচ্ছেদ।
=== ''এ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং হিউম্যান আন্ডারস্ট্যান্ডিং'' (১৭৪৮) ===
[[File:Andrea sacchi, allegoria della divina sapienza, 1629-33, 02.JPG|thumb|দার্শনিক হও; কিন্তু তোমার সমস্ত দর্শনের মাঝেও, অন্তত একজন মানুষ হয়ে থেকো।]]
:<small>১৭৪৮ সালে প্রথম 'ফিলোসফিক্যাল এসেস কনসার্নিং হিউম্যান আন্ডারস্ট্যান্ডিং' নামে প্রকাশিত হয়; এরপর বেশ কয়েকবার পরিমার্জিত হওয়ার পর ১৭৫৮ সালে বর্তমান শিরোনামে পুনর্নামকরণ করা হয়।</small>
[[File:David Hume LACMA 54.89.46.jpg|thumb|বাস্তব ঘটনা ভিত্তিক যুক্তির ক্ষেত্রে নিশ্চিত হওয়ার নানা স্তর রয়েছে। তাইতো একজন জ্ঞানী ব্যক্তি সবসময় প্রমাণের মাপকাঠিতেই তার বিশ্বাসের পাল্লা নির্ধারণ করে থাকেন।]]
* প্রথাই হলো মানুষের জীবনের শ্রেষ্ঠ চালিকাশক্তি। কেবল এই একটি নীতির কারণেই আমাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগে এবং আমরা আশা করতে পারি যে, ভবিষ্যতে ঠিক তেমন কিছুই ঘটবে যা অতীতে ঘটেছিল। এই প্রথার প্রভাব না থাকলে আমাদের স্মৃতি আর ইন্দ্রিয়ের সামনে যা সরাসরি বর্তমান, তার বাইরের কোনো কিছু সম্পর্কেই আমাদের বিন্দুমাত্র জ্ঞান থাকত না। কোনো লক্ষ্য অর্জনের জন্য কী উপায় অবলম্বন করতে হয়, কিংবা কোনো কাজ সফল করতে নিজেদের শক্তি কীভাবে কাজে লাগাতে হয়—সেটা আমরা কখনোই বুঝতে পারতাম না। এতে করে আমাদের সকল কাজকর্ম তো বটেই, এমনকি চিন্তাভাবনারও প্রধান পথটি চিরতরে বন্ধ হয়ে যেত।
** পাঠান্তর (সম্ভবত এই অনুচ্ছেদের একটি সারসংক্ষেপ): ''ইট ইজ নট রিজন হুইচ ইজ দ্য গাইড অব লাইফ, বাট কাস্টম'' (যুক্তি জীবনের পথপ্রদর্শক নয়, বরং প্রথাই হলো জীবন চালিকাশক্তি)।
* প্রকৃতি মানুষকে এক ধরনের মিশ্র জীবনযাপনের ইঙ্গিত দেয়, যা মানবজাতির জন্য সবচেয়ে উপযোগী। সে আমাদের গোপনে সাবধান করে দিয়েছে যেন আমরা কোনো একটি ঝোঁকের বশবর্তী হয়ে অন্য সব কাজ বা আনন্দকে বিসর্জন না দিই। প্রকৃতি যেন আমাদের বলছে—বিজ্ঞানের প্রতি তোমার আগ্রহকে প্রশ্রয় দাও, কিন্তু তোমার সেই বিজ্ঞান যেন হয় মানবিক এবং সমাজ ও মানুষের কর্মজীবনের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত। জটিল চিন্তা আর অতি গভীর গবেষণাকে আমি নিষেধ করছি; কারণ এগুলো তোমাকে বিষণ্ণতায় ডুবিয়ে দেবে, অনিশ্চয়তার গোলকধাঁধায় আটকে রাখবে এবং যখন তুমি তোমার তথাকথিত আবিষ্কারগুলো মানুষের সামনে আনবে, তখন লোকে তা অবজ্ঞার সাথে ফিরিয়ে দিয়ে তোমাকে শাস্তি দেবে। তাই বলছি, '''দার্শনিক হও; কিন্তু তোমার সমস্ত দর্শনের মাঝেও একজন মানুষ হয়ে থেকো।'''
** ১ম পরিচ্ছেদ: অফ দ্য ডিফারেন্ট স্পিসিস অব ফিলোসফি
* দার্শনিক বিতর্কে কোনো মতবাদকে কেবল ধর্ম বা নৈতিকতার জন্য 'বিপজ্জনক' তকমা দিয়ে নাকচ করে দেওয়ার চেষ্টার চেয়ে নিন্দনীয় পদ্ধতি আর নেই। এটি সত্য আবিষ্কারে কোনো সাহায্য করে না, কেবল প্রতিপক্ষকে ঘৃণা করতে শেখায়।
** অফ লিবার্টি অ্যান্ড নেসেসিটি, ২য় খণ্ড (http://www.bartleby.com/37/3/12.html)
* প্রাকৃতিক জগতের সবচেয়ে নিখুঁত দর্শনও আমাদের অজ্ঞানতাকে বড়জোর আর কিছুটা সময় আড়াল করে রাখতে পারে। অন্যদিকে, জীবন ও জগতের গূঢ় রহস্য নিয়ে আমাদের গভীর দর্শন হয়তো সেই অজ্ঞানতার বিশাল দিকগুলোকেই আরও নগ্নভাবে উন্মোচিত করে। দিনশেষে, মানুষের সীমাবদ্ধতা আর অন্ধত্বকে স্পষ্ট করে তোলাই হলো সমস্ত দর্শনের চূড়ান্ত পরিণতি। আমরা একে এড়িয়ে যাওয়ার যতই চেষ্টা করি না কেন, জীবনের প্রতিটি বাঁকেই এটি আমাদের মুখোমুখি এসে দাঁড়ায়।
** চতুর্থ পরিচ্ছেদ: 'বুদ্ধিবৃত্তিক ক্রিয়াকলাপ প্রসঙ্গে সংশয়বাদী সন্দেহ'।
* 'আগামীকাল সূর্য উঠবে না'—এই ধারণাটি 'আগামীকাল সূর্য উঠবে'—এই বিশ্বাসের মতোই সমানভাবে অর্থবহ এবং এতে যুক্তিগত কোনো অসংগতি নেই।
** § ৪.৮
* আমি বলি যে, বিশ্বাস আর কিছুই নয়—কেবল কোনো বিষয় সম্পর্কে কল্পনার চেয়েও অনেক বেশি প্রাণবন্ত, জীবন্ত, জোরালো, দৃঢ় আর স্থায়ী একটি ধারণা।
** § ৪.৯
* তাই পর্যবেক্ষণ আর অভিজ্ঞতার সাহায্য ছাড়া নিছক যুক্তি দিয়ে কোনো ঘটনার গতিপ্রকৃতি বিচার করা, কিংবা কোনো কারণ থেকে এর ফলাফল অনুমান করার চেষ্টা করাটা একেবারেই নিরর্থক।
** § ৪.১১
* ইতিহাসের আজ কী-ই বা মূল্য থাকত, যদি মানুষের সাধারণ আচরণের নিরিখে আমরা ইতিহাসবিদের সত্যবাদিতার ওপর নূন্যতম আস্থাও রাখতে না পারতাম?
** § ৮.১৮
* স্বাধীনতা বলতে আমরা কেবল নিজের ইচ্ছাশক্তি অনুযায়ী কাজ করা বা না করার ক্ষমতাকেই বুঝি।
** § ৮.২৩
* এই নামমাত্র স্বাধীনতা আসলে সেই প্রত্যেকটি মানুষেরই আছে, যে কোনো কারাগারে কয়েদি হয়ে নেই কিংবা শিকলে বন্দি হয়ে পড়ে নেই।
** § ৮.২৩
* অনিবার্যতার সংজ্ঞা দেওয়া যায় দুইভাবে। এটি হয় একই ধরণের ঘটনার মাঝে এক অবিচ্ছেদ্য যোগসূত্র হিসেবে কাজ করে, নয়তো এক বিষয় থেকে অন্য বিষয়ে আমাদের মনের এক স্বাভাবিক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে।
** § ৮.২৩
* বাস্তব জগত নিয়ে যুক্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতাই আমাদের একমাত্র ভরসা হলেও, এ কথা স্বীকার না করে উপায় নেই যে এই অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান সবসময় ত্রুটিমুক্ত নয়। বরং অনেক সময় এটি আমাদের ভুল পথেও চালিত করতে পারে।
** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস, ১ম অংশ।
* বাস্তব জগতের যুক্তি-তর্কের ক্ষেত্রে নিশ্চয়তার বিভিন্ন ধাপ রয়েছে—যা নিখুঁত প্রমাণ থেকে শুরু করে কেবল সাধারণ সম্ভাবনা পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। তাই একজন প্রাজ্ঞ ব্যক্তি সবসময় প্রমাণের গুরুত্ব বিচার করেই তার বিশ্বাসের মাত্রা নির্ধারণ করেন।
** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস, ১ম অংশ|৮৭
* ...কোনো অলৌকিক ঘটনাকে ধ্রুব সত্য হিসেবে মেনে নেওয়ার জন্য কেবল লোকমুখের সাক্ষ্যই যথেষ্ট নয়। সেই সাক্ষ্যকে হতে হবে এতটাই জোরালো যে—তার মিথ্যা হওয়ার সম্ভাবনাটি খোদ ওই অলৌকিক ঘটনার চেয়েও বেশি অবিশ্বাস্য বা বিস্ময়কর মনে হবে।** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস, ১ম অংশ।
* যখন কেউ আমাকে বলে যে সে একজন মৃত মানুষকে জীবিত হতে দেখেছে, আমি সাথে সাথেই মনে মনে বিচার করি—এই লোকটির আমাকে ধোঁকা দেওয়া বা তার নিজের ধোঁকা খাওয়ার সম্ভাবনা বেশি, নাকি সে যা বলছে সেই ঘটনাটি ঘটার সম্ভাবনা বেশি? আমি এক অলৌকিকতার পাল্লায় অন্য অলৌকিকতাকে ওজন করি এবং যেখানে গুরুত্ব বেশি পাই, সেখানেই সিদ্ধান্ত নিই। আমি সবসময় বড় অলৌকিকতাকে বর্জন করি। যদি তার সাক্ষ্যের মিথ্যা হওয়াটা ওই ঘটনার চেয়েও বেশি অলৌকিক হয়, কেবল তখনই সে আমার বিশ্বাস বা মত আশা করতে পারে।
** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস, ১ম অংশ।
* কথার জাদু বা বাকপটুতা যখন চূড়ান্ত শিখরে পৌঁছায়, তখন তা যুক্তি বা চিন্তার জন্য খুব সামান্যই অবকাশ রাখে। এটি সরাসরি মানুষের কল্পনা আর আবেগকে নাড়া দেয় এবং শ্রোতাদের বিচারবুদ্ধিকে একরকম আচ্ছন্ন করে ফেলে।
** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস, ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ১১৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* খ্রিষ্টধর্ম কেবল তার সূচনাপর্বেই অলৌকিকতার ওপর নির্ভরশীল ছিল না। বরং আজও কোনো যুক্তিবাদী মানুষ অতিপ্রাকৃত কোনো শক্তির স্পর্শ ছাড়া এতে আস্থা রাখতে পারে না। শুধু শুষ্ক যুক্তি এর সত্যতা প্রমাণের জন্য যথেষ্ট নয়। যে ব্যক্তি বিশ্বাসের টানে এতে সায় দেন, তিনি নিজের ভেতরেই এক নিরন্তর বিস্ময় বা অলৌকিকত্ব অনুভব করেন—যা তাঁর বিচারবুদ্ধির সমস্ত চিরাচরিত নিয়মকে ওলটপালট করে দেয় এবং তাঁকে এমন কিছু বিশ্বাস করতে বাধ্য করে যা মানুষের চিরচেনা অভিজ্ঞতা ও অভ্যাসের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
** ''এ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং হিউম্যান আন্ডারস্ট্যান্ডিং'' (১৭৪৮), ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস, ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ১২০, লিবার্টি ফান্ড)।
* এই মূলনীতিগুলো মাথায় রেখে আমরা যদি কোনো গ্রন্থাগারের তাকে হাত দিই, তবে আমাদের সামনে এক বিশাল ত্যাগ-তিতিক্ষার দৃশ্য ফুটে উঠবে। আমাদের হাতে যদি কোনো গতানুগতিক ধর্মতত্ত্ব কিংবা নিছক তাত্ত্বিক পরাবিদ্যার বই আসে, তবে আমাদের নিজেদেরই প্রশ্ন করা উচিত— 'এতে কি পরিমাণ বিমূর্ত যুক্তি আছে?' না। 'এতে কি বাস্তব তথ্য কিংবা অস্তিত্ব সম্পর্কে কোনো পরীক্ষামূলক যুক্তি আছে?' না। তবে একে নির্দ্বিধায় আগুনে পুড়িয়ে ফেলো। কারণ এতে বিভ্রান্তিকর অপযুক্তি আর মায়া ছাড়া আর কিছুই নেই।
** ''এ্যান এনকোয়ারি'', ১২শ পরিচ্ছেদ: অফ দ্য অ্যাকাডেমিক্যাল অর স্কেপটিক্যাল ফিলোসফি, ৩য় অংশ (পৃষ্ঠা ১৬৫, অক্সফোর্ড)।
=== ''এ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং দ্য প্রিন্সিপলস অফ মোরালস'' (১৭৫১) ===
* নৈতিকতার প্রতিটি সিদ্ধান্তে 'জনকল্যাণ'-ই প্রধানত বিবেচনায় থাকে। যেখানেই দর্শনে বা সাধারণ জীবনে কর্তব্যের সীমা নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়, সেখানে মানবজাতির প্রকৃত স্বার্থের বিচার ছাড়া আর কোনোভাবেই অধিকতর নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়।
** ২য় পরিচ্ছেদ: অফ বেনোভোলেন্স, ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ১৮০, অক্সফোর্ড)।
* সেই ব্যক্তি সুখী, যার পরিস্থিতি তার স্বভাবের সাথে খাপ খায়। কিন্তু সেই ব্যক্তি অধিকতর শ্রেষ্ঠ, যে যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজের স্বভাবকে মানিয়ে নিতে পারে।
** ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ: অফ কোয়ালিটিজ ইউজফুল টু আওয়ারসেলভস, ১ম অংশ (পৃষ্ঠা ২৪৩, অক্সফোর্ড)।
* যেখানে মানুষ সবচেয়ে বেশি নিশ্চিত এবং অহংকারী, তারা সাধারণত সেখানেই মস্ত বড় ভুলটি করে থাকে। কারণ তখন তারা সঠিক বিচার-বিশ্লেষণ ছাড়াই আবেগের হাতে লাগাম ছেড়ে দেয়!
** ৯ম পরিচ্ছেদ: কনক্লুশন (উপসংহার), ১ম অংশ (পৃষ্ঠা ২৮১, অক্সফোর্ড)।
=== ''দ্য ন্যাচারাল হিস্ট্রি অফ রিলিজিয়ন'' (১৭৫৭) ===
:<small>এই গ্রন্থটি সর্বপ্রথম 'ফোর ডিসার্টেশনস' (১৭৫৭) নামক প্রবন্ধ সংকলনে প্রকাশিত হয়। হিউমের জীবদ্দশায় সামান্য কিছু পরিবর্তনসহ এটি বেশ কয়েকবার পুনর্মুদ্রিত হয়েছিল।</small>
* ধর্ম সম্পর্কিত প্রতিটি অনুসন্ধানই যেহেতু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তাই বিশেষভাবে দুটি প্রশ্ন আমাদের মনোযোগ কাড়বে। প্রথমটি হলো—যুক্তির ওপর ধর্মের ভিত্তি কতটুকু, আর দ্বিতীয়টি হলো—মানুষের স্বভাব বা মনস্তত্ত্বের ঠিক কোথায় ধর্মের উৎপত্তি। ভাগ্যক্রমে, প্রথম প্রশ্নটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও এর সমাধান বেশ স্পষ্ট। প্রকৃতির এই বিশাল কাঠামোই বলে দেয় যে এর পেছনে একজন বুদ্ধিমান স্রষ্টা রয়েছেন। তাই যেকোনো বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ গভীরভাবে চিন্তা করলে প্রকৃত ঈশ্বরবাদ ও ধর্মের প্রাথমিক নীতিগুলোর ওপর বিশ্বাস হারাবে না। কিন্তু দ্বিতীয় প্রশ্নটি অর্থাৎ মানুষের স্বভাবের মধ্যে ধর্মের উৎস কোথায়, তা নিয়ে বেশ জটিলতা রয়েছে। অদৃশ্য ও বুদ্ধিমান কোনো শক্তির ওপর বিশ্বাস হয়তো সব যুগে এবং সব স্থানে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে আছে। কিন্তু এটি সম্ভবত এমন কোনো সার্বজনীন বিষয় নয় যার কোনো ব্যতিক্রম নেই, এমনকি এটি মানুষের মনে সব সময় একই ধরনের ধারণাও তৈরি করতে পারেনি। যদি ভ্রমণকারী এবং ঐতিহাসিকদের কথা বিশ্বাস করা হয়, তবে এমন কিছু জাতির সন্ধান পাওয়া গেছে যাদের মধ্যে ধর্মের কোনো অনুভূতিই ছিল না। তাছাড়া এমন কোনো দুটি জাতি বা দুজন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন, যারা ধর্মের বিষয়ে হুবহু একই মত পোষণ করে।
** ভূমিকা।
** ম্যাগিয়ানরা বলে, সেই আদিম বুদ্ধিমান সত্তা—যিনি সবকিছুর মূল উৎস—নিজেকে কেবল মন এবং বিচারবুদ্ধির মাধ্যমেই প্রকাশ করেন। কিন্তু তিনি এই দৃশ্যমান মহাবিশ্বে সূর্যকে নিজের প্রতিচ্ছবি হিসেবে স্থাপন করেছেন। আর যখন সেই উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক পৃথিবী ও আকাশমণ্ডলে তার রশ্মি ছড়িয়ে দেয়, তখন তা আসলে উচ্চতর স্বর্গের সেই মহিমারই একটি ক্ষীণ অনুলিপি মাত্র। যদি তুমি এই ডিভাইন বিয়িং বা ঐশ্বরিক সত্তার অসন্তুষ্টি থেকে বাঁচতে চাও, তবে সাবধান! কখনো মাটিতে খালি পা রেখো না, আগুনে থুতু ফেলো না, এমনকি আগুন যদি আস্ত একটা শহরকেও গ্রাস করে ফেলে, তবুও তাতে জল ঢেলো না। অন্যদিকে মুসলমানরা বলে, সর্বশক্তিমানের পূর্ণতা কে বর্ণনা করতে পারে? তাঁর সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ কাজগুলোও যদি তাঁর সাথে তুলনা করা হয়, তবে তা ধুলোবালি ছাড়া আর কিছুই নয়। তাহলে মানুষের সীমিত চিন্তাভাবনা তাঁর অসীম পূর্ণতার তুলনায় কতটা নগণ্য হতে পারে? তাঁর সন্তুষ্টি মানুষকে চিরসুখী করে। আর সন্তানদের জন্য সেই কৃপা লাভের সেরা উপায় হলো—তারা যখন শিশু থাকে, তখনই তাদের শরীরের চামড়ার একটি ছোট অংশ কেটে ফেলা। আবার রোমান ক্যাথলিকরা বলে, দুই টুকরো কাপড় নাও (প্রায় এক বা দেড় ইঞ্চি বর্গাকার), সেগুলোকে দুই কোণ দিয়ে সুতো বা ফিতে দিয়ে এমনভাবে জোড় দাও যেন তা লম্বায় প্রায় ষোলো ইঞ্চি হয়। এরপর সেটা মাথার ওপর দিয়ে এমনভাবে গলিয়ে দাও যাতে কাপড়ের এক টুকরো তোমার বুকে আর অন্য টুকরো পিঠে থাকে। অনন্তকাল ধরে অস্তিত্বমান সেই অসীম সত্তার প্রিয়পাত্র হওয়ার জন্য এর চেয়ে বড় কোনো গোপন রহস্য আর নেই।
** ৭ম অংশঃ এই মতবাদের নিশ্চিতকরণ।
* মূর্তিপূজা আর একেশ্বরবাদের তুলনা করলে সেই ধ্রুব সত্যটিই চোখের সামনে ফুটে ওঠে যে—সবচেয়ে উৎকৃষ্ট জিনিসের বিকৃতি থেকেই সবচেয়ে জঘন্য বা কদর্য জিনিসের জন্ম হয়।
** ১০ম অংশঃ সাহসিকতা বা হীনম্মন্যতা প্রসঙ্গে।
* প্যাগানিজম বা পৌত্তলিক ধর্মের বীরেরা ঠিক তেমনই, যেমনটা পোপতন্ত্রের সন্ত বা ইসলাম ধর্মের পবিত্র দরবেশরা। [[:w:হারকিউলিস|হারকিউলিস]], [[:w:থেসেউস|থেসেউস]], হেক্টর কিংবা রোমুলাসের জায়গা এখন দখল করে নিয়েছে ডমিনিক, ফ্রান্সিস, অ্যান্টনি এবং বেনেডিক্টরা। দানব বিনাশ, স্বৈরাচার দমন কিংবা মাতৃভূমি রক্ষার বদলে এখন চাবুকের আঘাত সহ্য করা, উপবাস থাকা, ভীরুতা, বিনয় এবং দাসসুলভ আনুগত্যই হয়ে উঠেছে মানবজাতির কাছে স্বর্গীয় সম্মান লাভের উপায়।
** ১০ম অংশঃ সাহসিকতা বা হীনম্মন্যতা প্রসঙ্গে।
* ধর্মীয় গোঁড়ামির এই প্রবল স্রোতকে সাধারণ কিছু যুক্তি দিয়ে আটকানোর চেষ্টা করা—যেমন, একই বস্তু একই সাথে থাকা এবং না থাকা অসম্ভব, অংশ থেকে পূর্ণ সবসময় বড়, কিংবা দুই আর তিনে পাঁচ হয়—তা অনেকটা খড়কুটো দিয়ে সমুদ্রের ঢেউ থামানোর চেষ্টার মতো। আপনি কি পবিত্র রহস্যের বিরুদ্ধে সাধারণ যুক্তিকে দাঁড় করাবেন? আপনার এই অধার্মিকতার জন্য কোনো শাস্তিই যথেষ্ট নয়। আর যে আগুন ধর্মদ্রোহীদের পোড়ানোর জন্য জ্বালানো হয়েছিল, সেই একই আগুন দার্শনিকদের বিনাশের কাজেও ব্যবহার করা হবে।
** ১১তম অংশঃ যুক্তি বা অযৌক্তিকতা প্রসঙ্গে
* আমরা কল্পনা করতে পারি, সোরবোনের একজন ধর্মতাত্ত্বিক সাইসের এক পুরোহিতকে বলছেন, "তোমরা কীভাবে পেঁয়াজ আর রসুনের পূজা করো?" পুরোহিত উত্তর দিচ্ছেন, "আমরা অন্তত সেগুলোর পূজা করি, তোমাদের মতো একই সাথে সেগুলোকে খেয়ে ফেলি না।" তখন সেই পণ্ডিত ডাক্তার আবার প্রশ্ন করছেন, "কিন্তু বিড়াল আর বাঁদর কি কোনো উপাসনার বস্তু হতে পারে?" তার সেই পণ্ডিত প্রতিপক্ষ উত্তর দিচ্ছেন, "এগুলো অন্তত তোমাদের সেই তথাকথিত মহাপুরুষদের দেহাবশেষ কিংবা পচা হাড়গোড়ের চেয়ে অনেক ভালো।" ক্যাথলিক পণ্ডিত আবারও জেদ ধরে বলছেন, "একটা বাঁধাকপি কিংবা শসা—এই দুইয়ের মধ্যে কোনটা শ্রেষ্ঠ তা নিয়ে একে অপরের গলা কাটা কি পাগলামি নয়?" তখন সেই পৌত্তলিক উত্তর দিচ্ছেন, "হ্যাঁ, আমি তা মেনে নিচ্ছি। তবে আপনাকেও স্বীকার করতে হবে যে সেই মানুষগুলো আরও বড় পাগল, যারা স্রেফ কিছু অর্থহীন কুতর্কভরা বইয়ের শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে লড়াই করে—যার দশ হাজার কপিও একটি শসা কিংবা বাঁধাকপির সমান মূল্যবান নয়।
** ১২তম অংশঃ সংশয় বা দৃঢ় বিশ্বাস প্রসঙ্গে।
* আমরা লক্ষ্য করলে দেখব যে, সব কুসংস্কারের ধরন অত্যন্ত একগুঁয়ে এবং দাপুটে হওয়া সত্ত্বেও, সব যুগের ধর্মবিশ্বাসীদের এই দৃঢ়তা আসলে যতটা না খাঁটি, তার চেয়ে বেশি লোক দেখানো। এটি কখনোই সেই নিরেট বিশ্বাসের ধারেকাছেও পৌঁছাতে পারে না, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ কাজগুলোকে পরিচালনা করে। মানুষ এমনকি নিজের মনের কাছেও সেই সন্দেহগুলো স্বীকার করতে ভয় পায়, যা এই বিষয়গুলো নিয়ে তাদের মনে দানা বাঁধে। তারা অন্ধ বিশ্বাসকে এক বড় গুণ মনে করে। আর খুব শক্ত গলায় কথা বলে বা চরম গোঁড়ামি দেখিয়ে নিজেদের আসল অবিশ্বাসকে নিজেদের কাছেই লুকিয়ে রাখতে চায়। কিন্তু মানুষের সহজাত প্রকৃতি তাদের সব চেষ্টার চেয়েও বেশি শক্তিশালী। মনের এই আবছায়া জগতের মিটমিটে আলো কখনোই সাধারণ জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতার তৈরি করা গভীর ছাপের সমান হতে পারে না। মানুষের দৈনন্দিন আচরণই তাদের মুখের কথাকে মিথ্যে প্রমাণ করে দেয়। আর এটাই দেখায় যে, এই সব বিষয়ে তাদের সম্মতি আসলে মনের এক অবর্ণনীয় অবস্থা—যা অবিশ্বাস আর বিশ্বাসের মাঝামাঝি কোথাও ঝুলে থাকে, তবে তা বিশ্বাসের চেয়ে অবিশ্বাসেরই বেশি কাছাকাছি।
** ১২তম অংশঃ সংশয় বা দৃঢ় বিশ্বাস প্রসঙ্গে।
* মানুষের কাছে যখন এমন কোনো আচারের কথা বলা হয় যা জীবনের কোনো কাজেই আসে না, কিংবা যা তার স্বাভাবিক প্রবৃত্তির একদম বিরোধী—তখন সেই মানুষটি সেই কাজটিকে আরও বেশি উৎসাহের সাথে গ্রহণ করে। ঠিক যে কারণে তার এই আচারটি বর্জন করার কথা ছিল, সেই কারণেই সে এটিকে আঁকড়ে ধরে। তার কাছে মনে হয়, এটিই বোধহয় খাঁটি ধর্ম। কারণ এর পেছনে পার্থিব কোনো স্বার্থ বা উদ্দেশ্য নেই। আর যদি এই আচারের জন্য সে তার শান্তি ও আরাম বিসর্জন দিতে পারে, তবে তার মনে হয় স্রষ্টার কাছে তার মর্যাদা আরও বেড়ে গেছে—যত বেশি কষ্ট, তত বেশি ভক্তি! কারো ধার করা টাকা ফেরত দেওয়া কিংবা ঋণ শোধ করার মাধ্যমে সে মনে করে না যে স্রষ্টার প্রতি কোনো বিশেষ আনুগত্য দেখানো হয়েছে; কারণ এই ন্যায়বিচারগুলো তাকে এমনিতেও করতে হতো—এমনকি পৃথিবীতে যদি কোনো ঈশ্বরের অস্তিত্ব নাও থাকত, তবুও অনেক মানুষ এগুলো করত। কিন্তু সে যদি একদিন উপবাস থাকে কিংবা নিজের শরীরে চাবুকের আঘাত সয়, তবে তার মতে এই কাজটির সাথে সরাসরি ঈশ্বরের সেবার সম্পর্ক আছে। কারণ এই কঠোরতা ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্য তাকে এমন কাজ করতে বাধ্য করত না। ভক্তির এই বিশেষ চিহ্নগুলোর মাধ্যমেই সে মনে করে যে সে এখন ঐশ্বরিক কৃপা লাভ করেছে; আর এর বিনিময়ে সে এই দুনিয়ায় নিরাপত্তা এবং পরকালে চিরস্থায়ী সুখের আশা করে।
** ১৪তম অংশঃ নৈতিকতার ওপর প্রচলিত ধর্মের নেতিবাচক প্রভাব।
* মনের এমন শান্ত ও নির্মল মূহূর্তগুলোতে, মিথ্যা উপাসনার এই ছায়াগুলো আর কখনো দেখা দেয় না।
** ১৮তম অংশঃ নৈতিকতার ওপর প্রচলিত ধর্মের নেতিবাচক প্রভাব।
* কোনো ভালো জিনিসের খুব সামান্য নমুনা যখন আমাদের সামনে আসে, তা যত বেশি চমৎকার হয়—তার সাথে মিশে থাকা মন্দটি ততটাই তীব্র হয়ে দেখা দেয়। প্রকৃতির এই অভিন্ন নিয়মের খুব কমই ব্যতিক্রম পাওয়া যায়। সবচেয়ে প্রখর বুদ্ধি যেমন পাগলামির সীমানা ঘেঁষে চলে; পরম আনন্দের বিচ্ছুরণ যেমন গভীর বিষণ্ণতা তৈরি করে; সবচেয়ে তীব্র আনন্দ যেমন নিষ্ঠুর অবসাদ আর বিতৃষ্ণাকে সাথে নিয়ে আসে; ঠিক তেমনি সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক স্বপ্নগুলোই চরম হতাশার পথ তৈরি করে দেয়। সাধারণভাবে বলতে গেলে, জীবনের কোনো পথই ততটা নিরাপদ নয় (কারণ সুখের কথা তো স্বপ্নেও ভাবা যায় না) যতটা না হলো পরিমিত ও মধ্যমপন্থা। যা প্রতিটি বিষয়ে যতটা সম্ভব ভারসাম্য এবং এক ধরনের নির্বিকার ভাব বজায় রাখে। যেহেতু ভালো, মহান, মহিমান্বিত এবং চমৎকার বিষয়গুলো প্রকৃত ঈশ্বরবাদের মূলনীতির মধ্যে চমৎকারভাবে পাওয়া যায়। তাই প্রকৃতির সাথে তুলনা করলে এটা বলাই যায় যে—ভিত্তিহীন, অদ্ভুত, তুচ্ছ আর ভয়াবহ বিষয়গুলোও সমানভাবে ধর্মীয় কল্পকাহিনী এবং অলীক কল্পনার মধ্যে খুঁজে পাওয়া যাবে।
** ১৫তম অংশঃ জেনারেল করোলারি (সাধারণ অনুসিদ্ধান্ত)।
* মানুষের বিচারবুদ্ধির কী এক মহান ক্ষমতা—যে সে প্রকৃতির দৃশ্যমান কাজগুলো দেখেই পরম সত্তার জ্ঞান লাভ করতে পারে এবং একজন মহান স্রষ্টার অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে! কিন্তু মুদ্রার উল্টো পিঠটাও একবার দেখুন। ইতিহাসের সব যুগ আর সব জাতির দিকে তাকিয়ে দেখুন; পৃথিবীতে বাস্তবে টিকে থাকা ধর্মীয় নিয়মগুলো একবার পরখ করুন। আপনার মনেই হবে না যে এগুলো সুস্থ কোনো মানুষের চিন্তা, বরং মনে হবে এগুলো সব অসুস্থ মানুষের স্বপ্ন। অথবা এগুলোকে বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন কোনো সত্তার গম্ভীর আর সুদৃঢ় দাবি মনে না হয়ে বরং মানুষের রূপ ধরা কোনো বাঁদরের খামখেয়ালি খেলা বলে মনে হবে।
** ১৫তম অংশঃ সাধারণ অনুসিদ্ধান্ত।
* সকল মানুষের মুখের কথা শুনুন। তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের মতো নিশ্চিত আর কিছুই নাকি নেই। কিন্তু তাদের জীবনের দিকে তাকিয়ে দেখুন। আপনার মনেই হবে না যে তারা সেই বিশ্বাসের ওপর বিন্দুমাত্র আস্থা রাখে। চরম ভক্তিও মানুষকে ভণ্ডামি থেকে বাঁচাতে পারে না। আবার প্রকাশ্যে ধর্মকে অস্বীকার করার ভেতরেও অনেক সময় এক গোপন ভয় বা অনুশোচনা কাজ করে। এমন কোনো অদ্ভুত ধর্মীয় অযৌক্তিকতা নেই যা বড় বড় বিদ্বান ব্যক্তিরা কোনো না কোনো সময় বিশ্বাস করেননি। আবার এমন কোনো কঠিন ধর্মীয় বিধিনিষেধ নেই যা চূড়ান্ত ভোগবিলাসী আর বখে যাওয়া মানুষগুলোও নিজের স্বার্থে গ্রহণ করেনি।
** ১৫তম অংশঃ সাধারণ অনুসিদ্ধান্ত।
* অজ্ঞতাই হলো ভক্তির জননী—এই প্রবাদটি সাধারণ অভিজ্ঞতা দ্বারা বারবার প্রমাণিত। এমন কোনো জাতিকে খুঁজে দেখুন যাদের কোনো ধর্ম নেই, যদি পানও তবে নিশ্চিত থাকবেন যে তারা পশুদের থেকে খুব সামান্যই আলাদা।
** ১৫তম অংশঃ জেনারেল করোলারি।
* গোটা ব্যাপারটাই যেন এক প্রকার ''কুহেলিকা'', এক পরম রহস্য আর এক ব্যাখ্যাতীত জট!<br>সন্দেহ, অনিশ্চয়তা আর বিচারের দোদুল্যমানতা—এটাই আমাদের অনুসন্ধানের একমাত্র প্রাপ্তি। তবে মানুষের যুক্তিবোধের সীমাবদ্ধতা এমন যে এই সংশয় ধরে রাখা কঠিন। তাই আমরা এক ধরণের কুসংস্কারের বিপরীতে অন্যটিকে লেলিয়ে দিয়ে তাদের বিবাদ দেখতে দেখতে নিজেরা দর্শনের শান্ত ও নির্জন আশ্রয়ে পালিয়ে যাই।
** ১৫তম অংশ: জেনারেল করোলারি।
=== ''এসেস, মোরাল, পলিটিক্যাল, অ্যান্ড লিটারারি'' (১৭৪১-২;১৭৪৮) ===
* স্বাধীনতা-প্রেমীদের জন্য এটি একটি স্বস্তিদায়ক চিন্তা যে—ব্রিটেনের এই বিশেষ সুবিধা (সংবাদপত্রের স্বাধীনতা) ততদিনই অক্ষুণ্ণ থাকবে, যতদিন আমাদের সরকার স্বাধীন থাকবে। যেকোনো ধরণের স্বাধীনতা খুব কম ক্ষেত্রেই একেবারে ধূলিসাৎ হয়ে যায়। যারা স্বাধীনতায় অভ্যস্ত, তাদের কাছে দাসত্বের চেহারা এতটাই বীভৎস যে এটি অত্যন্ত ধীরে এবং হাজারো ছদ্মবেশে জনমানসে সংক্রামিত হয়। কিন্তু যদি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কখনো লুপ্ত হয়, তবে তা একসাথেই চিরতরে হারিয়ে যাবে।
** ১ম খণ্ড, ২য় প্রবন্ধ: অফ দ্য লিবার্টি অফ দ্য প্রেস ।
* যারা দার্শনিক দৃষ্টিতে জাগতিক বিষয়াবলি পর্যবেক্ষণ করেন, তাদের কাছে এর চেয়ে বিস্ময়কর আর কিছু নেই যে—কত সহজে সংখ্যাগুরু সাধারণ মানুষ মুষ্টিমেয় কয়েকজনের দ্বারা শাসিত হয় এবং মানুষ কত অবলীলায় নিজের আবেগ আর অধিকার শাসকদের হাতে সঁপে দেয়। যখন আমরা এই বিস্ময়ের কারণ খুঁজি, তখন দেখি যে শক্তি সব সময় শাসিতদের পক্ষেই থাকে। তাই শাসকদের টিকে থাকার একমাত্র অবলম্বন হলো জনমত। সুতরাং, কেবল জনমতের ওপর ভিত্তি করেই শাসনব্যবস্থা গড়ে ওঠে এবং এই নীতিটি যেমন স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক সরকারের ক্ষেত্রে সত্য, তেমনি চরম স্বৈরাচারী ও সামরিক শাসনের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য।
** ১ম খণ্ড, ৪র্থ প্রবন্ধ: অফ দ্য ফার্স্ট প্রিন্সিপলস অফ গভর্নমেন্ট ।
* এটি এক ধরনের সঠিক রাজনৈতিক নীতি যে—প্রতিটি মানুষকে 'প্রতারক' হিসেবে ধরে নিতে হবে। যদিও শুনতে অদ্ভুত লাগে যে, একটি নীতি রাজনীতিতে সত্য হলেও ব্যক্তিগত জীবনে হয়তো মিথ্যে। মানুষ সাধারণত তার ব্যক্তিগত জীবনের চেয়ে জনসমক্ষে বা দলীয় পরিচয়ে বেশি অসৎ হয়ে থাকে এবং নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে দলের স্বার্থ রক্ষায় তারা অনেক বেশি দূর পর্যন্ত যেতে পারে। লোকলজ্জা বা সম্মানবোধ মানুষের জন্য একটি বড় প্রতিবন্ধক। কিন্তু যখন একদল মানুষ সমষ্টিগতভাবে কাজ করে, তখন এই বাধাটি অনেকাংশেই ঘুচে যায়। কারণ একজন মানুষ যখন দলের স্বার্থে কাজ করে, তখন সে জানে যে তার নিজের দল তাকে সমর্থন করবেই এবং খুব দ্রুতই সে প্রতিপক্ষের সমালোচনাকে তুচ্ছ জ্ঞান করতে শেখে।
** ১ম খণ্ড, ৬ষ্ঠ প্রবন্ধ: অফ দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্সি অফ পার্লামেন্ট; প্রথম বাক্যটি প্রায়ই এভাবে বলা হয়: " ''এটি একটি সঠিক রাজনৈতিক নীতি যে, প্রতিটি মানুষকে একজন ধূর্ত বা প্রবঞ্চক হিসেবেই ধরে নিতে হবে''।"
* মানুষের মনের প্রকৃতিই এমন যে, এটি তার সংস্পর্শে আসা অন্য সব মনকে আঁকড়ে ধরতে চায়। এবং যেমন মতের মিল বা ঐক্য একে ভীষণভাবে শক্তিশালী করে, তেমনি মতের অমিল বা বৈপরীত্য একে সমানভাবে বিচলিত ও বিমর্ষ করে তোলে। এ কারণেই তর্কের সময় অধিকাংশ মানুষের মধ্যে এক ধরণের ব্যকুলতা দেখা যায় এবং অতি সাধারণ বা তুচ্ছ বিষয়েও তারা বিরুদ্ধ মতকে সহ্য করতে পারে না।
** ১ম খণ্ড, ৮ম প্রবন্ধ: অফ পার্টিজ ইন জেনারেল (পৃষ্ঠা ৫৪, লিবার্টি ফান্ড)।
* জনপ্রিয়তা আর দেশপ্রেমের চূড়ান্ত শিখর আজও ক্ষমতা আর স্বৈরাচারের দিকে যাওয়ার চেনা রাস্তা। তোষামোদ যেমন বিশ্বাসঘাতকতার পথ দেখায়, স্থায়ী সেনাবাহিনী যেমন স্বৈরাচারী শাসনের পথ প্রশস্ত করে, ঠিক তেমনি ঈশ্বরের মহিমা প্রচার অনেক সময় যাজকশ্রেণীর বৈষয়িক স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হয়ে দাঁড়ায়।
** ১ম খণ্ড, ৮ম প্রবন্ধ: অফ পাবলিক ক্রেডিট (পৃষ্ঠা ৩৬১, লিবার্টি ফান্ড)।
* সকল যুগে এবং পৃথিবীর সব প্রান্তেই যাজকশ্রেণী স্বাধীনতার ঘোর শত্রু ছিল এবং এটি নিশ্চিত যে, তাদের এই অবিচল আচরণ মূলত তাদের বৈষয়িক স্বার্থ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষার ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে। চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা যাজকীয় ক্ষমতা এবং সেই সব 'পবিত্র প্রতারণার' জন্য সব সময় কাল হয়ে দাঁড়ায়, যার ওপর ভর করে তাদের কর্তৃত্ব টিকে থাকে।
** ১ম খণ্ড, ৯শ প্রবন্ধ: অফ দ্য পার্টিজ অফ গ্রেট ব্রিটেন (পৃষ্ঠা ৬৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* কর্মজীবী দরিদ্র শ্রেণীর মানুষের সুনির্দিষ্ট কোনো নীতি নেই। ভদ্রলোকদের সময় এবং অভিজ্ঞতার মাধ্যমে সঠিক নীতিতে থিতু করা সম্ভব। আর মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষের নীতি গঠনের মতো কৌতূহল ও জ্ঞান থাকলেও, তা সঠিক জীবনদর্শনের জন্য কিংবা নিজেদের সংস্কারগুলো কাটিয়ে ওঠার জন্য যথেষ্ট নয়।
** ১ম খণ্ড, ৯শ প্রবন্ধ: অফ দ্য পার্টিজ অফ গ্রেট ব্রিটেন (১৭৪১ ও ১৭৪২ সংস্করণ)।
* শিল্পের মূল চালিকাশক্তিই হলো লোভ!—এমনই এক দুর্জয় নেশা যা বাস্তব বিপদ আর হাজারো প্রতিকূলতা মাড়িয়ে নিজের পথ করে নেয়!<br>তাই নিছক কাল্পনিক ভয়ের কাছে এর থমকে যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। সুতরাং, আমার মতে—স্বৈরাচারী শাসনে বাণিজ্য যে ধ্বংস হয়ে যায়, তা নিরাপত্তার অভাবে নয়। বরং সেখানে বণিকবৃত্তিকে মর্যাদাহীন মনে করা হয় বলে।
** ১ম খণ্ড, ১২শ প্রবন্ধ: অফ সিভিল লিবার্টি (পৃষ্ঠা ৯৩, লিবার্টি ফান্ড)।
[[File:David-hume-edinburgh.jpg|thumb|right|মানব-প্রাণীর অহংকারের জন্য এটি একটি বড় চপেটাঘাত এই যে, সে তার সর্বোচ্চ শৈলী আর চেষ্টা দিয়েও প্রকৃতির ক্ষুদ্রতম সৃষ্টির সৌন্দর্য কিংবা তার সমমূল্যও হতে পারবে না।]]
* মানুষের অহংকারের জন্য এর চেয়ে বড় অপমান আর কিছু হতে পারে না যে—তার সর্বোচ্চ শিল্প ও শ্রম দিয়েও সে প্রকৃতির ক্ষুদ্রতম সৃষ্টিগুলোর সৌন্দর্য বা মূল্যের সমান হতে পারে না। শিল্প কেবল একজন সহকারী কারিগরের মতো, যে মূল মাস্টারের (প্রকৃতি) কাজগুলোতে সামান্য কিছু অলঙ্করণ যোগ করে মাত্র।
** ১ম খণ্ড, ১৫শ প্রবন্ধ: দ্য এপিকিউরিয়ান (পৃষ্ঠা ১৩৯, লিবার্টি ফান্ড)।
* শিল্প বা কারিগরি দক্ষতা বড়জোর এক জোড়া পোশাক তৈরি করতে পারে। কিন্তু একজন প্রকৃত মানুষকে সৃষ্টি করা কেবল প্রকৃতির পক্ষেই সম্ভব।
** ১ম খণ্ড, ১৫শ প্রবন্ধ: দ্য এপিকিউরিয়ান (পৃষ্ঠা ১৪০, লিবার্টি ফান্ড)।
* প্রকৃতির দান যেখানে সীমিত, সেখানে ঘাটতি মেটাতে মানুষের সৃজনশীলতা ও শ্রমের প্রয়োজন পড়ে সবচেয়ে বেশি। অথচ প্রকৃতি যখন অকৃপণ ও মুক্তহস্ত হয়, তখন সে আমাদের কাছ থেকে আরও কঠোর পরিশ্রম আর নিবিষ্ট মনোযোগ দাবি করে। সবচেয়ে উর্বর মস্তিষ্কের মেধাও যদি নিয়মিত চর্চা করা না হয়, তবে তা উর্বর জমির মতোই আগাছায় ভরে যায় আর মানুষের আনন্দ ও ব্যবহারের উপযোগী দ্রাক্ষা বা জলপাইয়ের বদলে তা অলস মালিকের জন্য কেবল বিষাক্ত জঞ্জালের জন্ম দেয়।
** ১ম খণ্ড, ১৬শ প্রবন্ধ: দ্য স্টোইক (পৃষ্ঠা ১৪৬, লিবার্টি ফান্ড)।
* মানুষের যাবতীয় শ্রম ও নিরন্তর প্রচেষ্টার চূড়ান্ত সার্থকতা নিহিত রয়েছে সুখ অন্বেষণে। আর এই পরম সুখ লাভের উদ্দেশ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে সুকুমার শিল্প, প্রসার ঘটানো হয়েছে বিজ্ঞানের এবং প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কঠোর আইন ও সমাজব্যবস্থা।
** ১ম খণ্ড, ১৬শ প্রবন্ধ: দ্য স্টোইক (পৃষ্ঠা ১৪৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* আশাবাদ আর প্রফুল্ল থাকার সহজাত প্রবৃত্তিই হলো মানুষের প্রকৃত ঐশ্বর্য। আর ভয় ও বিষণ্ণতার কাছে আত্মসমর্পণ করাই হলো চরম দারিদ্র্য।
** ১ম খণ্ড, ১৮শ প্রবন্ধ: দ্য স্কেপটিক (পৃষ্ঠা ১৬৭, লিবার্টি ফান্ড)।
* যারা প্রথম '''চ্যারিটি'' ' (দানশীলতা) শব্দটি উদ্ভাবন করেছেন এবং একে একটি মহৎ গুণ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, তারা কোনো স্বঘোষিত আইনপ্রণেতা বা নবীর চেয়েও অনেক বেশিসার্থকভাবে মানুষের মনে অন্যের প্রতি দয়া ও সহমর্মিতার বীজ বুনে দিয়েছেন। তারা সরাসরি কোনো আদেশ ছাড়াই অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও কার্যকরী উপায়ে মানুষের মনে এই মহৎ শিক্ষাটি স্থায়ীভাবে গেঁথে দিতে সক্ষম হয়েছেন।
** ১ম অংশ, ২২তম প্রবন্ধ: রুচির মানদণ্ড প্রসঙ্গে
[[File:DavidHume.jpg|thumbnail|সৌন্দর্য বস্তুর নিজের কোনো গুণ নয়। এটি কেবল সেই মনের ভেতরেই থাকে যা বিষয়টিকে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রতিটি হৃদয় আলাদা আলাদা সৌন্দর্য অনুভব করে।]]
* মানুষের হৃদয়ের প্রতিটি পরম অনুভূতিই তার কাছে এক অম্লান সত্য!<br>কারণ অনুভূতির জন্ম ও অস্তিত্ব কেবল মানুষের একান্ত গভীরে, আর যখনই কেউ কিছু অনুভব করে—তা তার কাছে ধ্রুব বাস্তব হয়েই ধরা দেয়। কিন্তু আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক সিদ্ধান্তগুলো সবসময় সঠিক হয় না। কারণ সেগুলোর ভিত্তি থাকে বাইরের জগতের কঠিন বাস্তবতার ওপর, যা মানুষের হৃদয়ের সবটুকু অনুভব বা মানদণ্ডের সাথে সবসময় মেলে না।
** ১ম অংশ, ২৩তম প্রবন্ধ: রুচির মানদণ্ড প্রসঙ্গে
* সৌন্দর্য বস্তুর নিজস্ব কোনো গুণ নয়—এটি কেবল সেই মনের গহীনে বিরাজ করে যা বস্তুটিকে প্রত্যক্ষ করছে। আর প্রতিটি মনই তার নিজস্ব আয়নায় সৌন্দর্যকে ভিন্নভাবে খুঁজে পায়। একজন মানুষ যেখানে সৌন্দর্যের ছোঁয়া দেখেন, অন্যজন সেখানে কদর্যতা খুঁজে পেতে পারেন। তাই অন্যের বোধকে শাসন করার চেষ্টা না করে প্রতিটি মানুষের উচিত নিজের অনুভূতিতেই সন্তুষ্ট থাকা।
** ১ম অংশ, ২৩তম প্রবন্ধ: রুচির মানদণ্ড প্রসঙ্গে
* এই দুনিয়ার প্রতিটি বস্তুই আদতে শ্রম দিয়েই ক্রয় করা হয়।
** ২য় অংশ, ১ম প্রবন্ধ: বাণিজ্য প্রসঙ্গে
* এক কথায়, মানবজীবন যুক্তির চেয়ে ভাগ্যের দ্বারাই বেশি শাসিত হয়। একে কোনো সিরিয়াস পেশার চেয়ে বরং একটি নিরন্তর ও একঘেয়ে বিনোদন হিসেবে দেখাই শ্রেয়। এটি জগতের ধরাবাঁধা নিয়মের চেয়ে মানুষের ক্ষণস্থায়ী মেজাজ বা সহজাত স্বভাবের দ্বারা বেশি প্রভাবিত হয়। আমরা কি তবে আবেগ আর দুশ্চিন্তা নিয়ে এতে লিপ্ত হয়ে যাব? এটি এত চিন্তার যোগ্য নয়। কিন্তু আমরা কি যা ঘটে তা নিয়ে সম্পূর্ণ উদাসীন থাকব? আমাদের এই নির্লিপ্ততা আর অসতর্কতার কারণে আমরা জীবনের খেলার সমস্ত আনন্দই হারিয়ে ফেলব। আমরা যখন জীবন নিয়ে অন্তহীন যুক্তি করছি, তখনই জীবন ফুরিয়ে যাচ্ছে; আর মৃত্যু হয়তো মূর্খ এবং দার্শনিককে আলাদাভাবে গ্রহণ করে, কিন্তু দুজনের সাথেই আচরণ করে একই রকম।
** ১ম অংশ, ১৮তম প্রবন্ধ: সংশয়ী
=== ''দ্য হিস্ট্রি অফ ইংল্যান্ড'' (১৭৫৪-৬২) ===
[[File:Loutherbourg-La Maison de Lancastre.jpg|thumb|যেখানে উচ্চাকাঙ্ক্ষা এতটাই সৌভাগ্যবান হয় যে সে নিজের উদ্দেশ্যগুলোকে—এমনকি নিজের কাছেও—আদর্শের আবরণে ঢেকে রাখতে পারে, তখন সেটি হয়ে ওঠে মানুষের সমস্ত আবেগের মধ্যে সবচেয়ে নিরাময় অযোগ্য এবং অনমনীয়।]]
* সেই শাসনামলে এক অমোঘ বিধান কার্যকর ছিল যে, এই দ্বীপের কোনো ভূমিপুত্রকেই রাজকীয় বা ধর্মীয় কোনো উচ্চাসনে বসতে দেওয়া হবে না। তাই স্টিগ্যান্ডের পতনের পর, রাজা ল্যানফ্রাঙ্ক নামক এক প্রাজ্ঞ মিলানিজ সন্ন্যাসীকে সেই শূন্য পদে অভিষিক্ত করেন, যা ছিল স্থানীয়দের জন্য এক অলঙ্ঘনীয় দুর্গের মতো!<br>এই ধর্মযাজক নিজের পদের শ্রেষ্ঠত্ব রক্ষায় ছিলেন বজ্রকঠিন। দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে তিনি পোপের দরবার থেকে ইয়র্কের ধর্মযাজক থমাসকে নিজের বশ্যতা স্বীকারে বাধ্য করেন। উচ্চাকাঙ্ক্ষা যখন এতই সৌভাগ্যবান হয় যে সে নিজের স্বার্থকে—এমনকি নিজের কাছেও—আদর্শের এক পবিত্র আবরণে ঢেকে রাখতে পারে, তখন সেটি হয়ে ওঠে মানুষের আদিমতম আবেগের মধ্যে সবচেয়ে অনমনীয় ও নিরাময় অযোগ্য এক নেশা। ল্যানফ্রাঙ্ক পোপের স্বার্থ রক্ষায় যে অবিরাম উদ্যম দেখিয়েছিলেন, তা আসলে ছিল নিজের একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারের এক নিপুণ কৌশল। তার সেই কৌশলী আনুগত্যের ফলে ইংল্যান্ডের মাটিতে রোমের প্রভাব ফরাসি বা ইতালীয় আভিজাত্যের সমপর্যায়ে উন্নীত হয়। পরবর্তীতে এই ধর্মীয় আধিপত্য আরও বহুদূর বিস্তৃত হয়েছিল; কারণ যে ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতা একসময় রোমের পথে বাধা ছিল, সেই নির্জনতাই পরে সহায়ক হয়ে ওঠে। জ্ঞানের মশাল আর উদার শিক্ষার অভাব এই দ্বীপের আকাশকে এমন এক অন্ধকারে আচ্ছন্ন রেখেছিল, যেখানে এই আধিপত্যকে রুখে দেওয়ার মতো কোনো সাহসী কণ্ঠস্বর অবশিষ্ট ছিল না।
** ১ম খণ্ড, ৪র্থ অংশ : উইলিয়াম দ্য কনকারার
* অলিভার ক্রমওয়েলের চরিত্রটি আমাদের কাছে যতটা না বিস্ময়কর মনে হয় তার চরম মূর্খতা আর তীক্ষ্ণ মেধার এক অদ্ভুত সংমিশ্রণের কারণে, তার চেয়েও বেশি রহস্যময় ঠেকে তার সেই উগ্র উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও অন্ধ ধর্মান্ধতাকে ন্যায়বিচার ও মানবতার আদর্শের সাথে একীভূত করার অবিশ্বাস্য ক্ষমতার জন্য। তিনি একইসাথে ছিলেন এক ক্ষমতালোভী অধিনায়ক এবং ন্যায়ের কঠিন অনুসারী—এই দুই বিপরীতমুখী সত্তাকে তিনি যেভাবে নিজের আত্মায় ধারণ করেছিলেন, সেটিই তাকে ইতিহাসের এক অমীমাংসিত ধাঁধায় পরিণত করেছে।
** ৩য় খণ্ড, ৬১তম অধ্যায়; অলিভার ক্রমওয়েল প্রসঙ্গে
* তৎকালে বিশ্বের কোনো দেশেই এমন সরকার ছিল না—এমনকি ইতিহাসের ধূলিমাখা পাতাতেও তার নজির মেলা ভার—যা কোনো শাসক বা ম্যাজিস্ট্রেটের হাতে ন্যস্ত স্বৈরাচারী ক্ষমতার স্পর্শ ছাড়া টিকে থাকতে পেরেছে। তাই মানব সমাজ আদৌ কোনোদিন এমন পূর্ণতার স্তরে পৌঁছাতে পারবে কি না, যেখানে ব্যক্তিগত শাসন নয় বরং কেবল আইন ও ন্যায়বিচারের শাসন চলবে—তা নিয়ে সন্দেহ থাকাটাই ছিল যৌক্তিক।<br>কিন্তু তৎকালীন পার্লামেন্ট বিচক্ষণতার সাথেই ভেবেছিল যে, রাজার হাতে এমন কোনো অনিয়ন্ত্রিত ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়া যায় না যা তিনি সহজেই জনগণের স্বাধীনতা হরণ করতে ব্যবহার করতে পারেন। শেষ পর্যন্ত প্রমাণিত হয়েছে যে, অক্ষরে অক্ষরে আইন মেনে চলার পথে কিছু সাময়িক বাধা থাকলেও এর সুদূরপ্রসারী সুফল সেসব অসুবিধার চেয়ে অনেক গুণ বেশি। আর এই মহৎ নীতিটি প্রতিষ্ঠার জন্য ইংরেজ জাতির উচিত তাদের সেই পূর্বপুরুষদের প্রতি চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকা—যারা বারবার রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের বিনিময়ে আইনের এই শাসন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
** ৫ম খণ্ড, ৫৪তম অধ্যায়; স্টার চেম্বার বিলুপ্তি প্রসঙ্গে
=== ''ফোর ডিসার্টেশনস'' (১৭৫৭) ===
'''রুচির মানদণ্ড প্রসঙ্গে'''
* সৌন্দর্য আর কদর্যতার বিচারে মানুষের ব্যক্তিগত অনুভবে আকাশ-পাতাল পার্থক্য থাকে, এমনকি যখন তাদের বাহ্যিক রুচি বা আলোচনাগুলো একই মনে হয়। অথচ দর্শন আর বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে বিষয়টি ঠিক উল্টো। সেখানে মানুষ বিশেষ তথ্যের চেয়ে মূল নীতিগুলো নিয়েই বেশি দ্বন্দ্বে জড়ায় এবং বাস্তবে যতটা না মতভেদ থাকে, তর্কের খাতিরে বাইরে থেকে তার চেয়ে অনেক বেশি মনে হয়।
* রুচির একটি 'সার্বজনীন মানদণ্ড' খোঁজা আমাদের সহজাত প্রবৃত্ত। এমন একটি ধ্রুব নিয়ম, যা মানুষের বিচিত্র অনুভূতির মধ্যে সামঞ্জস্য আনবে অথবা অন্তত এমন এক অকাট্য রায় দেবে যা একটি রুচিকে স্বীকৃতি দেবে এবং অন্যটিকে প্রত্যাখ্যান করবে।
* শিল্পের যাবতীয় সাধারণ নিয়ম যদিও কেবল অভিজ্ঞতা এবং মানব প্রকৃতির সহজাত প্রবৃত্তি পর্যবেক্ষণের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত, তবুও ভাবা ভুল হবে যে—প্রতিটি বিশেষ ক্ষেত্রে মানুষের চঞ্চল অনুভূতিগুলো সর্বদা এই নিয়মগুলোর সাথে মিলে যা।
* রুচির সূক্ষ্মতার ক্ষেত্রে জন্মগতভাবে মানুষে মানুষে বিশাল ব্যবধান থাকলেও, কোনো বিশেষ শিল্পকলায় নিরন্তর অনুশীলন এবং সৌন্দর্যের নিবিড় পর্যবেক্ষণ ছাড়া এই প্রতিভাকে শাণিত ও উন্নত করার দ্বিতীয় কোনো পথ নেই।
* সাধারণ জীবনের তুচ্ছ ঘটনায় মানুষ যে কাণ্ডজ্ঞান ব্যবহার করে, ধর্মীয় আচারের ক্ষেত্রে তার ছিটেফোঁটাও দেখা যায় না। কারণ সুকৌশলে বিশ্বাস করানো হয়েছে যে—ধর্মীয় বিষয়গুলো মানবিক যুক্তির সীমানার সম্পূর্ণ ঊর্ধ্বে।
=== ''[[w:Dialogues Concerning Natural Religion|ডায়ালগস কনসার্নিং ন্যাচারাল রিলিজিয়ন]]'' (১৭৭৯) ===
:<small>১৭৫৭ থেকে ১৭৭৬ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে বিক্ষিপ্তভাবে লেখা এবং হিউমের মৃত্যুর পর মরণোত্তর প্রকাশিত।</small>
* দর্শনের এমন যেকোনো গূঢ় প্রশ্ন—যা এতটাই 'অস্পষ্ট' ও 'অনিশ্চিত' যে মানুষের যুক্তি সেখানে কোনো অকাট্য সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়—যদি সেই বিষয়ে আলোচনা করতেই হয়, তবে সংলাপ ও কথোপকথনের শৈলীই আমাদের জন্য সবচেয়ে স্বাভাবিক ও সার্থক পথ। এর ফলে তর্কের প্রতিটি দিক উন্মোচিত হয় এবং সত্যের কাছাকাছি পৌঁছানো সহজতর হয়।
** প্যামফিলাস থেকে হারমিপ্পাস, প্রস্তাবনা
* খ্রিস্টধর্মের সূচনালগ্নে যখন দর্শনের গূঢ় তত্ত্বের সাথে লোকজ আচারের এক কৃত্রিম মেলবন্ধন ঘটল, তখন থেকেই ধর্মীয় যাজক ও তাত্ত্বিকদের মধ্যে এক আগ্রাসী প্রবণতা প্রবল হয়ে ওঠে। তারা মানুষের শাশ্বত যুক্তিবাদ আর ইন্দ্রিয়লব্ধ বাস্তব জ্ঞানের বিরুদ্ধে একপ্রকার প্রকাশ্য যুদ্ধ ঘোষণা করেন। মূলত আধ্যাত্মিক একাধিপত্য রক্ষার তাগিদে তারা মানুষের ব্যক্তিগত প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞানকে তুচ্ছজ্ঞান করার এক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। মানুষের নিজস্ব অনুসন্ধান থেকে জন্ম নেওয়া প্রতিটি বৈজ্ঞানিক ও দার্শনিক সত্যকে তারা অত্যন্ত সুকৌশলে ধর্মের পরিপন্থী হিসেবে দাঁড় করিয়েছিলেন, যাতে সাধারণ মানুষের বিচারবুদ্ধি সবসময় তাদের শৃঙ্খলে বন্দী থাকে।
** ক্লিয়ানথেস থেকে ডেমিয়া, ১ম খণ্ড
* বিশ্বের দিকে তাকান, এর প্রতিটি অংশ পর্যবেক্ষণ করুন। আপনি দেখতে পাবেন এটি একটি বিশাল যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়, যা অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র যন্ত্রে বিভক্ত এবং সেগুলো আবার এমন স্তরে বিভক্ত যা মানুষের ইন্দ্রিয় এবং ক্ষমতা দিয়ে ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়। এই সমস্ত বিভিন্ন যন্ত্র এবং তাদের অতি ক্ষুদ্র অংশগুলো একে অপরের সাথে এমন সূক্ষ্মতায় সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা দেখে যে কেউ বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে পড়বে। সমস্ত প্রকৃতিজুড়ে উপায়ের সাথে উদ্দেশ্যের এই অদ্ভুত সমন্বয় মানুষের পরিকল্পনা, চিন্তা, প্রজ্ঞা এবং বুদ্ধিমত্তার সাথে হুবহু মিলে যায়, যদিও এটি মানুষের সৃষ্টির চেয়ে অনেক বেশি উন্নত।
** ফিলো থেকে ক্লিয়ানথেস, ২য় খণ্ড
* মস্তিষ্কের এই ক্ষুদ্র আলোড়ন যাকে আমরা 'চিন্তা' বলি, তার এমন কী বিশেষ বিশেষাধিকার আছে যে আমাদের একেই পুরো মহাবিশ্বের মডেল বানাতে হবে? নিজেদের প্রতি আমাদের পক্ষপাতিত্ব প্রতিটি ক্ষেত্রেই এটিকে সামনে নিয়ে আসে। কিন্তু সঠিক দর্শনের উচিত এই ধরণের প্রাকৃতিক বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকা।
** ফিলো থেকে ক্লিয়ানথেস, ২য় খণ্ড
* যদি আমাদের 'বিমূর্ত যুক্তি' কারণ ও ফলাফলের এই অন্তহীন প্রশ্নে নীরব না থাকে, তবে তার অমোঘ রায় হবে এই যে—একটি ভাবজগত বা ভাবনার মহাবিশ্বের অস্তিত্বের জন্যও ঠিক ততটাই জোরালো 'কারণ' প্রয়োজন, যতটা একটি বস্তুগত মহাবিশ্বের জন্য প্রয়োজন। যদি উভয় জগতের গঠনপ্রকৃতি একই হয়, তবে তাদের উৎসের কারণও অভিন্ন হওয়া বাঞ্ছনীয়। কারণ এই দুইয়ের মাঝে এমন কী পার্থক্য আছে যা ভিন্ন কোনো সিদ্ধান্তে আমাদের উপনীত করবে? বিমূর্ত দৃষ্টিতে তারা সম্পূর্ণ সমান্তরাল এবং বস্তুগত জগতের ব্যাখ্যায় যে দুর্ভেদ্য সমস্যা বিদ্যমান, ভাবজগতের ক্ষেত্রেও তা সমানভাবে সত্য।
** ফিলো থেকে ক্লিয়ানথেস, ৪র্থ খণ্ড
* যদি এই বস্তুগত মহাবিশ্বকে একটি অনুরূপ ভাবজগতের ছাঁচে ব্যাখ্যা করতে হয়, তবে সেই ভাবজগতকেও অন্য কোনো আধারের ওপর দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। আর এভাবেই এক অন্তহীন ও নিরর্থক অনুধাবন চলতেই থাকবে যার কোনো পরিসমাপ্তি নেই। তাই অকারণে জাগতিক সীমানার বাইরে না তাকিয়ে, এই বিশ্বপ্রকৃতিকেই নিজের ভেতরে শৃঙ্খলার নীতি ধারণকারী এক 'দিব্য সত্তা' হিসেবে কল্পনা করা শ্রেয়। আপনি যখনই এই দৃশ্যমান জগতের বাইরে এক কদম পা দেবেন, তখনই আপনি এমন এক অতৃপ্ত কৌতূহলকে জাগিয়ে তুলবেন যাকে শান্ত করা মানুষের যুক্তির পক্ষে কখনও সম্ভব নয়।
** ফিলো থেকে ক্লিয়ানথেস, ৪র্থ খণ্ড
* কিন্তু এই জগত যদি কোনো নিখুঁত সৃষ্টিও হয়ে থাকে, তবুও কি এর সমস্ত শ্রেষ্ঠত্ব সরাসরি সেই মহান কারিগরের ওপরই আরোপ করা যায়? যদি আমরা একটি বিশাল জাহাজের দিকে তাকাই, তবে তার কারিগরের মেধা সম্পর্কে আমাদের ধারণা কতই না উচ্চ হবে!<br>কিন্তু আমরা কতই না বিস্মিত হব যখন দেখব যে সেই কারিগর আসলে একজন সাধারণ মেকানিক, যে কেবল পূর্বসূরিদের অনুকরণ করেছে এবং এমন এক শিল্পকে নকল করেছে যা দীর্ঘ কাল ধরে অসংখ্য পরীক্ষা, ভুল, সংশোধন আর তর্কের মাধ্যমে ধীরে ধীরে উৎকর্ষ লাভ করেছে? বর্তমান এই বিশ্ব-ব্যবস্থাটি স্থিতিশীল হওয়ার আগে অনন্তকাল ধরে হয়তো অনেক জগত আনাড়িপনা আর অদক্ষতার সাথে তৈরি করা হয়েছিল, অনেক শ্রম বৃথা গিয়েছিল। অনেক ব্যর্থ চেষ্টা করা হয়েছিল এবং মহাবিশ্ব নির্মাণের শিল্পে অসীমকাল ধরে এক ধীর কিন্তু নিরন্তর বিবর্তন চলেছিল। এমন গূঢ় বিষয়ে কে নির্ধারণ করতে পারে সত্যের সীমানা। এমনকি অসংখ্য অনুমানের ভিড়ে কেই-বা আন্দাজ করতে পারে যে প্রকৃত সম্ভাবনা কোথায় লুকিয়ে আছে?
** ফিলো থেকে ক্লিয়ানথেস, ৫ম খণ্ড
* এক কথায়, ক্লিয়ানথেস, আপনার এই পথ অনুসরণকারী ব্যক্তি বড়জোর এটুকু দাবি করতে পারে যে—এই মহাবিশ্ব কোনো এক কালে কোনো পরিকল্পনা বা নকশা থেকে জন্ম নিয়েছিল। কিন্তু এর বাইরে সে একটি বিন্দুও নিশ্চিত করতে পারবে না এবং শেষ পর্যন্ত তাকে তার গোটা ধর্মতত্ত্বই কল্পনা আর অনুমানের বালির ওপর দাঁড়িয়ে নির্মাণ করতে হবে।<br>সে যতটুকু জানে, তাতে এই বিশ্ব কোনো এক উন্নত মানদণ্ডের তুলনায় অত্যন্ত ত্রুটিপূর্ণ আর অপূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। এটি হয়তো কোনো এক শিশু দেবতার প্রথম আনাড়ি প্রচেষ্টা ছিল, যে তার এই পঙ্গু সৃষ্টি দেখে লজ্জিত হয়ে পরে একে পরিত্যাগ করেছে। এটি হয়তো কোনো এক নিম্নমানের দেবতার কাজ এবং তার ঊর্ধ্বতনদের কাছে এটি স্রেফ এক উপহাসের বস্তু মাত্র। হয়তো কোনো এক অতিবৃদ্ধ দেবতার জরাগ্রস্ত বয়সের অন্তিম সৃষ্টি এবং তার মৃত্যুর পর থেকেই এটি সেই প্রথম দিককার ধাক্কা আর যান্ত্রিক শক্তির ওপর ভর করে লক্ষ্যহীনভাবে চলছে। ডেমিয়া, আপনি এই অদ্ভুত অনুমানে আতঙ্কিত হচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু এগুলো তো ক্লিয়ানথেসেরই দর্শনের অনিবার্য পরিণতি, আমার নয়। যখনই দেবতার গুণাবলীকে মানুষের মতো সীমাবদ্ধ ধরে নেওয়া হয়, তখনই এই বিচিত্র সব ভাবনার জন্ম হয়। আর আমার বিচারে, এমন এক উদ্দাম ও অস্থির ধর্মতত্ত্ব কোনো ধর্মতত্ত্ব না থাকার চেয়ে কোনো অংশে ভালো নয়।
** ফিলো থেকে ডেমিয়া, ৫ম খণ্ড
* ফিলো উত্তর দিলেন, এই প্রশ্নের উত্তর পেতে আপনাকে শুধু চারদিকে তাকাতে হবে। একটি গাছ তার থেকে জন্মানো অন্য গাছের মধ্যে শৃঙ্খলা ও সংগঠন বজায় রাখে কোনো সচেতন পরিকল্পনা ছাড়াই। একটি প্রাণী একইভাবে তার সন্তানের মধ্যে। একটি পাখি তার বাসার মধ্যে এবং বিশ্বে এমন ধরণের শৃঙ্খলার উদাহরণ যুক্তি বা পরিকল্পনা থেকে আসা শৃঙ্খলার চেয়ে অনেক বেশি দেখা যায়।<br>প্রাণীদের এবং উদ্ভিদের এই সমস্ত শৃঙ্খলা শেষ পর্যন্ত কোনো নকশা বা পরিকল্পনা থেকেই আসে—একথা বলা মানেই মূল প্রশ্নকে এড়িয়ে যাওয়া। আর এই বিষয়টি তখনই নিশ্চিত হওয়া যাবে যদি অভিজ্ঞতাপূর্বভাবে প্রমাণ করা যায় যে—শৃঙ্খলা তার প্রকৃতির কারণেই চিন্তার সাথে অবিচ্ছেদ্যভাবে যুক্ত, এবং এটি কখনই নিজের থেকে বা কোনো অজ্ঞাত আদি নীতি থেকে বস্তুর অন্তর্ভুক্ত হতে পারে না।
** ফিলো থেকে ডেমিয়া, ৭ম খণ্ড
* বস্তুর এমন একটি শৃঙ্খল বা ধারায় প্রতিটি অংশ তার আগেরটি দ্বারা ঘটে এবং তার পরেরটির কারণ হয়। তবে সমস্যা কোথায়? আপনি বলছেন, পুরো ব্যবস্থার একটি কারণ চাই। আমি উত্তরে বলব যে, এই অংশগুলোকে একটি পূর্ণতায় একত্রিত করা তা কেবল মনের একটি স্বেচ্ছাচারী কাজ মাত্র, এবং বস্তুর প্রকৃতির ওপর এর কোনো প্রভাব নেই। আমি যদি আপনাকে কুড়িটি বস্তুকণার একটি সংগ্রহের প্রতিটি কণার আলাদা আলাদা কারণ দেখিয়ে দিই, তবে আপনি যদি পরে আমাকে জিজ্ঞাসা করেন যে পুরো কুড়িটির কারণ কী—তবে তা অত্যন্ত অযৌক্তিক হবে। প্রতিটি অংশের কারণ ব্যাখ্যা করার মাধ্যমেই পুরোটির কারণ যথেষ্ট পরিমাণে ব্যাখ্যা করা হয়ে যায়।
** ক্লিয়ানথেস থেকে ডেমিয়া, ৯ম খণ্ড
* তিনি আরও যোগ করলেন, মানুষই বা কেন অন্য সমস্ত প্রাণীর ভাগ্য থেকে মুক্তি পাওয়ার দাবি করবে? বিশ্বাস করো ফিলো, পুরো পৃথিবী অভিশপ্ত আর দূষিত। সমস্ত জীবন্ত প্রাণীর মধ্যে এক অবিরাম যুদ্ধ চলছে। অনিবার্যতা, ক্ষুধা আর অভাব শক্তিশালী ও সাহসীদের উত্তেজিত করে। ভয়, উদ্বেগ আর আতঙ্ক দুর্বল ও অসুস্থদের অস্থির করে তোলে। জীবনের প্রথম প্রবেশই নবজাতক শিশু এবং তার দুর্ভাগা পিতামাতাকে যন্ত্রণায় বিদ্ধ করে। দুর্বলতা, অক্ষমতা আর দুর্দশা সেই জীবনের প্রতিটি স্তরে সঙ্গী হয় এবং শেষ পর্যন্ত যন্ত্রণা আর ভয়াবহতার মধ্য দিয়েই এর সমাপ্তি ঘটে।
** ডেমিয়া থেকে ফিলো, ১০ম খণ্ড
* যদি কোনো আগন্তুক হঠাৎ এই পৃথিবীতে এসে পড়ে, তবে আমি তাকে এই জগতের মন্দের নমুনা হিসেবে দেখাব—ব্যাধিতে জীর্ণ কোনো হাসপাতাল, অপরাধী আর ঋণগ্রস্তদের ভিড়ে দমবন্ধ কোনো কারাগার, লাশে ঢাকা রণক্ষেত্র, সাগরে ডুবতে থাকা নৌবহর কিংবা অত্যাচার আর মহামারীতে জর্জরিত কোনো জনপদ। জীবনের আনন্দময় দিকটি চেনানোর জন্য আমি তাকে কোথায় নিয়ে যাব? কোনো নাচের আসরে, অপেরায় নাকি রাজদরবারে? সে হয়তো গভীর বিস্ময়ে ভাববে যে, আমি তাকে আনন্দের ছলে আসলে দুঃখ আর যন্ত্রণারই বিচিত্র সব রূপ দেখাচ্ছি।
** ডেমিয়া থেকে ফিলো, ১০ম খণ্ড
* ফিলো বললেন, ক্লিয়ানথেস, এই সমস্ত চিন্তার পরেও কি এটা সম্ভব যে—আপনি আপনার সেই মানবকেন্দ্রিক ধারণায় অটল থাকবেন এবং দাবি করবেন যে ঈশ্বরের নৈতিক গুণাবলী যেমন তার ন্যায়বিচার, পরোপকারিতা আর ক্ষমা মানুষের গুণের মতোই? আমরা স্বীকার করি তার শক্তি অসীম, তিনি যা ইচ্ছা করেন জগতে ঠিক তাই ঘটে। কিন্তু লক্ষ্য করুন, মানুষ বা অন্য কোনো প্রাণীই এই জগতে প্রকৃত সুখী নয়। অতএব এটি স্পষ্ট যে তিনি তাদের সুখ ইচ্ছা করেন না। তার প্রজ্ঞা অসীম হতে পারে, কিন্তু সেই প্রজ্ঞার উদ্দেশ্য মানুষের ক্ষুদ্র বিচারবুদ্ধি দিয়ে মাপা অসম্ভব। কোনো উদ্দেশ্য হাসিলে সঠিক উপায় বেছে নিতে তিনি কখনোই ভুল করেন না। কিন্তু প্রকৃতির গতিধারা মানুষ বা প্রাণীর সুখের দিকে ধাবিত হয় না। অতএব প্রকৃতি সেই উদ্দেশ্যে তৈরি হয়নি। মানুষের সমস্ত জ্ঞানের গণ্ডিতে এর চেয়ে নিশ্চিত আর অভ্রান্ত সিদ্ধান্ত আর হতে পারে না। তবে কোন দিক থেকে তার পরোপকার আর ক্ষমা মানুষের গুণের সাথে মেলে? এপিকিউরাসের সেই পুরনো প্রশ্নগুলোর উত্তর আজও মেলেনি। তিনি কি মন্দকে প্রতিরোধ করতে চান, কিন্তু পারছেন না? তবে তিনি অক্ষম। তিনি কি সমর্থ, কিন্তু করতে চান না? তবে তিনি বিদ্বেষপরায়ণ। তিনি কি সমর্থ এবং ইচ্ছুক—উভয়ই? তবে মন্দের উৎস কোথায়?
** ফিলো থেকে ক্লিয়ানথেস, ১০ম খণ্ড
* কত বিশাল প্রাণের সমারোহ, কত সুসংগঠিত, সচেতন আর সক্রিয় সব সত্তা! আপনি হয়তো এই বিস্ময়কর বৈচিত্র্য আর প্রাচুর্যের প্রশংসা করবেন। কিন্তু এই জীবন্ত অস্তিত্বগুলোকে—যারা আসলে মনোযোগ পাওয়ার যোগ্য একমাত্র সত্তা—একটু কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করুন। তারা একে অপরের প্রতি কতটা বৈরী আর ধ্বংসাত্মক! তারা প্রত্যেকেই নিজের সুখের জন্য কতটা অপ্রতুল! একজন দর্শকের কাছে তারা কতটা তুচ্ছ আর ঘৃণ্য! পুরো বিষয়টি একটি 'অন্ধ প্রকৃতি'র ধারণা ছাড়া আর কিছুই তুলে ধরে না, যা এক মহান প্রাণদায়ী শক্তির প্রভাবে গর্ভবতী হয়ে নিজের কোল থেকে কোনো বিচারবুদ্ধি বা মাতৃত্বসুলভ যত্ন ছাড়াই তার পঙ্গু আর অপরিণত সন্তানদের উগরে দিচ্ছে!
** ফিলো থেকে ক্লিয়ানথেস, ১১তম খণ্ড
* যদি পুরো প্রাকৃতিক ধর্মতত্ত্ব—যেমনটা কিছু লোক দাবি করতে চায়—একটি সহজ অথচ কিছুটা অস্পষ্ট এবং অন্তত অনির্ধারিত প্রস্তাবে এসে শেষ হয় যে, 'মহাবিশ্বের শৃঙ্খলার কারণ বা কারণগুলোর সাথে মানুষের বুদ্ধিবৃত্তির হয়তো কোনো দূরবর্তী সাদৃশ্য রয়েছে'। যদি এই প্রস্তাবটি কোনো বিস্তার, পরিবর্তন বা আরও বিশেষ ব্যাখ্যার যোগ্য না হয়, যদি এটি এমন কোনো সিদ্ধান্ত দিতে না পারে যা মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করে অথবা কোনো কাজ বা সংযমের উৎস হতে পারে এবং যদি এই সাদৃশ্যটি—যতটা অসম্পূর্ণই হোক না কেন—মানুষের বুদ্ধিবৃত্তির বাইরে মনের অন্য কোনো গুণের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা সম্ভব না হয়। যদি সত্যিই বিষয়টি এমন হয়, তবে একজন অতি উৎসুক, চিন্তাশীল এবং ধর্মপ্রাণ মানুষ এই প্রস্তাবে কেবল একটি সাধারণ দার্শনিক সম্মতি দেওয়া ছাড়া আর কী-ই বা করতে পারে? এবং সে কেবল এটুকুই বিশ্বাস করতে পারে যে, যে যুক্তির ওপর এটি প্রতিষ্ঠিত তা এর বিরুদ্ধে থাকা আপত্তিগুলোর চেয়ে কিছুটা বেশি শক্তিশালী।
** ফিলো থেকে ক্লিয়ানথেস, ১২তম খণ্ড
== ভুলভাবে আরোপিত ==
* "''Character is the result of a system of stereotyped principles''" অর্থাৎ 'চরিত্র হলো বদ্ধমূল কিছু নীতির সমষ্টি'।
** হিউম কখনো ''Stereotype'' শব্দটি ব্যবহার করেননি। কারণ ১৭৯৮ সালের আগে এই শব্দের উদ্ভাবনই হয়নি!
* "তর্কের মাধ্যমেই সত্যের জন্ম হয়।"
* "যুক্তির ভূমিকা আমাদের জ্ঞানী করা নয়, বরং আমাদের অজ্ঞতাকে প্রকাশ করা।"
** এগুলো হিউমের নামে প্রচলিত হলেও তাঁর কোনো লেখায় এর ভিত্তি পাওয়া যায়নি।
* "যিনি আবেগ দিয়ে চালিত হন তিনি দাস, আর যিনি যুক্তি দিয়ে চলেন তিনি স্বাধীন।"
** এটি আসলে স্পিনোজার উক্তি, যা প্রায়ই হিউমের নামে চালানো হয়। ''এথিক্স (চতুর্থ অংশ)''।
== ডেভিড হিউম সম্পর্কে বিশিষ্টজনদের উক্তি ==
* হিউম নৈতিকতা আর ন্যায়বিচারের মাপকাঠিকে দেখেছেন মানুষের নিপুণ হাতে গড়া এক ‘আর্টিফ্যাক্ট’ বা কৃত্রিম সৃষ্টি হিসেবে। তাঁর মতে, এগুলো আকাশ থেকে পড়া কোনো ঈশ্বরপ্রদত্ত আদেশ নয়, কিংবা নিছক যুক্তির মারপ্যাঁচে তৈরি কোনো তত্ত্বও নয়; বরং এগুলো হলো মানুষের যাপিত জীবনের অভিজ্ঞতার নির্যাস। নীতিশাস্ত্রের আঙিনায় হিউমকে বলা যেতে পারে ডারউইনের এক অগ্রজ পথিকৃৎ। তিনি মূলত প্রথাগুলোর ভেতরে ‘যোগ্যতমের টিকে থাকার’( সুরটিই খুঁজে পেয়েছিলেন—যেখানে কোনো প্রথা কতটুকু টিকে থাকবে, তা নির্ধারিত হতো সমাজের জন্য তার প্রয়োজনীয়তা বা উপযোগিতা দিয়ে।
* '''''[[:w:অ্যানেট বেয়ার|অ্যানেট বেয়ার]]''''', "''প্রাণীজগতে আমাদের স্থান অনুধাবন''", হারলান বি. মিলার এবং উইলিয়াম এইচ. উইলিয়ামস সম্পাদিত ''নীতিশাস্ত্র এবং প্রাণীজগত'' (ক্লিফটন, নিউ জার্সি: হিউম্যানা প্রেস, ১৯৮৩; {{আইএসবিএন|978-0-89603-053-4}}), পৃষ্ঠা ৬৮।
* আপনি যদি ডেভিড হিউমের সেই গভীর দর্শনের মুখোমুখি হন, যিনি আমাদের বিশ্বাসের সূক্ষ্মতম তন্তুগুলো ব্যবচ্ছেদ করেছেন, তবে দেখবেন—কাল সকালে সূর্য উঠবেই, এমন কোনো ধ্রুব বা অকাট্য নিশ্চয়তা আদতে নেই। এটি নিছক আমাদের দীর্ঘদিনের এক অভ্যাস; আমরা কেবল বিশ্বাস করতে ভালোবাসি যে জগতের সবকিছুই বুঝি তার চেনা ছন্দে আবর্তিত হবে। হিউমের এই পর্যবেক্ষণ যেমন অমোঘ সত্যবাহী, তেমনই নিখুঁত!
** '''''[[:w:জন এস বেল|জন এস বেল]]''''', ''দ্য ঘোস্ট ইন দ্য অ্যাটম'' (১৯৮৬)।
* বার্কলে, হিউম, কান্ট, হেগেল—তাঁরা সবাই একটি মহৎ প্রচেষ্টায় ঐক্যবদ্ধ ছিলেন। আর তা হলো এই বিশাল মহাবিশ্বে মানুষকে তার শ্রেষ্ঠত্ব ফিরিয়ে দেওয়া এবং তার আধ্যাত্মিক সত্তাকে এক মর্যাদাপূর্ণ আসনে বসানো।
** '''''[[:w:এডুইন আর্থার বার্ট|এডুইন আর্থার বার্ট]]''''', ''দ্য মেটাফিজিক্যাল ফাউন্ডেশনস অফ মডার্ন ফিজিক্যাল সায়েন্স'' (১৯২৫)।
* বার্কের কাছে ‘প্রেসক্রিপশন’ বা প্রথাগত অধিকার হলো সেই অটল পাহাড়, যার সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর আমাদের সমস্ত জাগতিক অধিকার দাঁড়িয়ে থাকে। হিউম এই একই তত্ত্বকে ব্যাখ্যা করেছিলেন তাঁর নিজস্ব ঢঙে। তিনি লিখেছিলেন—‘সময় এবং প্রথাই হলো সেই জাদুকরী শক্তি, যা যে কোনো সরকার বা রাজবংশকে বৈধতার চাদরে মুড়িয়ে দেয়। যে ক্ষমতার জন্ম হয়েছিল নিছক অন্যায় আর সহিংসতার গর্ভে, সময়ের পরিক্রমায় সেই ক্ষমতাই একসময় আইনসম্মত এবং অনিবার্য হয়ে ওঠে।’ বার্কও হিউমের সুরে সুর মিলিয়ে বিশ্বাস করতেন যে, সম্পত্তি কিংবা শাসনব্যবস্থা—রাষ্ট্রের যা কিছু শক্তিশালী ভিত্তি, তার মূলে রয়েছে এই প্রথাগত অধিকার।
** '''''[[:w:আলফ্রেড কোবান|আলফ্রেড কোবান]]''''', ''এডমন্ড বার্ক অ্যান্ড দ্য রিভল্ট এগেইনস্ট দ্য এইটিনথ সেঞ্চুরি'' (১৯২৯)।
* হিউম সম্ভবত আইনি এবং রাজনৈতিক দর্শনের একমাত্র পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা দিয়েছিলেন যা পরবর্তীকালে 'লিবারেলিজম' (উদারতাবাদ) হিসেবে পরিচিতি পায়। হিউমের জনপ্রিয় গ্রন্থ ''হিস্ট্রি''(দ্য হিস্ট্রি অফ ইংল্যান্ড) ১৮শ শতাব্দীতে ইউরোপজুড়ে 'উইগ লিবারেলিজম' ছড়িয়ে দিতে ঠিক তেমনই ভূমিকা রেখেছিল, যেমনটি ১৯শ শতাব্দীতে মেকলের ''হিস্ট্রি'' রেখেছিল।
** '''''[[:w:ফ্রিডরিখ হায়েক|ফ্রিডরিখ হায়েক]]''''', ''দ্য লিগ্যাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল ফিলোসফি অফ ডেভিড হিউম'' (১৯৬৩)।
* আধুনিক সমাজের এমন কিছু বৈশিষ্ট্য আমরা আজ মূল্যবান মনে করি, যেগুলো এমন সব পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল যা আগে থেকে কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৈরি করা হয়নি। হিউম দেখিয়েছেন যে, একটি সুশৃঙ্খল সমাজ কেবল তখনই গড়ে উঠতে পারে যখন মানুষ নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চলতে শেখে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো জনসাধারণের জন্য সুবিধাজনক হলেও—উদ্ভাবকরা ঠিক সেই উদ্দেশ্যে এগুলো তৈরি করেননি।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, ''দ্য লিগ্যাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল ফিলোসফি অফ ডেভিড হিউম'' (১৯৬৩)।
* মানুষের বুদ্ধিবৃত্তি আর অর্জিত জ্ঞানের যে এক বড়ো সীমাবদ্ধতা রয়েছে, সে বিষয়ে এই মহান সংশয়বাদীর ছিল এক অটল বিশ্বাস। তিনি হৃদয় দিয়ে অনুভব করেছিলেন যে—শান্তি, স্বাধীনতা বা ন্যায়বিচারের মতো মহত্তম রাজনৈতিক প্রাপ্তিগুলো আদতে আকাশ থেকে পড়া কোনো ঐশ্বরিক আশীর্বাদ নয়। বরং এগুলো হলো এক প্রকার ‘নেতিবাচক’ সুরক্ষা, অর্থাৎ আমাদের জানমাল আর অধিকারকে সম্ভাব্য বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করার এক মজবুত বর্ম মাত্র। হিউম কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত মহত্ত্ব বা সততার চেয়ে সেই সব সুদৃঢ় ‘প্রতিষ্ঠান’ বা শাসন কাঠামোর ওপর বেশি ভরসা করতেন, যা তাঁর ভাষায়—‘এমনকি একজন ঘোরতর অসৎ মানুষকেও বৃহত্তর জনকল্যাণে নিয়োজিত হতে বাধ্য করে’। এই ঘোর বাস্তববাদী দার্শনিকের মতে, একটি টেকসই রাষ্ট্র গড়ার মূলমন্ত্র হলো—‘রাজনীতির ময়দানে প্রতিটি মানুষকে একজন সম্ভাব্য প্রতারক হিসেবে ধরে নিতে হবে’। আর এভাবেই আইন ও কাঠামোর নিগড়ে তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা সম্ভব।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, ''দ্য লিগ্যাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল ফিলোসফি অফ ডেভিড হিউম'' (১৯৬৩)।
* হিউম তাঁর দার্শনিক কাজের মাধ্যমে লিবারেল আইনি তত্ত্বের ভিত্তি স্থাপন করার পাশাপাশি তাঁর ''হিস্ট্রি অফ ইংল্যান্ড'' (১৭৫৪-৬২)-এ ইংরেজ ইতিহাসকে 'আইনের শাসন' এর ক্রমবিকাশ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, ''লিবারেলিজম'' (১৯৭৩)।
* যুক্তিবাদ বা র্যাশনালিজমের সমালোচনায় হিউম অন্য যেকোনো লেখকের চেয়ে অনেক বেশি গভীরে যেতে পেরেছেন। আমি বারবার হিউমের লেখায় এমন সব ধারণার সন্ধান পেয়েছি যা আমি নিজে স্বাধীনভাবে চিন্তা করেছিলাম। বিশেষ করে সব ধরণের সামাজিক প্রতিষ্ঠানের গঠন সম্পর্কে হিউমের ব্যাখ্যা অনেক বেশি আমাকে প্রভাবিত করেছিল।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, ''ইকোনমিক্স, পলিটিক্স অ্যান্ড ফ্রিডম'' (১৯৭৫)।
* হিউম স্পষ্টভাবে স্বাধীনতা এবং এই নীতিগুলোর মধ্যে সম্পর্ক লক্ষ্য করেছিলেন। তিনি দেখেছিলেন যে, সবার সর্বোচ্চ স্বাধীনতার জন্য প্রত্যেকের স্বাধীনতার ওপর সমান সীমাবদ্ধতা প্রয়োজন।একে তিনি প্রকৃতির তিনটি 'মৌলিক আইন' বলেছেন:<br>'''১.''' অধিকারে স্থায়িত্ব,<br>'''২.''' সম্মতির মাধ্যমে হস্তান্তর এবং<br>'''৩.''' প্রতিশ্রুতি রক্ষা ।<br>হিউম সম্ভবত প্রথম ব্যক্তি যিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে, সাধারণ স্বাধীনতা কেবল তখনই সম্ভব হয় যখন মানুষের সহজাত প্রবৃত্তিগুলো 'ন্যায়বিচার' অনুযায়ী পরবর্তী কোনো বিচারবোধ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। তিনি সেই ভুলটি করেননি যা পরবর্তীতে অনেকেই করেছেন—ব্যক্তির বিচ্ছিন্ন স্বাধীনতা এবং মানুষের পারস্পরিক সহযোগিতার ফলে সৃষ্ট স্বাধীনতার মধ্যে পার্থক্য গুলিয়ে ফেলা।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, ''দ্য ফ্যাটাল কনসিট'' (১৯৮৮), ২য় অধ্যায়: ''দ্য অরিজিনস অফ লিবার্টি, প্রপার্টি অ্যান্ড জাস্টিস''।
* হিউম বিবর্তনবাদের এক মহাজাগতিক সত্যের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন!<br>তিনি গভীরভাবে উপলব্ধি করেছিলেন যে—‘কোনো প্রাণের অস্তিত্বই টিকে থাকা সম্ভব নয়, যদি না তার ভেতরে নিজেকে রক্ষা করার মতো প্রয়োজনীয় শক্তি বা সামর্থ্য থাকে। প্রকৃতি যতক্ষণ না একটি সুশৃঙ্খল ও টেকসই ব্যবস্থা খুঁজে পায়, ততক্ষণ সে নিরন্তর নতুন নতুন কৌশল বা জীবন-পদ্ধতির পরীক্ষা চালিয়ে যায়।’ তাঁর মতে, মানুষ নিজেকে অন্য সব প্রাণীর ভাগ্যের অতীত বা অলৌকিক কিছু ভেবে ভুল করতে পারে না। কারণ জগতের প্রতিটি প্রাণীর ভেতরেই সেই ‘নিরন্তর যুদ্ধ’ অবিরত চলতে থাকে। হিউম মূলত এটিই স্বীকার করেছিলেন যে, আমাদের চেনা প্রাকৃতিক আর মানুষের গড়া কৃত্রিম—এই দুইয়ের মাঝামাঝি একটি তৃতীয় জগৎ রয়েছে, যার ভেতরে এই উভয় জগতের বৈশিষ্ট্যই মিলেমিশে একাকার হয়ে আছে।
** '''''[[:w:ফ্রিডরিখ হায়েক|ফ্রিডরিখ হায়েক]]''''', ''দ্য ফ্যাটাল কনসিট'' (১৯৮৮), পরিশিষ্ট: 'ন্যাচারাল' ভার্সেস 'আর্টিফিশিয়াল'।
* হিউমের সংশয়বাদকে প্রাচীন ‘গ্রিক সংশয়বাদ’-এর সাথে গুলিয়ে ফেলাটা হবে এক বিরাট ভুল!<br>কারণ এই দুইয়ের পথ সম্পূর্ণ আলাদা। হিউম আমাদের ইন্দ্রিয়লব্ধ অভিজ্ঞতা, হৃদয়ের গভীর অনুভূতি আর অন্তর্দৃষ্টির সত্যতাকে অস্বীকার করেন না, বরং এগুলোকেই তিনি তাঁর দর্শনের শক্ত খুঁটি হিসেবে বেছে নেন। সেই মাটির ওপর দাঁড়িয়েই তিনি তথাকথিত ‘ধ্রুব সত্য’ বা ধরাবাঁধা নিয়মগুলোকে চ্যালেঞ্জ করেন—কারণ সেসব নিয়মের সপক্ষে আমাদের বাস্তব অভিজ্ঞতার কোনো প্রমাণ নেই। ঠিক উল্টো দিকে, প্রাচীন গ্রিক সংশয়বাদীরা ইন্দ্রিয়ের অনুভূতির ওপর সত্যের ভিত্তি স্থাপন করা তো দূরের কথা, তারা শুরুতেই মানুষের ইন্দ্রিয়গুলোর বিরুদ্ধেই যুদ্ধ ঘোষণা করত।
** '''''[[:w:জি. ডব্লিউ. এফ. হেগেল|জি. ডব্লিউ. এফ. হেগেল]]''''', ''এনসাইক্লোপিডিয়া অফ ফিলোসফি'' (১৮২৭), ডব্লিউ. কফম্যানের ''হেগেল'' (১৯৬৬) গ্রন্থে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ৬৯-৭০)।
* হিউমের ইতিহাসের সেই মোহনীয় বিষয়বস্তু আর চমৎকার বর্ণনাশৈলী বইটিকে প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য যেন এক অনিবার্য পাঠ্যপুস্তকে পরিণত করেছিল। আমার আজও মনে পড়ে, ঠিক কতটা উদ্দীপনা নিয়ে তরুণ বয়সে আমি ডুবে থাকতাম এই বইয়ের পাতায়। কিন্তু হায়! সেই বইয়ের প্রতিটি ছত্রে লুকিয়ে থাকা বিষাক্ত প্রভাব থেকে নিজের মনকে মুক্ত করতে আমাকে এরপর কত দীর্ঘ সময় ব্যয় করতে হয়েছে! কত গভীর গবেষণা আর চিন্তার লড়াই লড়তে হয়েছে—তা আজ কেবল এক দুঃসহ স্মৃতির মতোই মনে পড়ে। এটি দুর্ভাগ্যজনক যে তিনি প্রথমে [[:w:স্টুয়ার্ট রাজবংশ|স্টুয়ার্ট রাজবংশের]] ইতিহাস লিখেছিলেন এবং তাদের অত্যাচারের পক্ষে ওকালতি করেছিলেন। এটিই সেই বই যা ইংরেজ সরকারের মুক্ত নীতিগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং পাঠকদের বিশ্বাস করিয়েছে যে রাজতন্ত্রের অধিকারই আসল। এটি সারা দেশে 'টোরিজম' (একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক মতবাদ) ছড়িয়ে দিয়েছে।
** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''' থেকে উইলিয়াম ডুয়েন (১২ আগস্ট ১৮১০), টমাস জেফারসনের ''রাইটিংস'' (১৯৮৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ১২২৮-১২২৯)।
* আমার কাছে সব সময় মনে হয়েছে যে, ব্রিটেনের '[[:w:হুইগস (ব্রিটিশ রাজনৈতিক দল)|হুইগস]]' এবং 'টরি'দের (তখনকার প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল) মধ্যে পার্থক্য হলো—হুইগসরা তাদের অধিকারের উৎস খোঁজে অ্যাংলো-স্যাক্সন উৎস থেকে, আর টরিরা খোঁজে নরম্যান উৎস থেকে। হিউম ছিলেন সেই টরিবাদের মহান প্রচারক। তিনি দাবি করেছিলেন যে স্টুয়ার্টদের রাজত্বকালে জনগণই রাজাকে আক্রমণ করেছিল, রাজা জনগণকে নয়। তিনি আরও বলেছিলেন—'জনগণই সকল ন্যায়সঙ্গত ক্ষমতার উৎস'—এই মহান নীতিটি ইতিহাস এবং অভিজ্ঞতা দ্বারা সমর্থিত নয়। বিজ্ঞানের এই বিপথগামী সন্তান, তার সহমানুষদের সাথে বিশ্বাসঘতকতা করে যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মধ্যে ক্ষমতার উৎস খুঁজে না পান, তবে কি তিনি তা সংখ্যালঘুর মধ্যে খুঁজবেন?
** টমাস জেফারসন থেকে জন কার্টরাইট (৫ জুন ১৮২৪), টমাস জেফারসনের ''রাইটিংস'' (১৯৮৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ১৪৯১)।
* হিউম দৈবক্রমে একজন টরি (তৎকালীন সময়ের একটি রাজনৈতিক আদর্শ), কারণ তিনি স্কটিশ ছিলেন; কিন্তু তিনি কোনো আদর্শের কারণে টরি ছিলেন না, কারণ তাঁর কোনো আদর্শই ছিল না। যদি তিনি কিছু হয়ে থাকেন, তবে তিনি ছিলেন একজন 'হবিস্ট' (টমাস হবসের অনুসারী)।
** '''''[[:w:স্যামুয়েল জনসন|স্যামুয়েল জনসন]]''''', ''লেটারস অফ ডেভিড হিউম টু উইলিয়াম স্ট্রাহান'' (১৮৮৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত।
* আমি অকপটে স্বীকার করি যে, আজ থেকে বহু বছর আগে সেই ডেভিড হিউমের স্মৃতিই প্রথম আমার 'ডগম্যাটিক স্লাম্বার' (''মতান্ধতার ঘোর বা বিচার-বিশ্লেষণ ছাড়াই প্রচলিত বিশ্বাসকে অন্ধভাবে সত্য মনে করা'') ভাঙিয়ে দিয়েছিল। তাঁর সেই সংশয়বাদী চিন্তাই অনুমানমূলক দর্শনের জগতে আমার গবেষণাকে এক সম্পূর্ণ নতুন আর ভিন্ন পথের দিশা দেখিয়েছিল।
** '''''[[:w:ইমানুয়েল কান্ট|ইমানুয়েল কান্ট]]''''', ''প্রোলেগোমেনা টু এনি ফিউচার মেটাফিজিক্স'' (১৭৮৩), ভূমিকা।
* হিউম ধর্মকে এতটাই ঘৃণা করতেন যে তিনি স্বাধীনতাকেও ঘৃণা করতেন—কারণ স্বাধীনতা ধর্মের সাথে যুক্ত ছিল। তিনি একজন নিরপেক্ষ বিচারকের ভান করে একজন কুশলী উকিলের মতো স্বৈরাচারের পক্ষে ওকালতি করেছেন।
** '''''[[:w:টমাস বাবিংটন মেকলে|টমাস বাবিংটন মেকলে]]''''', 'মিলটন', ''দ্য এডিনবরা রিভিউ'' (আগস্ট ১৮২৫), ১৮৪৩ সালে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ৩১)।
* হিউমের দর্শন সত্য হোক অথবা মিথ্যা, তবে এটি ১৮শ শতাব্দীর যুক্তিবাদ বা কাণ্ডজ্ঞানের দেউলিয়া দশা প্রকাশ করে। তিনি জন লকের মতো অভিজ্ঞতা নিয়ে শুরু করেছিলেন, কিন্তু প্রখর বুদ্ধিমত্তার কারণে তিনি এই ধ্বংসাত্মক সিদ্ধান্তে পৌঁছান যে—অভিজ্ঞতা থেকে শেখার মতো আসলে কিছুই নেই। কোনো কাজই অন্য কাজের চেয়ে বেশি যৌক্তিক হতে পারে না, কারণ সবই অযৌক্তিক বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে চলে। [[:w:রুশো|রুশো]] ছিলেন উন্মাদ কিন্তু প্রভাবশালী। হিউম ছিলেন সুস্থ মস্তিস্কের মানুষ কিন্তু তাঁর কোনো অনুসারী ছিল না।
** '''''[[:w:বার্ট্রান্ড রাসেল|বার্ট্রান্ড রাসেল]]''''', ''এ হিস্ট্রি অফ ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি'', ৩য় খণ্ড, ১৭শ অধ্যায়: হিউম।
* হিউমের সংশয়বাদের কোনো উত্তর আছে কি না তা খুঁজে বের করা জরুরি। যদি না থাকে, তবে একজন সুস্থ মানুষ আর একজন উন্মাদের মধ্যে কোনো বুদ্ধিবৃত্তিক পার্থক্য থাকে না। যে উন্মাদ নিজেকে একটি 'সেদ্ধ ডিম' মনে করে, তাকে কেবল এই যুক্তিতেই বাতিল করা হবে যে সে সংখ্যায় সংখ্যালঘু অথবা সরকার তার সাথে একমত নয়। এটি একটি ভয়াবহ এবং হতাশাজনক দৃষ্টিভঙ্গি।
** '''''[[:w:বার্ট্রান্ড রাসেল|বার্ট্রান্ড রাসেল]]''''', ''এ হিস্ট্রি অফ ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি'', ৩য় খণ্ড, ১৭শ অধ্যায়: হিউম।
* হিউমের ন্যায়ের ধারণা মূলত নৈতিক ও রাজনৈতিক গুণাবলির একটি বৃহত্তর ব্যাখ্যার অংশ। হিউম একজন 'দার্শনিক নৃবিজ্ঞানী' হিসেবে লিখেছেন, কোনো সংস্কারক হিসেবে নয়। তিনি বেনথাম বা মিলের মতো আমাদের নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে সংস্কার করতে চাননি, বরং কেবল তা ব্যাখ্যা করতে চেয়েছিলেন।
** '''''[[:w:অ্যালান রায়ান|অ্যালান রায়ান]]''''', ''জাস্টিস'' (১৯৯৩) গ্রন্থের ভূমিকা।
* হেগেল, হার্বার্ট এবং শ্লেয়ারমাচারের সমগ্র দার্শনিক কাজের চেয়ে ডেভিড হিউমের প্রতিটি পৃষ্ঠা থেকে অনেক বেশি কিছু শেখার আছে।
** '''''[[:w:আর্থার শোপেনহাওয়ার|আর্থার শোপেনহাওয়ার]]''''', ''দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাজ উইল অ্যান্ড আইডিয়া'' (২০১৬), পৃষ্ঠা ৭২১।
* সব মিলিয়ে, তাঁর জীবদ্দশায় এবং মৃত্যুর পর—আমি সব সময় তাঁকে একজন আদর্শ জ্ঞানী ও সচ্চরিত্র নিকটতম মানুষ হিসেবে বিবেচনা করেছি, মানুষের সীমাবদ্ধতা যতদূর পর্যন্ত অনুমতি দেয়।
** '''''[[:w:অ্যাডাম স্মিথ|অ্যাডাম স্মিথ]]''''' (হিউমের মৃত্যুর পর তাঁর বন্ধু অ্যাডাম স্মিথের করা বিখ্যাত মন্তব্য)।
* আজ আমেরিকার কোনো প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়ে কান্ট (যিনি ঈশ্বর, স্বাধীনতা ও অমরত্ব নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন) কিংবা হিউমের মতো কেউ গ্র্যাজুয়েট স্কুলে এক বছরও টিকতে পারতেন না! ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে নিয়োগ পাওয়া তো দূরের কথা।
** '''''[[:w:টম উলফ|টম উলফ]]''''', ''ইন দ্য ল্যান্ড অফ দ্য রোকোকো মার্কসিস্টস'', ''হার্পার্স'' (জুন ২০০০)।
== বহিঃসংযোগ ==
* [https://www.iep.utm.edu/hume/ ইন্টারনেট এনসাইক্লোপিডিয়া অফ ফিলোসফিতে হিউম]
* [http://cepa.newschool.edu/het/profiles/hume.htm হিউমের প্রোফাইল এবং গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্কসমূহ]
* [http://onlinebooks.library.upenn.edu/webbin/book/search?amode=start&author=Hume%2c%20David অনলাইনে হিউমের ই-টেক্সটসমূহ]
* [http://oll.libertyfund.org/Intros/Hume.php অনলাইন লাইব্রেরি অফ লিবার্টিতে হিউমের ডাউনলোডযোগ্য কাজসমূহ]
* [http://utilitarian.net/hume ডেভিড হিউম: বই, নিবন্ধ এবং বিশ্বকোষের এন্ট্রি সহ লিঙ্কের বিশাল সংগ্রহ]
* [http://www.webcitation.org/query?id=1256456620452337&url=www.geocities.com/Athens/3067/hume/h_index.html হিউম ট্রিব্যুট সাইট]
* [http://humesociety.org হিউম সোসাইটি: একটি আন্তর্জাতিক বুদ্ধিজীবী ও পণ্ডিত সমাজ]
{{clear}}
{{Social and political philosophers}}
{{DEFAULTSORT:হিউম, ডেভিড}}
[[Category:১৭১১-এ জন্ম]]
[[Category:১৭৭৬-এ মৃত্যু]]
[[Category:সমালোচক]]
[[Category:ধর্মের সমালোচক]]
[[Category:সামাজিক সমালোচক]]
[[Category:মানবতাবাদী]]
rqub2brddehdp45liie2g4sueaydldk
75483
75475
2026-04-11T00:19:49Z
Oindrojalik Watch
4169
সংশোধন
75483
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:David Hume Ramsay.jpg|thumb|right|250px|মানুষ যেখানে সবচেয়ে বেশি সুনিশ্চিত আর অহঙ্কারী, সাধারণত সেখানেই সে মস্ত বড় ভুলটি করে বসে। কারণ, সে তখন যুক্তির লাগাম ছেড়ে দিয়ে আবেগে পড়ে আর ভুলে যায় সেই গভীর চিন্তামগ্নতা ও দ্বিধাবোধ, যা তাকে অজ্ঞতা থেকে বাঁচাত।<br>~ ''অ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং দ্য প্রিন্সিপালস অব মোরালস'' (নৈতিকতার মূলনীতি নিয়ে একটি গবেষণা); অনুচ্ছেদ ৯.১৩: উপসংহার, ১ম খণ্ড (১৭৫১)]]
[[চিত্র:Painting of David Hume.jpg|থাম্ব|একজন প্রাজ্ঞ মানুষের আসল জগৎ হলো তাঁর নিজের মন। আর তিনি যদি কখনো বাইরের স্বীকৃতির প্রয়োজন বোধ করেন। তবে তিনি কেবল সেই সামান্য কয়েকজন নিরপেক্ষ ও যোগ্য মানুষের বিচারকেই গুরুত্ব দেবেন, যাঁরা সংকীর্ণতামুক্ত হয়ে তাঁর কাজকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে পারে।]]
[[w:ডেভিড হিউম|ডেভিড হিউম]] (৭ মে ১৭১১ – ২৫ আগস্ট ১৭৭৬) ছিলেন আঠারো শতকের একজন প্রখ্যাত স্কটিশ [[:w:দার্শনিক|দার্শনিক]], [[w:ইতিহাসবিদ|ইতিহাসবিদ]], [[w:অর্থনীতিবিদ|অর্থনীতিবিদ]] এবং প্রাবন্ধিক। [[:w:পাশ্চাত্য দর্শন|পাশ্চাত্য দর্শনের]] ইতিহাসে তাকে অন্যতম প্রভাবশালী অভিজ্ঞতাবাদী ও সংশয়বাদী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। হিউম মনে করতেন যে, মানুষের সমস্ত জ্ঞান ও ধারণার মূল ভিত্তি হলো তার বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ইন্দ্রিয় থেকে পাওয়া অনুভূতি। মূলত ''[[:w:কার্যকারণ|কার্যকারণ-তত্ত্ব]]'' এবং ''[[:w:নীতিশাস্ত্র|নৈতিক দর্শনের]]'' সূক্ষ্ম বিশ্লেষণের জন্যই তিনি বিশ্বজুড়ে আজও সমাদৃত।
== উক্তি ==
* এখান থেকেই বোঝা যায় সেই ধারণাটি কতটা ভ্রান্তিপূর্ণ, যেখানে মনে করা হয় কোনো রাষ্ট্রের উর্বর জমি, বিশাল জনসংখ্যা আর উন্নত কৃষি থাকা সত্ত্বেও সে কেবল টাকার অভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। সত্যি বলতে, এই অর্থের অভাব কোনো রাষ্ট্রকে ভেতর থেকে কখনোই ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে না। কারণ একটি জাতির আসল শক্তি হলো তার জনগণ ও সম্পদ। বরং মানুষের অতি সাধারণ আর মিতব্যয়ী জীবনযাপনই মাঝেমধ্যে জনস্বার্থের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। কারণ এটি সোনা-রূপাকে কেবল মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের হাতে আটকে রাখে এবং অর্থের স্বাভাবিক সঞ্চালনকে বন্ধ করে দেয়। এর বিপরীতে, শিল্পায়ন আর মানুষের আধুনিক রুচিবোধ সেই অর্থকে পুরো রাষ্ট্রের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে দেয়, তার পরিমাণ যত সামান্যই হোক না কেন। এটি তখন রাষ্ট্রের প্রতিটি ধমনীতে রক্ত সঞ্চালনের মতো মিশে যায় এবং প্রতিটি ব্যবসায়িক লেনদেনে নতুন প্রাণ সঞ্চার করে।
** 'অফ মানি' (১৭৫২); ইউজিন রোটউইন সম্পাদিত ''ডেভিড হিউম: রাইটিংস অন ইকোনমিকসে'' উদ্ধৃত (১৯৫৫, ১৯৭০), [https://archive.org/details/writingsoneconom0000hume/page/45/mode/1up পৃষ্ঠা ৪৫।]
* '''একজন প্রাজ্ঞ মানুষের আসল সাম্রাজ্য হলো তার নিজের অন্তরাত্মা। যদি কখনো তার বাইরের স্বীকৃতির প্রয়োজনও হয়, তবে তিনি কেবল সেই সামান্য কয়েকজন নিরপেক্ষ ও গুণী মানুষের বিচারকেই গুরুত্ব দেবেন যারা সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে তাঁর কাজকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করার ক্ষমতা রাখেন।''' প্রকৃতপক্ষে, সাধারণ মানুষের অতিরিক্ত প্রশংসা কোনো তথ্যের ভুল হওয়ার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হতে পারে। আপনি তো জানেনই, ফোকিয়ন যখনই জনসভার করতালি শুনতেন, তখনই শঙ্কিত হয়ে ভাবতেন- নিশ্চয়ই তিনি কোনো বড় ভুল করে ফেলেছেন!
** "দ্য থিওরি অফ মোরাল সেন্টিমেন্টসের" ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ার প্রেক্ষিতে অ্যাডাম স্মিথকে লেখা একটি পরিহাসপূর্ণ বিদ্রূপাত্মক চিঠি।
* একজন কাণ্ডজ্ঞানসম্পন্ন ও বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ কি কখনো ভূত-প্রেত কিংবা রূপকথার সেইসব আজগুবি গল্পের পেছনে হন্যে হয়ে ছোটে? অথবা তিনি কি খুব গুরুত্বের সাথে সেই সব আষাঢ়ে গল্পের সত্যতা যাচাই করতে বসেন? আমার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় আমি আজ অবধি এমন কাউকেই দেখিনি, যিনি আজেবাজে কিংবা পুরোপুরি অর্থহীন কোনো বিষয় নিয়ে দীর্ঘক্ষণ বিচার-বিশ্লেষণ করার পর, তদন্তের শেষ প্রান্তে এসে নিজেই সেই প্রলাপে বিশ্বাস স্থাপন করেননি। প্রকৃতপক্ষে, মানুষ যখন কোনো অযৌক্তিক বিষয় নিয়ে অতিরিক্ত ঘাঁটাঘাঁটি করে, তখন তার অবচেতন মন অজান্তেই সেই মিথ্যার জালে জড়িয়ে পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত সে নিজেকেই বিশ্বাস করাতে শুরু করে যে এই প্রলাপই হয়তো সত্য!
** ''লেটারস''।
* মহাবিশ্বের কাছে একজন মানুষের জীবনের গুরুত্ব একটি নগণ্য ঝিনুকের চেয়ে বেশি কিছু নয়।
** ''অন সুইসাইড''।
* সেই সব নির্বোধদের প্রশংসা কিংবা লোকদেখানো সম্মানের প্রতি আমার এক তীব্র ঘৃণা ও অবজ্ঞা রয়েছে, যারা বুক ফুলিয়ে নিজেদের জনসাধারণ বলে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করে। আসলে এরা এমন এক জনসমষ্টি, যাদের নিজস্ব কোনো চিন্তাশক্তি নেই। তাদেরকে একজন বই বিক্রেতা তার বাণিজ্যের প্রয়োজনে, কোনো লর্ড তার আভিজাত্যের দম্ভে, কোনো পুরোহিত ধর্মের ভয় দেখিয়ে কিংবা কোনো ধূর্ত রাজনৈতিক দল তাদের হীন স্বার্থে নিজের ইচ্ছেমতো ব্যবহার করতে পারে। এই শ্রেণির মানুষ নিজেদের বুদ্ধিকে অন্যের হাতে বন্ধক দিয়ে রাখে এবং স্বার্থান্বেষী মহলের নাচের-পুতুল হিসেবে নাচতে পছন্দ করে। এদের অন্ধ সমর্থন পাওয়া মানেই হলো নিজের আদর্শ ও সত্যকে বিসর্জন দেওয়া।
** গিলবার্ট এলিয়ট অফ মিন্টোকে লেখা পত্র ১৩৮; ৯ আগস্ট, ১৭৫৭।
* '''স্বর্গ আর নরকের ধারণা মানুষকে যেন ভালো আর মন্দ—এই দুই চরম শ্রেণিতে ভাগ করে ফেলে। অথচ মানবজাতির সিংহভাগ মানুষই আসলে পুণ্য আর পাপের মাঝখানে কোনো এক অনিশ্চিত জায়গায় অবস্থান করছে।''' কেউ যদি ভালো মানুষকে একবেলা তৃপ্তি করে খাওয়ানো আর পাপাচারীকে কঠোর শাস্তি দেওয়ার সংকল্প নিয়ে বিশ্ব ভ্রমণে বের হয়, তবে সে নিজের পছন্দ নিয়ে বারবার বিপদে পড়বে। কারণ অধিকাংশ নর-নারীর গুণ বা দোষের পাল্লা এতটাই হালকা যে, তারা এই দুই চরম পুরস্কার বা দণ্ডের কোনোটিরই পুরোপুরি যোগ্য নয়।
** এসে অন দ্য ইমর্টালিটি অফ দ্য সোল (আত্মার অমরত্ব বিষয়ক প্রবন্ধ)।
* 'অফ দ্য প্রোটেস্ট্যান্ট সাকসেশন' প্রবন্ধের উপসংহার আমাকে একজন '[[:w:হুইগস (ব্রিটিশ রাজনৈতিক দল|হুইগ]]' হিসেবে প্রকাশ করে, তবে আমি একজন চরম সংশয়বাদী হুইগ।
** হেনরি হোমকে লেখা চিঠি (৯ ফেব্রুয়ারি ১৭৪৮), জে. ওয়াই. টি. গ্রেইগ সম্পাদিত, ''দ্য লেটারস অব ডেভিড হিউম: খণ্ড ১'' (অক্সফোর্ড: ক্ল্যারেন্ডন প্রেস, ১৯৩২), পৃষ্ঠা ১১১-এ উদ্ধৃত।
* রাজনীতি এবং রাজপুত্র বা মহৎ ব্যক্তিদের চরিত্রের বিশ্লেষণে আমি নিজেকে অত্যন্ত পরিমিত বা ভারসাম্যপূর্ণ বলে মনে করি। জাগতিক বিষয়বস্তুর ক্ষেত্রে আমার দৃষ্টিভঙ্গি '[[:w:হুইগস (ব্রিটিশ রাজনৈতিক দল|হুইগ]]' আদর্শের অনুসারী; কিন্তু কোনো ব্যক্তির বর্ণনা দেওয়ার ক্ষেত্রে আমি '[[:w:টোরি সমাজতন্ত্র|টোরি]]' ঘরানার পক্ষপাতকে ধারণ করি। সাধারণ মানুষ যে আদর্শের চেয়ে ব্যক্তির ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়, তার বড় প্রমাণ হলো আমাকে সাধারণত টোরিদের দলেই গণ্য করা হয়।
** ই. সি. মসনার, ''লাইফ অফ ডেভিড হিউম'' (ক্ল্যারেন্ডন প্রেস, ২০০১), পৃষ্ঠা ৩১১।
* আমি ভেবেছিলাম আমিই একমাত্র ইতিহাসবিদ যে সমসাময়িক ক্ষমতা, স্বার্থ, কর্তৃত্ব এবং গণমানুষের কুসংস্কারের তোয়াক্কা না করে ইতিহাস লিখেছি। তাই যেহেতু বিষয়টি সবার বোধগম্য ছিল, আমি সেই অনুপাতে প্রশংসাও আশা করেছিলাম। কিন্তু আমার সেই আশা চরম হতাশায় পর্যবসিত হলো। আমি চারপাশ থেকে কেবল তিরস্কার, অসম্মতি এবং ঘৃণার শিকার হলাম। ইংরেজ, স্কটিশ, আইরিশ হুইগ থেকে টোরি, গির্জার যাজক থেকে শুরু করে মুক্তচিন্তক আর ধর্মতাত্ত্বিক, দেশপ্রেমিক থেকে রাজদরবারের পারিষদ সবাই সেই লোকটির ওপর ক্ষোভে ফেটে পড়ল, যে প্রথমবার প্রথম চার্লস এবং আর্ল অফ স্ট্র্যাফোর্ডের পরিণতির জন্য এক ফোঁটা সহানুভূতি প্রকাশের সাহস দেখিয়েছিল।
** 'মাই ঔন লাইফ' (১৭৭৬); ইউজিন মিলার সম্পাদিত ডেভিড হিউমের ''এসেস: মোরাল, পলিটিক্যাল, অ্যান্ড লিটারারি (১৭৪১–১৭৭৭)'' (১৯৮৫), পৃষ্ঠা ৩৭।
* '''আমি এমন একজন মানুষ যে শত্রুতা উসকে দেওয়ার মতো সব ধরণের বিষয়ে লিখেছি! তা সে নৈতিক, রাজনৈতিক কিংবা ধর্মীয় যাই হোক না কেন। তবুও আমার কোনো শত্রু নেই। অবশ্য সমস্ত হুইগ, টোরি (তৎকালীন ব্রিটেনের প্রধান দুটি রাজনৈতিক আদর্শ বা দল) এবং সমস্ত খ্রিষ্টান ছাড়া'''।
** মৃত্যুর কিছুকাল আগে জনৈক বন্ধুর প্রতি দেওয়া এক বক্তব্য, যা [[w:bn:হেনরি ব্রোঘাম, ১ম ব্যারন ব্রোঘাম এবং ভক্স|লর্ড হেনরি ব্রোঘামের]] ''মেন অব লেটারসে'' বর্ণিত হয়েছে।
* আল-কুরআনের অনুরাগী এবং অনুসারীরা এই অদ্ভুত আর অসংলগ্ন রচনার মধ্যে থাকা চমৎকার সব নৈতিক উপদেশের ওপর জোর দেন। কিন্তু এটি ধরে নেওয়া যায় যে, আরবি শব্দগুলো যেগুলো ইংরেজি সাম্য, ন্যায়বিচার, পরিমিতিবোধ, নম্রতা আর দানের সমার্থক সেগুলো সেই ভাষার দীর্ঘদিনের ব্যবহারের ফলেই সবসময় ইতিবাচক অর্থে গৃহীত হয়ে থাকে; আর সেগুলোকে প্রশংসা ছাড়া অন্য কোনো বিশেষণে উল্লেখ করাটা নৈতিকতার নয় বরং ভাষার অজ্ঞতারই প্রমাণ দিত। কিন্তু আমরা যদি জানতে চাই যে সেই কথিত নবী কি আসলেই নৈতিকতার কোনো সঠিক বোধ অর্জন করতে পেরেছিলেন কি না, তবে আমাদের তার বর্ণনার দিকে লক্ষ্য করতে হবে; এবং আমরা শীঘ্রই দেখতে পাব যে তিনি এমন সব বিশ্বাসঘাতকতা, অমানবিকতা, নিষ্ঠুরতা, প্রতিশোধ আর ধর্মান্ধতার প্রশংসা করেছেন যা একটি সভ্য সমাজের জন্য একেবারেই অনুপযুক্ত। সেখানে সঠিক বা ন্যায়ের কোনো সুনির্দিষ্ট নিয়ম মানা হয়নি; বরং প্রতিটি কাজকে তখনই কেবল প্রশংসা বা নিন্দা করা হয়েছে যখন তা প্রকৃত বিশ্বাসীদের জন্য উপকারী বা ক্ষতিকর মনে হয়েছে।
** ডেভিড হিউম, অফ দ্য স্ট্যান্ডার্ড অফ টেস্ট (১৭৬০)।
=== ''এ ট্রিয়েটাইজ অব হিউম্যান নেচার'' (১৭৩৯-৪০) ===
* যারা দর্শন বা বিজ্ঞানের জগতে নতুন কোনো আবিষ্কারের দাবি করেন, তারা সাধারণত নিজেদের পূর্বসূরিদের মতবাদকে সমালোচনা করে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রচার করতে পছন্দ করেন। সত্যি বলতে, মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক জগতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে আমাদের যে চরম অজ্ঞতা রয়েছে, সেই সীমাবদ্ধতা নিয়ে যদি তারা কেবল আক্ষেপ করতেন, তবে বিজ্ঞানমনস্ক খুব কম মানুষই তাদের সাথে দ্বিমত পোষণ করতেন। একজন প্রাজ্ঞ ও শিক্ষিত মানুষের পক্ষে সেই সব ব্যবস্থার নড়বড়ে ভিত্তিগুলো খুঁজে বের করা খুবই সহজ, যেগুলো একসময় অত্যন্ত নির্ভুল এবং গভীর যুক্তি হিসেবে সমাদৃত ছিল। বিনা বিচারে মেনে নেওয়া মূলনীতি, সেখান থেকে টেনে আনা দুর্বল সিদ্ধান্ত, তথ্যের মধ্যে অসামঞ্জস্য আর প্রমাণের অভাব। বিখ্যাত সব দার্শনিকদের তত্ত্বে এগুলো প্রায়ই চোখে পড়ে। এই দুর্বলতাগুলোই যেন খোদ দর্শন শাস্ত্রকে আজ কলঙ্কিত করে তুলেছে।
** ভূমিকা
* সুতরাং, আমাদের এই বিজ্ঞানের জন্য প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা ও তথ্যগুলো সংগ্রহ করতে হবে মানবজীবনের সতর্ক পর্যবেক্ষণ থেকে। জগত যেভাবে স্বাভাবিক নিয়মে চলে—মানুষের আচরণ, তাদের দৈনন্দিন কাজকর্ম আর বিনোদনের ভেতরেই আমাদের সেই সত্যগুলো খুঁজে নিতে হবে। যখন এই ধরণের পর্যবেক্ষণগুলো বিচারবুদ্ধি দিয়ে নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণ ও তুলনা করা হবে, তখন আমরা এমন একটি শক্তিশালী বিজ্ঞানের ভিত্তি গড়ার আশা করতে পারি যা হবে অকাট্য এবং মানুষের কল্যাণের দিক থেকে অন্য যেকোনো কিছুর চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর।
** ভূমিকা
==== ১ম খণ্ড: অফ দ্য আন্ডারস্ট্যান্ডিং (বোধশক্তি প্রসঙ্গে) ====
* যেহেতু আমরা সেই সব বিষয়কেই 'অভ্যাস' বলি যা কোনো নতুন যুক্তি বা বিচার-বিশ্লেষণ ছাড়াই অতীতের অভিজ্ঞতার পুনরাবৃত্তি থেকে জন্ম নেয়। তাই আমরা একে একটি ধ্রুব সত্য হিসেবে মেনে নিতে পারি যে—বর্তমানে আমাদের মনের প্রতিটি বিশ্বাসই আসলে সেই উৎস (অভ্যাস) থেকে তৈরি হওয়া এক একটি প্রতিচ্ছবি।
** ৩য় অংশ, ৮ম পরিচ্ছেদ।
* কোনো বস্তুর নিজের ভেতরে আসলে এমন কিছুই নেই যা আমাদের সেই বস্তুর সীমানা ছাড়িয়ে কোনো নতুন সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সাহায্য করতে পারে। এমনকি আমরা যখন দুটি বস্তুর মধ্যে বারবার বা ক্রমাগত সংযোগ লক্ষ্য করি, তখনও সেই অভিজ্ঞতার বাইরের কোনো বিষয় নিয়ে অনুমান করার মতো যথেষ্ট যৌক্তিক কারণ আমাদের কাছে থাকে না।
** ৩য় অংশ, ১২শ পরিচ্ছেদ।
* একটি স্পষ্ট সত্যকে অস্বীকার করা যেমন হাস্যকর , তেমনি হাস্যকর হলো তাকে রক্ষা করার জন্য মাত্রাতিরিক্ত পরিশ্রম করা। আর আমার কাছে এর চেয়ে স্পষ্ট সত্য আর কিছু নেই যে মানুষের মতো পশুরাও চিন্তা ও যুক্তিবোধের অধিকারী। এই ক্ষেত্রে যুক্তিগুলো এতটাই প্রতীয়মান যে তা অত্যন্ত স্থূল এবং অজ্ঞ মানুষের নজরও এড়ায় না।
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* পশুপাখির বাহ্যিক আচরণের সাথে আমাদের নিজেদের আচরণের যে সাদৃশ্য রয়েছে, তা থেকেই আমরা বিচার করি যে তাদের অভ্যন্তরীণ জগতও আমাদের মতোই; এবং যুক্তির এই একই নীতিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেলে আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাব যে—যেহেতু আমাদের অভ্যন্তরীণ ক্রিয়াগুলো পরস্পর সদৃশ, তাই সেগুলো যে উৎস থেকে এসেছে, সেই কারণগুলোও অবশ্যই সদৃশ হবে।
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* মানুষ তাদের নিজেদের যুক্তির ক্রিয়া দেখে বিস্মিত হয় না, অথচ পশুপাখির সহজাত প্রবৃত্তি দেখে বিস্ময় প্রকাশ করে এবং এটি ব্যাখ্যা করতে হিমশিম খায়। কেবল এই কারণে যে একে সেই একই মূলনীতিতে ফেলা যায় না। প্রকৃতপক্ষে যুক্তি আমাদের আত্মার ভেতরে এক বিস্ময়কর এবং অবোধ্য সহজাত প্রবৃত্তি ছাড়া আর কিছুই নয়।
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* অভ্যাস থেকে যা কিছু সৃষ্টি হতে পারে, প্রকৃতি অবশ্যই তা উৎপাদন করতে পারে। প্রকৃতপক্ষে, অভ্যাস প্রকৃতিরই অন্যতম মূলনীতি এবং এটি তার সমস্ত শক্তি সেই উৎস থেকেই লাভ করে।
** ৩য় অংশ, ১৬শ পরিচ্ছেদ।
* এভাবে সমস্ত জ্ঞান শেষ পর্যন্ত সম্ভাব্যতাতে পর্যবসিত হয়; এবং এই সম্ভাব্যতা আমাদের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে কম বা বেশি হতে পারে।
** ৪র্থ অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ।
* বর্তমানে দার্শনিকদের অবস্থা অত্যন্ত করুণ বলে মনে হচ্ছে, ''সিজিফাস'' এবং ''ট্যান্টালাস'' এর শাস্তির বর্ণনায় কবিরা আমাদের যে ধারণা দিয়েছেন, তা বাস্তব যন্ত্রণার তুলনায় সামান্য। কারণ এর চেয়ে যন্ত্রণাদায়ক আর কী হতে পারে যে—ব্যকুল হয়ে এমন কিছুকে খোঁজা যা চিরকাল আমাদের ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায় এবং এমন এক জায়গায় তাকে খোঁজা যেখানে তার অস্তিত্ব থাকা অসম্ভব?
** ৪র্থ অংশ, ৩য় পরিচ্ছেদ।
* আমি যখন খুব নিবিড়ভাবে নিজের ভেতরে 'আমি' নামক সত্তাকে খুঁজি, তখন আমি সবসময়ই তাপ বা শৈত্য, আলো বা ছায়া, প্রেম বা ঘৃণা, দুঃখ বা সুখের মতো কোনো না কোনো অনুভূতির ওপর আছড়ে পড়ি। কোনো উপলব্ধি ছাড়া আমি কখনোই 'নিজেকে' খুঁজে পাই না এবং এই সব বিচিত্র অনুভূতি ছাড়া আর কিছুই পর্যবেক্ষণ করতে পারি না। যখন কিছু সময়ের জন্য আমার উপলব্ধিগুলো থেমে যায় (যেমন গভীর ঘুমে), ততক্ষণ আমি নিজের সম্পর্কে অচেতন থাকি এবং সত্যি বলতে তখন আমার কোনো অস্তিত্ব থাকে না। আর যদি মৃত্যুর মাধ্যমে আমার সব অনুভূতি চিরতরে মুছে যায়, তবে আমি পুরোপুরি বিলীন হয়ে যাব। যদি কেউ নিরপেক্ষ চিন্তার পর মনে করেন যে তার 'নিজের' সম্পর্কে ভিন্ন কোনো ধারণা আছে, তবে আমি স্বীকার করছি যে তার সাথে তর্কে যাওয়ার সাধ্য আমার নেই। তিনি হয়তো নিজের ভেতর সরল এবং অখণ্ড কিছু অনুভব করেন যাকে তিনি 'নিজে' বা 'আত্মা' বলেন; কিন্তু আমি নিশ্চিত যে আমার ভেতর এমন কোনো সত্তা নেই। তবে এই ধরণের মুষ্টিমেয় কিছু তাত্ত্বিক ব্যক্তিদের বাদ দিলে, আমি বাকি মানবজাতি সম্পর্কে জোর দিয়ে বলতে পারি যে মানুষ অসংখ্য উপলব্ধির এক সমষ্টি ছাড়া আর কিছুই নয়, যা অচিন্তনীয় দ্রুততায় একে অপরকে অনুসরণ করে এবং এক নিরন্তর প্রবাহ ও গতির মধ্যে থাকে।
** ৪র্থ অংশ, ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ।
* আমার নিজেকে এমন একজন মানুষের মতো মনে হয়, যে বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে এবং এক ছোট প্রণালী পার হতে গিয়ে অল্পের জন্য জাহাজডুবি থেকে রক্ষা পেয়েছে। তবুও তার ধৃষ্টতা এতটাই যে সে সেই একই জীর্ণ, লোনা ধরা জাহাজে করে সমুদ্রে পাড়ি দিতে চায় এবং এমনকি এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বিশ্ব ভ্রমণের উচ্চাকাঙ্ক্ষা পোষণ করে।
** ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ।
* আমার দর্শনে আমি নিজেকে যে জনশূন্য একাকীত্বের মধ্যে আবিষ্কার করি, তা দেখে আমি প্রথমে আতঙ্কিত এবং বিভ্রান্ত হই। নিজেকে এক অদ্ভুত বিদঘুটে দানব মনে হয়, যে সমাজে মিশতে অক্ষম হয়ে মানুষের সান্নিধ্য থেকে বিতাড়িত এবং পরিত্যক্ত ও শোচনীয় অবস্থায় পড়ে আছে। ইচ্ছে হয় আশ্রয় আর উষ্ণতার জন্য ভিড়ের মধ্যে ছুটে যাই। কিন্তু সেই কদর্যতার সাথে নিজেকে মেশাতে পারি না। আমি অন্যদের ডাকি আমার সাথে যোগ দিতে যাতে আমরা আলাদা একটি সঙ্গ গড়ে তুলতে পারি। কিন্তু কেউ আমার কথা শোনে না। সবাই দূরে থাকে এবং সেই ঝড়কে ভয় পায় যা আমার ওপর চারপাশ থেকে আঘাত হানছে। আমি সমস্ত অধিবিদ্যক, যুক্তিবিদ, গণিতবিদ এমনকি ধর্মতাত্ত্বিকদের শত্রুতার মুখে নিজেকে সঁপে দিয়েছি। তবে আমার ওপর যে অপমান নেমে আসবে তাতে কি আমি অবাক হতে পারি?আমি তাদের ব্যবস্থার প্রতি আমার অসম্মতি প্রকাশ করেছি; তবে তারা যদি আমার এবং আমার মতবাদের প্রতি ঘৃণা পোষণ করে তবে কি আমি বিস্মিত হতে পারি? আমি যখন বাইরের দিকে তাকাই, আমি সবদিকে কেবল বিতর্ক, বিরোধিতা, ক্রোধ আর কুৎসা দেখি। যখন আমি নিজের ভেতরে তাকাই, আমি কেবল সন্দেহ আর অজ্ঞতা ছাড়া আর কিছুই খুঁজে পাই না। সারা বিশ্ব আমার বিরোধিতা করার জন্য ষড়যন্ত্র করছে। যদিও আমার দুর্বলতা এমনই যে অপরের সমর্থন ছাড়া আমার নিজের মতামতগুলোই আলগা হয়ে ঝরে পড়ে। আমার নেওয়া প্রতিটি পদক্ষেপ দ্বিধাগ্রস্ত, আর প্রতিটি নতুন চিন্তা আমাকে ভুলের আশঙ্কায় ভীত করে তোলে।
** ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ।
* এত সাহস নিয়ে আমি কীভাবে এগোব, যখন নিজের অসংখ্য দুর্বলতা ছাড়াও আমি মানুষের সহজাত সাধারণ দুর্বলতাগুলোও নিজের ভেতর খুঁজে পাই? আমি কি নিশ্চিত হতে পারি যে প্রতিষ্ঠিত সমস্ত মতামত ত্যাগ করে আমি সত্যকেই অনুসরণ করছি? আর কিসের ভিত্তিতেই বা আমি সত্যকে চিনব, যদি ভাগ্য শেষ পর্যন্ত আমাকে তাঁর পায়ের ছাপে পৌঁছেও দেয়?<br>আমার সবচেয়ে নির্ভুল যুক্তির পরেও আমি কেন তা মেনে নেব; তার কোনো কারণ খুঁজে পাই না। আমি কেবল সেই দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি এক তীব্র টান অনুভব করি যার অধীনে বস্তুগুলো আমার কাছে প্রকাশিত হয়। স্মৃতি, ইন্দ্রিয় এবং বোধশক্তি—এই সবকিছুই তাই শেষ পর্যন্ত কল্পনা বা আমাদের ধারণার প্রাণবন্ততার ওপর ভিত্তি করেই দাঁড়িয়ে আছে।
** ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ।
[[File:David Hume 1754.jpeg|thumbnail|সাধারণত, ধর্মের ভুলগুলো বিপজ্জনক আর দর্শনের ভুলগুলো কেবল হাস্যকর!]]
* কার্যকারণের সাধারণ সম্পর্কের অন্তরালে যে মূলনীতিটি সবকিছুকে বেঁধে রেখেছে, সে সম্পর্কে আমরা সাধারণ ঘটনায় যতটা অজ্ঞ, অসাধারণ কোনো ঘটনায় ঠিক ততটাই অন্ধকারেই থাকি। কিন্তু দৈনন্দিন জীবনে আমরা এই ঘাটতিটুকু বুঝতে পারি না। এটি আসলে কল্পনার একটি বিভ্রম ছাড়া আর কিছুই নয়। কল্পনার এই অহেতুক উড্ডয়ন দর্শনের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং দার্শনিকদের অধিকাংশ ভুলের মূল কারণ। উজ্জ্বল কল্পনাশক্তির অধিকারীদের সেই দেবদূতদের সাথে তুলনা করা যেতে পারে, যারা নিজেদের ডানা দিয়ে নিজেদেরই চোখ ঢেকে রাখে।
** ১ম খণ্ড: বোধশক্তি প্রসঙ্গে, ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ২৬৭-২৬৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* সাধারণত, ধর্মের ভুলগুলো বিপজ্জনক, আর দর্শনের ভুলগুলো কেবল হাস্যকর।
** ১ম খণ্ড: বোধশক্তি প্রসঙ্গে, ৪র্থ অংশ, ৭ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ২৭২, লিবার্টি ফান্ড)।
==== ২য় খণ্ড: অফ দ্য প্যাশনস (আবেগ বা প্রবৃত্তি প্রসঙ্গে) ====
* দুঃখ আর হতাশা থেকে জন্ম নেয় ক্রোধ, ক্রোধ থেকে ঈর্ষা, ঈর্ষা থেকে বিদ্বেষ, আর সেই বিদ্বেষ থেকে পুনরায় দুঃখ—এভাবেই চক্রটি পূর্ণতা পায়।
** ১ম অংশ, ৪র্থ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ২৮৩, লিবার্টি ফান্ড)।
* মানবপ্রকৃতির কোনো গুণই সহমর্মিতার মতো এত বেশি লক্ষণীয় নয়। যার মাধ্যমে আমরা অন্যের রুচি আর অনুভূতি খুব সহজে গ্রহণ করি, এমনকি সেগুলো আমাদের নিজস্ব মতের বিরোধী হলেও। আমরা লক্ষ্য করি যে, একই জাতির মানুষের চিন্তা আর মেজাজের মধ্যে এক অদ্ভুত সামঞ্জস্য থাকে। এবং এই সাদৃশ্য কেবল মাটি বা জলবায়ুর কারণে নয়, বরং সহমর্মিতার কারণেই বেশি ঘটে। একজন অমায়িক মানুষ মুহূর্তের মধ্যেই তার সঙ্গীদের মেজাজের সাথে মিশে যান। এমনকি সবচেয়ে অহংকারী ব্যক্তিও তার পরিচিতদের প্রভাবে প্রভাবিত হয়ে পড়েন।
** ১ম অংশ, ১১শ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৩১৬-৩১৭, লিবার্টি ফান্ড)।
* হাঁস, টার্কি মুরগি কিংবা ময়ূরের চলন-বলন দেখলেই বোঝা যায় তারা নিজেদের সম্পর্কে কত উঁচু ধারণা পোষণ করে এবং অন্যদের কতটা অবজ্ঞা করে। যেমন পুরুষ নাইটিঙ্গেল পাখির গান গাওয়ার প্রতিযোগিতা আর এই ধরণের আরও অনেক প্রমাণ থেকে এটি স্পষ্ট যে অহংকার আর বিনয় কেবল মানুষের আবেগ নয়, বরং তা সমগ্র প্রাণীজগতে বিস্তৃত।
** ১ম অংশ, ১২শ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৩২৬, লিবার্টি ফান্ড)।
* পশুদের ক্ষেত্রেও সহমর্মিতা বা আবেগের আদান-প্রদান মানুষের মতোই ঘটে। ভয়, ক্রোধ, সাহস—সবই এক পশু থেকে অন্য পশুতে সঞ্চারিত হয়। লক্ষ্যণীয় যে, সিংহ, বাঘ বা বিড়াল খেলার ছলে যখন আক্রমণ করে, তখন তারা নখর বা দাঁত ব্যবহার করলেও সঙ্গীকে আঘাত করা থেকে সতর্কভাবে বিরত থাকে, যা প্রমাণ করে যে ইতর প্রাণীদেরও একে অপরের ব্যথা আর আনন্দের বোধ রয়েছে।
** ২য় অংশ, ১২শ পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৩৯৭-৩৯৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* দার্শনিক বিতর্কে কোনো মতবাদকে কেবল ধর্ম বা নৈতিকতার জন্য 'বিপজ্জনক' বলে প্রমাণ করার মাধ্যমে বাতিল করে দেওয়া। সবচেয়ে প্রচলিত অথচ সবচেয়ে নিন্দনীয় একটি পদ্ধতি। কোনো মতবাদ যদি যুক্তিহীনতার দিকে নিয়ে যায়, তবেই কেবল তা মিথ্যে হতে পারে। কিন্তু তার ফলাফল বিপজ্জনক বা অপ্রীতিকর বলেই যে তা মিথ্যে হবে এমন কোনো গ্যারান্টি নেই।
** ৩য় অংশ, ২য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪০৯, লিবার্টি ফান্ড)।
[[File:Allegory of Reason (Lyon).jpg|thumbnail|যুক্তি হলো আবেগের দাস এবং এর কাজ হলো আবেগের খেদমত ও হুকুম পালন করা।]]
* যখন আমরা আবেগ আর যুক্তির লড়াই নিয়ে কথা বলি, তখন আমরা দার্শনিক এবং পারিভাষিক দিক থেকে সঠিক কথা বলি না। যুক্তি হলো আবেগের দাস এবং এর কাজ হলো আবেগের খেদমত ও হুকুম পালন করা
** ৩য় অংশ, ৩য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪১৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* আমার নখের সামান্য একটি আঁচড় আটকানোর চেয়ে পুরো পৃথিবীর ধ্বংসকে বেছে নেওয়া যুক্তিবিরোধী কিছু নয়। নিজের সামান্যতম অস্বস্তি এড়াতে একজন সম্পূর্ণ অচেনা মানুষ কিংবা কোনো দূর দেশের বাসিন্দার চূড়ান্ত সর্বনাশ বেছে নেওয়াও যুক্তির চোখে ভুল নয়। এমনকি নিজের বড় কোনো কল্যাণের চেয়ে সামান্য কোনো প্রাপ্তিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়াও অযৌক্তিক নয়। সংক্ষেপে বলতে গেলে, একটি আবেগ বা প্রবৃত্তিকে কেবল তখনই অযৌক্তিক বলা যেতে পারে, যখন তা কোনো ভুল বিচারবুদ্ধি কিংবা মিথ্যে ধারণার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে।
** ৩য় অংশ, ৩য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪১৬, লিবার্টি ফান্ড)।
==== ৩য় খণ্ড: অফ মরালস' (নৈতিকতা প্রসঙ্গে) ====
* সূক্ষ্ম এবং জটিল যুক্তির একটি অসুবিধা হলো—এটি প্রতিপক্ষকে স্তব্ধ করতে পারে কিন্তু সব সময় আশ্বস্ত করতে পারে না। পড়ার ঘর থেকে বেরিয়ে যখন আমরা দৈনন্দিন জীবনের কাজে যুক্ত হই, তখন সেই সূক্ষ্ম যুক্তিগুলো রাতের অন্ধকারের সাথে মিলিয়ে যায় এবং আমরা যে সিদ্ধান্তগুলো অনেক কষ্টে অর্জন করেছিলাম, সেগুলো ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।
** ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৫৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* নৈতিকতা এমন একটি বিষয় যা অন্য সবকিছুর চেয়ে আমাদের বেশি আলোড়িত করে। আমরা বিশ্বাস করি সমাজ ও রাষ্ট্রের শান্তি এর প্রতিটি সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করে। এই গুরুত্বই আমাদের অনুসন্ধানকে অন্য যেকোনো বিষয়ের চেয়ে অনেক বেশি বাস্তব ও জোরালো করে তোলে। এই বিশেষ সুবিধাটুকু না থাকলে আমি কখনোই এই ধরণের দুর্ভেদ্য দর্শনের তৃতীয় খণ্ডটি লেখার দুঃসাহস দেখাতাম না। বিশেষ করে এমন এক যুগে, যেখানে অধিকাংশ মানুষ পড়াকে কেবল বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করে নিয়েছে এবং যা কিছু বোঝার জন্য গভীর মনোযোগ প্রয়োজন, তাকেই অবলীলায় প্রত্যাখ্যান করতে শিখেছে।
** ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ।
* নীতিবোধ মূলত আমাদের আবেগ ও অনুভূতিকে নাড়া দেয় এবং কোনো কাজ করতে কিংবা তা থেকে দূরে থাকতে প্রেরণা জোগায়। বিচারবুদ্ধি বা যুক্তি এই বিশেষ ক্ষেত্রে একেবারেই শক্তিহীন। তাই এ কথা বলা যায় যে নৈতিকতার নিয়মগুলো আমাদের নিছক যুক্তিনির্ভর কোনো সিদ্ধান্ত নয়।
** ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ।
* কোনো কাজ প্রশংসনীয় বা নিন্দনীয় হতে পারে; কিন্তু তা 'যুক্তিসঙ্গত' বা 'অযৌক্তিক' হতে পারে না। প্রশংসা আর নিন্দা যুক্তির সীমানার বাইরের বিষয়। যুক্তি অলস ও নিষ্ক্রিয়, এটি কখনোই বিবেকের মতো সক্রিয় নীতির উৎস হতে পারে না।
** ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ।
* যেকোনো জঘন্য অপরাধকে লক্ষ্য করুন—ধরুন একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। একে সব দিক থেকে পরীক্ষা করে দেখুন, সেখানে কি বাস্তব কোনো অস্তিত্ব বা তথ্য পাবেন যাকে আপনি 'পাপ' বলতে পারেন? সেখানে আপনি কেবল কিছু আবেগ, উদ্দেশ্য, ইচ্ছা আর চিন্তাই খুঁজে পাবেন। পাপ বিষয়টি বস্তু বা ঘটনার মধ্যে থাকে না। যতক্ষণ আপনি বাইরের ঘটনার দিকে তাকাবেন, পাপ আপনার নাগালের বাইরেই থাকবে। একে কেবল তখনই খুঁজে পাওয়া সম্ভব, যখন আপনি আপনার দৃষ্টি নিজের অন্তরের দিকে ফেরাবেন এবং সেই কাজের প্রতি নিজের ভেতর একটি ঘৃণার অনুভূতি লক্ষ্য করবেন। সুতরাং, গুণ এবং পাপ অনেকটা শব্দ, বর্ণ, তাপ বা ঠান্ডার মতো, যা বস্তুর নিজস্ব কোনো বৈশিষ্ট্য নয়, বরং আমাদের মনের ভেতরের এক একটি অনুভূতি বা উপলব্ধি মাত্র।
** ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ।
* আমি একটি বিষয় উল্লেখ্য না করে পারছি না, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি এ পর্যন্ত নৈতিকতা নিয়ে যত আলোচনা দেখেছি, সেখানে লেখক প্রথমে সাধারণ যুক্তি দিয়ে শুরু করেনঃ হয়তো ঈশ্বরের অস্তিত্ব বা মানুষের স্বভাব নিয়ে কথা বলেন। কিন্তু হঠাৎ আমি অবাক হয়ে দেখি, সেখানে বাস্তব পরিস্থিতি বর্ণনা করার পরিবর্তে (অর্থাৎ কোনো কিছু কেমন 'হয়' বা 'নয়' বলার বদলে), লেখক সরাসরি আদেশ দিতে শুরু করেন যে আমাদের কী করা 'উচিত' বা 'উচিত নয়'! এই পরিবর্তনটি অলক্ষ্যেই ঘটে যায়, কিন্তু এর ফলাফল সুদূরপ্রসারী। কেননা এই 'উচিত' বা 'উচিত নয়' একটি নতুন সম্পর্ক প্রকাশ করে, যা আগের বর্ণনামূলক তথ্য থেকে কীভাবে বিবর্তিত হলো—তা ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন। লেখকের এই অসাবধানতা পাঠককে খেয়াল করার অনুরোধ জানাব। কারণ এই সামান্য সতর্কতাটুকু প্রচলিত সমস্ত নৈতিক ব্যবস্থাকে ধূলিসাৎ করে দিতে যথেষ্ট।
** ১ম অংশ, ১ম পরিচ্ছেদ।
* ন্যায় এবং অন্যায় বোধ প্রকৃতি থেকে উদ্ভূত হয়নি, বরং কৃত্রিমভাবে শিক্ষা এবং মানবিক প্রথা থেকে তৈরি হয়েছে।
** ২য় অংশ, ১.১৭।
* মানুষের স্বার্থপরতা, তাদের সীমাবদ্ধ উদারতা এবং চাহিদার তুলনায় প্রাকৃতিক সম্পদের সীমাবদ্ধতার কারণেই মূলত 'ন্যায়বিচার' বা আইনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।
** ৩য় খণ্ড, ২য় অংশ, ২য় পরিচ্ছেদ (পৃষ্ঠা ৪৯৪-৪৯৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* নিজের এবং নিকটজনদের জন্য সম্পদ ও প্রতিপত্তি অর্জনের এই যে লালসা—এটি অতৃপ্ত, চিরন্তন, সর্বজনীন এবং সরাসরি সমাজের জন্য ধ্বংসাত্মক।
** ২য় অংশ, ২য় পরিচ্ছেদ।
=== ''এ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং হিউম্যান আন্ডারস্ট্যান্ডিং'' (১৭৪৮) ===
[[File:Andrea sacchi, allegoria della divina sapienza, 1629-33, 02.JPG|thumb|দার্শনিক হও; কিন্তু তোমার সমস্ত দর্শনের মাঝেও, অন্তত একজন মানুষ হয়ে থেকো।]]
:<small>১৭৪৮ সালে প্রথম 'ফিলোসফিক্যাল এসেস কনসার্নিং হিউম্যান আন্ডারস্ট্যান্ডিং' নামে প্রকাশিত হয়; এরপর বেশ কয়েকবার পরিমার্জিত হওয়ার পর ১৭৫৮ সালে বর্তমান শিরোনামে পুনর্নামকরণ করা হয়।</small>
[[File:David Hume LACMA 54.89.46.jpg|thumb|বাস্তব ঘটনা ভিত্তিক যুক্তির ক্ষেত্রে নিশ্চিত হওয়ার নানা স্তর রয়েছে। তাইতো একজন জ্ঞানী ব্যক্তি সবসময় প্রমাণের মাপকাঠিতেই তার বিশ্বাসের পাল্লা নির্ধারণ করে থাকেন।]]
* প্রথাই হলো মানুষের জীবনের শ্রেষ্ঠ চালিকাশক্তি। কেবল এই একটি নীতির কারণেই আমাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগে এবং আমরা আশা করতে পারি যে, ভবিষ্যতে ঠিক তেমন কিছুই ঘটবে যা অতীতে ঘটেছিল। এই প্রথার প্রভাব না থাকলে আমাদের স্মৃতি আর ইন্দ্রিয়ের সামনে যা সরাসরি বর্তমান, তার বাইরের কোনো কিছু সম্পর্কেই আমাদের বিন্দুমাত্র জ্ঞান থাকত না। কোনো লক্ষ্য অর্জনের জন্য কী উপায় অবলম্বন করতে হয়, কিংবা কোনো কাজ সফল করতে নিজেদের শক্তি কীভাবে কাজে লাগাতে হয়। সেটা আমরা কখনোই বুঝতে পারতাম না। এতে করে আমাদের সকল কাজকর্ম তো বটেই, এমনকি চিন্তাভাবনারও প্রধান পথটি চিরতরে বন্ধ হয়ে যেত।
** পাঠান্তর (সম্ভবত এই অনুচ্ছেদের একটি সারসংক্ষেপ): ''ইট ইজ নট রিজন হুইচ ইজ দ্য গাইড অব লাইফ, বাট কাস্টম'' (যুক্তি জীবনের পথপ্রদর্শক নয়, বরং প্রথাই হলো জীবন চালিকাশক্তি)।
* প্রকৃতি মানুষকে এক ধরনের মিশ্র জীবনযাপনের ইঙ্গিত দেয়, যা মানবজাতির জন্য সবচেয়ে উপযোগী। সে আমাদের গোপনে সাবধান করে দিয়েছে যেন আমরা কোনো একটি ঝোঁকের বশবর্তী হয়ে অন্য সব কাজ বা আনন্দকে বিসর্জন না দিই। প্রকৃতি যেন আমাদের বলছে - বিজ্ঞানের প্রতি তোমার আগ্রহকে প্রশ্রয় দাও, কিন্তু তোমার সেই বিজ্ঞান যেন হয় মানবিক এবং সমাজ ও মানুষের কর্মজীবনের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত। জটিল চিন্তা আর অতি গভীর গবেষণাকে আমি নিষেধ করছি; কারণ এগুলো তোমাকে বিষণ্ণতায় ডুবিয়ে দেবে, অনিশ্চয়তার গোলকধাঁধায় আটকে রাখবে এবং যখন তুমি তোমার তথাকথিত আবিষ্কারগুলো মানুষের সামনে আনবে, তখন লোকে তা অবজ্ঞার সাথে ফিরিয়ে দিয়ে তোমাকে শাস্তি দেবে। তাই বলছি, '''দার্শনিক হও; কিন্তু তোমার সমস্ত দর্শনের মাঝেও একজন মানুষ হয়ে থেকো।'''
** ১ম পরিচ্ছেদ: অফ দ্য ডিফারেন্ট স্পিসিস অব ফিলোসফি
* দার্শনিক বিতর্কে কোনো মতবাদকে কেবল ধর্ম বা নৈতিকতার জন্য 'বিপজ্জনক' তকমা দিয়ে নাকচ করে দেওয়ার চেষ্টার চেয়ে নিন্দনীয় পদ্ধতি আর নেই। এটি সত্য আবিষ্কারে কোনো সাহায্য করে না, কেবল প্রতিপক্ষকে ঘৃণা করতে শেখায়।
** অফ লিবার্টি অ্যান্ড নেসেসিটি, ২য় খণ্ড (http://www.bartleby.com/37/3/12.html)
* প্রাকৃতিক জগতের সবচেয়ে নিখুঁত দর্শনও আমাদের অজ্ঞানতাকে বড়জোর আর কিছুটা সময় আড়াল করে রাখতে পারে। অন্যদিকে, জীবন ও জগতের গূঢ় রহস্য নিয়ে আমাদের গভীর দর্শন হয়তো সেই অজ্ঞানতার বিশাল দিকগুলোকেই আরও নগ্নভাবে উন্মোচিত করে। দিনশেষে, মানুষের সীমাবদ্ধতা আর অন্ধত্বকে স্পষ্ট করে তোলাই হলো সমস্ত দর্শনের চূড়ান্ত পরিণতি। আমরা একে এড়িয়ে যাওয়ার যতই চেষ্টা করি না কেন, জীবনের প্রতিটি বাঁকেই এটি আমাদের মুখোমুখি এসে দাঁড়ায়।
** চতুর্থ পরিচ্ছেদ: 'বুদ্ধিবৃত্তিক ক্রিয়াকলাপ প্রসঙ্গে সংশয়বাদী সন্দেহ'।
* 'আগামীকাল সূর্য উঠবে না'—এই ধারণাটি 'আগামীকাল সূর্য উঠবে'—এই বিশ্বাসের মতোই সমানভাবে অর্থবহ এবং এতে যুক্তিগত কোনো অসংগতি নেই।
** § ৪.৮
* আমি বলি যে, বিশ্বাস আর কিছুই নয়—কেবল কোনো বিষয় সম্পর্কে কল্পনার চেয়েও অনেক বেশি প্রাণবন্ত, জীবন্ত, জোরালো, দৃঢ় আর স্থায়ী একটি ধারণা।
** § ৪.৯
* তাই পর্যবেক্ষণ আর অভিজ্ঞতার সাহায্য ছাড়া নিছক যুক্তি দিয়ে কোনো ঘটনার গতিপ্রকৃতি বিচার করা, কিংবা কোনো কারণ থেকে এর ফলাফল অনুমান করার চেষ্টা করাটা একেবারেই নিরর্থক।
** § ৪.১১
* ইতিহাসের আজ কী-ই বা মূল্য থাকত, যদি মানুষের সাধারণ আচরণের নিরিখে আমরা ইতিহাসবিদের সত্যবাদিতার ওপর নূন্যতম আস্থাও রাখতে না পারতাম?
** § ৮.১৮
* স্বাধীনতা বলতে আমরা কেবল নিজের ইচ্ছাশক্তি অনুযায়ী কাজ করা বা না করার ক্ষমতাকেই বুঝি।
** § ৮.২৩
* এই নামমাত্র স্বাধীনতা আসলে সেই প্রত্যেকটি মানুষেরই আছে, যে কোনো কারাগারে কয়েদি হয়ে নেই কিংবা শিকলে বন্দি হয়ে পড়ে নেই।
** § ৮.২৩
* অনিবার্যতার সংজ্ঞা দেওয়া যায় দুইভাবে। এটি হয় একই ধরণের ঘটনার মাঝে এক অবিচ্ছেদ্য যোগসূত্র হিসেবে কাজ করে, নয়তো এক বিষয় থেকে অন্য বিষয়ে আমাদের মনের এক স্বাভাবিক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে।
** § ৮.২৩
* বাস্তব জগত নিয়ে যুক্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতাই আমাদের একমাত্র ভরসা হলেও, এ কথা স্বীকার না করে উপায় নেই যে এই অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান সবসময় ত্রুটিমুক্ত নয়। বরং অনেক সময় এটি আমাদের ভুল পথেও চালিত করতে পারে।
** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস, ১ম অংশ।
* বাস্তব জগতের যুক্তি-তর্কের ক্ষেত্রে নিশ্চয়তার বিভিন্ন ধাপ রয়েছে। যা নিখুঁত প্রমাণ থেকে শুরু করে কেবল সাধারণ সম্ভাবনা পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। তাই একজন প্রাজ্ঞ ব্যক্তি সবসময় প্রমাণের গুরুত্ব বিচার করেই তার বিশ্বাসের মাত্রা নির্ধারণ করেন।
** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস, ১ম অংশ|৮৭
* ...কোনো অলৌকিক ঘটনাকে ধ্রুব সত্য হিসেবে মেনে নেওয়ার জন্য কেবল লোকমুখের সাক্ষ্যই যথেষ্ট নয়। সেই সাক্ষ্যকে হতে হবে এতটাই জোরালো যে তার মিথ্যা হওয়ার সম্ভাবনাটি খোদ ওই অলৌকিক ঘটনার চেয়েও বেশি অবিশ্বাস্য বা বিস্ময়কর মনে হবে।** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস, ১ম অংশ।
* যখন কেউ আমাকে বলে যে সে একজন মৃত মানুষকে জীবিত হতে দেখেছে, আমি সাথে সাথেই মনে মনে বিচার করি—এই লোকটির আমাকে ধোঁকা দেওয়া বা তার নিজের ধোঁকা খাওয়ার সম্ভাবনা বেশি, নাকি সে যা বলছে সেই ঘটনাটি ঘটার সম্ভাবনা বেশি? আমি এক অলৌকিকতার পাল্লায় অন্য অলৌকিকতাকে ওজন করি এবং যেখানে গুরুত্ব বেশি পাই, সেখানেই সিদ্ধান্ত নিই। আমি সবসময় বড় অলৌকিকতাকে বর্জন করি। যদি তার সাক্ষ্যের মিথ্যা হওয়াটা ওই ঘটনার চেয়েও বেশি অলৌকিক হয়, কেবল তখনই সে আমার বিশ্বাস বা মত আশা করতে পারে।
** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস, ১ম অংশ।
* কথার জাদু বা বাকপটুতা যখন চূড়ান্ত শিখরে পৌঁছায়, তখন তা যুক্তি বা চিন্তার জন্য খুব সামান্যই অবকাশ রাখে। এটি সরাসরি মানুষের কল্পনা আর আবেগকে নাড়া দেয় এবং শ্রোতাদের বিচারবুদ্ধিকে একরকম আচ্ছন্ন করে ফেলে।
** ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস, ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ১১৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* খ্রিষ্টধর্ম কেবল তার সূচনাপর্বেই অলৌকিকতার ওপর নির্ভরশীল ছিল না। বরং আজও কোনো যুক্তিবাদী মানুষ অতিপ্রাকৃত কোনো শক্তির স্পর্শ ছাড়া এতে আস্থা রাখতে পারে না। শুধু শুষ্ক যুক্তি এর সত্যতা প্রমাণের জন্য যথেষ্ট নয়। যে ব্যক্তি বিশ্বাসের টানে এতে সায় দেন, তিনি নিজের ভেতরেই এক নিরন্তর বিস্ময় বা অলৌকিকত্ব অনুভব করেন। যা তাঁর বিচারবুদ্ধির সমস্ত চিরাচরিত নিয়মকে ওলটপালট করে দেয় এবং তাঁকে এমন কিছু বিশ্বাস করতে বাধ্য করে যা মানুষের চিরচেনা অভিজ্ঞতা ও অভ্যাসের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
** ''এ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং হিউম্যান আন্ডারস্ট্যান্ডিং'' (১৭৪৮), ১০ম পরিচ্ছেদ: অফ মিরাকলস, ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ১২০, লিবার্টি ফান্ড)।
* এই মূলনীতিগুলো মাথায় রেখে আমরা যদি কোনো গ্রন্থাগারের তাকে হাত দিই, তবে আমাদের সামনে এক বিশাল ত্যাগ-তিতিক্ষার দৃশ্য ফুটে উঠবে। আমাদের হাতে যদি কোনো গতানুগতিক ধর্মতত্ত্ব কিংবা নিছক তাত্ত্বিক পরাবিদ্যার বই আসে, তবে আমাদের নিজেদেরই প্রশ্ন করা উচিত, 'এতে কি পরিমাণ বিমূর্ত যুক্তি আছে?' - না। 'এতে কি বাস্তব তথ্য কিংবা অস্তিত্ব সম্পর্কে কোনো পরীক্ষামূলক যুক্তি আছে?' - না। তবে একে নির্দ্বিধায় আগুনে পুড়িয়ে ফেলো। কারণ এতে বিভ্রান্তিকর অপযুক্তি আর মায়া ছাড়া আর কিছুই নেই।
** ''এ্যান এনকোয়ারি'', ১২শ পরিচ্ছেদ: অফ দ্য অ্যাকাডেমিক্যাল অর স্কেপটিক্যাল ফিলোসফি, ৩য় অংশ (পৃষ্ঠা ১৬৫, অক্সফোর্ড)।
=== ''এ্যান এনকোয়ারি কনসার্নিং দ্য প্রিন্সিপলস অফ মোরালস'' (১৭৫১) ===
* নৈতিকতার প্রতিটি সিদ্ধান্তে 'জনকল্যাণ'-ই প্রধানত বিবেচনায় থাকে। যেখানেই দর্শনে বা সাধারণ জীবনে কর্তব্যের সীমা নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়, সেখানে মানবজাতির প্রকৃত স্বার্থের বিচার ছাড়া আর কোনোভাবেই অধিকতর নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়।
** ২য় পরিচ্ছেদ: অফ বেনোভোলেন্স, ২য় অংশ (পৃষ্ঠা ১৮০, অক্সফোর্ড)।
* সেই ব্যক্তি সুখী, যার পরিস্থিতি তার স্বভাবের সাথে খাপ খায়। কিন্তু সেই ব্যক্তি অধিকতর শ্রেষ্ঠ, যে যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজের স্বভাবকে মানিয়ে নিতে পারে।
** ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ: অফ কোয়ালিটিজ ইউজফুল টু আওয়ারসেলভস, ১ম অংশ (পৃষ্ঠা ২৪৩, অক্সফোর্ড)।
* যেখানে মানুষ সবচেয়ে বেশি নিশ্চিত এবং অহংকারী, তারা সাধারণত সেখানেই মস্ত বড় ভুলটি করে থাকে। কারণ তখন তারা সঠিক বিচার-বিশ্লেষণ ছাড়াই আবেগের হাতে লাগাম ছেড়ে দেয়!
** ৯ম পরিচ্ছেদ: কনক্লুশন (উপসংহার), ১ম অংশ (পৃষ্ঠা ২৮১, অক্সফোর্ড)।
=== ''দ্য ন্যাচারাল হিস্ট্রি অফ রিলিজিয়ন'' (১৭৫৭) ===
:<small>এই গ্রন্থটি সর্বপ্রথম 'ফোর ডিসার্টেশনস' (১৭৫৭) নামক প্রবন্ধ সংকলনে প্রকাশিত হয়। হিউমের জীবদ্দশায় সামান্য কিছু পরিবর্তনসহ এটি বেশ কয়েকবার পুনর্মুদ্রিত হয়েছিল।</small>
* ধর্ম সম্পর্কিত প্রতিটি অনুসন্ধানই যেহেতু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তাই বিশেষভাবে দুটি প্রশ্ন আমাদের মনোযোগ কাড়বে। প্রথমটি হলো যে যুক্তির ওপর ধর্মের ভিত্তি কতটুকু, আর দ্বিতীয়টি হলো—মানুষের স্বভাব বা মনস্তত্ত্বের ঠিক কোথায় ধর্মের উৎপত্তি। ভাগ্যক্রমে, প্রথম প্রশ্নটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও এর সমাধান বেশ স্পষ্ট। প্রকৃতির এই বিশাল কাঠামোই বলে দেয় যে এর পেছনে একজন বুদ্ধিমান স্রষ্টা রয়েছেন। তাই যেকোনো বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ গভীরভাবে চিন্তা করলে প্রকৃত ঈশ্বরবাদ ও ধর্মের প্রাথমিক নীতিগুলোর ওপর বিশ্বাস হারাবে না। কিন্তু দ্বিতীয় প্রশ্নটি অর্থাৎ মানুষের স্বভাবের মধ্যে ধর্মের উৎস কোথায়, তা নিয়ে বেশ জটিলতা রয়েছে। অদৃশ্য ও বুদ্ধিমান কোনো শক্তির ওপর বিশ্বাস হয়তো সব যুগে এবং সব স্থানে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে আছে। কিন্তু এটি সম্ভবত এমন কোনো সার্বজনীন বিষয় নয় যার কোনো ব্যতিক্রম নেই, এমনকি এটি মানুষের মনে সব সময় একই ধরনের ধারণাও তৈরি করতে পারেনি। যদি ভ্রমণকারী এবং ঐতিহাসিকদের কথা বিশ্বাস করা হয়, তবে এমন কিছু জাতির সন্ধান পাওয়া গেছে যাদের মধ্যে ধর্মের কোনো অনুভূতিই ছিল না। তাছাড়া এমন কোনো দুটি জাতি বা দুজন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন, যারা ধর্মের বিষয়ে হুবহু একই মত পোষণ করে।
** ভূমিকা।
** ম্যাগিয়ানরা বলে, সেই আদিম বুদ্ধিমান সত্তা; যিনি সবকিছুর মূল উৎস—নিজেকে কেবল মন এবং বিচারবুদ্ধির মাধ্যমেই প্রকাশ করেন। কিন্তু তিনি এই দৃশ্যমান মহাবিশ্বে সূর্যকে নিজের প্রতিচ্ছবি হিসেবে স্থাপন করেছেন। আর যখন সেই উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক পৃথিবী ও আকাশমণ্ডলে তার রশ্মি ছড়িয়ে দেয়, তখন তা আসলে উচ্চতর স্বর্গের সেই মহিমারই একটি ক্ষীণ অনুলিপি মাত্র। যদি তুমি এই ডিভাইন বিয়িং বা ঐশ্বরিক সত্তার অসন্তুষ্টি থেকে বাঁচতে চাও, তবে সাবধান! কখনো মাটিতে খালি পা রেখো না, আগুনে থুতু ফেলো না, এমনকি আগুন যদি আস্ত একটা শহরকেও গ্রাস করে ফেলে, তবুও তাতে জল ঢেলো না। অন্যদিকে মুসলমানরা বলে, সর্বশক্তিমানের পূর্ণতা কে বর্ণনা করতে পারে? তাঁর সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ কাজগুলোও যদি তাঁর সাথে তুলনা করা হয়, তবে তা ধুলোবালি ছাড়া আর কিছুই নয়। তাহলে মানুষের সীমিত চিন্তাভাবনা তাঁর অসীম পূর্ণতার তুলনায় কতটা নগণ্য হতে পারে? তাঁর সন্তুষ্টি মানুষকে চিরসুখী করে। আর সন্তানদের জন্য সেই কৃপা লাভের সেরা উপায় হলোঃ তারা যখন শিশু থাকে, তখনই তাদের শরীরের চামড়ার একটি ছোট অংশ কেটে ফেলা। আবার রোমান ক্যাথলিকরা বলে, দুই টুকরো কাপড় নাও (প্রায় এক বা দেড় ইঞ্চি বর্গাকার), সেগুলোকে দুই কোণ দিয়ে সুতো বা ফিতে দিয়ে এমনভাবে জোড় দাও যেন তা লম্বায় প্রায় ষোলো ইঞ্চি হয়। এরপর সেটা মাথার ওপর দিয়ে এমনভাবে গলিয়ে দাও যাতে কাপড়ের এক টুকরো তোমার বুকে আর অন্য টুকরো পিঠে থাকে। অনন্তকাল ধরে অস্তিত্বমান সেই অসীম সত্তার প্রিয়পাত্র হওয়ার জন্য এর চেয়ে বড় কোনো গোপন রহস্য আর নেই।
** ৭ম অংশঃ এই মতবাদের নিশ্চিতকরণ।
* মূর্তিপূজা আর একেশ্বরবাদের তুলনা করলে সেই ধ্রুব সত্যটিই চোখের সামনে ফুটে ওঠে যে সবচেয়ে উৎকৃষ্ট জিনিসের বিকৃতি থেকেই সবচেয়ে জঘন্য বা কদর্য জিনিসের জন্ম হয়।
** ১০ম অংশঃ সাহসিকতা বা হীনম্মন্যতা প্রসঙ্গে।
* প্যাগানিজম বা পৌত্তলিক ধর্মের বীরেরা ঠিক তেমনই, যেমনটা পোপতন্ত্রের সন্ত বা ইসলাম ধর্মের পবিত্র দরবেশরা। [[:w:হারকিউলিস|হারকিউলিস]], [[:w:থেসেউস|থেসেউস]], হেক্টর কিংবা রোমুলাসের জায়গা এখন দখল করে নিয়েছে ডমিনিক, ফ্রান্সিস, অ্যান্টনি এবং বেনেডিক্টরা। দানব বিনাশ, স্বৈরাচার দমন কিংবা মাতৃভূমি রক্ষার বদলে এখন চাবুকের আঘাত সহ্য করা, উপবাস থাকা, ভীরুতা, বিনয় এবং দাসসুলভ আনুগত্যই হয়ে উঠেছে মানবজাতির কাছে স্বর্গীয় সম্মান লাভের উপায়।
** ১০ম অংশঃ সাহসিকতা বা হীনম্মন্যতা প্রসঙ্গে।
* ধর্মীয় গোঁড়ামির এই প্রবল স্রোতকে সাধারণ কিছু যুক্তি দিয়ে আটকানোর চেষ্টা করা। যেমন, একই বস্তু একই সাথে থাকা এবং না থাকা অসম্ভব, অংশ থেকে পূর্ণ সবসময় বড়, কিংবা দুই আর তিনে পাঁচ হয়; তা অনেকটা খড়কুটো দিয়ে সমুদ্রের ঢেউ থামানোর চেষ্টার মতো। আপনি কি পবিত্র রহস্যের বিরুদ্ধে সাধারণ যুক্তিকে দাঁড় করাবেন? আপনার এই অধার্মিকতার জন্য কোনো শাস্তিই যথেষ্ট নয়। আর যে আগুন ধর্মদ্রোহীদের পোড়ানোর জন্য জ্বালানো হয়েছিল, সেই একই আগুন দার্শনিকদের বিনাশের কাজেও ব্যবহার করা হবে।
** ১১তম অংশঃ যুক্তি বা অযৌক্তিকতা প্রসঙ্গে
* আমরা কল্পনা করতে পারি, সোরবোনের একজন ধর্মতাত্ত্বিক সাইসের এক পুরোহিতকে বলছেন, "তোমরা কীভাবে পেঁয়াজ আর রসুনের পূজা করো?" পুরোহিত উত্তর দিচ্ছেন, "আমরা অন্তত সেগুলোর পূজা করি, তোমাদের মতো একই সাথে সেগুলোকে খেয়ে ফেলি না।" তখন সেই পণ্ডিত ডাক্তার আবার প্রশ্ন করছেন, "কিন্তু বিড়াল আর বাঁদর কি কোনো উপাসনার বস্তু হতে পারে?" তার সেই পণ্ডিত প্রতিপক্ষ উত্তর দিচ্ছেন, "এগুলো অন্তত তোমাদের সেই তথাকথিত মহাপুরুষদের দেহাবশেষ কিংবা পচা হাড়গোড়ের চেয়ে অনেক ভালো।" ক্যাথলিক পণ্ডিত আবারও জেদ ধরে বলছেন, "একটা বাঁধাকপি কিংবা শসা—এই দুইয়ের মধ্যে কোনটা শ্রেষ্ঠ তা নিয়ে একে অপরের গলা কাটা কি পাগলামি নয়?" তখন সেই পৌত্তলিক উত্তর দিচ্ছেন, "হ্যাঁ, আমি তা মেনে নিচ্ছি। তবে আপনাকেও স্বীকার করতে হবে যে সেই মানুষগুলো আরও বড় পাগল, যারা স্রেফ কিছু অর্থহীন কুতর্কভরা বইয়ের শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে লড়াই করে। যার দশ হাজার কপিও একটি শসা কিংবা বাঁধাকপির সমান মূল্যবান নয়।
** ১২তম অংশঃ সংশয় বা দৃঢ় বিশ্বাস প্রসঙ্গে।
* আমরা লক্ষ্য করলে দেখব যে, সব কুসংস্কারের ধরন অত্যন্ত একগুঁয়ে এবং দাপুটে হওয়া সত্ত্বেও, সব যুগের ধর্মবিশ্বাসীদের এই দৃঢ়তা আসলে যতটা না খাঁটি, তার চেয়ে বেশি লোক দেখানো। এটি কখনোই সেই নিরেট বিশ্বাসের ধারেকাছেও পৌঁছাতে পারে না, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ কাজগুলোকে পরিচালনা করে। মানুষ এমনকি নিজের মনের কাছেও সেই সন্দেহগুলো স্বীকার করতে ভয় পায়, যা এই বিষয়গুলো নিয়ে তাদের মনে দানা বাঁধে। তারা অন্ধ বিশ্বাসকে এক বড় গুণ মনে করে। আর খুব শক্ত গলায় কথা বলে বা চরম গোঁড়ামি দেখিয়ে নিজেদের আসল অবিশ্বাসকে নিজেদের কাছেই লুকিয়ে রাখতে চায়। কিন্তু মানুষের সহজাত প্রকৃতি তাদের সব চেষ্টার চেয়েও বেশি শক্তিশালী। মনের এই আবছায়া জগতের মিটমিটে আলো কখনোই সাধারণ জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতার তৈরি করা গভীর ছাপের সমান হতে পারে না। মানুষের দৈনন্দিন আচরণই তাদের মুখের কথাকে মিথ্যে প্রমাণ করে দেয়। আর এটাই দেখায় যে, এই সব বিষয়ে তাদের সম্মতি আসলে মনের এক অবর্ণনীয় অবস্থা। যা অবিশ্বাস আর বিশ্বাসের মাঝামাঝি কোথাও ঝুলে থাকে, তবে তা বিশ্বাসের চেয়ে অবিশ্বাসেরই বেশি কাছাকাছি।
** ১২তম অংশঃ সংশয় বা দৃঢ় বিশ্বাস প্রসঙ্গে।
* মানুষের কাছে যখন এমন কোনো আচারের কথা বলা হয় যা জীবনের কোনো কাজেই আসে না, কিংবা যা তার স্বাভাবিক প্রবৃত্তির একদম বিরোধী। তখন সেই মানুষটি সেই কাজটিকে আরও বেশি উৎসাহের সাথে গ্রহণ করে। ঠিক যে কারণে তার এই আচারটি বর্জন করার কথা ছিল, সেই কারণেই সে এটিকে আঁকড়ে ধরে। তার কাছে মনে হয়, এটিই বোধহয় খাঁটি ধর্ম। কারণ এর পেছনে পার্থিব কোনো স্বার্থ বা উদ্দেশ্য নেই। আর যদি এই আচারের জন্য সে তার শান্তি ও আরাম বিসর্জন দিতে পারে, তবে তার মনে হয় স্রষ্টার কাছে তার মর্যাদা আরও বেড়ে গেছে—যত বেশি কষ্ট, তত বেশি ভক্তি! কারো ধার করা টাকা ফেরত দেওয়া কিংবা ঋণ শোধ করার মাধ্যমে সে মনে করে না যে স্রষ্টার প্রতি কোনো বিশেষ আনুগত্য দেখানো হয়েছে; কারণ এই ন্যায়বিচারগুলো তাকে এমনিতেও করতে হতো। এমনকি পৃথিবীতে যদি কোনো ঈশ্বরের অস্তিত্ব নাও থাকত, তবুও অনেক মানুষ এগুলো করত। কিন্তু সে যদি একদিন উপবাস থাকে কিংবা নিজের শরীরে চাবুকের আঘাত সয়, তবে তার মতে এই কাজটির সাথে সরাসরি ঈশ্বরের সেবার সম্পর্ক আছে। কারণ এই কঠোরতা ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্য তাকে এমন কাজ করতে বাধ্য করত না। ভক্তির এই বিশেষ চিহ্নগুলোর মাধ্যমেই সে মনে করে যে সে এখন ঐশ্বরিক কৃপা লাভ করেছে; আর এর বিনিময়ে সে এই দুনিয়ায় নিরাপত্তা এবং পরকালে চিরস্থায়ী সুখের আশা করে।
** ১৪তম অংশঃ নৈতিকতার ওপর প্রচলিত ধর্মের নেতিবাচক প্রভাব।
* মনের এমন শান্ত ও নির্মল মূহূর্তগুলোতে, মিথ্যা উপাসনার এই ছায়াগুলো আর কখনো দেখা দেয় না।
** ১৮তম অংশঃ নৈতিকতার ওপর প্রচলিত ধর্মের নেতিবাচক প্রভাব।
* কোনো ভালো জিনিসের খুব সামান্য নমুনা যখন আমাদের সামনে আসে, তা যত বেশি চমৎকার হয়—তার সাথে মিশে থাকা মন্দটি ততটাই তীব্র হয়ে দেখা দেয়। প্রকৃতির এই অভিন্ন নিয়মের খুব কমই ব্যতিক্রম পাওয়া যায়। সবচেয়ে প্রখর বুদ্ধি যেমন পাগলামির সীমানা ঘেঁষে চলে; পরম আনন্দের বিচ্ছুরণ যেমন গভীর বিষণ্ণতা তৈরি করে; সবচেয়ে তীব্র আনন্দ যেমন নিষ্ঠুর অবসাদ আর বিতৃষ্ণাকে সাথে নিয়ে আসে; ঠিক তেমনি সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক স্বপ্নগুলোই চরম হতাশার পথ তৈরি করে দেয়। সাধারণভাবে বলতে গেলে, জীবনের কোনো পথই ততটা নিরাপদ নয় (কারণ সুখের কথা তো স্বপ্নেও ভাবা যায় না) যতটা না হলো পরিমিত ও মধ্যমপন্থা। যা প্রতিটি বিষয়ে যতটা সম্ভব ভারসাম্য এবং এক ধরনের নির্বিকার ভাব বজায় রাখে। যেহেতু ভালো, মহান, মহিমান্বিত এবং চমৎকার বিষয়গুলো প্রকৃত ঈশ্বরবাদের মূলনীতির মধ্যে চমৎকারভাবে পাওয়া যায়। তাই প্রকৃতির সাথে তুলনা করলে এটা বলাই যায় যে ভিত্তিহীন, অদ্ভুত, তুচ্ছ আর ভয়াবহ বিষয়গুলোও সমানভাবে ধর্মীয় কল্পকাহিনী এবং অলীক কল্পনার মধ্যে খুঁজে পাওয়া যাবে।
** ১৫তম অংশঃ জেনারেল করোলারি (সাধারণ অনুসিদ্ধান্ত)।
* মানুষের বিচারবুদ্ধির কী এক মহান ক্ষমতা! যে সে প্রকৃতির দৃশ্যমান কাজগুলো দেখেই পরম সত্তার জ্ঞান লাভ করতে পারে এবং একজন মহান স্রষ্টার অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে! কিন্তু মুদ্রার উল্টো পিঠটাও একবার দেখুন। ইতিহাসের সব যুগ আর সব জাতির দিকে তাকিয়ে দেখুন; পৃথিবীতে বাস্তবে টিকে থাকা ধর্মীয় নিয়মগুলো একবার পরখ করুন। আপনার মনেই হবে না যে এগুলো সুস্থ কোনো মানুষের চিন্তা, বরং মনে হবে এগুলো সব অসুস্থ মানুষের স্বপ্ন। অথবা এগুলোকে বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন কোনো সত্তার গম্ভীর আর সুদৃঢ় দাবি মনে না হয়ে বরং মানুষের রূপ ধরা কোনো বাঁদরের খামখেয়ালি খেলা বলে মনে হবে।
** ১৫তম অংশঃ সাধারণ অনুসিদ্ধান্ত।
* সকল মানুষের মুখের কথা শুনুন। তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের মতো নিশ্চিত আর কিছুই নাকি নেই। কিন্তু তাদের জীবনের দিকে তাকিয়ে দেখুন। আপনার মনেই হবে না যে তারা সেই বিশ্বাসের ওপর বিন্দুমাত্র আস্থা রাখে। চরম ভক্তিও মানুষকে ভণ্ডামি থেকে বাঁচাতে পারে না। আবার প্রকাশ্যে ধর্মকে অস্বীকার করার ভেতরেও অনেক সময় এক গোপন ভয় বা অনুশোচনা কাজ করে। এমন কোনো অদ্ভুত ধর্মীয় অযৌক্তিকতা নেই যা বড় বড় বিদ্বান ব্যক্তিরা কোনো না কোনো সময় বিশ্বাস করেননি। আবার এমন কোনো কঠিন ধর্মীয় বিধিনিষেধ নেই যা চূড়ান্ত ভোগবিলাসী আর বখে যাওয়া মানুষগুলোও নিজের স্বার্থে গ্রহণ করেনি।
** ১৫তম অংশঃ সাধারণ অনুসিদ্ধান্ত।
* অজ্ঞতাই হলো ভক্তির জননী—এই প্রবাদটি সাধারণ অভিজ্ঞতা দ্বারা বারবার প্রমাণিত। এমন কোনো জাতিকে খুঁজে দেখুন যাদের কোনো ধর্ম নেই, যদি পানও তবে নিশ্চিত থাকবেন যে তারা পশুদের থেকে খুব সামান্যই আলাদা।
** ১৫তম অংশঃ জেনারেল করোলারি।
* গোটা ব্যাপারটাই যেন এক প্রকার ''কুহেলিকা'', এক পরম রহস্য আর এক ব্যাখ্যাতীত জট!<br>সন্দেহ, অনিশ্চয়তা আর বিচারের দোদুল্যমানতা—এটাই আমাদের অনুসন্ধানের একমাত্র প্রাপ্তি। তবে মানুষের যুক্তিবোধের সীমাবদ্ধতা এমন যে এই সংশয় ধরে রাখা কঠিন। তাই আমরা এক ধরণের কুসংস্কারের বিপরীতে অন্যটিকে লেলিয়ে দিয়ে তাদের বিবাদ দেখতে দেখতে নিজেরা দর্শনের শান্ত ও নির্জন আশ্রয়ে পালিয়ে যাই।
** ১৫তম অংশ: জেনারেল করোলারি।
=== ''এসেস, মোরাল, পলিটিক্যাল, অ্যান্ড লিটারারি'' (১৭৪১-২;১৭৪৮) ===
* স্বাধীনতা-প্রেমীদের জন্য এটি একটি স্বস্তিদায়ক চিন্তা যে—ব্রিটেনের এই বিশেষ সুবিধা (সংবাদপত্রের স্বাধীনতা) ততদিনই অক্ষুণ্ণ থাকবে, যতদিন আমাদের সরকার স্বাধীন থাকবে। যেকোনো ধরণের স্বাধীনতা খুব কম ক্ষেত্রেই একেবারে ধূলিসাৎ হয়ে যায়। যারা স্বাধীনতায় অভ্যস্ত, তাদের কাছে দাসত্বের চেহারা এতটাই বীভৎস যে এটি অত্যন্ত ধীরে এবং হাজারো ছদ্মবেশে জনমানসে সংক্রামিত হয়। কিন্তু যদি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কখনো লুপ্ত হয়, তবে তা একসাথেই চিরতরে হারিয়ে যাবে।
** ১ম খণ্ড, ২য় প্রবন্ধ: অফ দ্য লিবার্টি অফ দ্য প্রেস ।
* যারা দার্শনিক দৃষ্টিতে জাগতিক বিষয়াবলি পর্যবেক্ষণ করেন, তাদের কাছে এর চেয়ে বিস্ময়কর আর কিছু নেই যে—কত সহজে সংখ্যাগুরু সাধারণ মানুষ মুষ্টিমেয় কয়েকজনের দ্বারা শাসিত হয় এবং মানুষ কত অবলীলায় নিজের আবেগ আর অধিকার শাসকদের হাতে সঁপে দেয়। যখন আমরা এই বিস্ময়ের কারণ খুঁজি, তখন দেখি যে শক্তি সব সময় শাসিতদের পক্ষেই থাকে। তাই শাসকদের টিকে থাকার একমাত্র অবলম্বন হলো জনমত। সুতরাং, কেবল জনমতের ওপর ভিত্তি করেই শাসনব্যবস্থা গড়ে ওঠে এবং এই নীতিটি যেমন স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক সরকারের ক্ষেত্রে সত্য, তেমনি চরম স্বৈরাচারী ও সামরিক শাসনের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য।
** ১ম খণ্ড, ৪র্থ প্রবন্ধ: অফ দ্য ফার্স্ট প্রিন্সিপলস অফ গভর্নমেন্ট ।
* এটি এক ধরনের সঠিক রাজনৈতিক নীতি যে—প্রতিটি মানুষকে 'প্রতারক' হিসেবে ধরে নিতে হবে। যদিও শুনতে অদ্ভুত লাগে যে, একটি নীতি রাজনীতিতে সত্য হলেও ব্যক্তিগত জীবনে হয়তো মিথ্যে। মানুষ সাধারণত তার ব্যক্তিগত জীবনের চেয়ে জনসমক্ষে বা দলীয় পরিচয়ে বেশি অসৎ হয়ে থাকে এবং নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে দলের স্বার্থ রক্ষায় তারা অনেক বেশি দূর পর্যন্ত যেতে পারে। লোকলজ্জা বা সম্মানবোধ মানুষের জন্য একটি বড় প্রতিবন্ধক। কিন্তু যখন একদল মানুষ সমষ্টিগতভাবে কাজ করে, তখন এই বাধাটি অনেকাংশেই ঘুচে যায়। কারণ একজন মানুষ যখন দলের স্বার্থে কাজ করে, তখন সে জানে যে তার নিজের দল তাকে সমর্থন করবেই এবং খুব দ্রুতই সে প্রতিপক্ষের সমালোচনাকে তুচ্ছ জ্ঞান করতে শেখে।
** ১ম খণ্ড, ৬ষ্ঠ প্রবন্ধ: অফ দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্সি অফ পার্লামেন্ট; প্রথম বাক্যটি প্রায়ই এভাবে বলা হয়: " ''এটি একটি সঠিক রাজনৈতিক নীতি যে, প্রতিটি মানুষকে একজন ধূর্ত বা প্রবঞ্চক হিসেবেই ধরে নিতে হবে''।"
* মানুষের মনের প্রকৃতিই এমন যে, এটি তার সংস্পর্শে আসা অন্য সব মনকে আঁকড়ে ধরতে চায়। এবং যেমন মতের মিল বা ঐক্য একে ভীষণভাবে শক্তিশালী করে, তেমনি মতের অমিল বা বৈপরীত্য একে সমানভাবে বিচলিত ও বিমর্ষ করে তোলে। এ কারণেই তর্কের সময় অধিকাংশ মানুষের মধ্যে এক ধরণের ব্যকুলতা দেখা যায় এবং অতি সাধারণ বা তুচ্ছ বিষয়েও তারা বিরুদ্ধ মতকে সহ্য করতে পারে না।
** ১ম খণ্ড, ৮ম প্রবন্ধ: অফ পার্টিজ ইন জেনারেল (পৃষ্ঠা ৫৪, লিবার্টি ফান্ড)।
* জনপ্রিয়তা আর দেশপ্রেমের চূড়ান্ত শিখর আজও ক্ষমতা আর স্বৈরাচারের দিকে যাওয়ার চেনা রাস্তা। তোষামোদ যেমন বিশ্বাসঘাতকতার পথ দেখায়, স্থায়ী সেনাবাহিনী যেমন স্বৈরাচারী শাসনের পথ প্রশস্ত করে, ঠিক তেমনি ঈশ্বরের মহিমা প্রচার অনেক সময় যাজকশ্রেণীর বৈষয়িক স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হয়ে দাঁড়ায়।
** ১ম খণ্ড, ৮ম প্রবন্ধ: অফ পাবলিক ক্রেডিট (পৃষ্ঠা ৩৬১, লিবার্টি ফান্ড)।
* সকল যুগে এবং পৃথিবীর সব প্রান্তেই যাজকশ্রেণী স্বাধীনতার ঘোর শত্রু ছিল এবং এটি নিশ্চিত যে, তাদের এই অবিচল আচরণ মূলত তাদের বৈষয়িক স্বার্থ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষার ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে। চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা যাজকীয় ক্ষমতা এবং সেই সব 'পবিত্র প্রতারণার' জন্য সব সময় কাল হয়ে দাঁড়ায়, যার ওপর ভর করে তাদের কর্তৃত্ব টিকে থাকে।
** ১ম খণ্ড, ৯শ প্রবন্ধ: অফ দ্য পার্টিজ অফ গ্রেট ব্রিটেন (পৃষ্ঠা ৬৫, লিবার্টি ফান্ড)।
* কর্মজীবী দরিদ্র শ্রেণীর মানুষের সুনির্দিষ্ট কোনো নীতি নেই। ভদ্রলোকদের সময় এবং অভিজ্ঞতার মাধ্যমে সঠিক নীতিতে থিতু করা সম্ভব। আর মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষের নীতি গঠনের মতো কৌতূহল ও জ্ঞান থাকলেও, তা সঠিক জীবনদর্শনের জন্য কিংবা নিজেদের সংস্কারগুলো কাটিয়ে ওঠার জন্য যথেষ্ট নয়।
** ১ম খণ্ড, ৯শ প্রবন্ধ: অফ দ্য পার্টিজ অফ গ্রেট ব্রিটেন (১৭৪১ ও ১৭৪২ সংস্করণ)।
* শিল্পের মূল চালিকাশক্তিই হলো লোভ!—এমনই এক দুর্জয় নেশা যা বাস্তব বিপদ আর হাজারো প্রতিকূলতা মাড়িয়ে নিজের পথ করে নেয়!<br>তাই নিছক কাল্পনিক ভয়ের কাছে এর থমকে যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। সুতরাং, আমার মতে—স্বৈরাচারী শাসনে বাণিজ্য যে ধ্বংস হয়ে যায়, তা নিরাপত্তার অভাবে নয়। বরং সেখানে বণিকবৃত্তিকে মর্যাদাহীন মনে করা হয় বলে।
** ১ম খণ্ড, ১২শ প্রবন্ধ: অফ সিভিল লিবার্টি (পৃষ্ঠা ৯৩, লিবার্টি ফান্ড)।
[[File:David-hume-edinburgh.jpg|thumb|right|মানব-প্রাণীর অহংকারের জন্য এটি একটি বড় চপেটাঘাত এই যে, সে তার সর্বোচ্চ শৈলী আর চেষ্টা দিয়েও প্রকৃতির ক্ষুদ্রতম সৃষ্টির সৌন্দর্য কিংবা তার সমমূল্যও হতে পারবে না।]]
* মানুষের অহংকারের জন্য এর চেয়ে বড় অপমান আর কিছু হতে পারে না যে—তার সর্বোচ্চ শিল্প ও শ্রম দিয়েও সে প্রকৃতির ক্ষুদ্রতম সৃষ্টিগুলোর সৌন্দর্য বা মূল্যের সমান হতে পারে না। শিল্প কেবল একজন সহকারী কারিগরের মতো, যে মূল মাস্টারের (প্রকৃতি) কাজগুলোতে সামান্য কিছু অলঙ্করণ যোগ করে মাত্র।
** ১ম খণ্ড, ১৫শ প্রবন্ধ: দ্য এপিকিউরিয়ান (পৃষ্ঠা ১৩৯, লিবার্টি ফান্ড)।
* শিল্প বা কারিগরি দক্ষতা বড়জোর এক জোড়া পোশাক তৈরি করতে পারে। কিন্তু একজন প্রকৃত মানুষকে সৃষ্টি করা কেবল প্রকৃতির পক্ষেই সম্ভব।
** ১ম খণ্ড, ১৫শ প্রবন্ধ: দ্য এপিকিউরিয়ান (পৃষ্ঠা ১৪০, লিবার্টি ফান্ড)।
* প্রকৃতির দান যেখানে সীমিত, সেখানে ঘাটতি মেটাতে মানুষের সৃজনশীলতা ও শ্রমের প্রয়োজন পড়ে সবচেয়ে বেশি। অথচ প্রকৃতি যখন অকৃপণ ও মুক্তহস্ত হয়, তখন সে আমাদের কাছ থেকে আরও কঠোর পরিশ্রম আর নিবিষ্ট মনোযোগ দাবি করে। সবচেয়ে উর্বর মস্তিষ্কের মেধাও যদি নিয়মিত চর্চা করা না হয়, তবে তা উর্বর জমির মতোই আগাছায় ভরে যায় আর মানুষের আনন্দ ও ব্যবহারের উপযোগী দ্রাক্ষা বা জলপাইয়ের বদলে তা অলস মালিকের জন্য কেবল বিষাক্ত জঞ্জালের জন্ম দেয়।
** ১ম খণ্ড, ১৬শ প্রবন্ধ: দ্য স্টোইক (পৃষ্ঠা ১৪৬, লিবার্টি ফান্ড)।
* মানুষের যাবতীয় শ্রম ও নিরন্তর প্রচেষ্টার চূড়ান্ত সার্থকতা নিহিত রয়েছে সুখ অন্বেষণে। আর এই পরম সুখ লাভের উদ্দেশ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে সুকুমার শিল্প, প্রসার ঘটানো হয়েছে বিজ্ঞানের এবং প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কঠোর আইন ও সমাজব্যবস্থা।
** ১ম খণ্ড, ১৬শ প্রবন্ধ: দ্য স্টোইক (পৃষ্ঠা ১৪৮, লিবার্টি ফান্ড)।
* আশাবাদ আর প্রফুল্ল থাকার সহজাত প্রবৃত্তিই হলো মানুষের প্রকৃত ঐশ্বর্য। আর ভয় ও বিষণ্ণতার কাছে আত্মসমর্পণ করাই হলো চরম দারিদ্র্য।
** ১ম খণ্ড, ১৮শ প্রবন্ধ: দ্য স্কেপটিক (পৃষ্ঠা ১৬৭, লিবার্টি ফান্ড)।
* যারা প্রথম '''চ্যারিটি'' ' (দানশীলতা) শব্দটি উদ্ভাবন করেছেন এবং একে একটি মহৎ গুণ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, তারা কোনো স্বঘোষিত আইনপ্রণেতা বা নবীর চেয়েও অনেক বেশিসার্থকভাবে মানুষের মনে অন্যের প্রতি দয়া ও সহমর্মিতার বীজ বুনে দিয়েছেন। তারা সরাসরি কোনো আদেশ ছাড়াই অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও কার্যকরী উপায়ে মানুষের মনে এই মহৎ শিক্ষাটি স্থায়ীভাবে গেঁথে দিতে সক্ষম হয়েছেন।
** ১ম অংশ, ২২তম প্রবন্ধ: রুচির মানদণ্ড প্রসঙ্গে
[[File:DavidHume.jpg|thumbnail|সৌন্দর্য বস্তুর নিজের কোনো গুণ নয়। এটি কেবল সেই মনের ভেতরেই থাকে যা বিষয়টিকে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রতিটি হৃদয় আলাদা আলাদা সৌন্দর্য অনুভব করে।]]
* মানুষের হৃদয়ের প্রতিটি পরম অনুভূতিই তার কাছে এক অম্লান সত্য!<br>কারণ অনুভূতির জন্ম ও অস্তিত্ব কেবল মানুষের একান্ত গভীরে, আর যখনই কেউ কিছু অনুভব করে—তা তার কাছে ধ্রুব বাস্তব হয়েই ধরা দেয়। কিন্তু আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক সিদ্ধান্তগুলো সবসময় সঠিক হয় না। কারণ সেগুলোর ভিত্তি থাকে বাইরের জগতের কঠিন বাস্তবতার ওপর, যা মানুষের হৃদয়ের সবটুকু অনুভব বা মানদণ্ডের সাথে সবসময় মেলে না।
** ১ম অংশ, ২৩তম প্রবন্ধ: রুচির মানদণ্ড প্রসঙ্গে
* সৌন্দর্য বস্তুর নিজস্ব কোনো গুণ নয়। এটি কেবল সেই মনের গহীনে বিরাজ করে যা বস্তুটিকে প্রত্যক্ষ করছে। আর প্রতিটি মনই তার নিজস্ব আয়নায় সৌন্দর্যকে ভিন্নভাবে খুঁজে পায়। একজন মানুষ যেখানে সৌন্দর্যের ছোঁয়া দেখেন, অন্যজন সেখানে কদর্যতা খুঁজে পেতে পারেন। তাই অন্যের বোধকে শাসন করার চেষ্টা না করে প্রতিটি মানুষের উচিত নিজের অনুভূতিতেই সন্তুষ্ট থাকা।
** ১ম অংশ, ২৩তম প্রবন্ধ: রুচির মানদণ্ড প্রসঙ্গে
* এই দুনিয়ার প্রতিটি বস্তুই আদতে শ্রম দিয়েই ক্রয় করা হয়।
** ২য় অংশ, ১ম প্রবন্ধ: বাণিজ্য প্রসঙ্গে
* এক কথায়, মানবজীবন যুক্তির চেয়ে ভাগ্যের দ্বারাই বেশি শাসিত হয়। একে কোনো সিরিয়াস পেশার চেয়ে বরং একটি নিরন্তর ও একঘেয়ে বিনোদন হিসেবে দেখাই শ্রেয়। এটি জগতের ধরাবাঁধা নিয়মের চেয়ে মানুষের ক্ষণস্থায়ী মেজাজ বা সহজাত স্বভাবের দ্বারা বেশি প্রভাবিত হয়। আমরা কি তবে আবেগ আর দুশ্চিন্তা নিয়ে এতে লিপ্ত হয়ে যাব? এটি এত চিন্তার যোগ্য নয়। কিন্তু আমরা কি যা ঘটে তা নিয়ে সম্পূর্ণ উদাসীন থাকব? আমাদের এই নির্লিপ্ততা আর অসতর্কতার কারণে আমরা জীবনের খেলার সমস্ত আনন্দই হারিয়ে ফেলব। আমরা যখন জীবন নিয়ে অন্তহীন যুক্তি করছি, তখনই জীবন ফুরিয়ে যাচ্ছে; আর মৃত্যু হয়তো মূর্খ এবং দার্শনিককে আলাদাভাবে গ্রহণ করে, কিন্তু দুজনের সাথেই আচরণ করে একই রকম।
** ১ম অংশ, ১৮তম প্রবন্ধ: সংশয়ী
=== ''দ্য হিস্ট্রি অফ ইংল্যান্ড'' (১৭৫৪-৬২) ===
[[File:Loutherbourg-La Maison de Lancastre.jpg|thumb|যেখানে উচ্চাকাঙ্ক্ষা এতটাই সৌভাগ্যবান হয় যে সে নিজের উদ্দেশ্যগুলোকে; এমনকি নিজের কাছেও—আদর্শের আবরণে ঢেকে রাখতে পারে, তখন সেটি হয়ে ওঠে মানুষের সমস্ত আবেগের মধ্যে সবচেয়ে নিরাময় অযোগ্য এবং অনমনীয়।]]
* সেই শাসনামলে এক অমোঘ বিধান কার্যকর ছিল যে, এই দ্বীপের কোনো ভূমিপুত্রকেই রাজকীয় বা ধর্মীয় কোনো উচ্চাসনে বসতে দেওয়া হবে না। তাই স্টিগ্যান্ডের পতনের পর, রাজা ল্যানফ্রাঙ্ক নামক এক প্রাজ্ঞ মিলানিজ সন্ন্যাসীকে সেই শূন্য পদে অভিষিক্ত করেন, যা ছিল স্থানীয়দের জন্য এক অলঙ্ঘনীয় দুর্গের মতো!<br>এই ধর্মযাজক নিজের পদের শ্রেষ্ঠত্ব রক্ষায় ছিলেন বজ্রকঠিন। দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে তিনি পোপের দরবার থেকে ইয়র্কের ধর্মযাজক থমাসকে নিজের বশ্যতা স্বীকারে বাধ্য করেন। উচ্চাকাঙ্ক্ষা যখন এতই সৌভাগ্যবান হয় যে সে নিজের স্বার্থকে—এমনকি নিজের কাছেও—আদর্শের এক পবিত্র আবরণে ঢেকে রাখতে পারে, তখন সেটি হয়ে ওঠে মানুষের আদিমতম আবেগের মধ্যে সবচেয়ে অনমনীয় ও নিরাময় অযোগ্য এক নেশা। ল্যানফ্রাঙ্ক পোপের স্বার্থ রক্ষায় যে অবিরাম উদ্যম দেখিয়েছিলেন, তা আসলে ছিল নিজের একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারের এক নিপুণ কৌশল। তার সেই কৌশলী আনুগত্যের ফলে ইংল্যান্ডের মাটিতে রোমের প্রভাব ফরাসি বা ইতালীয় আভিজাত্যের সমপর্যায়ে উন্নীত হয়। পরবর্তীতে এই ধর্মীয় আধিপত্য আরও বহুদূর বিস্তৃত হয়েছিল; কারণ যে ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতা একসময় রোমের পথে বাধা ছিল, সেই নির্জনতাই পরে সহায়ক হয়ে ওঠে। জ্ঞানের মশাল আর উদার শিক্ষার অভাব এই দ্বীপের আকাশকে এমন এক অন্ধকারে আচ্ছন্ন রেখেছিল, যেখানে এই আধিপত্যকে রুখে দেওয়ার মতো কোনো সাহসী কণ্ঠস্বর অবশিষ্ট ছিল না।
** ১ম খণ্ড, ৪র্থ অংশ : উইলিয়াম দ্য কনকারার
* অলিভার ক্রমওয়েলের চরিত্রটি আমাদের কাছে যতটা না বিস্ময়কর মনে হয় তার চরম মূর্খতা আর তীক্ষ্ণ মেধার এক অদ্ভুত সংমিশ্রণের কারণে, তার চেয়েও বেশি রহস্যময় ঠেকে তার সেই উগ্র উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও অন্ধ ধর্মান্ধতাকে ন্যায়বিচার ও মানবতার আদর্শের সাথে একীভূত করার অবিশ্বাস্য ক্ষমতার জন্য। তিনি একইসাথে ছিলেন এক ক্ষমতালোভী অধিনায়ক এবং ন্যায়ের কঠিন অনুসারী—এই দুই বিপরীতমুখী সত্তাকে তিনি যেভাবে নিজের আত্মায় ধারণ করেছিলেন, সেটিই তাকে ইতিহাসের এক অমীমাংসিত ধাঁধায় পরিণত করেছে।
** ৩য় খণ্ড, ৬১তম অধ্যায়; অলিভার ক্রমওয়েল প্রসঙ্গে
* তৎকালে বিশ্বের কোনো দেশেই এমন সরকার ছিল না। এমনকি ইতিহাসের ধূলিমাখা পাতাতেও তার নজির মেলা ভার! যা কোনো শাসক বা ম্যাজিস্ট্রেটের হাতে ন্যস্ত স্বৈরাচারী ক্ষমতার স্পর্শ ছাড়া টিকে থাকতে পেরেছে। তাই মানব সমাজ আদৌ কোনোদিন এমন পূর্ণতার স্তরে পৌঁছাতে পারবে কি না, যেখানে ব্যক্তিগত শাসন নয় বরং কেবল আইন ও ন্যায়বিচারের শাসন চলবে—তা নিয়ে সন্দেহ থাকাটাই ছিল যৌক্তিক।<br>কিন্তু তৎকালীন পার্লামেন্ট বিচক্ষণতার সাথেই ভেবেছিল যে, রাজার হাতে এমন কোনো অনিয়ন্ত্রিত ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়া যায় না যা তিনি সহজেই জনগণের স্বাধীনতা হরণ করতে ব্যবহার করতে পারেন। শেষ পর্যন্ত প্রমাণিত হয়েছে যে, অক্ষরে অক্ষরে আইন মেনে চলার পথে কিছু সাময়িক বাধা থাকলেও এর সুদূরপ্রসারী সুফল সেসব অসুবিধার চেয়ে অনেক গুণ বেশি। আর এই মহৎ নীতিটি প্রতিষ্ঠার জন্য ইংরেজ জাতির উচিত তাদের সেই পূর্বপুরুষদের প্রতি চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকা, যারা বারবার রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের বিনিময়ে আইনের এই শাসন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
** ৫ম খণ্ড, ৫৪তম অধ্যায়; স্টার চেম্বার বিলুপ্তি প্রসঙ্গে
=== ''ফোর ডিসার্টেশনস'' (১৭৫৭) ===
'''রুচির মানদণ্ড প্রসঙ্গে'''
* সৌন্দর্য আর কদর্যতার বিচারে মানুষের ব্যক্তিগত অনুভবে আকাশ-পাতাল পার্থক্য থাকে, এমনকি যখন তাদের বাহ্যিক রুচি বা আলোচনাগুলো একই মনে হয়। অথচ দর্শন আর বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে বিষয়টি ঠিক উল্টো। সেখানে মানুষ বিশেষ তথ্যের চেয়ে মূল নীতিগুলো নিয়েই বেশি দ্বন্দ্বে জড়ায় এবং বাস্তবে যতটা না মতভেদ থাকে, তর্কের খাতিরে বাইরে থেকে তার চেয়ে অনেক বেশি মনে হয়।
* রুচির একটি 'সার্বজনীন মানদণ্ড' খোঁজা আমাদের সহজাত প্রবৃত্ত। এমন একটি ধ্রুব নিয়ম, যা মানুষের বিচিত্র অনুভূতির মধ্যে সামঞ্জস্য আনবে অথবা অন্তত এমন এক অকাট্য রায় দেবে যা একটি রুচিকে স্বীকৃতি দেবে এবং অন্যটিকে প্রত্যাখ্যান করবে।
* শিল্পের যাবতীয় সাধারণ নিয়ম যদিও কেবল অভিজ্ঞতা এবং মানব প্রকৃতির সহজাত প্রবৃত্তি পর্যবেক্ষণের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত, তবুও ভাবা ভুল হবে যে প্রতিটি বিশেষ ক্ষেত্রে মানুষের চঞ্চল অনুভূতিগুলো সর্বদা এই নিয়মগুলোর সাথে মিলে যা।
* রুচির সূক্ষ্মতার ক্ষেত্রে জন্মগতভাবে মানুষে মানুষে বিশাল ব্যবধান থাকলেও, কোনো বিশেষ শিল্পকলায় নিরন্তর অনুশীলন এবং সৌন্দর্যের নিবিড় পর্যবেক্ষণ ছাড়া এই প্রতিভাকে শাণিত ও উন্নত করার দ্বিতীয় কোনো পথ নেই।
* সাধারণ জীবনের তুচ্ছ ঘটনায় মানুষ যে কাণ্ডজ্ঞান ব্যবহার করে, ধর্মীয় আচারের ক্ষেত্রে তার ছিটেফোঁটাও দেখা যায় না। কারণ সুকৌশলে বিশ্বাস করানো হয়েছে যে—ধর্মীয় বিষয়গুলো মানবিক যুক্তির সীমানার সম্পূর্ণ ঊর্ধ্বে।
=== ''[[w:Dialogues Concerning Natural Religion|ডায়ালগস কনসার্নিং ন্যাচারাল রিলিজিয়ন]]'' (১৭৭৯) ===
:<small>১৭৫৭ থেকে ১৭৭৬ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে বিক্ষিপ্তভাবে লেখা এবং হিউমের মৃত্যুর পর মরণোত্তর প্রকাশিত।</small>
* দর্শনের এমন যেকোনো গূঢ় প্রশ্ন—যা এতটাই 'অস্পষ্ট' ও 'অনিশ্চিত' যে মানুষের যুক্তি সেখানে কোনো অকাট্য সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়—যদি সেই বিষয়ে আলোচনা করতেই হয়, তবে সংলাপ ও কথোপকথনের শৈলীই আমাদের জন্য সবচেয়ে স্বাভাবিক ও সার্থক পথ। এর ফলে তর্কের প্রতিটি দিক উন্মোচিত হয় এবং সত্যের কাছাকাছি পৌঁছানো সহজতর হয়।
** প্যামফিলাস থেকে হারমিপ্পাস, প্রস্তাবনা
* খ্রিস্টধর্মের সূচনালগ্নে যখন দর্শনের গূঢ় তত্ত্বের সাথে লোকজ আচারের এক কৃত্রিম মেলবন্ধন ঘটল, তখন থেকেই ধর্মীয় যাজক ও তাত্ত্বিকদের মধ্যে এক আগ্রাসী প্রবণতা প্রবল হয়ে ওঠে। তারা মানুষের শাশ্বত যুক্তিবাদ আর ইন্দ্রিয়লব্ধ বাস্তব জ্ঞানের বিরুদ্ধে একপ্রকার প্রকাশ্য যুদ্ধ ঘোষণা করেন। মূলত আধ্যাত্মিক একাধিপত্য রক্ষার তাগিদে তারা মানুষের ব্যক্তিগত প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞানকে তুচ্ছজ্ঞান করার এক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। মানুষের নিজস্ব অনুসন্ধান থেকে জন্ম নেওয়া প্রতিটি বৈজ্ঞানিক ও দার্শনিক সত্যকে তারা অত্যন্ত সুকৌশলে ধর্মের পরিপন্থী হিসেবে দাঁড় করিয়েছিলেন, যাতে সাধারণ মানুষের বিচারবুদ্ধি সবসময় তাদের শৃঙ্খলে বন্দী থাকে।
** ক্লিয়ানথেস থেকে ডেমিয়া, ১ম খণ্ড
* বিশ্বের দিকে তাকান, এর প্রতিটি অংশ পর্যবেক্ষণ করুন। আপনি দেখতে পাবেন এটি একটি বিশাল যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়, যা অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র যন্ত্রে বিভক্ত এবং সেগুলো আবার এমন স্তরে বিভক্ত যা মানুষের ইন্দ্রিয় এবং ক্ষমতা দিয়ে ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়। এই সমস্ত বিভিন্ন যন্ত্র এবং তাদের অতি ক্ষুদ্র অংশগুলো একে অপরের সাথে এমন সূক্ষ্মতায় সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা দেখে যে কেউ বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে পড়বে। সমস্ত প্রকৃতিজুড়ে উপায়ের সাথে উদ্দেশ্যের এই অদ্ভুত সমন্বয় মানুষের পরিকল্পনা, চিন্তা, প্রজ্ঞা এবং বুদ্ধিমত্তার সাথে হুবহু মিলে যায়, যদিও এটি মানুষের সৃষ্টির চেয়ে অনেক বেশি উন্নত।
** ফিলো থেকে ক্লিয়ানথেস, ২য় খণ্ড
* মস্তিষ্কের এই ক্ষুদ্র আলোড়ন যাকে আমরা 'চিন্তা' বলি, তার এমন কী বিশেষ বিশেষাধিকার আছে যে আমাদের একেই পুরো মহাবিশ্বের মডেল বানাতে হবে? নিজেদের প্রতি আমাদের পক্ষপাতিত্ব প্রতিটি ক্ষেত্রেই এটিকে সামনে নিয়ে আসে। কিন্তু সঠিক দর্শনের উচিত এই ধরণের প্রাকৃতিক বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকা।
** ফিলো থেকে ক্লিয়ানথেস, ২য় খণ্ড
* যদি আমাদের 'বিমূর্ত যুক্তি' কারণ ও ফলাফলের এই অন্তহীন প্রশ্নে নীরব না থাকে, তবে তার অমোঘ রায় হবে এই যে—একটি ভাবজগত বা ভাবনার মহাবিশ্বের অস্তিত্বের জন্যও ঠিক ততটাই জোরালো 'কারণ' প্রয়োজন, যতটা একটি বস্তুগত মহাবিশ্বের জন্য প্রয়োজন। যদি উভয় জগতের গঠনপ্রকৃতি একই হয়, তবে তাদের উৎসের কারণও অভিন্ন হওয়া বাঞ্ছনীয়। কারণ এই দুইয়ের মাঝে এমন কী পার্থক্য আছে যা ভিন্ন কোনো সিদ্ধান্তে আমাদের উপনীত করবে? বিমূর্ত দৃষ্টিতে তারা সম্পূর্ণ সমান্তরাল এবং বস্তুগত জগতের ব্যাখ্যায় যে দুর্ভেদ্য সমস্যা বিদ্যমান, ভাবজগতের ক্ষেত্রেও তা সমানভাবে সত্য।
** ফিলো থেকে ক্লিয়ানথেস, ৪র্থ খণ্ড
* যদি এই বস্তুগত মহাবিশ্বকে একটি অনুরূপ ভাবজগতের ছাঁচে ব্যাখ্যা করতে হয়, তবে সেই ভাবজগতকেও অন্য কোনো আধারের ওপর দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। আর এভাবেই এক অন্তহীন ও নিরর্থক অনুধাবন চলতেই থাকবে যার কোনো পরিসমাপ্তি নেই। তাই অকারণে জাগতিক সীমানার বাইরে না তাকিয়ে, এই বিশ্বপ্রকৃতিকেই নিজের ভেতরে শৃঙ্খলার নীতি ধারণকারী এক 'দিব্য সত্তা' হিসেবে কল্পনা করা শ্রেয়। আপনি যখনই এই দৃশ্যমান জগতের বাইরে এক কদম পা দেবেন, তখনই আপনি এমন এক অতৃপ্ত কৌতূহলকে জাগিয়ে তুলবেন যাকে শান্ত করা মানুষের যুক্তির পক্ষে কখনও সম্ভব নয়।
** ফিলো থেকে ক্লিয়ানথেস, ৪র্থ খণ্ড
* কিন্তু এই জগত যদি কোনো নিখুঁত সৃষ্টিও হয়ে থাকে, তবুও কি এর সমস্ত শ্রেষ্ঠত্ব সরাসরি সেই মহান কারিগরের ওপরই আরোপ করা যায়? যদি আমরা একটি বিশাল জাহাজের দিকে তাকাই, তবে তার কারিগরের মেধা সম্পর্কে আমাদের ধারণা কতই না উচ্চ হবে!<br>কিন্তু আমরা কতই না বিস্মিত হব যখন দেখব যে সেই কারিগর আসলে একজন সাধারণ মেকানিক, যে কেবল পূর্বসূরিদের অনুকরণ করেছে এবং এমন এক শিল্পকে নকল করেছে যা দীর্ঘ কাল ধরে অসংখ্য পরীক্ষা, ভুল, সংশোধন আর তর্কের মাধ্যমে ধীরে ধীরে উৎকর্ষ লাভ করেছে? বর্তমান এই বিশ্ব-ব্যবস্থাটি স্থিতিশীল হওয়ার আগে অনন্তকাল ধরে হয়তো অনেক জগত আনাড়িপনা আর অদক্ষতার সাথে তৈরি করা হয়েছিল, অনেক শ্রম বৃথা গিয়েছিল। অনেক ব্যর্থ চেষ্টা করা হয়েছিল এবং মহাবিশ্ব নির্মাণের শিল্পে অসীমকাল ধরে এক ধীর কিন্তু নিরন্তর বিবর্তন চলেছিল। এমন গূঢ় বিষয়ে কে নির্ধারণ করতে পারে সত্যের সীমানা। এমনকি অসংখ্য অনুমানের ভিড়ে কেই-বা আন্দাজ করতে পারে যে প্রকৃত সম্ভাবনা কোথায় লুকিয়ে আছে?
** ফিলো থেকে ক্লিয়ানথেস, ৫ম খণ্ড
* এক কথায়, ক্লিয়ানথেস, আপনার এই পথ অনুসরণকারী ব্যক্তি বড়জোর এটুকু দাবি করতে পারে যে—এই মহাবিশ্ব কোনো এক কালে কোনো পরিকল্পনা বা নকশা থেকে জন্ম নিয়েছিল। কিন্তু এর বাইরে সে একটি বিন্দুও নিশ্চিত করতে পারবে না এবং শেষ পর্যন্ত তাকে তার গোটা ধর্মতত্ত্বই কল্পনা আর অনুমানের বালির ওপর দাঁড়িয়ে নির্মাণ করতে হবে।<br>সে যতটুকু জানে, তাতে এই বিশ্ব কোনো এক উন্নত মানদণ্ডের তুলনায় অত্যন্ত ত্রুটিপূর্ণ আর অপূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। এটি হয়তো কোনো এক শিশু দেবতার প্রথম আনাড়ি প্রচেষ্টা ছিল, যে তার এই পঙ্গু সৃষ্টি দেখে লজ্জিত হয়ে পরে একে পরিত্যাগ করেছে। এটি হয়তো কোনো এক নিম্নমানের দেবতার কাজ এবং তার ঊর্ধ্বতনদের কাছে এটি স্রেফ এক উপহাসের বস্তু মাত্র। হয়তো কোনো এক অতিবৃদ্ধ দেবতার জরাগ্রস্ত বয়সের অন্তিম সৃষ্টি এবং তার মৃত্যুর পর থেকেই এটি সেই প্রথম দিককার ধাক্কা আর যান্ত্রিক শক্তির ওপর ভর করে লক্ষ্যহীনভাবে চলছে। ডেমিয়া, আপনি এই অদ্ভুত অনুমানে আতঙ্কিত হচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু এগুলো তো ক্লিয়ানথেসেরই দর্শনের অনিবার্য পরিণতি, আমার নয়। যখনই দেবতার গুণাবলীকে মানুষের মতো সীমাবদ্ধ ধরে নেওয়া হয়, তখনই এই বিচিত্র সব ভাবনার জন্ম হয়। আর আমার বিচারে, এমন এক উদ্দাম ও অস্থির ধর্মতত্ত্ব কোনো ধর্মতত্ত্ব না থাকার চেয়ে কোনো অংশে ভালো নয়।
** ফিলো থেকে ডেমিয়া, ৫ম খণ্ড
* ফিলো উত্তর দিলেন, এই প্রশ্নের উত্তর পেতে আপনাকে শুধু চারদিকে তাকাতে হবে। একটি গাছ তার থেকে জন্মানো অন্য গাছের মধ্যে শৃঙ্খলা ও সংগঠন বজায় রাখে কোনো সচেতন পরিকল্পনা ছাড়াই। একটি প্রাণী একইভাবে তার সন্তানের মধ্যে। একটি পাখি তার বাসার মধ্যে এবং বিশ্বে এমন ধরণের শৃঙ্খলার উদাহরণ যুক্তি বা পরিকল্পনা থেকে আসা শৃঙ্খলার চেয়ে অনেক বেশি দেখা যায়।<br>প্রাণীদের এবং উদ্ভিদের এই সমস্ত শৃঙ্খলা শেষ পর্যন্ত কোনো নকশা বা পরিকল্পনা থেকেই আসে; একথা বলা মানেই মূল প্রশ্নকে এড়িয়ে যাওয়া। আর এই বিষয়টি তখনই নিশ্চিত হওয়া যাবে যদি অভিজ্ঞতাপূর্বভাবে প্রমাণ করা যায় যে—শৃঙ্খলা তার প্রকৃতির কারণেই চিন্তার সাথে অবিচ্ছেদ্যভাবে যুক্ত, এবং এটি কখনই নিজের থেকে বা কোনো অজ্ঞাত আদি নীতি থেকে বস্তুর অন্তর্ভুক্ত হতে পারে না।
** ফিলো থেকে ডেমিয়া, ৭ম খণ্ড
* বস্তুর এমন একটি শৃঙ্খল বা ধারায় প্রতিটি অংশ তার আগেরটি দ্বারা ঘটে এবং তার পরেরটির কারণ হয়। তবে সমস্যা কোথায়? আপনি বলছেন, পুরো ব্যবস্থার একটি কারণ চাই। আমি উত্তরে বলব যে, এই অংশগুলোকে একটি পূর্ণতায় একত্রিত করা তা কেবল মনের একটি স্বেচ্ছাচারী কাজ মাত্র, এবং বস্তুর প্রকৃতির ওপর এর কোনো প্রভাব নেই। আমি যদি আপনাকে কুড়িটি বস্তুকণার একটি সংগ্রহের প্রতিটি কণার আলাদা আলাদা কারণ দেখিয়ে দিই, তবে আপনি যদি পরে আমাকে জিজ্ঞাসা করেন যে পুরো কুড়িটির কারণ কী—তবে তা অত্যন্ত অযৌক্তিক হবে। প্রতিটি অংশের কারণ ব্যাখ্যা করার মাধ্যমেই পুরোটির কারণ যথেষ্ট পরিমাণে ব্যাখ্যা করা হয়ে যায়।
** ক্লিয়ানথেস থেকে ডেমিয়া, ৯ম খণ্ড
* তিনি আরও যোগ করলেন, মানুষই বা কেন অন্য সমস্ত প্রাণীর ভাগ্য থেকে মুক্তি পাওয়ার দাবি করবে? বিশ্বাস করো ফিলো, পুরো পৃথিবী অভিশপ্ত আর দূষিত। সমস্ত জীবন্ত প্রাণীর মধ্যে এক অবিরাম যুদ্ধ চলছে। অনিবার্যতা, ক্ষুধা আর অভাব শক্তিশালী ও সাহসীদের উত্তেজিত করে। ভয়, উদ্বেগ আর আতঙ্ক দুর্বল ও অসুস্থদের অস্থির করে তোলে। জীবনের প্রথম প্রবেশই নবজাতক শিশু এবং তার দুর্ভাগা পিতামাতাকে যন্ত্রণায় বিদ্ধ করে। দুর্বলতা, অক্ষমতা আর দুর্দশা সেই জীবনের প্রতিটি স্তরে সঙ্গী হয় এবং শেষ পর্যন্ত যন্ত্রণা আর ভয়াবহতার মধ্য দিয়েই এর সমাপ্তি ঘটে।
** ডেমিয়া থেকে ফিলো, ১০ম খণ্ড
* যদি কোনো আগন্তুক হঠাৎ এই পৃথিবীতে এসে পড়ে, তবে আমি তাকে এই জগতের মন্দের নমুনা হিসেবে দেখাব—ব্যাধিতে জীর্ণ কোনো হাসপাতাল, অপরাধী আর ঋণগ্রস্তদের ভিড়ে দমবন্ধ কোনো কারাগার, লাশে ঢাকা রণক্ষেত্র, সাগরে ডুবতে থাকা নৌবহর কিংবা অত্যাচার আর মহামারীতে জর্জরিত কোনো জনপদ। জীবনের আনন্দময় দিকটি চেনানোর জন্য আমি তাকে কোথায় নিয়ে যাব? কোনো নাচের আসরে, অপেরায় নাকি রাজদরবারে? সে হয়তো গভীর বিস্ময়ে ভাববে যে, আমি তাকে আনন্দের ছলে আসলে দুঃখ আর যন্ত্রণারই বিচিত্র সব রূপ দেখাচ্ছি।
** ডেমিয়া থেকে ফিলো, ১০ম খণ্ড
* ফিলো বললেন, ক্লিয়ানথেস, এই সমস্ত চিন্তার পরেও কি এটা সম্ভব যে আপনি আপনার সেই মানবকেন্দ্রিক ধারণায় অটল থাকবেন এবং দাবি করবেন যে ঈশ্বরের নৈতিক গুণাবলী যেমন তার ন্যায়বিচার, পরোপকারিতা আর ক্ষমা মানুষের গুণের মতোই? আমরা স্বীকার করি তার শক্তি অসীম, তিনি যা ইচ্ছা করেন জগতে ঠিক তাই ঘটে। কিন্তু লক্ষ্য করুন, মানুষ বা অন্য কোনো প্রাণীই এই জগতে প্রকৃত সুখী নয়। অতএব এটি স্পষ্ট যে তিনি তাদের সুখ ইচ্ছা করেন না। তার প্রজ্ঞা অসীম হতে পারে, কিন্তু সেই প্রজ্ঞার উদ্দেশ্য মানুষের ক্ষুদ্র বিচারবুদ্ধি দিয়ে মাপা অসম্ভব। কোনো উদ্দেশ্য হাসিলে সঠিক উপায় বেছে নিতে তিনি কখনোই ভুল করেন না। কিন্তু প্রকৃতির গতিধারা মানুষ বা প্রাণীর সুখের দিকে ধাবিত হয় না। অতএব প্রকৃতি সেই উদ্দেশ্যে তৈরি হয়নি। মানুষের সমস্ত জ্ঞানের গণ্ডিতে এর চেয়ে নিশ্চিত আর অভ্রান্ত সিদ্ধান্ত আর হতে পারে না। তবে কোন দিক থেকে তার পরোপকার আর ক্ষমা মানুষের গুণের সাথে মেলে? এপিকিউরাসের সেই পুরনো প্রশ্নগুলোর উত্তর আজও মেলেনি। তিনি কি মন্দকে প্রতিরোধ করতে চান, কিন্তু পারছেন না? তবে তিনি অক্ষম। তিনি কি সমর্থ, কিন্তু করতে চান না? তবে তিনি বিদ্বেষপরায়ণ। তিনি কি সমর্থ এবং ইচ্ছুক—উভয়ই? তবে মন্দের উৎস কোথায়?
** ফিলো থেকে ক্লিয়ানথেস, ১০ম খণ্ড
* কত বিশাল প্রাণের সমারোহ, কত সুসংগঠিত, সচেতন আর সক্রিয় সব সত্তা! আপনি হয়তো এই বিস্ময়কর বৈচিত্র্য আর প্রাচুর্যের প্রশংসা করবেন। কিন্তু এই জীবন্ত অস্তিত্বগুলোকে, যারা আসলে মনোযোগ পাওয়ার যোগ্য একমাত্র সত্তা, একটু কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করুন। তারা একে অপরের প্রতি কতটা বৈরী আর ধ্বংসাত্মক! তারা প্রত্যেকেই নিজের সুখের জন্য কতটা অপ্রতুল! একজন দর্শকের কাছে তারা কতটা তুচ্ছ আর ঘৃণ্য! পুরো বিষয়টি একটি 'অন্ধ প্রকৃতি'র ধারণা ছাড়া আর কিছুই তুলে ধরে না, যা এক মহান প্রাণদায়ী শক্তির প্রভাবে গর্ভবতী হয়ে নিজের কোল থেকে কোনো বিচারবুদ্ধি বা মাতৃত্বসুলভ যত্ন ছাড়াই তার পঙ্গু আর অপরিণত সন্তানদের উগরে দিচ্ছে!
** ফিলো থেকে ক্লিয়ানথেস, ১১তম খণ্ড
* যদি পুরো প্রাকৃতিক ধর্মতত্ত্ব—যেমনটা কিছু লোক দাবি করতে চায় যে একটি সহজ অথচ কিছুটা অস্পষ্ট এবং অন্তত অনির্ধারিত প্রস্তাবে এসে শেষ হয় যে, 'মহাবিশ্বের শৃঙ্খলার কারণ বা কারণগুলোর সাথে মানুষের বুদ্ধিবৃত্তির হয়তো কোনো দূরবর্তী সাদৃশ্য রয়েছে'। যদি এই প্রস্তাবটি কোনো বিস্তার, পরিবর্তন বা আরও বিশেষ ব্যাখ্যার যোগ্য না হয়, যদি এটি এমন কোনো সিদ্ধান্ত দিতে না পারে যা মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করে অথবা কোনো কাজ বা সংযমের উৎস হতে পারে এবং যদি এই সাদৃশ্যটি—যতটা অসম্পূর্ণই হোক না কেন মানুষের বুদ্ধিবৃত্তির বাইরে মনের অন্য কোনো গুণের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা সম্ভব না হয়। যদি সত্যিই বিষয়টি এমন হয়, তবে একজন অতি উৎসুক, চিন্তাশীল এবং ধর্মপ্রাণ মানুষ এই প্রস্তাবে কেবল একটি সাধারণ দার্শনিক সম্মতি দেওয়া ছাড়া আর কী-ই বা করতে পারে? এবং সে কেবল এটুকুই বিশ্বাস করতে পারে যে, যে যুক্তির ওপর এটি প্রতিষ্ঠিত তা এর বিরুদ্ধে থাকা আপত্তিগুলোর চেয়ে কিছুটা বেশি শক্তিশালী।
** ফিলো থেকে ক্লিয়ানথেস, ১২তম খণ্ড
== ভুলভাবে আরোপিত ==
* "''Character is the result of a system of stereotyped principles''" অর্থাৎ 'চরিত্র হলো বদ্ধমূল কিছু নীতির সমষ্টি'।
** হিউম কখনো ''Stereotype'' শব্দটি ব্যবহার করেননি। কারণ ১৭৯৮ সালের আগে এই শব্দের উদ্ভাবনই হয়নি!
* "তর্কের মাধ্যমেই সত্যের জন্ম হয়।"
* "যুক্তির ভূমিকা আমাদের জ্ঞানী করা নয়, বরং আমাদের অজ্ঞতাকে প্রকাশ করা।"
** এগুলো হিউমের নামে প্রচলিত হলেও তাঁর কোনো লেখায় এর ভিত্তি পাওয়া যায়নি।
* "যিনি আবেগ দিয়ে চালিত হন তিনি দাস, আর যিনি যুক্তি দিয়ে চলেন তিনি স্বাধীন।"
** এটি আসলে স্পিনোজার উক্তি, যা প্রায়ই হিউমের নামে চালানো হয়। ''এথিক্স (চতুর্থ অংশ)''।
== ডেভিড হিউম সম্পর্কে বিশিষ্টজনদের উক্তি ==
* হিউম নৈতিকতা আর ন্যায়বিচারের মাপকাঠিকে দেখেছেন মানুষের নিপুণ হাতে গড়া এক ‘আর্টিফ্যাক্ট’ বা কৃত্রিম সৃষ্টি হিসেবে। তাঁর মতে, এগুলো আকাশ থেকে পড়া কোনো ঈশ্বরপ্রদত্ত আদেশ নয়, কিংবা নিছক যুক্তির মারপ্যাঁচে তৈরি কোনো তত্ত্বও নয়; বরং এগুলো হলো মানুষের যাপিত জীবনের অভিজ্ঞতার নির্যাস। নীতিশাস্ত্রের আঙিনায় হিউমকে বলা যেতে পারে ডারউইনের এক অগ্রজ পথিকৃৎ। তিনি মূলত প্রথাগুলোর ভেতরে ‘যোগ্যতমের টিকে থাকার’( সুরটিই খুঁজে পেয়েছিলেন—যেখানে কোনো প্রথা কতটুকু টিকে থাকবে, তা নির্ধারিত হতো সমাজের জন্য তার প্রয়োজনীয়তা বা উপযোগিতা দিয়ে।
* '''''[[:w:অ্যানেট বেয়ার|অ্যানেট বেয়ার]]''''', "''প্রাণীজগতে আমাদের স্থান অনুধাবন''", হারলান বি. মিলার এবং উইলিয়াম এইচ. উইলিয়ামস সম্পাদিত ''নীতিশাস্ত্র এবং প্রাণীজগত'' (ক্লিফটন, নিউ জার্সি: হিউম্যানা প্রেস, ১৯৮৩; {{আইএসবিএন|978-0-89603-053-4}}), পৃষ্ঠা ৬৮।
* আপনি যদি ডেভিড হিউমের সেই গভীর দর্শনের মুখোমুখি হন, যিনি আমাদের বিশ্বাসের সূক্ষ্মতম তন্তুগুলো ব্যবচ্ছেদ করেছেন, তবে দেখবেন—কাল সকালে সূর্য উঠবেই, এমন কোনো ধ্রুব বা অকাট্য নিশ্চয়তা আদতে নেই। এটি নিছক আমাদের দীর্ঘদিনের এক অভ্যাস; আমরা কেবল বিশ্বাস করতে ভালোবাসি যে জগতের সবকিছুই বুঝি তার চেনা ছন্দে আবর্তিত হবে। হিউমের এই পর্যবেক্ষণ যেমন অমোঘ সত্যবাহী, তেমনই নিখুঁত!
** '''''[[:w:জন এস বেল|জন এস বেল]]''''', ''দ্য ঘোস্ট ইন দ্য অ্যাটম'' (১৯৮৬)।
* [[:w:জর্জ বার্কলি|বার্কলে]], [[:w:ডেভিড হিউম|হিউম]], [[:w:ইমানুয়েল কান্ট|কান্ট]], [[:w:গেয়র্গ ভিলহেল্ম ফ্রিডরিখ হেগেল|হেগেল]]—তাঁরা সবাই একটি মহৎ প্রচেষ্টায় ঐক্যবদ্ধ ছিলেন। আর তা হলো এই বিশাল মহাবিশ্বে মানুষকে তার শ্রেষ্ঠত্ব ফিরিয়ে দেওয়া এবং তার আধ্যাত্মিক সত্তাকে এক মর্যাদাপূর্ণ আসনে বসানো।
** '''''[[:w:এডুইন আর্থার বার্ট|এডুইন আর্থার বার্ট]]''''', ''দ্য মেটাফিজিক্যাল ফাউন্ডেশনস অফ মডার্ন ফিজিক্যাল সায়েন্স'' (১৯২৫)।
* বার্কের কাছে ‘প্রেসক্রিপশন’ বা প্রথাগত অধিকার হলো সেই অটল পাহাড়, যার সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর আমাদের সমস্ত জাগতিক অধিকার দাঁড়িয়ে থাকে। হিউম এই একই তত্ত্বকে ব্যাখ্যা করেছিলেন তাঁর নিজস্ব ঢঙে। তিনি লিখেছিলেন—‘সময় এবং প্রথাই হলো সেই জাদুকরী শক্তি, যা যে কোনো সরকার বা রাজবংশকে বৈধতার চাদরে মুড়িয়ে দেয়। যে ক্ষমতার জন্ম হয়েছিল নিছক অন্যায় আর সহিংসতার গর্ভে, সময়ের পরিক্রমায় সেই ক্ষমতাই একসময় আইনসম্মত এবং অনিবার্য হয়ে ওঠে।’ বার্কও হিউমের সুরে সুর মিলিয়ে বিশ্বাস করতেন যে, সম্পত্তি কিংবা শাসনব্যবস্থা; রাষ্ট্রের যা কিছু শক্তিশালী ভিত্তি, তার মূলে রয়েছে এই প্রথাগত অধিকার।
** '''''[[:w:আলফ্রেড কোবান|আলফ্রেড কোবান]]''''', ''এডমন্ড বার্ক অ্যান্ড দ্য রিভল্ট এগেইনস্ট দ্য এইটিনথ সেঞ্চুরি'' (১৯২৯)।
* হিউম সম্ভবত আইনি এবং রাজনৈতিক দর্শনের একমাত্র পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা দিয়েছিলেন যা পরবর্তীকালে 'লিবারেলিজম' (উদারতাবাদ) হিসেবে পরিচিতি পায়। হিউমের জনপ্রিয় গ্রন্থ ''হিস্ট্রি''(দ্য হিস্ট্রি অফ ইংল্যান্ড) ১৮শ শতাব্দীতে ইউরোপজুড়ে 'উইগ লিবারেলিজম' ছড়িয়ে দিতে ঠিক তেমনই ভূমিকা রেখেছিল, যেমনটি ১৯শ শতাব্দীতে মেকলের ''হিস্ট্রি'' রেখেছিল।
** '''''[[:w:ফ্রিডরিখ হায়েক|ফ্রিডরিখ হায়েক]]''''', ''দ্য লিগ্যাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল ফিলোসফি অফ ডেভিড হিউম'' (১৯৬৩)।
* আধুনিক সমাজের এমন কিছু বৈশিষ্ট্য আমরা আজ মূল্যবান মনে করি, যেগুলো এমন সব পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল যা আগে থেকে কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৈরি করা হয়নি। হিউম দেখিয়েছেন যে, একটি সুশৃঙ্খল সমাজ কেবল তখনই গড়ে উঠতে পারে যখন মানুষ নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চলতে শেখে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো জনসাধারণের জন্য সুবিধাজনক হলেও—উদ্ভাবকরা ঠিক সেই উদ্দেশ্যে এগুলো তৈরি করেননি।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, ''দ্য লিগ্যাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল ফিলোসফি অফ ডেভিড হিউম'' (১৯৬৩)।
* মানুষের বুদ্ধিবৃত্তি আর অর্জিত জ্ঞানের যে এক বড়ো সীমাবদ্ধতা রয়েছে, সে বিষয়ে এই মহান সংশয়বাদীর ছিল এক অটল বিশ্বাস। তিনি হৃদয় দিয়ে অনুভব করেছিলেন যে শান্তি, স্বাধীনতা বা ন্যায়বিচারের মতো মহত্তম রাজনৈতিক প্রাপ্তিগুলো আদতে আকাশ থেকে পড়া কোনো ঐশ্বরিক আশীর্বাদ নয়। বরং এগুলো হলো এক প্রকার ‘নেতিবাচক’ সুরক্ষা, অর্থাৎ আমাদের জানমাল আর অধিকারকে সম্ভাব্য বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করার এক মজবুত বর্ম মাত্র। হিউম কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত মহত্ত্ব বা সততার চেয়ে সেই সব সুদৃঢ় ‘প্রতিষ্ঠান’ বা শাসন কাঠামোর ওপর বেশি ভরসা করতেন, যা তাঁর ভাষায়, ‘এমনকি একজন ঘোরতর অসৎ মানুষকেও বৃহত্তর জনকল্যাণে নিয়োজিত হতে বাধ্য করে’। এই ঘোর বাস্তববাদী দার্শনিকের মতে, একটি টেকসই রাষ্ট্র গড়ার মূলমন্ত্র হলো, ‘রাজনীতির ময়দানে প্রতিটি মানুষকে একজন সম্ভাব্য প্রতারক হিসেবে ধরে নিতে হবে’। আর এভাবেই আইন ও কাঠামোর নিগড়ে তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা সম্ভব।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, ''দ্য লিগ্যাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল ফিলোসফি অফ ডেভিড হিউম'' (১৯৬৩)।
* হিউম তাঁর দার্শনিক কাজের মাধ্যমে লিবারেল আইনি তত্ত্বের ভিত্তি স্থাপন করার পাশাপাশি তাঁর ''হিস্ট্রি অফ ইংল্যান্ড'' (১৭৫৪-৬২)-এ ইংরেজ ইতিহাসকে 'আইনের শাসন' এর ক্রমবিকাশ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, ''লিবারেলিজম'' (১৯৭৩)।
* যুক্তিবাদ বা র্যাশনালিজমের সমালোচনায় হিউম অন্য যেকোনো লেখকের চেয়ে অনেক বেশি গভীরে যেতে পেরেছেন। আমি বারবার হিউমের লেখায় এমন সব ধারণার সন্ধান পেয়েছি যা আমি নিজে স্বাধীনভাবে চিন্তা করেছিলাম। বিশেষ করে সব ধরণের সামাজিক প্রতিষ্ঠানের গঠন সম্পর্কে হিউমের ব্যাখ্যা অনেক বেশি আমাকে প্রভাবিত করেছিল।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, ''ইকোনমিক্স, পলিটিক্স অ্যান্ড ফ্রিডম'' (১৯৭৫)।
* হিউম স্পষ্টভাবে স্বাধীনতা এবং এই নীতিগুলোর মধ্যে সম্পর্ক লক্ষ্য করেছিলেন। তিনি দেখেছিলেন যে, সবার সর্বোচ্চ স্বাধীনতার জন্য প্রত্যেকের স্বাধীনতার ওপর সমান সীমাবদ্ধতা প্রয়োজন।একে তিনি প্রকৃতির তিনটি 'মৌলিক আইন' বলেছেন:<br>'''১.''' অধিকারে স্থায়িত্ব,<br>'''২.''' সম্মতির মাধ্যমে হস্তান্তর এবং<br>'''৩.''' প্রতিশ্রুতি রক্ষা ।<br>হিউম সম্ভবত প্রথম ব্যক্তি যিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে, সাধারণ স্বাধীনতা কেবল তখনই সম্ভব হয় যখন মানুষের সহজাত প্রবৃত্তিগুলো 'ন্যায়বিচার' অনুযায়ী পরবর্তী কোনো বিচারবোধ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। তিনি সেই ভুলটি করেননি যা পরবর্তীতে অনেকেই করেছেন—ব্যক্তির বিচ্ছিন্ন স্বাধীনতা এবং মানুষের পারস্পরিক সহযোগিতার ফলে সৃষ্ট স্বাধীনতার মধ্যে পার্থক্য গুলিয়ে ফেলা।
** ফ্রিডরিখ হায়েক, ''দ্য ফ্যাটাল কনসিট'' (১৯৮৮), ২য় অধ্যায়: ''দ্য অরিজিনস অফ লিবার্টি, প্রপার্টি অ্যান্ড জাস্টিস''।
* হিউম বিবর্তনবাদের এক মহাজাগতিক সত্যের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন!<br>তিনি গভীরভাবে উপলব্ধি করেছিলেন যে, ‘কোনো প্রাণের অস্তিত্বই টিকে থাকা সম্ভব নয়, যদি না তার ভেতরে নিজেকে রক্ষা করার মতো প্রয়োজনীয় শক্তি বা সামর্থ্য থাকে। প্রকৃতি যতক্ষণ না একটি সুশৃঙ্খল ও টেকসই ব্যবস্থা খুঁজে পায়, ততক্ষণ সে নিরন্তর নতুন নতুন কৌশল বা জীবন-পদ্ধতির পরীক্ষা চালিয়ে যায়।’ তাঁর মতে, মানুষ নিজেকে অন্য সব প্রাণীর ভাগ্যের অতীত বা অলৌকিক কিছু ভেবে ভুল করতে পারে না। কারণ জগতের প্রতিটি প্রাণীর ভেতরেই সেই ‘নিরন্তর যুদ্ধ’ অবিরত চলতে থাকে। হিউম মূলত এটিই স্বীকার করেছিলেন যে, আমাদের চেনা প্রাকৃতিক আর মানুষের গড়া কৃত্রিম—এই দুইয়ের মাঝামাঝি একটি তৃতীয় জগৎ রয়েছে, যার ভেতরে এই উভয় জগতের বৈশিষ্ট্যই মিলেমিশে একাকার হয়ে আছে।
** '''''[[:w:ফ্রিডরিখ হায়েক|ফ্রিডরিখ হায়েক]]''''', ''দ্য ফ্যাটাল কনসিট'' (১৯৮৮), পরিশিষ্ট: 'ন্যাচারাল' ভার্সেস 'আর্টিফিশিয়াল'।
* হিউমের সংশয়বাদকে প্রাচীন ‘গ্রিক সংশয়বাদ’-এর সাথে গুলিয়ে ফেলাটা হবে এক বিরাট ভুল!<br>কারণ এই দুইয়ের পথ সম্পূর্ণ আলাদা। হিউম আমাদের ইন্দ্রিয়লব্ধ অভিজ্ঞতা, হৃদয়ের গভীর অনুভূতি আর অন্তর্দৃষ্টির সত্যতাকে অস্বীকার করেন না, বরং এগুলোকেই তিনি তাঁর দর্শনের শক্ত খুঁটি হিসেবে বেছে নেন। সেই মাটির ওপর দাঁড়িয়েই তিনি তথাকথিত ‘ধ্রুব সত্য’ বা ধরাবাঁধা নিয়মগুলোকে চ্যালেঞ্জ করেন। কারণ সেসব নিয়মের সপক্ষে আমাদের বাস্তব অভিজ্ঞতার কোনো প্রমাণ নেই। ঠিক উল্টো দিকে, প্রাচীন গ্রিক সংশয়বাদীরা ইন্দ্রিয়ের অনুভূতির ওপর সত্যের ভিত্তি স্থাপন করা তো দূরের কথা, তারা শুরুতেই মানুষের ইন্দ্রিয়গুলোর বিরুদ্ধেই যুদ্ধ ঘোষণা করত।
** '''''[[:w:জি. ডব্লিউ. এফ. হেগেল|জি. ডব্লিউ. এফ. হেগেল]]''''', ''এনসাইক্লোপিডিয়া অফ ফিলোসফি'' (১৮২৭), ডব্লিউ. কফম্যানের ''হেগেল'' (১৯৬৬) গ্রন্থে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ৬৯-৭০)।
* হিউমের ইতিহাসের সেই মোহনীয় বিষয়বস্তু আর চমৎকার বর্ণনাশৈলী বইটিকে প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য যেন এক অনিবার্য পাঠ্যপুস্তকে পরিণত করেছিল। আমার আজও মনে পড়ে, ঠিক কতটা উদ্দীপনা নিয়ে তরুণ বয়সে আমি ডুবে থাকতাম এই বইয়ের পাতায়। কিন্তু হায়! সেই বইয়ের প্রতিটি ছত্রে লুকিয়ে থাকা বিষাক্ত প্রভাব থেকে নিজের মনকে মুক্ত করতে আমাকে এরপর কত দীর্ঘ সময় ব্যয় করতে হয়েছে! কত গভীর গবেষণা আর চিন্তার লড়াই লড়তে হয়েছে। তা আজ কেবল এক দুঃসহ স্মৃতির মতোই মনে পড়ে। এটি দুর্ভাগ্যজনক যে তিনি প্রথমে [[:w:স্টুয়ার্ট রাজবংশ|স্টুয়ার্ট রাজবংশের]] ইতিহাস লিখেছিলেন এবং তাদের অত্যাচারের পক্ষে ওকালতি করেছিলেন। এটিই সেই বই যা ইংরেজ সরকারের মুক্ত নীতিগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং পাঠকদের বিশ্বাস করিয়েছে যে রাজতন্ত্রের অধিকারই আসল। এটি সারা দেশে 'টোরিজম' (একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক মতবাদ) ছড়িয়ে দিয়েছে।
** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''' থেকে উইলিয়াম ডুয়েন (১২ আগস্ট ১৮১০), টমাস জেফারসনের ''রাইটিংস'' (১৯৮৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ১২২৮-১২২৯)।
* আমার কাছে সব সময় মনে হয়েছে যে, ব্রিটেনের '[[:w:হুইগস (ব্রিটিশ রাজনৈতিক দল)|হুইগস]]' এবং 'টরি'দের (তখনকার প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল) মধ্যে পার্থক্য হলো—হুইগসরা তাদের অধিকারের উৎস খোঁজে অ্যাংলো-স্যাক্সন উৎস থেকে, আর টরিরা খোঁজে নরম্যান উৎস থেকে। হিউম ছিলেন সেই টরিবাদের মহান প্রচারক। তিনি দাবি করেছিলেন যে স্টুয়ার্টদের রাজত্বকালে জনগণই রাজাকে আক্রমণ করেছিল, রাজা জনগণকে নয়। তিনি আরও বলেছিলেন, 'জনগণই সকল ন্যায়সঙ্গত ক্ষমতার উৎস'। এই মহান নীতিটি ইতিহাস এবং অভিজ্ঞতা দ্বারা সমর্থিত নয়। বিজ্ঞানের এই বিপথগামী সন্তান, তার সহমানুষদের সাথে বিশ্বাসঘতকতা করে যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মধ্যে ক্ষমতার উৎস খুঁজে না পান, তবে কি তিনি তা সংখ্যালঘুর মধ্যে খুঁজবেন?
** টমাস জেফারসন থেকে জন কার্টরাইট (৫ জুন ১৮২৪), টমাস জেফারসনের ''রাইটিংস'' (১৯৮৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ১৪৯১)।
* হিউম দৈবক্রমে একজন টরি (তৎকালীন সময়ের একটি রাজনৈতিক আদর্শ), কারণ তিনি স্কটিশ ছিলেন। কিন্তু তিনি কোনো আদর্শের কারণে টরি ছিলেন না, কারণ তাঁর কোনো আদর্শই ছিল না। যদি তিনি কিছু হয়ে থাকেন, তবে তিনি ছিলেন একজন 'হবিস্ট' (টমাস হবসের অনুসারী)।
** '''''[[:w:স্যামুয়েল জনসন|স্যামুয়েল জনসন]]''''', ''লেটারস অফ ডেভিড হিউম টু উইলিয়াম স্ট্রাহান'' (১৮৮৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত।
* আমি অকপটে স্বীকার করি যে, আজ থেকে বহু বছর আগে সেই ডেভিড হিউমের স্মৃতিই প্রথম আমার 'ডগম্যাটিক স্লাম্বার' (''মতান্ধতার ঘোর বা বিচার-বিশ্লেষণ ছাড়াই প্রচলিত বিশ্বাসকে অন্ধভাবে সত্য মনে করা'') ভাঙিয়ে দিয়েছিল। তাঁর সেই সংশয়বাদী চিন্তাই অনুমানমূলক দর্শনের জগতে আমার গবেষণাকে এক সম্পূর্ণ নতুন আর ভিন্ন পথের দিশা দেখিয়েছিল।
** '''''[[:w:ইমানুয়েল কান্ট|ইমানুয়েল কান্ট]]''''', ''প্রোলেগোমেনা টু এনি ফিউচার মেটাফিজিক্স'' (১৭৮৩), ভূমিকা।
* হিউম ধর্মকে এতটাই ঘৃণা করতেন যে তিনি স্বাধীনতাকেও ঘৃণা করতেন। কারণ স্বাধীনতা ধর্মের সাথে যুক্ত ছিল। তিনি একজন নিরপেক্ষ বিচারকের ভান করে একজন কুশলী উকিলের মতো স্বৈরাচারের পক্ষে ওকালতি করেছেন।
** '''''[[:w:টমাস বাবিংটন মেকলে|টমাস বাবিংটন মেকলে]]''''', 'মিলটন', ''দ্য এডিনবরা রিভিউ'' (আগস্ট ১৮২৫), ১৮৪৩ সালে উদ্ধৃত (পৃষ্ঠা ৩১)।
* হিউমের দর্শন সত্য হোক অথবা মিথ্যা, তবে এটি ১৮শ শতাব্দীর যুক্তিবাদ বা কাণ্ডজ্ঞানের দেউলিয়া দশা প্রকাশ করে। তিনি জন লকের মতো অভিজ্ঞতা নিয়ে শুরু করেছিলেন, কিন্তু প্রখর বুদ্ধিমত্তার কারণে তিনি এই ধ্বংসাত্মক সিদ্ধান্তে পৌঁছান যে অভিজ্ঞতা থেকে শেখার মতো আসলে কিছুই নেই। কোনো কাজই অন্য কাজের চেয়ে বেশি যৌক্তিক হতে পারে না, কারণ সবই অযৌক্তিক বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে চলে। [[:w:রুশো|রুশো]] ছিলেন উন্মাদ কিন্তু প্রভাবশালী। হিউম ছিলেন সুস্থ মস্তিস্কের মানুষ কিন্তু তাঁর কোনো অনুসারী ছিল না।
** '''''[[:w:বার্ট্রান্ড রাসেল|বার্ট্রান্ড রাসেল]]''''', ''এ হিস্ট্রি অফ ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি'', ৩য় খণ্ড, ১৭শ অধ্যায়: হিউম।
* হিউমের সংশয়বাদের কোনো উত্তর আছে কি না তা খুঁজে বের করা জরুরি। যদি না থাকে, তবে একজন সুস্থ মানুষ আর একজন উন্মাদের মধ্যে কোনো বুদ্ধিবৃত্তিক পার্থক্য থাকে না। যে উন্মাদ নিজেকে একটি 'সেদ্ধ ডিম' মনে করে, তাকে কেবল এই যুক্তিতেই বাতিল করা হবে যে সে সংখ্যায় সংখ্যালঘু অথবা সরকার তার সাথে একমত নয়। এটি একটি ভয়াবহ এবং হতাশাজনক দৃষ্টিভঙ্গি।
** '''''[[:w:বার্ট্রান্ড রাসেল|বার্ট্রান্ড রাসেল]]''''', ''এ হিস্ট্রি অফ ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি'', ৩য় খণ্ড, ১৭শ অধ্যায়: হিউম।
* হিউমের ন্যায়ের ধারণা মূলত নৈতিক ও রাজনৈতিক গুণাবলির একটি বৃহত্তর ব্যাখ্যার অংশ। হিউম একজন 'দার্শনিক নৃবিজ্ঞানী' হিসেবে লিখেছেন, কোনো সংস্কারক হিসেবে নয়। তিনি বেনথাম বা মিলের মতো আমাদের নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে সংস্কার করতে চাননি, বরং কেবল তা ব্যাখ্যা করতে চেয়েছিলেন।
** '''''[[:w:অ্যালান রায়ান|অ্যালান রায়ান]]''''', ''জাস্টিস'' (১৯৯৩) গ্রন্থের ভূমিকা।
* হেগেল, হার্বার্ট এবং শ্লেয়ারমাচারের সমগ্র দার্শনিক কাজের চেয়ে ডেভিড হিউমের প্রতিটি পৃষ্ঠা থেকে অনেক বেশি কিছু শেখার আছে।
** '''''[[:w:আর্থার শোপেনহাওয়ার|আর্থার শোপেনহাওয়ার]]''''', ''দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাজ উইল অ্যান্ড আইডিয়া'' (২০১৬), পৃষ্ঠা ৭২১।
* সব মিলিয়ে, তাঁর জীবদ্দশায় এবং মৃত্যুর পর—আমি সব সময় তাঁকে একজন আদর্শ জ্ঞানী ও সচ্চরিত্র নিকটতম মানুষ হিসেবে বিবেচনা করেছি, মানুষের সীমাবদ্ধতা যতদূর পর্যন্ত অনুমতি দেয়।
** '''''[[:w:অ্যাডাম স্মিথ|অ্যাডাম স্মিথ]]''''' (হিউমের মৃত্যুর পর তাঁর বন্ধু অ্যাডাম স্মিথের করা বিখ্যাত মন্তব্য)।
* আজ আমেরিকার কোনো প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়ে কান্ট (যিনি ঈশ্বর, স্বাধীনতা ও অমরত্ব নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন) কিংবা হিউমের মতো কেউ গ্র্যাজুয়েট স্কুলে এক বছরও টিকতে পারতেন না! ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে নিয়োগ পাওয়া তো দূরের কথা।
** '''''[[:w:টম উলফ|টম উলফ]]''''', ''ইন দ্য ল্যান্ড অফ দ্য রোকোকো মার্কসিস্টস'', ''হার্পার্স'' (জুন ২০০০)।
== বহিঃসংযোগ ==
* [https://www.iep.utm.edu/hume/ ইন্টারনেট এনসাইক্লোপিডিয়া অফ ফিলোসফিতে হিউম]
* [http://cepa.newschool.edu/het/profiles/hume.htm হিউমের প্রোফাইল এবং গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্কসমূহ]
* [http://onlinebooks.library.upenn.edu/webbin/book/search?amode=start&author=Hume%2c%20David অনলাইনে হিউমের ই-টেক্সটসমূহ]
* [http://oll.libertyfund.org/Intros/Hume.php অনলাইন লাইব্রেরি অফ লিবার্টিতে হিউমের ডাউনলোডযোগ্য কাজসমূহ]
* [http://utilitarian.net/hume ডেভিড হিউম: বই, নিবন্ধ এবং বিশ্বকোষের এন্ট্রি সহ লিঙ্কের বিশাল সংগ্রহ]
* [http://www.webcitation.org/query?id=1256456620452337&url=www.geocities.com/Athens/3067/hume/h_index.html হিউম ট্রিব্যুট সাইট]
* [http://humesociety.org হিউম সোসাইটি: একটি আন্তর্জাতিক বুদ্ধিজীবী ও পণ্ডিত সমাজ]
{{clear}}
{{Social and political philosophers}}
{{DEFAULTSORT:হিউম, ডেভিড}}
[[Category:১৭১১-এ জন্ম]]
[[Category:১৭৭৬-এ মৃত্যু]]
[[Category:সমালোচক]]
[[Category:ধর্মের সমালোচক]]
[[Category:সামাজিক সমালোচক]]
[[Category:মানবতাবাদী]]
p3ak4to64exyhfar7ieg8am0nefasbr
ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch
3
11984
75431
75281
2026-04-10T15:42:35Z
Oindrojalik Watch
4169
উত্তর
75431
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:A debate at the Union Club - c1887.JPG|thumb|right|350px|ইউনিয়ন ক্লাবে একটি বিতর্ক সভা(১৮৮৭)]]
আড্ডা নাকি ডিবেট? কী হবে?
উপহার দিলে বিরিয়ানি ফ্রি! [[চিত্র:"Hyderabadi Dum Biryani".jpg|thumb|right|300px|হায়দ্রাবাদি দম বিরিয়ানি; উপহারের আড্ডায় যার উপস্থিতি সবসময়ই কাঙ্ক্ষিত। (CC BY-SA 4.0)]]
তবে তার সাথে আরও বড় কিছু হলে সাথে মণ্ডা, রসমালাই সাধুবাদ!
[[চিত্র:Monda of Muktagacha.jpg|thumb|left|200px|মুক্তাগাছার ঐতিহ্যবাহী মণ্ডা; আড্ডার পুষ্টি ও তুষ্টি।]]
[[চিত্র:Rasmalai - 01.JPG|thumb|right|250px|কুমিল্লার সুস্বাদু রসমালাই; যা আড্ডার মিষ্টতা ও তর্কের গাম্ভীর্য কমিয়ে আনে। (CC BY-SA 4.0)]]
<div style="background: linear-gradient(135deg, #001f3f, #0074D9); color: #FFD700; padding: 25px; border-radius: 20px; border: 2px solid #FFD700; box-shadow: 0 0 30px rgba(255, 215, 0, 0.6); font-family: 'SolaimanLipi', 'Times New Roman', serif; text-align: center;">
<h2 style="color: #FFFFFF; text-shadow: 2px 2px 5px #000; margin-bottom: 10px;">
<hr style="border: 0.5px solid rgba(255, 215, 0, 0.3); width: 60%; margin: 10px auto;">
<p dir="rtl" style="font-size: 32px; font-weight: bold; margin: 15px 0; line-height: 1.5; text-shadow: 1px 1px 2px #000;">
</div>
== ফজলে রাব্বী ==
প্রতিযোগিতা উপলক্ষ্যে [[ফজলে রাব্বী]] পাতাটি জমা দেওয়ার জন্য অভিনন্দন। তবে খেয়াল করলাম পাতাটিতে কিছু উক্তির সূত্র সুনির্দিষ্ট নয় (যেমন একটি সূত্র হিসেবে বই উদ্ধৃত করা হয়েছে কিন্তু পৃষ্ঠা সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি), বিন্যাসে সমস্যা আছে এবং ফিনিশিং ঠিকমতো দেওয়া হয়নি। এগুলো ঠিক না করা পর্যন্ত আমি পাতাটি গ্রহণ করতে পারছিনা। এগুলো ঠিক করে আমাকে এখানে মেনশন করে জানালে (কারণ মেনশন না করলে আমি নোটিফিকেশন পাবো না) আমি আবার পর্যালোচনা করে গ্রহণ করতে পারবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:'''ধন্যবাদ।
:[[ফজলে রাব্বী]] পাতাটি যথাসাধ্য সংশোধনের চেষ্টা করা হয়েছে।'''
:[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch#top|আলাপ]]) ১৫:২০, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:[[ফজলে রাব্বী]] পর্যালোচনা করার অনুরোধ রইল।
:[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]
:বইয়ের পৃষ্ঠা সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে এবং বিন্যাসে যথাসাধ্য সংশোধনের চেষ্টা করা হয়েছে। পাতাটি গ্রহণ করার জন্য সবিনয় অনুরোধ রইলো।
:ধন্যবাদান্তে,
:''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch#top|আলাপ]])'' [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch#top|আলাপ]]) ১৫:৪২, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
t1agnnrcrt5rplsy2x1p87jwokae1g2
75432
75431
2026-04-10T15:43:48Z
Oindrojalik Watch
4169
75432
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:A debate at the Union Club - c1887.JPG|thumb|right|350px|ইউনিয়ন ক্লাবে একটি বিতর্ক সভা(১৮৮৭)]]
আড্ডা নাকি ডিবেট? কী হবে?
উপহার দিলে বিরিয়ানি ফ্রি! [[চিত্র:"Hyderabadi Dum Biryani".jpg|thumb|right|300px|হায়দ্রাবাদি দম বিরিয়ানি; উপহারের আড্ডায় যার উপস্থিতি সবসময়ই কাঙ্ক্ষিত। (CC BY-SA 4.0)]]
তবে তার সাথে আরও বড় কিছু হলে সাথে মণ্ডা, রসমালাই সাধুবাদ!
[[চিত্র:Monda of Muktagacha.jpg|thumb|left|200px|মুক্তাগাছার ঐতিহ্যবাহী মণ্ডা; আড্ডার পুষ্টি ও তুষ্টি।]]
[[চিত্র:Rasmalai - 01.JPG|thumb|right|250px|কুমিল্লার সুস্বাদু রসমালাই; যা আড্ডার মিষ্টতা ও তর্কের গাম্ভীর্য কমিয়ে আনে। (CC BY-SA 4.0)]]
<div style="background: linear-gradient(135deg, #001f3f, #0074D9); color: #FFD700; padding: 25px; border-radius: 20px; border: 2px solid #FFD700; box-shadow: 0 0 30px rgba(255, 215, 0, 0.6); font-family: 'SolaimanLipi', 'Times New Roman', serif; text-align: center;">
<h2 style="color: #FFFFFF; text-shadow: 2px 2px 5px #000; margin-bottom: 10px;">
<hr style="border: 0.5px solid rgba(255, 215, 0, 0.3); width: 60%; margin: 10px auto;">
<p dir="rtl" style="font-size: 32px; font-weight: bold; margin: 15px 0; line-height: 1.5; text-shadow: 1px 1px 2px #000;">
</div>
== ফজলে রাব্বী ==
প্রতিযোগিতা উপলক্ষ্যে [[ফজলে রাব্বী]] পাতাটি জমা দেওয়ার জন্য অভিনন্দন। তবে খেয়াল করলাম পাতাটিতে কিছু উক্তির সূত্র সুনির্দিষ্ট নয় (যেমন একটি সূত্র হিসেবে বই উদ্ধৃত করা হয়েছে কিন্তু পৃষ্ঠা সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি), বিন্যাসে সমস্যা আছে এবং ফিনিশিং ঠিকমতো দেওয়া হয়নি। এগুলো ঠিক না করা পর্যন্ত আমি পাতাটি গ্রহণ করতে পারছিনা। এগুলো ঠিক করে আমাকে এখানে মেনশন করে জানালে (কারণ মেনশন না করলে আমি নোটিফিকেশন পাবো না) আমি আবার পর্যালোচনা করে গ্রহণ করতে পারবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:'''ধন্যবাদ।
:[[ফজলে রাব্বী]] পাতাটি যথাসাধ্য সংশোধনের চেষ্টা করা হয়েছে।'''
:[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch#top|আলাপ]]) ১৫:২০, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]
:[[ফজলে রাব্বী]] পাতাটিতে বইয়ের পৃষ্ঠা সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে এবং বিন্যাসে যথাসাধ্য সংশোধনের চেষ্টা করা হয়েছে। পাতাটি গ্রহণ করার জন্য সবিনয় অনুরোধ রইলো।
:ধন্যবাদান্তে,
:''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch#top|আলাপ]])'' [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch#top|আলাপ]]) ১৫:৪২, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
lzbnuzrvsddsigsw123mjftp7jat0l7
75433
75432
2026-04-10T15:44:41Z
Oindrojalik Watch
4169
75433
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:A debate at the Union Club - c1887.JPG|thumb|right|350px|ইউনিয়ন ক্লাবে একটি বিতর্ক সভা(১৮৮৭)]]
আড্ডা নাকি ডিবেট? কী হবে?
উপহার দিলে বিরিয়ানি ফ্রি! [[চিত্র:"Hyderabadi Dum Biryani".jpg|thumb|right|300px|হায়দ্রাবাদি দম বিরিয়ানি; উপহারের আড্ডায় যার উপস্থিতি সবসময়ই কাঙ্ক্ষিত। (CC BY-SA 4.0)]]
তবে তার সাথে আরও বড় কিছু হলে সাথে মণ্ডা, রসমালাই সাধুবাদ!
[[চিত্র:Monda of Muktagacha.jpg|thumb|left|200px|মুক্তাগাছার ঐতিহ্যবাহী মণ্ডা; আড্ডার পুষ্টি ও তুষ্টি।]]
[[চিত্র:Rasmalai - 01.JPG|thumb|right|250px|কুমিল্লার সুস্বাদু রসমালাই; যা আড্ডার মিষ্টতা ও তর্কের গাম্ভীর্য কমিয়ে আনে। (CC BY-SA 4.0)]]
<div style="background: linear-gradient(135deg, #001f3f, #0074D9); color: #FFD700; padding: 25px; border-radius: 20px; border: 2px solid #FFD700; box-shadow: 0 0 30px rgba(255, 215, 0, 0.6); font-family: 'SolaimanLipi', 'Times New Roman', serif; text-align: center;">
<h2 style="color: #FFFFFF; text-shadow: 2px 2px 5px #000; margin-bottom: 10px;">
<hr style="border: 0.5px solid rgba(255, 215, 0, 0.3); width: 60%; margin: 10px auto;">
<p dir="rtl" style="font-size: 32px; font-weight: bold; margin: 15px 0; line-height: 1.5; text-shadow: 1px 1px 2px #000;">
</div>
== ফজলে রাব্বী ==
প্রতিযোগিতা উপলক্ষ্যে [[ফজলে রাব্বী]] পাতাটি জমা দেওয়ার জন্য অভিনন্দন। তবে খেয়াল করলাম পাতাটিতে কিছু উক্তির সূত্র সুনির্দিষ্ট নয় (যেমন একটি সূত্র হিসেবে বই উদ্ধৃত করা হয়েছে কিন্তু পৃষ্ঠা সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি), বিন্যাসে সমস্যা আছে এবং ফিনিশিং ঠিকমতো দেওয়া হয়নি। এগুলো ঠিক না করা পর্যন্ত আমি পাতাটি গ্রহণ করতে পারছিনা। এগুলো ঠিক করে আমাকে এখানে মেনশন করে জানালে (কারণ মেনশন না করলে আমি নোটিফিকেশন পাবো না) আমি আবার পর্যালোচনা করে গ্রহণ করতে পারবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:'''ধন্যবাদ।
:[[ফজলে রাব্বী]] পাতাটি যথাসাধ্য সংশোধনের চেষ্টা করা হয়েছে।'''
:[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch#top|আলাপ]]) ১৫:২০, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]
:[[ফজলে রাব্বী]] পাতাটিতে বইয়ের পৃষ্ঠা সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে এবং বিন্যাসে যথাসাধ্য সংশোধনের চেষ্টা করা হয়েছে। পাতাটি গ্রহণ করার জন্য সবিনয় অনুরোধ রইলো।
:ধন্যবাদান্তে,
:''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch#top|আলাপ]])'' [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ১৫:৪২, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
g7wni3u78jro62b5whwfu7gowux13qg
রবার্ট জে. শিলার
0
11990
75604
73547
2026-04-11T08:18:16Z
Anaf Ibn Shahibul
4193
/* উক্তি */সংশোধন
75604
wikitext
text/x-wiki
[[File:Robert Shiller - World Economic Forum Annual Meeting 2012.jpg|thumb|২০১২ সালে রবার্ট শিলার।]]
'''[[w:bn:রবার্ট জে. শিলার|রবার্ট জেমস "বব" শিলার]]''' (জন্ম: ২৯ মার্চ ১৯৪৬) একজন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ এবং ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টার্লিং অধ্যাপক। তিনি একাধারে বেস্ট-সেলার লেখক এবং ২০১৩ সালে [[w:bn:ইউজিন ফামা|ইউজিন ফামা]] ও [[w:bn:লার্স পিটার হ্যানসেন|লার্স পিটার হ্যানসেন]]-এর সাথে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।
== উক্তি ==
* টাইম সিরিজ বা কালানুক্রমিক 'র্যাশনাল এক্সপেক্টেশনস' (যৌক্তিক প্রত্যাশা) মডেলগুলোর মধ্যে আমাদের পেশার মানুষেরা যে এতটা সম্ভাবনা দেখতে পাবেন, তা বুঝতে আমি কতটা ভুল করেছিলাম—আজ সে কথাই বারবার মনে পড়ছে। ১৯৭০ সালের দিকে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে (এমআইটি) স্নাতক পর্যায়ের ছাত্র থাকাকালীন যখন আমি এই মডেলগুলোর ইকোনোমেট্রিকস বা অর্থমিতি নিয়ে কাজ করতাম, তখন এর চরমপন্থী অনুমিতিগুলো নিয়ে আমি নিজেই বেশ লজ্জিত ছিলাম। আমি ভাবতেও পারিনি যে অন্যরা এটাকে সাময়িক কোনো চমকের চেয়ে বেশি কিছু মনে করবে। রিচার্ড সাচ ১৯৬৮ সালে তাঁর এমআইটি-র পিএইচডি গবেষণাপত্রে দীর্ঘমেয়াদী ও স্বল্পমেয়াদী সুদের হারের টাইম সিরিজের ক্ষেত্রে কোইফিশিয়েন্ট বা সহগের সীমাবদ্ধতাগুলোর একটি চমৎকার ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়েছিলেন, কিন্তু তিনি কখনো এটি প্রকাশের প্রয়োজন বোধ করেননি। র্যাশনাল এক্সপেক্টেশনস মডেল নিয়ে তাঁর এবং অন্যান্যদের সাথে হওয়া কথোপকথনের কথা আমার মনে আছে, তবে তখনো আমার মনে হয়নি যে এটিই হবে ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শক।
** রবার্ট জে. শিলার (১৯৮৪), [[রবার্ট ই. লুকাস]] ও [[টমাস জে. সার্জেন্টের]] লেখা ''র্যাশনাল এক্সপেক্টেশনস অ্যান্ড ইকোনোমেট্রিক প্র্যাকটিস'' বইয়ের পর্যালোচনা।
* অর্থনীতিকে বুঝতে হলে এটি কীভাবে মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি বা 'অ্যানিমেল স্পিরিট' দ্বারা পরিচালিত হয়, তা অনুধাবন করতে হবে। [[অ্যাডাম স্মিথ|অ্যাডাম স্মিথের]] '[[অদৃশ্য হাত]]' যেমন ধ্রুপদী অর্থনীতির মূল কথা, তেমনি কেইনসের 'অ্যানিমেল স্পিরিট' হলো অর্থনীতিকে দেখার সম্পূর্ণ ভিন্ন এক দৃষ্টিভঙ্গির চাবিকাঠি—যে দৃষ্টিভঙ্গি [[পুঁজিবাদ|পুঁজিবাদের]] অন্তর্নিহিত অস্থিরতাগুলোকে ব্যাখ্যা করে।
** [[জর্জ আকেরলফ]] এবং রবার্ট শিলার, ''[[en:Animal Spirits: How Human Psychology Drives the Economy, and Why It Matters for Global Capitalism|প্রাণীর আত্মা: কীভাবে মানব মনোবিজ্ঞান অর্থনীতিকে চালিত করে এবং কেন এটি বৈশ্বিক পুঁজিবাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ]]'' (২০০৯), মুখবন্ধ।
* এই 'কোভ্যারিয়েন্স' বা সহ-ভেদাঙ্ক এমন একটি বিষয়, যা নিয়ে বেশিরভাগ অনভিজ্ঞ বিনিয়োগকারীরই চিন্তা করার অভ্যাস নেই। তারা তাদের প্রতিটি বিনিয়োগের দিকে আলাদা আলাদাভাবে তাকান। অথচ আপনাকে সব সময় একটু থেমে হিসাব কষে দেখতে হবে যে, বিনিয়োগগুলোর মধ্যে সহ-সম্পর্ক বা কোভ্যারিয়েন্স কেমন? আপনার পোর্টফোলিও বা বিনিয়োগ তালিকার ভাগ্যে কী ঘটতে যাচ্ছে, তা মূলত এর ওপরই নির্ভর করে। কারণ, আপনি যখন একই ধাঁচের অনেকগুলো কোম্পানিতে বিনিয়োগ করবেন, তখন আপনি মূলত বিপদ ডেকে আনছেন; হয় পুরো বিনিয়োগটাই একসাথে ফুলেফেঁপে উঠবে, নয়তো সব একসাথে ধসে পড়বে। এভাবে অনিশ্চয়তার মধ্যে তো আর টিকে থাকা যায় না। আপনাকে সব সময় 'লো কোভ্যারিয়েন্স' বা নিম্ন সহ-সম্পর্ক খুঁজে বের করতে হবে।
** রবার্ট শিলার, [https://www.coursera.org/learn/financial-markets-global/lecture/41Ujc/chalk-talk-covariance ''চক টক -'' কোভ্যারিয়েন্স, ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটস (কোর্সেরা)]।
== বহিঃসংযোগ ==
{{wikipedia}}
{{DEFAULTSORT:শিলার, রবার্ট জে.}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:আমেরিকান অর্থনীতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মিশিগানের ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ডেট্রয়েটের ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির প্রাক্তন শিক্ষার্থী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]]
rkno93w4s95u74awl5cba9g69bemcu2
75605
75604
2026-04-11T08:18:41Z
Anaf Ibn Shahibul
4193
75605
wikitext
text/x-wiki
[[File:Robert Shiller - World Economic Forum Annual Meeting 2012.jpg|thumb|২০১২ সালে রবার্ট শিলার।]]
'''[[w:bn:রবার্ট জে. শিলার|রবার্ট জেমস "বব" শিলার]]''' (জন্ম: ২৯ মার্চ ১৯৪৬) একজন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ এবং ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টার্লিং অধ্যাপক। তিনি একাধারে বেস্ট-সেলার লেখক এবং ২০১৩ সালে [[w:bn:ইউজিন ফামা|ইউজিন ফামা]] ও [[w:bn:লার্স পিটার হ্যানসেন|লার্স পিটার হ্যানসেন]]-এর সাথে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।
== উক্তি ==
* টাইম সিরিজ বা কালানুক্রমিক 'র্যাশনাল এক্সপেক্টেশনস' (যৌক্তিক প্রত্যাশা) মডেলগুলোর মধ্যে আমাদের পেশার মানুষেরা যে এতটা সম্ভাবনা দেখতে পাবেন, তা বুঝতে আমি কতটা ভুল করেছিলাম—আজ সে কথাই বারবার মনে পড়ছে। ১৯৭০ সালের দিকে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে (এমআইটি) স্নাতক পর্যায়ের ছাত্র থাকাকালীন যখন আমি এই মডেলগুলোর ইকোনোমেট্রিকস বা অর্থমিতি নিয়ে কাজ করতাম, তখন এর চরমপন্থী অনুমিতিগুলো নিয়ে আমি নিজেই বেশ লজ্জিত ছিলাম। আমি ভাবতেও পারিনি যে অন্যরা এটাকে সাময়িক কোনো চমকের চেয়ে বেশি কিছু মনে করবে। রিচার্ড সাচ ১৯৬৮ সালে তাঁর এমআইটির পিএইচডি গবেষণাপত্রে দীর্ঘমেয়াদী ও স্বল্পমেয়াদী সুদের হারের টাইম সিরিজের ক্ষেত্রে কোইফিশিয়েন্ট বা সহগের সীমাবদ্ধতাগুলোর একটি চমৎকার ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়েছিলেন, কিন্তু তিনি কখনো এটি প্রকাশের প্রয়োজন বোধ করেননি। র্যাশনাল এক্সপেক্টেশনস মডেল নিয়ে তাঁর এবং অন্যান্যদের সাথে হওয়া কথোপকথনের কথা আমার মনে আছে, তবে তখনো আমার মনে হয়নি যে এটিই হবে ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শক।
** রবার্ট জে. শিলার (১৯৮৪), [[রবার্ট ই. লুকাস]] ও [[টমাস জে. সার্জেন্টের]] লেখা ''র্যাশনাল এক্সপেক্টেশনস অ্যান্ড ইকোনোমেট্রিক প্র্যাকটিস'' বইয়ের পর্যালোচনা।
* অর্থনীতিকে বুঝতে হলে এটি কীভাবে মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি বা 'অ্যানিমেল স্পিরিট' দ্বারা পরিচালিত হয়, তা অনুধাবন করতে হবে। [[অ্যাডাম স্মিথ|অ্যাডাম স্মিথের]] '[[অদৃশ্য হাত]]' যেমন ধ্রুপদী অর্থনীতির মূল কথা, তেমনি কেইনসের 'অ্যানিমেল স্পিরিট' হলো অর্থনীতিকে দেখার সম্পূর্ণ ভিন্ন এক দৃষ্টিভঙ্গির চাবিকাঠি—যে দৃষ্টিভঙ্গি [[পুঁজিবাদ|পুঁজিবাদের]] অন্তর্নিহিত অস্থিরতাগুলোকে ব্যাখ্যা করে।
** [[জর্জ আকেরলফ]] এবং রবার্ট শিলার, ''[[en:Animal Spirits: How Human Psychology Drives the Economy, and Why It Matters for Global Capitalism|প্রাণীর আত্মা: কীভাবে মানব মনোবিজ্ঞান অর্থনীতিকে চালিত করে এবং কেন এটি বৈশ্বিক পুঁজিবাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ]]'' (২০০৯), মুখবন্ধ।
* এই 'কোভ্যারিয়েন্স' বা সহ-ভেদাঙ্ক এমন একটি বিষয়, যা নিয়ে বেশিরভাগ অনভিজ্ঞ বিনিয়োগকারীরই চিন্তা করার অভ্যাস নেই। তারা তাদের প্রতিটি বিনিয়োগের দিকে আলাদা আলাদাভাবে তাকান। অথচ আপনাকে সব সময় একটু থেমে হিসাব কষে দেখতে হবে যে, বিনিয়োগগুলোর মধ্যে সহ-সম্পর্ক বা কোভ্যারিয়েন্স কেমন? আপনার পোর্টফোলিও বা বিনিয়োগ তালিকার ভাগ্যে কী ঘটতে যাচ্ছে, তা মূলত এর ওপরই নির্ভর করে। কারণ, আপনি যখন একই ধাঁচের অনেকগুলো কোম্পানিতে বিনিয়োগ করবেন, তখন আপনি মূলত বিপদ ডেকে আনছেন; হয় পুরো বিনিয়োগটাই একসাথে ফুলেফেঁপে উঠবে, নয়তো সব একসাথে ধসে পড়বে। এভাবে অনিশ্চয়তার মধ্যে তো আর টিকে থাকা যায় না। আপনাকে সব সময় 'লো কোভ্যারিয়েন্স' বা নিম্ন সহ-সম্পর্ক খুঁজে বের করতে হবে।
** রবার্ট শিলার, [https://www.coursera.org/learn/financial-markets-global/lecture/41Ujc/chalk-talk-covariance ''চক টক -'' কোভ্যারিয়েন্স, ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটস (কোর্সেরা)]।
== বহিঃসংযোগ ==
{{wikipedia}}
{{DEFAULTSORT:শিলার, রবার্ট জে.}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:আমেরিকান অর্থনীতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মিশিগানের ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ডেট্রয়েটের ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির প্রাক্তন শিক্ষার্থী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]]
jr1x2354xbwjjivwd2cp009vk66qkut
অনিতা ব্রুকনার
0
12083
75368
75230
2026-04-10T13:26:32Z
Mehedi Abedin
50
75368
wikitext
text/x-wiki
'''অ্যানিতা ব্রুকনার''' (১৬ জুলাই ১৯২৮ – ১০ মার্চ ২০১৬) ছিলেন একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক এবং শিল্প ইতিহাসবিদ। তিনি কিংস কলেজ লন্ডন থেকে ইতিহাসে বিএ এবং ১৯৫৩ সালে কর্টল্ড ইনস্টিটিউট অফ আর্ট থেকে শিল্প ইতিহাসে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৬৭ সালে তিনি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে 'স্লেড প্রফেসর অফ ফাইন আর্ট' পদধারী প্রথম নারী হন। ব্রুকনার ৫৩ বছর বয়সে তার প্রথম উপন্যাস ''[[এ স্টার্ট ইন লাইফ]]'' (১৯৮১) প্রকাশ করেন এবং পরবর্তী ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রতি বছর একটি করে উপন্যাস প্রকাশ করেছেন। তার চতুর্থ উপন্যাস ''হোটেল দু লাক'' (১৯৮৪) সম্মানজনক '''বুকার পুরস্কার''' জয় করে।
== উক্তি ==
=== ''এ স্টার্ট ইন লাইফ'' (১৯৮১) ===
* বিশুদ্ধ স্বার্থপর কারণেই বিয়ে করা সবচেয়ে ভালো।
=== ''লুক অ্যাট মি'' (১৯৮৩) ===
* আমি লেখালেখির জগতটাকে ঠিক তেমনভাবেই দেখেছি যেমনটা এটা আমার কাছে। এটি আপনার ভাগ্যবান না হওয়ার জন্য এক ধরণের অনুতাপ। এটি অন্যদের কাছে পৌঁছানোর এবং তাদের ভালোবাসা পাওয়ার একটি প্রচেষ্টা। এটি আপনার সহজাত প্রতিবাদ, যখন আপনি দেখেন যে বিশ্বের বিচারালয়ে আপনার কোনো কণ্ঠস্বর নেই এবং আপনার হয়ে কথা বলার কেউ নেই। আমি আমার অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যতের সমস্ত শব্দের আউটপুট বিনিময় করতে রাজি হতাম যদি বিশ্বের কাছে সহজ প্রবেশাধিকার পেতাম, যদি "আমার কষ্ট হচ্ছে" বা "আমি ঘৃণা করি" বা "আমি চাই" বলার অনুমতি পেতাম। অথবা, বাস্তবে, "আমার দিকে তাকাও" বলতে পারতাম। এবং আমি এটি থেকে পিছপা হই না। কারণ একবার কিছু জানা হয়ে গেলে তা আর অজানা হতে পারে না; তা কেবল বিস্মৃত হতে পারে। আর লেখালেখি হলো বিস্মৃতি এবং চিন্তাহীনতার শত্রু। লেখকের জন্য কোনো বিস্মৃতি নেই, আছে কেবল অন্তহীন স্মৃতি।
=== ''এ ফ্রেন্ড ফ্রম ইংল্যান্ড'' (১৯৮৭) ===
* "আমি দেখলাম, এটি থাকার চেয়ে বরং বেরিয়ে যাওয়ার মতো একটি ফ্ল্যাট ছিল। এটি ছিল খাওয়া এবং ঘুমানোর একটি যন্ত্র, একজন কর্মজীবী নারীর জন্য উপযুক্ত বাসস্থান যার প্রধান আগ্রহ তার কাজে। আমি নিজের এই সংস্করণটিকে অপছন্দ করতাম যা আমার অন্যান্য কর্মকাণ্ডকে অস্বীকার করত... এই নির্বাক সাদা দেয়ালগুলো অনেক ঘটনার নীরব সাক্ষী ছিল; তবুও তারা কোনো মন্তব্য করত না, আর তাদের এই নীরবতাই আমার কাছে অবন্ধুত্বসুলভ মনে হতো।"
* "নারীরা অবশ্যই অনেক দূর এগিয়েছে: আমরা এখন রাতে একা থাকতে পারি। কিন্তু মাঝেমধ্যে মনে হয় এর জন্য অনেক বড় মূল্য দিতে হচ্ছে। আমরা যেকোনো সময় অপরিচিতদের জন্য হাসিমুখে দরজা খুলে দিতে পারি, আপত্তিকর টেলিফোন কল সামলাতে পারি এবং ফিউজ মেরামত করতে পারি।"
=== ''এ ক্লোজড আই'' (১৯৯১) ===
* তবুও সে নিজেকে কখনো এতটা রিক্ত অনুভব করেনি, যেন অন্য মানুষের জীবনে তার উপস্থিতি ছিল পুরোপুরি কাল্পনিক, যেন সে নিজেই এক ধরণের প্রতিচ্ছবি—মনোরম কিন্তু কৃত্রিম। খুব বেশি বৃদ্ধ হওয়ার আগেই তাকে তার জীবনের কিছু অংশ নিজের জন্য কেড়ে নিতে হবে, নয়তো কেউ তার নিখোঁজ হওয়া খেয়াল করার আগেই সে ম্লান হয়ে হারিয়ে যাবে।
=== ''মেকিং থিংস বেটার'' (২০০২) ===
* রাস্তায় বৃষ্টি ছিল একটি সূক্ষ্ম কুয়াশার মতো যা বাড়িগুলোর সীমারেখাকে নরম করে দিয়েছিল এবং এমনকি এমন একটি এলাকাতেও কবিতার ছোঁয়া দিয়েছিল যা কোমল আবেগ জাগিয়ে তোলার মতো নয়। সে তার চোখ আকাশের দিকে তুলল যেখানে টেলিভিশনের এরিয়ালগুলো ছাদে ভিড় করে আছে, এরপর আবার জানালার দিকে চোখ নামাল যা সন্ধ্যার আলো জ্বলার আগে তখনও শূন্য ছিল।
== বহিঃসংযোগ ==
[https://www.theguardian.com/books/2016/mar/14/anita-brookner-obituary দ্য গার্ডিয়ান-এ অ্যানিতা ব্রুকনারের শোকসংবাদ]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯২৮-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০১৬-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:বুকার পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংরেজ ঔপন্যাসিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:শিল্প ইতিহাসবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক]]
roopug1yzf6b3hn1xmkmrm58w2o5xj5
নাগিব মাহফুজ
0
12091
75628
75332
2026-04-11T08:50:23Z
Firuz Ahmmed
2720
সংশোধন
75628
wikitext
text/x-wiki
[[File:Necip Mahfuz.jpg|thumb|upright|নাগিব মাহফুজ, ১৯৫০ এর দশকে]]
'''[[w:নাগিব মাহফুজ|নাগিব মাহফুজ]]''' (আরবি: نجيب محفوظ Nagīb Maḥfūẓ, IPA: [næˈɡiːb mɑħˈfuːzˤ], ১১ ডিসেম্বর ১৯১১ – ৩০ আগস্ট ২০০৬) একজন মিশরীয় লেখক, যিনি ১৯৮৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
== উক্তি ==
* চারপাশে এক বিশৃঙ্খল আবর্তে কণ্ঠস্বরগুলো মিশে একাকার হয়ে গিয়েছিল; যার মধ্য থেকে ভেসে আসছিল হাসি, চিৎকার, দরজা-জানালার ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দ, পিয়ানো ও অ্যাকর্ডিয়নের সুর, আনন্দোচ্ছল করতালি, পুলিশের হুংকার, গাধার ডাক, ঘোঁতঘোঁত শব্দ, হাশিশসেবীদের কাশি আর মাতালদের চেঁচামেচি, নাম না জানা মানুষের আর্তনাদ, লাঠির ঠকঠক শব্দ এবং একক ও সমবেত কণ্ঠের গান।
** মাহফুজ (১৯৫৭) প্যালেস অব ডিজায়ার দ্বিতীয় খণ্ড; ম্যাট শুডেলের "[http://www.washingtonpost.com/wp-dyn/content/article/2006/08/30/AR2006083000475.html লিডিং আরব নভেলিস্ট গেভ স্ট্রিটস আ ভয়েস]" শীর্ষক প্রবন্ধে উদ্ধৃত; ওয়াশিংটন পোস্ট, ৩১ আগস্ট ২০০৬
* একজন মানুষ চালাক কি না তা তার উত্তর থেকে বিচার করা যায়। আর একজন মানুষ জ্ঞানী কি না তা তার প্রশ্ন করা থেকে পরিচয় পাওয়া যায়।
** উদ্ধৃত: মাইকেল জে. গেল্ব (১৯৯৬) ''থিংকিং ফর আ চেঞ্জ: ডিসকভারিং দ্য পাওয়ার টু ক্রিয়েট, কমিউনিকেট অ্যান্ড লিড'', পৃষ্ঠা ৯৬
* ঈশ্বর ধর্মকে শরীরচর্চার কোনো ক্লাব হিসেবে সৃষ্টি করতে চাননি।
** নাগিব মাহফুজ কর্তৃক উদ্ধৃত: থর্নটাইজ (২০০৯) ''দ্য হ্যান্ডবুক অফ উইজডম অ্যান্ড ডিলাইট'', পৃষ্ঠা ১২১
* ইসলামি নীতিমালা অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্মদ্রোহিতার অভিযোগ আনা হয়, তখন তাকে তওবা অথবা শাস্তির মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।
** নাগিব মাহফুজ; গ্যারি ডেক্সটার (২০১০) রচিত ''পয়জনড পেন্স: লিটারারি ইনভেক্টিভ ফ্রম অ্যামিস টু জোলা'', পৃষ্ঠা ২২৬
* এটা আশ্চর্যজনক ছিল যে, এই দেশে যেখানে মানুষ আবেগ দিয়ে রাজনীতি পরিচালনা করে, সেখানে তারা ভালোবাসার বিষয়টিকে হিসাবরক্ষকদের মতো নিখুঁতভাবে দেখে।
** মাহফুজ (১৯৫৭) ''সুগার স্ট্রিট''
* কর্মব্যস্ত দিনগুলোর মোহনীয় অভিজ্ঞতা এমন এক জিনিস, যা আবর্জনার স্তূপ থেকেও কুড়িয়ে নেওয়ার যোগ্য।
** উদ্ধৃত: কবির, হাজারা মুহাম্মদ (২০১০)। নর্দার্ন উইমেন ডেভেলপমেন্ট। [নাইজেরিয়া]। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৭৮-৯০৬-৪৬৯-৪। ওসিসিএলসি ৮৯০৮২০৬৫৭।
== নাগিব মাহফুজ সম্পর্কে ==
* তার এমন একটি শৈলী আছে যা খুব দ্রুত প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে প্রবাহিত হয়, যেখানে তিনি বিভিন্ন চরিত্রের সংক্ষিপ্ত অথচ প্রাণবন্ত চিত্রায়ন করেন এবং অত্যন্ত রোমাঞ্চকর উপায়ে সেই সব কিছুকে একটি সুতোয় গেঁথে ফেলেন।
**ডোনা মেরি পেরি রচিত ‘ব্যাকটক: উইমেন রাইটার্স স্পিক আউট’ (১৯৯৩) গ্রন্থে রোজারিও ফেরের সাক্ষাৎকার
565frk8pcsjfua66bhns0hbwqtlyiyf
75640
75628
2026-04-11T09:16:41Z
Firuz Ahmmed
2720
সম্প্রসারণ
75640
wikitext
text/x-wiki
[[File:Necip Mahfuz.jpg|thumb|upright|নাগিব মাহফুজ, ১৯৫০ এর দশকে]]
'''[[w:নাগিব মাহফুজ|নাগিব মাহফুজ]]''' (আরবি: نجيب محفوظ Nagīb Maḥfūẓ, IPA: [næˈɡiːb mɑħˈfuːzˤ], ১১ ডিসেম্বর ১৯১১ – ৩০ আগস্ট ২০০৬) একজন মিশরীয় লেখক, যিনি ১৯৮৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
== উক্তি ==
* চারপাশে এক বিশৃঙ্খল আবর্তে কণ্ঠস্বরগুলো মিশে একাকার হয়ে গিয়েছিল; যার মধ্য থেকে ভেসে আসছিল হাসি, চিৎকার, দরজা-জানালার ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দ, পিয়ানো ও অ্যাকর্ডিয়নের সুর, আনন্দোচ্ছল করতালি, পুলিশের হুংকার, গাধার ডাক, ঘোঁতঘোঁত শব্দ, হাশিশসেবীদের কাশি আর মাতালদের চেঁচামেচি, নাম না জানা মানুষের আর্তনাদ, লাঠির ঠকঠক শব্দ এবং একক ও সমবেত কণ্ঠের গান।
** মাহফুজ (১৯৫৭) প্যালেস অব ডিজায়ার দ্বিতীয় খণ্ড; ম্যাট শুডেলের "[http://www.washingtonpost.com/wp-dyn/content/article/2006/08/30/AR2006083000475.html লিডিং আরব নভেলিস্ট গেভ স্ট্রিটস আ ভয়েস]" শীর্ষক প্রবন্ধে উদ্ধৃত; ওয়াশিংটন পোস্ট, ৩১ আগস্ট ২০০৬
* একজন মানুষ চালাক কি না তা তার উত্তর থেকে বিচার করা যায়। আর একজন মানুষ জ্ঞানী কি না তা তার প্রশ্ন করা থেকে পরিচয় পাওয়া যায়।
** উদ্ধৃত: মাইকেল জে. গেল্ব (১৯৯৬) ''থিংকিং ফর আ চেঞ্জ: ডিসকভারিং দ্য পাওয়ার টু ক্রিয়েট, কমিউনিকেট অ্যান্ড লিড'', পৃষ্ঠা ৯৬
* ঈশ্বর ধর্মকে শরীরচর্চার কোনো ক্লাব হিসেবে সৃষ্টি করতে চাননি।
** নাগিব মাহফুজ কর্তৃক উদ্ধৃত: থর্নটাইজ (২০০৯) ''দ্য হ্যান্ডবুক অফ উইজডম অ্যান্ড ডিলাইট'', পৃষ্ঠা ১২১
* ইসলামি নীতিমালা অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্মদ্রোহিতার অভিযোগ আনা হয়, তখন তাকে তওবা অথবা শাস্তির মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।
** নাগিব মাহফুজ; গ্যারি ডেক্সটার (২০১০) রচিত ''পয়জনড পেন্স: লিটারারি ইনভেক্টিভ ফ্রম অ্যামিস টু জোলা'', পৃষ্ঠা ২২৬
* এটা আশ্চর্যজনক ছিল যে, এই দেশে যেখানে মানুষ আবেগ দিয়ে রাজনীতি পরিচালনা করে, সেখানে তারা ভালোবাসার বিষয়টিকে হিসাবরক্ষকদের মতো নিখুঁতভাবে দেখে।
** মাহফুজ (১৯৫৭) ''সুগার স্ট্রিট''
* কর্মব্যস্ত দিনগুলোর মোহনীয় অভিজ্ঞতা এমন এক জিনিস, যা আবর্জনার স্তূপ থেকেও কুড়িয়ে নেওয়ার যোগ্য।
** উদ্ধৃত: কবির, হাজারা মুহাম্মদ (২০১০)। নর্দার্ন উইমেন ডেভেলপমেন্ট। [নাইজেরিয়া]। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৭৮-৯০৬-৪৬৯-৪। ওসিসিএলসি ৮৯০৮২০৬৫৭।
== নাগিব মাহফুজ সম্পর্কে ==
* তার এমন একটি শৈলী আছে যা খুব দ্রুত প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে প্রবাহিত হয়, যেখানে তিনি বিভিন্ন চরিত্রের সংক্ষিপ্ত অথচ প্রাণবন্ত চিত্রায়ন করেন এবং অত্যন্ত রোমাঞ্চকর উপায়ে সেই সব কিছুকে একটি সুতোয় গেঁথে ফেলেন।
** ডোনা মেরি পেরি রচিত ‘ব্যাকটক: উইমেন রাইটার্স স্পিক আউট’ (১৯৯৩) গ্রন্থে রোজারিও ফেরের সাক্ষাৎকার
* [মাহফুজের কথাসাহিত্য পাঠকদের একটি জাতীয় মনস্তত্ত্বে প্রবেশের] এমন এক বিরল সুযোগ করে দিত, যা হাজার হাজার সাংবাদিক নিবন্ধ বা টেলিভিশন তথ্যচিত্র অর্জন করতে পারেনি।
** জন ফাউলস; ম্যাট শুডেল-এর "[http://www.washingtonpost.com/wp-dyn/content/article/2006/08/30/AR2006083000475.html লিডিং আরব নভেলিস্ট গেভ স্ট্রিটস আ ভয়েস]" শীর্ষক প্রবন্ধে উদ্ধৃত হয়েছে; ওয়াশিংটন পোস্ট, ৩১ আগস্ট, ২০০৬
* নাগিব মাহফুজ ছিলেন একজন মিশরীয় ঔপন্যাসিক, যিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার প্রাপ্ত প্রথম আরবি লেখক এবং তাকে প্রায়শই আরব বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ লেখক হিসেবে গণ্য করা হয়... তার সারা জীবন কায়রোতে কাটিয়েছেন, যা তার প্রায় সব লেখার অনুপ্রেরণা এবং পটভূমি হিসেবে কাজ করেছে... তিনি তার অধিকাংশ রচনার পটভূমি হিসেবে কায়রোর প্রাচীন ইসলামিক এলাকাকে বেছে নিয়েছেন, যেখানে মসজিদ এবং আঁকাবাঁকা গলিগুলো দোকানদার, কর্মকার, সরকারি কর্মচারী, কৃষক, পতিতা এবং চোরদের পদচারণায় মুখরিত থাকত। সমাজের প্রতিটি স্তরের জীবনকে চিত্রায়িত করা তার প্রাণবন্ত উপন্যাসগুলোকে প্রায়শই চার্লস ডিকেন্স, অনারে দ্য বালজাক এবং এমিল জোলার মতো নগরভিত্তিক সামাজিক বাস্তববাদী লেখকদের রচনার সাথে তুলনা করা হয়।
** ম্যাট শুডেল-এর প্রবন্ধ "[http://www.washingtonpost.com/wp-dyn/content/article/2006/08/30/AR2006083000475.html লিডিং আরব নভেলিস্ট গেভ স্ট্রিটস আ ভয়েস; ওয়াশিংটন পোস্ট]" ৩১ আগস্ট, ২০০৬
== বহিঃসংযোগ ==
*{{Wikipedia-inline}}
*{{Commonscat-inline}}
* [http://nobelprize.org/nobel_prizes/literature/laureates/1988/press.html নোবেল পুরস্কার প্রেস বিজ্ঞপ্তি]
* aucpress.com এ [http://aucpress.com/t-aboutnm.aspx?template=template_naguibmahfouz নাগিব মাহফুজ]
*[https://www.complete-review.com/reviews/mahfouzn/rhadopis.htm নুবিয়ার র্যাডোপিস]
*[https://www.penguinrandomhouse.com/books/106177/khufus-wisdom-by-naguib-mahfouz/ খুফুর প্রজ্ঞা]
*[https://shadowsndust.wordpress.com/tag/akhenaten-dweller-in-truth/ আখেনাতেন, সত্যের অধিবাসী]
*[https://www.bookey.app/quote-book/the-harafish দ্য হারাফিশ]
*[https://guiltlessreading.blogspot.com/2016/03/when-story-of-common-man-becomes-epic.html?m=1 যখন সাধারণ মানুষের গল্পই হয়ে ওঠে এক মহাকাব্য {নাগিব মাহফুজের 'দ্য হারাফিশ'}]
*[https://www.gradesaver.com/the-thief-and-the-dogs/study-guide/quotes/ চোর এবং কুকুর]
*[https://quizlet.com/428616958/the-thief-and-the-dogs-quotes-flash-cards/ চোর এবং কুকুর]
*[https://www.supersummary.com/zaabalawi/important-quotes/ জাবালাউই]
*[https://www.supersummary.com/palace-walk/important-quotes/ প্যালেস ওয়াক]
*[https://www.supersummary.com/half-a-day/summary/ একটি বেলা]
*[https://www.supersummary.com/half-a-day/important-quotes/ একটি বেলা]
*[https://palaceofdesire.weebly.com/quotes.html/ আকাঙ্ক্ষার প্রাসাদ ]
{{DEFAULTSORT:Mahfouz, Naguib}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯১১-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০০৬-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মিশরীয় নোবেল বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:আরব জাতীয়তাবাদী]]
0wqit44cfcr1tu15hzblskygnd7uza9
সালাহউদ্দিন আহমেদ (রাজনীতিবিদ)
0
12119
75434
74849
2026-04-10T16:19:55Z
Tuhin
172
হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিবিদ]] যোগ
75434
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:Salahuddin Ahmed at Dhaka, State Guest House (cropped).jpg|থাম্ব]]
[[w:সালাহউদ্দিন আহমেদ (রাজনীতিবিদ)|সালাহউদ্দিন আহমেদ]] একজন বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ, বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং [[কক্সবাজার-১]] আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য। তিনি পূর্বে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী এবং ১৯৯৬ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
==উক্তি==
* এই বাংলাদেশ হবে এক নীতির বাংলাদেশ। সবার আগে বাংলাদেশ। বিদেশি কোনো প্রভু থাকবে না, বন্ধু থাকবে। এই বাংলাদেশ তাবেদারমুক্ত থাকবে।
** ০৬ আগস্ট ২০২৫ ঢাকায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হওয়া বিজয় র্যালি-পূর্ব [https://www.prothomalo.com/politics/402nu8onfb এই সমাবেশে] বলেছেন।
==সালাহউদ্দিন আহমেদ সম্পর্কে উক্তি==
* স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (সালাহউদ্দিন আহমেদ) সত্যকে মিথ্যা এবং মিথ্যাকে সত্য হিসেবে চমৎকারভাবে পরিবেশন করতে পারেন।
** ২ এপ্রিল ২০২৬, [[শফিকুর রহমান (রাজনীতিবিদ)|শফিকুর রহমান]], ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের সপ্তম দিনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে। [https://www.ittefaq.com.bd/782429/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%B8%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%87 দৈনিক ইত্তেফাক] মন্তব্য করেন।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৬২-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিবিদ]]
tlhdva8uyv39uqqv8w51v1o5thyoogd
ইউরোপীয় পার্লামেন্ট
0
12124
75480
74238
2026-04-10T23:54:44Z
ARI
356
পরিষ্কার
75480
wikitext
text/x-wiki
[[File:European Parliament, Plenar hall.jpg|250px|thumb|স্ট্রাসবার্গের প্রধান বিতর্ক কক্ষ যেখানে সমস্ত সদস্যরা মিলিত হন]]
'''[[w:ইউরোপীয় পার্লামেন্ট|ইউরোপীয় পার্লামেন্ট]]''' (ইউরোপার্ল বা ইপি) হলো [[নির্বাচন|সরাসরি নির্বাচিত]] [[সংসদীয় ব্যবস্থা|সংসদীয়]] সংস্থা। [[w:ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাউন্সিল|ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাউন্সিলের]] (কাউন্সিল) সাথে মিলে এটি ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠানগুলোর দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা গঠন করে। এর বর্তমান সভাপতি হলেন [[রবার্টা মেটসোলা]]।
== উক্তি ==
*মাননীয় সভাপতি, আমি মিসেস ব্যানোত্তিকে সেই উপদেশটি অনুসরণ করার পরামর্শ দেব যা আমাকে একবার ক্রিয়ানলারিচ এর স্টেশন মাস্টার দিয়েছিলেন, যখন আমি তাঁকে দেখিয়েছিলাম যে দুটি প্ল্যাটফর্মের দুটি ঘড়ি ভিন্ন ভিন্ন সময় দেখাচ্ছে। তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, 'দুটি ঘড়ি থেকে কী লাভ যদি তারা দুজনেই একই সময় দেখায়?'
** গ্রাহাম ওয়াটসন, ২৬শে ফেব্রুয়ারি ২০০৪ [https://www.europarl.europa.eu/doceo/document/CRE-5-2004-02-26-ITM-005_EN.html]
* এর জীবনের অনেকটা সময় ধরে ইউরোপীয় পার্লামেন্টকে ন্যায়সঙ্গতভাবেই একটি 'বহুভাষিক আড্ডার জায়গা' হিসেবে চিহ্নিত করা যেত। কিন্তু এখন আর সেই অবস্থা নেই: ইপি এখন বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী [[আইনসভা|আইনসভা]] যা এর আইনী এবং নির্বাহী তদারকি উভয় ক্ষমতার দিক থেকেই অনন্য।
** অধ্যাপক ডেভিড ফারেল, ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয় [http://www.europarl.europa.eu/news/expert/infopress_page/008-7838-162-06-24-901-20070615IPR07837-11-06-2007-2007-false/default_en.htm]
* ইউরোপীয় পার্লামেন্ট হঠাৎ করেই তার নিজস্ব অবস্থানে চলে এসেছে। এটি ইইউ এর তিনটি কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ক্ষমতার আরেকটি পরিবর্তনকে চিহ্নিত করে। গত সপ্তাহের ভোট ইঙ্গিত দেয় যে সরাসরি নির্বাচিত এমইপি-রা তাঁদের অগণিত [[মতাদর্শ|মতাদর্শগত]], [[জাতি|জাতীয়]] এবং [[ইতিহাস|ঐতিহাসিক]] আনুগত্য থাকা সত্ত্বেও একটি গুরুতর এবং কার্যকর ইইউ প্রতিষ্ঠান হিসেবে একত্রিত হতে শুরু করেছেন; ঠিক যখন এর সম্প্রসারণ কাউন্সিল এবং কমিশন উভয়ের ভেতরেই আলোচনাকে ব্যাপকভাবে জটিল করে তুলেছে।
** ফিন্যান্সিয়াল টাইমস [http://www.ft.com/cms/s/56b6d760-a412-11da-83cc-0000779e2340.html]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|আমেরিকার]] [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান|সংবিধানে]] ত্রুটি ছিল, কিন্তু এটি আশ্চর্যজনকভাবে শক্তিশালী প্রমাণিত হয়েছে। [[২০শ শতাব্দী|বিংশ শতাব্দীর]] শেষে ইউরোপের অবস্থা ছিল ভঙ্গুর। এটি কোনো সমজাতীয় কমনওয়েলথ রাষ্ট্রপুঞ্জকে শাসন করতে চায়নি, বরং স্বতন্ত্র [[ব্যক্তিত্ব|ব্যক্তিত্ব]], [[সংস্কৃতি|সংস্কৃতি]] এবং [[ঝুঁকি|ঝুঁকি]] থাকা [[দেশ|দেশগুলোকে]] শাসন করতে চেয়েছিল। খুব কম দেশই ব্রাসেলসের ঘনিষ্ঠ ইউনিয়ন গড়ার প্রবক্তাদের দ্বারা তৈরি একটি মহাদেশীয় সমগ্রতায় নিজেদের নিমজ্জিত করতে প্রস্তুত ছিল। ইউরোপীয় কমিশন এবং পার্লামেন্ট উভয়ই নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছিল। [[ভবন|ভবন]] [[নিয়মাবলী|নির্মাণ বিধি]] থেকে শুরু করে [[খাদ্য|খাবারের]] আকার এবং [[বাদুড়|বাদুড়]] নিয়ন্ত্রণ পর্যন্ত সবকিছুর ওপর কমিশনের [[আমলাতন্ত্র|আমলাতান্ত্রিক]] বিস্তার হাস্যকর হয়ে উঠেছিল। আসন্ন [[ইউরোজোন|ইউরোজোন]] ছিল একটি জুয়া। অভ্যন্তরীণ মুদ্রার অবমূল্যায়ন বা অন্যান্য সমন্বয়ের সুরক্ষা কবজ না থাকায় এটি এর সদস্য [[সরকার|সরকারগুলোর]] জন্য [[সার্বভৌমত্ব|সার্বভৌমত্বের]] এক মারাত্মক ক্ষতির কারণ হবে। ইউরোপীয় পার্লামেন্ট ছিল একটি কাগুজে বাঘ, যা কেবল অভ্যন্তরীণ প্রকল্পগুলোর জন্য তদবির করত। ১৯৭৯ সালে [[নির্বাচন|নির্বাচনে]] ভোটারদের উপস্থিতি ৬২ শতাংশ থেকে কমে ২০০৯ সালে ৪৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
** সাইমন জেনকিন্স, ''আ শর্ট হিস্ট্রি অফ ইউরোপ: ফ্রম পেরিক্লিস টু পুতিন'' (২০১৮)
* [[w:গ্রাহাম ওয়াটসন|গ্রাহাম ওয়াটসন]] (ALDE): মাননীয় সভাপতি, আমার গোষ্ঠী মনে করে হাউজ এইমাত্র যা করেছে তা অবৈধ, যেমনটা আমি আগেই ব্যাখ্যা করেছি। তা সত্ত্বেও আমরা হাউসের রায় মেনে নিচ্ছি। আমাদের ভাষায় অনেক সময় যেমনটা বলা হয় যে আমরা আদালতের কাঠগড়ায় আপনার সাথে দেখা করার অপেক্ষায় রইলাম!
*(এমইপি রা হাসছেন)
*ডঃ [[w:হ্যান্স-গার্ট পোটারিং|হ্যান্স-গার্ট পোটারিং]] (EPP): এটি পুরো পার্লামেন্টের বিষয়; যেহেতু আপনিও এর সদস্যদের মধ্যে একজন, তাই আপনাকেও সেখানে উপস্থিত হতে হবে।
*(এমইপি রা করতালি দিচ্ছেন)
** [https://www.europarl.europa.eu/doceo/document/CRE-6-2007-05-24-ITM-007-03_EN.html]
* কিন্তু কেবল প্রতীকী অঙ্গভঙ্গি শান্তি সুসংহত করতে পারে না। এখানেই ইউরোপীয় ইউনিয়নের "গোপন অস্ত্র" কাজে আসে: আমাদের স্বার্থগুলোকে এত শক্তভাবে বেঁধে রাখার এক অতুলনীয় উপায় যাতে [[যুদ্ধ|যুদ্ধ]] বস্তুগতভাবে অসম্ভব হয়ে পড়ে। ক্রমাগত আলোচনার মাধ্যমে, আরও নতুন বিষয়ে, আরও বেশি দেশের মধ্যে। এটিই [[জঁ মোনে|জঁ মোনের]] স্বর্ণালী নীতি: “''Mieux vaut se disputer autour d’une table que sur un champ de bataille.''” (“যুদ্ধক্ষেত্রের চেয়ে টেবিলের চারপাশে বিতর্ক করা অনেক ভালো।”) যদি আমাকে এটি [[আলফ্রেড নোবেল|আলফ্রেড নোবেলকে]] ব্যাখ্যা করতে হতো, তবে আমি বলতাম: কেবল একটি শান্তি সম্মেলন নয়, এটি একটি ''চিরস্থায়ী'' শান্তি সম্মেলন! স্বীকার করছি যে কিছু দিক বিভ্রান্তিকর হতে পারে এবং তা কেবল বাইরের লোকদের জন্য নয়। স্থলবেষ্টিত দেশের মন্ত্রীরা আবেগের সাথে [[মাছ|মাছের]] কোটা নিয়ে আলোচনা করছেন। [[স্ক্যান্ডিনেভিয়া|স্ক্যান্ডিনেভিয়ার]] ইউরো-পার্লামেন্টারিয়ানরা [[জলপাই|জলপাই তেলের]] দাম নিয়ে বিতর্ক করছেন। ইউনিয়ন আপস বা সমঝোতার শিল্পকে নিখুঁত করেছে। এখানে জয় বা পরাজয়ের কোনো নাটক নেই, বরং সব দেশ যাতে আলোচনা থেকে বিজয়ী হিসেবে বেরিয়ে আসে তা নিশ্চিত করা হয়। এর জন্য একঘেয়ে [[রাজনীতি|রাজনীতি]] খুবই সামান্য মূল্য মাত্র। ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ, এটি কাজ করেছে। [[শান্তি|শান্তি]] এখন স্বতঃসিদ্ধ। যুদ্ধ এখন অকল্পনীয় হয়ে পড়েছে। তবুও ‘অকল্পনীয়’ মানে ‘অসম্ভব’ নয়। আর সেই কারণেই আমরা আজ এখানে সমবেত হয়েছি। [[ইউরোপ|ইউরোপকে]] অবশ্যই শান্তির প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে হবে।
** [[w:হারমান ভ্যান রম্পুই|হারমান ভ্যান রম্পুই]], [https://www.nobelprize.org/prizes/peace/2012/eu/lecture/ ইউরোপীয় ইউনিয়নের নোবেল শান্তি পুরস্কার বক্তৃতা], ১০ ডিসেম্বর ২০১২
== বহিঃসংযোগ ==
[[বিষয়শ্রেণী:আইনসভা]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইউরোপীয় ইউনিয়ন]]
2ow3jgmniqd0f16kpqv3nnv80h1l4or
ডেভিড ম্যামেট
0
12134
75479
74279
2026-04-10T23:53:09Z
ARI
356
/* বহিঃসংযোগ */ ; পরিষ্কার
75479
wikitext
text/x-wiki
[[File:David Mamet 2 by David Shankbone 1.JPG|thumb|২০০৮ সালে ডেভিড ম্যামেট]]
'''[[w:ডেভিড ম্যামেট|ডেভিড অ্যালান ম্যামেট]]''' (জন্ম [[৩০ নভেম্বর]], [[১৯৪৭]]) হলেন একজন মার্কিন নাট্যকার, চিত্রনাট্যকার, চলচ্চিত্র পরিচালক, পরিচালক, কবি, প্রাবন্ধিক এবং ঔপন্যাসিক।
== উক্তি ==
* আমার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলো শিকাগো পাবলিক লাইব্রেরি।
** {{cite news | url = http://www.chicagopubliclibraryfoundation.org/ | title = শিকাগো পাবলিক লাইব্রেরি ফাউন্ডেশন | accessdate = ২০০৭-১২-২০}}
* থিয়েটারের শিল্প হলো ক্রিয়া। এটি অঙ্গীকারের অধ্যয়ন। শব্দ হলো একটি কাজ। শব্দটিকে এমনভাবে বলা যাতে থিয়েটারে উপস্থিত সবাই তা শুনতে ও বুঝতে পারে—এটি একটি অঙ্গীকার থিয়েটারের মঞ্চে একজন মানুষকে দাঁড়িয়ে তাঁর এক হাজার সমপর্যায়ের মানুষের সামনে বলতে দেখা সর্বোচ্চ শিল্প যে, 'আমি যে শব্দগুলো বলছি সেগুলো সত্য এগুলো কোনোভাবেই সত্যের কাছাকাছি কিছু নয়। এগুলো পরম সত্য, আর আমি আমার জীবন দিয়ে এগুলোকে সমর্থন করি,' যা একজন অভিনেতা মঞ্চে করে থাকেন।
** ''রাইটিং ইন রেস্টুরেন্ট'' (১৯৮৭)
* দেবতাদের কাছ থেকে আগুন চুরি করার আগে আপনাকে পরিচালকের জন্য কফি আনার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে।
** ''বাম্বি বনাম গডজিলা: অন দ্য নেচার, পারপাস, অ্যান্ড প্র্যাকটিস অফ দ্য মুভি বিজনেস'' (২০০৭)
* আমাদের একে আকর্ষণীয় করে তোলা নিয়ে চিন্তা করতে হবে না; আমাদের কেবল ওই শুকরটি থেকে মুক্তি পাওয়া নিয়ে চিন্তা করলেই হবে।
** ''[[w:থ্রি ইউজেস অফ দ্য নাইফ|থ্রি ইউজেস অফ দ্য নাইফ]]'' (১৯৯৬)
* গণবিনোদনের কাজ হলো ভোক্তাদের প্রলুব্ধ করা, মোহিত করা এবং তোষামোদ করা যাতে তারা জানতে পারে যে তারা যা সঠিক ভেবেছিল তাই সঠিক, এবং তাদের রুচি ও তাৎক্ষণিক তৃপ্তিই হলো সরবরাহকারীর প্রধান চিন্তার বিষয়। অন্যদিকে, একজন শিল্পীর কাজ হলো বলা যে, এক সেকেন্ড দাঁড়ান, এর উল্টোটা ঠিক; আমরা যা কিছু ভেবেছি তা ভুল। চলুন আমরা এটাকে পুনর্মূল্যায়ন করি।
** {{cite news | url = http://www.upstartfilmcollective.com/portfolios/jcharnick/mamet-museum/salon-interview.html | title = রিচার্ড কোভিংটন প্রদত্ত সাক্ষাৎকার, ''স্যালন'', অক্টোবর ২৫, ১৯৯৭ | accessdate = ২০১৩-০৬-১৭}}
=== ''[[w:গ্লেনগ্যারি গ্লেন রস|গ্লেনগ্যারি গ্লেন রস]]'' (১৯৯৩) ===
==== রিচার্ড রোমা ====
* পুলিশ তার নিজের নোংরা সোফাটা খুঁজে পাচ্ছে না, বসার ঘর তো দূরের কথা।
* অথবা আমার শুয়ে থাকা... আমি তোমায় বলি... পরের দিন বিছানায় শুয়ে আছি, সে আমার জন্য ক্যাফে ও ল্যাট নিয়ে এল, সে আমাকে একটা সিগারেট দিল। আমার অন্ডকোষ সিমেন্টের মতো শক্ত মনে হচ্ছে। তাই না?
* তুমি কি কখনও এমনভাবে মলত্যাগ করেছ যা তোমাকে অনুভব করিয়েছে যে তুমি এইমাত্র বারো ঘণ্টা ঘুমিয়ে উঠলে?
* তারপর আমি সব সীমানা ছাড়িয়ে যাব আর তুমি আমার কাছে একটি ক্যাডিলাক ঋণী থাকবে। আর আমি কোনো ফালতু কথা শুনতে চাই না এবং আমি এসবের তোয়াক্কা করি না।
* প্যাটেল?!?! রাবধাম প্যাটেল?!?! এই সব দেউলিয়া নেটিভদের দিয়ে আমি কীভাবে জীবন ধারণ করব?! তুমি এটা কোত্থেকে পেলে, মর্গ থেকে? আরে বাদ দাও তো! এর মানেটা কী?! যেকোনো ক্ষেত্রেই এর মানেটা কী!? আমাকে তোমার সাথে তর্ক করতে হবে? আমাকে পুলিশের সাথে মাথা ঘামাতে হবে? আমি জান লড়িয়ে দিচ্ছি আর তুমি দুই দেউলিয়ার কাছে তোমার আবর্জনা বিক্রি করছ; তোশকের তলায় টাকা। আমি ফিরে এলাম, অথচ তুমি চুক্তিগুলোও নিরাপদে রাখতে পারোনি। আমাকে আবার বাইরে গিয়ে ওগুলো চূড়ান্ত করতে হবে। আমি কেন আমার সময় নষ্ট করছি... গোল্লায় যাক এই সব!
* প্যাটেল? জাহান্নামে যাক। এমনকি শিব নিজে তাকে দশ লাখ ডলার দিয়ে যদি চুক্তি সই করতে বলতেন, তাও সে সই করত না। আর বিষ্ণুও যদি সেই সাথে বোনাস হিসেবে থাকতেন, তাও না।
* আমি যদি খুঁজে পাই যে তুমি কার কুলাঙ্গার ভাইপো, আমি তার কাছে যাব আর তোমার বারোটা বাজানোর পথ বের করব, জাহান্নামে যাও!
* তুমি কি তোমার স্ত্রীর সাথে প্রতারণা করেছ? করেছ যখন, সেটা নিয়েই থাকো। তুমি ছোট মেয়েদের সাথে নোংরামি করছ, তবে তাই হোক। কোনো পরম নৈতিকতা কি আছে? হতে পারে। তারপর কী?
* তুমি একটা আস্ত অপদার্থ। উইলিয়ামসন! আমি তোমার সাথে কথা বলছি গাধা! তুমি এইমাত্র আমার ৬,০০০ ডলারের ক্ষতি করলে। ৬,০০০ ডলার এবং একটা ক্যাডিলাক। ঠিক তাই। তুমি এখন এটা নিয়ে কী করবে? তুমি এটা নিয়ে কী করবে... হারামজাদা? তুমি একটা আবর্জনা! তুমি তোমার কাজ কোথায় শিখেছ, তুমি একটা আস্ত অপদার্থ?! তুমি গাধা! কে তোমাকে বলেছিল যে তুমি পুরুষদের সাথে কাজ করতে পারো?! ওহ, আমি তোমার চাকরিটা খেয়ে ছাড়ব, গাধা। আমি মেইন অফিসে যাচ্ছি, আমি মিচ আর ম্যারের সাথে কথা বলব! আমি লেমকিনের কাছে যাচ্ছি! তুমি কার ভাগ্নে... কাকে চেনো... কার পা চাটছ তাতে আমার কিছু যায় আসে না, তুমি বিদায় হচ্ছ! আমি শপথ করে বলছি, তুমি বিদায় হচ্ছ! এই অফিসের যে কেউ নিজের বুদ্ধিতে বেঁচে থাকে। আমি এক সেকেন্ডের মধ্যে তোমার কাছে আসছি। তোমাকে যে কাজের জন্য ভাড়া করা হয়েছে তা হলো আমাদের সাহায্য করা। এটা কি তোমার কাছে পরিষ্কার? আমাদের সাহায্য করা। আমাদের ডুবিয়ে দেওয়া নয়! যারা বাইরে গিয়ে উপার্জনের চেষ্টা করছে সেই পুরুষদের সাহায্য করার জন্য, তুমি একটা কাপুরুষ। তুমি কোম্পানির দালাল। আমি তোমাকে আরও একটা কথা বলি, আমি আশা করি তুমি এই জায়গাটা থেকে চুরি করেছ, হয়তো আমি আমাদের বন্ধুদের এখানে ছোট কিছু বলতে পারি যা তাকে তোমাকে ধরতে সাহায্য করতে পারে। তুমি কি সেই প্রথম নিয়মটা শিখতে চাও যা তুমি জানতে যদি তোমার জীবনের একটা দিনও এখানে কাটাতে? পরিস্থিতি কী তা না জানা পর্যন্ত কখনও মুখ খুলবে না। তুমি একটা বাচ্চা।
==== ডেভ মস ====
* হ্যাঁ, সেটা খুব চমৎকার, কিন্তু তুমি এই অফিসটাকে আজেবাজে জিনিসের মতো চালাচ্ছ।
* যে কেউ এই গাধাটার সাথে কথা বলবে সেও একটা আস্ত গাধা।
* সিস্টেমকে তোয়াক্কা করো না? সিস্টেমকে গোল্লায় পাঠাও! এটা কী, ভদ্রতা শেখার ক্লাস? তুমি শেষ, রিক।
* পুলিশ তার নিজের গোপনাঙ্গই খুঁজে পায় না, যদিও তার দুই হাত এবং ম্যাপ দুটোই থাকে।
* আইনত, তুমি একজন সহযোগী। ঘটনা ঘটার আগের সহযোগী।
==== শেলি লেভেন ====
* ওটা শেষ। ওটা শেষ। তুমি ওই ছাইপাশ পার্সেন্টেজ দেখবে না। তুমি দেখবে মোট আয়।
* তুমি কোন ছাই? তুমি একজন সাধারণ সেক্রেটারি। জাহান্নামে যাও। এটাই তোমার জন্য আমার বার্তা: জাহান্নামে যাও আর আমার পা চাটো, আর যদি তোমার পছন্দ না হয় তবে আমি রাস্তার ওপারে জেরি গ্রাফের কাছে যাচ্ছি, ব্যস, জাহান্নামে যাও। এখন, আমি চাই তুমি আমাকে ক্যাডিলাক বোর্ডে তোলো এবং আমি দুটো ভালো লিড চাই আর আমি কোনো ফালতু কথা শুনতে চাই না এবং আমি ওগুলো খুব কাছাকাছি সময়ের চাই কারণ আমি ওগুলো সব চূড়ান্ত করতে যাচ্ছি, আর তোমাকে আমার এটাই বলার আছে! ''[তাকে মধ্যমা দেখাল]''
* চক আনো! ওই ছাইপাশ চকটা আনো! আমাকে বোর্ডে তোলো! আমাকে ক্যাডিলাক বোর্ডে তোলো! উইলিয়ামসন! ওই ছাইপাশ চকটা তোলো! আরে রিক, আমি ওগুলো চূড়ান্ত করেছি! আমি ওই শয়তানগুলোকে রাজি করিয়েছি!
* আমি বসার ঘরের দিকে, সাইডবোর্ডটার দিকে ইশারা করলাম। আমি ছাই জানতামও না যে ওখানে একটা সাইডবোর্ড আছে!
* তুমি একটা গাধা, উইলিয়ামসন। যদি তাৎক্ষণিক বুদ্ধি না থাকে তবে তোমার মুখ বন্ধ রাখা উচিত।
* এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর আমিই সেরা ছিলাম, কোনো মস-টস নয়! যথাযথ সম্মানের সাথে বলছি... সে কেবল নির্দেশ পালনকারী। কথা বলে... ওহ, ভালোই কথা বলে। কিন্তু বোর্ডের দিকে তাকাও, এটা আমিই জন। এটা আমি।
* একজন মানুষের পরিচয় হওয়া উচিত তার কাজ দিয়ে। তুমি তোমার কাজে একদম অপদার্থ।
==== জন উইলিয়ামসন ====
* তুমি কোথায় ছিলে শেলি? ব্রুস আর হ্যারিয়েট নাইবার্গ। তুমি কি মেমোগুলো দেখতে চাও...? তারা পাগল... তারা প্রতি সপ্তাহে ফোন করত [...] তুমি কি দেখেছ তারা কীভাবে থাকে? [...] মানুষগুলো উন্মাদ। তারা কেবল সেলসম্যানদের সাথে কথা বলতে পছন্দ করে।
== ''দ্য সিক্রেট নলেজ'' ==
* বামপন্থীদের লক্ষ্য হলো একটি সরকার পরিচালিত দেশ এবং ডানপন্থীদের লক্ষ্য হলো সরকারের হাত থেকে ব্যক্তির স্বাধীনতা। পৃষ্ঠা ২৩৬।
* উদ্বৃত্ত আয় ছাড়া একটি সমাজ উন্নত বা অগ্রসর হতে পারে না। এই উদ্বৃত্ত কেবল জনসাধারণের কাছে প্রয়োজনীয় বা আকর্ষণীয় পণ্য ও পরিষেবার উৎপাদনের মাধ্যমেই জমা করা সম্ভব। যে আর্থিক ব্যবস্থা এটি করতে দেয় তা বৈষম্যের দিকে নিয়ে যায়; আর যা দেয় না তা গণ-দুর্ভিক্ষের দিকে নিয়ে যায়। পৃষ্ঠা ১০।
* বামপন্থীদের ভালো কাজগুলোকে সাধারণত ন্যাসকারের সাথে তুলনা করা যেতে পারে; তারা কোনো লক্ষ্য ছাড়াই কোনো কিছুকে উত্তেজনার সাথে বৃত্তাকারে ঘুরতে দেখার বিনোদন দেয়। পৃষ্ঠা ১১।
* স্কুলে সফল হওয়ার জন্য আমাদের যে মাল্টিপল চয়েস বা বহুনির্বাচনী পদ্ধতির পুরস্কার দেওয়া হতো, সমাজ তার চেয়ে অনেক বেশি আকর্ষণীয় উপায়ে কাজ করে। জীবনের সাফল্য চারটি উপস্থাপিত উত্তরের মধ্যে থেকে একটি বেছে নেওয়ার ক্ষমতার মধ্যে নেই, বরং এটি আসে প্রশ্ন তৈরি করার সেই কঠিন এবং যন্ত্রণাদায়কভাবে অর্জিত ক্ষমতার মধ্য দিয়ে। পৃষ্ঠা ২৮।
== আরও দেখুন ==
* [[:বিষয়শ্রেণী:ডেভিড ম্যামেট পরিচালিত চলচ্চিত্র]]
* [[:বিষয়শ্রেণী:ডেভিড ম্যামেট রচিত চিত্রনাট্য]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{commonscat}}
{{wikipedia}}
*[http://www.cbs.com/primetime/the_unit/bios/dmamet.shtml সিবিএস - দ্য ইউনিটে ডেভিড ম্যামেটের জীবনী]
* [http://www.huffingtonpost.com/david-mamet/ হাফিংটন পোস্টে ডেভিড ম্যামেটের লেখা এবং কার্টুন]
* [http://mamet.eserver.org/ দ্য ডেভিড ম্যামেট সোসাইটি]
* [http://web.archive.org/web/20000527054524/http://www.salon.com/feature/1997/10/cov_si_24mamet.html salon.com এ সাক্ষাৎকার]
* [http://www.instantcast.com/casting/become_an_actor.asp ট্রু অ্যান্ড ফলসের বই পর্যালোচনা]
{{DEFAULTSORT:ম্যামেট, ডেভিড}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কবি]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চলচ্চিত্র পরিচালক]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চলচ্চিত্র প্রযোজক]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঔপন্যাসিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাট্যকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চিত্রনাট্যকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:থিয়েটার পরিচালক]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৭ এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:শিকাগোর ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইহুদি]]
[[বিষয়শ্রেণী:পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ী]]
dwz0lxtl26lw4yzlr4irz73b1brtnx9
জন বারডিন
0
12166
75636
74946
2026-04-11T08:54:51Z
Asad.fr
4459
75636
wikitext
text/x-wiki
{{bw|জন বারডিন}} (২৩ মে, ১৯০৮ – ৩০ জানুয়ারি, ১৯৯১) একজন মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী ছিলেন। তিনি পদার্থবিজ্ঞানে দুইবার নোবেল পুরস্কার পাওয়া একমাত্র ব্যক্তি।
১৯৫৬ সালে তিনি ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের জন্য উইলিয়াম শকলি এবং ওয়াল্টার ব্রাটেইন-এর সঙ্গে যৌথভাবে এই পুরস্কার পান।
পরে ১৯৭২ সালে তিনি প্রচলিত সুপরিবাহিতার একটি মৌলিক তত্ত্বের জন্য আবারও নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন, যা তিনি লিয়ন নিল কুপার এবং জন রবার্ট শ্রিফারের সঙ্গে যৌথভাবে প্রণয়ন করেন। এই তত্ত্বটি বর্তমানে বিসিএস তত্ত্ব নামে পরিচিত।
== উক্তি ==
* বিজ্ঞান এমন একটি ক্ষেত্র যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পায় এবং যার সীমানা সবসময় প্রসারিত হতে থাকে। তদুপরি, এর পরিধি সত্যিই আন্তর্জাতিক। যেকোনো অগ্রগতি সাধারণত বিভিন্ন দেশের মানুষের কঠিন পরিশ্রমের ফল, যারা পরবর্তী উন্নয়নের জন্য দৃঢ় ভিত্তি স্থাপন করেছেন। নোবেল পুরস্কারগুলোকে শুধু ব্যক্তিবিশেষে নয়, বরং এই বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির স্বীকৃতি হিসেবেও দেখা উচিত। <br />আরও একটি বিষয় হলো, বিজ্ঞান একটি যৌথ প্রচেষ্টা। একাধিক মানুষের ঐক্যবদ্ধ কাজের সম্মিলিত ফলাফল প্রায়ই একক কোনো বিজ্ঞানীর একক কাজের তুলনায় অনেক বেশি কার্যকর হয়।
** ''[http://nobelprize.org/nobel_prizes/physics/laureates/1972/bardeen-speech.html ব্যাংকুয়েট স্পিচ]'', জন বারডিন, ১৯৭২ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী
* …বেল ল্যাবস-এর পরিবেশে আমি ঠিকমতো কাজ করতে পারছি না। ওয়াল্টার এবং আমি পয়েন্ট-কনট্যাক্ট ট্রানজিস্টর সম্পর্কিত কয়েকটি প্রশ্ন নিয়ে কাজ করছি, কিন্তু শকলি সব মজার সমস্যাগুলো নিজের জন্য জমা রাখছেন!
** [https://books.google.com/books?id=02eFrTPIo4gC ''নো বাউন্ডারিজ: ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় ভিনিয়েটস''], ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় প্রেস ২০০৪ (পৃষ্ঠা ২৪২)”
== জন বারডিনকে নিয়ে উক্তি ==
*১৯৫৬ সালের ১ নভেম্বর এর সকালে মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী জন বার্ডিন নাশতার জন্য রান্না করা ডিমের তাওয়া হাত থেকে ফেলে দেন, আর ডিমের সব কিছু রান্নাঘরের মেঝেতে ছড়িয়ে পরে, ঠিক তখনই তিনি শুনলেন যে তিনি ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের জন্য উইলিয়াম শকলি এবং ওয়াল্টার ব্রাটেইনের সঙ্গে মিলিতভাবে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন। সেই সন্ধ্যায় আবারও তিনি চমকে উঠলেন, এবার ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তার সহকর্মীরা শ্যাম্পেন হাতে তার বাড়ির দরজায় এসে গাইছিলো, "ফর হিজ অ্যা জলি গুড ফেলো"!
**লিলিয়ান হোডসন, [http://iopscience.iop.org/article/10.1088/2058-7058/21/04/34/meta জন বার্ডিন: একজন অসাধারণ পদার্থবিজ্ঞানী], ''ফিজিক্স ওয়ার্ল্ড'' ২০০৮, খণ্ড ২১, পৃষ্ঠা ২২
*জন বার্ডিন একজন উৎসাহী এবং দারুণ গলফ খেলোয়াড় ছিলেন। সুযোগ পেলেই তিনি গবেষণা সফরের মাঝে গলফ কোর্সে যাওয়ার চেষ্টা করতেন। গল্প অনুযায়ী, তিনি “হোল ইন ওয়ান” মারার জন্য ঠিক ততটাই গর্বিত হতেন যতটা তিনি দ্বিতীয় নোবেল পুরস্কার জেতার জন্য গর্বিত হয়েছিলেন।
** লিলিয়ান হডেসন এর বক্তব্য [https://books.google.com/books?id=02eFrTPIo4gC ''নো বাউন্ডারিজ: ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় ভিনিয়েটস''], ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় প্রেস ২০০৪ (পৃষ্ঠা ২৪৭)
== আরও দেখুন ==
* [[জন বারডিন]]
*[[পার্ল এস. বাক]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
80ufqzdshfjn1j5fw1nja9f35cc1kvc
শি চিনফিং
0
12170
75450
75042
2026-04-10T19:39:24Z
Raihanur
4347
/* ২০১০-এর দশক */
75450
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''{{w|শি চিনফিং}}''' (জন্ম ১৫ জুন ১৯৫৩) একজন চীনা রাজনীতিবিদ, যিনি বর্তমানে {{w|চীনা কমিউনিস্ট পার্টি|চীনা কমিউনিস্ট পার্টির}} {{w|চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক|সাধারণ সম্পাদক}}, [[ চীন|গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের]] {{w|চীনের রাষ্ট্রপতি|রাষ্ট্রপতি}} এবং {{w|কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের চেয়ারম্যান (চীন)|কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের চেয়ারম্যান}} হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠার পর জন্মগ্রহণকারী চীনের কমিউনিস্ট পার্টির প্রথম সাধারণ সম্পাদক হলেন শি।
==উক্তি==
===২০০০-এর দশক===
* দীর্ঘমেয়াদী ও নিরলস কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে চীন সফলভাবে [[মানবাধিকার]] উন্নয়নের এমন একটি পথে যাত্রা শুরু করেছে যা যুগোপযোগী এবং দেশটির নিজস্ব জাতীয় পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
* মানবাধিকারের ক্ষেত্রে ত্রুটিহীন ও আদর্শ বলে কোনো রাজ্য নেই এবং দেশগুলোর পৃষ্ঠপোষকতামূলক বক্তৃতার প্রয়োজন নেই।
*আমাদের এমন ‘প্রভু’র প্রয়োজন নেই যারা অন্য দেশগুলোকে নির্দেশ দেয়। মানবাধিকারকে রাজনীতিকরণ করে হাতিয়ারে পরিণত করা, {{w|আদর্শিক দ্বিচারিতা}} অবলম্বন করা এবং মানবাধিকারের অজুহাতে অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা তো দূরের কথা।
**[https://www.thehindu.com/news/international/chinese-leader-xi-jinpingdefends-record-to-un-human-rights-chief/article65460537.ece "Xi Jinping Defends China's Human Rights Record Amid Accusations Over Uyghur Camps"]
===২০১০-এর দশক===
* সমগ্র মানবজাতির প্রতি চীনের সর্বশ্রেষ্ঠ অবদান হলো পৃথিবীর ১৩০ কোটি মানুষকে [[ক্ষুধা|ক্ষুধার]] হাত থেকে রক্ষা করা।
** মেক্সিকো সফরকালে তাঁর বিবৃতি (১১ ফেব্রুয়ারি ২০০৯), [https://web.archive.org/web/20101022112926/https://www.ibtimes.com/articles/73173/20101019/china-xi-presidency.htm China's Xi named to oversee military, a step closer to presidency]
* কিছু ভরপেট উদাস বিদেশী রয়েছেন, যাদের আমাদের দিকে আঙুল তোলা ছাড়া তাদের আর কোনো কাজ নেই… '''প্রথমত, চীন [[বিপ্লব]] রপ্তানি করে না; দ্বিতীয়ত, চীন ক্ষুধা ও [[দারিদ্র্য|দারিদ্রতা]] রপ্তানি করে না; তৃতীয়ত, চীন এসে আপনাদের মাথাব্যথার কারণ হয় না, এর চেয়ে বেশি আর কী বলার আছে?'''
** মেক্সিকো সফরকালে তাঁর বিবৃতি (১১ ফেব্রুয়ারি ২০০৯), [https://web.archive.org/web/20101022112926/https://www.ibtimes.com/articles/73173/20101019/china-xi-presidency.htm China's Xi named to oversee military, a step closer to presidency]
* দুর্নীতির ফলে দলের পতন এবং রাষ্ট্রের অবক্ষয় ঘটতে পারে।
** [https://edition.cnn.com/2013/01/06/world/asia/florcruz-china-corruption Opinion: Corruption as China’s top priority]
* [[তাইওয়ান|তাইওয়ানের]] স্বদেশীদের স্বার্থ রক্ষা করা এবং তাদের কল্যাণ প্রসারিত করাই হলো চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির নতুন নেতাদের পক্ষ থেকে আমাদের মূল ভূখণ্ডের উপর বারবার উচ্চারিত অঙ্গীকার এবং দৃঢ় প্রতিশ্রুতি।
** [https://www.reuters.com/article/2013/02/25/us-china-taiwan-idUSBRE91O0CC20130225/ China's Xi to tread peaceful, patient path on Taiwan]
* অবশ্যই, আমরা এ বিষয়েও গভীরভাবে সচেতন যে, {{w|lang=en|Cross-strait relations|ক্রস-স্ট্রেট সম্পর্কের}} ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক সমস্যাগুলো এখনও রয়ে গেছে এবং ভবিষ্যতেও এমন কিছু বিষয় আসবে, যেগুলো সমাধানের জন্য সময়, ধৈর্য ও যৌথ প্রচেষ্টার প্রয়োজন হবে।
** [https://www.taipeitimes.com/News/front/archives/2013/02/26/2003555737 China’s Xi pledges peaceful ties with Taiwan in meeting]
* কেন সামরিক বাহিনীর উপর দলের নেতৃত্বের পক্ষে আমাদের অটল থাকতে হবে? কারণ {{w|সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন}} থেকে আমরা এটাই শিখেছি। [[সোভিয়েত ইউনিয়ন]], যেখানে সামরিক বাহিনীকে অরাজনৈতিক, দল থেকে বিচ্ছিন্ন এবং জাতীয়করণ করা হয়েছিল, সেখানে দলটিকেও নিরস্ত্রীকরণ করা হয়েছিল। যখন দেশটি সংকটময় মুহূর্তে এসে দাঁড়াল, তখন একটি বড় দল চোখের পলকে উধাও হয়ে গেল। আনুপাতিকভাবে, {{w|সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টি|সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির}} সদস্য সংখ্যা আমাদের (চীনা কমিউনিস্ট পার্টির) চেয়ে বেশি ছিল, কিন্তু রুখে দাঁড়িয়ে প্রতিরোধ করার মতো সাহস কারও ছিল না।
** [https://bbc.co.uk/news/world-asia-china-21790384 China's new President Xi Jinping: A man with a dream]
* দুর্নীতিবিরোধী প্রচেষ্টাকে আরও এগিয়ে নিতে হলে দলের দীর্ঘমেয়াদী দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে অর্জিত সফল অভিজ্ঞতাসমূহের ওপর জোর দিতে হবে। আমাদেরকে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের কার্যকর নীতি এবং নিজস্ব মূল্যবান ঐতিহ্য থেকে সক্রিয়ভাবে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে।
** [https://web.archive.org/web/20160304194439/http://english.cntv.cn/20130420/104746.shtml President Xi: Anti-corruption efforts need to draw on heritage]
* সুখ এমনি এমনি আসে না এবং স্বপ্নও নিজে থেকে পূরণ হয় না। আমাদের বাস্তববাদী হতে হবে এবং কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। আমাদের এই ধারণাটি ধারণ করা উচিত যে, কঠোর পরিশ্রমই হলো সবচেয়ে সম্মানজনক, মহৎ, শ্রেষ্ঠ এবং সুন্দরতম গুণ।
** [https://web.archive.org/web/20180913094407/http://english.cntv.cn/20130501/102444.shtml Xi Jinping meets model workers]
* অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে চলে আসা এই বিষয়টি [{{w|ইসরায়েলি-ফিলিস্তিনি সংঘাত}}] [[ফিলিস্তিনি]] জনগণের জন্য গভীর দুর্ভোগ বয়ে এনেছে এবং [[মধ্যপ্রাচ্য]] অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে রয়ে গেছে।
** [https://edition.cnn.com/2013/05/07/world/asia/china-israel-talks/index.html China rebukes Israel ahead of Netanyahu visit]
* আমি মনে করি, উভয় পক্ষেরই [চীন ও যুক্তরাষ্ট্র] {{w|মহা শক্তি|মহা শক্তিগুলোর}} মধ্যে এক নতুন ধরনের সম্পর্ক গড়ে তুলতে কঠোর পরিশ্রম করা উচিত। দুই দেশের ও বিশ্বের মানুষের কল্যাণে উভয় পক্ষেরই পারস্পরিক লাভজনক ফলাফলের জন্য একে অপরের সহায়তা করা উচিত।
** [http://english.cntv.cn/program/newsupdate/20130608/104235.shtml Xi, Obama vow to step up cooperation]
* আমাদের ভবিষ্যতের দিকে তাকানো করা উচিত। চীনের মূল ভূখণ্ড ও তাইওয়ানের মধ্যকার রাজনৈতিক মতপার্থক্যগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধান করা উচিত এবং এই সমস্যাগুলোকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বয়ে যেতে দেওয়া যাবে না।
** [https://www.chinadaily.com.cn/china/2013xiapec/2013-10/06/content_17011186.htm Xi calls for peaceful development of cross-Straits ties]
* সাইবার জগৎ আইনের শাসনের বাহিরের কোনো স্থান নয়।
** [https://www.mfa.gov.cn/eng/xw/zyjh/202405/t20240530_11341037.html Remarks by H.E. Xi Jinping President of the People's Republic of China At the Opening Ceremony of the Second World Internet Conference]
* দলের সংবাদ ও জনমত প্রচারমাধ্যমের সকল কাজে অবশ্যই দলের ইচ্ছাকে প্রতিফলিত করতে হবে, দলের মতামতকে প্রতিবিম্বিত করতে হবে, দলের কর্তৃত্ব রক্ষা করতে হবে, দলের ঐক্য রক্ষা করতে হবে এবং দলের প্রতি ভালোবাসা, দলের সুরক্ষা ও দলের জন্য কাজ করতে হবে; এবং আদর্শ, রাজনীতি ও কর্মকাণ্ডে দলের সাথে উচ্চ স্তরের সামঞ্জস্য বজায় রাখতে হবে।
** [https://www.washingtonpost.com/news/worldviews/wp/2016/03/16/government-linked-website-published-then-pulled-call-for-president-xis-resignation/ Chinese website publishes, then pulls, explosive letter calling for President Xi’s resignation]
* এশিয়ার বিষয়াদি পরিচালনা করা, এশিয়ার সমস্যা সমাধান করা এবং এশিয়ার নিরাপত্তা সমুন্নত রাখা এশিয়ার জনগণেরই দায়িত্ব। বর্ধিত সহযোগিতার মাধ্যমে এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা অর্জনের সামর্থ্য ও প্রজ্ঞা এশিয়ার জনগণের রয়েছে।
** [https://www.weforum.org/stories/2014/12/what-is-chinas-asia-policy/ What is China’s Asia policy?]
* সোভিয়েত ইউনিয়ন ও সোভিয়েত কমিউনিস্ট পার্টির ইতিহাসকে, [[ভ্লাদিমির লেনিন|লেনিন]] ও [[জোসেফ স্তালিন|স্তালিনকে]], এবং অন্য সবকিছুকে অগ্রাহ্য করা হলো ঐতিহাসিক শূন্যতাবাদের চর্চা, যা আমাদের চিন্তাভাবনাকে বিভ্রান্ত করে এবং সর্বস্তরে দলের সংগঠনকে দুর্বল করে দেয়।
** [https://www.washingtonpost.com/news/global-opinions/wp/2017/10/16/xi-jinpings-quest-to-revive-stalins-communist-ideology/?utm_term=.a350d0a610c0 Xi Jinping’s quest to revive Stalin’s communist ideology]
*
==বহিঃসংযোগ==
{{Wikipedia}}
* [http://www.xinhuanet.com/english/2017-10/25/c_136705528.htm শি চিনফিং -- চীনা কমিউনিস্ট পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক]
* [http://www.chinadaily.com.cn/china/Xi-Jinping.html চীন / শি চিনফিং] চায়নাডেইলিতে
{{কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ}}
{{DEFAULTSORT:শি, চিনফিং}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৩-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:চীনের দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:চীনের অ-কল্পকাহিনী লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:জাতীয়তাবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:চীনের রাষ্ট্রপ্রধান]]
9racrco93w39efmzr1hupurgc018l5l
75453
75450
2026-04-10T19:55:41Z
Raihanur
4347
/* ২০১০-এর দশক */
75453
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''{{w|শি চিনফিং}}''' (জন্ম ১৫ জুন ১৯৫৩) একজন চীনা রাজনীতিবিদ, যিনি বর্তমানে {{w|চীনা কমিউনিস্ট পার্টি|চীনা কমিউনিস্ট পার্টির}} {{w|চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক|সাধারণ সম্পাদক}}, [[ চীন|গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের]] {{w|চীনের রাষ্ট্রপতি|রাষ্ট্রপতি}} এবং {{w|কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের চেয়ারম্যান (চীন)|কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের চেয়ারম্যান}} হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠার পর জন্মগ্রহণকারী চীনের কমিউনিস্ট পার্টির প্রথম সাধারণ সম্পাদক হলেন শি।
==উক্তি==
===২০০০-এর দশক===
* দীর্ঘমেয়াদী ও নিরলস কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে চীন সফলভাবে [[মানবাধিকার]] উন্নয়নের এমন একটি পথে যাত্রা শুরু করেছে যা যুগোপযোগী এবং দেশটির নিজস্ব জাতীয় পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
* মানবাধিকারের ক্ষেত্রে ত্রুটিহীন ও আদর্শ বলে কোনো রাজ্য নেই এবং দেশগুলোর পৃষ্ঠপোষকতামূলক বক্তৃতার প্রয়োজন নেই।
*আমাদের এমন ‘প্রভু’র প্রয়োজন নেই যারা অন্য দেশগুলোকে নির্দেশ দেয়। মানবাধিকারকে রাজনীতিকরণ করে হাতিয়ারে পরিণত করা, {{w|আদর্শিক দ্বিচারিতা}} অবলম্বন করা এবং মানবাধিকারের অজুহাতে অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা তো দূরের কথা।
**[https://www.thehindu.com/news/international/chinese-leader-xi-jinpingdefends-record-to-un-human-rights-chief/article65460537.ece "Xi Jinping Defends China's Human Rights Record Amid Accusations Over Uyghur Camps"]
===২০১০-এর দশক===
* সমগ্র মানবজাতির প্রতি চীনের সর্বশ্রেষ্ঠ অবদান হলো পৃথিবীর ১৩০ কোটি মানুষকে [[ক্ষুধা|ক্ষুধার]] হাত থেকে রক্ষা করা।
** মেক্সিকো সফরকালে তাঁর বিবৃতি (১১ ফেব্রুয়ারি ২০০৯), [https://web.archive.org/web/20101022112926/https://www.ibtimes.com/articles/73173/20101019/china-xi-presidency.htm China's Xi named to oversee military, a step closer to presidency]
* কিছু ভরপেট উদাস বিদেশী রয়েছেন, যাদের আমাদের দিকে আঙুল তোলা ছাড়া তাদের আর কোনো কাজ নেই… '''প্রথমত, চীন [[বিপ্লব]] রপ্তানি করে না; দ্বিতীয়ত, চীন ক্ষুধা ও [[দারিদ্র্য|দারিদ্রতা]] রপ্তানি করে না; তৃতীয়ত, চীন এসে আপনাদের মাথাব্যথার কারণ হয় না, এর চেয়ে বেশি আর কী বলার আছে?'''
** মেক্সিকো সফরকালে তাঁর বিবৃতি (১১ ফেব্রুয়ারি ২০০৯), [https://web.archive.org/web/20101022112926/https://www.ibtimes.com/articles/73173/20101019/china-xi-presidency.htm China's Xi named to oversee military, a step closer to presidency]
* দুর্নীতির ফলে দলের পতন এবং রাষ্ট্রের অবক্ষয় ঘটতে পারে।
** [https://edition.cnn.com/2013/01/06/world/asia/florcruz-china-corruption Opinion: Corruption as China’s top priority]
* [[তাইওয়ান|তাইওয়ানের]] স্বদেশীদের স্বার্থ রক্ষা করা এবং তাদের কল্যাণ প্রসারিত করাই হলো চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির নতুন নেতাদের পক্ষ থেকে আমাদের মূল ভূখণ্ডের উপর বারবার উচ্চারিত অঙ্গীকার এবং দৃঢ় প্রতিশ্রুতি।
** [https://www.reuters.com/article/2013/02/25/us-china-taiwan-idUSBRE91O0CC20130225/ China's Xi to tread peaceful, patient path on Taiwan]
* অবশ্যই, আমরা এ বিষয়েও গভীরভাবে সচেতন যে, {{w|lang=en|Cross-strait relations|ক্রস-স্ট্রেট সম্পর্কের}} ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক সমস্যাগুলো এখনও রয়ে গেছে এবং ভবিষ্যতেও এমন কিছু বিষয় আসবে, যেগুলো সমাধানের জন্য সময়, ধৈর্য ও যৌথ প্রচেষ্টার প্রয়োজন হবে।
** [https://www.taipeitimes.com/News/front/archives/2013/02/26/2003555737 China’s Xi pledges peaceful ties with Taiwan in meeting]
* কেন সামরিক বাহিনীর উপর দলের নেতৃত্বের পক্ষে আমাদের অটল থাকতে হবে? কারণ {{w|সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন}} থেকে আমরা এটাই শিখেছি। [[সোভিয়েত ইউনিয়ন]], যেখানে সামরিক বাহিনীকে অরাজনৈতিক, দল থেকে বিচ্ছিন্ন এবং জাতীয়করণ করা হয়েছিল, সেখানে দলটিকেও নিরস্ত্রীকরণ করা হয়েছিল। যখন দেশটি সংকটময় মুহূর্তে এসে দাঁড়াল, তখন একটি বড় দল চোখের পলকে উধাও হয়ে গেল। আনুপাতিকভাবে, {{w|সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টি|সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির}} সদস্য সংখ্যা আমাদের (চীনা কমিউনিস্ট পার্টির) চেয়ে বেশি ছিল, কিন্তু রুখে দাঁড়িয়ে প্রতিরোধ করার মতো সাহস কারও ছিল না।
** [https://bbc.co.uk/news/world-asia-china-21790384 China's new President Xi Jinping: A man with a dream]
* দুর্নীতিবিরোধী প্রচেষ্টাকে আরও এগিয়ে নিতে হলে দলের দীর্ঘমেয়াদী দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে অর্জিত সফল অভিজ্ঞতাসমূহের ওপর জোর দিতে হবে। আমাদেরকে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের কার্যকর নীতি এবং নিজস্ব মূল্যবান ঐতিহ্য থেকে সক্রিয়ভাবে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে।
** [https://web.archive.org/web/20160304194439/http://english.cntv.cn/20130420/104746.shtml President Xi: Anti-corruption efforts need to draw on heritage]
* সুখ এমনি এমনি আসে না এবং স্বপ্নও নিজে থেকে পূরণ হয় না। আমাদের বাস্তববাদী হতে হবে এবং কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। আমাদের এই ধারণাটি ধারণ করা উচিত যে, কঠোর পরিশ্রমই হলো সবচেয়ে সম্মানজনক, মহৎ, শ্রেষ্ঠ এবং সুন্দরতম গুণ।
** [https://web.archive.org/web/20180913094407/http://english.cntv.cn/20130501/102444.shtml Xi Jinping meets model workers]
* অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে চলে আসা এই বিষয়টি [{{w|ইসরায়েলি-ফিলিস্তিনি সংঘাত}}] [[ফিলিস্তিনি]] জনগণের জন্য গভীর দুর্ভোগ বয়ে এনেছে এবং [[মধ্যপ্রাচ্য]] অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে রয়ে গেছে।
** [https://edition.cnn.com/2013/05/07/world/asia/china-israel-talks/index.html China rebukes Israel ahead of Netanyahu visit]
* আমি মনে করি, উভয় পক্ষেরই [চীন ও যুক্তরাষ্ট্র] {{w|মহা শক্তি|মহা শক্তিগুলোর}} মধ্যে এক নতুন ধরনের সম্পর্ক গড়ে তুলতে কঠোর পরিশ্রম করা উচিত। দুই দেশের ও বিশ্বের মানুষের কল্যাণে উভয় পক্ষেরই পারস্পরিক লাভজনক ফলাফলের জন্য একে অপরের সহায়তা করা উচিত।
** [http://english.cntv.cn/program/newsupdate/20130608/104235.shtml Xi, Obama vow to step up cooperation]
* আমাদের ভবিষ্যতের দিকে তাকানো করা উচিত। চীনের মূল ভূখণ্ড ও তাইওয়ানের মধ্যকার রাজনৈতিক মতপার্থক্যগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধান করা উচিত এবং এই সমস্যাগুলোকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বয়ে যেতে দেওয়া যাবে না।
** [https://www.chinadaily.com.cn/china/2013xiapec/2013-10/06/content_17011186.htm Xi calls for peaceful development of cross-Straits ties]
* সাইবার জগৎ আইনের শাসনের বাহিরের কোনো স্থান নয়।
** [https://www.mfa.gov.cn/eng/xw/zyjh/202405/t20240530_11341037.html Remarks by H.E. Xi Jinping President of the People's Republic of China At the Opening Ceremony of the Second World Internet Conference]
* দলের সংবাদ ও জনমত প্রচারমাধ্যমের সকল কাজে অবশ্যই দলের ইচ্ছাকে প্রতিফলিত করতে হবে, দলের মতামতকে প্রতিবিম্বিত করতে হবে, দলের কর্তৃত্ব রক্ষা করতে হবে, দলের ঐক্য রক্ষা করতে হবে এবং দলের প্রতি ভালোবাসা, দলের সুরক্ষা ও দলের জন্য কাজ করতে হবে; এবং আদর্শ, রাজনীতি ও কর্মকাণ্ডে দলের সাথে উচ্চ স্তরের সামঞ্জস্য বজায় রাখতে হবে।
** [https://www.washingtonpost.com/news/worldviews/wp/2016/03/16/government-linked-website-published-then-pulled-call-for-president-xis-resignation/ Chinese website publishes, then pulls, explosive letter calling for President Xi’s resignation]
* এশিয়ার বিষয়াদি পরিচালনা করা, এশিয়ার সমস্যা সমাধান করা এবং এশিয়ার নিরাপত্তা সমুন্নত রাখা এশিয়ার জনগণেরই দায়িত্ব। বর্ধিত সহযোগিতার মাধ্যমে এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা অর্জনের সামর্থ্য ও প্রজ্ঞা এশিয়ার জনগণের রয়েছে।
** [https://www.weforum.org/stories/2014/12/what-is-chinas-asia-policy/ What is China’s Asia policy?]
* সোভিয়েত ইউনিয়ন ও সোভিয়েত কমিউনিস্ট পার্টির ইতিহাসকে, [[ভ্লাদিমির লেনিন|লেনিন]] ও [[জোসেফ স্তালিন|স্তালিনকে]], এবং অন্য সবকিছুকে অগ্রাহ্য করা হলো ঐতিহাসিক শূন্যতাবাদের চর্চা, যা আমাদের চিন্তাভাবনাকে বিভ্রান্ত করে এবং সর্বস্তরে দলের সংগঠনকে দুর্বল করে দেয়।
** [https://www.washingtonpost.com/news/global-opinions/wp/2017/10/16/xi-jinpings-quest-to-revive-stalins-communist-ideology/?utm_term=.a350d0a610c0 Xi Jinping’s quest to revive Stalin’s communist ideology]
* সোভিয়েত ইউনিয়ন কেন ভেঙে গেল? সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টি কেন ক্ষমতাচ্যুত হলো? এর একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছিল এই যে, মতাদর্শগত সংগ্রাম ছিল অত্যন্ত তীব্র, যা সোভিয়েত ইউনিয়নের ইতিহাসকে, সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির ইতিহাসকে, লেনিনকে, স্তালিনকে সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করে ঐতিহাসিক শূন্যবাদ এবং বিভ্রান্তিকর চিন্তাভাবনার জন্ম দিয়েছিল। সকল স্তরের দলীয় সংগঠনগুলো তাদের কার্যকারিতা হারিয়েছিল, সামরিক বাহিনী আর দলের নেতৃত্বে ছিল না। পরিশেষে, সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টি, একটি মহান দল, ছত্রভঙ্গ হয়ে গেল, সোভিয়েত ইউনিয়ন, একটি মহান সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র, ভেঙে পড়ল। এটি একটি সতর্কতামূলক কাহিনী!
** [https://www.journalofdemocracy.org/articles/30-years-after-tiananmen-memory-in-the-era-of-xi-jinping/ 30 Years After Tiananmen: Memory in the Era of Xi Jinping]
* প্রথমত, সকল কাজে দলের নেতৃত্ব মেনে চলতে হবে এবং দলের নেতৃত্বকে নিরন্তর শক্তিশালী ও উন্নত করতে হবে।
** [https://www.nytimes.com/2018/12/18/world/asia/xi-china-speech-takeaways.html 4 Takeaways from Xi Jinping’s Speech Defending Communist Party Control]
* চীনা জনগণকে কী করা উচিত আর কী করা উচিত নয়, তা নির্দেশ দেওয়ার মতো অবস্থানে কেউ নেই।
** [https://www.nytimes.com/2018/12/18/world/asia/xi-china-speech-takeaways.html 4 Takeaways from Xi Jinping’s Speech Defending Communist Party Control]
* অন্য যেকোনো বিদেশি সহকর্মীর চেয়ে প্রেসিডেন্ট [[ভ্লাদিমির পুতিন|পুতিনের]] সঙ্গে আমার অধিক ঘনিষ্ঠ আলাপচারিতা হয়েছে। তিনি আমার সেরা বন্ধু। আমাদের এই গভীর বন্ধুত্বকে আমি অত্যন্ত মূল্যবান মনে করি।
** [https://www.businessinsider.com/china-xi-jinping-russia-vladimir-putin-best-friends-photos-2019-6 18 photos that show the blossoming bromance between China's Xi Jinping and Russia's Vladimir Putin]
* চীনের সাফল্য প্রমাণ করে যে [[সমাজতন্ত্র]] মারা যায়নি। বরং তা বিকশিত হচ্ছে। একবার ভেবে দেখুন: যদি চীনে সমাজতন্ত্র ব্যর্থ হতো, যদি সোভিয়েত ইউনিয়নের দলের মতো আমাদের কমিউনিস্ট পার্টিও ভেঙে পড়ত, তাহলে বিশ্বব্যাপী সমাজতন্ত্র এক দীর্ঘ অন্ধকার যুগে প্রবেশ করত। আর [[সাম্যবাদ]], যেমনটা [[কার্ল মার্ক্স]] একবার বলেছিলেন, এক বিভীষিকাময় প্রেতাত্মা হয়ে অতল গহ্বরে ঘুরপাক খেত।
** [https://www.scmp.com/news/china/politics/article/3236454/xi-jinping-highlights-importance-innovation-path-chinese-style-modernisation?campaign=3236454&module=perpetual_scroll_1_AI&pgtype=article Xi Jinping highlights importance of innovation on path to ‘Chinese-style modernisation’]
* আমাদের কমরেডদের হাতে যে পদ্ধতিগুলো আছে তা অত্যন্ত আদিম; তাদের বড় দা-এর ফলা, কুড়ালের ফলা এবং ধারালো ইস্পাতের অস্ত্রের সামনে এই অস্ত্রগুলোর কোনোটিই টিকতে পারবে না। আমাদেরও তাদের মতোই কঠোর হতে হবে এবং বিন্দুমাত্র দয়া দেখানো যাবে না।
** [https://www.nytimes.com/interactive/2019/11/16/world/asia/china-xinjiang-documents.html ‘Absolutely No Mercy’: Leaked Files Expose How China Organized Mass Detentions of Muslims]
* পুঁজিবাদী পথ চেষ্টা করা হয়েছিল এবং তা ব্যর্থ বলে প্রমাণিত হয়েছিল। সংস্কারবাদ, উদারনীতিবাদ, সামাজিক ডারউইনবাদ, নৈরাজ্যবাদ, প্রয়োগবাদ, জনতুষ্টিবাদ, শ্রমিক সংঘবাদ—এগুলো সবই মঞ্চে নিজেদের মুহূর্ত পেয়েছিল। চীনের ভবিষ্যতের সমস্যা সমাধানে এগুলোর কোনোটিই সফল হয়নি। মার্কসবাদ-লেনিনবাদ এবং মাও সে-তুং চিন্তাধারাই চীনা জনগণকে সেই দীর্ঘ রাতের অন্ধকার থেকে পথ দেখিয়ে একটি নতুন চীন প্রতিষ্ঠা করেছিল; চীনা বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন সমাজতন্ত্রের মাধ্যমেই চীন এত দ্রুত উন্নতি লাভ করেছে।
** [https://archive.is/e6EU1 Xi Jinping in Translation: China’s Guiding Ideology]
* ইতিহাস এবং আমাদের বর্তমান বাস্তবতা উভয়ই বলে যে, একমাত্র সমাজতন্ত্রই চীনকে বাঁচাতে পারে—এবং একমাত্র চীনা বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন সমাজতন্ত্রই চীনের উন্নতি সাধন করতে পারে। এটাই ইতিহাসের উপসংহার, [এবং] আমাদের জনগণের পছন্দ।
** [https://archive.is/e6EU1 Xi Jinping in Translation: China’s Guiding Ideology]
* এগুলোর মধ্যে রয়েছে: চীনের কমিউনিস্ট পার্টির নিরঙ্কুশ নেতৃত্ব, জাতীয় পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে নীতি নির্ধারণ, অর্থনৈতিক নির্মাণকে কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা, ‘চারটি মূলনীতি’ এবং সংস্কার ও উন্মুক্তকরণ কর্মসূচিতে অবিচল থাকা, উৎপাদনশীল সামাজিক শক্তির মুক্তি ও বিকাশ, একটি সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি, সমাজতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক রাজনীতি, একটি উন্নত সমাজতান্ত্রিক সংস্কৃতি, একটি সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজতান্ত্রিক সমাজ এবং একটি পরিবেশবান্ধব সমাজতান্ত্রিক সভ্যতা নির্মাণ। এর অন্তর্ভুক্ত হলো জনগণের সার্বিক উন্নয়নকে উৎসাহিত করা, ক্রমান্বয়ে সকল মানুষের যৌথ সমৃদ্ধি অর্জন করা এবং একটি আধুনিক, সমৃদ্ধ, শক্তিশালী, গণতান্ত্রিক, সভ্য ও সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠন করা—যার মধ্যে রয়েছে জাতীয় গণ কংগ্রেসের মৌলিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা, কমিউনিস্ট পার্টি পরিচালিত বহুদলীয় সহযোগিতা ও রাজনৈতিক পরামর্শ ব্যবস্থা, আঞ্চলিক জাতিগত স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা, তৃণমূল স্তরের স্ব-শাসন ব্যবস্থা, চীনা বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন আইন ব্যবস্থা এবং এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে সরকারি মালিকানাধীন উদ্যোগগুলোই প্রধান অংশ এবং যা বিভিন্ন ধরনের ব্যক্তিগত মালিকানার পাশাপাশি বিকশিত হয়। এই বৈশিষ্ট্যগুলোই আমাদের নতুন ঐতিহাসিক পরিস্থিতিতে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের মৌলিক নীতিগুলোকে অঙ্গীভূত করে তোলে।
** [https://archive.is/e6EU1 Xi Jinping in Translation: China’s Guiding Ideology]
==বহিঃসংযোগ==
{{Wikipedia}}
* [http://www.xinhuanet.com/english/2017-10/25/c_136705528.htm শি চিনফিং -- চীনা কমিউনিস্ট পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক]
* [http://www.chinadaily.com.cn/china/Xi-Jinping.html চীন / শি চিনফিং] চায়নাডেইলিতে
{{কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ}}
{{DEFAULTSORT:শি, চিনফিং}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৩-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:চীনের দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:চীনের অ-কল্পকাহিনী লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:জাতীয়তাবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:চীনের রাষ্ট্রপ্রধান]]
8c0v9p93zxnmynibgjj0dzby69ryhcx
ব্যবহারকারী:Nil Nandy/common.js
2
12182
75509
74562
2026-04-11T02:35:39Z
Nil Nandy
2294
75509
javascript
text/javascript
//BNWQ Tools
mw.loader.load('//bn.wikiquote.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:খাত্তাব_হাসান/bnwq-tools.js&action=raw&ctype=text/javascript');
importScript(':w:ব্যবহারকারী:Tanvir_360/wordReplace.js'); // পিছন সংযোগ: [[:w:ব্যবহারকারী:Tanvir_360/wordReplace.js]]
j9eg6pkzks0qm9egt3sagl2s4roe754
75510
75509
2026-04-11T02:38:08Z
Nil Nandy
2294
[[Special:Contributions/Nil Nandy|Nil Nandy]] ([[User talk:Nil Nandy|আলাপ]])-এর সম্পাদিত [[Special:Diff/75509|75509]] নম্বর সংশোধনটি বাতিল করা হয়েছে
75510
javascript
text/javascript
//BNWQ Tools
mw.loader.load('//bn.wikiquote.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:খাত্তাব_হাসান/bnwq-tools.js&action=raw&ctype=text/javascript');
9m4939p4bldjtx7wg4evhj02umh5bq0
ব্রায়ান গ্রিন
0
12194
75380
74698
2026-04-10T14:09:46Z
Sumanta3023
4175
75380
wikitext
text/x-wiki
[[File:Brian Greene World Science Festival.jpg|thumb|কিছু মানুষ মনে করেন যে [[মহাবিস্ফোট|বিগ ব্যাং]] হলো [[মহাবিশ্ব|মহাবিশ্ব]] কীভাবে শুরু হয়েছিল তার একটি [[ব্যাখ্যা]], কিন্তু আসলে তা নয়। বিগ ব্যাং হলো মহাবিশ্ব যা কিছুর মাধ্যমে [[অস্তিত্ব|অস্তিত্বে]] আসুক না কেন, তার ঠিক পরের একটি মুহূর্ত থেকে মহাবিশ্ব কীভাবে ''[[বিবর্তন|বিবর্তিত]]'' হয়েছে তার একটি তত্ত্ব।]]
'''[[w:ব্রায়ান গ্রিন|ব্রায়ান গ্রিন]]''' (জন্ম [[৯ ফেব্রুয়ারি]], [[১৯৬৩]]) একজন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী এবং [[স্ট্রিং তত্ত্ব|স্ট্রিং তাত্ত্বিক]]। তিনি সাধারণ পাঠকদের জন্য লেখা তাঁর বই ''[[w:দ্য এলিগেন্ট ইউনিভার্স|দ্য এলিগেন্ট ইউনিভার্স]]'', ''[[w:ইকারাস অ্যাট দ্য এজ অফ টাইম|ইকারাস অ্যাট দ্য এজ অফ টাইম]]'' এবং ''[[w:দ্য ফ্যাব্রিক অফ দ্য কসমস|দ্য ফ্যাব্রিক অফ দ্য কসমস]]'' এবং এর সাথে সম্পর্কিত পিবিএস টেলিভিশন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছেন।
{{physicist-stub}}
== উক্তি ==
* পদার্থবিজ্ঞানীরা ভৌত সূত্রগুলোর দুটি বৈশিষ্ট্যকে যে এগুলো আপনি কখন বা কোথায় ব্যবহার করছেন তার ওপর নির্ভর করে না প্রকৃতির ''প্রতিসাম্য'' হিসেবে বর্ণনা করেন। এই ব্যবহারের মাধ্যমে পদার্থবিজ্ঞানীরা বোঝাতে চান যে প্রকৃতি সময়ের প্রতিটি মুহূর্ত এবং স্থানের প্রতিটি অবস্থানকে একইভাবে বা প্রতিসাম্যতার সাথে বিবেচনা করে এটি নিশ্চিত করার মাধ্যমে যে সর্বত্র একই মৌলিক সূত্রগুলো কার্যকর রয়েছে। শিল্প ও সঙ্গীতের ওপর এগুলো যেভাবে প্রভাব ফেলে অনেকটা সেভাবেই এই ধরনের প্রতিসাম্যগুলো গভীরভাবে তৃপ্তিদায়ক; এগুলো প্রকৃতির কার্যপদ্ধতির মধ্যে একটি শৃঙ্খলা এবং সংগতিকে তুলে ধরে। একগুচ্ছ সরল ও সার্বজনীন সূত্র থেকে উদ্ভূত সমৃদ্ধ, জটিল এবং বৈচিত্র্যময় এই মহাজাগতিক ঘটনার চমৎকারিত্বই হলো সেই বিষয়ের অন্তত একটি অংশ, যা পদার্থবিজ্ঞানীরা "সুন্দর" শব্দটি ব্যবহার করার সময় বোঝাতে চান।<!--p. 169-->
** ''দ্য এলিগেন্ট ইউনিভার্স'' (১৯৯৯) অধ্যায় ৭: সুপারস্ট্রিং এর "সুপার"।
* '''[[পদার্থবিজ্ঞানী|পদার্থবিজ্ঞানীরা]] অনেকটা আধুনিক সুরকারদের মতো, যারা সমাধানের সন্ধানে প্রচলিত নিয়ম ভাঙতে এবং গ্রহণযোগ্যতার সীমা স্পর্শ করতে ইচ্ছুক।''' গণিতবিদরা অনেকটা শাস্ত্রীয় সুরকারদের মতো, যারা সাধারণত অনেক বেশি কঠোর কাঠামোর মধ্যে কাজ করেন এবং আগের সমস্ত ধাপ যথাযথভাবে প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত পরবর্তী ধাপে যেতে আগ্রহী হন না। প্রতিটি পদ্ধতির যেমন সুবিধা রয়েছে, তেমনি রয়েছে সীমাবদ্ধতা; প্রতিটি পদ্ধতিই সৃজনশীল আবিষ্কারের জন্য একটি অনন্য পথ তৈরি করে দেয়। '''আধুনিক এবং শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের মতোই, এটি এমন নয় যে একটি পদ্ধতি সঠিক আর অন্যটি ভুল একজন কোন পদ্ধতিটি বেছে নেবেন তা মূলত তাঁর রুচি এবং প্রশিক্ষণের বিষয়।'''
** ''দ্য এলিগেন্ট ইউনিভার্স : সুপারস্ট্রিংস, হিডেন ডাইমেনশনস, অ্যান্ড দ্য কোয়েস্ট ফর দ্য আলটিমেট থিওরি'' (১৯৯৯), পৃষ্ঠা ২৭১
* আসল প্রশ্ন হলো আপনার সমস্ত ভাবনা এবং বিশ্লেষণ আপনাকে এটি বিশ্বাস করাতে পারবে কি না যে জীবন বেঁচে থাকার যোগ্য। দিনশেষে সবকিছু এখানেই এসে থামে।
** ''দ্য ফ্যাব্রিক অফ দ্য কসমস : স্পেস, টাইম, অ্যান্ড দ্য টেক্সচার অফ রিয়েলিটি'' (২০০৪), পৃষ্ঠা ৩
* '''[[সুপারস্ট্রিং তত্ত্ব|সুপারস্ট্রিং তত্ত্বের]] যাত্রা শুরু হয় একটি পুরোনো প্রশ্নের নতুন উত্তর প্রস্তাব করার মাধ্যমে: পদার্থের ক্ষুদ্রতম, অবিভাজ্য উপাদানগুলো কী?''' বহু দশক ধরে প্রচলিত উত্তরটি ছিল এই যে, পদার্থ কণিকা দিয়ে গঠিত যেগুলোকে এমন বিন্দু হিসেবে চিহ্নিত করা যায় যা অবিভাজ্য এবং যাদের কোনো আকার বা অভ্যন্তরীণ কাঠামো নেই। প্রচলিত তত্ত্ব দাবি করে, এবং পরীক্ষা নিরীক্ষাও এটি নিশ্চিত করে যে, এই কণাগুলো বিভিন্নভাবে একত্রিত হয়ে প্রোটন, নিউট্রন এবং বিচিত্র সব অণু পরমাণু তৈরি করে, সুপারস্ট্রিং তত্ত্ব ভিন্ন এক গল্প বলে। এটি দাবি করে যে এই কণাগুলো আসলে কোনো বিন্দু নয়। বরং '''প্রতিটি কণা শক্তির একটি ক্ষুদ্র তন্তু দিয়ে গঠিত, যা একটি পারমাণবিক নিউক্লিয়াসের চেয়েও প্রায় কয়েকশ বিলিয়ন বিলিয়ন গুণ ছোট এবং যার আকৃতি একটি সুতোর মতো'''। আর ঠিক যেভাবে একটি বেহালার তার বিভিন্ন বিন্যাসে কম্পিত হতে পারে, যার প্রতিটি থেকে আলাদা আলাদা সুর তৈরি হয়, সুপারস্ট্রিং তত্ত্বের তন্তুগুলোও একইভাবে বিভিন্ন বিন্যাসে কম্পিত হতে পারে। তবে এই কম্পনগুলো কণার ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ট্য তৈরি করে। '''সুপারস্ট্রিং তত্ত্বে সমস্ত প্রজাতির কণা একীভূত হয়েছে, কারণ প্রতিটি কণাই মূলত একই মৌলিক সত্তার ভিন্ন ভিন্ন কম্পন বিন্যাস থেকে উদ্ভূত হয়।'''
** ''দ্য ফ্যাব্রিক অফ দ্য কসমস : স্পেস, টাইম, অ্যান্ড দ্য টেক্সচার অফ রিয়েলিটি'' (২০০৪), পৃষ্ঠা ১৭
* একটি বড় প্রশ্ন হলো মহাবিশ্ব কীভাবে শুরু হয়েছিল। আর আমরা সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারি না। '''কিছু মানুষ মনে করেন যে বিগ ব্যাং হলো মহাবিশ্ব কীভাবে শুরু হয়েছিল তার একটি ব্যাখ্যা, কিন্তু আসলে তা নয়। বিগ ব্যাং হলো মহাবিশ্ব যা কিছুর মাধ্যমেই অস্তিত্বে আসুক না কেন, তার ঠিক পরের একটি মুহূর্ত থেকে মহাবিশ্ব কীভাবে ''বিবর্তিত'' হয়েছে তার একটি তত্ত্ব।''' আর আমরা যে একদম শুরুর সময় বা 'টাইম জিরোতে' ফিরে গিয়ে এটি কীভাবে শুরু হয়েছিল তা খুঁজে বের করতে পারিনি, তার কারণ হলো মহাকর্ষ নিয়ে আইনিস্টাইনের ধারণা এবং কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানের সূত্রগুলোর মধ্যে বিদ্যমান দ্বন্দ্ব। সুতরাং, স্ট্রিং তত্ত্ব হয়তো সক্ষম হতে পারে এটি এখনও পারেনি; আমরা আজ এটি নিয়ে প্রবলভাবে কাজ করছি এটি হয়তো মহাবিশ্ব কীভাবে শুরু হয়েছিল সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে। আর আমি জানি না এটি আপনার দৈনন্দিন জীবনে কী প্রভাব ফেলবে, তবে আমার কাছে, আমরা যদি সত্যিই বুঝতে পারি যে মহাবিশ্ব প্রকৃতপক্ষে কীভাবে শুরু হয়েছিল, তবে আমার মনে হয় সেটি মহাবিশ্বে আমাদের অবস্থান সম্পর্কে আমাদের এক গভীর স্তরে সচেতন করে তুলবে।
** ''দ্য লেট শোতে'' (২৩ মার্চ ২০০৫) [[ডেভিড লেটারম্যান|ডেভিড লেটারম্যানের]] করা প্রশ্ন "মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমরা এখন এমন কী জানি যা আগে জানতাম না?" এর উত্তরে।
* {{w|অতিরিক্ত ডাইমেনশন}} গুলোকে এই তথাকথিত ক্যালাবি ইয়াউ আকৃতিতে, অথবা {{w|ক্যালাবি ইয়াউ ম্যানিফোল্ড|ক্যালাবি ইয়াউ ম্যানিফোল্ডে}} সংকুচিত থাকতে হবে। এটি এমন একটি {{w|ম্যানিফোল্ড}} যা আক্ষরিকভাবে সমতল আকৃতির না হয়েও সমতলের যতটা কাছাকাছি হওয়া সম্ভব ততটাই। ছয়টি ডাইমেনশনে আপনি এমন কিছু পেতে পারেন যা {{w|রিচি-ফ্ল্যাট ম্যানিফোল্ড|রিচি-ফ্ল্যাট}} নামে পরিচিত।
** {{cite journal|title=ব্রায়ান গ্রিন: দ্য ট্রুথ অ্যাবাউট স্ট্রিং থিওরি, এরিক ওয়াইনস্টাইন, অ্যান্ড টিওই (৩৬৯)|journal=ডক্টর ব্রায়ান কিটিং|date=নভেম্বর ২০, ২০২৩|url=https://www.youtube.com/watch?v=qpsxH7mOopM&t=2320s}} (ভিডিওর ১:৪২:০১ সময়ের মধ্যে ৩৮:৪০ মিনিটে এই উক্তিটি রয়েছে)
== গ্রিন সম্পর্কে উক্তি ==
* আমি ব্রায়ান গ্রিন নামে এক ব্যক্তিকে চিনতাম। আমি তাকে আইবিএম এ একটি গ্রীষ্মকালীন চাকরি পেতে সাহায্য করেছিলাম কারণ লোকজন আমাকে বলেছিল যে সে অত্যন্ত মেধাবী, এবং সে আসলেই তাই ছিল। যখন আমি শুনলাম যে সে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি অধ্যাপনার পদ পেয়েছে, তখন বিষয়টি আমার কাছে এইভাবে বর্ণনা করা হয়েছিল এটি ছিল পদার্থবিজ্ঞান এবং গণিত বিভাগের একটি যৌথ অধ্যাপনা, কারণ গণিত বিভাগ মনে করত সে যা করছে তা হলো পদার্থবিজ্ঞান, আর পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ মনে করত যে সে যা করছে তা হলো গণিত।
** [[গ্রিগরি চাইতিন]], {{cite journal|title=দ্য রাইজ অ্যান্ড ফল অফ অ্যাকাডেমিয়া|journal=থিওরিজ অফ এভরিথিং উইথ কার্ট জাইমুঙ্গাল, ইউটিউব|url=https://www.youtube.com/watch?v=PoEuav8G6sY&t=364s}} (ভিডিওর ৬:০৪ মিনিটে এই উক্তিটি রয়েছে)
* ''দ্য ফ্যাব্রিক অফ দ্য কসমস'' বইটি ''দ্য এলিগেন্ট ইউনিভার্স'' এর চেয়ে বড় একটি ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করে এবং একে আরও বিস্তৃতভাবে চিত্রায়িত করে। এই দুটি বইয়ের মধ্যে খুব বেশি সাদৃশ্য নেই। একটি পড়ার জন্য অন্যটি আগে পড়ে নেওয়া আবশ্যক নয়। নতুন বইটি সহজ এবং এটিই আগে পড়া শ্রেয়। পাঠকরা যারা ''দ্য এলিগেন্ট ইউনিভার্স'' পড়ার সময় মাঝপথে আটকে গেছেন, তারা নতুন বইটি আরও সহজে বুঝতে পারবেন।
** [[ফ্রিম্যান ডাইসন]], ''দ্য সায়েন্টিস্ট অ্যাজ রেবেল'' (২০০৬)
* গ্রিন ধরে নিয়েছেন, এবং এখানে অধিকাংশ পদার্থবিজ্ঞানীই তাঁর সাথে একমত যে, পদার্থবিজ্ঞানকে বড় এবং ছোট বস্তুর জন্য আলাদা তত্ত্বে ভাগ করা গ্রহণযোগ্য নয়। গ্রিন বিশ্বাস করেন যে [[w:কোয়ান্টাম মহাকর্ষ|কোয়ান্টাম মহাকর্ষের]] এমন একটি তত্ত্ব খুঁজে পাওয়া জরুরি যা বড় এবং ছোট উভয় বস্তুর ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য হবে। একজন রক্ষণশীল হিসেবে, আমি এই বিষয়ে একমত নই যে পদার্থবিজ্ঞানকে বড় এবং ছোটর জন্য আলাদা তত্ত্বে ভাগ করা গ্রহণযোগ্য নয়। কোয়ান্টাম মহাকর্ষের যেকোনো তত্ত্বের সারকথা হলো সেখানে [[w:গ্র্যাভিটন|গ্র্যাভিটন]] নামে একটি কণার অস্তিত্ব রয়েছে। আমি গ্র্যাভিটন শনাক্ত করার বিভিন্ন সম্ভাব্য উপায় খতিয়ে দেখেছি এবং এমন একটিও পাইনি যা কার্যকর। মহাকর্ষীয় মিথস্ক্রিয়া অত্যন্ত দুর্বল হওয়ার কারণে, গ্র্যাভিটনের যেকোনো সম্ভাব্য শনাক্তকারী যন্ত্রকে অত্যন্ত ভারী হতে হবে। যদি সেই শনাক্তকারীর ঘনত্ব সাধারণ হয়, তবে এর বেশিরভাগ অংশই গ্র্যাভিটনের উৎস থেকে কার্যকর হওয়ার জন্য অনেক দূরে থাকবে, আর যদি এটি উৎসের চারপাশে উচ্চ ঘনত্বের জন্য সংকুচিত করা হয় তবে এটি একটি ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বরে পরিণত হবে। মনে হয় যেন শনাক্তকারীটিকে কার্যকর হওয়া থেকে রুখতে প্রকৃতির একটি গোপন ষড়যন্ত্র কাজ করছে।
** [[ফ্রিম্যান ডাইসন]], ''দ্য সায়েন্টিস্ট অ্যাজ রেবেল'' (২০০৬)
* তিনি পদার্থবিজ্ঞানীদের একটি সম্পূর্ণ নতুন দলকে সেই দেবকুলে অন্তর্ভুক্ত করেছেন যেখানে আইনিস্টাইন, [[আর্নেস্ট রাদারফোর্ড]], [[নিলস বোর]], [[ভের্নার হাইজেনবার্গ]], [[আরউইন শ্রোডিঙ্গার]], [[ভোল্ফগাং পাউলি]], [[জেমস চ্যাডউইক]], [[রজার পেনরোজ]] এবং [[স্টিফেন হকিং]] এর মতো ব্যক্তিরা রয়েছেন। এই নতুন নামগুলোর মধ্যে [[এডওয়ার্ড উইটেন]] বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, তাঁর সাথে রয়েছেন [[ইউজেনিও ক্যালাবি]], [[থিওডর কালুজা]], [[অ্যান্ড্রু স্ট্রোমিঙ্গার]], [[স্টেইন স্ট্রোম]], [[কামরুন ভাফা]], [[গ্যাব্রিয়েল ভেনেজিয়ানো]] এবং [[শিং টুং ইয়াউ]], যা আপনি যেকোনো জায়গায় খুঁজে পাওয়া যায় এমন একটি অত্যন্ত আন্তর্জাতিক নাম সম্বলিত গোষ্ঠী।
** {{cite book|author=পিটার ওয়াটসন|title=টেরিবল বিউটি: এ কালচারাল হিস্ট্রি অফ দ্য টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি: দ্য পিপল অ্যান্ড আইডিয়াস দ্যাট শেপড দ্য মডার্ন মাইন্ড: এ হিস্ট্রি|url=https://books.google.com/books?id=OW_GAAAAQBAJ&pg=PT872|date=১৭ অক্টোবর ২০১৩|publisher=ওরিয়ন|isbn=978-1-78022-673-6|page=৮৭২}}
== বহিঃসংযোগ ==
{{wikipedia}}
{{commons category}}
{{DEFAULTSORT:গ্রিন, ব্রায়ান}}
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের পদার্থবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৩ এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:নিউ ইয়র্ক সিটির ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের ইহুদি]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের অজ্ঞেয়বাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:নিরামিষভোজী]]
[[বিষয়শ্রেণী:হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]]
[[বিষয়শ্রেণী:কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক]]
[[বিষয়শ্রেণী:কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক]]
[[বিষয়শ্রেণী:অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]]
pycfrfu7ywocqcmlh0cwmbvva47ay9j
বন্যপ্রাণীর কষ্ট
0
12195
75617
75179
2026-04-11T08:34:23Z
ARI
356
সংশোধন
75617
wikitext
text/x-wiki
[[File:Juvenile Carpet Snake eating Cane Toad.jpg|thumb|প্রাকৃতিক জগতে প্রতি বছর যে পরিমাণ দুঃখ-কষ্টের সৃষ্টি হয়, তা আমাদের সাধারণ সুস্থ চিন্তাভাবনার উর্ধ্বে। ~ রিচার্ড ডকিন্স]]
'''বন্যপ্রাণীর কষ্ট''' বলতে মূলত সেইসব কষ্ট বা যন্ত্রণাকে বোঝানো হয়, যা মানুষের সরাসরি নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা মানুষ নয় এমন অন্যান্য [[প্রাণী]] বা বন্যপ্রাণীরা প্রতিনিয়ত ভোগ করে থাকে। বন্য পরিবেশে টিকে থাকার লড়াইয়ে এই প্রাণীরা সাধারণত বিভিন্ন ধরণের প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়, যার মধ্যে রয়েছে নানা রকম কঠিন রোগব্যাধি, মারাত্মক শারীরিক চোট বা আঘাত, ক্ষতিকর পরজীবীদের আক্রমণ, খাদ্যের তীব্র অভাব বা অনাহার, শরীরে পানিশূন্যতা, প্রতিকূল বা চরম আবহাওয়া, ভয়ংকর প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং অন্য কোনো শিকারি প্রাণীর মাধ্যমে আক্রান্ত হওয়া। ঐতিহাসিকভাবে বন্যপ্রাণীর এই কষ্টের বিষয়টি ধর্মদর্শনের বিভিন্ন আলোচনায় অমঙ্গলের সমস্যার একটি বড় উদাহরণ হিসেবে আলোচিত হয়ে এসেছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে অনেক গবেষক ও শিক্ষাবিদ এই সমস্যার বিশালতাকে একটি সম্পূর্ণ [[ধর্মনিরপেক্ষতা]] এবং সাধারণ নৈতিক বিষয় হিসেবে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছেন। তারা মনে করেন যে এটি এমন একটি মৌলিক সমস্যা, যা প্রতিরোধ বা হ্রাস করার ক্ষেত্রে মানুষ হয়তো ভবিষ্যতে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে।
==উক্তি==
* এখানে হাজার হাজার খরগোশের ডেরায় যে পরিমাণ কষ্ট রয়েছে তা বলে শেষ করা যাবে না। এই গর্তগুলোর ভেতরে লুকিয়ে আছে সব ধরণের মহামারী আর রোগব্যাধি যা খরগোশদের আক্রমণ করে-যেমন প্রচণ্ড জ্বর, চর্মরোগ এবং পেটের নানা অসুখ। আর এই সবচেয়ে কাছের গর্তটির ভেতর রয়েছে সেই সাদা অন্ধত্ব, যার কারণে অসহায় প্রাণীরা খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে খোলা মাঠে বেরিয়ে আসে মৃত্যুর অপেক্ষায়। এমনকি কোনো শিকারি প্রাণীরাও তখন তাদের সেই পচে যাওয়া শরীরে মুখ দিতে চায় না।
** রিচার্ড অ্যাডামস, ''ওয়াটারশিপ ডাউন'' (১৯৭২)
* অনেক মানুষই বলে থাকেন যে তারা শীতকাল খুব পছন্দ করেন, কিন্তু আসলে তারা যা উপভোগ করেন তা হলো শীতের হাত থেকে নিজেদের সুরক্ষিত রাখার সামর্থ্য। তাদের জন্য শীতকালে খাবারের কোনো অভাব হয় না। তাদের কাছে আগুন পোহানোর ব্যবস্থা আর গরম কাপড় থাকে। শীত তাদের কোনো ক্ষতি করতে পারে না এবং এর ফলে তাদের নিজেদের চতুরতা আর নিরাপত্তার বোধ আরও বেড়ে যায়। কিন্তু পাখি ও বন্যপ্রাণীদের জন্য, এমনকি দরিদ্র মানুষের জন্যও, শীত এক ভিন্ন বাস্তবতা। বন্যপ্রাণীদের মতো খরগোশদেরও তখন নিদারুণ কষ্টের মধ্য দিয়ে দিন কাটাতে হয়।
** রিচার্ড অ্যাডামস, ''ওয়াটারশিপ ডাউন'' (১৯৭২)
* মেঝের ঠিক মাঝখানে একটি মৃত সোয়ালো পাখি পড়ে ছিল। তার সুন্দর ডানা দুটো শরীরের দুই পাশে ভাঁজ করা এবং মাথাটা পালকের নিচে গোঁজা ছিল। বেচারা পাখিটি নিশ্চিতভাবেই প্রচণ্ড শীতে মারা গিয়েছে। থাম্বেলিনার ওর জন্য খুব মায়া হচ্ছিল। সে সেই সব ছোট পাখিদের খুব ভালোবাসত যারা সারা গ্রীষ্মকাল তাকে মিষ্টি সুরে গান গেয়ে শোনাত। কিন্তু ছুঁচোটি তার ছোট পা দিয়ে মৃত পাখিটির শরীরে একটি লাথি মারল এবং বলল, "যাক, এখন আর একে কিচিরমিচির করতে হবে না। একটি ছোট পাখি হিসেবে জন্মানো কতই না দুর্ভাগ্যের ব্যাপার। ভাগ্যিস আমার কোনো সন্তান পাখি হয়নি! যাদের 'কিচিরমিচির' করা ছাড়া আর কোনো কাজ নেই এবং শীতকাল এলেই যাদের না খেয়ে মরতে হয়।"<br>"হ্যাঁ, আপনি একদম ঠিক বলেছেন, আপনি কত বুদ্ধিমান," মাঠের ইঁদুরটিও সায় দিয়ে বলল। "শীতের সময় যখন একটি পাখিকে না খেয়ে ধুঁকে ধুঁকে মরতে হয় আর শীতে জমে যেতে হয়, তখন তার ওই কিচিরমিচির গানে আর কী লাভ হয়?"
** হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসন, "[https://andersen.sdu.dk/vaerk/hersholt/Thumbelina_e.html থাম্বেলিনা]" (১৮৩৫)
* শীত আরও বাড়তে লাগল - এতটাই হাড়কাঁপানো শীত যে পাতিহাঁসটিকে জলের ওপর অনবরত এদিক-সেদিক সাঁতার কাটতে হচ্ছিল যাতে জল জমে না যায়। কিন্তু প্রতি রাতেই সে যে গর্তটিতে সাঁতার কাটছিল তা আকারে ছোট থেকে আরও ছোট হতে লাগল। এরপর এতটাই প্রচণ্ড বরফ জমতে শুরু করল যে হাঁসটিকে অবিরত হাত-পা চালাতে হচ্ছিল যাতে বরফ তাকে চারপাশ থেকে চেপে ধরতে না পারে। শেষ পর্যন্ত ক্লান্ত হয়ে হাঁসটি আর নড়াচড়া করতে পারল না এবং সে বরফের মধ্যে শক্তভাবে আটকে গেল।
** হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসন, "[https://andersen.sdu.dk/vaerk/hersholt/TheUglyDuckling_e.html দ্য আগলি ডাকলিং]" (১৮৪৩)
* বর্তমানের অনেক মানুষের মধ্যেই প্রকৃতি এবং বন্যপ্রাণীদের অবস্থা সম্পর্কে এক ধরণের অবাস্তব এবং কাল্পনিক ধারণা কাজ করে। তারা বিশ্বাস করেন যে প্রকৃতি হলো এক ধরণের স্বর্গ যেখানে প্রাণীরা খুব সুখে জীবন কাটায়। আবার অন্য কিছু মানুষ হয়তো জানেন যে বন্যপ্রাণীরা বিভিন্নভাবে কষ্ট পায় এবং অকালেই মারা যায়, কিন্তু তারা মনে করেন এগুলো কেবল বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা মাত্র। তবে প্রকৃত সত্য এই সব ধারণা থেকে একদমই আলাদা।
** অ্যানিম্যাল এথিক্স, "[https://www.animal-ethics.org/wild-animal-suffering-section/situation-of-animals-wild/ বন্য পরিবেশে প্রাণীদের পরিস্থিতি]"
* সবকিছুই যেন শান্তি ও প্রাচুর্যের কথা বলছিল এবং রাজপুত্র<br/>তা দেখে আনন্দিত হচ্ছিলেন। কিন্তু গভীরভাবে লক্ষ্য করতেই তিনি দেখলেন<br/>জীবনের এই সুন্দর গোলাপের মধ্যে থাকা লুকানো সেই কাঁটাগুলো:<br/>[...] কীভাবে টিকটিকি পিঁপড়েকে খাচ্ছিল, আর সাপ খাচ্ছিল সেই টিকটিকিকে;<br/>আবার চিল শিকার করছিল তাদের উভয়কেই; আর কীভাবে ছোট মাছরাঙা সেই মাছটি ছিনিয়ে নিল<br/>যা কোনো বড় শিকারি মাছ শিকার করেছিল;<br/>কসাই পাখিটি বুলবুলিকে তাড়া করছিল, আর সেই বুলবুলি আবার তাড়া করছিল<br/>রঙিন প্রজাপতিদের; এভাবেই যেন সর্বত্র<br/>একজন শিকারি অন্য শিকারিকে হত্যা করছিল এবং শেষ পর্যন্ত নিজেও নিহত হচ্ছিল,<br/>মৃত্যুর ওপর ভর করেই যেন জীবন টিকে আছে। এই সুন্দর দৃশ্যটির আড়ালে<br/>লুকিয়ে ছিল এক বিশাল, নিষ্ঠুর এবং ভয়ংকর এক ষড়যন্ত্র,<br/>যেখানে ক্ষুদ্র পোকা থেকে শুরু করে মানুষ—সবাই একে অপরকে হত্যায় লিপ্ত ছিল,<br/>[...] বেঁচে থাকার এই প্রচণ্ড আকুতিই যেন সব প্রাণের মধ্যে এক নিরন্তর সংগ্রামের সৃষ্টি করেছে।
** এডউইন আর্নল্ড, ''দ্য লাইট অফ এশিয়া'' (১৯০০), পৃষ্ঠা [[iarchive:lightofasia03arno/page/25/mode/1up|২৫]]–২৬
* একদিকে যেমন বন্য প্রাণীদের প্রকৃতির বুকে ক্ষুধা ও রোগব্যাধির মতো নানা ধরণের অসহায় পরিস্থিতির বিভীষিকার মুখোমুখি হতে হয়। ‘নেতিবাচক ন্যায়বিচারের নীতি’ বা প্রিন্সিপাল অফ নেগেটিভ ফেয়ারনেস অনুযায়ী, প্রকৃতির এই ভয়ংকর দিকগুলো একটি নৈতিক বিষয়: আমাদের অবশ্যই সেই সব অসহায় অবস্থার কথা ভাবা উচিত যা বন্য প্রাণীরা প্রকৃতিতে ভোগ করে থাকে। বন্যপ্রাণীদের কেবল প্রকৃতির ওপর ছেড়ে দেওয়া—প্রাণী অধিকারকর্মীরা একে যতই আদর্শ বা রোমান্টিক বলে মনে করুন না কেন—ন্যায্যতা হিসেবে সঠিকতা বা রাইটনেস অ্যাজ ফেয়ারনেসের দৃষ্টিতে প্রাণীদের প্রতি সেটি মোটেও সুবিচার নয়। ঠিক যেমন আমাদের সঙ্গী কোনো মানুষকে অনাহারে বা রোগে ধুঁকে ধুঁকে মরার জন্য ফেলে রাখা মোটেও ন্যায়সংগত নয়, তেমনি বন্যপ্রাণীদেরও প্রকৃতিতে এই ধরণের দুঃখ-কষ্টে মরার জন্য ছেড়ে দেওয়া কোনোভাবেই সঠিক কাজ হতে পারে না।
** মার্কাস আরভান, ''রাইটনেস অ্যাজ ফেয়ারনেস: এ মোরাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল থিওরি'' (২০১৬) <small>{{আইএসবিএন|978-1137541819}}</small>
[[File:Aleiodes_indiscretus_wasp_parasitizing_gypsy_moth_caterpillar.jpg|thumb|আমি নিজেকে কোনোভাবেই এটা বোঝাতে পারছি না যে, একজন দয়ালু এবং সর্বশক্তিমান ঈশ্বর কেন উদ্দেশ্যমূলকভাবে ‘ইকনিউমনিডি’ বা পরজীবী বোলতাদের সৃষ্টি করবেন এই নির্দিষ্ট ইচ্ছায় যে তারা লার্ভা বা শুঁয়োপোকার জীবন্ত শরীরের ভেতর থেকে খাদ্য গ্রহণ করবে, অথবা কেনই বা একটি বিড়াল ইঁদুরের সাথে খেলা করে তাকে কষ্ট দেবে। ~ চার্লস ডারউইন]]
* যারা আমাদের ওপর অনেক বেশি সহিংসতা দেখানোর অভিযোগ তোলেন, তাদের দেখা উচিত ছিল যে আমরা সম্পাদনার টেবিলে কতটা দৃশ্য বাদ দিয়ে দিয়েছি। প্রকৃতির এই নিষ্ঠুরতা এবং যন্ত্রণা কমিয়ে দেখানোর জন্য বরং আমার বিবেক আমাকে বেশি দংশন করে, বাড়িয়ে দেখানোর জন্য নয়।
** ডেভিড অ্যাটেনবরো, "[https://www.theguardian.com/tv-and-radio/2011/oct/21/david-attenborough-frozen-planet-climate-change ডেভিড অ্যাটেনবরো: 'আই অ্যাম অ্যান এসেনশিয়াল ইভিল']", ''দ্য গার্ডিয়ান'', ২১ অক্টোবর ২০১১
* ঝরনার কাছে একটি বক বরফে জমে থাকা ফসলের অবশিষ্টাংশের ওপর পড়ে ছিল। প্রচণ্ড ঠান্ডায় তার ডানাগুলো মাটির সাথে আটকে গিয়েছিল এবং তার ঠোঁটের দুই অংশও বরফে জমে একসাথে লেগে গিয়েছিল। তার চোখগুলো তখনও খোলা ছিল এবং তাতে প্রাণের স্পন্দন ছিল, কিন্তু তার শরীরের বাকি অংশ ছিল নিথর ও মৃত... আমি যখন তার কাছে গেলাম, তখন বুঝতে পারলাম তার পুরো শরীরটা উড়াল দেওয়ার জন্য কতটা ব্যাকুল হয়ে আছে। কিন্তু সে উড়তে পারছিল না। আমি তাকে মুক্তি দিলাম (মেরে ফেলে কষ্ট লাঘব করলাম) এবং দেখলাম তার চোখের সেই যন্ত্রণাময় দৃষ্টি ধীরে ধীরে মেঘের ছায়ার মতো মিলিয়ে যাচ্ছে।
** জে. এ. বেকার, ''দ্য পেরেগ্রিন'' (১৯৬৭)
* সামান্যতম জৈবিক জ্ঞান থাকলেই এটি পরিষ্কার হয়ে যায় যে, প্রাকৃতিক জগত চমৎকার হলেও তা অনেক নৈতিক ভয়ংকর বিষয়ে পূর্ণ: যেমন শিকার করা, পরজীবীর আক্রমণ, নিজের ভাইবোনকে হত্যা, শিশু হত্যা, রোগবালাই, প্রচণ্ড যন্ত্রণা, বার্ধক্য এবং মৃত্যু। আনন্দের মতো এই দুঃখ-কষ্টও যেন জিনিসের প্রকৃতির সাথেই মিশে আছে। বিবর্তন সম্পর্কে আমরা যত বেশি জানছি, এই সিদ্ধান্ত ততটাই অনিবার্য হয়ে পড়ছে যে মানুষসহ সমস্ত জীবন্ত প্রাণী একটি প্রাকৃতিক এবং সম্পূর্ণ নীতিহীন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়েছে, যেখানে কোনো দয়ালু বা নিয়ন্ত্রণকারী স্রষ্টার উপস্থিতির কোনো চিহ্ন নেই।
** ডেভিড পি. বারাশ, "[https://www.nytimes.com/2014/09/28/opinion/sunday/god-darwin-and-my-college-biology-class.html ঈশ্বর, ডারউইন এবং আমার কলেজ জীববিজ্ঞান ক্লাস]", ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৪
* সেই ভয়ংকর দৃশ্যটি বর্ণনা করার মতো কী শব্দ থাকতে পারে, যখন মাছের এই বিশাল দলটি পথ অতিক্রম করার চেষ্টা করছিল? এই চেষ্টার সময় হাজার হাজার, এমনকি আমি বলতে পারি লক্ষ লক্ষ মাছ ক্ষুধার্ত কুমিরদের হাতে ধরা পড়ছিল এবং তারা সেগুলোকে গিলে ফেলছিল। আমি দেখেছি কীভাবে একটি কুমির জল থেকে একবারে বেশ কয়েকটি বড় মাছ তুলে নিচ্ছে এবং সেগুলোকে নিজের চোয়ালের নিচে পিষে ফেলছে। সে যখন মাছগুলো গিলছিল, তখনও বড় ট্রাউট মাছগুলোর লেজ কুমিরটির চোখ আর ঠোঁটের চারপাশে ঝাপটাচ্ছিল। তাদের চোয়াল বন্ধ হওয়ার সেই বীভৎস শব্দ, মাছের ঝাঁকের মধ্যে তাদের ঝাঁপিয়ে পড়া এবং শিকার মুখে নিয়ে জলের ওপর উঠে দাঁড়ানোসব মিলিয়ে দৃশ্যটি ছিল অত্যন্ত ভীতিপ্রদ। তাদের মুখ থেকে জল আর রক্তের ধারা নামছিল এবং চওড়া নাক দিয়ে ভাপ বের হচ্ছিল।
** উইলিয়াম বার্ট্রাম, "[https://www.bartleby.com/400/prose/595.html কুমিরের আলয়ে]", ''ট্রাভেলস থ্রু নর্থ অ্যান্ড সাউথ ক্যারোলাইনা, জর্জিয়া, ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট ফ্লোরিডা'' (১৭৯১)
* আমরা এমন একটি সৃষ্টি সম্পর্কে কী ভাবতে পারি যেখানে সাধারণ কাজই হলো একে অপরের শরীর ছিঁড়ে ফেলা? সব ধরণের দাঁত দিয়ে কামড়ানো, মাংস পিষে ফেলা, উদ্ভিদের ডাঁটা আর হাড় চিবানো, গোগ্রাসে সেই মণ্ড গলার নিচে নামিয়ে নেওয়া এবং তারপর দুর্গন্ধযুক্ত গ্যাস ও বর্জ্য ত্যাগ করা এটাই যেন এখানকার নিয়ম। মশা রক্ত খেয়ে ফুলে উঠছে, পোকার লার্ভারা আক্রমণ করছে, খুনি মৌমাছিরা প্রচণ্ড ক্রোধে হানা দিচ্ছে, এমনকি হাঙ্গরের শরীর ছিঁড়ে গেলেও সে অন্যকে কামড়াতে ছাড়ে না। এছাড়াও প্রতিদিনের নানা প্রাকৃতিক দুর্ঘটনায় হাজার হাজার প্রাণ হারানো তো আছেই। এই সৃষ্টি হলো এক বীভৎস দুঃস্বপ্ন যা এমন এক গ্রহে ঘটছে যা কোটি কোটি বছর ধরে তার প্রাণীদের রক্তে ভিজে আছে। এই গ্রহে যা ঘটছে তার ওপর ভিত্তি করে বলা যায় যে এটি আসলে একটি বিশাল সারের গর্তে পরিণত হচ্ছে। কিন্তু সূর্যের আলো আমাদের মনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে নেয়, এটি রক্ত শুকিয়ে ফেলে এবং তার ওপর নতুন কিছু জন্ম দেয়। সূর্যের উষ্ণতা আমাদের মনে নতুন আশা জাগায়।
** আর্নেস্ট বেকার, ''দ্য ডিনায়াল অফ ডেথ'' (১৯৭৩), পৃষ্ঠা ২৮২–২৮৩ <small>{{আইএসবিএন|978-0029023105}}</small>
* সমস্ত প্রাণের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার মানেই হলো খাবারের জন্য এক নিরন্তর সংগ্রাম যা কিছু মুখে ধরে এবং গলার নিচে নামানো যায়, তাকেই গিলে ফেলার এক আপ্রাণ চেষ্টা চলে। এই দিক থেকে দেখলে, এই গ্রহের জীবন হলো এক রক্তাক্ত দৃশ্য, একটি বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর দুঃস্বপ্ন। এখানে একদিকে পরিপাকতন্ত্রের মুখে দাঁত বসিয়ে শরীরের মাংস ছিঁড়ে নেওয়া হচ্ছে, আর অন্যদিকে সেই মাংসের বর্জ্য ত্যাগ করে নতুন মাংসের সন্ধানে এগিয়ে চলা হচ্ছে।
** আর্নেস্ট বেকার, ''এস্কেপ ফ্রম ইভিল'' (১৯৭৫), পৃষ্ঠা ১ <small>{{আইএসবিএন|978-0029024508}}</small>
* কেন দাঁড়কাক উচ্চস্বরে কাঁদে অথচ কেউ তার জন্য করুণা বোধ করে না?<br />কেন চড়ুই আর রবিন পাখিরা খাদ্যহীন শীতকালে ঝরে পড়ে?<br />ক্ষুধার্ত হয়ে তারা পাতাহীন ঝোপে বা হিমায়িত পাথরের ওপর বসে থরথর করে কাঁপে;<br />তুষারঢাকা প্রান্তরে খাবার খুঁজতে খুঁজতে তারা ক্লান্ত হয়ে পড়ে; তাদের ছোট<br />হৃদয়টি হিমশীতল হয়ে যায় এবং যে ছোট জিহ্বাটি একসময় আনন্দের সাথে<br />শস্যক্ষেতের পাশে নিজের বাসার কাছে কৃতজ্ঞতার গান গাইত, তা যেন আজ নিথর হয়ে গেছে।<br />কেন সিংহ আর নেকড়েরা আর্তনাদ করে? কেন তারা বাইরে ঘুরে বেড়ায়?<br />গ্রীষ্মের তাপে বিভ্রান্ত হয়ে তারা ভালোবাসার খেলায় মেতে ওঠে<br />এবং তাদের সন্তানদের ক্ষুধার্ত বন্য প্রান্তর ও বালুময় মরুভূমিতে ফেলে আসে।
** উইলিয়াম ব্লেইক, "[[wikisource:Vala,_or_The_Four_Zoas/Night_the_First|নাইট দ্য ফার্স্ট]]", ''ভালা, অর দ্য ফোর জোয়াস'' (১৭৯৭)
* মাকড়সা তার পরিশ্রমের জালে বসে মাছির জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে<br />তখনি একটি ক্ষুধার্ত পাখি এসে সেই মাকড়সাটিকেই ধরে নিয়ে যায়<br />তার সেই জালটি একদম জনশূন্য আর পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকে, যা সে<br />অনেক যত্ন আর দীর্ঘশ্বাসের সাথে সতর্কভাবে বুনেছিল।
** উইলিয়াম ব্লেইক, "[[wikisource:Vala,_or_The_Four_Zoas/Night_the_First|নাইট দ্য ফার্স্ট]]", ''ভালা, অর দ্য ফোর জোয়াস'' (১৭৯৭)
* অনেক মানুষই প্রকৃতিকে কেবল সুন্দর একটি দৃশ্য হিসেবে দেখেন এবং জীববৈচিত্র্য বা বাস্তুতন্ত্রের সুস্বাস্থ্যের কথা ভাবেন। কিন্তু তারা ভুলে যান যে এই পরিবেশে বসবাসকারী প্রাণীরা প্রত্যেকেই আলাদা সত্তা এবং তাদের প্রত্যেকের নিজস্ব চাহিদা রয়েছে। তথাকথিত সুস্থ বাস্তুতন্ত্রের ভেতরেও রোগব্যাধি, অনাহার, শিকার হওয়া, একঘরে হওয়া এবং যৌন অতৃপ্তি খুব সাধারণ বিষয়। প্রাণী অধিকার আন্দোলনের একটি বড় সীমাবদ্ধতা হলো এই সত্যকে এড়িয়ে যাওয়া যে, প্রাণীদের অধিকাংশ কষ্টই প্রাকৃতিকভাবে ঘটে থাকে। এই পরিস্থিতি পরিবর্তনের যেকোনো প্রস্তাব হয়তো অবাস্তব মনে হতে পারে, কিন্তু আমার স্বপ্ন হলো এমন একদিন আসবে যখন পৃথিবীর সমস্ত সংবেদনশীল প্রাণী নতুন দিনকে আনন্দের সাথে স্বাগত জানাবে।
** নিক বোস্ট্রম, "[http://www.nickbostrom.com/fable/retriever.html গোল্ডেন]" (২০০৪)
* যদি মা প্রকৃতি একজন প্রকৃত জন্মদাত্রী হতেন, তবে শিশু নির্যাতন এবং হত্যার দায়ে তাকে আজ কারাগারে থাকতে হতো।
** নিক বোস্ট্রম, "[http://www.psy.vanderbilt.edu/courses/hon182/Posthuman_dignity_Bostrom.pdf ইন ডিফেন্স অফ পোস্টহিউম্যান ডিগনিটি]", ''বায়োএথিক্স'', খণ্ড ১৯, সংস্করণ ৩ (২০০৫), পৃষ্ঠা ২১১
* টেনিসন বিষয়টি একদম ঠিক ধরেছিলেন। আমরা বিশ্বাস করি ঈশ্বর দয়ালু। কিন্তু আমরা এটাও বিশ্বাস করি যে ঈশ্বর প্রকৃতির স্রষ্টা, অথচ প্রকৃতি কিন্তু কোনোভাবেই একজন দয়ালু ঈশ্বরের দিকে ইঙ্গিত করে না। পরজীবী, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, নানা রোগবালাই এবং ক্যান্সার প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ আর প্রাণীকে তিল তিল করে শেষ করে দিচ্ছে। ভূমিকম্প, হারিকেন, সুনামি আর আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতও একই কাজ করে। টেনিসন যেমনটা বলেছিলেন, প্রাণিজগৎ আসলেই অত্যন্ত নিষ্ঠুর ও রক্তাক্ত। দেখে মনে হয় কোনো মহাজাগতিক শিকারিই যেন এটি সৃষ্টি করেছে। হাওয়ার্ড ব্লুম যেমনটি বলেছিলেন, এখানে একটি ‘লুসিফার নীতি’ কাজ করছে। তিনি বলেন, “প্রকৃতি মন্দকে ঘৃণা করে না, বরং সে একে আলিঙ্গন করে।”
** গ্রেগ বয়ড, "[https://reknew.org/2007/07/the-argument-from-a-cursed-nature/ অভিশপ্ত প্রকৃতি থেকে যুক্তি]", ''রিনিউ'', ২০ জুলাই ২০০৭
* হরিণ এবং অন্যান্য বন্যপ্রাণীরা যারা শীতকালে খাবারের অভাবে খুব কষ্ট পায়, তাদের শরীরের অবস্থা তখন এতটাই পুষ্টিহীন থাকে যে গ্রীষ্মকাল না আসা পর্যন্ত তারা প্রজনন করার মতো অবস্থায় থাকে না। গ্রীষ্মে তারা নিজেদের শরীরে নতুন শক্তি সঞ্চয় করে এবং তখনই তাদের প্রজননের সময় শুরু হয়। তবে এই সময়ে তারা এতটাই ক্লান্ত হয়ে পড়ে যে পুরো শীতকাল তারা একদম নিস্তেজ অবস্থায় কাটায়। তাদের শরীরের রক্তমাংস তখন এতটাই দুর্বল হয়ে পড়ে যে চামড়ার নিচে পোকা জন্মাতে শুরু করে, যা তাদের কষ্ট আরও বাড়িয়ে দেয়। বসন্তকাল না আসা পর্যন্ত এই পোকাগুলো মরে না।
** জর্জ-লুই ল্যক্লের্ক, কোঁত দ্য বুফঁ, ''ন্যাচারাল হিস্ট্রি'', [https://www.google.com/books/edition/Natural_History/4HhGAQAAMAAJ খণ্ড ৬] (১৮০৭), পৃষ্ঠা ৫৩
* আমরা আমাদের চেয়ে ছোট প্রাণীদের ধ্বংস করার জন্যই যেন জন্মেছি। প্রকৃতি যদি অফুরন্ত না হতো তবে আমরা একে পুরোপুরি নিঃশেষ করে দিতাম। কিন্তু প্রকৃতির প্রজনন ক্ষমতা আমাদের ধ্বংসলীলার চেয়েও শক্তিশালী হওয়ায় এটি নিজেকে সবসময় নতুন করে গড়ে তোলে। এটি এমনভাবে নির্ধারিত হয়েছে যে একজনের মৃত্যু অন্যজনের জীবনে সাহায্য করবে এবং ধ্বংসের বুক থেকেই পুনরুৎপাদন হবে। মানুষ এবং মাংসাশী প্রাণীরা যতই অপচয় করুক না কেন, জীবন্ত পদার্থের মোট পরিমাণ কখনোই কমে না।
** জর্জ-লুই ল্যক্লের্ক, কোঁত দ্য বুফঁ, ''ন্যাচারাল হিস্ট্রি'', [https://www.google.com/books/edition/Natural_History/4HhGAQAAMAAJ খণ্ড ৬] (১৮০৭), পৃষ্ঠা ১১৬
* গাছপালা বছরে মাত্র একবার বংশবৃদ্ধি করে, কিন্তু পোকামাকড়দের ক্ষেত্রে এক ঋতুতেই কয়েক প্রজন্মের জন্ম হতে পারে। পোকামাকড়দের মধ্যে এমন অনেক আছে যারা অন্য পোকা খেয়ে বাঁচে। যেমন মাকড়সা নিজের বা অন্য প্রজাতির পোকাকে গিলে ফেলে। তারা আবার পাখিদের খাবার হয়। এভাবেই বন্য বা পালিত পাখিরা মানুষের খাবার হয় অথবা অন্য কোনো মাংসাশী প্রাণীর শিকার হয়। তাই প্রাকৃতিকভাবে মৃত্যুর মতো এই সহিংস মৃত্যুগুলোও সমানভাবে প্রয়োজন বলে মনে হয়।
** জর্জ-লুই ল্যক্লের্ক, কোঁত দ্য বুফঁ, ''ন্যাচারাল হিস্ট্রি'', [https://www.google.com/books/edition/Natural_History/4HhGAQAAMAAJ খণ্ড ৬] (১৮০৭), পৃষ্ঠা ১১৬–১১৭
* আমরা যদি সেই সব প্রজাতির কথা ভাবি যারা অন্যদের খাবার হিসেবে কাজ করে, যেমন হেরিং মাছ। জেলেরা লক্ষ লক্ষ হেরিং মাছ ধরে থাকে। উত্তরের সমুদ্রের সব বড় প্রাণীদের আহার হওয়ার পর তারা মানুষের খাদ্যের জোগান দেয়। যদি এই বিশাল সংখ্যক মাছ ধ্বংস না হতো, তবে তাদের অতিরিক্ত বংশবৃদ্ধির ফলাফল কী হতো? কেবল এই মাছগুলোই পুরো সমুদ্র ঢেকে ফেলত। কিন্তু বেশি সংখ্যায় থাকা তখন উপদ্রব হয়ে দাঁড়াত এবং তারা একে অপরকে ধ্বংস করে ফেলত। খাবারের অভাবে তাদের প্রজনন ক্ষমতা কমে যেত এবং তারা সবাই মারা যেত। তাই প্রাণীদের একে অপরকে শিকার করা একটি স্বাভাবিক নিয়ম।
** জর্জ-লুই ল্যক্লের্ক, কোঁত দ্য বুফঁ, ''ন্যাচারাল হিস্ট্রি'', [https://www.google.com/books/edition/Natural_History/4HhGAQAAMAAJ খণ্ড ৬] (১৮০৭), পৃষ্ঠা ১১৮
* বৌদ্ধধর্মে প্রাণীদের পুনর্জন্মকে দুর্ভাগ্যের পুনর্জন্মের গতির মধ্যে একটি হিসেবে ধরা হয়। পশুপাখি, জলচর প্রাণী এবং পোকামাকড় সবই এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থে প্রাণীদের কষ্টের কথা প্রায়ই উল্লেখ করা হয়। তারা সবসময় নিজের খাবারের খোঁজে ব্যস্ত থাকে এবং একই সাথে অন্য কারও খাবারে পরিণত হওয়া থেকে বাঁচার আপ্রাণ চেষ্টা করে। বন্য প্রাণীদের পক্ষে এই পশুত্বের জীবন থেকে মুক্তি পাওয়া অত্যন্ত কঠিন বলে বলা হয়। কারণ শিকারি প্রাণীরা প্রতিনিয়ত হত্যার সাথে জড়িত থাকে এবং অন্যান্য প্রাণীরা শিকার হওয়ার ভয়ে সারাক্ষণ আতঙ্কে থাকে।
** রবার্ট বাসওয়েল জুনিয়র এবং ডোনাল্ড এস. লোপেজ জুনিয়র, ''দ্য প্রিন্সটন ডিকশনারি অফ বুদ্ধিজম'' (২০১৪), পৃষ্ঠা ৯৬৮ <small>{{আইএসবিএন|978-0691157863}}</small>
* মহাবিশ্ব সম্পর্কে অনেক তত্ত্বই আমার কাছে মনে হয় যে এক তুড়িতে উড়িয়ে দেওয়া যায়। সেগুলো সত্যি হওয়ার জন্য অনেক বেশি আরামদায়ক বা স্বস্তিদায়ক। আমার মনে হয় এই ধরণের তত্ত্বগুলো কেবল সেই সব মানুষের মাথা থেকেই আসতে পারে যারা ইতিহাসের একটি বিশেষ অনুকূল সময়ে এবং বিশেষ আশ্রিত পরিবেশে জীবন কাটিয়েছেন। কোনো তত্ত্বকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করার প্রয়োজন নেই যতক্ষণ না সেটি এই সত্যকে স্বীকার করে যে, পৃথিবী সবসময়ই অধিকাংশ মানুষ এবং গৃহপালিত পশু ছাড়া অন্যান্য সব বন্যপ্রাণীর জন্য একটি চরম সংগ্রামের জায়গা।
** সি. ডি. ব্রড, ''এক্সামিনেশন অফ ম্যাকটাগার্ট'স ফিলোসফি'', খণ্ড ২ (১৯৩৮), পৃষ্ঠা ৭৭৪
* "কিন্তু হায় ঈশ্বর! জীবনের এই পুরো পরিকল্পনাটাই তো যেন দস্যুবৃত্তিতে ভরা। মাকড়সা মাছিকে শিকার করবে কিংবা বিড়াল আহত ইঁদুর নিয়ে খেলা করবে তা তো আর ''আমরা'' ঠিক করে দিইনি। শক্তিশালীরা দুর্বলের ওপর চড়াও হবে এবং নিজেদের সুবিধার জন্য তাদের ওপর নির্যাতন চালিয়ে তাদের ছিঁড়ে ফেলবে এমন নিয়মও ''আমরা'' বেঁধে দিইনি। নিশ্চয়ই প্রাণিজগতের এই ধরণের নিষ্ঠুরতা বা বীভৎসতার জন্য আমরা কোনোভাবেই দায়ী নই।"
** মোনা কেয়ার্ড, ''[https://www.gutenberg.org/ebooks/21858 দ্য ডটারস অফ ড্যানাউস]'' (১৮৯৪), অধ্যায় ১১
** বর্ণনা: চরিত্র মিস দু প্রেলের উক্তি
* আরও গুরুত্ব সহকারে বলতে গেলে, এই ধরণের মানবিক আন্দোলনের আদর্শিক অঙ্গীকারগুলো আসলে মূলে এক ধরণের জীবনবিদ্বেষী দর্শনকেই তুলে ধরে। প্রাকৃতিক জগত যেভাবে গঠিত হয়েছে তাতে দেখা যায় যে, একজন সবসময় অন্যজনের বিনিময়ে বেঁচে থাকে। ডারউইনের রূপক অনুযায়ী প্রতিটি জীবই নিজের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই চালিয়ে যায়। আমাদের নিজেদের অভিজ্ঞতার নিরিখে এবং যুক্তির আলোকে দেখলে বোঝা যায় যে, উন্নত বা জটিল কাঠামোর প্রাণীরাও জীবনের জৈবিক প্রয়োজনেই মনস্তাত্ত্বিকভাবে কষ্ট বা যন্ত্রণার শিকার হয়। আত্মরক্ষার একটি তীব্র আকাঙ্ক্ষা তাদের মধ্যে সব সময় কাজ করে। সেখানে থাকে বাসনা, বাসনা পূরণের আনন্দ, আঘাতের কারণে তীব্র যন্ত্রণা, হতাশা এবং মৃত্যুর এক চিরস্থায়ী ভয়। আসলে এই অভিজ্ঞতাগুলোই জীবনের মূল উপাদান। বেঁচে থাকার মানেই হলো জীবন নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকা, পরিমিত দুঃখ ও সুখ অনুভব করা এবং দেরিতে হোক বা শীঘ্রই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়া। প্রকৃতির এই পুরো ব্যবস্থাটি আসলে ঠিক এইভাবেই কাজ করে। যদি সামগ্রিকভাবে প্রকৃতি ভালো হয়ে থাকে, তবে যন্ত্রণা এবং মৃত্যুও সমানভাবে ভালো।
** জে. বেয়ার্ড ক্যালিকট, "[http://faculty.smu.edu/jkazez/ar13/callicott.pdf অ্যানিম্যাল লিবারেশন: এ ট্রায়াঙ্গুলার অ্যাফেয়ার]", ''এনভায়রনমেন্টাল এথিক্স'', খণ্ড ২, সংস্করণ ৪ (শীতকাল ১৯৮০), পৃষ্ঠা ৩৩৩
* সাধারণত এমনটা ধরে নেওয়া হয় যে বন্যপ্রাণীরা এক ধরণের প্রাকৃতিক স্বর্গে বসবাস করে এবং মানুষের হস্তক্ষেপের মাধ্যমেই কেবল তাদের জীবনে দুঃখ-কষ্ট নেমে আসে। রুশোর এই দৃষ্টিভঙ্গি কিন্তু বন্যপ্রাণীদের নিয়ে করা বিভিন্ন গবেষণালব্ধ তথ্যের সাথে একদমই মেলে না। খাবারের অভাব, জলশূন্যতা, শিকার হওয়া, নানা রকম রোগব্যাধি এবং নিজেদের প্রজাতির প্রাণীদের মধ্যে মারামারি করা এমন সব বিষয়ই আসলে বন্য পরিবেশের অতি সাধারণ অংশ যা নিয়মিতভাবে বন্যপ্রাণীদের কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
** চ্যান্সেলর'স অ্যানিম্যাল রিসার্চ কমিটি, "[https://web.archive.org/web/20100706200944/http://www.oprs.ucla.edu/animal/documents/pdf/training-manual.pdf ইউসিএলএ অ্যানিম্যাল কেয়ার অ্যান্ড ইউজ ট্রেনিং ম্যানুয়াল]", ''ইউসিএলএ অফিস ফর দ্য প্রোটেকশন অফ রিসার্চ সাবজেক্টস'', এপ্রিল ১৯৯৪, পৃষ্ঠা ১৭
* সূর্যালোক, বুনো ফুল আর ঝরনায় ঘেরা যেন এক পরম সুখের শান্ত বাসা,<br/>যেখানে প্রতিটি পরতে পরতে মিশে আছে অনাবিল আনন্দ আর অফুরন্ত ভালোবাসা।<br/>অথচ প্রকৃতির সবচেয়ে সুন্দর আর মিষ্টি জায়গাগুলোতেও অশুভের আনাগোনা থাকে,<br/>ঠিক যেমন একটি ক্ষতিকর আগাছা নিঃশব্দে মাটির প্রতিটি কোণকে আঁকড়ে ধরে রাখে;<br/>কারণ সেই বিষধর সাপের কথা তো কারো অজানা নয়, যার সেই শীতল ও মরণঘাতী শরীর,<br/>পাখির কোমল বাসার ওপর শ্যেন দৃষ্টি রাখে এবং নিমিষেই কেড়ে নেয় অসহায় সব ছানার নীড়,<br/>ঠিক যেন এক অশুভ মহামারী যখন এই সাজানো সংসারে অনাহুত মেহমান হয়ে প্রবেশ করে,<br/>রেখে যায় কেবল একটি জনশূন্য গৃহহীন ঘর আর এক ধ্বংস হয়ে যাওয়া বাসা অনাদরে<br/>তখন সেই ছোট্ট গায়ক পাখিটি মনের গহীন বেদনা নিয়ে এক করুণ গান গেয়ে ওঠে,<br/>যখন এমন অসহ্য দুঃখ আর নিদারুণ যন্ত্রণার ভার তার ছোট্ট বুকটিকে একদম ছিঁড়ে ফুঁড়ে ছোটে।
** জন ক্লেয়ার, "[https://www.poetryfoundation.org/poems/49719/the-yellowhammers-nest দ্য ইয়েলোহ্যামার'স নেস্ট]"
* বাস্তুতন্ত্রের কেবল নান্দনিক এবং প্রজ্ঞামূলক মূল্যই নেই, বরং এর 'নেতিবাচক মূল্যও' রয়েছে। নান্দনিক দিক থেকে দেখলে আমাদের মধ্যে খুব কম মানুষই অনাহার বা রোগব্যাধির কারণে প্রাণীদের মৃত্যুর দৃশ্য দেখে আনন্দ পান। এমনকি শিকারি প্রাণীদের শিকার করার দৃশ্য দেখে বিস্মিত হওয়ার চেয়ে বরং আমরা অনেকেই শিউরে উঠি। বাস্তুতন্ত্রের প্রজ্ঞামূলক নেতিবাচক মূল্যও রয়েছে। এটি যেমন প্রাণীদের কল্যাণে সাহায্য করে, তেমনি তাদের কষ্টের পথও প্রশস্ত করে। এর মানে হলো, আমরা যদি বাস্তুতন্ত্রকে তার সৌন্দর্য এবং কল্যাণের জন্য মূল্যায়ন করি, তবে সেই সৌন্দর্যে বা কল্যাণে কোনো ব্যাঘাত ঘটলে বা তার পরিবর্তনের জন্য কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হলে আমরা তার বিরোধিতা করতে পারি না। অন্য কথায়, কখনও কখনও আমাদের দায়িত্ব হতে পারে বাস্তুতন্ত্রকে রক্ষা করা, আবার কখনও কখনও এতে হস্তক্ষেপ করা।
** অ্যালাসডেয়ার ককরেন, ''সেন্টিয়েন্টিস্ট পলিটিক্স: এ থিওরি অফ গ্লোবাল ইন্টার-স্পিসিস জাস্টিস'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ৯৩
* উপযোগিতা, অধিকার এবং সামগ্রিক মানদণ্ড সবকিছুই শিকারি প্রাণীদের দ্বারা তাদের শিকারের ওপর চালানো অত্যাচার সীমিত করার জন্য কিছু ছোটখাটো পদক্ষেপ নেওয়ার দিকে নির্দেশ করে। অন্ততপক্ষে, প্রকৃতির এই মাংসাশী প্রাণীদের জন্য বর্তমান যে সহায়তা বা ভর্তুকি আমরা দিয়ে থাকি তা সীমিত করা উচিত। প্রকৃতিতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা বা নজরদারি করার এই বিষয়টি কোনোভাবেই অসম্ভব রকমের ব্যয়বহুল হবে না বা আমাদের সাধারণ কাণ্ডজ্ঞানকে ব্যাহত করবে না।
** টাইলার কোয়েন, "[https://pdfs.semanticscholar.org/9aba/c32e7a2687974bc69f8eec4a1aa993e74d40.pdf প্রকৃতিতে নজরদারি]", ''এনভায়রনমেন্টাল এথিক্স'', খণ্ড ২৫, সংস্করণ ২ (২০০৩), পৃষ্ঠা ১৬৯
* প্রাণী অধিকার এবং তাদের কল্যাণে বিশ্বাসী অনেকেই তাদের মৌলিক ধারণাগুলো নিয়ে গভীরভাবে বিশ্লেষণ করেন না... সাধারণত এই ব্যক্তিরা দুটি পরস্পরবিরোধী মত পোষণ করেন। প্রথমটি হলো, প্রাণীদের কল্যাণের একটি গুরুত্ব রয়েছে এবং মানুষের উচিত তাদের সাথে যতদূর সম্ভব ভালো আচরণ করা। দ্বিতীয়টি হলো, প্রকৃতির ওপর মানুষের হস্তক্ষেপ যতটা সম্ভব কম হওয়া উচিত... এই দুটি মতের মধ্যে কিন্তু যতটা ভাবা হয় তার চেয়ে বেশি অসংগতি রয়েছে। আমরা যদি ব্যক্তিগতভাবে প্রাণীদের অধিকার ও কল্যাণের কথা ভাবি, তবে যখনই সম্ভব হবে এবং খরচ কম হবে, তখনই প্রকৃতির ওপর হস্তক্ষেপ করা আমাদের উচিত হতে পারে।
** টাইলার কোয়েন, "[https://pdfs.semanticscholar.org/9aba/c32e7a2687974bc69f8eec4a1aa993e74d40.pdf প্রকৃতিতে নজরদারি]", ''এনভায়রনমেন্টাল এথিক্স'', খণ্ড ২৫, সংস্করণ ২ (২০০৩), পৃষ্ঠা ১৭০
* অন্যান্য ক্ষেত্রে আমরা প্রকৃতিতে হস্তক্ষেপ করছি, তা আমরা চাই বা না চাই। এটি আসলে অনিশ্চয়তার কারণে নজরদারি থেকে পিছিয়ে থাকার বিষয় নয়, বরং এক ধরণের নজরদারির সাথে অন্যটির তুলনা করার বিষয়। মানুষ জলস্তর পরিবর্তন করছে, মাটি উর্বর করছে, জলবায়ুকে প্রভাবিত করছে এবং আরও অনেক কিছু করছে যা প্রকৃতির ক্ষমতার ভারসাম্যকে বদলে দিচ্ছে। মানুষের এই কাজগুলো খুব তাড়াতাড়ি বন্ধ হবে না, তবে এরই মধ্যে মাংসাশী প্রাণী এবং তাদের শিকার হওয়া প্রাণীদের ওপর এর প্রভাব আমাদের মূল্যায়ন করতে হবে।
** টাইলার কোয়েন, "[https://pdfs.semanticscholar.org/9aba/c32e7a2687974bc69f8eec4a1aa993e74d40.pdf প্রকৃতিতে নজরদারি]", ''এনভায়রনমেন্টাল এথিক্স'', খণ্ড ২৫, সংস্করণ ২ (২০০৩), পৃষ্ঠা ১৮০
* এই মহাবিশ্ব যদি কোনোভাবে সচেতন বা আত্মসচেতন হতো, তবে তার সম্পর্কে একমাত্র যুক্তিযুক্ত সিদ্ধান্তে যা পৌঁছানো যেত তা হলো এটি নিজেকেই ঘৃণা করে। কারণ এটি নিজেকে একদল বেঁচে থাকার যন্ত্র হিসেবে প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যারা জীবন ধারণের জন্য একে অপরকে প্রতিনিয়ত ছিঁড়ে খায়।
** আন্দ্রে কানসিয়ান, ''[https://www.academia.edu/41872748/O_Vazio_da_M%C3%A1quina_-_Niilismo_e_outros_abismos ও ভাজিও দা মাকিনা: নিইলিসমো এ আউত্রোস আবিসমোস]'', ২০০৯, পৃষ্ঠা ২৮৩
[[File:Alcedo atthis eating a tadpole.jpg|alt=|thumb|ফিলোর মতে, প্রকৃতির এই অদ্ভুত কৌশলগুলোর দিকে একবার লক্ষ্য করুন, যা প্রতিটি সংবেদনশীল প্রাণীর জীবনকে তিক্ত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। শক্তিশালীরা সব সময় দুর্বলের ওপর আক্রমণ চালায় এবং তাদের এক চিরস্থায়ী আতঙ্ক ও উদ্বেগের মধ্যে রাখে। আবার দুর্বলরাও সুযোগ পেলে শক্তিশালীকে বিরক্ত ও উত্যক্ত করতে একদম ছাড়ে না। ~ ডেভিড হিউম]]
* মানুষ পৃথিবীর যে দিকেই তাকাক না কেন, জীবনের সাথে জড়িয়ে থাকা গভীর দুঃখ-কষ্ট তাকে ব্যথিত করে তোলে। মনে হয় যেন এই পৃথিবীকে কোনো আক্রোশ বা বিদ্বেষ থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে। আমরা যদি তথাকথিত নিম্নশ্রেণীর প্রাণীদের কথা ভাবি, তবে সেখানে এক নিরন্তর রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ দেখতে পাব। আমরা প্রায়ই বনের শান্ত রূপের প্রশংসা করি, কিন্তু মাটির ঠিক নিচের সেই অন্ধকার জগতের দিকে তাকালে আপনি সেখানকার যন্ত্রণার কথা শুনে আঁতকে উঠবেন। ঘাসের আড়ালে লুকিয়ে থেকে একটি সাপ আপ্রাণ তার শিকার খুঁজছে, যা সুযোগ পাওয়া মাত্রই একটি ব্যাঙ বা ইঁদুরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং ধীরে ধীরে সেটিকে জীবন্ত গিলে ফেলে; সেই অসহায় প্রাণীটি সাপের চোয়ালে পিষ্ট হয় এবং লালা দিয়ে ঢেকে গিয়ে একসময় আহারে পরিণত হয়। সাপটি অন্যকে দেওয়া কষ্ট বা পাপ সম্পর্কে কিছুই জানে না; সে কেবল তার জীবন বাঁচাতে নিজের সহজাত প্রবৃত্তিতে পোকামাকড়, ইঁদুর বা ব্যাঙ ধরে খায়। মাকড়সা খুব সাবধানে জাল বোনে যাতে অসাবধান মাছি সেখানে আটকে পড়ে, তারপর সেটিকে জালে এমনভাবে পেঁচিয়ে ফেলে যাতে সেটি একদম নড়তে না পারে এবং শেষ পর্যন্ত তার রক্ত চুষে খেয়ে কেবল একটি খালি খোলস ফেলে রাখে। বাজপাখি ছোঁ মেরে একটি মুরগির ছানা তুলে নিয়ে যায় তার নিজের সন্তানদের খাওয়ানোর জন্য। নেকড়ে ভেড়ার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং তাকে টুকরো টুকরো করে ছিঁড়ে ফেলে। বিড়াল ইঁদুরের গর্তের পাশে ওত পেতে থাকে যতক্ষণ না ইঁদুরটি সাবধানে বাইরে বেরিয়ে আসে, তারপর যেন কোনো এক পৈশাচিক আনন্দে সে ইঁদুরটিকে নিয়ে খেলা করে যতক্ষণ না সে ক্লান্ত হয়ে পড়ছে, এবং শেষে নিজের চোয়াল দিয়ে চিবিয়ে তাকে মেরে ফেলে। জঙ্গলের পশুরা দিনরাত তাদের শিকারের জন্য ঘুরে বেড়ায়; সিংহকে এমন শক্তি আর ধারালো দাঁত দেওয়া হয়েছে যাতে সে প্রায় যেকোনো প্রাণীকে আক্রমণ করে খেয়ে ফেলতে পারে। বন, আকাশ বা সমুদ্র কোথাও এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে জীবন মানেই আতঙ্ক আর যন্ত্রণার মৃত্যু নয়। প্রতিটি প্রাণীই যেমন শিকারি, তেমনি আবার দিনরাত অন্য কোনো প্রাণীর শিকারে পরিণত হচ্ছে। কোনো প্রাকৃতিক দৃশ্যই এত সুন্দর বা দিন এত মনোরম নয় যে সেখানে কষ্টের আর্তনাদ শোনা যায় না। রাত নামলেও এই হত্যাকাণ্ড কিন্তু কমে না। কিছু প্রাণী রাতে আরও ভালো দেখতে পায় এবং মৃতপ্রায় ও আতঙ্কিত প্রাণীদের চিৎকার বাতাসে সব সময়ই ভেসে আসে। প্রায় সব প্রাণীই সহিংসতার শিকার হয়ে এবং চরম যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করে। পুরো প্রাণিজগতের মধ্যে শান্তিপূর্ণ মৃত্যুর মতো কিছু নেই। অল্প সময়ের জন্য পরিবারের মায়ার গণ্ডিটুকু ছাড়া প্রকৃতির কোথাও করুণা, সহমর্মিতা বা দুর্বলদের প্রতি মমত্ববোধের সামান্যতম প্রমাণও পাওয়া যায় না।
** ক্ল্যারেন্স ড্যারো, ''[http://gutenberg.net.au/ebooks05/0500951h.html দ্য স্টোরি অফ মাই লাইফ]'' (১৯৩২)
* এভাবেই প্রকৃতির এই লড়াই, দুর্ভিক্ষ আর মৃত্যুর ভেতর থেকেই প্রাণের সেই শ্রেষ্ঠ রূপটি বেরিয়ে আসে যা আমরা কল্পনা করতে পারি, অর্থাৎ উচ্চতর প্রাণীদের সৃষ্টি সম্ভবপর হয়।
** চার্লস ডারউইন, ''অন দ্য অরিজিন অফ স্পিসিস'' (১৮৫৯)
* আমি নিজেকে কিছুতেই এটা বোঝাতে পারছি না যে, একজন দয়ালু এবং সর্বশক্তিমান ঈশ্বর কেন উদ্দেশ্যমূলকভাবে এই পরজীবী বোলতাদের সৃষ্টি করবেন এই বিশেষ ইচ্ছা নিয়ে যে তারা শুঁয়োপোকার জীবন্ত শরীরের ভেতর থেকে পুষ্টি গ্রহণ করবে, অথবা কেনই বা একটি বিড়াল ইঁদুরের সাথে খেলা করে তাকে কষ্ট দেবে।
** চার্লস ডারউইন, [https://www.darwinproject.ac.uk/letter/DCP-LETT-2814.xml আসা গ্রেকে লেখা চিঠি], ২২ মে ১৮৬০
* পৃথিবীতে যে প্রচুর দুঃখ-কষ্ট রয়েছে তা কেউ অস্বীকার করে না। কেউ কেউ মানুষের ক্ষেত্রে এটি ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেন এই বলে যে, এটি হয়তো তার নৈতিক উন্নতির কাজে লাগে। কিন্তু সারা বিশ্বের অন্যান্য সংবেদনশীল প্রাণীদের তুলনায় মানুষের সংখ্যা একদমই নগণ্য, এবং সেই সব প্রাণীরা প্রায়ই কোনো নৈতিক উন্নতি ছাড়াই প্রচণ্ড কষ্ট ভোগ করে। ঈশ্বরের মতো একজন শক্তিশালী এবং জ্ঞানী সত্তা, যিনি মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন, আমাদের সীমিত চিন্তায় তিনি তো সর্বশক্তিমান এবং সর্বজ্ঞ; তাই এটি ভাবা আমাদের বুদ্ধির পরিপন্থী যে তার করুণা অসীম নয়। কারণ অনাদিকাল ধরে কোটি কোটি নিম্নশ্রেণীর প্রাণীদের এই নিদারুণ যন্ত্রণার পেছনে আসলে কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে?
** চার্লস ডারউইন, ''[http://darwin-online.org.uk/content/frameset?itemID=F1497&pageseq=1&viewtype=text দি অটোবায়োগ্রাফি অফ চার্লস ডারউইন: ১৮০৯–১৮৮২]'' (১৯৫৮), [http://darwin-online.org.uk/content/frameset?pageseq=92&itemID=F1497&viewtype=side পৃষ্ঠা ৯০]
* শয়তানের কোনো প্রতিনিধি যদি প্রকৃতির এই আনাড়ি, অপচয়কারী, ভুলভ্রান্তিতে ভরা এবং ভয়ংকর নিষ্ঠুর কাজগুলো নিয়ে একটি বই লিখত, তবে সেটি কেমন হতো তা ভাবলেই অবাক হতে হয়!
** চার্লস ডারউইন, [https://www.darwinproject.ac.uk/letter/DCP-LETT-1924.xml জে. ডি. হুকারকে লেখা চিঠি], ১৩ জুলাই ১৮৫৬
* জৈব প্রকৃতির অবস্থা এমনই! যার প্রথম আইন বা নিয়মটিকে প্রকাশ করা যেতে পারে এই ভাষায়, "খাও অথবা অন্যের খাবারে পরিণত হও!" দেখে মনে হয় যেন প্রকৃতি হলো একটি বিশাল কসাইখানা এবং এখানে সর্বত্র কেবল লোভ আর অবিচারের রাজত্ব চলছে!
** ইরাসমাস ডারউইন, ''[[iarchive:NHM263162|ফাইটোলোজিয়া: অর দ্য ফিলোসফি অফ এগ্রিকালচার অ্যান্ড গার্ডেনিং]]'' (১৮০০), পৃষ্ঠা ৫৫৬
* নেকড়ে, যে তার মায়ের দুধ খেয়ে বড় হয়েছে,<br/>দয়া-মায়া ভুলে গিয়ে সে নিরপরাধ ভেড়ার ছানাকে ছিঁড়ে খায়;<br/>বিশাল ঈগল পাখি আকাশ থেকে ছোঁ মেরে নিচে নেমে আসে,<br/>সহজাত নিষ্ঠুরতায় সে নিরীহ ঘুঘুটিকে ক্ষতবিক্ষত করে দেয়;<br/>আবার সেই ভেড়া আর ঘুঘুও বেঁচে থাকার জন্য প্রকৃতির ওপরই নির্ভর করে,<br/>তারা কচি ঘাস খায় কিংবা কোনো বীজের ভ্রুণকে পিষে ফেলে।<br/>রাতের অন্ধকারে উড়ে চলা সেই প্যাঁচাও কিন্তু কাউকে ছাড়ে না,<br/>মিষ্টি সুরে গান গাইতে থাকা রাতের সেই গায়ক পাখিটিকেও সে শিকার করে;<br/>উজ্জ্বল সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়েও ক্ষুধার্ত বুলবুলি পাখিটি কিন্তু<br/>সেই জ্বলজ্বলে জোনাকি পোকাটিকে ক্ষমা করে না;<br/>যে জোনাকি নিজের ছোট্ট আলো দিয়ে গভীর রাতের অন্ধকারকে জানান দেয়,<br/>সবুজ কান্ড বেয়ে উঠে সে ঘুমিয়ে থাকা ফুলের ওপর ঝাপিয়ে পড়ে।
** ইরাসমাস ডারউইন, ''[[iarchive:templeofnature00darw|দ্য টেম্পল অফ নেচার]]'' (১৮০৪), পৃষ্ঠা [[iarchive:templeofnature00darw/page/154/mode/2up|১৫৪–১৫৫]]
* ভয়ংকর এক ধরণের মাছি বা ‘ইস্ট্রাস’ তার দ্রুত গতির মাঝেই<br/>হরিণ, ষাঁড় বা ঘোড়ার শরীরের ভেতর তার অসংখ্য ডিম পেড়ে দেয়;<br/>সেই ডিম থেকে জন্মানো ক্ষুধার্ত লার্ভা শরীরের ভেতর থেকে খেয়ে পথ তৈরি করে,<br/>শরীরের উষ্ণতায় সেগুলো ফুটে ওঠে এবং একদিন বাইরে বেরিয়ে আসে।
** ইরাসমাস ডারউইন, ''[[iarchive:templeofnature00darw|দ্য টেম্পল অফ নেচার]]'' (১৮০৪), পৃষ্ঠা [[iarchive:templeofnature00darw/page/155/mode/1up|১৫৫]]
* ডানাওয়ালা পরজীবী বোলতা তার নিজের সন্তানদের জন্য<br/>তীক্ষ্ণ হুল দিয়ে শুঁয়োপোকার দলে ক্ষত তৈরি করে দেয়।<br/>সেই নিষ্ঠুর লার্ভাগুলো শুঁয়োপোকার রেশমি শরীরের ভেতর সুড়ঙ্গ তৈরি করে চলে,<br/>এবং যে মা তাকে আশ্রয় দিয়ে বড় করছিল, তার নাড়িভুঁড়িই সে ছিঁড়ে ফেলে।
** ইরাসমাস ডারউইন, ''[[iarchive:templeofnature00darw|দ্য টেম্পল অফ নেচার]]'' (১৮০৪), পৃষ্ঠা [[iarchive:templeofnature00darw/page/156/mode/1up|১৫৬]]
* নিজের চোয়াল তুলে সে উপরের প্রাণীদের ধরে ফেলে;<br/>বিশাল রাক্ষুসে তিমির দল মাছের ঝাঁককে এক নিমেষেই গিলে ফেলে,<br/>এক ঘণ্টায় তারা লক্ষ লক্ষ মাছ সাবাড় করে দেয়।<br/>―বাতাস, মাটি আর সমুদ্র—দিনের আলোর মতো উজ্জ্বল এই ধরণী যেন<br/>এক বিশাল কসাইখানা এবং সর্বত্র এক বিশাল সমাধিক্ষেত্র হয়ে উঠেছে!<br/>ক্ষুধার তাড়না থেকেই যেন মৃত্যুর তীরগুলো ছোঁড়া হচ্ছে,<br/>আর এই যুদ্ধরত পৃথিবী যেন এখন এক বিশাল কসাইখানায় পরিণত হয়েছে!
** ইরাসমাস ডারউইন, ''[[iarchive:templeofnature00darw|দ্য টেম্পল অফ নেচার]]'' (১৮০৪), পৃষ্ঠা [[iarchive:templeofnature00darw/page/159/mode/1up|১৫৯]]
* বন্য প্রাণীরা প্রায় কখনোই বার্ধক্যের কারণে স্বাভাবিকভাবে মারা যায় না; বুড়ো হওয়ার অনেক আগেই অনাহার, রোগব্যাধি কিংবা কোনো শিকারি প্রাণী তাদের ধরে ফেলে। কিছুদিন আগে পর্যন্ত মানুষের ক্ষেত্রেও এটি সত্যি ছিল। অধিকাংশ প্রাণী শৈশবেই মারা যায়, আবার অনেকে তো ডিমের অবস্থা থেকেও মুক্তি পায় না। অনাহার এবং মৃত্যুর অন্যান্য কারণগুলোই হলো প্রধান কারণ যার জন্য জনসংখ্যা অনির্দিষ্টকাল ধরে বাড়তে পারে না। কিন্তু আমরা আমাদের নিজেদের প্রজাতির ক্ষেত্রে যেমনটি দেখেছি, এই পর্যায়ে আসার পেছনে আসলে কোনো অনিবার্য কারণ নেই। যদি প্রাণীরা তাদের জন্মহার নিয়ন্ত্রণ করতে পারত, তবে অনাহারের মতো কষ্টের আর কোনো প্রয়োজন হতো না।
** রিচার্ড ডকিন্স, ''দ্য সেলফিশ জিন'' (১৯৮৯) <small>{{আইএসবিএন|9780192860927}}</small>
[[File:Eutropis (skink) eating a frog.jpg|alt=|thumb|বলা হয়ে থাকে যে এই পৃথিবীর সুখ হয়তো দুঃখের চেয়ে বেশি; অথবা অন্ততপক্ষে দুটোর মধ্যে একটি সমতা বজায় থাকে। পাঠক যদি সংক্ষেপে এই উক্তির সত্যতা যাচাই করতে চান, তবে তাকে এমন দুটি প্রাণীর অনুভূতির তুলনা করতে হবে যাদের মধ্যে একজন অন্যজনকে খেয়ে ফেলছে। ~ আর্থার শোপেনহাওয়ার]]
* ডারউইনের আলোচিত সেই পরজীবী বোলতার জিনের জন্য এটিই ভালো যে শুঁয়োপোকাটি যেন খাওয়ার সময় জীবন্ত থাকে এবং তার ফলে সে যাতে টাটকা খাবার পায়, এতে শুঁয়োপোকাটি কতটা কষ্ট পাচ্ছে তা মোটেও বিবেচ্য নয়। প্রকৃতি যদি দয়ালু হতো, তবে সে অন্তত এইটুকু ছাড় দিত যে শুঁয়োপোকাটিকে ভেতর থেকে জ্যান্ত খাওয়ার আগে অচেতন করে রাখা হতো। কিন্তু প্রকৃতি দয়ালুও নয় আবার নিষ্ঠুরও নয়। এটি কষ্টের পক্ষেও নেই, আবার কষ্টের বিপক্ষেও নেই। ডিএনএ-র টিকে থাকার ওপর প্রভাব না পড়লে প্রকৃতি এই ধরণের যন্ত্রণার বিষয়ে একদমই মাথা ঘামায় না। এমন একটি জিনের কথা সহজেই কল্পনা করা যায় যা হয়তো কোনো হরিণকে মেরে ফেলার আগে তাকে শান্ত বা অচেতন করে দেবে। প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে কি এমন কোনো জিনকে গুরুত্ব দেওয়া হবে? না, যতক্ষণ না সেই শান্ত করার প্রক্রিয়াটি সেই জিনকে পরবর্তী প্রজন্মে ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করছে। এটি কেন ঘটবে তা বোঝা কঠিন, তাই আমরা ধারণা করতে পারি যে হরিণগুলো যখন মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তাড়া খায়, তখন তারা ভয়ংকর যন্ত্রণা আর আতঙ্কের শিকার হয়—যেমনটি আসলে অনেকের সাথেই ঘটে থাকে।
** রিচার্ড ডকিন্স, "[https://www.richarddawkins.net/1995/11/gods-utility-function/ গডস ইউটিলিটি ফাংশন]", ''রিচার্ড ডকিন্স ফাউন্ডেশন ফর রিজন অ্যান্ড সায়েন্স'', ১ নভেম্বর ১৯৯৫
* প্রাকৃতিক জগতে প্রতি বছর যে পরিমাণ মোট দুঃখ-কষ্টের সৃষ্টি হয়, তা আমাদের সাধারণ সুস্থ চিন্তাভাবনার উর্ধ্বে। আমি যখন এই একটি বাক্যটি লিখছি, ঠিক সেই সময়ের ব্যবধানেও হাজার হাজার প্রাণীকে অন্য কোনো প্রাণী জীবন্ত চিবিয়ে খেয়ে ফেলছে; আরও অনেক প্রাণী নিজের জীবন বাঁচাতে প্রাণপণে দৌড়াচ্ছে এবং প্রচণ্ড ভয়ে আর্তনাদ করছে। আবার অনেক প্রাণীকে শরীরের ভেতর থেকেই ভয়ংকর পরজীবী প্রাণীরা ধীরে ধীরে কুরে কুরে খাচ্ছে। এছাড়াও সব ধরণের হাজার হাজার প্রাণী অনাহারে, প্রচণ্ড তৃষ্ণায় এবং নানা ধরণের কঠিন রোগে ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছে। এটিই আসলে হওয়ার কথা। যদি কখনও প্রচুর খাবারের সুযোগ আসে, তবে সেই সুযোগই জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে এবং শেষ পর্যন্ত আবার সেই অনাহার আর দুঃখ-কষ্টের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।
** রিচার্ড ডকিন্স, ''রিভার আউট অফ ইডেন: এ ডারউইনিয়ান ভিউ অফ লাইফ'' (১৯৯৫) <small>{{আইএসবিএন|978-1857994056}}</small>
* এমনকি যদি আমাদের প্রকৃতিতে হস্তক্ষেপ করার প্রয়োজনও হয়, তবুও শিকারি প্রাণীদের হাত থেকে অন্য প্রাণীদের বাঁচানো হয়তো আমাদের কাছে খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে না—যদিও সেটি করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন থাকে। তার চেয়ে বরং বরফে আটকে পড়া তিমির সাহায্য করা কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত প্রাণীদের রক্ষা করা বেশি ভালো হতে পারে। কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া (যেমন মানুষ) অধিকাংশ শিকারি প্রাণীই মূলত মাংসাশী এবং মাংস ছাড়া তারা বাঁচতে পারে না। সিংহ থেকে হরিণকে বাঁচানো কিংবা হায়েনা থেকে হাতিকে রক্ষা করার মানে হলো একজনকে বাঁচিয়ে অন্যজনকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া। আমাদের এখানে কোনো নির্দিষ্ট পক্ষ নেওয়া উচিত কি না তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে (যদিও সিংহকে গুলি করে মারলে তা হয়তো তার শিকার করা হরিণের যন্ত্রণার চেয়ে কম হতে পারে)। শিকারি প্রাণীদের ক্ষেত্রে প্রকৃতি আসলেই অত্যন্ত নিষ্ঠুর ও রক্তাক্ত। উপসংহারে বলা যায় যে, প্রাণীদের প্রতি ইতিবাচক দায়িত্ব পালনের বিষয়ে যে বিরোধী যুক্তিগুলো দেওয়া হয় তা টেকসই নয়। সেই যুক্তির বিপরীতে বলা যায়, যদি মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধের মতোই প্রাণীদের প্রতি সমান সহানুভূতি কাজ করে, তবে তাদের প্রতি সেই দায়িত্বগুলো পালন করাও অত্যন্ত যুক্তিসঙ্গত কাজ বলে প্রমাণিত হবে।
** ডেভিড ডিগ্রাজিয়া, ''টেকিং অ্যানিম্যালস সিরিয়াসলি: মেন্টাল লাইফ অ্যান্ড মোরাল স্ট্যাটাস'' (১৯৯৬), পৃষ্ঠা ২৭৭–২৭৮
* সে লাফ দিল না; আমি আরও কাছে এগিয়ে গেলাম। শেষ পর্যন্ত আমি সেই দ্বীপের শুকিয়ে যাওয়া ঘাসের ওপর হাঁটু গেড়ে বসলাম এবং অবাক হয়ে চার ফুট দূরে নালার মধ্যে থাকা ব্যাঙটির দিকে তাকিয়ে রইলাম। সেটি খুব ছোট একটি ব্যাঙ ছিল যার চোখগুলো ছিল ঘোলাটে। আমি যখনই তার দিকে তাকালাম, দেখলাম সে ধীরে ধীরে কুঁচকে যাচ্ছে এবং ঝুলে পড়ছে। তার চোখের সেই প্রাণের স্পন্দন যেন মুহূর্তেই নিভে গেল। তার চামড়া একদম খালি হয়ে ঝুলে পড়ল; এমনকি তার মাথার হাড়গুলোও যেন ধসে গিয়ে একটি দুমড়ানো তুবড়ানো তাঁবুর মতো হয়ে গেল। আমার চোখের সামনেই সেটি একটি ফুটবলের হাওয়া বেরিয়ে যাওয়ার মতো করে সংকুচিত হচ্ছিল। আমি দেখলাম তার কাঁধের টানটান চামড়াগুলো কুঁচকে গিয়ে নিচে পড়ে গেল। শীঘ্রই তার চামড়ার একটি অংশ কোনো বেলুন ফুটো হওয়ার মতো করে জলের ওপর ভাসতে লাগল। এটি ছিল এক বীভৎস এবং ভয়ংকর দৃশ্য। আমি বিস্ময়ে আর আতঙ্কে হাঁ হয়ে তাকিয়ে রইলাম। সেই ব্যাঙটির নিচে জলের ভেতর একটি ডিম্বাকার ছায়া দেখা গেল এবং একটু পরেই সেই ছায়াটি সেখান থেকে সরে গেল। ব্যাঙের সেই চামড়ার থলিটি তখন জলের নিচে তলিয়ে যেতে শুরু করল।<br/>আমি বিশাল জলচর পোকা বা জায়ান্ট ওয়াটার বাগ সম্পর্কে পড়েছি, কিন্তু কখনও দেখিনি। "জায়ান্ট ওয়াটার বাগ" সত্যিই এই প্রাণীটির নাম, যা একটি বিশাল এবং ভারী শরীরের বাদামী রঙের পোকা। এটি মূলত পোকামাকড়, ব্যাঙাচি, মাছ আর ব্যাঙ খেয়ে বেঁচে থাকে। এদের সামনের পাগুলো বেশ শক্তিশালী এবং ভেতরের দিকে বাঁকানো থাকে। এটি সেই পা দিয়ে শিকারকে শক্তভাবে জাপটে ধরে এবং কামড় দিয়ে এনজাইম বা পাচক রস শরীরে ঢুকিয়ে দিয়ে তাকে অবশ করে ফেলে। সেই একটি কামড়ই হলো তার নেওয়া একমাত্র কামড়। সেই ফুটো দিয়ে সে বিষাক্ত রস শরীরের ভেতর ঢুকিয়ে দেয় যা শিকারের পেশি, হাড় এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গ—চামড়া ছাড়া বাকি সবকিছুকে গলিয়ে দেয়। এরপর সেই জায়ান্ট ওয়াটার বাগ শিকারের সেই তরল হয়ে যাওয়া শরীরটি চুষে খেয়ে ফেলে। উষ্ণ মিষ্টি জলে এটি একটি খুব সাধারণ ঘটনা। আমি যে ব্যাঙটি দেখেছিলাম সেটিকেও একটি জায়ান্ট ওয়াটার বাগ এভাবেই চুষে খাচ্ছিল। আমি ঘাসের ওপর হাঁটু গেড়ে বসে ছিলাম; যখন সেই ব্যাঙের চামড়াটি নালার নিচে গিয়ে থিতু হলো, আমি তখন উঠে দাঁড়ালাম এবং প্যান্টের হাঁটু পরিষ্কার করলাম। আমি যেন ঠিকমতো নিঃশ্বাস নিতে পারছিলাম না।
** অ্যানি ডিলার্ড, ''পিলগ্রিম অ্যাট টিঙ্কার ক্রিক'' (১৯৭৪)
* অনেক মাংসাশী প্রাণী তাদের শিকারকে জীবন্ত খেয়ে ফেলে। তাদের সাধারণ পদ্ধতি হলো শিকারকে এমনভাবে চেপে ধরা যাতে সে পালাতে না পারে, তারপর তাকে আস্ত গিলে ফেলা কিংবা কামড়ে কামড়ে রক্তাক্ত করা। ব্যাঙ সবকিছু আস্ত খেয়ে ফেলে এবং হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি দিয়ে খাবার মুখের ভেতর গুঁজে দেয়। মানুষ দেখেছে যে ব্যাঙের চওড়া চোয়াল ফড়িং দিয়ে এতটাই ঠাসা ছিল যে সে মুখ বন্ধ করতে পারছিল না। পিঁপড়াদের তো শিকার ধরারও প্রয়োজন হয় না; বসন্তকালে তারা বাসার সদ্য জন্মানো পালকহীন পাখিদের ওপর ঝাঁকে ঝাঁকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং তাদের একটু একটু করে কামড়ে খেয়ে ফেলে।
** অ্যানি ডিলার্ড, ''পিলগ্রিম অ্যাট টিঙ্কার ক্রিক'' (১৯৭৪)
* আমি সেই শিয়ালের কথা ভাবি যার কথা পার্ক সার্ভিস রেঞ্জার জিন পার্কার আমাকে বলেছিলেন। পাহাড়ের ঢালে সেই শিয়ালটি চর্মরোগ বা খোসপাঁচড়ায় আক্রান্ত হয়ে চামড়া হারানো অবস্থায় পড়ে ছিল, সে আর উঠে দাঁড়াতে পারছিল না এবং মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। আমি সেই নীল রঙের মাছটির কথা ভাবি যা আমি লসনদের বাড়িতে দেখেছিলাম। সাদা এক ধরণের ছত্রাক বা ওয়াটার মোল্ডের আক্রমণে তার একটি চোখ একদম অন্ধ হয়ে গিয়েছিল এবং সেই সাদা আবরণটি তার পিঠের অর্ধেকটা পর্যন্ত তুলোর মতো ঢেকে ফেলেছিল। সম্ভবত কোনো মৎস্যজীবী তাকে মাছ ধরার বড়শিতে গেঁথে আবার জলে ফেলে দিয়েছিল কিংবা বন্যায় কোনো পাথরের সাথে ধাক্কা লেগে সে আহত হয়েছিল এবং সেই ক্ষত থেকেই ছত্রাক ছড়িয়ে পড়েছিল। আমি লরেন আইজলের বর্ণনা করা সেই বিজ্ঞানীর কথা ভাবি যার সাথে তিনি মাঠে দেখা করেছিলেন; সেই বিজ্ঞানী অত্যন্ত আনন্দের সাথে একটি কাঁচের বয়াম নিয়ে যাচ্ছিলেন যাতে একটি খরগোশের পেট থেকে পাওয়া বিশাল লম্বা এক পরজীবী কিলবিল করছিল। হঠাৎ করে সেই সব পরজীবীদের জীবনের কথা আমার মাথায় এল। আমি সেই সব কৃমি আর রক্তচোষাদের কথা ভাবছি যাদের পরজীবী জীবনচক্র সম্পন্ন করার জন্য প্রায় চারটি আলাদা আলাদা প্রাণীর শরীরের প্রয়োজন হয়। আমার চারপাশে যে ঘাসফড়িংগুলো উড়ছিল তাদের পেটের ভেতরেও কি ঘোড়ার চুলের মতো লম্বা সেই পরজীবী কৃমিরা কুণ্ডলী পাকিয়ে বসে নেই?
** অ্যানি ডিলার্ড, ''পিলগ্রিম অ্যাট টিঙ্কার ক্রিক'' (১৯৭৪), পৃষ্ঠা ২৩১–২৩২ <small>{{আইএসবিএন|978-0061493065}}</small>
* আমি জানি না এই অতিরিক্ত প্রজনন ক্ষমতার মধ্যে এমন কী আছে যা আমাদের এত আতঙ্কিত করে। আমার মনে হয় এটি হলো এই সত্যের প্রমাণ যে জন্ম আর বৃদ্ধি, যাকে আমরা খুব মূল্যবান মনে করি তা আসলে সর্বত্র বিদ্যমান এবং একদম অন্ধ। জীবন নিজেই এখানে এতটাই সস্তা যে প্রকৃতি যতটা অকৃপণ, ততটাই সে উদাসীন। আর এই প্রাচুর্যের সাথে সাথেই মিশে আছে এক বিশাল অপচয়, যা একদিন আমাদের এই সস্তা জীবনকেও গ্রাস করে নেবে। উজ্জ্বল প্রতিটি ডিমই আসলে যেন মৃত্যুর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
** অ্যানি ডিলার্ড, ''পিলগ্রিম অ্যাট টিঙ্কার ক্রিক'' (১৯৭৪), পৃষ্ঠা ৩১১ <small>{{আইএসবিএন|978-0061493065}}</small>
* বন্যার মতো কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর প্রকৃতি যখন আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসতে শুরু করে, তখন মানুষ একে খুব আশাব্যঞ্জক মনে করে। কিন্তু এই ফিরে আসার পেছনে যে কী পরিমাণ চাপ আর অপচয় জড়িয়ে থাকে সে সম্পর্কে মানুষের তেমন কোনো ধারণা নেই। এখন জুনের শেষের দিকে সবকিছু যেন বাইরে ফেটে বেরিয়ে আসছে। প্রাণীরা ডিম পাড়ছে; লার্ভাগুলো মোটা হচ্ছে এবং খোলস ভেঙে সেগুলো খেয়ে ফেলছে; শিকড়গুলো ছড়িয়ে পড়ছে, ভুট্টা গাছে দানা জমছে, ঘাস থেকে বীজ বের হচ্ছে; ভিজে ইঁদুর, খরগোশ আর কাঠবিড়ালিরা সূর্যের আলোতে আসছে। আমি চাইলে একে নতুন জন্ম বা পুনর্জাগরণ বলে ভালো মনে করতে পারি, আবার চাইলে এর মধ্যে এক ভয়ংকর রূপও দেখতে পারি যেখানে সবকিছুই যেন এক অশুভ শক্তির প্রভাবে ঘটছে।
** অ্যানি ডিলার্ড, ''পিলগ্রিম অ্যাট টিঙ্কার ক্রিক'' (১৯৭৪), পৃষ্ঠা ৩১২ <small>{{আইএসবিএন|978-0061493065}}</small>
* এলারি গাছ আর জাবপোকাদের এই বিশাল এবং অপ্রতিরোধ্য বংশবৃদ্ধি কেবল প্রাচুর্যই নয়; এটি আসলে এক ধরণের ধ্বংসলীলা এবং অনর্থক বাড়াবাড়ি।
** অ্যানি ডিলার্ড, ''পিলগ্রিম অ্যাট টিঙ্কার ক্রিক'' (১৯৭৪), পৃষ্ঠা ৩২৪–৩২৫ <small>{{আইএসবিএন|978-0061493065}}</small>
* প্রাণীদের মধ্যে বেড়ে ওঠার এই চাপ আসলে এক ধরণের ভয়ংকর ক্ষুধা। এই কোটি কোটি প্রাণীকে অবশ্যই খেতে হবে যাতে তারা যৌন পরিপক্কতা লাভ করতে পারে এবং আরও কোটি কোটি ডিম পাড়তে পারে। আর মাছের পোনাগুলো বা বয়ামের ভেতর ফুটে বের হওয়া পোকাগুলো একে অপরকে ছাড়া আর কীই বা খাবে? নিম্নশ্রেণীর প্রাণীদের এই অসাড় জগতে এক নিদারুণ সারল্য রয়েছে যা সেখানকার জীবনকে কেবল কামড়াকামড়ির এক সমারোহে পরিণত করেছে। এডউইন ওয়ে টিল তার ‘দ্য স্ট্রেঞ্জ লাইভস অফ ফ্যামিলিয়ার ইনসেক্টস’ বইতে এমন অনেক ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন যেখানে ক্ষুধার প্রচণ্ড চাপে প্রাণীরা যা পাচ্ছিল তাই মুখে দিচ্ছিল।
** অ্যানি ডিলার্ড, ''পিলগ্রিম অ্যাট টিঙ্কার ক্রিক'' (১৯৭৪), পৃষ্ঠা ৩২৫ <small>{{আইএসবিএন|978-0061493065}}</small>
* পশুরা হলো সেই একনায়কতান্ত্রিক নিয়মের অধীন,<br/>যেখানে শক্তিশালীরা সব সময় দুর্বলের ওপর চড়াও হয়;<br/>কেবল মানুষেরাই এক নরম ছাঁচে তৈরি হয়েছে,<br/>অন্যদের ধ্বংস করার জন্য নয়, বরং সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য।
** জন ড্রাইডেন, "[http://www.public-domain-poetry.com/john-dryden/hind-and-the-panther-14616 দ্য হাইন্ড অ্যান্ড দ্য প্যান্থার]" (১৬৮৭)
* প্রকৃতি কোনো ভাবপ্রবণ বা আবেগপ্রবণ সত্তা নয়; এটি আমাদের অতিরিক্ত আদর-সোহাগ দিয়ে আগলে রাখে না বা খুব একটা প্রশ্রয়ও দেয় না। আমাদের অবশ্যই এটি বুঝতে হবে যে এই পৃথিবীটা বেশ রুক্ষ ও নিষ্ঠুর প্রকৃতির, আর এটি কোনো পুরুষ বা মহিলাকে ডুবিয়ে মারতে একদমই দ্বিধা বোধ করে না। বরং এটি আপনার আস্ত একটি জাহাজকে সাধারণ ধূলিকণার মতো খুব অনায়াসেই গিলে ফেলে। শীতের সেই প্রচণ্ড ঠান্ডা মানুষের পদমর্যাদার কোনো বিচার করে না; এটি আপনার রক্তে কাঁপন ধরায়, পা অবশ করে দেয় এবং একজন মানুষকে একদম আপেলের মতো জমিয়ে ফেলে। রোগবালাই, প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদান, ভাগ্য, অভিকর্ষ বল কিংবা বজ্রপাত—এই সবকিছুই কোনো মানুষকে আলাদা করে কোনো সম্মান বা মর্যাদা দেয় না। বিধাতার বা প্রকৃতির চলার পথটি আসলে কিছুটা রূঢ় বা কর্কশ। সাপ এবং মাকড়সার সহজাত স্বভাব, বাঘ কিংবা অন্যান্য শিকারি প্রাণীদের অতর্কিত আক্রমণ, অ্যানাকোন্ডার মারপ্যাঁচে আটকা পড়ে শিকারের হাড় মড়মড় করে ভেঙে যাওয়ার সেই শব্দ—এসবই আসলে প্রাকৃতিক ব্যবস্থার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ, আর আমাদের অভ্যাসগুলোও কিন্তু ঠিক তাদের মতোই। আপনি এইমাত্র রাতের আহার শেষ করেছেন, আর সেই কসাইখানাটি হয়তো কয়েক মাইল দূরে দৃষ্টির আড়ালে খুব সুন্দরভাবে ঢাকা ছিল; কিন্তু আপনি এটি এড়িয়ে যেতে পারেন না যে এখানে একটি যোগসাজশ রয়েছে—এখানে একটি জাতি বা প্রজাতি সবসময় অন্য একটি প্রজাতির জীবনের বিনিময়ে বেঁচে থাকে। ওলাউঠা বা বসন্ত রোগের মতো মহামারী কোনো কোনো আদিবাসী গোষ্ঠীর কাছে ঠিক তেমনই প্রাণঘাতী বলে প্রমাণিত হয়েছে, যেমনটি ঝিঁঝিঁ পোকাদের কাছে শীতের তুষারপাত; যারা সারা গ্রীষ্মকাল নিজেদের গানে মাতিয়ে রাখত, কিন্তু এক রাতের তাপমাত্রার পতনেই তারা চিরতরে নিস্তব্ধ হয়ে যায়। আমাদের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয় এমন বিষয়গুলো নিয়ে বেশি না খুঁজেও বলা যায়—যেমন একটি পোকার গায়ে কত প্রজাতির পরজীবী লেগে থাকে, কিংবা পেটের ভেতরের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র পরজীবীদের কথা না ভেবেও দেখা যায় যে—হাঙ্গর মাছের গঠন, সমুদ্র-নেকড়ের সেই পেষণকারী দাঁতওয়ালা চোয়াল, গ্রাম্পাস মাছের মারণাস্ত্র এবং সমুদ্রের গভীরে লুকিয়ে থাকা অন্যান্য যোদ্ধাদের অস্তিত্বই আসলে প্রকৃতির ভেতরের সেই ভয়ংকর হিংস্রতার বড় ইঙ্গিত দেয়। আসুন আমরা এই সত্যটিকে কোনোভাবেই অস্বীকার না করি। প্রকৃতির নিজের লক্ষ্যে পৌঁছানোর পথটি অত্যন্ত বন্য, রুক্ষ এবং অনিশ্চিত; তাই প্রকৃতির এই বিশাল এবং বিচিত্র যান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ভালো দেখানোর জন্য কোনো মিথ্যে প্রলেপ দেওয়ার চেষ্টা করা কিংবা এই ভয়ংকর দাতা বা স্রষ্টাকে ধর্মতত্ত্বের কোনো ছাত্রের মতো পরিষ্কার পোশাক আর সাদা নেকক্লথ পরিয়ে সুন্দর করে সাজিয়ে রাখার চেষ্টা করে আসলে কোনো লাভ নেই।
** রাল্ফ ওয়াল্ডো এমারসন, ''[http://www.gutenberg.org/ebooks/39827 দ্য কন্ডাক্ট অফ লাইফ]'' (১৮৬০)
* প্রকৃতি আসলে ভালো বা মন্দ কোনোটিই নয়। এটি সুখ বা দুঃখ-কষ্টের ব্যাপারে কোনো কথাই বলে না। আমরা আসলে যা করতে পারি তা হলো, আমাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার পেছনে মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কী কাজ করছে তা দেখা এবং তার ফলে বন্যপ্রাণীরা সাধারণত কেমন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে পারে তা বের করা।
** পারসিস এস্কান্দার, "[https://80000hours.org/podcast/episodes/persis-eskander-wild-animal-welfare/ বন্য পরিবেশে প্রাণীরা প্রায়ই অনেক কষ্ট ভোগ করে। সে বিষয়ে আমাদের আসলে কী করা উচিত?]", ''৮০,০০০ আওয়ার্স'', ১৫ এপ্রিল ২০১৯
* ওহে অ্যাটিকের মেয়ে, মধু খেয়ে বেড়ে ওঠা কিচিরমিচির করা পাখি, তুমি কি সেই গান গাইতে থাকা ঝিঁঝিঁ পোকাটিকে ধরে নিয়ে যাচ্ছ তোমার পালকহীন সন্তানদের ভোজ করানোর জন্য? তুমিও কিচিরমিচির করো, সেও কিচিরমিচির করে; তোমারও ডানা আছে, তারও ডানা আছে; তুমিও গ্রীষ্মের অতিথি, সেও তো গ্রীষ্মেরই এক অতিথি। তবে কেন তুমি ওকে এখনই মুক্ত করে দিচ্ছ না? কারণ এটি কোনোভাবেই সঠিক বা ন্যায়সংগত হতে পারে না যে, একজন গায়কের মৃত্যু অন্য একজন গায়কের মুখের গ্রাস হিসেবে ঘটবে।
** ইউয়েনাস, "দ্য সোয়ালো অ্যান্ড দ্য গ্রাসহপার", ''সিলেক্ট এপিগ্রামস ফ্রম দ্য গ্রিক অ্যান্থোলজি'' (১৯০৬), পৃষ্ঠা ২০৯
* এটি পরিষ্কার যে আপনি হয়তো কখনও বাস্তুসংস্থান বা বিবর্তন নিয়ে পড়াশোনা করেননি, অথবা হয়তো আপনি যা শিখেছিলেন তা একদম ভুলে গেছেন। প্রকৃতিতে ‘খাদ্যজাল’ বলে একটি চমৎকার বিষয় রয়েছে—যেখানে এক ধরণের প্রাণী হলো প্রাথমিক উৎপাদক, আবার কেউ সেই প্রাথমিক উৎপাদকদের খেয়ে বাঁচে, আবার কেউ সেই খাদকদের খেয়ে জীবন ধারণ করে—এভাবেই চক্রটি চলতে থাকে। একেই জীবন বলা হয়। এর কোনো নৈতিক বা চারিত্রিক মূল্যবোধ নেই। এই মূল্যবোধগুলো কেবল মানুষের তৈরি। নেকড়ে বা সিংহ যখন অন্য প্রাণীকে হত্যা করে—তখন সেই যন্ত্রণা বা কষ্ট পাওয়া কোনো বাস্তুসংস্থানিক সমস্যা নয়—বরং নেকড়ে বা সিংহের টিকে থাকাই হলো আসল বিষয়। নেকড়ে বা সিংহ যদি না খেয়ে মারা যায়, তবে হরিণের মতো শিকার হওয়া প্রাণীদের সংখ্যা অতিরিক্ত বেড়ে যাবে—যেমনটি প্রিন্সটনের হরিণদের ক্ষেত্রে ঘটেছে। আপনার চিন্তা বা মূল্যবোধ প্রকৃতির নিয়ম নয়।
** পল ফালকোস্কি, জেফ ম্যাকমাহান-এর প্রবন্ধ "[http://jeffersonmcmahan.com/wp-content/uploads/2012/11/The-Moral-Problem-of-Predation.pdf শিকারের নৈতিক সমস্যা]" (২০১৪)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১৬–১৭
* প্রকৃতপক্ষে প্রকৃতিতে যে পরিমাণ দুঃখ-কষ্ট আর অকাল মৃত্যু ঘটে থাকে, তার সামান্য আঁচ পাওয়া যায় যদি আমরা সেই সব প্রাণীদের সংখ্যার দিকে তাকাই যারা সফলভাবে পূর্ণবয়স্ক হতে পারে, আর তাদের তুলনায় যারা জন্মের পরপরই মারা যায়। জনসংখ্যার গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে পূর্ণবয়স্ক হওয়ার হার খুবই কম, কারণ প্রকৃতিতে বংশবিস্তারের একটি বিশেষ কৌশল কাজ করে। এই কৌশলে প্রচুর সংখ্যক সন্তান জন্ম দেওয়া হয় যাদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা থাকে খুবই সামান্য।
** কাতিয়া ফারিয়া এবং এজে পায়েজ, "[https://www.ledonline.it/index.php/Relations/article/view/816/660 অভাবী প্রাণী: বন্যপ্রাণীর কষ্ট এবং প্রকৃতিতে হস্তক্ষেপের সমস্যা]", ''রিলেশন্স: বিয়ন্ড অ্যানথ্রোপোসেন্ট্রিজম'', খণ্ড ৩, সংস্করণ ১ (মে ২০১৫), পৃষ্ঠা ৮
* শিকারি প্রাণীদের হাত থেকে বন্যপ্রাণীদের রক্ষা করার কোনো বাধ্যবাধকতা বা দায়িত্ব আমাদের আছে, এমন ধারণা করাটা একদমই অযৌক্তিক নয়, যদিও বাস্তবে এর প্রয়োগ হয়তো খুব সীমিত। এমনকি (হয়তো কিছু নৈতিক সামগ্রিকতাবাদীদের বাদ দিলে) এটি আমাদের গভীর নৈতিক বিশ্বাসের বিরুদ্ধেও যায় না। আমাদের সেই সব নৈতিক বিশ্বাসের মধ্যে যদি একটি হয় যে—বিশ্বে যন্ত্রণার পরিমাণ কমিয়ে আনা উচিত, তবে শিকার হওয়া প্রাণীদের সাহায্য করার মাধ্যমে অন্তত কিছু ক্ষেত্রে এই লক্ষ্য পূরণ করা সম্ভব হতে পারে।
** চার্লস কে. ফিঙ্ক, "[https://digitalcommons.calpoly.edu/bts/vol13/iss5/3/ শিকার সম্পর্কিত যুক্তি]", ''বিটুইন দ্য স্পিসিস'', খণ্ড ১৩, সংস্করণ ৫ (২০১১)
* প্রাণিজগতের প্রতিটি কোণায় আমরা এমন সব যন্ত্রণাদায়ক কৌশলের দেখা পাই যা ইনকুইজিশন বা মধ্যযুগীয় ধর্মীয় আদালতের অন্ধকার কারাকক্ষে দেখা যাওয়া যেকোনো শয়তানি বুদ্ধিসম্পন্ন যন্ত্রণার চেয়েও অনেক বেশি ভয়ংকর।
** জন ফিস্ক, "[https://www.theatlantic.com/magazine/archive/1885/12/the-idea-of-god-part-ii/522297/ ঈশ্বরের ধারণা (দ্বিতীয় অংশ)]", ''দি আটলান্টিক'' (ডিসেম্বর ১৮৮৫)
* আপনি যদি একটু থেমে ভাবেন যে পৃথিবীতে কত বিশাল সংখ্যক প্রাণী রয়েছে যারা অন্য প্রাণীদের শরীরের ভেতর ডিম পেড়ে জীবন ধারণ করে এবং তাদের জ্যান্ত খাওয়ার আগে নানা ধরণের ভয়ংকর নির্যাতন চালায়, তবে তা যে কাউকে থমকে দিতে পারে।
** চার্লস ফোর্বস, স্যান্ডিয়া শেখর-এর "[http://www.bbc.co.uk/earth/story/20150522-the-wasps-that-rule-the-world পরজীবী বোলতারা হয়তো সবচেয়ে বৈচিত্র্যময় প্রাণী গোষ্ঠী]", ''বিবিসি আর্থ'', ২২ মে ২০১৫
* মানুষ এবং বন্যপশু উভয় জগতের মধ্যেই এমন অনেক গুরুত্বপূর্ণ আর আনন্দদায়ক বিষয় রয়েছে যা তার প্রকৃতি আর প্রভাবের দিক থেকে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কষ্টে ঘেরা। আমরা পুরো প্রাণিজগত জুড়ে দেখি যে একজন মায়ের নিদারুণ উদ্বেগ ও আকুতি প্রায়ই সন্তানের অকাল মৃত্যুর যন্ত্রণায় শেষ হয় এবং তার লালন-পালনের সব চেষ্টা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়... বাজপাখি আর প্যাঁচা সবসময় চড়ুই পাখির ছানা বা ইঁদুরের বাচ্চার ওপর শিকার চালায়: পুরো প্রকৃতি যেন এক বিশাল ধ্বংসের প্রান্তর; আর যদিও আমরা আমাদের চোখের সামনে থাকা প্রাণীদের কষ্ট কিছুটা কমাতে পারি, তবুও বন আর প্রান্তরগুলো চিরকাল দুঃখের মঞ্চ হয়েই থাকবে এবং গভীর সমুদ্রের জল সেই আদিম লড়াইয়ের রক্তে রঞ্জিত হবে, যতক্ষণ না পৃথিবী বর্তমান অবস্থায় থাকবে।
** টমাস ইগনাশিয়াস মারিয়া ফোরস্টার, ''[[iarchive:philozoiaormora00forsgoog|ফিলোজোয়া: অর মোরাল রিফ্লেকশনস অন দি একচুয়াল কন্ডিশন অফ দি অ্যানিম্যাল কিংডম, অ্যান্ড অন দ্য মিনস অফ ইমপ্রুভিং দ্য সেম]]'' (১৮৩৯), পৃষ্ঠা ৬৫–৬৬
* আমি কখনও খাঁচায় বন্দী প্রাণীদের জন্য করুণা বোধ করি না কারণ আমি বন্য পরিবেশে প্রচুর প্রাণীকে অনাহারে আর অন্যান্য কারণে কষ্ট পেতে দেখেছি। আমার মনে পড়ে সেই মেরু ভাল্লুকদের কথা যারা প্রচণ্ড রোগা আর দুর্বল হয়ে পড়েছিল কারণ বরফ গলে যাওয়ায় তাদের খাবার শিকার করার সব সুযোগ শেষ হয়ে গিয়েছিল। আমি এমন ক্যারিবু হরিণ দেখেছি যারা ভয়ে একদম নিঃশেষ হয়ে পড়েছিল এবং তাদের চারপাশে চিৎকার করতে থাকা নেকড়ের দল তাদের ততক্ষণ দৌড়াতে বাধ্য করছিল যতক্ষণ না তারা তাদের জ্ঞান আর শক্তি হারিয়ে ফেলে খুব সহজেই শিকারে পরিণত হয়। প্রকৃতিতে প্রতিটি প্রাণী অন্য সব প্রাণীর প্রতি অত্যন্ত নির্দয়।
** পিটার ফ্রয়চেন, ''[[iarchive:itsalladventure00freu|ইটস অল অ্যাডভেঞ্চার]]'' (১৯৩৮)
* কেন সেই কাজকে উপহাস করো, কেন সেই অনুভূতিকে দাও অপবাদ,<br/>যা মাকড়সার জাল থেকে একটি মাছিকে বাঁচাতে চায় প্রাণপণ শক্তিতে;<br/>যেহেতু এটি একটি সরীসৃপ প্রাণী থেকে শুরু করে মানুষের মাঝেও,<br/>সহানুভূতির এক অদৃশ্য বন্ধন তৈরি করে দেয় না কি?<br/>এই সাহসী দাবিটি শুনে তোমার মন যেন শান্ত না হয়ে যায় যে,<br/>"এই সবকিছুই তো প্রকৃতি, আর স্বর্গের ইচ্ছাতেই সব নির্ধারিত হয়েছে":<br/>তুমি কি সেই হাতকে আশীর্বাদ করবে না, যা তোমাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসে—<br/>যখন তোমার নিজের শরীর কবরের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে?<br/>প্রকৃতির আইন থাকলেও তুমি কি বাঁচতে চাও না সেই হিংস্র বাঘের নিষ্ঠুর থাবা,<br/>কিংবা সেই ক্ষুধার্ত নেকড়ের হাত থেকে; যদিও প্রকৃতিই এই নিয়ম দিয়েছে?
** আইজ্যাক গম্পার্টজ, "টু দ্য থটলেস", [https://www.google.com/books/edition/The_Modern_Antique_Or_The_Muse_in_the_Co/J6v3p_cYpYEC দ্য মডার্ন অ্যান্টিক; অর, দ্য মিউজ ইন দ্য কস্টিউম অফ কুইন অ্যান] (১৮১৩), পৃষ্ঠা ৩০৭
* বন্য বা আদিম জীবনের কথা বলতে গেলে, মানুষ এবং অন্যান্য প্রাণীদের পরিস্থিতি অনেকটা একই রকম মনে হয়; দুজনেই প্রায় প্রতিটি যন্ত্রণার শিকার হয়ে অসহায়ভাবে বেঁচে থাকে এবং এই কষ্টগুলো কমানোর মতো কোনো উপায় তাদের কাছে থাকে না। তারা সারাক্ষণ অনাহারে থাকার ভয়ে থাকে এবং তাদের চারপাশ ঘিরে থাকা শত্রুদের হাতে ধ্বংস হওয়ার আতঙ্কে দিন কাটায়। কোনো আইন বা শিক্ষা না থাকায় তারা তাদের সঙ্গীদের প্রতিহিংসা আর বিদ্বেষপূর্ণ আচরণের কারণে মারাত্মকভাবে আহত হয় এবং কেবল গায়ের জোরেই সবকিছু নির্ধারিত হয়। প্রতিকূল আবহাওয়া থেকে বাঁচার মতো কোনো সঠিক আশ্রয় তাদের থাকে না; অসুস্থতার সময় কোনো সঠিক যত্ন কিংবা চিকিৎসা বা অপারেশনের সুযোগ থাকে না। প্রায়ই তাদের কাছে কোনো আগুন বা আলোর ব্যবস্থা থাকে না এবং মানুষের ক্ষেত্রে কোনো পোশাকও থাকে না। জীবন ধারণের জন্য একান্ত প্রয়োজনীয় কিছু কাজ ছাড়া তাদের কোনো বিনোদন বা পেশা থাকে না, আর সেই সবের অভাবে তাদের অনেক কুফল ভোগ করতে হয়।
** লুইস গম্পার্টজ, ''মোরাল ইনকুইরিস অন দ্য সিচুয়েশন অফ ম্যান অ্যান্ড অফ ব্রুটস'' (১৮২৪), পৃষ্ঠা ৪৭
* প্রকৃতির এক চমৎকার রূপ অনেক নামী লেখক সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন, কিন্তু আমি বিনীতভাবে তাদের সাথে দ্বিমত পোষণ করছি এবং স্বীকার করছি যে, যদিও আমি এটি মানি যে জীবনে অনেক আনন্দ আছে, তবুও সব ধরণের প্রাণীর এবং মানবজাতির সব শ্রেণীর বিভিন্ন দুঃখ-কষ্টগুলোই আমাকে সবচেয়ে বেশি ভাবিয়ে তোলে। সেই লেখকরা প্রায় সবকিছুকেই সুখের চিহ্ন হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। তারা যখন অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে এক ফোঁটা জলের দিকে তাকান এবং সেখানে অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রাণীকে সাঁতার কাটতে দেখেন, তখন তারা ধরে নেন যে সেই সব প্রাণীরা নিশ্চয়ই খুব সুখে আছে। তারা যুক্তির আলোকে এটি বিচার করেন না যে, সেখানে যদি একজন আনন্দের সাথে চলাফেরা করে, তবে এমন আরও কয়েকজন থাকতে পারে যারা খাবারের জন্য লড়াই করছে কিংবা রোগবালাই ও অন্যান্য কারণে কষ্ট পাচ্ছে। এমনকি তারা যে তরল পদার্থে বাস করে, সেটি নিয়েও বড় প্রাণীদের সাথে তাদের লড়াই চলে, যারা প্রতিনিয়ত তাদের ধ্বংস করছে এবং একটি খুব ছোট জীবনের পর তাদের মৃত্যুর চরম যন্ত্রণা দিচ্ছে—তা সেই জীবনটি সুখের হোক বা দুঃখের। এই বিষয়টি মানবজাতির চিন্তাশীল অংশকে ব্যথিত করে। সব প্রাণীর বিভিন্ন ধরণের কাজ আর চিৎকারকে সাধারণত সুখের দৃশ্য হিসেবে দেখা হয়; কিন্তু এটি খেয়াল করা হয় না যে, সাধারণ মানুষের কাছে যা আনন্দের মনে হয়, তার অনেক কিছুই আসলে ভয়, রাগ, যন্ত্রণা আর এই ধরণের অনুভূতি থেকে তৈরি হয়; যা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করলে সহজেই বোঝা যায়। শক্তিশালী আর সুস্থ পুরুষ প্রাণীদের হাতে দুর্বল আর অসুস্থ প্রাণীরা কীভাবে নির্যাতিত হয়, কীভাবে তারা তাদের প্রজননে বাধা পায়, খাবার থেকে বঞ্চিত হয়, শারীরিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয় এবং শেষ পর্যন্ত নির্জন কোনো স্থানে একা প্রাণ ত্যাগ করতে বাধ্য হয়!
** লুইস গম্পার্টজ, ''মোরাল ইনকুইরিস অন দ্য সিচুয়েশন অফ ম্যান অ্যান্ড অফ ব্রুটস'' (১৮২৪), পৃষ্ঠা ৪৯
* এটা খুব অদ্ভুত যে দার্শনিকরা প্রথমে দেখান কীভাবে একটি প্রাণী অন্য একটি প্রাণীকে ধ্বংস করার মাধ্যমে নিজেকে টিকিয়ে রাখে, আর তারপরেই তারা বর্তমান ব্যবস্থার এক ‘আপাত’ চমৎকার শৃঙ্খলা নিয়ে আলোচনা শুরু করেন। যদিও এটি একটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা হতে পারে এবং জীবন টিকিয়ে রাখার একমাত্র উপায় হতে পারে, তবুও আমাদের সীমিত দৃষ্টিতে এটি কখনোই একটি সুন্দর ব্যবস্থা হতে পারে না—তা সত্ত্বেও যে এটি না হলে হয়তো পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারত।
** লুইস গম্পার্টজ, ''মোরাল ইনকুইরিস অন দ্য সিচুয়েশন অফ ম্যান অ্যান্ড অফ ব্রুটস'' (১৮২৪), পৃষ্ঠা ৪৯–৫০
* যদিও বন্য অবস্থায় প্রাণীরা অনেক কষ্ট পায়, কিন্তু আমাদের অধীনে বা নিয়ন্ত্রণে থাকলে তারা যেন আরও অনেক বেশি কষ্ট ভোগ করে। বন্য অবস্থায় তাদের সব কষ্টের মাঝেও অনেক আনন্দ থাকে বলে মনে হয়, বিশেষ করে ঘোড়া আর গাধার কথা বলা যায়; যারা বন্য পরিবেশে দলবদ্ধভাবে বাস করে এবং বিপদের সঙ্কেত দেওয়ার জন্য পাহারাদার নিয়োগ করে। তারা পায়ের নিচেই নিজেদের খাবার খুঁজে পায়, উষ্ণ জলবায়ুর মাঝে আশ্রয় পায় এবং নিজেদের শক্তি ব্যবহার করে খাবারের সন্ধানে ঘুরে বেড়ায়, নিজেদের রক্ষা করে এবং শত্রুদের হাত থেকে পালিয়ে বাঁচে। এই অবস্থায় একটি গাধাকে যতটা চটপটে আর সাহসী দেখা যায়, মানুষের অধীনে সেটি ততটাই নিস্তেজ আর বিষণ্ণ হয়ে পড়ে।
** লুইস গম্পার্টজ, ''মোরাল ইনকুইরিস অন দ্য সিচুয়েশন অফ ম্যান অ্যান্ড অফ ব্রুটস'' (১৮২৪), পৃষ্ঠা ৫২
* ই: যেহেতু আপনি মনে করেন মানুষের জন্য খাবারের প্রয়োজনে অন্য প্রাণীকে হত্যা করা ভুল, তবে আপনি কি এটাও মনে করেন যে প্রাণীদের একে অপরকে গিলে খাওয়াটাও ভুল? যেহেতু এটি প্রকৃতির একটি সাধারণ নিয়ম।<br>জেড: আমরা অন্যদের সাথে কেমন আচরণ করব সেই নিয়ম অনুযায়ী দেখলে এটি ভুল বলেই মনে হয়; আর আমি যদি কোনো প্রাণীকে অন্য একটি প্রাণীকে ধ্বংস করার চেষ্টা করতে দেখি, তবে আমি সেটি ব্যর্থ করার চেষ্টা করব; যদিও এটি করা হয়তো ভুল হতে পারে।
** লুইস গম্পার্টজ, ''মোরাল ইনকুইরিস অন দ্য সিচুয়েশন অফ ম্যান অ্যান্ড অফ ব্রুটস'' (১৮২৪), পৃষ্ঠা ৯৩–৯৪
* ই: কিন্তু তবে তো সব মাংসাশী প্রজাতিই বিলুপ্ত হয়ে যাবে। তারা কি কেবল ধ্বংস হওয়ার জন্যই সৃষ্টি হয়েছে?<br>জেড: আমি বুঝি না কেন একটি প্রাণীর পুরো প্রজাতি অন্য একটি প্রজাতির সমান সংখ্যক প্রাণীর চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হবে, যদিও সেই সংখ্যাটি হয়তো পরের প্রজাতির পুরোটা নয়। এছাড়া এটিও প্রমাণিত নয় যে পুরো প্রজাতিই মারা যাবে; কারণ তাদের মধ্যে কেউ কেউ হয়তো মারা যাওয়া প্রাণীদের দেহ খেয়ে বেঁচে থাকতে পারে এবং উদ্ভিদজাত খাবারও খেতে পারে, যা তারা মাঝে মাঝে খেয়ে থাকে। এটি জানা যায় যে নেকড়েরা যখন অন্য কোনো উপায় পায় না, তখন তারা এই দুই ভাবেই বেঁচে থাকে।
** লুইস গম্পার্টজ, ''মোরাল ইনকুইরিস অন দ্য সিচুয়েশন অফ ম্যান অ্যান্ড অফ ব্রুটস'' (১৮২৪), পৃষ্ঠা ৯৪–৯৫
* একজন চিন্তাশীল মানুষ কি মুহূর্তের জন্যও কোনো একটি দিকের কথা চিন্তা না করে থাকতে পারেন যেখানে কেবল হত্যা আর যন্ত্রণার দৃশ্যই নেই? এই দৃশ্যগুলোই যেন জীবনের মূল স্রোত তৈরি করে। যদিও আমরা স্বীকার করি যে এর সাথে অনেক আনন্দও মিশে থাকে; কিন্তু দেখা যায় যে জীবনের ভালো বিষয়গুলো মূলত মানুষের ভাগ্যে জোটে আর মন্দ বিষয়গুলো জোটে প্রাণীদের কপালে। তবে সেই সব মানুষ যারা অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি সুখে আছেন এবং নির্বাক প্রাণীদের চেয়েও অনেক বেশি আনন্দে আছেন, তারা খুব সহজেই বিশ্বাস করে নেন যে সব ধরণের প্রাণীর মধ্যেই জীবনের মাধুর্য অনেক বেশি পরিমাণে রয়েছে; তবুও একটি নিরপেক্ষ দৃষ্টির কাছে প্রকৃত সত্যটি একদম আলাদা বলেই মনে হয়।
** লুইস গম্পার্টজ, ''ফ্র্যাগমেন্টস ইন ডিফেন্স অফ অ্যানিম্যালস, অ্যান্ড এসেস অন মোরালস, সোল, অ্যান্ড ফিউচার স্টেট'' (১৮৫২), পৃষ্ঠা ১২–১৩
* তবুও এটি স্বীকার করতেই হবে যে আমরা যেদিকেই তাকাই না কেন, কেবল আক্রমণ আর ধ্বংসের একটি ব্যবস্থাই দেখতে পাই। একটি প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য হাজার হাজার প্রাণীর মৃত্যু প্রয়োজন হয়: যদি সেই প্রাণীটি মাংসাশী হয় তবে সরাসরি মৃত্যু ঘটে, আর যদি সে তৃণভোজী হয় তবে পরোক্ষভাবে মৃত্যু ঘটে। এটি হিসাব করা হয়েছে যে কিছু পাখি তাদের সন্তানদের বড় করার সময় হাজার হাজার প্রজাপতি ধ্বংস করে দেয়; আর আমরা যদি মানুষের কথা ভাবি, যে অর্ধেক মাংসাশী, তবে দেখা যায় যে তাকে আরামদায়ক জীবন দেওয়ার জন্য কত জীবন ধ্বংস করা হয়—এমনকি শিকার বা আমোদপ্রমোদ ছাড়াই এই সংখ্যাটি বিশাল হবে। তবে প্রাণীর আকারের ওপর ভিত্তি করে এই সংখ্যার কোনো সঠিক হিসাব করা সম্ভব নয়।
** লুইস গম্পার্টজ, ''ফ্র্যাগমেন্টস ইন ডিফেন্স অফ অ্যানিম্যালস, অ্যান্ড এসেস অন মোরালস, সোল, অ্যান্ড ফিউচার স্টেট'' (১৮৫২), পৃষ্ঠা ১৩
* কিন্তু যেহেতু প্রাণীদের সংখ্যা বৃদ্ধি উদ্ভিজ্জ খাবারের তুলনায় অনেক বেশি হয়ে যায়, তাই এটি সত্যি যে কিছু প্রাণীকে হত্যা করার ফলে সামগ্রিকভাবে প্রাণীর সংখ্যা কমে না, কারণ তারা কেবল না খেয়ে মরার বদলে হত্যার শিকার হয়। আমরা দুঃখের সাথে স্বীকার করছি যে এটিই প্রকৃতির নিয়ম, কিন্তু এটি প্রাণীদের আংশিক ধ্বংসের কোনো যুক্তি হতে পারে না। সাধারণত খুব সস্তাভাবে বলা হয় যে, প্রাণীদের এখন যেভাবে ধ্বংস করা হচ্ছে সেভাবেই করা উচিত—কারণ ধ্বংসই হলো প্রকৃতির সাধারণ নিয়ম, অন্যথায় অতিরিক্ত সংখ্যাবৃদ্ধি ঘটবে; আমরা যদি মুহূর্তের জন্য এটি মেনে নিই, তবে সেই একই অজুহাতে আমাদের মানুষকেও হত্যা করতে হবে যাতে জনসংখ্যা খুব বেশি না বেড়ে যায়; আর আমরা এই নীতির সমর্থকদের কাছে জানতে চাই যে তবে অপরাধ বলতে কী বোঝায়, কারণ আমাদের মনে হয় অধিকাংশ অপরাধকেই একই যুক্তিতে সমর্থন করা সম্ভব।
** লুইস গম্পার্টজ, ''ফ্র্যাগমেন্টস ইন ডিফেন্স অফ অ্যানিম্যালস, অ্যান্ড এসেস অন মোরালস, সোল, অ্যান্ড ফিউচার স্টেট'' (১৮৫২), পৃষ্ঠা ১৮
* বন্য অবস্থায় প্রাণীরা যতটুকু কষ্ট পায়, তার চেয়ে অনেক বেশি তারা সাধারণ মানুষের অধীনে থাকলে কষ্ট পায় বলে মনে হয়। বন্য অবস্থার কোনো কষ্টই কি সেই যন্ত্রণার সমান হতে পারে যা একটি ভাড়ার ঘোড়ার গাড়ির ঘোড়াকে সারাক্ষণ সইতে হয়?
** লুইস গম্পার্টজ, ''ফ্র্যাগমেন্টস ইন ডিফেন্স অফ অ্যানিম্যালস, অ্যান্ড এসেস অন মোরালস, সোল, অ্যান্ড ফিউচার স্টেট'' (১৮৫২), পৃষ্ঠা ১৮
* আমরা এখন জানি যে আমাদের এই গ্রহের পুরো জৈব প্রকৃতিই টিকে আছে একে অপরের বিরুদ্ধে এক নির্মম ও বিরামহীন লড়াইয়ের মাধ্যমে। পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তে প্রতিদিন হাজার হাজার প্রাণী ও উদ্ভিদকে ধ্বংস হতে হয়, যাতে করে হাতেগোনা কিছু নির্বাচিত প্রাণী বেঁচে থাকতে পারে এবং জীবনকে উপভোগ করতে পারে। কিন্তু এমনকি এই সুবিধাপ্রাপ্ত অল্প কিছু প্রাণীর অস্তিত্বও আসলে সব ধরণের আসন্ন বিপদের সাথে এক নিরন্তর সংগ্রামের ফল। প্রতি মিনিটে হাজার হাজার সম্ভাবনাময় ভ্রুণ কোনো কাজে আসার আগেই বিনষ্ট হয়ে যায়। মানবসমাজে স্বার্থের যে লড়াই আমরা দেখি, তা আসলে পুরো জীবজগতে বিদ্যমান অস্তিত্ব রক্ষার এই ভয়ানক ও বিরামহীন যুদ্ধের একটি অতি সামান্য প্রতিচ্ছবি মাত্র। প্রকৃতির মাঝে ঈশ্বরের মঙ্গল ও প্রজ্ঞার যে সুন্দর স্বপ্ন আমরা পঞ্চাশ বছর আগে শিশু হিসেবে খুব ভক্তিভরে শুনেছিলাম, আজ শিক্ষিত ও চিন্তাশীল মানুষের কাছে সেই ধারণার আর কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই।
** আর্নস্ট হেকেল, ''মনিজম অ্যাজ কানেক্টিং রিলিজিয়ন অ্যান্ড সায়েন্স'' (১৮৯৪)
* আফ্রিকার অন্যান্য অংশে যখন গ্রীষ্মের প্রচণ্ড দাবদাহে নদীগুলো শুকিয়ে যায়, তখন বড়-ছোট সব ধরণের উভচর প্রাণীরা জলাশয়ের অবশিষ্টাংশে এক অস্বস্তিকর ভিড় জমায়; আর ডাঙ্গার প্রাণী যেমন হরিণ, বানর ও পাখিরা খুব তাড়াহুড়ো করে এবং চোরের মতো লুকিয়ে সেই গভীর থেকে সামান্য একটু জল পানের চেষ্টা করে, যেখানে অসংখ্য ক্ষুধার্ত শত্রু ওত পেতে থাকে। আবার শীতল দেশগুলোতে শীতকাল যে কী নিদারুণ দুর্দশা নিয়ে আসে—যখন তুষারপাত সেই সব প্রাণীদের জীবনধারণের পথ বন্ধ করে দেয় যারা খাবারের জন্য মাটির ওপর নির্ভর করে, আর তীব্র তুষারপাত সেই সব প্রাণীদের যন্ত্রণাকে উপহাস করে যাদের খাবার থাকে জলাভূমি বা পুকুরে। বরফে আটকে পড়া উডকক পাখিটি নরম মাটির খোঁজে বৃথা ঠোকর দিয়ে যায় যেখানে সে তার সরু ঠোঁটটি ঢোকাতে পারত—তার খাবারের ভাণ্ডার যেন তালাবন্ধ হয়ে গেছে আর চাবিটি হারিয়ে গেছে। মাঝেমধ্যে এমন তীব্র শীত আসে যে পরের গ্রীষ্মে প্রকৃতিবিদরা তাদের পরিচিত জায়গাগুলো থেকে পুরো একটি প্রজাতির বিলুপ্তি লক্ষ্য করেন। একবার দীর্ঘস্থায়ী তুষারপাতে স্কটল্যান্ডের কিছু অংশে সব স্নাইপ পাখি মারা গিয়েছিল এবং তারপর থেকে সেখানে আর কখনোই তাদের প্রচুর সংখ্যায় দেখা যায়নি।
** এডওয়ার্ড ব্রুস হ্যামলি, ''আওয়ার পুওর রিলেশন্স'' (১৮৭২), পৃষ্ঠা ৪৩
* এই ক্ষুধার্ত ও অসহায় প্রাণীদের কাছে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে নেমে যাওয়ার মতো আপাতদৃষ্টিতে ছোট একটি ঘটনা কতটা শোকের হতে পারে! উত্তর-পূর্বের সেই ধূসর অন্ধকার তাদের জন্য কী ভয়াবহ দুর্দশা নিয়ে আসছে! আর পৃথিবীর যেসব অঞ্চলে শীতের রাজত্ব দীর্ঘস্থায়ী হয়, সেখানে ক্ষুধা যেন জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী হয়ে দাঁড়ায়; এটি প্রাণীদের সেই হাড়কাঁপানো ঘুমের সঙ্গী হয়, তাদের বিষণ্ণ জাগরণের সঙ্গী হয় এবং খাবারের খোঁজে তাদের সেই ক্লান্তিকর যাত্রার প্রতিটি পদক্ষেপে তুষারাবৃত পথে তাদের অনুসরণ করে চলে।
** এডওয়ার্ড ব্রুস হ্যামলি, ''আওয়ার পুওর রিলেশন্স'' (১৮৭২), পৃষ্ঠা ৪৫
* কিন্তু জলবায়ুর এই পরিবর্তন যদি কষ্টের কারণ হয়, তবে বয়সের পরিবর্তনও সমান যন্ত্রণাদায়ক। অনেক প্রাণীর শৈশব মানুষের শিশুদের মতোই একদম অসহায়। এটি সত্যি যে খুব কম ভাড়ায় পাওয়া সেবিকাই সেই সব মা প্রাণীদের মতো ধৈর্যশীল, দূরদর্শী ও সতর্ক হতে পারে যারা নিজেদের বাসায় বা গুহায় তাদের সন্তানদের আগলে রাখে। কিন্তু এই অভিভাবকদের জীবনও অত্যন্ত অনিশ্চিত এবং বন্যপ্রাণীদের জগতে অনাথ বা এতিম প্রাণীর সংখ্যা অগণিত।
** এডওয়ার্ড ব্রুস হ্যামলি, ''আওয়ার পুওর রিলেশন্স'' (১৮৭২), পৃষ্ঠা ৪৫–৪৬
* সিক্ত বসন্তের প্রতিটি বন্যায় এমন অগণিত ছোট অসহায় প্রাণী গর্তের ভেতরেই ডুবে মরে যারা সেখান থেকে বের হওয়ার উপায় শেখে না—গ্রীষ্মের শুরুর দিকের প্রতিটি ঝড় অসংখ্য আধফোটানো পাখিকে সময়ের আগেই এই কঠিন পৃথিবীতে ছুড়ে ফেলে দেয়; সেখানে তারা গুটিসুটি মেরে থাকে, হামাগুড়ি দেয়, ভয়ে কাঁপে এবং ক্ষুধার্ত থাকে, যতক্ষণ না অনিবার্য মৃত্যু তাদের গ্রাস করে নেয়।
** এডওয়ার্ড ব্রুস হ্যামলি, ''আওয়ার পুওর রিলেশন্স'' (১৮৭২), পৃষ্ঠা ৪৬–৪৭
* প্রথম দর্শনে গৃহপালিত পশুদের তাদের বন্য আত্মীয় বা পূর্বপুরুষদের তুলনায় অনেক ভালো অবস্থায় আছে বলে মনে হতে পারে। বন্য মহিষরা সারাদিন খাবার, জল আর আশ্রয়ের খোঁজে ঘুরে বেড়ায় এবং তারা সারাক্ষণ সিংহ, পরজীবী, বন্যা আর খরার আশঙ্কায় থাকে। অন্যদিকে গৃহপালিত গবাদি পশুরা মানুষের যত্ন ও সুরক্ষা পায়। মানুষ গরু আর বাছুরকে খাবার, জল আর আশ্রয় দেয়, তাদের রোগের চিকিৎসা করে এবং শিকারি প্রাণী ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে তাদের রক্ষা করে। এটি সত্যি যে অধিকাংশ গরু আর বাছুরকেই একদিন না একদিন কসাইখানায় যেতে হয়। কিন্তু তবুও কি এটি তাদের ভাগ্যকে বন্য মহিষদের চেয়ে খারাপ করে তোলে? সিংহের হাতে কামড় খেয়ে মারা যাওয়ার চেয়ে মানুষের হাতে জবাই হওয়া কি বেশি কষ্টের? কুমিরের দাঁত কি মানুষের তৈরি ইস্পাতের ছুরির চেয়ে বেশি দয়ালু?
** ইউভাল নোয়াহ হারারি, "[https://www.theguardian.com/books/2015/sep/25/industrial-farming-one-worst-crimes-history-ethical-question শিল্পায়িত খামার ব্যবস্থা ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট অপরাধ]", ''দ্য গার্ডিয়ান'', ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১১
[[File:Dead fish on the beach.jpg|alt=|thumb|সাধারণত বিশ্বাস করা হয় যে প্রাণীর নীতিশাস্ত্র প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে, কারণ মানুষ ছাড়া অন্যান্য প্রাণীরা বন্য পরিবেশে তুলনামূলকভাবে সহজ ও সুখী জীবনযাপন করতে সক্ষম। তবে এই ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল। ~ অস্কার হোর্তা]]
* আমি মনে করি এটিই হয়তো বাস্তব পরিস্থিতি যে প্রকৃতি আসলে একটি ভয়ংকর দৃশ্যের মতো। বন্য জগতে যেকোনো স্থানে জন্মানোটা আসলে দুর্ভাগ্যের বিষয়; খরগোশ হিসেবে জন্মানোও দুর্ভাগ্যের, আবার শিয়াল হিসেবে জন্মানোও দুর্ভাগ্যের। মানুষ হিসেবে জন্মানো আমাদের জন্য এক ধরণের ভাগ্য বলা যায়, এবং আমরা আবছাভাবে কল্পনা করতে পারি যে ভবিষ্যতে আমরা কতটা বেশি ভাগ্যবান হতে পারব যদি আমরা সব কিছু ভণ্ডুল করে না ফেলি।
** স্যাম হ্যারিস, "[https://futureoflife.org/2020/06/01/on-global-priorities-existential-risk-and-what-matters-most-with-sam-harris/ বৈশ্বিক অগ্রাধিকার, অস্তিত্বের ঝুঁকি এবং স্যাম হ্যারিসের কাছে যা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ]", ফিউচার অফ লাইফ ইনস্টিটিউট, ১ জুন ২০২০
* পৃথিবীর ১৩০ কোটি অধিবাসী বা প্রাণীর অধিকাংশেরই পুষ্টির অভাব রয়েছে, যা তাদের জীবনকে খুব কষ্টে টিকিয়ে রাখে। অথবা তারা এমন এক পরিস্থিতিতে বাস করে যেখানে অল্প সময়ের জন্য অনেক খাবার পেলেও তা থেকে কোনো দীর্ঘস্থায়ী আনন্দ পায় না, এবং বছরের বাকি সময় তাদের চরম অনাহারে কাটাতে হয়; এর ফলে দিনের মাত্র কয়েক ঘণ্টা ক্ষুধা মেটানোর আনন্দ পেলেও দিনের বেশিরভাগ সময় তাদের ক্ষুধার তীব্র যন্ত্রণা সইতে হয়। এখন যে কেউ সেই পেট ভরার সামান্য তৃপ্তিকে মরুভূমি বা শুষ্ক অঞ্চলের তৃষ্ণার নরক যন্ত্রণার সাথে তুলনা করতে পারেন, যার শিকার বন্যপ্রাণীরা প্রায়ই হয়ে থাকে। অনেক প্রজাতির প্রাণীর ক্ষেত্রে জীবনের পথে ক্ষুধা মেটানোর আনন্দের চেয়ে ক্ষুধার যন্ত্রণা অনেক বেশি হয়ে থাকে। অনেক প্রাণী খাবারের অভাবে নির্দিষ্ট ঋতুতে বিশাল সংখ্যায় মারা যায়, আবার অনেকে কয়েক সপ্তাহ বা মাস ধরে অনাহারের একদম শেষ প্রান্তে থেকে অত্যন্ত শোচনীয় অবস্থায় বেঁচে থাকে। এটি তৃণভোজী এবং নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের পাখিদের ক্ষেত্রে যেমন ঘটে, তেমনি মাংসাশী ও শিকারি প্রাণীদের ক্ষেত্রেও ঘটে, যারা প্রায়ই শিকারের সন্ধানে কয়েক সপ্তাহ ধরে বৃথা ঘুরে বেড়ায় এবং শেষে চরম অনাহারে প্রাণ হারায়।
** এডুয়ার্ড ফন হার্টম্যান, ''ফিলোসফি অফ দি আনকনশাস'', খণ্ড ৩ (১৮৯৩), পৃষ্ঠা ২৮–২৯
* প্রকৃতির আরেকটি উৎস হলো 'ভালোবাসা'... প্রাণিজগতে উচ্চতর পাখি বা স্তন্যপায়ী প্রাণীদের ক্ষেত্রেও পুরুষদের পক্ষ থেকে কোনো সক্রিয় যৌন নির্বাচনের কথা ভাবা কঠিন; যেখানে শক্তিশালী পুরুষই জয়ী হয় এমন লড়াইয়ের মাধ্যমে পরোক্ষ নির্বাচন কেবল অল্প কিছু উচ্চতর প্রাণীর মধ্যেই দেখা যায়। প্রাণিজগতের এক বিশাল অংশে যৌনতার কোনো ব্যক্তিগত আনন্দ নেই বরং এটি কেবল এক সহজাত তাড়না হিসেবে কাজ করে; ঠিক যেমন মাকড়সা জাল বোনে কিংবা পাখি ডিম পাড়ার জন্য বাসা তৈরি করে। প্রজনন প্রক্রিয়ায় আনন্দের অভাবের কারণেই অধিকাংশ প্রাণীর ক্ষেত্রে এই কাজটি সরাসরি না হয়ে পরোক্ষভাবে ঘটে থাকে। মেরুদণ্ডী প্রাণীদের ক্ষেত্রে যখন শারীরিক আনন্দের বিষয়টি আসে, তখন সেটি প্রথমত খুবই সামান্য হয়; কিন্তু দ্রুতই সেখানে সঙ্গিনীর জন্য পুরুষদের মধ্যে লড়াই শুরু হয় যা অনেক প্রজাতির ক্ষেত্রে অত্যন্ত তিক্ত রূপ নেয় এবং এর ফলে যন্ত্রণাদায়ক ক্ষত এমনকি প্রতিদ্বন্দ্বীর মৃত্যুও ঘটতে পারে। এর সাথে যোগ করুন সেই সব প্রাণীদের কথা যারা লড়াইয়ে জয়ী পুরুষের নেতৃত্বে দল বেঁধে চলে; সেখানে দলের অল্পবয়সী সদস্যদের অনিচ্ছাকৃত সংযম পালন করতে হয় এবং পরিবারের প্রধানের অধিকারে হস্তক্ষেপ করলে তাদের অত্যন্ত নিষ্ঠুরভাবে শাস্তি দেওয়া হয়। এই অনিচ্ছাকৃত সংযম এবং লড়াইয়ে হেরে যাওয়ার কারণে যে যন্ত্রণা আর বিরক্তি তৈরি হয়, তা সফল পুরুষদের পাওয়া যৌন আনন্দের চেয়ে বহুগুণ বেশি বলে আমার মনে হয়। আর স্ত্রী প্রাণীদের ক্ষেত্রে বলতে গেলে, তারা খুব কমই সঙ্গমের সুযোগ পায় এবং প্রসবের যন্ত্রণা তাদের সঙ্গম থেকে পাওয়া সামান্য আনন্দের চেয়ে অনেক বেশি হয়ে থাকে।
** এডুয়ার্ড ফন হার্টম্যান, ''ফিলোসফি অফ দি আনকনশাস'', খণ্ড ৩ (১৮৯৩), পৃষ্ঠা ৩০–৩১
* প্রত্যেকেই প্রত্যেকের সাথে লড়াই করে, যেহেতু প্রত্যেকেই চাপের মধ্যে থাকে; প্রত্যেককে নিজের খাবারের ব্যবস্থা করতে হয় এবং নিজের জীবন রক্ষা করতে হয়।
** জোহান গটফ্রাইড হার্ডার, "দ্য অ্যানিম্যাল কিংডম: ইন রিলেশন টু দ্য হিস্ট্রি অফ ম্যান", ''দ্য ইউনিয়ন ম্যাগাজিন, অ্যান্ড ইম্পেরিয়াল রেজিস্টার'', খণ্ড ২ (১৮০১), পৃষ্ঠা ১৭২
* প্রকৃতি কেন এমন আচরণ করে? আর কেনই বা সে তার প্রাণীদের একে অপরের ওপর এভাবে চাপিয়ে দেয়? কারণ সে চায় খুব অল্প জায়গায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক এবং বৈচিত্র্যময় জীবন্ত প্রাণী তৈরি করতে, যাতে একজন অন্যজনকে ছাপিয়ে যায়; আর শক্তির ভারসাম্যই কেবল এই সৃষ্টিতে শান্তি আনতে পারে। প্রতিটি প্রজাতি নিজের যত্ন নেয় যেন পৃথিবীতে সে একাই আছে; কিন্তু তার পাশেই অন্য একজন দাঁড়িয়ে থাকে যে তাকে নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে আটকে রাখে: আর এই বিরোধী প্রজাতির সমন্বয়ের মাধ্যমেই সৃষ্টিকর্তা প্রকৃতি পুরো ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখার একমাত্র পথ খুঁজে পেয়েছেন। তিনি শক্তি পরিমাপ করেছেন, অঙ্গপ্রত্যঙ্গ গণনা করেছেন এবং প্রজাতির একে অপরের প্রতি সহজাত প্রবৃত্তি নির্ধারণ করে দিয়েছেন; আর পৃথিবীকে ছেড়ে দিয়েছেন তার যা উৎপাদন করার ক্ষমতা আছে তা তৈরি করার জন্য।
** জোহান গটফ্রাইড হার্ডার, "দ্য অ্যানিম্যাল কিংডম: ইন রিলেশন টু দ্য হিস্ট্রি অফ ম্যান", ''দ্য ইউনিয়ন ম্যাগাজিন, অ্যান্ড ইম্পেরিয়াল রেজিস্টার'', খণ্ড ২ (১৮০১), পৃষ্ঠা ১৭২
* জঙ্গল কেবল বর্তমানের ওপর ভিত্তি করে টিকে থাকে, এটি সময়ের অধীন ঠিকই কিন্তু চিরকালই বয়সহীন বা চিরযৌবনা হয়ে থাকে। ন্যায়ের যেকোনো ধারণা হবে এই সবকিছুর একদম বিপরীত। কিন্তু মরুভূমিতে কি কোনো ন্যায়বিচার আছে? অথবা সমুদ্রে? কিংবা অতল গভীরে? সমুদ্রের জীবন অবশ্যই এক নরক হবে, এক অন্তহীন নরক যেখানে সারাক্ষণ এবং প্রতিটি মুহূর্তে বিপদ ঘাড়ের ওপর নিঃশ্বাস ফেলে; এটি এতটাই অসহ্য যে বিবর্তনের ধারায় কিছু প্রজাতি—যার মধ্যে হোমো সেপিয়েন্স বা মানুষও রয়েছে—হামাগুড়ি দিয়ে ডাঙ্গার কোনো এক টুকরো শক্ত জমিতে পালিয়ে এসেছিল, যা ছিল ভবিষ্যতের মহাদেশ।
** ওয়ের্নার হার্জগ, ১২ এপ্রিল ১৯৮১ ডায়েরির পাতা, ''কনকোয়েস্ট অফ দ্য ইউজলেস: রিফ্লেকশনস ফ্রম দ্য মেকিং অফ ফিৎসকারাল্ডো'' (২০০৯) <small>{{আইএসবিএন|978-0061575549}}</small>
* এখানকার প্রকৃতি অত্যন্ত জঘন্য এবং নীচ। আমি এখানে কোনো মাধুর্য বা রোমান্টিকতা দেখি না। আমি এখানে দেখি কেবল ব্যভিচার, শ্বাসরোধ, একে অপরকে চেপে ধরা, টিকে থাকার লড়াই আর পচে যাওয়া। অবশ্যই এখানে অনেক দুঃখ-কষ্ট আছে। কিন্তু এটি সেই একই দুঃখ যা আমাদের চারপাশ ঘিরে আছে। এখানকার গাছগুলো কষ্টে আছে, পাখিরা কষ্টে আছে। আমি মনে করি না যে তারা গান গায়, তারা কেবল যন্ত্রণায় চিৎকার করে।
** ওয়ের্নার হার্জগ, ''বার্ডেন অফ ড্রিমস'' (১৯৮২)
* সমুদ্রের জীবন অবশ্যই পুরোপুরি নরক হবে। এক বিশাল, দয়ামায়াহীন নরক যেখানে স্থায়ী এবং তাৎক্ষণিক বিপদ ওত পেতে থাকে। এটি এতটাই নরক যে বিবর্তনের সময় কিছু প্রজাতি—মানুষ সহ—হামাগুড়ি দিয়ে ডাঙ্গার ছোট ছোট মহাদেশে পালিয়ে এসেছিল, যেখানে অন্ধকারের শিক্ষাগুলো এখনও চলছে।
** ওয়ের্নার হার্জগ, "[https://walkerart.org/magazine/minnesota-declaration-truth-documentary-cinema ওয়ের্নার হার্জগ তার মিনেসোটা ডিক্লারেশন পড়ছেন: ট্রুথ অ্যান্ড ফ্যাক্ট ইন ডকুমেন্টারি সিনেমা]" (১৯৯৯)
* আর যে বিষয়টি আমাকে তাড়া করে বেড়ায় তা হলো, ট্রেডওয়েল যে ভাল্লুকদের চিত্রায়ন করেছেন, তাদের সব মুখাবয়বে আমি কোনো আত্মীয়তা, কোনো বোধশক্তি বা কোনো করুণার চিহ্ন খুঁজে পাই না। আমি সেখানে দেখি কেবল প্রকৃতির এক চরম উদাসীনতা। আমার কাছে ভাল্লুকদের কোনো রহস্যময় জগতের অস্তিত্ব নেই। আর তাদের এই শূন্য দৃষ্টি কেবল খাবারের প্রতি এক ধরণের নিরস আগ্রহের কথা বলে।
** ওয়ের্নার হার্জগ, ''গ্রিজলি ম্যান'' (২০০৬)
* খাঁচাবন্দী সব বন্যপ্রাণীই যে অবশ্যই ‘দুঃখী’ হবে—এই ধারণাটি ভুল। কারণ কিছু খাঁচাবন্দী প্রাণী বন্য অবস্থার তুলনায় অনেক ভালো খাবার পায়, বেশি সুরক্ষা পায় এবং তারা অনেক বেশি সুখে থাকে; যেখানে বন্য অবস্থায় থাকলে তারা সবসময় বিপদে ঘেরা থাকত এবং ক্ষুধা ও তৃষ্ণায় জর্জরিত হতো।
** উইলিয়াম টেম্পল হর্নাডে, ''দ্য মাইন্ডস অ্যান্ড ম্যানার্স অফ ওয়াইল্ড অ্যানিম্যালস: এ বুক অফ পার্সোনাল অবজারভেশনস'' (১৯২২), [https://archive.org/details/cu31924024783585/page/52/mode/1up পৃষ্ঠা ৫২]
* প্রচণ্ড ক্ষুধার সময় তারা খামারের খড়ের গাদায় আক্রমণ করে, যতক্ষণ না সেই শক্ত ও উঁচু কাঠের বেড়া তাদের বাধা দেয়; আর অনেক দয়ালু খামারি নিজেদের খড়ের গাদা বিলিয়ে দিয়ে সেই সব ক্ষুধার্ত ও হতাশ এল্ক হরিণগুলোর প্রাণ বাঁচিয়েছেন।
** উইলিয়াম টেম্পল হর্নাডে, ''দ্য মাইন্ডস অ্যান্ড ম্যানার্স অফ ওয়াইল্ড অ্যানিম্যালস: এ বুক অফ পার্সোনাল অবজারভেশনস'' (১৯২২), [https://archive.org/details/cu31924024783585/page/154/mode/1up পৃষ্ঠা ১৫৪]
* নাতিশীতোষ্ণ এবং শীতল অঞ্চলগুলোতে জীবন ছিল হাড়কাঁপানো শীত, শীতের শুরুতে বা বসন্তে প্রচণ্ড বৃষ্টি, ধ্বংসাত্মক বরফবৃষ্টি এবং গভীর তুষারের সাথে এক ঋতুভিত্তিক লড়াই। একই সাথে যে সব প্রাণী শিকারি নয়, তারা নিজেদের সবসময় ধারালো দাঁত আর নখের মাঝে ঘেরা অবস্থায় দেখতে পায়।
** উইলিয়াম টেম্পল হর্নাডে, ''দ্য মাইন্ডস অ্যান্ড ম্যানার্স অফ ওয়াইল্ড অ্যানিম্যালস: এ বুক অফ পার্সোনাল অবজারভেশনস'' (১৯২২), [https://archive.org/details/cu31924024783585/page/225/mode/1up পৃষ্ঠা ২২৫]
* যদি আমাদের জিজ্ঞাসা করা হয়, "কোন বিষয়টিকে বন্যপ্রাণীর প্রধান চালিকাশক্তি বলা যেতে পারে?" তবে আমরা নির্দ্বিধায় উত্তর দেব, তা হলো ভয়।
** উইলিয়াম টেম্পল হর্নাডে, ''দ্য মাইন্ডস অ্যান্ড ম্যানার্স অফ ওয়াইল্ড অ্যানিম্যালস: এ বুক অফ পার্সোনাল অবজারভেশনস'' (১৯২২), [https://archive.org/details/cu31924024783585/page/261/mode/1up পৃষ্ঠা ২৬১]
* জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত প্রতিটি বন্যপ্রাণী দিনরাত শারীরিক ক্ষতির ভয় এবং ক্ষুধা ও দুর্ভিক্ষের আতঙ্কে জীবন কাটায়।
** উইলিয়াম টেম্পল হর্নাডে, ''দ্য মাইন্ডস অ্যান্ড ম্যানার্স অফ ওয়াইল্ড অ্যানিম্যালস: এ বুক অফ পার্সোনাল অবজারভেশনস'' (১৯২২), [https://archive.org/details/cu31924024783585/page/261/mode/1up পৃষ্ঠা ২৬১]
* এখন এই ‘মুক্ত বন্য জীবন’ আসলে এক বিরামহীন লড়াইয়ের নাম,
যেখানে আছে কেবল অন্তহীন ক্ষুধা আর চিরস্থায়ী ভয়;
আর বন্য পরিবেশে থাকা সেই পশু-সন্তানদের জীবন
মোটেও কেবল হাসি-ঠাট্টা আর আমোদ-প্রমোদের বিষয় নয়।
** উইলিয়াম টেম্পল হর্নাডে, ''দ্য মাইন্ডস অ্যান্ড ম্যানার্স অফ ওয়াইল্ড অ্যানিম্যালস: এ বুক অফ পার্সোনাল অবজারভেশনস'' (১৯২২), [https://archive.org/details/cu31924024783585/page/261/mode/1up পৃষ্ঠা ২৬১]
* সেই সব তৃষ্ণার্ত প্রাণীদের মনে জল পানের তীব্র ইচ্ছার ঠিক পরেই যে চিন্তাটি কাজ করে, তা হলো ‘আক্রান্ত হওয়ার ভয়’। কোনো কোনো প্রজাতির প্রাণীদের মধ্যে এই সারাক্ষণ কাজ করা নিদারুণ আতঙ্ক একটি অত্যন্ত করুণ দৃশ্যের সৃষ্টি করে। আমি চাই সেই সব অতি-মানবিক ব্যক্তিরা যেন এই দৃশ্য একবার স্বচক্ষে দেখেন যারা মনে করেন এবং বলে থাকেন যে মুক্ত বন্য প্রাণীরাই একমাত্র সুখী প্রাণী!
** উইলিয়াম টেম্পল হর্নাডে, ''দ্য মাইন্ডস অ্যান্ড ম্যানার্স অফ ওয়াইল্ড অ্যানিম্যালস: এ বুক অফ পার্সোনাল অবজারভেশনস'' (১৯২২), [https://archive.org/details/cu31924024783585/page/265/mode/1up পৃষ্ঠা ২৬৫]
* সাধারণ সাদা-লেজওয়ালা হরিণদের শিংগুলো মাঝেমধ্যে একে অপরের সাথে এমন শক্তভাবে আটকে যায় যে সেগুলোকে আলাদা করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। আর যখনই এমনটি ঘটে, তখনই উভয় হরিণের মৃত্যু নিশ্চিত হয়ে যায়। যদি খুব দ্রুত কেউ তাদের খুঁজে না পায় এবং উদ্ধার না করে, তবে তাদের অনাহারে ধুঁকে ধুঁকে প্রাণ ত্যাগ করতে হয়।
** উইলিয়াম টেম্পল হর্নাডে, ''দ্য মাইন্ডস অ্যান্ড ম্যানার্স অফ ওয়াইল্ড অ্যানিম্যালস: এ বুক অফ পার্সোনাল অবজারভেশনস'' (১৯২২), [https://archive.org/details/cu31924024783585/page/281/mode/1up পৃষ্ঠা ২৮১]
* প্রতিদিনের আহারের জন্য স্বাভাবিক শিকার করা কোনো হত্যাকাণ্ড নয়। জনমানবহীন নির্জন প্রান্তরে ক্ষুধার্ত একটি নেকড়ে যদি তার নিজের দলেরই কোনো আহত সঙ্গীকে হত্যা করে খেয়ে ফেলে, তবে কেবল সেই কাজের জন্য তাকে অপরাধী বলা যাবে না। এটি সত্যি যে এমন নিষ্ঠুরতা এবং রুচিহীনতা অত্যন্ত নিন্দনীয়; কিন্তু এর মূল কারণ হলো ক্ষুধা, মনের কোনো পৈশাচিক কালিমা নয়।
** উইলিয়াম টেম্পল হর্নাডে, ''দ্য মাইন্ডস অ্যান্ড ম্যানার্স অফ ওয়াইল্ড অ্যানিম্যালস: এ বুক অফ পার্সোনাল অবজারভেশনস'' (১৯২২), [https://archive.org/details/cu31924024783585/page/287/mode/1up পৃষ্ঠা ২৮৭]
* সাধারণত এটি বিশ্বাস করা হয় যে প্রাণীর নীতিশাস্ত্র মানেই হলো প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা, কারণ মানুষ ছাড়া অন্যান্য প্রাণীরা বন্য পরিবেশে তুলনামূলকভাবে সহজ ও সুখী জীবন কাটাতে পারে। তবে এই ধারণাটি একদমই ভুল। প্রকৃতিতে বংশবৃদ্ধির একটি খুব সাধারণ কৌশল হলো ‘আর-সিলেকশন’ (r-selection), যার ফলে সিংহভাগ বন্যপ্রাণী জন্মের কিছুদিনের মধ্যেই মারা যায়। তারা হয় অনাহারে মারা যায় অথবা অন্য কোনো প্রাণীর শিকার হয়, যার অর্থ হলো তাদের জীবনের সুখের চেয়ে দুঃখ-কষ্টের পরিমাণ অনেক বেশি। তাই প্রাণীদের প্রতি আমাদের সমবেদনা এটাই দাবি করে যে, তাদের এই বিশাল পরিমাণ ক্ষতি বা কষ্ট কমাতে আমাদের প্রকৃতিতে হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করা উচিত। যদিও এই সিদ্ধান্তটি প্রথম দিকে অনেকের কাছেই অদ্ভুত মনে হতে পারে, তবুও প্রজাতিবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ছাড়া একে প্রত্যাখ্যান করা অসম্ভব।
** অস্কার হোর্তা, "[http://www.stafforini.com/docs/Horta%20-%20Debunking%20the%20idyllic%20view%20of%20natural%20processes.pdf প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার মনোরম দৃষ্টিভঙ্গির অসারতা প্রমাণ: বন্য পরিবেশে জনসংখ্যার গতিপ্রকৃতি এবং দুঃখ-কষ্ট]", ''টেলোস: রিভিস্তা ইবেরোআমেরিকানা দে এস্তুদিওস উতিালিতারিস্তাস'', খণ্ড ১৭, সংস্করণ ১ (২০১০), পৃষ্ঠা ৭৩
* এরপর আমি দাবি করছি যে, আমরা যদি প্রজাতিবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ত্যাগ করি তবে আমাদের উচিত প্রকৃতিতে হস্তক্ষেপ করার পুরো প্রক্রিয়াটিকেই একদম বদলে ফেলা। পরিবেশগত বা মানবকেন্দ্রিক কারণে হস্তক্ষেপ না করে বরং বন্যপ্রাণীদের কষ্ট কমানোর উদ্দেশ্যেই আমাদের এটি করা উচিত। এই বিষয়টি কিছু মৌলিক পরিবেশগত আদর্শের সাথে সাংঘর্ষিক হতে পারে, যে আদর্শগুলো বন্যপ্রাণীদের ব্যক্তিগত স্বার্থের কথা বিবেচনা করে না।
** অস্কার হোর্তা, "[https://pdfs.semanticscholar.org/7174/2f36cc5b34b1f3dfa3691359b9a3d774b0a4.pdf প্রজাতিবাদহীন কাঠামোর বিরুদ্ধে ভয়ের বাস্তুসংস্থানের নীতিশাস্ত্র: প্রকৃতিতে হস্তক্ষেপের লক্ষ্যে পরিবর্তন]", ''বিটুইন দ্য স্পিসিস'', খণ্ড ১৩, সংস্করণ ১০ (২০১০), পৃষ্ঠা ১৬৩
* পৃথিবীতে আসা অন্য সব প্রাণীদের সাথে আসলে ঠিক কী ঘটে? তারা মারা যায় এবং অনেক ক্ষেত্রেই তাদের বোধশক্তি জন্মানোর ঠিক পরেই এটি ঘটে। তারা না খেয়ে মারা যায় কিংবা অন্য প্রাণীর হাতে বা অন্য কোনো যন্ত্রণাদায়ক উপায়ে প্রাণ হারায়। যেহেতু তারা খুব দ্রুত মারা যায়, তাই মৃত্যুর সেই কষ্টের বাইরে অন্য কোনো ভালো অভিজ্ঞতার সুযোগ তাদের জীবনে খুব একটা থাকে না। এর মানে হলো তারা হয়তো জীবনে কখনোই কোনো ইতিবাচক বা ভালো কিছুর স্বাদ পায় না, অথবা পেলেও তা সংখ্যায় খুবই নগণ্য। কিছু প্রাণী হয়তো একটু বেশি দিন বেঁচে থাকতে পারে এবং কিছু ভালো অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে, কিন্তু তা জীবনের সেই সব প্রতিকূলতা আর কষ্টের তুলনায় খুবই সামান্য যা শেষ পর্যন্ত তাদের মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। এই প্রাণীরা তাদের জীবনে মঙ্গলের চেয়ে অনেক বেশি যন্ত্রণার শিকার হয়।
** অস্কার হোর্তা, "[https://animalcharityevaluators.org/blog/why-the-situation-of-animals-in-the-wild-should-concern-us/ বন্য পরিবেশে প্রাণীদের পরিস্থিতি কেন আমাদের ভাবিয়ে তোলা উচিত]", ''অ্যানিম্যাল চ্যারিটি ইভ্যালুয়েটরস'', ৫ জানুয়ারি ২০১৫
* অনেক মানুষ মনে করেন যে আমাদের এই বিষয়ে চিন্তা করার প্রয়োজন নেই। কিছু মানুষ প্রজাতিবাদী দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করেন এবং তারা মনে করেন আমাদের কেবল মানুষের ভালো-মন্দের কথা ভাবা উচিত। আবার অন্য অনেকে পরিবেশবাদী অবস্থানে থাকেন যারা মনে করেন আমাদের কেবল বাস্তুতন্ত্র বা কোনো বিশেষ প্রজাতির সংরক্ষণের দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত এবং একক কোনো প্রাণীর স্বার্থের কথা ভুলে যাওয়া উচিত। এই ধরণের চিন্তাভাবনার মানুষদের মতে, পরিবেশ রক্ষার জন্য বন্যপ্রাণীদের উৎসর্গ করা যেতে পারে (যদিও মজার ব্যাপার হলো, মানুষের ক্ষেত্রে তারা এই নীতি অনুসরণ করতে চান না)। তবে আমরা যদি একমত হই যে সব সংবেদনশীল প্রাণীর স্বার্থের কথা বিবেচনা করা উচিত, তবে আমাদের এই প্রজাতিবাদী এবং মানবকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গিগুলো প্রত্যাখ্যান করতে হবে।
** অস্কার হোর্তা, "[https://animalcharityevaluators.org/blog/why-the-situation-of-animals-in-the-wild-should-concern-us/ বন্য পরিবেশে প্রাণীদের পরিস্থিতি কেন আমাদের ভাবিয়ে তোলা উচিত]", ''অ্যানিম্যাল চ্যারিটি ইভ্যালুয়েটরস'', ৫ জানুয়ারি ২০১৫
* একইভাবে কিছু মানুষ দাবি করে থাকেন যে বন্য অবস্থায় প্রাণীদের ভোগ করা কষ্টগুলো (যেমন রোগবালাই, অনাহার এবং শিকার হওয়া) নিয়ে আমাদের চিন্তিত হওয়ার প্রয়োজন নেই কারণ এগুলো সবই স্বাভাবিক বা প্রাকৃতিক। এটিও একটি প্রজাতিবাদী দাবি বলেই মনে হয়, কারণ মানুষের ক্ষেত্রে যখন এমন বিপদ আসে তখন কিন্তু কেউ এই ধরণের মত পোষণ করে না। এছাড়াও প্রাণীরা যদি নিজেরা এই বিষয়ে কথা বলতে পারত, তবে তারা অবশ্যই আমাদের মতোই এই সব কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে চাইত।
** অস্কার হোর্তা, "[https://www.sophiamag.co.uk/single-post/2017/09/21/Oscar-Horta-on-Speciesism প্রজাতিবাদ নিয়ে অস্কার হোর্তা]", ''সোফিয়া: এ ফিলোসফি ম্যাগাজিন'', ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭
* এর অর্থ হলো সেই সব প্রাণীর সংখ্যা অত্যন্ত বেশি যারা পৃথিবীতে আসে কেবল জন্মের অল্প কিছুদিনের মধ্যেই মারা যাওয়ার জন্য। গড়পড়তা হিসাব করলে দেখা যায় যে, যদি কোনো পরিবেশে প্রাণীদের সংখ্যা অন্তত মাঝারি সময়ের জন্য স্থিতিশীল থাকে, তবে প্রতিটি প্রাণীর বংশবৃদ্ধির ফলে জন্ম নেওয়া সন্তানদের মধ্যে কেবল একটি সন্তানই শেষ পর্যন্ত টিকে থাকে (তা না হলে প্রাণীদের সংখ্যা খুব দ্রুত আকাশচুম্বী হয়ে যেত)। এর মানে হলো বাকি সব প্রাণীরাই মারা যায়। তাদের মধ্যে অনেকেই জন্মের ঠিক পরেই প্রাণ হারায়। এই প্রাণীরা না খেয়ে মারা যায়, অন্য প্রাণীর শিকারে পরিণত হয় অথবা অন্য কোনো যন্ত্রণাদায়ক কারণে প্রাণ হারায় যাতে অত্যন্ত বেশি কষ্ট জড়িয়ে থাকে। অর্থাৎ এক বিশাল সংখ্যক প্রাণী পৃথিবীতে আসে কেবল কষ্ট ভোগ করার জন্য। তাদের জীবনে আনন্দের ছিটেফোঁটাও নেই বললেই চলে, কারণ অস্তিত্বের শুরুতেই তারা শেষ হয়ে যায়। তবে তাদের জীবনের শেষ সময়টা অত্যন্ত যন্ত্রণাময় হয় কারণ তারা খুব কষ্টকরভাবে মারা যায়। এভাবেই তাদের জীবনে মঙ্গলের চেয়ে অমঙ্গল বা নেতিবাচক দিকটিই বেশি হয়ে থাকে।
** অস্কার হোর্তা, "[https://pdfs.semanticscholar.org/8023/e7871de8ce00aee35a6124d958a87bca7d61.pdf প্রকৃতিতে অমঙ্গলের সমস্যা: নেতিবাচক মূল্যের প্রাবল্যের বিবর্তনীয় ভিত্তি]", ''রিলেশন্স: বিয়ন্ড অ্যানথ্রোপোসেন্ট্রিজম'', খণ্ড ৩, সংস্করণ ১ (মে ২০১৫), পৃষ্ঠা ২০
* টেলিভিশন বা দূরদর্শনের প্রতি তার তেমন কোনো আগ্রহ ছিল না। তবে প্রতি সপ্তাহে সে খুব রুদ্ধশ্বাসে ‘দ্য অ্যানিম্যাল কিংডম’ অনুষ্ঠানটি দেখত। হরিণ বা কৃষ্ণসার হরিণের মতো সুন্দর প্রাণীরা তাদের সারাটা দিন প্রচণ্ড আতঙ্কের মধ্যে কাটায়, আর অন্যদিকে সিংহ বা চিতার মতো শিকারিরা অলসতা আর হঠাৎ হঠাৎ হিংস্র হয়ে ওঠার মধ্য দিয়ে দিন অতিবাহিত করে। তারা দুর্বল প্রাণীদের হত্যা করে, অসুস্থ আর বৃদ্ধ প্রাণীদের শরীর ছিঁড়ে খেয়ে ফেলে এবং তারপর আবার সেই গভীর ঘুমে তলিয়ে যায় যেখানে তাদের একমাত্র কাজ হয় নিজেদের শরীরের ভেতর থাকা পরজীবীদের আহার হওয়া। এই সব পরজীবীদের মধ্যে আবার আরও ছোট পরজীবী থাকে যারা ভাইরাসের বংশবৃদ্ধির জায়গা হিসেবে কাজ করে। সাপের দল গাছের আড়ালে ফণা তুলে ওত পেতে থাকে, যাতে পাখি বা স্তন্যপায়ী প্রাণীর ওপর কামড় বসানো যায়, আবার সেই সাপকেই বাজপাখি এসে টুকরো টুকরো করে ছিঁড়ে ফেলে। ক্লদ দারজেত-এর সেই গম্ভীর আর বিস্ময়মাখা কণ্ঠস্বর এই সব নৃশংসতার বর্ণনা দিচ্ছিল। মিশেল রাগে কাঁপছিল। কিন্তু দেখতে দেখতে তার মনে এই দৃঢ় বিশ্বাস জন্মাল যে, সামগ্রিকভাবে প্রকৃতি আসলে একটি ঘৃণ্য নরককুণ্ড ছাড়া আর কিছুই নয়। মোটের ওপর, প্রকৃতির এই ভয়ংকর ধ্বংসলীলা হয়তো বন্ধ হওয়ারই যোগ্য, আর পৃথিবীতে মানুষের লক্ষ্য হয়তো ঠিক এটাই হওয়া উচিত।
** [[মিশেল উয়েলবেক]], ''অ্যাটোমাইজড'' (১৯৯৮), পৃষ্ঠা ২৯
* কিন্তু মানুষের দ্বারা প্রাণীদের ওপর চালানো নির্যাতনের বিষয়টি প্রকৃতির দেওয়া কষ্টের কাছে কিছুই নয়। শিকারি প্রাণীদের দ্বারা তাড়া খাওয়া এবং জীবন্ত অবস্থায় অন্য প্রাণীর খাবারে পরিণত হওয়া, কিংবা রোগবালাই, দুর্ভিক্ষ বা খরায় ধুঁকে ধুঁকে মারা যাওয়া কোটি কোটি প্রাণীর কথা ভাবলে মাথা যেন ঠিক থাকে না।<br>তাই আমাদের একটি অত্যন্ত কঠিন সত্যের মুখোমুখি হতে হবে: আমাদের এই গ্রহের ইতিহাস আসলে অনাকাঙ্ক্ষিত এবং ভয়ংকর সব অমঙ্গল আর দুঃখ-কষ্টে ঠাসা।
** ড্যানিয়েল হাওয়ার্ড-স্নাইডার, "[https://www.gla.ac.uk/0t4/humanities/files/mindmapping/Evil_files/docs/GES.pdf ঈশ্বর, অমঙ্গল এবং দুঃখ-কষ্ট]", ''রিজন ফর দ্য হোপ উইদিন'' (১৯৯৯), সংস্করণ মাইকেল জে. মারে
* বিশ্বাস করুন, এই পুরো পৃথিবীটাই যেন অভিশপ্ত আর কলুষিত। প্রতিটি জীবন্ত প্রাণীর মধ্যে এক চিরস্থায়ী লড়াই বেঁধে দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন, ক্ষুধা আর অভাব শক্তিশালী ও সাহসী প্রাণীদের উত্তেজিত করে তোলে; আর অন্যদিকে ভয়, উদ্বেগ আর আতঙ্ক দুর্বল ও অসুস্থ প্রাণীদের অস্থির করে রাখে। জীবনের প্রথম প্রবেশই নবজাতক শিশু আর তার অসহায় বাবা-মায়ের জন্য প্রচণ্ড যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়ায়: জীবনের প্রতিটি স্তরে দুর্বলতা, অক্ষমতা আর দুর্দশা ছায়ার মতো লেগে থাকে এবং শেষ পর্যন্ত তা শেষ হয় নিদারুণ যন্ত্রণা আর আতঙ্কের মধ্য দিয়ে।
** [[ডেভিড হিউম]], ''[https://www.gutenberg.org/ebooks/4583 ডায়ালগস কনসার্নিং ন্যাচারাল রিলিজিয়ন]'' (১৭৭৯), অংশ ১০
* ফিলোর মতে, প্রকৃতির এই অদ্ভুত কৌশলগুলোর দিকে একবার লক্ষ্য করুন, যা প্রতিটি সংবেদনশীল প্রাণীর জীবনকে তিক্ত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। শক্তিশালীরা সব সময় দুর্বলের ওপর আক্রমণ চালায় এবং তাদের এক চিরস্থায়ী আতঙ্ক ও উদ্বেগের মধ্যে রাখে। আবার দুর্বলরাও সুযোগ পেলে শক্তিশালীকে বিরক্ত ও উত্যক্ত করতে একদম ছাড়ে না। সেই অসংখ্য পোকামাকড় বা পতঙ্গের কথা ভাবুন যারা হয় অন্য প্রাণীর শরীরের ওপর জন্ম নেয় অথবা চারপাশে উড়ে বেড়িয়ে হুল ফুটিয়ে দেয়। এই পোকামাকড়দের শরীরে আবার তাদের চেয়েও ছোট ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র জীব থাকে যারা তাদের যন্ত্রণা দেয়। এভাবেই সামনে-পেছনে, উপরে-নিচে প্রতিটি প্রাণীই শত্রুদের দ্বারা ঘেরা থাকে, যারা অবিরাম তার কষ্ট আর ধ্বংসের পথ খুঁজে বেড়ায়।
** [[ডেভিড হিউম]], ''[https://www.gutenberg.org/ebooks/4583 ডায়ালগস কনসার্নিং ন্যাচারাল রিলিজিয়ন]'' (১৭৭৯), অংশ ১০
* এই মহাবিশ্বের দিকে ভালো করে তাকিয়ে দেখুন। কত অসংখ্য এবং বৈচিত্র্যময় প্রাণের সমারোহ এখানে! আপনি হয়তো এই বিশাল বৈচিত্র্য আর প্রজনন ক্ষমতা দেখে মুগ্ধ হতে পারেন। কিন্তু এই সব জীবন্ত প্রাণীদের একটু কাছ থেকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করুন, যারা আসলেই বিবেচনার যোগ্য। তারা একে অপরের প্রতি কতটা হিংস্র আর ধ্বংসাত্মক! তারা নিজের সুখের জন্য কতটা অক্ষম! কোনো দর্শকের কাছে এটি কতটা তুচ্ছ বা ঘৃণ্য হতে পারে! পুরো বিষয়টি আসলে এক অন্ধ প্রকৃতির ধারণাকেই তুলে ধরে, যে প্রকৃতি তার সন্তানদের প্রতি কোনো মমত্ববোধ বা বিচক্ষণতা ছাড়াই কেবল তাদের পৃথিবীতে ছুড়ে দিচ্ছে!
** [[ডেভিড হিউম]], [https://www.gutenberg.org/ebooks/4583 ''ডায়ালগস কনসার্নিং ন্যাচারাল রিলিজিয়ন''] (১৭৭৯), অংশ ১১
* প্রথম যে বিষয়টি বিশ্বে অমঙ্গল নিয়ে আসে তা হলো প্রাণিজগতের সেই গঠন বা ব্যবস্থা, যেখানে সুখের পাশাপাশি যন্ত্রণাকেও ব্যবহার করা হয় প্রাণীদের কর্মচঞ্চল রাখার জন্য এবং তাদের আত্মরক্ষার কাজে সতর্ক রাখার জন্য। অথচ মানুষের বুদ্ধিতে মনে হয় কেবল সুখের বিভিন্ন মাত্রাই এই কাজের জন্য যথেষ্ট হতে পারত। সব প্রাণীরাই সবসময় আনন্দের মধ্যে থাকতে পারত: কিন্তু যখনই প্রকৃতির কোনো প্রয়োজন দেখা দিত যেমন তৃষ্ণা, ক্ষুধা বা ক্লান্তি; তখন যন্ত্রণার বদলে তাদের আনন্দ কিছুটা কমে যেতে পারত, যা তাদের প্রয়োজনীয় খাবার বা বস্তুর সন্ধানে উৎসাহিত করত। মানুষ যেমন কষ্ট এড়াতে চায়, তেমনি সে সুখের পেছনেও সমানভাবে দৌড়ায়; অন্তত তারা সেভাবেই গঠিত হতে পারত। তাই এটি পরিষ্কার যে কোনো যন্ত্রণা ছাড়াই জীবনের কাজগুলো চালিয়ে নেওয়া সম্ভবপর ছিল। তবে কেন প্রাণীদের এই ধরণের যন্ত্রণা ভোগ করার যোগ্য করে তৈরি করা হয়েছে? যদি তারা এক ঘণ্টার জন্য এই কষ্ট থেকে মুক্ত থাকতে পারে, তবে তারা সারা জীবনের জন্যও তা হতে পারত; আর তাদের শরীরে এই যন্ত্রণার অনুভূতি তৈরি করার জন্য দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তির মতোই আলাদা একটি জৈবিক গঠনের প্রয়োজন ছিল। তবে কি আমরা কোনো যুক্তি ছাড়াই ধরে নেব যে এই ব্যবস্থাটি একান্ত প্রয়োজন ছিল? আর আমরা কি সেই অনুমানের ওপর ভিত্তি করেই একে ধ্রুব সত্য বলে মেনে নেব?
** [[ডেভিড হিউম]], ''[https://www.gutenberg.org/ebooks/4583 ডায়ালগস কনসার্নিং ন্যাচারাল রিলিজিয়ন]'' (১৭৭৯), অংশ ১১
* এলম গাছের একদম মগডালে বসে,<br/>অন্ধকারে নিজেদের মাঝে কী যেন বলাবলি করছে<br/>একদল মিশুক শালিকের ঝাঁক,<br/>দিনের সেই শেষ সূর্যের আলোটুকু<br/>উপভোগ করছে তারা, রাতের আহার ছাড়াই।<br/>অর্ধেক অনাহার আর প্রচণ্ড ঠান্ডায় জমে গিয়ে পায়রাটি<br/>নিজের পালক ফুলিয়ে ঝিমুচ্ছে সেই খোলার চালের ওপর,<br/>মনে হয় যেন সে তার প্রেমের শপথ আর ভালোবাসার<br/>সেই সুরের কথা একদম ভুলে গিয়েছে।
** জেমস হার্ডিস, "বার্ডস ইন উইন্টার", [https://www.google.com/books/edition/The_Reciter_a_Work_Consisting_of_Pieces/Vx9YAAAAcAAJ দ্য রিসাইটার] (১৮১২), সংস্করণ এডওয়ার্ড ওয়ার্ড
* প্রাকৃতিক নির্বাচন আসলে ঈশ্বরের যাঁতাকলের মতো যা খুব ধীরে ঘোরে এবং খুব মিহিভাবে পিষে ফেলে, তবে এর বাইরে আর কোনো গুণ নেই যাকে কোনো সভ্য ধর্ম পবিত্র বা ঐশ্বরিক বলতে পারে। এটি নিজের উপায়ে দক্ষ ঠিকই—কিন্তু এর দাম দিতে হয় প্রচণ্ড ধীরগতি আর চরম নিষ্ঠুরতার মাধ্যমে। এটি সম্পূর্ণ অন্ধ এবং যান্ত্রিক; আর সেই কারণেই এর ফলাফলগুলো আমাদের কাছে আকর্ষণীয় হওয়ার চেয়ে নান্দনিক, নৈতিক বা বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে জঘন্য হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি থাকে। আমাদের কেবল ‘স্যাকুলিনা’ (Sacculina) বা ব্ল্যাডার-ওয়ার্মের কুৎসিত রূপ, গণ্ডার বা স্টেগোসরাসের বোকামি, স্ত্রী মাকড়সার নিজ সঙ্গীকে গিলে খাওয়া কিংবা পরজীবী বোলতাদের শুঁয়োপোকাকে ধীরে ধীরে ভেতর থেকে খেয়ে ফেলার ভয়ংকর দৃশ্যগুলোর কথা ভাবলেই এটি পরিষ্কার হয়ে যায়।
** জুলিয়ান হাক্সলি, ''[[iarchive:in.ernet.dli.2015.280031|ইভোলিউশন: দ্য মডার্ন সিন্থেসিস]]'' (১৯৪৩)
* একজন নীতিবিদের দৃষ্টিতে প্রাণিজগত আর গ্ল্যাডিয়েটরদের লড়াইয়ের প্রদর্শনীর স্তর প্রায় একই। সেখানে প্রাণীদের মোটামুটি যত্ন নেওয়া হয় এবং লড়াইয়ে নামিয়ে দেওয়া হয়—যেখানে কেবল সবচেয়ে শক্তিশালী, দ্রুততম এবং চতুরতম প্রাণীটিই পরবর্তী লড়াইয়ের জন্য বেঁচে থাকে। দর্শককে এখানে বুড়ো আঙুল নিচের দিকে নামিয়ে সঙ্কেত দেওয়ার প্রয়োজন নেই কারণ কাউকে কোনো ক্ষমা করা হয় না। তাকে অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে প্রাণীদের দেখানো দক্ষতা আর প্রশিক্ষণ সত্যিই চমৎকার। কিন্তু তাকে চোখ বন্ধ করে নিতে হবে যদি সে বিজয়ী আর বিজিত উভয়েরই সেই দীর্ঘস্থায়ী যন্ত্রণার দৃশ্য দেখতে না চায়। আর যেহেতু এই বড় খেলাটি বিশ্বের প্রতিটি কোণায় প্রতি মিনিটে হাজার হাজার বার চলছে; তাই আমাদের কান যদি যথেষ্ট তীক্ষ্ণ হতো, তবে সেই যন্ত্রণার দীর্ঘশ্বাস আর আর্তনাদ শোনার জন্য আমাদের নরকের দ্বারে যাওয়ার প্রয়োজন হতো না।
** থমাস হেনরি হাক্সলি, "[https://mathcs.clarku.edu/huxley/CE9/Str.html মানবসমাজে অস্তিত্বের সংগ্রাম]", ''ইভোলিউশন অ্যান্ড এথিক্স, অ্যান্ড আদার এসেস'' (১৮৯৪)
* এক অসীম জ্ঞানী, দয়ালু এবং সর্বশক্তিমান ঈশ্বর কি মানুষ সৃষ্টি করার অভিপ্রায়ে জীবনের একদম সর্বনিম্ন পর্যায় থেকে কাজ শুরু করবেন? তিনি কি সবচেয়ে সরল একটি প্রাণের অস্তিত্ব দিয়ে শুরু করবেন এবং কোটি কোটি বছর ধরে খুব ধীরে ধীরে সেই রুক্ষ সূচনা থেকে উন্নতির মাধ্যমে মানুষকে বিবর্তিত করবেন? অগণিত সময় কি এভাবেই অকেজো বা অদ্ভুত সব প্রাণীর শরীর তৈরি করতে নষ্ট করা হবে, যা পরে তিনি নিজেই পরিত্যাগ করবেন? মানুষের বুদ্ধি কি মাটির ওপর এই সব হামাগুড়ি দিয়ে চলা ভয়ংকর প্রাণীদের অস্তিত্বের পেছনে বিন্দুমাত্র প্রজ্ঞার ছোঁয়া খুঁজে পেতে পারে, যারা কেবল অন্যদের নিদারুণ যন্ত্রণা আর তীব্র কষ্টের ওপর ভর করেই বেঁচে থাকে? আমরা কি এই পৃথিবীর গঠনের পেছনে কোনো যৌক্তিকতা দেখতে পাই, যেখানে এর পৃষ্ঠের কেবল একটি নগণ্য অংশই একজন বুদ্ধিমান মানুষের জন্মের অনুকূল? কে সেই করুণার প্রশংসা করতে পারে যা বিশ্বকে এমনভাবে তৈরি করেছে যাতে প্রতিটি প্রাণী অন্য প্রাণীকে ছিঁড়ে খায়; যাতে প্রতিটি মুখ একেকটি কসাইখানা আর প্রতিটি পেট একেকটি কবরস্থান হয়ে ওঠে? এই বিশ্বব্যাপী এবং চিরস্থায়ী রক্তপাতের মধ্যে কি অনন্ত বুদ্ধি আর ভালোবাসার খোঁজ পাওয়া সম্ভব?
** রবার্ট জি. ইনগারসোল, ''[http://www.gutenberg.org/ebooks/38107 দ্য গডস]'' (১৮৭৮)
* প্রকৃতির মাঝে আমি ভালো আর মন্দের খেলা দেখি—বা দেখতে পাই বলে মনে হয়; সেখানে জ্ঞান আর অজ্ঞতা, দয়া আর নিষ্ঠুরতা, যত্ন আর অবহেলা এবং মিতব্যয়িতা আর অপচয়—সবই উপস্থিত। আমি এমন সব উপায় বা মাধ্যম দেখি যা নিজের লক্ষ্য অর্জনে সফল হয় না—এমন সব পরিকল্পনা দেখি যা ব্যর্থ হতে দেখা যায়।<br>আমার কাছে এটি অসীম নিষ্ঠুরতা বলে মনে হয় যে প্রাণের আহার হয় অন্য কোনো প্রাণ—অন্যদের গিলে ফেলার জন্য প্রাণীদের সৃষ্টি করা।<br>সেই সব দাঁত, ঠোঁট, নখ আর ধারালো দাঁত যা ছিঁড়ে ফেলে এবং ক্ষতবিক্ষত করে, তা আমাকে আতঙ্কে শিউরে তোলে। একটি চির-যুদ্ধরত বিশ্বের চেয়ে ভয়ংকর আর কী হতে পারে? প্রতিটি পাতা যেন একেকটি রণক্ষেত্র; প্রতিটি ফুল যেন একেকটি যন্ত্রণার প্রতীক; পানির প্রতিটি ফোঁটায় চলছে তাড়া করা, ধরা পড়া এবং মৃত্যু। প্রতিটি গাছের ছালের নিচে এক জীবন অন্য জীবনের জন্য ওত পেতে থাকে। ঘাসের প্রতিটি ডগায় এমন কিছু আছে যা অন্যকে মেরে ফেলে অথবা এমন কিছু যা যন্ত্রণায় ছটফট করে। সর্বত্রই সবল দুর্বলের ওপর নির্ভর করে বেঁচে আছে—উচ্চতররা নিম্নতরদের ওপর। আবার সর্বত্রই দুর্বল আর নগণ্যরা সবলের ওপর বেঁচে থাকে—নিম্নতররা উচ্চতরদের ওপর—সর্বোচ্চ প্রাণীরা ক্ষুদ্রতমদের খাবারে পরিণত হয়—অণুজীবদের জন্য মানুষকেও জীবন দিতে হয়। হত্যাই এখানে বিশ্বজনীন। সর্বত্রই কেবল যন্ত্রণা, রোগ আর মৃত্যু—সেই মৃত্যু কুঁজো শরীর বা পাকা চুলের জন্য অপেক্ষা করে না, বরং নবজাতক আর প্রাণচঞ্চল তরুণদের আঁকড়ে ধরে। সেই মৃত্যু মাকে তার অসহায় ছোট সন্তানের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়—সেই মৃত্যু পুরো পৃথিবীকে গভীর শোক আর অশ্রুতে ভরিয়ে দেয়।
** রবার্ট জি. ইনগারসোল, [https://www.gutenberg.org/ebooks/38804 ''দ্য ওয়ার্কস অফ রবার্ট জি. ইনগারসোল''], খণ্ড ৪ (১২ খণ্ডের মধ্যে) (১৯০০)
* নেকড়ে মেষশাবকের সাথে একত্রে বসবাস করবে,<br/>চিতাবাঘ ছাগলের সাথে গা এলিয়ে শুয়ে থাকবে,<br/>বাছুর, সিংহ আর পুষ্ট বাছুরগুলো একসাথেই থাকবে;<br/>আর একটি ছোট্ট শিশু তাদের পথ দেখিয়ে নিয়ে যাবে।<br/>গাভী আর ভাল্লুক একসাথে আহার করবে,<br/>তাদের ছানাগুলো একসাথেই শুয়ে থাকবে,<br/>আর সিংহ বলদের মতো খড় খাবে।<br/>দুগ্ধপোষ্য শিশু গোখরোর গর্তের কাছে খেলা করবে,<br/>আর ছোট শিশু বিষধর সাপের বাসার ভেতরে নিজের হাত ঢুকিয়ে দেবে।<br/>আমার এই পবিত্র পাহাড়ের কোথাও কেউ<br/>কারো কোনো ক্ষতি করবে না বা কাউকে ধ্বংস করবে না,<br/>কারণ জল যেমন সমুদ্রকে ঢেকে রাখে,<br/>তেমনি সারা পৃথিবী প্রভুর জ্ঞানে পরিপূর্ণ হয়ে উঠবে।
** ইশাইয়া, ১১:৬–৯ (এনআইভি)
* বন্য মাংসাশী প্রাণীরা যেভাবে অন্য প্রাণীদের শিকার করে, তার প্রামাণ্যচিত্র বা ডকুমেন্টারি ফিল্মগুলো সাধারণত এমনভাবে সম্পাদনা করা হয় যাতে প্রকৃতির রূঢ় বাস্তবতা খুব একটা ফুটে না ওঠে। তবে বারো বছর আগে আমি ঘটনাক্রমে একটি টেলিভিশন প্রোগ্রাম দেখেছিলাম যেখানে কোনো তথ্য গোপন না করেই সব বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছিল... পাঁচটি হায়েনা রাতে হরিণের মতো একটি প্রাণীকে ঘিরে ধরেছিল এবং তার পেটে কামড়ে ধরেছিল। প্রাণীটি তখন পালানোর বা বাধা দেওয়ার মতো সব শক্তি হারিয়ে ফেলেছিল এবং হায়েনাদের সেই অনবরত আক্রমণে ভয়ে একদম আড়ষ্ট হয়ে গিয়েছিল। মুহূর্তের মধ্যেই তার পেটের চামড়া ছিঁড়ে গেল এবং সারা পেটের রক্তাক্ত মাংস বেরিয়ে পড়ল। প্রাণীটির চারটে পা থরথর করে কাঁপছিল কিন্তু সে পড়ে যায়নি; পাগুলো রক্তাক্ত শরীরটাকে কোনোমতে ঠেকিয়ে রেখেছিল। হায়েনারা প্রাণীটির বেরিয়ে আসা সেই কাঁচা মাংস একটু একটু করে ছিঁড়ে খাচ্ছিল। প্রাণীটি তখনও মাটিতে লুটিয়ে পড়েনি এবং নিজের সবটুকু শক্তি দিয়ে কোনোমতে দাঁড়িয়ে ছিল, কিন্তু কেউ সেই অসহায় প্রাণীটিকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেনি; তাকে জীবন্ত অবস্থায় এভাবেই খেয়ে ফেলা হচ্ছিল... এই ধরণের ঘটনা কোনো বিশেষ কিছু নয় বরং পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তে প্রতিদিন হাজার হাজার বার এর পুনরাবৃত্তি ঘটছে। তবে আমি এতটাই গভীরভাবে বিচলিত হয়েছিলাম যেন প্রকৃতির নিষ্ঠুরতার প্রকৃত রূপ আমি সেই প্রথমবার দেখলাম। আমার মনে এক ধরণের অনুভূতি কাজ করছিল যে এমন বীভৎস ঘটনা পৃথিবীতে একদমই থাকা উচিত নয়। এমনকি মানুষ যদি একে প্রাকৃতিক নিয়ম হিসেবে মেনেও নেয়, তবুও আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। আমার খুব ইচ্ছে করছিল সেই হায়েনাদের তাড়িয়ে দিয়ে অসহায় প্রাণীটিকে জীবন্ত খেয়ে ফেলার হাত থেকে রক্ষা করি... যদি আমি ঘটনাক্রমে সেই টেলিভিশন প্রোগ্রামটি না দেখতাম, তবে হয়তো আমি আগের মতোই মাংস খাওয়া চালিয়ে যেতাম এবং প্রকৃতির এই ভয়ংকর নিষ্ঠুরতা সম্পর্কে একদম অজ্ঞ থেকে এক অগভীর জীবনদর্শন নিয়ে বেঁচে থাকতাম।
** নাওকি ইওয়াসাওয়া, ''ফর বিয়িং হ্যাপি ইন লাইফ অ্যান্ড কাম অ্যাট ডেথ: হোয়াট উই ক্যান ডু'' (২০১১), পৃষ্ঠা ১৭৮ <small>{{আইএসবিএন|978-1457505737}}</small>
* কেবল গৃহপালিত পশুদের প্রতি সহানুভূতি দেখানো আর মাংসাশী প্রাণীদের হাতে আক্রান্ত প্রাণীদের কথা ভুলে যাওয়া মোটেও ন্যায্য নয়। আমি যে দৃশ্যটি বর্ণনা করলাম [হায়েনার হাতে আক্রান্ত হরিণের সেই দৃশ্যটি], তা যদি কেউ সরাসরি পর্যবেক্ষণ করতেন, তবে প্রত্যেকেই সেই অসহায় প্রাণীটিকে সাহায্য করতে চাইতেন।
** নাওকি ইওয়াসাওয়া, ''ফর বিয়িং হ্যাপি ইন লাইফ অ্যান্ড কাম অ্যাট ডেথ: হোয়াট উই ক্যান ডু'' (২০১১), পৃষ্ঠা ১৮২ <small>{{আইএসবিএন|978-1457505737}}</small>
* "ইঁদুর খাবারের খোঁজে বাইরে বের হয় এবং সে তার বুদ্ধিবলে খাবার সংগ্রহ করতে পটু, কারণ সে তার নিজের চেয়ে কম শক্তিশালী সব প্রাণীকেই খেয়ে ফেলে।" আবার তাকেও "সাপ আর শিকারি পাখিদের হাত থেকে বেঁচে চলতে হয়, যারা তাকে গিলে ফেলার জন্য ওত পেতে থাকে" এবং যারা ইঁদুরের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। মশা "সহজাতভাবেই জানে যে রক্তই তাদের বেঁচে থাকার রসদ" এবং যখন তারা কোনো প্রাণীকে দেখে, তখন "তারা বুঝতে পারে যে ওই প্রাণীর চামড়াটা তাদের খাবারের জোগান দেওয়ার জন্যই তৈরি হয়েছে।" আবার মাছিরা মশাকে শিকার করে, "যা তাদের সবচেয়ে প্রিয় খাবার;" আর শিকারি প্রাণীরা আবার সেই মাছিদের খেয়ে ফেলে। "সংক্ষেপে বলতে গেলে, কোনো প্রাণীই খাবার ছাড়া বেঁচে থাকতে পারে না, আবার শিকারি প্রাণীরাও শিকারে পরিণত হওয়া থেকে রেহাই পায় না। প্রতিটি দুর্বল প্রাণী তার চেয়েও দুর্বল প্রাণীকে গিলে খায়। একইভাবে শক্তিশালী প্রাণীরাও তাদের চেয়ে বেশি শক্তিশালী প্রাণীদের হাতে প্রাণ হারানো থেকে বাঁচতে পারে না।"
** আল-জাহিয, কনওয়ে জিরকলের "ন্যাচারাল সিলেকশন বিফোর দ্য 'অরিজিন অফ স্পিসিস'"-এ উদ্ধৃত, ''প্রসিডিংস অফ দি আমেরিকান ফিলোসফিক্যাল সোসাইটি'', খণ্ড ৮৪, সংস্করণ ১, পৃষ্ঠা ৭১–১২৩।
* জীবনের স্বাভাবিক প্রবাহে এমন কিছু মুহূর্ত আসে যা চরম বিষণ্ণতা বা উন্মাদনার চেয়েও খারাপ। এই মুহূর্তগুলোতে জগতের চরম অমঙ্গল বা মন্দ দিকটি তার পূর্ণ রূপ নিয়ে প্রকাশ পায়। একজন উন্মাদের কল্পনায় যে ভয়ংকর দৃশ্যগুলো ভেসে ওঠে, তার উপাদানগুলো আসলে আমাদের চারপাশের দৈনন্দিন নিষ্ঠুর বাস্তবতা থেকেই নেওয়া। আমাদের সভ্যতা মূলত এক কসাইখানার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে এবং প্রতিটি একক প্রাণের অস্তিত্ব শেষ হয় একাকী অসহায় যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে। বন্ধু আমার, আপনি যদি এই সত্যের বিরোধিতা করেন, তবে আপনি নিজে সেখানে পৌঁছানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন! সুদূর অতীতে ডাইনোসরের মতো বিশালাকার সব মাংসাশী সরীসৃপদের কথা কল্পনা করা আমাদের জন্য কঠিন সেগুলোকে এখন কেবল জাদুঘরের কঙ্কাল বলেই মনে হয়। অথচ সেই সব কঙ্কালের প্রতিটি দাঁত বহু বছর ধরে প্রতিদিন কোনো না কোনো অভাগা প্রাণীকে শক্ত করে কামড়ে ধরত, যে প্রাণীটি বাঁচার জন্য আপ্রাণ সংগ্রাম করত। আজকের দিনেও সেই একই ধরণের বিভীষিকা আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে আছে, যদিও তার আকার হয়তো ছোট। ঠিক আমাদের ঘরের কোণায় কিংবা বাগানে সেই নিষ্ঠুর বিড়ালটি যন্ত্রণায় হাঁপাতে থাকা ইঁদুরটি নিয়ে খেলা করে, অথবা ছটফট করতে থাকা পাখিটিকে নিজের চোয়ালের নিচে চেপে ধরে। কুমির, র্যাটল স্নেক আর পাইথনদের মতো প্রাণীরাও আমাদের মতোই রক্তমাংসের জীব; তাদের সেই বিভীষিকাময় অস্তিত্ব প্রতিদিন প্রতিটি মিনিট ধরে বয়ে চলেছে। যখনই তারা বা অন্য কোনো বন্য পশু তাদের জীবন্ত শিকারকে জাপটে ধরে, তখন একজন চরম বিষণ্ণ মানুষের মনের সেই ভয়ংকর আতঙ্কটি আসলে পরিস্থিতির একদম সঠিক বহিঃপ্রকাশ।
** উইলিয়াম জেমস, ''দ্য ভ্যারাইটিজ অফ রিলিজিয়াস এক্সপেরিয়েন্স'' (১৯০২), পৃষ্ঠা ১৬৩–১৬৪
* নেকড়ের সেই ধারালো দাঁত ছাড়া আর কীই বা হরিণের পাগুলোকে এতটা ক্ষিপ্র আর দ্রুতগামী করতে পারত?<br/>ভয় ছাড়া আর কে পাখিদের ডানা দিত? আর ক্ষিপ্র বাজপাখির মাথায় ওই উজ্জ্বল তীক্ষ্ণ চোখগুলো কি ক্ষুধা ছাড়া আর কেউ তৈরি করতে পারত?<br/>আসলে এই জগতের সব কিছুর মূলে বা পিতা হিসেবে কাজ করেছে চরম সহিংসতা।
** রবিনসন জেফার্স, "[https://www.poetryfoundation.org/poetrymagazine/poems/22770/the-bloody-sire দ্য ব্লাডি সায়ার]"
* দেশের মাটিতে বৃষ্টি নেই বলে চারদিকের জমি ফেটে চৌচির হয়ে গেছে;<br />চাষিরা হতাশ হয়ে পড়েছে<br />এবং দুঃখে তারা তাদের মাথা ঢেকে রেখেছে।<br />এমনকি মাঠের হরিণীও<br />তার সদ্যোজাত শাবককে ফেলে চলে যাচ্ছে,<br />কারণ সেখানে খাওয়ার মতো কোনো ঘাস নেই।<br />বন্য গাধারা জনশূন্য পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে<br />শেয়ালের মতো হাঁপাচ্ছে;<br />খাবারের অভাবে<br />তাদের চোখগুলো ঝাপসা হয়ে আসছে।
** জেরেমিয়াহ ১৪:৪–৬ (এনআইভি)
* তুমি কি সিংহীর জন্য শিকার খুঁজে আনো<br />এবং সিংহদের ক্ষুধা মেটাও,<br />যখন তারা তাদের গুহার ভেতরে ওত পেতে বসে থাকে<br />অথবা ঝোপের আড়ালে শিকারের জন্য অপেক্ষা করে?<br />দাঁড়কাকের জন্য আহার কে জোগায়,<br />যখন তার ছানাগুলো খাবারের অভাবে খাবারের খোঁজে ঘুরে বেড়ায়<br />এবং ঈশ্বরের কাছে সাহায্যের জন্য আর্তনাদ করে?
** জব ৩৮:৩৯–৪৩ (এনআইভি)
* আমি হয়তো এই পৃথিবীর মাঝে সবচেয়ে বেশি সুখী হতে পারতাম,<br />কিন্তু আমি সমুদ্রের গভীর তলদেশে এমন এক দৃশ্য দেখেছি<br />যেখানে প্রতিটি বড় ক্ষুধার্ত মুখ সব সময়<br />তার চেয়ে দুর্বল ও ছোট প্রাণীদের আহার করে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখছে।
** [[জন কিটস]], "[http://keats-poems.com/to-john-hamilton-reynolds/ এপিসল টু জন হ্যামিল্টন রেনল্ডস]" (১৮১৮)
* আমি এখনও সেই অত্যন্ত ভয়ংকর ধ্বংসলীলা দেখতে পাই:<br />হাঙ্গর তার শিকারকে হিংস্রভাবে আক্রমণ করছে, বাজপাখি হঠাৎ ছোঁ মেরে শিকার ধরছে,<br />এমনকি শান্ত রবিন পাখিটিও যেন কোনো চিতাবাঘের মতো হিংস্র হয়ে একটি কেঁচো বা পোকাকে ছিঁড়ে খাচ্ছে।
** [[জন কিটস]], "[http://keats-poems.com/to-john-hamilton-reynolds/ এপিসল টু জন হ্যামিল্টন রেনল্ডস]" (১৮১৮)
* বাঘ জিরাফের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তার ওপর চড়ে বসে থাকে, আর সারাক্ষণ সেই রক্তাক্ত প্রাণীটির শরীর থেকে মাংস ছিঁড়ে নিতে থাকে; পুমা পাহাড়ি ছাগলের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে; হায়েনা তার জীবন্ত শিকারের শরীর থেকে নাড়িভুঁড়ি টেনে বের করে আনে এবং বিড়ালটি সেই চমৎকার গায়ক পাখিটির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তার নিষ্পাপ জীবনটি কেড়ে নেয়। তবে কোথায় আপনাদের সেই দয়ালু, প্রেমময় এবং ব্যক্তিগত ঈশ্বর?
** এমিল এডওয়ার্ড কুসেল, ''হিউম্যানিটারিয়ান ফিলোসফি'' (১৯১২), পৃষ্ঠা ২১
* কিছুদিন আগে আমি বন্যপ্রাণীদের ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র দেখছিলাম। সেখানে দেখানো হয়েছিল কীভাবে কোমোডো ড্রাগনরা প্রথমে বিষ প্রয়োগ করে একটি জলমহিষকে শিকার করার চেষ্টা করে এবং প্রায় এক সপ্তাহ ধরে সেটির পিছু নেয়। সবশেষে যখন তাদের শিকারটি আত্মরক্ষার ক্ষমতা পুরোপুরি হারিয়ে ফেলে একদম দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন তারা সেটির নাড়িভুঁড়ি বের করে তাকে জ্যান্ত অবস্থাতেই খেতে শুরু করে। ক্যামেরাম্যান জানিয়েছিলেন যে এটিই ছিল বন্যপ্রাণীদের ওপর তার জীবনের প্রথম কাজ, এবং সম্ভবত এটিই হবে তার শেষ কাজ; কারণ যে গভীর কষ্ট বা যন্ত্রণার তিনি প্রত্যক্ষ সাক্ষী হয়েছিলেন, তা সহ্য করার মতো মানসিক শক্তি তার ছিল না। সেটি তো ছিল মাত্র একটি অসহায় প্রাণীর গল্প। অথচ প্রতিদিন ''লাখ লাখ'' প্রাণীকে একইভাবে টিকে থাকার তাগিদে একে অপরের শরীর ছিঁড়ে ফেলতে বাধ্য হতে হয়। আর এই নিষ্ঠুরতা চলে আসছে ''কোটি কোটি বছর ধরে''। অনেক দিক থেকে এটি একটি সুন্দর পৃথিবী হতে পারে, কিন্তু এর অগণিত বাসিন্দাদের জন্য এটি অবিশ্বাস্য রকমের নিষ্ঠুর আর ভয়ংকর একটি জগত।
** স্টিফেন ল, "[https://stephenlaw.blogspot.com/2016/01/god-and-theodicies_10.html ঈশ্বর, অমঙ্গল এবং থিওডিসি]" (২০১৬)
* প্রকৃতিতে প্রাণীরা প্রচুর কষ্ট ভোগ করে। তারা সারাক্ষণ খাবারের খোঁজে ব্যস্ত থাকে; চরম আবহাওয়া বা প্রতিকূল জলবায়ু থেকে তাদের সুরক্ষা খুবই সামান্য; তারা যদি আহত বা অসুস্থ হয় তবে কোনো চিকিৎসাগত সাহায্য পায় না; তারা নিয়মিতভাবে অন্যান্য বন্যপ্রাণীদের মাধ্যমে আক্রান্ত হয়; এবং এভাবেই তাদের জীবন কাটে। তাছাড়াও পৃথিবীতে আসা প্রায় সব প্রাণীই বংশবৃদ্ধির আগেই মারা যায়। আমাদের এটি উপলব্ধি করা প্রয়োজন যে, কোনো একটি নির্দিষ্ট এলাকায় প্রাণীদের সংখ্যা তখনই স্থিতিশীল থাকে যখন গড়ে প্রতিটি প্রাণী অন্তত একটি করে বংশধর রেখে যেতে পারে যারা নিজেরাও বংশবৃদ্ধি করতে সক্ষম। প্রজননকারী প্রাণীরা আসলে দশটি, ১০০টি বা তারও বেশি সন্তান জন্ম দেয় যার অর্থ হলো তাদের মধ্যে খুব সামান্যই শেষ পর্যন্ত টিকে থাকে। এই গণমৃত্যু বা হত্যাকাণ্ডই প্রমাণ করে যে তারা ঠিক কতটা কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে জীবন কাটায়। তাই কিছু প্রজাতিবাদ-বিরোধী বা অ্যান্টিস্পিসিসিস্ট মনে করেন যে, এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে আমাদের উচিত বন্যপ্রাণীদের সেই সব দুঃখ-কষ্ট থেকে মুক্তি দেওয়ার উপায় খুঁজে বের করা যা তাদের প্রতিনিয়ত বিপর্যস্ত করে তোলে।
** টমাস লেপেলটিয়ার, "[https://lamorce.co/lecologie-va-t-elle-tuer-lantispecisme/ বাস্তুসংস্থান কি প্রজাতিবাদ-বিরোধিতাকে ধ্বংস করে দেবে?]", ''লামোর্স'', ১৩ জুলাই ২০২০
* এভাবেই কাঠবিড়ালি র্যাটল স্নেক বা বিষধর সাপের হাত থেকে বাঁচার জন্য পালিয়ে বেড়ায় এবং তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে অজান্তেই তার সেই অত্যাচারী শিকারির মুখের ভেতরে গিয়ে পড়ে। আমিই হলাম সেই প্রকৃতি, যার হাত থেকে তুমি পালানোর চেষ্টা করছ।
** গিয়াকোমো লিওপার্দি, "প্রকৃতি এবং এক আইসল্যান্ডবাসীর মধ্যে সংলাপ", ''এসেস অ্যান্ড ডায়ালগস'' (১৮৮২), পৃষ্ঠা ৭৪
* আমিও স্বাভাবিকভাবেই এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে, আপনি মানুষ এবং আপনার সৃষ্টি করা অন্য সব প্রাণীদের প্রধান শত্রু। কখনো লোভ দেখিয়ে আবার কখনো ভয় দেখিয়ে; কখনো আক্রমণ করে, কখনো আঘাত করে, কখনো পিছু নিয়ে আবার কখনো ধ্বংস করে আপনি সবসময় আমাদের যন্ত্রণা দেওয়ার কাজেই ব্যস্ত থাকেন। অভ্যাসগত কারণে হোক বা প্রয়োজনেই হোক, আপনি আপনার নিজের পরিবারেরই শত্রু এবং নিজের রক্তমাংসের এক ঘাতক।
** গিয়াকোমো লিওপার্দি, "প্রকৃতি এবং এক আইসল্যান্ডবাসীর মধ্যে সংলাপ", ''এসেস অ্যান্ড ডায়ালগস'' (১৮৮২), পৃষ্ঠা ৭৭
* আমি আপনাকে এভাবেই উত্তর দিচ্ছি। আমি ভালো করেই জানি যে আপনি এই পৃথিবীটা মানুষের সেবার জন্য তৈরি করেননি। বরং এটি বিশ্বাস করা সহজ যে আপনি এটি মানুষের যন্ত্রণার জায়গা হিসেবেই তৈরি করেছেন। কিন্তু আমাকে বলুন: আমি আদৌ এখানে কেন? আমি কি এই পৃথিবীতে আসার কোনো আবেদন করেছিলাম? নাকি আমি এখানে আপনার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো অস্বাভাবিক উপায়ে এসেছি? যদি আপনি নিজেই আমাকে এখানে এনে থাকেন, জীবনের এই উপহার গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যান করার কোনো ক্ষমতা আমাকে না দিয়েই, তবে কি আপনার উচিত ছিল না আমাকে যতটা সম্ভব সুখে রাখা? অন্তত আমাকে সেই সব অমঙ্গল আর বিপদ থেকে রক্ষা করা কি আপনার দায়িত্ব ছিল না যা আমার এই অবস্থানকে যন্ত্রণাদায়ক করে তোলে? আর আমি নিজের সম্পর্কে যা বলছি, তা সমগ্র মানবজাতি এবং প্রতিটি জীবন্ত প্রাণীর ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
** গিয়াকোমো লিওপার্দি, "প্রকৃতি এবং এক আইসল্যান্ডবাসীর মধ্যে সংলাপ", ''এসেস অ্যান্ড ডায়ালগস'' (১৮৮২), পৃষ্ঠা ৭৮–৭৯
* সব দার্শনিকরাই এমনটা বলে থাকেন। কিন্তু যেহেতু যা কিছু ধ্বংস হয় তা কষ্ট পায় এবং যা সেই ধ্বংসের বুক থেকে জন্ম নেয় সেও সময়ের ব্যবধানে একইভাবে কষ্ট পায় এবং শেষ পর্যন্ত নিজেও ধ্বংস হয়ে যায়, তবে কি আপনি আমাকে একটি বিষয়ে পরিষ্কার করবেন যা নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো দার্শনিক আমাকে সন্তুষ্ট করতে পারেননি? এই পৃথিবীর সব প্রাণীর যন্ত্রণা আর মৃত্যুর বিনিময়ে এই শোচনীয় জীবনধারা আসলে কার আনন্দ বা সেবার জন্য টিকিয়ে রাখা হয়েছে?
** গিয়াকোমো লিওপার্দি, "প্রকৃতি এবং এক আইসল্যান্ডবাসীর মধ্যে সংলাপ", ''এসেস অ্যান্ড ডায়ালগস'' (১৮৮২), পৃষ্ঠা ৭৯
* তারা যখন এই সব প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করছিলেন, ঠিক তখনই বলা হয়ে থাকে যে হঠাৎ দুটি সিংহ সেখানে উপস্থিত হলো। সেই পশুগুলো ক্ষুধার জ্বালায় এতটাই দুর্বল আর কঙ্কালসার হয়ে পড়েছিল যে তারা সেই আইসল্যান্ডবাসীকে খাওয়ার মতো শক্তিও পাচ্ছিল না। তবুও তারা সেই কাজটি সম্পন্ন করল এবং এভাবেই সেই দিনের শেষ পর্যন্ত বেঁচে থাকার মতো শক্তি সঞ্চয় করল।
** গিয়াকোমো লিওপার্দি, "প্রকৃতি এবং এক আইসল্যান্ডবাসীর মধ্যে সংলাপ", ''এসেস অ্যান্ড ডায়ালগস'' (১৮৮২), পৃষ্ঠা ৭৯
* মনে হয় যেন মৃত্যুই হলো সব কিছুর মূল লক্ষ্য। যার কোনো অস্তিত্ব নেই সে মরতে পারে না; তবুও যা কিছু অস্তিত্বশীল তার সবই শূন্য থেকে এসেছে। অস্তিত্বের চূড়ান্ত লক্ষ্য সুখ হতে পারে না, কারণ কেউই আসলে সুখী নয়। এটি সত্যি যে প্রতিটি জীবন্ত প্রাণী তাদের সব কাজের মাধ্যমে এই লক্ষ্যই খুঁজে বেড়ায় কিন্তু কেউই তা পায় না; এবং সারা জীবন তারা নিজেদের প্রতারিত করে, যন্ত্রণা দেয় আর পরিশ্রম করে শেষ পর্যন্ত মারা যাওয়ার জন্যই লড়াই চালিয়ে যায়।
** গিয়াকোমো লিওপার্দি, "দ্য সং অফ দ্য ওয়াইল্ড কক", ''এসেস অ্যান্ড ডায়ালগস'' (১৮৮২), পৃষ্ঠা ১৫৩
* গাছপালা, ঘাস আর ফুলে ঘেরা কোনো বাগানে যান। এটি দেখতে যতই চমৎকার মনে হোক না কেন, এমনকি বছরের সবচেয়ে মনোরম ঋতুতেও আপনি সেখানে তাকালে কোনো না কোনো কষ্ট অবশ্যই খুঁজে পাবেন। গাছপালার সেই পুরো জগতটি যেন এক ধরণের সুফরঁস (যন্ত্রণার) মধ্যে রয়েছে, প্রত্যেকেই নিজের মতো করে কোনো না কোনো মাত্রায় কষ্ট পাচ্ছে। এখানে একটি গোলাপ হয়তো সূর্যের তাপে দগ্ধ হচ্ছে যা একসময় তাকে জীবন দিয়েছিল; সেটি এখন শুকিয়ে যাচ্ছে, নিস্তেজ হয়ে পড়ছে আর ঝরে যাচ্ছে। সেখানে একটি লিলি ফুলকে হয়তো একটি মৌমাছি নিষ্ঠুরভাবে চুষে খাচ্ছে, তার সবচেয়ে সংবেদনশীল আর প্রাণবন্ত অংশগুলো থেকে রস শুষে নিচ্ছে। পরিশ্রমী, ধৈর্যশীল আর গুণী মৌমাছিরা সেই মিষ্টি মধু তৈরি করে সেই সব কোমল অংশগুলোর অবর্ণনীয় যন্ত্রণার বিনিময়ে এবং ছোট ছোট ফুলের নির্মম বিনাশের মাধ্যমে। সেই গাছটি হয়তো পিঁপড়াদের দ্বারা আক্রান্ত, অন্যটি শুঁয়োপোকা, মাছি, শামুক কিংবা মশা দ্বারা জর্জরিত; এই গাছটির ছাল হয়তো আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে এবং সূর্যের আলো বা বাতাসের কারণে সেই ক্ষত আরও গভীর হচ্ছে; অন্যটির হয়তো কাণ্ড বা শিকড় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; অন্যটির অনেক পাতা শুকিয়ে গেছে; অন্যটির ফুলগুলো কামড়ে বা ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে; অন্যটির ফলগুলো ছিদ্র করে ভেতর থেকে খেয়ে ফেলা হয়েছে। কোনো গাছের জন্য হয়তো অনেক গরম, কোনোটির জন্য অনেক ঠান্ডা; কোথাও অনেক আলো আবার কোথাও অনেক ছায়া; কোথাও অনেক ভিজে আবার কোথাও অনেক শুকনো। কোনো একটি গাছ হয়তো কোনো বাধার কারণে ঠিকমতো বাড়তে পারছে না; অন্যটি হয়তো কোনো আশ্রয় খুঁজে পাচ্ছে না বা টিকে থাকার লড়াই করছে। পুরো বাগানের মধ্যে আপনি একটিও গাছ পাবেন না যা একদম নিখুঁত স্বাস্থ্যের অধিকারী। এখানে কোনো একটি ডাল হয়তো বাতাসের তোড়ে বা নিজের ভারেই ভেঙে গেছে; সেখানে হয়তো মৃদু বাতাস একটি ফুলকে ছিঁড়ে ফেলছে এবং তার একটি অংশ বা পাপড়ি উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এরই মধ্যে আপনি ঘাসের ওপর দিয়ে হাঁটার সময় সেগুলোকে যন্ত্রণা দিচ্ছেন; আপনি সেগুলোকে পিষে ফেলছেন, রক্ত চুষে নিচ্ছেন এবং শেষ পর্যন্ত মেরে ফেলছেন। একজন সংবেদনশীল আর দয়ালু তরুণী হয়তো মিষ্টি করে ডালপালাগুলো কেটে বা ভেঙে ফেলছে। একজন মালী নিপুণভাবে কাণ্ডগুলো কেটে ফেলছে, তার নখ বা যন্ত্রপাতি দিয়ে ডালপালাগুলো ভেঙে ফেলছে। অবশ্যই এই গাছগুলো বেঁচে থাকে; কোনোটি কারণ তাদের অসুস্থতা প্রাণঘাতী নয়, আবার কোনোটি প্রাণঘাতী রোগ নিয়েও প্রাণীদের মতোই আরও কিছুক্ষণ বেঁচে থাকতে পারে। আপনি যখন প্রথম এই বাগানে প্রবেশ করেন, তখন জীবনের এই প্রাচুর্য দেখে আপনার মন ভালো হয়ে যায় এবং আপনি ভাবেন যে এটি একটি খুব আনন্দের জায়গা। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এই জীবনটি অত্যন্ত শোচনীয় আর অসুখী। প্রতিটি বাগানই আসলে একটি বিশাল হাসপাতালের মতো (যা কোনো সমাধিক্ষেত্রের চেয়েও অনেক বেশি বেদনাদায়ক জায়গা), আর যদি এই সব সত্তারা অনুভব করতে পারত, তবে তাদের জন্য অস্তিত্বহীন থাকাই অস্তিত্বশীল হওয়ার চেয়ে অনেক বেশি ভালো হতো।
** গিয়াকোমো লিওপার্দি, অনুবাদক ক্যাথলিন বাল্ডউইন এবং অন্যান্য, ''জিবালদোনে'' (২০১৩), [৪১৭৫-৪১৭৭] <small>{{আইএসবিএন|978-0374296827}}</small>
* অমঙ্গল ছাড়া এই ধরণের শৃঙ্খলা বজায় থাকা সম্ভব নয়... প্রাণীরা অন্য প্রজাতির আহার বা পুষ্টির জন্য নির্ধারিত। জীবন্ত সত্তাদের মধ্যে নিজেদের সঙ্গীদের প্রতি এক সহজাত হিংসা আর ঘৃণা কাজ করে।
** গিয়াকোমো লিওপার্দি, অনুবাদক ক্যাথলিন বাল্ডউইন এবং অন্যান্য, ''জিবালদোনে'' (২০১৩), [৪৫১১] <small>{{আইএসবিএন|978-0374296827}}</small>
* এইচ. জি. ওয়েলসের ইউটোপিয়া পুরোপুরি নিরামিষাশী বা ভেগান নয়—এমনকি সেটি নিরামিষাশীও নয়: এর মূল উদ্দেশ্য ছিল মানুষকে বসবাসের জন্য একটি স্বর্গ উপহার দেওয়া। তবে আমাদের এই ওয়েলসের ইউটোপিয়ার একটি নিরামিষাশী সংস্করণ কল্পনা না করার কোনো কারণ নেই, যেখানে একটি ‘গার্ডেন আর্থ’ বা উদ্যান সদৃশ পৃথিবীতে সব প্রাণীর ক্ষতিগুলো নির্মূল করা হবে বা অন্তত সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনা হবে। এর মধ্যে হয়তো সেই সব প্রাণীদের বিলুপ্ত করাও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে যারা এই পরিকল্পনার বিরোধী, যেমন মাংসাশী প্রাণীরা। এটি কি নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য হবে?
** অ্যান্ড্রু লুক, "[https://issuu.com/vegan_society/docs/the-vegan-summer-1995/6 এবং হায়েনারা কি আর হাসবে না?]", ''দ্য ভেগান'', খণ্ড ১১, সংস্করণ ২ (১৯৯৫), পৃষ্ঠা ৬
* যদি আমাদের নৈতিক দায়িত্ব পালনের খাতিরে কোনো ক্ষতি প্রতিরোধ করা প্রয়োজন হয়, তবে সেখানে ঘটা দুঃখ-কষ্ট আর মৃত্যু বন্ধ করার জন্য আমাদের অবশ্যই প্রকৃতিতে হস্তক্ষেপ করা উচিত। যদি আমাদের এমন একটি জগত তৈরি করার ক্ষমতা থাকে যা যন্ত্রণা থেকে মুক্ত হবে অথবা অন্তত যেখানে যন্ত্রণার পরিমাণ অনেক কম হবে (উদাহরণস্বরূপ হায়েনাদের বিলুপ্ত করার মাধ্যমে), তবে আমাদের অবশ্যই সেই ক্ষমতার ব্যবহার করা উচিত। এটি করতে ব্যর্থ হওয়াটা আমাদের পক্ষ থেকে একটি দণ্ডনীয় অবহেলা হিসেবেই গণ্য হবে।
** অ্যান্ড্রু লুক, "[https://issuu.com/vegan_society/docs/the-vegan-summer-1995/6 এবং হায়েনারা কি আর হাসবে না?]", ''দ্য ভেগান'', খণ্ড ১১, সংস্করণ ২ (১৯৯৫), পৃষ্ঠা ৭
[[File:Giant Otter (Pteronura brasiliensis) eating a Vermiculated Sailfin Catfish (Pterygoplichthys disjunctivus) (29222397535).jpg|thumb|দূর থেকে দেখলে প্রাকৃতিক জগতকে প্রায়ই এক অপূর্ব, মহিমান্বিত এবং শান্তিময় দৃশ্য হিসেবে মনে হয়। কিন্তু বনের লতাপাতার আড়ালে এবং দূরের দৃষ্টির অগোচরে এক বিশাল ও বিরামহীন হত্যাকাণ্ড চলতে থাকে। যেখানেই প্রাণীর অস্তিত্ব আছে, সেখানেই শিকারিরা ওত পেতে থাকে, পিছু নেয়, পাকড়াও করে এবং তাদের শিকারকে হত্যা করে গিলে ফেলে। যন্ত্রণাদায়ক কষ্ট আর সহিংস মৃত্যু এখানে সর্বত্র বিদ্যমান এবং অবিরাম। ~ জেফ ম্যাকমাহান]]
* আগুন, বন্যা, ভূমিধস, হারিকেন, ভূমিকম্প, জলোচ্ছ্বাস এবং দুর্ভিক্ষের মতো ঘটনার কারণে যে ভয়াবহ বেদনা, কষ্ট এবং অকাল মৃত্যু ঘটে—পাশাপাশি ক্যান্সার, কুষ্ঠ ও ধনুষ্টঙ্কারের মতো রোগের কারণে যে যন্ত্রণা সৃষ্টি হয়—সেগুলো সত্যিই অবর্ণনীয়। এছাড়াও অন্ধত্ব, বধিরতা, পঙ্গুত্ব এবং মানসিক বিকৃতির মতো শারীরিক ও মানসিক ত্রুটিগুলো অনেক সংবেদনশীল প্রাণীকে জীবনের পূর্ণ সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে।
** এডওয়ার্ড এইচ. ম্যাডেন এবং পিটার হিউইট হেয়ার, ''ইভিল অ্যান্ড দ্য কনসেপ্ট অফ গড'' (১৯৬৮), পৃষ্ঠা ৬
* জীবজগতের এই বিশাল পরিমণ্ডলে সহিংসতার নিয়মই হলো প্রধান এবং স্পষ্ট নিয়ম। এটি এক ধরণের অনিবার্য উন্মাদনা যা সবকিছুকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়। একবার যদি আপনি জড় পদার্থের জগত ছেড়ে প্রাণের জগতে প্রবেশ করেন, তবে দেখবেন সহিংস মৃত্যুর ফরমান জীবনের প্রতিটি স্তরেই লিখিত আছে। এমনকি উদ্ভিদ জগতেও এই নিয়মটি লক্ষ্য করা যায়: বিশাল গাছ থেকে শুরু করে ক্ষুদ্রতম ঘাস পর্যন্ত, কত উদ্ভিদই না প্রতিদিন মারা যাচ্ছে এবং কত উদ্ভিদকে হত্যা করা হচ্ছে! কিন্তু যখনই আপনি প্রাণী জগতে প্রবেশ করবেন, তখন এই নিয়মটি হঠাৎ করেই এক ভয়ংকর রূপ নিয়ে সামনে আসবে। একটি শক্তি, যা একই সাথে লুকানো এবং স্পষ্ট, যেন হিংস্র উপায়ে জীবনের মূল নীতিকে প্রকাশ করার কাজে সারাক্ষণ ব্যস্ত রয়েছে। প্রাণিজগতের প্রতিটি বড় ভাগে প্রকৃতি কিছু নির্দিষ্ট প্রাণীকে অন্য প্রাণীদের গিলে খাওয়ার দায়িত্ব দিয়ে পাঠিয়েছে; তাই আমরা শিকারি পতঙ্গ, শিকারি সরীসৃপ, শিকারি পাখি, শিকারি মাছ এবং শিকারি চতুষ্পদ প্রাণীদের দেখতে পাই। সময়ের এমন একটি মুহূর্তও নেই যখন কোনো একটি জীবন্ত প্রাণী অন্য কোনো প্রাণীর আহারে পরিণত হচ্ছে না... এভাবেই পোকা থেকে শুরু করে মানুষ পর্যন্ত জীবন্ত প্রাণীদের ধ্বংস করার এই বিশ্বজনীন নিয়মটি কাজ করে চলেছে। এই পুরো পৃথিবীটা আসলে রক্তে ভেজা এক বিশাল বেদী ছাড়া আর কিছুই নয়, যেখানে প্রতিটি জীবন্ত প্রাণীকে কোনো বিরতি বা ক্ষমা ছাড়াই অনাদিকাল ধরে উৎসর্গ হতে হবে, যতক্ষণ না এই জগত শেষ হচ্ছে এবং অমঙ্গল ও মৃত্যুর বিনাশ ঘটছে।
** জোসেফ দ্য মেস্ত্রো, ''[http://maistre.uni.cx/st_petersburg.html দ্য সেন্ট পিটার্সবার্গ ডায়ালগস]'' (১৮২১)
* দুঃখ-কষ্ট লাঘব করার এমন একটি দৃঢ় দায়িত্ব যা প্রজাতির মধ্যে কোনো বৈষম্য করে না, তা আসলে অন্যান্য প্রাণীদের সাথে আমাদের সম্পর্কের ধরনে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে। উদাহরণস্বরূপ, এর ফলে ‘ফ্যাক্টরি ফার্মিং’ বা কারখানায় পশুপালন করার পদ্ধতিটি বন্ধ করা প্রয়োজন হবে, যেখানে কোটি কোটি প্রাণীকে প্রতি বছর মানুষের জন্য মাংস আর পণ্য জোগাতে গিয়ে চরম যন্ত্রণার শিকার হতে হয়। এটি মানুষের চিকিৎসার উন্নতির জন্য প্রাণীদের ওপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার বিষয়টি নিয়েও কঠিন প্রশ্ন তুলবে। প্রাণীর নীতিশাস্ত্র নিয়ে বিভিন্ন আলোচনায় এই কষ্টগুলোর কথা উঠে আসে যা মূলত মানুষের মাধ্যমেই প্রাণীদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু যদি আমরা কোনো পার্থক্য না করেই যন্ত্রণাকে কমাতে চাই, তবে বন্যপ্রাণীদের সেই সব কষ্ট থেকেও রক্ষা করা আমাদের প্রাথমিক দায়িত্ব হয়ে দাঁড়াবে যা প্রাকৃতিক পরিবেশ বা অন্যান্য প্রাণীদের কারণে ঘটে থাকে।
** জেমি মেয়ারফেল্ড, ''সাফারিং অ্যান্ড মোরাল রেসপনসিবিলিটি'' (১৯৯৯), পৃষ্ঠা ১১৭ <small>{{আইএসবিএন|978-0195154955}}</small>
* সিংহীটি জেব্রার পিঠের ওপর তার বঁড়শির মতো তীক্ষ্ণ নখগুলো বসিয়ে দেয়। সেই নখগুলো শক্ত চামড়া ছিঁড়ে মাংসের অনেক গভীরে গেঁথে যায়। যখন জেব্রাটির শরীর মাটিতে আছড়ে পড়ে, তখন সেই আতঙ্কিত প্রাণীটি ভয়ে চিৎকার করে ওঠে। ঠিক পরের মুহূর্তেই সিংহীটি জেব্রার পিঠ থেকে নখ ছাড়িয়ে নিয়ে তার গলায় কামড় বসিয়ে দেয় এবং তার সেই ভয়ার্ত চিৎকার বন্ধ করে দেয়। সিংহীর দাঁতগুলো লম্বা আর ধারালো হলেও জেব্রার মতো একটি বিশাল প্রাণীর ঘাড় অনেক মোটা হয় এবং চামড়ার নিচে মাংসের পুরু স্তর থাকে; তাই সিংহীর দাঁত চামড়া ফুটো করলেও সেগুলো প্রধান রক্তনালী পর্যন্ত পৌঁছানোর জন্য যথেষ্ট লম্বা হয় না। ফলে সিংহীকে অবশ্যই জেব্রার শ্বাসনালী শক্তভাবে কামড়ে ধরে বাতাস চলাচল বন্ধ করে দিয়ে তাকে শ্বাসরোধ করে মারতে হয়। এটি একটি দীর্ঘ এবং যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যু। এটি যদি কোনো ছোট প্রাণী হতো, যেমন টমসনস গ্যাজেল বা কোনো হরিণ, তবে সিংহী হয়তো তার ঘাড়ের হাড় ভেঙে দিতে পারত যা মুহূর্তের মধ্যেই মৃত্যু ঘটাত। কিন্তু এই জেব্রাটির মৃত্যুর আগে ছটফট করার সময়কাল অন্তত পাঁচ বা ছয় মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হবে।
** ক্রিস্টোফার ম্যাকগোয়ান, ''দ্য র্যাপটর অ্যান্ড দ্য ল্যাম্ব: প্রিডেটরস অ্যান্ড প্রে ইন দ্য লিভিং ওয়ার্ল্ড'' (১৯৯৭) <small>{{আইএসবিএন|978-0788198014}}</small>
* দূর থেকে দেখলে প্রাকৃতিক জগতকে প্রায়ই এক অপূর্ব, মহিমান্বিত এবং শান্তিময় দৃশ্য হিসেবে মনে হয়। কিন্তু বনের লতাপাতার আড়ালে এবং দূরের দৃষ্টির অগোচরে এক বিশাল ও বিরামহীন হত্যাকাণ্ড চলতে থাকে। যেখানেই প্রাণীর অস্তিত্ব আছে, সেখানেই শিকারিরা ওত পেতে থাকে, পিছু নেয়, পাকড়াও করে এবং তাদের শিকারকে হত্যা করে গিলে ফেলে। যন্ত্রণাদায়ক কষ্ট আর সহিংস মৃত্যু এখানে সর্বত্র বিদ্যমান এবং অবিরাম।
** জেফ ম্যাকমাহান, "[http://opinionator.blogs.nytimes.com/2010/09/19/the-meat-eaters/ মাংসাশী প্রাণীকুল]", ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১০
* ধরুন, আমরা যদি ধীরে ধীরে মাংসাশী প্রজাতিগুলোকে বিলুপ্ত করে দিয়ে সেগুলোর জায়গায় নতুন কোনো তৃণভোজী প্রজাতি নিয়ে আসতে পারতাম। অথবা ধরুন, আমরা যদি জিনগত পরিবর্তনের মাধ্যমে এমন ব্যবস্থা করতাম যাতে বর্তমানের মাংসাশী প্রজাতিগুলো বিবর্তিত হয়ে তৃণভোজী হয়ে যেত। যদি আমাদের নিজেদের খুব একটা ক্ষতি না করে আমরা এই দুই উপায়ে শিকারবৃত্তি বন্ধ করতে পারতাম, তবে কি আমাদের তা করা উচিত হবে না?
** জেফ ম্যাকমাহান, "[http://opinionator.blogs.nytimes.com/2010/09/19/the-meat-eaters/ মাংসাশী প্রাণীকুল]", ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১০
* আমরা যদি যন্ত্রণাকে প্রাণীদের জন্য ক্ষতিকর মনে করি যখন আমরা নিজেরা তা ঘটাই, তবে অন্য প্রাণীরা যখন সেই যন্ত্রণার সৃষ্টি করে তখনও তা সমানভাবে ক্ষতিকর। যন্ত্রণার শিকার যারা হয় তাদের জন্য এটি খারাপ—এই ধারণাটি কেবল মানুষের কোনো কুসংস্কার নয়। বন্যপ্রাণীদের এই কষ্ট থেকে রক্ষা করার চেষ্টা কোনোভাবেই অন্য প্রাণীদের আচরণের ওপর নজরদারি করার নৈতিক চেষ্টা নয়। এমনকি যদি বন্য পরিবেশে ঘটে যাওয়া সেই কষ্টের জন্য আমরা সরাসরি দায়ী না হই, তবুও সেটি কমানোর পেছনে আমাদের একটি নৈতিক ‘যুক্তি’ বা কারণ থাকা উচিত; ঠিক যেমন মানুষের দুঃখ-কষ্ট দূর করার জন্য আমাদের একটি সাধারণ নৈতিক কারণ থাকে, যা সেই যন্ত্রণার উৎস বা ভুক্তভোগীর সাথে আমাদের সম্পর্কের ওপর নির্ভর করে না। যন্ত্রণাকে প্রতিরোধ করার ক্ষেত্রে আমাদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত এই যে, আমাদের কাজের ফলে যেন উপকারের বদলে আরও বড় কোনো অপকার না ঘটে।
** জেফ ম্যাকমাহান, "[http://opinionator.blogs.nytimes.com/2010/09/19/the-meat-eaters/ মাংসাশী প্রাণীকুল]", ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১০
* শিকারের কারণে সৃষ্ট এই বিশাল কষ্ট আর অসংখ্য সহিংস মৃত্যু রোধ করা সত্যিই একটি ভালো কাজ হবে। তাই এটি ভাবার অন্তত একটি কারণ আছে যে, যদি মাংসাশী প্রাণীরা বিলুপ্ত হয়ে যায় এবং তাদের জায়গা তৃণভোজী প্রাণীরা দখল করে, তবে সেটি একটি কার্যকর ভালো পদক্ষেপ হবে। অবশ্যই এটি করার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন বাস্তুসংস্থানে এমন কোনো বড় বিপর্যয় না ঘটে যা আগের চেয়েও বড় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বিদ্যমান প্রাণীদের প্রজাতিকে পবিত্র বা অপরিবর্তনীয় বলে মনে করার কোনো যুক্তি নেই। তাই আমি এই বৈপ্লবিক সিদ্ধান্তের পক্ষেই থাকতে চাই যে, সব ধরণের মাংসাশী প্রজাতির বিলুপ্তি কামনা করার পেছনে আমাদের যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে।
** জেফ ম্যাকমাহান, "[http://opinionator.blogs.nytimes.com/2010/09/19/the-meat-eaters/ মাংসাশী প্রাণীকুল]", ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১০
* তাছাড়া আমার যুক্তিটি হয়তো বর্তমান সময়ের কিছু সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রেও প্রাসঙ্গিক হতে পারে। কিছু বড় শিকারি প্রাণী আছে যারা এখন বিলুপ্তির পথে, যেমন সাইবেরিয়ান বাঘ। আমরা যদি তাদের সংরক্ষণের জন্য কোনো পদক্ষেপ না নেই, তবে এই প্রজাতিটি হয়তো অচিরেই পৃথিবী থেকে হারিয়ে যাবে। অনেক দিন ধরেই এদের সংখ্যা বেশ কম। তাদের সংখ্যা কমে যাওয়ার ফলে বাস্তুসংস্থানে যে ধরণের সমস্যা হওয়ার কথা ছিল, তা ইতোমধ্যে ঘটে গিয়েছে। যদি বন্য পরিবেশে তাদের সংখ্যা কয়েকশ থেকে শূন্যে নেমে আসে, তবে সেই অঞ্চলের পরিবেশের ওপর এর প্রভাব হবে খুবই সামান্য। কিন্তু ধরুন, আমরা যদি তাদের আগের বিশাল আবাসস্থলে আবার অনেক সাইবেরিয়ান বাঘ ফিরিয়ে আনতে পারি এবং চিরস্থায়ীভাবে তাদের টিকিয়ে রাখার ব্যবস্থা করি; তবে এর অর্থ হবে সেই অঞ্চলের তৃণভোজী প্রাণীদের আবার অনন্তকাল ধরে ভয়ে জীবন কাটাতে হবে এবং অগণিত প্রাণী বাঘের পেটে যাওয়ার সময় নিদারুণ আতঙ্ক আর যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে প্রাণ হারাবে। এই ধরণের ক্ষেত্রে আমরা এমন এক সঙ্কটের সম্মুখীন হই যেখানে একটি বিদ্যমান প্রজাতিকে রক্ষা করা এবং বিশাল সংখ্যক প্রাণীকে যন্ত্রণা ও অকাল মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচানোর মধ্যে একটি দ্বন্দ্ব তৈরি হয়।
** জেফ ম্যাকমাহান, "[https://opinionator.blogs.nytimes.com/2010/09/28/predators-a-response/ শিকারী প্রাণী: একটি উত্তর]", ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১০
* শিকার হওয়া এবং খেয়ে ফেলার সময় প্রাণীদের যে পরিমাণ নিদারুণ কষ্ট হয় তা অত্যন্ত তীব্র হতে পারে এবং তাদের মৃত্যু হওয়ার প্রক্রিয়াটি পনেরো মিনিট বা তার চেয়েও বেশি সময় ধরে স্থায়ী হতে পারে। যেহেতু সারা বিশ্বে শিকারি প্রাণীদের সংখ্যা বিশাল এবং আমাদের মতোই তাদেরও নিয়মিত খাবারের প্রয়োজন হয়, তাই যেকোনো সময়ে শিকারের কারণে পৃথিবীতে মোট যন্ত্রণার যে পরিমাণ তৈরি হয়, তা অকল্পনীয় রকমের বিশাল।
** জেফ ম্যাকমাহান, "[http://jeffersonmcmahan.com/wp-content/uploads/2012/11/The-Moral-Problem-of-Predation.pdf শিকারের নৈতিক সমস্যা]" (২০১৪), পৃষ্ঠা ১০
* যদি প্রাণীদের যন্ত্রণার একটি মূল্য থাকে এবং সেটিই যদি তাদের কষ্ট না দেওয়ার প্রধান যুক্তি হয়, তবে আমাদের মাধ্যমে না ঘটে অন্য কারণে ঘটা কষ্টগুলোও সমানভাবে খারাপ। তাই যদি সম্ভব হয় তবে সেই কষ্টগুলো কেন প্রতিরোধ করা হবে না, তার পেছনেও যথেষ্ট কারণ থাকা উচিত। এটি আমার কাছে একটি একদম পরিষ্কার যুক্তি বলে মনে হয়।
** জেফ ম্যাকমাহান, "[https://www.ledonline.it/index.php/Relations/article/view/819 বন্য পরিবেশে বসবাসকারী প্রাণীদের পক্ষে কিছু করা: জেফ ম্যাকমাহানের সাথে একটি সাক্ষাৎকারে]", ''রিলেশন্স: বিয়ন্ড অ্যানথ্রোপোসেন্ট্রিজম'', খণ্ড ৩, সংস্করণ ১ (২০১৫), পৃষ্ঠা ৮২
* প্রাণীদের মঙ্গলের জন্য জীববৈচিত্র্যের এই সংজ্ঞাগুলোকে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা রয়েছে। জীববৈচিত্র্য বলতে মূলত বিভিন্ন ধরণের প্রাণীর সমাহারকে বোঝায়। কিন্তু বৈচিত্র্য আর প্রাণীদের ভালোভাবে বেঁচে থাকা বা মঙ্গলের বিষয়টি এক নয়। মানুষের ক্ষেত্রে এটি খুব পরিষ্কারভাবে বোঝা যায়: আমি এমন একটি বিভাগে কাজ করতে পারি যেখানে অনেক ধরণের বৈচিত্র্য আছে (যেমন জাতীয়তা, লিঙ্গ বা দর্শনের ভিন্নতা), কিন্তু সেখানে সবাই হয়তো খুব অসুখী। বন্যপ্রাণীদের ক্ষেত্রেও আমরা একই বিষয় দেখতে পাই। উচ্চ জীববৈচিত্র্য সম্পন্ন একটি অঞ্চল মানে সেখানে অনেক ভিন্ন ভিন্ন 'ধরণের' প্রাণীর সমাগম আছে। তারা হয়তো যন্ত্রণায় দিন কাটাচ্ছে; তাদের জীবন হয়তো বেঁচে থাকার যোগ্যই নয়। কিন্তু যেহেতু তারা বেঁচে আছে, তাই জীববৈচিত্র্যের হিসাবে তাদের ইতিবাচকভাবে গণনা করা হয়। প্রাণীদের মঙ্গল কেবল তখনই জীববৈচিত্র্যকে প্রভাবিত করে যখন প্রজনন বা মৃত্যুর হার এমন পর্যায়ে পৌঁছে যায় যে একটি পুরো প্রজাতি বিলুপ্ত হওয়ার উপক্রম হয়। অথচ কোনো প্রজাতি বিলুপ্ত হওয়ার অনেক আগে থেকেই সেই প্রজাতির প্রাণীদের জীবনে মঙ্গলের ব্যাপক অভাব দেখা দিতে পারে। তাই জীববৈচিত্র্যের কথা ভাবা মানে হলো সেই প্রজাতিটির টিকে থাকার কথা ভাবা, সেখানে বসবাসকারী প্রতিটি প্রাণীর মঙ্গলের কথা ভাবা নয়।
** কেটি ম্যাকশেন, "[https://www.erudit.org/en/journals/ateliers/2018-v13-n1-ateliers04192/1055117ar/ কেন প্রাণীদের মঙ্গল মানেই জীববৈচিত্র্য, বাস্তুতন্ত্রের সেবা বা মানুষের মঙ্গল নয়: জলবায়ুর প্রভাবের আরও পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়নের দিকে]", ''লে আতলিয়ে দে লেতিক'', খণ্ড ১৩, সংস্করণ ১ (১৯ ডিসেম্বর, ২০১৮), পৃষ্ঠা ৪৩–৬৪
* সমুদ্রের রহস্যময়তার কথা ভাবুন; কীভাবে এর সবচেয়ে ভয়ংকর প্রাণীরা জলের নিচে খুব আলতো করে ভেসে চলে, যাদের অধিকাংশ সময় দেখাই যায় না, আর যারা আসমানি রঙের মায়াবী আবরণের নিচে খুব নিপুণভাবে লুকিয়ে থাকে। আরও লক্ষ্য করুন সেই সব নির্দয় প্রাণীদের শয়তানি মেধা আর সৌন্দর্য, যেমন হাঙ্গরের বিভিন্ন প্রজাতির সেই চমৎকার গড়ন। আরও একবার ভেবে দেখুন সমুদ্রের সেই চিরন্তন লড়াইয়ের কথা, যেখানে প্রাণীরা একে অপরকে খেয়ে ফেলে; সৃষ্টির শুরু থেকেই যেখানে এই অন্তহীন যুদ্ধ চলে আসছে।
** [[হেরম্যান মেলভিল]], ''[[মোবি-ডিক|মোবি-ডিক; অর, দ্য হোয়েল]]'' (১৮৫১), অধ্যায় ৫৮
* এমনকি যদি এই গ্রহের ৭৩০ কোটি মানুষের সবাই নিরামিষাশী বুদ্ধ হয়ে যায়, তবুও বন্যপ্রাণীদের কষ্টের সমস্যাটি থেকেই যাবে—আমাদের চারপাশে তখনও এমন এক সচেতন প্রাণীর সমুদ্র থাকবে যাদের মুক্তি দেওয়া হয়তো কোনো উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পক্ষেও সম্ভব হবে না।
** টমাস মেটজিঙ্গার, [https://www.edge.org/conversation/thomas_metzinger-benevolent-artificial-anti-natalism-baan দয়ালু কৃত্রিম জন্ম-বিরোধিতা (বিএএএন)], ''এজ'', ২০১৭
* প্রকৃত সত্য কথা বলতে গেলে, মানুষ একে অপরের প্রতি যে সব অন্যায়ের জন্য ফাঁসি পায় বা কারাবন্দী হয়, প্রকৃতি প্রতিদিন অবলীলায় সেই সব কাজই করে চলেছে। প্রকৃতির কাজের ধারায় কোনো নিখুঁত বিষয় খুঁজে পাওয়াকে কেবল কবিদের কল্পনা বা ধর্মীয় অনুভূতির বাড়াবাড়ি হিসেবেই দেখা যেতে পারে; গভীর কোনো বিশ্লেষণের সামনে এই ধারণা টিকে থাকতে পারে না। ধার্মিক হোক বা অধার্মিক, কেউই বিশ্বাস করেন না যে প্রকৃতির এই ক্ষতিকর কাজগুলো কোনো ভালো উদ্দেশ্য পূরণ করে; বরং এটি কেবল মানুষের যুক্তিবাদী সত্তাকে এই সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে উঠতে এবং লড়াই করতে অনুপ্রাণিত করে।
** জন স্টুয়ার্ট মিল, "[https://www.marxists.org/reference/archive/mill-john-stuart/1874/nature.htm নেচার প্রসঙ্গে]" (১৮৮৪)
* সৃষ্টি জগতের নকশায় যদি কোনো বিশেষ পরিকল্পনা থেকে থাকে, তবে সবচেয়ে পরিষ্কার যে বিষয়টি লক্ষ্য করা যায় তা হলো—বিশাল সংখ্যক প্রাণীর জীবন কাটবে অন্য প্রাণীদের ওপর অত্যাচার চালিয়ে এবং তাদের খেয়ে ফেলার মাধ্যমে। এই কাজের জন্য তাদের শরীরে নানা ধরণের প্রয়োজনীয় অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দিয়ে সুসজ্জিত করা হয়েছে; তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রবৃত্তিগুলো তাদের এই কাজেই প্রলুব্ধ করে, আর তাদের মধ্যে অনেক প্রাণী তো অন্য কোনো খাবার খেয়ে বাঁচার যোগ্যই নয়। প্রকৃতির এই বিশাল জগতে কেবল দয়ার কথা প্রচার না করে যদি কোনো একটি অংশও স্রষ্টার চরিত্র বিশ্লেষণের কাজে লাগানো হতো, তবে নিম্নশ্রেণীর প্রাণীদের পুরো জীবনযাত্রার মধ্যেই অনেক বিরূপ মন্তব্য করার জায়গা পাওয়া যেত। কারণ তাদের জীবন বলতে গেলে প্রায় কোনো ব্যতিক্রম ছাড়াই দুটি দলে বিভক্ত—একদল অন্যকে ভক্ষণ করে আর অন্যদল ভক্ষিত হয়। তারা হাজার হাজার বিপদের সম্মুখীন হয় অথচ সেই সব বিপদ থেকে নিজেকে রক্ষা করার মতো ন্যূনতম ক্ষমতাও তাদের দেওয়া হয়নি। আমরা যদি প্রাণিজগতকে কোনো অশুভ শক্তির কাজ বলে বিশ্বাস করতে না চাই, তবে তার কারণ হতে পারে এটাই যে—আমাদের এটি মানার প্রয়োজন নেই যে এটি কোনো অসীম শক্তিশালী সত্তার তৈরি। কিন্তু প্রকৃতিতে যেমনটি দেখা যায়, স্রষ্টার সেই ইচ্ছাকে যদি আমরা আমাদের কাজের নিয়ম হিসেবে মেনে নিতাম, তবে একজন মানুষের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোকেও এই যুক্তিতে জায়েজ করা যেত যে প্রকৃতিতে সবসময়ই শক্তিশালীরা দুর্বলের ওপর রাজত্ব করে এসেছে।
** জন স্টুয়ার্ট মিল, "[https://www.marxists.org/reference/archive/mill-john-stuart/1874/nature.htm নেচার প্রসঙ্গে]" (১৮৮৪)
* প্রচণ্ড ঘৃণা আর শত্রুতার মাধ্যমে পৃথিবীতে মৃত্যুর আগমন ঘটল:<br />পশু এখন পশুর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হলো, পাখির সাথে পাখির শুরু হলো লড়াই,<br />আর মাছ লড়াই শুরু করল মাছের সাথে; ঘাস আর লতাপাতা খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করে,<br />তারা এখন একে অপরকে ছিঁড়ে খেতে শুরু করল।
** জন মিলটন, ''প্যারাডাইস লস্ট'' (১৬৬৭)
* বন্যপ্রাণীর কষ্টকে একটি নৈতিক সমস্যা হিসেবে গুরুত্বের সাথে নেওয়ার বিষয়টি আমাদের অনেক শক্তিশালী কুসংস্কার বা পক্ষপাতের বিরুদ্ধে যায়। এটি এমন প্রাণীদের নিয়ে কথা বলে যাদের প্রতি আমাদের সহজাতভাবেই খুব সামান্য সমবেদনা কাজ করে। যেহেতু তাদের এই কষ্টের জন্য আমরা মানুষরা সরাসরি দায়ী নই, তাই আমরা তাদের সাহায্য করার বা এই কষ্ট লাঘব করার কোনো বাধ্যবাধকতাও অনুভব করি না। এই যন্ত্রণাগুলো আমাদের দৈনন্দিন জীবন থেকে অনেক দূরে এবং এর বিশালতা এতই বেশি যে আমাদের পক্ষে তা পুরোপুরি উপলব্ধি করা বেশ কঠিন। সর্বোপরি, বন্যপ্রাণীর এই কষ্টের বিষয়টি প্রকৃতির প্রতি আমাদের মায়াবী বা রোমান্টিক ধারণাকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দেয়। আর যেহেতু এই সমস্যার বড় কোনো সমাধান আপাতত আমাদের হাতে নেই এবং তা সুদূর ভবিষ্যতের বিষয়, তাই আমাদের জন্য একে এড়িয়ে যাওয়া বা গুরুত্ব না দেওয়াটাই সহজ হয়ে পড়ে।
** ওলে মার্টিন মোয়েন, "[http://www.olemartinmoen.com/wp-content/uploads/TheEthicsofWildAnimalSuffering.pdf বন্যপ্রাণীর কষ্টের নীতিশাস্ত্র]", ''এথিক্ক ই প্রাক্সিস - নর্ডিক জার্নাল অফ অ্যাপ্লাইড এথিক্স'', খণ্ড ১০, সংস্করণ ১ (২০১৬), পৃষ্ঠা ১০২
* গবেষণা এবং উন্নতির ক্ষেত্রে বন্যপ্রাণীদের কষ্টের বিষয়টি যেন গুরুত্ব পায়, তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হলো আমাদের সেই সব কুসংস্কার আর ধারণাগুলোকে চ্যালেঞ্জ জানানো যা আমাদের এই সমস্যার দিকে তাকাতে বাধা দেয়। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ডারউইন-পূর্ব সেই কাল্পনিক ধারণা—যেখানে মনে করা হতো প্রকৃতির জীবন খুব ছন্দময় এবং মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই সেখানে সবকিছু খুব ভালো আর সুন্দরভাবে চলছে। কিন্তু প্রকৃত সত্য এর একদম উল্টো। আমরা যদি কল্পনা করি যে প্রাণীরা যখনই কষ্ট পায় তখনই তাদের শরীর থেকে লাল আলো বের হতে শুরু করে, তবে মহাকাশ থেকে পৃথিবীকে আর নীল গ্রহ দেখাবে না; বরং এটি তখন একটি লাল এবং জ্বলন্ত গ্রহে পরিণত হবে।
** ওলে মার্টিন মোয়েন, "[http://www.olemartinmoen.com/wp-content/uploads/TheEthicsofWildAnimalSuffering.pdf বন্যপ্রাণীর কষ্টের নীতিশাস্ত্র]", ''এথিক্ক ই প্রাক্সিস - নর্ডিক জার্নাল অফ অ্যাপ্লাইড এথিক্স'', খণ্ড ১০, সংস্করণ ১ (২০১৬), পৃষ্ঠা ১০৩
* মানুষ ছাড়া বাকি প্রাণিজগতের সর্বত্র, খুব সামান্য কিছু ব্যতিক্রম বাদ দিলে দেখা যায় যে, প্রতিটি প্রাণী কেবল নিজের ইচ্ছা পূরণ করতেই ব্যস্ত থাকে। মহাবিশ্বের বাকি অংশ সুখে আছে না কি দুঃখে, সে বিষয়ে তাদের কোনো মাথা ব্যথা নেই, বরং তারা এক ধরণের উদাসীনতা পোষণ করে। সেখানে কোনো সৌজন্যবোধ, সহানুভূতি কিংবা হৃদ্যতা নেই—সেটি আসলে এক ধরণের শীতল, হৃদয়হীন আর অচেনা ব্যক্তিদের নিষ্ঠুর জগত।
** জে. হাওয়ার্ড মুর, [[iarchive:betterworldphilo00mooruoft/page/n6|''বেটার-ওয়ার্ল্ড ফিলোসফি: এ সোশিওলজিক্যাল সিন্থেসিস'']] (১৮৯৯), পৃষ্ঠা ১২৩
* মানুষ এবং অন্যান্য সব প্রাণীর প্রধান কাজগুলো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কেবল খাবারের সংস্থানের জন্যই পরিচালিত হয়। পুষ্টির প্রয়োজনে একটি প্রাণীর মাধ্যমে অন্য প্রাণীকে পুরোপুরি বা আংশিকভাবে দমন করাটাই হলো স্বার্থপরতার সবচেয়ে সাধারণ এবং চরম রূপ। কেঁচো, একিনোডার্ম বা মলাস্কার মতো নিম্নশ্রেণীর প্রাণীরা সাধারণত নিরামিষাশী হয়ে থাকে। একইভাবে কীটপতঙ্গ, পাখি, ইঁদুর জাতীয় প্রাণী এবং খুরওয়ালা প্রাণীরাও প্রধানত নিরামিষভোজী। এই প্রাণীরা সাধারণত একে অপরের প্রতি আক্রমণাত্মক হয় না, বরং বেশিরভাগ সময় একে অপরের প্রতি উদাসীন থাকে। কিন্তু এই নিরীহ প্রজাতির প্রাণীদের ওপর নির্দয়ভাবে হানা দেয় সরীসৃপ, পতঙ্গভোজী এবং মাংসাশী প্রাণীরা। এই প্রাণী-ভক্ষক প্রাণীদের কারণেই পৃথিবীর বুকে সব চেয়ে বেশি রক্তাক্ত ঘটনাগুলো ঘটে। এটি তাদের সহজাত স্বভাব (যা দীর্ঘদিনের বিবর্তন আর নির্বাচনের মাধ্যমে তৈরি হয়েছে, অথবা মানুষের ক্ষেত্রে যা সাময়িকভাবে অর্জিত হয়েছে) যে তারা গাছপালার ওপর নির্ভর না করে—যা আসলে প্রাণ শক্তির মূল ভাণ্ডার—বরং তাদের প্রতিবেশী আর বন্ধুদের হাড় আর সংবেদনশীল শরীরের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকে। সাপ চড়ুই পাখিকে আহার করে আর চড়ুই পাখি গিলে ফেলে মশা বা মাছিকে; বাঘ বনমোরগকে হত্যা করে আর কোয়োট শিকার করে মেষশাবককে; সিল মাছ খেয়ে বাঁচে আর মেরু ভাল্লুক আবার সেই সিলকেই শিকার করে; পিঁপড়া জাবপোকাকে দাসে পরিণত করে আর মানুষ যা পায় তাকেই খেয়ে ফেলে বা দাসে পরিণত করার চেষ্টা করে। জীবন এখানে জীবনের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে—দাঁত আর নখ, ঠোঁট আর থাবা সর্বত্রই সক্রিয়। এটি ভাবলে বেশ খারাপ লাগে ঠিকই, কিন্তু সব জায়গার জীবনই তার কাজের ক্ষেত্রে মূলত একে অপরের বিরুদ্ধে টিকে থাকার সংগ্রামের মাধ্যমে গড়ে উঠেছে। এখানে এক পক্ষ অন্যকে ঠকাতে, বশ করতে বা ধ্বংস করতে চায়, আর অন্য পক্ষ চেষ্টা করে সেই আক্রমণ থেকে বাঁচতে বা পাল্টা জবাব দিতে।
** জে. হাওয়ার্ড মুর, [[iarchive:betterworldphilo00mooruoft/page/n6|''বেটার-ওয়ার্ল্ড ফিলোসফি: এ সোশিওলজিক্যাল সিন্থেসিস'']] (১৮৯৯), পৃষ্ঠা ১২৩–১২৫
* প্রতিকূলতা সব সময়ই এসেছে। কখনও তা জড় জগতের পক্ষ থেকে এসেছে বন্যা, আগুন, তুষারপাত, দুর্ঘটনা, রোগবালাই, খরা কিংবা ঝড়ের রূপ নিয়ে; আবার কখনও তা এসেছে অন্যান্য প্রজাতির কাছ থেকে যারা ছিল প্রতিযোগী বা শত্রু; এবং কখনও কখনও নিজ প্রজাতির সদস্যদের পক্ষ থেকেও নিষ্ঠুরতা দেখা গিয়েছে। এর মধ্যে সামান্য কিছু প্রাণী হয়তো টিকে থাকতে পেরেছে, কিন্তু বিশাল বড় একটি অংশই ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। প্রতিটি প্রজাতির প্রতিটি প্রজন্মের কেবল একটি ক্ষুদ্র অংশ, এবং সাধারণত অত্যন্ত শোচনীয় ক্ষুদ্র অংশই শেষ পর্যন্ত পূর্ণবয়স্ক হওয়া পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে।
** জে. হাওয়ার্ড মুর, ''[[iarchive:universalkinship00moor/page/n4|দ্য ইউনিভার্সাল কিনশিপ]]'' (১৯০৬), পৃষ্ঠা ৩৫
* সচেতন জীবনের ঘটনাবলীর মধ্যে সবচেয়ে শোকাবহ এবং বিশাল সত্য হলো এই যে, জীবন্ত সত্তাদের স্বভাবের মধ্যে স্বার্থপরতার প্রবল প্রভাব রয়েছে। এটি পৃথিবীকে ঠিক তেমনই এক জগতে পরিণত করেছে যেমনটি হতো যদি দেবতারা তাদের সবটুকু ক্রোধ পৃথিবীর ওপর ঢেলে দিতেন। ভ্রাতৃত্ববোধ এখানে একটি ব্যতিক্রমী বিষয়, এমনকি এর সর্বোচ্চ রূপগুলোর মধ্যেও এক ধরণের ছদ্মবেশী আর হিসাব করা স্বার্থপরতা লুকিয়ে থাকে। নিষ্ঠুরতা বা অমানবিকতা সর্বত্র বিরাজমান। পুরো গ্রহটি এতে ডুবে আছে। প্রতিটি প্রাণী এক প্রতিকূল মহাবিশ্বের মুখোমুখি হয় এবং প্রতিটি জীবনই যেন একেকটি সংগ্রাম বা অভিযান। এই সব কিছুই ঘটেছে সেই বিবেচনাহীন আর অমানবিক উপায়ের ফলস্বরূপ যার মাধ্যমে পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশ ঘটেছে। বলা হয়ে থাকে যে এক অসীম গুণাবলী সম্পন্ন এবং দয়ালু ও শক্তিশালী সত্তা এই জগত সৃষ্টি করেছেন এবং একে কাজ করার নিয়মগুলো শিখিয়ে দিয়েছেন; এবং সেই সত্তা বিশ্বের পরিচালক হিসেবে তার কাজের মাধ্যমে সব ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করছেন। কিন্তু মানুষ যখন কোনো এক সাহসী আর সচেতন মুহূর্তে এই জগতের প্রকৃত চরিত্র আর অবস্থা বুঝতে পারে, তখন সে ভাবতে বাধ্য হয় যে—এই স্রষ্টার খ্যাতি আর তার সৃষ্টি করা কাজের মধ্যে কত বিশাল ফারাক রয়েছে। তখন সে অবাক হয়ে ভাবে যে সাধারণ বিচারবুদ্ধি আর কাণ্ডজ্ঞান সম্পন্ন কোনো মানুষ যদি বিশ্বের কল্যাণের কথা ভেবে কাজ করার সুযোগ পেত, তবে সে হয়তো পৃথিবীর এই অবস্থার অনেক বড় উন্নতি ঘটাতে পারত।
** জে. হাওয়ার্ড মুর, ''[[iarchive:universalkinship00moor/page/n4|দ্য ইউনিভার্সাল কিনশিপ]]'' (১৯০৬), পৃষ্ঠা ২৪৯
* প্রকৃতপক্ষে এই মহাবিশ্বে কেবল একটিই বড় অপরাধ রয়েছে এবং পৃথিবীর সব ধরণের অন্যায়ের উদাহরণগুলো মূলত এই একটি অপরাধেরই প্রকাশ। সেটি হলো শোষণ করার অপরাধ—যেখানে কিছু সত্তা নিজেদের ‘লক্ষ্য’ হিসেবে বিবেচনা করে আর অন্যদের দেখে কেবল তাদের ‘লক্ষ্য অর্জনের মাধ্যম’ হিসেবে। এটি জীবনের প্রতি সবার সমান অধিকার এবং ন্যায্য পাওনাকে অস্বীকার করার নামান্তর—অর্থাৎ অন্যের প্রতি এমন আচরণ করা যা সে নিজের প্রতি অন্যদের কাছ থেকে আশা করে না। লক্ষ লক্ষ বছর ধরে, প্রায় জীবনের শুরু থেকেই এই অপরাধটি জনবসতিপূর্ণ পৃথিবীর প্রতিটি কোণায় ঘটে চলেছে।
** জে. হাওয়ার্ড মুর, ''[[iarchive:universalkinship00moor/page/n4|দ্য ইউনিভার্সাল কিনশিপ]]'' (১৯০৬), পৃষ্ঠা ২৭৫–২৭৬
* হ্যাঁ, অন্যদের প্রতি ঠিক তেমনই আচরণ করুন যেমনটি আপনি নিজের জন্য প্রত্যাশা করেন—আর এটি কেবল কালো মানুষ বা সাদা নারীদের ক্ষেত্রেই নয়, বরং লালচে ঘোড়া আর ধূসর কাঠবিড়ালির জন্যও সমভাবে প্রযোজ্য; এটি কেবল আপনাদের শরীরের গড়নের প্রাণীদের জন্যই নয়, বরং সব ধরণের প্রাণীর জন্যই সত্যি। আপনি চাইলেই এই জগত থেকে এমন কাউকে খুঁজে পাবেন না যার নুয়ে পড়া আর ভেঙে যাওয়া সত্তা কোনো দয়ালু হৃদয়ের ছোঁয়া পেয়ে জেগে উঠবে না, কিংবা অমানবিকতার স্পর্শে যার আত্মা কুঁকড়ে যাবে না আর অন্ধকারে হারিয়ে যাবে না। নিজে বাঁচুন এবং অন্যদেরও বাঁচতে দিন। শুধু তাই নয়, এর চেয়েও বেশি কিছু করুন। নিজে বাঁচুন এবং অন্যদের বাঁচতে সাহায্য করুন। আপনাদের চেয়ে উচ্চতর সত্তাদের কাছ থেকে আপনারা যেমন আচরণ আশা করেন, আপনাদের চেয়ে নিম্নতর প্রাণীদের প্রতি ঠিক তেমনই আচরণ করুন। কচ্ছপ, ঝিঁঝিঁ পোকা, বন্যপাখি আর বলদের প্রতি করুণা অনুভব করুন। বেচারা অনুন্নত আর শিক্ষাহীন সব প্রাণী! মানুষের নিষ্ঠুর হাত যদি তাদের ওপর নাও পড়ে, তবুও তাদের সেই ধূসর আর নিম্নমানের জীবনে সূর্যের আলোর দেখা মেলাটা বেশ দুর্লভ বিষয়। তারা আমাদের মতোই মরণশীল সঙ্গী। তারা অতীতের সেই একই রহস্যময় গর্ভ থেকে বেরিয়ে এসেছে, একই স্বপ্নের মধ্য দিয়ে পার হচ্ছে এবং আমাদের মতোই এক বিষণ্ণ পরিণতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আসুন আমরা তাদের প্রতি দয়ালু আর মায়াময় হই।
** জে. হাওয়ার্ড মুর, ''[[iarchive:universalkinship00moor/page/n4|দ্য ইউনিভার্সাল কিনশিপ]]'' (১৯০৬), পৃষ্ঠা ৩২৭–৩২৮
* সেই মেরু ভাল্লুকটিকে সাহায্য করতে ব্যর্থ হওয়া—কিংবা অনুরূপ পরিস্থিতিতে থাকা যেকোনো প্রাণীকে, সেই কষ্টের জন্য আমাদের দায়ভার (সরাসরি বা পরোক্ষ) থাকুক বা না থাকুক—তা অত্যন্ত নিষ্ঠুর এবং নৈতিকভাবে ভুল। প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিপথ নিয়ে তথাকথিত উদ্বেগ ('আমাদের হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়!') কিংবা প্রজাতির জিন পুলের দোহাই দিয়ে ('দুর্বলদের মরতে দাও!') নিষ্ক্রিয় থাকাকে কোনোভাবেই সমর্থন করা যায় না। একবার সেই ব্যক্তির কথা ভাবুন যিনি দুর্ভিক্ষ বা সুনামির সময় নির্দিষ্ট কিছু মানুষকে সাহায্য না করার পেছনে এই একই যুক্তিগুলো ব্যবহার করবেন, অথবা এমন কেউ যিনি বলবেন যে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত কোনো শিশুকে আমাদের অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া উচিত নয়। চার্লস ডিকেন্স-এর বিভিন্ন নেতিবাচক চরিত্রের কথা মনে করিয়ে দেওয়া এমন মনোভাবকে অনৈতিক হিসেবে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা হবে। যদি নৈতিকভাবে বিবেচ্য একমাত্র বিষয়টি হয় যে 'তারা কি কষ্ট পায়?', তবে প্রাণীরা যখন এমন যন্ত্রণায় ভোগে যা আমরা লাঘব করতে পারি, তখন সেখানে কোনো প্রাসঙ্গিক নৈতিক পার্থক্য থাকে না।
** স্টিভেন নাডলার, "[https://aeon.co/ideas/we-have-an-ethical-obligation-to-relieve-individual-animal-suffering প্রতিটি প্রাণীর ব্যক্তিগত কষ্ট লাঘব করা আমাদের একটি নৈতিক বাধ্যবাধকতা]", ''ইয়ন'', ১০ আগস্ট ২০১৮
* অন্তত একজন বিশিষ্ট বাস্তুবিদ ইভার মিস্টেরুড এবং বলগা হরিণ বা রেইনডিয়ারের একজন বন্ধু মনে করেন যে, যদি এমন কোনো বাস্তুসংস্থানিকভাবে নিরাপদ উপায় থাকত যার মাধ্যমে রেইনডিয়ারের চরম যন্ত্রণার কারণ হওয়া নির্দিষ্ট কোনো পরজীবীর সংখ্যা কমানো যেত বা তাদের স্বভাব পরিবর্তন করা যেত, তবুও তা করা উচিত হতো না। এর কারণ হিসেবে তিনি মনে করেন: এটি সংশ্লিষ্ট বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। আসলে আমরা এই বিষয়ে খুব সামান্যই জানি (একজন মাঠ পর্যায়ের বাস্তুবিদের 'বিদ্বানসুলভ অজ্ঞতা'!)। আমি একমত যে এর বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ধারণা কাজ করে, তবে আমি তার সিদ্ধান্তের সাথে একমত হতে পারছি না। রেইনডিয়ারের সেই দীর্ঘস্থায়ী ও নিষ্ঠুর যন্ত্রণার গুরুত্ব আমার কাছে অনেক বেশি। যদি কোনো বাস্তুতন্ত্রে যন্ত্রণাদায়ক পরজীবীদের আধিপত্য থাকে, তবে কি আমরা বলতে পারি যে তার ‘সৌন্দর্য’ কমে গিয়েছে? এই শব্দটিকে কীভাবে ব্যাখ্যা করা যায় সে সম্পর্কে আমি কিছুটা অনিশ্চিত, আবার হস্তক্ষেপের মাধ্যমে মানুষ সৌন্দর্য রক্ষা বা বৃদ্ধি করতে পারে কি না সে বিষয়েও আমার সংশয় রয়েছে।
** আর্ন ন্যাস, "[https://www.abolitionist.com/reprogramming/suffering-nature.pdf আমাদের কি প্রকৃতিতে যন্ত্রণার স্পষ্ট ক্ষেত্রগুলো লাঘব করার চেষ্টা করা উচিত?]", ''প্যান ইকোলজি'', খণ্ড ৬ (১৯৯১), পৃষ্ঠা ১৩০
* প্রতিদিন কোনো না কোনো প্রাণী দুর্বল ও অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং মৃত্যুর এমন এক প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করে যাতে দীর্ঘস্থায়ী যন্ত্রণা জড়িয়ে থাকে—অন্তত তাদের আচরণ দেখে আমরা তাই ধারণা করতে পারি। বন্য রেইনডিয়ার যখন ভাল্লুক, নেকড়ে বা কুকুরের মতো বড় মাংসাশী প্রাণীর গন্ধ পায়, তখন তারা খুব দ্রুত পালিয়ে যায়। কিন্তু বৃদ্ধ এবং ক্লান্ত রেইনডিয়ারদের জন্য অন্যদের সাথে তাল মিলিয়ে চলা ক্রমশ কঠিন হয়ে পড়ে। কোনো কোনো অল্পবয়সী প্রাণীর ক্ষেত্রেও এটি সত্যি। তারা যদি মাংসাশী প্রাণীদের হাতে দ্রুত ধরা পড়ে, তবে তারা একটি দ্রুত ও যন্ত্রণাহীন মৃত্যু পায় এবং ধুঁকে ধুঁকে 'নিষ্ঠুর' মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে যায়। কোনো কোনো রেইনডিয়ারের কপালে সেই নিষ্ঠুর মৃত্যুই জোটে। ডানাওয়ালা পতঙ্গের (সেফেনোমাইয়া ট্রোমপে) মাধ্যমে মারাত্মকভাবে আক্রান্ত হওয়ার পর, তাদের নাকের ভেতর বাড়তে থাকা লার্ভার কারণে তারা শ্বাসরোধ হয়ে অত্যন্ত ধীরগতিতে মারা যেতে পারে।
** আর্ন ন্যাস, "[https://www.abolitionist.com/reprogramming/suffering-nature.pdf আমাদের কি প্রকৃতিতে যন্ত্রণার স্পষ্ট ক্ষেত্রগুলো লাঘব করার চেষ্টা করা উচিত?]", ''প্যান ইকোলজি'', খণ্ড ৬ (১৯৯১), পৃষ্ঠা ১৩১
* আমি আশা করি এমন কোনো গ্রহের অস্তিত্ব নেই, তবে এমন একটি গ্রহের কথা কল্পনা করুন যেখানে পরজীবীদের কারণে ধীর ও যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যু একটি স্বাভাবিক বা বিশ্বজনীন ঘটনা। এমন একটি গ্রহের প্রকৃতি নিয়ে আমরা কীভাবে কথা বলতাম? সেখানে থোরো কেমন বই লিখতেন?
** আর্ন ন্যাস, "[https://www.abolitionist.com/reprogramming/suffering-nature.pdf আমাদের কি প্রকৃতিতে যন্ত্রণার স্পষ্ট ক্ষেত্রগুলো লাঘব করার চেষ্টা করা উচিত?]", ''প্যান ইকোলজি'', খণ্ড ৬ (১৯৯১), পৃষ্ঠা ১৩১
* স্তন্যপায়ী প্রাণীদের পরজীবীতত্ত্ব আমাদের এমন সব পরজীবীর কথা বলে যারা এমনভাবে অন্যকে মারে বা পঙ্গু করে দেয় যা আমাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক, ঘৃণা এবং নেতিবাচক অনুভূতির সৃষ্টি করে। বিবর্তন বিশেষজ্ঞরা আমাদের বলেন যে, এই ধরণের পরজীবীরা আসলে খুব একটা সফল বা উন্নত নয়; কারণ উন্নত পরজীবীরা তাদের আশ্রয়দাতার শরীরে কোনো তীব্র যন্ত্রণা বা মৃত্যু না ঘটিয়েই বংশবৃদ্ধি করতে পারে।
** আর্ন ন্যাস, "[https://www.abolitionist.com/reprogramming/suffering-nature.pdf আমাদের কি প্রকৃতিতে যন্ত্রণার স্পষ্ট ক্ষেত্রগুলো লাঘব করার চেষ্টা করা উচিত?]", ''প্যান ইকোলজি'', খণ্ড ৬ (১৯৯১), পৃষ্ঠা ১৩১
* পরজীবীদের এই অসম্পূর্ণতার স্বীকৃতি কিন্তু তাদের শিকার হওয়া প্রাণীদের কোনো সান্ত্বনা দেয় না। প্রকৃতি সম্পর্কে আমাদের দেওয়া নিঃশর্ত ইতিবাচক এবং কখনও কখনও অত্যন্ত আবেগপূর্ণ বক্তব্যগুলোর যথার্থতা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে এই পরিস্থিতিটি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। মানুষ যখন প্রাণীদের অপ্রয়োজনীয় আর দীর্ঘস্থায়ী যন্ত্রণার শিকার হতে দেখে তখন তারা কী করে? যারা ভুক্তভোগী প্রাণীদের সাথে নিজেকে একাত্ম মনে করেন, তারা তাদের উদ্ধার করার চেষ্টা করেন, যদি খুব দেরি না হয়ে যায় এবং কোনো বাস্তব উপায় থাকে। এই উদ্ধারের মধ্যে মানুষের হাতে যন্ত্রণাহীন মৃত্যুর বা দয়ামৃত্যুর বিষয়টিও থাকতে পারে। বিষয়টিকে সামগ্রিকভাবে একটি নীতির রূপ দিলে তা হবে প্রকৃতিকে সংস্কার করার একটি প্রচেষ্টার মতো। তবে এই নীতির ফলাফল নিয়ে যারা গবেষণা করেন তারা সবাই একে কাঙ্ক্ষিত হিসেবে গ্রহণ করবেন না। যেহেতু দীর্ঘস্থায়ী চরম যন্ত্রণা পুরোপুরি নির্মূল করা আমাদের সাধ্যের বাইরে, তাই এর নৈতিক অবস্থান নিয়ে আলোচনা করার কোনো ব্যবহারিক মূল্য নেই; কিন্তু এর অস্তিত্ব আমাদের অনেকের কাছেই প্রকৃতির ‘সাধারণ’ গুণগান গাওয়াকে বেশ অদ্ভুত করে তোলে।
** আর্ন ন্যাস, "[https://www.abolitionist.com/reprogramming/suffering-nature.pdf আমাদের কি প্রকৃতিতে যন্ত্রণার স্পষ্ট ক্ষেত্রগুলো লাঘব করার চেষ্টা করা উচিত?]", ''প্যান ইকোলজি'', খণ্ড ৬ (১৯৯১), পৃষ্ঠা ১৩১–১৩২
* ইকোসফি টি-তে একটি চূড়ান্ত আদর্শ রয়েছে—"আত্ম-উপলব্ধি!" এবং একটি চূড়ান্ত ধারণা হলো—"একটি জীবন্ত প্রাণী যত উচ্চ স্তরের আত্ম-উপলব্ধিতে পৌঁছাবে, তার আরও উন্নতির জন্য অন্যদেরও আত্ম-উপলব্ধিতে পৌঁছানো প্রয়োজন হবে।' সহজ কথায় বলতে গেলে, এটি কেবল যেকোনো ধরণের জীবনকে গ্রহণ করার বিষয় নয়, বরং এটি হলো ''নিজে বাঁচো এবং অন্যদের বাঁচতে দাও!''" মানুষের মস্তিষ্কের ক্ষমতার কারণে আমাদের সুপ্ত প্রতিভাকে পুরোপুরি বিকশিত করা কোনোভাবেই একক কোনো স্বার্থপর যাত্রা হতে পারে না; বরং এটি মানুষ এবং অন্যান্য সব প্রাণীদের সাথে একটি যৌথ উদ্যোগ হতে হবে। উপলব্ধির স্তর যত উন্নত হবে, এই যৌথ উদ্যোগের গুরুত্বও তত বাড়বে; যেখানে প্রতিটি প্রাণীর নিজস্ব স্বকীয়তা হারানো ছাড়াই এক সম্মিলিত আত্ম-উপলব্ধি ঘটবে। আমাদের মাঝে মাঝেই মানুষ এবং অন্যান্য প্রাণীদের চরম যন্ত্রণা লাঘব করার ক্ষমতা থাকে—আর আমরা সেই সুযোগের ব্যবহার করি।
** আর্ন ন্যাস, "[https://www.abolitionist.com/reprogramming/suffering-nature.pdf আমাদের কি প্রকৃতিতে যন্ত্রণার স্পষ্ট ক্ষেত্রগুলো লাঘব করার চেষ্টা করা উচিত?]", ''প্যান ইকোলজি'', খণ্ড ৬ (১৯৯১), পৃষ্ঠা ১৩৭
* বন্যপ্রাণীদের কষ্ট কমানোর জন্য আমার প্রস্তাবিত দীর্ঘমেয়াদী প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে একটি সম্ভাব্য আপত্তি হতে পারে যে এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ; বাস্তুসংস্থান ব্যবস্থা এতটাই স্পর্শকাতর যে এতে হস্তক্ষেপ করা বিপজ্জনক হতে পারে। আমাদের বর্তমান বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত ক্ষমতার নিরিখে আমি এই আপত্তির সাথে পুরোপুরি একমত এবং নিকট ভবিষ্যতে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার পক্ষপাতি নই। তবে এটি যেন আমাদের আরও বেশি জানার এবং ভবিষ্যতে প্রাণীদের কষ্ট লাঘবে সাহায্য করার আশা থেকে বিরত না রাখে। কেউ কেউ বিশ্বাস করতে পারেন যে বাস্তুতন্ত্রে হস্তক্ষেপ করার কথা আমাদের কখনোই ভাবা উচিত নয়। আমাদের মতো ভাগ্যবান প্রজাতির জন্য এই ধরণের চিন্তা মানানসই হতে পারে যারা জীবনকে বেশ উপভোগ করছে। কিন্তু আমি যদি ঠিক হয়ে থাকি যে অধিকাংশ অন্যান্য সংবেদনশীল প্রাণীরা ভয়ংকর যন্ত্রণার শিকার হচ্ছে, তবে কী হবে? যদি এমন সময় আসে যখন আমরা খুব সামান্য ঝুঁকি আর খরচে তাদের সেই বিশাল কষ্ট কমিয়ে আনতে পারব, তখন কি আমরা সাবধানে তাদের সাহায্য করার পথে এগিয়ে যাব নাকি অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে আসব? একইভাবে, যদি দরিদ্র দেশগুলোর মানুষ তাদের দারিদ্র্যের কারণে চরম যন্ত্রণায় থাকে এবং ধনী দেশগুলো যদি বিশ্ব পরিবেশের খুব সামান্য ক্ষতি করে তাদের সেই দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করতে পারে, তবে কি সেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া উচিত নয়? ধরুন আপনি যদি সেই যন্ত্রণার শিকার কোনো দরিদ্র মানুষ হতেন? কিংবা আমরা যদি সেই কষ্ট পেতে থাকা প্রজাতিগুলোর কেউ হতাম? আসুন আমরা অন্তত এই বিষয়ে একমত হই যে ‘ওয়েলফেয়ার বায়োলজি’ বা কল্যাণমূলক জীববিজ্ঞানের গবেষণায় আরও বেশি সম্পদ বিনিয়োগ করা উচিত।
** ইউ-কওয়াং এনজি, "[https://www.ntu.edu.sg/home/ykng/Towards%20Welfare%20Biology-1995.pdf কল্যাণমূলক জীববিজ্ঞানের দিকে: প্রাণীর চেতনা এবং যন্ত্রণার বিবর্তনীয় অর্থনীতি]", ''বায়োলজি অ্যান্ড ফিলোসফি'', খণ্ড ১০, সংস্করণ ৩ (জুলাই ১৯৯৫), পৃষ্ঠা ২৭৫–২৭৬
* একটি হরিণ বা গ্যাজেল যখন যন্ত্রণাদায়কভাবে মারা যায়, তখন সেই কষ্ট বাঘের কারণে হোক কিংবা মানুষের কারণে—তা হরিণটির জন্য সমানভাবে ক্ষতিকর। তার মানে এই নয় যে বাঘের দ্বারা মৃত্যুও একইভাবে নিন্দনীয়; অবশ্যই তা নয়। কিন্তু এটি ইঙ্গিত দেয় যে, যদি আমরা বড় কোনো ক্ষতি না করে সেই মৃত্যু আটকাতে পারি, তবে আমাদের তা করার সমতুল্য কারণ রয়েছে। সক্ষমতা পদ্ধতি বা ‘ক্যাপাবিলিটিজ অ্যাপ্রোচ’ হলো অধিকার-ভিত্তিক এবং ফলাফল-কেন্দ্রিক। অন্যান্য প্রাণীদের হাতে প্রাণীদের এই নৃশংস মৃত্যু প্রতিরোধ করার একটি উপায় হতে পারে সব ঝুঁকিতে থাকা প্রাণীদের (অথবা সব শিকারি প্রাণীদের) এক ধরণের সুরক্ষামূলক হেফাজতে রাখা।
** মার্থা নাসবাম, ''ফ্রন্টিয়ার্স অফ জাস্টিস: ডিজএবিলিটি, ন্যাশনালিটি, স্পিসিস মেম্বারশিপ'' (২০০৬), পৃষ্ঠা ৩৭৯ <small>{{আইএসবিএন|978-0674024106}}</small>
* এটি যুক্তিসঙ্গত মনে হতে পারে যে গৃহপালিত কুকুর বা বিড়ালকে রক্ষা করার যে দায়িত্ব আমাদের রয়েছে, বন্য হরিণদের ক্ষেত্রে সেই দায়িত্ব কিছুটা কম; যেহেতু আমরা গৃহপালিত পশুদের অভিভাবক এবং তারা আমাদের সাথেই বিবর্তিত হয়েছে। কিন্তু যেখানে আমরা হরিণ বা গ্যাজেলদের কোনো বড় বিপর্যয় ছাড়াই রক্ষা করতে পারি, সেখানে হয়তো আমাদের তা করা উচিত। সমস্যা হলো শিকারি প্রাণীর চাহিদাও আমাদের বিবেচনা করতে হবে, আর আমাদের কাছে বন্য সিংহকে খেলার জন্য সুতো দিয়ে বাঁধা কোনো বল দেওয়ার সুযোগ নেই।
** মার্থা নাসবাম, ''ফ্রন্টিয়ার্স অফ জাস্টিস: ডিজএবিলিটি, ন্যাশনালিটি, স্পিসিস মেম্বারশিপ'' (২০০৬), পৃষ্ঠা ৩৭৯ <small>{{আইএসবিএন|978-0674024106}}</small>
* আমরা বন্যপ্রাণীদের কষ্টের বিষয়ে যা-ই বলি না কেন, এটি আমাদের আবারও দেখায় যে হস্তক্ষেপ করা এবং না করার মধ্যে যে পার্থক্য, তা প্রথাগতভাবে বজায় রাখা সম্ভব নয়। মানুষ সবসময়ই প্রাণীদের জীবনে কোনো না কোনোভাবে হস্তক্ষেপ করছে, আর এখন প্রশ্ন কেবল এটাই হতে পারে যে এই হস্তক্ষেপের ধরণটি কেমন হওয়া উচিত। বুদ্ধিদীপ্ত এবং শ্রদ্ধাশীল অভিভাবকত্ব অবহেলার চেয়ে অনেক বেশি শ্রেষ্ঠ।
** মার্থা নাসবাম, ''ফ্রন্টিয়ার্স অফ জাস্টিস: ডিজএবিলিটি, ন্যাশনালিটি, স্পিসিস মেম্বারশিপ'' (২০০৬), পৃষ্ঠা ৩৮০ <small>{{আইএসবিএন|978-0674024106}}</small>
* অতীতে কোনো এক সময় প্রকৃতিতে যে "ভারসাম্য" ছিল, সেটিকে সব কাজের মাপকাঠি বা আদর্শ হিসেবে ধরে নেওয়াটা আসলে এক ধরণের রক্ষণশীল মানসিকতা। যদি সেই অতীতকাল আসলেই কোনো স্বর্গোদ্যান হতো, তবে হয়তো এটি নিয়ে কোনো বিতর্কের অবকাশ থাকত না; কিন্তু বাস্তব সত্য হলো এই যে, প্রকৃতি কখনোই কোনোদিন স্বর্গের মতো ছিল না। এটি হয়তো পুরোপুরি নরকও ছিল না ঠিকই, তবে এটি ছিল মূলত হিংস্র নখ আর ধারালো দাঁতের এক ভয়ংকর সাম্রাজ্য।
** ডেভিড অলিভিয়ে, "[http://www.damagedcorpse.com/interview/SensoriaFromCensorium.html কাইয়ে অ্যান্টিস্পেসিসিস্ট লিওনাইজ: প্রাণীদের মুক্তি সম্পর্কে একটি ফরাসি ম্যাগাজিন]", ''সেনসোরিয়া ফ্রম সেনসোরিয়াম'', সংস্করণ ২ (১৯৯৩)
* আমি বাস্তুবিদ বা পরিবেশবিজ্ঞানীদের বিরোধিতা করি কারণ তাদের দৃষ্টিতে একটি শিয়াল যখন একটি খরগোশকে ছিঁড়ে খায়, তখন সেটি খুব ভালো কাজ হিসেবে গণ্য হয় যতক্ষণ পর্যন্ত তা "প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখছে"। কিন্তু আমি সেই কাজের মধ্যে কেবল খরগোশটির অবর্ণনীয় কষ্ট আর যন্ত্রণাই দেখতে পাই। বাস্তবে এই ঘটনাটি ঠিক কতটা ভয়ংকর তা নিয়ে যদি আপনার মন সংকীর্ণ না হয়, তবেই কেবল আপনি একে "ভালো" বলতে পারেন। পরিবেশবাদীরা প্রকৃতিতে প্রাণীদের আলাদা সত্তা হিসেবে দেখে না, বরং কেবল ''প্রজাতি'' হিসেবে দেখে; তারা মনে করে মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়া এই প্রজাতিগুলোর মধ্যে তেমন কোনো পরিবর্তন আসে না। এই স্থিতিশীলতার ধারণা তাদের মনে এক ধরণের শান্তি আর নিরাপত্তার অনুভূতি দেয়; আর ঠিক এই কারণেই তারা বড় গলায় ''প্রকৃতির সম্প্রীতি'' বা হারমনি অফ নেচার-এর কথা বলে বেড়ায়।
** ডেভিড অলিভিয়ে, "[https://www.cahiers-antispecistes.org/pourquoi-je-ne-suis-pas-ecologiste/ কেন আমি পরিবেশবাদী নই]", ''লে কাইয়ে অ্যান্টিস্পেসিসিস্ট'', সংস্করণ ০৭ (জুন ১৯৯৩)
* ল্যাটিন আমেরিকায় নির্যাতন বা নিপীড়ন তো এক ধরণের স্থায়ী বিষয়; তবে কি একে শান্তিপূর্ণ বা সম্প্রীতিময় বলা চলে? পরিবেশবাদীরা মনে করেন যে একটি শিয়াল যদি একটি খরগোশকে মেরে ফেলে তবে সেটি খুব ভালো একটি কাজ, কারণ এর ফলে একটি নির্দিষ্ট শৃঙ্খলা বজায় থাকে। কিন্তু তারা কি ভুলে যান যে মানুষের ওপর চালানো নির্যাতনও তো এক ধরণের শৃঙ্খলা বজায় রাখে?
** ডেভিড অলিভিয়ে, "[https://www.cahiers-antispecistes.org/pourquoi-je-ne-suis-pas-ecologiste/ কেন আমি পরিবেশবাদী নই]", ''লে কাইয়ে অ্যান্টিস্পেসিসিস্ট'', সংস্করণ ০৭ (জুন ১৯৯৩)
* এমন একটি নৈতিকতা তৈরি করা খুব সহজ যা কঠিন বিষয়গুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ না করে বরং সেগুলোকে চোখ বুজে "ভালো" বলে মেনে নেয়। আমার নৈতিকতার ক্ষেত্রে আমি মনে করি তা বাস্তব সত্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হওয়া উচিত; আমার কাছে সুখ আর দুঃখ-কষ্ট হলো জল বা পাথরের মতোই একদম বাস্তব বস্তু, যদিও বর্তমান পদার্থবিজ্ঞান হয়তো এখনও সেগুলোকে সেভাবে চিনে উঠতে পারেনি। তাই লোকদেখানো প্রথা মেনে আমি কোনো কিছুকেই চট করে "ভালো" বলে আখ্যা দিতে পারি না। আর এর ফলে আমাদের এক ধরণের অনিশ্চয়তা বা নৈতিক নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে জীবন কাটাতে হয়। একটি সাপকে মেরে ফেলা কি ভালো কাজ হবে যদি তার বিনিময়ে অনেকগুলো ব্যাঙের প্রাণ বাঁচে? আবার সেই ব্যাঙগুলোই তো আবার প্রচুর পোকামাকড় ধরে খায়। তারা একে অপরকে খেয়ে ফেলে কিংবা গাছপালার ক্ষতি করে। গাছপালার জীবন আছে কি না বা তারা কষ্ট পায় কি না আমি জানি না; তারা যখন একে অপরকে জড়িয়ে ধরে শ্বাসরোধ করে ফেলে, একে অপরকে বিষ দিয়ে দেয় কিংবা একে অপরের ওপর ছায়া ফেলে অন্যকে অসুস্থ করে দেয়—তখন তারা কষ্ট পায় কি না তাও আমার জানা নেই। অনেক ক্ষেত্রেই আমি জানি না যে ঠিক কোনটি সঠিক পথ। অথবা যা সঠিক তা মেনে নেওয়া হয়তো অনেক বেশি কঠিন: যেমন আমি যখন প্রতিটি পা ফেলি তখন হয়তো অজান্তেই অনেক পিঁপড়েকে পিষে ফেলার ঝুঁকি থাকে। তবে কি পিঁপড়েদের প্রাণ বাঁচাতে আমার নিজেরই অস্তিত্ব মিটিয়ে দেওয়া উচিত? আমি অবশ্যই তা করব না।
** ডেভিড অলিভিয়ে, "[https://www.cahiers-antispecistes.org/pourquoi-je-ne-suis-pas-ecologiste/ কেন আমি পরিবেশবাদী নই]", ''লে কাইয়ে অ্যান্টিস্পেসিসিস্ট'', সংস্করণ ০৭ (জুন ১৯৯৩)
* মানুষের দ্বারা পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতির মুখে পরিবেশবাদীরা ‘মা প্রকৃতি’র সেই রূপকথার ধারণাকে আঁকড়ে ধরে থাকতে চান যা রক্ষা করা প্রয়োজন। শিয়ালদের নির্মূল করে দেওয়ার বিষয়টি আমাকে ব্যথিত করে; এটি হয়তো আমার আগের সেই ধারণার সাথে সাংঘর্ষিক মনে হতে পারে যেখানে আমি শিয়ালদের দ্বারা খরগোশ হত্যার বিরোধিতা করেছি। এখানে এমন একটি সমস্যা রয়েছে যা আমি সমাধান করতে পারছি না। আর আমার কাছে আরও অনেক কঠিন সমস্যা রয়েছে। কোনো একটি বিষয়কে সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করার জন্য আমাকে কেন এক ঘণ্টার মধ্যে তার সমাধান দিতে হবে? এখন পর্যন্ত কেউ জানে না কীভাবে এইডস রোগ নির্মূল করা সম্ভব, কিন্তু তার মানে এই নয় যে আমরা এইডসকে একটি সমস্যা হিসেবে গণ্য করব না। বরং আমাদের প্রধান কাজ হলো এর সমাধান খুঁজে বের করা।
** ডেভিড অলিভিয়ে, "[https://www.cahiers-antispecistes.org/pourquoi-je-ne-suis-pas-ecologiste/ কেন আমি পরিবেশবাদী নই]", ''লে কাইয়ে অ্যান্টিস্পেসিসিস্ট'', সংস্করণ ০৭ (জুন ১৯৯৩)
* এই আলোচনা হয়তো পুরোপুরি তাত্ত্বিক বা বিমূর্ত মনে হতে পারে; সিংহদের নিরামিষ খাওয়ানো কিংবা তাদের শিকারবৃত্তি বন্ধ করার বিষয়টি এখনও আমাদের আলোচনার মূল তালিকায় নেই। কৌশলগতভাবে এটি অবশ্যই ভালো যে, আমরা মানুষের দ্বারা পরিচালিত শিকার বা মাংস খাওয়ার অভ্যাসের দিকেই আপাতত বেশি নজর দেব। তবে আমরা শিকারের বিষয়টিকে যেভাবে দেখি এবং যে সমাধানগুলো কল্পনা করি, তার কিন্তু সুদূরপ্রসারী প্রভাব রয়েছে। আমার কাছে এটি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ মনে হয় যে, শিকারবৃত্তি বন্ধ করাটাই সঠিক কাজ হবে, এমনকি যদি তার জন্য শিকারি প্রাণীর জীবনেরও কোনো ঝুঁকি থাকে। এটি আমাদের বর্তমানে বন্য পরিবেশে করা ছোটখাটো হস্তক্ষেপগুলোকেও সমর্থন যোগাতে পারে, যেমন একটি ইঁদুরকে পেঁচার হাত থেকে রক্ষা করা। কান্টের দর্শন অনুযায়ী আমরা হয়তো দ্বিধায় ভুগতে পারি যে আমাদের এই কাজটিকে কি একটি বিশ্বজনীন নিয়ম হিসেবে দেখা উচিত—যার অর্থ হবে পেঁচাটি না খেয়ে মারা যাবে? কিন্তু যদি আমরা এই নিয়মটিকে বিশ্বজনীন হিসেবে মেনে নিতে পারি, তবে আমরা অনেক বেশি স্থিরভাবে এবং স্বস্তির সাথে কাজ করতে পারব।
** ডেভিড অলিভিয়ে, "[http://fra.blog.david.olivier.name/post/Sur-le-droit-%C3%A0-la-vie-des-pr%C3%A9dateurs শিকারি প্রাণীদের জীবনের অধিকার প্রসঙ্গে]" (২০১৬)
* একটি প্রজাতিবাদ-বিরোধী দৃষ্টিভঙ্গি থেকে, যা মানুষ বা অন্য যে কোনো সংবেদনশীল প্রাণীর স্বার্থ বিবেচনা করে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আমাদের কাজ বা অবহেলা তাদের কল্যাণে কী প্রভাব ফেলছে। এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুসারে, প্রকৃতিতে ক্ষতিকর হস্তক্ষেপ (যে কাজগুলোর ফলে বন্যপ্রাণীদের উপকারের চেয়ে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে) না করার পেছনে আমাদের কাছে জোরালো যুক্তি রয়েছে। একইভাবে, এটি ইঙ্গিত দেয় যে, যখনই আমাদের সামর্থ্যের মধ্যে থাকবে এবং যদি হস্তক্ষেপের ফলে ক্ষতির চেয়ে উপকার বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তবে সেখানে বসবাসকারী প্রাণীদের সাহায্য করার লক্ষ্যে প্রকৃতিতে হস্তক্ষেপ করার যথেষ্ট যুক্তিসঙ্গত কারণ আমাদের রয়েছে।
** এজে পায়েজ, "[https://www.ledonline.it/index.php/Relations/article/view/882 সাহায্য করতে অস্বীকার করা এবং ক্ষতি করা: পরিবেশবাদী দৃষ্টিভঙ্গির একটি সমালোচনা]", ''রিলেশন্স: বিয়ন্ড অ্যানথ্রোপোসেন্ট্রিজম'', খণ্ড ৩, সংস্করণ ১ (মে ২০১৫), পৃষ্ঠা ১৭৭
* প্রাণীদের এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলো যেখানেই পাওয়া যাক না কেন, আমি মনে করি সেগুলোকে একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই দেখতে হবে; কারণ প্রথম এবং দ্বিতীয় উভয় ক্ষেত্রেই সেগুলোকে তৈরি করার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট শারীরিক গঠন দেওয়া হয়েছে... বিষধর সাপের বিষদাঁত, বোলতা আর বিচ্ছুর হুল—এগুলো তাদের নির্দিষ্ট কাজের জন্য এতটাই স্পষ্টভাবে তৈরি করা হয়েছে যে সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ থাকে না। ঠিক একইভাবে পাখির নখর আর ঠোঁট, শিকারি পশুদের দাঁত আর থাবা, হাঙ্গরের মুখ, মাকড়সার জাল এবং অসংখ্য রাক্ষুসে পতঙ্গের মারণাস্ত্রগুলোকেও স্বীকার করে নিতে হবে। তাই আমরা এটি বলে দায় এড়াতে পারি না যে এর পেছনে কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। আমাদের সামনে এখন একমাত্র প্রশ্ন হলো, এগুলো কি শেষ পর্যন্ত কোনো অমঙ্গল বয়ে আনে? আমাদের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা থেকে আমাদের ধরে নেওয়া উচিত যে, প্রকৃতির এই ব্যবস্থার এমন কিছু ফলাফল থাকতে পারে যা আমাদের কাছে অজানা: তবে প্রকৃতির সাধারণ নকশায় যে করুণা মিশে আছে তা থেকে আমরা এটাও আশা করতে পারি যে, সেই অজানা ফলাফলগুলো যদি আমরা গণনা করতে পারতাম তবে তা শেষ পর্যন্ত ইতিবাচক দিকেই পাল্লা ভারী করত।
** উইলিয়াম পেলি, ''[[iarchive:naturaltheologyo00pale|ন্যাচারাল থিওলজি]]'' (১৮৭৯) [১৮০২], পৃষ্ঠা ২৫৯
* এই প্রকৃতি আসলে পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নেওয়ার জন্যই তৈরি। বন্য পশুদের তাদের অস্তিত্ব উপভোগ করতে দিন; তাদের নিজস্ব রাজ্য তাদের কাছেই থাকতে দিন। মানুষের বসবাসের জন্য যথেষ্ট জায়গা তখনও পৃথিবীতে অবশিষ্ট থাকবে, এমনকি যদি মানুষের সংখ্যা একশ গুণ বৃদ্ধি পায় তবুও; আর মানুষ সেখানে এই সব যন্ত্রণা ছাড়াই শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।
** উইলিয়াম পেলি, ''[[iarchive:naturaltheologyo00pale|ন্যাচারাল থিওলজি]]'' (১৮৭৯) [১৮০২], পৃষ্ঠা ২৬০
* প্রকৃতির প্রতিষ্ঠিত নিয়ম অনুযায়ী (যে নিয়মটিকে আমাদের ধ্রুব সত্য ধরে নিতে হবে, না হলে আমরা এ বিষয়ে কোনো যুক্তিতেই পৌঁছাতে পারব না) সাধারণত তিনটি উপায়ে জীবনের সমাপ্তি ঘটে—তীব্র রোগব্যাধি, বার্ধক্যজনিত ক্ষয় এবং সহিংসতা। বন্য প্রাণীদের সাধারণ এবং স্বাভাবিক জীবনে সচরাচর কঠিন রোগবালাই দেখা যায় না; আর যদি দেখা যেতও তবে সেটি তাদের ভাগ্যের বড় কোনো উন্নতি করত না। তাই একবার ভেবে দেখুন, বার্ধক্যজনিত কারণে মরে যাওয়ার জন্য ছেড়ে দেওয়া একটি বন্য প্রাণীর অবস্থা কতটা শোচনীয় আর যন্ত্রণাদায়ক হতে পারে। মানুষের অসুস্থতা বা অক্ষমতার সময় তার পাশে থাকার জন্য অন্য বুদ্ধিমান মানুষ থাকে; তারা যন্ত্রণাকে পুরোপুরি লাঘব করতে না পারলেও অন্তত তার প্রয়োজনগুলো মেটাতে পারে এবং নিজের কাজটুকুও তাকে করে দেয়। কিন্তু বন্য অবস্থায় একটি প্রাণী সবকিছু নিজের জন্যই করে। তাই যখন তার শক্তি বা ক্ষিপ্রতা কমে যায়, অথবা তার অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বা ইন্দ্রিয়গুলো অকেজো হয়ে পড়ে, তখন তাকে হয় পুরোপুরি না খেয়ে মরতে হয় অথবা খাবারের অভাবে তিল তিল করে শেষ হয়ে যাওয়ার যন্ত্রণাদায়ক সময় পার করতে হয়। তবে কি আপনি বর্তমানের এই শিকারবৃত্তি আর শিকারের ব্যবস্থাটি পরিবর্তন করে বিশ্বকে নিস্তেজ, বুড়ো, অর্ধেক না খেয়ে থাকা আর অসহায় প্রাণীতে ভরিয়ে দিতে চান?
** উইলিয়াম পেলি, ''[[iarchive:naturaltheologyo00pale|ন্যাচারাল থিওলজি]]'' (১৮৭৯) [১৮০২], পৃষ্ঠা ২৬১–২৬২
* কিন্তু এই ‘অতিরিক্ত প্রজনন ক্ষমতা’ মাঝেমধ্যে খুব কাজে আসলেও তা প্রকৃতির ধারণক্ষমতা বা সন্তানদের লালন-পালনের সীমাকে ছাড়িয়ে যায়। সব ধরণের প্রাচুর্যের সাথেই বিনাশ জড়িয়ে থাকে, অথবা তাকে নিজেই নিজেকে ধ্বংস করতে হয়। সম্ভবত ডাঙ্গার এমন কোনো প্রাণী প্রজাতি নেই যা পুরো পৃথিবী দখল করে নিত না যদি তাদের পুরোপুরি নিরাপত্তার সাথে বংশবৃদ্ধি করতে দেওয়া হতো; কিংবা এমন কোনো মাছ নেই যা পুরো সমুদ্র ভরিয়ে দিত না। অন্তত যদি কোনো একটি নির্দিষ্ট প্রজাতিকে কোনো বাধা ছাড়াই বংশবৃদ্ধি করতে দেওয়া হতো, তবে তাদের ভরণপোষণ করতে গিয়ে অন্যান্য প্রজাতির খাবার একদম নিঃশেষ হয়ে যেত। তাই এই প্রজনন ক্ষমতার ফলাফলকে নিয়ন্ত্রণ করা একান্ত প্রয়োজন। অন্যান্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সাথে সমন্বয় করে এই কাজটি করা হয় প্রাণীদের একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই আর শিকারের মাধ্যমে সংখ্যা কমিয়ে আনার প্রক্রিয়ায়।
** উইলিয়াম পেলি, ''[[iarchive:naturaltheologyo00pale|ন্যাচারাল থিওলজি]]'' (১৮৭৯) [১৮০২], পৃষ্ঠা ২৬৪
* প্রাণীদের এই একে অপরকে ধ্বংস করার ব্যবস্থাটি তাদের প্রজনন ব্যবস্থার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত; এগুলো আসলে একটি ভারসাম্য বজায় রাখার পরিকল্পনার অংশ। প্রতিটি প্রজাতির প্রজনন ক্ষমতা নির্ভর করে সেই প্রাণীর ক্ষুদ্রতা, তার দুর্বলতা, তার আয়ু এবং তার চারপাশে ঘিরে থাকা শত্রু বা বিপদের ওপর। একটি হাতি মাত্র একটি বাচ্চার জন্ম দেয়, অথচ একটি প্রজাপতি ছয়শ ডিম পাড়ে। শিকারি পাখিরা সাধারণত দুটির বেশি ডিম পাড়ে না, অথচ চড়ুই আর হাঁসরা প্রায় এক ডজন ডিমের ওপর তা দেয়। নদীতে আমরা একটি বড় মাছের বিপরীতে হাজার হাজার ছোট মাছের দেখা পাই; আর সমুদ্রে একটি হাঙ্গরের বিপরীতে লক্ষ লক্ষ হেরিং মাছ থাকে। প্রকৃতির সর্বত্রই এই ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা বজায় থাকে। অসহায় অবস্থা আর ধ্বংসের ঘাটতি মিটিয়ে দেওয়া হয় অতিরিক্ত প্রজনন ক্ষমতার মাধ্যমে।
** উইলিয়াম পেলি, ''[[iarchive:naturaltheologyo00pale|ন্যাচারাল থিওলজি]]'' (১৮৭৯) [১৮০২], পৃষ্ঠা ২৬৫
* প্রাণীদের একে অপরকে গিলে খাওয়ার এই বিষয়টিই হলো স্রষ্টার করা কাজগুলোর মধ্যে প্রধান এবং সম্ভবত একমাত্র উদাহরণ, যেখানে নকশা বা পরিকল্পনার ছাপ থাকলেও তার উপযোগিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যেতে পারে।
** উইলিয়াম পেলি, ''[[iarchive:naturaltheologyo00pale|ন্যাচারাল থিওলজি]]'' (১৮৭৯) [১৮০২], পৃষ্ঠা ২৬৫
* বাঘ, সিংহ কিংবা বিড়ালের মতো প্রাণীদের নিয়ে অনেক রোমান্টিক চিন্তাভাবনা করা খুব সহজ। আমরা তাদের চমৎকার সৌন্দর্য, শক্তি আর ক্ষিপ্রতার প্রশংসা করি। কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে যদি কারও মধ্যে এমন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য থাকত, তবে আমরা তাকে অত্যন্ত নিকৃষ্ট মানের একজন উম্মাদ খুনি বা সাইকোপ্যাথ হিসেবেই গণ্য করতাম।
** ডেভিড পিয়ার্স, ''[https://www.smashwords.com/books/view/514875 দ্য হেডোনিস্টিক ইম্পারেটিভ]'' (১৯৯৫)
* আরও গুরুত্ব সহকারে বলতে গেলে, আমরা যে প্রথাগত বাস্তুসংস্থানগুলোকে ধরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সেখানে লক্ষ লক্ষ বন্যপ্রাণী প্রতিনিয়ত অনাহারে থাকছে, তৃষ্ণা আর রোগব্যাধিতে ধুঁকে ধুঁকে মরছে কিংবা জ্যান্ত অবস্থাতেই অন্য প্রাণীর খাবারে পরিণত হচ্ছে। সাধারণত একে ‘প্রাকৃতিক’ হিসেবে দেখা হয় এবং এর ফলে মনে করা হয় যে এতে কোনো সমস্যা নেই।
** ডেভিড পিয়ার্স, [https://www.smashwords.com/books/view/514875 ''দ্য হেডোনিস্টিক ইম্পারেটিভ''] (১৯৯৫)
* আমরা যদি ইতোমধ্যে এমন এক জগতে বাস করতাম যেখানে কোনো নিষ্ঠুরতা নেই, তবে আবার যন্ত্রণা, শোষণ আর প্রাণীদের একে অপরকে খেয়ে ফেলার সেই প্রথা ফিরিয়ে আনার বিষয়টি কেবল ভয়ংকরই মনে হতো না বরং তা ভাবাই অসম্ভব হতো—ঠিক যেমন আজকের দিনে অজ্ঞান না করে অস্ত্রোপচার করার কথা আমরা ভাবতেই পারি না।
** ডেভিড পিয়ার্স, "[https://www.hedweb.com/abolitionist-project/reprogramming-predators.html শিকারিদের পুনর্গঠন]", ''বিএলটিসি রিসার্চ'', ২০০৯
* মানুষ ইতোমধ্যে আবাসস্থল ধ্বংস করা, বড় বিড়াল প্রজাতির প্রাণীদের খাঁচায় প্রজনন করানো কিংবা ‘রিওয়াইল্ডিং’-এর মতো কাজগুলোর মাধ্যমে প্রকৃতিতে ব্যাপকভাবে হস্তক্ষেপ করছে। তাই প্রশ্নটি এটি নয় যে মানুষের ‘হস্তক্ষেপ’ করা উচিত কি না, বরং প্রশ্ন হলো কোন নৈতিক নীতির ওপর ভিত্তি করে আমাদের এই হস্তক্ষেপ পরিচালনা করা উচিত।
** ডেভিড পিয়ার্স, "[https://www.hedweb.com/transhumanism/antispeciesist.html প্রজাতিবাদ-বিরোধী বিপ্লব]" (২০১৩)
* ‘প্রকৃতির দোহাই’ দেওয়ার অযৌক্তিকতা একটি ছোট পরীক্ষার মাধ্যমেই বোঝা সম্ভব। কল্পনা করুন যে অনাহার, রোগব্যাধি, পরজীবী, নাড়িভুঁড়ি ছিঁড়ে ফেলা, শ্বাসরোধ হওয়া এবং জীবন্ত অবস্থায় অন্য প্রাণীর আহারে পরিণত হওয়া—এই বিষয়গুলো যদি প্রাণের জগতে না থাকত—অর্থাৎ যদি এই সব দুর্দশাগুলো নির্মূল করে একটি স্বর্গরাজ্য তৈরি করা যেত, তবে কি কেউ এই প্রথাগুলো আবার ফিরিয়ে আনার জন্য কোনো নৈতিক যুক্তি দিতেন? এমন একটি কাল্পনিক চিন্তা করাই হয়তো হাস্যকর মনে হতে পারে।
** ডেভিড পিয়ার্স, "[https://www.ledonline.it/index.php/Relations/article/view/881 হাতিদের জন্য একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র?: সহানুভূতিশীল অভিভাবকত্বের একটি গবেষণা]", ''রিলেশন্স: বিয়ন্ড অ্যানথ্রোপোসেন্ট্রিজম'', খণ্ড ৩, সংস্করণ ২ (নভেম্বর ২০১৫), পৃষ্ঠা ১৬২
* আরও বিতর্কিতভাবে বলা যায় যে, প্রযুক্তি আমাদের অমানব সংবেদনশীল প্রাণীদের ক্ষতি করার বদলে সাহায্য করার মানসিকতা তৈরিতে সাহায্য করতে পারে: অর্থাৎ মানুষের ‘সহানুভূতির পরিধি’ আরও বাড়াতে পারে। এই সভ্য হওয়ার প্রক্রিয়াটি কেবল মানুষের জন্য সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয় বরং আগামী দিনের বন্যপ্রাণী উদ্যানে থাকা মুক্ত প্রাণীদের কাছেও পৌঁছানো উচিত। শীঘ্রই জীবমণ্ডলের প্রতিটি অংশ নজরদারি আর নিয়ন্ত্রণের আওতায় চলে আসবে। অনাহার আর শিকারের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত ডারউইনীয় বাস্তুসংস্থানকে বদলে দেওয়া সম্ভব হবে কৃত্রিম প্রজনন নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে। যে সব মাংসাশী প্রজাতিকে আমরা টিকিয়ে রাখতে চাই, তাদের জিনগত বা আচরণগত পরিবর্তনের মাধ্যমে ক্ষতিকর প্রবৃত্তি থেকে মুক্ত করা যেতে পারে। শ্বাসরোধ করে মারা, নাড়িভুঁড়ি বের করা আর জীবন্ত গিলে খাওয়ার সেই নিদারুণ যন্ত্রণাগুলো চিরতরে ইতিহাসের পাতায় হারিয়ে যেতে পারে।
** ডেভিড পিয়ার্স, "[https://www.hedweb.com/transhumanism/neojainism.html হাই-টেক জৈনিজম]" (২০১৪)
* শুনতে কি ভালো লাগছে? চমৎকার সব টিয়াপাখি। কিন্তু তারা কেবল সেই সময়টুকুই পিছিয়ে দিচ্ছে যখন সেই রক্তমাখা দাঁত আর থাবাগুলো আবার সামনে আসবে। এই টিয়াপাখি দম্পতিরা দুটির বেশি সন্তান জন্ম দেয়। আপনি কি মনে করেন তাদের অধিকাংশের সাথে শেষ পর্যন্ত কী ঘটবে? তারা কি নিজেদের মতো সুখী আর স্বাধীন সব টিয়া পরিবার গড়ে তুলবে? হয়তো খুব অল্প সময়ের জন্য। কিন্তু একটি প্রজাতি অনির্দিষ্টকাল ধরে সংখ্যায় বাড়তে পারে না। এই নতুন টিয়াদের মধ্যে অধিকাংশই অন্য প্রাণীর শিকারে পরিণত হবে অথবা না খেয়ে মারা যাবে। খুব ভাগ্যবান অল্প কয়েকটা টিয়াই শেষ পর্যন্ত পৃথিবীতে আরও ডজনখানেক টিয়ার জন্ম দিতে পারবে, যাদের বিবর্তনের স্বাভাবিক নিয়মে ছিঁড়ে খাওয়ার বা জীবন্ত গিলে ফেলার জন্য আবার প্রস্তুত করা হবে। আর-কৌশল যদি অশুভ হয়, তবে কে-কৌশলও খুব একটা আহামরি কিছু নয়।
** সারা পেরি, ''এভরি ক্রেডল ইজ এ গ্রেভ: রিথিংকিং দি এথিক্স অফ বার্থ অ্যান্ড সুইসাইড'' (২০১৪)
* একটি নৈতিক ভুল ধারণা প্রচলিত আছে যে যা প্রকৃতিতে পাওয়া যায় তাই ভালো। প্রকৃতি বিষয়ক প্রামাণ্যচিত্রগুলোতে প্রায়ই এমন ভুল বিজ্ঞান বা ধারণা প্রচার করা হয়: বলা হয় সিংহরা নাকি দুর্বল আর অসুস্থদের মেরে ফেলার মাধ্যমে তাদের প্রতি দয়া দেখায়, বিড়াল যখন ইঁদুরকে খায় তখন নাকি ইঁদুর কষ্ট পায় না, গোবরে পোকা বাস্তুসংস্থানের উপকারের জন্য গোবরকে পুনর্নবীকরণ করে—ইত্যাদি ইত্যাদি।
** স্টিভেন পিঙ্কার, "[https://web.archive.org/web/20150729140904/http://pinker.wjh.harvard.edu/books/tbs/media_articles/2002_10_30_upi.html প্রশ্ন ও উত্তর: 'ব্ল্যাঙ্ক স্লেট' এর স্টিভেন পিঙ্কার]", ''ইউনাইটেড প্রেস ইন্টারন্যাশনাল'', ৩০ অক্টোবর ২০০২
* শিকারি আর পরজীবীদের দেওয়া সব যন্ত্রণার বাইরেও দেখা যায় যে, একটি প্রজাতির সদস্যরা তাদের নিজেদের প্রজাতির প্রাণীদের প্রতিও কোনো দয়া দেখায় না। অনেক ধরণের প্রাণীর মধ্যে শিশু হত্যা, ভাইবোন হত্যা আর যৌন নিপীড়নের মতো ঘটনা লক্ষ্য করা যায়; এমনকি যে প্রাণীরা আজীবন একই সঙ্গীর সাথে কাটায় বলে পরিচিত, তাদের মধ্যেও বিশ্বাসঘাতকতা খুব সাধারণ বিষয়; আর নিরামিষাশী নয় এমন প্রায় সব প্রজাতির মধ্যেই স্বজাতি ভক্ষণের প্রমাণ পাওয়া যায়। অধিকাংশ প্রাণীর লড়াইয়ের ফলে মৃত্যুর ঘটনা এমনকি আমেরিকার সবচেয়ে সহিংস শহরগুলোর চেয়েও বেশি... হয়তো জুডিও-খ্রিস্টান ধর্মতত্ত্ব আর রোমান্টিক ধারার প্রাধান্য না থাকলে জীববিজ্ঞানের আরও দ্রুত উন্নতি ঘটত। বারাণসীতে বুদ্ধের দেওয়া ভাষণের সেই প্রথম আর্য সত্যটি হয়তো বিজ্ঞানের জন্য ভালো ফল বয়ে আনত: "জন্মই যন্ত্রণাদায়ক, বার্ধক্য যন্ত্রণাদায়ক, অসুস্থতা যন্ত্রণাদায়ক, মৃত্যু যন্ত্রণাদায়ক..." আমরা যখনই এটি বুঝতে পারব যে বিবর্তনের ফলের মধ্যে নৈতিকভাবে প্রশংসা করার মতো কিছু নেই, তখনই আমরা মানুষের মনস্তত্ত্বকে সততার সাথে বর্ণনা করতে পারব; তখন আমাদের মধ্যে আর এই ভয় কাজ করবে না যে একটি স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করা মানেই হলো তাকে সমর্থন করা। যেমনটা দ্য আফ্রিকান কুইন সিনেমায় ক্যাথরিন হেপবার্ন হামফ্রে বোগার্টকে বলেছিলেন, "প্রকৃতি হলো এমন কিছু যার উর্ধ্বে ওঠার জন্যই আমাদের এই পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছে।"
** স্টিভেন পিঙ্কার, ''দ্য ব্ল্যাঙ্ক স্লেট: দ্য মডার্ন ডিনায়াল অফ হিউম্যান নেচার'' (২০০২)
* প্রাণীরা কেন একে অপরের ক্ষতি করে তার পেছনে কোনো রহস্য নেই। বিবর্তনের কোনো বিবেক নেই, আর যদি একটি প্রাণী নিজের সুবিধার জন্য অন্য প্রাণীর ক্ষতি করে-যেমন খেয়ে ফেলা, পরজীবী হিসেবে বাস করা, ভয় দেখানো বা প্রতারণা করা তবে তার সেই বংশধররাই পৃথিবীতে রাজত্ব করবে এবং তাদের মধ্যে এই কুৎসিত অভ্যাসগুলো পুরোপুরি থেকে যাবে। ডারউইনীয় শব্দটিকে ‘নিষ্ঠুর’ এর সমার্থক হিসেবে ব্যবহার করা কিংবা টেনিসনের সেই বর্ণনায় প্রকৃতিকে অত্যন্ত রক্তাক্ত হিসেবে তুলে ধরা—এই সব কিছুই আমাদের কাছে বেশ পরিচিত।
** স্টিভেন পিঙ্কার, ''দ্য ব্ল্যাঙ্ক স্লেট: দ্য মডার্ন ডিনায়াল অফ হিউম্যান নেচার'' (২০০২), পৃষ্ঠা ২৪২
* আমি একটি নদীর পাড় দিয়ে হাঁটছিলাম যখন আমি এক মা উদবিড়ালকে তার বাচ্চাদের সাথে দেখতে পেলাম। দৃশ্যটি যে কারো কাছেই বেশ মায়াময় মনে হবে। কিন্তু আমি তাকিয়ে থাকতেই মা উদবিড়ালটি জলের নিচে ডুব দিল এবং একটি হৃষ্টপুষ্ট স্যামন মাছ মুখে করে উঠে এল; সে মাছটিকে কাবু করে আধা ডুবন্ত একটি কাঠের ওপর টেনে তুলল। যখন সে মাছটিকে খাচ্ছিল, তখন সেটি নিশ্চিতভাবেই জীবন্ত ছিল। মাছের শরীরটা যখন ফালাফালা হয়ে গেল, তখন আমি দেখলাম তার শরীরের ভেতর থেকে মাছের ডিমগুলো ঝরঝর করে বেরিয়ে এল। দৃশ্যটি দেখে বাচ্চা উদবিড়ালগুলো অত্যন্ত খুশি হয়ে সেই সুস্বাদু খাবারের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল। এটি প্রকৃতির এক অদ্ভুত বিস্ময়। মা আর তার সন্তানেরা ভোজ হিসেবে খাচ্ছে অন্য এক মা আর তার সন্তানদের। ঠিক তখনি আমি প্রথম অমঙ্গল বা অশুভ শক্তি সম্পর্কে জানতে পারলাম। এটি মহাবিশ্বের একদম গভীরে মিশে আছে। প্রতিটি জগত যন্ত্রণার সাথে ঘুরছে। আমি নিজেকে বললাম, যদি কোনো সর্বোচ্চ শক্তিশালী সত্তা থেকে থাকে, তবে আমাদের সবার দায়িত্ব হলো তার চেয়ে উচ্চতর নৈতিক গুণাবলী সম্পন্ন হয়ে ওঠা।
** টেরি প্র্যাচেট, ''আনসিন অ্যাকাডেমিকালস'' (২০০৯)
* প্রকৃতি অত্যন্ত নিষ্ঠুর এবং সে তার কোটি কোটি প্রজাদের সুখ-শান্তির ব্যাপারে একদমই উদাসীন, এমনটাই দাবি করা হয়। কবিরা যে বনের মাঝে সতেজতা খুঁজে পান, সেই বনই আসলে অন্য সব প্রাণীদের জন্য একেকটি রণক্ষেত্র আর একেকটি বিশাল কসাইখানা। যন্ত্রণা, ভয় আর রক্তপাতই যেন জীবনের এক অমোঘ নিয়ম।
** ওয়াল্টার র্যালে, ''ওয়ার্ডসওয়ার্থ'' (১৯০৩), পৃষ্ঠা ১৪১
* আমি যে ধরণের দুঃখ-কষ্ট আর মৃত্যু দেখেছি, তা আমার কাছে সবদিক থেকেই অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে মনে হয়েছে অর্থাৎ এগুলো দুর্ভাগ্যজনক, পরিতাপের বিষয়, দুঃখ পাওয়ার যোগ্য এবং এমন কিছু যা না থাকলে পৃথিবীটা হয়তো আরও সুন্দর হতো। এমন একটি চিন্তার পক্ষে আর বিপক্ষেই বা কী বলা যেতে পারে? আমার এই শোক বা আক্ষেপ কি যুক্তিসঙ্গত নাকি একে কেবল এক ধরণের সস্তা আবেগপ্রবণতা হিসেবে দেখা হবে? কোনো কোনো প্রাণীকে বেঁচে থাকার জন্য অন্য প্রাণীকে হত্যা করতে হয় এই বাস্তবতাকে আমাদের কীভাবে দেখা উচিত? এমন একটি পৃথিবী যেখানে প্রাণীরা একে অপরকে হত্যা করে না এবং বেঁচে থাকার জন্য হত্যার প্রয়োজনও পড়ে না, সেই পৃথিবীকে কি সত্যিই আরও উন্নত বা শ্রেষ্ঠ বলা সম্ভব?
** টাই র্যাটারম্যান, "[http://www.stafforini.com/docs/Raterman%20-%20An%20environmentalist's%20lament%20on%20predation.pdf শিকারের বিষয়ে একজন পরিবেশবাদীর আক্ষেপ]", ''এনভায়রনমেন্টাল এথিক্স'', খণ্ড ৩০, সংস্করণ ৪ (শীতকাল ২০০৮), পৃষ্ঠা ৪১৯
* বিশাল বড় বড় সমুদ্রগুলোতে মাছ, সরীসৃপ, কচ্ছপ, শামুক ঝিনুক, কৃমি আর অন্যান্য প্রাণীদের আনাগোনা যেন কোনো বিয়ারের পিপার তলানিতে জমে থাকা যবের দানার মতোই অগণিত। সেখানে এমন সব বিশাল সাপ আর দানবীয় প্রাণী রয়েছে যাদের শরীর মেরু পর্বতকে কয়েকবার পেঁচিয়ে ধরতে পারে। আবার এমন কিছু প্রাণী আছে যারা ধূলিকণা বা সুঁইয়ের ডগার মতোই অতি ক্ষুদ্র।<br/>তারা সবাই অবর্ণনীয় কষ্টের মধ্য দিয়ে দিন পার করে। বড় প্রাণীরা ছোটগুলোকে গিলে ফেলে। আবার ছোট প্রাণীরা বড় প্রাণীদের শরীরে গর্ত করে ঢুকে পড়ে এবং তাদের জ্যান্ত অবস্থাতেই কুরে কুরে খায়। বড় প্রাণীদের শরীরের ভেতরেও অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জীব বাস করে যারা তাদের শরীরের মাংস খেয়ে বেঁচে থাকে। এই সব প্রাণীদের মধ্যে কেউ কেউ মহাদেশগুলোর মাঝখানের এমন অন্ধকার জায়গায় জন্মায় যেখানে সূর্যের আলো কোনোদিন পৌঁছায় না; সেখানে তারা এমনকি নিজের হাত-পা কুঁচকে আছে নাকি ছড়িয়ে আছে তাও দেখতে পায় না। তারা এতটাই নির্বোধ আর অজ্ঞ যে কী করা উচিত আর কী করা উচিত নয় সে সম্পর্কে তাদের কোনো বোধশক্তি নেই। তারা এমন সব স্থানে বারবার জন্মগ্রহণ করে যেখানে দুঃখ-কষ্টের কোনো শেষ নেই।
** পটরুল রিনপোচে, ''দ্য ওয়ার্ডস অফ মাই পারফেক্ট টিচার'' (১৯৯৮), পৃষ্ঠা ৭৬, {{ISBN|9781570624124}}
* বিশেষ করে আমাদের মানুষের জগতের ভাগীদার হওয়া বন্যপ্রাণীরা প্রতিনিয়ত এক ধরণের আতঙ্কের মধ্যে বাস করে। অত্যন্ত সতর্ক না থেকে তারা এক লোকমা খাবারও মুখে তুলতে পারে না। তাদের অসংখ্য মরণপণ শত্রু রয়েছে কারণ প্রতিটি প্রাণীই অন্য কোনো না কোনো প্রাণীর শিকারে পরিণত হয় এবং শিকারি পশু আর প্রাণনাশের হুমকি সবসময় তাদের চারপাশ ঘিরে থাকে। বাজপাখি ছোট পাখিদের মারে, ছোট পাখিরা পোকামাকড় মারে—এভাবেই হত্যার এই বিরামহীন চক্রে তারা প্রতিনিয়ত লিপ্ত থাকে।
** পটরুল রিনপোচে, ''দ্য ওয়ার্ডস অফ মাই পারফেক্ট টিচার'' (১৯৯৮), পৃষ্ঠা ৭৬–৭৭ {{ISBN|9781570624124}}
* প্রাণীদের অধিকার রক্ষার অভিভাবক হিসেবে আমাদের কি উচিত নয় সবলদের হাত থেকে দুর্বলের সুরক্ষা নিশ্চিত করা? ব্ল্যাকবার্ড এবং থ্রাশ পাখিরা কেঁচো খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে আমাদের কি তাদের মেরে ফেলা উচিত? অথবা (যদি মৃত্যুদণ্ড আমাদের মানবিকতাকে আঘাত করে) তবে তাদের খাঁচাবন্দী করে চিরস্থায়ীভাবে নিরামিষ খাইয়ে তিল তিল করে মারাই কি শ্রেয়? বিড়াল যেন অন্যায়ভাবে কোনো ইঁদুরকে হত্যা করতে না পারে সে জন্য যদি আমাদের তার রাতের ঘোরাঘুরি বন্ধ করতে হয়, তবে ‘প্রকৃতিতে ফিরে যাওয়া’র সেই বুলির কী হবে? শক্তিশালী শিকারির হাতে নির্যাতিত শিকারের অধিকার কি আমরা রক্ষা করব না? নাকি প্রতিটি কীটপতঙ্গের অধিকার রক্ষার এই ঘোষণাগুলো কেবল কুকুর-প্রেমী আবেগপ্রবণ মানুষদের খুশি করার এক ধরণের ভণ্ডামি ছাড়া আর কিছুই নয়?
** ডেভিড জর্জ রিচি, ''ন্যাচারাল রাইটস: এ ক্রিটিসিজম অফ সাম এথিক্যাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল কনসেপশনস'' (১৯০৩)
* আমরা যখন উদ্ভিদ বা অনুভুতিহীন প্রাণীদের রক্ষা করতে, কিংবা বিপন্ন প্রজাতি বা বাস্তুতন্ত্রকে বাঁচাতে মনস্তাত্ত্বিক নীতিশাস্ত্র ব্যবহার করার চেষ্টা করি, তখন আমরা দ্বিধায় পড়ে যাই। বন্য প্রকৃতি অত্যন্ত প্রজননশীল হলেও খুব একটা দয়ালু নয়; আর প্রাকৃতিক প্রক্রিয়াকে মূল্যায়ন করার পাশাপাশি জীবনের প্রতি শ্রদ্ধা রাখার প্রকৃত অর্থই বা কী? ইয়েলোস্টোন পার্কে একবার একটি বাইসন বরফ ফেটে নদীর জলে পড়ে গিয়েছিল; সেখানকার পরিবেশগত নীতি ছিল প্রকৃতিকে তার আপন গতিতে চলতে দেওয়া, আর সেই কারণেই কোনো উদ্ধারকারী সেই মুমূর্ষু প্রাণীটিকে বাঁচানোর বা তার কষ্ট কমাতে মেরে ফেলার অনুমতি পায়নি। আবার যখন ইয়েলোস্টোনের বিগহর্ন ভেড়াগুলো চোখের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে অন্ধ হয়ে গিয়েছিল এবং যন্ত্রণায় ধুঁকে ধুঁকে না খেয়ে মরছিল, তখন সেই পালের অর্ধেকেরও বেশি অর্থাৎ ৩০০টি ভেড়া মারা গিয়েছিল। বন্যপ্রাণী চিকিৎসকরা তাদের চিকিৎসা করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু ইয়েলোস্টোনের নীতি নির্ধারকরা তাদের যন্ত্রণার মধ্যেই ফেলে রেখেছিলেন এবং দেখে মনে হচ্ছিল তারা প্রাণের প্রতি বিন্দুমাত্র শ্রদ্ধাশীল নন। তাদের কি কোনো দয়া নেই? জীবনের প্রতি কোনো সম্মান নেই?
** হোমস রোলস্টন তৃতীয়, "[https://mountainscholar.org/bitstream/handle/10217/37117/Respect-Can-Zen-Help-updated.pdf?sequence=1&isAllowed=y জীবনের প্রতি শ্রদ্ধা: পরিবেশগত নীতি তৈরিতে জেন বুদ্ধ ধর্ম কি সাহায্য করতে পারে?]", ''জেন বুদ্ধিজম টুডে'', সংস্করণ ৭ (সেপ্টেম্বর ১৯৮৯), পৃষ্ঠা ১৩
* যদি কোনো মানুষ জলে ডুবে যেত তবে তাকে মুহূর্তের মধ্যেই বাঁচানো হতো এবং পিঙ্ক আই আক্রান্ত কোনো শিশুকেও অবিলম্বে চিকিৎসা দেওয়া হতো। এক ধরণের সাধারণ নীতি যেন কোনো পার্থক্য করতে শিখছে না; আমরা কোনোভাবেই মানুষের জন্য করা নীতি আর বন্যপ্রাণীদের নীতিকে আলাদা করতে পারি না।
** হোমস রোলস্টন তৃতীয়, "[https://mountainscholar.org/bitstream/handle/10217/37117/Respect-Can-Zen-Help-updated.pdf?sequence=1&isAllowed=y জীবনের প্রতি শ্রদ্ধা: পরিবেশগত নীতি তৈরিতে জেন বুদ্ধ ধর্ম কি সাহায্য করতে পারে?]", ''জেন বুদ্ধিজম টুডে'', সংস্করণ ৭ (সেপ্টেম্বর ১৯৮৯), পৃষ্ঠা ১৩
* ইয়েলোস্টোনের নীতি নির্ধারকরা বাইসনটিকে জলে ডুবে মরতে দিয়েছিল এবং তার কষ্টের প্রতি উদাসীন ছিল; তারা অন্ধ ভেড়াগুলোকেও মরতে দিয়েছিল। কিন্তু ১৯৮৪ সালের বসন্তে একটি মা গ্রিজলি ভাল্লুক তার তিনটি ছানাসহ ইয়েলোস্টোন হ্রদের বরফ পার হয়ে তীর থেকে দুই মাইল দূরে ফ্রাঙ্ক আইল্যান্ডে চলে যায়। সেখানে তারা মরা হরিণের মাংস খেয়ে বেশ কয়েক দিন ছিল, কিন্তু হ্রদের বরফের সেই সেতুটি একসময় গলে যায়। এর ফলে তারা সেই ছোট দ্বীপে আটকা পড়ে খাবারের অভাবে না খেয়ে মরার উপক্রম হয়। এবার কিন্তু ইয়েলোস্টোনের সেই নীতি নির্ধারকরা অত্যন্ত দ্রুততার সাথে সেই ভাল্লুকগুলোকে উদ্ধার করে মূল ভূখণ্ডে ছেড়ে দেয় যাতে একটি বিপন্ন প্রজাতি রক্ষা পায়। তারা আসলে প্রতিটি আলাদা ভাল্লুককে বাঁচানোর চেয়ে বরং পুরো প্রজাতিটিকে বাঁচানোর জন্যই সেই উদ্ধারকাজ চালিয়েছিল।
** হোমস রোলস্টন তৃতীয়, "[https://mountainscholar.org/bitstream/handle/10217/37117/Respect-Can-Zen-Help-updated.pdf?sequence=1&isAllowed=y জীবনের প্রতি শ্রদ্ধা: পরিবেশগত নীতি তৈরিতে জেন বুদ্ধ ধর্ম কি সাহায্য করতে পারে?]", ''জেন বুদ্ধিজম টুডে'', সংস্করণ ৭ (সেপ্টেম্বর ১৯৮৯), পৃষ্ঠা ২০
* প্রকৃতিকে তার বাস্তুসংস্থানিক গতিপথে চলতে দেওয়ার জন্যই ইয়েলোস্টোনের নীতি সেই ডুবে যাওয়া বাইসনকে বাঁচাতে নিষেধ করেছিল, অথচ মা ভাল্লুক আর ছানাদের উদ্ধার করেছিল যাতে বড় শিকারি প্রাণীরা পরিবেশে টিকে থাকে। বাইসনটি ডুবে মরার পর কোয়োট, নীলকণ্ঠ পাখি, শিয়াল আর দাঁড়কাকেরা সেই মৃতদেহ খেয়ে নিজেদের আহার জুটিয়েছিল। পরে এমনকি একটি গ্রিজলি ভাল্লুকও সেই মৃতদেহ ভক্ষণ করেছিল। এই সবকিছুই আসলে ভালো কারণ এতে প্রকৃতির চক্রটি বজায় থাকে এবং সেই বড় ভাল্লুকটি বা নেকড়েরা এই জালের মাঝে এক একটি উজ্জ্বল রত্নের মতো। সেই হিসাবে শীতের বরফে আটকে পড়া তিমির উদ্ধার করা হয়তো খুব একটা ভালো কাজ ছিল না, কারণ উদ্ধারকারীদের সেই সব মেরু ভাল্লুকদের তাড়িয়ে দিতে হয়েছিল যারা মুমূর্ষু তিমির মাংস খাওয়ার চেষ্টা করছিল।
** হোমস রোলস্টন তৃতীয়, "[https://mountainscholar.org/bitstream/handle/10217/37117/Respect-Can-Zen-Help-updated.pdf?sequence=1&isAllowed=y জীবনের প্রতি শ্রদ্ধা: পরিবেশগত নীতি তৈরিতে জেন বুদ্ধ ধর্ম কি সাহায্য করতে পারে?]", ''জেন বুদ্ধিজম টুডে'', সংস্করণ ৭ (সেপ্টেম্বর ১৯৮৯), পৃষ্ঠা ২৪–২৫
* ন্যাশনাল পার্কের নীতিমালা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে মানুষের প্রতি দেখানো সহানুভূতি যদি বন্যপ্রাণীদের ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা হয়, তবে তা তাদের বন্য স্বভাবের প্রতি অসম্মান হবে। হয়তো আমরা এখন বুঝতে শুরু করেছি যে তিমিগুলোকে বাঁচানোর মধ্যে কী সমস্যা থাকতে পারে। অথবা হয়তো আমরা এই ‘প্রকৃতিকে আপন গতিতে চলতে দেওয়ার নীতিটিকে একদম চরম পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছি। আমরা যেন এখন প্রকৃতির পূজা করতে শুরু করেছি। এখানকার নীতিশাস্ত্র কি কোনোভাবে ভুল পথে চলে গিয়েছে এবং নিষ্ঠুর প্রকৃতির প্রতি এক ধরণের ভ্রান্ত সম্মানের মোহে অন্ধ হয়ে পড়েছে? বন্যপ্রাণীদের প্রতি এই ধরণের উদাসীনতা কি আসলেই সঠিক কোনো নীতি হতে পারে? এটি বলা কি কোনোভাবেই ঈশ্বরপ্রদত্ত দয়া হতে পারে যে, "তাদের কষ্ট পেতে দাও!"?
** হোমস রোলস্টন তৃতীয়, "[https://www.jstor.org/stable/23559560 পরিবেশগত নীতিশাস্ত্র: খ্রিস্টানদের জন্য কিছু চ্যালেঞ্জ]", ''দি অ্যানুয়াল অফ দ্য সোসাইটি অফ খ্রিস্টান এথিক্স'', খণ্ড ১৩ (১৯৯৩), পৃষ্ঠা ১৬৬
* গুটি কয়েক প্রাণী যেমন এক জোড়া তিমি, একটি বাইসন বা কয়েকটি হরিণকে উদ্ধার করাটা মানবিক মনে হয় এবং এতে খুব একটা ক্ষতিও হয় না; কিন্তু নৈতিক বিবেচনার জন্য এটিই শেষ কথা নয়। নীতিগুলো এমন হওয়া উচিত যা সবার জন্য প্রযোজ্য বা বিশ্বজনীন করা যায়। হয়তো পুরো একটি প্রাণীর পালের কথা বিবেচনা করলে এই দায়িত্বগুলো আরও পরিষ্কারভাবে বোঝা যাবে।
** হোমস রোলস্টন তৃতীয়, "[https://www.jstor.org/stable/23559560 পরিবেশগত নীতিশাস্ত্র: খ্রিস্টানদের জন্য কিছু চ্যালেঞ্জ]", ''দি অ্যানুয়াল অফ দ্য সোসাইটি অফ খ্রিস্টান এথিক্স'', খণ্ড ১৩ (১৯৯৩), পৃষ্ঠা ১৬৬
* আমাদের কী করা ‘উচিত’ তা নির্ভর করে বর্তমান পরিস্থিতির ওপর। প্রকৃতির বাস্তবতা আর সংস্কৃতির বাস্তবতা অনেক ভিন্ন, এমনকি যখন যন্ত্রণার ধরণ একই রকম হয় তখনও। বরফে জমা নদীতে কোনো মানুষ পড়ে থাকলে তাকে মুহূর্তেই উদ্ধার করা হতো; কোনো নেকড়ে বা ওলভেরিন দ্বারা আক্রান্ত মানুষকে হেলিকপ্টারে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হতো। বাইসন বা হরিণ তো মানুষ নয় এবং আমরা তাদের সাথে একদম মানুষের মতো আচরণও করতে পারি না; তবুও কষ্ট যদি মানুষের জন্য খারাপ কিছু হয় যা আমরা দূর করতে চাই, তবে সেই কষ্ট বাইসনের জন্য কেন খারাপ হবে না? আমরা সব বন্যপ্রাণীকে চিকিৎসা দিতে পারি না এবং শিকারি প্রাণীর শিকারে বাধা দেওয়াও আমাদের উচিত নয়। কিন্তু যখন আমরা রশির টানে একটি প্রাণীকে উদ্ধার করার সুযোগ পাই বা তার কষ্ট কমাতে তাকে দয়ামৃত্যু দেওয়ার সুযোগ পাই, তখন কেন আমরা তা করব না? আমরা যদি অন্ধ ভেড়ার পালকে চিকিৎসা দিতে পারি, তবে কেন করব না? আমরা যদি শীতকালে অনাহারে থাকা হরিণদের খাবার দিতে পারি, তবে কেন দেব না? মানুষের স্বভাব তো আমাদের ঠিক এটাই করতে বলে, তবে কেন আমরা মানব প্রকৃতির স্বাভাবিক ইচ্ছাকে গুরুত্ব দেব না? যিশুর উপদেশও তো এটাই যে, অন্যদের প্রতি ঠিক তেমনই আচরণ করো যেমনটি তুমি নিজের জন্য প্রত্যাশা করো; তবে কেন আমরা এই সোনালী নিয়মটি অনুসরণ করব না?
** হোমস রোলস্টন তৃতীয়, "[https://www.jstor.org/stable/23559560 পরিবেশগত নীতিশাস্ত্র: খ্রিস্টানদের জন্য কিছু চ্যালেঞ্জ]", ''দি অ্যানুয়াল অফ দ্য সোসাইটি অফ খ্রিস্টান এথিক্স'', খণ্ড ১৩ (১৯৯৩), পৃষ্ঠা ১৬৭
* আমরা যদি প্রাণীদের আনন্দ বা কষ্টের কথা ভাবি, তবে দেখা যায় যে এই ফলাফলগুলো ঠিক তেমনই যা আমরা একটি বুদ্ধিমান ও নৈতিক শক্তির বদলে প্রাকৃতিক ও ভৌত শক্তির প্রভাবে আশা করতে পারি; কারণ বর্তমান যা আছে আর যা হতে পারত তার মধ্যে কত বিশাল ব্যবধান! কেবল দয়ালু নির্বাচনই পারত সেই অসংখ্য পরজীবীদের নির্মূল করতে যারা এখন উচ্চতর প্রাণীদের স্বাস্থ্য আর সুখ ধ্বংস করছে; কেবল নৈতিক দিক থেকে যোগ্যতমের জয়ই পারত এই বিশ্বে মাংসাশী আর হিংস্র প্রাণীদের সরিয়ে শান্ত আর নিরীহ প্রাণীদের জায়গা করে দিতে; জীবন হয়তো রোগহীন আর মৃত্যু হতে পারত যন্ত্রণাহীন। এমনকি প্রজাতির চাহিদা অনুযায়ী অঙ্গপ্রত্যঙ্গ আর অভ্যাসগুলোও একে অপরের সহায়ক হতে পারত! কিন্তু না! এই বিশাল প্রাণিজগতে লক্ষ লক্ষ ধরণের গঠন আর অভ্যাস থাকা সত্ত্বেও যা প্রতিটি প্রজাতির নিজেদের প্রয়োজনের সাথে চমৎকারভাবে খাপ খায়, সেখানে এমন একটিও উদাহরণ নেই যেখানে এক প্রজাতির কোনো বিশেষ গঠন কেবল অন্য কোনো প্রজাতির উপকারের জন্য তৈরি হয়েছে, যদিও নাস্তিক্যবাদী তত্ত্ব অনুযায়ী আমরা এমন কিছু উদাহরণ পাই যেখানে এক প্রজাতির কোনো বিশেষ অঙ্গ অন্য প্রজাতিও ব্যবহার করে থাকে। তবে কোনো দয়ালু স্রষ্টার পরিকল্পনা থাকলে এটি বোঝা সত্যিই অসম্ভব যে কেন এক প্রজাতির সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সেই প্রজাতির উপকারের জন্য একযোগে কাজ করলেও ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতির মধ্যে এমন কোনো সমন্বয় নেই। প্রকৃতি যদি এমন হতো যেখানে প্রতিটি সংবেদনশীল প্রাণী একে অপরের সুখের জন্য কাজ করছে, তবে সেটি কতটা মহিমান্বিত আর সুন্দর হতো! তখন প্রতিটি প্রজাতি যেন একেকটি কণ্ঠস্বর হয়ে সৃষ্টিকর্তার প্রশংসায় এক সুরে গান গাইত। কিন্তু বাস্তবে আমরা তেমন কিছুর চিহ্নও দেখতে পাই না; প্রতিটি প্রজাতি কেবল নিজের জন্য এবং নিজের স্বার্থেই বেঁচে থাকে—যা সবসময় এবং সর্বত্র চলতে থাকা সেই নিদারুণ টিকে থাকার লড়াইয়েরই একটি ফল।
** জর্জ রোমানস, ''[https://www.gutenberg.org/files/19003/19003-h/19003-h.htm এ ক্যানডিড একজামিনেশন অফ থেইজম]'' (১৮৭৮)
* যদি ঈশ্বরকে সর্বশক্তিমান ধরা হয় তবে এটি একদম পরিষ্কার যে এই বিশাল পরিমাণ দুঃখ-কষ্ট, তা যে উদ্দেশ্যেই তৈরি করা হোক না কেন, ঐশ্বরিক চরিত্রের দয়া ও করুণার এক বিশাল অভাবকেই তুলে ধরে যা এমনকি মানুষের নিকৃষ্টতম চরিত্রের চেয়েও খারাপ। আসুন আমরা মুহূর্তের জন্য ভাবি প্রকৃতিতে কষ্টের অর্থ কী। কোটি কোটি বছর আগে কোটি কোটি প্রাণী নিশ্চয়ই সংবেদনশীল ছিল। সেই সময় থেকে বর্তমান পর্যন্ত নিশ্চয়ই কোটি কোটি প্রজাতির কোটি কোটি প্রাণীর জন্ম হয়েছে। আর এই দীর্ঘ সময়ের প্রতিটি মুহূর্তে এই অগণিত সংবেদনশীল প্রাণীরা বিরামহীন লড়াই, আতঙ্ক, লুণ্ঠন আর যন্ত্রণার মধ্যে কাটিয়েছে। এর ফলাফল দেখলে দেখা যায় যে টিকে থাকা প্রজাতির অর্ধেকেরও বেশি হলো পরজীবী যারা উন্নত আর সংবেদনশীল প্রাণীদের শরীর ভক্ষণ করে বেঁচে থাকে; আমরা দেখতে পাই কেবল হত্যার জন্যই তৈরি হওয়া সব দাঁত আর থাবা, যন্ত্রণার জন্য তৈরি হওয়া সব হুল আর রক্তচোষা অঙ্গ—সর্বত্রই এক আতঙ্ক, ক্ষুধা আর রোগব্যাধির রাজত্ব চলছে যেখানে রক্ত ঝরছে এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কাঁপছে, আর সেই সাথে নিষ্পাপ চোখগুলো নিদারুণ নির্যাতনের মধ্য দিয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে! কি বলা হয়েছে যে এখানে আনন্দও আছে যা ক্ষতিপূরণ করে দেয়? আমি সেই পাল্লা সমান করার কথা ভাবছি না; কারণ আমি পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছি যে যন্ত্রণার মতোই আনন্দও এখানে নিছকই একটি প্রাকৃতিক প্রয়োজন ছাড়া আর কিছুই নয়।
** জর্জ রোমানস, ''[https://www.gutenberg.org/files/19003/19003-h/19003-h.htm এ ক্যানডিড একজামিনেশন অফ থেইজম]'' (১৮৭৮)
* ধরুন কোনো এক দূরবর্তী বনে বজ্রপাতের কারণে একটি মরা গাছে আগুন লেগে গেল এবং সেই আগুন পুরো বনে ছড়িয়ে পড়ল। সেই আগুনে একটি হরিণের ছানা আটকা পড়ল এবং তার শরীর মারাত্মকভাবে পুড়ে গেল; ছানাটি মারা যাওয়ার আগে কয়েক দিন ধরে অবর্ণনীয় যন্ত্রণায় ধুঁকে ধুঁকে পড়ে রইল। আমরা যতদূর বুঝতে পারি, হরিণ ছানাটির এই নিদারুণ যন্ত্রণার কোনো মানেই হয় না। কারণ এমন কোনো মহৎ লক্ষ্য দেখা যাচ্ছে না যা অর্জনের জন্য এই যন্ত্রণার প্রয়োজন ছিল অথবা যা এই যন্ত্রণা ছাড়া অর্জন করা সম্ভব হতো না। আবার এমন কোনো বড় বিপদও দেখা যাচ্ছে না যা এই হরিণ ছানাটির যন্ত্রণা প্রতিরোধ করলে ঘটে যেত। তবে কি একজন সর্বশক্তিমান আর সর্বজ্ঞ সত্তা হরিণ ছানাটির এই উদ্দেশ্যহীন কষ্ট প্রতিরোধ করতে পারতেন না?
** উইলিয়াম এল. রো, "[https://www.kul.pl/files/57/nauka/Rowe_The_Problem_of_Evil.pdf অমঙ্গলের সমস্যা এবং নাস্তিকতার কিছু প্রকারভেদ]", ''আমেরিকান ফিলোসফিক্যাল কোয়ার্টারলি'', খণ্ড ১৬, সংস্করণ ৪ (১৯৭৯), পৃষ্ঠা ৩৩৭
* প্রকৃতিতে প্রাণীদের মৃত্যুর ধরণগুলো সাধারণত অত্যন্ত সহিংস হয়ে থাকে: যেমন শিকার হওয়া, অনাহার, রোগব্যাধি, পরজীবীর আক্রমণ কিংবা প্রচণ্ড শীত। বন্য পরিবেশে মৃত্যু পথযাত্রী একটি প্রাণী বুঝতেই পারে না যে সে এবং তার মতো আরও কোটি কোটি প্রাণী ঠিক কতটা যন্ত্রণার সাগরে জন্ম নিয়েছে, যেখানে তাদের একমাত্র পরিণতি হলো ডুবে মরা। যদি একটি বন্য প্রাণী বুঝতে পারত যে সে কোন পরিস্থিতিতে জন্মেছে, তবে সে কী ভাবত? সম্ভবত সে যুক্তিসঙ্গতভাবেই কোনো খামারে বড় হওয়াকে বেশি পছন্দ করত, যেখানে অন্তত এক বছর বা তার বেশি সময় বেঁচে থাকার সম্ভাবনা থাকে; আর সে বন্য পরিবেশ থেকে পালিয়ে বাঁচতে চাইত যেখানে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা একদমই নগণ্য। যেভাবেই হোক, প্রাণীটি শেষ পর্যন্ত অন্যের আহারই হবে: খুব কম প্রাণীই বার্ধক্যের কারণে মারা যাওয়ার সুযোগ পায়। তবে জন্ম থেকে কসাইখানা পর্যন্ত যাওয়ার পথটি বনের তুলনায় খামারে অনেক সময় দীর্ঘ এবং কম যন্ত্রণাদায়ক হয়। এই তুলনাগুলো শুনতে যতটা দুঃখজনকই মনে হোক না কেন, কষ্ট লাঘব বা প্রতিরোধের সুযোগ কোথায় আছে তা বোঝার জন্য এই তুলনা করা জরুরি। প্রকৃতিতে প্রাণীদের এই দুর্দশা—যা কমাতে মানুষ অনেক কিছু করতে পারে—অন্য সব ধরণের কষ্টকে ম্লান করে দেয়। মা প্রকৃতি তার সন্তানদের প্রতি এতটাই নিষ্ঠুর যে তার কাছে ফ্র্যাঙ্ক পারডিউকেও (এক বিখ্যাত মুরগি ব্যবসায়ী) একজন মহাপুরুষ বলে মনে হয়।
** মার্ক সাগফ, "[https://digitalcommons.osgoode.yorku.ca/ohlj/vol22/iss2/5/ অ্যানিম্যাল লিবারেশন অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল এথিক্স: ব্যাড ম্যারেজ, কুইক ডিভোর্স]", ''ওসগুড হল ল জার্নাল'', খণ্ড ২২, সংস্করণ ২ (১৯৮৪), পৃষ্ঠা ৩০৩
* প্রাকৃতিক নির্বাচনের নীতিটি কিন্তু কোনো দয়া বা মানবিক নীতি নয়; শিকারি আর শিকারের সম্পর্ক কোনো নৈতিক সহানুভূতির ওপর নির্ভর করে না। প্রকৃতি অত্যন্ত নির্মমভাবে প্রাণীদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে, যেখানে প্রায় প্রতিটি প্রাণী পূর্ণবয়স্ক হওয়ার আগেই সহিংসতার শিকার হয়; এই পরিস্থিতি প্রাণীদের সমানাধিকারকে কেবল এক অন্ধকার অর্থেই বজায় রাখে।
** মার্ক সাগফ, "[https://digitalcommons.osgoode.yorku.ca/ohlj/vol22/iss2/5/ অ্যানিম্যাল লিবারেশন অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল এথিক্স: ব্যাড ম্যারেজ, কুইক ডিভোর্স]", (১৯৮৪), ''ওসগুড হল ল জার্নাল'', খণ্ড ২২, সংস্করণ ২ (১৯৮৪), পৃষ্ঠা ২৯৯
* যখন আমাদের নিজেদের স্বার্থ বা আমাদের প্রিয়জনদের স্বার্থে আঘাত লাগে, তখন আমরা "প্রকৃতিকে তার আপন গতিতে চলতে দাও" এমন কোনো নৈতিক বাধ্যবাধকতা মানি না; কিন্তু যখন আমরা কোনো দায়িত্ব নিতে চাই না, তখন "দুনিয়া এভাবেই চলে" এমন অজুহাত আমাদের জন্য খুব সুবিধাজনক হয়ে দাঁড়ায়।
** স্টিভ এফ. স্যাপোন্টজিস, "[https://digitalcommons.calpoly.edu/cgi/viewcontent.cgi?article=1220&context=ethicsandanimals শিকার]", ''এথিক্স অ্যান্ড অ্যানিম্যালস'', খণ্ড ৫, সংস্করণ ২, অনুচ্ছেদ ৪ (১৯৮৪), পৃষ্ঠা ২৯
* যেখানে আমরা বড় কোনো ক্ষতির সৃষ্টি না করেই শিকারবৃত্তি রোধ করতে পারি, সেখানে বন্যপ্রাণীদের কষ্ট কমানোর নীতি অনুযায়ী আমাদের তা করা উচিত। কিন্তু যেখানে আমরা তা পারি না অথবা যেখানে হস্তক্ষেপ করলে উপকারের চেয়ে অপকার বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, সেখানে এই নীতি আমাদের শিকারবৃত্তি রোধ করতে বাধ্য করে না।
** স্টিভ এফ. স্যাপোন্টজিস, "[https://digitalcommons.calpoly.edu/cgi/viewcontent.cgi?article=1220&context=ethicsandanimals শিকার]", ''এথিক্স অ্যান্ড অ্যানিম্যালস'', খণ্ড ৫, সংস্করণ ২, অনুচ্ছেদ ৪ (১৯৮৪), পৃষ্ঠা ৩৬
* অন্যদিকে, প্রতিরোধযোগ্য যন্ত্রণা, সম্পদের অসম বণ্টন কিংবা অনিয়ন্ত্রিত সহিংসতাকে মেনে নিতে অস্বীকার করা আমাদের প্রাত্যহিক নৈতিকতারই একটি অংশ। প্রাণীদের মুক্তি বা অ্যানিম্যাল লিবারেশন এই নৈতিক চিন্তাকেই আরও প্রসারিত করে, যা ঐতিহাসিকভাবে কেবল মানুষের জগতের জন্য সীমাবদ্ধ ছিল। এভাবেই প্রাণীদের মুক্তি আন্দোলন মূলত আমাদের দৈনন্দিন নৈতিক চর্চাকেই এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তাই এটি কোনোভাবেই বাস্তব জীবনকে ঘৃণা করে না বা অস্বীকার করে না। বরং ক্যালিকটের প্রস্তাবিত আদিম জীবনে ফিরে যাওয়ার উল্টো পথে হেঁটে এটি জীবনের সক্রিয় অংশীদার হচ্ছে এবং নৈতিক বিবর্তনে সাহায্য করছে।
** স্টিভ এফ. স্যাপোন্টজিস, "[https://digitalcommons.calpoly.edu/cgi/viewcontent.cgi?article=1244&context=ethicsandanimals আর্টিকেল রিভিউ অফ অ্যানিম্যাল লিবারেশন: এ ট্রায়াঙ্গুলার অ্যাফেয়ার]", ''এথিক্স অ্যান্ড অ্যানিম্যালস'', খণ্ড ৫, সংস্করণ ৪ (১৯৮৪), পৃষ্ঠা ১২০
* ব্যাল্ডনার দাবি করেন যে, শিকারবৃত্তির মতো প্রাকৃতিক নিয়মকে নৈতিকভাবে নিন্দা করাটা এক ধরণের ‘অহংকার’ বা ‘অভিভাবকসুলভ মানসিকতা’। তবে নৈতিকতার কাজই হলো একটি উন্নত বিশ্বের আদর্শ তৈরি করা এবং তা বাস্তবায়নের জন্য কাজ করা। এর মানে হলো বর্তমান জগতকে আদর্শের চেয়ে কম হিসেবে বিচার করা এবং তা পরিবর্তনের চেষ্টা করা। কেউ চাইলে নৈতিক মূল্যায়নকে কেবল মানুষের কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে পারেন, কিন্তু সেটি হবে বৈষম্যমূলক: কারণ যন্ত্রণাকে নৈতিকভাবে খারাপ বলা হয় এই জন্য নয় যে এটি মানুষের কাজ, বরং এই জন্য যে এটি একটি যন্ত্রণা। বিশ্বকে একটি নৈতিকভাবে আরও উন্নত জায়গা হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার আমাদের বাধ্য করে প্রকৃতির এই নিয়মগুলোর নৈতিক মূল্যায়ন করতে। আমাদের সীমাবদ্ধতা আর অভাবগুলো মেনে নিয়ে যদি আমরা উন্নতির চেষ্টা করি, তবে তাতে কোনো অহংকার বা অন্যায্য অভিভাবকত্বের বিষয় থাকে না।
** স্টিভ এফ. স্যাপোন্টজিস, "[https://digitalcommons.calpoly.edu/cgi/viewcontent.cgi?article=2060&context=bts আলোচনা: এনভায়রনমেন্টাল এথিক্স অ্যান্ড দ্য লোকাস অফ ভ্যালু]", ''বিটুইন দ্য স্পিসিস'' (শীতকাল ১৯৯০), পৃষ্ঠা ৯
* এটি বলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে, আইনি ভাষা যা-ই হোক না কেন, প্রাণীদের অধিকার কোনোভাবেই তথাকথিত সম্পত্তির অধিকারের ওপর নির্ভর করে না; কেবল পোষা প্রাণীদের প্রতিই আমাদের সহানুভূতি বা সুরক্ষা সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। খেলাধুলা, পেটুকতা কিংবা ফ্যাশনের দোহাই দিয়ে বন্য বা পোষা প্রাণীদের যন্ত্রণার সুযোগ নেওয়া কোনোভাবেই প্রাণীদের অধিকারের ধারণার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
** হেনরি স্টিফেনস সল্ট, ''অ্যানিম্যালস রাইটস: কনসিডারড ইন রিলেশন টু সোশ্যাল প্রোগ্রেস'' (১৮৯৪)
* মাটির কাছাকাছি তাদের সামনেই কিছু একটা শব্দ হলো। ফার্ন আর বুনো লেটুসের ঝোপের আড়ালে কিছু একটা খুব দ্রুত নড়াচড়া করছিল। সুতোর মতো খুব সরু একটা কান্নার আওয়াজ পৈশাচিকভাবে বেজে উঠল এবং তারপরেই সব নিস্তব্ধ হয়ে গেল। কেবল পাতা আর ঘাসের ডগাগুলো আগের জায়গায় ফিরে আসার সময় একটু কেঁপে উঠল। একটি নেউল একটি ইঁদুর ধরেছিল। সে গুটিগুটি পায়ে এগিয়ে এল এবং তার আহার উপভোগ করার প্রস্তুতি নিতে লাগল।
** ফেলিক্স সালতেন, ''বাম্বি: এ লাইফ ইন দ্য উডস'' (১৯২৩)
* শীত যেন শেষই হচ্ছিল না। মাঝে মাঝে আবহাওয়া কিছুটা উষ্ণ হলেও পরক্ষণেই আবার তুষারপাত শুরু হতো এবং বরফের স্তর আরও গভীর হয়ে যেত, ফলে সেই বরফ সরিয়ে খাবার খুঁজে পাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ত। পরিস্থিতি সব চেয়ে খারাপ হতো যখন তুষার গলে জল হতো আর রাতে সেই জল আবার জমে বরফ হয়ে যেত। তখন মাটির ওপর বরফের এক পাতলা পিচ্ছিল স্তর তৈরি হতো। প্রায়ই সেই বরফ ভেঙে যেত এবং ধারালো টুকরোগুলো হরিণের পায়ের নিচের নরম অংশ কেটে রক্তারক্তি করে ফেলত।
** ফেলিক্স সালতেন, ''বাম্বি: এ লাইফ ইন দ্য উডস'' (১৯২৩)
* বনে সবকিছু নিস্তব্ধ থাকলেও প্রতিদিন কোনো না কোনো ভয়ংকর ঘটনা ঘটত। একবার একদল কাক বন্ধু খরগোশের ছোট ছেলের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, যে অসুস্থ অবস্থায় শুয়ে ছিল; তারা তাকে অত্যন্ত নিষ্ঠুরভাবে মেরে ফেলল। অনেকক্ষণ ধরে তার করুণ আর্তনাদ শোনা যাচ্ছিল। বন্ধু খরগোশ তখন বাড়িতে ছিল না, আর ফিরে এসে যখন সে এই দুঃখজনক খবরটি শুনল, তখন সে শোকে একদম ভেঙে পড়ল।
** ফেলিক্স সালতেন, ''বাম্বি: এ লাইফ ইন দ্য উডস'' (১৯২৩)
* আরেকবার একটি কাঠবিড়ালি তার ঘাড়ের কাছে এক বিশাল ক্ষত নিয়ে পাগলের মতো ছুটছিল, কারণ একটি নেউল তাকে প্রায় ধরে ফেলেছিল। অলৌকিকভাবে কাঠবিড়ালিটি সেবার পালিয়ে বাঁচতে পেরেছিল। যন্ত্রণার কারণে সে কোনো কথা বলতে পারছিল না, কেবল গাছের ডাল বেয়ে এদিক-সেদিক দৌড়াচ্ছিল। সবাই তাকে দেখতে পাচ্ছিল। মাঝে মাঝে সে থামছিল, বসছিল এবং নিদারুণ যন্ত্রণায় নিজের মাথা চেপে ধরছিল; আর তার সাদা বুকের ওপর দিয়ে লাল রক্ত গড়িয়ে পড়ছিল। প্রায় এক ঘণ্টা এভাবে দৌড়ানোর পর সে হঠাৎ নিস্তেজ হয়ে একটি ডালের ওপর লুটিয়ে পড়ল এবং তুষারের ওপর পড়ে মারা গেল। মুহূর্তের মধ্যেই এক জোড়া নীলকণ্ঠ পাখি উড়ে এল তাদের ভোজ শুরু করার জন্য।
** ফেলিক্স সালতেন, ''বাম্বি: এ লাইফ ইন দ্য উডস'' (১৯২৩)
* আরেকদিন একটি শিয়াল সেই শক্তিশালী আর সুন্দর ফেজেন্ট পাখিটিকে টুকরো টুকরো করে ছিঁড়ে ফেলল, যে সবার কাছে খুব জনপ্রিয় আর সম্মানিত ছিল। তার মৃত্যুতে অনেকেই ব্যথিত হয়েছিল এবং তার শোকাতুর বিধবা পত্নীকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছিল। শিয়ালটি ফেজেন্টটিকে বরফের তলা থেকে টেনে বের করেছিল, যেখানে পাখিটি নিজেকে লুকিয়ে রেখেছিল। দিনের আলোতে এমন ঘটনা ঘটবে তা পাখিটি কল্পনাও করতে পারেনি। এই অন্তহীন দুঃখ আর কষ্ট সবার মনে তিক্ততা আর নিষ্ঠুরতা ছড়িয়ে দিচ্ছিল। এটি তাদের অতীতের সব স্মৃতি আর একে অপরের প্রতি বিশ্বাস নষ্ট করে দিচ্ছিল। বনের কোথাও তখন আর শান্তি বা করুণার কোনো চিহ্ন ছিল না।
** ফেলিক্স সালতেন, ''বাম্বি: এ লাইফ ইন দ্য উডস'' (১৯২৩)
* গোবোর ভবিষ্যৎ খুব একটা উজ্জ্বল বলে মনে হচ্ছিল না। সে খুব দুর্বল ছিল। সে সবসময়ই বাম্বি বা ফ্যালিনের চেয়ে অনেক বেশি কোমল ছিল এবং আকারেও তাদের চেয়ে ছোট রয়ে গিয়েছিল। দিনের পর দিন তার অবস্থা আরও খারাপের দিকে যাচ্ছিল। যে সামান্য খাবার পাওয়া যাচ্ছিল, সেটুকুও সে খেতে পারছিল না। খাবার খেলে তার পেটে ব্যথা হতো। আর শীতের কামড় এবং চারপাশের আতঙ্ক তাকে পুরোপুরি নিঃশেষ করে দিয়েছিল। সে থরথর করে কাঁপছিল এবং কোনোমতে দাঁড়িয়ে থাকার চেষ্টা করছিল। সবাই তার দিকে করুণার দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিল।
** ফেলিক্স সালতেন, ''বাম্বি: এ লাইফ ইন দ্য উডস'' (১৯২৩)
* "তুমি কি ওকে দেখেছ?" ছোট পোকারা একে অপরকে জিজ্ঞাসা করল। "ওটা হলো সেই বুড়ো মে-বিটল," কেউ কেউ গুঞ্জন করে বলল। অন্যরা বলল, "তার সব সন্তানই মারা গিয়েছে। কেবল একজনই এখনও বেঁচে আছে। মাত্র একজন।" "সে আর কতদিন বাঁচবে?" অনেক পোকা জানতে চাইল। অন্যরা উত্তর দিল, "আমরা জানি না। তার কিছু বংশধর অনেক দিন বাঁচে। প্রায় অমর বলা যায়... তারা হয়তো সূর্যকে ৩০ বা ৪০ বার দেখতে পায়, আমরা সঠিক সংখ্যা জানি না। আমাদের জীবনও যথেষ্ট লম্বা, কিন্তু আমরা দিনের আলো মাত্র একবার বা দুবার দেখার সুযোগ পাই।"
** ফেলিক্স সালতেন, ''বাম্বি: এ লাইফ ইন দ্য উডস'' (১৯২৩)
* প্রাণীরা কেবল মানুষের মতোই কষ্টের শিকার হয় না, বরং তারা অনেক বেশি কষ্টের মুখোমুখি হয়; তাদের অস্তিত্ব অত্যন্ত অসুখী বলে বিবেচিত হয়। কেবল মানুষের দ্বারা শোষিত বা নির্যাতিত হওয়ার কারণেই নয়, বরং প্রকৃতির নিজের বুকেও দুর্বলরা সবসময় সবলের দ্বারা আক্রান্ত আর ভক্ষিত হওয়ার ভয়ে থাকে। তদুপরি, তাদের অনেককেই খুব জঘন্য খাবার খেয়ে কিংবা অস্বস্তিকর জায়গায় জীবন কাটাতে হয়।
** ল্যাম্বার্ট শ্মিথাউসেন, "[http://online.sfsu.edu/rone/Buddhism/BuddhismAnimalsVegetarian/animalstatus.html আদি বৌদ্ধ ঐতিহ্য এবং নীতিশাস্ত্র]", ''জার্নাল অফ বুদ্ধিস্ট এথিক্স'' (১৯৯৭), অধ্যায় ৬
* বলা হয়ে থাকে যে এই পৃথিবীর সুখ হয়তো দুঃখের চেয়ে বেশি; অথবা অন্ততপক্ষে দুটোর মধ্যে একটি সমতা বজায় থাকে। পাঠক যদি সংক্ষেপে এই উক্তির সত্যতা যাচাই করতে চান, তবে তাকে এমন দুটি প্রাণীর অনুভূতির তুলনা করতে হবে যাদের মধ্যে একজন অন্যজনকে খেয়ে ফেলছে।
** আর্থার শোপেনহাওয়ার, "[[wikisource:On_the_Sufferings_of_the_World|বিশ্বের দুঃখ-কষ্ট প্রসঙ্গে]]", ''স্টাডিজ ইন পেসিমিজম'' (১৮৯৩)
* সূর্য প্রতিদিন তার যাত্রাপথে যে পরিমাণ দুর্দশা, বেদনা আর দুঃখ-কষ্টের সাক্ষী হয়, তা যদি আপনি কল্পনা করার চেষ্টা করেন, তবে আপনি স্বীকার করবেন যে—চাঁদের মতো পৃথিবীতেও যদি প্রাণের অস্তিত্ব না থাকত, তবে সেটিই হয়তো বেশি ভালো হতো; আর যদি পৃথিবীর উপরিভাগ চাঁদের মতোই নিস্পন্দ ও প্রাণহীন থাকত।
** আর্থার শোপেনহাওয়ার, "[[wikisource:On_the_Sufferings_of_the_World|বিশ্বের দুঃখ-কষ্ট প্রসঙ্গে]]", ''স্টাডিজ ইন পেসিমিজম'' (১৮৯৩)
* অধিকাংশ পোকামাকড়ের জীবন আসলে তাদের পরবর্তী বংশধরদের জন্য খাবার আর আশ্রয়ের ব্যবস্থা করার এক বিরামহীন পরিশ্রম ছাড়া আর কিছুই নয়। সেই বংশধরেরা আবার বড় হয়ে সেই একই পরিশ্রম নতুন করে শুরু করে। একইভাবে পাখিদের জীবনও কাটে এক দেশ থেকে অন্য দেশে হাড়ভাঙা পরিভ্রমণে, বাসা তৈরিতে এবং তাদের ছানাদের জন্য খাবার সংগ্রহে; যে ছানাদের পরের বছর আবার একই দায়িত্ব পালন করতে হবে। এভাবেই সবাই ভবিষ্যতের জন্য কাজ করে যায় যা শেষ পর্যন্ত কেবল শূন্যতা আর হাহাকার বয়ে আনে। এত পরিশ্রম আর দক্ষতার ফলাফল কী? এর শেষ কোথায়? সংক্ষেপে বলতে গেলে, এই অন্তহীন প্রচেষ্টার মাধ্যমে আসলে কী অর্জিত হচ্ছে? উত্তর কেবল একটিই—পেট ভরানো আর প্রজননের ইচ্ছা পূরণ করা, অথবা মাঝে মাঝে খুব অল্প সময়ের জন্য একটু আরাম পাওয়া। জীবনের এই ব্যবসায় যে লাভ হয়, তা এর পেছনে ব্যয় করা কষ্টের তুলনায় খুবই নগণ্য।
** আর্থার শোপেনহাওয়ার, ''[https://www.gutenberg.org/ebooks/40868 দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাজ উইল অ্যান্ড আইডিয়া]'' (১৯০৯), খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ১১০–১১১
* উদাহরণস্বরূপ সেই ছুঁচোর কথা ভাবুন যে দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে। নিজের বিশাল নখর দিয়ে প্রাণপণ গর্ত খুঁড়ে যাওয়াই যেন তার সারা জীবনের কাজ; সারাক্ষণ অন্ধকার তাকে ঘিরে থাকে এবং তার চোখগুলোও যেন তৈরি হয়েছে কেবল আলোকে এড়িয়ে চলার জন্য। বিড়াল বা প্যাঁচা নয়, বরং সে-ই হলো প্রকৃত রাতের প্রাণী। কিন্তু এই কষ্টসাধ্য আর আনন্দহীন জীবনের মাধ্যমে সে আসলে কী পায়? কেবল খাবার আর বংশবৃদ্ধি; অর্থাৎ সেই একই যন্ত্রণাদায়ক জীবনধারাকে নতুন প্রজন্মের মাঝে শুরু করার এক মাধ্যম। এমন উদাহরণগুলো থেকেই পরিষ্কার হয়ে যায় যে জীবনের পরিশ্রমের সাথে এর প্রাপ্তির কোনো মিল নেই। দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন প্রাণীদের জীবন হয়তো বাইরে থেকে মূল্যবান মনে হতে পারে, কিন্তু সেই অন্ধ ছুঁচোর জীবন—যার অস্তিত্ব কেবল ক্ষুধার তাড়না আর পোকার লার্ভার সন্ধানে সীমাবদ্ধ, তা এই অসমতাকে আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। জনমানবহীন স্থানে প্রাণিজগতের এই চিত্র সত্যিই অনেক কিছু শেখায়।
** আর্থার শোপেনহাওয়ার, ''[https://www.gutenberg.org/ebooks/40868 দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাজ উইল অ্যান্ড আইডিয়া]'' (১৯০৯), খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ১১১–১১২
* প্রাণীদের সরল আর সহজ জীবনের দিকে তাকালে এই অস্তিত্বের শূন্যতা আর অর্থহীনতা খুব সহজেই ধরা পড়ে। প্রতিটি প্রাণীকে তার শিকার আর পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়ানোর জন্য যে নিপুণ কৌশল দেওয়া হয়েছে, তার বিপরীতে কোনো দীর্ঘস্থায়ী লক্ষ্য লক্ষ্য করা যায় না; বরং সেখানে আছে কেবল ক্ষণস্থায়ী তৃপ্তি, ক্ষুধার কারণে তৈরি হওয়া অল্প সময়ের সুখ, দীর্ঘ যন্ত্রণা, অবিরত লড়াই, সবার বিরুদ্ধে সবার যুদ্ধ, প্রতিটি প্রাণীই শিকারি আবার প্রতিটি প্রাণীই শিকার, ভয়, অভাব, নিদারুণ যন্ত্রণা আর আর্তনাদ; আর এটি চলতেই থাকে অনাদিকাল ধরে, যতক্ষণ না এই গ্রহের অস্তিত্ব শেষ হচ্ছে।
** আর্থার শোপেনহাওয়ার, ''[https://www.gutenberg.org/ebooks/40868 দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাজ উইল অ্যান্ড আইডিয়া]'' (১৯০৯), খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ১১২
* তিনি জাভায় মাইলের পর মাইল জুড়ে কেবল কঙ্কাল পড়ে থাকতে দেখেছিলেন এবং ভেবেছিলেন এটি হয়তো কোনো যুদ্ধক্ষেত্র; কিন্তু সেগুলো ছিল বড় বড় কচ্ছপের কঙ্কাল। এই কচ্ছপগুলো সমুদ্র থেকে ডাঙায় ডিম পাড়তে আসত এবং তখনই বুনো কুকুরের দল তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ত। কুকুরগুলো সম্মিলিত শক্তি দিয়ে কচ্ছপগুলোকে উল্টে দিত এবং তাদের পেটের দিকের বর্ম বা খোলস খুলে তাদের জ্যান্ত অবস্থাতেই খেয়ে ফেলত। কিন্তু অনেক সময় দেখা যেত সেই কুকুরগুলোর ওপর আবার বাঘ ঝাঁপিয়ে পড়েছে। এই ভয়ংকর দৃশ্যটি বছরের পর বছর ধরে হাজার হাজার বার ঘটে চলেছে। তবে কি এই জন্যই কচ্ছপগুলো জন্ম নেয়? কার পাপে তাদের এই নিদারুণ যন্ত্রণার শিকার হতে হয়? কেন এই বিভীষিকা? এর একমাত্র উত্তর হলো—বেঁচে থাকার প্রবল ইচ্ছাই নিজেকে এভাবে প্রকাশ করে।
** আর্থার শোপেনহাওয়ার, ''[https://www.gutenberg.org/ebooks/40868 দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাজ উইল অ্যান্ড আইডিয়া]'' (১৯০৯), খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ১১২–১১৩
* আমরা নিশ্চিতভাবেই জীবন-মৃত্যুর এই খেলাটি খুব আগ্রহ আর আতঙ্কের সাথে পর্যবেক্ষণ করি কারণ আমাদের চোখে এর মূল্য অনেক। অন্যদিকে প্রকৃতি, যে কখনোই মিথ্যে বলে না, সে এই বিষয়ে একদম আলাদা সুরে কথা বলে—যেমনটি গীতায় কৃষ্ণ বলেছিলেন। প্রকৃতি বলে: কোনো ব্যক্তির জীবন বা মৃত্যুর আসলে কোনো বিশেষ তাৎপর্য নেই। এটি এই সত্যের মাধ্যমেই প্রমাণিত হয় যে প্রকৃতি প্রতিটি প্রাণী এমনকি মানুষের জীবনকেও খুব সামান্য তুচ্ছ ঘটনার সামনে অসহায়ভাবে ফেলে রাখে এবং তাদের বাঁচাতে এগিয়ে আসে না। আপনার পায়ের নিচের সেই পোকাটির কথা ভাবুন; আপনার একটু অসাবধান পদক্ষেপই তার জীবন বা মৃত্যু নির্ধারণ করে দেয়। সেই শামুকের কথা ভাবুন যার পালানোর বা আত্মরক্ষার কোনো উপায় নেই এবং যে খুব সহজেই অন্যের শিকারে পরিণত হয়। সেই মাছটির কথা ভাবুন যে জালে বন্দি হয়েও আনমনে খেলা করছে; সেই অলস ব্যাঙের কথা ভাবুন যে বাঁচার জন্য লাফ দেওয়ার চেষ্টাও করে না; সেই পাখির কথা ভাবুন যে জানেই না যে তার মাথার ওপর বাজপাখি উড়ছে; অথবা সেই ভেড়াটির কথা ভাবুন যাকে ঝোপের আড়াল থেকে নেকড়ে লক্ষ্য করছে। এরা সবাই আসন্ন বিপদ সম্পর্কে একদম বেখবর থেকে নিজেদের জীবন কাটিয়ে দেয়। যেহেতু প্রকৃতি তার এই নিপুণ কারুকার্যে তৈরি প্রাণীদের কেবল শিকারি পশুর মুখেই ঠেলে দিচ্ছে না বরং অন্ধ ভাগ্যের হাতেও ছেড়ে দিচ্ছে, তাই এটি ঘোষণা করছে যে এই প্রাণীদের ধ্বংস হয়ে যাওয়া তার কাছে গুরুত্বহীন। সে এটি খুব স্পষ্টভাবে বলছে এবং মিথ্যে বলছে না। যদি প্রকৃতি তার সন্তানদের কোনো সুরক্ষা ছাড়াই হাজার হাজার বিপদের মুখে ঠেলে দেয়, তবে এর কারণ একটাই হতে পারে—সে জানে যে তারা ধ্বংস হলেও শেষ পর্যন্ত তারই কাছে ফিরে আসবে যেখানে তারা নিরাপদ। প্রকৃতি মানুষের সাথেও পশুর মতোই আচরণ করে। তাই তার এই ঘোষণা মানুষের জন্যও প্রযোজ্য: ব্যক্তির জীবন আর মৃত্যু তার কাছে কোনো বিষয় নয়। এক অর্থে আমাদের কাছেও এটি গুরুত্বহীন হওয়া উচিত কারণ আমরাও তো প্রকৃতিরই অংশ। যদি আমরা বিষয়টি গভীরভাবে উপলব্ধি করতে পারি, তবে আমরাও প্রকৃতির সাথে একমত হয়ে জীবন আর মৃত্যুকে সমানভাবে দেখতে শিখব।
** আর্থার শোপেনহাওয়ার, ''[https://www.gutenberg.org/ebooks/40868 দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাজ উইল অ্যান্ড আইডিয়া]'' (১৯০৯), খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ২৬২–২৬৩
* প্রকৃতি নিজেই নিজের সাথে দ্বিমত পোষণ করে, তা সে ব্যক্তির পক্ষ থেকে কথা বলুক কিংবা বিশ্বজনীন কোনো অবস্থান থেকে। প্রতিটি ব্যক্তির মধ্যেই এর কেন্দ্র রয়েছে; কারণ প্রতিটি ব্যক্তিই হলো বেঁচে থাকার পূর্ণ ইচ্ছা। তাই সেই ব্যক্তি যদি কোনো সাধারণ পোকা বা কৃমিও হয়, প্রকৃতি তার ভেতর থেকে এভাবেই কথা বলে: "আমি একাই সব; আমার টিকে থাকার সাথেই সবকিছু জড়িয়ে আছে; বাকিরা ধ্বংস হয়ে যাক, তাতে আমার কিছু আসে যায় না।" স্বার্থপরতার ওপর ভিত্তি করে ব্যক্তিগত পর্যায় থেকে প্রকৃতি এভাবেই কথা বলে। অন্যদিকে, বিশ্বজনীন দৃষ্টিকোণ থেকে—যেখানে ব্যক্তির চেয়ে বস্তুর জ্ঞান বেশি গুরুত্ব পায়—সেখান থেকে প্রকৃতি বলে: "ব্যক্তির কোনো মূল্য নেই। আমি প্রতিদিন মজার ছলে লক্ষ লক্ষ প্রাণী ধ্বংস করি; আমি তাদের ভাগ্যকে খামখেয়ালি ভাগ্যের হাতে ছেড়ে দিই। আমি প্রতিদিন আবার লক্ষ লক্ষ নতুন প্রাণীর জন্ম দিই, অথচ আমার উৎপাদন ক্ষমতা একটুও কমে না; ঠিক যেমন একটি আয়নার সামনে অগণিত মানুষ দাঁড়ালে আয়নার প্রতিফলন ক্ষমতা কমে যায় না। ব্যক্তির কোনো অস্তিত্ব নেই।"
** আর্থার শোপেনহাওয়ার, ''[https://www.gutenberg.org/ebooks/40868 দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাজ উইল অ্যান্ড আইডিয়া]'' (১৯০৯), খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৪১৬
* এই পৃথিবী হলো যন্ত্রণাদায়ক আর আর্তনাদ করা প্রাণীদের এক রণক্ষেত্র, যারা কেবল একে অপরকে খেয়েই টিকে থাকে। তাই প্রতিটি শিকারি প্রাণী আসলে হাজার হাজার অন্য প্রাণীর এক জীবন্ত কবরস্থান এবং তার নিজের টিকে থাকা মানেই হলো একগুচ্ছ যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যু। এই জগতে জ্ঞানের বৃদ্ধির সাথে সাথে যন্ত্রণার অনুভূতিও বাড়ে এবং মানুষের ক্ষেত্রে তা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। এই জগতের জন্য ‘আশাবাদ’ বা অপটিমিজম-এর দোহাই দেওয়া এবং একে সব চেয়ে ভালো জগত হিসেবে প্রমাণের চেষ্টা করাটা এক ধরণের চরম বোকামি। কোনো আশাবাদী মানুষ যদি আমাকে বলে চোখ খুলে পৃথিবীর পাহাড়, উপত্যকা, নদী আর প্রকৃতির সৌন্দর্য দেখতে, তবে আমি তাকে বলব—পৃথিবী কি তবে কোনো প্রদর্শনী? এই জিনিসগুলো হয়তো বাইরে থেকে দেখতে সুন্দর, কিন্তু সেই জীবনগুলো যাপন করাটা একদম আলাদা এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতা।
** আর্থার শোপেনহাওয়ার, অনুবাদ ই. এফ. জে. পেইন, ''দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাজ উইল অ্যান্ড রিপ্রেজেন্টেশন, খণ্ড ২'' (১৯৬৬), অধ্যায় ৪৬ - অন দ্য ভ্যানিটি অ্যান্ড সাফারিং অফ লাইফ <small>{{আইএসবিএন|9780486217628}}</small>
* শিকারবৃত্তি বা শিকার করার এই বিষয়টি, যেখানে একটি প্রাণী অন্যকে খেয়ে বেঁচে থাকে, তা প্রকৃতির পরিকল্পনার এক অত্যন্ত জটিল এবং নিষ্ঠুর দিক। শেষ পর্যন্ত এটি মেনে নিতেই হয় যে এটি কোনোভাবেই ঈশ্বরের পরিকল্পনা হতে পারে না।
** ম্যাথিউ স্কুলি, ''ডমিনিয়ন: দ্য পাওয়ার অফ ম্যান, দ্য সাফারিং অফ অ্যানিম্যালস, অ্যান্ড দ্য কল টু মার্সি'' (২০০৩), পৃষ্ঠা ৩১৮
* সিঙ্গারের বক্তৃতার পর আমি তার নৈতিকতার ফলাফলগুলো নিয়ে ভাবতে শুরু করলাম। আমার মনে একটি প্রশ্ন জাগল: "আমাদের কি প্রাণীদের একে অপরকে খাওয়া বন্ধ করা উচিত?" আমি জানতাম অনেকে নিরামিষভোজের বিরোধিতা করার জন্য এই ধরণের যুক্তি দেন, কিন্তু আমিই হয়তো প্রথম ব্যক্তি ছিলাম যে নৈতিক দিক থেকে সত্যিই এই বিষয়টি নিয়ে আগ্রহী হয়েছিলাম।<br>"অবশ্যই না," আমার বন্ধু বলল। "প্রাণীরা একে অপরকে মারলে সেটা আমাদের দোষ নয়।" আমি বললাম, "তার মানে তুমি বলতে চাইছ যে—ওই লোকটা (আমি পাশে থাকা এক অপরিচিত ব্যক্তির দিকে ইশারা করলাম) যদি মানুষ মেরে বেড়ায় তবে সেটা নৈতিকভাবে একদম ঠিক হবে?" সে বলল, "না, ঠিক আছে। কিন্তু প্রাণীদের ক্ষেত্রে বিষয়টা আলাদা কারণ তারা তো আর ভুল-শুদ্ধ জানে না।" আমি আবার বললাম, "তাহলে কি কোনো মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি যদি না বুঝে মানুষ মেরে বেড়ায় তবে তাকেও কি ছেড়ে দেওয়া উচিত?" সে উত্তর দিল, "তোমার উচিত সিঙ্গারের কাছে গিয়েই এই প্রশ্নটা করা।"<br>তাই আমি তা-ই করলাম—বক্তৃতা কক্ষের বাইরে তিনি বইয়ে সই করছিলেন এবং লাইন শেষ হলে আমি তাকে আমার প্রশ্নটি করলাম। তার উত্তরটি আমার কল্পনার চেয়েও চমৎকার ছিল: "আমরা তা অবশ্যই করতাম যদি আমরা জানতাম যে বাস্তুসংস্থান বা প্রকৃতির কোনো বড় ক্ষতি না করে কীভাবে এটি সম্ভব।" আমি সত্যি খুব অভিভূত হয়েছিলাম।
** অ্যারন সোয়ার্টজ, "[http://www.aaronsw.com/weblog/petersinger পিটার সিঙ্গারের সাথে সাক্ষাৎ]", ''র থট'', ১৩ নভেম্বর ২০০৬
* আমি কেবল মানুষের কষ্টই নয় বরং পুরো সৃষ্টির দুঃখ-কষ্ট নিজের চারপাশে অনুভব না করে পারি না। আমি কখনোই এই কষ্টের সমাজ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করিনি। আমার মনে হয় আমাদের সবার উচিত বিশ্বের ওপর থাকা এই বেদনার বোঝা ভাগ করে নেওয়া।
** আলবার্ট শোয়েৎজার, ''আউট অফ মাই লাইফ অ্যান্ড থট: অ্যান অটোবায়োগ্রাফি'' (১৯৩১)
* প্রকৃতিতে একটি প্রাণী অন্য প্রাণীর কষ্টের কারণ হতে পারে এবং এমনকি সহজাতভাবেই অত্যন্ত নিষ্ঠুর আচরণ করতে পারে—এটি এক কঠোর রহস্য যা আমাদের সারা জীবন ব্যথিত করে। যদি কেউ এমন পর্যায়ে পৌঁছে যায় যে সে আর এই কষ্টের জন্য ব্যথিত হয় না, তবে সে আসলে আর মানুষ থাকে না।
** আলবার্ট শোয়েৎজার, অ্যান কট্রেল ফ্রি-র ''[http://ebooks.lib.ntu.edu.tw/1_file/AWI/96122407/01.htm অ্যানিম্যালস, নেচার অ্যান্ড আলবার্ট শোয়েৎজার]'' (১৯৮২)-এ উদ্ধৃত
* প্রকৃতিকে প্রায়ই একটি সুন্দর আর শান্ত জায়গা হিসেবে দেখা হয় যেখানে বন্য প্রাণীরা স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়ায়। এই মায়াবী দৃশ্যটি আসলে এই সত্যকে আড়াল করে রাখে যে বন্য প্রাণীরা ভয়ংকর যন্ত্রণার শিকার হয়। শান্তি বা সুন্দরের বদলে প্রকৃতি আসলে অত্যন্ত নিষ্ঠুর ও রক্তাক্ত: এর মূলে রয়েছে কেবল বেঁচে থাকার প্রতিযোগিতা। প্রাণীরা প্রায়ই শিকারি প্রাণীদের হাতে ধরা পড়ে—যা অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক একটি মৃত্যু। খাবারের অভাব প্রায়ই তাদের অনাহারের দিকে ঠেলে দেয় এবং বন্য প্রাণীরা কোনো চিকিৎসা ছাড়াই কঠিন রোগব্যাধি আর আঘাত সহ্য করে। প্রকৃতির নিষ্ঠুরতার কোনো সীমা নেই: উদাহরণস্বরূপ, গাংচিল ছোট সিল মাছের চোখ খুবলে নেয় এবং সেগুলোকে মৃত্যুর অপেক্ষায় ফেলে রাখে যাতে পরে তারা সেই পচা মাংস খেতে পারে। কিছু প্রাণী বিষ প্রয়োগ করে তাদের শিকারকে অবশ করে ফেলে এবং তারপর একটু একটু করে তাদের জীবন্ত শরীর খেতে শুরু করে। বন্য প্রাণীরা অবশ্যই মাঝে মাঝে আনন্দের মুহূর্ত পায়, কিন্তু উপরে বর্ণিত এই নৃশংস ঘটনাগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন বিষয় নয়। বরং প্রকৃতিতে এগুলো অত্যন্ত সাধারণ ঘটনা এবং কোনো প্রাণী যদি এই সব বিপদ এড়াতেও পারে, তবুও তার জীবনের সিংহভাগ কাটে এক প্রতিকূল পরিবেশে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ের মধ্যে।
** সেন্টিয়েন্স পলিটিক্স, "[https://web.archive.org/web/20170405175728/https://sentience-politics.org/philosophy/the-relevance-of-wild-animal-suffering/ বন্যপ্রাণীর কষ্টের প্রাসঙ্গিকতা]"
* সমুদ্র, পাহাড়, মরুভূমি বা ঝোপঝাড়ের জন্য আপনি যতই প্রশংসা বা ভালোবাসা প্রকাশ করুন না কেন, প্রকৃতি মানুষের বন্ধু বা সহায়ক হিসেবে কখনোই কাজ করে না। ঢেউ, আগুন, টাইফুন, বিষ প্রয়োগ বা শিকারের মাধ্যমে সে ঠিক তেমনই শান্তভাবে প্রাণ হরণ করে যেমনটি আকাশ থেকে কোনো জিনিস নিচে পড়ে কিংবা ঈগল কোনো ভেড়ার ছানাকে ধরে নিয়ে যায়। সে কোনো ভুলকে ক্ষমা করে না।
** মিশেল সেরেস, ''দি ইনক্যানডেসেন্ট'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ১৬৫ {{আইএসবিএন|978-1474297424}}
* এক পৈশাচিক আকাঙ্ক্ষা যা দেবতারা হয়তো তোমাকে পূর্ণ করার সুযোগ দিয়েছেন! যদি তুমি সিংহ হতে, তবে শিয়াল তোমাকে ধোঁকা দিত; যদি তুমি মেষশাবক হতে, তবে শিয়াল তোমাকে খেয়ে ফেলত; যদি তুমি শিয়াল হতে, তবে সিংহ তোমাকে সন্দেহ করত; যদি তুমি গাধা হতে, তবে তোমার বোকামিই তোমাকে যন্ত্রণা দিত এবং তুমি কেবল নেকড়ের সকালের নাস্তা হয়েই বেঁচে থাকতে; যদি তুমি নেকড়ে হতে, তবে তোমার লোভই তোমার কাল হতো এবং আহারের জন্য তোমাকে সবসময় জীবনের ঝুঁকি নিতে হতো; যদি তুমি ইউনিকর্ন হতে, তবে তোমার দম্ভ আর রাগই তোমাকে ধ্বংস করত; যদি তুমি ভাল্লুক হতে তবে ঘোড়ার হাতে মারা পড়তে; যদি তুমি ঘোড়া হতে তবে চিতা তোমাকে ধরে ফেলত; আর যদি তুমি চিতা হতে তবে সিংহের সাথে তোমার সম্পর্কই তোমার জীবনের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াত। প্রতিটি পশু কি অন্য কোনো পশুর অধীন নয়? আর তুমি এখন কেমন পশু হয়ে আছ যে নিজের বিনাশ দেখতে পাচ্ছ না।
** উইলিয়াম শেকসপিয়র, ''টাইমন অফ এথেন্স'' (১৬২৩), চতুর্থ অঙ্ক, তৃতীয় দৃশ্য
* নরকে যন্ত্রণায় থাকা সবাই যেন এখন পরম সুখের দেখা পায়।<br />আর সেই সব অসহায় প্রাণীরা যেন সেই আতঙ্ক থেকে মুক্তি পায়<br />যেখানে তারা একে অপরের খাবারে পরিণত হওয়ার ভয়ে থাকে।
** শান্তদেব, ''বোধিচর্য্যাবতার'', অধ্যায় ১০, শ্লোক ১৫-১৬।
* বন্য পরিবেশে অতিরিক্ত জনসংখ্যার সমস্যা খুব কমই দেখা যায়। সমুদ্র কখনোই মাছে ঠাসা থাকে না; পুকুরে অতিরিক্ত ব্যাঙ দেখা যায় না; হাতিরাও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পুরো জমি দখল করে নেয় না। কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া প্রাণীদের সংখ্যা সাধারণত বেশ স্থিতিশীল থাকে। গড়ে প্রতিটি প্রাণী দম্পতির সন্তানদের মধ্যে কেবল ততটুকুই বেঁচে থাকে যারা তাদের মৃত্যুর পর তাদের জায়গা দখল করতে পারে। বাকি অতিরিক্ত ছানাগুলো মারা যায় এবং এভাবে জন্মহার আর মৃত্যুহারের মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় থাকে। ডিম পাড়া প্রাণীদের ক্ষেত্রে অনেক সময় জন্মের আগেই অনেক ছানা মারা যায়। চড়ুইয়ের প্রায় অর্ধেক ডিমই নীলকণ্ঠ পাখি বা জে-পাখিরা খেয়ে ফেলে, তবুও প্রতিটি দম্পতি অন্তত চারটি ছানাকে উড়তে শেখাতে পারে। কিন্তু গ্রীষ্মের শেষ নাগাদ তাদের মধ্যে মাত্র দুটি বেঁচে থাকে। যেহেতু বাবা-মায়ের মধ্যে একজন শীতকালে মারা যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তাই পরের গ্রীষ্মে বংশবৃদ্ধির জন্য মাত্র একটি ছানাই টিকে থাকে। ছোট প্রাণীদের মধ্যে এই বিশাল মৃত্যুহার আসলে তাদের অতিরিক্ত প্রজনন ক্ষমতারই এক অনিবার্য ফল। একটি সানফিশের লক্ষ লক্ষ মাছের পোনার মধ্যে মাত্র একটি বা দুটি অনাহার, রোগ বা শিকারি প্রাণীর হাত থেকে বাঁচতে পারে। ইঁদুরের পালের অর্ধেক বাচ্চাই দুধ ছাড়ার আগেই মারা যায়। এমনকি বড় স্তন্যপায়ী প্রাণীদের ক্ষেত্রেও শিশুদের জীবন অত্যন্ত ক্ষণস্থায়ী হতে পারে। জন্মের কয়েক মিনিটের মধ্যেই অনেক জেব্রা বা হরিণ শাবক শিয়াল, হায়েনা বা সিংহের কবলে পড়ে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। চারজনের মধ্যে তিনজনই ছয় মাসের মধ্যে সহিংসভাবে প্রাণ হারায়।
** কিথ সিম্পসন, ''[[iarchive:mysteriesoflifed00simp/|দ্য মিস্টেরিস অফ লাইফ অ্যান্ড ডেথ: অ্যান ইলাস্ট্রেটেড ইনভেস্টিগেশন ইনটু দি ইনক্রেডিবল ওয়ার্ল্ড অফ ডেথ]]'' (১৯৭৯), পৃষ্ঠা ২২ <small>{{আইএসবিএন|978-0831762759}}</small>
* মানুষের অতীত অভিজ্ঞতার নিরিখে বলা যায় যে, যদি আমরা বন্যপ্রাণীদের জীবনে হস্তক্ষেপ করতে যাই, তবে তা তাদের কষ্ট কমানোর চেয়ে বরং বাড়িয়ে দেওয়ার সম্ভাবনাই বেশি থাকে। সিংহ তার আবাসস্থলের বাস্তুসংস্থানে একটি বড় ভূমিকা পালন করে, আর আমরা জানি না যে তাদের হরিণ শিকার থেকে বিরত রাখলে দীর্ঘমেয়াদে তার ফল কী হবে। তাই ব্যবহারিক দিক থেকে আমি অবশ্যই বলব যে বন্যপ্রাণীদের তাদের মতো ছেড়ে দেওয়া উচিত... তবে তাত্ত্বিক বা কাল্পনিক একটি প্রশ্ন থেকে যায়। যদি আমরা কোনোভাবে নিশ্চিত হতে পারতাম যে কোনো একটি নির্দিষ্ট উপায়ে হস্তক্ষেপ করলে দীর্ঘমেয়াদে প্রাণিজগতে হত্যা আর কষ্টের পরিমাণ অনেক কমে যাবে, তবে আমি মনে করি সেই হস্তক্ষেপ করাটাই হবে সঠিক কাজ।
** পিটার সিঙ্গার, "[http://www.nybooks.com/articles/1973/06/14/food-for-thought/ খাবারের কথা]" (ডেভিড রোজিঞ্জারের একটি চিঠির উত্তরে), ''নিউ ইয়র্ক রিভিউ অফ বুকস'', ৫ এপ্রিল ১৯৭৩
* এটি স্বীকার করতেই হবে যে মাংসাশী প্রাণীদের অস্তিত্ব ‘অ্যানিম্যাল লিবারেশন’ বা প্রাণীদের মুক্তি আন্দোলনের নীতিশাস্ত্রের সামনে একটি বড় প্রশ্ন দাঁড় করিয়ে দেয়; আর তা হলো আমাদের এই বিষয়ে কিছু করা উচিত কি না। যদি তাত্ত্বিকভাবে মানুষ পৃথিবী থেকে মাংসাশী প্রজাতিগুলো নির্মূল করতে পারত এবং তার ফলে যদি প্রাণীদের মোট কষ্টের পরিমাণ কমে যেত, তবে আমাদের কি তা করা উচিত হবে?
** পিটার সিঙ্গার, ''অ্যানিম্যাল লিবারেশন'' (১৯৭৫), পৃষ্ঠা ২৩৮
* অনেক ভাবনার পর আমি মনে করি আমি ভালো আর মন্দকে এমনভাবে সংজ্ঞায়িত করতে পারি যা এমনকি একজন যান্ত্রিক ঘরানার জীববিজ্ঞানীর কাছেও গ্রহণযোগ্য হবে। অন্তত মন্দের সংজ্ঞা আমি দিতে পারি।<br />জীবনের সব চেয়ে বড় মন্দ হলো পরজীবীবৃত্তি।
** আলেকজান্ডার স্কাচ, "[https://www.alexanderskutch.com/uploads/7/0/1/0/70104897/1948_sc_mo_pag_514-518.pdf লাইফ'স গ্রেটেস্ট ইভিল]", ''দ্য সায়েন্টিফিক মান্থলি'', খণ্ড ৬৬, সংস্করণ ৬ (জুন ১৯৪৮), পৃষ্ঠা ৫১৪
* আমি নিরামিষভোজকে শিকারবৃত্তির বিরুদ্ধে একটি নীরব প্রতিবাদ হিসেবে দেখি, যা আসলে জীবনের সব চেয়ে বড় মন্দ। যদি এর পক্ষে আর কোনো যুক্তি নাও থাকত, তবে এই একটি যুক্তিই যথেষ্ট হতো।
** আলেকজান্ডার স্কাচ, ''থটস'', খণ্ড ৫ (৩১ ডিসেম্বর ১৯৬০)
* শিকারবৃত্তি হলো এমন এক বড় মন্দ যা একজন জ্ঞানী বা দয়ালু স্রষ্টা এড়িয়ে যেতে পারতেন।
** আলেকজান্ডার স্কাচ, "[https://sora.unm.edu/sites/default/files/journals/nab/v047n01/p00024-p00033.pdf দি ইমপারেটিভ কল]", ''আমেরিকান বার্ডস'', খণ্ড ৪৭, সংস্করণ ১ (বসন্ত ১৯৯৩), পৃষ্ঠা ৩১
* পৃথিবী এমন কোনো যন্ত্রণাদায়ক দৃশ্য আর নেই যখন একটি শিকারি প্রাণী হঠাৎ করে কোনো অসহায় গায়ক পাখি বা তার সন্তানদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে; আর সেই সুন্দর প্রাণীটির ছিন্নভিন্ন দেহাবশেষ দেখার চেয়ে বিভৎস আর কিছুই হতে পারে না।
** আলেকজান্ডার স্কাচ, "[https://sora.unm.edu/sites/default/files/journals/nab/v047n01/p00024-p00033.pdf দি ইমপারেটিভ কল]", ''আমেরিকান বার্ডস'', খণ্ড ৪৭, সংস্করণ ১ (বসন্ত ১৯৯৩), পৃষ্ঠা ৩১–৩২
* প্রজনন ক্ষমতা বাড়ানোর এই বিবর্তনীয় তাড়না বা জেদই আসলে এই পৃথিবীর অধিকাংশ কুৎসিত রূপ, লড়াই আর যন্ত্রণার জন্য দায়ী যা আজ এই জীবজগতকে ব্যথিত করছে।
** আলেকজান্ডার স্কাচ, "[https://sora.unm.edu/sites/default/files/journals/nab/v047n01/p00024-p00033.pdf দি ইমপারেটিভ কল]", ''আমেরিকান বার্ডস'', খণ্ড ৪৭, সংস্করণ ১ (বসন্ত ১৯৯৩), পৃষ্ঠা ৩২
* বিবর্তন যদি নিয়ন্ত্রিত হতো তবে এই পৃথিবী হতো সম্প্রীতিময় এক আবাসস্থল; কিন্তু তার বদলে এটি এমন এক জায়গায় পরিণত হয়েছে যেখানে সৌন্দর্য আর কুৎসিত রূপ, শান্তি আর ভয়, সুখ আর বিভীষিকা সব কিছু এক গোলমেলে বৈপরীত্যের মাঝে মিলেমিশে আছে।
** আলেকজান্ডার স্কাচ, "[https://sora.unm.edu/sites/default/files/journals/nab/v047n01/p00024-p00033.pdf দি ইমপারেটিভ কল]", ''আমেরিকান বার্ডস'', খণ্ড ৪৭, সংস্করণ ১ (বসন্ত ১৯৯৩), পৃষ্ঠা ৩২
* বিবর্তন যে অনেক চমৎকার আর প্রশংসনীয় কাজ করেছে তা অস্বীকার করা হবে অকৃতজ্ঞতা। কিন্তু এর জন্য সে যে নিষ্ঠুর পথগুলো বেছে নিয়েছে তা যেকোনো দয়ালু মানুষই স্বীকার করবেন।
** আলেকজান্ডার স্কাচ, "[https://sora.unm.edu/sites/default/files/journals/nab/v047n01/p00024-p00033.pdf দি ইমপারেটিভ কল]", ''আমেরিকান বার্ডস'', খণ্ড ৪৭, সংস্করণ ১ (বসন্ত ১৯৯৩), পৃষ্ঠা ৩২
* প্রকৃতির বন্য জীবনকে বাইরে থেকে দেখলে মনে হয় শান্ত বনভূমি, কলকল ঝরনা, সুগন্ধি ফুল আর গায়ক পাখিদের এক স্বপ্নপুরী; যা মানুষের যান্ত্রিক জীবনের ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে। কিন্তু আরও গভীরভাবে আর দার্শনিক চোখ দিয়ে দেখলে এটি কতটা বীভৎস হতে পারে যখন দেখা যায় অগণিত প্রাণীরা কেবল একে অপরকে গিলে খাওয়ার জন্য ব্যস্ত হয়ে আছে? যদি মানুষ প্রকৃতির এই শান্ত চেহারার নিচে থাকা আসল রূপটি দেখতে পেত, তবে যারা আজ আধ্যাত্মিক শান্তির জন্য প্রকৃতির কাছে যায়, তারা হয়তো আতঙ্কে পিছিয়ে আসত।
** আলেকজান্ডার স্কাচ, ''মোরাল ফাউন্ডেশনস: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু এথিক্স'' (২০০৬)
* কখনও কখনও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও মা পাখিরা ক্ষুধার্ত অবস্থায় তাদের ডিম আগলে রাখে, এমনকি দীর্ঘ উপবাসের ফলে তাদের নিদারুণ কষ্ট হলেও। অনেক সামুদ্রিক পাখি যেমন পেঙ্গুইনরা দিনের পর দিন বা সপ্তাহের পর সপ্তাহ না খেয়ে বাসার ওপর বসে থাকে; আর এম্পারর পেঙ্গুইনরা তো আন্টার্কটিকার হাড়কাঁপানো শীতে প্রায় দুই মাস একদম না খেয়ে কাটায়। পুষ্টির অভাবে যখন তাদের শরীর শুকিয়ে যায়, তখন কি সেই পাখিরা ক্ষুধার তীব্র যন্ত্রণা অনুভব করে না?
** আলেকজান্ডার স্কাচ, ''মোরাল ফাউন্ডেশনস: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু এথিক্স'' (২০০৬), পৃষ্ঠা ৮১
* প্রাণীরা অনেক সময়ই ভালো থাকার ধারণাটিকে লঙ্ঘন করে, কারণ কোনো প্রাণীই অন্য প্রাণীকে বা উদ্ভিদকে ছিঁড়ে খাওয়া ছাড়া বাঁচতে পারে না, অথবা তারা পরজীবী হিসেবে অন্যের ক্ষতি করে। বড় প্রাণীরা চলার সময় অজান্তেই ঘাস আর ছোট পোকামাকড়দের পিষে ফেলে; আর সবাই খাবারের জন্য একে অপরের সাথে লড়াই করে যা কখনও কখনও অত্যন্ত সহিংস হয়ে ওঠে। তদুপরি তারা সঙ্গিনীর জন্য এমনভাবে মারামারি করে যা আমাদের বিস্মিত করে। তাই কেউ পুরোপুরি ভালো নয়; তবে যারা কেবল লতাপাতা খেয়ে বাঁচে তারা যেন অন্যদের চেয়ে কিছুটা বেশি ভালো হওয়ার সুযোগ পায়।
** আলেকজান্ডার স্কাচ, ''মোরাল ফাউন্ডেশনস: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু এথিক্স'' (২০০৬), পৃষ্ঠা ৩৭৯
* আমাদের বর্তমান সমাজের সীমার বাইরেও এমন অনেক জীবন্ত প্রাণী আছে যাদের আমাদের নৈতিক কাঠামোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত, যদিও এখন পর্যন্ত তা করা অসম্ভব বলেই মনে হয়েছে। তবুও অন্তত আমরা বিপদে পড়া কোনো প্রাণীকে গর্ত থেকে তুলে আনতে পারি, ক্ষুধার্তকে খাবার দিতে পারি কিংবা তাদের ক্ষত সারিয়ে তুলতে পারি। এই ধরণের দানই হলো প্রকৃত দান কারণ এখান থেকে আমরা কোনো প্রতিদানের আশা করি না। যখন আমরা প্রতি ঘণ্টায় ঘটা এই বিশাল পরিমাণ অঙ্গহানি, যন্ত্রণা আর মৃত্যুর কথা ভাবি, তখন মনে হয় আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা হয়তো একটি প্রতীকী অঙ্গভঙ্গি ছাড়া আর কিছুই নয়। তবুও এটি সেই উন্নত সমাজের স্বপ্নকে ধারণ করে যা আমরা ভবিষ্যতে গড়তে চাই।
** আলেকজান্ডার স্কাচ, ''মোরাল ফাউন্ডেশনস: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু এথিক্স'' (২০০৬), পৃষ্ঠা ৪০৫–৪০৬
* কিছু দিন আগে আমি বনের একটি কুঁড়েঘরে ঘুমাচ্ছিলাম এবং মাঝরাতে দুটি প্রাণীর লড়াইয়ের শব্দে আমার ঘুম ভেঙে গেল। আতঙ্কের সেই চিৎকার আর যন্ত্রণার আর্তনাদ রাতের নিস্তব্ধতাকে চিরে দিচ্ছিল, সেই সাথে শোনা যাচ্ছিল হাড় ভাঙার আর মাংস ছিঁড়ে নেওয়ার বীভৎস শব্দ। একটি প্রাণী অন্যটিকে নৃশংসভাবে আক্রমণ করছিল এবং শেষে তাকে গিলে ফেলল। সেই অন্ধকার রাতে আমি যা অনুভব করেছিলাম তা ছিল এক ভয়ংকর বাস্তবতা। আমি যেন ঈশ্বরহীন এক বিশ্বের চরম অমঙ্গলময় রূপটি এক মুহূর্তের জন্য দেখতে পেয়েছিলাম।
** কুয়েন্টিন স্মিথ, "[https://infidels.org/library/modern/quentin_smith/evil_laws.html অ্যান অ্যাথিওলজিক্যাল আর্গুমেন্ট ফ্রম ইভিল ন্যাচারাল লজ]", ''ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল ফর ফিলোসফি অফ রিলিজিয়ন'', খণ্ড ২৯, সংস্করণ ৩ (১৯৯১)
* যদিও প্রাণীদের রোগ আর কষ্ট দেখাটা অপ্রীতিকর, তবুও জীববিজ্ঞানীরা মনে করেন যে সংরক্ষণ বা কনজারভেশন মানে হলো প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা রক্ষা করা, প্রতিটি একক প্রাণীর মঙ্গল দেখা নয়। জনসংখ্যার বিচারে বিবর্তন আর বংশগতির ধারা বজায় রাখাই হলো মূল লক্ষ্য। প্রকৃতিতে বিবর্তন কোনোভাবেই ক্ষুধা, রোগ আর শিকারের মতো যন্ত্রণা ছাড়া চলতে পারে না। এই কারণেই জীববিজ্ঞানীরা প্রায়ই ভুক্তভোগী প্রাণীদের প্রতি তাদের আবেগ সরিয়ে রাখেন। যেমন কোনো আহত খরগোশ বা ছানা হারিয়ে যাওয়াকে তারা প্রাকৃতিক নির্বাচনেরই অংশ হিসেবে দেখেন এবং একে উদ্ধার করাকে প্রজাতির কোনো বড় উপকার বলে মনে করেন না। তাই জীববৈচিত্র্য রক্ষার এই নৈতিক দায়িত্বটি সাধারণ সামাজিক নৈতিকতা থেকে একদম আলাদা। তবে এর মানে এই নয় যে মানুষের নিষ্ঠুর ব্যবহারের কারণে প্রাণীরা যে কষ্ট পায় তাকে আমাদের সমর্থন করা উচিত। পরিবেশ সংরক্ষণ আর প্রাণীদের কল্যাণ এই দুটি বিষয়কে সবসময় আলাদা রাখা উচিত।
** মাইকেল ই. সোলে, "[http://www.michaelsoule.com/resource_files/85/85_resource_file1.pdf কনজারভেশন বায়োলজি কী?]", ''বায়োসায়েন্স'', খণ্ড ৩৫, সংস্করণ ১১ (ডিসেম্বর ১৯৮৫), পৃষ্ঠা ৭৩১
* সমুদ্রের সেই খোলসবিহীন শ্যাওলা-শামুক বা সি-হেয়ার-এর কথা ভাবুন। ক্যালিফোর্নিয়ার একজন বিজ্ঞানী হিসাব করে দেখেছেন যে একটি প্রাণী এক ঋতুতেই ৪৭ কোটি ৮০ লক্ষেরও বেশি ডিম পাড়তে পারে। আর প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় তারা শত শত সংখ্যায় জড়ো হয়। এটা পরিষ্কার যে সব ডিম ফুটে বাচ্চা হতে পারে না এবং তাদের সবাইকে পূর্ণবয়স্ক হতে দেওয়াও সম্ভব নয়, কারণ তবে পুরো সমুদ্র কেবল এই শামুকেই ভরে যেত। তাতে এমনকি সেই শামুকদেরও কোনো উপকার হতো না কারণ কয়েক প্রজন্মের মধ্যেই তাদের জন্য আর কোনো খাবার অবশিষ্ট থাকত না। গড়ে হয়তো মাত্র একটি বা দুটি প্রাণীই পূর্ণবয়স্ক হতে পারে। বাকি সবাই শিকারি প্রাণীদের পেটে যায় যাদের জীবনচক্রই মূলত এই সব ডিম বা লার্ভার ওপর নির্ভর করে গড়ে উঠেছে।
** [[জন স্টাইনবেক]], ''দ্য লগ ফ্রম দ্য সি অফ কর্টেজ'' (১৯৫১)
* প্রকৃতির শিক্ষা কি আমাদের মনে প্রশান্তির বদলে আতঙ্ক আর হতাশা জাগিয়ে তোলার জন্য যথেষ্ট নয়?
** লেসলি স্টিফেন, "ওয়ার্ডসওয়ার্থ'স এথিক্স", ''কর্নহিল ম্যাগাজিন'', খণ্ড ৩৪ (আগস্ট ১৮৭৬)
* হবস স্পষ্টভাবে প্রমাণ করেছেন যে প্রতিটি প্রাণীই</br>সহজাতভাবেই যুদ্ধের এক অবস্থায় বাস করে।</br>বড়রা সবসময় ছোটদের ওপর নজর রাখে,</br>কিন্তু নিজের সমান শক্তির সাথে খুব কমই লড়াই করে।</br>একটি মাঝারি আকারের তিমি এক গ্রাসেই</br>এক ঝাক হেরিং মাছ গিলে ফেলে।</br>শিয়াল মারে হাঁস আর নেকড়ে ধ্বংস করে হাজার হাজার ভেড়া।
** জোনাথন সুইফট, "[[iarchive:worksdrjonathan14swifgoog|অন পোয়েট্রি: এ র্যাপসোডি]]", ''দ্য ওয়ার্কস অফ ডক্টর জোনাথন সুইফট'' (১৭৬৬), পৃষ্ঠা ৪০
* প্রকৃতিবিদরা লক্ষ্য করেছেন যে একটি এঁটেল পোকার গায়েও</br>আরও ছোট ছোট পোকা থাকে যারা তাকে কামড়ে খায়,</br>আবার সেই পোকাদেরও কামড়ানোর জন্য আরও ছোট পোকা থাকে,</br>আর এভাবেই বিষয়টি অনন্তকাল ধরে চলতেই থাকে।
** জোনাথন সুইফট, ''পোয়েমস'', সংস্করণ হ্যারল্ড উইলিয়ামস (১৯৩৭), পৃষ্ঠা ৬৫১
* যারা বিশ্বাস করত ঈশ্বর সত্যিই দয়ালু<br/>আর ভালোবাসাই হলো সৃষ্টির শেষ কথা —<br/>অথচ প্রকৃতি, তার রক্তাক্ত দাঁত আর থাবা নিয়ে<br/>সব ছিঁড়েখুঁড়ে খেয়ে সেই বিশ্বাসের বিরুদ্ধে চিৎকার করে ওঠে —
** [[আলফ্রেড, লর্ড টেনিসন]], "ইন মেমোরিয়াম এ.এইচ.এইচ." (১৮৪৯), ক্যান্টো ৫৬
* কারণ প্রকৃতি কেবল লুণ্ঠনেই মত্ত, এ এমন এক ক্ষতি যা কোনো ধর্মপ্রচারকই সারাতে পারেন না;<br/>চাতক পাখি মে-ফ্লাই পোকাটিকে ছিঁড়ে ফেলে, আর কসাই পাখি গেঁথে ফেলে চড়ুইটিকে,<br/>আমি যেখানে বসে আছি, এই ছোট্ট পুরো বনটিই যেন এক লুণ্ঠন আর শিকারের জগত।
** [[আলফ্রেড, লর্ড টেনিসন]], ''মড: এ মন ড্রামা'' (১৮৯৩), [[iarchive:MaudAMonodramaByAlfredLordTennyson/page/n26/mode/1up|পৃষ্ঠা ১১]]
* ঈশ্বর! তারা তো আমাদেরই ছায়া মাত্র,<br/>যারা চিরকালের জন্য চলে গেছে। আসলে মৃত্যু ঘটায় প্রকৃতি,<br/>আর সে কিন্তু তার নিজের ‘আনন্দের’ জন্য এটি করে না। সে তো কিছুই জানে না।<br/>কেবল মানুষই সব জানে, আর সেটিই তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়! কারণ কেনই বা<br/>সে মাছির মতো আনন্দে দিন কাটাতে পারে না?<br/>আর যদি আমার সুখ অন্য কারো কষ্টের কারণ হয়,<br/>ভালো—সেটিও কি প্রকৃতির নিয়ম নয়,<br/>সৃষ্টির সেই অস্পষ্ট শুরু থেকে—এটিই কি তার প্রধান নিয়ম নয়<br/>যার মাধ্যমে সে আরও সুন্দর হয়ে ওঠে—যে তার মাছিদের<br/>একে অপরকে মেরে ফেলতে হবে? বেচারা এই প্রকৃতি!
** [[আলফ্রেড, লর্ড টেনিসন]], ''[http://www.telelib.com/authors/T/TennysonAlfred/play/promisemay/promisemay101.html দ্য প্রমিজ অফ মে]'' (১৮৮২), অঙ্ক ১
** বর্ণনা: চরিত্র এডগারের উক্তি
* উপযোগবাদ অনুযায়ী, বন্যপ্রাণীদের জীবনে যা ঘটে তা অবশ্যই একটি নৈতিক উদ্বেগের বিষয়। যখন হরিণ বা কৃষ্ণসার মৃগদের মধ্যে দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়, তখন একজন উপযোগবাদী সেখানে একটি বড় সমস্যা দেখতে পান। বন্যপ্রাণীরা প্রাকৃতিক কারণে যে কষ্ট পায়, তা ঠিক তেমনই খারাপ যেমনটি খাদ্য শিল্পে তাদের ওপর চালানো নিষ্ঠুর আচরণ। নৈতিক অধিকার তাত্ত্বিকদের কাছে... নেকড়ে যখন ভেড়াকে মারে তখন সেটি কোনো নৈতিক সমস্যা নয়। তবে উপযোগবাদের দৃষ্টিতে এটি অবশ্যই একটি বড় সমস্যা। যদি এ বিষয়ে আমাদের করার মতো কিছু থাকে, তবে তা করতে আমাদের মোটেও দ্বিধা করা উচিত নয়।
** টরবজোর্ন ট্যানসজো, ''টেকিং লাইফ: থ্রি থিওরিস অন দি এথিক্স অফ কিলিং'' (২০১৫), পৃষ্ঠা ২৬০ <small>{{আইএসবিএন|978-0190225582}}</small>
* বন্যপ্রাণীদের এই দুঃখ-কষ্ট কমানোর জন্য কি আমাদের করার মতো কিছু আছে? এমন এক সময় ছিল যখন অনেকে বলতেন যে মানুষের কষ্ট দূর করার জন্য কিছুই করার প্রয়োজন নেই, কারণ কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গড়ার চেষ্টা হয় বৃথা যাবে, নয়তো বর্তমান সুখকে নষ্ট করবে, অথবা আরও খারাপ কোনো ফল বয়ে আনবে। এখন আর আমরা এই ধরণের প্রতিক্রিয়া খুব একটা দেখি না। তবে অনেকে হয়তো এমন যুক্তি দিতে প্রস্তুত যে বন্য পরিবেশ আসলে বাস্তুসংস্থানের ভারসাম্যের এমন এক জটিল ব্যবস্থা যে সেখানে হস্তক্ষেপের কোনো ভালো ফল আসবে না, বরং যা ভারসাম্য টিকে আছে তাও নষ্ট হবে অথবা পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। তারা ঠিক কি না তা বিচার করার জায়গা এটি নয়, তবে নিশ্চয়ই এমন কিছু পদক্ষেপ আছে যা আমরা নিতে পারি, যদি আমরা সত্যিই চাই, যাতে বন্য জীবন অন্তত কিছুটা হলেও কম ভয়ংকর হয়ে ওঠে। উপযোগবাদ অনুযায়ী, যদি এমন কোনো উপায় থাকে তবে তা আমাদের অবশ্যই করা উচিত।
** টরবজোর্ন ট্যানসজো, ''টেকিং লাইফ: থ্রি থিওরিস অন দি এথিক্স অফ কিলিং'' (২০১৫), পৃষ্ঠা ২৬০–২৬১ <small>{{আইএসবিএন|978-0190225582}}</small>
* আমরা মানুষরা যদি বন্য পরিবেশকে ‘সভ্য’ করতে পারি এবং বন্যপ্রাণীদের জন্য আরও ভালো জীবন আর মৃত্যুর পরিবেশ তৈরি করতে পারি, তবে আমাদের তা করা উচিত। আমাদের অবশ্যই নেকড়ের বিরুদ্ধে ভেড়ার পক্ষ নেওয়া উচিত।
** টরবজোর্ন ট্যানসজো, ''টেকিং লাইফ: থ্রি থিওরিস অন দি এথিক্স অফ কিলিং'' (২০১৫), পৃষ্ঠা ২৮৩ <small>{{আইএসবিএন|978-0190225582}}</small>
* সব বাধা আর নিষেধ অগ্রাহ্য করে কেন আমি এই প্রাণীদের খাবার দিয়েছিলাম? কারণ আমরা একই জায়গায় বাস করি, কারণ তারা প্রত্যেকে আলাদা সত্তা ছিল, তাদেরও আত্মীয়স্বজন ছিল, অভিজ্ঞতা ছিল, একটি অতীত ছিল এবং তাদেরও অনেক আকাঙ্ক্ষা ছিল। কারণ তারা শীতে থরথর করে কাঁপছিল আর ক্ষুধার্ত ছিল, কারণ শরৎকালে তারা যথেষ্ট খাবার খুঁজে পায়নি, আর কারণ তাদের প্রত্যেকেরই মাত্র একটি জীবন ছিল।
** এলিজাবেথ মার্শাল থমাস, সু ডোনাল্ডসন-এর ''জুপোলিস: এ পলিটিক্যাল থিওরি অফ অ্যানিম্যাল রাইটস'' (২০১১)-এ উদ্ধৃত <small>{{আইএসবিএন|978-0199599660}}</small>
* এই নির্বোধ সৃষ্টি বা প্রকৃতি ‘ম্যালথাস’-এর সেই প্রাজ্ঞ তত্ত্ব সম্পর্কে কিছুই জানে না, বরং সে কোনো দূরদর্শিতা ছাড়াই যত বেশি সম্ভব সব ধরণের সন্তান জন্ম দেয়। এর ফলে তার কাছে যতটুকু খাবার আর লালন-পালনের সামর্থ্য আছে, তার চেয়ে অনেক বেশি প্রাণীর জন্ম হয়; যার ফলে একটি বিশাল অংশ শৈশবেই মারা যায় (আর আমাদের বলা হয় যে মানুষের শিশু ছাড়া অন্য কেউ আর পরজন্মে যেতে পারবে না; উদাহরণস্বরূপ, সেই সন্তানহারা বেচারা বানর আর গাধা মায়েরা অমরত্বের সেই অমূল্য সান্ত্বনা থেকে পুরোপুরি বঞ্চিত থাকে); একটি উল্লেখযোগ্য অংশ মানুষ এবং অন্যান্য ক্ষুধার্ত প্রাণীরা খেয়ে ফেলে এবং বাকি যারা থাকে তারা খুব কমই যথেষ্ট খাবার পায়।
** জেমস থমসন (বি.ভি.), "দ্য স্পিডি এক্সটিংশন অফ ইভিল অ্যান্ড মিজারি", অংশ ২, ''[[iarchive:essaysandphanta00thomgoog/|এসেস অ্যান্ড ফ্যান্টাসিস]]'' (১৮৮১) পৃষ্ঠা ৬০
* বনের ঠিক প্রান্তের ভেতর দিয়ে হাঁটার সময় আমি একটি ছোট কচ্ছপকে উল্টে পড়ে থাকতে দেখলাম, সেটি সোজা হওয়ার জন্য তার মাথাটা বাইরে বের করে আপ্রাণ চেষ্টা করছিল। দৃশ্যটি দেখে অবাক হয়ে আমি কারণ খোঁজার জন্য একটু নিচু হলাম। সেটি সাথে সাথেই নিজের মাথা ভেতরে ঢুকিয়ে নিল, কিন্তু আমি লক্ষ্য করলাম যে তার খোলসটি আংশিকভাবে খালি হয়ে গেছে। সেটি যেভাবে পড়ে ছিল, আমি তার এপাশ থেকে ওপাশ পর্যন্ত পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছিলাম; কারণ পেছনের পায়ের ঠিক সামনে বড় বড় ফুটো করে তার নাড়িভুঁড়িগুলো সব বের করে নেওয়া হয়েছে... প্রকৃতি এমনই, যে অন্য একটি প্রাণীর নাড়িভুঁড়িকে অন্য কারো প্রিয় খাবার হিসেবে লোলুপ স্বাদের আকাঙ্ক্ষা দিয়ে তৈরি করেছে!!
** [[হেনরি ডেভিড থরো]], ''[[iarchive:writingsofhenryd19thor/page/344|দ্য রাইটিংস অফ হেনরি ডেভিড থরো]]'' (১৯০৬), পৃষ্ঠা ৩৪৫–৩৪৬
* অনেক প্রাণীর কাছে প্রকৃতিকে মায়ের চেয়ে বরং একজন নিষ্ঠুর সৎ মা বলেই মনে হয়, আবার অন্য অনেকের কাছে সে সৎ মা নয়, বরং এক পরম দয়াময়ী জননী।
** [[লিওনার্দো দা ভিঞ্চি]], ''[https://www.gutenberg.org/ebooks/5000 দ্য নোটবুকস অফ লিওনার্দো দা ভিঞ্চি]'' (১৮৮৮), ফোলিও ৮৪৬
* মানুষ এবং অন্যান্য প্রাণীরা আসলে খাবারের যাতায়াতের একটি পথ এবং মাধ্যম ছাড়া আর কিছুই নয়; তারা হলো প্রাণীদের সমাধি আর মৃতদের বিশ্রামের জায়গা, যেখানে একজন অন্যজনের মৃত্যুর কারণ হয় এবং অন্য মৃতদেহের পচনের আস্তরণ হিসেবে নিজেদের ব্যবহার করে।
** [[লিওনার্দো দা ভিঞ্চি]], ''[https://www.gutenberg.org/ebooks/5000 দ্য নোটবুকস অফ লিওনার্দো দা ভিঞ্চি]'' (১৮৮৮), ফোলিও ৮৪৭
* [ওহে গঠনমূলক প্রকৃতির শক্তিশালী আর এককালের জীবন্ত যন্ত্র। তোমার এই বিশাল শক্তি থাকা সত্ত্বেও তুমি তা ব্যবহার করতে অক্ষম এবং তোমাকে এখন এই নিথর জীবন বেছে নিতে হয়েছে আর সেই নিয়ম মেনে চলতে হচ্ছে যা ঈশ্বর আর সময় প্রজননশীল প্রকৃতিকে দান করেছেন।]<br/>আহ! কতবার দেখা গিয়েছে যে আতঙ্কিত ডলফিনের ঝাঁক আর বিশালাকার টুনি মাছগুলো তোমার সেই নিষ্ঠুর ক্রোধ থেকে বাঁচতে পালিয়ে বেড়াচ্ছে; যখন তোমার তর্জন-গর্জন সমুদ্রের বুকে হঠাৎ ঝড় তুলে বড় বড় ঢেউয়ের আঘাতে জাহাজগুলোকে ডুবিয়ে দিচ্ছিল; আর তুমি সমুদ্রের তীরে অগণিত আতঙ্কিত আর হতাশ মাছদের ছুড়ে দিচ্ছিলে যারা তোমার হাত থেকে বাঁচার চেষ্টা করছিল, এবং একসময় সমুদ্রের জল সরে গেলে তারা পাশের এলাকার মানুষের কাছে সহজ শিকারে পরিণত হতো।
** [[লিওনার্দো দা ভিঞ্চি]], ''[https://www.gutenberg.org/ebooks/5000 দ্য নোটবুকস অফ লিওনার্দো দা ভিঞ্চি]'' (১৮৮৮), ফোলিও ১২১৭
* প্রকৃতি কেন এমন নিয়ম করল না যে একটি প্রাণী অন্য কোনো প্রাণীর মৃত্যুর বিনিময়ে বেঁচে থাকবে না? প্রকৃতি অত্যন্ত অস্থির এবং সে সবসময় নতুন নতুন জীবন আর রূপ তৈরি করার মধ্যে আনন্দ খুঁজে পায়। কারণ সে জানে যে তার পার্থিব উপকরণগুলো এর মাধ্যমেই বৃদ্ধি পায়; তাই সময় যতটুকু ধ্বংস করতে পারে, প্রকৃতি তার চেয়েও দ্রুত গতিতে সৃষ্টি করতে পারে; আর ঠিক এই কারণেই সে নিয়ম করেছে যে অনেক প্রাণী অন্য প্রাণীদের আহার হিসেবে কাজ করবে। শুধু তাই নয়, এতেও তার ইচ্ছা পূরণ না হওয়ায় সে প্রায়শই প্রাণীদের সংখ্যা অতিরিক্ত বেড়ে গেলে তাদের ওপর বিষাক্ত আর সংক্রামক বাষ্প বা মহামারী পাঠিয়ে দেয়; বিশেষ করে মানুষের ওপর, যাদের সংখ্যা অনেক বাড়ে কারণ অন্য প্রাণীরা তাদের খায় না। যদি কারণগুলো না থাকত, তবে এই ফলাফলগুলোও ঘটত না। তাই এই পৃথিবী নিজের প্রাণ হারাতে চায় এবং কেবল নিরন্তর পুনরুৎপাদন কামনা করে; আর আপনার আনা যুক্তির মাধ্যমে এটি প্রমাণিত হয় যে যেহেতু একই ধরণের কারণ থেকে একই ধরণের ফলাফল পাওয়া যায়, তাই প্রাণীরা হলো এই বিশ্বেরই প্রতিচ্ছবি।
** [[লিওনার্দো দা ভিঞ্চি]], ''[https://www.gutenberg.org/ebooks/5000 দ্য নোটবুকস অফ লিওনার্দো দা ভিঞ্চি]'' (১৮৮৮), ফোলিও ১২১৯
* পৃথিবীতে এমন সব প্রাণীদের দেখা যাবে যারা সবসময় একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করবে এবং যার ফলে উভয় পক্ষেই প্রচুর প্রাণহানি আর ক্ষয়ক্ষতি ঘটবে। তাদের এই বিদ্বেষের কোনো শেষ থাকবে না; তাদের শক্তিশালী অঙ্গপ্রত্যঙ্গের আঘাতে আমরা মহাবিশ্বের বিশাল বনের বড় একটি অংশকে মাটিতে মিশে যেতে দেখব; আর যখন তারা খাবারে তৃপ্ত হবে, তখন তাদের একমাত্র আকাঙ্ক্ষা হবে প্রতিটি জীবন্ত প্রাণীর জন্য মৃত্যু, শোক, পরিশ্রম, যুদ্ধ আর ক্রোধ নিয়ে আসা। তাদের সীমাহীন অহংকার থেকে তারা স্বর্গের দিকে উঠতে চাইবে, কিন্তু তাদের শরীরের অতিরিক্ত ওজন তাদের নিচেই আটকে রাখবে। মাটি বা মাটির নিচে কিংবা জলের নিচে এমন কিছু অবশিষ্ট থাকবে না যা তাদের দ্বারা নির্যাতিত, অশান্ত বা লুণ্ঠিত হবে না; এক দেশের সম্পদ অন্য দেশে সরিয়ে নেওয়া হবে। আর তাদের শরীর হয়ে উঠবে সেই সব মৃতদের সমাধি আর যাতায়াতের পথ যাদের তারা নিজেরা হত্যা করেছে।<br/>ওহে ধরিত্রী! কেন তুমি দ্বিধাবিভক্ত হয়ে তোমার সেই বিশাল গহ্বর আর গুহার মধ্যে এদের গিলে ফেলছ না, কেন তুমি স্বর্গের সামনে এমন এক নিষ্ঠুর আর ভয়ংকর দানবকে আর প্রদর্শিত হতে দিচ্ছ?
** [[লিওনার্দো দা ভিঞ্চি]], ''[https://www.gutenberg.org/ebooks/5000 দ্য নোটবুকস অফ লিওনার্দো দা ভিঞ্চি]'' (১৮৮৮), ফোলিও ১২৯৬
* ... আমি বিশ্বাস করি, অধিকাংশ নিরামিষাশী বা ভেগানদের এটি একটি বড় সীমাবদ্ধতা: কোনো নির্দিষ্ট অপরাধী না থাকায় তারা সেই সব প্রাণীদের দুঃখ-কষ্টের কথা ভুলে যান যাদের তারা ভালোবাসেন বলে দাবি করেন।
** ম্যাগনাস ভিন্ডিং, ''সাফারিং-ফোকাসড এথিক্স: ডিফেন্স অ্যান্ড ইমপ্লিকেশনস'' (২০২০), পৃষ্ঠা ২২৫
* ... বন্যপ্রাণীরা তাদের বংশবৃদ্ধির কৌশল নির্বিশেষে ক্ষুধা, রোগব্যাধি, পরজীবীর আক্রমণ আর প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো নানা ধরণের ক্ষতির শিকার হয়। এই ক্ষতিগুলো প্রায়ই তীব্র যন্ত্রণার সৃষ্টি করে এবং আমাদের উচিত নয় এই কষ্টগুলোকে উপেক্ষা করা কেবল এই কারণে যে ভুক্তভোগীরা বন্য পরিবেশে বাস করে অথবা তারা মানুষ নয়। আমরা খুব সঙ্গত কারণেই মানুষের তীব্র যন্ত্রণা লাঘব করাকে একটি নৈতিক দায়িত্ব বলে মনে করি, এমনকি যখন তা প্রাকৃতিক কারণে ঘটে থাকে; আর এই নৈতিক দায়িত্বটি কেবল মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার কোনো যৌক্তিক কারণ থাকতে পারে না...।
** ম্যাগনাস ভিন্ডিং, ''রিজনড পলিটিক্স'' (২০২২), পৃষ্ঠা ১১২
* এটি নিশ্চিত যে বন্যপ্রাণীদের সাহায্য করার জন্য হস্তক্ষেপ করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার একটি ঝুঁকি থাকে, যা সহমর্মিতার সাথে হস্তক্ষেপ করার ক্ষেত্রে সুচিন্তিত আর সতর্ক দৃষ্টিভঙ্গির গুরুত্বকেই তুলে ধরে। তবে এটি সেই নৈতিক পরাজয়বাদী মানসিকতা থেকে একদম আলাদা যা কোনো কিছু না ভেবেই সরাসরি সমস্যাটিকে উড়িয়ে দেয়।
** ম্যাগনাস ভিন্ডিং, ''রিজনড পলিটিক্স'' (২০২২), পৃষ্ঠা ১১৩
* আমি এই বিশাল জগতের একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ মাত্র।<br/>হ্যাঁ; কিন্তু বেঁচে থাকার দণ্ডপ্রাপ্ত প্রতিটি প্রাণী,<br/>প্রতিটি সংবেদনশীল সত্তা, যারা জন্মেছে সেই একই কঠোর নিয়মে,<br/>তারা আমার মতোই কষ্ট পায় এবং আমার মতোই একদিন মারা যায়।
** [[ভলতেয়ার]], "লিসবন বিপর্যয় নিয়ে কবিতা", ''টলারেশন অ্যান্ড আদার এসেস'' (১৯১২), পৃষ্ঠা ২৫৮
* শকুনি তার ভীত শিকারকে জাপটে ধরে,<br/>আর তার রক্তাক্ত ঠোঁট দিয়ে কাঁপতে থাকা অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো ক্ষতবিক্ষত করে:<br/>মনে হয় যেন তার জন্য সবকিছু ঠিক আছে। কিন্তু পরক্ষণেই<br/>একটি ঈগল সেই শকুনিকে টুকরো টুকরো করে ছিঁড়ে ফেলে;<br/>[...] এভাবেই পুরো জগতের প্রতিটি সদস্য যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে:<br/>সবাই জন্মেছে কেবল নির্যাতন আর একে অপরের হাতে প্রাণ দেওয়ার জন্য।
** [[ভলতেয়ার]], "লিসবন বিপর্যয় নিয়ে কবিতা", ''টলারেশন অ্যান্ড আদার এসেস'' (১৯১২), পৃষ্ঠা ২৫৮–২৫৯
* প্রকৃতির উপাদান, পশু, মানুষ—সবকিছুই যুদ্ধে লিপ্ত।
** [[ভলতেয়ার]], "[https://fr.wikisource.org/wiki/Po%C3%A8me_sur_le_d%C3%A9sastre_de_Lisbonne/%C3%89dition_Garnier লিসবন বিপর্যয় নিয়ে কবিতা]" (১৭৫৬)
* কোনো এক দীর্ঘ সময়ের পুরনো স্বাদু জলের পুকুরে বসবাসকারী প্রাণীদের ওপর গবেষণা করলে, জীবজগত বা জৈব সত্তাদের মাঝে টিকে থাকার লড়াই ঠিক কতটা তীব্র হতে পারে সে সম্পর্কে খুব চমৎকার এবং স্পষ্ট ধারণা পাওয়া সম্ভব। এমন পরিবেশে পুকুরের প্রতিটি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ইঞ্চি জায়গাও বিভিন্ন ধরণের প্রাণী আর উদ্ভিদের প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর থাকে। আর সেখানে থাকা অধিকাংশ প্রাণীদের প্রধান আনন্দই হলো তাদের চেয়ে দুর্বল সঙ্গীদের বিরুদ্ধে এক বিরামহীন লড়াই বা যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া।
** ক্ল্যারেন্স এম. উইড, "[https://en.wikisource.org/wiki/Popular_Science_Monthly/Volume_45/August_1894/A_Family_of_Water_Kings জলের রাজাদের একটি পরিবার]", ''পপুলার সায়েন্স মান্থলি'', খণ্ড ৪৫ (আগস্ট ১৮৯৪)
* মনে হয় পোকামাকড়রা অন্তত জলজ প্রাণীদের চেয়ে এক ধাপ উন্নত স্তরের ছিল। কিন্তু এই প্রাণীদের প্রায় সবাই একে অপরকে গিলে খায় এবং এমন প্রতিটি প্রাণীকে আক্রমণ করে যাদের তারা জয় করতে সক্ষম। প্রকৃতপক্ষে বর্তমানে এই পৃথিবীর অবস্থা এতটাই শোচনীয় আর বিশৃঙ্খল যে, অগণিত প্রাণী অন্যকে ধ্বংস করা ছাড়া নিজেদের জীবন কোনোভাবেই রক্ষা করতে পারে না। কিন্তু সৃষ্টির শুরুতে বিষয়টি একদম এমন ছিল না। সেই মায়াবী স্বর্গীয় পৃথিবীতে সব অধিবাসীদের জন্য পর্যাপ্ত খাবারের সংস্থান ছিল; তাই কারো মধ্যে অন্যকে শিকার করার কোনো প্রয়োজন বা প্রলোভন কাজ করত না। মাকড়সা তখন মাছির মতোই নিরীহ ছিল এবং তখন সে রক্তের অপেক্ষায় ওত পেতে থাকত না। তাদের মধ্যে সবচেয়ে দুর্বল প্রাণীটিও মাটির ওপর দিয়ে নিরাপদে ঘুরে বেড়াত, অথবা বাতাসে নিজের সোনালী ডানা মেলে উড়ত যা মৃদু বাতাসে দুলত এবং সূর্যের আলোতে ঝিকমিক করত; আর কাউকেই ভয় পাওয়ার কোনো কারণ তখন ছিল না।
** [[জন ওয়েসলি]], ''দ্য ওয়ার্কস অফ দ্য রেভারেন্ড জন ওয়েসলি, এ.এম.'' (১৮৪০), পৃষ্ঠা ২৯
* সেখানে কোনো শিকারী পাখি বা পশু ছিল না; এমন কোনো প্রাণী ছিল না যে অন্যকে ধ্বংস করত কিংবা অন্য কারো যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়াত।
** [[জন ওয়েসলি]], ''দ্য ওয়ার্কস অফ দ্য রেভারেন্ড জন ওয়েসলি, এ.এম.'' (১৮৪০), পৃষ্ঠা ২৯
* বন্যপ্রাণীদের ক্ষেত্রে অবশ্য কেবল শেষের বিষয়টি অর্থাৎ স্বাভাবিক আচরণ প্রকাশের বিষয়টিই নিশ্চিত করা সম্ভব। তাদের জীবন বাঁচাতে প্রতিদিন আপ্রাণ লড়াই করতে হয়, যার মধ্যে রয়েছে খাবারের সন্ধান করা, জলের ব্যবস্থা করা এবং বংশবৃদ্ধির জন্য সঙ্গিনী খুঁজে নেওয়া। তাদের জীবনে কোনো আরাম-আয়েশ, স্থায়িত্ব কিংবা সুস্বাস্থ্যের অধিকার নেই। আমাদের সরকারগুলো কল্যাণের যে মানদণ্ড নির্ধারণ করে দিয়েছে, সেই অনুযায়ী বিচার করলে বন্যপ্রাণীদের এই জীবন আসলে এক ধরণের নিষ্ঠুরতা ছাড়া আর কিছুই নয়।
** ক্রিস্টি উইলকক্স, "[https://blogs.scientificamerican.com/guest-blog/bambi-or-bessie-are-wild-animals-happier/ বাম্বি না কি বেসি: বন্য প্রাণীরা কি বেশি সুখী?]", ''সায়েন্টিফিক আমেরিকান ব্লগস'', ১২ এপ্রিল ২০১১
* সহজ কথা হলো শিকার হওয়া এবং অনাহার উভয়ই হরিণদের জন্য অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক বিষয়, আর সিংহের ভাগ্যও কিন্তু খুব একটা ঈর্ষণীয় নয়।
** জর্জ সি. উইলিয়ামস, ''অ্যাডাপটেশন অ্যান্ড ন্যাচারাল সিলেকশন: এ ক্রিটিক অফ সাম কারেন্ট ইভোলিউশনারি থট'' (১৯৬৬), পৃষ্ঠা ২৫৫
* ডারউইন যখন প্রাকৃতিক নির্বাচনের বিষয়টি বুঝতে পারলেন, তখন তিনি নিশ্চিতভাবেই দেখেছিলেন যে তার নৈতিকতা সেই নির্বাচন থেকে পাওয়া মূল্যবোধগুলোর সাথে কতটা সাংঘর্ষিক। একটি পরজীবী বোলতার সেই অতি সূক্ষ্ম অথচ মরণঘাতী ক্ষমতা, কিংবা একটি বিড়াল কর্তৃক ইঁদুর নিয়ে খেলার সেই নিষ্ঠুরতা এগুলো তো আসলে হিমশৈলের চূড়া মাত্র। প্রাকৃতিক নির্বাচন নিয়ে ভাবলে এটি দেখে যে কেউ থমকে যাবে যে জৈবিক গঠনের একটি অতি সামান্য উন্নতির মূল্য হিসেবে কত বিশাল পরিমাণ দুঃখ-কষ্ট আর মৃত্যুর প্রয়োজন হয়। আর এর ফলে এটিও উপলব্ধি করা যায় যে, এই তথাকথিত উন্নতির লক্ষ্য। যেমন পুরুষ শিম্পাঞ্জির লম্বা আর ধারালো দাঁত—তা প্রায়ই অন্য প্রাণীদের মৃত্যু আর যন্ত্রণাকে আরও নিশ্চিত করার জন্যই তৈরি হয়েছে। জৈবিক গঠন মূলত যন্ত্রণার ওপর ভিত্তি করেই বিকশিত হয়, আর যন্ত্রণাও এই গঠনের ওপর ভর করে আরও বেশি ডালপালা মেলে।
** রবার্ট রাইট, ''দ্য মোরাল অ্যানিম্যাল: হোয়াই উই আর দ্য ওয়ে উই আর'' (১৯৯৪)
* আমার খুব অবাক লাগে এটা ভেবে যে, ‘প্রকৃতি মা’-র চেয়ে বড় কোনো মূর্খতা আর অজ্ঞতাপূর্ণ অপপ্রয়োগ আর কি কখনও হতে পারত? প্রকৃতি যেহেতু দয়াহীন, বীভৎস আর কল্পনার বাইরে নিষ্ঠুর, ঠিক সেই কারণেই সভ্যতা গড়ে তোলার প্রয়োজন হয়েছিল। বন্য প্রাণীদের মানুষ হিংস্র মনে করে ঠিকই, কিন্তু সমুদ্রের একজন টিকে থাকা প্রাণীর মধ্যে যে ধরণের নিষ্ঠুরতা প্রয়োজন হয়, তার তুলনায় বনের সবচেয়ে ভয়ংকর প্রাণীটিকেও গৃহপালিত পশুর মতো মনে হয়; আর পোকামাকড়দের কথা বলতে গেলে, তাদের জীবন তো কেবল এক ভয়ংকর বিভীষিকাময় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে টিকে থাকে। ‘প্রকৃতি মা’র মাঝে যে মায়া বা আরামের আবহ খোঁজা হয়, তার চেয়ে বড় ভুল ধারণা আর কিছুই হতে পারে না। প্রতিটি প্রজাতিকে টিকে থাকার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করতে হয় এবং তারা তাদের ক্ষমতার সবটুকু দিয়ে তা যতই জঘন্য হোক না কেন সেই কাজ করে যায়, যদি না তাদের সেই প্রবৃত্তি অন্য কোনো সহজাত তাড়নার সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
** জন উইন্ডহাম, ''দ্য মিডউইচ কুকুস'' (১৯৫৭), পৃষ্ঠা ৯৭
** বর্ণনা: চরিত্র জেলাবির উক্তি
* প্রকৃতির এত বিশাল অংশ কেন প্রকৃতিরই অন্য অংশের সাথে এমন বিরামহীন যুদ্ধে লিপ্ত? কারণ পুরো প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করার জন্য একক কোনো বিবর্তন কাজ করছে না। বরং প্রজননশীল জনসংখ্যার প্রতিটি গোষ্ঠীর জন্য সেখানে আলাদা আলাদা "বিবর্তন" কাজ করছে। উদাহরণস্বরূপ, খরগোশের জিন খরগোশদের পালের মধ্যে সময়ের সাথে কমবেশি দেখা যাচ্ছে। একইভাবে শিয়ালের জিন শিয়ালদের পালের মধ্যে কমবেশি পরিবর্তিত হচ্ছে। যেসব শিয়ালের জিন এমন শিয়াল তৈরি করতে সক্ষম যারা খুব সহজে খরগোশ ধরতে পারে, তারা পরবর্তী প্রজন্মে নিজেদের জিনের আরও অনেক বেশি অনুলিপি রেখে যেতে পারে। অন্যদিকে, যেসব খরগোশের জিন তাদের শিয়ালের হাত থেকে বাঁচতে সাহায্য করে, পরবর্তী প্রজন্মের খরগোশদের মধ্যে প্রাকৃতিকভাবেই সেই জিনগুলো বেশি সংখ্যায় দেখা যায়। আর এই পুরো বিষয়টিকেই আসলে "প্রাকৃতিক নির্বাচন" বলা হয়ে থাকে।
** এলিয়েজার ইউডকোভস্কি, "[https://www.lesswrong.com/posts/pLRogvJLPPg6Mrvg4/an-alien-god এক ভিনদেশি ঈশ্বর]", ''লেসরং ২.০'', ২ নভেম্বর ২০০৭
* প্রকৃতি কেন এত নিষ্ঠুর? একজন মানুষ হিসেবে আপনি যখন কোনো ইকনিউমন পরজীবী বোলতার দিকে তাকান, তখন আপনি এটি ভেবে ব্যথিত হতে পারেন যে কোনো শিকারকে জীবন্ত চিবিয়ে খাওয়াটা অত্যন্ত নিষ্ঠুর একটি কাজ। আপনি হয়তো মনে করেন যে যদি কাউকে জীবন্ত খেতেই হয়, তবে অন্তত তাকে যন্ত্রণা না দেওয়ার মতো নূন্যতম সৌজন্য থাকা উচিত ছিল। ওই বোলতার জন্য কিন্তু তার শিকারকে অবশ করার পাশাপাশি অজ্ঞান বা অসাড় করে দেওয়াটা খুব একটা কঠিন কোনো কাজ ছিল না। অথবা ধরুন সেই সব বৃদ্ধ হাতিদের কথা, যারা নিজেদের জীবনের শেষ দাঁতগুলো পড়ে যাওয়ার পর কেবল খাবারের অভাবে ধুঁকে ধুঁকে না খেয়ে মারা যায়। এই হাতিগুলো তো আর নতুন করে প্রজননে অংশ নেবে না। তবে হাতির বিবর্তনের ক্ষেত্রে এমন কী সমস্যা ছিল যাতে এটি নিশ্চিত করা যেত যে হাতিটি যন্ত্রণায় ছটফট না করে বরং দ্রুত মারা যায়? হাতিটিকে অজ্ঞান করে রাখা কিংবা মৃত্যুর ঠিক আগে তাকে কোনো সুন্দর স্বপ্ন দেখানোর জন্য বিবর্তনের আসলে কিছুই হারাবার ছিল না। কারণ সেই হাতিটি যেভাবেই মারা যাক না কেন, তার প্রজনন ক্ষমতায় এর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়ত না।
** এলিয়েজার ইউডকোভস্কি, "[https://www.lesswrong.com/posts/pLRogvJLPPg6Mrvg4/an-alien-god এক ভিনদেশি ঈশ্বর]", ''লেসরং ২.০'', ২ নভেম্বর ২০০৭
* এক দিক থেকে বিচার করলে দেখা যায় যে, ডারউইন যেন ঈশ্বরকেই আবিষ্কার করেছিলেন—এমন এক ঈশ্বর যিনি ধর্মতত্ত্বের প্রথাগত ধারণাগুলোর সাথে একদমই খাপ খান না, আর সম্ভবত সেই কারণেই তাকে কোনো ধরণের সংবর্ধনা জানানো হয়নি। ডারউইন যদি আবিষ্কার করতেন যে জীবন কোনো এক বুদ্ধিমান শক্তির মাধ্যমে সৃষ্টি হয়েছে—এমন এক নিরাকার শক্তি যে আমাদের ভালোবাসে এবং যার বিরুদ্ধাচরণ করলে আমাদের ওপর বজ্রপাত ঘটবে—তবে সাধারণ মানুষ হয়তো চিৎকার করে বলত, "ওহ আমার ঈশ্বর! ইনিই তো আমাদের কাঙ্ক্ষিত ঈশ্বর!"<br>কিন্তু তার বদলে ডারউইন আবিষ্কার করলেন এক অদ্ভুত এবং বিজাতীয় ঈশ্বরকে—যিনি কেবল অবর্ণনীয়ই নন বরং আমাদের চেয়ে একদমই আলাদা এক সত্তা। বিবর্তন নিজে থেকে কোনো ঈশ্বর নয়, তবে যদি সে সত্যিই ঈশ্বর হতো, তবে সে কখনোই জেহোভা বা দয়ালু কেউ হতো না। বরং সে হতো এইচ. পি. লাভক্র্যাফ্টের গল্পের সেই অন্ধ আর বোকা ঈশ্বর অ্যাজাথোথ—যে সব কিছুর কেন্দ্রে বসে অসংলগ্ন প্রলাপ বকছে আর যাকে ঘিরে সবসময় বাঁশির একঘেয়ে সুর বাজছে। আপনি যদি সত্যিই প্রকৃতির দিকে একটু গভীরভাবে লক্ষ্য করতেন, তবে হয়তো আপনি নিজেও অনেক আগে এমন কিছুরই পূর্বাভাস দিতে পারতেন।
** এলিয়েজার ইউডকোভস্কি, "[https://www.lesswrong.com/posts/pLRogvJLPPg6Mrvg4/an-alien-god এক ভিনদেশি ঈশ্বর]", ''লেসরং ২.০'', ২ নভেম্বর ২০০৭
== আরও দেখুন ==
* [[প্রাণীর অধিকার]]
* [[পতঙ্গের কষ্ট]]
* [[প্রজাতিবাদ]]
* [[উপযোগবাদ]]
* [[নেতিবাচক উপযোগবাদ]]
* [[দার্শনিক নৈরাশ্যবাদ]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
* [https://www.wildanimalinitiative.org/ ওয়াইল্ড অ্যানিম্যাল ইনিশিয়েটিভ]
* [https://www.animal-ethics.org/wild-animal-suffering-section/ বন্যপ্রাণীর কষ্ট] - [[wikipedia:Animal_Ethics_(organization)|অ্যানিম্যাল এথিক্স]]
* [https://www.youtube.com/watch?v=cid7idodEPE&list=PLRspdAk7uENPslR3I20AZMgtZzOoUYDmW বন্যপ্রাণীর কষ্টের ওপর অনলাইন ভিডিও কোর্স] - অ্যানিম্যাল এথিক্স
* [https://www.animal-ethics.org/wp-content/uploads/Introduction_to_Wild_Animal_Suffering.pdf ''বন্যপ্রাণীর কষ্টের ভূমিকা: মূল বিষয়গুলোর একটি নির্দেশিকা''] (ভিডিও কোর্সের সহযোগী গাইড) - অ্যানিম্যাল এথিক্স
* [https://www.animal-ethics.org/publications-about-wild-animal-suffering/ বন্যপ্রাণীর কষ্ট সম্পর্কিত প্রকাশনা] - অ্যানিম্যাল এথিক্স
* [https://www.ledonline.it/index.php/Relations/article/view/887 বন্য পরিবেশে নৈতিক হস্তক্ষেপ: একটি টীকা সম্বলিত গ্রন্থপঞ্জি]
* [https://www.stafforini.com/blog/wild-animal-suffering-a-bibliography/ বন্যপ্রাণীর কষ্ট: একটি গ্রন্থপঞ্জি]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রাণীর অধিকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রাণী]]
[[বিষয়শ্রেণী:পরিবেশ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ন্যায়শাস্ত্র]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রকৃতি]]
fjr1bdvqqy4a9sjh1wndkuzdqppt4rx
চোং নানশান
0
12223
75352
75091
2026-04-10T13:02:32Z
Mehedi Abedin
50
75352
wikitext
text/x-wiki
[[File:Zhong Nanshan (cropped).jpg|thumb|চোং নানশান, ২০১৫ সালে]]
'''[[w:চোং নানশান|চোং নানশান]]''' (钟南山; Zhōng Nánshān; জন্ম [[২০ অক্টোবর]] [[১৯৩৬]]) একজন [[চীন|চীনা]] মহামারিবিদ ও ফুসফুসরোগ বিশেষজ্ঞ। তিনি ২০০৫–২০০৯ সালে চাইনিজ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ছিলেন।
==উক্তি==
* [[2019–20 coronavirus pandemic in mainland China|(কোভিড-১৯) মহামারি]] মোকাবিলার দুটি মূল চাবিকাঠি রয়েছে: দ্রুত শনাক্তকরণ এবং দ্রুত বিচ্ছিন্নকরণ। এগুলোই সবচেয়ে মৌলিক এবং সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি।
** ঝং নানশান (২০২০), উদ্ধৃত: “[https://www.thestar.com.my/news/regional/2020/01/29/wuhan-virus-outbreak-may-reach-peak-in-a-week-or-about-10-days-says-expert উহান ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব এক সপ্তাহ বা প্রায় ১০ দিনের মধ্যে চূড়ায় পৌঁছাতে পারে, বলছেন বিশেষজ্ঞ]”, ''দ্য স্টার অনলাইন'', ২৯ জানুয়ারি ২০২০।
* সার্স মোকাবিলার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আমরা [[কোভিড-১৯|কোভিড-১৯]] আক্রান্ত রোগীদের জন্য একটি কার্যকর চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরি করেছি। বিভিন্ন ধরনের জীবনরক্ষাকারী সহায়তা পদ্ধতি ব্যবহার করে সুস্থতার হার বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
** ঝং নানশান (২০২০), উদ্ধৃত: “[https://www.scmp.com/news/china/society/article/3048732/china-starts-clinical-trials-new-antiviral-drug-treat করোনাভাইরাসের চিকিৎসার জন্য নতুন অ্যান্টিভাইরাল ওষুধের ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা শুরু করেছে চীন]”, ''সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট'', ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
* আমরা এখনো জানি না কেন এটি ([[কোভিড-১৯|কোভিড-১৯]]) এত বেশি সংক্রামক। এটাই একটি বড় সমস্যা।
** ঝং নানশান (২০২০), উদ্ধৃত: “[https://www.reuters.com/article/us-china-health-doctor-exclusive/exclusive-chinas-top-virus-expert-says-outbreak-may-peak-this-month-idUSKBN2050VF বিশেষজ্ঞের মতে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব এপ্রিলের মধ্যে চীনে শেষ হতে পারে]”, ''রয়টার্স'', ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
* '''আমি তাকে ([[লি ওয়েনলিয়াং|লি ওয়েনলিয়াং]]) নিয়ে অত্যন্ত গর্বিত।'''
** ঝং নানশান (২০২০), উদ্ধৃত: “[https://www.scmp.com/video/china/3050094/i-am-so-proud-him-chinas-top-medical-expert-zhong-nanshan-mourns-whistle-blower ‘আমি তাকে নিয়ে অত্যন্ত গর্বিত’—হুইসেলব্লোয়ার চিকিৎসকের মৃত্যুতে চীনের শীর্ষ চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ ঝং নানশানের শোক]”, ''সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট'', ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
* আমি আশা করি এই [[কোভিড-১৯|কোভিড-১৯]] প্রাদুর্ভাব বা ঘটনাটি ২০২০ সালের এপ্রিলের দিকে শেষ হয়ে যেতে পারে।
** ঝং নানশান (২০২০), উদ্ধৃত: “[https://www.malaysiakini.com/news/510517 জানুয়ারির পর নতুন করোনাভাইরাস সংক্রমণ সর্বনিম্ন, তবে শীর্ষ সময় নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতভেদ]”, ''মালয়েশিয়াকিনি'', ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{কমন্স}}
{{DEFAULTSORT:Zhong, Nanshan}}
[[বিষয়শ্রেণী:সম্পাদক]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:চীনের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:চীনা বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:চীনের জীববিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মহামারী বিশেষজ্ঞ]]
[[বিষয়শ্রেণী:সম্পাদক]]
[[বিষয়শ্রেণী:চীনে কোভিড-১৯ মহামারি]]
4rpq5skl3cu27o2cicae9eyue5kbn1q
75422
75352
2026-04-10T15:23:17Z
মোহাম্মদ জনি হোসেন
104
75422
wikitext
text/x-wiki
[[File:Zhong Nanshan (cropped).jpg|thumb|চোং নানশান, ২০১৫ সালে]]
'''[[w:চোং নানশান|চোং নানশান]]''' (钟南山; Zhōng Nánshān; জন্ম [[২০ অক্টোবর]] [[১৯৩৬]]) একজন [[চীন|চীনা]] মহামারিবিদ ও ফুসফুসরোগ বিশেষজ্ঞ। তিনি ২০০৫–২০০৯ সালে চাইনিজ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ছিলেন।
==উক্তি==
* [[2019–20 coronavirus pandemic in mainland China|(কোভিড-১৯) মহামারি]] মোকাবিলার দুটি মূল চাবিকাঠি রয়েছে: দ্রুত শনাক্তকরণ এবং দ্রুত বিচ্ছিন্নকরণ। এগুলোই সবচেয়ে মৌলিক এবং সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি।
**চোং নানশান (২০২০), উদ্ধৃত: “[https://www.thestar.com.my/news/regional/2020/01/29/wuhan-virus-outbreak-may-reach-peak-in-a-week-or-about-10-days-says-expert উহান ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব এক সপ্তাহ বা প্রায় ১০ দিনের মধ্যে চূড়ায় পৌঁছাতে পারে, বলছেন বিশেষজ্ঞ]”, ''দ্য স্টার অনলাইন'', ২৯ জানুয়ারি ২০২০।
* সার্স মোকাবিলার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আমরা [[কোভিড-১৯|কোভিড-১৯]] আক্রান্ত রোগীদের জন্য একটি কার্যকর চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরি করেছি। বিভিন্ন ধরনের জীবনরক্ষাকারী সহায়তা পদ্ধতি ব্যবহার করে সুস্থতার হার বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
** চোং নানশান (২০২০), উদ্ধৃত: “[https://www.scmp.com/news/china/society/article/3048732/china-starts-clinical-trials-new-antiviral-drug-treat করোনাভাইরাসের চিকিৎসার জন্য নতুন অ্যান্টিভাইরাল ওষুধের ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা শুরু করেছে চীন]”, ''সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট'', ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
* আমরা এখনো জানি না কেন এটি ([[কোভিড-১৯|কোভিড-১৯]]) এত বেশি সংক্রামক। এটাই একটি বড় সমস্যা।
** চোং নানশান (২০২০), উদ্ধৃত: “[https://www.reuters.com/article/us-china-health-doctor-exclusive/exclusive-chinas-top-virus-expert-says-outbreak-may-peak-this-month-idUSKBN2050VF বিশেষজ্ঞের মতে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব এপ্রিলের মধ্যে চীনে শেষ হতে পারে]”, ''রয়টার্স'', ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
* '''আমি তাকে ([[লি ওয়েনলিয়াং|লি ওয়েনলিয়াং]]) নিয়ে অত্যন্ত গর্বিত।'''
** চোং নানশান (২০২০), উদ্ধৃত: “[https://www.scmp.com/video/china/3050094/i-am-so-proud-him-chinas-top-medical-expert-zhong-nanshan-mourns-whistle-blower ‘আমি তাকে নিয়ে অত্যন্ত গর্বিত’—হুইসেলব্লোয়ার চিকিৎসকের মৃত্যুতে চীনের শীর্ষ চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ ঝং নানশানের শোক]”, ''সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট'', ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
* আমি আশা করি এই [[কোভিড-১৯|কোভিড-১৯]] প্রাদুর্ভাব বা ঘটনাটি ২০২০ সালের এপ্রিলের দিকে শেষ হয়ে যেতে পারে।
** চোং নানশান (২০২০), উদ্ধৃত: “[https://www.malaysiakini.com/news/510517 জানুয়ারির পর নতুন করোনাভাইরাস সংক্রমণ সর্বনিম্ন, তবে শীর্ষ সময় নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতভেদ]”, ''মালয়েশিয়াকিনি'', ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{কমন্স}}
{{DEFAULTSORT:Zhong, Nanshan}}
[[বিষয়শ্রেণী:সম্পাদক]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:চীনের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:চীনা বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:চীনের জীববিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মহামারী বিশেষজ্ঞ]]
[[বিষয়শ্রেণী:সম্পাদক]]
[[বিষয়শ্রেণী:চীনে কোভিড-১৯ মহামারি]]
4o1ztgd130vr969hxanbbxxfmrfl12s
75473
75422
2026-04-10T22:40:43Z
মোহাম্মদ জনি হোসেন
104
75473
wikitext
text/x-wiki
[[File:Zhong Nanshan (cropped).jpg|thumb|চোং নানশান, ২০১৫ সালে]]
'''[[w:চোং নানশান|চোং নানশান]]''' (钟南山; Zhōng Nánshān; জন্ম [[২০ অক্টোবর]] [[১৯৩৬]]) একজন [[চীন|চীনা]] মহামারী ও ফুসফুসরোগ বিশেষজ্ঞ। তিনি ২০০৫–২০০৯ সালে চাইনিজ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ছিলেন।
==উক্তি==
* [[2019–20 coronavirus pandemic in mainland China|(কোভিড-১৯) মহামারি]] মোকাবিলার দুটি মূল চাবিকাঠি রয়েছে: দ্রুত শনাক্তকরণ এবং দ্রুত বিচ্ছিন্নকরণ। এগুলোই সবচেয়ে মৌলিক এবং সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি।
**চোং নানশান (২০২০), উদ্ধৃত: “[https://www.thestar.com.my/news/regional/2020/01/29/wuhan-virus-outbreak-may-reach-peak-in-a-week-or-about-10-days-says-expert উহান ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব এক সপ্তাহ বা প্রায় ১০ দিনের মধ্যে চূড়ায় পৌঁছাতে পারে, বলছেন বিশেষজ্ঞ]”, ''দ্য স্টার অনলাইন'', ২৯ জানুয়ারি ২০২০।
* সার্স মোকাবিলার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আমরা [[কোভিড-১৯|কোভিড-১৯]] আক্রান্ত রোগীদের জন্য একটি কার্যকর চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরি করেছি। বিভিন্ন ধরনের জীবনরক্ষাকারী সহায়তা পদ্ধতি ব্যবহার করে সুস্থতার হার বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
** চোং নানশান (২০২০), উদ্ধৃত: “[https://www.scmp.com/news/china/society/article/3048732/china-starts-clinical-trials-new-antiviral-drug-treat করোনাভাইরাসের চিকিৎসার জন্য নতুন অ্যান্টিভাইরাল ওষুধের ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা শুরু করেছে চীন]”, ''সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট'', ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
* আমরা এখনো জানি না কেন এটি ([[কোভিড-১৯|কোভিড-১৯]]) এত বেশি সংক্রামক। এটাই একটি বড় সমস্যা।
** চোং নানশান (২০২০), উদ্ধৃত: “[https://www.reuters.com/article/us-china-health-doctor-exclusive/exclusive-chinas-top-virus-expert-says-outbreak-may-peak-this-month-idUSKBN2050VF বিশেষজ্ঞের মতে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব এপ্রিলের মধ্যে চীনে শেষ হতে পারে]”, ''রয়টার্স'', ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
* '''আমি তাকে ([[লি ওয়েনলিয়াং|লি ওয়েনলিয়াং]]) নিয়ে অত্যন্ত গর্বিত।'''
** চোং নানশান (২০২০), উদ্ধৃত: “[https://www.scmp.com/video/china/3050094/i-am-so-proud-him-chinas-top-medical-expert-zhong-nanshan-mourns-whistle-blower ‘আমি তাকে নিয়ে অত্যন্ত গর্বিত’—হুইসেলব্লোয়ার চিকিৎসকের মৃত্যুতে চীনের শীর্ষ চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ ঝং নানশানের শোক]”, ''সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট'', ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
* আমি আশা করি এই [[কোভিড-১৯|কোভিড-১৯]] প্রাদুর্ভাব বা ঘটনাটি ২০২০ সালের এপ্রিলের দিকে শেষ হয়ে যেতে পারে।
** চোং নানশান (২০২০), উদ্ধৃত: “[https://www.malaysiakini.com/news/510517 জানুয়ারির পর নতুন করোনাভাইরাস সংক্রমণ সর্বনিম্ন, তবে শীর্ষ সময় নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতভেদ]”, ''মালয়েশিয়াকিনি'', ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{কমন্স}}
{{DEFAULTSORT:Zhong, Nanshan}}
[[বিষয়শ্রেণী:সম্পাদক]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:চীনের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:চীনা বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:চীনের জীববিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মহামারী বিশেষজ্ঞ]]
[[বিষয়শ্রেণী:সম্পাদক]]
[[বিষয়শ্রেণী:চীনে কোভিড-১৯ মহামারি]]
lpsp847udhsahtlv24fuf2khw5pawt1
75610
75473
2026-04-11T08:26:06Z
মোহাম্মদ জনি হোসেন
104
/* উক্তি */
75610
wikitext
text/x-wiki
[[File:Zhong Nanshan (cropped).jpg|thumb|চোং নানশান, ২০১৫ সালে]]
'''[[w:চোং নানশান|চোং নানশান]]''' (钟南山; Zhōng Nánshān; জন্ম [[২০ অক্টোবর]] [[১৯৩৬]]) একজন [[চীন|চীনা]] মহামারী ও ফুসফুসরোগ বিশেষজ্ঞ। তিনি ২০০৫–২০০৯ সালে চাইনিজ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ছিলেন।
==উক্তি==
* [[2019–20 coronavirus pandemic in mainland China|(কোভিড-১৯) মহামারি]] মোকাবিলার দুটি মূল চাবিকাঠি রয়েছে: দ্রুত শনাক্তকরণ এবং দ্রুত বিচ্ছিন্নকরণ। এগুলোই সবচেয়ে মৌলিক এবং সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি।
**চোং নানশান (২০২০), উদ্ধৃত: “[https://www.thestar.com.my/news/regional/2020/01/29/wuhan-virus-outbreak-may-reach-peak-in-a-week-or-about-10-days-says-expert উহান ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব এক সপ্তাহ বা প্রায় ১০ দিনের মধ্যে চূড়ায় পৌঁছাতে পারে, বলছেন বিশেষজ্ঞ]”, ''দ্য স্টার অনলাইন'', ২৯ জানুয়ারি ২০২০।
* এসএআরএস মোকাবিলার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আমরা [[কোভিড-১৯|কোভিড-১৯]] আক্রান্ত রোগীদের জন্য একটি কার্যকর চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরি করেছি। বিভিন্ন ধরনের জীবনরক্ষাকারী সহায়তা পদ্ধতি ব্যবহার করে সুস্থতার হার বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
** চোং নানশান (২০২০), উদ্ধৃত: “[https://www.scmp.com/news/china/society/article/3048732/china-starts-clinical-trials-new-antiviral-drug-treat করোনাভাইরাসের চিকিৎসার জন্য নতুন অ্যান্টিভাইরাল ওষুধের ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা শুরু করেছে চীন]”, ''সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট'', ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
* আমরা এখনো জানি না কেন এটি ([[কোভিড-১৯|কোভিড-১৯]]) এত বেশি সংক্রামক। এটাই একটি বড় সমস্যা।
** চোং নানশান (২০২০), উদ্ধৃত: “[https://www.reuters.com/article/us-china-health-doctor-exclusive/exclusive-chinas-top-virus-expert-says-outbreak-may-peak-this-month-idUSKBN2050VF বিশেষজ্ঞের মতে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব এপ্রিলের মধ্যে চীনে শেষ হতে পারে]”, ''রয়টার্স'', ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
* '''আমি তাকে ([[লি ওয়েনলিয়াং|লি ওয়েনলিয়াং]]) নিয়ে অত্যন্ত গর্বিত।'''
** চোং নানশান (২০২০), উদ্ধৃত: “[https://www.scmp.com/video/china/3050094/i-am-so-proud-him-chinas-top-medical-expert-zhong-nanshan-mourns-whistle-blower ‘আমি তাকে নিয়ে অত্যন্ত গর্বিত’—হুইসেলব্লোয়ার চিকিৎসকের মৃত্যুতে চীনের শীর্ষ চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ ঝং নানশানের শোক]”, ''সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট'', ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
* আমি আশা করি এই [[কোভিড-১৯|কোভিড-১৯]] প্রাদুর্ভাব বা ঘটনাটি ২০২০ সালের এপ্রিলের দিকে শেষ হয়ে যেতে পারে।
** চোং নানশান (২০২০), উদ্ধৃত: “[https://www.malaysiakini.com/news/510517 জানুয়ারির পর নতুন করোনাভাইরাস সংক্রমণ সর্বনিম্ন, তবে শীর্ষ সময় নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতভেদ]”, ''মালয়েশিয়াকিনি'', ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{কমন্স}}
{{DEFAULTSORT:Zhong, Nanshan}}
[[বিষয়শ্রেণী:সম্পাদক]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:চীনের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:চীনা বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:চীনের জীববিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মহামারী বিশেষজ্ঞ]]
[[বিষয়শ্রেণী:সম্পাদক]]
[[বিষয়শ্রেণী:চীনে কোভিড-১৯ মহামারি]]
k432ijuzo88igzhoba7zs1fcu183jra
75621
75610
2026-04-11T08:37:38Z
মোহাম্মদ জনি হোসেন
104
75621
wikitext
text/x-wiki
[[File:Zhong Nanshan (cropped).jpg|thumb|চোং নানশান, ২০১৫ সালে]]
'''[[w:চোং নানশান|চোং নানশান]]''' (钟南山; Zhōng Nánshān; জন্ম [[২০ অক্টোবর]] [[১৯৩৬]]) একজন [[চীন|চীনা]] মহামারী ও ফুসফুসরোগ বিশেষজ্ঞ। তিনি ২০০৫–২০০৯ সালে চাইনিজ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ছিলেন।
==উক্তি==
* [[2019–20 coronavirus pandemic in mainland China|(কোভিড-১৯) মহামারি]] মোকাবিলার দুটি মূল চাবিকাঠি রয়েছে: দ্রুত শনাক্তকরণ এবং দ্রুত বিচ্ছিন্নকরণ। এগুলোই সবচেয়ে মৌলিক এবং সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি।
**চোং নানশান (২০২০), উদ্ধৃত: “[https://www.thestar.com.my/news/regional/2020/01/29/wuhan-virus-outbreak-may-reach-peak-in-a-week-or-about-10-days-says-expert Wuhan virus outbreak may reach peak in a week or about 10 days, says expert]”, ''দ্য স্টার অনলাইন'', ২৯ জানুয়ারি ২০২০।
* এসএআরএস মোকাবিলার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আমরা [[কোভিড-১৯|কোভিড-১৯]] আক্রান্ত রোগীদের জন্য একটি কার্যকর চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরি করেছি। বিভিন্ন ধরনের জীবনরক্ষাকারী সহায়তা পদ্ধতি ব্যবহার করে সুস্থতার হার বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
** চোং নানশান (২০২০), উদ্ধৃত: “[https://www.scmp.com/news/china/society/article/3048732/china-starts-clinical-trials-new-antiviral-drug-treat China starts clinical trials for new antiviral drug to treat coronavirus]”, ''সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট'', ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
* আমরা এখনো জানি না কেন এটি ([[কোভিড-১৯|কোভিড-১৯]]) এত বেশি সংক্রামক। এটাই একটি বড় সমস্যা।
** চোং নানশান (২০২০), উদ্ধৃত: “[https://www.reuters.com/article/us-china-health-doctor-exclusive/exclusive-chinas-top-virus-expert-says-outbreak-may-peak-this-month-idUSKBN2050VF Exclusive: Coronavirus outbreak may be over in China by April - expertরে]”, ''রয়টার্স'', ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
* '''আমি তাকে ([[লি ওয়েনলিয়াং|লি ওয়েনলিয়াং]]) নিয়ে অত্যন্ত গর্বিত।'''
** চোং নানশান (২০২০), উদ্ধৃত: “[https://www.scmp.com/video/china/3050094/i-am-so-proud-him-chinas-top-medical-expert-zhong-nanshan-mourns-whistle-blower ‘“I am so proud of him,” China’s top medical expert Zhong Nanshan mourns whistle-blower doctor’s dea]”, ''সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট'', ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
* আমি আশা করি এই [[কোভিড-১৯|কোভিড-১৯]] প্রাদুর্ভাব বা ঘটনাটি ২০২০ সালের এপ্রিলের দিকে শেষ হয়ে যেতে পারে।
** চোং নানশান (২০২০), উদ্ধৃত: “[https://www.malaysiakini.com/news/510517 New coronavirus cases lowest since Jan but experts disagree over peak]”, ''মালয়েশিয়াকিনি'', ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{কমন্স}}
{{DEFAULTSORT:Zhong, Nanshan}}
[[বিষয়শ্রেণী:সম্পাদক]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:চীনের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:চীনা বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:চীনের জীববিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মহামারী বিশেষজ্ঞ]]
[[বিষয়শ্রেণী:সম্পাদক]]
[[বিষয়শ্রেণী:চীনে কোভিড-১৯ মহামারি]]
siny63dl7npqbuxttmlaefqujuxtyf8
চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও
0
12229
75370
75274
2026-04-10T13:34:51Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
75370
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও।
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
jw40gaok3svm4xvgwmn3bwsue7v9v41
75371
75370
2026-04-10T13:41:29Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
75371
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
ehi9mc5og2r0wu7psbvpxag1vks0q2h
75372
75371
2026-04-10T13:47:13Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
75372
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
3gjrjzmrt761775r7me8ll87ayleued
75373
75372
2026-04-10T13:51:10Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
75373
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
=== ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি'' (১৯৯৯) ===
<small>{{cite book|author=সি. এন. আর. রাও|title=আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-S2Apt2Efq4C|year=1999|publisher=ইউনিভার্সিটিস প্রেস|isbn=978-81-7371-250-0}}</small>
[[File:Iron Pillar, Delhi, May 2008.jpg|thumb|right|দিল্লির মরচেহীন মিনার]]
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
oto58duefsb9hcr6lfh4skr9hxy3bsk
75374
75373
2026-04-10T13:53:15Z
Nil Nandy
2294
/* আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি (১৯৯৯) */
75374
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
=== ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি'' (১৯৯৯) ===
<small>{{cite book|author=সি. এন. আর. রাও|title=আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-S2Apt2Efq4C|year=1999|publisher=ইউনিভার্সিটিস প্রেস|isbn=978-81-7371-250-0}}</small>
[[File:Iron Pillar, Delhi, May 2008.jpg|thumb|right|দিল্লির মরচেহীন মিনার]]
*প্রাচীন গ্রিস ও ভারতের দার্শনিকেরা যিশুখ্রিষ্টের শত শত বছর আগেই [পদার্থ কী দিয়ে গঠিত] এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৭।
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
n74hnxk4hasil8421div1wap2z21178
75375
75374
2026-04-10T13:54:44Z
Nil Nandy
2294
/* আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি (১৯৯৯) */
75375
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
=== ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি'' (১৯৯৯) ===
<small>{{cite book|author=সি. এন. আর. রাও|title=আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-S2Apt2Efq4C|year=1999|publisher=ইউনিভার্সিটিস প্রেস|isbn=978-81-7371-250-0}}</small>
[[File:Iron Pillar, Delhi, May 2008.jpg|thumb|right|দিল্লির মরচেহীন মিনার]]
*প্রাচীন গ্রিস ও ভারতের দার্শনিকেরা যিশুখ্রিষ্টের শত শত বছর আগেই [পদার্থ কী দিয়ে গঠিত] এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৭।
*মৌলসমূহের আদি ধারণার একমাত্র যে অংশটি টিকে আছে তা হলো যে মৌলসমূহের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৮।
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
at1y8cg2zxkztdya503t5d6i3c6lyai
75377
75375
2026-04-10T13:57:48Z
Nil Nandy
2294
/* আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি (১৯৯৯) */অনুবাদ
75377
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
=== ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি'' (১৯৯৯) ===
<small>{{cite book|author=সি. এন. আর. রাও|title=আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-S2Apt2Efq4C|year=1999|publisher=ইউনিভার্সিটিস প্রেস|isbn=978-81-7371-250-0}}</small>
[[File:Iron Pillar, Delhi, May 2008.jpg|thumb|right|দিল্লির মরচেহীন মিনার]]
*প্রাচীন গ্রিস ও ভারতের দার্শনিকেরা যিশুখ্রিষ্টের শত শত বছর আগেই [পদার্থ কী দিয়ে গঠিত] এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৭।
*মৌলসমূহের আদি ধারণার একমাত্র যে অংশটি টিকে আছে তা হলো যে মৌলসমূহের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মৌল হলো এমন একটি পদার্থ যাকে সাধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও সরলতর পদার্থে পরিণত করা যায় না এবং যা কেবল এক প্রকারের কণা দ্বারা গঠিত।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মাত্র ১৯১১ সাল থেকে আমরা জানি যে পরমাণুতে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত নিউক্লিয়াস থাকে।
**পৃষ্ঠা ২৯।
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
jb95m9hg0xxzl7lxcnys217r7zr3zf5
75378
75377
2026-04-10T14:02:07Z
Nil Nandy
2294
/* আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি (১৯৯৯) */
75378
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
=== ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি'' (১৯৯৯) ===
<small>{{cite book|author=সি. এন. আর. রাও|title=আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-S2Apt2Efq4C|year=1999|publisher=ইউনিভার্সিটিস প্রেস|isbn=978-81-7371-250-0}}</small>
[[File:Iron Pillar, Delhi, May 2008.jpg|thumb|right|দিল্লির মরচেহীন মিনার]]
*প্রাচীন গ্রিস ও ভারতের দার্শনিকেরা যিশুখ্রিষ্টের শত শত বছর আগেই [পদার্থ কী দিয়ে গঠিত] এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৭।
*মৌলসমূহের আদি ধারণার একমাত্র যে অংশটি টিকে আছে তা হলো যে মৌলসমূহের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মৌল হলো এমন একটি পদার্থ যাকে সাধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও সরলতর পদার্থে পরিণত করা যায় না এবং যা কেবল এক প্রকারের কণা দ্বারা গঠিত।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মাত্র ১৯১১ সাল থেকে আমরা জানি যে পরমাণুতে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত নিউক্লিয়াস থাকে।
**পৃষ্ঠা ২৯।
*পরমাণুর ধারণা মূলত একটি তত্ত্ব হিসেবে প্রস্তাবিত হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন উপায়ে এদের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছিল, তবুও মানুষ মনে করত না যে এদের সরাসরি দেখা সম্ভব। অতি সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই ছিল। বর্তমানে শক্তিশালী আণুবীক্ষণিক কৌশল প্রয়োগ করে আমরা পরমাণুকে সরাসরি দেখতে সক্ষম।
**পৃষ্ঠা ২২।
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
oi2tgfahcub7zgud3gzcxc7bjwffw4k
75379
75378
2026-04-10T14:08:11Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
75379
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
=== ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি'' (১৯৯৯) ===
<small>{{cite book|author=সি. এন. আর. রাও|title=আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-S2Apt2Efq4C|year=1999|publisher=ইউনিভার্সিটিস প্রেস|isbn=978-81-7371-250-0}}</small>
[[File:Iron Pillar, Delhi, May 2008.jpg|thumb|right|দিল্লির মরচেহীন মিনার]]
*প্রাচীন গ্রিস ও ভারতের দার্শনিকেরা যিশুখ্রিষ্টের শত শত বছর আগেই [পদার্থ কী দিয়ে গঠিত] এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৭।
*মৌলসমূহের আদি ধারণার একমাত্র যে অংশটি টিকে আছে তা হলো যে মৌলসমূহের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মৌল হলো এমন একটি পদার্থ যাকে সাধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও সরলতর পদার্থে পরিণত করা যায় না এবং যা কেবল এক প্রকারের কণা দ্বারা গঠিত।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মাত্র ১৯১১ সাল থেকে আমরা জানি যে পরমাণুতে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত নিউক্লিয়াস থাকে।
**পৃষ্ঠা ২৯।
*পরমাণুর ধারণা মূলত একটি তত্ত্ব হিসেবে প্রস্তাবিত হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন উপায়ে এদের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছিল, তবুও মানুষ মনে করত না যে এদের সরাসরি দেখা সম্ভব। অতি সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই ছিল। বর্তমানে শক্তিশালী আণুবীক্ষণিক কৌশল প্রয়োগ করে আমরা পরমাণুকে সরাসরি দেখতে সক্ষম।
**পৃষ্ঠা ২২।
*ধাতুর প্রতি মানুষের অনুসন্ধান প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই চলে আসছে। ভারতে কয়েক হাজার বছর ধরে ধাতুর ব্যবহার হয়ে আসছে। ইতিহাসের নির্দিষ্ট কিছু সময়কাল সেই সময়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত বিশেষ কিছু ধাতুর সাথে সম্পর্কিত।
**পৃষ্ঠা ২৮।
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
3oyu0vt0dhfz2448zqdm7eri57l9xjj
75381
75379
2026-04-10T14:11:07Z
Nil Nandy
2294
/* আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি (১৯৯৯) */
75381
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
=== ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি'' (১৯৯৯) ===
<small>{{cite book|author=সি. এন. আর. রাও|title=আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-S2Apt2Efq4C|year=1999|publisher=ইউনিভার্সিটিস প্রেস|isbn=978-81-7371-250-0}}</small>
[[File:Iron Pillar, Delhi, May 2008.jpg|thumb|right|দিল্লির মরচেহীন লৌহস্তম্ভ]]
*প্রাচীন গ্রিস ও ভারতের দার্শনিকেরা যিশুখ্রিষ্টের শত শত বছর আগেই [পদার্থ কী দিয়ে গঠিত] এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৭।
*মৌলসমূহের আদি ধারণার একমাত্র যে অংশটি টিকে আছে তা হলো যে মৌলসমূহের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মৌল হলো এমন একটি পদার্থ যাকে সাধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও সরলতর পদার্থে পরিণত করা যায় না এবং যা কেবল এক প্রকারের কণা দ্বারা গঠিত।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মাত্র ১৯১১ সাল থেকে আমরা জানি যে পরমাণুতে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত নিউক্লিয়াস থাকে।
**পৃষ্ঠা ২৯।
*পরমাণুর ধারণা মূলত একটি তত্ত্ব হিসেবে প্রস্তাবিত হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন উপায়ে এদের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছিল, তবুও মানুষ মনে করত না যে এদের সরাসরি দেখা সম্ভব। অতি সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই ছিল। বর্তমানে শক্তিশালী আণুবীক্ষণিক কৌশল প্রয়োগ করে আমরা পরমাণুকে সরাসরি দেখতে সক্ষম।
**পৃষ্ঠা ২২।
*ধাতুর প্রতি মানুষের অনুসন্ধান প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই চলে আসছে। ভারতে কয়েক হাজার বছর ধরে ধাতুর ব্যবহার হয়ে আসছে। ইতিহাসের নির্দিষ্ট কিছু সময়কাল সেই সময়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত বিশেষ কিছু ধাতুর সাথে সম্পর্কিত।
**পৃষ্ঠা ২৮।
*দিল্লির বিখ্যাত লৌহস্তম্ভটি, যা গুপ্ত যুগে (১৫০০ বছরেরও বেশি আগে) নির্মিত হয়েছিল, এক বিস্ময়। এত বছর পরেও এই স্তম্ভটি কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই সোজা দাঁড়িয়ে আছে। এই মরচেহীন লৌহস্তম্ভটি আমাদের পূর্বপুরুষদের মহান উদ্ভাবনী শক্তির প্রতি এক শ্রদ্ধাঞ্জলি।
**পৃষ্ঠা ৩৬।
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
4oejzxwj7pwn1jx9rvv97azp6eht937
75383
75381
2026-04-10T14:13:05Z
Nil Nandy
2294
/* আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি (১৯৯৯) */
75383
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
=== ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি'' (১৯৯৯) ===
<small>{{cite book|author=সি. এন. আর. রাও|title=আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-S2Apt2Efq4C|year=1999|publisher=ইউনিভার্সিটিস প্রেস|isbn=978-81-7371-250-0}}</small>
[[File:Iron Pillar, Delhi, May 2008.jpg|thumb|right|দিল্লির মরচেহীন লৌহস্তম্ভ]]
*প্রাচীন গ্রিস ও ভারতের দার্শনিকেরা যিশুখ্রিষ্টের শত শত বছর আগেই [পদার্থ কী দিয়ে গঠিত] এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৭।
*মৌলসমূহের আদি ধারণার একমাত্র যে অংশটি টিকে আছে তা হলো যে মৌলসমূহের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মৌল হলো এমন একটি পদার্থ যাকে সাধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও সরলতর পদার্থে পরিণত করা যায় না এবং যা কেবল এক প্রকারের কণা দ্বারা গঠিত।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মাত্র ১৯১১ সাল থেকে আমরা জানি যে পরমাণুতে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত নিউক্লিয়াস থাকে।
**পৃষ্ঠা ২৯।
*পরমাণুর ধারণা মূলত একটি তত্ত্ব হিসেবে প্রস্তাবিত হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন উপায়ে এদের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছিল, তবুও মানুষ মনে করত না যে এদের সরাসরি দেখা সম্ভব। অতি সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই ছিল। বর্তমানে শক্তিশালী আণুবীক্ষণিক কৌশল প্রয়োগ করে আমরা পরমাণুকে সরাসরি দেখতে সক্ষম।
**পৃষ্ঠা ২২।
*ধাতুর প্রতি মানুষের অনুসন্ধান প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই চলে আসছে। ভারতে কয়েক হাজার বছর ধরে ধাতুর ব্যবহার হয়ে আসছে। ইতিহাসের নির্দিষ্ট কিছু সময়কাল সেই সময়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত বিশেষ কিছু ধাতুর সাথে সম্পর্কিত।
**পৃষ্ঠা ২৮।
*দিল্লির বিখ্যাত লৌহস্তম্ভটি, যা গুপ্ত যুগে (১৫০০ বছরেরও বেশি আগে) নির্মিত হয়েছিল, এক বিস্ময়। এত বছর পরেও এই স্তম্ভটি কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই সোজা দাঁড়িয়ে আছে। এই মরচেহীন লৌহস্তম্ভটি আমাদের পূর্বপুরুষদের মহান উদ্ভাবনী শক্তির প্রতি এক শ্রদ্ধাঞ্জলি।
**পৃষ্ঠা ৩৬।
*পদার্থ তিনটি অবস্থায় থাকতে পারে – গ্যাস, তরল এবং কঠিন। জলও এই তিনটি অবস্থাতেই বিদ্যমান থাকে: গ্যাস (বাষ্প বা জলীয় বাষ্প), তরল (সাধারণ জল) এবং কঠিন (বরফ)। গ্যাস, তরল এবং কঠিন পদার্থের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন ভিন্ন।
**পৃষ্ঠা ৫৬।
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
sm3exleontcz81xrowwtqho6ymz5gzk
75384
75383
2026-04-10T14:14:25Z
Nil Nandy
2294
/* আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি (১৯৯৯) */
75384
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
=== ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি'' (১৯৯৯) ===
<small>{{cite book|author=সি. এন. আর. রাও|title=আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-S2Apt2Efq4C|year=1999|publisher=ইউনিভার্সিটিস প্রেস|isbn=978-81-7371-250-0}}</small>
[[File:Iron Pillar, Delhi, May 2008.jpg|thumb|right|দিল্লির মরচেহীন লৌহস্তম্ভ]]
*প্রাচীন গ্রিস ও ভারতের দার্শনিকেরা যিশুখ্রিষ্টের শত শত বছর আগেই [পদার্থ কী দিয়ে গঠিত] এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৭।
*মৌলসমূহের আদি ধারণার একমাত্র যে অংশটি টিকে আছে তা হলো যে মৌলসমূহের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মৌল হলো এমন একটি পদার্থ যাকে সাধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও সরলতর পদার্থে পরিণত করা যায় না এবং যা কেবল এক প্রকারের কণা দ্বারা গঠিত।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মাত্র ১৯১১ সাল থেকে আমরা জানি যে পরমাণুতে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত নিউক্লিয়াস থাকে।
**পৃষ্ঠা ২৯।
*পরমাণুর ধারণা মূলত একটি তত্ত্ব হিসেবে প্রস্তাবিত হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন উপায়ে এদের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছিল, তবুও মানুষ মনে করত না যে এদের সরাসরি দেখা সম্ভব। অতি সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই ছিল। বর্তমানে শক্তিশালী আণুবীক্ষণিক কৌশল প্রয়োগ করে আমরা পরমাণুকে সরাসরি দেখতে সক্ষম।
**পৃষ্ঠা ২২।
*ধাতুর প্রতি মানুষের অনুসন্ধান প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই চলে আসছে। ভারতে কয়েক হাজার বছর ধরে ধাতুর ব্যবহার হয়ে আসছে। ইতিহাসের নির্দিষ্ট কিছু সময়কাল সেই সময়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত বিশেষ কিছু ধাতুর সাথে সম্পর্কিত।
**পৃষ্ঠা ২৮।
*দিল্লির বিখ্যাত লৌহস্তম্ভটি, যা গুপ্ত যুগে (১৫০০ বছরেরও বেশি আগে) নির্মিত হয়েছিল, এক বিস্ময়। এত বছর পরেও এই স্তম্ভটি কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই সোজা দাঁড়িয়ে আছে। এই মরচেহীন লৌহস্তম্ভটি আমাদের পূর্বপুরুষদের মহান উদ্ভাবনী শক্তির প্রতি এক শ্রদ্ধাঞ্জলি।
**পৃষ্ঠা ৩৬।
*পদার্থ তিনটি অবস্থায় থাকতে পারে – গ্যাস, তরল এবং কঠিন। জলও এই তিনটি অবস্থাতেই বিদ্যমান থাকে: গ্যাস (বাষ্প বা জলীয় বাষ্প), তরল (সাধারণ জল) এবং কঠিন (বরফ)। গ্যাস, তরল এবং কঠিন পদার্থের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন ভিন্ন।
**পৃষ্ঠা ৫৬।
*এমনকি ধাতুও বিদ্যুৎ প্রবাহে কিছুটা বাধা সৃষ্টি করে। কিছু উপাদান কোনো বাধা ছাড়াই বিদ্যুৎ পরিবহন করে। এই ধরনের উপাদানকে অতিপরিবাহী বলা হয়।
**পৃষ্ঠা ৫৯।
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
0xm1npv5qizwnoqxez2mcgjt60bny9w
75386
75384
2026-04-10T14:24:00Z
Nil Nandy
2294
/* ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি (২০১০) */
75386
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
=== ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি'' (১৯৯৯) ===
<small>{{cite book|author=সি. এন. আর. রাও|title=আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-S2Apt2Efq4C|year=1999|publisher=ইউনিভার্সিটিস প্রেস|isbn=978-81-7371-250-0}}</small>
[[File:Iron Pillar, Delhi, May 2008.jpg|thumb|right|দিল্লির মরচেহীন লৌহস্তম্ভ]]
*প্রাচীন গ্রিস ও ভারতের দার্শনিকেরা যিশুখ্রিষ্টের শত শত বছর আগেই [পদার্থ কী দিয়ে গঠিত] এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৭।
*মৌলসমূহের আদি ধারণার একমাত্র যে অংশটি টিকে আছে তা হলো যে মৌলসমূহের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মৌল হলো এমন একটি পদার্থ যাকে সাধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও সরলতর পদার্থে পরিণত করা যায় না এবং যা কেবল এক প্রকারের কণা দ্বারা গঠিত।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মাত্র ১৯১১ সাল থেকে আমরা জানি যে পরমাণুতে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত নিউক্লিয়াস থাকে।
**পৃষ্ঠা ২৯।
*পরমাণুর ধারণা মূলত একটি তত্ত্ব হিসেবে প্রস্তাবিত হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন উপায়ে এদের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছিল, তবুও মানুষ মনে করত না যে এদের সরাসরি দেখা সম্ভব। অতি সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই ছিল। বর্তমানে শক্তিশালী আণুবীক্ষণিক কৌশল প্রয়োগ করে আমরা পরমাণুকে সরাসরি দেখতে সক্ষম।
**পৃষ্ঠা ২২।
*ধাতুর প্রতি মানুষের অনুসন্ধান প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই চলে আসছে। ভারতে কয়েক হাজার বছর ধরে ধাতুর ব্যবহার হয়ে আসছে। ইতিহাসের নির্দিষ্ট কিছু সময়কাল সেই সময়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত বিশেষ কিছু ধাতুর সাথে সম্পর্কিত।
**পৃষ্ঠা ২৮।
*দিল্লির বিখ্যাত লৌহস্তম্ভটি, যা গুপ্ত যুগে (১৫০০ বছরেরও বেশি আগে) নির্মিত হয়েছিল, এক বিস্ময়। এত বছর পরেও এই স্তম্ভটি কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই সোজা দাঁড়িয়ে আছে। এই মরচেহীন লৌহস্তম্ভটি আমাদের পূর্বপুরুষদের মহান উদ্ভাবনী শক্তির প্রতি এক শ্রদ্ধাঞ্জলি।
**পৃষ্ঠা ৩৬।
*পদার্থ তিনটি অবস্থায় থাকতে পারে – গ্যাস, তরল এবং কঠিন। জলও এই তিনটি অবস্থাতেই বিদ্যমান থাকে: গ্যাস (বাষ্প বা জলীয় বাষ্প), তরল (সাধারণ জল) এবং কঠিন (বরফ)। গ্যাস, তরল এবং কঠিন পদার্থের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন ভিন্ন।
**পৃষ্ঠা ৫৬।
*এমনকি ধাতুও বিদ্যুৎ প্রবাহে কিছুটা বাধা সৃষ্টি করে। কিছু উপাদান কোনো বাধা ছাড়াই বিদ্যুৎ পরিবহন করে। এই ধরনের উপাদানকে অতিপরিবাহী বলা হয়।
**পৃষ্ঠা ৫৯।
=== ''ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি'' (২০১০) ===
<small>{{cite book|author1=সি এন আর রাও|author2=অ্যান্টোনিও ভ্যাজকুয়েজ বারকোয়েরো|title=ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-ajEFddmiDUC|year=২০১০|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-4307-86-4}}</small>
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
2s7qb1juqwjm7140vz5elldsjr0j4mh
75387
75386
2026-04-10T14:28:16Z
Nil Nandy
2294
/* ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি (২০১০) */
75387
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
=== ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি'' (১৯৯৯) ===
<small>{{cite book|author=সি. এন. আর. রাও|title=আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-S2Apt2Efq4C|year=1999|publisher=ইউনিভার্সিটিস প্রেস|isbn=978-81-7371-250-0}}</small>
[[File:Iron Pillar, Delhi, May 2008.jpg|thumb|right|দিল্লির মরচেহীন লৌহস্তম্ভ]]
*প্রাচীন গ্রিস ও ভারতের দার্শনিকেরা যিশুখ্রিষ্টের শত শত বছর আগেই [পদার্থ কী দিয়ে গঠিত] এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৭।
*মৌলসমূহের আদি ধারণার একমাত্র যে অংশটি টিকে আছে তা হলো যে মৌলসমূহের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মৌল হলো এমন একটি পদার্থ যাকে সাধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও সরলতর পদার্থে পরিণত করা যায় না এবং যা কেবল এক প্রকারের কণা দ্বারা গঠিত।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মাত্র ১৯১১ সাল থেকে আমরা জানি যে পরমাণুতে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত নিউক্লিয়াস থাকে।
**পৃষ্ঠা ২৯।
*পরমাণুর ধারণা মূলত একটি তত্ত্ব হিসেবে প্রস্তাবিত হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন উপায়ে এদের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছিল, তবুও মানুষ মনে করত না যে এদের সরাসরি দেখা সম্ভব। অতি সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই ছিল। বর্তমানে শক্তিশালী আণুবীক্ষণিক কৌশল প্রয়োগ করে আমরা পরমাণুকে সরাসরি দেখতে সক্ষম।
**পৃষ্ঠা ২২।
*ধাতুর প্রতি মানুষের অনুসন্ধান প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই চলে আসছে। ভারতে কয়েক হাজার বছর ধরে ধাতুর ব্যবহার হয়ে আসছে। ইতিহাসের নির্দিষ্ট কিছু সময়কাল সেই সময়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত বিশেষ কিছু ধাতুর সাথে সম্পর্কিত।
**পৃষ্ঠা ২৮।
*দিল্লির বিখ্যাত লৌহস্তম্ভটি, যা গুপ্ত যুগে (১৫০০ বছরেরও বেশি আগে) নির্মিত হয়েছিল, এক বিস্ময়। এত বছর পরেও এই স্তম্ভটি কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই সোজা দাঁড়িয়ে আছে। এই মরচেহীন লৌহস্তম্ভটি আমাদের পূর্বপুরুষদের মহান উদ্ভাবনী শক্তির প্রতি এক শ্রদ্ধাঞ্জলি।
**পৃষ্ঠা ৩৬।
*পদার্থ তিনটি অবস্থায় থাকতে পারে – গ্যাস, তরল এবং কঠিন। জলও এই তিনটি অবস্থাতেই বিদ্যমান থাকে: গ্যাস (বাষ্প বা জলীয় বাষ্প), তরল (সাধারণ জল) এবং কঠিন (বরফ)। গ্যাস, তরল এবং কঠিন পদার্থের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন ভিন্ন।
**পৃষ্ঠা ৫৬।
*এমনকি ধাতুও বিদ্যুৎ প্রবাহে কিছুটা বাধা সৃষ্টি করে। কিছু উপাদান কোনো বাধা ছাড়াই বিদ্যুৎ পরিবহন করে। এই ধরনের উপাদানকে অতিপরিবাহী বলা হয়।
**পৃষ্ঠা ৫৯।
=== ''ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি'' (২০১০) ===
<small>{{cite book|author1=সি এন আর রাও|author2=অ্যান্টোনিও ভ্যাজকুয়েজ বারকোয়েরো|title=ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-ajEFddmiDUC|year=২০১০|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-4307-86-4}}</small>
*অধ্যাপক ব্রাউন বলতেন, কোনো কাজ যদি করার মতো হয়, তবে তা প্রকাশ করারও যোগ্য। বহু বছর আগে ফ্যারাডেও প্রায় একই কথা বলেছিলেন। বিজ্ঞানে আমরা “কাজ করি, শেষ করি এবং প্রকাশ করি”। এই কথাগুলো আমার সারা পেশাগত জীবন জুড়ে আমাকে পথ দেখিয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৩০।
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
aa8lf5bys2ubym2wt61k07zovvvzij0
75390
75387
2026-04-10T14:31:58Z
Nil Nandy
2294
/* ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি (২০১০) */
75390
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
=== ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি'' (১৯৯৯) ===
<small>{{cite book|author=সি. এন. আর. রাও|title=আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-S2Apt2Efq4C|year=1999|publisher=ইউনিভার্সিটিস প্রেস|isbn=978-81-7371-250-0}}</small>
[[File:Iron Pillar, Delhi, May 2008.jpg|thumb|right|দিল্লির মরচেহীন লৌহস্তম্ভ]]
*প্রাচীন গ্রিস ও ভারতের দার্শনিকেরা যিশুখ্রিষ্টের শত শত বছর আগেই [পদার্থ কী দিয়ে গঠিত] এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৭।
*মৌলসমূহের আদি ধারণার একমাত্র যে অংশটি টিকে আছে তা হলো যে মৌলসমূহের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মৌল হলো এমন একটি পদার্থ যাকে সাধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও সরলতর পদার্থে পরিণত করা যায় না এবং যা কেবল এক প্রকারের কণা দ্বারা গঠিত।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মাত্র ১৯১১ সাল থেকে আমরা জানি যে পরমাণুতে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত নিউক্লিয়াস থাকে।
**পৃষ্ঠা ২৯।
*পরমাণুর ধারণা মূলত একটি তত্ত্ব হিসেবে প্রস্তাবিত হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন উপায়ে এদের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছিল, তবুও মানুষ মনে করত না যে এদের সরাসরি দেখা সম্ভব। অতি সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই ছিল। বর্তমানে শক্তিশালী আণুবীক্ষণিক কৌশল প্রয়োগ করে আমরা পরমাণুকে সরাসরি দেখতে সক্ষম।
**পৃষ্ঠা ২২।
*ধাতুর প্রতি মানুষের অনুসন্ধান প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই চলে আসছে। ভারতে কয়েক হাজার বছর ধরে ধাতুর ব্যবহার হয়ে আসছে। ইতিহাসের নির্দিষ্ট কিছু সময়কাল সেই সময়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত বিশেষ কিছু ধাতুর সাথে সম্পর্কিত।
**পৃষ্ঠা ২৮।
*দিল্লির বিখ্যাত লৌহস্তম্ভটি, যা গুপ্ত যুগে (১৫০০ বছরেরও বেশি আগে) নির্মিত হয়েছিল, এক বিস্ময়। এত বছর পরেও এই স্তম্ভটি কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই সোজা দাঁড়িয়ে আছে। এই মরচেহীন লৌহস্তম্ভটি আমাদের পূর্বপুরুষদের মহান উদ্ভাবনী শক্তির প্রতি এক শ্রদ্ধাঞ্জলি।
**পৃষ্ঠা ৩৬।
*পদার্থ তিনটি অবস্থায় থাকতে পারে – গ্যাস, তরল এবং কঠিন। জলও এই তিনটি অবস্থাতেই বিদ্যমান থাকে: গ্যাস (বাষ্প বা জলীয় বাষ্প), তরল (সাধারণ জল) এবং কঠিন (বরফ)। গ্যাস, তরল এবং কঠিন পদার্থের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন ভিন্ন।
**পৃষ্ঠা ৫৬।
*এমনকি ধাতুও বিদ্যুৎ প্রবাহে কিছুটা বাধা সৃষ্টি করে। কিছু উপাদান কোনো বাধা ছাড়াই বিদ্যুৎ পরিবহন করে। এই ধরনের উপাদানকে অতিপরিবাহী বলা হয়।
**পৃষ্ঠা ৫৯।
=== ''ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি'' (২০১০) ===
<small>{{cite book|author1=সি এন আর রাও|author2=অ্যান্টোনিও ভ্যাজকুয়েজ বারকোয়েরো|title=ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-ajEFddmiDUC|year=২০১০|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-4307-86-4}}</small>
*অধ্যাপক ব্রাউন বলতেন, কোনো কাজ যদি করার মতো হয়, তবে তা প্রকাশ করারও যোগ্য। বহু বছর আগে ফ্যারাডেও প্রায় একই কথা বলেছিলেন। বিজ্ঞানে আমরা “কাজ করি, শেষ করি এবং প্রকাশ করি”। এই কথাগুলো আমার সারা পেশাগত জীবন জুড়ে আমাকে পথ দেখিয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৩০।
*বার্কলির ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (ইউসি বার্কলি) বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়, এবং এদের রসায়ন বিভাগ গবেষণার ক্ষেত্রে বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে। এই বিভাগটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জি. এন. লিউইস, যাকে আধুনিক রসায়নের জনক হিসেবে গণ্য করা হয়।
**পৃষ্ঠা ৩৫।
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
ipedtqxpjedbneurevuccshyg58bvcy
75392
75390
2026-04-10T14:37:09Z
Nil Nandy
2294
/* ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি (২০১০) */
75392
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
=== ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি'' (১৯৯৯) ===
<small>{{cite book|author=সি. এন. আর. রাও|title=আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-S2Apt2Efq4C|year=1999|publisher=ইউনিভার্সিটিস প্রেস|isbn=978-81-7371-250-0}}</small>
[[File:Iron Pillar, Delhi, May 2008.jpg|thumb|right|দিল্লির মরচেহীন লৌহস্তম্ভ]]
*প্রাচীন গ্রিস ও ভারতের দার্শনিকেরা যিশুখ্রিষ্টের শত শত বছর আগেই [পদার্থ কী দিয়ে গঠিত] এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৭।
*মৌলসমূহের আদি ধারণার একমাত্র যে অংশটি টিকে আছে তা হলো যে মৌলসমূহের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মৌল হলো এমন একটি পদার্থ যাকে সাধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও সরলতর পদার্থে পরিণত করা যায় না এবং যা কেবল এক প্রকারের কণা দ্বারা গঠিত।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মাত্র ১৯১১ সাল থেকে আমরা জানি যে পরমাণুতে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত নিউক্লিয়াস থাকে।
**পৃষ্ঠা ২৯।
*পরমাণুর ধারণা মূলত একটি তত্ত্ব হিসেবে প্রস্তাবিত হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন উপায়ে এদের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছিল, তবুও মানুষ মনে করত না যে এদের সরাসরি দেখা সম্ভব। অতি সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই ছিল। বর্তমানে শক্তিশালী আণুবীক্ষণিক কৌশল প্রয়োগ করে আমরা পরমাণুকে সরাসরি দেখতে সক্ষম।
**পৃষ্ঠা ২২।
*ধাতুর প্রতি মানুষের অনুসন্ধান প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই চলে আসছে। ভারতে কয়েক হাজার বছর ধরে ধাতুর ব্যবহার হয়ে আসছে। ইতিহাসের নির্দিষ্ট কিছু সময়কাল সেই সময়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত বিশেষ কিছু ধাতুর সাথে সম্পর্কিত।
**পৃষ্ঠা ২৮।
*দিল্লির বিখ্যাত লৌহস্তম্ভটি, যা গুপ্ত যুগে (১৫০০ বছরেরও বেশি আগে) নির্মিত হয়েছিল, এক বিস্ময়। এত বছর পরেও এই স্তম্ভটি কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই সোজা দাঁড়িয়ে আছে। এই মরচেহীন লৌহস্তম্ভটি আমাদের পূর্বপুরুষদের মহান উদ্ভাবনী শক্তির প্রতি এক শ্রদ্ধাঞ্জলি।
**পৃষ্ঠা ৩৬।
*পদার্থ তিনটি অবস্থায় থাকতে পারে – গ্যাস, তরল এবং কঠিন। জলও এই তিনটি অবস্থাতেই বিদ্যমান থাকে: গ্যাস (বাষ্প বা জলীয় বাষ্প), তরল (সাধারণ জল) এবং কঠিন (বরফ)। গ্যাস, তরল এবং কঠিন পদার্থের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন ভিন্ন।
**পৃষ্ঠা ৫৬।
*এমনকি ধাতুও বিদ্যুৎ প্রবাহে কিছুটা বাধা সৃষ্টি করে। কিছু উপাদান কোনো বাধা ছাড়াই বিদ্যুৎ পরিবহন করে। এই ধরনের উপাদানকে অতিপরিবাহী বলা হয়।
**পৃষ্ঠা ৫৯।
=== ''ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি'' (২০১০) ===
<small>{{cite book|author1=সি এন আর রাও|author2=অ্যান্টোনিও ভ্যাজকুয়েজ বারকোয়েরো|title=ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-ajEFddmiDUC|year=২০১০|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-4307-86-4}}</small>
*অধ্যাপক ব্রাউন বলতেন, কোনো কাজ যদি করার মতো হয়, তবে তা প্রকাশ করারও যোগ্য। বহু বছর আগে ফ্যারাডেও প্রায় একই কথা বলেছিলেন। বিজ্ঞানে আমরা “কাজ করি, শেষ করি এবং প্রকাশ করি”। এই কথাগুলো আমার সারা পেশাগত জীবন জুড়ে আমাকে পথ দেখিয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৩০।
*বার্কলির ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (ইউসি বার্কলি) বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়, এবং এদের রসায়ন বিভাগ গবেষণার ক্ষেত্রে বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে। এই বিভাগটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জি. এন. লিউইস, যাকে আধুনিক রসায়নের জনক হিসেবে গণ্য করা হয়।
**পৃষ্ঠা ৩২।
*মহীশূরের মহারাজা (তৎকালীন মহীশূরের রাজ্যপাল), আয়াচামরাজেন্দ্র ওয়দেয়ার, একদিনের জন্য বার্কলিতে এসেছিলেন। আমি তাকে চারপাশ ঘুরিয়ে দেখালাম। পাহাড়ের ওপরের বিকিরণ গবেষণাগারের অ্যাক্সিলারেটরগুলো দেখে তিনি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছিলেন। তিনি আমার সাথে কন্নড় ভাষায় কথা বলতে পেরে খুশি হয়েছিলেন এবং আমি যে কিছুটা সংস্কৃত জানি, তাতে তিনি আরও বেশি খুশি হয়েছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৩৫।
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
p76hn7xhs1x7190adha5xl7fr9bpoew
75394
75392
2026-04-10T14:40:44Z
Nil Nandy
2294
/* ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি (২০১০) */
75394
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
=== ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি'' (১৯৯৯) ===
<small>{{cite book|author=সি. এন. আর. রাও|title=আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-S2Apt2Efq4C|year=1999|publisher=ইউনিভার্সিটিস প্রেস|isbn=978-81-7371-250-0}}</small>
[[File:Iron Pillar, Delhi, May 2008.jpg|thumb|right|দিল্লির মরচেহীন লৌহস্তম্ভ]]
*প্রাচীন গ্রিস ও ভারতের দার্শনিকেরা যিশুখ্রিষ্টের শত শত বছর আগেই [পদার্থ কী দিয়ে গঠিত] এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৭।
*মৌলসমূহের আদি ধারণার একমাত্র যে অংশটি টিকে আছে তা হলো যে মৌলসমূহের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মৌল হলো এমন একটি পদার্থ যাকে সাধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও সরলতর পদার্থে পরিণত করা যায় না এবং যা কেবল এক প্রকারের কণা দ্বারা গঠিত।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মাত্র ১৯১১ সাল থেকে আমরা জানি যে পরমাণুতে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত নিউক্লিয়াস থাকে।
**পৃষ্ঠা ২৯।
*পরমাণুর ধারণা মূলত একটি তত্ত্ব হিসেবে প্রস্তাবিত হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন উপায়ে এদের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছিল, তবুও মানুষ মনে করত না যে এদের সরাসরি দেখা সম্ভব। অতি সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই ছিল। বর্তমানে শক্তিশালী আণুবীক্ষণিক কৌশল প্রয়োগ করে আমরা পরমাণুকে সরাসরি দেখতে সক্ষম।
**পৃষ্ঠা ২২।
*ধাতুর প্রতি মানুষের অনুসন্ধান প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই চলে আসছে। ভারতে কয়েক হাজার বছর ধরে ধাতুর ব্যবহার হয়ে আসছে। ইতিহাসের নির্দিষ্ট কিছু সময়কাল সেই সময়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত বিশেষ কিছু ধাতুর সাথে সম্পর্কিত।
**পৃষ্ঠা ২৮।
*দিল্লির বিখ্যাত লৌহস্তম্ভটি, যা গুপ্ত যুগে (১৫০০ বছরেরও বেশি আগে) নির্মিত হয়েছিল, এক বিস্ময়। এত বছর পরেও এই স্তম্ভটি কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই সোজা দাঁড়িয়ে আছে। এই মরচেহীন লৌহস্তম্ভটি আমাদের পূর্বপুরুষদের মহান উদ্ভাবনী শক্তির প্রতি এক শ্রদ্ধাঞ্জলি।
**পৃষ্ঠা ৩৬।
*পদার্থ তিনটি অবস্থায় থাকতে পারে – গ্যাস, তরল এবং কঠিন। জলও এই তিনটি অবস্থাতেই বিদ্যমান থাকে: গ্যাস (বাষ্প বা জলীয় বাষ্প), তরল (সাধারণ জল) এবং কঠিন (বরফ)। গ্যাস, তরল এবং কঠিন পদার্থের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন ভিন্ন।
**পৃষ্ঠা ৫৬।
*এমনকি ধাতুও বিদ্যুৎ প্রবাহে কিছুটা বাধা সৃষ্টি করে। কিছু উপাদান কোনো বাধা ছাড়াই বিদ্যুৎ পরিবহন করে। এই ধরনের উপাদানকে অতিপরিবাহী বলা হয়।
**পৃষ্ঠা ৫৯।
=== ''ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি'' (২০১০) ===
<small>{{cite book|author1=সি এন আর রাও|author2=অ্যান্টোনিও ভ্যাজকুয়েজ বারকোয়েরো|title=ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-ajEFddmiDUC|year=২০১০|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-4307-86-4}}</small>
*অধ্যাপক ব্রাউন বলতেন, কোনো কাজ যদি করার মতো হয়, তবে তা প্রকাশ করারও যোগ্য। বহু বছর আগে ফ্যারাডেও প্রায় একই কথা বলেছিলেন। বিজ্ঞানে আমরা “কাজ করি, শেষ করি এবং প্রকাশ করি”। এই কথাগুলো আমার সারা পেশাগত জীবন জুড়ে আমাকে পথ দেখিয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৩০।
*বার্কলির ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (ইউসি বার্কলি) বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়, এবং এদের রসায়ন বিভাগ গবেষণার ক্ষেত্রে বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে। এই বিভাগটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জি. এন. লিউইস, যাকে আধুনিক রসায়নের জনক হিসেবে গণ্য করা হয়।
**পৃষ্ঠা ৩২।
*মহীশূরের মহারাজা (তৎকালীন মহীশূরের রাজ্যপাল), আয়াচামরাজেন্দ্র ওয়দেয়ার, একদিনের জন্য বার্কলিতে এসেছিলেন। আমি তাকে চারপাশ ঘুরিয়ে দেখালাম। পাহাড়ের ওপরের বিকিরণ গবেষণাগারের অ্যাক্সিলারেটরগুলো দেখে তিনি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছিলেন। তিনি আমার সাথে কন্নড় ভাষায় কথা বলতে পেরে খুশি হয়েছিলেন এবং আমি যে কিছুটা সংস্কৃত জানি, তাতে তিনি আরও বেশি খুশি হয়েছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৩৫।
*বার্কলি ক্যাম্পাসটি ছিল শিক্ষাগত দিক থেকে অপ্রতিরোধ্য। মঙ্গলবার সন্ধ্যার আলোচনা সভাগুলোতে সামনের সারিতে রসায়নবিদদের এক বিশাল নক্ষত্রমণ্ডলকে সমবেত হতে দেখা যেত, যাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন নোবেল বিজয়ী এবং ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সের সদস্য। এই সভাগুলোতে বক্তৃতা দেওয়াটা ছিল ভয়প্রদ কাজ। তবে শেষমেশ আমি সেগুলো উতরে যেতে পেরেছিলাম।
**পৃষ্ঠা ৩৭।
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
nlxw5we76vrnf4uyoaqmk79j6t8asl6
75395
75394
2026-04-10T14:46:24Z
Nil Nandy
2294
/* ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি (২০১০) */
75395
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
=== ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি'' (১৯৯৯) ===
<small>{{cite book|author=সি. এন. আর. রাও|title=আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-S2Apt2Efq4C|year=1999|publisher=ইউনিভার্সিটিস প্রেস|isbn=978-81-7371-250-0}}</small>
[[File:Iron Pillar, Delhi, May 2008.jpg|thumb|right|দিল্লির মরচেহীন লৌহস্তম্ভ]]
*প্রাচীন গ্রিস ও ভারতের দার্শনিকেরা যিশুখ্রিষ্টের শত শত বছর আগেই [পদার্থ কী দিয়ে গঠিত] এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৭।
*মৌলসমূহের আদি ধারণার একমাত্র যে অংশটি টিকে আছে তা হলো যে মৌলসমূহের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মৌল হলো এমন একটি পদার্থ যাকে সাধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও সরলতর পদার্থে পরিণত করা যায় না এবং যা কেবল এক প্রকারের কণা দ্বারা গঠিত।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মাত্র ১৯১১ সাল থেকে আমরা জানি যে পরমাণুতে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত নিউক্লিয়াস থাকে।
**পৃষ্ঠা ২৯।
*পরমাণুর ধারণা মূলত একটি তত্ত্ব হিসেবে প্রস্তাবিত হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন উপায়ে এদের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছিল, তবুও মানুষ মনে করত না যে এদের সরাসরি দেখা সম্ভব। অতি সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই ছিল। বর্তমানে শক্তিশালী আণুবীক্ষণিক কৌশল প্রয়োগ করে আমরা পরমাণুকে সরাসরি দেখতে সক্ষম।
**পৃষ্ঠা ২২।
*ধাতুর প্রতি মানুষের অনুসন্ধান প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই চলে আসছে। ভারতে কয়েক হাজার বছর ধরে ধাতুর ব্যবহার হয়ে আসছে। ইতিহাসের নির্দিষ্ট কিছু সময়কাল সেই সময়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত বিশেষ কিছু ধাতুর সাথে সম্পর্কিত।
**পৃষ্ঠা ২৮।
*দিল্লির বিখ্যাত লৌহস্তম্ভটি, যা গুপ্ত যুগে (১৫০০ বছরেরও বেশি আগে) নির্মিত হয়েছিল, এক বিস্ময়। এত বছর পরেও এই স্তম্ভটি কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই সোজা দাঁড়িয়ে আছে। এই মরচেহীন লৌহস্তম্ভটি আমাদের পূর্বপুরুষদের মহান উদ্ভাবনী শক্তির প্রতি এক শ্রদ্ধাঞ্জলি।
**পৃষ্ঠা ৩৬।
*পদার্থ তিনটি অবস্থায় থাকতে পারে – গ্যাস, তরল এবং কঠিন। জলও এই তিনটি অবস্থাতেই বিদ্যমান থাকে: গ্যাস (বাষ্প বা জলীয় বাষ্প), তরল (সাধারণ জল) এবং কঠিন (বরফ)। গ্যাস, তরল এবং কঠিন পদার্থের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন ভিন্ন।
**পৃষ্ঠা ৫৬।
*এমনকি ধাতুও বিদ্যুৎ প্রবাহে কিছুটা বাধা সৃষ্টি করে। কিছু উপাদান কোনো বাধা ছাড়াই বিদ্যুৎ পরিবহন করে। এই ধরনের উপাদানকে অতিপরিবাহী বলা হয়।
**পৃষ্ঠা ৫৯।
=== ''ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি'' (২০১০) ===
<small>{{cite book|author1=সি এন আর রাও|author2=অ্যান্টোনিও ভ্যাজকুয়েজ বারকোয়েরো|title=ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-ajEFddmiDUC|year=২০১০|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-4307-86-4}}</small>
*অধ্যাপক ব্রাউন বলতেন, কোনো কাজ যদি করার মতো হয়, তবে তা প্রকাশ করারও যোগ্য। বহু বছর আগে ফ্যারাডেও প্রায় একই কথা বলেছিলেন। বিজ্ঞানে আমরা “কাজ করি, শেষ করি এবং প্রকাশ করি”। এই কথাগুলো আমার সারা পেশাগত জীবন জুড়ে আমাকে পথ দেখিয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৩০।
*বার্কলির ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (ইউসি বার্কলি) বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়, এবং এদের রসায়ন বিভাগ গবেষণার ক্ষেত্রে বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে। এই বিভাগটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জি. এন. লিউইস, যাকে আধুনিক রসায়নের জনক হিসেবে গণ্য করা হয়।
**পৃষ্ঠা ৩২।
*মহীশূরের মহারাজা (তৎকালীন মহীশূরের রাজ্যপাল), আয়াচামরাজেন্দ্র ওয়দেয়ার, একদিনের জন্য বার্কলিতে এসেছিলেন। আমি তাকে চারপাশ ঘুরিয়ে দেখালাম। পাহাড়ের ওপরের বিকিরণ গবেষণাগারের অ্যাক্সিলারেটরগুলো দেখে তিনি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছিলেন। তিনি আমার সাথে কন্নড় ভাষায় কথা বলতে পেরে খুশি হয়েছিলেন এবং আমি যে কিছুটা সংস্কৃত জানি, তাতে তিনি আরও বেশি খুশি হয়েছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৩৫।
*বার্কলি ক্যাম্পাসটি ছিল শিক্ষাগত দিক থেকে অপ্রতিরোধ্য। মঙ্গলবার সন্ধ্যার আলোচনা সভাগুলোতে সামনের সারিতে রসায়নবিদদের এক বিশাল নক্ষত্রমণ্ডলকে সমবেত হতে দেখা যেত, যাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন নোবেল বিজয়ী এবং ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সের সদস্য। এই সভাগুলোতে বক্তৃতা দেওয়াটা ছিল ভয়প্রদ কাজ। তবে শেষমেশ আমি সেগুলো উতরে যেতে পেরেছিলাম।
**পৃষ্ঠা ৩৭।
*যেহেতু কোনো অবলোহিত স্পেকট্রোমিটার ছিল না, তাই শ্রেণি কম্পাঙ্কগুলোকে শ্রেণীবদ্ধ করার উদ্দেশ্যে আমি এখানে-সেখানে নির্দিষ্ট কিছু যৌগের রুটিন অবলোহিত স্পেকট্রা রেকর্ড করার ব্যবস্থা করেছিলাম। এই গবেষণাপত্রগুলোর একটি পরবর্তীকালে সাইটেশন ক্লাসিক হয়ে যায়।
**মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরার পর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সে তার প্রথম দিককার কাজ সম্পর্কে, পৃষ্ঠা ৪০।
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
64fpzfjcx78lxw9indv8gbd8fe3rfra
75397
75395
2026-04-10T14:48:45Z
Nil Nandy
2294
/* হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট (2010) */
75397
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
=== ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি'' (১৯৯৯) ===
<small>{{cite book|author=সি. এন. আর. রাও|title=আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-S2Apt2Efq4C|year=1999|publisher=ইউনিভার্সিটিস প্রেস|isbn=978-81-7371-250-0}}</small>
[[File:Iron Pillar, Delhi, May 2008.jpg|thumb|right|দিল্লির মরচেহীন লৌহস্তম্ভ]]
*প্রাচীন গ্রিস ও ভারতের দার্শনিকেরা যিশুখ্রিষ্টের শত শত বছর আগেই [পদার্থ কী দিয়ে গঠিত] এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৭।
*মৌলসমূহের আদি ধারণার একমাত্র যে অংশটি টিকে আছে তা হলো যে মৌলসমূহের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মৌল হলো এমন একটি পদার্থ যাকে সাধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও সরলতর পদার্থে পরিণত করা যায় না এবং যা কেবল এক প্রকারের কণা দ্বারা গঠিত।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মাত্র ১৯১১ সাল থেকে আমরা জানি যে পরমাণুতে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত নিউক্লিয়াস থাকে।
**পৃষ্ঠা ২৯।
*পরমাণুর ধারণা মূলত একটি তত্ত্ব হিসেবে প্রস্তাবিত হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন উপায়ে এদের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছিল, তবুও মানুষ মনে করত না যে এদের সরাসরি দেখা সম্ভব। অতি সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই ছিল। বর্তমানে শক্তিশালী আণুবীক্ষণিক কৌশল প্রয়োগ করে আমরা পরমাণুকে সরাসরি দেখতে সক্ষম।
**পৃষ্ঠা ২২।
*ধাতুর প্রতি মানুষের অনুসন্ধান প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই চলে আসছে। ভারতে কয়েক হাজার বছর ধরে ধাতুর ব্যবহার হয়ে আসছে। ইতিহাসের নির্দিষ্ট কিছু সময়কাল সেই সময়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত বিশেষ কিছু ধাতুর সাথে সম্পর্কিত।
**পৃষ্ঠা ২৮।
*দিল্লির বিখ্যাত লৌহস্তম্ভটি, যা গুপ্ত যুগে (১৫০০ বছরেরও বেশি আগে) নির্মিত হয়েছিল, এক বিস্ময়। এত বছর পরেও এই স্তম্ভটি কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই সোজা দাঁড়িয়ে আছে। এই মরচেহীন লৌহস্তম্ভটি আমাদের পূর্বপুরুষদের মহান উদ্ভাবনী শক্তির প্রতি এক শ্রদ্ধাঞ্জলি।
**পৃষ্ঠা ৩৬।
*পদার্থ তিনটি অবস্থায় থাকতে পারে – গ্যাস, তরল এবং কঠিন। জলও এই তিনটি অবস্থাতেই বিদ্যমান থাকে: গ্যাস (বাষ্প বা জলীয় বাষ্প), তরল (সাধারণ জল) এবং কঠিন (বরফ)। গ্যাস, তরল এবং কঠিন পদার্থের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন ভিন্ন।
**পৃষ্ঠা ৫৬।
*এমনকি ধাতুও বিদ্যুৎ প্রবাহে কিছুটা বাধা সৃষ্টি করে। কিছু উপাদান কোনো বাধা ছাড়াই বিদ্যুৎ পরিবহন করে। এই ধরনের উপাদানকে অতিপরিবাহী বলা হয়।
**পৃষ্ঠা ৫৯।
=== ''ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি'' (২০১০) ===
<small>{{cite book|author1=সি এন আর রাও|author2=অ্যান্টোনিও ভ্যাজকুয়েজ বারকোয়েরো|title=ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-ajEFddmiDUC|year=২০১০|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-4307-86-4}}</small>
*অধ্যাপক ব্রাউন বলতেন, কোনো কাজ যদি করার মতো হয়, তবে তা প্রকাশ করারও যোগ্য। বহু বছর আগে ফ্যারাডেও প্রায় একই কথা বলেছিলেন। বিজ্ঞানে আমরা “কাজ করি, শেষ করি এবং প্রকাশ করি”। এই কথাগুলো আমার সারা পেশাগত জীবন জুড়ে আমাকে পথ দেখিয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৩০।
*বার্কলির ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (ইউসি বার্কলি) বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়, এবং এদের রসায়ন বিভাগ গবেষণার ক্ষেত্রে বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে। এই বিভাগটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জি. এন. লিউইস, যাকে আধুনিক রসায়নের জনক হিসেবে গণ্য করা হয়।
**পৃষ্ঠা ৩২।
*মহীশূরের মহারাজা (তৎকালীন মহীশূরের রাজ্যপাল), আয়াচামরাজেন্দ্র ওয়দেয়ার, একদিনের জন্য বার্কলিতে এসেছিলেন। আমি তাকে চারপাশ ঘুরিয়ে দেখালাম। পাহাড়ের ওপরের বিকিরণ গবেষণাগারের অ্যাক্সিলারেটরগুলো দেখে তিনি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছিলেন। তিনি আমার সাথে কন্নড় ভাষায় কথা বলতে পেরে খুশি হয়েছিলেন এবং আমি যে কিছুটা সংস্কৃত জানি, তাতে তিনি আরও বেশি খুশি হয়েছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৩৫।
*বার্কলি ক্যাম্পাসটি ছিল শিক্ষাগত দিক থেকে অপ্রতিরোধ্য। মঙ্গলবার সন্ধ্যার আলোচনা সভাগুলোতে সামনের সারিতে রসায়নবিদদের এক বিশাল নক্ষত্রমণ্ডলকে সমবেত হতে দেখা যেত, যাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন নোবেল বিজয়ী এবং ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সের সদস্য। এই সভাগুলোতে বক্তৃতা দেওয়াটা ছিল ভয়প্রদ কাজ। তবে শেষমেশ আমি সেগুলো উতরে যেতে পেরেছিলাম।
**পৃষ্ঠা ৩৭।
*যেহেতু কোনো অবলোহিত স্পেকট্রোমিটার ছিল না, তাই শ্রেণি কম্পাঙ্কগুলোকে শ্রেণীবদ্ধ করার উদ্দেশ্যে আমি এখানে-সেখানে নির্দিষ্ট কিছু যৌগের রুটিন অবলোহিত স্পেকট্রা রেকর্ড করার ব্যবস্থা করেছিলাম। এই গবেষণাপত্রগুলোর একটি পরবর্তীকালে সাইটেশন ক্লাসিক হয়ে যায়।
**মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরার পর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সে তার প্রথম দিককার কাজ সম্পর্কে, পৃষ্ঠা ৪০।
=== '' হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট'' (2010) ===
<small>{{cite news|url=http://indiatoday.intoday.in/story/How+I+made+it:+CNR+Rao,+Scientist/1/100031.html|title=How I made it: CNR Rao, Scientist|date=3 June 2010|accessdate=22 December 2013|publisher=India Today}}</small>
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
01sa86lqge1zc85mgt1id9tu24o4lb7
75398
75397
2026-04-10T14:54:54Z
Nil Nandy
2294
/* হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট (২০১০) */
75398
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
=== ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি'' (১৯৯৯) ===
<small>{{cite book|author=সি. এন. আর. রাও|title=আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-S2Apt2Efq4C|year=1999|publisher=ইউনিভার্সিটিস প্রেস|isbn=978-81-7371-250-0}}</small>
[[File:Iron Pillar, Delhi, May 2008.jpg|thumb|right|দিল্লির মরচেহীন লৌহস্তম্ভ]]
*প্রাচীন গ্রিস ও ভারতের দার্শনিকেরা যিশুখ্রিষ্টের শত শত বছর আগেই [পদার্থ কী দিয়ে গঠিত] এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৭।
*মৌলসমূহের আদি ধারণার একমাত্র যে অংশটি টিকে আছে তা হলো যে মৌলসমূহের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মৌল হলো এমন একটি পদার্থ যাকে সাধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও সরলতর পদার্থে পরিণত করা যায় না এবং যা কেবল এক প্রকারের কণা দ্বারা গঠিত।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মাত্র ১৯১১ সাল থেকে আমরা জানি যে পরমাণুতে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত নিউক্লিয়াস থাকে।
**পৃষ্ঠা ২৯।
*পরমাণুর ধারণা মূলত একটি তত্ত্ব হিসেবে প্রস্তাবিত হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন উপায়ে এদের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছিল, তবুও মানুষ মনে করত না যে এদের সরাসরি দেখা সম্ভব। অতি সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই ছিল। বর্তমানে শক্তিশালী আণুবীক্ষণিক কৌশল প্রয়োগ করে আমরা পরমাণুকে সরাসরি দেখতে সক্ষম।
**পৃষ্ঠা ২২।
*ধাতুর প্রতি মানুষের অনুসন্ধান প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই চলে আসছে। ভারতে কয়েক হাজার বছর ধরে ধাতুর ব্যবহার হয়ে আসছে। ইতিহাসের নির্দিষ্ট কিছু সময়কাল সেই সময়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত বিশেষ কিছু ধাতুর সাথে সম্পর্কিত।
**পৃষ্ঠা ২৮।
*দিল্লির বিখ্যাত লৌহস্তম্ভটি, যা গুপ্ত যুগে (১৫০০ বছরেরও বেশি আগে) নির্মিত হয়েছিল, এক বিস্ময়। এত বছর পরেও এই স্তম্ভটি কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই সোজা দাঁড়িয়ে আছে। এই মরচেহীন লৌহস্তম্ভটি আমাদের পূর্বপুরুষদের মহান উদ্ভাবনী শক্তির প্রতি এক শ্রদ্ধাঞ্জলি।
**পৃষ্ঠা ৩৬।
*পদার্থ তিনটি অবস্থায় থাকতে পারে – গ্যাস, তরল এবং কঠিন। জলও এই তিনটি অবস্থাতেই বিদ্যমান থাকে: গ্যাস (বাষ্প বা জলীয় বাষ্প), তরল (সাধারণ জল) এবং কঠিন (বরফ)। গ্যাস, তরল এবং কঠিন পদার্থের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন ভিন্ন।
**পৃষ্ঠা ৫৬।
*এমনকি ধাতুও বিদ্যুৎ প্রবাহে কিছুটা বাধা সৃষ্টি করে। কিছু উপাদান কোনো বাধা ছাড়াই বিদ্যুৎ পরিবহন করে। এই ধরনের উপাদানকে অতিপরিবাহী বলা হয়।
**পৃষ্ঠা ৫৯।
=== ''ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি'' (২০১০) ===
<small>{{cite book|author1=সি এন আর রাও|author2=অ্যান্টোনিও ভ্যাজকুয়েজ বারকোয়েরো|title=ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-ajEFddmiDUC|year=২০১০|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-4307-86-4}}</small>
*অধ্যাপক ব্রাউন বলতেন, কোনো কাজ যদি করার মতো হয়, তবে তা প্রকাশ করারও যোগ্য। বহু বছর আগে ফ্যারাডেও প্রায় একই কথা বলেছিলেন। বিজ্ঞানে আমরা “কাজ করি, শেষ করি এবং প্রকাশ করি”। এই কথাগুলো আমার সারা পেশাগত জীবন জুড়ে আমাকে পথ দেখিয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৩০।
*বার্কলির ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (ইউসি বার্কলি) বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়, এবং এদের রসায়ন বিভাগ গবেষণার ক্ষেত্রে বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে। এই বিভাগটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জি. এন. লিউইস, যাকে আধুনিক রসায়নের জনক হিসেবে গণ্য করা হয়।
**পৃষ্ঠা ৩২।
*মহীশূরের মহারাজা (তৎকালীন মহীশূরের রাজ্যপাল), আয়াচামরাজেন্দ্র ওয়দেয়ার, একদিনের জন্য বার্কলিতে এসেছিলেন। আমি তাকে চারপাশ ঘুরিয়ে দেখালাম। পাহাড়ের ওপরের বিকিরণ গবেষণাগারের অ্যাক্সিলারেটরগুলো দেখে তিনি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছিলেন। তিনি আমার সাথে কন্নড় ভাষায় কথা বলতে পেরে খুশি হয়েছিলেন এবং আমি যে কিছুটা সংস্কৃত জানি, তাতে তিনি আরও বেশি খুশি হয়েছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৩৫।
*বার্কলি ক্যাম্পাসটি ছিল শিক্ষাগত দিক থেকে অপ্রতিরোধ্য। মঙ্গলবার সন্ধ্যার আলোচনা সভাগুলোতে সামনের সারিতে রসায়নবিদদের এক বিশাল নক্ষত্রমণ্ডলকে সমবেত হতে দেখা যেত, যাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন নোবেল বিজয়ী এবং ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সের সদস্য। এই সভাগুলোতে বক্তৃতা দেওয়াটা ছিল ভয়প্রদ কাজ। তবে শেষমেশ আমি সেগুলো উতরে যেতে পেরেছিলাম।
**পৃষ্ঠা ৩৭।
*যেহেতু কোনো অবলোহিত স্পেকট্রোমিটার ছিল না, তাই শ্রেণি কম্পাঙ্কগুলোকে শ্রেণীবদ্ধ করার উদ্দেশ্যে আমি এখানে-সেখানে নির্দিষ্ট কিছু যৌগের রুটিন অবলোহিত স্পেকট্রা রেকর্ড করার ব্যবস্থা করেছিলাম। এই গবেষণাপত্রগুলোর একটি পরবর্তীকালে সাইটেশন ক্লাসিক হয়ে যায়।
**মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরার পর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সে তার প্রথম দিককার কাজ সম্পর্কে, পৃষ্ঠা ৪০।
=== ''হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট'' (২০১০) ===
<small>{{cite news|url=http://indiatoday.intoday.in/story/How+I+made+it:+CNR+Rao,+Scientist/1/100031.html|title=হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট|date=3 June 2010|accessdate=22 December 2013|publisher=ইন্ডিয়া টুডে}}</small>
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
jfjpwhz3euuebb7c1qjlaxm30s71rov
75402
75398
2026-04-10T14:58:31Z
Nil Nandy
2294
/* হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট (২০১০) */
75402
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
=== ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি'' (১৯৯৯) ===
<small>{{cite book|author=সি. এন. আর. রাও|title=আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-S2Apt2Efq4C|year=1999|publisher=ইউনিভার্সিটিস প্রেস|isbn=978-81-7371-250-0}}</small>
[[File:Iron Pillar, Delhi, May 2008.jpg|thumb|right|দিল্লির মরচেহীন লৌহস্তম্ভ]]
*প্রাচীন গ্রিস ও ভারতের দার্শনিকেরা যিশুখ্রিষ্টের শত শত বছর আগেই [পদার্থ কী দিয়ে গঠিত] এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৭।
*মৌলসমূহের আদি ধারণার একমাত্র যে অংশটি টিকে আছে তা হলো যে মৌলসমূহের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মৌল হলো এমন একটি পদার্থ যাকে সাধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও সরলতর পদার্থে পরিণত করা যায় না এবং যা কেবল এক প্রকারের কণা দ্বারা গঠিত।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মাত্র ১৯১১ সাল থেকে আমরা জানি যে পরমাণুতে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত নিউক্লিয়াস থাকে।
**পৃষ্ঠা ২৯।
*পরমাণুর ধারণা মূলত একটি তত্ত্ব হিসেবে প্রস্তাবিত হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন উপায়ে এদের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছিল, তবুও মানুষ মনে করত না যে এদের সরাসরি দেখা সম্ভব। অতি সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই ছিল। বর্তমানে শক্তিশালী আণুবীক্ষণিক কৌশল প্রয়োগ করে আমরা পরমাণুকে সরাসরি দেখতে সক্ষম।
**পৃষ্ঠা ২২।
*ধাতুর প্রতি মানুষের অনুসন্ধান প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই চলে আসছে। ভারতে কয়েক হাজার বছর ধরে ধাতুর ব্যবহার হয়ে আসছে। ইতিহাসের নির্দিষ্ট কিছু সময়কাল সেই সময়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত বিশেষ কিছু ধাতুর সাথে সম্পর্কিত।
**পৃষ্ঠা ২৮।
*দিল্লির বিখ্যাত লৌহস্তম্ভটি, যা গুপ্ত যুগে (১৫০০ বছরেরও বেশি আগে) নির্মিত হয়েছিল, এক বিস্ময়। এত বছর পরেও এই স্তম্ভটি কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই সোজা দাঁড়িয়ে আছে। এই মরচেহীন লৌহস্তম্ভটি আমাদের পূর্বপুরুষদের মহান উদ্ভাবনী শক্তির প্রতি এক শ্রদ্ধাঞ্জলি।
**পৃষ্ঠা ৩৬।
*পদার্থ তিনটি অবস্থায় থাকতে পারে – গ্যাস, তরল এবং কঠিন। জলও এই তিনটি অবস্থাতেই বিদ্যমান থাকে: গ্যাস (বাষ্প বা জলীয় বাষ্প), তরল (সাধারণ জল) এবং কঠিন (বরফ)। গ্যাস, তরল এবং কঠিন পদার্থের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন ভিন্ন।
**পৃষ্ঠা ৫৬।
*এমনকি ধাতুও বিদ্যুৎ প্রবাহে কিছুটা বাধা সৃষ্টি করে। কিছু উপাদান কোনো বাধা ছাড়াই বিদ্যুৎ পরিবহন করে। এই ধরনের উপাদানকে অতিপরিবাহী বলা হয়।
**পৃষ্ঠা ৫৯।
=== ''ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি'' (২০১০) ===
<small>{{cite book|author1=সি এন আর রাও|author2=অ্যান্টোনিও ভ্যাজকুয়েজ বারকোয়েরো|title=ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-ajEFddmiDUC|year=২০১০|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-4307-86-4}}</small>
*অধ্যাপক ব্রাউন বলতেন, কোনো কাজ যদি করার মতো হয়, তবে তা প্রকাশ করারও যোগ্য। বহু বছর আগে ফ্যারাডেও প্রায় একই কথা বলেছিলেন। বিজ্ঞানে আমরা “কাজ করি, শেষ করি এবং প্রকাশ করি”। এই কথাগুলো আমার সারা পেশাগত জীবন জুড়ে আমাকে পথ দেখিয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৩০।
*বার্কলির ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (ইউসি বার্কলি) বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়, এবং এদের রসায়ন বিভাগ গবেষণার ক্ষেত্রে বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে। এই বিভাগটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জি. এন. লিউইস, যাকে আধুনিক রসায়নের জনক হিসেবে গণ্য করা হয়।
**পৃষ্ঠা ৩২।
*মহীশূরের মহারাজা (তৎকালীন মহীশূরের রাজ্যপাল), আয়াচামরাজেন্দ্র ওয়দেয়ার, একদিনের জন্য বার্কলিতে এসেছিলেন। আমি তাকে চারপাশ ঘুরিয়ে দেখালাম। পাহাড়ের ওপরের বিকিরণ গবেষণাগারের অ্যাক্সিলারেটরগুলো দেখে তিনি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছিলেন। তিনি আমার সাথে কন্নড় ভাষায় কথা বলতে পেরে খুশি হয়েছিলেন এবং আমি যে কিছুটা সংস্কৃত জানি, তাতে তিনি আরও বেশি খুশি হয়েছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৩৫।
*বার্কলি ক্যাম্পাসটি ছিল শিক্ষাগত দিক থেকে অপ্রতিরোধ্য। মঙ্গলবার সন্ধ্যার আলোচনা সভাগুলোতে সামনের সারিতে রসায়নবিদদের এক বিশাল নক্ষত্রমণ্ডলকে সমবেত হতে দেখা যেত, যাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন নোবেল বিজয়ী এবং ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সের সদস্য। এই সভাগুলোতে বক্তৃতা দেওয়াটা ছিল ভয়প্রদ কাজ। তবে শেষমেশ আমি সেগুলো উতরে যেতে পেরেছিলাম।
**পৃষ্ঠা ৩৭।
*যেহেতু কোনো অবলোহিত স্পেকট্রোমিটার ছিল না, তাই শ্রেণি কম্পাঙ্কগুলোকে শ্রেণীবদ্ধ করার উদ্দেশ্যে আমি এখানে-সেখানে নির্দিষ্ট কিছু যৌগের রুটিন অবলোহিত স্পেকট্রা রেকর্ড করার ব্যবস্থা করেছিলাম। এই গবেষণাপত্রগুলোর একটি পরবর্তীকালে সাইটেশন ক্লাসিক হয়ে যায়।
**মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরার পর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সে তার প্রথম দিককার কাজ সম্পর্কে, পৃষ্ঠা ৪০।
=== ''হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট'' (২০১০) ===
<small>{{cite news|url=http://indiatoday.intoday.in/story/How+I+made+it:+CNR+Rao,+Scientist/1/100031.html|title=হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট|date=3 June 2010|accessdate=22 December 2013|publisher=ইন্ডিয়া টুডে}}</small>
*তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়, ইজরায়েল থেকে প্রাপ্ত মিলিয়ন ডলারের ড্যান ডেভিড পুরস্কারের একাংশ দিয়ে আমরা সিএনআর রাও এডুকেশন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছি কারণ, তরুণ প্রজন্ম যদি অল্প বয়সেই বিজ্ঞানের প্রতি আকৃষ্ট না হয়, তবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বর্তমানে আমাদের যেটুকু অগ্রগামিতা রয়েছে, তা আমরা হারিয়ে ফেলব। আমার স্ত্রী ইন্দুুমতী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে এই ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। আমরা ভারতকে বিজ্ঞানের জগতে এক বিশাল শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে দেখতে চাই।
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
e6kyk1uejn8x2cl3x4y7vdnj26n9opd
75405
75402
2026-04-10T15:02:07Z
Nil Nandy
2294
/* হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট (২০১০) */
75405
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
=== ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি'' (১৯৯৯) ===
<small>{{cite book|author=সি. এন. আর. রাও|title=আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-S2Apt2Efq4C|year=1999|publisher=ইউনিভার্সিটিস প্রেস|isbn=978-81-7371-250-0}}</small>
[[File:Iron Pillar, Delhi, May 2008.jpg|thumb|right|দিল্লির মরচেহীন লৌহস্তম্ভ]]
*প্রাচীন গ্রিস ও ভারতের দার্শনিকেরা যিশুখ্রিষ্টের শত শত বছর আগেই [পদার্থ কী দিয়ে গঠিত] এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৭।
*মৌলসমূহের আদি ধারণার একমাত্র যে অংশটি টিকে আছে তা হলো যে মৌলসমূহের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মৌল হলো এমন একটি পদার্থ যাকে সাধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও সরলতর পদার্থে পরিণত করা যায় না এবং যা কেবল এক প্রকারের কণা দ্বারা গঠিত।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মাত্র ১৯১১ সাল থেকে আমরা জানি যে পরমাণুতে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত নিউক্লিয়াস থাকে।
**পৃষ্ঠা ২৯।
*পরমাণুর ধারণা মূলত একটি তত্ত্ব হিসেবে প্রস্তাবিত হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন উপায়ে এদের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছিল, তবুও মানুষ মনে করত না যে এদের সরাসরি দেখা সম্ভব। অতি সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই ছিল। বর্তমানে শক্তিশালী আণুবীক্ষণিক কৌশল প্রয়োগ করে আমরা পরমাণুকে সরাসরি দেখতে সক্ষম।
**পৃষ্ঠা ২২।
*ধাতুর প্রতি মানুষের অনুসন্ধান প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই চলে আসছে। ভারতে কয়েক হাজার বছর ধরে ধাতুর ব্যবহার হয়ে আসছে। ইতিহাসের নির্দিষ্ট কিছু সময়কাল সেই সময়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত বিশেষ কিছু ধাতুর সাথে সম্পর্কিত।
**পৃষ্ঠা ২৮।
*দিল্লির বিখ্যাত লৌহস্তম্ভটি, যা গুপ্ত যুগে (১৫০০ বছরেরও বেশি আগে) নির্মিত হয়েছিল, এক বিস্ময়। এত বছর পরেও এই স্তম্ভটি কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই সোজা দাঁড়িয়ে আছে। এই মরচেহীন লৌহস্তম্ভটি আমাদের পূর্বপুরুষদের মহান উদ্ভাবনী শক্তির প্রতি এক শ্রদ্ধাঞ্জলি।
**পৃষ্ঠা ৩৬।
*পদার্থ তিনটি অবস্থায় থাকতে পারে – গ্যাস, তরল এবং কঠিন। জলও এই তিনটি অবস্থাতেই বিদ্যমান থাকে: গ্যাস (বাষ্প বা জলীয় বাষ্প), তরল (সাধারণ জল) এবং কঠিন (বরফ)। গ্যাস, তরল এবং কঠিন পদার্থের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন ভিন্ন।
**পৃষ্ঠা ৫৬।
*এমনকি ধাতুও বিদ্যুৎ প্রবাহে কিছুটা বাধা সৃষ্টি করে। কিছু উপাদান কোনো বাধা ছাড়াই বিদ্যুৎ পরিবহন করে। এই ধরনের উপাদানকে অতিপরিবাহী বলা হয়।
**পৃষ্ঠা ৫৯।
=== ''ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি'' (২০১০) ===
<small>{{cite book|author1=সি এন আর রাও|author2=অ্যান্টোনিও ভ্যাজকুয়েজ বারকোয়েরো|title=ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-ajEFddmiDUC|year=২০১০|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-4307-86-4}}</small>
*অধ্যাপক ব্রাউন বলতেন, কোনো কাজ যদি করার মতো হয়, তবে তা প্রকাশ করারও যোগ্য। বহু বছর আগে ফ্যারাডেও প্রায় একই কথা বলেছিলেন। বিজ্ঞানে আমরা “কাজ করি, শেষ করি এবং প্রকাশ করি”। এই কথাগুলো আমার সারা পেশাগত জীবন জুড়ে আমাকে পথ দেখিয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৩০।
*বার্কলির ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (ইউসি বার্কলি) বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়, এবং এদের রসায়ন বিভাগ গবেষণার ক্ষেত্রে বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে। এই বিভাগটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জি. এন. লিউইস, যাকে আধুনিক রসায়নের জনক হিসেবে গণ্য করা হয়।
**পৃষ্ঠা ৩২।
*মহীশূরের মহারাজা (তৎকালীন মহীশূরের রাজ্যপাল), আয়াচামরাজেন্দ্র ওয়দেয়ার, একদিনের জন্য বার্কলিতে এসেছিলেন। আমি তাকে চারপাশ ঘুরিয়ে দেখালাম। পাহাড়ের ওপরের বিকিরণ গবেষণাগারের অ্যাক্সিলারেটরগুলো দেখে তিনি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছিলেন। তিনি আমার সাথে কন্নড় ভাষায় কথা বলতে পেরে খুশি হয়েছিলেন এবং আমি যে কিছুটা সংস্কৃত জানি, তাতে তিনি আরও বেশি খুশি হয়েছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৩৫।
*বার্কলি ক্যাম্পাসটি ছিল শিক্ষাগত দিক থেকে অপ্রতিরোধ্য। মঙ্গলবার সন্ধ্যার আলোচনা সভাগুলোতে সামনের সারিতে রসায়নবিদদের এক বিশাল নক্ষত্রমণ্ডলকে সমবেত হতে দেখা যেত, যাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন নোবেল বিজয়ী এবং ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সের সদস্য। এই সভাগুলোতে বক্তৃতা দেওয়াটা ছিল ভয়প্রদ কাজ। তবে শেষমেশ আমি সেগুলো উতরে যেতে পেরেছিলাম।
**পৃষ্ঠা ৩৭।
*যেহেতু কোনো অবলোহিত স্পেকট্রোমিটার ছিল না, তাই শ্রেণি কম্পাঙ্কগুলোকে শ্রেণীবদ্ধ করার উদ্দেশ্যে আমি এখানে-সেখানে নির্দিষ্ট কিছু যৌগের রুটিন অবলোহিত স্পেকট্রা রেকর্ড করার ব্যবস্থা করেছিলাম। এই গবেষণাপত্রগুলোর একটি পরবর্তীকালে সাইটেশন ক্লাসিক হয়ে যায়।
**মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরার পর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সে তার প্রথম দিককার কাজ সম্পর্কে, পৃষ্ঠা ৪০।
=== ''হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট'' (২০১০) ===
<small>{{cite news|url=http://indiatoday.intoday.in/story/How+I+made+it:+CNR+Rao,+Scientist/1/100031.html|title=হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট|date=3 June 2010|accessdate=22 December 2013|publisher=ইন্ডিয়া টুডে}}</small>
*তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়, ইজরায়েল থেকে প্রাপ্ত মিলিয়ন ডলারের ড্যান ডেভিড পুরস্কারের একাংশ দিয়ে আমরা সিএনআর রাও এডুকেশন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছি কারণ, তরুণ প্রজন্ম যদি অল্প বয়সেই বিজ্ঞানের প্রতি আকৃষ্ট না হয়, তবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বর্তমানে আমাদের যেটুকু অগ্রগামিতা রয়েছে, তা আমরা হারিয়ে ফেলব। আমার স্ত্রী ইন্দুুমতী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে এই ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। আমরা ভারতকে বিজ্ঞানের জগতে এক বিশাল শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে দেখতে চাই।
*আইআইএসসির পরিস্থিতি মার্কিন কেন্দ্রগুলোর সমকক্ষ ছিল না কিন্তু অন্ধকারকে অভিশাপ দেওয়ার চেয়ে মোমবাতি জ্বালানোই শ্রেয়।
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
32zi8dvpt036jbawmk70ee8xvh12zv2
75406
75405
2026-04-10T15:04:45Z
Nil Nandy
2294
/* হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট (২০১০) */
75406
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
=== ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি'' (১৯৯৯) ===
<small>{{cite book|author=সি. এন. আর. রাও|title=আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-S2Apt2Efq4C|year=1999|publisher=ইউনিভার্সিটিস প্রেস|isbn=978-81-7371-250-0}}</small>
[[File:Iron Pillar, Delhi, May 2008.jpg|thumb|right|দিল্লির মরচেহীন লৌহস্তম্ভ]]
*প্রাচীন গ্রিস ও ভারতের দার্শনিকেরা যিশুখ্রিষ্টের শত শত বছর আগেই [পদার্থ কী দিয়ে গঠিত] এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৭।
*মৌলসমূহের আদি ধারণার একমাত্র যে অংশটি টিকে আছে তা হলো যে মৌলসমূহের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মৌল হলো এমন একটি পদার্থ যাকে সাধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও সরলতর পদার্থে পরিণত করা যায় না এবং যা কেবল এক প্রকারের কণা দ্বারা গঠিত।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মাত্র ১৯১১ সাল থেকে আমরা জানি যে পরমাণুতে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত নিউক্লিয়াস থাকে।
**পৃষ্ঠা ২৯।
*পরমাণুর ধারণা মূলত একটি তত্ত্ব হিসেবে প্রস্তাবিত হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন উপায়ে এদের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছিল, তবুও মানুষ মনে করত না যে এদের সরাসরি দেখা সম্ভব। অতি সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই ছিল। বর্তমানে শক্তিশালী আণুবীক্ষণিক কৌশল প্রয়োগ করে আমরা পরমাণুকে সরাসরি দেখতে সক্ষম।
**পৃষ্ঠা ২২।
*ধাতুর প্রতি মানুষের অনুসন্ধান প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই চলে আসছে। ভারতে কয়েক হাজার বছর ধরে ধাতুর ব্যবহার হয়ে আসছে। ইতিহাসের নির্দিষ্ট কিছু সময়কাল সেই সময়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত বিশেষ কিছু ধাতুর সাথে সম্পর্কিত।
**পৃষ্ঠা ২৮।
*দিল্লির বিখ্যাত লৌহস্তম্ভটি, যা গুপ্ত যুগে (১৫০০ বছরেরও বেশি আগে) নির্মিত হয়েছিল, এক বিস্ময়। এত বছর পরেও এই স্তম্ভটি কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই সোজা দাঁড়িয়ে আছে। এই মরচেহীন লৌহস্তম্ভটি আমাদের পূর্বপুরুষদের মহান উদ্ভাবনী শক্তির প্রতি এক শ্রদ্ধাঞ্জলি।
**পৃষ্ঠা ৩৬।
*পদার্থ তিনটি অবস্থায় থাকতে পারে – গ্যাস, তরল এবং কঠিন। জলও এই তিনটি অবস্থাতেই বিদ্যমান থাকে: গ্যাস (বাষ্প বা জলীয় বাষ্প), তরল (সাধারণ জল) এবং কঠিন (বরফ)। গ্যাস, তরল এবং কঠিন পদার্থের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন ভিন্ন।
**পৃষ্ঠা ৫৬।
*এমনকি ধাতুও বিদ্যুৎ প্রবাহে কিছুটা বাধা সৃষ্টি করে। কিছু উপাদান কোনো বাধা ছাড়াই বিদ্যুৎ পরিবহন করে। এই ধরনের উপাদানকে অতিপরিবাহী বলা হয়।
**পৃষ্ঠা ৫৯।
=== ''ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি'' (২০১০) ===
<small>{{cite book|author1=সি এন আর রাও|author2=অ্যান্টোনিও ভ্যাজকুয়েজ বারকোয়েরো|title=ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-ajEFddmiDUC|year=২০১০|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-4307-86-4}}</small>
*অধ্যাপক ব্রাউন বলতেন, কোনো কাজ যদি করার মতো হয়, তবে তা প্রকাশ করারও যোগ্য। বহু বছর আগে ফ্যারাডেও প্রায় একই কথা বলেছিলেন। বিজ্ঞানে আমরা “কাজ করি, শেষ করি এবং প্রকাশ করি”। এই কথাগুলো আমার সারা পেশাগত জীবন জুড়ে আমাকে পথ দেখিয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৩০।
*বার্কলির ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (ইউসি বার্কলি) বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়, এবং এদের রসায়ন বিভাগ গবেষণার ক্ষেত্রে বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে। এই বিভাগটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জি. এন. লিউইস, যাকে আধুনিক রসায়নের জনক হিসেবে গণ্য করা হয়।
**পৃষ্ঠা ৩২।
*মহীশূরের মহারাজা (তৎকালীন মহীশূরের রাজ্যপাল), আয়াচামরাজেন্দ্র ওয়দেয়ার, একদিনের জন্য বার্কলিতে এসেছিলেন। আমি তাকে চারপাশ ঘুরিয়ে দেখালাম। পাহাড়ের ওপরের বিকিরণ গবেষণাগারের অ্যাক্সিলারেটরগুলো দেখে তিনি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছিলেন। তিনি আমার সাথে কন্নড় ভাষায় কথা বলতে পেরে খুশি হয়েছিলেন এবং আমি যে কিছুটা সংস্কৃত জানি, তাতে তিনি আরও বেশি খুশি হয়েছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৩৫।
*বার্কলি ক্যাম্পাসটি ছিল শিক্ষাগত দিক থেকে অপ্রতিরোধ্য। মঙ্গলবার সন্ধ্যার আলোচনা সভাগুলোতে সামনের সারিতে রসায়নবিদদের এক বিশাল নক্ষত্রমণ্ডলকে সমবেত হতে দেখা যেত, যাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন নোবেল বিজয়ী এবং ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সের সদস্য। এই সভাগুলোতে বক্তৃতা দেওয়াটা ছিল ভয়প্রদ কাজ। তবে শেষমেশ আমি সেগুলো উতরে যেতে পেরেছিলাম।
**পৃষ্ঠা ৩৭।
*যেহেতু কোনো অবলোহিত স্পেকট্রোমিটার ছিল না, তাই শ্রেণি কম্পাঙ্কগুলোকে শ্রেণীবদ্ধ করার উদ্দেশ্যে আমি এখানে-সেখানে নির্দিষ্ট কিছু যৌগের রুটিন অবলোহিত স্পেকট্রা রেকর্ড করার ব্যবস্থা করেছিলাম। এই গবেষণাপত্রগুলোর একটি পরবর্তীকালে সাইটেশন ক্লাসিক হয়ে যায়।
**মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরার পর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সে তার প্রথম দিককার কাজ সম্পর্কে, পৃষ্ঠা ৪০।
=== ''হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট'' (২০১০) ===
<small>{{cite news|url=http://indiatoday.intoday.in/story/How+I+made+it:+CNR+Rao,+Scientist/1/100031.html|title=হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট|date=3 June 2010|accessdate=22 December 2013|publisher=ইন্ডিয়া টুডে}}</small>
*তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়, ইজরায়েল থেকে প্রাপ্ত মিলিয়ন ডলারের ড্যান ডেভিড পুরস্কারের একাংশ দিয়ে আমরা সিএনআর রাও এডুকেশন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছি কারণ, তরুণ প্রজন্ম যদি অল্প বয়সেই বিজ্ঞানের প্রতি আকৃষ্ট না হয়, তবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বর্তমানে আমাদের যেটুকু অগ্রগামিতা রয়েছে, তা আমরা হারিয়ে ফেলব। আমার স্ত্রী ইন্দুুমতী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে এই ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। আমরা ভারতকে বিজ্ঞানের জগতে এক বিশাল শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে দেখতে চাই।
*আইআইএসসির পরিস্থিতি মার্কিন কেন্দ্রগুলোর সমকক্ষ ছিল না কিন্তু অন্ধকারকে অভিশাপ দেওয়ার চেয়ে মোমবাতি জ্বালানোই শ্রেয়।
*আণবিক অরবিটাল সংকেত ব্যবহার করে অতিবেগুনি ও দৃশ্যমান বর্ণালীবীক্ষণ বিষয়ক আমার মনোগ্রাফটি অবশেষে ১৯৬০ সালে বই হিসেবে প্রকাশিত হয়।
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
p1s46e0l1yfzt39nh83vsbipg5d22hb
75409
75406
2026-04-10T15:05:44Z
Nil Nandy
2294
/* হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট (২০১০) */
75409
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
=== ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি'' (১৯৯৯) ===
<small>{{cite book|author=সি. এন. আর. রাও|title=আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-S2Apt2Efq4C|year=1999|publisher=ইউনিভার্সিটিস প্রেস|isbn=978-81-7371-250-0}}</small>
[[File:Iron Pillar, Delhi, May 2008.jpg|thumb|right|দিল্লির মরচেহীন লৌহস্তম্ভ]]
*প্রাচীন গ্রিস ও ভারতের দার্শনিকেরা যিশুখ্রিষ্টের শত শত বছর আগেই [পদার্থ কী দিয়ে গঠিত] এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৭।
*মৌলসমূহের আদি ধারণার একমাত্র যে অংশটি টিকে আছে তা হলো যে মৌলসমূহের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মৌল হলো এমন একটি পদার্থ যাকে সাধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও সরলতর পদার্থে পরিণত করা যায় না এবং যা কেবল এক প্রকারের কণা দ্বারা গঠিত।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মাত্র ১৯১১ সাল থেকে আমরা জানি যে পরমাণুতে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত নিউক্লিয়াস থাকে।
**পৃষ্ঠা ২৯।
*পরমাণুর ধারণা মূলত একটি তত্ত্ব হিসেবে প্রস্তাবিত হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন উপায়ে এদের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছিল, তবুও মানুষ মনে করত না যে এদের সরাসরি দেখা সম্ভব। অতি সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই ছিল। বর্তমানে শক্তিশালী আণুবীক্ষণিক কৌশল প্রয়োগ করে আমরা পরমাণুকে সরাসরি দেখতে সক্ষম।
**পৃষ্ঠা ২২।
*ধাতুর প্রতি মানুষের অনুসন্ধান প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই চলে আসছে। ভারতে কয়েক হাজার বছর ধরে ধাতুর ব্যবহার হয়ে আসছে। ইতিহাসের নির্দিষ্ট কিছু সময়কাল সেই সময়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত বিশেষ কিছু ধাতুর সাথে সম্পর্কিত।
**পৃষ্ঠা ২৮।
*দিল্লির বিখ্যাত লৌহস্তম্ভটি, যা গুপ্ত যুগে (১৫০০ বছরেরও বেশি আগে) নির্মিত হয়েছিল, এক বিস্ময়। এত বছর পরেও এই স্তম্ভটি কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই সোজা দাঁড়িয়ে আছে। এই মরচেহীন লৌহস্তম্ভটি আমাদের পূর্বপুরুষদের মহান উদ্ভাবনী শক্তির প্রতি এক শ্রদ্ধাঞ্জলি।
**পৃষ্ঠা ৩৬।
*পদার্থ তিনটি অবস্থায় থাকতে পারে – গ্যাস, তরল এবং কঠিন। জলও এই তিনটি অবস্থাতেই বিদ্যমান থাকে: গ্যাস (বাষ্প বা জলীয় বাষ্প), তরল (সাধারণ জল) এবং কঠিন (বরফ)। গ্যাস, তরল এবং কঠিন পদার্থের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন ভিন্ন।
**পৃষ্ঠা ৫৬।
*এমনকি ধাতুও বিদ্যুৎ প্রবাহে কিছুটা বাধা সৃষ্টি করে। কিছু উপাদান কোনো বাধা ছাড়াই বিদ্যুৎ পরিবহন করে। এই ধরনের উপাদানকে অতিপরিবাহী বলা হয়।
**পৃষ্ঠা ৫৯।
=== ''ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি'' (২০১০) ===
<small>{{cite book|author1=সি এন আর রাও|author2=অ্যান্টোনিও ভ্যাজকুয়েজ বারকোয়েরো|title=ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-ajEFddmiDUC|year=২০১০|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-4307-86-4}}</small>
*অধ্যাপক ব্রাউন বলতেন, কোনো কাজ যদি করার মতো হয়, তবে তা প্রকাশ করারও যোগ্য। বহু বছর আগে ফ্যারাডেও প্রায় একই কথা বলেছিলেন। বিজ্ঞানে আমরা “কাজ করি, শেষ করি এবং প্রকাশ করি”। এই কথাগুলো আমার সারা পেশাগত জীবন জুড়ে আমাকে পথ দেখিয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৩০।
*বার্কলির ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (ইউসি বার্কলি) বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়, এবং এদের রসায়ন বিভাগ গবেষণার ক্ষেত্রে বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে। এই বিভাগটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জি. এন. লিউইস, যাকে আধুনিক রসায়নের জনক হিসেবে গণ্য করা হয়।
**পৃষ্ঠা ৩২।
*মহীশূরের মহারাজা (তৎকালীন মহীশূরের রাজ্যপাল), আয়াচামরাজেন্দ্র ওয়দেয়ার, একদিনের জন্য বার্কলিতে এসেছিলেন। আমি তাকে চারপাশ ঘুরিয়ে দেখালাম। পাহাড়ের ওপরের বিকিরণ গবেষণাগারের অ্যাক্সিলারেটরগুলো দেখে তিনি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছিলেন। তিনি আমার সাথে কন্নড় ভাষায় কথা বলতে পেরে খুশি হয়েছিলেন এবং আমি যে কিছুটা সংস্কৃত জানি, তাতে তিনি আরও বেশি খুশি হয়েছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৩৫।
*বার্কলি ক্যাম্পাসটি ছিল শিক্ষাগত দিক থেকে অপ্রতিরোধ্য। মঙ্গলবার সন্ধ্যার আলোচনা সভাগুলোতে সামনের সারিতে রসায়নবিদদের এক বিশাল নক্ষত্রমণ্ডলকে সমবেত হতে দেখা যেত, যাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন নোবেল বিজয়ী এবং ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সের সদস্য। এই সভাগুলোতে বক্তৃতা দেওয়াটা ছিল ভয়প্রদ কাজ। তবে শেষমেশ আমি সেগুলো উতরে যেতে পেরেছিলাম।
**পৃষ্ঠা ৩৭।
*যেহেতু কোনো অবলোহিত স্পেকট্রোমিটার ছিল না, তাই শ্রেণি কম্পাঙ্কগুলোকে শ্রেণীবদ্ধ করার উদ্দেশ্যে আমি এখানে-সেখানে নির্দিষ্ট কিছু যৌগের রুটিন অবলোহিত স্পেকট্রা রেকর্ড করার ব্যবস্থা করেছিলাম। এই গবেষণাপত্রগুলোর একটি পরবর্তীকালে সাইটেশন ক্লাসিক হয়ে যায়।
**মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরার পর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সে তার প্রথম দিককার কাজ সম্পর্কে, পৃষ্ঠা ৪০।
=== ''হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট'' (২০১০) ===
<small>{{cite news|url=http://indiatoday.intoday.in/story/How+I+made+it:+CNR+Rao,+Scientist/1/100031.html|title=হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট|date=3 June 2010|accessdate=22 December 2013|publisher=ইন্ডিয়া টুডে}}</small>
*তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়, ইজরায়েল থেকে প্রাপ্ত মিলিয়ন ডলারের ড্যান ডেভিড পুরস্কারের একাংশ দিয়ে আমরা সিএনআর রাও এডুকেশন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছি কারণ, তরুণ প্রজন্ম যদি অল্প বয়সেই বিজ্ঞানের প্রতি আকৃষ্ট না হয়, তবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বর্তমানে আমাদের যেটুকু অগ্রগামিতা রয়েছে, তা আমরা হারিয়ে ফেলব। আমার স্ত্রী ইন্দুুমতী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে এই ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। আমরা ভারতকে বিজ্ঞানের জগতে এক বিশাল শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে দেখতে চাই।
*আইআইএসসির পরিস্থিতি মার্কিন কেন্দ্রগুলোর সমকক্ষ ছিল না কিন্তু অন্ধকারকে অভিশাপ দেওয়ার চেয়ে মোমবাতি জ্বালানোই শ্রেয়।
*আণবিক অরবিটাল সংকেত ব্যবহার করে অতিবেগুনি ও দৃশ্যমান বর্ণালীবীক্ষণ বিষয়ক আমার মনোগ্রাফটি অবশেষে ১৯৬০ সালে বই হিসেবে প্রকাশিত হয়।
*আবেগ, কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠার সাথে আপনার স্বপ্নকে অনুসরণ করুন।
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
pixtp8z5d6nm6tgieo1ue6qo5721e5b
75410
75409
2026-04-10T15:06:36Z
Nil Nandy
2294
/* হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট (২০১০) */
75410
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
=== ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি'' (১৯৯৯) ===
<small>{{cite book|author=সি. এন. আর. রাও|title=আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-S2Apt2Efq4C|year=1999|publisher=ইউনিভার্সিটিস প্রেস|isbn=978-81-7371-250-0}}</small>
[[File:Iron Pillar, Delhi, May 2008.jpg|thumb|right|দিল্লির মরচেহীন লৌহস্তম্ভ]]
*প্রাচীন গ্রিস ও ভারতের দার্শনিকেরা যিশুখ্রিষ্টের শত শত বছর আগেই [পদার্থ কী দিয়ে গঠিত] এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৭।
*মৌলসমূহের আদি ধারণার একমাত্র যে অংশটি টিকে আছে তা হলো যে মৌলসমূহের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মৌল হলো এমন একটি পদার্থ যাকে সাধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও সরলতর পদার্থে পরিণত করা যায় না এবং যা কেবল এক প্রকারের কণা দ্বারা গঠিত।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মাত্র ১৯১১ সাল থেকে আমরা জানি যে পরমাণুতে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত নিউক্লিয়াস থাকে।
**পৃষ্ঠা ২৯।
*পরমাণুর ধারণা মূলত একটি তত্ত্ব হিসেবে প্রস্তাবিত হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন উপায়ে এদের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছিল, তবুও মানুষ মনে করত না যে এদের সরাসরি দেখা সম্ভব। অতি সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই ছিল। বর্তমানে শক্তিশালী আণুবীক্ষণিক কৌশল প্রয়োগ করে আমরা পরমাণুকে সরাসরি দেখতে সক্ষম।
**পৃষ্ঠা ২২।
*ধাতুর প্রতি মানুষের অনুসন্ধান প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই চলে আসছে। ভারতে কয়েক হাজার বছর ধরে ধাতুর ব্যবহার হয়ে আসছে। ইতিহাসের নির্দিষ্ট কিছু সময়কাল সেই সময়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত বিশেষ কিছু ধাতুর সাথে সম্পর্কিত।
**পৃষ্ঠা ২৮।
*দিল্লির বিখ্যাত লৌহস্তম্ভটি, যা গুপ্ত যুগে (১৫০০ বছরেরও বেশি আগে) নির্মিত হয়েছিল, এক বিস্ময়। এত বছর পরেও এই স্তম্ভটি কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই সোজা দাঁড়িয়ে আছে। এই মরচেহীন লৌহস্তম্ভটি আমাদের পূর্বপুরুষদের মহান উদ্ভাবনী শক্তির প্রতি এক শ্রদ্ধাঞ্জলি।
**পৃষ্ঠা ৩৬।
*পদার্থ তিনটি অবস্থায় থাকতে পারে – গ্যাস, তরল এবং কঠিন। জলও এই তিনটি অবস্থাতেই বিদ্যমান থাকে: গ্যাস (বাষ্প বা জলীয় বাষ্প), তরল (সাধারণ জল) এবং কঠিন (বরফ)। গ্যাস, তরল এবং কঠিন পদার্থের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন ভিন্ন।
**পৃষ্ঠা ৫৬।
*এমনকি ধাতুও বিদ্যুৎ প্রবাহে কিছুটা বাধা সৃষ্টি করে। কিছু উপাদান কোনো বাধা ছাড়াই বিদ্যুৎ পরিবহন করে। এই ধরনের উপাদানকে অতিপরিবাহী বলা হয়।
**পৃষ্ঠা ৫৯।
=== ''ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি'' (২০১০) ===
<small>{{cite book|author1=সি এন আর রাও|author2=অ্যান্টোনিও ভ্যাজকুয়েজ বারকোয়েরো|title=ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-ajEFddmiDUC|year=২০১০|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-4307-86-4}}</small>
*অধ্যাপক ব্রাউন বলতেন, কোনো কাজ যদি করার মতো হয়, তবে তা প্রকাশ করারও যোগ্য। বহু বছর আগে ফ্যারাডেও প্রায় একই কথা বলেছিলেন। বিজ্ঞানে আমরা “কাজ করি, শেষ করি এবং প্রকাশ করি”। এই কথাগুলো আমার সারা পেশাগত জীবন জুড়ে আমাকে পথ দেখিয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৩০।
*বার্কলির ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (ইউসি বার্কলি) বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়, এবং এদের রসায়ন বিভাগ গবেষণার ক্ষেত্রে বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে। এই বিভাগটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জি. এন. লিউইস, যাকে আধুনিক রসায়নের জনক হিসেবে গণ্য করা হয়।
**পৃষ্ঠা ৩২।
*মহীশূরের মহারাজা (তৎকালীন মহীশূরের রাজ্যপাল), আয়াচামরাজেন্দ্র ওয়দেয়ার, একদিনের জন্য বার্কলিতে এসেছিলেন। আমি তাকে চারপাশ ঘুরিয়ে দেখালাম। পাহাড়ের ওপরের বিকিরণ গবেষণাগারের অ্যাক্সিলারেটরগুলো দেখে তিনি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছিলেন। তিনি আমার সাথে কন্নড় ভাষায় কথা বলতে পেরে খুশি হয়েছিলেন এবং আমি যে কিছুটা সংস্কৃত জানি, তাতে তিনি আরও বেশি খুশি হয়েছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৩৫।
*বার্কলি ক্যাম্পাসটি ছিল শিক্ষাগত দিক থেকে অপ্রতিরোধ্য। মঙ্গলবার সন্ধ্যার আলোচনা সভাগুলোতে সামনের সারিতে রসায়নবিদদের এক বিশাল নক্ষত্রমণ্ডলকে সমবেত হতে দেখা যেত, যাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন নোবেল বিজয়ী এবং ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সের সদস্য। এই সভাগুলোতে বক্তৃতা দেওয়াটা ছিল ভয়প্রদ কাজ। তবে শেষমেশ আমি সেগুলো উতরে যেতে পেরেছিলাম।
**পৃষ্ঠা ৩৭।
*যেহেতু কোনো অবলোহিত স্পেকট্রোমিটার ছিল না, তাই শ্রেণি কম্পাঙ্কগুলোকে শ্রেণীবদ্ধ করার উদ্দেশ্যে আমি এখানে-সেখানে নির্দিষ্ট কিছু যৌগের রুটিন অবলোহিত স্পেকট্রা রেকর্ড করার ব্যবস্থা করেছিলাম। এই গবেষণাপত্রগুলোর একটি পরবর্তীকালে সাইটেশন ক্লাসিক হয়ে যায়।
**মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরার পর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সে তার প্রথম দিককার কাজ সম্পর্কে, পৃষ্ঠা ৪০।
=== ''হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট'' (২০১০) ===
<small>{{cite news|url=http://indiatoday.intoday.in/story/How+I+made+it:+CNR+Rao,+Scientist/1/100031.html|title=হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট|date=3 June 2010|accessdate=22 December 2013|publisher=ইন্ডিয়া টুডে}}</small>
*তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়, ইজরায়েল থেকে প্রাপ্ত মিলিয়ন ডলারের ড্যান ডেভিড পুরস্কারের একাংশ দিয়ে আমরা সিএনআর রাও এডুকেশন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছি কারণ, তরুণ প্রজন্ম যদি অল্প বয়সেই বিজ্ঞানের প্রতি আকৃষ্ট না হয়, তবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বর্তমানে আমাদের যেটুকু অগ্রগামিতা রয়েছে, তা আমরা হারিয়ে ফেলব। আমার স্ত্রী ইন্দুুমতী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে এই ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। আমরা ভারতকে বিজ্ঞানের জগতে এক বিশাল শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে দেখতে চাই।
*আইআইএসসির পরিস্থিতি মার্কিন কেন্দ্রগুলোর সমকক্ষ ছিল না কিন্তু অন্ধকারকে অভিশাপ দেওয়ার চেয়ে মোমবাতি জ্বালানোই শ্রেয়।
*আণবিক অরবিটাল সংকেত ব্যবহার করে অতিবেগুনি ও দৃশ্যমান বর্ণালীবীক্ষণ বিষয়ক আমার মনোগ্রাফটি অবশেষে ১৯৬০ সালে বই হিসেবে প্রকাশিত হয়।
*আবেগ, কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠার সাথে আপনার স্বপ্নকে অনুসরণ করুন।
*শেখা কখনো থামাবেন না। আরও জ্ঞান অর্জনের তৃষ্ণা কখনো শেষ হওয়া উচিত নয়।
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
g6sunojr1bwhrkg4t64cml07lpht09a
75411
75410
2026-04-10T15:10:32Z
Nil Nandy
2294
/* হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট (২০১০) */
75411
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
=== ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি'' (১৯৯৯) ===
<small>{{cite book|author=সি. এন. আর. রাও|title=আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-S2Apt2Efq4C|year=1999|publisher=ইউনিভার্সিটিস প্রেস|isbn=978-81-7371-250-0}}</small>
[[File:Iron Pillar, Delhi, May 2008.jpg|thumb|right|দিল্লির মরচেহীন লৌহস্তম্ভ]]
*প্রাচীন গ্রিস ও ভারতের দার্শনিকেরা যিশুখ্রিষ্টের শত শত বছর আগেই [পদার্থ কী দিয়ে গঠিত] এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৭।
*মৌলসমূহের আদি ধারণার একমাত্র যে অংশটি টিকে আছে তা হলো যে মৌলসমূহের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মৌল হলো এমন একটি পদার্থ যাকে সাধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও সরলতর পদার্থে পরিণত করা যায় না এবং যা কেবল এক প্রকারের কণা দ্বারা গঠিত।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মাত্র ১৯১১ সাল থেকে আমরা জানি যে পরমাণুতে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত নিউক্লিয়াস থাকে।
**পৃষ্ঠা ২৯।
*পরমাণুর ধারণা মূলত একটি তত্ত্ব হিসেবে প্রস্তাবিত হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন উপায়ে এদের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছিল, তবুও মানুষ মনে করত না যে এদের সরাসরি দেখা সম্ভব। অতি সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই ছিল। বর্তমানে শক্তিশালী আণুবীক্ষণিক কৌশল প্রয়োগ করে আমরা পরমাণুকে সরাসরি দেখতে সক্ষম।
**পৃষ্ঠা ২২।
*ধাতুর প্রতি মানুষের অনুসন্ধান প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই চলে আসছে। ভারতে কয়েক হাজার বছর ধরে ধাতুর ব্যবহার হয়ে আসছে। ইতিহাসের নির্দিষ্ট কিছু সময়কাল সেই সময়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত বিশেষ কিছু ধাতুর সাথে সম্পর্কিত।
**পৃষ্ঠা ২৮।
*দিল্লির বিখ্যাত লৌহস্তম্ভটি, যা গুপ্ত যুগে (১৫০০ বছরেরও বেশি আগে) নির্মিত হয়েছিল, এক বিস্ময়। এত বছর পরেও এই স্তম্ভটি কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই সোজা দাঁড়িয়ে আছে। এই মরচেহীন লৌহস্তম্ভটি আমাদের পূর্বপুরুষদের মহান উদ্ভাবনী শক্তির প্রতি এক শ্রদ্ধাঞ্জলি।
**পৃষ্ঠা ৩৬।
*পদার্থ তিনটি অবস্থায় থাকতে পারে – গ্যাস, তরল এবং কঠিন। জলও এই তিনটি অবস্থাতেই বিদ্যমান থাকে: গ্যাস (বাষ্প বা জলীয় বাষ্প), তরল (সাধারণ জল) এবং কঠিন (বরফ)। গ্যাস, তরল এবং কঠিন পদার্থের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন ভিন্ন।
**পৃষ্ঠা ৫৬।
*এমনকি ধাতুও বিদ্যুৎ প্রবাহে কিছুটা বাধা সৃষ্টি করে। কিছু উপাদান কোনো বাধা ছাড়াই বিদ্যুৎ পরিবহন করে। এই ধরনের উপাদানকে অতিপরিবাহী বলা হয়।
**পৃষ্ঠা ৫৯।
=== ''ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি'' (২০১০) ===
<small>{{cite book|author1=সি এন আর রাও|author2=অ্যান্টোনিও ভ্যাজকুয়েজ বারকোয়েরো|title=ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-ajEFddmiDUC|year=২০১০|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-4307-86-4}}</small>
*অধ্যাপক ব্রাউন বলতেন, কোনো কাজ যদি করার মতো হয়, তবে তা প্রকাশ করারও যোগ্য। বহু বছর আগে ফ্যারাডেও প্রায় একই কথা বলেছিলেন। বিজ্ঞানে আমরা “কাজ করি, শেষ করি এবং প্রকাশ করি”। এই কথাগুলো আমার সারা পেশাগত জীবন জুড়ে আমাকে পথ দেখিয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৩০।
*বার্কলির ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (ইউসি বার্কলি) বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়, এবং এদের রসায়ন বিভাগ গবেষণার ক্ষেত্রে বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে। এই বিভাগটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জি. এন. লিউইস, যাকে আধুনিক রসায়নের জনক হিসেবে গণ্য করা হয়।
**পৃষ্ঠা ৩২।
*মহীশূরের মহারাজা (তৎকালীন মহীশূরের রাজ্যপাল), আয়াচামরাজেন্দ্র ওয়দেয়ার, একদিনের জন্য বার্কলিতে এসেছিলেন। আমি তাকে চারপাশ ঘুরিয়ে দেখালাম। পাহাড়ের ওপরের বিকিরণ গবেষণাগারের অ্যাক্সিলারেটরগুলো দেখে তিনি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছিলেন। তিনি আমার সাথে কন্নড় ভাষায় কথা বলতে পেরে খুশি হয়েছিলেন এবং আমি যে কিছুটা সংস্কৃত জানি, তাতে তিনি আরও বেশি খুশি হয়েছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৩৫।
*বার্কলি ক্যাম্পাসটি ছিল শিক্ষাগত দিক থেকে অপ্রতিরোধ্য। মঙ্গলবার সন্ধ্যার আলোচনা সভাগুলোতে সামনের সারিতে রসায়নবিদদের এক বিশাল নক্ষত্রমণ্ডলকে সমবেত হতে দেখা যেত, যাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন নোবেল বিজয়ী এবং ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সের সদস্য। এই সভাগুলোতে বক্তৃতা দেওয়াটা ছিল ভয়প্রদ কাজ। তবে শেষমেশ আমি সেগুলো উতরে যেতে পেরেছিলাম।
**পৃষ্ঠা ৩৭।
*যেহেতু কোনো অবলোহিত স্পেকট্রোমিটার ছিল না, তাই শ্রেণি কম্পাঙ্কগুলোকে শ্রেণীবদ্ধ করার উদ্দেশ্যে আমি এখানে-সেখানে নির্দিষ্ট কিছু যৌগের রুটিন অবলোহিত স্পেকট্রা রেকর্ড করার ব্যবস্থা করেছিলাম। এই গবেষণাপত্রগুলোর একটি পরবর্তীকালে সাইটেশন ক্লাসিক হয়ে যায়।
**মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরার পর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সে তার প্রথম দিককার কাজ সম্পর্কে, পৃষ্ঠা ৪০।
=== ''হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট'' (২০১০) ===
<small>{{cite news|url=http://indiatoday.intoday.in/story/How+I+made+it:+CNR+Rao,+Scientist/1/100031.html|title=হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট|date=3 June 2010|accessdate=22 December 2013|publisher=ইন্ডিয়া টুডে}}</small>
*তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়, ইজরায়েল থেকে প্রাপ্ত মিলিয়ন ডলারের ড্যান ডেভিড পুরস্কারের একাংশ দিয়ে আমরা সিএনআর রাও এডুকেশন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছি কারণ, তরুণ প্রজন্ম যদি অল্প বয়সেই বিজ্ঞানের প্রতি আকৃষ্ট না হয়, তবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বর্তমানে আমাদের যেটুকু অগ্রগামিতা রয়েছে, তা আমরা হারিয়ে ফেলব। আমার স্ত্রী ইন্দুুমতী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে এই ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। আমরা ভারতকে বিজ্ঞানের জগতে এক বিশাল শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে দেখতে চাই।
*আইআইএসসির পরিস্থিতি মার্কিন কেন্দ্রগুলোর সমকক্ষ ছিল না কিন্তু অন্ধকারকে অভিশাপ দেওয়ার চেয়ে মোমবাতি জ্বালানোই শ্রেয়।
*আণবিক অরবিটাল সংকেত ব্যবহার করে অতিবেগুনি ও দৃশ্যমান বর্ণালীবীক্ষণ বিষয়ক আমার মনোগ্রাফটি অবশেষে ১৯৬০ সালে বই হিসেবে প্রকাশিত হয়।
*আবেগ, কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠার সাথে আপনার স্বপ্নকে অনুসরণ করুন।
*শেখা কখনো থামাবেন না। আরও জ্ঞান অর্জনের তৃষ্ণা কখনো শেষ হওয়া উচিত নয়।
*সর্বদা নতুন অন্তর্দৃষ্টি অর্জন করুন, সঠিক প্রশ্ন করতে দ্বিধাবোধ করবেন না।
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
if9n407qczcln1g62ru8gzkf3rm1rhm
75412
75411
2026-04-10T15:12:00Z
Nil Nandy
2294
/* হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট (২০১০) */
75412
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
=== ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি'' (১৯৯৯) ===
<small>{{cite book|author=সি. এন. আর. রাও|title=আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-S2Apt2Efq4C|year=1999|publisher=ইউনিভার্সিটিস প্রেস|isbn=978-81-7371-250-0}}</small>
[[File:Iron Pillar, Delhi, May 2008.jpg|thumb|right|দিল্লির মরচেহীন লৌহস্তম্ভ]]
*প্রাচীন গ্রিস ও ভারতের দার্শনিকেরা যিশুখ্রিষ্টের শত শত বছর আগেই [পদার্থ কী দিয়ে গঠিত] এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৭।
*মৌলসমূহের আদি ধারণার একমাত্র যে অংশটি টিকে আছে তা হলো যে মৌলসমূহের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মৌল হলো এমন একটি পদার্থ যাকে সাধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও সরলতর পদার্থে পরিণত করা যায় না এবং যা কেবল এক প্রকারের কণা দ্বারা গঠিত।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মাত্র ১৯১১ সাল থেকে আমরা জানি যে পরমাণুতে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত নিউক্লিয়াস থাকে।
**পৃষ্ঠা ২৯।
*পরমাণুর ধারণা মূলত একটি তত্ত্ব হিসেবে প্রস্তাবিত হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন উপায়ে এদের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছিল, তবুও মানুষ মনে করত না যে এদের সরাসরি দেখা সম্ভব। অতি সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই ছিল। বর্তমানে শক্তিশালী আণুবীক্ষণিক কৌশল প্রয়োগ করে আমরা পরমাণুকে সরাসরি দেখতে সক্ষম।
**পৃষ্ঠা ২২।
*ধাতুর প্রতি মানুষের অনুসন্ধান প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই চলে আসছে। ভারতে কয়েক হাজার বছর ধরে ধাতুর ব্যবহার হয়ে আসছে। ইতিহাসের নির্দিষ্ট কিছু সময়কাল সেই সময়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত বিশেষ কিছু ধাতুর সাথে সম্পর্কিত।
**পৃষ্ঠা ২৮।
*দিল্লির বিখ্যাত লৌহস্তম্ভটি, যা গুপ্ত যুগে (১৫০০ বছরেরও বেশি আগে) নির্মিত হয়েছিল, এক বিস্ময়। এত বছর পরেও এই স্তম্ভটি কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই সোজা দাঁড়িয়ে আছে। এই মরচেহীন লৌহস্তম্ভটি আমাদের পূর্বপুরুষদের মহান উদ্ভাবনী শক্তির প্রতি এক শ্রদ্ধাঞ্জলি।
**পৃষ্ঠা ৩৬।
*পদার্থ তিনটি অবস্থায় থাকতে পারে – গ্যাস, তরল এবং কঠিন। জলও এই তিনটি অবস্থাতেই বিদ্যমান থাকে: গ্যাস (বাষ্প বা জলীয় বাষ্প), তরল (সাধারণ জল) এবং কঠিন (বরফ)। গ্যাস, তরল এবং কঠিন পদার্থের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন ভিন্ন।
**পৃষ্ঠা ৫৬।
*এমনকি ধাতুও বিদ্যুৎ প্রবাহে কিছুটা বাধা সৃষ্টি করে। কিছু উপাদান কোনো বাধা ছাড়াই বিদ্যুৎ পরিবহন করে। এই ধরনের উপাদানকে অতিপরিবাহী বলা হয়।
**পৃষ্ঠা ৫৯।
=== ''ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি'' (২০১০) ===
<small>{{cite book|author1=সি এন আর রাও|author2=অ্যান্টোনিও ভ্যাজকুয়েজ বারকোয়েরো|title=ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-ajEFddmiDUC|year=২০১০|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-4307-86-4}}</small>
*অধ্যাপক ব্রাউন বলতেন, কোনো কাজ যদি করার মতো হয়, তবে তা প্রকাশ করারও যোগ্য। বহু বছর আগে ফ্যারাডেও প্রায় একই কথা বলেছিলেন। বিজ্ঞানে আমরা “কাজ করি, শেষ করি এবং প্রকাশ করি”। এই কথাগুলো আমার সারা পেশাগত জীবন জুড়ে আমাকে পথ দেখিয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৩০।
*বার্কলির ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (ইউসি বার্কলি) বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়, এবং এদের রসায়ন বিভাগ গবেষণার ক্ষেত্রে বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে। এই বিভাগটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জি. এন. লিউইস, যাকে আধুনিক রসায়নের জনক হিসেবে গণ্য করা হয়।
**পৃষ্ঠা ৩২।
*মহীশূরের মহারাজা (তৎকালীন মহীশূরের রাজ্যপাল), আয়াচামরাজেন্দ্র ওয়দেয়ার, একদিনের জন্য বার্কলিতে এসেছিলেন। আমি তাকে চারপাশ ঘুরিয়ে দেখালাম। পাহাড়ের ওপরের বিকিরণ গবেষণাগারের অ্যাক্সিলারেটরগুলো দেখে তিনি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছিলেন। তিনি আমার সাথে কন্নড় ভাষায় কথা বলতে পেরে খুশি হয়েছিলেন এবং আমি যে কিছুটা সংস্কৃত জানি, তাতে তিনি আরও বেশি খুশি হয়েছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৩৫।
*বার্কলি ক্যাম্পাসটি ছিল শিক্ষাগত দিক থেকে অপ্রতিরোধ্য। মঙ্গলবার সন্ধ্যার আলোচনা সভাগুলোতে সামনের সারিতে রসায়নবিদদের এক বিশাল নক্ষত্রমণ্ডলকে সমবেত হতে দেখা যেত, যাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন নোবেল বিজয়ী এবং ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সের সদস্য। এই সভাগুলোতে বক্তৃতা দেওয়াটা ছিল ভয়প্রদ কাজ। তবে শেষমেশ আমি সেগুলো উতরে যেতে পেরেছিলাম।
**পৃষ্ঠা ৩৭।
*যেহেতু কোনো অবলোহিত স্পেকট্রোমিটার ছিল না, তাই শ্রেণি কম্পাঙ্কগুলোকে শ্রেণীবদ্ধ করার উদ্দেশ্যে আমি এখানে-সেখানে নির্দিষ্ট কিছু যৌগের রুটিন অবলোহিত স্পেকট্রা রেকর্ড করার ব্যবস্থা করেছিলাম। এই গবেষণাপত্রগুলোর একটি পরবর্তীকালে সাইটেশন ক্লাসিক হয়ে যায়।
**মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরার পর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সে তার প্রথম দিককার কাজ সম্পর্কে, পৃষ্ঠা ৪০।
=== ''হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট'' (২০১০) ===
<small>{{cite news|url=http://indiatoday.intoday.in/story/How+I+made+it:+CNR+Rao,+Scientist/1/100031.html|title=হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট|date=3 June 2010|accessdate=22 December 2013|publisher=ইন্ডিয়া টুডে}}</small>
*তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়, ইজরায়েল থেকে প্রাপ্ত মিলিয়ন ডলারের ড্যান ডেভিড পুরস্কারের একাংশ দিয়ে আমরা সিএনআর রাও এডুকেশন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছি কারণ, তরুণ প্রজন্ম যদি অল্প বয়সেই বিজ্ঞানের প্রতি আকৃষ্ট না হয়, তবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বর্তমানে আমাদের যেটুকু অগ্রগামিতা রয়েছে, তা আমরা হারিয়ে ফেলব। আমার স্ত্রী ইন্দুুমতী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে এই ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। আমরা ভারতকে বিজ্ঞানের জগতে এক বিশাল শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে দেখতে চাই।
*আইআইএসসির পরিস্থিতি মার্কিন কেন্দ্রগুলোর সমকক্ষ ছিল না কিন্তু অন্ধকারকে অভিশাপ দেওয়ার চেয়ে মোমবাতি জ্বালানোই শ্রেয়।
*আণবিক অরবিটাল সংকেত ব্যবহার করে অতিবেগুনি ও দৃশ্যমান বর্ণালীবীক্ষণ বিষয়ক আমার মনোগ্রাফটি অবশেষে ১৯৬০ সালে বই হিসেবে প্রকাশিত হয়।
*আবেগ, কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠার সাথে আপনার স্বপ্নকে অনুসরণ করুন।
*শেখা কখনো থামাবেন না। আরও জ্ঞান অর্জনের তৃষ্ণা কখনো শেষ হওয়া উচিত নয়।
*সর্বদা নতুন অন্তর্দৃষ্টি অর্জন করুন, সঠিক প্রশ্ন করতে দ্বিধাবোধ করবেন না।
*নেতাদের নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করুন, তাদের নেতৃত্বদানের ধরন থেকে যতটা সম্ভব শিখুন।
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
47hatxil6jkgub3cutxra4paqxlsgrf
75415
75412
2026-04-10T15:14:24Z
Nil Nandy
2294
/* হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট (২০১০) */
75415
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
=== ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি'' (১৯৯৯) ===
<small>{{cite book|author=সি. এন. আর. রাও|title=আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-S2Apt2Efq4C|year=1999|publisher=ইউনিভার্সিটিস প্রেস|isbn=978-81-7371-250-0}}</small>
[[File:Iron Pillar, Delhi, May 2008.jpg|thumb|right|দিল্লির মরচেহীন লৌহস্তম্ভ]]
*প্রাচীন গ্রিস ও ভারতের দার্শনিকেরা যিশুখ্রিষ্টের শত শত বছর আগেই [পদার্থ কী দিয়ে গঠিত] এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৭।
*মৌলসমূহের আদি ধারণার একমাত্র যে অংশটি টিকে আছে তা হলো যে মৌলসমূহের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মৌল হলো এমন একটি পদার্থ যাকে সাধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও সরলতর পদার্থে পরিণত করা যায় না এবং যা কেবল এক প্রকারের কণা দ্বারা গঠিত।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মাত্র ১৯১১ সাল থেকে আমরা জানি যে পরমাণুতে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত নিউক্লিয়াস থাকে।
**পৃষ্ঠা ২৯।
*পরমাণুর ধারণা মূলত একটি তত্ত্ব হিসেবে প্রস্তাবিত হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন উপায়ে এদের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছিল, তবুও মানুষ মনে করত না যে এদের সরাসরি দেখা সম্ভব। অতি সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই ছিল। বর্তমানে শক্তিশালী আণুবীক্ষণিক কৌশল প্রয়োগ করে আমরা পরমাণুকে সরাসরি দেখতে সক্ষম।
**পৃষ্ঠা ২২।
*ধাতুর প্রতি মানুষের অনুসন্ধান প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই চলে আসছে। ভারতে কয়েক হাজার বছর ধরে ধাতুর ব্যবহার হয়ে আসছে। ইতিহাসের নির্দিষ্ট কিছু সময়কাল সেই সময়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত বিশেষ কিছু ধাতুর সাথে সম্পর্কিত।
**পৃষ্ঠা ২৮।
*দিল্লির বিখ্যাত লৌহস্তম্ভটি, যা গুপ্ত যুগে (১৫০০ বছরেরও বেশি আগে) নির্মিত হয়েছিল, এক বিস্ময়। এত বছর পরেও এই স্তম্ভটি কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই সোজা দাঁড়িয়ে আছে। এই মরচেহীন লৌহস্তম্ভটি আমাদের পূর্বপুরুষদের মহান উদ্ভাবনী শক্তির প্রতি এক শ্রদ্ধাঞ্জলি।
**পৃষ্ঠা ৩৬।
*পদার্থ তিনটি অবস্থায় থাকতে পারে – গ্যাস, তরল এবং কঠিন। জলও এই তিনটি অবস্থাতেই বিদ্যমান থাকে: গ্যাস (বাষ্প বা জলীয় বাষ্প), তরল (সাধারণ জল) এবং কঠিন (বরফ)। গ্যাস, তরল এবং কঠিন পদার্থের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন ভিন্ন।
**পৃষ্ঠা ৫৬।
*এমনকি ধাতুও বিদ্যুৎ প্রবাহে কিছুটা বাধা সৃষ্টি করে। কিছু উপাদান কোনো বাধা ছাড়াই বিদ্যুৎ পরিবহন করে। এই ধরনের উপাদানকে অতিপরিবাহী বলা হয়।
**পৃষ্ঠা ৫৯।
=== ''ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি'' (২০১০) ===
<small>{{cite book|author1=সি এন আর রাও|author2=অ্যান্টোনিও ভ্যাজকুয়েজ বারকোয়েরো|title=ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-ajEFddmiDUC|year=২০১০|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-4307-86-4}}</small>
*অধ্যাপক ব্রাউন বলতেন, কোনো কাজ যদি করার মতো হয়, তবে তা প্রকাশ করারও যোগ্য। বহু বছর আগে ফ্যারাডেও প্রায় একই কথা বলেছিলেন। বিজ্ঞানে আমরা “কাজ করি, শেষ করি এবং প্রকাশ করি”। এই কথাগুলো আমার সারা পেশাগত জীবন জুড়ে আমাকে পথ দেখিয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৩০।
*বার্কলির ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (ইউসি বার্কলি) বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়, এবং এদের রসায়ন বিভাগ গবেষণার ক্ষেত্রে বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে। এই বিভাগটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জি. এন. লিউইস, যাকে আধুনিক রসায়নের জনক হিসেবে গণ্য করা হয়।
**পৃষ্ঠা ৩২।
*মহীশূরের মহারাজা (তৎকালীন মহীশূরের রাজ্যপাল), আয়াচামরাজেন্দ্র ওয়দেয়ার, একদিনের জন্য বার্কলিতে এসেছিলেন। আমি তাকে চারপাশ ঘুরিয়ে দেখালাম। পাহাড়ের ওপরের বিকিরণ গবেষণাগারের অ্যাক্সিলারেটরগুলো দেখে তিনি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছিলেন। তিনি আমার সাথে কন্নড় ভাষায় কথা বলতে পেরে খুশি হয়েছিলেন এবং আমি যে কিছুটা সংস্কৃত জানি, তাতে তিনি আরও বেশি খুশি হয়েছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৩৫।
*বার্কলি ক্যাম্পাসটি ছিল শিক্ষাগত দিক থেকে অপ্রতিরোধ্য। মঙ্গলবার সন্ধ্যার আলোচনা সভাগুলোতে সামনের সারিতে রসায়নবিদদের এক বিশাল নক্ষত্রমণ্ডলকে সমবেত হতে দেখা যেত, যাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন নোবেল বিজয়ী এবং ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সের সদস্য। এই সভাগুলোতে বক্তৃতা দেওয়াটা ছিল ভয়প্রদ কাজ। তবে শেষমেশ আমি সেগুলো উতরে যেতে পেরেছিলাম।
**পৃষ্ঠা ৩৭।
*যেহেতু কোনো অবলোহিত স্পেকট্রোমিটার ছিল না, তাই শ্রেণি কম্পাঙ্কগুলোকে শ্রেণীবদ্ধ করার উদ্দেশ্যে আমি এখানে-সেখানে নির্দিষ্ট কিছু যৌগের রুটিন অবলোহিত স্পেকট্রা রেকর্ড করার ব্যবস্থা করেছিলাম। এই গবেষণাপত্রগুলোর একটি পরবর্তীকালে সাইটেশন ক্লাসিক হয়ে যায়।
**মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরার পর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সে তার প্রথম দিককার কাজ সম্পর্কে, পৃষ্ঠা ৪০।
=== ''হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট'' (২০১০) ===
<small>{{cite news|url=http://indiatoday.intoday.in/story/How+I+made+it:+CNR+Rao,+Scientist/1/100031.html|title=হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট|date=3 June 2010|accessdate=22 December 2013|publisher=ইন্ডিয়া টুডে}}</small>
*তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়, ইজরায়েল থেকে প্রাপ্ত মিলিয়ন ডলারের ড্যান ডেভিড পুরস্কারের একাংশ দিয়ে আমরা সিএনআর রাও এডুকেশন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছি কারণ, তরুণ প্রজন্ম যদি অল্প বয়সেই বিজ্ঞানের প্রতি আকৃষ্ট না হয়, তবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বর্তমানে আমাদের যেটুকু অগ্রগামিতা রয়েছে, তা আমরা হারিয়ে ফেলব। আমার স্ত্রী ইন্দুুমতী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে এই ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। আমরা ভারতকে বিজ্ঞানের জগতে এক বিশাল শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে দেখতে চাই।
*আইআইএসসির পরিস্থিতি মার্কিন কেন্দ্রগুলোর সমকক্ষ ছিল না কিন্তু অন্ধকারকে অভিশাপ দেওয়ার চেয়ে মোমবাতি জ্বালানোই শ্রেয়।
*আণবিক অরবিটাল সংকেত ব্যবহার করে অতিবেগুনি ও দৃশ্যমান বর্ণালীবীক্ষণ বিষয়ক আমার মনোগ্রাফটি অবশেষে ১৯৬০ সালে বই হিসেবে প্রকাশিত হয়।
*আবেগ, কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠার সাথে আপনার স্বপ্নকে অনুসরণ করুন।
*শেখা কখনো থামাবেন না। আরও জ্ঞান অর্জনের তৃষ্ণা কখনো শেষ হওয়া উচিত নয়।
*সর্বদা নতুন অন্তর্দৃষ্টি অর্জন করুন, সঠিক প্রশ্ন করতে দ্বিধাবোধ করবেন না।
*নেতাদের নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করুন, তাদের নেতৃত্বদানের ধরন থেকে যতটা সম্ভব শিখুন।
*শক্তিশালী ভিত্তি গড়ুন। শ্রেষ্ঠত্বের শিখরে পৌঁছানোর যাত্রাপথে শক্তিশালী ভিত্তি প্রয়োজন হয়।
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
t3xpj7sv6t076313kn5z93hjmrmoc94
75417
75415
2026-04-10T15:16:12Z
Nil Nandy
2294
/* হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট (২০১০) */
75417
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
=== ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি'' (১৯৯৯) ===
<small>{{cite book|author=সি. এন. আর. রাও|title=আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-S2Apt2Efq4C|year=1999|publisher=ইউনিভার্সিটিস প্রেস|isbn=978-81-7371-250-0}}</small>
[[File:Iron Pillar, Delhi, May 2008.jpg|thumb|right|দিল্লির মরচেহীন লৌহস্তম্ভ]]
*প্রাচীন গ্রিস ও ভারতের দার্শনিকেরা যিশুখ্রিষ্টের শত শত বছর আগেই [পদার্থ কী দিয়ে গঠিত] এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৭।
*মৌলসমূহের আদি ধারণার একমাত্র যে অংশটি টিকে আছে তা হলো যে মৌলসমূহের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মৌল হলো এমন একটি পদার্থ যাকে সাধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও সরলতর পদার্থে পরিণত করা যায় না এবং যা কেবল এক প্রকারের কণা দ্বারা গঠিত।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মাত্র ১৯১১ সাল থেকে আমরা জানি যে পরমাণুতে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত নিউক্লিয়াস থাকে।
**পৃষ্ঠা ২৯।
*পরমাণুর ধারণা মূলত একটি তত্ত্ব হিসেবে প্রস্তাবিত হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন উপায়ে এদের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছিল, তবুও মানুষ মনে করত না যে এদের সরাসরি দেখা সম্ভব। অতি সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই ছিল। বর্তমানে শক্তিশালী আণুবীক্ষণিক কৌশল প্রয়োগ করে আমরা পরমাণুকে সরাসরি দেখতে সক্ষম।
**পৃষ্ঠা ২২।
*ধাতুর প্রতি মানুষের অনুসন্ধান প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই চলে আসছে। ভারতে কয়েক হাজার বছর ধরে ধাতুর ব্যবহার হয়ে আসছে। ইতিহাসের নির্দিষ্ট কিছু সময়কাল সেই সময়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত বিশেষ কিছু ধাতুর সাথে সম্পর্কিত।
**পৃষ্ঠা ২৮।
*দিল্লির বিখ্যাত লৌহস্তম্ভটি, যা গুপ্ত যুগে (১৫০০ বছরেরও বেশি আগে) নির্মিত হয়েছিল, এক বিস্ময়। এত বছর পরেও এই স্তম্ভটি কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই সোজা দাঁড়িয়ে আছে। এই মরচেহীন লৌহস্তম্ভটি আমাদের পূর্বপুরুষদের মহান উদ্ভাবনী শক্তির প্রতি এক শ্রদ্ধাঞ্জলি।
**পৃষ্ঠা ৩৬।
*পদার্থ তিনটি অবস্থায় থাকতে পারে – গ্যাস, তরল এবং কঠিন। জলও এই তিনটি অবস্থাতেই বিদ্যমান থাকে: গ্যাস (বাষ্প বা জলীয় বাষ্প), তরল (সাধারণ জল) এবং কঠিন (বরফ)। গ্যাস, তরল এবং কঠিন পদার্থের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন ভিন্ন।
**পৃষ্ঠা ৫৬।
*এমনকি ধাতুও বিদ্যুৎ প্রবাহে কিছুটা বাধা সৃষ্টি করে। কিছু উপাদান কোনো বাধা ছাড়াই বিদ্যুৎ পরিবহন করে। এই ধরনের উপাদানকে অতিপরিবাহী বলা হয়।
**পৃষ্ঠা ৫৯।
=== ''ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি'' (২০১০) ===
<small>{{cite book|author1=সি এন আর রাও|author2=অ্যান্টোনিও ভ্যাজকুয়েজ বারকোয়েরো|title=ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-ajEFddmiDUC|year=২০১০|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-4307-86-4}}</small>
*অধ্যাপক ব্রাউন বলতেন, কোনো কাজ যদি করার মতো হয়, তবে তা প্রকাশ করারও যোগ্য। বহু বছর আগে ফ্যারাডেও প্রায় একই কথা বলেছিলেন। বিজ্ঞানে আমরা “কাজ করি, শেষ করি এবং প্রকাশ করি”। এই কথাগুলো আমার সারা পেশাগত জীবন জুড়ে আমাকে পথ দেখিয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৩০।
*বার্কলির ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (ইউসি বার্কলি) বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়, এবং এদের রসায়ন বিভাগ গবেষণার ক্ষেত্রে বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে। এই বিভাগটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জি. এন. লিউইস, যাকে আধুনিক রসায়নের জনক হিসেবে গণ্য করা হয়।
**পৃষ্ঠা ৩২।
*মহীশূরের মহারাজা (তৎকালীন মহীশূরের রাজ্যপাল), আয়াচামরাজেন্দ্র ওয়দেয়ার, একদিনের জন্য বার্কলিতে এসেছিলেন। আমি তাকে চারপাশ ঘুরিয়ে দেখালাম। পাহাড়ের ওপরের বিকিরণ গবেষণাগারের অ্যাক্সিলারেটরগুলো দেখে তিনি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছিলেন। তিনি আমার সাথে কন্নড় ভাষায় কথা বলতে পেরে খুশি হয়েছিলেন এবং আমি যে কিছুটা সংস্কৃত জানি, তাতে তিনি আরও বেশি খুশি হয়েছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৩৫।
*বার্কলি ক্যাম্পাসটি ছিল শিক্ষাগত দিক থেকে অপ্রতিরোধ্য। মঙ্গলবার সন্ধ্যার আলোচনা সভাগুলোতে সামনের সারিতে রসায়নবিদদের এক বিশাল নক্ষত্রমণ্ডলকে সমবেত হতে দেখা যেত, যাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন নোবেল বিজয়ী এবং ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সের সদস্য। এই সভাগুলোতে বক্তৃতা দেওয়াটা ছিল ভয়প্রদ কাজ। তবে শেষমেশ আমি সেগুলো উতরে যেতে পেরেছিলাম।
**পৃষ্ঠা ৩৭।
*যেহেতু কোনো অবলোহিত স্পেকট্রোমিটার ছিল না, তাই শ্রেণি কম্পাঙ্কগুলোকে শ্রেণীবদ্ধ করার উদ্দেশ্যে আমি এখানে-সেখানে নির্দিষ্ট কিছু যৌগের রুটিন অবলোহিত স্পেকট্রা রেকর্ড করার ব্যবস্থা করেছিলাম। এই গবেষণাপত্রগুলোর একটি পরবর্তীকালে সাইটেশন ক্লাসিক হয়ে যায়।
**মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরার পর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সে তার প্রথম দিককার কাজ সম্পর্কে, পৃষ্ঠা ৪০।
=== ''হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট'' (২০১০) ===
<small>{{cite news|url=http://indiatoday.intoday.in/story/How+I+made+it:+CNR+Rao,+Scientist/1/100031.html|title=হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট|date=3 June 2010|accessdate=22 December 2013|publisher=ইন্ডিয়া টুডে}}</small>
*তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়, ইজরায়েল থেকে প্রাপ্ত মিলিয়ন ডলারের ড্যান ডেভিড পুরস্কারের একাংশ দিয়ে আমরা সিএনআর রাও এডুকেশন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছি কারণ, তরুণ প্রজন্ম যদি অল্প বয়সেই বিজ্ঞানের প্রতি আকৃষ্ট না হয়, তবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বর্তমানে আমাদের যেটুকু অগ্রগামিতা রয়েছে, তা আমরা হারিয়ে ফেলব। আমার স্ত্রী ইন্দুুমতী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে এই ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। আমরা ভারতকে বিজ্ঞানের জগতে এক বিশাল শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে দেখতে চাই।
*আইআইএসসির পরিস্থিতি মার্কিন কেন্দ্রগুলোর সমকক্ষ ছিল না কিন্তু অন্ধকারকে অভিশাপ দেওয়ার চেয়ে মোমবাতি জ্বালানোই শ্রেয়।
*আণবিক অরবিটাল সংকেত ব্যবহার করে অতিবেগুনি ও দৃশ্যমান বর্ণালীবীক্ষণ বিষয়ক আমার মনোগ্রাফটি অবশেষে ১৯৬০ সালে বই হিসেবে প্রকাশিত হয়।
*আবেগ, কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠার সাথে আপনার স্বপ্নকে অনুসরণ করুন।
*শেখা কখনো থামাবেন না। আরও জ্ঞান অর্জনের তৃষ্ণা কখনো শেষ হওয়া উচিত নয়।
*সর্বদা নতুন অন্তর্দৃষ্টি অর্জন করুন, সঠিক প্রশ্ন করতে দ্বিধাবোধ করবেন না।
*নেতাদের নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করুন, তাদের নেতৃত্বদানের ধরন থেকে যতটা সম্ভব শিখুন।
*শক্তিশালী ভিত্তি গড়ুন। শ্রেষ্ঠত্বের শিখরে পৌঁছানোর যাত্রাপথে শক্তিশালী ভিত্তি প্রয়োজন হয়।
*পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখুন। আপনার পরিবার ও আপনার পছন্দের বিষয়গুলোর জন্য সময় খুঁজে বের করুন।
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
7q63nib0z79t6h7mmn4c3wih98igs86
75488
75417
2026-04-11T01:08:33Z
Nil Nandy
2294
/* সায়েন্টিস্ট ওয়ন্ডার্স হোয়াই নোবডি আস্কস হিম অ্যাবাউট ড্যান ডেভিড প্রাইজ (২০১৩) */
75488
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
=== ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি'' (১৯৯৯) ===
<small>{{cite book|author=সি. এন. আর. রাও|title=আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-S2Apt2Efq4C|year=1999|publisher=ইউনিভার্সিটিস প্রেস|isbn=978-81-7371-250-0}}</small>
[[File:Iron Pillar, Delhi, May 2008.jpg|thumb|right|দিল্লির মরচেহীন লৌহস্তম্ভ]]
*প্রাচীন গ্রিস ও ভারতের দার্শনিকেরা যিশুখ্রিষ্টের শত শত বছর আগেই [পদার্থ কী দিয়ে গঠিত] এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৭।
*মৌলসমূহের আদি ধারণার একমাত্র যে অংশটি টিকে আছে তা হলো যে মৌলসমূহের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মৌল হলো এমন একটি পদার্থ যাকে সাধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও সরলতর পদার্থে পরিণত করা যায় না এবং যা কেবল এক প্রকারের কণা দ্বারা গঠিত।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মাত্র ১৯১১ সাল থেকে আমরা জানি যে পরমাণুতে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত নিউক্লিয়াস থাকে।
**পৃষ্ঠা ২৯।
*পরমাণুর ধারণা মূলত একটি তত্ত্ব হিসেবে প্রস্তাবিত হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন উপায়ে এদের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছিল, তবুও মানুষ মনে করত না যে এদের সরাসরি দেখা সম্ভব। অতি সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই ছিল। বর্তমানে শক্তিশালী আণুবীক্ষণিক কৌশল প্রয়োগ করে আমরা পরমাণুকে সরাসরি দেখতে সক্ষম।
**পৃষ্ঠা ২২।
*ধাতুর প্রতি মানুষের অনুসন্ধান প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই চলে আসছে। ভারতে কয়েক হাজার বছর ধরে ধাতুর ব্যবহার হয়ে আসছে। ইতিহাসের নির্দিষ্ট কিছু সময়কাল সেই সময়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত বিশেষ কিছু ধাতুর সাথে সম্পর্কিত।
**পৃষ্ঠা ২৮।
*দিল্লির বিখ্যাত লৌহস্তম্ভটি, যা গুপ্ত যুগে (১৫০০ বছরেরও বেশি আগে) নির্মিত হয়েছিল, এক বিস্ময়। এত বছর পরেও এই স্তম্ভটি কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই সোজা দাঁড়িয়ে আছে। এই মরচেহীন লৌহস্তম্ভটি আমাদের পূর্বপুরুষদের মহান উদ্ভাবনী শক্তির প্রতি এক শ্রদ্ধাঞ্জলি।
**পৃষ্ঠা ৩৬।
*পদার্থ তিনটি অবস্থায় থাকতে পারে – গ্যাস, তরল এবং কঠিন। জলও এই তিনটি অবস্থাতেই বিদ্যমান থাকে: গ্যাস (বাষ্প বা জলীয় বাষ্প), তরল (সাধারণ জল) এবং কঠিন (বরফ)। গ্যাস, তরল এবং কঠিন পদার্থের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন ভিন্ন।
**পৃষ্ঠা ৫৬।
*এমনকি ধাতুও বিদ্যুৎ প্রবাহে কিছুটা বাধা সৃষ্টি করে। কিছু উপাদান কোনো বাধা ছাড়াই বিদ্যুৎ পরিবহন করে। এই ধরনের উপাদানকে অতিপরিবাহী বলা হয়।
**পৃষ্ঠা ৫৯।
=== ''ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি'' (২০১০) ===
<small>{{cite book|author1=সি এন আর রাও|author2=অ্যান্টোনিও ভ্যাজকুয়েজ বারকোয়েরো|title=ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-ajEFddmiDUC|year=২০১০|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-4307-86-4}}</small>
*অধ্যাপক ব্রাউন বলতেন, কোনো কাজ যদি করার মতো হয়, তবে তা প্রকাশ করারও যোগ্য। বহু বছর আগে ফ্যারাডেও প্রায় একই কথা বলেছিলেন। বিজ্ঞানে আমরা “কাজ করি, শেষ করি এবং প্রকাশ করি”। এই কথাগুলো আমার সারা পেশাগত জীবন জুড়ে আমাকে পথ দেখিয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৩০।
*বার্কলির ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (ইউসি বার্কলি) বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়, এবং এদের রসায়ন বিভাগ গবেষণার ক্ষেত্রে বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে। এই বিভাগটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জি. এন. লিউইস, যাকে আধুনিক রসায়নের জনক হিসেবে গণ্য করা হয়।
**পৃষ্ঠা ৩২।
*মহীশূরের মহারাজা (তৎকালীন মহীশূরের রাজ্যপাল), আয়াচামরাজেন্দ্র ওয়দেয়ার, একদিনের জন্য বার্কলিতে এসেছিলেন। আমি তাকে চারপাশ ঘুরিয়ে দেখালাম। পাহাড়ের ওপরের বিকিরণ গবেষণাগারের অ্যাক্সিলারেটরগুলো দেখে তিনি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছিলেন। তিনি আমার সাথে কন্নড় ভাষায় কথা বলতে পেরে খুশি হয়েছিলেন এবং আমি যে কিছুটা সংস্কৃত জানি, তাতে তিনি আরও বেশি খুশি হয়েছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৩৫।
*বার্কলি ক্যাম্পাসটি ছিল শিক্ষাগত দিক থেকে অপ্রতিরোধ্য। মঙ্গলবার সন্ধ্যার আলোচনা সভাগুলোতে সামনের সারিতে রসায়নবিদদের এক বিশাল নক্ষত্রমণ্ডলকে সমবেত হতে দেখা যেত, যাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন নোবেল বিজয়ী এবং ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সের সদস্য। এই সভাগুলোতে বক্তৃতা দেওয়াটা ছিল ভয়প্রদ কাজ। তবে শেষমেশ আমি সেগুলো উতরে যেতে পেরেছিলাম।
**পৃষ্ঠা ৩৭।
*যেহেতু কোনো অবলোহিত স্পেকট্রোমিটার ছিল না, তাই শ্রেণি কম্পাঙ্কগুলোকে শ্রেণীবদ্ধ করার উদ্দেশ্যে আমি এখানে-সেখানে নির্দিষ্ট কিছু যৌগের রুটিন অবলোহিত স্পেকট্রা রেকর্ড করার ব্যবস্থা করেছিলাম। এই গবেষণাপত্রগুলোর একটি পরবর্তীকালে সাইটেশন ক্লাসিক হয়ে যায়।
**মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরার পর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সে তার প্রথম দিককার কাজ সম্পর্কে, পৃষ্ঠা ৪০।
=== ''হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট'' (২০১০) ===
<small>{{cite news|url=http://indiatoday.intoday.in/story/How+I+made+it:+CNR+Rao,+Scientist/1/100031.html|title=হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট|date=3 June 2010|accessdate=22 December 2013|publisher=ইন্ডিয়া টুডে}}</small>
*তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়, ইজরায়েল থেকে প্রাপ্ত মিলিয়ন ডলারের ড্যান ডেভিড পুরস্কারের একাংশ দিয়ে আমরা সিএনআর রাও এডুকেশন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছি কারণ, তরুণ প্রজন্ম যদি অল্প বয়সেই বিজ্ঞানের প্রতি আকৃষ্ট না হয়, তবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বর্তমানে আমাদের যেটুকু অগ্রগামিতা রয়েছে, তা আমরা হারিয়ে ফেলব। আমার স্ত্রী ইন্দুুমতী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে এই ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। আমরা ভারতকে বিজ্ঞানের জগতে এক বিশাল শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে দেখতে চাই।
*আইআইএসসির পরিস্থিতি মার্কিন কেন্দ্রগুলোর সমকক্ষ ছিল না কিন্তু অন্ধকারকে অভিশাপ দেওয়ার চেয়ে মোমবাতি জ্বালানোই শ্রেয়।
*আণবিক অরবিটাল সংকেত ব্যবহার করে অতিবেগুনি ও দৃশ্যমান বর্ণালীবীক্ষণ বিষয়ক আমার মনোগ্রাফটি অবশেষে ১৯৬০ সালে বই হিসেবে প্রকাশিত হয়।
*আবেগ, কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠার সাথে আপনার স্বপ্নকে অনুসরণ করুন।
*শেখা কখনো থামাবেন না। আরও জ্ঞান অর্জনের তৃষ্ণা কখনো শেষ হওয়া উচিত নয়।
*সর্বদা নতুন অন্তর্দৃষ্টি অর্জন করুন, সঠিক প্রশ্ন করতে দ্বিধাবোধ করবেন না।
*নেতাদের নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করুন, তাদের নেতৃত্বদানের ধরন থেকে যতটা সম্ভব শিখুন।
*শক্তিশালী ভিত্তি গড়ুন। শ্রেষ্ঠত্বের শিখরে পৌঁছানোর যাত্রাপথে শক্তিশালী ভিত্তি প্রয়োজন হয়।
*পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখুন। আপনার পরিবার ও আপনার পছন্দের বিষয়গুলোর জন্য সময় খুঁজে বের করুন।
=== ''সায়েন্টিস্ট ওয়ন্ডার্স হোয়াই নোবডি আস্কস হিম অ্যাবাউট ড্যান ডেভিড প্রাইজ'' (২০১৩) ===
<small>{{cite news|url=http://www.deccanherald.com/content/369562/scientist-wonders-why-nobody-asks.html|title=সায়েন্টিস্ট ওয়ন্ডার্স হোয়াই নোবডি আস্কস হিম অ্যাবাউট ড্যান ডেভিড প্রাইজ|date= 17 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=ডেকান হেরাল্ড}}</small>
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
os3o8wlbuvgojybj21sa14y4p34dsf0
75489
75488
2026-04-11T01:14:24Z
Nil Nandy
2294
/* সায়েন্টিস্ট ওয়ন্ডার্স হোয়াই নোবডি আস্কস হিম অ্যাবাউট ড্যান ডেভিড প্রাইজ (২০১৩) */
75489
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
=== ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি'' (১৯৯৯) ===
<small>{{cite book|author=সি. এন. আর. রাও|title=আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-S2Apt2Efq4C|year=1999|publisher=ইউনিভার্সিটিস প্রেস|isbn=978-81-7371-250-0}}</small>
[[File:Iron Pillar, Delhi, May 2008.jpg|thumb|right|দিল্লির মরচেহীন লৌহস্তম্ভ]]
*প্রাচীন গ্রিস ও ভারতের দার্শনিকেরা যিশুখ্রিষ্টের শত শত বছর আগেই [পদার্থ কী দিয়ে গঠিত] এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৭।
*মৌলসমূহের আদি ধারণার একমাত্র যে অংশটি টিকে আছে তা হলো যে মৌলসমূহের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মৌল হলো এমন একটি পদার্থ যাকে সাধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও সরলতর পদার্থে পরিণত করা যায় না এবং যা কেবল এক প্রকারের কণা দ্বারা গঠিত।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মাত্র ১৯১১ সাল থেকে আমরা জানি যে পরমাণুতে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত নিউক্লিয়াস থাকে।
**পৃষ্ঠা ২৯।
*পরমাণুর ধারণা মূলত একটি তত্ত্ব হিসেবে প্রস্তাবিত হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন উপায়ে এদের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছিল, তবুও মানুষ মনে করত না যে এদের সরাসরি দেখা সম্ভব। অতি সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই ছিল। বর্তমানে শক্তিশালী আণুবীক্ষণিক কৌশল প্রয়োগ করে আমরা পরমাণুকে সরাসরি দেখতে সক্ষম।
**পৃষ্ঠা ২২।
*ধাতুর প্রতি মানুষের অনুসন্ধান প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই চলে আসছে। ভারতে কয়েক হাজার বছর ধরে ধাতুর ব্যবহার হয়ে আসছে। ইতিহাসের নির্দিষ্ট কিছু সময়কাল সেই সময়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত বিশেষ কিছু ধাতুর সাথে সম্পর্কিত।
**পৃষ্ঠা ২৮।
*দিল্লির বিখ্যাত লৌহস্তম্ভটি, যা গুপ্ত যুগে (১৫০০ বছরেরও বেশি আগে) নির্মিত হয়েছিল, এক বিস্ময়। এত বছর পরেও এই স্তম্ভটি কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই সোজা দাঁড়িয়ে আছে। এই মরচেহীন লৌহস্তম্ভটি আমাদের পূর্বপুরুষদের মহান উদ্ভাবনী শক্তির প্রতি এক শ্রদ্ধাঞ্জলি।
**পৃষ্ঠা ৩৬।
*পদার্থ তিনটি অবস্থায় থাকতে পারে – গ্যাস, তরল এবং কঠিন। জলও এই তিনটি অবস্থাতেই বিদ্যমান থাকে: গ্যাস (বাষ্প বা জলীয় বাষ্প), তরল (সাধারণ জল) এবং কঠিন (বরফ)। গ্যাস, তরল এবং কঠিন পদার্থের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন ভিন্ন।
**পৃষ্ঠা ৫৬।
*এমনকি ধাতুও বিদ্যুৎ প্রবাহে কিছুটা বাধা সৃষ্টি করে। কিছু উপাদান কোনো বাধা ছাড়াই বিদ্যুৎ পরিবহন করে। এই ধরনের উপাদানকে অতিপরিবাহী বলা হয়।
**পৃষ্ঠা ৫৯।
=== ''ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি'' (২০১০) ===
<small>{{cite book|author1=সি এন আর রাও|author2=অ্যান্টোনিও ভ্যাজকুয়েজ বারকোয়েরো|title=ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-ajEFddmiDUC|year=২০১০|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-4307-86-4}}</small>
*অধ্যাপক ব্রাউন বলতেন, কোনো কাজ যদি করার মতো হয়, তবে তা প্রকাশ করারও যোগ্য। বহু বছর আগে ফ্যারাডেও প্রায় একই কথা বলেছিলেন। বিজ্ঞানে আমরা “কাজ করি, শেষ করি এবং প্রকাশ করি”। এই কথাগুলো আমার সারা পেশাগত জীবন জুড়ে আমাকে পথ দেখিয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৩০।
*বার্কলির ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (ইউসি বার্কলি) বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়, এবং এদের রসায়ন বিভাগ গবেষণার ক্ষেত্রে বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে। এই বিভাগটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জি. এন. লিউইস, যাকে আধুনিক রসায়নের জনক হিসেবে গণ্য করা হয়।
**পৃষ্ঠা ৩২।
*মহীশূরের মহারাজা (তৎকালীন মহীশূরের রাজ্যপাল), আয়াচামরাজেন্দ্র ওয়দেয়ার, একদিনের জন্য বার্কলিতে এসেছিলেন। আমি তাকে চারপাশ ঘুরিয়ে দেখালাম। পাহাড়ের ওপরের বিকিরণ গবেষণাগারের অ্যাক্সিলারেটরগুলো দেখে তিনি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছিলেন। তিনি আমার সাথে কন্নড় ভাষায় কথা বলতে পেরে খুশি হয়েছিলেন এবং আমি যে কিছুটা সংস্কৃত জানি, তাতে তিনি আরও বেশি খুশি হয়েছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৩৫।
*বার্কলি ক্যাম্পাসটি ছিল শিক্ষাগত দিক থেকে অপ্রতিরোধ্য। মঙ্গলবার সন্ধ্যার আলোচনা সভাগুলোতে সামনের সারিতে রসায়নবিদদের এক বিশাল নক্ষত্রমণ্ডলকে সমবেত হতে দেখা যেত, যাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন নোবেল বিজয়ী এবং ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সের সদস্য। এই সভাগুলোতে বক্তৃতা দেওয়াটা ছিল ভয়প্রদ কাজ। তবে শেষমেশ আমি সেগুলো উতরে যেতে পেরেছিলাম।
**পৃষ্ঠা ৩৭।
*যেহেতু কোনো অবলোহিত স্পেকট্রোমিটার ছিল না, তাই শ্রেণি কম্পাঙ্কগুলোকে শ্রেণীবদ্ধ করার উদ্দেশ্যে আমি এখানে-সেখানে নির্দিষ্ট কিছু যৌগের রুটিন অবলোহিত স্পেকট্রা রেকর্ড করার ব্যবস্থা করেছিলাম। এই গবেষণাপত্রগুলোর একটি পরবর্তীকালে সাইটেশন ক্লাসিক হয়ে যায়।
**মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরার পর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সে তার প্রথম দিককার কাজ সম্পর্কে, পৃষ্ঠা ৪০।
=== ''হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট'' (২০১০) ===
<small>{{cite news|url=http://indiatoday.intoday.in/story/How+I+made+it:+CNR+Rao,+Scientist/1/100031.html|title=হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট|date=3 June 2010|accessdate=22 December 2013|publisher=ইন্ডিয়া টুডে}}</small>
*তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়, ইজরায়েল থেকে প্রাপ্ত মিলিয়ন ডলারের ড্যান ডেভিড পুরস্কারের একাংশ দিয়ে আমরা সিএনআর রাও এডুকেশন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছি কারণ, তরুণ প্রজন্ম যদি অল্প বয়সেই বিজ্ঞানের প্রতি আকৃষ্ট না হয়, তবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বর্তমানে আমাদের যেটুকু অগ্রগামিতা রয়েছে, তা আমরা হারিয়ে ফেলব। আমার স্ত্রী ইন্দুুমতী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে এই ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। আমরা ভারতকে বিজ্ঞানের জগতে এক বিশাল শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে দেখতে চাই।
*আইআইএসসির পরিস্থিতি মার্কিন কেন্দ্রগুলোর সমকক্ষ ছিল না কিন্তু অন্ধকারকে অভিশাপ দেওয়ার চেয়ে মোমবাতি জ্বালানোই শ্রেয়।
*আণবিক অরবিটাল সংকেত ব্যবহার করে অতিবেগুনি ও দৃশ্যমান বর্ণালীবীক্ষণ বিষয়ক আমার মনোগ্রাফটি অবশেষে ১৯৬০ সালে বই হিসেবে প্রকাশিত হয়।
*আবেগ, কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠার সাথে আপনার স্বপ্নকে অনুসরণ করুন।
*শেখা কখনো থামাবেন না। আরও জ্ঞান অর্জনের তৃষ্ণা কখনো শেষ হওয়া উচিত নয়।
*সর্বদা নতুন অন্তর্দৃষ্টি অর্জন করুন, সঠিক প্রশ্ন করতে দ্বিধাবোধ করবেন না।
*নেতাদের নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করুন, তাদের নেতৃত্বদানের ধরন থেকে যতটা সম্ভব শিখুন।
*শক্তিশালী ভিত্তি গড়ুন। শ্রেষ্ঠত্বের শিখরে পৌঁছানোর যাত্রাপথে শক্তিশালী ভিত্তি প্রয়োজন হয়।
*পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখুন। আপনার পরিবার ও আপনার পছন্দের বিষয়গুলোর জন্য সময় খুঁজে বের করুন।
=== ''সায়েন্টিস্ট ওয়ন্ডার্স হোয়াই নোবডি আস্কস হিম অ্যাবাউট ড্যান ডেভিড প্রাইজ'' (২০১৩) ===
<small>{{cite news|url=http://www.deccanherald.com/content/369562/scientist-wonders-why-nobody-asks.html|title=সায়েন্টিস্ট ওয়ন্ডার্স হোয়াই নোবডি আস্কস হিম অ্যাবাউট ড্যান ডেভিড প্রাইজ|date= 17 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=ডেকান হেরাল্ড}}</small>
*আমাদের অনেক কিছুরই সামর্থ্য ছিল না, কিন্তু আমাদের শিক্ষা ছিল। আমার বাবা একজন প্রধান শিক্ষক ছিলেন এবং পরে শিক্ষা কর্মকর্তা হন। আমার মা অসাধারণ ছিলেন: তিনি আমাকে সবসময় বলতেন, ‘তোমার যা ইচ্ছা তাই করো।’ তিনি আমাকে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছিলেন, আসলে আমার বাবা-মা দুজনেই তা দিয়েছিলেন। কিন্তু এর জন্য আমি সত্যিই আমার মায়ের কাছে ঋণী। যখন আমি তাকে বলি যে আমি বেনারস (বারাণসী) পড়তে যাব, তিনি বললেন, ‘তুমি বেনারস যেতে চাও? ঠিক আছে, যাও।’ তিনি বলতেন, ‘টাকাপয়সা নিয়ে চিন্তা করো না, পড়াটাই সবচেয়ে জরুরি, পড়ো আর তাহলেই সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।’ আমার পরিবার খুব খোলামেলা ছিল। তাদের কারণেই আমি আজ এই অবস্থানে আসতে পেরেছি। আমি আমার বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান, আমার স্ত্রীও তাই।
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
7k4u9t0syyl3cf4h3pjusk65sda3lol
75490
75489
2026-04-11T01:16:13Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
75490
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
=== ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি'' (১৯৯৯) ===
<small>{{cite book|author=সি. এন. আর. রাও|title=আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-S2Apt2Efq4C|year=1999|publisher=ইউনিভার্সিটিস প্রেস|isbn=978-81-7371-250-0}}</small>
[[File:Iron Pillar, Delhi, May 2008.jpg|thumb|right|দিল্লির মরচেহীন লৌহস্তম্ভ]]
*প্রাচীন গ্রিস ও ভারতের দার্শনিকেরা যিশুখ্রিষ্টের শত শত বছর আগেই [পদার্থ কী দিয়ে গঠিত] এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৭।
*মৌলসমূহের আদি ধারণার একমাত্র যে অংশটি টিকে আছে তা হলো যে মৌলসমূহের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মৌল হলো এমন একটি পদার্থ যাকে সাধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও সরলতর পদার্থে পরিণত করা যায় না এবং যা কেবল এক প্রকারের কণা দ্বারা গঠিত।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মাত্র ১৯১১ সাল থেকে আমরা জানি যে পরমাণুতে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত নিউক্লিয়াস থাকে।
**পৃষ্ঠা ২৯।
*পরমাণুর ধারণা মূলত একটি তত্ত্ব হিসেবে প্রস্তাবিত হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন উপায়ে এদের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছিল, তবুও মানুষ মনে করত না যে এদের সরাসরি দেখা সম্ভব। অতি সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই ছিল। বর্তমানে শক্তিশালী আণুবীক্ষণিক কৌশল প্রয়োগ করে আমরা পরমাণুকে সরাসরি দেখতে সক্ষম।
**পৃষ্ঠা ২২।
*ধাতুর প্রতি মানুষের অনুসন্ধান প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই চলে আসছে। ভারতে কয়েক হাজার বছর ধরে ধাতুর ব্যবহার হয়ে আসছে। ইতিহাসের নির্দিষ্ট কিছু সময়কাল সেই সময়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত বিশেষ কিছু ধাতুর সাথে সম্পর্কিত।
**পৃষ্ঠা ২৮।
*দিল্লির বিখ্যাত লৌহস্তম্ভটি, যা গুপ্ত যুগে (১৫০০ বছরেরও বেশি আগে) নির্মিত হয়েছিল, এক বিস্ময়। এত বছর পরেও এই স্তম্ভটি কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই সোজা দাঁড়িয়ে আছে। এই মরচেহীন লৌহস্তম্ভটি আমাদের পূর্বপুরুষদের মহান উদ্ভাবনী শক্তির প্রতি এক শ্রদ্ধাঞ্জলি।
**পৃষ্ঠা ৩৬।
*পদার্থ তিনটি অবস্থায় থাকতে পারে – গ্যাস, তরল এবং কঠিন। জলও এই তিনটি অবস্থাতেই বিদ্যমান থাকে: গ্যাস (বাষ্প বা জলীয় বাষ্প), তরল (সাধারণ জল) এবং কঠিন (বরফ)। গ্যাস, তরল এবং কঠিন পদার্থের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন ভিন্ন।
**পৃষ্ঠা ৫৬।
*এমনকি ধাতুও বিদ্যুৎ প্রবাহে কিছুটা বাধা সৃষ্টি করে। কিছু উপাদান কোনো বাধা ছাড়াই বিদ্যুৎ পরিবহন করে। এই ধরনের উপাদানকে অতিপরিবাহী বলা হয়।
**পৃষ্ঠা ৫৯।
=== ''ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি'' (২০১০) ===
<small>{{cite book|author1=সি এন আর রাও|author2=অ্যান্টোনিও ভ্যাজকুয়েজ বারকোয়েরো|title=ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-ajEFddmiDUC|year=২০১০|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-4307-86-4}}</small>
*অধ্যাপক ব্রাউন বলতেন, কোনো কাজ যদি করার মতো হয়, তবে তা প্রকাশ করারও যোগ্য। বহু বছর আগে ফ্যারাডেও প্রায় একই কথা বলেছিলেন। বিজ্ঞানে আমরা “কাজ করি, শেষ করি এবং প্রকাশ করি”। এই কথাগুলো আমার সারা পেশাগত জীবন জুড়ে আমাকে পথ দেখিয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৩০।
*বার্কলির ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (ইউসি বার্কলি) বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়, এবং এদের রসায়ন বিভাগ গবেষণার ক্ষেত্রে বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে। এই বিভাগটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জি. এন. লিউইস, যাকে আধুনিক রসায়নের জনক হিসেবে গণ্য করা হয়।
**পৃষ্ঠা ৩২।
*মহীশূরের মহারাজা (তৎকালীন মহীশূরের রাজ্যপাল), আয়াচামরাজেন্দ্র ওয়দেয়ার, একদিনের জন্য বার্কলিতে এসেছিলেন। আমি তাকে চারপাশ ঘুরিয়ে দেখালাম। পাহাড়ের ওপরের বিকিরণ গবেষণাগারের অ্যাক্সিলারেটরগুলো দেখে তিনি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছিলেন। তিনি আমার সাথে কন্নড় ভাষায় কথা বলতে পেরে খুশি হয়েছিলেন এবং আমি যে কিছুটা সংস্কৃত জানি, তাতে তিনি আরও বেশি খুশি হয়েছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৩৫।
*বার্কলি ক্যাম্পাসটি ছিল শিক্ষাগত দিক থেকে অপ্রতিরোধ্য। মঙ্গলবার সন্ধ্যার আলোচনা সভাগুলোতে সামনের সারিতে রসায়নবিদদের এক বিশাল নক্ষত্রমণ্ডলকে সমবেত হতে দেখা যেত, যাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন নোবেল বিজয়ী এবং ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সের সদস্য। এই সভাগুলোতে বক্তৃতা দেওয়াটা ছিল ভয়প্রদ কাজ। তবে শেষমেশ আমি সেগুলো উতরে যেতে পেরেছিলাম।
**পৃষ্ঠা ৩৭।
*যেহেতু কোনো অবলোহিত স্পেকট্রোমিটার ছিল না, তাই শ্রেণি কম্পাঙ্কগুলোকে শ্রেণীবদ্ধ করার উদ্দেশ্যে আমি এখানে-সেখানে নির্দিষ্ট কিছু যৌগের রুটিন অবলোহিত স্পেকট্রা রেকর্ড করার ব্যবস্থা করেছিলাম। এই গবেষণাপত্রগুলোর একটি পরবর্তীকালে সাইটেশন ক্লাসিক হয়ে যায়।
**মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরার পর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সে তার প্রথম দিককার কাজ সম্পর্কে, পৃষ্ঠা ৪০।
=== ''হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট'' (২০১০) ===
<small>{{cite news|url=http://indiatoday.intoday.in/story/How+I+made+it:+CNR+Rao,+Scientist/1/100031.html|title=হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট|date=3 June 2010|accessdate=22 December 2013|publisher=ইন্ডিয়া টুডে}}</small>
*তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়, ইজরায়েল থেকে প্রাপ্ত মিলিয়ন ডলারের ড্যান ডেভিড পুরস্কারের একাংশ দিয়ে আমরা সিএনআর রাও এডুকেশন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছি কারণ, তরুণ প্রজন্ম যদি অল্প বয়সেই বিজ্ঞানের প্রতি আকৃষ্ট না হয়, তবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বর্তমানে আমাদের যেটুকু অগ্রগামিতা রয়েছে, তা আমরা হারিয়ে ফেলব। আমার স্ত্রী ইন্দুুমতী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে এই ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। আমরা ভারতকে বিজ্ঞানের জগতে এক বিশাল শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে দেখতে চাই।
*আইআইএসসির পরিস্থিতি মার্কিন কেন্দ্রগুলোর সমকক্ষ ছিল না কিন্তু অন্ধকারকে অভিশাপ দেওয়ার চেয়ে মোমবাতি জ্বালানোই শ্রেয়।
*আণবিক অরবিটাল সংকেত ব্যবহার করে অতিবেগুনি ও দৃশ্যমান বর্ণালীবীক্ষণ বিষয়ক আমার মনোগ্রাফটি অবশেষে ১৯৬০ সালে বই হিসেবে প্রকাশিত হয়।
*আবেগ, কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠার সাথে আপনার স্বপ্নকে অনুসরণ করুন।
*শেখা কখনো থামাবেন না। আরও জ্ঞান অর্জনের তৃষ্ণা কখনো শেষ হওয়া উচিত নয়।
*সর্বদা নতুন অন্তর্দৃষ্টি অর্জন করুন, সঠিক প্রশ্ন করতে দ্বিধাবোধ করবেন না।
*নেতাদের নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করুন, তাদের নেতৃত্বদানের ধরন থেকে যতটা সম্ভব শিখুন।
*শক্তিশালী ভিত্তি গড়ুন। শ্রেষ্ঠত্বের শিখরে পৌঁছানোর যাত্রাপথে শক্তিশালী ভিত্তি প্রয়োজন হয়।
*পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখুন। আপনার পরিবার ও আপনার পছন্দের বিষয়গুলোর জন্য সময় খুঁজে বের করুন।
=== ''সায়েন্টিস্ট ওয়ন্ডার্স হোয়াই নোবডি আস্কস হিম অ্যাবাউট ড্যান ডেভিড প্রাইজ'' (২০১৩) ===
<small>{{cite news|url=http://www.deccanherald.com/content/369562/scientist-wonders-why-nobody-asks.html|title=সায়েন্টিস্ট ওয়ন্ডার্স হোয়াই নোবডি আস্কস হিম অ্যাবাউট ড্যান ডেভিড প্রাইজ|date= 17 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=ডেকান হেরাল্ড}}</small>
*আমাদের অনেক কিছুরই সামর্থ্য ছিল না, কিন্তু আমাদের শিক্ষা ছিল। আমার বাবা একজন প্রধান শিক্ষক ছিলেন এবং পরে শিক্ষা কর্মকর্তা হন। আমার মা অসাধারণ ছিলেন: তিনি আমাকে সবসময় বলতেন, ‘তোমার যা ইচ্ছা তাই করো।’ তিনি আমাকে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছিলেন, আসলে আমার বাবা-মা দুজনেই তা দিয়েছিলেন। কিন্তু এর জন্য আমি সত্যিই আমার মায়ের কাছে ঋণী। যখন আমি তাকে বলি যে আমি বেনারস (বারাণসী) পড়তে যাব, তিনি বললেন, ‘তুমি বেনারস যেতে চাও? ঠিক আছে, যাও।’ তিনি বলতেন, ‘টাকাপয়সা নিয়ে চিন্তা করো না, পড়াটাই সবচেয়ে জরুরি, পড়ো আর তাহলেই সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।’ আমার পরিবার খুব খোলামেলা ছিল। তাদের কারণেই আমি আজ এই অবস্থানে আসতে পেরেছি। আমি আমার বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান, আমার স্ত্রীও তাই।
*সেই দিনগুলিতে কেবল গরিব শিক্ষক আর গরিব পুলিশদেরই সবচেয়ে বেশি সন্তান থাকত। কিন্তু আমার বাবা এক ধরনের পরিবার পরিকল্পনায় বিশ্বাস করতেন। তিনি তখন পরিবার পরিকল্পনা শিক্ষক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
r92p311vmrpxfqf494vrhze47qgy183
75491
75490
2026-04-11T01:17:42Z
Nil Nandy
2294
/* সায়েন্টিস্ট ওয়ন্ডার্স হোয়াই নোবডি আস্কস হিম অ্যাবাউট ড্যান ডেভিড প্রাইজ (২০১৩) */
75491
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
=== ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি'' (১৯৯৯) ===
<small>{{cite book|author=সি. এন. আর. রাও|title=আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-S2Apt2Efq4C|year=1999|publisher=ইউনিভার্সিটিস প্রেস|isbn=978-81-7371-250-0}}</small>
[[File:Iron Pillar, Delhi, May 2008.jpg|thumb|right|দিল্লির মরচেহীন লৌহস্তম্ভ]]
*প্রাচীন গ্রিস ও ভারতের দার্শনিকেরা যিশুখ্রিষ্টের শত শত বছর আগেই [পদার্থ কী দিয়ে গঠিত] এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৭।
*মৌলসমূহের আদি ধারণার একমাত্র যে অংশটি টিকে আছে তা হলো যে মৌলসমূহের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মৌল হলো এমন একটি পদার্থ যাকে সাধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও সরলতর পদার্থে পরিণত করা যায় না এবং যা কেবল এক প্রকারের কণা দ্বারা গঠিত।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মাত্র ১৯১১ সাল থেকে আমরা জানি যে পরমাণুতে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত নিউক্লিয়াস থাকে।
**পৃষ্ঠা ২৯।
*পরমাণুর ধারণা মূলত একটি তত্ত্ব হিসেবে প্রস্তাবিত হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন উপায়ে এদের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছিল, তবুও মানুষ মনে করত না যে এদের সরাসরি দেখা সম্ভব। অতি সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই ছিল। বর্তমানে শক্তিশালী আণুবীক্ষণিক কৌশল প্রয়োগ করে আমরা পরমাণুকে সরাসরি দেখতে সক্ষম।
**পৃষ্ঠা ২২।
*ধাতুর প্রতি মানুষের অনুসন্ধান প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই চলে আসছে। ভারতে কয়েক হাজার বছর ধরে ধাতুর ব্যবহার হয়ে আসছে। ইতিহাসের নির্দিষ্ট কিছু সময়কাল সেই সময়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত বিশেষ কিছু ধাতুর সাথে সম্পর্কিত।
**পৃষ্ঠা ২৮।
*দিল্লির বিখ্যাত লৌহস্তম্ভটি, যা গুপ্ত যুগে (১৫০০ বছরেরও বেশি আগে) নির্মিত হয়েছিল, এক বিস্ময়। এত বছর পরেও এই স্তম্ভটি কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই সোজা দাঁড়িয়ে আছে। এই মরচেহীন লৌহস্তম্ভটি আমাদের পূর্বপুরুষদের মহান উদ্ভাবনী শক্তির প্রতি এক শ্রদ্ধাঞ্জলি।
**পৃষ্ঠা ৩৬।
*পদার্থ তিনটি অবস্থায় থাকতে পারে – গ্যাস, তরল এবং কঠিন। জলও এই তিনটি অবস্থাতেই বিদ্যমান থাকে: গ্যাস (বাষ্প বা জলীয় বাষ্প), তরল (সাধারণ জল) এবং কঠিন (বরফ)। গ্যাস, তরল এবং কঠিন পদার্থের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন ভিন্ন।
**পৃষ্ঠা ৫৬।
*এমনকি ধাতুও বিদ্যুৎ প্রবাহে কিছুটা বাধা সৃষ্টি করে। কিছু উপাদান কোনো বাধা ছাড়াই বিদ্যুৎ পরিবহন করে। এই ধরনের উপাদানকে অতিপরিবাহী বলা হয়।
**পৃষ্ঠা ৫৯।
=== ''ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি'' (২০১০) ===
<small>{{cite book|author1=সি এন আর রাও|author2=অ্যান্টোনিও ভ্যাজকুয়েজ বারকোয়েরো|title=ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-ajEFddmiDUC|year=২০১০|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-4307-86-4}}</small>
*অধ্যাপক ব্রাউন বলতেন, কোনো কাজ যদি করার মতো হয়, তবে তা প্রকাশ করারও যোগ্য। বহু বছর আগে ফ্যারাডেও প্রায় একই কথা বলেছিলেন। বিজ্ঞানে আমরা “কাজ করি, শেষ করি এবং প্রকাশ করি”। এই কথাগুলো আমার সারা পেশাগত জীবন জুড়ে আমাকে পথ দেখিয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৩০।
*বার্কলির ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (ইউসি বার্কলি) বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়, এবং এদের রসায়ন বিভাগ গবেষণার ক্ষেত্রে বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে। এই বিভাগটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জি. এন. লিউইস, যাকে আধুনিক রসায়নের জনক হিসেবে গণ্য করা হয়।
**পৃষ্ঠা ৩২।
*মহীশূরের মহারাজা (তৎকালীন মহীশূরের রাজ্যপাল), আয়াচামরাজেন্দ্র ওয়দেয়ার, একদিনের জন্য বার্কলিতে এসেছিলেন। আমি তাকে চারপাশ ঘুরিয়ে দেখালাম। পাহাড়ের ওপরের বিকিরণ গবেষণাগারের অ্যাক্সিলারেটরগুলো দেখে তিনি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছিলেন। তিনি আমার সাথে কন্নড় ভাষায় কথা বলতে পেরে খুশি হয়েছিলেন এবং আমি যে কিছুটা সংস্কৃত জানি, তাতে তিনি আরও বেশি খুশি হয়েছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৩৫।
*বার্কলি ক্যাম্পাসটি ছিল শিক্ষাগত দিক থেকে অপ্রতিরোধ্য। মঙ্গলবার সন্ধ্যার আলোচনা সভাগুলোতে সামনের সারিতে রসায়নবিদদের এক বিশাল নক্ষত্রমণ্ডলকে সমবেত হতে দেখা যেত, যাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন নোবেল বিজয়ী এবং ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সের সদস্য। এই সভাগুলোতে বক্তৃতা দেওয়াটা ছিল ভয়প্রদ কাজ। তবে শেষমেশ আমি সেগুলো উতরে যেতে পেরেছিলাম।
**পৃষ্ঠা ৩৭।
*যেহেতু কোনো অবলোহিত স্পেকট্রোমিটার ছিল না, তাই শ্রেণি কম্পাঙ্কগুলোকে শ্রেণীবদ্ধ করার উদ্দেশ্যে আমি এখানে-সেখানে নির্দিষ্ট কিছু যৌগের রুটিন অবলোহিত স্পেকট্রা রেকর্ড করার ব্যবস্থা করেছিলাম। এই গবেষণাপত্রগুলোর একটি পরবর্তীকালে সাইটেশন ক্লাসিক হয়ে যায়।
**মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরার পর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সে তার প্রথম দিককার কাজ সম্পর্কে, পৃষ্ঠা ৪০।
=== ''হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট'' (২০১০) ===
<small>{{cite news|url=http://indiatoday.intoday.in/story/How+I+made+it:+CNR+Rao,+Scientist/1/100031.html|title=হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট|date=3 June 2010|accessdate=22 December 2013|publisher=ইন্ডিয়া টুডে}}</small>
*তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়, ইজরায়েল থেকে প্রাপ্ত মিলিয়ন ডলারের ড্যান ডেভিড পুরস্কারের একাংশ দিয়ে আমরা সিএনআর রাও এডুকেশন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছি কারণ, তরুণ প্রজন্ম যদি অল্প বয়সেই বিজ্ঞানের প্রতি আকৃষ্ট না হয়, তবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বর্তমানে আমাদের যেটুকু অগ্রগামিতা রয়েছে, তা আমরা হারিয়ে ফেলব। আমার স্ত্রী ইন্দুুমতী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে এই ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। আমরা ভারতকে বিজ্ঞানের জগতে এক বিশাল শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে দেখতে চাই।
*আইআইএসসির পরিস্থিতি মার্কিন কেন্দ্রগুলোর সমকক্ষ ছিল না কিন্তু অন্ধকারকে অভিশাপ দেওয়ার চেয়ে মোমবাতি জ্বালানোই শ্রেয়।
*আণবিক অরবিটাল সংকেত ব্যবহার করে অতিবেগুনি ও দৃশ্যমান বর্ণালীবীক্ষণ বিষয়ক আমার মনোগ্রাফটি অবশেষে ১৯৬০ সালে বই হিসেবে প্রকাশিত হয়।
*আবেগ, কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠার সাথে আপনার স্বপ্নকে অনুসরণ করুন।
*শেখা কখনো থামাবেন না। আরও জ্ঞান অর্জনের তৃষ্ণা কখনো শেষ হওয়া উচিত নয়।
*সর্বদা নতুন অন্তর্দৃষ্টি অর্জন করুন, সঠিক প্রশ্ন করতে দ্বিধাবোধ করবেন না।
*নেতাদের নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করুন, তাদের নেতৃত্বদানের ধরন থেকে যতটা সম্ভব শিখুন।
*শক্তিশালী ভিত্তি গড়ুন। শ্রেষ্ঠত্বের শিখরে পৌঁছানোর যাত্রাপথে শক্তিশালী ভিত্তি প্রয়োজন হয়।
*পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখুন। আপনার পরিবার ও আপনার পছন্দের বিষয়গুলোর জন্য সময় খুঁজে বের করুন।
=== ''সায়েন্টিস্ট ওয়ন্ডার্স হোয়াই নোবডি আস্কস হিম অ্যাবাউট ড্যান ডেভিড প্রাইজ'' (২০১৩) ===
<small>{{cite news|url=http://www.deccanherald.com/content/369562/scientist-wonders-why-nobody-asks.html|title=সায়েন্টিস্ট ওয়ন্ডার্স হোয়াই নোবডি আস্কস হিম অ্যাবাউট ড্যান ডেভিড প্রাইজ|date= 17 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=ডেকান হেরাল্ড}}</small>
*আমাদের অনেক কিছুরই সামর্থ্য ছিল না, কিন্তু আমাদের শিক্ষা ছিল। আমার বাবা একজন প্রধান শিক্ষক ছিলেন এবং পরে শিক্ষা কর্মকর্তা হন। আমার মা অসাধারণ ছিলেন: তিনি আমাকে সবসময় বলতেন, ‘তোমার যা ইচ্ছা তাই করো।’ তিনি আমাকে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছিলেন, আসলে আমার বাবা-মা দুজনেই তা দিয়েছিলেন। কিন্তু এর জন্য আমি সত্যিই আমার মায়ের কাছে ঋণী। যখন আমি তাকে বলি যে আমি বেনারস (বারাণসী) পড়তে যাব, তিনি বললেন, ‘তুমি বেনারস যেতে চাও? ঠিক আছে, যাও।’ তিনি বলতেন, ‘টাকাপয়সা নিয়ে চিন্তা করো না, পড়াটাই সবচেয়ে জরুরি, পড়ো আর তাহলেই সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।’ আমার পরিবার খুব খোলামেলা ছিল। তাদের কারণেই আমি আজ এই অবস্থানে আসতে পেরেছি। আমি আমার বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান, আমার স্ত্রীও তাই।
*সেই দিনগুলিতে কেবল গরিব শিক্ষক আর গরিব পুলিশদেরই সবচেয়ে বেশি সন্তান থাকত। কিন্তু আমার বাবা এক ধরনের পরিবার পরিকল্পনায় বিশ্বাস করতেন। তিনি তখন পরিবার পরিকল্পনা শিক্ষক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
*আমি এমন সব উপাদান নিয়েও কাজ করছি যা নিয়ে বিশ্বে আগে কখনো কাজ করা হয়নি, এই গ্রহে সম্পূর্ণ নতুন ধরনের উপাদান। আমি নিজের জন্য ততটা চিন্তিত নই, আমি কাজ চালিয়ে যাব। কিন্তু আমি অন্যদের জন্য চিন্তিত।
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
bxsaz9wrfk80anqwc3o9r4ubt4vwzz1
75492
75491
2026-04-11T01:20:08Z
Nil Nandy
2294
/* সায়েন্টিস্ট ওয়ন্ডার্স হোয়াই নোবডি আস্কস হিম অ্যাবাউট ড্যান ডেভিড প্রাইজ (২০১৩) */
75492
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
=== ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি'' (১৯৯৯) ===
<small>{{cite book|author=সি. এন. আর. রাও|title=আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-S2Apt2Efq4C|year=1999|publisher=ইউনিভার্সিটিস প্রেস|isbn=978-81-7371-250-0}}</small>
[[File:Iron Pillar, Delhi, May 2008.jpg|thumb|right|দিল্লির মরচেহীন লৌহস্তম্ভ]]
*প্রাচীন গ্রিস ও ভারতের দার্শনিকেরা যিশুখ্রিষ্টের শত শত বছর আগেই [পদার্থ কী দিয়ে গঠিত] এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৭।
*মৌলসমূহের আদি ধারণার একমাত্র যে অংশটি টিকে আছে তা হলো যে মৌলসমূহের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মৌল হলো এমন একটি পদার্থ যাকে সাধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও সরলতর পদার্থে পরিণত করা যায় না এবং যা কেবল এক প্রকারের কণা দ্বারা গঠিত।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মাত্র ১৯১১ সাল থেকে আমরা জানি যে পরমাণুতে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত নিউক্লিয়াস থাকে।
**পৃষ্ঠা ২৯।
*পরমাণুর ধারণা মূলত একটি তত্ত্ব হিসেবে প্রস্তাবিত হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন উপায়ে এদের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছিল, তবুও মানুষ মনে করত না যে এদের সরাসরি দেখা সম্ভব। অতি সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই ছিল। বর্তমানে শক্তিশালী আণুবীক্ষণিক কৌশল প্রয়োগ করে আমরা পরমাণুকে সরাসরি দেখতে সক্ষম।
**পৃষ্ঠা ২২।
*ধাতুর প্রতি মানুষের অনুসন্ধান প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই চলে আসছে। ভারতে কয়েক হাজার বছর ধরে ধাতুর ব্যবহার হয়ে আসছে। ইতিহাসের নির্দিষ্ট কিছু সময়কাল সেই সময়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত বিশেষ কিছু ধাতুর সাথে সম্পর্কিত।
**পৃষ্ঠা ২৮।
*দিল্লির বিখ্যাত লৌহস্তম্ভটি, যা গুপ্ত যুগে (১৫০০ বছরেরও বেশি আগে) নির্মিত হয়েছিল, এক বিস্ময়। এত বছর পরেও এই স্তম্ভটি কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই সোজা দাঁড়িয়ে আছে। এই মরচেহীন লৌহস্তম্ভটি আমাদের পূর্বপুরুষদের মহান উদ্ভাবনী শক্তির প্রতি এক শ্রদ্ধাঞ্জলি।
**পৃষ্ঠা ৩৬।
*পদার্থ তিনটি অবস্থায় থাকতে পারে – গ্যাস, তরল এবং কঠিন। জলও এই তিনটি অবস্থাতেই বিদ্যমান থাকে: গ্যাস (বাষ্প বা জলীয় বাষ্প), তরল (সাধারণ জল) এবং কঠিন (বরফ)। গ্যাস, তরল এবং কঠিন পদার্থের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন ভিন্ন।
**পৃষ্ঠা ৫৬।
*এমনকি ধাতুও বিদ্যুৎ প্রবাহে কিছুটা বাধা সৃষ্টি করে। কিছু উপাদান কোনো বাধা ছাড়াই বিদ্যুৎ পরিবহন করে। এই ধরনের উপাদানকে অতিপরিবাহী বলা হয়।
**পৃষ্ঠা ৫৯।
=== ''ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি'' (২০১০) ===
<small>{{cite book|author1=সি এন আর রাও|author2=অ্যান্টোনিও ভ্যাজকুয়েজ বারকোয়েরো|title=ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-ajEFddmiDUC|year=২০১০|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-4307-86-4}}</small>
*অধ্যাপক ব্রাউন বলতেন, কোনো কাজ যদি করার মতো হয়, তবে তা প্রকাশ করারও যোগ্য। বহু বছর আগে ফ্যারাডেও প্রায় একই কথা বলেছিলেন। বিজ্ঞানে আমরা “কাজ করি, শেষ করি এবং প্রকাশ করি”। এই কথাগুলো আমার সারা পেশাগত জীবন জুড়ে আমাকে পথ দেখিয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৩০।
*বার্কলির ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (ইউসি বার্কলি) বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়, এবং এদের রসায়ন বিভাগ গবেষণার ক্ষেত্রে বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে। এই বিভাগটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জি. এন. লিউইস, যাকে আধুনিক রসায়নের জনক হিসেবে গণ্য করা হয়।
**পৃষ্ঠা ৩২।
*মহীশূরের মহারাজা (তৎকালীন মহীশূরের রাজ্যপাল), আয়াচামরাজেন্দ্র ওয়দেয়ার, একদিনের জন্য বার্কলিতে এসেছিলেন। আমি তাকে চারপাশ ঘুরিয়ে দেখালাম। পাহাড়ের ওপরের বিকিরণ গবেষণাগারের অ্যাক্সিলারেটরগুলো দেখে তিনি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছিলেন। তিনি আমার সাথে কন্নড় ভাষায় কথা বলতে পেরে খুশি হয়েছিলেন এবং আমি যে কিছুটা সংস্কৃত জানি, তাতে তিনি আরও বেশি খুশি হয়েছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৩৫।
*বার্কলি ক্যাম্পাসটি ছিল শিক্ষাগত দিক থেকে অপ্রতিরোধ্য। মঙ্গলবার সন্ধ্যার আলোচনা সভাগুলোতে সামনের সারিতে রসায়নবিদদের এক বিশাল নক্ষত্রমণ্ডলকে সমবেত হতে দেখা যেত, যাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন নোবেল বিজয়ী এবং ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সের সদস্য। এই সভাগুলোতে বক্তৃতা দেওয়াটা ছিল ভয়প্রদ কাজ। তবে শেষমেশ আমি সেগুলো উতরে যেতে পেরেছিলাম।
**পৃষ্ঠা ৩৭।
*যেহেতু কোনো অবলোহিত স্পেকট্রোমিটার ছিল না, তাই শ্রেণি কম্পাঙ্কগুলোকে শ্রেণীবদ্ধ করার উদ্দেশ্যে আমি এখানে-সেখানে নির্দিষ্ট কিছু যৌগের রুটিন অবলোহিত স্পেকট্রা রেকর্ড করার ব্যবস্থা করেছিলাম। এই গবেষণাপত্রগুলোর একটি পরবর্তীকালে সাইটেশন ক্লাসিক হয়ে যায়।
**মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরার পর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সে তার প্রথম দিককার কাজ সম্পর্কে, পৃষ্ঠা ৪০।
=== ''হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট'' (২০১০) ===
<small>{{cite news|url=http://indiatoday.intoday.in/story/How+I+made+it:+CNR+Rao,+Scientist/1/100031.html|title=হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট|date=3 June 2010|accessdate=22 December 2013|publisher=ইন্ডিয়া টুডে}}</small>
*তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়, ইজরায়েল থেকে প্রাপ্ত মিলিয়ন ডলারের ড্যান ডেভিড পুরস্কারের একাংশ দিয়ে আমরা সিএনআর রাও এডুকেশন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছি কারণ, তরুণ প্রজন্ম যদি অল্প বয়সেই বিজ্ঞানের প্রতি আকৃষ্ট না হয়, তবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বর্তমানে আমাদের যেটুকু অগ্রগামিতা রয়েছে, তা আমরা হারিয়ে ফেলব। আমার স্ত্রী ইন্দুুমতী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে এই ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। আমরা ভারতকে বিজ্ঞানের জগতে এক বিশাল শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে দেখতে চাই।
*আইআইএসসির পরিস্থিতি মার্কিন কেন্দ্রগুলোর সমকক্ষ ছিল না কিন্তু অন্ধকারকে অভিশাপ দেওয়ার চেয়ে মোমবাতি জ্বালানোই শ্রেয়।
*আণবিক অরবিটাল সংকেত ব্যবহার করে অতিবেগুনি ও দৃশ্যমান বর্ণালীবীক্ষণ বিষয়ক আমার মনোগ্রাফটি অবশেষে ১৯৬০ সালে বই হিসেবে প্রকাশিত হয়।
*আবেগ, কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠার সাথে আপনার স্বপ্নকে অনুসরণ করুন।
*শেখা কখনো থামাবেন না। আরও জ্ঞান অর্জনের তৃষ্ণা কখনো শেষ হওয়া উচিত নয়।
*সর্বদা নতুন অন্তর্দৃষ্টি অর্জন করুন, সঠিক প্রশ্ন করতে দ্বিধাবোধ করবেন না।
*নেতাদের নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করুন, তাদের নেতৃত্বদানের ধরন থেকে যতটা সম্ভব শিখুন।
*শক্তিশালী ভিত্তি গড়ুন। শ্রেষ্ঠত্বের শিখরে পৌঁছানোর যাত্রাপথে শক্তিশালী ভিত্তি প্রয়োজন হয়।
*পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখুন। আপনার পরিবার ও আপনার পছন্দের বিষয়গুলোর জন্য সময় খুঁজে বের করুন।
=== ''সায়েন্টিস্ট ওয়ন্ডার্স হোয়াই নোবডি আস্কস হিম অ্যাবাউট ড্যান ডেভিড প্রাইজ'' (২০১৩) ===
<small>{{cite news|url=http://www.deccanherald.com/content/369562/scientist-wonders-why-nobody-asks.html|title=সায়েন্টিস্ট ওয়ন্ডার্স হোয়াই নোবডি আস্কস হিম অ্যাবাউট ড্যান ডেভিড প্রাইজ|date= 17 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=ডেকান হেরাল্ড}}</small>
*আমাদের অনেক কিছুরই সামর্থ্য ছিল না, কিন্তু আমাদের শিক্ষা ছিল। আমার বাবা একজন প্রধান শিক্ষক ছিলেন এবং পরে শিক্ষা কর্মকর্তা হন। আমার মা অসাধারণ ছিলেন: তিনি আমাকে সবসময় বলতেন, ‘তোমার যা ইচ্ছা তাই করো।’ তিনি আমাকে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছিলেন, আসলে আমার বাবা-মা দুজনেই তা দিয়েছিলেন। কিন্তু এর জন্য আমি সত্যিই আমার মায়ের কাছে ঋণী। যখন আমি তাকে বলি যে আমি বেনারস (বারাণসী) পড়তে যাব, তিনি বললেন, ‘তুমি বেনারস যেতে চাও? ঠিক আছে, যাও।’ তিনি বলতেন, ‘টাকাপয়সা নিয়ে চিন্তা করো না, পড়াটাই সবচেয়ে জরুরি, পড়ো আর তাহলেই সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।’ আমার পরিবার খুব খোলামেলা ছিল। তাদের কারণেই আমি আজ এই অবস্থানে আসতে পেরেছি। আমি আমার বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান, আমার স্ত্রীও তাই।
*সেই দিনগুলিতে কেবল গরিব শিক্ষক আর গরিব পুলিশদেরই সবচেয়ে বেশি সন্তান থাকত। কিন্তু আমার বাবা এক ধরনের পরিবার পরিকল্পনায় বিশ্বাস করতেন। তিনি তখন পরিবার পরিকল্পনা শিক্ষক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
*আমি এমন সব উপাদান নিয়েও কাজ করছি যা নিয়ে বিশ্বে আগে কখনো কাজ করা হয়নি, এই গ্রহে সম্পূর্ণ নতুন ধরনের উপাদান। আমি নিজের জন্য ততটা চিন্তিত নই, আমি কাজ চালিয়ে যাব। কিন্তু আমি অন্যদের জন্য চিন্তিত।
*বিজ্ঞানীদের মধ্যে, সি. ভি. রমনের পর আমিই দ্বিতীয় ব্যক্তি যিনি এটি [ভারত রত্ন] পেয়েছেন। এম. বিশ্বেশ্বরাইয়া ছিলেন প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী নন। সেই অর্থে আমি এটি পাওয়া দ্বিতীয় বিজ্ঞানী। আমি আনন্দিত যে কন্নড়ভাষীরাও এই পুরস্কার পাচ্ছেন। আমার বাবা-মা ছোটবেলায় আমাকে সবসময় বলতেন ভালোভাবে কন্নড় শিখতে, যাতে আমি কন্নড় ও ইংরেজি দুটো ভাষাতেই পারদর্শী হতে পারি। কন্নড় পড়তে ও লিখতে শেখো, তারপর তুমি ইংরেজি শিখতে পারবে এবং দুটো ভাষাই উপভোগ করতে পারবে।
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
2l9ll0h6fwa24xhmfzoy1dgzz16ruey
75493
75492
2026-04-11T01:21:07Z
Nil Nandy
2294
/* সায়েন্টিস্ট ওয়ন্ডার্স হোয়াই নোবডি আস্কস হিম অ্যাবাউট ড্যান ডেভিড প্রাইজ (২০১৩) */
75493
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
=== ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি'' (১৯৯৯) ===
<small>{{cite book|author=সি. এন. আর. রাও|title=আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-S2Apt2Efq4C|year=1999|publisher=ইউনিভার্সিটিস প্রেস|isbn=978-81-7371-250-0}}</small>
[[File:Iron Pillar, Delhi, May 2008.jpg|thumb|right|দিল্লির মরচেহীন লৌহস্তম্ভ]]
*প্রাচীন গ্রিস ও ভারতের দার্শনিকেরা যিশুখ্রিষ্টের শত শত বছর আগেই [পদার্থ কী দিয়ে গঠিত] এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৭।
*মৌলসমূহের আদি ধারণার একমাত্র যে অংশটি টিকে আছে তা হলো যে মৌলসমূহের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মৌল হলো এমন একটি পদার্থ যাকে সাধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও সরলতর পদার্থে পরিণত করা যায় না এবং যা কেবল এক প্রকারের কণা দ্বারা গঠিত।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মাত্র ১৯১১ সাল থেকে আমরা জানি যে পরমাণুতে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত নিউক্লিয়াস থাকে।
**পৃষ্ঠা ২৯।
*পরমাণুর ধারণা মূলত একটি তত্ত্ব হিসেবে প্রস্তাবিত হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন উপায়ে এদের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছিল, তবুও মানুষ মনে করত না যে এদের সরাসরি দেখা সম্ভব। অতি সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই ছিল। বর্তমানে শক্তিশালী আণুবীক্ষণিক কৌশল প্রয়োগ করে আমরা পরমাণুকে সরাসরি দেখতে সক্ষম।
**পৃষ্ঠা ২২।
*ধাতুর প্রতি মানুষের অনুসন্ধান প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই চলে আসছে। ভারতে কয়েক হাজার বছর ধরে ধাতুর ব্যবহার হয়ে আসছে। ইতিহাসের নির্দিষ্ট কিছু সময়কাল সেই সময়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত বিশেষ কিছু ধাতুর সাথে সম্পর্কিত।
**পৃষ্ঠা ২৮।
*দিল্লির বিখ্যাত লৌহস্তম্ভটি, যা গুপ্ত যুগে (১৫০০ বছরেরও বেশি আগে) নির্মিত হয়েছিল, এক বিস্ময়। এত বছর পরেও এই স্তম্ভটি কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই সোজা দাঁড়িয়ে আছে। এই মরচেহীন লৌহস্তম্ভটি আমাদের পূর্বপুরুষদের মহান উদ্ভাবনী শক্তির প্রতি এক শ্রদ্ধাঞ্জলি।
**পৃষ্ঠা ৩৬।
*পদার্থ তিনটি অবস্থায় থাকতে পারে – গ্যাস, তরল এবং কঠিন। জলও এই তিনটি অবস্থাতেই বিদ্যমান থাকে: গ্যাস (বাষ্প বা জলীয় বাষ্প), তরল (সাধারণ জল) এবং কঠিন (বরফ)। গ্যাস, তরল এবং কঠিন পদার্থের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন ভিন্ন।
**পৃষ্ঠা ৫৬।
*এমনকি ধাতুও বিদ্যুৎ প্রবাহে কিছুটা বাধা সৃষ্টি করে। কিছু উপাদান কোনো বাধা ছাড়াই বিদ্যুৎ পরিবহন করে। এই ধরনের উপাদানকে অতিপরিবাহী বলা হয়।
**পৃষ্ঠা ৫৯।
=== ''ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি'' (২০১০) ===
<small>{{cite book|author1=সি এন আর রাও|author2=অ্যান্টোনিও ভ্যাজকুয়েজ বারকোয়েরো|title=ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-ajEFddmiDUC|year=২০১০|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-4307-86-4}}</small>
*অধ্যাপক ব্রাউন বলতেন, কোনো কাজ যদি করার মতো হয়, তবে তা প্রকাশ করারও যোগ্য। বহু বছর আগে ফ্যারাডেও প্রায় একই কথা বলেছিলেন। বিজ্ঞানে আমরা “কাজ করি, শেষ করি এবং প্রকাশ করি”। এই কথাগুলো আমার সারা পেশাগত জীবন জুড়ে আমাকে পথ দেখিয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৩০।
*বার্কলির ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (ইউসি বার্কলি) বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়, এবং এদের রসায়ন বিভাগ গবেষণার ক্ষেত্রে বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে। এই বিভাগটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জি. এন. লিউইস, যাকে আধুনিক রসায়নের জনক হিসেবে গণ্য করা হয়।
**পৃষ্ঠা ৩২।
*মহীশূরের মহারাজা (তৎকালীন মহীশূরের রাজ্যপাল), আয়াচামরাজেন্দ্র ওয়দেয়ার, একদিনের জন্য বার্কলিতে এসেছিলেন। আমি তাকে চারপাশ ঘুরিয়ে দেখালাম। পাহাড়ের ওপরের বিকিরণ গবেষণাগারের অ্যাক্সিলারেটরগুলো দেখে তিনি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছিলেন। তিনি আমার সাথে কন্নড় ভাষায় কথা বলতে পেরে খুশি হয়েছিলেন এবং আমি যে কিছুটা সংস্কৃত জানি, তাতে তিনি আরও বেশি খুশি হয়েছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৩৫।
*বার্কলি ক্যাম্পাসটি ছিল শিক্ষাগত দিক থেকে অপ্রতিরোধ্য। মঙ্গলবার সন্ধ্যার আলোচনা সভাগুলোতে সামনের সারিতে রসায়নবিদদের এক বিশাল নক্ষত্রমণ্ডলকে সমবেত হতে দেখা যেত, যাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন নোবেল বিজয়ী এবং ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সের সদস্য। এই সভাগুলোতে বক্তৃতা দেওয়াটা ছিল ভয়প্রদ কাজ। তবে শেষমেশ আমি সেগুলো উতরে যেতে পেরেছিলাম।
**পৃষ্ঠা ৩৭।
*যেহেতু কোনো অবলোহিত স্পেকট্রোমিটার ছিল না, তাই শ্রেণি কম্পাঙ্কগুলোকে শ্রেণীবদ্ধ করার উদ্দেশ্যে আমি এখানে-সেখানে নির্দিষ্ট কিছু যৌগের রুটিন অবলোহিত স্পেকট্রা রেকর্ড করার ব্যবস্থা করেছিলাম। এই গবেষণাপত্রগুলোর একটি পরবর্তীকালে সাইটেশন ক্লাসিক হয়ে যায়।
**মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরার পর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সে তার প্রথম দিককার কাজ সম্পর্কে, পৃষ্ঠা ৪০।
=== ''হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট'' (২০১০) ===
<small>{{cite news|url=http://indiatoday.intoday.in/story/How+I+made+it:+CNR+Rao,+Scientist/1/100031.html|title=হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট|date=3 June 2010|accessdate=22 December 2013|publisher=ইন্ডিয়া টুডে}}</small>
*তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়, ইজরায়েল থেকে প্রাপ্ত মিলিয়ন ডলারের ড্যান ডেভিড পুরস্কারের একাংশ দিয়ে আমরা সিএনআর রাও এডুকেশন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছি কারণ, তরুণ প্রজন্ম যদি অল্প বয়সেই বিজ্ঞানের প্রতি আকৃষ্ট না হয়, তবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বর্তমানে আমাদের যেটুকু অগ্রগামিতা রয়েছে, তা আমরা হারিয়ে ফেলব। আমার স্ত্রী ইন্দুুমতী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে এই ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। আমরা ভারতকে বিজ্ঞানের জগতে এক বিশাল শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে দেখতে চাই।
*আইআইএসসির পরিস্থিতি মার্কিন কেন্দ্রগুলোর সমকক্ষ ছিল না কিন্তু অন্ধকারকে অভিশাপ দেওয়ার চেয়ে মোমবাতি জ্বালানোই শ্রেয়।
*আণবিক অরবিটাল সংকেত ব্যবহার করে অতিবেগুনি ও দৃশ্যমান বর্ণালীবীক্ষণ বিষয়ক আমার মনোগ্রাফটি অবশেষে ১৯৬০ সালে বই হিসেবে প্রকাশিত হয়।
*আবেগ, কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠার সাথে আপনার স্বপ্নকে অনুসরণ করুন।
*শেখা কখনো থামাবেন না। আরও জ্ঞান অর্জনের তৃষ্ণা কখনো শেষ হওয়া উচিত নয়।
*সর্বদা নতুন অন্তর্দৃষ্টি অর্জন করুন, সঠিক প্রশ্ন করতে দ্বিধাবোধ করবেন না।
*নেতাদের নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করুন, তাদের নেতৃত্বদানের ধরন থেকে যতটা সম্ভব শিখুন।
*শক্তিশালী ভিত্তি গড়ুন। শ্রেষ্ঠত্বের শিখরে পৌঁছানোর যাত্রাপথে শক্তিশালী ভিত্তি প্রয়োজন হয়।
*পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখুন। আপনার পরিবার ও আপনার পছন্দের বিষয়গুলোর জন্য সময় খুঁজে বের করুন।
=== ''সায়েন্টিস্ট ওয়ন্ডার্স হোয়াই নোবডি আস্কস হিম অ্যাবাউট ড্যান ডেভিড প্রাইজ'' (২০১৩) ===
<small>{{cite news|url=http://www.deccanherald.com/content/369562/scientist-wonders-why-nobody-asks.html|title=সায়েন্টিস্ট ওয়ন্ডার্স হোয়াই নোবডি আস্কস হিম অ্যাবাউট ড্যান ডেভিড প্রাইজ|date= 17 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=ডেকান হেরাল্ড}}</small>
*আমাদের অনেক কিছুরই সামর্থ্য ছিল না, কিন্তু আমাদের শিক্ষা ছিল। আমার বাবা একজন প্রধান শিক্ষক ছিলেন এবং পরে শিক্ষা কর্মকর্তা হন। আমার মা অসাধারণ ছিলেন: তিনি আমাকে সবসময় বলতেন, ‘তোমার যা ইচ্ছা তাই করো।’ তিনি আমাকে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছিলেন, আসলে আমার বাবা-মা দুজনেই তা দিয়েছিলেন। কিন্তু এর জন্য আমি সত্যিই আমার মায়ের কাছে ঋণী। যখন আমি তাকে বলি যে আমি বেনারস (বারাণসী) পড়তে যাব, তিনি বললেন, ‘তুমি বেনারস যেতে চাও? ঠিক আছে, যাও।’ তিনি বলতেন, ‘টাকাপয়সা নিয়ে চিন্তা করো না, পড়াটাই সবচেয়ে জরুরি, পড়ো আর তাহলেই সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।’ আমার পরিবার খুব খোলামেলা ছিল। তাদের কারণেই আমি আজ এই অবস্থানে আসতে পেরেছি। আমি আমার বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান, আমার স্ত্রীও তাই।
*সেই দিনগুলিতে কেবল গরিব শিক্ষক আর গরিব পুলিশদেরই সবচেয়ে বেশি সন্তান থাকত। কিন্তু আমার বাবা এক ধরনের পরিবার পরিকল্পনায় বিশ্বাস করতেন। তিনি তখন পরিবার পরিকল্পনা শিক্ষক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
*আমি এমন সব উপাদান নিয়েও কাজ করছি যা নিয়ে বিশ্বে আগে কখনো কাজ করা হয়নি, এই গ্রহে সম্পূর্ণ নতুন ধরনের উপাদান। আমি নিজের জন্য ততটা চিন্তিত নই, আমি কাজ চালিয়ে যাব। কিন্তু আমি অন্যদের জন্য চিন্তিত।
*বিজ্ঞানীদের মধ্যে, সি. ভি. রমনের পর আমিই দ্বিতীয় ব্যক্তি যিনি এটি [ভারত রত্ন] পেয়েছেন। এম. বিশ্বেশ্বরাইয়া ছিলেন প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী নন। সেই অর্থে আমি এটি পাওয়া দ্বিতীয় বিজ্ঞানী। আমি আনন্দিত যে কন্নড়ভাষীরাও এই পুরস্কার পাচ্ছেন। আমার বাবা-মা ছোটবেলায় আমাকে সবসময় বলতেন ভালোভাবে কন্নড় শিখতে, যাতে আমি কন্নড় ও ইংরেজি দুটো ভাষাতেই পারদর্শী হতে পারি। কন্নড় পড়তে ও লিখতে শেখো, তারপর তুমি ইংরেজি শিখতে পারবে এবং দুটো ভাষাই উপভোগ করতে পারবে।
**ভারতরত্ন প্রাপ্ত বিজ্ঞানীদের সংখ্যা নিয়ে তার ধারণা ভুল ছিল। পদার্থবিজ্ঞানী এ. পি. জে. আব্দুল কালামকে ১৯৯৭ সালে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়, ফলে রাও বিজ্ঞানীদের মধ্যে তৃতীয় প্রাপক হন।
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
6hq5t5j7dmbt4o2ez253pe9e5uijocz
75494
75493
2026-04-11T01:22:11Z
Nil Nandy
2294
/* সায়েন্টিস্ট ওয়ন্ডার্স হোয়াই নোবডি আস্কস হিম অ্যাবাউট ড্যান ডেভিড প্রাইজ (২০১৩) */
75494
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
=== ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি'' (১৯৯৯) ===
<small>{{cite book|author=সি. এন. আর. রাও|title=আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-S2Apt2Efq4C|year=1999|publisher=ইউনিভার্সিটিস প্রেস|isbn=978-81-7371-250-0}}</small>
[[File:Iron Pillar, Delhi, May 2008.jpg|thumb|right|দিল্লির মরচেহীন লৌহস্তম্ভ]]
*প্রাচীন গ্রিস ও ভারতের দার্শনিকেরা যিশুখ্রিষ্টের শত শত বছর আগেই [পদার্থ কী দিয়ে গঠিত] এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৭।
*মৌলসমূহের আদি ধারণার একমাত্র যে অংশটি টিকে আছে তা হলো যে মৌলসমূহের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মৌল হলো এমন একটি পদার্থ যাকে সাধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও সরলতর পদার্থে পরিণত করা যায় না এবং যা কেবল এক প্রকারের কণা দ্বারা গঠিত।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মাত্র ১৯১১ সাল থেকে আমরা জানি যে পরমাণুতে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত নিউক্লিয়াস থাকে।
**পৃষ্ঠা ২৯।
*পরমাণুর ধারণা মূলত একটি তত্ত্ব হিসেবে প্রস্তাবিত হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন উপায়ে এদের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছিল, তবুও মানুষ মনে করত না যে এদের সরাসরি দেখা সম্ভব। অতি সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই ছিল। বর্তমানে শক্তিশালী আণুবীক্ষণিক কৌশল প্রয়োগ করে আমরা পরমাণুকে সরাসরি দেখতে সক্ষম।
**পৃষ্ঠা ২২।
*ধাতুর প্রতি মানুষের অনুসন্ধান প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই চলে আসছে। ভারতে কয়েক হাজার বছর ধরে ধাতুর ব্যবহার হয়ে আসছে। ইতিহাসের নির্দিষ্ট কিছু সময়কাল সেই সময়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত বিশেষ কিছু ধাতুর সাথে সম্পর্কিত।
**পৃষ্ঠা ২৮।
*দিল্লির বিখ্যাত লৌহস্তম্ভটি, যা গুপ্ত যুগে (১৫০০ বছরেরও বেশি আগে) নির্মিত হয়েছিল, এক বিস্ময়। এত বছর পরেও এই স্তম্ভটি কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই সোজা দাঁড়িয়ে আছে। এই মরচেহীন লৌহস্তম্ভটি আমাদের পূর্বপুরুষদের মহান উদ্ভাবনী শক্তির প্রতি এক শ্রদ্ধাঞ্জলি।
**পৃষ্ঠা ৩৬।
*পদার্থ তিনটি অবস্থায় থাকতে পারে – গ্যাস, তরল এবং কঠিন। জলও এই তিনটি অবস্থাতেই বিদ্যমান থাকে: গ্যাস (বাষ্প বা জলীয় বাষ্প), তরল (সাধারণ জল) এবং কঠিন (বরফ)। গ্যাস, তরল এবং কঠিন পদার্থের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন ভিন্ন।
**পৃষ্ঠা ৫৬।
*এমনকি ধাতুও বিদ্যুৎ প্রবাহে কিছুটা বাধা সৃষ্টি করে। কিছু উপাদান কোনো বাধা ছাড়াই বিদ্যুৎ পরিবহন করে। এই ধরনের উপাদানকে অতিপরিবাহী বলা হয়।
**পৃষ্ঠা ৫৯।
=== ''ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি'' (২০১০) ===
<small>{{cite book|author1=সি এন আর রাও|author2=অ্যান্টোনিও ভ্যাজকুয়েজ বারকোয়েরো|title=ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-ajEFddmiDUC|year=২০১০|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-4307-86-4}}</small>
*অধ্যাপক ব্রাউন বলতেন, কোনো কাজ যদি করার মতো হয়, তবে তা প্রকাশ করারও যোগ্য। বহু বছর আগে ফ্যারাডেও প্রায় একই কথা বলেছিলেন। বিজ্ঞানে আমরা “কাজ করি, শেষ করি এবং প্রকাশ করি”। এই কথাগুলো আমার সারা পেশাগত জীবন জুড়ে আমাকে পথ দেখিয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৩০।
*বার্কলির ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (ইউসি বার্কলি) বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়, এবং এদের রসায়ন বিভাগ গবেষণার ক্ষেত্রে বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে। এই বিভাগটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জি. এন. লিউইস, যাকে আধুনিক রসায়নের জনক হিসেবে গণ্য করা হয়।
**পৃষ্ঠা ৩২।
*মহীশূরের মহারাজা (তৎকালীন মহীশূরের রাজ্যপাল), আয়াচামরাজেন্দ্র ওয়দেয়ার, একদিনের জন্য বার্কলিতে এসেছিলেন। আমি তাকে চারপাশ ঘুরিয়ে দেখালাম। পাহাড়ের ওপরের বিকিরণ গবেষণাগারের অ্যাক্সিলারেটরগুলো দেখে তিনি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছিলেন। তিনি আমার সাথে কন্নড় ভাষায় কথা বলতে পেরে খুশি হয়েছিলেন এবং আমি যে কিছুটা সংস্কৃত জানি, তাতে তিনি আরও বেশি খুশি হয়েছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৩৫।
*বার্কলি ক্যাম্পাসটি ছিল শিক্ষাগত দিক থেকে অপ্রতিরোধ্য। মঙ্গলবার সন্ধ্যার আলোচনা সভাগুলোতে সামনের সারিতে রসায়নবিদদের এক বিশাল নক্ষত্রমণ্ডলকে সমবেত হতে দেখা যেত, যাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন নোবেল বিজয়ী এবং ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সের সদস্য। এই সভাগুলোতে বক্তৃতা দেওয়াটা ছিল ভয়প্রদ কাজ। তবে শেষমেশ আমি সেগুলো উতরে যেতে পেরেছিলাম।
**পৃষ্ঠা ৩৭।
*যেহেতু কোনো অবলোহিত স্পেকট্রোমিটার ছিল না, তাই শ্রেণি কম্পাঙ্কগুলোকে শ্রেণীবদ্ধ করার উদ্দেশ্যে আমি এখানে-সেখানে নির্দিষ্ট কিছু যৌগের রুটিন অবলোহিত স্পেকট্রা রেকর্ড করার ব্যবস্থা করেছিলাম। এই গবেষণাপত্রগুলোর একটি পরবর্তীকালে সাইটেশন ক্লাসিক হয়ে যায়।
**মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরার পর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সে তার প্রথম দিককার কাজ সম্পর্কে, পৃষ্ঠা ৪০।
=== ''হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট'' (২০১০) ===
<small>{{cite news|url=http://indiatoday.intoday.in/story/How+I+made+it:+CNR+Rao,+Scientist/1/100031.html|title=হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট|date=3 June 2010|accessdate=22 December 2013|publisher=ইন্ডিয়া টুডে}}</small>
*তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়, ইজরায়েল থেকে প্রাপ্ত মিলিয়ন ডলারের ড্যান ডেভিড পুরস্কারের একাংশ দিয়ে আমরা সিএনআর রাও এডুকেশন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছি কারণ, তরুণ প্রজন্ম যদি অল্প বয়সেই বিজ্ঞানের প্রতি আকৃষ্ট না হয়, তবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বর্তমানে আমাদের যেটুকু অগ্রগামিতা রয়েছে, তা আমরা হারিয়ে ফেলব। আমার স্ত্রী ইন্দুুমতী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে এই ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। আমরা ভারতকে বিজ্ঞানের জগতে এক বিশাল শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে দেখতে চাই।
*আইআইএসসির পরিস্থিতি মার্কিন কেন্দ্রগুলোর সমকক্ষ ছিল না কিন্তু অন্ধকারকে অভিশাপ দেওয়ার চেয়ে মোমবাতি জ্বালানোই শ্রেয়।
*আণবিক অরবিটাল সংকেত ব্যবহার করে অতিবেগুনি ও দৃশ্যমান বর্ণালীবীক্ষণ বিষয়ক আমার মনোগ্রাফটি অবশেষে ১৯৬০ সালে বই হিসেবে প্রকাশিত হয়।
*আবেগ, কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠার সাথে আপনার স্বপ্নকে অনুসরণ করুন।
*শেখা কখনো থামাবেন না। আরও জ্ঞান অর্জনের তৃষ্ণা কখনো শেষ হওয়া উচিত নয়।
*সর্বদা নতুন অন্তর্দৃষ্টি অর্জন করুন, সঠিক প্রশ্ন করতে দ্বিধাবোধ করবেন না।
*নেতাদের নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করুন, তাদের নেতৃত্বদানের ধরন থেকে যতটা সম্ভব শিখুন।
*শক্তিশালী ভিত্তি গড়ুন। শ্রেষ্ঠত্বের শিখরে পৌঁছানোর যাত্রাপথে শক্তিশালী ভিত্তি প্রয়োজন হয়।
*পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখুন। আপনার পরিবার ও আপনার পছন্দের বিষয়গুলোর জন্য সময় খুঁজে বের করুন।
=== ''সায়েন্টিস্ট ওয়ন্ডার্স হোয়াই নোবডি আস্কস হিম অ্যাবাউট ড্যান ডেভিড প্রাইজ'' (২০১৩) ===
<small>{{cite news|url=http://www.deccanherald.com/content/369562/scientist-wonders-why-nobody-asks.html|title=সায়েন্টিস্ট ওয়ন্ডার্স হোয়াই নোবডি আস্কস হিম অ্যাবাউট ড্যান ডেভিড প্রাইজ|date= 17 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=ডেকান হেরাল্ড}}</small>
*আমাদের অনেক কিছুরই সামর্থ্য ছিল না, কিন্তু আমাদের শিক্ষা ছিল। আমার বাবা একজন প্রধান শিক্ষক ছিলেন এবং পরে শিক্ষা কর্মকর্তা হন। আমার মা অসাধারণ ছিলেন: তিনি আমাকে সবসময় বলতেন, ‘তোমার যা ইচ্ছা তাই করো।’ তিনি আমাকে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছিলেন, আসলে আমার বাবা-মা দুজনেই তা দিয়েছিলেন। কিন্তু এর জন্য আমি সত্যিই আমার মায়ের কাছে ঋণী। যখন আমি তাকে বলি যে আমি বেনারস (বারাণসী) পড়তে যাব, তিনি বললেন, ‘তুমি বেনারস যেতে চাও? ঠিক আছে, যাও।’ তিনি বলতেন, ‘টাকাপয়সা নিয়ে চিন্তা করো না, পড়াটাই সবচেয়ে জরুরি, পড়ো আর তাহলেই সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।’ আমার পরিবার খুব খোলামেলা ছিল। তাদের কারণেই আমি আজ এই অবস্থানে আসতে পেরেছি। আমি আমার বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান, আমার স্ত্রীও তাই।
*সেই দিনগুলিতে কেবল গরিব শিক্ষক আর গরিব পুলিশদেরই সবচেয়ে বেশি সন্তান থাকত। কিন্তু আমার বাবা এক ধরনের পরিবার পরিকল্পনায় বিশ্বাস করতেন। তিনি তখন পরিবার পরিকল্পনা শিক্ষক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
*আমি এমন সব উপাদান নিয়েও কাজ করছি যা নিয়ে বিশ্বে আগে কখনো কাজ করা হয়নি, এই গ্রহে সম্পূর্ণ নতুন ধরনের উপাদান। আমি নিজের জন্য ততটা চিন্তিত নই, আমি কাজ চালিয়ে যাব। কিন্তু আমি অন্যদের জন্য চিন্তিত।
*বিজ্ঞানীদের মধ্যে, সি. ভি. রমনের পর আমিই দ্বিতীয় ব্যক্তি যিনি এটি [ভারত রত্ন] পেয়েছেন। এম. বিশ্বেশ্বরাইয়া ছিলেন প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী নন। সেই অর্থে আমি এটি পাওয়া দ্বিতীয় বিজ্ঞানী। আমি আনন্দিত যে কন্নড়ভাষীরাও এই পুরস্কার পাচ্ছেন। আমার বাবা-মা ছোটবেলায় আমাকে সবসময় বলতেন ভালোভাবে কন্নড় শিখতে, যাতে আমি কন্নড় ও ইংরেজি দুটো ভাষাতেই পারদর্শী হতে পারি। কন্নড় পড়তে ও লিখতে শেখো, তারপর তুমি ইংরেজি শিখতে পারবে এবং দুটো ভাষাই উপভোগ করতে পারবে।
**ভারতরত্ন প্রাপ্ত বিজ্ঞানীদের সংখ্যা নিয়ে তার ধারণা ভুল ছিল। পদার্থবিজ্ঞানী এ. পি. জে. আব্দুল কালামকে ১৯৯৭ সালে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়, ফলে রাও বিজ্ঞানীদের মধ্যে তৃতীয় প্রাপক হন।
*কিছু সিএনআর অনুগামী আছেন। রসায়নে অধ্যাপক ডি ডি শর্মা, পদার্থবিজ্ঞানে অধ্যাপক অজয় সুদ ভালো কাজ করছেন। দেখা যাক, তরুণদের মধ্য থেকে আরও অনেকে উঠে আসতে পারেন।
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
sxd2403ekgyoz7zuvcpblfagoi4kixd
75496
75494
2026-04-11T01:24:21Z
Nil Nandy
2294
/* সায়েন্টিস্ট ওয়ন্ডার্স হোয়াই নোবডি আস্কস হিম অ্যাবাউট ড্যান ডেভিড প্রাইজ (২০১৩) */
75496
wikitext
text/x-wiki
[[:w:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] (জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৩৪) একজন ভারতীয় রসায়নবিদ, যার গবেষণার ক্ষেত্র হলো কঠিন-অবস্থা ও গঠনগত রসায়ন এবং ন্যানোউপাদান। রাওয়ের অনন্য অবদান তার ১,৫০০টি গবেষণাপত্র এবং ৪৫টি বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্বের ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং সমস্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছেন। ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করে।
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03650.JPG|right|thumb| সি. এন. আর. রাও, কঠিন-অবস্থা ও উপাদান রসায়নের বিশেষজ্ঞ (২০০৪)]]
== উক্তি ==
[[File:Chintamani Nagesa Ramachandra Rao 03682.JPG|right|thumb|সি. এন. আর. রাও]]
*আমি প্রায় চার দশক ধরে কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছি। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে যখন আমি প্রথম এই বিষয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হই, তখন এটি ছিল একেবারে শৈশবে। খুব কম রসায়নবিদই, অন্যদের কথা বাদ দিন, কঠিন অবস্থা রসায়নকে মূলধারার রসায়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেন। এই ধরনের অমায়িক সহনশীলতা সত্ত্বেও, কঠিন অবস্থা রসায়ন ধীরে ধীরে আধুনিক কঠিন অবস্থা ও উপাদান বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
**{{cite book|author=আর. এ. মাশেলকর|title=সলিড স্টেট কেমিস্ট্রি: সিলেক্টেড পেপার্স অব সি এন আর রাও|url=http://books.google.com/books?id=8ZSfo_HUk7oC&pg=PA4|date=২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-279-589-2|page=৪}}
*পঞ্চাশ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। প্রথম ৩০-৩৫ বছর- এই সময়কে আমরা এমন একটি সময় বলতে পারি, যখন ভারত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, আমরা আইআইটি এবং জাতীয় গবেষণাগারের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম... আমাদের আরও উন্নত পরিকাঠামোগত সুবিধা প্রয়োজন এবং আমাদের আরও কঠিন সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা যদি অগ্রভাগে থাকতে চাই, তবে আমাদের উদ্ভাবক এবং নতুনত্বের প্রবর্তক হতে হবে।
**উদ্ধৃতি: {{cite web|url=http://www.iisc.ernet.in/currsci/apr102002/788.pdf|format=pdf|title=ইন কনভারসেশন|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স}}
*আমি এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে, কঠিন অবস্থা রসায়ন ক্ষেত্রটিকে আর এই নামে অভিহিত করা হয় না বরং এখন একে উপাদান রসায়ন বলা হয়। এই বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে এই বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করার অনেক আগেই, আমি ব্যাঙ্গালোরে এই ইউনিটটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। বর্তমানে রসায়নের দুটি প্রধান ধারা রয়েছে: রাসায়নিক জীববিজ্ঞান এবং উপাদান রসায়ন।
**উদ্ধৃতি: ইন কনভারসেশন।
*আমার মনে হয়, মৌলিক বিজ্ঞান এখন প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে। আমি আগেও বলতাম যে, ড. হোমি ভাবা এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট গবেষকের এই সম্মান পাওয়া উচিত ছিল। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন, কিন্তু খুব কমই স্বীকৃতি পান। আমি দীর্ঘ ৬২ বছর ধরে কাজ করে আসছি। ১৭ বছর বয়সে আমি আমার গবেষণা শুরু করেছিলাম। শীঘ্রই আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হতে চলেছে।
**উদ্ধৃতি: {{Cite news|url=http://www.deccanchronicle.com/131117/news-current-affairs/article/cnr-rao-bharat-finds-jewel-science|title=সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ডেকান ক্রনিকল}}
*বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তিনিই প্রথম চিনতে পেরেছিলেন এবং আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন মাত্র ৩০ বছর, তখন তিনি আমাকে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য করেছিলেন। আমি কখনোই তার সমকক্ষ হতে পারব না।
**চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন সম্পর্কে তার বক্তব্য। উদ্ধৃতি: সিএনআর রাও: ভারত ফাইন্ডস অ্যা জুয়েল ইন সায়েন্স।
*আমার নায়ক হলেন নোবেল বিজয়ী নেভিল মট, যিনি ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করার সময় চারটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন।
**রসায়নে অগাস্ট উইলহেলম ভন হফম্যান পদক পাওয়ার পর তার বক্তব্য। উৎস: {{Cite web|url=http://www.nature.com/nindia/2010/100111/full/nindia.2009.365.html|title=নিড ইয়ং সায়েন্টিস্টস টু লিড: সি এন আর রাও|date=11 January 2011|accessdate=22 December 2013|publisher=নেচার পাবলিশিং গ্রুপ}}
*আমার জন্য সঙ্গীত নিরাময়ের মতো।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://www.business-standard.com/article/opinion/we-need-to-have-an-instinct-for-self-preservation-c-n-r-rao-113113000358_1.html|title=উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও|date=30 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড}}
*ন্যানোকণা হলো ন্যানোউপাদানের একটি প্রধান শ্রেণি। ন্যানোকণা শূন্য-মাত্রিক,তিনটি মাত্রাতেই অমেট্রিক মাত্রা থাকে।
**উৎস: {{cite book|author1=সি. এন. আর. রাও|author2=পি. জন থমাস|author3=জি. ইউ. কুলকার্নি|title=ন্যানোক্রিস্টালস:: সিনথেসিস,প্রপার্টিস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস|url=http://books.google.com/books?id=SdkGJ94w72QC|date=3 April 2007|publisher=স্প্রিংগার|isbn=978-3-540-68752-8}}
*আমার মনে হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে সরকারকে ভারতীয় শিল্পমহলের সহায়তা করা উচিত। সরকার একা এসব করতে পারবে না। এখন, এক্ষেত্রে শিল্পমহলের কোনো ভূমিকাই নেই। আমি বিগত প্রায় ৪০ বছর ধরে গবেষণার কাজে যুক্ত আছি। যুক্তরাষ্ট্রে, গবেষণা ও উন্নয়নের (আর অ্যান্ড ডি) মোট ব্যয়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বহন করে শিল্পমহল। আমাদের দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব শিল্পমহলকেই পালন করতে হবে। অতীতে, ভারতের শিল্পমহল গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কারণ তখন তারা যেকোনো পণ্যই অনায়াসে বিক্রি করতে পারত। বর্তমানে তারা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তা করে উঠতে পারছে না। আমাদের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে, অন্যথায় শিল্পমহল প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*এছাড়াও, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে আমাদের মূল্যবোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের উদ্ভাবনের বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলতে হবে এবং প্রযুক্তি শীঘ্রই চলে আসবে। উদ্ভাবনের জন্য মূল্যায়ন করা ১৪০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৬। আমাদের কাজ করার নতুন উপায় এবং চিন্তা করার নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। আমরা একই কাজ করে যেতে পারি না। জুগার (অস্থায়ী সমাধান) এর মধ্যে একটি। পরিবেশটা নিজেথেকেই উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা উচিত।
**উদ্ধৃতি: "উই নিড টু হ্যাভ অ্যান ইনস্টিংক্ট ফর সেল্ফ-প্রিসার্ভেশন: সি এন আর রাও"।
*আমাদের সমাজ এমন একদল আইকন ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে, যারা কেবল এই [ব্যাঙ্গালুরু] শহরের ভবিষ্যৎকেই নয় বরং সমগ্র ভারতের ভবিষ্যৎ এবং আমাদের মূল্যবোধকেও বিকৃত করে চলেছে। আমাদের মানুষ পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছে। অর্থ ও বাণিজ্য এখন সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছে। যদি তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের মৌলিক মূল্যবোধগুলোকেই কেড়ে নেয়, তবে আপনি ব্যাঙ্গালুরুকে পুড়িয়ে ফেলতে পারেন, পুড়িয়ে ফেলুন তথ্যপ্রযুক্তিকেও।
** উদ্ধৃতি: {{cite news|url=http://ibnlive.in.com/news/world-renowned-scientist-cnr-rao-gets-bharat-ratna/434510-3.html|title=সি এন আর রাও, এ প্রিস্ট অব পিওর সায়েন্স গেটস ভারত রত্ন|date=12 November 2012|accessdate=22 December 2013|publisher=আই বি এন লাইভ}}
=== ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি'' (১৯৯৯) ===
<small>{{cite book|author=সি. এন. আর. রাও|title=আন্ডারস্ট্যান্ডিং কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-S2Apt2Efq4C|year=1999|publisher=ইউনিভার্সিটিস প্রেস|isbn=978-81-7371-250-0}}</small>
[[File:Iron Pillar, Delhi, May 2008.jpg|thumb|right|দিল্লির মরচেহীন লৌহস্তম্ভ]]
*প্রাচীন গ্রিস ও ভারতের দার্শনিকেরা যিশুখ্রিষ্টের শত শত বছর আগেই [পদার্থ কী দিয়ে গঠিত] এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৭।
*মৌলসমূহের আদি ধারণার একমাত্র যে অংশটি টিকে আছে তা হলো যে মৌলসমূহের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মৌল হলো এমন একটি পদার্থ যাকে সাধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও সরলতর পদার্থে পরিণত করা যায় না এবং যা কেবল এক প্রকারের কণা দ্বারা গঠিত।
**পৃষ্ঠা ৮।
*মাত্র ১৯১১ সাল থেকে আমরা জানি যে পরমাণুতে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত নিউক্লিয়াস থাকে।
**পৃষ্ঠা ২৯।
*পরমাণুর ধারণা মূলত একটি তত্ত্ব হিসেবে প্রস্তাবিত হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন উপায়ে এদের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছিল, তবুও মানুষ মনে করত না যে এদের সরাসরি দেখা সম্ভব। অতি সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই ছিল। বর্তমানে শক্তিশালী আণুবীক্ষণিক কৌশল প্রয়োগ করে আমরা পরমাণুকে সরাসরি দেখতে সক্ষম।
**পৃষ্ঠা ২২।
*ধাতুর প্রতি মানুষের অনুসন্ধান প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই চলে আসছে। ভারতে কয়েক হাজার বছর ধরে ধাতুর ব্যবহার হয়ে আসছে। ইতিহাসের নির্দিষ্ট কিছু সময়কাল সেই সময়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত বিশেষ কিছু ধাতুর সাথে সম্পর্কিত।
**পৃষ্ঠা ২৮।
*দিল্লির বিখ্যাত লৌহস্তম্ভটি, যা গুপ্ত যুগে (১৫০০ বছরেরও বেশি আগে) নির্মিত হয়েছিল, এক বিস্ময়। এত বছর পরেও এই স্তম্ভটি কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই সোজা দাঁড়িয়ে আছে। এই মরচেহীন লৌহস্তম্ভটি আমাদের পূর্বপুরুষদের মহান উদ্ভাবনী শক্তির প্রতি এক শ্রদ্ধাঞ্জলি।
**পৃষ্ঠা ৩৬।
*পদার্থ তিনটি অবস্থায় থাকতে পারে – গ্যাস, তরল এবং কঠিন। জলও এই তিনটি অবস্থাতেই বিদ্যমান থাকে: গ্যাস (বাষ্প বা জলীয় বাষ্প), তরল (সাধারণ জল) এবং কঠিন (বরফ)। গ্যাস, তরল এবং কঠিন পদার্থের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন ভিন্ন।
**পৃষ্ঠা ৫৬।
*এমনকি ধাতুও বিদ্যুৎ প্রবাহে কিছুটা বাধা সৃষ্টি করে। কিছু উপাদান কোনো বাধা ছাড়াই বিদ্যুৎ পরিবহন করে। এই ধরনের উপাদানকে অতিপরিবাহী বলা হয়।
**পৃষ্ঠা ৫৯।
=== ''ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি'' (২০১০) ===
<small>{{cite book|author1=সি এন আর রাও|author2=অ্যান্টোনিও ভ্যাজকুয়েজ বারকোয়েরো|title=ক্লাইম্বিং দি লিমিটলেস ল্যাডার: অ্যা লাইফ ইন কেমিস্ট্রি|url=http://books.google.com/books?id=-ajEFddmiDUC|year=২০১০|publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক|isbn=978-981-4307-86-4}}</small>
*অধ্যাপক ব্রাউন বলতেন, কোনো কাজ যদি করার মতো হয়, তবে তা প্রকাশ করারও যোগ্য। বহু বছর আগে ফ্যারাডেও প্রায় একই কথা বলেছিলেন। বিজ্ঞানে আমরা “কাজ করি, শেষ করি এবং প্রকাশ করি”। এই কথাগুলো আমার সারা পেশাগত জীবন জুড়ে আমাকে পথ দেখিয়েছে।
**পৃষ্ঠা ৩০।
*বার্কলির ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (ইউসি বার্কলি) বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়, এবং এদের রসায়ন বিভাগ গবেষণার ক্ষেত্রে বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে। এই বিভাগটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জি. এন. লিউইস, যাকে আধুনিক রসায়নের জনক হিসেবে গণ্য করা হয়।
**পৃষ্ঠা ৩২।
*মহীশূরের মহারাজা (তৎকালীন মহীশূরের রাজ্যপাল), আয়াচামরাজেন্দ্র ওয়দেয়ার, একদিনের জন্য বার্কলিতে এসেছিলেন। আমি তাকে চারপাশ ঘুরিয়ে দেখালাম। পাহাড়ের ওপরের বিকিরণ গবেষণাগারের অ্যাক্সিলারেটরগুলো দেখে তিনি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছিলেন। তিনি আমার সাথে কন্নড় ভাষায় কথা বলতে পেরে খুশি হয়েছিলেন এবং আমি যে কিছুটা সংস্কৃত জানি, তাতে তিনি আরও বেশি খুশি হয়েছিলেন।
**পৃষ্ঠা ৩৫।
*বার্কলি ক্যাম্পাসটি ছিল শিক্ষাগত দিক থেকে অপ্রতিরোধ্য। মঙ্গলবার সন্ধ্যার আলোচনা সভাগুলোতে সামনের সারিতে রসায়নবিদদের এক বিশাল নক্ষত্রমণ্ডলকে সমবেত হতে দেখা যেত, যাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন নোবেল বিজয়ী এবং ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সের সদস্য। এই সভাগুলোতে বক্তৃতা দেওয়াটা ছিল ভয়প্রদ কাজ। তবে শেষমেশ আমি সেগুলো উতরে যেতে পেরেছিলাম।
**পৃষ্ঠা ৩৭।
*যেহেতু কোনো অবলোহিত স্পেকট্রোমিটার ছিল না, তাই শ্রেণি কম্পাঙ্কগুলোকে শ্রেণীবদ্ধ করার উদ্দেশ্যে আমি এখানে-সেখানে নির্দিষ্ট কিছু যৌগের রুটিন অবলোহিত স্পেকট্রা রেকর্ড করার ব্যবস্থা করেছিলাম। এই গবেষণাপত্রগুলোর একটি পরবর্তীকালে সাইটেশন ক্লাসিক হয়ে যায়।
**মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরার পর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সে তার প্রথম দিককার কাজ সম্পর্কে, পৃষ্ঠা ৪০।
=== ''হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট'' (২০১০) ===
<small>{{cite news|url=http://indiatoday.intoday.in/story/How+I+made+it:+CNR+Rao,+Scientist/1/100031.html|title=হাউ আই মেড ইট: সিএনআর রাও, সায়েন্টিস্ট|date=3 June 2010|accessdate=22 December 2013|publisher=ইন্ডিয়া টুডে}}</small>
*তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়, ইজরায়েল থেকে প্রাপ্ত মিলিয়ন ডলারের ড্যান ডেভিড পুরস্কারের একাংশ দিয়ে আমরা সিএনআর রাও এডুকেশন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছি কারণ, তরুণ প্রজন্ম যদি অল্প বয়সেই বিজ্ঞানের প্রতি আকৃষ্ট না হয়, তবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বর্তমানে আমাদের যেটুকু অগ্রগামিতা রয়েছে, তা আমরা হারিয়ে ফেলব। আমার স্ত্রী ইন্দুুমতী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে এই ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। আমরা ভারতকে বিজ্ঞানের জগতে এক বিশাল শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে দেখতে চাই।
*আইআইএসসির পরিস্থিতি মার্কিন কেন্দ্রগুলোর সমকক্ষ ছিল না কিন্তু অন্ধকারকে অভিশাপ দেওয়ার চেয়ে মোমবাতি জ্বালানোই শ্রেয়।
*আণবিক অরবিটাল সংকেত ব্যবহার করে অতিবেগুনি ও দৃশ্যমান বর্ণালীবীক্ষণ বিষয়ক আমার মনোগ্রাফটি অবশেষে ১৯৬০ সালে বই হিসেবে প্রকাশিত হয়।
*আবেগ, কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠার সাথে আপনার স্বপ্নকে অনুসরণ করুন।
*শেখা কখনো থামাবেন না। আরও জ্ঞান অর্জনের তৃষ্ণা কখনো শেষ হওয়া উচিত নয়।
*সর্বদা নতুন অন্তর্দৃষ্টি অর্জন করুন, সঠিক প্রশ্ন করতে দ্বিধাবোধ করবেন না।
*নেতাদের নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করুন, তাদের নেতৃত্বদানের ধরন থেকে যতটা সম্ভব শিখুন।
*শক্তিশালী ভিত্তি গড়ুন। শ্রেষ্ঠত্বের শিখরে পৌঁছানোর যাত্রাপথে শক্তিশালী ভিত্তি প্রয়োজন হয়।
*পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখুন। আপনার পরিবার ও আপনার পছন্দের বিষয়গুলোর জন্য সময় খুঁজে বের করুন।
=== ''সায়েন্টিস্ট ওয়ন্ডার্স হোয়াই নোবডি আস্কস হিম অ্যাবাউট ড্যান ডেভিড প্রাইজ'' (২০১৩) ===
<small>{{cite news|url=http://www.deccanherald.com/content/369562/scientist-wonders-why-nobody-asks.html|title=সায়েন্টিস্ট ওয়ন্ডার্স হোয়াই নোবডি আস্কস হিম অ্যাবাউট ড্যান ডেভিড প্রাইজ|date= 17 November 2013|accessdate=22 December 2013|publisher=ডেকান হেরাল্ড}}</small>
*আমাদের অনেক কিছুরই সামর্থ্য ছিল না, কিন্তু আমাদের শিক্ষা ছিল। আমার বাবা একজন প্রধান শিক্ষক ছিলেন এবং পরে শিক্ষা কর্মকর্তা হন। আমার মা অসাধারণ ছিলেন: তিনি আমাকে সবসময় বলতেন, ‘তোমার যা ইচ্ছা তাই করো।’ তিনি আমাকে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছিলেন, আসলে আমার বাবা-মা দুজনেই তা দিয়েছিলেন। কিন্তু এর জন্য আমি সত্যিই আমার মায়ের কাছে ঋণী। যখন আমি তাকে বলি যে আমি বেনারস (বারাণসী) পড়তে যাব, তিনি বললেন, ‘তুমি বেনারস যেতে চাও? ঠিক আছে, যাও।’ তিনি বলতেন, ‘টাকাপয়সা নিয়ে চিন্তা করো না, পড়াটাই সবচেয়ে জরুরি, পড়ো আর তাহলেই সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।’ আমার পরিবার খুব খোলামেলা ছিল। তাদের কারণেই আমি আজ এই অবস্থানে আসতে পেরেছি। আমি আমার বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান, আমার স্ত্রীও তাই।
*সেই দিনগুলিতে কেবল গরিব শিক্ষক আর গরিব পুলিশদেরই সবচেয়ে বেশি সন্তান থাকত। কিন্তু আমার বাবা এক ধরনের পরিবার পরিকল্পনায় বিশ্বাস করতেন। তিনি তখন পরিবার পরিকল্পনা শিক্ষক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
*আমি এমন সব উপাদান নিয়েও কাজ করছি যা নিয়ে বিশ্বে আগে কখনো কাজ করা হয়নি, এই গ্রহে সম্পূর্ণ নতুন ধরনের উপাদান। আমি নিজের জন্য ততটা চিন্তিত নই, আমি কাজ চালিয়ে যাব। কিন্তু আমি অন্যদের জন্য চিন্তিত।
*বিজ্ঞানীদের মধ্যে, সি. ভি. রমনের পর আমিই দ্বিতীয় ব্যক্তি যিনি এটি [ভারত রত্ন] পেয়েছেন। এম. বিশ্বেশ্বরাইয়া ছিলেন প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী নন। সেই অর্থে আমি এটি পাওয়া দ্বিতীয় বিজ্ঞানী। আমি আনন্দিত যে কন্নড়ভাষীরাও এই পুরস্কার পাচ্ছেন। আমার বাবা-মা ছোটবেলায় আমাকে সবসময় বলতেন ভালোভাবে কন্নড় শিখতে, যাতে আমি কন্নড় ও ইংরেজি দুটো ভাষাতেই পারদর্শী হতে পারি। কন্নড় পড়তে ও লিখতে শেখো, তারপর তুমি ইংরেজি শিখতে পারবে এবং দুটো ভাষাই উপভোগ করতে পারবে।
**ভারতরত্ন প্রাপ্ত বিজ্ঞানীদের সংখ্যা নিয়ে তার ধারণা ভুল ছিল। পদার্থবিজ্ঞানী এ. পি. জে. আব্দুল কালামকে ১৯৯৭ সালে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়, ফলে রাও বিজ্ঞানীদের মধ্যে তৃতীয় প্রাপক হন।
*কিছু সিএনআর অনুগামী আছেন। রসায়নে অধ্যাপক ডি ডি শর্মা, পদার্থবিজ্ঞানে অধ্যাপক অজয় সুদ ভালো কাজ করছেন। দেখা যাক, তরুণদের মধ্য থেকে আরও অনেকে উঠে আসতে পারেন।
*আপনারা সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং এই ধরণের বিষয়গুলিতে মনোযোগ দেন। বিজ্ঞানের দিকে কে মনোযোগ দেয়? যখন আমি ড্যান ডেভিড পুরস্কার পেলাম, যা নোবেলের মতোই এবং ইজরায়েল কয়েক বছর পর পর একবার দেয়, তখন কেউ এ নিয়ে কথা বলেনি। কেউ আমাকে এ বিষয়ে কিছু জিজ্ঞাসা করেনি। এমনকি কেউ এটা জানেও না এবং বোঝেও না। বিজ্ঞানের জগতে এটি এত মর্যাদাপূর্ণ একটি পুরস্কার, কিন্তু এটা নিয়ে কেউ লেখেনি কেন?
== চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও সম্পর্কে উক্তি ==
*স্বাধীন ভারতে এ দেশের জন্ম দেওয়া অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী তিনি, এবং তিনি এর যোগ্য দাবিদার।
**কে কস্তুরিরঙ্গন, ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান। উৎস:{{cite news|url=http://www.indianexpress.com/news/if-you-work-hard-youll-get-results-in-india-professor-c-n-r-rao/1195914/|title=ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও|date=১৭ নভেম্বর ২০১৩|accessdate=২২ ডিসেম্বর ২০১৩|publisher=ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস}}
*ড. রাওয়ের কাজ কেবল [[:w:উপাদানবিজ্ঞান|উপাদানবিজ্ঞান]] ও [[:w:ন্যানোপ্রযুক্তি|ন্যানোপ্রযুক্তির]] ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি এ দেশের সামগ্রিক বিজ্ঞানের বিকাশেও অবদান রেখেছেন।
**এম. এস. আর. রাও, বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক [[:w:জওহরলাল নেহরু উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র|জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চের]] প্রাক্তন সভাপতি। উৎস: “ইফ ইউ ওয়র্ক হার্ড, ইউ'ল গেট রেজাল্টস ইন ইন্ডিয়া: প্রফেসর সি এন আর রাও"।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষায়তনিক]]
1iusehrt2awiv183phg1n78s9hs8o4n
গডফ্রি হ্যারল্ড হার্ডি
0
12271
75360
75309
2026-04-10T13:08:55Z
Mehedi Abedin
50
Mehedi Abedin [[জি. এইচ. হার্ডি]] কে [[গডফ্রি হ্যারল্ড হার্ডি]] শিরোনামে স্থানান্তর করেছেন: বাংলা উইকিপিডিয়ার সাথে মিলিয়ে রাখলাম
75309
wikitext
text/x-wiki
[[File:Ghhardy@72.jpg|thumb|right|একজন গণিতবিদ, একজন চিত্রকর বা কবির মতো, নিদর্শন বা নকশা তৈরি করেন। যদি তাঁর তৈরি নিদর্শনগুলো তাঁদের তুলনায় বেশি স্থায়ী হয়, তবে তার কারণ হলো সেগুলো বিভিন্ন আইডিয়া বা ধারণা দিয়ে তৈরি।]]
'''[[w:জি. এইচ. হার্ডি|গডফ্রে হ্যারল্ড হার্ডি]]''' এফআরএস ([[৭ ফেব্রুয়ারি|৭ ফেব্রুয়ারি]] [[১৮৭৭|১৮৭৭]] ; [[১ ডিসেম্বর|১ ডিসেম্বর]] [[১৯৪৭|১৯৪৭]]) ছিলেন একজন ইংরেজ [[গণিত|গণিতবিদ]], যিনি [[সংখ্যা তত্ত্ব]] এবং [[গাণিতিক বিশ্লেষণ|গাণিতিক বিশ্লেষণে]] তাঁর কৃতিত্বের জন্য পরিচিত। জীববিজ্ঞানে তিনি [[w:হার্ডি-ওয়াইনবার্গ নীতি|হার্ডি-ওয়াইনবার্গ নীতি]], যা [[w:জনসংখ্যা বংশগতিবিজ্ঞান|জনসংখ্যা বংশগতিবিজ্ঞানের]] একটি মৌলিক নীতি, তার জন্য সুপরিচিত। গণিতের বাইরের মানুষের কাছে হার্ডি সাধারণত তাঁর ১৯৪০ সালের প্রবন্ধ ''[[w:এ ম্যাথমেটিশিয়ান'স অ্যাপোলজি|এ ম্যাথমেটিশিয়ান'স অ্যাপোলজির]]'' জন্য পরিচিত, যা একজন কর্মব্যস্ত গণিতবিদের চিন্তাভাবনা বোঝার জন্য [[w:সাধারণ মানুষ|সাধারণ মানুষের]] উদ্দেশ্যে লেখা অন্যতম সেরা কাজ হিসেবে বিবেচিত হয়। তাঁর সাথে [[জন এডেনসর লিটলউড|জন এডেনসর লিটলউডের]] দীর্ঘকালের গাণিতিক সহযোগিতা ছিল এবং তিনি [[শ্রীনিবাস রামানুজন|শ্রীনিবাস রামানুজনের]] কাজ আবিষ্কার ও সমর্থন করেছিলেন।
== উক্তি ==
* [[গণিতবিদ|গণিতবিদরা]] এক, দুই, তিন বা যেকোনো সংখ্যক মাত্রার ইউক্লিডীয় বা অ-ইউক্লিডীয় জ্যামিতির এক বিশাল সংখ্যক ভিন্ন ভিন্ন ব্যবস্থা তৈরি করেছেন। এই সকল ব্যবস্থার বৈধতা সম্পূর্ণ এবং সমান। এগুলো গণিতবিদদের দেখা *তাদের* বাস্তবতার ফলাফল ধারণ করে; এমন এক বাস্তবতা যা পদার্থবিজ্ঞানের সন্দেহজনক এবং অধরা বাস্তবতার চেয়ে অনেক বেশি তীব্র এবং অনেক বেশি কঠোর। [[ইউক্লিড|ইউক্লিডের]] সেকেলে জ্যামিতি, [[অসওয়াল্ড ভেবলেন|ভেবলেনের]] বিনোদনমূলক সাত-বিন্দুর জ্যামিতি, [[হারমান মিনকোভস্কি|মিনকোভস্কি]] এবং [[আলবার্ট আইনস্টাইন|আইনস্টাইনের]] স্থান-কাল, সবই পরম এবং সমানভাবে বাস্তব। এই ঘরে তিনটি মাত্রা থাকতে পারে এবং পাশের ঘরে পাঁচটি। একজন পেশাদার গণিতবিদ হিসেবে আমার কোনো ধারণা নেই; আমি কেবল কোনো দক্ষ পদার্থবিদকে প্রকৃত তথ্য দিয়ে আমাকে নির্দেশ দিতে বলতে পারি।<br />তাহলে একজন গণিতবিদের কাজ হলো কেবল তাঁর নিজস্ব জটিল বাস্তব জগত সম্পর্কে তথ্যগুলো পর্যবেক্ষণ করা; যৌক্তিক সম্পর্কের সেই আশ্চর্যজনক সুন্দর জটিল বিন্যাস যা তাঁর বিজ্ঞানের বিষয়বস্তু তৈরি করে; ঠিক যেন একজন অভিযাত্রী কোনো দূরবর্তী পর্বতশ্রেণীর দিকে তাকিয়ে আছেন এবং তাঁর পর্যবেক্ষণের ফলাফলগুলো মানচিত্রের একটি সিরিজে রেকর্ড করছেন যার প্রতিটিই বিশুদ্ধ গণিতের একটি শাখা। তাদের মধ্যে সম্ভবত সংখ্যার তত্ত্বের ([[সংখ্যা তত্ত্ব|থিওরি অফ নাম্বারস]]) মতো আর কোনটিই এত মনোরম নয় এবং যাতে উজ্জ্বল বহিরেখা ও ছায়ার এমন আশ্চর্যজনক বৈপরীত্য নেই।
** "দ্য থিওরি অফ নাম্বারস", ''নেচার'' (১৬ সেপ্টেম্বর ১৯২২) [https://books.google.com/books?id=1bMzAQAAMAAJ ভলিউম ১১০] পৃষ্ঠা ৩৮১
* আমি যদি জানতাম যে আজই আমার মৃত্যু হবে, তবুও আমি মনে করি আমি [[ক্রিকেট|ক্রিকেটের]] স্কোর শুনতে চাইতাম।
** ''দ্য জয় অফ ক্রিকেট'' (সম্পাদনা: জন ব্রাইট-হোমস, ১৯৮৪) এ উদ্ধৃত
* আমি যদি যুক্তির মাধ্যমে প্রমাণ করতে পারতাম যে আপনি পাঁচ মিনিটের মধ্যে মারা যাবেন, তবে আপনার মৃত্যু সংবাদে আমি দুঃখ পেতাম ঠিকই, কিন্তু প্রমাণের আনন্দ আমার সেই দুঃখকে অনেকটাই লাঘব করে দিত।
** বার্ট্রান্ড রাসেল কর্তৃক ''[https://www.google.co.uk/books/edition/Logical_and_Philosophical_Papers_1909_13/SSd9Iu1uXHoC লজিক্যাল অ্যান্ড ফিলোসফিক্যাল পেপারস, ১৯০৯–১৩]'' (রাউটলেজ, ১৯৯২, পৃষ্ঠা xxix) এ উদ্ধৃত।
=== ''রামানুজন'' (১৯৪০) ===
:<small>''[[শ্রীনিবাস রামানুজন|রামানুজন]] : টুয়েলভ লেকচারস অন সাবজেক্টস সাজেস্টেড বাই হিজ লাইফ অ্যান্ড ওয়ার্ক'' </small>
* তিনি সংখ্যার বিচিত্র স্বভাবগুলো প্রায় অলৌকিকভাবে মনে রাখতে পারতেন। [[জন লিটলউড|লিটলউড]] বলেছিলেন যে প্রতিটি ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যা ছিল রামানুজনের ব্যক্তিগত বন্ধু। আমার মনে আছে একবার পুটনিতে তাঁর অসুস্থতার সময় তাঁকে দেখতে গিয়েছিলাম। আমি ১৭২৯ নম্বর ট্যাক্সি ক্যাবে চড়ে গিয়েছিলাম এবং মন্তব্য করেছিলাম যে নম্বরটি আমার কাছে বেশ নিস্প্রভ মনে হয়েছে, এবং আমি আশা করছি এটি কোনো অশুভ লক্ষণ নয়। "না," তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, "এটি একটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় সংখ্যা; এটি হলো ক্ষুদ্রতম সংখ্যা যাকে দুটি ভিন্ন উপায়ে দুটি ঘনের সমষ্টি হিসেবে প্রকাশ করা যায়।"
** প্রথম অধ্যায় : ভারতীয় গণিতবিদ রামানুজন।
* আমি একটি অত্যন্ত কঠিন বিষয়ে কিছু মন্তব্য করতে বাধ্য হচ্ছি: 'প্রমাণ' এবং গণিতে এর গুরুত্ব। সমস্ত পদার্থবিদ, এবং বেশ কিছু সম্মানীয় গণিতবিদও প্রমাণের বিষয়ে অবজ্ঞাশীল। উদাহরণস্বরূপ, আমি অধ্যাপক [[আর্থার স্ট্যানলি এডিংটন|এডিংটনকে]] বলতে শুনেছি যে প্রমাণ, একজন [[বিশুদ্ধ গণিতবিদ|বিশুদ্ধ গণিতবিদ]] যেভাবে এটি বোঝেন, তা আসলে বেশ নিরস এবং গুরুত্বহীন; এবং যে ব্যক্তি সত্যিই নিশ্চিত যে তিনি ভালো কিছু খুঁজে পেয়েছেন, তাঁর প্রমাণের সন্ধানে সময় নষ্ট করা উচিত নয়।
** প্রথম অধ্যায় : ভারতীয় গণিতবিদ রামানুজন।
===''[[w:এ ম্যাথমেটিশিয়ান'স অ্যাপোলজি|এ ম্যাথমেটিশিয়ান'স অ্যাপোলজি]]'' (১৯৪১)===
* যারা কোনো কিছু সৃষ্টি করেন, তাদের মনে সেইসব মানুষদের প্রতি যতটা গভীর এবং ন্যায়সঙ্গত ঘৃণা কাজ করে যারা কেবল ব্যাখ্যা করেন, তা আর অন্য কিছুর সাথে তুলনা করা যায় না। ব্যাখ্যা, সমালোচনা কিংবা গুণবিচার করা হলো দ্বিতীয় সারির মস্তিষ্কের কাজ।
* যদি কোনো মানুষের মধ্যে প্রকৃত প্রতিভা থাকে, তবে সেটির পূর্ণ বিকাশের জন্য তাঁর প্রায় যেকোনো ধরনের ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত থাকা উচিত।
* [[এভারিস্ত গ্যালোয়া|গ্যালোয়া]] একুশ বছর বয়সে মারা যান, [[নিলস হেনরিক আবেল|আবেল]] সাতাশ বছর বয়সে, [[শ্রীনিবাস রামানুজন|রামানুজন]] তেত্রিশ বছর বয়সে এবং [[বার্নহার্ড রিমান|রিমান]] চল্লিশ বছর বয়সে। এমন মানুষও আছেন যারা অনেক পরবর্তী জীবনেও দুর্দান্ত কাজ করেছেন; [[কার্ল ফ্রিডরিশ গাউস|গাউসের]] [[ডিফারেনশিয়াল জ্যামিতি|ডিফারেনশিয়াল জ্যামিতির]] ওপর বিখ্যাত গবেষণাপত্রটি যখন প্রকাশিত হয় তখন তাঁর বয়স ছিল পঞ্চাশ; যদিও এর মৌলিক ধারণাগুলো তাঁর মাথায় দশ বছর আগেই ছিল। পঞ্চাশোর্ধ কোনো ব্যক্তি গণিতের বড় কোনো অগ্রগতির সূচনা করেছেন এমন কোনো দৃষ্টান্ত আমার জানা নেই। যদি কোনো পরিণত বয়সের মানুষ গণিতের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন এবং এটি ত্যাগ করেন, তবে সেই ক্ষতি গণিত বা তাঁর নিজের জন্য খুব একটা গুরুতর হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
* যখন [[এস্কাইলাস|এস্কাইলাস]] বিস্মৃত হবেন তখন [[আর্কিমিডিস|আর্কিমিডিসকে]] মানুষ মনে রাখবে, কারণ ভাষার মৃত্যু ঘটে কিন্তু গাণিতিক ধারণার মৃত্যু নেই। "অমরত্ব" একটি অর্থহীন শব্দ হতে পারে, তবে এর অর্থ যাই হোক না কেন, সম্ভবত একজন গণিতবিদেরই সেটি অর্জন করার সবচেয়ে ভালো সুযোগ থাকে।
* '''একজন গণিতবিদ, একজন চিত্রকর বা কবির মতো, নিদর্শন বা নকশা তৈরি করেন। যদি তাঁর তৈরি নিদর্শনগুলো তাঁদের তুলনায় বেশি স্থায়ী হয়, তবে তার কারণ হলো সেগুলো বিভিন্ন ''আইডিয়া'' বা ধারণা দিয়ে তৈরি।'''<!--1969 Ch. 10, p. 84-->
* একজন চিত্রকর আকৃতি এবং রঙ দিয়ে নিদর্শন তৈরি করেন, একজন কবি শব্দ দিয়ে। একটি চিত্রকর্মে হয়তো একটি ‘ধারণা’ মূর্ত হয়ে উঠতে পারে, কিন্তু সেই ধারণাটি সাধারণত সাধারণ এবং গুরুত্বহীন হয়। কবিতায় ধারণার গুরুত্ব অনেক বেশি; কিন্তু কবিতার ক্ষেত্রে ধারণার গুরুত্বকে সচরাচর বাড়িয়ে বলা হয়: ' কবিতা কী বলা হলো তা নয়, বরং বলার একটি ধরন।' কবিতায় ধারণার দীনতা শব্দের নিদর্শনের সৌন্দর্যকে খুব একটা প্রভাবিত করে না বলে মনে হয়।
* চিত্রকরের বা কবির নিদর্শনের মতো গণিতবিদের নিদর্শনকেও অবশ্যই 'সুন্দর' হতে হবে; রঙের বা শব্দের মতো ধারণাগুলোকে অবশ্যই সুসমন্বিতভাবে একে অপরের সাথে মানিয়ে যেতে হবে। '''[[সৌন্দর্য|সৌন্দর্য]] হলো প্রথম পরীক্ষা: কুৎসিত গণিতের জন্য এই পৃথিবীতে কোনো স্থায়ী স্থান নেই।'''
* ''{{w|রিডাকটিও অ্যাড অ্যাবসারডাম}}'', যা [[ইউক্লিড]] অত্যন্ত পছন্দ করতেন, তা হলো একজন গণিতবিদের অন্যতম সেরা অস্ত্র। এটি দাবার যেকোনো [[w:গ্যাম্বিট|চালের]] চেয়ে অনেক বেশি সূক্ষ্ম একটি চাল: একজন দাবাড়ু হয়তো একটি [[w:সৈন্য (দাবা)|সৈন্য]] বা এমনকি একটি ঘুঁটি উৎসর্গ করতে পারেন, কিন্তু একজন গণিতবিদ পুরো 'খেলাটাই' উৎসর্গ করেন।
* [[দাবা|দাবার]] সমস্যাগুলো হলো গণিতের ভজন-সুর।
* দাবার সমস্যাগুলো প্রকৃত গণিত, কিন্তু সেগুলো এক অর্থে 'তুচ্ছ' গণিত। চালগুলো যতই উদ্ভাবনী এবং জটিল হোক না কেন, কিংবা যতই মৌলিক এবং বিস্ময়কর হোক না কেন, সেখানে অপরিহার্য কোনো কিছুর অভাব রয়েছে। দাবার সমস্যাগুলো *গুরুত্বহীন*। শ্রেষ্ঠ গণিত যেমন সুন্দর, তেমনি তা গভীর; আপনি চাইলে একে 'গুরুত্বপূর্ণ' বলতে পারেন, তবে শব্দটি বেশ অস্পষ্ট, আর 'গভীর' বা 'সিরিয়াস' শব্দটি আমি যা বোঝাতে চাইছি তা অনেক ভালো প্রকাশ করে।
* '''আমি গণিতকে কেবল একটি সৃজনশীল শিল্প হিসেবেই পছন্দ করি।'''
* এটি আশ্চর্যজনক যে সাধারণ মানুষের জন্য [[বিজ্ঞান|বৈজ্ঞানিক]] [[জ্ঞান|জ্ঞানের]] ব্যবহারিক মূল্য কতই না কম, এবং যার যতটুকু মূল্য আছে তাও কতটাই না নিরস এবং মামুলি; এবং মনে হয় যেন এর মূল্য এর কথিত উপযোগিতার বিপরীত অনুপাতে পরিবর্তিত হয়। আমরা হয় আমাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা বা {{w|অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান|অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞানের}} ওপর ভিত্তি করে বাঁচি, অথবা অন্য মানুষের পেশাগত জ্ঞানের ওপর নির্ভর করে চলি।
* প্রাথমিক গণিতের অনেকটা অংশই—পেশাদার গণিতবিদরা যে অর্থে 'প্রাথমিক' শব্দটি ব্যবহার করেন, যেমন ডিফারেনশিয়াল এবং ইন্টিগ্রাল ক্যালকুলাসের জ্ঞান বেশ উল্লেখযোগ্য ব্যবহারিক উপযোগিতা সম্পন্ন। এগুলো আসলে কিছুটা নিরস; যে অংশগুলোর নান্দনিক মূল্য সবচেয়ে কম। [[পিয়ের দ্য ফের্মা|ফের্মা]], [[লিওনার্ড অয়লার|অয়লার]], [[কার্ল ফ্রিডরিশ গাউস|গাউস]], [[নিলস হেনরিক আবেল|আবেল]] এবং [[বার্নহার্ড রিমান|রিমানের]] মতো 'প্রকৃত' গণিতবিদদের 'প্রকৃত' গণিত প্রায় সম্পূর্ণভাবেই 'অপ্রয়োজনীয়' (যা 'বিশুদ্ধ' গণিতের মতো 'ফলিত' গণিতের ক্ষেত্রেও সত্য)। কোনো খাঁটি পেশাদার গণিতবিদের জীবনকে কেবল 'উপযোগিতার' ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা সম্ভব নয়।
* বিজ্ঞান ভালোর পাশাপাশি মন্দের জন্যও কাজ করে (বিশেষ করে যুদ্ধের সময়ে); এবং গণিতবিদদের এটা ভেবে আনন্দিত হওয়া যুক্তিযুক্ত হতে পারে যে এমন একটি বিজ্ঞান আছে যা তাদের নিজস্ব, সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কাজকর্ম থেকে যার দূরত্ব একে নম্র ও পরিচ্ছন্ন রাখবে।
* এটি ভাবা স্বাভাবিক যে '[[বিশুদ্ধ গণিত|বিশুদ্ধ]]' এবং '[[ফলিত গণিত|ফলিত]]' গণিতের উপযোগিতার মধ্যে বিশাল পার্থক্য রয়েছে। এটি একটি ভ্রান্ত ধারণা।
* '''যিনি গাণিতিক বাস্তবতার একটি বিশ্বাসযোগ্য বিবরণ দিতে পারবেন, তিনি [[অধিবিদ্যা|অধবিদ্যার]] সবচেয়ে কঠিন সমস্যাগুলোর অনেকগুলোই সমাধান করে ফেলবেন। তিনি যদি তাঁর বিবরণে ভৌত বাস্তবতাকেও অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন, তবে তিনি সেগুলোর সবকটিই সমাধান করে ফেলবেন।'''
* '''গাণিতিক বাস্তবতা আমাদের বাইরে অবস্থিত''' ...আমাদের কাজ হলো এটিকে আবিষ্কার করা বা ''পর্যবেক্ষণ'' করা, এবং যেসব [[উপপাদ্য]] ...আমরা প্রমাণ করি, এবং বাগাড়ম্বরপূর্ণভাবে আমাদের 'সৃষ্টি' বলে বর্ণনা করি, সেগুলো আসলে আমাদের [[পর্যবেক্ষণ|পর্যবেক্ষণের]] সংক্ষিপ্ত টীকা মাত্র। এই দৃষ্টিভঙ্গিটি [[প্লেটো]] থেকে শুরু করে পরবর্তী অনেক উচ্চমানের [[দর্শন|দার্শনিকদের]] দ্বারা কোনো না কোনো রূপে গৃহীত হয়েছে।
* [[w:বিশুদ্ধ জ্যামিতি|বিশুদ্ধ জ্যামিতির]] বিজ্ঞান রয়েছে, যেখানে রয়েছে বহু ধরনের জ্যামিতি, যেমন {{w|প্রক্ষেপক জ্যামিতি}}, {{w|ইউক্লিডীয় জ্যামিতি}}, [[অ-ইউক্লিডীয় জ্যামিতি]], [ইত্যাদি]। এর প্রতিটিই একেকটি {{w|মডেল}}, বিভিন্ন [[আইডিয়া|ধারণার]] একটি [[প্যাটার্ন|নিদর্শন]] যা সেই নিদর্শনের [[w:কৌতূহল|আকর্ষণ]] এবং [[সৌন্দর্য|সৌন্দর্য]] দ্বারা বিচার করা হয়। এটি একটি মানচিত্র বা ছবি, যা অনেকের প্রচেষ্টার ফসল, গাণিতিক বাস্তবতার একটি অংশের আংশিক এবং অপূর্ণ প্রতিলিপি (তবুও যতটুকু বিস্তৃত ততটুকু পর্যন্ত নিখুঁত)। কিন্তু '''একটি বিষয় আছে বিশুদ্ধ জ্যামিতি যার ছবি নয়, আর তা হলো ভৌত জগতের [[w:স্থান-কালিক বিন্যাস|স্থান-কালিক]] বাস্তবতা।''' তা হওয়া সম্ভব নয়, কারণ ভূমিকম্প এবং গ্রহণ কোনো গাণিতিক ধারণা নয়।
* '''নাটকটি যে পাতায় মুদ্রিত তার থেকে যেমন স্বাধীন, 'বিশুদ্ধ জ্যামিতি' তেমনি লেকচার রুম,''' [ব্লাকবোর্ডে আঁকা অস্পষ্ট ছবি] '''বা ভৌত জগতের অন্য যেকোনো খুঁটিনাটি থেকে স্বাধীন।'''<br />এটি একজন বিশুদ্ধ গণিতবিদের দৃষ্টিভঙ্গি। ফলিত গণিতবিদ বা গাণিতিক পদার্থবিদরা ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করেন তারা ভৌত জগত নিয়েই মগ্ন থাকেন, যার নিজস্ব কাঠামো বা নিদর্শন রয়েছে। আমরা হয়তো এই দুই ধরনের সম্পর্কের মধ্যে একটি সাদৃশ্য খুঁজে পেতে পারি, এবং তখন বিশুদ্ধ জ্যামিতি পদার্থবিদদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে; এটি আমাদের এমন একটি মানচিত্র দেবে যা 'প্রকৃত তথ্যের সাথে মিলে যায়' '''জ্যামিতিবিদ বেছে নেওয়ার জন্য মানচিত্রের একটি সম্পূর্ণ সেট উপহার দেন।'''
* এমন কোনো গণিতবিদ নেই যিনি এতটাই বিশুদ্ধ যে ভৌত জগতের প্রতি তাঁর বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই; কিন্তু তিনি যতবারই এই প্রলোভনে পা দেবেন, ততবারই তিনি তাঁর বিশুদ্ধ গাণিতিক অবস্থান থেকে বিচ্যুত হবেন।
* একজন [[গণিতবিদ|গণিতবিদ]] এবং একজন [[পদার্থবিজ্ঞান|পদার্থবিদের]] অবস্থানের মধ্যে সাধারণত যতটা পার্থক্য কল্পনা করা হয়, সম্ভবত তার চেয়ে কম পার্থক্য রয়েছে, [...] '''গণিতবিদ বাস্তবতার অনেক বেশি প্রত্যক্ষ সংস্পর্শে থাকেন।''' এটি একটি আপাতবিরোধী কথা মনে হতে পারে, যেহেতু পদার্থবিদই সেইসব বিষয়বস্তু নিয়ে কাজ করেন যেগুলোকে সচরাচর 'বাস্তব' বলে বর্ণনা করা হয়, কিন্তু [...] [একজন পদার্থবিদ] তাঁর সামনে থাকা অসংলগ্ন অপরিশোধিত তথ্যের সাথে বিমূর্ত সম্পর্কের কোনো নির্দিষ্ট এবং সুশৃঙ্খল পরিকল্পনার সমন্বয় করার চেষ্টা করেন, আর এই ধরনের পরিকল্পনা তিনি কেবল [[গণিত|গণিত]] থেকেই ধার করতে পারেন।
* ৩১৭ একটি মৌলিক সংখ্যা, আমরা এমনটা মনে করি বলে নয়, কিংবা আমাদের মন অন্য কোনোভাবে গঠিত বলে নয়, বরং '' কারণ এটিই সত্য '', কারণ গাণিতিক বাস্তবতা এভাবেই তৈরি।
* [[বিশুদ্ধ গণিত|বিশুদ্ধ গণিত]] সামগ্রিকভাবে [[ফলিত গণিত|ফলিত গণিতের]] চেয়ে স্পষ্টভাবে বেশি দরকারী। [...] কারণ যা সবকিছুর উপরে দরকারী তা হলো 'কৌশল', আর গাণিতিক কৌশল মূলত বিশুদ্ধ গণিতের মাধ্যমেই শেখানো হয়।
* আমাদের আরও একটি প্রশ্ন বিবেচনা করার বাকি আছে। আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে, তুচ্ছ গণিত সামগ্রিকভাবে দরকারী এবং প্রকৃত গণিত সামগ্রিকভাবে দরকারী নয়।
* এখনো পর্যন্ত কেউ সংখ্যা তত্ত্ব বা আপেক্ষিকতা তত্ত্বের এমন কোনো যুদ্ধংদেহী উদ্দেশ্য খুঁজে পায়নি যা কাজে লাগানো যায়, এবং মনে হয় না যে বহু বছরের মধ্যেও কেউ তা করতে পারবে।
* আমি যখন বিষণ্ণ থাকি এবং নিজেকে এমন এক অবস্থায় পাই যেখানে দাম্ভিক ও বিরক্তিকর লোকেদের কথা শুনতে বাধ্য হচ্ছি, তখন আমি মনে মনে বলি, "যাই হোক, আমি অন্তত এমন একটি কাজ করেছি যা তোমরা কখনোই করতে পারতে না, আর তা হলো লিটলউড এবং রামানুজনের সাথে প্রায় সমান তালে কাজ করা।"
* আমার কোনো আবিষ্কারই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বিশ্বের সুখ স্বাচ্ছন্দ্যের ক্ষেত্রে সামান্যতম কোনো পরিবর্তন আনেনি এবং ভবিষ্যতেও আনার সম্ভাবনা নেই—তা ভালো বা মন্দ যে অর্থেই হোক না কেন।
==== সি. পি. স্নো কর্তৃক উদ্ধৃত ====
''[[w:সি. পি. স্নো|সি. পি. স্নো]] কর্তৃক [https://archive.org/details/mathematiciansap0000hard_u4z4/ ১৯৬৭ সালের কেমব্রিজ সংস্করণের] মুখবন্ধে উদ্ধৃত''
* আজ পর্যন্ত যত ব্যাটসম্যান জন্মেছেন, [[w:ডোনাল্ড ব্র্যাডম্যান|ব্র্যাডম্যান]] তাদের সবার চেয়ে এক ধাপ উপরে: যদি আর্কিমিডিস, নিউটন এবং গাউস [[w:জ্যাক হবস|হবস]] শ্রেণিতে থাকেন, তবে আমাকে তাদের উপরেও একটি শ্রেণির সম্ভাবনা স্বীকার করে নিতে হয়, যা কল্পনা করা আমার জন্য কঠিন। বরং এখন থেকে তাদের ব্র্যাডম্যান শ্রেণিতে উন্নীত করাই ভালো হবে। (পৃষ্ঠা ২৮)
* কোনো প্রথম শ্রেণির মানুষের পক্ষে সংখ্যাগুরু বা মেজরিটি মতামতের সাথে সুর মেলানো সময়ের অপচয় মাত্র। সংজ্ঞা অনুযায়ীই, এই কাজটি করার জন্য আরও অনেক মানুষ রয়েছে। (পৃষ্ঠা ৪৬)
== জি. এইচ. হার্ডি সম্পর্কে উক্তি ==
* হার্ডি ছিলেন একজন মহান আন্তর্জাতিকতাবাদী যিনি বিদেশি গণিতবিদদের সাথে কাজ করেছেন, তাঁদের কাছে গিয়েছেন, তাঁদেরকে নিজের কাছে আসার জন্য উৎসাহিত করেছেন এবং [[আব্রাম সামোইলোভিচ বেসিকোভিচ|বেসিকোভিচ]] সহ বেশ কয়েকজনকে ইংল্যান্ডে স্থায়ী হতে সাহায্য করেছেন। হার্ডির পরিচিতি বলয়ে বেশ কয়েকজন প্রধান সম্ভাবনাতত্ত্ববিদ ছিলেন: [[জুরিখ|জুরিখের]] [[জর্জ পোলিয়া]] (১৮৮৭-১৯৮৫), [[ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি|এমআইটির]] [[নরবার্ট উইনার]] (১৮৯৪-১৯৬৪) এবং [[স্টকহোম|স্টকহোমের]] [[হারাল্ড ক্রেমার]] (১৮৯৩-১৯৮৫) উল্লেখ্য যে, ১৯২০ সালে হার্ডির ওখানে দেখা করতে গিয়েই উইনার এবং ক্রেমারের প্রথম সাক্ষাৎ হয়েছিল।
** {{cite journal|last=অলড্রিচ|first=জন|title=ইংল্যান্ড অ্যান্ড কন্টিনেন্টাল প্রবাবিলিটি ইন দ্য ইন্টার-ওয়ার ইয়ার্স|journal=ইলেকট্রনিক জার্নাল ফর হিস্ট্রি অফ প্রবাবিলিটি অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিকস|date=ডিসেম্বর ২০০৯|volume=৫|issue=২|page=৩|url=http://www.jehps.net/Decembre2009/Aldrich.pdf}}
* ১৯৩৩ সালে [[এডমন্ড ল্যান্ডাউ|ল্যান্ডাউকে]] তাঁর বংশপরিচয় বা জাতির কারণে [গটিংগেন বিশ্ববিদ্যালয়] থেকে তাঁর অধ্যাপকের পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। তাঁর এক গুরুত্বপূর্ণ সহকর্মী [[w:লুডভিগ বিবারবাখ|লুডভিগ বিবারবাখ]] ‘ব্যক্তিত্বের গঠন এবং গাণিতিক সৃজনশীলতা’ শীর্ষক একটি গবেষণাপত্রে নিচের কথাগুলো লিখেছিলেন:<br />"এইভাবে গটিংগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা একজন মহান গণিতবিদ এডমন্ড ল্যান্ডাউয়ের প্রতি যে সাহসী প্রত্যাখ্যান প্রদর্শন করেছিল, তার পেছনের আসল কারণ ছিল গবেষণা ও শিক্ষকতায় তাঁর অ-জার্মান শৈলী যা জার্মান সংবেদনশীলতার কাছে অসহনীয় হয়ে উঠেছিল। একটি জাতি যারা দেখেছে যে আধিপত্যের বিজাতীয় আকাঙ্ক্ষা কীভাবে তাদের সত্তাকে কুরে কুরে খাচ্ছে, কীভাবে জাতির শত্রুরা তাদের ওপর বিজাতীয় রীতিনীতি চাপিয়ে দেওয়ার কাজ করছে, সেই জাতিকে অবশ্যই তাদের কাছে বিজাতীয় এমন শিক্ষকদের প্রত্যাখ্যান করতে হবে।"<br />ইংরেজ গণিতবিদ গডফ্রে এইচ. হার্ডি বিবারবাখের এই বক্তব্যের জবাবে বলেছিলেন<br />"আমাদের মধ্যে এমন অনেক ইংরেজ এবং অনেক জার্মান আছেন, যারা (প্রথম) যুদ্ধের সময় এমন কিছু কথা বলেছিলেন যা আমরা বাস্তবে বোঝাতে চাইনি এবং যা মনে করে এখন আমরা দুঃখিত হই। নিজের অবস্থানের জন্য উদ্বেগ, নির্বুদ্ধিতার ক্রমবর্ধমান স্রোতে পিছিয়ে পড়ার ভয়, যেকোনো মূল্যে অন্যকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সংকল্প এগুলো বিশেষভাবে বীরত্বপূর্ণ না হলেও প্রাকৃতিক অজুহাত হতে পারে। অধ্যাপক বিবারবাখের খ্যাতি তাঁর বক্তব্যের ক্ষেত্রে এই ধরনের ব্যাখ্যাকে নাকচ করে দেয়; এবং আমি নিজেকে এই অপ্রীতিকর সিদ্ধান্তে উপনীত হতে দেখছি যে তিনি সত্যিই বিশ্বাস করেন যে তাঁর কথাগুলো সত্য।"
** ইয়র্গ আর্নড এবং ক্রিস্টফ হ্যানেল, ''পাই - আনলিশড'' (২০১২)
* হার্ডি এবং লিটলউড বছরের পর বছর ধরে সাম্প্রতিক ইংরেজ গাণিতিক গবেষণায় কতটা নেতৃস্থানীয় হিসেবে বিবেচিত হতে শুরু করেছিলেন তা বোঝাতে, আমি আমার এক চমৎকার সহকর্মীর রসিকতা করে বলা একটি কথা উল্লেখ করতে পারি: 'আজকাল, ইংল্যান্ডে কেবল তিনজন সত্যিই মহান গণিতবিদ আছেন: হার্ডি, লিটলউড এবং হার্ডি-লিটলউড।'
** হ্যারল্ড বোর, {{cite book
|authorlink=[[হ্যারল্ড বোর]]
|title=কালেক্টেড ম্যাথমেটিক্যাল ওয়ার্কস
|volume=১
|year=১৯৫২
|publisher=ড্যানস্ক ম্যাথমেটিস্ক ফোরেনিং
|location=কোপেনহেগেন
|oclc=৩১৭২৫৪২
|pages=xiii-xxxiv
|chapter=লুকিং ব্যাকওয়ার্ড
}}, পৃষ্ঠা xxvii.
* হার্ডি তাঁর ত্রিশের কোঠায় এই মত পোষণ করতেন যে একজন গণিতবিদের জীবনের শেষ বছরগুলো বই লিখে সবচেয়ে লাভজনকভাবে ব্যয় করা যায়; আমার এ বিষয়ে একটি বিশেষ কথোপকথনের কথা মনে আছে, এবং যদিও আমরা এ বিষয়ে আর কখনো কথা বলিনি, এটি আমাদের মধ্যে একটি অলিখিত বোঝাপড়া হিসেবে রয়ে গিয়েছিল।
** [[জন লিটলউড]], {{cite book
|last= হার্ডি
|first= জি. এইচ.
|title= ডাইভারজেন্ট সিরিজ
|origyear= ১৯৪৮
|publisher= অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেসের
}} মুখবন্ধ থেকে।
== বহিঃসংযোগ ==
{{Wikipedia}}
*[http://www.nndb.com/people/858/000159381/ এনএনডিবি তে হার্ডির প্রোফাইল]
*[http://www-gap.dcs.st-and.ac.uk/~history/Quotations/Hardy.html ম্যাকটিউটর হিস্ট্রি অফ ম্যাথমেটিক্স আর্কাইভ থেকে জি. এইচ. হার্ডির উক্তি]
{{DEFAULTSORT:Hardy, G. H.}}
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের গণিতবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের নন-ফিকশন লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের নাস্তিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৭৭ এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৭ এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:রয়্যাল সোসাইটির ফেলো]]
[[বিষয়শ্রেণী:অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক]]
[[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র]]
ftqzjd4zdv0o0obuvwujoj25ye7cm34
আলাপ:গডফ্রি হ্যারল্ড হার্ডি
1
12279
75362
75310
2026-04-10T13:08:55Z
Mehedi Abedin
50
Mehedi Abedin [[আলাপ:জি. এইচ. হার্ডি]] কে [[আলাপ:গডফ্রি হ্যারল্ড হার্ডি]] শিরোনামে স্থানান্তর করেছেন: বাংলা উইকিপিডিয়ার সাথে মিলিয়ে রাখলাম
75310
wikitext
text/x-wiki
{{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}}
s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm
অড্রে হেপবার্ন
0
12280
75388
75322
2026-04-10T14:28:57Z
Sumanta3023
4175
75388
wikitext
text/x-wiki
[[File:War and peace.jpg|thumb|আমি এমন একটি পেশার সাথে যুক্ত থাকতে পেরে গর্বিত যা আনন্দ দেয়, সৌন্দর্য সৃষ্টি করে, আমাদের বিবেককে জাগ্রত করে, সমবেদনা জাগিয়ে তোলে এবং সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে, লক্ষ লক্ষ মানুষকে আমাদের এই সহিংস পৃথিবী থেকে কিছুটা স্বস্তির অবসর দেয়।]]
[[File:Audrey Hepburn Roman Holiday cropped.jpg |thumb|মানুষ যখন আমাকে চিঠি লিখে জানায় যে "আমি খুব খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম, তখন প্রেক্ষাগৃহে ঢুকে আপনার একটি সিনেমা দেখলাম এবং সেটি সব বদলে দিল" তখন আমার খুব ভালো লাগে।]]
'''[[w:অড্রে হেপবার্ন|অড্রে হেপবার্ন]]''' (জন্ম: '''অড্রে ক্যাথলিন রাস্টন'''; [[৪ মে|৪ মে]] [[১৯২৯|১৯২৯]] – [[২০ জানুয়ারি|২০ জানুয়ারি]] [[১৯৯৩|১৯৯৩]]) ছিলেন একজন ব্রিটিশ অভিনেত্রী এবং মানবহিতৈষী। চলচ্চিত্র এবং ফ্যাশন উভয় জগতের আইকন হিসেবে স্বীকৃত এই অভিনেত্রীকে [[w:আমেরিকান ফিল্ম ইনস্টিটিউট|আমেরিকান ফিল্ম ইনস্টিটিউট]] [[w:এএফআই এর ১০০ বছর...১০০ তারকা|ধ্রুপদী হলিউড সিনেমার তৃতীয় শ্রেষ্ঠ নারী কিংবদন্তি]] হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে এবং তাঁকে [[w:ইন্টারন্যাশনাল বেস্ট ড্রেসড লিস্ট|ইন্টারন্যাশনাল বেস্ট ড্রেসড লিস্ট]] হল অব ফেমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
== উক্তি ==
[[File:Audrey Hepburn screentest in Roman Holiday trailer 2.jpg|thumb|আমি নিজেকে কখনোই কোনো 'আইকন' হিসেবে ভাবি না। অন্য মানুষের মনে কী আছে তা আমার মনে নেই। আমি শুধু আমার কাজটুকু করি।]]
* আমি বিশ্বাস করি যখন সবকিছু ভুল পথে যাচ্ছে বলে মনে হয়, তখন শক্তিশালী থাকা উচিত। আমি বিশ্বাস করি সুখী মেয়েরাই সবচেয়ে সুন্দরী। আমি বিশ্বাস করি আগামীকাল একটি নতুন দিন, এবং আমি অলৌকিক ঘটনায় বিশ্বাস করি।[https://www.goodhousekeeping.com/life/g38335193/strong-women-quotes/]
* '''আমি সেই সকল অসামান্য প্রতিভাদের দেখে আগের চেয়েও বেশি অভিভূত এবং বিমোহিত, যাদের জন্য এবং যাদের সাথে কাজ করার মহান সুযোগ আমার হয়েছিল।''' তাই এই সুন্দর পুরস্কারটির জন্য তাঁদের সকলকে ধন্যবাদ না জানিয়ে আপনাদের ধন্যবাদ দেওয়ার কোনো উপায় আমার নেই; কারণ তাঁরাই আমাকে সাহায্য করেছেন, শাণিত করেছেন, অনুপ্রাণিত করেছেন ও শিখিয়েছেন, আমাকে সামনে এগিয়ে নিয়েছেন, পোশাক পরিয়েছেন এবং ছবি তুলেছেন এবং সীমাহীন ধৈর্য, দয়া ও নম্রতার সাথে একজন সম্পূর্ণ অপরিচিত, আত্মবিশ্বাসহীন, অনভিজ্ঞ ও রোগা তরুণীকে একটি গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্বে পরিণত করার জন্য পথ দেখিয়েছেন ও লালন করেছেন। '''আমি এমন একটি পেশার সাথে যুক্ত থাকতে পেরে গর্বিত যা আনন্দ দেয়, সৌন্দর্য সৃষ্টি করে, আমাদের বিবেককে জাগ্রত করে, সমবেদনা জাগিয়ে তোলে এবং সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে, লক্ষ লক্ষ মানুষকে আমাদের এই সহিংস পৃথিবী থেকে কিছুটা স্বস্তির অবসর দেয়।''' স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ড এবং বন্ধুদের ধন্যবাদ এই বিশাল সম্মানের জন্য এবং আমাকে আমার গভীর কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা সেই সকল মানুষদের প্রতি প্রকাশের এক অনন্য সুযোগ করে দেওয়ার জন্য, যারা আমাকে এমন একটি ক্যারিয়ার উপহার দিয়েছেন যা আমাকে কেবল সুখই এনে দিয়েছে।
** স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ড অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড গ্রহণকালে দেওয়া বক্তব্য, যা হেপবার্নের অসুস্থতার কারণে জুলিয়া রবার্টস পাঠ করেছিলেন। (জানুয়ারি ১৯৯৩)
* '''আমি নিজে জন্ম থেকেই ভালোবাসার এক বিশাল তৃষ্ণা এবং তা বিলিয়ে দেওয়ার এক তীব্র প্রয়োজন অনুভব করে আসছি।'''
** ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের'' সাক্ষাৎকার "২৫ ইয়ারস লেটার, অনার ফর অড্রে হেপবার্ন" (১৯৯১)-এ উদ্ধৃত। [https://www.nytimes.com/1991/04/22/movies/25-years-later-honor-for-audrey-hepburn.html]
* '''জীবন যাপন করা অনেকটা দ্রুতবেগে কোনো জাদুঘর ঘুরে দেখার মতো।''' যা যা দেখলেন সেগুলো প্রকৃতপক্ষে অনুধাবন করা, তা নিয়ে ভাবা, বইয়ে খুঁজে দেখা এবং মনে করার প্রক্রিয়াটি আরও পরে শুরু হয় কারণ আপনি একবারে সবটুকু গ্রহণ করতে পারেন না।
** ডেভিড হফস্টেড রচিত ''অড্রে হেপবার্ন : আ বায়ো-বিবলিওগ্রাফি'' (১৯৯৪) এ উদ্ধৃত।
* শিশুদের জন্য [[w:ইউনিসেফ|ইউনিসেফের]] গুরুত্ব কতখানি তার সাক্ষ্য আমি দিতে পারি, কারণ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঠিক পরপরই খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা পাওয়া শিশুদের মধ্যে আমিও একজন ছিলাম। '''ইউনিসেফ যা করে, তার প্রতি আমার এক চিরস্থায়ী কৃতজ্ঞতা ও আস্থা রয়েছে।'''
** [http://www.unicef.org/people/people_audrey_hepburn.html ইউনিসেফ.অর্গ (UNICEF.org)] এ উদ্ধৃত।
* সাফল্য হলো অনেকটা কোনো গুরুত্বপূর্ণ জন্মদিনে পৌঁছানোর মতো, যেখানে আপনি আবিষ্কার করবেন যে আপনি ঠিক আগের মতোই আছেন।
** ইয়ান-ব্রাইস ডেরবিয়ার এবং পিয়ের-হেনরি ভার্লহ্যাক রচিত ''অড্রে হেপবার্ন : এ লাইফ ইন পিকচার্স'' (২০০৭) এ উদ্ধৃত।
* অন্য কোনো মানুষের কষ্টের প্রতি সহানুভূতির চেয়ে বড় আর কিছুই নেই। কিছুই না ক্যারিয়ার নয়, সম্পদ নয়, বুদ্ধি নয়, এমনকি পদমর্যাদাও নয়। আমরা যদি মর্যাদার সাথে বেঁচে থাকতে চাই, তবে আমাদের একে অপরের দুঃখ অনুভব করতে হবে।
=== ''অড্রে হেপবার্ন'' (২০০২) ===
:<small>ব্যারি প্যারিস রচিত ''অড্রে হেপবার্ন'' (২০০২) গ্রন্থ থেকে হেপবার্নের উক্তি</small>
* আমি অর্ধেক আইরিশ, অর্ধেক ডাচ এবং আমার জন্ম বেলজিয়ামে। আমি যদি একটা কুকুর হতাম, তবে আমার জাত নিয়ে এক চরম গোলমেলে অবস্থায় পড়তে হতো!
** পৃষ্ঠা ৪৬
* '''আপনাকে নিজের দিকে বস্তুনিষ্ঠভাবে তাকাতে হবে। নিজেকে একটি যন্ত্রের মতো বিশ্লেষণ করুন। নিজের কাছে আপনাকে একদম পরিষ্কার হতে হবে। নিজের সীমাবদ্ধতাগুলোর মুখোমুখি হোন, সেগুলো লুকানোর চেষ্টা করবেন না। বরং, অন্য কোনো গুণ বা দক্ষতা গড়ে তুলুন।'''
** পৃষ্ঠা ১০৮
* আমি দীর্ঘক্ষণ হাঁটতে পারি, যতটা আমি জানি [[গ্রেটা গার্বো]] করেন; এবং কেউ আমার চিন্তা বা প্রশান্তিতে ব্যাঘাত ঘটায় না। মনে পড়ে গেল, সেদিন নিউ ইয়র্কের ফিফথ অ্যাভিনিউতে আমি এমন এক মহিলাকে দেখলাম যিনি খুব সম্ভবত গার্বো ছিলেন; তাঁর কাছে যাওয়ার একটা প্রলোভন কাজ করছিল, কিন্তু তখনই ভাবলাম, "হায় খোদা, নিজে যা উপদেশ দাও তা আগে নিজে পালন করো! যদি তিনি সত্যিই গার্বো হন, তবে আমি তাঁর ব্যক্তিগত পরিসরে হানা দিচ্ছি যা আমি নিজেও একদম পছন্দ করি না।"
** পৃষ্ঠা ৩০৫
=== ''হাউ টু বি লাভলি'' (২০০৫) ===
:<small>মেলিসা হেলস্টর্ন রচিত ''হাউ টু বি লাভলি'' (২০০৫) গ্রন্থ থেকে হেপবার্নের উক্তি</small>
* ছোটবেলায় আমাকে শেখানো হয়েছিল যে নিজের দিকে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করা অভদ্রতা, এবং নিজেকে নিয়ে কখনোই তামাশা বা দৃশ্য তৈরি করা উচিত নয়... অথচ এই কাজগুলো করেই আমি এখন জীবিকা নির্বাহ করছি।
** পৃষ্ঠা ৮
* আমি নিজেকে কখনোই কোনো 'আইকন' হিসেবে ভাবি না। অন্য মানুষের মনে কী আছে তা আমার মনে নেই। আমি শুধু আমার কাজটুকু করি।
** পৃষ্ঠা ১৪৩
* মানুষ আমাকে এমন একটা সময়ের সাথে মেলায় যখন সিনেমাগুলো আনন্দদায়ক ছিল, যখন চলচ্চিত্রে মহিলারা সুন্দর পোশাক পরতেন এবং চমৎকার সব সংগীত শোনা যেত। '''মানুষ যখন আমাকে চিঠি লিখে জানায় যে "আমি খুব খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম, তখন প্রেক্ষাগৃহে ঢুকে আপনার একটি সিনেমা দেখলাম এবং সেটি সব বদলে দিল" তখন আমার খুব ভালো লাগে।'''
* '''আমি সেইসব মানুষদের ভালোবাসি যারা আমাকে হাসাতে পারে। সত্যি বলতে আমি মনে করি হাসতে পারাটাই আমার সবথেকে পছন্দের বিষয়। এটি অসংখ্য রোগের নিরাময় করে। সম্ভবত একজন মানুষের মধ্যে এটিই সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ গুণ।'''
{{ভুল আরোপ শুরু}}
== ভুল আরোপ করা হয়েছে ==
* যারা অলৌকিক ঘটনায় বিশ্বাস করে না, তারা বাস্তববাদী নয়।
** [[ডেভিড বেন-গুরিয়ন]], চার্লস এ. গারফিল্ড রচিত ''সাইকোসোশ্যাল কেয়ার অব দ্য ডাইং পেশেন্ট'' (১৯৭৮) এ উদ্ধৃত।
* আমি [https://onglerienant.com/la-manucure-histoire/ ম্যানিকিউরে] বিশ্বাস করি। আমি সাজগোজের আতিশয্যে বিশ্বাস করি। আমি অবসরে নিজেকে পরিপাটি করতে এবং লিপস্টিক পরতে বিশ্বাস করি। আমি গোলাপি রঙে বিশ্বাস করি। আমি বিশ্বাস করি ভালোবাসা হলো ক্যালোরি পোড়ানোর সেরা উপায়। আমি চুম্বনে বিশ্বাস করি। আমি বিশ্বাস করি সুখী মেয়েরাই সবচেয়ে সুন্দরী... এবং আমি অলৌকিক ঘটনায় বিশ্বাস করি।
** ২০০৭-০৮ সালের দিকে MySpace.com এর একজন অজ্ঞাতপরিচয় ‘সদস্য’, রিচার্ড কেনেডি রচিত ''দ্য ডিসগ্রেস অব মাইস্পেস'' এ উদ্ধৃত (নিজস্ব উদ্যোগে প্রকাশিত [Lulu.com] ২৩ আগস্ট ২০০৮, {{ISBN|9781435760042}}, পৃষ্ঠা ১২৩)। এই অনুচ্ছেদটি এবং এর সামান্য পরিবর্তিত রূপগুলো অড্রে হেপবার্নের মৃত্যুর অনেক পরে ব্যাপকভাবে তাঁর নামে প্রচলিত হয়ে গেছে (উদাহরণস্বরূপ, ''গ্ল্যামার'' মার্চ ২০১২, পৃষ্ঠা ৭৮); কিন্তু হেপবার্নের জীবদ্দশায় তাঁর নামে বা অন্য কারও নামে এই উক্তির অস্তিত্বের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ২০০৮ সালের আগে কোনো মুদ্রিত নথিতে এটি পাওয়া যায়নি।
{{ভুল আরোপ শেষ}}
== হেপবার্ন সম্পর্কে উক্তি ==
* আমি স্থির করেছিলাম যে যেসব দেশ আমি ভ্রমণ করব, সেই প্রতিটি দেশে একজন করে মহিলার সাথে রাত কাটিয়ে অড্রেকে আমার মন থেকে মুছে ফেলব। আমার পরিকল্পনা সফল হয়েছিল, যদিও মাঝেমধ্যে বেশ কষ্টও হতো। যখন আমি ব্যাংককে ছিলাম, একটি ক্লোং এর (খাল) ওপর নৌকায় আমি এক থাই মেয়ের সাথে ছিলাম। আমার মনে হয় আমরা একটু বেশিই উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলাম, কারণ নৌকাটি উল্টে গেল এবং আমি সেই নোংরা পানিতে পড়ে গেলাম। হোটেলে ফিরে আমি কানে অ্যালকোহল ঢেলেছিলাম এই ভয়ে যে হয়তো কোনো মহামারীতে সংক্রমিত হয়ে গেছি। যখন আমি হলিউডে ফিরলাম, আমি অড্রের ড্রেসিংরুমে গেলাম এবং আমি যা যা করেছি সব তাকে খুলে বললাম। আপনি জানেন সে কী বলেছিল? "ওহ, বিল!" সেটুকুই। "ওহ, বিল!"। ঠিক যেন আমি কোনো দুষ্টু ছেলে। … সে ছিল আমার জীবনের ভালোবাসা।
** [[w:উইলিয়াম হোল্ডেন|উইলিয়াম হোল্ডেন]], ব্যারি প্যারিস রচিত ''অড্রে হেপবার্ন'' (২০০২) এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৯২ - ৯৩।
* অড্রে ছিলেন নম্র, ভদ্র এবং স্বর্গীয় সৌন্দর্যের অধিকারী; তাঁর জীবন এবং কাজ উভয়ক্ষেত্রেই তিনি ছিলেন আড়ম্বরহীন। তিনি আমাদের মাঝে খুব ধীরলয়ে হাঁটতেন, যেন তিনি চান না কেউ তাঁকে লক্ষ্য করুক। [তাঁকে হারানোয় আমি অনুতপ্ত] একজন বন্ধু হিসেবে, একজন আদর্শ হিসেবে এবং আমার যৌবনের স্বপ্নের একজন সঙ্গী হিসেবে।
** [[সোফিয়া লোরেন]], মেলিসা হেলস্টর্ন রচিত ''গেটিং অ্যালং ফেমাসলি : আ সেলিব্রেশন অব ফ্রেন্ডশিপ'' (২০০৮) এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৯।
* তিনি মোদিলিয়ানির আঁকা একটি প্রতিকৃতির মতো, যেখানে বিভিন্ন অসংগতিগুলো কেবল নিজেদের মধ্যেই আকর্ষণীয় নয়, বরং সব মিলিয়ে একটি সম্পূর্ণ তৃপ্তিদায়ক রূপ তৈরি করে।
** [[w:সেসিল বিটন|সেসিল বিটন]]
*ভেবে দেখুন। এলিজাবেথ টেলরের পাশাপাশি তিনিই ছিলেন প্রথম নারী যিনি দশ লক্ষ ডলার উপার্জন করেছিলেন, এমন এক সময়ে যখন নারীরা তাঁদের স্বামীর অনুমতি ছাড়া ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে পারতেন না। তিনি নিজের অধিকারের জন্য লড়তে জানতেন। আর এটি সম্ভব হয়েছিল যুদ্ধ, ব্যালট নাচ এবং তাঁর মায়ের কারণে।
**[[w:শন হেপবার্ন ফেরার|শন হেপবার্ন ফেরার]]** প্রতিযোগিতামূলক হলিউডে তাঁর মায়ের টিকে থাকার ক্ষমতা সম্পর্কে [https://www.theguardian.com/culture/2020/nov/19/my-mother-was-like-a-steel-fist-in-a-velvet-glove-the-real-audrey-hepburn “'মাই মাদার ওয়াজ লাইক আ স্টিল ফিস্ট ইন আ ভেলভেট গ্লাভ': দ্য রিয়েল অড্রে হেপবার্ন”], ''দ্য গার্ডিয়ান'' (১৯ নভেম্বর ২০২০)
*এটি তাঁকে একটি কঠোর সংকল্প এবং কোনো কাজ সম্পন্ন করার জন্য যা যা প্রয়োজন তার প্রতি সম্মান শিখিয়েছিল। আমি তাঁকে 'মখমলের দস্তানায় ঢাকা এক ইস্পাতের মুষ্টি' হিসেবে বর্ণনা করতে শুনেছি।
**[[w:শন হেপবার্ন ফেরার|শন হেপবার্ন ফেরার]]** কীভাবে তাঁর মায়ের যুদ্ধের অভিজ্ঞতা তাঁকে এক কঠোর সংকল্প দিয়েছিল সে সম্পর্কে [https://www.theguardian.com/culture/2020/nov/19/my-mother-was-like-a-steel-fist-in-a-velvet-glove-the-real-audrey-hepburn “'মাই মাদার ওয়াজ লাইক আ স্টিল ফিস্ট ইন আ ভেলভেট গ্লাভ': দ্য রিয়েল অড্রে হেপবার্ন”], ''দ্য গার্ডিয়ান'' (১৯ নভেম্বর ২০২০)
== বহিঃসংযোগ ==
{{wikipedia}}
{{কমন্স}}
* [http://www.audreyhepburn.com/ হেপবার্ন এবং অড্রে হেপবার্ন চিলড্রেন'স ফান্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট]
* [http://www.imdb.com/name/nm0000030/ আইএমডিবি তে অড্রে হেপবার্ন]
* [http://www.audrey1.com/articles/index.html ট্রিবিউট সাইট]
* [http://funmozar.com/audrey-hepburn-quotes/ অড্রে হেপবার্নের উক্তি এবং নিবন্ধ]
{{DEFAULTSORT:Hepburn, Audrey}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯২৯ এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৯৩ এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:বেলজিয়ামের অভিনেত্রী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ব্রাসেলসের ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের অভিনেত্রী]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের নারী কর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের জনহিতৈষী]]
[[বিষয়শ্রেণী:একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:টোনি পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম প্রাপক]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯২০ এর দশকে জন্ম নেওয়া নারী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইউনিসেফ সদচ্ছামূলক দূত]]
boggwz6u5in6fz22mriwq6kmguy2aia
75389
75388
2026-04-10T14:31:46Z
Sumanta3023
4175
75389
wikitext
text/x-wiki
[[File:War and peace.jpg|thumb|আমি এমন একটি পেশার সাথে যুক্ত থাকতে পেরে গর্বিত যা আনন্দ দেয়, সৌন্দর্য সৃষ্টি করে, আমাদের বিবেককে জাগ্রত করে, সমবেদনা জাগিয়ে তোলে এবং সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে, লক্ষ লক্ষ মানুষকে আমাদের এই সহিংস পৃথিবী থেকে কিছুটা স্বস্তির অবসর দেয়।]]
[[File:Audrey Hepburn Roman Holiday cropped.jpg |thumb|মানুষ যখন আমাকে চিঠি লিখে জানায় যে "আমি খুব খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম, তখন প্রেক্ষাগৃহে ঢুকে আপনার একটি সিনেমা দেখলাম এবং সেটি সব বদলে দিল" তখন আমার খুব ভালো লাগে।]]
'''[[w:অড্রে হেপবার্ন|অড্রে হেপবার্ন]]''' (জন্ম: '''অড্রে ক্যাথলিন রাস্টন'''; [[৪ মে|৪ মে]] [[১৯২৯|১৯২৯]] – [[২০ জানুয়ারি|২০ জানুয়ারি]] [[১৯৯৩|১৯৯৩]]) ছিলেন একজন ব্রিটিশ অভিনেত্রী এবং মানবহিতৈষী। চলচ্চিত্র এবং ফ্যাশন উভয় জগতের আইকন হিসেবে স্বীকৃত এই অভিনেত্রীকে [[w:আমেরিকান ফিল্ম ইনস্টিটিউট|আমেরিকান ফিল্ম ইনস্টিটিউট]] [[w:এএফআই এর ১০০ বছর...১০০ তারকা|ধ্রুপদী হলিউড সিনেমার তৃতীয় শ্রেষ্ঠ নারী কিংবদন্তি]] হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে এবং তাঁকে [[w:ইন্টারন্যাশনাল বেস্ট ড্রেসড লিস্ট|ইন্টারন্যাশনাল বেস্ট ড্রেসড লিস্ট]] হল অব ফেমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
== উক্তি ==
[[File:Audrey Hepburn screentest in Roman Holiday trailer 2.jpg|thumb|আমি নিজেকে কখনোই কোনো 'আইকন' হিসেবে ভাবি না। অন্য মানুষের মনে কী আছে তা আমার মনে নেই। আমি শুধু আমার কাজটুকু করি।]]
* আমি বিশ্বাস করি যখন সবকিছু ভুল পথে যাচ্ছে বলে মনে হয়, তখন শক্তিশালী থাকা উচিত। আমি বিশ্বাস করি সুখী মেয়েরাই সবচেয়ে সুন্দরী। আমি বিশ্বাস করি আগামীকাল একটি নতুন দিন, এবং আমি অলৌকিক ঘটনায় বিশ্বাস করি।[https://www.goodhousekeeping.com/life/g38335193/strong-women-quotes/]
* '''আমি সেই সকল অসামান্য প্রতিভাদের দেখে আগের চেয়েও বেশি অভিভূত এবং বিমোহিত, যাদের জন্য এবং যাদের সাথে কাজ করার মহান সুযোগ আমার হয়েছিল।''' তাই এই সুন্দর পুরস্কারটির জন্য তাঁদের সকলকে ধন্যবাদ না জানিয়ে আপনাদের ধন্যবাদ দেওয়ার কোনো উপায় আমার নেই; কারণ তাঁরাই আমাকে সাহায্য করেছেন, শাণিত করেছেন, অনুপ্রাণিত করেছেন ও শিখিয়েছেন, আমাকে সামনে এগিয়ে নিয়েছেন, পোশাক পরিয়েছেন এবং ছবি তুলেছেন এবং সীমাহীন ধৈর্য, দয়া ও নম্রতার সাথে একজন সম্পূর্ণ অপরিচিত, আত্মবিশ্বাসহীন, অনভিজ্ঞ ও রোগা তরুণীকে একটি গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্বে পরিণত করার জন্য পথ দেখিয়েছেন ও লালন করেছেন। '''আমি এমন একটি পেশার সাথে যুক্ত থাকতে পেরে গর্বিত যা আনন্দ দেয়, সৌন্দর্য সৃষ্টি করে, আমাদের বিবেককে জাগ্রত করে, সমবেদনা জাগিয়ে তোলে এবং সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে, লক্ষ লক্ষ মানুষকে আমাদের এই সহিংস পৃথিবী থেকে কিছুটা স্বস্তির অবসর দেয়।''' স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ড এবং বন্ধুদের ধন্যবাদ এই বিশাল সম্মানের জন্য এবং আমাকে আমার গভীর কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা সেই সকল মানুষদের প্রতি প্রকাশের এক অনন্য সুযোগ করে দেওয়ার জন্য, যারা আমাকে এমন একটি ক্যারিয়ার উপহার দিয়েছেন যা আমাকে কেবল সুখই এনে দিয়েছে।
** স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ড অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড গ্রহণকালে দেওয়া বক্তব্য, যা হেপবার্নের অসুস্থতার কারণে জুলিয়া রবার্টস পাঠ করেছিলেন। (জানুয়ারি ১৯৯৩)
* '''আমি নিজে জন্ম থেকেই ভালোবাসার এক বিশাল তৃষ্ণা এবং তা বিলিয়ে দেওয়ার এক তীব্র প্রয়োজন অনুভব করে আসছি।'''
** ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের'' সাক্ষাৎকার "২৫ ইয়ারস লেটার, অনার ফর অড্রে হেপবার্ন" (১৯৯১)-এ উদ্ধৃত। [https://www.nytimes.com/1991/04/22/movies/25-years-later-honor-for-audrey-hepburn.html]
* '''জীবন যাপন করা অনেকটা দ্রুতবেগে কোনো জাদুঘর ঘুরে দেখার মতো।''' যা যা দেখলেন সেগুলো প্রকৃতপক্ষে অনুধাবন করা, তা নিয়ে ভাবা, বইয়ে খুঁজে দেখা এবং মনে করার প্রক্রিয়াটি আরও পরে শুরু হয় কারণ আপনি একবারে সবটুকু গ্রহণ করতে পারেন না।
** ডেভিড হফস্টেড রচিত ''অড্রে হেপবার্ন : আ বায়ো-বিবলিওগ্রাফি'' (১৯৯৪) এ উদ্ধৃত।
* শিশুদের জন্য [[w:ইউনিসেফ|ইউনিসেফের]] গুরুত্ব কতখানি তার সাক্ষ্য আমি দিতে পারি, কারণ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঠিক পরপরই খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা পাওয়া শিশুদের মধ্যে আমিও একজন ছিলাম। '''ইউনিসেফ যা করে, তার প্রতি আমার এক চিরস্থায়ী কৃতজ্ঞতা ও আস্থা রয়েছে।'''
** [http://www.unicef.org/people/people_audrey_hepburn.html ইউনিসেফ.অর্গ (UNICEF.org)] এ উদ্ধৃত।
* সাফল্য হলো অনেকটা কোনো গুরুত্বপূর্ণ জন্মদিনে পৌঁছানোর মতো, যেখানে আপনি আবিষ্কার করবেন যে আপনি ঠিক আগের মতোই আছেন।
** ইয়ান-ব্রাইস ডেরবিয়ার এবং পিয়ের-হেনরি ভার্লহ্যাক রচিত ''অড্রে হেপবার্ন : এ লাইফ ইন পিকচার্স'' (২০০৭) এ উদ্ধৃত।
* অন্য কোনো মানুষের কষ্টের প্রতি সহানুভূতির চেয়ে বড় আর কিছুই নেই। কিছুই না ক্যারিয়ার নয়, সম্পদ নয়, বুদ্ধি নয়, এমনকি পদমর্যাদাও নয়। আমরা যদি মর্যাদার সাথে বেঁচে থাকতে চাই, তবে আমাদের একে অপরের দুঃখ অনুভব করতে হবে।
=== ''অড্রে হেপবার্ন'' (২০০২) ===
:<small>ব্যারি প্যারিস রচিত ''অড্রে হেপবার্ন'' (২০০২) গ্রন্থ থেকে হেপবার্নের উক্তি</small>
* আমি অর্ধেক আইরিশ, অর্ধেক ডাচ এবং আমার জন্ম বেলজিয়ামে। আমি যদি একটা কুকুর হতাম, তবে আমার জাত নিয়ে এক চরম গোলমেলে অবস্থায় পড়তে হতো!
** পৃষ্ঠা ৪৬
* '''আপনাকে নিজের দিকে বস্তুনিষ্ঠভাবে তাকাতে হবে। নিজেকে একটি যন্ত্রের মতো বিশ্লেষণ করুন। নিজের কাছে আপনাকে একদম পরিষ্কার হতে হবে। নিজের সীমাবদ্ধতাগুলোর মুখোমুখি হোন, সেগুলো লুকানোর চেষ্টা করবেন না। বরং, অন্য কোনো গুণ বা দক্ষতা গড়ে তুলুন।'''
** পৃষ্ঠা ১০৮
* আমি দীর্ঘক্ষণ হাঁটতে পারি, যতটা আমি জানি [[গ্রেটা গার্বো]] করেন; এবং কেউ আমার চিন্তা বা প্রশান্তিতে ব্যাঘাত ঘটায় না। মনে পড়ে গেল, সেদিন নিউ ইয়র্কের ফিফথ অ্যাভিনিউতে আমি এমন এক মহিলাকে দেখলাম যিনি খুব সম্ভবত গার্বো ছিলেন; তাঁর কাছে যাওয়ার একটা প্রলোভন কাজ করছিল, কিন্তু তখনই ভাবলাম, "হায় খোদা, নিজে যা উপদেশ দাও তা আগে নিজে পালন করো! যদি তিনি সত্যিই গার্বো হন, তবে আমি তাঁর ব্যক্তিগত পরিসরে হানা দিচ্ছি যা আমি নিজেও একদম পছন্দ করি না।"
** পৃষ্ঠা ৩০৫
=== ''হাউ টু বি লাভলি'' (২০০৫) ===
:<small>মেলিসা হেলস্টর্ন রচিত ''হাউ টু বি লাভলি'' (২০০৫) গ্রন্থ থেকে হেপবার্নের উক্তি</small>
* ছোটবেলায় আমাকে শেখানো হয়েছিল যে নিজের দিকে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করা অভদ্রতা, এবং নিজেকে নিয়ে কখনোই তামাশা বা দৃশ্য তৈরি করা উচিত নয়... অথচ এই কাজগুলো করেই আমি এখন জীবিকা নির্বাহ করছি।
** পৃষ্ঠা ৮
* আমি নিজেকে কখনোই কোনো 'আইকন' হিসেবে ভাবি না। অন্য মানুষের মনে কী আছে তা আমার মনে নেই। আমি শুধু আমার কাজটুকু করি।
** পৃষ্ঠা ১৪৩
* মানুষ আমাকে এমন একটা সময়ের সাথে মেলায় যখন সিনেমাগুলো আনন্দদায়ক ছিল, যখন চলচ্চিত্রে মহিলারা সুন্দর পোশাক পরতেন এবং চমৎকার সব সংগীত শোনা যেত। '''মানুষ যখন আমাকে চিঠি লিখে জানায় যে "আমি খুব খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম, তখন প্রেক্ষাগৃহে ঢুকে আপনার একটি সিনেমা দেখলাম এবং সেটি সব বদলে দিল" তখন আমার খুব ভালো লাগে।'''
* '''আমি সেইসব মানুষদের ভালোবাসি যারা আমাকে হাসাতে পারে। সত্যি বলতে আমি মনে করি হাসতে পারাটাই আমার সবথেকে পছন্দের বিষয়। এটি অসংখ্য রোগের নিরাময় করে। সম্ভবত একজন মানুষের মধ্যে এটিই সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ গুণ।'''
{{Misattributed begin}}
== ভুল আরোপ করা হয়েছে ==
* যারা অলৌকিক ঘটনায় বিশ্বাস করে না, তারা বাস্তববাদী নয়।
** [[ডেভিড বেন-গুরিয়ন]], চার্লস এ. গারফিল্ড রচিত ''সাইকোসোশ্যাল কেয়ার অব দ্য ডাইং পেশেন্ট'' (১৯৭৮) এ উদ্ধৃত।
* আমি [https://onglerienant.com/la-manucure-histoire/ ম্যানিকিউরে] বিশ্বাস করি। আমি সাজগোজের আতিশয্যে বিশ্বাস করি। আমি অবসরে নিজেকে পরিপাটি করতে এবং লিপস্টিক পরতে বিশ্বাস করি। আমি গোলাপি রঙে বিশ্বাস করি। আমি বিশ্বাস করি ভালোবাসা হলো ক্যালোরি পোড়ানোর সেরা উপায়। আমি চুম্বনে বিশ্বাস করি। আমি বিশ্বাস করি সুখী মেয়েরাই সবচেয়ে সুন্দরী... এবং আমি অলৌকিক ঘটনায় বিশ্বাস করি।
** ২০০৭-০৮ সালের দিকে MySpace.com এর একজন অজ্ঞাতপরিচয় ‘সদস্য’, রিচার্ড কেনেডি রচিত ''দ্য ডিসগ্রেস অব মাইস্পেস'' এ উদ্ধৃত (নিজস্ব উদ্যোগে প্রকাশিত [Lulu.com] ২৩ আগস্ট ২০০৮, {{ISBN|9781435760042}}, পৃষ্ঠা ১২৩)। এই অনুচ্ছেদটি এবং এর সামান্য পরিবর্তিত রূপগুলো অড্রে হেপবার্নের মৃত্যুর অনেক পরে ব্যাপকভাবে তাঁর নামে প্রচলিত হয়ে গেছে (উদাহরণস্বরূপ, ''গ্ল্যামার'' মার্চ ২০১২, পৃষ্ঠা ৭৮); কিন্তু হেপবার্নের জীবদ্দশায় তাঁর নামে বা অন্য কারও নামে এই উক্তির অস্তিত্বের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ২০০৮ সালের আগে কোনো মুদ্রিত নথিতে এটি পাওয়া যায়নি।
{{Misattributed end}}
== হেপবার্ন সম্পর্কে উক্তি ==
* আমি স্থির করেছিলাম যে যেসব দেশ আমি ভ্রমণ করব, সেই প্রতিটি দেশে একজন করে মহিলার সাথে রাত কাটিয়ে অড্রেকে আমার মন থেকে মুছে ফেলব। আমার পরিকল্পনা সফল হয়েছিল, যদিও মাঝেমধ্যে বেশ কষ্টও হতো। যখন আমি ব্যাংককে ছিলাম, একটি ক্লোং এর (খাল) ওপর নৌকায় আমি এক থাই মেয়ের সাথে ছিলাম। আমার মনে হয় আমরা একটু বেশিই উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলাম, কারণ নৌকাটি উল্টে গেল এবং আমি সেই নোংরা পানিতে পড়ে গেলাম। হোটেলে ফিরে আমি কানে অ্যালকোহল ঢেলেছিলাম এই ভয়ে যে হয়তো কোনো মহামারীতে সংক্রমিত হয়ে গেছি। যখন আমি হলিউডে ফিরলাম, আমি অড্রের ড্রেসিংরুমে গেলাম এবং আমি যা যা করেছি সব তাকে খুলে বললাম। আপনি জানেন সে কী বলেছিল? "ওহ, বিল!" সেটুকুই। "ওহ, বিল!"। ঠিক যেন আমি কোনো দুষ্টু ছেলে। … সে ছিল আমার জীবনের ভালোবাসা।
** [[w:উইলিয়াম হোল্ডেন|উইলিয়াম হোল্ডেন]], ব্যারি প্যারিস রচিত ''অড্রে হেপবার্ন'' (২০০২) এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৯২ - ৯৩।
* অড্রে ছিলেন নম্র, ভদ্র এবং স্বর্গীয় সৌন্দর্যের অধিকারী; তাঁর জীবন এবং কাজ উভয়ক্ষেত্রেই তিনি ছিলেন আড়ম্বরহীন। তিনি আমাদের মাঝে খুব ধীরলয়ে হাঁটতেন, যেন তিনি চান না কেউ তাঁকে লক্ষ্য করুক। [তাঁকে হারানোয় আমি অনুতপ্ত] একজন বন্ধু হিসেবে, একজন আদর্শ হিসেবে এবং আমার যৌবনের স্বপ্নের একজন সঙ্গী হিসেবে।
** [[সোফিয়া লোরেন]], মেলিসা হেলস্টর্ন রচিত ''গেটিং অ্যালং ফেমাসলি : আ সেলিব্রেশন অব ফ্রেন্ডশিপ'' (২০০৮) এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৯।
* তিনি মোদিলিয়ানির আঁকা একটি প্রতিকৃতির মতো, যেখানে বিভিন্ন অসংগতিগুলো কেবল নিজেদের মধ্যেই আকর্ষণীয় নয়, বরং সব মিলিয়ে একটি সম্পূর্ণ তৃপ্তিদায়ক রূপ তৈরি করে।
** [[w:সেসিল বিটন|সেসিল বিটন]]
*ভেবে দেখুন। এলিজাবেথ টেলরের পাশাপাশি তিনিই ছিলেন প্রথম নারী যিনি দশ লক্ষ ডলার উপার্জন করেছিলেন, এমন এক সময়ে যখন নারীরা তাঁদের স্বামীর অনুমতি ছাড়া ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে পারতেন না। তিনি নিজের অধিকারের জন্য লড়তে জানতেন। আর এটি সম্ভব হয়েছিল যুদ্ধ, ব্যালট নাচ এবং তাঁর মায়ের কারণে।
**[[w:শন হেপবার্ন ফেরার|শন হেপবার্ন ফেরার]] প্রতিযোগিতামূলক হলিউডে তাঁর মায়ের টিকে থাকার ক্ষমতা সম্পর্কে [https://www.theguardian.com/culture/2020/nov/19/my-mother-was-like-a-steel-fist-in-a-velvet-glove-the-real-audrey-hepburn “'মাই মাদার ওয়াজ লাইক আ স্টিল ফিস্ট ইন আ ভেলভেট গ্লাভ': দ্য রিয়েল অড্রে হেপবার্ন”], ''দ্য গার্ডিয়ান'' (১৯ নভেম্বর ২০২০)
*এটি তাঁকে একটি কঠোর সংকল্প এবং কোনো কাজ সম্পন্ন করার জন্য যা যা প্রয়োজন তার প্রতি সম্মান শিখিয়েছিল। আমি তাঁকে 'মখমলের দস্তানায় ঢাকা এক ইস্পাতের মুষ্টি' হিসেবে বর্ণনা করতে শুনেছি।
**[[w:শন হেপবার্ন ফেরার|শন হেপবার্ন ফেরার]] কীভাবে তাঁর মায়ের যুদ্ধের অভিজ্ঞতা তাঁকে এক কঠোর সংকল্প দিয়েছিল সে সম্পর্কে [https://www.theguardian.com/culture/2020/nov/19/my-mother-was-like-a-steel-fist-in-a-velvet-glove-the-real-audrey-hepburn “'মাই মাদার ওয়াজ লাইক আ স্টিল ফিস্ট ইন আ ভেলভেট গ্লাভ': দ্য রিয়েল অড্রে হেপবার্ন”], ''দ্য গার্ডিয়ান'' (১৯ নভেম্বর ২০২০)
== বহিঃসংযোগ ==
{{wikipedia}}
{{কমন্স}}
* [http://www.audreyhepburn.com/ হেপবার্ন এবং অড্রে হেপবার্ন চিলড্রেন'স ফান্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট]
* [http://www.imdb.com/name/nm0000030/ আইএমডিবি তে অড্রে হেপবার্ন]
* [http://www.audrey1.com/articles/index.html ট্রিবিউট সাইট]
* [http://funmozar.com/audrey-hepburn-quotes/ অড্রে হেপবার্নের উক্তি এবং নিবন্ধ]
{{DEFAULTSORT:Hepburn, Audrey}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯২৯ এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৯৩ এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:বেলজিয়ামের অভিনেত্রী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ব্রাসেলসের ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের অভিনেত্রী]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের নারী কর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের জনহিতৈষী]]
[[বিষয়শ্রেণী:একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:টোনি পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম প্রাপক]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯২০ এর দশকে জন্ম নেওয়া নারী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইউনিসেফ সদচ্ছামূলক দূত]]
p1ou41vlh1bhnyqfmhxb8wahy2bgqey
ব্যবহারকারী:Nayeem Hossain55
2
12286
75337
2026-04-10T12:31:15Z
Nayeem Hossain55
4820
মাদকের প্রভাব
75337
wikitext
text/x-wiki
বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় মাদকদ্রব্য এমন ভাবে ছড়িয়ে পড়েছে, তা নির্মূল করতে গেলে ২বছরের বেশি সময় লাগতে পারে।
8eq0776rokrrn22njrbb7egwwt9lo5l
এমি নোয়েদার
0
12287
75338
2026-04-10T12:34:48Z
SMontaha32
3112
"এমি নোয়েদারের জীবন ও উক্তির সাবলীল বাংলা অনুবাদ নিচে উইকি মার্কআপসহ কোড ব্লকে দেওয়া হলো: ```text File:Noether retusche nachcoloriert.jpg|thumb|{{center/s}}অ্যামালি এমি নোয়েদার<br />আনুমানিক ১৯১০ বা তার আগে।{{center/e..." দিয়ে পাতা তৈরি
75338
wikitext
text/x-wiki
এমি নোয়েদারের জীবন ও উক্তির সাবলীল বাংলা অনুবাদ নিচে উইকি মার্কআপসহ কোড ব্লকে দেওয়া হলো:
```text
[[File:Noether retusche nachcoloriert.jpg|thumb|{{center/s}}অ্যামালি এমি নোয়েদার<br />আনুমানিক ১৯১০ বা তার আগে।{{center/e}}]]
'''[[w:Emmy Noether|অ্যামালি এমি নোয়েদার]]''' (২৩ মার্চ, ১৮৮২ – ১৪ এপ্রিল, ১৯৩৫) ছিলেন একজন জার্মান গণিতবিদ, যিনি [[abstract algebra|বিমূর্ত বীজগণিত]] এবং তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে তাঁর যুগান্তকারী অবদানের জন্য সুপরিচিত।
== উক্তি ==
* বৈজ্ঞানিক দিকনির্দেশনা এবং অনুপ্রেরণা আমি মূলত [[w:University of Erlangen-Nuremberg#History|এরলাঞ্জেন]] এবং [[w:University of Göttingen|গটিঙেন]]-এর ব্যক্তিগত গাণিতিক যোগাযোগের মাধ্যমেই পেয়েছি। সবকিছুর ঊর্ধ্বে আমি জনাব [[w:Ernst Sigismund Fischer|ই. ফিশারের]] কাছে কৃতজ্ঞ, যাঁর কাছ থেকে আমি পাটীগণিতীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বিমূর্ত বীজগণিত অধ্যয়নের সেই চূড়ান্ত প্রেরণা পেয়েছিলাম; আর এটিই আমার পরবর্তী সমস্ত কাজের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে রয়ে গেছে।
** গটিঙেন ফ্যাকাল্টিতে জমা দেওয়া ‘হ্যাবিলাইটেসন’ জীবনবৃত্তান্ত (১৯১৯) থেকে; পিটার রকেট-এর "এমি নোয়েদার অ্যান্ড হারমান ওয়েল" (২৮ জানুয়ারি, ২০০৮) পাণ্ডুলিপিতে উদ্ধৃত।
* আমার পদ্ধতিগুলো মূলত কাজ করার এবং চিন্তা করার পদ্ধতি; এই কারণেই এগুলো নামহীনভাবে সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে।
** হেলমুট হাসের কাছে লেখা চিঠি (১৯৩১); অগাস্ট ডিক-এর 'এমি নোয়েদার, ১৮৮২-১৯৩৫' (১৯৮১) বইয়ে উদ্ধৃত।
* আমি প্রতীকী ক্যালকুলাস বা গণনাপদ্ধতি পুরোপুরি ভুলে গেছি।
** হেলমুট হাসের কাছে লেখা চিঠি (১৪ এপ্রিল, ১৯৩২); পিটার রকেট-এর "এমি নোয়েদার অ্যান্ড হারমান ওয়েল" (২০০৮) পাণ্ডুলিপিতে উদ্ধৃত।
* যদি কেউ দুটি সংখ্যা $a$ এবং $b$-এর সমতা প্রমাণ করতে গিয়ে প্রথমে দেখায় যে $a \leqq b$ এবং তারপরে দেখায় যে $a \geqq b$, তবে সেটি অনুচিত; এর পরিবর্তে তাদের সমতার অন্তর্নিহিত কারণটি উন্মোচনের মাধ্যমে দেখানো উচিত যে তারা আসলে সমান।
** [[Hermann Weyl|হারমান ওয়েল]]-এর "এমি নোয়েদার" (২৬ এপ্রিল, ১৯৩৫) প্রবন্ধে উদ্ধৃত; ওয়েলের 'লেভেলস অফ ইনফিনিটি: সিলেক্টেড রাইটিংস অন ম্যাথমেটিক্স অ্যান্ড ফিলোসফি' (২০১২) বইয়ে সংকলিত।
* যেকোনো সংখ্যক চলকবিশিষ্ট পলিনোমিয়ালের একটি রিং—যার সহগ রিংয়ের একটি অভেদ উপাদান এবং সসীম ভিত্তি রয়েছে। তার নিজেরও একটি সসীম ভিত্তি থাকবে।
** মরিস ক্লাইন-এর 'ম্যাথমেটিক্যাল থট ফ্রম অ্যানসিয়েন্ট টু মডার্ন টাইমস' (১৯৭২) বইয়ে উদ্ধৃত।
* এর সবকিছুই ইতোমধ্যে [[Richard Dedekind|ডেডেকিন্ড]]-এর কাজে রয়েছে।
** [[w:Bartel Leendert van der Waerden|বার্টেল লিন্ডার্ট ভ্যান ডের ওয়ারডেনের]] "অন দ্য সোর্সেস অফ মাই বুক মডার্ন অ্যালজেব্রা" (১৯৭৫) প্রবন্ধে উদ্ধৃত।
dy4ljexsv1nywvgmbny5shsgq8222x6
75339
75338
2026-04-10T12:36:04Z
SMontaha32
3112
75339
wikitext
text/x-wiki
[[File:Noether retusche nachcoloriert.jpg|thumb|{{center/s}}অ্যামালি এমি নোয়েদার<br />আনুমানিক ১৯১০ বা তার আগে।{{center/e}}]]
'''[[w:এমি নোথার|অ্যামালি এমি নোয়েদার]]''' (২৩ মার্চ, ১৮৮২ – ১৪ এপ্রিল, ১৯৩৫) ছিলেন একজন জার্মান গণিতবিদ, যিনি বিমূর্ত বীজগণিত এবং তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে তাঁর যুগান্তকারী অবদানের জন্য সুপরিচিত।
== উক্তি ==
* বৈজ্ঞানিক দিকনির্দেশনা এবং অনুপ্রেরণা আমি মূলত [[w:University of Erlangen-Nuremberg#History|এরলাঞ্জেন]] এবং [[w:University of Göttingen|গটিঙেন]]-এর ব্যক্তিগত গাণিতিক যোগাযোগের মাধ্যমেই পেয়েছি। সবকিছুর ঊর্ধ্বে আমি জনাব [[w:Ernst Sigismund Fischer|ই. ফিশারের]] কাছে কৃতজ্ঞ, যাঁর কাছ থেকে আমি পাটীগণিতীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বিমূর্ত বীজগণিত অধ্যয়নের সেই চূড়ান্ত প্রেরণা পেয়েছিলাম; আর এটিই আমার পরবর্তী সমস্ত কাজের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে রয়ে গেছে।
** গটিঙেন ফ্যাকাল্টিতে জমা দেওয়া ‘হ্যাবিলাইটেসন’ জীবনবৃত্তান্ত (১৯১৯) থেকে; পিটার রকেট-এর "এমি নোয়েদার অ্যান্ড হারমান ওয়েল" (২৮ জানুয়ারি, ২০০৮) পাণ্ডুলিপিতে উদ্ধৃত।
* আমার পদ্ধতিগুলো মূলত কাজ করার এবং চিন্তা করার পদ্ধতি; এই কারণেই এগুলো নামহীনভাবে সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে।
** হেলমুট হাসের কাছে লেখা চিঠি (১৯৩১); অগাস্ট ডিক-এর 'এমি নোয়েদার, ১৮৮২-১৯৩৫' (১৯৮১) বইয়ে উদ্ধৃত।
* আমি প্রতীকী ক্যালকুলাস বা গণনাপদ্ধতি পুরোপুরি ভুলে গেছি।
** হেলমুট হাসের কাছে লেখা চিঠি (১৪ এপ্রিল, ১৯৩২); পিটার রকেট-এর "এমি নোয়েদার অ্যান্ড হারমান ওয়েল" (২০০৮) পাণ্ডুলিপিতে উদ্ধৃত।
* যদি কেউ দুটি সংখ্যা $a$ এবং $b$-এর সমতা প্রমাণ করতে গিয়ে প্রথমে দেখায় যে $a \leqq b$ এবং তারপরে দেখায় যে $a \geqq b$, তবে সেটি অনুচিত; এর পরিবর্তে তাদের সমতার অন্তর্নিহিত কারণটি উন্মোচনের মাধ্যমে দেখানো উচিত যে তারা আসলে সমান।
** [[Hermann Weyl|হারমান ওয়েল]]-এর "এমি নোয়েদার" (২৬ এপ্রিল, ১৯৩৫) প্রবন্ধে উদ্ধৃত; ওয়েলের 'লেভেলস অফ ইনফিনিটি: সিলেক্টেড রাইটিংস অন ম্যাথমেটিক্স অ্যান্ড ফিলোসফি' (২০১২) বইয়ে সংকলিত।
* যেকোনো সংখ্যক চলকবিশিষ্ট পলিনোমিয়ালের একটি রিং—যার সহগ রিংয়ের একটি অভেদ উপাদান এবং সসীম ভিত্তি রয়েছে। তার নিজেরও একটি সসীম ভিত্তি থাকবে।
** মরিস ক্লাইন-এর 'ম্যাথমেটিক্যাল থট ফ্রম অ্যানসিয়েন্ট টু মডার্ন টাইমস' (১৯৭২) বইয়ে উদ্ধৃত।
* এর সবকিছুই ইতোমধ্যে [[Richard Dedekind|ডেডেকিন্ড]]-এর কাজে রয়েছে।
** [[w:Bartel Leendert van der Waerden|বার্টেল লিন্ডার্ট ভ্যান ডের ওয়ারডেনের]] "অন দ্য সোর্সেস অফ মাই বুক মডার্ন অ্যালজেব্রা" (১৯৭৫) প্রবন্ধে উদ্ধৃত।
pnyla1dh9i6ss9h424wkdbcbwxkjyzg
75340
75339
2026-04-10T12:36:28Z
SMontaha32
3112
75340
wikitext
text/x-wiki
[[File:Noether retusche nachcoloriert.jpg|thumb|অ্যামালি এমি নোয়েদার<br />আনুমানিক ১৯১০ বা তার আগে।]]
'''[[w:এমি নোথার|অ্যামালি এমি নোয়েদার]]''' (২৩ মার্চ, ১৮৮২ – ১৪ এপ্রিল, ১৯৩৫) ছিলেন একজন জার্মান গণিতবিদ, যিনি বিমূর্ত বীজগণিত এবং তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে তাঁর যুগান্তকারী অবদানের জন্য সুপরিচিত।
== উক্তি ==
* বৈজ্ঞানিক দিকনির্দেশনা এবং অনুপ্রেরণা আমি মূলত [[w:University of Erlangen-Nuremberg#History|এরলাঞ্জেন]] এবং [[w:University of Göttingen|গটিঙেন]]-এর ব্যক্তিগত গাণিতিক যোগাযোগের মাধ্যমেই পেয়েছি। সবকিছুর ঊর্ধ্বে আমি জনাব [[w:Ernst Sigismund Fischer|ই. ফিশারের]] কাছে কৃতজ্ঞ, যাঁর কাছ থেকে আমি পাটীগণিতীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বিমূর্ত বীজগণিত অধ্যয়নের সেই চূড়ান্ত প্রেরণা পেয়েছিলাম; আর এটিই আমার পরবর্তী সমস্ত কাজের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে রয়ে গেছে।
** গটিঙেন ফ্যাকাল্টিতে জমা দেওয়া ‘হ্যাবিলাইটেসন’ জীবনবৃত্তান্ত (১৯১৯) থেকে; পিটার রকেট-এর "এমি নোয়েদার অ্যান্ড হারমান ওয়েল" (২৮ জানুয়ারি, ২০০৮) পাণ্ডুলিপিতে উদ্ধৃত।
* আমার পদ্ধতিগুলো মূলত কাজ করার এবং চিন্তা করার পদ্ধতি; এই কারণেই এগুলো নামহীনভাবে সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে।
** হেলমুট হাসের কাছে লেখা চিঠি (১৯৩১); অগাস্ট ডিক-এর 'এমি নোয়েদার, ১৮৮২-১৯৩৫' (১৯৮১) বইয়ে উদ্ধৃত।
* আমি প্রতীকী ক্যালকুলাস বা গণনাপদ্ধতি পুরোপুরি ভুলে গেছি।
** হেলমুট হাসের কাছে লেখা চিঠি (১৪ এপ্রিল, ১৯৩২); পিটার রকেট-এর "এমি নোয়েদার অ্যান্ড হারমান ওয়েল" (২০০৮) পাণ্ডুলিপিতে উদ্ধৃত।
* যদি কেউ দুটি সংখ্যা $a$ এবং $b$-এর সমতা প্রমাণ করতে গিয়ে প্রথমে দেখায় যে $a \leqq b$ এবং তারপরে দেখায় যে $a \geqq b$, তবে সেটি অনুচিত; এর পরিবর্তে তাদের সমতার অন্তর্নিহিত কারণটি উন্মোচনের মাধ্যমে দেখানো উচিত যে তারা আসলে সমান।
** [[Hermann Weyl|হারমান ওয়েল]]-এর "এমি নোয়েদার" (২৬ এপ্রিল, ১৯৩৫) প্রবন্ধে উদ্ধৃত; ওয়েলের 'লেভেলস অফ ইনফিনিটি: সিলেক্টেড রাইটিংস অন ম্যাথমেটিক্স অ্যান্ড ফিলোসফি' (২০১২) বইয়ে সংকলিত।
* যেকোনো সংখ্যক চলকবিশিষ্ট পলিনোমিয়ালের একটি রিং—যার সহগ রিংয়ের একটি অভেদ উপাদান এবং সসীম ভিত্তি রয়েছে। তার নিজেরও একটি সসীম ভিত্তি থাকবে।
** মরিস ক্লাইন-এর 'ম্যাথমেটিক্যাল থট ফ্রম অ্যানসিয়েন্ট টু মডার্ন টাইমস' (১৯৭২) বইয়ে উদ্ধৃত।
* এর সবকিছুই ইতোমধ্যে [[Richard Dedekind|ডেডেকিন্ড]]-এর কাজে রয়েছে।
** [[w:Bartel Leendert van der Waerden|বার্টেল লিন্ডার্ট ভ্যান ডের ওয়ারডেনের]] "অন দ্য সোর্সেস অফ মাই বুক মডার্ন অ্যালজেব্রা" (১৯৭৫) প্রবন্ধে উদ্ধৃত।
8spknr2ps06tka9q4dxjwirwtttuq7c
75341
75340
2026-04-10T12:39:11Z
SMontaha32
3112
75341
wikitext
text/x-wiki
[[File:Noether retusche nachcoloriert.jpg|thumb|অ্যামালি এমি নোয়েদার<br />আনুমানিক ১৯১০ বা তার আগে।]]
'''[[w:এমি নোথার|অ্যামালি এমি নোয়েদার]]''' (২৩ মার্চ, ১৮৮২ – ১৪ এপ্রিল, ১৯৩৫) ছিলেন একজন জার্মান গণিতবিদ, যিনি বিমূর্ত বীজগণিত এবং তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে তাঁর যুগান্তকারী অবদানের জন্য সুপরিচিত।
== উক্তি ==
* বৈজ্ঞানিক দিকনির্দেশনা এবং অনুপ্রেরণা আমি মূলত [[w:University of Erlangen-Nuremberg#History|এরলাঞ্জেন]] এবং [[w:University of Göttingen|গটিঙেন]]-এর ব্যক্তিগত গাণিতিক যোগাযোগের মাধ্যমেই পেয়েছি। সবকিছুর ঊর্ধ্বে আমি জনাব [[w:Ernst Sigismund Fischer|ই. ফিশারের]] কাছে কৃতজ্ঞ, যাঁর কাছ থেকে আমি পাটীগণিতীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বিমূর্ত বীজগণিত অধ্যয়নের সেই চূড়ান্ত প্রেরণা পেয়েছিলাম। আর এটিই আমার পরবর্তী সমস্ত কাজের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে রয়ে গেছে।
** গটিঙেন ফ্যাকাল্টিতে জমা দেওয়া ‘হ্যাবিলাইটেসন’ জীবনবৃত্তান্ত (১৯১৯) থেকে। পিটার রকেটের "এমি নোয়েদার অ্যান্ড হারমান ওয়েল" (২৮ জানুয়ারি, ২০০৮) পাণ্ডুলিপিতে উদ্ধৃত।
* আমার পদ্ধতিগুলো মূলত কাজ করার এবং চিন্তা করার পদ্ধতি। এই কারণেই এগুলো নামহীনভাবে সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে।
** হেলমুট হাসের কাছে লেখা চিঠি (১৯৩১); অগাস্ট ডিকের 'এমি নোয়েদার, ১৮৮২-১৯৩৫' (১৯৮১) বইয়ে উদ্ধৃত।
* আমি প্রতীকী ক্যালকুলাস বা গণনাপদ্ধতি পুরোপুরি ভুলে গেছি।
** হেলমুট হাসের কাছে লেখা চিঠি (১৪ এপ্রিল, ১৯৩২)। পিটার রকেটের "এমি নোয়েদার অ্যান্ড হারমান ওয়েল" (২০০৮) পাণ্ডুলিপিতে উদ্ধৃত।
* যদি কেউ দুটি সংখ্যা $a$ এবং $b$-এর সমতা প্রমাণ করতে গিয়ে প্রথমে দেখায় যে $a \leqq b$ এবং তারপরে দেখায় যে $a \geqq b$, তবে সেটি অনুচিত। এর পরিবর্তে তাদের সমতার অন্তর্নিহিত কারণটি উন্মোচনের মাধ্যমে দেখানো উচিত যে তারা আসলে সমান।
** [[Hermann Weyl|হারমান ওয়েলের]]"এমি নোয়েদার" (২৬ এপ্রিল, ১৯৩৫) প্রবন্ধে উদ্ধৃত। ওয়েলের 'লেভেলস অফ ইনফিনিটি: সিলেক্টেড রাইটিংস অন ম্যাথমেটিক্স অ্যান্ড ফিলোসফি' (২০১২) বইয়ে সংকলিত।
* যেকোনো সংখ্যক চলকবিশিষ্ট পলিনোমিয়ালের একটি রিং যার সহগ রিংয়ের একটি অভেদ উপাদান এবং সসীম ভিত্তি রয়েছে। তার নিজেরও একটি সসীম ভিত্তি থাকবে।
** মরিস ক্লাইনের 'ম্যাথমেটিক্যাল থট ফ্রম অ্যানসিয়েন্ট টু মডার্ন টাইমস' (১৯৭২) বইয়ে উদ্ধৃত।
* এর সবকিছুই ইতোমধ্যে [[Richard Dedekind|ডেডেকিন্ডের]] কাজে রয়েছে।
** [[w:Bartel Leendert van der Waerden|বার্টেল লিন্ডার্ট ভ্যান ডের ওয়ারডেনের]] "অন দ্য সোর্সেস অফ মাই বুক মডার্ন অ্যালজেব্রা" (১৯৭৫) প্রবন্ধে উদ্ধৃত।
bmqksmc1ccm00jjzk3x46j7mp0b9oe1
75342
75341
2026-04-10T12:39:47Z
SMontaha32
3112
75342
wikitext
text/x-wiki
[[File:Noether retusche nachcoloriert.jpg|thumb|অ্যামালি এমি নোয়েদার<br />আনুমানিক ১৯১০ বা তার আগে।]]
'''[[w:এমি নোথার|অ্যামালি এমি নোয়েদার]]''' (২৩ মার্চ, ১৮৮২ – ১৪ এপ্রিল, ১৯৩৫) ছিলেন একজন জার্মান গণিতবিদ, যিনি বিমূর্ত বীজগণিত এবং তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে তাঁর যুগান্তকারী অবদানের জন্য সুপরিচিত।
== উক্তি ==
* বৈজ্ঞানিক দিকনির্দেশনা এবং অনুপ্রেরণা আমি মূলত [[w:University of Erlangen-Nuremberg#History|এরলাঞ্জেন]] এবং [[w:University of Göttingen|গটিঙেনের]] ব্যক্তিগত গাণিতিক যোগাযোগের মাধ্যমেই পেয়েছি। সবকিছুর ঊর্ধ্বে আমি জনাব [[w:Ernst Sigismund Fischer|ই. ফিশারের]] কাছে কৃতজ্ঞ, যাঁর কাছ থেকে আমি পাটীগণিতীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বিমূর্ত বীজগণিত অধ্যয়নের সেই চূড়ান্ত প্রেরণা পেয়েছিলাম। আর এটিই আমার পরবর্তী সমস্ত কাজের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে রয়ে গেছে।
** গটিঙেন ফ্যাকাল্টিতে জমা দেওয়া ‘হ্যাবিলাইটেসন’ জীবনবৃত্তান্ত (১৯১৯) থেকে। পিটার রকেটের "এমি নোয়েদার অ্যান্ড হারমান ওয়েল" (২৮ জানুয়ারি, ২০০৮) পাণ্ডুলিপিতে উদ্ধৃত।
* আমার পদ্ধতিগুলো মূলত কাজ করার এবং চিন্তা করার পদ্ধতি। এই কারণেই এগুলো নামহীনভাবে সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে।
** হেলমুট হাসের কাছে লেখা চিঠি (১৯৩১); অগাস্ট ডিকের 'এমি নোয়েদার, ১৮৮২-১৯৩৫' (১৯৮১) বইয়ে উদ্ধৃত।
* আমি প্রতীকী ক্যালকুলাস বা গণনাপদ্ধতি পুরোপুরি ভুলে গেছি।
** হেলমুট হাসের কাছে লেখা চিঠি (১৪ এপ্রিল, ১৯৩২)। পিটার রকেটের "এমি নোয়েদার অ্যান্ড হারমান ওয়েল" (২০০৮) পাণ্ডুলিপিতে উদ্ধৃত।
* যদি কেউ দুটি সংখ্যা $a$ এবং $b$-এর সমতা প্রমাণ করতে গিয়ে প্রথমে দেখায় যে $a \leqq b$ এবং তারপরে দেখায় যে $a \geqq b$, তবে সেটি অনুচিত। এর পরিবর্তে তাদের সমতার অন্তর্নিহিত কারণটি উন্মোচনের মাধ্যমে দেখানো উচিত যে তারা আসলে সমান।
** [[Hermann Weyl|হারমান ওয়েলের]]"এমি নোয়েদার" (২৬ এপ্রিল, ১৯৩৫) প্রবন্ধে উদ্ধৃত। ওয়েলের 'লেভেলস অফ ইনফিনিটি: সিলেক্টেড রাইটিংস অন ম্যাথমেটিক্স অ্যান্ড ফিলোসফি' (২০১২) বইয়ে সংকলিত।
* যেকোনো সংখ্যক চলকবিশিষ্ট পলিনোমিয়ালের একটি রিং যার সহগ রিংয়ের একটি অভেদ উপাদান এবং সসীম ভিত্তি রয়েছে। তার নিজেরও একটি সসীম ভিত্তি থাকবে।
** মরিস ক্লাইনের 'ম্যাথমেটিক্যাল থট ফ্রম অ্যানসিয়েন্ট টু মডার্ন টাইমস' (১৯৭২) বইয়ে উদ্ধৃত।
* এর সবকিছুই ইতোমধ্যে [[Richard Dedekind|ডেডেকিন্ডের]] কাজে রয়েছে।
** [[w:Bartel Leendert van der Waerden|বার্টেল লিন্ডার্ট ভ্যান ডের ওয়ারডেনের]] "অন দ্য সোর্সেস অফ মাই বুক মডার্ন অ্যালজেব্রা" (১৯৭৫) প্রবন্ধে উদ্ধৃত।
nlxksm387w2b5ra7pe1qz9hh9oxqpwf
ইউজিন পল উইগনার
0
12288
75343
2026-04-10T12:47:29Z
SMontaha32
3112
" [[File:Wigner.jpg |thumb|right| বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে গতিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। বরং উৎসর্গ, অঙ্গীকার, আগ্রহ এবং কোনো কিছু জানার ও বোঝার ইচ্ছা—এগুলোই সবার আগে আসে।]] '''w:Eugene Wigner|ইউজিন পল..." দিয়ে পাতা তৈরি
75343
wikitext
text/x-wiki
[[File:Wigner.jpg |thumb|right| বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে গতিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। বরং উৎসর্গ, অঙ্গীকার, আগ্রহ এবং কোনো কিছু জানার ও বোঝার ইচ্ছা—এগুলোই সবার আগে আসে।]]
'''[[w:Eugene Wigner|ইউজিন পল উইগনার]]''' ([[নভেম্বর ১৭]], [[১৯০২]] – [[জানুয়ারি ১]], [[১৯৯৫]]) ছিলেন একজন হাঙ্গেরীয়-মার্কিন [[w:theoretical physicist|তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী]], যিনি [[w:mathematical physics|গাণিতিক পদার্থবিজ্ঞানেও]] অবদান রেখেছিলেন। তিনি ১৯৬৩ সালে "পারমাণবিক নিউক্লিয়াস এবং মৌলিক কণাগুলোর তত্ত্বে তাঁর অবদান, বিশেষ করে মৌলিক প্রতিসাম্য নীতির আবিষ্কার ও প্রয়োগের জন্য" [[w:Nobel Prize in Physics|পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার]] লাভ করেন।
{{physicist-stub}}
== উক্তি ==
* '''গভীর রসবোধ এবং গল্প ও কৌতুক বলার অসাধারণ ক্ষমতা [[John von Neumann|জনিকে (জন ফন নিউম্যান)]] এমনকি সাধারণ পরিচিতদের কাছেও প্রিয় করে তুলেছিল।''' প্রয়োজনে তিনি স্পষ্টভাষী হতে পারতেন, কিন্তু কখনও অহংকারী ছিলেন না। '''ফন নিউম্যানের অদম্য যুক্তিনির্ভর মনের পক্ষে এমন অনেক কিছু বোঝা এবং মেনে নেওয়া জরুরি ছিল যা আমাদের মধ্যে অধিকাংশই মানতে চায় না বা এমনকি বুঝতেও চায় না।''' এই বিষয়টি ফন নিউম্যানের অনেক নৈতিক বিচারবোধকে প্রভাবিত করেছিল। "মানুষ স্বার্থপর এবং বিশ্বাসঘাতক—এমন অভিযোগ করা ঠিক ততটাই বোকামি যতটা এই অভিযোগ করা যে, ইলেকট্রিক ফিল্ডে কার্ল (curl) না থাকলে ম্যাগনেটিক ফিল্ড বাড়ে না। উভয়ই প্রকৃতির নিয়ম।" কেবল বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে বৌদ্ধিক অসততা এবং বৈজ্ঞানিক ফলাফলের অপব্যবহারই তাঁর ক্ষোভ ও রোষ জাগিয়ে তুলতে পারত—আর তা ঘটতও—সেটি তাঁর নিজের সাথে হোক বা অন্য কারও সাথে, তিনি সমানভাবে প্রতিবাদ করতেন।
** জীবনীমূলক স্মৃতিকথা: "[[John von Neumann|জন ফন নিউম্যান]] (১৯০৩ - ১৯৫৭)"; 'ইয়ার বুক অফ দ্য আমেরিকান ফিলোসফিক্যাল সোসাইটি' (১৯৫৮); পরবর্তীতে 'সিমেট্রিস অ্যান্ড রিফ্লেকশনস : সায়েন্টিফিক এসেস অফ ইউজিন পি. উইগনার' (১৯৬৭), পৃষ্ঠা ২৬১।
* প্রকৃতির নিয়ম প্রণয়নে পদার্থবিজ্ঞানীদের গণিত ব্যবহারের একটি সম্ভাব্য ব্যাখ্যা হতে পারে এই যে, তিনি কিছুটা দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যক্তি। ফলস্বরূপ, যখন তিনি দুটি রাশির মধ্যে এমন কোনো সম্পর্ক খুঁজে পান যা গণিতের কোনো পরিচিত সম্পর্কের মতো দেখায়, '''তখন তিনি সাথে সাথে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছান যে এটি গণিতে আলোচিত সেই সম্পর্কটিই; কেবল একারণেই যে তিনি অন্য কোনো অনুরূপ সম্পর্কের কথা জানেন না।'''
** "দ্য আনরিজনেবল ইফেক্টিভনেস অফ ম্যাথমেটিক্স ইন দ্য ন্যাচারাল সায়েন্সেস," 'কমিউনিকেশনস ইন পিওর অ্যান্ড অ্যাপ্লাইড ম্যাথমেটিক্স', ফেব্রুয়ারি ১৯৬০।
* '''পদার্থবিজ্ঞানের নিয়মগুলো প্রণয়নের জন্য গাণিতিক ভাষার এই যে উপযুক্ততা, এই অলৌকিক ঘটনাটি আসলে একটি চমৎকার উপহার যা আমরা বুঝতেও পারি না, আর আমাদের এটি পাওয়ার যোগ্য দাবিও নেই।'''
** "দ্য আনরিজনেবল ইফেক্টিভনেস অফ ম্যাথমেটিক্স ইন দ্য ন্যাচারাল সায়েন্সেস," 'কমিউনিকেশনস ইন পিওর অ্যান্ড অ্যাপ্লাইড ম্যাথমেটিক্স', ফেব্রুয়ারি ১৯৬০, শেষ বাক্য।
* বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে গতিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। বরং নিষ্ঠা, অঙ্গীকার, আগ্রহ এবং কোনো কিছু জানার ও বোঝার ইচ্ছা—এগুলোই সবার আগে আসে।
** ইস্তভান কার্দোস-এর নেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে; 'সায়েন্টিস্টস ফেস টু ফেস', করভিনা কিয়াডো (১৯৭৮), পৃষ্ঠা ৩৭০।
* [[w:Schrödinger equation|শ্রোডিঞ্জারের সমীকরণের]] ঠিক কোথায় আপনি বেঁচে থাকার আনন্দকে স্থান দেবেন?
** ফ্রিম্যান ডাইসন কর্তৃক একটি ব্যক্তিগত কথোপকথন থেকে উদ্ধৃত, 'ইনফিনিট ইন অল ডিরেকশনস' (১৯৮৮)।
== বহিঃসংযোগ ==
{{wikipedia}}
{{commonscat}}
[[বিষয়শ্রেণী:হাঙ্গেরীয় শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:হাঙ্গেরীয় পদার্থবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:হাঙ্গেরীয় গণিতবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:হাঙ্গেরীয় ইহুদি]]
[[বিষয়শ্রেণী:নাস্তিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯০২-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৯৫-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:বুদাপেস্টের ব্যক্তিত্ব]]
[[বিষয়শ্রেণী:হাঙ্গেরীয় নোবেল বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ন্যাশনাল মেডেল অফ সায়েন্স বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির অনুষদ]]
0k55sw8i407vg9q8sw9awuav2k7waok
75344
75343
2026-04-10T12:49:27Z
SMontaha32
3112
75344
wikitext
text/x-wiki
[[File:Wigner.jpg |thumb|right| বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে গতিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। বরং উৎসর্গ, অঙ্গীকার, আগ্রহ এবং কোনো কিছু জানার ও বোঝার ইচ্ছা—এগুলোই সবার আগে আসে।]]
'''[[w:ইউজিন উইগনার|ইউজিন পল উইগনার]]''' (নভেম্বর ১৭,১৯০২ –জানুয়ারি ১,১৯৯৫) ছিলেন একজন হাঙ্গেরীয়-মার্কিন [[w:তাত্ত্বিক পদার্থবিদ|তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী]], যিনি গাণিতিক পদার্থবিজ্ঞানেও অবদান রেখেছিলেন। তিনি ১৯৬৩ সালে "পারমাণবিক নিউক্লিয়াস এবং মৌলিক কণাগুলোর তত্ত্বে তাঁর অবদান, বিশেষ করে মৌলিক প্রতিসাম্য নীতির আবিষ্কার ও প্রয়োগের জন্য" [[w:: পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার|পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার]] লাভ করেন।
== উক্তি ==
* '''গভীর রসবোধ এবং গল্প ও কৌতুক বলার অসাধারণ ক্ষমতা [[John von Neumann|জনিকে (জন ফন নিউম্যান)]] এমনকি সাধারণ পরিচিতদের কাছেও প্রিয় করে তুলেছিল।''' প্রয়োজনে তিনি স্পষ্টভাষী হতে পারতেন, কিন্তু কখনও অহংকারী ছিলেন না। '''ফন নিউম্যানের অদম্য যুক্তিনির্ভর মনের পক্ষে এমন অনেক কিছু বোঝা এবং মেনে নেওয়া জরুরি ছিল যা আমাদের মধ্যে অধিকাংশই মানতে চায় না বা এমনকি বুঝতেও চায় না।''' এই বিষয়টি ফন নিউম্যানের অনেক নৈতিক বিচারবোধকে প্রভাবিত করেছিল। "মানুষ স্বার্থপর এবং বিশ্বাসঘাতক—এমন অভিযোগ করা ঠিক ততটাই বোকামি যতটা এই অভিযোগ করা যে, ইলেকট্রিক ফিল্ডে কার্ল (curl) না থাকলে ম্যাগনেটিক ফিল্ড বাড়ে না। উভয়ই প্রকৃতির নিয়ম।" কেবল বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে বৌদ্ধিক অসততা এবং বৈজ্ঞানিক ফলাফলের অপব্যবহারই তাঁর ক্ষোভ ও রোষ জাগিয়ে তুলতে পারত—আর তা ঘটতও—সেটি তাঁর নিজের সাথে হোক বা অন্য কারও সাথে, তিনি সমানভাবে প্রতিবাদ করতেন।
** জীবনীমূলক স্মৃতিকথা: "[[John von Neumann|জন ফন নিউম্যান]] (১৯০৩ - ১৯৫৭)"; 'ইয়ার বুক অফ দ্য আমেরিকান ফিলোসফিক্যাল সোসাইটি' (১৯৫৮); পরবর্তীতে 'সিমেট্রিস অ্যান্ড রিফ্লেকশনস : সায়েন্টিফিক এসেস অফ ইউজিন পি. উইগনার' (১৯৬৭), পৃষ্ঠা ২৬১।
* প্রকৃতির নিয়ম প্রণয়নে পদার্থবিজ্ঞানীদের গণিত ব্যবহারের একটি সম্ভাব্য ব্যাখ্যা হতে পারে এই যে, তিনি কিছুটা দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যক্তি। ফলস্বরূপ, যখন তিনি দুটি রাশির মধ্যে এমন কোনো সম্পর্ক খুঁজে পান যা গণিতের কোনো পরিচিত সম্পর্কের মতো দেখায়, '''তখন তিনি সাথে সাথে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছান যে এটি গণিতে আলোচিত সেই সম্পর্কটিই; কেবল একারণেই যে তিনি অন্য কোনো অনুরূপ সম্পর্কের কথা জানেন না।'''
** "দ্য আনরিজনেবল ইফেক্টিভনেস অফ ম্যাথমেটিক্স ইন দ্য ন্যাচারাল সায়েন্সেস," 'কমিউনিকেশনস ইন পিওর অ্যান্ড অ্যাপ্লাইড ম্যাথমেটিক্স', ফেব্রুয়ারি ১৯৬০।
* '''পদার্থবিজ্ঞানের নিয়মগুলো প্রণয়নের জন্য গাণিতিক ভাষার এই যে উপযুক্ততা, এই অলৌকিক ঘটনাটি আসলে একটি চমৎকার উপহার যা আমরা বুঝতেও পারি না, আর আমাদের এটি পাওয়ার যোগ্য দাবিও নেই।'''
** "দ্য আনরিজনেবল ইফেক্টিভনেস অফ ম্যাথমেটিক্স ইন দ্য ন্যাচারাল সায়েন্সেস," 'কমিউনিকেশনস ইন পিওর অ্যান্ড অ্যাপ্লাইড ম্যাথমেটিক্স', ফেব্রুয়ারি ১৯৬০, শেষ বাক্য।
* বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে গতিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। বরং নিষ্ঠা, অঙ্গীকার, আগ্রহ এবং কোনো কিছু জানার ও বোঝার ইচ্ছা—এগুলোই সবার আগে আসে।
** ইস্তভান কার্দোস-এর নেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে; 'সায়েন্টিস্টস ফেস টু ফেস', করভিনা কিয়াডো (১৯৭৮), পৃষ্ঠা ৩৭০।
* [[w:Schrödinger equation|শ্রোডিঞ্জারের সমীকরণের]] ঠিক কোথায় আপনি বেঁচে থাকার আনন্দকে স্থান দেবেন?
** ফ্রিম্যান ডাইসন কর্তৃক একটি ব্যক্তিগত কথোপকথন থেকে উদ্ধৃত, 'ইনফিনিট ইন অল ডিরেকশনস' (১৯৮৮)।
== বহিঃসংযোগ ==
{{wikipedia}}
{{commonscat}}
[[বিষয়শ্রেণী:হাঙ্গেরীয় শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:হাঙ্গেরীয় পদার্থবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:হাঙ্গেরীয় গণিতবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:হাঙ্গেরীয় ইহুদি]]
[[বিষয়শ্রেণী:নাস্তিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯০২-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৯৫-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:বুদাপেস্টের ব্যক্তিত্ব]]
[[বিষয়শ্রেণী:হাঙ্গেরীয় নোবেল বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ন্যাশনাল মেডেল অফ সায়েন্স বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির অনুষদ]]
2r55pite6y080ifo3xoj5vns18cp60l
75345
75344
2026-04-10T12:51:02Z
SMontaha32
3112
/* উক্তি */
75345
wikitext
text/x-wiki
[[File:Wigner.jpg |thumb|right| বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে গতিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। বরং উৎসর্গ, অঙ্গীকার, আগ্রহ এবং কোনো কিছু জানার ও বোঝার ইচ্ছা—এগুলোই সবার আগে আসে।]]
'''[[w:ইউজিন উইগনার|ইউজিন পল উইগনার]]''' (নভেম্বর ১৭,১৯০২ –জানুয়ারি ১,১৯৯৫) ছিলেন একজন হাঙ্গেরীয়-মার্কিন [[w:তাত্ত্বিক পদার্থবিদ|তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী]], যিনি গাণিতিক পদার্থবিজ্ঞানেও অবদান রেখেছিলেন। তিনি ১৯৬৩ সালে "পারমাণবিক নিউক্লিয়াস এবং মৌলিক কণাগুলোর তত্ত্বে তাঁর অবদান, বিশেষ করে মৌলিক প্রতিসাম্য নীতির আবিষ্কার ও প্রয়োগের জন্য" [[w:: পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার|পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার]] লাভ করেন।
== উক্তি ==
* '''গভীর রসবোধ এবং গল্প ও কৌতুক বলার অসাধারণ ক্ষমতা জনিকে (জন ফন নিউম্যান) এমনকি সাধারণ পরিচিতদের কাছেও প্রিয় করে তুলেছিল।''' প্রয়োজনে তিনি স্পষ্টভাষী হতে পারতেন, কিন্তু কখনও অহংকারী ছিলেন না। '''ফন নিউম্যানের অদম্য যুক্তিনির্ভর মনের পক্ষে এমন অনেক কিছু বোঝা এবং মেনে নেওয়া জরুরি ছিল যা আমাদের মধ্যে অধিকাংশই মানতে চায় না বা এমনকি বুঝতেও চায় না।''' এই বিষয়টি ফন নিউম্যানের অনেক নৈতিক বিচারবোধকে প্রভাবিত করেছিল। "মানুষ স্বার্থপর এবং বিশ্বাসঘাতক—এমন অভিযোগ করা ঠিক ততটাই বোকামি যতটা এই অভিযোগ করা যে, ইলেকট্রিক ফিল্ডে কার্ল না থাকলে ম্যাগনেটিক ফিল্ড বাড়ে না। উভয়ই প্রকৃতির নিয়ম।" কেবল বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে বৌদ্ধিক অসততা এবং বৈজ্ঞানিক ফলাফলের অপব্যবহারই তাঁর ক্ষোভ ও রোষ জাগিয়ে তুলতে পারত—আর তা ঘটতও—সেটি তাঁর নিজের সাথে হোক বা অন্য কারও সাথে, তিনি সমানভাবে প্রতিবাদ করতেন।
** জীবনীমূলক স্মৃতিকথা: "জন ফন নিউম্যান (১৯০৩ - ১৯৫৭)"; 'ইয়ার বুক অফ দ্য আমেরিকান ফিলোসফিক্যাল সোসাইটি' (১৯৫৮); পরবর্তীতে 'সিমেট্রিস অ্যান্ড রিফ্লেকশনস : সায়েন্টিফিক এসেস অফ ইউজিন পি. উইগনার' (১৯৬৭), পৃষ্ঠা ২৬১।
* প্রকৃতির নিয়ম প্রণয়নে পদার্থবিজ্ঞানীদের গণিত ব্যবহারের একটি সম্ভাব্য ব্যাখ্যা হতে পারে এই যে, তিনি কিছুটা দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যক্তি। ফলস্বরূপ, যখন তিনি দুটি রাশির মধ্যে এমন কোনো সম্পর্ক খুঁজে পান যা গণিতের কোনো পরিচিত সম্পর্কের মতো দেখায়, '''তখন তিনি সাথে সাথে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছান যে এটি গণিতে আলোচিত সেই সম্পর্কটিই; কেবল একারণেই যে তিনি অন্য কোনো অনুরূপ সম্পর্কের কথা জানেন না।'''
** "দ্য আনরিজনেবল ইফেক্টিভনেস অফ ম্যাথমেটিক্স ইন দ্য ন্যাচারাল সায়েন্সেস," 'কমিউনিকেশনস ইন পিওর অ্যান্ড অ্যাপ্লাইড ম্যাথমেটিক্স', ফেব্রুয়ারি ১৯৬০।
* '''পদার্থবিজ্ঞানের নিয়মগুলো প্রণয়নের জন্য গাণিতিক ভাষার এই যে উপযুক্ততা, এই অলৌকিক ঘটনাটি আসলে একটি চমৎকার উপহার যা আমরা বুঝতেও পারি না, আর আমাদের এটি পাওয়ার যোগ্য দাবিও নেই।'''
** "দ্য আনরিজনেবল ইফেক্টিভনেস অফ ম্যাথমেটিক্স ইন দ্য ন্যাচারাল সায়েন্সেস," 'কমিউনিকেশনস ইন পিওর অ্যান্ড অ্যাপ্লাইড ম্যাথমেটিক্স', ফেব্রুয়ারি ১৯৬০, শেষ বাক্য।
* বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে গতিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। বরং নিষ্ঠা, অঙ্গীকার, আগ্রহ এবং কোনো কিছু জানার ও বোঝার ইচ্ছা—এগুলোই সবার আগে আসে।
** ইস্তভান কার্দোস-এর নেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে; 'সায়েন্টিস্টস ফেস টু ফেস', করভিনা কিয়াডো (১৯৭৮), পৃষ্ঠা ৩৭০।
* [[w:শ্রোডিঞ্জার সমীকরণ|শ্রোডিঞ্জারের সমীকরণের]] ঠিক কোথায় আপনি বেঁচে থাকার আনন্দকে স্থান দেবেন?
** ফ্রিম্যান ডাইসন কর্তৃক একটি ব্যক্তিগত কথোপকথন থেকে উদ্ধৃত, 'ইনফিনিট ইন অল ডিরেকশনস' (১৯৮৮)।
== বহিঃসংযোগ ==
{{wikipedia}}
{{commonscat}}
[[বিষয়শ্রেণী:হাঙ্গেরীয় শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:হাঙ্গেরীয় পদার্থবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:হাঙ্গেরীয় গণিতবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:হাঙ্গেরীয় ইহুদি]]
[[বিষয়শ্রেণী:নাস্তিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯০২-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৯৫-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:বুদাপেস্টের ব্যক্তিত্ব]]
[[বিষয়শ্রেণী:হাঙ্গেরীয় নোবেল বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ন্যাশনাল মেডেল অফ সায়েন্স বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির অনুষদ]]
2jrjv5d32q37i4k78i0sd3iq282eg3w
75346
75345
2026-04-10T12:51:29Z
SMontaha32
3112
75346
wikitext
text/x-wiki
[[File:Wigner.jpg |thumb|right| বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে গতিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। বরং উৎসর্গ, অঙ্গীকার, আগ্রহ এবং কোনো কিছু জানার ও বোঝার ইচ্ছা এগুলোই সবার আগে আসে।]]
'''[[w:ইউজিন উইগনার|ইউজিন পল উইগনার]]''' (নভেম্বর ১৭,১৯০২ –জানুয়ারি ১,১৯৯৫) ছিলেন একজন হাঙ্গেরীয়-মার্কিন [[w:তাত্ত্বিক পদার্থবিদ|তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী]], যিনি গাণিতিক পদার্থবিজ্ঞানেও অবদান রেখেছিলেন। তিনি ১৯৬৩ সালে "পারমাণবিক নিউক্লিয়াস এবং মৌলিক কণাগুলোর তত্ত্বে তাঁর অবদান, বিশেষ করে মৌলিক প্রতিসাম্য নীতির আবিষ্কার ও প্রয়োগের জন্য" [[w:: পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার|পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার]] লাভ করেন।
== উক্তি ==
* '''গভীর রসবোধ এবং গল্প ও কৌতুক বলার অসাধারণ ক্ষমতা জনিকে (জন ফন নিউম্যান) এমনকি সাধারণ পরিচিতদের কাছেও প্রিয় করে তুলেছিল।''' প্রয়োজনে তিনি স্পষ্টভাষী হতে পারতেন, কিন্তু কখনও অহংকারী ছিলেন না। '''ফন নিউম্যানের অদম্য যুক্তিনির্ভর মনের পক্ষে এমন অনেক কিছু বোঝা এবং মেনে নেওয়া জরুরি ছিল যা আমাদের মধ্যে অধিকাংশই মানতে চায় না বা এমনকি বুঝতেও চায় না।''' এই বিষয়টি ফন নিউম্যানের অনেক নৈতিক বিচারবোধকে প্রভাবিত করেছিল। "মানুষ স্বার্থপর এবং বিশ্বাসঘাতক—এমন অভিযোগ করা ঠিক ততটাই বোকামি যতটা এই অভিযোগ করা যে, ইলেকট্রিক ফিল্ডে কার্ল না থাকলে ম্যাগনেটিক ফিল্ড বাড়ে না। উভয়ই প্রকৃতির নিয়ম।" কেবল বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে বৌদ্ধিক অসততা এবং বৈজ্ঞানিক ফলাফলের অপব্যবহারই তাঁর ক্ষোভ ও রোষ জাগিয়ে তুলতে পারত—আর তা ঘটতও—সেটি তাঁর নিজের সাথে হোক বা অন্য কারও সাথে, তিনি সমানভাবে প্রতিবাদ করতেন।
** জীবনীমূলক স্মৃতিকথা: "জন ফন নিউম্যান (১৯০৩ - ১৯৫৭)"; 'ইয়ার বুক অফ দ্য আমেরিকান ফিলোসফিক্যাল সোসাইটি' (১৯৫৮); পরবর্তীতে 'সিমেট্রিস অ্যান্ড রিফ্লেকশনস : সায়েন্টিফিক এসেস অফ ইউজিন পি. উইগনার' (১৯৬৭), পৃষ্ঠা ২৬১।
* প্রকৃতির নিয়ম প্রণয়নে পদার্থবিজ্ঞানীদের গণিত ব্যবহারের একটি সম্ভাব্য ব্যাখ্যা হতে পারে এই যে, তিনি কিছুটা দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যক্তি। ফলস্বরূপ, যখন তিনি দুটি রাশির মধ্যে এমন কোনো সম্পর্ক খুঁজে পান যা গণিতের কোনো পরিচিত সম্পর্কের মতো দেখায়, '''তখন তিনি সাথে সাথে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছান যে এটি গণিতে আলোচিত সেই সম্পর্কটিই; কেবল একারণেই যে তিনি অন্য কোনো অনুরূপ সম্পর্কের কথা জানেন না।'''
** "দ্য আনরিজনেবল ইফেক্টিভনেস অফ ম্যাথমেটিক্স ইন দ্য ন্যাচারাল সায়েন্সেস," 'কমিউনিকেশনস ইন পিওর অ্যান্ড অ্যাপ্লাইড ম্যাথমেটিক্স', ফেব্রুয়ারি ১৯৬০।
* '''পদার্থবিজ্ঞানের নিয়মগুলো প্রণয়নের জন্য গাণিতিক ভাষার এই যে উপযুক্ততা, এই অলৌকিক ঘটনাটি আসলে একটি চমৎকার উপহার যা আমরা বুঝতেও পারি না, আর আমাদের এটি পাওয়ার যোগ্য দাবিও নেই।'''
** "দ্য আনরিজনেবল ইফেক্টিভনেস অফ ম্যাথমেটিক্স ইন দ্য ন্যাচারাল সায়েন্সেস," 'কমিউনিকেশনস ইন পিওর অ্যান্ড অ্যাপ্লাইড ম্যাথমেটিক্স', ফেব্রুয়ারি ১৯৬০, শেষ বাক্য।
* বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে গতিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। বরং নিষ্ঠা, অঙ্গীকার, আগ্রহ এবং কোনো কিছু জানার ও বোঝার ইচ্ছা—এগুলোই সবার আগে আসে।
** ইস্তভান কার্দোস-এর নেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে; 'সায়েন্টিস্টস ফেস টু ফেস', করভিনা কিয়াডো (১৯৭৮), পৃষ্ঠা ৩৭০।
* [[w:শ্রোডিঞ্জার সমীকরণ|শ্রোডিঞ্জারের সমীকরণের]] ঠিক কোথায় আপনি বেঁচে থাকার আনন্দকে স্থান দেবেন?
** ফ্রিম্যান ডাইসন কর্তৃক একটি ব্যক্তিগত কথোপকথন থেকে উদ্ধৃত, 'ইনফিনিট ইন অল ডিরেকশনস' (১৯৮৮)।
== বহিঃসংযোগ ==
{{wikipedia}}
{{commonscat}}
[[বিষয়শ্রেণী:হাঙ্গেরীয় শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:হাঙ্গেরীয় পদার্থবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:হাঙ্গেরীয় গণিতবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:হাঙ্গেরীয় ইহুদি]]
[[বিষয়শ্রেণী:নাস্তিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯০২-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৯৫-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:বুদাপেস্টের ব্যক্তিত্ব]]
[[বিষয়শ্রেণী:হাঙ্গেরীয় নোবেল বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ন্যাশনাল মেডেল অফ সায়েন্স বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির অনুষদ]]
npchht4smrlca4nna6kspe8yz0324h1
75347
75346
2026-04-10T12:53:36Z
SMontaha32
3112
75347
wikitext
text/x-wiki
[[File:Wigner.jpg |thumb|right| বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে গতিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। বরং উৎসর্গ, অঙ্গীকার, আগ্রহ এবং কোনো কিছু জানার ও বোঝার ইচ্ছা এগুলোই সবার আগে আসে।]]
'''[[w:ইউজিন উইগনার|ইউজিন পল উইগনার]]''' (নভেম্বর ১৭,১৯০২ –জানুয়ারি ১,১৯৯৫) ছিলেন একজন হাঙ্গেরীয়-মার্কিন [[w:তাত্ত্বিক পদার্থবিদ|তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী]], যিনি গাণিতিক পদার্থবিজ্ঞানেও অবদান রেখেছিলেন। তিনি ১৯৬৩ সালে "পারমাণবিক নিউক্লিয়াস এবং মৌলিক কণাগুলোর তত্ত্বে তাঁর অবদান, বিশেষ করে মৌলিক প্রতিসাম্য নীতির আবিষ্কার ও প্রয়োগের জন্য" [[w:: পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার|পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার]] লাভ করেন।
== উক্তি ==
* '''গভীর রসবোধ এবং গল্প ও কৌতুক বলার অসাধারণ ক্ষমতা জনিকে (জন ফন নিউম্যান) এমনকি সাধারণ পরিচিতদের কাছেও প্রিয় করে তুলেছিল।''' প্রয়োজনে তিনি স্পষ্টভাষী হতে পারতেন কিন্তু কখনও অহংকারী ছিলেন না। '''ফন নিউম্যানের অদম্য যুক্তিনির্ভর মনের পক্ষে এমন অনেক কিছু বোঝা এবং মেনে নেওয়া জরুরি ছিল যা আমাদের মধ্যে অধিকাংশই মানতে চায় না বা এমনকি বুঝতেও চায় না।''' এই বিষয়টি ফন নিউম্যানের অনেক নৈতিক বিচারবোধকে প্রভাবিত করেছিল। "মানুষ স্বার্থপর এবং বিশ্বাসঘাতক এমন অভিযোগ করা ঠিক ততটাই বোকামি যতটা এই অভিযোগ করা যে, ইলেকট্রিক ফিল্ডে কার্ল না থাকলে ম্যাগনেটিক ফিল্ড বাড়ে না। উভয়ই প্রকৃতির নিয়ম।" কেবল বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে বৌদ্ধিক অসততা এবং বৈজ্ঞানিক ফলাফলের অপব্যবহারই তাঁর ক্ষোভ ও রোষ জাগিয়ে তুলতে পারত। আর তা ঘটতও সেটি তাঁর নিজের সাথে হোক বা অন্য কারও সাথে তিনি সমানভাবে প্রতিবাদ করতেন।
** জীবনীমূলক স্মৃতিকথা: "জন ফন নিউম্যান (১৯০৩ - ১৯৫৭)"; 'ইয়ার বুক অফ দ্য আমেরিকান ফিলোসফিক্যাল সোসাইটি' (১৯৫৮); পরবর্তীতে 'সিমেট্রিস অ্যান্ড রিফ্লেকশনস : সায়েন্টিফিক এসেস অফ ইউজিন পি. উইগনার' (১৯৬৭), পৃষ্ঠা ২৬১।
* প্রকৃতির নিয়ম প্রণয়নে পদার্থবিজ্ঞানীদের গণিত ব্যবহারের একটি সম্ভাব্য ব্যাখ্যা হতে পারে এই যে, তিনি কিছুটা দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যক্তি। ফলস্বরূপ, যখন তিনি দুটি রাশির মধ্যে এমন কোনো সম্পর্ক খুঁজে পান যা গণিতের কোনো পরিচিত সম্পর্কের মতো দেখায়, '''তখন তিনি সাথে সাথে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছান যে এটি গণিতে আলোচিত সেই সম্পর্কটিই; কেবল একারণেই যে তিনি অন্য কোনো অনুরূপ সম্পর্কের কথা জানেন না।'''
** "দ্য আনরিজনেবল ইফেক্টিভনেস অফ ম্যাথমেটিক্স ইন দ্য ন্যাচারাল সায়েন্সেস," 'কমিউনিকেশনস ইন পিওর অ্যান্ড অ্যাপ্লাইড ম্যাথমেটিক্স', ফেব্রুয়ারি ১৯৬০।
* '''পদার্থবিজ্ঞানের নিয়মগুলো প্রণয়নের জন্য গাণিতিক ভাষার এই যে উপযুক্ততা, এই অলৌকিক ঘটনাটি আসলে একটি চমৎকার উপহার যা আমরা বুঝতেও পারি না, আর আমাদের এটি পাওয়ার যোগ্য দাবিও নেই।'''
** "দ্য আনরিজনেবল ইফেক্টিভনেস অফ ম্যাথমেটিক্স ইন দ্য ন্যাচারাল সায়েন্সেস," 'কমিউনিকেশনস ইন পিওর অ্যান্ড অ্যাপ্লাইড ম্যাথমেটিক্স', ফেব্রুয়ারি ১৯৬০, শেষ বাক্য।
* বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে গতিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। বরং নিষ্ঠা, অঙ্গীকার, আগ্রহ এবং কোনো কিছু জানার ও বোঝার ইচ্ছা—এগুলোই সবার আগে আসে।
** ইস্তভান কার্দোস-এর নেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে; 'সায়েন্টিস্টস ফেস টু ফেস', করভিনা কিয়াডো (১৯৭৮), পৃষ্ঠা ৩৭০।
* [[w:শ্রোডিঞ্জার সমীকরণ|শ্রোডিঞ্জারের সমীকরণের]] ঠিক কোথায় আপনি বেঁচে থাকার আনন্দকে স্থান দেবেন?
** ফ্রিম্যান ডাইসন কর্তৃক একটি ব্যক্তিগত কথোপকথন থেকে উদ্ধৃত, 'ইনফিনিট ইন অল ডিরেকশনস' (১৯৮৮)।
== বহিঃসংযোগ ==
{{wikipedia}}
{{commonscat}}
[[বিষয়শ্রেণী:হাঙ্গেরীয় শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:হাঙ্গেরীয় পদার্থবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:হাঙ্গেরীয় গণিতবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:হাঙ্গেরীয় ইহুদি]]
[[বিষয়শ্রেণী:নাস্তিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯০২-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৯৫-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:বুদাপেস্টের ব্যক্তিত্ব]]
[[বিষয়শ্রেণী:হাঙ্গেরীয় নোবেল বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ন্যাশনাল মেডেল অফ সায়েন্স বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির অনুষদ]]
36bvdk2xbeah6gpf03bc0r234dap9jh
রবিন্দ্র নাথ ঠাকুর
0
12289
75350
2026-04-10T13:01:23Z
~2026-22188-52
4821
“জীবনকে ভালোবাসলে জীবনও তোমাকে ভালোবাসবে।” — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
75350
wikitext
text/x-wiki
{{subহst:ছাঁটা|1=
<!-- নিচে ব্যক্তি বা বস্তু সম্পর্কে একটি বিবরণ বা ভূমিকা লিখুন। প্রয়োজনে উইকিপিডিয়ার সহায়তা নিন।-->
== উক্তি ==
<!-- নিচের লাইনে তারকা চিহ্নের পরে একটি উক্তি যুক্ত করুন -->
*
<!-- নিচের লাইনে দুইতারকা চিহ্নের পরে উক্তির উৎস বা উদ্ধৃতি (রেফারেন্স) যুক্ত করুন।-->
**
== রবিন্দ্র নাথ ঠাকুর সম্পর্কে উক্তি ==
<!-- নিচের লাইনে তারকা চিহ্নের পরে একটি উক্তি যুক্ত করুন -->
*
<!-- নিচের লাইনে দুইতারকা চিহ্নের পরে উক্তির উৎস বা উদ্ধৃতি (রেফারেন্স) যুক্ত করুন।-->
**
== আরও দেখুন ==
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|রবিন্দ্র নাথ ঠাকুর}}
}}
cf5v8bzri6teejtu7z50cepiaxqq5bu
75354
75350
2026-04-10T13:06:37Z
Nil Nandy
2294
[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]-এ পুনর্নির্দেশ করা হল
75354
wikitext
text/x-wiki
#REDIRECT [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]
2dunc5tge7706fnuabgzl75y2ujyoss
ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22188-52
3
12291
75356
2026-04-10T13:07:17Z
Nil Nandy
2294
বিজ্ঞপ্তি: [[টেমপ্লেট:Subহst:ছাঁটা]] এর দ্রুত অপসারণ প্রস্তাবনা ([[উইকিউক্তি:টুলবক্স|টুলবক্স]] ব্যবহার করে)
75356
wikitext
text/x-wiki
== [[:টেমপ্লেট:Subহst:ছাঁটা]] পাতার [[উইকিউক্তি:দ্রুত অপসারণের জন্য বিচারধারা|দ্রুত অপসারণ]] প্রস্তাবনা ==
[[File:Ambox warning pn.svg|48px|left|alt=|link=]]
{{Quote box|quote=<p>এটি যদি উইকিউক্তিতে আপনার তৈরি করা প্রথম পাতা হয়ে থাকে, তবে আপনি উইকিউক্তিতে [[উইকিউক্তি:আপনার প্রথম ভুক্তি|প্রথম ভুক্তির দিক-নির্দেশনা]] অবশ্যই পাঠ করে নিন।</p><p>আমরা আপনাকে [[উইকিউক্তি:ভুক্তি উইজার্ড|ভুক্তি উইজার্ড]] ব্যবহার করে পাতা তৈরি করতে উৎসাহিত করছি।</p>|width=20%|align=right}}
উইকিউক্তি থেকে দ্রুত অপসারণের জন্য [[:টেমপ্লেট:Subহst:ছাঁটা]] নামক পাতাটিতে একটি ট্যাগ লাগানো হয়েছে। অনর্থক পাতা এর জন্য এই ট্যাগ লাগানো হয়েছে। [[WQ:CSD#পাতা|দ্রুত অপসারণের বিচারধারা]] অনুযায়ী এই পাতাটি যে কোনো সময় অপসারণ করা হতে পারে।
আপনি যদি মনে করেন যে এই কারণে এই পাতাটি অপসারণ করা উচিত নয়, তবে এই অপসারণে আপত্তি জানাতে [[:টেমপ্লেট:Subহst:ছাঁটা|পাতাটিতে গিয়ে]] "'''দ্রুত অপসারণে আপত্তি জানান'''" লেখার উপর ক্লিক করুন ও সেখানে কারণ ব্যাখ্যা করুন কেন পাতাটি দ্রুত অপসারণ করা উচিত নয়। মনে রাখবেন, কোন পাতায় দ্রুত অপসারণ ট্যাগ করা হলে এবং যদি পাতাটি দ্রুত অপসারণের বিচারাধারার সাথে মিলে যায় তবে কোনও দেরি না করে পাতাটি অপসারণ করা হয়। অনুগ্রহপূর্বক আপনার নিজের তৈরি করা পাতা থেকে এই বিজ্ঞপ্তিটি সরিয়ে ফেলবেন না, তবে আমরা আপনাকে পাতাটি সম্প্রসারণ করতে উৎসাহিত করছি। আরও মনে রাখবেন যে, পাতার বিষয় অবশ্যই [[উইকিউক্তি:উক্তিযোগ্যতা|উক্তিযোগ্য]] হতে হবে এবং [[উইকিউক্তি:নির্ভরযোগ্য উৎস|নির্ভরযোগ্য উৎস]] থেকে তথ্যসূত্রগুলো [[উইকিউক্তি:যাচাইযোগ্যতা|যাচাইযোগ্য]] হওয়া উচিত। যদি ইতিমধ্যে পাতাটি অপসারিত হয়ে থাকে এবং আপনি ভবিষ্যতে এটির উন্নতি করতে এর বিষয়বস্তু ফেরত পেতে চান, তবে দয়া করে [[উইকিউক্তি:প্রশাসকদের আলোচনাসভা|প্রশাসকের আলোচনাসভায়]] জানান। [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ১৩:০৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
98p4jp7mvj5orhl40jdoahtegi9s1t1
ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22226-78
3
12292
75359
2026-04-10T13:08:19Z
Nil Nandy
2294
বিজ্ঞপ্তি: [[Vdu]] এর দ্রুত অপসারণ প্রস্তাবনা ([[উইকিউক্তি:টুলবক্স|টুলবক্স]] ব্যবহার করে)
75359
wikitext
text/x-wiki
== [[:Vdu]] পাতার [[উইকিউক্তি:দ্রুত অপসারণের জন্য বিচারধারা|দ্রুত অপসারণ]] প্রস্তাবনা ==
[[File:Ambox warning pn.svg|48px|left|alt=|link=]]
{{Quote box|quote=<p>এটি যদি উইকিউক্তিতে আপনার তৈরি করা প্রথম পাতা হয়ে থাকে, তবে আপনি উইকিউক্তিতে [[উইকিউক্তি:আপনার প্রথম ভুক্তি|প্রথম ভুক্তির দিক-নির্দেশনা]] অবশ্যই পাঠ করে নিন।</p><p>আমরা আপনাকে [[উইকিউক্তি:ভুক্তি উইজার্ড|ভুক্তি উইজার্ড]] ব্যবহার করে পাতা তৈরি করতে উৎসাহিত করছি।</p>|width=20%|align=right}}
উইকিউক্তি থেকে দ্রুত অপসারণের জন্য [[:Vdu]] নামক পাতাটিতে একটি ট্যাগ লাগানো হয়েছে। অনর্থক পাতা এর জন্য এই ট্যাগ লাগানো হয়েছে। [[WQ:CSD#পাতা|দ্রুত অপসারণের বিচারধারা]] অনুযায়ী এই পাতাটি যে কোনো সময় অপসারণ করা হতে পারে।
আপনি যদি মনে করেন যে এই কারণে এই পাতাটি অপসারণ করা উচিত নয়, তবে এই অপসারণে আপত্তি জানাতে [[:Vdu|পাতাটিতে গিয়ে]] "'''দ্রুত অপসারণে আপত্তি জানান'''" লেখার উপর ক্লিক করুন ও সেখানে কারণ ব্যাখ্যা করুন কেন পাতাটি দ্রুত অপসারণ করা উচিত নয়। মনে রাখবেন, কোন পাতায় দ্রুত অপসারণ ট্যাগ করা হলে এবং যদি পাতাটি দ্রুত অপসারণের বিচারাধারার সাথে মিলে যায় তবে কোনও দেরি না করে পাতাটি অপসারণ করা হয়। অনুগ্রহপূর্বক আপনার নিজের তৈরি করা পাতা থেকে এই বিজ্ঞপ্তিটি সরিয়ে ফেলবেন না, তবে আমরা আপনাকে পাতাটি সম্প্রসারণ করতে উৎসাহিত করছি। আরও মনে রাখবেন যে, পাতার বিষয় অবশ্যই [[উইকিউক্তি:উক্তিযোগ্যতা|উক্তিযোগ্য]] হতে হবে এবং [[উইকিউক্তি:নির্ভরযোগ্য উৎস|নির্ভরযোগ্য উৎস]] থেকে তথ্যসূত্রগুলো [[উইকিউক্তি:যাচাইযোগ্যতা|যাচাইযোগ্য]] হওয়া উচিত। যদি ইতিমধ্যে পাতাটি অপসারিত হয়ে থাকে এবং আপনি ভবিষ্যতে এটির উন্নতি করতে এর বিষয়বস্তু ফেরত পেতে চান, তবে দয়া করে [[উইকিউক্তি:প্রশাসকদের আলোচনাসভা|প্রশাসকের আলোচনাসভায়]] জানান। [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ১৩:০৮, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
bwkw2zuaaqn6mfseuo3452z6acmp0z3
জি. এইচ. হার্ডি
0
12293
75361
2026-04-10T13:08:55Z
Mehedi Abedin
50
Mehedi Abedin [[জি. এইচ. হার্ডি]] কে [[গডফ্রি হ্যারল্ড হার্ডি]] শিরোনামে স্থানান্তর করেছেন: বাংলা উইকিপিডিয়ার সাথে মিলিয়ে রাখলাম
75361
wikitext
text/x-wiki
#পুনর্নির্দেশ [[গডফ্রি হ্যারল্ড হার্ডি]]
e9uo9bgs4ull7be3e0jf6bpz7vrrj8s
আলাপ:জি. এইচ. হার্ডি
1
12294
75363
2026-04-10T13:08:55Z
Mehedi Abedin
50
Mehedi Abedin [[আলাপ:জি. এইচ. হার্ডি]] কে [[আলাপ:গডফ্রি হ্যারল্ড হার্ডি]] শিরোনামে স্থানান্তর করেছেন: বাংলা উইকিপিডিয়ার সাথে মিলিয়ে রাখলাম
75363
wikitext
text/x-wiki
#পুনর্নির্দেশ [[আলাপ:গডফ্রি হ্যারল্ড হার্ডি]]
spasvfn7bfk1z7up74hnrc082ubyt7i
ব্যবহারকারী আলাপ:Nayeem Hossain55
3
12295
75366
2026-04-10T13:13:04Z
অভ্যর্থনা কমিটি বট
1112
উইকিউক্তিতে স্বাগত!
75366
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Nayeem Hossain55,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]]
</div>
১৩:১৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
4hdp4y9emun0rs30s1i2rgjscudtlgl
ব্যবহারকারী:ARI/wqc2026.js
2
12296
75399
2026-04-10T14:55:30Z
ARI
356
"$(document).ready(function() { if (mw.config.get('wgPageName') !== 'ব্যবহারকারী:ARI/খেলাঘর') return; var contestSlug = 'wqc2026'; var fountainUrl = 'https://fountain.toolforge.org/api/editathons/' + contestSlug; $.ajax({ url: fountainUrl, dataType: 'json', success: function(data) { var html = '<div style="background:#f8f9fa; padding:10px; border:1px solid #a2a..." দিয়ে পাতা তৈরি
75399
javascript
text/javascript
$(document).ready(function() {
if (mw.config.get('wgPageName') !== 'ব্যবহারকারী:ARI/খেলাঘর') return;
var contestSlug = 'wqc2026';
var fountainUrl = 'https://fountain.toolforge.org/api/editathons/' + contestSlug;
$.ajax({
url: fountainUrl,
dataType: 'json',
success: function(data) {
var html = '<div style="background:#f8f9fa; padding:10px; border:1px solid #a2a9b1; margin-bottom:15px;">';
html += '<h2>ফাউন্ডেন ফলাফল (WQC 2026)</h2>';
html += '<table class="wikitable sortable" style="width:100%;">';
html += '<tr><th>ব্যবহারকারী</th><th>নিবন্ধ সংখ্যা</th><th>মোট পয়েন্ট</th></tr>';
var participants = data.participants || [];
participants.forEach(function(participant) {
var user = participant.name;
var articlesCount = participant.articles ? participant.articles.length : 0;
var score = participant.score || 0;
html += '<tr><td>' + user + '</td><td>' + articlesCount + '</td><td>' + score + '</td></tr>';
});
html += '</table></div>';
$('#mw-content-text').prepend(html);
},
error: function(xhr, status, error) {
console.error("Fountain Fetch Error:", error);
$('#mw-content-text').prepend('<div style="color:red; font-weight:bold; padding:10px;">ফাউন্ডেন থেকে ডেটা আনতে সমস্যা হয়েছে। (Error fetching Fountain data)</div>');
}
});
});
2tdki68nlvk7nks6r6p0omrua52i5cy
75407
75399
2026-04-10T15:05:13Z
ARI
356
75407
javascript
text/javascript
/* global mw, $ */
( function () {
'use strict';
var EDITATHON = 'wqc2026';
var FOUNTAIN = 'https://fountain.toolforge.org/api/editathons/' + EDITATHON;
var SANDBOX = 'ব্যবহারকারী:ARI/খেলাঘর'; // bn.wikiquote sandbox page
var SUMMARY = '/* bot */ WQC 2026 ফলাফল স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট করা হয়েছে (wqc26.js)';
if ( mw.config.get( 'wgDBname' ) !== 'bnwikiquote' ) {
return;
}
mw.loader.using( [ 'mediawiki.util', 'mediawiki.api' ], function () {
var link = mw.util.addPortletLink(
'p-cactions',
'#',
'WQC ফলাফল আপডেট',
'ca-wqc26',
'Fountain থেকে WQC 2026 ফলাফল এনে sandbox-এ লিখুন'
);
$( link ).on( 'click', function ( e ) {
e.preventDefault();
runScript();
} );
} );
function runScript() {
mw.notify( 'Fountain থেকে তথ্য আনা হচ্ছে…', { tag: 'wqc26', type: 'info' } );
$.when(
fetchJSON( FOUNTAIN ),
fetchJSON( FOUNTAIN + '/articles' )
).then( function ( metaResp, articlesResp ) {
// $.when passes [ data, statusText, jqXHR ] per deferred
var meta = metaResp[0];
var articles = articlesResp[0];
if ( !Array.isArray( articles ) ) {
mw.notify( 'ত্রুটি: articles ডেটা পাওয়া যায়নি।', { tag: 'wqc26', type: 'error' } );
return;
}
var wikitext = buildWikitext( meta, articles );
writeSandbox( wikitext );
} ).fail( function ( jqXHR, status, error ) {
mw.notify(
'Fountain API ত্রুটি: ' + status + ' – ' + error,
{ tag: 'wqc26', type: 'error' }
);
} );
}
function fetchJSON( url ) {
return $.getJSON( url );
}
function buildWikitext( meta, articles ) {
/* ── Filter: only accepted (jury-marked) articles ── */
var accepted = articles.filter( function ( a ) {
return a.marks && a.marks.length > 0;
} );
var users = {};
articles.forEach( function ( a ) {
var user = a.user || '(অজানা)';
if ( !users[ user ] ) {
users[ user ] = { submitted: 0, accepted: 0, totalMarks: 0, articles: [] };
}
users[ user ].submitted++;
var mark = getArticleMark( a );
if ( mark !== null ) {
users[ user ].accepted++;
users[ user ].totalMarks += mark;
}
users[ user ].articles.push( a );
} );
var sorted = Object.keys( users ).sort( function ( a, b ) {
var ua = users[ a ], ub = users[ b ];
if ( ub.totalMarks !== ua.totalMarks ) return ub.totalMarks - ua.totalMarks;
return ub.accepted - ua.accepted;
} );
var title = ( meta && meta.name ) ? meta.name : 'উইকিউক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬';
var start = ( meta && meta.start ) ? meta.start.substring( 0, 10 ) : '–';
var end = ( meta && meta.end ) ? meta.end.substring( 0, 10 ) : '–';
var now = new Date().toISOString().substring( 0, 16 ).replace( 'T', ' ' ) + ' UTC';
var lines = [];
lines.push( '== ' + title + ' – ফলাফল ==' );
lines.push( '' );
lines.push( "'''প্রতিযোগিতা:''' " + title );
lines.push( "'''শুরু:''' " + start + ' | ' + "'''শেষ:''' " + end );
lines.push( "'''মোট নিবন্ধ জমা:''' " + articles.length
+ ' | ' + "'''গৃহীত নিবন্ধ:''' " + accepted.length );
lines.push( "'''সর্বশেষ আপডেট:''' " + now );
lines.push( '' );
lines.push( '=== অংশগ্রহণকারীদের সারসংক্ষেপ ===' );
lines.push( '' );
lines.push( '{| class="wikitable sortable" style="width:100%"' );
lines.push( '|-' );
lines.push( '! ক্রম !! ব্যবহারকারী !! জমাকৃত !! গৃহীত !! মোট নম্বর' );
sorted.forEach( function ( user, idx ) {
var u = users[ user ];
lines.push( '|-' );
lines.push( '| ' + ( idx + 1 )
+ ' || [[ব্যবহারকারী:' + user + '|' + user + ']]'
+ ' || ' + u.submitted
+ ' || ' + u.accepted
+ ' || ' + u.totalMarks
);
} );
lines.push( '|}' );
lines.push( '' );
lines.push( '=== নিবন্ধভিত্তিক বিবরণ ===' );
lines.push( '' );
lines.push( '{| class="wikitable sortable" style="width:100%"' );
lines.push( '|-' );
lines.push( '! নিবন্ধ !! ব্যবহারকারী !! অবস্থা !! নম্বর !! মন্তব্য' );
var sortedArticles = articles.slice().sort( function ( a, b ) {
var ma = getArticleMark( a ), mb = getArticleMark( b );
if ( mb !== null && ma === null ) return 1;
if ( ma !== null && mb === null ) return -1;
if ( ma !== null && mb !== null ) return mb - ma;
return 0;
} );
sortedArticles.forEach( function ( a ) {
var mark = getArticleMark( a );
var status = articleStatus( a );
var comment = getComment( a );
var articleLink = a.page
? '[[' + a.page + ']]'
: ( a.article || '–' );
lines.push( '|-' );
lines.push( '| ' + articleLink
+ ' || [[ব্যবহারকারী:' + ( a.user || '?' ) + '|' + ( a.user || '?' ) + ']]'
+ ' || ' + status
+ ' || ' + ( mark !== null ? mark : '–' )
+ ' || ' + ( comment || '' )
);
} );
lines.push( '|}' );
lines.push( '' );
lines.push( '<!-- এই পাতাটি wqc26.js দ্বারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি হয়েছে -->' );
return lines.join( '\n' );
}
function getArticleMark( article ) {
if ( !article.marks || !article.marks.length ) return null;
var total = 0, hasNumeric = false, allYes = true;
article.marks.forEach( function ( m ) {
if ( typeof m.mark === 'number' ) {
hasNumeric = true;
total += m.mark;
} else if ( m.mark === true || m.mark === 'yes' ) {
total += 1;
} else {
allYes = false;
}
} );
if ( !hasNumeric && !allYes && total === 0 ) return null;
return total;
}
function articleStatus( article ) {
if ( !article.marks || !article.marks.length ) return '⏳ পর্যালোচনা বাকি';
var mark = getArticleMark( article );
if ( mark === null || mark === 0 ) return '❌ প্রত্যাখ্যাত';
return '✅ গৃহীত';
}
function getComment( article ) {
if ( !article.marks ) return '';
var comments = [];
article.marks.forEach( function ( m ) {
if ( m.comment && m.comment.trim() ) {
comments.push( m.comment.trim() );
}
} );
return comments.join( '; ' );
}
function writeSandbox( wikitext ) {
var api = new mw.Api();
mw.notify( 'Sandbox-এ লেখা হচ্ছে…', { tag: 'wqc26', type: 'info' } );
api.postWithToken( 'csrf', {
action : 'edit',
title : SANDBOX,
text : wikitext,
summary : SUMMARY,
format : 'json'
} ).done( function ( data ) {
if ( data.edit && data.edit.result === 'Success' ) {
mw.notify(
'✅ Sandbox সফলভাবে আপডেট হয়েছে!',
{ tag: 'wqc26', type: 'success', autoHide: false }
);
/* Optionally reload if the user is already viewing the sandbox */
if ( mw.config.get( 'wgPageName' ) === SANDBOX.replace( / /g, '_' ) ) {
setTimeout( function () { location.reload(); }, 1500 );
}
} else {
mw.notify(
'API থেকে অপ্রত্যাশিত সাড়া পাওয়া গেছে।',
{ tag: 'wqc26', type: 'warn' }
);
console.warn( '[wqc26] API response:', data );
}
} ).fail( function ( code, resp ) {
mw.notify(
'Sandbox লেখা ব্যর্থ: ' + code,
{ tag: 'wqc26', type: 'error', autoHide: false }
);
console.error( '[wqc26] Edit failed:', code, resp );
} );
}
}() );
cqkx57fspkhavymzmnng17v7j4byqi2
75413
75407
2026-04-10T15:12:12Z
ARI
356
75413
javascript
text/javascript
/**
* wqc26.js — উইকিউক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬ ফলাফল লেখক
*
* Fetches results from the Fountain toolforge API and writes a formatted
* result table to the user's sandbox on bn.wikiquote.org.
*
* Installation:
* 1. Create [[ব্যবহারকারী:ARI/wqc26.js]] with this content.
* 2. Add to your common.js:
* importScript('ব্যবহারকারী:ARI/wqc26.js');
* 3. A "WQC ফলাফল আপডেট" button will appear in the top tab bar.
* Click it from any page to fetch & write results to your sandbox.
*
* Fountain API (CORS-enabled; *.toolforge.org is in MediaWiki's CSP allowlist):
* https://fountain.toolforge.org/api/editathons/wqc2026
* https://fountain.toolforge.org/api/editathons/wqc2026/articles
*/
/* global mw, $ */
( function () {
'use strict';
/* ── Configuration ────────────────────────────────────────────────── */
var CFG = {
editathon : 'wqc2026',
apiBase : 'https://fountain.toolforge.org/api/editathons/',
sandbox : 'ব্যবহারকারী:ARI/খেলাঘর',
summary : '/* wqc26.js */ WQC 2026 ফলাফল স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট'
};
/* ── Only load on bn.wikiquote.org ────────────────────────────────── */
if ( mw.config.get( 'wgDBname' ) !== 'bnwikiquote' ) {
return;
}
/* ── Add portlet link ─────────────────────────────────────────────── */
mw.loader.using( [ 'mediawiki.util', 'mediawiki.api', 'mediawiki.notify' ], function () {
var link = mw.util.addPortletLink(
'p-cactions',
'#',
'WQC ফলাফল আপডেট',
'ca-wqc26',
'Fountain থেকে WQC 2026 ফলাফল এনে sandbox-এ লিখুন'
);
if ( link ) {
$( link ).on( 'click', function ( e ) {
e.preventDefault();
$( link ).css( 'opacity', '0.5' ).off( 'click' );
runScript().always( function () {
$( link ).css( 'opacity', '1' ).on( 'click', function ( ev ) {
ev.preventDefault();
runScript();
} );
} );
} );
}
} );
/* ── Core runner ──────────────────────────────────────────────────── */
function runScript() {
notify( 'Fountain থেকে তথ্য আনা হচ্ছে…', 'info' );
var metaUrl = CFG.apiBase + CFG.editathon;
var articlesUrl = CFG.apiBase + CFG.editathon + '/articles';
var def = $.Deferred();
// Primary: use fetch() with explicit CORS mode
Promise.all( [
fetchJSON( metaUrl ),
fetchJSON( articlesUrl )
] ).then( function ( results ) {
var meta = results[0];
var articles = results[1];
if ( !Array.isArray( articles ) ) {
notify( '❌ articles ডেটা পাওয়া যায়নি। Console দেখুন।', 'error' );
console.error( '[wqc26] Unexpected articles response:', articles );
def.reject();
return;
}
notify( articles.length + 'টি নিবন্ধ পাওয়া গেছে। Sandbox-এ লেখা হচ্ছে…', 'info' );
writeSandbox( buildWikitext( meta, articles ), def );
} ).catch( function ( err ) {
// Fallback to $.ajax (XMLHttpRequest) if fetch() fails
notify( 'fetch() ব্যর্থ (' + err.message + ')। বিকল্প পদ্ধতিতে চেষ্টা হচ্ছে…', 'info' );
console.warn( '[wqc26] fetch failed, trying $.ajax:', err );
fallbackAjax( metaUrl, articlesUrl, def );
} );
return def.promise();
}
/* ── fetch() wrapper ──────────────────────────────────────────────── */
function fetchJSON( url ) {
return fetch( url, {
method : 'GET',
mode : 'cors',
headers : { Accept: 'application/json' }
} ).then( function ( resp ) {
if ( !resp.ok ) {
throw new Error( 'HTTP ' + resp.status + ' – ' + url );
}
return resp.json();
} );
}
/* ── Fallback: $.ajax ─────────────────────────────────────────────── */
function fallbackAjax( metaUrl, articlesUrl, def ) {
$.when(
$.ajax( { url: metaUrl, dataType: 'json', crossDomain: true } ),
$.ajax( { url: articlesUrl, dataType: 'json', crossDomain: true } )
).done( function ( metaResp, articlesResp ) {
var meta = metaResp[0];
var articles = articlesResp[0];
if ( !Array.isArray( articles ) ) {
notify( '❌ বিকল্প পদ্ধতিতেও ডেটা পাওয়া গেলনা।', 'error' );
def.reject();
return;
}
notify( articles.length + 'টি নিবন্ধ পাওয়া গেছে (বিকল্প)। লেখা হচ্ছে…', 'info' );
writeSandbox( buildWikitext( meta, articles ), def );
} ).fail( function ( jqXHR, status, error ) {
notify( '❌ উভয় পদ্ধতিই ব্যর্থ: ' + status + ' / ' + error, 'error' );
console.error( '[wqc26] $.ajax also failed:', jqXHR.status, error );
def.reject();
} );
}
/* ── Build wikitext ───────────────────────────────────────────────── */
function buildWikitext( meta, articles ) {
var title = ( meta && meta.name ) ? meta.name : 'উইকিউক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬';
var start = ( meta && meta.start ) ? meta.start.slice( 0, 10 ) : '?';
var end = ( meta && meta.end ) ? meta.end.slice( 0, 10 ) : '?';
var now = new Date().toISOString().slice( 0, 16 ).replace( 'T', ' ' ) + ' (UTC)';
/* Aggregate per user */
var users = {};
articles.forEach( function ( a ) {
var u = a.user || '(অজানা)';
if ( !users[ u ] ) {
users[ u ] = { submitted: 0, accepted: 0, marks: 0 };
}
users[ u ].submitted++;
var m = articleMark( a );
if ( m !== null ) {
users[ u ].accepted++;
users[ u ].marks += m;
}
} );
/* Sort users: marks desc → accepted desc → name */
var userList = Object.keys( users ).sort( function ( a, b ) {
var ua = users[ a ], ub = users[ b ];
if ( ub.marks !== ua.marks ) { return ub.marks - ua.marks; }
if ( ub.accepted !== ua.accepted ) { return ub.accepted - ua.accepted; }
return a.localeCompare( b );
} );
var acceptedCount = articles.filter( function ( a ) {
return articleMark( a ) !== null;
} ).length;
var L = [];
L.push( '<!-- এই পাতাটি [[ব্যবহারকারী:ARI/wqc26.js|wqc26.js]] দ্বারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি হয়েছে -->' );
L.push( '' );
L.push( '== ' + title + ' — ফলাফল ==' );
L.push( '' );
L.push( '{| class="wikitable"' );
L.push( '|-' );
L.push( '! প্রতিযোগিতা || ' + title );
L.push( '|-' );
L.push( '! শুরু || ' + start );
L.push( '|-' );
L.push( '! শেষ || ' + end );
L.push( '|-' );
L.push( '! মোট জমাকৃত || ' + articles.length );
L.push( '|-' );
L.push( '! মোট গৃহীত || ' + acceptedCount );
L.push( '|-' );
L.push( '! সর্বশেষ আপডেট || ' + now );
L.push( '|}' );
L.push( '' );
/* Summary table */
L.push( '=== 🏆 অংশগ্রহণকারীদের ফলাফল ===' );
L.push( '' );
L.push( '{| class="wikitable sortable" style="width:100%; text-align:center"' );
L.push( '|-' );
L.push( '! ক্রম !! ব্যবহারকারী !! জমাকৃত !! গৃহীত !! মোট নম্বর' );
userList.forEach( function ( u, i ) {
var d = users[ u ];
L.push( '|-' );
L.push( '| ' + ( i + 1 )
+ ' || [[ব্যবহারকারী:' + u + '|' + u + ']]'
+ ' || ' + d.submitted
+ ' || ' + d.accepted
+ ' || ' + ( d.marks > 0 ? d.marks : '—' )
);
} );
L.push( '|}' );
L.push( '' );
/* Article detail table */
L.push( '=== 📋 নিবন্ধভিত্তিক বিবরণ ===' );
L.push( '' );
L.push( '{| class="wikitable sortable" style="width:100%"' );
L.push( '|-' );
L.push( '! নিবন্ধ !! ব্যবহারকারী !! অবস্থা !! নম্বর !! জুরির মন্তব্য' );
/* Sort: accepted (mark desc) → unreviewed → rejected */
var sorted = articles.slice().sort( function ( a, b ) {
var ma = articleMark( a ), mb = articleMark( b );
if ( mb !== null && ma === null ) { return 1; }
if ( ma !== null && mb === null ) { return -1; }
if ( ma !== null && mb !== null ) { return mb - ma; }
return 0;
} );
sorted.forEach( function ( a ) {
var page = a.page || a.article || '';
var link = page ? '[[' + page + ']]' : '—';
var user = a.user || '?';
var mark = articleMark( a );
var comment = juryComments( a );
L.push( '|-' );
L.push( '| ' + link
+ ' || [[ব্যবহারকারী:' + user + '|' + user + ']]'
+ ' || ' + articleStatusLabel( a )
+ ' || ' + ( mark !== null ? mark : '—' )
+ ' || ' + ( comment || '' )
);
} );
L.push( '|}' );
return L.join( '\n' );
}
/* ── Helpers ──────────────────────────────────────────────────────── */
/**
* Returns the numeric mark for an article, or null if not accepted.
* Fountain mark objects vary by contest config:
* { user, mark: true/false } → boolean yes/no
* { user, mark: <number> } → numeric score
* { user, mark: null } → not yet judged by this juror
*/
function articleMark( article ) {
var marks = article.marks;
if ( !marks || !marks.length ) { return null; }
var total = 0, anyAccepted = false;
marks.forEach( function ( m ) {
if ( typeof m.mark === 'number' && m.mark > 0 ) {
total += m.mark;
anyAccepted = true;
} else if ( m.mark === true ) {
total += 1;
anyAccepted = true;
}
} );
return anyAccepted ? total : null;
}
function articleStatusLabel( article ) {
var marks = article.marks;
if ( !marks || !marks.length ) { return '⏳ পর্যালোচনাধীন'; }
return articleMark( article ) !== null ? '✅ গৃহীত' : '❌ প্রত্যাখ্যাত';
}
function juryComments( article ) {
if ( !article.marks ) { return ''; }
return article.marks
.filter( function ( m ) { return m.comment && m.comment.trim(); } )
.map( function ( m ) { return m.comment.trim(); } )
.join( '; ' );
}
/* ── Write to sandbox ─────────────────────────────────────────────── */
function writeSandbox( wikitext, def ) {
var api = new mw.Api();
api.postWithToken( 'csrf', {
action : 'edit',
title : CFG.sandbox,
text : wikitext,
summary : CFG.summary,
format : 'json'
} ).done( function ( data ) {
if ( data.edit && data.edit.result === 'Success' ) {
notify( '✅ Sandbox সফলভাবে আপডেট হয়েছে!', 'success' );
if ( mw.config.get( 'wgPageName' ) === CFG.sandbox.replace( / /g, '_' ) ) {
setTimeout( function () { location.reload(); }, 1800 );
}
def.resolve();
} else {
notify( '⚠️ সম্পাদনা সম্পন্ন হয়নি। Console দেখুন।', 'warn' );
console.warn( '[wqc26] Unexpected edit response:', data );
def.reject();
}
} ).fail( function ( code, resp ) {
var msg = code === 'notloggedin' || code === 'badtoken'
? '❌ লগইন করুন তারপর আবার চেষ্টা করুন।'
: '❌ Sandbox লেখা ব্যর্থ: ' + code;
notify( msg, 'error' );
console.error( '[wqc26] Edit failed:', code, resp );
def.reject();
} );
}
/* ── Notify helper ────────────────────────────────────────────────── */
function notify( msg, type ) {
mw.notify( '[WQC26] ' + msg, {
tag : 'wqc26',
type : type || 'info',
autoHide: ( type !== 'error' && type !== 'success' )
} );
}
}() );
e2tghl3twv7l9ntb25jsyo9flm1phpz
75419
75413
2026-04-10T15:19:42Z
ARI
356
75419
javascript
text/javascript
mw.loader.using(['mediawiki.api'], function () {
$(document).ready(function() {
if (mw.config.get('wgNamespaceNumber') !== 2 || mw.config.get('wgTitle') !== 'ARI/খেলাঘর') return;
const contestSlug = 'wqc2026';
const fountainUrl = 'https://api.allorigins.win/raw?url=' + encodeURIComponent('https://fountain.toolforge.org/api/editathons/' + contestSlug);
$('#mw-content-text').prepend(`
<div id="ztools-dashboard" style="background:#f8f9fa; padding:15px; border:1px solid #a2a9b1; margin-bottom:15px;">
<h2 style="border-bottom:none; margin-top:0;">ফাউন্ডেন ফলাফল (WQC 2026)</h2>
<div id="ztools-progress" style="font-weight:bold; color:#0066cc; margin-bottom:10px;">ডেটা লোড হচ্ছে... অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন।</div>
<div id="ztools-table-container"></div>
</div>
`);
function toBn(num) {
const bnDigits = ['০', '১', '২', '৩', '৪', '৫', '৬', '৭', '৮', '৯'];
return num.toString().split('').map(d => bnDigits[d] || d).join('');
}
fetch(fountainUrl)
.then(response => response.json())
.then(data => processArticles(data))
.catch(err => {
$('#ztools-progress').html('<span style="color:red;">ত্রুটি: ফাউন্ডেন থেকে ডেটা আনা যায়নি। (CORS / Proxy Issue)</span>');
console.error(err);
});
async function processArticles(data) {
const articlesList = data.articles || [];
let userTotals = {};
const api = new mw.Api();
const unwantedCSS = ['.mw-empty-elt', '.mw-editsection', '.reference', '.references', '.reflist', '.mbox-small', '.ambox', '.navbox', '.catlinks', '.noprint', '.metadata', '.portal', 'style', 'script', '.thumbinner', '.listing-lastedit'];
$('#ztools-progress').text(`উইকিপিডিয়া থেকে ${toBn(articlesList.length)}টি নিবন্ধের শব্দ গণনা করা হচ্ছে...`);
for (let i = 0; i < articlesList.length; i++) {
let art = articlesList[i];
let user = art.user;
let title = art.name;
let marks = art.marks || [];
let status = "অপর্যালোচিত";
let hasRejection = marks.some(m => m.marks && (m.marks["0"] === 1 || m.marks["0"] === 2));
if (hasRejection) {
status = "গৃহীত হয়নি";
} else if (marks.length > 0) {
status = "গৃহীত হয়েছে";
}
if (!userTotals[user]) {
userTotals[user] = { accepted: 0, unreviewed: 0, rejected: 0, total: 0, articlesCount: 0 };
}
try {
let pageData = await api.get({
action: 'parse',
page: title,
prop: 'text',
redirects: 'true',
disabletoc: '1',
format: 'json'
});
if (pageData.parse && pageData.parse.text) {
let html = pageData.parse.text['*'];
let tempDiv = document.createElement('div');
tempDiv.innerHTML = html;
for (const sel of unwantedCSS) {
const elementsToRemove = tempDiv.querySelectorAll(sel);
for (const el of elementsToRemove) {
el.remove();
}
}
let cleanText = tempDiv.innerText || tempDiv.textContent;
let bnWordsMatch = cleanText.match(/[\u0980-\u09FF]+/g);
let wordCount = bnWordsMatch ? bnWordsMatch.length : 0;
if (status === "গৃহীত হয়েছে") userTotals[user].accepted += wordCount;
else if (status === "গৃহীত হয়নি") userTotals[user].rejected += wordCount;
else userTotals[user].unreviewed += wordCount;
userTotals[user].total += wordCount;
userTotals[user].articlesCount += 1;
}
} catch (e) {
console.warn("API Error for article:", title, e);
}
if (i % 5 === 0) {
$('#ztools-progress').text(`গণনা চলছে... (${toBn(i)} / ${toBn(articlesList.length)} নিবন্ধ সম্পন্ন)`);
}
}
renderFinalTable(userTotals);
}
function renderFinalTable(totals) {
$('#ztools-progress').html('<span style="color:green;">সম্পন্ন!</span>');
let html = '<table class="wikitable sortable" style="width:100%; text-align:center;">';
html += '<tr><th>ব্যবহারকারী</th><th>মোট নিবন্ধ</th><th>গৃহীত শব্দ</th><th>অপর্যালোচিত শব্দ</th><th>বাতিল শব্দ</th><th>মোট শব্দ</th></tr>';
let rows = Object.keys(totals).map(user => ({ user: user, ...totals[user] }));
rows.sort((a, b) => b.accepted - a.accepted);
rows.forEach(r => {
html += `<tr>
<td style="text-align:left;">${r.user}</td>
<td>${toBn(r.articlesCount)}</td>
<td>${toBn(r.accepted)}</td>
<td>${toBn(r.unreviewed)}</td>
<td>${toBn(r.rejected)}</td>
<td style="font-weight:bold;">${toBn(r.total)}</td>
</tr>`;
});
html += '</table>';
$('#ztools-table-container').html(html);
}
});
});
0566dnyje0bh5c6d7jz4y49iszwweax
75423
75419
2026-04-10T15:23:42Z
ARI
356
75423
javascript
text/javascript
/**
* wqc26.js — WQC 2026 ফলাফল স্ক্রিপ্ট
* ব্যবহারকারী:ARI/খেলাঘর পাতায় WQC 2026 ফলাফল তৈরি ও আপডেট করে।
* আমদানি করুন: common.js-এ → mw.loader.load('/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:ARI/wqc26.js&action=raw&ctype=text/javascript');
*/
( function () {
'use strict';
var FOUNTAIN_CODE = 'wqc2026';
var FOUNTAIN_API = 'https://fountain.toolforge.org/api/editathons/' + FOUNTAIN_CODE;
var SANDBOX_PAGE = 'ব্যবহারকারী:ARI/খেলাঘর';
var BN_DIGITS = '০১২৩৪৫৬৭৮৯';
/* ── helpers ── */
function toBn( n ) {
return String( n ).replace( /\d/g, function ( d ) { return BN_DIGITS[ +d ]; } );
}
function statusLabel( marks ) {
if ( !marks || !marks.length ) return { label: 'অপর্যালোচিত', cls: 'wqc-unreviewed' };
for ( var i = 0; i < marks.length; i++ ) {
var m = marks[ i ].marks && marks[ i ].marks[ '0' ];
if ( m === 1 || m === 2 ) return { label: 'বাতিল', cls: 'wqc-rejected' };
}
return { label: 'গৃহীত', cls: 'wqc-accepted' };
}
/* ── parse Fountain data ── */
function parseFountain( data ) {
var byUser = {};
var articles = data.articles || [];
articles.forEach( function ( art ) {
var user = art.user || '(অজানা)';
var title = ( art.name || '' ).replace( /_/g, ' ' ).trim();
if ( !title ) return;
var st = statusLabel( art.marks );
if ( !byUser[ user ] ) {
byUser[ user ] = { accepted: 0, unreviewed: 0, rejected: 0, articles: [] };
}
var u = byUser[ user ];
if ( st.label === 'গৃহীত' ) u.accepted++;
else if ( st.label === 'বাতিল' ) u.rejected++;
else u.unreviewed++;
u.articles.push( { title: title, status: st.label, cls: st.cls } );
} );
/* sort: accepted desc, then unreviewed desc */
var rows = Object.keys( byUser ).map( function ( user ) {
return $.extend( { user: user }, byUser[ user ] );
} ).sort( function ( a, b ) {
if ( b.accepted !== a.accepted ) return b.accepted - a.accepted;
return b.unreviewed - a.unreviewed;
} );
return rows;
}
/* ── build wikitext result table ── */
function buildWikitext( rows ) {
var lines = [
'== WQC ২০২৬ ফলাফল ==',
"''স্বয়ংক্রিয়ভাবে [[ব্যবহারকারী:ARI/wqc26.js|wqc26.js]] দিয়ে তৈরি।''",
'',
'{| class="wikitable sortable"',
'! # !! ব্যবহারকারী !! গৃহীত !! অপর্যালোচিত !! বাতিল !! মোট নিবন্ধ'
];
var totA = 0, totU = 0, totR = 0, totN = 0;
rows.forEach( function ( r, i ) {
var total = r.accepted + r.unreviewed + r.rejected;
lines.push( '|-' );
lines.push( '| ' + toBn( i + 1 ) +
' || [[ব্যবহারকারী:' + r.user + '|' + r.user + ']]' +
' || ' + toBn( r.accepted ) +
' || ' + toBn( r.unreviewed ) +
' || ' + toBn( r.rejected ) +
' || ' + toBn( total ) );
totA += r.accepted; totU += r.unreviewed; totR += r.rejected; totN += total;
} );
lines.push( '|-' );
lines.push( '! মোট || || ' + toBn( totA ) + ' || ' + toBn( totU ) + ' || ' + toBn( totR ) + ' || ' + toBn( totN ) );
lines.push( '|}' );
/* article-level breakdown */
lines.push( '' );
lines.push( '=== নিবন্ধ তালিকা ===' );
rows.forEach( function ( r ) {
lines.push( '' );
lines.push( "==== [[ব্যবহারকারী:" + r.user + '|' + r.user + ']] ====' );
r.articles.forEach( function ( a, j ) {
lines.push( toBn( j + 1 ) + '. [[' + a.title + ']] — ' + a.status );
} );
} );
return lines.join( '\n' );
}
/* ── render interactive panel ── */
function buildPanel( rows ) {
/* styles */
mw.util.addCSS( [
'#wqc26-panel { font-family: inherit; margin: 1em 0; border: 1px solid var(--border-color-base, #a2a9b1); border-radius: 4px; overflow: hidden; }',
'#wqc26-panel .wqc-head { background: #1c3c60; color: #eaf0ff; padding: 10px 14px; display: flex; align-items: center; gap: 10px; }',
'#wqc26-panel .wqc-head h3 { margin: 0; font-size: 1em; flex: 1; }',
'#wqc26-panel .wqc-body { padding: 12px 14px; }',
'#wqc26-panel .wqc-status { font-size: .85em; color: #555; margin-bottom: 8px; }',
'#wqc26-panel .wqc-btn { cursor: pointer; padding: 5px 12px; border-radius: 3px; border: 1px solid #a2a9b1; background: #f8f9fa; font-size: .9em; }',
'#wqc26-panel .wqc-btn:hover { background: #eaf3fb; }',
'#wqc26-panel .wqc-btn.primary { background: #3680b0; color: #fff; border-color: #2a6395; }',
'#wqc26-panel .wqc-btn.primary:hover { background: #2a6395; }',
'#wqc26-panel table { width: 100%; border-collapse: collapse; font-size: .9em; margin-top: 10px; }',
'#wqc26-panel th, #wqc26-panel td { border: 1px solid #a2a9b1; padding: 4px 8px; text-align: center; }',
'#wqc26-panel th { background: #eaecf0; }',
'#wqc26-panel td.left { text-align: left; }',
'#wqc26-panel tr.wqc-user-row { cursor: pointer; }',
'#wqc26-panel tr.wqc-user-row:hover td { background: #f0f8ff; }',
'#wqc26-panel tr.wqc-arts-row td { background: #fafafa; padding: 0; }',
'#wqc26-panel tr.wqc-arts-row ul { margin: 4px 12px; padding: 0 0 4px 18px; list-style: disc; }',
'#wqc26-panel tr.wqc-arts-row li { font-size: .85em; padding: 1px 0; }',
'.wqc-accepted { color: #006400; font-weight: bold; }',
'.wqc-unreviewed{ color: #8a6a00; }',
'.wqc-rejected { color: #a00; }',
'#wqc26-panel .wqc-copy { font-size: .8em; margin-left: 6px; cursor: pointer; color: #3680b0; text-decoration: underline; }'
].join( '\n' ) );
var $panel = $( '<div id="wqc26-panel"></div>' );
var $head = $( '<div class="wqc-head"><h3>📊 WQC ২০২৬ ফলাফল</h3></div>' );
var $body = $( '<div class="wqc-body"></div>' );
var $refreshBtn = $( '<button class="wqc-btn">🔄 রিফ্রেশ করুন</button>' );
var $updateBtn = $( '<button class="wqc-btn primary" style="margin-left:6px;">💾 স্যান্ডবক্স আপডেট করুন</button>' );
var $status = $( '<div class="wqc-status"></div>' );
var $tableWrap = $( '<div></div>' );
$head.append( $refreshBtn, $updateBtn );
$body.append( $status, $tableWrap );
$panel.append( $head, $body );
/* render table */
function renderTable( rows ) {
var totalA = 0, totalU = 0, totalR = 0, totalN = 0;
var html = '<table><thead><tr>' +
'<th>#</th><th class="left">ব্যবহারকারী</th>' +
'<th>গৃহীত</th><th>অপর্যালোচিত</th><th>বাতিল</th><th>মোট</th>' +
'</tr></thead><tbody>';
rows.forEach( function ( r, i ) {
var total = r.accepted + r.unreviewed + r.rejected;
totalA += r.accepted; totalU += r.unreviewed; totalR += r.rejected; totalN += total;
html += '<tr class="wqc-user-row" data-i="' + i + '">' +
'<td>' + toBn( i + 1 ) + '</td>' +
'<td class="left"><a href="/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:' + encodeURIComponent( r.user ) + '" target="_blank">' + mw.html.escape( r.user ) + '</a></td>' +
'<td class="wqc-accepted">' + toBn( r.accepted ) + '</td>' +
'<td class="wqc-unreviewed">' + toBn( r.unreviewed ) + '</td>' +
'<td class="wqc-rejected">' + toBn( r.rejected ) + '</td>' +
'<td><strong>' + toBn( total ) + '</strong></td>' +
'</tr>';
/* collapsible article rows */
var artHtml = '<ul>';
r.articles.forEach( function ( a ) {
artHtml += '<li><a href="/wiki/' + encodeURIComponent( a.title.replace( / /g, '_' ) ) + '" target="_blank">' +
mw.html.escape( a.title ) + '</a> — <span class="' + a.cls + '">' + a.status + '</span></li>';
} );
artHtml += '</ul>';
html += '<tr class="wqc-arts-row" data-i="' + i + '" style="display:none;"><td colspan="6">' + artHtml + '</td></tr>';
} );
html += '<tr><th colspan="2">মোট</th>' +
'<th class="wqc-accepted">' + toBn( totalA ) + '</th>' +
'<th class="wqc-unreviewed">' + toBn( totalU ) + '</th>' +
'<th class="wqc-rejected">' + toBn( totalR ) + '</th>' +
'<th>' + toBn( totalN ) + '</th></tr>';
html += '</tbody></table>';
html += '<p style="font-size:.8em;color:#555;margin-top:6px;">▲ সারি ক্লিক করলে নিবন্ধ তালিকা দেখা যাবে।</p>';
$tableWrap.html( html );
/* toggle article rows */
$tableWrap.find( '.wqc-user-row' ).on( 'click', function () {
var idx = $( this ).data( 'i' );
$tableWrap.find( '.wqc-arts-row[data-i="' + idx + '"]' ).toggle();
} );
}
/* load data */
function load() {
$status.text( 'Fountain থেকে ডেটা আনা হচ্ছে…' );
$tableWrap.empty();
$refreshBtn.prop( 'disabled', true );
$updateBtn.prop( 'disabled', true );
$.ajax( {
url: FOUNTAIN_API,
dataType: 'json',
timeout: 15000
} ).done( function ( data ) {
var rows = parseFountain( data );
renderTable( rows );
var now = new Date().toLocaleString( 'bn-BD' );
$status.html( 'সর্বশেষ আপডেট: ' + now +
' | মোট অংশগ্রহণকারী: ' + toBn( rows.length ) +
' <span class="wqc-copy" id="wqc26-copywt" title="উইকিটেবিল কপি করুন">[উইকিটেবিল কপি করুন]</span>' );
$( '#wqc26-copywt' ).off( 'click' ).on( 'click', function () {
copyToClipboard( buildWikitext( rows ) );
$( this ).text( '[✔ কপি হয়েছে]' );
} );
$updateBtn.off( 'click' ).on( 'click', function () {
writeSandbox( buildWikitext( rows ) );
} );
$refreshBtn.prop( 'disabled', false );
$updateBtn.prop( 'disabled', false );
} ).fail( function ( _x, _y, err ) {
$status.html( '<span style="color:red;">ডেটা আনতে ব্যর্থ: ' + mw.html.escape( String( err ) ) + '</span>' );
$refreshBtn.prop( 'disabled', false );
} );
}
$refreshBtn.on( 'click', load );
return { $panel: $panel, load: load };
}
/* ── write wikitext to sandbox ── */
function writeSandbox( wikitext ) {
var api = new mw.Api();
var ts = new Date().toLocaleString( 'bn-BD' );
mw.notify( 'স্যান্ডবক্স আপডেট হচ্ছে…', { type: 'info', tag: 'wqc26' } );
api.postWithToken( 'csrf', {
action: 'edit',
title: SANDBOX_PAGE,
text: wikitext + '\n\n<!-- wqc26.js দ্বারা আপডেট: ' + ts + ' -->',
summary: 'wqc26.js: WQC ২০২৬ ফলাফল আপডেট (' + ts + ')',
bot: true
} ).done( function ( res ) {
if ( res && res.edit && res.edit.result === 'Success' ) {
mw.notify( '✅ স্যান্ডবক্স সফলভাবে আপডেট হয়েছে!', { type: 'success', tag: 'wqc26' } );
} else {
mw.notify( '⚠️ সম্পাদনা হয়েছে কিন্তু অপ্রত্যাশিত সাড়া।', { type: 'warn', tag: 'wqc26' } );
}
} ).fail( function ( code, res ) {
mw.notify( '❌ ব্যর্থ: ' + ( res && res.error && res.error.info || code ), { type: 'error', tag: 'wqc26' } );
} );
}
/* ── clipboard helper ── */
function copyToClipboard( text ) {
if ( navigator.clipboard && navigator.clipboard.writeText ) {
navigator.clipboard.writeText( text );
} else {
var $ta = $( '<textarea>' ).val( text ).appendTo( 'body' ).select();
document.execCommand( 'copy' );
$ta.remove();
}
}
/* ── portlet link (visible from any page) ── */
function addPortletLink() {
mw.util.addPortletLink(
'p-tb',
mw.util.getUrl( SANDBOX_PAGE ),
'WQC ২০২৬ ফলাফল',
'ca-wqc26',
'WQC ২০২৬ ফলাফল স্যান্ডবক্সে দেখুন'
);
}
/* ── inject panel when on the sandbox page ── */
function initOnSandbox() {
var currentTitle = mw.config.get( 'wgPageName' ).replace( /_/g, ' ' );
if ( currentTitle !== SANDBOX_PAGE ) return;
var ui = buildPanel( [] );
/* inject after #firstHeading */
$( '#mw-content-text' ).prepend( ui.$panel );
ui.load();
}
/* ── entry point ── */
$.when( mw.loader.using( [ 'mediawiki.api', 'mediawiki.util', 'mediawiki.notification' ] ) ).then( function () {
addPortletLink();
initOnSandbox();
} );
}() );
8tcwjjmr3c3ffzqa18nsqo49ecnghud
75424
75423
2026-04-10T15:25:22Z
ARI
356
75424
javascript
text/javascript
mw.loader.using(['mediawiki.api'], function () {
$(document).ready(function() {
if (mw.config.get('wgNamespaceNumber') !== 2 || mw.config.get('wgTitle') !== 'ARI/খেলাঘর') return;
const contestSlug = 'wqc2026';
const targetUrl = 'https://fountain.toolforge.org/api/editathons/' + contestSlug;
const proxyUrl = 'https://api.allorigins.win/get?url=' + encodeURIComponent(targetUrl);
$('#mw-content-text').prepend(`
<div id="ztools-dashboard" style="background:#f8f9fa; padding:15px; border:1px solid #a2a9b1; margin-bottom:15px;">
<h2 style="border-bottom:none; margin-top:0;">ফাউন্ডেন ফলাফল (WQC 2026)</h2>
<div id="ztools-progress" style="font-weight:bold; color:#0066cc; margin-bottom:10px;">ডেটা লোড হচ্ছে... অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন।</div>
<div id="ztools-table-container"></div>
</div>
`);
function toBn(num) {
const bnDigits = ['০', '১', '২', '৩', '৪', '৫', '৬', '৭', '৮', '৯'];
return num.toString().split('').map(d => bnDigits[d] || d).join('');
}
fetch(proxyUrl)
.then(response => {
if (!response.ok) throw new Error("Proxy server error");
return response.json();
})
.then(data => {
try {
const actualData = JSON.parse(data.contents);
processArticles(actualData);
} catch (parseErr) {
console.error("Data received was not valid JSON:", data.contents);
$('#ztools-progress').html('<span style="color:red;">ত্রুটি: ফাউন্ডেন থেকে সঠিক ডেটা পাওয়া যায়নি। (Invalid JSON)</span>');
}
})
.catch(err => {
$('#ztools-progress').html('<span style="color:red;">ত্রুটি: ফাউন্ডেন সার্ভারের সাথে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না।</span>');
console.error("Fetch Error:", err);
});
async function processArticles(data) {
const articlesList = data.articles || [];
let userTotals = {};
const api = new mw.Api();
const unwantedCSS = ['.mw-empty-elt', '.mw-editsection', '.reference', '.references', '.reflist', '.mbox-small', '.ambox', '.navbox', '.catlinks', '.noprint', '.metadata', '.portal', 'style', 'script', '.thumbinner', '.listing-lastedit'];
$('#ztools-progress').text(`উইকিপিডিয়া থেকে ${toBn(articlesList.length)}টি নিবন্ধের শব্দ গণনা করা হচ্ছে...`);
for (let i = 0; i < articlesList.length; i++) {
let art = articlesList[i];
let user = art.user;
let title = art.name;
let marks = art.marks || [];
let status = "অপর্যালোচিত";
let hasRejection = marks.some(m => m.marks && (m.marks["0"] === 1 || m.marks["0"] === 2));
if (hasRejection) {
status = "গৃহীত হয়নি";
} else if (marks.length > 0) {
status = "গৃহীত হয়েছে";
}
if (!userTotals[user]) {
userTotals[user] = { accepted: 0, unreviewed: 0, rejected: 0, total: 0, articlesCount: 0 };
}
try {
let pageData = await api.get({
action: 'parse',
page: title,
prop: 'text',
redirects: 'true',
disabletoc: '1',
format: 'json'
});
if (pageData.parse && pageData.parse.text) {
let html = pageData.parse.text['*'];
let tempDiv = document.createElement('div');
tempDiv.innerHTML = html;
for (const sel of unwantedCSS) {
const elementsToRemove = tempDiv.querySelectorAll(sel);
for (const el of elementsToRemove) {
el.remove();
}
}
let cleanText = tempDiv.innerText || tempDiv.textContent;
let bnWordsMatch = cleanText.match(/[\u0980-\u09FF]+/g);
let wordCount = bnWordsMatch ? bnWordsMatch.length : 0;
if (status === "গৃহীত হয়েছে") userTotals[user].accepted += wordCount;
else if (status === "গৃহীত হয়নি") userTotals[user].rejected += wordCount;
else userTotals[user].unreviewed += wordCount;
userTotals[user].total += wordCount;
userTotals[user].articlesCount += 1;
}
} catch (e) {
console.warn("API Error for article:", title, e);
}
if (i % 5 === 0 || i === articlesList.length - 1) {
$('#ztools-progress').text(`গণনা চলছে... (${toBn(i + 1)} / ${toBn(articlesList.length)} নিবন্ধ সম্পন্ন)`);
}
}
renderFinalTable(userTotals);
}
function renderFinalTable(totals) {
$('#ztools-progress').html('<span style="color:green;">সম্পন্ন!</span>');
let html = '<table class="wikitable sortable" style="width:100%; text-align:center;">';
html += '<tr><th>ব্যবহারকারী</th><th>মোট নিবন্ধ</th><th>গৃহীত শব্দ</th><th>অপর্যালোচিত শব্দ</th><th>বাতিল শব্দ</th><th>মোট শব্দ</th></tr>';
let rows = Object.keys(totals).map(user => ({ user: user, ...totals[user] }));
rows.sort((a, b) => b.accepted - a.accepted);
rows.forEach(r => {
html += `<tr>
<td style="text-align:left;">${r.user}</td>
<td>${toBn(r.articlesCount)}</td>
<td>${toBn(r.accepted)}</td>
<td>${toBn(r.unreviewed)}</td>
<td>${toBn(r.rejected)}</td>
<td style="font-weight:bold;">${toBn(r.total)}</td>
</tr>`;
});
html += '</table>';
$('#ztools-table-container').html(html);
}
});
});
o35rd63eyuw6t4b4qzkaelfda9m9asc
75426
75424
2026-04-10T15:27:03Z
ARI
356
75426
javascript
text/javascript
mw.loader.using(['mediawiki.api'], function () {
$(document).ready(function() {
if (mw.config.get('wgNamespaceNumber') !== 2 || mw.config.get('wgTitle') !== 'ARI/খেলাঘর') return;
const contestSlug = 'wqc2026';
const targetUrl = 'https://fountain.toolforge.org/api/editathons/' + contestSlug;
const proxies = [
'https://corsproxy.io/?url=' + encodeURIComponent(targetUrl),
'https://api.codetabs.com/v1/proxy?quest=' + encodeURIComponent(targetUrl),
'https://api.allorigins.win/raw?url=' + encodeURIComponent(targetUrl)
];
$('#mw-content-text').prepend(`
<div id="ztools-dashboard" style="background:#f8f9fa; padding:15px; border:1px solid #a2a9b1; margin-bottom:15px;">
<h2 style="border-bottom:none; margin-top:0;">ফাউন্ডেন ফলাফল (WQC 2026)</h2>
<div id="ztools-progress" style="font-weight:bold; color:#0066cc; margin-bottom:10px;">ডেটা লোড হচ্ছে... অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন।</div>
<div id="ztools-table-container"></div>
</div>
`);
function toBn(num) {
const bnDigits = ['০', '১', '২', '৩', '৪', '৫', '৬', '৭', '৮', '৯'];
return num.toString().split('').map(d => bnDigits[d] || d).join('');
}
async function fetchWithFallback(proxyList, index = 0) {
if (index >= proxyList.length) {
$('#ztools-progress').html('<span style="color:red;">ত্রুটি: সবগুলি প্রক্সি সার্ভার ব্যর্থ হয়েছে। কিছুক্ষণ পরে আবার চেষ্টা করুন।</span>');
return;
}
try {
if (index > 0) {
$('#ztools-progress').text(`বিকল্প সার্ভারের সাথে যুক্ত হওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে (প্রচেষ্টা ${toBn(index + 1)})...`);
}
const response = await fetch(proxyList[index]);
if (!response.ok) throw new Error("Proxy error HTTP " + response.status);
const data = await response.json();
if (!data || !data.articles) throw new Error("Invalid JSON structure received");
processArticles(data);
} catch (err) {
console.warn(`Proxy ${index + 1} failed:`, err);
// If it fails, recursively call the function with the next proxy in the list
fetchWithFallback(proxyList, index + 1);
}
}
fetchWithFallback(proxies);
async function processArticles(data) {
const articlesList = data.articles || [];
let userTotals = {};
const api = new mw.Api();
const unwantedCSS = ['.mw-empty-elt', '.mw-editsection', '.reference', '.references', '.reflist', '.mbox-small', '.ambox', '.navbox', '.catlinks', '.noprint', '.metadata', '.portal', 'style', 'script', '.thumbinner', '.listing-lastedit'];
$('#ztools-progress').text(`উইকিপিডিয়া থেকে ${toBn(articlesList.length)}টি নিবন্ধের শব্দ গণনা করা হচ্ছে...`);
for (let i = 0; i < articlesList.length; i++) {
let art = articlesList[i];
let user = art.user;
let title = art.name;
let marks = art.marks || [];
let status = "অপর্যালোচিত";
let hasRejection = marks.some(m => m.marks && (m.marks["0"] === 1 || m.marks["0"] === 2));
if (hasRejection) {
status = "গৃহীত হয়নি";
} else if (marks.length > 0) {
status = "গৃহীত হয়েছে";
}
if (!userTotals[user]) {
userTotals[user] = { accepted: 0, unreviewed: 0, rejected: 0, total: 0, articlesCount: 0 };
}
try {
let pageData = await api.get({
action: 'parse',
page: title,
prop: 'text',
redirects: 'true',
disabletoc: '1',
format: 'json'
});
if (pageData.parse && pageData.parse.text) {
let html = pageData.parse.text['*'];
let tempDiv = document.createElement('div');
tempDiv.innerHTML = html;
for (const sel of unwantedCSS) {
const elementsToRemove = tempDiv.querySelectorAll(sel);
for (const el of elementsToRemove) {
el.remove();
}
}
let cleanText = tempDiv.innerText || tempDiv.textContent;
let bnWordsMatch = cleanText.match(/[\u0980-\u09FF]+/g);
let wordCount = bnWordsMatch ? bnWordsMatch.length : 0;
if (status === "গৃহীত হয়েছে") userTotals[user].accepted += wordCount;
else if (status === "গৃহীত হয়নি") userTotals[user].rejected += wordCount;
else userTotals[user].unreviewed += wordCount;
userTotals[user].total += wordCount;
userTotals[user].articlesCount += 1;
}
} catch (e) {
console.warn("API Error for article:", title, e);
}
if (i % 5 === 0 || i === articlesList.length - 1) {
$('#ztools-progress').text(`গণনা চলছে... (${toBn(i + 1)} / ${toBn(articlesList.length)} নিবন্ধ সম্পন্ন)`);
}
}
renderFinalTable(userTotals);
}
function renderFinalTable(totals) {
$('#ztools-progress').html('<span style="color:green;">সম্পন্ন!</span>');
let html = '<table class="wikitable sortable" style="width:100%; text-align:center;">';
html += '<tr><th>ব্যবহারকারী</th><th>মোট নিবন্ধ</th><th>গৃহীত শব্দ</th><th>অপর্যালোচিত শব্দ</th><th>বাতিল শব্দ</th><th>মোট শব্দ</th></tr>';
let rows = Object.keys(totals).map(user => ({ user: user, ...totals[user] }));
rows.sort((a, b) => b.accepted - a.accepted);
rows.forEach(r => {
html += `<tr>
<td style="text-align:left;">${r.user}</td>
<td>${toBn(r.articlesCount)}</td>
<td>${toBn(r.accepted)}</td>
<td>${toBn(r.unreviewed)}</td>
<td>${toBn(r.rejected)}</td>
<td style="font-weight:bold;">${toBn(r.total)}</td>
</tr>`;
});
html += '</table>';
$('#ztools-table-container').html(html);
}
});
});
qscdo2351rw85ns9rctbx9b18dm7dzu
75427
75426
2026-04-10T15:30:44Z
ARI
356
75427
javascript
text/javascript
( function () {
'use strict';
var FOUNTAIN_CODE = 'wqc2026';
var FOUNTAIN_URL = 'https://fountain.toolforge.org/api/editathons/' + FOUNTAIN_CODE;
var PROXY_URL = 'https://corsproxy.io/?url=' + encodeURIComponent( FOUNTAIN_URL );
var SANDBOX_PAGE = 'ব্যবহারকারী:ARI/খেলাঘর';
var BN_DIGITS = '০১২৩৪৫৬৭৮৯';
function toBn( n ) {
return String( n ).replace( /\d/g, function ( d ) { return BN_DIGITS[ +d ]; } );
}
function statusLabel( marks ) {
if ( !marks || !marks.length ) {
return { label: 'অপর্যালোচিত', cls: 'wqc-unreviewed' };
}
for ( var i = 0; i < marks.length; i++ ) {
var m = marks[ i ].marks && marks[ i ].marks[ '0' ];
if ( m === 1 || m === 2 ) {
return { label: 'বাতিল', cls: 'wqc-rejected' };
}
}
return { label: 'গৃহীত', cls: 'wqc-accepted' };
}
function parseFountain( data ) {
var byUser = {};
( data.articles || [] ).forEach( function ( art ) {
var user = art.user || '(অজানা)';
var title = ( art.name || '' ).replace( /_/g, ' ' ).trim();
if ( !title ) { return; }
var st = statusLabel( art.marks );
if ( !byUser[ user ] ) {
byUser[ user ] = { accepted: 0, unreviewed: 0, rejected: 0, articles: [] };
}
var u = byUser[ user ];
if ( st.label === 'গৃহীত' ) { u.accepted++; }
else if ( st.label === 'বাতিল' ) { u.rejected++; }
else { u.unreviewed++; }
u.articles.push( { title: title, status: st.label, cls: st.cls } );
} );
return Object.keys( byUser ).map( function ( user ) {
return {
user: user,
accepted: byUser[ user ].accepted,
unreviewed: byUser[ user ].unreviewed,
rejected: byUser[ user ].rejected,
articles: byUser[ user ].articles
};
} ).sort( function ( a, b ) {
if ( b.accepted !== a.accepted ) { return b.accepted - a.accepted; }
return b.unreviewed - a.unreviewed;
} );
}
function buildWikitext( rows ) {
var now = new Date().toUTCString();
var lines = [
'<!-- wqc26.js | ' + now + ' -->',
'== WQC ২০২৬ ফলাফল ==',
"''[[ব্যবহারকারী:ARI/wqc26.js|wqc26.js]] দ্বারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি।''",
'',
'{| class="wikitable sortable" style="text-align:center;"',
'! ক্রম !! style="text-align:left;" | ব্যবহারকারী !! গৃহীত !! অপর্যালোচিত !! বাতিল !! মোট নিবন্ধ'
];
var totA = 0, totU = 0, totR = 0, totN = 0;
rows.forEach( function ( r, i ) {
var total = r.accepted + r.unreviewed + r.rejected;
lines.push( '|-' );
lines.push(
'| ' + toBn( i + 1 ) +
' || style="text-align:left;" | [[ব্যবহারকারী:' + r.user + '|' + r.user + ']]' +
' || ' + toBn( r.accepted ) +
' || ' + toBn( r.unreviewed ) +
' || ' + toBn( r.rejected ) +
' || ' + toBn( total )
);
totA += r.accepted; totU += r.unreviewed;
totR += r.rejected; totN += total;
} );
lines.push( '|-' );
lines.push( '! colspan="2" | মোট || ' +
toBn( totA ) + ' || ' + toBn( totU ) + ' || ' +
toBn( totR ) + ' || ' + toBn( totN ) );
lines.push( '|}' );
lines.push( '' );
lines.push( '=== নিবন্ধ তালিকা ===' );
rows.forEach( function ( r ) {
lines.push( '' );
lines.push( '==== [[ব্যবহারকারী:' + r.user + '|' + r.user + ']] ====' );
r.articles.forEach( function ( a, j ) {
lines.push( toBn( j + 1 ) + '. [[' + a.title + ']] — ' + a.status );
} );
} );
return lines.join( '\n' );
}
function fetchFountain() {
return fetch( FOUNTAIN_URL, { credentials: 'omit' } )
.then( function ( res ) {
if ( !res.ok ) { throw new Error( 'HTTP ' + res.status ); }
return res.json();
} )
.catch( function ( e1 ) {
mw.log( '[wqc26] সরাসরি fetch ব্যর্থ (' + e1.message + '), proxy চেষ্টা করা হচ্ছে…' );
return fetch( PROXY_URL, { credentials: 'omit' } )
.then( function ( res ) {
if ( !res.ok ) { throw new Error( 'Proxy HTTP ' + res.status ); }
return res.json();
} )
.catch( function ( e2 ) {
throw new Error(
'ফাউন্ডেন থেকে ডেটা আনা যায়নি।\n' +
'সরাসরি: ' + e1.message + '\n' +
'Proxy: ' + e2.message
);
} );
} );
}
function injectCSS() {
mw.util.addCSS( [
'#wqc26-panel{font-family:inherit;margin:1em 0;border:1px solid var(--border-color-base,#a2a9b1);border-radius:5px;overflow:hidden;}',
'#wqc26-panel .wqc-head{background:#1c3c60;color:#eaf0ff;padding:10px 14px;display:flex;align-items:center;gap:8px;flex-wrap:wrap;}',
'#wqc26-panel .wqc-head h3{margin:0;font-size:1em;flex:1;}',
'#wqc26-panel .wqc-body{padding:12px 14px;}',
'#wqc26-panel .wqc-status{font-size:.83em;color:#444;margin-bottom:8px;line-height:1.6;}',
'#wqc26-panel .wqc-btn{cursor:pointer;padding:5px 13px;border-radius:3px;border:1px solid #a2a9b1;background:#f8f9fa;font-size:.88em;}',
'#wqc26-panel .wqc-btn:disabled{opacity:.45;cursor:not-allowed;}',
'#wqc26-panel .wqc-btn:not(:disabled):hover{background:#eaf3fb;}',
'#wqc26-panel .wqc-btn.primary{background:#3680b0;color:#fff;border-color:#2a6395;}',
'#wqc26-panel .wqc-btn.primary:not(:disabled):hover{background:#2a6395;}',
'#wqc26-panel table{width:100%;border-collapse:collapse;font-size:.9em;margin-top:8px;}',
'#wqc26-panel th,#wqc26-panel td{border:1px solid #c8ccd1;padding:4px 8px;text-align:center;}',
'#wqc26-panel th{background:#eaecf0;}',
'#wqc26-panel td.left{text-align:left;}',
'#wqc26-panel .wqc-user-row{cursor:pointer;}',
'#wqc26-panel .wqc-user-row:hover td{background:#f0f8ff;}',
'#wqc26-panel .wqc-arts-row td{background:#fafbfc;padding:4px 8px;}',
'#wqc26-panel .wqc-arts-row ul{margin:2px 0;padding-left:20px;list-style:disc;}',
'#wqc26-panel .wqc-arts-row li{font-size:.84em;padding:2px 0;}',
'#wqc26-panel .wqc-foot{font-size:.78em;color:#666;margin-top:5px;}',
'#wqc26-panel .wqc-err{color:#b00;background:#fff5f5;border:1px solid #f5c6cb;padding:8px 10px;border-radius:3px;font-size:.84em;white-space:pre-wrap;margin-top:6px;}',
'.wqc-accepted{color:#006400;font-weight:bold;}',
'.wqc-unreviewed{color:#8a6a00;}',
'.wqc-rejected{color:#a00;}'
].join( '' ) );
}
function buildPanel() {
injectCSS();
var $panel = $( '<div id="wqc26-panel"></div>' );
var $head = $( '<div class="wqc-head"><h3>📊 WQC ২০২৬ — ফলাফল প্যানেল</h3></div>' );
var $refreshBtn = $( '<button class="wqc-btn">🔄 রিফ্রেশ</button>' );
var $updateBtn = $( '<button class="wqc-btn primary" disabled>💾 স্যান্ডবক্স আপডেট</button>' );
var $copyBtn = $( '<button class="wqc-btn" disabled>📋 উইকিটেবিল কপি</button>' );
var $body = $( '<div class="wqc-body"></div>' );
var $status = $( '<div class="wqc-status">লোড হচ্ছে…</div>' );
var $errBox = $( '<div class="wqc-err" style="display:none;"></div>' );
var $tableWrap = $( '<div></div>' );
var $foot = $( '<p class="wqc-foot">▲ সারিতে ক্লিক করলে নিবন্ধ তালিকা প্রসারিত হবে।</p>' ).hide();
$head.append(
$refreshBtn,
$( '<span style="margin-left:6px;"></span>' ).append( $updateBtn ),
$( '<span style="margin-left:6px;"></span>' ).append( $copyBtn )
);
$body.append( $status, $errBox, $tableWrap, $foot );
$panel.append( $head, $body );
var _rows = [];
function renderTable( rows ) {
_rows = rows;
var totA = 0, totU = 0, totR = 0, totN = 0;
var html = '<table><thead><tr>' +
'<th>#</th><th class="left">ব্যবহারকারী</th>' +
'<th>গৃহীত</th><th>অপর্যালোচিত</th><th>বাতিল</th><th>মোট</th>' +
'</tr></thead><tbody>';
rows.forEach( function ( r, i ) {
var total = r.accepted + r.unreviewed + r.rejected;
totA += r.accepted; totU += r.unreviewed;
totR += r.rejected; totN += total;
html += '<tr class="wqc-user-row" data-i="' + i + '">' +
'<td>' + toBn( i + 1 ) + '</td>' +
'<td class="left"><a href="' +
mw.util.getUrl( 'ব্যবহারকারী:' + r.user ) +
'" target="_blank">' + mw.html.escape( r.user ) + '</a></td>' +
'<td class="wqc-accepted">' + toBn( r.accepted ) + '</td>' +
'<td class="wqc-unreviewed">' + toBn( r.unreviewed ) + '</td>' +
'<td class="wqc-rejected">' + toBn( r.rejected ) + '</td>' +
'<td><strong>' + toBn( total ) + '</strong></td>' +
'</tr>';
var artHtml = '<ul>';
r.articles.forEach( function ( a ) {
artHtml +=
'<li><a href="' + mw.util.getUrl( a.title ) + '" target="_blank">' +
mw.html.escape( a.title ) + '</a> — ' +
'<span class="' + a.cls + '">' + a.status + '</span></li>';
} );
artHtml += '</ul>';
html += '<tr class="wqc-arts-row" data-i="' + i + '" style="display:none;">' +
'<td colspan="6">' + artHtml + '</td></tr>';
} );
html += '<tr><th colspan="2">মোট</th>' +
'<th class="wqc-accepted">' + toBn( totA ) + '</th>' +
'<th class="wqc-unreviewed">' + toBn( totU ) + '</th>' +
'<th class="wqc-rejected">' + toBn( totR ) + '</th>' +
'<th>' + toBn( totN ) + '</th></tr>' +
'</tbody></table>';
$tableWrap.html( html );
$foot.show();
$tableWrap.find( '.wqc-user-row' ).on( 'click', function () {
var idx = $( this ).data( 'i' );
$tableWrap.find( '.wqc-arts-row[data-i="' + idx + '"]' ).toggle();
} );
$updateBtn.prop( 'disabled', false );
$copyBtn.prop( 'disabled', false );
}
function load() {
$errBox.hide().text( '' );
$tableWrap.empty();
$foot.hide();
$updateBtn.prop( 'disabled', true );
$copyBtn.prop( 'disabled', true );
$refreshBtn.prop( 'disabled', true );
$status.text( 'Fountain থেকে ডেটা আনা হচ্ছে…' );
fetchFountain()
.then( function ( data ) {
var rows = parseFountain( data );
renderTable( rows );
var now = new Date().toLocaleTimeString( 'bn-BD' );
var totalArts = rows.reduce( function ( s, r ) {
return s + r.articles.length;
}, 0 );
$status.html(
'✅ সর্বশেষ: <strong>' + now + '</strong>' +
' | অংশগ্রহণকারী: <strong>' + toBn( rows.length ) + '</strong>' +
' | নিবন্ধ: <strong>' + toBn( totalArts ) + '</strong>'
);
} )
.catch( function ( err ) {
$status.text( 'ডেটা আনতে ব্যর্থ।' );
$errBox.text( err.message ).show();
} )
.then( function () { /* finally-equivalent for older browsers */
$refreshBtn.prop( 'disabled', false );
} );
}
$refreshBtn.on( 'click', load );
$copyBtn.on( 'click', function () {
var wt = buildWikitext( _rows );
if ( navigator.clipboard && navigator.clipboard.writeText ) {
navigator.clipboard.writeText( wt ).then( function () {
mw.notify( '✅ উইকিটেবিল কপি হয়েছে।', { type: 'success' } );
} );
} else {
var $ta = $( '<textarea>' ).val( wt ).appendTo( 'body' ).select();
document.execCommand( 'copy' );
$ta.remove();
mw.notify( '✅ উইকিটেবিল কপি হয়েছে।', { type: 'success' } );
}
} );
$updateBtn.on( 'click', function () {
writeSandbox( buildWikitext( _rows ) );
} );
return { $panel: $panel, load: load };
}
function writeSandbox( wikitext ) {
var api = new mw.Api();
mw.notify( '⏳ স্যান্ডবক্স সংরক্ষণ হচ্ছে…', { type: 'info', tag: 'wqc26-save' } );
api.postWithToken( 'csrf', {
action: 'edit',
title: SANDBOX_PAGE,
text: wikitext,
summary: '/* wqc26.js */ WQC ২০২৬ ফলাফল স্বয়ংক্রিয় আপডেট',
bot: true
} ).done( function ( res ) {
if ( res && res.edit && res.edit.result === 'Success' ) {
mw.notify( '✅ স্যান্ডবক্স আপডেট সম্পন্ন।', { type: 'success', tag: 'wqc26-save' } );
} else {
mw.notify( '⚠ অপ্রত্যাশিত সাড়া।', { type: 'warn', tag: 'wqc26-save' } );
}
} ).fail( function ( code, res ) {
mw.notify(
'❌ ব্যর্থ: ' + ( res && res.error && res.error.info || code ),
{ type: 'error', tag: 'wqc26-save' }
);
} );
}
function addPortletLink() {
mw.util.addPortletLink(
'p-tb',
mw.util.getUrl( SANDBOX_PAGE ),
'WQC ২০২৬ ফলাফল',
'ca-wqc26',
'WQC ২০২৬ ফলাফল স্যান্ডবক্সে দেখুন'
);
}
function initOnSandbox() {
var title = mw.config.get( 'wgPageName' ).replace( /_/g, ' ' );
if ( title !== SANDBOX_PAGE ) { return; }
var ui = buildPanel();
$( '#mw-content-text' ).prepend( ui.$panel );
ui.load();
}
mw.loader.using( [ 'mediawiki.api', 'mediawiki.util', 'mediawiki.notification' ] ).then( function () {
addPortletLink();
initOnSandbox();
} );
}() );
ga21r4saq8uz2jnl8c957ls9705hxbw
ব্যবহারকারী আলাপ:Sazia Afrin Chowdhury Rukaiya
3
12297
75414
2026-04-10T15:13:03Z
অভ্যর্থনা কমিটি বট
1112
উইকিউক্তিতে স্বাগত!
75414
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Sazia Afrin Chowdhury Rukaiya,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]]
</div>
১৫:১৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
aid7s43pjknpxguu3fz1tilhpm81mcw
পার্ল এস. বাক
0
12298
75416
2026-04-10T15:14:40Z
Asad.fr
4459
"[[File:Pearl Buck.jpg|thumb|right|তরুণ প্রজন্মের বিচক্ষণ হওয়ার মতো যথেষ্ট জ্ঞান নেই, তাই তারা অসম্ভবকে সম্ভব করার চেষ্টা করে এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে তা অর্জনও করে।]] পার্ল সিডেনস্ট্র..." দিয়ে পাতা তৈরি
75416
wikitext
text/x-wiki
[[File:Pearl Buck.jpg|thumb|right|তরুণ প্রজন্মের বিচক্ষণ হওয়ার মতো যথেষ্ট জ্ঞান নেই, তাই তারা অসম্ভবকে সম্ভব করার চেষ্টা করে এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে তা অর্জনও করে।]]
পার্ল সিডেনস্ট্রিকার বাক (জন্ম নাম: পার্ কমফোর্ট সিডেনস্ট্রিকার ; চীনা: 赛珍珠; পিনইন: সাই ঝেনঝু; ২৬ জুন ১৮৯২ – ৬ মার্চ ১৯৭৩), প্রধানত পরিচিত {{bw|পার্ল এস. বাক}} নামে, ছিলেন একজন বিশিষ্ট আমেরিকান লেখিকা। ১৯৩৮ সালে তিনি আমেরিকার প্রথম নারী হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার জিতেন।
== উক্তি ==
[[File:Pearl Buck 1972.jpg|thumb|আহ, হয়তো হতবাক না হয়ে মজা পেতে হলে একজনকে অনেক বেশি বুড়ো হতে হয়। ]]
* একজন সত্যিকারের সৃজনশীল মানুষের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে — সে এমন এক মানবসত্তা, যে অস্বাভাবিক এবং অমানবিক সংবেদী হয়ে জন্মায়। তার কাছে একটি স্পর্শ যেন আঘাত, একটি শব্দ যেন চিৎকার, একটি দুর্ভাগ্য যেন শোক, একটি আনন্দ যেন পরম উচ্ছ্বাস, একজন বন্ধু যেন প্রেমিক, একজন প্রেমিক যেন দেবতা, আর ব্যর্থতা যেন মৃত্যু। এই যন্ত্রণাদায়ক কোমলতার সঙ্গে যোগ হয় সৃষ্টি করার — সৃষ্টি করার — সৃষ্টি করার এক প্রবল আকাঙ্ক্ষা। সেই আকাঙ্ক্ষা এতই বেশি যে সে কোন সঙ্গীত, কবিতা, বই, স্থাপত্য বা কোন সুন্দর ও অর্থপূর্ণ কিছু সৃষ্টি না করলে তার নিঃশ্বাসই যেন বন্ধ হয়ে আসে। সে সৃষ্টি করতে বাধ্য। তাকে সৃষ্টির জন্য নিজেকে উজাড় করে দিতে হয়। এক রহস্যময়, অজানা অন্তর্গত চাপ তাকে তাড়না দেয় যে সে যদি সৃষ্টি না করে, সে বাঁচতে পারে না।
** দ্য ক্রিয়েটিভ মাইন্ড অ্যাট ওয়ার্ক,” শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ে উইলিয়াম ভন মুডি ফাউন্ডেশন লেকচার (জানুয়ারি ১৯৩৫)
* একজন জ্ঞানী, উদ্যমী ও শিক্ষিত নারীকে চার দেওয়ালের মধ্যে বন্দী করে রাখা যায় না; এমনকি সেই দেয়াল যদি সাটিন-মোড়ানো বা হীরক-খচিতও হয়; তিনি আগে বা পরে বুঝেই ফেলেন যে সেগুলো আসলে একটি কারাগার।
**“আমেরিকার মধ্যযুগীয় নারী,” হার্পারস ম্যাগাজিন (আগস্ট ১৯৩৮)
* আমেরিকান নারীরা প্রকৃত সুখী ততক্ষণ হবে না যতক্ষণ না তাদের আরও অজ্ঞ করে রাখা হয় অথবা তাদেরকে পুরুষদের মতো সমান সুযোগ দেওয়া হয় যাতে তারা যা শিখেছে তা কাজে লাগাতে পারে। আর আমেরিকান পুরুষরাও সত্যিকারের সুখী হবে না, যতক্ষণ না তাদের নারীরা সুখী হয়।
** ''হার্পারস ম্যাগাজিন (আগস্ট ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ২৩২
*একজন পুরুষ শিক্ষিত হয়ে কাজে যুক্ত হয়। কিন্তু একজন নারী শিক্ষিত হয় আর তাকে ঘাসের মতো পড়ে থাকতে হয়।।
**''পুরুষ ও নারী (১৯৪১), অধ্যায় ৪
*নিগ্রো আমেরিকানদের বিরুদ্ধে বর্ণগত বিদ্বেষ যতই গভীর হোক না কেন, বাস্তবে নারীদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ তার চেয়ে কম নয়। ‘মাদার্স ডে’ বা ‘সেরা আমেরিকান মা’ প্রতিযোগিতার মতো আবেগঘন ধারণাগুলো সরিয়ে দিলে দেখা যায়, সত্য হলো নারীরা একটি সংখ্যালঘুর মতোই সব ধরনের ভোগান্তির শিকার হয়।
**পুরুষ ও নারী (১৯৪১), অধ্যায় ৮
*পুরুষ ও নারী, উভয়েই এই পৃথিবীর অধিকার রাখে।
**''পুরুষ ও নারী (১৯৪১), অধ্যায় ৮
*আমাদের অজ্ঞতার একটি লজ্জাজনক দিক হলো, আমাদের ইতিহাস বিভাগগুলোতে প্রায় কোনো চীনা ইতিহাসই নেই; সাহিত্য কোর্সগুলোতে প্রায় কোনো চীনা সাহিত্য নেই; দর্শন বিভাগগুলোতে নেই চীনের মহান দার্শনিক চিন্তাধারাগুলোর উল্লেখ। আর আমাদের ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে সবচেয়ে বেশি অহংকারী। এই অজ্ঞ ও অহংকারী মানসিকতা এখন একটি নির্দিষ্ট ছাঁচে স্থির হয়ে গেছে। এই ছাঁচ এমন যে, যা কিছু আমেরিকান নয়, তাকেই নিচু বলে ধরে নেওয়া হয়— শুধুমাত্র ইংরেজ ব্যতীত।
**[http://www.english.upenn.edu/Projects/Buck/excerpt-fu.html চীন ও ফেডারেল ইউনিয়ন”—নিউ ইয়র্ক সিটির ফেডারেল ইউনিয়ন সংগঠনে প্রদত্ত একটি ভাষণ (এপ্রিল ১৯৪২)]
*মনোবিজ্ঞানীরা যেহেতু ধীরগতির চিত্রের মতো করে, সঠিকভাবে জানতে পেরেছে মানুষ কীভাবে জ্ঞান ও অভ্যাস তৈরি করে, তাই যেসব শিশু স্বাভাবিকের চেয়ে ধীরগতিতে বিকাশ লাভ করে, তারা আমাদের যে শিক্ষা দিয়েছে তার মাধ্যমে স্বাভাবিক শিশুরা অনেক বেশি উপকৃত হয়েছে।
**''যে শিশু কখনো বড় হয়নি'' (১৯৫০)
*আমি মানুষকে ভালোবাসি। আমি আমার পরিবারকে, আমার সন্তানদের ভালোবাসি… কিন্তু আমার ভেতরে এমন এক জায়গা আছে যেখানে আমি একা থাকি, আর সেখানেই আমি সেই ঝর্ণাকে
নতুন করে জাগিয়ে তুলি যা কখনো শুকিয়ে যায় না।
**''দ্য নিউ ইয়র্ক পোস্ট (২৬ এপ্রিল ১৯৫৯) এ উল্লেখিত''
*সবকিছুই সম্ভব, যতক্ষণ না তা অসম্ভব বলে প্রমাণিত হয়—এবং যেটাকে অসম্ভব বলা হচ্ছে, সেটাও হয়তো শুধুমাত্র এখন পর্যন্তই অসম্ভব।
**''এ ব্রিজ ফর প্যাসিং (১৯৬২)
*একজন অবহেলিত শিশু কী? সে এমন এক শিশু, যার জন্য কোনো পরিকল্পনা করা হয়নি, যাকে চাওয়া হয়নি। তাই অবহেলা তার জন্মের আগেই শুরু হয়।
**''চিলড্রেন ফর অ্যাডপশন (১৯৬৪), অধ্যায় ৩
*[চীন সম্পর্কে] তারা অসাধারণ বন্ধু এবং ভয়ংকর শত্রু।
**''টিভি সাক্ষাৎকার, দ্য মের্ভ গ্রিফিন শো, আরআইটিওয়াই আর্কাইভ (১৯৬৬)
*[সমাজতন্ত্র সম্পর্কে] এটি জীবনের এক কৌতূহলী, অসম্ভব ও অবাস্তব পরিকল্পনা, যা মনস্তাত্ত্বিকভাবে কোনো দৃঢ় ভিত্তির উপর দাঁড়ানো না।
**''টিভি সাক্ষাৎকার, দ্য মের্ভ গ্রিফিন শো, আরআইটিওয়াই আর্কাইভ (১৯৬৬)
*কাজে আনন্দ পাওয়ার রহস্য একটিমাত্র শব্দে নিহিত—উৎকর্ষ। কোন কিছু কীভাবে ভালোভাবে করতে হয় তা জানতে আগে সেটি উপভোগ করতে হয়।
**''দ্য জয় অব চিলড্রেন (১৯৬৬)
*কিছুই এবং কেউই চীনাদের ধ্বংস করতে পারবে না। তারা নিরলসভাবে টিকে থাকা মানুষ। তারা পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতাগুলোর একটি। তাদের সভ্যতা নানা যুগের মধ্য দিয়ে গেছে, কিন্তু এর মৌলিক বৈশিষ্ট্য একই আছে। তারা নতি স্বীকার করে, তারা বাতাসের সাথে বাঁকে, কিন্তু কখনো ভাঙে না।
**''চীন, অতীত ও বর্তমান (১৯৭২), অধ্যায় ১
*আহ, হয়তো হতবাক না হয়ে মজা পেতে হলে একজনকে অনেক বেশি বুড়ো হতে হয়।
**''চীন, অতীত ও বর্তমান (১৯৭২), অধ্যায় ৬
*সত্য সবসময়ই রোমাঞ্চকর। তাহলে সেটাই বলো। সত্য ছাড়া জীবন নীরস।
**জন মেসন রচিত “নো ইয়োর লিমিটস — দেন ইগনোর দেম” (২০০০), পৃষ্ঠা ৪৬ এ উল্লেখিত
*তরুণ প্রজন্মের বিচক্ষণ হওয়ার মতো যথেষ্ট জ্ঞান নেই, তাই তারা অসম্ভবকে সম্ভব করার চেষ্টা করে এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে তা অর্জনও করে।
**জর্জ এইচ. কাল্প এবং হারবার্ট এন. নিকলস রচিত “অ্যান অ্যাপল ফর দ্য টিচার: ফান্ডামেন্টালস ফর ইনস্ট্রাকশনাল কম্পিউটিং” (১৯৮৩), পৃষ্ঠা ১৯০-এ উল্লেখিত; এছাড়াও কজন স্যাম রচিত “ইউথ কোয়েক: আ ম্যানিফেস্টো” (২০০২), পৃষ্ঠা ৩১-এ।
== পার্ল এস. বাককে নিয়ে উক্তি ==
*তিনি নানা বিষয়ের মুখপাত্র ছিলেন: সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের দত্তক-যোগ্যতা, চীনের ভবিষ্যৎ এবং বিশেষ করে নারীর অধিকার ও শিক্ষার সংগ্রাম। আমার মতো আপনিও যদি তাঁর পথ অনুসরণ করতেন, তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় প্রতিটি প্রধান আন্দোলন—হোক তা বৌদ্ধিক, সামাজিক এবং রাজনৈতিক—তার সাথে আপনার যোগাযোগ হয়ে যেত।
*ত্রয়োদশ শতাব্দীর মার্কো পোলোর পর চীন বিষয়ে লেখা সবচেয়ে প্রভাবশালী পশ্চিমা লেখক।
**জেমস থমসন রচিত “হাই ডাজেন্ট পার্ল বাক গেট রেসপেক্ট?” — দ্য ফিলাডেলফিয়া ইনকোয়ারার (২৪ জুলাই ১৯৯২), পৃষ্ঠা ১৫
== আরও দেখুন ==
* [[জন বারডিন]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
mti80gebd1lyf7dy651r5obafi1tn7j
75634
75416
2026-04-11T08:53:27Z
Asad.fr
4459
75634
wikitext
text/x-wiki
[[File:Pearl Buck.jpg|thumb|right|তরুণ প্রজন্মের বিচক্ষণ হওয়ার মতো যথেষ্ট জ্ঞান নেই, তাই তারা অসম্ভবকে সম্ভব করার চেষ্টা করে এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে তা অর্জনও করে।]]
পার্ল সিডেনস্ট্রিকার বাক (জন্ম নাম: পার্ কমফোর্ট সিডেনস্ট্রিকার ; চীনা: 赛珍珠; পিনইন: সাই ঝেনঝু; ২৬ জুন ১৮৯২ – ৬ মার্চ ১৯৭৩), প্রধানত পরিচিত {{bw|পার্ল এস. বাক}} নামে, ছিলেন একজন বিশিষ্ট আমেরিকান লেখিকা। ১৯৩৮ সালে তিনি আমেরিকার প্রথম নারী হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার জিতেন।
== উক্তি ==
[[File:Pearl Buck 1972.jpg|thumb|আহ, হয়তো হতবাক না হয়ে মজা পেতে হলে একজনকে অনেক বেশি বুড়ো হতে হয়। ]]
* একজন সত্যিকারের সৃজনশীল মানুষের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে — সে এমন এক মানবসত্তা, যে অস্বাভাবিক এবং অমানবিক সংবেদী হয়ে জন্মায়। তার কাছে একটি স্পর্শ যেন আঘাত, একটি শব্দ যেন চিৎকার, একটি দুর্ভাগ্য যেন শোক, একটি আনন্দ যেন পরম উচ্ছ্বাস, একজন বন্ধু যেন প্রেমিক, একজন প্রেমিক যেন দেবতা, আর ব্যর্থতা যেন মৃত্যু। এই যন্ত্রণাদায়ক কোমলতার সঙ্গে যোগ হয় সৃষ্টি করার — সৃষ্টি করার — সৃষ্টি করার এক প্রবল আকাঙ্ক্ষা। সেই আকাঙ্ক্ষা এতই বেশি যে সে কোন সঙ্গীত, কবিতা, বই, স্থাপত্য বা কোন সুন্দর ও অর্থপূর্ণ কিছু সৃষ্টি না করলে তার নিঃশ্বাসই যেন বন্ধ হয়ে আসে। সে সৃষ্টি করতে বাধ্য। তাকে সৃষ্টির জন্য নিজেকে উজাড় করে দিতে হয়। এক রহস্যময়, অজানা অন্তর্গত চাপ তাকে তাড়না দেয় যে সে যদি সৃষ্টি না করে, সে বাঁচতে পারে না।
** দ্য ক্রিয়েটিভ মাইন্ড অ্যাট ওয়ার্ক,” শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ে উইলিয়াম ভন মুডি ফাউন্ডেশন লেকচার (জানুয়ারি ১৯৩৫)
* একজন জ্ঞানী, উদ্যমী ও শিক্ষিত নারীকে চার দেওয়ালের মধ্যে বন্দী করে রাখা যায় না; এমনকি সেই দেয়াল যদি সাটিন-মোড়ানো বা হীরক-খচিতও হয়; তিনি আগে বা পরে বুঝেই ফেলেন যে সেগুলো আসলে একটি কারাগার।
**“আমেরিকার মধ্যযুগীয় নারী,” হার্পারস ম্যাগাজিন (আগস্ট ১৯৩৮)
* আমেরিকান নারীরা প্রকৃত সুখী ততক্ষণ হবে না যতক্ষণ না তাদের আরও অজ্ঞ করে রাখা হয় অথবা তাদেরকে পুরুষদের মতো সমান সুযোগ দেওয়া হয় যাতে তারা যা শিখেছে তা কাজে লাগাতে পারে। আর আমেরিকান পুরুষরাও সত্যিকারের সুখী হবে না, যতক্ষণ না তাদের নারীরা সুখী হয়।
** ''হার্পারস ম্যাগাজিন (আগস্ট ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ২৩২
*একজন পুরুষ শিক্ষিত হয়ে কাজে যুক্ত হয়। কিন্তু একজন নারী শিক্ষিত হয় আর তাকে ঘাসের মতো পড়ে থাকতে হয়।।
**''পুরুষ ও নারী (১৯৪১), অধ্যায় ৪
*নিগ্রো আমেরিকানদের বিরুদ্ধে বর্ণগত বিদ্বেষ যতই গভীর হোক না কেন, বাস্তবে নারীদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ তার চেয়ে কম নয়। ‘মাদার্স ডে’ বা ‘সেরা আমেরিকান মা’ প্রতিযোগিতার মতো আবেগঘন ধারণাগুলো সরিয়ে দিলে দেখা যায়, সত্য হলো নারীরা একটি সংখ্যালঘুর মতোই সব ধরনের ভোগান্তির শিকার হয়।
**পুরুষ ও নারী (১৯৪১), অধ্যায় ৮
*পুরুষ ও নারী, উভয়েই এই পৃথিবীর অধিকার রাখে।
**''পুরুষ ও নারী (১৯৪১), অধ্যায় ৮
*আমাদের অজ্ঞতার একটি লজ্জাজনক দিক হলো, আমাদের ইতিহাস বিভাগগুলোতে প্রায় কোনো চীনা ইতিহাসই নেই; সাহিত্য কোর্সগুলোতে প্রায় কোনো চীনা সাহিত্য নেই; দর্শন বিভাগগুলোতে নেই চীনের মহান দার্শনিক চিন্তাধারাগুলোর উল্লেখ। আর আমাদের ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে সবচেয়ে বেশি অহংকারী। এই অজ্ঞ ও অহংকারী মানসিকতা এখন একটি নির্দিষ্ট ছাঁচে স্থির হয়ে গেছে। এই ছাঁচ এমন যে, যা কিছু আমেরিকান নয়, তাকেই নিচু বলে ধরে নেওয়া হয়— শুধুমাত্র ইংরেজ ব্যতীত।
**[http://www.english.upenn.edu/Projects/Buck/excerpt-fu.html চীন ও ফেডারেল ইউনিয়ন”—নিউ ইয়র্ক সিটির ফেডারেল ইউনিয়ন সংগঠনে প্রদত্ত একটি ভাষণ (এপ্রিল ১৯৪২)]
*মনোবিজ্ঞানীরা যেহেতু ধীরগতির চিত্রের মতো করে, সঠিকভাবে জানতে পেরেছে মানুষ কীভাবে জ্ঞান ও অভ্যাস তৈরি করে, তাই যেসব শিশু স্বাভাবিকের চেয়ে ধীরগতিতে বিকাশ লাভ করে, তারা আমাদের যে শিক্ষা দিয়েছে তার মাধ্যমে স্বাভাবিক শিশুরা অনেক বেশি উপকৃত হয়েছে।
**''যে শিশু কখনো বড় হয়নি'' (১৯৫০)
*আমি মানুষকে ভালোবাসি। আমি আমার পরিবারকে, আমার সন্তানদের ভালোবাসি… কিন্তু আমার ভেতরে এমন এক জায়গা আছে যেখানে আমি একা থাকি, আর সেখানেই আমি সেই ঝর্ণাকে
নতুন করে জাগিয়ে তুলি যা কখনো শুকিয়ে যায় না।
**''দ্য নিউ ইয়র্ক পোস্ট (২৬ এপ্রিল ১৯৫৯) এ উল্লেখিত''
*সবকিছুই সম্ভব, যতক্ষণ না তা অসম্ভব বলে প্রমাণিত হয়—এবং যেটাকে অসম্ভব বলা হচ্ছে, সেটাও হয়তো শুধুমাত্র এখন পর্যন্তই অসম্ভব।
**''এ ব্রিজ ফর প্যাসিং (১৯৬২)
*একজন অবহেলিত শিশু কী? সে এমন এক শিশু, যার জন্য কোনো পরিকল্পনা করা হয়নি, যাকে চাওয়া হয়নি। তাই অবহেলা তার জন্মের আগেই শুরু হয়।
**''চিলড্রেন ফর অ্যাডপশন (১৯৬৪), অধ্যায় ৩
*[চীন সম্পর্কে] তারা অসাধারণ বন্ধু এবং ভয়ংকর শত্রু।
**''টিভি সাক্ষাৎকার, দ্য মের্ভ গ্রিফিন শো, আরআইটিওয়াই আর্কাইভ (১৯৬৬)
*[সমাজতন্ত্র সম্পর্কে] এটি জীবনের এক কৌতূহলী, অসম্ভব ও অবাস্তব পরিকল্পনা, যা মনস্তাত্ত্বিকভাবে কোনো দৃঢ় ভিত্তির উপর দাঁড়ানো না।
**''টিভি সাক্ষাৎকার, দ্য মের্ভ গ্রিফিন শো, আরআইটিওয়াই আর্কাইভ (১৯৬৬)
*কাজে আনন্দ পাওয়ার রহস্য একটিমাত্র শব্দে নিহিত—উৎকর্ষ। কোন কিছু কীভাবে ভালোভাবে করতে হয় তা জানতে আগে সেটি উপভোগ করতে হয়।
**''দ্য জয় অব চিলড্রেন (১৯৬৬)
*কিছুই এবং কেউই চীনাদের ধ্বংস করতে পারবে না। তারা নিরলসভাবে টিকে থাকা মানুষ। তারা পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতাগুলোর একটি। তাদের সভ্যতা নানা যুগের মধ্য দিয়ে গেছে, কিন্তু এর মৌলিক বৈশিষ্ট্য একই আছে। তারা নতি স্বীকার করে, তারা বাতাসের সাথে বাঁকে, কিন্তু কখনো ভাঙে না।
**''চীন, অতীত ও বর্তমান (১৯৭২), অধ্যায় ১
*আহ, হয়তো হতবাক না হয়ে মজা পেতে হলে একজনকে অনেক বেশি বুড়ো হতে হয়।
**''চীন, অতীত ও বর্তমান (১৯৭২), অধ্যায় ৬
*সত্য সবসময়ই রোমাঞ্চকর। তাহলে সেটাই বলো। সত্য ছাড়া জীবন নীরস।
**জন মেসন রচিত “নো ইয়োর লিমিটস — দেন ইগনোর দেম” (২০০০), পৃষ্ঠা ৪৬ এ উল্লেখিত
*তরুণ প্রজন্মের বিচক্ষণ হওয়ার মতো যথেষ্ট জ্ঞান নেই, তাই তারা অসম্ভবকে সম্ভব করার চেষ্টা করে এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে তা অর্জনও করে।
**জর্জ এইচ. কাল্প এবং হারবার্ট এন. নিকলস রচিত “অ্যান অ্যাপল ফর দ্য টিচার: ফান্ডামেন্টালস ফর ইনস্ট্রাকশনাল কম্পিউটিং” (১৯৮৩), পৃষ্ঠা ১৯০-এ উল্লেখিত; এছাড়াও কজন স্যাম রচিত “ইউথ কোয়েক: আ ম্যানিফেস্টো” (২০০২), পৃষ্ঠা ৩১-এ।
== পার্ল এস. বাককে নিয়ে উক্তি ==
*তিনি নানা বিষয়ের মুখপাত্র ছিলেন: সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের দত্তক-যোগ্যতা, চীনের ভবিষ্যৎ এবং বিশেষ করে নারীর অধিকার ও শিক্ষার সংগ্রাম। আমার মতো আপনিও যদি তাঁর পথ অনুসরণ করতেন, তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় প্রতিটি প্রধান আন্দোলন—হোক তা বৌদ্ধিক, সামাজিক এবং রাজনৈতিক—তার সাথে আপনার যোগাযোগ হয়ে যেত।
*ত্রয়োদশ শতাব্দীর মার্কো পোলোর পর চীন বিষয়ে লেখা সবচেয়ে প্রভাবশালী পশ্চিমা লেখক।
**জেমস থমসন রচিত “হাই ডাজেন্ট পার্ল বাক গেট রেসপেক্ট?” — দ্য ফিলাডেলফিয়া ইনকোয়ারার (২৪ জুলাই ১৯৯২), পৃষ্ঠা ১৫
== আরও দেখুন ==
* [[জন বারডিন]]
* [[রবার্ট ক্লাইভ]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
dbjvcdactbi3q98k4tg68rfxh9rsqte
আলাপ:পার্ল এস. বাক
1
12299
75418
2026-04-10T15:16:41Z
Asad.fr
4459
https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026
75418
wikitext
text/x-wiki
{{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}}
s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm
যন্ত্র
0
12300
75436
2026-04-10T18:00:53Z
Salil Kumar Mukherjee
39
নতুন পাতা
75436
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:যন্ত্র|যন্ত্র]]''' হলো এক বা একাধিক অংশ নিয়ে গঠিত একটি সরঞ্জাম যা কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৈরি করা হয়। যন্ত্র হলো শক্তিচালিত সরঞ্জাম, যা সাধারণত যান্ত্রিক, রাসায়নিক, তাপীয় বা বৈদ্যুতিকভাবে চালিত হয় এবং প্রায়শই মোটরচালিত হয়ে থাকে। ঐতিহাসিকভাবে, কোনো সরঞ্জামকে যন্ত্র হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করার জন্য তাতে চলমান অংশের প্রয়োজন হতো; তবে, ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তির আবির্ভাবের ফলে এমন সব সরঞ্জামের বিকাশ ঘটেছে যেগুলোতে কোনো চলমান অংশ নেই, কিন্তু সেগুলোকে যন্ত্র হিসেবে গণ্য করা হয়। বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে যন্ত্র হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি বা উপায়, যার মাধ্যমে বল প্রয়োগে কোনো কাজ করা যায়।
== উক্তি ==
* [[সমুদ্র]] এমত বিস্তৃত যে কতক দূর গেলে পর আর তীর দেখা যায় না; অথচ জাহাজের লোক পথ হারা হয় না। তাহার কারণ এই যে, জাহাজে কোম্পাস নামে একটা যন্ত্র থাকে; ঐ যন্ত্রে একটী সূচী আছে; জাহাজ যে মুখে যাউক না কেন, সেই সূচী সর্ব্বদাই উত্তর মুখে থাকে। উহা দেখিয়া নাবিকেরা দিক্ নির্ণয় করে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], জল—সমুদ্র—নদী, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭২-৭৩
* অণুবীক্ষণ নামে এক রকম যন্ত্র আছে, যাহাতে ছোট জিনিষকে বড় করিয়া দেখায়; বড় জিনিষকে ছোট দেখাইবার নিমিত্ত উপায় পদার্থবিদ্যাশাস্ত্রে নির্দিষ্ট থাকিলেও, ঐ উদ্দেশ্যে নির্ম্মিত কোন যন্ত্র আমাদের মধ্যে সর্ব্বদা ব্যবহৃত হয় না।
** [[রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী]], চরিত-কথা - রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, প্রকাশক- নববিভাকর যন্ত্র, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩
*সমস্ত জাহাজটা যেন একটা প্রকাণ্ড বৈদ্যুতিক কারখানা। সেই বিদ্যুতে জাহাজ চলে এবং জাহাজের বাতি জ্বালা রান্না করা পর্যন্ত সমস্ত কাজ হয়। জাহাজের কাপ্তান কোথায়? ঐ যে তিনি জাহাজের টুপির নীচে বসিয়া দিকবীক্ষণ যন্ত্র দিয়া চারিদিক দেখিতেছেন।
** [[সুকুমার রায়]], ডুবুরী জাহাজ, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫৬
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Machines}}
[[বিষয়শ্রেণী:প্রযুক্তি]]
cyg98swfalxu1rrj061nmvixth2cyzc
75437
75436
2026-04-10T18:04:41Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
75437
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:যন্ত্র|যন্ত্র]]''' হলো এক বা একাধিক অংশ নিয়ে গঠিত একটি সরঞ্জাম যা কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৈরি করা হয়। যন্ত্র হলো শক্তিচালিত সরঞ্জাম, যা সাধারণত যান্ত্রিক, রাসায়নিক, তাপীয় বা বৈদ্যুতিকভাবে চালিত হয় এবং প্রায়শই মোটরচালিত হয়ে থাকে। ঐতিহাসিকভাবে, কোনো সরঞ্জামকে যন্ত্র হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করার জন্য তাতে চলমান অংশের প্রয়োজন হতো; তবে, ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তির আবির্ভাবের ফলে এমন সব সরঞ্জামের বিকাশ ঘটেছে যেগুলোতে কোনো চলমান অংশ নেই, কিন্তু সেগুলোকে যন্ত্র হিসেবে গণ্য করা হয়। বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে যন্ত্র হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি বা উপায়, যার মাধ্যমে বল প্রয়োগে কোনো কাজ করা যায়।
== উক্তি ==
* [[সমুদ্র]] এমত বিস্তৃত যে কতক দূর গেলে পর আর তীর দেখা যায় না; অথচ জাহাজের লোক পথ হারা হয় না। তাহার কারণ এই যে, জাহাজে কোম্পাস নামে একটা যন্ত্র থাকে; ঐ যন্ত্রে একটী সূচী আছে; জাহাজ যে মুখে যাউক না কেন, সেই সূচী সর্ব্বদাই উত্তর মুখে থাকে। উহা দেখিয়া নাবিকেরা দিক্ নির্ণয় করে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], জল—সমুদ্র—নদী, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭২-৭৩
* অণুবীক্ষণ নামে এক রকম যন্ত্র আছে, যাহাতে ছোট জিনিষকে বড় করিয়া দেখায়; বড় জিনিষকে ছোট দেখাইবার নিমিত্ত উপায় পদার্থবিদ্যাশাস্ত্রে নির্দিষ্ট থাকিলেও, ঐ উদ্দেশ্যে নির্ম্মিত কোন যন্ত্র আমাদের মধ্যে সর্ব্বদা ব্যবহৃত হয় না।
** [[রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী]], চরিত-কথা - রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, প্রকাশক- নববিভাকর যন্ত্র, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩
*সমস্ত জাহাজটা যেন একটা প্রকাণ্ড বৈদ্যুতিক কারখানা। সেই বিদ্যুতে জাহাজ চলে এবং জাহাজের বাতি জ্বালা রান্না করা পর্যন্ত সমস্ত কাজ হয়। জাহাজের কাপ্তান কোথায়? ঐ যে তিনি জাহাজের টুপির নীচে বসিয়া দিকবীক্ষণ যন্ত্র দিয়া চারিদিক দেখিতেছেন।
** [[সুকুমার রায়]], ডুবুরী জাহাজ, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫৬
* সবে মাত্র তুমি যন্ত্রী, যন্ত্র আমরা তন্ত্রে চলি।<br>তুমি যেমন্ রাখ তেম্নি থাকি, যেমন্ বলাও তেম্নি ৰলি।৷
**কমলাকান্ত-পদাবলি- কমলাকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৯২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৭
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Machines}}
[[বিষয়শ্রেণী:প্রযুক্তি]]
hv1zamseqcu74uj2zpcwd1y2ceo2imz
75438
75437
2026-04-10T18:06:03Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
75438
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:যন্ত্র|যন্ত্র]]''' হলো এক বা একাধিক অংশ নিয়ে গঠিত একটি সরঞ্জাম যা কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৈরি করা হয়। যন্ত্র হলো শক্তিচালিত সরঞ্জাম, যা সাধারণত যান্ত্রিক, রাসায়নিক, তাপীয় বা বৈদ্যুতিকভাবে চালিত হয় এবং প্রায়শই মোটরচালিত হয়ে থাকে। ঐতিহাসিকভাবে, কোনো সরঞ্জামকে যন্ত্র হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করার জন্য তাতে চলমান অংশের প্রয়োজন হতো; তবে, ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তির আবির্ভাবের ফলে এমন সব সরঞ্জামের বিকাশ ঘটেছে যেগুলোতে কোনো চলমান অংশ নেই, কিন্তু সেগুলোকে যন্ত্র হিসেবে গণ্য করা হয়। বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে যন্ত্র হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি বা উপায়, যার মাধ্যমে বল প্রয়োগে কোনো কাজ করা যায়।
== উক্তি ==
* [[সমুদ্র]] এমত বিস্তৃত যে কতক দূর গেলে পর আর তীর দেখা যায় না; অথচ জাহাজের লোক পথ হারা হয় না। তাহার কারণ এই যে, জাহাজে কোম্পাস নামে একটা যন্ত্র থাকে; ঐ যন্ত্রে একটী সূচী আছে; জাহাজ যে মুখে যাউক না কেন, সেই সূচী সর্ব্বদাই উত্তর মুখে থাকে। উহা দেখিয়া নাবিকেরা দিক্ নির্ণয় করে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], জল—সমুদ্র—নদী, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭২-৭৩
* অণুবীক্ষণ নামে এক রকম যন্ত্র আছে, যাহাতে ছোট জিনিষকে বড় করিয়া দেখায়; বড় জিনিষকে ছোট দেখাইবার নিমিত্ত উপায় পদার্থবিদ্যাশাস্ত্রে নির্দিষ্ট থাকিলেও, ঐ উদ্দেশ্যে নির্ম্মিত কোন যন্ত্র আমাদের মধ্যে সর্ব্বদা ব্যবহৃত হয় না।
** [[রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী]], চরিত-কথা - রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, প্রকাশক- নববিভাকর যন্ত্র, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩
* একটী জীবন যন্ত্র বিকল হইলে<br>মিলিত ললিত তান<br>নীরব হয় সে গান,<br>জীবন বীণার তার বাজে নাগো আর,<br>ভগ্নস্বরে একা করি মৃদুল ঝঙ্কার।
** স্নেহোপহার, নীহারিকা - প্রসন্নময়ী দেবী, প্রকাশক- এস্ কে্ লাহিড়ী কোং, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩
*সমস্ত জাহাজটা যেন একটা প্রকাণ্ড বৈদ্যুতিক কারখানা। সেই বিদ্যুতে জাহাজ চলে এবং জাহাজের বাতি জ্বালা রান্না করা পর্যন্ত সমস্ত কাজ হয়। জাহাজের কাপ্তান কোথায়? ঐ যে তিনি জাহাজের টুপির নীচে বসিয়া দিকবীক্ষণ যন্ত্র দিয়া চারিদিক দেখিতেছেন।
** [[সুকুমার রায়]], ডুবুরী জাহাজ, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫৬
* সবে মাত্র তুমি যন্ত্রী, যন্ত্র আমরা তন্ত্রে চলি।<br>তুমি যেমন্ রাখ তেম্নি থাকি, যেমন্ বলাও তেম্নি ৰলি।৷
**কমলাকান্ত-পদাবলি- কমলাকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৯২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৭
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Machines}}
[[বিষয়শ্রেণী:প্রযুক্তি]]
rv46qbu6xs2nhg1mw58plyvedsifvk0
75439
75438
2026-04-10T18:11:21Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
75439
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:যন্ত্র|যন্ত্র]]''' হলো এক বা একাধিক অংশ নিয়ে গঠিত একটি সরঞ্জাম যা কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৈরি করা হয়। যন্ত্র হলো শক্তিচালিত সরঞ্জাম, যা সাধারণত যান্ত্রিক, রাসায়নিক, তাপীয় বা বৈদ্যুতিকভাবে চালিত হয় এবং প্রায়শই মোটরচালিত হয়ে থাকে। ঐতিহাসিকভাবে, কোনো সরঞ্জামকে যন্ত্র হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করার জন্য তাতে চলমান অংশের প্রয়োজন হতো; তবে, ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তির আবির্ভাবের ফলে এমন সব সরঞ্জামের বিকাশ ঘটেছে যেগুলোতে কোনো চলমান অংশ নেই, কিন্তু সেগুলোকে যন্ত্র হিসেবে গণ্য করা হয়। বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে যন্ত্র হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি বা উপায়, যার মাধ্যমে বল প্রয়োগে কোনো কাজ করা যায়।
== উক্তি ==
* [[সমুদ্র]] এমত বিস্তৃত যে কতক দূর গেলে পর আর তীর দেখা যায় না; অথচ জাহাজের লোক পথ হারা হয় না। তাহার কারণ এই যে, জাহাজে কোম্পাস নামে একটা যন্ত্র থাকে; ঐ যন্ত্রে একটী সূচী আছে; জাহাজ যে মুখে যাউক না কেন, সেই সূচী সর্ব্বদাই উত্তর মুখে থাকে। উহা দেখিয়া নাবিকেরা দিক্ নির্ণয় করে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], জল—সমুদ্র—নদী, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭২-৭৩
* অণুবীক্ষণ নামে এক রকম যন্ত্র আছে, যাহাতে ছোট জিনিষকে বড় করিয়া দেখায়; বড় জিনিষকে ছোট দেখাইবার নিমিত্ত উপায় পদার্থবিদ্যাশাস্ত্রে নির্দিষ্ট থাকিলেও, ঐ উদ্দেশ্যে নির্ম্মিত কোন যন্ত্র আমাদের মধ্যে সর্ব্বদা ব্যবহৃত হয় না।
** [[রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী]], চরিত-কথা - রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, প্রকাশক- নববিভাকর যন্ত্র, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩
* একটী জীবন যন্ত্র বিকল হইলে<br>মিলিত ললিত তান<br>নীরব হয় সে গান,<br>জীবন বীণার তার বাজে নাগো আর,<br>ভগ্নস্বরে একা করি মৃদুল ঝঙ্কার।
** স্নেহোপহার, নীহারিকা - প্রসন্নময়ী দেবী, প্রকাশক- এস্ কে্ লাহিড়ী কোং, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩
*সমস্ত জাহাজটা যেন একটা প্রকাণ্ড বৈদ্যুতিক কারখানা। সেই বিদ্যুতে জাহাজ চলে এবং জাহাজের বাতি জ্বালা রান্না করা পর্যন্ত সমস্ত কাজ হয়। জাহাজের কাপ্তান কোথায়? ঐ যে তিনি জাহাজের টুপির নীচে বসিয়া দিকবীক্ষণ যন্ত্র দিয়া চারিদিক দেখিতেছেন।
** [[সুকুমার রায়]], ডুবুরী জাহাজ, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫৬
* সবে মাত্র তুমি যন্ত্রী, যন্ত্র আমরা তন্ত্রে চলি।<br>তুমি যেমন্ রাখ তেম্নি থাকি, যেমন্ বলাও তেম্নি ৰলি।৷
** [[কমলাকান্ত ভট্টাচার্য]], কমলাকান্ত-পদাবলি- কমলাকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৯২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৭
* লৌহ সকল ধাতু অপেক্ষা অধিক কার্য্যোপযোগী। এই ধাতুতে লাঙ্গলের ফাল, কোদাল,ক্যাস্তয়া প্রভৃতি কৃষি কার্য্যের যন্ত্র সকল নিৰ্মাণ করে। ছুরী, কাঁচী, কুড়াল, খন্তা, কাটারি, চবিকুলুপ, শিকল, পেরেক, ছূচ, হাতা বেড়ী, কড়া, হাতুড়ি ইত্যাদি যে সকল বস্তু সর্ব্বদা প্রয়োজনে লাগে সে সমুদয় লৌহে নির্ম্মিত। ইহা ভিন্ন নানা বিধ অস্ত্র শস্ত্রও লৌহে নির্ম্মাণ করিয়া থাকে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], ধাতু, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৯
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Machines}}
[[বিষয়শ্রেণী:প্রযুক্তি]]
e3t2xelgnzxcjrug37og4xhjoybbpdi
75442
75439
2026-04-10T18:13:08Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
75442
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:যন্ত্র|যন্ত্র]]''' হলো এক বা একাধিক অংশ নিয়ে গঠিত একটি সরঞ্জাম যা কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৈরি করা হয়। যন্ত্র হলো শক্তিচালিত সরঞ্জাম, যা সাধারণত যান্ত্রিক, রাসায়নিক, তাপীয় বা বৈদ্যুতিকভাবে চালিত হয় এবং প্রায়শই মোটরচালিত হয়ে থাকে। ঐতিহাসিকভাবে, কোনো সরঞ্জামকে যন্ত্র হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করার জন্য তাতে চলমান অংশের প্রয়োজন হতো; তবে, ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তির আবির্ভাবের ফলে এমন সব সরঞ্জামের বিকাশ ঘটেছে যেগুলোতে কোনো চলমান অংশ নেই, কিন্তু সেগুলোকে যন্ত্র হিসেবে গণ্য করা হয়। বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে যন্ত্র হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি বা উপায়, যার মাধ্যমে বল প্রয়োগে কোনো কাজ করা যায়।
== উক্তি ==
* [[সমুদ্র]] এমত বিস্তৃত যে কতক দূর গেলে পর আর তীর দেখা যায় না; অথচ জাহাজের লোক পথ হারা হয় না। তাহার কারণ এই যে, জাহাজে কোম্পাস নামে একটা যন্ত্র থাকে; ঐ যন্ত্রে একটী সূচী আছে; জাহাজ যে মুখে যাউক না কেন, সেই সূচী সর্ব্বদাই উত্তর মুখে থাকে। উহা দেখিয়া নাবিকেরা দিক্ নির্ণয় করে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], জল—সমুদ্র—নদী, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭২-৭৩
* অণুবীক্ষণ নামে এক রকম যন্ত্র আছে, যাহাতে ছোট জিনিষকে বড় করিয়া দেখায়; বড় জিনিষকে ছোট দেখাইবার নিমিত্ত উপায় পদার্থবিদ্যাশাস্ত্রে নির্দিষ্ট থাকিলেও, ঐ উদ্দেশ্যে নির্ম্মিত কোন যন্ত্র আমাদের মধ্যে সর্ব্বদা ব্যবহৃত হয় না।
** [[রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী]], চরিত-কথা - রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, প্রকাশক- নববিভাকর যন্ত্র, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩
* একটী জীবন যন্ত্র বিকল হইলে<br>মিলিত ললিত তান<br>নীরব হয় সে গান,<br>জীবন বীণার তার বাজে নাগো আর,<br>ভগ্নস্বরে একা করি মৃদুল ঝঙ্কার।
** [[প্রসন্নময়ী দেবী]], স্নেহোপহার, নীহারিকা - প্রসন্নময়ী দেবী, প্রকাশক- এস্ কে্ লাহিড়ী কোং, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩
*সমস্ত জাহাজটা যেন একটা প্রকাণ্ড বৈদ্যুতিক কারখানা। সেই বিদ্যুতে জাহাজ চলে এবং জাহাজের বাতি জ্বালা রান্না করা পর্যন্ত সমস্ত কাজ হয়। জাহাজের কাপ্তান কোথায়? ঐ যে তিনি জাহাজের টুপির নীচে বসিয়া দিকবীক্ষণ যন্ত্র দিয়া চারিদিক দেখিতেছেন।
** [[সুকুমার রায়]], ডুবুরী জাহাজ, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫৬
* সবে মাত্র তুমি যন্ত্রী, যন্ত্র আমরা তন্ত্রে চলি।<br>তুমি যেমন্ রাখ তেম্নি থাকি, যেমন্ বলাও তেম্নি ৰলি।৷
** [[কমলাকান্ত ভট্টাচার্য]], কমলাকান্ত-পদাবলি- কমলাকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৯২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৭
* লৌহ সকল ধাতু অপেক্ষা অধিক কার্য্যোপযোগী। এই ধাতুতে লাঙ্গলের ফাল, কোদাল,ক্যাস্তয়া প্রভৃতি কৃষি কার্য্যের যন্ত্র সকল নিৰ্মাণ করে। ছুরী, কাঁচী, কুড়াল, খন্তা, কাটারি, চবিকুলুপ, শিকল, পেরেক, ছূচ, হাতা বেড়ী, কড়া, হাতুড়ি ইত্যাদি যে সকল বস্তু সর্ব্বদা প্রয়োজনে লাগে সে সমুদয় লৌহে নির্ম্মিত। ইহা ভিন্ন নানা বিধ অস্ত্র শস্ত্রও লৌহে নির্ম্মাণ করিয়া থাকে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], ধাতু, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৯
* মানুষের যে-কোনো অস্ত্র বা যে-কোনো যন্ত্র বল- বড়ো-বড়ো কামান, এঞ্জিন বা মোটর হইতে লাঙল কোদাল কাঁটা পেরেক পর্যন্ত- সবটাতেই লোহার দরকার হয়। যার মধ্যে লোহা নাই এমনও অসংখ্য জিনিস তৈয়ারি করিবার সময়ে লোহার যন্ত্র ব্যবহার করিতে হয়। যে জিনিসে তাহারও দরকার হয় না, যেমন অনেক ডাক্তারি ওষুধ, সেখানেও অনেক সময়েই কয়লার চুল্লি জ্বালিতে হয় এবং সেই কয়লা ডাঙিয়া উঠাইবার জন্য খনিতে লোহার কোদাল আর অনেক কলকব্জার দরকার হয়।
** [[সুকুমার রায়]], লোহা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৯
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Machines}}
[[বিষয়শ্রেণী:প্রযুক্তি]]
1tkok1vnu2qihd9zqms6m7vskf99ns7
75444
75442
2026-04-10T18:17:59Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
75444
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:যন্ত্র|যন্ত্র]]''' হলো এক বা একাধিক অংশ নিয়ে গঠিত একটি সরঞ্জাম যা কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৈরি করা হয়। যন্ত্র হলো শক্তিচালিত সরঞ্জাম, যা সাধারণত যান্ত্রিক, রাসায়নিক, তাপীয় বা বৈদ্যুতিকভাবে চালিত হয় এবং প্রায়শই মোটরচালিত হয়ে থাকে। ঐতিহাসিকভাবে, কোনো সরঞ্জামকে যন্ত্র হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করার জন্য তাতে চলমান অংশের প্রয়োজন হতো; তবে, ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তির আবির্ভাবের ফলে এমন সব সরঞ্জামের বিকাশ ঘটেছে যেগুলোতে কোনো চলমান অংশ নেই, কিন্তু সেগুলোকে যন্ত্র হিসেবে গণ্য করা হয়। বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে যন্ত্র হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি বা উপায়, যার মাধ্যমে বল প্রয়োগে কোনো কাজ করা যায়।
== উক্তি ==
* [[সমুদ্র]] এমত বিস্তৃত যে কতক দূর গেলে পর আর তীর দেখা যায় না; অথচ জাহাজের লোক পথ হারা হয় না। তাহার কারণ এই যে, জাহাজে কোম্পাস নামে একটা যন্ত্র থাকে; ঐ যন্ত্রে একটী সূচী আছে; জাহাজ যে মুখে যাউক না কেন, সেই সূচী সর্ব্বদাই উত্তর মুখে থাকে। উহা দেখিয়া নাবিকেরা দিক্ নির্ণয় করে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], জল—সমুদ্র—নদী, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭২-৭৩
* অণুবীক্ষণ নামে এক রকম যন্ত্র আছে, যাহাতে ছোট জিনিষকে বড় করিয়া দেখায়; বড় জিনিষকে ছোট দেখাইবার নিমিত্ত উপায় পদার্থবিদ্যাশাস্ত্রে নির্দিষ্ট থাকিলেও, ঐ উদ্দেশ্যে নির্ম্মিত কোন যন্ত্র আমাদের মধ্যে সর্ব্বদা ব্যবহৃত হয় না।
** [[রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী]], চরিত-কথা - রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, প্রকাশক- নববিভাকর যন্ত্র, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩
* মানুষের সকলরকম কাজে যেসমস্ত তৈজস বা বাসনপত্রের দরকার হয়, তাহার সমস্তই খনিজ জিনিসের তৈয়ারি। সেই-সমস্ত জিনিস সংগ্রহ করিয়া তাহাকে কাজের উপযোগী করিয়া গড়িতেও লোহার দরকার হয়। ঘরের দরজা জানলা, কড়ি বরগা, আসবাবপত্র, এ-সমস্ত কাঠের তৈয়ারি হইতে পারে, কিন্তু সেই কাঠকে কাটিয়া চিরিয়া চাঁচিয়া ঘষিয়া দরকারমতো গড়িয়া লইবার জন্য পদে পদেই লোহার কুড়াল করাত র্যাঁদা বাটালি প্রভৃতি যন্ত্রের দরকার হয়।
** [[সুকুমার রায়]], লোহা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৯
* একটী জীবন যন্ত্র বিকল হইলে<br>মিলিত ললিত তান<br>নীরব হয় সে গান,<br>জীবন বীণার তার বাজে নাগো আর,<br>ভগ্নস্বরে একা করি মৃদুল ঝঙ্কার।
** [[প্রসন্নময়ী দেবী]], স্নেহোপহার, নীহারিকা - প্রসন্নময়ী দেবী, প্রকাশক- এস্ কে্ লাহিড়ী কোং, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩
*সমস্ত জাহাজটা যেন একটা প্রকাণ্ড বৈদ্যুতিক কারখানা। সেই বিদ্যুতে জাহাজ চলে এবং জাহাজের বাতি জ্বালা রান্না করা পর্যন্ত সমস্ত কাজ হয়। জাহাজের কাপ্তান কোথায়? ঐ যে তিনি জাহাজের টুপির নীচে বসিয়া দিকবীক্ষণ যন্ত্র দিয়া চারিদিক দেখিতেছেন।
** [[সুকুমার রায়]], ডুবুরী জাহাজ, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫৬
* সবে মাত্র তুমি যন্ত্রী, যন্ত্র আমরা তন্ত্রে চলি।<br>তুমি যেমন্ রাখ তেম্নি থাকি, যেমন্ বলাও তেম্নি ৰলি।৷
** [[কমলাকান্ত ভট্টাচার্য]], কমলাকান্ত-পদাবলি- কমলাকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৯২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৭
* লৌহ সকল ধাতু অপেক্ষা অধিক কার্য্যোপযোগী। এই ধাতুতে লাঙ্গলের ফাল, কোদাল,ক্যাস্তয়া প্রভৃতি কৃষি কার্য্যের যন্ত্র সকল নিৰ্মাণ করে। ছুরী, কাঁচী, কুড়াল, খন্তা, কাটারি, চবিকুলুপ, শিকল, পেরেক, ছূচ, হাতা বেড়ী, কড়া, হাতুড়ি ইত্যাদি যে সকল বস্তু সর্ব্বদা প্রয়োজনে লাগে সে সমুদয় লৌহে নির্ম্মিত। ইহা ভিন্ন নানা বিধ অস্ত্র শস্ত্রও লৌহে নির্ম্মাণ করিয়া থাকে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], ধাতু, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৯
* মানুষের যে-কোনো অস্ত্র বা যে-কোনো যন্ত্র বল- বড়ো-বড়ো কামান, এঞ্জিন বা মোটর হইতে লাঙল কোদাল কাঁটা পেরেক পর্যন্ত- সবটাতেই লোহার দরকার হয়। যার মধ্যে লোহা নাই এমনও অসংখ্য জিনিস তৈয়ারি করিবার সময়ে লোহার যন্ত্র ব্যবহার করিতে হয়। যে জিনিসে তাহারও দরকার হয় না, যেমন অনেক ডাক্তারি ওষুধ, সেখানেও অনেক সময়েই কয়লার চুল্লি জ্বালিতে হয় এবং সেই কয়লা ডাঙিয়া উঠাইবার জন্য খনিতে লোহার কোদাল আর অনেক কলকব্জার দরকার হয়।
** [[সুকুমার রায়]], লোহা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৯
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Machines}}
[[বিষয়শ্রেণী:প্রযুক্তি]]
bex7arhsvlqmmp2ldn8vvblworl8rhn
75445
75444
2026-04-10T18:19:11Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
75445
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:যন্ত্র|যন্ত্র]]''' হলো এক বা একাধিক অংশ নিয়ে গঠিত একটি সরঞ্জাম যা কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৈরি করা হয়। যন্ত্র হলো শক্তিচালিত সরঞ্জাম, যা সাধারণত যান্ত্রিক, রাসায়নিক, তাপীয় বা বৈদ্যুতিকভাবে চালিত হয় এবং প্রায়শই মোটরচালিত হয়ে থাকে। ঐতিহাসিকভাবে, কোনো সরঞ্জামকে যন্ত্র হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করার জন্য তাতে চলমান অংশের প্রয়োজন হতো; তবে, ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তির আবির্ভাবের ফলে এমন সব সরঞ্জামের বিকাশ ঘটেছে যেগুলোতে কোনো চলমান অংশ নেই, কিন্তু সেগুলোকে যন্ত্র হিসেবে গণ্য করা হয়। বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে যন্ত্র হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি বা উপায়, যার মাধ্যমে বল প্রয়োগে কোনো কাজ করা যায়।
== উক্তি ==
* [[সমুদ্র]] এমত বিস্তৃত যে কতক দূর গেলে পর আর তীর দেখা যায় না; অথচ জাহাজের লোক পথ হারা হয় না। তাহার কারণ এই যে, জাহাজে কোম্পাস নামে একটা যন্ত্র থাকে; ঐ যন্ত্রে একটী সূচী আছে; জাহাজ যে মুখে যাউক না কেন, সেই সূচী সর্ব্বদাই উত্তর মুখে থাকে। উহা দেখিয়া নাবিকেরা দিক্ নির্ণয় করে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], জল—সমুদ্র—নদী, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭২-৭৩
* অণুবীক্ষণ নামে এক রকম যন্ত্র আছে, যাহাতে ছোট জিনিষকে বড় করিয়া দেখায়; বড় জিনিষকে ছোট দেখাইবার নিমিত্ত উপায় পদার্থবিদ্যাশাস্ত্রে নির্দিষ্ট থাকিলেও, ঐ উদ্দেশ্যে নির্ম্মিত কোন যন্ত্র আমাদের মধ্যে সর্ব্বদা ব্যবহৃত হয় না।
** [[রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী]], চরিত-কথা - রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, প্রকাশক- নববিভাকর যন্ত্র, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩
* মানুষের সকলরকম কাজে যেসমস্ত তৈজস বা বাসনপত্রের দরকার হয়, তাহার সমস্তই খনিজ জিনিসের তৈয়ারি। সেই-সমস্ত জিনিস সংগ্রহ করিয়া তাহাকে কাজের উপযোগী করিয়া গড়িতেও লোহার দরকার হয়। ঘরের দরজা জানলা, কড়ি বরগা, আসবাবপত্র, এ-সমস্ত কাঠের তৈয়ারি হইতে পারে, কিন্তু সেই কাঠকে কাটিয়া চিরিয়া চাঁচিয়া ঘষিয়া দরকারমতো গড়িয়া লইবার জন্য পদে পদেই লোহার কুড়াল করাত র্যাঁদা বাটালি প্রভৃতি যন্ত্রের দরকার হয়।
** [[সুকুমার রায়]], লোহা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৯
* একটী জীবন যন্ত্র বিকল হইলে<br>মিলিত ললিত তান<br>নীরব হয় সে গান,<br>জীবন বীণার তার বাজে নাগো আর,<br>ভগ্নস্বরে একা করি মৃদুল ঝঙ্কার।
** [[প্রসন্নময়ী দেবী]], স্নেহোপহার, নীহারিকা - প্রসন্নময়ী দেবী, প্রকাশক- এস্ কে্ লাহিড়ী কোং, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩
* লৌহ জিনিষটা সুলভ হইলেও ইহাকে বিশুদ্ধ অবস্থায় সংগ্রহ করা বড় কঠিন। অথচ বিশুদ্ধ লৌহের যথেষ্ট প্রয়োজন আছে। সাধারণ লৌহে তার প্রস্তুত করিতে গেলে, যে শ্রম লাগে, বিশুদ্ধ লৌহ লইয়া কার্য করিলে তাহার শতাংশ শ্রমেরও আবশ্যক হয় না। তা ছাড়া বৈদ্যুতিক যন্ত্রাদিতে এই প্রকার লৌহের চুম্বক ব্যবহার করিলে অল্প শক্তিতে অনেক কাজ আদায় করা যাইতে পারে। জর্ম্মানির লিপ্জিক্ (Leipsic) নগরের কারখানায় যে বিশুদ্ধ লৌহ প্রস্তুত করা হইতেছে, তাহা দ্বারা আজকাল অনেক যন্ত্রাদি নির্ম্মাণ করিয়া পরীক্ষা চলিতেছে। সাধারণ যন্ত্রের তুলনায় বিশুদ্ধ লৌহনির্ম্মিত কলে প্রায় আড়াই গুণ অধিক কাজ পাওয়া যাইতেছে। ইহা কম লাভের কথা নয়!
** [[জগদানন্দ রায়]], রসায়নীবিদ্যার উন্নতি, প্রাকৃতিকী- জগদানন্দ রায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল- ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩২১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
*সমস্ত জাহাজটা যেন একটা প্রকাণ্ড বৈদ্যুতিক কারখানা। সেই বিদ্যুতে জাহাজ চলে এবং জাহাজের বাতি জ্বালা রান্না করা পর্যন্ত সমস্ত কাজ হয়। জাহাজের কাপ্তান কোথায়? ঐ যে তিনি জাহাজের টুপির নীচে বসিয়া দিকবীক্ষণ যন্ত্র দিয়া চারিদিক দেখিতেছেন।
** [[সুকুমার রায়]], ডুবুরী জাহাজ, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫৬
* সবে মাত্র তুমি যন্ত্রী, যন্ত্র আমরা তন্ত্রে চলি।<br>তুমি যেমন্ রাখ তেম্নি থাকি, যেমন্ বলাও তেম্নি ৰলি।৷
** [[কমলাকান্ত ভট্টাচার্য]], কমলাকান্ত-পদাবলি- কমলাকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৯২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৭
* লৌহ সকল ধাতু অপেক্ষা অধিক কার্য্যোপযোগী। এই ধাতুতে লাঙ্গলের ফাল, কোদাল,ক্যাস্তয়া প্রভৃতি কৃষি কার্য্যের যন্ত্র সকল নিৰ্মাণ করে। ছুরী, কাঁচী, কুড়াল, খন্তা, কাটারি, চবিকুলুপ, শিকল, পেরেক, ছূচ, হাতা বেড়ী, কড়া, হাতুড়ি ইত্যাদি যে সকল বস্তু সর্ব্বদা প্রয়োজনে লাগে সে সমুদয় লৌহে নির্ম্মিত। ইহা ভিন্ন নানা বিধ অস্ত্র শস্ত্রও লৌহে নির্ম্মাণ করিয়া থাকে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], ধাতু, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৯
* মানুষের যে-কোনো অস্ত্র বা যে-কোনো যন্ত্র বল- বড়ো-বড়ো কামান, এঞ্জিন বা মোটর হইতে লাঙল কোদাল কাঁটা পেরেক পর্যন্ত- সবটাতেই লোহার দরকার হয়। যার মধ্যে লোহা নাই এমনও অসংখ্য জিনিস তৈয়ারি করিবার সময়ে লোহার যন্ত্র ব্যবহার করিতে হয়। যে জিনিসে তাহারও দরকার হয় না, যেমন অনেক ডাক্তারি ওষুধ, সেখানেও অনেক সময়েই কয়লার চুল্লি জ্বালিতে হয় এবং সেই কয়লা ডাঙিয়া উঠাইবার জন্য খনিতে লোহার কোদাল আর অনেক কলকব্জার দরকার হয়।
** [[সুকুমার রায়]], লোহা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৯
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Machines}}
[[বিষয়শ্রেণী:প্রযুক্তি]]
n2unjj5ilwx22fyvrem5kiqqznmd63f
75446
75445
2026-04-10T18:20:38Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
75446
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:যন্ত্র|যন্ত্র]]''' হলো এক বা একাধিক অংশ নিয়ে গঠিত একটি সরঞ্জাম যা কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৈরি করা হয়। যন্ত্র হলো শক্তিচালিত সরঞ্জাম, যা সাধারণত যান্ত্রিক, রাসায়নিক, তাপীয় বা বৈদ্যুতিকভাবে চালিত হয় এবং প্রায়শই মোটরচালিত হয়ে থাকে। ঐতিহাসিকভাবে, কোনো সরঞ্জামকে যন্ত্র হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করার জন্য তাতে চলমান অংশের প্রয়োজন হতো; তবে, ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তির আবির্ভাবের ফলে এমন সব সরঞ্জামের বিকাশ ঘটেছে যেগুলোতে কোনো চলমান অংশ নেই, কিন্তু সেগুলোকে যন্ত্র হিসেবে গণ্য করা হয়। বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে যন্ত্র হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি বা উপায়, যার মাধ্যমে বল প্রয়োগে কোনো কাজ করা যায়।
== উক্তি ==
* [[সমুদ্র]] এমত বিস্তৃত যে কতক দূর গেলে পর আর তীর দেখা যায় না; অথচ জাহাজের লোক পথ হারা হয় না। তাহার কারণ এই যে, জাহাজে কোম্পাস নামে একটা যন্ত্র থাকে; ঐ যন্ত্রে একটী সূচী আছে; জাহাজ যে মুখে যাউক না কেন, সেই সূচী সর্ব্বদাই উত্তর মুখে থাকে। উহা দেখিয়া নাবিকেরা দিক্ নির্ণয় করে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], জল—সমুদ্র—নদী, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭২-৭৩
* অণুবীক্ষণ নামে এক রকম যন্ত্র আছে, যাহাতে ছোট জিনিষকে বড় করিয়া দেখায়; বড় জিনিষকে ছোট দেখাইবার নিমিত্ত উপায় পদার্থবিদ্যাশাস্ত্রে নির্দিষ্ট থাকিলেও, ঐ উদ্দেশ্যে নির্ম্মিত কোন যন্ত্র আমাদের মধ্যে সর্ব্বদা ব্যবহৃত হয় না।
** [[রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী]], চরিত-কথা - রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, প্রকাশক- নববিভাকর যন্ত্র, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩
* মানুষের সকলরকম কাজে যেসমস্ত তৈজস বা বাসনপত্রের দরকার হয়, তাহার সমস্তই খনিজ জিনিসের তৈয়ারি। সেই-সমস্ত জিনিস সংগ্রহ করিয়া তাহাকে কাজের উপযোগী করিয়া গড়িতেও লোহার দরকার হয়। ঘরের দরজা জানলা, কড়ি বরগা, আসবাবপত্র, এ-সমস্ত কাঠের তৈয়ারি হইতে পারে, কিন্তু সেই কাঠকে কাটিয়া চিরিয়া চাঁচিয়া ঘষিয়া দরকারমতো গড়িয়া লইবার জন্য পদে পদেই লোহার কুড়াল করাত র্যাঁদা বাটালি প্রভৃতি যন্ত্রের দরকার হয়।
** [[সুকুমার রায়]], লোহা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৯
* একটী জীবন যন্ত্র বিকল হইলে<br>মিলিত ললিত তান<br>নীরব হয় সে গান,<br>জীবন বীণার তার বাজে নাগো আর,<br>ভগ্নস্বরে একা করি মৃদুল ঝঙ্কার।
** [[প্রসন্নময়ী দেবী]], স্নেহোপহার, নীহারিকা - প্রসন্নময়ী দেবী, প্রকাশক- এস্ কে্ লাহিড়ী কোং, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩
* লৌহ জিনিষটা সুলভ হইলেও ইহাকে বিশুদ্ধ অবস্থায় সংগ্রহ করা বড় কঠিন। অথচ বিশুদ্ধ লৌহের যথেষ্ট প্রয়োজন আছে। সাধারণ লৌহে তার প্রস্তুত করিতে গেলে, যে শ্রম লাগে, বিশুদ্ধ লৌহ লইয়া কার্য করিলে তাহার শতাংশ শ্রমেরও আবশ্যক হয় না। তা ছাড়া বৈদ্যুতিক যন্ত্রাদিতে এই প্রকার লৌহের চুম্বক ব্যবহার করিলে অল্প শক্তিতে অনেক কাজ আদায় করা যাইতে পারে। জর্ম্মানির লিপ্জিক্ (Leipsic) নগরের কারখানায় যে বিশুদ্ধ লৌহ প্রস্তুত করা হইতেছে, তাহা দ্বারা আজকাল অনেক যন্ত্রাদি নির্ম্মাণ করিয়া পরীক্ষা চলিতেছে। সাধারণ যন্ত্রের তুলনায় বিশুদ্ধ লৌহনির্ম্মিত কলে প্রায় আড়াই গুণ অধিক কাজ পাওয়া যাইতেছে। ইহা কম লাভের কথা নয়!
** [[জগদানন্দ রায়]], রসায়নীবিদ্যার উন্নতি, প্রাকৃতিকী- জগদানন্দ রায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল- ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩২১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* শাস্ত্রকারেরা কচ্ছপী বীণাকেই বাগ্দেবী সরস্বতীর হাতের যন্ত্র বলিয়া ব্যাখ্যা করেন; আমাদিগের বর্ণ্যমান কচ্ছপী বীণাটীতে যে সাতটী তার আবদ্ধ আছে, তন্মধ্যে চারিটী লৌহের এবং তিনটী পিত্তলের। যথা—<br>একচিহ্ন-বিশিষ্ট লৌহতারটীকে নায়কী অথবা প্রধান তার বলে। নায়কী তারটী লৌহনির্ম্মিত, সুতরাং অতি দৃঢ় বলিয়া বাদনকালে ইহারই বিশেষ প্রয়োজন হইয়া থাকে। এই তারটী সচরাচর উদারা সপ্তকের মধ্যম করিয়া বাঁধা যায়। দুই ও তিনচিহ্নবিশিষ্ট পিত্তল তারদ্বয় উদারা সপ্তকের ষড়্জ, চারিচিহ্নবিশিষ্ট লৌহ তারটী উদারার পঞ্চম, পাঁচচিহ্নবিশিষ্ট পিত্তলতার নিম্নসপ্তকের ষড়্জ, ছয়চিহ্নবিশিষ্ট লৌহতার মুদারার ষড়্জ ও সাতচিহ্নবিশিষ্ট লৌহতারটী মুদারার পঞ্চম করিয়া বাঁধার রীতি আছে।
** শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর, যন্ত্রকোষ- শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৮২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮-১৯
*সমস্ত জাহাজটা যেন একটা প্রকাণ্ড বৈদ্যুতিক কারখানা। সেই বিদ্যুতে জাহাজ চলে এবং জাহাজের বাতি জ্বালা রান্না করা পর্যন্ত সমস্ত কাজ হয়। জাহাজের কাপ্তান কোথায়? ঐ যে তিনি জাহাজের টুপির নীচে বসিয়া দিকবীক্ষণ যন্ত্র দিয়া চারিদিক দেখিতেছেন।
** [[সুকুমার রায়]], ডুবুরী জাহাজ, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫৬
* সবে মাত্র তুমি যন্ত্রী, যন্ত্র আমরা তন্ত্রে চলি।<br>তুমি যেমন্ রাখ তেম্নি থাকি, যেমন্ বলাও তেম্নি ৰলি।৷
** [[কমলাকান্ত ভট্টাচার্য]], কমলাকান্ত-পদাবলি- কমলাকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৯২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৭
* লৌহ সকল ধাতু অপেক্ষা অধিক কার্য্যোপযোগী। এই ধাতুতে লাঙ্গলের ফাল, কোদাল,ক্যাস্তয়া প্রভৃতি কৃষি কার্য্যের যন্ত্র সকল নিৰ্মাণ করে। ছুরী, কাঁচী, কুড়াল, খন্তা, কাটারি, চবিকুলুপ, শিকল, পেরেক, ছূচ, হাতা বেড়ী, কড়া, হাতুড়ি ইত্যাদি যে সকল বস্তু সর্ব্বদা প্রয়োজনে লাগে সে সমুদয় লৌহে নির্ম্মিত। ইহা ভিন্ন নানা বিধ অস্ত্র শস্ত্রও লৌহে নির্ম্মাণ করিয়া থাকে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], ধাতু, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৯
* মানুষের যে-কোনো অস্ত্র বা যে-কোনো যন্ত্র বল- বড়ো-বড়ো কামান, এঞ্জিন বা মোটর হইতে লাঙল কোদাল কাঁটা পেরেক পর্যন্ত- সবটাতেই লোহার দরকার হয়। যার মধ্যে লোহা নাই এমনও অসংখ্য জিনিস তৈয়ারি করিবার সময়ে লোহার যন্ত্র ব্যবহার করিতে হয়। যে জিনিসে তাহারও দরকার হয় না, যেমন অনেক ডাক্তারি ওষুধ, সেখানেও অনেক সময়েই কয়লার চুল্লি জ্বালিতে হয় এবং সেই কয়লা ডাঙিয়া উঠাইবার জন্য খনিতে লোহার কোদাল আর অনেক কলকব্জার দরকার হয়।
** [[সুকুমার রায়]], লোহা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৯
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Machines}}
[[বিষয়শ্রেণী:প্রযুক্তি]]
4dablmpjynr37b1rj8gihvitymdesyy
75447
75446
2026-04-10T18:27:06Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
75447
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:যন্ত্র|যন্ত্র]]''' হলো এক বা একাধিক অংশ নিয়ে গঠিত একটি সরঞ্জাম যা কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৈরি করা হয়। যন্ত্র হলো শক্তিচালিত সরঞ্জাম, যা সাধারণত যান্ত্রিক, রাসায়নিক, তাপীয় বা বৈদ্যুতিকভাবে চালিত হয় এবং প্রায়শই মোটরচালিত হয়ে থাকে। ঐতিহাসিকভাবে, কোনো সরঞ্জামকে যন্ত্র হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করার জন্য তাতে চলমান অংশের প্রয়োজন হতো; তবে, ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তির আবির্ভাবের ফলে এমন সব সরঞ্জামের বিকাশ ঘটেছে যেগুলোতে কোনো চলমান অংশ নেই, কিন্তু সেগুলোকে যন্ত্র হিসেবে গণ্য করা হয়। বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে যন্ত্র হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি বা উপায়, যার মাধ্যমে বল প্রয়োগে কোনো কাজ করা যায়।
== উক্তি ==
* [[সমুদ্র]] এমত বিস্তৃত যে কতক দূর গেলে পর আর তীর দেখা যায় না; অথচ জাহাজের লোক পথ হারা হয় না। তাহার কারণ এই যে, জাহাজে কোম্পাস নামে একটা যন্ত্র থাকে; ঐ যন্ত্রে একটী সূচী আছে; জাহাজ যে মুখে যাউক না কেন, সেই সূচী সর্ব্বদাই উত্তর মুখে থাকে। উহা দেখিয়া নাবিকেরা দিক্ নির্ণয় করে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], জল—সমুদ্র—নদী, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭২-৭৩
* অণুবীক্ষণ নামে এক রকম যন্ত্র আছে, যাহাতে ছোট জিনিষকে বড় করিয়া দেখায়; বড় জিনিষকে ছোট দেখাইবার নিমিত্ত উপায় পদার্থবিদ্যাশাস্ত্রে নির্দিষ্ট থাকিলেও, ঐ উদ্দেশ্যে নির্ম্মিত কোন যন্ত্র আমাদের মধ্যে সর্ব্বদা ব্যবহৃত হয় না।
** [[রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী]], চরিত-কথা - রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, প্রকাশক- নববিভাকর যন্ত্র, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩
* মানুষের সকলরকম কাজে যেসমস্ত তৈজস বা বাসনপত্রের দরকার হয়, তাহার সমস্তই খনিজ জিনিসের তৈয়ারি। সেই-সমস্ত জিনিস সংগ্রহ করিয়া তাহাকে কাজের উপযোগী করিয়া গড়িতেও লোহার দরকার হয়। ঘরের দরজা জানলা, কড়ি বরগা, আসবাবপত্র, এ-সমস্ত কাঠের তৈয়ারি হইতে পারে, কিন্তু সেই কাঠকে কাটিয়া চিরিয়া চাঁচিয়া ঘষিয়া দরকারমতো গড়িয়া লইবার জন্য পদে পদেই লোহার কুড়াল করাত র্যাঁদা বাটালি প্রভৃতি যন্ত্রের দরকার হয়।
** [[সুকুমার রায়]], লোহা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৯
* একটী জীবন যন্ত্র বিকল হইলে<br>মিলিত ললিত তান<br>নীরব হয় সে গান,<br>জীবন বীণার তার বাজে নাগো আর,<br>ভগ্নস্বরে একা করি মৃদুল ঝঙ্কার।
** [[প্রসন্নময়ী দেবী]], স্নেহোপহার, নীহারিকা - প্রসন্নময়ী দেবী, প্রকাশক- এস্ কে্ লাহিড়ী কোং, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩
* লৌহ জিনিষটা সুলভ হইলেও ইহাকে বিশুদ্ধ অবস্থায় সংগ্রহ করা বড় কঠিন। অথচ বিশুদ্ধ লৌহের যথেষ্ট প্রয়োজন আছে। সাধারণ লৌহে তার প্রস্তুত করিতে গেলে, যে শ্রম লাগে, বিশুদ্ধ লৌহ লইয়া কার্য করিলে তাহার শতাংশ শ্রমেরও আবশ্যক হয় না। তা ছাড়া বৈদ্যুতিক যন্ত্রাদিতে এই প্রকার লৌহের চুম্বক ব্যবহার করিলে অল্প শক্তিতে অনেক কাজ আদায় করা যাইতে পারে। জর্ম্মানির লিপ্জিক্ (Leipsic) নগরের কারখানায় যে বিশুদ্ধ লৌহ প্রস্তুত করা হইতেছে, তাহা দ্বারা আজকাল অনেক যন্ত্রাদি নির্ম্মাণ করিয়া পরীক্ষা চলিতেছে। সাধারণ যন্ত্রের তুলনায় বিশুদ্ধ লৌহনির্ম্মিত কলে প্রায় আড়াই গুণ অধিক কাজ পাওয়া যাইতেছে। ইহা কম লাভের কথা নয়!
** [[জগদানন্দ রায়]], রসায়নীবিদ্যার উন্নতি, প্রাকৃতিকী- জগদানন্দ রায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল- ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩২১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* শাস্ত্রকারেরা কচ্ছপী বীণাকেই বাগ্দেবী সরস্বতীর হাতের যন্ত্র বলিয়া ব্যাখ্যা করেন; আমাদিগের বর্ণ্যমান কচ্ছপী বীণাটীতে যে সাতটী তার আবদ্ধ আছে, তন্মধ্যে চারিটী লৌহের এবং তিনটী পিত্তলের। যথা—<br>একচিহ্ন-বিশিষ্ট লৌহতারটীকে নায়কী অথবা প্রধান তার বলে। নায়কী তারটী লৌহনির্ম্মিত, সুতরাং অতি দৃঢ় বলিয়া বাদনকালে ইহারই বিশেষ প্রয়োজন হইয়া থাকে। এই তারটী সচরাচর উদারা সপ্তকের মধ্যম করিয়া বাঁধা যায়। দুই ও তিনচিহ্নবিশিষ্ট পিত্তল তারদ্বয় উদারা সপ্তকের ষড়্জ, চারিচিহ্নবিশিষ্ট লৌহ তারটী উদারার পঞ্চম, পাঁচচিহ্নবিশিষ্ট পিত্তলতার নিম্নসপ্তকের ষড়্জ, ছয়চিহ্নবিশিষ্ট লৌহতার মুদারার ষড়্জ ও সাতচিহ্নবিশিষ্ট লৌহতারটী মুদারার পঞ্চম করিয়া বাঁধার রীতি আছে।
** শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর, যন্ত্রকোষ- শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৮২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮-১৯
*সমস্ত জাহাজটা যেন একটা প্রকাণ্ড বৈদ্যুতিক কারখানা। সেই বিদ্যুতে জাহাজ চলে এবং জাহাজের বাতি জ্বালা রান্না করা পর্যন্ত সমস্ত কাজ হয়। জাহাজের কাপ্তান কোথায়? ঐ যে তিনি জাহাজের টুপির নীচে বসিয়া দিকবীক্ষণ যন্ত্র দিয়া চারিদিক দেখিতেছেন।
** [[সুকুমার রায়]], ডুবুরী জাহাজ, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫৬
* সবে মাত্র তুমি যন্ত্রী, যন্ত্র আমরা তন্ত্রে চলি।<br>তুমি যেমন্ রাখ তেম্নি থাকি, যেমন্ বলাও তেম্নি ৰলি।৷
** [[কমলাকান্ত ভট্টাচার্য]], কমলাকান্ত-পদাবলি- কমলাকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৯২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৭
* লৌহ সকল ধাতু অপেক্ষা অধিক কার্য্যোপযোগী। এই ধাতুতে লাঙ্গলের ফাল, কোদাল,ক্যাস্তয়া প্রভৃতি কৃষি কার্য্যের যন্ত্র সকল নিৰ্মাণ করে। ছুরী, কাঁচী, কুড়াল, খন্তা, কাটারি, চবিকুলুপ, শিকল, পেরেক, ছূচ, হাতা বেড়ী, কড়া, হাতুড়ি ইত্যাদি যে সকল বস্তু সর্ব্বদা প্রয়োজনে লাগে সে সমুদয় লৌহে নির্ম্মিত। ইহা ভিন্ন নানা বিধ অস্ত্র শস্ত্রও লৌহে নির্ম্মাণ করিয়া থাকে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], ধাতু, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৯
* মানুষের যে-কোনো অস্ত্র বা যে-কোনো যন্ত্র বল- বড়ো-বড়ো কামান, এঞ্জিন বা মোটর হইতে লাঙল কোদাল কাঁটা পেরেক পর্যন্ত- সবটাতেই লোহার দরকার হয়। যার মধ্যে লোহা নাই এমনও অসংখ্য জিনিস তৈয়ারি করিবার সময়ে লোহার যন্ত্র ব্যবহার করিতে হয়। যে জিনিসে তাহারও দরকার হয় না, যেমন অনেক ডাক্তারি ওষুধ, সেখানেও অনেক সময়েই কয়লার চুল্লি জ্বালিতে হয় এবং সেই কয়লা ডাঙিয়া উঠাইবার জন্য খনিতে লোহার কোদাল আর অনেক কলকব্জার দরকার হয়।
** [[সুকুমার রায়]], লোহা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৯
*বড় দূরবীণে যেখানে কয়েকটি মাত্র নক্ষত্র দেখা গিয়াছিল, দূরবীণ দিয়া সেখানকার ফোটোগ্রাফের ছবি তুলিতে গিয়া, জ্যোতিষীরা ছবিতে হাজার হাজার নূতন নক্ষত্র ফুটিয়া উঠিতে দেখিতেছেন। কাজেই হয় ত কোনো দিন আর এক রকম যন্ত্র দিয়া দেখিয়া জ্যোতিষীরা বলিবেন, নক্ষত্রদের সংখ্যা পঞ্চাশ কোটি নয়,—এক শত কোটি। নক্ষত্রদের সত্যই সংখ্যা হয় না!
**[[জগদানন্দ রায়]] - গ্রহ-নক্ষত্র, নক্ষত্রদের সংখ্যা ১৯১৫ (পৃ. ২০৩-২০৪)।
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Machines}}
[[বিষয়শ্রেণী:প্রযুক্তি]]
8gwkk9z8d6h2pazg4c9e51u3dmgo7nk
75448
75447
2026-04-10T18:32:24Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
75448
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:যন্ত্র|যন্ত্র]]''' হলো এক বা একাধিক অংশ নিয়ে গঠিত একটি সরঞ্জাম যা কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৈরি করা হয়। যন্ত্র হলো শক্তিচালিত সরঞ্জাম, যা সাধারণত যান্ত্রিক, রাসায়নিক, তাপীয় বা বৈদ্যুতিকভাবে চালিত হয় এবং প্রায়শই মোটরচালিত হয়ে থাকে। ঐতিহাসিকভাবে, কোনো সরঞ্জামকে যন্ত্র হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করার জন্য তাতে চলমান অংশের প্রয়োজন হতো; তবে, ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তির আবির্ভাবের ফলে এমন সব সরঞ্জামের বিকাশ ঘটেছে যেগুলোতে কোনো চলমান অংশ নেই, কিন্তু সেগুলোকে যন্ত্র হিসেবে গণ্য করা হয়। বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে যন্ত্র হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি বা উপায়, যার মাধ্যমে বল প্রয়োগে কোনো কাজ করা যায়।
== উক্তি ==
* [[সমুদ্র]] এমত বিস্তৃত যে কতক দূর গেলে পর আর তীর দেখা যায় না; অথচ জাহাজের লোক পথ হারা হয় না। তাহার কারণ এই যে, জাহাজে কোম্পাস নামে একটা যন্ত্র থাকে; ঐ যন্ত্রে একটী সূচী আছে; জাহাজ যে মুখে যাউক না কেন, সেই সূচী সর্ব্বদাই উত্তর মুখে থাকে। উহা দেখিয়া নাবিকেরা দিক্ নির্ণয় করে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], জল—সমুদ্র—নদী, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭২-৭৩
* অণুবীক্ষণ নামে এক রকম যন্ত্র আছে, যাহাতে ছোট জিনিষকে বড় করিয়া দেখায়; বড় জিনিষকে ছোট দেখাইবার নিমিত্ত উপায় পদার্থবিদ্যাশাস্ত্রে নির্দিষ্ট থাকিলেও, ঐ উদ্দেশ্যে নির্ম্মিত কোন যন্ত্র আমাদের মধ্যে সর্ব্বদা ব্যবহৃত হয় না।
** [[রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী]], চরিত-কথা - রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, প্রকাশক- নববিভাকর যন্ত্র, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩
* মানুষের সকলরকম কাজে যেসমস্ত তৈজস বা বাসনপত্রের দরকার হয়, তাহার সমস্তই খনিজ জিনিসের তৈয়ারি। সেই-সমস্ত জিনিস সংগ্রহ করিয়া তাহাকে কাজের উপযোগী করিয়া গড়িতেও লোহার দরকার হয়। ঘরের দরজা জানলা, কড়ি বরগা, আসবাবপত্র, এ-সমস্ত কাঠের তৈয়ারি হইতে পারে, কিন্তু সেই কাঠকে কাটিয়া চিরিয়া চাঁচিয়া ঘষিয়া দরকারমতো গড়িয়া লইবার জন্য পদে পদেই লোহার কুড়াল করাত র্যাঁদা বাটালি প্রভৃতি যন্ত্রের দরকার হয়।
** [[সুকুমার রায়]], লোহা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৯
* একটী জীবন যন্ত্র বিকল হইলে<br>মিলিত ললিত তান<br>নীরব হয় সে গান,<br>জীবন বীণার তার বাজে নাগো আর,<br>ভগ্নস্বরে একা করি মৃদুল ঝঙ্কার।
** [[প্রসন্নময়ী দেবী]], স্নেহোপহার, নীহারিকা - প্রসন্নময়ী দেবী, প্রকাশক- এস্ কে্ লাহিড়ী কোং, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩
* লৌহ জিনিষটা সুলভ হইলেও ইহাকে বিশুদ্ধ অবস্থায় সংগ্রহ করা বড় কঠিন। অথচ বিশুদ্ধ লৌহের যথেষ্ট প্রয়োজন আছে। সাধারণ লৌহে তার প্রস্তুত করিতে গেলে, যে শ্রম লাগে, বিশুদ্ধ লৌহ লইয়া কার্য করিলে তাহার শতাংশ শ্রমেরও আবশ্যক হয় না। তা ছাড়া বৈদ্যুতিক যন্ত্রাদিতে এই প্রকার লৌহের চুম্বক ব্যবহার করিলে অল্প শক্তিতে অনেক কাজ আদায় করা যাইতে পারে। জর্ম্মানির লিপ্জিক্ (Leipsic) নগরের কারখানায় যে বিশুদ্ধ লৌহ প্রস্তুত করা হইতেছে, তাহা দ্বারা আজকাল অনেক যন্ত্রাদি নির্ম্মাণ করিয়া পরীক্ষা চলিতেছে। সাধারণ যন্ত্রের তুলনায় বিশুদ্ধ লৌহনির্ম্মিত কলে প্রায় আড়াই গুণ অধিক কাজ পাওয়া যাইতেছে। ইহা কম লাভের কথা নয়!
** [[জগদানন্দ রায়]], রসায়নীবিদ্যার উন্নতি, প্রাকৃতিকী- জগদানন্দ রায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল- ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩২১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* শাস্ত্রকারেরা কচ্ছপী বীণাকেই বাগ্দেবী সরস্বতীর হাতের যন্ত্র বলিয়া ব্যাখ্যা করেন; আমাদিগের বর্ণ্যমান কচ্ছপী বীণাটীতে যে সাতটী তার আবদ্ধ আছে, তন্মধ্যে চারিটী লৌহের এবং তিনটী পিত্তলের। যথা—<br>একচিহ্ন-বিশিষ্ট লৌহতারটীকে নায়কী অথবা প্রধান তার বলে। নায়কী তারটী লৌহনির্ম্মিত, সুতরাং অতি দৃঢ় বলিয়া বাদনকালে ইহারই বিশেষ প্রয়োজন হইয়া থাকে। এই তারটী সচরাচর উদারা সপ্তকের মধ্যম করিয়া বাঁধা যায়। দুই ও তিনচিহ্নবিশিষ্ট পিত্তল তারদ্বয় উদারা সপ্তকের ষড়্জ, চারিচিহ্নবিশিষ্ট লৌহ তারটী উদারার পঞ্চম, পাঁচচিহ্নবিশিষ্ট পিত্তলতার নিম্নসপ্তকের ষড়্জ, ছয়চিহ্নবিশিষ্ট লৌহতার মুদারার ষড়্জ ও সাতচিহ্নবিশিষ্ট লৌহতারটী মুদারার পঞ্চম করিয়া বাঁধার রীতি আছে।
** শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর, যন্ত্রকোষ- শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৮২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮-১৯
*সমস্ত জাহাজটা যেন একটা প্রকাণ্ড বৈদ্যুতিক কারখানা। সেই বিদ্যুতে জাহাজ চলে এবং জাহাজের বাতি জ্বালা রান্না করা পর্যন্ত সমস্ত কাজ হয়। জাহাজের কাপ্তান কোথায়? ঐ যে তিনি জাহাজের টুপির নীচে বসিয়া দিকবীক্ষণ যন্ত্র দিয়া চারিদিক দেখিতেছেন।
** [[সুকুমার রায়]], ডুবুরী জাহাজ, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫৬
* সবে মাত্র তুমি যন্ত্রী, যন্ত্র আমরা তন্ত্রে চলি।<br>তুমি যেমন্ রাখ তেম্নি থাকি, যেমন্ বলাও তেম্নি ৰলি।৷
** [[কমলাকান্ত ভট্টাচার্য]], কমলাকান্ত-পদাবলি- কমলাকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৯২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৭
* লৌহ সকল ধাতু অপেক্ষা অধিক কার্য্যোপযোগী। এই ধাতুতে লাঙ্গলের ফাল, কোদাল,ক্যাস্তয়া প্রভৃতি কৃষি কার্য্যের যন্ত্র সকল নিৰ্মাণ করে। ছুরী, কাঁচী, কুড়াল, খন্তা, কাটারি, চবিকুলুপ, শিকল, পেরেক, ছূচ, হাতা বেড়ী, কড়া, হাতুড়ি ইত্যাদি যে সকল বস্তু সর্ব্বদা প্রয়োজনে লাগে সে সমুদয় লৌহে নির্ম্মিত। ইহা ভিন্ন নানা বিধ অস্ত্র শস্ত্রও লৌহে নির্ম্মাণ করিয়া থাকে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], ধাতু, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৯
* আমি নিজে ক্ষুদ্রাকারে হইলেও একজন শিল্প ব্যবসায়ী, সুতরাং প্রথমতঃ আমি এই আদিম যুগের যন্ত্রটির প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশই করিয়াছিলাম। কিন্তু বিশেষ চিন্তার পর আমি বুঝিতে পারিলাম—প্রত্যেক গৃহস্থের পক্ষে এই চরকা কত উপকারী, অবসর সময়ে এই চরকায় কত কাজ হইতে পারে। ভারতের যে সব লক্ষ লক্ষ লোক অতি কষ্টে অনশনে অর্দ্ধাশনে জীবন যাপন করে, তাহাদের পক্ষে এই চরকা জীবিকার্জনের একমাত্র গৌণ উপায়।
* মানুষের যে-কোনো অস্ত্র বা যে-কোনো যন্ত্র বল- বড়ো-বড়ো কামান, এঞ্জিন বা মোটর হইতে লাঙল কোদাল কাঁটা পেরেক পর্যন্ত- সবটাতেই লোহার দরকার হয়। যার মধ্যে লোহা নাই এমনও অসংখ্য জিনিস তৈয়ারি করিবার সময়ে লোহার যন্ত্র ব্যবহার করিতে হয়। যে জিনিসে তাহারও দরকার হয় না, যেমন অনেক ডাক্তারি ওষুধ, সেখানেও অনেক সময়েই কয়লার চুল্লি জ্বালিতে হয় এবং সেই কয়লা ডাঙিয়া উঠাইবার জন্য খনিতে লোহার কোদাল আর অনেক কলকব্জার দরকার হয়।
** [[সুকুমার রায়]], লোহা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৯
*বড় দূরবীণে যেখানে কয়েকটি মাত্র নক্ষত্র দেখা গিয়াছিল, দূরবীণ দিয়া সেখানকার ফোটোগ্রাফের ছবি তুলিতে গিয়া, জ্যোতিষীরা ছবিতে হাজার হাজার নূতন নক্ষত্র ফুটিয়া উঠিতে দেখিতেছেন। কাজেই হয় ত কোনো দিন আর এক রকম যন্ত্র দিয়া দেখিয়া জ্যোতিষীরা বলিবেন, নক্ষত্রদের সংখ্যা পঞ্চাশ কোটি নয়,—এক শত কোটি। নক্ষত্রদের সত্যই সংখ্যা হয় না!
**[[জগদানন্দ রায়]] - গ্রহ-নক্ষত্র, নক্ষত্রদের সংখ্যা ১৯১৫ (পৃ. ২০৩-২০৪)।
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Machines}}
[[বিষয়শ্রেণী:প্রযুক্তি]]
7dl5nwptbk6bzwg5gnvsnfd4bufhaqu
75550
75448
2026-04-11T05:07:37Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উদ্ধৃতি যোগ
75550
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:যন্ত্র|যন্ত্র]]''' হলো এক বা একাধিক অংশ নিয়ে গঠিত একটি সরঞ্জাম যা কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৈরি করা হয়। যন্ত্র হলো শক্তিচালিত সরঞ্জাম, যা সাধারণত যান্ত্রিক, রাসায়নিক, তাপীয় বা বৈদ্যুতিকভাবে চালিত হয় এবং প্রায়শই মোটরচালিত হয়ে থাকে। ঐতিহাসিকভাবে, কোনো সরঞ্জামকে যন্ত্র হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করার জন্য তাতে চলমান অংশের প্রয়োজন হতো; তবে, ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তির আবির্ভাবের ফলে এমন সব সরঞ্জামের বিকাশ ঘটেছে যেগুলোতে কোনো চলমান অংশ নেই, কিন্তু সেগুলোকে যন্ত্র হিসেবে গণ্য করা হয়। বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে যন্ত্র হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি বা উপায়, যার মাধ্যমে বল প্রয়োগে কোনো কাজ করা যায়।
== উক্তি ==
* [[সমুদ্র]] এমত বিস্তৃত যে কতক দূর গেলে পর আর তীর দেখা যায় না; অথচ জাহাজের লোক পথ হারা হয় না। তাহার কারণ এই যে, জাহাজে কোম্পাস নামে একটা যন্ত্র থাকে; ঐ যন্ত্রে একটী সূচী আছে; জাহাজ যে মুখে যাউক না কেন, সেই সূচী সর্ব্বদাই উত্তর মুখে থাকে। উহা দেখিয়া নাবিকেরা দিক্ নির্ণয় করে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], জল—সমুদ্র—নদী, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭২-৭৩
* অণুবীক্ষণ নামে এক রকম যন্ত্র আছে, যাহাতে ছোট জিনিষকে বড় করিয়া দেখায়; বড় জিনিষকে ছোট দেখাইবার নিমিত্ত উপায় পদার্থবিদ্যাশাস্ত্রে নির্দিষ্ট থাকিলেও, ঐ উদ্দেশ্যে নির্ম্মিত কোন যন্ত্র আমাদের মধ্যে সর্ব্বদা ব্যবহৃত হয় না।
** [[রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী]], চরিত-কথা - রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, প্রকাশক- নববিভাকর যন্ত্র, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩
* মানুষের সকলরকম কাজে যেসমস্ত তৈজস বা বাসনপত্রের দরকার হয়, তাহার সমস্তই খনিজ জিনিসের তৈয়ারি। সেই-সমস্ত জিনিস সংগ্রহ করিয়া তাহাকে কাজের উপযোগী করিয়া গড়িতেও লোহার দরকার হয়। ঘরের দরজা জানলা, কড়ি বরগা, আসবাবপত্র, এ-সমস্ত কাঠের তৈয়ারি হইতে পারে, কিন্তু সেই কাঠকে কাটিয়া চিরিয়া চাঁচিয়া ঘষিয়া দরকারমতো গড়িয়া লইবার জন্য পদে পদেই লোহার কুড়াল করাত র্যাঁদা বাটালি প্রভৃতি যন্ত্রের দরকার হয়।
** [[সুকুমার রায়]], লোহা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৯
* একটী জীবন যন্ত্র বিকল হইলে<br>মিলিত ললিত তান<br>নীরব হয় সে গান,<br>জীবন বীণার তার বাজে নাগো আর,<br>ভগ্নস্বরে একা করি মৃদুল ঝঙ্কার।
** [[প্রসন্নময়ী দেবী]], স্নেহোপহার, নীহারিকা - প্রসন্নময়ী দেবী, প্রকাশক- এস্ কে্ লাহিড়ী কোং, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩
* লৌহ জিনিষটা সুলভ হইলেও ইহাকে বিশুদ্ধ অবস্থায় সংগ্রহ করা বড় কঠিন। অথচ বিশুদ্ধ লৌহের যথেষ্ট প্রয়োজন আছে। সাধারণ লৌহে তার প্রস্তুত করিতে গেলে, যে শ্রম লাগে, বিশুদ্ধ লৌহ লইয়া কার্য করিলে তাহার শতাংশ শ্রমেরও আবশ্যক হয় না। তা ছাড়া বৈদ্যুতিক যন্ত্রাদিতে এই প্রকার লৌহের চুম্বক ব্যবহার করিলে অল্প শক্তিতে অনেক কাজ আদায় করা যাইতে পারে। জর্ম্মানির লিপ্জিক্ (Leipsic) নগরের কারখানায় যে বিশুদ্ধ লৌহ প্রস্তুত করা হইতেছে, তাহা দ্বারা আজকাল অনেক যন্ত্রাদি নির্ম্মাণ করিয়া পরীক্ষা চলিতেছে। সাধারণ যন্ত্রের তুলনায় বিশুদ্ধ লৌহনির্ম্মিত কলে প্রায় আড়াই গুণ অধিক কাজ পাওয়া যাইতেছে। ইহা কম লাভের কথা নয়!
** [[জগদানন্দ রায়]], রসায়নীবিদ্যার উন্নতি, প্রাকৃতিকী- জগদানন্দ রায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল- ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩২১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* শাস্ত্রকারেরা কচ্ছপী বীণাকেই বাগ্দেবী সরস্বতীর হাতের যন্ত্র বলিয়া ব্যাখ্যা করেন; আমাদিগের বর্ণ্যমান কচ্ছপী বীণাটীতে যে সাতটী তার আবদ্ধ আছে, তন্মধ্যে চারিটী লৌহের এবং তিনটী পিত্তলের। যথা—<br>একচিহ্ন-বিশিষ্ট লৌহতারটীকে নায়কী অথবা প্রধান তার বলে। নায়কী তারটী লৌহনির্ম্মিত, সুতরাং অতি দৃঢ় বলিয়া বাদনকালে ইহারই বিশেষ প্রয়োজন হইয়া থাকে। এই তারটী সচরাচর উদারা সপ্তকের মধ্যম করিয়া বাঁধা যায়। দুই ও তিনচিহ্নবিশিষ্ট পিত্তল তারদ্বয় উদারা সপ্তকের ষড়্জ, চারিচিহ্নবিশিষ্ট লৌহ তারটী উদারার পঞ্চম, পাঁচচিহ্নবিশিষ্ট পিত্তলতার নিম্নসপ্তকের ষড়্জ, ছয়চিহ্নবিশিষ্ট লৌহতার মুদারার ষড়্জ ও সাতচিহ্নবিশিষ্ট লৌহতারটী মুদারার পঞ্চম করিয়া বাঁধার রীতি আছে।
** শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর, যন্ত্রকোষ- শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৮২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮-১৯
*সমস্ত জাহাজটা যেন একটা প্রকাণ্ড বৈদ্যুতিক কারখানা। সেই বিদ্যুতে জাহাজ চলে এবং জাহাজের বাতি জ্বালা রান্না করা পর্যন্ত সমস্ত কাজ হয়। জাহাজের কাপ্তান কোথায়? ঐ যে তিনি জাহাজের টুপির নীচে বসিয়া দিকবীক্ষণ যন্ত্র দিয়া চারিদিক দেখিতেছেন।
** [[সুকুমার রায়]], ডুবুরী জাহাজ, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫৬
* সবে মাত্র তুমি যন্ত্রী, যন্ত্র আমরা তন্ত্রে চলি।<br>তুমি যেমন্ রাখ তেম্নি থাকি, যেমন্ বলাও তেম্নি ৰলি।৷
** [[কমলাকান্ত ভট্টাচার্য]], কমলাকান্ত-পদাবলি- কমলাকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৯২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৭
* লৌহ সকল ধাতু অপেক্ষা অধিক কার্য্যোপযোগী। এই ধাতুতে লাঙ্গলের ফাল, কোদাল,ক্যাস্তয়া প্রভৃতি কৃষি কার্য্যের যন্ত্র সকল নিৰ্মাণ করে। ছুরী, কাঁচী, কুড়াল, খন্তা, কাটারি, চবিকুলুপ, শিকল, পেরেক, ছূচ, হাতা বেড়ী, কড়া, হাতুড়ি ইত্যাদি যে সকল বস্তু সর্ব্বদা প্রয়োজনে লাগে সে সমুদয় লৌহে নির্ম্মিত। ইহা ভিন্ন নানা বিধ অস্ত্র শস্ত্রও লৌহে নির্ম্মাণ করিয়া থাকে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], ধাতু, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৯
* আমি নিজে ক্ষুদ্রাকারে হইলেও একজন শিল্প ব্যবসায়ী, সুতরাং প্রথমতঃ আমি এই আদিম যুগের যন্ত্রটির প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশই করিয়াছিলাম। কিন্তু বিশেষ চিন্তার পর আমি বুঝিতে পারিলাম—প্রত্যেক গৃহস্থের পক্ষে এই চরকা কত উপকারী, অবসর সময়ে এই চরকায় কত কাজ হইতে পারে। ভারতের যে সব লক্ষ লক্ষ লোক অতি কষ্টে অনশনে অর্দ্ধাশনে জীবন যাপন করে, তাহাদের পক্ষে এই চরকা জীবিকার্জনের একমাত্র গৌণ উপায়।
** প্রফুল্লচন্দ্র রায়, চরকার বার্তা—কাটুনীর বিলাপ, দ্বাবিংশ পরিচ্ছেদ, আত্মচরিত- প্রফুল্লচন্দ্র রায়, প্রকাশক- ওরিয়েণ্ট বুক কোম্পানি, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪২
* মানুষের যে-কোনো অস্ত্র বা যে-কোনো যন্ত্র বল- বড়ো-বড়ো কামান, এঞ্জিন বা মোটর হইতে লাঙল কোদাল কাঁটা পেরেক পর্যন্ত- সবটাতেই লোহার দরকার হয়। যার মধ্যে লোহা নাই এমনও অসংখ্য জিনিস তৈয়ারি করিবার সময়ে লোহার যন্ত্র ব্যবহার করিতে হয়। যে জিনিসে তাহারও দরকার হয় না, যেমন অনেক ডাক্তারি ওষুধ, সেখানেও অনেক সময়েই কয়লার চুল্লি জ্বালিতে হয় এবং সেই কয়লা ডাঙিয়া উঠাইবার জন্য খনিতে লোহার কোদাল আর অনেক কলকব্জার দরকার হয়।
** [[সুকুমার রায়]], লোহা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৯
*বড় দূরবীণে যেখানে কয়েকটি মাত্র নক্ষত্র দেখা গিয়াছিল, দূরবীণ দিয়া সেখানকার ফোটোগ্রাফের ছবি তুলিতে গিয়া, জ্যোতিষীরা ছবিতে হাজার হাজার নূতন নক্ষত্র ফুটিয়া উঠিতে দেখিতেছেন। কাজেই হয় ত কোনো দিন আর এক রকম যন্ত্র দিয়া দেখিয়া জ্যোতিষীরা বলিবেন, নক্ষত্রদের সংখ্যা পঞ্চাশ কোটি নয়,—এক শত কোটি। নক্ষত্রদের সত্যই সংখ্যা হয় না!
**[[জগদানন্দ রায়]] - গ্রহ-নক্ষত্র, নক্ষত্রদের সংখ্যা ১৯১৫ (পৃ. ২০৩-২০৪)।
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Machines}}
[[বিষয়শ্রেণী:প্রযুক্তি]]
56tslhn8jt0ckves1er2q93znjbmyl0
75554
75550
2026-04-11T05:09:37Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
75554
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:যন্ত্র|যন্ত্র]]''' হলো এক বা একাধিক অংশ নিয়ে গঠিত একটি সরঞ্জাম যা কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৈরি করা হয়। যন্ত্র হলো শক্তিচালিত সরঞ্জাম, যা সাধারণত যান্ত্রিক, রাসায়নিক, তাপীয় বা বৈদ্যুতিকভাবে চালিত হয় এবং প্রায়শই মোটরচালিত হয়ে থাকে। ঐতিহাসিকভাবে, কোনো সরঞ্জামকে যন্ত্র হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করার জন্য তাতে চলমান অংশের প্রয়োজন হতো; তবে, ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তির আবির্ভাবের ফলে এমন সব সরঞ্জামের বিকাশ ঘটেছে যেগুলোতে কোনো চলমান অংশ নেই, কিন্তু সেগুলোকে যন্ত্র হিসেবে গণ্য করা হয়। বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে যন্ত্র হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি বা উপায়, যার মাধ্যমে বল প্রয়োগে কোনো কাজ করা যায়।
== উক্তি ==
* [[সমুদ্র]] এমত বিস্তৃত যে কতক দূর গেলে পর আর তীর দেখা যায় না; অথচ জাহাজের লোক পথ হারা হয় না। তাহার কারণ এই যে, জাহাজে কোম্পাস নামে একটা যন্ত্র থাকে; ঐ যন্ত্রে একটী সূচী আছে; জাহাজ যে মুখে যাউক না কেন, সেই সূচী সর্ব্বদাই উত্তর মুখে থাকে। উহা দেখিয়া নাবিকেরা দিক্ নির্ণয় করে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], জল—সমুদ্র—নদী, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭২-৭৩
* অণুবীক্ষণ নামে এক রকম যন্ত্র আছে, যাহাতে ছোট জিনিষকে বড় করিয়া দেখায়; বড় জিনিষকে ছোট দেখাইবার নিমিত্ত উপায় পদার্থবিদ্যাশাস্ত্রে নির্দিষ্ট থাকিলেও, ঐ উদ্দেশ্যে নির্ম্মিত কোন যন্ত্র আমাদের মধ্যে সর্ব্বদা ব্যবহৃত হয় না।
** [[রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী]], চরিত-কথা - রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, প্রকাশক- নববিভাকর যন্ত্র, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩
* মানুষের সকলরকম কাজে যেসমস্ত তৈজস বা বাসনপত্রের দরকার হয়, তাহার সমস্তই খনিজ জিনিসের তৈয়ারি। সেই-সমস্ত জিনিস সংগ্রহ করিয়া তাহাকে কাজের উপযোগী করিয়া গড়িতেও লোহার দরকার হয়। ঘরের দরজা জানলা, কড়ি বরগা, আসবাবপত্র, এ-সমস্ত কাঠের তৈয়ারি হইতে পারে, কিন্তু সেই কাঠকে কাটিয়া চিরিয়া চাঁচিয়া ঘষিয়া দরকারমতো গড়িয়া লইবার জন্য পদে পদেই লোহার কুড়াল করাত র্যাঁদা বাটালি প্রভৃতি যন্ত্রের দরকার হয়।
** [[সুকুমার রায়]], লোহা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৯
* একটী জীবন যন্ত্র বিকল হইলে<br>মিলিত ললিত তান<br>নীরব হয় সে গান,<br>জীবন বীণার তার বাজে নাগো আর,<br>ভগ্নস্বরে একা করি মৃদুল ঝঙ্কার।
** [[প্রসন্নময়ী দেবী]], স্নেহোপহার, নীহারিকা - প্রসন্নময়ী দেবী, প্রকাশক- এস্ কে্ লাহিড়ী কোং, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩
* লৌহ জিনিষটা সুলভ হইলেও ইহাকে বিশুদ্ধ অবস্থায় সংগ্রহ করা বড় কঠিন। অথচ বিশুদ্ধ লৌহের যথেষ্ট প্রয়োজন আছে। সাধারণ লৌহে তার প্রস্তুত করিতে গেলে, যে শ্রম লাগে, বিশুদ্ধ লৌহ লইয়া কার্য করিলে তাহার শতাংশ শ্রমেরও আবশ্যক হয় না। তা ছাড়া বৈদ্যুতিক যন্ত্রাদিতে এই প্রকার লৌহের চুম্বক ব্যবহার করিলে অল্প শক্তিতে অনেক কাজ আদায় করা যাইতে পারে। জর্ম্মানির লিপ্জিক্ (Leipsic) নগরের কারখানায় যে বিশুদ্ধ লৌহ প্রস্তুত করা হইতেছে, তাহা দ্বারা আজকাল অনেক যন্ত্রাদি নির্ম্মাণ করিয়া পরীক্ষা চলিতেছে। সাধারণ যন্ত্রের তুলনায় বিশুদ্ধ লৌহনির্ম্মিত কলে প্রায় আড়াই গুণ অধিক কাজ পাওয়া যাইতেছে। ইহা কম লাভের কথা নয়!
** [[জগদানন্দ রায়]], রসায়নীবিদ্যার উন্নতি, প্রাকৃতিকী- জগদানন্দ রায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল- ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩২১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* শাস্ত্রকারেরা কচ্ছপী বীণাকেই বাগ্দেবী সরস্বতীর হাতের যন্ত্র বলিয়া ব্যাখ্যা করেন; আমাদিগের বর্ণ্যমান কচ্ছপী বীণাটীতে যে সাতটী তার আবদ্ধ আছে, তন্মধ্যে চারিটী লৌহের এবং তিনটী পিত্তলের। যথা—<br>একচিহ্ন-বিশিষ্ট লৌহতারটীকে নায়কী অথবা প্রধান তার বলে। নায়কী তারটী লৌহনির্ম্মিত, সুতরাং অতি দৃঢ় বলিয়া বাদনকালে ইহারই বিশেষ প্রয়োজন হইয়া থাকে। এই তারটী সচরাচর উদারা সপ্তকের মধ্যম করিয়া বাঁধা যায়। দুই ও তিনচিহ্নবিশিষ্ট পিত্তল তারদ্বয় উদারা সপ্তকের ষড়্জ, চারিচিহ্নবিশিষ্ট লৌহ তারটী উদারার পঞ্চম, পাঁচচিহ্নবিশিষ্ট পিত্তলতার নিম্নসপ্তকের ষড়্জ, ছয়চিহ্নবিশিষ্ট লৌহতার মুদারার ষড়্জ ও সাতচিহ্নবিশিষ্ট লৌহতারটী মুদারার পঞ্চম করিয়া বাঁধার রীতি আছে।
** শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর, যন্ত্রকোষ- শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৮২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮-১৯
*সমস্ত জাহাজটা যেন একটা প্রকাণ্ড বৈদ্যুতিক কারখানা। সেই বিদ্যুতে জাহাজ চলে এবং জাহাজের বাতি জ্বালা রান্না করা পর্যন্ত সমস্ত কাজ হয়। জাহাজের কাপ্তান কোথায়? ঐ যে তিনি জাহাজের টুপির নীচে বসিয়া দিকবীক্ষণ যন্ত্র দিয়া চারিদিক দেখিতেছেন।
** [[সুকুমার রায়]], ডুবুরী জাহাজ, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫৬
* সবে মাত্র তুমি যন্ত্রী, যন্ত্র আমরা তন্ত্রে চলি।<br>তুমি যেমন্ রাখ তেম্নি থাকি, যেমন্ বলাও তেম্নি ৰলি।৷
** [[কমলাকান্ত ভট্টাচার্য]], কমলাকান্ত-পদাবলি- কমলাকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৯২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৭
* লৌহ সকল ধাতু অপেক্ষা অধিক কার্য্যোপযোগী। এই ধাতুতে লাঙ্গলের ফাল, কোদাল,ক্যাস্তয়া প্রভৃতি কৃষি কার্য্যের যন্ত্র সকল নিৰ্মাণ করে। ছুরী, কাঁচী, কুড়াল, খন্তা, কাটারি, চবিকুলুপ, শিকল, পেরেক, ছূচ, হাতা বেড়ী, কড়া, হাতুড়ি ইত্যাদি যে সকল বস্তু সর্ব্বদা প্রয়োজনে লাগে সে সমুদয় লৌহে নির্ম্মিত। ইহা ভিন্ন নানা বিধ অস্ত্র শস্ত্রও লৌহে নির্ম্মাণ করিয়া থাকে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], ধাতু, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৯
* আমি নিজে ক্ষুদ্রাকারে হইলেও একজন শিল্প ব্যবসায়ী, সুতরাং প্রথমতঃ আমি এই আদিম যুগের যন্ত্রটির প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশই করিয়াছিলাম। কিন্তু বিশেষ চিন্তার পর আমি বুঝিতে পারিলাম—প্রত্যেক গৃহস্থের পক্ষে এই চরকা কত উপকারী, অবসর সময়ে এই চরকায় কত কাজ হইতে পারে। ভারতের যে সব লক্ষ লক্ষ লোক অতি কষ্টে অনশনে অর্দ্ধাশনে জীবন যাপন করে, তাহাদের পক্ষে এই চরকা জীবিকার্জনের একমাত্র গৌণ উপায়।
** প্রফুল্লচন্দ্র রায়, চরকার বার্তা—কাটুনীর বিলাপ, দ্বাবিংশ পরিচ্ছেদ, আত্মচরিত- প্রফুল্লচন্দ্র রায়, প্রকাশক- ওরিয়েণ্ট বুক কোম্পানি, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪২
* মানুষের যে-কোনো অস্ত্র বা যে-কোনো যন্ত্র বল- বড়ো-বড়ো কামান, এঞ্জিন বা মোটর হইতে লাঙল কোদাল কাঁটা পেরেক পর্যন্ত- সবটাতেই লোহার দরকার হয়। যার মধ্যে লোহা নাই এমনও অসংখ্য জিনিস তৈয়ারি করিবার সময়ে লোহার যন্ত্র ব্যবহার করিতে হয়। যে জিনিসে তাহারও দরকার হয় না, যেমন অনেক ডাক্তারি ওষুধ, সেখানেও অনেক সময়েই কয়লার চুল্লি জ্বালিতে হয় এবং সেই কয়লা ডাঙিয়া উঠাইবার জন্য খনিতে লোহার কোদাল আর অনেক কলকব্জার দরকার হয়।
** [[সুকুমার রায়]], লোহা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৯
*বড় দূরবীণে যেখানে কয়েকটি মাত্র নক্ষত্র দেখা গিয়াছিল, দূরবীণ দিয়া সেখানকার ফোটোগ্রাফের ছবি তুলিতে গিয়া, জ্যোতিষীরা ছবিতে হাজার হাজার নূতন নক্ষত্র ফুটিয়া উঠিতে দেখিতেছেন। কাজেই হয় ত কোনো দিন আর এক রকম যন্ত্র দিয়া দেখিয়া জ্যোতিষীরা বলিবেন, নক্ষত্রদের সংখ্যা পঞ্চাশ কোটি নয়,—এক শত কোটি। নক্ষত্রদের সত্যই সংখ্যা হয় না!
**[[জগদানন্দ রায়]] - গ্রহ-নক্ষত্র, নক্ষত্রদের সংখ্যা ১৯১৫ (পৃ. ২০৩-২০৪)।
* “হিন্দুস্থানে প্রীতিকর কিছু নেই বললেই হয়। অধিবাসীরা দেখতে সুশ্রী নয়। বন্ধুবান্ধবের সম্মিলন অথবা অবাধ মেলামেশার আনন্দের সঙ্গে তারা অপরিচিত। তাদের প্রতিভা নেই, মনের বিচার-বিবেচনার শক্তি নেই, ব্যবহারে ভদ্রতা নেই, লোকের প্রতি সহানভূতি অথবা সদয়ভাব নেই, যন্ত্রের সাহায্যে অথবা অন্যরূপে শিল্পকলার উন্নতি করার কোনো ক্ষমতা নেই, স্থাপত্যবিদ্যার জ্ঞান অথবা নৈপুণ্য নেই। তাদের ভালো ঘোড়া নেই, ভালো মাংস নেই, আঙুর অথবা খরমুজ নেই, ভালো ফল নেই, বরফ কিংবা ঠাণ্ডা জল নেই, ভালো খাবার নেই, বাজারে রুটি নেই, স্নানাগার নেই, বিদ্যাপীঠ নেই, মোমবাতি নেই, মশাল নেই, বাতিদান নেই।”
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Machines}}
[[বিষয়শ্রেণী:প্রযুক্তি]]
jf68m1c2ycluviykwqd2u8qsv9qggon
75555
75554
2026-04-11T05:10:03Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উদ্ধৃতি যোগ
75555
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:যন্ত্র|যন্ত্র]]''' হলো এক বা একাধিক অংশ নিয়ে গঠিত একটি সরঞ্জাম যা কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৈরি করা হয়। যন্ত্র হলো শক্তিচালিত সরঞ্জাম, যা সাধারণত যান্ত্রিক, রাসায়নিক, তাপীয় বা বৈদ্যুতিকভাবে চালিত হয় এবং প্রায়শই মোটরচালিত হয়ে থাকে। ঐতিহাসিকভাবে, কোনো সরঞ্জামকে যন্ত্র হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করার জন্য তাতে চলমান অংশের প্রয়োজন হতো; তবে, ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তির আবির্ভাবের ফলে এমন সব সরঞ্জামের বিকাশ ঘটেছে যেগুলোতে কোনো চলমান অংশ নেই, কিন্তু সেগুলোকে যন্ত্র হিসেবে গণ্য করা হয়। বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে যন্ত্র হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি বা উপায়, যার মাধ্যমে বল প্রয়োগে কোনো কাজ করা যায়।
== উক্তি ==
* [[সমুদ্র]] এমত বিস্তৃত যে কতক দূর গেলে পর আর তীর দেখা যায় না; অথচ জাহাজের লোক পথ হারা হয় না। তাহার কারণ এই যে, জাহাজে কোম্পাস নামে একটা যন্ত্র থাকে; ঐ যন্ত্রে একটী সূচী আছে; জাহাজ যে মুখে যাউক না কেন, সেই সূচী সর্ব্বদাই উত্তর মুখে থাকে। উহা দেখিয়া নাবিকেরা দিক্ নির্ণয় করে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], জল—সমুদ্র—নদী, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭২-৭৩
* অণুবীক্ষণ নামে এক রকম যন্ত্র আছে, যাহাতে ছোট জিনিষকে বড় করিয়া দেখায়; বড় জিনিষকে ছোট দেখাইবার নিমিত্ত উপায় পদার্থবিদ্যাশাস্ত্রে নির্দিষ্ট থাকিলেও, ঐ উদ্দেশ্যে নির্ম্মিত কোন যন্ত্র আমাদের মধ্যে সর্ব্বদা ব্যবহৃত হয় না।
** [[রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী]], চরিত-কথা - রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, প্রকাশক- নববিভাকর যন্ত্র, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩
* মানুষের সকলরকম কাজে যেসমস্ত তৈজস বা বাসনপত্রের দরকার হয়, তাহার সমস্তই খনিজ জিনিসের তৈয়ারি। সেই-সমস্ত জিনিস সংগ্রহ করিয়া তাহাকে কাজের উপযোগী করিয়া গড়িতেও লোহার দরকার হয়। ঘরের দরজা জানলা, কড়ি বরগা, আসবাবপত্র, এ-সমস্ত কাঠের তৈয়ারি হইতে পারে, কিন্তু সেই কাঠকে কাটিয়া চিরিয়া চাঁচিয়া ঘষিয়া দরকারমতো গড়িয়া লইবার জন্য পদে পদেই লোহার কুড়াল করাত র্যাঁদা বাটালি প্রভৃতি যন্ত্রের দরকার হয়।
** [[সুকুমার রায়]], লোহা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৯
* একটী জীবন যন্ত্র বিকল হইলে<br>মিলিত ললিত তান<br>নীরব হয় সে গান,<br>জীবন বীণার তার বাজে নাগো আর,<br>ভগ্নস্বরে একা করি মৃদুল ঝঙ্কার।
** [[প্রসন্নময়ী দেবী]], স্নেহোপহার, নীহারিকা - প্রসন্নময়ী দেবী, প্রকাশক- এস্ কে্ লাহিড়ী কোং, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩
* লৌহ জিনিষটা সুলভ হইলেও ইহাকে বিশুদ্ধ অবস্থায় সংগ্রহ করা বড় কঠিন। অথচ বিশুদ্ধ লৌহের যথেষ্ট প্রয়োজন আছে। সাধারণ লৌহে তার প্রস্তুত করিতে গেলে, যে শ্রম লাগে, বিশুদ্ধ লৌহ লইয়া কার্য করিলে তাহার শতাংশ শ্রমেরও আবশ্যক হয় না। তা ছাড়া বৈদ্যুতিক যন্ত্রাদিতে এই প্রকার লৌহের চুম্বক ব্যবহার করিলে অল্প শক্তিতে অনেক কাজ আদায় করা যাইতে পারে। জর্ম্মানির লিপ্জিক্ (Leipsic) নগরের কারখানায় যে বিশুদ্ধ লৌহ প্রস্তুত করা হইতেছে, তাহা দ্বারা আজকাল অনেক যন্ত্রাদি নির্ম্মাণ করিয়া পরীক্ষা চলিতেছে। সাধারণ যন্ত্রের তুলনায় বিশুদ্ধ লৌহনির্ম্মিত কলে প্রায় আড়াই গুণ অধিক কাজ পাওয়া যাইতেছে। ইহা কম লাভের কথা নয়!
** [[জগদানন্দ রায়]], রসায়নীবিদ্যার উন্নতি, প্রাকৃতিকী- জগদানন্দ রায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল- ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩২১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* শাস্ত্রকারেরা কচ্ছপী বীণাকেই বাগ্দেবী সরস্বতীর হাতের যন্ত্র বলিয়া ব্যাখ্যা করেন; আমাদিগের বর্ণ্যমান কচ্ছপী বীণাটীতে যে সাতটী তার আবদ্ধ আছে, তন্মধ্যে চারিটী লৌহের এবং তিনটী পিত্তলের। যথা—<br>একচিহ্ন-বিশিষ্ট লৌহতারটীকে নায়কী অথবা প্রধান তার বলে। নায়কী তারটী লৌহনির্ম্মিত, সুতরাং অতি দৃঢ় বলিয়া বাদনকালে ইহারই বিশেষ প্রয়োজন হইয়া থাকে। এই তারটী সচরাচর উদারা সপ্তকের মধ্যম করিয়া বাঁধা যায়। দুই ও তিনচিহ্নবিশিষ্ট পিত্তল তারদ্বয় উদারা সপ্তকের ষড়্জ, চারিচিহ্নবিশিষ্ট লৌহ তারটী উদারার পঞ্চম, পাঁচচিহ্নবিশিষ্ট পিত্তলতার নিম্নসপ্তকের ষড়্জ, ছয়চিহ্নবিশিষ্ট লৌহতার মুদারার ষড়্জ ও সাতচিহ্নবিশিষ্ট লৌহতারটী মুদারার পঞ্চম করিয়া বাঁধার রীতি আছে।
** শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর, যন্ত্রকোষ- শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৮২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮-১৯
*সমস্ত জাহাজটা যেন একটা প্রকাণ্ড বৈদ্যুতিক কারখানা। সেই বিদ্যুতে জাহাজ চলে এবং জাহাজের বাতি জ্বালা রান্না করা পর্যন্ত সমস্ত কাজ হয়। জাহাজের কাপ্তান কোথায়? ঐ যে তিনি জাহাজের টুপির নীচে বসিয়া দিকবীক্ষণ যন্ত্র দিয়া চারিদিক দেখিতেছেন।
** [[সুকুমার রায়]], ডুবুরী জাহাজ, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫৬
* সবে মাত্র তুমি যন্ত্রী, যন্ত্র আমরা তন্ত্রে চলি।<br>তুমি যেমন্ রাখ তেম্নি থাকি, যেমন্ বলাও তেম্নি ৰলি।৷
** [[কমলাকান্ত ভট্টাচার্য]], কমলাকান্ত-পদাবলি- কমলাকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৯২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৭
* লৌহ সকল ধাতু অপেক্ষা অধিক কার্য্যোপযোগী। এই ধাতুতে লাঙ্গলের ফাল, কোদাল,ক্যাস্তয়া প্রভৃতি কৃষি কার্য্যের যন্ত্র সকল নিৰ্মাণ করে। ছুরী, কাঁচী, কুড়াল, খন্তা, কাটারি, চবিকুলুপ, শিকল, পেরেক, ছূচ, হাতা বেড়ী, কড়া, হাতুড়ি ইত্যাদি যে সকল বস্তু সর্ব্বদা প্রয়োজনে লাগে সে সমুদয় লৌহে নির্ম্মিত। ইহা ভিন্ন নানা বিধ অস্ত্র শস্ত্রও লৌহে নির্ম্মাণ করিয়া থাকে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], ধাতু, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৯
* আমি নিজে ক্ষুদ্রাকারে হইলেও একজন শিল্প ব্যবসায়ী, সুতরাং প্রথমতঃ আমি এই আদিম যুগের যন্ত্রটির প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশই করিয়াছিলাম। কিন্তু বিশেষ চিন্তার পর আমি বুঝিতে পারিলাম—প্রত্যেক গৃহস্থের পক্ষে এই চরকা কত উপকারী, অবসর সময়ে এই চরকায় কত কাজ হইতে পারে। ভারতের যে সব লক্ষ লক্ষ লোক অতি কষ্টে অনশনে অর্দ্ধাশনে জীবন যাপন করে, তাহাদের পক্ষে এই চরকা জীবিকার্জনের একমাত্র গৌণ উপায়।
** প্রফুল্লচন্দ্র রায়, চরকার বার্তা—কাটুনীর বিলাপ, দ্বাবিংশ পরিচ্ছেদ, আত্মচরিত- প্রফুল্লচন্দ্র রায়, প্রকাশক- ওরিয়েণ্ট বুক কোম্পানি, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪২
* মানুষের যে-কোনো অস্ত্র বা যে-কোনো যন্ত্র বল- বড়ো-বড়ো কামান, এঞ্জিন বা মোটর হইতে লাঙল কোদাল কাঁটা পেরেক পর্যন্ত- সবটাতেই লোহার দরকার হয়। যার মধ্যে লোহা নাই এমনও অসংখ্য জিনিস তৈয়ারি করিবার সময়ে লোহার যন্ত্র ব্যবহার করিতে হয়। যে জিনিসে তাহারও দরকার হয় না, যেমন অনেক ডাক্তারি ওষুধ, সেখানেও অনেক সময়েই কয়লার চুল্লি জ্বালিতে হয় এবং সেই কয়লা ডাঙিয়া উঠাইবার জন্য খনিতে লোহার কোদাল আর অনেক কলকব্জার দরকার হয়।
** [[সুকুমার রায়]], লোহা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৯
*বড় দূরবীণে যেখানে কয়েকটি মাত্র নক্ষত্র দেখা গিয়াছিল, দূরবীণ দিয়া সেখানকার ফোটোগ্রাফের ছবি তুলিতে গিয়া, জ্যোতিষীরা ছবিতে হাজার হাজার নূতন নক্ষত্র ফুটিয়া উঠিতে দেখিতেছেন। কাজেই হয় ত কোনো দিন আর এক রকম যন্ত্র দিয়া দেখিয়া জ্যোতিষীরা বলিবেন, নক্ষত্রদের সংখ্যা পঞ্চাশ কোটি নয়,—এক শত কোটি। নক্ষত্রদের সত্যই সংখ্যা হয় না!
**[[জগদানন্দ রায়]] - গ্রহ-নক্ষত্র, নক্ষত্রদের সংখ্যা ১৯১৫ (পৃ. ২০৩-২০৪)।
* “হিন্দুস্থানে প্রীতিকর কিছু নেই বললেই হয়। অধিবাসীরা দেখতে সুশ্রী নয়। বন্ধুবান্ধবের সম্মিলন অথবা অবাধ মেলামেশার আনন্দের সঙ্গে তারা অপরিচিত। তাদের প্রতিভা নেই, মনের বিচার-বিবেচনার শক্তি নেই, ব্যবহারে ভদ্রতা নেই, লোকের প্রতি সহানভূতি অথবা সদয়ভাব নেই, যন্ত্রের সাহায্যে অথবা অন্যরূপে শিল্পকলার উন্নতি করার কোনো ক্ষমতা নেই, স্থাপত্যবিদ্যার জ্ঞান অথবা নৈপুণ্য নেই। তাদের ভালো ঘোড়া নেই, ভালো মাংস নেই, আঙুর অথবা খরমুজ নেই, ভালো ফল নেই, বরফ কিংবা ঠাণ্ডা জল নেই, ভালো খাবার নেই, বাজারে রুটি নেই, স্নানাগার নেই, বিদ্যাপীঠ নেই, মোমবাতি নেই, মশাল নেই, বাতিদান নেই।”
** [[জওহরলাল নেহেরু]], মোগল সম্রাট বাবরের ভারত-বর্ণনায়, বিশ্ব-ইতিহাস প্রসঙ্গ- জওহরলাল নেহরু, অনুবাদক- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৬৪-২৬৫
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Machines}}
[[বিষয়শ্রেণী:প্রযুক্তি]]
8m9iz3rjh0vcejmmlvrf4d6wcyrk4m8
75556
75555
2026-04-11T05:11:22Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
75556
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:যন্ত্র|যন্ত্র]]''' হলো এক বা একাধিক অংশ নিয়ে গঠিত একটি সরঞ্জাম যা কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৈরি করা হয়। যন্ত্র হলো শক্তিচালিত সরঞ্জাম, যা সাধারণত যান্ত্রিক, রাসায়নিক, তাপীয় বা বৈদ্যুতিকভাবে চালিত হয় এবং প্রায়শই মোটরচালিত হয়ে থাকে। ঐতিহাসিকভাবে, কোনো সরঞ্জামকে যন্ত্র হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করার জন্য তাতে চলমান অংশের প্রয়োজন হতো; তবে, ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তির আবির্ভাবের ফলে এমন সব সরঞ্জামের বিকাশ ঘটেছে যেগুলোতে কোনো চলমান অংশ নেই, কিন্তু সেগুলোকে যন্ত্র হিসেবে গণ্য করা হয়। বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে যন্ত্র হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি বা উপায়, যার মাধ্যমে বল প্রয়োগে কোনো কাজ করা যায়।
== উক্তি ==
* [[সমুদ্র]] এমত বিস্তৃত যে কতক দূর গেলে পর আর তীর দেখা যায় না; অথচ জাহাজের লোক পথ হারা হয় না। তাহার কারণ এই যে, জাহাজে কোম্পাস নামে একটা যন্ত্র থাকে; ঐ যন্ত্রে একটী সূচী আছে; জাহাজ যে মুখে যাউক না কেন, সেই সূচী সর্ব্বদাই উত্তর মুখে থাকে। উহা দেখিয়া নাবিকেরা দিক্ নির্ণয় করে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], জল—সমুদ্র—নদী, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭২-৭৩
* অণুবীক্ষণ নামে এক রকম যন্ত্র আছে, যাহাতে ছোট জিনিষকে বড় করিয়া দেখায়; বড় জিনিষকে ছোট দেখাইবার নিমিত্ত উপায় পদার্থবিদ্যাশাস্ত্রে নির্দিষ্ট থাকিলেও, ঐ উদ্দেশ্যে নির্ম্মিত কোন যন্ত্র আমাদের মধ্যে সর্ব্বদা ব্যবহৃত হয় না।
** [[রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী]], চরিত-কথা - রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, প্রকাশক- নববিভাকর যন্ত্র, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩
* মানুষের সকলরকম কাজে যেসমস্ত তৈজস বা বাসনপত্রের দরকার হয়, তাহার সমস্তই খনিজ জিনিসের তৈয়ারি। সেই-সমস্ত জিনিস সংগ্রহ করিয়া তাহাকে কাজের উপযোগী করিয়া গড়িতেও লোহার দরকার হয়। ঘরের দরজা জানলা, কড়ি বরগা, আসবাবপত্র, এ-সমস্ত কাঠের তৈয়ারি হইতে পারে, কিন্তু সেই কাঠকে কাটিয়া চিরিয়া চাঁচিয়া ঘষিয়া দরকারমতো গড়িয়া লইবার জন্য পদে পদেই লোহার কুড়াল করাত র্যাঁদা বাটালি প্রভৃতি যন্ত্রের দরকার হয়।
** [[সুকুমার রায়]], লোহা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৯
* একটী জীবন যন্ত্র বিকল হইলে<br>মিলিত ললিত তান<br>নীরব হয় সে গান,<br>জীবন বীণার তার বাজে নাগো আর,<br>ভগ্নস্বরে একা করি মৃদুল ঝঙ্কার।
** [[প্রসন্নময়ী দেবী]], স্নেহোপহার, নীহারিকা - প্রসন্নময়ী দেবী, প্রকাশক- এস্ কে্ লাহিড়ী কোং, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩
* লৌহ জিনিষটা সুলভ হইলেও ইহাকে বিশুদ্ধ অবস্থায় সংগ্রহ করা বড় কঠিন। অথচ বিশুদ্ধ লৌহের যথেষ্ট প্রয়োজন আছে। সাধারণ লৌহে তার প্রস্তুত করিতে গেলে, যে শ্রম লাগে, বিশুদ্ধ লৌহ লইয়া কার্য করিলে তাহার শতাংশ শ্রমেরও আবশ্যক হয় না। তা ছাড়া বৈদ্যুতিক যন্ত্রাদিতে এই প্রকার লৌহের চুম্বক ব্যবহার করিলে অল্প শক্তিতে অনেক কাজ আদায় করা যাইতে পারে। জর্ম্মানির লিপ্জিক্ (Leipsic) নগরের কারখানায় যে বিশুদ্ধ লৌহ প্রস্তুত করা হইতেছে, তাহা দ্বারা আজকাল অনেক যন্ত্রাদি নির্ম্মাণ করিয়া পরীক্ষা চলিতেছে। সাধারণ যন্ত্রের তুলনায় বিশুদ্ধ লৌহনির্ম্মিত কলে প্রায় আড়াই গুণ অধিক কাজ পাওয়া যাইতেছে। ইহা কম লাভের কথা নয়!
** [[জগদানন্দ রায়]], রসায়নীবিদ্যার উন্নতি, প্রাকৃতিকী- জগদানন্দ রায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল- ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩২১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* শাস্ত্রকারেরা কচ্ছপী বীণাকেই বাগ্দেবী সরস্বতীর হাতের যন্ত্র বলিয়া ব্যাখ্যা করেন; আমাদিগের বর্ণ্যমান কচ্ছপী বীণাটীতে যে সাতটী তার আবদ্ধ আছে, তন্মধ্যে চারিটী লৌহের এবং তিনটী পিত্তলের। যথা—<br>একচিহ্ন-বিশিষ্ট লৌহতারটীকে নায়কী অথবা প্রধান তার বলে। নায়কী তারটী লৌহনির্ম্মিত, সুতরাং অতি দৃঢ় বলিয়া বাদনকালে ইহারই বিশেষ প্রয়োজন হইয়া থাকে। এই তারটী সচরাচর উদারা সপ্তকের মধ্যম করিয়া বাঁধা যায়। দুই ও তিনচিহ্নবিশিষ্ট পিত্তল তারদ্বয় উদারা সপ্তকের ষড়্জ, চারিচিহ্নবিশিষ্ট লৌহ তারটী উদারার পঞ্চম, পাঁচচিহ্নবিশিষ্ট পিত্তলতার নিম্নসপ্তকের ষড়্জ, ছয়চিহ্নবিশিষ্ট লৌহতার মুদারার ষড়্জ ও সাতচিহ্নবিশিষ্ট লৌহতারটী মুদারার পঞ্চম করিয়া বাঁধার রীতি আছে।
** শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর, যন্ত্রকোষ- শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৮২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮-১৯
*সমস্ত জাহাজটা যেন একটা প্রকাণ্ড বৈদ্যুতিক কারখানা। সেই বিদ্যুতে জাহাজ চলে এবং জাহাজের বাতি জ্বালা রান্না করা পর্যন্ত সমস্ত কাজ হয়। জাহাজের কাপ্তান কোথায়? ঐ যে তিনি জাহাজের টুপির নীচে বসিয়া দিকবীক্ষণ যন্ত্র দিয়া চারিদিক দেখিতেছেন।
** [[সুকুমার রায়]], ডুবুরী জাহাজ, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫৬
* সবে মাত্র তুমি যন্ত্রী, যন্ত্র আমরা তন্ত্রে চলি।<br>তুমি যেমন্ রাখ তেম্নি থাকি, যেমন্ বলাও তেম্নি ৰলি।৷
** [[কমলাকান্ত ভট্টাচার্য]], কমলাকান্ত-পদাবলি- কমলাকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৯২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৭
* লৌহ সকল ধাতু অপেক্ষা অধিক কার্য্যোপযোগী। এই ধাতুতে লাঙ্গলের ফাল, কোদাল,ক্যাস্তয়া প্রভৃতি কৃষি কার্য্যের যন্ত্র সকল নিৰ্মাণ করে। ছুরী, কাঁচী, কুড়াল, খন্তা, কাটারি, চবিকুলুপ, শিকল, পেরেক, ছূচ, হাতা বেড়ী, কড়া, হাতুড়ি ইত্যাদি যে সকল বস্তু সর্ব্বদা প্রয়োজনে লাগে সে সমুদয় লৌহে নির্ম্মিত। ইহা ভিন্ন নানা বিধ অস্ত্র শস্ত্রও লৌহে নির্ম্মাণ করিয়া থাকে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], ধাতু, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৯
* আমি নিজে ক্ষুদ্রাকারে হইলেও একজন শিল্প ব্যবসায়ী, সুতরাং প্রথমতঃ আমি এই আদিম যুগের যন্ত্রটির প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশই করিয়াছিলাম। কিন্তু বিশেষ চিন্তার পর আমি বুঝিতে পারিলাম—প্রত্যেক গৃহস্থের পক্ষে এই চরকা কত উপকারী, অবসর সময়ে এই চরকায় কত কাজ হইতে পারে। ভারতের যে সব লক্ষ লক্ষ লোক অতি কষ্টে অনশনে অর্দ্ধাশনে জীবন যাপন করে, তাহাদের পক্ষে এই চরকা জীবিকার্জনের একমাত্র গৌণ উপায়।
** প্রফুল্লচন্দ্র রায়, চরকার বার্তা—কাটুনীর বিলাপ, দ্বাবিংশ পরিচ্ছেদ, আত্মচরিত- প্রফুল্লচন্দ্র রায়, প্রকাশক- ওরিয়েণ্ট বুক কোম্পানি, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪২
* মানুষের যে-কোনো অস্ত্র বা যে-কোনো যন্ত্র বল- বড়ো-বড়ো কামান, এঞ্জিন বা মোটর হইতে লাঙল কোদাল কাঁটা পেরেক পর্যন্ত- সবটাতেই লোহার দরকার হয়। যার মধ্যে লোহা নাই এমনও অসংখ্য জিনিস তৈয়ারি করিবার সময়ে লোহার যন্ত্র ব্যবহার করিতে হয়। যে জিনিসে তাহারও দরকার হয় না, যেমন অনেক ডাক্তারি ওষুধ, সেখানেও অনেক সময়েই কয়লার চুল্লি জ্বালিতে হয় এবং সেই কয়লা ডাঙিয়া উঠাইবার জন্য খনিতে লোহার কোদাল আর অনেক কলকব্জার দরকার হয়।
** [[সুকুমার রায়]], লোহা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৯
*বড় দূরবীণে যেখানে কয়েকটি মাত্র নক্ষত্র দেখা গিয়াছিল, দূরবীণ দিয়া সেখানকার ফোটোগ্রাফের ছবি তুলিতে গিয়া, জ্যোতিষীরা ছবিতে হাজার হাজার নূতন নক্ষত্র ফুটিয়া উঠিতে দেখিতেছেন। কাজেই হয় ত কোনো দিন আর এক রকম যন্ত্র দিয়া দেখিয়া জ্যোতিষীরা বলিবেন, নক্ষত্রদের সংখ্যা পঞ্চাশ কোটি নয়,—এক শত কোটি। নক্ষত্রদের সত্যই সংখ্যা হয় না!
**[[জগদানন্দ রায়]] - গ্রহ-নক্ষত্র, নক্ষত্রদের সংখ্যা ১৯১৫ (পৃ. ২০৩-২০৪)।
* “হিন্দুস্থানে প্রীতিকর কিছু নেই বললেই হয়। অধিবাসীরা দেখতে সুশ্রী নয়। বন্ধুবান্ধবের সম্মিলন অথবা অবাধ মেলামেশার আনন্দের সঙ্গে তারা অপরিচিত। তাদের প্রতিভা নেই, মনের বিচার-বিবেচনার শক্তি নেই, ব্যবহারে ভদ্রতা নেই, লোকের প্রতি সহানভূতি অথবা সদয়ভাব নেই, যন্ত্রের সাহায্যে অথবা অন্যরূপে শিল্পকলার উন্নতি করার কোনো ক্ষমতা নেই, স্থাপত্যবিদ্যার জ্ঞান অথবা নৈপুণ্য নেই। তাদের ভালো ঘোড়া নেই, ভালো মাংস নেই, আঙুর অথবা খরমুজ নেই, ভালো ফল নেই, বরফ কিংবা ঠাণ্ডা জল নেই, ভালো খাবার নেই, বাজারে রুটি নেই, স্নানাগার নেই, বিদ্যাপীঠ নেই, মোমবাতি নেই, মশাল নেই, বাতিদান নেই।”
** [[জওহরলাল নেহেরু]], মোগল সম্রাট বাবরের ভারত-বর্ণনায়, বিশ্ব-ইতিহাস প্রসঙ্গ- জওহরলাল নেহরু, অনুবাদক- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৬৪-২৬৫
*‘হরবোলা’ ছাড়াও একদল লোক আছে যারা নানারকম শব্দের নকল করে। তারা কিন্তু মুখে আওয়াজ করে না, কোনো জন্তু কিম্বা পাখির শব্দও নকল করে না, তাদের কাজই হচ্ছে অভিনয়ের সময় আড়াল থেকে নানারকম শব্দের নকল করে অভিনয়টাকে সত্যি ঘটনার মতো দেখাতে চেষ্টা করা। ঝড়-বৃষ্টির শব্দ, বাজ-পড়ার শব্দ, রেলের শব্দ, জাহাজের শব্দ, ঘোড়ার শব্দ, পায়ের শব্দ, বন্দুকের আওয়াজ, বাঘ সিংহের ডাক-এই-সবের আশ্চর্যরকম নকল এরা করতে পারে। অনেক মাথা খাটিয়ে সামান্য যন্ত্রের সাহায্যে এরা কতরকমের শব্দ নকল করে।
**[[সুকুমার রায়]] - সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, ১৯৬০ (পৃ. ২৮১-২৮২)।
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Machines}}
[[বিষয়শ্রেণী:প্রযুক্তি]]
ehhggj76r0xim808sxkpag3d2hgni4b
75557
75556
2026-04-11T05:13:28Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
75557
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:যন্ত্র|যন্ত্র]]''' হলো এক বা একাধিক অংশ নিয়ে গঠিত একটি সরঞ্জাম যা কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৈরি করা হয়। যন্ত্র হলো শক্তিচালিত সরঞ্জাম, যা সাধারণত যান্ত্রিক, রাসায়নিক, তাপীয় বা বৈদ্যুতিকভাবে চালিত হয় এবং প্রায়শই মোটরচালিত হয়ে থাকে। ঐতিহাসিকভাবে, কোনো সরঞ্জামকে যন্ত্র হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করার জন্য তাতে চলমান অংশের প্রয়োজন হতো; তবে, ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তির আবির্ভাবের ফলে এমন সব সরঞ্জামের বিকাশ ঘটেছে যেগুলোতে কোনো চলমান অংশ নেই, কিন্তু সেগুলোকে যন্ত্র হিসেবে গণ্য করা হয়। বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে যন্ত্র হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি বা উপায়, যার মাধ্যমে বল প্রয়োগে কোনো কাজ করা যায়।
== উক্তি ==
* [[সমুদ্র]] এমত বিস্তৃত যে কতক দূর গেলে পর আর তীর দেখা যায় না; অথচ জাহাজের লোক পথ হারা হয় না। তাহার কারণ এই যে, জাহাজে কোম্পাস নামে একটা যন্ত্র থাকে; ঐ যন্ত্রে একটী সূচী আছে; জাহাজ যে মুখে যাউক না কেন, সেই সূচী সর্ব্বদাই উত্তর মুখে থাকে। উহা দেখিয়া নাবিকেরা দিক্ নির্ণয় করে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], জল—সমুদ্র—নদী, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭২-৭৩
* অণুবীক্ষণ নামে এক রকম যন্ত্র আছে, যাহাতে ছোট জিনিষকে বড় করিয়া দেখায়; বড় জিনিষকে ছোট দেখাইবার নিমিত্ত উপায় পদার্থবিদ্যাশাস্ত্রে নির্দিষ্ট থাকিলেও, ঐ উদ্দেশ্যে নির্ম্মিত কোন যন্ত্র আমাদের মধ্যে সর্ব্বদা ব্যবহৃত হয় না।
** [[রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী]], চরিত-কথা - রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, প্রকাশক- নববিভাকর যন্ত্র, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩
* মানুষের সকলরকম কাজে যেসমস্ত তৈজস বা বাসনপত্রের দরকার হয়, তাহার সমস্তই খনিজ জিনিসের তৈয়ারি। সেই-সমস্ত জিনিস সংগ্রহ করিয়া তাহাকে কাজের উপযোগী করিয়া গড়িতেও লোহার দরকার হয়। ঘরের দরজা জানলা, কড়ি বরগা, আসবাবপত্র, এ-সমস্ত কাঠের তৈয়ারি হইতে পারে, কিন্তু সেই কাঠকে কাটিয়া চিরিয়া চাঁচিয়া ঘষিয়া দরকারমতো গড়িয়া লইবার জন্য পদে পদেই লোহার কুড়াল করাত র্যাঁদা বাটালি প্রভৃতি যন্ত্রের দরকার হয়।
** [[সুকুমার রায়]], লোহা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৯
* একটী জীবন যন্ত্র বিকল হইলে<br>মিলিত ললিত তান<br>নীরব হয় সে গান,<br>জীবন বীণার তার বাজে নাগো আর,<br>ভগ্নস্বরে একা করি মৃদুল ঝঙ্কার।
** [[প্রসন্নময়ী দেবী]], স্নেহোপহার, নীহারিকা - প্রসন্নময়ী দেবী, প্রকাশক- এস্ কে্ লাহিড়ী কোং, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩
* লৌহ জিনিষটা সুলভ হইলেও ইহাকে বিশুদ্ধ অবস্থায় সংগ্রহ করা বড় কঠিন। অথচ বিশুদ্ধ লৌহের যথেষ্ট প্রয়োজন আছে। সাধারণ লৌহে তার প্রস্তুত করিতে গেলে, যে শ্রম লাগে, বিশুদ্ধ লৌহ লইয়া কার্য করিলে তাহার শতাংশ শ্রমেরও আবশ্যক হয় না। তা ছাড়া বৈদ্যুতিক যন্ত্রাদিতে এই প্রকার লৌহের চুম্বক ব্যবহার করিলে অল্প শক্তিতে অনেক কাজ আদায় করা যাইতে পারে। জর্ম্মানির লিপ্জিক্ (Leipsic) নগরের কারখানায় যে বিশুদ্ধ লৌহ প্রস্তুত করা হইতেছে, তাহা দ্বারা আজকাল অনেক যন্ত্রাদি নির্ম্মাণ করিয়া পরীক্ষা চলিতেছে। সাধারণ যন্ত্রের তুলনায় বিশুদ্ধ লৌহনির্ম্মিত কলে প্রায় আড়াই গুণ অধিক কাজ পাওয়া যাইতেছে। ইহা কম লাভের কথা নয়!
** [[জগদানন্দ রায়]], রসায়নীবিদ্যার উন্নতি, প্রাকৃতিকী- জগদানন্দ রায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল- ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩২১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* শাস্ত্রকারেরা কচ্ছপী বীণাকেই বাগ্দেবী সরস্বতীর হাতের যন্ত্র বলিয়া ব্যাখ্যা করেন; আমাদিগের বর্ণ্যমান কচ্ছপী বীণাটীতে যে সাতটী তার আবদ্ধ আছে, তন্মধ্যে চারিটী লৌহের এবং তিনটী পিত্তলের। যথা—<br>একচিহ্ন-বিশিষ্ট লৌহতারটীকে নায়কী অথবা প্রধান তার বলে। নায়কী তারটী লৌহনির্ম্মিত, সুতরাং অতি দৃঢ় বলিয়া বাদনকালে ইহারই বিশেষ প্রয়োজন হইয়া থাকে। এই তারটী সচরাচর উদারা সপ্তকের মধ্যম করিয়া বাঁধা যায়। দুই ও তিনচিহ্নবিশিষ্ট পিত্তল তারদ্বয় উদারা সপ্তকের ষড়্জ, চারিচিহ্নবিশিষ্ট লৌহ তারটী উদারার পঞ্চম, পাঁচচিহ্নবিশিষ্ট পিত্তলতার নিম্নসপ্তকের ষড়্জ, ছয়চিহ্নবিশিষ্ট লৌহতার মুদারার ষড়্জ ও সাতচিহ্নবিশিষ্ট লৌহতারটী মুদারার পঞ্চম করিয়া বাঁধার রীতি আছে।
** শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর, যন্ত্রকোষ- শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৮২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮-১৯
*সমস্ত জাহাজটা যেন একটা প্রকাণ্ড বৈদ্যুতিক কারখানা। সেই বিদ্যুতে জাহাজ চলে এবং জাহাজের বাতি জ্বালা রান্না করা পর্যন্ত সমস্ত কাজ হয়। জাহাজের কাপ্তান কোথায়? ঐ যে তিনি জাহাজের টুপির নীচে বসিয়া দিকবীক্ষণ যন্ত্র দিয়া চারিদিক দেখিতেছেন।
** [[সুকুমার রায়]], ডুবুরী জাহাজ, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫৬
* সবে মাত্র তুমি যন্ত্রী, যন্ত্র আমরা তন্ত্রে চলি।<br>তুমি যেমন্ রাখ তেম্নি থাকি, যেমন্ বলাও তেম্নি ৰলি।৷
** [[কমলাকান্ত ভট্টাচার্য]], কমলাকান্ত-পদাবলি- কমলাকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৯২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৭
* লৌহ সকল ধাতু অপেক্ষা অধিক কার্য্যোপযোগী। এই ধাতুতে লাঙ্গলের ফাল, কোদাল,ক্যাস্তয়া প্রভৃতি কৃষি কার্য্যের যন্ত্র সকল নিৰ্মাণ করে। ছুরী, কাঁচী, কুড়াল, খন্তা, কাটারি, চবিকুলুপ, শিকল, পেরেক, ছূচ, হাতা বেড়ী, কড়া, হাতুড়ি ইত্যাদি যে সকল বস্তু সর্ব্বদা প্রয়োজনে লাগে সে সমুদয় লৌহে নির্ম্মিত। ইহা ভিন্ন নানা বিধ অস্ত্র শস্ত্রও লৌহে নির্ম্মাণ করিয়া থাকে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], ধাতু, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৯
* আমি নিজে ক্ষুদ্রাকারে হইলেও একজন শিল্প ব্যবসায়ী, সুতরাং প্রথমতঃ আমি এই আদিম যুগের যন্ত্রটির প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশই করিয়াছিলাম। কিন্তু বিশেষ চিন্তার পর আমি বুঝিতে পারিলাম—প্রত্যেক গৃহস্থের পক্ষে এই চরকা কত উপকারী, অবসর সময়ে এই চরকায় কত কাজ হইতে পারে। ভারতের যে সব লক্ষ লক্ষ লোক অতি কষ্টে অনশনে অর্দ্ধাশনে জীবন যাপন করে, তাহাদের পক্ষে এই চরকা জীবিকার্জনের একমাত্র গৌণ উপায়।
** প্রফুল্লচন্দ্র রায়, চরকার বার্তা—কাটুনীর বিলাপ, দ্বাবিংশ পরিচ্ছেদ, আত্মচরিত- প্রফুল্লচন্দ্র রায়, প্রকাশক- ওরিয়েণ্ট বুক কোম্পানি, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪২
* মানুষের যে-কোনো অস্ত্র বা যে-কোনো যন্ত্র বল- বড়ো-বড়ো কামান, এঞ্জিন বা মোটর হইতে লাঙল কোদাল কাঁটা পেরেক পর্যন্ত- সবটাতেই লোহার দরকার হয়। যার মধ্যে লোহা নাই এমনও অসংখ্য জিনিস তৈয়ারি করিবার সময়ে লোহার যন্ত্র ব্যবহার করিতে হয়। যে জিনিসে তাহারও দরকার হয় না, যেমন অনেক ডাক্তারি ওষুধ, সেখানেও অনেক সময়েই কয়লার চুল্লি জ্বালিতে হয় এবং সেই কয়লা ডাঙিয়া উঠাইবার জন্য খনিতে লোহার কোদাল আর অনেক কলকব্জার দরকার হয়।
** [[সুকুমার রায়]], লোহা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৯
*বড় দূরবীণে যেখানে কয়েকটি মাত্র নক্ষত্র দেখা গিয়াছিল, দূরবীণ দিয়া সেখানকার ফোটোগ্রাফের ছবি তুলিতে গিয়া, জ্যোতিষীরা ছবিতে হাজার হাজার নূতন নক্ষত্র ফুটিয়া উঠিতে দেখিতেছেন। কাজেই হয় ত কোনো দিন আর এক রকম যন্ত্র দিয়া দেখিয়া জ্যোতিষীরা বলিবেন, নক্ষত্রদের সংখ্যা পঞ্চাশ কোটি নয়,—এক শত কোটি। নক্ষত্রদের সত্যই সংখ্যা হয় না!
**[[জগদানন্দ রায়]] - গ্রহ-নক্ষত্র, নক্ষত্রদের সংখ্যা ১৯১৫ (পৃ. ২০৩-২০৪)।
* “হিন্দুস্থানে প্রীতিকর কিছু নেই বললেই হয়। অধিবাসীরা দেখতে সুশ্রী নয়। বন্ধুবান্ধবের সম্মিলন অথবা অবাধ মেলামেশার আনন্দের সঙ্গে তারা অপরিচিত। তাদের প্রতিভা নেই, মনের বিচার-বিবেচনার শক্তি নেই, ব্যবহারে ভদ্রতা নেই, লোকের প্রতি সহানভূতি অথবা সদয়ভাব নেই, যন্ত্রের সাহায্যে অথবা অন্যরূপে শিল্পকলার উন্নতি করার কোনো ক্ষমতা নেই, স্থাপত্যবিদ্যার জ্ঞান অথবা নৈপুণ্য নেই। তাদের ভালো ঘোড়া নেই, ভালো মাংস নেই, আঙুর অথবা খরমুজ নেই, ভালো ফল নেই, বরফ কিংবা ঠাণ্ডা জল নেই, ভালো খাবার নেই, বাজারে রুটি নেই, স্নানাগার নেই, বিদ্যাপীঠ নেই, মোমবাতি নেই, মশাল নেই, বাতিদান নেই।”
** [[জওহরলাল নেহেরু]], মোগল সম্রাট বাবরের ভারত-বর্ণনায়, বিশ্ব-ইতিহাস প্রসঙ্গ- জওহরলাল নেহরু, অনুবাদক- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৬৪-২৬৫
*‘হরবোলা’ ছাড়াও একদল লোক আছে যারা নানারকম শব্দের নকল করে। তারা কিন্তু মুখে আওয়াজ করে না, কোনো জন্তু কিম্বা পাখির শব্দও নকল করে না, তাদের কাজই হচ্ছে অভিনয়ের সময় আড়াল থেকে নানারকম শব্দের নকল করে অভিনয়টাকে সত্যি ঘটনার মতো দেখাতে চেষ্টা করা। ঝড়-বৃষ্টির শব্দ, বাজ-পড়ার শব্দ, রেলের শব্দ, জাহাজের শব্দ, ঘোড়ার শব্দ, পায়ের শব্দ, বন্দুকের আওয়াজ, বাঘ সিংহের ডাক-এই-সবের আশ্চর্যরকম নকল এরা করতে পারে। অনেক মাথা খাটিয়ে সামান্য যন্ত্রের সাহায্যে এরা কতরকমের শব্দ নকল করে।
**[[সুকুমার রায়]] - সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, ১৯৬০ (পৃ. ২৮১-২৮২)।
* যন্ত্র বাইরের গাছপালার ছাপ নেয়, আর আচার্য জগদীশচন্দ্রের কল গাছের ভিতরকার ব্যাপারের রেকর্ড তোলে, দুটোই কিন্তু কল, artist নয়; ধর, কোন উপায়ে যদি কল দুটোই বেঁচে উঠে কাজে লেগে যায় তা হ’লেও তারা কি artist, একথা বলাতে পারবে আপনাদের? চোখের সামনে সূর্যোদয় আর অতীত সমস্ত সূর্যোদয়ের স্মৃতিচিত্র (memory picture) দুয়ের মধ্যেও না হয় রং চংএর তফাৎ হ’ল, কিন্তু তাই বলে একটা আর্ট আর অন্যটা আর্ট নয়, স্মৃতির যথাযথ প্রতিলিপিই আর্ট, সামনের যথাযথটা আর্ট নয়, কিম্বা সামনেরটাই আর্ট আর মনেরটা ঠিক তার উল্টো জিনিষ, এ তর্ক উঠতেই পারে না, কেননা যথাযথ প্রতিলিপি, তা সে এ-পিঠেরই হোক বা ও-পিঠেরই হোক, সে কাপি, এবং যারা তা করছে তারা নকলই করছে, কেউ আসল গড়ছে না।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], মত ও মন্ত্র, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৯
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Machines}}
[[বিষয়শ্রেণী:প্রযুক্তি]]
axsfajfr3ki9x0emuya4m52dq22kxws
75558
75557
2026-04-11T05:15:45Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
75558
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:যন্ত্র|যন্ত্র]]''' হলো এক বা একাধিক অংশ নিয়ে গঠিত একটি সরঞ্জাম যা কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৈরি করা হয়। যন্ত্র হলো শক্তিচালিত সরঞ্জাম, যা সাধারণত যান্ত্রিক, রাসায়নিক, তাপীয় বা বৈদ্যুতিকভাবে চালিত হয় এবং প্রায়শই মোটরচালিত হয়ে থাকে। ঐতিহাসিকভাবে, কোনো সরঞ্জামকে যন্ত্র হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করার জন্য তাতে চলমান অংশের প্রয়োজন হতো; তবে, ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তির আবির্ভাবের ফলে এমন সব সরঞ্জামের বিকাশ ঘটেছে যেগুলোতে কোনো চলমান অংশ নেই, কিন্তু সেগুলোকে যন্ত্র হিসেবে গণ্য করা হয়। বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে যন্ত্র হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি বা উপায়, যার মাধ্যমে বল প্রয়োগে কোনো কাজ করা যায়।
== উক্তি ==
* [[সমুদ্র]] এমত বিস্তৃত যে কতক দূর গেলে পর আর তীর দেখা যায় না; অথচ জাহাজের লোক পথ হারা হয় না। তাহার কারণ এই যে, জাহাজে কোম্পাস নামে একটা যন্ত্র থাকে; ঐ যন্ত্রে একটী সূচী আছে; জাহাজ যে মুখে যাউক না কেন, সেই সূচী সর্ব্বদাই উত্তর মুখে থাকে। উহা দেখিয়া নাবিকেরা দিক্ নির্ণয় করে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], জল—সমুদ্র—নদী, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭২-৭৩
* অণুবীক্ষণ নামে এক রকম যন্ত্র আছে, যাহাতে ছোট জিনিষকে বড় করিয়া দেখায়; বড় জিনিষকে ছোট দেখাইবার নিমিত্ত উপায় পদার্থবিদ্যাশাস্ত্রে নির্দিষ্ট থাকিলেও, ঐ উদ্দেশ্যে নির্ম্মিত কোন যন্ত্র আমাদের মধ্যে সর্ব্বদা ব্যবহৃত হয় না।
** [[রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী]], চরিত-কথা - রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, প্রকাশক- নববিভাকর যন্ত্র, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩
* মানুষের সকলরকম কাজে যেসমস্ত তৈজস বা বাসনপত্রের দরকার হয়, তাহার সমস্তই খনিজ জিনিসের তৈয়ারি। সেই-সমস্ত জিনিস সংগ্রহ করিয়া তাহাকে কাজের উপযোগী করিয়া গড়িতেও লোহার দরকার হয়। ঘরের দরজা জানলা, কড়ি বরগা, আসবাবপত্র, এ-সমস্ত কাঠের তৈয়ারি হইতে পারে, কিন্তু সেই কাঠকে কাটিয়া চিরিয়া চাঁচিয়া ঘষিয়া দরকারমতো গড়িয়া লইবার জন্য পদে পদেই লোহার কুড়াল করাত র্যাঁদা বাটালি প্রভৃতি যন্ত্রের দরকার হয়।
** [[সুকুমার রায়]], লোহা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৯
* একটী জীবন যন্ত্র বিকল হইলে<br>মিলিত ললিত তান<br>নীরব হয় সে গান,<br>জীবন বীণার তার বাজে নাগো আর,<br>ভগ্নস্বরে একা করি মৃদুল ঝঙ্কার।
** [[প্রসন্নময়ী দেবী]], স্নেহোপহার, নীহারিকা - প্রসন্নময়ী দেবী, প্রকাশক- এস্ কে্ লাহিড়ী কোং, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩
* লৌহ জিনিষটা সুলভ হইলেও ইহাকে বিশুদ্ধ অবস্থায় সংগ্রহ করা বড় কঠিন। অথচ বিশুদ্ধ লৌহের যথেষ্ট প্রয়োজন আছে। সাধারণ লৌহে তার প্রস্তুত করিতে গেলে, যে শ্রম লাগে, বিশুদ্ধ লৌহ লইয়া কার্য করিলে তাহার শতাংশ শ্রমেরও আবশ্যক হয় না। তা ছাড়া বৈদ্যুতিক যন্ত্রাদিতে এই প্রকার লৌহের চুম্বক ব্যবহার করিলে অল্প শক্তিতে অনেক কাজ আদায় করা যাইতে পারে। জর্ম্মানির লিপ্জিক্ (Leipsic) নগরের কারখানায় যে বিশুদ্ধ লৌহ প্রস্তুত করা হইতেছে, তাহা দ্বারা আজকাল অনেক যন্ত্রাদি নির্ম্মাণ করিয়া পরীক্ষা চলিতেছে। সাধারণ যন্ত্রের তুলনায় বিশুদ্ধ লৌহনির্ম্মিত কলে প্রায় আড়াই গুণ অধিক কাজ পাওয়া যাইতেছে। ইহা কম লাভের কথা নয়!
** [[জগদানন্দ রায়]], রসায়নীবিদ্যার উন্নতি, প্রাকৃতিকী- জগদানন্দ রায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল- ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩২১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* শাস্ত্রকারেরা কচ্ছপী বীণাকেই বাগ্দেবী সরস্বতীর হাতের যন্ত্র বলিয়া ব্যাখ্যা করেন; আমাদিগের বর্ণ্যমান কচ্ছপী বীণাটীতে যে সাতটী তার আবদ্ধ আছে, তন্মধ্যে চারিটী লৌহের এবং তিনটী পিত্তলের। যথা—<br>একচিহ্ন-বিশিষ্ট লৌহতারটীকে নায়কী অথবা প্রধান তার বলে। নায়কী তারটী লৌহনির্ম্মিত, সুতরাং অতি দৃঢ় বলিয়া বাদনকালে ইহারই বিশেষ প্রয়োজন হইয়া থাকে। এই তারটী সচরাচর উদারা সপ্তকের মধ্যম করিয়া বাঁধা যায়। দুই ও তিনচিহ্নবিশিষ্ট পিত্তল তারদ্বয় উদারা সপ্তকের ষড়্জ, চারিচিহ্নবিশিষ্ট লৌহ তারটী উদারার পঞ্চম, পাঁচচিহ্নবিশিষ্ট পিত্তলতার নিম্নসপ্তকের ষড়্জ, ছয়চিহ্নবিশিষ্ট লৌহতার মুদারার ষড়্জ ও সাতচিহ্নবিশিষ্ট লৌহতারটী মুদারার পঞ্চম করিয়া বাঁধার রীতি আছে।
** শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর, যন্ত্রকোষ- শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৮২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮-১৯
*সমস্ত জাহাজটা যেন একটা প্রকাণ্ড বৈদ্যুতিক কারখানা। সেই বিদ্যুতে জাহাজ চলে এবং জাহাজের বাতি জ্বালা রান্না করা পর্যন্ত সমস্ত কাজ হয়। জাহাজের কাপ্তান কোথায়? ঐ যে তিনি জাহাজের টুপির নীচে বসিয়া দিকবীক্ষণ যন্ত্র দিয়া চারিদিক দেখিতেছেন।
** [[সুকুমার রায়]], ডুবুরী জাহাজ, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫৬
* সবে মাত্র তুমি যন্ত্রী, যন্ত্র আমরা তন্ত্রে চলি।<br>তুমি যেমন্ রাখ তেম্নি থাকি, যেমন্ বলাও তেম্নি ৰলি।৷
** [[কমলাকান্ত ভট্টাচার্য]], কমলাকান্ত-পদাবলি- কমলাকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৯২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৭
* লৌহ সকল ধাতু অপেক্ষা অধিক কার্য্যোপযোগী। এই ধাতুতে লাঙ্গলের ফাল, কোদাল,ক্যাস্তয়া প্রভৃতি কৃষি কার্য্যের যন্ত্র সকল নিৰ্মাণ করে। ছুরী, কাঁচী, কুড়াল, খন্তা, কাটারি, চবিকুলুপ, শিকল, পেরেক, ছূচ, হাতা বেড়ী, কড়া, হাতুড়ি ইত্যাদি যে সকল বস্তু সর্ব্বদা প্রয়োজনে লাগে সে সমুদয় লৌহে নির্ম্মিত। ইহা ভিন্ন নানা বিধ অস্ত্র শস্ত্রও লৌহে নির্ম্মাণ করিয়া থাকে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], ধাতু, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৯
* আমি নিজে ক্ষুদ্রাকারে হইলেও একজন শিল্প ব্যবসায়ী, সুতরাং প্রথমতঃ আমি এই আদিম যুগের যন্ত্রটির প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশই করিয়াছিলাম। কিন্তু বিশেষ চিন্তার পর আমি বুঝিতে পারিলাম—প্রত্যেক গৃহস্থের পক্ষে এই চরকা কত উপকারী, অবসর সময়ে এই চরকায় কত কাজ হইতে পারে। ভারতের যে সব লক্ষ লক্ষ লোক অতি কষ্টে অনশনে অর্দ্ধাশনে জীবন যাপন করে, তাহাদের পক্ষে এই চরকা জীবিকার্জনের একমাত্র গৌণ উপায়।
** প্রফুল্লচন্দ্র রায়, চরকার বার্তা—কাটুনীর বিলাপ, দ্বাবিংশ পরিচ্ছেদ, আত্মচরিত- প্রফুল্লচন্দ্র রায়, প্রকাশক- ওরিয়েণ্ট বুক কোম্পানি, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪২
* মানুষের যে-কোনো অস্ত্র বা যে-কোনো যন্ত্র বল- বড়ো-বড়ো কামান, এঞ্জিন বা মোটর হইতে লাঙল কোদাল কাঁটা পেরেক পর্যন্ত- সবটাতেই লোহার দরকার হয়। যার মধ্যে লোহা নাই এমনও অসংখ্য জিনিস তৈয়ারি করিবার সময়ে লোহার যন্ত্র ব্যবহার করিতে হয়। যে জিনিসে তাহারও দরকার হয় না, যেমন অনেক ডাক্তারি ওষুধ, সেখানেও অনেক সময়েই কয়লার চুল্লি জ্বালিতে হয় এবং সেই কয়লা ডাঙিয়া উঠাইবার জন্য খনিতে লোহার কোদাল আর অনেক কলকব্জার দরকার হয়।
** [[সুকুমার রায়]], লোহা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৯
*বড় দূরবীণে যেখানে কয়েকটি মাত্র নক্ষত্র দেখা গিয়াছিল, দূরবীণ দিয়া সেখানকার ফোটোগ্রাফের ছবি তুলিতে গিয়া, জ্যোতিষীরা ছবিতে হাজার হাজার নূতন নক্ষত্র ফুটিয়া উঠিতে দেখিতেছেন। কাজেই হয় ত কোনো দিন আর এক রকম যন্ত্র দিয়া দেখিয়া জ্যোতিষীরা বলিবেন, নক্ষত্রদের সংখ্যা পঞ্চাশ কোটি নয়,—এক শত কোটি। নক্ষত্রদের সত্যই সংখ্যা হয় না!
**[[জগদানন্দ রায়]] - গ্রহ-নক্ষত্র, নক্ষত্রদের সংখ্যা ১৯১৫ (পৃ. ২০৩-২০৪)।
* “হিন্দুস্থানে প্রীতিকর কিছু নেই বললেই হয়। অধিবাসীরা দেখতে সুশ্রী নয়। বন্ধুবান্ধবের সম্মিলন অথবা অবাধ মেলামেশার আনন্দের সঙ্গে তারা অপরিচিত। তাদের প্রতিভা নেই, মনের বিচার-বিবেচনার শক্তি নেই, ব্যবহারে ভদ্রতা নেই, লোকের প্রতি সহানভূতি অথবা সদয়ভাব নেই, যন্ত্রের সাহায্যে অথবা অন্যরূপে শিল্পকলার উন্নতি করার কোনো ক্ষমতা নেই, স্থাপত্যবিদ্যার জ্ঞান অথবা নৈপুণ্য নেই। তাদের ভালো ঘোড়া নেই, ভালো মাংস নেই, আঙুর অথবা খরমুজ নেই, ভালো ফল নেই, বরফ কিংবা ঠাণ্ডা জল নেই, ভালো খাবার নেই, বাজারে রুটি নেই, স্নানাগার নেই, বিদ্যাপীঠ নেই, মোমবাতি নেই, মশাল নেই, বাতিদান নেই।”
** [[জওহরলাল নেহেরু]], মোগল সম্রাট বাবরের ভারত-বর্ণনায়, বিশ্ব-ইতিহাস প্রসঙ্গ- জওহরলাল নেহরু, অনুবাদক- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৬৪-২৬৫
*‘হরবোলা’ ছাড়াও একদল লোক আছে যারা নানারকম শব্দের নকল করে। তারা কিন্তু মুখে আওয়াজ করে না, কোনো জন্তু কিম্বা পাখির শব্দও নকল করে না, তাদের কাজই হচ্ছে অভিনয়ের সময় আড়াল থেকে নানারকম শব্দের নকল করে অভিনয়টাকে সত্যি ঘটনার মতো দেখাতে চেষ্টা করা। ঝড়-বৃষ্টির শব্দ, বাজ-পড়ার শব্দ, রেলের শব্দ, জাহাজের শব্দ, ঘোড়ার শব্দ, পায়ের শব্দ, বন্দুকের আওয়াজ, বাঘ সিংহের ডাক-এই-সবের আশ্চর্যরকম নকল এরা করতে পারে। অনেক মাথা খাটিয়ে সামান্য যন্ত্রের সাহায্যে এরা কতরকমের শব্দ নকল করে।
**[[সুকুমার রায়]] - সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, ১৯৬০ (পৃ. ২৮১-২৮২)।
* যন্ত্র বাইরের গাছপালার ছাপ নেয়, আর আচার্য জগদীশচন্দ্রের কল গাছের ভিতরকার ব্যাপারের রেকর্ড তোলে, দুটোই কিন্তু কল, artist নয়; ধর, কোন উপায়ে যদি কল দুটোই বেঁচে উঠে কাজে লেগে যায় তা হ’লেও তারা কি artist, একথা বলাতে পারবে আপনাদের? চোখের সামনে সূর্যোদয় আর অতীত সমস্ত সূর্যোদয়ের স্মৃতিচিত্র (memory picture) দুয়ের মধ্যেও না হয় রং চংএর তফাৎ হ’ল, কিন্তু তাই বলে একটা আর্ট আর অন্যটা আর্ট নয়, স্মৃতির যথাযথ প্রতিলিপিই আর্ট, সামনের যথাযথটা আর্ট নয়, কিম্বা সামনেরটাই আর্ট আর মনেরটা ঠিক তার উল্টো জিনিষ, এ তর্ক উঠতেই পারে না, কেননা যথাযথ প্রতিলিপি, তা সে এ-পিঠেরই হোক বা ও-পিঠেরই হোক, সে কাপি, এবং যারা তা করছে তারা নকলই করছে, কেউ আসল গড়ছে না।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], মত ও মন্ত্র, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৯
*কিন্নরী নামে অপর এক জাতীয় বীণা এতদ্দেশে বহুকালাবধি প্রচলিত আছে। কোন কোন গ্রন্থকারের মতে এই যন্ত্রের খোলটা অলাবু বা কাষ্ঠদ্বারা নির্ম্মিত না হইয়া পূর্ব্বকালে নারিকেলের খোলদ্বারা প্রস্তুত হইত, অধুনাতন সঙ্গীত কুতূহলীদিগের মধ্যে কেহবা বৃহৎ পক্ষীবিশেষের অণ্ড এবং আঢ্যেরা রজতাদি উৎকৃষ্ট ধাতুদ্বারা প্রস্তুত করাইয়া থাকেন; ফলতঃ নারিকেলখোলনির্ম্মিত কিন্নরীর ধ্বনির সহিত অণ্ডাদি নির্ম্মিত কিন্নরীর ধ্বনির কিছুমাত্র ইতর বিশেষ অনুভূত হয় না।
**যন্ত্রকোষ,কিন্নরী বীণা ,শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর,(পৃ.২৪)
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Machines}}
[[বিষয়শ্রেণী:প্রযুক্তি]]
54miqsygfsspfi4zfcrinxsnpueh2l8
75559
75558
2026-04-11T05:17:25Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
75559
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:যন্ত্র|যন্ত্র]]''' হলো এক বা একাধিক অংশ নিয়ে গঠিত একটি সরঞ্জাম যা কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৈরি করা হয়। যন্ত্র হলো শক্তিচালিত সরঞ্জাম, যা সাধারণত যান্ত্রিক, রাসায়নিক, তাপীয় বা বৈদ্যুতিকভাবে চালিত হয় এবং প্রায়শই মোটরচালিত হয়ে থাকে। ঐতিহাসিকভাবে, কোনো সরঞ্জামকে যন্ত্র হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করার জন্য তাতে চলমান অংশের প্রয়োজন হতো; তবে, ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তির আবির্ভাবের ফলে এমন সব সরঞ্জামের বিকাশ ঘটেছে যেগুলোতে কোনো চলমান অংশ নেই, কিন্তু সেগুলোকে যন্ত্র হিসেবে গণ্য করা হয়। বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে যন্ত্র হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি বা উপায়, যার মাধ্যমে বল প্রয়োগে কোনো কাজ করা যায়।
== উক্তি ==
* [[সমুদ্র]] এমত বিস্তৃত যে কতক দূর গেলে পর আর তীর দেখা যায় না; অথচ জাহাজের লোক পথ হারা হয় না। তাহার কারণ এই যে, জাহাজে কোম্পাস নামে একটা যন্ত্র থাকে; ঐ যন্ত্রে একটী সূচী আছে; জাহাজ যে মুখে যাউক না কেন, সেই সূচী সর্ব্বদাই উত্তর মুখে থাকে। উহা দেখিয়া নাবিকেরা দিক্ নির্ণয় করে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], জল—সমুদ্র—নদী, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭২-৭৩
* অণুবীক্ষণ নামে এক রকম যন্ত্র আছে, যাহাতে ছোট জিনিষকে বড় করিয়া দেখায়; বড় জিনিষকে ছোট দেখাইবার নিমিত্ত উপায় পদার্থবিদ্যাশাস্ত্রে নির্দিষ্ট থাকিলেও, ঐ উদ্দেশ্যে নির্ম্মিত কোন যন্ত্র আমাদের মধ্যে সর্ব্বদা ব্যবহৃত হয় না।
** [[রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী]], চরিত-কথা - রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, প্রকাশক- নববিভাকর যন্ত্র, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩
* মানুষের সকলরকম কাজে যেসমস্ত তৈজস বা বাসনপত্রের দরকার হয়, তাহার সমস্তই খনিজ জিনিসের তৈয়ারি। সেই-সমস্ত জিনিস সংগ্রহ করিয়া তাহাকে কাজের উপযোগী করিয়া গড়িতেও লোহার দরকার হয়। ঘরের দরজা জানলা, কড়ি বরগা, আসবাবপত্র, এ-সমস্ত কাঠের তৈয়ারি হইতে পারে, কিন্তু সেই কাঠকে কাটিয়া চিরিয়া চাঁচিয়া ঘষিয়া দরকারমতো গড়িয়া লইবার জন্য পদে পদেই লোহার কুড়াল করাত র্যাঁদা বাটালি প্রভৃতি যন্ত্রের দরকার হয়।
** [[সুকুমার রায়]], লোহা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৯
* একটী জীবন যন্ত্র বিকল হইলে<br>মিলিত ললিত তান<br>নীরব হয় সে গান,<br>জীবন বীণার তার বাজে নাগো আর,<br>ভগ্নস্বরে একা করি মৃদুল ঝঙ্কার।
** [[প্রসন্নময়ী দেবী]], স্নেহোপহার, নীহারিকা - প্রসন্নময়ী দেবী, প্রকাশক- এস্ কে্ লাহিড়ী কোং, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩
* লৌহ জিনিষটা সুলভ হইলেও ইহাকে বিশুদ্ধ অবস্থায় সংগ্রহ করা বড় কঠিন। অথচ বিশুদ্ধ লৌহের যথেষ্ট প্রয়োজন আছে। সাধারণ লৌহে তার প্রস্তুত করিতে গেলে, যে শ্রম লাগে, বিশুদ্ধ লৌহ লইয়া কার্য করিলে তাহার শতাংশ শ্রমেরও আবশ্যক হয় না। তা ছাড়া বৈদ্যুতিক যন্ত্রাদিতে এই প্রকার লৌহের চুম্বক ব্যবহার করিলে অল্প শক্তিতে অনেক কাজ আদায় করা যাইতে পারে। জর্ম্মানির লিপ্জিক্ (Leipsic) নগরের কারখানায় যে বিশুদ্ধ লৌহ প্রস্তুত করা হইতেছে, তাহা দ্বারা আজকাল অনেক যন্ত্রাদি নির্ম্মাণ করিয়া পরীক্ষা চলিতেছে। সাধারণ যন্ত্রের তুলনায় বিশুদ্ধ লৌহনির্ম্মিত কলে প্রায় আড়াই গুণ অধিক কাজ পাওয়া যাইতেছে। ইহা কম লাভের কথা নয়!
** [[জগদানন্দ রায়]], রসায়নীবিদ্যার উন্নতি, প্রাকৃতিকী- জগদানন্দ রায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল- ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩২১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* শাস্ত্রকারেরা কচ্ছপী বীণাকেই বাগ্দেবী সরস্বতীর হাতের যন্ত্র বলিয়া ব্যাখ্যা করেন; আমাদিগের বর্ণ্যমান কচ্ছপী বীণাটীতে যে সাতটী তার আবদ্ধ আছে, তন্মধ্যে চারিটী লৌহের এবং তিনটী পিত্তলের। যথা—<br>একচিহ্ন-বিশিষ্ট লৌহতারটীকে নায়কী অথবা প্রধান তার বলে। নায়কী তারটী লৌহনির্ম্মিত, সুতরাং অতি দৃঢ় বলিয়া বাদনকালে ইহারই বিশেষ প্রয়োজন হইয়া থাকে। এই তারটী সচরাচর উদারা সপ্তকের মধ্যম করিয়া বাঁধা যায়। দুই ও তিনচিহ্নবিশিষ্ট পিত্তল তারদ্বয় উদারা সপ্তকের ষড়্জ, চারিচিহ্নবিশিষ্ট লৌহ তারটী উদারার পঞ্চম, পাঁচচিহ্নবিশিষ্ট পিত্তলতার নিম্নসপ্তকের ষড়্জ, ছয়চিহ্নবিশিষ্ট লৌহতার মুদারার ষড়্জ ও সাতচিহ্নবিশিষ্ট লৌহতারটী মুদারার পঞ্চম করিয়া বাঁধার রীতি আছে।
** শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর, যন্ত্রকোষ- শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৮২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮-১৯
*সমস্ত জাহাজটা যেন একটা প্রকাণ্ড বৈদ্যুতিক কারখানা। সেই বিদ্যুতে জাহাজ চলে এবং জাহাজের বাতি জ্বালা রান্না করা পর্যন্ত সমস্ত কাজ হয়। জাহাজের কাপ্তান কোথায়? ঐ যে তিনি জাহাজের টুপির নীচে বসিয়া দিকবীক্ষণ যন্ত্র দিয়া চারিদিক দেখিতেছেন।
** [[সুকুমার রায়]], ডুবুরী জাহাজ, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫৬
* সবে মাত্র তুমি যন্ত্রী, যন্ত্র আমরা তন্ত্রে চলি।<br>তুমি যেমন্ রাখ তেম্নি থাকি, যেমন্ বলাও তেম্নি ৰলি।৷
** [[কমলাকান্ত ভট্টাচার্য]], কমলাকান্ত-পদাবলি- কমলাকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৯২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৭
* লৌহ সকল ধাতু অপেক্ষা অধিক কার্য্যোপযোগী। এই ধাতুতে লাঙ্গলের ফাল, কোদাল,ক্যাস্তয়া প্রভৃতি কৃষি কার্য্যের যন্ত্র সকল নিৰ্মাণ করে। ছুরী, কাঁচী, কুড়াল, খন্তা, কাটারি, চবিকুলুপ, শিকল, পেরেক, ছূচ, হাতা বেড়ী, কড়া, হাতুড়ি ইত্যাদি যে সকল বস্তু সর্ব্বদা প্রয়োজনে লাগে সে সমুদয় লৌহে নির্ম্মিত। ইহা ভিন্ন নানা বিধ অস্ত্র শস্ত্রও লৌহে নির্ম্মাণ করিয়া থাকে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], ধাতু, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৯
* আমি নিজে ক্ষুদ্রাকারে হইলেও একজন শিল্প ব্যবসায়ী, সুতরাং প্রথমতঃ আমি এই আদিম যুগের যন্ত্রটির প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশই করিয়াছিলাম। কিন্তু বিশেষ চিন্তার পর আমি বুঝিতে পারিলাম—প্রত্যেক গৃহস্থের পক্ষে এই চরকা কত উপকারী, অবসর সময়ে এই চরকায় কত কাজ হইতে পারে। ভারতের যে সব লক্ষ লক্ষ লোক অতি কষ্টে অনশনে অর্দ্ধাশনে জীবন যাপন করে, তাহাদের পক্ষে এই চরকা জীবিকার্জনের একমাত্র গৌণ উপায়।
** প্রফুল্লচন্দ্র রায়, চরকার বার্তা—কাটুনীর বিলাপ, দ্বাবিংশ পরিচ্ছেদ, আত্মচরিত- প্রফুল্লচন্দ্র রায়, প্রকাশক- ওরিয়েণ্ট বুক কোম্পানি, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪২
* মানুষের যে-কোনো অস্ত্র বা যে-কোনো যন্ত্র বল- বড়ো-বড়ো কামান, এঞ্জিন বা মোটর হইতে লাঙল কোদাল কাঁটা পেরেক পর্যন্ত- সবটাতেই লোহার দরকার হয়। যার মধ্যে লোহা নাই এমনও অসংখ্য জিনিস তৈয়ারি করিবার সময়ে লোহার যন্ত্র ব্যবহার করিতে হয়। যে জিনিসে তাহারও দরকার হয় না, যেমন অনেক ডাক্তারি ওষুধ, সেখানেও অনেক সময়েই কয়লার চুল্লি জ্বালিতে হয় এবং সেই কয়লা ডাঙিয়া উঠাইবার জন্য খনিতে লোহার কোদাল আর অনেক কলকব্জার দরকার হয়।
** [[সুকুমার রায়]], লোহা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৯
*বড় দূরবীণে যেখানে কয়েকটি মাত্র নক্ষত্র দেখা গিয়াছিল, দূরবীণ দিয়া সেখানকার ফোটোগ্রাফের ছবি তুলিতে গিয়া, জ্যোতিষীরা ছবিতে হাজার হাজার নূতন নক্ষত্র ফুটিয়া উঠিতে দেখিতেছেন। কাজেই হয় ত কোনো দিন আর এক রকম যন্ত্র দিয়া দেখিয়া জ্যোতিষীরা বলিবেন, নক্ষত্রদের সংখ্যা পঞ্চাশ কোটি নয়,—এক শত কোটি। নক্ষত্রদের সত্যই সংখ্যা হয় না!
**[[জগদানন্দ রায়]] - গ্রহ-নক্ষত্র, নক্ষত্রদের সংখ্যা ১৯১৫ (পৃ. ২০৩-২০৪)।
* “হিন্দুস্থানে প্রীতিকর কিছু নেই বললেই হয়। অধিবাসীরা দেখতে সুশ্রী নয়। বন্ধুবান্ধবের সম্মিলন অথবা অবাধ মেলামেশার আনন্দের সঙ্গে তারা অপরিচিত। তাদের প্রতিভা নেই, মনের বিচার-বিবেচনার শক্তি নেই, ব্যবহারে ভদ্রতা নেই, লোকের প্রতি সহানভূতি অথবা সদয়ভাব নেই, যন্ত্রের সাহায্যে অথবা অন্যরূপে শিল্পকলার উন্নতি করার কোনো ক্ষমতা নেই, স্থাপত্যবিদ্যার জ্ঞান অথবা নৈপুণ্য নেই। তাদের ভালো ঘোড়া নেই, ভালো মাংস নেই, আঙুর অথবা খরমুজ নেই, ভালো ফল নেই, বরফ কিংবা ঠাণ্ডা জল নেই, ভালো খাবার নেই, বাজারে রুটি নেই, স্নানাগার নেই, বিদ্যাপীঠ নেই, মোমবাতি নেই, মশাল নেই, বাতিদান নেই।”
** [[জওহরলাল নেহেরু]], মোগল সম্রাট বাবরের ভারত-বর্ণনায়, বিশ্ব-ইতিহাস প্রসঙ্গ- জওহরলাল নেহরু, অনুবাদক- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৬৪-২৬৫
*‘হরবোলা’ ছাড়াও একদল লোক আছে যারা নানারকম শব্দের নকল করে। তারা কিন্তু মুখে আওয়াজ করে না, কোনো জন্তু কিম্বা পাখির শব্দও নকল করে না, তাদের কাজই হচ্ছে অভিনয়ের সময় আড়াল থেকে নানারকম শব্দের নকল করে অভিনয়টাকে সত্যি ঘটনার মতো দেখাতে চেষ্টা করা। ঝড়-বৃষ্টির শব্দ, বাজ-পড়ার শব্দ, রেলের শব্দ, জাহাজের শব্দ, ঘোড়ার শব্দ, পায়ের শব্দ, বন্দুকের আওয়াজ, বাঘ সিংহের ডাক-এই-সবের আশ্চর্যরকম নকল এরা করতে পারে। অনেক মাথা খাটিয়ে সামান্য যন্ত্রের সাহায্যে এরা কতরকমের শব্দ নকল করে।
**[[সুকুমার রায়]] - সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, ১৯৬০ (পৃ. ২৮১-২৮২)।
* যন্ত্র বাইরের গাছপালার ছাপ নেয়, আর আচার্য জগদীশচন্দ্রের কল গাছের ভিতরকার ব্যাপারের রেকর্ড তোলে, দুটোই কিন্তু কল, artist নয়; ধর, কোন উপায়ে যদি কল দুটোই বেঁচে উঠে কাজে লেগে যায় তা হ’লেও তারা কি artist, একথা বলাতে পারবে আপনাদের? চোখের সামনে সূর্যোদয় আর অতীত সমস্ত সূর্যোদয়ের স্মৃতিচিত্র (memory picture) দুয়ের মধ্যেও না হয় রং চংএর তফাৎ হ’ল, কিন্তু তাই বলে একটা আর্ট আর অন্যটা আর্ট নয়, স্মৃতির যথাযথ প্রতিলিপিই আর্ট, সামনের যথাযথটা আর্ট নয়, কিম্বা সামনেরটাই আর্ট আর মনেরটা ঠিক তার উল্টো জিনিষ, এ তর্ক উঠতেই পারে না, কেননা যথাযথ প্রতিলিপি, তা সে এ-পিঠেরই হোক বা ও-পিঠেরই হোক, সে কাপি, এবং যারা তা করছে তারা নকলই করছে, কেউ আসল গড়ছে না।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], মত ও মন্ত্র, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৯
*কিন্নরী নামে অপর এক জাতীয় বীণা এতদ্দেশে বহুকালাবধি প্রচলিত আছে। কোন কোন গ্রন্থকারের মতে এই যন্ত্রের খোলটা অলাবু বা কাষ্ঠদ্বারা নির্ম্মিত না হইয়া পূর্ব্বকালে নারিকেলের খোলদ্বারা প্রস্তুত হইত, অধুনাতন সঙ্গীত কুতূহলীদিগের মধ্যে কেহবা বৃহৎ পক্ষীবিশেষের অণ্ড এবং আঢ্যেরা রজতাদি উৎকৃষ্ট ধাতুদ্বারা প্রস্তুত করাইয়া থাকেন; ফলতঃ নারিকেলখোলনির্ম্মিত কিন্নরীর ধ্বনির সহিত অণ্ডাদি নির্ম্মিত কিন্নরীর ধ্বনির কিছুমাত্র ইতর বিশেষ অনুভূত হয় না।
**যন্ত্রকোষ,কিন্নরী বীণা ,শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর,(পৃ.২৪)
* কলের কর্মক্ষমতা দিন দিন যতই বেড়ে চলেছে, মানুষের শ্রমের উপরে তাকে ততই কম নির্ভর করতে হচ্ছে। আজকের এই উন্নতি, যন্ত্রশিল্পের এই প্রগতি, এর বেগ বিশেষ করে দ্রুত হয়ে উঠেছে বিংশ শতাব্দীরই এই গত ত্রিশটি বছরে। সম্প্রতি বছর কয়েক ধরে এই পরিবর্তনের বেগ অত্যন্ত প্রবল হয়েছে—আজও সে বেগ থেমে যায় নি; এর ফলে শিল্পে এবং উৎপাদনের প্রণালীতে এমন বিপ্লবই ঘটে যাচ্ছে, অষ্টাদশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ভাগে যে শিল্প-বিপ্লব ঘটেছিল একমাত্র তারই সঙ্গে এর তুলনা দেওয়া চলে।
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Machines}}
[[বিষয়শ্রেণী:প্রযুক্তি]]
ow4ae3zkebza62qgmmz3wc03hi3lsng
75560
75559
2026-04-11T05:18:11Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
75560
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:যন্ত্র|যন্ত্র]]''' হলো এক বা একাধিক অংশ নিয়ে গঠিত একটি সরঞ্জাম যা কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৈরি করা হয়। যন্ত্র হলো শক্তিচালিত সরঞ্জাম, যা সাধারণত যান্ত্রিক, রাসায়নিক, তাপীয় বা বৈদ্যুতিকভাবে চালিত হয় এবং প্রায়শই মোটরচালিত হয়ে থাকে। ঐতিহাসিকভাবে, কোনো সরঞ্জামকে যন্ত্র হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করার জন্য তাতে চলমান অংশের প্রয়োজন হতো; তবে, ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তির আবির্ভাবের ফলে এমন সব সরঞ্জামের বিকাশ ঘটেছে যেগুলোতে কোনো চলমান অংশ নেই, কিন্তু সেগুলোকে যন্ত্র হিসেবে গণ্য করা হয়। বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে যন্ত্র হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি বা উপায়, যার মাধ্যমে বল প্রয়োগে কোনো কাজ করা যায়।
== উক্তি ==
* [[সমুদ্র]] এমত বিস্তৃত যে কতক দূর গেলে পর আর তীর দেখা যায় না; অথচ জাহাজের লোক পথ হারা হয় না। তাহার কারণ এই যে, জাহাজে কোম্পাস নামে একটা যন্ত্র থাকে; ঐ যন্ত্রে একটী সূচী আছে; জাহাজ যে মুখে যাউক না কেন, সেই সূচী সর্ব্বদাই উত্তর মুখে থাকে। উহা দেখিয়া নাবিকেরা দিক্ নির্ণয় করে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], জল—সমুদ্র—নদী, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭২-৭৩
* অণুবীক্ষণ নামে এক রকম যন্ত্র আছে, যাহাতে ছোট জিনিষকে বড় করিয়া দেখায়; বড় জিনিষকে ছোট দেখাইবার নিমিত্ত উপায় পদার্থবিদ্যাশাস্ত্রে নির্দিষ্ট থাকিলেও, ঐ উদ্দেশ্যে নির্ম্মিত কোন যন্ত্র আমাদের মধ্যে সর্ব্বদা ব্যবহৃত হয় না।
** [[রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী]], চরিত-কথা - রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, প্রকাশক- নববিভাকর যন্ত্র, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩
* মানুষের সকলরকম কাজে যেসমস্ত তৈজস বা বাসনপত্রের দরকার হয়, তাহার সমস্তই খনিজ জিনিসের তৈয়ারি। সেই-সমস্ত জিনিস সংগ্রহ করিয়া তাহাকে কাজের উপযোগী করিয়া গড়িতেও লোহার দরকার হয়। ঘরের দরজা জানলা, কড়ি বরগা, আসবাবপত্র, এ-সমস্ত কাঠের তৈয়ারি হইতে পারে, কিন্তু সেই কাঠকে কাটিয়া চিরিয়া চাঁচিয়া ঘষিয়া দরকারমতো গড়িয়া লইবার জন্য পদে পদেই লোহার কুড়াল করাত র্যাঁদা বাটালি প্রভৃতি যন্ত্রের দরকার হয়।
** [[সুকুমার রায়]], লোহা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৯
* একটী জীবন যন্ত্র বিকল হইলে<br>মিলিত ললিত তান<br>নীরব হয় সে গান,<br>জীবন বীণার তার বাজে নাগো আর,<br>ভগ্নস্বরে একা করি মৃদুল ঝঙ্কার।
** [[প্রসন্নময়ী দেবী]], স্নেহোপহার, নীহারিকা - প্রসন্নময়ী দেবী, প্রকাশক- এস্ কে্ লাহিড়ী কোং, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩
* লৌহ জিনিষটা সুলভ হইলেও ইহাকে বিশুদ্ধ অবস্থায় সংগ্রহ করা বড় কঠিন। অথচ বিশুদ্ধ লৌহের যথেষ্ট প্রয়োজন আছে। সাধারণ লৌহে তার প্রস্তুত করিতে গেলে, যে শ্রম লাগে, বিশুদ্ধ লৌহ লইয়া কার্য করিলে তাহার শতাংশ শ্রমেরও আবশ্যক হয় না। তা ছাড়া বৈদ্যুতিক যন্ত্রাদিতে এই প্রকার লৌহের চুম্বক ব্যবহার করিলে অল্প শক্তিতে অনেক কাজ আদায় করা যাইতে পারে। জর্ম্মানির লিপ্জিক্ (Leipsic) নগরের কারখানায় যে বিশুদ্ধ লৌহ প্রস্তুত করা হইতেছে, তাহা দ্বারা আজকাল অনেক যন্ত্রাদি নির্ম্মাণ করিয়া পরীক্ষা চলিতেছে। সাধারণ যন্ত্রের তুলনায় বিশুদ্ধ লৌহনির্ম্মিত কলে প্রায় আড়াই গুণ অধিক কাজ পাওয়া যাইতেছে। ইহা কম লাভের কথা নয়!
** [[জগদানন্দ রায়]], রসায়নীবিদ্যার উন্নতি, প্রাকৃতিকী- জগদানন্দ রায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল- ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩২১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* শাস্ত্রকারেরা কচ্ছপী বীণাকেই বাগ্দেবী সরস্বতীর হাতের যন্ত্র বলিয়া ব্যাখ্যা করেন; আমাদিগের বর্ণ্যমান কচ্ছপী বীণাটীতে যে সাতটী তার আবদ্ধ আছে, তন্মধ্যে চারিটী লৌহের এবং তিনটী পিত্তলের। যথা—<br>একচিহ্ন-বিশিষ্ট লৌহতারটীকে নায়কী অথবা প্রধান তার বলে। নায়কী তারটী লৌহনির্ম্মিত, সুতরাং অতি দৃঢ় বলিয়া বাদনকালে ইহারই বিশেষ প্রয়োজন হইয়া থাকে। এই তারটী সচরাচর উদারা সপ্তকের মধ্যম করিয়া বাঁধা যায়। দুই ও তিনচিহ্নবিশিষ্ট পিত্তল তারদ্বয় উদারা সপ্তকের ষড়্জ, চারিচিহ্নবিশিষ্ট লৌহ তারটী উদারার পঞ্চম, পাঁচচিহ্নবিশিষ্ট পিত্তলতার নিম্নসপ্তকের ষড়্জ, ছয়চিহ্নবিশিষ্ট লৌহতার মুদারার ষড়্জ ও সাতচিহ্নবিশিষ্ট লৌহতারটী মুদারার পঞ্চম করিয়া বাঁধার রীতি আছে।
** শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর, যন্ত্রকোষ- শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৮২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮-১৯
*সমস্ত জাহাজটা যেন একটা প্রকাণ্ড বৈদ্যুতিক কারখানা। সেই বিদ্যুতে জাহাজ চলে এবং জাহাজের বাতি জ্বালা রান্না করা পর্যন্ত সমস্ত কাজ হয়। জাহাজের কাপ্তান কোথায়? ঐ যে তিনি জাহাজের টুপির নীচে বসিয়া দিকবীক্ষণ যন্ত্র দিয়া চারিদিক দেখিতেছেন।
** [[সুকুমার রায়]], ডুবুরী জাহাজ, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫৬
* সবে মাত্র তুমি যন্ত্রী, যন্ত্র আমরা তন্ত্রে চলি।<br>তুমি যেমন্ রাখ তেম্নি থাকি, যেমন্ বলাও তেম্নি ৰলি।৷
** [[কমলাকান্ত ভট্টাচার্য]], কমলাকান্ত-পদাবলি- কমলাকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৯২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৭
* লৌহ সকল ধাতু অপেক্ষা অধিক কার্য্যোপযোগী। এই ধাতুতে লাঙ্গলের ফাল, কোদাল,ক্যাস্তয়া প্রভৃতি কৃষি কার্য্যের যন্ত্র সকল নিৰ্মাণ করে। ছুরী, কাঁচী, কুড়াল, খন্তা, কাটারি, চবিকুলুপ, শিকল, পেরেক, ছূচ, হাতা বেড়ী, কড়া, হাতুড়ি ইত্যাদি যে সকল বস্তু সর্ব্বদা প্রয়োজনে লাগে সে সমুদয় লৌহে নির্ম্মিত। ইহা ভিন্ন নানা বিধ অস্ত্র শস্ত্রও লৌহে নির্ম্মাণ করিয়া থাকে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], ধাতু, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৯
* আমি নিজে ক্ষুদ্রাকারে হইলেও একজন শিল্প ব্যবসায়ী, সুতরাং প্রথমতঃ আমি এই আদিম যুগের যন্ত্রটির প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশই করিয়াছিলাম। কিন্তু বিশেষ চিন্তার পর আমি বুঝিতে পারিলাম—প্রত্যেক গৃহস্থের পক্ষে এই চরকা কত উপকারী, অবসর সময়ে এই চরকায় কত কাজ হইতে পারে। ভারতের যে সব লক্ষ লক্ষ লোক অতি কষ্টে অনশনে অর্দ্ধাশনে জীবন যাপন করে, তাহাদের পক্ষে এই চরকা জীবিকার্জনের একমাত্র গৌণ উপায়।
** প্রফুল্লচন্দ্র রায়, চরকার বার্তা—কাটুনীর বিলাপ, দ্বাবিংশ পরিচ্ছেদ, আত্মচরিত- প্রফুল্লচন্দ্র রায়, প্রকাশক- ওরিয়েণ্ট বুক কোম্পানি, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪২
* মানুষের যে-কোনো অস্ত্র বা যে-কোনো যন্ত্র বল- বড়ো-বড়ো কামান, এঞ্জিন বা মোটর হইতে লাঙল কোদাল কাঁটা পেরেক পর্যন্ত- সবটাতেই লোহার দরকার হয়। যার মধ্যে লোহা নাই এমনও অসংখ্য জিনিস তৈয়ারি করিবার সময়ে লোহার যন্ত্র ব্যবহার করিতে হয়। যে জিনিসে তাহারও দরকার হয় না, যেমন অনেক ডাক্তারি ওষুধ, সেখানেও অনেক সময়েই কয়লার চুল্লি জ্বালিতে হয় এবং সেই কয়লা ডাঙিয়া উঠাইবার জন্য খনিতে লোহার কোদাল আর অনেক কলকব্জার দরকার হয়।
** [[সুকুমার রায়]], লোহা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৯
*বড় দূরবীণে যেখানে কয়েকটি মাত্র নক্ষত্র দেখা গিয়াছিল, দূরবীণ দিয়া সেখানকার ফোটোগ্রাফের ছবি তুলিতে গিয়া, জ্যোতিষীরা ছবিতে হাজার হাজার নূতন নক্ষত্র ফুটিয়া উঠিতে দেখিতেছেন। কাজেই হয় ত কোনো দিন আর এক রকম যন্ত্র দিয়া দেখিয়া জ্যোতিষীরা বলিবেন, নক্ষত্রদের সংখ্যা পঞ্চাশ কোটি নয়,—এক শত কোটি। নক্ষত্রদের সত্যই সংখ্যা হয় না!
**[[জগদানন্দ রায়]] - গ্রহ-নক্ষত্র, নক্ষত্রদের সংখ্যা ১৯১৫ (পৃ. ২০৩-২০৪)।
* “হিন্দুস্থানে প্রীতিকর কিছু নেই বললেই হয়। অধিবাসীরা দেখতে সুশ্রী নয়। বন্ধুবান্ধবের সম্মিলন অথবা অবাধ মেলামেশার আনন্দের সঙ্গে তারা অপরিচিত। তাদের প্রতিভা নেই, মনের বিচার-বিবেচনার শক্তি নেই, ব্যবহারে ভদ্রতা নেই, লোকের প্রতি সহানভূতি অথবা সদয়ভাব নেই, যন্ত্রের সাহায্যে অথবা অন্যরূপে শিল্পকলার উন্নতি করার কোনো ক্ষমতা নেই, স্থাপত্যবিদ্যার জ্ঞান অথবা নৈপুণ্য নেই। তাদের ভালো ঘোড়া নেই, ভালো মাংস নেই, আঙুর অথবা খরমুজ নেই, ভালো ফল নেই, বরফ কিংবা ঠাণ্ডা জল নেই, ভালো খাবার নেই, বাজারে রুটি নেই, স্নানাগার নেই, বিদ্যাপীঠ নেই, মোমবাতি নেই, মশাল নেই, বাতিদান নেই।”
** [[জওহরলাল নেহেরু]], মোগল সম্রাট বাবরের ভারত-বর্ণনায়, বিশ্ব-ইতিহাস প্রসঙ্গ- জওহরলাল নেহরু, অনুবাদক- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৬৪-২৬৫
*‘হরবোলা’ ছাড়াও একদল লোক আছে যারা নানারকম শব্দের নকল করে। তারা কিন্তু মুখে আওয়াজ করে না, কোনো জন্তু কিম্বা পাখির শব্দও নকল করে না, তাদের কাজই হচ্ছে অভিনয়ের সময় আড়াল থেকে নানারকম শব্দের নকল করে অভিনয়টাকে সত্যি ঘটনার মতো দেখাতে চেষ্টা করা। ঝড়-বৃষ্টির শব্দ, বাজ-পড়ার শব্দ, রেলের শব্দ, জাহাজের শব্দ, ঘোড়ার শব্দ, পায়ের শব্দ, বন্দুকের আওয়াজ, বাঘ সিংহের ডাক-এই-সবের আশ্চর্যরকম নকল এরা করতে পারে। অনেক মাথা খাটিয়ে সামান্য যন্ত্রের সাহায্যে এরা কতরকমের শব্দ নকল করে।
**[[সুকুমার রায়]] - সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, ১৯৬০ (পৃ. ২৮১-২৮২)।
* যন্ত্র বাইরের গাছপালার ছাপ নেয়, আর আচার্য জগদীশচন্দ্রের কল গাছের ভিতরকার ব্যাপারের রেকর্ড তোলে, দুটোই কিন্তু কল, artist নয়; ধর, কোন উপায়ে যদি কল দুটোই বেঁচে উঠে কাজে লেগে যায় তা হ’লেও তারা কি artist, একথা বলাতে পারবে আপনাদের? চোখের সামনে সূর্যোদয় আর অতীত সমস্ত সূর্যোদয়ের স্মৃতিচিত্র (memory picture) দুয়ের মধ্যেও না হয় রং চংএর তফাৎ হ’ল, কিন্তু তাই বলে একটা আর্ট আর অন্যটা আর্ট নয়, স্মৃতির যথাযথ প্রতিলিপিই আর্ট, সামনের যথাযথটা আর্ট নয়, কিম্বা সামনেরটাই আর্ট আর মনেরটা ঠিক তার উল্টো জিনিষ, এ তর্ক উঠতেই পারে না, কেননা যথাযথ প্রতিলিপি, তা সে এ-পিঠেরই হোক বা ও-পিঠেরই হোক, সে কাপি, এবং যারা তা করছে তারা নকলই করছে, কেউ আসল গড়ছে না।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], মত ও মন্ত্র, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৯
*কিন্নরী নামে অপর এক জাতীয় বীণা এতদ্দেশে বহুকালাবধি প্রচলিত আছে। কোন কোন গ্রন্থকারের মতে এই যন্ত্রের খোলটা অলাবু বা কাষ্ঠদ্বারা নির্ম্মিত না হইয়া পূর্ব্বকালে নারিকেলের খোলদ্বারা প্রস্তুত হইত, অধুনাতন সঙ্গীত কুতূহলীদিগের মধ্যে কেহবা বৃহৎ পক্ষীবিশেষের অণ্ড এবং আঢ্যেরা রজতাদি উৎকৃষ্ট ধাতুদ্বারা প্রস্তুত করাইয়া থাকেন; ফলতঃ নারিকেলখোলনির্ম্মিত কিন্নরীর ধ্বনির সহিত অণ্ডাদি নির্ম্মিত কিন্নরীর ধ্বনির কিছুমাত্র ইতর বিশেষ অনুভূত হয় না।
**যন্ত্রকোষ,কিন্নরী বীণা ,শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর,(পৃ.২৪)
* কলের কর্মক্ষমতা দিন দিন যতই বেড়ে চলেছে, মানুষের শ্রমের উপরে তাকে ততই কম নির্ভর করতে হচ্ছে। আজকের এই উন্নতি, যন্ত্রশিল্পের এই প্রগতি, এর বেগ বিশেষ করে দ্রুত হয়ে উঠেছে বিংশ শতাব্দীরই এই গত ত্রিশটি বছরে। সম্প্রতি বছর কয়েক ধরে এই পরিবর্তনের বেগ অত্যন্ত প্রবল হয়েছে—আজও সে বেগ থেমে যায় নি; এর ফলে শিল্পে এবং উৎপাদনের প্রণালীতে এমন বিপ্লবই ঘটে যাচ্ছে, অষ্টাদশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ভাগে যে শিল্প-বিপ্লব ঘটেছিল একমাত্র তারই সঙ্গে এর তুলনা দেওয়া চলে। এই নূতন বিপ্লবের প্রধান কারণ হচ্ছে, উৎপাদনের কাজে বিদ্যুৎশক্তির ক্রমশই অধিকতর ব্যবহার। বিংশ শতাব্দীতে বিরাট একটি বিদ্যুৎ-বিপ্লব পৃথিবীতে, বিশেষ করে আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রে ঘটেছে; এর ফলে জীবনযাত্রার রীতিটাই সম্পূর্ণ বদলে যাচ্ছে। অষ্টাদশ শতাব্দীর শিল্প-বিপ্লব প্রতিষ্ঠা করেছিল যন্ত্র যুগের; বিদ্যুৎ-বিপ্লবের ফলে আমরা এখন ছুটে চলেছি শক্তি-যুগের দিকে।
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Machines}}
[[বিষয়শ্রেণী:প্রযুক্তি]]
2lhiw7ekh7030wdxd5xgefh4ydq1d00
75561
75560
2026-04-11T05:18:37Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উদ্ধৃতি যোগ
75561
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:যন্ত্র|যন্ত্র]]''' হলো এক বা একাধিক অংশ নিয়ে গঠিত একটি সরঞ্জাম যা কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৈরি করা হয়। যন্ত্র হলো শক্তিচালিত সরঞ্জাম, যা সাধারণত যান্ত্রিক, রাসায়নিক, তাপীয় বা বৈদ্যুতিকভাবে চালিত হয় এবং প্রায়শই মোটরচালিত হয়ে থাকে। ঐতিহাসিকভাবে, কোনো সরঞ্জামকে যন্ত্র হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করার জন্য তাতে চলমান অংশের প্রয়োজন হতো; তবে, ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তির আবির্ভাবের ফলে এমন সব সরঞ্জামের বিকাশ ঘটেছে যেগুলোতে কোনো চলমান অংশ নেই, কিন্তু সেগুলোকে যন্ত্র হিসেবে গণ্য করা হয়। বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে যন্ত্র হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি বা উপায়, যার মাধ্যমে বল প্রয়োগে কোনো কাজ করা যায়।
== উক্তি ==
* [[সমুদ্র]] এমত বিস্তৃত যে কতক দূর গেলে পর আর তীর দেখা যায় না; অথচ জাহাজের লোক পথ হারা হয় না। তাহার কারণ এই যে, জাহাজে কোম্পাস নামে একটা যন্ত্র থাকে; ঐ যন্ত্রে একটী সূচী আছে; জাহাজ যে মুখে যাউক না কেন, সেই সূচী সর্ব্বদাই উত্তর মুখে থাকে। উহা দেখিয়া নাবিকেরা দিক্ নির্ণয় করে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], জল—সমুদ্র—নদী, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭২-৭৩
* অণুবীক্ষণ নামে এক রকম যন্ত্র আছে, যাহাতে ছোট জিনিষকে বড় করিয়া দেখায়; বড় জিনিষকে ছোট দেখাইবার নিমিত্ত উপায় পদার্থবিদ্যাশাস্ত্রে নির্দিষ্ট থাকিলেও, ঐ উদ্দেশ্যে নির্ম্মিত কোন যন্ত্র আমাদের মধ্যে সর্ব্বদা ব্যবহৃত হয় না।
** [[রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী]], চরিত-কথা - রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, প্রকাশক- নববিভাকর যন্ত্র, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩
* মানুষের সকলরকম কাজে যেসমস্ত তৈজস বা বাসনপত্রের দরকার হয়, তাহার সমস্তই খনিজ জিনিসের তৈয়ারি। সেই-সমস্ত জিনিস সংগ্রহ করিয়া তাহাকে কাজের উপযোগী করিয়া গড়িতেও লোহার দরকার হয়। ঘরের দরজা জানলা, কড়ি বরগা, আসবাবপত্র, এ-সমস্ত কাঠের তৈয়ারি হইতে পারে, কিন্তু সেই কাঠকে কাটিয়া চিরিয়া চাঁচিয়া ঘষিয়া দরকারমতো গড়িয়া লইবার জন্য পদে পদেই লোহার কুড়াল করাত র্যাঁদা বাটালি প্রভৃতি যন্ত্রের দরকার হয়।
** [[সুকুমার রায়]], লোহা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৯
* একটী জীবন যন্ত্র বিকল হইলে<br>মিলিত ললিত তান<br>নীরব হয় সে গান,<br>জীবন বীণার তার বাজে নাগো আর,<br>ভগ্নস্বরে একা করি মৃদুল ঝঙ্কার।
** [[প্রসন্নময়ী দেবী]], স্নেহোপহার, নীহারিকা - প্রসন্নময়ী দেবী, প্রকাশক- এস্ কে্ লাহিড়ী কোং, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩
* লৌহ জিনিষটা সুলভ হইলেও ইহাকে বিশুদ্ধ অবস্থায় সংগ্রহ করা বড় কঠিন। অথচ বিশুদ্ধ লৌহের যথেষ্ট প্রয়োজন আছে। সাধারণ লৌহে তার প্রস্তুত করিতে গেলে, যে শ্রম লাগে, বিশুদ্ধ লৌহ লইয়া কার্য করিলে তাহার শতাংশ শ্রমেরও আবশ্যক হয় না। তা ছাড়া বৈদ্যুতিক যন্ত্রাদিতে এই প্রকার লৌহের চুম্বক ব্যবহার করিলে অল্প শক্তিতে অনেক কাজ আদায় করা যাইতে পারে। জর্ম্মানির লিপ্জিক্ (Leipsic) নগরের কারখানায় যে বিশুদ্ধ লৌহ প্রস্তুত করা হইতেছে, তাহা দ্বারা আজকাল অনেক যন্ত্রাদি নির্ম্মাণ করিয়া পরীক্ষা চলিতেছে। সাধারণ যন্ত্রের তুলনায় বিশুদ্ধ লৌহনির্ম্মিত কলে প্রায় আড়াই গুণ অধিক কাজ পাওয়া যাইতেছে। ইহা কম লাভের কথা নয়!
** [[জগদানন্দ রায়]], রসায়নীবিদ্যার উন্নতি, প্রাকৃতিকী- জগদানন্দ রায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল- ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩২১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* শাস্ত্রকারেরা কচ্ছপী বীণাকেই বাগ্দেবী সরস্বতীর হাতের যন্ত্র বলিয়া ব্যাখ্যা করেন; আমাদিগের বর্ণ্যমান কচ্ছপী বীণাটীতে যে সাতটী তার আবদ্ধ আছে, তন্মধ্যে চারিটী লৌহের এবং তিনটী পিত্তলের। যথা—<br>একচিহ্ন-বিশিষ্ট লৌহতারটীকে নায়কী অথবা প্রধান তার বলে। নায়কী তারটী লৌহনির্ম্মিত, সুতরাং অতি দৃঢ় বলিয়া বাদনকালে ইহারই বিশেষ প্রয়োজন হইয়া থাকে। এই তারটী সচরাচর উদারা সপ্তকের মধ্যম করিয়া বাঁধা যায়। দুই ও তিনচিহ্নবিশিষ্ট পিত্তল তারদ্বয় উদারা সপ্তকের ষড়্জ, চারিচিহ্নবিশিষ্ট লৌহ তারটী উদারার পঞ্চম, পাঁচচিহ্নবিশিষ্ট পিত্তলতার নিম্নসপ্তকের ষড়্জ, ছয়চিহ্নবিশিষ্ট লৌহতার মুদারার ষড়্জ ও সাতচিহ্নবিশিষ্ট লৌহতারটী মুদারার পঞ্চম করিয়া বাঁধার রীতি আছে।
** শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর, যন্ত্রকোষ- শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৮২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮-১৯
*সমস্ত জাহাজটা যেন একটা প্রকাণ্ড বৈদ্যুতিক কারখানা। সেই বিদ্যুতে জাহাজ চলে এবং জাহাজের বাতি জ্বালা রান্না করা পর্যন্ত সমস্ত কাজ হয়। জাহাজের কাপ্তান কোথায়? ঐ যে তিনি জাহাজের টুপির নীচে বসিয়া দিকবীক্ষণ যন্ত্র দিয়া চারিদিক দেখিতেছেন।
** [[সুকুমার রায়]], ডুবুরী জাহাজ, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫৬
* সবে মাত্র তুমি যন্ত্রী, যন্ত্র আমরা তন্ত্রে চলি।<br>তুমি যেমন্ রাখ তেম্নি থাকি, যেমন্ বলাও তেম্নি ৰলি।৷
** [[কমলাকান্ত ভট্টাচার্য]], কমলাকান্ত-পদাবলি- কমলাকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৯২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৭
* লৌহ সকল ধাতু অপেক্ষা অধিক কার্য্যোপযোগী। এই ধাতুতে লাঙ্গলের ফাল, কোদাল,ক্যাস্তয়া প্রভৃতি কৃষি কার্য্যের যন্ত্র সকল নিৰ্মাণ করে। ছুরী, কাঁচী, কুড়াল, খন্তা, কাটারি, চবিকুলুপ, শিকল, পেরেক, ছূচ, হাতা বেড়ী, কড়া, হাতুড়ি ইত্যাদি যে সকল বস্তু সর্ব্বদা প্রয়োজনে লাগে সে সমুদয় লৌহে নির্ম্মিত। ইহা ভিন্ন নানা বিধ অস্ত্র শস্ত্রও লৌহে নির্ম্মাণ করিয়া থাকে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], ধাতু, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৯
* আমি নিজে ক্ষুদ্রাকারে হইলেও একজন শিল্প ব্যবসায়ী, সুতরাং প্রথমতঃ আমি এই আদিম যুগের যন্ত্রটির প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশই করিয়াছিলাম। কিন্তু বিশেষ চিন্তার পর আমি বুঝিতে পারিলাম—প্রত্যেক গৃহস্থের পক্ষে এই চরকা কত উপকারী, অবসর সময়ে এই চরকায় কত কাজ হইতে পারে। ভারতের যে সব লক্ষ লক্ষ লোক অতি কষ্টে অনশনে অর্দ্ধাশনে জীবন যাপন করে, তাহাদের পক্ষে এই চরকা জীবিকার্জনের একমাত্র গৌণ উপায়।
** প্রফুল্লচন্দ্র রায়, চরকার বার্তা—কাটুনীর বিলাপ, দ্বাবিংশ পরিচ্ছেদ, আত্মচরিত- প্রফুল্লচন্দ্র রায়, প্রকাশক- ওরিয়েণ্ট বুক কোম্পানি, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪২
* মানুষের যে-কোনো অস্ত্র বা যে-কোনো যন্ত্র বল- বড়ো-বড়ো কামান, এঞ্জিন বা মোটর হইতে লাঙল কোদাল কাঁটা পেরেক পর্যন্ত- সবটাতেই লোহার দরকার হয়। যার মধ্যে লোহা নাই এমনও অসংখ্য জিনিস তৈয়ারি করিবার সময়ে লোহার যন্ত্র ব্যবহার করিতে হয়। যে জিনিসে তাহারও দরকার হয় না, যেমন অনেক ডাক্তারি ওষুধ, সেখানেও অনেক সময়েই কয়লার চুল্লি জ্বালিতে হয় এবং সেই কয়লা ডাঙিয়া উঠাইবার জন্য খনিতে লোহার কোদাল আর অনেক কলকব্জার দরকার হয়।
** [[সুকুমার রায়]], লোহা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৯
*বড় দূরবীণে যেখানে কয়েকটি মাত্র নক্ষত্র দেখা গিয়াছিল, দূরবীণ দিয়া সেখানকার ফোটোগ্রাফের ছবি তুলিতে গিয়া, জ্যোতিষীরা ছবিতে হাজার হাজার নূতন নক্ষত্র ফুটিয়া উঠিতে দেখিতেছেন। কাজেই হয় ত কোনো দিন আর এক রকম যন্ত্র দিয়া দেখিয়া জ্যোতিষীরা বলিবেন, নক্ষত্রদের সংখ্যা পঞ্চাশ কোটি নয়,—এক শত কোটি। নক্ষত্রদের সত্যই সংখ্যা হয় না!
**[[জগদানন্দ রায়]] - গ্রহ-নক্ষত্র, নক্ষত্রদের সংখ্যা ১৯১৫ (পৃ. ২০৩-২০৪)।
* “হিন্দুস্থানে প্রীতিকর কিছু নেই বললেই হয়। অধিবাসীরা দেখতে সুশ্রী নয়। বন্ধুবান্ধবের সম্মিলন অথবা অবাধ মেলামেশার আনন্দের সঙ্গে তারা অপরিচিত। তাদের প্রতিভা নেই, মনের বিচার-বিবেচনার শক্তি নেই, ব্যবহারে ভদ্রতা নেই, লোকের প্রতি সহানভূতি অথবা সদয়ভাব নেই, যন্ত্রের সাহায্যে অথবা অন্যরূপে শিল্পকলার উন্নতি করার কোনো ক্ষমতা নেই, স্থাপত্যবিদ্যার জ্ঞান অথবা নৈপুণ্য নেই। তাদের ভালো ঘোড়া নেই, ভালো মাংস নেই, আঙুর অথবা খরমুজ নেই, ভালো ফল নেই, বরফ কিংবা ঠাণ্ডা জল নেই, ভালো খাবার নেই, বাজারে রুটি নেই, স্নানাগার নেই, বিদ্যাপীঠ নেই, মোমবাতি নেই, মশাল নেই, বাতিদান নেই।”
** [[জওহরলাল নেহেরু]], মোগল সম্রাট বাবরের ভারত-বর্ণনায়, বিশ্ব-ইতিহাস প্রসঙ্গ- জওহরলাল নেহরু, অনুবাদক- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৬৪-২৬৫
*‘হরবোলা’ ছাড়াও একদল লোক আছে যারা নানারকম শব্দের নকল করে। তারা কিন্তু মুখে আওয়াজ করে না, কোনো জন্তু কিম্বা পাখির শব্দও নকল করে না, তাদের কাজই হচ্ছে অভিনয়ের সময় আড়াল থেকে নানারকম শব্দের নকল করে অভিনয়টাকে সত্যি ঘটনার মতো দেখাতে চেষ্টা করা। ঝড়-বৃষ্টির শব্দ, বাজ-পড়ার শব্দ, রেলের শব্দ, জাহাজের শব্দ, ঘোড়ার শব্দ, পায়ের শব্দ, বন্দুকের আওয়াজ, বাঘ সিংহের ডাক-এই-সবের আশ্চর্যরকম নকল এরা করতে পারে। অনেক মাথা খাটিয়ে সামান্য যন্ত্রের সাহায্যে এরা কতরকমের শব্দ নকল করে।
**[[সুকুমার রায়]] - সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, ১৯৬০ (পৃ. ২৮১-২৮২)।
* যন্ত্র বাইরের গাছপালার ছাপ নেয়, আর আচার্য জগদীশচন্দ্রের কল গাছের ভিতরকার ব্যাপারের রেকর্ড তোলে, দুটোই কিন্তু কল, artist নয়; ধর, কোন উপায়ে যদি কল দুটোই বেঁচে উঠে কাজে লেগে যায় তা হ’লেও তারা কি artist, একথা বলাতে পারবে আপনাদের? চোখের সামনে সূর্যোদয় আর অতীত সমস্ত সূর্যোদয়ের স্মৃতিচিত্র (memory picture) দুয়ের মধ্যেও না হয় রং চংএর তফাৎ হ’ল, কিন্তু তাই বলে একটা আর্ট আর অন্যটা আর্ট নয়, স্মৃতির যথাযথ প্রতিলিপিই আর্ট, সামনের যথাযথটা আর্ট নয়, কিম্বা সামনেরটাই আর্ট আর মনেরটা ঠিক তার উল্টো জিনিষ, এ তর্ক উঠতেই পারে না, কেননা যথাযথ প্রতিলিপি, তা সে এ-পিঠেরই হোক বা ও-পিঠেরই হোক, সে কাপি, এবং যারা তা করছে তারা নকলই করছে, কেউ আসল গড়ছে না।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], মত ও মন্ত্র, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৯
*কিন্নরী নামে অপর এক জাতীয় বীণা এতদ্দেশে বহুকালাবধি প্রচলিত আছে। কোন কোন গ্রন্থকারের মতে এই যন্ত্রের খোলটা অলাবু বা কাষ্ঠদ্বারা নির্ম্মিত না হইয়া পূর্ব্বকালে নারিকেলের খোলদ্বারা প্রস্তুত হইত, অধুনাতন সঙ্গীত কুতূহলীদিগের মধ্যে কেহবা বৃহৎ পক্ষীবিশেষের অণ্ড এবং আঢ্যেরা রজতাদি উৎকৃষ্ট ধাতুদ্বারা প্রস্তুত করাইয়া থাকেন; ফলতঃ নারিকেলখোলনির্ম্মিত কিন্নরীর ধ্বনির সহিত অণ্ডাদি নির্ম্মিত কিন্নরীর ধ্বনির কিছুমাত্র ইতর বিশেষ অনুভূত হয় না।
**যন্ত্রকোষ,কিন্নরী বীণা ,শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর,(পৃ.২৪)
* কলের কর্মক্ষমতা দিন দিন যতই বেড়ে চলেছে, মানুষের শ্রমের উপরে তাকে ততই কম নির্ভর করতে হচ্ছে। আজকের এই উন্নতি, যন্ত্রশিল্পের এই প্রগতি, এর বেগ বিশেষ করে দ্রুত হয়ে উঠেছে বিংশ শতাব্দীরই এই গত ত্রিশটি বছরে। সম্প্রতি বছর কয়েক ধরে এই পরিবর্তনের বেগ অত্যন্ত প্রবল হয়েছে—আজও সে বেগ থেমে যায় নি; এর ফলে শিল্পে এবং উৎপাদনের প্রণালীতে এমন বিপ্লবই ঘটে যাচ্ছে, অষ্টাদশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ভাগে যে শিল্প-বিপ্লব ঘটেছিল একমাত্র তারই সঙ্গে এর তুলনা দেওয়া চলে। এই নূতন বিপ্লবের প্রধান কারণ হচ্ছে, উৎপাদনের কাজে বিদ্যুৎশক্তির ক্রমশই অধিকতর ব্যবহার। বিংশ শতাব্দীতে বিরাট একটি বিদ্যুৎ-বিপ্লব পৃথিবীতে, বিশেষ করে আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রে ঘটেছে; এর ফলে জীবনযাত্রার রীতিটাই সম্পূর্ণ বদলে যাচ্ছে। অষ্টাদশ শতাব্দীর শিল্প-বিপ্লব প্রতিষ্ঠা করেছিল যন্ত্র যুগের; বিদ্যুৎ-বিপ্লবের ফলে আমরা এখন ছুটে চলেছি শক্তি-যুগের দিকে।
** [[জওহরলাল নেহেরু]], বিশ্ব-ইতিহাস প্রসঙ্গ- জওহরলাল নেহরু, অনুবাদক- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৩৭
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Machines}}
[[বিষয়শ্রেণী:প্রযুক্তি]]
2rmudmz8h0yudovnwilrcx4f8z2r2xl
75566
75561
2026-04-11T05:29:07Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
75566
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:যন্ত্র|যন্ত্র]]''' হলো এক বা একাধিক অংশ নিয়ে গঠিত একটি সরঞ্জাম যা কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৈরি করা হয়। যন্ত্র হলো শক্তিচালিত সরঞ্জাম, যা সাধারণত যান্ত্রিক, রাসায়নিক, তাপীয় বা বৈদ্যুতিকভাবে চালিত হয় এবং প্রায়শই মোটরচালিত হয়ে থাকে। ঐতিহাসিকভাবে, কোনো সরঞ্জামকে যন্ত্র হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করার জন্য তাতে চলমান অংশের প্রয়োজন হতো; তবে, ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তির আবির্ভাবের ফলে এমন সব সরঞ্জামের বিকাশ ঘটেছে যেগুলোতে কোনো চলমান অংশ নেই, কিন্তু সেগুলোকে যন্ত্র হিসেবে গণ্য করা হয়। বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে যন্ত্র হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি বা উপায়, যার মাধ্যমে বল প্রয়োগে কোনো কাজ করা যায়।
== উক্তি ==
* [[সমুদ্র]] এমত বিস্তৃত যে কতক দূর গেলে পর আর তীর দেখা যায় না; অথচ জাহাজের লোক পথ হারা হয় না। তাহার কারণ এই যে, জাহাজে কোম্পাস নামে একটা যন্ত্র থাকে; ঐ যন্ত্রে একটী সূচী আছে; জাহাজ যে মুখে যাউক না কেন, সেই সূচী সর্ব্বদাই উত্তর মুখে থাকে। উহা দেখিয়া নাবিকেরা দিক্ নির্ণয় করে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], জল—সমুদ্র—নদী, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭২-৭৩
* অণুবীক্ষণ নামে এক রকম যন্ত্র আছে, যাহাতে ছোট জিনিষকে বড় করিয়া দেখায়; বড় জিনিষকে ছোট দেখাইবার নিমিত্ত উপায় পদার্থবিদ্যাশাস্ত্রে নির্দিষ্ট থাকিলেও, ঐ উদ্দেশ্যে নির্ম্মিত কোন যন্ত্র আমাদের মধ্যে সর্ব্বদা ব্যবহৃত হয় না।
** [[রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী]], চরিত-কথা - রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, প্রকাশক- নববিভাকর যন্ত্র, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩
* মানুষের সকলরকম কাজে যেসমস্ত তৈজস বা বাসনপত্রের দরকার হয়, তাহার সমস্তই খনিজ জিনিসের তৈয়ারি। সেই-সমস্ত জিনিস সংগ্রহ করিয়া তাহাকে কাজের উপযোগী করিয়া গড়িতেও লোহার দরকার হয়। ঘরের দরজা জানলা, কড়ি বরগা, আসবাবপত্র, এ-সমস্ত কাঠের তৈয়ারি হইতে পারে, কিন্তু সেই কাঠকে কাটিয়া চিরিয়া চাঁচিয়া ঘষিয়া দরকারমতো গড়িয়া লইবার জন্য পদে পদেই লোহার কুড়াল করাত র্যাঁদা বাটালি প্রভৃতি যন্ত্রের দরকার হয়।
** [[সুকুমার রায়]], লোহা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৯
* একটী জীবন যন্ত্র বিকল হইলে<br>মিলিত ললিত তান<br>নীরব হয় সে গান,<br>জীবন বীণার তার বাজে নাগো আর,<br>ভগ্নস্বরে একা করি মৃদুল ঝঙ্কার।
** [[প্রসন্নময়ী দেবী]], স্নেহোপহার, নীহারিকা - প্রসন্নময়ী দেবী, প্রকাশক- এস্ কে্ লাহিড়ী কোং, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩
* বাঙ্গালা দেশে এক সময়ে এই বাঁশের বাঁশী মানুষের মনে সমস্ত সংগীতের সার সংগীত শুনাইয়াছিল। বাঙ্গলার রাখালেরা বিনা কড়িতে এই সুরের যন্ত্রটি পাইত, এখানে ঘাটে পথে বাঁশের ঝাড়, একটা মোটা কঞ্চি বা বাঁশের ডগা কাটিয়া বাঁশী তৈরী করিতে জানিত না, এরূপ রাখাল বাঙ্গলা দেশে ছিল না।
** [[দীনেশচন্দ্র সেন]], বাঁশীর সুর, পদাবলী-মাধুর্য্য - দীনেশচন্দ্র সেন, প্রকাশক- প্রবর্ত্তক পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩
* লৌহ জিনিষটা সুলভ হইলেও ইহাকে বিশুদ্ধ অবস্থায় সংগ্রহ করা বড় কঠিন। অথচ বিশুদ্ধ লৌহের যথেষ্ট প্রয়োজন আছে। সাধারণ লৌহে তার প্রস্তুত করিতে গেলে, যে শ্রম লাগে, বিশুদ্ধ লৌহ লইয়া কার্য করিলে তাহার শতাংশ শ্রমেরও আবশ্যক হয় না। তা ছাড়া বৈদ্যুতিক যন্ত্রাদিতে এই প্রকার লৌহের চুম্বক ব্যবহার করিলে অল্প শক্তিতে অনেক কাজ আদায় করা যাইতে পারে। জর্ম্মানির লিপ্জিক্ (Leipsic) নগরের কারখানায় যে বিশুদ্ধ লৌহ প্রস্তুত করা হইতেছে, তাহা দ্বারা আজকাল অনেক যন্ত্রাদি নির্ম্মাণ করিয়া পরীক্ষা চলিতেছে। সাধারণ যন্ত্রের তুলনায় বিশুদ্ধ লৌহনির্ম্মিত কলে প্রায় আড়াই গুণ অধিক কাজ পাওয়া যাইতেছে। ইহা কম লাভের কথা নয়!
** [[জগদানন্দ রায়]], রসায়নীবিদ্যার উন্নতি, প্রাকৃতিকী- জগদানন্দ রায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল- ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩২১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* শাস্ত্রকারেরা কচ্ছপী বীণাকেই বাগ্দেবী সরস্বতীর হাতের যন্ত্র বলিয়া ব্যাখ্যা করেন; আমাদিগের বর্ণ্যমান কচ্ছপী বীণাটীতে যে সাতটী তার আবদ্ধ আছে, তন্মধ্যে চারিটী লৌহের এবং তিনটী পিত্তলের। যথা—<br>একচিহ্ন-বিশিষ্ট লৌহতারটীকে নায়কী অথবা প্রধান তার বলে। নায়কী তারটী লৌহনির্ম্মিত, সুতরাং অতি দৃঢ় বলিয়া বাদনকালে ইহারই বিশেষ প্রয়োজন হইয়া থাকে। এই তারটী সচরাচর উদারা সপ্তকের মধ্যম করিয়া বাঁধা যায়। দুই ও তিনচিহ্নবিশিষ্ট পিত্তল তারদ্বয় উদারা সপ্তকের ষড়্জ, চারিচিহ্নবিশিষ্ট লৌহ তারটী উদারার পঞ্চম, পাঁচচিহ্নবিশিষ্ট পিত্তলতার নিম্নসপ্তকের ষড়্জ, ছয়চিহ্নবিশিষ্ট লৌহতার মুদারার ষড়্জ ও সাতচিহ্নবিশিষ্ট লৌহতারটী মুদারার পঞ্চম করিয়া বাঁধার রীতি আছে।
** শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর, যন্ত্রকোষ- শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৮২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮-১৯
*সমস্ত জাহাজটা যেন একটা প্রকাণ্ড বৈদ্যুতিক কারখানা। সেই বিদ্যুতে জাহাজ চলে এবং জাহাজের বাতি জ্বালা রান্না করা পর্যন্ত সমস্ত কাজ হয়। জাহাজের কাপ্তান কোথায়? ঐ যে তিনি জাহাজের টুপির নীচে বসিয়া দিকবীক্ষণ যন্ত্র দিয়া চারিদিক দেখিতেছেন।
** [[সুকুমার রায়]], ডুবুরী জাহাজ, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫৬
* সবে মাত্র তুমি যন্ত্রী, যন্ত্র আমরা তন্ত্রে চলি।<br>তুমি যেমন্ রাখ তেম্নি থাকি, যেমন্ বলাও তেম্নি ৰলি।৷
** [[কমলাকান্ত ভট্টাচার্য]], কমলাকান্ত-পদাবলি- কমলাকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৯২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৭
* লৌহ সকল ধাতু অপেক্ষা অধিক কার্য্যোপযোগী। এই ধাতুতে লাঙ্গলের ফাল, কোদাল,ক্যাস্তয়া প্রভৃতি কৃষি কার্য্যের যন্ত্র সকল নিৰ্মাণ করে। ছুরী, কাঁচী, কুড়াল, খন্তা, কাটারি, চবিকুলুপ, শিকল, পেরেক, ছূচ, হাতা বেড়ী, কড়া, হাতুড়ি ইত্যাদি যে সকল বস্তু সর্ব্বদা প্রয়োজনে লাগে সে সমুদয় লৌহে নির্ম্মিত। ইহা ভিন্ন নানা বিধ অস্ত্র শস্ত্রও লৌহে নির্ম্মাণ করিয়া থাকে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], ধাতু, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৯
* আমি নিজে ক্ষুদ্রাকারে হইলেও একজন শিল্প ব্যবসায়ী, সুতরাং প্রথমতঃ আমি এই আদিম যুগের যন্ত্রটির প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশই করিয়াছিলাম। কিন্তু বিশেষ চিন্তার পর আমি বুঝিতে পারিলাম—প্রত্যেক গৃহস্থের পক্ষে এই চরকা কত উপকারী, অবসর সময়ে এই চরকায় কত কাজ হইতে পারে। ভারতের যে সব লক্ষ লক্ষ লোক অতি কষ্টে অনশনে অর্দ্ধাশনে জীবন যাপন করে, তাহাদের পক্ষে এই চরকা জীবিকার্জনের একমাত্র গৌণ উপায়।
** প্রফুল্লচন্দ্র রায়, চরকার বার্তা—কাটুনীর বিলাপ, দ্বাবিংশ পরিচ্ছেদ, আত্মচরিত- প্রফুল্লচন্দ্র রায়, প্রকাশক- ওরিয়েণ্ট বুক কোম্পানি, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪২
* মানুষের যে-কোনো অস্ত্র বা যে-কোনো যন্ত্র বল- বড়ো-বড়ো কামান, এঞ্জিন বা মোটর হইতে লাঙল কোদাল কাঁটা পেরেক পর্যন্ত- সবটাতেই লোহার দরকার হয়। যার মধ্যে লোহা নাই এমনও অসংখ্য জিনিস তৈয়ারি করিবার সময়ে লোহার যন্ত্র ব্যবহার করিতে হয়। যে জিনিসে তাহারও দরকার হয় না, যেমন অনেক ডাক্তারি ওষুধ, সেখানেও অনেক সময়েই কয়লার চুল্লি জ্বালিতে হয় এবং সেই কয়লা ডাঙিয়া উঠাইবার জন্য খনিতে লোহার কোদাল আর অনেক কলকব্জার দরকার হয়।
** [[সুকুমার রায়]], লোহা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৯
*বড় দূরবীণে যেখানে কয়েকটি মাত্র নক্ষত্র দেখা গিয়াছিল, দূরবীণ দিয়া সেখানকার ফোটোগ্রাফের ছবি তুলিতে গিয়া, জ্যোতিষীরা ছবিতে হাজার হাজার নূতন নক্ষত্র ফুটিয়া উঠিতে দেখিতেছেন। কাজেই হয় ত কোনো দিন আর এক রকম যন্ত্র দিয়া দেখিয়া জ্যোতিষীরা বলিবেন, নক্ষত্রদের সংখ্যা পঞ্চাশ কোটি নয়,—এক শত কোটি। নক্ষত্রদের সত্যই সংখ্যা হয় না!
**[[জগদানন্দ রায়]] - গ্রহ-নক্ষত্র, নক্ষত্রদের সংখ্যা ১৯১৫ (পৃ. ২০৩-২০৪)।
* “হিন্দুস্থানে প্রীতিকর কিছু নেই বললেই হয়। অধিবাসীরা দেখতে সুশ্রী নয়। বন্ধুবান্ধবের সম্মিলন অথবা অবাধ মেলামেশার আনন্দের সঙ্গে তারা অপরিচিত। তাদের প্রতিভা নেই, মনের বিচার-বিবেচনার শক্তি নেই, ব্যবহারে ভদ্রতা নেই, লোকের প্রতি সহানভূতি অথবা সদয়ভাব নেই, যন্ত্রের সাহায্যে অথবা অন্যরূপে শিল্পকলার উন্নতি করার কোনো ক্ষমতা নেই, স্থাপত্যবিদ্যার জ্ঞান অথবা নৈপুণ্য নেই। তাদের ভালো ঘোড়া নেই, ভালো মাংস নেই, আঙুর অথবা খরমুজ নেই, ভালো ফল নেই, বরফ কিংবা ঠাণ্ডা জল নেই, ভালো খাবার নেই, বাজারে রুটি নেই, স্নানাগার নেই, বিদ্যাপীঠ নেই, মোমবাতি নেই, মশাল নেই, বাতিদান নেই।”
** [[জওহরলাল নেহেরু]], মোগল সম্রাট বাবরের ভারত-বর্ণনায়, বিশ্ব-ইতিহাস প্রসঙ্গ- জওহরলাল নেহরু, অনুবাদক- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৬৪-২৬৫
*‘হরবোলা’ ছাড়াও একদল লোক আছে যারা নানারকম শব্দের নকল করে। তারা কিন্তু মুখে আওয়াজ করে না, কোনো জন্তু কিম্বা পাখির শব্দও নকল করে না, তাদের কাজই হচ্ছে অভিনয়ের সময় আড়াল থেকে নানারকম শব্দের নকল করে অভিনয়টাকে সত্যি ঘটনার মতো দেখাতে চেষ্টা করা। ঝড়-বৃষ্টির শব্দ, বাজ-পড়ার শব্দ, রেলের শব্দ, জাহাজের শব্দ, ঘোড়ার শব্দ, পায়ের শব্দ, বন্দুকের আওয়াজ, বাঘ সিংহের ডাক-এই-সবের আশ্চর্যরকম নকল এরা করতে পারে। অনেক মাথা খাটিয়ে সামান্য যন্ত্রের সাহায্যে এরা কতরকমের শব্দ নকল করে।
**[[সুকুমার রায়]] - সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, ১৯৬০ (পৃ. ২৮১-২৮২)।
* যন্ত্র বাইরের গাছপালার ছাপ নেয়, আর আচার্য জগদীশচন্দ্রের কল গাছের ভিতরকার ব্যাপারের রেকর্ড তোলে, দুটোই কিন্তু কল, artist নয়; ধর, কোন উপায়ে যদি কল দুটোই বেঁচে উঠে কাজে লেগে যায় তা হ’লেও তারা কি artist, একথা বলাতে পারবে আপনাদের? চোখের সামনে সূর্যোদয় আর অতীত সমস্ত সূর্যোদয়ের স্মৃতিচিত্র (memory picture) দুয়ের মধ্যেও না হয় রং চংএর তফাৎ হ’ল, কিন্তু তাই বলে একটা আর্ট আর অন্যটা আর্ট নয়, স্মৃতির যথাযথ প্রতিলিপিই আর্ট, সামনের যথাযথটা আর্ট নয়, কিম্বা সামনেরটাই আর্ট আর মনেরটা ঠিক তার উল্টো জিনিষ, এ তর্ক উঠতেই পারে না, কেননা যথাযথ প্রতিলিপি, তা সে এ-পিঠেরই হোক বা ও-পিঠেরই হোক, সে কাপি, এবং যারা তা করছে তারা নকলই করছে, কেউ আসল গড়ছে না।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], মত ও মন্ত্র, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৯
*কিন্নরী নামে অপর এক জাতীয় বীণা এতদ্দেশে বহুকালাবধি প্রচলিত আছে। কোন কোন গ্রন্থকারের মতে এই যন্ত্রের খোলটা অলাবু বা কাষ্ঠদ্বারা নির্ম্মিত না হইয়া পূর্ব্বকালে নারিকেলের খোলদ্বারা প্রস্তুত হইত, অধুনাতন সঙ্গীত কুতূহলীদিগের মধ্যে কেহবা বৃহৎ পক্ষীবিশেষের অণ্ড এবং আঢ্যেরা রজতাদি উৎকৃষ্ট ধাতুদ্বারা প্রস্তুত করাইয়া থাকেন; ফলতঃ নারিকেলখোলনির্ম্মিত কিন্নরীর ধ্বনির সহিত অণ্ডাদি নির্ম্মিত কিন্নরীর ধ্বনির কিছুমাত্র ইতর বিশেষ অনুভূত হয় না।
**যন্ত্রকোষ,কিন্নরী বীণা ,শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর,(পৃ.২৪)
* কলের কর্মক্ষমতা দিন দিন যতই বেড়ে চলেছে, মানুষের শ্রমের উপরে তাকে ততই কম নির্ভর করতে হচ্ছে। আজকের এই উন্নতি, যন্ত্রশিল্পের এই প্রগতি, এর বেগ বিশেষ করে দ্রুত হয়ে উঠেছে বিংশ শতাব্দীরই এই গত ত্রিশটি বছরে। সম্প্রতি বছর কয়েক ধরে এই পরিবর্তনের বেগ অত্যন্ত প্রবল হয়েছে—আজও সে বেগ থেমে যায় নি; এর ফলে শিল্পে এবং উৎপাদনের প্রণালীতে এমন বিপ্লবই ঘটে যাচ্ছে, অষ্টাদশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ভাগে যে শিল্প-বিপ্লব ঘটেছিল একমাত্র তারই সঙ্গে এর তুলনা দেওয়া চলে। এই নূতন বিপ্লবের প্রধান কারণ হচ্ছে, উৎপাদনের কাজে বিদ্যুৎশক্তির ক্রমশই অধিকতর ব্যবহার। বিংশ শতাব্দীতে বিরাট একটি বিদ্যুৎ-বিপ্লব পৃথিবীতে, বিশেষ করে আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রে ঘটেছে; এর ফলে জীবনযাত্রার রীতিটাই সম্পূর্ণ বদলে যাচ্ছে। অষ্টাদশ শতাব্দীর শিল্প-বিপ্লব প্রতিষ্ঠা করেছিল যন্ত্র যুগের; বিদ্যুৎ-বিপ্লবের ফলে আমরা এখন ছুটে চলেছি শক্তি-যুগের দিকে।
** [[জওহরলাল নেহেরু]], বিশ্ব-ইতিহাস প্রসঙ্গ- জওহরলাল নেহরু, অনুবাদক- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৩৭
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Machines}}
[[বিষয়শ্রেণী:প্রযুক্তি]]
64730abp3jowp30q42s4yx1dnp46i3g
75568
75566
2026-04-11T05:32:01Z
Salil Kumar Mukherjee
39
উক্তি যোগ
75568
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:যন্ত্র|যন্ত্র]]''' হলো এক বা একাধিক অংশ নিয়ে গঠিত একটি সরঞ্জাম যা কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৈরি করা হয়। যন্ত্র হলো শক্তিচালিত সরঞ্জাম, যা সাধারণত যান্ত্রিক, রাসায়নিক, তাপীয় বা বৈদ্যুতিকভাবে চালিত হয় এবং প্রায়শই মোটরচালিত হয়ে থাকে। ঐতিহাসিকভাবে, কোনো সরঞ্জামকে যন্ত্র হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করার জন্য তাতে চলমান অংশের প্রয়োজন হতো; তবে, ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তির আবির্ভাবের ফলে এমন সব সরঞ্জামের বিকাশ ঘটেছে যেগুলোতে কোনো চলমান অংশ নেই, কিন্তু সেগুলোকে যন্ত্র হিসেবে গণ্য করা হয়। বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে যন্ত্র হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি বা উপায়, যার মাধ্যমে বল প্রয়োগে কোনো কাজ করা যায়।
== উক্তি ==
* [[সমুদ্র]] এমত বিস্তৃত যে কতক দূর গেলে পর আর তীর দেখা যায় না; অথচ জাহাজের লোক পথ হারা হয় না। তাহার কারণ এই যে, জাহাজে কোম্পাস নামে একটা যন্ত্র থাকে; ঐ যন্ত্রে একটী সূচী আছে; জাহাজ যে মুখে যাউক না কেন, সেই সূচী সর্ব্বদাই উত্তর মুখে থাকে। উহা দেখিয়া নাবিকেরা দিক্ নির্ণয় করে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], জল—সমুদ্র—নদী, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭২-৭৩
* অণুবীক্ষণ নামে এক রকম যন্ত্র আছে, যাহাতে ছোট জিনিষকে বড় করিয়া দেখায়; বড় জিনিষকে ছোট দেখাইবার নিমিত্ত উপায় পদার্থবিদ্যাশাস্ত্রে নির্দিষ্ট থাকিলেও, ঐ উদ্দেশ্যে নির্ম্মিত কোন যন্ত্র আমাদের মধ্যে সর্ব্বদা ব্যবহৃত হয় না।
** [[রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী]], চরিত-কথা - রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, প্রকাশক- নববিভাকর যন্ত্র, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩
* মানুষের সকলরকম কাজে যেসমস্ত তৈজস বা বাসনপত্রের দরকার হয়, তাহার সমস্তই খনিজ জিনিসের তৈয়ারি। সেই-সমস্ত জিনিস সংগ্রহ করিয়া তাহাকে কাজের উপযোগী করিয়া গড়িতেও লোহার দরকার হয়। ঘরের দরজা জানলা, কড়ি বরগা, আসবাবপত্র, এ-সমস্ত কাঠের তৈয়ারি হইতে পারে, কিন্তু সেই কাঠকে কাটিয়া চিরিয়া চাঁচিয়া ঘষিয়া দরকারমতো গড়িয়া লইবার জন্য পদে পদেই লোহার কুড়াল করাত র্যাঁদা বাটালি প্রভৃতি যন্ত্রের দরকার হয়।
** [[সুকুমার রায়]], লোহা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৯
* একটী জীবন যন্ত্র বিকল হইলে<br>মিলিত ললিত তান<br>নীরব হয় সে গান,<br>জীবন বীণার তার বাজে নাগো আর,<br>ভগ্নস্বরে একা করি মৃদুল ঝঙ্কার।
** [[প্রসন্নময়ী দেবী]], স্নেহোপহার, নীহারিকা - প্রসন্নময়ী দেবী, প্রকাশক- এস্ কে্ লাহিড়ী কোং, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩
* বাঙ্গালা দেশে এক সময়ে এই বাঁশের বাঁশী মানুষের মনে সমস্ত সংগীতের সার সংগীত শুনাইয়াছিল। বাঙ্গলার রাখালেরা বিনা কড়িতে এই সুরের যন্ত্রটি পাইত, এখানে ঘাটে পথে বাঁশের ঝাড়, একটা মোটা কঞ্চি বা বাঁশের ডগা কাটিয়া বাঁশী তৈরী করিতে জানিত না, এরূপ রাখাল বাঙ্গলা দেশে ছিল না।
** [[দীনেশচন্দ্র সেন]], বাঁশীর সুর, পদাবলী-মাধুর্য্য - দীনেশচন্দ্র সেন, প্রকাশক- প্রবর্ত্তক পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩
* লৌহ জিনিষটা সুলভ হইলেও ইহাকে বিশুদ্ধ অবস্থায় সংগ্রহ করা বড় কঠিন। অথচ বিশুদ্ধ লৌহের যথেষ্ট প্রয়োজন আছে। সাধারণ লৌহে তার প্রস্তুত করিতে গেলে, যে শ্রম লাগে, বিশুদ্ধ লৌহ লইয়া কার্য করিলে তাহার শতাংশ শ্রমেরও আবশ্যক হয় না। তা ছাড়া বৈদ্যুতিক যন্ত্রাদিতে এই প্রকার লৌহের চুম্বক ব্যবহার করিলে অল্প শক্তিতে অনেক কাজ আদায় করা যাইতে পারে। জর্ম্মানির লিপ্জিক্ (Leipsic) নগরের কারখানায় যে বিশুদ্ধ লৌহ প্রস্তুত করা হইতেছে, তাহা দ্বারা আজকাল অনেক যন্ত্রাদি নির্ম্মাণ করিয়া পরীক্ষা চলিতেছে। সাধারণ যন্ত্রের তুলনায় বিশুদ্ধ লৌহনির্ম্মিত কলে প্রায় আড়াই গুণ অধিক কাজ পাওয়া যাইতেছে। ইহা কম লাভের কথা নয়!
** [[জগদানন্দ রায়]], রসায়নীবিদ্যার উন্নতি, প্রাকৃতিকী- জগদানন্দ রায়, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, এলাহাবাদ, প্রকাশসাল- ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩২১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
* শাস্ত্রকারেরা কচ্ছপী বীণাকেই বাগ্দেবী সরস্বতীর হাতের যন্ত্র বলিয়া ব্যাখ্যা করেন; আমাদিগের বর্ণ্যমান কচ্ছপী বীণাটীতে যে সাতটী তার আবদ্ধ আছে, তন্মধ্যে চারিটী লৌহের এবং তিনটী পিত্তলের। যথা—<br>একচিহ্ন-বিশিষ্ট লৌহতারটীকে নায়কী অথবা প্রধান তার বলে। নায়কী তারটী লৌহনির্ম্মিত, সুতরাং অতি দৃঢ় বলিয়া বাদনকালে ইহারই বিশেষ প্রয়োজন হইয়া থাকে। এই তারটী সচরাচর উদারা সপ্তকের মধ্যম করিয়া বাঁধা যায়। দুই ও তিনচিহ্নবিশিষ্ট পিত্তল তারদ্বয় উদারা সপ্তকের ষড়্জ, চারিচিহ্নবিশিষ্ট লৌহ তারটী উদারার পঞ্চম, পাঁচচিহ্নবিশিষ্ট পিত্তলতার নিম্নসপ্তকের ষড়্জ, ছয়চিহ্নবিশিষ্ট লৌহতার মুদারার ষড়্জ ও সাতচিহ্নবিশিষ্ট লৌহতারটী মুদারার পঞ্চম করিয়া বাঁধার রীতি আছে।
** শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর, যন্ত্রকোষ- শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৮২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮-১৯
*সমস্ত জাহাজটা যেন একটা প্রকাণ্ড বৈদ্যুতিক কারখানা। সেই বিদ্যুতে জাহাজ চলে এবং জাহাজের বাতি জ্বালা রান্না করা পর্যন্ত সমস্ত কাজ হয়। জাহাজের কাপ্তান কোথায়? ঐ যে তিনি জাহাজের টুপির নীচে বসিয়া দিকবীক্ষণ যন্ত্র দিয়া চারিদিক দেখিতেছেন।
** [[সুকুমার রায়]], ডুবুরী জাহাজ, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫৬
* সবে মাত্র তুমি যন্ত্রী, যন্ত্র আমরা তন্ত্রে চলি।<br>তুমি যেমন্ রাখ তেম্নি থাকি, যেমন্ বলাও তেম্নি ৰলি।৷
** [[কমলাকান্ত ভট্টাচার্য]], কমলাকান্ত-পদাবলি- কমলাকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দ (১২৯২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৭
* লৌহ সকল ধাতু অপেক্ষা অধিক কার্য্যোপযোগী। এই ধাতুতে লাঙ্গলের ফাল, কোদাল,ক্যাস্তয়া প্রভৃতি কৃষি কার্য্যের যন্ত্র সকল নিৰ্মাণ করে। ছুরী, কাঁচী, কুড়াল, খন্তা, কাটারি, চবিকুলুপ, শিকল, পেরেক, ছূচ, হাতা বেড়ী, কড়া, হাতুড়ি ইত্যাদি যে সকল বস্তু সর্ব্বদা প্রয়োজনে লাগে সে সমুদয় লৌহে নির্ম্মিত। ইহা ভিন্ন নানা বিধ অস্ত্র শস্ত্রও লৌহে নির্ম্মাণ করিয়া থাকে।
** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]], ধাতু, বোধোদয়- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ (১২৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৯
* আমি নিজে ক্ষুদ্রাকারে হইলেও একজন শিল্প ব্যবসায়ী, সুতরাং প্রথমতঃ আমি এই আদিম যুগের যন্ত্রটির প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশই করিয়াছিলাম। কিন্তু বিশেষ চিন্তার পর আমি বুঝিতে পারিলাম—প্রত্যেক গৃহস্থের পক্ষে এই চরকা কত উপকারী, অবসর সময়ে এই চরকায় কত কাজ হইতে পারে। ভারতের যে সব লক্ষ লক্ষ লোক অতি কষ্টে অনশনে অর্দ্ধাশনে জীবন যাপন করে, তাহাদের পক্ষে এই চরকা জীবিকার্জনের একমাত্র গৌণ উপায়।
** প্রফুল্লচন্দ্র রায়, চরকার বার্তা—কাটুনীর বিলাপ, দ্বাবিংশ পরিচ্ছেদ, আত্মচরিত- প্রফুল্লচন্দ্র রায়, প্রকাশক- ওরিয়েণ্ট বুক কোম্পানি, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪২
* মানুষের যে-কোনো অস্ত্র বা যে-কোনো যন্ত্র বল- বড়ো-বড়ো কামান, এঞ্জিন বা মোটর হইতে লাঙল কোদাল কাঁটা পেরেক পর্যন্ত- সবটাতেই লোহার দরকার হয়। যার মধ্যে লোহা নাই এমনও অসংখ্য জিনিস তৈয়ারি করিবার সময়ে লোহার যন্ত্র ব্যবহার করিতে হয়। যে জিনিসে তাহারও দরকার হয় না, যেমন অনেক ডাক্তারি ওষুধ, সেখানেও অনেক সময়েই কয়লার চুল্লি জ্বালিতে হয় এবং সেই কয়লা ডাঙিয়া উঠাইবার জন্য খনিতে লোহার কোদাল আর অনেক কলকব্জার দরকার হয়।
** [[সুকুমার রায়]], লোহা, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪৯
*বড় দূরবীণে যেখানে কয়েকটি মাত্র নক্ষত্র দেখা গিয়াছিল, দূরবীণ দিয়া সেখানকার ফোটোগ্রাফের ছবি তুলিতে গিয়া, জ্যোতিষীরা ছবিতে হাজার হাজার নূতন নক্ষত্র ফুটিয়া উঠিতে দেখিতেছেন। কাজেই হয় ত কোনো দিন আর এক রকম যন্ত্র দিয়া দেখিয়া জ্যোতিষীরা বলিবেন, নক্ষত্রদের সংখ্যা পঞ্চাশ কোটি নয়,—এক শত কোটি। নক্ষত্রদের সত্যই সংখ্যা হয় না!
**[[জগদানন্দ রায়]] - গ্রহ-নক্ষত্র, নক্ষত্রদের সংখ্যা ১৯১৫ (পৃ. ২০৩-২০৪)।
* “হিন্দুস্থানে প্রীতিকর কিছু নেই বললেই হয়। অধিবাসীরা দেখতে সুশ্রী নয়। বন্ধুবান্ধবের সম্মিলন অথবা অবাধ মেলামেশার আনন্দের সঙ্গে তারা অপরিচিত। তাদের প্রতিভা নেই, মনের বিচার-বিবেচনার শক্তি নেই, ব্যবহারে ভদ্রতা নেই, লোকের প্রতি সহানভূতি অথবা সদয়ভাব নেই, যন্ত্রের সাহায্যে অথবা অন্যরূপে শিল্পকলার উন্নতি করার কোনো ক্ষমতা নেই, স্থাপত্যবিদ্যার জ্ঞান অথবা নৈপুণ্য নেই। তাদের ভালো ঘোড়া নেই, ভালো মাংস নেই, আঙুর অথবা খরমুজ নেই, ভালো ফল নেই, বরফ কিংবা ঠাণ্ডা জল নেই, ভালো খাবার নেই, বাজারে রুটি নেই, স্নানাগার নেই, বিদ্যাপীঠ নেই, মোমবাতি নেই, মশাল নেই, বাতিদান নেই।”
** [[জওহরলাল নেহেরু]], মোগল সম্রাট বাবরের ভারত-বর্ণনায়, বিশ্ব-ইতিহাস প্রসঙ্গ- জওহরলাল নেহরু, অনুবাদক- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৬৪-২৬৫
*‘হরবোলা’ ছাড়াও একদল লোক আছে যারা নানারকম শব্দের নকল করে। তারা কিন্তু মুখে আওয়াজ করে না, কোনো জন্তু কিম্বা পাখির শব্দও নকল করে না, তাদের কাজই হচ্ছে অভিনয়ের সময় আড়াল থেকে নানারকম শব্দের নকল করে অভিনয়টাকে সত্যি ঘটনার মতো দেখাতে চেষ্টা করা। ঝড়-বৃষ্টির শব্দ, বাজ-পড়ার শব্দ, রেলের শব্দ, জাহাজের শব্দ, ঘোড়ার শব্দ, পায়ের শব্দ, বন্দুকের আওয়াজ, বাঘ সিংহের ডাক-এই-সবের আশ্চর্যরকম নকল এরা করতে পারে। অনেক মাথা খাটিয়ে সামান্য যন্ত্রের সাহায্যে এরা কতরকমের শব্দ নকল করে।
**[[সুকুমার রায়]] - সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, ১৯৬০ (পৃ. ২৮১-২৮২)।
* যন্ত্র বাইরের গাছপালার ছাপ নেয়, আর আচার্য জগদীশচন্দ্রের কল গাছের ভিতরকার ব্যাপারের রেকর্ড তোলে, দুটোই কিন্তু কল, artist নয়; ধর, কোন উপায়ে যদি কল দুটোই বেঁচে উঠে কাজে লেগে যায় তা হ’লেও তারা কি artist, একথা বলাতে পারবে আপনাদের? চোখের সামনে সূর্যোদয় আর অতীত সমস্ত সূর্যোদয়ের স্মৃতিচিত্র (memory picture) দুয়ের মধ্যেও না হয় রং চংএর তফাৎ হ’ল, কিন্তু তাই বলে একটা আর্ট আর অন্যটা আর্ট নয়, স্মৃতির যথাযথ প্রতিলিপিই আর্ট, সামনের যথাযথটা আর্ট নয়, কিম্বা সামনেরটাই আর্ট আর মনেরটা ঠিক তার উল্টো জিনিষ, এ তর্ক উঠতেই পারে না, কেননা যথাযথ প্রতিলিপি, তা সে এ-পিঠেরই হোক বা ও-পিঠেরই হোক, সে কাপি, এবং যারা তা করছে তারা নকলই করছে, কেউ আসল গড়ছে না।
** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], মত ও মন্ত্র, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৯
* বেসুরেই বাজবে তাদের রনোন্মাদের যন্ত্র গুলি,<br>গগন ছেয়ে উঠবে তাদের, নৃত্য পায়ের মুক্ত ধুলি।
** [[মুকুন্দ দাস]], অগ্নিময়ী মায়ের ছেলে আগুন নিয়েই খেলবে তারা [https://www.milansagar.com/kobi/charankobi_mukundadas/kobi-charankobimukundadas.html]
*কিন্নরী নামে অপর এক জাতীয় বীণা এতদ্দেশে বহুকালাবধি প্রচলিত আছে। কোন কোন গ্রন্থকারের মতে এই যন্ত্রের খোলটা অলাবু বা কাষ্ঠদ্বারা নির্ম্মিত না হইয়া পূর্ব্বকালে নারিকেলের খোলদ্বারা প্রস্তুত হইত, অধুনাতন সঙ্গীত কুতূহলীদিগের মধ্যে কেহবা বৃহৎ পক্ষীবিশেষের অণ্ড এবং আঢ্যেরা রজতাদি উৎকৃষ্ট ধাতুদ্বারা প্রস্তুত করাইয়া থাকেন; ফলতঃ নারিকেলখোলনির্ম্মিত কিন্নরীর ধ্বনির সহিত অণ্ডাদি নির্ম্মিত কিন্নরীর ধ্বনির কিছুমাত্র ইতর বিশেষ অনুভূত হয় না।
**যন্ত্রকোষ,কিন্নরী বীণা ,শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর,(পৃ.২৪)
* কলের কর্মক্ষমতা দিন দিন যতই বেড়ে চলেছে, মানুষের শ্রমের উপরে তাকে ততই কম নির্ভর করতে হচ্ছে। আজকের এই উন্নতি, যন্ত্রশিল্পের এই প্রগতি, এর বেগ বিশেষ করে দ্রুত হয়ে উঠেছে বিংশ শতাব্দীরই এই গত ত্রিশটি বছরে। সম্প্রতি বছর কয়েক ধরে এই পরিবর্তনের বেগ অত্যন্ত প্রবল হয়েছে—আজও সে বেগ থেমে যায় নি; এর ফলে শিল্পে এবং উৎপাদনের প্রণালীতে এমন বিপ্লবই ঘটে যাচ্ছে, অষ্টাদশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ভাগে যে শিল্প-বিপ্লব ঘটেছিল একমাত্র তারই সঙ্গে এর তুলনা দেওয়া চলে। এই নূতন বিপ্লবের প্রধান কারণ হচ্ছে, উৎপাদনের কাজে বিদ্যুৎশক্তির ক্রমশই অধিকতর ব্যবহার। বিংশ শতাব্দীতে বিরাট একটি বিদ্যুৎ-বিপ্লব পৃথিবীতে, বিশেষ করে আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রে ঘটেছে; এর ফলে জীবনযাত্রার রীতিটাই সম্পূর্ণ বদলে যাচ্ছে। অষ্টাদশ শতাব্দীর শিল্প-বিপ্লব প্রতিষ্ঠা করেছিল যন্ত্র যুগের; বিদ্যুৎ-বিপ্লবের ফলে আমরা এখন ছুটে চলেছি শক্তি-যুগের দিকে।
** [[জওহরলাল নেহেরু]], বিশ্ব-ইতিহাস প্রসঙ্গ- জওহরলাল নেহরু, অনুবাদক- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৩৭
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Machines}}
[[বিষয়শ্রেণী:প্রযুক্তি]]
13do09dhgo0d3iyqpzdlqy17wdeyu6f
ব্যবহারকারী আলাপ:Talha toha
3
12301
75441
2026-04-10T18:13:03Z
অভ্যর্থনা কমিটি বট
1112
উইকিউক্তিতে স্বাগত!
75441
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Talha toha,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]]
</div>
১৮:১৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
tp6zjmgua6fkez8c1o7va33jiv78sv4
ব্যবহারকারী আলাপ:Shri Avishek Roy 1
3
12302
75465
2026-04-10T20:13:02Z
অভ্যর্থনা কমিটি বট
1112
উইকিউক্তিতে স্বাগত!
75465
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Shri Avishek Roy 1,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]]
</div>
২০:১৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
20dz233g3mlwrpmlmzaar7iovgoc16b
ভারতে নারী
0
12303
75481
2026-04-11T00:06:24Z
ARI
356
[[:en:Women in India|]] থেকে অনুবাদ/আমদানি
75481
wikitext
text/x-wiki
[[File:Village Belle, by Raja Ravi Varma.jpg|thumb|If devotion to the fair sex be admitted as a criterion of civilization, the Rajpoot must rank high. His susceptibility is extreme, and fires at the slightest offense to female delicacy, which he never forgives. - James Tod]]
[[File:Raja Ravi Varma, Galaxy of Musicians.jpg|thumb|]]
[[File:Raja Ravi Varma, The Milkmaid (1904).jpg|thumb|]]
The status of '''[[w:women in India|women in India]]''' has been subject to many great changes over the past few millennia. With a decline in their status from the ancient to medieval times, to the promotion of equal rights by many reformers, the history of women in India has been eventful.
==Pre-1947 India==
* [[w:Tvashtr|He]] took the rotundity of the moon, and the curves of creepers, and the clinging of tendrils, and the trembling of grass, and the slenderness of the reed, and the bloom of flowers, and the lightness of leaves, and the tapering of the elephant’s trunk, and the glances of deer, and the clustering of rows of bees, and the joyous gaiety of sunbeams, and the weeping of clouds, and the fickleness of the winds, and the timidity of the hare, and the vanity of the peacock, and the softness of the parrot’s bosom, and the hardness of adamant, and the sweetness of honey, and the cruelty of the tiger, and the warm glow of fire, and the coldness of snow, and the chattering of jays, and the cooing of the ''[[wikt:कोकिल|kókila]]'', and the hypocrisy of the crane, and the fidelity of the [[w:Ruddy shelduck|''chakrawáka'']]; and compounding all these together he made woman, and gave her to man.
** Creation of woman in a Hindu legend, purportedly translated from the Sanskrit by {{W|F. W. Bain}}, [https://www.gutenberg.org/files/48910/48910-h/48910-h.htm ''A Digit of the Moon''], 9th ed. (1911), introduction. Quoted in E. B. Havell, [https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.57027/page/n139/mode/2up?q=slenderness ''The Ideals of Indian Art''] (1920), p. 91<!--Also quoted in Will Durant, ''Our Oriental Heritage: India and Her Neighbors''-->
* Woman is the crowning excellence of God's creation, the shadow of the gods. Man the god's creation only. Woman is light, man is shadow. Could the light do without the shadow?
** [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]], ''Krishna Kanta's Will'' (tr. Miriam S. Knight, 1895), [[s:Krishna Kanta's Will (Chatterjee, Knight)/Part 2/Chapter 15|pt. 2, ch. 15]]<!--Quoted in [[কোনরাড এলস্ট]], ''Decolonizing the Hindu Mind: Ideological Development of Hindu Revivalism'' (New Delhi: Rupa, 2001), pp. 114-115-->
*The Mahometan Women do not appear in publick, except only the vulgar Sort, and the leud Ones. They cover their Heads, but the Hair hangs down behind in several Tresses. Many of them bore their Noses to wear a Gold Ring set with Stones.
**Thevenot and Careri, Indian Travels of Thevenot and Careri, Edited by Surendra Nath Sen, National Archives of India, 1949.
* Nevertheless, woman enjoyed far greater freedom in the Vedic period than in later India. She had more to say in the choice of her mate than the forms of marriage might suggest. She appeared freely at feasts and dances, and joined with men in religious sacrifice. She could study, and might, like Gargi, engage in philosophic disputation. If she was left a widow there were no restrictions upon her remarriage. In the Heroic Age woman seems to have lost something of this liberty.
** Durant, Will (1963). Our Oriental heritage. New York: Simon & Schuster.
* If devotion to the fair sex be admitted as a criterion of civilization, the Rajpoot must rank high. His susceptibility is extreme, and fires at the slightest offense to female delicacy, which he never forgives.
** James Tod, Annals and antiquities of Rajast'han
* Take the case of the Thaaru women in the Tarai region as described by Hugh and Colleen Gantzer. “Once upon a time… a group of beautiful Sisodia Rajput princesses were spirited out of their kingdom by their loving father. Though the old man was prepared to die in the battlefield, with all honour, he could not bear the thought of all his beautiful daughters dying in the fiery self-immolation pit of Jauhar. He therefore summoned some of his bravest old retainers, charged them with the task of guarding the princesses, gave them a posse of Bhil warriors, and sent them to the safety of a remote Himalayan kingdom with which he had ties of blood. Sadly, on their arduous journey the old retainers succumbed to malaria... Eventually when the last old Rajput male had died, the princesses realised that they could go no further… They were young women, full of life. They didn’t want to die. So they made an agreement with their Bhils that they would settle down there, in a clearing in the fertile Tarai, marry them but on one condition. From that day on their female descendants would always be superior to their males... they would not serve them. And that is the way it still is. … These women were not the docile, subservient (type) we had often encountered in northern Indian villages: they were proud (and) independent…”
** Hugh and Colleen Gantzer, quoted from Lal, K. S. (1994). Muslim slave system in medieval India. New Delhi: Aditya Prakashan. Chapter 6
* War being a special privilege of the martial classes, harassment of the civilian population during military operations was considered a serious lapse from the code of honour. The high regard which all Kshatriyas had for the chastity of women, also ruled out abduction as an incident of war.
** K.M. Munshi, 'End of Ancient India' in Bharatiya Vidya Bhavan's Journal, vol. IV, no. II, December 29, 1959, pp. 8, 14. quoted from Lal, K. S. (1999). Theory and practice of Muslim state in India. New Delhi: Aditya Prakashan. Chapter 1
* I do not know any book that says as many kind and delicate things to females as in the law book of Manu; these old men and saints have a way of minding their manners in front of women that has perhaps never been surpassed.
** Friedrich Nietzsche, (AC 56) quoted from Elst, Koenraad. Manu as a weapon against egalitarianism: Nietzsche and Hindu political philosophy in : Siemens & Vasti Roodt, eds.: Nietzsche, Power and Politics (Walter de Gruyter, Berlin 2008).
* Orme, along with many others, affirms that “'''nature seems to have showered beauty on the fairer sex throughout Hindustan with a more lavish hand than in most other countries.'''”
** Orme’s Fragments, quoted from Lal, K. S. (1994). Muslim slave system in medieval India. New Delhi: Aditya Prakashan. Chapter 12
* "Women were held in higher respect in India than in other ancient countries, and the Epics and old literature of India assign a higher position to them than the epics and literature of ancient Greece. Hindu women enjoyed some rights of property from the Vedic Age, took a share in social and religious rites, and were sometimes distinguished by their learning. The absolute seclusion of women in India was unknown in ancient times."
** Romesh C. Dutt: The Civilization of India: 21-22
* In these modern days there is a greater impetus towards higher education on the European lines, and the trend of opinion is strong towards women getting this higher education. Of course, there are some people in India who do not want it, but those who do want it carried the day. It is a strange fact that Oxford and Cambridge are closed to women today, so are Harvard and Yale; but Calcutta University opened its doors to women more than twenty years ago.
** Swami Vivekananda, Women of India [http://www.vivekananda.net/Lectures/WomenOfIndia.html]
* To the women of this country... I would say exactly what I say to the men. Believe in India and in our Indian faith. Be strong and hopeful and unashamed, and remember that with something to take, Hindus have immeasurably more to give than any other people in the world.
** Swami Vivekananda, Complete Works of Swami Vivekananda, Volume 5, Interviews/On Indian Women--Their Past, Present And Future
* [[সম্রাট আকবর]] had prohibited enslavement and sale of women and children of peasants who had defaulted in payment of revenue. He knew, as Abul Fazl says, that many evil-hearted and vicious men either because of ill-founded suspicion or sheer greed, used to proceed to villages and mahals and sack them.
** Lal, K. S. (2012). Indian Muslims: Who are They.
* In this background, it would be an unremitting task both in volume and repetition to give all anecdotes, facts and figures of enslavement and concubinage of captive women in the central and provincial kingdoms and independent Muslim states found mentioned in the chronicles. This would only lead to repetition resulting in the book becoming bulky.
** K.S.Lal. Muslim Slave System in Medieval India (1994)
* In 1635 AD, Shah Jahan’s soldiers captured some ladies of the royal Bundela family after Jujhar Singh and his sons failed to kill them in the time-honoured Rajput tradition. In the words of [[Jadunath Sarkar]], “Mothers and daughters of kings, they were robbed of their religion and forced to lead the infamous life of the Mughal harem.”
** Jadunath Sarkar, quoted by Sita Ram Goel in S.R. Goel: The Story of Islamic Imperialism in India.
* The Hindus of this region had been victims of Muslim high-handedness for a long time, particularly in respect of their women. Murshid Qulî Khãn, the faujdãr of Mathura who died in 1638, was notorious for seizing “all their most beautiful women” and forcing them into his harem. “On the birthday of Krishna,” narrates Ma’sîr-ul-Umara, “a vast gathering of Hindu men and women takes place at Govardhan on the Jumna opposite Mathura. The Khan, painting his forehead and wearing dhoti like a Hindu, used to walk up and down in the crowd. Whenever he saw a woman whose beauty filled even the moon with envy, he snatched her away like a wolf pouncing upon a flock, and placing her in the boat which his men kept ready on the bank, he sped to Agra. The Hindu [for shame] never divulged what had happened to his daughter.”
** S.R. Goel in Shourie, A., & Goel, S. R. (1993). Hindu temples: What happened to them. Vol. II
* In the preceding pages it has been seen how women and children were special targets for enslavement throughout the medieval period, that is, during Muslim invasions and Muslim rule. Captive children of both sexes grew up as Muslims and served the sultans, nobles and men of means in various captives. Enslavement of young women was also due to many reasons; their being sex objects was the primary consideration and hence concentration on their captivity..... Forcible marriages, euphemistically called matrimonial alliances, were common throughout the medieval period. Only some of them find mention in Muslim chronicles with their bitter details...It is therefore no wonder that from the day the Muslim invaders marched into India to the time when their political power declined, women were systematically captured and enslaved throughout the length and breadth of the country.
** K.S. Lal, Lal, K. S. (1994). Muslim slave system in medieval India. New Delhi: Aditya Prakashan. ch. 12.
* Guru Nanak proceeds to describe how the oppressors shaved off the maidens, their ‘heads with braided hair, with vermilion marks in the parting’; how ‘their throats were choked with dust’; how they were cast out of their palatial homes, unable now to sit even in the neighbourhood of their homes; how those who had come to the homes of their husbands in palanquins, decorated with ivory, who lived in the lap of luxury, had been tied with ropes around their necks; how their pearl strings had been shattered; how the very beauty that was their jewel had now become their enemy – ordered to dishonour them, the soldiers had carried them off. ‘Since Babar’s rule has been proclaimed,’ [[গুরু নানক]] wrote, ‘even the princes have no food to eat.’ Their sacred squares shattered, where will the [[হিন্দু]] [[নারী]] bathe, how will they worship? the Guru lamented. Dishonoured, how may they now apply the tilak on their foreheads? Some return home to inquire about the safety of their loved ones. Others are cursed to sit and cry out in pain.
** Guru Granth Sahib, quoted from [[Shourie, Arun]] (2014). Eminent historians: Their technology, their line, their fraud. Noida, Uttar Pradesh, India : HarperCollins Publishers.
* The Hindu was taxed to the extent of half the produce of his land... No gold or silver, not even the betelnut, so cheering and stimulative to pleasure, was to be seen in a Hindu house, and the wives of the impoverished native officials were reduced to taking service in Muslim families. Revenue officers came to be regarded as more deadly than the plague; and to be a government clerk was disgrace worse than death, in so much that no Hindu would marry his daughter to such a man.
** Lane Poole : Medieval India, quoted from B.R. Ambedkar, Pakistan or The Partition of India (1946)
* (The soldier) takes into custody all the women of the enemy’s city… Wherever they happened to pass in that very place the ladies of the Raja’s house began to be sold in the market. They used to set fire to the villages. They turned out the women (from their homes) and killed the children. Loot was their (source of) income. They subsisted on that. Neither did they have pity for the weak nor did they fear the strong… They had nothing to do with righteousness… They never kept their promise… They were neither desirous of good name, not did they fear bad name…”
** The poet Vidyapati writing about Muslim soldiers. Kirtilata. Quoted from Lal, K. S. (1992). The legacy of Muslim rule in India. New Delhi: Aditya Prakashan.
* Having subjugated Khuraasaan, Babar terrified Hindustaan<br/>So that blame does not come on Him, the Creator has sent the Mughal as the messenger of death<br/>So great was the slaughter, such the agony of the people, even then You felt no compassion, Lord? <br/>If some powerful man strikes another, one feels no grief But when a powerful tiger slaughters a flock of helpless sheep, its master must answer <br/>This jewel of a country has been laid waste and defiled by dogs, so much so that no one pays heed even to the dead… <br/>Guru Nanak proceeds to describe how the oppressors shaved off the maidens, their ‘heads with braided hair, with vermillion marks in the parting’; how ‘their throats were choked with dust’; how they were cast out of their palatial homes, unable now to sit even in the neighbourhood of their homes; how those who had come to the homes of their husbands in palanquins, decorated with ivory, who lived in the lap of luxury, had been tied with ropes around their necks; how their pearl strings had been shattered; how the very beauty that was their jewel had now become their enemy – ordered to dishonour them, the soldiers had carried them off. ‘Since Babar’s rule has been proclaimed,’ [[গুরু নানক]] wrote, ‘even the princes have no food to eat.’
**Guru Granth Sahib, quoted from [[Shourie, Arun]] (2014). Eminent historians: Their technology, their line, their fraud. Noida, Uttar Pradesh, India : HarperCollins Publishers.
* Writing about the days of Sultan [[মুহাম্মদ বিন তুগলক|Muhammad bin Tughlaq]] (1325-51), Shihabuddin al-Umari writes: "The sultan never ceases to show the greatest zeal in making war upon the infidels... Every day thousands of slaves are sold at a very low price, so great is the number of prisoners .... (that) the value at Delhi of a young slave girl, for domestic service, does not exceed eight tankahs. Those who are deemed fit to fill the parts of domestic and concubine sell for about fifteen tankahs. In other cities prices are still lower..." Umari continues, "but still, in spite of low prices of slaves, 20000 tankahs, and even more, are paid for young Indian girls. I inquired the reason... and was told that these young girls are remarkable for their beauty, and the grace of their manners."
** Masalik-ul-Absar, E.D. vol. III, pp. 580-81. (Shihabuddin al-Umri, Masalik-ul-Absar fi Mumalik-ul-Amar) Quoted from Lal, K. S. (1994). Muslim slave system in medieval India.
* But when the Muhammedan invaders ... conquered the disorganised Hindu hosts, and Hindu young women began to become a prey to the lust of some of the conquerors, the custom of early marriage and the unnatural purdah were introduced by the degenerate Hindus of northern India as refuge against the inroads of Muslim Ghazis in Hindu homes.
** Swami Shraddhanand . Hindu Sangathan p. 95, quoted in Elst, Koenraad (2014). Decolonizing the Hindu mind: Ideological development of Hindu revivalism. New Delhi: Rupa. p.377
* ...in any view, abduction of Hindu women by the Muslims and their continued loss to the Hindu community, so far as it affects the growth of the Hindus is a matter which cannot be neglected any longer without serious consequences.
** J.M.Dutta, ‘Continued Abduction of Hindu Women-its Effect on the Bengali Hindus‘, Modern Review, 1941, pp.358-9 : cited in Rakesh Batabyal, Communalism in Bengal: From Famine To Noakhali, 1943-47, SAGE, 2005 p.287 [https://swarajyamag.com/ideas/did-savarkar-justify-rape-as-a-political-weapon]
* At Mansera and some other places (N.W.F.P.) there are regular camps where Hindu girls are being sold.
** Krapala Singh, Select documents on Partition of Punjab-1947: India and Pakistan : Punjab, Haryana, and Himachal-India and Punjab-Pakistan, National Book Shop, 1991, p.639
* At the height of the riots, during August and September, when the majority of rapes and abductions occurred, there was almost no limit to the vehemence of the mobs. Throughout the chaos, both planned and random abductions of women and girls were carried out, particularly in situations in which large number of refugees — disoriented and inadequately protected — had assembled or were on the move. For example, Kirpal Singh records that two trains crossed on the Kamoke railway line, one carrying 260 refugees and the other carrying Pakistan Army soldiers. After the latter realized that the former was carrying Hindu refugees, it was attacked. Most of the men were killed and 50 women and girls were forcibly taken by the soldiers. Similarly, in East Bengal, the Ansars, a paramilitary force responsible for the safety of the citizens also perpetrated attacks and abducted Hindu women. One of my respondents was on one of the trains leaving Pakistan and recalled how she hid in a toilet. ... In the confusion that followed, while she was fortunate enough to avoid being abducted, she witnessed many girls and women being taken from the trains. ... Describing the massacres of refugees in Kamoke, Gujranwala district, an Indian official wrote, the most ignoble feature of the tragedy was the distribution of young girls amongst the members of the Police Force, the National Guards (an Islamo-fascist organization-AN) and the local goondas. The Station House Officer Dilder Hussain collected the victims in an open space near Kamoke Railway Station and gave a free hand to the mob. After the massacre was over, the girls were distributed like sweets ... Later on as a result of the efforts of the Liasion Agency and the East Punjab Police some girls were recovered from Kamoke, Eminabad and some surrounding villages ... A list of at least 70 untraced girls abducted from the Kamoke train was handed over [to] the Police by District Liasion Officer ... It is feared that most of these girls had been sold or taken underground.
**Bina D’Costa, Nation building, Gender and War Crimes in South Asia, Routledge, 2011, pp.57-60. Partition of India, 1947. [https://swarajyamag.com/ideas/did-savarkar-justify-rape-as-a-political-weapon]
*[When the Jihadist tribal Mujahidin raided Kashmir in 1947, the girls abducted by the Jihadists] 'were exhibited in the bazaars of Peshawar and Bannu, thereby enticing Pathans towards Kashmir. Many were subjected to unmentionable indignities.'
**(Shanta Kumari, President, National Women's Conference of J&K, Hindustan Times, 30-Dec-1947) [https://swarajyamag.com/ideas/did-savarkar-justify-rape-as-a-political-weapon]
* Shree Krishna’s army did not forsake their kinswomen, simply because they were forcibly polluted and violated — a dastardly thought which he never entertained for a minute. On the contrary Shree Krishna as the Bhoopati, the Lord of the whole Earth, brought all those sixteen thousand or more women to his kingdom, rehabilitated them honourably and took upon himself the responsibility of feeding and protecting them. This very act of Krishna, as the Bhoopati, has been fantastically construed by the writers of the Puranas as to describe him the husband of those thousands of women. He was later thought to have married all of them’.
**V D Savarkar, 1963:1971, p.182. 'Six Glorious Epochs of Indian History' . About the Puranic example of Sri Krishna fighting against Narakasura. [https://swarajyamag.com/ideas/did-savarkar-justify-rape-as-a-political-weapon]
* With this same shameless religious fanaticism the aggressive Muslims of those times considered it their highly religious duty to carry away forcibly the women of the enemy side, as if they were commonplace property to ravish them, to pollute them and to distribute them to all and sundry, from the Sultan to the common soldier and to absorb them completely in their fold. This was considered a noble act which increased their number.
**V D Savarkar, 1963:1971, p.176. 'Six Glorious Epochs of Indian History' [https://swarajyamag.com/ideas/did-savarkar-justify-rape-as-a-political-weapon]
* With the Muslim conquest the position of Indian women suffered a set-back. After the fall of every city, and sometimes even in times of peace, women suffered every kind of privation. Historians like Ziyauddin Barani and Shams Siraj ‘Afif hint at it, while Ibn Battiita’s narrative makes revolting reading. As a bulwark against these humiliations Jauhar and Sati, already prevalent in Hindu society, began to be practised on a large scale in times of war. In times of peace Parda (seclusion) and child-marriage were considered to be good safeguards. The custom of ghiinghat among Hindus is described by Vidyapati and Malik Muhammad Jaisi, but the ‘‘more developed form of Parda, with its elaborate code of tules, came into existence almost from the beginning of the Muslim tule in Hindustan’’. Life of women was restricted in Muslim society; Firdz Tughlaq and Sikandar Lodi forbade the pilgrimage of women to the tomb of saints.
** K.S. Lal, Twilight of the Sultanate (1963) p. 269
*Nature seems to have showered beauty on their fairer sex throughout Indostan, with a more lavish hand than in most other countries. They are all, without exception, fit to be married before thirteen, and wrinkled before thirty – flowers of too short a duration not to be delicate; and too delicate to last long. Segregated from the company of the other sex, and strangers to the ideas of attracting attention, they are only the handsomer for this ignorance; as we see in them; beauty in the noble simplicity of nature. Hints have already been given of their physiognomy: their skins are of a polish and softness beyond that of all their rivals on the globe: a statuary would not succeed better in Greece itself, in his pursuit of the Grecian form; and although in the men he would find nothing to furnish the ideas of the Farnesian Hercules, he would find in the women the finest hints of the Medicean Venus.
**. The fairer sex, Robert Orme Orme, Robert, Historical Fragments of the Mogul Empire, of the Morattoes, and of the English Concerns in Indostan, Associated Publishing House, 1978, first published 1782.quoted from Jain, M. (editor) (2011). The India they saw: Foreign accounts. New Delhi: Ocean Books. Volume IV Chapter14
*In the exercise of the tongue, a female of Hindostan hath few equals; and if she hath ever followed a camp, I would pronounce her invincible on any ground in Europe. An English woman, educated at our most noted seminaries, and skilled in all the various compass of debate, will, perhaps, on some interesting occasion, maintain the contest for an hour, which then terminates in blows and victory. But an Indian dame, improved by a few campaigns, has been known to wage a colloquial war, without introducing one manual effort, for the space of three successive days; sleeping and eating at reasonable intervals. There is a fertility of imagination, a power of expression, inherent in the mind, and vocal ability, of an Asiatic, particularly a female one, which cannot be engendered in the cold head of an European: and there is an extent of language also peculiar to the East, which the limits of Western speech do not contain.
**Forster, George, A Journey From Bengal To England, 2 vols., Languages Department, Punjab, 1970, first published 1808.quoted from Jain, M. (editor) (2011). The India they saw: Foreign accounts. New Delhi: Ocean Books. Volume IV Chapter14
*…it may be said, with truth, that…the Hindoo females…lie under much less restraint, enjoy more real freedom, and are in possession of more enviable privileges than the persons of their sex in any other Asiatic country. In fact, to them belong the entire management of their household, the care of their children, the superintendence of the menial servants, the distribution of alms and charities. To their charge are generally intrusted the money, jewels, and other valuables. To them belongs the care of procuring provisions, and providing for all expenses. It is they also who are charged, almost to the exclusion of their husbands, with the most important affair of procuring wives for their sons, and husbands for their daughters, and, in doing this, they evince a niceness, an attention, and foresight which are not certainly surpassed in any country; while in the management of their domestic business, they in general show a shrewdness, a saving-ness, and an intelligence which would do honour to the best housewives in Europe.<br>In the mean while, the austerity and roughness with which they are outwardly treated in public, by their husbands, is rather a matter of form, and entirely ceases when the husband and his wife are in private. It is then that the Hindoo females assume all that empire which is everywhere exercised in civilised countries, by the persons of their sex over the male part of creation; find means to bring them under their subjection, and rule over them, in several instances, with a despotic sway. In short, although outwardly exposed in public to the forbidding and repulsive frowns of an austere husband, they can be considered in no other light than as perfectly the mistresses within the house.<br>The influence of the Hindoo females on the welfare of families is so well known, that the successes or misfortunes of the Hindoos are almost entirely attributed to their good or bad management. When a person prospers in the world, it is customary to say that he has the happiness to possess an intelligent wife, to whom he is indebted for his welfare; and when any one runs to ruin, it is the custom to say that he has for his partner a bad wife, to whom his misfortunes must chiefly be attributed. In short, a good-natured and intelligent wife is considered by all castes of natives, as the most valuable of all the blessings which could be bestowed on a family and a bad one as the most dreaded of all curses; so great is their influence on the fate of the Hindoo households.<br>The authority of married women within their houses is chiefly exerted in preserving good order and peace among the persons who compose their families; and a great many among them discharge this important duty with a prudence and a discretion which have scarcely a parallel in Europe. I have known families composed of between thirty and forty persons, or more, consisting of grown sons and daughters, all married and all having children, living together under the superintendence of an old matron – their mother or mother-in-law. The latter, by good management, and by accommodating herself to the temper of her daughters-in-law; by using, according to circumstances, firmness or forbearance, succeeded in preserving peace and harmony during many years amongst so many females, who had all jarring interests, and still more jarring tempers. I ask you whether it would be possible to attain the same end, in the same circumstances, in our countries; where it is scarcely possibly to make two women living under the same roof to agree together.<br>It is true that the same spirit of concord between an old Hindoo matron and her daughters on one side, and her daughters-in-law on the other, does not prevail in an equal degree in all households; but instances of such union and harmony are by no means uncommon, and they last to the death of their parents; when, ordinarily, the brothers divide the heritage, separate with their several families, and each one shifts for himself.<br>…it is a weakness common to all nations, and from which the Hindoos are not exempt, to hail with more exultation the birth of a male than that of a female, and Hindoo parents are in a greater degree under the influence of these feelings, because they derive more support from a son than from a daughter; but it is untrue that a female is despised and spurned by her parents as soon as born. Parents, chiefly mothers, foster their children, both males and females, with an equal tenderness. So far from females being despised while living under the paternal roof, their parents and brothers are often seen submitting themselves to severe privations for the purpose of procuring trinkets and jewels for their daughters or sisters, in order that they may be able to appear in public with decency and advantage, while the males are seen in rags or half naked, and live forgotten at home.<br>The principal care of parents is to procure suitable establishments for their daughters, over whom mothers continue to exercise a kind of paramount authority, even after their marriage, being particularly attentive to check that despotic sway which so many mothers-in-law are but too well disposed to exercise over their daughters-in-law…
** More privileged than any in Asia, Abbe J. A. Dubois —, Abbe, Letters on the State of Christianity in India, Associated Publishing House, 1997, first published 1823.quoted from Jain, M. (editor) (2011). The India they saw: Foreign accounts. New Delhi: Ocean Books. Volume IV Chapter14
*There is a marked difference between the moral and social character of the Hindoo and the Mohammedan women of India. The Hindoo woman does not occupy that position in society which she is so eminently fitted to grace, and which is accorded to women in Europe and America; but she is by no means so degraded as is so frequently represented by travellers, who are apt to mistake the common street-woman with whom they are brought into contact for the wife and mother of an ordinary Hindoo home. It is difficult for a stranger to find out what an Indian woman is at home, though he may have encountered many a bedizened female in the streets which he takes for her.<br>The influence of the Hindoo woman is seen and felt all through the history of India, and is very marked in the annals of British rule. Though the political changes, the invasion, and despotism of Mohammedan rule may have forced upon them the seclusion now so general, it is evident that they once occupied a very different position in society, from the testimony of their earliest writers and the dramatic representations of domestic life and manners still extant.<br>One of the most startling facts is, that among the Asiatic rules of India who have heroically resisted foreign invasion the women of Hindostan have distinguished themselves almost as much as the men. Lakshmi Baiee, the queen of Jahnsee, held the entire British army in check for the space of twenty-four hours by her wonderful generalship, and she would probably have come off victorious if she had not been shot down by the enemy. After the battle Sir Hugh Rose, the English commander, declared that the best man on the enemy’s side was the brave queen Lakshmi Baiee. Another courageous and noble woman, Aus Khoor, was placed by the British government on the throne of Pattiala, an utterly disorganized and revolted state in the Panjaub. In less than one year she had by her wise and effective administration changed the whole condition of the country, subjugated the rebellious cities and villages, increased the revenues, and established order, security and peace everywhere. Alleah Baiee, the Mahratta queen of Malwah, devoted herself for the space of twenty years with unremitting assiduity to the happiness and welfare of her people, so that Hindoos, Buddhists, Jains, Parsees, and Mohammedans united in blessing her beneficent rule; and of so rare a modesty was this woman that she ordered a book which extolled her virtues to be destroyed, saying, ‘Could I have been so infamous as to neglect the welfare and happiness of my subjects?’
** Influence of Hindu women seen in history, Anna Harriette Leonowen Ghose, Indira, Memsahibs Abroad. Writings by Women Travellers in Nineteenth Century India, Oxford University Press, 1998. –Women Travellers In Colonial India. The Power of The Female Gaze, Oxford University Press, 1998(a).quoted from Jain, M. (editor) (2011). The India they saw: Foreign accounts. New Delhi: Ocean Books. Volume IV Chapter14
* What great fault is there in women that has not been already committed by men? Men have outstripped women in impudence. Women are indeed superior to men in respect of merits. ... Being uniquely pure, women are never defiled.
**Varahamihira’s Brhat Samhita, tr. M. Ramakrishna Bhat (Delhi: Motilal Banarsidass, 1982), verses 74.6 & 74.9, pp. 688-89.
**quoted in M Danino, WOMAN IN INDIAN HISTORY: A FEW VIGNETTES FR OM EPIGRAPHY FROM epigraphy in VOL. 3 ISSUE NO.110 YUGABDHAM: ASWINAM-POUSHAM 5111 OCTOBER-DECEMBER 2009
*In the estimate of historian and epigraphist Chithra Madhavan, royal ladies “are seen actively participating in the sphere of religion and culture. ... It can be seen that many of them were extremely well-versed in the fine arts and also enjoyed an exalted position in their respective kingdoms as elsewhere in south India at that time.”
**Chithra Madhavan, History and Culture of Tamil Nadu as Gleaned from Sanskrit Inscriptions, vol. 2 (New Delhi: D.K. Printworld, 2007), p. 36.
**quoted in M Danino, WOMAN IN INDIAN HISTORY: A FEW VIGNETTES FR OM EPIGRAPHY FROM epigraphy in VOL. 3 ISSUE NO.110 YUGABDHAM: ASWINAM-POUSHAM 5111 OCTOBER-DECEMBER 2009
*In the Gupta era, there is evidence that a woman could be a teacher; as historian U. N. Ghoshal puts it, “Girls of high families, as also those living in hermitages, read works on ancient history and legend, and were educated sufficiently to understand and even compose verses. ... The Amarakosa, a work of the Gupta Age, refers to words meaning female teachers (upadhyaya2 and upadhyayi) as well as female instructors of Vedic mantras (acharya*).”
**U. N. Ghoshal, “Social Condition,” in The Classical Age, vol. 3 in The History and Culture of the Indian People, R. C. Majumdar, ed. (Bombay 1954/1988: Bharatiya Vidya Bhavan), p. 568.
**quoted in M Danino, WOMAN IN INDIAN HISTORY: A FEW VIGNETTES FR OM EPIGRAPHY FROM epigraphy in VOL. 3 ISSUE NO.110 YUGABDHAM: ASWINAM-POUSHAM 5111 OCTOBER-DECEMBER 2009
*There is a peculiar beauty in Indian women, whereby their face is covered with pure skin, with a slight, lovely blush, which is not just like the blush of health and vitality, but a finer blush, like a spiritual touch from within. The look of the eye and the position of the mouth, appear gentle, soft and relaxed – it is an almost unearthly beauty…
**G. Hegel (1770 – 1831) ,quoted in [https://mariawirth.com/indian-women-no-longer-the-most-beautiful/ Indian women: no longer the most beautiful?]
==India after 1947==
*With many of my young (Hindu) male respondents from the [[Bajrang Dal]], stories of rape were more like a fun story to share. The pleasure derived from storytelling was more visible when discussing the sexual degeneracy of Muslims.
**Hindu Nationalism in India and the Politics of Fear, D. Anand, p. 75
* The [[2019 Citizenship Amendment Act]] violates India’s international obligations to prevent [[w:Loss of citizenship|deprivation of citizenship]] on the basis of [[w:Racism in Asia#India|race]], color, descent, or national or [[w:Ethnic relations in India|ethnic origin]] as found in the {{W|International Covenant on Civil and Political Rights}} and other [[w:International human rights instruments|human rights treaties]] that [[ভারত]] has ratified. The 1992 [[w:Declaration on the Rights of Persons Belonging to National or Ethnic, Religious and Linguistic Minorities|Declaration on the Rights of Persons Belonging to National or Ethnic, Religious and Linguistic Minorities]] calls on governments to protect the existence and identity of [[w:Religion in India#Minority beliefs and sects|religious minorities]] within their territories and to adopt the appropriate measures to achieve this end. Governments are obligated to ensure that people belonging to {{W|minority groups}}, including {{W|religious minorities}}, may exercise their [[মানবাধিকার]] without [[discrimination]] and in full {{W|equality before the law}}. Governments also have an obligation to ensure {{W|gender equality}}. To the extent that the process has [[w:Gender inequality in India|a disproportionately harmful impact]] on the [[w:Indian nationality law|citizenship rights]] of women and [[w:Gender inequality in India#Discrimination against girls|girls]], it also violates the {{W|Convention on the Elimination of All Forms of Discrimination against Women}}.
** [[Human Rights Watch]], ''[https://www.hrw.org/report/2020/04/09/shoot-traitors/discrimination-against-muslims-under-indias-new-citizenship-policy India: Protests, Attacks Over New Citizenship Law]'' (April 9, 2020)
* As the legacy of this scenario, Indian girls are still being sold to West Asian nationals as wives, concubines and slave girls. For example, all the leading Indian newspapers like The Indian Express, The Hindustan Times and The Times of India of 4 August 1991, flashed the news of a sixty year old “toothless” Arab national Yahiya H. M. Al Sagish “marrying” a 10-11 year old Ameena of Hyderabad after paying her father Rs. 6000, and attempting to take her out of the country. Al Sagish has been taken into police custody and the case is in the law-court now. Mr. I. U. Khan has “pointed out that no offence could be made out against his client as he had acted in accordance with the Shariat laws. He said that since this case related to the Muslim personal law which permitted marriage with girls who had attained Puberty (described as over 9 years of age), Al Sagish could not be tried under the Indian Penal Code (IPC). Besides Ameena’s parents had not complained.” (Times of India, 14 August 1991). But this is not an isolated case. I was in Hyderabad for about four years, 1979-1983. There I learnt that such “marriages” are common. There are regular agents and touts who arrange them. Poor parents of girls are handsomely paid by foreign Muslims for such arrangements. Every time that I happened to go to the Hyderabad Airlines office or the Airport (which was about at least once a month), I found bunches of old bridegrooms in Arab attire accompanied by young girls, often little girl brides. “A rough estimate indicated that as many as 8000 such marriages were solemnised during the past one decade in Hyderabad alone.” (Indian Express Magazine, 18 August 1991). In short, the sex slave-trade is still flourishing not only in Hyderabad but in many other cities of India after the medieval tradition.
** Lal, K. S. (1992). The legacy of Muslim rule in India. New Delhi: Aditya Prakashan. Chapter 7
* On November 20, the {{W|Karnataka government}} issued a notification allowing women to [[Labour in India|work]] night shifts (7 p.m. to 6 a.m.) in all factories registered under the [[w:Factories Act, 1948 (India)|Factories Act, 1948]]. [...] In principle, this is a welcome move. However, several concerns have been voiced by women [[w:Textile industry in India|garment workers]] who are estimated to constitute over 90% of the five lakh garment workers in [[Karnataka]] (according to data by [[w:Living wage#Asia Floor Wage|Asia Floor Wage Alliance]], a global coalition of [[trade unions]]). The amendment suggests that night shifts for women will only be allowed if the employer ensures adequate safeguards concerning [[w:Occupational safety and health|occupational safety and health]], protection of [[মর্যাদা]] and [[honour]], and [[w:Transport in India|transportation]] from the factory premises to points nearest to the worker’s residence. The amendment stipulates 24 points related to occupational rules and regulations, most of which have been in existence for years. Yet, [[women workers]] fear that when there is no safety or dignity in the workplace even during daytime, how will employers ensure all this during night shifts? [...] In a sector where there is systemic failure and worker-management relations are turbulent, putting the onus of worker safety and security in the hands of the management alone can be risky. Moreover, it is well-known that in supply chains the brands call the shots. Involving them in discussions on worker dignity and equality is important. Omitting workers and trade unions from discussions about the amendment is also seen by the workers as a short-sighted measure. Women garment workers are concerned that while the amendment has stipulated many ‘new’ guidelines amidst the plethora of unaddressed concerns, allowing night shifts would only extend daytime [[w:Exploitation of labour|exploitation]].
** [[Neethi Padmanabhan]] and Nandita Shivakumar, ''[https://www.thehindu.com/opinion/op-ed/new-rules-old-problems/article30390884.ece New rules, old problems]'' (December 25, 2019), ''{{W|The Hindu}}''
*The failure to adopt a Uniform civil code [has the effect that] [[মুসলমান]] [[নারী]] suffer because they do not have an equal right of inheritance, because they cannot easily obtain a [[বিবাহ বিচ্ছেদ]], because they can be divorced by their husband at their whim or caprice.
**Atul Setalvad (1990), quoted from Elst, Koenraad (2001). Decolonizing the Hindu mind: Ideological development of Hindu revivalism. New Delhi: Rupa. p.553
* In the broadest strokes, the Times’ coverage of India is almost Orientalist—it’s almost as if it’s a backward place characterised by nationalism, violence, sexual assault. I read in an article somewhere, where they just flatly stated that there’s a rampant rape culture in India. And I was like, what? So, I actually started to look at the statistics to see what they meant. And you look at the statistics, and they’re a fraction of cases from what the US or Western Europe experiences. How can you make an assertion like that when the statistics are not even close to being there? So that was what I wanted to understand. I think on the broad level India (is portrayed as) being this nationalist kind of bully. And I think on a more specific level, it’s an anti Hindu approach... So you think to yourself why is there this division in how they cover China and how they cover India? Why is one being shown as this sort of progressive place that has managed to conquer a pandemic and the other this backward place characterised by funeral pyres and rape—and that’s what I’m trying to understand.
**Ashley Rindsberg, [https://www.sundayguardianlive.com/news/nyts-coverage-india-almost-orientalist-ashley-rindsberg NYT’s coverage of India is almost Orientalist: Ashley Rindsberg] 23 October 2021
*“Where big violence is so common, it is no surprise that gender violence is hardly a priority issue,” explained Mantasha Rashid, founder of Kashmir Women’s Collective, a trust that provides support under a single window to survivors of gender-based violence. “The rape and assault you’re referring to is akin to collateral damage. Women are caught in the crossfire in any conflict region, and the body of the enemy’s woman is seen as war booty by all the warring sides.”... <br> “I don’t really want to go out and say that Kashmiri society is particularly flawed or patriarchal because that can be misinterpreted,” Rashid of the Kashmir Women’s Collective said. “Whenever we speak about Kashmir one has to choose their words very carefully or else the discourse is hijacked by the bigger political narrative.”
** Mantasha Rashid, founder of Kashmir Women’s Collective, quoted in [https://thediplomat.com/2022/02/rape-and-silence-in-kashmirs-jihad/ Rape and Silence in Kashmir’s Jihad]
*"Did Nirbhaya really have go to watch a movie at 11 in the night with her friend? Take the Shakti Mills gang rape case. Why did the victim go to such an isolated spot at 6 pm?" Mirje asked at a gathering of the NCP women's wing in Nagpur. "We have to be careful. We have to ask ourselves, where am I going, with whom am I going, what am I going for, do I really need to go to that place," she added.
**About Rape in India. Asha Mirje,as quoted in [https://web.archive.org/web/20201112032024/https://www.indiatoday.in/india/west/story/maharashtra-state-womens-commission-rape-asha-mirje-sexual-assault-178771-2014-01-29]
*For a society in line with our constitutional vision, it is for the Muslim community to introspect and preach to their men to respect women from other communities. This theological validation of considering non-Muslim women as maal-i-ganimat (free war booty) is not acceptable in modern Indian society.
**Democracy Under Siege: Ballot, Bullet And Blood. Shubham Tiwari And Shivam Raghuwanshi. Garuda Prakashan. 2022. Pages 250. Rs 399.
==See also==
* [[Women in Hinduism]]
* [[Uniform civil code]]
==External links==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:ভারত]]
[[Category:Women from India| ]]
jz6axx26ys7j7lc6b0mrjwk7lhsfwa4
75482
75481
2026-04-11T00:11:11Z
ARI
356
অনুবাদ
75482
wikitext
text/x-wiki
[[File:Village Belle, by Raja Ravi Varma.jpg|thumb|যদি নারীকে সম্মান করাকে সভ্যতার মাপকাঠি ধরা হয়, তবে রাজপুতদের স্থান হবে অনেক উপরে। তারা এই বিষয়ে খুব সংবেদনশীল। নারীর সম্মানে সামান্য আঘাত লাগলেই তারা খুব ক্ষুব্ধ হন এবং সেই অপমান কখনোই ক্ষমা করেন না। - জেমস টড]]
[[File:Raja Ravi Varma, Galaxy of Musicians.jpg|thumb|]]
[[File:Raja Ravi Varma, The Milkmaid (1904).jpg|thumb|]]
গত কয়েক সহস্রাব্দ ধরে '''ভারতে নারী'''দের অবস্থানের অনেক পরিবর্তন হয়েছে। প্রাচীনকাল থেকে মধ্যযুগ পর্যন্ত তাদের অবস্থানের অবনতি হয়েছিল। পরবর্তীতে অনেক সমাজ সংস্কারক নারীদের সমান অধিকারের জন্য কাজ করেছেন। সব মিলিয়ে ভারতে নারীদের ইতিহাস বেশ ঘটনাবহুল।
==Pre-1947 India==
* [[w:Tvashtr|He]] took the rotundity of the moon, and the curves of creepers, and the clinging of tendrils, and the trembling of grass, and the slenderness of the reed, and the bloom of flowers, and the lightness of leaves, and the tapering of the elephant’s trunk, and the glances of deer, and the clustering of rows of bees, and the joyous gaiety of sunbeams, and the weeping of clouds, and the fickleness of the winds, and the timidity of the hare, and the vanity of the peacock, and the softness of the parrot’s bosom, and the hardness of adamant, and the sweetness of honey, and the cruelty of the tiger, and the warm glow of fire, and the coldness of snow, and the chattering of jays, and the cooing of the ''[[wikt:कोकिल|kókila]]'', and the hypocrisy of the crane, and the fidelity of the [[w:Ruddy shelduck|''chakrawáka'']]; and compounding all these together he made woman, and gave her to man.
** Creation of woman in a Hindu legend, purportedly translated from the Sanskrit by {{W|F. W. Bain}}, [https://www.gutenberg.org/files/48910/48910-h/48910-h.htm ''A Digit of the Moon''], 9th ed. (1911), introduction. Quoted in E. B. Havell, [https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.57027/page/n139/mode/2up?q=slenderness ''The Ideals of Indian Art''] (1920), p. 91<!--Also quoted in Will Durant, ''Our Oriental Heritage: India and Her Neighbors''-->
* Woman is the crowning excellence of God's creation, the shadow of the gods. Man the god's creation only. Woman is light, man is shadow. Could the light do without the shadow?
** [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]], ''Krishna Kanta's Will'' (tr. Miriam S. Knight, 1895), [[s:Krishna Kanta's Will (Chatterjee, Knight)/Part 2/Chapter 15|pt. 2, ch. 15]]<!--Quoted in [[কোনরাড এলস্ট]], ''Decolonizing the Hindu Mind: Ideological Development of Hindu Revivalism'' (New Delhi: Rupa, 2001), pp. 114-115-->
*The Mahometan Women do not appear in publick, except only the vulgar Sort, and the leud Ones. They cover their Heads, but the Hair hangs down behind in several Tresses. Many of them bore their Noses to wear a Gold Ring set with Stones.
**Thevenot and Careri, Indian Travels of Thevenot and Careri, Edited by Surendra Nath Sen, National Archives of India, 1949.
* Nevertheless, woman enjoyed far greater freedom in the Vedic period than in later India. She had more to say in the choice of her mate than the forms of marriage might suggest. She appeared freely at feasts and dances, and joined with men in religious sacrifice. She could study, and might, like Gargi, engage in philosophic disputation. If she was left a widow there were no restrictions upon her remarriage. In the Heroic Age woman seems to have lost something of this liberty.
** Durant, Will (1963). Our Oriental heritage. New York: Simon & Schuster.
* If devotion to the fair sex be admitted as a criterion of civilization, the Rajpoot must rank high. His susceptibility is extreme, and fires at the slightest offense to female delicacy, which he never forgives.
** James Tod, Annals and antiquities of Rajast'han
* Take the case of the Thaaru women in the Tarai region as described by Hugh and Colleen Gantzer. “Once upon a time… a group of beautiful Sisodia Rajput princesses were spirited out of their kingdom by their loving father. Though the old man was prepared to die in the battlefield, with all honour, he could not bear the thought of all his beautiful daughters dying in the fiery self-immolation pit of Jauhar. He therefore summoned some of his bravest old retainers, charged them with the task of guarding the princesses, gave them a posse of Bhil warriors, and sent them to the safety of a remote Himalayan kingdom with which he had ties of blood. Sadly, on their arduous journey the old retainers succumbed to malaria... Eventually when the last old Rajput male had died, the princesses realised that they could go no further… They were young women, full of life. They didn’t want to die. So they made an agreement with their Bhils that they would settle down there, in a clearing in the fertile Tarai, marry them but on one condition. From that day on their female descendants would always be superior to their males... they would not serve them. And that is the way it still is. … These women were not the docile, subservient (type) we had often encountered in northern Indian villages: they were proud (and) independent…”
** Hugh and Colleen Gantzer, quoted from Lal, K. S. (1994). Muslim slave system in medieval India. New Delhi: Aditya Prakashan. Chapter 6
* War being a special privilege of the martial classes, harassment of the civilian population during military operations was considered a serious lapse from the code of honour. The high regard which all Kshatriyas had for the chastity of women, also ruled out abduction as an incident of war.
** K.M. Munshi, 'End of Ancient India' in Bharatiya Vidya Bhavan's Journal, vol. IV, no. II, December 29, 1959, pp. 8, 14. quoted from Lal, K. S. (1999). Theory and practice of Muslim state in India. New Delhi: Aditya Prakashan. Chapter 1
* I do not know any book that says as many kind and delicate things to females as in the law book of Manu; these old men and saints have a way of minding their manners in front of women that has perhaps never been surpassed.
** Friedrich Nietzsche, (AC 56) quoted from Elst, Koenraad. Manu as a weapon against egalitarianism: Nietzsche and Hindu political philosophy in : Siemens & Vasti Roodt, eds.: Nietzsche, Power and Politics (Walter de Gruyter, Berlin 2008).
* Orme, along with many others, affirms that “'''nature seems to have showered beauty on the fairer sex throughout Hindustan with a more lavish hand than in most other countries.'''”
** Orme’s Fragments, quoted from Lal, K. S. (1994). Muslim slave system in medieval India. New Delhi: Aditya Prakashan. Chapter 12
* "Women were held in higher respect in India than in other ancient countries, and the Epics and old literature of India assign a higher position to them than the epics and literature of ancient Greece. Hindu women enjoyed some rights of property from the Vedic Age, took a share in social and religious rites, and were sometimes distinguished by their learning. The absolute seclusion of women in India was unknown in ancient times."
** Romesh C. Dutt: The Civilization of India: 21-22
* In these modern days there is a greater impetus towards higher education on the European lines, and the trend of opinion is strong towards women getting this higher education. Of course, there are some people in India who do not want it, but those who do want it carried the day. It is a strange fact that Oxford and Cambridge are closed to women today, so are Harvard and Yale; but Calcutta University opened its doors to women more than twenty years ago.
** Swami Vivekananda, Women of India [http://www.vivekananda.net/Lectures/WomenOfIndia.html]
* To the women of this country... I would say exactly what I say to the men. Believe in India and in our Indian faith. Be strong and hopeful and unashamed, and remember that with something to take, Hindus have immeasurably more to give than any other people in the world.
** Swami Vivekananda, Complete Works of Swami Vivekananda, Volume 5, Interviews/On Indian Women--Their Past, Present And Future
* [[সম্রাট আকবর]] had prohibited enslavement and sale of women and children of peasants who had defaulted in payment of revenue. He knew, as Abul Fazl says, that many evil-hearted and vicious men either because of ill-founded suspicion or sheer greed, used to proceed to villages and mahals and sack them.
** Lal, K. S. (2012). Indian Muslims: Who are They.
* In this background, it would be an unremitting task both in volume and repetition to give all anecdotes, facts and figures of enslavement and concubinage of captive women in the central and provincial kingdoms and independent Muslim states found mentioned in the chronicles. This would only lead to repetition resulting in the book becoming bulky.
** K.S.Lal. Muslim Slave System in Medieval India (1994)
* In 1635 AD, Shah Jahan’s soldiers captured some ladies of the royal Bundela family after Jujhar Singh and his sons failed to kill them in the time-honoured Rajput tradition. In the words of [[Jadunath Sarkar]], “Mothers and daughters of kings, they were robbed of their religion and forced to lead the infamous life of the Mughal harem.”
** Jadunath Sarkar, quoted by Sita Ram Goel in S.R. Goel: The Story of Islamic Imperialism in India.
* The Hindus of this region had been victims of Muslim high-handedness for a long time, particularly in respect of their women. Murshid Qulî Khãn, the faujdãr of Mathura who died in 1638, was notorious for seizing “all their most beautiful women” and forcing them into his harem. “On the birthday of Krishna,” narrates Ma’sîr-ul-Umara, “a vast gathering of Hindu men and women takes place at Govardhan on the Jumna opposite Mathura. The Khan, painting his forehead and wearing dhoti like a Hindu, used to walk up and down in the crowd. Whenever he saw a woman whose beauty filled even the moon with envy, he snatched her away like a wolf pouncing upon a flock, and placing her in the boat which his men kept ready on the bank, he sped to Agra. The Hindu [for shame] never divulged what had happened to his daughter.”
** S.R. Goel in Shourie, A., & Goel, S. R. (1993). Hindu temples: What happened to them. Vol. II
* In the preceding pages it has been seen how women and children were special targets for enslavement throughout the medieval period, that is, during Muslim invasions and Muslim rule. Captive children of both sexes grew up as Muslims and served the sultans, nobles and men of means in various captives. Enslavement of young women was also due to many reasons; their being sex objects was the primary consideration and hence concentration on their captivity..... Forcible marriages, euphemistically called matrimonial alliances, were common throughout the medieval period. Only some of them find mention in Muslim chronicles with their bitter details...It is therefore no wonder that from the day the Muslim invaders marched into India to the time when their political power declined, women were systematically captured and enslaved throughout the length and breadth of the country.
** K.S. Lal, Lal, K. S. (1994). Muslim slave system in medieval India. New Delhi: Aditya Prakashan. ch. 12.
* Guru Nanak proceeds to describe how the oppressors shaved off the maidens, their ‘heads with braided hair, with vermilion marks in the parting’; how ‘their throats were choked with dust’; how they were cast out of their palatial homes, unable now to sit even in the neighbourhood of their homes; how those who had come to the homes of their husbands in palanquins, decorated with ivory, who lived in the lap of luxury, had been tied with ropes around their necks; how their pearl strings had been shattered; how the very beauty that was their jewel had now become their enemy – ordered to dishonour them, the soldiers had carried them off. ‘Since Babar’s rule has been proclaimed,’ [[গুরু নানক]] wrote, ‘even the princes have no food to eat.’ Their sacred squares shattered, where will the [[হিন্দু]] [[নারী]] bathe, how will they worship? the Guru lamented. Dishonoured, how may they now apply the tilak on their foreheads? Some return home to inquire about the safety of their loved ones. Others are cursed to sit and cry out in pain.
** Guru Granth Sahib, quoted from [[Shourie, Arun]] (2014). Eminent historians: Their technology, their line, their fraud. Noida, Uttar Pradesh, India : HarperCollins Publishers.
* The Hindu was taxed to the extent of half the produce of his land... No gold or silver, not even the betelnut, so cheering and stimulative to pleasure, was to be seen in a Hindu house, and the wives of the impoverished native officials were reduced to taking service in Muslim families. Revenue officers came to be regarded as more deadly than the plague; and to be a government clerk was disgrace worse than death, in so much that no Hindu would marry his daughter to such a man.
** Lane Poole : Medieval India, quoted from B.R. Ambedkar, Pakistan or The Partition of India (1946)
* (The soldier) takes into custody all the women of the enemy’s city… Wherever they happened to pass in that very place the ladies of the Raja’s house began to be sold in the market. They used to set fire to the villages. They turned out the women (from their homes) and killed the children. Loot was their (source of) income. They subsisted on that. Neither did they have pity for the weak nor did they fear the strong… They had nothing to do with righteousness… They never kept their promise… They were neither desirous of good name, not did they fear bad name…”
** The poet Vidyapati writing about Muslim soldiers. Kirtilata. Quoted from Lal, K. S. (1992). The legacy of Muslim rule in India. New Delhi: Aditya Prakashan.
* Having subjugated Khuraasaan, Babar terrified Hindustaan<br/>So that blame does not come on Him, the Creator has sent the Mughal as the messenger of death<br/>So great was the slaughter, such the agony of the people, even then You felt no compassion, Lord? <br/>If some powerful man strikes another, one feels no grief But when a powerful tiger slaughters a flock of helpless sheep, its master must answer <br/>This jewel of a country has been laid waste and defiled by dogs, so much so that no one pays heed even to the dead… <br/>Guru Nanak proceeds to describe how the oppressors shaved off the maidens, their ‘heads with braided hair, with vermillion marks in the parting’; how ‘their throats were choked with dust’; how they were cast out of their palatial homes, unable now to sit even in the neighbourhood of their homes; how those who had come to the homes of their husbands in palanquins, decorated with ivory, who lived in the lap of luxury, had been tied with ropes around their necks; how their pearl strings had been shattered; how the very beauty that was their jewel had now become their enemy – ordered to dishonour them, the soldiers had carried them off. ‘Since Babar’s rule has been proclaimed,’ [[গুরু নানক]] wrote, ‘even the princes have no food to eat.’
**Guru Granth Sahib, quoted from [[Shourie, Arun]] (2014). Eminent historians: Their technology, their line, their fraud. Noida, Uttar Pradesh, India : HarperCollins Publishers.
* Writing about the days of Sultan [[মুহাম্মদ বিন তুগলক|Muhammad bin Tughlaq]] (1325-51), Shihabuddin al-Umari writes: "The sultan never ceases to show the greatest zeal in making war upon the infidels... Every day thousands of slaves are sold at a very low price, so great is the number of prisoners .... (that) the value at Delhi of a young slave girl, for domestic service, does not exceed eight tankahs. Those who are deemed fit to fill the parts of domestic and concubine sell for about fifteen tankahs. In other cities prices are still lower..." Umari continues, "but still, in spite of low prices of slaves, 20000 tankahs, and even more, are paid for young Indian girls. I inquired the reason... and was told that these young girls are remarkable for their beauty, and the grace of their manners."
** Masalik-ul-Absar, E.D. vol. III, pp. 580-81. (Shihabuddin al-Umri, Masalik-ul-Absar fi Mumalik-ul-Amar) Quoted from Lal, K. S. (1994). Muslim slave system in medieval India.
* But when the Muhammedan invaders ... conquered the disorganised Hindu hosts, and Hindu young women began to become a prey to the lust of some of the conquerors, the custom of early marriage and the unnatural purdah were introduced by the degenerate Hindus of northern India as refuge against the inroads of Muslim Ghazis in Hindu homes.
** Swami Shraddhanand . Hindu Sangathan p. 95, quoted in Elst, Koenraad (2014). Decolonizing the Hindu mind: Ideological development of Hindu revivalism. New Delhi: Rupa. p.377
* ...in any view, abduction of Hindu women by the Muslims and their continued loss to the Hindu community, so far as it affects the growth of the Hindus is a matter which cannot be neglected any longer without serious consequences.
** J.M.Dutta, ‘Continued Abduction of Hindu Women-its Effect on the Bengali Hindus‘, Modern Review, 1941, pp.358-9 : cited in Rakesh Batabyal, Communalism in Bengal: From Famine To Noakhali, 1943-47, SAGE, 2005 p.287 [https://swarajyamag.com/ideas/did-savarkar-justify-rape-as-a-political-weapon]
* At Mansera and some other places (N.W.F.P.) there are regular camps where Hindu girls are being sold.
** Krapala Singh, Select documents on Partition of Punjab-1947: India and Pakistan : Punjab, Haryana, and Himachal-India and Punjab-Pakistan, National Book Shop, 1991, p.639
* At the height of the riots, during August and September, when the majority of rapes and abductions occurred, there was almost no limit to the vehemence of the mobs. Throughout the chaos, both planned and random abductions of women and girls were carried out, particularly in situations in which large number of refugees — disoriented and inadequately protected — had assembled or were on the move. For example, Kirpal Singh records that two trains crossed on the Kamoke railway line, one carrying 260 refugees and the other carrying Pakistan Army soldiers. After the latter realized that the former was carrying Hindu refugees, it was attacked. Most of the men were killed and 50 women and girls were forcibly taken by the soldiers. Similarly, in East Bengal, the Ansars, a paramilitary force responsible for the safety of the citizens also perpetrated attacks and abducted Hindu women. One of my respondents was on one of the trains leaving Pakistan and recalled how she hid in a toilet. ... In the confusion that followed, while she was fortunate enough to avoid being abducted, she witnessed many girls and women being taken from the trains. ... Describing the massacres of refugees in Kamoke, Gujranwala district, an Indian official wrote, the most ignoble feature of the tragedy was the distribution of young girls amongst the members of the Police Force, the National Guards (an Islamo-fascist organization-AN) and the local goondas. The Station House Officer Dilder Hussain collected the victims in an open space near Kamoke Railway Station and gave a free hand to the mob. After the massacre was over, the girls were distributed like sweets ... Later on as a result of the efforts of the Liasion Agency and the East Punjab Police some girls were recovered from Kamoke, Eminabad and some surrounding villages ... A list of at least 70 untraced girls abducted from the Kamoke train was handed over [to] the Police by District Liasion Officer ... It is feared that most of these girls had been sold or taken underground.
**Bina D’Costa, Nation building, Gender and War Crimes in South Asia, Routledge, 2011, pp.57-60. Partition of India, 1947. [https://swarajyamag.com/ideas/did-savarkar-justify-rape-as-a-political-weapon]
*[When the Jihadist tribal Mujahidin raided Kashmir in 1947, the girls abducted by the Jihadists] 'were exhibited in the bazaars of Peshawar and Bannu, thereby enticing Pathans towards Kashmir. Many were subjected to unmentionable indignities.'
**(Shanta Kumari, President, National Women's Conference of J&K, Hindustan Times, 30-Dec-1947) [https://swarajyamag.com/ideas/did-savarkar-justify-rape-as-a-political-weapon]
* Shree Krishna’s army did not forsake their kinswomen, simply because they were forcibly polluted and violated — a dastardly thought which he never entertained for a minute. On the contrary Shree Krishna as the Bhoopati, the Lord of the whole Earth, brought all those sixteen thousand or more women to his kingdom, rehabilitated them honourably and took upon himself the responsibility of feeding and protecting them. This very act of Krishna, as the Bhoopati, has been fantastically construed by the writers of the Puranas as to describe him the husband of those thousands of women. He was later thought to have married all of them’.
**V D Savarkar, 1963:1971, p.182. 'Six Glorious Epochs of Indian History' . About the Puranic example of Sri Krishna fighting against Narakasura. [https://swarajyamag.com/ideas/did-savarkar-justify-rape-as-a-political-weapon]
* With this same shameless religious fanaticism the aggressive Muslims of those times considered it their highly religious duty to carry away forcibly the women of the enemy side, as if they were commonplace property to ravish them, to pollute them and to distribute them to all and sundry, from the Sultan to the common soldier and to absorb them completely in their fold. This was considered a noble act which increased their number.
**V D Savarkar, 1963:1971, p.176. 'Six Glorious Epochs of Indian History' [https://swarajyamag.com/ideas/did-savarkar-justify-rape-as-a-political-weapon]
* With the Muslim conquest the position of Indian women suffered a set-back. After the fall of every city, and sometimes even in times of peace, women suffered every kind of privation. Historians like Ziyauddin Barani and Shams Siraj ‘Afif hint at it, while Ibn Battiita’s narrative makes revolting reading. As a bulwark against these humiliations Jauhar and Sati, already prevalent in Hindu society, began to be practised on a large scale in times of war. In times of peace Parda (seclusion) and child-marriage were considered to be good safeguards. The custom of ghiinghat among Hindus is described by Vidyapati and Malik Muhammad Jaisi, but the ‘‘more developed form of Parda, with its elaborate code of tules, came into existence almost from the beginning of the Muslim tule in Hindustan’’. Life of women was restricted in Muslim society; Firdz Tughlaq and Sikandar Lodi forbade the pilgrimage of women to the tomb of saints.
** K.S. Lal, Twilight of the Sultanate (1963) p. 269
*Nature seems to have showered beauty on their fairer sex throughout Indostan, with a more lavish hand than in most other countries. They are all, without exception, fit to be married before thirteen, and wrinkled before thirty – flowers of too short a duration not to be delicate; and too delicate to last long. Segregated from the company of the other sex, and strangers to the ideas of attracting attention, they are only the handsomer for this ignorance; as we see in them; beauty in the noble simplicity of nature. Hints have already been given of their physiognomy: their skins are of a polish and softness beyond that of all their rivals on the globe: a statuary would not succeed better in Greece itself, in his pursuit of the Grecian form; and although in the men he would find nothing to furnish the ideas of the Farnesian Hercules, he would find in the women the finest hints of the Medicean Venus.
**. The fairer sex, Robert Orme Orme, Robert, Historical Fragments of the Mogul Empire, of the Morattoes, and of the English Concerns in Indostan, Associated Publishing House, 1978, first published 1782.quoted from Jain, M. (editor) (2011). The India they saw: Foreign accounts. New Delhi: Ocean Books. Volume IV Chapter14
*In the exercise of the tongue, a female of Hindostan hath few equals; and if she hath ever followed a camp, I would pronounce her invincible on any ground in Europe. An English woman, educated at our most noted seminaries, and skilled in all the various compass of debate, will, perhaps, on some interesting occasion, maintain the contest for an hour, which then terminates in blows and victory. But an Indian dame, improved by a few campaigns, has been known to wage a colloquial war, without introducing one manual effort, for the space of three successive days; sleeping and eating at reasonable intervals. There is a fertility of imagination, a power of expression, inherent in the mind, and vocal ability, of an Asiatic, particularly a female one, which cannot be engendered in the cold head of an European: and there is an extent of language also peculiar to the East, which the limits of Western speech do not contain.
**Forster, George, A Journey From Bengal To England, 2 vols., Languages Department, Punjab, 1970, first published 1808.quoted from Jain, M. (editor) (2011). The India they saw: Foreign accounts. New Delhi: Ocean Books. Volume IV Chapter14
*…it may be said, with truth, that…the Hindoo females…lie under much less restraint, enjoy more real freedom, and are in possession of more enviable privileges than the persons of their sex in any other Asiatic country. In fact, to them belong the entire management of their household, the care of their children, the superintendence of the menial servants, the distribution of alms and charities. To their charge are generally intrusted the money, jewels, and other valuables. To them belongs the care of procuring provisions, and providing for all expenses. It is they also who are charged, almost to the exclusion of their husbands, with the most important affair of procuring wives for their sons, and husbands for their daughters, and, in doing this, they evince a niceness, an attention, and foresight which are not certainly surpassed in any country; while in the management of their domestic business, they in general show a shrewdness, a saving-ness, and an intelligence which would do honour to the best housewives in Europe.<br>In the mean while, the austerity and roughness with which they are outwardly treated in public, by their husbands, is rather a matter of form, and entirely ceases when the husband and his wife are in private. It is then that the Hindoo females assume all that empire which is everywhere exercised in civilised countries, by the persons of their sex over the male part of creation; find means to bring them under their subjection, and rule over them, in several instances, with a despotic sway. In short, although outwardly exposed in public to the forbidding and repulsive frowns of an austere husband, they can be considered in no other light than as perfectly the mistresses within the house.<br>The influence of the Hindoo females on the welfare of families is so well known, that the successes or misfortunes of the Hindoos are almost entirely attributed to their good or bad management. When a person prospers in the world, it is customary to say that he has the happiness to possess an intelligent wife, to whom he is indebted for his welfare; and when any one runs to ruin, it is the custom to say that he has for his partner a bad wife, to whom his misfortunes must chiefly be attributed. In short, a good-natured and intelligent wife is considered by all castes of natives, as the most valuable of all the blessings which could be bestowed on a family and a bad one as the most dreaded of all curses; so great is their influence on the fate of the Hindoo households.<br>The authority of married women within their houses is chiefly exerted in preserving good order and peace among the persons who compose their families; and a great many among them discharge this important duty with a prudence and a discretion which have scarcely a parallel in Europe. I have known families composed of between thirty and forty persons, or more, consisting of grown sons and daughters, all married and all having children, living together under the superintendence of an old matron – their mother or mother-in-law. The latter, by good management, and by accommodating herself to the temper of her daughters-in-law; by using, according to circumstances, firmness or forbearance, succeeded in preserving peace and harmony during many years amongst so many females, who had all jarring interests, and still more jarring tempers. I ask you whether it would be possible to attain the same end, in the same circumstances, in our countries; where it is scarcely possibly to make two women living under the same roof to agree together.<br>It is true that the same spirit of concord between an old Hindoo matron and her daughters on one side, and her daughters-in-law on the other, does not prevail in an equal degree in all households; but instances of such union and harmony are by no means uncommon, and they last to the death of their parents; when, ordinarily, the brothers divide the heritage, separate with their several families, and each one shifts for himself.<br>…it is a weakness common to all nations, and from which the Hindoos are not exempt, to hail with more exultation the birth of a male than that of a female, and Hindoo parents are in a greater degree under the influence of these feelings, because they derive more support from a son than from a daughter; but it is untrue that a female is despised and spurned by her parents as soon as born. Parents, chiefly mothers, foster their children, both males and females, with an equal tenderness. So far from females being despised while living under the paternal roof, their parents and brothers are often seen submitting themselves to severe privations for the purpose of procuring trinkets and jewels for their daughters or sisters, in order that they may be able to appear in public with decency and advantage, while the males are seen in rags or half naked, and live forgotten at home.<br>The principal care of parents is to procure suitable establishments for their daughters, over whom mothers continue to exercise a kind of paramount authority, even after their marriage, being particularly attentive to check that despotic sway which so many mothers-in-law are but too well disposed to exercise over their daughters-in-law…
** More privileged than any in Asia, Abbe J. A. Dubois —, Abbe, Letters on the State of Christianity in India, Associated Publishing House, 1997, first published 1823.quoted from Jain, M. (editor) (2011). The India they saw: Foreign accounts. New Delhi: Ocean Books. Volume IV Chapter14
*There is a marked difference between the moral and social character of the Hindoo and the Mohammedan women of India. The Hindoo woman does not occupy that position in society which she is so eminently fitted to grace, and which is accorded to women in Europe and America; but she is by no means so degraded as is so frequently represented by travellers, who are apt to mistake the common street-woman with whom they are brought into contact for the wife and mother of an ordinary Hindoo home. It is difficult for a stranger to find out what an Indian woman is at home, though he may have encountered many a bedizened female in the streets which he takes for her.<br>The influence of the Hindoo woman is seen and felt all through the history of India, and is very marked in the annals of British rule. Though the political changes, the invasion, and despotism of Mohammedan rule may have forced upon them the seclusion now so general, it is evident that they once occupied a very different position in society, from the testimony of their earliest writers and the dramatic representations of domestic life and manners still extant.<br>One of the most startling facts is, that among the Asiatic rules of India who have heroically resisted foreign invasion the women of Hindostan have distinguished themselves almost as much as the men. Lakshmi Baiee, the queen of Jahnsee, held the entire British army in check for the space of twenty-four hours by her wonderful generalship, and she would probably have come off victorious if she had not been shot down by the enemy. After the battle Sir Hugh Rose, the English commander, declared that the best man on the enemy’s side was the brave queen Lakshmi Baiee. Another courageous and noble woman, Aus Khoor, was placed by the British government on the throne of Pattiala, an utterly disorganized and revolted state in the Panjaub. In less than one year she had by her wise and effective administration changed the whole condition of the country, subjugated the rebellious cities and villages, increased the revenues, and established order, security and peace everywhere. Alleah Baiee, the Mahratta queen of Malwah, devoted herself for the space of twenty years with unremitting assiduity to the happiness and welfare of her people, so that Hindoos, Buddhists, Jains, Parsees, and Mohammedans united in blessing her beneficent rule; and of so rare a modesty was this woman that she ordered a book which extolled her virtues to be destroyed, saying, ‘Could I have been so infamous as to neglect the welfare and happiness of my subjects?’
** Influence of Hindu women seen in history, Anna Harriette Leonowen Ghose, Indira, Memsahibs Abroad. Writings by Women Travellers in Nineteenth Century India, Oxford University Press, 1998. –Women Travellers In Colonial India. The Power of The Female Gaze, Oxford University Press, 1998(a).quoted from Jain, M. (editor) (2011). The India they saw: Foreign accounts. New Delhi: Ocean Books. Volume IV Chapter14
* What great fault is there in women that has not been already committed by men? Men have outstripped women in impudence. Women are indeed superior to men in respect of merits. ... Being uniquely pure, women are never defiled.
**Varahamihira’s Brhat Samhita, tr. M. Ramakrishna Bhat (Delhi: Motilal Banarsidass, 1982), verses 74.6 & 74.9, pp. 688-89.
**quoted in M Danino, WOMAN IN INDIAN HISTORY: A FEW VIGNETTES FR OM EPIGRAPHY FROM epigraphy in VOL. 3 ISSUE NO.110 YUGABDHAM: ASWINAM-POUSHAM 5111 OCTOBER-DECEMBER 2009
*In the estimate of historian and epigraphist Chithra Madhavan, royal ladies “are seen actively participating in the sphere of religion and culture. ... It can be seen that many of them were extremely well-versed in the fine arts and also enjoyed an exalted position in their respective kingdoms as elsewhere in south India at that time.”
**Chithra Madhavan, History and Culture of Tamil Nadu as Gleaned from Sanskrit Inscriptions, vol. 2 (New Delhi: D.K. Printworld, 2007), p. 36.
**quoted in M Danino, WOMAN IN INDIAN HISTORY: A FEW VIGNETTES FR OM EPIGRAPHY FROM epigraphy in VOL. 3 ISSUE NO.110 YUGABDHAM: ASWINAM-POUSHAM 5111 OCTOBER-DECEMBER 2009
*In the Gupta era, there is evidence that a woman could be a teacher; as historian U. N. Ghoshal puts it, “Girls of high families, as also those living in hermitages, read works on ancient history and legend, and were educated sufficiently to understand and even compose verses. ... The Amarakosa, a work of the Gupta Age, refers to words meaning female teachers (upadhyaya2 and upadhyayi) as well as female instructors of Vedic mantras (acharya*).”
**U. N. Ghoshal, “Social Condition,” in The Classical Age, vol. 3 in The History and Culture of the Indian People, R. C. Majumdar, ed. (Bombay 1954/1988: Bharatiya Vidya Bhavan), p. 568.
**quoted in M Danino, WOMAN IN INDIAN HISTORY: A FEW VIGNETTES FR OM EPIGRAPHY FROM epigraphy in VOL. 3 ISSUE NO.110 YUGABDHAM: ASWINAM-POUSHAM 5111 OCTOBER-DECEMBER 2009
*There is a peculiar beauty in Indian women, whereby their face is covered with pure skin, with a slight, lovely blush, which is not just like the blush of health and vitality, but a finer blush, like a spiritual touch from within. The look of the eye and the position of the mouth, appear gentle, soft and relaxed – it is an almost unearthly beauty…
**G. Hegel (1770 – 1831) ,quoted in [https://mariawirth.com/indian-women-no-longer-the-most-beautiful/ Indian women: no longer the most beautiful?]
==India after 1947==
*With many of my young (Hindu) male respondents from the [[Bajrang Dal]], stories of rape were more like a fun story to share. The pleasure derived from storytelling was more visible when discussing the sexual degeneracy of Muslims.
**Hindu Nationalism in India and the Politics of Fear, D. Anand, p. 75
* The [[2019 Citizenship Amendment Act]] violates India’s international obligations to prevent [[w:Loss of citizenship|deprivation of citizenship]] on the basis of [[w:Racism in Asia#India|race]], color, descent, or national or [[w:Ethnic relations in India|ethnic origin]] as found in the {{W|International Covenant on Civil and Political Rights}} and other [[w:International human rights instruments|human rights treaties]] that [[ভারত]] has ratified. The 1992 [[w:Declaration on the Rights of Persons Belonging to National or Ethnic, Religious and Linguistic Minorities|Declaration on the Rights of Persons Belonging to National or Ethnic, Religious and Linguistic Minorities]] calls on governments to protect the existence and identity of [[w:Religion in India#Minority beliefs and sects|religious minorities]] within their territories and to adopt the appropriate measures to achieve this end. Governments are obligated to ensure that people belonging to {{W|minority groups}}, including {{W|religious minorities}}, may exercise their [[মানবাধিকার]] without [[discrimination]] and in full {{W|equality before the law}}. Governments also have an obligation to ensure {{W|gender equality}}. To the extent that the process has [[w:Gender inequality in India|a disproportionately harmful impact]] on the [[w:Indian nationality law|citizenship rights]] of women and [[w:Gender inequality in India#Discrimination against girls|girls]], it also violates the {{W|Convention on the Elimination of All Forms of Discrimination against Women}}.
** [[Human Rights Watch]], ''[https://www.hrw.org/report/2020/04/09/shoot-traitors/discrimination-against-muslims-under-indias-new-citizenship-policy India: Protests, Attacks Over New Citizenship Law]'' (April 9, 2020)
* As the legacy of this scenario, Indian girls are still being sold to West Asian nationals as wives, concubines and slave girls. For example, all the leading Indian newspapers like The Indian Express, The Hindustan Times and The Times of India of 4 August 1991, flashed the news of a sixty year old “toothless” Arab national Yahiya H. M. Al Sagish “marrying” a 10-11 year old Ameena of Hyderabad after paying her father Rs. 6000, and attempting to take her out of the country. Al Sagish has been taken into police custody and the case is in the law-court now. Mr. I. U. Khan has “pointed out that no offence could be made out against his client as he had acted in accordance with the Shariat laws. He said that since this case related to the Muslim personal law which permitted marriage with girls who had attained Puberty (described as over 9 years of age), Al Sagish could not be tried under the Indian Penal Code (IPC). Besides Ameena’s parents had not complained.” (Times of India, 14 August 1991). But this is not an isolated case. I was in Hyderabad for about four years, 1979-1983. There I learnt that such “marriages” are common. There are regular agents and touts who arrange them. Poor parents of girls are handsomely paid by foreign Muslims for such arrangements. Every time that I happened to go to the Hyderabad Airlines office or the Airport (which was about at least once a month), I found bunches of old bridegrooms in Arab attire accompanied by young girls, often little girl brides. “A rough estimate indicated that as many as 8000 such marriages were solemnised during the past one decade in Hyderabad alone.” (Indian Express Magazine, 18 August 1991). In short, the sex slave-trade is still flourishing not only in Hyderabad but in many other cities of India after the medieval tradition.
** Lal, K. S. (1992). The legacy of Muslim rule in India. New Delhi: Aditya Prakashan. Chapter 7
* On November 20, the {{W|Karnataka government}} issued a notification allowing women to [[Labour in India|work]] night shifts (7 p.m. to 6 a.m.) in all factories registered under the [[w:Factories Act, 1948 (India)|Factories Act, 1948]]. [...] In principle, this is a welcome move. However, several concerns have been voiced by women [[w:Textile industry in India|garment workers]] who are estimated to constitute over 90% of the five lakh garment workers in [[Karnataka]] (according to data by [[w:Living wage#Asia Floor Wage|Asia Floor Wage Alliance]], a global coalition of [[trade unions]]). The amendment suggests that night shifts for women will only be allowed if the employer ensures adequate safeguards concerning [[w:Occupational safety and health|occupational safety and health]], protection of [[মর্যাদা]] and [[honour]], and [[w:Transport in India|transportation]] from the factory premises to points nearest to the worker’s residence. The amendment stipulates 24 points related to occupational rules and regulations, most of which have been in existence for years. Yet, [[women workers]] fear that when there is no safety or dignity in the workplace even during daytime, how will employers ensure all this during night shifts? [...] In a sector where there is systemic failure and worker-management relations are turbulent, putting the onus of worker safety and security in the hands of the management alone can be risky. Moreover, it is well-known that in supply chains the brands call the shots. Involving them in discussions on worker dignity and equality is important. Omitting workers and trade unions from discussions about the amendment is also seen by the workers as a short-sighted measure. Women garment workers are concerned that while the amendment has stipulated many ‘new’ guidelines amidst the plethora of unaddressed concerns, allowing night shifts would only extend daytime [[w:Exploitation of labour|exploitation]].
** [[Neethi Padmanabhan]] and Nandita Shivakumar, ''[https://www.thehindu.com/opinion/op-ed/new-rules-old-problems/article30390884.ece New rules, old problems]'' (December 25, 2019), ''{{W|The Hindu}}''
*The failure to adopt a Uniform civil code [has the effect that] [[মুসলমান]] [[নারী]] suffer because they do not have an equal right of inheritance, because they cannot easily obtain a [[বিবাহ বিচ্ছেদ]], because they can be divorced by their husband at their whim or caprice.
**Atul Setalvad (1990), quoted from Elst, Koenraad (2001). Decolonizing the Hindu mind: Ideological development of Hindu revivalism. New Delhi: Rupa. p.553
* In the broadest strokes, the Times’ coverage of India is almost Orientalist—it’s almost as if it’s a backward place characterised by nationalism, violence, sexual assault. I read in an article somewhere, where they just flatly stated that there’s a rampant rape culture in India. And I was like, what? So, I actually started to look at the statistics to see what they meant. And you look at the statistics, and they’re a fraction of cases from what the US or Western Europe experiences. How can you make an assertion like that when the statistics are not even close to being there? So that was what I wanted to understand. I think on the broad level India (is portrayed as) being this nationalist kind of bully. And I think on a more specific level, it’s an anti Hindu approach... So you think to yourself why is there this division in how they cover China and how they cover India? Why is one being shown as this sort of progressive place that has managed to conquer a pandemic and the other this backward place characterised by funeral pyres and rape—and that’s what I’m trying to understand.
**Ashley Rindsberg, [https://www.sundayguardianlive.com/news/nyts-coverage-india-almost-orientalist-ashley-rindsberg NYT’s coverage of India is almost Orientalist: Ashley Rindsberg] 23 October 2021
*“Where big violence is so common, it is no surprise that gender violence is hardly a priority issue,” explained Mantasha Rashid, founder of Kashmir Women’s Collective, a trust that provides support under a single window to survivors of gender-based violence. “The rape and assault you’re referring to is akin to collateral damage. Women are caught in the crossfire in any conflict region, and the body of the enemy’s woman is seen as war booty by all the warring sides.”... <br> “I don’t really want to go out and say that Kashmiri society is particularly flawed or patriarchal because that can be misinterpreted,” Rashid of the Kashmir Women’s Collective said. “Whenever we speak about Kashmir one has to choose their words very carefully or else the discourse is hijacked by the bigger political narrative.”
** Mantasha Rashid, founder of Kashmir Women’s Collective, quoted in [https://thediplomat.com/2022/02/rape-and-silence-in-kashmirs-jihad/ Rape and Silence in Kashmir’s Jihad]
*"Did Nirbhaya really have go to watch a movie at 11 in the night with her friend? Take the Shakti Mills gang rape case. Why did the victim go to such an isolated spot at 6 pm?" Mirje asked at a gathering of the NCP women's wing in Nagpur. "We have to be careful. We have to ask ourselves, where am I going, with whom am I going, what am I going for, do I really need to go to that place," she added.
**About Rape in India. Asha Mirje,as quoted in [https://web.archive.org/web/20201112032024/https://www.indiatoday.in/india/west/story/maharashtra-state-womens-commission-rape-asha-mirje-sexual-assault-178771-2014-01-29]
*For a society in line with our constitutional vision, it is for the Muslim community to introspect and preach to their men to respect women from other communities. This theological validation of considering non-Muslim women as maal-i-ganimat (free war booty) is not acceptable in modern Indian society.
**Democracy Under Siege: Ballot, Bullet And Blood. Shubham Tiwari And Shivam Raghuwanshi. Garuda Prakashan. 2022. Pages 250. Rs 399.
==See also==
* [[Women in Hinduism]]
* [[Uniform civil code]]
==External links==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:ভারত]]
[[Category:Women from India| ]]
p37atbp2aifwq67vux141zcm6ij5s16
75486
75482
2026-04-11T00:26:33Z
ARI
356
/* Pre-1947 India */
75486
wikitext
text/x-wiki
[[File:Village Belle, by Raja Ravi Varma.jpg|thumb|যদি নারীকে সম্মান করাকে সভ্যতার মাপকাঠি ধরা হয়, তবে রাজপুতদের স্থান হবে অনেক উপরে। তারা এই বিষয়ে খুব সংবেদনশীল। নারীর সম্মানে সামান্য আঘাত লাগলেই তারা খুব ক্ষুব্ধ হন এবং সেই অপমান কখনোই ক্ষমা করেন না। - জেমস টড]]
[[File:Raja Ravi Varma, Galaxy of Musicians.jpg|thumb|]]
[[File:Raja Ravi Varma, The Milkmaid (1904).jpg|thumb|]]
গত কয়েক সহস্রাব্দ ধরে '''ভারতে নারী'''দের অবস্থানের অনেক পরিবর্তন হয়েছে। প্রাচীনকাল থেকে মধ্যযুগ পর্যন্ত তাদের অবস্থানের অবনতি হয়েছিল। পরবর্তীতে অনেক সমাজ সংস্কারক নারীদের সমান অধিকারের জন্য কাজ করেছেন। সব মিলিয়ে ভারতে নারীদের ইতিহাস বেশ ঘটনাবহুল।
== ১৯৪৭-পূর্ব ভারত ==
* তিনি চাঁদের গোল রূপ, লতার বাঁক, লতানো গাছের জড়িয়ে থাকা, ঘাসের কম্পন, খাগড়া ঘাসের নমনীয়তা, ফুলের প্রস্ফুটন, পাতার হালকা ভাব এবং হাতির শুঁড়ের সরু হয়ে আসা রূপ নিলেন। তিনি আরও নিলেন হরিণের চাহনি, মৌমাছির ভিড়, সূর্যের আলোর উজ্জ্বলতা, মেঘের কান্না, বাতাসের চপলতা, খরগোশের ভীরুতা, ময়ূরের অহংকার এবং তোতাপাখির বুকের কোমলতা। এর সাথে তিনি হীরের কঠোরতা, মধুর মিষ্টি ভাব আর বাঘের নিষ্ঠুরতাও বাদ গেল না। আগুনের তেজ, বরফের শীতলতা আর নীলকণ্ঠ পাখির কিচিরমিচির যোগ করলেন। সবশেষে ''কোকিলের'' ডাক, বকের ছদ্মবেশ আর ''চক্রবাক পাখির'' বিশ্বস্ততা নিলেন। এই সব কিছু মিশিয়ে তিনি নারী সৃষ্টি করলেন। তারপর তাকে পুরুষের হাতে তুলে দিলেন।
** একটি হিন্দু কিংবদন্তিতে নারীর সৃষ্টি, যা কথিত আছে এফ. ডব্লিউ. বেইন সংস্কৃত থেকে অনুবাদ করেছেন, [https://www.gutenberg.org/files/48910/48910-h/48910-h.htm ''এ ডিজিট অফ দ্য মুন''], ৯ম সংস্করণ (১৯১১), ভূমিকা। ই. বি. হ্যাভেল রচিত [https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.57027/page/n139/mode/2up?q=slenderness ''দ্য আইডিয়ালস অফ ইন্ডিয়ান আর্ট''] (১৯২০), পৃষ্ঠা ৯১-এ উদ্ধৃত।
* নারী হলো ঈশ্বরের সৃষ্টির সেরা রূপ। সে দেবতাদের ছায়া। আর পুরুষ কেবল ঈশ্বরের সাধারণ সৃষ্টি। নারী হলো আলো, পুরুষ হলো ছায়া। আলো কি ছায়া ছাড়া থাকতে পারে?
** বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, ''কৃষ্ণকান্তের উইল'' (অনুবাদ: মিরিয়াম এস. নাইট, ১৮৯৫), অংশ ২, অধ্যায় ১৫।
* সাধারণ বা নিচু স্তরের নারী ছাড়া অন্য কোনো মুসলমান নারী জনসমক্ষে আসেন না। তাঁরা তাঁদের মাথা ঢেকে রাখেন। তবে তাঁদের বিনুনি করা চুল পেছনের দিকে ঝুলে থাকে। অনেকে নাকে সোনার নোলক বা পাথর বসানো নাকফুল পরার জন্য নাক ফুঁড়িয়ে থাকেন।
** থেভেনো এবং কারেরি, ইন্ডিয়ান ট্রাভেলস অফ থেভেনো অ্যান্ড কারেরি, সুরেন্দ্রনাথ সেন সম্পাদিত, ন্যাশনাল আর্কাইভস অফ ইন্ডিয়া, ১৯৪৯।
* তা সত্ত্বেও বৈদিক যুগে ভারতের নারীরা অনেক স্বাধীনতা পেতেন। পরবর্তী যুগের তুলনায় তাঁদের অবস্থা অনেক ভালো ছিল। জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রেও তাঁদের মতামত দেওয়ার সুযোগ ছিল। বিয়ের ধরণ দেখে হয়তো সব সময় তা বোঝা যায় না। তারা উৎসব ও নাচে অবাধে যোগ দিতেন। পুরুষদের সাথে তারা যজ্ঞেও অংশ নিতেন। তারা পড়াশোনা করতেন। গার্গীর মতো নারীরা দার্শনিক তর্কেও অংশ নিতেন। তারা বিধবা হলে পুনরায় বিয়ে করার পথে কোনো বাধা ছিল না। তবে বীরগাথার যুগে নারীরা তাঁদের এই স্বাধীনতা কিছুটা হারিয়েছিলেন।
** ডুরান্ট, উইল (১৯৬৩)। আওয়ার ওরিয়েন্টাল হেরিটেজ। নিউ ইয়র্ক: সাইমন অ্যান্ড শুস্টার।
* যদি নারীকে শ্রদ্ধা করাকে সভ্যতার মাপকাঠি ধরা হয়, তবে রাজপুতদের অনেক উপরে রাখতে হবে। তারা এই ব্যাপারে খুব আবেগপ্রবণ। নারীর সম্মানে সামান্য আঘাত লাগলেই তারা ক্ষুব্ধ হন এবং সেই অপমান কখনোই ক্ষমা করেন না।
** জেমস টড, অ্যানালস অ্যান্ড অ্যান্টিকুইটিস অফ রাজস্থান।
* Take the case of the Thaaru women in the Tarai region as described by Hugh and Colleen Gantzer. “Once upon a time… a group of beautiful Sisodia Rajput princesses were spirited out of their kingdom by their loving father. Though the old man was prepared to die in the battlefield, with all honour, he could not bear the thought of all his beautiful daughters dying in the fiery self-immolation pit of Jauhar. He therefore summoned some of his bravest old retainers, charged them with the task of guarding the princesses, gave them a posse of Bhil warriors, and sent them to the safety of a remote Himalayan kingdom with which he had ties of blood. Sadly, on their arduous journey the old retainers succumbed to malaria... Eventually when the last old Rajput male had died, the princesses realised that they could go no further… They were young women, full of life. They didn’t want to die. So they made an agreement with their Bhils that they would settle down there, in a clearing in the fertile Tarai, marry them but on one condition. From that day on their female descendants would always be superior to their males... they would not serve them. And that is the way it still is. … These women were not the docile, subservient (type) we had often encountered in northern Indian villages: they were proud (and) independent…”
** Hugh and Colleen Gantzer, quoted from Lal, K. S. (1994). Muslim slave system in medieval India. New Delhi: Aditya Prakashan. Chapter 6
* War being a special privilege of the martial classes, harassment of the civilian population during military operations was considered a serious lapse from the code of honour. The high regard which all Kshatriyas had for the chastity of women, also ruled out abduction as an incident of war.
** K.M. Munshi, 'End of Ancient India' in Bharatiya Vidya Bhavan's Journal, vol. IV, no. II, December 29, 1959, pp. 8, 14. quoted from Lal, K. S. (1999). Theory and practice of Muslim state in India. New Delhi: Aditya Prakashan. Chapter 1
* I do not know any book that says as many kind and delicate things to females as in the law book of Manu; these old men and saints have a way of minding their manners in front of women that has perhaps never been surpassed.
** Friedrich Nietzsche, (AC 56) quoted from Elst, Koenraad. Manu as a weapon against egalitarianism: Nietzsche and Hindu political philosophy in : Siemens & Vasti Roodt, eds.: Nietzsche, Power and Politics (Walter de Gruyter, Berlin 2008).
* Orme, along with many others, affirms that “'''nature seems to have showered beauty on the fairer sex throughout Hindustan with a more lavish hand than in most other countries.'''”
** Orme’s Fragments, quoted from Lal, K. S. (1994). Muslim slave system in medieval India. New Delhi: Aditya Prakashan. Chapter 12
* "Women were held in higher respect in India than in other ancient countries, and the Epics and old literature of India assign a higher position to them than the epics and literature of ancient Greece. Hindu women enjoyed some rights of property from the Vedic Age, took a share in social and religious rites, and were sometimes distinguished by their learning. The absolute seclusion of women in India was unknown in ancient times."
** Romesh C. Dutt: The Civilization of India: 21-22
* In these modern days there is a greater impetus towards higher education on the European lines, and the trend of opinion is strong towards women getting this higher education. Of course, there are some people in India who do not want it, but those who do want it carried the day. It is a strange fact that Oxford and Cambridge are closed to women today, so are Harvard and Yale; but Calcutta University opened its doors to women more than twenty years ago.
** Swami Vivekananda, Women of India [http://www.vivekananda.net/Lectures/WomenOfIndia.html]
* To the women of this country... I would say exactly what I say to the men. Believe in India and in our Indian faith. Be strong and hopeful and unashamed, and remember that with something to take, Hindus have immeasurably more to give than any other people in the world.
** Swami Vivekananda, Complete Works of Swami Vivekananda, Volume 5, Interviews/On Indian Women--Their Past, Present And Future
* [[সম্রাট আকবর]] had prohibited enslavement and sale of women and children of peasants who had defaulted in payment of revenue. He knew, as Abul Fazl says, that many evil-hearted and vicious men either because of ill-founded suspicion or sheer greed, used to proceed to villages and mahals and sack them.
** Lal, K. S. (2012). Indian Muslims: Who are They.
* In this background, it would be an unremitting task both in volume and repetition to give all anecdotes, facts and figures of enslavement and concubinage of captive women in the central and provincial kingdoms and independent Muslim states found mentioned in the chronicles. This would only lead to repetition resulting in the book becoming bulky.
** K.S.Lal. Muslim Slave System in Medieval India (1994)
* In 1635 AD, Shah Jahan’s soldiers captured some ladies of the royal Bundela family after Jujhar Singh and his sons failed to kill them in the time-honoured Rajput tradition. In the words of [[Jadunath Sarkar]], “Mothers and daughters of kings, they were robbed of their religion and forced to lead the infamous life of the Mughal harem.”
** Jadunath Sarkar, quoted by Sita Ram Goel in S.R. Goel: The Story of Islamic Imperialism in India.
* The Hindus of this region had been victims of Muslim high-handedness for a long time, particularly in respect of their women. Murshid Qulî Khãn, the faujdãr of Mathura who died in 1638, was notorious for seizing “all their most beautiful women” and forcing them into his harem. “On the birthday of Krishna,” narrates Ma’sîr-ul-Umara, “a vast gathering of Hindu men and women takes place at Govardhan on the Jumna opposite Mathura. The Khan, painting his forehead and wearing dhoti like a Hindu, used to walk up and down in the crowd. Whenever he saw a woman whose beauty filled even the moon with envy, he snatched her away like a wolf pouncing upon a flock, and placing her in the boat which his men kept ready on the bank, he sped to Agra. The Hindu [for shame] never divulged what had happened to his daughter.”
** S.R. Goel in Shourie, A., & Goel, S. R. (1993). Hindu temples: What happened to them. Vol. II
* In the preceding pages it has been seen how women and children were special targets for enslavement throughout the medieval period, that is, during Muslim invasions and Muslim rule. Captive children of both sexes grew up as Muslims and served the sultans, nobles and men of means in various captives. Enslavement of young women was also due to many reasons; their being sex objects was the primary consideration and hence concentration on their captivity..... Forcible marriages, euphemistically called matrimonial alliances, were common throughout the medieval period. Only some of them find mention in Muslim chronicles with their bitter details...It is therefore no wonder that from the day the Muslim invaders marched into India to the time when their political power declined, women were systematically captured and enslaved throughout the length and breadth of the country.
** K.S. Lal, Lal, K. S. (1994). Muslim slave system in medieval India. New Delhi: Aditya Prakashan. ch. 12.
* Guru Nanak proceeds to describe how the oppressors shaved off the maidens, their ‘heads with braided hair, with vermilion marks in the parting’; how ‘their throats were choked with dust’; how they were cast out of their palatial homes, unable now to sit even in the neighbourhood of their homes; how those who had come to the homes of their husbands in palanquins, decorated with ivory, who lived in the lap of luxury, had been tied with ropes around their necks; how their pearl strings had been shattered; how the very beauty that was their jewel had now become their enemy – ordered to dishonour them, the soldiers had carried them off. ‘Since Babar’s rule has been proclaimed,’ [[গুরু নানক]] wrote, ‘even the princes have no food to eat.’ Their sacred squares shattered, where will the [[হিন্দু]] [[নারী]] bathe, how will they worship? the Guru lamented. Dishonoured, how may they now apply the tilak on their foreheads? Some return home to inquire about the safety of their loved ones. Others are cursed to sit and cry out in pain.
** Guru Granth Sahib, quoted from [[Shourie, Arun]] (2014). Eminent historians: Their technology, their line, their fraud. Noida, Uttar Pradesh, India : HarperCollins Publishers.
* The Hindu was taxed to the extent of half the produce of his land... No gold or silver, not even the betelnut, so cheering and stimulative to pleasure, was to be seen in a Hindu house, and the wives of the impoverished native officials were reduced to taking service in Muslim families. Revenue officers came to be regarded as more deadly than the plague; and to be a government clerk was disgrace worse than death, in so much that no Hindu would marry his daughter to such a man.
** Lane Poole : Medieval India, quoted from B.R. Ambedkar, Pakistan or The Partition of India (1946)
* (The soldier) takes into custody all the women of the enemy’s city… Wherever they happened to pass in that very place the ladies of the Raja’s house began to be sold in the market. They used to set fire to the villages. They turned out the women (from their homes) and killed the children. Loot was their (source of) income. They subsisted on that. Neither did they have pity for the weak nor did they fear the strong… They had nothing to do with righteousness… They never kept their promise… They were neither desirous of good name, not did they fear bad name…”
** The poet Vidyapati writing about Muslim soldiers. Kirtilata. Quoted from Lal, K. S. (1992). The legacy of Muslim rule in India. New Delhi: Aditya Prakashan.
* Having subjugated Khuraasaan, Babar terrified Hindustaan<br/>So that blame does not come on Him, the Creator has sent the Mughal as the messenger of death<br/>So great was the slaughter, such the agony of the people, even then You felt no compassion, Lord? <br/>If some powerful man strikes another, one feels no grief But when a powerful tiger slaughters a flock of helpless sheep, its master must answer <br/>This jewel of a country has been laid waste and defiled by dogs, so much so that no one pays heed even to the dead… <br/>Guru Nanak proceeds to describe how the oppressors shaved off the maidens, their ‘heads with braided hair, with vermillion marks in the parting’; how ‘their throats were choked with dust’; how they were cast out of their palatial homes, unable now to sit even in the neighbourhood of their homes; how those who had come to the homes of their husbands in palanquins, decorated with ivory, who lived in the lap of luxury, had been tied with ropes around their necks; how their pearl strings had been shattered; how the very beauty that was their jewel had now become their enemy – ordered to dishonour them, the soldiers had carried them off. ‘Since Babar’s rule has been proclaimed,’ [[গুরু নানক]] wrote, ‘even the princes have no food to eat.’
**Guru Granth Sahib, quoted from [[Shourie, Arun]] (2014). Eminent historians: Their technology, their line, their fraud. Noida, Uttar Pradesh, India : HarperCollins Publishers.
* Writing about the days of Sultan [[মুহাম্মদ বিন তুগলক|Muhammad bin Tughlaq]] (1325-51), Shihabuddin al-Umari writes: "The sultan never ceases to show the greatest zeal in making war upon the infidels... Every day thousands of slaves are sold at a very low price, so great is the number of prisoners .... (that) the value at Delhi of a young slave girl, for domestic service, does not exceed eight tankahs. Those who are deemed fit to fill the parts of domestic and concubine sell for about fifteen tankahs. In other cities prices are still lower..." Umari continues, "but still, in spite of low prices of slaves, 20000 tankahs, and even more, are paid for young Indian girls. I inquired the reason... and was told that these young girls are remarkable for their beauty, and the grace of their manners."
** Masalik-ul-Absar, E.D. vol. III, pp. 580-81. (Shihabuddin al-Umri, Masalik-ul-Absar fi Mumalik-ul-Amar) Quoted from Lal, K. S. (1994). Muslim slave system in medieval India.
* But when the Muhammedan invaders ... conquered the disorganised Hindu hosts, and Hindu young women began to become a prey to the lust of some of the conquerors, the custom of early marriage and the unnatural purdah were introduced by the degenerate Hindus of northern India as refuge against the inroads of Muslim Ghazis in Hindu homes.
** Swami Shraddhanand . Hindu Sangathan p. 95, quoted in Elst, Koenraad (2014). Decolonizing the Hindu mind: Ideological development of Hindu revivalism. New Delhi: Rupa. p.377
* ...in any view, abduction of Hindu women by the Muslims and their continued loss to the Hindu community, so far as it affects the growth of the Hindus is a matter which cannot be neglected any longer without serious consequences.
** J.M.Dutta, ‘Continued Abduction of Hindu Women-its Effect on the Bengali Hindus‘, Modern Review, 1941, pp.358-9 : cited in Rakesh Batabyal, Communalism in Bengal: From Famine To Noakhali, 1943-47, SAGE, 2005 p.287 [https://swarajyamag.com/ideas/did-savarkar-justify-rape-as-a-political-weapon]
* At Mansera and some other places (N.W.F.P.) there are regular camps where Hindu girls are being sold.
** Krapala Singh, Select documents on Partition of Punjab-1947: India and Pakistan : Punjab, Haryana, and Himachal-India and Punjab-Pakistan, National Book Shop, 1991, p.639
* At the height of the riots, during August and September, when the majority of rapes and abductions occurred, there was almost no limit to the vehemence of the mobs. Throughout the chaos, both planned and random abductions of women and girls were carried out, particularly in situations in which large number of refugees — disoriented and inadequately protected — had assembled or were on the move. For example, Kirpal Singh records that two trains crossed on the Kamoke railway line, one carrying 260 refugees and the other carrying Pakistan Army soldiers. After the latter realized that the former was carrying Hindu refugees, it was attacked. Most of the men were killed and 50 women and girls were forcibly taken by the soldiers. Similarly, in East Bengal, the Ansars, a paramilitary force responsible for the safety of the citizens also perpetrated attacks and abducted Hindu women. One of my respondents was on one of the trains leaving Pakistan and recalled how she hid in a toilet. ... In the confusion that followed, while she was fortunate enough to avoid being abducted, she witnessed many girls and women being taken from the trains. ... Describing the massacres of refugees in Kamoke, Gujranwala district, an Indian official wrote, the most ignoble feature of the tragedy was the distribution of young girls amongst the members of the Police Force, the National Guards (an Islamo-fascist organization-AN) and the local goondas. The Station House Officer Dilder Hussain collected the victims in an open space near Kamoke Railway Station and gave a free hand to the mob. After the massacre was over, the girls were distributed like sweets ... Later on as a result of the efforts of the Liasion Agency and the East Punjab Police some girls were recovered from Kamoke, Eminabad and some surrounding villages ... A list of at least 70 untraced girls abducted from the Kamoke train was handed over [to] the Police by District Liasion Officer ... It is feared that most of these girls had been sold or taken underground.
**Bina D’Costa, Nation building, Gender and War Crimes in South Asia, Routledge, 2011, pp.57-60. Partition of India, 1947. [https://swarajyamag.com/ideas/did-savarkar-justify-rape-as-a-political-weapon]
*[When the Jihadist tribal Mujahidin raided Kashmir in 1947, the girls abducted by the Jihadists] 'were exhibited in the bazaars of Peshawar and Bannu, thereby enticing Pathans towards Kashmir. Many were subjected to unmentionable indignities.'
**(Shanta Kumari, President, National Women's Conference of J&K, Hindustan Times, 30-Dec-1947) [https://swarajyamag.com/ideas/did-savarkar-justify-rape-as-a-political-weapon]
* Shree Krishna’s army did not forsake their kinswomen, simply because they were forcibly polluted and violated — a dastardly thought which he never entertained for a minute. On the contrary Shree Krishna as the Bhoopati, the Lord of the whole Earth, brought all those sixteen thousand or more women to his kingdom, rehabilitated them honourably and took upon himself the responsibility of feeding and protecting them. This very act of Krishna, as the Bhoopati, has been fantastically construed by the writers of the Puranas as to describe him the husband of those thousands of women. He was later thought to have married all of them’.
**V D Savarkar, 1963:1971, p.182. 'Six Glorious Epochs of Indian History' . About the Puranic example of Sri Krishna fighting against Narakasura. [https://swarajyamag.com/ideas/did-savarkar-justify-rape-as-a-political-weapon]
* With this same shameless religious fanaticism the aggressive Muslims of those times considered it their highly religious duty to carry away forcibly the women of the enemy side, as if they were commonplace property to ravish them, to pollute them and to distribute them to all and sundry, from the Sultan to the common soldier and to absorb them completely in their fold. This was considered a noble act which increased their number.
**V D Savarkar, 1963:1971, p.176. 'Six Glorious Epochs of Indian History' [https://swarajyamag.com/ideas/did-savarkar-justify-rape-as-a-political-weapon]
* With the Muslim conquest the position of Indian women suffered a set-back. After the fall of every city, and sometimes even in times of peace, women suffered every kind of privation. Historians like Ziyauddin Barani and Shams Siraj ‘Afif hint at it, while Ibn Battiita’s narrative makes revolting reading. As a bulwark against these humiliations Jauhar and Sati, already prevalent in Hindu society, began to be practised on a large scale in times of war. In times of peace Parda (seclusion) and child-marriage were considered to be good safeguards. The custom of ghiinghat among Hindus is described by Vidyapati and Malik Muhammad Jaisi, but the ‘‘more developed form of Parda, with its elaborate code of tules, came into existence almost from the beginning of the Muslim tule in Hindustan’’. Life of women was restricted in Muslim society; Firdz Tughlaq and Sikandar Lodi forbade the pilgrimage of women to the tomb of saints.
** K.S. Lal, Twilight of the Sultanate (1963) p. 269
*Nature seems to have showered beauty on their fairer sex throughout Indostan, with a more lavish hand than in most other countries. They are all, without exception, fit to be married before thirteen, and wrinkled before thirty – flowers of too short a duration not to be delicate; and too delicate to last long. Segregated from the company of the other sex, and strangers to the ideas of attracting attention, they are only the handsomer for this ignorance; as we see in them; beauty in the noble simplicity of nature. Hints have already been given of their physiognomy: their skins are of a polish and softness beyond that of all their rivals on the globe: a statuary would not succeed better in Greece itself, in his pursuit of the Grecian form; and although in the men he would find nothing to furnish the ideas of the Farnesian Hercules, he would find in the women the finest hints of the Medicean Venus.
**. The fairer sex, Robert Orme Orme, Robert, Historical Fragments of the Mogul Empire, of the Morattoes, and of the English Concerns in Indostan, Associated Publishing House, 1978, first published 1782.quoted from Jain, M. (editor) (2011). The India they saw: Foreign accounts. New Delhi: Ocean Books. Volume IV Chapter14
*In the exercise of the tongue, a female of Hindostan hath few equals; and if she hath ever followed a camp, I would pronounce her invincible on any ground in Europe. An English woman, educated at our most noted seminaries, and skilled in all the various compass of debate, will, perhaps, on some interesting occasion, maintain the contest for an hour, which then terminates in blows and victory. But an Indian dame, improved by a few campaigns, has been known to wage a colloquial war, without introducing one manual effort, for the space of three successive days; sleeping and eating at reasonable intervals. There is a fertility of imagination, a power of expression, inherent in the mind, and vocal ability, of an Asiatic, particularly a female one, which cannot be engendered in the cold head of an European: and there is an extent of language also peculiar to the East, which the limits of Western speech do not contain.
**Forster, George, A Journey From Bengal To England, 2 vols., Languages Department, Punjab, 1970, first published 1808.quoted from Jain, M. (editor) (2011). The India they saw: Foreign accounts. New Delhi: Ocean Books. Volume IV Chapter14
*…it may be said, with truth, that…the Hindoo females…lie under much less restraint, enjoy more real freedom, and are in possession of more enviable privileges than the persons of their sex in any other Asiatic country. In fact, to them belong the entire management of their household, the care of their children, the superintendence of the menial servants, the distribution of alms and charities. To their charge are generally intrusted the money, jewels, and other valuables. To them belongs the care of procuring provisions, and providing for all expenses. It is they also who are charged, almost to the exclusion of their husbands, with the most important affair of procuring wives for their sons, and husbands for their daughters, and, in doing this, they evince a niceness, an attention, and foresight which are not certainly surpassed in any country; while in the management of their domestic business, they in general show a shrewdness, a saving-ness, and an intelligence which would do honour to the best housewives in Europe.<br>In the mean while, the austerity and roughness with which they are outwardly treated in public, by their husbands, is rather a matter of form, and entirely ceases when the husband and his wife are in private. It is then that the Hindoo females assume all that empire which is everywhere exercised in civilised countries, by the persons of their sex over the male part of creation; find means to bring them under their subjection, and rule over them, in several instances, with a despotic sway. In short, although outwardly exposed in public to the forbidding and repulsive frowns of an austere husband, they can be considered in no other light than as perfectly the mistresses within the house.<br>The influence of the Hindoo females on the welfare of families is so well known, that the successes or misfortunes of the Hindoos are almost entirely attributed to their good or bad management. When a person prospers in the world, it is customary to say that he has the happiness to possess an intelligent wife, to whom he is indebted for his welfare; and when any one runs to ruin, it is the custom to say that he has for his partner a bad wife, to whom his misfortunes must chiefly be attributed. In short, a good-natured and intelligent wife is considered by all castes of natives, as the most valuable of all the blessings which could be bestowed on a family and a bad one as the most dreaded of all curses; so great is their influence on the fate of the Hindoo households.<br>The authority of married women within their houses is chiefly exerted in preserving good order and peace among the persons who compose their families; and a great many among them discharge this important duty with a prudence and a discretion which have scarcely a parallel in Europe. I have known families composed of between thirty and forty persons, or more, consisting of grown sons and daughters, all married and all having children, living together under the superintendence of an old matron – their mother or mother-in-law. The latter, by good management, and by accommodating herself to the temper of her daughters-in-law; by using, according to circumstances, firmness or forbearance, succeeded in preserving peace and harmony during many years amongst so many females, who had all jarring interests, and still more jarring tempers. I ask you whether it would be possible to attain the same end, in the same circumstances, in our countries; where it is scarcely possibly to make two women living under the same roof to agree together.<br>It is true that the same spirit of concord between an old Hindoo matron and her daughters on one side, and her daughters-in-law on the other, does not prevail in an equal degree in all households; but instances of such union and harmony are by no means uncommon, and they last to the death of their parents; when, ordinarily, the brothers divide the heritage, separate with their several families, and each one shifts for himself.<br>…it is a weakness common to all nations, and from which the Hindoos are not exempt, to hail with more exultation the birth of a male than that of a female, and Hindoo parents are in a greater degree under the influence of these feelings, because they derive more support from a son than from a daughter; but it is untrue that a female is despised and spurned by her parents as soon as born. Parents, chiefly mothers, foster their children, both males and females, with an equal tenderness. So far from females being despised while living under the paternal roof, their parents and brothers are often seen submitting themselves to severe privations for the purpose of procuring trinkets and jewels for their daughters or sisters, in order that they may be able to appear in public with decency and advantage, while the males are seen in rags or half naked, and live forgotten at home.<br>The principal care of parents is to procure suitable establishments for their daughters, over whom mothers continue to exercise a kind of paramount authority, even after their marriage, being particularly attentive to check that despotic sway which so many mothers-in-law are but too well disposed to exercise over their daughters-in-law…
** More privileged than any in Asia, Abbe J. A. Dubois —, Abbe, Letters on the State of Christianity in India, Associated Publishing House, 1997, first published 1823.quoted from Jain, M. (editor) (2011). The India they saw: Foreign accounts. New Delhi: Ocean Books. Volume IV Chapter14
*There is a marked difference between the moral and social character of the Hindoo and the Mohammedan women of India. The Hindoo woman does not occupy that position in society which she is so eminently fitted to grace, and which is accorded to women in Europe and America; but she is by no means so degraded as is so frequently represented by travellers, who are apt to mistake the common street-woman with whom they are brought into contact for the wife and mother of an ordinary Hindoo home. It is difficult for a stranger to find out what an Indian woman is at home, though he may have encountered many a bedizened female in the streets which he takes for her.<br>The influence of the Hindoo woman is seen and felt all through the history of India, and is very marked in the annals of British rule. Though the political changes, the invasion, and despotism of Mohammedan rule may have forced upon them the seclusion now so general, it is evident that they once occupied a very different position in society, from the testimony of their earliest writers and the dramatic representations of domestic life and manners still extant.<br>One of the most startling facts is, that among the Asiatic rules of India who have heroically resisted foreign invasion the women of Hindostan have distinguished themselves almost as much as the men. Lakshmi Baiee, the queen of Jahnsee, held the entire British army in check for the space of twenty-four hours by her wonderful generalship, and she would probably have come off victorious if she had not been shot down by the enemy. After the battle Sir Hugh Rose, the English commander, declared that the best man on the enemy’s side was the brave queen Lakshmi Baiee. Another courageous and noble woman, Aus Khoor, was placed by the British government on the throne of Pattiala, an utterly disorganized and revolted state in the Panjaub. In less than one year she had by her wise and effective administration changed the whole condition of the country, subjugated the rebellious cities and villages, increased the revenues, and established order, security and peace everywhere. Alleah Baiee, the Mahratta queen of Malwah, devoted herself for the space of twenty years with unremitting assiduity to the happiness and welfare of her people, so that Hindoos, Buddhists, Jains, Parsees, and Mohammedans united in blessing her beneficent rule; and of so rare a modesty was this woman that she ordered a book which extolled her virtues to be destroyed, saying, ‘Could I have been so infamous as to neglect the welfare and happiness of my subjects?’
** Influence of Hindu women seen in history, Anna Harriette Leonowen Ghose, Indira, Memsahibs Abroad. Writings by Women Travellers in Nineteenth Century India, Oxford University Press, 1998. –Women Travellers In Colonial India. The Power of The Female Gaze, Oxford University Press, 1998(a).quoted from Jain, M. (editor) (2011). The India they saw: Foreign accounts. New Delhi: Ocean Books. Volume IV Chapter14
* What great fault is there in women that has not been already committed by men? Men have outstripped women in impudence. Women are indeed superior to men in respect of merits. ... Being uniquely pure, women are never defiled.
**Varahamihira’s Brhat Samhita, tr. M. Ramakrishna Bhat (Delhi: Motilal Banarsidass, 1982), verses 74.6 & 74.9, pp. 688-89.
**quoted in M Danino, WOMAN IN INDIAN HISTORY: A FEW VIGNETTES FR OM EPIGRAPHY FROM epigraphy in VOL. 3 ISSUE NO.110 YUGABDHAM: ASWINAM-POUSHAM 5111 OCTOBER-DECEMBER 2009
*In the estimate of historian and epigraphist Chithra Madhavan, royal ladies “are seen actively participating in the sphere of religion and culture. ... It can be seen that many of them were extremely well-versed in the fine arts and also enjoyed an exalted position in their respective kingdoms as elsewhere in south India at that time.”
**Chithra Madhavan, History and Culture of Tamil Nadu as Gleaned from Sanskrit Inscriptions, vol. 2 (New Delhi: D.K. Printworld, 2007), p. 36.
**quoted in M Danino, WOMAN IN INDIAN HISTORY: A FEW VIGNETTES FR OM EPIGRAPHY FROM epigraphy in VOL. 3 ISSUE NO.110 YUGABDHAM: ASWINAM-POUSHAM 5111 OCTOBER-DECEMBER 2009
*In the Gupta era, there is evidence that a woman could be a teacher; as historian U. N. Ghoshal puts it, “Girls of high families, as also those living in hermitages, read works on ancient history and legend, and were educated sufficiently to understand and even compose verses. ... The Amarakosa, a work of the Gupta Age, refers to words meaning female teachers (upadhyaya2 and upadhyayi) as well as female instructors of Vedic mantras (acharya*).”
**U. N. Ghoshal, “Social Condition,” in The Classical Age, vol. 3 in The History and Culture of the Indian People, R. C. Majumdar, ed. (Bombay 1954/1988: Bharatiya Vidya Bhavan), p. 568.
**quoted in M Danino, WOMAN IN INDIAN HISTORY: A FEW VIGNETTES FR OM EPIGRAPHY FROM epigraphy in VOL. 3 ISSUE NO.110 YUGABDHAM: ASWINAM-POUSHAM 5111 OCTOBER-DECEMBER 2009
*There is a peculiar beauty in Indian women, whereby their face is covered with pure skin, with a slight, lovely blush, which is not just like the blush of health and vitality, but a finer blush, like a spiritual touch from within. The look of the eye and the position of the mouth, appear gentle, soft and relaxed – it is an almost unearthly beauty…
**G. Hegel (1770 – 1831) ,quoted in [https://mariawirth.com/indian-women-no-longer-the-most-beautiful/ Indian women: no longer the most beautiful?]
==India after 1947==
*With many of my young (Hindu) male respondents from the [[Bajrang Dal]], stories of rape were more like a fun story to share. The pleasure derived from storytelling was more visible when discussing the sexual degeneracy of Muslims.
**Hindu Nationalism in India and the Politics of Fear, D. Anand, p. 75
* The [[2019 Citizenship Amendment Act]] violates India’s international obligations to prevent [[w:Loss of citizenship|deprivation of citizenship]] on the basis of [[w:Racism in Asia#India|race]], color, descent, or national or [[w:Ethnic relations in India|ethnic origin]] as found in the {{W|International Covenant on Civil and Political Rights}} and other [[w:International human rights instruments|human rights treaties]] that [[ভারত]] has ratified. The 1992 [[w:Declaration on the Rights of Persons Belonging to National or Ethnic, Religious and Linguistic Minorities|Declaration on the Rights of Persons Belonging to National or Ethnic, Religious and Linguistic Minorities]] calls on governments to protect the existence and identity of [[w:Religion in India#Minority beliefs and sects|religious minorities]] within their territories and to adopt the appropriate measures to achieve this end. Governments are obligated to ensure that people belonging to {{W|minority groups}}, including {{W|religious minorities}}, may exercise their [[মানবাধিকার]] without [[discrimination]] and in full {{W|equality before the law}}. Governments also have an obligation to ensure {{W|gender equality}}. To the extent that the process has [[w:Gender inequality in India|a disproportionately harmful impact]] on the [[w:Indian nationality law|citizenship rights]] of women and [[w:Gender inequality in India#Discrimination against girls|girls]], it also violates the {{W|Convention on the Elimination of All Forms of Discrimination against Women}}.
** [[Human Rights Watch]], ''[https://www.hrw.org/report/2020/04/09/shoot-traitors/discrimination-against-muslims-under-indias-new-citizenship-policy India: Protests, Attacks Over New Citizenship Law]'' (April 9, 2020)
* As the legacy of this scenario, Indian girls are still being sold to West Asian nationals as wives, concubines and slave girls. For example, all the leading Indian newspapers like The Indian Express, The Hindustan Times and The Times of India of 4 August 1991, flashed the news of a sixty year old “toothless” Arab national Yahiya H. M. Al Sagish “marrying” a 10-11 year old Ameena of Hyderabad after paying her father Rs. 6000, and attempting to take her out of the country. Al Sagish has been taken into police custody and the case is in the law-court now. Mr. I. U. Khan has “pointed out that no offence could be made out against his client as he had acted in accordance with the Shariat laws. He said that since this case related to the Muslim personal law which permitted marriage with girls who had attained Puberty (described as over 9 years of age), Al Sagish could not be tried under the Indian Penal Code (IPC). Besides Ameena’s parents had not complained.” (Times of India, 14 August 1991). But this is not an isolated case. I was in Hyderabad for about four years, 1979-1983. There I learnt that such “marriages” are common. There are regular agents and touts who arrange them. Poor parents of girls are handsomely paid by foreign Muslims for such arrangements. Every time that I happened to go to the Hyderabad Airlines office or the Airport (which was about at least once a month), I found bunches of old bridegrooms in Arab attire accompanied by young girls, often little girl brides. “A rough estimate indicated that as many as 8000 such marriages were solemnised during the past one decade in Hyderabad alone.” (Indian Express Magazine, 18 August 1991). In short, the sex slave-trade is still flourishing not only in Hyderabad but in many other cities of India after the medieval tradition.
** Lal, K. S. (1992). The legacy of Muslim rule in India. New Delhi: Aditya Prakashan. Chapter 7
* On November 20, the {{W|Karnataka government}} issued a notification allowing women to [[Labour in India|work]] night shifts (7 p.m. to 6 a.m.) in all factories registered under the [[w:Factories Act, 1948 (India)|Factories Act, 1948]]. [...] In principle, this is a welcome move. However, several concerns have been voiced by women [[w:Textile industry in India|garment workers]] who are estimated to constitute over 90% of the five lakh garment workers in [[Karnataka]] (according to data by [[w:Living wage#Asia Floor Wage|Asia Floor Wage Alliance]], a global coalition of [[trade unions]]). The amendment suggests that night shifts for women will only be allowed if the employer ensures adequate safeguards concerning [[w:Occupational safety and health|occupational safety and health]], protection of [[মর্যাদা]] and [[honour]], and [[w:Transport in India|transportation]] from the factory premises to points nearest to the worker’s residence. The amendment stipulates 24 points related to occupational rules and regulations, most of which have been in existence for years. Yet, [[women workers]] fear that when there is no safety or dignity in the workplace even during daytime, how will employers ensure all this during night shifts? [...] In a sector where there is systemic failure and worker-management relations are turbulent, putting the onus of worker safety and security in the hands of the management alone can be risky. Moreover, it is well-known that in supply chains the brands call the shots. Involving them in discussions on worker dignity and equality is important. Omitting workers and trade unions from discussions about the amendment is also seen by the workers as a short-sighted measure. Women garment workers are concerned that while the amendment has stipulated many ‘new’ guidelines amidst the plethora of unaddressed concerns, allowing night shifts would only extend daytime [[w:Exploitation of labour|exploitation]].
** [[Neethi Padmanabhan]] and Nandita Shivakumar, ''[https://www.thehindu.com/opinion/op-ed/new-rules-old-problems/article30390884.ece New rules, old problems]'' (December 25, 2019), ''{{W|The Hindu}}''
*The failure to adopt a Uniform civil code [has the effect that] [[মুসলমান]] [[নারী]] suffer because they do not have an equal right of inheritance, because they cannot easily obtain a [[বিবাহ বিচ্ছেদ]], because they can be divorced by their husband at their whim or caprice.
**Atul Setalvad (1990), quoted from Elst, Koenraad (2001). Decolonizing the Hindu mind: Ideological development of Hindu revivalism. New Delhi: Rupa. p.553
* In the broadest strokes, the Times’ coverage of India is almost Orientalist—it’s almost as if it’s a backward place characterised by nationalism, violence, sexual assault. I read in an article somewhere, where they just flatly stated that there’s a rampant rape culture in India. And I was like, what? So, I actually started to look at the statistics to see what they meant. And you look at the statistics, and they’re a fraction of cases from what the US or Western Europe experiences. How can you make an assertion like that when the statistics are not even close to being there? So that was what I wanted to understand. I think on the broad level India (is portrayed as) being this nationalist kind of bully. And I think on a more specific level, it’s an anti Hindu approach... So you think to yourself why is there this division in how they cover China and how they cover India? Why is one being shown as this sort of progressive place that has managed to conquer a pandemic and the other this backward place characterised by funeral pyres and rape—and that’s what I’m trying to understand.
**Ashley Rindsberg, [https://www.sundayguardianlive.com/news/nyts-coverage-india-almost-orientalist-ashley-rindsberg NYT’s coverage of India is almost Orientalist: Ashley Rindsberg] 23 October 2021
*“Where big violence is so common, it is no surprise that gender violence is hardly a priority issue,” explained Mantasha Rashid, founder of Kashmir Women’s Collective, a trust that provides support under a single window to survivors of gender-based violence. “The rape and assault you’re referring to is akin to collateral damage. Women are caught in the crossfire in any conflict region, and the body of the enemy’s woman is seen as war booty by all the warring sides.”... <br> “I don’t really want to go out and say that Kashmiri society is particularly flawed or patriarchal because that can be misinterpreted,” Rashid of the Kashmir Women’s Collective said. “Whenever we speak about Kashmir one has to choose their words very carefully or else the discourse is hijacked by the bigger political narrative.”
** Mantasha Rashid, founder of Kashmir Women’s Collective, quoted in [https://thediplomat.com/2022/02/rape-and-silence-in-kashmirs-jihad/ Rape and Silence in Kashmir’s Jihad]
*"Did Nirbhaya really have go to watch a movie at 11 in the night with her friend? Take the Shakti Mills gang rape case. Why did the victim go to such an isolated spot at 6 pm?" Mirje asked at a gathering of the NCP women's wing in Nagpur. "We have to be careful. We have to ask ourselves, where am I going, with whom am I going, what am I going for, do I really need to go to that place," she added.
**About Rape in India. Asha Mirje,as quoted in [https://web.archive.org/web/20201112032024/https://www.indiatoday.in/india/west/story/maharashtra-state-womens-commission-rape-asha-mirje-sexual-assault-178771-2014-01-29]
*For a society in line with our constitutional vision, it is for the Muslim community to introspect and preach to their men to respect women from other communities. This theological validation of considering non-Muslim women as maal-i-ganimat (free war booty) is not acceptable in modern Indian society.
**Democracy Under Siege: Ballot, Bullet And Blood. Shubham Tiwari And Shivam Raghuwanshi. Garuda Prakashan. 2022. Pages 250. Rs 399.
==See also==
* [[Women in Hinduism]]
* [[Uniform civil code]]
==External links==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:ভারত]]
[[Category:Women from India| ]]
94osis4ypdheopq02w5sgmxmcs29s0v
75630
75486
2026-04-11T08:51:28Z
ARI
356
/* ১৯৪৭-পূর্ব ভারত */
75630
wikitext
text/x-wiki
[[File:Village Belle, by Raja Ravi Varma.jpg|thumb|যদি নারীকে সম্মান করাকে সভ্যতার মাপকাঠি ধরা হয়, তবে রাজপুতদের স্থান হবে অনেক উপরে। তারা এই বিষয়ে খুব সংবেদনশীল। নারীর সম্মানে সামান্য আঘাত লাগলেই তারা খুব ক্ষুব্ধ হন এবং সেই অপমান কখনোই ক্ষমা করেন না। - জেমস টড]]
[[File:Raja Ravi Varma, Galaxy of Musicians.jpg|thumb|]]
[[File:Raja Ravi Varma, The Milkmaid (1904).jpg|thumb|]]
গত কয়েক সহস্রাব্দ ধরে '''ভারতে নারী'''দের অবস্থানের অনেক পরিবর্তন হয়েছে। প্রাচীনকাল থেকে মধ্যযুগ পর্যন্ত তাদের অবস্থানের অবনতি হয়েছিল। পরবর্তীতে অনেক সমাজ সংস্কারক নারীদের সমান অধিকারের জন্য কাজ করেছেন। সব মিলিয়ে ভারতে নারীদের ইতিহাস বেশ ঘটনাবহুল।
== ১৯৪৭-পূর্ব ভারত ==
* তিনি চাঁদের গোল রূপ, লতার বাঁক, লতানো গাছের জড়িয়ে থাকা, ঘাসের কম্পন, খাগড়া ঘাসের নমনীয়তা, ফুলের প্রস্ফুটন, পাতার হালকা ভাব এবং হাতির শুঁড়ের সরু হয়ে আসা রূপ নিলেন। তিনি আরও নিলেন হরিণের চাহনি, মৌমাছির ভিড়, সূর্যের আলোর উজ্জ্বলতা, মেঘের কান্না, বাতাসের চপলতা, খরগোশের ভীরুতা, ময়ূরের অহংকার এবং তোতাপাখির বুকের কোমলতা। এর সাথে তিনি হীরের কঠোরতা, মধুর মিষ্টি ভাব আর বাঘের নিষ্ঠুরতাও বাদ গেল না। আগুনের তেজ, বরফের শীতলতা আর নীলকণ্ঠ পাখির কিচিরমিচির যোগ করলেন। সবশেষে ''কোকিলের'' ডাক, বকের ছদ্মবেশ আর ''চক্রবাক পাখির'' বিশ্বস্ততা নিলেন। এই সব কিছু মিশিয়ে তিনি নারী সৃষ্টি করলেন। তারপর তাকে পুরুষের হাতে তুলে দিলেন।
** একটি হিন্দু কিংবদন্তিতে নারীর সৃষ্টি, যা কথিত আছে এফ. ডব্লিউ. বেইন সংস্কৃত থেকে অনুবাদ করেছেন, [https://www.gutenberg.org/files/48910/48910-h/48910-h.htm ''এ ডিজিট অফ দ্য মুন''], ৯ম সংস্করণ (১৯১১), ভূমিকা। ই. বি. হ্যাভেল রচিত [https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.57027/page/n139/mode/2up?q=slenderness ''দ্য আইডিয়ালস অফ ইন্ডিয়ান আর্ট''] (১৯২০), পৃষ্ঠা ৯১-এ উদ্ধৃত।
* নারী হলো ঈশ্বরের সৃষ্টির সেরা রূপ। সে দেবতাদের ছায়া। আর পুরুষ কেবল ঈশ্বরের সাধারণ সৃষ্টি। নারী হলো আলো, পুরুষ হলো ছায়া। আলো কি ছায়া ছাড়া থাকতে পারে?
** বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, ''কৃষ্ণকান্তের উইল'' (অনুবাদ: মিরিয়াম এস. নাইট, ১৮৯৫), অংশ ২, অধ্যায় ১৫।
* সাধারণ বা নিচু স্তরের নারী ছাড়া অন্য কোনো মুসলমান নারী জনসমক্ষে আসেন না। তাঁরা তাঁদের মাথা ঢেকে রাখেন। তবে তাঁদের বিনুনি করা চুল পেছনের দিকে ঝুলে থাকে। অনেকে নাকে সোনার নোলক বা পাথর বসানো নাকফুল পরার জন্য নাক ফুঁড়িয়ে থাকেন।
** থেভেনো এবং কারেরি, ইন্ডিয়ান ট্রাভেলস অফ থেভেনো অ্যান্ড কারেরি, সুরেন্দ্রনাথ সেন সম্পাদিত, ন্যাশনাল আর্কাইভস অফ ইন্ডিয়া, ১৯৪৯।
* তা সত্ত্বেও বৈদিক যুগে ভারতের নারীরা অনেক স্বাধীনতা পেতেন। পরবর্তী যুগের তুলনায় তাঁদের অবস্থা অনেক ভালো ছিল। জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রেও তাঁদের মতামত দেওয়ার সুযোগ ছিল। বিয়ের ধরণ দেখে হয়তো সব সময় তা বোঝা যায় না। তারা উৎসব ও নাচে অবাধে যোগ দিতেন। পুরুষদের সাথে তারা যজ্ঞেও অংশ নিতেন। তারা পড়াশোনা করতেন। গার্গীর মতো নারীরা দার্শনিক তর্কেও অংশ নিতেন। তারা বিধবা হলে পুনরায় বিয়ে করার পথে কোনো বাধা ছিল না। তবে বীরগাথার যুগে নারীরা তাঁদের এই স্বাধীনতা কিছুটা হারিয়েছিলেন।
** ডুরান্ট, উইল (১৯৬৩)। আওয়ার ওরিয়েন্টাল হেরিটেজ। নিউ ইয়র্ক: সাইমন অ্যান্ড শুস্টার।
* যদি নারীকে শ্রদ্ধা করাকে সভ্যতার মাপকাঠি ধরা হয়, তবে রাজপুতদের অনেক উপরে রাখতে হবে। তারা এই ব্যাপারে খুব আবেগপ্রবণ। নারীর সম্মানে সামান্য আঘাত লাগলেই তারা ক্ষুব্ধ হন এবং সেই অপমান কখনোই ক্ষমা করেন না।
** জেমস টড, অ্যানালস অ্যান্ড অ্যান্টিকুইটিস অফ রাজস্থান।
* তরাই অঞ্চলের থারু নারীদের সম্পর্কে হিউ এবং কলিন গান্টজার একটি কাহিনী বর্ণনা করেছেন। “এক সময়... একদল সুন্দরী সিসোদিয়া রাজপুত রাজকন্যাকে তাঁদের স্নেহময় পিতা নিজের রাজ্য থেকে গোপনে বের করে আনেন। সেই বৃদ্ধ রাজা বীরত্বের সাথে যুদ্ধক্ষেত্রে মরতে প্রস্তুত থাকলেও, তাঁর সুন্দরী কন্যারা জওহরের লেলিহান আগুনের কুণ্ডে মারা যাক এটা তিনি সহ্য করতে পারছিলেন না। তাই তিনি তাঁর কিছু বিশ্বস্ত পুরনো অনুচরদের ডাকলেন এবং রাজকন্যাদের রক্ষা করার দায়িত্ব দিলেন। তাঁদের সাথে একদল ভিল যোদ্ধাকে দেওয়া হলো এবং হিমালয়ের একটি দুর্গম রাজ্যে নিরাপদে পাঠিয়ে দেওয়া হলো যার সাথে রাজার আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিল। দুঃখের বিষয় হলো, সেই কঠিন যাত্রাপথে পুরনো অনুচররা ম্যালেরিয়ায় মারা যান... শেষ পর্যন্ত যখন শেষ রাজপুত পুরুষটিও মারা গেলেন, তখন রাজকন্যারা বুঝতে পারলেন যে তাঁরা আর বেশিদূর যেতে পারবেন না... তাঁরা ছিলেন প্রাণশক্তিতে ভরপুর তরুণী। তাঁরা মরতে চাননি। তাই তাঁরা ভিলদের সাথে একটি চুক্তি করলেন যে তাঁরা তরাইয়ের সেই উর্বর এলাকা পরিষ্কার করে সেখানেই থিতু হবেন এবং তাঁদের বিয়ে করবেন। তবে শর্ত ছিল একটিই সেদিন থেকে তাঁদের নারী বংশধরেরা পুরুষদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ বলে বিবেচিত হবে... তারা পুরুষদের সেবা করবে না। আজও সেই প্রথা চলে আসছে। ... এই নারীরা উত্তর ভারতের গ্রামের সেই নম্র বা বাধ্য প্রকৃতির ছিলেন না: তাঁরা ছিলেন আত্মমর্যাদাশীল ও স্বাধীন...”
** হিউ এবং কলিন গান্টজার, কে.এস. লাল রচিত 'মুসলিম স্লেভ সিস্টেম ইন মিডিভ্যাল ইন্ডিয়া' থেকে উদ্ধৃত। নতুন দিল্লি: আদিত্য প্রকাশন, ১৯৯৪। অধ্যায় ৬।
* যুদ্ধ করা ছিল কেবল সামরিক জাতিগুলোর বিশেষ অধিকার। তাই সামরিক অভিযানের সময় সাধারণ জনগণকে হয়রানি করা ছিল নৈতিক আদর্শের গুরুতর লঙ্ঘন। সকল ক্ষত্রিয়ের কাছে নারীর সতীত্বের অনেক উচ্চ সম্মান ছিল, তাই যুদ্ধে কাউকে অপহরণ করার বিষয়টিও তাঁদের নিয়মের বাইরে ছিল।
** কে.এম. মুন্সী, ভারতীয় বিদ্যা ভবনের জার্নালে প্রকাশিত 'এন্ড অফ অ্যানশিয়েন্ট ইন্ডিয়া', ভলিউম ৪, সংখ্যা ২, ২৯ ডিসেম্বর ১৯৫৯, পৃষ্ঠা ৮, ১৪। কে.এস. লাল রচিত 'থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস অফ মুসলিম স্টেট ইন ইন্ডিয়া' থেকে উদ্ধৃত। নতুন দিল্লি: আদিত্য প্রকাশন, ১৯৯৯। অধ্যায় ১।
* আমি এমন কোনো বই জানি না যেখানে মনুর স্মৃতিশাস্ত্রের মতো নারীদের সম্পর্কে এত সুন্দর ও সূক্ষ্ম কথা বলা হয়েছে; এই প্রাচীন ঋষি ও মহাত্মারা নারীদের সামনে যেভাবে তাঁদের আচরণ ও শিষ্টাচার রক্ষা করে চলতেন, তা সম্ভবত অন্য কোথাও দেখা যায়নি।
** ফ্রেডরিখ নিৎশে, (এসি ৫৬), কোনরাড এলস্টের 'মনু অ্যাজ এ ওয়েপন অ্যাগেইনস্ট ইগ্যালিটেরিয়ানিজম: নিৎশে অ্যান্ড হিন্দু পলিটিক্যাল ফিলোসফি' থেকে উদ্ধৃত। সিমেন্স এবং বাস্তি রুডট সম্পাদিত: নিৎশে, পাওয়ার অ্যান্ড পলিটিক্স (ওয়াল্টার ডি গ্রুয়টার, বার্লিন ২০০৮)।
* ওরমসহ আরও অনেকে দৃঢ়ভাবে বলেছেন যে, “'''প্রকৃতি মনে হয় অন্য সব দেশের তুলনায় পুরো হিন্দুস্তানের নারীদের ওপর অনেক বেশি উদারভাবে সৌন্দর্য ঢেলে দিয়েছে।'''”
** ওরমস ফ্র্যাগমেন্টস, কে.এস. লাল রচিত 'মুসলিম স্লেভ সিস্টেম ইন মিডিভ্যাল ইন্ডিয়া' থেকে উদ্ধৃত। নতুন দিল্লি: আদিত্য প্রকাশন, ১৯৯৪। অধ্যায় ১২।
* "অন্যান্য প্রাচীন দেশের তুলনায় ভারতে নারীদের অনেক বেশি সম্মান দেওয়া হতো। ভারতের মহাকাব্য এবং প্রাচীন সাহিত্যগুলো নারীদের যে উচ্চ মর্যাদা দিয়েছে, তা প্রাচীন গ্রিসের মহাকাব্য বা সাহিত্যে দেখা যায় না। বৈদিক যুগ থেকেই হিন্দু নারীরা সম্পত্তির কিছু অধিকার ভোগ করতেন, সামাজিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশ নিতেন এবং মাঝে মাঝে তাঁদের পাণ্ডিত্যের জন্য পরিচিতি পেতেন। প্রাচীনকালে ভারতে নারীদের পুরোপুরি পর্দার আড়ালে রাখার কোনো প্রথা ছিল না।"
** রমেশ চন্দ্র দত্ত: 'দ্য সিভিলাইজেশন অফ ইন্ডিয়া': পৃষ্ঠা ২১-২২।
* বর্তমান যুগে ইউরোপীয় ধাঁচে উচ্চশিক্ষার প্রতি প্রবল আগ্রহ দেখা যাচ্ছে এবং নারীদের এই উচ্চশিক্ষা পাওয়ার পক্ষে জনমত অনেক শক্তিশালী। অবশ্যই ভারতে কিছু মানুষ আছেন যারা এটি চান না, তবে যারা এটি চেয়েছেন তারাই শেষ পর্যন্ত সফল হয়েছেন। এটি একটি অদ্ভুত সত্য যে অক্সফোর্ড এবং কেমব্রিজ আজ নারীদের জন্য বন্ধ, হার্ভার্ড এবং ইয়েলও তাই; কিন্তু কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় বিশ বছরেরও বেশি আগে নারীদের জন্য তার দরজা খুলে দিয়েছে।
** স্বামী বিবেকানন্দ, [http://www.vivekananda.net/Lectures/WomenOfIndia.html ওমেন অফ ইন্ডিয়া]
* এই দেশের নারীদের প্রতি... আমি ঠিক সেটিই বলব যা পুরুষদের বলি। ভারতের ওপর এবং আমাদের ভারতীয় ধর্মের ওপর বিশ্বাস রাখো। শক্তিশালী হও, আশাবাদী হও এবং লজ্জিত হয়ো না। মনে রেখো যে হিন্দুদের অন্যদের কাছ থেকে কিছু নেওয়ার পাশাপাশি দেওয়ার মতো অনেক বেশি কিছু রয়েছে যা বিশ্বের আর কোনো জাতির নেই।
** স্বামী বিবেকানন্দ, 'কমপ্লিট ওয়ার্কস অফ স্বামী বিবেকানন্দ', ভলিউম ৫, ইন্টারভিউস/অন ইন্ডিয়ান ওমেন--দেয়ার পাস্ট, প্রেজেন্ট অ্যান্ড ফিউচার।
* [[সম্রাট আকবর]] রাজস্ব দিতে না পারা কৃষকদের নারী ও শিশুদের দাস বানানো বা বিক্রি করা নিষিদ্ধ করেছিলেন। আবুল ফজল যেমনটা বলেছেন, তিনি জানতেন যে অনেক মন্দ ও দুশ্চরিত্র মানুষ ভিত্তিহীন সন্দেহ বা নিছক লোভের বশে গ্রামে বা মহালগুলোতে হামলা চালাত এবং লুটপাট করত।
** কে.এস. লাল, ইন্ডিয়ান মুসলিমস: হু আর দে, ২০১২।
* এই প্রেক্ষাপটে, বিভিন্ন ঐতিহাসিক নথিতে কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক রাজ্য এবং স্বাধীন মুসলিম রাজ্যগুলোতে বন্দী নারীদের দাসত্ব ও উপপত্নী করার সমস্ত কাহিনী ও তথ্য দিতে গেলে তা অনেক বড় হয়ে যাবে। এতে বারবার একই কথার পুনরাবৃত্তি হবে এবং বইটি অনেক ভারী হয়ে উঠবে।
** কে.এস. লাল, মুসলিম স্লেভ সিস্টেম ইন মিডিভ্যাল ইন্ডিয়া (১৯৯৪)।
* ১৬৩৫ খ্রিস্টাব্দে, ঝুঝার সিং এবং তাঁর ছেলেরা রাজপুত ঐতিহ্য অনুযায়ী নারীদের সম্মান রক্ষার্থে হত্যা করতে ব্যর্থ হওয়ার পর শাহজাহানের সৈন্যরা রাজকীয় বুন্দেলা পরিবারের কয়েকজন নারীকে বন্দী করে। যদুনাথ সরকারের ভাষায়, “রাজাদের মা ও কন্যারা তাঁদের ধর্ম হারিয়েছিলেন এবং মুঘল হারেমের সেই কলঙ্কিত জীবন যাপন করতে বাধ্য হয়েছিলেন।”
** যদুনাথ সরকার, সীতা রাম গোয়েল রচিত দ্য স্টোরি অফ ইসলামিক ইম্পেরিয়ালিজম ইন ইন্ডিয়া।
* এই অঞ্চলের হিন্দুরা দীর্ঘকাল ধরে মুসলিমদের অত্যাচারের শিকার ছিল, বিশেষ করে তাঁদের নারীদের ক্ষেত্রে। মথুরার ফৌজদার মুর্শিদ কুলি খাঁ, যিনি ১৬৩৮ সালে মারা যান, তিনি “সবচেয়ে সুন্দরী নারীদের” ধরে নিয়ে নিজের হারেমে আটকে রাখার জন্য কুখ্যাত ছিলেন। মাসির-উল-উমারাতে বলা হয়েছে, “কৃষ্ণের জন্মদিনে মথুরার উল্টো দিকে যমুনার তীরে গোবর্ধনে হিন্দু নারী-পুরুষদের বিশাল জমায়েত হতো। খান নিজের কপালে তিলক কেটে এবং হিন্দুদের মতো ধুতি পরে ভিড়ের মধ্যে ঘুরে বেড়াতেন। যখনই তিনি এমন কোনো নারীকে দেখতেন যার সৌন্দর্য দেখে চাঁদও হিংসা করবে, তিনি নেকড়ের মতো তাঁর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়তেন। তারপর আগে থেকে তীরে প্রস্তুত রাখা নৌকায় তুলে দ্রুত আগ্রার দিকে পালিয়ে যেতেন। হিন্দুরা [লজ্জায়] কখনোই তাঁদের মেয়ের সাথে কী ঘটেছে তা প্রকাশ করত না।”
** সীতা রাম গোয়েল; অরুণ শৌরি এবং এস. আর. গোয়েল সম্পাদিত (১৯৯৩), ''হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম'', ভলিউম ২।
* পূর্ববর্তী পৃষ্ঠাগুলোতে দেখা গেছে যে মধ্যযুগীয় সময়ে, অর্থাৎ মুসলিম আক্রমণ এবং মুসলিম শাসনের সময় কীভাবে নারী ও শিশুরা দাসত্বের প্রধান লক্ষ্যবস্তু ছিল। বন্দী হওয়া ছেলে ও মেয়েরা মুসলিম হিসেবে বড় হতো এবং সুলতান, অভিজাত ও বিত্তবানদের অধীনে বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত হতো। তরুণীদের দাস বানানোর পেছনে অনেক কারণ ছিল; তাদের যৌন সামগ্রী হিসেবে দেখা ছিল প্রাথমিক উদ্দেশ্য এবং সে কারণেই তাদের বন্দী করার দিকে বেশি নজর দেওয়া হতো... জোরপূর্বক বিয়ে, যাকে নামমাত্র রাজনৈতিক মিত্রতা বলা হতো, পুরো মধ্যযুগ জুড়ে তা অত্যন্ত সাধারণ ছিল। মুসলিম ঐতিহাসিকদের নথিতে সেগুলোর কেবল কিছু ঘটনা অত্যন্ত তিক্ত বিবরণের সাথে পাওয়া যায়... তাই এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই যে, ভারতে মুসলিম আক্রমণকারীদের প্রবেশের দিন থেকে তাদের রাজনৈতিক শক্তি হ্রাস পাওয়া পর্যন্ত পুরো দেশজুড়ে নারীদের পরিকল্পিতভাবে বন্দী এবং দাস বানানো হয়েছিল।
** কে.এস. লাল, মুসলিম স্লেভ সিস্টেম ইন মিডিভ্যাল ইন্ডিয়া। নতুন দিল্লি: আদিত্য প্রকাশন, ১৯৯৪। অধ্যায় ১২।
* গুরু নানক বর্ণনা করেছেন কীভাবে অত্যাচারীরা কুমারী মেয়েদের মাথা মুড়িয়ে দিয়েছিল, যাদের 'মাথায় বেণি করা চুল ছিল এবং সিঁথিতে ছিল সিঁদুরের চিহ্ন'; কীভাবে 'তাদের কণ্ঠ ধুলোয় রুদ্ধ হয়ে গিয়েছিল'; কীভাবে তাদের প্রাসাদ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল এবং তারা এখন তাদের বাড়ির আশেপাশেও বসতে পারছিল না। যারা হাতির দাঁত দিয়ে সাজানো পালকিতে করে স্বামীর ঘরে এসেছিল এবং বিলাসিতার মধ্যে জীবন কাটাত, তাদের গলায় দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে; তাদের মুক্তার মালাগুলো ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে; যে সৌন্দর্য তাদের অলংকার ছিল, আজ তা-ই তাদের শত্রুতে পরিণত হয়েছে—সৈন্যদের আদেশ দেওয়া হয়েছিল তাদের অপমান করতে এবং তারা তাদের ধরে নিয়ে গেছে। [[গুরু নানক]] লিখেছিলেন, ‘যেহেতু বাবরের শাসন ঘোষিত হয়েছে, তাই রাজপুত্রদেরও খাওয়ার মতো খাবার নেই।’ তাদের পবিত্র স্নানের স্থানগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছে, এখন [[হিন্দু]] [[নারী]]রা কোথায় স্নান করবে, কীভাবে তারা পূজা করবে?—গুরু বিলাপ করে এই প্রশ্ন তুলেছেন। অপদস্থ হওয়ার পর এখন তারা কীভাবে কপালে তিলক পরবে? কেউ কেউ প্রিয়জনদের খোঁজে বাড়ি ফিরছে, আবার কেউ কষ্টে বসে কাঁদতে অভিশপ্ত হয়েছে।
** গুরু গ্রন্থ সাহেব, অরুণ শৌরি রচিত এমিনেন্ট হিস্টোরিয়ানস: দেয়ার টেকনোলজি, দেয়ার লাইন, দেয়ার ফ্রড (২০১৪) থেকে উদ্ধৃত। নয়ডা, উত্তরপ্রদেশ, ভারত: হার্পার কলিন্স পাবলিশার্স।
* হিন্দুদের ওপর তাঁদের জমির ফলনের অর্ধেক পর্যন্ত কর চাপিয়ে দেওয়া হতো... কোনো হিন্দুর বাড়িতে সোনা, রুপা, এমনকি সুপারিও দেখা যেত না যা আনন্দ ও উদ্দীপনা জোগায়। দরিদ্র হয়ে পড়া দেশীয় কর্মকর্তাদের স্ত্রীরা মুসলিম পরিবারে কাজ করতে বাধ্য হতেন। রাজস্ব কর্মকর্তাদের প্লেগের চেয়েও ভয়াবহ মনে করা হতো; সরকারি কেরানি হওয়া ছিল মৃত্যুর চেয়েও বেশি অপমানের, এতটাই যে কোনো হিন্দু তার মেয়েকে এমন পাত্রের সাথে বিয়ে দিতে রাজি হতেন না।
** লেন পুল: মিডিভ্যাল ইন্ডিয়া, বি.আর. আম্বেদকরের 'পাকিস্তান অর দ্য পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া' (১৯৪৬) থেকে উদ্ধৃত।
* (সৈন্যরা) শত্রুর শহরের সব নারীকে বন্দী করে... তারা যে পথ দিয়ে যেত, সেখানেই রাজার বাড়ির নারীদের বাজারে বিক্রি করা শুরু হতো। তারা গ্রামগুলোতে আগুন ধরিয়ে দিত। তারা নারীদের (ঘর থেকে) বের করে দিত এবং শিশুদের হত্যা করত। লুণ্ঠনই ছিল তাদের আয়ের উৎস। তারা সেটার ওপর ভিত্তি করেই বেঁচে থাকত। তাদের দুর্বলের প্রতি করুণা ছিল না এবং শক্তিশালীর প্রতি কোনো ভয় ছিল না... ন্যায়পরায়ণতার সাথে তাদের কোনো সম্পর্ক ছিল না... তারা কখনো কথা রাখত না... তারা না সুনামের আকাঙ্ক্ষা করত, না বদনামের ভয় পেত...”
** মুসলিম সৈন্যদের সম্পর্কে কবি বিদ্যাপতি। কীর্তিলতা। কে.এস. লাল রচিত দ্য লিগ্যাসি অফ মুসলিম রুল ইন ইন্ডিয়া থেকে উদ্ধৃত। নতুন দিল্লি: আদিত্য প্রকাশন, ১৯৯২।
* খোরাসান জয় করে বাবর হিন্দুস্তানকে আতঙ্কিত করেছিলেন।<br/>যাতে নিজের ওপর দোষ না আসে, তাই স্রষ্টা মুঘলদের মৃত্যুর দূত হিসেবে পাঠিয়েছেন।<br/>হত্যাযজ্ঞ এত বিশাল ছিল, মানুষের যন্ত্রণা এত বেশি ছিল, তবুও কি তোমার মনে কোনো করুণা জাগল না, প্রভু? <br/>যদি কোনো শক্তিশালী ব্যক্তি অন্যকে আঘাত করে, তবে কেউ দুঃখ পায় না। কিন্তু যখন একটি শক্তিশালী বাঘ অসহায় ভেড়ার পালের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে, তখন তার মালিককে উত্তর দিতে হয়। <br/>এই রত্নসম দেশটিকে কুকুরের দল ধ্বংস ও কলঙ্কিত করেছে, এতটাই যে কেউ এখন মৃতদের দিকেও ফিরে তাকায় না... <br/>গুরু নানক আরও বর্ণনা করেছেন কীভাবে অত্যাচারীরা কুমারী মেয়েদের মাথা মুড়িয়ে দিয়েছিল, যাদের 'মাথায় বেণি করা চুল ছিল এবং সিঁথিতে ছিল সিঁদুরের চিহ্ন'; কীভাবে 'তাদের কণ্ঠ ধুলোয় রুদ্ধ হয়ে গিয়েছিল'; কীভাবে তাদের প্রাসাদ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল এবং তারা এখন তাদের বাড়ির আশেপাশেও বসতে পারছিল না। যারা হাতির দাঁত দিয়ে সাজানো পালকিতে করে স্বামীর ঘরে এসেছিল এবং বিলাসিতার মধ্যে জীবন কাটাত, তাদের গলায় দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে; তাদের মুক্তার মালাগুলো ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে; যে সৌন্দর্য তাদের অলংকার ছিল, আজ তাই তাদের শত্রুতে পরিণত হয়েছে সৈন্যদের আদেশ দেওয়া হয়েছিল তাদের অপমান করতে এবং তারা তাদের ধরে নিয়ে গেছে। [[গুরু নানক]] লিখেছিলেন, ‘যেহেতু বাবরের শাসন ঘোষিত হয়েছে, তাই রাজপুত্রদেরও খাওয়ার মতো খাবার নেই।’
** গুরু গ্রন্থ সাহেব, অরুণ শৌরি রচিত এমিনেন্ট হিস্টোরিয়ানস: দেয়ার টেকনোলজি, দেয়ার লাইন, দেয়ার ফ্রড (২০১৪) থেকে উদ্ধৃত। নয়ডা, উত্তরপ্রদেশ, ভারত: হার্পার কলিন্স পাবলিশার্স।
* সুলতান [[মুহাম্মদ বিন তুঘলক]]ের (১৩২৫-৫১) রাজত্বকাল সম্পর্কে শিহাবুদ্দিন আল-উমারি লিখেছেন: "সুলতান কাফেরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে সর্বদা ব্যাপক উৎসাহ দেখাতেন... প্রতিদিন হাজার হাজার দাস খুব কম দামে বিক্রি হয়, বন্দীদের সংখ্যা এতই বিশাল... যে দিল্লিতে গৃহকর্মে নিযুক্ত একজন তরুণী দাসীর দাম আট তঙ্কার বেশি হয় না। যাদের গৃহকর্ম এবং উপপত্নী হওয়ার উপযুক্ত মনে করা হয়, তারা বিক্রি হয় প্রায় পনেরো তঙ্কায়। অন্য শহরগুলোতে দাম আরও কম..." উমারি আরও বলেন, "এত কম দাম হওয়া সত্ত্বেও তরুণী ভারতীয় মেয়েদের জন্য ২০,০০০ তঙ্কা বা তারও বেশি দেওয়া হয়। আমি এর কারণ জানতে চাইলে... আমাকে বলা হয়েছিল যে এই তরুণী মেয়েরা তাদের সৌন্দর্য এবং মার্জিত আচরণের জন্য অনন্য।"
** 'মাসালিক-উল-আবসার', ই.ডি. খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৫৮০-৮১। (শিহাবুদ্দিন আল-উমারি, মাসালিক-উল-আবসার ফি মামালিক-উল-আমার)। কে.এস. লাল রচিত মুসলিম স্লেভ সিস্টেম ইন মিডিভ্যাল ইন্ডিয়া থেকে উদ্ধৃত।
* কিন্তু যখন মুহাম্মদীয় আক্রমণকারীরা... বিশৃঙ্খল হিন্দু বাহিনীকে পরাজিত করল এবং হিন্দু তরুণীরা কিছু বিজেতার লালসার শিকার হতে শুরু করল, তখন উত্তর ভারতের পর্যুদস্ত হিন্দুরা হিন্দু পরিবারগুলোতে মুসলিম গাজীদের হাত থেকে বাঁচার উপায় হিসেবে বাল্যবিবাহ এবং অস্বাভাবিক পর্দার প্রথা চালু করেছিল।
** স্বামী শ্রদ্ধানন্দ। হিন্দু সংগঠন পৃষ্ঠা ৯৫, কোনরাড এলস্ট রচিত ডিকলোনাইজিং দ্য হিন্দু মাইন্ড: আইডিওলজিক্যাল ডেভেলপমেন্ট অফ হিন্দু রিভাইভালিজম (২০১৪) থেকে উদ্ধৃত। নতুন দিল্লি: রূপা, পৃষ্ঠা ৩৭৭।
* ...যেকোনো দিক থেকেই দেখলে, মুসলিমদের হাতে হিন্দু নারীদের অপহরণ এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য তাদের স্থায়ী ক্ষতি-যা হিন্দুদের বৃদ্ধিতে প্রভাব ফেলে এমন একটি বিষয় যা গুরুতর পরিণতি না ভোগ করে আর অবহেলা করা যায় না।
** জে.এম. দত্ত, কন্টিনিউড অ্যাবডাকশন অফ হিন্দু ওমেন—ইটস এফেক্ট অন দ্য বেঙ্গলি হিন্দুস, মডার্ন রিভিউ, ১৯৪১, পৃষ্ঠা ৩৫৮-৯: রাকেশ বাতব্যাল রচিত কমিউনালিজম ইন বেঙ্গল: ফ্রম ফ্যামিন টু নোয়াখালী, ১৯৪৩-৪৭', সেজ, ২০০৫, পৃষ্ঠা ২৮৭। [https://swarajyamag.com/ideas/did-savarkar-justify-rape-as-a-political-weapon]
* মানসেরা এবং আরও কিছু জায়গায় (উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ) নিয়মিত শিবির রয়েছে যেখানে হিন্দু মেয়েদের বিক্রি করা হচ্ছে।
** কৃপাল সিং, সিলেক্ট ডকুমেন্টস অন পার্টিশন অফ পাঞ্জাব-১৯৪৭: ইন্ডিয়া অ্যান্ড পাকিস্তান : পাঞ্জাব, হরিয়ানা, অ্যান্ড হিমাচল-ইন্ডিয়া অ্যান্ড পাঞ্জাব-পাকিস্তান, ন্যাশনাল বুক শপ, ১৯৯১, পৃষ্ঠা ৬৩৯।
* দাঙ্গার চরম মুহূর্তে, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে যখন বেশিরভাগ ধর্ষণ ও অপহরণের ঘটনা ঘটেছিল, তখন দাঙ্গাকারী ভিড়ের উগ্রতার কোনো সীমা ছিল না। পুরো বিশৃঙ্খলার মধ্যে নারী ও মেয়েদের পরিকল্পিত এবং আকস্মিক অপহরণের ঘটনা ঘটেছে, বিশেষ করে যখন বিপুল সংখ্যক উদ্বাস্তু যারা দিশেহারা এবং যথাযথ নিরাপত্তাহীন ছিল একত্রিত হয়েছিল বা যাতায়াত করছিল। উদাহরণস্বরূপ, কৃপাল সিং উল্লেখ করেছেন যে কামোকে রেললাইনে দুটি ট্রেন পার হচ্ছিল, যার একটিতে ছিল ২৬০ জন উদ্বাস্তু এবং অন্যটিতে ছিল পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সৈন্যরা। যখন সৈন্যরা বুঝতে পারল যে অন্য ট্রেনটি হিন্দু উদ্বাস্তুদের বহন করছে, তখন তারা আক্রমণ চালায়। অধিকাংশ পুরুষকে হত্যা করা হয় এবং ৫০ জন নারী ও মেয়েকে সৈন্যরা জোরপূর্বক নিয়ে যায়। একইভাবে, পূর্ব বাংলায় আনসাররা, যারা নাগরিকদের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল, তারাও আক্রমণ চালায় এবং হিন্দু নারীদের অপহরণ করে। আমার একজন উত্তরদাতা পাকিস্তান ছেড়ে আসা একটি ট্রেনে ছিলেন এবং তিনি বর্ণনা করেছেন কীভাবে তিনি শৌচাগারে লুকিয়ে ছিলেন। ... সেই বিশৃঙ্খলার মধ্যে তিনি ভাগ্যক্রমে অপহরণ হওয়া থেকে বেঁচে গেলেও নিজ চোখে ট্রেন থেকে অনেক মেয়ে ও নারীকে ধরে নিয়ে যেতে দেখেছিলেন। ... গুজরানওয়ালা জেলার কামোকেতে উদ্বাস্তুদের ওপর চালানো হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিতে গিয়ে একজন ভারতীয় কর্মকর্তা লিখেছেন, এই ট্র্যাজেডির সবচেয়ে কলঙ্কজনক দিক ছিল তরুণী মেয়েদের পুলিশ বাহিনী, ন্যাশনাল গার্ড (একটি ইসলামি-ফ্যাসিস্ট সংস্থা-এএন) এবং স্থানীয় গুণ্ডাদের মধ্যে বণ্টন করে দেওয়া। স্টেশন হাউস অফিসার দিলদার হোসেন কামোকে রেলওয়ে স্টেশনের কাছে একটি ফাঁকা জায়গায় ভুক্তভোগীদের জড়ো করেন এবং উন্মত্ত জনতাকে যা খুশি করার সুযোগ করে দেন। হত্যাকাণ্ড শেষ হওয়ার পর মেয়েদের মিষ্টির মতো বণ্টন করা হয়েছিল... পরবর্তীতে লিয়াজোঁ এজেন্সি এবং পূর্ব পাঞ্জাব পুলিশের প্রচেষ্টায় কামোকে, এমিনাবাদ এবং আশেপাশের কিছু গ্রাম থেকে কিছু মেয়েকে উদ্ধার করা হয়... কামোকে ট্রেন থেকে অপহৃত অন্তত ৭০ জন নিখোঁজ মেয়ের একটি তালিকা জেলা লিয়াজোঁ অফিসার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছিলেন... আশঙ্কা করা হয় যে এই মেয়েদের বেশিরভাগকেই বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে অথবা লুকিয়ে ফেলা হয়েছে।
** বীণা ডি’কস্তা, নেশন বিল্ডিং, জেন্ডার অ্যান্ড ওয়ার ক্রাইমস ইন সাউথ এশিয়া, রাউটলেজ, ২০১১, পৃষ্ঠা ৫৭-৬০। ভারতের বিভাজন, ১৯৪৭। [https://swarajyamag.com/ideas/did-savarkar-justify-rape-as-a-political-weapon]
* [১৯৪৭ সালে যখন জিহাদি উপজাতীয় মুজাহিদিনরা কাশ্মীর আক্রমণ করেছিল, তখন তাদের দ্বারা অপহৃত মেয়েদের] 'পেশোয়ার এবং বান্নুর বাজারে প্রদর্শন করা হয়েছিল, যার মাধ্যমে পাঠানদের কাশ্মীরের প্রতি প্রলুব্ধ করা হচ্ছিল। অনেকের ওপর অবর্ণনীয় নির্যাতন চালানো হয়েছিল।'
** (শান্তা কুমারী, সভাপতি, ন্যাশনাল ওমেন’স কনফারেন্স অফ জে অ্যান্ড কে, হিন্দুস্তান টাইমস, ৩০ ডিসেম্বর ১৯৪৭) [https://swarajyamag.com/ideas/did-savarkar-justify-rape-as-a-political-weapon]
* শ্রীকৃষ্ণের সেনাবাহিনী তাঁদের আত্মীয়া নারীদের পরিত্যাগ করেনি, কারণ তাঁরা জোরপূর্বক লাঞ্ছিত ও ধর্ষিত হয়েছিলেন—এমন জঘন্য চিন্তা তিনি এক মুহূর্তের জন্যও মনে স্থান দেননি। বরং ভূপতি বা সমগ্র পৃথিবীর অধিপতি হিসেবে শ্রীকৃষ্ণ সেই ১৬,০০০ বা তারও বেশি নারীকে নিজের রাজ্যে নিয়ে আসেন, তাঁদের সসম্মানে পুনর্বাসিত করেন এবং তাঁদের ভরণপোষণ ও সুরক্ষার দায়িত্ব নিজে গ্রহণ করেন। ভূপতি হিসেবে কৃষ্ণের এই মহান কাজটিকে পুরাণের লেখকরা চমৎকারভাবে ব্যাখ্যা করেছেন এবং তাঁকে সেই হাজার হাজার নারীর স্বামী হিসেবে বর্ণনা করেছেন। পরবর্তীতে মনে করা হতো যে তিনি তাঁদের সবাইকে বিয়ে করেছিলেন।
** ভি. ডি. সাভারকর, ১৯৬৩:১৯৭১, পৃষ্ঠা ১৮২। 'সিক্স গ্লোরিয়াস এপোকস অফ ইন্ডিয়ান হিস্ট্রি'। নরকাসুরের বিরুদ্ধে শ্রীকৃষ্ণের যুদ্ধের পৌরাণিক উদাহরণ সম্পর্কে। [https://swarajyamag.com/ideas/did-savarkar-justify-rape-as-a-political-weapon সাভারকর কি রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ধর্ষণকে সমর্থন করেছিলেন?]
* সেই একই নির্লজ্জ ধর্মীয় গোঁড়ামির কারণে তৎকালীন আক্রমণকারী মুসলিমরা শত্রুপক্ষের নারীদের জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়াকে তাঁদের উচ্চতর ধর্মীয় কর্তব্য বলে মনে করতেন। তাঁরা নারীদের সাধারণ সম্পত্তির মতো মনে করতেন এবং তাঁদের ধর্ষণ ও লাঞ্ছিত করে সুলতান থেকে সাধারণ সৈন্য পর্যন্ত সবার মধ্যে বিলিয়ে দিতেন। তাঁদের মূল লক্ষ্য ছিল এসব নারীদের নিজেদের দলে পুরোপুরি অন্তর্ভুক্ত করা। এটিকে একটি মহৎ কাজ হিসেবে গণ্য করা হতো যা তাঁদের জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে সহায়তা করত।
** ভি. ডি. সাভারকর, ১৯৬৩:১৯৭১, পৃষ্ঠা ১৭৬। 'সিক্স গ্লোরিয়াস এপোকস অফ ইন্ডিয়ান হিস্ট্রি' [https://swarajyamag.com/ideas/did-savarkar-justify-rape-as-a-political-weapon সাভারকর কি রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ধর্ষণকে সমর্থন করেছিলেন?]
* মুসলিম বিজয়ের সাথে সাথে ভারতীয় নারীদের অবস্থানের অবনতি ঘটে। প্রতিটি শহর পতনের পর এবং কখনও কখনও শান্তির সময়েও নারীদের নানা ধরনের বঞ্চনা সহ্য করতে হতো। জিয়াউদ্দিন বারানি এবং শামস সিরাজ আফিফের মতো ঐতিহাসিকরা এর ইঙ্গিত দিয়েছেন, অন্যদিকে ইবনে বতুতার বর্ণনা পড়লে শিউরে উঠতে হয়। এই লাঞ্ছনা থেকে বাঁচতে হিন্দু সমাজে আগে থেকেই প্রচলিত জওহর এবং সতীদাহ প্রথা যুদ্ধের সময় ব্যাপক হারে পালন করা শুরু হয়। শান্তির সময়ে পর্দা প্রথা এবং বাল্যবিবাহকে সুরক্ষার ভালো উপায় হিসেবে বিবেচনা করা হতো। হিন্দুদের মধ্যে ঘোমটা দেওয়ার প্রথা বিদ্যাপতি এবং মালিক মুহাম্মদ জায়সীর লেখায় বর্ণিত হয়েছে, তবে “পর্দা প্রথার আরও উন্নত রূপ এবং এর বিস্তারিত নিয়মকানুন হিন্দুস্তানে মুসলিম শাসন শুরুর প্রায় প্রথম থেকেই অস্তিত্বে এসেছিল।” মুসলিম সমাজে নারীদের জীবন ছিল সীমাবদ্ধ; ফিরোজ তুঘলক এবং সিকান্দার লোদি সন্তদের মাজারে নারীদের তীর্থযাত্রা নিষিদ্ধ করেছিলেন।
** কে.এস. লাল, 'টোয়াইলাইট অফ দ্য সালতানেত' (১৯৬৩) পৃষ্ঠা ২৬৯।
* প্রকৃতি মনে হয় বিশ্বের অন্য সব দেশের তুলনায় পুরো হিন্দুস্তানের নারীদের ওপর অনেক বেশি উদারভাবে সৌন্দর্য ঢেলে দিয়েছে। ব্যতিক্রমহীনভাবে তাঁরা সবাই তেরো বছরের আগেই বিয়ের উপযুক্ত হন এবং ত্রিশের আগেই তাঁদের শরীরে বার্ধক্যের ছাপ পড়ে—তাঁরা এমন ফুল যা খুব অল্প সময়ের জন্য ফোটে কিন্তু অত্যন্ত কোমল হয়; আর কোমল হওয়ার কারণেই তা বেশিদিন টেকে না। পুরুষদের সঙ্গ থেকে বিচ্ছিন্ন এবং অন্যকে আকৃষ্ট করার ধারণা সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ার কারণে এই সরলতাই তাঁদের আরও বেশি সুন্দরী করে তোলে; আমরা তাঁদের মধ্যে প্রকৃতির মহান সরলতাময় সৌন্দর্য দেখতে পাই। তাঁদের মুখাবয়ব সম্পর্কে আগেই আভাস দেওয়া হয়েছে: তাঁদের গায়ের চামড়া বিশ্বের অন্যান্য সব প্রতিযোগীর তুলনায় অনেক বেশি মসৃণ ও কোমল। গ্রিসের কোনো ভাস্করও গ্রিক আদলের মূর্তির খোঁজে এর চেয়ে ভালো কিছু পেতেন না; পুরুষদের মধ্যে হয়তো ফার্নেসিয়ান হারকিউলিসের মতো শারীরিক গঠন খুঁজে পাওয়া যাবে না, কিন্তু নারীদের মধ্যে মেডিসিয়ান ভেনাসের সবচেয়ে সুন্দর রূপের ছোঁয়া পাওয়া যাবে।
** নারী জাতি, রবার্ট ওরম; রবার্ট ওরম রচিত 'হিস্টোরিক্যাল ফ্র্যাগমেন্টস অফ দ্য মোগল এম্পায়ার, অফ দ্য মরাত্তোস, অ্যান্ড অফ দ্য ইংলিশ কনসার্নস ইন ইন্ডোস্তান', অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং হাউস, ১৯৭৮, প্রথম প্রকাশ ১৭৮২। এম. জৈন সম্পাদিত (২০১১) 'দ্য ইন্ডিয়া দে স: ফরেন অ্যাকাউন্টস' থেকে উদ্ধৃত। নতুন দিল্লি: ওশান বুকস। ভলিউম ৪, অধ্যায় ১৪।
* কথা বলার দক্ষতায় হিন্দুস্তানের নারীদের সমকক্ষ খুব কমই আছে; আর তিনি যদি কখনো কোনো সামরিক শিবিরের সঙ্গী হয়ে থাকেন, তবে ইউরোপের যেকোনো প্রান্তেই হোক না কেন, আমি তাঁকে অপরাজেয় বলব। আমাদের নামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষিত এবং তর্কে দক্ষ একজন ইংরেজ নারী হয়তো কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক ঘণ্টা ধরে বিতর্ক চালিয়ে যেতে পারেন, যা শেষ হয় ঝগড়া বা জয়ের মাধ্যমে। কিন্তু কয়েকজন সৈনিকের সাথে থাকা একজন ভারতীয় নারী কোনো শারীরিক শক্তি প্রয়োগ না করেই টানা তিন দিন ধরে কথার লড়াই চালিয়ে যেতে পারেন; মাঝেমধ্যে প্রয়োজনমতো খাওয়া-দাওয়া ও ঘুমের বিরতি নিয়ে। এশীয়দের, বিশেষ করে নারীদের মধ্যে কল্পনার এক উর্বরতা, প্রকাশের ক্ষমতা এবং কণ্ঠস্বরের দক্ষতা সহজাতভাবেই রয়েছে, যা একজন ইউরোপীয়র শীতল মাথায় তৈরি হওয়া সম্ভব নয়। প্রাচ্যের ভাষার মধ্যেও এমন এক ব্যাপ্তি রয়েছে যা পাশ্চাত্য ভাষার সীমানায় খুঁজে পাওয়া যায় না।
** জর্জ ফরস্টার, 'এ জার্নি ফ্রম বেঙ্গল টু ইংল্যান্ড', ২ খণ্ড, ল্যাঙ্গুয়েজ ডিপার্টমেন্ট, পাঞ্জাব, ১৯৭০, প্রথম প্রকাশ ১৮০৮। এম. জৈন সম্পাদিত (২০১১) 'দ্য ইন্ডিয়া দে স: ফরেন অ্যাকাউন্টস' থেকে উদ্ধৃত। নতুন দিল্লি: ওশান বুকস। ভলিউম ৪, অধ্যায় ১৪।
*…it may be said, with truth, that…the Hindoo females…lie under much less restraint, enjoy more real freedom, and are in possession of more enviable privileges than the persons of their sex in any other Asiatic country. In fact, to them belong the entire management of their household, the care of their children, the superintendence of the menial servants, the distribution of alms and charities. To their charge are generally intrusted the money, jewels, and other valuables. To them belongs the care of procuring provisions, and providing for all expenses. It is they also who are charged, almost to the exclusion of their husbands, with the most important affair of procuring wives for their sons, and husbands for their daughters, and, in doing this, they evince a niceness, an attention, and foresight which are not certainly surpassed in any country; while in the management of their domestic business, they in general show a shrewdness, a saving-ness, and an intelligence which would do honour to the best housewives in Europe.<br>In the mean while, the austerity and roughness with which they are outwardly treated in public, by their husbands, is rather a matter of form, and entirely ceases when the husband and his wife are in private. It is then that the Hindoo females assume all that empire which is everywhere exercised in civilised countries, by the persons of their sex over the male part of creation; find means to bring them under their subjection, and rule over them, in several instances, with a despotic sway. In short, although outwardly exposed in public to the forbidding and repulsive frowns of an austere husband, they can be considered in no other light than as perfectly the mistresses within the house.<br>The influence of the Hindoo females on the welfare of families is so well known, that the successes or misfortunes of the Hindoos are almost entirely attributed to their good or bad management. When a person prospers in the world, it is customary to say that he has the happiness to possess an intelligent wife, to whom he is indebted for his welfare; and when any one runs to ruin, it is the custom to say that he has for his partner a bad wife, to whom his misfortunes must chiefly be attributed. In short, a good-natured and intelligent wife is considered by all castes of natives, as the most valuable of all the blessings which could be bestowed on a family and a bad one as the most dreaded of all curses; so great is their influence on the fate of the Hindoo households.<br>The authority of married women within their houses is chiefly exerted in preserving good order and peace among the persons who compose their families; and a great many among them discharge this important duty with a prudence and a discretion which have scarcely a parallel in Europe. I have known families composed of between thirty and forty persons, or more, consisting of grown sons and daughters, all married and all having children, living together under the superintendence of an old matron – their mother or mother-in-law. The latter, by good management, and by accommodating herself to the temper of her daughters-in-law; by using, according to circumstances, firmness or forbearance, succeeded in preserving peace and harmony during many years amongst so many females, who had all jarring interests, and still more jarring tempers. I ask you whether it would be possible to attain the same end, in the same circumstances, in our countries; where it is scarcely possibly to make two women living under the same roof to agree together.<br>It is true that the same spirit of concord between an old Hindoo matron and her daughters on one side, and her daughters-in-law on the other, does not prevail in an equal degree in all households; but instances of such union and harmony are by no means uncommon, and they last to the death of their parents; when, ordinarily, the brothers divide the heritage, separate with their several families, and each one shifts for himself.<br>…it is a weakness common to all nations, and from which the Hindoos are not exempt, to hail with more exultation the birth of a male than that of a female, and Hindoo parents are in a greater degree under the influence of these feelings, because they derive more support from a son than from a daughter; but it is untrue that a female is despised and spurned by her parents as soon as born. Parents, chiefly mothers, foster their children, both males and females, with an equal tenderness. So far from females being despised while living under the paternal roof, their parents and brothers are often seen submitting themselves to severe privations for the purpose of procuring trinkets and jewels for their daughters or sisters, in order that they may be able to appear in public with decency and advantage, while the males are seen in rags or half naked, and live forgotten at home.<br>The principal care of parents is to procure suitable establishments for their daughters, over whom mothers continue to exercise a kind of paramount authority, even after their marriage, being particularly attentive to check that despotic sway which so many mothers-in-law are but too well disposed to exercise over their daughters-in-law…
** More privileged than any in Asia, Abbe J. A. Dubois —, Abbe, Letters on the State of Christianity in India, Associated Publishing House, 1997, first published 1823.quoted from Jain, M. (editor) (2011). The India they saw: Foreign accounts. New Delhi: Ocean Books. Volume IV Chapter14
*There is a marked difference between the moral and social character of the Hindoo and the Mohammedan women of India. The Hindoo woman does not occupy that position in society which she is so eminently fitted to grace, and which is accorded to women in Europe and America; but she is by no means so degraded as is so frequently represented by travellers, who are apt to mistake the common street-woman with whom they are brought into contact for the wife and mother of an ordinary Hindoo home. It is difficult for a stranger to find out what an Indian woman is at home, though he may have encountered many a bedizened female in the streets which he takes for her.<br>The influence of the Hindoo woman is seen and felt all through the history of India, and is very marked in the annals of British rule. Though the political changes, the invasion, and despotism of Mohammedan rule may have forced upon them the seclusion now so general, it is evident that they once occupied a very different position in society, from the testimony of their earliest writers and the dramatic representations of domestic life and manners still extant.<br>One of the most startling facts is, that among the Asiatic rules of India who have heroically resisted foreign invasion the women of Hindostan have distinguished themselves almost as much as the men. Lakshmi Baiee, the queen of Jahnsee, held the entire British army in check for the space of twenty-four hours by her wonderful generalship, and she would probably have come off victorious if she had not been shot down by the enemy. After the battle Sir Hugh Rose, the English commander, declared that the best man on the enemy’s side was the brave queen Lakshmi Baiee. Another courageous and noble woman, Aus Khoor, was placed by the British government on the throne of Pattiala, an utterly disorganized and revolted state in the Panjaub. In less than one year she had by her wise and effective administration changed the whole condition of the country, subjugated the rebellious cities and villages, increased the revenues, and established order, security and peace everywhere. Alleah Baiee, the Mahratta queen of Malwah, devoted herself for the space of twenty years with unremitting assiduity to the happiness and welfare of her people, so that Hindoos, Buddhists, Jains, Parsees, and Mohammedans united in blessing her beneficent rule; and of so rare a modesty was this woman that she ordered a book which extolled her virtues to be destroyed, saying, ‘Could I have been so infamous as to neglect the welfare and happiness of my subjects?’
** Influence of Hindu women seen in history, Anna Harriette Leonowen Ghose, Indira, Memsahibs Abroad. Writings by Women Travellers in Nineteenth Century India, Oxford University Press, 1998. –Women Travellers In Colonial India. The Power of The Female Gaze, Oxford University Press, 1998(a).quoted from Jain, M. (editor) (2011). The India they saw: Foreign accounts. New Delhi: Ocean Books. Volume IV Chapter14
* What great fault is there in women that has not been already committed by men? Men have outstripped women in impudence. Women are indeed superior to men in respect of merits. ... Being uniquely pure, women are never defiled.
**Varahamihira’s Brhat Samhita, tr. M. Ramakrishna Bhat (Delhi: Motilal Banarsidass, 1982), verses 74.6 & 74.9, pp. 688-89.
**quoted in M Danino, WOMAN IN INDIAN HISTORY: A FEW VIGNETTES FR OM EPIGRAPHY FROM epigraphy in VOL. 3 ISSUE NO.110 YUGABDHAM: ASWINAM-POUSHAM 5111 OCTOBER-DECEMBER 2009
*In the estimate of historian and epigraphist Chithra Madhavan, royal ladies “are seen actively participating in the sphere of religion and culture. ... It can be seen that many of them were extremely well-versed in the fine arts and also enjoyed an exalted position in their respective kingdoms as elsewhere in south India at that time.”
**Chithra Madhavan, History and Culture of Tamil Nadu as Gleaned from Sanskrit Inscriptions, vol. 2 (New Delhi: D.K. Printworld, 2007), p. 36.
**quoted in M Danino, WOMAN IN INDIAN HISTORY: A FEW VIGNETTES FR OM EPIGRAPHY FROM epigraphy in VOL. 3 ISSUE NO.110 YUGABDHAM: ASWINAM-POUSHAM 5111 OCTOBER-DECEMBER 2009
*In the Gupta era, there is evidence that a woman could be a teacher; as historian U. N. Ghoshal puts it, “Girls of high families, as also those living in hermitages, read works on ancient history and legend, and were educated sufficiently to understand and even compose verses. ... The Amarakosa, a work of the Gupta Age, refers to words meaning female teachers (upadhyaya2 and upadhyayi) as well as female instructors of Vedic mantras (acharya*).”
**U. N. Ghoshal, “Social Condition,” in The Classical Age, vol. 3 in The History and Culture of the Indian People, R. C. Majumdar, ed. (Bombay 1954/1988: Bharatiya Vidya Bhavan), p. 568.
**quoted in M Danino, WOMAN IN INDIAN HISTORY: A FEW VIGNETTES FR OM EPIGRAPHY FROM epigraphy in VOL. 3 ISSUE NO.110 YUGABDHAM: ASWINAM-POUSHAM 5111 OCTOBER-DECEMBER 2009
*There is a peculiar beauty in Indian women, whereby their face is covered with pure skin, with a slight, lovely blush, which is not just like the blush of health and vitality, but a finer blush, like a spiritual touch from within. The look of the eye and the position of the mouth, appear gentle, soft and relaxed – it is an almost unearthly beauty…
**G. Hegel (1770 – 1831) ,quoted in [https://mariawirth.com/indian-women-no-longer-the-most-beautiful/ Indian women: no longer the most beautiful?]
==India after 1947==
*With many of my young (Hindu) male respondents from the [[Bajrang Dal]], stories of rape were more like a fun story to share. The pleasure derived from storytelling was more visible when discussing the sexual degeneracy of Muslims.
**Hindu Nationalism in India and the Politics of Fear, D. Anand, p. 75
* The [[2019 Citizenship Amendment Act]] violates India’s international obligations to prevent [[w:Loss of citizenship|deprivation of citizenship]] on the basis of [[w:Racism in Asia#India|race]], color, descent, or national or [[w:Ethnic relations in India|ethnic origin]] as found in the {{W|International Covenant on Civil and Political Rights}} and other [[w:International human rights instruments|human rights treaties]] that [[ভারত]] has ratified. The 1992 [[w:Declaration on the Rights of Persons Belonging to National or Ethnic, Religious and Linguistic Minorities|Declaration on the Rights of Persons Belonging to National or Ethnic, Religious and Linguistic Minorities]] calls on governments to protect the existence and identity of [[w:Religion in India#Minority beliefs and sects|religious minorities]] within their territories and to adopt the appropriate measures to achieve this end. Governments are obligated to ensure that people belonging to {{W|minority groups}}, including {{W|religious minorities}}, may exercise their [[মানবাধিকার]] without [[discrimination]] and in full {{W|equality before the law}}. Governments also have an obligation to ensure {{W|gender equality}}. To the extent that the process has [[w:Gender inequality in India|a disproportionately harmful impact]] on the [[w:Indian nationality law|citizenship rights]] of women and [[w:Gender inequality in India#Discrimination against girls|girls]], it also violates the {{W|Convention on the Elimination of All Forms of Discrimination against Women}}.
** [[Human Rights Watch]], ''[https://www.hrw.org/report/2020/04/09/shoot-traitors/discrimination-against-muslims-under-indias-new-citizenship-policy India: Protests, Attacks Over New Citizenship Law]'' (April 9, 2020)
* As the legacy of this scenario, Indian girls are still being sold to West Asian nationals as wives, concubines and slave girls. For example, all the leading Indian newspapers like The Indian Express, The Hindustan Times and The Times of India of 4 August 1991, flashed the news of a sixty year old “toothless” Arab national Yahiya H. M. Al Sagish “marrying” a 10-11 year old Ameena of Hyderabad after paying her father Rs. 6000, and attempting to take her out of the country. Al Sagish has been taken into police custody and the case is in the law-court now. Mr. I. U. Khan has “pointed out that no offence could be made out against his client as he had acted in accordance with the Shariat laws. He said that since this case related to the Muslim personal law which permitted marriage with girls who had attained Puberty (described as over 9 years of age), Al Sagish could not be tried under the Indian Penal Code (IPC). Besides Ameena’s parents had not complained.” (Times of India, 14 August 1991). But this is not an isolated case. I was in Hyderabad for about four years, 1979-1983. There I learnt that such “marriages” are common. There are regular agents and touts who arrange them. Poor parents of girls are handsomely paid by foreign Muslims for such arrangements. Every time that I happened to go to the Hyderabad Airlines office or the Airport (which was about at least once a month), I found bunches of old bridegrooms in Arab attire accompanied by young girls, often little girl brides. “A rough estimate indicated that as many as 8000 such marriages were solemnised during the past one decade in Hyderabad alone.” (Indian Express Magazine, 18 August 1991). In short, the sex slave-trade is still flourishing not only in Hyderabad but in many other cities of India after the medieval tradition.
** Lal, K. S. (1992). The legacy of Muslim rule in India. New Delhi: Aditya Prakashan. Chapter 7
* On November 20, the {{W|Karnataka government}} issued a notification allowing women to [[Labour in India|work]] night shifts (7 p.m. to 6 a.m.) in all factories registered under the [[w:Factories Act, 1948 (India)|Factories Act, 1948]]. [...] In principle, this is a welcome move. However, several concerns have been voiced by women [[w:Textile industry in India|garment workers]] who are estimated to constitute over 90% of the five lakh garment workers in [[Karnataka]] (according to data by [[w:Living wage#Asia Floor Wage|Asia Floor Wage Alliance]], a global coalition of [[trade unions]]). The amendment suggests that night shifts for women will only be allowed if the employer ensures adequate safeguards concerning [[w:Occupational safety and health|occupational safety and health]], protection of [[মর্যাদা]] and [[honour]], and [[w:Transport in India|transportation]] from the factory premises to points nearest to the worker’s residence. The amendment stipulates 24 points related to occupational rules and regulations, most of which have been in existence for years. Yet, [[women workers]] fear that when there is no safety or dignity in the workplace even during daytime, how will employers ensure all this during night shifts? [...] In a sector where there is systemic failure and worker-management relations are turbulent, putting the onus of worker safety and security in the hands of the management alone can be risky. Moreover, it is well-known that in supply chains the brands call the shots. Involving them in discussions on worker dignity and equality is important. Omitting workers and trade unions from discussions about the amendment is also seen by the workers as a short-sighted measure. Women garment workers are concerned that while the amendment has stipulated many ‘new’ guidelines amidst the plethora of unaddressed concerns, allowing night shifts would only extend daytime [[w:Exploitation of labour|exploitation]].
** [[Neethi Padmanabhan]] and Nandita Shivakumar, ''[https://www.thehindu.com/opinion/op-ed/new-rules-old-problems/article30390884.ece New rules, old problems]'' (December 25, 2019), ''{{W|The Hindu}}''
*The failure to adopt a Uniform civil code [has the effect that] [[মুসলমান]] [[নারী]] suffer because they do not have an equal right of inheritance, because they cannot easily obtain a [[বিবাহ বিচ্ছেদ]], because they can be divorced by their husband at their whim or caprice.
**Atul Setalvad (1990), quoted from Elst, Koenraad (2001). Decolonizing the Hindu mind: Ideological development of Hindu revivalism. New Delhi: Rupa. p.553
* In the broadest strokes, the Times’ coverage of India is almost Orientalist—it’s almost as if it’s a backward place characterised by nationalism, violence, sexual assault. I read in an article somewhere, where they just flatly stated that there’s a rampant rape culture in India. And I was like, what? So, I actually started to look at the statistics to see what they meant. And you look at the statistics, and they’re a fraction of cases from what the US or Western Europe experiences. How can you make an assertion like that when the statistics are not even close to being there? So that was what I wanted to understand. I think on the broad level India (is portrayed as) being this nationalist kind of bully. And I think on a more specific level, it’s an anti Hindu approach... So you think to yourself why is there this division in how they cover China and how they cover India? Why is one being shown as this sort of progressive place that has managed to conquer a pandemic and the other this backward place characterised by funeral pyres and rape—and that’s what I’m trying to understand.
**Ashley Rindsberg, [https://www.sundayguardianlive.com/news/nyts-coverage-india-almost-orientalist-ashley-rindsberg NYT’s coverage of India is almost Orientalist: Ashley Rindsberg] 23 October 2021
*“Where big violence is so common, it is no surprise that gender violence is hardly a priority issue,” explained Mantasha Rashid, founder of Kashmir Women’s Collective, a trust that provides support under a single window to survivors of gender-based violence. “The rape and assault you’re referring to is akin to collateral damage. Women are caught in the crossfire in any conflict region, and the body of the enemy’s woman is seen as war booty by all the warring sides.”... <br> “I don’t really want to go out and say that Kashmiri society is particularly flawed or patriarchal because that can be misinterpreted,” Rashid of the Kashmir Women’s Collective said. “Whenever we speak about Kashmir one has to choose their words very carefully or else the discourse is hijacked by the bigger political narrative.”
** Mantasha Rashid, founder of Kashmir Women’s Collective, quoted in [https://thediplomat.com/2022/02/rape-and-silence-in-kashmirs-jihad/ Rape and Silence in Kashmir’s Jihad]
*"Did Nirbhaya really have go to watch a movie at 11 in the night with her friend? Take the Shakti Mills gang rape case. Why did the victim go to such an isolated spot at 6 pm?" Mirje asked at a gathering of the NCP women's wing in Nagpur. "We have to be careful. We have to ask ourselves, where am I going, with whom am I going, what am I going for, do I really need to go to that place," she added.
**About Rape in India. Asha Mirje,as quoted in [https://web.archive.org/web/20201112032024/https://www.indiatoday.in/india/west/story/maharashtra-state-womens-commission-rape-asha-mirje-sexual-assault-178771-2014-01-29]
*For a society in line with our constitutional vision, it is for the Muslim community to introspect and preach to their men to respect women from other communities. This theological validation of considering non-Muslim women as maal-i-ganimat (free war booty) is not acceptable in modern Indian society.
**Democracy Under Siege: Ballot, Bullet And Blood. Shubham Tiwari And Shivam Raghuwanshi. Garuda Prakashan. 2022. Pages 250. Rs 399.
==See also==
* [[Women in Hinduism]]
* [[Uniform civil code]]
==External links==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:ভারত]]
[[Category:Women from India| ]]
hs1zdrrfh50pwiax7oyifkhbdf6aqqk
আলাপ:চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও
1
12304
75497
2026-04-11T01:25:43Z
Nil Nandy
2294
https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026
75497
wikitext
text/x-wiki
{{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}}
s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm
চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন
0
12305
75498
2026-04-11T01:27:21Z
Nil Nandy
2294
"{{কাজ চলছে}}" দিয়ে পাতা তৈরি
75498
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
jmfm7bpzq0q0oytwjpmajktrq4ufmrf
75499
75498
2026-04-11T01:37:19Z
Nil Nandy
2294
75499
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রমন (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রমন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রমন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার ভারতরত্ন দিয়ে সম্মানিত করে।
0qmc4y6uloltyy3fmsondp43kuq90q0
75511
75499
2026-04-11T02:40:30Z
Nil Nandy
2294
75511
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার ভারতরত্ন দিয়ে সম্মানিত করে।
8xxpbefgg5dauhmcq34srmu94zqq41n
75512
75511
2026-04-11T02:52:20Z
Nil Nandy
2294
75512
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]]''' (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার [[w:ভারতরত্ন|ভারতরত্ন]] দিয়ে সম্মানিত করে।
0rry6t01lg25sazr2slqcj636o793xw
75513
75512
2026-04-11T02:53:21Z
Nil Nandy
2294
75513
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]]''' (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার [[w:ভারতরত্ন|ভারতরত্ন]] দিয়ে সম্মানিত করে।
[[File:Sir CV Raman.JPG|thumb|সি. ভি. রামন]]
f1wrzpgbn2atew0cczt6bitybve0dh4
75515
75513
2026-04-11T03:00:07Z
Nil Nandy
2294
75515
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]]''' (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার [[w:ভারতরত্ন|ভারতরত্ন]] দিয়ে সম্মানিত করে।
[[File:Sir CV Raman.JPG|thumb|সি. ভি. রামন]]
==উক্তি==
*স্বর্গ নেই, নরক নেই, পুনর্জন্ম নেই এবং অমরত্বও নেই। একমাত্র সত্য এই যে, মানুষ জন্মায়, জীবনযাপন করে এবং মারা যায়। সুতরাং, তার উচিত জীবনটা যথাযথভাবে যাপন করা।
8fc6qs0bzmgdzw6tnill1tt13j6pfj8
75516
75515
2026-04-11T03:02:14Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
75516
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]]''' (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার [[w:ভারতরত্ন|ভারতরত্ন]] দিয়ে সম্মানিত করে।
[[File:Sir CV Raman.JPG|thumb|সি. ভি. রামন]]
==উক্তি==
*স্বর্গ নেই, নরক নেই, পুনর্জন্ম নেই এবং অমরত্বও নেই। একমাত্র সত্য এই যে, মানুষ জন্মায়, জীবনযাপন করে এবং মারা যায়। সুতরাং, তার উচিত জীবনটা যথাযথভাবে যাপন করা।
**১৯৩৪ সালে ব্যাঙ্গালোরে একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায়। উৎস: {{Cite journal|last=সিং|first=আর|date=2010|title=Letters to the Editor: Indian scientists vs. science and religion|url=http://www.scienceandculture-isna.org/july-aug10/Letter%20to%20editors.pdf|journal=Science and Culture|volume=76|issue=7-8|pages=206|via=}}
cahtrt64mhs9nzrqti1bms4nm62h865
75518
75516
2026-04-11T03:04:47Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */অনুবাদ
75518
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]]''' (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার [[w:ভারতরত্ন|ভারতরত্ন]] দিয়ে সম্মানিত করে।
[[File:Sir CV Raman.JPG|thumb|সি. ভি. রামন]]
==উক্তি==
*স্বর্গ নেই, নরক নেই, পুনর্জন্ম নেই এবং অমরত্বও নেই। একমাত্র সত্য এই যে, মানুষ জন্মায়, জীবনযাপন করে এবং মারা যায়। সুতরাং, তার উচিত জীবনটা যথাযথভাবে যাপন করা।
**১৯৩৪ সালে ব্যাঙ্গালোরে একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায়। উৎস: {{Cite journal|last=সিং|first=আর|date=2010|title=Letters to the Editor: Indian scientists vs. science and religion|url=http://www.scienceandculture-isna.org/july-aug10/Letter%20to%20editors.pdf|journal=Science and Culture|volume=76|issue=7-8|pages=206|via=}}
*যদি ঈশ্বর বলে কেউ থাকেন, তবে আমাদের তাকে এই মহাবিশ্বেই খুঁজতে হবে। তিনি যদি এখানে না থাকেন, তবে তাকে খোঁজার কোনো অর্থ নেই। বিভিন্ন মহলে আমাকে নাস্তিক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কিন্তু আমি তা নই। জ্যোতির্বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবর্ধমান আবিষ্কারগুলো ঈশ্বরের আরও আরও প্রকাশ বলে মনে হচ্ছে। মহাত্মাজি, ধর্মসমূহ এক হতে পারে না। বিজ্ঞানই এক পূর্ণাঙ্গ বন্ধুত্বের সর্বোত্তম সুযোগ করে দেয়। বিজ্ঞানের সকল মানুষ ভাই ভাই।
ezq85u6ak7xhxyff7wm4jgeioztqbvk
75520
75518
2026-04-11T03:07:16Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
75520
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]]''' (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার [[w:ভারতরত্ন|ভারতরত্ন]] দিয়ে সম্মানিত করে।
[[File:Sir CV Raman.JPG|thumb|সি. ভি. রামন]]
==উক্তি==
*স্বর্গ নেই, নরক নেই, পুনর্জন্ম নেই এবং অমরত্বও নেই। একমাত্র সত্য এই যে, মানুষ জন্মায়, জীবনযাপন করে এবং মারা যায়। সুতরাং, তার উচিত জীবনটা যথাযথভাবে যাপন করা।
**১৯৩৪ সালে ব্যাঙ্গালোরে একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায়। উৎস: {{Cite journal|last=সিং|first=আর|date=2010|title=Letters to the Editor: Indian scientists vs. science and religion|url=http://www.scienceandculture-isna.org/july-aug10/Letter%20to%20editors.pdf|journal=Science and Culture|volume=76|issue=7-8|pages=206|via=}}
*যদি ঈশ্বর বলে কেউ থাকেন, তবে আমাদের তাকে এই মহাবিশ্বেই খুঁজতে হবে। তিনি যদি এখানে না থাকেন, তবে তাকে খোঁজার কোনো অর্থ নেই। বিভিন্ন মহলে আমাকে নাস্তিক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কিন্তু আমি তা নই। জ্যোতির্বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবর্ধমান আবিষ্কারগুলো ঈশ্বরের আরও আরও প্রকাশ বলে মনে হচ্ছে। মহাত্মাজি, ধর্মসমূহ এক হতে পারে না। বিজ্ঞানই এক পূর্ণাঙ্গ বন্ধুত্বের সর্বোত্তম সুযোগ করে দেয়। বিজ্ঞানের সকল মানুষ ভাই ভাই।
**১৯৪৫ সালে [[মহাত্মা গান্ধী]] এবং গিলবার্ট রাহমের সাথে তার কথোপকথন। উৎস: {{Cite book|last=জয়ারামন|first=এ|url=https://www.worldcat.org/oclc/21675106|title=Chandrasekhara Venkata Raman: A Memoir|date=1989|publisher=Indian Academy of Sciences|year=|isbn=81-85336-24-5|location=Bengaluru|pages=143|oclc=21675106}}
2eny0sdqaybfkmibi8qha40fta6ijbe
75522
75520
2026-04-11T03:09:31Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
75522
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]]''' (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার [[w:ভারতরত্ন|ভারতরত্ন]] দিয়ে সম্মানিত করে।
[[File:Sir CV Raman.JPG|thumb|সি. ভি. রামন]]
==উক্তি==
*স্বর্গ নেই, নরক নেই, পুনর্জন্ম নেই এবং অমরত্বও নেই। একমাত্র সত্য এই যে, মানুষ জন্মায়, জীবনযাপন করে এবং মারা যায়। সুতরাং, তার উচিত জীবনটা যথাযথভাবে যাপন করা।
**১৯৩৪ সালে ব্যাঙ্গালোরে একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায়। উৎস: {{Cite journal|last=সিং|first=আর|date=2010|title=Letters to the Editor: Indian scientists vs. science and religion|url=http://www.scienceandculture-isna.org/july-aug10/Letter%20to%20editors.pdf|journal=Science and Culture|volume=76|issue=7-8|pages=206|via=}}
*যদি ঈশ্বর বলে কেউ থাকেন, তবে আমাদের তাকে এই মহাবিশ্বেই খুঁজতে হবে। তিনি যদি এখানে না থাকেন, তবে তাকে খোঁজার কোনো অর্থ নেই। বিভিন্ন মহলে আমাকে নাস্তিক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কিন্তু আমি তা নই। জ্যোতির্বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবর্ধমান আবিষ্কারগুলো ঈশ্বরের আরও আরও প্রকাশ বলে মনে হচ্ছে। মহাত্মাজি, ধর্মসমূহ এক হতে পারে না। বিজ্ঞানই এক পূর্ণাঙ্গ বন্ধুত্বের সর্বোত্তম সুযোগ করে দেয়। বিজ্ঞানের সকল মানুষ ভাই ভাই।
**১৯৪৫ সালে [[মহাত্মা গান্ধী]] এবং গিলবার্ট রাহমের সাথে তার কথোপকথন। উৎস: {{Cite book|last=জয়ারামন|first=এ|url=https://www.worldcat.org/oclc/21675106|title=Chandrasekhara Venkata Raman: A Memoir|date=1989|publisher=Indian Academy of Sciences|year=|isbn=81-85336-24-5|location=Bengaluru|pages=143|oclc=21675106}}
*চারিদিকে তাকিয়ে পরিস্থিতি বিচার করে আমার মনে হচ্ছে যে, আমাদের দেশের সামনে আসল বিপদ হলো সরকারি কর্তৃত্বের স্টিমরোলার দিয়ে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও উদ্যোগের নিষ্পেষণ। এরই মধ্যে আমরা এর ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছি... সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো আইন প্রণয়ন এবং শিল্প উন্নয়নের ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে প্রণীত কর ও অন্যান্য বিল পাসের মাধ্যমে... ব্যক্তি স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র ভণ্ডামি ও বিভ্রম মাত্র।
kixxn66io4988oz2dagkxqt3fbuhw4m
75523
75522
2026-04-11T03:12:03Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
75523
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]]''' (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার [[w:ভারতরত্ন|ভারতরত্ন]] দিয়ে সম্মানিত করে।
[[File:Sir CV Raman.JPG|thumb|সি. ভি. রামন]]
==উক্তি==
*স্বর্গ নেই, নরক নেই, পুনর্জন্ম নেই এবং অমরত্বও নেই। একমাত্র সত্য এই যে, মানুষ জন্মায়, জীবনযাপন করে এবং মারা যায়। সুতরাং, তার উচিত জীবনটা যথাযথভাবে যাপন করা।
**১৯৩৪ সালে ব্যাঙ্গালোরে একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায়। উৎস: {{Cite journal|last=সিং|first=আর|date=2010|title=Letters to the Editor: Indian scientists vs. science and religion|url=http://www.scienceandculture-isna.org/july-aug10/Letter%20to%20editors.pdf|journal=Science and Culture|volume=76|issue=7-8|pages=206|via=}}
*যদি ঈশ্বর বলে কেউ থাকেন, তবে আমাদের তাকে এই মহাবিশ্বেই খুঁজতে হবে। তিনি যদি এখানে না থাকেন, তবে তাকে খোঁজার কোনো অর্থ নেই। বিভিন্ন মহলে আমাকে নাস্তিক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কিন্তু আমি তা নই। জ্যোতির্বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবর্ধমান আবিষ্কারগুলো ঈশ্বরের আরও আরও প্রকাশ বলে মনে হচ্ছে। মহাত্মাজি, ধর্মসমূহ এক হতে পারে না। বিজ্ঞানই এক পূর্ণাঙ্গ বন্ধুত্বের সর্বোত্তম সুযোগ করে দেয়। বিজ্ঞানের সকল মানুষ ভাই ভাই।
**১৯৪৫ সালে [[মহাত্মা গান্ধী]] এবং গিলবার্ট রাহমের সাথে তার কথোপকথন। উৎস: {{Cite book|last=জয়ারামন|first=এ|url=https://www.worldcat.org/oclc/21675106|title=Chandrasekhara Venkata Raman: A Memoir|date=1989|publisher=Indian Academy of Sciences|year=|isbn=81-85336-24-5|location=Bengaluru|pages=143|oclc=21675106}}
*চারিদিকে তাকিয়ে পরিস্থিতি বিচার করে আমার মনে হচ্ছে যে, আমাদের দেশের সামনে আসল বিপদ হলো সরকারি কর্তৃত্বের স্টিমরোলার দিয়ে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও উদ্যোগের নিষ্পেষণ। এরই মধ্যে আমরা এর ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছি... সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো আইন প্রণয়ন এবং শিল্প উন্নয়নের ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে প্রণীত কর ও অন্যান্য বিল পাসের মাধ্যমে... ব্যক্তি স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র ভণ্ডামি ও বিভ্রম মাত্র।
**১৫ আগস্ট ১৯৫৪ তারিখে [[w:ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস|ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে]] দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে।
kdqovrcx824l0i7hxonhvh0bcvx5wip
75524
75523
2026-04-11T03:12:56Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
75524
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]]''' (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার [[w:ভারতরত্ন|ভারতরত্ন]] দিয়ে সম্মানিত করে।
[[File:Sir CV Raman.JPG|thumb|সি. ভি. রামন]]
==উক্তি==
*স্বর্গ নেই, নরক নেই, পুনর্জন্ম নেই এবং অমরত্বও নেই। একমাত্র সত্য এই যে, মানুষ জন্মায়, জীবনযাপন করে এবং মারা যায়। সুতরাং, তার উচিত জীবনটা যথাযথভাবে যাপন করা।
**১৯৩৪ সালে ব্যাঙ্গালোরে একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায়। উৎস: {{Cite journal|last=সিং|first=আর|date=2010|title=Letters to the Editor: Indian scientists vs. science and religion|url=http://www.scienceandculture-isna.org/july-aug10/Letter%20to%20editors.pdf|journal=Science and Culture|volume=76|issue=7-8|pages=206|via=}}
*যদি ঈশ্বর বলে কেউ থাকেন, তবে আমাদের তাকে এই মহাবিশ্বেই খুঁজতে হবে। তিনি যদি এখানে না থাকেন, তবে তাকে খোঁজার কোনো অর্থ নেই। বিভিন্ন মহলে আমাকে নাস্তিক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কিন্তু আমি তা নই। জ্যোতির্বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবর্ধমান আবিষ্কারগুলো ঈশ্বরের আরও আরও প্রকাশ বলে মনে হচ্ছে। মহাত্মাজি, ধর্মসমূহ এক হতে পারে না। বিজ্ঞানই এক পূর্ণাঙ্গ বন্ধুত্বের সর্বোত্তম সুযোগ করে দেয়। বিজ্ঞানের সকল মানুষ ভাই ভাই।
**১৯৪৫ সালে [[মহাত্মা গান্ধী]] এবং গিলবার্ট রাহমের সাথে তার কথোপকথন। উৎস: {{Cite book|last=জয়ারামন|first=এ|url=https://www.worldcat.org/oclc/21675106|title=Chandrasekhara Venkata Raman: A Memoir|date=1989|publisher=Indian Academy of Sciences|year=|isbn=81-85336-24-5|location=Bengaluru|pages=143|oclc=21675106}}
*চারিদিকে তাকিয়ে পরিস্থিতি বিচার করে আমার মনে হচ্ছে যে, আমাদের দেশের সামনে আসল বিপদ হলো সরকারি কর্তৃত্বের স্টিমরোলার দিয়ে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও উদ্যোগের নিষ্পেষণ। এরই মধ্যে আমরা এর ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছি... সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো আইন প্রণয়ন এবং শিল্প উন্নয়নের ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে প্রণীত কর ও অন্যান্য বিল পাসের মাধ্যমে... ব্যক্তি স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র ভণ্ডামি ও বিভ্রম মাত্র।
**১৫ আগস্ট ১৯৫৪ তারিখে [[w:ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস|ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে]] দেওয়া [http://books.google.com.kh/books?id=RbgXRdnHkiAC&pg=PA224&lpg=PA224&dq=cv+raman+looking+down+and+sizing+the+situation&source=bl&ots=preDjltao8&sig=J4b2YkQoKPAZiK9iofszC60u5Ss&hl=en&sa=X&ei=yrLtU_6mGsrn8AXfjYL4DA&redir_esc=y এক সাক্ষাৎকারে।]
866831nxwx2zmoypqomw290autqbzh9
75526
75524
2026-04-11T03:15:10Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
75526
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]]''' (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার [[w:ভারতরত্ন|ভারতরত্ন]] দিয়ে সম্মানিত করে।
[[File:Sir CV Raman.JPG|thumb|সি. ভি. রামন]]
==উক্তি==
*স্বর্গ নেই, নরক নেই, পুনর্জন্ম নেই এবং অমরত্বও নেই। একমাত্র সত্য এই যে, মানুষ জন্মায়, জীবনযাপন করে এবং মারা যায়। সুতরাং, তার উচিত জীবনটা যথাযথভাবে যাপন করা।
**১৯৩৪ সালে ব্যাঙ্গালোরে একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায়। উৎস: {{Cite journal|last=সিং|first=আর|date=2010|title=Letters to the Editor: Indian scientists vs. science and religion|url=http://www.scienceandculture-isna.org/july-aug10/Letter%20to%20editors.pdf|journal=Science and Culture|volume=76|issue=7-8|pages=206|via=}}
*যদি ঈশ্বর বলে কেউ থাকেন, তবে আমাদের তাকে এই মহাবিশ্বেই খুঁজতে হবে। তিনি যদি এখানে না থাকেন, তবে তাকে খোঁজার কোনো অর্থ নেই। বিভিন্ন মহলে আমাকে নাস্তিক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কিন্তু আমি তা নই। জ্যোতির্বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবর্ধমান আবিষ্কারগুলো ঈশ্বরের আরও আরও প্রকাশ বলে মনে হচ্ছে। মহাত্মাজি, ধর্মসমূহ এক হতে পারে না। বিজ্ঞানই এক পূর্ণাঙ্গ বন্ধুত্বের সর্বোত্তম সুযোগ করে দেয়। বিজ্ঞানের সকল মানুষ ভাই ভাই।
**১৯৪৫ সালে [[মহাত্মা গান্ধী]] এবং গিলবার্ট রাহমের সাথে তার কথোপকথন। উৎস: {{Cite book|last=জয়ারামন|first=এ|url=https://www.worldcat.org/oclc/21675106|title=Chandrasekhara Venkata Raman: A Memoir|date=1989|publisher=Indian Academy of Sciences|year=|isbn=81-85336-24-5|location=Bengaluru|pages=143|oclc=21675106}}
*চারিদিকে তাকিয়ে পরিস্থিতি বিচার করে আমার মনে হচ্ছে যে, আমাদের দেশের সামনে আসল বিপদ হলো সরকারি কর্তৃত্বের স্টিমরোলার দিয়ে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও উদ্যোগের নিষ্পেষণ। এরই মধ্যে আমরা এর ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছি... সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো আইন প্রণয়ন এবং শিল্প উন্নয়নের ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে প্রণীত কর ও অন্যান্য বিল পাসের মাধ্যমে... ব্যক্তি স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র ভণ্ডামি ও বিভ্রম মাত্র।
**১৫ আগস্ট ১৯৫৪ তারিখে [[w:ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস|ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে]] দেওয়া [http://books.google.com.kh/books?id=RbgXRdnHkiAC&pg=PA224&lpg=PA224&dq=cv+raman+looking+down+and+sizing+the+situation&source=bl&ots=preDjltao8&sig=J4b2YkQoKPAZiK9iofszC60u5Ss&hl=en&sa=X&ei=yrLtU_6mGsrn8AXfjYL4DA&redir_esc=y এক সাক্ষাৎকারে।]
*সাবানের বুদবুদের উজ্জ্বল রঙগুলো দেখো!
সমুদ্র নীল কেন?
হীরা কিসে ঝকমক করে!
সঠিক প্রশ্নগুলো করো, আর প্রকৃতি তার রহস্যের দরজা খুলে দেবে।
i2hcmow374syuwq9c66osk8gpg764xh
75527
75526
2026-04-11T03:16:49Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
75527
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]]''' (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার [[w:ভারতরত্ন|ভারতরত্ন]] দিয়ে সম্মানিত করে।
[[File:Sir CV Raman.JPG|thumb|সি. ভি. রামন]]
==উক্তি==
*স্বর্গ নেই, নরক নেই, পুনর্জন্ম নেই এবং অমরত্বও নেই। একমাত্র সত্য এই যে, মানুষ জন্মায়, জীবনযাপন করে এবং মারা যায়। সুতরাং, তার উচিত জীবনটা যথাযথভাবে যাপন করা।
**১৯৩৪ সালে ব্যাঙ্গালোরে একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায়। উৎস: {{Cite journal|last=সিং|first=আর|date=2010|title=Letters to the Editor: Indian scientists vs. science and religion|url=http://www.scienceandculture-isna.org/july-aug10/Letter%20to%20editors.pdf|journal=Science and Culture|volume=76|issue=7-8|pages=206|via=}}
*যদি ঈশ্বর বলে কেউ থাকেন, তবে আমাদের তাকে এই মহাবিশ্বেই খুঁজতে হবে। তিনি যদি এখানে না থাকেন, তবে তাকে খোঁজার কোনো অর্থ নেই। বিভিন্ন মহলে আমাকে নাস্তিক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কিন্তু আমি তা নই। জ্যোতির্বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবর্ধমান আবিষ্কারগুলো ঈশ্বরের আরও আরও প্রকাশ বলে মনে হচ্ছে। মহাত্মাজি, ধর্মসমূহ এক হতে পারে না। বিজ্ঞানই এক পূর্ণাঙ্গ বন্ধুত্বের সর্বোত্তম সুযোগ করে দেয়। বিজ্ঞানের সকল মানুষ ভাই ভাই।
**১৯৪৫ সালে [[মহাত্মা গান্ধী]] এবং গিলবার্ট রাহমের সাথে তার কথোপকথন। উৎস: {{Cite book|last=জয়ারামন|first=এ|url=https://www.worldcat.org/oclc/21675106|title=Chandrasekhara Venkata Raman: A Memoir|date=1989|publisher=Indian Academy of Sciences|year=|isbn=81-85336-24-5|location=Bengaluru|pages=143|oclc=21675106}}
*চারিদিকে তাকিয়ে পরিস্থিতি বিচার করে আমার মনে হচ্ছে যে, আমাদের দেশের সামনে আসল বিপদ হলো সরকারি কর্তৃত্বের স্টিমরোলার দিয়ে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও উদ্যোগের নিষ্পেষণ। এরই মধ্যে আমরা এর ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছি... সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো আইন প্রণয়ন এবং শিল্প উন্নয়নের ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে প্রণীত কর ও অন্যান্য বিল পাসের মাধ্যমে... ব্যক্তি স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র ভণ্ডামি ও বিভ্রম মাত্র।
**১৫ আগস্ট ১৯৫৪ তারিখে [[w:ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস|ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে]] দেওয়া [http://books.google.com.kh/books?id=RbgXRdnHkiAC&pg=PA224&lpg=PA224&dq=cv+raman+looking+down+and+sizing+the+situation&source=bl&ots=preDjltao8&sig=J4b2YkQoKPAZiK9iofszC60u5Ss&hl=en&sa=X&ei=yrLtU_6mGsrn8AXfjYL4DA&redir_esc=y এক সাক্ষাৎকারে।]
*সাবানের বুদবুদের উজ্জ্বল রঙগুলো দেখো!<br>সমুদ্র নীল কেন?<br>হীরা কিসে ঝকমক করে!<br>সঠিক প্রশ্নগুলো করো, আর প্রকৃতি তার রহস্যের দরজা খুলে দেবে।
k1cgso5z5oz4p9rcoync2v7k93qfc7c
75528
75527
2026-04-11T03:18:28Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
75528
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]]''' (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার [[w:ভারতরত্ন|ভারতরত্ন]] দিয়ে সম্মানিত করে।
[[File:Sir CV Raman.JPG|thumb|সি. ভি. রামন]]
==উক্তি==
*স্বর্গ নেই, নরক নেই, পুনর্জন্ম নেই এবং অমরত্বও নেই। একমাত্র সত্য এই যে, মানুষ জন্মায়, জীবনযাপন করে এবং মারা যায়। সুতরাং, তার উচিত জীবনটা যথাযথভাবে যাপন করা।
**১৯৩৪ সালে ব্যাঙ্গালোরে একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায়। উৎস: {{Cite journal|last=সিং|first=আর|date=2010|title=Letters to the Editor: Indian scientists vs. science and religion|url=http://www.scienceandculture-isna.org/july-aug10/Letter%20to%20editors.pdf|journal=Science and Culture|volume=76|issue=7-8|pages=206|via=}}
*যদি ঈশ্বর বলে কেউ থাকেন, তবে আমাদের তাকে এই মহাবিশ্বেই খুঁজতে হবে। তিনি যদি এখানে না থাকেন, তবে তাকে খোঁজার কোনো অর্থ নেই। বিভিন্ন মহলে আমাকে নাস্তিক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কিন্তু আমি তা নই। জ্যোতির্বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবর্ধমান আবিষ্কারগুলো ঈশ্বরের আরও আরও প্রকাশ বলে মনে হচ্ছে। মহাত্মাজি, ধর্মসমূহ এক হতে পারে না। বিজ্ঞানই এক পূর্ণাঙ্গ বন্ধুত্বের সর্বোত্তম সুযোগ করে দেয়। বিজ্ঞানের সকল মানুষ ভাই ভাই।
**১৯৪৫ সালে [[মহাত্মা গান্ধী]] এবং গিলবার্ট রাহমের সাথে তার কথোপকথন। উৎস: {{Cite book|last=জয়ারামন|first=এ|url=https://www.worldcat.org/oclc/21675106|title=Chandrasekhara Venkata Raman: A Memoir|date=1989|publisher=Indian Academy of Sciences|year=|isbn=81-85336-24-5|location=Bengaluru|pages=143|oclc=21675106}}
*চারিদিকে তাকিয়ে পরিস্থিতি বিচার করে আমার মনে হচ্ছে যে, আমাদের দেশের সামনে আসল বিপদ হলো সরকারি কর্তৃত্বের স্টিমরোলার দিয়ে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও উদ্যোগের নিষ্পেষণ। এরই মধ্যে আমরা এর ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছি... সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো আইন প্রণয়ন এবং শিল্প উন্নয়নের ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে প্রণীত কর ও অন্যান্য বিল পাসের মাধ্যমে... ব্যক্তি স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র ভণ্ডামি ও বিভ্রম মাত্র।
**১৫ আগস্ট ১৯৫৪ তারিখে [[w:ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস|ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে]] দেওয়া [http://books.google.com.kh/books?id=RbgXRdnHkiAC&pg=PA224&lpg=PA224&dq=cv+raman+looking+down+and+sizing+the+situation&source=bl&ots=preDjltao8&sig=J4b2YkQoKPAZiK9iofszC60u5Ss&hl=en&sa=X&ei=yrLtU_6mGsrn8AXfjYL4DA&redir_esc=y এক সাক্ষাৎকারে।]
*সাবানের বুদবুদের উজ্জ্বল রঙগুলো দেখো!<br>সমুদ্র নীল কেন?<br>হীরা কিসে ঝকমক করে!<br>সঠিক প্রশ্নগুলো করো, আর প্রকৃতি তার রহস্যের দরজা খুলে দেবে।
**{{cite book|last= Parameswaran |first=Uma |title=C.V. Raman: A Biography|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=Penguin Books India|isbn=978-0-14-306689-7}} page=xiii
e728e9timjmmy1omdr41fc8zsrigdfl
75547
75528
2026-04-11T04:57:53Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
75547
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]]''' (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার [[w:ভারতরত্ন|ভারতরত্ন]] দিয়ে সম্মানিত করে।
[[File:Sir CV Raman.JPG|thumb|সি. ভি. রামন]]
==উক্তি==
*স্বর্গ নেই, নরক নেই, পুনর্জন্ম নেই এবং অমরত্বও নেই। একমাত্র সত্য এই যে, মানুষ জন্মায়, জীবনযাপন করে এবং মারা যায়। সুতরাং, তার উচিত জীবনটা যথাযথভাবে যাপন করা।
**১৯৩৪ সালে ব্যাঙ্গালোরে একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায়। উৎস: {{Cite journal|last=সিং|first=আর|date=2010|title=Letters to the Editor: Indian scientists vs. science and religion|url=http://www.scienceandculture-isna.org/july-aug10/Letter%20to%20editors.pdf|journal=Science and Culture|volume=76|issue=7-8|pages=206|via=}}
*যদি ঈশ্বর বলে কেউ থাকেন, তবে আমাদের তাকে এই মহাবিশ্বেই খুঁজতে হবে। তিনি যদি এখানে না থাকেন, তবে তাকে খোঁজার কোনো অর্থ নেই। বিভিন্ন মহলে আমাকে নাস্তিক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কিন্তু আমি তা নই। জ্যোতির্বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবর্ধমান আবিষ্কারগুলো ঈশ্বরের আরও আরও প্রকাশ বলে মনে হচ্ছে। মহাত্মাজি, ধর্মসমূহ এক হতে পারে না। বিজ্ঞানই এক পূর্ণাঙ্গ বন্ধুত্বের সর্বোত্তম সুযোগ করে দেয়। বিজ্ঞানের সকল মানুষ ভাই ভাই।
**১৯৪৫ সালে [[মহাত্মা গান্ধী]] এবং গিলবার্ট রাহমের সাথে তার কথোপকথন। উৎস: {{Cite book|last=জয়ারামন|first=এ|url=https://www.worldcat.org/oclc/21675106|title=Chandrasekhara Venkata Raman: A Memoir|date=1989|publisher=Indian Academy of Sciences|year=|isbn=81-85336-24-5|location=Bengaluru|pages=143|oclc=21675106}}
*চারিদিকে তাকিয়ে পরিস্থিতি বিচার করে আমার মনে হচ্ছে যে, আমাদের দেশের সামনে আসল বিপদ হলো সরকারি কর্তৃত্বের স্টিমরোলার দিয়ে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও উদ্যোগের নিষ্পেষণ। এরই মধ্যে আমরা এর ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছি... সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো আইন প্রণয়ন এবং শিল্প উন্নয়নের ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে প্রণীত কর ও অন্যান্য বিল পাসের মাধ্যমে... ব্যক্তি স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র ভণ্ডামি ও বিভ্রম মাত্র।
**১৫ আগস্ট ১৯৫৪ তারিখে [[w:ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস|ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে]] দেওয়া [http://books.google.com.kh/books?id=RbgXRdnHkiAC&pg=PA224&lpg=PA224&dq=cv+raman+looking+down+and+sizing+the+situation&source=bl&ots=preDjltao8&sig=J4b2YkQoKPAZiK9iofszC60u5Ss&hl=en&sa=X&ei=yrLtU_6mGsrn8AXfjYL4DA&redir_esc=y এক সাক্ষাৎকারে।]
*সাবানের বুদবুদের উজ্জ্বল রঙগুলো দেখো!<br>সমুদ্র নীল কেন?<br>হীরা কিসে ঝকমক করে!<br>সঠিক প্রশ্নগুলো করো, আর প্রকৃতি তার রহস্যের দরজা খুলে দেবে।
**{{cite book|last= Parameswaran |first=Uma |title=C.V. Raman: A Biography|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=Penguin Books India|isbn=978-0-14-306689-7}} page=xiii
*সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সবচেয়ে মৌলিক এবং গভীরতম অনুসন্ধানগুলো হলো সেইসব অনুসন্ধান, যা মানুষের জীবন ও কর্মকাণ্ডকে সবচেয়ে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। সেইসব বিজ্ঞানীই শেষ পর্যন্ত মানবজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ হিতৈষী হিসেবে প্রমাণিত হন, যারা এটা-ওটা উৎপাদনের লক্ষ্যে নয়,বরং কেবল জ্ঞানের অগ্রগতির একমাত্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে পরিশ্রম করেন।
chwaorxznqq2cf0p72zgss7gx99ib57
75548
75547
2026-04-11T04:58:46Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
75548
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]]''' (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার [[w:ভারতরত্ন|ভারতরত্ন]] দিয়ে সম্মানিত করে।
[[File:Sir CV Raman.JPG|thumb|সি. ভি. রামন]]
==উক্তি==
*স্বর্গ নেই, নরক নেই, পুনর্জন্ম নেই এবং অমরত্বও নেই। একমাত্র সত্য এই যে, মানুষ জন্মায়, জীবনযাপন করে এবং মারা যায়। সুতরাং, তার উচিত জীবনটা যথাযথভাবে যাপন করা।
**১৯৩৪ সালে ব্যাঙ্গালোরে একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায়। উৎস: {{Cite journal|last=সিং|first=আর|date=2010|title=Letters to the Editor: Indian scientists vs. science and religion|url=http://www.scienceandculture-isna.org/july-aug10/Letter%20to%20editors.pdf|journal=Science and Culture|volume=76|issue=7-8|pages=206|via=}}
*যদি ঈশ্বর বলে কেউ থাকেন, তবে আমাদের তাকে এই মহাবিশ্বেই খুঁজতে হবে। তিনি যদি এখানে না থাকেন, তবে তাকে খোঁজার কোনো অর্থ নেই। বিভিন্ন মহলে আমাকে নাস্তিক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কিন্তু আমি তা নই। জ্যোতির্বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবর্ধমান আবিষ্কারগুলো ঈশ্বরের আরও আরও প্রকাশ বলে মনে হচ্ছে। মহাত্মাজি, ধর্মসমূহ এক হতে পারে না। বিজ্ঞানই এক পূর্ণাঙ্গ বন্ধুত্বের সর্বোত্তম সুযোগ করে দেয়। বিজ্ঞানের সকল মানুষ ভাই ভাই।
**১৯৪৫ সালে [[মহাত্মা গান্ধী]] এবং গিলবার্ট রাহমের সাথে তার কথোপকথন। উৎস: {{Cite book|last=জয়ারামন|first=এ|url=https://www.worldcat.org/oclc/21675106|title=Chandrasekhara Venkata Raman: A Memoir|date=1989|publisher=Indian Academy of Sciences|year=|isbn=81-85336-24-5|location=Bengaluru|pages=143|oclc=21675106}}
*চারিদিকে তাকিয়ে পরিস্থিতি বিচার করে আমার মনে হচ্ছে যে, আমাদের দেশের সামনে আসল বিপদ হলো সরকারি কর্তৃত্বের স্টিমরোলার দিয়ে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও উদ্যোগের নিষ্পেষণ। এরই মধ্যে আমরা এর ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছি... সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো আইন প্রণয়ন এবং শিল্প উন্নয়নের ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে প্রণীত কর ও অন্যান্য বিল পাসের মাধ্যমে... ব্যক্তি স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র ভণ্ডামি ও বিভ্রম মাত্র।
**১৫ আগস্ট ১৯৫৪ তারিখে [[w:ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস|ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে]] দেওয়া [http://books.google.com.kh/books?id=RbgXRdnHkiAC&pg=PA224&lpg=PA224&dq=cv+raman+looking+down+and+sizing+the+situation&source=bl&ots=preDjltao8&sig=J4b2YkQoKPAZiK9iofszC60u5Ss&hl=en&sa=X&ei=yrLtU_6mGsrn8AXfjYL4DA&redir_esc=y এক সাক্ষাৎকারে।]
*সাবানের বুদবুদের উজ্জ্বল রঙগুলো দেখো!<br>সমুদ্র নীল কেন?<br>হীরা কিসে ঝকমক করে!<br>সঠিক প্রশ্নগুলো করো, আর প্রকৃতি তার রহস্যের দরজা খুলে দেবে।
**{{cite book|last= Parameswaran |first=Uma |title=C.V. Raman: A Biography|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=Penguin Books India|isbn=978-0-14-306689-7}} page=xiii
*সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সবচেয়ে মৌলিক এবং গভীরতম অনুসন্ধানগুলো হলো সেইসব অনুসন্ধান, যা মানুষের জীবন ও কর্মকাণ্ডকে সবচেয়ে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। সেইসব বিজ্ঞানীই শেষ পর্যন্ত মানবজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ হিতৈষী হিসেবে প্রমাণিত হন, যারা এটা-ওটা উৎপাদনের লক্ষ্যে নয়,বরং কেবল জ্ঞানের অগ্রগতির একমাত্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে পরিশ্রম করেন।
** {{cite book|last1= Raman |first=C. V. |last2= Chandralekha|title=Why the Sky is Blue: Dr. C.V. Raman Talks about Science|url=http://books.google.com/books?id=LOC3vbnTgHYC&pg=PT1|year=2010|publisher=Tulika Books|isbn=978-81-8146-846-8|page=17}}
ohuxd8kp3ftkd6ro7is0obnuriq3x6t
75549
75548
2026-04-11T05:07:02Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
75549
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]]''' (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার [[w:ভারতরত্ন|ভারতরত্ন]] দিয়ে সম্মানিত করে।
[[File:Sir CV Raman.JPG|thumb|সি. ভি. রামন]]
==উক্তি==
*স্বর্গ নেই, নরক নেই, পুনর্জন্ম নেই এবং অমরত্বও নেই। একমাত্র সত্য এই যে, মানুষ জন্মায়, জীবনযাপন করে এবং মারা যায়। সুতরাং, তার উচিত জীবনটা যথাযথভাবে যাপন করা।
**১৯৩৪ সালে ব্যাঙ্গালোরে একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায়। উৎস: {{Cite journal|last=সিং|first=আর|date=2010|title=Letters to the Editor: Indian scientists vs. science and religion|url=http://www.scienceandculture-isna.org/july-aug10/Letter%20to%20editors.pdf|journal=Science and Culture|volume=76|issue=7-8|pages=206|via=}}
*যদি ঈশ্বর বলে কেউ থাকেন, তবে আমাদের তাকে এই মহাবিশ্বেই খুঁজতে হবে। তিনি যদি এখানে না থাকেন, তবে তাকে খোঁজার কোনো অর্থ নেই। বিভিন্ন মহলে আমাকে নাস্তিক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কিন্তু আমি তা নই। জ্যোতির্বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবর্ধমান আবিষ্কারগুলো ঈশ্বরের আরও আরও প্রকাশ বলে মনে হচ্ছে। মহাত্মাজি, ধর্মসমূহ এক হতে পারে না। বিজ্ঞানই এক পূর্ণাঙ্গ বন্ধুত্বের সর্বোত্তম সুযোগ করে দেয়। বিজ্ঞানের সকল মানুষ ভাই ভাই।
**১৯৪৫ সালে [[মহাত্মা গান্ধী]] এবং গিলবার্ট রাহমের সাথে তার কথোপকথন। উৎস: {{Cite book|last=জয়ারামন|first=এ|url=https://www.worldcat.org/oclc/21675106|title=Chandrasekhara Venkata Raman: A Memoir|date=1989|publisher=Indian Academy of Sciences|year=|isbn=81-85336-24-5|location=Bengaluru|pages=143|oclc=21675106}}
*চারিদিকে তাকিয়ে পরিস্থিতি বিচার করে আমার মনে হচ্ছে যে, আমাদের দেশের সামনে আসল বিপদ হলো সরকারি কর্তৃত্বের স্টিমরোলার দিয়ে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও উদ্যোগের নিষ্পেষণ। এরই মধ্যে আমরা এর ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছি... সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো আইন প্রণয়ন এবং শিল্প উন্নয়নের ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে প্রণীত কর ও অন্যান্য বিল পাসের মাধ্যমে... ব্যক্তি স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র ভণ্ডামি ও বিভ্রম মাত্র।
**১৫ আগস্ট ১৯৫৪ তারিখে [[w:ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস|ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে]] দেওয়া [http://books.google.com.kh/books?id=RbgXRdnHkiAC&pg=PA224&lpg=PA224&dq=cv+raman+looking+down+and+sizing+the+situation&source=bl&ots=preDjltao8&sig=J4b2YkQoKPAZiK9iofszC60u5Ss&hl=en&sa=X&ei=yrLtU_6mGsrn8AXfjYL4DA&redir_esc=y এক সাক্ষাৎকারে।]
*সাবানের বুদবুদের উজ্জ্বল রঙগুলো দেখো!<br>সমুদ্র নীল কেন?<br>হীরা কিসে ঝকমক করে!<br>সঠিক প্রশ্নগুলো করো, আর প্রকৃতি তার রহস্যের দরজা খুলে দেবে।
**{{cite book|last= Parameswaran |first=Uma |title=C.V. Raman: A Biography|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=Penguin Books India|isbn=978-0-14-306689-7}} page=xiii
*সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সবচেয়ে মৌলিক এবং গভীরতম অনুসন্ধানগুলো হলো সেইসব অনুসন্ধান, যা মানুষের জীবন ও কর্মকাণ্ডকে সবচেয়ে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। সেইসব বিজ্ঞানীই শেষ পর্যন্ত মানবজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ হিতৈষী হিসেবে প্রমাণিত হন, যারা এটা-ওটা উৎপাদনের লক্ষ্যে নয়,বরং কেবল জ্ঞানের অগ্রগতির একমাত্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে পরিশ্রম করেন।
** {{cite book|last1= Raman |first=C. V. |last2= Chandralekha|title=Why the Sky is Blue: Dr. C.V. Raman Talks about Science|url=http://books.google.com/books?id=LOC3vbnTgHYC&pg=PT1|year=2010|publisher=Tulika Books|isbn=978-81-8146-846-8|page=17}}
*আপনার সামনে থাকা কাজের প্রতি সাহসী নিষ্ঠার মাধ্যমেই সাফল্য আসতে পারে। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে পারি যে, ভারতীয় মনের গুণাবলী যেকোনো টিউটোনিক, নর্ডিক বা অ্যাংলো-স্যাক্সন মনের গুণাবলীর সমান। আমাদের সম্ভবত সাহসের অভাব, আমাদের সেই চালিকাশক্তির অভাব যা একজন মানুষকে যেকোনো জায়গায় নিয়ে যেতে পারে। আমার মনে হয়, আমাদের মধ্যে এক ধরনের হীনমন্যতা তৈরি হয়েছে। আমার মনে হয়, আজকের ভারতে যা প্রয়োজন তা হলো এই পরাজয়বাদী মনোভাবের বিনাশ।
mmlxai5umffgllilrc735nin4ao1nus
75553
75549
2026-04-11T05:09:21Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
75553
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]]''' (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার [[w:ভারতরত্ন|ভারতরত্ন]] দিয়ে সম্মানিত করে।
[[File:Sir CV Raman.JPG|thumb|সি. ভি. রামন]]
==উক্তি==
*স্বর্গ নেই, নরক নেই, পুনর্জন্ম নেই এবং অমরত্বও নেই। একমাত্র সত্য এই যে, মানুষ জন্মায়, জীবনযাপন করে এবং মারা যায়। সুতরাং, তার উচিত জীবনটা যথাযথভাবে যাপন করা।
**১৯৩৪ সালে ব্যাঙ্গালোরে একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায়। উৎস: {{Cite journal|last=সিং|first=আর|date=2010|title=Letters to the Editor: Indian scientists vs. science and religion|url=http://www.scienceandculture-isna.org/july-aug10/Letter%20to%20editors.pdf|journal=Science and Culture|volume=76|issue=7-8|pages=206|via=}}
*যদি ঈশ্বর বলে কেউ থাকেন, তবে আমাদের তাকে এই মহাবিশ্বেই খুঁজতে হবে। তিনি যদি এখানে না থাকেন, তবে তাকে খোঁজার কোনো অর্থ নেই। বিভিন্ন মহলে আমাকে নাস্তিক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কিন্তু আমি তা নই। জ্যোতির্বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবর্ধমান আবিষ্কারগুলো ঈশ্বরের আরও আরও প্রকাশ বলে মনে হচ্ছে। মহাত্মাজি, ধর্মসমূহ এক হতে পারে না। বিজ্ঞানই এক পূর্ণাঙ্গ বন্ধুত্বের সর্বোত্তম সুযোগ করে দেয়। বিজ্ঞানের সকল মানুষ ভাই ভাই।
**১৯৪৫ সালে [[মহাত্মা গান্ধী]] এবং গিলবার্ট রাহমের সাথে তার কথোপকথন। উৎস: {{Cite book|last=জয়ারামন|first=এ|url=https://www.worldcat.org/oclc/21675106|title=Chandrasekhara Venkata Raman: A Memoir|date=1989|publisher=Indian Academy of Sciences|year=|isbn=81-85336-24-5|location=Bengaluru|pages=143|oclc=21675106}}
*চারিদিকে তাকিয়ে পরিস্থিতি বিচার করে আমার মনে হচ্ছে যে, আমাদের দেশের সামনে আসল বিপদ হলো সরকারি কর্তৃত্বের স্টিমরোলার দিয়ে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও উদ্যোগের নিষ্পেষণ। এরই মধ্যে আমরা এর ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছি... সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো আইন প্রণয়ন এবং শিল্প উন্নয়নের ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে প্রণীত কর ও অন্যান্য বিল পাসের মাধ্যমে... ব্যক্তি স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র ভণ্ডামি ও বিভ্রম মাত্র।
**১৫ আগস্ট ১৯৫৪ তারিখে [[w:ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস|ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে]] দেওয়া [http://books.google.com.kh/books?id=RbgXRdnHkiAC&pg=PA224&lpg=PA224&dq=cv+raman+looking+down+and+sizing+the+situation&source=bl&ots=preDjltao8&sig=J4b2YkQoKPAZiK9iofszC60u5Ss&hl=en&sa=X&ei=yrLtU_6mGsrn8AXfjYL4DA&redir_esc=y এক সাক্ষাৎকারে।]
*সাবানের বুদবুদের উজ্জ্বল রঙগুলো দেখো!<br>সমুদ্র নীল কেন?<br>হীরা কিসে ঝকমক করে!<br>সঠিক প্রশ্নগুলো করো, আর প্রকৃতি তার রহস্যের দরজা খুলে দেবে।
**{{cite book|last= Parameswaran |first=Uma |title=C.V. Raman: A Biography|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=Penguin Books India|isbn=978-0-14-306689-7}} page=xiii
*সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সবচেয়ে মৌলিক এবং গভীরতম অনুসন্ধানগুলো হলো সেইসব অনুসন্ধান, যা মানুষের জীবন ও কর্মকাণ্ডকে সবচেয়ে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। সেইসব বিজ্ঞানীই শেষ পর্যন্ত মানবজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ হিতৈষী হিসেবে প্রমাণিত হন, যারা এটা-ওটা উৎপাদনের লক্ষ্যে নয়,বরং কেবল জ্ঞানের অগ্রগতির একমাত্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে পরিশ্রম করেন।
** {{cite book|last1= Raman |first=C. V. |last2= Chandralekha|title=Why the Sky is Blue: Dr. C.V. Raman Talks about Science|url=http://books.google.com/books?id=LOC3vbnTgHYC&pg=PT1|year=2010|publisher=Tulika Books|isbn=978-81-8146-846-8|page=17}}
*আপনার সামনে থাকা কাজের প্রতি সাহসী নিষ্ঠার মাধ্যমেই সাফল্য আসতে পারে। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে পারি যে, ভারতীয় মনের গুণাবলী যেকোনো টিউটোনিক, নর্ডিক বা অ্যাংলো-স্যাক্সন মনের গুণাবলীর সমান। আমাদের সম্ভবত সাহসের অভাব, আমাদের সেই চালিকাশক্তির অভাব যা একজন মানুষকে যেকোনো জায়গায় নিয়ে যেতে পারে। আমার মনে হয়, আমাদের মধ্যে এক ধরনের হীনমন্যতা তৈরি হয়েছে। আমার মনে হয়, আজকের ভারতে যা প্রয়োজন তা হলো এই পরাজয়বাদী মনোভাবের বিনাশ।
**১৯৬৯ সালে তরুণ স্নাতকদের উদ্দেশে দেওয়া তার ভাষণ। {{cite book|last=Kalam|first=A P J Abdul|title=Ignited Minds: Unleashing The Power Within India|url=http://books.google.com/books?id=_PdboDsin90C&pg=PA28|date=1 September 2010|publisher=Pearson Education India|isbn=978-81-317-2960-1|pages=28–29}}
gvu3p6egfixzjmf5kn20to00zj5h9m6
75562
75553
2026-04-11T05:19:39Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
75562
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]]''' (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার [[w:ভারতরত্ন|ভারতরত্ন]] দিয়ে সম্মানিত করে।
[[File:Sir CV Raman.JPG|thumb|সি. ভি. রামন]]
==উক্তি==
*স্বর্গ নেই, নরক নেই, পুনর্জন্ম নেই এবং অমরত্বও নেই। একমাত্র সত্য এই যে, মানুষ জন্মায়, জীবনযাপন করে এবং মারা যায়। সুতরাং, তার উচিত জীবনটা যথাযথভাবে যাপন করা।
**১৯৩৪ সালে ব্যাঙ্গালোরে একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায়। উৎস: {{Cite journal|last=সিং|first=আর|date=2010|title=লেটারস টু দ্যা এডিটর: ইন্ডিয়ান সায়েন্টিস্টস ভার্সাস সায়েন্স অ্যান্ড রিলিজিয়ন|url=http://www.scienceandculture-isna.org/july-aug10/Letter%20to%20editors.pdf|journal=সায়েন্স অ্যান্ড কালচার|volume=৭৬|issue=৭-৮|pages=২০৬|via=}}
*যদি ঈশ্বর বলে কেউ থাকেন, তবে আমাদের তাকে এই মহাবিশ্বেই খুঁজতে হবে। তিনি যদি এখানে না থাকেন, তবে তাকে খোঁজার কোনো অর্থ নেই। বিভিন্ন মহলে আমাকে নাস্তিক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কিন্তু আমি তা নই। জ্যোতির্বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবর্ধমান আবিষ্কারগুলো ঈশ্বরের আরও আরও প্রকাশ বলে মনে হচ্ছে। মহাত্মাজি, ধর্মসমূহ এক হতে পারে না। বিজ্ঞানই এক পূর্ণাঙ্গ বন্ধুত্বের সর্বোত্তম সুযোগ করে দেয়। বিজ্ঞানের সকল মানুষ ভাই ভাই।
**১৯৪৫ সালে [[মহাত্মা গান্ধী]] এবং গিলবার্ট রাহমের সাথে তার কথোপকথন। উৎস: {{Cite book|last=জয়ারামন|first=এ|url=https://www.worldcat.org/oclc/21675106|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: অ্যা মেমোয়ার|date=১৯৮৯|publisher=ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস|year=|isbn=81-85336-24-5|location=বেঙ্গালুরু|pages=১৪৩|oclc=21675106}}
*চারিদিকে তাকিয়ে পরিস্থিতি বিচার করে আমার মনে হচ্ছে যে, আমাদের দেশের সামনে আসল বিপদ হলো সরকারি কর্তৃত্বের স্টিমরোলার দিয়ে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও উদ্যোগের নিষ্পেষণ। এরই মধ্যে আমরা এর ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছি... সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো আইন প্রণয়ন এবং শিল্প উন্নয়নের ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে প্রণীত কর ও অন্যান্য বিল পাসের মাধ্যমে... ব্যক্তি স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র ভণ্ডামি ও বিভ্রম মাত্র।
**১৫ আগস্ট ১৯৫৪ তারিখে [[w:ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস|ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে]] দেওয়া [http://books.google.com.kh/books?id=RbgXRdnHkiAC&pg=PA224&lpg=PA224&dq=cv+raman+looking+down+and+sizing+the+situation&source=bl&ots=preDjltao8&sig=J4b2YkQoKPAZiK9iofszC60u5Ss&hl=en&sa=X&ei=yrLtU_6mGsrn8AXfjYL4DA&redir_esc=y এক সাক্ষাৎকারে।]
*সাবানের বুদবুদের উজ্জ্বল রঙগুলো দেখো!<br>সমুদ্র নীল কেন?<br>হীরা কিসে ঝকমক করে!<br>সঠিক প্রশ্নগুলো করো, আর প্রকৃতি তার রহস্যের দরজা খুলে দেবে।
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} page=xiii
*সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সবচেয়ে মৌলিক এবং গভীরতম অনুসন্ধানগুলো হলো সেইসব অনুসন্ধান, যা মানুষের জীবন ও কর্মকাণ্ডকে সবচেয়ে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। সেইসব বিজ্ঞানীই শেষ পর্যন্ত মানবজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ হিতৈষী হিসেবে প্রমাণিত হন, যারা এটা-ওটা উৎপাদনের লক্ষ্যে নয়,বরং কেবল জ্ঞানের অগ্রগতির একমাত্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে পরিশ্রম করেন।
** {{cite book|last1= রামন |first1=সি. ভি. |last2= চন্দ্রলেখা|title=হোয়াই দি স্কাই ইস ব্লু: ড. সি.ভি. রামন টকস অ্যাবাউট সায়েন্স|url=http://books.google.com/books?id=LOC3vbnTgHYC&pg=PT1|year=2010|publisher=তুলিকা বুকস|isbn=978-81-8146-846-8|page=১৭}}
*আপনার সামনে থাকা কাজের প্রতি সাহসী নিষ্ঠার মাধ্যমেই সাফল্য আসতে পারে। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে পারি যে, ভারতীয় মনের গুণাবলী যেকোনো টিউটোনিক, নর্ডিক বা অ্যাংলো-স্যাক্সন মনের গুণাবলীর সমান। আমাদের সম্ভবত সাহসের অভাব, আমাদের সেই চালিকাশক্তির অভাব যা একজন মানুষকে যেকোনো জায়গায় নিয়ে যেতে পারে। আমার মনে হয়, আমাদের মধ্যে এক ধরনের হীনমন্যতা তৈরি হয়েছে। আমার মনে হয়, আজকের ভারতে যা প্রয়োজন তা হলো এই পরাজয়বাদী মনোভাবের বিনাশ।
**১৯৬৯ সালে তরুণ স্নাতকদের উদ্দেশে দেওয়া তার ভাষণ। {{cite book|last=কালাম|first=এ পি জে আবদুল|title=ইগনাইটেড মাইন্ডস: আনলিশিং দি পাওয়ার উইদিন ইন্ডিয়া|url=http://books.google.com/books?id=_PdboDsin90C&pg=PA28|date=1 September 2010|publisher=পিয়ারসন এডুকেশন ইন্ডিয়া|isbn=978-81-317-2960-1|pages=২৮–২৯}}
8pf210v2dgriat52hawua24w8ipn9wc
75567
75562
2026-04-11T05:30:07Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
75567
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]]''' (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার [[w:ভারতরত্ন|ভারতরত্ন]] দিয়ে সম্মানিত করে।
[[File:Sir CV Raman.JPG|thumb|সি. ভি. রামন]]
==উক্তি==
*স্বর্গ নেই, নরক নেই, পুনর্জন্ম নেই এবং অমরত্বও নেই। একমাত্র সত্য এই যে, মানুষ জন্মায়, জীবনযাপন করে এবং মারা যায়। সুতরাং, তার উচিত জীবনটা যথাযথভাবে যাপন করা।
**১৯৩৪ সালে ব্যাঙ্গালোরে একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায়। উৎস: {{Cite journal|last=সিং|first=আর|date=2010|title=লেটারস টু দ্যা এডিটর: ইন্ডিয়ান সায়েন্টিস্টস ভার্সাস সায়েন্স অ্যান্ড রিলিজিয়ন|url=http://www.scienceandculture-isna.org/july-aug10/Letter%20to%20editors.pdf|journal=সায়েন্স অ্যান্ড কালচার|volume=৭৬|issue=৭-৮|pages=২০৬|via=}}
*যদি ঈশ্বর বলে কেউ থাকেন, তবে আমাদের তাকে এই মহাবিশ্বেই খুঁজতে হবে। তিনি যদি এখানে না থাকেন, তবে তাকে খোঁজার কোনো অর্থ নেই। বিভিন্ন মহলে আমাকে নাস্তিক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কিন্তু আমি তা নই। জ্যোতির্বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবর্ধমান আবিষ্কারগুলো ঈশ্বরের আরও আরও প্রকাশ বলে মনে হচ্ছে। মহাত্মাজি, ধর্মসমূহ এক হতে পারে না। বিজ্ঞানই এক পূর্ণাঙ্গ বন্ধুত্বের সর্বোত্তম সুযোগ করে দেয়। বিজ্ঞানের সকল মানুষ ভাই ভাই।
**১৯৪৫ সালে [[মহাত্মা গান্ধী]] এবং গিলবার্ট রাহমের সাথে তার কথোপকথন। উৎস: {{Cite book|last=জয়ারামন|first=এ|url=https://www.worldcat.org/oclc/21675106|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: অ্যা মেমোয়ার|date=১৯৮৯|publisher=ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস|year=|isbn=81-85336-24-5|location=বেঙ্গালুরু|pages=১৪৩|oclc=21675106}}
*চারিদিকে তাকিয়ে পরিস্থিতি বিচার করে আমার মনে হচ্ছে যে, আমাদের দেশের সামনে আসল বিপদ হলো সরকারি কর্তৃত্বের স্টিমরোলার দিয়ে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও উদ্যোগের নিষ্পেষণ। এরই মধ্যে আমরা এর ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছি... সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো আইন প্রণয়ন এবং শিল্প উন্নয়নের ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে প্রণীত কর ও অন্যান্য বিল পাসের মাধ্যমে... ব্যক্তি স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র ভণ্ডামি ও বিভ্রম মাত্র।
**১৫ আগস্ট ১৯৫৪ তারিখে [[w:ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস|ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে]] দেওয়া [http://books.google.com.kh/books?id=RbgXRdnHkiAC&pg=PA224&lpg=PA224&dq=cv+raman+looking+down+and+sizing+the+situation&source=bl&ots=preDjltao8&sig=J4b2YkQoKPAZiK9iofszC60u5Ss&hl=en&sa=X&ei=yrLtU_6mGsrn8AXfjYL4DA&redir_esc=y এক সাক্ষাৎকারে।]
*সাবানের বুদবুদের উজ্জ্বল রঙগুলো দেখো!<br>সমুদ্র নীল কেন?<br>হীরা কিসে ঝকমক করে!<br>সঠিক প্রশ্নগুলো করো, আর প্রকৃতি তার রহস্যের দরজা খুলে দেবে।
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} page=xiii
*সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সবচেয়ে মৌলিক এবং গভীরতম অনুসন্ধানগুলো হলো সেইসব অনুসন্ধান, যা মানুষের জীবন ও কর্মকাণ্ডকে সবচেয়ে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। সেইসব বিজ্ঞানীই শেষ পর্যন্ত মানবজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ হিতৈষী হিসেবে প্রমাণিত হন, যারা এটা-ওটা উৎপাদনের লক্ষ্যে নয়,বরং কেবল জ্ঞানের অগ্রগতির একমাত্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে পরিশ্রম করেন।
** {{cite book|last1= রামন |first1=সি. ভি. |last2= চন্দ্রলেখা|title=হোয়াই দি স্কাই ইস ব্লু: ড. সি.ভি. রামন টকস অ্যাবাউট সায়েন্স|url=http://books.google.com/books?id=LOC3vbnTgHYC&pg=PT1|year=2010|publisher=তুলিকা বুকস|isbn=978-81-8146-846-8|page=১৭}}
*আপনার সামনে থাকা কাজের প্রতি সাহসী নিষ্ঠার মাধ্যমেই সাফল্য আসতে পারে। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে পারি যে, ভারতীয় মনের গুণাবলী যেকোনো টিউটোনিক, নর্ডিক বা অ্যাংলো-স্যাক্সন মনের গুণাবলীর সমান। আমাদের সম্ভবত সাহসের অভাব, আমাদের সেই চালিকাশক্তির অভাব যা একজন মানুষকে যেকোনো জায়গায় নিয়ে যেতে পারে। আমার মনে হয়, আমাদের মধ্যে এক ধরনের হীনমন্যতা তৈরি হয়েছে। আমার মনে হয়, আজকের ভারতে যা প্রয়োজন তা হলো এই পরাজয়বাদী মনোভাবের বিনাশ।
**১৯৬৯ সালে তরুণ স্নাতকদের উদ্দেশে দেওয়া তার ভাষণ। {{cite book|last=কালাম|first=এ পি জে আবদুল|title=ইগনাইটেড মাইন্ডস: আনলিশিং দি পাওয়ার উইদিন ইন্ডিয়া|url=http://books.google.com/books?id=_PdboDsin90C&pg=PA28|date=1 September 2010|publisher=পিয়ারসন এডুকেশন ইন্ডিয়া|isbn=978-81-317-2960-1|pages=২৮–২৯}}
*বিজ্ঞানী শিল্পকলা, নন্দনতত্ত্ব এবং বিজ্ঞানের মধ্যকার যোগসূত্র উদ্ঘাটন করতে চান। বিজ্ঞানী... [প্রকৃতির] অসীম জটিলতাকে কয়েকটি সরল নীতি বা ক্রিয়ার উপাদানে উদ্ঘাটন করতে চান, যেগুলোকে তিনি প্রকৃতির নিয়ম বলে অভিহিত করেন। এই কাজ করতে গিয়ে, শিল্পের অন্যান্য রূপের প্রবক্তাদের মতোই, তিনি নিজেকে এক কঠোর শৃঙ্খলার অধীন করেন, যার নিয়মকানুন তিনি নিজেই নির্ধারণ করেছেন এবং যেগুলোকে তিনি বলেন যুক্তিবিদ্যা...বিজ্ঞান... হলো প্রকৃতির উপস্থাপনার প্রতি নিবেদিত মানুষের নান্দনিক ও বৌদ্ধিক কার্যাবলীর এক সংমিশ্রণ। সুতরাং এটি সৃজনশীল শিল্পের সর্বোচ্চ রূপ।
tritcns2y8wullrjwvqo0ph6ti8j0gr
75569
75567
2026-04-11T05:36:21Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
75569
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]]''' (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার [[w:ভারতরত্ন|ভারতরত্ন]] দিয়ে সম্মানিত করে।
[[File:Sir CV Raman.JPG|thumb|সি. ভি. রামন]]
==উক্তি==
*স্বর্গ নেই, নরক নেই, পুনর্জন্ম নেই এবং অমরত্বও নেই। একমাত্র সত্য এই যে, মানুষ জন্মায়, জীবনযাপন করে এবং মারা যায়। সুতরাং, তার উচিত জীবনটা যথাযথভাবে যাপন করা।
**১৯৩৪ সালে ব্যাঙ্গালোরে একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায়। উৎস: {{Cite journal|last=সিং|first=আর|date=2010|title=লেটারস টু দ্যা এডিটর: ইন্ডিয়ান সায়েন্টিস্টস ভার্সাস সায়েন্স অ্যান্ড রিলিজিয়ন|url=http://www.scienceandculture-isna.org/july-aug10/Letter%20to%20editors.pdf|journal=সায়েন্স অ্যান্ড কালচার|volume=৭৬|issue=৭-৮|pages=২০৬|via=}}
*যদি ঈশ্বর বলে কেউ থাকেন, তবে আমাদের তাকে এই মহাবিশ্বেই খুঁজতে হবে। তিনি যদি এখানে না থাকেন, তবে তাকে খোঁজার কোনো অর্থ নেই। বিভিন্ন মহলে আমাকে নাস্তিক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কিন্তু আমি তা নই। জ্যোতির্বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবর্ধমান আবিষ্কারগুলো ঈশ্বরের আরও আরও প্রকাশ বলে মনে হচ্ছে। মহাত্মাজি, ধর্মসমূহ এক হতে পারে না। বিজ্ঞানই এক পূর্ণাঙ্গ বন্ধুত্বের সর্বোত্তম সুযোগ করে দেয়। বিজ্ঞানের সকল মানুষ ভাই ভাই।
**১৯৪৫ সালে [[মহাত্মা গান্ধী]] এবং গিলবার্ট রাহমের সাথে তার কথোপকথন। উৎস: {{Cite book|last=জয়ারামন|first=এ|url=https://www.worldcat.org/oclc/21675106|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: অ্যা মেমোয়ার|date=১৯৮৯|publisher=ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস|year=|isbn=81-85336-24-5|location=বেঙ্গালুরু|pages=১৪৩|oclc=21675106}}
*চারিদিকে তাকিয়ে পরিস্থিতি বিচার করে আমার মনে হচ্ছে যে, আমাদের দেশের সামনে আসল বিপদ হলো সরকারি কর্তৃত্বের স্টিমরোলার দিয়ে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও উদ্যোগের নিষ্পেষণ। এরই মধ্যে আমরা এর ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছি... সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো আইন প্রণয়ন এবং শিল্প উন্নয়নের ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে প্রণীত কর ও অন্যান্য বিল পাসের মাধ্যমে... ব্যক্তি স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র ভণ্ডামি ও বিভ্রম মাত্র।
**১৫ আগস্ট ১৯৫৪ তারিখে [[w:ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস|ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে]] দেওয়া [http://books.google.com.kh/books?id=RbgXRdnHkiAC&pg=PA224&lpg=PA224&dq=cv+raman+looking+down+and+sizing+the+situation&source=bl&ots=preDjltao8&sig=J4b2YkQoKPAZiK9iofszC60u5Ss&hl=en&sa=X&ei=yrLtU_6mGsrn8AXfjYL4DA&redir_esc=y এক সাক্ষাৎকারে।]
*সাবানের বুদবুদের উজ্জ্বল রঙগুলো দেখো!<br>সমুদ্র নীল কেন?<br>হীরা কিসে ঝকমক করে!<br>সঠিক প্রশ্নগুলো করো, আর প্রকৃতি তার রহস্যের দরজা খুলে দেবে।
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} page=xiii
*সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সবচেয়ে মৌলিক এবং গভীরতম অনুসন্ধানগুলো হলো সেইসব অনুসন্ধান, যা মানুষের জীবন ও কর্মকাণ্ডকে সবচেয়ে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। সেইসব বিজ্ঞানীই শেষ পর্যন্ত মানবজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ হিতৈষী হিসেবে প্রমাণিত হন, যারা এটা-ওটা উৎপাদনের লক্ষ্যে নয়,বরং কেবল জ্ঞানের অগ্রগতির একমাত্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে পরিশ্রম করেন।
** {{cite book|last1= রামন |first1=সি. ভি. |last2= চন্দ্রলেখা|title=হোয়াই দি স্কাই ইস ব্লু: ড. সি.ভি. রামন টকস অ্যাবাউট সায়েন্স|url=http://books.google.com/books?id=LOC3vbnTgHYC&pg=PT1|year=2010|publisher=তুলিকা বুকস|isbn=978-81-8146-846-8|page=১৭}}
*আপনার সামনে থাকা কাজের প্রতি সাহসী নিষ্ঠার মাধ্যমেই সাফল্য আসতে পারে। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে পারি যে, ভারতীয় মনের গুণাবলী যেকোনো টিউটোনিক, নর্ডিক বা অ্যাংলো-স্যাক্সন মনের গুণাবলীর সমান। আমাদের সম্ভবত সাহসের অভাব, আমাদের সেই চালিকাশক্তির অভাব যা একজন মানুষকে যেকোনো জায়গায় নিয়ে যেতে পারে। আমার মনে হয়, আমাদের মধ্যে এক ধরনের হীনমন্যতা তৈরি হয়েছে। আমার মনে হয়, আজকের ভারতে যা প্রয়োজন তা হলো এই পরাজয়বাদী মনোভাবের বিনাশ।
**১৯৬৯ সালে তরুণ স্নাতকদের উদ্দেশে দেওয়া তার ভাষণ। {{cite book|last=কালাম|first=এ পি জে আবদুল|title=ইগনাইটেড মাইন্ডস: আনলিশিং দি পাওয়ার উইদিন ইন্ডিয়া|url=http://books.google.com/books?id=_PdboDsin90C&pg=PA28|date=1 September 2010|publisher=পিয়ারসন এডুকেশন ইন্ডিয়া|isbn=978-81-317-2960-1|pages=২৮–২৯}}
*বিজ্ঞানী শিল্পকলা, নন্দনতত্ত্ব এবং বিজ্ঞানের মধ্যকার যোগসূত্র উদ্ঘাটন করতে চান। বিজ্ঞানী... [প্রকৃতির] অসীম জটিলতাকে কয়েকটি সরল নীতি বা ক্রিয়ার উপাদানে উদ্ঘাটন করতে চান, যেগুলোকে তিনি প্রকৃতির নিয়ম বলে অভিহিত করেন। এই কাজ করতে গিয়ে, শিল্পের অন্যান্য রূপের প্রবক্তাদের মতোই, তিনি নিজেকে এক কঠোর শৃঙ্খলার অধীন করেন, যার নিয়মকানুন তিনি নিজেই নির্ধারণ করেছেন এবং যেগুলোকে তিনি বলেন যুক্তিবিদ্যা...বিজ্ঞান... হলো প্রকৃতির উপস্থাপনার প্রতি নিবেদিত মানুষের নান্দনিক ও বৌদ্ধিক কার্যাবলীর এক সংমিশ্রণ। সুতরাং এটি সৃজনশীল শিল্পের সর্বোচ্চ রূপ।
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} পৃষ্ঠা=১৪
2eosyd6if7nbemh8oedpm8yfe33y0n8
75571
75569
2026-04-11T05:41:58Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
75571
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]]''' (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার [[w:ভারতরত্ন|ভারতরত্ন]] দিয়ে সম্মানিত করে।
[[File:Sir CV Raman.JPG|thumb|সি. ভি. রামন]]
==উক্তি==
*স্বর্গ নেই, নরক নেই, পুনর্জন্ম নেই এবং অমরত্বও নেই। একমাত্র সত্য এই যে, মানুষ জন্মায়, জীবনযাপন করে এবং মারা যায়। সুতরাং, তার উচিত জীবনটা যথাযথভাবে যাপন করা।
**১৯৩৪ সালে ব্যাঙ্গালোরে একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায়। উৎস: {{Cite journal|last=সিং|first=আর|date=2010|title=লেটারস টু দ্যা এডিটর: ইন্ডিয়ান সায়েন্টিস্টস ভার্সাস সায়েন্স অ্যান্ড রিলিজিয়ন|url=http://www.scienceandculture-isna.org/july-aug10/Letter%20to%20editors.pdf|journal=সায়েন্স অ্যান্ড কালচার|volume=৭৬|issue=৭-৮|pages=২০৬|via=}}
*যদি ঈশ্বর বলে কেউ থাকেন, তবে আমাদের তাকে এই মহাবিশ্বেই খুঁজতে হবে। তিনি যদি এখানে না থাকেন, তবে তাকে খোঁজার কোনো অর্থ নেই। বিভিন্ন মহলে আমাকে নাস্তিক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কিন্তু আমি তা নই। জ্যোতির্বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবর্ধমান আবিষ্কারগুলো ঈশ্বরের আরও আরও প্রকাশ বলে মনে হচ্ছে। মহাত্মাজি, ধর্মসমূহ এক হতে পারে না। বিজ্ঞানই এক পূর্ণাঙ্গ বন্ধুত্বের সর্বোত্তম সুযোগ করে দেয়। বিজ্ঞানের সকল মানুষ ভাই ভাই।
**১৯৪৫ সালে [[মহাত্মা গান্ধী]] এবং গিলবার্ট রাহমের সাথে তার কথোপকথন। উৎস: {{Cite book|last=জয়ারামন|first=এ|url=https://www.worldcat.org/oclc/21675106|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: অ্যা মেমোয়ার|date=১৯৮৯|publisher=ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস|year=|isbn=81-85336-24-5|location=বেঙ্গালুরু|pages=১৪৩|oclc=21675106}}
*চারিদিকে তাকিয়ে পরিস্থিতি বিচার করে আমার মনে হচ্ছে যে, আমাদের দেশের সামনে আসল বিপদ হলো সরকারি কর্তৃত্বের স্টিমরোলার দিয়ে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও উদ্যোগের নিষ্পেষণ। এরই মধ্যে আমরা এর ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছি... সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো আইন প্রণয়ন এবং শিল্প উন্নয়নের ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে প্রণীত কর ও অন্যান্য বিল পাসের মাধ্যমে... ব্যক্তি স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র ভণ্ডামি ও বিভ্রম মাত্র।
**১৫ আগস্ট ১৯৫৪ তারিখে [[w:ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস|ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে]] দেওয়া [http://books.google.com.kh/books?id=RbgXRdnHkiAC&pg=PA224&lpg=PA224&dq=cv+raman+looking+down+and+sizing+the+situation&source=bl&ots=preDjltao8&sig=J4b2YkQoKPAZiK9iofszC60u5Ss&hl=en&sa=X&ei=yrLtU_6mGsrn8AXfjYL4DA&redir_esc=y এক সাক্ষাৎকারে।]
*সাবানের বুদবুদের উজ্জ্বল রঙগুলো দেখো!<br>সমুদ্র নীল কেন?<br>হীরা কিসে ঝকমক করে!<br>সঠিক প্রশ্নগুলো করো, আর প্রকৃতি তার রহস্যের দরজা খুলে দেবে।
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} page=xiii
*সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সবচেয়ে মৌলিক এবং গভীরতম অনুসন্ধানগুলো হলো সেইসব অনুসন্ধান, যা মানুষের জীবন ও কর্মকাণ্ডকে সবচেয়ে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। সেইসব বিজ্ঞানীই শেষ পর্যন্ত মানবজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ হিতৈষী হিসেবে প্রমাণিত হন, যারা এটা-ওটা উৎপাদনের লক্ষ্যে নয়,বরং কেবল জ্ঞানের অগ্রগতির একমাত্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে পরিশ্রম করেন।
** {{cite book|last1= রামন |first1=সি. ভি. |last2= চন্দ্রলেখা|title=হোয়াই দি স্কাই ইস ব্লু: ড. সি.ভি. রামন টকস অ্যাবাউট সায়েন্স|url=http://books.google.com/books?id=LOC3vbnTgHYC&pg=PT1|year=2010|publisher=তুলিকা বুকস|isbn=978-81-8146-846-8|page=১৭}}
*আপনার সামনে থাকা কাজের প্রতি সাহসী নিষ্ঠার মাধ্যমেই সাফল্য আসতে পারে। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে পারি যে, ভারতীয় মনের গুণাবলী যেকোনো টিউটোনিক, নর্ডিক বা অ্যাংলো-স্যাক্সন মনের গুণাবলীর সমান। আমাদের সম্ভবত সাহসের অভাব, আমাদের সেই চালিকাশক্তির অভাব যা একজন মানুষকে যেকোনো জায়গায় নিয়ে যেতে পারে। আমার মনে হয়, আমাদের মধ্যে এক ধরনের হীনমন্যতা তৈরি হয়েছে। আমার মনে হয়, আজকের ভারতে যা প্রয়োজন তা হলো এই পরাজয়বাদী মনোভাবের বিনাশ।
**১৯৬৯ সালে তরুণ স্নাতকদের উদ্দেশে দেওয়া তার ভাষণ। {{cite book|last=কালাম|first=এ পি জে আবদুল|title=ইগনাইটেড মাইন্ডস: আনলিশিং দি পাওয়ার উইদিন ইন্ডিয়া|url=http://books.google.com/books?id=_PdboDsin90C&pg=PA28|date=1 September 2010|publisher=পিয়ারসন এডুকেশন ইন্ডিয়া|isbn=978-81-317-2960-1|pages=২৮–২৯}}
*বিজ্ঞানী শিল্পকলা, নন্দনতত্ত্ব এবং বিজ্ঞানের মধ্যকার যোগসূত্র উদ্ঘাটন করতে চান। বিজ্ঞানী... [প্রকৃতির] অসীম জটিলতাকে কয়েকটি সরল নীতি বা ক্রিয়ার উপাদানে উদ্ঘাটন করতে চান, যেগুলোকে তিনি প্রকৃতির নিয়ম বলে অভিহিত করেন। এই কাজ করতে গিয়ে, শিল্পের অন্যান্য রূপের প্রবক্তাদের মতোই, তিনি নিজেকে এক কঠোর শৃঙ্খলার অধীন করেন, যার নিয়মকানুন তিনি নিজেই নির্ধারণ করেছেন এবং যেগুলোকে তিনি বলেন যুক্তিবিদ্যা...বিজ্ঞান... হলো প্রকৃতির উপস্থাপনার প্রতি নিবেদিত মানুষের নান্দনিক ও বৌদ্ধিক কার্যাবলীর এক সংমিশ্রণ। সুতরাং এটি সৃজনশীল শিল্পের সর্বোচ্চ রূপ।
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} পৃষ্ঠা=১৪
*উদ্দেশ্যপূর্ণ জীবনের জন্য এমন এক অক্ষ বা কব্জা প্রয়োজন, যার সাথে জীবন দৃঢ়ভাবে সংযুক্ত থাকবে এবং যার চারপাশে অবাধে আবর্তন করতে পারবে। আমার মতে, আমার নিজের ক্ষেত্রে এই অক্ষ বা কব্জাটি ছিল, বিজ্ঞানের প্রতি ভালোবাসা নয়, এমনকি প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসাও নয়, বরং এক বিশেষ বিমূর্ত আদর্শবাদ অথবা মানবাত্মার মূল্য এবং মানুষের প্রচেষ্টা ও সাফল্যের গুণের প্রতি বিশ্বাস। এই আদর্শবাদের উৎসের সবচেয়ে কাছের যে বিন্দুটি আমি খুঁজে পাই, তা হলো এডউইন আর্নল্ডের মহাগ্রন্থ দ্য লাইট অফ এশিয়া পড়ার স্মৃতি। আমার মনে আছে, সিদ্ধার্থের মহান ত্যাগ, তার সত্যের অনুসন্ধান এবং চূড়ান্ত বোধিলাভ আমাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল।
o6epd0don3ldpahjlm19evascw5qfzp
75573
75571
2026-04-11T05:47:03Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
75573
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]]''' (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার [[w:ভারতরত্ন|ভারতরত্ন]] দিয়ে সম্মানিত করে।
[[File:Sir CV Raman.JPG|thumb|সি. ভি. রামন]]
==উক্তি==
*স্বর্গ নেই, নরক নেই, পুনর্জন্ম নেই এবং অমরত্বও নেই। একমাত্র সত্য এই যে, মানুষ জন্মায়, জীবনযাপন করে এবং মারা যায়। সুতরাং, তার উচিত জীবনটা যথাযথভাবে যাপন করা।
**১৯৩৪ সালে ব্যাঙ্গালোরে একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায়। উৎস: {{Cite journal|last=সিং|first=আর|date=2010|title=লেটারস টু দ্যা এডিটর: ইন্ডিয়ান সায়েন্টিস্টস ভার্সাস সায়েন্স অ্যান্ড রিলিজিয়ন|url=http://www.scienceandculture-isna.org/july-aug10/Letter%20to%20editors.pdf|journal=সায়েন্স অ্যান্ড কালচার|volume=৭৬|issue=৭-৮|pages=২০৬|via=}}
*যদি ঈশ্বর বলে কেউ থাকেন, তবে আমাদের তাকে এই মহাবিশ্বেই খুঁজতে হবে। তিনি যদি এখানে না থাকেন, তবে তাকে খোঁজার কোনো অর্থ নেই। বিভিন্ন মহলে আমাকে নাস্তিক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কিন্তু আমি তা নই। জ্যোতির্বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবর্ধমান আবিষ্কারগুলো ঈশ্বরের আরও আরও প্রকাশ বলে মনে হচ্ছে। মহাত্মাজি, ধর্মসমূহ এক হতে পারে না। বিজ্ঞানই এক পূর্ণাঙ্গ বন্ধুত্বের সর্বোত্তম সুযোগ করে দেয়। বিজ্ঞানের সকল মানুষ ভাই ভাই।
**১৯৪৫ সালে [[মহাত্মা গান্ধী]] এবং গিলবার্ট রাহমের সাথে তার কথোপকথন। উৎস: {{Cite book|last=জয়ারামন|first=এ|url=https://www.worldcat.org/oclc/21675106|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: অ্যা মেমোয়ার|date=১৯৮৯|publisher=ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস|year=|isbn=81-85336-24-5|location=বেঙ্গালুরু|pages=১৪৩|oclc=21675106}}
*চারিদিকে তাকিয়ে পরিস্থিতি বিচার করে আমার মনে হচ্ছে যে, আমাদের দেশের সামনে আসল বিপদ হলো সরকারি কর্তৃত্বের স্টিমরোলার দিয়ে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও উদ্যোগের নিষ্পেষণ। এরই মধ্যে আমরা এর ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছি... সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো আইন প্রণয়ন এবং শিল্প উন্নয়নের ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে প্রণীত কর ও অন্যান্য বিল পাসের মাধ্যমে... ব্যক্তি স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র ভণ্ডামি ও বিভ্রম মাত্র।
**১৫ আগস্ট ১৯৫৪ তারিখে [[w:ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস|ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে]] দেওয়া [http://books.google.com.kh/books?id=RbgXRdnHkiAC&pg=PA224&lpg=PA224&dq=cv+raman+looking+down+and+sizing+the+situation&source=bl&ots=preDjltao8&sig=J4b2YkQoKPAZiK9iofszC60u5Ss&hl=en&sa=X&ei=yrLtU_6mGsrn8AXfjYL4DA&redir_esc=y এক সাক্ষাৎকারে।]
*সাবানের বুদবুদের উজ্জ্বল রঙগুলো দেখো!<br>সমুদ্র নীল কেন?<br>হীরা কিসে ঝকমক করে!<br>সঠিক প্রশ্নগুলো করো, আর প্রকৃতি তার রহস্যের দরজা খুলে দেবে।
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} page=xiii
*সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সবচেয়ে মৌলিক এবং গভীরতম অনুসন্ধানগুলো হলো সেইসব অনুসন্ধান, যা মানুষের জীবন ও কর্মকাণ্ডকে সবচেয়ে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। সেইসব বিজ্ঞানীই শেষ পর্যন্ত মানবজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ হিতৈষী হিসেবে প্রমাণিত হন, যারা এটা-ওটা উৎপাদনের লক্ষ্যে নয়,বরং কেবল জ্ঞানের অগ্রগতির একমাত্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে পরিশ্রম করেন।
** {{cite book|last1= রামন |first1=সি. ভি. |last2= চন্দ্রলেখা|title=হোয়াই দি স্কাই ইস ব্লু: ড. সি.ভি. রামন টকস অ্যাবাউট সায়েন্স|url=http://books.google.com/books?id=LOC3vbnTgHYC&pg=PT1|year=2010|publisher=তুলিকা বুকস|isbn=978-81-8146-846-8|page=১৭}}
*আপনার সামনে থাকা কাজের প্রতি সাহসী নিষ্ঠার মাধ্যমেই সাফল্য আসতে পারে। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে পারি যে, ভারতীয় মনের গুণাবলী যেকোনো টিউটোনিক, নর্ডিক বা অ্যাংলো-স্যাক্সন মনের গুণাবলীর সমান। আমাদের সম্ভবত সাহসের অভাব, আমাদের সেই চালিকাশক্তির অভাব যা একজন মানুষকে যেকোনো জায়গায় নিয়ে যেতে পারে। আমার মনে হয়, আমাদের মধ্যে এক ধরনের হীনমন্যতা তৈরি হয়েছে। আমার মনে হয়, আজকের ভারতে যা প্রয়োজন তা হলো এই পরাজয়বাদী মনোভাবের বিনাশ।
**১৯৬৯ সালে তরুণ স্নাতকদের উদ্দেশে দেওয়া তার ভাষণ। {{cite book|last=কালাম|first=এ পি জে আবদুল|title=ইগনাইটেড মাইন্ডস: আনলিশিং দি পাওয়ার উইদিন ইন্ডিয়া|url=http://books.google.com/books?id=_PdboDsin90C&pg=PA28|date=1 September 2010|publisher=পিয়ারসন এডুকেশন ইন্ডিয়া|isbn=978-81-317-2960-1|pages=২৮–২৯}}
*বিজ্ঞানী শিল্পকলা, নন্দনতত্ত্ব এবং বিজ্ঞানের মধ্যকার যোগসূত্র উদ্ঘাটন করতে চান। বিজ্ঞানী... [প্রকৃতির] অসীম জটিলতাকে কয়েকটি সরল নীতি বা ক্রিয়ার উপাদানে উদ্ঘাটন করতে চান, যেগুলোকে তিনি প্রকৃতির নিয়ম বলে অভিহিত করেন। এই কাজ করতে গিয়ে, শিল্পের অন্যান্য রূপের প্রবক্তাদের মতোই, তিনি নিজেকে এক কঠোর শৃঙ্খলার অধীন করেন, যার নিয়মকানুন তিনি নিজেই নির্ধারণ করেছেন এবং যেগুলোকে তিনি বলেন যুক্তিবিদ্যা...বিজ্ঞান... হলো প্রকৃতির উপস্থাপনার প্রতি নিবেদিত মানুষের নান্দনিক ও বৌদ্ধিক কার্যাবলীর এক সংমিশ্রণ। সুতরাং এটি সৃজনশীল শিল্পের সর্বোচ্চ রূপ।
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} পৃষ্ঠা=১৪
*উদ্দেশ্যপূর্ণ জীবনের জন্য এমন এক অক্ষ বা কব্জা প্রয়োজন, যার সাথে জীবন দৃঢ়ভাবে সংযুক্ত থাকবে এবং যার চারপাশে অবাধে আবর্তন করতে পারবে। আমার মতে, আমার নিজের ক্ষেত্রে এই অক্ষ বা কব্জাটি ছিল, বিজ্ঞানের প্রতি ভালোবাসা নয়, এমনকি প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসাও নয়, বরং এক বিশেষ বিমূর্ত আদর্শবাদ অথবা মানবাত্মার মূল্য এবং মানুষের প্রচেষ্টা ও সাফল্যের গুণের প্রতি বিশ্বাস। এই আদর্শবাদের উৎসের সবচেয়ে কাছের যে বিন্দুটি আমি খুঁজে পাই, তা হলো এডউইন আর্নল্ডের মহাগ্রন্থ দ্য লাইট অফ এশিয়া পড়ার স্মৃতি। আমার মনে আছে, সিদ্ধার্থের মহান ত্যাগ, তার সত্যের অনুসন্ধান এবং চূড়ান্ত বোধিলাভ আমাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল।
** উৎস: {{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
tpvizigduuctbei9303o01br7nqzjdo
75578
75573
2026-04-11T05:56:14Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
75578
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]]''' (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার [[w:ভারতরত্ন|ভারতরত্ন]] দিয়ে সম্মানিত করে।
[[File:Sir CV Raman.JPG|thumb|সি. ভি. রামন]]
==উক্তি==
*স্বর্গ নেই, নরক নেই, পুনর্জন্ম নেই এবং অমরত্বও নেই। একমাত্র সত্য এই যে, মানুষ জন্মায়, জীবনযাপন করে এবং মারা যায়। সুতরাং, তার উচিত জীবনটা যথাযথভাবে যাপন করা।
**১৯৩৪ সালে ব্যাঙ্গালোরে একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায়। উৎস: {{Cite journal|last=সিং|first=আর|date=2010|title=লেটারস টু দ্যা এডিটর: ইন্ডিয়ান সায়েন্টিস্টস ভার্সাস সায়েন্স অ্যান্ড রিলিজিয়ন|url=http://www.scienceandculture-isna.org/july-aug10/Letter%20to%20editors.pdf|journal=সায়েন্স অ্যান্ড কালচার|volume=৭৬|issue=৭-৮|pages=২০৬|via=}}
*যদি ঈশ্বর বলে কেউ থাকেন, তবে আমাদের তাকে এই মহাবিশ্বেই খুঁজতে হবে। তিনি যদি এখানে না থাকেন, তবে তাকে খোঁজার কোনো অর্থ নেই। বিভিন্ন মহলে আমাকে নাস্তিক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কিন্তু আমি তা নই। জ্যোতির্বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবর্ধমান আবিষ্কারগুলো ঈশ্বরের আরও আরও প্রকাশ বলে মনে হচ্ছে। মহাত্মাজি, ধর্মসমূহ এক হতে পারে না। বিজ্ঞানই এক পূর্ণাঙ্গ বন্ধুত্বের সর্বোত্তম সুযোগ করে দেয়। বিজ্ঞানের সকল মানুষ ভাই ভাই।
**১৯৪৫ সালে [[মহাত্মা গান্ধী]] এবং গিলবার্ট রাহমের সাথে তার কথোপকথন। উৎস: {{Cite book|last=জয়ারামন|first=এ|url=https://www.worldcat.org/oclc/21675106|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: অ্যা মেমোয়ার|date=১৯৮৯|publisher=ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস|year=|isbn=81-85336-24-5|location=বেঙ্গালুরু|pages=১৪৩|oclc=21675106}}
*চারিদিকে তাকিয়ে পরিস্থিতি বিচার করে আমার মনে হচ্ছে যে, আমাদের দেশের সামনে আসল বিপদ হলো সরকারি কর্তৃত্বের স্টিমরোলার দিয়ে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও উদ্যোগের নিষ্পেষণ। এরই মধ্যে আমরা এর ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছি... সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো আইন প্রণয়ন এবং শিল্প উন্নয়নের ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে প্রণীত কর ও অন্যান্য বিল পাসের মাধ্যমে... ব্যক্তি স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র ভণ্ডামি ও বিভ্রম মাত্র।
**১৫ আগস্ট ১৯৫৪ তারিখে [[w:ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস|ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে]] দেওয়া [http://books.google.com.kh/books?id=RbgXRdnHkiAC&pg=PA224&lpg=PA224&dq=cv+raman+looking+down+and+sizing+the+situation&source=bl&ots=preDjltao8&sig=J4b2YkQoKPAZiK9iofszC60u5Ss&hl=en&sa=X&ei=yrLtU_6mGsrn8AXfjYL4DA&redir_esc=y এক সাক্ষাৎকারে।]
*সাবানের বুদবুদের উজ্জ্বল রঙগুলো দেখো!<br>সমুদ্র নীল কেন?<br>হীরা কিসে ঝকমক করে!<br>সঠিক প্রশ্নগুলো করো, আর প্রকৃতি তার রহস্যের দরজা খুলে দেবে।
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} page=xiii
*সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সবচেয়ে মৌলিক এবং গভীরতম অনুসন্ধানগুলো হলো সেইসব অনুসন্ধান, যা মানুষের জীবন ও কর্মকাণ্ডকে সবচেয়ে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। সেইসব বিজ্ঞানীই শেষ পর্যন্ত মানবজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ হিতৈষী হিসেবে প্রমাণিত হন, যারা এটা-ওটা উৎপাদনের লক্ষ্যে নয়,বরং কেবল জ্ঞানের অগ্রগতির একমাত্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে পরিশ্রম করেন।
** {{cite book|last1= রামন |first1=সি. ভি. |last2= চন্দ্রলেখা|title=হোয়াই দি স্কাই ইস ব্লু: ড. সি.ভি. রামন টকস অ্যাবাউট সায়েন্স|url=http://books.google.com/books?id=LOC3vbnTgHYC&pg=PT1|year=2010|publisher=তুলিকা বুকস|isbn=978-81-8146-846-8|page=১৭}}
*আপনার সামনে থাকা কাজের প্রতি সাহসী নিষ্ঠার মাধ্যমেই সাফল্য আসতে পারে। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে পারি যে, ভারতীয় মনের গুণাবলী যেকোনো টিউটোনিক, নর্ডিক বা অ্যাংলো-স্যাক্সন মনের গুণাবলীর সমান। আমাদের সম্ভবত সাহসের অভাব, আমাদের সেই চালিকাশক্তির অভাব যা একজন মানুষকে যেকোনো জায়গায় নিয়ে যেতে পারে। আমার মনে হয়, আমাদের মধ্যে এক ধরনের হীনমন্যতা তৈরি হয়েছে। আমার মনে হয়, আজকের ভারতে যা প্রয়োজন তা হলো এই পরাজয়বাদী মনোভাবের বিনাশ।
**১৯৬৯ সালে তরুণ স্নাতকদের উদ্দেশে দেওয়া তার ভাষণ। {{cite book|last=কালাম|first=এ পি জে আবদুল|title=ইগনাইটেড মাইন্ডস: আনলিশিং দি পাওয়ার উইদিন ইন্ডিয়া|url=http://books.google.com/books?id=_PdboDsin90C&pg=PA28|date=1 September 2010|publisher=পিয়ারসন এডুকেশন ইন্ডিয়া|isbn=978-81-317-2960-1|pages=২৮–২৯}}
*বিজ্ঞানী শিল্পকলা, নন্দনতত্ত্ব এবং বিজ্ঞানের মধ্যকার যোগসূত্র উদ্ঘাটন করতে চান। বিজ্ঞানী... [প্রকৃতির] অসীম জটিলতাকে কয়েকটি সরল নীতি বা ক্রিয়ার উপাদানে উদ্ঘাটন করতে চান, যেগুলোকে তিনি প্রকৃতির নিয়ম বলে অভিহিত করেন। এই কাজ করতে গিয়ে, শিল্পের অন্যান্য রূপের প্রবক্তাদের মতোই, তিনি নিজেকে এক কঠোর শৃঙ্খলার অধীন করেন, যার নিয়মকানুন তিনি নিজেই নির্ধারণ করেছেন এবং যেগুলোকে তিনি বলেন যুক্তিবিদ্যা...বিজ্ঞান... হলো প্রকৃতির উপস্থাপনার প্রতি নিবেদিত মানুষের নান্দনিক ও বৌদ্ধিক কার্যাবলীর এক সংমিশ্রণ। সুতরাং এটি সৃজনশীল শিল্পের সর্বোচ্চ রূপ।
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} পৃষ্ঠা=১৪
*উদ্দেশ্যপূর্ণ জীবনের জন্য এমন এক অক্ষ বা কব্জা প্রয়োজন, যার সাথে জীবন দৃঢ়ভাবে সংযুক্ত থাকবে এবং যার চারপাশে অবাধে আবর্তন করতে পারবে। আমার মতে, আমার নিজের ক্ষেত্রে এই অক্ষ বা কব্জাটি ছিল, বিজ্ঞানের প্রতি ভালোবাসা নয়, এমনকি প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসাও নয়, বরং এক বিশেষ বিমূর্ত আদর্শবাদ অথবা মানবাত্মার মূল্য এবং মানুষের প্রচেষ্টা ও সাফল্যের গুণের প্রতি বিশ্বাস। এই আদর্শবাদের উৎসের সবচেয়ে কাছের যে বিন্দুটি আমি খুঁজে পাই, তা হলো এডউইন আর্নল্ডের মহাগ্রন্থ দ্য লাইট অফ এশিয়া পড়ার স্মৃতি। আমার মনে আছে, সিদ্ধার্থের মহান ত্যাগ, তার সত্যের অনুসন্ধান এবং চূড়ান্ত বোধিলাভ আমাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল।
** উৎস: {{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*ইউক্লিডের পাতাগুলো যেন প্রকৃতির মহান নাটকের গ্র্যান্ড অপেরার সঙ্গীতের সূচনালগ্ন। বলা যায়, এগুলো পর্দা সরিয়ে আমাদের দৃষ্টির সামনে প্রাকৃতিক জ্ঞানের এক বিশাল জগতের ঝলক তুলে ধরে, যা অধ্যয়নের অপেক্ষায় রয়েছে।
** উৎস: {{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
4efal1jpa5ppjpmfidcys4qjvbuxn3d
75579
75578
2026-04-11T06:38:12Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
75579
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]]''' (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার [[w:ভারতরত্ন|ভারতরত্ন]] দিয়ে সম্মানিত করে।
[[File:Sir CV Raman.JPG|thumb|সি. ভি. রামন]]
==উক্তি==
*স্বর্গ নেই, নরক নেই, পুনর্জন্ম নেই এবং অমরত্বও নেই। একমাত্র সত্য এই যে, মানুষ জন্মায়, জীবনযাপন করে এবং মারা যায়। সুতরাং, তার উচিত জীবনটা যথাযথভাবে যাপন করা।
**১৯৩৪ সালে ব্যাঙ্গালোরে একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায়। উৎস: {{Cite journal|last=সিং|first=আর|date=2010|title=লেটারস টু দ্যা এডিটর: ইন্ডিয়ান সায়েন্টিস্টস ভার্সাস সায়েন্স অ্যান্ড রিলিজিয়ন|url=http://www.scienceandculture-isna.org/july-aug10/Letter%20to%20editors.pdf|journal=সায়েন্স অ্যান্ড কালচার|volume=৭৬|issue=৭-৮|pages=২০৬|via=}}
*যদি ঈশ্বর বলে কেউ থাকেন, তবে আমাদের তাকে এই মহাবিশ্বেই খুঁজতে হবে। তিনি যদি এখানে না থাকেন, তবে তাকে খোঁজার কোনো অর্থ নেই। বিভিন্ন মহলে আমাকে নাস্তিক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কিন্তু আমি তা নই। জ্যোতির্বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবর্ধমান আবিষ্কারগুলো ঈশ্বরের আরও আরও প্রকাশ বলে মনে হচ্ছে। মহাত্মাজি, ধর্মসমূহ এক হতে পারে না। বিজ্ঞানই এক পূর্ণাঙ্গ বন্ধুত্বের সর্বোত্তম সুযোগ করে দেয়। বিজ্ঞানের সকল মানুষ ভাই ভাই।
**১৯৪৫ সালে [[মহাত্মা গান্ধী]] এবং গিলবার্ট রাহমের সাথে তার কথোপকথন। উৎস: {{Cite book|last=জয়ারামন|first=এ|url=https://www.worldcat.org/oclc/21675106|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: অ্যা মেমোয়ার|date=১৯৮৯|publisher=ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস|year=|isbn=81-85336-24-5|location=বেঙ্গালুরু|pages=১৪৩|oclc=21675106}}
*চারিদিকে তাকিয়ে পরিস্থিতি বিচার করে আমার মনে হচ্ছে যে, আমাদের দেশের সামনে আসল বিপদ হলো সরকারি কর্তৃত্বের স্টিমরোলার দিয়ে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও উদ্যোগের নিষ্পেষণ। এরই মধ্যে আমরা এর ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছি... সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো আইন প্রণয়ন এবং শিল্প উন্নয়নের ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে প্রণীত কর ও অন্যান্য বিল পাসের মাধ্যমে... ব্যক্তি স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র ভণ্ডামি ও বিভ্রম মাত্র।
**১৫ আগস্ট ১৯৫৪ তারিখে [[w:ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস|ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে]] দেওয়া [http://books.google.com.kh/books?id=RbgXRdnHkiAC&pg=PA224&lpg=PA224&dq=cv+raman+looking+down+and+sizing+the+situation&source=bl&ots=preDjltao8&sig=J4b2YkQoKPAZiK9iofszC60u5Ss&hl=en&sa=X&ei=yrLtU_6mGsrn8AXfjYL4DA&redir_esc=y এক সাক্ষাৎকারে।]
*সাবানের বুদবুদের উজ্জ্বল রঙগুলো দেখো!<br>সমুদ্র নীল কেন?<br>হীরা কিসে ঝকমক করে!<br>সঠিক প্রশ্নগুলো করো, আর প্রকৃতি তার রহস্যের দরজা খুলে দেবে।
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} page=xiii
*সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সবচেয়ে মৌলিক এবং গভীরতম অনুসন্ধানগুলো হলো সেইসব অনুসন্ধান, যা মানুষের জীবন ও কর্মকাণ্ডকে সবচেয়ে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। সেইসব বিজ্ঞানীই শেষ পর্যন্ত মানবজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ হিতৈষী হিসেবে প্রমাণিত হন, যারা এটা-ওটা উৎপাদনের লক্ষ্যে নয়,বরং কেবল জ্ঞানের অগ্রগতির একমাত্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে পরিশ্রম করেন।
** {{cite book|last1= রামন |first1=সি. ভি. |last2= চন্দ্রলেখা|title=হোয়াই দি স্কাই ইস ব্লু: ড. সি.ভি. রামন টকস অ্যাবাউট সায়েন্স|url=http://books.google.com/books?id=LOC3vbnTgHYC&pg=PT1|year=2010|publisher=তুলিকা বুকস|isbn=978-81-8146-846-8|page=১৭}}
*আপনার সামনে থাকা কাজের প্রতি সাহসী নিষ্ঠার মাধ্যমেই সাফল্য আসতে পারে। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে পারি যে, ভারতীয় মনের গুণাবলী যেকোনো টিউটোনিক, নর্ডিক বা অ্যাংলো-স্যাক্সন মনের গুণাবলীর সমান। আমাদের সম্ভবত সাহসের অভাব, আমাদের সেই চালিকাশক্তির অভাব যা একজন মানুষকে যেকোনো জায়গায় নিয়ে যেতে পারে। আমার মনে হয়, আমাদের মধ্যে এক ধরনের হীনমন্যতা তৈরি হয়েছে। আমার মনে হয়, আজকের ভারতে যা প্রয়োজন তা হলো এই পরাজয়বাদী মনোভাবের বিনাশ।
**১৯৬৯ সালে তরুণ স্নাতকদের উদ্দেশে দেওয়া তার ভাষণ। {{cite book|last=কালাম|first=এ পি জে আবদুল|title=ইগনাইটেড মাইন্ডস: আনলিশিং দি পাওয়ার উইদিন ইন্ডিয়া|url=http://books.google.com/books?id=_PdboDsin90C&pg=PA28|date=1 September 2010|publisher=পিয়ারসন এডুকেশন ইন্ডিয়া|isbn=978-81-317-2960-1|pages=২৮–২৯}}
*বিজ্ঞানী শিল্পকলা, নন্দনতত্ত্ব এবং বিজ্ঞানের মধ্যকার যোগসূত্র উদ্ঘাটন করতে চান। বিজ্ঞানী... [প্রকৃতির] অসীম জটিলতাকে কয়েকটি সরল নীতি বা ক্রিয়ার উপাদানে উদ্ঘাটন করতে চান, যেগুলোকে তিনি প্রকৃতির নিয়ম বলে অভিহিত করেন। এই কাজ করতে গিয়ে, শিল্পের অন্যান্য রূপের প্রবক্তাদের মতোই, তিনি নিজেকে এক কঠোর শৃঙ্খলার অধীন করেন, যার নিয়মকানুন তিনি নিজেই নির্ধারণ করেছেন এবং যেগুলোকে তিনি বলেন যুক্তিবিদ্যা...বিজ্ঞান... হলো প্রকৃতির উপস্থাপনার প্রতি নিবেদিত মানুষের নান্দনিক ও বৌদ্ধিক কার্যাবলীর এক সংমিশ্রণ। সুতরাং এটি সৃজনশীল শিল্পের সর্বোচ্চ রূপ।
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} পৃষ্ঠা=১৪
*উদ্দেশ্যপূর্ণ জীবনের জন্য এমন এক অক্ষ বা কব্জা প্রয়োজন, যার সাথে জীবন দৃঢ়ভাবে সংযুক্ত থাকবে এবং যার চারপাশে অবাধে আবর্তন করতে পারবে। আমার মতে, আমার নিজের ক্ষেত্রে এই অক্ষ বা কব্জাটি ছিল, বিজ্ঞানের প্রতি ভালোবাসা নয়, এমনকি প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসাও নয়, বরং এক বিশেষ বিমূর্ত আদর্শবাদ অথবা মানবাত্মার মূল্য এবং মানুষের প্রচেষ্টা ও সাফল্যের গুণের প্রতি বিশ্বাস। এই আদর্শবাদের উৎসের সবচেয়ে কাছের যে বিন্দুটি আমি খুঁজে পাই, তা হলো এডউইন আর্নল্ডের মহাগ্রন্থ দ্য লাইট অফ এশিয়া পড়ার স্মৃতি। আমার মনে আছে, সিদ্ধার্থের মহান ত্যাগ, তার সত্যের অনুসন্ধান এবং চূড়ান্ত বোধিলাভ আমাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল।
** উৎস: {{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*ইউক্লিডের পাতাগুলো যেন প্রকৃতির মহান নাটকের গ্র্যান্ড অপেরার সঙ্গীতের সূচনালগ্ন। বলা যায়, এগুলো পর্দা সরিয়ে আমাদের দৃষ্টির সামনে প্রাকৃতিক জ্ঞানের এক বিশাল জগতের ঝলক তুলে ধরে, যা অধ্যয়নের অপেক্ষায় রয়েছে।
** উৎস: {{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*যখন নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হলো তখন আমি একে ব্যক্তিগত বিজয় হিসেবেই দেখেছিলাম,আমার ও আমার সহযোগীদের জন্য একটি সাফল্য-- এটি ছিল অত্যন্ত অসাধারণ এক আবিষ্কারের স্বীকৃতি, এবং সেই লক্ষ্যেরই প্রাপ্তি যা আমি বিগত সাত বছর ধরে নিরলসভাবে অনুসরণ করে আসছিলাম। কিন্তু যখন আমি সেই জনাকীর্ণ সভাকক্ষে উপবিষ্ট হলাম এবং আমার চারপাশে কেবলই পশ্চিমা মুখমণ্ডলের এক বিশাল সমুদ্র দেখতে পেলাম আর আমি, একমাত্র ভারতীয় হিসেবে, আমার পাগড়ি ও গলাবন্ধ কোট পরিহিত অবস্থায় সেখানে উপস্থিত তখনই আমার এই বোধোদয় হলো যে, আমি আসলে আমার জনগণ ও আমার দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি। রাজা গুস্তাভের হাত থেকে যখন আমি পুরস্কারটি গ্রহণ করলাম, তখন আমি নিজেকে সত্যিই অত্যন্ত বিনম্র ও বিনীত অনুভব করলাম, সেটি ছিল গভীর আবেগের এক মুহূর্ত, তবুও আমি নিজেকে সংযত রাখতে পেরেছিলাম।
jx6w44q3rhdgg2cmib9qe49x2ezu7g5
75580
75579
2026-04-11T06:41:02Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
75580
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]]''' (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার [[w:ভারতরত্ন|ভারতরত্ন]] দিয়ে সম্মানিত করে।
[[File:Sir CV Raman.JPG|thumb|সি. ভি. রামন]]
==উক্তি==
*স্বর্গ নেই, নরক নেই, পুনর্জন্ম নেই এবং অমরত্বও নেই। একমাত্র সত্য এই যে, মানুষ জন্মায়, জীবনযাপন করে এবং মারা যায়। সুতরাং, তার উচিত জীবনটা যথাযথভাবে যাপন করা।
**১৯৩৪ সালে ব্যাঙ্গালোরে একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায়। উৎস: {{Cite journal|last=সিং|first=আর|date=2010|title=লেটারস টু দ্যা এডিটর: ইন্ডিয়ান সায়েন্টিস্টস ভার্সাস সায়েন্স অ্যান্ড রিলিজিয়ন|url=http://www.scienceandculture-isna.org/july-aug10/Letter%20to%20editors.pdf|journal=সায়েন্স অ্যান্ড কালচার|volume=৭৬|issue=৭-৮|pages=২০৬|via=}}
*যদি ঈশ্বর বলে কেউ থাকেন, তবে আমাদের তাকে এই মহাবিশ্বেই খুঁজতে হবে। তিনি যদি এখানে না থাকেন, তবে তাকে খোঁজার কোনো অর্থ নেই। বিভিন্ন মহলে আমাকে নাস্তিক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কিন্তু আমি তা নই। জ্যোতির্বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবর্ধমান আবিষ্কারগুলো ঈশ্বরের আরও আরও প্রকাশ বলে মনে হচ্ছে। মহাত্মাজি, ধর্মসমূহ এক হতে পারে না। বিজ্ঞানই এক পূর্ণাঙ্গ বন্ধুত্বের সর্বোত্তম সুযোগ করে দেয়। বিজ্ঞানের সকল মানুষ ভাই ভাই।
**১৯৪৫ সালে [[মহাত্মা গান্ধী]] এবং গিলবার্ট রাহমের সাথে তার কথোপকথন। উৎস: {{Cite book|last=জয়ারামন|first=এ|url=https://www.worldcat.org/oclc/21675106|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: অ্যা মেমোয়ার|date=১৯৮৯|publisher=ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস|year=|isbn=81-85336-24-5|location=বেঙ্গালুরু|pages=১৪৩|oclc=21675106}}
*চারিদিকে তাকিয়ে পরিস্থিতি বিচার করে আমার মনে হচ্ছে যে, আমাদের দেশের সামনে আসল বিপদ হলো সরকারি কর্তৃত্বের স্টিমরোলার দিয়ে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও উদ্যোগের নিষ্পেষণ। এরই মধ্যে আমরা এর ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছি... সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো আইন প্রণয়ন এবং শিল্প উন্নয়নের ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে প্রণীত কর ও অন্যান্য বিল পাসের মাধ্যমে... ব্যক্তি স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র ভণ্ডামি ও বিভ্রম মাত্র।
**১৫ আগস্ট ১৯৫৪ তারিখে [[w:ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস|ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে]] দেওয়া [http://books.google.com.kh/books?id=RbgXRdnHkiAC&pg=PA224&lpg=PA224&dq=cv+raman+looking+down+and+sizing+the+situation&source=bl&ots=preDjltao8&sig=J4b2YkQoKPAZiK9iofszC60u5Ss&hl=en&sa=X&ei=yrLtU_6mGsrn8AXfjYL4DA&redir_esc=y এক সাক্ষাৎকারে।]
*সাবানের বুদবুদের উজ্জ্বল রঙগুলো দেখো!<br>সমুদ্র নীল কেন?<br>হীরা কিসে ঝকমক করে!<br>সঠিক প্রশ্নগুলো করো, আর প্রকৃতি তার রহস্যের দরজা খুলে দেবে।
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} page=xiii
*সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সবচেয়ে মৌলিক এবং গভীরতম অনুসন্ধানগুলো হলো সেইসব অনুসন্ধান, যা মানুষের জীবন ও কর্মকাণ্ডকে সবচেয়ে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। সেইসব বিজ্ঞানীই শেষ পর্যন্ত মানবজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ হিতৈষী হিসেবে প্রমাণিত হন, যারা এটা-ওটা উৎপাদনের লক্ষ্যে নয়,বরং কেবল জ্ঞানের অগ্রগতির একমাত্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে পরিশ্রম করেন।
** {{cite book|last1= রামন |first1=সি. ভি. |last2= চন্দ্রলেখা|title=হোয়াই দি স্কাই ইস ব্লু: ড. সি.ভি. রামন টকস অ্যাবাউট সায়েন্স|url=http://books.google.com/books?id=LOC3vbnTgHYC&pg=PT1|year=2010|publisher=তুলিকা বুকস|isbn=978-81-8146-846-8|page=১৭}}
*আপনার সামনে থাকা কাজের প্রতি সাহসী নিষ্ঠার মাধ্যমেই সাফল্য আসতে পারে। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে পারি যে, ভারতীয় মনের গুণাবলী যেকোনো টিউটোনিক, নর্ডিক বা অ্যাংলো-স্যাক্সন মনের গুণাবলীর সমান। আমাদের সম্ভবত সাহসের অভাব, আমাদের সেই চালিকাশক্তির অভাব যা একজন মানুষকে যেকোনো জায়গায় নিয়ে যেতে পারে। আমার মনে হয়, আমাদের মধ্যে এক ধরনের হীনমন্যতা তৈরি হয়েছে। আমার মনে হয়, আজকের ভারতে যা প্রয়োজন তা হলো এই পরাজয়বাদী মনোভাবের বিনাশ।
**১৯৬৯ সালে তরুণ স্নাতকদের উদ্দেশে দেওয়া তার ভাষণ। {{cite book|last=কালাম|first=এ পি জে আবদুল|title=ইগনাইটেড মাইন্ডস: আনলিশিং দি পাওয়ার উইদিন ইন্ডিয়া|url=http://books.google.com/books?id=_PdboDsin90C&pg=PA28|date=1 September 2010|publisher=পিয়ারসন এডুকেশন ইন্ডিয়া|isbn=978-81-317-2960-1|pages=২৮–২৯}}
*বিজ্ঞানী শিল্পকলা, নন্দনতত্ত্ব এবং বিজ্ঞানের মধ্যকার যোগসূত্র উদ্ঘাটন করতে চান। বিজ্ঞানী... [প্রকৃতির] অসীম জটিলতাকে কয়েকটি সরল নীতি বা ক্রিয়ার উপাদানে উদ্ঘাটন করতে চান, যেগুলোকে তিনি প্রকৃতির নিয়ম বলে অভিহিত করেন। এই কাজ করতে গিয়ে, শিল্পের অন্যান্য রূপের প্রবক্তাদের মতোই, তিনি নিজেকে এক কঠোর শৃঙ্খলার অধীন করেন, যার নিয়মকানুন তিনি নিজেই নির্ধারণ করেছেন এবং যেগুলোকে তিনি বলেন যুক্তিবিদ্যা...বিজ্ঞান... হলো প্রকৃতির উপস্থাপনার প্রতি নিবেদিত মানুষের নান্দনিক ও বৌদ্ধিক কার্যাবলীর এক সংমিশ্রণ। সুতরাং এটি সৃজনশীল শিল্পের সর্বোচ্চ রূপ।
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} পৃষ্ঠা=১৪
*উদ্দেশ্যপূর্ণ জীবনের জন্য এমন এক অক্ষ বা কব্জা প্রয়োজন, যার সাথে জীবন দৃঢ়ভাবে সংযুক্ত থাকবে এবং যার চারপাশে অবাধে আবর্তন করতে পারবে। আমার মতে, আমার নিজের ক্ষেত্রে এই অক্ষ বা কব্জাটি ছিল, বিজ্ঞানের প্রতি ভালোবাসা নয়, এমনকি প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসাও নয়, বরং এক বিশেষ বিমূর্ত আদর্শবাদ অথবা মানবাত্মার মূল্য এবং মানুষের প্রচেষ্টা ও সাফল্যের গুণের প্রতি বিশ্বাস। এই আদর্শবাদের উৎসের সবচেয়ে কাছের যে বিন্দুটি আমি খুঁজে পাই, তা হলো এডউইন আর্নল্ডের মহাগ্রন্থ দ্য লাইট অফ এশিয়া পড়ার স্মৃতি। আমার মনে আছে, সিদ্ধার্থের মহান ত্যাগ, তার সত্যের অনুসন্ধান এবং চূড়ান্ত বোধিলাভ আমাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল।
** উৎস: {{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*ইউক্লিডের পাতাগুলো যেন প্রকৃতির মহান নাটকের গ্র্যান্ড অপেরার সঙ্গীতের সূচনালগ্ন। বলা যায়, এগুলো পর্দা সরিয়ে আমাদের দৃষ্টির সামনে প্রাকৃতিক জ্ঞানের এক বিশাল জগতের ঝলক তুলে ধরে, যা অধ্যয়নের অপেক্ষায় রয়েছে।
** উৎস: {{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*যখন নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হলো তখন আমি একে ব্যক্তিগত বিজয় হিসেবেই দেখেছিলাম,আমার ও আমার সহযোগীদের জন্য একটি সাফল্য-- এটি ছিল অত্যন্ত অসাধারণ এক আবিষ্কারের স্বীকৃতি, এবং সেই লক্ষ্যেরই প্রাপ্তি যা আমি বিগত সাত বছর ধরে নিরলসভাবে অনুসরণ করে আসছিলাম। কিন্তু যখন আমি সেই জনাকীর্ণ সভাকক্ষে উপবিষ্ট হলাম এবং আমার চারপাশে কেবলই পশ্চিমা মুখমণ্ডলের এক বিশাল সমুদ্র দেখতে পেলাম আর আমি, একমাত্র ভারতীয় হিসেবে, আমার পাগড়ি ও গলাবন্ধ কোট পরিহিত অবস্থায় সেখানে উপস্থিত তখনই আমার এই বোধোদয় হলো যে, আমি আসলে আমার জনগণ ও আমার দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি। রাজা গুস্তাভের হাত থেকে যখন আমি পুরস্কারটি গ্রহণ করলাম, তখন আমি নিজেকে সত্যিই অত্যন্ত বিনম্র ও বিনীত অনুভব করলাম, সেটি ছিল গভীর আবেগের এক মুহূর্ত, তবুও আমি নিজেকে সংযত রাখতে পেরেছিলাম।
**১৯৩০ সালে স্টকহোমে রাজা গুস্তাভ যখন রামনকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করেছিলেন, সেই উপলক্ষে। উৎস:{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
l9ojegml8ttp8o3umxazohd5qyws09r
75583
75580
2026-04-11T06:46:12Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
75583
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]]''' (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার [[w:ভারতরত্ন|ভারতরত্ন]] দিয়ে সম্মানিত করে।
[[File:Sir CV Raman.JPG|thumb|সি. ভি. রামন]]
==উক্তি==
*স্বর্গ নেই, নরক নেই, পুনর্জন্ম নেই এবং অমরত্বও নেই। একমাত্র সত্য এই যে, মানুষ জন্মায়, জীবনযাপন করে এবং মারা যায়। সুতরাং, তার উচিত জীবনটা যথাযথভাবে যাপন করা।
**১৯৩৪ সালে ব্যাঙ্গালোরে একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায়। উৎস: {{Cite journal|last=সিং|first=আর|date=2010|title=লেটারস টু দ্যা এডিটর: ইন্ডিয়ান সায়েন্টিস্টস ভার্সাস সায়েন্স অ্যান্ড রিলিজিয়ন|url=http://www.scienceandculture-isna.org/july-aug10/Letter%20to%20editors.pdf|journal=সায়েন্স অ্যান্ড কালচার|volume=৭৬|issue=৭-৮|pages=২০৬|via=}}
*যদি ঈশ্বর বলে কেউ থাকেন, তবে আমাদের তাকে এই মহাবিশ্বেই খুঁজতে হবে। তিনি যদি এখানে না থাকেন, তবে তাকে খোঁজার কোনো অর্থ নেই। বিভিন্ন মহলে আমাকে নাস্তিক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কিন্তু আমি তা নই। জ্যোতির্বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবর্ধমান আবিষ্কারগুলো ঈশ্বরের আরও আরও প্রকাশ বলে মনে হচ্ছে। মহাত্মাজি, ধর্মসমূহ এক হতে পারে না। বিজ্ঞানই এক পূর্ণাঙ্গ বন্ধুত্বের সর্বোত্তম সুযোগ করে দেয়। বিজ্ঞানের সকল মানুষ ভাই ভাই।
**১৯৪৫ সালে [[মহাত্মা গান্ধী]] এবং গিলবার্ট রাহমের সাথে তার কথোপকথন। উৎস: {{Cite book|last=জয়ারামন|first=এ|url=https://www.worldcat.org/oclc/21675106|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: অ্যা মেমোয়ার|date=১৯৮৯|publisher=ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস|year=|isbn=81-85336-24-5|location=বেঙ্গালুরু|pages=১৪৩|oclc=21675106}}
*চারিদিকে তাকিয়ে পরিস্থিতি বিচার করে আমার মনে হচ্ছে যে, আমাদের দেশের সামনে আসল বিপদ হলো সরকারি কর্তৃত্বের স্টিমরোলার দিয়ে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও উদ্যোগের নিষ্পেষণ। এরই মধ্যে আমরা এর ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছি... সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো আইন প্রণয়ন এবং শিল্প উন্নয়নের ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে প্রণীত কর ও অন্যান্য বিল পাসের মাধ্যমে... ব্যক্তি স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র ভণ্ডামি ও বিভ্রম মাত্র।
**১৫ আগস্ট ১৯৫৪ তারিখে [[w:ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস|ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে]] দেওয়া [http://books.google.com.kh/books?id=RbgXRdnHkiAC&pg=PA224&lpg=PA224&dq=cv+raman+looking+down+and+sizing+the+situation&source=bl&ots=preDjltao8&sig=J4b2YkQoKPAZiK9iofszC60u5Ss&hl=en&sa=X&ei=yrLtU_6mGsrn8AXfjYL4DA&redir_esc=y এক সাক্ষাৎকারে।]
*সাবানের বুদবুদের উজ্জ্বল রঙগুলো দেখো!<br>সমুদ্র নীল কেন?<br>হীরা কিসে ঝকমক করে!<br>সঠিক প্রশ্নগুলো করো, আর প্রকৃতি তার রহস্যের দরজা খুলে দেবে।
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} page=xiii
*সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সবচেয়ে মৌলিক এবং গভীরতম অনুসন্ধানগুলো হলো সেইসব অনুসন্ধান, যা মানুষের জীবন ও কর্মকাণ্ডকে সবচেয়ে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। সেইসব বিজ্ঞানীই শেষ পর্যন্ত মানবজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ হিতৈষী হিসেবে প্রমাণিত হন, যারা এটা-ওটা উৎপাদনের লক্ষ্যে নয়,বরং কেবল জ্ঞানের অগ্রগতির একমাত্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে পরিশ্রম করেন।
** {{cite book|last1= রামন |first1=সি. ভি. |last2= চন্দ্রলেখা|title=হোয়াই দি স্কাই ইস ব্লু: ড. সি.ভি. রামন টকস অ্যাবাউট সায়েন্স|url=http://books.google.com/books?id=LOC3vbnTgHYC&pg=PT1|year=2010|publisher=তুলিকা বুকস|isbn=978-81-8146-846-8|page=১৭}}
*আপনার সামনে থাকা কাজের প্রতি সাহসী নিষ্ঠার মাধ্যমেই সাফল্য আসতে পারে। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে পারি যে, ভারতীয় মনের গুণাবলী যেকোনো টিউটোনিক, নর্ডিক বা অ্যাংলো-স্যাক্সন মনের গুণাবলীর সমান। আমাদের সম্ভবত সাহসের অভাব, আমাদের সেই চালিকাশক্তির অভাব যা একজন মানুষকে যেকোনো জায়গায় নিয়ে যেতে পারে। আমার মনে হয়, আমাদের মধ্যে এক ধরনের হীনমন্যতা তৈরি হয়েছে। আমার মনে হয়, আজকের ভারতে যা প্রয়োজন তা হলো এই পরাজয়বাদী মনোভাবের বিনাশ।
**১৯৬৯ সালে তরুণ স্নাতকদের উদ্দেশে দেওয়া তার ভাষণ। {{cite book|last=কালাম|first=এ পি জে আবদুল|title=ইগনাইটেড মাইন্ডস: আনলিশিং দি পাওয়ার উইদিন ইন্ডিয়া|url=http://books.google.com/books?id=_PdboDsin90C&pg=PA28|date=1 September 2010|publisher=পিয়ারসন এডুকেশন ইন্ডিয়া|isbn=978-81-317-2960-1|pages=২৮–২৯}}
*বিজ্ঞানী শিল্পকলা, নন্দনতত্ত্ব এবং বিজ্ঞানের মধ্যকার যোগসূত্র উদ্ঘাটন করতে চান। বিজ্ঞানী... [প্রকৃতির] অসীম জটিলতাকে কয়েকটি সরল নীতি বা ক্রিয়ার উপাদানে উদ্ঘাটন করতে চান, যেগুলোকে তিনি প্রকৃতির নিয়ম বলে অভিহিত করেন। এই কাজ করতে গিয়ে, শিল্পের অন্যান্য রূপের প্রবক্তাদের মতোই, তিনি নিজেকে এক কঠোর শৃঙ্খলার অধীন করেন, যার নিয়মকানুন তিনি নিজেই নির্ধারণ করেছেন এবং যেগুলোকে তিনি বলেন যুক্তিবিদ্যা...বিজ্ঞান... হলো প্রকৃতির উপস্থাপনার প্রতি নিবেদিত মানুষের নান্দনিক ও বৌদ্ধিক কার্যাবলীর এক সংমিশ্রণ। সুতরাং এটি সৃজনশীল শিল্পের সর্বোচ্চ রূপ।
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} পৃষ্ঠা=১৪
*উদ্দেশ্যপূর্ণ জীবনের জন্য এমন এক অক্ষ বা কব্জা প্রয়োজন, যার সাথে জীবন দৃঢ়ভাবে সংযুক্ত থাকবে এবং যার চারপাশে অবাধে আবর্তন করতে পারবে। আমার মতে, আমার নিজের ক্ষেত্রে এই অক্ষ বা কব্জাটি ছিল, বিজ্ঞানের প্রতি ভালোবাসা নয়, এমনকি প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসাও নয়, বরং এক বিশেষ বিমূর্ত আদর্শবাদ অথবা মানবাত্মার মূল্য এবং মানুষের প্রচেষ্টা ও সাফল্যের গুণের প্রতি বিশ্বাস। এই আদর্শবাদের উৎসের সবচেয়ে কাছের যে বিন্দুটি আমি খুঁজে পাই, তা হলো এডউইন আর্নল্ডের মহাগ্রন্থ দ্য লাইট অফ এশিয়া পড়ার স্মৃতি। আমার মনে আছে, সিদ্ধার্থের মহান ত্যাগ, তার সত্যের অনুসন্ধান এবং চূড়ান্ত বোধিলাভ আমাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল।
** উৎস: {{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*ইউক্লিডের পাতাগুলো যেন প্রকৃতির মহান নাটকের গ্র্যান্ড অপেরার সঙ্গীতের সূচনালগ্ন। বলা যায়, এগুলো পর্দা সরিয়ে আমাদের দৃষ্টির সামনে প্রাকৃতিক জ্ঞানের এক বিশাল জগতের ঝলক তুলে ধরে, যা অধ্যয়নের অপেক্ষায় রয়েছে।
** উৎস: {{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*যখন নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হলো তখন আমি একে ব্যক্তিগত বিজয় হিসেবেই দেখেছিলাম,আমার ও আমার সহযোগীদের জন্য একটি সাফল্য-- এটি ছিল অত্যন্ত অসাধারণ এক আবিষ্কারের স্বীকৃতি, এবং সেই লক্ষ্যেরই প্রাপ্তি যা আমি বিগত সাত বছর ধরে নিরলসভাবে অনুসরণ করে আসছিলাম। কিন্তু যখন আমি সেই জনাকীর্ণ সভাকক্ষে উপবিষ্ট হলাম এবং আমার চারপাশে কেবলই পশ্চিমা মুখমণ্ডলের এক বিশাল সমুদ্র দেখতে পেলাম আর আমি, একমাত্র ভারতীয় হিসেবে, আমার পাগড়ি ও গলাবন্ধ কোট পরিহিত অবস্থায় সেখানে উপস্থিত তখনই আমার এই বোধোদয় হলো যে, আমি আসলে আমার জনগণ ও আমার দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি। রাজা গুস্তাভের হাত থেকে যখন আমি পুরস্কারটি গ্রহণ করলাম, তখন আমি নিজেকে সত্যিই অত্যন্ত বিনম্র ও বিনীত অনুভব করলাম, সেটি ছিল গভীর আবেগের এক মুহূর্ত, তবুও আমি নিজেকে সংযত রাখতে পেরেছিলাম।
**১৯৩০ সালে স্টকহোমে রাজা গুস্তাভ যখন রামনকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করেছিলেন, সেই উপলক্ষে। উৎস:{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*তারপর আমি ঘুরে দাঁড়ালাম এবং ব্রিটিশ ইউনিয়ন জ্যাক দেখতে পেলাম, যেটার নিচে আমি বসেছিলাম; আর ঠিক তখনই আমি উপলব্ধি করলাম যে, আমার দরিদ্র দেশ,ভারতের, নিজস্ব একটা পতাকাও নেই- আর ঠিক এই ঘটনাই আমার সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার সূত্রপাত ঘটাল।
g08zae093i0jedu745j1dp2nbv657mm
75586
75583
2026-04-11T06:50:34Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
75586
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]]''' (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার [[w:ভারতরত্ন|ভারতরত্ন]] দিয়ে সম্মানিত করে।
[[File:Sir CV Raman.JPG|thumb|সি. ভি. রামন]]
==উক্তি==
*স্বর্গ নেই, নরক নেই, পুনর্জন্ম নেই এবং অমরত্বও নেই। একমাত্র সত্য এই যে, মানুষ জন্মায়, জীবনযাপন করে এবং মারা যায়। সুতরাং, তার উচিত জীবনটা যথাযথভাবে যাপন করা।
**১৯৩৪ সালে ব্যাঙ্গালোরে একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায়। উৎস: {{Cite journal|last=সিং|first=আর|date=2010|title=লেটারস টু দ্যা এডিটর: ইন্ডিয়ান সায়েন্টিস্টস ভার্সাস সায়েন্স অ্যান্ড রিলিজিয়ন|url=http://www.scienceandculture-isna.org/july-aug10/Letter%20to%20editors.pdf|journal=সায়েন্স অ্যান্ড কালচার|volume=৭৬|issue=৭-৮|pages=২০৬|via=}}
*যদি ঈশ্বর বলে কেউ থাকেন, তবে আমাদের তাকে এই মহাবিশ্বেই খুঁজতে হবে। তিনি যদি এখানে না থাকেন, তবে তাকে খোঁজার কোনো অর্থ নেই। বিভিন্ন মহলে আমাকে নাস্তিক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কিন্তু আমি তা নই। জ্যোতির্বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবর্ধমান আবিষ্কারগুলো ঈশ্বরের আরও আরও প্রকাশ বলে মনে হচ্ছে। মহাত্মাজি, ধর্মসমূহ এক হতে পারে না। বিজ্ঞানই এক পূর্ণাঙ্গ বন্ধুত্বের সর্বোত্তম সুযোগ করে দেয়। বিজ্ঞানের সকল মানুষ ভাই ভাই।
**১৯৪৫ সালে [[মহাত্মা গান্ধী]] এবং গিলবার্ট রাহমের সাথে তার কথোপকথন। উৎস: {{Cite book|last=জয়ারামন|first=এ|url=https://www.worldcat.org/oclc/21675106|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: অ্যা মেমোয়ার|date=১৯৮৯|publisher=ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস|year=|isbn=81-85336-24-5|location=বেঙ্গালুরু|pages=১৪৩|oclc=21675106}}
*চারিদিকে তাকিয়ে পরিস্থিতি বিচার করে আমার মনে হচ্ছে যে, আমাদের দেশের সামনে আসল বিপদ হলো সরকারি কর্তৃত্বের স্টিমরোলার দিয়ে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও উদ্যোগের নিষ্পেষণ। এরই মধ্যে আমরা এর ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছি... সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো আইন প্রণয়ন এবং শিল্প উন্নয়নের ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে প্রণীত কর ও অন্যান্য বিল পাসের মাধ্যমে... ব্যক্তি স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র ভণ্ডামি ও বিভ্রম মাত্র।
**১৫ আগস্ট ১৯৫৪ তারিখে [[w:ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস|ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে]] দেওয়া [http://books.google.com.kh/books?id=RbgXRdnHkiAC&pg=PA224&lpg=PA224&dq=cv+raman+looking+down+and+sizing+the+situation&source=bl&ots=preDjltao8&sig=J4b2YkQoKPAZiK9iofszC60u5Ss&hl=en&sa=X&ei=yrLtU_6mGsrn8AXfjYL4DA&redir_esc=y এক সাক্ষাৎকারে।]
*সাবানের বুদবুদের উজ্জ্বল রঙগুলো দেখো!<br>সমুদ্র নীল কেন?<br>হীরা কিসে ঝকমক করে!<br>সঠিক প্রশ্নগুলো করো, আর প্রকৃতি তার রহস্যের দরজা খুলে দেবে।
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} page=xiii
*সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সবচেয়ে মৌলিক এবং গভীরতম অনুসন্ধানগুলো হলো সেইসব অনুসন্ধান, যা মানুষের জীবন ও কর্মকাণ্ডকে সবচেয়ে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। সেইসব বিজ্ঞানীই শেষ পর্যন্ত মানবজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ হিতৈষী হিসেবে প্রমাণিত হন, যারা এটা-ওটা উৎপাদনের লক্ষ্যে নয়,বরং কেবল জ্ঞানের অগ্রগতির একমাত্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে পরিশ্রম করেন।
** {{cite book|last1= রামন |first1=সি. ভি. |last2= চন্দ্রলেখা|title=হোয়াই দি স্কাই ইস ব্লু: ড. সি.ভি. রামন টকস অ্যাবাউট সায়েন্স|url=http://books.google.com/books?id=LOC3vbnTgHYC&pg=PT1|year=2010|publisher=তুলিকা বুকস|isbn=978-81-8146-846-8|page=১৭}}
*আপনার সামনে থাকা কাজের প্রতি সাহসী নিষ্ঠার মাধ্যমেই সাফল্য আসতে পারে। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে পারি যে, ভারতীয় মনের গুণাবলী যেকোনো টিউটোনিক, নর্ডিক বা অ্যাংলো-স্যাক্সন মনের গুণাবলীর সমান। আমাদের সম্ভবত সাহসের অভাব, আমাদের সেই চালিকাশক্তির অভাব যা একজন মানুষকে যেকোনো জায়গায় নিয়ে যেতে পারে। আমার মনে হয়, আমাদের মধ্যে এক ধরনের হীনমন্যতা তৈরি হয়েছে। আমার মনে হয়, আজকের ভারতে যা প্রয়োজন তা হলো এই পরাজয়বাদী মনোভাবের বিনাশ।
**১৯৬৯ সালে তরুণ স্নাতকদের উদ্দেশে দেওয়া তার ভাষণ। {{cite book|last=কালাম|first=এ পি জে আবদুল|title=ইগনাইটেড মাইন্ডস: আনলিশিং দি পাওয়ার উইদিন ইন্ডিয়া|url=http://books.google.com/books?id=_PdboDsin90C&pg=PA28|date=1 September 2010|publisher=পিয়ারসন এডুকেশন ইন্ডিয়া|isbn=978-81-317-2960-1|pages=২৮–২৯}}
*বিজ্ঞানী শিল্পকলা, নন্দনতত্ত্ব এবং বিজ্ঞানের মধ্যকার যোগসূত্র উদ্ঘাটন করতে চান। বিজ্ঞানী... [প্রকৃতির] অসীম জটিলতাকে কয়েকটি সরল নীতি বা ক্রিয়ার উপাদানে উদ্ঘাটন করতে চান, যেগুলোকে তিনি প্রকৃতির নিয়ম বলে অভিহিত করেন। এই কাজ করতে গিয়ে, শিল্পের অন্যান্য রূপের প্রবক্তাদের মতোই, তিনি নিজেকে এক কঠোর শৃঙ্খলার অধীন করেন, যার নিয়মকানুন তিনি নিজেই নির্ধারণ করেছেন এবং যেগুলোকে তিনি বলেন যুক্তিবিদ্যা...বিজ্ঞান... হলো প্রকৃতির উপস্থাপনার প্রতি নিবেদিত মানুষের নান্দনিক ও বৌদ্ধিক কার্যাবলীর এক সংমিশ্রণ। সুতরাং এটি সৃজনশীল শিল্পের সর্বোচ্চ রূপ।
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} পৃষ্ঠা=১৪
*উদ্দেশ্যপূর্ণ জীবনের জন্য এমন এক অক্ষ বা কব্জা প্রয়োজন, যার সাথে জীবন দৃঢ়ভাবে সংযুক্ত থাকবে এবং যার চারপাশে অবাধে আবর্তন করতে পারবে। আমার মতে, আমার নিজের ক্ষেত্রে এই অক্ষ বা কব্জাটি ছিল, বিজ্ঞানের প্রতি ভালোবাসা নয়, এমনকি প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসাও নয়, বরং এক বিশেষ বিমূর্ত আদর্শবাদ অথবা মানবাত্মার মূল্য এবং মানুষের প্রচেষ্টা ও সাফল্যের গুণের প্রতি বিশ্বাস। এই আদর্শবাদের উৎসের সবচেয়ে কাছের যে বিন্দুটি আমি খুঁজে পাই, তা হলো এডউইন আর্নল্ডের মহাগ্রন্থ দ্য লাইট অফ এশিয়া পড়ার স্মৃতি। আমার মনে আছে, সিদ্ধার্থের মহান ত্যাগ, তার সত্যের অনুসন্ধান এবং চূড়ান্ত বোধিলাভ আমাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল।
** উৎস: {{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*ইউক্লিডের পাতাগুলো যেন প্রকৃতির মহান নাটকের গ্র্যান্ড অপেরার সঙ্গীতের সূচনালগ্ন। বলা যায়, এগুলো পর্দা সরিয়ে আমাদের দৃষ্টির সামনে প্রাকৃতিক জ্ঞানের এক বিশাল জগতের ঝলক তুলে ধরে, যা অধ্যয়নের অপেক্ষায় রয়েছে।
** উৎস: {{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*যখন নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হলো তখন আমি একে ব্যক্তিগত বিজয় হিসেবেই দেখেছিলাম,আমার ও আমার সহযোগীদের জন্য একটি সাফল্য-- এটি ছিল অত্যন্ত অসাধারণ এক আবিষ্কারের স্বীকৃতি, এবং সেই লক্ষ্যেরই প্রাপ্তি যা আমি বিগত সাত বছর ধরে নিরলসভাবে অনুসরণ করে আসছিলাম। কিন্তু যখন আমি সেই জনাকীর্ণ সভাকক্ষে উপবিষ্ট হলাম এবং আমার চারপাশে কেবলই পশ্চিমা মুখমণ্ডলের এক বিশাল সমুদ্র দেখতে পেলাম আর আমি, একমাত্র ভারতীয় হিসেবে, আমার পাগড়ি ও গলাবন্ধ কোট পরিহিত অবস্থায় সেখানে উপস্থিত তখনই আমার এই বোধোদয় হলো যে, আমি আসলে আমার জনগণ ও আমার দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি। রাজা গুস্তাভের হাত থেকে যখন আমি পুরস্কারটি গ্রহণ করলাম, তখন আমি নিজেকে সত্যিই অত্যন্ত বিনম্র ও বিনীত অনুভব করলাম, সেটি ছিল গভীর আবেগের এক মুহূর্ত, তবুও আমি নিজেকে সংযত রাখতে পেরেছিলাম।
**১৯৩০ সালে স্টকহোমে রাজা গুস্তাভ যখন রামনকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করেছিলেন, সেই উপলক্ষে। উৎস:{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*তারপর আমি ঘুরে দাঁড়ালাম এবং ব্রিটিশ ইউনিয়ন জ্যাক দেখতে পেলাম, যেটার নিচে আমি বসেছিলাম; আর ঠিক তখনই আমি উপলব্ধি করলাম যে, আমার দরিদ্র দেশ,ভারতের, নিজস্ব একটা পতাকাও নেই- আর ঠিক এই ঘটনাই আমার সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার সূত্রপাত ঘটাল।
**১৯৩০ সালে স্টকহোমে রাজা গুস্তাভ যখন রামনকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করেছিলেন, সেই উপলক্ষে। উৎস:{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} পৃষ্ঠা=১৫
t7vv4kaymyvguxv7bkdez1gshcudd48
75587
75586
2026-04-11T06:55:13Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
75587
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]]''' (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার [[w:ভারতরত্ন|ভারতরত্ন]] দিয়ে সম্মানিত করে।
[[File:Sir CV Raman.JPG|thumb|সি. ভি. রামন]]
==উক্তি==
*স্বর্গ নেই, নরক নেই, পুনর্জন্ম নেই এবং অমরত্বও নেই। একমাত্র সত্য এই যে, মানুষ জন্মায়, জীবনযাপন করে এবং মারা যায়। সুতরাং, তার উচিত জীবনটা যথাযথভাবে যাপন করা।
**১৯৩৪ সালে ব্যাঙ্গালোরে একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায়। উৎস: {{Cite journal|last=সিং|first=আর|date=2010|title=লেটারস টু দ্যা এডিটর: ইন্ডিয়ান সায়েন্টিস্টস ভার্সাস সায়েন্স অ্যান্ড রিলিজিয়ন|url=http://www.scienceandculture-isna.org/july-aug10/Letter%20to%20editors.pdf|journal=সায়েন্স অ্যান্ড কালচার|volume=৭৬|issue=৭-৮|pages=২০৬|via=}}
*যদি ঈশ্বর বলে কেউ থাকেন, তবে আমাদের তাকে এই মহাবিশ্বেই খুঁজতে হবে। তিনি যদি এখানে না থাকেন, তবে তাকে খোঁজার কোনো অর্থ নেই। বিভিন্ন মহলে আমাকে নাস্তিক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কিন্তু আমি তা নই। জ্যোতির্বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবর্ধমান আবিষ্কারগুলো ঈশ্বরের আরও আরও প্রকাশ বলে মনে হচ্ছে। মহাত্মাজি, ধর্মসমূহ এক হতে পারে না। বিজ্ঞানই এক পূর্ণাঙ্গ বন্ধুত্বের সর্বোত্তম সুযোগ করে দেয়। বিজ্ঞানের সকল মানুষ ভাই ভাই।
**১৯৪৫ সালে [[মহাত্মা গান্ধী]] এবং গিলবার্ট রাহমের সাথে তার কথোপকথন। উৎস: {{Cite book|last=জয়ারামন|first=এ|url=https://www.worldcat.org/oclc/21675106|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: অ্যা মেমোয়ার|date=১৯৮৯|publisher=ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস|year=|isbn=81-85336-24-5|location=বেঙ্গালুরু|pages=১৪৩|oclc=21675106}}
*চারিদিকে তাকিয়ে পরিস্থিতি বিচার করে আমার মনে হচ্ছে যে, আমাদের দেশের সামনে আসল বিপদ হলো সরকারি কর্তৃত্বের স্টিমরোলার দিয়ে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও উদ্যোগের নিষ্পেষণ। এরই মধ্যে আমরা এর ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছি... সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো আইন প্রণয়ন এবং শিল্প উন্নয়নের ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে প্রণীত কর ও অন্যান্য বিল পাসের মাধ্যমে... ব্যক্তি স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র ভণ্ডামি ও বিভ্রম মাত্র।
**১৫ আগস্ট ১৯৫৪ তারিখে [[w:ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস|ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে]] দেওয়া [http://books.google.com.kh/books?id=RbgXRdnHkiAC&pg=PA224&lpg=PA224&dq=cv+raman+looking+down+and+sizing+the+situation&source=bl&ots=preDjltao8&sig=J4b2YkQoKPAZiK9iofszC60u5Ss&hl=en&sa=X&ei=yrLtU_6mGsrn8AXfjYL4DA&redir_esc=y এক সাক্ষাৎকারে।]
*সাবানের বুদবুদের উজ্জ্বল রঙগুলো দেখো!<br>সমুদ্র নীল কেন?<br>হীরা কিসে ঝকমক করে!<br>সঠিক প্রশ্নগুলো করো, আর প্রকৃতি তার রহস্যের দরজা খুলে দেবে।
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} page=xiii
*সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সবচেয়ে মৌলিক এবং গভীরতম অনুসন্ধানগুলো হলো সেইসব অনুসন্ধান, যা মানুষের জীবন ও কর্মকাণ্ডকে সবচেয়ে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। সেইসব বিজ্ঞানীই শেষ পর্যন্ত মানবজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ হিতৈষী হিসেবে প্রমাণিত হন, যারা এটা-ওটা উৎপাদনের লক্ষ্যে নয়,বরং কেবল জ্ঞানের অগ্রগতির একমাত্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে পরিশ্রম করেন।
** {{cite book|last1= রামন |first1=সি. ভি. |last2= চন্দ্রলেখা|title=হোয়াই দি স্কাই ইস ব্লু: ড. সি.ভি. রামন টকস অ্যাবাউট সায়েন্স|url=http://books.google.com/books?id=LOC3vbnTgHYC&pg=PT1|year=2010|publisher=তুলিকা বুকস|isbn=978-81-8146-846-8|page=১৭}}
*আপনার সামনে থাকা কাজের প্রতি সাহসী নিষ্ঠার মাধ্যমেই সাফল্য আসতে পারে। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে পারি যে, ভারতীয় মনের গুণাবলী যেকোনো টিউটোনিক, নর্ডিক বা অ্যাংলো-স্যাক্সন মনের গুণাবলীর সমান। আমাদের সম্ভবত সাহসের অভাব, আমাদের সেই চালিকাশক্তির অভাব যা একজন মানুষকে যেকোনো জায়গায় নিয়ে যেতে পারে। আমার মনে হয়, আমাদের মধ্যে এক ধরনের হীনমন্যতা তৈরি হয়েছে। আমার মনে হয়, আজকের ভারতে যা প্রয়োজন তা হলো এই পরাজয়বাদী মনোভাবের বিনাশ।
**১৯৬৯ সালে তরুণ স্নাতকদের উদ্দেশে দেওয়া তার ভাষণ। {{cite book|last=কালাম|first=এ পি জে আবদুল|title=ইগনাইটেড মাইন্ডস: আনলিশিং দি পাওয়ার উইদিন ইন্ডিয়া|url=http://books.google.com/books?id=_PdboDsin90C&pg=PA28|date=1 September 2010|publisher=পিয়ারসন এডুকেশন ইন্ডিয়া|isbn=978-81-317-2960-1|pages=২৮–২৯}}
*বিজ্ঞানী শিল্পকলা, নন্দনতত্ত্ব এবং বিজ্ঞানের মধ্যকার যোগসূত্র উদ্ঘাটন করতে চান। বিজ্ঞানী... [প্রকৃতির] অসীম জটিলতাকে কয়েকটি সরল নীতি বা ক্রিয়ার উপাদানে উদ্ঘাটন করতে চান, যেগুলোকে তিনি প্রকৃতির নিয়ম বলে অভিহিত করেন। এই কাজ করতে গিয়ে, শিল্পের অন্যান্য রূপের প্রবক্তাদের মতোই, তিনি নিজেকে এক কঠোর শৃঙ্খলার অধীন করেন, যার নিয়মকানুন তিনি নিজেই নির্ধারণ করেছেন এবং যেগুলোকে তিনি বলেন যুক্তিবিদ্যা...বিজ্ঞান... হলো প্রকৃতির উপস্থাপনার প্রতি নিবেদিত মানুষের নান্দনিক ও বৌদ্ধিক কার্যাবলীর এক সংমিশ্রণ। সুতরাং এটি সৃজনশীল শিল্পের সর্বোচ্চ রূপ।
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} পৃষ্ঠা=১৪
*উদ্দেশ্যপূর্ণ জীবনের জন্য এমন এক অক্ষ বা কব্জা প্রয়োজন, যার সাথে জীবন দৃঢ়ভাবে সংযুক্ত থাকবে এবং যার চারপাশে অবাধে আবর্তন করতে পারবে। আমার মতে, আমার নিজের ক্ষেত্রে এই অক্ষ বা কব্জাটি ছিল, বিজ্ঞানের প্রতি ভালোবাসা নয়, এমনকি প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসাও নয়, বরং এক বিশেষ বিমূর্ত আদর্শবাদ অথবা মানবাত্মার মূল্য এবং মানুষের প্রচেষ্টা ও সাফল্যের গুণের প্রতি বিশ্বাস। এই আদর্শবাদের উৎসের সবচেয়ে কাছের যে বিন্দুটি আমি খুঁজে পাই, তা হলো এডউইন আর্নল্ডের মহাগ্রন্থ দ্য লাইট অফ এশিয়া পড়ার স্মৃতি। আমার মনে আছে, সিদ্ধার্থের মহান ত্যাগ, তার সত্যের অনুসন্ধান এবং চূড়ান্ত বোধিলাভ আমাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল।
** উৎস: {{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*ইউক্লিডের পাতাগুলো যেন প্রকৃতির মহান নাটকের গ্র্যান্ড অপেরার সঙ্গীতের সূচনালগ্ন। বলা যায়, এগুলো পর্দা সরিয়ে আমাদের দৃষ্টির সামনে প্রাকৃতিক জ্ঞানের এক বিশাল জগতের ঝলক তুলে ধরে, যা অধ্যয়নের অপেক্ষায় রয়েছে।
** উৎস: {{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*যখন নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হলো তখন আমি একে ব্যক্তিগত বিজয় হিসেবেই দেখেছিলাম,আমার ও আমার সহযোগীদের জন্য একটি সাফল্য-- এটি ছিল অত্যন্ত অসাধারণ এক আবিষ্কারের স্বীকৃতি, এবং সেই লক্ষ্যেরই প্রাপ্তি যা আমি বিগত সাত বছর ধরে নিরলসভাবে অনুসরণ করে আসছিলাম। কিন্তু যখন আমি সেই জনাকীর্ণ সভাকক্ষে উপবিষ্ট হলাম এবং আমার চারপাশে কেবলই পশ্চিমা মুখমণ্ডলের এক বিশাল সমুদ্র দেখতে পেলাম আর আমি, একমাত্র ভারতীয় হিসেবে, আমার পাগড়ি ও গলাবন্ধ কোট পরিহিত অবস্থায় সেখানে উপস্থিত তখনই আমার এই বোধোদয় হলো যে, আমি আসলে আমার জনগণ ও আমার দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি। রাজা গুস্তাভের হাত থেকে যখন আমি পুরস্কারটি গ্রহণ করলাম, তখন আমি নিজেকে সত্যিই অত্যন্ত বিনম্র ও বিনীত অনুভব করলাম, সেটি ছিল গভীর আবেগের এক মুহূর্ত, তবুও আমি নিজেকে সংযত রাখতে পেরেছিলাম।
**১৯৩০ সালে স্টকহোমে রাজা গুস্তাভ যখন রামনকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করেছিলেন, সেই উপলক্ষে। উৎস:{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*তারপর আমি ঘুরে দাঁড়ালাম এবং ব্রিটিশ ইউনিয়ন জ্যাক দেখতে পেলাম, যেটার নিচে আমি বসেছিলাম; আর ঠিক তখনই আমি উপলব্ধি করলাম যে, আমার দরিদ্র দেশ,ভারতের, নিজস্ব একটা পতাকাও নেই- আর ঠিক এই ঘটনাই আমার সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার সূত্রপাত ঘটাল।
**১৯৩০ সালে স্টকহোমে রাজা গুস্তাভ যখন রামনকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করেছিলেন, সেই উপলক্ষে। উৎস:{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} পৃষ্ঠা=১৫
*প্রতিটি পাঠ্যপুস্তকের প্রচ্ছদ হিসেবে গান্ধীজীর প্রতিকৃতি অবশ্যই থাকতে হবে এবং সবরমতী থেকে বিড়লা হাউস পর্যন্ত গান্ধীজীর উপদেশাবলী সম্বলিত পাঠ অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ এবং ভারতীয় জাতির পিতার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের এটিই হবে সর্বোত্তম ও সবচেয়ে শক্তিশালী উপায়, এবং এটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ ও মূর্তি স্থাপনের চেয়েও উত্তম... তার (গান্ধীজীর) শিক্ষায় মানবাত্মার পরম গুণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অবিনশ্বর এবং অপরাজেয়। ভারত কখনোই সাফল্যের শিখরে পৌঁছানোর আশা করতে পারে না, যদি না আমরা মানবাত্মার মূল্যকে উন্নত করি।
06eybb6qcgo36axh3io01g0dqldoubl
75588
75587
2026-04-11T07:06:59Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
75588
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]]''' (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার [[w:ভারতরত্ন|ভারতরত্ন]] দিয়ে সম্মানিত করে।
[[File:Sir CV Raman.JPG|thumb|সি. ভি. রামন]]
==উক্তি==
*স্বর্গ নেই, নরক নেই, পুনর্জন্ম নেই এবং অমরত্বও নেই। একমাত্র সত্য এই যে, মানুষ জন্মায়, জীবনযাপন করে এবং মারা যায়। সুতরাং, তার উচিত জীবনটা যথাযথভাবে যাপন করা।
**১৯৩৪ সালে ব্যাঙ্গালোরে একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায়। উৎস: {{Cite journal|last=সিং|first=আর|date=2010|title=লেটারস টু দ্যা এডিটর: ইন্ডিয়ান সায়েন্টিস্টস ভার্সাস সায়েন্স অ্যান্ড রিলিজিয়ন|url=http://www.scienceandculture-isna.org/july-aug10/Letter%20to%20editors.pdf|journal=সায়েন্স অ্যান্ড কালচার|volume=৭৬|issue=৭-৮|pages=২০৬|via=}}
*যদি ঈশ্বর বলে কেউ থাকেন, তবে আমাদের তাকে এই মহাবিশ্বেই খুঁজতে হবে। তিনি যদি এখানে না থাকেন, তবে তাকে খোঁজার কোনো অর্থ নেই। বিভিন্ন মহলে আমাকে নাস্তিক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কিন্তু আমি তা নই। জ্যোতির্বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবর্ধমান আবিষ্কারগুলো ঈশ্বরের আরও আরও প্রকাশ বলে মনে হচ্ছে। মহাত্মাজি, ধর্মসমূহ এক হতে পারে না। বিজ্ঞানই এক পূর্ণাঙ্গ বন্ধুত্বের সর্বোত্তম সুযোগ করে দেয়। বিজ্ঞানের সকল মানুষ ভাই ভাই।
**১৯৪৫ সালে [[মহাত্মা গান্ধী]] এবং গিলবার্ট রাহমের সাথে তার কথোপকথন। উৎস: {{Cite book|last=জয়ারামন|first=এ|url=https://www.worldcat.org/oclc/21675106|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: অ্যা মেমোয়ার|date=১৯৮৯|publisher=ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস|year=|isbn=81-85336-24-5|location=বেঙ্গালুরু|pages=১৪৩|oclc=21675106}}
*চারিদিকে তাকিয়ে পরিস্থিতি বিচার করে আমার মনে হচ্ছে যে, আমাদের দেশের সামনে আসল বিপদ হলো সরকারি কর্তৃত্বের স্টিমরোলার দিয়ে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও উদ্যোগের নিষ্পেষণ। এরই মধ্যে আমরা এর ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছি... সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো আইন প্রণয়ন এবং শিল্প উন্নয়নের ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে প্রণীত কর ও অন্যান্য বিল পাসের মাধ্যমে... ব্যক্তি স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র ভণ্ডামি ও বিভ্রম মাত্র।
**১৫ আগস্ট ১৯৫৪ তারিখে [[w:ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস|ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে]] দেওয়া [http://books.google.com.kh/books?id=RbgXRdnHkiAC&pg=PA224&lpg=PA224&dq=cv+raman+looking+down+and+sizing+the+situation&source=bl&ots=preDjltao8&sig=J4b2YkQoKPAZiK9iofszC60u5Ss&hl=en&sa=X&ei=yrLtU_6mGsrn8AXfjYL4DA&redir_esc=y এক সাক্ষাৎকারে।]
*সাবানের বুদবুদের উজ্জ্বল রঙগুলো দেখো!<br>সমুদ্র নীল কেন?<br>হীরা কিসে ঝকমক করে!<br>সঠিক প্রশ্নগুলো করো, আর প্রকৃতি তার রহস্যের দরজা খুলে দেবে।
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} page=xiii
*সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সবচেয়ে মৌলিক এবং গভীরতম অনুসন্ধানগুলো হলো সেইসব অনুসন্ধান, যা মানুষের জীবন ও কর্মকাণ্ডকে সবচেয়ে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। সেইসব বিজ্ঞানীই শেষ পর্যন্ত মানবজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ হিতৈষী হিসেবে প্রমাণিত হন, যারা এটা-ওটা উৎপাদনের লক্ষ্যে নয়,বরং কেবল জ্ঞানের অগ্রগতির একমাত্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে পরিশ্রম করেন।
** {{cite book|last1= রামন |first1=সি. ভি. |last2= চন্দ্রলেখা|title=হোয়াই দি স্কাই ইস ব্লু: ড. সি.ভি. রামন টকস অ্যাবাউট সায়েন্স|url=http://books.google.com/books?id=LOC3vbnTgHYC&pg=PT1|year=2010|publisher=তুলিকা বুকস|isbn=978-81-8146-846-8|page=১৭}}
*আপনার সামনে থাকা কাজের প্রতি সাহসী নিষ্ঠার মাধ্যমেই সাফল্য আসতে পারে। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে পারি যে, ভারতীয় মনের গুণাবলী যেকোনো টিউটোনিক, নর্ডিক বা অ্যাংলো-স্যাক্সন মনের গুণাবলীর সমান। আমাদের সম্ভবত সাহসের অভাব, আমাদের সেই চালিকাশক্তির অভাব যা একজন মানুষকে যেকোনো জায়গায় নিয়ে যেতে পারে। আমার মনে হয়, আমাদের মধ্যে এক ধরনের হীনমন্যতা তৈরি হয়েছে। আমার মনে হয়, আজকের ভারতে যা প্রয়োজন তা হলো এই পরাজয়বাদী মনোভাবের বিনাশ।
**১৯৬৯ সালে তরুণ স্নাতকদের উদ্দেশে দেওয়া তার ভাষণ। {{cite book|last=কালাম|first=এ পি জে আবদুল|title=ইগনাইটেড মাইন্ডস: আনলিশিং দি পাওয়ার উইদিন ইন্ডিয়া|url=http://books.google.com/books?id=_PdboDsin90C&pg=PA28|date=1 September 2010|publisher=পিয়ারসন এডুকেশন ইন্ডিয়া|isbn=978-81-317-2960-1|pages=২৮–২৯}}
*বিজ্ঞানী শিল্পকলা, নন্দনতত্ত্ব এবং বিজ্ঞানের মধ্যকার যোগসূত্র উদ্ঘাটন করতে চান। বিজ্ঞানী... [প্রকৃতির] অসীম জটিলতাকে কয়েকটি সরল নীতি বা ক্রিয়ার উপাদানে উদ্ঘাটন করতে চান, যেগুলোকে তিনি প্রকৃতির নিয়ম বলে অভিহিত করেন। এই কাজ করতে গিয়ে, শিল্পের অন্যান্য রূপের প্রবক্তাদের মতোই, তিনি নিজেকে এক কঠোর শৃঙ্খলার অধীন করেন, যার নিয়মকানুন তিনি নিজেই নির্ধারণ করেছেন এবং যেগুলোকে তিনি বলেন যুক্তিবিদ্যা...বিজ্ঞান... হলো প্রকৃতির উপস্থাপনার প্রতি নিবেদিত মানুষের নান্দনিক ও বৌদ্ধিক কার্যাবলীর এক সংমিশ্রণ। সুতরাং এটি সৃজনশীল শিল্পের সর্বোচ্চ রূপ।
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} পৃষ্ঠা=১৪
*উদ্দেশ্যপূর্ণ জীবনের জন্য এমন এক অক্ষ বা কব্জা প্রয়োজন, যার সাথে জীবন দৃঢ়ভাবে সংযুক্ত থাকবে এবং যার চারপাশে অবাধে আবর্তন করতে পারবে। আমার মতে, আমার নিজের ক্ষেত্রে এই অক্ষ বা কব্জাটি ছিল, বিজ্ঞানের প্রতি ভালোবাসা নয়, এমনকি প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসাও নয়, বরং এক বিশেষ বিমূর্ত আদর্শবাদ অথবা মানবাত্মার মূল্য এবং মানুষের প্রচেষ্টা ও সাফল্যের গুণের প্রতি বিশ্বাস। এই আদর্শবাদের উৎসের সবচেয়ে কাছের যে বিন্দুটি আমি খুঁজে পাই, তা হলো এডউইন আর্নল্ডের মহাগ্রন্থ দ্য লাইট অফ এশিয়া পড়ার স্মৃতি। আমার মনে আছে, সিদ্ধার্থের মহান ত্যাগ, তার সত্যের অনুসন্ধান এবং চূড়ান্ত বোধিলাভ আমাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল।
** উৎস: {{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*ইউক্লিডের পাতাগুলো যেন প্রকৃতির মহান নাটকের গ্র্যান্ড অপেরার সঙ্গীতের সূচনালগ্ন। বলা যায়, এগুলো পর্দা সরিয়ে আমাদের দৃষ্টির সামনে প্রাকৃতিক জ্ঞানের এক বিশাল জগতের ঝলক তুলে ধরে, যা অধ্যয়নের অপেক্ষায় রয়েছে।
** উৎস: {{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*যখন নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হলো তখন আমি একে ব্যক্তিগত বিজয় হিসেবেই দেখেছিলাম,আমার ও আমার সহযোগীদের জন্য একটি সাফল্য-- এটি ছিল অত্যন্ত অসাধারণ এক আবিষ্কারের স্বীকৃতি, এবং সেই লক্ষ্যেরই প্রাপ্তি যা আমি বিগত সাত বছর ধরে নিরলসভাবে অনুসরণ করে আসছিলাম। কিন্তু যখন আমি সেই জনাকীর্ণ সভাকক্ষে উপবিষ্ট হলাম এবং আমার চারপাশে কেবলই পশ্চিমা মুখমণ্ডলের এক বিশাল সমুদ্র দেখতে পেলাম আর আমি, একমাত্র ভারতীয় হিসেবে, আমার পাগড়ি ও গলাবন্ধ কোট পরিহিত অবস্থায় সেখানে উপস্থিত তখনই আমার এই বোধোদয় হলো যে, আমি আসলে আমার জনগণ ও আমার দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি। রাজা গুস্তাভের হাত থেকে যখন আমি পুরস্কারটি গ্রহণ করলাম, তখন আমি নিজেকে সত্যিই অত্যন্ত বিনম্র ও বিনীত অনুভব করলাম, সেটি ছিল গভীর আবেগের এক মুহূর্ত, তবুও আমি নিজেকে সংযত রাখতে পেরেছিলাম।
**১৯৩০ সালে স্টকহোমে রাজা গুস্তাভ যখন রামনকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করেছিলেন, সেই উপলক্ষে। উৎস:{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*তারপর আমি ঘুরে দাঁড়ালাম এবং ব্রিটিশ ইউনিয়ন জ্যাক দেখতে পেলাম, যেটার নিচে আমি বসেছিলাম; আর ঠিক তখনই আমি উপলব্ধি করলাম যে, আমার দরিদ্র দেশ,ভারতের, নিজস্ব একটা পতাকাও নেই- আর ঠিক এই ঘটনাই আমার সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার সূত্রপাত ঘটাল।
**১৯৩০ সালে স্টকহোমে রাজা গুস্তাভ যখন রামনকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করেছিলেন, সেই উপলক্ষে। উৎস:{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} পৃষ্ঠা=১৫
*প্রতিটি পাঠ্যপুস্তকের প্রচ্ছদ হিসেবে গান্ধীজীর প্রতিকৃতি অবশ্যই থাকতে হবে এবং সবরমতী থেকে বিড়লা হাউস পর্যন্ত গান্ধীজীর উপদেশাবলী সম্বলিত পাঠ অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ এবং ভারতীয় জাতির পিতার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের এটিই হবে সর্বোত্তম ও সবচেয়ে শক্তিশালী উপায়, এবং এটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ ও মূর্তি স্থাপনের চেয়েও উত্তম... তার (গান্ধীজীর) শিক্ষায় মানবাত্মার পরম গুণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অবিনশ্বর এবং অপরাজেয়। ভারত কখনোই সাফল্যের শিখরে পৌঁছানোর আশা করতে পারে না, যদি না আমরা মানবাত্মার মূল্যকে উন্নত করি।
**মহাত্মা গান্ধী প্রসঙ্গে রামন, যার নামানুসারে তিনি রামন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে গান্ধী স্মারক বক্তৃতা প্রবর্তন করেছিলেন। উৎস:{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
5lxdayina3ai4x500m2ynbfeoxsrwlb
75589
75588
2026-04-11T07:10:32Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
75589
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]]''' (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার [[w:ভারতরত্ন|ভারতরত্ন]] দিয়ে সম্মানিত করে।
[[File:Sir CV Raman.JPG|thumb|সি. ভি. রামন]]
==উক্তি==
*স্বর্গ নেই, নরক নেই, পুনর্জন্ম নেই এবং অমরত্বও নেই। একমাত্র সত্য এই যে, মানুষ জন্মায়, জীবনযাপন করে এবং মারা যায়। সুতরাং, তার উচিত জীবনটা যথাযথভাবে যাপন করা।
**১৯৩৪ সালে ব্যাঙ্গালোরে একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায়। উৎস: {{Cite journal|last=সিং|first=আর|date=2010|title=লেটারস টু দ্যা এডিটর: ইন্ডিয়ান সায়েন্টিস্টস ভার্সাস সায়েন্স অ্যান্ড রিলিজিয়ন|url=http://www.scienceandculture-isna.org/july-aug10/Letter%20to%20editors.pdf|journal=সায়েন্স অ্যান্ড কালচার|volume=৭৬|issue=৭-৮|pages=২০৬|via=}}
*যদি ঈশ্বর বলে কেউ থাকেন, তবে আমাদের তাকে এই মহাবিশ্বেই খুঁজতে হবে। তিনি যদি এখানে না থাকেন, তবে তাকে খোঁজার কোনো অর্থ নেই। বিভিন্ন মহলে আমাকে নাস্তিক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কিন্তু আমি তা নই। জ্যোতির্বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবর্ধমান আবিষ্কারগুলো ঈশ্বরের আরও আরও প্রকাশ বলে মনে হচ্ছে। মহাত্মাজি, ধর্মসমূহ এক হতে পারে না। বিজ্ঞানই এক পূর্ণাঙ্গ বন্ধুত্বের সর্বোত্তম সুযোগ করে দেয়। বিজ্ঞানের সকল মানুষ ভাই ভাই।
**১৯৪৫ সালে [[মহাত্মা গান্ধী]] এবং গিলবার্ট রাহমের সাথে তার কথোপকথন। উৎস: {{Cite book|last=জয়ারামন|first=এ|url=https://www.worldcat.org/oclc/21675106|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: অ্যা মেমোয়ার|date=১৯৮৯|publisher=ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস|year=|isbn=81-85336-24-5|location=বেঙ্গালুরু|pages=১৪৩|oclc=21675106}}
*চারিদিকে তাকিয়ে পরিস্থিতি বিচার করে আমার মনে হচ্ছে যে, আমাদের দেশের সামনে আসল বিপদ হলো সরকারি কর্তৃত্বের স্টিমরোলার দিয়ে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও উদ্যোগের নিষ্পেষণ। এরই মধ্যে আমরা এর ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছি... সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো আইন প্রণয়ন এবং শিল্প উন্নয়নের ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে প্রণীত কর ও অন্যান্য বিল পাসের মাধ্যমে... ব্যক্তি স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র ভণ্ডামি ও বিভ্রম মাত্র।
**১৫ আগস্ট ১৯৫৪ তারিখে [[w:ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস|ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে]] দেওয়া [http://books.google.com.kh/books?id=RbgXRdnHkiAC&pg=PA224&lpg=PA224&dq=cv+raman+looking+down+and+sizing+the+situation&source=bl&ots=preDjltao8&sig=J4b2YkQoKPAZiK9iofszC60u5Ss&hl=en&sa=X&ei=yrLtU_6mGsrn8AXfjYL4DA&redir_esc=y এক সাক্ষাৎকারে।]
*সাবানের বুদবুদের উজ্জ্বল রঙগুলো দেখো!<br>সমুদ্র নীল কেন?<br>হীরা কিসে ঝকমক করে!<br>সঠিক প্রশ্নগুলো করো, আর প্রকৃতি তার রহস্যের দরজা খুলে দেবে।
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} page=xiii
*সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সবচেয়ে মৌলিক এবং গভীরতম অনুসন্ধানগুলো হলো সেইসব অনুসন্ধান, যা মানুষের জীবন ও কর্মকাণ্ডকে সবচেয়ে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। সেইসব বিজ্ঞানীই শেষ পর্যন্ত মানবজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ হিতৈষী হিসেবে প্রমাণিত হন, যারা এটা-ওটা উৎপাদনের লক্ষ্যে নয়,বরং কেবল জ্ঞানের অগ্রগতির একমাত্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে পরিশ্রম করেন।
** {{cite book|last1= রামন |first1=সি. ভি. |last2= চন্দ্রলেখা|title=হোয়াই দি স্কাই ইস ব্লু: ড. সি.ভি. রামন টকস অ্যাবাউট সায়েন্স|url=http://books.google.com/books?id=LOC3vbnTgHYC&pg=PT1|year=2010|publisher=তুলিকা বুকস|isbn=978-81-8146-846-8|page=১৭}}
*আপনার সামনে থাকা কাজের প্রতি সাহসী নিষ্ঠার মাধ্যমেই সাফল্য আসতে পারে। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে পারি যে, ভারতীয় মনের গুণাবলী যেকোনো টিউটোনিক, নর্ডিক বা অ্যাংলো-স্যাক্সন মনের গুণাবলীর সমান। আমাদের সম্ভবত সাহসের অভাব, আমাদের সেই চালিকাশক্তির অভাব যা একজন মানুষকে যেকোনো জায়গায় নিয়ে যেতে পারে। আমার মনে হয়, আমাদের মধ্যে এক ধরনের হীনমন্যতা তৈরি হয়েছে। আমার মনে হয়, আজকের ভারতে যা প্রয়োজন তা হলো এই পরাজয়বাদী মনোভাবের বিনাশ।
**১৯৬৯ সালে তরুণ স্নাতকদের উদ্দেশে দেওয়া তার ভাষণ। {{cite book|last=কালাম|first=এ পি জে আবদুল|title=ইগনাইটেড মাইন্ডস: আনলিশিং দি পাওয়ার উইদিন ইন্ডিয়া|url=http://books.google.com/books?id=_PdboDsin90C&pg=PA28|date=1 September 2010|publisher=পিয়ারসন এডুকেশন ইন্ডিয়া|isbn=978-81-317-2960-1|pages=২৮–২৯}}
*বিজ্ঞানী শিল্পকলা, নন্দনতত্ত্ব এবং বিজ্ঞানের মধ্যকার যোগসূত্র উদ্ঘাটন করতে চান। বিজ্ঞানী... [প্রকৃতির] অসীম জটিলতাকে কয়েকটি সরল নীতি বা ক্রিয়ার উপাদানে উদ্ঘাটন করতে চান, যেগুলোকে তিনি প্রকৃতির নিয়ম বলে অভিহিত করেন। এই কাজ করতে গিয়ে, শিল্পের অন্যান্য রূপের প্রবক্তাদের মতোই, তিনি নিজেকে এক কঠোর শৃঙ্খলার অধীন করেন, যার নিয়মকানুন তিনি নিজেই নির্ধারণ করেছেন এবং যেগুলোকে তিনি বলেন যুক্তিবিদ্যা...বিজ্ঞান... হলো প্রকৃতির উপস্থাপনার প্রতি নিবেদিত মানুষের নান্দনিক ও বৌদ্ধিক কার্যাবলীর এক সংমিশ্রণ। সুতরাং এটি সৃজনশীল শিল্পের সর্বোচ্চ রূপ।
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} পৃষ্ঠা=১৪
*উদ্দেশ্যপূর্ণ জীবনের জন্য এমন এক অক্ষ বা কব্জা প্রয়োজন, যার সাথে জীবন দৃঢ়ভাবে সংযুক্ত থাকবে এবং যার চারপাশে অবাধে আবর্তন করতে পারবে। আমার মতে, আমার নিজের ক্ষেত্রে এই অক্ষ বা কব্জাটি ছিল, বিজ্ঞানের প্রতি ভালোবাসা নয়, এমনকি প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসাও নয়, বরং এক বিশেষ বিমূর্ত আদর্শবাদ অথবা মানবাত্মার মূল্য এবং মানুষের প্রচেষ্টা ও সাফল্যের গুণের প্রতি বিশ্বাস। এই আদর্শবাদের উৎসের সবচেয়ে কাছের যে বিন্দুটি আমি খুঁজে পাই, তা হলো এডউইন আর্নল্ডের মহাগ্রন্থ দ্য লাইট অফ এশিয়া পড়ার স্মৃতি। আমার মনে আছে, সিদ্ধার্থের মহান ত্যাগ, তার সত্যের অনুসন্ধান এবং চূড়ান্ত বোধিলাভ আমাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল।
** উৎস: {{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*ইউক্লিডের পাতাগুলো যেন প্রকৃতির মহান নাটকের গ্র্যান্ড অপেরার সঙ্গীতের সূচনালগ্ন। বলা যায়, এগুলো পর্দা সরিয়ে আমাদের দৃষ্টির সামনে প্রাকৃতিক জ্ঞানের এক বিশাল জগতের ঝলক তুলে ধরে, যা অধ্যয়নের অপেক্ষায় রয়েছে।
** উৎস: {{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*যখন নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হলো তখন আমি একে ব্যক্তিগত বিজয় হিসেবেই দেখেছিলাম,আমার ও আমার সহযোগীদের জন্য একটি সাফল্য-- এটি ছিল অত্যন্ত অসাধারণ এক আবিষ্কারের স্বীকৃতি, এবং সেই লক্ষ্যেরই প্রাপ্তি যা আমি বিগত সাত বছর ধরে নিরলসভাবে অনুসরণ করে আসছিলাম। কিন্তু যখন আমি সেই জনাকীর্ণ সভাকক্ষে উপবিষ্ট হলাম এবং আমার চারপাশে কেবলই পশ্চিমা মুখমণ্ডলের এক বিশাল সমুদ্র দেখতে পেলাম আর আমি, একমাত্র ভারতীয় হিসেবে, আমার পাগড়ি ও গলাবন্ধ কোট পরিহিত অবস্থায় সেখানে উপস্থিত তখনই আমার এই বোধোদয় হলো যে, আমি আসলে আমার জনগণ ও আমার দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি। রাজা গুস্তাভের হাত থেকে যখন আমি পুরস্কারটি গ্রহণ করলাম, তখন আমি নিজেকে সত্যিই অত্যন্ত বিনম্র ও বিনীত অনুভব করলাম, সেটি ছিল গভীর আবেগের এক মুহূর্ত, তবুও আমি নিজেকে সংযত রাখতে পেরেছিলাম।
**১৯৩০ সালে স্টকহোমে রাজা গুস্তাভ যখন রামনকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করেছিলেন, সেই উপলক্ষে। উৎস:{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*তারপর আমি ঘুরে দাঁড়ালাম এবং ব্রিটিশ ইউনিয়ন জ্যাক দেখতে পেলাম, যেটার নিচে আমি বসেছিলাম; আর ঠিক তখনই আমি উপলব্ধি করলাম যে, আমার দরিদ্র দেশ,ভারতের, নিজস্ব একটা পতাকাও নেই- আর ঠিক এই ঘটনাই আমার সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার সূত্রপাত ঘটাল।
**১৯৩০ সালে স্টকহোমে রাজা গুস্তাভ যখন রামনকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করেছিলেন, সেই উপলক্ষে। উৎস:{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} পৃষ্ঠা=১৫
*প্রতিটি পাঠ্যপুস্তকের প্রচ্ছদ হিসেবে গান্ধীজীর প্রতিকৃতি অবশ্যই থাকতে হবে এবং সবরমতী থেকে বিড়লা হাউস পর্যন্ত গান্ধীজীর উপদেশাবলী সম্বলিত পাঠ অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ এবং ভারতীয় জাতির পিতার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের এটিই হবে সর্বোত্তম ও সবচেয়ে শক্তিশালী উপায়, এবং এটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ ও মূর্তি স্থাপনের চেয়েও উত্তম... তার (গান্ধীজীর) শিক্ষায় মানবাত্মার পরম গুণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অবিনশ্বর এবং অপরাজেয়। ভারত কখনোই সাফল্যের শিখরে পৌঁছানোর আশা করতে পারে না, যদি না আমরা মানবাত্মার মূল্যকে উন্নত করি।
**মহাত্মা গান্ধী প্রসঙ্গে রামন, যার নামানুসারে তিনি রামন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে গান্ধী স্মারক বক্তৃতা প্রবর্তন করেছিলেন। উৎস:{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, মৌলিক বিজ্ঞানকে শিক্ষাগত, শিল্পভিত্তিক কিংবা সরকারি ও সামরিক চাপের দ্বারা পরিচালিত করা সম্ভব নয়। ঠিক এই কারণেই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, যতটা সম্ভব, কোনো প্রকার অর্থসাহায্য গ্রহণ না করেই এক উন্নত প্রতিষ্ঠানকে পরিচালনা ও বিকশিত করব....তাই আমি এমন কোনো শর্ত আরোপ করব না যে, এই প্রতিষ্ঠানটি কোনো প্রকার সরকারি তহবিল গ্রহণ করতে পারবে না।
**১৯৭০ সালে মৃত্যুর পূর্বে সহকর্মী বিজ্ঞানীকে দেওয়া তার বিবৃতি। উৎস:{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}}
9c2ubf2x1f0rt4vgnxffqwr9gdqkpbp
75591
75589
2026-04-11T07:14:47Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
75591
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]]''' (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার [[w:ভারতরত্ন|ভারতরত্ন]] দিয়ে সম্মানিত করে।
[[File:Sir CV Raman.JPG|thumb|সি. ভি. রামন]]
==উক্তি==
*স্বর্গ নেই, নরক নেই, পুনর্জন্ম নেই এবং অমরত্বও নেই। একমাত্র সত্য এই যে, মানুষ জন্মায়, জীবনযাপন করে এবং মারা যায়। সুতরাং, তার উচিত জীবনটা যথাযথভাবে যাপন করা।
**১৯৩৪ সালে ব্যাঙ্গালোরে একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায়। উৎস: {{Cite journal|last=সিং|first=আর|date=2010|title=লেটারস টু দ্যা এডিটর: ইন্ডিয়ান সায়েন্টিস্টস ভার্সাস সায়েন্স অ্যান্ড রিলিজিয়ন|url=http://www.scienceandculture-isna.org/july-aug10/Letter%20to%20editors.pdf|journal=সায়েন্স অ্যান্ড কালচার|volume=৭৬|issue=৭-৮|pages=২০৬|via=}}
*যদি ঈশ্বর বলে কেউ থাকেন, তবে আমাদের তাকে এই মহাবিশ্বেই খুঁজতে হবে। তিনি যদি এখানে না থাকেন, তবে তাকে খোঁজার কোনো অর্থ নেই। বিভিন্ন মহলে আমাকে নাস্তিক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কিন্তু আমি তা নই। জ্যোতির্বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবর্ধমান আবিষ্কারগুলো ঈশ্বরের আরও আরও প্রকাশ বলে মনে হচ্ছে। মহাত্মাজি, ধর্মসমূহ এক হতে পারে না। বিজ্ঞানই এক পূর্ণাঙ্গ বন্ধুত্বের সর্বোত্তম সুযোগ করে দেয়। বিজ্ঞানের সকল মানুষ ভাই ভাই।
**১৯৪৫ সালে [[মহাত্মা গান্ধী]] এবং গিলবার্ট রাহমের সাথে তার কথোপকথন। উৎস: {{Cite book|last=জয়ারামন|first=এ|url=https://www.worldcat.org/oclc/21675106|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: অ্যা মেমোয়ার|date=১৯৮৯|publisher=ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস|year=|isbn=81-85336-24-5|location=বেঙ্গালুরু|pages=১৪৩|oclc=21675106}}
*চারিদিকে তাকিয়ে পরিস্থিতি বিচার করে আমার মনে হচ্ছে যে, আমাদের দেশের সামনে আসল বিপদ হলো সরকারি কর্তৃত্বের স্টিমরোলার দিয়ে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও উদ্যোগের নিষ্পেষণ। এরই মধ্যে আমরা এর ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছি... সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো আইন প্রণয়ন এবং শিল্প উন্নয়নের ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে প্রণীত কর ও অন্যান্য বিল পাসের মাধ্যমে... ব্যক্তি স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র ভণ্ডামি ও বিভ্রম মাত্র।
**১৫ আগস্ট ১৯৫৪ তারিখে [[w:ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস|ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে]] দেওয়া [http://books.google.com.kh/books?id=RbgXRdnHkiAC&pg=PA224&lpg=PA224&dq=cv+raman+looking+down+and+sizing+the+situation&source=bl&ots=preDjltao8&sig=J4b2YkQoKPAZiK9iofszC60u5Ss&hl=en&sa=X&ei=yrLtU_6mGsrn8AXfjYL4DA&redir_esc=y এক সাক্ষাৎকারে।]
*সাবানের বুদবুদের উজ্জ্বল রঙগুলো দেখো!<br>সমুদ্র নীল কেন?<br>হীরা কিসে ঝকমক করে!<br>সঠিক প্রশ্নগুলো করো, আর প্রকৃতি তার রহস্যের দরজা খুলে দেবে।
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} page=xiii
*সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সবচেয়ে মৌলিক এবং গভীরতম অনুসন্ধানগুলো হলো সেইসব অনুসন্ধান, যা মানুষের জীবন ও কর্মকাণ্ডকে সবচেয়ে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। সেইসব বিজ্ঞানীই শেষ পর্যন্ত মানবজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ হিতৈষী হিসেবে প্রমাণিত হন, যারা এটা-ওটা উৎপাদনের লক্ষ্যে নয়,বরং কেবল জ্ঞানের অগ্রগতির একমাত্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে পরিশ্রম করেন।
** {{cite book|last1= রামন |first1=সি. ভি. |last2= চন্দ্রলেখা|title=হোয়াই দি স্কাই ইস ব্লু: ড. সি.ভি. রামন টকস অ্যাবাউট সায়েন্স|url=http://books.google.com/books?id=LOC3vbnTgHYC&pg=PT1|year=2010|publisher=তুলিকা বুকস|isbn=978-81-8146-846-8|page=১৭}}
*আপনার সামনে থাকা কাজের প্রতি সাহসী নিষ্ঠার মাধ্যমেই সাফল্য আসতে পারে। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে পারি যে, ভারতীয় মনের গুণাবলী যেকোনো টিউটোনিক, নর্ডিক বা অ্যাংলো-স্যাক্সন মনের গুণাবলীর সমান। আমাদের সম্ভবত সাহসের অভাব, আমাদের সেই চালিকাশক্তির অভাব যা একজন মানুষকে যেকোনো জায়গায় নিয়ে যেতে পারে। আমার মনে হয়, আমাদের মধ্যে এক ধরনের হীনমন্যতা তৈরি হয়েছে। আমার মনে হয়, আজকের ভারতে যা প্রয়োজন তা হলো এই পরাজয়বাদী মনোভাবের বিনাশ।
**১৯৬৯ সালে তরুণ স্নাতকদের উদ্দেশে দেওয়া তার ভাষণ। {{cite book|last=কালাম|first=এ পি জে আবদুল|title=ইগনাইটেড মাইন্ডস: আনলিশিং দি পাওয়ার উইদিন ইন্ডিয়া|url=http://books.google.com/books?id=_PdboDsin90C&pg=PA28|date=1 September 2010|publisher=পিয়ারসন এডুকেশন ইন্ডিয়া|isbn=978-81-317-2960-1|pages=২৮–২৯}}
*বিজ্ঞানী শিল্পকলা, নন্দনতত্ত্ব এবং বিজ্ঞানের মধ্যকার যোগসূত্র উদ্ঘাটন করতে চান। বিজ্ঞানী... [প্রকৃতির] অসীম জটিলতাকে কয়েকটি সরল নীতি বা ক্রিয়ার উপাদানে উদ্ঘাটন করতে চান, যেগুলোকে তিনি প্রকৃতির নিয়ম বলে অভিহিত করেন। এই কাজ করতে গিয়ে, শিল্পের অন্যান্য রূপের প্রবক্তাদের মতোই, তিনি নিজেকে এক কঠোর শৃঙ্খলার অধীন করেন, যার নিয়মকানুন তিনি নিজেই নির্ধারণ করেছেন এবং যেগুলোকে তিনি বলেন যুক্তিবিদ্যা...বিজ্ঞান... হলো প্রকৃতির উপস্থাপনার প্রতি নিবেদিত মানুষের নান্দনিক ও বৌদ্ধিক কার্যাবলীর এক সংমিশ্রণ। সুতরাং এটি সৃজনশীল শিল্পের সর্বোচ্চ রূপ।
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} পৃষ্ঠা=১৪
*উদ্দেশ্যপূর্ণ জীবনের জন্য এমন এক অক্ষ বা কব্জা প্রয়োজন, যার সাথে জীবন দৃঢ়ভাবে সংযুক্ত থাকবে এবং যার চারপাশে অবাধে আবর্তন করতে পারবে। আমার মতে, আমার নিজের ক্ষেত্রে এই অক্ষ বা কব্জাটি ছিল, বিজ্ঞানের প্রতি ভালোবাসা নয়, এমনকি প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসাও নয়, বরং এক বিশেষ বিমূর্ত আদর্শবাদ অথবা মানবাত্মার মূল্য এবং মানুষের প্রচেষ্টা ও সাফল্যের গুণের প্রতি বিশ্বাস। এই আদর্শবাদের উৎসের সবচেয়ে কাছের যে বিন্দুটি আমি খুঁজে পাই, তা হলো এডউইন আর্নল্ডের মহাগ্রন্থ দ্য লাইট অফ এশিয়া পড়ার স্মৃতি। আমার মনে আছে, সিদ্ধার্থের মহান ত্যাগ, তার সত্যের অনুসন্ধান এবং চূড়ান্ত বোধিলাভ আমাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল।
** উৎস: {{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*ইউক্লিডের পাতাগুলো যেন প্রকৃতির মহান নাটকের গ্র্যান্ড অপেরার সঙ্গীতের সূচনালগ্ন। বলা যায়, এগুলো পর্দা সরিয়ে আমাদের দৃষ্টির সামনে প্রাকৃতিক জ্ঞানের এক বিশাল জগতের ঝলক তুলে ধরে, যা অধ্যয়নের অপেক্ষায় রয়েছে।
** উৎস: {{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*যখন নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হলো তখন আমি একে ব্যক্তিগত বিজয় হিসেবেই দেখেছিলাম,আমার ও আমার সহযোগীদের জন্য একটি সাফল্য-- এটি ছিল অত্যন্ত অসাধারণ এক আবিষ্কারের স্বীকৃতি, এবং সেই লক্ষ্যেরই প্রাপ্তি যা আমি বিগত সাত বছর ধরে নিরলসভাবে অনুসরণ করে আসছিলাম। কিন্তু যখন আমি সেই জনাকীর্ণ সভাকক্ষে উপবিষ্ট হলাম এবং আমার চারপাশে কেবলই পশ্চিমা মুখমণ্ডলের এক বিশাল সমুদ্র দেখতে পেলাম আর আমি, একমাত্র ভারতীয় হিসেবে, আমার পাগড়ি ও গলাবন্ধ কোট পরিহিত অবস্থায় সেখানে উপস্থিত তখনই আমার এই বোধোদয় হলো যে, আমি আসলে আমার জনগণ ও আমার দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি। রাজা গুস্তাভের হাত থেকে যখন আমি পুরস্কারটি গ্রহণ করলাম, তখন আমি নিজেকে সত্যিই অত্যন্ত বিনম্র ও বিনীত অনুভব করলাম, সেটি ছিল গভীর আবেগের এক মুহূর্ত, তবুও আমি নিজেকে সংযত রাখতে পেরেছিলাম।
**১৯৩০ সালে স্টকহোমে রাজা গুস্তাভ যখন রামনকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করেছিলেন, সেই উপলক্ষে। উৎস:{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*তারপর আমি ঘুরে দাঁড়ালাম এবং ব্রিটিশ ইউনিয়ন জ্যাক দেখতে পেলাম, যেটার নিচে আমি বসেছিলাম; আর ঠিক তখনই আমি উপলব্ধি করলাম যে, আমার দরিদ্র দেশ,ভারতের, নিজস্ব একটা পতাকাও নেই- আর ঠিক এই ঘটনাই আমার সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার সূত্রপাত ঘটাল।
**১৯৩০ সালে স্টকহোমে রাজা গুস্তাভ যখন রামনকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করেছিলেন, সেই উপলক্ষে। উৎস:{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} পৃষ্ঠা=১৫
*প্রতিটি পাঠ্যপুস্তকের প্রচ্ছদ হিসেবে গান্ধীজীর প্রতিকৃতি অবশ্যই থাকতে হবে এবং সবরমতী থেকে বিড়লা হাউস পর্যন্ত গান্ধীজীর উপদেশাবলী সম্বলিত পাঠ অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ এবং ভারতীয় জাতির পিতার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের এটিই হবে সর্বোত্তম ও সবচেয়ে শক্তিশালী উপায়, এবং এটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ ও মূর্তি স্থাপনের চেয়েও উত্তম... তার (গান্ধীজীর) শিক্ষায় মানবাত্মার পরম গুণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অবিনশ্বর এবং অপরাজেয়। ভারত কখনোই সাফল্যের শিখরে পৌঁছানোর আশা করতে পারে না, যদি না আমরা মানবাত্মার মূল্যকে উন্নত করি।
**মহাত্মা গান্ধী প্রসঙ্গে রামন, যার নামানুসারে তিনি রামন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে গান্ধী স্মারক বক্তৃতা প্রবর্তন করেছিলেন। উৎস:{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, মৌলিক বিজ্ঞানকে শিক্ষাগত, শিল্পভিত্তিক কিংবা সরকারি ও সামরিক চাপের দ্বারা পরিচালিত করা সম্ভব নয়। ঠিক এই কারণেই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, যতটা সম্ভব, কোনো প্রকার অর্থসাহায্য গ্রহণ না করেই এক উন্নত প্রতিষ্ঠানকে পরিচালনা ও বিকশিত করব....তাই আমি এমন কোনো শর্ত আরোপ করব না যে, এই প্রতিষ্ঠানটি কোনো প্রকার সরকারি তহবিল গ্রহণ করতে পারবে না।
**১৯৭০ সালে মৃত্যুর পূর্বে সহকর্মী বিজ্ঞানীকে দেওয়া তার বিবৃতি। উৎস:{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}}
*আমার মনে হয়, ভারতের নারীরা যদি বিজ্ঞানকে গ্রহণ করেন এবং এর অগ্রগতি ও উন্নয়নেও আগ্রহী হন, তবে তারা এমন কিছুও অর্জন করবেন যা পুরুষরা করতে ব্যর্থ হয়েছে। নারীদের একটি গুণ আছে--নিষ্ঠা। বিজ্ঞানে সাফল্যের জন্য এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চাবিকাঠি। তাই আমাদের এমনটা ভাবা উচিত নয় যে, বিজ্ঞানে মেধা কেবল পুরুষদেরই একচেটিয়া অধিকার।
**নারীদের ভূমিকা সম্পর্কে তার দৃষ্টিভঙ্গি। উৎস:{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
brv5scdt290ebwu3oimayehzt6rco25
75593
75591
2026-04-11T07:18:37Z
Nil Nandy
2294
/* উক্তি */
75593
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]]''' (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার [[w:ভারতরত্ন|ভারতরত্ন]] দিয়ে সম্মানিত করে।
[[File:Sir CV Raman.JPG|thumb|সি. ভি. রামন]]
==উক্তি==
*স্বর্গ নেই, নরক নেই, পুনর্জন্ম নেই এবং অমরত্বও নেই। একমাত্র সত্য এই যে, মানুষ জন্মায়, জীবনযাপন করে এবং মারা যায়। সুতরাং, তার উচিত জীবনটা যথাযথভাবে যাপন করা।
**১৯৩৪ সালে ব্যাঙ্গালোরে একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায়। উৎস: {{Cite journal|last=সিং|first=আর|date=2010|title=লেটারস টু দ্যা এডিটর: ইন্ডিয়ান সায়েন্টিস্টস ভার্সাস সায়েন্স অ্যান্ড রিলিজিয়ন|url=http://www.scienceandculture-isna.org/july-aug10/Letter%20to%20editors.pdf|journal=সায়েন্স অ্যান্ড কালচার|volume=৭৬|issue=৭-৮|pages=২০৬|via=}}
*যদি ঈশ্বর বলে কেউ থাকেন, তবে আমাদের তাকে এই মহাবিশ্বেই খুঁজতে হবে। তিনি যদি এখানে না থাকেন, তবে তাকে খোঁজার কোনো অর্থ নেই। বিভিন্ন মহলে আমাকে নাস্তিক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কিন্তু আমি তা নই। জ্যোতির্বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবর্ধমান আবিষ্কারগুলো ঈশ্বরের আরও আরও প্রকাশ বলে মনে হচ্ছে। মহাত্মাজি, ধর্মসমূহ এক হতে পারে না। বিজ্ঞানই এক পূর্ণাঙ্গ বন্ধুত্বের সর্বোত্তম সুযোগ করে দেয়। বিজ্ঞানের সকল মানুষ ভাই ভাই।
**১৯৪৫ সালে [[মহাত্মা গান্ধী]] এবং গিলবার্ট রাহমের সাথে তার কথোপকথন। উৎস: {{Cite book|last=জয়ারামন|first=এ|url=https://www.worldcat.org/oclc/21675106|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: অ্যা মেমোয়ার|date=১৯৮৯|publisher=ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস|year=|isbn=81-85336-24-5|location=বেঙ্গালুরু|pages=১৪৩|oclc=21675106}}
*চারিদিকে তাকিয়ে পরিস্থিতি বিচার করে আমার মনে হচ্ছে যে, আমাদের দেশের সামনে আসল বিপদ হলো সরকারি কর্তৃত্বের স্টিমরোলার দিয়ে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও উদ্যোগের নিষ্পেষণ। এরই মধ্যে আমরা এর ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছি... সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো আইন প্রণয়ন এবং শিল্প উন্নয়নের ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে প্রণীত কর ও অন্যান্য বিল পাসের মাধ্যমে... ব্যক্তি স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র ভণ্ডামি ও বিভ্রম মাত্র।
**১৫ আগস্ট ১৯৫৪ তারিখে [[w:ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস|ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে]] দেওয়া [http://books.google.com.kh/books?id=RbgXRdnHkiAC&pg=PA224&lpg=PA224&dq=cv+raman+looking+down+and+sizing+the+situation&source=bl&ots=preDjltao8&sig=J4b2YkQoKPAZiK9iofszC60u5Ss&hl=en&sa=X&ei=yrLtU_6mGsrn8AXfjYL4DA&redir_esc=y এক সাক্ষাৎকারে।]
*সাবানের বুদবুদের উজ্জ্বল রঙগুলো দেখো!<br>সমুদ্র নীল কেন?<br>হীরা কিসে ঝকমক করে!<br>সঠিক প্রশ্নগুলো করো, আর প্রকৃতি তার রহস্যের দরজা খুলে দেবে।
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} page=xiii
*সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সবচেয়ে মৌলিক এবং গভীরতম অনুসন্ধানগুলো হলো সেইসব অনুসন্ধান, যা মানুষের জীবন ও কর্মকাণ্ডকে সবচেয়ে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। সেইসব বিজ্ঞানীই শেষ পর্যন্ত মানবজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ হিতৈষী হিসেবে প্রমাণিত হন, যারা এটা-ওটা উৎপাদনের লক্ষ্যে নয়,বরং কেবল জ্ঞানের অগ্রগতির একমাত্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে পরিশ্রম করেন।
** {{cite book|last1= রামন |first1=সি. ভি. |last2= চন্দ্রলেখা|title=হোয়াই দি স্কাই ইস ব্লু: ড. সি.ভি. রামন টকস অ্যাবাউট সায়েন্স|url=http://books.google.com/books?id=LOC3vbnTgHYC&pg=PT1|year=2010|publisher=তুলিকা বুকস|isbn=978-81-8146-846-8|page=১৭}}
*আপনার সামনে থাকা কাজের প্রতি সাহসী নিষ্ঠার মাধ্যমেই সাফল্য আসতে পারে। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে পারি যে, ভারতীয় মনের গুণাবলী যেকোনো টিউটোনিক, নর্ডিক বা অ্যাংলো-স্যাক্সন মনের গুণাবলীর সমান। আমাদের সম্ভবত সাহসের অভাব, আমাদের সেই চালিকাশক্তির অভাব যা একজন মানুষকে যেকোনো জায়গায় নিয়ে যেতে পারে। আমার মনে হয়, আমাদের মধ্যে এক ধরনের হীনমন্যতা তৈরি হয়েছে। আমার মনে হয়, আজকের ভারতে যা প্রয়োজন তা হলো এই পরাজয়বাদী মনোভাবের বিনাশ।
**১৯৬৯ সালে তরুণ স্নাতকদের উদ্দেশে দেওয়া তার ভাষণ। {{cite book|last=কালাম|first=এ পি জে আবদুল|title=ইগনাইটেড মাইন্ডস: আনলিশিং দি পাওয়ার উইদিন ইন্ডিয়া|url=http://books.google.com/books?id=_PdboDsin90C&pg=PA28|date=1 September 2010|publisher=পিয়ারসন এডুকেশন ইন্ডিয়া|isbn=978-81-317-2960-1|pages=২৮–২৯}}
*বিজ্ঞানী শিল্পকলা, নন্দনতত্ত্ব এবং বিজ্ঞানের মধ্যকার যোগসূত্র উদ্ঘাটন করতে চান। বিজ্ঞানী... [প্রকৃতির] অসীম জটিলতাকে কয়েকটি সরল নীতি বা ক্রিয়ার উপাদানে উদ্ঘাটন করতে চান, যেগুলোকে তিনি প্রকৃতির নিয়ম বলে অভিহিত করেন। এই কাজ করতে গিয়ে, শিল্পের অন্যান্য রূপের প্রবক্তাদের মতোই, তিনি নিজেকে এক কঠোর শৃঙ্খলার অধীন করেন, যার নিয়মকানুন তিনি নিজেই নির্ধারণ করেছেন এবং যেগুলোকে তিনি বলেন যুক্তিবিদ্যা...বিজ্ঞান... হলো প্রকৃতির উপস্থাপনার প্রতি নিবেদিত মানুষের নান্দনিক ও বৌদ্ধিক কার্যাবলীর এক সংমিশ্রণ। সুতরাং এটি সৃজনশীল শিল্পের সর্বোচ্চ রূপ।
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} পৃষ্ঠা=১৪
*উদ্দেশ্যপূর্ণ জীবনের জন্য এমন এক অক্ষ বা কব্জা প্রয়োজন, যার সাথে জীবন দৃঢ়ভাবে সংযুক্ত থাকবে এবং যার চারপাশে অবাধে আবর্তন করতে পারবে। আমার মতে, আমার নিজের ক্ষেত্রে এই অক্ষ বা কব্জাটি ছিল, বিজ্ঞানের প্রতি ভালোবাসা নয়, এমনকি প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসাও নয়, বরং এক বিশেষ বিমূর্ত আদর্শবাদ অথবা মানবাত্মার মূল্য এবং মানুষের প্রচেষ্টা ও সাফল্যের গুণের প্রতি বিশ্বাস। এই আদর্শবাদের উৎসের সবচেয়ে কাছের যে বিন্দুটি আমি খুঁজে পাই, তা হলো এডউইন আর্নল্ডের মহাগ্রন্থ দ্য লাইট অফ এশিয়া পড়ার স্মৃতি। আমার মনে আছে, সিদ্ধার্থের মহান ত্যাগ, তার সত্যের অনুসন্ধান এবং চূড়ান্ত বোধিলাভ আমাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল।
** উৎস: {{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*ইউক্লিডের পাতাগুলো যেন প্রকৃতির মহান নাটকের গ্র্যান্ড অপেরার সঙ্গীতের সূচনালগ্ন। বলা যায়, এগুলো পর্দা সরিয়ে আমাদের দৃষ্টির সামনে প্রাকৃতিক জ্ঞানের এক বিশাল জগতের ঝলক তুলে ধরে, যা অধ্যয়নের অপেক্ষায় রয়েছে।
** উৎস: {{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*যখন নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হলো তখন আমি একে ব্যক্তিগত বিজয় হিসেবেই দেখেছিলাম,আমার ও আমার সহযোগীদের জন্য একটি সাফল্য-- এটি ছিল অত্যন্ত অসাধারণ এক আবিষ্কারের স্বীকৃতি, এবং সেই লক্ষ্যেরই প্রাপ্তি যা আমি বিগত সাত বছর ধরে নিরলসভাবে অনুসরণ করে আসছিলাম। কিন্তু যখন আমি সেই জনাকীর্ণ সভাকক্ষে উপবিষ্ট হলাম এবং আমার চারপাশে কেবলই পশ্চিমা মুখমণ্ডলের এক বিশাল সমুদ্র দেখতে পেলাম আর আমি, একমাত্র ভারতীয় হিসেবে, আমার পাগড়ি ও গলাবন্ধ কোট পরিহিত অবস্থায় সেখানে উপস্থিত তখনই আমার এই বোধোদয় হলো যে, আমি আসলে আমার জনগণ ও আমার দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি। রাজা গুস্তাভের হাত থেকে যখন আমি পুরস্কারটি গ্রহণ করলাম, তখন আমি নিজেকে সত্যিই অত্যন্ত বিনম্র ও বিনীত অনুভব করলাম, সেটি ছিল গভীর আবেগের এক মুহূর্ত, তবুও আমি নিজেকে সংযত রাখতে পেরেছিলাম।
**১৯৩০ সালে স্টকহোমে রাজা গুস্তাভ যখন রামনকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করেছিলেন, সেই উপলক্ষে। উৎস:{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*তারপর আমি ঘুরে দাঁড়ালাম এবং ব্রিটিশ ইউনিয়ন জ্যাক দেখতে পেলাম, যেটার নিচে আমি বসেছিলাম; আর ঠিক তখনই আমি উপলব্ধি করলাম যে, আমার দরিদ্র দেশ,ভারতের, নিজস্ব একটা পতাকাও নেই- আর ঠিক এই ঘটনাই আমার সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার সূত্রপাত ঘটাল।
**১৯৩০ সালে স্টকহোমে রাজা গুস্তাভ যখন রামনকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করেছিলেন, সেই উপলক্ষে। উৎস:{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} পৃষ্ঠা=১৫
*প্রতিটি পাঠ্যপুস্তকের প্রচ্ছদ হিসেবে গান্ধীজীর প্রতিকৃতি অবশ্যই থাকতে হবে এবং সবরমতী থেকে বিড়লা হাউস পর্যন্ত গান্ধীজীর উপদেশাবলী সম্বলিত পাঠ অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ এবং ভারতীয় জাতির পিতার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের এটিই হবে সর্বোত্তম ও সবচেয়ে শক্তিশালী উপায়, এবং এটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ ও মূর্তি স্থাপনের চেয়েও উত্তম... তার (গান্ধীজীর) শিক্ষায় মানবাত্মার পরম গুণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অবিনশ্বর এবং অপরাজেয়। ভারত কখনোই সাফল্যের শিখরে পৌঁছানোর আশা করতে পারে না, যদি না আমরা মানবাত্মার মূল্যকে উন্নত করি।
**মহাত্মা গান্ধী প্রসঙ্গে রামন, যার নামানুসারে তিনি রামন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে গান্ধী স্মারক বক্তৃতা প্রবর্তন করেছিলেন। উৎস:{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, মৌলিক বিজ্ঞানকে শিক্ষাগত, শিল্পভিত্তিক কিংবা সরকারি ও সামরিক চাপের দ্বারা পরিচালিত করা সম্ভব নয়। ঠিক এই কারণেই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, যতটা সম্ভব, কোনো প্রকার অর্থসাহায্য গ্রহণ না করেই এক উন্নত প্রতিষ্ঠানকে পরিচালনা ও বিকশিত করব....তাই আমি এমন কোনো শর্ত আরোপ করব না যে, এই প্রতিষ্ঠানটি কোনো প্রকার সরকারি তহবিল গ্রহণ করতে পারবে না।
**১৯৭০ সালে মৃত্যুর পূর্বে সহকর্মী বিজ্ঞানীকে দেওয়া তার বিবৃতি। উৎস:{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}}
*আমার মনে হয়, ভারতের নারীরা যদি বিজ্ঞানকে গ্রহণ করেন এবং এর অগ্রগতি ও উন্নয়নেও আগ্রহী হন, তবে তারা এমন কিছুও অর্জন করবেন যা পুরুষরা করতে ব্যর্থ হয়েছে। নারীদের একটি গুণ আছে--নিষ্ঠা। বিজ্ঞানে সাফল্যের জন্য এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চাবিকাঠি। তাই আমাদের এমনটা ভাবা উচিত নয় যে, বিজ্ঞানে মেধা কেবল পুরুষদেরই একচেটিয়া অধিকার।
**নারীদের ভূমিকা সম্পর্কে তার দৃষ্টিভঙ্গি। উৎস:{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*একটি জাতির প্রকৃত সম্পদ সঞ্চিত স্বর্ণে নয়, বরং জনগণের মানসিক ও শারীরিক শক্তিতে নিহিত।
**{{cite web|url=http://resourcecentre.daiict.ac.in/eresources/iresources/quotations.html |title= কোটেশনস বাই ৬০ গ্রেটেস্ট ইন্ডিয়ান্স |publisher=ধিরুভাই আম্বানি ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি}}
8ymwne3t170ow2ezca9400uacxxqi68
75643
75593
2026-04-11T09:32:56Z
Nil Nandy
2294
/* তার সম্পর্কে উক্তি */ নতুন অনুচ্ছেদ
75643
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]]''' (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার [[w:ভারতরত্ন|ভারতরত্ন]] দিয়ে সম্মানিত করে।
[[File:Sir CV Raman.JPG|thumb|সি. ভি. রামন]]
==উক্তি==
*স্বর্গ নেই, নরক নেই, পুনর্জন্ম নেই এবং অমরত্বও নেই। একমাত্র সত্য এই যে, মানুষ জন্মায়, জীবনযাপন করে এবং মারা যায়। সুতরাং, তার উচিত জীবনটা যথাযথভাবে যাপন করা।
**১৯৩৪ সালে ব্যাঙ্গালোরে একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায়। উৎস: {{Cite journal|last=সিং|first=আর|date=2010|title=লেটারস টু দ্যা এডিটর: ইন্ডিয়ান সায়েন্টিস্টস ভার্সাস সায়েন্স অ্যান্ড রিলিজিয়ন|url=http://www.scienceandculture-isna.org/july-aug10/Letter%20to%20editors.pdf|journal=সায়েন্স অ্যান্ড কালচার|volume=৭৬|issue=৭-৮|pages=২০৬|via=}}
*যদি ঈশ্বর বলে কেউ থাকেন, তবে আমাদের তাকে এই মহাবিশ্বেই খুঁজতে হবে। তিনি যদি এখানে না থাকেন, তবে তাকে খোঁজার কোনো অর্থ নেই। বিভিন্ন মহলে আমাকে নাস্তিক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কিন্তু আমি তা নই। জ্যোতির্বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবর্ধমান আবিষ্কারগুলো ঈশ্বরের আরও আরও প্রকাশ বলে মনে হচ্ছে। মহাত্মাজি, ধর্মসমূহ এক হতে পারে না। বিজ্ঞানই এক পূর্ণাঙ্গ বন্ধুত্বের সর্বোত্তম সুযোগ করে দেয়। বিজ্ঞানের সকল মানুষ ভাই ভাই।
**১৯৪৫ সালে [[মহাত্মা গান্ধী]] এবং গিলবার্ট রাহমের সাথে তার কথোপকথন। উৎস: {{Cite book|last=জয়ারামন|first=এ|url=https://www.worldcat.org/oclc/21675106|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: অ্যা মেমোয়ার|date=১৯৮৯|publisher=ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস|year=|isbn=81-85336-24-5|location=বেঙ্গালুরু|pages=১৪৩|oclc=21675106}}
*চারিদিকে তাকিয়ে পরিস্থিতি বিচার করে আমার মনে হচ্ছে যে, আমাদের দেশের সামনে আসল বিপদ হলো সরকারি কর্তৃত্বের স্টিমরোলার দিয়ে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও উদ্যোগের নিষ্পেষণ। এরই মধ্যে আমরা এর ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছি... সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো আইন প্রণয়ন এবং শিল্প উন্নয়নের ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে প্রণীত কর ও অন্যান্য বিল পাসের মাধ্যমে... ব্যক্তি স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র ভণ্ডামি ও বিভ্রম মাত্র।
**১৫ আগস্ট ১৯৫৪ তারিখে [[w:ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস|ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে]] দেওয়া [http://books.google.com.kh/books?id=RbgXRdnHkiAC&pg=PA224&lpg=PA224&dq=cv+raman+looking+down+and+sizing+the+situation&source=bl&ots=preDjltao8&sig=J4b2YkQoKPAZiK9iofszC60u5Ss&hl=en&sa=X&ei=yrLtU_6mGsrn8AXfjYL4DA&redir_esc=y এক সাক্ষাৎকারে।]
*সাবানের বুদবুদের উজ্জ্বল রঙগুলো দেখো!<br>সমুদ্র নীল কেন?<br>হীরা কিসে ঝকমক করে!<br>সঠিক প্রশ্নগুলো করো, আর প্রকৃতি তার রহস্যের দরজা খুলে দেবে।
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} page=xiii
*সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সবচেয়ে মৌলিক এবং গভীরতম অনুসন্ধানগুলো হলো সেইসব অনুসন্ধান, যা মানুষের জীবন ও কর্মকাণ্ডকে সবচেয়ে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। সেইসব বিজ্ঞানীই শেষ পর্যন্ত মানবজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ হিতৈষী হিসেবে প্রমাণিত হন, যারা এটা-ওটা উৎপাদনের লক্ষ্যে নয়,বরং কেবল জ্ঞানের অগ্রগতির একমাত্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে পরিশ্রম করেন।
** {{cite book|last1= রামন |first1=সি. ভি. |last2= চন্দ্রলেখা|title=হোয়াই দি স্কাই ইস ব্লু: ড. সি.ভি. রামন টকস অ্যাবাউট সায়েন্স|url=http://books.google.com/books?id=LOC3vbnTgHYC&pg=PT1|year=2010|publisher=তুলিকা বুকস|isbn=978-81-8146-846-8|page=১৭}}
*আপনার সামনে থাকা কাজের প্রতি সাহসী নিষ্ঠার মাধ্যমেই সাফল্য আসতে পারে। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে পারি যে, ভারতীয় মনের গুণাবলী যেকোনো টিউটোনিক, নর্ডিক বা অ্যাংলো-স্যাক্সন মনের গুণাবলীর সমান। আমাদের সম্ভবত সাহসের অভাব, আমাদের সেই চালিকাশক্তির অভাব যা একজন মানুষকে যেকোনো জায়গায় নিয়ে যেতে পারে। আমার মনে হয়, আমাদের মধ্যে এক ধরনের হীনমন্যতা তৈরি হয়েছে। আমার মনে হয়, আজকের ভারতে যা প্রয়োজন তা হলো এই পরাজয়বাদী মনোভাবের বিনাশ।
**১৯৬৯ সালে তরুণ স্নাতকদের উদ্দেশে দেওয়া তার ভাষণ। {{cite book|last=কালাম|first=এ পি জে আবদুল|title=ইগনাইটেড মাইন্ডস: আনলিশিং দি পাওয়ার উইদিন ইন্ডিয়া|url=http://books.google.com/books?id=_PdboDsin90C&pg=PA28|date=1 September 2010|publisher=পিয়ারসন এডুকেশন ইন্ডিয়া|isbn=978-81-317-2960-1|pages=২৮–২৯}}
*বিজ্ঞানী শিল্পকলা, নন্দনতত্ত্ব এবং বিজ্ঞানের মধ্যকার যোগসূত্র উদ্ঘাটন করতে চান। বিজ্ঞানী... [প্রকৃতির] অসীম জটিলতাকে কয়েকটি সরল নীতি বা ক্রিয়ার উপাদানে উদ্ঘাটন করতে চান, যেগুলোকে তিনি প্রকৃতির নিয়ম বলে অভিহিত করেন। এই কাজ করতে গিয়ে, শিল্পের অন্যান্য রূপের প্রবক্তাদের মতোই, তিনি নিজেকে এক কঠোর শৃঙ্খলার অধীন করেন, যার নিয়মকানুন তিনি নিজেই নির্ধারণ করেছেন এবং যেগুলোকে তিনি বলেন যুক্তিবিদ্যা...বিজ্ঞান... হলো প্রকৃতির উপস্থাপনার প্রতি নিবেদিত মানুষের নান্দনিক ও বৌদ্ধিক কার্যাবলীর এক সংমিশ্রণ। সুতরাং এটি সৃজনশীল শিল্পের সর্বোচ্চ রূপ।
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} পৃষ্ঠা=১৪
*উদ্দেশ্যপূর্ণ জীবনের জন্য এমন এক অক্ষ বা কব্জা প্রয়োজন, যার সাথে জীবন দৃঢ়ভাবে সংযুক্ত থাকবে এবং যার চারপাশে অবাধে আবর্তন করতে পারবে। আমার মতে, আমার নিজের ক্ষেত্রে এই অক্ষ বা কব্জাটি ছিল, বিজ্ঞানের প্রতি ভালোবাসা নয়, এমনকি প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসাও নয়, বরং এক বিশেষ বিমূর্ত আদর্শবাদ অথবা মানবাত্মার মূল্য এবং মানুষের প্রচেষ্টা ও সাফল্যের গুণের প্রতি বিশ্বাস। এই আদর্শবাদের উৎসের সবচেয়ে কাছের যে বিন্দুটি আমি খুঁজে পাই, তা হলো এডউইন আর্নল্ডের মহাগ্রন্থ দ্য লাইট অফ এশিয়া পড়ার স্মৃতি। আমার মনে আছে, সিদ্ধার্থের মহান ত্যাগ, তার সত্যের অনুসন্ধান এবং চূড়ান্ত বোধিলাভ আমাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল।
** উৎস: {{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*ইউক্লিডের পাতাগুলো যেন প্রকৃতির মহান নাটকের গ্র্যান্ড অপেরার সঙ্গীতের সূচনালগ্ন। বলা যায়, এগুলো পর্দা সরিয়ে আমাদের দৃষ্টির সামনে প্রাকৃতিক জ্ঞানের এক বিশাল জগতের ঝলক তুলে ধরে, যা অধ্যয়নের অপেক্ষায় রয়েছে।
** উৎস: {{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*যখন নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হলো তখন আমি একে ব্যক্তিগত বিজয় হিসেবেই দেখেছিলাম,আমার ও আমার সহযোগীদের জন্য একটি সাফল্য-- এটি ছিল অত্যন্ত অসাধারণ এক আবিষ্কারের স্বীকৃতি, এবং সেই লক্ষ্যেরই প্রাপ্তি যা আমি বিগত সাত বছর ধরে নিরলসভাবে অনুসরণ করে আসছিলাম। কিন্তু যখন আমি সেই জনাকীর্ণ সভাকক্ষে উপবিষ্ট হলাম এবং আমার চারপাশে কেবলই পশ্চিমা মুখমণ্ডলের এক বিশাল সমুদ্র দেখতে পেলাম আর আমি, একমাত্র ভারতীয় হিসেবে, আমার পাগড়ি ও গলাবন্ধ কোট পরিহিত অবস্থায় সেখানে উপস্থিত তখনই আমার এই বোধোদয় হলো যে, আমি আসলে আমার জনগণ ও আমার দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি। রাজা গুস্তাভের হাত থেকে যখন আমি পুরস্কারটি গ্রহণ করলাম, তখন আমি নিজেকে সত্যিই অত্যন্ত বিনম্র ও বিনীত অনুভব করলাম, সেটি ছিল গভীর আবেগের এক মুহূর্ত, তবুও আমি নিজেকে সংযত রাখতে পেরেছিলাম।
**১৯৩০ সালে স্টকহোমে রাজা গুস্তাভ যখন রামনকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করেছিলেন, সেই উপলক্ষে। উৎস:{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*তারপর আমি ঘুরে দাঁড়ালাম এবং ব্রিটিশ ইউনিয়ন জ্যাক দেখতে পেলাম, যেটার নিচে আমি বসেছিলাম; আর ঠিক তখনই আমি উপলব্ধি করলাম যে, আমার দরিদ্র দেশ,ভারতের, নিজস্ব একটা পতাকাও নেই- আর ঠিক এই ঘটনাই আমার সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার সূত্রপাত ঘটাল।
**১৯৩০ সালে স্টকহোমে রাজা গুস্তাভ যখন রামনকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করেছিলেন, সেই উপলক্ষে। উৎস:{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} পৃষ্ঠা=১৫
*প্রতিটি পাঠ্যপুস্তকের প্রচ্ছদ হিসেবে গান্ধীজীর প্রতিকৃতি অবশ্যই থাকতে হবে এবং সবরমতী থেকে বিড়লা হাউস পর্যন্ত গান্ধীজীর উপদেশাবলী সম্বলিত পাঠ অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ এবং ভারতীয় জাতির পিতার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের এটিই হবে সর্বোত্তম ও সবচেয়ে শক্তিশালী উপায়, এবং এটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ ও মূর্তি স্থাপনের চেয়েও উত্তম... তার (গান্ধীজীর) শিক্ষায় মানবাত্মার পরম গুণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অবিনশ্বর এবং অপরাজেয়। ভারত কখনোই সাফল্যের শিখরে পৌঁছানোর আশা করতে পারে না, যদি না আমরা মানবাত্মার মূল্যকে উন্নত করি।
**মহাত্মা গান্ধী প্রসঙ্গে রামন, যার নামানুসারে তিনি রামন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে গান্ধী স্মারক বক্তৃতা প্রবর্তন করেছিলেন। উৎস:{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, মৌলিক বিজ্ঞানকে শিক্ষাগত, শিল্পভিত্তিক কিংবা সরকারি ও সামরিক চাপের দ্বারা পরিচালিত করা সম্ভব নয়। ঠিক এই কারণেই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, যতটা সম্ভব, কোনো প্রকার অর্থসাহায্য গ্রহণ না করেই এক উন্নত প্রতিষ্ঠানকে পরিচালনা ও বিকশিত করব....তাই আমি এমন কোনো শর্ত আরোপ করব না যে, এই প্রতিষ্ঠানটি কোনো প্রকার সরকারি তহবিল গ্রহণ করতে পারবে না।
**১৯৭০ সালে মৃত্যুর পূর্বে সহকর্মী বিজ্ঞানীকে দেওয়া তার বিবৃতি। উৎস:{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}}
*আমার মনে হয়, ভারতের নারীরা যদি বিজ্ঞানকে গ্রহণ করেন এবং এর অগ্রগতি ও উন্নয়নেও আগ্রহী হন, তবে তারা এমন কিছুও অর্জন করবেন যা পুরুষরা করতে ব্যর্থ হয়েছে। নারীদের একটি গুণ আছে--নিষ্ঠা। বিজ্ঞানে সাফল্যের জন্য এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চাবিকাঠি। তাই আমাদের এমনটা ভাবা উচিত নয় যে, বিজ্ঞানে মেধা কেবল পুরুষদেরই একচেটিয়া অধিকার।
**নারীদের ভূমিকা সম্পর্কে তার দৃষ্টিভঙ্গি। উৎস:{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*একটি জাতির প্রকৃত সম্পদ সঞ্চিত স্বর্ণে নয়, বরং জনগণের মানসিক ও শারীরিক শক্তিতে নিহিত।
**{{cite web|url=http://resourcecentre.daiict.ac.in/eresources/iresources/quotations.html |title= কোটেশনস বাই ৬০ গ্রেটেস্ট ইন্ডিয়ান্স |publisher=ধিরুভাই আম্বানি ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি}}
== তার সম্পর্কে উক্তি ==
*স্যার পালিত কর্তৃক সৃষ্ট পদার্থবিজ্ঞানের চেয়ারের জন্য আমরা শ্রী চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রমনের মতো একজনকে পেয়ে সৌভাগ্যবান হয়েছি, যিনি ভৌতবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে তার অসাধারণ গবেষণার মাধ্যমে নিজেকে অত্যন্ত বিশিষ্ট করেছেন এবং ইউরোপীয় খ্যাতি অর্জন করেছেন। এই গবেষণা তিনি অত্যন্ত প্রতিকূল পরিস্থিতিতে এবং জরুরি দাপ্তরিক কর্তব্যের ব্যস্ততার মাঝেও অধ্যবসায়ের সাথে চালিয়ে গেছেন। আমি এটা ভেবে আনন্দিত যে, তার এই মূল্যবান গবেষণাগুলোর অনেক কিছুই পরিচালিত হয়েছে ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কাল্টিভেশন অফ সায়েন্সের গবেষণাগারে। এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন আমাদের প্রয়াত প্রখ্যাত সহকর্মী ডঃ মহেন্দ্র লাল সরকার, যিনি এই দেশে বিজ্ঞানের চর্চা ও অগ্রগতির জন্য একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় তাঁর জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। শ্রী রমন যে সাহস ও আত্মত্যাগের মনোভাব নিয়ে একটি আকর্ষণীয় সম্ভাবনাময় সরকারি চাকরির পরিবর্তে একটি বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপকের পদ বেছে নিয়েছিলেন, তার প্রতি আমার যে অকৃত্রিম শ্রদ্ধা, তা প্রকাশে যদি আমি নিজেকে সংযত না করি, তবে তা আমি কর্তব্যে ব্যর্থ হবো। দুঃখের বিষয়, এই অধ্যাপকের পদে এমনকি উদার পারিশ্রমিকও নেই। এই একটি ঘটনা আমাকে এই আশা পোষণ করতে উৎসাহিত করে যে, যে জ্ঞান মন্দির নির্মাণ করা আমাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা, সেখানে সত্যসন্ধানীর কোনো অভাব হবে না।
076az8frfi07wh307bvsmunj77m44z1
75644
75643
2026-04-11T09:38:22Z
Nil Nandy
2294
/* তার সম্পর্কে উক্তি */
75644
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]]''' (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার [[w:ভারতরত্ন|ভারতরত্ন]] দিয়ে সম্মানিত করে।
[[File:Sir CV Raman.JPG|thumb|সি. ভি. রামন]]
==উক্তি==
*স্বর্গ নেই, নরক নেই, পুনর্জন্ম নেই এবং অমরত্বও নেই। একমাত্র সত্য এই যে, মানুষ জন্মায়, জীবনযাপন করে এবং মারা যায়। সুতরাং, তার উচিত জীবনটা যথাযথভাবে যাপন করা।
**১৯৩৪ সালে ব্যাঙ্গালোরে একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায়। উৎস: {{Cite journal|last=সিং|first=আর|date=2010|title=লেটারস টু দ্যা এডিটর: ইন্ডিয়ান সায়েন্টিস্টস ভার্সাস সায়েন্স অ্যান্ড রিলিজিয়ন|url=http://www.scienceandculture-isna.org/july-aug10/Letter%20to%20editors.pdf|journal=সায়েন্স অ্যান্ড কালচার|volume=৭৬|issue=৭-৮|pages=২০৬|via=}}
*যদি ঈশ্বর বলে কেউ থাকেন, তবে আমাদের তাকে এই মহাবিশ্বেই খুঁজতে হবে। তিনি যদি এখানে না থাকেন, তবে তাকে খোঁজার কোনো অর্থ নেই। বিভিন্ন মহলে আমাকে নাস্তিক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কিন্তু আমি তা নই। জ্যোতির্বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবর্ধমান আবিষ্কারগুলো ঈশ্বরের আরও আরও প্রকাশ বলে মনে হচ্ছে। মহাত্মাজি, ধর্মসমূহ এক হতে পারে না। বিজ্ঞানই এক পূর্ণাঙ্গ বন্ধুত্বের সর্বোত্তম সুযোগ করে দেয়। বিজ্ঞানের সকল মানুষ ভাই ভাই।
**১৯৪৫ সালে [[মহাত্মা গান্ধী]] এবং গিলবার্ট রাহমের সাথে তার কথোপকথন। উৎস: {{Cite book|last=জয়ারামন|first=এ|url=https://www.worldcat.org/oclc/21675106|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: অ্যা মেমোয়ার|date=১৯৮৯|publisher=ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস|year=|isbn=81-85336-24-5|location=বেঙ্গালুরু|pages=১৪৩|oclc=21675106}}
*চারিদিকে তাকিয়ে পরিস্থিতি বিচার করে আমার মনে হচ্ছে যে, আমাদের দেশের সামনে আসল বিপদ হলো সরকারি কর্তৃত্বের স্টিমরোলার দিয়ে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও উদ্যোগের নিষ্পেষণ। এরই মধ্যে আমরা এর ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছি... সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো আইন প্রণয়ন এবং শিল্প উন্নয়নের ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে প্রণীত কর ও অন্যান্য বিল পাসের মাধ্যমে... ব্যক্তি স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র ভণ্ডামি ও বিভ্রম মাত্র।
**১৫ আগস্ট ১৯৫৪ তারিখে [[w:ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস|ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে]] দেওয়া [http://books.google.com.kh/books?id=RbgXRdnHkiAC&pg=PA224&lpg=PA224&dq=cv+raman+looking+down+and+sizing+the+situation&source=bl&ots=preDjltao8&sig=J4b2YkQoKPAZiK9iofszC60u5Ss&hl=en&sa=X&ei=yrLtU_6mGsrn8AXfjYL4DA&redir_esc=y এক সাক্ষাৎকারে।]
*সাবানের বুদবুদের উজ্জ্বল রঙগুলো দেখো!<br>সমুদ্র নীল কেন?<br>হীরা কিসে ঝকমক করে!<br>সঠিক প্রশ্নগুলো করো, আর প্রকৃতি তার রহস্যের দরজা খুলে দেবে।
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} page=xiii
*সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সবচেয়ে মৌলিক এবং গভীরতম অনুসন্ধানগুলো হলো সেইসব অনুসন্ধান, যা মানুষের জীবন ও কর্মকাণ্ডকে সবচেয়ে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। সেইসব বিজ্ঞানীই শেষ পর্যন্ত মানবজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ হিতৈষী হিসেবে প্রমাণিত হন, যারা এটা-ওটা উৎপাদনের লক্ষ্যে নয়,বরং কেবল জ্ঞানের অগ্রগতির একমাত্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে পরিশ্রম করেন।
** {{cite book|last1= রামন |first1=সি. ভি. |last2= চন্দ্রলেখা|title=হোয়াই দি স্কাই ইস ব্লু: ড. সি.ভি. রামন টকস অ্যাবাউট সায়েন্স|url=http://books.google.com/books?id=LOC3vbnTgHYC&pg=PT1|year=2010|publisher=তুলিকা বুকস|isbn=978-81-8146-846-8|page=১৭}}
*আপনার সামনে থাকা কাজের প্রতি সাহসী নিষ্ঠার মাধ্যমেই সাফল্য আসতে পারে। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে পারি যে, ভারতীয় মনের গুণাবলী যেকোনো টিউটোনিক, নর্ডিক বা অ্যাংলো-স্যাক্সন মনের গুণাবলীর সমান। আমাদের সম্ভবত সাহসের অভাব, আমাদের সেই চালিকাশক্তির অভাব যা একজন মানুষকে যেকোনো জায়গায় নিয়ে যেতে পারে। আমার মনে হয়, আমাদের মধ্যে এক ধরনের হীনমন্যতা তৈরি হয়েছে। আমার মনে হয়, আজকের ভারতে যা প্রয়োজন তা হলো এই পরাজয়বাদী মনোভাবের বিনাশ।
**১৯৬৯ সালে তরুণ স্নাতকদের উদ্দেশে দেওয়া তার ভাষণ। {{cite book|last=কালাম|first=এ পি জে আবদুল|title=ইগনাইটেড মাইন্ডস: আনলিশিং দি পাওয়ার উইদিন ইন্ডিয়া|url=http://books.google.com/books?id=_PdboDsin90C&pg=PA28|date=1 September 2010|publisher=পিয়ারসন এডুকেশন ইন্ডিয়া|isbn=978-81-317-2960-1|pages=২৮–২৯}}
*বিজ্ঞানী শিল্পকলা, নন্দনতত্ত্ব এবং বিজ্ঞানের মধ্যকার যোগসূত্র উদ্ঘাটন করতে চান। বিজ্ঞানী... [প্রকৃতির] অসীম জটিলতাকে কয়েকটি সরল নীতি বা ক্রিয়ার উপাদানে উদ্ঘাটন করতে চান, যেগুলোকে তিনি প্রকৃতির নিয়ম বলে অভিহিত করেন। এই কাজ করতে গিয়ে, শিল্পের অন্যান্য রূপের প্রবক্তাদের মতোই, তিনি নিজেকে এক কঠোর শৃঙ্খলার অধীন করেন, যার নিয়মকানুন তিনি নিজেই নির্ধারণ করেছেন এবং যেগুলোকে তিনি বলেন যুক্তিবিদ্যা...বিজ্ঞান... হলো প্রকৃতির উপস্থাপনার প্রতি নিবেদিত মানুষের নান্দনিক ও বৌদ্ধিক কার্যাবলীর এক সংমিশ্রণ। সুতরাং এটি সৃজনশীল শিল্পের সর্বোচ্চ রূপ।
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} পৃষ্ঠা=১৪
*উদ্দেশ্যপূর্ণ জীবনের জন্য এমন এক অক্ষ বা কব্জা প্রয়োজন, যার সাথে জীবন দৃঢ়ভাবে সংযুক্ত থাকবে এবং যার চারপাশে অবাধে আবর্তন করতে পারবে। আমার মতে, আমার নিজের ক্ষেত্রে এই অক্ষ বা কব্জাটি ছিল, বিজ্ঞানের প্রতি ভালোবাসা নয়, এমনকি প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসাও নয়, বরং এক বিশেষ বিমূর্ত আদর্শবাদ অথবা মানবাত্মার মূল্য এবং মানুষের প্রচেষ্টা ও সাফল্যের গুণের প্রতি বিশ্বাস। এই আদর্শবাদের উৎসের সবচেয়ে কাছের যে বিন্দুটি আমি খুঁজে পাই, তা হলো এডউইন আর্নল্ডের মহাগ্রন্থ দ্য লাইট অফ এশিয়া পড়ার স্মৃতি। আমার মনে আছে, সিদ্ধার্থের মহান ত্যাগ, তার সত্যের অনুসন্ধান এবং চূড়ান্ত বোধিলাভ আমাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল।
** উৎস: {{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*ইউক্লিডের পাতাগুলো যেন প্রকৃতির মহান নাটকের গ্র্যান্ড অপেরার সঙ্গীতের সূচনালগ্ন। বলা যায়, এগুলো পর্দা সরিয়ে আমাদের দৃষ্টির সামনে প্রাকৃতিক জ্ঞানের এক বিশাল জগতের ঝলক তুলে ধরে, যা অধ্যয়নের অপেক্ষায় রয়েছে।
** উৎস: {{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*যখন নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হলো তখন আমি একে ব্যক্তিগত বিজয় হিসেবেই দেখেছিলাম,আমার ও আমার সহযোগীদের জন্য একটি সাফল্য-- এটি ছিল অত্যন্ত অসাধারণ এক আবিষ্কারের স্বীকৃতি, এবং সেই লক্ষ্যেরই প্রাপ্তি যা আমি বিগত সাত বছর ধরে নিরলসভাবে অনুসরণ করে আসছিলাম। কিন্তু যখন আমি সেই জনাকীর্ণ সভাকক্ষে উপবিষ্ট হলাম এবং আমার চারপাশে কেবলই পশ্চিমা মুখমণ্ডলের এক বিশাল সমুদ্র দেখতে পেলাম আর আমি, একমাত্র ভারতীয় হিসেবে, আমার পাগড়ি ও গলাবন্ধ কোট পরিহিত অবস্থায় সেখানে উপস্থিত তখনই আমার এই বোধোদয় হলো যে, আমি আসলে আমার জনগণ ও আমার দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি। রাজা গুস্তাভের হাত থেকে যখন আমি পুরস্কারটি গ্রহণ করলাম, তখন আমি নিজেকে সত্যিই অত্যন্ত বিনম্র ও বিনীত অনুভব করলাম, সেটি ছিল গভীর আবেগের এক মুহূর্ত, তবুও আমি নিজেকে সংযত রাখতে পেরেছিলাম।
**১৯৩০ সালে স্টকহোমে রাজা গুস্তাভ যখন রামনকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করেছিলেন, সেই উপলক্ষে। উৎস:{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*তারপর আমি ঘুরে দাঁড়ালাম এবং ব্রিটিশ ইউনিয়ন জ্যাক দেখতে পেলাম, যেটার নিচে আমি বসেছিলাম; আর ঠিক তখনই আমি উপলব্ধি করলাম যে, আমার দরিদ্র দেশ,ভারতের, নিজস্ব একটা পতাকাও নেই- আর ঠিক এই ঘটনাই আমার সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার সূত্রপাত ঘটাল।
**১৯৩০ সালে স্টকহোমে রাজা গুস্তাভ যখন রামনকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করেছিলেন, সেই উপলক্ষে। উৎস:{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} পৃষ্ঠা=১৫
*প্রতিটি পাঠ্যপুস্তকের প্রচ্ছদ হিসেবে গান্ধীজীর প্রতিকৃতি অবশ্যই থাকতে হবে এবং সবরমতী থেকে বিড়লা হাউস পর্যন্ত গান্ধীজীর উপদেশাবলী সম্বলিত পাঠ অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ এবং ভারতীয় জাতির পিতার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের এটিই হবে সর্বোত্তম ও সবচেয়ে শক্তিশালী উপায়, এবং এটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ ও মূর্তি স্থাপনের চেয়েও উত্তম... তার (গান্ধীজীর) শিক্ষায় মানবাত্মার পরম গুণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অবিনশ্বর এবং অপরাজেয়। ভারত কখনোই সাফল্যের শিখরে পৌঁছানোর আশা করতে পারে না, যদি না আমরা মানবাত্মার মূল্যকে উন্নত করি।
**মহাত্মা গান্ধী প্রসঙ্গে রামন, যার নামানুসারে তিনি রামন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে গান্ধী স্মারক বক্তৃতা প্রবর্তন করেছিলেন। উৎস:{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, মৌলিক বিজ্ঞানকে শিক্ষাগত, শিল্পভিত্তিক কিংবা সরকারি ও সামরিক চাপের দ্বারা পরিচালিত করা সম্ভব নয়। ঠিক এই কারণেই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, যতটা সম্ভব, কোনো প্রকার অর্থসাহায্য গ্রহণ না করেই এক উন্নত প্রতিষ্ঠানকে পরিচালনা ও বিকশিত করব....তাই আমি এমন কোনো শর্ত আরোপ করব না যে, এই প্রতিষ্ঠানটি কোনো প্রকার সরকারি তহবিল গ্রহণ করতে পারবে না।
**১৯৭০ সালে মৃত্যুর পূর্বে সহকর্মী বিজ্ঞানীকে দেওয়া তার বিবৃতি। উৎস:{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}}
*আমার মনে হয়, ভারতের নারীরা যদি বিজ্ঞানকে গ্রহণ করেন এবং এর অগ্রগতি ও উন্নয়নেও আগ্রহী হন, তবে তারা এমন কিছুও অর্জন করবেন যা পুরুষরা করতে ব্যর্থ হয়েছে। নারীদের একটি গুণ আছে--নিষ্ঠা। বিজ্ঞানে সাফল্যের জন্য এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চাবিকাঠি। তাই আমাদের এমনটা ভাবা উচিত নয় যে, বিজ্ঞানে মেধা কেবল পুরুষদেরই একচেটিয়া অধিকার।
**নারীদের ভূমিকা সম্পর্কে তার দৃষ্টিভঙ্গি। উৎস:{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*একটি জাতির প্রকৃত সম্পদ সঞ্চিত স্বর্ণে নয়, বরং জনগণের মানসিক ও শারীরিক শক্তিতে নিহিত।
**{{cite web|url=http://resourcecentre.daiict.ac.in/eresources/iresources/quotations.html |title= কোটেশনস বাই ৬০ গ্রেটেস্ট ইন্ডিয়ান্স |publisher=ধিরুভাই আম্বানি ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি}}
== তার সম্পর্কে উক্তি ==
*স্যার পালিত কর্তৃক সৃষ্ট পদার্থবিজ্ঞানের চেয়ারের জন্য আমরা শ্রী চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রমনের মতো একজনকে পেয়ে সৌভাগ্যবান হয়েছি, যিনি ভৌতবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে তার অসাধারণ গবেষণার মাধ্যমে নিজেকে অত্যন্ত বিশিষ্ট করেছেন এবং ইউরোপীয় খ্যাতি অর্জন করেছেন। এই গবেষণা তিনি অত্যন্ত প্রতিকূল পরিস্থিতিতে এবং জরুরি দাপ্তরিক কর্তব্যের ব্যস্ততার মাঝেও অধ্যবসায়ের সাথে চালিয়ে গেছেন। আমি এটা ভেবে আনন্দিত যে, তার এই মূল্যবান গবেষণাগুলোর অনেক কিছুই পরিচালিত হয়েছে ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কাল্টিভেশন অফ সায়েন্সের গবেষণাগারে। এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন আমাদের প্রয়াত প্রখ্যাত সহকর্মী ডঃ মহেন্দ্র লাল সরকার, যিনি এই দেশে বিজ্ঞানের চর্চা ও অগ্রগতির জন্য একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় তাঁর জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। শ্রী রমন যে সাহস ও আত্মত্যাগের মনোভাব নিয়ে একটি আকর্ষণীয় সম্ভাবনাময় সরকারি চাকরির পরিবর্তে একটি বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপকের পদ বেছে নিয়েছিলেন, তার প্রতি আমার যে অকৃত্রিম শ্রদ্ধা, তা প্রকাশে যদি আমি নিজেকে সংযত না করি, তবে তা আমি কর্তব্যে ব্যর্থ হবো। দুঃখের বিষয়, এই অধ্যাপকের পদে এমনকি উদার পারিশ্রমিকও নেই। এই একটি ঘটনা আমাকে এই আশা পোষণ করতে উৎসাহিত করে যে, যে জ্ঞান মন্দির নির্মাণ করা আমাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা, সেখানে সত্যসন্ধানীর কোনো অভাব হবে না।
**{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
frntpopinp4o2fnn1i1n0p08dbae4l0
75649
75644
2026-04-11T09:42:35Z
Nil Nandy
2294
/* তার সম্পর্কে উক্তি */
75649
wikitext
text/x-wiki
{{কাজ চলছে}}
'''[[:w:চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]]''' (তামিল: சந்திரசேகர வேங்கட ராமன், ৭ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২১ নভেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ভারতের তৎকালীন মাদ্রাজ প্রদেশে (বর্তমানে তামিলনাড়ু রাজ্য) জন্মগ্রহণ করেন। আলোক বিক্ষেপণ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী কাজ করার জন্য ১৯৩০ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, যখন আলো কোনো স্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন পরিসৃত আলোর একাংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাটি, যা পরবর্তীকালে রামন বিক্ষেপণ নামে পরিচিত হয়, রামন প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার [[w:ভারতরত্ন|ভারতরত্ন]] দিয়ে সম্মানিত করে।
[[File:Sir CV Raman.JPG|thumb|সি. ভি. রামন]]
==উক্তি==
*স্বর্গ নেই, নরক নেই, পুনর্জন্ম নেই এবং অমরত্বও নেই। একমাত্র সত্য এই যে, মানুষ জন্মায়, জীবনযাপন করে এবং মারা যায়। সুতরাং, তার উচিত জীবনটা যথাযথভাবে যাপন করা।
**১৯৩৪ সালে ব্যাঙ্গালোরে একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায়। উৎস: {{Cite journal|last=সিং|first=আর|date=2010|title=লেটারস টু দ্যা এডিটর: ইন্ডিয়ান সায়েন্টিস্টস ভার্সাস সায়েন্স অ্যান্ড রিলিজিয়ন|url=http://www.scienceandculture-isna.org/july-aug10/Letter%20to%20editors.pdf|journal=সায়েন্স অ্যান্ড কালচার|volume=৭৬|issue=৭-৮|pages=২০৬|via=}}
*যদি ঈশ্বর বলে কেউ থাকেন, তবে আমাদের তাকে এই মহাবিশ্বেই খুঁজতে হবে। তিনি যদি এখানে না থাকেন, তবে তাকে খোঁজার কোনো অর্থ নেই। বিভিন্ন মহলে আমাকে নাস্তিক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কিন্তু আমি তা নই। জ্যোতির্বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবর্ধমান আবিষ্কারগুলো ঈশ্বরের আরও আরও প্রকাশ বলে মনে হচ্ছে। মহাত্মাজি, ধর্মসমূহ এক হতে পারে না। বিজ্ঞানই এক পূর্ণাঙ্গ বন্ধুত্বের সর্বোত্তম সুযোগ করে দেয়। বিজ্ঞানের সকল মানুষ ভাই ভাই।
**১৯৪৫ সালে [[মহাত্মা গান্ধী]] এবং গিলবার্ট রাহমের সাথে তার কথোপকথন। উৎস: {{Cite book|last=জয়ারামন|first=এ|url=https://www.worldcat.org/oclc/21675106|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: অ্যা মেমোয়ার|date=১৯৮৯|publisher=ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস|year=|isbn=81-85336-24-5|location=বেঙ্গালুরু|pages=১৪৩|oclc=21675106}}
*চারিদিকে তাকিয়ে পরিস্থিতি বিচার করে আমার মনে হচ্ছে যে, আমাদের দেশের সামনে আসল বিপদ হলো সরকারি কর্তৃত্বের স্টিমরোলার দিয়ে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও উদ্যোগের নিষ্পেষণ। এরই মধ্যে আমরা এর ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছি... সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো আইন প্রণয়ন এবং শিল্প উন্নয়নের ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে প্রণীত কর ও অন্যান্য বিল পাসের মাধ্যমে... ব্যক্তি স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র ভণ্ডামি ও বিভ্রম মাত্র।
**১৫ আগস্ট ১৯৫৪ তারিখে [[w:ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস|ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে]] দেওয়া [http://books.google.com.kh/books?id=RbgXRdnHkiAC&pg=PA224&lpg=PA224&dq=cv+raman+looking+down+and+sizing+the+situation&source=bl&ots=preDjltao8&sig=J4b2YkQoKPAZiK9iofszC60u5Ss&hl=en&sa=X&ei=yrLtU_6mGsrn8AXfjYL4DA&redir_esc=y এক সাক্ষাৎকারে।]
*সাবানের বুদবুদের উজ্জ্বল রঙগুলো দেখো!<br>সমুদ্র নীল কেন?<br>হীরা কিসে ঝকমক করে!<br>সঠিক প্রশ্নগুলো করো, আর প্রকৃতি তার রহস্যের দরজা খুলে দেবে।
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} page=xiii
*সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সবচেয়ে মৌলিক এবং গভীরতম অনুসন্ধানগুলো হলো সেইসব অনুসন্ধান, যা মানুষের জীবন ও কর্মকাণ্ডকে সবচেয়ে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। সেইসব বিজ্ঞানীই শেষ পর্যন্ত মানবজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ হিতৈষী হিসেবে প্রমাণিত হন, যারা এটা-ওটা উৎপাদনের লক্ষ্যে নয়,বরং কেবল জ্ঞানের অগ্রগতির একমাত্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে পরিশ্রম করেন।
** {{cite book|last1= রামন |first1=সি. ভি. |last2= চন্দ্রলেখা|title=হোয়াই দি স্কাই ইস ব্লু: ড. সি.ভি. রামন টকস অ্যাবাউট সায়েন্স|url=http://books.google.com/books?id=LOC3vbnTgHYC&pg=PT1|year=2010|publisher=তুলিকা বুকস|isbn=978-81-8146-846-8|page=১৭}}
*আপনার সামনে থাকা কাজের প্রতি সাহসী নিষ্ঠার মাধ্যমেই সাফল্য আসতে পারে। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে পারি যে, ভারতীয় মনের গুণাবলী যেকোনো টিউটোনিক, নর্ডিক বা অ্যাংলো-স্যাক্সন মনের গুণাবলীর সমান। আমাদের সম্ভবত সাহসের অভাব, আমাদের সেই চালিকাশক্তির অভাব যা একজন মানুষকে যেকোনো জায়গায় নিয়ে যেতে পারে। আমার মনে হয়, আমাদের মধ্যে এক ধরনের হীনমন্যতা তৈরি হয়েছে। আমার মনে হয়, আজকের ভারতে যা প্রয়োজন তা হলো এই পরাজয়বাদী মনোভাবের বিনাশ।
**১৯৬৯ সালে তরুণ স্নাতকদের উদ্দেশে দেওয়া তার ভাষণ। {{cite book|last=কালাম|first=এ পি জে আবদুল|title=ইগনাইটেড মাইন্ডস: আনলিশিং দি পাওয়ার উইদিন ইন্ডিয়া|url=http://books.google.com/books?id=_PdboDsin90C&pg=PA28|date=1 September 2010|publisher=পিয়ারসন এডুকেশন ইন্ডিয়া|isbn=978-81-317-2960-1|pages=২৮–২৯}}
*বিজ্ঞানী শিল্পকলা, নন্দনতত্ত্ব এবং বিজ্ঞানের মধ্যকার যোগসূত্র উদ্ঘাটন করতে চান। বিজ্ঞানী... [প্রকৃতির] অসীম জটিলতাকে কয়েকটি সরল নীতি বা ক্রিয়ার উপাদানে উদ্ঘাটন করতে চান, যেগুলোকে তিনি প্রকৃতির নিয়ম বলে অভিহিত করেন। এই কাজ করতে গিয়ে, শিল্পের অন্যান্য রূপের প্রবক্তাদের মতোই, তিনি নিজেকে এক কঠোর শৃঙ্খলার অধীন করেন, যার নিয়মকানুন তিনি নিজেই নির্ধারণ করেছেন এবং যেগুলোকে তিনি বলেন যুক্তিবিদ্যা...বিজ্ঞান... হলো প্রকৃতির উপস্থাপনার প্রতি নিবেদিত মানুষের নান্দনিক ও বৌদ্ধিক কার্যাবলীর এক সংমিশ্রণ। সুতরাং এটি সৃজনশীল শিল্পের সর্বোচ্চ রূপ।
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} পৃষ্ঠা=১৪
*উদ্দেশ্যপূর্ণ জীবনের জন্য এমন এক অক্ষ বা কব্জা প্রয়োজন, যার সাথে জীবন দৃঢ়ভাবে সংযুক্ত থাকবে এবং যার চারপাশে অবাধে আবর্তন করতে পারবে। আমার মতে, আমার নিজের ক্ষেত্রে এই অক্ষ বা কব্জাটি ছিল, বিজ্ঞানের প্রতি ভালোবাসা নয়, এমনকি প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসাও নয়, বরং এক বিশেষ বিমূর্ত আদর্শবাদ অথবা মানবাত্মার মূল্য এবং মানুষের প্রচেষ্টা ও সাফল্যের গুণের প্রতি বিশ্বাস। এই আদর্শবাদের উৎসের সবচেয়ে কাছের যে বিন্দুটি আমি খুঁজে পাই, তা হলো এডউইন আর্নল্ডের মহাগ্রন্থ দ্য লাইট অফ এশিয়া পড়ার স্মৃতি। আমার মনে আছে, সিদ্ধার্থের মহান ত্যাগ, তার সত্যের অনুসন্ধান এবং চূড়ান্ত বোধিলাভ আমাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল।
** উৎস: {{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*ইউক্লিডের পাতাগুলো যেন প্রকৃতির মহান নাটকের গ্র্যান্ড অপেরার সঙ্গীতের সূচনালগ্ন। বলা যায়, এগুলো পর্দা সরিয়ে আমাদের দৃষ্টির সামনে প্রাকৃতিক জ্ঞানের এক বিশাল জগতের ঝলক তুলে ধরে, যা অধ্যয়নের অপেক্ষায় রয়েছে।
** উৎস: {{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*যখন নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হলো তখন আমি একে ব্যক্তিগত বিজয় হিসেবেই দেখেছিলাম,আমার ও আমার সহযোগীদের জন্য একটি সাফল্য-- এটি ছিল অত্যন্ত অসাধারণ এক আবিষ্কারের স্বীকৃতি, এবং সেই লক্ষ্যেরই প্রাপ্তি যা আমি বিগত সাত বছর ধরে নিরলসভাবে অনুসরণ করে আসছিলাম। কিন্তু যখন আমি সেই জনাকীর্ণ সভাকক্ষে উপবিষ্ট হলাম এবং আমার চারপাশে কেবলই পশ্চিমা মুখমণ্ডলের এক বিশাল সমুদ্র দেখতে পেলাম আর আমি, একমাত্র ভারতীয় হিসেবে, আমার পাগড়ি ও গলাবন্ধ কোট পরিহিত অবস্থায় সেখানে উপস্থিত তখনই আমার এই বোধোদয় হলো যে, আমি আসলে আমার জনগণ ও আমার দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি। রাজা গুস্তাভের হাত থেকে যখন আমি পুরস্কারটি গ্রহণ করলাম, তখন আমি নিজেকে সত্যিই অত্যন্ত বিনম্র ও বিনীত অনুভব করলাম, সেটি ছিল গভীর আবেগের এক মুহূর্ত, তবুও আমি নিজেকে সংযত রাখতে পেরেছিলাম।
**১৯৩০ সালে স্টকহোমে রাজা গুস্তাভ যখন রামনকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করেছিলেন, সেই উপলক্ষে। উৎস:{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*তারপর আমি ঘুরে দাঁড়ালাম এবং ব্রিটিশ ইউনিয়ন জ্যাক দেখতে পেলাম, যেটার নিচে আমি বসেছিলাম; আর ঠিক তখনই আমি উপলব্ধি করলাম যে, আমার দরিদ্র দেশ,ভারতের, নিজস্ব একটা পতাকাও নেই- আর ঠিক এই ঘটনাই আমার সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার সূত্রপাত ঘটাল।
**১৯৩০ সালে স্টকহোমে রাজা গুস্তাভ যখন রামনকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করেছিলেন, সেই উপলক্ষে। উৎস:{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
**{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}} পৃষ্ঠা=১৫
*প্রতিটি পাঠ্যপুস্তকের প্রচ্ছদ হিসেবে গান্ধীজীর প্রতিকৃতি অবশ্যই থাকতে হবে এবং সবরমতী থেকে বিড়লা হাউস পর্যন্ত গান্ধীজীর উপদেশাবলী সম্বলিত পাঠ অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ এবং ভারতীয় জাতির পিতার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের এটিই হবে সর্বোত্তম ও সবচেয়ে শক্তিশালী উপায়, এবং এটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ ও মূর্তি স্থাপনের চেয়েও উত্তম... তার (গান্ধীজীর) শিক্ষায় মানবাত্মার পরম গুণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অবিনশ্বর এবং অপরাজেয়। ভারত কখনোই সাফল্যের শিখরে পৌঁছানোর আশা করতে পারে না, যদি না আমরা মানবাত্মার মূল্যকে উন্নত করি।
**মহাত্মা গান্ধী প্রসঙ্গে রামন, যার নামানুসারে তিনি রামন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে গান্ধী স্মারক বক্তৃতা প্রবর্তন করেছিলেন। উৎস:{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, মৌলিক বিজ্ঞানকে শিক্ষাগত, শিল্পভিত্তিক কিংবা সরকারি ও সামরিক চাপের দ্বারা পরিচালিত করা সম্ভব নয়। ঠিক এই কারণেই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, যতটা সম্ভব, কোনো প্রকার অর্থসাহায্য গ্রহণ না করেই এক উন্নত প্রতিষ্ঠানকে পরিচালনা ও বিকশিত করব....তাই আমি এমন কোনো শর্ত আরোপ করব না যে, এই প্রতিষ্ঠানটি কোনো প্রকার সরকারি তহবিল গ্রহণ করতে পারবে না।
**১৯৭০ সালে মৃত্যুর পূর্বে সহকর্মী বিজ্ঞানীকে দেওয়া তার বিবৃতি। উৎস:{{cite book|last=পরমেশ্বরন |first=উমা |title=সি.ভি. রামন: অ্যা বায়োগ্রাফি|url=http://books.google.com/books?id=RbgXRdnHkiAC|year=2011|publisher=পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়া|isbn=978-0-14-306689-7}}
*আমার মনে হয়, ভারতের নারীরা যদি বিজ্ঞানকে গ্রহণ করেন এবং এর অগ্রগতি ও উন্নয়নেও আগ্রহী হন, তবে তারা এমন কিছুও অর্জন করবেন যা পুরুষরা করতে ব্যর্থ হয়েছে। নারীদের একটি গুণ আছে--নিষ্ঠা। বিজ্ঞানে সাফল্যের জন্য এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চাবিকাঠি। তাই আমাদের এমনটা ভাবা উচিত নয় যে, বিজ্ঞানে মেধা কেবল পুরুষদেরই একচেটিয়া অধিকার।
**নারীদের ভূমিকা সম্পর্কে তার দৃষ্টিভঙ্গি। উৎস:{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*একটি জাতির প্রকৃত সম্পদ সঞ্চিত স্বর্ণে নয়, বরং জনগণের মানসিক ও শারীরিক শক্তিতে নিহিত।
**{{cite web|url=http://resourcecentre.daiict.ac.in/eresources/iresources/quotations.html |title= কোটেশনস বাই ৬০ গ্রেটেস্ট ইন্ডিয়ান্স |publisher=ধিরুভাই আম্বানি ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি}}
== তার সম্পর্কে উক্তি ==
*স্যার পালিত কর্তৃক সৃষ্ট পদার্থবিজ্ঞানের চেয়ারের জন্য আমরা শ্রী চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রমনের মতো একজনকে পেয়ে সৌভাগ্যবান হয়েছি, যিনি ভৌতবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে তার অসাধারণ গবেষণার মাধ্যমে নিজেকে অত্যন্ত বিশিষ্ট করেছেন এবং ইউরোপীয় খ্যাতি অর্জন করেছেন। এই গবেষণা তিনি অত্যন্ত প্রতিকূল পরিস্থিতিতে এবং জরুরি দাপ্তরিক কর্তব্যের ব্যস্ততার মাঝেও অধ্যবসায়ের সাথে চালিয়ে গেছেন। আমি এটা ভেবে আনন্দিত যে, তার এই মূল্যবান গবেষণাগুলোর অনেক কিছুই পরিচালিত হয়েছে ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কাল্টিভেশন অফ সায়েন্সের গবেষণাগারে। এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন আমাদের প্রয়াত প্রখ্যাত সহকর্মী ডঃ মহেন্দ্র লাল সরকার, যিনি এই দেশে বিজ্ঞানের চর্চা ও অগ্রগতির জন্য একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় তাঁর জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। শ্রী রমন যে সাহস ও আত্মত্যাগের মনোভাব নিয়ে একটি আকর্ষণীয় সম্ভাবনাময় সরকারি চাকরির পরিবর্তে একটি বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপকের পদ বেছে নিয়েছিলেন, তার প্রতি আমার যে অকৃত্রিম শ্রদ্ধা, তা প্রকাশে যদি আমি নিজেকে সংযত না করি, তবে তা আমি কর্তব্যে ব্যর্থ হবো। দুঃখের বিষয়, এই অধ্যাপকের পদে এমনকি উদার পারিশ্রমিকও নেই। এই একটি ঘটনা আমাকে এই আশা পোষণ করতে উৎসাহিত করে যে, যে জ্ঞান মন্দির নির্মাণ করা আমাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা, সেখানে সত্যসন্ধানীর কোনো অভাব হবে না।
**{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
*সি. ভি. রমনই সর্বপ্রথম উপলব্ধি করেন এবং দেখান যে, পদার্থের অভ্যন্তরে ফোটনের শক্তির আংশিক রূপান্তর ঘটতে পারে। আমার আজও স্পষ্ট মনে আছে, এই আবিষ্কারটি আমাদের সকলের মনে কী গভীর ছাপ ফেলেছিল...."
**{{bw|অ্যালবার্ট আইনস্টাইন}}। উৎস:{{Cite web|url=http://www.vigyanprasar.gov.in/scientists/cvraman/raman1.htm|title=চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন: আধুনিক ভারতের বিজ্ঞানের এক কিংবদন্তী|accessdate=২২ নভেম্বর ২০১৩|publisher= ভারত সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিজ্ঞান প্রসার}}
7su0bmcalk1r5tzp1p2azrt911a379e
ব্যবহারকারী আলাপ:Md Yasin Omor
3
12306
75507
2026-04-11T02:13:03Z
অভ্যর্থনা কমিটি বট
1112
উইকিউক্তিতে স্বাগত!
75507
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Md Yasin Omor,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]]
</div>
০২:১৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
hqlvneekomq2yq9vbhmbin2134137y8
ডেনিস রিচি
0
12307
75517
2026-04-11T03:02:58Z
Sumanta3023
4175
"[[File:Dennis Ritchie 2011.jpg|thumb|right|ডেনিস রিচি]] '''[[w:ডেনিস রিচি|ডেনিস ম্যাকঅ্যালিস্টেয়ার রিচি]]''' ([[৯ সেপ্টেম্বর]], [[১৯৪১]] – আনু. [[১২ অক্টোবর]], [[২০১১]]) ছিলেন একজন মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউট..." দিয়ে পাতা তৈরি
75517
wikitext
text/x-wiki
[[File:Dennis Ritchie 2011.jpg|thumb|right|ডেনিস রিচি]]
'''[[w:ডেনিস রিচি|ডেনিস ম্যাকঅ্যালিস্টেয়ার রিচি]]''' ([[৯ সেপ্টেম্বর]], [[১৯৪১]] – আনু. [[১২ অক্টোবর]], [[২০১১]]) ছিলেন একজন মার্কিন [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানী]] এবং [[কেন থম্পসন|কেন থম্পসনের]] সাথে ১৯৮৩ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] বিজয়ী। তিনি [[w:সি (প্রোগ্রামিং ভাষা)|সি প্রোগ্রামিং ভাষা]] তৈরি করেছিলেন এবং থম্পসনের সাথে যৌথভাবে [[ইউনিক্স]] অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন, যা পরবর্তী সময়ের [[প্রোগ্রামিং ভাষা]] এবং [[w:অপারেটিং সিস্টেম|অপারেটিং সিস্টেমগুলোর]] ওপর ব্যাপক ও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলেছে।
k8i0co1c37a7wun1rqerzpuj84l9nox
75521
75517
2026-04-11T03:08:48Z
Sumanta3023
4175
75521
wikitext
text/x-wiki
[[File:Dennis Ritchie 2011.jpg|thumb|right|ডেনিস রিচি]]
'''[[w:ডেনিস রিচি|ডেনিস ম্যাকঅ্যালিস্টেয়ার রিচি]]''' ([[৯ সেপ্টেম্বর]], [[১৯৪১]] – আনু. [[১২ অক্টোবর]], [[২০১১]]) ছিলেন একজন মার্কিন [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানী]] এবং [[কেন থম্পসন|কেন থম্পসনের]] সাথে ১৯৮৩ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] বিজয়ী। তিনি [[w:সি (প্রোগ্রামিং ভাষা)|সি প্রোগ্রামিং ভাষা]] তৈরি করেছিলেন এবং থম্পসনের সাথে যৌথভাবে [[ইউনিক্স]] অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন, যা পরবর্তী সময়ের [[প্রোগ্রামিং ভাষা]] এবং [[w:অপারেটিং সিস্টেম|অপারেটিং সিস্টেমগুলোর]] ওপর ব্যাপক ও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলেছে।
== উক্তি ==
* আমরা যা রক্ষা করতে চেয়েছিলাম তা কেবল প্রোগ্রামিং করার জন্য একটি ভালো পরিবেশ নয়, বরং এমন একটি ব্যবস্থা যা ঘিরে একটি ভ্রাতৃত্ব বা সাহচর্য গড়ে উঠতে পারে। আমরা অভিজ্ঞতা থেকে জানতাম যে রিমোট-অ্যাক্সেস এবং টাইম-শেয়ারড মেশিনের মাধ্যমে পাওয়া সাম্প্রদায়িক কম্পিউটিংয়ের মূল নির্যাস কেবল কী-পাঞ্চের বদলে টার্মিনালে প্রোগ্রাম টাইপ করা নয়, বরং নিবিড় যোগাযোগকে উৎসাহিত করা।
** ১৯৮০ সালের একটি বক্তৃতা "দ্য ইভোল্যুশন অফ দ্য ইউনিক্স টাইম-শেয়ারিং সিস্টেম" এ, ক্রিস্টোফার নেগাস রচিত ''[http://books.google.com/books?id=W5vItTVMLaYC&pg=PT650 লিনাক্স বাইবেল ২০১০ সংস্করণ]'' (২০১০) এ উদ্ধৃত।
* আমি বর্তমানে ‘ডেমিগডিক’ (অর্ধ-ঈশ্বরতুল্য) দলের সদস্য নই, আর কখনও ছিলামও না।
** {{cite web|url=http://groups.google.com/group/net.unix-wizards/msg/1c9d2e4c341f9b41|title=ইউজনেট : নেট.ইউনিক্স-উইজার্ডস|date=১৯৮৪-০৩-১৩ (গুগল গ্রুপস আর্কাইভ থেকে সংগৃহীত)}}
* [সি ল্যাঙ্গুয়েজের] অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজের মতো ক্ষমতা এবং... অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজের মতোই সুবিধা রয়েছে।
** কেড মেটজের [http://www.wired.com/wiredenterprise/2011/10/thedennisritchieeffect/ "ডেনিস রিচি: দ্য শোল্ডার্স স্টিভ জবস স্টুড অন",] ''[[w: ওয়্যারড (ম্যাগাজিন)|ওয়্যারড]]'', ১৩ অক্টোবর ২০১১-এ উদ্ধৃত।
* [[ইউনিক্স|ইউনিক্স]] অত্যন্ত সাধারণ, এর সাধারণত্ব বোঝার জন্য শুধু একজন প্রতিভাবান মানুষের প্রয়োজন।
** {{cite web|url=http://www.brainy quote.com/quotes/authors/d/dennis_ritchie.html|title=ব্রেইনি কোট.কম}}{{fix cite}}
** {{Cite web|url=https://www.linfo.org/q_unix.html|title=লিনফো.অর্গ}}{{fix cite}}
* সি অদ্ভুত, ত্রুটিপূর্ণ এবং একটি বিশাল সফল সৃষ্টি।
** {{cite web|url=https://www.bell-labs.com/usr/dmr/www/chist.html|title=দ্য ডেভেলপমেন্ট অফ দ্য সি ল্যাঙ্গুয়েজ}}
* জীবন বড়ই কঠিন, আর একসময় তোমার পা-ও জবাব দিয়ে দেবে।
** {{cite web|url=http://fortunes.cat-v.org/plan_9/|title=প্ল্যান ৯ ফরচুনস ফাইল}}
056vl7bcz8w2l45o84ifjebdkoknro8
75529
75521
2026-04-11T03:24:30Z
Sumanta3023
4175
/* উক্তি */
75529
wikitext
text/x-wiki
[[File:Dennis Ritchie 2011.jpg|thumb|right|ডেনিস রিচি]]
'''[[w:ডেনিস রিচি|ডেনিস ম্যাকঅ্যালিস্টেয়ার রিচি]]''' ([[৯ সেপ্টেম্বর]], [[১৯৪১]] – আনু. [[১২ অক্টোবর]], [[২০১১]]) ছিলেন একজন মার্কিন [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানী]] এবং [[কেন থম্পসন|কেন থম্পসনের]] সাথে ১৯৮৩ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] বিজয়ী। তিনি [[w:সি (প্রোগ্রামিং ভাষা)|সি প্রোগ্রামিং ভাষা]] তৈরি করেছিলেন এবং থম্পসনের সাথে যৌথভাবে [[ইউনিক্স]] অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন, যা পরবর্তী সময়ের [[প্রোগ্রামিং ভাষা]] এবং [[w:অপারেটিং সিস্টেম|অপারেটিং সিস্টেমগুলোর]] ওপর ব্যাপক ও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলেছে।
== উক্তি ==
* আমরা যা রক্ষা করতে চেয়েছিলাম তা কেবল প্রোগ্রামিং করার জন্য একটি ভালো পরিবেশ নয়, বরং এমন একটি ব্যবস্থা যা ঘিরে একটি ভ্রাতৃত্ব বা সাহচর্য গড়ে উঠতে পারে। আমরা অভিজ্ঞতা থেকে জানতাম যে রিমোট-অ্যাক্সেস এবং টাইম শেয়ারড মেশিনের মাধ্যমে পাওয়া সাম্প্রদায়িক কম্পিউটিংয়ের মূল নির্যাস কেবল কী-পাঞ্চের বদলে টার্মিনালে প্রোগ্রাম টাইপ করা নয়, বরং নিবিড় যোগাযোগকে উৎসাহিত করা।
** ১৯৮০ সালের একটি বক্তৃতা "দ্য ইভোল্যুশন অফ দ্য ইউনিক্স টাইম-শেয়ারিং সিস্টেম" এ, ক্রিস্টোফার নেগাস রচিত ''[http://books.google.com/books?id=W5vItTVMLaYC&pg=PT650 লিনাক্স বাইবেল ২০১০ সংস্করণ]'' (২০১০) এ উদ্ধৃত।
* আমি বর্তমানে ‘ডেমিগডিক’ (অর্ধ-ঈশ্বরতুল্য) দলের সদস্য নই, আর কখনও ছিলামও না।
** {{cite web|url=http://groups.google.com/group/net.unix-wizards/msg/1c9d2e4c341f9b41|title=ইউজনেট : নেট.ইউনিক্স-উইজার্ডস|date=১৯৮৪-০৩-১৩ (গুগল গ্রুপস আর্কাইভ থেকে সংগৃহীত)}}
* [সি ল্যাঙ্গুয়েজের] অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজের মতো ক্ষমতা এবং অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজের মতোই সুবিধা রয়েছে।
** কেড মেটজের [http://www.wired.com/wiredenterprise/2011/10/thedennisritchieeffect/ "ডেনিস রিচি: দ্য শোল্ডার্স স্টিভ জবস স্টুড অন",] ''[[w: ওয়্যারড (ম্যাগাজিন)|ওয়্যারড]]'', ১৩ অক্টোবর ২০১১ এ উদ্ধৃত।
* [[ইউনিক্স|ইউনিক্স]] অত্যন্ত সাধারণ, এর সাধারণত্ব বোঝার জন্য শুধু একজন প্রতিভাবান মানুষের প্রয়োজন।
** {{cite web|url=http://www.brainy quote.com/quotes/authors/d/dennis_ritchie.html|title=ব্রেইনি কোট.কম}}{{fix cite}}
** {{Cite web|url=https://www.linfo.org/q_unix.html|title=লিনফো.অর্গ}}{{fix cite}}
* সি অদ্ভুত, ত্রুটিপূর্ণ এবং একটি বিশাল সফল সৃষ্টি।
** {{cite web|url=https://www.bell-labs.com/usr/dmr/www/chist.html|title=দ্য ডেভেলপমেন্ট অফ দ্য সি ল্যাঙ্গুয়েজ}}
* জীবন বড়ই কঠিন, আর একসময় তোমার পা-ও জবাব দিয়ে দেবে।
** {{cite web|url=http://fortunes.cat-v.org/plan_9/|title=প্ল্যান ৯ ফরচুনস ফাইল}}
=== সফটওয়্যার গবেষণার ওপর প্রতিফলন (১৯৮৪) ===
১৯৮৩ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] বক্তৃতা[http://awards.acm.org/images/awards/140/articles/2898606.pdf], ''[[w:কমিউনিকেশনস অফ দ্য এসিএম|কমিউনিকেশনস অফ দ্য এসিএম]]'' '''২৭''' (৮), আগস্ট ১৯৮৪, পৃষ্ঠা ৭৫৮-৭৬০।
* [[কম্পিউটার বিজ্ঞান]] গবেষণা অন্যান্য প্রথাগত শাখাগুলো থেকে আলাদা। দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটি ভৌত বিজ্ঞান থেকে পৃথক, কারণ এটি প্রাকৃতিক জগতকে আবিষ্কার, ব্যাখ্যা বা ব্যবহার করতে চায় না; বরং মানুষের তৈরি যন্ত্রের বৈশিষ্ট্যগুলো নিয়ে গবেষণা করে। এই দিক থেকে এটি গণিতের অনুরূপ, এবং প্রকৃতপক্ষে কম্পিউটার বিজ্ঞানের ‘বিজ্ঞান’ অংশটি মূলত গাণিতিক ভাবধারার। কিন্তু কম্পিউটার বিজ্ঞানের একটি অনিবার্য দিক হলো কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরি করা: এমন কিছু বস্তু যা অদৃশ্য হওয়া সত্ত্বেও বাণিজ্যিক লেনদেনের অন্তর্ভুক্ত।
* বর্তমান সময়ে ভালো [[কম্পিউটার বিজ্ঞান]] গবেষণার জন্য সবচেয়ে বড় বিপদ হতে পারে এর ''অতিরিক্ত'' [[প্রাসঙ্গিকতা]]। কম্পিউটার নিয়ে বিশ্বব্যাপী মুগ্ধতার প্রমাণ সবখানেই পাওয়া যায় সংবাদপত্রের অর্থনৈতিক পাতা থেকে শুরু করে সামনের পাতার নিবন্ধগুলোতে, এমনকি নামী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও কম্পিউটার বিজ্ঞানের শিক্ষক খুঁজে পেতে এবং তাঁদের ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে। সেরা অধ্যাপকরা মেধাবী ছাত্রদের পড়ানোর বদলে স্টার্ট-আপ কোম্পানিগুলোতে যোগ দিচ্ছেন।
* অন্য একটি বিপদ হলো, বিভিন্ন ধরনের বাণিজ্যিক চাপ সেরা চিন্তাবিদদের মনোযোগ প্রকৃত উদ্ভাবন থেকে সরিয়ে বর্তমান জনপ্রিয় ধারার অপব্যবহারের দিকে নিয়ে যাবে; অর্থাৎ নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধানের বদলে পরিচিত খনি থেকে সম্পদ আহরণেই তারা ব্যস্ত হয়ে পড়বে।
* গুরুত্বপূর্ণ নতুন সিস্টেমগুলোর কার্যকরী উদাহরণগুলো মনে হয় এসেছে হয় উদ্যোক্তাদের প্রচেষ্টা (ভিসিক্যালক একটি ভালো উদাহরণ) থেকে, অথবা বেল ল্যাবস এবং বিশেষ করে জেরক্সের মতো বড় কোম্পানিগুলো থেকে, যারা কম্পিউটারের সাথে গভীরভাবে যুক্ত ছিল এবং এ নিয়ে গবেষণা করার সামর্থ্য রাখত, কিন্তু এগুলোকে তাদের প্রাথমিক ব্যবসা হিসেবে গণ্য করত না।
m7choxrdkxkwui7m5xikc8maam55nsp
75532
75529
2026-04-11T03:36:42Z
Sumanta3023
4175
/* উক্তি */
75532
wikitext
text/x-wiki
[[File:Dennis Ritchie 2011.jpg|thumb|right|ডেনিস রিচি]]
'''[[w:ডেনিস রিচি|ডেনিস ম্যাকঅ্যালিস্টেয়ার রিচি]]''' ([[৯ সেপ্টেম্বর]], [[১৯৪১]] – আনু. [[১২ অক্টোবর]], [[২০১১]]) ছিলেন একজন মার্কিন [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানী]] এবং [[কেন থম্পসন|কেন থম্পসনের]] সাথে ১৯৮৩ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] বিজয়ী। তিনি [[w:সি (প্রোগ্রামিং ভাষা)|সি প্রোগ্রামিং ভাষা]] তৈরি করেছিলেন এবং থম্পসনের সাথে যৌথভাবে [[ইউনিক্স]] অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন, যা পরবর্তী সময়ের [[প্রোগ্রামিং ভাষা]] এবং [[w:অপারেটিং সিস্টেম|অপারেটিং সিস্টেমগুলোর]] ওপর ব্যাপক ও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলেছে।
== উক্তি ==
* আমরা যা রক্ষা করতে চেয়েছিলাম তা কেবল প্রোগ্রামিং করার জন্য একটি ভালো পরিবেশ নয়, বরং এমন একটি ব্যবস্থা যা ঘিরে একটি ভ্রাতৃত্ব বা সাহচর্য গড়ে উঠতে পারে। আমরা অভিজ্ঞতা থেকে জানতাম যে রিমোট-অ্যাক্সেস এবং টাইম শেয়ারড মেশিনের মাধ্যমে পাওয়া সাম্প্রদায়িক কম্পিউটিংয়ের মূল নির্যাস কেবল কী-পাঞ্চের বদলে টার্মিনালে প্রোগ্রাম টাইপ করা নয়, বরং নিবিড় যোগাযোগকে উৎসাহিত করা।
** ১৯৮০ সালের একটি বক্তৃতা "দ্য ইভোল্যুশন অফ দ্য ইউনিক্স টাইম-শেয়ারিং সিস্টেম" এ, ক্রিস্টোফার নেগাস রচিত ''[http://books.google.com/books?id=W5vItTVMLaYC&pg=PT650 লিনাক্স বাইবেল ২০১০ সংস্করণ]'' (২০১০) এ উদ্ধৃত।
* আমি বর্তমানে ‘ডেমিগডিক’ (অর্ধ-ঈশ্বরতুল্য) দলের সদস্য নই, আর কখনও ছিলামও না।
** {{cite web|url=http://groups.google.com/group/net.unix-wizards/msg/1c9d2e4c341f9b41|title=ইউজনেট : নেট.ইউনিক্স-উইজার্ডস|date=১৯৮৪-০৩-১৩ (গুগল গ্রুপস আর্কাইভ থেকে সংগৃহীত)}}
* [সি ল্যাঙ্গুয়েজের] অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজের মতো ক্ষমতা এবং অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজের মতোই সুবিধা রয়েছে।
** কেড মেটজের [http://www.wired.com/wiredenterprise/2011/10/thedennisritchieeffect/ "ডেনিস রিচি: দ্য শোল্ডার্স স্টিভ জবস স্টুড অন",] ''[[w: ওয়্যারড (ম্যাগাজিন)|ওয়্যারড]]'', ১৩ অক্টোবর ২০১১ এ উদ্ধৃত।
* [[ইউনিক্স|ইউনিক্স]] অত্যন্ত সাধারণ, এর সাধারণত্ব বোঝার জন্য শুধু একজন প্রতিভাবান মানুষের প্রয়োজন।
** {{cite web|url=http://www.brainy quote.com/quotes/authors/d/dennis_ritchie.html|title=ব্রেইনি কোট.কম}}{{fix cite}}
** {{Cite web|url=https://www.linfo.org/q_unix.html|title=লিনফো.অর্গ}}{{fix cite}}
* সি অদ্ভুত, ত্রুটিপূর্ণ এবং একটি বিশাল সফল সৃষ্টি।
** {{cite web|url=https://www.bell-labs.com/usr/dmr/www/chist.html|title=দ্য ডেভেলপমেন্ট অফ দ্য সি ল্যাঙ্গুয়েজ}}
* জীবন বড়ই কঠিন, আর একসময় তোমার পা-ও জবাব দিয়ে দেবে।
** {{cite web|url=http://fortunes.cat-v.org/plan_9/|title=প্ল্যান ৯ ফরচুনস ফাইল}}
=== সফটওয়্যার গবেষণার ওপর প্রতিফলন (১৯৮৪) ===
১৯৮৩ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] বক্তৃতা[http://awards.acm.org/images/awards/140/articles/2898606.pdf], ''[[w:কমিউনিকেশনস অফ দ্য এসিএম|কমিউনিকেশনস অফ দ্য এসিএম]]'' '''২৭''' (৮), আগস্ট ১৯৮৪, পৃষ্ঠা ৭৫৮-৭৬০।
* [[কম্পিউটার বিজ্ঞান]] গবেষণা অন্যান্য প্রথাগত শাখাগুলো থেকে আলাদা। দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটি ভৌত বিজ্ঞান থেকে পৃথক, কারণ এটি প্রাকৃতিক জগতকে আবিষ্কার, ব্যাখ্যা বা ব্যবহার করতে চায় না; বরং মানুষের তৈরি যন্ত্রের বৈশিষ্ট্যগুলো নিয়ে গবেষণা করে। এই দিক থেকে এটি গণিতের অনুরূপ, এবং প্রকৃতপক্ষে কম্পিউটার বিজ্ঞানের ‘বিজ্ঞান’ অংশটি মূলত গাণিতিক ভাবধারার। কিন্তু কম্পিউটার বিজ্ঞানের একটি অনিবার্য দিক হলো কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরি করা: এমন কিছু বস্তু যা অদৃশ্য হওয়া সত্ত্বেও বাণিজ্যিক লেনদেনের অন্তর্ভুক্ত।
* বর্তমান সময়ে ভালো [[কম্পিউটার বিজ্ঞান]] গবেষণার জন্য সবচেয়ে বড় বিপদ হতে পারে এর ''অতিরিক্ত'' [[প্রাসঙ্গিকতা]]। কম্পিউটার নিয়ে বিশ্বব্যাপী মুগ্ধতার প্রমাণ সবখানেই পাওয়া যায় সংবাদপত্রের অর্থনৈতিক পাতা থেকে শুরু করে সামনের পাতার নিবন্ধগুলোতে, এমনকি নামী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও কম্পিউটার বিজ্ঞানের শিক্ষক খুঁজে পেতে এবং তাঁদের ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে। সেরা অধ্যাপকরা মেধাবী ছাত্রদের পড়ানোর বদলে স্টার্ট-আপ কোম্পানিগুলোতে যোগ দিচ্ছেন।
* অন্য একটি বিপদ হলো, বিভিন্ন ধরনের বাণিজ্যিক চাপ সেরা চিন্তাবিদদের মনোযোগ প্রকৃত উদ্ভাবন থেকে সরিয়ে বর্তমান জনপ্রিয় ধারার অপব্যবহারের দিকে নিয়ে যাবে; অর্থাৎ নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধানের বদলে পরিচিত খনি থেকে সম্পদ আহরণেই তারা ব্যস্ত হয়ে পড়বে।
* গুরুত্বপূর্ণ নতুন সিস্টেমগুলোর কার্যকরী উদাহরণগুলো মনে হয় এসেছে হয় উদ্যোক্তাদের প্রচেষ্টা (ভিসিক্যালক একটি ভালো উদাহরণ) থেকে, অথবা বেল ল্যাবস এবং বিশেষ করে জেরক্সের মতো বড় কোম্পানিগুলো থেকে, যারা কম্পিউটারের সাথে গভীরভাবে যুক্ত ছিল এবং এ নিয়ে গবেষণা করার সামর্থ্য রাখত, কিন্তু এগুলোকে তাদের প্রাথমিক ব্যবসা হিসেবে গণ্য করত না।
=== [[ইউনিক্স]] এবং ইউনিক্স-সদৃশ সিস্টেম প্রসঙ্গে (১৯৯৯) ===
* আমি মনে করি [[লিনাক্স|লিনাক্সের]] জয়জয়কার বেশ আনন্দদায়ক, কারণ এটি [[ইউনিক্স]] যে ভিত্তি প্রদান করেছিল তার ওপর প্রবলভাবে নির্ভর করে গড়ে উঠেছে। লিনাক্সকে সরাসরি ইউনিক্স থেকে উদ্ভূত ব্যবস্থাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর মনে হয়, যদিও বিভিন্ন বিএসডি সিস্টেমের পাশাপাশি ওয়ার্কস্টেশন এবং মেইনফ্রেম প্রস্তুতকারকদের আরও কিছু দাপ্তরিক সংস্করণও রয়েছে।
** {{cite web|url=http://www.linuxfocus.org/English/July1999/article79.html|title=ইন্টারভিউ উইথ ডেনিস এম. রিচি|date=১৯৯৯|publisher=LinuxFocus.org}}।
* আমার নিজের কম্পিউটেশনাল জগতটি প্ল্যান ৯, উইন্ডোজ এবং ইনফার্নোর এক অদ্ভুত মিশ্রণ। আমি লিনাক্সের প্রবৃদ্ধি এবং প্রাণশক্তির খুব প্রশংসা করি। মাঝেমধ্যে মানুষ আমাকে [লিনাক্স সম্পর্কে] একই ধরণের প্রশ্ন করেন, কিন্তু এমনভাবে করেন যেন তাঁরা আশা করছেন যে আমি প্রথাগত কোম্পানিগুলোর ব্র্যান্ড করা [[ইউনিক্স|ইউনিক্সের]] বদলে লিনাক্সের এই সাফল্যে ঈর্ষা বা বিরক্তি প্রকাশ করব। মোটেও তেমনটি নয়; আমি এই উভয়কেই সেই সব ধারণার ধারাবাহিকতা বলে মনে করি যা কেন, আমি এবং আরও অনেকে বহু বছর আগে শুরু করেছিলাম।
** {{cite web|url=http://www.linuxfocus.org/English/July1999/article79.html|title=ইন্টারভিউ উইথ ডেনিস এম. রিচি|date=১৯৯৯|publisher=LinuxFocus.org}}।
=== [[ইউনিক্স]], লিনাক্স এবং ওপেন সোর্স প্রসঙ্গে (২০০১) ===
* আমি মনে করি লিনাক্স বিপ্লবের একটি আকর্ষণীয় দিক হলো যে [লিনাস] এমন এক আশ্চর্যজনকভাবে বিস্তৃত উন্নয়ন পরিবেশের ওপর এক ধরণের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছেন। আমি অবশ্যই আনন্দিত যে আমাকে সবার সামনে জনসমক্ষে সি তৈরি করতে হয়নি, কারণ সেখানে প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি পরামর্শ আসত। একটি ছোট ও চমৎকার দলের মধ্যে থাকলে আপনি এই ধরণের বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। সত্যি বলতে আমি লিনাক্স কার্নেল প্রকল্পের গতিপ্রকৃতি এবং বিস্তারিত জানি না। তবে লিনাক্সের ওপর একটি বড় অভিযোগ হলো যে এটি বিশৃঙ্খল। কিন্তু আমার মনে হয় সম্ভবত আরও নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষণ হবে যে, এই উদ্যোগের ধরণ অনুযায়ী এটি প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি সুশৃঙ্খল।
** {{cite web|url=http://www.linux-mag.com/id/801/|title=লিনাক্স ম্যাগাজিন: দ্য গুরু|date=১৫ জুন ২০০১}}।
* আমি আসলে লিনাক্স এবং [[ইউনিক্স|ইউনিক্সের]] সরাসরি বংশধরদের মধ্যে খুব একটা পার্থক্য করি না। আমি মনে করি কোনো না কোনো স্তরে তারা সবাই এক। প্রায়ই মানুষ আমাকে জিজ্ঞেস করেন, "লিনাক্স এত বড় বিষয় হয়ে ওঠায় আপনি কি ঈর্ষা বোধ করেন?" এবং উত্তর হলো 'না', ঠিক একই কারণে। আমি মনে করি তারা অভিন্ন।
** {{cite web|url=http://www.linux-mag.com/id/801/|title=লিনাক্স ম্যাগাজিন: দ্য গুরু|date=১৫ জুন ২০০১}}।
== ডেনিস রিচি সম্পর্কে উক্তি ==
* রিচি এবং [[কেন থম্পসন|থম্পসন]] একটি অসামান্য দল ছিলেন; তাঁরা ইউনিক্স এবং সি-কে এমনভাবে চালনা করতেন যেন কোনো সূক্ষ্ম বাদ্যযন্ত্র বাজাচ্ছেন। মাঝেমধ্যে তাঁরা কাজের ভাগ এমনভাবে করতেন—প্রায় সাবরুটিন-বাই-সাবরুটিন ভিত্তিতে—যে তাঁদের মধ্যকার বোঝাপড়া দেখে মনে হতো এটি একক কোনো ব্যক্তির কাজ। প্রকৃতপক্ষে, ডেনিস যেমনটি বর্ণনা করেছেন, একবার তাঁদের সংকেত আদান-প্রদানে ভুল হওয়ায় তাঁরা দুজনেই একই সাবরুটিন লিখে ফেলেছিলেন। সেই দুটি সংস্করণ কেবল একই ফলাফল প্রদান করেনি, সেগুলোর সোর্স কোডও ছিল হুবহু এক! তাঁদের কাজের পরিমাণ ছিল বিস্ময়কর। একবার আমি গণনা করে দেখেছিলাম যে আগের বছর তাঁরা কতটুকু প্রোডাকশন কোড লিখেছিলেন—১,০০,০০০ লাইন! আর বিস্ময়কর মানে এই নয় যে সেগুলো দায়সারা ছিল। কেন এবং ডেনিসের নকশা করার জ্ঞান ছিল অব্যর্থ। তাঁরা এমন কোড লেখেন যা কাজ করে, যা পড়া যায় এবং যা সময়ের সাথে বিবর্তিত হতে পারে।
** [[ডগ ম্যাকইলরয়]] (২০১১), ডেনিস রিচির জন্য জাপান প্রাইজ প্রদান অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্য, ১৯ মে ২০১১, মারে হিল, নিউ জার্সি।
* জায়ান্ট বা দানবদের কাঁধে চড়ে দাঁড়িয়ে থাকা নিয়ে [[আইজ্যাক নিউটন|নিউটনের]] সেই বিখ্যাত উক্তিটি রয়েছে। আমরা সবাই আসলে ডেনিসের কাঁধের ওপর দাঁড়িয়ে আছি।
** [[ব্রায়ান কার্নিগান]], কেড মেটজ-এর [http://www.wired.com/wiredenterprise/2011/10/thedennisritchieeffect/ "ডেনিস রিচি: দ্য শোল্ডার্স স্টিভ জবস স্টুড অন",] ''[[w: ওয়্যারড (ম্যাগাজিন)|ওয়্যারড]]'', ১৩ অক্টোবর ২০১১-এ উদ্ধৃত।
* তিনি ছিলেন তীক্ষ্ণ মেধার অধিকারী, গণিতে আমার চেয়েও অনেক বেশি দক্ষ ছিলেন। একবার কোনো ধারণা মাথায় এলে তিনি বুলডগের মতো তা নিয়ে পড়ে থাকতেন এবং সেটি সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত কাজ করে যেতেন। আমরা বহু বছর ধরে একে অপরের খুব ঘনিষ্ঠ হয়ে কাজ করেছি।
** [[কেন থম্পসন]] [https://www.youtube.com/watch?v=g3jOJfrOknA পুশিং দ্য লিমিটস অফ টেকনোলজি: দ্য কেন থম্পসন অ্যান্ড ডেনিস রিচি স্টোরি] [https://www.youtube.com/@nationalinventorshalloffame ন্যাশনাল ইনভেন্টরস হল অব ফেম - এনআইএইচএফ]
== বহিঃসংযোগ ==
{{Wikipedia}}
{{Commons category}}
{{DEFAULTSORT:Ritchie, Dennis}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কম্পিউটার বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪১ এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০১১ এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:নিউ ইয়র্ক সিটির ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:টুরিং পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র]]
gzq5ly0ztra472acqqu4b01st52x33g
75535
75532
2026-04-11T03:39:08Z
Sumanta3023
4175
/* ডেনিস রিচি সম্পর্কে উক্তি */
75535
wikitext
text/x-wiki
[[File:Dennis Ritchie 2011.jpg|thumb|right|ডেনিস রিচি]]
'''[[w:ডেনিস রিচি|ডেনিস ম্যাকঅ্যালিস্টেয়ার রিচি]]''' ([[৯ সেপ্টেম্বর]], [[১৯৪১]] – আনু. [[১২ অক্টোবর]], [[২০১১]]) ছিলেন একজন মার্কিন [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানী]] এবং [[কেন থম্পসন|কেন থম্পসনের]] সাথে ১৯৮৩ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] বিজয়ী। তিনি [[w:সি (প্রোগ্রামিং ভাষা)|সি প্রোগ্রামিং ভাষা]] তৈরি করেছিলেন এবং থম্পসনের সাথে যৌথভাবে [[ইউনিক্স]] অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন, যা পরবর্তী সময়ের [[প্রোগ্রামিং ভাষা]] এবং [[w:অপারেটিং সিস্টেম|অপারেটিং সিস্টেমগুলোর]] ওপর ব্যাপক ও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলেছে।
== উক্তি ==
* আমরা যা রক্ষা করতে চেয়েছিলাম তা কেবল প্রোগ্রামিং করার জন্য একটি ভালো পরিবেশ নয়, বরং এমন একটি ব্যবস্থা যা ঘিরে একটি ভ্রাতৃত্ব বা সাহচর্য গড়ে উঠতে পারে। আমরা অভিজ্ঞতা থেকে জানতাম যে রিমোট-অ্যাক্সেস এবং টাইম শেয়ারড মেশিনের মাধ্যমে পাওয়া সাম্প্রদায়িক কম্পিউটিংয়ের মূল নির্যাস কেবল কী-পাঞ্চের বদলে টার্মিনালে প্রোগ্রাম টাইপ করা নয়, বরং নিবিড় যোগাযোগকে উৎসাহিত করা।
** ১৯৮০ সালের একটি বক্তৃতা "দ্য ইভোল্যুশন অফ দ্য ইউনিক্স টাইম-শেয়ারিং সিস্টেম" এ, ক্রিস্টোফার নেগাস রচিত ''[http://books.google.com/books?id=W5vItTVMLaYC&pg=PT650 লিনাক্স বাইবেল ২০১০ সংস্করণ]'' (২০১০) এ উদ্ধৃত।
* আমি বর্তমানে ‘ডেমিগডিক’ (অর্ধ-ঈশ্বরতুল্য) দলের সদস্য নই, আর কখনও ছিলামও না।
** {{cite web|url=http://groups.google.com/group/net.unix-wizards/msg/1c9d2e4c341f9b41|title=ইউজনেট : নেট.ইউনিক্স-উইজার্ডস|date=১৯৮৪-০৩-১৩ (গুগল গ্রুপস আর্কাইভ থেকে সংগৃহীত)}}
* [সি ল্যাঙ্গুয়েজের] অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজের মতো ক্ষমতা এবং অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজের মতোই সুবিধা রয়েছে।
** কেড মেটজের [http://www.wired.com/wiredenterprise/2011/10/thedennisritchieeffect/ "ডেনিস রিচি: দ্য শোল্ডার্স স্টিভ জবস স্টুড অন",] ''[[w: ওয়্যারড (ম্যাগাজিন)|ওয়্যারড]]'', ১৩ অক্টোবর ২০১১ এ উদ্ধৃত।
* [[ইউনিক্স|ইউনিক্স]] অত্যন্ত সাধারণ, এর সাধারণত্ব বোঝার জন্য শুধু একজন প্রতিভাবান মানুষের প্রয়োজন।
** {{cite web|url=http://www.brainy quote.com/quotes/authors/d/dennis_ritchie.html|title=ব্রেইনি কোট.কম}}{{fix cite}}
** {{Cite web|url=https://www.linfo.org/q_unix.html|title=লিনফো.অর্গ}}{{fix cite}}
* সি অদ্ভুত, ত্রুটিপূর্ণ এবং একটি বিশাল সফল সৃষ্টি।
** {{cite web|url=https://www.bell-labs.com/usr/dmr/www/chist.html|title=দ্য ডেভেলপমেন্ট অফ দ্য সি ল্যাঙ্গুয়েজ}}
* জীবন বড়ই কঠিন, আর একসময় তোমার পা-ও জবাব দিয়ে দেবে।
** {{cite web|url=http://fortunes.cat-v.org/plan_9/|title=প্ল্যান ৯ ফরচুনস ফাইল}}
=== সফটওয়্যার গবেষণার ওপর প্রতিফলন (১৯৮৪) ===
১৯৮৩ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] বক্তৃতা[http://awards.acm.org/images/awards/140/articles/2898606.pdf], ''[[w:কমিউনিকেশনস অফ দ্য এসিএম|কমিউনিকেশনস অফ দ্য এসিএম]]'' '''২৭''' (৮), আগস্ট ১৯৮৪, পৃষ্ঠা ৭৫৮-৭৬০।
* [[কম্পিউটার বিজ্ঞান]] গবেষণা অন্যান্য প্রথাগত শাখাগুলো থেকে আলাদা। দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটি ভৌত বিজ্ঞান থেকে পৃথক, কারণ এটি প্রাকৃতিক জগতকে আবিষ্কার, ব্যাখ্যা বা ব্যবহার করতে চায় না; বরং মানুষের তৈরি যন্ত্রের বৈশিষ্ট্যগুলো নিয়ে গবেষণা করে। এই দিক থেকে এটি গণিতের অনুরূপ, এবং প্রকৃতপক্ষে কম্পিউটার বিজ্ঞানের ‘বিজ্ঞান’ অংশটি মূলত গাণিতিক ভাবধারার। কিন্তু কম্পিউটার বিজ্ঞানের একটি অনিবার্য দিক হলো কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরি করা: এমন কিছু বস্তু যা অদৃশ্য হওয়া সত্ত্বেও বাণিজ্যিক লেনদেনের অন্তর্ভুক্ত।
* বর্তমান সময়ে ভালো [[কম্পিউটার বিজ্ঞান]] গবেষণার জন্য সবচেয়ে বড় বিপদ হতে পারে এর ''অতিরিক্ত'' [[প্রাসঙ্গিকতা]]। কম্পিউটার নিয়ে বিশ্বব্যাপী মুগ্ধতার প্রমাণ সবখানেই পাওয়া যায় সংবাদপত্রের অর্থনৈতিক পাতা থেকে শুরু করে সামনের পাতার নিবন্ধগুলোতে, এমনকি নামী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও কম্পিউটার বিজ্ঞানের শিক্ষক খুঁজে পেতে এবং তাঁদের ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে। সেরা অধ্যাপকরা মেধাবী ছাত্রদের পড়ানোর বদলে স্টার্ট-আপ কোম্পানিগুলোতে যোগ দিচ্ছেন।
* অন্য একটি বিপদ হলো, বিভিন্ন ধরনের বাণিজ্যিক চাপ সেরা চিন্তাবিদদের মনোযোগ প্রকৃত উদ্ভাবন থেকে সরিয়ে বর্তমান জনপ্রিয় ধারার অপব্যবহারের দিকে নিয়ে যাবে; অর্থাৎ নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধানের বদলে পরিচিত খনি থেকে সম্পদ আহরণেই তারা ব্যস্ত হয়ে পড়বে।
* গুরুত্বপূর্ণ নতুন সিস্টেমগুলোর কার্যকরী উদাহরণগুলো মনে হয় এসেছে হয় উদ্যোক্তাদের প্রচেষ্টা (ভিসিক্যালক একটি ভালো উদাহরণ) থেকে, অথবা বেল ল্যাবস এবং বিশেষ করে জেরক্সের মতো বড় কোম্পানিগুলো থেকে, যারা কম্পিউটারের সাথে গভীরভাবে যুক্ত ছিল এবং এ নিয়ে গবেষণা করার সামর্থ্য রাখত, কিন্তু এগুলোকে তাদের প্রাথমিক ব্যবসা হিসেবে গণ্য করত না।
=== [[ইউনিক্স]] এবং ইউনিক্স-সদৃশ সিস্টেম প্রসঙ্গে (১৯৯৯) ===
* আমি মনে করি [[লিনাক্স|লিনাক্সের]] জয়জয়কার বেশ আনন্দদায়ক, কারণ এটি [[ইউনিক্স]] যে ভিত্তি প্রদান করেছিল তার ওপর প্রবলভাবে নির্ভর করে গড়ে উঠেছে। লিনাক্সকে সরাসরি ইউনিক্স থেকে উদ্ভূত ব্যবস্থাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর মনে হয়, যদিও বিভিন্ন বিএসডি সিস্টেমের পাশাপাশি ওয়ার্কস্টেশন এবং মেইনফ্রেম প্রস্তুতকারকদের আরও কিছু দাপ্তরিক সংস্করণও রয়েছে।
** {{cite web|url=http://www.linuxfocus.org/English/July1999/article79.html|title=ইন্টারভিউ উইথ ডেনিস এম. রিচি|date=১৯৯৯|publisher=LinuxFocus.org}}।
* আমার নিজের কম্পিউটেশনাল জগতটি প্ল্যান ৯, উইন্ডোজ এবং ইনফার্নোর এক অদ্ভুত মিশ্রণ। আমি লিনাক্সের প্রবৃদ্ধি এবং প্রাণশক্তির খুব প্রশংসা করি। মাঝেমধ্যে মানুষ আমাকে [লিনাক্স সম্পর্কে] একই ধরণের প্রশ্ন করেন, কিন্তু এমনভাবে করেন যেন তাঁরা আশা করছেন যে আমি প্রথাগত কোম্পানিগুলোর ব্র্যান্ড করা [[ইউনিক্স|ইউনিক্সের]] বদলে লিনাক্সের এই সাফল্যে ঈর্ষা বা বিরক্তি প্রকাশ করব। মোটেও তেমনটি নয়; আমি এই উভয়কেই সেই সব ধারণার ধারাবাহিকতা বলে মনে করি যা কেন, আমি এবং আরও অনেকে বহু বছর আগে শুরু করেছিলাম।
** {{cite web|url=http://www.linuxfocus.org/English/July1999/article79.html|title=ইন্টারভিউ উইথ ডেনিস এম. রিচি|date=১৯৯৯|publisher=LinuxFocus.org}}।
=== [[ইউনিক্স]], লিনাক্স এবং ওপেন সোর্স প্রসঙ্গে (২০০১) ===
* আমি মনে করি লিনাক্স বিপ্লবের একটি আকর্ষণীয় দিক হলো যে [লিনাস] এমন এক আশ্চর্যজনকভাবে বিস্তৃত উন্নয়ন পরিবেশের ওপর এক ধরণের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছেন। আমি অবশ্যই আনন্দিত যে আমাকে সবার সামনে জনসমক্ষে সি তৈরি করতে হয়নি, কারণ সেখানে প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি পরামর্শ আসত। একটি ছোট ও চমৎকার দলের মধ্যে থাকলে আপনি এই ধরণের বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। সত্যি বলতে আমি লিনাক্স কার্নেল প্রকল্পের গতিপ্রকৃতি এবং বিস্তারিত জানি না। তবে লিনাক্সের ওপর একটি বড় অভিযোগ হলো যে এটি বিশৃঙ্খল। কিন্তু আমার মনে হয় সম্ভবত আরও নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষণ হবে যে, এই উদ্যোগের ধরণ অনুযায়ী এটি প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি সুশৃঙ্খল।
** {{cite web|url=http://www.linux-mag.com/id/801/|title=লিনাক্স ম্যাগাজিন: দ্য গুরু|date=১৫ জুন ২০০১}}।
* আমি আসলে লিনাক্স এবং [[ইউনিক্স|ইউনিক্সের]] সরাসরি বংশধরদের মধ্যে খুব একটা পার্থক্য করি না। আমি মনে করি কোনো না কোনো স্তরে তারা সবাই এক। প্রায়ই মানুষ আমাকে জিজ্ঞেস করেন, "লিনাক্স এত বড় বিষয় হয়ে ওঠায় আপনি কি ঈর্ষা বোধ করেন?" এবং উত্তর হলো 'না', ঠিক একই কারণে। আমি মনে করি তারা অভিন্ন।
** {{cite web|url=http://www.linux-mag.com/id/801/|title=লিনাক্স ম্যাগাজিন: দ্য গুরু|date=১৫ জুন ২০০১}}।
== ডেনিস রিচি সম্পর্কে উক্তি ==
* রিচি এবং [[কেন থম্পসন|থম্পসন]] একটি অসামান্য দল ছিলেন; তাঁরা ইউনিক্স এবং সি-কে এমনভাবে চালনা করতেন যেন কোনো সূক্ষ্ম বাদ্যযন্ত্র বাজাচ্ছেন। মাঝেমধ্যে তাঁরা কাজের ভাগ এমনভাবে করতেন—প্রায় সাবরুটিন-বাই-সাবরুটিন ভিত্তিতে—যে তাঁদের মধ্যকার বোঝাপড়া দেখে মনে হতো এটি একক কোনো ব্যক্তির কাজ। প্রকৃতপক্ষে, ডেনিস যেমনটি বর্ণনা করেছেন, একবার তাঁদের সংকেত আদান-প্রদানে ভুল হওয়ায় তাঁরা দুজনেই একই সাবরুটিন লিখে ফেলেছিলেন। সেই দুটি সংস্করণ কেবল একই ফলাফল প্রদান করেনি, সেগুলোর সোর্স কোডও ছিল হুবহু এক! তাঁদের কাজের পরিমাণ ছিল বিস্ময়কর। একবার আমি গণনা করে দেখেছিলাম যে আগের বছর তাঁরা কতটুকু প্রোডাকশন কোড লিখেছিলেন—১,০০,০০০ লাইন! আর বিস্ময়কর মানে এই নয় যে সেগুলো দায়সারা ছিল। কেন এবং ডেনিসের নকশা করার জ্ঞান ছিল অব্যর্থ। তাঁরা এমন কোড লেখেন যা কাজ করে, যা পড়া যায় এবং যা সময়ের সাথে বিবর্তিত হতে পারে।
** [[ডগ ম্যাকইলরয়]] (২০১১), [http://www.cs.dartmouth.edu/~doug/dmr.pdf ডেনিস রিচির জন্য জাপান প্রাইজ প্রদান অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্য, ১৯ মে ২০১১, মারে হিল, নিউ জার্সি।]
* জায়ান্ট বা দানবদের কাঁধে চড়ে দাঁড়িয়ে থাকা নিয়ে [[আইজ্যাক নিউটন|নিউটনের]] সেই বিখ্যাত উক্তিটি রয়েছে। আমরা সবাই আসলে ডেনিসের কাঁধের ওপর দাঁড়িয়ে আছি।
** [[ব্রায়ান কার্নিগান]], কেড মেটজ-এর [http://www.wired.com/wiredenterprise/2011/10/thedennisritchieeffect/ "ডেনিস রিচি: দ্য শোল্ডার্স স্টিভ জবস স্টুড অন",] ''[[w: ওয়্যারড (ম্যাগাজিন)|ওয়্যারড]]'', ১৩ অক্টোবর ২০১১-এ উদ্ধৃত।
* তিনি ছিলেন তীক্ষ্ণ মেধার অধিকারী, গণিতে আমার চেয়েও অনেক বেশি দক্ষ ছিলেন। একবার কোনো ধারণা মাথায় এলে তিনি বুলডগের মতো তা নিয়ে পড়ে থাকতেন এবং সেটি সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত কাজ করে যেতেন। আমরা বহু বছর ধরে একে অপরের খুব ঘনিষ্ঠ হয়ে কাজ করেছি।
** [[কেন থম্পসন]] [https://www.youtube.com/watch?v=g3jOJfrOknA পুশিং দ্য লিমিটস অফ টেকনোলজি: দ্য কেন থম্পসন অ্যান্ড ডেনিস রিচি স্টোরি] [https://www.youtube.com/@nationalinventorshalloffame ন্যাশনাল ইনভেন্টরস হল অব ফেম - এনআইএইচএফ]
== বহিঃসংযোগ ==
{{Wikipedia}}
{{Commons category}}
{{DEFAULTSORT:Ritchie, Dennis}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কম্পিউটার বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪১ এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০১১ এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:নিউ ইয়র্ক সিটির ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:টুরিং পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র]]
jq2wh6scotwm39rhl8ufij76zustf1k
75536
75535
2026-04-11T03:39:56Z
Sumanta3023
4175
/* বহিঃসংযোগ */
75536
wikitext
text/x-wiki
[[File:Dennis Ritchie 2011.jpg|thumb|right|ডেনিস রিচি]]
'''[[w:ডেনিস রিচি|ডেনিস ম্যাকঅ্যালিস্টেয়ার রিচি]]''' ([[৯ সেপ্টেম্বর]], [[১৯৪১]] – আনু. [[১২ অক্টোবর]], [[২০১১]]) ছিলেন একজন মার্কিন [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানী]] এবং [[কেন থম্পসন|কেন থম্পসনের]] সাথে ১৯৮৩ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] বিজয়ী। তিনি [[w:সি (প্রোগ্রামিং ভাষা)|সি প্রোগ্রামিং ভাষা]] তৈরি করেছিলেন এবং থম্পসনের সাথে যৌথভাবে [[ইউনিক্স]] অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন, যা পরবর্তী সময়ের [[প্রোগ্রামিং ভাষা]] এবং [[w:অপারেটিং সিস্টেম|অপারেটিং সিস্টেমগুলোর]] ওপর ব্যাপক ও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলেছে।
== উক্তি ==
* আমরা যা রক্ষা করতে চেয়েছিলাম তা কেবল প্রোগ্রামিং করার জন্য একটি ভালো পরিবেশ নয়, বরং এমন একটি ব্যবস্থা যা ঘিরে একটি ভ্রাতৃত্ব বা সাহচর্য গড়ে উঠতে পারে। আমরা অভিজ্ঞতা থেকে জানতাম যে রিমোট-অ্যাক্সেস এবং টাইম শেয়ারড মেশিনের মাধ্যমে পাওয়া সাম্প্রদায়িক কম্পিউটিংয়ের মূল নির্যাস কেবল কী-পাঞ্চের বদলে টার্মিনালে প্রোগ্রাম টাইপ করা নয়, বরং নিবিড় যোগাযোগকে উৎসাহিত করা।
** ১৯৮০ সালের একটি বক্তৃতা "দ্য ইভোল্যুশন অফ দ্য ইউনিক্স টাইম-শেয়ারিং সিস্টেম" এ, ক্রিস্টোফার নেগাস রচিত ''[http://books.google.com/books?id=W5vItTVMLaYC&pg=PT650 লিনাক্স বাইবেল ২০১০ সংস্করণ]'' (২০১০) এ উদ্ধৃত।
* আমি বর্তমানে ‘ডেমিগডিক’ (অর্ধ-ঈশ্বরতুল্য) দলের সদস্য নই, আর কখনও ছিলামও না।
** {{cite web|url=http://groups.google.com/group/net.unix-wizards/msg/1c9d2e4c341f9b41|title=ইউজনেট : নেট.ইউনিক্স-উইজার্ডস|date=১৯৮৪-০৩-১৩ (গুগল গ্রুপস আর্কাইভ থেকে সংগৃহীত)}}
* [সি ল্যাঙ্গুয়েজের] অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজের মতো ক্ষমতা এবং অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজের মতোই সুবিধা রয়েছে।
** কেড মেটজের [http://www.wired.com/wiredenterprise/2011/10/thedennisritchieeffect/ "ডেনিস রিচি: দ্য শোল্ডার্স স্টিভ জবস স্টুড অন",] ''[[w: ওয়্যারড (ম্যাগাজিন)|ওয়্যারড]]'', ১৩ অক্টোবর ২০১১ এ উদ্ধৃত।
* [[ইউনিক্স|ইউনিক্স]] অত্যন্ত সাধারণ, এর সাধারণত্ব বোঝার জন্য শুধু একজন প্রতিভাবান মানুষের প্রয়োজন।
** {{cite web|url=http://www.brainy quote.com/quotes/authors/d/dennis_ritchie.html|title=ব্রেইনি কোট.কম}}{{fix cite}}
** {{Cite web|url=https://www.linfo.org/q_unix.html|title=লিনফো.অর্গ}}{{fix cite}}
* সি অদ্ভুত, ত্রুটিপূর্ণ এবং একটি বিশাল সফল সৃষ্টি।
** {{cite web|url=https://www.bell-labs.com/usr/dmr/www/chist.html|title=দ্য ডেভেলপমেন্ট অফ দ্য সি ল্যাঙ্গুয়েজ}}
* জীবন বড়ই কঠিন, আর একসময় তোমার পা-ও জবাব দিয়ে দেবে।
** {{cite web|url=http://fortunes.cat-v.org/plan_9/|title=প্ল্যান ৯ ফরচুনস ফাইল}}
=== সফটওয়্যার গবেষণার ওপর প্রতিফলন (১৯৮৪) ===
১৯৮৩ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] বক্তৃতা[http://awards.acm.org/images/awards/140/articles/2898606.pdf], ''[[w:কমিউনিকেশনস অফ দ্য এসিএম|কমিউনিকেশনস অফ দ্য এসিএম]]'' '''২৭''' (৮), আগস্ট ১৯৮৪, পৃষ্ঠা ৭৫৮-৭৬০।
* [[কম্পিউটার বিজ্ঞান]] গবেষণা অন্যান্য প্রথাগত শাখাগুলো থেকে আলাদা। দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটি ভৌত বিজ্ঞান থেকে পৃথক, কারণ এটি প্রাকৃতিক জগতকে আবিষ্কার, ব্যাখ্যা বা ব্যবহার করতে চায় না; বরং মানুষের তৈরি যন্ত্রের বৈশিষ্ট্যগুলো নিয়ে গবেষণা করে। এই দিক থেকে এটি গণিতের অনুরূপ, এবং প্রকৃতপক্ষে কম্পিউটার বিজ্ঞানের ‘বিজ্ঞান’ অংশটি মূলত গাণিতিক ভাবধারার। কিন্তু কম্পিউটার বিজ্ঞানের একটি অনিবার্য দিক হলো কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরি করা: এমন কিছু বস্তু যা অদৃশ্য হওয়া সত্ত্বেও বাণিজ্যিক লেনদেনের অন্তর্ভুক্ত।
* বর্তমান সময়ে ভালো [[কম্পিউটার বিজ্ঞান]] গবেষণার জন্য সবচেয়ে বড় বিপদ হতে পারে এর ''অতিরিক্ত'' [[প্রাসঙ্গিকতা]]। কম্পিউটার নিয়ে বিশ্বব্যাপী মুগ্ধতার প্রমাণ সবখানেই পাওয়া যায় সংবাদপত্রের অর্থনৈতিক পাতা থেকে শুরু করে সামনের পাতার নিবন্ধগুলোতে, এমনকি নামী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও কম্পিউটার বিজ্ঞানের শিক্ষক খুঁজে পেতে এবং তাঁদের ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে। সেরা অধ্যাপকরা মেধাবী ছাত্রদের পড়ানোর বদলে স্টার্ট-আপ কোম্পানিগুলোতে যোগ দিচ্ছেন।
* অন্য একটি বিপদ হলো, বিভিন্ন ধরনের বাণিজ্যিক চাপ সেরা চিন্তাবিদদের মনোযোগ প্রকৃত উদ্ভাবন থেকে সরিয়ে বর্তমান জনপ্রিয় ধারার অপব্যবহারের দিকে নিয়ে যাবে; অর্থাৎ নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধানের বদলে পরিচিত খনি থেকে সম্পদ আহরণেই তারা ব্যস্ত হয়ে পড়বে।
* গুরুত্বপূর্ণ নতুন সিস্টেমগুলোর কার্যকরী উদাহরণগুলো মনে হয় এসেছে হয় উদ্যোক্তাদের প্রচেষ্টা (ভিসিক্যালক একটি ভালো উদাহরণ) থেকে, অথবা বেল ল্যাবস এবং বিশেষ করে জেরক্সের মতো বড় কোম্পানিগুলো থেকে, যারা কম্পিউটারের সাথে গভীরভাবে যুক্ত ছিল এবং এ নিয়ে গবেষণা করার সামর্থ্য রাখত, কিন্তু এগুলোকে তাদের প্রাথমিক ব্যবসা হিসেবে গণ্য করত না।
=== [[ইউনিক্স]] এবং ইউনিক্স-সদৃশ সিস্টেম প্রসঙ্গে (১৯৯৯) ===
* আমি মনে করি [[লিনাক্স|লিনাক্সের]] জয়জয়কার বেশ আনন্দদায়ক, কারণ এটি [[ইউনিক্স]] যে ভিত্তি প্রদান করেছিল তার ওপর প্রবলভাবে নির্ভর করে গড়ে উঠেছে। লিনাক্সকে সরাসরি ইউনিক্স থেকে উদ্ভূত ব্যবস্থাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর মনে হয়, যদিও বিভিন্ন বিএসডি সিস্টেমের পাশাপাশি ওয়ার্কস্টেশন এবং মেইনফ্রেম প্রস্তুতকারকদের আরও কিছু দাপ্তরিক সংস্করণও রয়েছে।
** {{cite web|url=http://www.linuxfocus.org/English/July1999/article79.html|title=ইন্টারভিউ উইথ ডেনিস এম. রিচি|date=১৯৯৯|publisher=LinuxFocus.org}}।
* আমার নিজের কম্পিউটেশনাল জগতটি প্ল্যান ৯, উইন্ডোজ এবং ইনফার্নোর এক অদ্ভুত মিশ্রণ। আমি লিনাক্সের প্রবৃদ্ধি এবং প্রাণশক্তির খুব প্রশংসা করি। মাঝেমধ্যে মানুষ আমাকে [লিনাক্স সম্পর্কে] একই ধরণের প্রশ্ন করেন, কিন্তু এমনভাবে করেন যেন তাঁরা আশা করছেন যে আমি প্রথাগত কোম্পানিগুলোর ব্র্যান্ড করা [[ইউনিক্স|ইউনিক্সের]] বদলে লিনাক্সের এই সাফল্যে ঈর্ষা বা বিরক্তি প্রকাশ করব। মোটেও তেমনটি নয়; আমি এই উভয়কেই সেই সব ধারণার ধারাবাহিকতা বলে মনে করি যা কেন, আমি এবং আরও অনেকে বহু বছর আগে শুরু করেছিলাম।
** {{cite web|url=http://www.linuxfocus.org/English/July1999/article79.html|title=ইন্টারভিউ উইথ ডেনিস এম. রিচি|date=১৯৯৯|publisher=LinuxFocus.org}}।
=== [[ইউনিক্স]], লিনাক্স এবং ওপেন সোর্স প্রসঙ্গে (২০০১) ===
* আমি মনে করি লিনাক্স বিপ্লবের একটি আকর্ষণীয় দিক হলো যে [লিনাস] এমন এক আশ্চর্যজনকভাবে বিস্তৃত উন্নয়ন পরিবেশের ওপর এক ধরণের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছেন। আমি অবশ্যই আনন্দিত যে আমাকে সবার সামনে জনসমক্ষে সি তৈরি করতে হয়নি, কারণ সেখানে প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি পরামর্শ আসত। একটি ছোট ও চমৎকার দলের মধ্যে থাকলে আপনি এই ধরণের বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। সত্যি বলতে আমি লিনাক্স কার্নেল প্রকল্পের গতিপ্রকৃতি এবং বিস্তারিত জানি না। তবে লিনাক্সের ওপর একটি বড় অভিযোগ হলো যে এটি বিশৃঙ্খল। কিন্তু আমার মনে হয় সম্ভবত আরও নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষণ হবে যে, এই উদ্যোগের ধরণ অনুযায়ী এটি প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি সুশৃঙ্খল।
** {{cite web|url=http://www.linux-mag.com/id/801/|title=লিনাক্স ম্যাগাজিন: দ্য গুরু|date=১৫ জুন ২০০১}}।
* আমি আসলে লিনাক্স এবং [[ইউনিক্স|ইউনিক্সের]] সরাসরি বংশধরদের মধ্যে খুব একটা পার্থক্য করি না। আমি মনে করি কোনো না কোনো স্তরে তারা সবাই এক। প্রায়ই মানুষ আমাকে জিজ্ঞেস করেন, "লিনাক্স এত বড় বিষয় হয়ে ওঠায় আপনি কি ঈর্ষা বোধ করেন?" এবং উত্তর হলো 'না', ঠিক একই কারণে। আমি মনে করি তারা অভিন্ন।
** {{cite web|url=http://www.linux-mag.com/id/801/|title=লিনাক্স ম্যাগাজিন: দ্য গুরু|date=১৫ জুন ২০০১}}।
== ডেনিস রিচি সম্পর্কে উক্তি ==
* রিচি এবং [[কেন থম্পসন|থম্পসন]] একটি অসামান্য দল ছিলেন; তাঁরা ইউনিক্স এবং সি-কে এমনভাবে চালনা করতেন যেন কোনো সূক্ষ্ম বাদ্যযন্ত্র বাজাচ্ছেন। মাঝেমধ্যে তাঁরা কাজের ভাগ এমনভাবে করতেন—প্রায় সাবরুটিন-বাই-সাবরুটিন ভিত্তিতে—যে তাঁদের মধ্যকার বোঝাপড়া দেখে মনে হতো এটি একক কোনো ব্যক্তির কাজ। প্রকৃতপক্ষে, ডেনিস যেমনটি বর্ণনা করেছেন, একবার তাঁদের সংকেত আদান-প্রদানে ভুল হওয়ায় তাঁরা দুজনেই একই সাবরুটিন লিখে ফেলেছিলেন। সেই দুটি সংস্করণ কেবল একই ফলাফল প্রদান করেনি, সেগুলোর সোর্স কোডও ছিল হুবহু এক! তাঁদের কাজের পরিমাণ ছিল বিস্ময়কর। একবার আমি গণনা করে দেখেছিলাম যে আগের বছর তাঁরা কতটুকু প্রোডাকশন কোড লিখেছিলেন—১,০০,০০০ লাইন! আর বিস্ময়কর মানে এই নয় যে সেগুলো দায়সারা ছিল। কেন এবং ডেনিসের নকশা করার জ্ঞান ছিল অব্যর্থ। তাঁরা এমন কোড লেখেন যা কাজ করে, যা পড়া যায় এবং যা সময়ের সাথে বিবর্তিত হতে পারে।
** [[ডগ ম্যাকইলরয়]] (২০১১), [http://www.cs.dartmouth.edu/~doug/dmr.pdf ডেনিস রিচির জন্য জাপান প্রাইজ প্রদান অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্য, ১৯ মে ২০১১, মারে হিল, নিউ জার্সি।]
* জায়ান্ট বা দানবদের কাঁধে চড়ে দাঁড়িয়ে থাকা নিয়ে [[আইজ্যাক নিউটন|নিউটনের]] সেই বিখ্যাত উক্তিটি রয়েছে। আমরা সবাই আসলে ডেনিসের কাঁধের ওপর দাঁড়িয়ে আছি।
** [[ব্রায়ান কার্নিগান]], কেড মেটজ-এর [http://www.wired.com/wiredenterprise/2011/10/thedennisritchieeffect/ "ডেনিস রিচি: দ্য শোল্ডার্স স্টিভ জবস স্টুড অন",] ''[[w: ওয়্যারড (ম্যাগাজিন)|ওয়্যারড]]'', ১৩ অক্টোবর ২০১১-এ উদ্ধৃত।
* তিনি ছিলেন তীক্ষ্ণ মেধার অধিকারী, গণিতে আমার চেয়েও অনেক বেশি দক্ষ ছিলেন। একবার কোনো ধারণা মাথায় এলে তিনি বুলডগের মতো তা নিয়ে পড়ে থাকতেন এবং সেটি সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত কাজ করে যেতেন। আমরা বহু বছর ধরে একে অপরের খুব ঘনিষ্ঠ হয়ে কাজ করেছি।
** [[কেন থম্পসন]] [https://www.youtube.com/watch?v=g3jOJfrOknA পুশিং দ্য লিমিটস অফ টেকনোলজি: দ্য কেন থম্পসন অ্যান্ড ডেনিস রিচি স্টোরি] [https://www.youtube.com/@nationalinventorshalloffame ন্যাশনাল ইনভেন্টরস হল অব ফেম - এনআইএইচএফ]
== বহিঃসংযোগ ==
{{Wikipedia}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী}}
{{DEFAULTSORT:Ritchie, Dennis}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কম্পিউটার বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪১ এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০১১ এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:নিউ ইয়র্ক সিটির ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:টুরিং পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র]]
e8xjkuwumo9a7u5056shurwrvmrmmns
75538
75536
2026-04-11T03:42:19Z
Sumanta3023
4175
75538
wikitext
text/x-wiki
[[File:Dennis Ritchie 2011.jpg|thumb|right|ডেনিস রিচি]]
'''[[w:ডেনিস রিচি|ডেনিস ম্যাকঅ্যালিস্টেয়ার রিচি]]''' ([[৯ সেপ্টেম্বর]], [[১৯৪১]] – আনু. [[১২ অক্টোবর]], [[২০১১]]) ছিলেন একজন মার্কিন [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানী]] এবং [[কেন থম্পসন|কেন থম্পসনের]] সাথে ১৯৮৩ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] বিজয়ী। তিনি [[w:সি (প্রোগ্রামিং ভাষা)|সি প্রোগ্রামিং ভাষা]] তৈরি করেছিলেন এবং থম্পসনের সাথে যৌথভাবে [[ইউনিক্স]] অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন, যা পরবর্তী সময়ের [[প্রোগ্রামিং ভাষা]] এবং [[w:অপারেটিং সিস্টেম|অপারেটিং সিস্টেমগুলোর]] ওপর ব্যাপক ও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলেছে।
== উক্তি ==
* আমরা যা রক্ষা করতে চেয়েছিলাম তা কেবল প্রোগ্রামিং করার জন্য একটি ভালো পরিবেশ নয়, বরং এমন একটি ব্যবস্থা যা ঘিরে একটি ভ্রাতৃত্ব বা সাহচর্য গড়ে উঠতে পারে। আমরা অভিজ্ঞতা থেকে জানতাম যে রিমোট-অ্যাক্সেস এবং টাইম শেয়ারড মেশিনের মাধ্যমে পাওয়া সাম্প্রদায়িক কম্পিউটিংয়ের মূল নির্যাস কেবল কী-পাঞ্চের বদলে টার্মিনালে প্রোগ্রাম টাইপ করা নয়, বরং নিবিড় যোগাযোগকে উৎসাহিত করা।
** ১৯৮০ সালের একটি বক্তৃতা "দ্য ইভোল্যুশন অফ দ্য ইউনিক্স টাইম-শেয়ারিং সিস্টেম" এ, ক্রিস্টোফার নেগাস রচিত ''[http://books.google.com/books?id=W5vItTVMLaYC&pg=PT650 লিনাক্স বাইবেল ২০১০ সংস্করণ]'' (২০১০) এ উদ্ধৃত।
* আমি বর্তমানে ‘ডেমিগডিক’ (অর্ধ-ঈশ্বরতুল্য) দলের সদস্য নই, আর কখনও ছিলামও না।
** {{cite web|url=http://groups.google.com/group/net.unix-wizards/msg/1c9d2e4c341f9b41|title=ইউজনেট : নেট.ইউনিক্স-উইজার্ডস|date=১৯৮৪-০৩-১৩ (গুগল গ্রুপস আর্কাইভ থেকে সংগৃহীত)}}
* [সি ল্যাঙ্গুয়েজের] অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজের মতো ক্ষমতা এবং অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজের মতোই সুবিধা রয়েছে।
** কেড মেটজের [http://www.wired.com/wiredenterprise/2011/10/thedennisritchieeffect/ "ডেনিস রিচি: দ্য শোল্ডার্স স্টিভ জবস স্টুড অন",] ''[[w: ওয়্যারড (ম্যাগাজিন)|ওয়্যারড]]'', ১৩ অক্টোবর ২০১১ এ উদ্ধৃত।
* [[ইউনিক্স|ইউনিক্স]] অত্যন্ত সাধারণ, এর সাধারণত্ব বোঝার জন্য শুধু একজন প্রতিভাবান মানুষের প্রয়োজন।
** {{cite web|url=http://www.brainy quote.com/quotes/authors/d/dennis_ritchie.html|title=ব্রেইনি কোট.কম}}{{fix cite}}
** {{Cite web|url=https://www.linfo.org/q_unix.html|title=লিনফো.অর্গ}}{{fix cite}}
* সি অদ্ভুত, ত্রুটিপূর্ণ এবং একটি বিশাল সফল সৃষ্টি।
** {{cite web|url=https://www.bell-labs.com/usr/dmr/www/chist.html|title=দ্য ডেভেলপমেন্ট অফ দ্য সি ল্যাঙ্গুয়েজ}}
* জীবন বড়ই কঠিন, আর একসময় তোমার পা-ও জবাব দিয়ে দেবে।
** {{cite web|url=http://fortunes.cat-v.org/plan_9/|title=প্ল্যান ৯ ফরচুনস ফাইল}}
=== সফটওয়্যার গবেষণার ওপর প্রতিফলন (১৯৮৪) ===
১৯৮৩ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] বক্তৃতা[http://awards.acm.org/images/awards/140/articles/2898606.pdf], ''[[w:কমিউনিকেশনস অফ দ্য এসিএম|কমিউনিকেশনস অফ দ্য এসিএম]]'' '''২৭''' (৮), আগস্ট ১৯৮৪, পৃষ্ঠা ৭৫৮-৭৬০।
* [[কম্পিউটার বিজ্ঞান]] গবেষণা অন্যান্য প্রথাগত শাখাগুলো থেকে আলাদা। দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটি ভৌত বিজ্ঞান থেকে পৃথক, কারণ এটি প্রাকৃতিক জগতকে আবিষ্কার, ব্যাখ্যা বা ব্যবহার করতে চায় না; বরং মানুষের তৈরি যন্ত্রের বৈশিষ্ট্যগুলো নিয়ে গবেষণা করে। এই দিক থেকে এটি গণিতের অনুরূপ, এবং প্রকৃতপক্ষে কম্পিউটার বিজ্ঞানের ‘বিজ্ঞান’ অংশটি মূলত গাণিতিক ভাবধারার। কিন্তু কম্পিউটার বিজ্ঞানের একটি অনিবার্য দিক হলো কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরি করা: এমন কিছু বস্তু যা অদৃশ্য হওয়া সত্ত্বেও বাণিজ্যিক লেনদেনের অন্তর্ভুক্ত।
* বর্তমান সময়ে ভালো [[কম্পিউটার বিজ্ঞান]] গবেষণার জন্য সবচেয়ে বড় বিপদ হতে পারে এর ''অতিরিক্ত'' [[প্রাসঙ্গিকতা]]। কম্পিউটার নিয়ে বিশ্বব্যাপী মুগ্ধতার প্রমাণ সবখানেই পাওয়া যায় সংবাদপত্রের অর্থনৈতিক পাতা থেকে শুরু করে সামনের পাতার নিবন্ধগুলোতে, এমনকি নামী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও কম্পিউটার বিজ্ঞানের শিক্ষক খুঁজে পেতে এবং তাঁদের ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে। সেরা অধ্যাপকরা মেধাবী ছাত্রদের পড়ানোর বদলে স্টার্ট-আপ কোম্পানিগুলোতে যোগ দিচ্ছেন।
* অন্য একটি বিপদ হলো, বিভিন্ন ধরনের বাণিজ্যিক চাপ সেরা চিন্তাবিদদের মনোযোগ প্রকৃত উদ্ভাবন থেকে সরিয়ে বর্তমান জনপ্রিয় ধারার অপব্যবহারের দিকে নিয়ে যাবে; অর্থাৎ নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধানের বদলে পরিচিত খনি থেকে সম্পদ আহরণেই তারা ব্যস্ত হয়ে পড়বে।
* গুরুত্বপূর্ণ নতুন সিস্টেমগুলোর কার্যকরী উদাহরণগুলো মনে হয় এসেছে হয় উদ্যোক্তাদের প্রচেষ্টা (ভিসিক্যালক একটি ভালো উদাহরণ) থেকে, অথবা বেল ল্যাবস এবং বিশেষ করে জেরক্সের মতো বড় কোম্পানিগুলো থেকে, যারা কম্পিউটারের সাথে গভীরভাবে যুক্ত ছিল এবং এ নিয়ে গবেষণা করার সামর্থ্য রাখত, কিন্তু এগুলোকে তাদের প্রাথমিক ব্যবসা হিসেবে গণ্য করত না।
=== [[ইউনিক্স]] এবং ইউনিক্স-সদৃশ সিস্টেম প্রসঙ্গে (১৯৯৯) ===
* আমি মনে করি [[লিনাক্স|লিনাক্সের]] জয়জয়কার বেশ আনন্দদায়ক, কারণ এটি [[ইউনিক্স]] যে ভিত্তি প্রদান করেছিল তার ওপর প্রবলভাবে নির্ভর করে গড়ে উঠেছে। লিনাক্সকে সরাসরি ইউনিক্স থেকে উদ্ভূত ব্যবস্থাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর মনে হয়, যদিও বিভিন্ন বিএসডি সিস্টেমের পাশাপাশি ওয়ার্কস্টেশন এবং মেইনফ্রেম প্রস্তুতকারকদের আরও কিছু দাপ্তরিক সংস্করণও রয়েছে।
** {{cite web|url=http://www.linuxfocus.org/English/July1999/article79.html|title=ইন্টারভিউ উইথ ডেনিস এম. রিচি|date=১৯৯৯|publisher=LinuxFocus.org}}।
* আমার নিজের কম্পিউটেশনাল জগতটি প্ল্যান ৯, উইন্ডোজ এবং ইনফার্নোর এক অদ্ভুত মিশ্রণ। আমি লিনাক্সের প্রবৃদ্ধি এবং প্রাণশক্তির খুব প্রশংসা করি। মাঝেমধ্যে মানুষ আমাকে [লিনাক্স সম্পর্কে] একই ধরণের প্রশ্ন করেন, কিন্তু এমনভাবে করেন যেন তাঁরা আশা করছেন যে আমি প্রথাগত কোম্পানিগুলোর ব্র্যান্ড করা [[ইউনিক্স|ইউনিক্সের]] বদলে লিনাক্সের এই সাফল্যে ঈর্ষা বা বিরক্তি প্রকাশ করব। মোটেও তেমনটি নয়; আমি এই উভয়কেই সেই সব ধারণার ধারাবাহিকতা বলে মনে করি যা কেন, আমি এবং আরও অনেকে বহু বছর আগে শুরু করেছিলাম।
** {{cite web|url=http://www.linuxfocus.org/English/July1999/article79.html|title=ইন্টারভিউ উইথ ডেনিস এম. রিচি|date=১৯৯৯|publisher=LinuxFocus.org}}।
=== [[ইউনিক্স]], লিনাক্স এবং ওপেন সোর্স প্রসঙ্গে (২০০১) ===
* আমি মনে করি লিনাক্স বিপ্লবের একটি আকর্ষণীয় দিক হলো যে [লিনাস] এমন এক আশ্চর্যজনকভাবে বিস্তৃত উন্নয়ন পরিবেশের ওপর এক ধরণের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছেন। আমি অবশ্যই আনন্দিত যে আমাকে সবার সামনে জনসমক্ষে সি তৈরি করতে হয়নি, কারণ সেখানে প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি পরামর্শ আসত। একটি ছোট ও চমৎকার দলের মধ্যে থাকলে আপনি এই ধরণের বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। সত্যি বলতে আমি লিনাক্স কার্নেল প্রকল্পের গতিপ্রকৃতি এবং বিস্তারিত জানি না। তবে লিনাক্সের ওপর একটি বড় অভিযোগ হলো যে এটি বিশৃঙ্খল। কিন্তু আমার মনে হয় সম্ভবত আরও নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষণ হবে যে, এই উদ্যোগের ধরণ অনুযায়ী এটি প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি সুশৃঙ্খল।
** {{cite web|url=http://www.linux-mag.com/id/801/|title=লিনাক্স ম্যাগাজিন: দ্য গুরু|date=১৫ জুন ২০০১}}।
* আমি আসলে লিনাক্স এবং [[ইউনিক্স|ইউনিক্সের]] সরাসরি বংশধরদের মধ্যে খুব একটা পার্থক্য করি না। আমি মনে করি কোনো না কোনো স্তরে তারা সবাই এক। প্রায়ই মানুষ আমাকে জিজ্ঞেস করেন, "লিনাক্স এত বড় বিষয় হয়ে ওঠায় আপনি কি ঈর্ষা বোধ করেন?" এবং উত্তর হলো 'না', ঠিক একই কারণে। আমি মনে করি তারা অভিন্ন।
** {{cite web|url=http://www.linux-mag.com/id/801/|title=লিনাক্স ম্যাগাজিন: দ্য গুরু|date=১৫ জুন ২০০১}}।
== ডেনিস রিচি সম্পর্কে উক্তি ==
* রিচি এবং [[কেন থম্পসন|থম্পসন]] একটি অসামান্য দল ছিলেন; তাঁরা ইউনিক্স এবং সি-কে এমনভাবে চালনা করতেন যেন কোনো সূক্ষ্ম বাদ্যযন্ত্র বাজাচ্ছেন। মাঝেমধ্যে তাঁরা কাজের ভাগ এমনভাবে করতেন প্রায় সাবরুটিন-বাই-সাবরুটিন ভিত্তিতে যে তাঁদের মধ্যকার বোঝাপড়া দেখে মনে হতো এটি একক কোনো ব্যক্তির কাজ। প্রকৃতপক্ষে, ডেনিস যেমনটি বর্ণনা করেছেন, একবার তাঁদের সংকেত আদান-প্রদানে ভুল হওয়ায় তাঁরা দুজনেই একই সাবরুটিন লিখে ফেলেছিলেন। সেই দুটি সংস্করণ কেবল একই ফলাফল প্রদান করেনি, সেগুলোর সোর্স কোডও ছিল হুবহু এক! তাঁদের কাজের পরিমাণ ছিল বিস্ময়কর। একবার আমি গণনা করে দেখেছিলাম যে আগের বছর তাঁরা কতটুকু প্রোডাকশন কোড লিখেছিলেন ১,০০,০০০ লাইন! আর বিস্ময়কর মানে এই নয় যে সেগুলো দায়সারা ছিল। কেন এবং ডেনিসের নকশা করার জ্ঞান ছিল অব্যর্থ। তাঁরা এমন কোড লেখেন যা কাজ করে, যা পড়া যায় এবং যা সময়ের সাথে বিবর্তিত হতে পারে।
** [[ডগ ম্যাকইলরয়]] (২০১১), [http://www.cs.dartmouth.edu/~doug/dmr.pdf ডেনিস রিচির জন্য জাপান প্রাইজ প্রদান অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্য, ১৯ মে ২০১১, মারে হিল, নিউ জার্সি।]
* জায়ান্ট বা দানবদের কাঁধে চড়ে দাঁড়িয়ে থাকা নিয়ে [[আইজ্যাক নিউটন|নিউটনের]] সেই বিখ্যাত উক্তিটি রয়েছে। আমরা সবাই আসলে ডেনিসের কাঁধের ওপর দাঁড়িয়ে আছি।
** [[ব্রায়ান কার্নিগান]], কেড মেটজের [http://www.wired.com/wiredenterprise/2011/10/thedennisritchieeffect/ "ডেনিস রিচি: দ্য শোল্ডার্স স্টিভ জবস স্টুড অন",] ''[[w: ওয়্যারড (ম্যাগাজিন)|ওয়্যারড]]'', ১৩ অক্টোবর ২০১১-এ উদ্ধৃত।
* তিনি ছিলেন তীক্ষ্ণ মেধার অধিকারী, গণিতে আমার চেয়েও অনেক বেশি দক্ষ ছিলেন। একবার কোনো ধারণা মাথায় এলে তিনি বুলডগের মতো তা নিয়ে পড়ে থাকতেন এবং সেটি সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত কাজ করে যেতেন। আমরা বহু বছর ধরে একে অপরের খুব ঘনিষ্ঠ হয়ে কাজ করেছি।
** [[কেন থম্পসন]] [https://www.youtube.com/watch?v=g3jOJfrOknA পুশিং দ্য লিমিটস অফ টেকনোলজি: দ্য কেন থম্পসন অ্যান্ড ডেনিস রিচি স্টোরি] [https://www.youtube.com/@nationalinventorshalloffame ন্যাশনাল ইনভেন্টরস হল অব ফেম - এনআইএইচএফ]
== বহিঃসংযোগ ==
{{Wikipedia}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী}}
{{DEFAULTSORT:Ritchie, Dennis}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কম্পিউটার বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪১ এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০১১ এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:নিউ ইয়র্ক সিটির ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:টুরিং পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র]]
h2zqxsas1bdvzbk3w2ghd2xpo703nzt
75563
75538
2026-04-11T05:21:06Z
মোহাম্মদ জনি হোসেন
104
হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:২০১১ এ মৃত্যু]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:২০১১-এ মৃত্যু]] যোগ
75563
wikitext
text/x-wiki
[[File:Dennis Ritchie 2011.jpg|thumb|right|ডেনিস রিচি]]
'''[[w:ডেনিস রিচি|ডেনিস ম্যাকঅ্যালিস্টেয়ার রিচি]]''' ([[৯ সেপ্টেম্বর]], [[১৯৪১]] – আনু. [[১২ অক্টোবর]], [[২০১১]]) ছিলেন একজন মার্কিন [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানী]] এবং [[কেন থম্পসন|কেন থম্পসনের]] সাথে ১৯৮৩ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] বিজয়ী। তিনি [[w:সি (প্রোগ্রামিং ভাষা)|সি প্রোগ্রামিং ভাষা]] তৈরি করেছিলেন এবং থম্পসনের সাথে যৌথভাবে [[ইউনিক্স]] অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন, যা পরবর্তী সময়ের [[প্রোগ্রামিং ভাষা]] এবং [[w:অপারেটিং সিস্টেম|অপারেটিং সিস্টেমগুলোর]] ওপর ব্যাপক ও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলেছে।
== উক্তি ==
* আমরা যা রক্ষা করতে চেয়েছিলাম তা কেবল প্রোগ্রামিং করার জন্য একটি ভালো পরিবেশ নয়, বরং এমন একটি ব্যবস্থা যা ঘিরে একটি ভ্রাতৃত্ব বা সাহচর্য গড়ে উঠতে পারে। আমরা অভিজ্ঞতা থেকে জানতাম যে রিমোট-অ্যাক্সেস এবং টাইম শেয়ারড মেশিনের মাধ্যমে পাওয়া সাম্প্রদায়িক কম্পিউটিংয়ের মূল নির্যাস কেবল কী-পাঞ্চের বদলে টার্মিনালে প্রোগ্রাম টাইপ করা নয়, বরং নিবিড় যোগাযোগকে উৎসাহিত করা।
** ১৯৮০ সালের একটি বক্তৃতা "দ্য ইভোল্যুশন অফ দ্য ইউনিক্স টাইম-শেয়ারিং সিস্টেম" এ, ক্রিস্টোফার নেগাস রচিত ''[http://books.google.com/books?id=W5vItTVMLaYC&pg=PT650 লিনাক্স বাইবেল ২০১০ সংস্করণ]'' (২০১০) এ উদ্ধৃত।
* আমি বর্তমানে ‘ডেমিগডিক’ (অর্ধ-ঈশ্বরতুল্য) দলের সদস্য নই, আর কখনও ছিলামও না।
** {{cite web|url=http://groups.google.com/group/net.unix-wizards/msg/1c9d2e4c341f9b41|title=ইউজনেট : নেট.ইউনিক্স-উইজার্ডস|date=১৯৮৪-০৩-১৩ (গুগল গ্রুপস আর্কাইভ থেকে সংগৃহীত)}}
* [সি ল্যাঙ্গুয়েজের] অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজের মতো ক্ষমতা এবং অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজের মতোই সুবিধা রয়েছে।
** কেড মেটজের [http://www.wired.com/wiredenterprise/2011/10/thedennisritchieeffect/ "ডেনিস রিচি: দ্য শোল্ডার্স স্টিভ জবস স্টুড অন",] ''[[w: ওয়্যারড (ম্যাগাজিন)|ওয়্যারড]]'', ১৩ অক্টোবর ২০১১ এ উদ্ধৃত।
* [[ইউনিক্স|ইউনিক্স]] অত্যন্ত সাধারণ, এর সাধারণত্ব বোঝার জন্য শুধু একজন প্রতিভাবান মানুষের প্রয়োজন।
** {{cite web|url=http://www.brainy quote.com/quotes/authors/d/dennis_ritchie.html|title=ব্রেইনি কোট.কম}}{{fix cite}}
** {{Cite web|url=https://www.linfo.org/q_unix.html|title=লিনফো.অর্গ}}{{fix cite}}
* সি অদ্ভুত, ত্রুটিপূর্ণ এবং একটি বিশাল সফল সৃষ্টি।
** {{cite web|url=https://www.bell-labs.com/usr/dmr/www/chist.html|title=দ্য ডেভেলপমেন্ট অফ দ্য সি ল্যাঙ্গুয়েজ}}
* জীবন বড়ই কঠিন, আর একসময় তোমার পা-ও জবাব দিয়ে দেবে।
** {{cite web|url=http://fortunes.cat-v.org/plan_9/|title=প্ল্যান ৯ ফরচুনস ফাইল}}
=== সফটওয়্যার গবেষণার ওপর প্রতিফলন (১৯৮৪) ===
১৯৮৩ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] বক্তৃতা[http://awards.acm.org/images/awards/140/articles/2898606.pdf], ''[[w:কমিউনিকেশনস অফ দ্য এসিএম|কমিউনিকেশনস অফ দ্য এসিএম]]'' '''২৭''' (৮), আগস্ট ১৯৮৪, পৃষ্ঠা ৭৫৮-৭৬০।
* [[কম্পিউটার বিজ্ঞান]] গবেষণা অন্যান্য প্রথাগত শাখাগুলো থেকে আলাদা। দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটি ভৌত বিজ্ঞান থেকে পৃথক, কারণ এটি প্রাকৃতিক জগতকে আবিষ্কার, ব্যাখ্যা বা ব্যবহার করতে চায় না; বরং মানুষের তৈরি যন্ত্রের বৈশিষ্ট্যগুলো নিয়ে গবেষণা করে। এই দিক থেকে এটি গণিতের অনুরূপ, এবং প্রকৃতপক্ষে কম্পিউটার বিজ্ঞানের ‘বিজ্ঞান’ অংশটি মূলত গাণিতিক ভাবধারার। কিন্তু কম্পিউটার বিজ্ঞানের একটি অনিবার্য দিক হলো কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরি করা: এমন কিছু বস্তু যা অদৃশ্য হওয়া সত্ত্বেও বাণিজ্যিক লেনদেনের অন্তর্ভুক্ত।
* বর্তমান সময়ে ভালো [[কম্পিউটার বিজ্ঞান]] গবেষণার জন্য সবচেয়ে বড় বিপদ হতে পারে এর ''অতিরিক্ত'' [[প্রাসঙ্গিকতা]]। কম্পিউটার নিয়ে বিশ্বব্যাপী মুগ্ধতার প্রমাণ সবখানেই পাওয়া যায় সংবাদপত্রের অর্থনৈতিক পাতা থেকে শুরু করে সামনের পাতার নিবন্ধগুলোতে, এমনকি নামী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও কম্পিউটার বিজ্ঞানের শিক্ষক খুঁজে পেতে এবং তাঁদের ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে। সেরা অধ্যাপকরা মেধাবী ছাত্রদের পড়ানোর বদলে স্টার্ট-আপ কোম্পানিগুলোতে যোগ দিচ্ছেন।
* অন্য একটি বিপদ হলো, বিভিন্ন ধরনের বাণিজ্যিক চাপ সেরা চিন্তাবিদদের মনোযোগ প্রকৃত উদ্ভাবন থেকে সরিয়ে বর্তমান জনপ্রিয় ধারার অপব্যবহারের দিকে নিয়ে যাবে; অর্থাৎ নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধানের বদলে পরিচিত খনি থেকে সম্পদ আহরণেই তারা ব্যস্ত হয়ে পড়বে।
* গুরুত্বপূর্ণ নতুন সিস্টেমগুলোর কার্যকরী উদাহরণগুলো মনে হয় এসেছে হয় উদ্যোক্তাদের প্রচেষ্টা (ভিসিক্যালক একটি ভালো উদাহরণ) থেকে, অথবা বেল ল্যাবস এবং বিশেষ করে জেরক্সের মতো বড় কোম্পানিগুলো থেকে, যারা কম্পিউটারের সাথে গভীরভাবে যুক্ত ছিল এবং এ নিয়ে গবেষণা করার সামর্থ্য রাখত, কিন্তু এগুলোকে তাদের প্রাথমিক ব্যবসা হিসেবে গণ্য করত না।
=== [[ইউনিক্স]] এবং ইউনিক্স-সদৃশ সিস্টেম প্রসঙ্গে (১৯৯৯) ===
* আমি মনে করি [[লিনাক্স|লিনাক্সের]] জয়জয়কার বেশ আনন্দদায়ক, কারণ এটি [[ইউনিক্স]] যে ভিত্তি প্রদান করেছিল তার ওপর প্রবলভাবে নির্ভর করে গড়ে উঠেছে। লিনাক্সকে সরাসরি ইউনিক্স থেকে উদ্ভূত ব্যবস্থাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর মনে হয়, যদিও বিভিন্ন বিএসডি সিস্টেমের পাশাপাশি ওয়ার্কস্টেশন এবং মেইনফ্রেম প্রস্তুতকারকদের আরও কিছু দাপ্তরিক সংস্করণও রয়েছে।
** {{cite web|url=http://www.linuxfocus.org/English/July1999/article79.html|title=ইন্টারভিউ উইথ ডেনিস এম. রিচি|date=১৯৯৯|publisher=LinuxFocus.org}}।
* আমার নিজের কম্পিউটেশনাল জগতটি প্ল্যান ৯, উইন্ডোজ এবং ইনফার্নোর এক অদ্ভুত মিশ্রণ। আমি লিনাক্সের প্রবৃদ্ধি এবং প্রাণশক্তির খুব প্রশংসা করি। মাঝেমধ্যে মানুষ আমাকে [লিনাক্স সম্পর্কে] একই ধরণের প্রশ্ন করেন, কিন্তু এমনভাবে করেন যেন তাঁরা আশা করছেন যে আমি প্রথাগত কোম্পানিগুলোর ব্র্যান্ড করা [[ইউনিক্স|ইউনিক্সের]] বদলে লিনাক্সের এই সাফল্যে ঈর্ষা বা বিরক্তি প্রকাশ করব। মোটেও তেমনটি নয়; আমি এই উভয়কেই সেই সব ধারণার ধারাবাহিকতা বলে মনে করি যা কেন, আমি এবং আরও অনেকে বহু বছর আগে শুরু করেছিলাম।
** {{cite web|url=http://www.linuxfocus.org/English/July1999/article79.html|title=ইন্টারভিউ উইথ ডেনিস এম. রিচি|date=১৯৯৯|publisher=LinuxFocus.org}}।
=== [[ইউনিক্স]], লিনাক্স এবং ওপেন সোর্স প্রসঙ্গে (২০০১) ===
* আমি মনে করি লিনাক্স বিপ্লবের একটি আকর্ষণীয় দিক হলো যে [লিনাস] এমন এক আশ্চর্যজনকভাবে বিস্তৃত উন্নয়ন পরিবেশের ওপর এক ধরণের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছেন। আমি অবশ্যই আনন্দিত যে আমাকে সবার সামনে জনসমক্ষে সি তৈরি করতে হয়নি, কারণ সেখানে প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি পরামর্শ আসত। একটি ছোট ও চমৎকার দলের মধ্যে থাকলে আপনি এই ধরণের বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। সত্যি বলতে আমি লিনাক্স কার্নেল প্রকল্পের গতিপ্রকৃতি এবং বিস্তারিত জানি না। তবে লিনাক্সের ওপর একটি বড় অভিযোগ হলো যে এটি বিশৃঙ্খল। কিন্তু আমার মনে হয় সম্ভবত আরও নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষণ হবে যে, এই উদ্যোগের ধরণ অনুযায়ী এটি প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি সুশৃঙ্খল।
** {{cite web|url=http://www.linux-mag.com/id/801/|title=লিনাক্স ম্যাগাজিন: দ্য গুরু|date=১৫ জুন ২০০১}}।
* আমি আসলে লিনাক্স এবং [[ইউনিক্স|ইউনিক্সের]] সরাসরি বংশধরদের মধ্যে খুব একটা পার্থক্য করি না। আমি মনে করি কোনো না কোনো স্তরে তারা সবাই এক। প্রায়ই মানুষ আমাকে জিজ্ঞেস করেন, "লিনাক্স এত বড় বিষয় হয়ে ওঠায় আপনি কি ঈর্ষা বোধ করেন?" এবং উত্তর হলো 'না', ঠিক একই কারণে। আমি মনে করি তারা অভিন্ন।
** {{cite web|url=http://www.linux-mag.com/id/801/|title=লিনাক্স ম্যাগাজিন: দ্য গুরু|date=১৫ জুন ২০০১}}।
== ডেনিস রিচি সম্পর্কে উক্তি ==
* রিচি এবং [[কেন থম্পসন|থম্পসন]] একটি অসামান্য দল ছিলেন; তাঁরা ইউনিক্স এবং সি-কে এমনভাবে চালনা করতেন যেন কোনো সূক্ষ্ম বাদ্যযন্ত্র বাজাচ্ছেন। মাঝেমধ্যে তাঁরা কাজের ভাগ এমনভাবে করতেন প্রায় সাবরুটিন-বাই-সাবরুটিন ভিত্তিতে যে তাঁদের মধ্যকার বোঝাপড়া দেখে মনে হতো এটি একক কোনো ব্যক্তির কাজ। প্রকৃতপক্ষে, ডেনিস যেমনটি বর্ণনা করেছেন, একবার তাঁদের সংকেত আদান-প্রদানে ভুল হওয়ায় তাঁরা দুজনেই একই সাবরুটিন লিখে ফেলেছিলেন। সেই দুটি সংস্করণ কেবল একই ফলাফল প্রদান করেনি, সেগুলোর সোর্স কোডও ছিল হুবহু এক! তাঁদের কাজের পরিমাণ ছিল বিস্ময়কর। একবার আমি গণনা করে দেখেছিলাম যে আগের বছর তাঁরা কতটুকু প্রোডাকশন কোড লিখেছিলেন ১,০০,০০০ লাইন! আর বিস্ময়কর মানে এই নয় যে সেগুলো দায়সারা ছিল। কেন এবং ডেনিসের নকশা করার জ্ঞান ছিল অব্যর্থ। তাঁরা এমন কোড লেখেন যা কাজ করে, যা পড়া যায় এবং যা সময়ের সাথে বিবর্তিত হতে পারে।
** [[ডগ ম্যাকইলরয়]] (২০১১), [http://www.cs.dartmouth.edu/~doug/dmr.pdf ডেনিস রিচির জন্য জাপান প্রাইজ প্রদান অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্য, ১৯ মে ২০১১, মারে হিল, নিউ জার্সি।]
* জায়ান্ট বা দানবদের কাঁধে চড়ে দাঁড়িয়ে থাকা নিয়ে [[আইজ্যাক নিউটন|নিউটনের]] সেই বিখ্যাত উক্তিটি রয়েছে। আমরা সবাই আসলে ডেনিসের কাঁধের ওপর দাঁড়িয়ে আছি।
** [[ব্রায়ান কার্নিগান]], কেড মেটজের [http://www.wired.com/wiredenterprise/2011/10/thedennisritchieeffect/ "ডেনিস রিচি: দ্য শোল্ডার্স স্টিভ জবস স্টুড অন",] ''[[w: ওয়্যারড (ম্যাগাজিন)|ওয়্যারড]]'', ১৩ অক্টোবর ২০১১-এ উদ্ধৃত।
* তিনি ছিলেন তীক্ষ্ণ মেধার অধিকারী, গণিতে আমার চেয়েও অনেক বেশি দক্ষ ছিলেন। একবার কোনো ধারণা মাথায় এলে তিনি বুলডগের মতো তা নিয়ে পড়ে থাকতেন এবং সেটি সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত কাজ করে যেতেন। আমরা বহু বছর ধরে একে অপরের খুব ঘনিষ্ঠ হয়ে কাজ করেছি।
** [[কেন থম্পসন]] [https://www.youtube.com/watch?v=g3jOJfrOknA পুশিং দ্য লিমিটস অফ টেকনোলজি: দ্য কেন থম্পসন অ্যান্ড ডেনিস রিচি স্টোরি] [https://www.youtube.com/@nationalinventorshalloffame ন্যাশনাল ইনভেন্টরস হল অব ফেম - এনআইএইচএফ]
== বহিঃসংযোগ ==
{{Wikipedia}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী}}
{{DEFAULTSORT:Ritchie, Dennis}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কম্পিউটার বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪১ এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০১১-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:নিউ ইয়র্ক সিটির ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:টুরিং পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র]]
6ev2pc3qp615e8mi00brz2yz82bu08j
75564
75563
2026-04-11T05:21:47Z
মোহাম্মদ জনি হোসেন
104
হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪১ এ জন্ম]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪১-এ জন্ম]] যোগ
75564
wikitext
text/x-wiki
[[File:Dennis Ritchie 2011.jpg|thumb|right|ডেনিস রিচি]]
'''[[w:ডেনিস রিচি|ডেনিস ম্যাকঅ্যালিস্টেয়ার রিচি]]''' ([[৯ সেপ্টেম্বর]], [[১৯৪১]] – আনু. [[১২ অক্টোবর]], [[২০১১]]) ছিলেন একজন মার্কিন [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানী]] এবং [[কেন থম্পসন|কেন থম্পসনের]] সাথে ১৯৮৩ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] বিজয়ী। তিনি [[w:সি (প্রোগ্রামিং ভাষা)|সি প্রোগ্রামিং ভাষা]] তৈরি করেছিলেন এবং থম্পসনের সাথে যৌথভাবে [[ইউনিক্স]] অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন, যা পরবর্তী সময়ের [[প্রোগ্রামিং ভাষা]] এবং [[w:অপারেটিং সিস্টেম|অপারেটিং সিস্টেমগুলোর]] ওপর ব্যাপক ও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলেছে।
== উক্তি ==
* আমরা যা রক্ষা করতে চেয়েছিলাম তা কেবল প্রোগ্রামিং করার জন্য একটি ভালো পরিবেশ নয়, বরং এমন একটি ব্যবস্থা যা ঘিরে একটি ভ্রাতৃত্ব বা সাহচর্য গড়ে উঠতে পারে। আমরা অভিজ্ঞতা থেকে জানতাম যে রিমোট-অ্যাক্সেস এবং টাইম শেয়ারড মেশিনের মাধ্যমে পাওয়া সাম্প্রদায়িক কম্পিউটিংয়ের মূল নির্যাস কেবল কী-পাঞ্চের বদলে টার্মিনালে প্রোগ্রাম টাইপ করা নয়, বরং নিবিড় যোগাযোগকে উৎসাহিত করা।
** ১৯৮০ সালের একটি বক্তৃতা "দ্য ইভোল্যুশন অফ দ্য ইউনিক্স টাইম-শেয়ারিং সিস্টেম" এ, ক্রিস্টোফার নেগাস রচিত ''[http://books.google.com/books?id=W5vItTVMLaYC&pg=PT650 লিনাক্স বাইবেল ২০১০ সংস্করণ]'' (২০১০) এ উদ্ধৃত।
* আমি বর্তমানে ‘ডেমিগডিক’ (অর্ধ-ঈশ্বরতুল্য) দলের সদস্য নই, আর কখনও ছিলামও না।
** {{cite web|url=http://groups.google.com/group/net.unix-wizards/msg/1c9d2e4c341f9b41|title=ইউজনেট : নেট.ইউনিক্স-উইজার্ডস|date=১৯৮৪-০৩-১৩ (গুগল গ্রুপস আর্কাইভ থেকে সংগৃহীত)}}
* [সি ল্যাঙ্গুয়েজের] অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজের মতো ক্ষমতা এবং অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজের মতোই সুবিধা রয়েছে।
** কেড মেটজের [http://www.wired.com/wiredenterprise/2011/10/thedennisritchieeffect/ "ডেনিস রিচি: দ্য শোল্ডার্স স্টিভ জবস স্টুড অন",] ''[[w: ওয়্যারড (ম্যাগাজিন)|ওয়্যারড]]'', ১৩ অক্টোবর ২০১১ এ উদ্ধৃত।
* [[ইউনিক্স|ইউনিক্স]] অত্যন্ত সাধারণ, এর সাধারণত্ব বোঝার জন্য শুধু একজন প্রতিভাবান মানুষের প্রয়োজন।
** {{cite web|url=http://www.brainy quote.com/quotes/authors/d/dennis_ritchie.html|title=ব্রেইনি কোট.কম}}{{fix cite}}
** {{Cite web|url=https://www.linfo.org/q_unix.html|title=লিনফো.অর্গ}}{{fix cite}}
* সি অদ্ভুত, ত্রুটিপূর্ণ এবং একটি বিশাল সফল সৃষ্টি।
** {{cite web|url=https://www.bell-labs.com/usr/dmr/www/chist.html|title=দ্য ডেভেলপমেন্ট অফ দ্য সি ল্যাঙ্গুয়েজ}}
* জীবন বড়ই কঠিন, আর একসময় তোমার পা-ও জবাব দিয়ে দেবে।
** {{cite web|url=http://fortunes.cat-v.org/plan_9/|title=প্ল্যান ৯ ফরচুনস ফাইল}}
=== সফটওয়্যার গবেষণার ওপর প্রতিফলন (১৯৮৪) ===
১৯৮৩ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] বক্তৃতা[http://awards.acm.org/images/awards/140/articles/2898606.pdf], ''[[w:কমিউনিকেশনস অফ দ্য এসিএম|কমিউনিকেশনস অফ দ্য এসিএম]]'' '''২৭''' (৮), আগস্ট ১৯৮৪, পৃষ্ঠা ৭৫৮-৭৬০।
* [[কম্পিউটার বিজ্ঞান]] গবেষণা অন্যান্য প্রথাগত শাখাগুলো থেকে আলাদা। দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটি ভৌত বিজ্ঞান থেকে পৃথক, কারণ এটি প্রাকৃতিক জগতকে আবিষ্কার, ব্যাখ্যা বা ব্যবহার করতে চায় না; বরং মানুষের তৈরি যন্ত্রের বৈশিষ্ট্যগুলো নিয়ে গবেষণা করে। এই দিক থেকে এটি গণিতের অনুরূপ, এবং প্রকৃতপক্ষে কম্পিউটার বিজ্ঞানের ‘বিজ্ঞান’ অংশটি মূলত গাণিতিক ভাবধারার। কিন্তু কম্পিউটার বিজ্ঞানের একটি অনিবার্য দিক হলো কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরি করা: এমন কিছু বস্তু যা অদৃশ্য হওয়া সত্ত্বেও বাণিজ্যিক লেনদেনের অন্তর্ভুক্ত।
* বর্তমান সময়ে ভালো [[কম্পিউটার বিজ্ঞান]] গবেষণার জন্য সবচেয়ে বড় বিপদ হতে পারে এর ''অতিরিক্ত'' [[প্রাসঙ্গিকতা]]। কম্পিউটার নিয়ে বিশ্বব্যাপী মুগ্ধতার প্রমাণ সবখানেই পাওয়া যায় সংবাদপত্রের অর্থনৈতিক পাতা থেকে শুরু করে সামনের পাতার নিবন্ধগুলোতে, এমনকি নামী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও কম্পিউটার বিজ্ঞানের শিক্ষক খুঁজে পেতে এবং তাঁদের ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে। সেরা অধ্যাপকরা মেধাবী ছাত্রদের পড়ানোর বদলে স্টার্ট-আপ কোম্পানিগুলোতে যোগ দিচ্ছেন।
* অন্য একটি বিপদ হলো, বিভিন্ন ধরনের বাণিজ্যিক চাপ সেরা চিন্তাবিদদের মনোযোগ প্রকৃত উদ্ভাবন থেকে সরিয়ে বর্তমান জনপ্রিয় ধারার অপব্যবহারের দিকে নিয়ে যাবে; অর্থাৎ নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধানের বদলে পরিচিত খনি থেকে সম্পদ আহরণেই তারা ব্যস্ত হয়ে পড়বে।
* গুরুত্বপূর্ণ নতুন সিস্টেমগুলোর কার্যকরী উদাহরণগুলো মনে হয় এসেছে হয় উদ্যোক্তাদের প্রচেষ্টা (ভিসিক্যালক একটি ভালো উদাহরণ) থেকে, অথবা বেল ল্যাবস এবং বিশেষ করে জেরক্সের মতো বড় কোম্পানিগুলো থেকে, যারা কম্পিউটারের সাথে গভীরভাবে যুক্ত ছিল এবং এ নিয়ে গবেষণা করার সামর্থ্য রাখত, কিন্তু এগুলোকে তাদের প্রাথমিক ব্যবসা হিসেবে গণ্য করত না।
=== [[ইউনিক্স]] এবং ইউনিক্স-সদৃশ সিস্টেম প্রসঙ্গে (১৯৯৯) ===
* আমি মনে করি [[লিনাক্স|লিনাক্সের]] জয়জয়কার বেশ আনন্দদায়ক, কারণ এটি [[ইউনিক্স]] যে ভিত্তি প্রদান করেছিল তার ওপর প্রবলভাবে নির্ভর করে গড়ে উঠেছে। লিনাক্সকে সরাসরি ইউনিক্স থেকে উদ্ভূত ব্যবস্থাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর মনে হয়, যদিও বিভিন্ন বিএসডি সিস্টেমের পাশাপাশি ওয়ার্কস্টেশন এবং মেইনফ্রেম প্রস্তুতকারকদের আরও কিছু দাপ্তরিক সংস্করণও রয়েছে।
** {{cite web|url=http://www.linuxfocus.org/English/July1999/article79.html|title=ইন্টারভিউ উইথ ডেনিস এম. রিচি|date=১৯৯৯|publisher=LinuxFocus.org}}।
* আমার নিজের কম্পিউটেশনাল জগতটি প্ল্যান ৯, উইন্ডোজ এবং ইনফার্নোর এক অদ্ভুত মিশ্রণ। আমি লিনাক্সের প্রবৃদ্ধি এবং প্রাণশক্তির খুব প্রশংসা করি। মাঝেমধ্যে মানুষ আমাকে [লিনাক্স সম্পর্কে] একই ধরণের প্রশ্ন করেন, কিন্তু এমনভাবে করেন যেন তাঁরা আশা করছেন যে আমি প্রথাগত কোম্পানিগুলোর ব্র্যান্ড করা [[ইউনিক্স|ইউনিক্সের]] বদলে লিনাক্সের এই সাফল্যে ঈর্ষা বা বিরক্তি প্রকাশ করব। মোটেও তেমনটি নয়; আমি এই উভয়কেই সেই সব ধারণার ধারাবাহিকতা বলে মনে করি যা কেন, আমি এবং আরও অনেকে বহু বছর আগে শুরু করেছিলাম।
** {{cite web|url=http://www.linuxfocus.org/English/July1999/article79.html|title=ইন্টারভিউ উইথ ডেনিস এম. রিচি|date=১৯৯৯|publisher=LinuxFocus.org}}।
=== [[ইউনিক্স]], লিনাক্স এবং ওপেন সোর্স প্রসঙ্গে (২০০১) ===
* আমি মনে করি লিনাক্স বিপ্লবের একটি আকর্ষণীয় দিক হলো যে [লিনাস] এমন এক আশ্চর্যজনকভাবে বিস্তৃত উন্নয়ন পরিবেশের ওপর এক ধরণের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছেন। আমি অবশ্যই আনন্দিত যে আমাকে সবার সামনে জনসমক্ষে সি তৈরি করতে হয়নি, কারণ সেখানে প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি পরামর্শ আসত। একটি ছোট ও চমৎকার দলের মধ্যে থাকলে আপনি এই ধরণের বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। সত্যি বলতে আমি লিনাক্স কার্নেল প্রকল্পের গতিপ্রকৃতি এবং বিস্তারিত জানি না। তবে লিনাক্সের ওপর একটি বড় অভিযোগ হলো যে এটি বিশৃঙ্খল। কিন্তু আমার মনে হয় সম্ভবত আরও নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষণ হবে যে, এই উদ্যোগের ধরণ অনুযায়ী এটি প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি সুশৃঙ্খল।
** {{cite web|url=http://www.linux-mag.com/id/801/|title=লিনাক্স ম্যাগাজিন: দ্য গুরু|date=১৫ জুন ২০০১}}।
* আমি আসলে লিনাক্স এবং [[ইউনিক্স|ইউনিক্সের]] সরাসরি বংশধরদের মধ্যে খুব একটা পার্থক্য করি না। আমি মনে করি কোনো না কোনো স্তরে তারা সবাই এক। প্রায়ই মানুষ আমাকে জিজ্ঞেস করেন, "লিনাক্স এত বড় বিষয় হয়ে ওঠায় আপনি কি ঈর্ষা বোধ করেন?" এবং উত্তর হলো 'না', ঠিক একই কারণে। আমি মনে করি তারা অভিন্ন।
** {{cite web|url=http://www.linux-mag.com/id/801/|title=লিনাক্স ম্যাগাজিন: দ্য গুরু|date=১৫ জুন ২০০১}}।
== ডেনিস রিচি সম্পর্কে উক্তি ==
* রিচি এবং [[কেন থম্পসন|থম্পসন]] একটি অসামান্য দল ছিলেন; তাঁরা ইউনিক্স এবং সি-কে এমনভাবে চালনা করতেন যেন কোনো সূক্ষ্ম বাদ্যযন্ত্র বাজাচ্ছেন। মাঝেমধ্যে তাঁরা কাজের ভাগ এমনভাবে করতেন প্রায় সাবরুটিন-বাই-সাবরুটিন ভিত্তিতে যে তাঁদের মধ্যকার বোঝাপড়া দেখে মনে হতো এটি একক কোনো ব্যক্তির কাজ। প্রকৃতপক্ষে, ডেনিস যেমনটি বর্ণনা করেছেন, একবার তাঁদের সংকেত আদান-প্রদানে ভুল হওয়ায় তাঁরা দুজনেই একই সাবরুটিন লিখে ফেলেছিলেন। সেই দুটি সংস্করণ কেবল একই ফলাফল প্রদান করেনি, সেগুলোর সোর্স কোডও ছিল হুবহু এক! তাঁদের কাজের পরিমাণ ছিল বিস্ময়কর। একবার আমি গণনা করে দেখেছিলাম যে আগের বছর তাঁরা কতটুকু প্রোডাকশন কোড লিখেছিলেন ১,০০,০০০ লাইন! আর বিস্ময়কর মানে এই নয় যে সেগুলো দায়সারা ছিল। কেন এবং ডেনিসের নকশা করার জ্ঞান ছিল অব্যর্থ। তাঁরা এমন কোড লেখেন যা কাজ করে, যা পড়া যায় এবং যা সময়ের সাথে বিবর্তিত হতে পারে।
** [[ডগ ম্যাকইলরয়]] (২০১১), [http://www.cs.dartmouth.edu/~doug/dmr.pdf ডেনিস রিচির জন্য জাপান প্রাইজ প্রদান অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্য, ১৯ মে ২০১১, মারে হিল, নিউ জার্সি।]
* জায়ান্ট বা দানবদের কাঁধে চড়ে দাঁড়িয়ে থাকা নিয়ে [[আইজ্যাক নিউটন|নিউটনের]] সেই বিখ্যাত উক্তিটি রয়েছে। আমরা সবাই আসলে ডেনিসের কাঁধের ওপর দাঁড়িয়ে আছি।
** [[ব্রায়ান কার্নিগান]], কেড মেটজের [http://www.wired.com/wiredenterprise/2011/10/thedennisritchieeffect/ "ডেনিস রিচি: দ্য শোল্ডার্স স্টিভ জবস স্টুড অন",] ''[[w: ওয়্যারড (ম্যাগাজিন)|ওয়্যারড]]'', ১৩ অক্টোবর ২০১১-এ উদ্ধৃত।
* তিনি ছিলেন তীক্ষ্ণ মেধার অধিকারী, গণিতে আমার চেয়েও অনেক বেশি দক্ষ ছিলেন। একবার কোনো ধারণা মাথায় এলে তিনি বুলডগের মতো তা নিয়ে পড়ে থাকতেন এবং সেটি সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত কাজ করে যেতেন। আমরা বহু বছর ধরে একে অপরের খুব ঘনিষ্ঠ হয়ে কাজ করেছি।
** [[কেন থম্পসন]] [https://www.youtube.com/watch?v=g3jOJfrOknA পুশিং দ্য লিমিটস অফ টেকনোলজি: দ্য কেন থম্পসন অ্যান্ড ডেনিস রিচি স্টোরি] [https://www.youtube.com/@nationalinventorshalloffame ন্যাশনাল ইনভেন্টরস হল অব ফেম - এনআইএইচএফ]
== বহিঃসংযোগ ==
{{Wikipedia}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী}}
{{DEFAULTSORT:Ritchie, Dennis}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কম্পিউটার বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪১-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০১১-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:নিউ ইয়র্ক সিটির ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:টুরিং পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র]]
5otwwp9y4ofnbjhyovrmmsekkh6frel
75565
75564
2026-04-11T05:24:07Z
মোহাম্মদ জনি হোসেন
104
হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] যোগ
75565
wikitext
text/x-wiki
[[File:Dennis Ritchie 2011.jpg|thumb|right|ডেনিস রিচি]]
'''[[w:ডেনিস রিচি|ডেনিস ম্যাকঅ্যালিস্টেয়ার রিচি]]''' ([[৯ সেপ্টেম্বর]], [[১৯৪১]] – আনু. [[১২ অক্টোবর]], [[২০১১]]) ছিলেন একজন মার্কিন [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানী]] এবং [[কেন থম্পসন|কেন থম্পসনের]] সাথে ১৯৮৩ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] বিজয়ী। তিনি [[w:সি (প্রোগ্রামিং ভাষা)|সি প্রোগ্রামিং ভাষা]] তৈরি করেছিলেন এবং থম্পসনের সাথে যৌথভাবে [[ইউনিক্স]] অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন, যা পরবর্তী সময়ের [[প্রোগ্রামিং ভাষা]] এবং [[w:অপারেটিং সিস্টেম|অপারেটিং সিস্টেমগুলোর]] ওপর ব্যাপক ও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলেছে।
== উক্তি ==
* আমরা যা রক্ষা করতে চেয়েছিলাম তা কেবল প্রোগ্রামিং করার জন্য একটি ভালো পরিবেশ নয়, বরং এমন একটি ব্যবস্থা যা ঘিরে একটি ভ্রাতৃত্ব বা সাহচর্য গড়ে উঠতে পারে। আমরা অভিজ্ঞতা থেকে জানতাম যে রিমোট-অ্যাক্সেস এবং টাইম শেয়ারড মেশিনের মাধ্যমে পাওয়া সাম্প্রদায়িক কম্পিউটিংয়ের মূল নির্যাস কেবল কী-পাঞ্চের বদলে টার্মিনালে প্রোগ্রাম টাইপ করা নয়, বরং নিবিড় যোগাযোগকে উৎসাহিত করা।
** ১৯৮০ সালের একটি বক্তৃতা "দ্য ইভোল্যুশন অফ দ্য ইউনিক্স টাইম-শেয়ারিং সিস্টেম" এ, ক্রিস্টোফার নেগাস রচিত ''[http://books.google.com/books?id=W5vItTVMLaYC&pg=PT650 লিনাক্স বাইবেল ২০১০ সংস্করণ]'' (২০১০) এ উদ্ধৃত।
* আমি বর্তমানে ‘ডেমিগডিক’ (অর্ধ-ঈশ্বরতুল্য) দলের সদস্য নই, আর কখনও ছিলামও না।
** {{cite web|url=http://groups.google.com/group/net.unix-wizards/msg/1c9d2e4c341f9b41|title=ইউজনেট : নেট.ইউনিক্স-উইজার্ডস|date=১৯৮৪-০৩-১৩ (গুগল গ্রুপস আর্কাইভ থেকে সংগৃহীত)}}
* [সি ল্যাঙ্গুয়েজের] অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজের মতো ক্ষমতা এবং অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজের মতোই সুবিধা রয়েছে।
** কেড মেটজের [http://www.wired.com/wiredenterprise/2011/10/thedennisritchieeffect/ "ডেনিস রিচি: দ্য শোল্ডার্স স্টিভ জবস স্টুড অন",] ''[[w: ওয়্যারড (ম্যাগাজিন)|ওয়্যারড]]'', ১৩ অক্টোবর ২০১১ এ উদ্ধৃত।
* [[ইউনিক্স|ইউনিক্স]] অত্যন্ত সাধারণ, এর সাধারণত্ব বোঝার জন্য শুধু একজন প্রতিভাবান মানুষের প্রয়োজন।
** {{cite web|url=http://www.brainy quote.com/quotes/authors/d/dennis_ritchie.html|title=ব্রেইনি কোট.কম}}{{fix cite}}
** {{Cite web|url=https://www.linfo.org/q_unix.html|title=লিনফো.অর্গ}}{{fix cite}}
* সি অদ্ভুত, ত্রুটিপূর্ণ এবং একটি বিশাল সফল সৃষ্টি।
** {{cite web|url=https://www.bell-labs.com/usr/dmr/www/chist.html|title=দ্য ডেভেলপমেন্ট অফ দ্য সি ল্যাঙ্গুয়েজ}}
* জীবন বড়ই কঠিন, আর একসময় তোমার পা-ও জবাব দিয়ে দেবে।
** {{cite web|url=http://fortunes.cat-v.org/plan_9/|title=প্ল্যান ৯ ফরচুনস ফাইল}}
=== সফটওয়্যার গবেষণার ওপর প্রতিফলন (১৯৮৪) ===
১৯৮৩ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] বক্তৃতা[http://awards.acm.org/images/awards/140/articles/2898606.pdf], ''[[w:কমিউনিকেশনস অফ দ্য এসিএম|কমিউনিকেশনস অফ দ্য এসিএম]]'' '''২৭''' (৮), আগস্ট ১৯৮৪, পৃষ্ঠা ৭৫৮-৭৬০।
* [[কম্পিউটার বিজ্ঞান]] গবেষণা অন্যান্য প্রথাগত শাখাগুলো থেকে আলাদা। দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটি ভৌত বিজ্ঞান থেকে পৃথক, কারণ এটি প্রাকৃতিক জগতকে আবিষ্কার, ব্যাখ্যা বা ব্যবহার করতে চায় না; বরং মানুষের তৈরি যন্ত্রের বৈশিষ্ট্যগুলো নিয়ে গবেষণা করে। এই দিক থেকে এটি গণিতের অনুরূপ, এবং প্রকৃতপক্ষে কম্পিউটার বিজ্ঞানের ‘বিজ্ঞান’ অংশটি মূলত গাণিতিক ভাবধারার। কিন্তু কম্পিউটার বিজ্ঞানের একটি অনিবার্য দিক হলো কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরি করা: এমন কিছু বস্তু যা অদৃশ্য হওয়া সত্ত্বেও বাণিজ্যিক লেনদেনের অন্তর্ভুক্ত।
* বর্তমান সময়ে ভালো [[কম্পিউটার বিজ্ঞান]] গবেষণার জন্য সবচেয়ে বড় বিপদ হতে পারে এর ''অতিরিক্ত'' [[প্রাসঙ্গিকতা]]। কম্পিউটার নিয়ে বিশ্বব্যাপী মুগ্ধতার প্রমাণ সবখানেই পাওয়া যায় সংবাদপত্রের অর্থনৈতিক পাতা থেকে শুরু করে সামনের পাতার নিবন্ধগুলোতে, এমনকি নামী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও কম্পিউটার বিজ্ঞানের শিক্ষক খুঁজে পেতে এবং তাঁদের ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে। সেরা অধ্যাপকরা মেধাবী ছাত্রদের পড়ানোর বদলে স্টার্ট-আপ কোম্পানিগুলোতে যোগ দিচ্ছেন।
* অন্য একটি বিপদ হলো, বিভিন্ন ধরনের বাণিজ্যিক চাপ সেরা চিন্তাবিদদের মনোযোগ প্রকৃত উদ্ভাবন থেকে সরিয়ে বর্তমান জনপ্রিয় ধারার অপব্যবহারের দিকে নিয়ে যাবে; অর্থাৎ নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধানের বদলে পরিচিত খনি থেকে সম্পদ আহরণেই তারা ব্যস্ত হয়ে পড়বে।
* গুরুত্বপূর্ণ নতুন সিস্টেমগুলোর কার্যকরী উদাহরণগুলো মনে হয় এসেছে হয় উদ্যোক্তাদের প্রচেষ্টা (ভিসিক্যালক একটি ভালো উদাহরণ) থেকে, অথবা বেল ল্যাবস এবং বিশেষ করে জেরক্সের মতো বড় কোম্পানিগুলো থেকে, যারা কম্পিউটারের সাথে গভীরভাবে যুক্ত ছিল এবং এ নিয়ে গবেষণা করার সামর্থ্য রাখত, কিন্তু এগুলোকে তাদের প্রাথমিক ব্যবসা হিসেবে গণ্য করত না।
=== [[ইউনিক্স]] এবং ইউনিক্স-সদৃশ সিস্টেম প্রসঙ্গে (১৯৯৯) ===
* আমি মনে করি [[লিনাক্স|লিনাক্সের]] জয়জয়কার বেশ আনন্দদায়ক, কারণ এটি [[ইউনিক্স]] যে ভিত্তি প্রদান করেছিল তার ওপর প্রবলভাবে নির্ভর করে গড়ে উঠেছে। লিনাক্সকে সরাসরি ইউনিক্স থেকে উদ্ভূত ব্যবস্থাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর মনে হয়, যদিও বিভিন্ন বিএসডি সিস্টেমের পাশাপাশি ওয়ার্কস্টেশন এবং মেইনফ্রেম প্রস্তুতকারকদের আরও কিছু দাপ্তরিক সংস্করণও রয়েছে।
** {{cite web|url=http://www.linuxfocus.org/English/July1999/article79.html|title=ইন্টারভিউ উইথ ডেনিস এম. রিচি|date=১৯৯৯|publisher=LinuxFocus.org}}।
* আমার নিজের কম্পিউটেশনাল জগতটি প্ল্যান ৯, উইন্ডোজ এবং ইনফার্নোর এক অদ্ভুত মিশ্রণ। আমি লিনাক্সের প্রবৃদ্ধি এবং প্রাণশক্তির খুব প্রশংসা করি। মাঝেমধ্যে মানুষ আমাকে [লিনাক্স সম্পর্কে] একই ধরণের প্রশ্ন করেন, কিন্তু এমনভাবে করেন যেন তাঁরা আশা করছেন যে আমি প্রথাগত কোম্পানিগুলোর ব্র্যান্ড করা [[ইউনিক্স|ইউনিক্সের]] বদলে লিনাক্সের এই সাফল্যে ঈর্ষা বা বিরক্তি প্রকাশ করব। মোটেও তেমনটি নয়; আমি এই উভয়কেই সেই সব ধারণার ধারাবাহিকতা বলে মনে করি যা কেন, আমি এবং আরও অনেকে বহু বছর আগে শুরু করেছিলাম।
** {{cite web|url=http://www.linuxfocus.org/English/July1999/article79.html|title=ইন্টারভিউ উইথ ডেনিস এম. রিচি|date=১৯৯৯|publisher=LinuxFocus.org}}।
=== [[ইউনিক্স]], লিনাক্স এবং ওপেন সোর্স প্রসঙ্গে (২০০১) ===
* আমি মনে করি লিনাক্স বিপ্লবের একটি আকর্ষণীয় দিক হলো যে [লিনাস] এমন এক আশ্চর্যজনকভাবে বিস্তৃত উন্নয়ন পরিবেশের ওপর এক ধরণের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছেন। আমি অবশ্যই আনন্দিত যে আমাকে সবার সামনে জনসমক্ষে সি তৈরি করতে হয়নি, কারণ সেখানে প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি পরামর্শ আসত। একটি ছোট ও চমৎকার দলের মধ্যে থাকলে আপনি এই ধরণের বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। সত্যি বলতে আমি লিনাক্স কার্নেল প্রকল্পের গতিপ্রকৃতি এবং বিস্তারিত জানি না। তবে লিনাক্সের ওপর একটি বড় অভিযোগ হলো যে এটি বিশৃঙ্খল। কিন্তু আমার মনে হয় সম্ভবত আরও নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষণ হবে যে, এই উদ্যোগের ধরণ অনুযায়ী এটি প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি সুশৃঙ্খল।
** {{cite web|url=http://www.linux-mag.com/id/801/|title=লিনাক্স ম্যাগাজিন: দ্য গুরু|date=১৫ জুন ২০০১}}।
* আমি আসলে লিনাক্স এবং [[ইউনিক্স|ইউনিক্সের]] সরাসরি বংশধরদের মধ্যে খুব একটা পার্থক্য করি না। আমি মনে করি কোনো না কোনো স্তরে তারা সবাই এক। প্রায়ই মানুষ আমাকে জিজ্ঞেস করেন, "লিনাক্স এত বড় বিষয় হয়ে ওঠায় আপনি কি ঈর্ষা বোধ করেন?" এবং উত্তর হলো 'না', ঠিক একই কারণে। আমি মনে করি তারা অভিন্ন।
** {{cite web|url=http://www.linux-mag.com/id/801/|title=লিনাক্স ম্যাগাজিন: দ্য গুরু|date=১৫ জুন ২০০১}}।
== ডেনিস রিচি সম্পর্কে উক্তি ==
* রিচি এবং [[কেন থম্পসন|থম্পসন]] একটি অসামান্য দল ছিলেন; তাঁরা ইউনিক্স এবং সি-কে এমনভাবে চালনা করতেন যেন কোনো সূক্ষ্ম বাদ্যযন্ত্র বাজাচ্ছেন। মাঝেমধ্যে তাঁরা কাজের ভাগ এমনভাবে করতেন প্রায় সাবরুটিন-বাই-সাবরুটিন ভিত্তিতে যে তাঁদের মধ্যকার বোঝাপড়া দেখে মনে হতো এটি একক কোনো ব্যক্তির কাজ। প্রকৃতপক্ষে, ডেনিস যেমনটি বর্ণনা করেছেন, একবার তাঁদের সংকেত আদান-প্রদানে ভুল হওয়ায় তাঁরা দুজনেই একই সাবরুটিন লিখে ফেলেছিলেন। সেই দুটি সংস্করণ কেবল একই ফলাফল প্রদান করেনি, সেগুলোর সোর্স কোডও ছিল হুবহু এক! তাঁদের কাজের পরিমাণ ছিল বিস্ময়কর। একবার আমি গণনা করে দেখেছিলাম যে আগের বছর তাঁরা কতটুকু প্রোডাকশন কোড লিখেছিলেন ১,০০,০০০ লাইন! আর বিস্ময়কর মানে এই নয় যে সেগুলো দায়সারা ছিল। কেন এবং ডেনিসের নকশা করার জ্ঞান ছিল অব্যর্থ। তাঁরা এমন কোড লেখেন যা কাজ করে, যা পড়া যায় এবং যা সময়ের সাথে বিবর্তিত হতে পারে।
** [[ডগ ম্যাকইলরয়]] (২০১১), [http://www.cs.dartmouth.edu/~doug/dmr.pdf ডেনিস রিচির জন্য জাপান প্রাইজ প্রদান অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্য, ১৯ মে ২০১১, মারে হিল, নিউ জার্সি।]
* জায়ান্ট বা দানবদের কাঁধে চড়ে দাঁড়িয়ে থাকা নিয়ে [[আইজ্যাক নিউটন|নিউটনের]] সেই বিখ্যাত উক্তিটি রয়েছে। আমরা সবাই আসলে ডেনিসের কাঁধের ওপর দাঁড়িয়ে আছি।
** [[ব্রায়ান কার্নিগান]], কেড মেটজের [http://www.wired.com/wiredenterprise/2011/10/thedennisritchieeffect/ "ডেনিস রিচি: দ্য শোল্ডার্স স্টিভ জবস স্টুড অন",] ''[[w: ওয়্যারড (ম্যাগাজিন)|ওয়্যারড]]'', ১৩ অক্টোবর ২০১১-এ উদ্ধৃত।
* তিনি ছিলেন তীক্ষ্ণ মেধার অধিকারী, গণিতে আমার চেয়েও অনেক বেশি দক্ষ ছিলেন। একবার কোনো ধারণা মাথায় এলে তিনি বুলডগের মতো তা নিয়ে পড়ে থাকতেন এবং সেটি সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত কাজ করে যেতেন। আমরা বহু বছর ধরে একে অপরের খুব ঘনিষ্ঠ হয়ে কাজ করেছি।
** [[কেন থম্পসন]] [https://www.youtube.com/watch?v=g3jOJfrOknA পুশিং দ্য লিমিটস অফ টেকনোলজি: দ্য কেন থম্পসন অ্যান্ড ডেনিস রিচি স্টোরি] [https://www.youtube.com/@nationalinventorshalloffame ন্যাশনাল ইনভেন্টরস হল অব ফেম - এনআইএইচএফ]
== বহিঃসংযোগ ==
{{Wikipedia}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী}}
{{DEFAULTSORT:Ritchie, Dennis}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কম্পিউটার বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪১-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০১১-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:নিউ ইয়র্ক সিটির ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:টুরিং পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]]
lele0hipl3wzmijm297t5hhhv6dlpm0
75575
75565
2026-04-11T05:48:16Z
মোহাম্মদ জনি হোসেন
104
হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:নিউ ইয়র্ক সিটির ব্যক্তি]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:নিউ ইয়র্ক শহরের ব্যক্তি]] যোগ
75575
wikitext
text/x-wiki
[[File:Dennis Ritchie 2011.jpg|thumb|right|ডেনিস রিচি]]
'''[[w:ডেনিস রিচি|ডেনিস ম্যাকঅ্যালিস্টেয়ার রিচি]]''' ([[৯ সেপ্টেম্বর]], [[১৯৪১]] – আনু. [[১২ অক্টোবর]], [[২০১১]]) ছিলেন একজন মার্কিন [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানী]] এবং [[কেন থম্পসন|কেন থম্পসনের]] সাথে ১৯৮৩ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] বিজয়ী। তিনি [[w:সি (প্রোগ্রামিং ভাষা)|সি প্রোগ্রামিং ভাষা]] তৈরি করেছিলেন এবং থম্পসনের সাথে যৌথভাবে [[ইউনিক্স]] অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন, যা পরবর্তী সময়ের [[প্রোগ্রামিং ভাষা]] এবং [[w:অপারেটিং সিস্টেম|অপারেটিং সিস্টেমগুলোর]] ওপর ব্যাপক ও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলেছে।
== উক্তি ==
* আমরা যা রক্ষা করতে চেয়েছিলাম তা কেবল প্রোগ্রামিং করার জন্য একটি ভালো পরিবেশ নয়, বরং এমন একটি ব্যবস্থা যা ঘিরে একটি ভ্রাতৃত্ব বা সাহচর্য গড়ে উঠতে পারে। আমরা অভিজ্ঞতা থেকে জানতাম যে রিমোট-অ্যাক্সেস এবং টাইম শেয়ারড মেশিনের মাধ্যমে পাওয়া সাম্প্রদায়িক কম্পিউটিংয়ের মূল নির্যাস কেবল কী-পাঞ্চের বদলে টার্মিনালে প্রোগ্রাম টাইপ করা নয়, বরং নিবিড় যোগাযোগকে উৎসাহিত করা।
** ১৯৮০ সালের একটি বক্তৃতা "দ্য ইভোল্যুশন অফ দ্য ইউনিক্স টাইম-শেয়ারিং সিস্টেম" এ, ক্রিস্টোফার নেগাস রচিত ''[http://books.google.com/books?id=W5vItTVMLaYC&pg=PT650 লিনাক্স বাইবেল ২০১০ সংস্করণ]'' (২০১০) এ উদ্ধৃত।
* আমি বর্তমানে ‘ডেমিগডিক’ (অর্ধ-ঈশ্বরতুল্য) দলের সদস্য নই, আর কখনও ছিলামও না।
** {{cite web|url=http://groups.google.com/group/net.unix-wizards/msg/1c9d2e4c341f9b41|title=ইউজনেট : নেট.ইউনিক্স-উইজার্ডস|date=১৯৮৪-০৩-১৩ (গুগল গ্রুপস আর্কাইভ থেকে সংগৃহীত)}}
* [সি ল্যাঙ্গুয়েজের] অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজের মতো ক্ষমতা এবং অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজের মতোই সুবিধা রয়েছে।
** কেড মেটজের [http://www.wired.com/wiredenterprise/2011/10/thedennisritchieeffect/ "ডেনিস রিচি: দ্য শোল্ডার্স স্টিভ জবস স্টুড অন",] ''[[w: ওয়্যারড (ম্যাগাজিন)|ওয়্যারড]]'', ১৩ অক্টোবর ২০১১ এ উদ্ধৃত।
* [[ইউনিক্স|ইউনিক্স]] অত্যন্ত সাধারণ, এর সাধারণত্ব বোঝার জন্য শুধু একজন প্রতিভাবান মানুষের প্রয়োজন।
** {{cite web|url=http://www.brainy quote.com/quotes/authors/d/dennis_ritchie.html|title=ব্রেইনি কোট.কম}}{{fix cite}}
** {{Cite web|url=https://www.linfo.org/q_unix.html|title=লিনফো.অর্গ}}{{fix cite}}
* সি অদ্ভুত, ত্রুটিপূর্ণ এবং একটি বিশাল সফল সৃষ্টি।
** {{cite web|url=https://www.bell-labs.com/usr/dmr/www/chist.html|title=দ্য ডেভেলপমেন্ট অফ দ্য সি ল্যাঙ্গুয়েজ}}
* জীবন বড়ই কঠিন, আর একসময় তোমার পা-ও জবাব দিয়ে দেবে।
** {{cite web|url=http://fortunes.cat-v.org/plan_9/|title=প্ল্যান ৯ ফরচুনস ফাইল}}
=== সফটওয়্যার গবেষণার ওপর প্রতিফলন (১৯৮৪) ===
১৯৮৩ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] বক্তৃতা[http://awards.acm.org/images/awards/140/articles/2898606.pdf], ''[[w:কমিউনিকেশনস অফ দ্য এসিএম|কমিউনিকেশনস অফ দ্য এসিএম]]'' '''২৭''' (৮), আগস্ট ১৯৮৪, পৃষ্ঠা ৭৫৮-৭৬০।
* [[কম্পিউটার বিজ্ঞান]] গবেষণা অন্যান্য প্রথাগত শাখাগুলো থেকে আলাদা। দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটি ভৌত বিজ্ঞান থেকে পৃথক, কারণ এটি প্রাকৃতিক জগতকে আবিষ্কার, ব্যাখ্যা বা ব্যবহার করতে চায় না; বরং মানুষের তৈরি যন্ত্রের বৈশিষ্ট্যগুলো নিয়ে গবেষণা করে। এই দিক থেকে এটি গণিতের অনুরূপ, এবং প্রকৃতপক্ষে কম্পিউটার বিজ্ঞানের ‘বিজ্ঞান’ অংশটি মূলত গাণিতিক ভাবধারার। কিন্তু কম্পিউটার বিজ্ঞানের একটি অনিবার্য দিক হলো কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরি করা: এমন কিছু বস্তু যা অদৃশ্য হওয়া সত্ত্বেও বাণিজ্যিক লেনদেনের অন্তর্ভুক্ত।
* বর্তমান সময়ে ভালো [[কম্পিউটার বিজ্ঞান]] গবেষণার জন্য সবচেয়ে বড় বিপদ হতে পারে এর ''অতিরিক্ত'' [[প্রাসঙ্গিকতা]]। কম্পিউটার নিয়ে বিশ্বব্যাপী মুগ্ধতার প্রমাণ সবখানেই পাওয়া যায় সংবাদপত্রের অর্থনৈতিক পাতা থেকে শুরু করে সামনের পাতার নিবন্ধগুলোতে, এমনকি নামী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও কম্পিউটার বিজ্ঞানের শিক্ষক খুঁজে পেতে এবং তাঁদের ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে। সেরা অধ্যাপকরা মেধাবী ছাত্রদের পড়ানোর বদলে স্টার্ট-আপ কোম্পানিগুলোতে যোগ দিচ্ছেন।
* অন্য একটি বিপদ হলো, বিভিন্ন ধরনের বাণিজ্যিক চাপ সেরা চিন্তাবিদদের মনোযোগ প্রকৃত উদ্ভাবন থেকে সরিয়ে বর্তমান জনপ্রিয় ধারার অপব্যবহারের দিকে নিয়ে যাবে; অর্থাৎ নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধানের বদলে পরিচিত খনি থেকে সম্পদ আহরণেই তারা ব্যস্ত হয়ে পড়বে।
* গুরুত্বপূর্ণ নতুন সিস্টেমগুলোর কার্যকরী উদাহরণগুলো মনে হয় এসেছে হয় উদ্যোক্তাদের প্রচেষ্টা (ভিসিক্যালক একটি ভালো উদাহরণ) থেকে, অথবা বেল ল্যাবস এবং বিশেষ করে জেরক্সের মতো বড় কোম্পানিগুলো থেকে, যারা কম্পিউটারের সাথে গভীরভাবে যুক্ত ছিল এবং এ নিয়ে গবেষণা করার সামর্থ্য রাখত, কিন্তু এগুলোকে তাদের প্রাথমিক ব্যবসা হিসেবে গণ্য করত না।
=== [[ইউনিক্স]] এবং ইউনিক্স-সদৃশ সিস্টেম প্রসঙ্গে (১৯৯৯) ===
* আমি মনে করি [[লিনাক্স|লিনাক্সের]] জয়জয়কার বেশ আনন্দদায়ক, কারণ এটি [[ইউনিক্স]] যে ভিত্তি প্রদান করেছিল তার ওপর প্রবলভাবে নির্ভর করে গড়ে উঠেছে। লিনাক্সকে সরাসরি ইউনিক্স থেকে উদ্ভূত ব্যবস্থাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর মনে হয়, যদিও বিভিন্ন বিএসডি সিস্টেমের পাশাপাশি ওয়ার্কস্টেশন এবং মেইনফ্রেম প্রস্তুতকারকদের আরও কিছু দাপ্তরিক সংস্করণও রয়েছে।
** {{cite web|url=http://www.linuxfocus.org/English/July1999/article79.html|title=ইন্টারভিউ উইথ ডেনিস এম. রিচি|date=১৯৯৯|publisher=LinuxFocus.org}}।
* আমার নিজের কম্পিউটেশনাল জগতটি প্ল্যান ৯, উইন্ডোজ এবং ইনফার্নোর এক অদ্ভুত মিশ্রণ। আমি লিনাক্সের প্রবৃদ্ধি এবং প্রাণশক্তির খুব প্রশংসা করি। মাঝেমধ্যে মানুষ আমাকে [লিনাক্স সম্পর্কে] একই ধরণের প্রশ্ন করেন, কিন্তু এমনভাবে করেন যেন তাঁরা আশা করছেন যে আমি প্রথাগত কোম্পানিগুলোর ব্র্যান্ড করা [[ইউনিক্স|ইউনিক্সের]] বদলে লিনাক্সের এই সাফল্যে ঈর্ষা বা বিরক্তি প্রকাশ করব। মোটেও তেমনটি নয়; আমি এই উভয়কেই সেই সব ধারণার ধারাবাহিকতা বলে মনে করি যা কেন, আমি এবং আরও অনেকে বহু বছর আগে শুরু করেছিলাম।
** {{cite web|url=http://www.linuxfocus.org/English/July1999/article79.html|title=ইন্টারভিউ উইথ ডেনিস এম. রিচি|date=১৯৯৯|publisher=LinuxFocus.org}}।
=== [[ইউনিক্স]], লিনাক্স এবং ওপেন সোর্স প্রসঙ্গে (২০০১) ===
* আমি মনে করি লিনাক্স বিপ্লবের একটি আকর্ষণীয় দিক হলো যে [লিনাস] এমন এক আশ্চর্যজনকভাবে বিস্তৃত উন্নয়ন পরিবেশের ওপর এক ধরণের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছেন। আমি অবশ্যই আনন্দিত যে আমাকে সবার সামনে জনসমক্ষে সি তৈরি করতে হয়নি, কারণ সেখানে প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি পরামর্শ আসত। একটি ছোট ও চমৎকার দলের মধ্যে থাকলে আপনি এই ধরণের বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। সত্যি বলতে আমি লিনাক্স কার্নেল প্রকল্পের গতিপ্রকৃতি এবং বিস্তারিত জানি না। তবে লিনাক্সের ওপর একটি বড় অভিযোগ হলো যে এটি বিশৃঙ্খল। কিন্তু আমার মনে হয় সম্ভবত আরও নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষণ হবে যে, এই উদ্যোগের ধরণ অনুযায়ী এটি প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি সুশৃঙ্খল।
** {{cite web|url=http://www.linux-mag.com/id/801/|title=লিনাক্স ম্যাগাজিন: দ্য গুরু|date=১৫ জুন ২০০১}}।
* আমি আসলে লিনাক্স এবং [[ইউনিক্স|ইউনিক্সের]] সরাসরি বংশধরদের মধ্যে খুব একটা পার্থক্য করি না। আমি মনে করি কোনো না কোনো স্তরে তারা সবাই এক। প্রায়ই মানুষ আমাকে জিজ্ঞেস করেন, "লিনাক্স এত বড় বিষয় হয়ে ওঠায় আপনি কি ঈর্ষা বোধ করেন?" এবং উত্তর হলো 'না', ঠিক একই কারণে। আমি মনে করি তারা অভিন্ন।
** {{cite web|url=http://www.linux-mag.com/id/801/|title=লিনাক্স ম্যাগাজিন: দ্য গুরু|date=১৫ জুন ২০০১}}।
== ডেনিস রিচি সম্পর্কে উক্তি ==
* রিচি এবং [[কেন থম্পসন|থম্পসন]] একটি অসামান্য দল ছিলেন; তাঁরা ইউনিক্স এবং সি-কে এমনভাবে চালনা করতেন যেন কোনো সূক্ষ্ম বাদ্যযন্ত্র বাজাচ্ছেন। মাঝেমধ্যে তাঁরা কাজের ভাগ এমনভাবে করতেন প্রায় সাবরুটিন-বাই-সাবরুটিন ভিত্তিতে যে তাঁদের মধ্যকার বোঝাপড়া দেখে মনে হতো এটি একক কোনো ব্যক্তির কাজ। প্রকৃতপক্ষে, ডেনিস যেমনটি বর্ণনা করেছেন, একবার তাঁদের সংকেত আদান-প্রদানে ভুল হওয়ায় তাঁরা দুজনেই একই সাবরুটিন লিখে ফেলেছিলেন। সেই দুটি সংস্করণ কেবল একই ফলাফল প্রদান করেনি, সেগুলোর সোর্স কোডও ছিল হুবহু এক! তাঁদের কাজের পরিমাণ ছিল বিস্ময়কর। একবার আমি গণনা করে দেখেছিলাম যে আগের বছর তাঁরা কতটুকু প্রোডাকশন কোড লিখেছিলেন ১,০০,০০০ লাইন! আর বিস্ময়কর মানে এই নয় যে সেগুলো দায়সারা ছিল। কেন এবং ডেনিসের নকশা করার জ্ঞান ছিল অব্যর্থ। তাঁরা এমন কোড লেখেন যা কাজ করে, যা পড়া যায় এবং যা সময়ের সাথে বিবর্তিত হতে পারে।
** [[ডগ ম্যাকইলরয়]] (২০১১), [http://www.cs.dartmouth.edu/~doug/dmr.pdf ডেনিস রিচির জন্য জাপান প্রাইজ প্রদান অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্য, ১৯ মে ২০১১, মারে হিল, নিউ জার্সি।]
* জায়ান্ট বা দানবদের কাঁধে চড়ে দাঁড়িয়ে থাকা নিয়ে [[আইজ্যাক নিউটন|নিউটনের]] সেই বিখ্যাত উক্তিটি রয়েছে। আমরা সবাই আসলে ডেনিসের কাঁধের ওপর দাঁড়িয়ে আছি।
** [[ব্রায়ান কার্নিগান]], কেড মেটজের [http://www.wired.com/wiredenterprise/2011/10/thedennisritchieeffect/ "ডেনিস রিচি: দ্য শোল্ডার্স স্টিভ জবস স্টুড অন",] ''[[w: ওয়্যারড (ম্যাগাজিন)|ওয়্যারড]]'', ১৩ অক্টোবর ২০১১-এ উদ্ধৃত।
* তিনি ছিলেন তীক্ষ্ণ মেধার অধিকারী, গণিতে আমার চেয়েও অনেক বেশি দক্ষ ছিলেন। একবার কোনো ধারণা মাথায় এলে তিনি বুলডগের মতো তা নিয়ে পড়ে থাকতেন এবং সেটি সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত কাজ করে যেতেন। আমরা বহু বছর ধরে একে অপরের খুব ঘনিষ্ঠ হয়ে কাজ করেছি।
** [[কেন থম্পসন]] [https://www.youtube.com/watch?v=g3jOJfrOknA পুশিং দ্য লিমিটস অফ টেকনোলজি: দ্য কেন থম্পসন অ্যান্ড ডেনিস রিচি স্টোরি] [https://www.youtube.com/@nationalinventorshalloffame ন্যাশনাল ইনভেন্টরস হল অব ফেম - এনআইএইচএফ]
== বহিঃসংযোগ ==
{{Wikipedia}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী}}
{{DEFAULTSORT:Ritchie, Dennis}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কম্পিউটার বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪১-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০১১-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:নিউ ইয়র্ক শহরের ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:টুরিং পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]]
g5j931lvzrwnih8n8j0v4jruo0cxlox
75576
75575
2026-04-11T05:49:01Z
মোহাম্মদ জনি হোসেন
104
হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কম্পিউটার বিজ্ঞানী]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞানী]] যোগ
75576
wikitext
text/x-wiki
[[File:Dennis Ritchie 2011.jpg|thumb|right|ডেনিস রিচি]]
'''[[w:ডেনিস রিচি|ডেনিস ম্যাকঅ্যালিস্টেয়ার রিচি]]''' ([[৯ সেপ্টেম্বর]], [[১৯৪১]] – আনু. [[১২ অক্টোবর]], [[২০১১]]) ছিলেন একজন মার্কিন [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানী]] এবং [[কেন থম্পসন|কেন থম্পসনের]] সাথে ১৯৮৩ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] বিজয়ী। তিনি [[w:সি (প্রোগ্রামিং ভাষা)|সি প্রোগ্রামিং ভাষা]] তৈরি করেছিলেন এবং থম্পসনের সাথে যৌথভাবে [[ইউনিক্স]] অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন, যা পরবর্তী সময়ের [[প্রোগ্রামিং ভাষা]] এবং [[w:অপারেটিং সিস্টেম|অপারেটিং সিস্টেমগুলোর]] ওপর ব্যাপক ও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলেছে।
== উক্তি ==
* আমরা যা রক্ষা করতে চেয়েছিলাম তা কেবল প্রোগ্রামিং করার জন্য একটি ভালো পরিবেশ নয়, বরং এমন একটি ব্যবস্থা যা ঘিরে একটি ভ্রাতৃত্ব বা সাহচর্য গড়ে উঠতে পারে। আমরা অভিজ্ঞতা থেকে জানতাম যে রিমোট-অ্যাক্সেস এবং টাইম শেয়ারড মেশিনের মাধ্যমে পাওয়া সাম্প্রদায়িক কম্পিউটিংয়ের মূল নির্যাস কেবল কী-পাঞ্চের বদলে টার্মিনালে প্রোগ্রাম টাইপ করা নয়, বরং নিবিড় যোগাযোগকে উৎসাহিত করা।
** ১৯৮০ সালের একটি বক্তৃতা "দ্য ইভোল্যুশন অফ দ্য ইউনিক্স টাইম-শেয়ারিং সিস্টেম" এ, ক্রিস্টোফার নেগাস রচিত ''[http://books.google.com/books?id=W5vItTVMLaYC&pg=PT650 লিনাক্স বাইবেল ২০১০ সংস্করণ]'' (২০১০) এ উদ্ধৃত।
* আমি বর্তমানে ‘ডেমিগডিক’ (অর্ধ-ঈশ্বরতুল্য) দলের সদস্য নই, আর কখনও ছিলামও না।
** {{cite web|url=http://groups.google.com/group/net.unix-wizards/msg/1c9d2e4c341f9b41|title=ইউজনেট : নেট.ইউনিক্স-উইজার্ডস|date=১৯৮৪-০৩-১৩ (গুগল গ্রুপস আর্কাইভ থেকে সংগৃহীত)}}
* [সি ল্যাঙ্গুয়েজের] অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজের মতো ক্ষমতা এবং অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজের মতোই সুবিধা রয়েছে।
** কেড মেটজের [http://www.wired.com/wiredenterprise/2011/10/thedennisritchieeffect/ "ডেনিস রিচি: দ্য শোল্ডার্স স্টিভ জবস স্টুড অন",] ''[[w: ওয়্যারড (ম্যাগাজিন)|ওয়্যারড]]'', ১৩ অক্টোবর ২০১১ এ উদ্ধৃত।
* [[ইউনিক্স|ইউনিক্স]] অত্যন্ত সাধারণ, এর সাধারণত্ব বোঝার জন্য শুধু একজন প্রতিভাবান মানুষের প্রয়োজন।
** {{cite web|url=http://www.brainy quote.com/quotes/authors/d/dennis_ritchie.html|title=ব্রেইনি কোট.কম}}{{fix cite}}
** {{Cite web|url=https://www.linfo.org/q_unix.html|title=লিনফো.অর্গ}}{{fix cite}}
* সি অদ্ভুত, ত্রুটিপূর্ণ এবং একটি বিশাল সফল সৃষ্টি।
** {{cite web|url=https://www.bell-labs.com/usr/dmr/www/chist.html|title=দ্য ডেভেলপমেন্ট অফ দ্য সি ল্যাঙ্গুয়েজ}}
* জীবন বড়ই কঠিন, আর একসময় তোমার পা-ও জবাব দিয়ে দেবে।
** {{cite web|url=http://fortunes.cat-v.org/plan_9/|title=প্ল্যান ৯ ফরচুনস ফাইল}}
=== সফটওয়্যার গবেষণার ওপর প্রতিফলন (১৯৮৪) ===
১৯৮৩ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] বক্তৃতা[http://awards.acm.org/images/awards/140/articles/2898606.pdf], ''[[w:কমিউনিকেশনস অফ দ্য এসিএম|কমিউনিকেশনস অফ দ্য এসিএম]]'' '''২৭''' (৮), আগস্ট ১৯৮৪, পৃষ্ঠা ৭৫৮-৭৬০।
* [[কম্পিউটার বিজ্ঞান]] গবেষণা অন্যান্য প্রথাগত শাখাগুলো থেকে আলাদা। দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটি ভৌত বিজ্ঞান থেকে পৃথক, কারণ এটি প্রাকৃতিক জগতকে আবিষ্কার, ব্যাখ্যা বা ব্যবহার করতে চায় না; বরং মানুষের তৈরি যন্ত্রের বৈশিষ্ট্যগুলো নিয়ে গবেষণা করে। এই দিক থেকে এটি গণিতের অনুরূপ, এবং প্রকৃতপক্ষে কম্পিউটার বিজ্ঞানের ‘বিজ্ঞান’ অংশটি মূলত গাণিতিক ভাবধারার। কিন্তু কম্পিউটার বিজ্ঞানের একটি অনিবার্য দিক হলো কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরি করা: এমন কিছু বস্তু যা অদৃশ্য হওয়া সত্ত্বেও বাণিজ্যিক লেনদেনের অন্তর্ভুক্ত।
* বর্তমান সময়ে ভালো [[কম্পিউটার বিজ্ঞান]] গবেষণার জন্য সবচেয়ে বড় বিপদ হতে পারে এর ''অতিরিক্ত'' [[প্রাসঙ্গিকতা]]। কম্পিউটার নিয়ে বিশ্বব্যাপী মুগ্ধতার প্রমাণ সবখানেই পাওয়া যায় সংবাদপত্রের অর্থনৈতিক পাতা থেকে শুরু করে সামনের পাতার নিবন্ধগুলোতে, এমনকি নামী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও কম্পিউটার বিজ্ঞানের শিক্ষক খুঁজে পেতে এবং তাঁদের ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে। সেরা অধ্যাপকরা মেধাবী ছাত্রদের পড়ানোর বদলে স্টার্ট-আপ কোম্পানিগুলোতে যোগ দিচ্ছেন।
* অন্য একটি বিপদ হলো, বিভিন্ন ধরনের বাণিজ্যিক চাপ সেরা চিন্তাবিদদের মনোযোগ প্রকৃত উদ্ভাবন থেকে সরিয়ে বর্তমান জনপ্রিয় ধারার অপব্যবহারের দিকে নিয়ে যাবে; অর্থাৎ নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধানের বদলে পরিচিত খনি থেকে সম্পদ আহরণেই তারা ব্যস্ত হয়ে পড়বে।
* গুরুত্বপূর্ণ নতুন সিস্টেমগুলোর কার্যকরী উদাহরণগুলো মনে হয় এসেছে হয় উদ্যোক্তাদের প্রচেষ্টা (ভিসিক্যালক একটি ভালো উদাহরণ) থেকে, অথবা বেল ল্যাবস এবং বিশেষ করে জেরক্সের মতো বড় কোম্পানিগুলো থেকে, যারা কম্পিউটারের সাথে গভীরভাবে যুক্ত ছিল এবং এ নিয়ে গবেষণা করার সামর্থ্য রাখত, কিন্তু এগুলোকে তাদের প্রাথমিক ব্যবসা হিসেবে গণ্য করত না।
=== [[ইউনিক্স]] এবং ইউনিক্স-সদৃশ সিস্টেম প্রসঙ্গে (১৯৯৯) ===
* আমি মনে করি [[লিনাক্স|লিনাক্সের]] জয়জয়কার বেশ আনন্দদায়ক, কারণ এটি [[ইউনিক্স]] যে ভিত্তি প্রদান করেছিল তার ওপর প্রবলভাবে নির্ভর করে গড়ে উঠেছে। লিনাক্সকে সরাসরি ইউনিক্স থেকে উদ্ভূত ব্যবস্থাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর মনে হয়, যদিও বিভিন্ন বিএসডি সিস্টেমের পাশাপাশি ওয়ার্কস্টেশন এবং মেইনফ্রেম প্রস্তুতকারকদের আরও কিছু দাপ্তরিক সংস্করণও রয়েছে।
** {{cite web|url=http://www.linuxfocus.org/English/July1999/article79.html|title=ইন্টারভিউ উইথ ডেনিস এম. রিচি|date=১৯৯৯|publisher=LinuxFocus.org}}।
* আমার নিজের কম্পিউটেশনাল জগতটি প্ল্যান ৯, উইন্ডোজ এবং ইনফার্নোর এক অদ্ভুত মিশ্রণ। আমি লিনাক্সের প্রবৃদ্ধি এবং প্রাণশক্তির খুব প্রশংসা করি। মাঝেমধ্যে মানুষ আমাকে [লিনাক্স সম্পর্কে] একই ধরণের প্রশ্ন করেন, কিন্তু এমনভাবে করেন যেন তাঁরা আশা করছেন যে আমি প্রথাগত কোম্পানিগুলোর ব্র্যান্ড করা [[ইউনিক্স|ইউনিক্সের]] বদলে লিনাক্সের এই সাফল্যে ঈর্ষা বা বিরক্তি প্রকাশ করব। মোটেও তেমনটি নয়; আমি এই উভয়কেই সেই সব ধারণার ধারাবাহিকতা বলে মনে করি যা কেন, আমি এবং আরও অনেকে বহু বছর আগে শুরু করেছিলাম।
** {{cite web|url=http://www.linuxfocus.org/English/July1999/article79.html|title=ইন্টারভিউ উইথ ডেনিস এম. রিচি|date=১৯৯৯|publisher=LinuxFocus.org}}।
=== [[ইউনিক্স]], লিনাক্স এবং ওপেন সোর্স প্রসঙ্গে (২০০১) ===
* আমি মনে করি লিনাক্স বিপ্লবের একটি আকর্ষণীয় দিক হলো যে [লিনাস] এমন এক আশ্চর্যজনকভাবে বিস্তৃত উন্নয়ন পরিবেশের ওপর এক ধরণের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছেন। আমি অবশ্যই আনন্দিত যে আমাকে সবার সামনে জনসমক্ষে সি তৈরি করতে হয়নি, কারণ সেখানে প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি পরামর্শ আসত। একটি ছোট ও চমৎকার দলের মধ্যে থাকলে আপনি এই ধরণের বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। সত্যি বলতে আমি লিনাক্স কার্নেল প্রকল্পের গতিপ্রকৃতি এবং বিস্তারিত জানি না। তবে লিনাক্সের ওপর একটি বড় অভিযোগ হলো যে এটি বিশৃঙ্খল। কিন্তু আমার মনে হয় সম্ভবত আরও নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষণ হবে যে, এই উদ্যোগের ধরণ অনুযায়ী এটি প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি সুশৃঙ্খল।
** {{cite web|url=http://www.linux-mag.com/id/801/|title=লিনাক্স ম্যাগাজিন: দ্য গুরু|date=১৫ জুন ২০০১}}।
* আমি আসলে লিনাক্স এবং [[ইউনিক্স|ইউনিক্সের]] সরাসরি বংশধরদের মধ্যে খুব একটা পার্থক্য করি না। আমি মনে করি কোনো না কোনো স্তরে তারা সবাই এক। প্রায়ই মানুষ আমাকে জিজ্ঞেস করেন, "লিনাক্স এত বড় বিষয় হয়ে ওঠায় আপনি কি ঈর্ষা বোধ করেন?" এবং উত্তর হলো 'না', ঠিক একই কারণে। আমি মনে করি তারা অভিন্ন।
** {{cite web|url=http://www.linux-mag.com/id/801/|title=লিনাক্স ম্যাগাজিন: দ্য গুরু|date=১৫ জুন ২০০১}}।
== ডেনিস রিচি সম্পর্কে উক্তি ==
* রিচি এবং [[কেন থম্পসন|থম্পসন]] একটি অসামান্য দল ছিলেন; তাঁরা ইউনিক্স এবং সি-কে এমনভাবে চালনা করতেন যেন কোনো সূক্ষ্ম বাদ্যযন্ত্র বাজাচ্ছেন। মাঝেমধ্যে তাঁরা কাজের ভাগ এমনভাবে করতেন প্রায় সাবরুটিন-বাই-সাবরুটিন ভিত্তিতে যে তাঁদের মধ্যকার বোঝাপড়া দেখে মনে হতো এটি একক কোনো ব্যক্তির কাজ। প্রকৃতপক্ষে, ডেনিস যেমনটি বর্ণনা করেছেন, একবার তাঁদের সংকেত আদান-প্রদানে ভুল হওয়ায় তাঁরা দুজনেই একই সাবরুটিন লিখে ফেলেছিলেন। সেই দুটি সংস্করণ কেবল একই ফলাফল প্রদান করেনি, সেগুলোর সোর্স কোডও ছিল হুবহু এক! তাঁদের কাজের পরিমাণ ছিল বিস্ময়কর। একবার আমি গণনা করে দেখেছিলাম যে আগের বছর তাঁরা কতটুকু প্রোডাকশন কোড লিখেছিলেন ১,০০,০০০ লাইন! আর বিস্ময়কর মানে এই নয় যে সেগুলো দায়সারা ছিল। কেন এবং ডেনিসের নকশা করার জ্ঞান ছিল অব্যর্থ। তাঁরা এমন কোড লেখেন যা কাজ করে, যা পড়া যায় এবং যা সময়ের সাথে বিবর্তিত হতে পারে।
** [[ডগ ম্যাকইলরয়]] (২০১১), [http://www.cs.dartmouth.edu/~doug/dmr.pdf ডেনিস রিচির জন্য জাপান প্রাইজ প্রদান অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্য, ১৯ মে ২০১১, মারে হিল, নিউ জার্সি।]
* জায়ান্ট বা দানবদের কাঁধে চড়ে দাঁড়িয়ে থাকা নিয়ে [[আইজ্যাক নিউটন|নিউটনের]] সেই বিখ্যাত উক্তিটি রয়েছে। আমরা সবাই আসলে ডেনিসের কাঁধের ওপর দাঁড়িয়ে আছি।
** [[ব্রায়ান কার্নিগান]], কেড মেটজের [http://www.wired.com/wiredenterprise/2011/10/thedennisritchieeffect/ "ডেনিস রিচি: দ্য শোল্ডার্স স্টিভ জবস স্টুড অন",] ''[[w: ওয়্যারড (ম্যাগাজিন)|ওয়্যারড]]'', ১৩ অক্টোবর ২০১১-এ উদ্ধৃত।
* তিনি ছিলেন তীক্ষ্ণ মেধার অধিকারী, গণিতে আমার চেয়েও অনেক বেশি দক্ষ ছিলেন। একবার কোনো ধারণা মাথায় এলে তিনি বুলডগের মতো তা নিয়ে পড়ে থাকতেন এবং সেটি সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত কাজ করে যেতেন। আমরা বহু বছর ধরে একে অপরের খুব ঘনিষ্ঠ হয়ে কাজ করেছি।
** [[কেন থম্পসন]] [https://www.youtube.com/watch?v=g3jOJfrOknA পুশিং দ্য লিমিটস অফ টেকনোলজি: দ্য কেন থম্পসন অ্যান্ড ডেনিস রিচি স্টোরি] [https://www.youtube.com/@nationalinventorshalloffame ন্যাশনাল ইনভেন্টরস হল অব ফেম - এনআইএইচএফ]
== বহিঃসংযোগ ==
{{Wikipedia}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী}}
{{DEFAULTSORT:Ritchie, Dennis}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪১-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০১১-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:নিউ ইয়র্ক শহরের ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:টুরিং পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]]
p226z51keoi3y5e46jfvaodh6ndy31h
ইভো আন্দ্রিক
0
12308
75519
2026-04-11T03:04:56Z
Oindrojalik Watch
4169
"File:S. Kragujevic, Ivo Andric, 1961.jpg|thumb| সাধারণ মানুষ কেবল সেটুকুই মনে রাখে এবং বয়ে বেড়ায়, যা তারা সহজে ধরতে পারে কিংবা যা তারা কোনো কিংবদন্তিতে রূপান্তর করতে সক্ষম হয়। এর বাইরের সবকিছুই ত..." দিয়ে পাতা তৈরি
75519
wikitext
text/x-wiki
[[File:S. Kragujevic, Ivo Andric, 1961.jpg|thumb| সাধারণ মানুষ কেবল সেটুকুই মনে রাখে এবং বয়ে বেড়ায়, যা তারা সহজে ধরতে পারে কিংবা যা তারা কোনো কিংবদন্তিতে রূপান্তর করতে সক্ষম হয়। এর বাইরের সবকিছুই তাদের পাশ কাটিয়ে চলে যায় মনে কোনো গভীর দাগ না ফেলেই। ঠিক যেমন নামহীন কোনো প্রাকৃতিক ঘটনা স্রেফ এক ধরণের মূক উদাসীনতায় বয়ে যায়। যা না তাদের কল্পনাকে ছুঁতে পারে, না স্মৃতিতে টিকে থাকে।]]
'''[[:w:ইভো আন্দ্রিচ|ইভো আন্দ্রিক]]''' (৯ অক্টোবর ১৮৯২ – ১৩ মার্চ ১৯৭৫) ছিলেন একজন [[:w:যুগোস্লাভিয়া|যুগোস্লাভীয়]] ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার এবং ১৯৬১ সালের সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী।
== উক্তি ==
[[File:Mehmed Pasa Sokolovic Bridge Visegrad 1900.JPG|thumb|মানুষ তার বেঁচে থাকার তীব্র তাড়নায় যা কিছু গড়ে তোলে বা নির্মাণ করে, আমার চোখে তার মধ্যে সেতুর চেয়ে উত্তম এবং মূল্যবান আর কিছুই হতে পারে না। ঘরবাড়ির চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ, উপাসনালয়ের চেয়েও পবিত্র হলো এই সেতু! এগুলো সবার তরে, সবার কাছেই সমান। সবসময় এক গভীর উদ্দেশ্য নিয়ে এগুলো ঠিক সেই জায়গাতেই নির্মিত হয় যেখানে মানুষের প্রয়োজনীয়তাগুলো একে অপরের সাথে মিলিত হয়েছে। অন্য যেকোনো স্থাপনার চেয়ে এগুলো অনেক বেশি টেকসই এবং এগুলো কখনোই কোনো গোপন বা মন্দ স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য ব্যবহৃত হয় না।]]
* '''মানুষ তার বেঁচে থাকার তীব্র তাড়নায় যা কিছু গড়ে তোলে বা নির্মাণ করে, আমার চোখে তার মধ্যে সেতুর চেয়ে উত্তম এবং মূল্যবান আর কিছুই হতে পারে না।''' ঘরবাড়ির চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ, উপাসনালয়ের চেয়েও পবিত্র হলো এই সেতু! এগুলো সবার তরে, সবার কাছেই সমান। সবসময় এক গভীর উদ্দেশ্য নিয়ে এগুলো ঠিক সেই জায়গাতেই নির্মিত হয় যেখানে মানুষের প্রয়োজনীয়তাগুলো একে অপরের সাথে মিলিত হয়েছে। অন্য যেকোনো স্থাপনার চেয়ে এগুলো অনেক বেশি টেকসই এবং এগুলো কখনোই কোনো গোপন বা মন্দ স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য ব্যবহৃত হয় না।
** ''দ্য ব্রিজেস'', যা জাদরানকা পেত্রোভিচ রচিত ''দ্য ওল্ড ব্রিজ অফ মোস্তার অ্যান্ড ইনক্রিজিং রেসপেক্ট ফর কালচারাল প্রপার্টি ইন আর্মড কনফ্লিক্ট'' (২০১২)-এ উদ্ধৃত, পৃ. ৬৫```
=== ''[[w:দ্য ব্রিজ অন দ্য ড্রিনা|দ্য ব্রিজ অন দ্য ড্রিনা]]'' (১৯৪৫) ===
:<small>''দ্য ব্রিজ অন দ্য ড্রিনা''|''না ড্রিনি চুপ্রিয়া'' / Na Drini ćuprija] (১৯৪৫), লাভট এফ. এডওয়ার্ডস কর্তৃক অনূদিত (১৯৫৯)</small>
[[File:Bridge on the Drina, 1915.jpg|thumb|তারা যদি এখানে ধ্বংসলীলা চালায়, তবে অন্য কোথাও নিশ্চয়ই অন্য কেউ নতুন কিছু গড়ে তুলছে। নিশ্চয়ই এখনও এমন কোনো শান্ত দেশ আর সুবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ আছে যারা ঈশ্বরের ভালোবাসা সম্পর্কে জানে? ঈশ্বর যদি ড্রিনা নদীর তীরের এই দুর্ভাগা শহরটিকে পরিত্যাগ করেও থাকেন, তবে আকাশের নিচের এই গোটা পৃথিবীকে তো আর তিনি নিশ্চয়ই ত্যাগ করতে পারেননা? তারা চিরকাল এমনটা করে যেতে পারবে না।]]
[[File:Most Mehmed-paše Sokolovića i magnolija.JPG|thumb|একটি বিষয় কখনোই ঘটতে পারে না; এমনটা হতে পারে না যে সেই মহান ও প্রজ্ঞাবান উচ্চমার্গের আত্মাসম্পন্ন মানুষেরা, যারা ঈশ্বরের প্রতি ভালোবাসার টানে স্থায়ী স্থাপত্য নির্মাণ করেন যাতে পৃথিবী আরও সুন্দর হয় এবং মানুষ সেখানে আরও ভালোভাবে ও স্বাচ্ছন্দ্যে বাস করতে পারে, তারা এই পৃথিবী থেকে সর্বত্র এবং চিরকালের জন্য বিলীন হয়ে যাবেন।]]
41l3idjln0713jl183rf332cc44l5i6
75676
75519
2026-04-11T11:09:27Z
Anaf Ibn Shahibul
4193
পাতাকে 'পুনঃনির্দেশ [[ইভো আন্দ্রিচ]]' দিয়ে প্রতিস্থাপিত করা হল
75676
wikitext
text/x-wiki
পুনঃনির্দেশ [[ইভো আন্দ্রিচ]]
dwmskpihppnhp558elwvfe96hiqqlb9
75677
75676
2026-04-11T11:09:34Z
Anaf Ibn Shahibul
4193
[[ইভো আন্দ্রিচ]]-এ পুনর্নির্দেশ করা হল
75677
wikitext
text/x-wiki
#পুনঃনির্দেশ [[ইভো আন্দ্রিচ]]
mwtmc6nb81uays4ecalikb9jnj5iw95
ব্যবহারকারী আলাপ:Wizene
3
12309
75525
2026-04-11T03:13:04Z
অভ্যর্থনা কমিটি বট
1112
উইকিউক্তিতে স্বাগত!
75525
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Wizene,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]]
</div>
০৩:১৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
jpvfepgr0r6hyi7r1ua5eknhhmafoul
বিষয়শ্রেণী:অপসারণের অনুরোধ
14
12310
75537
2026-04-11T03:39:59Z
Borhan
964
শুরু
75537
wikitext
text/x-wiki
[[বিষয়শ্রেণী:উইকিউক্তি রক্ষণাবেক্ষণ]]
ow5fny649wq68sewij7s0tby86rkz08
আলাপ:ডেনিস রিচি
1
12311
75539
2026-04-11T03:43:07Z
Sumanta3023
4175
https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026
75539
wikitext
text/x-wiki
{{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}}
s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm
ফ্রান্সিস্কো ভারেলা
0
12312
75541
2026-04-11T03:47:05Z
Sumanta3023
4175
"[[File:Francisco Varela.jpg|250px|right|thumbnail|১৯৯৪ সালে ফ্রান্সিসকো ভ্যারেলা]] '''[[w:ফ্রান্সিসকো ভ্যারেলা|ফ্রান্সিসকো জাভিয়ের ভ্যারেলা গার্সিয়া]]''' ([[৭ সেপ্টেম্বর]], [[১৯৪৬]] – [[২৮ মে]], [[২০০১]]) ছিলেন একজন চ..." দিয়ে পাতা তৈরি
75541
wikitext
text/x-wiki
[[File:Francisco Varela.jpg|250px|right|thumbnail|১৯৯৪ সালে ফ্রান্সিসকো ভ্যারেলা]]
'''[[w:ফ্রান্সিসকো ভ্যারেলা|ফ্রান্সিসকো জাভিয়ের ভ্যারেলা গার্সিয়া]]''' ([[৭ সেপ্টেম্বর]], [[১৯৪৬]] – [[২৮ মে]], [[২০০১]]) ছিলেন একজন চিলীয় [[জীববিজ্ঞানী]] এবং [[দার্শনিক]]। তিনি তাঁর শিক্ষক [[উম্বের্তো মাতুরানা|উম্বের্তো মাতুরানার]] সাথে যৌথভাবে জীববিজ্ঞানে [[w:অটোপয়েসিস|অটোপয়েসিস]] ধারণাটি প্রবর্তনের জন্য সর্বাধিক পরিচিত।
s0ogrrwps1yf8ahj95izvlsj60uvt8i
75542
75541
2026-04-11T04:04:09Z
Sumanta3023
4175
75542
wikitext
text/x-wiki
[[File:Francisco Varela.jpg|250px|right|thumbnail|১৯৯৪ সালে ফ্রান্সিসকো ভ্যারেলা]]
'''[[w:ফ্রান্সিস্কো ভারেলা|ফ্রান্সিসকো জাভিয়ের ভ্যারেলা গার্সিয়া]]''' ([[৭ সেপ্টেম্বর]], [[১৯৪৬]] – [[২৮ মে]], [[২০০১]]) ছিলেন একজন চিলীয় [[জীববিজ্ঞানী]] এবং [[দার্শনিক]]। তিনি তাঁর শিক্ষক [[উম্বের্তো মাতুরানা|উম্বের্তো মাতুরানার]] সাথে যৌথভাবে জীববিজ্ঞানে [[w:অটোপয়েসিস|অটোপয়েসিস]] ধারণাটি প্রবর্তনের জন্য সর্বাধিক পরিচিত।
1nmn31yqmuljpn50yodl7z75cw25n9l
75543
75542
2026-04-11T04:07:07Z
Sumanta3023
4175
75543
wikitext
text/x-wiki
[[File:Francisco Varela.jpg|250px|right|thumbnail|১৯৯৪ সালে ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]]
'''[[w:ফ্রান্সিস্কো ভারেলা|ফ্রান্সিস্কো জাভিয়ের ভারেলা গার্সিয়া]]''' ([[৭ সেপ্টেম্বর]], [[১৯৪৬]] – [[২৮ মে]], [[২০০১]]) ছিলেন একজন চিলীয় [[জীববিজ্ঞানী]] এবং [[দার্শনিক]]। তিনি তাঁর শিক্ষক [[উম্বের্তো মাতুরানা|উম্বের্তো মাতুরানার]] সাথে যৌথভাবে জীববিজ্ঞানে [[w:অটোপয়েসিস|অটোপয়েসিস]] ধারণাটি প্রবর্তনের জন্য সর্বাধিক পরিচিত।
fkaj5atbd8173plaws463erlxhzx130
75544
75543
2026-04-11T04:11:40Z
Sumanta3023
4175
75544
wikitext
text/x-wiki
[[File:Francisco Varela.jpg|250px|right|thumbnail|১৯৯৪ সালে ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]]
'''[[w:ফ্রান্সিস্কো ভারেলা|ফ্রান্সিস্কো জাভিয়ের ভারেলা গার্সিয়া]]''' ([[৭ সেপ্টেম্বর]], [[১৯৪৬]] – [[২৮ মে]], [[২০০১]]) ছিলেন একজন চিলীয় [[জীববিজ্ঞানী]] এবং [[দার্শনিক]]। তিনি তাঁর শিক্ষক [[উম্বের্তো মাতুরানা|উম্বের্তো মাতুরানার]] সাথে যৌথভাবে জীববিজ্ঞানে [[w:অটোপয়েসিস|অটোপয়েসিস]] ধারণাটি প্রবর্তনের জন্য সর্বাধিক পরিচিত।
== উক্তি ==
* যদি সবাই একমত হতো যে তাদের বর্তমান বাস্তবতা একটি বাস্তবতা মাত্র, এবং আমরা মূলত যা ভাগ করে নেই তা হলো একটি বাস্তবতা তৈরি করার সক্ষমতা, তবে সম্ভবত আমরা একটি 'মেটা-অ্যাগ্রিমেন্ট' বা উচ্চতর চুক্তিতে পৌঁছাতে পারতাম। এটি এমন একটি বাস্তবতা গণনার পথ দেখাত যা প্রতিটি গোষ্ঠীর নিজস্ব কর্মপদ্ধতি চাপিয়ে দেওয়ার বদলে গ্রহের প্রত্যেকের বেঁচে থাকা এবং মর্যাদা নিশ্চিত করত।
** ভারেলা (১৯৭৫); অ্যান ওয়াল্ডম্যান সম্পাদিত ''দ্য কোইভোল্যুশন কোয়ার্টারলি'' এ। সংখ্যা ৮-১২, পৃষ্ঠা ৩১।
* সমসাময়িক সংস্কৃতিতে '[[সামগ্রিকতা|সামগ্রিক]]' দৃষ্টিভঙ্গিকে এক ধরণের সর্বরোগহর ওষুধ হিসেবে প্রচার করার একটি শক্তিশালী ধারা রয়েছে সংক্ষেপণবাদ বা রিডাকশনিজম বলতে নিচের স্তরের দিকে মনোযোগ দেওয়া বোঝায়, আর সামগ্রিকতা বলতে উচ্চতর স্তরের দিকে মনোযোগ দেওয়া বোঝায়। যেকোনো সন্তোষজনক বর্ণনায় এই দুটি একে অপরের সাথে জড়িত: এবং প্রতিটি আমাদের জ্ঞানীয় পছন্দের ক্ষেত্রে কিছুটা ক্ষতির পাশাপাশি কিছু লাভও নিয়ে আসে অংশগুলোর পারস্পরিক সংযোগ ছাড়া কোনো সামগ্রিক ব্যবস্থা হয় না এবং পরিবেশ ছাড়া কোনো সামগ্রিক ব্যবস্থা থাকা সম্ভব নয়।
** ভারেলা (১৯৭৭) "অন বিয়িং অটোনমাস: দ্য লেসনস অফ ন্যাচারাল হিস্ট্রি ফর সিস্টেমস থিওরি"। [[জর্জ ক্লির]] সম্পাদিত ''অ্যাপ্লাইড সিস্টেমস রিসার্চ'' এ। নিউ ইয়র্ক: প্লেনাম প্রেস। পৃষ্ঠা ৭৭-৮৫; ডি. রুড্রফ (২০০৩) "[http://www.scielo.cl/pdf/bres/v36n1/art05.pdf ফ্রম অটোপয়েসিস টু নিউরোফেনোমেনোলজি: ফ্রান্সিস্কো ভারেলা'স এক্সপ্লোরেশন অফ দ্য বায়োফিজিক্স অফ বিয়িং]" এ উদ্ধৃত। ইন: ''বায়োল রেস'' ৩৬: ২৭-৬৫।
24mnvcx380tsg741590l39q3purjgmz
75551
75544
2026-04-11T05:08:14Z
মোহাম্মদ জনি হোসেন
104
হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:২০০১-এ মৃত্যু]] যোগ
75551
wikitext
text/x-wiki
[[File:Francisco Varela.jpg|250px|right|thumbnail|১৯৯৪ সালে ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]]
'''[[w:ফ্রান্সিস্কো ভারেলা|ফ্রান্সিস্কো জাভিয়ের ভারেলা গার্সিয়া]]''' ([[৭ সেপ্টেম্বর]], [[১৯৪৬]] – [[২৮ মে]], [[২০০১]]) ছিলেন একজন চিলীয় [[জীববিজ্ঞানী]] এবং [[দার্শনিক]]। তিনি তাঁর শিক্ষক [[উম্বের্তো মাতুরানা|উম্বের্তো মাতুরানার]] সাথে যৌথভাবে জীববিজ্ঞানে [[w:অটোপয়েসিস|অটোপয়েসিস]] ধারণাটি প্রবর্তনের জন্য সর্বাধিক পরিচিত।
== উক্তি ==
* যদি সবাই একমত হতো যে তাদের বর্তমান বাস্তবতা একটি বাস্তবতা মাত্র, এবং আমরা মূলত যা ভাগ করে নেই তা হলো একটি বাস্তবতা তৈরি করার সক্ষমতা, তবে সম্ভবত আমরা একটি 'মেটা-অ্যাগ্রিমেন্ট' বা উচ্চতর চুক্তিতে পৌঁছাতে পারতাম। এটি এমন একটি বাস্তবতা গণনার পথ দেখাত যা প্রতিটি গোষ্ঠীর নিজস্ব কর্মপদ্ধতি চাপিয়ে দেওয়ার বদলে গ্রহের প্রত্যেকের বেঁচে থাকা এবং মর্যাদা নিশ্চিত করত।
** ভারেলা (১৯৭৫); অ্যান ওয়াল্ডম্যান সম্পাদিত ''দ্য কোইভোল্যুশন কোয়ার্টারলি'' এ। সংখ্যা ৮-১২, পৃষ্ঠা ৩১।
* সমসাময়িক সংস্কৃতিতে '[[সামগ্রিকতা|সামগ্রিক]]' দৃষ্টিভঙ্গিকে এক ধরণের সর্বরোগহর ওষুধ হিসেবে প্রচার করার একটি শক্তিশালী ধারা রয়েছে সংক্ষেপণবাদ বা রিডাকশনিজম বলতে নিচের স্তরের দিকে মনোযোগ দেওয়া বোঝায়, আর সামগ্রিকতা বলতে উচ্চতর স্তরের দিকে মনোযোগ দেওয়া বোঝায়। যেকোনো সন্তোষজনক বর্ণনায় এই দুটি একে অপরের সাথে জড়িত: এবং প্রতিটি আমাদের জ্ঞানীয় পছন্দের ক্ষেত্রে কিছুটা ক্ষতির পাশাপাশি কিছু লাভও নিয়ে আসে অংশগুলোর পারস্পরিক সংযোগ ছাড়া কোনো সামগ্রিক ব্যবস্থা হয় না এবং পরিবেশ ছাড়া কোনো সামগ্রিক ব্যবস্থা থাকা সম্ভব নয়।
** ভারেলা (১৯৭৭) "অন বিয়িং অটোনমাস: দ্য লেসনস অফ ন্যাচারাল হিস্ট্রি ফর সিস্টেমস থিওরি"। [[জর্জ ক্লির]] সম্পাদিত ''অ্যাপ্লাইড সিস্টেমস রিসার্চ'' এ। নিউ ইয়র্ক: প্লেনাম প্রেস। পৃষ্ঠা ৭৭-৮৫; ডি. রুড্রফ (২০০৩) "[http://www.scielo.cl/pdf/bres/v36n1/art05.pdf ফ্রম অটোপয়েসিস টু নিউরোফেনোমেনোলজি: ফ্রান্সিস্কো ভারেলা'স এক্সপ্লোরেশন অফ দ্য বায়োফিজিক্স অফ বিয়িং]" এ উদ্ধৃত। ইন: ''বায়োল রেস'' ৩৬: ২৭-৬৫।
[[বিষয়শ্রেণী:২০০১-এ মৃত্যু]]
aljhk2uemsnp4tmsm013kzjvc3jxj41
75552
75551
2026-04-11T05:08:37Z
মোহাম্মদ জনি হোসেন
104
হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৬-এ জন্ম]] যোগ
75552
wikitext
text/x-wiki
[[File:Francisco Varela.jpg|250px|right|thumbnail|১৯৯৪ সালে ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]]
'''[[w:ফ্রান্সিস্কো ভারেলা|ফ্রান্সিস্কো জাভিয়ের ভারেলা গার্সিয়া]]''' ([[৭ সেপ্টেম্বর]], [[১৯৪৬]] – [[২৮ মে]], [[২০০১]]) ছিলেন একজন চিলীয় [[জীববিজ্ঞানী]] এবং [[দার্শনিক]]। তিনি তাঁর শিক্ষক [[উম্বের্তো মাতুরানা|উম্বের্তো মাতুরানার]] সাথে যৌথভাবে জীববিজ্ঞানে [[w:অটোপয়েসিস|অটোপয়েসিস]] ধারণাটি প্রবর্তনের জন্য সর্বাধিক পরিচিত।
== উক্তি ==
* যদি সবাই একমত হতো যে তাদের বর্তমান বাস্তবতা একটি বাস্তবতা মাত্র, এবং আমরা মূলত যা ভাগ করে নেই তা হলো একটি বাস্তবতা তৈরি করার সক্ষমতা, তবে সম্ভবত আমরা একটি 'মেটা-অ্যাগ্রিমেন্ট' বা উচ্চতর চুক্তিতে পৌঁছাতে পারতাম। এটি এমন একটি বাস্তবতা গণনার পথ দেখাত যা প্রতিটি গোষ্ঠীর নিজস্ব কর্মপদ্ধতি চাপিয়ে দেওয়ার বদলে গ্রহের প্রত্যেকের বেঁচে থাকা এবং মর্যাদা নিশ্চিত করত।
** ভারেলা (১৯৭৫); অ্যান ওয়াল্ডম্যান সম্পাদিত ''দ্য কোইভোল্যুশন কোয়ার্টারলি'' এ। সংখ্যা ৮-১২, পৃষ্ঠা ৩১।
* সমসাময়িক সংস্কৃতিতে '[[সামগ্রিকতা|সামগ্রিক]]' দৃষ্টিভঙ্গিকে এক ধরণের সর্বরোগহর ওষুধ হিসেবে প্রচার করার একটি শক্তিশালী ধারা রয়েছে সংক্ষেপণবাদ বা রিডাকশনিজম বলতে নিচের স্তরের দিকে মনোযোগ দেওয়া বোঝায়, আর সামগ্রিকতা বলতে উচ্চতর স্তরের দিকে মনোযোগ দেওয়া বোঝায়। যেকোনো সন্তোষজনক বর্ণনায় এই দুটি একে অপরের সাথে জড়িত: এবং প্রতিটি আমাদের জ্ঞানীয় পছন্দের ক্ষেত্রে কিছুটা ক্ষতির পাশাপাশি কিছু লাভও নিয়ে আসে অংশগুলোর পারস্পরিক সংযোগ ছাড়া কোনো সামগ্রিক ব্যবস্থা হয় না এবং পরিবেশ ছাড়া কোনো সামগ্রিক ব্যবস্থা থাকা সম্ভব নয়।
** ভারেলা (১৯৭৭) "অন বিয়িং অটোনমাস: দ্য লেসনস অফ ন্যাচারাল হিস্ট্রি ফর সিস্টেমস থিওরি"। [[জর্জ ক্লির]] সম্পাদিত ''অ্যাপ্লাইড সিস্টেমস রিসার্চ'' এ। নিউ ইয়র্ক: প্লেনাম প্রেস। পৃষ্ঠা ৭৭-৮৫; ডি. রুড্রফ (২০০৩) "[http://www.scielo.cl/pdf/bres/v36n1/art05.pdf ফ্রম অটোপয়েসিস টু নিউরোফেনোমেনোলজি: ফ্রান্সিস্কো ভারেলা'স এক্সপ্লোরেশন অফ দ্য বায়োফিজিক্স অফ বিয়িং]" এ উদ্ধৃত। ইন: ''বায়োল রেস'' ৩৬: ২৭-৬৫।
[[বিষয়শ্রেণী:২০০১-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৬-এ জন্ম]]
38qvdaa5w3heq04g2589j8a1fjo1wq2
75592
75552
2026-04-11T07:16:02Z
Sumanta3023
4175
/* উক্তি */
75592
wikitext
text/x-wiki
[[File:Francisco Varela.jpg|250px|right|thumbnail|১৯৯৪ সালে ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]]
'''[[w:ফ্রান্সিস্কো ভারেলা|ফ্রান্সিস্কো জাভিয়ের ভারেলা গার্সিয়া]]''' ([[৭ সেপ্টেম্বর]], [[১৯৪৬]] – [[২৮ মে]], [[২০০১]]) ছিলেন একজন চিলীয় [[জীববিজ্ঞানী]] এবং [[দার্শনিক]]। তিনি তাঁর শিক্ষক [[উম্বের্তো মাতুরানা|উম্বের্তো মাতুরানার]] সাথে যৌথভাবে জীববিজ্ঞানে [[w:অটোপয়েসিস|অটোপয়েসিস]] ধারণাটি প্রবর্তনের জন্য সর্বাধিক পরিচিত।
== উক্তি ==
* যদি সবাই একমত হতো যে তাদের বর্তমান বাস্তবতা একটি বাস্তবতা মাত্র, এবং আমরা মূলত যা ভাগ করে নেই তা হলো একটি বাস্তবতা তৈরি করার সক্ষমতা, তবে সম্ভবত আমরা একটি 'মেটা-অ্যাগ্রিমেন্ট' বা উচ্চতর চুক্তিতে পৌঁছাতে পারতাম। এটি এমন একটি বাস্তবতা গণনার পথ দেখাত যা প্রতিটি গোষ্ঠীর নিজস্ব কর্মপদ্ধতি চাপিয়ে দেওয়ার বদলে গ্রহের প্রত্যেকের বেঁচে থাকা এবং মর্যাদা নিশ্চিত করত।
** ভারেলা (১৯৭৫); অ্যান ওয়াল্ডম্যান সম্পাদিত ''দ্য কোইভোল্যুশন কোয়ার্টারলি'' এ। সংখ্যা ৮-১২, পৃষ্ঠা ৩১।
* সমসাময়িক সংস্কৃতিতে '[[সামগ্রিকতা|সামগ্রিক]]' দৃষ্টিভঙ্গিকে এক ধরণের সর্বরোগহর ওষুধ হিসেবে প্রচার করার একটি শক্তিশালী ধারা রয়েছে সংক্ষেপণবাদ বা রিডাকশনিজম বলতে নিচের স্তরের দিকে মনোযোগ দেওয়া বোঝায়, আর সামগ্রিকতা বলতে উচ্চতর স্তরের দিকে মনোযোগ দেওয়া বোঝায়। যেকোনো সন্তোষজনক বর্ণনায় এই দুটি একে অপরের সাথে জড়িত: এবং প্রতিটি আমাদের জ্ঞানীয় পছন্দের ক্ষেত্রে কিছুটা ক্ষতির পাশাপাশি কিছু লাভও নিয়ে আসে অংশগুলোর পারস্পরিক সংযোগ ছাড়া কোনো সামগ্রিক ব্যবস্থা হয় না এবং পরিবেশ ছাড়া কোনো সামগ্রিক ব্যবস্থা থাকা সম্ভব নয়।
** ভারেলা (১৯৭৭) "অন বিয়িং অটোনমাস: দ্য লেসনস অফ ন্যাচারাল হিস্ট্রি ফর সিস্টেমস থিওরি"। [[জর্জ ক্লির]] সম্পাদিত ''অ্যাপ্লাইড সিস্টেমস রিসার্চ'' এ। নিউ ইয়র্ক: প্লেনাম প্রেস। পৃষ্ঠা ৭৭-৮৫; ডি. রুড্রফ (২০০৩) "[http://www.scielo.cl/pdf/bres/v36n1/art05.pdf ফ্রম অটোপয়েসিস টু নিউরোফেনোমেনোলজি: ফ্রান্সিস্কো ভারেলা'স এক্সপ্লোরেশন অফ দ্য বায়োফিজিক্স অফ বিয়িং]" এ উদ্ধৃত। ইন: ''বায়োল রেস'' ৩৬: ২৭-৬৫।
* একটি বৈচিত্র্যময় সম্প্রদায় হলো একটি স্থিতিস্থাপক সম্প্রদায়, যা পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম। তবে বৈচিত্র্য কেবল তখনই কৌশলগত সুবিধা প্রদান করে যখন সেখানে একটি সত্যিকারের প্রাণবন্ত সম্প্রদায় থাকে, যা সম্পর্কের এক নিবিড় জালের মাধ্যমে টিকে থাকে। যদি সম্প্রদায়টি বিচ্ছিন্ন গোষ্ঠী এবং ব্যক্তিতে বিভক্ত হয়ে পড়ে, তবে বৈচিত্র্য সহজেই কুসংস্কার এবং ঘর্ষণের উৎস হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু সম্প্রদায়টি যদি তার সমস্ত সদস্যের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা সম্পর্কে সচেতন থাকে, তবে বৈচিত্র্য সমস্ত সম্পর্ককে সমৃদ্ধ করবে এবং এর ফলে সামগ্রিকভাবে সম্প্রদায় ও প্রতিটি স্বতন্ত্র সদস্য সমৃদ্ধ হবে। এমন একটি সম্প্রদায়ে তথ্য এবং ধারণাগুলো পুরো নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অবাধে প্রবাহিত হয় এবং ব্যাখ্যার ভিন্নতা ও শেখার শৈলীর বৈচিত্র্য এমনকি ভুলের বৈচিত্র্যও পুরো সম্প্রদায়কে সমৃদ্ধ করবে।
** মাতুরানা এবং ভারেলা (১৯৮৭) ''দ্য ট্রি অফ নলেজ''; [[ফ্রিটজফ ক্যাপ্রা]] (১৯৯৬) ''দ্য ওয়েব অফ লাইফ'' এ উদ্ধৃত। পৃষ্ঠা ৩৩০।
* আমি একজন জীববিজ্ঞানী যে জ্ঞানীয় ঘটনার জৈবিক শিকড় নিয়ে আগ্রহী।
** ভারেলা (১৯৯০); ডি. রুড্রফ (২০০৩) "[http://www.scielo.cl/pdf/bres/v36n1/art05.pdf ফ্রম অটোপয়েসিস টু নিউরোফেনোমেনোলজি: ফ্রান্সিস্কো ভারেলা'স এক্সপ্লোরেশন অফ দ্য বায়োফিজিক্স অফ বিয়িং]" এ উদ্ধৃত। ইন: ''বায়োল রেস'' ৩৬: ২৭-৬৫।
* আমি আশা করি আমি পাঠককে এই কথাটি বিবেচনা করতে প্রলুব্ধ করতে পেরেছি যে, আমাদের সামনে মানবিক অভিজ্ঞতা এবং জ্ঞানীয় বিজ্ঞানের মধ্যে অনুরণিত পথ খোঁজার একটি অন্তহীন সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এর মূল্য হিসেবে প্রথম-ব্যক্তির বর্ণনাকে (ফার্স্ট-পারসন অ্যাকাউন্টস) ঘটনার একটি বৈধ ক্ষেত্র হিসেবে গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করতে হবে। আর তারও বাইরে, প্রপঞ্চতাত্ত্বিক বা ফেনোমেনোলজিক্যাল পরীক্ষার একটি টেকসই ঐতিহ্য গড়ে তুলতে হবে যা আজ আমাদের পাশ্চাত্য বিজ্ঞান এবং বৃহত্তর সংস্কৃতিতে প্রায় অস্তিত্বহীন।
** ভারেলা (১৯৯৬) "নিউরোফেনোমেনোলজি : এ মেথডোলজিক্যাল রেমেডি ফর দ্য হার্ড প্রবলেম"; ''জার্নাল অফ কনশাসনেস স্টাডিজ'', জে. শেয়ার (সম্পাদিত), জুন ১৯৯৬। [http://www.enolagaia.com/Varela.html ফ্রান্সিস্কো জে. ভারেলা ১৯৪৬ - ২০০১], enolagaia.com-এ উদ্ধৃত।
* গত ১৫ বছরে একটি বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গির উত্থান ঘটেছে, যা হলো মূর্ত বা সক্রিয় সংজ্ঞান (এমবডিড অর এনাক্টিভ কগনিশন)। এই নতুন ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়েছে কারণ কম্পিউটেশনালিস্ট মতবাদ বিশ্বের অতি সাধারণ বিষয়গুলোর ব্যাখ্যা দিতেও ব্যর্থ হয়েছে: যেমন হাঁটা, প্রাকৃতিক পরিবেশে কোনো বস্তুকে অনুধাবন করা কিংবা কল্পনা। ধীরে ধীরে পাশা উল্টে গিয়ে এখন বিবেচনা করা হচ্ছে যে, মনের ভিত্তি হলো দেহ এবং তার সম্মিলিত কাজ; অর্থাৎ সেন্সরি-মোটর সার্কিটগুলো জীবকে একটি নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে টিকে থাকার উপযোগী হিসেবে গড়ে তোলে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে মস্তিষ্ককে একটি গতিশীল প্রক্রিয়া হিসেবে দেখা হয় (সিনট্যাকটিক প্রক্রিয়া হিসেবে নয়), যার রয়েছে রিয়েল-টাইম ভেরিয়েবল এবং সমৃদ্ধ স্ব-সংগঠিত হওয়ার সক্ষমতা (প্রতিনিধিত্বমূলক কোনো যন্ত্র হিসেবে নয়)। তাই এই অর্থে মন কেবল মাথার ভেতরে নেই, যেহেতু এর শিকড় পুরো শরীরে এবং সেই বর্ধিত পরিবেশে ছড়িয়ে আছে যেখানে জীবটি অবস্থান করে।
** ভারেলা (১৯৯৮) "[http://www.expo-cosmos.or.jp/letter/letter12e.html দ্য কসমস লেটার]", এক্সপো'৯০ ফাউন্ডেশন, জাপান।
* একটি ঐক্যবদ্ধ জ্ঞানীয় মুহূর্তের উদ্ভব নির্ভর করে মস্তিষ্কের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা কার্যকারীভাবে বিশেষায়িত অংশগুলোর সমন্বয়ের ওপর। এখানে আমরা লার্জ-স্কেল ইন্টিগ্রেশন বা বৃহৎ আকারের একীকরণের প্রক্রিয়াগুলো পর্যালোচনা করছি, যা মস্তিষ্কের কার্যকলাপের ছড়িয়ে থাকা শারীরবৃত্তীয় এবং কার্যকারী সংস্থাকে ভারসাম্য প্রদান করে যাতে সুসংগত আচরণ এবং সংজ্ঞানের উদ্ভব ঘটে। যদিও লার্জ-স্কেল ইন্টিগ্রেশনের সাথে জড়িত প্রক্রিয়াগুলো এখনও অনেকটা অজানা, তবুও আমরা যুক্তি দিচ্ছি যে সবচেয়ে সম্ভাব্য উপায় হলো একাধিক ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড জুড়ে সিনক্রোনি বা সমকালিকতার মাধ্যমে তৈরি হওয়া গতিশীল যোগসূত্র।
** ফ্রান্সিস্কো ভারেলা*, জিন-ফিলিপ লাচাক্স*, ইউজেনিও রদ্রিগেজ এবং জ্যাক মার্তিনেরি (২০০১) "দ্য ব্রেইনওয়েব: ফেজ সিনক্রোনাইজেশন অ্যান্ড লার্জ-স্কেল ইন্টিগ্রেশন"; ''নেচার রিভিউস ভলিউম ২ (এপ্রিল ২০০১)''। পৃষ্ঠা ২২৯। ([http://www.saminverso.com/brg/archive/varela%202001%20Brainweb-Phase%20synchronization%20and%20large%20scale%20integration.pdf অনলাইন])
oyosux9p6zefaokk35u7cai3gfd8wyt
75594
75592
2026-04-11T07:32:51Z
Sumanta3023
4175
/* উক্তি */
75594
wikitext
text/x-wiki
[[File:Francisco Varela.jpg|250px|right|thumbnail|১৯৯৪ সালে ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]]
'''[[w:ফ্রান্সিস্কো ভারেলা|ফ্রান্সিস্কো জাভিয়ের ভারেলা গার্সিয়া]]''' ([[৭ সেপ্টেম্বর]], [[১৯৪৬]] – [[২৮ মে]], [[২০০১]]) ছিলেন একজন চিলীয় [[জীববিজ্ঞানী]] এবং [[দার্শনিক]]। তিনি তাঁর শিক্ষক [[উম্বের্তো মাতুরানা|উম্বের্তো মাতুরানার]] সাথে যৌথভাবে জীববিজ্ঞানে [[w:অটোপয়েসিস|অটোপয়েসিস]] ধারণাটি প্রবর্তনের জন্য সর্বাধিক পরিচিত।
== উক্তি ==
* যদি সবাই একমত হতো যে তাদের বর্তমান বাস্তবতা একটি বাস্তবতা মাত্র, এবং আমরা মূলত যা ভাগ করে নেই তা হলো একটি বাস্তবতা তৈরি করার সক্ষমতা, তবে সম্ভবত আমরা একটি 'মেটা-অ্যাগ্রিমেন্ট' বা উচ্চতর চুক্তিতে পৌঁছাতে পারতাম। এটি এমন একটি বাস্তবতা গণনার পথ দেখাত যা প্রতিটি গোষ্ঠীর নিজস্ব কর্মপদ্ধতি চাপিয়ে দেওয়ার বদলে গ্রহের প্রত্যেকের বেঁচে থাকা এবং মর্যাদা নিশ্চিত করত।
** ভারেলা (১৯৭৫); অ্যান ওয়াল্ডম্যান সম্পাদিত ''দ্য কোইভোল্যুশন কোয়ার্টারলি'' এ। সংখ্যা ৮-১২, পৃষ্ঠা ৩১।
* সমসাময়িক সংস্কৃতিতে '[[সামগ্রিকতা|সামগ্রিক]]' দৃষ্টিভঙ্গিকে এক ধরণের সর্বরোগহর ওষুধ হিসেবে প্রচার করার একটি শক্তিশালী ধারা রয়েছে সংক্ষেপণবাদ বা রিডাকশনিজম বলতে নিচের স্তরের দিকে মনোযোগ দেওয়া বোঝায়, আর সামগ্রিকতা বলতে উচ্চতর স্তরের দিকে মনোযোগ দেওয়া বোঝায়। যেকোনো সন্তোষজনক বর্ণনায় এই দুটি একে অপরের সাথে জড়িত: এবং প্রতিটি আমাদের জ্ঞানীয় পছন্দের ক্ষেত্রে কিছুটা ক্ষতির পাশাপাশি কিছু লাভও নিয়ে আসে অংশগুলোর পারস্পরিক সংযোগ ছাড়া কোনো সামগ্রিক ব্যবস্থা হয় না এবং পরিবেশ ছাড়া কোনো সামগ্রিক ব্যবস্থা থাকা সম্ভব নয়।
** ভারেলা (১৯৭৭) "অন বিয়িং অটোনমাস: দ্য লেসনস অফ ন্যাচারাল হিস্ট্রি ফর সিস্টেমস থিওরি"। [[জর্জ ক্লির]] সম্পাদিত ''অ্যাপ্লাইড সিস্টেমস রিসার্চ'' এ। নিউ ইয়র্ক: প্লেনাম প্রেস। পৃষ্ঠা ৭৭-৮৫; ডি. রুড্রফ (২০০৩) "[http://www.scielo.cl/pdf/bres/v36n1/art05.pdf ফ্রম অটোপয়েসিস টু নিউরোফেনোমেনোলজি: ফ্রান্সিস্কো ভারেলা'স এক্সপ্লোরেশন অফ দ্য বায়োফিজিক্স অফ বিয়িং]" এ উদ্ধৃত। ইন: ''বায়োল রেস'' ৩৬: ২৭-৬৫।
* একটি বৈচিত্র্যময় সম্প্রদায় হলো একটি স্থিতিস্থাপক সম্প্রদায়, যা পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম। তবে বৈচিত্র্য কেবল তখনই কৌশলগত সুবিধা প্রদান করে যখন সেখানে একটি সত্যিকারের প্রাণবন্ত সম্প্রদায় থাকে, যা সম্পর্কের এক নিবিড় জালের মাধ্যমে টিকে থাকে। যদি সম্প্রদায়টি বিচ্ছিন্ন গোষ্ঠী এবং ব্যক্তিতে বিভক্ত হয়ে পড়ে, তবে বৈচিত্র্য সহজেই কুসংস্কার এবং ঘর্ষণের উৎস হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু সম্প্রদায়টি যদি তার সমস্ত সদস্যের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা সম্পর্কে সচেতন থাকে, তবে বৈচিত্র্য সমস্ত সম্পর্ককে সমৃদ্ধ করবে এবং এর ফলে সামগ্রিকভাবে সম্প্রদায় ও প্রতিটি স্বতন্ত্র সদস্য সমৃদ্ধ হবে। এমন একটি সম্প্রদায়ে তথ্য এবং ধারণাগুলো পুরো নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অবাধে প্রবাহিত হয় এবং ব্যাখ্যার ভিন্নতা ও শেখার শৈলীর বৈচিত্র্য এমনকি ভুলের বৈচিত্র্যও পুরো সম্প্রদায়কে সমৃদ্ধ করবে।
** মাতুরানা এবং ভারেলা (১৯৮৭) ''দ্য ট্রি অফ নলেজ''; [[ফ্রিটজফ ক্যাপ্রা]] (১৯৯৬) ''দ্য ওয়েব অফ লাইফ'' এ উদ্ধৃত। পৃষ্ঠা ৩৩০।
* আমি একজন জীববিজ্ঞানী যে জ্ঞানীয় ঘটনার জৈবিক শিকড় নিয়ে আগ্রহী।
** ভারেলা (১৯৯০); ডি. রুড্রফ (২০০৩) "[http://www.scielo.cl/pdf/bres/v36n1/art05.pdf ফ্রম অটোপয়েসিস টু নিউরোফেনোমেনোলজি: ফ্রান্সিস্কো ভারেলা'স এক্সপ্লোরেশন অফ দ্য বায়োফিজিক্স অফ বিয়িং]" এ উদ্ধৃত। ইন: ''বায়োল রেস'' ৩৬: ২৭-৬৫।
* আমি আশা করি আমি পাঠককে এই কথাটি বিবেচনা করতে প্রলুব্ধ করতে পেরেছি যে, আমাদের সামনে মানবিক অভিজ্ঞতা এবং জ্ঞানীয় বিজ্ঞানের মধ্যে অনুরণিত পথ খোঁজার একটি অন্তহীন সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এর মূল্য হিসেবে প্রথম-ব্যক্তির বর্ণনাকে (ফার্স্ট-পারসন অ্যাকাউন্টস) ঘটনার একটি বৈধ ক্ষেত্র হিসেবে গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করতে হবে। আর তারও বাইরে, প্রপঞ্চতাত্ত্বিক বা ফেনোমেনোলজিক্যাল পরীক্ষার একটি টেকসই ঐতিহ্য গড়ে তুলতে হবে যা আজ আমাদের পাশ্চাত্য বিজ্ঞান এবং বৃহত্তর সংস্কৃতিতে প্রায় অস্তিত্বহীন।
** ভারেলা (১৯৯৬) "নিউরোফেনোমেনোলজি : এ মেথডোলজিক্যাল রেমেডি ফর দ্য হার্ড প্রবলেম"; ''জার্নাল অফ কনশাসনেস স্টাডিজ'', জে. শেয়ার (সম্পাদিত), জুন ১৯৯৬। [http://www.enolagaia.com/Varela.html ফ্রান্সিস্কো জে. ভারেলা ১৯৪৬ - ২০০১], enolagaia.com-এ উদ্ধৃত।
* গত ১৫ বছরে একটি বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গির উত্থান ঘটেছে, যা হলো মূর্ত বা সক্রিয় সংজ্ঞান (এমবডিড অর এনাক্টিভ কগনিশন)। এই নতুন ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়েছে কারণ কম্পিউটেশনালিস্ট মতবাদ বিশ্বের অতি সাধারণ বিষয়গুলোর ব্যাখ্যা দিতেও ব্যর্থ হয়েছে: যেমন হাঁটা, প্রাকৃতিক পরিবেশে কোনো বস্তুকে অনুধাবন করা কিংবা কল্পনা। ধীরে ধীরে পাশা উল্টে গিয়ে এখন বিবেচনা করা হচ্ছে যে, মনের ভিত্তি হলো দেহ এবং তার সম্মিলিত কাজ; অর্থাৎ সেন্সরি-মোটর সার্কিটগুলো জীবকে একটি নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে টিকে থাকার উপযোগী হিসেবে গড়ে তোলে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে মস্তিষ্ককে একটি গতিশীল প্রক্রিয়া হিসেবে দেখা হয় (সিনট্যাকটিক প্রক্রিয়া হিসেবে নয়), যার রয়েছে রিয়েল-টাইম ভেরিয়েবল এবং সমৃদ্ধ স্ব-সংগঠিত হওয়ার সক্ষমতা (প্রতিনিধিত্বমূলক কোনো যন্ত্র হিসেবে নয়)। তাই এই অর্থে মন কেবল মাথার ভেতরে নেই, যেহেতু এর শিকড় পুরো শরীরে এবং সেই বর্ধিত পরিবেশে ছড়িয়ে আছে যেখানে জীবটি অবস্থান করে।
** ভারেলা (১৯৯৮) "[http://www.expo-cosmos.or.jp/letter/letter12e.html দ্য কসমস লেটার]", এক্সপো'৯০ ফাউন্ডেশন, জাপান।
* একটি ঐক্যবদ্ধ জ্ঞানীয় মুহূর্তের উদ্ভব নির্ভর করে মস্তিষ্কের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা কার্যকারীভাবে বিশেষায়িত অংশগুলোর সমন্বয়ের ওপর। এখানে আমরা লার্জ-স্কেল ইন্টিগ্রেশন বা বৃহৎ আকারের একীকরণের প্রক্রিয়াগুলো পর্যালোচনা করছি, যা মস্তিষ্কের কার্যকলাপের ছড়িয়ে থাকা শারীরবৃত্তীয় এবং কার্যকারী সংস্থাকে ভারসাম্য প্রদান করে যাতে সুসংগত আচরণ এবং সংজ্ঞানের উদ্ভব ঘটে। যদিও লার্জ-স্কেল ইন্টিগ্রেশনের সাথে জড়িত প্রক্রিয়াগুলো এখনও অনেকটা অজানা, তবুও আমরা যুক্তি দিচ্ছি যে সবচেয়ে সম্ভাব্য উপায় হলো একাধিক ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড জুড়ে সিনক্রোনি বা সমকালিকতার মাধ্যমে তৈরি হওয়া গতিশীল যোগসূত্র।
** ফ্রান্সিস্কো ভারেলা*, জিন-ফিলিপ লাচাক্স*, ইউজেনিও রদ্রিগেজ এবং জ্যাক মার্তিনেরি (২০০১) "দ্য ব্রেইনওয়েব: ফেজ সিনক্রোনাইজেশন অ্যান্ড লার্জ-স্কেল ইন্টিগ্রেশন"; ''নেচার রিভিউস ভলিউম ২ (এপ্রিল ২০০১)''। পৃষ্ঠা ২২৯। ([http://www.saminverso.com/brg/archive/varela%202001%20Brainweb-Phase%20synchronization%20and%20large%20scale%20integration.pdf অনলাইন])
* এটি আসলে আমাদের উদ্দেশ্যবাদ বা টেলিলজির অভিজ্ঞতার মাধ্যমে আমাদের একটি সত্তা হিসেবে টিকে থাকার আকাঙ্ক্ষা, বস্তুর ওপর উদ্দেশ্য আরোপ করা নয় যার ফলে উদ্দেশ্যবাদ একটি বুদ্ধিবৃত্তিক নীতির চেয়ে বরং একটি বাস্তব নীতিতে পরিণত হয় বিজ্ঞানী হওয়ার আগে আমরা প্রথমত জীবন্ত প্রাণী, আর সেই হিসেবে আমাদের মধ্যে সহজাত উদ্দেশ্যবাদের প্রমাণ রয়েছে। এবং অন্যান্য প্রাণীদের তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম পর্যবেক্ষণ করার সময় রাসায়নিক বিকর্ষণকারী পদার্থ থেকে সক্রিয়ভাবে দূরে সরে যাওয়া সাধারণ ব্যাকটেরিয়া থেকে শুরু করে আমরা আমাদের নিজস্ব প্রমাণের মাধ্যমে উদ্দেশ্যবাদকে জীবজগতের চালিকাশক্তি হিসেবে বুঝতে পারি। জীবন সম্পর্কিত তত্ত্বগুলো কেবল জীবনেরই সেই ভঙ্গুর এবং সংশ্লিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি থেকে অনুধাবন করা সম্ভব।
** [[আন্দ্রেয়াস ওয়েবার (লেখক)|আন্দ্রেয়াস ওয়েবার]] এবং ফ্রান্সিস্কো ভারেলা ২০০২। "লাইফ আফটার কান্ট: ন্যাচারাল পারপাসেস অ্যান্ড দ্য অটোপয়েটিক ফাউন্ডেশনস অফ ইন্ডিভিজুয়ালিটি"। ''ফেনোমেনোলজি অ্যান্ড দ্য কগনিটিভ সায়েন্সেস'' ২, ৯৭–১২৫। পৃষ্ঠা ১১০; [[ইভান থম্পসন]], "লাইফ অ্যান্ড মাইন্ড: ফ্রম অটোপয়েসিস টু নিউরোফেনোমেনোলজি। এ ট্রিবিউট টু ফ্রান্সিস্কো ভারেলা।" এ উদ্ধৃত। ''ফেনোমেনোলজি অ্যান্ড দ্য কগনিটিভ সায়েন্সেস'' ৩.৪ (২০০৪): ৩৮১-৩৯৮।
=== ''অটোপয়েসিস অ্যান্ড কগনিশন: দ্য রিয়ালাইজেশন অফ দ্য লিভিং'' (১৯৮০) ===
:[[উম্বের্তো মাতুরানা|এইচ.আর. মাতুরানা]], এফ.জে. ভারেলা (১৯৮০) ''অটোপয়েসিস অ্যান্ড কগনিশন: দ্য রিয়ালাইজেশন অফ দ্য লিভিং''
* অটোপয়েটিক সংগঠন বলতে মাতুরানা এবং ভারেলা সেই প্রক্রিয়াগুলোকে বুঝিয়েছেন, যা উপাদান উৎপাদনের একটি নেটওয়ার্কের নির্দিষ্ট রূপের সাথে এমনভাবে জড়িত যা সেই নেটওয়ার্কটিকে উপলব্ধি করার মাধ্যমে একে একটি একক বা সত্তা হিসেবে গঠন করে।
** পৃষ্ঠা ৮০; লি ও. থায়ার এবং জর্জ এ. বার্নেট (১৯৯৭) ''অর্গানাইজেশন-কমিউনিকেশন: এমার্জিং পারসপেক্টিভস, ভলিউম ৫''-এ উদ্ধৃত। পৃষ্ঠা ১৯৩।
* যে সম্পর্কগুলো একটি সিস্টেমকে একক বা সত্তা হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে এবং মিথস্ক্রিয়া ও রূপান্তরের গতিশীলতা নির্ধারণ করে—যার মধ্য দিয়ে সেই সত্তাটি অতিবাহিত হতে পারে—তা-ই ওই যন্ত্রের সংগঠন তৈরি করে।
** পৃষ্ঠা ১৩৭
=== ''দ্য এমবডিড মাইন্ড'' (১৯৯১) ===
:ফ্রান্সিস্কো জে. ভারেলা, ইভান থম্পসন এবং এলিনর রোশ (১৯৯১) ''দ্য এমবডিড মাইন্ড: কগনিটিভ সায়েন্স অ্যান্ড হিউম্যান এক্সপেরিয়েন্স'', এমআইটি প্রেস
* বৌদ্ধ শিক্ষকরা প্রায়ই যেমনটি উল্লেখ করেন, জ্ঞান—[[প্রজ্ঞা (বৌদ্ধধর্ম)|প্রজ্ঞা]] অর্থে—কোনো নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান নয়। অভিজ্ঞতার বাইরে বা অভিজ্ঞতা থেকে আলাদা এমন কোনো বিমূর্ত 'জ্ঞাতা' নেই।
** পৃষ্ঠা ২৬; '[http://evenhigherlearning.wordpress.com/2009/05/08/in-7-quotes-or-less-the-embodied-mind-by-francisco-j-varela-evan-thompson-and-eleanor-rosch/ ইন ৭ কোটস অর লেস]'এ আংশিক উদ্ধৃত, evenhigherlearning.wordpress.com, ৮ জুন, ২০০৯।
* জ্ঞানীয় বিজ্ঞানের (কগনিটিভ সায়েন্স) [[সাইবারনেটিক্স]] পর্যায়টি তার দীর্ঘমেয়াদী (প্রায়ই নেপথ্য) প্রভাবের পাশাপাশি আশ্চর্যজনকভাবে সুনির্দিষ্ট কিছু ফলাফল তৈরি করেছে:
** স্নায়ুতন্ত্রের কাজ বোঝার জন্য গাণিতিক যুক্তির ব্যবহার;
** তথ্য প্রক্রিয়াকরণ যন্ত্রের (ডিজিটাল কম্পিউটার হিসেবে) উদ্ভাবন, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভিত্তি স্থাপন করেছে;
** সিস্টেম থিওরির মতো একটি মেটা-ডিসিপ্লিন বা উচ্চতর শাস্ত্রের প্রতিষ্ঠা, যা বিজ্ঞানের অনেক শাখায় ছাপ ফেলেছে, যেমন প্রকৌশল (সিস্টেম অ্যানালাইসিস, কন্ট্রোল থিওরি), জীববিজ্ঞান (রেগুলেটরি ফিজিওলজি, ইকোলজি), সামাজিক বিজ্ঞান (ফ্যামিলি থেরাপি, স্ট্রাকচারাল অ্যানথ্রোপলজি, ম্যানেজমেন্ট, আরবান স্টাডিজ) এবং অর্থনীতি ([[গেম থিওরি]]);
** সংকেত এবং যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর একটি পরিসংখ্যানগত তত্ত্ব হিসেবে [[তথ্য তত্ত্ব|তথ্য তত্ত্বের]] (ইনফরমেশন থিওরি) বিকাশ;
** স্ব-সংগঠিত সিস্টেমের প্রথম উদাহরণসমূহ। <br>এই তালিকাটি বেশ চিত্তাকর্ষক: আমরা এই ধারণা এবং সরঞ্জামগুলোর অনেকগুলোকে আমাদের জীবনের একীভূত অংশ হিসেবে বিবেচনা করি...
** পৃষ্ঠা ৩৮
* আমাদের সমস্ত দুঃখ এই আত্ম-মগ্নতার সাথে যুক্ত। সমস্ত লাভ-ক্ষতি, আনন্দ ও বেদনা তৈরি হয় কারণ আমরা আমাদের এই অস্পষ্ট অহংবোধের সাথে নিজেদের এতটাই নিবিড়ভাবে জড়িয়ে ফেলি। আমরা এই "আমি"-র সাথে মানসিকভাবে এতটাই জড়িত এবং আসক্ত যে আমরা একে ধ্রুব সত্য বলে ধরে নিই।
** পৃষ্ঠা ৬৩
* অনেকে এটি মেনে নেবেন যে আমাদের আসলে জগত সম্পর্কে কোনো জ্ঞান নেই; আমাদের কাছে কেবল জগতের আমাদের তৈরি রূপান্তর বা ‘রিপ্রেজেন্টেশন’ সম্পর্কে জ্ঞান আছে। তবুও আমাদের গঠনগত কারণেই আমরা এই রিপ্রেজেন্টেশনগুলোকেই জগত হিসেবে গণ্য করতে বাধ্য হই, কারণ আমাদের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতা এমন মনে হয় যেন এটি একটি প্রদত্ত এবং তাৎক্ষণিক জগত।
** পৃষ্ঠা ১৪২
* অন্যের প্রতি সমব্যথী হওয়ার সম্ভাবনা প্রতিটি মানুষের মধ্যেই বিদ্যমান, তবে এটি সাধারণত অহংবোধের সাথে মিশে থাকে এবং এর ফলে এটি নিজের স্বীকৃতি এবং আত্ম-মূল্যায়নের লালসা মেটানোর প্রয়োজনের সাথে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। যখন কেউ অভ্যাসগত ছকে আটকে থাকে না—যখন কেউ কর্মফল বা কারণ-ফলাফলের অধীন হয়ে ইচ্ছাকৃত কাজ করে না—তখন যে স্বতঃস্ফূর্ত করুণা বা মমত্ববোধের উদয় হয়, তা প্রাপকের কাছ থেকে কোনো প্রতিদান পাওয়ার আশা ছাড়াই ঘটে। এই প্রতিদানের উদ্বেগ বা অন্যের প্রতিক্রিয়াই আমাদের কাজের মধ্যে উত্তেজনা এবং বাধার সৃষ্টি করে। যখন কোনো কাজ 'লেনদেনের মানসিকতা' ছাড়া করা হয়, তখন সেখানে প্রশান্তি থাকে। একেই বলা হয় পরম (বা তুরীয়) উদারতা।
** পৃষ্ঠা ২৪৯
=== ''দ্য ইমারজেন্ট সেলফ'' (১৯৯৫) ===
** ভারেলা (১৯৯৫) "দ্য ইমারজেন্ট সেলফ"; জন ব্রকম্যান সম্পাদিত ''দ্য থার্ড কালচার: বিয়ন্ড দ্য সায়েন্টিফিক রেভল্যুশন''-এ। অধ্যায় ১২ ([http://www.edge.org/documents/archive/edge86.html অনলাইন])
* আমার মনে হয় সারা জীবন আমার মনে কেবল একটিই প্রশ্ন ছিল। কেন এই উদ্ভূত সত্তা বা ভার্চুয়াল পরিচয়গুলো মন/দেহ স্তর, কোষ স্তর কিংবা ট্রান্স-অর্গানিজম স্তরে জগত তৈরি করতে সব জায়গায় আবির্ভূত হয়? এই ঘটনাটি এতটাই সৃজনশীল যে এটি সম্পূর্ণ নতুন ক্ষেত্র—জীবন, মন এবং সমাজ—তৈরি করা বন্ধ করে না। তবুও এই উদ্ভূত সত্তাগুলো এমন কিছু অস্থির এবং নিরাধার প্রক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে তৈরি যে, যা আমাদের সামনে দৃশ্যমান তার দৃঢ়তা এবং এর ভিত্তিহীনতার মধ্যে আমরা একটি আপাত বৈপরীত্য দেখতে পাই। আমার কাছে এটিই একটি প্রধান এবং চিরন্তন প্রশ্ন।
* আমি সম্ভবত তিনটি ভিন্ন ধরণের কাজের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত, যা অনেকের কাছে আলাদা মনে হলেও আমার কাছে একটি অভিন্ন থিম হিসেবে কাজ করে। এগুলো হলো: কোষীয় সংগঠনের জন্য অটোপয়েসিস (স্ব-উৎপাদন) ধারণার প্রবর্তনে আমার অবদান, স্নায়ুতন্ত্র ও সংজ্ঞানের সক্রিয় বা এনাক্টিভ দৃষ্টিভঙ্গি এবং ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পর্কে বর্তমান ধারণাগুলোর সংশোধন।
* আমি বৌদ্ধ অনুশীলন এবং বৈজ্ঞানিক কাজের মধ্যে দীর্ঘদিনের আগ্রহের ওপর ভিত্তি করে গবেষণালব্ধ একটি সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহী।
* [[বৌদ্ধধর্ম]] একটি অনুশীলন, কোনো বিশ্বাস নয়। প্রতিটি বৌদ্ধই কোনো না কোনোভাবে সাধারণ যাজকতুল্য—একজন বিজ্ঞানী যেভাবে তাঁর কাজে লিপ্ত থাকেন, কিংবা একজন লেখকের মন যেভাবে সারাক্ষণ নেপথ্যে থেকে লেখায় মগ্ন থাকে, তাঁরাও সেভাবেই এতে নিবিষ্ট থাকেন।
=== ভারেলা সম্পর্কে ===
* ফ্রান্সিস্কো ভারেলা আশ্চর্যজনকভাবে উদ্ভাবনী, স্বাধীনচেতা এবং সৃজনশীল। তিনি এবং উম্বের্তো মাতুরানা যা বলেছেন তার মধ্যে গভীরতা রয়েছে। আবার উল্টোদিকে, একজন কঠোর আণবিক জীববিজ্ঞানীর (মলিকুলার বায়োলজিস্ট) দৃষ্টিকোণ থেকে এগুলো কেবলই অবাস্তব ও ভিত্তিহীন বিষয়। এই কারণেই তাঁর কাজের প্রতি মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। আমার ভেতরের সেই অংশটি যা যুক্তিনির্ভর এবং সমালোচনামূলক, তা হয়তো প্রশ্ন তোলে; কিন্তু আমার অন্য অংশটি ইমিউন নেটওয়ার্কের স্ব-প্রতিনিধিত্ব নিয়ে করা তাঁর সাম্প্রতিক কাজগুলো গ্রহণ করেছে। আমি এগুলো খুব পছন্দ করি।
** [[স্টুয়ার্ট কফম্যান]]; জন ব্রকম্যান সম্পাদিত (১৯৯৫) ''দ্য থার্ড কালচার: বিয়ন্ড দ্য সায়েন্টিফিক রেভল্যুশন''-এ। পৃষ্ঠা ২০৯ ([http://www.edge.org/documents/ThirdCulture/t-Ch.12.html অনলাইন])।
* ফ্রান্সিস্কো ছিলেন একজন পরীক্ষামূলক এবং তাত্ত্বিক জীববিজ্ঞানী, যিনি তাঁর ভাষায় "উদ্ভূত সত্তা" (ইমারজেন্ট সেলভস) বা "ভার্চুয়াল পরিচয়" (ভার্চুয়াল আইডেন্টিটিস) নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। বাস্তবতার প্রতি তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি ছিল অন্তর্নিহিত; যা প্রকৌশল বা তথ্য বিজ্ঞানের রূপকের বদলে স্ব-সংগঠন এবং বৌদ্ধধর্ম-অনুপ্রাণিত জ্ঞানতত্ত্ব থেকে উদ্ভূত রূপকের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল।
** জন ব্রকম্যান (২০০১) "[http://www.edge.org/documents/archive/edge86.html এজ: দ্য ইমারজেন্ট সেলফ]", edge.org, ৫ জুন ২০০১।
nbx3d47qlnwblw6rixq5fyg55cuwqvz
75595
75594
2026-04-11T07:34:07Z
Sumanta3023
4175
/* উক্তি */
75595
wikitext
text/x-wiki
[[File:Francisco Varela.jpg|250px|right|thumbnail|১৯৯৪ সালে ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]]
'''[[w:ফ্রান্সিস্কো ভারেলা|ফ্রান্সিস্কো জাভিয়ের ভারেলা গার্সিয়া]]''' ([[৭ সেপ্টেম্বর]], [[১৯৪৬]] – [[২৮ মে]], [[২০০১]]) ছিলেন একজন চিলীয় [[জীববিজ্ঞানী]] এবং [[দার্শনিক]]। তিনি তাঁর শিক্ষক [[উম্বের্তো মাতুরানা|উম্বের্তো মাতুরানার]] সাথে যৌথভাবে জীববিজ্ঞানে [[w:অটোপয়েসিস|অটোপয়েসিস]] ধারণাটি প্রবর্তনের জন্য সর্বাধিক পরিচিত।
== উক্তি ==
* যদি সবাই একমত হতো যে তাদের বর্তমান বাস্তবতা একটি বাস্তবতা মাত্র, এবং আমরা মূলত যা ভাগ করে নেই তা হলো একটি বাস্তবতা তৈরি করার সক্ষমতা, তবে সম্ভবত আমরা একটি 'মেটা-অ্যাগ্রিমেন্ট' বা উচ্চতর চুক্তিতে পৌঁছাতে পারতাম। এটি এমন একটি বাস্তবতা গণনার পথ দেখাত যা প্রতিটি গোষ্ঠীর নিজস্ব কর্মপদ্ধতি চাপিয়ে দেওয়ার বদলে গ্রহের প্রত্যেকের বেঁচে থাকা এবং মর্যাদা নিশ্চিত করত।
** ভারেলা (১৯৭৫); অ্যান ওয়াল্ডম্যান সম্পাদিত ''দ্য কোইভোল্যুশন কোয়ার্টারলি'' এ। সংখ্যা ৮-১২, পৃষ্ঠা ৩১।
* সমসাময়িক সংস্কৃতিতে '[[সামগ্রিকতা|সামগ্রিক]]' দৃষ্টিভঙ্গিকে এক ধরণের সর্বরোগহর ওষুধ হিসেবে প্রচার করার একটি শক্তিশালী ধারা রয়েছে সংক্ষেপণবাদ বা রিডাকশনিজম বলতে নিচের স্তরের দিকে মনোযোগ দেওয়া বোঝায়, আর সামগ্রিকতা বলতে উচ্চতর স্তরের দিকে মনোযোগ দেওয়া বোঝায়। যেকোনো সন্তোষজনক বর্ণনায় এই দুটি একে অপরের সাথে জড়িত: এবং প্রতিটি আমাদের জ্ঞানীয় পছন্দের ক্ষেত্রে কিছুটা ক্ষতির পাশাপাশি কিছু লাভও নিয়ে আসে অংশগুলোর পারস্পরিক সংযোগ ছাড়া কোনো সামগ্রিক ব্যবস্থা হয় না এবং পরিবেশ ছাড়া কোনো সামগ্রিক ব্যবস্থা থাকা সম্ভব নয়।
** ভারেলা (১৯৭৭) "অন বিয়িং অটোনমাস: দ্য লেসনস অফ ন্যাচারাল হিস্ট্রি ফর সিস্টেমস থিওরি"। [[জর্জ ক্লির]] সম্পাদিত ''অ্যাপ্লাইড সিস্টেমস রিসার্চ'' এ। নিউ ইয়র্ক: প্লেনাম প্রেস। পৃষ্ঠা ৭৭-৮৫; ডি. রুড্রফ (২০০৩) "[http://www.scielo.cl/pdf/bres/v36n1/art05.pdf ফ্রম অটোপয়েসিস টু নিউরোফেনোমেনোলজি: ফ্রান্সিস্কো ভারেলা'স এক্সপ্লোরেশন অফ দ্য বায়োফিজিক্স অফ বিয়িং]" এ উদ্ধৃত। ইন: ''বায়োল রেস'' ৩৬: ২৭-৬৫।
* একটি বৈচিত্র্যময় সম্প্রদায় হলো একটি স্থিতিস্থাপক সম্প্রদায়, যা পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম। তবে বৈচিত্র্য কেবল তখনই কৌশলগত সুবিধা প্রদান করে যখন সেখানে একটি সত্যিকারের প্রাণবন্ত সম্প্রদায় থাকে, যা সম্পর্কের এক নিবিড় জালের মাধ্যমে টিকে থাকে। যদি সম্প্রদায়টি বিচ্ছিন্ন গোষ্ঠী এবং ব্যক্তিতে বিভক্ত হয়ে পড়ে, তবে বৈচিত্র্য সহজেই কুসংস্কার এবং ঘর্ষণের উৎস হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু সম্প্রদায়টি যদি তার সমস্ত সদস্যের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা সম্পর্কে সচেতন থাকে, তবে বৈচিত্র্য সমস্ত সম্পর্ককে সমৃদ্ধ করবে এবং এর ফলে সামগ্রিকভাবে সম্প্রদায় ও প্রতিটি স্বতন্ত্র সদস্য সমৃদ্ধ হবে। এমন একটি সম্প্রদায়ে তথ্য এবং ধারণাগুলো পুরো নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অবাধে প্রবাহিত হয় এবং ব্যাখ্যার ভিন্নতা ও শেখার শৈলীর বৈচিত্র্য এমনকি ভুলের বৈচিত্র্যও পুরো সম্প্রদায়কে সমৃদ্ধ করবে।
** মাতুরানা এবং ভারেলা (১৯৮৭) ''দ্য ট্রি অফ নলেজ''; [[ফ্রিটজফ ক্যাপ্রা]] (১৯৯৬) ''দ্য ওয়েব অফ লাইফ'' এ উদ্ধৃত। পৃষ্ঠা ৩৩০।
* আমি একজন জীববিজ্ঞানী যে জ্ঞানীয় ঘটনার জৈবিক শিকড় নিয়ে আগ্রহী।
** ভারেলা (১৯৯০); ডি. রুড্রফ (২০০৩) "[http://www.scielo.cl/pdf/bres/v36n1/art05.pdf ফ্রম অটোপয়েসিস টু নিউরোফেনোমেনোলজি: ফ্রান্সিস্কো ভারেলা'স এক্সপ্লোরেশন অফ দ্য বায়োফিজিক্স অফ বিয়িং]" এ উদ্ধৃত। ইন: ''বায়োল রেস'' ৩৬: ২৭-৬৫।
* আমি আশা করি আমি পাঠককে এই কথাটি বিবেচনা করতে প্রলুব্ধ করতে পেরেছি যে, আমাদের সামনে মানবিক অভিজ্ঞতা এবং জ্ঞানীয় বিজ্ঞানের মধ্যে অনুরণিত পথ খোঁজার একটি অন্তহীন সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এর মূল্য হিসেবে প্রথম-ব্যক্তির বর্ণনাকে (ফার্স্ট-পারসন অ্যাকাউন্টস) ঘটনার একটি বৈধ ক্ষেত্র হিসেবে গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করতে হবে। আর তারও বাইরে, প্রপঞ্চতাত্ত্বিক বা ফেনোমেনোলজিক্যাল পরীক্ষার একটি টেকসই ঐতিহ্য গড়ে তুলতে হবে যা আজ আমাদের পাশ্চাত্য বিজ্ঞান এবং বৃহত্তর সংস্কৃতিতে প্রায় অস্তিত্বহীন।
** ভারেলা (১৯৯৬) "নিউরোফেনোমেনোলজি : এ মেথডোলজিক্যাল রেমেডি ফর দ্য হার্ড প্রবলেম"; ''জার্নাল অফ কনশাসনেস স্টাডিজ'', জে. শেয়ার (সম্পাদিত), জুন ১৯৯৬। [http://www.enolagaia.com/Varela.html ফ্রান্সিস্কো জে. ভারেলা ১৯৪৬ - ২০০১], enolagaia.com-এ উদ্ধৃত।
* গত ১৫ বছরে একটি বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গির উত্থান ঘটেছে, যা হলো মূর্ত বা সক্রিয় সংজ্ঞান (এমবডিড অর এনাক্টিভ কগনিশন)। এই নতুন ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়েছে কারণ কম্পিউটেশনালিস্ট মতবাদ বিশ্বের অতি সাধারণ বিষয়গুলোর ব্যাখ্যা দিতেও ব্যর্থ হয়েছে: যেমন হাঁটা, প্রাকৃতিক পরিবেশে কোনো বস্তুকে অনুধাবন করা কিংবা কল্পনা। ধীরে ধীরে পাশা উল্টে গিয়ে এখন বিবেচনা করা হচ্ছে যে, মনের ভিত্তি হলো দেহ এবং তার সম্মিলিত কাজ; অর্থাৎ সেন্সরি-মোটর সার্কিটগুলো জীবকে একটি নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে টিকে থাকার উপযোগী হিসেবে গড়ে তোলে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে মস্তিষ্ককে একটি গতিশীল প্রক্রিয়া হিসেবে দেখা হয় (সিনট্যাকটিক প্রক্রিয়া হিসেবে নয়), যার রয়েছে রিয়েল-টাইম ভেরিয়েবল এবং সমৃদ্ধ স্ব-সংগঠিত হওয়ার সক্ষমতা (প্রতিনিধিত্বমূলক কোনো যন্ত্র হিসেবে নয়)। তাই এই অর্থে মন কেবল মাথার ভেতরে নেই, যেহেতু এর শিকড় পুরো শরীরে এবং সেই বর্ধিত পরিবেশে ছড়িয়ে আছে যেখানে জীবটি অবস্থান করে।
** ভারেলা (১৯৯৮) "[http://www.expo-cosmos.or.jp/letter/letter12e.html দ্য কসমস লেটার]", এক্সপো'৯০ ফাউন্ডেশন, জাপান।
* একটি ঐক্যবদ্ধ জ্ঞানীয় মুহূর্তের উদ্ভব নির্ভর করে মস্তিষ্কের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা কার্যকারীভাবে বিশেষায়িত অংশগুলোর সমন্বয়ের ওপর। এখানে আমরা লার্জ-স্কেল ইন্টিগ্রেশন বা বৃহৎ আকারের একীকরণের প্রক্রিয়াগুলো পর্যালোচনা করছি, যা মস্তিষ্কের কার্যকলাপের ছড়িয়ে থাকা শারীরবৃত্তীয় এবং কার্যকারী সংস্থাকে ভারসাম্য প্রদান করে যাতে সুসংগত আচরণ এবং সংজ্ঞানের উদ্ভব ঘটে। যদিও লার্জ-স্কেল ইন্টিগ্রেশনের সাথে জড়িত প্রক্রিয়াগুলো এখনও অনেকটা অজানা, তবুও আমরা যুক্তি দিচ্ছি যে সবচেয়ে সম্ভাব্য উপায় হলো একাধিক ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড জুড়ে সিনক্রোনি বা সমকালিকতার মাধ্যমে তৈরি হওয়া গতিশীল যোগসূত্র।
** ফ্রান্সিস্কো ভারেলা*, জিন-ফিলিপ লাচাক্স*, ইউজেনিও রদ্রিগেজ এবং জ্যাক মার্তিনেরি (২০০১) "দ্য ব্রেইনওয়েব: ফেজ সিনক্রোনাইজেশন অ্যান্ড লার্জ-স্কেল ইন্টিগ্রেশন"; ''নেচার রিভিউস ভলিউম ২ (এপ্রিল ২০০১)''। পৃষ্ঠা ২২৯। ([http://www.saminverso.com/brg/archive/varela%202001%20Brainweb-Phase%20synchronization%20and%20large%20scale%20integration.pdf অনলাইন])
* এটি আসলে আমাদের উদ্দেশ্যবাদ বা টেলিলজির অভিজ্ঞতার মাধ্যমে আমাদের একটি সত্তা হিসেবে টিকে থাকার আকাঙ্ক্ষা, বস্তুর ওপর উদ্দেশ্য আরোপ করা নয় যার ফলে উদ্দেশ্যবাদ একটি বুদ্ধিবৃত্তিক নীতির চেয়ে বরং একটি বাস্তব নীতিতে পরিণত হয় বিজ্ঞানী হওয়ার আগে আমরা প্রথমত জীবন্ত প্রাণী, আর সেই হিসেবে আমাদের মধ্যে সহজাত উদ্দেশ্যবাদের প্রমাণ রয়েছে। এবং অন্যান্য প্রাণীদের তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম পর্যবেক্ষণ করার সময় রাসায়নিক বিকর্ষণকারী পদার্থ থেকে সক্রিয়ভাবে দূরে সরে যাওয়া সাধারণ ব্যাকটেরিয়া থেকে শুরু করে আমরা আমাদের নিজস্ব প্রমাণের মাধ্যমে উদ্দেশ্যবাদকে জীবজগতের চালিকাশক্তি হিসেবে বুঝতে পারি। জীবন সম্পর্কিত তত্ত্বগুলো কেবল জীবনেরই সেই ভঙ্গুর এবং সংশ্লিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি থেকে অনুধাবন করা সম্ভব।
** [[আন্দ্রেয়াস ওয়েবার (লেখক)|আন্দ্রেয়াস ওয়েবার]] এবং ফ্রান্সিস্কো ভারেলা ২০০২। "লাইফ আফটার কান্ট: ন্যাচারাল পারপাসেস অ্যান্ড দ্য অটোপয়েটিক ফাউন্ডেশনস অফ ইন্ডিভিজুয়ালিটি"। ''ফেনোমেনোলজি অ্যান্ড দ্য কগনিটিভ সায়েন্সেস'' ২, ৯৭–১২৫। পৃষ্ঠা ১১০; [[ইভান থম্পসন]], "লাইফ অ্যান্ড মাইন্ড: ফ্রম অটোপয়েসিস টু নিউরোফেনোমেনোলজি। এ ট্রিবিউট টু ফ্রান্সিস্কো ভারেলা।" এ উদ্ধৃত। ''ফেনোমেনোলজি অ্যান্ড দ্য কগনিটিভ সায়েন্সেস'' ৩.৪ (২০০৪): ৩৮১-৩৯৮।
=== ''অটোপয়েসিস অ্যান্ড কগনিশন: দ্য রিয়ালাইজেশন অফ দ্য লিভিং'' (১৯৮০) ===
:[[উম্বের্তো মাতুরানা|এইচ.আর. মাতুরানা]], এফ.জে. ভারেলা (১৯৮০) ''অটোপয়েসিস অ্যান্ড কগনিশন: দ্য রিয়ালাইজেশন অফ দ্য লিভিং''
* অটোপয়েটিক সংগঠন বলতে মাতুরানা এবং ভারেলা সেই প্রক্রিয়াগুলোকে বুঝিয়েছেন, যা উপাদান উৎপাদনের একটি নেটওয়ার্কের নির্দিষ্ট রূপের সাথে এমনভাবে জড়িত যা সেই নেটওয়ার্কটিকে উপলব্ধি করার মাধ্যমে একে একটি একক বা সত্তা হিসেবে গঠন করে।
** পৃষ্ঠা ৮০; লি ও. থায়ার এবং জর্জ এ. বার্নেট (১৯৯৭) ''অর্গানাইজেশন-কমিউনিকেশন: এমার্জিং পারসপেক্টিভস, ভলিউম ৫''-এ উদ্ধৃত। পৃষ্ঠা ১৯৩।
* যে সম্পর্কগুলো একটি সিস্টেমকে একক বা সত্তা হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে এবং মিথস্ক্রিয়া ও রূপান্তরের গতিশীলতা নির্ধারণ করে—যার মধ্য দিয়ে সেই সত্তাটি অতিবাহিত হতে পারে—তা-ই ওই যন্ত্রের সংগঠন তৈরি করে।
** পৃষ্ঠা ১৩৭
=== ''দ্য এমবডিড মাইন্ড'' (১৯৯১) ===
:ফ্রান্সিস্কো জে. ভারেলা, ইভান থম্পসন এবং এলিনর রোশ (১৯৯১) ''দ্য এমবডিড মাইন্ড: কগনিটিভ সায়েন্স অ্যান্ড হিউম্যান এক্সপেরিয়েন্স'', এমআইটি প্রেস
* বৌদ্ধ শিক্ষকরা প্রায়ই যেমনটি উল্লেখ করেন, জ্ঞান—[[প্রজ্ঞা (বৌদ্ধধর্ম)|প্রজ্ঞা]] অর্থে—কোনো নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান নয়। অভিজ্ঞতার বাইরে বা অভিজ্ঞতা থেকে আলাদা এমন কোনো বিমূর্ত 'জ্ঞাতা' নেই।
** পৃষ্ঠা ২৬; '[http://evenhigherlearning.wordpress.com/2009/05/08/in-7-quotes-or-less-the-embodied-mind-by-francisco-j-varela-evan-thompson-and-eleanor-rosch/ ইন ৭ কোটস অর লেস]'এ আংশিক উদ্ধৃত, evenhigherlearning.wordpress.com, ৮ জুন, ২০০৯।
* জ্ঞানীয় বিজ্ঞানের (কগনিটিভ সায়েন্স) [[সাইবারনেটিক্স]] পর্যায়টি তার দীর্ঘমেয়াদী (প্রায়ই নেপথ্য) প্রভাবের পাশাপাশি আশ্চর্যজনকভাবে সুনির্দিষ্ট কিছু ফলাফল তৈরি করেছে:
** স্নায়ুতন্ত্রের কাজ বোঝার জন্য গাণিতিক যুক্তির ব্যবহার;
** তথ্য প্রক্রিয়াকরণ যন্ত্রের (ডিজিটাল কম্পিউটার হিসেবে) উদ্ভাবন, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভিত্তি স্থাপন করেছে;
** সিস্টেম থিওরির মতো একটি মেটা-ডিসিপ্লিন বা উচ্চতর শাস্ত্রের প্রতিষ্ঠা, যা বিজ্ঞানের অনেক শাখায় ছাপ ফেলেছে, যেমন প্রকৌশল (সিস্টেম অ্যানালাইসিস, কন্ট্রোল থিওরি), জীববিজ্ঞান (রেগুলেটরি ফিজিওলজি, ইকোলজি), সামাজিক বিজ্ঞান (ফ্যামিলি থেরাপি, স্ট্রাকচারাল অ্যানথ্রোপলজি, ম্যানেজমেন্ট, আরবান স্টাডিজ) এবং অর্থনীতি ([[গেম থিওরি]]);
** সংকেত এবং যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর একটি পরিসংখ্যানগত তত্ত্ব হিসেবে [[তথ্য তত্ত্ব|তথ্য তত্ত্বের]] (ইনফরমেশন থিওরি) বিকাশ;
** স্ব-সংগঠিত সিস্টেমের প্রথম উদাহরণসমূহ। <br>এই তালিকাটি বেশ চিত্তাকর্ষক: আমরা এই ধারণা এবং সরঞ্জামগুলোর অনেকগুলোকে আমাদের জীবনের একীভূত অংশ হিসেবে বিবেচনা করি...
** পৃষ্ঠা ৩৮
* আমাদের সমস্ত দুঃখ এই আত্ম-মগ্নতার সাথে যুক্ত। সমস্ত লাভ-ক্ষতি, আনন্দ ও বেদনা তৈরি হয় কারণ আমরা আমাদের এই অস্পষ্ট অহংবোধের সাথে নিজেদের এতটাই নিবিড়ভাবে জড়িয়ে ফেলি। আমরা এই "আমি"-র সাথে মানসিকভাবে এতটাই জড়িত এবং আসক্ত যে আমরা একে ধ্রুব সত্য বলে ধরে নিই।
** পৃষ্ঠা ৬৩
* অনেকে এটি মেনে নেবেন যে আমাদের আসলে জগত সম্পর্কে কোনো জ্ঞান নেই; আমাদের কাছে কেবল জগতের আমাদের তৈরি রূপান্তর বা ‘রিপ্রেজেন্টেশন’ সম্পর্কে জ্ঞান আছে। তবুও আমাদের গঠনগত কারণেই আমরা এই রিপ্রেজেন্টেশনগুলোকেই জগত হিসেবে গণ্য করতে বাধ্য হই, কারণ আমাদের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতা এমন মনে হয় যেন এটি একটি প্রদত্ত এবং তাৎক্ষণিক জগত।
** পৃষ্ঠা ১৪২
* অন্যের প্রতি সমব্যথী হওয়ার সম্ভাবনা প্রতিটি মানুষের মধ্যেই বিদ্যমান, তবে এটি সাধারণত অহংবোধের সাথে মিশে থাকে এবং এর ফলে এটি নিজের স্বীকৃতি এবং আত্ম-মূল্যায়নের লালসা মেটানোর প্রয়োজনের সাথে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। যখন কেউ অভ্যাসগত ছকে আটকে থাকে না—যখন কেউ কর্মফল বা কারণ-ফলাফলের অধীন হয়ে ইচ্ছাকৃত কাজ করে না—তখন যে স্বতঃস্ফূর্ত করুণা বা মমত্ববোধের উদয় হয়, তা প্রাপকের কাছ থেকে কোনো প্রতিদান পাওয়ার আশা ছাড়াই ঘটে। এই প্রতিদানের উদ্বেগ বা অন্যের প্রতিক্রিয়াই আমাদের কাজের মধ্যে উত্তেজনা এবং বাধার সৃষ্টি করে। যখন কোনো কাজ 'লেনদেনের মানসিকতা' ছাড়া করা হয়, তখন সেখানে প্রশান্তি থাকে। একেই বলা হয় পরম (বা তুরীয়) উদারতা।
** পৃষ্ঠা ২৪৯
=== ''দ্য ইমারজেন্ট সেলফ'' (১৯৯৫) ===
** ভারেলা (১৯৯৫) "দ্য ইমারজেন্ট সেলফ"; জন ব্রকম্যান সম্পাদিত ''দ্য থার্ড কালচার: বিয়ন্ড দ্য সায়েন্টিফিক রেভল্যুশন''-এ। অধ্যায় ১২ ([http://www.edge.org/documents/archive/edge86.html অনলাইন])
* আমার মনে হয় সারা জীবন আমার মনে কেবল একটিই প্রশ্ন ছিল। কেন এই উদ্ভূত সত্তা বা ভার্চুয়াল পরিচয়গুলো মন/দেহ স্তর, কোষ স্তর কিংবা ট্রান্স-অর্গানিজম স্তরে জগত তৈরি করতে সব জায়গায় আবির্ভূত হয়? এই ঘটনাটি এতটাই সৃজনশীল যে এটি সম্পূর্ণ নতুন ক্ষেত্র—জীবন, মন এবং সমাজ—তৈরি করা বন্ধ করে না। তবুও এই উদ্ভূত সত্তাগুলো এমন কিছু অস্থির এবং নিরাধার প্রক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে তৈরি যে, যা আমাদের সামনে দৃশ্যমান তার দৃঢ়তা এবং এর ভিত্তিহীনতার মধ্যে আমরা একটি আপাত বৈপরীত্য দেখতে পাই। আমার কাছে এটিই একটি প্রধান এবং চিরন্তন প্রশ্ন।
* আমি সম্ভবত তিনটি ভিন্ন ধরণের কাজের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত, যা অনেকের কাছে আলাদা মনে হলেও আমার কাছে একটি অভিন্ন থিম হিসেবে কাজ করে। এগুলো হলো: কোষীয় সংগঠনের জন্য অটোপয়েসিস (স্ব-উৎপাদন) ধারণার প্রবর্তনে আমার অবদান, স্নায়ুতন্ত্র ও সংজ্ঞানের সক্রিয় বা এনাক্টিভ দৃষ্টিভঙ্গি এবং ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পর্কে বর্তমান ধারণাগুলোর সংশোধন।
* আমি বৌদ্ধ অনুশীলন এবং বৈজ্ঞানিক কাজের মধ্যে দীর্ঘদিনের আগ্রহের ওপর ভিত্তি করে গবেষণালব্ধ একটি সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহী।
* [[বৌদ্ধধর্ম]] একটি অনুশীলন, কোনো বিশ্বাস নয়। প্রতিটি বৌদ্ধই কোনো না কোনোভাবে সাধারণ যাজকতুল্য—একজন বিজ্ঞানী যেভাবে তাঁর কাজে লিপ্ত থাকেন, কিংবা একজন লেখকের মন যেভাবে সারাক্ষণ নেপথ্যে থেকে লেখায় মগ্ন থাকে, তাঁরাও সেভাবেই এতে নিবিষ্ট থাকেন।
=== ভারেলা সম্পর্কে ===
* ফ্রান্সিস্কো ভারেলা আশ্চর্যজনকভাবে উদ্ভাবনী, স্বাধীনচেতা এবং সৃজনশীল। তিনি এবং উম্বের্তো মাতুরানা যা বলেছেন তার মধ্যে গভীরতা রয়েছে। আবার উল্টোদিকে, একজন কঠোর আণবিক জীববিজ্ঞানীর (মলিকুলার বায়োলজিস্ট) দৃষ্টিকোণ থেকে এগুলো কেবলই অবাস্তব ও ভিত্তিহীন বিষয়। এই কারণেই তাঁর কাজের প্রতি মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। আমার ভেতরের সেই অংশটি যা যুক্তিনির্ভর এবং সমালোচনামূলক, তা হয়তো প্রশ্ন তোলে; কিন্তু আমার অন্য অংশটি ইমিউন নেটওয়ার্কের স্ব-প্রতিনিধিত্ব নিয়ে করা তাঁর সাম্প্রতিক কাজগুলো গ্রহণ করেছে। আমি এগুলো খুব পছন্দ করি।
** [[স্টুয়ার্ট কফম্যান]]; জন ব্রকম্যান সম্পাদিত (১৯৯৫) ''দ্য থার্ড কালচার: বিয়ন্ড দ্য সায়েন্টিফিক রেভল্যুশন''-এ। পৃষ্ঠা ২০৯ ([http://www.edge.org/documents/ThirdCulture/t-Ch.12.html অনলাইন])।
* ফ্রান্সিস্কো ছিলেন একজন পরীক্ষামূলক এবং তাত্ত্বিক জীববিজ্ঞানী, যিনি তাঁর ভাষায় "উদ্ভূত সত্তা" (ইমারজেন্ট সেলভস) বা "ভার্চুয়াল পরিচয়" (ভার্চুয়াল আইডেন্টিটিস) নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। বাস্তবতার প্রতি তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি ছিল অন্তর্নিহিত; যা প্রকৌশল বা তথ্য বিজ্ঞানের রূপকের বদলে স্ব-সংগঠন এবং বৌদ্ধধর্ম-অনুপ্রাণিত জ্ঞানতত্ত্ব থেকে উদ্ভূত রূপকের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল।
** জন ব্রকম্যান (২০০১) "[http://www.edge.org/documents/archive/edge86.html এজ: দ্য ইমারজেন্ট সেলফ]", edge.org, ৫ জুন ২০০১।
== বহিঃসংযোগ ==
{{wikipedia}}
* [http://www.edge.org/3rd_culture/varela/varela_index.html জন ব্রকম্যান] ফ্রান্সিস্কো ভারেলা: ইন মেমোরিয়াম
{{DEFAULTSORT:Varela, Francisco}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৬ এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০০১ এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:চিলীয় জীববিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:চিলীয় দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:সাইবারনেটিশিয়ান]]
[[বিষয়শ্রেণী:সান্তিয়াগো দে চিলির ব্যক্তি]]
mdi2td7a2dpv75b883p8h5kouj2i9xo
75596
75595
2026-04-11T07:34:32Z
Sumanta3023
4175
/* বহিঃসংযোগ */
75596
wikitext
text/x-wiki
[[File:Francisco Varela.jpg|250px|right|thumbnail|১৯৯৪ সালে ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]]
'''[[w:ফ্রান্সিস্কো ভারেলা|ফ্রান্সিস্কো জাভিয়ের ভারেলা গার্সিয়া]]''' ([[৭ সেপ্টেম্বর]], [[১৯৪৬]] – [[২৮ মে]], [[২০০১]]) ছিলেন একজন চিলীয় [[জীববিজ্ঞানী]] এবং [[দার্শনিক]]। তিনি তাঁর শিক্ষক [[উম্বের্তো মাতুরানা|উম্বের্তো মাতুরানার]] সাথে যৌথভাবে জীববিজ্ঞানে [[w:অটোপয়েসিস|অটোপয়েসিস]] ধারণাটি প্রবর্তনের জন্য সর্বাধিক পরিচিত।
== উক্তি ==
* যদি সবাই একমত হতো যে তাদের বর্তমান বাস্তবতা একটি বাস্তবতা মাত্র, এবং আমরা মূলত যা ভাগ করে নেই তা হলো একটি বাস্তবতা তৈরি করার সক্ষমতা, তবে সম্ভবত আমরা একটি 'মেটা-অ্যাগ্রিমেন্ট' বা উচ্চতর চুক্তিতে পৌঁছাতে পারতাম। এটি এমন একটি বাস্তবতা গণনার পথ দেখাত যা প্রতিটি গোষ্ঠীর নিজস্ব কর্মপদ্ধতি চাপিয়ে দেওয়ার বদলে গ্রহের প্রত্যেকের বেঁচে থাকা এবং মর্যাদা নিশ্চিত করত।
** ভারেলা (১৯৭৫); অ্যান ওয়াল্ডম্যান সম্পাদিত ''দ্য কোইভোল্যুশন কোয়ার্টারলি'' এ। সংখ্যা ৮-১২, পৃষ্ঠা ৩১।
* সমসাময়িক সংস্কৃতিতে '[[সামগ্রিকতা|সামগ্রিক]]' দৃষ্টিভঙ্গিকে এক ধরণের সর্বরোগহর ওষুধ হিসেবে প্রচার করার একটি শক্তিশালী ধারা রয়েছে সংক্ষেপণবাদ বা রিডাকশনিজম বলতে নিচের স্তরের দিকে মনোযোগ দেওয়া বোঝায়, আর সামগ্রিকতা বলতে উচ্চতর স্তরের দিকে মনোযোগ দেওয়া বোঝায়। যেকোনো সন্তোষজনক বর্ণনায় এই দুটি একে অপরের সাথে জড়িত: এবং প্রতিটি আমাদের জ্ঞানীয় পছন্দের ক্ষেত্রে কিছুটা ক্ষতির পাশাপাশি কিছু লাভও নিয়ে আসে অংশগুলোর পারস্পরিক সংযোগ ছাড়া কোনো সামগ্রিক ব্যবস্থা হয় না এবং পরিবেশ ছাড়া কোনো সামগ্রিক ব্যবস্থা থাকা সম্ভব নয়।
** ভারেলা (১৯৭৭) "অন বিয়িং অটোনমাস: দ্য লেসনস অফ ন্যাচারাল হিস্ট্রি ফর সিস্টেমস থিওরি"। [[জর্জ ক্লির]] সম্পাদিত ''অ্যাপ্লাইড সিস্টেমস রিসার্চ'' এ। নিউ ইয়র্ক: প্লেনাম প্রেস। পৃষ্ঠা ৭৭-৮৫; ডি. রুড্রফ (২০০৩) "[http://www.scielo.cl/pdf/bres/v36n1/art05.pdf ফ্রম অটোপয়েসিস টু নিউরোফেনোমেনোলজি: ফ্রান্সিস্কো ভারেলা'স এক্সপ্লোরেশন অফ দ্য বায়োফিজিক্স অফ বিয়িং]" এ উদ্ধৃত। ইন: ''বায়োল রেস'' ৩৬: ২৭-৬৫।
* একটি বৈচিত্র্যময় সম্প্রদায় হলো একটি স্থিতিস্থাপক সম্প্রদায়, যা পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম। তবে বৈচিত্র্য কেবল তখনই কৌশলগত সুবিধা প্রদান করে যখন সেখানে একটি সত্যিকারের প্রাণবন্ত সম্প্রদায় থাকে, যা সম্পর্কের এক নিবিড় জালের মাধ্যমে টিকে থাকে। যদি সম্প্রদায়টি বিচ্ছিন্ন গোষ্ঠী এবং ব্যক্তিতে বিভক্ত হয়ে পড়ে, তবে বৈচিত্র্য সহজেই কুসংস্কার এবং ঘর্ষণের উৎস হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু সম্প্রদায়টি যদি তার সমস্ত সদস্যের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা সম্পর্কে সচেতন থাকে, তবে বৈচিত্র্য সমস্ত সম্পর্ককে সমৃদ্ধ করবে এবং এর ফলে সামগ্রিকভাবে সম্প্রদায় ও প্রতিটি স্বতন্ত্র সদস্য সমৃদ্ধ হবে। এমন একটি সম্প্রদায়ে তথ্য এবং ধারণাগুলো পুরো নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অবাধে প্রবাহিত হয় এবং ব্যাখ্যার ভিন্নতা ও শেখার শৈলীর বৈচিত্র্য এমনকি ভুলের বৈচিত্র্যও পুরো সম্প্রদায়কে সমৃদ্ধ করবে।
** মাতুরানা এবং ভারেলা (১৯৮৭) ''দ্য ট্রি অফ নলেজ''; [[ফ্রিটজফ ক্যাপ্রা]] (১৯৯৬) ''দ্য ওয়েব অফ লাইফ'' এ উদ্ধৃত। পৃষ্ঠা ৩৩০।
* আমি একজন জীববিজ্ঞানী যে জ্ঞানীয় ঘটনার জৈবিক শিকড় নিয়ে আগ্রহী।
** ভারেলা (১৯৯০); ডি. রুড্রফ (২০০৩) "[http://www.scielo.cl/pdf/bres/v36n1/art05.pdf ফ্রম অটোপয়েসিস টু নিউরোফেনোমেনোলজি: ফ্রান্সিস্কো ভারেলা'স এক্সপ্লোরেশন অফ দ্য বায়োফিজিক্স অফ বিয়িং]" এ উদ্ধৃত। ইন: ''বায়োল রেস'' ৩৬: ২৭-৬৫।
* আমি আশা করি আমি পাঠককে এই কথাটি বিবেচনা করতে প্রলুব্ধ করতে পেরেছি যে, আমাদের সামনে মানবিক অভিজ্ঞতা এবং জ্ঞানীয় বিজ্ঞানের মধ্যে অনুরণিত পথ খোঁজার একটি অন্তহীন সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এর মূল্য হিসেবে প্রথম-ব্যক্তির বর্ণনাকে (ফার্স্ট-পারসন অ্যাকাউন্টস) ঘটনার একটি বৈধ ক্ষেত্র হিসেবে গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করতে হবে। আর তারও বাইরে, প্রপঞ্চতাত্ত্বিক বা ফেনোমেনোলজিক্যাল পরীক্ষার একটি টেকসই ঐতিহ্য গড়ে তুলতে হবে যা আজ আমাদের পাশ্চাত্য বিজ্ঞান এবং বৃহত্তর সংস্কৃতিতে প্রায় অস্তিত্বহীন।
** ভারেলা (১৯৯৬) "নিউরোফেনোমেনোলজি : এ মেথডোলজিক্যাল রেমেডি ফর দ্য হার্ড প্রবলেম"; ''জার্নাল অফ কনশাসনেস স্টাডিজ'', জে. শেয়ার (সম্পাদিত), জুন ১৯৯৬। [http://www.enolagaia.com/Varela.html ফ্রান্সিস্কো জে. ভারেলা ১৯৪৬ - ২০০১], enolagaia.com-এ উদ্ধৃত।
* গত ১৫ বছরে একটি বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গির উত্থান ঘটেছে, যা হলো মূর্ত বা সক্রিয় সংজ্ঞান (এমবডিড অর এনাক্টিভ কগনিশন)। এই নতুন ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়েছে কারণ কম্পিউটেশনালিস্ট মতবাদ বিশ্বের অতি সাধারণ বিষয়গুলোর ব্যাখ্যা দিতেও ব্যর্থ হয়েছে: যেমন হাঁটা, প্রাকৃতিক পরিবেশে কোনো বস্তুকে অনুধাবন করা কিংবা কল্পনা। ধীরে ধীরে পাশা উল্টে গিয়ে এখন বিবেচনা করা হচ্ছে যে, মনের ভিত্তি হলো দেহ এবং তার সম্মিলিত কাজ; অর্থাৎ সেন্সরি-মোটর সার্কিটগুলো জীবকে একটি নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে টিকে থাকার উপযোগী হিসেবে গড়ে তোলে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে মস্তিষ্ককে একটি গতিশীল প্রক্রিয়া হিসেবে দেখা হয় (সিনট্যাকটিক প্রক্রিয়া হিসেবে নয়), যার রয়েছে রিয়েল-টাইম ভেরিয়েবল এবং সমৃদ্ধ স্ব-সংগঠিত হওয়ার সক্ষমতা (প্রতিনিধিত্বমূলক কোনো যন্ত্র হিসেবে নয়)। তাই এই অর্থে মন কেবল মাথার ভেতরে নেই, যেহেতু এর শিকড় পুরো শরীরে এবং সেই বর্ধিত পরিবেশে ছড়িয়ে আছে যেখানে জীবটি অবস্থান করে।
** ভারেলা (১৯৯৮) "[http://www.expo-cosmos.or.jp/letter/letter12e.html দ্য কসমস লেটার]", এক্সপো'৯০ ফাউন্ডেশন, জাপান।
* একটি ঐক্যবদ্ধ জ্ঞানীয় মুহূর্তের উদ্ভব নির্ভর করে মস্তিষ্কের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা কার্যকারীভাবে বিশেষায়িত অংশগুলোর সমন্বয়ের ওপর। এখানে আমরা লার্জ-স্কেল ইন্টিগ্রেশন বা বৃহৎ আকারের একীকরণের প্রক্রিয়াগুলো পর্যালোচনা করছি, যা মস্তিষ্কের কার্যকলাপের ছড়িয়ে থাকা শারীরবৃত্তীয় এবং কার্যকারী সংস্থাকে ভারসাম্য প্রদান করে যাতে সুসংগত আচরণ এবং সংজ্ঞানের উদ্ভব ঘটে। যদিও লার্জ-স্কেল ইন্টিগ্রেশনের সাথে জড়িত প্রক্রিয়াগুলো এখনও অনেকটা অজানা, তবুও আমরা যুক্তি দিচ্ছি যে সবচেয়ে সম্ভাব্য উপায় হলো একাধিক ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড জুড়ে সিনক্রোনি বা সমকালিকতার মাধ্যমে তৈরি হওয়া গতিশীল যোগসূত্র।
** ফ্রান্সিস্কো ভারেলা*, জিন-ফিলিপ লাচাক্স*, ইউজেনিও রদ্রিগেজ এবং জ্যাক মার্তিনেরি (২০০১) "দ্য ব্রেইনওয়েব: ফেজ সিনক্রোনাইজেশন অ্যান্ড লার্জ-স্কেল ইন্টিগ্রেশন"; ''নেচার রিভিউস ভলিউম ২ (এপ্রিল ২০০১)''। পৃষ্ঠা ২২৯। ([http://www.saminverso.com/brg/archive/varela%202001%20Brainweb-Phase%20synchronization%20and%20large%20scale%20integration.pdf অনলাইন])
* এটি আসলে আমাদের উদ্দেশ্যবাদ বা টেলিলজির অভিজ্ঞতার মাধ্যমে আমাদের একটি সত্তা হিসেবে টিকে থাকার আকাঙ্ক্ষা, বস্তুর ওপর উদ্দেশ্য আরোপ করা নয় যার ফলে উদ্দেশ্যবাদ একটি বুদ্ধিবৃত্তিক নীতির চেয়ে বরং একটি বাস্তব নীতিতে পরিণত হয় বিজ্ঞানী হওয়ার আগে আমরা প্রথমত জীবন্ত প্রাণী, আর সেই হিসেবে আমাদের মধ্যে সহজাত উদ্দেশ্যবাদের প্রমাণ রয়েছে। এবং অন্যান্য প্রাণীদের তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম পর্যবেক্ষণ করার সময় রাসায়নিক বিকর্ষণকারী পদার্থ থেকে সক্রিয়ভাবে দূরে সরে যাওয়া সাধারণ ব্যাকটেরিয়া থেকে শুরু করে আমরা আমাদের নিজস্ব প্রমাণের মাধ্যমে উদ্দেশ্যবাদকে জীবজগতের চালিকাশক্তি হিসেবে বুঝতে পারি। জীবন সম্পর্কিত তত্ত্বগুলো কেবল জীবনেরই সেই ভঙ্গুর এবং সংশ্লিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি থেকে অনুধাবন করা সম্ভব।
** [[আন্দ্রেয়াস ওয়েবার (লেখক)|আন্দ্রেয়াস ওয়েবার]] এবং ফ্রান্সিস্কো ভারেলা ২০০২। "লাইফ আফটার কান্ট: ন্যাচারাল পারপাসেস অ্যান্ড দ্য অটোপয়েটিক ফাউন্ডেশনস অফ ইন্ডিভিজুয়ালিটি"। ''ফেনোমেনোলজি অ্যান্ড দ্য কগনিটিভ সায়েন্সেস'' ২, ৯৭–১২৫। পৃষ্ঠা ১১০; [[ইভান থম্পসন]], "লাইফ অ্যান্ড মাইন্ড: ফ্রম অটোপয়েসিস টু নিউরোফেনোমেনোলজি। এ ট্রিবিউট টু ফ্রান্সিস্কো ভারেলা।" এ উদ্ধৃত। ''ফেনোমেনোলজি অ্যান্ড দ্য কগনিটিভ সায়েন্সেস'' ৩.৪ (২০০৪): ৩৮১-৩৯৮।
=== ''অটোপয়েসিস অ্যান্ড কগনিশন: দ্য রিয়ালাইজেশন অফ দ্য লিভিং'' (১৯৮০) ===
:[[উম্বের্তো মাতুরানা|এইচ.আর. মাতুরানা]], এফ.জে. ভারেলা (১৯৮০) ''অটোপয়েসিস অ্যান্ড কগনিশন: দ্য রিয়ালাইজেশন অফ দ্য লিভিং''
* অটোপয়েটিক সংগঠন বলতে মাতুরানা এবং ভারেলা সেই প্রক্রিয়াগুলোকে বুঝিয়েছেন, যা উপাদান উৎপাদনের একটি নেটওয়ার্কের নির্দিষ্ট রূপের সাথে এমনভাবে জড়িত যা সেই নেটওয়ার্কটিকে উপলব্ধি করার মাধ্যমে একে একটি একক বা সত্তা হিসেবে গঠন করে।
** পৃষ্ঠা ৮০; লি ও. থায়ার এবং জর্জ এ. বার্নেট (১৯৯৭) ''অর্গানাইজেশন-কমিউনিকেশন: এমার্জিং পারসপেক্টিভস, ভলিউম ৫''-এ উদ্ধৃত। পৃষ্ঠা ১৯৩।
* যে সম্পর্কগুলো একটি সিস্টেমকে একক বা সত্তা হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে এবং মিথস্ক্রিয়া ও রূপান্তরের গতিশীলতা নির্ধারণ করে—যার মধ্য দিয়ে সেই সত্তাটি অতিবাহিত হতে পারে—তা-ই ওই যন্ত্রের সংগঠন তৈরি করে।
** পৃষ্ঠা ১৩৭
=== ''দ্য এমবডিড মাইন্ড'' (১৯৯১) ===
:ফ্রান্সিস্কো জে. ভারেলা, ইভান থম্পসন এবং এলিনর রোশ (১৯৯১) ''দ্য এমবডিড মাইন্ড: কগনিটিভ সায়েন্স অ্যান্ড হিউম্যান এক্সপেরিয়েন্স'', এমআইটি প্রেস
* বৌদ্ধ শিক্ষকরা প্রায়ই যেমনটি উল্লেখ করেন, জ্ঞান—[[প্রজ্ঞা (বৌদ্ধধর্ম)|প্রজ্ঞা]] অর্থে—কোনো নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান নয়। অভিজ্ঞতার বাইরে বা অভিজ্ঞতা থেকে আলাদা এমন কোনো বিমূর্ত 'জ্ঞাতা' নেই।
** পৃষ্ঠা ২৬; '[http://evenhigherlearning.wordpress.com/2009/05/08/in-7-quotes-or-less-the-embodied-mind-by-francisco-j-varela-evan-thompson-and-eleanor-rosch/ ইন ৭ কোটস অর লেস]'এ আংশিক উদ্ধৃত, evenhigherlearning.wordpress.com, ৮ জুন, ২০০৯।
* জ্ঞানীয় বিজ্ঞানের (কগনিটিভ সায়েন্স) [[সাইবারনেটিক্স]] পর্যায়টি তার দীর্ঘমেয়াদী (প্রায়ই নেপথ্য) প্রভাবের পাশাপাশি আশ্চর্যজনকভাবে সুনির্দিষ্ট কিছু ফলাফল তৈরি করেছে:
** স্নায়ুতন্ত্রের কাজ বোঝার জন্য গাণিতিক যুক্তির ব্যবহার;
** তথ্য প্রক্রিয়াকরণ যন্ত্রের (ডিজিটাল কম্পিউটার হিসেবে) উদ্ভাবন, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভিত্তি স্থাপন করেছে;
** সিস্টেম থিওরির মতো একটি মেটা-ডিসিপ্লিন বা উচ্চতর শাস্ত্রের প্রতিষ্ঠা, যা বিজ্ঞানের অনেক শাখায় ছাপ ফেলেছে, যেমন প্রকৌশল (সিস্টেম অ্যানালাইসিস, কন্ট্রোল থিওরি), জীববিজ্ঞান (রেগুলেটরি ফিজিওলজি, ইকোলজি), সামাজিক বিজ্ঞান (ফ্যামিলি থেরাপি, স্ট্রাকচারাল অ্যানথ্রোপলজি, ম্যানেজমেন্ট, আরবান স্টাডিজ) এবং অর্থনীতি ([[গেম থিওরি]]);
** সংকেত এবং যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর একটি পরিসংখ্যানগত তত্ত্ব হিসেবে [[তথ্য তত্ত্ব|তথ্য তত্ত্বের]] (ইনফরমেশন থিওরি) বিকাশ;
** স্ব-সংগঠিত সিস্টেমের প্রথম উদাহরণসমূহ। <br>এই তালিকাটি বেশ চিত্তাকর্ষক: আমরা এই ধারণা এবং সরঞ্জামগুলোর অনেকগুলোকে আমাদের জীবনের একীভূত অংশ হিসেবে বিবেচনা করি...
** পৃষ্ঠা ৩৮
* আমাদের সমস্ত দুঃখ এই আত্ম-মগ্নতার সাথে যুক্ত। সমস্ত লাভ-ক্ষতি, আনন্দ ও বেদনা তৈরি হয় কারণ আমরা আমাদের এই অস্পষ্ট অহংবোধের সাথে নিজেদের এতটাই নিবিড়ভাবে জড়িয়ে ফেলি। আমরা এই "আমি"-র সাথে মানসিকভাবে এতটাই জড়িত এবং আসক্ত যে আমরা একে ধ্রুব সত্য বলে ধরে নিই।
** পৃষ্ঠা ৬৩
* অনেকে এটি মেনে নেবেন যে আমাদের আসলে জগত সম্পর্কে কোনো জ্ঞান নেই; আমাদের কাছে কেবল জগতের আমাদের তৈরি রূপান্তর বা ‘রিপ্রেজেন্টেশন’ সম্পর্কে জ্ঞান আছে। তবুও আমাদের গঠনগত কারণেই আমরা এই রিপ্রেজেন্টেশনগুলোকেই জগত হিসেবে গণ্য করতে বাধ্য হই, কারণ আমাদের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতা এমন মনে হয় যেন এটি একটি প্রদত্ত এবং তাৎক্ষণিক জগত।
** পৃষ্ঠা ১৪২
* অন্যের প্রতি সমব্যথী হওয়ার সম্ভাবনা প্রতিটি মানুষের মধ্যেই বিদ্যমান, তবে এটি সাধারণত অহংবোধের সাথে মিশে থাকে এবং এর ফলে এটি নিজের স্বীকৃতি এবং আত্ম-মূল্যায়নের লালসা মেটানোর প্রয়োজনের সাথে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। যখন কেউ অভ্যাসগত ছকে আটকে থাকে না—যখন কেউ কর্মফল বা কারণ-ফলাফলের অধীন হয়ে ইচ্ছাকৃত কাজ করে না—তখন যে স্বতঃস্ফূর্ত করুণা বা মমত্ববোধের উদয় হয়, তা প্রাপকের কাছ থেকে কোনো প্রতিদান পাওয়ার আশা ছাড়াই ঘটে। এই প্রতিদানের উদ্বেগ বা অন্যের প্রতিক্রিয়াই আমাদের কাজের মধ্যে উত্তেজনা এবং বাধার সৃষ্টি করে। যখন কোনো কাজ 'লেনদেনের মানসিকতা' ছাড়া করা হয়, তখন সেখানে প্রশান্তি থাকে। একেই বলা হয় পরম (বা তুরীয়) উদারতা।
** পৃষ্ঠা ২৪৯
=== ''দ্য ইমারজেন্ট সেলফ'' (১৯৯৫) ===
** ভারেলা (১৯৯৫) "দ্য ইমারজেন্ট সেলফ"; জন ব্রকম্যান সম্পাদিত ''দ্য থার্ড কালচার: বিয়ন্ড দ্য সায়েন্টিফিক রেভল্যুশন''-এ। অধ্যায় ১২ ([http://www.edge.org/documents/archive/edge86.html অনলাইন])
* আমার মনে হয় সারা জীবন আমার মনে কেবল একটিই প্রশ্ন ছিল। কেন এই উদ্ভূত সত্তা বা ভার্চুয়াল পরিচয়গুলো মন/দেহ স্তর, কোষ স্তর কিংবা ট্রান্স-অর্গানিজম স্তরে জগত তৈরি করতে সব জায়গায় আবির্ভূত হয়? এই ঘটনাটি এতটাই সৃজনশীল যে এটি সম্পূর্ণ নতুন ক্ষেত্র—জীবন, মন এবং সমাজ—তৈরি করা বন্ধ করে না। তবুও এই উদ্ভূত সত্তাগুলো এমন কিছু অস্থির এবং নিরাধার প্রক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে তৈরি যে, যা আমাদের সামনে দৃশ্যমান তার দৃঢ়তা এবং এর ভিত্তিহীনতার মধ্যে আমরা একটি আপাত বৈপরীত্য দেখতে পাই। আমার কাছে এটিই একটি প্রধান এবং চিরন্তন প্রশ্ন।
* আমি সম্ভবত তিনটি ভিন্ন ধরণের কাজের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত, যা অনেকের কাছে আলাদা মনে হলেও আমার কাছে একটি অভিন্ন থিম হিসেবে কাজ করে। এগুলো হলো: কোষীয় সংগঠনের জন্য অটোপয়েসিস (স্ব-উৎপাদন) ধারণার প্রবর্তনে আমার অবদান, স্নায়ুতন্ত্র ও সংজ্ঞানের সক্রিয় বা এনাক্টিভ দৃষ্টিভঙ্গি এবং ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পর্কে বর্তমান ধারণাগুলোর সংশোধন।
* আমি বৌদ্ধ অনুশীলন এবং বৈজ্ঞানিক কাজের মধ্যে দীর্ঘদিনের আগ্রহের ওপর ভিত্তি করে গবেষণালব্ধ একটি সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহী।
* [[বৌদ্ধধর্ম]] একটি অনুশীলন, কোনো বিশ্বাস নয়। প্রতিটি বৌদ্ধই কোনো না কোনোভাবে সাধারণ যাজকতুল্য—একজন বিজ্ঞানী যেভাবে তাঁর কাজে লিপ্ত থাকেন, কিংবা একজন লেখকের মন যেভাবে সারাক্ষণ নেপথ্যে থেকে লেখায় মগ্ন থাকে, তাঁরাও সেভাবেই এতে নিবিষ্ট থাকেন।
=== ভারেলা সম্পর্কে ===
* ফ্রান্সিস্কো ভারেলা আশ্চর্যজনকভাবে উদ্ভাবনী, স্বাধীনচেতা এবং সৃজনশীল। তিনি এবং উম্বের্তো মাতুরানা যা বলেছেন তার মধ্যে গভীরতা রয়েছে। আবার উল্টোদিকে, একজন কঠোর আণবিক জীববিজ্ঞানীর (মলিকুলার বায়োলজিস্ট) দৃষ্টিকোণ থেকে এগুলো কেবলই অবাস্তব ও ভিত্তিহীন বিষয়। এই কারণেই তাঁর কাজের প্রতি মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। আমার ভেতরের সেই অংশটি যা যুক্তিনির্ভর এবং সমালোচনামূলক, তা হয়তো প্রশ্ন তোলে; কিন্তু আমার অন্য অংশটি ইমিউন নেটওয়ার্কের স্ব-প্রতিনিধিত্ব নিয়ে করা তাঁর সাম্প্রতিক কাজগুলো গ্রহণ করেছে। আমি এগুলো খুব পছন্দ করি।
** [[স্টুয়ার্ট কফম্যান]]; জন ব্রকম্যান সম্পাদিত (১৯৯৫) ''দ্য থার্ড কালচার: বিয়ন্ড দ্য সায়েন্টিফিক রেভল্যুশন''-এ। পৃষ্ঠা ২০৯ ([http://www.edge.org/documents/ThirdCulture/t-Ch.12.html অনলাইন])।
* ফ্রান্সিস্কো ছিলেন একজন পরীক্ষামূলক এবং তাত্ত্বিক জীববিজ্ঞানী, যিনি তাঁর ভাষায় "উদ্ভূত সত্তা" (ইমারজেন্ট সেলভস) বা "ভার্চুয়াল পরিচয়" (ভার্চুয়াল আইডেন্টিটিস) নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। বাস্তবতার প্রতি তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি ছিল অন্তর্নিহিত; যা প্রকৌশল বা তথ্য বিজ্ঞানের রূপকের বদলে স্ব-সংগঠন এবং বৌদ্ধধর্ম-অনুপ্রাণিত জ্ঞানতত্ত্ব থেকে উদ্ভূত রূপকের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল।
** জন ব্রকম্যান (২০০১) "[http://www.edge.org/documents/archive/edge86.html এজ: দ্য ইমারজেন্ট সেলফ]", edge.org, ৫ জুন ২০০১।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
* [http://www.edge.org/3rd_culture/varela/varela_index.html জন ব্রকম্যান] ফ্রান্সিস্কো ভারেলা: ইন মেমোরিয়াম
{{DEFAULTSORT:Varela, Francisco}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৬ এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০০১ এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:চিলীয় জীববিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:চিলীয় দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:সাইবারনেটিশিয়ান]]
[[বিষয়শ্রেণী:সান্তিয়াগো দে চিলির ব্যক্তি]]
f4xha9hmgkwq18g8sl8ycti9dub3bha
75597
75596
2026-04-11T07:37:44Z
Sumanta3023
4175
75597
wikitext
text/x-wiki
[[File:Francisco Varela.jpg|250px|right|thumbnail|১৯৯৪ সালে ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]]
'''[[w:ফ্রান্সিস্কো ভারেলা|ফ্রান্সিস্কো জাভিয়ের ভারেলা গার্সিয়া]]''' ([[৭ সেপ্টেম্বর]], [[১৯৪৬]] – [[২৮ মে]], [[২০০১]]) ছিলেন একজন চিলীয় [[জীববিজ্ঞানী]] এবং [[দার্শনিক]]। তিনি তাঁর শিক্ষক [[উম্বের্তো মাতুরানা|উম্বের্তো মাতুরানার]] সাথে যৌথভাবে জীববিজ্ঞানে [[w:অটোপয়েসিস|অটোপয়েসিস]] ধারণাটি প্রবর্তনের জন্য সর্বাধিক পরিচিত।
== উক্তি ==
* যদি সবাই একমত হতো যে তাদের বর্তমান বাস্তবতা একটি বাস্তবতা মাত্র, এবং আমরা মূলত যা ভাগ করে নেই তা হলো একটি বাস্তবতা তৈরি করার সক্ষমতা, তবে সম্ভবত আমরা একটি 'মেটা-অ্যাগ্রিমেন্ট' বা উচ্চতর চুক্তিতে পৌঁছাতে পারতাম। এটি এমন একটি বাস্তবতা গণনার পথ দেখাত যা প্রতিটি গোষ্ঠীর নিজস্ব কর্মপদ্ধতি চাপিয়ে দেওয়ার বদলে গ্রহের প্রত্যেকের বেঁচে থাকা এবং মর্যাদা নিশ্চিত করত।
** ভারেলা (১৯৭৫); অ্যান ওয়াল্ডম্যান সম্পাদিত ''দ্য কোইভোল্যুশন কোয়ার্টারলি'' এ। সংখ্যা ৮-১২, পৃষ্ঠা ৩১।
* সমসাময়িক সংস্কৃতিতে '[[সামগ্রিকতা|সামগ্রিক]]' দৃষ্টিভঙ্গিকে এক ধরণের সর্বরোগহর ওষুধ হিসেবে প্রচার করার একটি শক্তিশালী ধারা রয়েছে সংক্ষেপণবাদ বা রিডাকশনিজম বলতে নিচের স্তরের দিকে মনোযোগ দেওয়া বোঝায়, আর সামগ্রিকতা বলতে উচ্চতর স্তরের দিকে মনোযোগ দেওয়া বোঝায়। যেকোনো সন্তোষজনক বর্ণনায় এই দুটি একে অপরের সাথে জড়িত: এবং প্রতিটি আমাদের জ্ঞানীয় পছন্দের ক্ষেত্রে কিছুটা ক্ষতির পাশাপাশি কিছু লাভও নিয়ে আসে অংশগুলোর পারস্পরিক সংযোগ ছাড়া কোনো সামগ্রিক ব্যবস্থা হয় না এবং পরিবেশ ছাড়া কোনো সামগ্রিক ব্যবস্থা থাকা সম্ভব নয়।
** ভারেলা (১৯৭৭) "অন বিয়িং অটোনমাস: দ্য লেসনস অফ ন্যাচারাল হিস্ট্রি ফর সিস্টেমস থিওরি"। [[জর্জ ক্লির]] সম্পাদিত ''অ্যাপ্লাইড সিস্টেমস রিসার্চ'' এ। নিউ ইয়র্ক: প্লেনাম প্রেস। পৃষ্ঠা ৭৭-৮৫; ডি. রুড্রফ (২০০৩) "[http://www.scielo.cl/pdf/bres/v36n1/art05.pdf ফ্রম অটোপয়েসিস টু নিউরোফেনোমেনোলজি: ফ্রান্সিস্কো ভারেলা'স এক্সপ্লোরেশন অফ দ্য বায়োফিজিক্স অফ বিয়িং]" এ উদ্ধৃত। ইন: ''বায়োল রেস'' ৩৬: ২৭-৬৫।
* একটি বৈচিত্র্যময় সম্প্রদায় হলো একটি স্থিতিস্থাপক সম্প্রদায়, যা পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম। তবে বৈচিত্র্য কেবল তখনই কৌশলগত সুবিধা প্রদান করে যখন সেখানে একটি সত্যিকারের প্রাণবন্ত সম্প্রদায় থাকে, যা সম্পর্কের এক নিবিড় জালের মাধ্যমে টিকে থাকে। যদি সম্প্রদায়টি বিচ্ছিন্ন গোষ্ঠী এবং ব্যক্তিতে বিভক্ত হয়ে পড়ে, তবে বৈচিত্র্য সহজেই কুসংস্কার এবং ঘর্ষণের উৎস হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু সম্প্রদায়টি যদি তার সমস্ত সদস্যের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা সম্পর্কে সচেতন থাকে, তবে বৈচিত্র্য সমস্ত সম্পর্ককে সমৃদ্ধ করবে এবং এর ফলে সামগ্রিকভাবে সম্প্রদায় ও প্রতিটি স্বতন্ত্র সদস্য সমৃদ্ধ হবে। এমন একটি সম্প্রদায়ে তথ্য এবং ধারণাগুলো পুরো নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অবাধে প্রবাহিত হয় এবং ব্যাখ্যার ভিন্নতা ও শেখার শৈলীর বৈচিত্র্য এমনকি ভুলের বৈচিত্র্যও পুরো সম্প্রদায়কে সমৃদ্ধ করবে।
** মাতুরানা এবং ভারেলা (১৯৮৭) ''দ্য ট্রি অফ নলেজ''; [[ফ্রিটজফ ক্যাপ্রা]] (১৯৯৬) ''দ্য ওয়েব অফ লাইফ'' এ উদ্ধৃত। পৃষ্ঠা ৩৩০।
* আমি একজন জীববিজ্ঞানী যে জ্ঞানীয় ঘটনার জৈবিক শিকড় নিয়ে আগ্রহী।
** ভারেলা (১৯৯০); ডি. রুড্রফ (২০০৩) "[http://www.scielo.cl/pdf/bres/v36n1/art05.pdf ফ্রম অটোপয়েসিস টু নিউরোফেনোমেনোলজি: ফ্রান্সিস্কো ভারেলা'স এক্সপ্লোরেশন অফ দ্য বায়োফিজিক্স অফ বিয়িং]" এ উদ্ধৃত। ইন: ''বায়োল রেস'' ৩৬: ২৭-৬৫।
* আমি আশা করি আমি পাঠককে এই কথাটি বিবেচনা করতে প্রলুব্ধ করতে পেরেছি যে, আমাদের সামনে মানবিক অভিজ্ঞতা এবং জ্ঞানীয় বিজ্ঞানের মধ্যে অনুরণিত পথ খোঁজার একটি অন্তহীন সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এর মূল্য হিসেবে প্রথম ব্যক্তির বর্ণনাকে (ফার্স্ট-পারসন অ্যাকাউন্টস) ঘটনার একটি বৈধ ক্ষেত্র হিসেবে গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করতে হবে। আর তারও বাইরে, প্রপঞ্চতাত্ত্বিক বা ফেনোমেনোলজিক্যাল পরীক্ষার একটি টেকসই ঐতিহ্য গড়ে তুলতে হবে যা আজ আমাদের পাশ্চাত্য বিজ্ঞান এবং বৃহত্তর সংস্কৃতিতে প্রায় অস্তিত্বহীন।
** ভারেলা (১৯৯৬) "নিউরোফেনোমেনোলজি : এ মেথডোলজিক্যাল রেমেডি ফর দ্য হার্ড প্রবলেম"; ''জার্নাল অফ কনশাসনেস স্টাডিজ'', জে. শেয়ার (সম্পাদিত), জুন ১৯৯৬। [http://www.enolagaia.com/Varela.html ফ্রান্সিস্কো জে. ভারেলা ১৯৪৬ - ২০০১], enolagaia.com এ উদ্ধৃত।
* গত ১৫ বছরে একটি বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গির উত্থান ঘটেছে, যা হলো মূর্ত বা সক্রিয় সংজ্ঞান (এমবডিড অর এনাক্টিভ কগনিশন)। এই নতুন ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়েছে কারণ কম্পিউটেশনালিস্ট মতবাদ বিশ্বের অতি সাধারণ বিষয়গুলোর ব্যাখ্যা দিতেও ব্যর্থ হয়েছে: যেমন হাঁটা, প্রাকৃতিক পরিবেশে কোনো বস্তুকে অনুধাবন করা কিংবা কল্পনা। ধীরে ধীরে পাশা উল্টে গিয়ে এখন বিবেচনা করা হচ্ছে যে, মনের ভিত্তি হলো দেহ এবং তার সম্মিলিত কাজ; অর্থাৎ সেন্সরি-মোটর সার্কিটগুলো জীবকে একটি নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে টিকে থাকার উপযোগী হিসেবে গড়ে তোলে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে মস্তিষ্ককে একটি গতিশীল প্রক্রিয়া হিসেবে দেখা হয় (সিনট্যাকটিক প্রক্রিয়া হিসেবে নয়), যার রয়েছে রিয়েল-টাইম ভেরিয়েবল এবং সমৃদ্ধ স্ব-সংগঠিত হওয়ার সক্ষমতা (প্রতিনিধিত্বমূলক কোনো যন্ত্র হিসেবে নয়)। তাই এই অর্থে মন কেবল মাথার ভেতরে নেই, যেহেতু এর শিকড় পুরো শরীরে এবং সেই বর্ধিত পরিবেশে ছড়িয়ে আছে যেখানে জীবটি অবস্থান করে।
** ভারেলা (১৯৯৮) "[http://www.expo-cosmos.or.jp/letter/letter12e.html দ্য কসমস লেটার]", এক্সপো'৯০ ফাউন্ডেশন, জাপান।
* একটি ঐক্যবদ্ধ জ্ঞানীয় মুহূর্তের উদ্ভব নির্ভর করে মস্তিষ্কের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা কার্যকারীভাবে বিশেষায়িত অংশগুলোর সমন্বয়ের ওপর। এখানে আমরা লার্জ-স্কেল ইন্টিগ্রেশন বা বৃহৎ আকারের একীকরণের প্রক্রিয়াগুলো পর্যালোচনা করছি, যা মস্তিষ্কের কার্যকলাপের ছড়িয়ে থাকা শারীরবৃত্তীয় এবং কার্যকারী সংস্থাকে ভারসাম্য প্রদান করে যাতে সুসংগত আচরণ এবং সংজ্ঞানের উদ্ভব ঘটে। যদিও লার্জ-স্কেল ইন্টিগ্রেশনের সাথে জড়িত প্রক্রিয়াগুলো এখনও অনেকটা অজানা, তবুও আমরা যুক্তি দিচ্ছি যে সবচেয়ে সম্ভাব্য উপায় হলো একাধিক ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড জুড়ে সিনক্রোনি বা সমকালিকতার মাধ্যমে তৈরি হওয়া গতিশীল যোগসূত্র।
** ফ্রান্সিস্কো ভারেলা*, জিন-ফিলিপ লাচাক্স*, ইউজেনিও রদ্রিগেজ এবং জ্যাক মার্তিনেরি (২০০১) "দ্য ব্রেইনওয়েব: ফেজ সিনক্রোনাইজেশন অ্যান্ড লার্জ-স্কেল ইন্টিগ্রেশন"; ''নেচার রিভিউস ভলিউম ২ (এপ্রিল ২০০১)''। পৃষ্ঠা ২২৯। ([http://www.saminverso.com/brg/archive/varela%202001%20Brainweb-Phase%20synchronization%20and%20large%20scale%20integration.pdf অনলাইন])
* এটি আসলে আমাদের উদ্দেশ্যবাদ বা টেলিলজির অভিজ্ঞতার মাধ্যমে আমাদের একটি সত্তা হিসেবে টিকে থাকার আকাঙ্ক্ষা, বস্তুর ওপর উদ্দেশ্য আরোপ করা নয় যার ফলে উদ্দেশ্যবাদ একটি বুদ্ধিবৃত্তিক নীতির চেয়ে বরং একটি বাস্তব নীতিতে পরিণত হয় বিজ্ঞানী হওয়ার আগে আমরা প্রথমত জীবন্ত প্রাণী, আর সেই হিসেবে আমাদের মধ্যে সহজাত উদ্দেশ্যবাদের প্রমাণ রয়েছে। এবং অন্যান্য প্রাণীদের তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম পর্যবেক্ষণ করার সময় রাসায়নিক বিকর্ষণকারী পদার্থ থেকে সক্রিয়ভাবে দূরে সরে যাওয়া সাধারণ ব্যাকটেরিয়া থেকে শুরু করে আমরা আমাদের নিজস্ব প্রমাণের মাধ্যমে উদ্দেশ্যবাদকে জীবজগতের চালিকাশক্তি হিসেবে বুঝতে পারি। জীবন সম্পর্কিত তত্ত্বগুলো কেবল জীবনেরই সেই ভঙ্গুর এবং সংশ্লিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি থেকে অনুধাবন করা সম্ভব।
** [[আন্দ্রেয়াস ওয়েবার (লেখক)|আন্দ্রেয়াস ওয়েবার]] এবং ফ্রান্সিস্কো ভারেলা ২০০২। "লাইফ আফটার কান্ট: ন্যাচারাল পারপাসেস অ্যান্ড দ্য অটোপয়েটিক ফাউন্ডেশনস অফ ইন্ডিভিজুয়ালিটি"। ''ফেনোমেনোলজি অ্যান্ড দ্য কগনিটিভ সায়েন্সেস'' ২, ৯৭–১২৫। পৃষ্ঠা ১১০; [[ইভান থম্পসন]], "লাইফ অ্যান্ড মাইন্ড: ফ্রম অটোপয়েসিস টু নিউরোফেনোমেনোলজি। এ ট্রিবিউট টু ফ্রান্সিস্কো ভারেলা।" এ উদ্ধৃত। ''ফেনোমেনোলজি অ্যান্ড দ্য কগনিটিভ সায়েন্সেস'' ৩.৪ (২০০৪): ৩৮১-৩৯৮।
=== ''অটোপয়েসিস অ্যান্ড কগনিশন: দ্য রিয়ালাইজেশন অফ দ্য লিভিং'' (১৯৮০) ===
:[[উম্বের্তো মাতুরানা|এইচ.আর. মাতুরানা]], এফ.জে. ভারেলা (১৯৮০) ''অটোপয়েসিস অ্যান্ড কগনিশন: দ্য রিয়ালাইজেশন অফ দ্য লিভিং''
* অটোপয়েটিক সংগঠন বলতে মাতুরানা এবং ভারেলা সেই প্রক্রিয়াগুলোকে বুঝিয়েছেন, যা উপাদান উৎপাদনের একটি নেটওয়ার্কের নির্দিষ্ট রূপের সাথে এমনভাবে জড়িত যা সেই নেটওয়ার্কটিকে উপলব্ধি করার মাধ্যমে একে একটি একক বা সত্তা হিসেবে গঠন করে।
** পৃষ্ঠা ৮০; লি ও. থায়ার এবং জর্জ এ. বার্নেট (১৯৯৭) ''অর্গানাইজেশন-কমিউনিকেশন: এমার্জিং পারসপেক্টিভস, ভলিউম ৫'' এ উদ্ধৃত। পৃষ্ঠা ১৯৩।
* যে সম্পর্কগুলো একটি সিস্টেমকে একক বা সত্তা হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে এবং মিথস্ক্রিয়া ও রূপান্তরের গতিশীলতা নির্ধারণ করে যার মধ্য দিয়ে সেই সত্তাটি অতিবাহিত হতে পারে তাই ওই যন্ত্রের সংগঠন তৈরি করে।
** পৃষ্ঠা ১৩৭
=== ''দ্য এমবডিড মাইন্ড'' (১৯৯১) ===
:ফ্রান্সিস্কো জে. ভারেলা, ইভান থম্পসন এবং এলিনর রোশ (১৯৯১) ''দ্য এমবডিড মাইন্ড: কগনিটিভ সায়েন্স অ্যান্ড হিউম্যান এক্সপেরিয়েন্স'', এমআইটি প্রেস
* বৌদ্ধ শিক্ষকরা প্রায়ই যেমনটি উল্লেখ করেন, জ্ঞান—[[প্রজ্ঞা (বৌদ্ধধর্ম)|প্রজ্ঞা]] অর্থে কোনো নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান নয়। অভিজ্ঞতার বাইরে বা অভিজ্ঞতা থেকে আলাদা এমন কোনো বিমূর্ত 'জ্ঞাতা' নেই।
** পৃষ্ঠা ২৬; '[http://evenhigherlearning.wordpress.com/2009/05/08/in-7-quotes-or-less-the-embodied-mind-by-francisco-j-varela-evan-thompson-and-eleanor-rosch/ ইন ৭ কোটস অর লেস]'এ আংশিক উদ্ধৃত, evenhigherlearning.wordpress.com, ৮ জুন, ২০০৯।
* জ্ঞানীয় বিজ্ঞানের (কগনিটিভ সায়েন্স) [[সাইবারনেটিক্স]] পর্যায়টি তার দীর্ঘমেয়াদী (প্রায়ই নেপথ্য) প্রভাবের পাশাপাশি আশ্চর্যজনকভাবে সুনির্দিষ্ট কিছু ফলাফল তৈরি করেছে:
** স্নায়ুতন্ত্রের কাজ বোঝার জন্য গাণিতিক যুক্তির ব্যবহার;
** তথ্য প্রক্রিয়াকরণ যন্ত্রের (ডিজিটাল কম্পিউটার হিসেবে) উদ্ভাবন, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভিত্তি স্থাপন করেছে;
** সিস্টেম থিওরির মতো একটি মেটা-ডিসিপ্লিন বা উচ্চতর শাস্ত্রের প্রতিষ্ঠা, যা বিজ্ঞানের অনেক শাখায় ছাপ ফেলেছে, যেমন প্রকৌশল (সিস্টেম অ্যানালাইসিস, কন্ট্রোল থিওরি), জীববিজ্ঞান (রেগুলেটরি ফিজিওলজি, ইকোলজি), সামাজিক বিজ্ঞান (ফ্যামিলি থেরাপি, স্ট্রাকচারাল অ্যানথ্রোপলজি, ম্যানেজমেন্ট, আরবান স্টাডিজ) এবং অর্থনীতি ([[গেম থিওরি]]);
** সংকেত এবং যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর একটি পরিসংখ্যানগত তত্ত্ব হিসেবে [[তথ্য তত্ত্ব|তথ্য তত্ত্বের]] (ইনফরমেশন থিওরি) বিকাশ;
** স্ব-সংগঠিত সিস্টেমের প্রথম উদাহরণসমূহ। <br>এই তালিকাটি বেশ চিত্তাকর্ষক: আমরা এই ধারণা এবং সরঞ্জামগুলোর অনেকগুলোকে আমাদের জীবনের একীভূত অংশ হিসেবে বিবেচনা করি...
** পৃষ্ঠা ৩৮
* আমাদের সমস্ত দুঃখ এই আত্মমগ্নতার সাথে যুক্ত। সমস্ত লাভ ক্ষতি, আনন্দ ও বেদনা তৈরি হয় কারণ আমরা আমাদের এই অস্পষ্ট অহংবোধের সাথে নিজেদের এতটাই নিবিড়ভাবে জড়িয়ে ফেলি। আমরা এই "আমি" র সাথে মানসিকভাবে এতটাই জড়িত এবং আসক্ত যে আমরা একে ধ্রুব সত্য বলে ধরে নিই।
** পৃষ্ঠা ৬৩
* অনেকে এটি মেনে নেবেন যে আমাদের আসলে জগত সম্পর্কে কোনো জ্ঞান নেই; আমাদের কাছে কেবল জগতের আমাদের তৈরি রূপান্তর বা ‘রিপ্রেজেন্টেশন’ সম্পর্কে জ্ঞান আছে। তবুও আমাদের গঠনগত কারণেই আমরা এই রিপ্রেজেন্টেশনগুলোকেই জগত হিসেবে গণ্য করতে বাধ্য হই, কারণ আমাদের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতা এমন মনে হয় যেন এটি একটি প্রদত্ত এবং তাৎক্ষণিক জগত।
** পৃষ্ঠা ১৪২
* অন্যের প্রতি সমব্যথী হওয়ার সম্ভাবনা প্রতিটি মানুষের মধ্যেই বিদ্যমান, তবে এটি সাধারণত অহংবোধের সাথে মিশে থাকে এবং এর ফলে এটি নিজের স্বীকৃতি এবং আত্ম মূল্যায়নের লালসা মেটানোর প্রয়োজনের সাথে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। যখন কেউ অভ্যাসগত ছকে আটকে থাকে না যখন কেউ কর্মফল বা কারণ ফলাফলের অধীন হয়ে ইচ্ছাকৃত কাজ করে না তখন যে স্বতঃস্ফূর্ত করুণা বা মমত্ববোধের উদয় হয়, তা প্রাপকের কাছ থেকে কোনো প্রতিদান পাওয়ার আশা ছাড়াই ঘটে। এই প্রতিদানের উদ্বেগ বা অন্যের প্রতিক্রিয়াই আমাদের কাজের মধ্যে উত্তেজনা এবং বাধার সৃষ্টি করে। যখন কোনো কাজ 'লেনদেনের মানসিকতা' ছাড়া করা হয়, তখন সেখানে প্রশান্তি থাকে। একেই বলা হয় পরম (বা তুরীয়) উদারতা।
** পৃষ্ঠা ২৪৯
=== ''দ্য ইমারজেন্ট সেলফ'' (১৯৯৫) ===
** ভারেলা (১৯৯৫) "দ্য ইমারজেন্ট সেলফ"; জন ব্রকম্যান সম্পাদিত ''দ্য থার্ড কালচার: বিয়ন্ড দ্য সায়েন্টিফিক রেভল্যুশন'' এ। অধ্যায় ১২ ([http://www.edge.org/documents/archive/edge86.html অনলাইন])
* আমার মনে হয় সারা জীবন আমার মনে কেবল একটিই প্রশ্ন ছিল। কেন এই উদ্ভূত সত্তা বা ভার্চুয়াল পরিচয়গুলো মন/দেহ স্তর, কোষ স্তর কিংবা ট্রান্স-অর্গানিজম স্তরে জগত তৈরি করতে সব জায়গায় আবির্ভূত হয়? এই ঘটনাটি এতটাই সৃজনশীল যে এটি সম্পূর্ণ নতুন ক্ষেত্র জীবন, মন এবং সমাজ তৈরি করা বন্ধ করে না। তবুও এই উদ্ভূত সত্তাগুলো এমন কিছু অস্থির এবং নিরাধার প্রক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে তৈরি যে, যা আমাদের সামনে দৃশ্যমান তার দৃঢ়তা এবং এর ভিত্তিহীনতার মধ্যে আমরা একটি আপাত বৈপরীত্য দেখতে পাই। আমার কাছে এটিই একটি প্রধান এবং চিরন্তন প্রশ্ন।
* আমি সম্ভবত তিনটি ভিন্ন ধরণের কাজের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত, যা অনেকের কাছে আলাদা মনে হলেও আমার কাছে একটি অভিন্ন থিম হিসেবে কাজ করে। এগুলো হলো: কোষীয় সংগঠনের জন্য অটোপয়েসিস (স্ব-উৎপাদন) ধারণার প্রবর্তনে আমার অবদান, স্নায়ুতন্ত্র ও সংজ্ঞানের সক্রিয় বা এনাক্টিভ দৃষ্টিভঙ্গি এবং ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পর্কে বর্তমান ধারণাগুলোর সংশোধন।
* আমি বৌদ্ধ অনুশীলন এবং বৈজ্ঞানিক কাজের মধ্যে দীর্ঘদিনের আগ্রহের ওপর ভিত্তি করে গবেষণালব্ধ একটি সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহী।
* [[বৌদ্ধধর্ম]] একটি অনুশীলন, কোনো বিশ্বাস নয়। প্রতিটি বৌদ্ধই কোনো না কোনোভাবে সাধারণ যাজকতুল্য একজন বিজ্ঞানী যেভাবে তাঁর কাজে লিপ্ত থাকেন, কিংবা একজন লেখকের মন যেভাবে সারাক্ষণ নেপথ্যে থেকে লেখায় মগ্ন থাকে, তাঁরাও সেভাবেই এতে নিবিষ্ট থাকেন।
=== ভারেলা সম্পর্কে ===
* ফ্রান্সিস্কো ভারেলা আশ্চর্যজনকভাবে উদ্ভাবনী, স্বাধীনচেতা এবং সৃজনশীল। তিনি এবং উম্বের্তো মাতুরানা যা বলেছেন তার মধ্যে গভীরতা রয়েছে। আবার উল্টোদিকে, একজন কঠোর আণবিক জীববিজ্ঞানীর (মলিকুলার বায়োলজিস্ট) দৃষ্টিকোণ থেকে এগুলো কেবলই অবাস্তব ও ভিত্তিহীন বিষয়। এই কারণেই তাঁর কাজের প্রতি মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। আমার ভেতরের সেই অংশটি যা যুক্তিনির্ভর এবং সমালোচনামূলক, তা হয়তো প্রশ্ন তোলে; কিন্তু আমার অন্য অংশটি ইমিউন নেটওয়ার্কের স্ব-প্রতিনিধিত্ব নিয়ে করা তাঁর সাম্প্রতিক কাজগুলো গ্রহণ করেছে। আমি এগুলো খুব পছন্দ করি।
** [[স্টুয়ার্ট কফম্যান]]; জন ব্রকম্যান সম্পাদিত (১৯৯৫) ''দ্য থার্ড কালচার: বিয়ন্ড দ্য সায়েন্টিফিক রেভল্যুশন'' এ। পৃষ্ঠা ২০৯ ([http://www.edge.org/documents/ThirdCulture/t-Ch.12.html অনলাইন])।
* ফ্রান্সিস্কো ছিলেন একজন পরীক্ষামূলক এবং তাত্ত্বিক জীববিজ্ঞানী, যিনি তাঁর ভাষায় "উদ্ভূত সত্তা" (ইমারজেন্ট সেলভস) বা "ভার্চুয়াল পরিচয়" (ভার্চুয়াল আইডেন্টিটিস) নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। বাস্তবতার প্রতি তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি ছিল অন্তর্নিহিত; যা প্রকৌশল বা তথ্য বিজ্ঞানের রূপকের বদলে স্ব-সংগঠন এবং বৌদ্ধধর্ম-অনুপ্রাণিত জ্ঞানতত্ত্ব থেকে উদ্ভূত রূপকের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল।
** জন ব্রকম্যান (২০০১) "[http://www.edge.org/documents/archive/edge86.html এজ: দ্য ইমারজেন্ট সেলফ]", edge.org, ৫ জুন ২০০১।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
* [http://www.edge.org/3rd_culture/varela/varela_index.html জন ব্রকম্যান] ফ্রান্সিস্কো ভারেলা: ইন মেমোরিয়াম
{{DEFAULTSORT:Varela, Francisco}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৬ এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০০১ এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:চিলীয় জীববিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:চিলীয় দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:সাইবারনেটিশিয়ান]]
[[বিষয়শ্রেণী:সান্তিয়াগো দে চিলির ব্যক্তি]]
ozzrwlnw3jy5woaanj0pvny1fk4tcea
75598
75597
2026-04-11T07:38:33Z
Sumanta3023
4175
75598
wikitext
text/x-wiki
[[File:Francisco Varela.jpg|250px|right|thumbnail|১৯৯৪ সালে ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]]
'''[[w:ফ্রান্সিস্কো ভারেলা|ফ্রান্সিস্কো জাভিয়ের ভারেলা গার্সিয়া]]''' ([[৭ সেপ্টেম্বর]], [[১৯৪৬]] – [[২৮ মে]], [[২০০১]]) ছিলেন একজন চিলীয় [[জীববিজ্ঞানী]] এবং [[দার্শনিক]]। তিনি তাঁর শিক্ষক [[উম্বের্তো মাতুরানা|উম্বের্তো মাতুরানার]] সাথে যৌথভাবে জীববিজ্ঞানে [[w:অটোপয়েসিস|অটোপয়েসিস]] ধারণাটি প্রবর্তনের জন্য সর্বাধিক পরিচিত।
== উক্তি ==
* যদি সবাই একমত হতো যে তাদের বর্তমান বাস্তবতা একটি বাস্তবতা মাত্র, এবং আমরা মূলত যা ভাগ করে নেই তা হলো একটি বাস্তবতা তৈরি করার সক্ষমতা, তবে সম্ভবত আমরা একটি 'মেটা-অ্যাগ্রিমেন্ট' বা উচ্চতর চুক্তিতে পৌঁছাতে পারতাম। এটি এমন একটি বাস্তবতা গণনার পথ দেখাত যা প্রতিটি গোষ্ঠীর নিজস্ব কর্মপদ্ধতি চাপিয়ে দেওয়ার বদলে গ্রহের প্রত্যেকের বেঁচে থাকা এবং মর্যাদা নিশ্চিত করত।
** ভারেলা (১৯৭৫); অ্যান ওয়াল্ডম্যান সম্পাদিত ''দ্য কোইভোল্যুশন কোয়ার্টারলি'' এ। সংখ্যা ৮-১২, পৃষ্ঠা ৩১।
* সমসাময়িক সংস্কৃতিতে '[[সামগ্রিকতা|সামগ্রিক]]' দৃষ্টিভঙ্গিকে এক ধরণের সর্বরোগহর ওষুধ হিসেবে প্রচার করার একটি শক্তিশালী ধারা রয়েছে সংক্ষেপণবাদ বা রিডাকশনিজম বলতে নিচের স্তরের দিকে মনোযোগ দেওয়া বোঝায়, আর সামগ্রিকতা বলতে উচ্চতর স্তরের দিকে মনোযোগ দেওয়া বোঝায়। যেকোনো সন্তোষজনক বর্ণনায় এই দুটি একে অপরের সাথে জড়িত: এবং প্রতিটি আমাদের জ্ঞানীয় পছন্দের ক্ষেত্রে কিছুটা ক্ষতির পাশাপাশি কিছু লাভও নিয়ে আসে অংশগুলোর পারস্পরিক সংযোগ ছাড়া কোনো সামগ্রিক ব্যবস্থা হয় না এবং পরিবেশ ছাড়া কোনো সামগ্রিক ব্যবস্থা থাকা সম্ভব নয়।
** ভারেলা (১৯৭৭) "অন বিয়িং অটোনমাস: দ্য লেসনস অফ ন্যাচারাল হিস্ট্রি ফর সিস্টেমস থিওরি"। [[জর্জ ক্লির]] সম্পাদিত ''অ্যাপ্লাইড সিস্টেমস রিসার্চ'' এ। নিউ ইয়র্ক: প্লেনাম প্রেস। পৃষ্ঠা ৭৭-৮৫; ডি. রুড্রফ (২০০৩) "[http://www.scielo.cl/pdf/bres/v36n1/art05.pdf ফ্রম অটোপয়েসিস টু নিউরোফেনোমেনোলজি: ফ্রান্সিস্কো ভারেলা'স এক্সপ্লোরেশন অফ দ্য বায়োফিজিক্স অফ বিয়িং]" এ উদ্ধৃত। ইন: ''বায়োল রেস'' ৩৬: ২৭-৬৫।
* একটি বৈচিত্র্যময় সম্প্রদায় হলো একটি স্থিতিস্থাপক সম্প্রদায়, যা পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম। তবে বৈচিত্র্য কেবল তখনই কৌশলগত সুবিধা প্রদান করে যখন সেখানে একটি সত্যিকারের প্রাণবন্ত সম্প্রদায় থাকে, যা সম্পর্কের এক নিবিড় জালের মাধ্যমে টিকে থাকে। যদি সম্প্রদায়টি বিচ্ছিন্ন গোষ্ঠী এবং ব্যক্তিতে বিভক্ত হয়ে পড়ে, তবে বৈচিত্র্য সহজেই কুসংস্কার এবং ঘর্ষণের উৎস হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু সম্প্রদায়টি যদি তার সমস্ত সদস্যের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা সম্পর্কে সচেতন থাকে, তবে বৈচিত্র্য সমস্ত সম্পর্ককে সমৃদ্ধ করবে এবং এর ফলে সামগ্রিকভাবে সম্প্রদায় ও প্রতিটি স্বতন্ত্র সদস্য সমৃদ্ধ হবে। এমন একটি সম্প্রদায়ে তথ্য এবং ধারণাগুলো পুরো নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অবাধে প্রবাহিত হয় এবং ব্যাখ্যার ভিন্নতা ও শেখার শৈলীর বৈচিত্র্য এমনকি ভুলের বৈচিত্র্যও পুরো সম্প্রদায়কে সমৃদ্ধ করবে।
** মাতুরানা এবং ভারেলা (১৯৮৭) ''দ্য ট্রি অফ নলেজ''; [[ফ্রিটজফ ক্যাপ্রা]] (১৯৯৬) ''দ্য ওয়েব অফ লাইফ'' এ উদ্ধৃত। পৃষ্ঠা ৩৩০।
* আমি একজন জীববিজ্ঞানী যে জ্ঞানীয় ঘটনার জৈবিক শিকড় নিয়ে আগ্রহী।
** ভারেলা (১৯৯০); ডি. রুড্রফ (২০০৩) "[http://www.scielo.cl/pdf/bres/v36n1/art05.pdf ফ্রম অটোপয়েসিস টু নিউরোফেনোমেনোলজি: ফ্রান্সিস্কো ভারেলা'স এক্সপ্লোরেশন অফ দ্য বায়োফিজিক্স অফ বিয়িং]" এ উদ্ধৃত। ইন: ''বায়োল রেস'' ৩৬: ২৭-৬৫।
* আমি আশা করি আমি পাঠককে এই কথাটি বিবেচনা করতে প্রলুব্ধ করতে পেরেছি যে, আমাদের সামনে মানবিক অভিজ্ঞতা এবং জ্ঞানীয় বিজ্ঞানের মধ্যে অনুরণিত পথ খোঁজার একটি অন্তহীন সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এর মূল্য হিসেবে প্রথম ব্যক্তির বর্ণনাকে (ফার্স্ট-পারসন অ্যাকাউন্টস) ঘটনার একটি বৈধ ক্ষেত্র হিসেবে গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করতে হবে। আর তারও বাইরে, প্রপঞ্চতাত্ত্বিক বা ফেনোমেনোলজিক্যাল পরীক্ষার একটি টেকসই ঐতিহ্য গড়ে তুলতে হবে যা আজ আমাদের পাশ্চাত্য বিজ্ঞান এবং বৃহত্তর সংস্কৃতিতে প্রায় অস্তিত্বহীন।
** ভারেলা (১৯৯৬) "নিউরোফেনোমেনোলজি : এ মেথডোলজিক্যাল রেমেডি ফর দ্য হার্ড প্রবলেম"; ''জার্নাল অফ কনশাসনেস স্টাডিজ'', জে. শেয়ার (সম্পাদিত), জুন ১৯৯৬। [http://www.enolagaia.com/Varela.html ফ্রান্সিস্কো জে. ভারেলা ১৯৪৬ - ২০০১], enolagaia.com এ উদ্ধৃত।
* গত ১৫ বছরে একটি বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গির উত্থান ঘটেছে, যা হলো মূর্ত বা সক্রিয় সংজ্ঞান (এমবডিড অর এনাক্টিভ কগনিশন)। এই নতুন ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়েছে কারণ কম্পিউটেশনালিস্ট মতবাদ বিশ্বের অতি সাধারণ বিষয়গুলোর ব্যাখ্যা দিতেও ব্যর্থ হয়েছে: যেমন হাঁটা, প্রাকৃতিক পরিবেশে কোনো বস্তুকে অনুধাবন করা কিংবা কল্পনা। ধীরে ধীরে পাশা উল্টে গিয়ে এখন বিবেচনা করা হচ্ছে যে, মনের ভিত্তি হলো দেহ এবং তার সম্মিলিত কাজ; অর্থাৎ সেন্সরি-মোটর সার্কিটগুলো জীবকে একটি নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে টিকে থাকার উপযোগী হিসেবে গড়ে তোলে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে মস্তিষ্ককে একটি গতিশীল প্রক্রিয়া হিসেবে দেখা হয় (সিনট্যাকটিক প্রক্রিয়া হিসেবে নয়), যার রয়েছে রিয়েল-টাইম ভেরিয়েবল এবং সমৃদ্ধ স্ব-সংগঠিত হওয়ার সক্ষমতা (প্রতিনিধিত্বমূলক কোনো যন্ত্র হিসেবে নয়)। তাই এই অর্থে মন কেবল মাথার ভেতরে নেই, যেহেতু এর শিকড় পুরো শরীরে এবং সেই বর্ধিত পরিবেশে ছড়িয়ে আছে যেখানে জীবটি অবস্থান করে।
** ভারেলা (১৯৯৮) "[http://www.expo-cosmos.or.jp/letter/letter12e.html দ্য কসমস লেটার]", এক্সপো'৯০ ফাউন্ডেশন, জাপান।
* একটি ঐক্যবদ্ধ জ্ঞানীয় মুহূর্তের উদ্ভব নির্ভর করে মস্তিষ্কের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা কার্যকারীভাবে বিশেষায়িত অংশগুলোর সমন্বয়ের ওপর। এখানে আমরা লার্জ-স্কেল ইন্টিগ্রেশন বা বৃহৎ আকারের একীকরণের প্রক্রিয়াগুলো পর্যালোচনা করছি, যা মস্তিষ্কের কার্যকলাপের ছড়িয়ে থাকা শারীরবৃত্তীয় এবং কার্যকারী সংস্থাকে ভারসাম্য প্রদান করে যাতে সুসংগত আচরণ এবং সংজ্ঞানের উদ্ভব ঘটে। যদিও লার্জ-স্কেল ইন্টিগ্রেশনের সাথে জড়িত প্রক্রিয়াগুলো এখনও অনেকটা অজানা, তবুও আমরা যুক্তি দিচ্ছি যে সবচেয়ে সম্ভাব্য উপায় হলো একাধিক ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড জুড়ে সিনক্রোনি বা সমকালিকতার মাধ্যমে তৈরি হওয়া গতিশীল যোগসূত্র।
** ফ্রান্সিস্কো ভারেলা*, জিন-ফিলিপ লাচাক্স*, ইউজেনিও রদ্রিগেজ এবং জ্যাক মার্তিনেরি (২০০১) "দ্য ব্রেইনওয়েব: ফেজ সিনক্রোনাইজেশন অ্যান্ড লার্জ-স্কেল ইন্টিগ্রেশন"; ''নেচার রিভিউস ভলিউম ২ (এপ্রিল ২০০১)''। পৃষ্ঠা ২২৯। ([http://www.saminverso.com/brg/archive/varela%202001%20Brainweb-Phase%20synchronization%20and%20large%20scale%20integration.pdf অনলাইন])
* এটি আসলে আমাদের উদ্দেশ্যবাদ বা টেলিলজির অভিজ্ঞতার মাধ্যমে আমাদের একটি সত্তা হিসেবে টিকে থাকার আকাঙ্ক্ষা, বস্তুর ওপর উদ্দেশ্য আরোপ করা নয় যার ফলে উদ্দেশ্যবাদ একটি বুদ্ধিবৃত্তিক নীতির চেয়ে বরং একটি বাস্তব নীতিতে পরিণত হয় বিজ্ঞানী হওয়ার আগে আমরা প্রথমত জীবন্ত প্রাণী, আর সেই হিসেবে আমাদের মধ্যে সহজাত উদ্দেশ্যবাদের প্রমাণ রয়েছে। এবং অন্যান্য প্রাণীদের তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম পর্যবেক্ষণ করার সময় রাসায়নিক বিকর্ষণকারী পদার্থ থেকে সক্রিয়ভাবে দূরে সরে যাওয়া সাধারণ ব্যাকটেরিয়া থেকে শুরু করে আমরা আমাদের নিজস্ব প্রমাণের মাধ্যমে উদ্দেশ্যবাদকে জীবজগতের চালিকাশক্তি হিসেবে বুঝতে পারি। জীবন সম্পর্কিত তত্ত্বগুলো কেবল জীবনেরই সেই ভঙ্গুর এবং সংশ্লিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি থেকে অনুধাবন করা সম্ভব।
** [[আন্দ্রেয়াস ওয়েবার (লেখক)|আন্দ্রেয়াস ওয়েবার]] এবং ফ্রান্সিস্কো ভারেলা ২০০২। "লাইফ আফটার কান্ট: ন্যাচারাল পারপাসেস অ্যান্ড দ্য অটোপয়েটিক ফাউন্ডেশনস অফ ইন্ডিভিজুয়ালিটি"। ''ফেনোমেনোলজি অ্যান্ড দ্য কগনিটিভ সায়েন্সেস'' ২, ৯৭–১২৫। পৃষ্ঠা ১১০; [[ইভান থম্পসন]], "লাইফ অ্যান্ড মাইন্ড: ফ্রম অটোপয়েসিস টু নিউরোফেনোমেনোলজি। এ ট্রিবিউট টু ফ্রান্সিস্কো ভারেলা।" এ উদ্ধৃত। ''ফেনোমেনোলজি অ্যান্ড দ্য কগনিটিভ সায়েন্সেস'' ৩.৪ (২০০৪): ৩৮১-৩৯৮।
=== ''অটোপয়েসিস অ্যান্ড কগনিশন: দ্য রিয়ালাইজেশন অফ দ্য লিভিং'' (১৯৮০) ===
:[[উম্বের্তো মাতুরানা|এইচ.আর. মাতুরানা]], এফ.জে. ভারেলা (১৯৮০) ''অটোপয়েসিস অ্যান্ড কগনিশন: দ্য রিয়ালাইজেশন অফ দ্য লিভিং''
* অটোপয়েটিক সংগঠন বলতে মাতুরানা এবং ভারেলা সেই প্রক্রিয়াগুলোকে বুঝিয়েছেন, যা উপাদান উৎপাদনের একটি নেটওয়ার্কের নির্দিষ্ট রূপের সাথে এমনভাবে জড়িত যা সেই নেটওয়ার্কটিকে উপলব্ধি করার মাধ্যমে একে একটি একক বা সত্তা হিসেবে গঠন করে।
** পৃষ্ঠা ৮০; লি ও. থায়ার এবং জর্জ এ. বার্নেট (১৯৯৭) ''অর্গানাইজেশন-কমিউনিকেশন: এমার্জিং পারসপেক্টিভস, ভলিউম ৫'' এ উদ্ধৃত। পৃষ্ঠা ১৯৩।
* যে সম্পর্কগুলো একটি সিস্টেমকে একক বা সত্তা হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে এবং মিথস্ক্রিয়া ও রূপান্তরের গতিশীলতা নির্ধারণ করে যার মধ্য দিয়ে সেই সত্তাটি অতিবাহিত হতে পারে তাই ওই যন্ত্রের সংগঠন তৈরি করে।
** পৃষ্ঠা ১৩৭
=== ''দ্য এমবডিড মাইন্ড'' (১৯৯১) ===
:ফ্রান্সিস্কো জে. ভারেলা, ইভান থম্পসন এবং এলিনর রোশ (১৯৯১) ''দ্য এমবডিড মাইন্ড: কগনিটিভ সায়েন্স অ্যান্ড হিউম্যান এক্সপেরিয়েন্স'', এমআইটি প্রেস
* বৌদ্ধ শিক্ষকরা প্রায়ই যেমনটি উল্লেখ করেন, জ্ঞান [[প্রজ্ঞা (বৌদ্ধধর্ম)|প্রজ্ঞা]] অর্থে কোনো নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান নয়। অভিজ্ঞতার বাইরে বা অভিজ্ঞতা থেকে আলাদা এমন কোনো বিমূর্ত 'জ্ঞাতা' নেই।
** পৃষ্ঠা ২৬; '[http://evenhigherlearning.wordpress.com/2009/05/08/in-7-quotes-or-less-the-embodied-mind-by-francisco-j-varela-evan-thompson-and-eleanor-rosch/ ইন ৭ কোটস অর লেস]'এ আংশিক উদ্ধৃত, evenhigherlearning.wordpress.com, ৮ জুন, ২০০৯।
* জ্ঞানীয় বিজ্ঞানের (কগনিটিভ সায়েন্স) [[সাইবারনেটিক্স]] পর্যায়টি তার দীর্ঘমেয়াদী (প্রায়ই নেপথ্য) প্রভাবের পাশাপাশি আশ্চর্যজনকভাবে সুনির্দিষ্ট কিছু ফলাফল তৈরি করেছে:
** স্নায়ুতন্ত্রের কাজ বোঝার জন্য গাণিতিক যুক্তির ব্যবহার;
** তথ্য প্রক্রিয়াকরণ যন্ত্রের (ডিজিটাল কম্পিউটার হিসেবে) উদ্ভাবন, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভিত্তি স্থাপন করেছে;
** সিস্টেম থিওরির মতো একটি মেটা-ডিসিপ্লিন বা উচ্চতর শাস্ত্রের প্রতিষ্ঠা, যা বিজ্ঞানের অনেক শাখায় ছাপ ফেলেছে, যেমন প্রকৌশল (সিস্টেম অ্যানালাইসিস, কন্ট্রোল থিওরি), জীববিজ্ঞান (রেগুলেটরি ফিজিওলজি, ইকোলজি), সামাজিক বিজ্ঞান (ফ্যামিলি থেরাপি, স্ট্রাকচারাল অ্যানথ্রোপলজি, ম্যানেজমেন্ট, আরবান স্টাডিজ) এবং অর্থনীতি ([[গেম থিওরি]]);
** সংকেত এবং যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর একটি পরিসংখ্যানগত তত্ত্ব হিসেবে [[তথ্য তত্ত্ব|তথ্য তত্ত্বের]] (ইনফরমেশন থিওরি) বিকাশ;
** স্ব-সংগঠিত সিস্টেমের প্রথম উদাহরণসমূহ। <br>এই তালিকাটি বেশ চিত্তাকর্ষক: আমরা এই ধারণা এবং সরঞ্জামগুলোর অনেকগুলোকে আমাদের জীবনের একীভূত অংশ হিসেবে বিবেচনা করি...
** পৃষ্ঠা ৩৮
* আমাদের সমস্ত দুঃখ এই আত্মমগ্নতার সাথে যুক্ত। সমস্ত লাভ ক্ষতি, আনন্দ ও বেদনা তৈরি হয় কারণ আমরা আমাদের এই অস্পষ্ট অহংবোধের সাথে নিজেদের এতটাই নিবিড়ভাবে জড়িয়ে ফেলি। আমরা এই "আমি" র সাথে মানসিকভাবে এতটাই জড়িত এবং আসক্ত যে আমরা একে ধ্রুব সত্য বলে ধরে নিই।
** পৃষ্ঠা ৬৩
* অনেকে এটি মেনে নেবেন যে আমাদের আসলে জগত সম্পর্কে কোনো জ্ঞান নেই; আমাদের কাছে কেবল জগতের আমাদের তৈরি রূপান্তর বা ‘রিপ্রেজেন্টেশন’ সম্পর্কে জ্ঞান আছে। তবুও আমাদের গঠনগত কারণেই আমরা এই রিপ্রেজেন্টেশনগুলোকেই জগত হিসেবে গণ্য করতে বাধ্য হই, কারণ আমাদের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতা এমন মনে হয় যেন এটি একটি প্রদত্ত এবং তাৎক্ষণিক জগত।
** পৃষ্ঠা ১৪২
* অন্যের প্রতি সমব্যথী হওয়ার সম্ভাবনা প্রতিটি মানুষের মধ্যেই বিদ্যমান, তবে এটি সাধারণত অহংবোধের সাথে মিশে থাকে এবং এর ফলে এটি নিজের স্বীকৃতি এবং আত্ম মূল্যায়নের লালসা মেটানোর প্রয়োজনের সাথে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। যখন কেউ অভ্যাসগত ছকে আটকে থাকে না যখন কেউ কর্মফল বা কারণ ফলাফলের অধীন হয়ে ইচ্ছাকৃত কাজ করে না তখন যে স্বতঃস্ফূর্ত করুণা বা মমত্ববোধের উদয় হয়, তা প্রাপকের কাছ থেকে কোনো প্রতিদান পাওয়ার আশা ছাড়াই ঘটে। এই প্রতিদানের উদ্বেগ বা অন্যের প্রতিক্রিয়াই আমাদের কাজের মধ্যে উত্তেজনা এবং বাধার সৃষ্টি করে। যখন কোনো কাজ 'লেনদেনের মানসিকতা' ছাড়া করা হয়, তখন সেখানে প্রশান্তি থাকে। একেই বলা হয় পরম (বা তুরীয়) উদারতা।
** পৃষ্ঠা ২৪৯
=== ''দ্য ইমারজেন্ট সেলফ'' (১৯৯৫) ===
** ভারেলা (১৯৯৫) "দ্য ইমারজেন্ট সেলফ"; জন ব্রকম্যান সম্পাদিত ''দ্য থার্ড কালচার: বিয়ন্ড দ্য সায়েন্টিফিক রেভল্যুশন'' এ। অধ্যায় ১২ ([http://www.edge.org/documents/archive/edge86.html অনলাইন])
* আমার মনে হয় সারা জীবন আমার মনে কেবল একটিই প্রশ্ন ছিল। কেন এই উদ্ভূত সত্তা বা ভার্চুয়াল পরিচয়গুলো মন/দেহ স্তর, কোষ স্তর কিংবা ট্রান্স-অর্গানিজম স্তরে জগত তৈরি করতে সব জায়গায় আবির্ভূত হয়? এই ঘটনাটি এতটাই সৃজনশীল যে এটি সম্পূর্ণ নতুন ক্ষেত্র জীবন, মন এবং সমাজ তৈরি করা বন্ধ করে না। তবুও এই উদ্ভূত সত্তাগুলো এমন কিছু অস্থির এবং নিরাধার প্রক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে তৈরি যে, যা আমাদের সামনে দৃশ্যমান তার দৃঢ়তা এবং এর ভিত্তিহীনতার মধ্যে আমরা একটি আপাত বৈপরীত্য দেখতে পাই। আমার কাছে এটিই একটি প্রধান এবং চিরন্তন প্রশ্ন।
* আমি সম্ভবত তিনটি ভিন্ন ধরণের কাজের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত, যা অনেকের কাছে আলাদা মনে হলেও আমার কাছে একটি অভিন্ন থিম হিসেবে কাজ করে। এগুলো হলো: কোষীয় সংগঠনের জন্য অটোপয়েসিস (স্ব-উৎপাদন) ধারণার প্রবর্তনে আমার অবদান, স্নায়ুতন্ত্র ও সংজ্ঞানের সক্রিয় বা এনাক্টিভ দৃষ্টিভঙ্গি এবং ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পর্কে বর্তমান ধারণাগুলোর সংশোধন।
* আমি বৌদ্ধ অনুশীলন এবং বৈজ্ঞানিক কাজের মধ্যে দীর্ঘদিনের আগ্রহের ওপর ভিত্তি করে গবেষণালব্ধ একটি সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহী।
* [[বৌদ্ধধর্ম]] একটি অনুশীলন, কোনো বিশ্বাস নয়। প্রতিটি বৌদ্ধই কোনো না কোনোভাবে সাধারণ যাজকতুল্য একজন বিজ্ঞানী যেভাবে তাঁর কাজে লিপ্ত থাকেন, কিংবা একজন লেখকের মন যেভাবে সারাক্ষণ নেপথ্যে থেকে লেখায় মগ্ন থাকে, তাঁরাও সেভাবেই এতে নিবিষ্ট থাকেন।
=== ভারেলা সম্পর্কে ===
* ফ্রান্সিস্কো ভারেলা আশ্চর্যজনকভাবে উদ্ভাবনী, স্বাধীনচেতা এবং সৃজনশীল। তিনি এবং উম্বের্তো মাতুরানা যা বলেছেন তার মধ্যে গভীরতা রয়েছে। আবার উল্টোদিকে, একজন কঠোর আণবিক জীববিজ্ঞানীর (মলিকুলার বায়োলজিস্ট) দৃষ্টিকোণ থেকে এগুলো কেবলই অবাস্তব ও ভিত্তিহীন বিষয়। এই কারণেই তাঁর কাজের প্রতি মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। আমার ভেতরের সেই অংশটি যা যুক্তিনির্ভর এবং সমালোচনামূলক, তা হয়তো প্রশ্ন তোলে; কিন্তু আমার অন্য অংশটি ইমিউন নেটওয়ার্কের স্ব-প্রতিনিধিত্ব নিয়ে করা তাঁর সাম্প্রতিক কাজগুলো গ্রহণ করেছে। আমি এগুলো খুব পছন্দ করি।
** [[স্টুয়ার্ট কফম্যান]]; জন ব্রকম্যান সম্পাদিত (১৯৯৫) ''দ্য থার্ড কালচার: বিয়ন্ড দ্য সায়েন্টিফিক রেভল্যুশন'' এ। পৃষ্ঠা ২০৯ ([http://www.edge.org/documents/ThirdCulture/t-Ch.12.html অনলাইন])।
* ফ্রান্সিস্কো ছিলেন একজন পরীক্ষামূলক এবং তাত্ত্বিক জীববিজ্ঞানী, যিনি তাঁর ভাষায় "উদ্ভূত সত্তা" (ইমারজেন্ট সেলভস) বা "ভার্চুয়াল পরিচয়" (ভার্চুয়াল আইডেন্টিটিস) নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। বাস্তবতার প্রতি তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি ছিল অন্তর্নিহিত; যা প্রকৌশল বা তথ্য বিজ্ঞানের রূপকের বদলে স্ব-সংগঠন এবং বৌদ্ধধর্ম-অনুপ্রাণিত জ্ঞানতত্ত্ব থেকে উদ্ভূত রূপকের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল।
** জন ব্রকম্যান (২০০১) "[http://www.edge.org/documents/archive/edge86.html এজ: দ্য ইমারজেন্ট সেলফ]", edge.org, ৫ জুন ২০০১।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
* [http://www.edge.org/3rd_culture/varela/varela_index.html জন ব্রকম্যান] ফ্রান্সিস্কো ভারেলা: ইন মেমোরিয়াম
{{DEFAULTSORT:Varela, Francisco}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৬ এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০০১ এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:চিলীয় জীববিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:চিলীয় দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:সাইবারনেটিশিয়ান]]
[[বিষয়শ্রেণী:সান্তিয়াগো দে চিলির ব্যক্তি]]
nqdx0xwy0roojq4k2p4909hyot8079t
ব্যবহারকারী আলাপ:Shovu55
3
12313
75545
2026-04-11T04:13:03Z
অভ্যর্থনা কমিটি বট
1112
উইকিউক্তিতে স্বাগত!
75545
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Shovu55,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]]
</div>
০৪:১৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
sl3gq9ee7t2hh9ltm1mqtmdlophta7y
বিষয়শ্রেণী:টুরিং পুরস্কার বিজয়ী
14
12315
75570
2026-04-11T05:37:14Z
মোহাম্মদ জনি হোসেন
104
নতুন পাতা
75570
wikitext
text/x-wiki
phoiac9h4m842xq45sp7s6u21eteeq1
75572
75570
2026-04-11T05:45:24Z
মোহাম্মদ জনি হোসেন
104
হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:পুরস্কার অনুযায়ী ব্যক্তি]] যোগ
75572
wikitext
text/x-wiki
[[বিষয়শ্রেণী:পুরস্কার অনুযায়ী ব্যক্তি]]
o6y4hqzlcuaum50ewt2mje8i4tybfoy
75574
75572
2026-04-11T05:47:25Z
মোহাম্মদ জনি হোসেন
104
হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:কম্পিউটার বিজ্ঞান]] যোগ
75574
wikitext
text/x-wiki
[[বিষয়শ্রেণী:পুরস্কার অনুযায়ী ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:কম্পিউটার বিজ্ঞান]]
0lcklkhnmwpqria9mnor0gz498w07fh
বিষয়শ্রেণী:মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞানী
14
12316
75577
2026-04-11T05:49:33Z
মোহাম্মদ জনি হোসেন
104
নতুন পাতা
75577
wikitext
text/x-wiki
phoiac9h4m842xq45sp7s6u21eteeq1
বব ডিলান
0
12317
75581
2026-04-11T06:43:50Z
Afiya07
4800
"'''বব ডিলান''' একজন মার্কিন সংগীতশিল্পী এবং গীতিকার। মার্কিন সংগীতধারায় কবিতাকে নতুন মাত্রা হিসেবে যোগ করার অবদানস্বরূপ ২০১৬ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরষ্কার অর্জন করে..." দিয়ে পাতা তৈরি
75581
wikitext
text/x-wiki
'''বব ডিলান''' একজন মার্কিন সংগীতশিল্পী এবং গীতিকার। মার্কিন সংগীতধারায় কবিতাকে নতুন মাত্রা হিসেবে যোগ করার অবদানস্বরূপ ২০১৬ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরষ্কার অর্জন করেন।
'''উক্তি'''
- কবি হওয়ার জন্য লিখতেই হবে সেটা মোটেই অত্যাবশক নয়। কিছু মানুষ গ্যাস স্টেশনে কাজ করে তবে তারা কবি। আমি নিজেকে কবি সম্বোধন করি না কারণ এই শব্দটা আমার পছন্দ না। আমি একজন ট্র্যাপিজ আর্টিস্ট। - [https://www.interferenza.com/bcs/interw/65-aug.htm নোরা ইফরন এবং সুজান এডমিস্টানের সাথে বব ডিলানের সাক্ষাৎকার] (১৯৬৫)
- আমি আগে ভাবতাম আমার গানগুলো এবং আমি একই স্বত্তা। কিন্তু আমি এখন আর এটা বিশ্বাস করি না। দু'টো ভিন্ন জিনিস এবং আমি আশা করি আমার গানগুলো সবার গান। - ডিলান ইজ ব্যাক, নিউজউইক (১৯৬৮)
- যা কিছু আমি গাইতে পারি, আমি সেটাকে গান বলি। যা কিছু আমি গাইতে পারি না, আমি সেটাকে কবিতা বলি। - [https://www.bobdylan.com/albums/freewheelin-bob-dylan/ লাইনার নোটস], [https://en.wikipedia.org/wiki/The_Freewheelin%27_Bob_Dylan দ্য ফ্রিহুইলিং বব ডিলান] (১৯৬৩)
- আমি নিজেকে আগে কবি ভাবি, তারপর সঙ্গীতকার। আমি কবি হিসেবে বেঁচে আছি এবং কবি হিসেবেই মরবো। - [https://www.expectingrain.com/dok/int/shelton1978.07.29.html মেলোডি মেইকারের সাথে সাক্ষাৎকার] (১৯৭৮)
- কলেজ হচ্ছে বৃদ্ধাশ্রমের মতো। তবে ব্যাতিক্রম দিক হলো কলেজে বেশি মানুষ মারা যায়। - প্লেবয় ইন্টারভিউ (১৯৬৬)
- আমার দৃষ্টিতে এখন আর কোন সাদা-কালো কিংবা ডান-বাম নেই। আমার চোখে এখন শুধুই উপর-নিচ আছে এবং নিচটা মাটির খুবই কাছে। যেকোন মামুলি বিষয়ে (যেমন রাজনীতি) চিন্তা করা ছাড়া আমি উপরে ওঠার চেষ্টা করছি। এই বিষয়গুলোর আমার চিন্তাভাবনার সাথে কোন সম্পৃক্ততা নেই। আমি ভাবছি সাধারণ মানুষদের নিয়ে এবং যখন তারা কষ্ট পায়। - [https://en.wikipedia.org/wiki/National%20Emergency%20Civil%20Liberties%20Committee দ্য ইমারজেন্সি সিভিল লিবার্টিস কমিটি] 'র ভাষনে (১৩ ডিসেম্বর ১৯৬৩)
ldj314rke6rjrgxghqrqj9z1qfp6qyg
ব্যবহারকারী আলাপ:Afiya07
3
12318
75590
2026-04-11T07:13:03Z
অভ্যর্থনা কমিটি বট
1112
উইকিউক্তিতে স্বাগত!
75590
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Afiya07,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]]
</div>
০৭:১৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
5x4tv3rvxwgvx4u9b7pv42c3hgocrf1
আলাপ:ফ্রান্সিস্কো ভারেলা
1
12319
75599
2026-04-11T07:38:52Z
Sumanta3023
4175
https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026
75599
wikitext
text/x-wiki
{{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}}
s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm
আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট
0
12320
75600
2026-04-11T07:42:37Z
Sumanta3023
4175
"[[File:Stieler, Joseph Karl - Alexander von Humboldt - 1843.jpg|thumb|[[জীবন|জীবনে]] আমরা আমাদের [[চরিত্র|চরিত্রে]] যা গড়ে তুলেছি কেবল তা-ই আমরা সাথে করে নিয়ে যেতে পারি।]] '''w:আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট|ফ্রিডরিখ উইলহেম হা..." দিয়ে পাতা তৈরি
75600
wikitext
text/x-wiki
[[File:Stieler, Joseph Karl - Alexander von Humboldt - 1843.jpg|thumb|[[জীবন|জীবনে]] আমরা আমাদের [[চরিত্র|চরিত্রে]] যা গড়ে তুলেছি কেবল তা-ই আমরা সাথে করে নিয়ে যেতে পারি।]]
'''[[w:আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট|ফ্রিডরিখ উইলহেম হাইনরিখ আলেকজান্ডার ফ্রাইহের ফন হুমবোল্ট]]''' ([[১৪ সেপ্টেম্বর]] [[১৭৬৯]] – [[৬ মে]] [[১৮৫৯]]) ছিলেন একজন জার্মান প্রকৃতিবিদ এবং অভিযাত্রী, এবং তিনি কূটনীতিবিদ ও দার্শনিক [[উইলহেম ফন হুমবোল্ট|উইলহেম ফন হুমবোল্টের]] ছোট ভাই ছিলেন।
5aqf597wjwct4j79gf77ytnl444u2ms
75613
75600
2026-04-11T08:29:38Z
Sumanta3023
4175
75613
wikitext
text/x-wiki
[[File:Stieler, Joseph Karl - Alexander von Humboldt - 1843.jpg|thumb|[[জীবন|জীবনে]] আমরা আমাদের [[চরিত্র|চরিত্রে]] যা গড়ে তুলেছি কেবল তাই আমরা সাথে করে নিয়ে যেতে পারি।]]
'''[[w:আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট|ফ্রিডরিখ উইলহেম হাইনরিখ আলেকজান্ডার ফ্রাইহের ফন হুমবোল্ট]]''' ([[১৪ সেপ্টেম্বর]] [[১৭৬৯]] – [[৬ মে]] [[১৮৫৯]]) ছিলেন একজন জার্মান প্রকৃতিবিদ এবং অভিযাত্রী, এবং তিনি কূটনীতিবিদ ও দার্শনিক [[উইলহেম ফন হুমবোল্ট|উইলহেম ফন হুমবোল্টের]] ছোট ভাই ছিলেন।
== উক্তি ==
[[File:Alexander von Humboldt-selfportrait.jpg|thumb|আমাদের [[কল্পনা]] কেবল যা [[বিশাল]] তা দেখে স্তম্ভিত হয়; কিন্তু [[প্রাকৃতিক দর্শন|প্রাকৃতিক দর্শনের]] প্রেমিকের উচিত ক্ষুদ্র বিষয়গুলো নিয়েও সমানভাবে চিন্তা করা।]]
* '''[[জীবন|জীবনে]] আমরা আমাদের [[চরিত্র|চরিত্রে]] যা গড়ে তুলেছি কেবল তাই আমরা সাথে করে নিয়ে যেতে পারি।'''
** অ্যানা ক্যাবট লোয়েল সম্পাদিত ''সিড-গ্রেইন ফর থট অ্যান্ড ডিসকাশন'' (১৮৫৬), খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ২৬০ এ উদ্ধৃত।
* (২০১৯ সালে) ১৫০ বছরেরও বেশি আগে আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট সতর্ক করেছিলেন যে, “মানুষের বৃহৎ সম্প্রদায়ের অবিরাম কর্মকাণ্ড ধীরে ধীরে পৃথিবীর রূপ নষ্ট করে দিচ্ছে”। [https://www.goethe.de/prj/sff/de/arc/2019/tdj/aon.html]
=== ''ইকুইনোকশিয়াল রিজিয়নস অফ আমেরিকা'' (১৮১৪-১৮২৯) ===
থমাসিনা রস কর্তৃক অনূদিত
* '''শৈশব থেকেই প্রকৃতির পাঠে নিবেদিত এবং পাহাড়বেষ্টিত ও প্রাচীন অরণ্যের ছায়ায় ঘেরা কোনো দেশের বন্য সৌন্দর্যের প্রতি গভীর অনুরাগ অনুভব করায়, আমি আমার ভ্রমণে এমন আনন্দ উপভোগ করেছি যা একটি শ্রমসাধ্য এবং প্রায়শই উত্তাল জীবনের অপরিহার্য অভাবগুলোকে পুষিয়ে দিয়েছে।'''
* আধুনিক সভ্যতাকে প্রাচীনকাল থেকে আলাদা করার অন্যতম মহৎ বৈশিষ্ট্য হলো যে, এটি আমাদের ধারণার পরিধিকে বিস্তৃত করেছে, আমাদের ভৌত ও বুদ্ধিবৃত্তিক জগতের মধ্যকার সংযোগ অনুধাবনে আরও সক্ষম করে তুলেছে এবং এমন সব বিষয়ের ওপর সাধারণ মানুষের আগ্রহ তৈরি করেছে যা আগে কেবল স্বল্পসংখ্যক বিজ্ঞানমনস্ক মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল; কারণ সেই বিষয়গুলো তখন আলাদাভাবে এবং অত্যন্ত সংকীর্ণ দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করা হতো।
* দম্ভ এবং আত্মমুগ্ধতার প্রকাশ কম আপত্তিকর হয়ে ওঠে যখন তার মধ্যে কিছুটা হলেও সরলতা এবং অকপটতা থাকে।
* '''আমাদের কল্পনা কেবল যা বিশাল তা দেখে স্তম্ভিত হয়; কিন্তু প্রাকৃতিক দর্শনের প্রেমিকের উচিত ক্ষুদ্র বিষয়গুলো নিয়েও সমানভাবে চিন্তা করা।'''
* '''কোনো রকম বিশৃঙ্খলা ছাড়াই সংস্কার সাধন করতে হলে নতুন প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যেন সেগুলো শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে চলে আসা বর্বরতার মধ্য থেকেই ধীরে ধীরে জেগে ওঠে।''' একদিন এটি অবিশ্বাস্য মনে হবে যে, ১৮২৬ সাল পর্যন্ত গ্রেট অ্যান্টিলেসে ছোট শিশুদের বিক্রি করা এবং তাদের বাবা-মায়ের কাছ থেকে আলাদা করা ঠেকানোর জন্য কোনো আইন ছিল না, কিংবা নিগ্রোদের গায়ে গরম লোহার ছ্যাঁকা দিয়ে দাগ দেওয়ার মতো অবমাননাকর প্রথা নিষিদ্ধ ছিল না যা করা হতো কেবল এই 'মানুষ-রূপী গবাদি পশুদের' সহজে চেনার জন্য।
=== ''কসমস'' (১৮৪৫ - ১৮৪৭) ===
* '''আমাকে পরিচালিত করার প্রধান প্রেরণা ছিল ভৌত বস্তুসমূহের পরিদৃশ্যমান ঘটনাগুলোকে তাদের সাধারণ সংযোগের মাধ্যমে বোঝার ঐকান্তিক প্রচেষ্টা এবং প্রকৃতিকে একটি মহান সমগ্র হিসেবে উপস্থাপন করা, যা অভ্যন্তরীণ শক্তিসমূহ দ্বারা গতিশীল ও প্রাণবন্ত।''' অত্যন্ত মেধাবী ব্যক্তিদের সাথে আমার মেলামেশা আমাকে শুরুতেই এটি বুঝতে শিখিয়েছিল যে, নির্দিষ্ট শাখাগুলোর জ্ঞান অর্জনের গভীর চেষ্টা ছাড়া মহাবিশ্বের একটি বিশাল এবং সাধারণ রূপচিত্র দেওয়ার সমস্ত প্রচেষ্টা কেবল একটি বৃথা মরীচিকা ছাড়া আর কিছুই নয়। প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের এই বিশেষ বিভাগগুলো একে অপরকে সমৃদ্ধ করতে সক্ষম।
* '''আমরা যেমন মানবজাতির একতাকে বজায় রাখি, ঠিক তেমনি মানুষের উচ্চতর এবং নিম্নতর জাতির অবমাননাকর ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করি। এমন অনেক জাতি আছে যারা অন্যদের তুলনায় চর্চার মাধ্যমে বেশি মার্জিত, উচ্চতর সভ্য এবং মানসিক বিকাশের মাধ্যমে বেশি মহিমান্বিত হয়েছে, কিন্তু কোনো জাতিই জন্মগতভাবে অন্যদের চেয়ে মহৎ নয়।''' সবাই সমানভাবে স্বাধীনতার জন্য উপযুক্ত; এমন এক স্বাধীনতা যা সমাজের অমার্জিত অবস্থায় কেবল ব্যক্তির নিজস্ব থাকে, কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের সুবিধাভোগী সামাজিক অবস্থায় তা সমগ্র সম্প্রদায়ের অধিকার হিসেবে গণ্য হয়।
* সুদূর নীহারিকা এবং আবর্তনশীল দ্বৈত নক্ষত্রপুঞ্জ থেকে শুরু করে আমরা প্রাণিজগতের ক্ষুদ্রতম জীবসত্তা পর্যন্ত অবতীর্ণ হয়েছি—তা মহাসাগরের গভীরেই হোক বা আমাদের ভূ-পৃষ্ঠেই হোক; এমনকি সেই সুকুমার উদ্ভিদকণা পর্যন্ত যা বরফ-মুকুট পরা পাহাড়ের নগ্ন ঢালকে আবৃত করে রাখে। আর এখানে আমরা এই পরিদৃশ্যমান ঘটনাগুলোকে আংশিকভাবে জানা কিছু নিয়মের মাধ্যমে সাজাতে সক্ষম হয়েছি। কিন্তু জৈব জগতের উচ্চতর ক্ষেত্রগুলোতে আরও রহস্যময় প্রকৃতির অন্যান্য নিয়ম রাজত্ব করে, যেখানে মানবজাতি তার সমস্ত বৈচিত্র্যময় গঠন, সৃজনশীল বুদ্ধিবৃত্তিক শক্তি এবং অস্তিত্ব দান করা ভাষাগুলো নিয়ে অবস্থান করছে। '''প্রকৃতির একটি ভৌত রূপরেখা সেখানেই শেষ হয় যেখানে বুদ্ধিবৃত্তির পরিমণ্ডল শুরু হয় এবং আমাদের সামনে মনের এক নতুন জগত উন্মোচিত হয়। এটি একটি সীমা চিহ্নিত করে, কিন্তু তা অতিক্রম করে না।'''
* সাধারণ প্রাকৃতিক পদার্থবিজ্ঞানের ওপর আরবদের দ্বারা চর্চিত সবচেয়ে শক্তিশালী প্রভাব ছিল [[রসায়ন|রসায়নের]] উন্নতির দিকে পরিচালিত সেই ধারা; এমন একটি বিজ্ঞান যার জন্য এই জাতি এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল। (...) পার্থিব এবং মহাজাগতিক উভয় ক্ষেত্রেই আরবদের প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের কাছে আমাদের ঋণের প্রশংসাসূচক উল্লেখের পাশাপাশি, গাণিতিক বিজ্ঞানের সাধারণ ভাণ্ডারে বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের পৃথক পথে তাদের অবদানগুলোকেও আমাদের অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে।
** ''কসমস'', এইচ.জি. বোন, ১৮৬০, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৫৮৯, ৫৯৫।
== ফন হুমবোল্ট সম্পর্কে উক্তি ==
* সেই বিখ্যাত পরিব্রাজক হুমবোল্ট পৃথিবীর চুম্বকত্বের সঠিক পরিমাপ পাওয়ার জন্য সমস্ত জাতির পর্যবেক্ষকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব অনুধাবন করে গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন; এবং এটি প্রধানত বিজ্ঞানের প্রতি তাঁর সেই উৎসাহেরই অবদান। যার ফলে কেবল ব্যক্তিগত পর্যায়ের বিজ্ঞানীরাই নন, বরং অধিকাংশ সভ্য দেশের সরকারও এই উদ্যোগে অংশ নিতে উদ্বুদ্ধ হয়েছিল।
** [[জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল]], "ইনট্রোডাক্টরি লেকচার অন এক্সপেরিমেন্টাল ফিজিক্স," ''[[দ্য সায়েন্টিফিক পেপারস অফ জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল]]'' (১৮৯০) খণ্ড ২।
m6a868ujena99fasz9e3iu7do7n9p2y
75616
75613
2026-04-11T08:33:21Z
Sumanta3023
4175
/* ফন হুমবোল্ট সম্পর্কে উক্তি */
75616
wikitext
text/x-wiki
[[File:Stieler, Joseph Karl - Alexander von Humboldt - 1843.jpg|thumb|[[জীবন|জীবনে]] আমরা আমাদের [[চরিত্র|চরিত্রে]] যা গড়ে তুলেছি কেবল তাই আমরা সাথে করে নিয়ে যেতে পারি।]]
'''[[w:আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট|ফ্রিডরিখ উইলহেম হাইনরিখ আলেকজান্ডার ফ্রাইহের ফন হুমবোল্ট]]''' ([[১৪ সেপ্টেম্বর]] [[১৭৬৯]] – [[৬ মে]] [[১৮৫৯]]) ছিলেন একজন জার্মান প্রকৃতিবিদ এবং অভিযাত্রী, এবং তিনি কূটনীতিবিদ ও দার্শনিক [[উইলহেম ফন হুমবোল্ট|উইলহেম ফন হুমবোল্টের]] ছোট ভাই ছিলেন।
== উক্তি ==
[[File:Alexander von Humboldt-selfportrait.jpg|thumb|আমাদের [[কল্পনা]] কেবল যা [[বিশাল]] তা দেখে স্তম্ভিত হয়; কিন্তু [[প্রাকৃতিক দর্শন|প্রাকৃতিক দর্শনের]] প্রেমিকের উচিত ক্ষুদ্র বিষয়গুলো নিয়েও সমানভাবে চিন্তা করা।]]
* '''[[জীবন|জীবনে]] আমরা আমাদের [[চরিত্র|চরিত্রে]] যা গড়ে তুলেছি কেবল তাই আমরা সাথে করে নিয়ে যেতে পারি।'''
** অ্যানা ক্যাবট লোয়েল সম্পাদিত ''সিড-গ্রেইন ফর থট অ্যান্ড ডিসকাশন'' (১৮৫৬), খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ২৬০ এ উদ্ধৃত।
* (২০১৯ সালে) ১৫০ বছরেরও বেশি আগে আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট সতর্ক করেছিলেন যে, “মানুষের বৃহৎ সম্প্রদায়ের অবিরাম কর্মকাণ্ড ধীরে ধীরে পৃথিবীর রূপ নষ্ট করে দিচ্ছে”। [https://www.goethe.de/prj/sff/de/arc/2019/tdj/aon.html]
=== ''ইকুইনোকশিয়াল রিজিয়নস অফ আমেরিকা'' (১৮১৪-১৮২৯) ===
থমাসিনা রস কর্তৃক অনূদিত
* '''শৈশব থেকেই প্রকৃতির পাঠে নিবেদিত এবং পাহাড়বেষ্টিত ও প্রাচীন অরণ্যের ছায়ায় ঘেরা কোনো দেশের বন্য সৌন্দর্যের প্রতি গভীর অনুরাগ অনুভব করায়, আমি আমার ভ্রমণে এমন আনন্দ উপভোগ করেছি যা একটি শ্রমসাধ্য এবং প্রায়শই উত্তাল জীবনের অপরিহার্য অভাবগুলোকে পুষিয়ে দিয়েছে।'''
* আধুনিক সভ্যতাকে প্রাচীনকাল থেকে আলাদা করার অন্যতম মহৎ বৈশিষ্ট্য হলো যে, এটি আমাদের ধারণার পরিধিকে বিস্তৃত করেছে, আমাদের ভৌত ও বুদ্ধিবৃত্তিক জগতের মধ্যকার সংযোগ অনুধাবনে আরও সক্ষম করে তুলেছে এবং এমন সব বিষয়ের ওপর সাধারণ মানুষের আগ্রহ তৈরি করেছে যা আগে কেবল স্বল্পসংখ্যক বিজ্ঞানমনস্ক মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল; কারণ সেই বিষয়গুলো তখন আলাদাভাবে এবং অত্যন্ত সংকীর্ণ দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করা হতো।
* দম্ভ এবং আত্মমুগ্ধতার প্রকাশ কম আপত্তিকর হয়ে ওঠে যখন তার মধ্যে কিছুটা হলেও সরলতা এবং অকপটতা থাকে।
* '''আমাদের কল্পনা কেবল যা বিশাল তা দেখে স্তম্ভিত হয়; কিন্তু প্রাকৃতিক দর্শনের প্রেমিকের উচিত ক্ষুদ্র বিষয়গুলো নিয়েও সমানভাবে চিন্তা করা।'''
* '''কোনো রকম বিশৃঙ্খলা ছাড়াই সংস্কার সাধন করতে হলে নতুন প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যেন সেগুলো শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে চলে আসা বর্বরতার মধ্য থেকেই ধীরে ধীরে জেগে ওঠে।''' একদিন এটি অবিশ্বাস্য মনে হবে যে, ১৮২৬ সাল পর্যন্ত গ্রেট অ্যান্টিলেসে ছোট শিশুদের বিক্রি করা এবং তাদের বাবা-মায়ের কাছ থেকে আলাদা করা ঠেকানোর জন্য কোনো আইন ছিল না, কিংবা নিগ্রোদের গায়ে গরম লোহার ছ্যাঁকা দিয়ে দাগ দেওয়ার মতো অবমাননাকর প্রথা নিষিদ্ধ ছিল না যা করা হতো কেবল এই 'মানুষ-রূপী গবাদি পশুদের' সহজে চেনার জন্য।
=== ''কসমস'' (১৮৪৫ - ১৮৪৭) ===
* '''আমাকে পরিচালিত করার প্রধান প্রেরণা ছিল ভৌত বস্তুসমূহের পরিদৃশ্যমান ঘটনাগুলোকে তাদের সাধারণ সংযোগের মাধ্যমে বোঝার ঐকান্তিক প্রচেষ্টা এবং প্রকৃতিকে একটি মহান সমগ্র হিসেবে উপস্থাপন করা, যা অভ্যন্তরীণ শক্তিসমূহ দ্বারা গতিশীল ও প্রাণবন্ত।''' অত্যন্ত মেধাবী ব্যক্তিদের সাথে আমার মেলামেশা আমাকে শুরুতেই এটি বুঝতে শিখিয়েছিল যে, নির্দিষ্ট শাখাগুলোর জ্ঞান অর্জনের গভীর চেষ্টা ছাড়া মহাবিশ্বের একটি বিশাল এবং সাধারণ রূপচিত্র দেওয়ার সমস্ত প্রচেষ্টা কেবল একটি বৃথা মরীচিকা ছাড়া আর কিছুই নয়। প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের এই বিশেষ বিভাগগুলো একে অপরকে সমৃদ্ধ করতে সক্ষম।
* '''আমরা যেমন মানবজাতির একতাকে বজায় রাখি, ঠিক তেমনি মানুষের উচ্চতর এবং নিম্নতর জাতির অবমাননাকর ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করি। এমন অনেক জাতি আছে যারা অন্যদের তুলনায় চর্চার মাধ্যমে বেশি মার্জিত, উচ্চতর সভ্য এবং মানসিক বিকাশের মাধ্যমে বেশি মহিমান্বিত হয়েছে, কিন্তু কোনো জাতিই জন্মগতভাবে অন্যদের চেয়ে মহৎ নয়।''' সবাই সমানভাবে স্বাধীনতার জন্য উপযুক্ত; এমন এক স্বাধীনতা যা সমাজের অমার্জিত অবস্থায় কেবল ব্যক্তির নিজস্ব থাকে, কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের সুবিধাভোগী সামাজিক অবস্থায় তা সমগ্র সম্প্রদায়ের অধিকার হিসেবে গণ্য হয়।
* সুদূর নীহারিকা এবং আবর্তনশীল দ্বৈত নক্ষত্রপুঞ্জ থেকে শুরু করে আমরা প্রাণিজগতের ক্ষুদ্রতম জীবসত্তা পর্যন্ত অবতীর্ণ হয়েছি—তা মহাসাগরের গভীরেই হোক বা আমাদের ভূ-পৃষ্ঠেই হোক; এমনকি সেই সুকুমার উদ্ভিদকণা পর্যন্ত যা বরফ-মুকুট পরা পাহাড়ের নগ্ন ঢালকে আবৃত করে রাখে। আর এখানে আমরা এই পরিদৃশ্যমান ঘটনাগুলোকে আংশিকভাবে জানা কিছু নিয়মের মাধ্যমে সাজাতে সক্ষম হয়েছি। কিন্তু জৈব জগতের উচ্চতর ক্ষেত্রগুলোতে আরও রহস্যময় প্রকৃতির অন্যান্য নিয়ম রাজত্ব করে, যেখানে মানবজাতি তার সমস্ত বৈচিত্র্যময় গঠন, সৃজনশীল বুদ্ধিবৃত্তিক শক্তি এবং অস্তিত্ব দান করা ভাষাগুলো নিয়ে অবস্থান করছে। '''প্রকৃতির একটি ভৌত রূপরেখা সেখানেই শেষ হয় যেখানে বুদ্ধিবৃত্তির পরিমণ্ডল শুরু হয় এবং আমাদের সামনে মনের এক নতুন জগত উন্মোচিত হয়। এটি একটি সীমা চিহ্নিত করে, কিন্তু তা অতিক্রম করে না।'''
* সাধারণ প্রাকৃতিক পদার্থবিজ্ঞানের ওপর আরবদের দ্বারা চর্চিত সবচেয়ে শক্তিশালী প্রভাব ছিল [[রসায়ন|রসায়নের]] উন্নতির দিকে পরিচালিত সেই ধারা; এমন একটি বিজ্ঞান যার জন্য এই জাতি এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল। (...) পার্থিব এবং মহাজাগতিক উভয় ক্ষেত্রেই আরবদের প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের কাছে আমাদের ঋণের প্রশংসাসূচক উল্লেখের পাশাপাশি, গাণিতিক বিজ্ঞানের সাধারণ ভাণ্ডারে বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের পৃথক পথে তাদের অবদানগুলোকেও আমাদের অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে।
** ''কসমস'', এইচ.জি. বোন, ১৮৬০, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৫৮৯, ৫৯৫।
== ফন হুমবোল্ট সম্পর্কে উক্তি ==
* সেই বিখ্যাত পরিব্রাজক হুমবোল্ট পৃথিবীর চুম্বকত্বের সঠিক পরিমাপ পাওয়ার জন্য সমস্ত জাতির পর্যবেক্ষকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব অনুধাবন করে গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন; এবং এটি প্রধানত বিজ্ঞানের প্রতি তাঁর সেই উৎসাহেরই অবদান। যার ফলে কেবল ব্যক্তিগত পর্যায়ের বিজ্ঞানীরাই নন, বরং অধিকাংশ সভ্য দেশের সরকারও এই উদ্যোগে অংশ নিতে উদ্বুদ্ধ হয়েছিল।
** [[জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল]], "ইনট্রোডাক্টরি লেকচার অন এক্সপেরিমেন্টাল ফিজিক্স," ''[[দ্য সায়েন্টিফিক পেপারস অফ জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল]]'' (১৮৯০) খণ্ড ২।
* সেই প্রখ্যাত পরিব্রাজক, ব্যারন হুমবোল্ট, একদিন রাষ্ট্রপতির সাথে দেখা করতে তাঁর দপ্তরে গিয়েছিলেন। সেখানে টেবিলের ওপর রাখা একটি সরকারি সাময়িকী হাতে তুলে নিয়ে তিনি স্তম্ভিত হয়ে দেখলেন যে, এর কলামগুলো রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে চরম অসংযত গালিগালাজ এবং কুরুচিপূর্ণ অপবাদে পরিপূর্ণ। তিনি চরম ক্ষোভের সাথে সেটি ফেলে দিয়ে চিৎকার করে বলে উঠলেন, "যেই লোক এমন জঘন্য মিথ্যা লেখার সাহস দেখায়, তাকে আপনি ফাঁসি দিচ্ছেন না কেন?" ব্যারনের এই উত্তাপ দেখে রাষ্ট্রপতি হাসলেন এবং উত্তর দিলেন— "কী! জনচরিত্রের রক্ষকদের আমি ফাঁসি দেব? না স্যার,— বরং আমি সেই স্বাধীনতার চেতনাকে রক্ষা করব যা এই পর্যায়ের গালিগালাজকেও প্রশ্রয় দেয়। আমার প্রিয় বন্ধু, এই কাগজটি আপনার পকেটে ভরে ইউরোপে নিয়ে যান এবং সেখানে যখন কেউ আমেরিকার স্বাধীনতার বাস্তবতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করবে, তখন তাদের এই কাগজটি দেখাবেন এবং বলবেন আপনি এটি কোথায় পেয়েছেন।" ব্যারন তখন উত্তর দিলেন, "কিন্তু গুণী ব্যক্তিদের এভাবে কলঙ্কিত করা কি বেদনাদায়ক নয়?" রাষ্ট্রপতি তখন বলতে থাকলেন, "তাদের কাজই হোক সেই অপবাদের খণ্ডন। বিশ্বাস করুন, অপবাদের মেঘ দিয়ে গুণের আলোকে বেশিক্ষণ ঢাকা যায় না; আর এর ফলে যে সাময়িক যন্ত্রণার সৃষ্টি হয়, তার চেয়ে সেই সুরক্ষা অনেক বেশি মূল্যবান যা সরকারি কর্মকর্তাদের আদর্শ এবং আচরণের অবক্ষয় রোধ করে। যখন কোনো ব্যক্তি জনস্বার্থের কোনো দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন তাঁর নিজেকে জনগণের সম্পত্তি হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।"
** বি. এল. রেইনার, ১৮০৪ সালের ১ থেকে ২৭ জুনের মধ্যে [[w:ওয়াশিংটন, ডি.সি.|ওয়াশিংটন, ডি.সি.]] সফরকালে হুমবোল্ট এবং [[টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসনের]] একটি সাক্ষাতের বিবরণ; ''স্কেচেস অফ দ্য লাইফ, রাইটিংস, অ্যান্ড ওপিনিয়নস অফ টমাস জেফারসন'' (১৮৩২), পৃষ্ঠা ৪৭৪; এছাড়াও তাঁর ''লাইফ অফ জেফারসন'' (১৮৩৪), পৃষ্ঠা ৩৫৬-তে বর্ণিত।
* সেখানে কবিতা আছে। সেখানে বিজ্ঞান আছে। আমরা প্রতিটি পথে যতদূর অগ্রসর হই, তাদের সম্পর্ক তত স্পষ্টভাবে অনুভূত হয় এবং উপহারগুলো তত বেশি প্রাচুর্যময় হয়ে ওঠে। পাশ্চাত্য সংস্কৃতির সংজ্ঞাসমূহ ঐতিহাসিকভাবে এই দুটি শাস্ত্রকে আলাদা করে রেখেছে। ডারউইন যখন হুমবোল্ট সম্পর্কে লিখেছিলেন যে তিনি কবিতা এবং বিজ্ঞানের বিরল মিলন প্রদর্শন করেছেন, তখন তিনি তাঁকে সেই মিলনস্থলের নায়কদের সারিতে বসিয়েছিলেন—যেই সারিতে লুক্রেটিয়াস, গ্যেটে এবং লিওনার্দো অন্তর্ভুক্ত; কিন্তু গত কয়েক শতাব্দী ধরে সেই সারিটি এমন এক সমালোচনামূলক কাঠামোর আড়ালে অস্পষ্ট হয়ে পড়েছে যা জোর দিয়ে বলে যে কল্পনার এই রূপগুলো কেবল আলাদা নয়, বরং একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন।
** [[মুরিয়েল রুকেসার]]; ''দ্য লাইফ অফ পোয়েট্রি'' (১৯৪৯)
== বহিঃসংযোগ ==
{{wikipedia}}
{{DEFAULTSORT:Humboldt, Alexander von}}
[[বিষয়শ্রেণী:বার্লিনের ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:জার্মান প্রকৃতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:জার্মান ভূগোলবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রাণিবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:জার্মান অভিযাত্রী]]
[[বিষয়শ্রেণী:লুথারীয়]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভ্রমণ কাহিনী লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:জার্মান অকল্পিত সাহিত্য লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৭৬৯-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৫৯-এ মৃত্যু]]
kakd0g1pahuhag8zup9yf7ptovct2bt
75619
75616
2026-04-11T08:36:05Z
Sumanta3023
4175
75619
wikitext
text/x-wiki
[[File:Stieler, Joseph Karl - Alexander von Humboldt - 1843.jpg|thumb|[[জীবন|জীবনে]] আমরা আমাদের [[চরিত্র|চরিত্রে]] যা গড়ে তুলেছি কেবল তাই আমরা সাথে করে নিয়ে যেতে পারি।]]
'''[[w:আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট|ফ্রিডরিখ উইলহেম হাইনরিখ আলেকজান্ডার ফ্রাইহের ফন হুমবোল্ট]]''' ([[১৪ সেপ্টেম্বর]] [[১৭৬৯]] – [[৬ মে]] [[১৮৫৯]]) ছিলেন একজন জার্মান প্রকৃতিবিদ এবং অভিযাত্রী, এবং তিনি কূটনীতিবিদ ও দার্শনিক [[উইলহেম ফন হুমবোল্ট|উইলহেম ফন হুমবোল্টের]] ছোট ভাই ছিলেন।
== উক্তি ==
[[File:Alexander von Humboldt-selfportrait.jpg|thumb|আমাদের [[কল্পনা]] কেবল যা [[বিশাল]] তা দেখে স্তম্ভিত হয়; কিন্তু [[প্রাকৃতিক দর্শন|প্রাকৃতিক দর্শনের]] প্রেমিকের উচিত ক্ষুদ্র বিষয়গুলো নিয়েও সমানভাবে চিন্তা করা।]]
* '''[[জীবন|জীবনে]] আমরা আমাদের [[চরিত্র|চরিত্রে]] যা গড়ে তুলেছি কেবল তাই আমরা সাথে করে নিয়ে যেতে পারি।'''
** অ্যানা ক্যাবট লোয়েল সম্পাদিত ''সিড-গ্রেইন ফর থট অ্যান্ড ডিসকাশন'' (১৮৫৬), খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ২৬০ এ উদ্ধৃত।
* (২০১৯ সালে) ১৫০ বছরেরও বেশি আগে আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট সতর্ক করেছিলেন যে, “মানুষের বৃহৎ সম্প্রদায়ের অবিরাম কর্মকাণ্ড ধীরে ধীরে পৃথিবীর রূপ নষ্ট করে দিচ্ছে”। [https://www.goethe.de/prj/sff/de/arc/2019/tdj/aon.html]
=== ''ইকুইনোকশিয়াল রিজিয়নস অফ আমেরিকা'' (১৮১৪-১৮২৯) ===
থমাসিনা রস কর্তৃক অনূদিত
* '''শৈশব থেকেই প্রকৃতির পাঠে নিবেদিত এবং পাহাড়বেষ্টিত ও প্রাচীন অরণ্যের ছায়ায় ঘেরা কোনো দেশের বন্য সৌন্দর্যের প্রতি গভীর অনুরাগ অনুভব করায়, আমি আমার ভ্রমণে এমন আনন্দ উপভোগ করেছি যা একটি শ্রমসাধ্য এবং প্রায়শই উত্তাল জীবনের অপরিহার্য অভাবগুলোকে পুষিয়ে দিয়েছে।'''
* আধুনিক সভ্যতাকে প্রাচীনকাল থেকে আলাদা করার অন্যতম মহৎ বৈশিষ্ট্য হলো যে, এটি আমাদের ধারণার পরিধিকে বিস্তৃত করেছে, আমাদের ভৌত ও বুদ্ধিবৃত্তিক জগতের মধ্যকার সংযোগ অনুধাবনে আরও সক্ষম করে তুলেছে এবং এমন সব বিষয়ের ওপর সাধারণ মানুষের আগ্রহ তৈরি করেছে যা আগে কেবল স্বল্পসংখ্যক বিজ্ঞানমনস্ক মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল; কারণ সেই বিষয়গুলো তখন আলাদাভাবে এবং অত্যন্ত সংকীর্ণ দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করা হতো।
* দম্ভ এবং আত্মমুগ্ধতার প্রকাশ কম আপত্তিকর হয়ে ওঠে যখন তার মধ্যে কিছুটা হলেও সরলতা এবং অকপটতা থাকে।
* '''আমাদের কল্পনা কেবল যা বিশাল তা দেখে স্তম্ভিত হয়; কিন্তু প্রাকৃতিক দর্শনের প্রেমিকের উচিত ক্ষুদ্র বিষয়গুলো নিয়েও সমানভাবে চিন্তা করা।'''
* '''কোনো রকম বিশৃঙ্খলা ছাড়াই সংস্কার সাধন করতে হলে নতুন প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যেন সেগুলো শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে চলে আসা বর্বরতার মধ্য থেকেই ধীরে ধীরে জেগে ওঠে।''' একদিন এটি অবিশ্বাস্য মনে হবে যে, ১৮২৬ সাল পর্যন্ত গ্রেট অ্যান্টিলেসে ছোট শিশুদের বিক্রি করা এবং তাদের বাবা মায়ের কাছ থেকে আলাদা করা ঠেকানোর জন্য কোনো আইন ছিল না, কিংবা নিগ্রোদের গায়ে গরম লোহার ছ্যাঁকা দিয়ে দাগ দেওয়ার মতো অবমাননাকর প্রথা নিষিদ্ধ ছিল না যা করা হতো কেবল এই 'মানুষ-রূপী গবাদি পশুদের' সহজে চেনার জন্য।
=== ''কসমস'' (১৮৪৫ - ১৮৪৭) ===
* '''আমাকে পরিচালিত করার প্রধান প্রেরণা ছিল ভৌত বস্তুসমূহের পরিদৃশ্যমান ঘটনাগুলোকে তাদের সাধারণ সংযোগের মাধ্যমে বোঝার ঐকান্তিক প্রচেষ্টা এবং প্রকৃতিকে একটি মহান সমগ্র হিসেবে উপস্থাপন করা, যা অভ্যন্তরীণ শক্তিসমূহ দ্বারা গতিশীল ও প্রাণবন্ত।''' অত্যন্ত মেধাবী ব্যক্তিদের সাথে আমার মেলামেশা আমাকে শুরুতেই এটি বুঝতে শিখিয়েছিল যে, নির্দিষ্ট শাখাগুলোর জ্ঞান অর্জনের গভীর চেষ্টা ছাড়া মহাবিশ্বের একটি বিশাল এবং সাধারণ রূপচিত্র দেওয়ার সমস্ত প্রচেষ্টা কেবল একটি বৃথা মরীচিকা ছাড়া আর কিছুই নয়। প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের এই বিশেষ বিভাগগুলো একে অপরকে সমৃদ্ধ করতে সক্ষম।
* '''আমরা যেমন মানবজাতির একতাকে বজায় রাখি, ঠিক তেমনি মানুষের উচ্চতর এবং নিম্নতর জাতির অবমাননাকর ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করি। এমন অনেক জাতি আছে যারা অন্যদের তুলনায় চর্চার মাধ্যমে বেশি মার্জিত, উচ্চতর সভ্য এবং মানসিক বিকাশের মাধ্যমে বেশি মহিমান্বিত হয়েছে, কিন্তু কোনো জাতিই জন্মগতভাবে অন্যদের চেয়ে মহৎ নয়।''' সবাই সমানভাবে স্বাধীনতার জন্য উপযুক্ত; এমন এক স্বাধীনতা যা সমাজের অমার্জিত অবস্থায় কেবল ব্যক্তির নিজস্ব থাকে, কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের সুবিধাভোগী সামাজিক অবস্থায় তা সমগ্র সম্প্রদায়ের অধিকার হিসেবে গণ্য হয়।
* সুদূর নীহারিকা এবং আবর্তনশীল দ্বৈত নক্ষত্রপুঞ্জ থেকে শুরু করে আমরা প্রাণিজগতের ক্ষুদ্রতম জীবসত্তা পর্যন্ত অবতীর্ণ হয়েছি তা মহাসাগরের গভীরেই হোক বা আমাদের ভূ-পৃষ্ঠেই হোক; এমনকি সেই সুকুমার উদ্ভিদকণা পর্যন্ত যা বরফের মুকুট পরা পাহাড়ের নগ্ন ঢালকে আবৃত করে রাখে। আর এখানে আমরা এই পরিদৃশ্যমান ঘটনাগুলোকে আংশিকভাবে জানা কিছু নিয়মের মাধ্যমে সাজাতে সক্ষম হয়েছি। কিন্তু জৈব জগতের উচ্চতর ক্ষেত্রগুলোতে আরও রহস্যময় প্রকৃতির অন্যান্য নিয়ম রাজত্ব করে, যেখানে মানবজাতি তার সমস্ত বৈচিত্র্যময় গঠন, সৃজনশীল বুদ্ধিবৃত্তিক শক্তি এবং অস্তিত্ব দান করা ভাষাগুলো নিয়ে অবস্থান করছে। '''প্রকৃতির একটি ভৌত রূপরেখা সেখানেই শেষ হয় যেখানে বুদ্ধিবৃত্তির পরিমণ্ডল শুরু হয় এবং আমাদের সামনে মনের এক নতুন জগত উন্মোচিত হয়। এটি একটি সীমা চিহ্নিত করে, কিন্তু তা অতিক্রম করে না।'''
* সাধারণ প্রাকৃতিক পদার্থবিজ্ঞানের ওপর আরবদের দ্বারা চর্চিত সবচেয়ে শক্তিশালী প্রভাব ছিল [[রসায়ন|রসায়নের]] উন্নতির দিকে পরিচালিত সেই ধারা; এমন একটি বিজ্ঞান যার জন্য এই জাতি এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল। (...) পার্থিব এবং মহাজাগতিক উভয় ক্ষেত্রেই আরবদের প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের কাছে আমাদের ঋণের প্রশংসাসূচক উল্লেখের পাশাপাশি, গাণিতিক বিজ্ঞানের সাধারণ ভাণ্ডারে বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের পৃথক পথে তাদের অবদানগুলোকেও আমাদের অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে।
** ''কসমস'', এইচ.জি. বোন, ১৮৬০, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৫৮৯, ৫৯৫।
== ফন হুমবোল্ট সম্পর্কে উক্তি ==
* সেই বিখ্যাত পরিব্রাজক হুমবোল্ট পৃথিবীর চুম্বকত্বের সঠিক পরিমাপ পাওয়ার জন্য সমস্ত জাতির পর্যবেক্ষকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব অনুধাবন করে গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন; এবং এটি প্রধানত বিজ্ঞানের প্রতি তাঁর সেই উৎসাহেরই অবদান। যার ফলে কেবল ব্যক্তিগত পর্যায়ের বিজ্ঞানীরাই নন, বরং অধিকাংশ সভ্য দেশের সরকারও এই উদ্যোগে অংশ নিতে উদ্বুদ্ধ হয়েছিল।
** [[জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল]], "ইনট্রোডাক্টরি লেকচার অন এক্সপেরিমেন্টাল ফিজিক্স," ''[[দ্য সায়েন্টিফিক পেপারস অফ জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল]]'' (১৮৯০) খণ্ড ২।
* সেই প্রখ্যাত পরিব্রাজক, ব্যারন হুমবোল্ট, একদিন রাষ্ট্রপতির সাথে দেখা করতে তাঁর দপ্তরে গিয়েছিলেন। সেখানে টেবিলের ওপর রাখা একটি সরকারি সাময়িকী হাতে তুলে নিয়ে তিনি স্তম্ভিত হয়ে দেখলেন যে, এর কলামগুলো রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে চরম অসংযত গালিগালাজ এবং কুরুচিপূর্ণ অপবাদে পরিপূর্ণ। তিনি চরম ক্ষোভের সাথে সেটি ফেলে দিয়ে চিৎকার করে বলে উঠলেন, "যেই লোক এমন জঘন্য মিথ্যা লেখার সাহস দেখায়, তাকে আপনি ফাঁসি দিচ্ছেন না কেন?" ব্যারনের এই উত্তাপ দেখে রাষ্ট্রপতি হাসলেন এবং উত্তর দিলেন "কী! জনচরিত্রের রক্ষকদের আমি ফাঁসি দেব? না স্যার, বরং আমি সেই স্বাধীনতার চেতনাকে রক্ষা করব যা এই পর্যায়ের গালিগালাজকেও প্রশ্রয় দেয়। আমার প্রিয় বন্ধু, এই কাগজটি আপনার পকেটে ভরে ইউরোপে নিয়ে যান এবং সেখানে যখন কেউ আমেরিকার স্বাধীনতার বাস্তবতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করবে, তখন তাদের এই কাগজটি দেখাবেন এবং বলবেন আপনি এটি কোথায় পেয়েছেন।" ব্যারন তখন উত্তর দিলেন, "কিন্তু গুণী ব্যক্তিদের এভাবে কলঙ্কিত করা কি বেদনাদায়ক নয়?" রাষ্ট্রপতি তখন বলতে থাকলেন, "তাদের কাজই হোক সেই অপবাদের খণ্ডন। বিশ্বাস করুন, অপবাদের মেঘ দিয়ে গুণের আলোকে বেশিক্ষণ ঢাকা যায় না; আর এর ফলে যে সাময়িক যন্ত্রণার সৃষ্টি হয়, তার চেয়ে সেই সুরক্ষা অনেক বেশি মূল্যবান যা সরকারি কর্মকর্তাদের আদর্শ এবং আচরণের অবক্ষয় রোধ করে। যখন কোনো ব্যক্তি জনস্বার্থের কোনো দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন তাঁর নিজেকে জনগণের সম্পত্তি হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।"
** বি. এল. রেইনার, ১৮০৪ সালের ১ থেকে ২৭ জুনের মধ্যে [[w:ওয়াশিংটন, ডি.সি.|ওয়াশিংটন, ডি.সি.]] সফরকালে হুমবোল্ট এবং [[টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসনের]] একটি সাক্ষাতের বিবরণ; ''স্কেচেস অফ দ্য লাইফ, রাইটিংস, অ্যান্ড ওপিনিয়নস অফ টমাস জেফারসন'' (১৮৩২), পৃষ্ঠা ৪৭৪; এছাড়াও তাঁর ''লাইফ অফ জেফারসন'' (১৮৩৪), পৃষ্ঠা ৩৫৬ তে বর্ণিত।
* সেখানে কবিতা আছে। সেখানে বিজ্ঞান আছে। আমরা প্রতিটি পথে যতদূর অগ্রসর হই, তাদের সম্পর্ক তত স্পষ্টভাবে অনুভূত হয় এবং উপহারগুলো তত বেশি প্রাচুর্যময় হয়ে ওঠে। পাশ্চাত্য সংস্কৃতির সংজ্ঞাসমূহ ঐতিহাসিকভাবে এই দুটি শাস্ত্রকে আলাদা করে রেখেছে। ডারউইন যখন হুমবোল্ট সম্পর্কে লিখেছিলেন যে তিনি কবিতা এবং বিজ্ঞানের বিরল মিলন প্রদর্শন করেছেন, তখন তিনি তাঁকে সেই মিলনস্থলের নায়কদের সারিতে বসিয়েছিলেন যেই সারিতে লুক্রেটিয়াস, গ্যেটে এবং লিওনার্দো অন্তর্ভুক্ত; কিন্তু গত কয়েক শতাব্দী ধরে সেই সারিটি এমন এক সমালোচনামূলক কাঠামোর আড়ালে অস্পষ্ট হয়ে পড়েছে যা জোর দিয়ে বলে যে কল্পনার এই রূপগুলো কেবল আলাদা নয়, বরং একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন।
** [[মুরিয়েল রুকেসার]]; ''দ্য লাইফ অফ পোয়েট্রি'' (১৯৪৯)
== বহিঃসংযোগ ==
{{wikipedia}}
{{DEFAULTSORT:Humboldt, Alexander von}}
[[বিষয়শ্রেণী:বার্লিনের ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:জার্মান প্রকৃতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:জার্মান ভূগোলবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রাণিবিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:জার্মান অভিযাত্রী]]
[[বিষয়শ্রেণী:লুথারীয়]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভ্রমণ কাহিনী লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:জার্মান অকল্পিত সাহিত্য লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৭৬৯ এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৫৯ এ মৃত্যু]]
brdsxkgtx63dhr0l96s665q31rjocen
ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ
0
12321
75609
2026-04-11T08:25:18Z
Oindrojalik Watch
4169
" '''[[w:ইরান–ইসরায়েল যুদ্ধ|ইরান–ইসরায়েল যুদ্ধ]]''' ছিল মূলত [[ইরান]] এবং [[ইসরায়েল]]-এর মধ্যে সংঘটিত একটি যুদ্ধ, যা ১৩ জুন ২০২৫ তারিখে শুরু হয়; যখন ইসরায়েল ইরানের প্রধান সামরিক ও..." দিয়ে পাতা তৈরি
75609
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:ইরান–ইসরায়েল যুদ্ধ|ইরান–ইসরায়েল যুদ্ধ]]''' ছিল মূলত [[ইরান]] এবং [[ইসরায়েল]]-এর মধ্যে সংঘটিত একটি যুদ্ধ, যা ১৩ জুন ২০২৫ তারিখে শুরু হয়; যখন ইসরায়েল ইরানের প্রধান সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে অতর্কিত হামলা চালায়।
[[File:President Trump answering reporters on June 24, 2025 - Quote 15.wav|thumb|center|শুনুন, এই দুই দেশ এতো দীর্ঘ সময় ধরে এবং এতোটাই ভয়াবহভাবে লড়াই করছে যে, তারা নিজেরাও জানে না তারা আসলে কী করছে! আপনারা কি সেটা বুঝতে পারছেন?]]
[[File:Iran provinces and counties 1956 English.svg|thumb|ইরানকে বাঁচানোর একমাত্র পথ হলো দেশটিকে তার জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া। [https://www.bbc.com/persian/articles/cedvzdz5wxpo ]]]
[[File:State flag of Iran (1964–1980).svg|thumb|আমি যাই করি না কেন—হোক তা রাশিয়া/ইউক্রেন কিংবা ইসরায়েল/ইরান সমস্যা সমাধান। আমি কোনো নোবেল শান্তি পুরস্কার পাব না। ফলাফল যাই হোক। কিন্তু জনগণ আসল সত্যটা জানে, আর আমার কাছে সেটাই বড় কথা। [https://www.yahoo.com/news/global-leaders-daddy-strategy-flatter-160000526.html ট্রাম্প]]]
[[File:Donald Trump official portrait.jpg|thumb|আমি সবাইকে কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই, বিশেষ করে ঈশ্বরকে। আমি শুধু বলতে চাই, ‘ঈশ্বর, আমরা আপনাকে ভালোবাসি। আমাদের মহান সামরিক বাহিনীকে রক্ষা করুন—আমরা তাদেরকেও ভালোবাসি।’ ঈশ্বর মধ্যপ্রাচ্যের মঙ্গল করুন, ইসরায়েলকে আশীর্বাদ করুন এবং আমেরিকার সহায় হোন। ~ [https://www.aljazeera.com/amp/opinions/2025/7/2/did-god-want-trump-to-bomb-iran ডোনাল্ড ট্রাম্প]]]
9mjctovdo8vd4pm4msor6bml2fd69ib
আলাপ:আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট
1
12323
75620
2026-04-11T08:36:25Z
Sumanta3023
4175
https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026
75620
wikitext
text/x-wiki
{{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}}
s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm
রবার্ট ক্লাইভ
0
12324
75627
2026-04-11T08:48:10Z
Asad.fr
4459
"[[File:Robert Clive, 1st Baron Clive by Nathaniel Dance, (later Sir Nathaniel Dance-Holland, Bt).jpg|thumb|মাননীয় চেয়ারম্যান, এই মুহূর্তে আমি নিজেই আমার ধৈর্য দেখে বিস্মিত!]] {{bw|মেজর-জেনারেল}} {{bw|রবার্ট ক্লাইভ}}, {{bw|১ম ব্যারন ক্লাইভ}} (২৯ সেপ্..." দিয়ে পাতা তৈরি
75627
wikitext
text/x-wiki
[[File:Robert Clive, 1st Baron Clive by Nathaniel Dance, (later Sir Nathaniel Dance-Holland, Bt).jpg|thumb|মাননীয় চেয়ারম্যান, এই মুহূর্তে আমি নিজেই আমার ধৈর্য দেখে বিস্মিত!]]
{{bw|মেজর-জেনারেল}} {{bw|রবার্ট ক্লাইভ}}, {{bw|১ম ব্যারন ক্লাইভ}} (২৯ সেপ্টেম্বর ১৭২৫ – ২২ নভেম্বর ১৭৭৪), যিনি '''ক্লাইভ অব ইন্ডিয়া''' নামেও পরিচিত, তিনি {{bw|বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির}} প্রথম ব্রিটিশ {{bw|গভর্নর}} ছিলেন। তিনি একজন ব্রিটিশ সামরিক কর্মকর্তা এবং {{bw|ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির}} কর্মচারী হিসেবে শুরু করে প্রথমে বাংলা এবং পরবর্তীতে সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশ ও মায়ানমারের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে কোম্পানির সামরিক ও রাজনৈতিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেন। {{bw|ওয়ারেন হেস্টিংস}} সহ তিনি সেইসব গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের মধ্যে একজন ছিলেন, যাঁরা পরবর্তীকালে {{bw|ব্রিটিশ ভারত}} হিসেবে পরিচিত রাষ্ট্রের সূচনা করেছিলেন।
==উক্তি==
*{{bw|পলাশী}} বিজয়ের ফলে যে শাসক ঐ প্রদেশগুলোর সার্বভৌম ক্ষমতা পেয়েছে, সে এখনো আমাদের প্রতি অনুগত রয়েছে, এটা সত্যি। এবং যতদিন তার অন্য কোনো ভরসা নেই, ততদিন সম্ভবত সে এমনই থাকবে। কিন্তু মুসলমানরা কৃতজ্ঞতায় খুব একটা প্রভাবিত হয় না; তাই যদি কখনো সে মনে করে যে আমাদের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙা তার জন্য লাভজনক, তাহলে আমাদের প্রতি তার যে ঋণ আছে, তা তাকে থামাতে পারবে না। আরও একটি বিষয় হলো, সে বয়সে প্রবীণ, আর তার ছেলে অত্যন্ত নির্দয় ও বাজে একটি যুবক, এবং স্পষ্টতই ইংরেজদের বিরোধী। তাই তাকে উত্তরাধিকারী হিসেবে ভরসা করা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ হবে। মাত্র ২০০০ ইউরোপীয় সৈন্যদের একটি ছোট দল আমাদেরকে তাদের উভয়ের কাছ থেকেই কোনো আশঙ্কা ছাড়াই নিরাপদ রাখতে পারবে। আর যদি তারা কোনো ঝামেলা করার সাহস দেখায়, তাহলে কোম্পানি নিজেরাই প্রদেশের শাসনক্ষমতা নিজেদের হাতে নিতে পারবে। এমন পরিস্থিতি তৈরি করাও খুব কঠিন হবে না, কারণ এখানকার সাধারণ মানুষের নির্দিষ্ট কোনো শাসকের প্রতি তেমন কোনো অনুরাগ নেই। আর বর্তমান শাসনব্যবস্থায় তাদের জীবন ও সম্পত্তির কোনো নিরাপত্তা নেই, তাই তারা একনায়কতান্ত্রিক শাসনের বদলে একটি তুলনামূলক কোমল শাসনব্যবস্থা পেলে খুশিই হবে।
**{{bw|উইলিয়াম পিটকে}} লেখা চিঠি (৭ জানুয়ারি ১৭৫৯), আলেকজান্ডার জন আর্ভুথনটের লর্ড ক্লাইভ: দ্য ফাউন্ডেশন অব ব্রিটিশ রুল ইন ইন্ডিয়া (১৮৯৯), পৃষ্ঠা ১১৬ এ উল্লিখিত।
*আমি অত্যন্ত সন্তুষ্ট যে, আমি আপনাকে যথেষ্ট পরিষ্কারভাবে বোঝাতে পেরেছি এই সমৃদ্ধ রাজ্যগুলোর সম্পূর্ণ সম্পদ দখল করার ক্ষেত্রে খুবই কম বা কোন বাধাই থাকবে না; এবং তা {{bw|মোগল}} সম্রাটের নিজস্ব সম্মতিতেই, শর্ত শুধু এই যে আমরা তাকে ওই রাজস্বের পাঁচ ভাগের এক ভাগেরও কম প্রদান করব। এখন আপনি নিজেই বিচার করুন—প্রতি বছর দুই মিলিয়ন স্টার্লিংয়েরও বেশি আয়, সঙ্গে তিনটি প্রদেশের অধিকার, যেগুলো প্রকৃতি ও শিল্পের সবচেয়ে মূল্যবান উৎপাদনে পরিপূর্ণ—এগুলো কি জনসাধারণের মনোযোগ পাওয়ার মতো কোনো বিষয় নয়? এবং এই অর্জনকে সুরক্ষিত করতে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া কি সার্থক হবে না? এমন এক অর্জন, যা একজন দক্ষ ও নিঃস্বার্থ মন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে সাম্রাজ্যের জন্য বিপুল সম্পদের উৎসে পরিণত হতে পারে, এবং সময়ের সাথে সাথে এর একটি অংশ বর্তমানের ভারী ঋণের বোঝা কমানোর জন্যও ব্যবহৃত হতে পারে। এর সাথে আরও যোগ করুন, এখানে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে আসা অন্যান্য ইউরোপীয় জাতিগুলোর উপর আমরা যে প্রভাব বিস্তার করতে পারব; তারা তখন আর আমাদের অনুমতি ছাড়া এবং আমাদের নির্ধারিত শর্তের বাইরে কোনো ব্যবসা করতে পারবে না। এটাও বিশেষভাবে বিবেচনার যোগ্য যে, এই পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব মাতৃদেশকে নিঃস্ব না করেই, যেমনটি আমাদের আমেরিকার উপনিবেশগুলোর ক্ষেত্রে অতিরিক্তভাবে ঘটেছে।
**লেটার টু {{bw|উইলিয়াম পিট}} (৭ জানুয়ারি ১৭৫৯), কোটেড ইন আলেকজান্ডার জন আরবাথনট, লর্ড ক্লাইভ: দ্য ফাউন্ডেশন অব ব্রিটিশ রুল ইন ইন্ডিয়া (১৮৯৯), পৃ. ১১৮–১১৯
*আমাদের এখানে আগমনের পর অল্প কয়েক দিনই অতিবাহিত হয়েছে; তবুও, ইতিমধ্যে যা কিছু আমরা জেনেছি তা বিবেচনা করলে, এই জায়গার বেসামরিক ও সামরিক উভয় ক্ষেত্র পরিচালনার ক্ষমতা আমাদের নিজেদের হাতে একটি সিলেক্ট কমিটির মাধ্যমে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি—এ বিষয়ে এক মুহূর্তও দ্বিধা করার সুযোগ নেই। আমরা যা শুনছি, আমরা যা দেখছি তা হচ্ছে চারদিকে শুধু বিশৃঙ্খলা, অগোছালো অবস্থা, আর তার চেয়েও খারাপ, প্রায় সর্বত্রই এক ধরনের ব্যাপক দুর্নীতি।
**লেটার টু দ্য সিলেক্ট কমিটি অন দ্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি (৭ মে ১৭৬৫), কোটেড ইন জেমস মিল, দ্য হিস্ট্রি অব ব্রিটিশ ইন্ডিয়া, ভলিউম III (১৮২০), পৃ. ৩৫০–৩৫১
*আমার কর্মকাণ্ডে যে ধৈর্য আমি দেখিয়েছি, তার জন্য কি আমি প্রশংসার যোগ্য নই? পলাশীর বিজয় আমাকে যে অবস্থানে নিয়ে গিয়েছিল, তা একটু বিবেচনা করুন। এক শক্তিশালী নবাব আমার ইচ্ছা ইচ্ছায় চলছিল; এক সমৃদ্ধ নগরী আমার দয়ার উপর ন্যস্ত ছিল; তার সবচেয়ে ধনবানরা আমার অনুগ্রহ পাওয়ার জন্য একে অপরের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করছিল। আমি এমন সব ভাণ্ডারের মধ্যে দিয়ে হেঁটেছি, যার দুই পাশ সোনা ও রত্নে পরিপূর্ণ এবং যা শুধু আমার জন্যই খুলে দেওয়া হয়েছিল। মাননীয় চেয়ারম্যান, এই মুহূর্তে আমি নিজেই আমার ধৈর্য দেখে বিস্মিত!
**স্পিচ টু দ্য সিলেক্ট কমিটি অন দ্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি (সি. এপ্রিল ১৭৭২), কোটেড ইন আলেকজান্ডার জন আরবাথনট, লর্ড ক্লাইভ: দ্য ফাউন্ডেশন অব ব্রিটিশ রুল ইন ইন্ডিয়া (১৮৯৯), পৃ. ২০৭
*জাল চুক্তি সম্পর্কে, লর্ড ক্লাইভ আপনার কমিটিকে জানিয়েছিলেন যে, ওমিচাঁদ নবাবের সমস্ত ধনসম্পদের ৫ শতাংশ দাবি করেছিল; এবং হুমকি দিয়েছিল, যদি তার এই দাবি মেনে নেওয়া না হয়, তবে সে অবিলম্বে {{bw|সিরাজউদ্দৌলাকে}}চলমান সব বিষয় জানিয়ে দেবে এবং মি. ওয়াটসকে হত্যা করা হবে। তিনি আরও বলেন, এই সংবাদ পাওয়ার পর তিনি মনে করেছিলেন, এমন এক পাজী লোকের উদ্দেশ্য নস্যাৎ করতে কৌশল ও নীতি প্রয়োগ করা ন্যায্য; এবং এই জাল চুক্তির পরিকল্পনা তিনি নিজেই করেছিলেন, যাতে কমিটির সম্মতি ছিল। চুক্তিটি {{bw|অ্যাডমিরাল ওয়াটসনের}} কাছে পাঠানো হয়েছিল; তিনি এতে স্বাক্ষর করতে আপত্তি জানান, কিন্তু তার যতদূর মনে পড়ে, যিনি এটি বহন করছিলেন (মি. লাশিংটন), তাকে নিজের নাম স্বাক্ষর করার অনুমতি দিয়েছিলেন:— তিনি আরও জানান, এ বিষয়টি তিনি কখনো গোপন করেননি; এমন পরিস্থিতিতে তিনি এটিকে ন্যায্য মনে করেন, এবং প্রয়োজনে তিনি এমন কাজ শতবারও করতে প্রস্তুত।
**স্পিচ টু দ্য সিলেক্ট কমিটি অন দ্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি (১৭৭২), কোটেড ইন রিপোর্ট ফ্রম দ্য সিলেক্ট কমিটি অ্যাপয়েন্টেড টু ইনকোয়ার ইনটু দ্য নেচার, স্টেট অ্যান্ড কন্ডিশন, অব দ্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি, অ্যান্ড অব দ্য ব্রিটিশ অ্যাফেয়ার্স ইন দ্য ইস্ট-ইন্ডিজ (১৭৭৩), পৃ. ১৮
*আমি নীরব দাঁড়িয়ে থেকে এটা মেনে নেব না যে, অসাধারণ দক্ষতা, অধ্যবসায় ও দৃঢ় সংকল্পের মাধ্যমে অর্জিত একটি মহান সাম্রাজ্য অজ্ঞতা ও অলসতার কারণে হারিয়ে যাবে।
**{{bw|হেনরি স্ট্রেচিক}}লেখা চিঠি, যেখানে তিনি ব্যাখ্যা করেন কেন তিনি ভারতনীতি সম্পর্কিত তাঁর স্মারকলিপি লর্ড নর্থকে দিয়েছিলেন (৭ নভেম্বর ১৭৭২), মার্ক বেন্স-জোন্স, Clive of India (১৯৭৪), পৃষ্ঠা ২৭৭-এ উদ্ধৃত।
*আমেরিকানরা যে আগে বা পরে স্পেনের সমস্ত সম্পদের মালিক হয়ে উঠবে এবং কেপ হর্নকে তাদের সাম্রাজ্যের সীমানা বানাবে, এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
**‘ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সম্পর্ক বিবেচনা’ (২৪ নভেম্বর ১৭৭২), মার্ক বেন্স-জোন্স, *Clive of India* (১৯৭৪), পৃষ্ঠা ২৯৬-এ উল্লিখিত।
*আমার সম্মান রেখে যাও, আমার সম্পদ কেড়ে নাও।
**হাউস অব কমন্সে তাঁর ভারে শাসনকে সমর্থন করে দেওয়া ভাষণ (২১ মে ১৭৭৩), মার্ক বেন্স-জোনস-এর Clive of India (১৯৭৪), পৃ. ২৮৭ এ উল্লিখিত
==রবার্ট ক্লাইভকে নিয়ে উক্তি==
*সাম্রাজ্যের ফুল, দেশের রক্ষক, বীর, যুদ্ধে দৃঢ় ও অটল।
**{{bw|আলমগীর দ্বিতীয়}}, {{bw|মুঘল সম্রাট}}, রবার্ট ক্লাইভের “এ লেটার টু দ্য প্রোপ্রাইটর্স অব দ্য ইস্ট ইন্ডিয়া স্টক, ফ্রম লর্ড ক্লাইভ”, খণ্ড I (১৭৬৪), পৃষ্ঠা ৭০-এ উল্লিখিত।
*এইভাবে লর্ড ক্লাইভ অগ্নিপরীক্ষা থেকে বেরিয়ে এসেছেন, আগের চেয়ে আরও উজ্জ্বল হয়ে। তাঁর অর্জনগুলো এখন নথিভুক্ত হয়েছে; এবং শুধু যে তা নিন্দিত হয়নি তা নয়, বরং সংসদের দ্বারা আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত হয়েছে। তাঁর দক্ষতার জন্য যে খ্যাতি তা এখন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি উচ্চতায় অবস্থান করছে।
**{{bw|এডমন্ড বার্ক}}, চার্লস ওহারা-কে (২২ মে ১৭৭৩), *The Correspondence of Edmund Burke, খণ্ড II: জুলাই ১৭৬৮–জুন ১৭৭৪*, সম্পাদক লুসি এস. সাদারল্যান্ড (১৯৫৮), পৃষ্ঠা ৪৩৫-এ উল্লিখিত।’
*সমস্ত লুটপাটের উৎস, সব ডাকাতির মূল কারণ।
**{{bw|চার্লস জেমস ফক্স}}, হাউস অব কমন্সে ভাষণ (২১ মে ১৭৭৩), *মেমোরিয়ালস অ্যান্ড করেসপনডেন্স অব চার্লস জেমস ফক্স*, খণ্ড I, সম্পাদক লর্ড জন রাসেল (১৮৫৩), পৃষ্ঠা ৯২-এ উল্লিখিত।’
[[File:LordClive.jpg|thumb|তিনি ছিলেন স্বর্গ থেকে আসা এক সেনাপতি! — উইলিয়াম পিট]]
*যুদ্ধবিদ্যায় একজন দক্ষ বিচারক হওয়া রাজা, পিটের ক্লাইভ সম্পর্কিত কথাবার্তার সঙ্গে একমত হয়েছিলেন। যখন এক তরুণ লর্ডকে জার্মানিতে গিয়ে যুদ্ধের কৌশল শেখার অনুমতি দিতে বলা হয়, তিনি বিরক্তি সহকারে বলেছিলেন, “ছিঃ! সেখানে সে কী শিখবে? যদি সত্যিই যুদ্ধবিদ্যা শিখতে চায়, তবে তাকে ক্লাইভের কাছে যেতে দাও।"
**{{bw|জর্জ দ্বিতীয়}}, বেসিল উইলিয়ামসের *The Life of William Pitt, Earl of Chatham*, খণ্ড II (১৯১৪), পৃষ্ঠা ২৪, টীকা ২-এ উল্লিখিত।’
*আমি স্বীকার করি, আমি বিস্মিত হয়েছি কীভাবে ব্যক্তিগত স্বার্থ এতবেশি মানুষকে তাদের দেশের প্রতি যে দায়িত্ব তা ভুলিয়ে দিতে পারে, এবং এমন এক সিদ্ধান্তে উপনীত করতে পারে যা লর্ড ক্লাইভের লুণ্ঠনকে সমর্থন করে। তাঁর কৃতিত্বকে আমার চেয়ে বেশি কেউ মূল্য দেয় না, কিন্তু তা কখনোই এমন কাজের প্রশংসার কারণ হতে পারে না, যা নিঃসন্দেহে সেই দেশে আমরা প্রতিদিন যে বিপুল সম্পদ তৈরি হতে দেখি তার পথ খুলে দিয়েছিল।
**{{bw|জর্জ তৃতীয়}}, {{bw|লর্ড নর্থকে}}(২১ মে ১৭৭৩), *দ্য করেসপন্ডেন্স অব কিং জর্জ দ্য থার্ড উইথ লর্ড নর্থ ফ্রম ১৭৬৮ টু ১৭৮৩*, খণ্ড I, সম্পাদক ডব্লিউ. বোডহাম ডন (১৮৬৭), পৃষ্ঠা ১৩৫-এ উল্লিখিত।
*হিংস্র ও মন্দ হলেও, তুমি এখনো যিহোবার সেবকই আছো, এবং তোমার ক্ষেত্রেও একটি স্বপ্ন তাঁর ইচ্ছার এক দূত হতে পারে।
**{{bw|হেনরি জর্জ কিন}}, “ক্লাইভস ড্রিম বিফোর দ্য ব্যাটল অব প্ল্যাসি”, *আন্ডার দ্য রোজ: পোয়েমস রিটেন চিফলি ইন ইন্ডিয়া* (১৮৬৮), পৃষ্ঠা ১৪১-এ উল্লিখিত।’
*ক্লাইভ, যার জন্ম হয়েছে প্রবল আবেগ নিয়ে এবং জীবন কেটেছে কঠিন প্রলোভনের মধ্য দিয়ে, তিনি অনেক বড় বড় ভুল করেছেন। কিন্তু তাঁর পুরো জীবনকে ন্যায্য ও গভীরভাবে বিচার করলে যে কেউ মানতে বাধ্য হবে যে, আমাদের এই দ্বীপদেশ, যা বীর ও রাষ্ট্রনায়কে ভরপুর, তা থেকে যুদ্ধক্ষেত্র বা রাষ্ট্রপরিচালনার কোনোটিতেই তাঁর চেয়ে বেশি দক্ষ মানুষ খুব কমই জন্মেছে।
**{{bw|টমাস ম্যাকলে}}, ''লর্ড ক্লাইভ, ''এডিনবরো রিভিউ'' (জানুয়ারি ১৮৪০), ''ক্রিটিকাল, হিস্টোরিকাল অ্যান্ড মিসেলেনিয়াস এসেজ: খণ্ড IV* (১৮৬০), পৃষ্ঠা ১৯৬-এ উল্লিখিত।
*দুর্গটি পরিধিতে এক মাইলেরও বেশি বিস্তৃত ছিল; দেয়ালগুলোর অনেক অংশই ভগ্নপ্রায়, টাওয়ারগুলো ছিল ঝামেলাপূর্ণ এবং জরাজীর্ণ, আর প্রতিরক্ষার জন্য প্রায় কিছুই অনুকূল ছিল না। তবুও ক্লাইভ কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম হন। শত্রু যখন দুইটি বড় ভাঙা অংশ দিয়ে, একটি পঞ্চাশ ফুট এবং অন্যটি নব্বই ফুট প্রশস্ত, দুর্গে আক্রমণের চেষ্টা করে, তখন তিনি মাত্র আশি জন ইউরোপীয় সৈন্য এবং একশো পঞ্চাশ জন যুদ্ধ-সক্ষম সিপাহি নিয়ে তাদের প্রতিহত করেন। তিনি তাঁর সীমিত সম্পদকে এমন দক্ষতার সঙ্গে কাজে লাগিয়েছিলেন এবং তাঁর সৈন্যদের মনোবলকে এমন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন যে, তারা অসাধারণ দৃঢ়তায় লড়াই করতে সক্ষম হয়েছিল।
**{{bw|জেমস মিল}}, ''দ্য হিস্ট্রি অব ব্রিটিশ ইন্ডিয়া: খণ্ড III'' (১৮৫৮), পৃষ্ঠা ৮৪-এ আর্কট অবরোধ সম্পর্কে উল্লিখিত।
*যুদ্ধে অবিচল
*{{bw|মুহাম্মদ আলী}}, মার্ক বেন্স-জোন্সের ''Clive of India'' (১৯৭৪), পৃষ্ঠা ৪৮-এ উল্লিখিত।’
*তুমি একজন অত্যন্ত মহান বীর, যিনি সবসময় শত্রুদের ওপর বিজয়ী হয়েছে… তুমি একজন সুপরিচিত অপরাজেয় মানুষ… এবং তুমি একজন সম্পূর্ণ বিচক্ষণ ব্যক্তি।
**সর্দার করাচুরি নানজারাজাইয়া উর্স, মাইসোরের রিজেন্ট, ক্লাইভকে (১৭৫২), মার্ক বেন্স-জোন্সের ''Clive of India'' (১৯৭৪), পৃষ্ঠা ৫০-এ উল্লিখিত।’
*আমরা এখন আমাদের গৌরব, সম্মান ও সুনাম সব জায়গায় হারিয়েছি—শুধু ভারত ছাড়া। ক্লাইভ—যিনি কেবল ডেস্কে বসে কাজ করার জন্য জন্মাননি—তিনি ছিলেন স্বর্গ থেকে আসা এক সেনাপতি! সত্যি বলতে, তিনি কখনো যুদ্ধবিদ্যা বা নিঃস্বার্থভাবে কাজ করার সেই কৌশল শেখেননি, যা কেবল চল্লিশ বছরের চাকরিজীবনে অর্জিত হয়! তবুও তিনি এক বিশাল সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অল্প কিছু সৈন্য নিয়ে আক্রমণ করতে ভয় পাননি। তাঁর মধ্যে ছিল এমন উদারতা, দৃঢ়তা, সংকল্প এবং দক্ষতার সঙ্গে কাজ সম্পাদনের ক্ষমতা, যা প্রুশিয়ার কোনো রাজার মনও জয় করতে পারত। আর তাঁর উপস্থিত বুদ্ধি ছিল এমনই অসাধারণ যে তা পুরো ভারতবর্ষকেই বিস্মিত করেছিল।
**{{bw|উইলিয়াম পিট}}, হাউস অব কমন্সে ভাষণ (১৪ ডিসেম্বর ১৭৫৭), বেসিল উইলিয়ামসের ''The Life of William Pitt, Earl of Chatham'', খণ্ড II (১৯১৪), পৃষ্ঠা ২৪-এ উল্লিখিত।’
*তিনি ছিলেন সাহসী এবং আপাতদৃষ্টিতে খোলামেলা, তিনি ক্ষমা চাওয়ার মতো মানুষ ছিলেন না। তাঁর মনে ছিল যেন এমন এক আত্মবিশ্বাস যে তিনি যথেষ্ট সমর্থন অর্জন করেছেন, অথবা তাঁর প্রভাব, বিচারকদের ভীরুতা কিংবা প্রতিপক্ষের দুর্বলতার কারণে তিনি সকল বিপদের ঊর্ধ্বে আছেন। তাই তিনি নির্দ্বিধায়, এমনকি মনে হয় বিচার না করেই, অন্যদের সমালোচনা করতেন। যদিও তিনি যথেষ্ট সম্পদ অর্জন করেছেন এবং যথেষ্ট আর্থিক-নিরাপদ ছিলেন, তবুও তিনি এ নিয়ে বড় গৌরব বোধ করতেন যে তিনি এর চেয়ে বেশি কিছু অর্জন করেননি; এবং এই সংযমকে তিনি নিজের গুণ বলে দাবি করতেন, যদিও সম্ভবত তা ছিল তাঁর বিচক্ষণতার ফল। তাঁর শরীরী ভাষা ছিল অত্যন্ত চমৎকার, এবং যখন তাঁর ভাষা অমার্জিত ছিল, তখনও তা তুচ্ছ তুচ্ছ করা যেত না। তাঁর শত্রুদের এবং এমনকি বিচারকদের প্রতি তাঁর অবজ্ঞা কখনো কখনো প্রকাশ পেত, তবে তা তাঁকে আরও ভয়ঙ্কর করে তুলত। আর যখন মন্ত্রীরা ও সংসদ তাঁর সামনে নত হয়ে পড়ত, তখন তিনি একজন সত্যিকারের মহান মানুষ হিসেবে উজ্জ্বল হয়ে উঠতেন, এত মহান যে অনেক বড় কাজ করেছেন, এবং যে হয়তো আরও অনেক বা আরও খারাপ অপরাধ করতে পারতেন, কিন্তু তা করেননি, যদিও দেখা যায় তিনি শাস্তির ভয় ছাড়াই আরও বেশি দোষী হতে পারতেন।
**{{bw|হোরেস ওয়ালপোল}}, ক্লাইভের ১৭৭৩ সালের মে মাসে ইন্ডিয়া বিষয়ক সিলেক্ট কমিটিতে দেওয়া ভাষণ সম্পর্কে, হোরেস ওয়ালপোলের ''জার্নাল অব দ্য রেইন অব কিং জর্জ দ্য থার্ড, ফ্রম দ্য ইয়ার ১৭৭১ টু ১৭৮৩'', খণ্ড I, সম্পাদক জে. ডোরান (১৮৫৯), পৃষ্ঠা ২০৫–২০৬-এ উল্লিখিত।’
*ক্লাইভ সম্পর্কে আমার যা ভালো লাগে<br> তা হলো—তিনি আর বেঁচে নেই।<br>মৃত থাকা নিয়ে বলার মতো <br>অনেক কিছুই আছে।
**{{bw|এডমন্ড ক্লেরিহিউ বেন্টলি}},''লর্ড ক্লাইভ'', ''বায়োগ্রাফি ফর বিগিনার্স* (১৯০৫)-এ উল্লিখিত।''
c9xx6pdbdl8bn7u41i589qbjl8sucvg
75633
75627
2026-04-11T08:53:06Z
Asad.fr
4459
75633
wikitext
text/x-wiki
[[File:Robert Clive, 1st Baron Clive by Nathaniel Dance, (later Sir Nathaniel Dance-Holland, Bt).jpg|thumb|মাননীয় চেয়ারম্যান, এই মুহূর্তে আমি নিজেই আমার ধৈর্য দেখে বিস্মিত!]]
{{bw|মেজর-জেনারেল}} {{bw|রবার্ট ক্লাইভ}}, {{bw|১ম ব্যারন ক্লাইভ}} (২৯ সেপ্টেম্বর ১৭২৫ – ২২ নভেম্বর ১৭৭৪), যিনি '''ক্লাইভ অব ইন্ডিয়া''' নামেও পরিচিত, তিনি {{bw|বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির}} প্রথম ব্রিটিশ {{bw|গভর্নর}} ছিলেন। তিনি একজন ব্রিটিশ সামরিক কর্মকর্তা এবং {{bw|ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির}} কর্মচারী হিসেবে শুরু করে প্রথমে বাংলা এবং পরবর্তীতে সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশ ও মায়ানমারের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে কোম্পানির সামরিক ও রাজনৈতিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেন। {{bw|ওয়ারেন হেস্টিংস}} সহ তিনি সেইসব গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের মধ্যে একজন ছিলেন, যাঁরা পরবর্তীকালে {{bw|ব্রিটিশ ভারত}} হিসেবে পরিচিত রাষ্ট্রের সূচনা করেছিলেন।
==উক্তি==
*{{bw|পলাশী}} বিজয়ের ফলে যে শাসক ঐ প্রদেশগুলোর সার্বভৌম ক্ষমতা পেয়েছে, সে এখনো আমাদের প্রতি অনুগত রয়েছে, এটা সত্যি। এবং যতদিন তার অন্য কোনো ভরসা নেই, ততদিন সম্ভবত সে এমনই থাকবে। কিন্তু মুসলমানরা কৃতজ্ঞতায় খুব একটা প্রভাবিত হয় না; তাই যদি কখনো সে মনে করে যে আমাদের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙা তার জন্য লাভজনক, তাহলে আমাদের প্রতি তার যে ঋণ আছে, তা তাকে থামাতে পারবে না। আরও একটি বিষয় হলো, সে বয়সে প্রবীণ, আর তার ছেলে অত্যন্ত নির্দয় ও বাজে একটি যুবক, এবং স্পষ্টতই ইংরেজদের বিরোধী। তাই তাকে উত্তরাধিকারী হিসেবে ভরসা করা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ হবে। মাত্র ২০০০ ইউরোপীয় সৈন্যদের একটি ছোট দল আমাদেরকে তাদের উভয়ের কাছ থেকেই কোনো আশঙ্কা ছাড়াই নিরাপদ রাখতে পারবে। আর যদি তারা কোনো ঝামেলা করার সাহস দেখায়, তাহলে কোম্পানি নিজেরাই প্রদেশের শাসনক্ষমতা নিজেদের হাতে নিতে পারবে। এমন পরিস্থিতি তৈরি করাও খুব কঠিন হবে না, কারণ এখানকার সাধারণ মানুষের নির্দিষ্ট কোনো শাসকের প্রতি তেমন কোনো অনুরাগ নেই। আর বর্তমান শাসনব্যবস্থায় তাদের জীবন ও সম্পত্তির কোনো নিরাপত্তা নেই, তাই তারা একনায়কতান্ত্রিক শাসনের বদলে একটি তুলনামূলক কোমল শাসনব্যবস্থা পেলে খুশিই হবে।
**{{bw|উইলিয়াম পিটকে}} লেখা চিঠি (৭ জানুয়ারি ১৭৫৯), আলেকজান্ডার জন আর্ভুথনটের লর্ড ক্লাইভ: দ্য ফাউন্ডেশন অব ব্রিটিশ রুল ইন ইন্ডিয়া (১৮৯৯), পৃষ্ঠা ১১৬ এ উল্লিখিত।
*আমি অত্যন্ত সন্তুষ্ট যে, আমি আপনাকে যথেষ্ট পরিষ্কারভাবে বোঝাতে পেরেছি এই সমৃদ্ধ রাজ্যগুলোর সম্পূর্ণ সম্পদ দখল করার ক্ষেত্রে খুবই কম বা কোন বাধাই থাকবে না; এবং তা {{bw|মোগল}} সম্রাটের নিজস্ব সম্মতিতেই, শর্ত শুধু এই যে আমরা তাকে ওই রাজস্বের পাঁচ ভাগের এক ভাগেরও কম প্রদান করব। এখন আপনি নিজেই বিচার করুন—প্রতি বছর দুই মিলিয়ন স্টার্লিংয়েরও বেশি আয়, সঙ্গে তিনটি প্রদেশের অধিকার, যেগুলো প্রকৃতি ও শিল্পের সবচেয়ে মূল্যবান উৎপাদনে পরিপূর্ণ—এগুলো কি জনসাধারণের মনোযোগ পাওয়ার মতো কোনো বিষয় নয়? এবং এই অর্জনকে সুরক্ষিত করতে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া কি সার্থক হবে না? এমন এক অর্জন, যা একজন দক্ষ ও নিঃস্বার্থ মন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে সাম্রাজ্যের জন্য বিপুল সম্পদের উৎসে পরিণত হতে পারে, এবং সময়ের সাথে সাথে এর একটি অংশ বর্তমানের ভারী ঋণের বোঝা কমানোর জন্যও ব্যবহৃত হতে পারে। এর সাথে আরও যোগ করুন, এখানে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে আসা অন্যান্য ইউরোপীয় জাতিগুলোর উপর আমরা যে প্রভাব বিস্তার করতে পারব; তারা তখন আর আমাদের অনুমতি ছাড়া এবং আমাদের নির্ধারিত শর্তের বাইরে কোনো ব্যবসা করতে পারবে না। এটাও বিশেষভাবে বিবেচনার যোগ্য যে, এই পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব মাতৃদেশকে নিঃস্ব না করেই, যেমনটি আমাদের আমেরিকার উপনিবেশগুলোর ক্ষেত্রে অতিরিক্তভাবে ঘটেছে।
**লেটার টু {{bw|উইলিয়াম পিট}} (৭ জানুয়ারি ১৭৫৯), কোটেড ইন আলেকজান্ডার জন আরবাথনট, লর্ড ক্লাইভ: দ্য ফাউন্ডেশন অব ব্রিটিশ রুল ইন ইন্ডিয়া (১৮৯৯), পৃ. ১১৮–১১৯
*আমাদের এখানে আগমনের পর অল্প কয়েক দিনই অতিবাহিত হয়েছে; তবুও, ইতিমধ্যে যা কিছু আমরা জেনেছি তা বিবেচনা করলে, এই জায়গার বেসামরিক ও সামরিক উভয় ক্ষেত্র পরিচালনার ক্ষমতা আমাদের নিজেদের হাতে একটি সিলেক্ট কমিটির মাধ্যমে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি—এ বিষয়ে এক মুহূর্তও দ্বিধা করার সুযোগ নেই। আমরা যা শুনছি, আমরা যা দেখছি তা হচ্ছে চারদিকে শুধু বিশৃঙ্খলা, অগোছালো অবস্থা, আর তার চেয়েও খারাপ, প্রায় সর্বত্রই এক ধরনের ব্যাপক দুর্নীতি।
**লেটার টু দ্য সিলেক্ট কমিটি অন দ্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি (৭ মে ১৭৬৫), কোটেড ইন জেমস মিল, দ্য হিস্ট্রি অব ব্রিটিশ ইন্ডিয়া, ভলিউম III (১৮২০), পৃ. ৩৫০–৩৫১
*আমার কর্মকাণ্ডে যে ধৈর্য আমি দেখিয়েছি, তার জন্য কি আমি প্রশংসার যোগ্য নই? পলাশীর বিজয় আমাকে যে অবস্থানে নিয়ে গিয়েছিল, তা একটু বিবেচনা করুন। এক শক্তিশালী নবাব আমার ইচ্ছা ইচ্ছায় চলছিল; এক সমৃদ্ধ নগরী আমার দয়ার উপর ন্যস্ত ছিল; তার সবচেয়ে ধনবানরা আমার অনুগ্রহ পাওয়ার জন্য একে অপরের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করছিল। আমি এমন সব ভাণ্ডারের মধ্যে দিয়ে হেঁটেছি, যার দুই পাশ সোনা ও রত্নে পরিপূর্ণ এবং যা শুধু আমার জন্যই খুলে দেওয়া হয়েছিল। মাননীয় চেয়ারম্যান, এই মুহূর্তে আমি নিজেই আমার ধৈর্য দেখে বিস্মিত!
**স্পিচ টু দ্য সিলেক্ট কমিটি অন দ্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি (সি. এপ্রিল ১৭৭২), কোটেড ইন আলেকজান্ডার জন আরবাথনট, লর্ড ক্লাইভ: দ্য ফাউন্ডেশন অব ব্রিটিশ রুল ইন ইন্ডিয়া (১৮৯৯), পৃ. ২০৭
*জাল চুক্তি সম্পর্কে, লর্ড ক্লাইভ আপনার কমিটিকে জানিয়েছিলেন যে, ওমিচাঁদ নবাবের সমস্ত ধনসম্পদের ৫ শতাংশ দাবি করেছিল; এবং হুমকি দিয়েছিল, যদি তার এই দাবি মেনে নেওয়া না হয়, তবে সে অবিলম্বে {{bw|সিরাজউদ্দৌলাকে}}চলমান সব বিষয় জানিয়ে দেবে এবং মি. ওয়াটসকে হত্যা করা হবে। তিনি আরও বলেন, এই সংবাদ পাওয়ার পর তিনি মনে করেছিলেন, এমন এক পাজী লোকের উদ্দেশ্য নস্যাৎ করতে কৌশল ও নীতি প্রয়োগ করা ন্যায্য; এবং এই জাল চুক্তির পরিকল্পনা তিনি নিজেই করেছিলেন, যাতে কমিটির সম্মতি ছিল। চুক্তিটি {{bw|অ্যাডমিরাল ওয়াটসনের}} কাছে পাঠানো হয়েছিল; তিনি এতে স্বাক্ষর করতে আপত্তি জানান, কিন্তু তার যতদূর মনে পড়ে, যিনি এটি বহন করছিলেন (মি. লাশিংটন), তাকে নিজের নাম স্বাক্ষর করার অনুমতি দিয়েছিলেন:— তিনি আরও জানান, এ বিষয়টি তিনি কখনো গোপন করেননি; এমন পরিস্থিতিতে তিনি এটিকে ন্যায্য মনে করেন, এবং প্রয়োজনে তিনি এমন কাজ শতবারও করতে প্রস্তুত।
**স্পিচ টু দ্য সিলেক্ট কমিটি অন দ্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি (১৭৭২), কোটেড ইন রিপোর্ট ফ্রম দ্য সিলেক্ট কমিটি অ্যাপয়েন্টেড টু ইনকোয়ার ইনটু দ্য নেচার, স্টেট অ্যান্ড কন্ডিশন, অব দ্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি, অ্যান্ড অব দ্য ব্রিটিশ অ্যাফেয়ার্স ইন দ্য ইস্ট-ইন্ডিজ (১৭৭৩), পৃ. ১৮
*আমি নীরব দাঁড়িয়ে থেকে এটা মেনে নেব না যে, অসাধারণ দক্ষতা, অধ্যবসায় ও দৃঢ় সংকল্পের মাধ্যমে অর্জিত একটি মহান সাম্রাজ্য অজ্ঞতা ও অলসতার কারণে হারিয়ে যাবে।
**{{bw|হেনরি স্ট্রেচিক}}লেখা চিঠি, যেখানে তিনি ব্যাখ্যা করেন কেন তিনি ভারতনীতি সম্পর্কিত তাঁর স্মারকলিপি লর্ড নর্থকে দিয়েছিলেন (৭ নভেম্বর ১৭৭২), মার্ক বেন্স-জোন্স, Clive of India (১৯৭৪), পৃষ্ঠা ২৭৭-এ উদ্ধৃত।
*আমেরিকানরা যে আগে বা পরে স্পেনের সমস্ত সম্পদের মালিক হয়ে উঠবে এবং কেপ হর্নকে তাদের সাম্রাজ্যের সীমানা বানাবে, এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
**‘ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সম্পর্ক বিবেচনা’ (২৪ নভেম্বর ১৭৭২), মার্ক বেন্স-জোন্স, *Clive of India* (১৯৭৪), পৃষ্ঠা ২৯৬-এ উল্লিখিত।
*আমার সম্মান রেখে যাও, আমার সম্পদ কেড়ে নাও।
**হাউস অব কমন্সে তাঁর ভারে শাসনকে সমর্থন করে দেওয়া ভাষণ (২১ মে ১৭৭৩), মার্ক বেন্স-জোনস-এর Clive of India (১৯৭৪), পৃ. ২৮৭ এ উল্লিখিত
==রবার্ট ক্লাইভকে নিয়ে উক্তি==
*সাম্রাজ্যের ফুল, দেশের রক্ষক, বীর, যুদ্ধে দৃঢ় ও অটল।
**{{bw|আলমগীর দ্বিতীয়}}, {{bw|মুঘল সম্রাট}}, রবার্ট ক্লাইভের “এ লেটার টু দ্য প্রোপ্রাইটর্স অব দ্য ইস্ট ইন্ডিয়া স্টক, ফ্রম লর্ড ক্লাইভ”, খণ্ড I (১৭৬৪), পৃষ্ঠা ৭০-এ উল্লিখিত।
*এইভাবে লর্ড ক্লাইভ অগ্নিপরীক্ষা থেকে বেরিয়ে এসেছেন, আগের চেয়ে আরও উজ্জ্বল হয়ে। তাঁর অর্জনগুলো এখন নথিভুক্ত হয়েছে; এবং শুধু যে তা নিন্দিত হয়নি তা নয়, বরং সংসদের দ্বারা আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত হয়েছে। তাঁর দক্ষতার জন্য যে খ্যাতি তা এখন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি উচ্চতায় অবস্থান করছে।
**{{bw|এডমন্ড বার্ক}}, চার্লস ওহারা-কে (২২ মে ১৭৭৩), *The Correspondence of Edmund Burke, খণ্ড II: জুলাই ১৭৬৮–জুন ১৭৭৪*, সম্পাদক লুসি এস. সাদারল্যান্ড (১৯৫৮), পৃষ্ঠা ৪৩৫-এ উল্লিখিত।’
*সমস্ত লুটপাটের উৎস, সব ডাকাতির মূল কারণ।
**{{bw|চার্লস জেমস ফক্স}}, হাউস অব কমন্সে ভাষণ (২১ মে ১৭৭৩), *মেমোরিয়ালস অ্যান্ড করেসপনডেন্স অব চার্লস জেমস ফক্স*, খণ্ড I, সম্পাদক লর্ড জন রাসেল (১৮৫৩), পৃষ্ঠা ৯২-এ উল্লিখিত।’
[[File:LordClive.jpg|thumb|তিনি ছিলেন স্বর্গ থেকে আসা এক সেনাপতি! — উইলিয়াম পিট]]
*যুদ্ধবিদ্যায় একজন দক্ষ বিচারক হওয়া রাজা, পিটের ক্লাইভ সম্পর্কিত কথাবার্তার সঙ্গে একমত হয়েছিলেন। যখন এক তরুণ লর্ডকে জার্মানিতে গিয়ে যুদ্ধের কৌশল শেখার অনুমতি দিতে বলা হয়, তিনি বিরক্তি সহকারে বলেছিলেন, “ছিঃ! সেখানে সে কী শিখবে? যদি সত্যিই যুদ্ধবিদ্যা শিখতে চায়, তবে তাকে ক্লাইভের কাছে যেতে দাও।"
**{{bw|জর্জ দ্বিতীয়}}, বেসিল উইলিয়ামসের *The Life of William Pitt, Earl of Chatham*, খণ্ড II (১৯১৪), পৃষ্ঠা ২৪, টীকা ২-এ উল্লিখিত।’
*আমি স্বীকার করি, আমি বিস্মিত হয়েছি কীভাবে ব্যক্তিগত স্বার্থ এতবেশি মানুষকে তাদের দেশের প্রতি যে দায়িত্ব তা ভুলিয়ে দিতে পারে, এবং এমন এক সিদ্ধান্তে উপনীত করতে পারে যা লর্ড ক্লাইভের লুণ্ঠনকে সমর্থন করে। তাঁর কৃতিত্বকে আমার চেয়ে বেশি কেউ মূল্য দেয় না, কিন্তু তা কখনোই এমন কাজের প্রশংসার কারণ হতে পারে না, যা নিঃসন্দেহে সেই দেশে আমরা প্রতিদিন যে বিপুল সম্পদ তৈরি হতে দেখি তার পথ খুলে দিয়েছিল।
**{{bw|জর্জ তৃতীয়}}, {{bw|লর্ড নর্থকে}}(২১ মে ১৭৭৩), *দ্য করেসপন্ডেন্স অব কিং জর্জ দ্য থার্ড উইথ লর্ড নর্থ ফ্রম ১৭৬৮ টু ১৭৮৩*, খণ্ড I, সম্পাদক ডব্লিউ. বোডহাম ডন (১৮৬৭), পৃষ্ঠা ১৩৫-এ উল্লিখিত।
*হিংস্র ও মন্দ হলেও, তুমি এখনো যিহোবার সেবকই আছো, এবং তোমার ক্ষেত্রেও একটি স্বপ্ন তাঁর ইচ্ছার এক দূত হতে পারে।
**{{bw|হেনরি জর্জ কিন}}, “ক্লাইভস ড্রিম বিফোর দ্য ব্যাটল অব প্ল্যাসি”, *আন্ডার দ্য রোজ: পোয়েমস রিটেন চিফলি ইন ইন্ডিয়া* (১৮৬৮), পৃষ্ঠা ১৪১-এ উল্লিখিত।’
*ক্লাইভ, যার জন্ম হয়েছে প্রবল আবেগ নিয়ে এবং জীবন কেটেছে কঠিন প্রলোভনের মধ্য দিয়ে, তিনি অনেক বড় বড় ভুল করেছেন। কিন্তু তাঁর পুরো জীবনকে ন্যায্য ও গভীরভাবে বিচার করলে যে কেউ মানতে বাধ্য হবে যে, আমাদের এই দ্বীপদেশ, যা বীর ও রাষ্ট্রনায়কে ভরপুর, তা থেকে যুদ্ধক্ষেত্র বা রাষ্ট্রপরিচালনার কোনোটিতেই তাঁর চেয়ে বেশি দক্ষ মানুষ খুব কমই জন্মেছে।
**{{bw|টমাস ম্যাকলে}}, ''লর্ড ক্লাইভ, ''এডিনবরো রিভিউ'' (জানুয়ারি ১৮৪০), ''ক্রিটিকাল, হিস্টোরিকাল অ্যান্ড মিসেলেনিয়াস এসেজ: খণ্ড IV* (১৮৬০), পৃষ্ঠা ১৯৬-এ উল্লিখিত।
*দুর্গটি পরিধিতে এক মাইলেরও বেশি বিস্তৃত ছিল; দেয়ালগুলোর অনেক অংশই ভগ্নপ্রায়, টাওয়ারগুলো ছিল ঝামেলাপূর্ণ এবং জরাজীর্ণ, আর প্রতিরক্ষার জন্য প্রায় কিছুই অনুকূল ছিল না। তবুও ক্লাইভ কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম হন। শত্রু যখন দুইটি বড় ভাঙা অংশ দিয়ে, একটি পঞ্চাশ ফুট এবং অন্যটি নব্বই ফুট প্রশস্ত, দুর্গে আক্রমণের চেষ্টা করে, তখন তিনি মাত্র আশি জন ইউরোপীয় সৈন্য এবং একশো পঞ্চাশ জন যুদ্ধ-সক্ষম সিপাহি নিয়ে তাদের প্রতিহত করেন। তিনি তাঁর সীমিত সম্পদকে এমন দক্ষতার সঙ্গে কাজে লাগিয়েছিলেন এবং তাঁর সৈন্যদের মনোবলকে এমন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন যে, তারা অসাধারণ দৃঢ়তায় লড়াই করতে সক্ষম হয়েছিল।
**{{bw|জেমস মিল}}, ''দ্য হিস্ট্রি অব ব্রিটিশ ইন্ডিয়া: খণ্ড III'' (১৮৫৮), পৃষ্ঠা ৮৪-এ আর্কট অবরোধ সম্পর্কে উল্লিখিত।
*যুদ্ধে অবিচল
*{{bw|মুহাম্মদ আলী}}, মার্ক বেন্স-জোন্সের ''Clive of India'' (১৯৭৪), পৃষ্ঠা ৪৮-এ উল্লিখিত।’
*তুমি একজন অত্যন্ত মহান বীর, যিনি সবসময় শত্রুদের ওপর বিজয়ী হয়েছে… তুমি একজন সুপরিচিত অপরাজেয় মানুষ… এবং তুমি একজন সম্পূর্ণ বিচক্ষণ ব্যক্তি।
**সর্দার করাচুরি নানজারাজাইয়া উর্স, মাইসোরের রিজেন্ট, ক্লাইভকে (১৭৫২), মার্ক বেন্স-জোন্সের ''Clive of India'' (১৯৭৪), পৃষ্ঠা ৫০-এ উল্লিখিত।’
*আমরা এখন আমাদের গৌরব, সম্মান ও সুনাম সব জায়গায় হারিয়েছি—শুধু ভারত ছাড়া। ক্লাইভ—যিনি কেবল ডেস্কে বসে কাজ করার জন্য জন্মাননি—তিনি ছিলেন স্বর্গ থেকে আসা এক সেনাপতি! সত্যি বলতে, তিনি কখনো যুদ্ধবিদ্যা বা নিঃস্বার্থভাবে কাজ করার সেই কৌশল শেখেননি, যা কেবল চল্লিশ বছরের চাকরিজীবনে অর্জিত হয়! তবুও তিনি এক বিশাল সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অল্প কিছু সৈন্য নিয়ে আক্রমণ করতে ভয় পাননি। তাঁর মধ্যে ছিল এমন উদারতা, দৃঢ়তা, সংকল্প এবং দক্ষতার সঙ্গে কাজ সম্পাদনের ক্ষমতা, যা প্রুশিয়ার কোনো রাজার মনও জয় করতে পারত। আর তাঁর উপস্থিত বুদ্ধি ছিল এমনই অসাধারণ যে তা পুরো ভারতবর্ষকেই বিস্মিত করেছিল।
**{{bw|উইলিয়াম পিট}}, হাউস অব কমন্সে ভাষণ (১৪ ডিসেম্বর ১৭৫৭), বেসিল উইলিয়ামসের ''The Life of William Pitt, Earl of Chatham'', খণ্ড II (১৯১৪), পৃষ্ঠা ২৪-এ উল্লিখিত।’
*তিনি ছিলেন সাহসী এবং আপাতদৃষ্টিতে খোলামেলা, তিনি ক্ষমা চাওয়ার মতো মানুষ ছিলেন না। তাঁর মনে ছিল যেন এমন এক আত্মবিশ্বাস যে তিনি যথেষ্ট সমর্থন অর্জন করেছেন, অথবা তাঁর প্রভাব, বিচারকদের ভীরুতা কিংবা প্রতিপক্ষের দুর্বলতার কারণে তিনি সকল বিপদের ঊর্ধ্বে আছেন। তাই তিনি নির্দ্বিধায়, এমনকি মনে হয় বিচার না করেই, অন্যদের সমালোচনা করতেন। যদিও তিনি যথেষ্ট সম্পদ অর্জন করেছেন এবং যথেষ্ট আর্থিক-নিরাপদ ছিলেন, তবুও তিনি এ নিয়ে বড় গৌরব বোধ করতেন যে তিনি এর চেয়ে বেশি কিছু অর্জন করেননি; এবং এই সংযমকে তিনি নিজের গুণ বলে দাবি করতেন, যদিও সম্ভবত তা ছিল তাঁর বিচক্ষণতার ফল। তাঁর শরীরী ভাষা ছিল অত্যন্ত চমৎকার, এবং যখন তাঁর ভাষা অমার্জিত ছিল, তখনও তা তুচ্ছ তুচ্ছ করা যেত না। তাঁর শত্রুদের এবং এমনকি বিচারকদের প্রতি তাঁর অবজ্ঞা কখনো কখনো প্রকাশ পেত, তবে তা তাঁকে আরও ভয়ঙ্কর করে তুলত। আর যখন মন্ত্রীরা ও সংসদ তাঁর সামনে নত হয়ে পড়ত, তখন তিনি একজন সত্যিকারের মহান মানুষ হিসেবে উজ্জ্বল হয়ে উঠতেন, এত মহান যে অনেক বড় কাজ করেছেন, এবং যে হয়তো আরও অনেক বা আরও খারাপ অপরাধ করতে পারতেন, কিন্তু তা করেননি, যদিও দেখা যায় তিনি শাস্তির ভয় ছাড়াই আরও বেশি দোষী হতে পারতেন।
**{{bw|হোরেস ওয়ালপোল}}, ক্লাইভের ১৭৭৩ সালের মে মাসে ইন্ডিয়া বিষয়ক সিলেক্ট কমিটিতে দেওয়া ভাষণ সম্পর্কে, হোরেস ওয়ালপোলের ''জার্নাল অব দ্য রেইন অব কিং জর্জ দ্য থার্ড, ফ্রম দ্য ইয়ার ১৭৭১ টু ১৭৮৩'', খণ্ড I, সম্পাদক জে. ডোরান (১৮৫৯), পৃষ্ঠা ২০৫–২০৬-এ উল্লিখিত।’
*ক্লাইভ সম্পর্কে আমার যা ভালো লাগে<br> তা হলো—তিনি আর বেঁচে নেই।<br>মৃত থাকা নিয়ে বলার মতো <br>অনেক কিছুই আছে।
**{{bw|এডমন্ড ক্লেরিহিউ বেন্টলি}},''লর্ড ক্লাইভ'', ''বায়োগ্রাফি ফর বিগিনার্স* (১৯০৫)-এ উল্লিখিত।''
== আরও দেখুন ==
* [[জন বারডিন]]
*[[পার্ল এস. বাক]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
grrzaxaice1vdru9fqjv0v90mq7e83v
আলাপ:রবার্ট ক্লাইভ
1
12325
75639
2026-04-11T08:57:26Z
Asad.fr
4459
https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026
75639
wikitext
text/x-wiki
{{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}}
s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm
আলাপ:নাগিব মাহফুজ
1
12326
75641
2026-04-11T09:17:41Z
Firuz Ahmmed
2720
https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026
75641
wikitext
text/x-wiki
{{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}}
s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm
শিরিন এবাদি
0
12327
75642
2026-04-11T09:27:44Z
Firuz Ahmmed
2720
নতুন
75642
wikitext
text/x-wiki
[[File:Shirin Ebadi 01.jpg|thumb|২০১৭ সালে শিরিন এবাদি]]
'''[[w:শিরিন এবাদি|শিরিন এবাদি]]''' (জন্ম ২১ জুন, ১৯৪৭) একজন ইরানি আইনজীবী এবং মানবাধিকার কর্মী। ২০০৩ সালের ১০ই ডিসেম্বর এবাদি নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হন এবং এই পুরস্কার লাভকারী প্রথম ইরানি ও প্রথম মুসলিম নারী হিসেবে ইতিহাস গড়েন।
== উক্তি ==
* ইরানে মানবাধিকারের জন্য সংগ্রামকারী যেকোনো ব্যক্তিকে জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত ভয়ের মধ্যে বাঁচতে হয়, কিন্তু আমি আমার ভয়কে জয় করতে শিখেছি।
** ১৯৯৯ সালের সাক্ষাৎকার থেকে।
** [http://news.bbc.co.uk/2/hi/middle_east/3181992.stm অক্টোবর ২০০৩-এ বিবিসি নিউজ-এ প্রকাশিত এবাদির সংক্ষিপ্ত পরিচিতিতে উল্লিখিত।] (সংগৃহীত: ১৫ অক্টোবর ২০০৮)
doa87c4oyt83yp14rw8i8kb0i01i9ot
ব্যবহারকারী:সানজার আল ইসলাম
2
12328
75654
2026-04-11T09:56:26Z
সানজার আল ইসলাম
4902
কিছু কথা
75654
wikitext
text/x-wiki
জ্বি, আলহামদুলিল্লাহ! আমি একটি পাতা তৈরি করেছি। আমি একজন আধ্যাত্মিক চর্চার মানুষ, মাঝে মধ্যে কিছু গভীর চিন্তা ভাবনা করি। সেই থেকে এগুলো লিখা। আমারা আরে উক্তি রয়েছে এগুলো লিখলে এখানে বেশি হয়ে যাবে কি জানি না। আমি আসলে এখানে নতুন, ভুল হলে ক্ষমাসুন্দর চোখে দেখবেন।
trhy60ktfu9xcjuj0sw5nv70j09vpx8
ব্যবহারকারী আলাপ:Bayejid-wiki
3
12329
75668
2026-04-11T10:13:04Z
অভ্যর্থনা কমিটি বট
1112
উইকিউক্তিতে স্বাগত!
75668
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Bayejid-wiki,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]]
</div>
১০:১৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
3fnqze3v6d3qfrtlumfl3fa51rmpmiw
ব্যবহারকারী আলাপ:সানজার আল ইসলাম
3
12330
75669
2026-04-11T10:13:13Z
অভ্যর্থনা কমিটি বট
1112
উইকিউক্তিতে স্বাগত!
75669
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় সানজার আল ইসলাম,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]]
</div>
১০:১৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
57pzxdrt1sywzt92wgc55kgyss7cbe0
ব্যবহারকারী আলাপ:Ahnaf Mosaddek
3
12332
75679
2026-04-11T11:13:04Z
অভ্যর্থনা কমিটি বট
1112
উইকিউক্তিতে স্বাগত!
75679
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Ahnaf Mosaddek,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]]
</div>
১১:১৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
31gmp1z0amkjo3o497pirdr68n1j1nx
আজিজুল হক (শায়খুল হাদিস)
0
12333
75693
2026-04-11T11:56:31Z
Md. Rayan Alam Rifat
1306
"আজিজুল হক (শাইখুল হাদিস হিসেবে সমধিক পরিচিত) ছিলেন একজন বাংলাদেশি ইসলামপন্থী রাজনীতিবিদ এবং দেওবন্দী ধারার ইসলামি পণ্ডিত। তিনিই বিশ্বের মধ্যে প্রথম বাংলা ভাষায় সহিহ..." দিয়ে পাতা তৈরি
75693
wikitext
text/x-wiki
আজিজুল হক (শাইখুল হাদিস হিসেবে সমধিক পরিচিত) ছিলেন একজন বাংলাদেশি ইসলামপন্থী রাজনীতিবিদ এবং দেওবন্দী ধারার ইসলামি পণ্ডিত। তিনিই বিশ্বের মধ্যে প্রথম বাংলা ভাষায় সহিহ আল বুখারি অনুবাদ করেন। ধারণা করা হয়, তিনি ছিলেন বিংশ শতাব্দীর শেষার্ধে বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব।
dll1qpplvyb13ziq2rnpcxwwhj9wtco
75694
75693
2026-04-11T11:56:49Z
Md. Rayan Alam Rifat
1306
75694
wikitext
text/x-wiki
'''আজিজুল হক''' (শাইখুল হাদিস হিসেবে সমধিক পরিচিত) ছিলেন একজন বাংলাদেশি ইসলামপন্থী রাজনীতিবিদ এবং দেওবন্দী ধারার ইসলামি পণ্ডিত। তিনিই বিশ্বের মধ্যে প্রথম বাংলা ভাষায় সহিহ আল বুখারি অনুবাদ করেন। ধারণা করা হয়, তিনি ছিলেন বিংশ শতাব্দীর শেষার্ধে বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব।
m8mvsebx90ixmr84p1zyaqa5s4g0zqu